| C15,Science_Technology,Physics,আলো,"আলো এক ধরনের শক্তি বা বাহ্যিক কারণ, যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়। অথবা বলা যায়, আলো একটি তির্যক, তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ যা সাধারণ মানুষ দেখতে পারে। আলো বস্তুকে দৃশ্যমান করে, কিন্তু এটি নিজে অদৃশ্য। আমরা আলোকে দেখতে পাই না, কিন্তু আলোকিত বস্তুকে দেখি। আলো এক ধরনের বিকীর্ণ শক্তি। এটি এক ধরনের তরঙ্গ। আলো তির্যক তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের আকারে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে গমন করে। মাধ্যমভেদে আলোর বেগের পরিবর্তন হয়ে থাকে। আলোর বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের ব্যস্তানুপাতিক। শুন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সবচেয়ে বেশি, আলোর বেগ অসীম নয়। শূন্যস্থানে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ২৯,৯৭,৯২,৪৫৮ মিটার বা ১,৮৬,০০০ মাইল। কোন ভাবেই আলোর গতিকে স্পর্শ করা সম্ভব নয়। আলোর বেগ ধ্রুব। আলোর কোনো আপেক্ষিক বেগ নেই। আলোর বেগ সর্বদা সমান। দৃশ্যমান আলো মূলত তড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালির ছোট একটি অংশ মাত্র। মানুষ ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ দেখতে পায় । সাদা আলো সাতটি রঙের মিশ্রণ, প্রিজম এর দ্বারা আলোকে বিভিন্ন রঙে (৭টি রঙ) আলাদা করা যায়। যা আমরা রংধনু দেখতে পাই। আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ, আপবর্তন, ব্যাতিচার হয়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে আলোর একই সাথে কণা ধর্ম ও তরঙ্গ ধর্ম বিদ্যমান। |
| |
| দীপ্তমান বস্তু থেকে আলো কীভাবে আমাদের চোখে আসে তা ব্যাখ্যার জন্য বিজ্ঞানীরা এ পর্যন্ত চারটি তত্ত্ব প্রদান করেছেন। যথা- |
| ১. স্যার আইজ্যাক নিউটনের কণা তত্ত্ব (Corpuscular Theory) |
| ২. বিজ্ঞানী হাইগেন এর তরঙ্গ তত্ত্ব (Wave Theory) |
| ৩. ম্যাক্সওয়েলের তড়িতচৌম্বক তত্ত্ব (Electromagnetic Theory) |
| ৪. ম্যাক্স প্লাঙ্ক এর কোয়ান্টাম তত্ত্ব (Quantum Theory) |
| ১৯০৫ সালে আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে আইন্সটাইন এ ঘটনার ব্যাখ্যা দেন, সেজন্য তাকে ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B
|
| C15,Science_Technology,Physics,পদার্থবিজ্ঞান,"পদার্থবিজ্ঞান পদার্থ ও তার গতির বিজ্ঞান। বাংলায় ""পদার্থবিজ্ঞান"" শব্দটি একটি সমাসবদ্ধ পদ। ""পদার্থ"" ও ""বিজ্ঞান"" দুটি সংস্কৃত শব্দ নিয়ে এটি গঠিত। এর ইংরেজি পরিভাষা Physics শব্দটি গ্রিক φύσις (ফুঁসিস) অর্থাৎ ""প্রকৃতি"", এবং φυσικῆ (ফুঁসিকে) অর্থাৎ ""প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান"" থেকে এসেছে। পদার্থবিজ্ঞান বলতে বলা যেতে পারে এটা হলো গণিতের বাস্তব রূপ। এখানে বিভিন্ন গাণিতিক হিসাব নিকাশ দ্বারা প্রকৃতির বিভিন্ন ঘটনাকে বর্ণনা করা হয়। অত্যন্ত বিমূর্তভাবে বলতে গেলে, পদার্থবিজ্ঞান হল সেই বিজ্ঞান যার লক্ষ্য আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করা। |
| পাশ্চাত্যের ভাষাগুলোতে পদার্থবিজ্ঞানকে ""ফিজিক্স"" বা এই জাতীয় শব্দ দিয়ে নির্দেশ করা হয়। এই শব্দটি প্রাচীন গ্রিক φυσική (ἐπιστήμη) বা রোমান Physikḗ (epistḗmē), φύσις physis ""প্রকৃতি"") থেকে এসেছে যার অর্থ ""প্রকৃতির জ্ঞান""। যেখানে পদার্থ, পদার্থের গতি এবং স্থান ও সময় মাধ্যমে তার আচরণ এবং শক্তি এবং বল সংক্রান্ত রাশি নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখাগুলোর মধ্যে একটি। পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বের আচরণ সম্পর্কে অনুধাবন করা । |
| পদার্থবিজ্ঞান প্রাচীনতম একাডেমিক বিষয়ের মধ্যে অন্যতম, সম্ভবত জ্যোতির্বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রাচীনতম। শেষ দুই সহস্রাব্দে, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং গণিতের কিছু শাখার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দর্শনের অংশ ছিল, কিন্তু ১৭দশ শতকের বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সময় প্রাকৃতিক বিজ্ঞান তাদের নিজস্ব অধিকার হিসাবে অনন্য গবেষণা কর্মসূচিতে পরিণত হয়। পদার্থবিদ্যা গবেষণার অনেক আন্তঃসম্পর্কিত এলাকায়, যেমন জৈববিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম রসায়ন হিসাবে ছেদ করে, এবং পদার্থবিজ্ঞানের সীমারেখা কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় না পদার্থবিজ্ঞানে নতুন ধারণাগুলি প্রায়ই অন্যান্য বিজ্ঞানগুলির মৌলিক পদ্ধতি ব্যাখ্যা করে যখন গণিত এবং দর্শনের ক্ষেত্রে গবেষণার নতুন নতুন উপায়গুলি খোলার সময়। |
| পদার্থবিজ্ঞান তাত্ত্বিক সাফল্য থেকে উদ্ভূত নতুন প্রযুক্তির অগ্রগতির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অবদানও করে। উদাহরণস্বরূপ, তড়িচ্চুম্বকত্ব বা পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের বিকাশের অগ্রগতিগুলি সরাসরি নতুন পণ্যগুলির উন্নয়নে পরিচালিত হয়েছে যা নাটকীয়ভাবে একটি আধুনিককালের সমাজ যেমন টেলিভিশন, কম্পিউটার, গার্হস্থ্য যন্ত্রপাতি এবং পারমাণব",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,অ্যাম্পিয়ার,"অ্যাম্পিয়ার (ইংরেজি:Ampere) (আন্তর্জাতিক একক অনুযায়ী এককের প্রতীক: A; আন্তর্জাতিক একক অনুযায়ী মাত্রার প্রতীক: I), প্রায়ই সংক্ষিপ্ত Amp; হলো তড়িৎ প্রবাহের আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি এবং সাতটি এসআই ভিত্তি এককের একটি। বিখ্যাত ফরাসি বিজ্ঞানী অঁদ্রে-মারি অ্যাম্পিয়ার (১৭৭৫-১৮৩৬) এর নামানুসারে এই এককের নামকরণ করা হয়েছে। তিনি ছিলেন ফরাসি গণিতবিদ এবং পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তিনি তড়িৎগতিবিজ্ঞানের জনক হিসেবে বিবেচিত। সব তড়িৎ যন্ত্রতেই এর গ্রহণীয় অ্যাম্পিয়ারের সর্বোচ্চ মান উল্লেখ থাকে। ব্যাটারির মান বুঝানোর জন্য এর গায়ে ভোল্ট (V) ও অ্যাম্পিয়ার (Amp) উল্লেখ করা থাকে।এস আই পদ্ধতিতের মতে অ্যাম্পিয়ার হল একটা ইউনিট। এটি তড়িৎ চুম্বকীয় বল যা তড়িৎ পরিবাহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। প্রথমে সি জি এস পদ্ধতির তড়িৎ এর দুটি ধারণা ছিল। এটি এস আই পদ্ধতির মতই এবং অন্যটি তড়িৎ চার্জ এর ভিত্তির একক হিসাবে ধরা হয় এবং একক চার্জের পরিমাপ করা হয় দুটি চার্জিত তামার প্লেটের মধ্যে। এরপর অ্যাম্পিয়ার নির্ধারণ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে ১ কুলম্ব চার্জকে। এস আই পদ্ধতিতে চার্জের একক কুলম্ব এবং এটি পরিমাপ করা হয় ১ অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ ১ সেকেন্ডে যে পরিমাণ প্রবাহিত হয়। ভবিষ্যতে এস আই পদ্ধতির পরিবর্তন হতে পারে এবং তা ভিত্তি একক হতে পারে। কুলম্বের মতে তড়িৎ চার্জ নির্ধারিত হয় ইলেকট্রন এবং প্রোটন দ্বারা।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,কেলভিন,"কেলভিন হলো তাপগতীয় তাপমাত্রার এস. আই. একক। ১ কেলভিন হলো পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপগতীয় তাপমাত্রার ১/২৭৩.১৬ ভগ্নাংশের সমান। তাপমাত্রার পার্থক্য কেলভিন এবং ডিগ্রি সেলসিয়াস(সেন্টিগ্রেড) স্কেলে সমান; কিন্তু ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রকাশিত একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা সংখ্যাগতভাবে কেলভিনে প্রকাশিত তাপমাত্রার চেয়ে ২৭৩.১৫ পরিমাণ ক্ষুদ্রতর। |
| অর্থাৎ, ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস = ১ কেলভিন - ২৭৩.১৫ |
| কেলভিনকে 'K' দ্বারা সূচিত করা হয়। |
| পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো ০ K(বা -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। ১৯৬৭ সালের আন্তর্জাতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে পূর্বেকার প্রচলিত নাম ডিগ্রি কেলভিন অচল হয়ে গেছে। এই এককের নামটি আসলে লর্ড কেলভিন(১৮২৪-১৯০৭)-এর নামে রাখা হয়েছে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,আপেক্ষিক ভর,"কোন প্রসঙ্গ-কাঠামো (ইংলিশে, reference frame) থেকে কোন স্থির পর্যবেক্ষক কোন বস্তুর যে ভর পরিমাপ করেন তা বস্তুটির আপেক্ষিক ভর। এই ভরটি ঐ প্রসঙ্গ-কাঠামো সাপেক্ষে ঐ বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে। পক্ষান্তরে কোন বস্তুর স্থির ভর প্রসঙ্গ-কাঠামো নিরপেক্ষ। |
| আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব অনুসারে |
| |
| |
| |
| v |
| |
| |
| {\displaystyle v} |
| |
| দ্রুতিতে গতিশীল কোন বস্তুর ভর |
| |
| |
| |
| m |
| |
| |
| {\displaystyle m} |
| |
| হবে, |
| |
| |
| |
| |
| m |
| = |
| |
| |
| |
| m |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| 1 |
| − |
| |
| v |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| / |
| |
| |
| c |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle m={m_{0} \over 1-v^{2}/c^{2}}} |
| |
| |
| যেখানে |
| |
| |
| |
| |
| m |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle m_{0}} |
| |
| হলো এর ভর এবং |
| |
| |
| |
| c |
| |
| |
| {\displaystyle c} |
| |
| হলো আলোর দ্রুতি। |
| সুতরাং, কোন বস্তুর দ্রুতি যদি আলোর দ্রুতির কাছাকাছি হয় কেবল তখনি তার আপেক্ষিক ভর ও নিশ্চল ভর এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পার্থক্য দেখা যাবে। উদাহরনস্বরূপ, যখন |
| |
| |
| |
| v |
| = |
| c |
| |
| / |
| |
| 2 |
| |
| |
| {\displaystyle v=c/2} |
| |
| , আপেক্ষিক ভর, স্থির ভর অপেক্ষা ১৫% বেশি হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,অবলোহিত বিকিরণ,"যে সকল তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সীমা ১ মাইক্রোমিটার থেকে ১ মিলিমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের বলা হয় অবলোহিত বিকিরণ (আইআর) রশ্মি। এই বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অপেক্ষা সামান্য বড়। খালি চোখে এদের দেখা যায় না। উইলিয়াম হার্শেল ১৮০০ সালে এই বিকিরণ আবিষ্কার করেন। |
| উত্তপ্ত সিরামিক এর একটি উত্তম উৎস। এটি দৃশ্যমান অঞ্চল হতে অর্থাৎ visible বা 'infra' এর পর থেকেই শুরু। এটি Near IR, Middle IR ও Far IR এরুপ তিনটি অংশে বিভক্ত। IR (Infrared) অর্থাৎ অবহেলিত বর্ণালি হলো কম্পন বর্ণালি। কোন স্থায়ী বা পরিবর্তনযোগ্য ডাইপোল মোমেন্ট বিশিষ্ট কম্পনশীল অণু IR অঞ্চলের রেডিয়েশন শোষণ করলে তা এক শক্তির কম্পন স্তর থেকে উচ্চ শক্তির কম্পন স্তরে উন্নীত হয়। ফলে কম্পনশক্ত্যির পরিবর্তন ঘটে, শোষণ ঘটে। এতে কম্পন বর্ণালি উৎপন্ন হয়। প্রতিটি পদার্থের আণবিক গঠন অনুসারে তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমূলক IR বর্ণালি রয়েছে। আর এ IR বর্ণালি বিশ্লেষণ করে পদার্থ শনাক্ত করা যায়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A3
|
| C15,Science_Technology,Physics,ইলেকট্রন-ভোল্ট,"ইলেকট্রন-ভোল্ট হলো শক্তির একপ্রকার একক। একে |
| |
| |
| |
| |
| e |
| V |
| |
| |
| {\displaystyle \,eV} |
| |
| দ্বারা প্রকাশ করা হয়। |
| ১ ভোল্ট বিভব পার্থক্যর দু'টি স্থানের একটি থেকে অন্যটিতে একটি ইলেকট্রনকে স্থানান্তর করতে ইলেকট্রনটির দ্বারা যে পরিমাণ কাজ সম্পাদিত হয় তাকেই ১ ইলেকট্রন-ভোল্ট বলে। এটি এস. আই. একক নয়, তবে মৌলিক কণিকা সমূহের শক্তি পরিমাপ করতে এই এককটি ব্যবহার করা হয়। |
| |
| |
| |
| |
| |
| 1 |
| e |
| V |
| |
| |
| {\displaystyle \,1eV} |
| |
| = |
| |
| |
| |
| |
| 1.602 |
| ∗ |
| |
| 10 |
| |
| − |
| 19 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,1.602*10^{-19}} |
| |
| জুল",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F
|
| C15,Science_Technology,Physics,আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপ,"আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপ আগে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও চাপ হিসাবে পরিচিত ছিল। যেসব ভৌত রাশিসমূহের মান তাপমাত্রা ও চাপের পরিবর্তনের সাথে সাথে ওঠা-নামা করে তাদের পরিমাপের জন্যে ব্যবহৃত আদর্শ শর্তাদিকেই আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপ বলা হয়। গ্যাসসমূহের বৈশিষ্টাবলী তুলনা করার সময় এই শর্তাদি ব্যবহৃত হয়। শর্তগুলি হলো: ২৭৩. ১৫ কেলভিন (বা ০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড এবং ১০১৩২৫ প্যাসকেল (বা ৭৬০ মিলিমিটার পারদ) চাপ। |
| অথবা সমুদ্রপৃষ্ঠে ৪৫° অক্ষাংশে এবং ০ °C উষ্ণতায় ৭৬ সে.মি পারদ বা ১০১৩২৫ pa চাপ প্রয়োগ করে তাকে প্রমাণ চাপ বা এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বলে । |
| জানা উচিত:[1atm=76 cm(Hg)=760mm(Hg)=101.325kPa=101325Pa=760torr=1bar] |
| যে সকল গ্যাস চার্লস এবং বয়েল এর সূত্র যুগ্মভাবে মেনে চলে তাদের আদর্শ গ্যাস বলা হয় কিন্তু প্রকৃতিতে এই গ্যাস পাওয়া যায়না । উচ্চ তাপমাত্রা ও নিন্ম চাপে সকল গ্যাস আদর্শ গ্যাস এর মত আচরণ করে।। |
| সেমি (cm) থেকে Pa তে রূপান্তর: |
| প্রয়োজনীয় সূত্র: |
| চাপ P = hpg |
| এখানে, |
| h(উচ্চতা) = 72 cm = 0.72 m |
| ,p(পারদের ঘনত্ব) = 13596 kg m^-3 |
| ,g(অভিকর্ষজ ত্বরণ) = 9.8 m s^-2 |
| P = 0.72 X 13596 X 9.৪ = 95933.376 Pa |
| |
| ",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6_%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE_%E0%A6%93_%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA
|
| C15,Science_Technology,Physics,অ্যাংস্ট্রম একক,"অ্যাংস্ট্রম ( ; ANG-strəm ) বা ångström ১০−১০ মিটার সমান দৈর্ঘ্যের একটি মেট্রিক একক; অর্থাৎ, এক মিটারের এক দশ-বিলিয়নতম (মার্কিন), এক সেন্টিমিটারের একশো-মিলিয়নতম, ০.১ ন্যানোমিটার বা ১০০ পিকোমিটার। এর প্রতীক হল Å, সুইডিশ বর্ণমালার একটি অক্ষর। এককটির নামকরণ করা হয়েছে সুইডিশ পদার্থবিদ অ্যান্ডার্স জোনাস অ্যাংস্ট্রোম (১৮১৪-১৮৭৪) এর নামে। |
| দৈর্ঘ্যের অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি একক হচ্ছে অ্যাংস্ট্রম। আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, অণু-পরমাণুর মধ্যকার দূরত্ব বা ব্যাস, ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের তলগুলোর মধ্যকার দূরত্ব, কোষের বিভিন্ন পরিমাপ, ইত্যাদি ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য প্রকাশের জন্য অ্যাংস্ট্রম একক ব্যবহার করা হয়। যেমন আমরা বলি, বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৪,০০০ অ্যাংস্ট্রম। সুইডেনের বিজ্ঞানী অ্যান্ডার্স জোনাস অ্যাংস্ট্রমের (Anders Jonas Ångström) নামানুসারে অ্যাংস্ট্রম এককের নামটি এসেছে। বিকিরণ বিশ্লেষণে বর্ণালিবীক্ষণ যন্ত্র বা স্পেকট্রোস্কোপ ব্যবহারের পথিকৃৎ ছিলেন তিনি। সূর্যে যে হাইড্রোজেন আছে সেটা সূর্যের আলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনিই জানিয়েছিলেন। |
| এক অ্যাংস্ট্রম হচ্ছে এক মিটারের দশ বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ বা 10−10 মিটার (0.0000000001)। |
| এক অ্যাংস্ট্রম = ০.১ ন্যানো মিটার |
| অ্যাংস্ট্রমকে স্ক্যান্ডিনেভীয় বর্ণ Å এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। |
