Bangladeshi-Multipurpose-Dataset / C11_Crime_Law_Legal_System.csv
ShayonSarker's picture
Upload C11_Crime_Law_Legal_System.csv with huggingface_hub
b022dc2 verified
Raw
History Blame Contribute Delete
11.1 kB
C11,Crime_Law,Legal_System,মায়া অ্যাঞ্জেলো,"মায়া অ্যাঞ্জেলো ( (); মার্গারেট অ্যানি জনসন; ৪ এপ্রিল ১৯২৮ - ২৮ মে ২০১৪) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি, সঙ্গীত শিল্পী, আত্মজীবনী লেখিকা এবং নাগরিক অধিকার আন্দোলনের একজন কর্মী। তিনি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সাতটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, তিনটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন এবং বেশ কিছু মঞ্চ নাটক, সিনেমা এবং টেলিভিশন শো-এর সাথে যুক্ত ছিলেন। তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি অসংখ্য পুরস্কার এবং ৫০টির অধিক সম্মান সূচক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি সাত পর্বে লেখা তার আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থের জন্য অধিক পরিচিত যেখানে তিনি তার শৈশব ও প্রারম্ভিক যৌবনের অভিজ্ঞতার কথা লিপিবদ্ধ করেছেন। সতেরো বছর বয়সের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত প্রথম আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ আই নো হোয়াই দ্যা কেইজড বার্ড সিংস লিখে তিনি আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত এবং প্রশংসিত হন।
কবি ও লেখিকা হওয়ার পূর্বে যৌবনের শুরুর দিকে তিনি নানা ধরনের কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। সেই সময় তিনি ফ্রাই ফুড রাঁধুনি, যৌনকর্মী, নৈশ্য ক্লাবের নর্তকী, পোর্গি এন্ড ব্যাস নাট্য দলের অভিনেত্রী, সাউদার্ন খ্রিশ্চিয়ান লিডারশীপ কনফারেন্স -এর সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করেন এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশের স্বাধীনতার সময় মিশর এবং ঘানায় সাংবাদিকতা করেন।
তিনি ছিলেন একাধারে অভিনেত্রী, লেখিকা, পরিচালক এবং মঞ্চ নাটক, সিনেমা ও টেলিভিশন শো’র প্রযোজক। ১৯৮২ সালে উইন্সটন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনার ওয়েইক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আমেরিকান স্টাডিস বিষয়ে তার নাম প্রথম ""রেয়নোল্ড প্রফেসর"" হিসেবে যুক্ত হয়। তিনি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন, ৯০-এর দশকে ম্যালকম এক্স যখন সেই আন্দোলন শুরু করেন তখন তিনি বছরে ৮০ টির মত বক্তৃতা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ১৯৯৩ সালে বিল ক্লিনটনের প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠানে অ্যাঞ্জেলো তার কবিতা অন দ্যা পালস অফ মর্নিং আবৃতি করেন যা তার পূর্বে রবার্ট ফ্রস্ট ১৯৬১ সালে জন এফ কেনেডি’র অভিষেক অনুষ্ঠানে করেছিলেন।
আই নো হোয়াই দ্য কেইজড বার্ডি সিংস প্রকাশের পর থেকে অ্যাঞ্জেলোর ব্যক্তিগত জীবন জনসাধারণের মধ্যে আলোচিত হতে থাকে। তিনি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ এবং নারীদের মুখপাত্র হিসেবে সম্মান লাভ করেন এবং তার লেখা কৃষ্ণাঙ্গ সংস্কৃতির রক্ষক হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে। তার লেখা বিশ্বব্যাপি নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচির আওতাভ",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B
"C11","Crime_Law","Legal_System","মায়া অ্যাঞ্জেলো","মায়া অ্যাঞ্জেলো ( (); মার্গারেট অ্যানি জনসন; ৪ এপ্রিল ১৯২৮ - ২৮ মে ২০১৪) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি, সঙ্গীত শিল্পী, আত্মজীবনী লেখিকা এবং নাগরিক অধিকার আন্দোলনের একজন কর্মী। তিনি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সাতটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, তিনটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন এবং বেশ কিছু মঞ্চ নাটক, সিনেমা এবং টেলিভিশন শো-এর সাথে যুক্ত ছিলেন। তার কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি অসংখ্য পুরস্কার এবং ৫০টির অধিক সম্মান সূচক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি সাত পর্বে লেখা তার আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থের জন্য অধিক পরিচিত যেখানে তিনি তার শৈশব ও প্রারম্ভিক যৌবনের অভিজ্ঞতার কথা লিপিবদ্ধ করেছেন। সতেরো বছর বয়সের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত প্রথম আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ আই নো হোয়াই দ্যা কেইজড বার্ড সিংস লিখে তিনি আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত এবং প্রশংসিত হন।
কবি ও লেখিকা হওয়ার পূর্বে যৌবনের শুরুর দিকে তিনি নানা ধরনের কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। সেই সময় তিনি ফ্রাই ফুড রাঁধুনি, যৌনকর্মী, নৈশ্য ক্লাবের নর্তকী, পোর্গি এন্ড ব্যাস নাট্য দলের অভিনেত্রী, সাউদার্ন খ্রিশ্চিয়ান লিডারশীপ কনফারেন্স -এর সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করেন এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশের স্বাধীনতার সময় মিশর এবং ঘানায় সাংবাদিকতা করেন।
তিনি ছিলেন একাধারে অভিনেত্রী, লেখিকা, পরিচালক এবং মঞ্চ নাটক, সিনেমা ও টেলিভিশন শো’র প্রযোজক। ১৯৮২ সালে উইন্সটন-সালেম, নর্থ ক্যারোলিনার ওয়েইক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আমেরিকান স্টাডিস বিষয়ে তার নাম প্রথম ""রেয়নোল্ড প্রফেসর"" হিসেবে যুক্ত হয়। তিনি মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন, ৯০-এর দশকে ম্যালকম এক্স যখন সেই আন্দোলন শুরু করেন তখন তিনি বছরে ৮০ টির মত বক্তৃতা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ১৯৯৩ সালে বিল ক্লিনটনের প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠানে অ্যাঞ্জেলো তার কবিতা অন দ্যা পালস অফ মর্নিং আবৃতি করেন যা তার পূর্বে রবার্ট ফ্রস্ট ১৯৬১ সালে জন এফ কেনেডি’র অভিষেক অনুষ্ঠানে করেছিলেন।
আই নো হোয়াই দ্য কেইজড বার্ডি সিংস প্রকাশের পর থেকে অ্যাঞ্জেলোর ব্যক্তিগত জীবন জনসাধারণের মধ্যে আলোচিত হতে থাকে। তিনি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ এবং নারীদের মুখপাত্র হিসেবে সম্মান লাভ করেন এবং তার লেখা কৃষ্ণাঙ্গ সংস্কৃতির রক্ষক হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে। তার লেখা বিশ্বব্যাপি নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচির আওতাভ","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B"