text
stringlengths
49
383k
id
stringlengths
32
32
source
stringclasses
10 values
token_count
int64
51
137k
subset
stringclasses
10 values
edu_score
float64
0.6
4.74
edu_int_score
int64
1
5
toxic_score
float64
0.72
3.5
toxic_int_score
int64
1
3
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৩ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পালন করা প্লাটুন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ারের বাবা। মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার জানান, মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বাদ জোহর তারাইল শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে বাবার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। শোক বার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। news24bd.tv/আলী
3a7efaed52bb92c9f8fb97c44357474f
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
141
fineweb_2_bn
1.904102
2
0.978771
1
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াই শেষে জয়ের হাসি হেসেছে টাইগাররা। ১৫৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে আফগানিস্তানকে সিলেটে ২ উইকেটে হারিয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। শেষ ওভারে পেসার করিম জানাতের হ্যাটট্রিকে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল আফগানিস্তান। তবে, শেষমেশ স্নায়ুচাপ ধরে রেখে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন হৃদয়-শরিফুলরা। ওয়ানডে সিরিজের দাপুটে পারফরম্যান্সের পর টি-টোয়েন্টিতে এমন শুরু কিছুতেই মানতে পারছেন না আফগানিস্তানের অধিনায়ক রশিদ খান। শুক্রবার (১৪ জুলাই) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এসে হারের কারণ জানিয়ে রশিদ বলেন, ‘মাঠ ভেজা থাকায় আমাদের পিছিয়ে পড়তে হয়েছে। তাতে আমাদের শক্তি প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গেছে। তারপরও আমরা ভালো বোলিং করেছি। আফগান অধিনায়ক আরও যোগ করেন, ‘আমাদের আরও ২০ থেকে ২৫ রান বেশি হলে ভালো হতো। প্রথম সারির ব্যাটসম্যানরা একটু সাবধান হলে সেটি সম্ভব ছিল। যদিও মনে হয়েছিল এই রান যথেষ্ট। তবে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোনো সময়ে ম্যাচ বের হয়ে যেতে পারে। নবি দায়িত্ব নিয়ে খেলা চালিয়ে গেছে এবং খেলাটিকে জমিয়ে তুলেছে। তার হাফ সেঞ্চুরি অসাধারণ ছিল। এভাবেই সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। ’ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামীকাল রোববার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায়। news24bd.tv/কামরুল
a300a5837f360e0b7959522e39bbc864
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
239
fineweb_2_bn
1.682784
2
0.991767
1
দীর্ঘ ফিল্মি কেরিয়ারে ৫১টি বসন্ত পার করে ফেলেছেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এই লম্বা যাত্রাপথে কম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়নি তাকে। এবার তার সামনে এক নতুন চ্যালেঞ্জ। সে চ্যালেঞ্জ আবার ডিজিটালে। আমাজন প্রাইমে আগামী ১২ জুন মুক্তি পেতে চলেছে বিগ-বি ও আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত এবং সুজিত সরকার পরিচালিত ছবি ‘গুলাবো সিতাবো’। ভারতে লকডাউন ঘোষণার আগেই ঠিক ছিল, এপ্রিল মাসে মুক্তি পাবে এই ছবি। কিন্তু হঠাৎই সব সমীকরণ ওলটপালট হয়ে যায়। মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকেই তালা ঝুলতে থাকে সিনেমা হলগুলোতে। দরজা বন্ধ হয়ে যায় মাল্টিপ্লেস্কগুলোরও। প্রচুর সংখ্যক ছবি মুক্তি একের পর এক পিছিয়ে যেতে থাকে। প্রযোজক থেকে পরিচালক পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার আশায় দিন গুণতে থাকেন। কিন্তু সে গুড়ে বালি! সংক্রমণ কমার তো প্রশ্নই নেই উল্টো দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের মৃত্যু সংখ্যা। কিন্তু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বসে থাকবে আর কতদিন? দিন কয়েক আগেই ডিজিটালি ছবি মুক্তির কথা ভাবতে শুরু করে বলিউড। অবশেষে খুব শিগগির সেই ভাবনা বাস্তবায়িত হতে চলেছে।অনলাইনে মুক্তি পাচ্ছে অমিতাভ বচ্চনের ‘গুলাবো সিতাবো’। কমেডি ড্রামা্র এই ছবিতে অমিতাভ একজন বয়স্ক বাড়িওয়ালা। তার চরিত্রের নাম গুলাবো। অন্যদিকে আয়ুষ্মান হচ্ছে গুলাবোর ভাড়াটিয়া। ছবিতে তার নাম সিতাবো। বাড়িওয়ালা আর ভাড়াটিয়ার গল্প নিয়েই এই ছবি। ‘গুলাবো সিতাবো’ কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা নিয়ে বেশ উৎসাহী বিগ-বি নিজেই। টুইটারে মুক্তির দিনক্ষণ শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘৫১ বছর ধরে কাজ করছি। অনেক পরিবর্তন এবং চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। আবারও একটি চ্যালেঞ্জ। ২০০টির বেশি দেশে আমার ছবি ‘গুলাবো সিতাবো’ ডিজিটালি মুক্তি পেতে চলেছে। এই রকম একটি চ্যালেঞ্জের অংশীদার হতে পেরে আমি গর্বিত।’
c80db9bd7235312254017c516b41ab8d
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
335
fineweb_2_bn
1.951517
2
1.014538
1
মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি: নরসিংদীর মনোহরদীতে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার মনোহরদী বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন গরু বাজার মাঠে আলোকিত মানুষ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোকিত মানুষ ফাউন্ডেশনের নরসিংদী জেলা সভাপতি আ. সালাম সরকারের সভাপতিত্ব প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আলোকিত মানুষ ফাউন্ডেশন”এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয়কমিটির অন্যতম সদস্য নাজমিন সুলতানা তুলি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাজমিন সুলতানা তুলি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে বৈশ্বিক তাপদাহ, যার কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা দুষছেন মানুষের সৃষ্ট বিপর্যয়কে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ অপরিহার্য। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলার কার্যকর পরিকল্পনা নিতে হলে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। বৃক্ষনিধন, প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট থেকে বিরত থাকতে হবে। কৃষি জমিতে রাসায়নিক সার, কীটনাশক ব্যবহার কমাতে হবে। নদীনালা-খালবিলে শিল্প ও পয়োবর্জ্য ফেলা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে। শিল্পকারখানায় উৎপাদিত বর্জ্যগুলোকে উৎপাদনশীল উপকরণে পরিণত করতে হবে। পরিকল্পিত নগরায়ন করতে হবে। দেশের সর্বত্র বেশি করে বনজ, ফলজ বৃক্ষরাজি সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত সমবায় কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক মো. মোস্তফা খান, জাতীয় ছাত্র সমাজ নরসিংদীর সদস্য সচিব মো. মাহবুব আলম, নরসিংদী সরকারি কলেজ শাখার আহবায়ক মো.সাজ্জাদ হোসেন সায়েম প্রমুখ
33a9618a56c11721626751b46d2fab37
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
280
fineweb_2_bn
2.952456
3
1.0013
1
সিসিকের নব নির্বাচিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের জন্য পরিকল্পনার মাধ্যমে কাজ শুরুর পরামর্শ দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সিসিক এলাকার উন্নয়নে সরকারের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রোববার (২৫ জুন) দুপুর ১২টায় তিনি সস্ত্রীক গণভবনে পৌঁছান। পরে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তাকে এই পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেটবাসীর সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। তারা যেমন জাতির জনককে ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন, তেমনি আমাকেও ভালোবাসেন। ভালোবাসেন নৌকাকে। তাদের ভালোবাসার সর্বোচ্চ প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। মেয়র বা নগর পিতা নয়, কাজ করতে হবে তাদের সেবক হিসেবে। সাক্ষাৎকালে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে সিলেটবাসীর সালাম জানিয়ে বলেছেন, আপনি আমার ওপর আস্তা রেখে সিলেট নগরবাসীর সেবক হতে নৌকার মনোনয়ন দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। সিলেটবাসী আপনাকে, আওয়ামী লীগকে ও নৌকাকে ভালোবাসে বলেই আমাকে ভোট দিয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী করেছেন। তারা আপনার জন্য সবসময় দোয়া করেন এবং সিলেটের উন্নয়ন জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চেয়েছেন। এ সময় আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী হলি চৌধুরী ও তার দুই ছেলে রুহানুজ্জামান চৌধুরী ও রুম্মানুজ্জামান চৌধুরী। উল্লেখ্য, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর রাজনীতি শুরু ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসাবে। এরপর তিনি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারপর শুরু করেন আওয়ামী লীগের রাজনীতি। তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০১৩ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের পর এই নগরীর মেয়রের আসনটি পুনরুদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকেই নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেন। এরপর দীর্ঘ প্রচারণা শেষে গত ২১ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুলকে প্রায় ৬৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।
a512a14526ecaaf6330efc82b5fdb766
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
329
fineweb_2_bn
1.847059
2
0.986947
1
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠকবৃন্দ সবাই কেমন আছেন?বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি ২০২২। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। প্রিয় চাকরিপ্রত্যাশী বন্ধুরা আজকে আমরা আলোচনা করব বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ ভাইভা পরীক্ষা । হ্যাঁ বন্ধুরা যারা বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন আজকে আমাদের এই পোস্টে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি । আর মাত্র একটি ধাপ পেরোলেই আপনারা আপনাদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্যে পৌঁছাতে পারবেন ইনশাল্লাহ । তো চলুন বন্ধুরা কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের এই মূল্যবান পোষ্টটি । আশা করি সাথেই থাকবেন । বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচি ২০২২ বাংলাদেশ রেলওয়ে অধিদপ্তর বিভিন্ন পোস্টে শূন্যপদেজনবল নিয়োগের নিমিত্তে প্রতিবছর নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে । যা প্রথমে পর্যায়ে জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় এবং তার ফলশ্রুতিতে চাকরি প্রত্যাশীরা চাকুরীতে নিয়োগ নিয়োগ পাওয়ার জন্য আবেদন করেন । তারপর তাদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় । সকলে অবগত আছেন যে বাংলাদেশ রেলওয়ে অধিদপ্তরে লিখিত এমসিকিউ পরীক্ষাটি ১৭-০৬-২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত হয় । যে সকল প্রার্থীরা উক্ত লিখিত পরীক্ষায় পাস করেন তাদের পরবর্তী ধাপ মৌখিক পরীক্ষা ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ জানা খুবই প্রয়োজনীয়, তাই যারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এই আর্টিকেলটি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । রেলওয়ে অধিদপ্তরে নিয়োগ ভাইভা পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ ২০২২ লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাথেই বাংলাদেশ রেলওয়ে অধিদপ্তর নিয়োগ ভাইভা পরীক্ষার তারিখ ও সময়সূচিও প্রকাশ করা হবে । যাদের মনে অনেক প্রশ্ন ছিল কবে, কোথায়, কখন পরীক্ষাটি ভাইবা পরীক্ষা টি অনুষ্ঠিত হবে। আজকের এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। রেলওয়ে দপ্তর তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট www.raiway.gov.bd তে ভাইভা পরীক্ষার সকল তথ্য প্রকাশ করা হবে, সেই সাথে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল পরীক্ষার্থীর মোবাইলে এসএমএস করেও জানিয়ে দেয়া হবে । আপনি সহজেই আমাদের দেয়া ওয়েবসাইট এবং এসএমএস চেক করেও আপনার পরীক্ষার তারিখ সহজে জানতে পারবেন । এখানে দেখুন, বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ২০২২ শেষ কথা আপনাদের মৌখিক পরীক্ষাটি লিখিত পরীক্ষার মতই সুন্দর হোক এবং আপনি বাংলাদেশ রেলওয়ে অধিদপ্তরের একজন সদস্য হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করুন এই প্রত্যাশায় কাম্য । এতক্ষণ কষ্ট করে আমাদের সাথে থাকার জন্য আন্তরিকভাবে শুভকামনা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি । এভাবে আমাদের সাথে থেকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিবেন । আজ এই পর্যন্তই পরের কোন মূল্যবান টপিক আপনাদের সাথে শেয়ার করব । আল্লাহ হাফেজ।
d9e1ba2b93628076b0c00de9bb53ad4f
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
412
fineweb_2_bn
1.692226
2
0.980834
1
ঢাকা ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আশ্বিন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৫ হিজরি প্রকাশিত: ১০:০০ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৩, ২০২০ বরিশাল জেলা প্রশাসনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ২৩ এপ্রিল সকাল থেকে নগরীর সদররোড, কাঠপট্টি রোড, পদ্মাবতী রোড, বিসিক শিল্প এলাকা ও স্টেডিয়াম এলাকায় জনসমাগম, বাজার মনিটরিং ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এস, এম, অজিয়র রহমানের নির্দেশনায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব প্রদান করেন বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ নাজমূল হুদা । করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি এ সময় বিভিন্ন টি-স্টল, মুদি দোকান ও এলাকার মোড়ে মোড়ে যেখানেই জনসমাগম দেখা গেছে তা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং নিরাপদ দূরত্বে চলা ও নিয়ম মেনে মাক্স পরার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি সবাইকে যৌক্তিক প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে আসতে নিষেধ করা হয় এবং এ আদেশ অমান্যাকরীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমূল হুদা। অভিযান পরিচালনাকালে নগরীর কাঠপট্টি এলাকার লকডাউন অমান্য করে বিনা প্রয়োজনে দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করায় সোহরাব হোসেন কে ৪০০০ টাকা ও রহমান কে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।নগরীর পদ্মাবতী এলাকায় লকডাউন অমান্য করে বিনা প্রয়োজনে দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করায় হারুন কে ১৫০০০ টাকা, মাজহারুল কে ১০০০০ টাকা ও আলমগীর কে ২০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।বিসিক শিল্প এলাকায় মাহাদী এন্টারপ্রাইজ উৎপাদনের নামে জায়গা বরাদ্দ নিয়ে গোডাউন গড়ে তোলে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ব্যাপক জনসমাগম করায় উক্ত প্রতিষ্ঠান কে ৫০০০০ টাকা জরিমানা ও সিলগালা করা হয়। সুমা এন্টারপ্রাইজ কে অনুরূপ অপরাধের কারণে ৫০০০০ টাকা জরিমানা ও সিলগালা করা হয়। জুয়েল নামে ব্যক্তিকে মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করায় ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি স্পটে টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়। অভিযানের পাশাপাশি সচেতনামূলক কার্যক্রম হিসেবে বেশ কয়েকটি স্থলে মাস্ক বিতরণ করা হয়। এছাড়াও বিনা প্রয়োজনে বাইরে ঘুরাঘুরি না করার জন্য ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার জন্য প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এবং এলাকার গলিতে গলিতে সচেতনামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। যারা আইন অমান্য করে বাইরে ঘুরাঘুরি ও আড্ডায় মগ্ন থাকবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন লোকজনের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমূল হুদা । আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন র্যাব ৮ এর এএসপি জনাব ইফতেখারুজ্জামান সহ একটি টিম। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমূল হুদা জানান, জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।।
5c944f9bc44f1b3605d0f5249c57883a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
462
fineweb_2_bn
2.566999
3
1.036661
1
বাউল নাকি শুধু গান নয়, একটা বিশ্বাস। একটা চেতনা। এক প্রকার জীবনযাপন, দেহ সাধনা। বহমান বাউল জগতের সঙ্গীতধারার জাঁকজমক, চমক আজ যতই আসর মাতাক মরমী শ্রোতাকে এখনও টানে বাউল গানের উদাসী ভাব, না পাওয়ার বেদনার সুর। লিখছেন গোপা চট্টোপাধ্যায়। ‘তারে ধরতে পারলে মনবেড়ি দিতাম পাখির পায় — ’ ভেসে আসছে গান। সঙ্গে একতারার সুর। বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ধরে আমি কলকাতা অভিমুখে। না শীত, না গরমের মন কেমনের বাতাস আর তাতে এমন সুর, ছন্দ, ব্যঞ্জনা সব যেন নিয়ে যাচ্ছে আমায় অচিনপুরে। এ গান আগেও বহুবার শোনা। বিশেষত, যখন বাড়িতে বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম ছিল রেডিও, তখন ঠাকুমার সেই রেডিও সঙ্গীর মাধ্যমে শুনেছি অনেকবার। তখন ‘খাঁচা’ বলতে একটি ছোট খাঁচা আর ‘অচিন পাখি’ শব্দে পোষ মানানো একটি পাখির ছবিই মনে ভেসে উঠত। সেও বেশ লাগত ভাবতে। বাকি বেশিরভাগেরই অর্থ বুঝতাম না। শুধু ভাললাগাটুকু রয়ে যেত। বুঝি কী আজও! শুধু শুনি। প্রকৃতির সকল গোপন শক্তির সঙ্গে শরীরের গোপন শক্তির সংযোগ নিয়েই দেহতত্ত্বের সাধনা। প্রত্যেক মানুষের গভীরে যে পরম সুন্দর ঈশ্বরের উপস্থিতি সেই সুন্দরকেই সে উপলব্ধি করতে চায়। মানবদেহের পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই মিলবে সেই সুন্দরের দর্শন, মহাসুখ। আর সে সুখের সন্ধান দিতে পারেন একমাত্র গুরু। তাই বাউলের পথপ্রদর্শক গুরু, সাধনসঙ্গী নারী, ভিক্ষা করেই জীবনধারণ। আর জীবন জুড়ে মনের মানুষের অন্বেষণ। তবে বাউল গানের ব্যাপক বিস্তার ঘটে মূলত লালন সাঁইয়ের গানের মাধ্যমে। তিনিই এক সময়ের ব্রাত্যজনের সাধন সঙ্গীতকে শিষ্ট সমাজের গ্রহণযোগ্য করে তোলেন। বাউল সাধনায় গুরু-শিষ্য পরম্পরায় তাঁর গানের চেতনায় আজও তরুণ সমাজ উদ্বুদ্ধ হয়। লালনগীতির প্রবক্তাদের মধ্যে তিনি স্বয়ং ছাড়াও ছিলেন পাঞ্জু শাহ, সিরাজ শাহ, দুদ্দু শাহ প্রধান। গ্রামাঞ্চলে এ গান পরিচিত ‘ভাবগান’, ‘শব্দ গান’ বা ‘ধুয়া গান’ নামেও। গ্রামীণ মানুষের এ গানকে বিশ্বের মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার কাজটি করেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। তিনি তাঁর নিজের গানেও ভারতীয় রাগসঙ্গীত, পাশ্চাত্য সঙ্গীতের সঙ্গেই আনুপাতিকহারে মিশিয়েছেন ভারতীয় লোকগান ও দেশজ কীর্তন। বাউলের সত্যের অনুভব তাঁকে উৎসুক করে তুলেছিল তাঁদের সৃষ্টির প্রতি। এ লোকায়ত সুরের কাছে তাঁর ঋণের কথা স্বীকার করেছেন অকপটে। বাউল আর শান্তিনিকেতনের এক সুদীর্ঘ যুগলবন্দী, আর তার সূচনাও রবীন্দ্রনাথ থেকেই। নবনী দাস বাউল মাঝে মাঝেই আসতেন গুরুদেবকে গান শোনাতে। পৌষমেলাকে গ্রামীণ সংস্কৃতির উজ্জীবন হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাউলদের প্রাধান্য ছিল অনেক বেশি। এ কথা সনাতন দাস বাউলের মতো খ্যাতিমান প্রবীনতম শিল্পীও স্বীকার করেছেন। বাঁকুড়ার খয়েরবুনি গ্রাম থেকে প্রথমে শান্তিনিকেতন, সেখান থেকে কলকাতার শ্রোতৃবৃন্দের সমাদর ও অবশেষে লন্ডনের খ্যাতিযশ। উত্তরণের এই সফরে এক গ্রামীণ শিল্পী পৌঁছে যান বিশ্বপরিচিতির আলোকিত বৃত্তে। ভূমিহীন সম্প্রদায় একসময় সারাদিন ঘুরে ঘুরে গান গেয়ে যা উপার্জন করত তা দিয়ে জীবনধারণ করত। কিন্তু আজকের চিত্রটা অন্য। জীবিকা হিসেবে বাউল বেছে নিয়েছে গানকে। রেডিও, টেলিভিশন অন্যান্য বিনোদন জগত, বিদেশের হাতছানি এসবও প্রভাবিত করছে আজকের বাউলকে, বাউল গানকে। মূলত একতারা বা দোতারা বাজিয়ে ভাবের গান গায় যে বাউল তার গানে খমক, ডুগডুগি, ঢোল, খোল, করতাল, মঞ্জিরা, ঘুঙুরেরও শব্দ শোনা যায়। তবে আজকের শ্রোতার মনোরঞ্জনে বাউলের গায়কীতেও এসেছে একটা চাকচিক্যময় চমক। এতকাল গ্রামের শ্রোতাদের মন ভরানো বাউলকে বুঝতে হচ্ছে নাগরিক শ্রোতার রুচিবোধ। আগে পোষাকেও তেমন চাকচিক্য ছিল না। নানা রঙের কাপড় জুড়ে দরিদ্র সাধক যে লম্বা তালিমারা আলখাল্লা পরতেন তাকে বলা হত গুধরি। তারই বর্তমান সংস্করণে আছে সচেতন চমক আর বর্ণময়তা। বাউল নারীর পোষাক অবশ্য চিরকাল শাড়িই। এ গান ছড়িয়ে রয়েছে কাঁটাতারের বেড়াভেদে দুই বাংলায়। এ পারে বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান জেলায় যথেষ্ট সংখ্যায় বাউলের দর্শন মিললেও ‘বীরভূমের বাউল’ শব্দবন্ধটি বহুল প্রচলিত। এর কারণ হয়তো একদিকে জয়দেব-কেন্দুলির মেলা অন্যদিকে শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা। আর একটি কারণ হতে পারে নবনী দাস ও তাঁর প্রখ্যাত পুত্র পূর্ণদাস। জয়দেবের মেলা বাউল সাধক ও গায়ক সম্প্রদায়ের এক বৃহৎ পরিসরের মেলা, যেখানে শহুরে মধ্যবিত্তরা এসে বাউলের ভাবের গানে কাটিয়ে নেন তাদের নাগরিক জীবনের একঘেয়েমি। তত্ত্বভিত্তিক গান হলেও এ গানের সুর, ছন্দ, অর্থ ও ব্যঞ্জনায় শুধু রস বিস্তারই নেই, আছে এক অন্য আবেদনও। বুদ্ধিজীবি শ্রমজীবী সকলের কাছেই বাউল গান আজ তাই গ্রহণীয় আর তার সৃষ্টির ধারাও চলমান। গ্রাম বাংলায় এ গান লিখছেন অনেকে। শহরের মানুষও বাউলের ভাবে ভাবিত হয়ে রচনা করেছেন। সমৃদ্ধ হচ্ছে বাউল জগৎ। বহমান এই বাউল জগতের সঙ্গীতধারার জাঁকজমক, চমক যতই আসর মাতাক মরমী শ্রোতাকে আজও টানে বাউল গানের উদাসী ভাব, না পাওয়ার বেদনার সুর। (লেখক লাভপুর সত্যনারায়ণ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। মতামত ব্যক্তিগত)
9065e0e4e2bc98740d25af390a52347e
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
962
fineweb_2_bn
3.827944
4
0.98886
1
বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়ার কাগাশুরায় স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা বেগমের ছোট ভাই রাসেল মুন্সী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। পূর্ব বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার রাতে এ হামলা হয়েছে। এ বিষয়ে মহানগরের কাউনিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন নির্যাতনের শিকার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তাকে রাসেল ও তার সহযোগীরা কাগাশুরা বাজারে নিয়ে বেদম মারধর করেন। এ সময় তার কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। খলিল বলেন, ঘটনার পর দিন কাউনিয়া থানায় অভিযোগ দিতে গেলে ওসি প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে কাগাশুরা বাজারে রাস্তার ওপর একা থাকাবস্থায় তাকে মারধরের কথা লিখতে বাধ্য করেন। মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে রাসেল মুন্সী বলেন, কথা বলার জন্য খলিলকে ডেকে আনা হয়েছিল। এর বেশি কোনো ঘটনা ঘটেনি।কাউনিয়া থানার ওসি মো. আজিমুল করিম বলেন, বাদী নিজে অভিযোগ লিখেছেন। পুলিশ সে অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করেছে। ওসি নিজে কাউকে অভিযোগ লিখে দেননি বা বাদীকে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতেও বলা হয়নি।
b437bcf367c929aa01d295c97fcb7fc2
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
203
fineweb_2_bn
1.017463
1
2.883224
3
নিউজ24আওয়ার ডেস্কঃ ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী দিমিত্রি কুলেবা মঙ্গলবার বলেছেন, রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করায় ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির কাছে একটি প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন তিনি। খবর রয়টার্সের। কুলেবা একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ইউক্রেনে যে ধ্বংসজজ্ঞ চালানো হয়েছে তার জন্য ইরান পুরোপুরি দায়ী। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইসরাইলের কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়ে জরুরিভিত্তিতে চিঠি পাঠাবেন তিনি। এর আগে সোমবার ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানান ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন রাজধানী কিয়েভে ড্রোন হামলা চালায় রুশ সেনারা। বলা হয় ইরানের তৈরি শহিদ-১৩৬ ড্রোন ব্যবহার করে এ হামলা চালানো হয়েছে। এরপরই ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানান ইউক্রেনের মন্ত্রী। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র কাউন্সিলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে একটি টুইট করেন দিমিত্রো কুলেবা। টুইটে তিনি লিখেন, আমি খুব সম্ভবত প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে বোমা আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ইইউর পররাষ্ট্র কাউন্সিলে কথা বলছি, কারণ এয়ার রেইড সাইরেন বাজছে। আরও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং অস্ত্রের অনুরোধ জানিয়েছি। রাশিয়াকে ড্রোন দেওয়ায় ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা বলেছি। রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার নবম প্যাকেজ অবশ্যই শক্তিশালী হতে হবে। সূত্র: রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান
6f7768c71eb9274c5918afd3095f87c5
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
228
fineweb_2_bn
1.626249
2
1.020487
1
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে জবি ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২৩ ১৭:৩৫ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগ। বুধবার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজী এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের প্রায় ৩ শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরে দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে সমাবেশ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজী বলেন, 'আজকের দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশে আসেন তখন বিমানবন্দরে নেমেই বলেছিলেন সব হারিয়ে এই আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। এই আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করবো। আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকার পরে বাংলাদেশের যে অবাধ উন্নয়ন হয়েছে বাংলাদেশ কিন্তু তার সৃষ্টির পর শ্রেষ্ঠ ১৪ বছর সময় পার করছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্ব নেতৃত্বে পরিণত হয়েছে তার নেতৃত্বের কারণে। দেশের সকল মেগা প্রজেক্ট আর দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে আজ স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়েছে।’ এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, 'দীর্ঘ ৪২ বছরের রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের অবসান, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বাঙালির ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর খুনি ও একাত্তরের নরঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন এবং রায় কার্যকর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করতো সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুঁড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।' এসময় তিনি আরও বলেন, 'রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সততা, মেধা, দক্ষতা ও গুণাবলিতে সমসাময়িক বিশ্বের অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। আপন কর্ম মহিমায় হয়ে উঠেছেন-নব পর্যায়ের বাংলাদেশের নতুন ইতিহাসের নির্মাতা; হিমাদ্রী শিখর সফলতার মূর্ত-স্মারক, উন্নয়নের কান্ডারি। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্ন-সারথি। বিশ্ব রাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রভা-আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পিছিয়ে পড়া দেশ-জাতি জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবে বিশ্বনন্দিত নেতা। বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা ‘নীলকণ্ঠ পাখি’ মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। তিমির হননের অভিযাত্রী মানবতার মা, আত্মশক্তি-সমৃদ্ধ সত্য-সাধক। প্রগতি-উন্নয়ন শান্তি ও সমৃদ্ধির সুনির্মল-মোহনা।' উল্লেখ্য, ৪২ বছর আগে আজকের এই দিনে দেশে ফেরেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ প্রবাসজীবন কাটিয়ে তার দেশে ফেরার এই দিনটিতে (১৯৮১ সালের ১৭ মে) লাখো মানুষ তাকে স্বাগত জানান। এর পর থেকে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনটিকে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনগুলো।
0d7b81c403dc9e2e31e7a494988e341e
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
613
fineweb_2_bn
2.571949
3
1.01205
1
৫ বছরে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন সর্বোত্তম নাসিক নির্বাচন গত পাঁচ বছরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সর্বোত্তম বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। রোববার (১৬ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা জানান এই নির্বাচন কমিশনার। শেষ ভালো যার সব ভালো তার- জানিয়ে মাহবুব তালুকদার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন আমাদের কার্যকালে সর্বশেষ সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এটি ছিল আমার অনেক প্রত্যাশার স্থান। কারণ, আমি ইতোপূর্বে বলেছি যার শেষ ভালো, তার সব ভালো। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আমি ৪টি কেন্দ্রের ১৪টি বুথ পরিদর্শন করেছি। এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য কোনো সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। বিগত ৫ বছরে যতগুলো সিটি করপোরেশন নির্বাচন হয়েছে আমার বিবেচনায় আমাদের প্রথম কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সর্বোত্তম। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই। মাহবুব তালুকদার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সম্পর্কে আমি কিছুটা বিস্মিত। একজন মাননীয় সংসদ সদস্য আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালিয়েছেন। কিন্তু আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাকে কোনো চিঠি পর্যন্ত দেয়া হয়নি। বরং বলা হয়েছে, তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেননি। আচরণবিধি ভঙ্গ করলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ কিংবা শান্তিহীন অপরাধের বিভাজন কোথায় আছে? তাহলে অন্যান্য মাননীয় সংসদ সদস্যদের আচরণবিধি সঙ্ঘনের দায়ে চিঠি দেয়া হলো কেন? এসব নির্বাচনে নিরপেক্ষতার লক্ষণ নয়। তিনি বলেন, পত্রিকামতে নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন কারণে কিছু সংখ্যক মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেও এ সম্পর্কে কোনো সংখ্যা জানা যায়নি। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এসব বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। এমনকি অন্যান্য নির্বাচনকালে সহিংসতায় নিহতদের কোনো তথ্য নেই। আমরা এক সময়ে তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট, বিশেষত পোলিং এজেন্টদের গ্রেফতার করতে বারণ করেছি। তবে ফৌজদারি মামলা বা তাৎক্ষণিক আমলযোগ্য অপরাধ হলে ভিন্ন কথা। আমি নিজে সবসময় গায়েবি মামলার বিরোধীতা করেছি। নির্বাচনকালে গায়েবি মামলার হিড়িক পড়ে যায় কেন, তা এক প্রশ্ন। এই নির্বাচনকালেও পুরোনো মামলায় আটক অব্যাহত রয়েছে, যা দুঃখজনক।
21929ff65603f22c5f114c308328aad1
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
350
fineweb_2_bn
2.286706
2
1.210318
1
গল্পগুলো আরও জানুন ডিজিটাল অ্যাক্টিভিজম মাস ফেব্রুয়ারি, 2021 একজন লেখক বলেছেন, 'কৃষকদের সমর্থনে গুগল নথি সম্পাদনা করা এখন এদেশে রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।' 'মনে হয় খসড়া এই আইনের আসল লক্ষ্য হলো অনলাইনে মত প্রকাশের স্বাধীনতা দমন করা আর সামাজিক নেটওয়ার্কগুলি নিষিদ্ধ করা।' ‘‘ইন্টারনেটে কি দেখা যাবে বা যাবে না সেটি আসলে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কার?’’ আদিবাসী পরিচালিত টেলিযোগাযোগ সংস্থা মেক্সিকোর ওক্সাকায় স্থানীয় সম্প্রদায়ের কাছে সাশ্রয়ী দামের মুঠোফোন সুবিধা সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পারবে।
eaddc58078b788f737254f2d65806d1a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
98
fineweb_2_bn
2.327684
2
1.114354
1
রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন মশিউর রহমান কাউসার, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : গৌরীপুর উপজেলার শিবপুর এল.ইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ মফিজ উদ্দিনের অপসারনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে বৃহস্পতিবার (২৬ মে) বেলা ১০টায় কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে। ঘটনার খবর পেয়ে ময়মনসিংহ জেলার সহকারি পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) মোঃ আক্তারুজ্জামান ও গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার মোর্শেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। শিবপুর এল,ইউ আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জানায় অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কাজী পেশায় নিয়োজিত থাকায় নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিনিয়ত অসৌজন্যমূলক আচরন করে থাকেন। ঘটনারদিন শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন বাদী হয়ে অত্র মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গৌরীপুর থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। এ কারনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। এসময় গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ অত্র মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি এ বিষয়টি শিক্ষার্থীদের নিশ্চিত করলে তারা বিক্ষোভ কর্মসূচী তুলে নেয় এবং কাসে ফিরে য়ায়। মাদ্রাসার শিক্ষক ও অভিভাবক সদস্যদের অভিযোগ অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন মাদ্রাসায় নিয়োগ বানিজ্যসহ অন্যান্য খাত থেকে মোটা অংকের টাকা আতœসাত করেছেন। প্রায় এক বছর ধরে তিনি মাদ্রাসার কোন মিটিং আহবান করেননি। এছাড়া মাদ্রাসায় বসে তিনি প্রতিনিয়ত বিয়ের কাজ সম্পাদন করায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে শিক্ষকদের নানা হুমকী প্রদর্শন করা হতো। গত বুধবার তিনি স্থানীয় সন্ত্রাসীদের নিয়ে মাদ্রাসায় অবস্থান করায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে মারাতœক ক্ষোভ দেখা দেয়। অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন মাদ্রাসায় না থাকায় এ ব্যাপারে তার মন্তব্য জানা যায়নি।
babc624cd7d870e8ceba741754656b07
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
285
fineweb_2_bn
1.34668
1
2.313634
2
আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৯ ঢাকার সদরঘাট টার্মিনালে যাত্রী প্রবেশে টিকিটের মূল্য দ্বিগুণ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এতে টিকিটের মূল্য পাঁচ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকে এটি কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম। নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যাত্রীসেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে অনেকগুলো সভা করে চুলচেরা বিশ্লেষণের পর টিকেটের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১০ টাকার মধ্যে দুই টাকা যাত্রী কল্যাণ তহবিলে জমা হবে এবং বাকি টাকা টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য সেবামূলক কাজে ব্যয় করা হবে। নৌ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, সারাদেশে ৩২টি নদীবন্দর থাকলেও ২৮টি নদী বন্দর চালু রয়েছে।
a00a36bb60a783b790971de126826b0e
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
131
fineweb_2_bn
1.521878
2
0.985205
1
[25] وَبَشِّرِ الَّذينَ ءامَنوا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ أَنَّ لَهُم جَنّٰتٍ تَجرى مِن تَحتِهَا الأَنهٰرُ ۖ كُلَّما رُزِقوا مِنها مِن ثَمَرَةٍ رِزقًا ۙ قالوا هٰذَا الَّذى رُزِقنا مِن قَبلُ ۖ وَأُتوا بِهِ مُتَشٰبِهًا ۖ وَلَهُم فيها أَزوٰجٌ مُطَهَّرَةٌ ۖ وَهُم فيها خٰلِدونَ [25] আর হে নবী (সাঃ), যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে। [25] And give glad tidings to those who believe and do righteous good deeds, that for them will be Gardens under which rivers flow (Paradise). Every time they will be provided with a fruit therefrom, they will say: “This is what we were provided with before,” and they will be given things in resemblance (i.e. in the same form but different in taste) and they shall have therein Azwâjun Mutahharatun (purified mates or wives), and they will abide therein forever.