| অ্যাংস্ট্রম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক হলেও এটি এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি এসআই (SI) পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত নয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE_%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%95
|
| C15,Science_Technology,Physics,ওজমা প্রকল্প,ওজমা প্রকল্প(Project Ozma) হলো বহির্জগতে প্রাণ-অনুসন্ধান মূলক একটি প্রকল্প। ১৯৬০ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রীন বাংকে একদল রেডিও জ্যোতির্বিদ এই প্রকল্পটি আরম্ভ করেন। এতে ২১ সে. মি. তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের রেডিও দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। কয়েক মাস পরেই প্রকল্পটি পরিত্যক্ত হয়। 'ওজমা' নামটি ফ্রাংক বমের শিশুকাহিনী 'ওজের যাদুকর'(Wizard of Oz) থেকে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের অপর নাম ছিল 'ছোট্ট হরিৎ-মনু প্রকল্প'(Project Little Green Man)।,https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%93%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BE_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA
|
| C15,Science_Technology,Physics,কম্পাঙ্ক,"কম্পাঙ্ক(Frequency) হলো একক সময়ে কোনো পুনরাবৃত্তিমূলক ঘটনা ঘটবার সংখ্যা। অর্থাৎ একটি ঘটনা যদি বার বার ঘটতে থাকে, তবে একক সময়ে ঐ ঘটনাটি যতবার ঘটবে তা হলো ঐ ঘটনার কম্পাঙ্ক।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95
|
| C15,Science_Technology,Physics,অপভূ,"পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কোন বস্তুর (চাঁদ, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং আপাতভাবে সূর্য) উপবৃত্তাকার কক্ষপথের পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরের বিন্দুকে অপভূ(ইংরেজি: Apsis)(গ্রিক: ἁψίς; plural apsides , Greek: ἁψίδες) বলা হয়। সূর্য ভূ-কক্ষের অপভূ'তে আসে ৩ রা জুলাই।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%AD%E0%A7%82
|
| C15,Science_Technology,Physics,কণা পদার্থবিজ্ঞান,"কণা পদার্থবিজ্ঞান (ইংরেজি: Particle Physics) পদার্থবিজ্ঞানের একটি প্রধান শাখা, যার কাজ হলো পদার্থ এবং বিকিরণের মৌলিক উপাদান এবং তাদের মাধ্যে মিথষ্ক্রিয়া নিয়ে গবেষণ করা। এই শাখার আর এক নাম উচ্চ-শক্তি পদার্থবিজ্ঞান (High Energy Physics)। এই নামকরণের প্রধান কারণ হলো অধিকাংশ মৌলিক কণাই সাধারণ অবস্থায় প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না কিন্তু অতিশক্তি সম্পন্ন কণা সংঘাতে এই সকল কণার সৃষ্টি এবং পর্যবেক্ষণ সম্ভব। |
| কণা (Particle) শব্দটি সাধারণভাবে নানারকম অতিক্ষুদ্র বস্তূসমূহ (যেমন- প্রোটন কণা, গ্যাসের কণা, এমনকি ধূলিকণা) বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও কণা পদার্থবিজ্ঞান সাধারণভাবে পদার্থের ক্ষুদ্রতম অবিভাজ্য কণা সমূহ এবং তাদের আন্তঃক্রিয়া ব্যাখা করতে প্রয়োজনীয় মৌলিক ক্রিয়াগুলি সম্পর্কে আলোচনা করে। আধুনিক কণা ত্বরণ যন্ত্রে (Particle Accelerator) উচ্চশক্তি সম্পন্ন দুটি কণার মুখোমুখি সাংঘাতের পর্যবেক্ষণ সম্ভব। |
| সমস্ত আবিষ্কৃত মৌলিক ক্ষেত্র এবং তাদের গতিবিদ্যা প্রমিত মডেলে (Standard Model) সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। সুতরাং, কণা পদার্থবিজ্ঞান মূলত এই প্রমিত মডেলের চর্চা ও বিস্তার এর প্রচেষ্টা।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%A3%E0%A6%BE_%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব,"কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব হল ভৌত ব্যবস্থাসমূহ ব্যাখ্যা করার একটি তত্ত্ব বা কাঠামো, যা কণা পদার্থবিজ্ঞান ও ঘনীভূত পদার্থ পদার্থবিজ্ঞানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আধুনিক কণা পদার্থবিজ্ঞানের বেশির ভাগ তত্ত্ব (যেমন মৌলিক কণাসমূহের আদর্শ মডেল ও তাদের মধ্যকার মিথস্ক্রিয়া) আপেক্ষিক কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব ব্যবহার করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ঘনীভূত পদার্থ পদার্থবিজ্ঞানেও এটি ব্যবহার করা হয়, বিশেষত যখন কণার সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধির সুযোগ থাকে (যেমন অতিপরিবাহিতার বিসিএস তত্ত্বে)।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0_%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
|
| C15,Science_Technology,Physics,আলোকবিজ্ঞান,"আলোকবিজ্ঞান (প্রাচীন গ্রিক ভাষায় ὀπτική - চেহারা অথবা দেখা) পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যা আলোর আচরণ, বৈশিষ্ট্যাবলী এবং বস্তুর সঙ্গে আলোর পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া বর্ণনা করে। আলোকবিদ্যা আলোক সম্বন্ধীয় প্রত্যক্ষ ঘটনা ব্যাখ্যা করে। |
| আলোকবিজ্ঞান সাধারণত দৃশ্যমান, অবলোহিত, এবং অতিবেগুনী আলোর আচরণ বর্ণনা করে; যেহেতু আলো একটি তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ, অনুরূপ ঘটনা রঞ্জন রশ্মি, মাইক্রোওয়েভ, বেতার তরঙ্গ, এবং তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের অন্যান্য রূপেও ঘটে। সুতরাং, আলোকবিজ্ঞানকে তড়িৎ-চুম্বকীয় তত্ত্বের একটি শাখা ক্ষেত্র হিসেবে গণ্য করা যায়। কিছু আলোক সম্বন্ধীয় প্রত্যক্ষ ঘটনা কোয়ান্টাম প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল যা কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের সঙ্গেও আলোকবিজ্ঞানকে যুক্ত করে। প্রকৃতপক্ষে আলোক সম্বন্ধীয় ঘটনার একটি বিশাল সংখ্যা আলোর তড়িৎ-চুম্বকীয় ধর্ম ব্যবহার করে ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণের দ্বারা ব্যাখ্যা করা সম্ভব।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান,"কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান (ইংরেজি: Quantum mechanics) বা কোয়ান্টাম( ক্ষুদ্রাংশিক/ কণাবাদী) পদার্থবিজ্ঞান (ইংরেজি: Quantum physics) আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যা পরমাণু এবং অতিপারমাণবিক কণার/তরঙ্গের মাপনীতে পদার্থের আচরণ বর্ণনা করে। কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানকে ব্যবহার করে বিশাল কোন বস্তু যেমন তারা ও ছায়াপথ এবং বিশ্বতত্ত্বমূলক ঘটনা যেমন ব্যাখ্যা করা যায় তেমনি স্ট্যান্ডার্ড মডেলভিত্তিক মহা বিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) বিশ্লেষণ এবং ব্যাখ্যা করা যায়। |
| উল্লেখ্য, পদার্থবিজ্ঞানের যেসব ক্ষেত্র চিরায়ত (ক্লাসিক্যাল) নিউটনীয় বলবিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না, সেসব ক্ষেত্রে পদার্থগুলির জড়তাত্ত্বিক ভৌত আচরণ সম্পর্কে ধারণা পাবার জন্য পদার্থবিজ্ঞানীরা কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান ব্যবহার করে থাকেন। পারমাণবিক অথবা তার চেয়েও ছোট মাপের কোন ভৌত ব্যবস্থায়, খুব নিম্ন অথবা খুব উচ্চ শক্তিতে, অথবা অতিশীতল তাপমাত্রায় চিরায়ত এবং কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের বিশ্লেষণের মধ্যে প্রায়শই পার্থক্য দেখা যায়। কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান রসায়ন, আণবিক জীববিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স, কণা পদার্থবিজ্ঞান, ন্যানোপ্রযুক্তি এবং প্রযুক্তিবিদ্যার আধুনিকায়নের ভিত্তি এবং বিজ্ঞানের কোয়ান্টামভিত্তিক এই শাখাগুলো বিগত পঞ্চাশ বছরব্যাপী পৃথিবীকে রাতারাতি এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত করেছে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,অতিপরিবাহিতা,"অতিপরিবাহী বা সুপার-কন্ডাক্টার হল কিছু পদার্থের উপর অতিশৈত্যের প্রভাবে উদ্ভূত এমন পরিবাহী ধর্ম যাতে বিদ্যুত পরিবহনের রোধ শূন্য হয়ে যায়। অর্থাৎ একটি বর্তনী অতিপরিবাহী হলে তার মধ্যে একবার বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে দিলে রোধজনিত তাপ ক্ষয় না থাকার ফলে, বিদ্যুৎটি কোন নতুন উৎস ছাড়াই বইতেই থাকবে। ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী কামারলিং ওনেস অতিশৈত্যে পারদের বৈদ্যুতিক রোধ মাপতে গিয়ে ৪.২ কেলভিন তাপমাত্রায় পারদে এই বিশেষত্ব প্রথম আবিষ্কার করেন। এই বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হয় বার্ডিন-কুপার-শ্রিফার তত্ত্ব [Bardeen-Cooper-Schrieffer (BCS) theory] দ্বারা। |
| |
| কিন্তু অধিকাংশ অতিপরিবাহী কেবল খুব নিম্ন তাপমাত্রায় অতিপরিবাহী থাকে। অতিপরিবাহী পদার্থের বৈশিষ্ট্য হল এর ভিতর থেকে চৌম্বক ক্ষেত্রকে বার করে দেয়। তাই অতিপরিবাহীর বিকর্ষণে চুম্বক ভাসতে পারে। এই ভাসান অর্থাৎ লেভিটেশন ব্যবহার করে খুব দ্রুতগামী ট্রেন চালানো হয় যাতে লাইনের সঙ্গে ঘর্ষণ না হয়। |
| কিছু পদার্থ রয়েছে যেগুলো সাধারণ অতিপরিবাহীগুলি যে তাপমাত্রায় অতিপরিবাহিতা দেখায় তার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় এই ধর্ম প্রদর্শন করে। এদের উচ্চ তাপমাত্রা অতিপরিবাহী বলা হয়।২০২০ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, Carbonaceous sulfur hydride হল 15 °সে বা 288K এবং 267 GPa বায়ুচাপে প্রাপ্ত অতিপরিবাহী। |
| |
| এম আর আই (ম্যাগ্নেটিক রেসোনান্স ইমেজিং) মেশিনের চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরির জন্য এত বেশি বিদ্যুত লাগে যে তার রোধ কম করতে অতি পরিবাহী বর্তনী ব্যবহার করতে হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,ইঞ্জিন,"ইঞ্জিন বা মোটর একটি যন্ত্র যা এক বা একাধিক ধরনের শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। |
| শক্তির উৎসগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য শক্তি (যেমন পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি যা জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়), তাপ শক্তি (জিওথার্মাল), রাসায়নিক শক্তি, বৈদ্যুতিক শক্তি এবং পারমাণবিক শক্তি (নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার ফিউশন) অন্তর্ভুক্ত। অনেক প্রক্রিয়ায় তাপ শক্তি মধ্যবর্তী অবস্থায় তৈরি হয়; এজন্য তাপ ইঞ্জিনগুলোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কিছু প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যেমন বায়ুমণ্ডলীয় কনভেকশন সেল, পরিবেশগত তাপকে গতিতে রূপান্তর করে (যেমন উর্ধ্বমুখী বায়ু প্রবাহ)। যান্ত্রিক শক্তি পরিবহন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি অনেক শিল্প প্রক্রিয়ায়ও ব্যবহৃত হয়, যেমন কাটিং, পিষে ফেলা, গুঁড়ো করা, এবং মেশানো। |
| তাপ ইঞ্জিন তাপকে বিভিন্ন তাপগতীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজে রূপান্তর করে। অন্তর্দহন ইঞ্জিন সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ, যেখানে জ্বালানির দহন থেকে সৃষ্ট তাপ দহন প্রকোষ্ঠে গ্যাসীয় পণ্যগুলোর দ্রুত চাপ বৃদ্ধি ঘটায়, যা পিস্টনকে ঠেলে দেয় এবং ক্র্যাঙ্কশাফট ঘোরায়। জেট ইঞ্জিনের মতো প্রতিক্রিয়া ইঞ্জিন নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী থ্রাস্ট উৎপন্ন করে রিঅ্যাকশন মাস নির্গত করে। |
| তাপ ইঞ্জিন ছাড়াও, বৈদ্যুতিক মোটর বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, পানির মোটর সংকুচিত বাতাস ব্যবহার করে, এবং ক্লকওয়ার্ক মোটর ইলাস্টিক শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে। জৈবিক সিস্টেমে, মলিকিউলার মোটর, যেমন মায়োসিন, রাসায়নিক শক্তি ব্যবহার করে শক্তি এবং গতি সৃষ্টি করে (এটি রাসায়নিক ইঞ্জিন, তবে তাপ ইঞ্জিন নয়)।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,ত্বরণ,"বলবিজ্ঞানে ত্বরণ (ইংরেজি: Acceleration) হলো সময়ের সাথে কোনও বস্তুর বেগ পরিবর্তনের হার। এটি একটি সদিক রাশি বা ভেক্টর রাশি, অর্থাৎ এটির মান ও দিক উভয়ই বিদ্যমান। কোনও বস্তুর ত্বরণের দিক সেই বস্তুর উপর প্রযুক্ত বলসমূহের লব্ধি বলের দিকে হয়। নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রানুসারে, ত্বরণের মান হলো নিম্নোক্ত দুটি কারণের সম্মিলিত প্রভাব: |
| |
| বস্তুতে প্রযুক্ত সমস্ত বাহ্যিক নীট বলের ক্ষেত্রে — ত্বরণের মান নীট লব্ধি বলের সরাসরি সমানুপাতিক। |
| বস্তুটির ভর — ত্বরণের মান বস্তুর ভরের ব্যস্তানুপাতিক। |
| ত্বরণের এসআই একক হলো মিটার প্রতি বর্গ সেকেন্ড (m⋅s−2, |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| m |
| |
| s |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle {\tfrac {\operatorname {m} }{\operatorname {s} ^{2}}}} |
| |
| )। |
| উদাহরণস্বরূপ, যখন কোনও যানবাহন স্থির অবস্থা (একটি জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে বেগ শূন্য) থেকে শুরু করে এবং ক্রমবর্ধমান গতিতে একটি সরলরেখা বরাবর গতিশীল হয়, তখন এটি ভ্রমণের দিকের দিকে ত্বরান্বিত হয়। যানবাহনটি বাঁক নিলে নতুন দিক বরাবর ত্বরান্বিত হয় এবং গতি ভেক্টর পরিবর্তিত হয়। বর্তমান গতির দিকে গাড়ির ত্বরণকে রৈখিক (বা বৃত্তীয় গতির ক্ষেত্রে স্পর্শিনী) ত্বরণ বলা হয়, যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে উপস্থিত যাত্রীরা পিছনের দিকে একটি বল অনুভব করেন। দিক পরিবর্তন করার সময়, কার্যকর ত্বরণকে কেন্দ্রমুখী (বা বৃত্তীয় গতির ক্ষেত্রে লাম্বিক) ত্বরণ বলা হয়, যার প্রতিক্রিয়া হিসাবে যাত্রীরা একটি অপকেন্দ্র বল অনুভব করেন। যদি গাড়ির গতি হ্রাস পায় তবে ত্বরণ বিপরীত দিকে হয় এবং গাণিতিকভাবে এটি ঋণাত্মক, যাকে কখনও কখনও মন্দন বলা হয় এবং মন্দনের প্রতিক্রিয়া হিসাবে যাত্রীরা তাদেরকে সামনে ঠেলে দেওয়ার মতো একটি জড়তা বল অনুভব করে। এই জাতীয় ঋণাত্মক ত্বরণ প্রায়শই মহাকাশযানে রেট্রোকেট জ্বালিয়ে অর্জন করা হয়। ত্বরণ এবং মন্দন উভয়ই একই বিবেচনা করা হয়, এগুলি উভয়ই বেগ পরিবর্তনের হার। এই ত্বরণগুলির প্রতিটি (স্পর্শিনী, কেন্দ্রমুখী, মন্দন) যাত্রীদের দ্বারা অনুভূত হয় যতক্ষণ না তাদের আপেক্ষিক (পার্থক্যমূলক) বেগ যানবাহনের সাপেক্ষে নিরপেক্ষ হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%A3
|
| C15,Science_Technology,Physics,ক্ষমতা (পদার্থবিজ্ঞান),"পদার্থবিজ্ঞানে, ক্ষমতা হলো প্রতি একক সময়ে স্থানান্তরিত বা রূপান্তরিত শক্তির পরিমাণ। আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে, ক্ষমতার একক হলো ওয়াট, যা প্রতি সেকেন্ডে এক জুলের সমান। পূর্বে ক্ষমতাকে ""কার্যকলাপ""-ও বলা হতো ক্ষমতা একটি স্কেলার রাশি। |
| ক্ষমতা অন্যান্য পরিমাপের সাথেও সম্পর্কিত; উদাহরণস্বরূপ, একটি স্থল যান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা যানটির চাকার উপর বায়ুগতিগত ড্র্যাগ ও আকর্ষণ বলের যোগফল এবং যানটির বেগের গুনফলের সমান। একটি মোটরের উৎপাদন ক্ষমতা হলো মোটর যে টর্ক তৈরি করে তার এবং এর আউটপুট শ্যাফ্টের কৌণিক বেগের গুনফলের সমান। একইভাবে, একটি বর্তনীর মধ্য দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক উপাদানে ব্যবহৃত ক্ষমতা উপাদানটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ এবং উপাদানের বিভবের গুণফল।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE_(%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8)
|