5a37d73bd0ebe53d42a03ad53d88ec4a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
481
fineweb_2_bn
2.875153
3
1.228253
1
টুডেসংবাদ ডেস্ক :: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭ সদস্যকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিস্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান ১৫ জুন স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি সংগঠনের ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় আপলোড করা হয়। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। বহিস্কৃতরা হলো- মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান জয়, জায়ফরনগর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম, জুড়ী উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য হুমায়ুন রশীদ, আসরাফ উদ্দিন, আলীম উদ্দিন ও মামুন আহমদ এবং ছাত্রলীগ কর্মী হৃদয় আহমদ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয নির্বাহী সংসদের জরুরী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংগঠন বিরোধী, শৃঙ্খলা পরিপন্থী, অপরাধমূলক এবং সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে এদেরকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয় বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৭ জুন বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা শহরের ভবানীগঞ্জ বাজার চৌমোহনীতে সদ্য বিলুপ্ত উপজেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। তখন দলীয় কর্মীরা দা, লাঠি ও পাথর হাতে নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে একজন পরিবহন শ্রমিক আহত ও দুইটি সিএনজি গাড়ীর গ্লাস ভেঙ্গে গেলে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে। এ ঘটনায় থানায় কোন মামলা হয়নি এবং পুলিশ কোনো অস্ত্র উদ্ধার করেনি। এ বিষয়ে গত ১১ জুন রোববার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার বাসায় এক সমঝোতা বৈঠক অনুষ্টিত হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উভয় গ্রুপের বিরোধ মিটমাট করে দেওয়া হয়। সেই সাথে সংঘর্ষে প্রদর্শিত অস্ত্র এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। টুডেসংবাদডটকম/ডেস্ক/এ/
17f76081e2b3510dbd7b18ee891dc489
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
316
fineweb_2_bn
1.462499
1
2.501183
3
বছর ঘুরে আবার চলে আসছে বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড। এবছর ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৩ অনুষ্ঠিত হবে গ্রিসের এথেন্স শহরে অনুষ্ঠেয় ২৫তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল গঠনের উদ্দেশ্যে। আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের নির্ধারণ করা নিয়ম অনুযায়ী এইবছরে ২০০৫ সাল বা তারপরে জন্মগ্রহণ করা বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করতে পারবে। যাদের জন্মসাল ২০০৫-২০১০ এর মধ্যে তারা চ্যালেঞ্জ গ্রুপে ও যাদের জন্মসাল ২০১১-২০১৬ এরমধ্যে তারা জুনিয়র গ্রুপে অংশগ্রহণ করতে পারবে। এবছরের মূলথিম – The Olympic. এটি আরও আগেই ঘোষিত হয়েছে, আমরা আশা করছি তোমরা এই মূলথিম নিয়ে ইতিমধ্যে নিজেদের রোবট বানানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছ। ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৩ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মোট ৫ টি ক্যাটাগরিতে – ১। ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি ২। রোবট ইন মুভি ৩। ফিজিক্যাল কম্পিউটিং ৪। ড্রোন মেজ ৫। রোবটিক্স কুইজ এরমধ্যে কুইজ প্রতিযোগিতাটি শুধুমাত্র বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডে আয়োজিত হবে রোবটিক্স নিয়ে নতুনদের আগ্রহী করে তোলার উদ্দেশ্যে; এই ক্যাটাগরির সাথে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের কোন সম্পর্ক নেই। অন্য ক্যাটাগরিগুলোর প্রতিযোগিতা আয়োজিত হবে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ওই ক্যাটাগরিগুলোতে অংশ নেয়ার জন্য বাংলাদেশের দক্ষ ও চৌকস শিক্ষার্থীদের বাছাই করার উদ্দেশ্যে। ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৩ অনুষ্ঠিত হবে ২ টি পর্বে – ক) অনলাইন বাছাই পর্ব খ) জাতীয় পর্ব যেকোনো ক্যাটাগরিতে প্রথমে বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডের ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন চালু হবে আগস্ট মাসে। এরপর সেপ্টেম্বরের ২য় সপ্তাহে অনলাইন বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখান থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ঢাকায় সেপ্টেম্বরের ৪র্থ সপ্তাহে অফলাইনে জাতীয় পর্বে অংশ নিবে। আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড থেকে প্রদান করা দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে অনলাইন বাছাই পর্ব ও জাতীয় পর্বের সময়গুলো নির্ধারিত হয়েছে। জাতীয় পর্বে যারা ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি, রোবট ইন মুভি, ফিজিক্যাল কম্পিউটিং ও ড্রোন মেজ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হবে তাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের দল নির্বাচনী ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। এই ক্যাম্প থেকে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা ও পারফরম্যান্স যাচাই বাছাই করে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল নির্বাচন করা হবে যারা জানুয়ারি ২০২৪ এ অনুষ্ঠেয় ২৫তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। সকল ক্যাটাগরির ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৩ এর আপডেট রুলবুক প্রকাশিত হবে ৩১ জুলাই ২০২৩। রুলবুক প্রকাশ হবার পর অবশ্যই ভালো করে বিস্তারিত নিয়মকানুন রুলবুক থেকে জেনে নিবে। এইবছরের আপডেট রুলবুক অনুযায়ী ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৩ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডের নির্ধারণ করা রুলবুক যথাযথভাবে অনুসরণ করেই তোমাকে অনলাইন বাছাই পর্ব ও জাতীয় পর্বে অংশগ্রহণ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন কিন্তু চালু হবে আগস্ট মাসে। তাই তোমরা নিজেদের রোবট নিয়ে চর্চা করতে থাকো এবং অপেক্ষায় থাকো ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৩ এর জন্য।
6a9fb1b27b87f86d85ea323ec585e55d
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
491
fineweb_2_bn
3.168707
3
1.011506
1
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় ট্রাক উল্টে খাদে পড়ে গেলে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরওপাঁচজন। আজ বুধবার ভোরে উপজেলার গাড়াদহ বাজার পাড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আব্দুল ওয়াব (৪৫)। তিনি উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের নারায়ণদহ গ্রামের মৃত কফেত আলীপ্রামাণিকের ছেলে। আহত সকলের বাড়িও নারায়ণদহ গ্রামে। ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মনজুরুল আলম জানান, নারায়ণদহ থেকে মাটি পরিবহনকারীট্রাকটি গাড়াদহ দক্ষিণপাড়ার মাটি ব্যবসায়ী কোরবান আলীর মাটির খাদে মাটি কাটার জন্য শ্রমিক নিয়ে যাচ্ছিল। ট্রাকটিগাড়াদহ বাজারপাড়া আলাল মাস্টারের বাড়ির কাছে এলে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন শ্রমিকরা।ঘটনাস্থলেই মারা যান আব্দুল ওহাব। আহতদের উদ্ধার করে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রাকিব হাসনাত জানান, আহত তিনজনকে প্রাথমিকচিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আব্দুস সাত্তার (৬৮) নামের একজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। রাকিব (২৩) নামেরএকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজহাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহস্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
000268e13aa7c7affa9d673c75d96c97
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
228
fineweb_2_bn
0.985281
1
1.021401
1
সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে আবারও দৃশ্যমান হচ্ছে বাঘের চলাচল। বনে থাকা বনকর্মীরা এবং বনে ঘুরতে যাওয়া পর্যটকেরা প্রায়ই বাঘ দেখতে পাচ্ছেন। বনজীবী ও বনরক্ষীরা জানিয়েছেন, গত ১০ বছরে এভাবে বনে বাঘের চলাচল লক্ষ করেননি তাঁরা। গতকাল শনিবার সুন্দরবনের পাটকোষ্টা টহল ফাঁড়ির ফরেস্ট গার্ড মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এখন প্রায় রাতেই টহল ফাঁড়ির পেছনের পুকুরের দিক থেকে বাঘের গর্জন ভেসে আসে। একাধিকবার তাঁরা বাঘের পায়ের ছাপও দেখেছেন। সাধারণত ওই পুকুরে পানি পান করতে আসে বাঘ। তবে পানি পান করে বাঘ আবার বনের গাছপালা আচ্ছাদিত জঙ্গলে চলে যায়। সর্বশেষ ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে ‘এমভি ক্রাউন’ নামে পর্যটকবাহী একটি লঞ্চ সুন্দরবনের কটকা খালে প্রবেশ করলে একটি বাঘ সাঁতরে নদী পার হতে দেখেন পর্যটকেরা। ওই দিন বিকেলে সুন্দরবনের আলীবান্দা এলাকায় দায়িত্বরত বনরক্ষীরা আরও একটি বাঘকে নদী সাঁতরে বনের ভেতর প্রবেশ করতে দেখেন। এর আগের দিন ২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে ‘এমভি বন সাম্পান’ নামের আরেকটি পর্যটকবাহী জাহাজের পর্যটকেরা সুন্দরবনের কচিখালী নদীতে আরও একটি বাঘ সাঁতরে যাওয়ার বিরল দৃশ্য দেখেন। পৃথক তিনটি স্থানে বাঘ দেখার দৃশ্যের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন পর্যটক ও বনরক্ষীরা। সুন্দরবনের কচিখালী অভয়ারণ্য কার্যালয়ের বনরক্ষী মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘গত ৮ আগস্ট সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমাদের অফিসের বাইরে একটি বাঘ দাঁড়িয়ে আছে। হঠাৎ বাঘটি দেখে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। ভয়ে ভয়ে মুঠোফোন দিয়ে বাঘের ভিডিও করতে থাকি। কিছুক্ষণ পরে বাঘটি বনের দিকে চলে যায়।’ সুন্দরবনের চান্দেশ্বর টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক হোসেন জানান, গত ৩ ফেব্রুয়ারি তাঁদের ফাঁড়ির পুকুরপাড়ে দুটি বাঘ দেখে ভয় পেয়ে বনরক্ষীরা দ্রুত ঘরের মধ্যে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। বাঘ দুটি পুকুরে নেমে পানি পান শেষে কিছু সময় পুকুরপাড়ে বিশ্রাম নেয়। পরে সামান্য পথ ঘুরে এসে অবস্থান নেয় তাঁদের রান্নাঘরের পাশে। পরে আরও একটি বাঘ সেখানে যোগ দেয়। ওই দৃশ্যের ছবি ধারণ করতে গিয়ে তাঁদের হাত-পা কাঁপছিল বলে জানান ফারুক হোসেন। বন বিভাগের কর্মী মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সারা রাত ২টি বাঘ সুন্দরবনের শরবতখালী বন টহল ফাঁড়ির পাশে ছিল। ওই রাতে আতঙ্কে তাঁদের চারজন বনরক্ষীর একজনও ঘুমাতে পারেননি। সারা রাত ধরে চলে দুই বাঘের গর্জন। এ ছাড়া গত বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি বন বিভাগের কর্মী মুফিজুর রহমান কটকার কাছাকাছি দুটি বাচ্চাসহ মা বাঘ দেখতে পান। ১২ মার্চ বনের ছিটা কটকা এলাকায় একসঙ্গে চারটি বাঘ দেখতে পান পর্যটকেরা। ৩০ মার্চ নুয়ে পড়া গাছের ওপর একটি বাঘের বাচ্চা দেখেন পর্যটকেরা। সুন্দরবনের নীলকমল অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘বেশ কিছু দিন আগে মধ্য দুপুরে টহল শেষে আমিসহ কয়েকজন বনরক্ষী বন অফিসে ফিরছিলাম। সুন্দরবনের ছিছখালী খালের মাথায় পৌঁছালে খাল পাড়ে একটি বাঘের শাবককে দেখে আমাদের চোখ আটকে যায়। বাঘ শাবকটি খালের পাড় ধরে দ্রুতগতিতে বনের মধ্যে চলে যায়। তার কিছুক্ষণ পর আমরা সেখানে গিয়ে মা বাঘের পায়ের ছাপও দেখতে পেয়েছি।’ তিনি বলেন, গত ১০ বছরে এভাবে বনে বাঘের চলাচল লক্ষ করা যায়নি। সুন্দরবন বনদস্যু মুক্ত হওয়ার পর, চোরা শিকার বন্ধে স্মার্ট প্যাট্রোলিং চালুসহ বনরক্ষীদের নিয়মিত টহলের কারণে বাঘের সংখ্যা বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি। খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, গত ৩০ এপ্রিল পশ্চিম বন বিভাগের আওতাধীন খুলনা ও সাতক্ষীরা রেঞ্জে ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে বাঘশুমারির কাজ শেষ হয়েছে। আগামী নভেম্বর থেকে বনের চাঁদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জে একই পদ্ধতিতে বাঘশুমারি করা হবে। প্রতিটি রেঞ্জের ১৪৫টি পয়েন্টে দুটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, যা থাকবে ৪০ দিন। ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে পাওয়া ছবি এবং বাঘের পায়ের ছাপ ঢাকায় ল্যাবে পর্যালোচনা করা হবে। এরপর ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই বাঘ দিবসে বাঘশুমারির ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বাঘের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। এমনকি বাঘের প্রধান শিকার চিত্রা হরিণ ও বন্য শূকরের সংখ্যাও বেড়েছে। গত কয়েকবারের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাঘ গণনার ফলাফলে দেখা যায়, ২০০৪ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ও বন বিভাগের যৌথ শুমারিতে বাঘের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৪০টি তে। ২০১৩ সালের জরিপে বাঘের সংখ্যা হয় ১০৬টি। আর ২০১৮ সালের সর্বশেষ ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে করা শুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল ১১৪টি।
4000e144a79375daff640560808544d9
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
796
fineweb_2_bn
2.561596
3
0.997655
1
আওয়ামী লীগের সম্মেলনের ছয় মাসের বেশি সময় পর অবশেষে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ৭৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে রাখা হয়েছে ৪১ জনকে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় সভানেত্রীর নির্দেশে এ কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন। প্রবীণ-নবীন আর পুরনো কমিটির কয়েকটি পদে রদবদল ও বেশ কয়েকজন নবীন নতুন মুখ নবগঠিত কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীনকে সভাপতি ও জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। নতুন মুখ হিসেবে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রাখা হয়েছে শিল্পপতি দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুকে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পুত্র রাহাত মালেক শুভ্রকে করা হয়েছে দলের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক পদে রাখা হয়েছে সিংগাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী নার্গিস আক্তার জলি নার্গিস আক্তার জলিকে। অন্যদিকে শিক্ষা ও মানব সম্পদকবিষয়ক সম্পাদক ফাহিম রহমান খান রনিকে। তিনি শিবালয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পুত্র। এদিকে সভাপতি পদে হ্যাটট্রিক করলেন গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক দুই টার্ম। এ ছাড়া জেলা কমিটির সহসভাপতি হয়েছেন— এবিএম হেলাল উদ্দিন, বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো, বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী কামরুল হুদা সেলিম, আওলাদ হোসেন হারুন, মো. রমজান আলী, অ্যাডভোটেক সচীন্দ্র নাথ মিত্র, মোশারফ হোসেন চৌধুর বাদল, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু, আব্দুল মাজেদ খান চেয়ারম্যান, আব্দুর রহিম খান ও গোলাম মনির হোসেন। যুগ্মসাধারণ সম্পাদক তিনজন হলেন— অ্যাডভোকেট বাদরুল ইসলাম খান বাবলু, আ ফ ম সুলতানুল আজম খান আপেল ও কাজী এনায়েত হোসেন টিপু। কমিটিতে সাবেক কোষাধ্যক্ষ শিল্পপতি আবদুর রহিম খানকে সরিয়ে আনা হয়েছে আরেক শিল্পপতি জাহিদুর রহমান টুলুকে। সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বচিত হয়েছেন তিনজন হলেন— আবু মো. তায়েবুর রহমান টিপু, আমিরুল ইসলাম মট্টু ও সুদেব সাহা। আইনবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন— অ্যাডভোকেট অসীম কুমার বিশ্বাস, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক তারিকুর রহমান চৌধুরী উইলটন, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, ত্রান ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক দেওয়ান সাইদুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক এহতেশাম হোসেন খান চৌধুরী ভুনু। ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সাঈদ হাসান সারোয়ার রহমান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তাবারাকুল তোসাদ্দেক হোসেন খান টিটু, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক বাসুদেব কুমার সাহা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক নার্গিস আক্তার জলি, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক লক্ষ্মী চ্যাটার্জি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মমিন উদ্দিন খান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আবিদ হাসান বিপ্লব, শিক্ষা ও মানব সম্পদকবিষয়ক সম্পাদক ফাহিম রহমান খান রনি, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক রাহাত মালেক শুভ্র, শ্রম সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক আবু নাঈম মো. আবুল বাশার, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান মুরাদ, উপদপ্তর সম্পাদক মাকসুদুল ইসলাম মুন, উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল জলিল নির্বাচিত হয়েছেন। কমিটির কার্যনিবাহী সদস্য পদে আছেন ৩৬ জন। এদের মধ্যে আছেন মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য শিল্প মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইসরাফিল হোসেন, সিংগাইর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমান হান্নান, অ্যাডভোকেট দীপক কুমার ঘোষ, সুভাষ সরকার প্রমুখ। এ ছাড়া উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়েছে ৪১ জনকে। উল্লেখ্য, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা দেন। সম্মেলন শেষ হওয়ার ছয় মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করল দলটি।
f45464baa6a81b6032b5caceb63b6eee
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
655
fineweb_2_bn
1.244628
1
0.988909
1
কৃষিজাগরন ডেস্কঃ মানুষ মনে করে চাষাবাদ করে লাভ নেই, কিন্তু ব্যাপারটা সেরকম নয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ঐতিহ্যবাহী ফসলের পরিবর্তে ঔষধি গাছ চাষ করলে লাখ নয় কোটি টাকা আয় করা যায়। দেশে এমন অনেক কৃষক আছেন, যারা ঔষধি গাছ চাষ করে মোটা টাকা আয় করছেন। এমন অনেক কৃষক আছেন যারা ঔষধি গাছ চাষ করে ভালো আয় করায় ভালো সরকারি চাকরি ছেড়েছেন। আজ আমরা এমনই এক কৃষকের কথা বলব, যিনি অ্যালোভেরা চাষের জন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে গ্রামে এসে কৃষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। আসলে আমরা কৃষক হরিশ ধনদেবের কথা বলছি। হরিশ ধনদেব রাজস্থানের বাসিন্দা। তিনিই প্রথম সরকারি প্রকৌশলী।জয়সলমের মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার পদে তাঁর পোস্টিং ছিল। কিন্তু কাজ করতে তাঁর ভাল লাগত না ।সে কারণে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি ছেড়ে গ্রামে এসে অ্যালোভেরা চাষ শুরু করেন। এটি তার জীবন পরিবর্তন করেছে। অ্যালোভেরা বিক্রি করে আজ সে কোটিপতি হয়েছে। হরিশ ধনদেব বলেছেন যে একদিন তিনি দিল্লিতে একটি কৃষি প্রদর্শনীতে গিয়েছিলেন। প্রদর্শনীতে যাওয়ার পর হরিশ ধনদেবের চাকরি নিয়ে মোহভঙ্গ হয়। কৃষিকাজের স্বপ্ন পূরণে চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। তারপর, জয়সলমীরে নিজের গ্রামে এসে তিনি ১২০ একর জমিতে অ্যালোভেরার চাষ শুরু করেন। রাজস্থানের অধিকাংশ কৃষক ঐতিহ্যবাহী ফসল যেমন বাজরা, ভুট্টা এবং গম চাষ করে। কিন্তু হরিশ ধনদেব এটি ছাড়া অন্য ওষুধি ফসল চাষের সিদ্ধান্ত নেন।অ্যালোভেরা চাষ করে আজ তিনি শুধু একজন কৃষকই নন, একজন উদ্যোক্তাও হয়েছেন। ব্যবসায়ীরা কৃষকের থেকে অ্যালোভেরা ফসল কিনে নেয় বিশেষ বিষয় হল হরিশ ধনদেব শুধুমাত্র একটি জাতের অ্যালোভেরা বার্বি ডেনিস চাষ করেন। হংকং, ব্রাজিল ও আমেরিকায় এই জাতের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বার্বি ডেনিস অ্যালোভেরা বিলাসবহুল প্রসাধনী পণ্যগুলির কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এ কারণেই ব্যবসায়ীরা তাদের ক্ষেতে উত্থিত ঘৃতকুমারী ফসল কেনেন। বার্ষিক টার্নওভার ২-৩ কোটি টাকা হরিশ নিজেই জয়সলমারসে জেলায় Naturalo Agro নামে নিজের কোম্পানি খুলেছেন। হরিশ ৮০,০০০ অ্যালোভেরা গাছ নিয়ে চাষ শুরু করেন। এখন তার খামারে লাখ লাখ ঘৃতকুমারী গাছ লাগানো হয়েছে। ধনদেব হলেন পতঞ্জলিতে সরাসরি অ্যালোভেরার অফিসিয়াল সরবরাহকারী৷ এতে তার কোম্পানি অনেক লাভবান হচ্ছে। এখন ধনদেব গ্লোবাল গ্রুপ পরিচালনা করে এবং সারা বিশ্বে অ্যালোভেরা রপ্তানি করে কোটিপতি কৃষক হয়ে উঠেছেন। তার বার্ষিক টার্নওভার ২-৩ কোটি টাকা।
3101cf6350b55b10dff097d9a10597d8
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
450
fineweb_2_bn
3.303241
3
1.186765
1
লিটন ঘোষ বাপি: দেবহাটায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ হল রুমে শিক্ষার গুণগতমান ও জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ’২৩ এর স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলাদা আলাদা পর্যায়ে বিভিন্ন ইভেন্টের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থী, দলগত বিজয়ী, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী, শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ নানান ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সকলের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে। দেবহাটা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইয়ানুর রহমান। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: সোলায়মান হোসেন এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: হাবিবুর রহমান সবুজ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জি এম স্পর্শ। আরো বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন হাজী কেয়ামউদ্দীন মেমোরিয়াল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো: আবুল কালাম, দেবহাটা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, ফতেমা রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: এনামুল হক বাবলু, সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগীয় প্রধান মো: মনিরুজ্জামান (মহসিন), মো: আবু তালেব, রিতা রানী, সখীপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইয়াকুব আলী, সহকারী অধ্যাপক মো: নজরুল ইসলাম, সখীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তৌহিদুজ্জামান, পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল হোসেন, হাদীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুল জব্বার, ভাতশালা সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিনা পারভীন, দেবীশহর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিমা সিংহ, পারুলিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রভাষক, সহকারী শিক্ষক, বিজয়ী শিক্ষার্থী তথা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তাগণ দেবহাটা উপজেলায় শিক্ষার গুণগতমান ও পরিবেশ উন্নয়নে যার যার অবস্থান থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো, পর্যায়ক্রমে উপজেলা থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করাসহ নানা বিষয়ে সকলে ঐক্যমত পোষণ করেন। সাথে সাথে লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থী বা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা যাতে বৃদ্ধি পায় সে বিষয়ে সকলকে আন্তরিক হওয়ার আহবান জানানো হয়েছে। এদিকে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ’২৩ এর বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীরা পুরস্কার লাভ করলেও কলেজ পর্যায়ে বরাবরের মতই সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজ দেবহাটা উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ’২০২৩ এ বিভিন্ন ইভেন্টের প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ ২৯ টি পুরস্কার পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। কলেজ পর্যায়ে দেবহাটা উপজেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠ কলেজের ক্রেস্ট গ্রহণ করেন কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগীয় প্রধান মো: মনিরুজ্জামান (মহসিন), উপজেলার শ্রেষ্ঠ রোভার শিক্ষকের পুরস্কার গ্রহণ করেন রোভার স্কাউট লিডার মো: আবু তালেব, শ্রেষ্ঠ গার্ল-ইন রোভার শিক্ষকের পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রভাষক রিতা রানী, শ্রেষ্ঠ রোভার কলেজের সিনিয়র রোভার মেট শেখ নাহিদুর রশীদ ও কলেজের শ্রেষ্ঠ রোভার দল, শ্রেষ্ঠ গার্ল-ইন রোভার সোনিয়া পারভীন, কেরাত প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থী মো: ইসরাফিল ইমন, বাংলা রচনা প্রতিযোগিতায় তাহেরুন নাহার, ইংরেজি বক্তব্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ এর উপর নির্ধারিত বক্তব্যে মো: আবিদ হাসান তানভীর, দেশাত্মবোধক গানে রাজশ্রী হাজরা, নজরুল সঙ্গীত ও উচ্চাঙ্গ সংঙ্গীতে ডায়না স্বর্ণকার, দলভিত্তিক জারীগানে মুজাহিদ বিন ফিরোজ ও তার দল এবং লোক নৃত্যে বাসুদেব দাশ।
edfda4da1cad0420184c3fd97bc22107
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
583
fineweb_2_bn
2.26274
2
1.003413
1
মাত্র এক দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম নেমে এসেছে ১০০ টাকায়। প্রায় এক হাজার টাকা কমেছে এই পণ্যটির দাম। গত কয়েকদিনে এ দাম ১ হাজার থেকে ১২ শ টাকায় গিয়ে পৌঁছেছিল। ঈদুল আজহার ছুটির পর ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে এবার ভিন্ন চরিত্র দেখা যায়। টানা ৫ দিন ছুটির পর দেশের বিভিন্ন বন্দরে শুরু হয়েছে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। ছুটি কাটিয়ে কার্যক্রম শুরুতেই দেশে এসেছে ৫৫ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ। এর প্রভাব দ্রুত পরে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে। দামে পড়ে যাওয়ায় অনেক কৃষককে কাঁচা মরিচ বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে দেখা যায়। রবিবার (২ জুলাই) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ঈদের ছুটির পরে রোববার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৫৫ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ দেশে এসেছে। রাতে আরও কাঁচা মরিচ নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করবে। এখন পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৮৩০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। এর আগে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৫ জুন মরিচ আমদানির অনুমতি দেয়। এর মধ্যে দুদিন আমদানির পর ঈদের কারণে বন্ধ ছিল মরিচ আমদানি। তবে ঈদের ছুটি শেষে আজ থেকে আবারও দেশে আসছে আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ।
e75092a035d98fb77f1219cc7d7d5001
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
211
fineweb_2_bn
2.022802
2
0.987872
1
হাওড়াঃ- পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। সোমবার দুপুরে উলুবেড়িয়ায় পার্টি অফিসে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না আসায় জনগণের মতপ্রকাশ খর্ব হচ্ছে। তারা মত প্রকাশ করতে পারছেন না। ভোটের আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন। এরিয়া ডমিনেশন করা প্রয়োজন। টিএমসি’তে গুন্ডা বদমাইশের অভাব নেই। পার্টিটাই গুন্ডা বদমাইশের পার্টি। সিপিএম আমলে নেতাদের পিছনে গুন্ডা বদমাইশরা থাকতো। তারা নেতা হয়নি। গৌতম দেব, সুশান্ত ঘোষ এদের পিছনে থেকেই তারা লড়াই করত। আর তৃণমূলের আমলে তৃণমূল গুন্ডা বদমাইশদেরই নেতা বানিয়েছে। শওকত মোল্লা, জাহাঙ্গীর, শাজাহান শেখ এরা সব তৃণমূলের নেতা। এক সে বড়কর এক। সবাই তৃণমূলের নেতা। সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশন কোনও দায় নিচ্ছে না। এমনকি স্বীকারও করছে না কোনও মৃত্যু হয়েছে রাজনৈতিক সংঘর্ষের কারণে। এটা যদি মনস্থিতি হয়, তাহলে কেউই ভোট করাতে সাহস পাবে না। রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য সরকার দুজনেই হাইকোর্টের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গেছে। এবিষয়ে সুকান্ত বাবু বলেন, বোঝাই যাচ্ছে রাজ্য সরকার ভয় পাচ্ছে। তারা চাইছে যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী না আসে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে ভোট লুট করা সম্ভব হবেনা। এইভাবে ভোট হলে তাহলে নির্বাচন যেটা হবে সেটা হবে নাম কা ওয়াস্তে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট দরকার নিরপেক্ষ ভোট করানোর জন্য। নচেৎ এইভাবে ভোট করানোর কোনও মানে হয়না। প্রসঙ্গত, দুষ্কৃতিদের হামলায় ভাঙচুর হওয়া দলের কার্যকর্তার বাড়ি এদিন পরিদর্শনে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানেও সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সুকান্ত মজুমদার।
8f2e5e462606a8b61f9d2e4594f4c632
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
307
fineweb_2_bn
1.543431
2
3.378671
3
ডেস্ক রিপোর্ট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুয়োগ নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একইসঙ্গে নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনিসহ তার দল। আজ রোববার দুপুরে বিএনপির দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানিয়েছেন মীর্জা ফখরুল। বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি সেনাবাহিনী নিয়োগের ফলেএই নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টি হবে। যা এতদিন মোটেও বিদ্যমান ছিল না। তিনি আরে বলেন, ‘আমরা আশা করি, আমাদের দেশের গর্বিত সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য জনগণের স্বার্থের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন এবং কোনভাবেই একজন ব্যক্তি বা একটি গোষ্ঠির পক্ষে কাজ করবেন না।’ মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময়ই দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত। কোন ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষার কারণে তাঁদের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে না।
b4bd421bef3f6631b1893589265854c8
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
163
fineweb_2_bn
1.905145
2
1.239508
1
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। তারা সীমা লঙ্ঘন করছে বলে উল্লেখ করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। আজ বুধবার (২ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত ১৪ দলের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, আমেরিকা, তোমরা থামো। বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ কোরো না। নির্বাচন তোমাদের দেশেও হয়েছে, তোমাদের নির্বাচন সামলাও। আমাদের নির্বাচন আমরা সামলাবো। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে মেনন বলেন, তারা জনগণের ওপর নির্ভর করে নয়, বরং জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতায় যেতে চায়। সেখানে তারা নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ১৪-দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এটা তাদের সহ্য হচ্ছে না। তাই বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তারা অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চায়। তিনি বলেন, এ দেশে সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত থাকবে। সংবিধানের বাইরে অসাংবিধানিক কোনো ধারা, অসাংবিধানিক কোনো পন্থার এই দেশে স্থান নেই। আগামী নির্বাচনে নৌকার জয় হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, শেখ হাসিনা কেবল দেশের জনগণের দ্বারা সমর্থিত নয়, বিদেশি শক্তি কর্তৃকও সমর্থিত। শুধু মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ একা বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে না, আরও অনেক শক্তি আছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার বলেন, বাংলাদেশ তার সংবিধান অনুযায়ী চলবে। সংবিধানের ধারাবাহিকতায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার থাকবে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জেপি) সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী, গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, গণ আজাদী লীগের সভাপতি এস কে সিকদার, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সভাপতি জাকির হোসেন প্রমুখ। সাম্প্রতিক দেশকাল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
df3756135132672245e2c9d359e06084
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
334
fineweb_2_bn
1.854774
2
1.869393
2
কবিতা মানিক সাহা বৃক্ষকথা ইদানীং আমি আর খড়গোশ হতে পারি না ঘাস সবুজ হয়ে পড়ে থাকে ঘাস হলুদ হয়ে পড়ে থাকে মাটি সরিয়ে দেখি এতসব দানাপানি, সাজিয়ে রাখা আতরের শিশি রং-করা টিনসেল, খেলার জন্য নরম তুলতুলে দুটো বল এ-সব আমার ভোগ ও বিলাসিতার পাপ এতদিন পর এইসব বুঝতে পেরেছি আলোর কবর থেকে উঠে আসছি বৃক্ষের মতো গাছ আমার প্রিয় সহচর সে আমাকে অক্ষর চিনিয়েছে। অন্ধত্ব নিজেকে সরিয়ে নিয়ে একা হয়ে আছি মাটি ও জলের সংসারে মানুষ একা হতে খুব ভয় পায় কষ্ট পায়। আমিও পেয়েছি। মানুষের কাছে আমার তেমন কিছুই চাওয়ার ছিল না। হাত ও পা খুলে রেখে পুকুরে স্নান করেছি পূণ্যবান হতে চেয়েছি এবং আমার চোখদু-টি— সেই কুক্ষণে— কোথায় যে হারিয়ে গেছে! খুঁজে পাইনি। এতদিন ধরে তাই অন্ধ হয়ে আছি। মুখোশ ভাণ করার মতো ভালো একটা মুখোশ খুজেছি এতদিন ঘাস কাটতে আসা এক বুড়ি আমাকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছে একা মাঠে নেমে গেছি, পোশাক পুড়িয়েছি।তার ছাই দিয়ে রঙিন পাখি বানিয়ে ছেড়ে দিয়েছি আকাশে গাছ চিনে চিনে পুরোনো মুখোশগুলি বাড়ি ফিরে গেছে। নিরাময় আমাকে যে বাড়িতে ফেলে তোমরা আলো হয়ে গেছ কোনোদিন আমি তার আদরের কণামাত্র ভাগ চেয়েছি কি? বৃক্ষের কাছে আমি আরোগ্য প্রার্থনা করেছি— সে আমাকে ফুল-ফল, ছায়া ও নিরাময় দিয়েছে। অথচ বারংবার আমাকে তোমরা এই বাড়িতেই ফেলে চলে গেছ আমি তাই বাড়িটির বুক জুড়ে বৃক্ষের নিরাময় ছড়িয়ে দিয়েছি। মানিক সাহা ১৯৮৩ সাল থেকে অনেক টানাপোড়েনের মধ্যেও বেশ বেঁচে আছি। গাছ কিংবা পাখি হতে চেয়েছিলাম। শৈশবের শহরে শিক্ষক হয়েছি। লিখতে চেয়েছি। লিখি। ‘ছায়া রোদের ব্রেইল’ থেকে ‘জলজ্যোৎস্নার মেয়ে’ হয়ে ‘অশ্বমেধের ঘোড়া’। এর পর বেশ কিছু লেখা জমে আছে। স্বস্তির সময় পেলে সেইগুলি মলাটবন্দি করার ইচ্ছে আছে।
82c2a4b7f3cc3fb0b119c0883d5bb132
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
393
fineweb_2_bn
2.608455
3
1.289603
1
ঠিক যেন পুনর্মিলন অনুষ্ঠান।আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএল ২০২৩-এর ফাইনালের আগে চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) সাবেকরা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেলেন বর্তমান ক্রিকেটারদের সঙ্গে। চলল বিস্তর হুল্লোড়। হাসি-ঠাট্টা, আলিঙ্গনের এক ভিডিও সিএসকে পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আসলে আইপিএল ফাইনালের জন্য যারা আহমেদাবাদে উপস্থিত রয়েছেন বর্তমানে সুপার কিংস শিবিরের শরিক না হলেও অতীতে তাদের অনেকেই সিএসকের সেনানি ছিলেন। প্রতিপক্ষ দল গুজরাট টাইটানসের হেড কোচ আশিস নেহরা নিজে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মাঠে নেমেছেন। ধারাভাষ্যকারের ভূমিকা পালন করা সুরেশ রায়না, ম্যাথিউ হেডেনরা দীর্ঘদিন চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন।নেহরা চেন্নাইয়ের হয়ে ২০টি ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ৩০টি উইকেট। রায়না চেন্নাই সুপার কিংসের সর্বকালের সেরাদের একজন। চেন্নাইয়ের হয়ে ১৭৬টি ম্যাচে মাঠে নেমে রায়না ৪৬৮৭ রান সংগ্রহ করেছেন। সুরেশ রায়না এই মুহূর্তে আইপিএলের ধারাভাষ্য দিতে ব্যস্ত। নেহরা ও রায়না, উভয়েই চেন্নাইয়ের বোলিং কোচ ডোয়েন ব্র্যাভোর সঙ্গে মস্করায় মেতে ওঠেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন চেন্নাই কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং ও প্রাক্তন অজি তারকা তথা সিএসকের সাবেক তারকা ম্যাথিউ হেডেন। সুরেশ রায়না সঙ্গত কারণেই আইপিএল ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে বাজি ধরছেন। তিনি বলেন, ‘চেন্নাই কীভাবে ফাইনালে উঠেছে দেখুন একবার। ১৪টি মৌসুমে মাঠে নেমে ১০ বার ফাইনাল খেলছে। আমার মতে এটা অসাধারণ কৃতিত্ব। এমএস ধোনি সব কিছু সহজ সরল করে রাখে। ওর কৃতিত্ব প্রাপ্য। রুতুরাজ গায়কোয়াড় আমাকে জানায় যে, ওরা ধোনির জন্যই এবছর খেতাব জিততে চায়। সারা ভারত ধোনির হাতে ট্রফি দেখতে চায়।’ রায়না আরও বলেন, ‘যা দেখতে পাচ্ছি, এই মাঠে চেন্নাইকে হারানো সহজ হবে না। ও যা ছুঁয়েছে, সোনায় পরিণত হয়েছে। সেকারণেই ওর নাম মহেন্দ্র সিং ধোনি।’ উল্লেখ্য, চেন্নাই লিগ পর্বে ১৪টি ম্যাচের মধ্যে ৮টি ম্যাচে জয় তুলে নেয়। তাদের ১টি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যায়। ১৭ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকেন মহেন্দ্র সিং ধোনিরা। সেই সুবাদে সিএসকে প্রথম কোয়ালিফায়ারে মাঠে নামার সুযোগ পেয়ে যায়। পরে চিপকের প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটানসকে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। এ নিয়ে মোট ১০ বার তারা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগের খেতাবি লড়াইয়ে মাঠে নামার যোগ্যতা অর্জন করে।
5fda8c1fe2d316aaf6e4222af6b16041
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
427
fineweb_2_bn
1.833729
2
1.022024
1
বিশেষ প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক উবায়দুল্লাহ রুমির বাবা মাওলানা শরিয়ত উল্লাহ মারা গেছেন। সোমবার রাত পৌনে ১১টায় উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের কুমড়াশাষন গ্রামে উনার নিজ বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ শারিরীক অসুস্থতায় ভূগছিলেন। মাওলানা শরিয়ত উল্লাহ এর নামাজে জানাজা মঙ্গলবার দুপুর ২.৩০ মিনিটে হারুয়া বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে তাকে।
18f14ecbb96f8f0dac0975d82f430510
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
107
fineweb_2_bn
1.010758
1
0.98628
1
গত দুই বছর আলুতে লোকসান গুনে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার কোনো কোনো চাষি তামাক চাষে ঝুঁকে পড়েছেন। বিগত বছরগুলোতে তামাক চাষ তেমন একটা না হলেও এ বছর কম চালানে কৃষকরা তামাক চাষে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে এ বছর প্রায় ৭০০ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ করা হয়েছে যা বিগত বছরের তুলনায় ৭ গুণ। উপজেলার দোরাবতী এলাকার তামাক চাষি ওসমান শেখ জানান, শিলাবৃষ্টি না হলে তামাক চাষে অধিক লাভ হবে, আলুর মতো লোকসান গুনতে হবে না। উপজেলার মাকহাটি, আলদি, চাপ ও লাখারন এলাকায় বেশি তামাকের আবাদ হয়েছে বলে স্থানীয় চাষিরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া আউটশাহী, যশলং, কামারখাড়া এলাকায়ও তামাকের আবাদ করা হয়েছে। ডেসটিনি
8daf163eeb93cf50a082f1b65f3e5e5f
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
139
fineweb_2_bn
2.320807
2
0.966786
1
প্রসঙ্গত, ULIP হল ইউনিট লিঙ্কড ইন্স্যুরেন্স প্ল্যান (ULIP)। এই প্ল্যানটি জীবন বীমার অতিরিক্ত সুরক্ষা সহ একটি চমকপ্রদ বিনিয়োগের উপকরণ। পদ্ধতিগত বিনিয়োগ এবং বাজার-সংযুক্ত রিটার্নের মাধ্যমে, ইউএলআইপি আপনাকে আপনার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য, যেমন আপনার স্বপ্নের বাড়ি, আপনার সন্তানের শিক্ষা, আপনার অবসর গ্রহণ এবং আরও অনেক কিছুর জন্য সম্পদ তৈরি করার সুযোগ দেয়। আর স্মল ক্যাপ ফান্ড হল সেই সমস্ত ফান্ড যা ছোট মূলধন বা স্মল ক্যাপিটালাইজেশন বিশিষ্ট সংস্থাগুলির স্টকগুলিতে বিনিয়োগ করে। এই কোম্পানিগুলি ছোট আকারের হাওয়ার কারণে তা সাফল্যমণ্ডিত হয়ে ওঠার পাশাপাশি কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের লাভজনক রিটার্ন প্রদানের প্রচুর সম্ভাবনা থাকে। বিবৃতি অনুযায়ী, বাজাজ অ্যালিয়ান্স লাইফ ইনভেস্টমেন্ট টিমের ইকুইটি ইনভেস্টমেন্টের কৌশলটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা, উচ্চ ROE/ROCE, ফ্রি নগদ প্রবাহ, বৃদ্ধির দৃশ্যমান্যতা এবং আকর্ষণীয় মূল্যায়ন-সহ কোম্পানিগুলিকে চিহ্নিত করার কাছাকাছি অবস্থান করবে। প্রসঙ্গত, ROE অর্থাৎ মেট্রিক্স রিটার্ন অন ইকুইটি এবং ROCE অর্থাৎ রিটার্ন অন ক্যাপিটাল এমপ্লয়েড, একটি কোম্পানির কাজ করার ক্ষমতা এবং তার প্রভাবে মূল্যের ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির সম্ভাবনা পরিমাপ করার জন্য মূল্যবান একটি হাতিয়ার। এই দুটি বিষয়কে প্রায়শই কোম্পানির আর্থিক কর্মক্ষমতার একটি সম্পূর্ণ মূল্যায়ন হিসাব করতে একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়। এই প্রসঙ্গে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “এর পিছনে অন্তর্নিহিত মূল বিষয়টি হল, বৃহত্তর বাজারের সুযোগ-সহ ব্যবসাগুলিকে উন্মোচন করা এবং মূল্যায়নের দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তিসংগত মূল্যে বৃদ্ধির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া। বাজাজ অ্যালিয়ান্স লাইফ স্মল ক্যাপ ফান্ড স্মল ক্যাপ স্টকগুলিতে নূন্যতম 60 শতাংশের বিনিয়োগ করবে। মার্কেট ক্যাপ এক্সপোজার ইকুইটি এক্সপোজারের উপর ভিত্তি করে 100% -এ পুনরায় স্কেল করা হয়েছে।" এই নতুন ফান্ডটি সম্পর্কে বাজাজ অ্যালিয়াঞ্জের লাইফ ইন্সুরেন্সের চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার সম্পথ রেড্ডি বলেছেন, “দীর্ঘমেয়াদী সম্পদের উপর লক্ষ্য রেখে আমাদের গ্রাহকদের জন্য জীবন বীমা শিল্পে প্রথম এই ধরণের স্মল ক্যাপ ফান্ড চালু করতে পেরে আমরা উৎসাহিত বোধ করছি। আমরা নিশ্চিত এই ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের একটি পছন্দ হয়ে উঠবে এবং তাদের জীবনে লক্ষ্য অর্জনের পথে সহায়তা করবে।" প্রসঙ্গত, বিনিয়োগকারীদের সর্বদা মনে রাখা দরকার, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বদাই একাধিক ঝুঁকি থাকে। তাই বিনিয়োগের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ নিন।
e0762aa3cc885f98f5a952c6f07e5cf1
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
417
fineweb_2_bn
2.356342
2
0.993053
1
রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং রিলায়েন্স স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টমেন্টসের মধ্যে প্রস্তাবিত পরিকল্পনা বিবেচনা ও অনুমোদনের জন্য সংস্থার ঋণদাতা এবং শেয়ার হোল্ডারদের মধ্যে আগামী 2 মে একটি বৈঠক হবে। বিলগ্নীকরণের পর রিলায়েন্স স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টমেন্টের নাম পরিবর্তন করে জিও ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস করা হবে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের বিনিয়োগকারীরা ওই কোম্পানিতে থাকা প্রতিটি স্টকের জন্য নতুন সংস্থার একটি শেয়ার পাবেন। এদিন দুপুর 12:40 নাগাদ Reliance Industries -এর শেয়ারের মূল্য বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে 3.6 শতাংশ বেড়ে 2315.10 টাকায় ট্রেড করতে দেখা যায়। তবে গত একবছরে এই স্টকের দাম প্রায় 12 শতাংশেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। গতবছর মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ আর্থিক পরিষেবার ব্যবসাকে একটি পৃথক কোম্পানিতে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরবর্তীতে সংস্থাটিকে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা করা হয়। এই বিলগ্নীকরণ শেয়ারে রদবদলের মধ্য দিয়ে করা হবে। RIL -এর শেয়ার হোল্ডাররা তাদের কাছে থাকা প্রতিটি শেয়ারের জন্য Jio Financial Services -এর একটি শেয়ার পাবেন। 2022 সালের 31 মার্চ পর্যন্ত এই আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার টার্নওভার ছিল 1387 কোটি টাকা। কেভি কামাথ এই নতুন কোম্পানির নন-এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান হবেন। জিও ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস ভোক্তা এবং ব্যবসায়িক ঋণ প্রদানের ব্যবসা চালুর পরিকল্পনা করেছে। জানা গিয়েছে, এই আর্থিক ব্যবসায় রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনভেস্টমেন্ট, রিলায়েন্স পেমেন্ট সলিউশন লিমিটেড, জিও পেমেন্টস ব্যাঙ্ক লিমিটেড, রিলায়েন্স রিটেল ফিনান্স লিমিটেড, জিও ইনফরমেশন এগ্রিগেটর সার্ভিসেস লিমিটেড এবং রিলায়েন্স রিটেল ইন্সুরেন্স ব্রোকিং লিমিটেডের বিনিয়োগ রয়েছে। এ বিষয়ে ব্রোকারেজ ফার্ম JM Financial জানিয়েছে, তেল থেকে টেলিকম ব্যবসায় এই সংস্থার বৃদ্ধির হার অক্ষুণ্ণ রয়েছে। সংস্থাটিতে বাই রেটিং রেখেছে JM Financial। কোম্পানিটির টার্গেট প্রাইস 2900 টাকা রাখা হয়েছে। অর্থাৎ বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনায় এই স্টকের দাম 26 শতাংশ বেশি রেখেছে ব্রোকারেজ কোম্পানিটি।
2dbb6b053d9fc0bfe88613f1df26013a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
358
fineweb_2_bn
2.057682
2
0.992898
1
এই প্রসঙ্গে এমজি মোটর ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজীব ছাবা এক বিবৃতিতে বলেছেন, "Comet EV আমাদের কাছে শুধুমাত্র একটি গাড়ি নয়, তার থেকেও অনেক বেশি কিছু। এটি দেশের বিভিন্ন শহরে যাতায়াতের বর্তমান উপায় পরিবর্তন করার জন্য আমাদের সংকল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।" এই প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, কমেট ইভি সম্পূর্ণরূপে ইলেকট্রিক জিএসইভি প্ল্যাটফর্মে তৈরি করা হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী এক মিলিয়ন ইভি বিক্রির ক্ষেত্রে দ্রুততম রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। গাড়িটির প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, "MG-তে, আমরা বুঝতে পারি যে গাড়ি শিল্পের ভবিষ্যত বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং তার উন্নয়নের সঙ্গে সংযুক্ত। কমেট ইভির সঙ্গে, আমরা আমাদের গ্রাহকদের শৈলী বা সুবিধার সঙ্গে আপস না করে একটি স্মার্ট চয়েস বাস্তবিক ভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি।" এমজি মোটর, চিনের SAIC মোটর কর্পোরেশনের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন একটি শাখা যা কমেটের উন্নয়নে প্রায় 700 কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। কমেট, এমজি মোটর ইন্ডিয়ার তরফে নির্মিত এই নতুন গাড়িটি একক চার্জে প্রায় 230 কিলোমিটার ড্রাইভিং রেঞ্জ কভার করতে সক্ষম। গাড়িটিতে একটি 17.3 KWH লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি রয়েছে। সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য বিষয়, গাড়িটি আনুমানিক 7 ঘন্টার মধ্যে সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যায়। এছাড়াও দুটি দরজার সুবিধা সম্পন্ন হ্যাচব্যাকটির মধ্যে একটি স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সমিশন, দুটি সামনের এয়ারব্যাগ এবং একটি বিপরীত পার্কিং ক্যামেরা সহ অন্যান্য বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বর্তমান।