| C15,Science_Technology,Physics,ত্রৈধ বিন্দু,"তাপগতিবিজ্ঞানে, যে তাপমাত্রা ও চাপে কোনও পদার্থ একইসাথে গ্যাসীয়, তরল এবং কঠিন তিন অবস্থায় সহাবস্থান করতে পারে তাকে ঐ বস্তুর ত্রৈধ বিন্দু বা ত্রিদশা বিন্দু বলে। এটি সেই তাপমাত্রা এবং চাপ যেখানে ঊর্ধ্বপাতন, গলন এবং বাষ্পীভবনের বক্ররেখাগুলো একে অপরকে ছেদ করে। উদাহরণস্বরূপ, পারদের ত্রৈধ বিন্দু ঘটে −৩৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (−৩৭.৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় এবং ০.১৬৫ মিলিপ্যাসকেল চাপে। |
| যেসকল পদার্থে বহুরূপতা বিদ্যমান আছে সেসকল পদার্থের ক্ষেত্রে কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয় দশার ত্রৈধ বিন্দুর পাশাপাশি আরও একটি ত্রৈধ বিন্দু থাকতে পারে, যেখানে একাধিক কঠিন দশা জড়িত থাকে। হিলিয়াম-৪ একটি অস্বাভাবিক উদাহরণ, কারণ এটি কোনো ঊর্ধ্বপাতন/অবক্ষেপণ বক্ররেখা ধারণ করে না এবং তাই এর কঠিন ও গ্যাসীয় দশার মিলনের জন্য কোনো ত্রৈধ বিন্দু নেই। পরিবর্তে এর একটি বাষ্প-তরল-অতিতারল্য বিন্দু, একটি কঠিন-তরল-অতিতারল্য বিন্দু, একটি কঠিন-কঠিন-তরল বিন্দু এবং একটি কঠিন-কঠিন-অতিতারল্য বিন্দু রয়েছে। এগুলোকে ল্যামডা বিন্দুর সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যা কোনো ধরনের ত্রৈধ বিন্দু নয়। |
| লর্ড কেলভিনের ভাই জেমস থমসন ১৮৭৩ সালে ""ত্রৈধ বিন্দু"" পরিভাষাটি তৈরি করেছিলেন। একাধিক পদার্থের ত্রৈধ বিন্দুগুলো আইটিএস-৯০ আন্তর্জাতিক তাপমাত্রা পরিমাপকে বিন্দু নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে হাইড্রোজেনের ত্রৈধ বিন্দু (১৩.৮০৩৩ কেলভিন) থেকে পানির ত্রৈধ বিন্দু (২৭৩.১৬ কেলভিন, ০.০১ °সে বা ৩২.০১৮ °ফা) অন্তর্ভুক্ত। |
| ২০১৯ সালের আগ পর্যন্ত পানির ত্রৈধ বিন্দু কেলভিনের সংজ্ঞা নির্ধারণে ব্যবহৃত হতো, যা ছিল আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি অনুযায়ী তাপগতিবিজ্ঞানের তাপমাত্রার মূল একক। কেলভিন এমনভাবে সংজ্ঞায়িত ছিল যাতে পানির ত্রৈধ বিন্দু ঠিক ২৭৩.১৬ কেলভিন হয়, তবে ২০১৯ সালের এসআই পুনঃসংজ্ঞায়নের মাধ্যমে কেলভিনকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করা হয়, যাতে বোলট্জম্যান ধ্রুবক ১.৩৮০৬৪৯×১০−২৩ J⋅K−1 ঠিক করা হয় এবং পানির ত্রৈধ বিন্দু একটি পরীক্ষামূলকভাবে পরিমাপিত ধ্রুবক হয়ে ওঠে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%88%E0%A6%A7_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81
|
| C15,Science_Technology,Physics,গোলক,"বৃত্তকে এর ব্যাসের চারপাশে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকেই গোলক বা সুষম গোলক বলে। |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| |
| {\displaystyle \,r} |
| |
| ব্যাসার্ধের একটি গোলকের আয়তন হবে (4π |
| |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| 3 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,r^{3}} |
| |
| )/3 এবং এর পৃষ্ঠদেশের ক্ষেত্রফল হবে 4π |
| |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,r^{2}} |
| |
| । কার্তেসীয় স্থাণাঙ্ক ব্যাবস্থায় কেন্দ্র মূল-বিন্দুতে অবস্থিত এমন |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| |
| {\displaystyle \,r} |
| |
| ব্যাসার্ধর কোন গোলকের সমীকরণ হবে: |
| |
| |
| |
| |
| |
| x |
| |
| 2 |
| |
| |
| + |
| |
| y |
| |
| 2 |
| |
| |
| + |
| |
| z |
| |
| 2 |
| |
| |
| = |
| |
| r |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,x^{2}+y^{2}+z^{2}=r^{2}} |
| |
| । |
| সুতরাং গোলক হল ত্রিমাত্রিক দেশে অবস্থিত একটি গোল বলের ন্যায় জ্যামিতিক আকার।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%95
|
| C15,Science_Technology,Physics,টিটিয়ুস-বোডে নীতি,"টিটিয়ুস-বোডে নীতি সূর্য থেকে গ্রহগুলির দূরত্বের আসন্ন আপেক্ষিক মানসমূহের মধ্যে এক চমৎকার গাণিতিক সম্পর্ক প্রকাশ করে। ০, ১, ২, ৪, ৮, ১৬, ৩২, ৬৪, ... ... ইত্যাদি সংখ্যাগুলির প্রতিটিকে ৩ দিয়ে গুণ করে ৪ যোগ করে ১০ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যায়: ০.৪, ০.৭, ১.০, ১.৬, ২.৮, ৫.২, ১০.০, ১৯.৬, ... ... । সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বকে একক ধরা হলে এই মানগুলি অন্যান্য গ্রহের দূরত্ব নির্দেশ করবে। সাধারণভাবে সূর্য থেকে দূরত্ব |
| |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| n |
| |
| |
| = |
| 0.6 |
| + |
| 0.45 |
| ∗ |
| |
| 2 |
| |
| n |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,r_{n}=0.6+0.45*2^{n}} |
| |
| ; যেখানে শুক্র গ্রহের জন্য |
| |
| |
| |
| |
| n |
| = |
| 0 |
| |
| |
| {\displaystyle \,n=0} |
| |
| , পৃথিবীর জন্য |
| |
| |
| |
| |
| n |
| = |
| 1 |
| |
| |
| {\displaystyle \,n=1} |
| |
| ইত্যাদি। মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে ২.৮ দূরত্বে কোন গ্রহ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না, পরবর্তীতে সেখানে সিরেস(ceres) নামক গ্রহাণুটি আবিষ্কৃত হয়। |
| এই নীতিটি প্রথমে ইয়োহান টিটিয়ুস আবিষ্কার করেন এবং পরে ১৭৭২ সালে ইয়োহান এলার্ট বোডে একে জনপ্রিয় করে তোলেন। |
| |
| ১ k=৮ কে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে গ্রহাণুপুঞ্জকে একটি স্বতন্ত্র গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করতে হয়। গ্রহাণুপুঞ্জ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার কারণে সূর্য থেকে এর দূরত্বের জন্য যে মান(২.৭৭ মহাজাগতিক একক) গৃহীত হয়েছে তা আসলে পুঞ্জের অন্তর্গত সর্ববৃহৎ গ্রহাণু(সিরেসের) এর দূরত্ব।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A1%E0%A7%87_%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF
|
| C15,Science_Technology,Physics,তরঙ্গ দৈর্ঘ্য,"পদার্থবিজ্ঞানে তরঙ্গ সঞ্চালনকারী কোনো কম্পনশীল কণার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে এটি তরঙ্গের একই ফেজ এর পরপর সংশ্লিষ্ট বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব। যেমন দুটি সংলগ্ন ক্রেস্ট, ট্রফ বা শূন্য ক্রসিং উভয়ই ট্রাভেলিং তরঙ্গের একটি বৈশিষ্ট্য এবং সেইসাথে অন্যান্য স্থানিক তরঙ্গের একটি নিদর্শন। |
| তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিপরীত দিককে স্থানিক কম্পাঙ্ক বলে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত গ্রিক অক্ষর ল্যাম্বডা (λ) দ্বারা চিহ্নিত হয়। তরঙ্গদৈর্ঘ্য শব্দটি কখনও কখনও মড্যুলেটেড তরঙ্গ এবং বিভিন্ন সাইনোসয়েডের হস্তক্ষেপ দ্বারা গঠিত মডুলেটেড তরঙ্গ বা তরঙ্গের সাইনোসয়েডাল খামেও প্রয়োগ করা হয়। |
| উচ্চতর কম্পাঙ্কবিশিষ্ট তরঙ্গগুলির ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে এবং নিম্ন কম্পাঙ্কবিশিষ্ট তরঙ্গগুলির দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে। |
| যে মাধ্যম দিয়ে তরঙ্গ চলাচল করে, সেই মাধ্যমের উপর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ভর করে। (উদাহরণস্বরূপ, ভ্যাকুয়াম, বায়ু বা জল)। তরঙ্গের উদাহরণ হল শব্দ তরঙ্গ, আলোকতরঙ্গ, জলতরঙ্গ এবং পর্যায়ক্রমিক বৈদ্যুতিক তরঙ্গ(যা একটি কন্ডাক্টর)। একটি শব্দ তরঙ্গ বায়ুর একটি পরিবর্তনের ফলে চাপ, আলো এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন এবং চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তিত হয়। জলের তরঙ্গ হল জলের পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য। একটি স্ফটিক জালির কম্পন এ, পারমাণবিক অবস্থান পরিবর্তিত হয়। |
| তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা কম্পাঙ্কের পরিসরকে বর্ণালী বলা হয়।বর্ণালী নামের উৎপত্তি দৃশ্যমান আলোর বর্ণালী থেকে। এখন সমগ্র ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম প্রয়োগ এর পাশাপাশি একটি শব্দ বর্ণালী বা কম্পন বর্ণালী প্রয়োগ করা যেতে পারে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97_%E0%A6%A6%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A7%8D%E0%A6%AF
|
| C15,Science_Technology,Physics,গিঁট,"গিঁট (বা গেরো, বা গ্রন্থী): |
| দড়ির (বা সুতা) নিজেকে বেষ্টনকারী পেঁচ যা দড়িটির নিজের বা পেঁচে বেষ্টিত অন্যান্য সামগ্রীর নড়াচড়ায় বাধাদেয়। দড়ির গিঁট বাঁধার জন্য ব্যবহার হয়, যা ঘর্ষণ দ্বারা স্থায়ী।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%81%E0%A6%9F
|
| C15,Science_Technology,Physics,ডিউটেরিয়াম,"ডিউটেরিয়াম বা ডয়টেরিয়াম হলো হাইড্রোজেনের অর্থাৎ উদজানের একটি ভারী আইসোটোপ। এর চিহ্ন 2H অথবা D । একে ভারী হাইড্রোজেনও বলে। এর কেন্দ্রীনকে বলা হয় ডিউট্রন যার মধ্যে রয়েছে একটি প্রোটন এবং একটি নিউট্রন। |
| ডিউটেরিয়াম আইসোটোপের নামকরণ করা হয় গ্রিক ডিউটেরস শব্দ থেকে, যার অর্থ হল ""দ্বিতীয়""। এর মাধ্যমে নিউক্লিয়াসের দুটি উপাদানকে বিবৃত করা হয়। হ্যারল্ড উরি ১৯৩১ সালে ডিউটেরিয়াম আবিষ্কার ও নামকরণ করেন। ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কারের পর ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয় গঠন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলে এবং উরি ১৯৩৪ সালে নোবেল পুরস্কার জয় লাভ করেন।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
| C15,Science_Technology,Physics,তাপগতিবিজ্ঞান,"তাপগতিবিজ্ঞান (ইংরেজি: Thermodynamics) পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে তাপশক্তি ও তাপমাত্রা এবং এরসাথে শক্তি ও কাজের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাপগতিবিজ্ঞানের মূলনীতিগুলো বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের সমস্ত শাখায় মৌলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাপগতিবিজ্ঞানের কেন্দ্রীয় ধারণা হল বৃহৎ সিস্টেম বা তাপগতীয় সিস্টেম (macroscopic system)। বৃহৎ সিস্টেম বলতে জ্যামিতিকভাবে পৃথক করা যায় এমন একটি পদার্থ-অংশকে বোঝায়, যার ধর্মগুলোকে তাপমাত্রা, চাপ, এনট্রপি, আভ্যন্তরীণ শক্তি, এনথ্যালপি, গিবস্ মুক্ত-শক্তি ইত্যাদির মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বর্ণনা করা যায়। সেই জ্যামিতিক গণ্ডির বাইরে বিশ্বের (universe) যে অংশ, তাকে পরিবেশ বলে। যদি সিস্টেমটি কোন অসীম, অনুত্তেজিত পরিবেশের সহাবস্থানে থাকে, তাহলে সেই পরিবেশকে রিজার্ভয়ার (reservoir) বলে। এই পরিবেশের আচরণ তাপগতিবিদ্যার চারটি নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যা পরিমাপযোগ্য। আণুবীক্ষণিক ভৌত পরিমাপ ব্যবহার করে একটি পরিমাণগত বিবরণ প্রদান করা যায়, কিন্তু পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যা দ্বারা আণুবীক্ষণিক উপাদানগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটি ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। |
| তাপগতিবিদ্যা বিজ্ঞান বিভিন্ন বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য যেমন: প্রকৌশল, বায়োকেমিস্ট্রি, রাসায়নিক প্রকৌশল, যান্ত্রিক প্রকৌশল এবং বিশেষ করে ভৌত রসায়ন। তবে অন্যান্য জটিল ক্ষেত্রে যেমন আবহাওয়াবিদ্যার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়। |
| |
| ঐতিহাসিকভাবে, তাপগতিবিদ্যা প্রাথমিক বাষ্প ইঞ্জিনগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানোর উদ্দ্যেশে বিকশিত হয়েছিল, বিশেষ করে ফরাসি পদার্থবিদ নিকোলাস লিওনার্দ সাদি কার্নোটের (১৮২৪) কাজের মাধ্যমে, যিনি বিশ্বাস করতেন যে ইঞ্জিনের কার্যকারিতা হল মূল চাবিকাঠি যা ফ্রান্সকে নেপোলিয়নীয় যুদ্ধে জয়ী হতে পারে। স্কটস-আইরিশ পদার্থবিজ্ঞানী লর্ড কেলভিন ১৮৫৪ সালে সর্বপ্রথম তাপগতিবিদ্যার একটি সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা প্রণয়ন করেন: তাপ-গতিবিদ্যা হল কোনো পদার্থের দেহ সংলগ্ন অংশগুলোর মধ্যে কাজ করা শক্তির সাথে তাপের সম্পর্ক ও বৈদ্যুতিক শক্তির সাথে তাপের সম্পর্ক।"" |
| যান্ত্রিক তাপ ইঞ্জিনে তাপগতিবিদ্যার প্রাথমিক প্রয়োগ যা রাসায়নিক যৌগ এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার অধ্যয়ন দ্রুত প্রসারিত হচ্ছিল। রাসায়নিক তাপগতিবিদ্যা, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এনট্রপির অবস্থা ও প্রকৃতি অধ্যয়ন করে যা তাপগতিবিদ্যার সম্প্রসারণ ও এ সম্পর্কিত জ্ঞানের সিংহভাগ আবিষ্কৃত ",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,ক্যালাবি-ইয়ো বহুধা,"ক্যালাবি-ইয়ো বহুধা হলো এক বিশেষ ধরনের বহুধা। গণিতের নানা শাখা যেমন: বীজগণিতীয় জ্যামিতি এবং তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানে এর দেখা মেলে। বিশেষতঃ স্ট্রিং তত্ত্বে অনেকসময় স্থান-কালের বাড়তি মাত্রাগুলো (মোট ১০টি মাত্রার মধ্যে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা ও সময় পরিচিত এই ৪টি বাদে বাকি ৬ টি) ষড়মাত্রিক ক্যালাবি-ইয়ো ম্যানিফোল্ডের আকারে থাকে বলে মনে করা হয়। |
| ধারণা করা হয় যে, ষড়মাত্রিক ক্যালাবি-ইয়ো বহুধার অন্তর্গত গহ্বর-এর সংখ্যার উপর মৌল-কণিকা গোত্রের সংখ্যা সরাসরিভাবে নির্ভর করে। যেহেতু এরকম গোত্রের সংখ্যা ৩, তাই ৩টি গহ্বরবিশিষ্ট ষড়মাত্রিক ক্যালাবি-ইয়ো ম্যানিফোল্ডগুলোই স্ট্রিং তত্ত্বে আকর্ষণীয় বলে বিবেচিত হয়ে থাকে। |
| এই বিশেষ বহুধার ধারণার প্রবক্তা ইউজেনিও ক্যালাবি ও শিং-টাং ইয়ো এর নামে এর নামকরণ করা হয়েছে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8B_%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,চাপ,"চাপ (প্রতীক: p বা P) হল একক ক্ষেত্রফলে কোন বস্তুর তলের ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত সমভাবে বিতরিত বল। পারিপার্শ্বিক চাপের সাপেক্ষে যে চাপ উৎপন্ন হয় তাকে বলা হয় গজ চাপ। |
| চাপ প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন একক ব্যবহৃত হয়। এগুলির মধ্যে কিছু একক পাওয়া যায় বলের একককে ক্ষেত্রফলের একক দিয়ে বিভক্ত করে; এসআই পদ্ধতিতে চাপের একক প্যাসকেল (পা), হল এক নিউটন প্রতি বর্গমিটার (নি/মি২); একইভাবে, পাউন্ড-বল প্রতি বর্গ ইঞ্চি (পিএসআই) হল ইম্পেরিয়াল এবং মার্কিন প্রথাগত পদ্ধতিতে চাপের ঐতিহ্যগত একক। আদর্শ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এককেও চাপ প্রকাশ করা যেতে পারে; বায়ুমণ্ডল (এটিএম) এই চাপের সমান, এবং টর হল এর ১⁄৭৬০ ভাগ। ম্যানোমেট্রিক একক, যেমন সেন্টিমিটার জল, মিলিমিটার পারদ, এবং ইঞ্চি পারদ, একটি ম্যানোমিটারে একটি নির্দিষ্ট তরলের স্তম্ভের উচ্চতার চাপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA
|
| C15,Science_Technology,Physics,ঘনপদার্থবিজ্ঞান,"ঘনপদার্থবিজ্ঞান হল পদার্থবিজ্ঞানেরএকটি শাখা যাতে বিভিন্ন ঘন পদার্থের নানা ধর্ম, যেমন অতিপরিবাহিতা, অর্ধপরিবাহিতা, অয়শ্চৌম্বকত্ব ইত্যাদি আলোচিত হয়। পদার্থের ভৌত ধর্ম যেমন দশান্তর ইত্যাদি নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানের এই শাখাটিতেই সবচেয়ে গভীর গবেষণা হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%98%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,জড় প্রসঙ্গ কাঠামো,"চিরায়ত বলবিজ্ঞান এবং বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে, জড় প্রসঙ্গ কাঠামো হলো এমন এক প্রসঙ্গ কাঠামো যার কোন ত্বরণ নেই। জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে, বাহ্যিক কোন বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটে না অথবা ত্বরণ ঘটে না। অর্থাৎ নিউটনের প্রথম গতিসুত্র এই প্রসঙ্গ কাঠামোয় কাজ করে। |