0f05d5f8006d7fee566c48cd0e78f524
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
250
fineweb_2_bn
2.105979
2
1.000732
1
শাহীন আলম লিটন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি। কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের স্মরণোৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) রাতে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে তিন দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী পর্বে বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, বাউল সম্রাট ফকির লালন সব ধর্মের সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে সদা সত্য পথে চলতে মানুষকে মানবতাবাদীর পথে ডাক দিয়েছিলেন। তিনি অহিংস মানবতার ব্রত নিয়ে মানুষের কল্যাণে অসংখ্য গান সৃষ্টি করে গেছেন। তার এ অমর সৃষ্টি সঙ্গীত কোনো ধর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি বলেন, লালন ফকির জাতহীন মানবদর্শন ও মানবতার ভাবধারাকে প্রতিষ্ঠিত করতে একটি অসাম্প্রদায়িক সাম্যের সমাজ চেয়েছিলেন। মানুষকে শিখিয়েছিলেন কোন ধর্মের মধ্যে আবদ্ধ থেকে সম্প্রীতি বজায় রাখা যায় না। সব ধর্মের ওপর মানব ধর্ম। ধর্ম একটি উৎসব। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এ বিষয়টি ভাবতে শিখিয়েছে ফকির লালন সাঁই। বিভাগীয় কমিশনার বরেন, ফকির লালন এর চিন্তা চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে সমাজের সকল প্রকার হানাহানি কাটাকাটি দুর করা সম্ভব। এ মরমী সাধকের প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষা না থাকলেও তিনি ছিলেন আধুনিক সমাজ বিন্যাসে স্ব-শিক্ষিত। তার জ্ঞানের ভান্ডার আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। ধর্ম আর জাতি ভেদাভেদ ভুলে মানুষের কল্যাণে কি অসীম মর্মকথা বলেছেন তিনি। আজকের সমাজের এসব বর্বরতা ও জাতিকে বিভক্তির হাত থেকে বাঁচাতে লালনের মানবতার কল্যানের আর্দশকে গ্রহন করতে হবে। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম, স্থানীয় সরকার কুষ্টিয়ার উপ-পরিচালক মৃণাল কান্তি দে, কুষ্টিয়া আদালতের পিপি অ্যাড.আখতারুজ্জামান মাসুম, জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা ইউনিটের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার রফিকুল আলম টুকু, বিএমএ কুষ্টিয়ার শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ এফ এম আমিনুল হক রতন, দিশার নির্বাহী পরিচালক রবিউল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ড. মো. শাহিনুর রহমান। আলোচক ছিলেন অ্যাডভোকেট লালিম হক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সিরাজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এনডিসি ও লালন একাডেমির অ্যাডহক কমিটির সদস্যসচিব মো. সবুজ হাসান। অনুষ্ঠানের শুরুতেই আগত অতিথিদের কুষ্টিয়া লালন একাডেমীর পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া, ক্রেস্ট ও আত্মশুদ্ধির প্রতীক একতারা উপহার দিয়ে বরণ করে নেন। আলোচনা শেষে দ্বিতীয় পর্বে লালন মঞ্চে বিভিন্ন শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে লালন সংগীত পরিবেশিত হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করেন দেশের খ্যাতিনামা শিল্পীবৃন্দসহ লালন একাডেমির স্থানীয় শিল্পীরা।
353af3a0e099c15081060547658f1aa6
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
482
fineweb_2_bn
3.194565
3
1.000283
1
যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে ২০পিচ স্বর্ণের বারসহ ৩ পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা। সোমবার (২৯ মে) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ইমিগ্রেশনের ভেতর থেকে কাস্টম শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা স্বর্ণেরবারসহ তাদের আটক করে। আটককৃতরা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার লাওয়াছড়া গ্রামের আহমেদ মোল্লার ছেলে রনি আহমেদ (৪৩), একই এলাকার শাহিদ মোল্লার ছেলে মহিউদ্দিন (৩৭) ও ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার বাণীসর্দি গ্রামের মোশারফ মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়া। বেনাপোল কাস্টম শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তরের উপ-পরিচালক শায়েখ আরেফিন জাহিদ জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি ৩ জন স্বর্ণ পাচারকারী স্বর্ণ নিয়ে ভারতে যাবে। এ সময় আগে থেকেই ইমিগ্রেশন কাস্টমসে গোয়েন্দারা তৎপরতা বাড়ানো হয়। একপর্যায়ে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসা করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছে স্বর্ণ থাকার বিষয়টি স্বীকার করলে, তাদের দেহে তল্লাশি করে ২০পিচ স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন ২ কেজি ৩২০ গ্রাম। এসব স্বর্ণের বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা । আসামিদের বিরুদ্ধে স্বর্ণ পাচারের মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে তিনি বলে জানান।
71cc0e556564a248cad427aab4a69a68
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
207
fineweb_2_bn
1.109926
1
1.008344
1
আট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্ট টা দেখে ২০ বছর বয়সী ঝুমঝুমকে ডাক্তার সরাসরিই বলে দিলো আপনার ফিজিক্যাল রিলেশন করতে হবে।এটাই একমাত্র ইজি Solution. ঝুমঝুম ডাক্তার রেহানার কথা শুনে চমকে গেলো। ঝুমঝুম-কি লিখা আছে এই রিপোর্টে? ডাক্তার রেহানা-আপনার জরায়ুতে সিস্ট আছে।যদিও এটা তরল পানি জাতীয় ঠোসার মত।কিন্তু অনেক দিন হয়ে যাওয়ায় এগুলো বড় আকার ধারণ করেছে।এই জন্যই আপনার তল পেটে ব্যথা হয়,আর পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত ব্লিডিং হয়। ঝুমঝুম-এখন আমি কি করবো ডাক্তার? ডাক্তার রেহানা-ওই যে বললাম,আপনার ফিজিক্যাল রিলেশন করতে হবে।ফিজিক্যাল রিলেশনের পর যদি এই ঠোসা গুলো আপনি আপনি গলে যায় তবে আর কোন সমস্যা নেই আপনার। আমরা মেডিসিন দিবো,নিয়মিত খেলে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু যদি এই ঠোসা না গলে,তবে অপারেশন করতে হবে। আর এই অপারেশনে প্রচুর রিস্ক আছে।যদি কোন রকম প্রবলেম হয় তবে আপনি আর কোন দিন মা হতে পারবেন না।কিংবা আপনি মারাও যেতে পারেন। তাই এই সিস্ট থেকে মুক্তি পাবার সব থেকে সহজ উপায় হচ্ছে ফিজিক্যাল রিলেশন।শুনলাম আপনি এংগেইজড,তো তাকে যত দ্রুত সম্ভব দেশে এসে বিয়ে করে নিতে বলুন। ডাক্তারের কথা শুনে ভার্সিটিতে পড়ুয়া ঝুমঝুম আর ওর বান্ধবী ঝুমুর বাসায় ফিরে এলো। ঝুমঝুম বাসায় গিয়ে ওর মাকে সব খুলে বল্লো।ছোট বেলা থেকেই ঝুমঝুম ওর মায়ের সাথে খুব ফ্রী।তাই কথা গুলো বলতে ওর তেমন কষ্ট বা লজ্জা হয়নি।আর পৃথিবীতে সব থেকে বড় বন্ধুই তো মা।তাই মায়ের কাছে বলতে লজ্জাই বা কিসের। ঝুমঝুমের বিয়ে ঠিক হয়ে আছে ওরই বাবার বন্ধুর ছেলে জিহানের সাথে।এংগেজমেন্টও হয়ে আছে।ছেলে প্রবাসী।ছেলে দেশে আসলেই বিয়ে।ছেলে গ্রীণ কার্ড পাচ্ছেনা বলে দেশেও আসতে পারছেনা। ঝুমঝুমের মা ঝুমঝুমের সব কথা শুনে জিহানকে ফোন দিলো।ফোন দিয়ে সব কিছু খুলে বল্লো।আর বল্লো,বাবা তুমি তাড়াতাড়ি দেশে চলে আসো।এসে বিয়েটা করে নাও। জিহানঃদেখুন আন্টি!আমি এখন আসতে পারবোনা।তাছাড়া আমার প্রোমোশনের কথাও চলছে।এই অবস্থাতে কোনমতেই আমার আসা সম্ভব না। ঝুমঝুমের মাঃতাহলে আমরা কি করবো বাবা?ঝুমঝুম যে দিন দিন অসুস্থ হচ্ছে। জিহানঃতা আমি কি করে বলবো?আমি কি ডাক্তার নাকি!ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। ঝুমঝুমের মা ডাক্তারের সাথে গিয়ে কথা বল্লো।ডাক্তারও সেই আগের কথা গুলোই ঝুমঝুমের মাকে বল্লো। ঝুমঝুমের মা কিছুই বুঝতে পারছেনা কি করবে। রাতে হঠাৎ ঝুমঝুমের মোবাইলে রিং বেজে উঠলো।রনক ফোন দিচ্ছে আর ঝুমঝুম বার বার লাইন কেটে দিচ্ছে। অনেক বার লাইন কেটে দেয়ার পর রনকের মেসেজ দেখে রিসিভ করে। ঝুমঝুমের ভয়েজ শুনেই রনক বুঝে যায় ঝুমঝুমের মন খুব খারাপ। রনক ঝুমঝুমকে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে। ঝুমঝুম বলেনা।রনকের অনেক জেদের পর ঝুমঝুম রনককে মেসেজে লিখে পাঠায় ডাক্তার যা বলেছে,আর জিহান যা বলেছে। ঝুমঝুম কাঁদছে।রনক কিছুতেই ঝুমঝুমের কান্না থামাতে পারছেনা।রাতে দুজনের কথা শেষে দুজন ঘুমিয়ে পড়লো। রনক হচ্ছে ঝুমঝুমের বন্ধু,শুভাকাঙ্ক্ষী,ভালবাসা। ঝুমঝুম আর রনকের পরিচয় প্রায় ৭ মাস।বন্ধুত্ব,তারপর একে অপরকে মনের অজান্তেই ভালবেসে ফেলে। দুজনের পরিচয় ফেসবুকের মাধ্যমে।দুজন দুজনকে ভালবাসা সত্বেও ঝুমঝুম বাবার পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করতে যাচ্ছে।কারণ ওর বাবা ওকে সরাসরি বলে দিয়েছে,জিহানকে বিয়ে না করলে সে এ মুখ আর কাউকে দেখাবেন না। রনকও প্রবাসী।ওদের দুজনের সামনা সামনি এখনো দেখা হয়নি। ঝুমঝুমকে রনক বলেছে ও ঝুমঝুমের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে বা বন্ধু হয়ে থাকতে চায় ওর জীবনে।তবুও ওকে হারাতে চায়না। তাই ওদের যোগাযোগটা এখনো আছে। পরের দিন ঝুমঝুম ফেসবুকে ঢুকতেই দেখে রনকের আইডি ডিএকটিভ।নাম্বারও বন্ধ। মনে মনে খুব কষ্ট পেলো।নিজের মনকে সান্ত্বনা দিলো,যেখানে জিহানেরই কোন গুরুত্ব নেই ওর অসুখে।সেখানে রনকই বা কি গুরুত্ব দিবে। ঝুমঝুম দিনকে দিন অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে।পেটে অসহ্য ব্যথা।চুল পড়ে যাচ্ছে।কিছুতেই কিছু হচ্ছেনা।ঠোসা না গলে যাওয়া অব্ধি কোন কিছুতেই সুস্থ হওয়া সম্ভব না ওর। তিন দিন পর হঠাৎ করেই একটা আননোন নাম্বার থেকে কল।ঝুমঝুম রিসিভ করছেনা।কিছু ক্ষণ পর একটা মেসেজ আসলো, “ঝুমঝুম আমি রনক,রিসিভ করো” ঝুমঝুম মেসেজ দেখে আঁতকে উঠলো,এটা তো বাংলাদেশের নাম্বার।তাহলে কি রনক এখন বাংলাদেশে?ভাবতে ভাবতেই ঝুমঝুম ফোন রিসিভ করে। -হ্যালো। -এত বার ফোন দিচ্ছি রিসিভ করছো না কেন? -তুমি জানোনা আমি আন নোন নাম্বার রিসিভ করিনা?আর তুমি আইডি নাম্বার সব অফ করে রেখেছো কেন? -এই যে তুমি যে রিসিভ করোনা,কখনো প্রয়োজনীয় কলও তো আসতে পারে।আচ্ছা বাদ দাও, ওমুক জায়গায় যেই নদীটা আছে সেখানে চলে আসো।আর এক্ষনি চলে আসবে। -মানে কি?নদীতে কি?ওখানে আসবো কেন? -নদীতে মাছ!মাছ ধরবো।তাই আসবে।তাড়াতাড়ি এসো। -তুমি মাছ ধরবে মানে?তুমি কি নদীর ধারে নাকি?দেশে আসলে কবে? -আরে বাবা এত কথা না বলে এসো তো তাড়াতাড়ি।না আসলে কিন্তু আমি সারাদিন সারা রাত এখানে অপেক্ষা করবো।সো তাড়াতাড়ি আসো।বাই। এই কথা বলে রনক ফোন রেখে দিলো। ঝুমঝুম তাড়াতাড়ি করে একটা নীল শাড়ী পরে নিলো ওর এক ভাবীর কাছে গিয়ে।হাতে নীল চুড়ি,কপালে ছোট্ট একটা নীল টিপ।নীল রনকের প্রিয় রঙ।রেডি হয়ে চলে গেলো নদীর ধারে। গিয়ে দেখে পেছন ফিরে একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে।কাঁধে একটা ব্যাগ ঝুলানো।ঝুমঝুম কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই রনক ঘুরে দাঁড়ালো।ঝুমঝুমের দিকে তাকাতেই রনক যেন সেন্সলেস হবে,এমন উপক্রম।অপলক চেয়েই আছে রনক,ঝুমঝুমের দিকে। ঝুমঝুম হাল্কা একটা কাঁশি দিয়ে জিজ্ঞেস করলো,কেমন আছো? -এইতো আছি।তুমি? -এইতো বেঁচে আছি। -নীল শাড়ীতে তোমায় অনেক সুন্দর লাগছে।ঠিক যেন অপ্সরী। -থাক আর ফোলাতে হবেনা,এমনিতেই দিন দিন ফুলে যাচ্ছি।তুমি দেশে যে?তুমি না দেশে চলে আসলে আর যেতে পারবেনা ওখানে?দু বছর পর না আসতে চাইলে?তবে হুট করে চলে আসলে যে? -এমনিই,তোমাকে কাছ থেকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছিলো তাই তোমাকে দেখতে আর সারপ্রাইজ দিতে চলে আসলাম। ঝুমঝুম মনে মনে ভাবছে,রনক আমার জন্য নিজের জব ফেলে দেশে চলে আসলো।যেখানে ও জানে যে একবার চলে আসলে ২য় বার আর যেতে পারবেনা।আর জিহান?ওর তো হবু বউ আমি।ও আমার জীবনের পরোয়াও করলোনা।ওর কাছে প্রমোশনটাই বড় হয়ে গেলো! ভাবতে ভাবতে চোখ বেয়ে দু ফোটা অশ্রু ঝরে পড়লো ঝুমঝুমের চোখ থেকে। -এই ঝুমঝুম,কি হয়েছে? -কিছুনা। -চলো আজ আমরা সারাদিন ঘুরবো। -না আমি বাসায় যাবো।সবাই চিন্তা করবে। -তুমি আজ আমার সাথে ঘুরবে।কোত্থাও যাবেনা তুমি।তোমার মনে আছে?আমি তোমার জীবন থেকে একটা দিন তোমার কাছে আবদার করেছিলাম?বলেছিলাম একটা দিন তুমি আমাকে দিবে।সেই দিন টা শুধুই আমার হবে আমার।সেই দিন্টার উপর তোমার কোন দাবী থাকবেনা।আজকে দিন টা তোমার কাছে চেয়ে নিচ্ছি।ফিরিয়ে দিওনা। ঝুমঝুম রনকের মিনতিতে রাজী হলো।রাজী হলো সারাটা দিন রনকের সাথে ঘুরতে।হয়তো আজই ওদের শেষ দেখা আর আজই শেষ ঘুরা। ঝুমঝুম আর রনক জায়গায় জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।দেখার মত সুন্দর সুন্দর জায়গা গুলোতে।পা বাড়িয়েছে অজানা গন্তব্যে।যেখানে মন চায় ছুটে বেড়াচ্ছে। ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ করেই বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো।সাথে তো বিদ্যুৎ চমকানো আছেই।দৌড়ে ওরা একটা বাসায় ঢুকলো।দরজা নক করতেই এক বৃদ্ধা মহিলা এসে দরজা খুলে দিলো। -কারা তোমরা?কাকে চাও? রনক-বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে তাই একটু আশ্রয়ের জন্য এসেছি।বৃষ্টি কমলেই আমরা চলে যাবো। -কি হও তোমরা? ঝুমঝুম মাত্রই বলতে যাবে আমরা বন্ধু। রনক ঝুমঝুমকে থামিয়ে দিয়ে বল্লো,আমরা সদ্য বিবাহিত স্বামী-স্ত্রী। বুড়ি মা ওদের ঘরে ঢুকতে বল্লো। বাসায় বুড়ি মা আর তার বর থাকেন।বর বাজারে গিয়েছে।বৃষ্টির জন্য ওখানেই আটকা পড়েছে।আর তাদের সন্তানেরা সবাই প্রবাসী।তারা দেশের বাইরে থাকে। বুড়ি মা ওদের শরীর মোছার জন্য তোয়ালে বের করে দিলো।আর ঝুমঝুমকে তার জুয়ান কালের একটা লাল রঙের শাড়ী বের করে দিলো।রনককে দিলো তার বরের একটা পাঞ্জাবী আর লু্ঙ্গী।হাতে একটা জ্বলন্ত মোমবাতি দিয়ে বল্লো তোমরা ওই রুমটাতে যাও।ওটা আমার ছেলের আর বউ এর রুম।ওখানে গিয়ে তোমরা কাপড় চেঞ্জ করে নাও।অনেক টা ভিজে গেছো।দুজন কোন কথা না বাড়িয়ে চলে গেলো রুমটাতে। রুমে ঢুকে দুজন দু দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে আছে।কারো মুখে কোন কথা নেই।হয়তো লজ্জায় নয়তো সংকোচে। কিছু ক্ষণ পর রনক-শাড়ীটা চেঞ্জ করে নাও জ্বর এসে যাবে।ঠান্ডা লেগে যাবে। ঝুমঝুম-লাগুক। রনক-প্লিজ এমন করেনা।পরে নাও শাড়ীটা।বৃষ্টি কমলেই আমরা চলে যাবো।রাগ করোনা প্লিজ,আমি আমাদের পরিচয় স্বামী-স্ত্রী দিয়েছি বলে। অন্য কিছু বললে উনারা মাইন্ড করতো।হয়তো রুমেও ঢুকতে দিতোনা। ঝুমঝুম-আমি রাগ করিনি।ইটস ওকে। রনক-তাহলে শাড়ীটা পরছোনা কেন? ঝুমঝুম-আমি যে শাড়ী পরতে পারিনা তুমি জানোনা?আসার সময় ভাবী পরিয়ে দিয়েছে। রনক-আমি পরিয়ে দেবো?না মানে চোখ বন্ধ করে রাখবো।আমার বউ তো আর হবেনা তুমি যে নিজ হাতে সাজাবো,শাড়ী পরাবো,খোঁপায় বেলী ফুলের মালা পরাবো,যখন ইচ্ছে হয় তখন।(রনকের চোখে জল) হবেনাতো আমার সন্তানের মা তুমি।শুনতে পারবোনাতো তোমার সন্তানের মুখ থেকে বাবা ডাক আমি।হায়রে জীবন।কতই না স্বপ্ন ছিলো।আমার স্বপ্ন দেখাও পাপ। ঝুমঝুম-এই নাও শাড়ী।পরিয়ে দাও।(ঝুম ঝুমের চোখ ছলছল করছে) রনক ইউটিউব দেখে শাড়ী পরানো টা শিখে ছিলো।কারণ ঝুমঝুম একদিন রনককে বলেছিলো, এই যে শোনেন!বিয়ের পর আপনিই কিন্তু প্রতিদিন আমাকে শাড়ী পরিয়ে দিবেন। রনক সম্মতি জানিয়েছিলো। আজ সেই ঝুমঝুমকেই রনক শাড়ী পরিয়ে দিচ্ছে। হঠাৎ করেই খুব জোরে বিদ্যুৎ চমকে উঠলো।ঝুমঝুম ভয়ে অর্ধ শাড়ী পরা অবস্থাতেই রনককে জরিয়ে ধরলো। রনক ঝুমঝুমকে ধরতে চেয়েও ধরছেনা। কিছু ক্ষণ পর বিবেক আর ভালবাসার মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই এর পর রনকও ঝুমঝুমকে জড়িয়ে ধরলো। ঝুমঝুমের কপালে রনক তার কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে ভালবাসার টিপ পরিয়ে দিলো। রুমের বাতিটা নিভে গেলো।দুজন পরিপূর্ণ হলো দুজনায়,দুজনের ভালবাসায়। কিছু ক্ষণ পর বুড়ি মা দরজায় নক করে বল্লো,ফ্রেশ হয়ে এসো তোমরা।আমি খাবার বাড়ছি। দুজনি গোসল করে ফ্রেস হয়ে বুড়ি মার রুমে আসলো। তত ক্ষণে বুড়োও এসে গেছেন।বুড়োর সাথে বুড়ি মা ওদের পরিচয় করিয়ে দিলো।চার জন খাওয়া দাওয়া শেষে কিছু ক্ষণ গল্প করলো। তারপর ঝুমঝুম বল্লো,এবার আমরা উঠি বুড়ি মা।বৃষ্টি কমে গেছে।তাছাড়া বাসায় সবাই অপেক্ষা করছে।চিন্তাও করবে। বুড়োর আর বুড়ি মার মন খারাপ হয়ে গেলো।এত ক্ষণ তাদের ভালোই লাগছিলো।কিন্তু একটু পরই আবার বাড়ীটা ফাঁকা হয়ে যাবে। রনক-এই এই মন খারাপ করেনা।একদম মন খারাপ করেনা।আমরা আবার আসবো।দুজনের সাথে গল্প করতে। বুড়ো-বুড়ির মুখে হাসি ফোটে। ঝুমঝুম রনকের দিকে নিশ্চুপ তাকিয়ে আছে। ঝুমঝুম আর রনক দুজনের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রাস্তায় বের হলো।কেউ কারো সাথে কোন কথা বলছেনা। ঝুমঝুম বাড়ীর কাছাকাছি চলে এসেছে। রনক-থেকে গেলে হয়না পাগল টার জীবনে? ঝুমঝুম-আজই আমাদের শেষ কথা,শেষ দেখা।ভালো থেকো। এই কথা বলে ঝুমঝুম দৌড়ে বাসায় চলে যায়। দুদিন পর খেয়াল করে ঝুমঝুমের আর পেটে ব্যথা করছেনা। ডাক্তার রেহানার কাছে যায় ঝুমঝুম। ডাক্তার রেহানা আলট্রাসাউন্ড করে দেখেন,ঝুমঝুমের সিস্ট গুলো গলে গেছে।সে অবাক হয়।মিরাকল ভেবে ঝুমঝুমকে বলে,তুমি বেঁচে গেছো,তোমার সিস্ট গুলো গলে গেছে। ঝুমঝুম চমকে গিয়ে সেই বৃষ্টির কথা মনে করে।মনে করে রনকের কথা। ডাক্তার কিছু মেডিসিন দিয়ে দেন আর বলেন,এখন আর তোমার কোন সমস্যা নেই।এক মাস এই মেডিসিন গুলো খাও।তারপর আমার সাথে দেখা করবে। ঝুমঝুম বাসায় চলে আসে।ওর মাকে এসে বলে,সিস্ট গুলো গলে গেছে।চিন্তা করো না আর আমার জন্য।ওর মা খুশিতে আত্মহারা।জিহানকে ফোন দিয়ে জানায়। কেটে যায় অনেক গুলো দিন।ঝুমঝুম ওর আইডি ডি এক্টিভ করে দিয়েছে সেদিন বাসায় এসে।আর নাম্বারও চেঞ্জ করে ফেলেছে তাই রনক আর সেদিনের পর ঝুমঝুমের সাথে কোন রকম যোগাযোগ করতে পারেনি। জিহান গ্রীণ কার্ড পেয়ে গেছে।আজ সে দেশে আসছে। আগামী পরশু ঝুমঝুমের গায়ে হলুদ।আর তারপরের দিন বিয়ে। আইডি লগিন করে ঝুমঝুম রনক কে একটা মেসেজ লিখে, ”আমার জীবন বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ। শুক্রবারে আমার বিয়ে।জীবন টাকে নতুন ভাবে সাজিয়ে নিও।আমাদের স্বপ্ন গুলোকে অন্য কারো সাথে পূরণ করো।ভালবাসি” মেসেজ টা দিয়েই ঝুমঝুম আইডি ডিএক্টিভ করে দেয়। আজ ঝুমঝুমের গায়ে হলুদ।সবাই ঝুমঝুমকে হলুদ দিয়ে গেছে।সবার সাথে জিহানও এসেছিলো ঝুমঝুমকে হলুদ দিতে।জিহানের মুখে কি সুন্দর হাসি। কিন্তু ঝুমঝুম এই হাসিটাকে সহ্য করতে পারছেনা।কারণ যার কাছে ঝুমঝুমের জীবনের কোন মূল্যই নেই।তার হাসি তো বিষাক্ত মনে হবেই। ঝুমঝুম মনে মনে ভাবছে,এই মানুষটার সাথে আমি সারাজীবন সংসার করবো কি করে! ছেলে পক্ষ হলুদ দিয়ে চলে গেছে। মেয়ে পক্ষ হলুদ দেয়া শুরু করেছে,হঠাৎ ঝুমঝুম স্টেজ থেকে দৌড়ে চলে গেলো। বেসিনে গিয়ে বমি করতে শুরু করলো। ঝুমঝুম বুঝতে পারছেনা কেন এমন হচ্ছে। আজ ঝুমঝুমের বিয়ে,সকাল থেকেই হঠাৎ করেই মাথাটা ঘুরছে।আবার বমি বমি লাগছে।ফ্রিজ থেকে আচার বের করে আচার খাচ্ছে ঝুমঝুম। হঠাৎ এক দাদী এসে ঝুমঝুমকে বল্লো, এখন এত আচার খাওয়া লাগবেনা।আর কয় দিন পর এমনিই আচার খাবা। ঝুমঝুম হঠাৎ করে আঁতকে উঠলো।খেয়াল করলো,এ মাসে এখনো তার পিরিয়ড হয়নি।ডেইটের অনেক দিন পাড় হয়ে গেছে।আবার মাথা ঘুরছে,বমি বমি লাগছে।তবে কি ঝুমঝুম…….. ২য় পর্ব। ঝুমঝুম হঠাৎ করে আঁতকে উঠলো।খেয়াল করলো,এ মাসে এখনো তার পিরিয়ড হয়নি।ডেইটের অনেক দিন পাড় হয়ে গেছে।আবার মাথা ঘুরছে,বমি বমি লাগছে।তবে কি…. এসব ভাবতে ভাবতে ঝুমঝুম ওর এক বান্ধবীকে ফোন দিয়ে বল্লো, একটা প্রেগন্যানসি টেস্ট কাঠি নিয়ে আসিস তো। আমার এক ভাবীর লাগবে।তাড়াতাড়ি নিয়ে আসিস। দুপুর হয়ে গেছে। ঝুমঝুমকে বিয়ের সাজে সাজানো হচ্ছে।কনের সাজে ঝুমঝুমকে অপূর্ব লাগছে।এমনিতেই ঝুমঝুম দেখতে খুব সুন্দরী,তার উপর বিয়ের সাজ,বিয়ের সাজে মেয়েদের সৌন্দর্য এমনিতেই আরো বেড়ে যায়। ঝুমঝুমের বান্ধবী পার্লার থেকে সেজে কেজে তারপর প্রেগন্যান্সি টেস্টের কাঠি নিয়ে হাজির হয়। ঝুমঝুম কাঠিটা নিয়ে সোজা বাথরুমে ঢুকে। টেস্ট করতেই ঝুমঝুম লাল বর্ণের দুটো স্পষ্ট রেখা দেখতে পায়। ঝুমঝুমের আর বুঝতে বাকি রইলোনা,ঝুমঝুম প্রেগন্যান্ট।ও রনকের সন্তানের মা হতে চলেছে। কি করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলোনা। দিশাহারা হয়ে রনক কে ফোন দিতে লাগলো।রনকের মোবাইল বন্ধ,কল যাচ্ছেনা।বার বার ট্রাই করে যাচ্ছে। কিন্তু রনকের মোবাইলে কল যাচ্ছেনা। যাবেই বা কি করে,ঝুমঝুমের সেদিনের মেসেজ টা দেখা মাত্রই রনক কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মোবাইল টা আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে। এদিকে বর পক্ষ এসে গেছে। ঝুমঝুম বাবা মায়ের উদ্দেশ্যে ছোট্ট একটা চিঠি লিখে পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়, ”মা এবং বাবা,আমাকে তোমরা ক্ষমা করো।আমার পক্ষে এই বিয়ে করা সম্ভব না।তাই আমি চলে যাচ্ছি,ভেবোনা। আমি কারো হাত ধরে পালাচ্ছিনা।আমি একাই অজানা পথে পা বাড়ালাম,তোমরা ভালো থেকো,ইতি তোমাদের মেয়ে” কেটে যায় ৫টা বছর। যে যার মত যার যার জীবন নিয়ে ব্যস্ত।জিহান বিয়ে করে বউ নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে।বাবা মা তাদের অন্য সন্তান বুকে নিয়ে বেঁচে আছে।ঝুমঝুম বিয়ে করে স্বামী নিয়ে ভালো আছে,এই চিন্তা করে রনক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ভালো আছে। কিন্তু ঝুমঝুম?ঝুমঝুম কোথায়?ও কি ভালো আছে?ওর পেটের সন্তান টা কেমন আছে?সন্তানটা কি পৃথিবীর মুখ দেখেছে? নাকি দেখেনি?নাকি সন্তান্টাকে পেটে নিয়েই ঝুমঝুম এই পৃথিবীর মানুষের কটু কথা থেকে বাঁচতে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে? কারো জানা আছে?কারো জানা নেই। রনকের মা খুব অসুস্থ,তাই ডাক্তার রনককে তার মাকে নিয়ে ঢাকা গিয়ে ভালো কোন ডাক্তার দেখাতে বলেছে।তাই রনক আজ ঢাকার একটি হসপিটালে তার মাকে নিয়ে এসেছে।সিরিয়াল লিখিয়ে,মা কে নিয়ে বসে আছে।ডাক পড়লেই মা কে নিয়ে ডাক্তারের রুমে ঢুকবে। হঠাৎ করেই রনকের চোখ পড়ে একটা মেয়ের উপর।মেয়েটা পুতুলের মত সুন্দর। বসে আছে একটা চেয়ারে।আনুমানিক চার বছর হবে মেয়েটার। মেয়েটার হাতের পুতুল টা নিচে পড়ে গেছে,তাই ওটা উঠানোর চেষ্টা করছে মেয়েটা।রনক দৌড়ে গিয়ে পুতুল টা তুলে মেয়েটার হাতে দেয়।মেয়েটা মুচকি একটা হাসি দিয়ে রনককে ইশারায় ধন্যবাদ জানায়। রনক চমকে উঠে মেয়েটার হাসি দেখে,মেয়েটার হাসিটা ঠিক ঝুমঝুমের মত।আর চোখ দুটো একদম রনকের মত। রনক মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করে,তুমি এখানে কেন? মেয়েটা ডাক্তারের চেম্বার দেখিয়ে দেয় আঙুল দিয়ে। রনক জিজ্ঞেস করে,তোমার সাথে আর কেউ আসেনি? মেয়েটা মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বলে। রনক জিজ্ঞেস করে কোথায় সে? মেয়েটা রাস্তা দেখিয়ে দেয়। রনক মনে মনে ভাবে,এত সুন্দর নিষ্পাপ মেয়েটা।অথচ কথা বলতে পারেনা।আল্লাহ্ লিলা বোঝা বড় দায়। মেয়েটার মাথায় হাত বুলিয়ে বলে,তুমি এখানেই বসে থাকো কোথাও যেওনা। মেয়েটা মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বলে। আর রনক চলে যায় ওর মায়ের কাছে। মাকে মেয়েটাকে দেখিয়ে বলতে থাকে আর আফসোস করতে থাকে যে,মেয়েটা কথা বলতে পারেনা। হঠাৎ করেই রনক দেখে মেয়েটা কোথায় যেন দৌড়ে যাচ্ছে। আর রনকও ওর মাকে বসিয়ে রেখে মেয়েটার পেছনে ছুটছে।কিছু দূর যেতেই রনকের বুকের ভেতর ধক করে উঠে। মেয়েটা সাদা আর কালো রঙের থ্রী পিচ পরা একটা মেয়েকে আম্মু বলে দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরে। রনকের বুঝতে আর বাকি নেই সাদা কালো থ্রি পীচ পরা জরিয়ে ধরা মেয়েটা যে পিচ্চি মেয়েটার মা। আর মেয়ের মা টা যে রনকের চির চেনা ভালবাসা।তারই ঝুমঝুম।ঝুমঝুম ওর মেয়েকে কোলে নিয়ে আদর করছে,চুমু খাচ্ছে। হঠাৎ করেই ঝুমঝুম এর চোখ পড়ে রনকের দিকে।হাসি ভরা মুখটা নিমিষেই মলিন হয়ে যায়।চোখ দুটো জলে ভরে যায়। দুজনই চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে।চোখ ভিজে যাচ্ছে দুজনেরই।কতটা দিন পর দেখা তাদের।ঠোঁট দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছেনা কারোই। অথচ মনে মনে বলছে ঠিকই। -খুব ভালো আছো তাইনা?স্বামী সংসার নিয়ে।মেয়ের মাও হয়েছো। -খুব ভালো আছি।তুমিও কত স্মার্ট হয়েছো।বিয়ে করে বউ নিয়ে ভালোই আছো বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু কেউ কারো কোন কথা শুনতে পারছেনা।কারণ মনে মনে বলা কথা গুলো বাইরে থেকে যে শোনা যায়না। পুতুল মেয়েটার ডাকে দুজনের নীরবতা ভাঙে। আম্মু আম্মু আমার আইসক্রিম দাও। এই যে মা তোমার আইসক্রিম।এই নাও। রনক-তুমি কথা বলতে পারো? ঝুমঝুম-পারবেনা কেন? রনক-না মানে,ওর সাথে আমি একটু আগে কথা বলেছি।ও মুখে কিছু বলেনি।ইশারায় সব বলেছে।তাই ভাবলাম… ঝুমঝুম-মুখে কিছু বলোনি কেন মা? -তুমিই না বলেছো অপরিচিত কারো সাথে কথা বলবেনা।অপরিচিত কেউ কিছু দিলে নিবেনা।তাই আমি ইশারায় বলেছি।কথা বলিনি। ঝুমঝুমঃপাগলী মেয়ে আমার। -আম্মু জানো,আংকেল টা খুব ভালো।আমার পুতুল পড়ে গিয়েছিলো,সে তুলে দিয়েছেন। এদিকে এক নার্স এসে রনক কে ডাকে,আপনার মা আপনাকে খুঁজছে।আপনার মায়ের সিরিয়াল এসেছে চলুন। আসি,ভালো থেকো,সুখী হও বলে,আর মেয়েটার গালে একটা চুমু দিয়ে রনক ওর মায়ের কাছে চলে যায়। ঝুমঝুমও ওর মেয়েকে নিয়ে যেই ডাক্তারকে দেখাবে সেই ডাক্তারের চেম্বারের সামনে চলে যায়।ঝুমঝুমের মেয়ের সকাল থেকে হঠাৎ পেটে ব্যথা তাই ঝুমঝুম ওর মেয়েকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছে। দুজনের ডাক্তার দেখানোই শেষ। বাসায় ফিরে যাবার সময় ঝুমঝুমের মেয়েটা ঝুমঝুমকে বলে-আম্মু। ঝুমঝুম-কি মা? -ওই যে দেখো আংকেল টা।আমি আংকেল টাকে একটা চুমু দিয়ে আসি?তুমি আমাকে চুমু দিয়ে না বলো,চুমু দিলে চুমু দিতে হয়?আংকেল তো আমাকে চুমু দিয়েছে,আমিতো দেইনি।আমি একটা চুমু দিয়ে আসি? ঝুমঝুম-আচ্ছা যাও।কিন্তু চুমু দিয়ে বাই বলেই চলে আসবে।দেরি করবেনা কেমন? -আচ্ছা আম্মু।উম্মাহ। -উম্মাহ্ বাবুই। -আংকেললল, -এই যে মামুনি,তোমরা এখনো যাওনি? -উঁহু যাইনি,এখনি চলে যাবো।ইনি কে? -ইনি আমার মা। -ও আচ্ছা,কেমন আছো দাদুভাই? -ভালো আছি দাদু ভাই,তুমি কেমন আছো? -আমিও ভালো আছি।আচ্ছা আমার বেশি সময় নেই,আংকেল তাড়াতাড়ি একটু বসো তো। -বসবো কেন? -আরে বসোই না। -আচ্ছা বসলাম। -উম্মাহ! আসি টা টা। -এই দাঁড়াও দাঁড়াও!তোমার নাম টাই তো জানা হলোনা। -আমার নাম? আমার নাম…. আংকেল তাড়াতাড়ি একটু বসো তো। -বসবো কেন? -আরে বসোই না। -আচ্ছা বসলাম। -উম্মাহ! আসি টা টা। -এই দাঁড়াও দাঁড়াও!তোমার নাম টাই তো জানা হলোনা। -আমার নাম? আমার নাম রিমঝিম খান। বাবা-রনক খান। মা-ঝুমঝুম খান। বাসা ঢাকা। রিমঝিমকে কেউ ওর নাম জিজ্ঞেস করলে ও নামের সাথে এক গড়া এই উত্তর গুলো এক সাথে দিয়ে দেয়।কারণ ওর মা ওকে এই কথা গুলোই বার বার ওকে শিখিয়েছে। রনকের বুকের ভেতর ঝড় বয়ে গেলো।রনকের মাও অবাক হয়ে গেলো।এ দেখি তার ছেলের নাম বলছে। রনক-মা তোমার বাবার নাম কি বললে? -রনক খান। -তোমার বাবা কোথায়?তোমার বাবা তোমাদের সাথে থাকেনা? -আমার বাবা আমার জন্য তারা আনতে গেছে।ওই যে আকাশে জ্বল জ্বল করে কত তারা জ্বলে না?ওগুলো আনতে গেছে।আমি আরেকটু বড় হলে বাবা তারা গুলো নিয়ে একেবারে চলে আসবে আমাদের কাছে। -তুমি তোমার বাবাকে কখনো দেখোনি? -দেখেছিতো।ওই যে আকাশে সব থেকে যেই বড় তারা টা দেখা যায়,ওটাই আমার বাবা। রনক রিমিঝিম কে কোলে নিয়ে চুমু খেতে থাকে। আর ঝুমঝুম রিমঝিমের দেরি দেখে ওখানে এসে হাজির হয়। রনক-ঝুমঝুম!রিমঝিম কি বলছে? ঝুমঝুম-কি বলছে ও? রনক-ওর বাবার নাম নাকি রনক খান। ঝুমঝুম রিমঝিমের হাত ধরে বলে চলো মা।অনেক দেরি হয়ে গেছে। রনক ঝুমঝুমের হাত টেনে ধরে,আমি আমার প্রশ্নের উত্তর চাই। রিমঝিম নাম টা আমি আমাদের মেয়ের নাম রাখতে চেয়েছিলাম।আর ওর নাম তুমি রিমঝিম রেখেছো,আবার ওর চোখ ঠিক আমার মত।ও বলছে ওর বাবার নামও রনক। তবে কি ও…. চুপ করে থেকোনা জবাব দাও। -হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ।রিমঝিম তোমার মেয়ে।রিমঝিম আমাদের মেয়ে।ওই বৃষ্টির দিনেই ও আমার গর্ভে আসে।মনে আছে বুড়ি মার কথা?বুড়োটার কথা?বৃষ্টি? মনে আছে? -আমার সব মনে আছে কলিজা।সব মনে আছে।তুমি আমায় জানাওনি কেন? আর তোমার না বিয়ের কথা ছিলো? -কিভাবে জানাতাম?অনেক ট্রাই করেছি তোমার ফোনে,কল যায়নি।আর বিয়ের দিনই আমি জানতে পারি আমি প্রেগন্যান্ট।তোমার সন্তান আমার গর্ভে।তাই আমি বাসা থেকে পালিয়ে যাই।ঢাকা চলে আসি এক বান্ধবীর বাসায়।ওখানে থেকেই একটা চাকুরী খুঁজে নেই।জব করি,ওকে জন্ম দেই।তোমার পরিচয়ে বড় করি।এই তো চলছে জীবন।আমি আমার মেয়েকে নিয়ে ভালোই আছি।জানিনা কে কেমন আছে।তুমিও হয়তো বউ,বাচ্চা সংসার নিয়ে ভালোই আছো।দোয়া করি ভালো থাকো। রনকের মা রিমঝিম কে কোলে তুলে নেয়।চুমু খেতে খেতে বলে আমার দাদু ভাই।আমার দাদু ভাই। রনক-ভালোই বলেছো।হ্যাঁ ভালো আছি আমি।খুব ভালো আছি আমার মাকে নিয়ে।আমার জীবনে আর কারো জায়গা হয়নি।কারণ আমি তোমার স্মৃতি নিয়েই সারাজীবন বেঁচে থাকবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।আগেও বলেছিলাম,তোমার পরে আমার জীবনে আর কেউ আসবেনা।তুমি হয়তো কথাটা সিরিয়াস ভাবে নাওনি।কিন্তু আমি সিরিয়াস ভাবেই বলেছিলাম। ঝুমঝুম-তুমি বিয়ে করোনি? রনক-বিয়ে মানুষ কয়বার করে?মনে আছে?আমি বিদেশ থাকাকালীন তুমি আর আমি তিন কবুল পড়ে আল্লাহ কে সাক্ষী রেখে বিয়ে করেছিলাম?বলেছিলাম আজ থেকে তুমি আমার বউ।তুমিও মেনে নিয়েছিলে।কিন্তু পরে তোমার বাবা মায়ের ডিসিশনে সব চেঞ্জ হয়ে গেলো।তুমি ভুলে গেলেও আমি ভুলিনি সেদিনের কথা।আর সেদিন থেকেই আমি তোমায় আমার বউ বলে আর নিজেকে তোমার স্বামী বলে স্বীকার করে নিয়েছিলাম।আর বৃষ্টির দিনটাকে আমি আমার স্ত্রীর আর আমার পবিত্র বাসর হিসেবে মনে প্রাণে গ্রহণ করেছি।তাই আর আমার জীবনে কেউ আসেনি।আর আসবেও না কোন দিন। রনকের মাঃ অনেক হয়েছে।এখন দুজনি থাম।বাকি কথা তোরা পরে বলিস।এবার বাসায় ফিরে চল।আমি তোদের দুজনের আবার বিয়ে দিবো।এক করে দিবো আবার দুজনের হাত।তোরা দুজন এক সাথে থাকবি।আমরা সবাই এক সাথে থাকবো আর আমি আমার দাদু ভাইকে নিয়ে বাকি দিন গুলো কাটিয়ে দিতে চাই। রনক আর ঝুমঝুম দুজনি মাকে জরিয়ে ধরে। ফিরে আসে তাদের রাজশাহী। রাজশাহী এসে রনকের মা বিয়ের আয়োজন করে।ফোন দেয় ঝুমঝুমের বাসায়,আর বলে ঝুমঝুমকে আমরা খুঁজে পেয়েছি।ঝুমঝুম আমাদের বাসায় আছে।যদি ওকে দেখতে চান তবে আপনারা আমাদের বাসায় চলে আসুন।ঠিকানা এই। ঝুমঝুমের পরিবারের সবাই ফোন পাওয়ার পরই ঠিকানা অনুযায়ী রওনা দেয়। রনকের বাসায় এসে দেখে বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছে।পুরো বাড়ী সাজানো। রনকের মা তাদেরকে ভেতরে আসতে বলেন। সবাইকে বসতে বলেন,কিছু ক্ষণ পর ওর পরিবারের সবাই ঝুমঝুমকে দেখতে পায় কনের বেশে।সবার চোখে জল।এটা দুঃখের জল নয়।সুখের অশ্রু।মেয়েকে এত দিন পর খুঁজে পাওয়ার খুশি। রনকের মা ঝুমঝুমের বাবা মাকে সব কিছু খুলে বলেন।ঝুমঝুমকে সবাই জরিয়ে ধরে।ঝুমঝুম সবার কাছে ক্ষমা চায়। এর মধ্যে রনক রিমঝিমকে কোলে নিয়ে হাজির হয়। -এরা কারা বাবা? -এরা হচ্ছেন তোমার নানাভাই,নানু ভাই। -উনারা দেখি আম্মুকে আদর করছে।আমাকে দেখি করেনা। -অনেক দিন পর তারা তাদের মেয়েকে পেয়েছেন তো তাই আদর করছে।আমি যেমন তোমাকে পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি আদর করেছি।তারাও তাই করছেন। -তুমি তো ★তারা নিয়ে আসোনি।তারাও কি তাদের মেয়ের জন্য ★তারা আনেনি? রনক এবার মাথায় হাত দিয়ে চাপড়াচ্ছে। ঝুমঝুমের মা বাবা রিমঝিমকে কোলে তুলে নিলো।আদর করলো। সবাই মিলে একত্র হলো, বিয়ে হলো ঝুমঝুম আর রনকের। রাতে রিমঝিম ওর মা বাবাকে বল্লো,আজ আমি দাদু ভাই,নানু ভাই এর কাছে থাকবো।তোমরা ঘুমিয়ে যেও। ঝুমঝুম আর রনকের জন্য বাসর ঘর সাজানো হয়েছে। ঝুমঝুম ফুলের বিছানায় বসে আছে।রনক এসে পাশে বসতেই ঝুমঝুম কেঁদে দিলো।রনক ভয় পেয়ে গেলো, -কি হয়েছে কলিজা?তুমি কাঁদছো কেন?আমি কি কোন ভুল করেছি?বলো আমায়? -আরে বুদ্ধু!আমি খুশিতে কাঁদছি। -তাই বলো।আমি তো ভয় পেয়ে গেছি। আচ্ছা শোনো এবার ওয়াদা করো,আমাকে ছেড়ে কোন দিনও যাবেনা। -কোন দিন যাবোনা।কক্ষনো না। -ওয়াদা? -ওয়াদা। -হানিমুনে কোথায় যাবে বলো? -নিয়ে যাবেতো? -হুম নিয়ে যাবো,কোথায় বলো? -বুড়ী মার বাড়ী। -অবশ্যই যাবো।কালই যাবো,আর সাথে আমাদের রিমঝিমকেও নিয়ে যাবো। -তাহলে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে হবে।চলো চলো ঘুমাবো। -শোনো, -বলো,এবার কিন্তু আমার একটা ছেলে লাগবে। -হুম আমারো। -লাভ ইউ। -ভালবাসি। পরের দিন সকালে রনক ঝুমঝুম আর ঝুমঝুমের বাবা মা ঝুমঝুমদের বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে রনক ঝুমঝুমের বাবা মাকে বলে,আপনারা বাসায় যান। আমি ঝুমঝুম আর রিমঝিমকে নিয়ে একটু পরে আসছি। ঝুমঝুমের বাবা মা চলে যায়।রনক ঝুমঝুম আর রিমঝিমকে নিয়ে বুড়ি মার বাসায় যায়, গিয়ে দেখে সারা বাড়ী মানুষে থৈ থৈ করছে। রনক আর ঝুমঝুমের বুকের ভেতর অদ্ভুত এক ব্যথা অনুভব হয়।আচমকা এক ভয় ভীড় করে ওদের মনে। বুড়ী মা আর বুড়োর কিছু হয়নিতো? ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখে বুড়ি মা আর বুড়ো হাসছে। রনক আর ঝুমঝুম যেন প্রাণ ফিরে পেলো। বুড়ী মার ছেলেরা আজ বিদেশ ছেড়ে বউ বাচ্চা নিয়ে মা বাবার কাছে একেবারে চলে এসেছে।ফিরে এসেছে তাদের স্বদেশে।মাতৃভূমিতে।তাই প্রতিবেশীরা তাদের দেখতে এসেছে। রনক আর ঝুমঝুম বুড়ি মা আর বুড়োর কাছে গেলো।বুড়ো না চিনতে পারলেও। বুড়ি মা ঠিকই ওদের চিনে নিলো।আর মুখ ভাড় করে ফেল্লো। দুজনই কানে ধরে সরি বল্লো,আর বল্লো আমরা খুব খারাপ অবস্থায় ছিলাম তাই আসতে পারিনি দেখা করতে।সরিইইই। রিমঝিমের হাত টা বুড়ি মার হাতে দিয়ে বল্লো,এই যে তোমাদের নাত্নী। বুড়ি মা খিল খিল করে হেসে দিলো।বুড়োও ওদের চিনে নিলো। রনক আর ঝুমঝুমকে দুজন জরিয়ে ধরলো।দোয়া করে দিলো,সুখী হও। রনক আর ঝুমঝুমও তাদের এই বলে বিদায় নিলো যে, তোমরাও ভালো থাকো খুব,পরিবারের সবাইকে নিয়ে। আর আমরা চির কৃতজ্ঞ থাকবো তোমাদের কাছে।
795e0e581e7ece801bc575f20973e5cc
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
6,249
fineweb_2_bn
1.760227
2
1.855742
2
বনগাঁর বাসিন্দা অরুণিতা কাঞ্জিলাল (Arunita Kanjilal) সিঙ্গিং রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর দৌলতে সারা ভারতবর্ষে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। অরুণিতার সাথে পবনদীপ রাজন (Pawandeep Rajan)-এর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়ালেও তাঁরা বারবার একে অপরকে যথেষ্ট ভালো বন্ধু বলে পরিচয় দিয়েছেন। তবে অরুণিতার পরিবার পবনদীপের সাথে তাঁর মিউজিক ভিডিওয় অভিনয়ের বিরোধিতা করেন। এরপর থেকে একসাথে পবনদীপ ও অরুণিতাকে অনস্ক্রিন অভিনয় করতে দেখা না গেলেও তাঁরা একসাথে একাধিক গান গেয়েছেন। এমনকি দেশ-বিদেশের স্টেজ শোয়েও তাঁদের একসাথে দেখা যায়। অরুণিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভ নন। তবে তাঁর অনুরাগীরা অরুণিতার নামে খুলেছেন একাধিক ফ্যান পেজ। এইরকম একটি ফ্যান পেজ থেকে সপ্তাহের শুরুতেই ভাইরাল হল অরুণিতার কিছু ছবি। ছবিগুলি দেখে বোঝা যাচ্ছে, পরিবর্তন হয়েছে অরুণিতার স্টাইল স্টেটমেন্টের। ছবিগুলিতে তাঁর পরনে রয়েছে ওয়াইন রঙের শিফন শাড়ি। শিফন শাড়ির সাথে ওয়াইন রঙের স্লিভলেস ব্লাউজ টিম আপ করেছেন অরুণিতা। ডান হাতে রয়েছেন এভিল আই ব্রেসলেট ও সোনালি রঙের বালা। বাঁ হাতের আঙুলে রয়েছে সোনার আংটি ও ব্রেসলেট। গলায় রয়েছে কালো সুতোয় গাঁথা রুদ্রাক্ষ। সিল্কি চুল খোলা রয়েছে। অরুণিতার মেকআপ যথেষ্ট উজ্জ্বল। পার্পল রঙের আইশ্যাডো ও কালো আইলাইনারের টানে তাঁর দুই চোখ হয়ে উঠেছে আকর্ষক। ঠোঁট রেঙেছে ওয়াইন রঙের লিপস্টিকে। চিকবোনে রয়েছে হালকা ব্লাশারের ছোঁয়া। দুই ভ্রুর মাঝে রয়েছে ছোট পার্পল রঙের টিপ। নাকে রয়েছে হীরের নাকছাবি। অরুণিতা ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ না জিততে পারলেও ভারত জুড়ে তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা যথেষ্ট। একাধিক মিউজিক ভিডিও তো বটেই, ফিল্মেও প্লে ব্যাক করেছেন তিনি। আগামী দিনে এ.আর.রহমান (A.R.Rahman), প্রীতম (Pritam)-এর মতো সঙ্গীত পরিচালকের সাথে কাজ করতে চান তিনি। এছাড়াও আগামী দিনে পবনদীপের সাথে অরুণিতার একটি মিউজিক ভিডিও রিলিজ করবে। রোম্যান্টিক গানই এই মিউজিক ভিডিওর মূল বিষয়। View this post on Instagram
a3528fad719a30bee197356b15143d86
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
407
fineweb_2_bn
1.480457
1
1.06356
1
স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২০ এপ্রিল : শুক্রবার ক্ষুদীরাম বসু ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে অনুষ্ঠিত হয় গড়িয়া পুজা। এদিন সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয় পুজা। ১০ টা মিনিটে হয় গড়িয়া বন্দনা। গড়িয়া পুজাকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। এই পুজা রাজ্যের একটি ঐতিজ্যবাহী উৎসব। হাজার হাজার বছর ধরে এই পুজা চলে আসছে। আগে এই পুজা জনজাতি অংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন এই পুজা সার্বজনীনতা পেয়েছে বলে জানান উদ্যোগক্তারা। সম্প্রীতির এই বন্ধ পূজার মাধ্যমে আরো সুদৃড় হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তারা।
b723f557d3e9815ac429b8f64079c6bc
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
113
fineweb_2_bn
1.882425
2
0.979571
1
জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ আইন পাস হওয়ার একদিন পর বিবৃতি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই উদ্বেগের কথা প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সংসদে নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) পাসের বিষয়টি লক্ষ্য করেছে। আমরা মনে করি এটা দুঃখজনক যে, নতুন আইনটির আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকার অংশীজনদের এটি পর্যালোচনা এবং তাদের মতামত অন্তর্ভুক্ত করার পর্যাপ্ত সুযোগ দেয়নি। এতে আরো বলা হয়, সাইবার নিরাপত্তা আইন অনেক দিক দিয়েই এর আগের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো। এই আইনেও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, জামিন অযোগ্য ধারা বহাল রাখা হয়েছে এবং সমালোচকদের গ্রেপ্তার, আটক ও কণ্ঠরোধ করতে খুব সহজেই এর অপব্যবহার হতে পারে। এদিকে মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান শুভ্র ও সংগঠনটির পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলানের দুই বছরের কারাদণ্ড ঘটনার পর এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মানুষের অধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রচার ও সুরক্ষায় মানবাধিকারকর্মী এবং সুশীল সমাজ সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। আমাদের ২০২২ কান্ট্রি রিপোর্ট অন হিউম্যান রাইটস ইন বাংলাদেশ প্রতিবেদনে ‘অনলাইন এবং অফলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা’ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিশেষ সরকারি বিধিনিষেধের সাথে পরিচালিত হওয়ার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এ অবস্থায় ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস মানবাধিকার সংগঠন অধিকার’র সম্পাদক আদিলুর রহমান খান এবং পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে আজকের রায়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং মনে করছে এটি মানবাধিকারকর্মী এবং সুশীল সমাজের গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক ভূমিকা পালনের সদিচ্ছাকে আরো দুর্বল করে দিতে পারে। এতে আরো বলা হয়, যেই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, অধিকার কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং প্রতিবেদন তৈরি করেছে। গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ হিসেবে আমরা মতো প্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রাণবন্ত নাগরিক সমাজকে অব্যাহতভাবে সমর্থন করি এবং মৌলিক অধিকার নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার বিরোধিতা করি।
5c2b167508015b16ecfaf747a3706547
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
349
fineweb_2_bn
2.383071
2
1.064241
1
জাহাঙ্গীরের মনোনয়ন আপিলেও বাতিল হয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থিতা নিয়ে সাবেক মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমের আপিল বাতিল হয়েছে। তার আবেদন নামঞ্জুর করে রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশ বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশনের আপিল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে জাহাঙ্গীর আলমের আপিলের শুনানি হয়। শুনানি শেষে ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল গাজীপুরের রিটার্নিং অফিসার ফরিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। তবে তার মা জায়েদা খাতুনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। ওই সময় রিটার্নিং অফিসার জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্ট অনুযায়ী জাহাঙ্গীর আলম যে প্রতিষ্ঠানের জন্য জামিনদার হয়েছিলেন, সেই প্রতিষ্ঠানটি ঋণখেলাপি হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হলো। শুনানিতে অংশ নেওয়া গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের প্রতিনিধি (মিডিয়া) মঞ্জুর হোসেন খান বলেন, গত মঙ্গলবার মনোনয়ন বাছাইয়ে বাদ পড়া মোট সাত প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেন। এর মধ্যে মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম, একজন সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও পাঁচজন সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন। মঞ্জুর হোসেন আরো বলেন, তবে কাউন্সিলর পদে মোহাম্মদ আলী নামে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের এক প্রার্থীর টাকা জমার রসিদে কোড নম্বর ভুল থাকায় বাতিল হওয়া মনোনয়নটি বৈধ ঘোষণা করেন।
eed8aa70c4490af46eff21135a3c993b
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
221
fineweb_2_bn
1.62241
2
1.016974
1
ঢাকা, ০৪ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশে নিযুক্ত ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত ও ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন আর্চবিশপ জর্জ কোচেরি এবং শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারেক মো. আরিফুল ইসলাম বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তারা এ সাক্ষাৎ করেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, ভ্যাটিকানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ও ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন আর্চবিশপ জর্জ কোচেরি রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিন ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য ভ্যাটিকানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, বাংলাদেশ ভ্যাটিকানের সাথে সম্পর্ককে খুবই গুরুত্ব দেয়। তিনি বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কল্যাণে ভ্যাটিকানের বিদায়ী দূতের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের প্রশংসা করেন। এর আগে শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে শ্রীলঙ্কায় বিরাজমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলোকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। তিনি এ সম্পর্ককে বিভিন্নক্ষেত্রে আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এসময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন আইএ/ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
9d4a148ec8a97f31da4af7314e8c64c9
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
285
fineweb_2_bn
1.871996
2
1.005964
1
ইসলামের মৌলিক চারটি ইবাদাহ তথা নামাজ, রোজা, হজ্জ ও জাকাত নিয়ে আমাদের #ফিকহুল_ইবাদাহ কোর্স। এই কোর্সে আমরা প্রতিটি মৌলিক ইবাদাতের -শুরু থেকে শেষ- যাবতীয় মাসয়ালা দালিলিকভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। কোর্সের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পুরো আলোচনাটাই দারসের স্টাইলে করা। পুরো কোর্সেই মনে হবে আপনি কোন উস্তাদের সরাসরি দরসে বসে আছেন।
915ef3ba48bd828fdef1a237cbb62d07
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
81
fineweb_2_bn
2.972813
3
1.218496
1
আপনি যদি সমস্ত সেরা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এবং খাঁটি মানের গ্লোবাল পণ্যগুলির সন্ধান করেন তবে আপনার অনুসন্ধান এখানেই শেষ হবে. বেশিরভাগ লোকেরা যখনই কোনও কিছু কেনার জন্য বেছে নেন তাদের সমস্ত প্রয়োজনীয় পণ্যগুলি এক জায়গায় খুঁজে পেতে পছন্দ করবেন. সুতরাং, সিম্পল জয়েস কার্টারের পণ্যগুলি কিনতে একটি খাঁটি, নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য অনলাইন স্টোর খুঁজে পাওয়া খুব প্রয়োজনীয় এবং উপকারী. একটি ভাল অনলাইন স্টোর প্রতিটি প্রয়োজন অনুসারে ব্র্যান্ড এবং পণ্যগুলির একটি গ্যালাক্সি আবিষ্কার করার জন্য একটি পঞ্চম স্টপ. আপনি যদি মুম্বই, দিল্লি, ব্যাঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, আহমেদাবাদ, চেন্নাই, কলকাতা, সুরত, পুনে, জয়পুর ইত্যাদিতে অনলাইনে একচেটিয়া সরল জয়েস কার্টারের পণ্যগুলি সন্ধান করছেন; আপনি এটি ইউবুতে অনায়াসে খুঁজে পেতে পারেন যা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে 100 মিলিয়নেরও বেশি পণ্য এবং ব্র্যান্ডগুলি থেকে অন্বেষণ করার জন্য একটি স্টপ-শপ. অন্য কোথাও সহজেই পাওয়া যায় না এমন পণ্যগুলি সন্ধান করার জন্য এটি সঠিক জায়গা. সিম্পল জয়েস কার্টারের অনন্য এবং জনপ্রিয় গ্লোবাল পণ্যগুলির নিখুঁত সংগ্রহ সন্ধান করতে, উবু অনলাইন শপিং আপনাকে আপনার নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার সাথে উপযুক্ত সঠিক পণ্য পেতে সহায়তা করতে পারে. আপনি সিম্পল জয়েস কার্টারের পণ্যগুলির সর্বশেষ অফারগুলি আবিষ্কার করতে পারেন এবং প্রতিবার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অর্থ সাশ্রয় করতে পারেন. শহর ও শহর জুড়ে আপনার পছন্দের পণ্য এবং ব্র্যান্ডগুলির সন্ধান করা এই আধুনিক প্রযুক্তিগত যুগের জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে না কারণ আপনার পণ্যগুলি কেবল এক ক্লিক দূরে রয়েছে. সুতরাং, উবুতে আপনার সেরা-প্রিয় ব্র্যান্ডগুলি থেকে আপনার সমস্ত পছন্দসই পণ্যগুলি সন্ধান এবং কেনার জন্য প্রস্তুত হন.
f1d0463215643a2aa1268cb07b3909ed
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
278
fineweb_2_bn
1.508662
2
0.974873
1
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার খাড়েরা এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে হওয়া সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। ট্রাক, ট্রাক্টর ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ত্রিমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ্কাআজ সকাল সাতটার দিকে ঘটা এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো চারজন। ঘটনাস্থলে থাকা কসবা থানার এস.আই মো. নূরে আলম জানান, নিহতদের মধ্যে কাউছার নামে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি সিএনজি অটোরিকশার চালক। আনুমানিক ৩০ বছর বয়সি নিহত আরেকজনের পরিচয় জানা যায়নি। আহতদেরকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
f78c769a5c052cc1a899ac73a3a10d9c
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
99
fineweb_2_bn
0.985337
1
0.999097
1
লাগামছাড়া অনিয়ম আর দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় ১৫০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন’ প্রকল্পে। খুবই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে এগুলো স্থাপনের কাজে। তাই অল্পদিনের মধ্যেই দেবে গেছে বিদ্যালয় ভবন। অনেক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে আবার অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করা হয়নি। নির্মাণ ক্ষেত্রে দরপত্রের শর্ত লঙ্ঘন হয়েছে পদে পদে। অনিয়ম ও দুর্নীতির এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে সরকারি তদন্তেই। এ তদন্ত করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ’ (আইএমইডি)। তদন্তের পর আইএমইডি প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। প্রকল্পাধীন অনেক স্কুলের ছাদে এরই মধ্যে ধরেছে ফাটল। খসে পড়েছে পলেস্তারা। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে শ্রেণিকক্ষের মধ্যে। বাধ্যতামূলক হলেও কোনো কোনো বিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয়নি টিউবওয়েল। টয়লেটে রাখা হয়নি পানির ব্যবস্থা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আইএমইডির প্রতিবেদনের সব তথ্য সঠিক নয়। তাদের প্রতিবেদনের জবাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণকাজে যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ডিপিইকে (প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর) বলা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘৩৯টি স্কুলের নির্মাণকাজ এখনও শেষ হয়নি। ব্যয় বাড়ানো ছাড়াই জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জুনের মধ্যে টিউবওয়েল বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ বুঝিয়ে না দিলে ঠিকাদারদের সব টাকা দেওয়া হবে না।’ গত নভেম্বরে আইএমইডি কর্মকর্তারা এক হাজার ৫০০ বিদ্যালয়ের মধ্যে র্যানডম সিলেকশনের মাধ্যমে বান্দরবান জেলার সদর ও রোয়াংছড়ি উপজেলার তিনটি স্কুল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তারাও সেখানে হাজির ছিলেন। স্কুল তিনটি হলো- তুলাছড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়ইতলিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রামারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দরপত্রের শর্তভুক্ত হলেও তিনটি স্কুলে কোনো টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়নি। টয়লেট নির্মাণ করলেও পানির ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে ২০১৬ সাল থেকে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হওয়া এসব স্কুলের শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্মাণকাজের ত্রুটির কারণে তিনটি স্কুলে ছাদ চুইয়ে ও ভবনের দেয়াল বেয়ে পানি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ে। জানালায় বিট না দেওয়ায় বৃষ্টির পানিতে ভবনের ভেতরের দেয়াল ড্যাম হয়ে গেছে। রামারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তুলাছড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের ছাদের ব্রিকওয়াল ও আরসিসির বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরেছে। তিনটি স্কুলের ভবন নির্মাণের সময়ে কিউরিং কম হওয়ায় মেঝে ও দেয়ালের আস্তরণ উঠে গেছে। কার্যাদেশের ডিজাইন পরিবর্তন করে বড়ইতলিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে। স্কুলের ছাদের কংক্রিট নষ্ট হয়ে গেছে। চারতলা ভিতের ওপর একতলা ছাদেরই এ অবস্থা হওয়ায় ভবিষ্যতে নতুন তলা নির্মাণে সমস্যা হবে। প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বড়ইতলিপাড়া স্কুলটি ২০১৩ সালে চালু করা হয়েছে। স্কুলটিতে ১৪ ছাত্র ও ১৭ ছাত্রী পড়াশোনা করছে। চারতলা ভিতের ওপর একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থী কম হওয়ায় ভবিষ্যতেও এ ভবনের তলা বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। দুর্গম এলাকায় এ ধরনের স্কুলের চারতলা ভিত দেওয়া নিয়ে প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অর্থ সাশ্রয় করতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প তৈরির ক্ষেত্রে এলাকার চাহিদা, সম্ভাব্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা জরিপ করে প্রকল্প তৈরি ও গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভবন নির্মাণ ছাড়াও প্রকল্পের স্কুলগুলোতে মেশিনারি সরবরাহ, আসবাব কেনা, সোলার প্যানেল, ভূমি অধিগ্রহণ ও জমি ভরাটে অনিয়ম হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এর আগেও আইএমইডি একাধিকবার প্রকল্পের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন দিলেও ব্যবস্থা নেয়নি মন্ত্রণালয়। বড়ইতলিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কলি দাস গণমাধ্যমকে বলেন, স্কুল চালুর কিছুদিন পরেই ভবনে ফাটল ধরেছে। বর্ষার সময়ে ছাদ থেকে পানি পড়ে। পানিতে অফিসরুমে রাখা সব কাগজ নষ্ট হয়ে যায়। আমরা এক কোণে জড়ো হয়ে বসে থাকি। তিনি বলেন, বেশি বৃষ্টি হলে ক্লাস না নিয়েই স্কুল ছুটি দিয়ে দিতে হয়। এতে দুর্গম এলাকায় স্কুল চালুর আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। এদিকে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার এক বছর না পেরোতেই গত জুলাইয়ে হেলে পড়ছে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বর্তমানে ভবনটিতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, নিচু এলাকার মাটি ভরাট করে পাইলিং ছাড়াই এ ভবন নির্মাণ করা হয়। আরও অনেক স্কুলের ভবন নির্মাণে এ রকম অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের প্রায় দুই হাজার ১০০ গ্রামে কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। পাহাড়, হাওর, চর ও উপকূলীয় এলাকায় স্কুলবিহীন গ্রামের সংখ্যা বেশি। চার থেকে পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যেও স্কুল নেই, এমন এলাকাও রয়েছে। এসব দুর্গম এলাকার শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০-এ সব শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে প্রাথমিক স্কুল নির্মাণের নির্দেশনা রয়েছে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকার বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। ২০১০ সালের জুনে ‘বিদ্যালয়বিহীন ১৫০০ গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন’ নামে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৯০৫ কোটি ৭৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। ডিপিইর তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে এলজিইডি। ২০১৬ সালে প্রকল্পের প্রথম মেয়াদ শেষ হয়। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় গত ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ পর্যন্ত প্রকল্পাধীন এক হাজার ৪৫২টি স্কুলের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নির্মিত স্কুলে প্রেষণে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে অনেক স্কুল চালু করা হয়েছে। তবে নির্মাণকাজে অনিয়মের কারণে নির্মিত এসব ভবনে ক্লাস করা যাচ্ছে না বলে শিক্ষকরা অভিযোগ করছেন। সূত্র : সমকাল
1209b77c351eba848e5f1bac5fa78b7a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
1,018
fineweb_2_bn
1.653238
2
1.172829
1
কিয়েভ সফরের পর ওয়ারশতে ভাষণ দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রতিশ্রুতি দেন যে ইউক্রেনের সমর্থনে পশ্চিমারা ‘ক্লান্ত হবে না’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন মস্কোকে সতর্ক করেছেন যে রাশিয়ান আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কিয়েভের প্রতি পশ্চিমাদের সমর্থন “নড়বে না”, এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে যে ইউক্রেনের সংঘাত রাশিয়ার জন্য কখনই জয়ী হবে না। এক দিন আগে ইউক্রেনে পূর্বে অঘোষিত সফর শেষ করার পরে মঙ্গলবার ওয়ারশতে বক্তৃতা করে, বিডেন রাশিয়ার “আগ্রাসন” বলে অভিহিত করা ইউক্রেনের প্রতিরোধকে স্বাগত জানিয়েছেন। “ইউক্রেনে বোমা পড়তে শুরু করার এক বছর পরে এবং রাশিয়ান ট্যাঙ্কগুলি গড়িয়ে যাওয়ার পরে, ইউক্রেন এখনও স্বাধীন এবং স্বাধীন,” বাইডেন বলেছিলেন। তিনি যুদ্ধটিকে একটি “ট্র্যাজেডি” বলে অভিহিত করেছেন যা রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের পছন্দ ছিল – প্রয়োজন নয় – রাশিয়া তার প্রতিবেশীর আক্রমণ বন্ধ করলে সংঘাতের অবসান ঘটবে বলে জোর দিয়েছিলেন। “কোন সন্দেহ থাকা উচিত নয়: ইউক্রেনের প্রতি আমাদের সমর্থন নড়বে না, ন্যাটো বিভক্ত হবে না এবং আমরা ক্লান্ত হব না,” বাইডেন পোল্যান্ডের রাজধানীতে হাজার হাজারের ভিড়কে বলেছিলেন। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটন এবং তার মিত্ররা ইউক্রেনকে বিলিয়ন ডলার সামরিক, মানবিক এবং বাজেট সহায়তা প্রদান করেছে। ইউক্রেনের সংঘাতের জন্য পশ্চিমাদের দোষারোপ করে পুতিন রাষ্ট্রীয় ভাষণ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর পোল্যান্ড থেকে বাইডেন বক্তব্য রাখেন। “আমি পুনরাবৃত্তি করতে চাই: তারা যুদ্ধ শুরু করেছিল, এবং আমরা এটি বন্ধ করার জন্য শক্তি প্রয়োগ করেছি,” পুতিন বলেছিলেন যে মস্কো পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং সরকারী বাহিনীর মধ্যে 2014 সালে শুরু হওয়া সংঘাতের অবসান ঘটাতে জোর দিয়েছিল। আলোচনা রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট যোগ করেছেন যে তার দেশ ইউক্রেনে তার লক্ষ্যগুলি “পরিকল্পিতভাবে” অর্জনের জন্য চাপ অব্যাহত রাখবে। মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে ওয়াশিংটন কিইভকে “যতদিন লাগে” সমর্থন করবে – মঙ্গলবার বিডেন দ্বারা একটি অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইউক্রেন কখনোই রাশিয়ার বিজয় হবে না। রাশিয়া 24 ফেব্রুয়ারী, 2022-এ ইউক্রেনের সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করেছিল – প্রায় এক বছর আগে – এক মাস দীর্ঘ স্থবিরতার পরে যা দেখেছিল যে মস্কো ইউক্রেনের সীমান্তের কাছে সৈন্য সংগ্রহ করেছে কারণ পুতিন প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলিতে ন্যাটোর সম্প্রসারণ বন্ধ করার দাবি করেছিলেন। পশ্চিমা শক্তিগুলি কিয়েভকে আর্থিক ও সামরিক সহায়তা বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে মস্কোর যুদ্ধ অভিযান সামরিক বিপর্যয়ের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। রুশ কর্মকর্তারা বলেছেন যে ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর ফলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হয় এবং তীব্রতর হয়। মঙ্গলবার, বিডেন জোর দিয়েছিলেন যে পুতিন ইউক্রেন সংঘাত এবং এর কৌশলগত লক্ষ্যে ব্যর্থ হচ্ছেন। “তিনি ভেবেছিলেন ফিনল্যান্ড-ন্যাটো-এর একীকরণ পাবেন; পরিবর্তে তিনি ফিনল্যান্ড এবং সুইডেনের ন্যাটো-ইজেশন পেয়েছিলেন,” মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটে যোগদানের জন্য দুটি উত্তর ইউরোপীয় দেশের চাপের কথা উল্লেখ করে বিডেন বলেছিলেন। বিডেন “ন্যাটো অঞ্চলের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষার জন্য পবিত্র শপথ” এর প্রতি মার্কিন প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। জোটের একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে, যার অর্থ তার সদস্যদের একজনের উপর আক্রমণ সকলের উপর আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাশিয়ান বাহিনীকে ইউক্রেনে “লজ্জা বা অনুশোচনা ছাড়াই মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ” করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন – গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সংকল্প করেছে। “রাশিয়া ইউক্রেনের জনগণের বিরুদ্ধে যে নৃশংসতা করছে তা থেকে কেউ চোখ ফেরাতে পারবে না। এটি ঘৃণ্য, “বাইডেন বলেছিলেন।
79038523c67e5f7addb1a9ea08ef2a2c
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
613
fineweb_2_bn
2.167522
2
1.564891
2
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনয়ন ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানোর লক্ষ্যে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের (আইসিটিসিএল) প্রধান কার্যালয়ে সম্প্রতি বিনিয়োগকারীদের সম্মাননা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আইসিবির পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কিসমাতুল আহসান ও আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হোসেন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাহের মোহাম্মদ আহমেদুর রহমান, আইএসটিসিএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
dffa22fc71df7096dd66cb530981550c
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
88
fineweb_2_bn
1.21095
1
1.008479
1
সুরমা টাইমস ডেস্কঃ সিলেটের বিজ্ঞ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমেদকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বদলি উপলক্ষে তাঁকে সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় মহানগরের জিন্দাবাজারস্থ একটি অভিজাত পার্টি সেন্টারে সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ফারুক আহমদের সভাপতিত্বে ও ক্যাশিয়ার খুরশেদ আলমের স ালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান ও সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমেদ। তিনি তঁার বক্তব্যে বলেন- ‘সিলেটে আমি ৫ বছরের চাকরিজীবনে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির সবাইকে আপন করে চলার চেষ্টা করেছি এবং সকলের সৌহাদর্যতায় এতে সফল হয়েছি। সিলেটে কাজ করে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। অফিসিয়ালি আমি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকলেও মনের দিক দিয়ে ছিলাম আপনাদের পরিবারের এক ঘনিষ্ট সদস্য। এই পরিবারের কারো দুঃখ-কষ্টের কথা শুনলে নিজেকে স্থির রাখতে পারতাম না। সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির সকলের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা ও পারষ্পরিক গভীর আন্তরিক সম্পর্ক স্থাপনে কাজ করেছি। যার ফলে গত ৫ বছরে আপনাদের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক স্থাপন হয়েছে। আপনাদের সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতি কখনো ভুলতে পারবো না।’ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির ম্যাজিস্ট্রেট ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সবার চোখ দিয়েই ঝরছিলো বিষাদের অশ্রু। বক্তারা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন- ‘কাউছার আহমেদ স্যারকে আমরা সত্যিকারের একজন অভিভাবক হিসেবেই পেয়েছিলাম। তার সব গুণ ভাষায় বলার সাধ্য আমাদের নেই। সিলেট জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসিকে সমৃদ্ধ করেছেন কাউছার আহমেদ স্যার। আমাদের কাজের মানোন্নয়নের জন্য হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণ করেছেন সবসময়। ব্যক্তিগতভাবে প্রতিজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর খেঁাজখবর নিয়েছেন। সুবিধা-অসুবিধায় পাশে দঁাড়িয়েছেন একান্ত আপন অভিভাবকের মতো। তিনি তঁার মহৎ ও উদারতাপূর্ণ কাজ এবং আচরণের জন্য আমাদের হৃদয়ের উচ্চাসনে আসীন থাকবেন চিরদিন। আমরা আশা করছি- জেলার সর্বোচ্চ আইন অধিকর্তা হয়ে শীঘ্রই আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।’ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমেদের সহধর্মিনী তারিফা আজিজা খান, যুগ্ম জেলা জজ (বিদ্যুৎ আদালত) মো. আনোয়ারুল হক, সিলেট অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কান্দি দাস, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিনহা ও নুসরাত তাসনিম, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা ইয়াসমিন, মো. আলমগীর হোসেন, আবিদা সুলতানা মলি ও আসমা জাহান। আরও বক্তব্য রাখেন সিলেট চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মো. ফাইজুল ইসলাম, স্টেনোগ্রাফার দীপংকর চন্দ্র পাল, বে সহকারি রইজুল ইসলাম, রেকর্ড কিপার লেনিন পোদ্দার, প্রসেস সার্ভার মইনুল ইসলাম ও কেরামত আলী, অফিস সহায়ক শাহিন মিয়া এবং জেলা জজ আদালতের প্রসেস সার্ভার মো. আলফাজ হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন প্রসেস সার্ভার আব্দুস সাত্তার তরুণ ও গিতা পাঠ করেন বে সহকারি ঝন্টু রঞ্জন পাল। মানপত্র পাঠ করেন প্রসেস সার্ভার রাজু কান্তি চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতে সংবর্ধিত ও বিশেষ অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমেদকে সম্মাননা স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার এবং তাঁর সহধর্মিনী, ছেলে আহনাফ আতিফ জাওয়াদ ও আজফার আতিফ জাকওয়ানকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন ম্যাজিস্ট্রেসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
cf8116c55bd7bafed11e821b38ec8a7e
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
595
fineweb_2_bn
1.472273
1
0.980801
1
টাঙ্গাইল, ১২ আগস্ট – কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, গত কয়েক বছর যাবৎ নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারে না, শয়তানরা ভোট দেয়। এখন নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে হয়। শনিবার (১১ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জেলা শাখার বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। কাদের সিদ্দিকী বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় আমরা যখন জোটে গিয়েছিলাম, আজও অনেকে মনে করেন আমরা বিএনপির ঐক্যজোটে গিয়েছিলাম। আমি কখনও মনে করি না এক মুহূর্তের জন্যও বিএনপির জোটে গিয়েছিলাম। বরং আমি ড. কামালের জন্য ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছিলাম। নির্বাচন কমিশনারের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, সকালে ব্যালট পেপার যাওয়ার কথা বলেছে নির্বাচন কমিশনার। রাতে কোনো ব্যালট পেপার যাবে না। যারা রক্ষক তারাই যদি ভক্ষক হয়, তাহলে সকালে গেলেও যা রাতে গেলেও একই অবস্থা হবে। কাদের সিদ্দিকী বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে প্রধানমন্ত্রী সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউর রহমান বদির সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরও বক্তব্য দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার, সদস্য শামীম আল মনছুর আজাদ সিদ্দিকী প্রমুখ। সূত্র: ঢাকা পোস্ট আইএ/ ১২ আগস্ট ২০২৩
1fdb5e2fb1ab2b78807ebc85d0066d93
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
227
fineweb_2_bn
1.651059
2
1.920343
2
দেশের ফুটবলের অন্যতম মর্যাদার লড়াই আবাহনী-মোহামেডান দ্বৈরথ। তবে ঐতিহ্যবাহী ‘ঢাকা ডার্বি’ এবার অনুষ্ঠিত হয়েছে সিলেটে। সিলেট জেলা স্টেডিয়াম আবাহনীর হোম ভেন্যু হওয়ায় সেখানেই উত্তাপ ছড়িয়েছে আবাহনী-মোহামেডান লড়াই। তবে হোম ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে আকাশী নীলরাই। কাগজে কলমে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও আবাহনীর বিপক্ষে সমানে সমান লড়েছে মোহামেডান। ম্যাচের ৮ম মিনিটে কোস্টারিকান ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেসের ক্রস জুয়েল রানা ভলি করেন। জুয়েলের ভলি পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। এর তিন মিনিট পর লিড নেয়ার সুযোগ পেয়েছিল মোহামেডানও। গোলের সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেছেন অধিনায়ক সুলেমান দিয়াবাতে। তবে ম্যাচে শুরুতে এগিয়ে যায় আবাহনীই। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে পরিকল্পিত এক আক্রমণে এগিয়ে যায় আকাশী-নীল জার্সিধারিরা। ডি বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে দর্শনীয় গোল করেন সোহেল রানা। তার বুলেট গতির শটে মোহামেডানের গোলরক্ষক সুজন ছিলেন নিরব দর্শক। ৩৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ ছিল আবাহনীর। গোল করার মতো জায়গায় থেকেও জুয়েল বল ঠেলে দেন পোস্টের পাশ দিয়ে। ফলে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় আবাহনী। বিরতি থেকে ফিরে উভয় দলই গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল। ফরোয়ার্ডদের ফিনিশিং দক্ষতার অভাবে স্কোরলাইনে আর কোনো হেরফের ঘটেনি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি দুই দলের ম্যাচে মাঠে কিছুটা উত্তেজনা ছিল বেশ। ম্যাচের ২ মিনিটেই কর্নার কিককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোহামেডানের ২ জন ও আবাহনীর একজনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। প্রথমার্ধেই আবাহনীর চারজন ও মোহামেডানের তিনজন ফুটবলার হলুদ কার্ড দেখেন। ফলে মৌসুমের প্রথম ‘ঢাকা ডার্বি’তে জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী লিমিটেড। এর আগে দিনের আরেক ম্যাচে শেখ রাসেলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে শেখ জামাল। মুন্সীগঞ্জের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেওয়া একমাত্র গোলটি করেছেন চিনেদু ম্যাথিউ। ৩২ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দৃষ্টিনন্দন গোল করেন এই নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড।
44982f94981763792da6dda0201cf316
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
355
fineweb_2_bn
2.141056
2
0.987759
1
বন্যায় বিপর্যস্ত লিবিয়ায় নতুন আতঙ্ক ল্যান্ডমাইন উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় বন্যায় কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছে। যারা বেঁচে আছেন তাদের খাওয়ার পানি নেই। আর জমে থাকা পানির নিচে ল্যান্ডমাইনের ফাঁদ। লিবিয়ার উপকূলবর্তী শহর দেরনা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় মানুষ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাদের খাওয়ার পানি নেই। যেখান থেকে খাওয়ার পানি আসে, তার উৎসমুখে বন্যার পানি ঢুকে যাওয়ায় খাওয়ার পানি বিষাক্ত হয়ে গেছে। ফলে দূর থেকে পানি আনা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই তাদের। কিন্তু দূরে যেতেও তারা ভয় পাচ্ছেন, কারণ বন্যার পানির নিচে কোথায় ল্যান্ডমাইন পোঁতা আছে, সেটি তারা বুঝতে পারবেন না। বস্তুত, কোনও কোনও এলাকায় বিপুল পরিমাণ ল্যান্ডমাইন আছে বলে তারা জানিয়েছেন। এদিকে স্থানীয় এক প্রশাসক জানিয়েছেন, ডায়েরিয়া রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। শনিবার পর্যন্ত ১৫০ জনের পেটের অসুখ হয়েছে। কিছু মানুষকে হাসপাতালেও পাঠাতে হয়েছে। দূষিত পানি পান করে আরও মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও এখনও কোন ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি। তারপরও ল্যান্ডমাইনের ভয়ে মানুষ দূরে যাচ্ছেন না পানি আনতে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দেরনায় ৮৯১টি বাড়ি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ৩৯৮টি বাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ঠিক কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ক অফিস জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় এগারো হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অবশ্য কোনও কোনও সংস্থা এর চেয়েও বেশি মানুষের মৃত্যুর কথা বলছে। রয়টার্স জানাচ্ছে, কিছু জায়গায় এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে সেখানে উদ্ধারকাজই শুরু করা যায়নি। ২০১১ সাল থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া। গদ্দাফির মৃত্যুর পর দেশে স্থিতিশীলতা আসেনি। উত্ত আফ্রিকার এই দেশটিতে কার্যত গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরইমধ্যে এই বন্যায় বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হলো। প্রাণহানিও হয়েছে বহু মানুষের।
eb68b16a18b6f6c4d9f58c370ed9b093
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
332
fineweb_2_bn
1.931259
2
1.245818
1
নোয়াখালী সংবাদ | তারিখঃ December 29th, 2022 | নিউজ টি পড়া হয়েছেঃ 22853 বার নোয়াখালীর বার্তা ডটকমঃ ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনীতি, কল্যাণমুখী রাজনীতি, ইনসাফপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নীতির পরিবর্তন চাই, এই স্লোগানটি সামনে রেখে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা (উত্তর) শাখার আওতাধীন চাটখিল থানা শাখার “থানা সম্মেলন-২৩” ও সাবেক দায়িত্বশীল সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত | বৃহস্পতিবার (২৯ডিসেম্বর) দুপুর ৩ টা চাটখিল অডিটোরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টারে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন চাটখিল থানা শাখার সভাপতি রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ। মুহাম্মাদ দিদারুল ইসলাম ও মুহাম্মাদ ফয়সাল হোসেনের সঞ্চালনায় প্রদান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির শূরা সদস্য মুহাম্মাদ মিজানুর রহমান আতিকী, বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা (উওর) ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সভাপতি এইচ এম মাহমুদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য পেশ করেন উপজেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সভাপতি খুরশিদ আলম ত্বালহা, উপজেলা মুজাহিদ কমিটির সদস্য মাওঃ নূরুল ইসলাম, উপজেলা জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি মাওঃ হুমায়ন কবির, উপজেলা ইসলামী যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক মাওঃ আব্দুল কাদের, জেলা ছাত্র আন্দোলন (উত্তর) সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ কামরুল হাসান জিটু, জেলা ছাত্র আন্দোলন (উত্তর) সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম কাউসার, আল-আমিন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফেজ মুহাম্মদ আল আমিন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ সালে আহমেদ, উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ শামসুল আলম , লক্ষীপুর চন্দ্রগঞ্জ শাখার দায়িত্বশীল মাওঃ শরিফুল ইসলাম রাব্বানী, মাওঃ ফখরুল ইসলাম, বক্তব্য রাখেন ছাত্র আন্দোলনের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাবু প্রমূখ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা জহিরুল ইসলাম, হাফেজ সালেহ আহমেদ, সাজ্জাদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম শিফন, ফয়সাল আহমেদ, পারভেজ হোসেন, মন্জুর এলাহী, আজাদ হোসেন,আশিক এলাহী, ফাহিম হোসেন, জোবায়েদ হোসেন, জুনায়েদ আহম্মেদ, মেহেদী হাসান সহ থানা ও বিভিন্ন ইউনিয়নে নেতৃবৃন্দ। বক্তরা বক্তব্যে বলেন, স্বচ্ছ-দক্ষ ও জবাবদিহীপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ইসলামি কার্যকর পন্থা। যুব সমাজ আজ স্বীয় আত্মপরিচয় সংকটে ভুগছে। সর্বত্র দলীয়করণ, দুর্নীতি ও নিয়োগ বানিজ্যের ফলে শিক্ষিত যুবকরাও নীতি-নৈতিকতা ভুলে দিনদিন অপরাধের দিকে ঝুকছে। এমতাবস্থায় একদিকে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষাকে প্রায় ঐচ্ছিক করে দিয়েছে। অন্যদিকে গল্প-সিনেমা-নাটকে ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধের বিপরীতে দাড় করিয়ে তরুনদের মননে ইসলামবিদ্বেষ পুষ করে দেয়া হচ্ছে। ইসলাম থেকে দূরে অবস্থান নেয়ার ফলে দিনদিন সমাজে অপরাধ বাড়ছে। যা দেশের অর্থনৈতিক সম্পৃদ্ধির পথেও বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়েছে। এমতাবস্থায় রাজনৈতিক সহিষ্ণুতা, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অর্থনৈতিক সম্পৃদ্ধি অর্জনে ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। গরীব অসহায় মানুষের পাশে, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন, ঈদের দিনে হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কাজ। সম্মেলনের প্রধান বক্তা, জেলা সভাপতি এইচ এম মাহমুদুর রহমান তাঁর বক্তব্য শেষে ইশা ছাত্র আন্দোলনের ২০২২ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর ২০২৩ সেশনের থানা কমিটি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কমিটিতে •সভাপতিঃ- এইচ এম সাইফউদ্দিন গাজী •সহ-সভাপতিঃ- মুহাম্মাদ ফয়সাল হোসেন •সাধারণ সম্পাদকঃ- মুহাম্মাদ আশেক এলাহী এর নাম ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য এই যে, সম্মেলনের সর্বশেষ পর্যায়ে ছাত্র আন্দোলনের চাটখিল থানা শাখার সাবেক ৪০ জন দায়িত্বশীলদের মধ্যে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয় সংগঠনটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি এইচ এম রেজাউল করীম।
d30f9fd3eff0d9c7a5ebe56e309c7900
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
646
fineweb_2_bn
2.597351
3
1.460932
1
বৃহস্পতিবার, ০২ জানুয়ারি ২০২০ | ৬:০২ অপরাহ্ণ খালের পানিতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়ায় বিবাদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত আসলাম গাজী নামে একজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বুধবার সকালে উপজেলার চালিতাতলা গ্রামে বিবাদমান দুইগ্রুপের সংঘর্ষের আসলামসহ ৫ জন আহত হন। আহতদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যায় সে মারা যায়। আসলামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এলাকা জুড়ে বিরাজ করছে আতংক ও উত্তেজনা। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ওই গ্রামটিতে কাক্কা মোল্যা গ্রুপ ও ইদ্রিস গাজী গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘ দিন যাবত আধিপত্য বিস্তারের লড়াই চলে আসছিল। ওইদিন সকাল ৮ টার দিকে স্থানীয় চালিতাতলা খালের পানিতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে গেলে দলনেতা ইদ্রিস গাজী (৬০) ও তার ছেলে আসলাম গাজী (৪০) ও রিফায়েত মোল্যাসহ অন্তত ৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ইদ্রিস গাজী ও আসলাম গাজীকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসলাম গাজীর মৃত্যু হয়। রাতে আসলামের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও আতংক ছড়িয়ে পড়ে। কালিয়া থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
b1414534d087b8a4516cf3d8e6a521ae
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
238
fineweb_2_bn
0.999054
1
1.912788
2
২০২৩ সালের এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল গতকাল সোমবার প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড। বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এতে ফল পরিবর্তন হয়েছে মোট ১ হাজার ৮০ শিক্ষার্থীর। ফেল থেকে পাস করেছে ১৩০ জন। আর নতুন করে জিপিএ–৫ পেয়েছে আরো ১৬২ পরীক্ষার্থী। গত ২৮ জুলাই প্রকাশিত ফলাফলে এসব শিক্ষার্থীর ফল ভুল আসে। পুনঃনিরীক্ষণের পর গতকাল এদের সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করা হলো। গতবছর (২০২২ সালে) ফল পরির্তন হয় মোট ১৮২ শিক্ষার্থীর। ফেল থেকে পাস করে ৪৫ জন। আর নতুন করে জিপিএ–৫ পায় ২৪ জন। ২০২১ সালের এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের ফল পরিবর্তন হয় ২১২ শিক্ষার্থীর। ফেল থেকে পাস করে ৩৩ জন। আর নতুন করে জিপিএ–৫ পায় ১০ পরীক্ষার্থী। এছাড়া ১ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে জিপিএ–৫ পেয়েছিল ওইবছর। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, এবার ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের প্রায় ৬ গুণ। ফেল থেকে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় তিনগুণ। আর নতুন করে জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গতবারের তুলনায় প্রায় ৭ গুণ বেশি। তথ্য বলছে, পুনঃনিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন, ফেল থেকে পাস ও নতুন করে জিপিএ–৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড। এর আগে এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফলাফলে ‘ভুল’ ধরা পড়েনি। অবশ্য উত্তরপত্র মূল্যায়নে নিয়োজিত পরীক্ষক, নিরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের ভুলে ফলাফলে এমন অসঙ্গতি বলে দাবি করেছেন শিক্ষাবোর্ড সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মুস্তফা কামরুল আখতার। এদিকে, পুনঃনিরীক্ষণে ফল পরিবর্তিত হওয়া শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) একাদশে ভর্তিতে নতুন করে আবেদন করতে পারবে। শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট হয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের ২৬ হাজার ৬২২ শিক্ষার্থী এবার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে আবেদন করে। এসব শিক্ষার্থীর মোট ৭১ হাজার ১০৮টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করা হয়। উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ শেষে গতকাল এর ফলাফল প্রকাশ করেছে শিক্ষাবোর্ড। ফল পরিবর্তনের পর জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরো ১৬২ জন বেড়েছে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে। প্রথম দফায় প্রকাশিত ফলে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৪৫০ জন। গতকাল পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৬১২ জনে।
85058a70d09f665bfc06634627fa7ced
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
430
fineweb_2_bn
1.984077
2
1.078721
1
ডেস্ক রিপোর্ট ঃদুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ যুক্তরাজ্য থেকে পাকিস্তানে ফিরছেন। আগামী সেপ্টেম্বরেই তিনি দেশের মাটিতে পা রাখবেন বলে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ- নওয়াজের (পিএমএল-এন) সিনিয়র নেতা জাভেদ লতিফ। পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের রাজধানী লাহোরে আয়োজিত সেই সংবাদ সম্মেলনে জাভেদ লতিফ বলেন, ‘আমাদের নেতা নওয়াজ শরিফ দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগমী সেপ্টেম্বরেই দেশে ফিরবেন তিনি।’ ২০১৯ সালে আদালতের অনুমতি নিয়ে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান নওয়াজ শরিফ। সেই থেকে সেই দেশেই আছেন তিনি। তবে সোমবার লাহোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জনগণকে নওয়াজের ‘প্রধান ডাক্তার’ উল্লেখ করে জাভেদ লতিফ বলেন, ‘দেশের জনগণই হচ্ছেন তার ডাক্তার। সময়ে সঙ্গে সঙ্গে এই ডাক্তারদের মতামতে পরিবর্তন আসে এবং জাতি মনে করে, নওয়াজ শরিফের ফিরে আসা উচিত’। আল-আজিজিয়া স্টিল মিলস দুর্নীতি ও অন্যান্য আর্থিক অনিয়মে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পাকিস্তানের ২০১৮ সালে পাকিস্তানের একটি বিশেষ আদালত নওয়াজকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেয়। সেই সঙ্গে তাকে জরিমানা করা হয় ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি। কারাগারে থাকা অবস্থায় লাহোর হাইকোর্টে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে যাওয়ার আবেদন করেন নওয়াজ। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর ওই বছরই দেশ ছাড়েন তিনি, তারপর আর তাকে পাকিস্তানে দেখা যায়নি। অবশ্য ২০১৯ সালের নির্বাচনে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন দল পাকিস্তান তাহরিকে ইনসাফ (পিটিআই) বিজয়ী হওয়ায় তার দেশে আসার উপায়ও ছিল না। পিটিআই সরকারের আমলে দেশে ফিরলেই গ্রেফতার হতে হতো তাকে। তবে চলতি বছর ১০ এপ্রিল পার্লামেন্টে বিরোধীদের অনাস্থা ভোটে ইমরান খান ক্ষমতা হারানোর পর পরিস্থিতিতে বদল ঘটে। পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নওয়াজেরেই আপন ছোটভাই ও বর্তমান পিএমএল-এনের নেতা। সোমবার জাভেদ লতিফের কথাতেও তার আভাস পাওয়া গেছে। লাহোরের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে কারাগারে থাকতে দেব না।’ সূত্র : ডন, জিইও টিভিএ।
50574d0c548daf2bda3bed877aa93c1a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
353
fineweb_2_bn
2.048738
2
1.097501
1
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ১২ ঘণ্টা জেরা, তারপর গ্রেফতার কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার তিনি। ইডি সূত্রে খবর,তথ্য গোপন,তদন্তে অসহযোগিতা করায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, তিনটি সংস্থার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করতে থাকেন 'কালীঘাটের কাকু'। ইডির অফিসাররা জানান, তাঁরা ভালভাবেই জানেন এই কোম্পানির মাধ্যমেই কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। তাহলে কোথা থেকে এই টাকা এল ? ইডির আধিকারিকরা মনে করছেন, নিয়োগ দুর্নীতির একটা মোটা অঙ্কের টাকা এই তিনটি কোম্পানির মাধ্য়মে সাদা করা হয়েছে। এছাড়াও যে ২০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে বেশ কয়েকটি সম্পত্তি 'কালীঘাটের কাকু'র নামে রয়েছে বলে দাবি করছেন ইডির আধিকারিকরা। এমনকী অন্যদের নামে তিনি বেনামি সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে বেনামি সম্পত্তি তৈরি করা, কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা, আর্থিক তছরুপের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
279c0e298f4108ac8c88a9df802e7ca9
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
179
fineweb_2_bn
1.001182
1
1.455262
1
:শাহরিয়ার মিল্টন/এম. সুরুজ্জামান: অর্থ নয়, আগে নিজেকে দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। মুলত এ পেশায় ভালভাবে কাজ শিখে নিজেকে বিশ্ববাজারে যোগ্য করে তুলতে হবে। বিদেশীদের কাজ করতে হলে ইংরেজীতে অধিক দক্ষতা থাকতে হবে। তাহলেই অনলাইনে কাজের অভাব হবে না। এভাবেই কথাগুলো বললেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নের বেনুপাড়া গ্রামের ফ্রিলান্সার তৃষ্ণা দিও। তিনি ওই গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী গারো স¤প্রদায়ের রবার্ট রেমা ও জলি দিওর কন্যা। তৃষ্ণা দিও জানান, দুইভাই দুই বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে চাকরির আশায় বসে না থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে গ্রামের বাড়ির ঘরে বসেই প্রতিমাসে আয় করছেন কমপক্ষে ৬০ হাজার টাকা। তিনি ২০১৯ সালে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসা প্রশাসন বিষয়ে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) সম্পন্ন করে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ বিভাগে চাকরি নেন। তবে কাজের ধরণের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেননি। তাছাড়া রাজধানীতে নিদ্রিষ্ট গন্ডির মধ্যে বসে চাকরি করা তার ভালো লাগেনি। তাই কিছুদিন পর চাকরি ছেড়ে চলে আসেন গ্রামের বাড়িতে। নতুন চাকরির জন্য গ্রামে থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত আবেদন পাঠাতে থাকেন। এতে কোন সাড়া পাননি তিনি। এসময় তার এক বন্ধুর কাছে জানতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং করেও আয় করা যায়। তাই দেরি না করে ভর্তি হন ময়মনসিংহের নকরেক আইটি ইনস্টিটিউটে গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্সে। প্রতি সপ্তাহে দুদিন ক্লাস করতে হতো। তিনি নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি বাজার থেকে হালুয়াঘাট উপজেলা হয়ে ময়মনসিংহে যেতেন ক্লাস করতে। আবার ক্লাস শেষে বাবার সাথে ফিরতেন নিজ বেনুপাড়া গ্রামে। এভাবে তিনি কোর্সটি সম্পন্ন করেন। তৃষ্ণা দিও আরো জানান, প্রশিক্ষণ নেয়ার প্রায় ছয় মাস পর ৮৬ ডলারের একটি কাজ পেয়ে যাই। কাজটি অত্যন্ত যত্ন ও মনযোগ সহকারে শেষ করি। কাজের মান ভালো হওয়ায় ওই গ্রাহকের মাধ্যমে আরও বেশ কয়েকটি কাজ পাই। এখন আমি বিভিন্ন ধরনের পোস্টারের নকশা, বিজনেস কার্ড, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা, পরিচয়পত্র, রেস্তোরাঁর খাবারের তালিকা, প্রচারপত্র ইত্যাদির নকশা করছি। শুরুতে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ পেতে বা করতে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। দেশের এক গ্রাহক আমাকে দিয়ে একটি কাজের নকশা ১৭ বার পরিবর্তন করেছিলেন। পরে কাজটি তার পছন্দ হয়৷ তবে এতে আমার অভিজ্ঞতা বেড়েছে। আর এভাবেই ধীরে ধীরে ভালো মানের দেশী বিদেশী বড় বড় কাজের অর্ডার পেতে থাকি। ফলে আয়ের পরিমাণও বাড়ে। তিনি বলেন আমেরিকার একটি প্রতিষ্ঠানে সরাসরি কাজের প্রস্তাব পেয়েছিলাম। স্পনসরও তৈরি ছিল। কিন্তু আমার বাবা বললেন, গ্রামে বসেই যদি ভালো আয় করতে পারো, তাহলে বিদেশে গিয়ে কী হবে ? আমিও ভেবে দেখলাম কেন যাবো আমার গ্রাম ছেড়ে বিদেশে। প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে গ্রামেই থেকে গেলাম। বর্তমানে আমি প্রতি মাসে কমপক্ষে ৬০ হাজার টাকা আয় করি। গত আগষ্ট মাসে আমার আয় হয়েছিল ৬৫ হাজার টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে আরো বেশি হবে বলে জানান। তবে তিনি বলেন, লোড শেডিং না থাকলে তার আয় আরো বাড়তো। নিজের পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, ভবিষ্যতে গ্রামের ছেলে মেয়েদের ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে চাই। এছাড়া বর্তমানে তিনি ভিডিও এডিটিং এর অরেকটি কোর্সে ভর্তি হয়েছেন বলে জানান। তৃষ্ণার বাবা রবার্ট রেমা বলেন, সন্তানের সফলতায় সব বাবার মতো আমিও গর্বিত। তরুণ তরুণীদের প্রতি আমার আহবান, চাকরি না পেলে হতাশ হওয়া যাবে না। নিজেকে যোগ্য করে তুললে চাকরিই খুঁজে বের করবে প্রার্থীকে। নালিতাবাড়ীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীনেত্রী ক্লোডিয়া নকরেক কেয়া বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মেয়েরা এখন কোনোভাবেই পিছিয়ে নেই। উচ্চতর পড়ালেখা করে তৃষ্ণা দিও নিজ গ্রামের ঘরে বসেই মোটা অংকের টাকা উপার্জন করছেন। তার এ সফলতায় আমরা আনন্দিত হয়েছি। সে এখন বেকার তুরণ তরুনীদের জন্য আইকন স্বরূপ।
f4cc8fec555a0fba9601d3c29a67cc43
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
656
fineweb_2_bn
2.90643
3
1.040063
1
রিয়াজ-অপু’কে নিয়ে বিজ্ঞাপনে প্রশংসিত নির্মাতা নাজমুল দিগন্ত বিনোদন /  ফয়সাল হাবিব সানি : ‘গ্যাঁড়াকল’ খ্যাত তরুণ মেধাবী নির্মাতা নাজমুল দিগন্তের পরিচালনায় বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদ এবং ‘ঢালিউড কুইন’ হিসেবে পরিচিত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। রংপুর কেমিক্যাল লিমিটেডের ৩টি ভিন্ন ভিন্ন বিজ্ঞাপনে প্রথমবার নির্মাতা নাজমুল দিগন্তের পরিচালনায় মডেল হিসেবে অভিনয় করেছেন রিয়াজ ও অপু বিশ্বাস। মূলত, ডিশ ওয়াশ, সিরাম ও হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে স্পেনের একটি কোম্পানির বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর অংশ হিসেবে এরই বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন তারা। আরও কাজ করেছেন চিত্রনায়িকা তানহা তাসনিয়া, মৌ খান এবং একজন শিশু শিল্পী। সম্প্রতি, নাজমুল দিগন্তের ‘Cherry Films’ নামক ফেসবুক পেজ থেকে ‘Yusera Renewel Serum’ এবং ‘Andalus Dishwashing Liquid’ দু’টি শিরোনামে টিভিসি প্রকাশ করা হয়েছে। ‘Yusera Renewel Serum’ শিরোনামে প্রকাশিত টিভিসিতে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস এবং ‘Andalus Dishwashing Liquid’ শিরোনামে প্রকাশিত টিভিসিতে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও চিত্রনায়িকা তানহা তাসনিয়া। এদিকে, টিভিসি নির্মাণ করতে যেয়ে রিয়াজ এবং অপু বিশ্বাসের কাছ থেকেও বেশ প্রশংসিত হয়েছেন নির্মাতা নাজমুল দিগন্ত। চিত্রনায়ক রিয়াজ গত ১ এপ্রিল তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লেখেন, ‘বিশুদ্ধ - প্রাকৃতিক ও পরিবেশ বান্ধব YUSERA ও ANDALUS পণ্যের বিজ্ঞাপনে আমাকে কাস্ট করার জন্য ‘রংপুর কেমিক্যাল লিমিটেড’ এর MD, DMD ও Director-কে জানাই ধন্যবাদ। ধন্যবাদ ‘চেরি ফিল্মস’ ও পরিচালক নাজমুল দিগন্ত ও তার টীম কে সুন্দর ও রুচিশীল বিজ্ঞাপন নির্মাণ করার জন্য৷ কৃতজ্ঞতা আমার সকল দর্শক - ভক্তবৃন্দ কে আমার পাশে থাকার জন্য।' অন্যদিকে, চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসও তার অফিশিয়াল ফেসবুক আইডি থেকে গত ১০ এপ্রিল লেখেন, ‘অনেক ভালো একটা কাজ হয়েছে ধন্যবাদ Nazmul Diganta ভাইয়া।’ এদিকে, গত শুক্রবার (২৬ মে) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন তিনটির প্রদর্শন ও লঞ্চিংয়ের মধ্য দিয়ে রংপুর কেমিক্যাল লিমিটেডের (আরসিএল) পণ্যগুলোর সঙ্গে নতুনভাবে পরিচয় করানো হয়। এসময় প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনিরা হোসেন, নির্মাতা নাজমুল দিগন্ত, চিত্রনায়ক রিয়াজ, চিত্রনায়িকা মৌ খান সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
089e58a7b758c1fee486639deace8c14
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
460
fineweb_2_bn
1.330243
1
1.021923
1
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মামুনুল হক ও চরমোনাই পীর ফয়জুল করীম কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাস্কর্য নির্মাণ বন্ধের হুমকির প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ ও কুশপুত্তলিকা দাহ শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। শনিবার বিকেলে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: আল মামুনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বক্তব্য রাখেন ভাস্কর শিল্পী রাশা, গৌরব৭১ এর সাধারণ সম্পাদক এফএম শাহীন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মিলন ঢালীসহ নেতারা। প্রায় এক ঘন্টা শাহবাগ অবরোধ করে রাখে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রতিবাদ সমাবেশে ভাস্কর শিল্পী রাশা বলেন, “সৌদিআরব, ইরানসহ বিশ্বের সব মুসলিম দেশে ভাস্কর্য রয়েছে। জাতির পিতার ভাস্কর্য অপসারণের দাবি যারা তুলেছে, সেই মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ না নিলে আমরা দেশ ও জাতির ‘সমূহ বিপর্যয়ের’ আশঙ্কা প্রকাশ করছি। আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে মুজিববর্ষ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনে বাধা প্রদান এবং স্থাপিত ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলার ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়েছে চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধী, মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি।বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতাকারীরা কখনোই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী এহেন বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবিধান লঙ্ঘন করে জাতির পিতাকে অবমাননা করা হয়েছে। এদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।” মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: আল মামুন বলেন, “গত ১৩ নভেম্বর করোনাকালীন যাবতীয় বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে তারা যেভাবে গেণ্ডারিয়ার ধূপখোলার মাঠে সমাবেশ করেছে এবং যে ভাষায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি বিষেদগার করেছে, তা রাষ্ট্রদ্রোহিতাতূল্য অপরাধ হলেও এখন পর্যন্ত এর বিরুদ্ধে সরকারি ব্যবস্থা কিংবা সরকারদলীয় কোনো প্রতিবাদ আমাদের নজরে পড়েনি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি। আওয়ামী লীগের নীরবতা আমাদেরকে ব্যথিত করেছে। জাতির পিতার অবমাননাকারী ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমকে দ্রুত গ্রেফতার করলে আমরা ধরে নিবো আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে দূরে সরে গেছে। আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা পিতাদের ন্যায় একাত্তরের পরাজিত অপশক্তিদেরকেও আমরা রাজপথেই মোকাবিলা করবো। একাত্তরের পরাজিত অপশক্তির দোসররা তৌহিদী জনতার ব্যানারে প্রতিনিয়ত রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্র চলমান রেখেছে। লালমনিরহাট, কুমিল্লার মুরাদনগরের ঘটনা ও সম্প্রতি ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল হকের বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা। ইসলাম শান্তির ধর্ম। কেউ অপরাধ করলে দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার হবে। দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। লালমনিরহাটে সহিদুন্নবী জুয়েল নামে এক মুসলিমকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ইসলাম বিরোধী। কোন ধর্মই সহিংসতা ও মানুষ হত্যা সমর্থন করে না। ধর্মের নাম ব্যবহার করে এই উগ্রবাদী গোষ্ঠী দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এদের মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা। সকল ধর্মের মানুষদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করা প্রত্যেকটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। ধর্মীয় সভাগুলোতে উস্কানিমূলক অপপ্রচার চালিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। এহেন কর্মকাণ্ড কখনোই বরদাশত করবে না মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। ধর্মীয় উগ্রবাদ শক্ত হাতে দমন করতে হবে। কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী দণ্ডপ্রাপ্ত দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে চাঁদে দেখা যাচ্ছে বলে গুজব ছড়িয়ে যারা নাশকতা করে মানুষ হত্যা করেছিলো সেই মৌলবাদী অপশক্তিই সম্প্রতি ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এরা ইসলামের শত্রু। এরা কখনোই ইসলাম ধর্মের আদর্শ ধারণ করে না। ধর্মীয় লেবাশে রাষ্ট্র বিরোধী ষড়যন্ত্র করাই এদের মূল উদ্দেশ্য। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে এরা জঙ্গিবাদ রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এরা দেশ ও জাতির শত্রু। একাত্তরের পরাজিত অপশক্তি পাকিস্তানের দোসররা এহেন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড দ্বারা বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ধর্মের নামে এরা অপরাজনীতি শুরু করছে। ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের আবেগকে পুঁজি করে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্যে হাসিলের চেষ্টা করছে।” আল মামুন আরো বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অবমাননাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার না করলে শাহবাগসহ সমগ্র দেশে রাজপথ, রেলপথ ও সড়কপথ অবরোধ কর্মসূচী পালন করবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।আমরা লক্ষ্য করছি, করোনা সংকটেও কিছু ধর্মীয় লেবাশধারী দেশে করোনা নেই বলে প্রতিনিয়ত গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষদের জীবনকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন মাদ্রাসায় গত এক মাসে প্রায় ২৪ জন শিশু বলাৎকারের শিকার হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ২ জন মৃত্যুবরণ করেছে। বলাৎকার ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সম্পূর্ণ হারাম। অথচ ইসলামী দলগুলো বলাৎকারের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করছে না। ধর্ষণের ন্যায় বলাৎকারের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিভিন্ন ধর্মীয় সভায় ওয়াজের নামে গুজব ছড়ানো ও উস্কানিমূলক অপপ্রচার বন্ধ করার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। দেশের অনেক মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় না, জাতীয় পতাকা ওড়ানো হয় না, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানো হয়না যা দেশের সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংবিধান বিরোধী এসব কর্মকাণ্ডই ধর্মীয় উগ্রবাদকে আরোও উসকে দিচ্ছে। মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি দেশের ইতিহাস চর্চা বাধ্যতামূলক করতে হবে। অন্যথায় দেশপ্রেম ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কে অবমাননা করার অপরাধে মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সমগ্র দেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।” মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এর (৭) সাত দফা দাবি: ১। জাতির পিতাকে অবমাননা করার অপরাধে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমকে গ্রেফতার করতে হবে। ২। দেশের প্রতিটি বিশ্বিবদ্যালয়,কলেজ ও জেলা, উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করতে হবে। ৩। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। ৪। বিভিন্ন ধর্মীয় সভা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় উস্কানিমূলক গুজব ছড়ানো ও অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ৫। ধর্ষণের ন্যায় বলাৎকারের অপরাধে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ৬। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে এবং মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর যৌন নিপীড়ন বন্ধে মনিটরিং সেল গঠন করে নজরদারি বাড়াতে হবে। ৭। মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত জাতীয় সংগীত বাজানো, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ মিনার নির্মাণ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে।