| জড় প্রসঙ্গ কাঠামোকে গ্যালিলীয় প্রসঙ্গ কাঠমো বা নিউটনীয় প্রসঙ্গ কাঠামোও বলা হয়। |
| যেসব প্রসঙ্গ কাঠামোতে নিউটনের প্রথম গতিসূত্র অপরিবর্তিত থাকে তাদেরকে জড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%A1%E0%A6%BC_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97_%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8B
|
| C15,Science_Technology,Physics,চৌম্বক ক্ষেত্র,"চৌম্বক ক্ষেত্র হলো একটি ভেক্টর ক্ষেত্র যা কোন আপেক্ষিক গতিসম্পন্ন আধান বা চুম্বকিত বস্তুর চৌম্বকীয় প্রভাব ব্যাখ্যা করে। একটি আধান, অন্যান্য আধানের স্রতের সাথে সমান্তরালে ধাবিত হলে তা তার নিজের বেগের উলম্বে একটি বল অনুভব করে। চৌম্বক ক্ষেত্রের এই ক্রিয়াটি সাধারণত স্থায়ী চৌম্বকে দেখা যায়। |
| তত্ত্বগত ভাবে, একটি চৌম্বক ক্ষেত্র অসীম দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে, শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত পরীক্ষা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার জন্য এবং পরিবেশের অন্যান্য চৌম্বক ক্ষেত্র-এর উপস্থিতির জন্য ( যেমন ভূ -চৌম্বক ক্ষেত্র ) কার্যক্ষেত্রে কোন চৌম্বক ক্ষেত্র একটি সীমিত সীমা পর্যন্ত বিস্তৃত বলে ধরা হয়। |
| তড়িৎচৌম্বকতে ""চৌম্বক ক্ষেত্র"" শব্দটি B এবং H চিহ্ন দ্বারা চিহ্নিত দুটি স্বতন্ত্র কিন্তু ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ভেক্টর ক্ষেত্রের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেম অফ ইউনিটে, H হচ্ছে চৌম্বক ক্ষেত্রের শক্তি যাকে প্রতি মিটার অ্যাম্পিয়ারের SI বেস ইউনিটে পরিমাপ করা হয় এবং B, চৌম্বকীয় প্রবাহের ঘনত্ব, টেসলায় পরিমাপ করা হয় (SI বেস ইউনিটে: কিলোগ্রাম প্রতি সেকেন্ড 2 প্রতি অ্যাম্পিয়ার) (এ/এম)। H এবং B কীভাবে চুম্বকীয়করণের জন্য দায়ী তার মধ্যে পার্থক্য। একটি ভ্যাকুয়ামে, দুটি ক্ষেত্র ভ্যাকুয়াম ব্যাপ্তিযোগ্যতার মাধ্যমে সম্পর্কিত। কিন্তু একটি চুম্বকীয় পদার্থে, পদগুলি প্রতিটি বিন্দুতে উপাদানের চুম্বককরণের দ্বারা পৃথক হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95_%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,দৃশ্যমান বর্ণালী,"দৃশ্যমান বর্ণালি বা দৃশ্য বর্ণালি বা আলোক বর্ণালি হচ্ছে তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর সেই অংশ যা মানুষের চোখে দৃশ্যমান অর্থাৎ যা মানুষের চোখ চিহ্নিত করতে পারে। এই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সীমার তড়িচ্চুম্বকীয বিকিরণকে দৃশ্যমান আলো বা শুধু আলো বলে অভিহিত করা হয়। মানুষের চোখ ৩৮০ থেকে ৭৮০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে সাড়া দেয়। কম্পাঙ্কে এই সীমা ৭৯০ টেরাহার্জ থেকে ৪০০ টেরাহার্জ পর্যন্ত বিস্তৃত। মানুষের চোখ সর্বোচ্চ প্রায় ৫৫৫ ন্যানোমিটার পর্যন্ত ""দেখতে"" পারে যা দৃশ্যমান বর্ণালির সবুজ রঙের এলাকায় অবস্থিত। অবশ্য মানুষের চোখ এবং মস্তিষ্ক আলাদা করে চিনতে পারে এমন অনেক রঙই দৃশ্যমান বর্ণালিতে নেই। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ঔজ্জ্বল্য পরিবর্তিত রং যেমন গোলাপী কিংবা মিশ্র রং ম্যাজেন্টা এই বর্ণালিতে অনুপস্থিত কারণ এই রঙগুলি একাধিক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মিশ্রণের ফলে সৃষ্টি হয়। |
| অনেক প্রজাতির প্রাণির চোখ মানুষের চোখে দৃশ্যমান বর্নালী ছাড়া ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সংবেদনশীল হয়। যেমন মৌমাছির মত অনেক কীটপতঙ্গ অতিবেগুনী আলোতে দেখতে পায় যা ফুলের মধু আহরণে তাদেরকে সহায়তা করে। পাখিরাও অতিবেগুনী আলোতে (৩০০-৪০০ ন্যানোমিটার) দেখতে পায়। কিছু কিছু পাখির যৌন নির্ভর চিহ্ন শুধুমাত্র অতিবেগুনী আলোতে দেখা যায়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%83%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80
|
| C15,Science_Technology,Physics,তরঙ্গ,"তরঙ্গ বা ঢেউ হলো এক ধরনের কম্পনরত আন্দোলন যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে। মাধ্যম ব্যতিরেকে তরঙ্গ শূন্যস্থান দিয়েও সঞ্চারিত হতে পারে। এ ধরনের তরঙ্গ হলো তাড়িতচ্চৌম্বক তরঙ্গ এবং মহাকর্ষীয় তরঙ্গ। জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনের ফলে বা কোনো বস্তুর কলাকৌশলের ফলে যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয় তাকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে। এই তরঙ্গ মাধ্যমের কণার কোন স্থায়ী ঘটায় না, বরং এই তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দন বা কম্পন দ্বারা সঞ্চালিত হয়।সুতরাং যান্ত্রিক তরঙ্গের সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমটি স্থিতিস্থাপক এবং অবিচ্ছিন্ন হওয়া প্রয়োজন। |
| তরঙ্গ বেগ : নির্দিষ্ট দিকে, প্রতি সেকেন্ড সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে ঐ তরঙ্গের তরঙ্গ বেগ বলে। |
| পদার্থবিজ্ঞানে তরঙ্গ সঞ্চালনকারী কোনো কম্পনশীল কণার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে এটি তরঙ্গের একই ফেজ এর পরপর সংশ্লিষ্ট বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব।যেমন দুটি সংলগ্ন ক্রেস্ট, ট্রফ বা শূন্য ক্রসিং উভয়ই ট্রাভেলিং তরঙ্গের একটি বৈশিষ্ট্য এবং সেইসাথে অন্যান্য স্থানিক তরঙ্গের একটি নিদর্শন। তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিপরীত দিককে স্থানিক কম্পাঙ্ক বলে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত গ্রিক অক্ষর ল্যাম্বডা (λ) দ্বারা চিহ্নিত হয়। তরঙ্গদৈর্ঘ্য শব্দটি কখনও কখনও মড্যুলেটেড তরঙ্গ এবং বিভিন্ন সাইনোসয়েডের হস্তক্ষেপ দ্বারা গঠিত মডুলেটেড তরঙ্গ বা তরঙ্গের সাইনোসয়েডাল খামেও প্রয়োগ করা হয়। উচ্চতর কম্পাঙ্কবিশিষ্ট তরঙ্গগুলির ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে এবং নিম্ন কম্পাঙ্কবিশিষ্ট তরঙ্গগুলির দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে। |
| যে মাধ্যম দিয়ে তরঙ্গ চলাচল করে, সেই মাধ্যমের উপর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ভর করে। (উদাহরণস্বরূপ, ভ্যাকুয়াম, বায়ু বা জল)। তরঙ্গের উদাহরণ হল শব্দ তরঙ্গ, আলোকতরঙ্গ, জলতরঙ্গ এবং পর্যায়ক্রমিক বৈদ্যুতিক তরঙ্গ(যা একটি কন্ডাক্টর)। একটি শব্দ তরঙ্গ বায়ুর একটি পরিবর্তনের ফলে চাপ, আলো এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন এবং চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তিত হয়। জলের তরঙ্গ হল জলের পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য। একটি স্ফটিক জালির কম্পন এ, পারমাণবিক অবস্থান পরিবর্তিত হয়। |
| তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা কম্পাঙ্কের পরিসরকে বর্ণালী বলা হয়।বর্ণালী নামের উৎপত্তি দৃশ্যমান আলোর বর্ণালী থেকে। এখন সমগ্র ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম প্রয়োগ এর পাশাপাশি একটি শব",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97
|
| C15,Science_Technology,Physics,গ্যাসের গতিতত্ত্ব,"এই নিবন্ধটি গ্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; আরও জানতে দেখুন কঠিন বস্তুর গতিতত্ত্ব |
| |