95125a065be98437bd381b6f330fb6dd
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
1,118
fineweb_2_bn
1.807229
2
3.069926
3
চলতি বছরই শেষ হচ্ছে কক্সবাজার বিমান বন্দরে সমুদ্রের বুক ছুঁয়ে রানওয়ের নির্মাণ কাজ। আর এই রানওয়ের কাজ শেষ হলেই এটি হবে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম রানওয়ে। প্রকল্প বাস্তবায়নকারি চীনা প্রতিষ্ঠান বলছে, নানা প্রতিকূলতার মাঝেও নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। আর এবছরের মধ্যেই সমুদ্রের বুক ছুঁয়ে বিমান ওঠানামা করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাগরের বুক চিরে আকাশ পানে ছুটে চলা। উত্তাল সাগরকে বসে এনে এমন কর্মযজ্ঞ আগে দেখেনি বাংলাদেশ এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ। অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক মাসের। এরপরই প্রস্তুত দেশের সবচেয়ে বড় রানওয়ে, সমুদ্র ছুঁয়েই ওঠানামা করবে বিমান। অবতরণের সময় যাত্রীদের মনে হবে, যেন সাগরেই নামতে যাচ্ছেন তারা। এমন ব্যতিক্রমী অনুভূতি দেয়ার পাশাপাশি, কয়েক মাসের মধ্যেই বিশ্বের দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দর গুলোর তালিকায় স্থান পেতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর। ইতিমধ্যে প্রকল্পের ৮০ ভাগ কাজ প্রায় শেষ। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি জানিয়েছে, নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করবেন তারা। কক্সবাজার বিমানবন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক লি গুয়াংচি বলেন, সমুদ্রের বুকে রানওয়ে প্রকল্পের কাজটা সহজ ছিল না। ২০২১ সালে কাজ শুরুর পর থেকে নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। বিশেষ করে করোনা কাল, এরপর শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। তারপর উত্তাল সাগরকে বসে আনাসহ জটিলতা। কিন্তু সব কিছু মোকাবিলা করে রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজ চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে সমুদ্রের বুকে রানওয়ে। আরও কিছু কাজ রয়েছে যা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শেষ করা হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, শুধু সূর্যের আলোতে আকাশপথে কক্সবাজার যাওয়ার দিন শেষ হচ্ছে। অল্প কিছুদের মধ্যেই রাতেও যাত্রী নিয়ে বিমান অবতরণ ও উড্ডয়ন করবে। এতদিন বিমানবন্দরটির রানওয়ের দৈর্ঘ্য কম ও অন্যান্য অবকাঠামো অনুন্নত থাকায়, সব ধরনের বিমান চলাচল করতে পারত না। তাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা বিদেশি পর্যটকদেরকে, ঢাকা হয়ে কক্সবাজার যেতে হয়। আর এর ফলে নানা রকম ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাদেরকে। এসব ভোগান্তি দূর করার জন্য রানওয়ে এবং টার্মিনাল ভবন সম্প্রসারণের মাধ্যমে, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করতে, ২০১২ সালে একটি মাস্টার প্ল্যান গ্রহণ করে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু জায়গা না থাকায় রানওয়ে সম্প্রসারণ নিয়ে জটিলতা দেয়া দেয়। শেষ পর্যন্ত দৃষ্টিনন্দন করার পরিকল্পনা থেকে, সমুদ্র সৈকতের ভেতরেই রানওয়ে করার সিদ্ধান্ত হয়। অবশেষে নানা রকম প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে, ২০২১ সালে শুরু হয় বিশাল কর্মযজ্ঞ। যার জন্য প্রথমে সমুদ্রের তলদেশে ব্লক নির্মাণ করা হয়। বিশাল ঢেউ থেকে সুরক্ষা দিতে, কংক্রিট ফেলে গড়ে তোলা হয় বাঁধ। তারপর সেটির ভেতরে বানানো হচ্ছে স্থাপনা। দেশে এই প্রক্রিয়ায় এবারই প্রথম কোন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এদিকে সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে যান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান। ঘন্টাব্যাপি তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করেন এবং প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, সাগরের পানি নিষ্কাশন করে জমি ভরাটের মতো চ্যালেঞ্জ, করোনার দুর্যোগ ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সব বাধা পেরিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হবে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক টার্মিনাল ভবন নির্মাণের কাজও শেষ পর্যায়ে আছে। এখন ভবনের ভেতর ইমিগ্রেশন, বোর্ডিং পাস, লাউঞ্জের কাজ করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৯০ শতাংশের বেশি। আশা করছি, চলতি বছরেই মধ্যেই সমুদ্রের বুক ছুঁয়ে নির্মিত রানওয়ে দিয়ে বিমান ওঠানামার করবে। প্রকল্প সংশ্লিস্টরা জানিয়েছে, বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য ২.৭৪ কিলোমিটার। সম্প্রসারণ কার্যক্রম শেষে আধা কিলোমিটার বেড়ে, নতুন দৈর্ঘ্য হবে ৩.২ কিলোমিটার। দৃষ্টিনন্দন এ রানওয়েটি হবে উপমহাদেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে, সমুদ্র শাসন করে তৈরি করা প্রথম রানওয়ে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। সুত্র: দৈনিক কক্সবাজার
692db5c228c9f55db33327799d30c0a5
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
662
fineweb_2_bn
2.498101
2
0.994821
1
Accuray Incorporated আজ ঘোষণা করেছে যে ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া (TN) সহ পুরুষ এবং মহিলাদের উপর একটি গবেষণা থেকে দীর্ঘমেয়াদী ফলো-আপ ডেটা দেখায় যে সাইবারনাইফ® সিস্টেমের মাধ্যমে ইমেজ-গাইডেড রোবোটিক রেডিওসার্জারি চিকিত্সা পাওয়ার 72 বছর পর 10 শতাংশ ব্যথা উপশম অব্যাহত রেখেছে। "ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ার জন্য রোবোটিক ইমেজ-গাইডেড রেডিওসার্জারি: 10 বছর পরে ফলাফল" শিরোনামের অধ্যয়ন বিমূর্তটি, ক্যালিফোর্নিয়ার কার্লসবাদে সাম্প্রতিক 2022 রেডিওসার্জিক্যাল সোসাইটির সভায় সেরা ক্লিনিকাল বিমূর্ত হিসাবে স্বীকৃত হয়েছিল। TN প্রায়শই 50 বছরের বেশি বয়সী লোকেদের মধ্যে ঘটে এবং পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়। একটি ক্র্যানিওফেসিয়াল নার্ভকে প্রভাবিত করে একটি দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার অবস্থা যা মুখ থেকে মস্তিষ্কে সংবেদন প্রেরণের জন্য প্রাথমিকভাবে দায়ী, TN কে কিছু রোগীরা সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা হিসাবে বর্ণনা করেছেন যা মানুষ ভোগ করতে পারে। ব্যথা হালকা স্পর্শ থেকে মুখে আনা যেতে পারে, এমনকি একটি মৃদু বাতাস একটি বেদনাদায়ক আক্রমণ শুরু করতে পারে। "ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়ার সাথে যুক্ত দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কতটা দুর্বল হতে পারে তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। যদি চিকিত্সা না করা হয়, বা অপর্যাপ্তভাবে চিকিত্সা করা হয়, তাহলে দৈনন্দিন ক্রিয়াকলাপগুলি সম্পাদন করা কঠিন হতে পারে যা আমাদের বেশিরভাগই মঞ্জুর করে - খাবার খাওয়া, আমাদের মুখ ধোয়া বা দাঁত ব্রাশ করা থেকে শুরু করে কথা বলা পর্যন্ত। যে কারণে এই ধরনের অধ্যয়ন এত তাৎপর্যপূর্ণ. তারা দেখায় যে সাইবারনাইফ রেডিওসার্জারির মতো চিকিত্সার বিকল্পগুলির মাধ্যমে, আমরা আমাদের রোগীদের দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা নিয়ন্ত্রণ প্রদান করতে পারি - একটি কঠোর মাথার ফ্রেম, অস্ত্রোপচার বা ওষুধ ছাড়াই। আমরা আমাদের রোগীদের আশা দিতে পারি এবং তাদের জীবনে কী সম্ভব তার উপর আবার ফোকাস করার সুযোগ দিতে পারি,” বলেছেন আলফ্রেডো কন্টি, ইতালির বোলোগনার আলমা মেটার বোলোগনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারির সহযোগী অধ্যাপক। TN রোগীদের তাদের জীবন জুড়ে প্রভাবিত করতে পারে, দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা সেবা একটি প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে। TN এর চিকিত্সা সাধারণত মস্তিষ্কে প্রেরিত ব্যথা সংকেত ব্লক করার ওষুধ দিয়ে শুরু হয়। সময়ের সাথে সাথে, কিছু ওষুধ কম কার্যকর হয় এবং কিছু রোগী অপ্রীতিকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অনুভব করে। এই রোগীদের জন্য বিকল্প চিকিৎসা, যেমন ইনজেকশন, রেডিওফ্রিকোয়েন্সি, বেলুন কম্প্রেশন, সার্জারি বা রেডিওসার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। "ক্লিনিকাল ডেটা দীর্ঘমেয়াদে সাইবারনাইফ রেডিওসার্জারি প্রদান করতে পারে এমন টেকসই সুবিধাগুলি নিশ্চিত করে চলেছে৷ সিস্টেমটি সাব-মিলিমিটার নির্ভুলতার সাথে উন্নত রেডিওথেরাপি চিকিত্সা সরবরাহ করে, যা মস্তিষ্কে টিউমার এবং ক্ষতগুলির চিকিত্সা করার সময় গুরুত্বপূর্ণ, এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলির ঝুঁকি হ্রাস করার সময় গুরুত্বপূর্ণ, " Accuray এর সভাপতি সুজান উইন্টার বলেছেন। “এই সাম্প্রতিকতম ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া অধ্যয়নকে শক্তিশালী করে যে কেন চিকিৎসা পরিচর্যা দলগুলি সাইবারনাইফ রেডিওসার্জারির দিকে ঝুঁকছে যখন নির্ভুলতা এবং নির্ভুলতা অত্যাবশ্যক এবং এই অ-আক্রমণাত্মক চিকিত্সা বিকল্পটি এই গুরুতর এবং চ্যালেঞ্জিং-থেকে-চিকিৎসার সাথে বসবাসকারী ব্যক্তিদের জীবনে যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে তা প্রদর্শন করে। চিকিৎসাধীন অবস্থা." সাইবারনাইফ সিস্টেমটি মাথার এবং খুলির গোড়ার রোগের চিকিৎসার জন্য এবং রেডিওসার্জারি সহ কার্যকরী ব্যাধিগুলির চিকিত্সার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল – রোগীর মাথায় একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমের ব্যবহার ছাড়াই। সিস্টেমটিতে একটি রৈখিক এক্সিলারেটর (লিনাক) রয়েছে যা সরাসরি একটি রোবটে মাউন্ট করা হয়েছে যা রোগীর চারপাশে নড়াচড়া করে এবং বাঁকিয়ে সম্ভাব্য হাজার হাজার অনন্য কোণ থেকে নন-আইসোসেন্ট্রিক, নন-কপ্লানার রেডিয়েশন বিম সরবরাহ করে, অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং নির্ভুল চিকিত্সার সুবিধা দেয় - সাধারণত মাত্র একটিতে পাঁচটি দর্শনে। উন্নত ইমেজিং এবং Accuray-এক্সক্লুসিভ Synchrony® রিয়েল-টাইম টার্গেট ট্র্যাকিং ডায়নামিক ডেলিভারি প্রযুক্তি ব্যবহার করে, CyberKnife® সিস্টেম টিউমার বা ক্ষত ট্র্যাক করতে পারে এবং ক্রমাগত তার অবস্থান যাচাই করতে পারে, এমনকি সামান্য নড়াচড়ার জন্য বিকিরণ রশ্মির অবস্থানকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশোধন এবং মানিয়ে নিতে পারে। নিরবচ্ছিন্ন চিকিত্সা সরবরাহ এবং সর্বাধিক রোগীর আরাম সহ গতির জন্য গতিশীল ডেলিভারি অ্যাকাউন্টিং চালাতে সিঙ্ক্রোনি উন্নত অ্যালগরিদম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে। উদাহরণ স্বরূপ, রোগী যদি চিকিৎসার সময় মাথা নাড়ায়, সাইবারনাইফ সিস্টেম এই গতিবিধি শনাক্ত করে এবং রিয়েল-টাইমে টিউমার বা ক্ষতটির নতুন অবস্থানে চিকিত্সা ডেলিভারি বিমকে সিঙ্ক্রোনাইজ করে।
a739725f730574b851a0d9e55807bf8e
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
840
fineweb_2_bn
3.047056
3
1.118882
1
আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে এই বিশাল জ্যাকপট জয়ের পরেও ক্যাসিনো এবং বুকিরা কীভাবে ভাসমান থাকে? অন্য যে কোনো ব্যবসার মতো, আপনি যতই জিতুন না কেন, ক্যাসিনোগুলি বাড়িতে সর্বাধিক মুনাফা আনতে অনুমিত হয়৷ খেলোয়াড়দের আরও তহবিল ব্যয় করতে উত্সাহিত করার জন্য সবকিছু ডিজাইন করা হয়েছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে তারা বলে যে "ঘর সর্বদা জয়ী হয়।" সুতরাং, এই নিবন্ধটি ক্যাসিনো লাভের পিছনে ষড়যন্ত্র উন্মোচন করে। শুরুতে বলা হয়েছে, ক্যাসিনো গেমগুলি বাড়ির সম্ভাব্য লাভ দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এবং এটি প্রযোজ্য যে খেলোয়াড় বাজি জিতুক বা হারুক। এটি ক্যাসিনোর জন্য কমবেশি অন্তর্নির্মিত লাভ। সুতরাং, আপনি যে ধরনের অনলাইন ক্যাসিনো গেমটি বেছে নিন না কেন, হাউস এজ একটি প্রয়োজনীয় "মন্দ" যা আপনাকে অবশ্যই অভ্যস্ত হতে হবে। এটিকে সহজতর দৃষ্টিকোণে রাখতে, উদাহরণস্বরূপ, 4% হাউস এজ সহ একটি স্লট মেশিন বিবেচনা করুন। এই ধরনের গেম মোট RTP (প্লেয়ারে রিটার্ন) রেট দেয় 96%। এটি মূলত সর্বাধিক শতাংশ যা একজন খেলোয়াড় বাড়ি নিয়ে যেতে পারে যদি জিনিসগুলি তাদের পথে চলে যায়। উপরের হারের সাথে লেগে থাকা, একজন খেলোয়াড় যিনি $100 বাজি ধরেন তিনি সর্বোচ্চ $96 জয় পাবেন, $4টি ঘরে যাবে। সুতরাং, আপনি বাজি হারুন বা জিতুন, বাড়িটি ব্যবসার বাইরে যাবে না। কিন্তু আপনি এমনকি যদি একটি ক্যাসিনো খেলা খেলছে 0.5% হাউস এজ সহ, মনে রাখবেন যে গেমটি শুধুমাত্র স্বল্প মেয়াদে লাভজনক হবে। বেশিক্ষণ খেলে আপনি কেবল অলাভজনকতার মধ্যে পড়ে যাবেন। এটি জানার পরে, বেশিরভাগ অনলাইন ক্যাসিনো খেলোয়াড়দের বেশিক্ষণ খেলতে রাখতে মেরে ফেলবে। বেশিরভাগ শিক্ষানবিসরা বিনামূল্যে বাজি নিয়ে দূরে চলে যায়, এটা জেনে না যে বাড়ির প্রান্তটি প্রযোজ্য। এই বিন্দু পর্যন্ত, এটা স্পষ্ট যে বাড়িটি সর্বদা বিজয়ীকে দূরে সরিয়ে দেবে। কিন্তু তবুও, বেশিরভাগ জুয়া খেলার সাইটগুলি একদিনে ব্যাপক ট্র্যাফিক তৈরি করে। এটা এমন কেন? প্রথমত, জুয়াড়িরা যদি বাজি না জিততেন, তাহলে ইন্ডাস্ট্রি এতক্ষণে মারা যেত। যদিও ঘর সবসময় জেতে, কিছু খেলোয়াড় বাজি থেকে অর্থ উপার্জন করে। কেউ কেউ এমনকি একটি বেটিং ক্যারিয়ার থেকে তাদের বিলাসবহুল জীবনযাত্রার জন্য অর্থায়ন করে। বিষয়টা হল যে জুয়া খেলা বেশিরভাগই ভাগ্য এবং কিছুটা দক্ষতা সম্পর্কে। সুতরাং, যতক্ষণ আপনি একটি বাজি রাখছেন ততক্ষণ একটি মেগা মূলা উইন্ডফল আশা করুন। মানুষ বাজি ধরার আরেকটি কারণ হল মজা করা। ক্যাসিনোগুলি তাদের অতৃপ্ত লোভের জন্য পরিচিত, যা মোটেও খারাপ নয়। এটা শুধু ব্যবসা! তারা খেলোয়াড়দের আকৃষ্ট করতে এবং রাখতে সাহায্য করার জন্য কার্যকর বিপণন কৌশল নিয়োগ করে। সাউন্ড ইফেক্ট, ছবির গুণমান এবং বোনাস প্রচার সহ তাদের গেমের প্রতিটি দিকই আসক্তির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। অন্য দিকে খেলোয়াড়রা কীভাবে তাদের জয় তৈরি করে তা জানতে চান? তারপর জুয়াতে সম্ভাব্যতার ধারণা সম্পর্কে কিছু শিখুন। সম্ভাব্যতা হল পরিকল্পিত ফলাফল বনাম মোট ফলাফলের অনুপাত। উদাহরণস্বরূপ, আপনি ছয়টি কলা এবং একটি কমলা সহ একটি ব্যাগ থেকে একটি কমলা বের করতে চান। যদি তাই হয়, একটি কমলা পাওয়ার অনুপাত 7 এর মধ্যে 1। কিন্তু কিভাবে সম্ভাব্যতা জুয়ায় প্রযোজ্য? আপনি যদি একটি ইউরোপীয় রুলেট চাকায় খেলছেন, আপনি 1-36 নম্বরের 37টি পকেট পাবেন। এছাড়াও একটি একক শূন্য পকেট আছে। সেই ক্ষেত্রে, পকেটগুলির একটিতে অবতরণ করার সম্ভাবনা 37-এর মধ্যে 1 বা 2.7%৷ ধরুন আপনি লাল/কালো বেছে নিন, ফলাফলের সম্ভাবনা হল 18/37 x 100%। এটি আপনাকে 48.65% এর সম্ভাব্যতার হার দেয়। আপনি যদি ক্যাসিনো গেম খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে কীভাবে জিততে হয় তা শেখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, সর্বদা ব্যাঙ্করোল ব্যবস্থাপনা অনুশীলন করুন। জয়ের খেলায় যাওয়া অবশ্যই মজার, মনে রাখবেন জয়ের চেয়ে হার বেশি সাধারণ। এই কারণে, একটি জুয়া ব্যাঙ্করোল তৈরি করুন এবং এটিকে ছোট ইউনিটে ভাগ করুন। মূল ধারণা হল প্রতি সেশনে ব্যাঙ্করোলের প্রায় 5% দিয়ে বাজি ধরা। এই হার ছাড়িয়ে গেলে আপনি মাত্র কয়েক হাতের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারেন। দ্বিতীয়ত, সামনে থাকাকালীন প্রস্থান করুন। উপরে আলোচনা করা হয়েছে, বাড়ির প্রান্ত সবসময় নিশ্চিত করবে যে আপনি দীর্ঘমেয়াদে হারান। তাই, নিরাপদ থাকার জন্য, আপনার ব্যাঙ্করোলে একটি নির্দিষ্ট শতাংশ যোগ করার পরে চলে যান। এটি 10%, 20%, 30% এবং আরও অনেক কিছু হতে পারে। এটি জয়ের সাথে ক্যাসিনো ছেড়ে যাওয়ার একমাত্র উপায়। লোকসান পুনরুদ্ধারের আশায় আপনার বাজি দ্বিগুণ করার প্রলোভিত হবেন না। অন্য সবকিছুর উপরে, বুদ্ধিমানের সাথে গেমগুলি বেছে নিন। আপনার পুরো ব্যাঙ্করোল দ্রুত খেয়ে ফেলবে এমন একটি খেলার চেয়ে নিম্ন ঘরের প্রান্তের সাথে একটি গেম খেলা ভাল। একটি ভাল উদাহরণ হল একটি রুলেট চাকা। বেশিরভাগ জুয়াড়ি ইউরোপীয় চাকা পছন্দ করে কারণ এটি আমেরিকান ভেরিয়েন্টের চেয়ে নিম্ন ঘরের প্রান্ত সরবরাহ করে। এবং যদি সম্ভব হয়, পোকার এবং ব্ল্যাকজ্যাকের মতো দক্ষতা-ভিত্তিক গেম খেলতে শিখুন, কারণ তারা একটি সর্বোত্তম কৌশলের সাথে ঘরের প্রান্ত কমাতে দেয়। যাইহোক, মজার জন্য খেলুন।
fec0a9c1549c55d3ffc6fe5c0c564734
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
908
fineweb_2_bn
1.246708
1
1.826876
2
স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১১ সেপ্টেম্বর : সোমবার সকাল থেকে গন্ডাছড়া – আমবাসা রাস্তা অবরোধে বসলো জগবন্ধু পাড়া হাই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। তাদের অভিযোগ স্কুলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট সৃষ্টি হয়ে আছে। বিশেষ করে প্রাতঃ বিভাগে দুজন শিক্ষক দিয়ে চলছে স্কুল। তাই তারা শিক্ষকের দাবিতে পথ অবরোধ করেছে এই দিন। এছাড়াও মিড ডে মিলের রান্নাঘর নির্মাণ করে দেওয়া এবং স্কুলের যাতায়াতের রাস্তাটি সংস্কার করে দেওয়ার দাবি জানায়। সকাল থেকে দীর্ঘক্ষণ পথ অবরোধ করার পর অবশেষে ডিসিএম সহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মীরা অবরোধ স্থলে ছুটে আসে। সেখানে গিয়ে অবরোধকারী ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করেন মিড ডে মিল খাবারের জন্য রান্নাঘর তৈরি করে দেওয়া হবে এবং শিক্ষক সংকট সহ রাস্তার যে বেহাল দশায় পরিণত হয়ে আছে সেই সমস্যাও সমাধান করা হবে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছ থেকে এই আশ্বাস পেয়ে অবশেষে অবরোধ মুক্ত করে ছাত্রছাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ পথ অবরোধের ফলে আটকে পড়ে রাস্তায় দুই পাশে বহু যাত্রীবাহী গাড়ি।
dc506275923edb84fe047f4aff5536c5
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
169
fineweb_2_bn
1.774365
2
1.150782
1
জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন বিলে বলা হয়েছিল, ব্রিজ বা মধ্যবর্তী পাঠ্যক্রম পড়ে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ দিতে পারবেন হোমিওপ্যাথি বা আর্য়ুবেদ চিকিৎসকেরা। বিলের সেই ধারার কড়া সমালোচনা করে সরকারকে রিপোর্ট দিল সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তাদের সুপারিশ, ওই ধারা যেন বাধ্যতামূলক করা না হয়। মেডিক্যাল শিক্ষায় স্বচ্ছতা আনতে গত ডিসেম্বরে বিলটি সংসদে পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নড্ডা। বিলটি যায় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে। সংসদে বুধবার কমিটির রিপোর্ট পেশ করা হয়। ওই ধারাটির সমালোচনা করে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব সুজাতা রাও বলেছেন, ‘‘এর ফলে ভারতীয় চিকিৎসকদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হবে।’’ আর চিকিৎসক দেবী শেঠির কথায়, ‘‘এতে বেআইনি ভাবে চিকিৎসা বেড়ে যাবে।’’ বিল পেশ হওয়ার পরই অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকদের তরফে বলা হয়েছিল, পাঁচ বছরের পাঠ্যক্রম শেষ করে যা শেখা যায়, ব্রিজ কোর্স করে কেউ তা কোনও দিনই শিখতে পারেন না। এতে হাতুড়ে চিকিৎসকেরই সংখ্যা বাড়বে। সেই উদ্বেগই ফুটে উঠেছে সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে। যদিও সরকারের যুক্তি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী ১ জন চিকিৎসক পিছু হাজার ব্যক্তির পরিবর্তে ১৬৫৫ জন রয়েছেন। উপরন্তু শহরের চিকিৎসকেরা গ্রামে যেতে রাজি না হওয়ায় গ্রাম ও শহরের চিকিৎসকের অনুপাত ৩.৮:১। ছবিটি বদলাতে দেশের প্রায় ৭.৭১ লক্ষ আয়ুষ চিকিৎসককে ব্রিজ কোর্সের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যাতে নতুন করে বাঁচিয়ে তোলা দেড় লক্ষ উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে তাঁদের নিয়োগ করা যায়। স্থায়ী কমিটিও মেনে নিচ্ছে যে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন। কিন্তু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব সমস্যা রয়েছে। তাই রাজ্যগুলি যদি আয়ুষ কর্মী, নার্সিং কর্মী, বি ফার্ম পাশ ব্যক্তিদের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে উন্নত পরিষেবা দিতে চায়, তাহলে দক্ষতা বাড়াতে এ ধরনের পদক্ষেপ করা যেতে পারে বলে কমিটির মত। সেক্ষেত্রে ব্রিজ পাঠ্যক্রম পাশ চিকিৎসকদের জন্য আলাদা রেজিস্টার এবং তাদের চিকিৎসার ও ওষুধ দেওয়ার গণ্ডি নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। ধারাতে সংশ্লিষ্ট পরিবর্তনের পরেই তা বিলে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে কমিটি। বিলে মেডিক্যাল কলেজগুলির ৬০ শতাংশ আসনের ফি ঠিক করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ারও প্রতিবাদ জানিয়েছিল অধিকাংশ রাজ্যই। পশ্চিমবঙ্গের যুক্তি, এর ফলে যোগ্য পড়ুয়ারা জায়গা পাবেন না। সহমত কর্নাটক, মহারাষ্ট্রও। কমিটির রিপোর্টও বলছে, এই ধারার ফলে যোগ্যরা বঞ্চিত হবে। কম নম্বর পেয়েও শুধুমাত্র অর্থের জোরে ডাক্তারি পড়তে পারবেন ধনী পরিবারের সন্তানেরা। কেন্দ্র মেডিক্যাল পরীক্ষায় টাকার খেলা রুখতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও কমিটি মনে করছে।
ad8903f045cf4e2a96e35c3d35ff0137
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
426
fineweb_2_bn
2.354942
2
1.354228
1
বিষক্রিয়ায় ২ শিশুর মৃত্যু: পেস্ট কন্ট্রোল কোম্পানির এমডি ও চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার জাতীয় /  রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দেওয়া ‘তেলাপোকা মারার ওষুধের’ বিষক্রিয়ায় দুই সন্তানের মৃত্যুর মামলায় পেস্ট কন্ট্রোল কোম্পানির এমডি ও চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবি পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে। ‘তেলাপোকা মারার ওষুধের’ বিষক্রিয়ায় গত ২ জুন ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন তুষারের দুই ছেলে শাহিল মোবারত জায়ান (৯) ও শায়েন মোবারত জাহিনের (১৫) মৃত্যু হয়। মোবারক হোসেন ঢাকা রয়েল ক্লাব লিমিটেডের (উত্তরা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। পরিবার নিয়ে তিনি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার থাকতেন। এ ঘটনায় তিনি ভাটারা থানায় মামলা করেন। পুলিশ জানায়, পোকামাকড় মারতে মোবারক হোসেন নিজের বাসায় ওষুধ প্রয়োগে ‘ডিসিএস অর্গানাইজেন লিমিটেড’ নামে কোম্পানিকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। সেই পেস্ট কন্ট্রোল কোম্পানির কর্মীরা পোকামাকড় নিধনের জন্য অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড ট্যাবলেট (গ্যাস ট্যাবলেট) ব্যবহার করেছিলেন। ওষুধ দেওয়ার ৬ ঘণ্টার মধ্যে ঘরে ঢুকতে নিষেধ করা হয়। কোম্পানির নির্দেশনা মেনে ১৫ ঘণ্টা পর পরিবারের সদস্যরা ঘরে প্রবেশ করেন। এরপরেই বিষাক্ত গ্যাসের বিক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে শুরু করেন তারা। সেই ঘটনায় ওই দুই কিশোরের মৃত্যু হয়।
1a9b41f0921723cd4cc4ad900b49bf12
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
239
fineweb_2_bn
1.268927
1
1.308692
1
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা সভা কক্ষে ফেসবুকে ‘ক্লাব ১৯৭১’ সংগঠনের এর পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারী) সকালে হাসিবুর রহমান সাকিব ও মোসাঃ মরিয়ম পাখি নামে দুই খেলোয়াড়কে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। হাসিবুর রহমান সাকিব রাজাপুর উপজেলা ডাকবাংলো মোড় এলাকার মোঃ বারেক মৃধার ছেলে ও রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণরি ছাত্র। মোসাঃ মরিয়ম পাখি রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার মোঃ শামীম মৃধার মেয়ে ও সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী। হাসিবুর রহমান সাকিব দৌড় প্রতিযোগীতায় ঢাকায় জাতীয় পর্যায় প্রথম স্থান অধিকার করে এবং মোসাঃ মরিয়ম পাখি বরিশালে বিভাগিয় পর্যায় দৌড় প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অধিকার করে। অনুষ্ঠানে রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবের সেক্রেটারী মোঃ এনামুল হক সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন রাজাপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোঃ মনির উজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজাপুর উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা অক্তার লাইজু ও সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি আব্দুর রহিম রেজা। এছারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শুক্তাগড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিউটি সিকদার, রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম স্বপন তালুকদার, গালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম কিবরিয়া পারভেজ, বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার সুরু মিয়া, মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জালাল আহম্মেদ, সাংবাদিক মোঃ আবু সায়েম আকন, রাজাপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তাসলিমা বেগম, সাংবাদিক ক্লাবের সহসভাপতি মোঃ আলমগির শরীফ, সদস্য মোঃ নবীন মাহমুদ, ইউপি সদস্য সালমা আলমগির ও ইউপি সদস্য মরিয়ম বেগম প্রমুখ। এসময় হাসিবুর রহমান সাকিবের মা-বাবা ও মোসাঃ মরিয়ম পাখির বাবা উপস্থিত ছিলেন।
6a903f3c6834f16b06dc771a86d600c5
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
280
fineweb_2_bn
2.029368
2
1.002274
1
বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের ঝালকাঠি সদর উপজেলার ছত্রকান্দা এলাকার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের পাশে “বাসার স্মৃতি” নামের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে যায়। এ ঘটনায় সেখান থেকে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এবং ৩০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে রাজাপুরের একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়। আইরিন আক্তার (২২) বরিশালের হিজলা উপজেলায় শশুর বাড়ি থেকে রাজাপুরের বলাইবাড়ি বাবার বাড়ি বেরাতে আসেন ১৬ মাসের শিশু কন্যা রিপা মনিকে নিয়ে। আড়াই বছর আগে পারিবারিক ভাবে হিজলা উপজেলায় রিপন বেপারীর সাথে বিয়ে হয় আইরিনের। শনিবার (২২ জুলাই) আইরিন তার শিশু কন্যা রিপা মনি ও ছোট ভাই নয়ন হাওলাদার (১৬) কে নিয়ে শশুর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয় রাজাপুর উপজেলার বলাইবাড়ি নামক ষ্টান থেকে ভান্ডারিয়া থেকে ছেড়ে বরিশালগামী “বাসার স্মৃতি” নামের একটি বাসে উঠে। বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে বাসটি ঝালকাঠি সদরের ছত্রকান্দা এলাকার গাবখান ধাঁনসিড়ি ইউনিয়নের কাছে এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পুকুরে উল্টে পড়ে যায়। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মুহুর্তের মধ্যেই শিশু, বৃদ্ধ ও নারী সহ ১৭ জনের তাজা প্রাণ ঝরে যায়। কান্নায়, আহাজারি আর লাশের মিছিলে ঝালকাঠির আকাশ বাতাস ভারি হয়ে যায়। জেলা জুরে নেমে আসে শোকের ছায়া। নিভে যায় আইরিন, তার কোলে থাকা ১৬ মাসের শিশুকন্যা রিপা মনি ও সাথে থাকা ছোট ভাই নয়ন হাওলাদারের প্রাণ। এ মৃত্যু মেনে নিতে পারছেনা আইরিনের পরিবার। ছেলে, মেয়ে ও নাতনির অকাল মৃত্যুতে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন আইরিনের বাবা নূরুল ইসলাম ও মা নূর নাহার বেগম সহ স্বাজনরা। ১৬ মাসের শিশু কন্য রিপা মনি, স্ত্রী আইরিন ও শালা নয়নকে হারিয়ে পাগল প্রায় আইরিনের স্বামী রিপন বেপারী। আইরিনের বাবার বাড়ি এখন শোকের মাতম, কান্না আর আহাজারিতে যেনো ফেটে যাচ্ছে স্বজনদের বুক। আইরিনের স্বামী রিপন বেপারী, আইরিনের বাবা মা সহ স্বাজনরা এ দুর্ঘটনায় জন্য দায়ী করেছেন বাস চালককে। দুর্ঘটনায় নিহত আইরিন ও তার শিশু কন্য রিপা মনি ও ভাই নয়ন হাওলাদারকে তার বাবার বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
b838f7de3221f9bbac32440721f9607a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
388
fineweb_2_bn
1.032413
1
1.350433
1
আমেরিকান মঙ্গলযান মিশন, যা লাল গ্রহে পৌঁছেছে, বৃহস্পতিবার সফলভাবে মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে অবতরণ করেছে। মার্কিন ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) এই তথ্য জানিয়েছে। যে স্বয়ংক্রিয় স্টেশনটি অবতরণ করেছে তার মধ্যে রয়েছে অধ্যবসায় রোভার, একটি বিশেষ ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার দিয়ে সজ্জিত। মস্কোর সময় 23:55 এ অবতরণ করা হয়েছিল। তাপমাত্রা মঙ্গলের বিষুবরেখার জেজেরো ক্র্যাটারের অঞ্চলে, প্রায় তিন মিনিট পরে যন্ত্রটি পৃথিবীতে গ্রহের পৃষ্ঠের প্রথম দুটি কালো-সাদা ছবি প্রেরণ করে। আমরা এইমাত্র তথ্য পেয়েছি যে মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে অধ্যবসায় কাজ করছে। নাসা ড. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 30 জুলাই, 2020 এ লাল গ্রহে একটি রোভার পাঠিয়েছে, কেপ ক্যানাভেরাল স্পেসপোর্ট থেকে চালু করা অ্যাটলাস ভি লঞ্চ ভেহিকল। রোভারটি নিজেই একটি ছয় চাকার বিজ্ঞান ল্যাব যা একটি ছোট গাড়ির আকার যা তৈরি করতে প্রায় $2,5 বিলিয়ন খরচ হয়েছে। মাত্রা: দৈর্ঘ্য - প্রায় 3 মিটার, যান্ত্রিক আর্ম-ম্যানিপুলেটর বাদে, প্রস্থ - 2,7 মিটার, উচ্চতা - 2,2 মিটার। রোভারের ভর 1 কেজি। ডিভাইসটি সাতটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র এবং প্রায় 10 মিটার উচ্চতায় পাঁচটি স্বল্পমেয়াদী ফ্লাইট করতে সক্ষম একটি ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার দিয়ে সজ্জিত। এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য হল অতীতে লাল গ্রহে প্রাণের উপস্থিতি প্রমাণ করে এমন অণুজীবের সন্ধানের জন্য পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য সংগ্রহ এবং অধ্যয়ন করা।
4a05a75a2c321ab57d65d07283732063
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
276
fineweb_2_bn
3.164988
3
1.021407
1
কসোভোতে আমেরিকান ঘাঁটি বন্ডস্টিলে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর ছবি (2010) ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কসোভোতে ইউক্রেনীয় সেনাদের আরেকটি দল পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী বর্তমানে এই অঞ্চলে KFOR মিশনের অংশ হিসাবে উপস্থিত রয়েছে, তারা বলে যে তারা "একচেটিয়াভাবে শান্তিরক্ষা মিশন" সম্পাদন করছে। সামরিক কর্মীদের প্রেরণ ঘূর্ণায়মান ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। শান্তিরক্ষা মিশন নিয়ে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের সমালোচনা হয়েছে খোদ ইউক্রেনেই। এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে শান্তিরক্ষা অবশ্যই নিজের দেশে করা উচিত, যেখানে গোলাগুলি অব্যাহত থাকে এবং শত্রুতা ছড়িয়ে পড়ে, এবং ইউক্রেনীয় সীমান্ত থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরে নয়। এটি স্মরণ করা উচিত যে এর আগে কিয়েভ আসলে ডনবাসে একটি শান্তিরক্ষী দল মোতায়েন করতে অস্বীকার করেছিল, এই বলে যে এই দলটিকে সীমানা রেখায় নয়, রাশিয়ার সীমান্তে মোতায়েন করা হলেই এই প্রস্তাবটিকে সমর্থন করবে। এটির জন্য, এটি যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল যে গোলাগুলি রাশিয়ান সীমান্তে নয়, পক্ষগুলির মধ্যে যোগাযোগের লাইন বরাবর করা হয়। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক রিপোর্ট করেছে যে এই মুহুর্তে কসোভোতে আসা ইউক্রেনীয় দলটি "পজিশন গ্রহণ করছে", স্থানান্তরিত সরঞ্জামগুলির পরিষেবাযোগ্যতা এবং কেএফআর-এর কাঠামোর মধ্যে কাজগুলি সম্পাদন করার প্রস্তুতি পরীক্ষা করছে। এই মুহুর্তে, কসোভোতে আন্তর্জাতিক বাহিনীর কমান্ড জার্মানি দ্বারা পরিচালিত হয়। একই সময়ে, দায়িত্বের ক্ষেত্রগুলি নিজেরাই (এবং আসলে আমরা সার্বিয়ার অঞ্চল দখলের কথা বলছি) জার্মান, ফরাসি, ব্রিটিশ, ইতালীয় এবং আমেরিকানগুলিতে বিভক্ত। 2019 সালের শেষ পর্যন্ত, 40 জন ইউক্রেনীয় সেনাকর্মী কসোভোতে ছিলেন। প্রধান কাজটি এলাকাটি টহল এবং নিষ্ক্রিয় করার জন্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছিল। প্রিস্টিনায় ইউক্রেনীয় সৈন্যদের ঘূর্ণন ইভেন্টে ইউএস আর্মি ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ডার মেজর মাইক সোলিঙ্গার উপস্থিত ছিলেন, যিনি ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, "তাদের পেশাদারিত্ব এবং বিবেকপূর্ণ পরিষেবার জন্য" ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন।
27cdf09ac5afaeb0584297182b93fc5f
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
349
fineweb_2_bn
1.947461
2
1.194659
1
কুতুবদিয়ায় বঙ্গোপসাগরে ভাসমান ৪ শ্রমিক উদ্ধার কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার অদূরে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান ৪ শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে এক ঘন্টার বেশি সময় সমুদ্রে ভাসতে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করেন উপজেলার আব্দু সত্তারের মালিকানাধীন মাছ ধরার নৌকা। পরে, তাদেরকে উত্তর ধূরুং ইউনিয়ন পরিষদে হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধার হওয়া শ্রমিককেরা হলেন, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের মো. খলিলের পুত্র মো. ফাহিম(১৮), নেত্রকোণার পূর্ব ধলা উপজেলার পূর্বধলা ইউনিয়নের মো. মিলনের পুত্র মো. রনি(২০), ভোলার বোরহান উদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের মৃত বশির মিয়ার পুত্র মো. মনিরুল ইসলাম (২৩) এবং ভোলার সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের আব্দুল মন্নানের পুত্র মো. জুবায়ের হোসেন (১৬)। তারা জানান, দালাল চক্র তাদের একটি কাজের কথা বলে জাহাজে তুলে অন্য একটি কাজ দেয়। সেটা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। কাজ না করলে তাদের নির্যাতন করে। নির্যাতনের মাত্রা সইতে না পেরে তারা শুক্রবার সকালে সাগরে ঝাপিয়ে পড়েন। এ বিষয়ে উপজেলার উত্তর ধূরুং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মনছুর রাব্বি শ্রমিক উদ্ধার হওয়ার সংবাদটি নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় মাছধরা একটি নৌকা সাগর থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসেন। উদ্ধারকৃতরা সবাই সুস্থ ছিলেন। পরে, তাদের তথ্যমতে আত্মীয়-স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করে নিজ এলাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয় বলে জানান তিনি।
2ae2619b64aaea56bc649086c4670dd7
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
251
fineweb_2_bn
1.164182
1
1.593803
2
রবিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:৪০ অপরাহ্ন এম আই ফারুক শাহজী , কালের খবর : ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে সড়ক নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহবান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে এ অনুরোধ করেন মন্ত্রী। ফেসবুকে ওবায়দুল কাদের লিখেছেন, এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে মন্ত্রণালয় সজাগ রয়েছে। বৃষ্টিজনিত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে যান চলাচলে ধীর গতি হলেও যানজট হবে না। আমাদের প্রচেষ্টা অবিরত, অব্যাহত। আশা করা যাচ্ছে, এবারের ঈদযাত্রা গতবারের চেয়ে আরও স্বস্তিদায়ক হবে। এ নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে সড়ক সম্পর্কে কোনোরূপ আতঙ্ক সৃষ্টি না করতে জনস্বার্থে সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। মন্ত্রী লেখেন, পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের আপডেট জানানো হবে। সারা দেশে সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী রেলওয়ে ওভারপাসের দুই লেন ইতিমধ্যে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে এখন আর যানজট হচ্ছে না। ১৫ জুনের মধ্যে নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হবে। তখন ফেনী রেলওয়ে ওভারপাস এলাকা সম্পূর্ণ যানজটমুক্ত হবে। তিনি আরো বলছেন, ইন্ডিয়ান লাইন অব ক্রেডিট-এর আওতায় ময়নামতি-সরাইল সড়কের নির্মাণকাজ শুরু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আপাতত এ সড়কের মেরামত ও সংস্কার কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেঘনা ও গোমতি সেতুর টোলপ্লাাজায় টোল আদায় ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ দ্বিতীয় কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা এবং দ্বিতীয় গোমতী সেতুর নির্মাণকাজ নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগে শেষ হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ প্রক্রিয়াধীন। জয়দেবপুর-এলেঙ্গা মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার বিষয়ে কাদের বলেন, সাসেক প্রকল্পের আওতায় জয়দেবপুর-অ্যালেঙ্গা মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। এরই মধ্যে এ মহাসড়কে ২৬টি সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। যানজট প্রবণ চন্দ্রা মোড় প্রশস্ত করার পাশাপাশি বাইলেন নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। সাসেক প্রকল্পের আওতায় ১১টি উড়াল সেতু ও রেল ওভারপাস এবং ১০টি আন্ডারপাস নির্মাণকাজ এগিয়ে চলেছে। এয়ারপোর্ট-জয়দেবপুর বাস র্যাপিড ট্রানজিট-বিআরটি প্রকল্পের সড়ক অংশের কাজ ঈদ সামনে রেখে জনদুর্ভোগ লাঘবে আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের প্রকল্প মেট্রোরেল-৬-এর নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে। মেট্রোরেলের আরও চারটি রুটের কাজ প্রক্রিয়াধীন। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের প্রথম ধাপের কাজ ৩০ ভাগ শেষ হয়েছে। ফেসবুক পোস্টে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাগেরহাট-চিতলমারী-পাটগাতি সড়কের কাজ শুরু হয়েছে। যশোর-বেনাপোল, যশোর-ঝিনাইদহ এবং যশোর-মাগুরা সড়কের কাজ শেষ হয়েছে। সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের নির্মাণকাজ এগিয়ে চলেছে। আগস্ট মাসে কালনা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হতে যাচ্ছে। টেকেরহাট-বাকেরগঞ্জ সড়কের দেড় কিলোমিটারের কাজ চলমান রয়েছে, এ ছাড়া সড়কের বাকি অংশ সচল রয়েছে। দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন ।
c28eaffe3971282425e091dabd92c21e
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
537
fineweb_2_bn
2.173398
2
0.986582
1
গত এক দশকে ক্যাসিনো প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে, একটি মোবাইল ক্যাসিনো জমা করা এই দিন বেশ সহজ. সেই দিনগুলি চলে গেছে যখন আপনি শুধুমাত্র একটি ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে একটি ক্যাসিনো জমা করতে পারেন৷ প্রকৃতপক্ষে, 2022 সালে, ক্যাসিনো অ্যাকাউন্টে নগদ এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি জমা করার এবং স্লট খেলতে, জুজু খেলতে এবং স্পোর্টস বাজি রাখার জন্য তহবিল ব্যবহার করার জন্য আক্ষরিকভাবে প্রচুর পদ্ধতি রয়েছে। অবশ্যই, নির্দিষ্ট আমানত পদ্ধতি অন্যদের তুলনায় নির্দিষ্ট বাজিকরদের জন্য আরও উপযুক্ত। আপনি যদি সবচেয়ে নিরাপদ অর্থপ্রদানের পক্ষে থাকেন, তবে ডেবিট কার্ডগুলি হতে পারে সর্বোত্তম বিকল্প, যদিও একটি ক্রিপ্টো পদ্ধতি আরও ভাল গতি এবং নমনীয়তা প্রদান করতে পারে। আপনার পছন্দের ডিপোজিট পদ্ধতি যাই হোক না কেন, মনে রাখবেন যে সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইউকে ক্যাসিনো অবশ্যই জুয়া আইনের নিরাপত্তা এবং আইনি প্রবিধান অনুসরণ করবে। এটি গ্যারান্টি দেয় যে একটি বৈধ ক্যাসিনো জালিয়াতির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত এবং অর্থ পাচারের ঘটনাগুলিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। আপনার জন্য কোন ক্যাসিনো অর্থপ্রদানের বিকল্পটি সেরা তা নির্ধারণ করার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করুন: প্রায় প্রতিটি অনলাইন ক্যাসিনো ডেবিট কার্ড লেনদেন গ্রহণ করে একটি আমানত এবং উত্তোলন পদ্ধতি হিসাবে - এবং এটি নিঃসন্দেহে এই পেমেন্টগুলি সম্পূর্ণ করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। যদি আপনার প্রধান অগ্রাধিকার নিরাপত্তা হয়, তাহলে অর্থপ্রদানের জন্য স্বনামধন্য ফিনটেক ব্যবহার করে এমন একটি মোবাইল ক্যাসিনোতে যোগদান করা অপরিহার্য, কারণ ক্লায়েন্টের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্কিং ডেটার নিরাপত্তার জন্য আইনটি আরও কঠোর। অধিকন্তু, ক্যাসিনোগুলি ডেবিট কার্ডের লেনদেন পছন্দ করে - সাধারণত VISA বা Mastercard-এর মাধ্যমে - যেহেতু তারা জালিয়াতি এবং অর্থ পাচার এড়াতে সর্বশ্রেষ্ঠ পদ্ধতি। ডেবিট কার্ডের অর্থপ্রদানের একটি অসুবিধা হল যে টাকাটি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে চলে যেতে এবং আপনি তোলার সময় ফেরত আসতে বেশ কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। সেখানে শুধুমাত্র ক্যাসিনো লেনদেনের জন্যই নয় বরং যেকোনো ধরনের অনলাইন পেমেন্টের জন্য ব্যবহারের জন্য অনেক ই-ওয়ালেট অ্যাক্সেসযোগ্য. পেপ্যাল, স্ক্রিল, নেটেলার বা পেসেফ যাই হোক না কেন, ই-ওয়ালেটগুলি তাদের লেনদেনের গতির জন্য পরিচিত৷ আপনি যদি দ্রুত জমা এবং উত্তোলন করতে চান তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ। উপরন্তু, একটি ক্যাসিনোতে ই-ওয়ালেট ব্যবহার করার সময়, সাধারণত কোন খরচ দিতে হয় না। ই-ওয়ালেটগুলির একটি অসুবিধা হল যে কেউ কেউ আপনার ডিজিটাল অর্থ আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত স্থানান্তর করার জন্য আপনাকে চার্জ করে। বিটকয়েনের মতো ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে জুয়া খেলা এবং Ethereum অনেক অনলাইন ক্যাসিনোতে একটি ঘন ঘন অনুশীলন হয়ে উঠছে- এবং যারা সামান্য ঝুঁকি উপভোগ করেন তারা সম্ভবত এই অর্থপ্রদানের বিকল্প থেকে উপকৃত হবেন। ব্লকচেইন, ক্রিপ্টো গেমিংয়ের প্রবক্তাদের মতে, একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয়তা দূর করে – যদিও ক্যাসিনোতে জালিয়াতি রোধ করার জন্য তাদের অ্যাকাউন্ট ডেটা জমা দেওয়ার জন্য সর্বদা নতুন খেলোয়াড়দের প্রয়োজন হওয়া উচিত। তদুপরি, কিছু গেমার বিশ্বাস করে যে বিটকয়েন এবং অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সির সাথে বাজি ধরে, তাদের পুরস্কারের মূল্য বৃদ্ধির সাথে সাথে তারা ভাগ্য লাভ করবে। ক্রিপ্টো গেমিংয়ের সাথে একটি উদ্বেগ হল মূল্যের অস্থিরতা। বিটকয়েনের মান নাটকীয়ভাবে ওঠানামা করে, এবং যদি আপনি ডুবে যান, আপনার বিটকয়েনের মান - যখন জমার সময় ক্যাসিনো ক্রেডিটগুলিতে অনুবাদ করা হয় বা তোলার সময় ক্রিপ্টোতে ফিরে আসে - আপনার প্রত্যাশার চেয়ে কম হতে পারে৷ যাইহোক, এটি সাহসী খেলোয়াড়দের ক্যাসিনো অর্থপ্রদানের একটি ফর্ম হিসাবে ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার থেকে বিরত করার সম্ভাবনা কম, বিশেষ করে যদি এটি বড় বাজি এবং উচ্চ মার্জিনের দরজা খুলে দেয়।
54d8b0101c406f60ee0c712d9de10916
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
632
fineweb_2_bn
1.330095
1
1.102124
1
আপনি একটি দ্রুত গতির এবং উত্তেজনাপূর্ণ ক্যাসিনো গেম খুঁজছেন? অনলাইন রুলেট ছাড়া আর তাকান না. রুলেট খেলতে ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে আপনার যা জানা দরকার তা এখানে নতুন ক্যাসিনো সাইট. বেশিরভাগ পুরানো অনলাইন ক্যাসিনোগুলি প্রায়ই নতুন গেমগুলি গ্রহণ করার জন্য শেষ হয়৷ হয়তো এটা কারণ তারা চায় অন্য ক্যাসিনোগুলো আগে পানি পরীক্ষা করুক। অথবা তারা ইতিমধ্যে তাদের যা আছে তা দিয়ে তাদের অতিথিদের আপ্যায়ন করতে ব্যস্ত। অন্যদিকে নতুন ক্যাসিনোগুলো নতুন বিষয়বস্তু নিয়ে ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক। তারা শুরু হওয়ার সাথে সাথে উদীয়মান প্রবণতাগুলির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, সেখানে নতুন বৈকল্পিক আনার জন্য সমস্ত কঠোর পরিশ্রম করে। সুতরাং, আপনি যদি এই মুহূর্তে নতুন রুলেট গেম খেলতে আগ্রহী হন তবে আপনি আপনার নিয়মিত অনলাইন ক্যাসিনোর বাইরে দেখতে চাইতে পারেন। ইউরোপীয় এবং আমেরিকান ছাড়িয়ে রুলেট বৈচিত্র, গেম ডেভেলপাররা জিনিসগুলি মশলা করার জন্য এগিয়ে গেছে। উদাহরণ স্বরূপ, বিবর্তন গেমিংএর লাকি স্টার চাকা ছাড়া রুলেট বৈকল্পিক নিয়ে এসেছিল। এই গেমের বোর্ডটি একটি তারার মতো দেখায়, তবে নিয়মগুলি ক্লাসিক রুলেটের মতো। একইভাবে, প্লেটেক পিনবল রুলেট রয়েছে যা বিখ্যাত বল গেম এবং রুলেটকে একত্রিত করে। এই বৈচিত্রের বাজির পর্দা একটি পিনবল মেশিন নিয়ে আসে, যা আপনাকে একটি বল শুট করতে দেয়। যদি বলটি ভাগ্যবান সংখ্যায় অবতরণ করে, তাহলে আপনি একটি পুরস্কার পাবেন।
a839d51e76bd93f3be5e71ec0acb1a4a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
243
fineweb_2_bn
1.169304
1
1.216691
1
সবাই কেমন আছেন অবশ্যই আপনারা ভালো তো আপনাদের জন্যে আজকে একটি দারুন সুসংবাদ নিয়ে হাজির হলাম এবং এই ভিডিওটি আপনাদের আসলেই অনেক কাজে দিবে যারা নতুন আসতে চান এই সাইটটিতে তাদের জন্য অনেকটাই সুবিধা হবে তারা কিছুটা হলেও জানতে পারবে যে আসলে সাইটের কাজ কি এবং এই সাইটে আপনার মূল্যবান অ্যাকাউন্ট আপনি কিভাবে তৈরি করবেন সে সকল তথ্য গুলো আমি আমার ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরেছি তো অবশ্যই ভিডিওটি পুরোপুরি দেখবেন তাহলে আপনারা বুঝতে পারবেন যে আসলে এই সাইটটি কি এবং এই সাইটে আপনি কিভাবে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন এবং কিভাবে কাজ করবেন। এবং গতকালকে আমি একটি প্রমোশনাল পোস্ট করেছি যেটা আপনারা চেক করলে আরো ভালোভাবে বুঝতে পারবেন যে এই সাইটের সুবিধা-অসুবিধা ভাল দিক-মন্দ দিক গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এবং অবশ্যই এটি একটি ভাল সাইট আমার জানামতে কারণ এই সাইটটা এত সুবিধা দিয়েছে যে আপনাকে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না এবং যেটা মার্কেটপ্লেস নামক একটি পেজে এই সাইটটা পয়েন্ট অলরেডি আছে যেখান থেকে আপনি আপনার যেকোনো পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন দয়াকরে সবাই ভিডিওটি দেখবেন তাহলে বুঝতে পারবেন এবং যদি আপনাদের বুঝতে কোনো অসুবিধা হয় তাহলে আমাকে কমেন্টস করবেন আমি চেষ্টা করব আপনাকে ভালোভাবে আরো ভালোভাবে বুঝিয়ে দেবার তাই সাথে সাথে বলবো যে অবশ্যই আমার এই পোস্টটি চেক করবেন যদি কোন বুঝতে অসুবিধা হয়। ধন্যবাদ সবাইকে আবারো ভিডিওটি দেখার জন্য How are you all? Of course you are good. I came up with a great news for you today and this video will really help you a lot. Those who are new to this site will benefit a lot from it. I have given you all the information on how to create an account through my video. If you watch the video completely, then you will understand what this site is and how you can create an account on this site and how it works. And yesterday I posted a promotional post that you can check out to better understand the pros and cons of this site, the pros and cons, and of course the good and bad aspects of this site to my knowledge because this site has given you so many benefits that you can imagine. This site has a point already on a page called Marketplace from where you can buy and sell any of your products. Please watch the video so everyone can understand and if you have any difficulty in understanding, please comment. I will try to explain it to you better. I will immediately say that you must check this post if there is any difficulty in understanding. Thanks everyone for watching the video again ▶️ 3Speak
27206ad6dc245569356c157dd2c88e00
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
581
fineweb_2_bn
1.284179
1
1.450171
1
খাদের কিনারা থেকে উঠে এসে দর্শকদের মনোরঞ্জন করছে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ইচ্ছে পুতুল (Icche Putul)। অত্যন্ত খারাপ ধারাবাহিকের তকমা পাওয়ার পর এবার সেখান থেকেই ভালো ধারাবাহিকের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে অর্ক গাঙ্গুলির লেখা এই ধারাবাহিকটি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে দুই বোনের মধ্যেকার তীব্র দ্বন্দ, স্বার্থপরতা প্রকাশ্যে এসেছে। মেঘ ও ময়ূরী দুই বোন। ময়ূরীর বেঁচে থাকার জন্য মেঘের রক্তের প্রয়োজন। বনের থেকে রক্ত নিলেও কোনদিনও মন দিতে পারেনি ময়ূরী। সে সর্বদা হিংসে করে নিজের বোনকে। যে কোনও ছলে বলে কৌশলে সে বোনের জীবন বিষিয়ে দিতে চায়। বোনের বিবাহিত জীবনকে বিষিয়ে দিয়েছে সে। আসলে বোনের স্বামী নীলের প্রতি দৃষ্টি তার। মেঘের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে নীলের বউ হতে চায় ময়ূরী। আর সেই লক্ষ্যেই সে পচিয়ে দিয়েছে নিজের বোনের সংসার। এখানেই শেষ নয়। মেঘের স্বামী সৌরনীলও কথায় কথায় ভুল বোঝে মেঘকে। বলা যায় এটাই তার জীবনের অন্যতম কাজ হয়ে উঠেছে। ময়ূরী মেঘের খারাপ চায় জেনেও সে ময়ূরীকে বিশ্বাস করে কিন্তু মেঘের প্রতি তার তীব্র অবিশ্বাস। সে যাচ্ছেতাই ভাবে অপমান করে মেঘেকে। আর একটা সময় পর্যন্ত চুপচাপ সমস্ত অভিযোগ মাথা পেতে শুনতো মেঘ। সহ্য করে নিত সমস্ত অপমান। কিন্তু এখন সে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে। আর যা দেখতে ভালো লাগছে দর্শকদের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মেঘের থেকে সৌর নীলের অনেকটাই দূরত্ব বেড়েছে। তারা ডিভোর্স চায়। সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিকের একটি প্রোমো। যেখানে দেখা যাচ্ছে এবার মেঘের জীবনে আসতে চলেছে নতুন কোনও মানুষ। যে হাত ধরতে পারে নায়িকার। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কলেজে স্টেজে গান গাইছে মেঘ। দর্শক আসনে বসে রয়েছে সৌরনীল। এই সময় হঠাৎই মাথা ঘুরে যায় মেঘের। দর্শক আসনে বসে চিন্তিত হয়ে পড়ে নীল। আর সেই সময় একজন সুপুরুষ, সুদর্শন ব্যক্তি এসে পিছন দিক থেকে ধরে ফেলে মেঘকে। এই দৃশ্য দেখে নীল মনে মনে বলে ওঠে মেঘের জীবনে আমার সময় ফুরিয়েছে। সত্যিই কি তাহলে নীলের সময় ফুরিয়েছে? মেঘের জীবনে হাতছানি দিচ্ছে অন্য কোনও পুরুষ?
8b47d548382eebfc4d509fa92ffbad07
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
385
fineweb_2_bn
1.465331
1
1.867776
2
বাংলা টেলিভিশনের বিভিন্ন ধারাবাহিকগুলির পাশাপাশি বাংলা রিয়ালিটি শো’গুলিও বাঙালি দর্শকদের ভীষণ প্রিয়। ভীষণ কাছের। আর এই রিয়েলিটি শো’গুলি বিভিন্ন সময় জন্ম দিয়েছে বহু তারকার। এই যেমন অরিজিৎ সিং থেকে শ্রেয়া ঘোষাল, আবার সঞ্চিতা ভট্টাচার্য থেকে অনীক ধর এই রিয়ালিটি শো এর হাত ধরেই প্রচারের আলোয় উঠে এসেছিলেন আজকের খ্যাতনামা তারকারা। আর জি বাংলার মঞ্চ থেকে উঠে আসে এমনই এক তারকার এবার এসেছে দারুণ একটি সুখবর। দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হতে চলেছেন তিনি। আর অবশ্যই তিনি বাঙালির ভীষণ পছন্দের ভীষণ প্রিয় এক গায়ক। তিনি গায়ক অনীক ধর। জি বাংলার সারেগামাপা চ্যাম্পিয়ন। এরপর অবশ্য ইন্ডিয়ান আইডলের শিরোপাও ওঠে তাঁর মাথায়। গানের বাইরেও ‘বিগ বস্’, ‘দাদাগিরি’র মতো জনপ্রিয় সব শো-এরও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন অনীক। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো পিতৃত্বের স্বাদ পান এই সঙ্গীতশিল্পী। আর এবার প্রথম সন্তানের জন্মের পাঁচ বছরের মাথায় দ্বিতীয় বার বাবা হতে চলেছেন এই খ্যাতনামা গায়ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ত্রী দেবলীনা ও মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ছবি দিয়ে লেখেন ‘‘হাম দো… হামারে দো। আপনাদের সকলের আশীর্বাদ চাই।’’ স্ত্রীয়ের সাত মাসের সাধের ছবি ভাগ করে নেন সবার সঙ্গে এই গায়ক। যেখানে ফুলের নকশা করা পাঞ্জাবি ছিল অনীকের পরনে। আর দেবলীনা সেজে উঠেছিলেন সাদার উপর সোনালি জরির কাজ করা শাড়িতে। আর পাশে লাল শাড়িতে সেজে তাঁদের মেয়ে ছোট্ট আদ্যা। অনীকের বাবা হওয়ার এই সুখবরে তাঁকে শুভেচ্ছাবার্তায় ভরান তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা। উল্লেখ্য, অনীক-দেবলীনার পাশাপাশি দ্বিতীয়বারের মতো মা-বাবা হতে চলেছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী ও পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। তাঁদের প্রথম সন্তান ইউভানের জন্মের তিন বছরের মাথায় বাবা-মা হতে চলেছেন তাঁরা। যথারীতি টলিউডের এই দুই তারকার খুশির খবরে উচ্ছ্বসিত তাঁদের ভক্তরা।
ca2cdba130797da12828ba23ab94ade7
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
341
fineweb_2_bn
1.605485
2
0.997115
1
ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এর জীবনী, বানী ও রচনা বাংলা : ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের নাম ভারতীয় ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। দর্শনশাস্ত্রেও তাঁর প্রচুর জ্ঞান ছিল, তিনি ভারতীয় দর্শনে পাশ্চাত্য চিন্তা শুরু করেছিলেন। রাধাকৃষ্ণন একজন বিখ্যাত শিক্ষক ছিলেন, তাই তাঁর স্মরণে প্রতি বছর ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস পালিত হয়। ভারতবর্ষে শিক্ষক দিবস পালন করা হয় ৫ সেপ্টেম্বর। এই দিনটি একজন আদর্শ শিক্ষক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের জন্মদিন। তাঁর জন্মদিন অনুসারেই পালন করা হয় ‘শিক্ষক দিবস’। যিনি ছিলেন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি, এবং ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি। ভারতবর্ষের সকল বিদ্যার্থী তাঁকে সম্মান জানানোর জন্য তাঁর জন্মদিনে শিক্ষক দিবস পালন করে থাকে। ১৮৮৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তামিলনাডুর তিরুট্টানিতে একটি দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ। তাঁর পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা সচ্ছল ছিল না। তাঁর বাবা স্থানীয় জমিদার বাড়িতে স্বল্প বেতনের কর্মচারি ছিলেন। তার বাবা কখনই চাননি তাঁর ছেলে ইংরেজি শিখুক, বরং তিনি চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে পূজারি হোক। ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ মেধাবী ছাত্র হওয়ার কারণে জীবনে অসংখ্য স্কলারশিপ পেয়েছেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নিজের বৃত্তির সহায়তায় পড়াশুনা চালাতেন। ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন জীবনী বাংলা স্বভাবে তিনি ছিলেন লাজুক ও আত্মকেন্দ্রিক। লাইব্রেরীতে বসে থাকতে তিনি খুব ভালবাসতেন। প্রথমে তিনি বিভিন্ন রকমের বই পড়তেন। সবেমাত্র তিনি স্মাতক হয়েছেন, তাঁর এক আত্মীয় তাঁকে একদিন কিছু দর্শনের বই উপহার দিয়েছিলেন। সারারাত জেগে তিনি সেই বইগুলি পরলেন ও তন্ময় হয়ে গেলেন। তাঁর জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। তিনি স্থির করলেন যে – দর্শনশাস্ত্র ছাড়া তিনি অন্য কিছুতে মন দেবেন না। তখন থেকে তিনি দর্শনশাস্ত্রকে তাঁর জীবনের রূপরেখা নির্ধারণ করেন। তিনি মাদ্রাজ ক্রিশ্চিয়ান কলেজে পড়াশোনা করেছিলেন এবং তাঁর বিষয় ছিল দর্শন। বই কেনার টাকা ছিল না। তাই, তাঁর এক দাদার কাছ থেকে দর্শনের বই নিয়ে পড়াশুনা করতেন। মাত্র ২০ বছর বয়সে বেদান্ত দর্শন ওপর তাঁর গবেষণা প্রকাশিত হয়। যার জন্য তাঁর প্রফেসর ডঃ এ. জি. হগ অত্যন্ত প্রশংসা করেছিলেন। একাধারে রাজনীতিবিদ, দার্শনিক ও অধ্যাপক এই শান্ত মানুষটি ছাত্রজীবনে অতি মেধাবী ছিলেন। জীবনে কোনও পরীক্ষায় দ্বিতীয় হননি তিনি। ১৯০৫ সালে তিনি মাদ্রাজ খ্রিস্টান কলেজ থেকে দর্শনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। - আরও পড়ুন: - 👉 ৩ টি সেরা শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বক্তব্য ও কিছু কথা - 👉 ৫০ টি সেরা শুভ শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা, ক্যাপশন - 👉 ৭ টি বাছাই করা শিক্ষক দিবসের কবিতা - 👉 Happy Teachers Day Wishes in Bengali ১৯০৯ সালের এপ্রিল মাসে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজে দর্শনশাস্ত্রের অধ্যাপক নিযুক্ত হন। ছাত্রছাত্রীরা এমন শিক্ষক পেয়ে খুশি হয়েছিল। এরকম দেখা গেছে যে – অন্যান্য ক্লাসের ছাত্ররাও তাঁর ক্লাসে ভিড় করেছে, বসার জায়গা নেই, তবুও করিডরে দাড়িয়ে আছে তাঁর বক্তৃতা শোনার জন্য। সাত বছর তিনি এখানে অধ্যাপনা করেন। ১৯১৮ সালে তিনি মাইসোর বিশ্ব বিদ্যালয়য়ে যোগদান করেন। ১৯২২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষাবিদ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণে কলকাতায় আসেন। এখানে তিনি পঞ্চম জর্জের নামাঙ্কিত ‘প্রোফেসর অব ফিলজফি’ নামে দর্শন বিভাগের পদে রাধাকৃষ্ণন যোগদান করেন। ১৯০৯ সালে রাধাকৃষ্ণাণ মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সি কলেজে তাঁর শিক্ষক জীবন শুরু করেছিলেন। এরপর তিনি মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছিলেন। এসময় তিনি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য পত্রিকায় লিখতেন। সে সময়েই তিনি লেখেন তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘The Philosophy of Rabindranath Tagore’। দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘The Reign of Religion in Contemporary Philosophy’, প্রকাশিত হয় ১৯২০ সালে। ছাত্রছাত্রীদের কাছে অসম্ভব জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপনা করেন। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অধ্যাপনার জন্য আমন্ত্রিতও হয়েছেন। ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন রচনা বাংলা ১৯৫২ সালে তিনি উপরাষ্ট্রপতি হন। কিন্তু, তার আগে ১৯৪৬ সালে ইউনেস্কোর দূত হয়েছিলেন তিনি। এর পর সোভিয়েত ইউনিয়নে ভারতের দূতও ছিলেন তিনি। ১৯৬২ সালে রাষ্ট্রপতি হন তিনি। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তাঁর ছাত্ররা তাঁর জন্মদিন পালন করতে চাইলে তিনি বলেন “জন্মদিনের পরিবর্তে ৫ সেপ্টেম্বর যদি ‘শিক্ষক দিবস’ উদ্যাপিত হয় তবে আমি বিশেষরূপে অনুগ্রহ লাভ করবো।” সেই থেকে ৫ সেপ্টেম্বর ভারতের শিক্ষক দিবস। বিশ্বের দরবারে তিনি অতি জনপ্রিয় দার্শনিক অধ্যাপক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৩১ সালে তাঁকে ‘British knighthood’ উপাধিতে সম্মানিত করা হয়। ১৯৫৪ সালে তাঁকে ‘ভারতরত্ন’ উপাধি-তে ভূষিত করা হয়। ১৯৪৬ সালে ইউনেস্কোর ভারতীয় প্রতিনিধি হিসাবে তাঁকে নির্বাচন করা হয়। ১৯৪৮ সালে রাধাকৃষ্ণন ইউনেস্কোর চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত হন। তিনি একই বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কমিশনের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি এবার রাজনৈতিক জগতে প্রবেশ করলেন। ১৯৫২ সাল পর্যন্ত তিনি সোভিয়েত রাশিয়ার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসাবে ছিলেন। পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরুর একান্ত ইচ্ছাতে তিনি এই পদ গ্রহণ করেন। এবার আমরা তাঁকে পত্যক্ষ রাজনীতিতে দেখতে পাই। ১৯৫২ সালে তিনি ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হন। ভারত সবেমাত্র স্বাধীন হয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সমস্যা আছে। তিনি তাঁর অসাধারণ বাস্তববোধ ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার দ্বারা তাঁর দায়িত্ব সুন্দর ভাবে পালন করেন। ১৯৫২ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি উপরাষ্ট্রপতি পদে ছিলেন। এই সময়ে তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদও অলংকৃত করেন। ১৯৬২ সালে তিনি ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন। ডাঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন (Sarvepalli Radhakrishnan) দীর্ঘ অসুস্থতার পর 17 এপ্রিল 1975 সালে মারা যান। শিক্ষাক্ষেত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয়। তাই ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস পালনের মাধ্যমে ডক্টর রাধাকৃষ্ণনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয়। এই দিনে অবদানের জন্য দেশের বিশিষ্ট ও অসামান্য শিক্ষকদের পুরস্কার দেওয়া হয়। সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন (Sarvepalli Radhakrishnan)কে মরণোত্তর মার্কিন সরকার 1975 সালে টেম্পলটন পুরস্কারে ভূষিত করেছিল, যা ধর্মের ক্ষেত্রে উন্নতির জন্য দেওয়া হয়। তিনিই প্রথম অ-খ্রিস্টান ব্যক্তি যিনি এই পুরস্কার লাভ করেন। ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এর বাণী মহাপুরুষদের মহান উক্তি আমাদের চলার পথে দিশা দেখায়। দেশে-বিদেশে মহামানবরা তাঁদের অভিজ্ঞতার নিরিখে অনেক অমোঘ উক্তি করে গিয়েছেন। তেমনই অনেক উক্তি করেছেন ড. সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণনও। শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে রইল তাঁর তেমনই কয়েকটি উক্তি। ১। ৫ সেপ্টেম্বর আমার জন্মদিন পালন না করে শিক্ষক দিবস পালন করলেই আমি বেশি খুশি হব। ২। বই হল এমন এক মাধ্যম যার সাহায্যে আমরা বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে সেতু নির্মাণ করতে পারি। ৩। ঈশ্বর আমাদের প্রত্যেকের ভেতর দিয়েই অনুভব করেন, দুঃখ ভোগ করেন। তাঁর গুণসমূহ, জ্ঞান, সৌন্দর্য এবং ভালোবাসা আমাদের প্রত্যেকের ভেতর দিয়েই প্রকাশিত হয়। ৪। পাপে নিমগ্ন যে জন তাঁরও একটা ভবিষ্যৎ আছে। মহানতম ব্যক্তিরও একটা অতীত আছে। কেউই ভালো খারাপের অতীত নয়। ৫। সত্যিকারের শিক্ষক তাঁরাই যাঁরা আমাদের ভাবতে সাহায্য করেন। ৬। একজন শিক্ষকের কর্তব্য হবে শিক্ষার্থীদের একটি গণতান্ত্রিক দেশের উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।” ৭। এক কথায় মানুষ হল শরীর, মন এবং আত্মা – এই তিন শক্তির সমষ্টি। ৮। জীবনের আনন্দ এবং সুখ শুধুমাত্র জ্ঞান ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে সম্ভব। ৯। কলেজে ঢোকা এখন আরো সহজ হয়েছে, আর কঠিন হয়েছে শিক্ষিত হওয়া। ১০। কেবল নিখুঁত মনের মানুষেরাই জীবনে আধ্যাত্মিকতার অর্থ বুঝতে পারেন। নিজের সত্যতা, আধ্যাত্মিক একনিষ্ঠতা পরিচয়। FAQs About ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এর জীবনী সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন কে ছিলেন? ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের নাম ভারতীয় ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এর পিতার নাম কী? সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এর পিতার নাম সর্বপল্লী বীরস্বামী। সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এর স্ত্রীর নাম কী? সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন এর স্ত্রীর নাম শিবকামু।
7941179a427dc05326915fb1b31131f1
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
1,579
fineweb_2_bn
3.930305
4
0.975113
1
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমতি পাওয়া ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিও আবেদন শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল থেকে। এ আইপিও আবেদন গ্রহণ চলবে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৫৩তম কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৬০ হাজার শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা তুলবে। এই জন্য প্রতিটি শেয়ারের অফার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। উত্তোলিত অর্থ সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ, এফডিআর বিনিয়োগ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করা হবে। ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির একচ্যুয়ারাল ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী মোট উদ্বৃত্ত ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।
4a85845d0fdc477262fcd89429377bd7
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
213
fineweb_2_bn
1.961182
2
1.003494
1
শতাব্দী দাশ তারাশঙ্করের ‘তারিণী মাঝি’ গল্পে অম্বুবাচীর মেলা বসেছিল ময়ূরাক্ষী তীরে। পরে সে নদীরই হড়কা বানের ঘূর্ণিতে পড়ে যায় তারিণী ও তার বউ সুখী। সুখীকে গলা টিপে হত্যা ক’রে প্রাণে বাঁচে তারিণী। একজনই বাঁচতে পারত যে! অথচ গল্প জুড়ে আমরা দেখেছিলাম কী অপরিসীম প্রেম তারিণীর! বর্ষণমুখর সেই রাতে যুগলে ফিরলে প্রেম হত, ভালবাসাবাসি হত। সেসব মিথ্যে নয়, তবে টিকে থাকার প্রবৃত্তির চেয়ে বড় সত্য নয়। টিকে থাকা– নিজে বেঁচে থাকা, আপন প্রজাতিকে বাঁচিয়ে রাখা। অম্বুবাচী। অর্থাৎ বর্ষারম্ভ। বর্ষার সাথে প্রবৃত্তি-মিলন-যৌনতা-প্রজনন প্রভৃতি নিরক্ষীয় দেশসমূহে কেমন বাঁধা পড়ে গেছে! পৃথিবী আর আকাশের ‘মিলন’ উদযাপন করছিল হয়তো সেদিনও মানুষজন, আজও করছে। প্রেম নয়, ভালবাসা নয়। যৌনতা, মিলন। উদযাপন করছিল, কারণ পৃথিবী এবার আর্দ্র হবেন কামরসে। অতঃপর তিনি গর্ভিণী হবেন। ক্ষেতে ফসল ফলবে। গাছেরা জলসিঞ্চনে সবুজ হবে। চাষী হাঁফ ছাড়বে। হলকর্ষণ হবে না অবশ্য– তিনদিন। অলৌকিক সে মিলন সভ্যতার স্বার্থে সম্পূর্ণ হতে দেওয়া হবে। মতান্তরে, এই সময় ধরণী রজঃস্বলা হবেন। ‘মা’-কে বিশ্রাম দেওয়া হবে। তারপর তাঁর থেকে কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেওয়া হবে যা যা কিছু তাঁর প্রদেয়। আর নারীপুরুষও উৎসবে, পিঠেপুলিতে, মেলামোচ্ছবে, আদরে সোহাগে মেতে উঠবে। জীবনের বহতা ধারা… ইত্যাদি। বিধবারা কিন্তু প্রজননক্রিয়ায়, উৎপাদনক্রিয়ায় তেমন প্রয়োজনীয় নন। তাঁদের প্রবৃত্তিবশে গর্ভবতী হয়ে যাওয়াও সভ্যতার চোখে বালির মতো খচখচ করবে। তাই তাঁরা আরও খানিক সংযমী হবেন। অম্বুবাচীর উপবাস, ধম্মোকম্মো করবেন। প্রাচীন সভ্যতা বড় খোলাখুলি এইসব প্রয়োজনসর্বস্ব (ইউটিলিটেরিয়ান) সম্পর্ক, কার্যবিধি, যাপনের কথা বলত ফার্টিলিটি মিথের মাধ্যমে। সোজা কথা সোজাভাবে বললে নিরেট মাথায় সহজে ঢোকে। তার উপর কাব্যময় রুমানি প্রলেপ এক পোঁচ, দু’ পোঁচ পড়লে ভ্রম ঘনায়। যেমন করে মেঘ ঘনায়। আর কে না জানে, মেঘ ঘনালে আমাদের মালবিকা অনিমিখে বাতায়নে চেয়ে থাকে! অথচ বিষয় হরে দরে একই তো। এক, কাম নির্বাপণ। দুই, প্রজননের মাধ্যমে ‘পিতৃতান্ত্রিক’ সভ্যতার ক্রমবিবর্তন। অতএব প্রথমত– কাম। শাস্ত্রমতে না, কিন্তু সামাজিক মতে যাতে নারীর অধিকার নেই। অথচ যোনিপূজা সুপ্রাচীন। এশিয়া থেকে ইউরোপ থেকে মধ্যপ্রাচ্য– জুডাইক ধর্মের প্রচারের আগে পর্যন্ত সর্বত্র ছিল– যোনিপূজা। এ সময়ে ‘রজঃস্বলা’ হন দেবী কামাখ্যা। কামাখ্যা পীঠেই নাকি দেবীর যোনি পতিত হয়েছিল তাণ্ডব-কালে। দেবীর নামের মধ্যেও ‘কাম’। এদিকে, এমনকি মহম্মদের জনৈক জীবনীকারের মতে ‘কাবা’ও নাকি পূর্বে ছিলেন এক নারীশক্তি। কৃষ্ণপ্রস্তরের কাবাও নাকি আসলে যোনি-আকৃতির। নারীর কামের অবদমন আর কামের লিঙ্গায়ন তবে শুরু হল কবে থেকে? কীভাবে অম্বুবাচী মূলত বিধবার উপবাসের দিন হয়ে গেল? অতঃপর দ্বিতীয়টি, অর্থাৎ পিতৃতান্ত্রিক সভ্যতার ক্রমবিবর্তন। যাতে নারীর ভূমিকা জননীর, ধাত্রীর। চালকের নয়, কর্ত্রীর নয়। যোনি যেখানে শুধু ও শুধুমাত্র প্রজননের প্রতীক, কামেরও নয়। যোনি সৃষ্টির উৎস বটে। কিন্তু মোক্ষলাভ মানে হল ‘লক্ষ যোনি ভ্রমণ’ থেকে মুক্তি। আর পূর্বজন্মের পাপের ফল হল পরজন্মে ‘রাক্ষস যোনি’ লাভ, অর্থাৎ রাক্ষসমাতার যোনি বেয়ে পৃথিবীতে আগমনের দুর্ভাগ্য। এই সম্পূর্ণ ঐতিহ্যে, লৌকিক আচারে, ধর্মে, যাপনে, পুরাণে– নারীর অবমাননা ছাড়া কিছু দেখি না। দেবী রজঃস্বলা হন বটে, কিন্তু রজঃস্বলা হলে দেবী অপবিত্র ও পরিত্যক্ত হন। ‘মা’ পূজিত হন ঊর্বর হলে ক্ষুন্নিবৃত্তি ঘটাবেন বলে। নারীকেও (পৃথিবীর মতো) দেবী রূপে পূজা ক’রে কর্ষণ করার ঐতিহ্য এভাবেই মান্যতা পায়। জীবনের বহতা ধারা… ইত্যাদি… এসবই তো… (উপরের ছবির দেবীমূর্তির নাম ‘লজ্জা গৌরী’। ইনি প্রাচুর্য ও উর্বরতার দেবী। সুফলন ও সুস্থ সন্তানের কামনায় এই দেবীর পূজা হত। সিন্ধু সভ্যতার নমুনায় এই দেবীর উল্লেখ পাওয়া গেছে। পণ্ডিতেরা বলেন, মেসোপটেমিয়া-অঞ্চলেও কিছুটা অন্য রূপে এই দেবীর পূজা হত। কেউ কেউ অনুমান করে থাকেন – এই দেবীর ভারতে আগমন আলেকজান্ডারের সৈন্যবাহিনীর হাত ধরে)
5fd976b3ff95d1c8a60dc779ec68d8b2
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
917
fineweb_2_bn
3.198318
3
2.692449
3
বর্তমানে মানুষের চরম ব্যস্ততার মাঝে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ওয়েব দুনিয়া। আর এই কেন দুনিয়াকে বাঁচিয়ে রেখেছে বেশ কিছু ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। ‘হট’ এবং ‘বোল্ড’ দৃশ্য দিয়ে সাজানো আজকালকার প্রায় সব ওয়েবসিরিজ। তবে সম্প্রতি গোপনে জনপ্রিয়তা লাভ করছে বেশিরভাগ ‘ইরোটিক’ ওয়েবসিরিজ। এগুলি এমন গল্প ও দৃশ্যপট দিয়ে সাজানো হয়, যা মানুষের একান্ত সময়ের সঙ্গী হতে পারে। এই প্রতিবেদনে এমনই এক ওয়েবসিরিজের কথা হবে, যা দেখতে গেলে আপনাকে বাড়ির মধ্যেই ‘প্রাইভেসি’ খুঁজতে হবে। সম্প্রতি এরকম আবেদনশীল ওয়েবসিরিজ নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দর্শকদের মধ্যে এমন সব গল্প নিয়ে উন্মাদনা বৃদ্ধি পাচ্ছে উত্তরোত্তর। এরকম ওয়েবসিরিজ বানিয়ে ইতিমধ্যে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে ‘উল্লু’, ‘এমএক্স অনলাইন’, ‘অলট বালাজি’ প্রভৃতি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের। এইসব প্ল্যাটফর্ম গোপনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ক্রমশ। আর এবার এমনই এক ওয়েবসিরিজ রিলিজ হতেই সাড়া পড়ল সামাজিক মাধ্যমে। আর ‘উল্লু’ প্ল্যাটফর্মের এই সিরিজ এখন বিখ্যাত হয়েছে গোপনেই। সম্প্রতি ‘ওয়াও’ নামের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে এমনই একটি সিরিজ মুক্তি পেয়েছে, যা আপনাকে দেখতে হবে একা। এই ওটিটি-র ‘টিউশন টিচার’ হল এমনই একটি সিরিজ যেখানে রয়েছে একাধিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। সঙ্গে চটুল ডায়ালগের মিশ্রণ এটিকে আরো উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে। এই সিরিজের গল্প মূলত এক মহিলার জীবনে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। বিবাহিত জীবনে স্বামীসুখ না পেয়ে তার বাড়তে থাকা কামনা, চাহিদা- সবটুকু দেখানো হয়েছে এই সিরিজে। এনার ওই মহিলা পেশায় একজন গৃহশিক্ষিকা। তার তার ও তার ছাত্রদের মাঝে ভালোবাসা ও শারীরিক চাহিদার গল্প দিয়ে সাজানো হয়েছে এই সিরিজের গল্প। তবে গল্পের শেষে একটি সুচারু মর্মার্থ রাখা হয়েছে- যেখানে শরীর এবং মনের মধ্যে দ্বন্দ্বকে তুলে ধরা হয়েছে স্পষ্টভাবে। এই সিরিজে অভিনয় করেছেন অনেকেই, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন উর্মি। তার শারীরিক পরিভাষা সিরিজের পরতে পরতে বাড়িয়ে দেবে শারীরিক জোয়ার। সেই কারণেই শুরু থেকেই গোপনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই সিরিজটি। তাই ‘ওয়াও’ এপ্লিকেশনের সাবস্ক্রিপশন থাকলেই এই সিরিজ আপনি দেখতে পাবেন অনায়াসে।
abf7215d9d907b5aedd1b80dd6089f1d
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
379
fineweb_2_bn
1.829745
2
1.641038
2
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের একাধিক আইডি ও পেজ থেকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মামলায় খালাস পেয়ে ভারতের শিলং থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করছেন মর্মে খবর প্রচার করা হচ্ছে । এমন কিছু পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে এবং এখানে। যেমন গত ২৮ অক্টোবর "Saiful Islam" নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদের একটি ছবিটি পোস্ট করে বলা হয়, "আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সোনালী অর্জন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য কক্সবাজারের কৃতি সন্তান সাবেক মন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ ভারতের শিলংয়ে মামলায় গত ২৬ অক্টোবর রায়ে খালাস পেয়েছেন। আদালত প্রিয় নেতাকে দ্রুত দেশে প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন।" অর্থাৎ পোস্টে সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ভারতের শিলংয়ে মামলা থেকে গত ২৬ অক্টোবর রায়ে খালাস পেয়ে দেশে ফিরছেন মর্মে দাবি করা হচ্ছে। ফ্যাক্ট চেক বুম বাংলাদেশ দেখেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে শিলংয়ে আটক জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদ ও তাঁর পরিবার উভয়ই তাঁর খালাস ও দেশে প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ দেয়ার খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে মামলা থেকে খালাস পেয়ে জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের দেশে ফেরার খবর ছড়িয়ে পড়লে, অক্টোবর ২৮ মূলধারার গণমাধ্যম দ্য ডেইলি স্টার তাঁর সাথে যোগাযোগ করে। "যেমন আছেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন" শিরোনামে দ্য ডেইলি স্টার-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জনাব জনাব সালাহউদ্দিন আহমদের বরাত দিয়ে লেখা হয়-- "শিলং থেকে টেলিফোনে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'এগুলো পুরনো সংবাদ, সত্যতা নেই। ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর মামলা থেকে খালাস পেয়েছিলাম। সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে। তারপর থেকে প্রতিবছর এ রকম বিভ্রান্তিকর সংবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কে বা কারা প্রকাশ করে। ফেসবুকে কারা এমন সংবাদ প্রকাশ করে, কেন প্রকাশ করে—এ বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।' খবরটির স্ক্রিনশট দেখুন- পাশাপাশি, খবরটি যাচাই করে অসত্য হিসাবে চিহ্নিত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সম্প্রচার মাধ্যম এনটিভি-এর অনলাইন সংস্করণ। গত ২৮ অক্টোবর "শিলংয়ে সালাহউদ্দিনের খালাসের খবরটি মিথ্যা, জানাল পরিবার" শিরোনামে প্রকাশিত এনটিভির প্রতিবেদনে সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, '২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর নিম্ন আদালত থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে করা মামলা থেকে বেকসুর খালাস পান সালাহউদ্দিন। কিন্তু ভারত সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। এখন পর্যন্ত আপিল শুনানি শুরুই করেননি আদালত। সুতরাং খালাস পাওয়ার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য ছড়িয়েছে তা সঠিক নয়। মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে।' অর্থাৎ '২৬ অক্টোবর' খালাস পেয়েছেন বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা ২০১৮ সালের। এরপর এই রায়ের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের আপিল করে, যার শুনানি এখনো শুরুই করেননি আদালত। ফলে দেশে প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ দেয়ার খবরটিও ভিত্তিহীন। জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী উভয়ই সাম্প্রতিক সময়ে ছড়ানো তাঁর খালাস ও দেশে প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ দেয়া সংক্রান্ত খবরটি অসত্য বলে জানিয়েছেন। এ সংক্রান্ত আরো খবর দেখুন এখানে। প্রসঙ্গত ২০১৫ সালে রাজধানীর উত্তরা থেকে নিখোঁজ হন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংসদ সালাহউদ্দিন আহমেদ। নিখোঁজের ২ মাস পর ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে খোঁজ পাওয়া যায় জনাব সালাহউদ্দিনের। সুতরাং পুরানো খবরকে ভিত্তি করে বিভ্রান্তিকরভাবে ভারতের আদালত কর্তৃক বিএনপি নেতা জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের খালাস ও দেশে প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ দেয়ার ভিত্তিহীন খবর প্রচার করা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে।
8cae23038cd2c1b5deb62db9bf55ce80
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
567
fineweb_2_bn
2.099791
2
1.213779
1
গত ১৮ সেপ্টেম্বর "ريحان فهيم" নামের ফেসবুক আইডি থেকে ছবিটি পোস্ট করে লেখা হয়, "ইলেকট্রনিক মাইক্রোস্কোপে পিঁপড়ার ছবি..." । পোস্টটির স্ক্রিনশট দেখুন-- ফ্যাক্ট চেক: বুম বাংলাদেশ যাচাই করে দেখেছে, ক্যাপশনে করা দাবিটি সঠিক নয়। ছবিটি ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে নয় বরং ক্ষুদ্র জড় অথবা জীবিত বস্তুর বিশেষ চিত্র ধারণ করার জনপ্রিয় পদ্ধতি ম্যাক্রো ফটোগ্রাফিতে ধারণ করা। রিভার্স ইমেজ সার্চ করার পর, 'Massimo' নামের একটি টুইটার হ্যান্ডেলে ছবিটি খুঁজে পাওয়া যায়, যা ২০২২ সালের ১১ মার্চ পোস্ট করা হয়েছে। ছবিটির ক্যাপশনে লেখা হয়, "This is what an ant's face (Camponotus vagus) looks like very up close. Credits: macro-photo by Andrea Hallgass" অর্থাৎ আন্দ্রেয়া হলগাসের ধারণ করা ক্যাম্পোনোটাস ভ্যাগাস (Camponotus vagus) নামের এক প্রজাতির পিঁপড়ার মুখমন্ডলের ম্যাক্রোফটো। ম্যাক্রোগ্রাফি কি Macro Photography বা ম্যাক্রোগ্রাফি ফটোগ্রাফি জগতের অন্যতম জনপ্রিয় ধরণ। সাধারণত কোন ক্ষুদ্র জড় অথবা জীবিত বস্তু যা খালি চোখে মানুষ পুঙ্খানুপুঙ্খ দেখতে পারেনা তা ম্যাক্রো ফটোগ্রাফির মাধ্যমে জুম করে ধারণ করা হয়। ম্যাক্রোফটোগ্রাফ/ম্যাক্রোছবিতে সাবজেক্টকে তার লাইফ সাইজ বা সাধারণ আকারের তুলনায় ডিটেইল'সহ বৃহৎ দেখা যায়। তবে এর জন্য কোনো ইলেক্ট্রন অনুবিক্ষণ যন্ত্রের দরকার হবেনা। মেরিয়াম-ওয়েবস্টার ডিকশনারিতে ম্যাক্রোফটোগ্রাফির বিবরণে দেখুন এখানে। অপরদিকে ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ জীববিজ্ঞানের অণুজীব, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদির গঠন নির্ণয় করার ভিন্ন একটি যন্ত্র। যাইহোক, টুইটারে পোস্টে ছবির একটি উৎস হিসাবে ছবি শেয়ারিং সাইট ফ্লিকারের একটি লিংক যুক্ত করা হয়েছে। লিংকে প্রবেশ করলে আন্দ্রেয়ার ধারণ করা এই ছবিটি সহ একই পিঁপড়ার আরও বেশ কয়েকটি ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। ছবির বর্ননায় ছবিটি ধারণ করার যে পদ্ধতি বর্ননা করা হয়েছে, যা সাধারণত ম্যাক্রোগ্রাফির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। স্ক্রিনশট দেখুন-- ফ্লিকারে আন্দ্রেয়া'র ধারণ করা কীটপতঙ্গ/ পোকামাকড়ের আরও অনেক মাক্রোগ্রাফি পদ্ধতির ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। দেখুন-- 'FLUIDR' নামের আরেকটি ওয়েবসাইটে আন্দ্রেয়া'র ম্যাক্রোগ্রাফি স্টুডিওর যন্ত্রপাতির একটি ছবিও খুঁজে পাওয়া গেছে। যা মোটেই ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ নয়। স্ক্রিনশট দেখুন-- অর্থাৎ ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে নয় পিঁপড়ার ছবিটি আন্দ্রেয়া ম্যাক্রো ফটোগ্রাফিতে ধারণ করেছেন। আন্দ্রেয়া হলগাসের সাথে যোগাযোগের উদ্দ্যেশ্যে সার্চ করার পর, ম্যাক্রোফটোগ্রাফির জনপ্রিয় ফোরাম "photomacrography.net'-এ ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর প্রখ্যাত ম্যাক্রো ফটোগ্রাফার 'Johan J Ingles-Le Nobel' -এর একটি পোস্ট থেকে জানা যায়, আন্দ্রেয়া মারা গেছেন। সুতরাং ম্যাক্রো ফটোগ্রাফিতে ধারণ করা একটি পিঁপড়ার ছবিকে ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে ধারণ করা বলে দাবি করা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে, যা বিভ্রান্তিকর।
d801148568ab60857e1033bc7eeaa39d
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
610
fineweb_2_bn
3.308007
3
1.020365
1
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বিমান হামলার সাইরেন বাজার পর অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। কেন্দ্রীয় শেভচেঙ্কিভস্কি এলাকার আবাসিক ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মেয়র ভিটালি ক্লিটসকোর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় বিবিসি। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির অফিসের প্রধান আন্দ্রি ইয়ারমাক জানান, কামিকাজে ড্রোন থেকে হামলাগুলো চালানো হয়েছে। এনভায়রনমেন্ট সংস্থা এই কামিকাজে ড্রোনের প্রস্তুতকারক। এই ড্রোনটি মূলত দুইটি আকারে পাওয়া যায়। সুইচব্লেড ৩০০ এবং সুইচব্লেড ৬০০। নিজেই ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে কাজ করা এ ড্রোনগুলোকে ‘কামিকাজে’ বা আত্মঘাতী ড্রোন বলা হয়। বিবিসির পল অ্যাডামস জানান, সোমবার (১৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৭ টার দিকে বিস্ফোরণগুলো ঘটে। তবে এতে কী পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তা এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু বলা হয়েছে। মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো টেলিগ্রাম সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে জানান, গত সপ্তাহে রাশিয়া যখন বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তখন তিনি শেভচেনকিভস্কি জেলায় ছিলেন। উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং বাসিন্দাদের বিমান হামলার আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বলা হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, গত সপ্তাহের এই হামলাগুলো রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়ার সঙ্গে সংযোগকারী একটি মূল সেতুতে বোমা হামলার প্রতিশোধ ছিল। যুদ্ধ চলাকালীন প্রথমবারের মতো কিয়েভকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
f11a724227c7b609131f535f072e3c7a
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
252
fineweb_2_bn
1.421302
1
1.005922
1
ধলেশ্বরী নদী থেকে উৎপত্তি হওয়া শত বছরের মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিমের খাল ভরা বর্ষা মৌসুমেও প্রাণহীন। প্রভাবশালীদের দখলদারত্ব ও যেখানে-সেখানে ফেলা ময়লা-আবর্জনায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে পৌর এলাকার প্রধান খালটি। পৌর কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও উদাসীনতায় দীর্ঘদিন খালটির এমন দশা বলে অভিযোগ নাগরিকদের। এতে মুখ থুবড়ে পড়েছে একসময়ের দ্বিতীয় কলকাতা হিসেবে পরিচিত কমলাঘাট বন্দরের নৌপথের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। পানিপ্রবাহ না থাকা ও দীর্ঘদিন ধরে খননকাজ বন্ধ থাকায় এখন মৃতপ্রায় শতবর্ষী খালটি। প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা দুদিন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় খালের দুই পাড় দখল করে গড়ে ওঠা সাড়ে চার শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। পর্যায়ক্রমে খালটি খনন করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করার পরিকল্পনা নেয়া হলেও অদ্যাবধি তা বাস্তবায়ন হয়নি। এদিকে বছর না ঘুরতেই খালের বিভিন্ন অংশ ফের দখলে নিয়েছে প্রভাবশালীরা। খালটির প্রবেশমুখে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় বন্ধ হয়ে গেছে পানিপ্রবাহ। এতে খালটি পরিণত হয়েছে নালায়। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এক যুগ আগেও খালটিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক ছিল প্রায় ৯৫ শতাংশে। ফলে ছোট ও মাঝারি যেকোনো ধরনের নৌযান সহজে মালপত্র নিয়ে ধলেশ্বরী নদী থেকে খালটিতে প্রবেশ করে সরাসরি এসে নোঙর করতে পারত কমলা ঘাট বাণিজ্যিক বন্দরে। তবে মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে স্বচ্ছ জলরাশির প্রবাহমান খালটি এখন মৃতপ্রায়। গতকাল সরজমিনে খালটির বিভিন্ন অংশে ঘুরে দেখা যায়, ধলেশ্বরী নদীতীরে খালটির উৎপত্তি স্থলের মূল অংশই দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন স্থাপনা। এতে দীর্ঘ সময় ধরে খালটির পানিপ্রবাহ বন্ধ থাকায় ঝোপঝাড় আর জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। খালটির এক পাশে প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় বহুতল নানা স্থাপনা আর অন্য পাশে দেখা গেছে ফার্নিচার তৈরির কারখানাসহ অসংখ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ স্থাপনার মালিকরা একটু একটু করে দখল করে নিচ্ছেন খালটির বিভিন্ন অংশ। খালের পানিপ্রবাহের আরেক প্রবেশপথ রিকাবিবাজার নৈ-দীঘির পাথর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ময়লা ফেলে আবর্জনার স্তূপ তৈরি করে রাখায় বন্ধ হয়ে আছে ধলেশ্বরী থেকে সরাসরি খালে পানিপ্রবাহের স্থান। ফলে ইঞ্জিনচালিত ছোট ট্রলার ও বিভিন্ন নৌযান খালটিতে প্রবেশ করতে না পারায় পাশেই নোঙর করে রাখা হয়েছে। ময়লা ফেলে এমন একই আবর্জনার স্তূপ তৈরি করা হয়েছে খালটির বিভিন্ন অংশে। এতে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পথচারীসহ স্থানীয়রা। খালটির ওপর দিয়ে যানবাহন পারাপারের জন্য নির্মিত ছয়টি পাকা সেতু থাকলেও বিভিন্ন অংশে কাঠের সাঁকো তৈরি করে পারাপার হচ্ছে স্থানীয়রা। প্রতিটি পাকা সেতুর নিচে তাকালে দেখা যায়, শুধু কমলা ঘাট বন্দরের সেতুটির নিচে ছাড়া বাকি সবক’টির পানিপ্রবাহ বন্ধ। ঝোপঝাড়ে পরিণত হয়েছে খালের বিভিন্ন অংশ। এতে রোগজীবাণু ছড়ানোর পাশাপাশি বাড়ছে মশার উপদ্রব। মিরকাদিম খালপাড়ের ফার্নিচার ব্যবসায়ী নুরু মিয়া বলেন, ‘টানা দুবার বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডে কাঠপট্টি এলাকার ফার্নিচারের অসংখ্য দোকান বাঁচিয়েছে এ খালের পানি। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা সরাসরি খাল থেকে পানি নিয়ে আগুন নিভিয়েছেন ফার্নিচার কারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর। খালটি না থাকলে পানির অভাবে বেড়ে যেত অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা। তাই দ্রুত খালটি খনন করে আগের মতো পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’ কমলাঘাট বন্দর এলাকার প্রবীণ ধান-চালের ব্যবসায়ী বাবুল আক্তার বলেন, ‘একসময় কমলাঘাট বন্দরে যেসব ব্যবসায়ী মালপত্র কিনতে আসতেন, তাদের অধিকাংশই নৌপথে রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জ থেকে আসতেন। সে সময় খালটিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকায় সরাসরি বিভিন্ন নৌযান ভিড়তে পেরেছে কমলাঘাট বন্দরে। প্রতিদিন গড়ে অন্তত কয়েক কোটি টাকার ধান, চাল, ভুট্টা, গম, ভুসি, ডালসহ বিভিন্ন মালপত্র পাইকারি ক্রয়-বিক্রয় হতো। তবে এসব এখন এক যুগ আগের অতীত।’ স্থানীয়রা জানায়, দখল-দূষণে খালের পানিপ্রবাহ না থাকায় স্থবিরতা নেমে এসেছে বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে। বন্দরে মালপত্র আমদানি করতে সড়কপথ ব্যবহারে ব্যয় বেড়েছে আগের চেয়ে কয়েক গুণ। খালটিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকলে সরাসরি নৌযান এসে ভিড়তে পারত বন্দরে। এতে পণ্য আমদানিতে খরচ কমে আসত ব্যবসায়ীদের। মিরকাদিম খালের পাশে নূরপুর ও বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দারা জানায়, খালটিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক নেই। ফলে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা পানি আটকে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এছাড়া ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থেকে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে প্রায়ই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দারা। ফাতেমা আক্তার, রহিমা বেগম, আকমল মৃধা ও শিপলু দেওয়ানসহ বেশ কয়েকজন বলেন, ‘একসময় মিরকাদিমের খালে এলাকার মানুষের গোসলসহ রান্নার পানিও সংগ্রহ করা হতো। এটি এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থানীয়দের। একাধিকবার খালটি খননের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে এলাকাবাসী। মানববন্ধনসহ বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে নানা রকম দাবি জানিয়েছেন অনেকে, তবু খালটি খনন করে আবার আগের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন।’ এ ব্যাপারে মিরকাদিমের পৌরমেয়র আব্দুস সালাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে খালটিতে পানিপ্রবাহ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয়রা। ধলেশ্বরী নদীবন্দর ও মিরকাদিমের এ খাল ঘিরে গড়ে উঠেছিল এখানকার ব্যবসা-বাণিজ্য। বর্তমানে খালটির বিভিন্ন অংশ প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় খননকাজ শুরু করতে পারছে না প্রশাসন। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে চার শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও আবার দখল করে নিচ্ছেন অনেকেই। বিষয়টি আমরা তালিকা করে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দিয়ে শিগগিরই খালটি আবার খননের অনুরোধ জানিয়েছি।’ জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল বলেন, ‘খালটিতে উচ্ছেদ অভিযান শেষে একপাশে মানুষের চলাচলের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রকল্প তৈরি করে মন্ত্রণালয়ের কাছে অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে খালটি খনন করে আবার আগের মতো পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করা হবে। আর যদি কেউ ফের এর কোনো অংশ দখল করেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ বণিক বার্তা
001e1e1fc25d127804654913bb761669
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
1,075
fineweb_2_bn
2.716474
3
1.477655
1
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। রোববার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ফিফার টাকার দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের আদেশে স্থিতাবস্থা জারির আদেশও বহাল রেখেছেন আদালত। এ ছাড়া এ বিষয়ে জারি করা রুল তিন সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। এর আগে গত ১৫ মে বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ বাফুফে কর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদককে নির্দেশ দেন। গত ১৪ মে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনসহ বাফুফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রিটটি করা হয় ফুটবল একাডেমির পক্ষে। এ ছাড়া গত ৩ মে বাফুফের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান চেয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছিলেন ব্যারিস্টার সুমন। কিন্তু তাতে সাড়া না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। গত ১৪ এপ্রিল জালিয়াতি এবং মিথ্যাচারসহ ফিফার অন্তত চারটি আইন লঙ্ঘন করায় সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে আবু নাঈম সোহাগকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে ফিফা। একই সঙ্গে তাকে জরিমানা করা হয় প্রায় ১২ লাখ টাকা।
71697eccc90280004d69e6962be81768
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
230
fineweb_2_bn
1.573696
2
1.067678
1
২০০ কোটির আর্থিক তছরুপ ও তোলাবাজির মামলার অন্যতম অভিযুক্ত অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডিজ। আপতত আগাম জামিনে মুক্ত নায়িকা, তবে দেশ ছাড়ার অনুমতি নেই তাঁর। গত মাসে অসুস্থ মা-কে দেখতে বাহরিন যাওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী, তবে আদালতের ‘আপত্তি’তে পরে আবেদন প্রত্যাহার করে নেন নায়িকা। এক মাস পর ফের কোর্টের সামনে আর্জি রাখলেন শ্রীলঙ্কান সুন্দরী। ২৭শে জানুয়ারি থেকে ৩০ শে জানুয়ারি পর্যন্ত একটি কনফারেন্সে যোগ দিতে মরু শহরে যেতে চান অভিনেত্রী। জ্যাকলিনের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে জবাব দিতে সময় চেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৭শে জানুয়ারি এই মামলার শুনানি হবে কোর্টে। গত ২৯শে ডিসেম্বর নিজের বিদেশযাত্রার পূর্ববর্তী আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন জ্যাকলিন। সেই সময় আদালতের তরফে অভিযুক্ত নায়িকাকে উপদেশ দেওয়া হয়েছিল মামলা ‘সংবেদশীল’ পর্যায়ে থাকায় সম্ভব হলে জ্যাকলিনের উচিত বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা ত্যাগ করা উচিত। আদালতের সেই মৌখিক নির্দেশ মেনে নেন অভিনেত্রী। ইডি শুরু থেকেই দাবি জানিয়ে আসছে, ‘ঠগবাজ’ সুকেশের অতীত ও পেশা সম্পর্কে সবটা জেনেও কেবলমাত্র নিজের স্বার্থসিদ্ধির সঙ্গে জেলবন্দি কনম্যানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন জ্যাকলিন। তবে আদালতে অন্য সুর শোনা গিয়েছে জ্যাকলিনের গলায়। গত সপ্তাহেই অভিনেত্রী আদালতকে জানান, ‘আমার আবেগ নিয়ে খেলেছে এবং আমার জীবনকে নরক বানিয়েছে সুকেশ চন্দ্রশেখর।’ তিনি আরও বলেন, ‘সুকেশ আমাকে বিভ্রান্ত করেছে, আমার কেরিয়ার নষ্ট করেছে’। গতবার জ্যাকলিনের বিদেশযাত্রার আবেদনের বিরোধিতা করে ইডি জানিয়েছিল, জ্যাকলিন বিদেশি নাগরিক। একবার দেশ ছাড়লে তাঁকে ফেরানো কঠিন হতে পারে। জন্মসূত্রে জ্যাকলিনের বাবা-মা শ্রীলঙ্কান। তবে জ্যাকনিলের জন্ম ও বড় হওয়ার বাহরিনে। আর্থিক তছরুপের মামলায় গত ১৫ই নভেম্বর আগাম জামিন মঞ্জুর হয় জ্যাকলিনের। গত বছর অগস্টে আর্থিক তছরুপের মামলায় অভিযুক্ত তালিকায় নায়িকার নাম যোগ করে ইডি। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। ২০২১-এর সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলায় চন্দ্রশেখর এবং তাঁর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী লীনা মারিয়া পালকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। তার আগে পর্যন্ত নাকি সুকেশের আসল পরিচয়ই জানতেন না জ্যাকলিন। ২০২১ সালের অগস্ট মাসের পর সুকেশের সঙ্গে যোগাযাগ হয়নি তাঁর, জানান অভিনেত্রী। বিনোদন সম্পর্কিত খবর আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup
8687e3099e53f8e249e8fe3bdf1d25e9
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
458
fineweb_2_bn
1.419717
1
1.187121
1
ওমর ফারুক তালুকদার, ভালুকাঃ- ময়মনসিংহের ভালুকায় ফিল্মি স্টাইলে ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি মোস্তফা কামালকে (৪২) অপরহণ করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের চান্দাব বোর্ডবাজার এলাকায়। এ ঘটনায় শ্রমীকলীগ নেতার স্ত্রী আকলিমা খাতুন বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা কামাল চান্দাব বোর্ড বাজার মসজিদে জোহরের নামাজ পড়তে যান। ওই সময় মসজিদের পানির পাম্প বন্ধ করার জন্য তিনি মসজিদ থেকে বের হন। পরে ১০/১২টি মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার নিয়ে মেহদী হাসান শাহাজ, ছলিম উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন ধনু, শিব্বির আহম্মেদ, সবুজ মিয়া ও মনির হোসেন, ও আব্দুল সামাদের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া ৫০/৬০ জন লোক নিয়ে তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। ভালুকা মডেল থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
15034a2962ea0d8543397702f97991e9
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
173
fineweb_2_bn
1.009235
1
2.408316
2
নিজ সন্তানের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে মামলা করেন ইউপি সদস্য মতিন, কুমিল্লা জেলা ছাড়াও বিভিন্ন জেলায় মতের অমিল লোকদের বিরুদ্ধে মামলা, নিজ দলের মাদকাসক্ত কর্মীদের আহত দেখিয়ে টাকার বিনিময়ে ইনজুরি সার্টিফিকেট নিয়ে মামলা, দেবীদ্বারে গুম অপহরণের নাটক সাজিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষ ও এলাকার নিরপরাধ মানুষদের হয়রানির প্রতিবাদে রাজামেহার ইউনিয়নের উওর পাড়ার মৃত ছায়েদ আলীর ছেলে ০৪ নং ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন ও আবুল হাশেমের বিরুদ্ধে ঝাড়ু, জুতা মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী। গতকাল ১৪ই মার্চ বিকাল ৪ টার সময় রাজামেহার বাজার (রাজামেহার হাইস্কুল মাঠে) এই ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে রাজামেহার গ্ৰামের দের শতাধিক নারী-পুরুষ। মানববন্ধনে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আব্দুল মতিনকে অবিলম্বে ইউপির সদস্যপদ থেকে অপসারণের দাবি জানানো হয়। ঝাড়ু মিছিলটি রাজামেহার বাজার থেকে শুরু হয়ে সড়কপথে গোবিন্দপুর, বুটিয়াকান্দি গ্ৰাম হয়ে পুনরায় রাজামেহার বাজারে এসে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউপি মেম্বার আব্দুল মতিন একজন মামলাবাজ, প্রতারক ও ছিটার। সে এর আগেও রাজামেহার, গোবিন্দপুর, বুটিয়াকান্দি, মনোহর বাদ, সোনামূড়া, রাজামেহার পূর্ব বন্দ, হলিদ্দা ও চুলাশ গ্ৰামসহ আশ-পাশ গ্রামের অনেক নিরীহ ব্যক্তিদের নামে কুমিল্লা জেলায় এবং বিভিন্ন জেলায় জেলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে এর মধ্যে মাদারীপুর ও রংপুর জেলা অন্যতম। তার মামলার আসামিরা বিভিন্ন জেলায় জেলায় গিয়ে হাজিরা দিতে দিতে অনেক নিরীহ পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। তাকে এলাকায় ছিটার মতিন অথবা মামলাবাজ মতিন বললে এক নামে সবাই চিনে। গত ২৩ই ফেব্রুয়ারি গ্ৰামের আব্দুল মতিন নামের এক ব্যক্তিকে গুম ও অপহরণের ঘটনা দেখিয়ে মতিনের স্ত্রী মোসাঃ সুফিয়া বেগমকে বাদী করে ২৭ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। পরে দেবীদ্বার থানা পুলিশ কুমিল্লার ভারতীয় বর্ডার এলাকা থেকে ভিক্টিম আব্দুল মতিনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া আব্দুল মতিন মিয়া, ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন ও মৃত বলাগাজীর ৩য় ছেলে আবুল হাশেমের পরামর্শে গুম ও অপহরণের নাটক সাজিয়ে নিজের স্ত্রী মোসাঃ সুফিয়া বেগমকে বাদী করে আদালতে মামলা করেছে বলে পুলিশ ও বিজ্ঞ আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। মানববন্ধনে সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ দুধ মিয়া মোল্লা বলেন, প্রতারক ছিটার মতিন তার মতের বিরুদ্ধে কেউ গেলে দেশের বিভিন্ন জেলায় তাদেরকে মিথ্যা ও চক্রান্তমুলক মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে বহুদিন ধরে। গত ২৮ ডিসেম্বর-২০২২ ইং তারিখে কুমিল্লার বিজ্ঞ আদালতে অভিযুক্ত ছিটার মতিন বাদী হয়ে নিজ সন্তান এন সি সি ব্যাঃকে কর্মরত মোঃ মনির হোসেনের বিরুদ্ধে একটি (৩৮০ ধারায় চুরির মামলা সিআর-৭৬২/২২ দায়ের করে। তার মিথ্যা মামলা থেকে নিজ সন্তানে ও রেহাই পায়নি। তার ছেলে আশিক গ্রামের জুয়া এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। আশিক গ্রামের লোকজনদের থানা পুলিশের ভয়-ভীতি দেখিয়ে ছোটখাটো অপরাধ মিটিয়ে দেওয়ার নাম করে নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। ইউনিয়ন পরিষদে সেবা গ্রহীতারা আসলে কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ভুল বলে সংশোধনের নাম করে টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রতারক মতিন ও ছেলে আশিকের এমন অপকর্মে অতিষ্ঠ গ্রামের প্রতিটা মানুষ। এলাকায় গড়ে তুলেছে মাদক ব্যবসা, জুয়া খেলা ও প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মতো অপরাধের স্বর্গরাজ্য। তাদের কারণে গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে অশান্তি চলছে অবিলম্বে এই মামলাবাজ ছিটার মতিনকে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি। মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাজামেহার গ্ৰামের মোঃ আইয়ুব আলী, মোঃ বাশার মোল্লা, মোঃ আলম কাজী, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ শামীম সরকার, মোঃ জাকির হোসেন সহ অন্যান্যরা। তবে এলাকাসূত্রে জানা যায়, কাজী বাড়ীর গাজী মসজিদের দক্ষিণ ও পশ্চিম কোনে অত্র মামলার ভিক্টিম আব্দুল মতিনের একটি একচালা টিনের দোকান ঘর উপরে উল্লেখিত মামলার ০১ নং বিবাদী মোঃ আলম কাজী দখল করে নেন এবং পূর্বে জমিজমা বিরোধ এবং দোকানঘর দখল-বেদখল কে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন ও মৃত বলাগাজীর ৩য় ছেলে আবুল হাশেমের পরামর্শে ও সহায়তায় এই মিথ্যা অপহরণ মামলার সৃষ্টি হয়। গুম ও অপহরণ মামলার বিষয়ে দেবীদ্বার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ খাদেমুল বাহার বলেন, আব্দুল মতিন নামের এক বৃদ্ধকে গুম ও অপহরণের নাটক সাজিয়ে মামলা দিয়ে একটি পক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে ইউপি সদস্যে আব্দুল মতিন ও আবুল হাশেম নামের এই দুই ব্যক্তি।পুলিশ মতিন মিয়াকে জীবিত উদ্ধারের পর এর রহস্য উদঘাটন হয়েছে। পরে মতিন মিয়াকে আদালতে নিলে তিনি সেখানে ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন ও আবুল হাশেমের পরামর্শে গুম ও অপহরণের নাটক সাজিয়েছেন বলে স্বীকারোক্তিমূলক ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেন।
6008fbd08b83ed79fe0df5c284950c80
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
840
fineweb_2_bn
1.142675
1
3.049459
3
পিয়া ঘোষ বন্দোপাধ্যায় “বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণ-কর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী। অর্ধেক নর।” সেই কবেই এ লাইন ‘নারী’ কবিতায় লিখেছিলেন নজরুল। কেটে গিয়েছে অনেকগুলো যুগ। আমরা এখন আফগানিস্তানের দিকে আঙুল তুলি ! ওই দেখো, ওরা কেমন বোরখা পরিয়ে , শিকল বেঁধে রেখেছে নারীর পায়ে। ফের তালিবানরা কাবুল দখল নেওয়ায় , হাহাকার উঠেছে বিশ্ব জুড়ে। মেয়েদের ওরা বাঁচতে দেবে তো? এই প্রশ্নবাণ ছুটে এসেছে নানা মহল থেকে। কিন্তু সত্যিই কি এ সমাজ মেয়েদের বাঁচতে দেয়? তাঁদের মতো করে বাঁচতে দেয় কি? প্রশ্নটা করলেই বলা হবে, চরম ফেমিনিস্ট। সব জায়গায় মহিলাগিরি দেখানো! কই বাসের সিটে ‘লেডিস’ থাকলে তো প্রতিবাদ করো না? কিন্তু আপনি কি জানেন, অফিস থেকে ফিরে গোটা সংসারের রান্না করার সময়ও মেয়েরা প্রতিবাদ করে না। কারণ তাঁদের এটাই বোঝানো হয়েছে। এর বাইরে গেলেই সে উচ্ছৃঙ্খল। এই যেমন নুসরত জাহানের কথাই ধরুন না! কম জল ঘোলা তো হল না তাঁকে নিয়ে ! তা তাঁর দোষটা ঠিক কি? সে অস্বীকার করেছে নিজের বিয়ে। বলেছে, সে মানেই না তাঁর বিয়ে হয়েছে। তাই তাঁর গর্ভের সন্তানের বাবা কে, সেটাও তিনি জানতে বা জানাতে প্রয়োজন বোধ করেন না। নুসরতের সামাজিক স্টেটাস এবং অবশ্যই তাঁর সাবলম্বী জীবন তাঁকে এই সাহস জুগিয়েছে। সমাজের উল্টো স্রোতে কথা বলেও, দিব্যি একটা ফুটফুটে সন্তানের হাসি মুখ দেখা যায়, তা তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে কত পুরুষ-মহিলারাও প্রশ্ন ছুঁড়েছেন, ‘বাবা কে?” কই কোনও বাবার কোলে সন্তান দেখলে তো প্রশ্ন করেন না, মা কে? কারণ সমাজ আপনাকে শেখায়নি ‘মা’-এর অধিকার কাকে বলে ! আর ঠিক এই কারণেই আপনি বা আপনারা জানতে ব্যস্ত থাকেন পুরুষ ঔরসটা এল কোথা থেকে ! না, এ আপনার দোষ নয়। এ ওই গবু গড়ের হবু চন্দ্র রাজার দোষ। তিনি যদি জানতেন, বাবা নিয়ে এত কথা হবে, তাহলে বাবা শব্দটাই তৈরি করতেন না। এবার ভাবুন হবু চন্দ্র বেটা আবার কোথা থেকে এল, বাবা শব্দের সঙ্গে কি সম্পর্ক ! কারণ ভেবে কিছু একটা খুঁজে কটুক্তি করাই তো কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতো গেল বাবা হওয়ার গল্প ! মা হওয়ার গল্প কে আর কবে শুনেছে ! মেয়েরা পৃথিবীতে ভীষণ স্বাধীন। মেয়েরা পড়তে পায়। প্লেন চালায়। দেশ চালায়। স্বাধীন নয় মানে? কিন্তু মেয়েরা মদ খেলে আজও কথা শুনতে হয় বইকি। বাড়ির ছেলে মদে মাতাল হয়ে বাড়িতে এসে বউ পেটালেও, ওসব হতেই পারে! কিন্তু যদি বউমা কখনও মদ খেয়েছে তবে, সব শেষ! এই যেমন বাদ যান না পরীমনিও। মদ খাওয়া এবং বাড়িতে রাখা। তাও দেশের কথা , দশের কথা ভুলে! ট্রোলড, জেল, অপমান ! যা যা করা যায় করে ফেলো। এই তো সুযোগ! ছাড়া যায় নাকি ! পারলে জানে মেরে ফেলো! তাও ঠিক! এরপরের আমরা আবার হা হুতাশ করবো, ‘আহারে আফগানিস্তানের মেয়ে গুলো বাঁচবে তো !” সত্যি না নিজেদের দিকে কবে তাকাবো আমরা? আসলে কি জানেন নুসরত ও পরীমনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন গোটা সমাজের দিকে। পুরুষতন্ত্র বলে যে বিষয়টা এখনও দারুণ ভাবে তলে তলে চলছে, তার মুখে সপাটে চড় মেরেছেন। আর এটাই সহ্য হচ্ছে না ! লক লকে জিভে লোভনীয় খবর ও শরীরের মেদ চাটতে চাটতে আপনারা চর্বি বাড়িয়েছেন। নিজের মেয়ের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করছেন। আমাদের দেশে ধর্ষণ দিন দিন বাড়ছে ! পুড়িয়ে মেরে দেওয়া হচ্ছে মেয়েদের! নির্ভয়াদের বিচার পাইয়ে দিতে বাবা-মাকে সর্বহারা হতে হচ্ছে ! আচ্ছা সমাজটা কি এমনই ছিল ! মা ঠাকুমারা যে গল্প বলেন, কই তাতে তো শুনি না এমন কোনও ভয়ের কথা ! কিম্বা সাহিত্যের মেয়েরাও তো দেখি কত সাবলম্বী ! তবে সে সব কি নিছক গল্প গাঁথা ! হয়ত সবটা নয়। যেমন মেয়ের পাইলট হওয়ার গল্প ফলাও করে বলা হয়! ঠিক সেভাবেই ধামা চাপা দিয়ে দেওয়া হয় মেয়ের সঙ্গে হওয়া যৌন নির্যাতনের কথা ! আমরা পড়েছি, উপমহাদেশের নারীরা খুব স্বাধীনচেতা, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী ছিলেন। শুনলে মনে হওয়া স্বাভাবিক, পুরুষতন্ত্রের ছিটেফোঁটাও তখন ছিল না। মনে করা হয়, অবাধে খোলা চত্বরে বসে স্ত্রী-পুরুষ একত্রে জ্ঞানচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা-তর্ক করতে পারতেন। কিন্তু প্রকৃত সত্য হল, যে সম্পর্কে প্রখ্যাত গবেষক সুকুমারী ভট্টাচার্যি বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন, প্রাচীনকালে, বিশেষ করে বৈদিক যুগের শেষ দিকে, ভারতীয় উপমহাদেশের নারীরা প্রচুর পরিমাণে অবদমিত হয়েছে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কাছে। আর এই অবদমনের ভূরি ভূরি প্রমাণ রয়েছে শাস্ত্রীয় ও সাহিত্য গ্রন্থ এবং ঐতিহ্যে-কিংবদন্তিতে। সবচেয়ে বড় প্রমাণ সেই যুগের অন্যতম প্রধান ব্রহ্মবাদিনী, বিদুষী গার্গী এবং তাঁর প্রতি পুরুষ পণ্ডিতের ব্যবহার। খ্রিস্টের জন্মের ৭০০ বছর আগে জন্ম তাঁর। শুধু জ্ঞান সাধনা ও চর্চায় ডুবে থাকার সংকল্প নিয়ে আজীবন অবিবাহিত ছিলেন বচক্নু ঋষির এই ব্রহ্মবাদিনী কন্যা গার্গী। গার্গী নামক এই জ্ঞানতাপসীকে বলা যায় অধুনিক শিক্ষিতা নারীর, বিশেষ করে অবিবাহিতা পেশাজীবী নারীদের পথিকৃৎ, যাঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের প্রতিভূ মহা ঋষি যাজ্ঞবল্ক্য বলেছিলেন, “স্তব্ধ হও”। আবার জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব কফি আনান ২০০৬ সালে ইউনাইটেড ন্যাশনস ডেভেলপমেন্ট ফান্ড ফর উইমেন (UNIFEM)-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ঘোষণা করেছিলেন: “নারী ও বালিকাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা একটি পৃথিবীব্যাপি বিরাজমান সমস্যা। সমগ্র বিশ্বজুড়ে তিন জন নারীর অন্তত একজনকে মারা হয়েছে, জোরপূর্বক যৌনক্রিয়া করতে বাধ্য করা হয়েছে, বা অন্য কোনভাবে তার জীবনে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে যেখানে নির্যাতনকারী কোনভাবে তার পরিচিত ছিল।” আসলে সমস্যাটা তখনও ছিল , এখনও আছে। ওই সবাই নুসরত, গার্গী বা পরীমনি হয়ে উঠতে পারেননি। কারণ সমাজ তার আগেই মেয়েদের পায়ে মোটা শিকল বেঁধে দেয়। যদিও এই শিকল আতসকাঁচ দিয়েও দেখা সম্ভব না। যাক গে সে সব কথা ! মেয়েরা তো কম করে ভালোবাসার স্বাধীনতা পায় আজকাল। এটাই বা কোথায় হয়। ওই যে ভালোবেসে নীনা গুপ্তা যখন মাসাবাকে জন্ম দেন, তখন সমাজ চোখ তুলে চায় ! কিন্তু ঔরস কার জানার পর আর সমালোচনা নেই। এ কি কম কথা ! নুসরত জানিয়ে দিলেই লেঠা চুকে যাবে ! কিন্তু অপমান গুলো, যা আপনারা নিজেদের করেছেন, সেগুলো কি করে গিলবেন? ভাবুন , ভাবুন। সত্যিই, আমার দেশে মেয়েরা ভালোবেসে আকাশে ওড়ে। কিন্তু যদি নেশা করে প্রেমিক আত্মহত্যা করেন, তবে কিন্তু মেয়েদের রিয়া চক্রবর্তী বানাতে আমরা দু’বার ভাববো না! সবাই ভেবেই নেবো, রিয়াই মেরেছে সুশান্তকে। টাকার লোভে! মেয়েটা প্রেমিক হারানোর শোক ভোলা তো দূর, বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে জেলে পাঠাবো। বলির পাঁঠা বানাবো। ফেসবুকে ডাইনি, খারাপ পাড়ার মেয়ে, আরও কত কি লিখে ফেলবো ! মেয়েদের দেখলেই বলবো, তুমি আবার রিয়ার মতো হবে না তো? মিম বানাবো ! কিন্তু যখন জিয়া খান আত্মহত্যা করে ! বা দিব্যা ভারতী ছাদ থেকে ঝাঁপ দেয়, আমরা কিন্তু তাঁদের প্রেমিক বা স্বামীকে কাঠগড়ায় তুলি না! কারণ তারা পুরুষ সিংহ ! তারা এমন খারাপ কাজ করতেই পারে না ! করলেও মানতে পারে না ! তাই নরম মাটি পেলেই পাথর পুঁতে দাও। রিয়ার মতো কত মেয়েকেই রোজ সব দায় নিজের ঘাড়ে তুলে নিতে হয়, তার ইয়ত্তা নেই। তবে ভাববেন না, এ শুধু পুরুষরাই ভাবে ! আমাদের সমাজের মেয়েরাও কিন্তু কম যান না! তাঁদের ছোট থেকে এমন সামাজিকতার পাখি পড়ানো হয়, তাঁরাও বলে নুসরত খারাপ। প্রমাণ, ফেসবুকের কমেন্ট ! লজ্জা হয় ভাবলে, একটা মেয়ে হয়ে কি করে অন্য মেয়ের স্বাধীনতাটুকু মানতে চাইছেন না! কেন চাইছেন না? চেয়ে দেখুন একবার! আপনিও পারবেন নিজের সব বাধা পেরিয়ে যেতে ! পাপ বোধ হবে না আপনার। স্বামীর অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে নিজেকে অসতী মনে হবে না! কুলটা ভাববেন না নিজেদের ! জন্ম নেবে না মা-হীন সন্তান ! অনাথ আশ্রম ভরে যাবে না কুড়িয়ে পাওয়া দুধের শিশুতে। তুলে দিন ‘অবৈধ’ কথাটা! হ্যাঁ, হ্যাঁ মেয়েদের বলছি, যা যা অবৈধ সব তুলে দিন! আগে প্রশ্ন করুন, কে বলেছে এটা ঠিক? আপনি ভুলটাই করতে চান! তার মানে আপনি উশৃঙ্খল এমন নয় ! ইচ্ছের স্বাধীনতা দিন শুধু মাত্র ! ঘুমিয়ে থাকুন না একদিন, এক সপ্তাহ বা এক মাস দুপুর ১২টা পর্যন্ত ! কেন বাড়ির মেয়ে বা বউকেই সকালের চা করার জন্য উঠতে হবে! একদিন বা একমাস কাজটা অন্য কেউ করুক না! খিদে এমন জিনিস না,সবাই গুঁতোয় পড়লে সব পারে! মেয়ের জন্য কিছু আটকে থাকবে না! দিন, দিন ইচ্ছেকে ডানা মেলতে দিন। দোষ কিন্তু কারও হবে না! নয়তো, সমাজটাই গোল্লায় গেছে বলে সেই নুসরত, পরীমনি বা রিয়া বানানো হবে আরও হাজারটা মেয়েকে ! তারপর ফের সেই চায়ের আসরে, ‘আফগানিস্তানের মেয়েরা বাঁচবে তো?’ প্রশ্ন তুলেই সব শেষ! যৌনতায় চেপে বেঁধে রোজ পরাধীন করা হবে ভীষণ স্বাধীনচেতা কোনও এক নারীকেই! আবারও বলি দোষ কিন্তু কারও নয়, সব দোষ ওই গবু গড়ের হবু চন্দ্র রাজার! শেয়ার করুন :
63d04046148cad08fbafa4ec6f0af306
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
1,652
fineweb_2_bn
2.988745
3
3.364127
3
অর্থের প্রবাহ বাড়ানোর নানা পদক্ষেপ ও ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় বিশেষ স্কিমসহ শেয়ারবাজারে দীর্ঘ মেয়াদে আস্থা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ২১ দফা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বারবার দিনবদলের পর গতকাল বুধবার এসইসির সভাকক্ষে এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে সিদ্ধান্তগুলো ঘোষণা করেন। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি_তিনস্তরে বিভাজিত এই প্রণোদনা। এসইসি ঘোষিত গুচ্ছ সিদ্ধান্তের অন্তত ৯টি প্রত্যক্ষভাবে বাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়ানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। যেমন_শেয়ারবাজারের ব্যবসায় নিয়োজিত ব্যাংকগুলো তাদের সাবসিডিয়ারি কম্পানি মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে যে মূলধন দিয়েছে তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা হবে না। এর আগে এই বিনিয়োগকে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমার মধ্যে ধরা হতো। এতে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছিল। এ ছাড়া কোনো কম্পানিতে ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ থাকলেও সেটা শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা হবে না। এখন থেকে লাভ ও লোকসান সমন্বয় করে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের নিরাপত্তা জামানত বা প্রভিশনিং করতে হবে। আগে শুধু লোকসানের হিসাব যুক্ত হতো। এ সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়বে। বহুল আলোচিত সিআরআর ও এসএলআর না কমানো হলেও এসব সিদ্ধান্তের ফলে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। গতকাল ঘোষিত সরকারের এই প্রণোদনা সম্পর্কে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান উপদেষ্টা মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ঘোষিত সিদ্ধান্তে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগের যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে তা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ ছাড়া শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ থেকে অর্জিত লাভের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ করের পুরোটাই প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিদেশের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রে বিদেশি ব্রোকারেজ ফার্মকে প্রদেয় কমিশন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অথবা দলিলাদি জমা সাপেক্ষে দ্রুত পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হবে। এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর অনুকূলে প্রদত্ত সীমার অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের সময় আরো এক বছর বাড়িয়ে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। এত দিন মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সবটুকু তহবিল গঠিত হতো মূল ব্যাংক থেকে। এসইসির নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর তহবিলের ৫১ শতাংশ মূল ব্যাংকগুলো দিতে পারবে। বাকি টাকা মার্চেন্ট ব্যাংক বা সাবসিডিয়ারি কম্পানিগুলো নিজ উদ্যোগে অন্য জায়গা থেকে সংগ্রহ করতে পারবে। চেয়ারম্যান জানান, অর্থমন্ত্রীর পরামর্শে ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে আরো বেশি করে বিনিয়োগে সম্মত হয়েছে। প্রশ্নাতীতভাবে অপ্রদর্শিত অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার কথা পুনরুল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া কম্পানির পরিচালকদের সর্বনিম্ন ৩০ শতাংশ শেয়ার ধরে রাখার বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করেন তিনি। বীমা তহবিলে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ টাকা অনতিবিলম্বে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে বীমা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মত হয়েছে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই এসইসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘পুঁজিবাজার বিকাশে এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক ও শক্তিশালী পুঁজিবাজারের জন্য কাজ করে যাচ্ছি আমরা। কোনো অন্যায় দাবি বা অনৈতিক চাপের মুখে কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করিনি।’ স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ : (এখনই বাস্তবায়নযোগ্য) - শেয়ার ব্যবসায় নিয়োজিত ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি কম্পানির অনুকূলে ব্যাংক প্রদত্ত মূলধন ওই ব্যাংকের এঙ্পোজার টু ক্যাপিটাল মার্কেট হিসেবে গণ্য হবে না। - কোনো কম্পানির শেয়ারে ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট ওই ব্যাংকের ক্যাপিটাল মার্কেট এঙ্পোজার হিসেবে গণ্য হবে না। - বৈদেশিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রে বিদেশি ব্রোকারেজ ফার্মকে প্রদেয় কমিশন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অথবা দলিলাদি দাখিল সাপেক্ষে দ্রুত প্রেরণের অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলে বিদেশি পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপকরা আরো বেশি বেশি তহবিল বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে। - বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক এবং অনিবাসী বাংলাদেশিদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত লাভের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ ক্যাপিটাল গেইন ট্যাঙ্ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং বিদেশি তহবিলের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। - পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ উদ্ভূত কোনো ক্ষতির জন্য প্রভিশন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গেইন/লস নেট অফ করে প্রভিশন সংরক্ষণ করা যাবে। উল্লেখ্য, আগে শুধু নেট লসকে বিবেচনায় নেওয়া হতো। - শেয়ার ব্যবসায় নিয়োজিত কোনো ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবসিডিয়ারি কম্পানির অনুকূলে প্রদত্ত ঋণ সিঙ্গেল ব্রোয়ার এঙ্পোজার লিমিট অতিক্রম করে থাকলে সীমা অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের জন্য দুই বছর সময় পাবে (২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত)। - অর্থমন্ত্রীর পরামর্শে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আরো অধিক হারে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে সম্মত হয়েছে। - বীমা তহবিলের (লাইফ ও নন-লাইফ) বিনিয়োগযোগ্য অর্থ অনতিবিলম্বে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য বীমা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মত হয়েছে। এ ছাড়া সরকার বীমা শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। - শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ধারণকৃত শেয়ারের পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সীমার নিচে রয়েছে। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে এসইসির কম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ওই সীমা সব সময়ের জন্য নূ্যনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। - এত দিন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারির তহবিলের ৯৯ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ করত প্যারেন্ট কম্পানিগুলো (ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ইনস্যুরেন্স কম্পানি)। এখন থেকে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৫১ শতাংশ প্যারেন্ট কম্পানি থেকে এবং অবশিষ্ট অংশ অন্য যেকোনো তহবিল থেকে নিয়ে মার্চেন্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারিগুলো পুঁজি সংগ্রহ করতে পারবে। এতে মার্চেন্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারিগুলোর মূলধন বৃদ্ধি পাবে এবং তারল্য সংকট দীর্ঘ মেয়াদে অবসান হবে। মধ্যমেয়াদি পদক্ষেপ : (তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য) - গুজবনির্ভর ও নিউজ সেনসেটিভ শেয়ারবাজারের পরিবর্তে একটি পূর্ণ সচেতন মূলধন বাজার তৈরির লক্ষ্যে এসইসি ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজরি সার্ভিস উন্মুক্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এতে প্রাতিষ্ঠানিক বা অপ্রাতিষ্ঠানিক নির্বিশেষে ব্রোকারেজ হাউসগুলো পেশাদার, দক্ষ ও অভিজ্ঞ বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক নিয়োগ দিতে বাধ্য। - ইনভেস্টর্স একাডেমিশিয়ান ও পলিসি মেকারদের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন নিশ্চিত করার জন্য এসইসি ইক্যুইটি রিসার্স পাবলিকেশন উন্মুক্ত করবে। - পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে করপোরেট গভর্নেন্স গাইডলাইন তৈরি করা হবে। - মার্চেন্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারি কম্পানিগুলোর নিজস্ব মূলধন বাড়ানোর জন্য এসইসি দ্রুত উপায় উদ্ভাবনের পদক্ষেপ নেবে। দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ : (চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য) - পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর অ্যাকাউন্টিং এবং অডিটিং ডিসক্লোজারের গুণগত মান উন্নত করার জন্য ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট (এফআরএ) প্রণয়ন করা হবে। - বর্তমান এসইসির ইনসাডার ট্রেডিং আইন অনেক দুর্বল। এটিকে আরো গভীর এবং কঠোর করা হবে। এতে করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে। - আমাদের দেশের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী রক্ষা আইন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারছে না। উন্নত দেশগুলোর আদলে আমাদের এ আইন যুগোপযোগী করা হবে। - স্টক এঙ্চেঞ্জগুলোর করপোরেট গভর্নেন্স নিশ্চিত করতে আমাদের স্টক এঙ্চেঞ্জগুলোকে দ্রুত ডিমিউচুয়ালাইজ করা হবে। - মিউচ্যুয়াল ফান্ড সেক্টরকে আরো শক্তিশালী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এসইসি। - উন্নত সার্ভিল্যান্স সিস্টেম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসইসি পুঁজিবাজারের তদারকি কার্যক্রম জোরদার করবে, যাতে বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত না হয়। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বিশেষ স্কিম স্বল্প পুঁজি ও মার্জিন ঋণ নিয়ে যেসব ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের কারণে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের স্বার্থরক্ষার জন্য একটি বিশেষ স্কিম প্রণয়ন করা হয়েছে। এর জন্য আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামানকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির অন্যান্য সদস্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একজন প্রতিনিধি, এসইসির একজন প্রতিনিধি, সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দুই স্টক এঙ্চেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। কমিটির প্রয়োজনে অতিরিক্ত সদস্য যোগ করতে পারবে। এ কমিটি আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি পরিপূর্ণ প্রতিবেদন বিবেচনার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে জমা দেবে। সূত্রঃ দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২৪ নভেম্বর ২০১১ সপম্পর্কিত অন্যান্য পোস্টসমূহ:বাংলাদেশকে ১২০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংকআইন সংশোধনের কাজ শুরু করেছে এসইসিই-পেমেন্ট:ব্যাংকের লেনদেন সহজীকরণে নতুন আইন আসছে
cab88d849208eaa2325cdde49d8eb46b
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
1,425
fineweb_2_bn
2.253101
2
1.036622
1
সরকারবিরোধী দলগুলোকে কাছে টানার চেষ্টায় ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ ০১ নভেম্বর ২০২২, ১০:১৭ পিএম | আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ১২:২১ এএম দ্বাদশ নির্বাচনের আগে দেশের রাজনীতিতে নানান পরিবর্তন আসবে। এমনটা ধরে নিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চ সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে কাছে টানার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গেও অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ চলছে। জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সঙ্গে নেই এমন বাম-গণতান্ত্রিক ধারার দলগুলোর সঙ্গেও মতবিনিময় শুরু করেছেন গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা। শুরুতেই মতবিনিময় করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ জাসদের সঙ্গে। মঙ্গলবার মোস্তফা মোহসীন মন্টু নেতৃত্বাধীন গণফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে গণতন্ত্র মঞ্চের। সূত্র জানায়, নির্দলীয় সরকারের অধীন জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে ‘যুগপৎ আন্দোলনে’ যুক্ত হওয়ার কথা ভাবছেন গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা। মঞ্চের নেতারা বলছেন, গণতন্ত্র মঞ্চ যে প্রক্রিয়ায় যুক্ত যুগপৎ আন্দোলনে হতে চাচ্ছে, সে বিষয়ে অন্যদলগুলোর সঙ্গে তারা মতবিনিময় করছেন। তারা দলগুলোকে বুঝানোর চেষ্টা করছেন। যদিও বিএনপি বলেছিল ‘যুগপৎ আন্দোলনের’ রূপরেখা তৈরি করার জন্য ফের সবার সঙ্গে বসবে। গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে এখনো আলোচনা শুরু না করলেও তাদের জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে রূপরেখা দেওয়ার কথা সেটাও এখনো ঘোষণা করতে পারেনি বিএনপি। গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা বলছে, বর্তমান সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে শুধু সরকারের বিদায় এবং একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানই যথেষ্ট নয়। বিদ্যমান শাসনব্যবস্থাও বদলাতে হবে। সে লক্ষ্যে যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে প্রাথমিকভাবে কী ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতা বা চুক্তিতে তারা পৌঁছেছেন, মতবিনিময়ে সে বিষয়গুলো খোলাসা করবেন মঞ্চের নেতারা। তারা চাচ্ছেন যুগপৎ আন্দোলনে আরও বেশি সংখ্যক দলকে যুক্ত করা এবং আন্দোলনের শক্তি বাড়ানো। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যেসব দলের সঙ্গে মতবিনিময় করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার মধ্যে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত দুই পর্যায়ের দলই রয়েছে। অনিবন্ধিত হলেও কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সমাজে গুরুত্ব ও প্রভাব রয়েছে। তাই সরকারবিরোধী বৃহত্তর আন্দোলনে যত দল, সংগঠন ও ব্যক্তিকে সম্পৃক্ত করা যায়, সে চেষ্টার অংশ হিসেবে তারা বিএনপির বাইরে আলাদা করে এই রাজনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্ত করা, নির্দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচনসহ কিছু সাংবিধানিক ও শাসনতান্ত্রিক সংস্কারে গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দলগুলো বিএনপির সঙ্গে ‘যুগপৎ আন্দোলনে’ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। প্রথম দফায় বিএনপির পক্ষ থেকে বৈঠক হলেও এবার তারা বিএনপির সঙ্গে পাল্টা বৈঠকে বসবেন। যুগপৎ আন্দোলনের লক্ষ্য ও ভিত্তি কী হবে, আন্দোলনের ধরন কী হবে? বৈঠকে এসব চূড়ান্ত করা হবে। তবে এ বৈঠকের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন,‘যুগপৎ আন্দোলনের ভিত্তি নির্ধারণে গণতন্ত্র মঞ্চ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছে। কারণ, ক্ষমতাসীন সরকার আরেকটি ব্যর্থ ও অকার্যকর নির্বাচনের পাঁয়তারা করছে, যা দেশকে গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেবে। অথচ আরেকটা ব্যর্থ ও অকার্যকর নির্বাচনের দায় বহন করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়।’ তিনি বলেন, ‘অনানুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপি মতবিনিময়ে এগিয়ে এসেছে। এবার গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে মতবিনিময় শুরু করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাসদ ও গণফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। রাজপথে গণজাগরণের মধ্যে দিয়ে এই সরকারকে বিদায় করা হবে। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক, মানবিক, জবাবদিহিতার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। সরকার দেশের জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। রাজনৈতিক ঐতিহ্যকে ভুলে গিয়ে আওয়ামী লীগ একটা সন্ত্রাসী দলে পরিণত হয়েছে।’ ৮ আগস্ট (সোমবার) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র মঞ্চ’র আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে। গণতন্ত্র মঞ্চের দলগুলো হলো; জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, নাগরিক ঐক্য, গণঅধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। এই সাতটি দলের মধ্যে পাঁচটি দল বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলনের জন্য সংলাপে অংশ নিয়েছে। জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির শরিক হিসেবে ঐক্যফ্রন্টেও ছিল। গণতন্ত্র মঞ্চের ঘোষণা দিয়ে আ স ম আবদুর রব বলেছেন, গণতন্ত্র মঞ্চ হলো জনগণের সমস্ত অধিকার আদায়ের মঞ্চ। আজকে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। এই জোট নানা ইস্যুতে সরকার বিরোধি আন্দালনে মাঠে নামবে। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের বিরুদ্ধে সবর থেকে আত্মপ্রকাশ ঘটলেও গণতন্ত্র মঞ্চের কার্যক্রম এখন অনেকটা ধীরে চলো নীতিতে চলছে। যদিও সাতটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গড়ে উঠা নতুন এই রাজনৈতিক জোটের অধিকাংশ দলের নিবন্ধন নেই। তাই কর্মসূচির পাশাপাশি নিবন্ধন ইস্যুতে ব্যস্ত সময় কাটছে দলগুলোর। অবশ্য নিবন্ধন পাওয়ার বিষয়ে দলগুলোর নেতারা কোনো প্রকার নিশ্চিয়তা পাননি । আ স ম আবদুর রবের জেএসডি এবং সাইফুল হকের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ছাড়া কারো নিবন্ধন নেই। নাগরিক ঐক্যকে নিবন্ধন দিয়েও আবার বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন। জোনায়েদ সাকি নেতৃত্বাধীন গণসংহতি আন্দোলনকে নিবন্ধন দিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকলেও কমিশন সেটা তোয়াক্কা করেনি। ড. রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হকদের গণঅধিকার পরিষদও নিবন্ধনের জন্য গত রবিবার (৩০ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন বরাবর আবেদন করেছে। তবে দলটির নেতারা বলছেন; রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে যে সমস্ত ক্যাটাগরি/শর্ত থাকে সবকিছু পরিপূর্ণ করেই তারা অগ্রসর হয়েছেন। কিন্তু প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তারপরও নিবন্ধন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী সংশ্লিষ্টদলগুলোর নেতারা। নাম প্রকাশে অনিইচ্ছুক গণতন্ত্র মঞ্চের দায়িত্বশীল একজন নেতা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘আমরা মুখের কথায় যাই বলি না কেন; সরকারবিরোধী আন্দোলনে এককভাবে রাজপথে দাঁড়ানোর কোনো উপায় বা শক্তি নেই। তাই ইচ্ছা না থাকলেও আমাদেরকে আন্দোলনের জন্য বিএনপির দিকেই তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে। বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। বেশ কয়েকবার রাষ্ট্র পরিচালনায় ছিল। তাদের যতটুকু সক্ষমতা আছে গণতন্ত্র মঞ্চের সেটা নেই। জোটে টানতে সংসদে থাকা বিরোধীদল জাতীয় পার্টির সঙ্গেও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’ বাংলাদেশ জাসদ কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে দলটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান বলেন, বর্তমান সরকারের সীমাহীন লুটপাট-অর্থ পাচারের ফলে জনগণের যে নাভিশ্বাস উঠেছে, তার বিরুদ্ধে ঐক্য ও আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন তারা। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচন করার জন্য যে সমস্ত অবস্থা তৈরি করা দরকার আমার সেভাবেই কাজ করছি। শর্ত হচ্ছে-এই সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারবে না, এই নির্বাচন কমিশন থাকতে পারবে না, এই সংসদ বাতিল করতে হবে এবং ইভিএম চলবে না। এই কয়টা শর্তের কোনোটার সঙ্গে কোনো ছাড় নাই। আমরা প্রশাসনকে ঢেলে সাজাব, নির্বাচন করবার উপযুক্ত করব এবং দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমি বলব, গণতান্ত্রিক জনতার জয় হবেই হবে। বিএনপি বলেছিল ‘যুগপৎ আন্দোলনের’ রূপরেখা তৈরি করার জন্য সবার সঙ্গে বসবে। এর আগে তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা দেওয়ার কথা। সেটা এখনো ঘোষণা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গণতন্ত্র মঞ্চ সারাদেশে বিভাগীয় পর্যায়ে কর্মী সম্মেলন ও সুধী সমাবেশের কর্মসূচি শুরু করবে। নভেম্বর মাসেই তা শুরু হবে বলে একাধিক নেতা জানিয়েছেন। এ মুহূর্তে তাদের লক্ষ্য যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়ে সমমনা অন্য দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক বোঝাপড়া বাড়িয়ে তোলা এবং তাদের আন্দোলনে যুক্ত করে সরকারবিরোধী ঐক্যমঞ্চকে বিস্তৃত করা। গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি চলছে, একইসঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছি। বিএনপিসহ সরকারবিরোধী সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেই আমরা আলোচনা করব। সরকারবিরোধী আন্দোলনকে একটি যৌক্তিক অবস্থানে নিয়ে যেতে ভিত্তি তৈরিতেই আলোচনা করা হচ্ছে।’ এনএইচবি/এমএমএ/ বিভাগ : বিশেষ প্রতিবেদন তদন্তের প্রয়োজনে ড. ইউনুসকে ডাকা হয়েছে, আসা না আসা তার ব্যাপার :দুদক চেয়ারম্যান ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৭:৩৫ পিএম | আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ০২:২২ এএম দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেছেন, তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করেছেন তাই ডেকেছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনুস দুদকে আসবেন কি না, এটা তার ব্যাপার। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন দুদক চেয়ারম্যান। অর্থপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোবেলজয়ী ড. ইউনূসসহ ১৩ জনকে দুদকে তলব করা হয়েছে। আগামী ৪ ও ৫ অক্টোবর দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ চলবে। এদিন বিকেলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি কমিশনের কাজ নয়। মামলা হবে কি, হবে না এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে, এখন তদন্ত কর্মকর্তা ঠিক করবেন কাকে ডাকবেন তিনি। যাকে প্রয়োজন মনে করবেন তাকে ডাকবেন। তার নিজস্ব বিষয় এটা। তিনি আরও বলেন, তলবের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর জানতে পেরেছি আমি। তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করেছেন, তাই ডেকেছেন। তিনি আসলে ভালো, আর না আসলে সেটা তার ব্যাপার। এছাড়া ড. ইউনূসকে হয়রানি করা হচ্ছে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কেন হয়রানি করা হবে তাকে। শ্রমিকদের লভ্যাংশ আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে কারখানা পরিদপ্তর থেকে তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে তদন্ত করেছে দুদক এবং মামলা হয়েছে। আপনারা এটাকে কেন হয়রানি বলছেন? এর আগে ২০২২ সালের ২৩ জুলাই নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে দুদকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৬ সাল থেকে গ্রামীণ টেলিকমের বেশিরভাগ লেনদেনই সন্দেহজনক। শুধু তাই নয়, আইএলওতে দেয়া শ্রমিকদের অর্থপাচারের অভিযোগেরও তদন্ত চায় সংস্থাটি। আমেরিকার সঙ্গে আওয়ামী লীগের আপস হয়ে গেছে :ওবায়দুল কাদের ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:৪৯ পিএম | আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ০২:২৭ এএম আমেরিকার সঙ্গে আওয়ামী লীগের আপস হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, দিল্লি কিংবা আমেরিকারসহ সবার সঙ্গে আওয়ামী লীগের বন্ধুত্ব রয়েছে, কারও সঙ্গে শত্রুতা নেই। মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ নিষেধাজ্ঞা কিংবা ভিসা নীতির পরোয়া করে না, বিএনপি যতই ষড়যন্ত্র করুক বাংলাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচন হবেই হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনও চিন্তা নেই, এটা সঠিক সময় অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি কোনো কারণে ফাউল করলে লাল কার্ড। তারা আন্দোলনের হেরে গেছে, নির্বাচনেও হেরে যাবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়া ছাড়া ইলেকশনে না যাওয়ার হুমকি বিএনপি আর কত দেবে? বিএনপি খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন করবে না, এ কথা একেবারেই মিথ্যা। তাদের নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার জন্য একটি আন্দোলনও করতে পারলেন না। সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আবারও ক্ষমতায় গেলে দেশের সম্পদ চুরি, লুটপাট, ষড়যন্ত্র সন্ত্রাস করবে। গণতন্ত্রকেও গিলে খাবে। আবারও এই দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানাবে। তাদের নেতা কাপুরুষের মতো লন্ডনে পালিয়ে বেড়াচ্ছে কেন, সাহস থাকলে ঢাকায় আসুক। দেশের জনগণকে শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ছাড়া জনপ্রিয়, বিশ্বস্ত এবং সাহসী নেতা আর নেই। জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনার রাতের ঘুম হারাম। অবৈধ সরকারকে বিদায় করেই ঘরে ফিরব: বিএনপির আমির খসরু ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৪:৪৬ পিএম | আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৩, ০২:১৮ এএম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অবৈধ সরকারকে বিদায় করেই তার পর আমরা ঘরে ফিরব। মঙ্গলবার সকালে রাজবাড়ী সদর উপজেলার গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় ২ ঘণ্টাব্যাপী রোডমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন আমির খসরু মাহমুদ চৌদুরী। তিনি বলেন, মানবতার মা বেগম খালেদা জিয়া খুবই অসুস্থ। তাকে চিকিৎসা করা খুবই জরুরি কিন্তু সরকার নানান রকম দোহাই দিয়ে কালক্ষেপণ করছে। তিনি বলেন, একটি অবৈধ সরকার ক্ষমতা টেকানোর জন্যে একের পর এক অবৈধ কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ভয়, বেগম খালেদা জিয়া যদি দেশের বাইরে যান, তবে তাদের ক্ষমতাচ্যুত হতে হবে, তবে তারেক রহমান দেশে চলে আসবেন। বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধান বক্তা বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও ফরিদপুর বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক, জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও ফরিদপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক শাহাজাদা মিয়া,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন। অবৈধ সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্ত, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং একদফা আদায়ের লক্ষ্যে ফরিদপুর বিভাগীয় রোডমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
3bf2019131f59e897b7301bb11b650d4
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
2,214
fineweb_2_bn
2.236696
2
1.315133
1
সন্তানরা যাতে ভালো থাকে সুরক্ষিত থাকে তার জন্য সকল মায়েরাই চেষ্টা করেন। সন্তানদের সুখের জন্য নিজের জীবনকে উৎস্বর্গ করতে পিছুপা হননা কোনো মা। সন্তানদের প্রতি মায়ের ভালোবাসা বা কর্তব্য পরায়নতা যে শুধু মানুষের মধ্যেই আছে তেমনটা নয়। সন্তানদের রক্ষা করার জন্য প্রাণ উৎস্বর্গ করে দেয় পশু পাখিরাও। তারই প্রমাণ পাওয়া গেলো এই ভিডিও থেকে। সম্প্রতি সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে কিছু কাঠবেড়ালির ছানাদের ওপর হামলা করতে আসছে এক বিষধর সাপ। নিজের সন্তানদের বিপদের হাত থেকে বাঁচাতে নিজের জীবনের কোন পরোয়া না করে সাপের সামনে রুখে দাঁড়াচ্ছে মা কাঠবেড়ালি। ভিডিওটি সোসাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। নিজের সন্তানদের বাঁচাতে নিজের প্রাণ বিসর্জন দিতে যে মায়েরা কোনো সময় পিছুপা হাটে না তার জলজ্যান্ত প্রমান এই ভিডিও দেখেনিন আপনিও- Mother’s love is unlimited & never fades till the last breath ? That explains the strength of a squirrel mother in taking up a fight with the mighty Cobra to protect her babies.(Credit in the video) pic.twitter.com/P2Ya7bQIya — Susanta Nanda IFS (@susantananda3) March 11, 2020
0101a64288cd556f32c8e0e80bbcf2e2
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
279
fineweb_2_bn
1.98938
2
1.374943
1
আজকের ভ্রমণকাহিনী আগামীর ইতিহাসের উপকরণ ২২ অক্টোবর ২০২২, ওয়ার্ল্ড ট্রাভেলার্স ক্লাব, গুলশানে মাহমুদ হাফিজ সম্পাদিত 'ভ্রমণগদ্য' প্রকাশনা অনুষ্ঠানের বক্তব্য আমাদের সব লেখাই আসলে একটি ভ্রমণকাহিনী আমরা লেখায়, রেখায়, সুরে বা তালে যা কিছুই প্রকাশ করি না কেন, আসলে সবটাই আমরা আমাদের দেখা আর জানার জগত থেকে নেয়া। প্রকৃতির রং-রস বা অবয়ব দেখে দেখে আমরা তা অনুকরণ করে করে নিজের মতো প্রকাশ করি। যে যতো ছন্দোবদ্ধভাবে তার প্রকাশ ঘটাতে পারে সে ততো বড় শিল্পী। এই প্রকাশ ঘটানোর কাজ সবচেয়ে বেশি করে আমাদের ঘর থেকে ‘দুই পা ফেলিয়া’ একটি ধানের শিষের উপর একটি চমৎকার শিশির বিন্দুকে দেখে। যেদিন থেকে মানুষ এই সুন্দরকে পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছিলো, সেদিন সে পর্যটকে পরিণত হয়ে যায়। আর তার পর শুরু হয় ‘দেবে আর নেবে মিলাবে মিলিবের যাত্রা’। আর এই দীর্ঘ যাত্রা পথে , একটা অনন্তপথের দিকে একমুখি ট্রেনের মতো মানুষের এই চলাচল কালে ঘাটে-ঘাটে, স্টেশনে–বন্দরে নানা মানুষ, নানা রূপ, নানা রঙ দেখে যা অর্জন করলো তা-ই কখনো কাব্যে, কখনো গদ্যে তার প্রকাশ ঘটায়। এই পুরোটাই আসলে তাঁর একজীবনের ভ্রমণকাহিনীর খণ্ড খণ্ড উপস্থাপনা। ভ্রমণকাহিনী যখন ইতিহাসের নিয়ামক ইতিহাসের জনক বলে পরিচিত গ্রিক দার্শনিক হেরোডিটাস ছিলেন প্রথমে একজন পর্যটকই ছিলেন। তাঁর বড় পর্যটন ছিলো মিশর নিয়ে। দেশে ফিরে গিয়ে তিনি যে ভ্রমণকাহিনী লিখেছিলেন এটা পরবর্তি দুই হাজার বছর পর্যন্ত ইতিহাসের ছাত্রদের মুখস্ত করার বিষয় ছিল। সেই ভ্রমণকাহিনীকারের এতোই ক্ষমতা ছিলো যে মিশর সফর শেষে দেশে ফিরে সব কিছুর নামকরণ তাঁর নিজের মতো করলেন। এর পর থেকে এই মিশরকে আর মিশর নাম কেউ চিনলো না, এর নাম হয়ে গেলো ইজিপ্ট। এমনকি ত্রিভুজাকারের সমাধী সৌধকে ফেরাউনেরা কী নামে ডাকতো আমরা আর জানিনা, হিরোডিটাসের দেয়া নাম পিরামিড, স্ফিংক্স, অবেলিস্ক, লুক্সর এসব নাম গোটা বিশ্বতো বটেই, খোদ মিশরীয়দেরও গ্রহণ করতে আপত্তি ছিলো না। ভ্রমণকাহিনীর এমনই ক্ষমতা। ইবনে বতুতা নামক মরোক্কীয় এক পর্যটক ২১ বছর বয়য়ে পায়ে হেঁটে মক্কা–মদীনা যাবার নাম করে ঘর থেকে বেরিয়ে পরবর্তি ৩০ বছরে ৪০টি দেশ ভ্রমণ করে বিশ্ব পর্যটকের খাতায় নাম লিখিয়েছিলেন। ইবনে বতুতা কিন্তু ভ্রমণকাহিনী লিখেন নি। তিনি সম্ববত লেখা পড়া জানতেন না । ৪০টি দেশ সফর করে নিজ দেশ মরোক্কোতে ফেরার পর মরোক্কোর সুলতান তার ভ্রমণকাহিনীর বর্ণনা লিপিবদ্ধ করার জন্য একজন কবিকে নিয়োগ করেন। সেটাই আমরা এখন পড়ি। আর এই ভ্রমণগদ্য প্রকাশ হয়েছিলো বলেই আমরা চতুর্দশ শতকের পৃথিবীর একটা বড় অঞ্চলের ইতিহাস জানি। তাঁর ভ্রমণ অভিজ্ঞতার রেফারেন্সে আমরা পাই তুর্কিতে রোমান সাম্রাজ্য হটিয়ে সুলতানী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। এমনকি আমাদের সিলেটের হজরত শাহ জালালের জীবনকালের ধারনাটি কিন্তু আমরা কেববলমাত্র এই পর্যটকের কাছ থেকে পাওয়া স্মৃতিকথার মধ্যে পাই। এ ভাবে সে সময়ের মার্কোপোলা বা এর পরের ভাস্কো দা গামা, কলম্বাস এক–একটা অজানা জায়গার কথা মানুষের কাছে প্রকাশ করে মানুষকে এই অপার বৈচিত্রের পৃথিবীর কথা জানিয়েছেন। এর পর থেকেই মানুষ ক্রমশ ঘর ছাড়া হওয়া শুরু করে । ইবনে বতুতাকে ৪০টি দেশ দেখার জন্য টানা ৩০ বছর সময় দিতে হয়েছিল। এখন ৫-৭ বছরে বাংলাদেশের কেউ কেউ দেড়শোটার মতো দেশ দেখে ফেলেছেন, এমন নজীরও আছে। আগের দিনের পর্যটকেরা ভ্রমণ কাহিনীর নামে যা লিখেছিলেন, এখনকার সময়ের পর্যটকের কাছে সেটা হচ্ছে ঐতিহ্যের অনুসন্ধান ভ্রমণকাহিনীতে কাল্পনিক চরিত্র যারা কল্পচরিত্র তৈরিতে ওস্তাদ, এঁদের আত্মজৈবনিক লেখাগুলো সুখপাঠ্য হয় বেশি, কিন্তু এতে বিশ্বাসযোগ্যতা থাকে না। আপনি যা যা দেখে এসেছেন এবং যা যা করে এসেছেন বলে লিখলেন, আপনার পাঠক তার সবটুকুই কিন্তু বিশ্বাস করে ফেললো। গল্পের একটা কাঠামো আছে। সেখানে কাহিনী বিস্তৃত হবার পরেই একটা জটিলতা তৈরী করা হয়। এই জটিলতা কী করে ধীরে ধীরে ভাঙছে গল্পকার তা রসিয়ে রসিয়ে করেন, পাঠকও তা উপভোগ করে। তো ভ্রমণকালেও নানা রকমের জটিলতা তৈরি হতে পারে, এটা ভ্রমনেরই অংশ। কিন্তু এই বিষয়টা কতোটুকু সততার সাথে উপস্থাপনা করবেন একজন ভ্রমণলেখক, সেটা তাঁর নিজস্ব সততার উপর নির্ভর করে। মুজতবা আলী এক পাঠান বাবুর্চির হাতের আঙ্গুলের বর্ণনা দিতে গিয়ে লিখেছিলেন, “দুখানা হাত হাঁটু পর্যন্ত নেমে এসে আঙুলগুলো দু কাঁদি মর্তমান কলা হয়ে ঝুলছে। পা দুখানা ডিঙি নৌকার সাইজ। কাঁধ দেখে মনে হল, আমার বাবুর্চি আবদুর রহমান না হয়ে সে যদি আমীর আবদুর রহমান হত তবে অনায়াসে গোটা আফগানিস্থানের ভার বইতে পারত। এ কান ও কান জোড়া মুখ- হ্যাঁ করলে চওড়াচওড়ি কলা গিলতে পারে। এবড়ো-থেবড়ো নাক-কপাল নেই। পাগড়ি থাকায় মাথার আকার-প্রকার ঠাহর হল না, তবে আন্দাজ করলুম বেবি সাইজের হ্যাটও কান অবধি পৌঁছবে। রঙ ফর্সা, তবে শীতে গ্রীষ্মে চামড়া চিরে ফেঁড়ে গিয়ে আফগানিস্থানের রিলিফ ম্যাপের চেহারা ধরেছে। দুই গাল কে যেন থাবড়া মেরে লাল করে দিয়েছে- কিন্তু কার এমন বুকেট পাটা? রুজও তো মাখবার কথা নয়।“ এখানে কিন্তু দৈহিক শারীরিক বর্ণনার মধ্যে কাব্যময় অনেক উপমার ব্যবহার আছে যা পাঠকেরা মজার সাথে লুফে নিয়েছিল। আমি একজন খ্যাতিমান কল্পলেখককে কথা জানি। তিনি খুব সুন্দর করে বানিয়ে কাহিনী লিখতে পারতেন। একবার তাঁর এক ভ্রমণকাহিনী পড়ে আমি খুবই মজা পেলাম। কিছুদিন পরে তাঁর সেই সহভ্রামণিকের সাথে আমার দেখা হলে আমি জানতে চাই, ঘটনাটা আসলে কী ছিল। তিনি জানান, এ রকম কোন ঘটনাই ঘটে নাই। যে দিনের গল্প লেখা আছে সেদিন তিনি ঐ জায়গায়ও যাননি। ভ্রমণকাহিনী কখন লিখবো ? ভ্রমণকাহিনী ভ্রমনের সাথে সাথেই লিখে ফেলা ভালো। তাঁতে মনে থাকে অনেক। ইবনে বতুতার ভ্রমণকাহিনী লেখা হয় তাঁর প্রথম ভ্রমণের ৩০ বছর পর, তাও ৬ শ’ বছর আগে যখন মানুষের কাছে তথ্য রাখার ভালো ব্যবস্থা ছিলো না। সে কাহিনীর সবটুকুই আমরা সত্য বলেই জানি। কিন্তু আসলে তা কতটুকু ছিলো সেটা বলা মুশকিল। আমাদের বাংলা ভাষার প্রথম ভ্রমণকাহিনী লিখেছিলেন বঙ্কিমের বড় ভাই সঞ্জীব চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তরুন বয়সে এই ভ্রমণ করার পর তাঁর নিজের ভাষায়- বৃদ্ধ বয়সের বকবকানী করার মতো তিনি লিখেছিলেন। ১৮৮০ থেকে পরবর্তি ২ বছর ৬ কিস্তিতে এই লেখা ছাপা হয়েছিল একটি সাহিত্য পত্রিকায়। বাঙ্গালীদের আরেক প্রিয় ভ্রমণ লেখক সৈয়দ মুজতবা আলীর সেই বিখ্যাত দেশে বিদেশে তিনি প্রকাশ করেছিলেন, ১৯৪৮ সালে, অথচ কাবুলে তাঁর সেই সফর ছিলো আরো কুড়ি বছর আগের। এ দিক থাকে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন আলাদা। রোজনামচার মতো জাহাজে বসে বসেই তিনি জাপান, ইউরোপ, বা ইস্ফাহানের কাহিনী লিখে গিয়েছিলেন। এ কারণে রবীন্দ্রনাথের লেখা ভ্রমণকাহিনী পড়ার সময়ই মনে হয় এক অঞ্চলের বস্তুনিষ্ঠ পাঠ আমরা পাচ্ছি। আজকের এই ভ্রমণগদ্য আগামীর ইতিহাসের অংশ আমাদের এই নতুন সহস্রাব্দে এসে আমাদের ভ্রমণকাহিনী উপস্থাপনার মাধ্যম বদল হয়ে গেছে। সত্তর দশকের আগে প্রকাশ হয়েছে এমন কোন ভ্রমণকাহিনী আমার দেখা হয় নাই, যেখানে লেখার সাথে ছবির সংযুক্তি আছে। রঙ্গিন ফিল্ম চলে আসার কারনে গত শতকের আশির দশক থেকে ট্র্যাভেল ফটোগ্রাফির একটা অনুষঙ্গ চলে আসে। পৃষ্টার পর পৃষ্ঠা লিখে আমি যা জানাতে চাই, একটি আলোকচিত্র দিয়ে তাঁর থেকে সহজে ভ্রমণ বৃত্তান্ত বোঝানো সম্ভব হয়। এরপর ছোট আকারের ডিজিট্যাল ভিডিও ক্যামেরা বাজারে চলে আসার পর ভ্রমণকাহিনী প্রকাশের ফরমেটের আমূল পরিবর্তন হয়, যার ফল স্বরূপ আমরা এখন মুঠোর ভেতর পেয়ে যাই ইউ টিউবে নানা রকমের ট্র্যাভেল ব্লগ। শুধু তাই না, ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে আমি চাইলেই এখন এই গুলশানে বসে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের যে কোন অবস্থানের এই মুহূর্তের জীবন্ত চিত্র দেখতে পাবো। আলাদা রূপ, আলাদা রস একজন ব্লগার যখন তাঁর একটা ট্র্যাভেল স্টোরি দেখান, তখন কিন্তু তিনি নিজেই একা একা সফর করেন। অথচ একজন ভ্রমণগদ্যকারের স্বাধীনতা ও সুযোগ আছে তাঁর পাঠককে তাঁর সাথে নিয়ে সফর করানো। আজকের যুগে, এই গুগল আর উইকিপিডিয়ার কল্যাণে তথ্য জানার জন্য ভ্রমণকাহিনী কারো পড়া দরকার নাই। পার্থেননের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর স্থম্ভের সংখ্যা কিংবা ষাট গম্বুজ মসজিদে আসলে কয়টা গম্বুজ এই তথ্য জানার জন্য ভ্রমণকাহিনী আজ আর কেউ পড়বে না। যেটা পড়বে সেটা হচ্ছে সেই ভ্রামণিকের পর্যবেক্ষণটুকু। এবং এখানেই ভ্রমণগদ্যের সার্থকতা। একই স্থানের তথ্য ১০০ জনকে দিয়ে লেখালে একই রকমের তথ্য পাওয়া যাবে, কিন্তু ১০০ পর্যটক যদি তাঁদের প্রত্যেকের পার্স্পেক্টিভ থেকে একটি জায়গার বর্ণনা দেন, তাহলে আমরা ১০০টি ভিন্ন রকমের বর্ণনা পেতে পারি। এমনকি একই জায়গায় দ্বিতীয়বার সফর করে যে ভ্রমণগদ্য লেখা হবে তা আগেরটার চেয়ে আলাদা। এসব কথা গ্রিক দার্শনিক হিরাক্লিটাস বলে গেছেন আড়াই হাজার বছর আগে। তিনি বলেছিলেন, যে একই মানুষ কখনো দুইবার একই নদীতে স্নান করে না। প্রতিবারই নদীটা এবং মানুষ দুজনই আলাদা আলাদা থাকে। হাজার বছর ধরে আগেই বলেছিলাম যে, আমাদের সব লেখাই আমাদের আত্মজৈবনিক, সব লেখাই আমাদের নানা ভাবে দেখা, পৃথিবীর পথে হাজার বছর ধরে পথ হাটা নাবিকের বিচিত্র ভ্রমণেরই গল্প। সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে ঘুরে ঘুরে বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে যিনি এক বনলতার সন্ধান পেয়েছিলেন, তিনি কিন্তু প্রেমের পদ্যের নামে এটা একটা ভ্রমণকাহিনীই লিখেছিলেন। আজকের এই ভ্রমণগদ্যের এই সংখ্যাগুলো থরে থরে সঞ্চিত হয়ে থাকবে আগামীর পাঠকের জন্য, এই কামনা।
93acc5fa8a16549f2ef5cb1d5feaa401
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
1,780
fineweb_2_bn
3.543972
4
1.035468
1
চাটমোহর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ের তালা কাটা হলো ৩ বছর পর ছবি: সময়বিডি.কম পাবনা: টাকার মেশিন খ্যাত পাবনার চাটমোহর সরকারি কলেজের বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমানের বন্ধ কার্যালয় দীর্ঘ প্রায় তিন বছর চার মাস পর খোলা হয়েছে। সোমবার (৮ মে) দুপুর ২টার দিকে কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আঃ মজিদ, চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ মহল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মগরেব আলী, অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ গোলাম মোস্তফা, থানার উপ-পরিদর্শক মশিউর রহমান ও স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে মিস্ত্রি ডেকে এনে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের তালা কেটে দরজা খোলা হয়। এ সময় অধ্যক্ষের কক্ষে রক্ষিত কম্পিউটার, টেলিভিশন, এসি-সহ অন্যান্য জিনিসপত্র ও কাগজপত্রাদির সিজার লিস্টও করা হয়। কলেজটি সরকারিকরণ হওয়ার আগে ২০১১ সালের ১৬ জুলাই যথাযথ অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান মিজানুর রহমান। অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে তিনি শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, দূর্নীতি ও নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। টেম্পারিং করে জনবল কাঠামোর অতিরিক্ত ২১ জন শিক্ষককে নিয়োগ দিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কয়েক বছরে শূণ্য থেকে কোটিপতি হয়ে যান তিনি। এসব নিয়ে শিক্ষকদের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরে শিক্ষকরা ক্লাস বর্জন করেন। অধ্যক্ষ মিজানুর রহমানের অপসারণ দাবীতে উত্তাল হয় চাটমোহর। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট থেকে কলেজটি সরকারিকরণের ঘোষণা হয়। এর পর ২৭ আগস্ট গভর্নিংবডি বিলুপ্ত হলে সেই থেকে কলেজ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে আসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। মামলা, পাল্টা মামলা, তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সহায়তা না করে নানা ভাবে হয়রানি করতে থাকেন এই অধ্যক্ষ। অনিয়ম ও দূর্নিতির মামলায় ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি জেল হাজতে যেতে হয় এই অধ্যক্ষকে। তিন বছরেরও বেশি সময় আগে অধ্যক্ষ তার কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে কলেজ থেকে চলে যান। তার পর থেকে তালাবদ্ধ ছিল অধ্যক্ষের এই কক্ষটি। কক্ষটি তালাবদ্ধ থাকায় সকল শিক্ষকের জাতীয়করণ ও আত্মীকরণসহ কলেজের কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমতাবস্থায় ৮ মে সকালে কলেজের শিক্ষকররা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ মহলের সাথে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক সভা করেন। যেহেতু কক্ষটি বন্ধ থাকায় শিক্ষক কর্মচারীদের জাতীয়করণ ও আত্মীকরণ ব্যাহত হচ্ছে সেহেতু সকল শিক্ষক কর্মচারী তালা ভেঙে ফেলে কক্ষটি খোলার পক্ষে মতামত দেন। তারা প্রত্যেকে একটি সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করেন যেখানে উল্লেখ করা হয়, তালা খোলার কারণে কোন জটিলতা বা আইনি সমস্যা হলে তারা তা মোকাবেলা করবেন। এর পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকতাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও শিক্ষক কর্মচারী কলেজে গিয়ে তালা কেটে দরজা খোলেন। দীর্ঘদিন পর তালা খোলা হলে উচ্ছসিত হন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ মহল জানান, মামলাসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে কলেজটির অধ্যক্ষ প্রায় ৩ বছর পূর্বে তার কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে চলে যান। সেখানে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল। কলেজটি সরকারিকরণ করা হলেও শিক্ষকদের জাতীয়করণ ও আত্মীকরণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে এবং সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের সিদ্ধান্তে অধ্যক্ষের বন্ধ থাকা কক্ষের তালা কেটে কক্ষটি খোলা হলো। মে ৮, ২০২৩ সালাউদ্দীন কাজল/এবি/
32b35eeedcecdc49f6f29b39b767b468
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
552
fineweb_2_bn
1.588242
2
2.107596
2
হাতে গোনা আর কয়েকদিন, তারপরই পেশ করা হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এটাই শেষ বাজেট। ফলে এবারের বাজেটে সরকার যে বিশেষ গুরুত্ব দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, এবারেরবাজেটে সুখবর রয়েছে সাধারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য। কেন্দ্রীয় সরকার স্বাস্থ্য় ক্ষেত্রে বড় ঘোষণা করতে পারে। জানা গিয়েছে, এবারের বাজেটে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় আর্থিক কভারেজ বাড়ানো হতে পারে। এতে শুধুমাত্র গরিব মানুষেরাই নন, মধ্যবিত্ত শ্রেণিও উপকৃত হবেন। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল হেলথ অথারিটির তরফে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়ানোর আর্জি জানানো হয়েছে। ন্যাশনাল হেলথ অথারিটির তরফে জানানো হয়েছে, গরিব মানুষরা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পেলেও, মধ্যবিত্ত শ্রেণির একটি বড় অংশেরই স্বাস্থ্যবিমা করা নেই। মধ্যবিত্ত শ্রেণিও যাতে কম খরচে যথাযথ চিকিৎসার সুযোগ পান, তার জন্যই কেন্দ্রের কাছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের বরাদ্দ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর মোদীর আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে দেশের নানা প্রান্তে হাসপাতাল তৈরির জন্য মোটা টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রতিটি হাসপাতাল অত্যাধুনিক। কিন্তু তৈরি হওয়ার পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েক মাস। তৈরি হওয়া হাসপাতালের এক তৃতীয়াংশ রোগী শূন্য। এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট দিয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন। সব থেকে বেশি হাসপাতাল তৈরির বরাত দেওয়া হয়েছিল গুজরাতকে। মোদীর গুজরাতে তৈরি করা হয় ২,৫৫২টি হাসপাতাল। দ্বিতীয়স্থানে তামিলনাড়ু। ওই রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে তৈরি করা হয় ১,৮৮১ টি হাসপাতাল। অন্ধপ্রদেশের এই প্রকল্পে তৈরি হওয়া হাসপাতালের সংখ্যা ১,২৯৫। রাজস্থান, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, মধ্যপ্রদেশ এবং পঞ্জাবে এই প্রকল্পে তৈরি হওয়া হাসপাতালের সংখ্যা যথাক্রমে ৬৫৮, ৪২১, ২৩৮, ১৯৭, ১৫৪, ১০৯। আর এই কটি রাজ্যে এই প্রকল্পে মোট সাড়ে সাত হাজার হাসপাতাল তৈরির কথা ছিল। বরাদ্দও করা হয়েছিল অর্থ। সেই অর্থ খরচ করা হয়েছে, না রাজ্য কোষাগারে, তা নিয়ে সুষ্পষ্ট তথ্য নেই।
aad82f6a9c17340690c43a536d609260
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
361
fineweb_2_bn
2.479251
2
0.936568
1
অনুব্রত মণ্ডলকে এখনও ইডি নয়াদিল্লিতে নিয়ে যেতে পারেনি। সেটা করতে এবার নতুন করে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। আজ, সোমবার নয়াদিল্লিতে তলব করা হয়েছে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে। এমনকী আজই ইডির সদর দফতরে তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এই ব্যবসায়ী সঞ্জীব মজুমদারকে আগে রতনকুঠিতে সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সিবিআই অফিসারররা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। তাহলে হঠাৎ ইডির তলব কেন? ইডি সূত্রে খবর, বীরভূমের একটি চালকলের মালিক সঞ্জীব মজুমদার। আর এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে অনুব্রত যোগ স্পষ্ট মিলেছে। তাই আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে ইডি অফিসাররা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান। এখন জেলে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বেশ কিছু টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছিলেন এই সঞ্জীব। এবার তা নিয়েই তদন্তকারীরা কথা বলতে চান। কেন তিনি অনুব্রতর অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেছিলেন? এটাই মূল প্রশ্ন। আর কী জানা যাচ্ছে? গরু পাচার মামলা প্রথমে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তারপর অনুব্রত মণ্ডলকে জেরাও করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি আসানসোল জেলে গিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। আর ইডিও ‘শোন অ্যারেস্ট’ করেছে তাঁকে। ইডি চায় অনুব্রতকে নয়াদিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে। তাই নয়াদিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে মামলা করেছে ইডি। পাল্টা সেই আদালতের দরজায় কড়া নেড়েছেন অনুব্রত মণ্ডলও। এখন দেখার জল কতদূর গড়ায়। উল্লেখ্য, আগামী ১ ডিসেম্বর ওই মামলার শুনানি রয়েছে। এখন নয়াদিল্লির তিহাড় জেলে রয়েছেন এনামুল হক, সায়গল হোসেন। অনুব্রতকে এখানে নিয়ে এসে সায়গলের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। সেটা আদালত অনুমতি দিলেই সম্ভব। যদিও অনুব্রতর পাল্টা মামলায় আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। ইডি মানি লন্ডারিং অ্যাক্টে তদন্ত শুরু করেছে। গরু পাচার মামলায় প্রচুর টাকার লেনদেন হয়েছে বলে মনে করছেন ইডির অফিসাররা।
2ef76efa7b9d71707bf83b6537cf1cb3
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
328
fineweb_2_bn
0.9614
1
1.087084
1
দিন দিন যেন দেশে সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ বাড়ছে। সমাজে দেখতে পাই মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং উপাসনালয়ে হামলা হতে। ভেঙে দেয়া হয় মন্দির। নতুন খবর হচ্ছে, অপরাধ করছি, ক্ষমা করে দিও। ঠিক এই বজরঙ্গবলীর পায়ে প্রণাম করে মূর্তির সামনে থাকা প্রণামী বাক্স নিয়ে চম্পট দিলো চোর! পুরো ঘটনাটি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। ঘটনাটি ঠাণের। সিসিটিভিতে চোরের কর্ম দেখে পুলিশও হেসে অস্থির। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঠাণের নপাড়া এলাকায় একটি হনুমান মন্দিরে এই সপ্তাহের শুরুর দিকে চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মাস্ক পরে চোর মন্দিরে ঢুকে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত। মাঝেমধ্যেই এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। আশপাশে কেউ আছে কি না ভালো করে কয়েক বার দেখে নিয়ে ফোনটা পকেটে ঢুকিয়ে রাখে সে। তারপর ধীর পায়ে হনুমানের মুর্তির দিকে এগিয়ে যায় সে। মূর্তির পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে। তারপর প্রণামী বাকসো দুই হাতে তুলে নিয়ে মন্দির থেকে দ্রুত বেরইয়ে যায় সে। প্রণামী বাকসো চুরি হওয়ায় হুলস্থুল পড়ে যায়। পুরোহিত মহাববীরদাস মহারাজ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। চোরের কর্মকাণ্ড দেখে তারা হতবাক হয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।
e89583daf1e48a10df034721e9b32d72
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
228
fineweb_2_bn
1.642227
2
2.009794
2
বিশ্বজমিন কৌশলগত স্বার্থকে প্রাধান্য, ভিয়েতনাম ও ভারতের মানবাধিকার পরিস্থিতি পাশ কাটিয়ে গেলেন বাইডেন মানবজমিন ডেস্ক (৩ সপ্তাহ আগে) ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, মঙ্গলবার, ৯:০৯ অপরাহ্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ভিয়েতনাম সফরের সময় হোয়াইট হাউসের ফ্যাক্ট শিটে ২ হাজার ৬০০ টিরও বেশি শব্দ ছিল। কিন্তু এরমধ্যে মানবাধিকার অংশে ছিল মাত্র ১১২টি শব্দ! ব্যবসায়িক এবং কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে বাইডেনের সাম্প্রতিক ভারত ও ভিয়েতনাম সফরকে বেশ সফল বলেই মনে হবে। কারণ, চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করবে বাইডেনের এই সফর। কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনগুলো বাইডেনের এই সফর নিয়ে বেশ হতাশ। কারণ ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় বাইডেন মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। হ্যানয়ে জো বাইডেন জানান, যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনামের সঙ্গে থাকা সম্পর্ককে এখন বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করতে চায়। এছাড়া ক্লাউড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যেকার সহযোগিতাকে আরও গভীর করতে চায় তারা। হোয়াইট হাউস আরও জানিয়েছে, ভিয়েতনাম এয়ারলাইনস ৫০টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স জেট কিনতে যাচ্ছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ৭.৮ বিলিয়ন ডলারের বড় চুক্তিও হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছে যে, মানবাধিকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগের এমন অভাব ভিয়েতনাম এবং ভারতের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির জন্য বাঁধা হতে পারে। পাশাপাশি, কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও খারাপও করতে পারে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এশিয়া অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর ক্যারোলিন ন্যাশ বলেন, বাইডেন প্রশাসন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে বিবেচনা করা সরকারগুলোর সাথে সম্পর্কের অগ্রগতির স্বার্থে মানবাধিকারকে স্পষ্টভাবে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি অভিযোগ করেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির সমর্থকরা সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তু করছে। এদিকে একই ধরনের অভিযোগ আছে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধেও। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ভিয়েতনামে অন্তত ১৫৯ জন রাজনৈতিক বন্দী রয়েছেন। শান্তিপূর্ণভাবে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চর্চার জন্য মানুষদের বন্দি করা হচ্ছে। ভিয়েতনামে সাংবাদিকরা বাইডেনকে প্রশ্ন করেছে যে, তিনি মার্কিন স্বার্থকে মানবাধিকারের উপরে স্থান দিয়েছেন কিনা। এর উত্তরে বাইডেন বলেন, আমি যত জনের সঙ্গেই দেখা করেছি, মানবাধিকার প্রসঙ্গ তুলেছি। কিন্তু ন্যাশ ও জন সিফটন মনে করেন গোপন আলোচনায় মানবাধিকার প্রসঙ্গ তোলা যথেষ্ট নয়। সিফটন বলেন, মানবাধিকার নিশ্চিতের চাপ দেয়ার মধ্য দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী সরকারের সাথে সম্পর্ক উন্নত করা অত্যন্ত কঠিন। সরকারগুলোর জানা প্রয়োজন যে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করলে তার একটি পরিণতি আছে। উল্লেখ্য, জুন মাসে বাইডেনের সাথে একটি সংবাদ সম্মেলনের সময় মোদি তার সরকারের অধীনে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের কথা অস্বীকার করেন। ভিয়েতনামের সরকারও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বাইডেন ভারতে থাকাকালীন মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলি প্রকাশ্যে উত্থাপন করেননি। যদিও তিনি হ্যানয়ে প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলেন যে, তিনি মোদির সাথে তার আলোচনায় মানবাধিকার এবং মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সম্মান করার গুরুত্ব উত্থাপন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কো-অর্ডিনেটর কার্ট ক্যাম্পবেল বলেন, বাইডেন এ জাতীয় বিষয়গুলি একান্ত আলোচনাতেই উত্থাপন করতে পছন্দ করেন। ক্যাম্পবেল বলেন, ভারত মানবাধিকার নিয়ে অগ্রগতিতে কাজ করছে। এখানে আমাদের জন্য মূল বিষয় হল তার সঙ্গে একটি সম্মানজনক সংলাপ বজায় রাখা। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন-ভিয়েতনাম আলোচনায় মানবাধিকার প্রসঙ্গে ‘অর্থপূর্ণ সংলাপ’ হয়েছে। ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মারে হাইবার্ট বলেছেন, ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান এনগুয়েন ফু ট্রং যখন বাইডেনের সাথে তার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন, তখন সঙ্গে ছিলেন তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ভিয়েতনামের নিরাপত্তামন্ত্রী টো লাম। এই টো লাম ভিয়েতনামের ভিন্নমতাবলম্বীদের উপর দমন-পীড়নের জন্য দায়ী। র্যান্ড কর্পোরেশনের আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞ ডেরেক গ্রসম্যান বলেন, চীনকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে ভারত এবং ভিয়েতনামকে যুক্ত করতে বাইডেন এই দেশ দুটিকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে বাইডেন প্রশাসনের মধ্যে মানবাধিকারের আলোচনাকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এতে করে সৌদি আরবের মতো দেশগুলো কোনো আশঙ্কা ছাড়াই আগের মতো ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারছে। মন্তব্য করুন বিশ্বজমিন থেকে আরও পড়ুন বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত পিটার হাসের নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়/ কূটনীতিকদের নিরাপত্তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, প্রয়োজনে আরো নিষেধাজ্ঞা অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ১৫ এমপির চিঠি/ বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান ব্রিফিংয়ে ম্যাথিউ মিলার/ আমরা চাই বাংলাদেশে নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয় জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ এবং মিডিয়া প্রিন্টার্স ১৪৯-১৫০ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ থেকে মাহবুবা চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত। ফোন : ৫৫০-১১৭১০-৩ ফ্যাক্স : ৮১২৮৩১৩, ৫৫০১৩৪০০ ই-মেইল: [email protected]
abc0818996c588f9ddc599cf0b9c1d0c
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
843
fineweb_2_bn
2.535199
3
1.563642
2
অপহরণের ঘটনায় ঢাকা কলেজের ২ ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে - Update Time : ০১:৩৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩ - / ৩২ Time View চাঁদা না পাওয়ায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাকে অপহরণের অভিযোগে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মে) রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার তাদেরকে আদালতে পাঠিয়ে তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। তারা হলেন জনি হাসান ও এস এম শফিক। নিউ মার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল গনি সাবু বলেন, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তাকে অপহরণের মামলায় ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে পাঠালে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা কলেজের নর্থ হলের ১২০ নম্বরে রুমে এই ঘটনা ঘটে। গতকাল শুক্রবার রাতে নিউমার্কেট থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলার পর ঢাকা কলেজের হল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার আসামিরা সবাই ঢাকা কলেজের ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সবাই নর্থ হলের আবাসিক ছাত্র। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অয়ন সিগমাইন্ড নামের সিসি ক্যামেরা স্থাপনের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কোয়ালিটি কন্ট্রোলার হিসেবে কাজ করেন ভুক্তভোগী মো. মেহেদী হাসান। অভিযুক্তরা ঢাকা কলেজের ছাত্র পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি করেন। বেশ কিছুদিন থেকে ভুক্তভোগী মেহেদীর কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন তারা৷ কিন্তু তা না দেয়ায় গত ২৫ মে সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলা ব্রিজ এলাকা থেকে তারা প্রতিষ্ঠানটির লাগানো সিসি ক্যামেরাসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি খুলে নিয়ে যান। রাতে সিয়াম ও রমজান মেহেদীকে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং খুলে নিয়ে আসা ক্যামেরা ফেরত পেতে হলে তাদেরকে ঢাকা কলেজে যেতে বলেন। পরে তৌকির নামে এক কর্মচারীকে ঢাকা কলেজে পাঠান মেহেদী। এ সময় তৌকিরকে জিম্মি করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অভিযুক্তরা। এমনকি টাকা না পেলে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়া হয়৷ পরে ভুক্তভেগী মেহেদী ঢাকা কলেজের উত্তর ছাত্রাবাসে এলে তাকেও জিম্মি করা হয়। মেহেদী ও তৌকিরকে হলে আটকে রেখে নির্যাতন করেন তারা। এ সময় তাদের কাছে থাকা টাকা ও এটিএম কার্ড ছিনিয়ে নেন আসামিরা৷ রাতে মারধর করে তৌকিরকে ছেড়ে দিলেও মেহেদীকে রাতভর নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের কারণে মেহেদী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে নিউ মার্কেটের গাউছিয়া মোড়ে ফেলে রেখে যান তারা। খবর পেয়ে নিউ মার্কেট থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেহেদী জনি হাসান ও এস এম শফিকসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় নাম থাকা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ছাত্রলীগে অপরাধীদের স্থান নেই। গ্রেপ্তার হওয়া ওই দুইজন ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন ছাত্রলীগ কর্মী মো. গোলাপ হোসেন, মোহেরাব হোসেন সিয়াম, অর্ণব, মো. রমজান, গোপাল, রাব্বী তালুকদার, মো. বেল্লাল হোসেন, তারিফ, সালমান, মো. রায়হান, মাসুম, ফাহিম ও শাহীন।
e8e1e2c556abb32462c2991369ef8901
https://huggingface.co/datasets/HuggingFaceFW/fineweb-2
557
fineweb_2_bn
1.022519
1
3.032687
3