| গ্যাসের গতিতত্ত্ব বা গ্যাসের আণবিক গতিতত্ত্ব(ইংরেজি: Kinetic theory) অনুযায়ী সব বস্তুই বহুসংখ্যক ক্ষুদ্র কণার (অণুর) সমন্বয়ে গঠিত। এই তত্ত্ব অনুযায়ী অণুগুলি সর্বদা অনিয়মিতভাবে গতিশীল। সতত গতিশীল এই কণাগুলির অনবরত পরস্পরের সঙ্গে ও ধারক পাত্রের দেওয়ালের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে চলে। কোনো গ্যাসীয় ব্যবস্থায় কোন কোন অণু বর্তমান ও তাদের গতির ধারণা ব্যবহার করেই এই তত্ত্ব দিয়ে ওই ব্যবস্থার সমষ্টিগত ধর্মগুলি, যেমন চাপ, তাপমাত্রা, অথবা আয়তন ব্যাখা করা যায়। এককথায় এই তত্ত্বানুযায়ী স্থির বিকর্ষণ নয়, যা কিনা নিউটনের অনুমান ছিল, বরং বিভিন্ন গতিবেগে ছুটে চলা অণুগুলির মধ্যে সংঘর্ষই চাপের কারণ। |
| গ্যাসের কণাগুলির আয়তন খালি চোখে দেখা না গেলেও, পরাগরেণু অথবা ধূলিকণার বিক্ষিপ্ত গতি বা ব্রাউনীয় গতি, অণুবীক্ষণযন্ত্রে দেখা যায়। তা থেকে এটা জানা গেছে যে এই গতির উৎস পরাগরেণু অথবা ধূলিকণার ক্রমাগত সংঘর্ষ। ১৯০৫ খ্রীস্টাব্দে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন গতিতত্ত্বের এই পরীক্ষামূলক প্রমাণ প্রকাশ করেন। এটিকেই পরমাণু ও অণুর অস্তিত্বের স্বপক্ষের প্রমাণ হিসেবেও গণ্য করা হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
|
| C15,Science_Technology,Physics,চৌম্বক উত্তোলন,"চৌম্বক উত্তোলন বা ইংরেজি পরিভাষায় ম্যাগনেটিক লেভিটেশন (ইংরেজিতে: Magnetic levitation) হল এক ধরনের পদ্ধতি যাতে চৌম্বক ক্ষেত্রের সাহায্যে কোন বস্তুকে অবলম্বন ছাড়া শূন্যে ভাসিয়ে রাখা হয়। এক্ষেত্রে বস্তুর প্রতি মাধ্যাকর্ষণজনিত প্রভাবকে চৌম্বকীয় চাপ দিয়ে প্রতিহত করা হয়। আর্নশ তত্ত্ব প্রমাণ করে যে, কেবল ফেরোচুম্বকত্ত্ব কোন বস্তুকে মাধ্যাকর্ষণ প্রভাব হতে মুক্ত রেখে তাকে শূন্যে ভাসিয়ে রাখতে সক্ষম। কিন্তু ডায়াচুম্বকজাতীয় পদার্থের অতিপরিবাহিতা এই ঘটনায় বাধা প্রদান করে। |
| যদিও চৌম্বক উত্তোলনে চৌম্বক শক্তির মাধ্যমে বস্তুকে উত্তোলিত করা হয়, তথাপি কোন কোন ক্ষেত্রে বস্তুকে সামান্য পরিমাণে অবলম্বন প্রদানের উদ্দেশ্যে যান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। একে বলা হয় ছদ্ম উত্তোলন (ইংরেজি পরিভাষায় সিউডো লেভিটেশন)। চৌম্বক উত্তোলন চুম্বক-উত্তোলিত রেল, চৌম্বক বিয়ারিং এবং অন্যান্য যান্ত্রিক কাজে ব্যবহৃত হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95_%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,ট্রায়োড,ট্রায়োড (ইংরেজি: Triode) এমন এক প্রকারের ইলেকট্রনিক বিবর্ধক যার তিনটি ইলেকট্রোড থাকে। সাধারণতঃ ট্রায়োড বলতে ভ্যাকুয়াম টিউব ট্রায়োডকেই বোঝায়। ট্রায়োড হচ্ছে প্রথম ইলেকট্রনিক বিবর্ধক - ডায়োড নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়ে লি ডি ফরেষ্ট ১৯০৬ সালে ট্রায়োড আবিষ্কার করেন। ইংরেজি ট্রায়োড শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ τρίοδος (tríodos) থেকে যার দুটি অংশ - tri- মানে তিন এবং hodós মানে পথ।,https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8B%E0%A6%A1
|
| C15,Science_Technology,Physics,ডোপায়ন,ডোপায়ন বা ডোপিং হলো অর্ধপরিবাহী উৎপাদনে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি অত্যন্ত খাঁটি অর্ধ পরিবাহী'র মধ্যে ভেজাল মিশিয়ে এর বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্যাবলী পরিবর্তন করা। ভেজালের পরিমাণ অর্ধপরিবাহীর ধরনের উপর নির্ভর করে।,https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,উইকিপিডিয়া:পদার্থবিজ্ঞান পরিভাষা,"নিচে পদার্থবিজ্ঞান-সংক্রান্ত ইংরেজি পারিভাষিক শব্দগুলির বাংলা পরিভাষাসমূহের একটি তালিকা ইংরেজি বর্ণানুক্রমে উপস্থাপন করা হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কিত নিবন্ধ সম্পাদনা করার সময় এই তালিকায় থাকা পরিভাষা গুলি ব্যবহার করুন। |
| দ্রষ্টব্য: অনুগ্রহ করে তালিকাটি সম্পাদনা করার সময় বর্ণানুক্রম রক্ষার চেষ্টা করুন। অধিকন্তু কিছু কিছু ভুক্তির অধীনে এক বা একাধিক উপভুক্তি যোগ করা হয়েছে। যেমন energy-র অধীনে আছে বিভিন্ন প্রকারের energy ও energy-সংশ্লিষ্ট পরিভাষা (biomass energy, transformation of energy)। ভুক্তি অনুসন্ধান ও যোগ করার ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি খেয়াল রাখুন।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE:%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,পদার্থ,"চিরায়ত বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে যা কিছু কোনও স্থান বা আয়তন দখল করে এবং জড়তা (বা ভর) ও মহাকর্ষ ধর্ম প্রদর্শন করে, তাকে পদার্থ বলে। দৈনন্দিন স্পর্শযোগ্য সমস্ত বস্তু মোটামুটিভাবে শেষ বিচারে অনেকগুলি পরমাণু দিয়ে তৈরি, যেগুলি আবার পরস্পর আন্তঃক্রিয়াশীল অতিপারমাণবিক কণা দিয়ে তৈরি। তবে ভরহীন কণা যেমন ফোটন ও অন্যান্য শক্তি-সংক্রান্ত ঘটনা যেমন আলো, তাপ, চুম্বকত্ব, বিদ্যুৎ, তেজস্ক্রিয়তা, এগুলিকে পদার্থ হিসেবে গণ্য করা হয় না। পদার্থ বিভিন্ন ধরনের অবস্থা বা দশায় বিরাজ করে, যেমন কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয়। জীবদেহে অবস্থিত বা জীবদের দ্বারা উৎপাদিত বিশেষ পদার্থগুলিকে জৈব পদার্থ এবং বাকী সব পদার্থকে অজৈব পদার্থ বলা হয়। পদার্থ ও শক্তি একত্রে মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তুনিষ্ঠ ঘটনার ভিত্তি গঠন করেছে; তবে কোনও কোনও বিজ্ঞানীর মতে তথ্য পদার্থ ও শক্তির চেয়েও মৌলিক একটি ধারণা।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5
|
| C15,Science_Technology,Physics,পরমাণু,"মৌলিক পদার্থের যে ক্ষুদ্রতম কণার মধ্যে মৌলটির সমস্ত ধর্ম উপস্থিত থাকে এবং যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে মৌলিক পদার্থটির পরমাণু বলে। সমস্ত কঠিন, তরল, গ্যাস এবং আয়ন -এর গঠনের মূলে রয়েছে নিস্তরিত বা আধানগ্রস্ত পরমাণু। পরমাণুর আকার খুবই ক্ষুদ্র; সাধারনত এরা দৈর্ঘ্যে ১০০ পিকোমিটার (১ মিটারের ১০,০০০,০০০,০০০ ভাগের ১ ভাগ)। |
| পরমাণুর মাত্রা এই ক্ষুদ্রাকার হওয়ার কারণেই এর আচরনের বৈশিষ্টতা প্রথাগত পদার্থবিদ্যার সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%81
|
| C15,Science_Technology,Physics,প্লাজমা,"আয়নিত গ্যাস ও ইলেকট্রনের সমন্বয়ে গঠিত পদার্থের চতুর্থ অবস্থাকে প্লাজমা বলে। |
| প্লাজমা পদার্থের চতুর্থ অবস্থা (কঠিন, তরল ও বায়বীয়র পর)। প্লাজমা হচ্ছে আয়নিত গ্যাস যেখানে মুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক আয়নের সংখ্যা প্রায় সমান। আন্তঃনাক্ষত্রিক স্থানে, গ্যাস ক্ষরণ টিউবে, নক্ষত্রের (এমনকী সূর্যের) বাতাবরণে এবং পরীক্ষামূলক তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়কে (Thermonuclear reactor) প্লাজমা দেখতে পাওয়া যায়। |
| বৈদ্যুতিকভাবে প্রশম থাকা সত্ত্বেও প্লাজমা সহজেই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এদের থাকে অত্যুচ্চ তাপমাত্রা। |
| প্লাজমার কণাগুলি আয়নিত হওয়ায় গ্যাসের সাথে এর কিছু আচরণগত পার্থক্য আছে। গবেষণাগারে নিম্নচাপে রেখে গ্যাসকে (যতক্ষণ না গ্যাসীয় কণাগুলির গড় গতিশক্তি গ্যাসীয় অণু বা পরমাণুসমূহের আয়নীকরণ শক্তির কাছাকাছি হচ্ছে ততক্ষণ) উত্তপ্ত করে প্লাজমা তৈরি করা যায়। অত্যুচ্চ তাপমাত্রায় (প্রায় ৫০০০০ কেলভিন বা তার উপরে) গ্যাসীয় কণাগুলির মাঝে সংঘর্ষের কারণে গ্যাসের ঝটিতি আয়নায়ন (Cascading আয়নন) ঘটে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে, যেমন- প্রতিপ্রভ(Fluorescent) বাতিতে, প্লাজমাকণাগুলি নিরন্তর ধারকের দেয়ালের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ায় শীতলীকরণ এবং পুনর্মিলন (Recombination) ঘটে যার ফলে সামগ্রিক তাপমাত্রা বেশ নিচু থাকে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত আংশিক আয়নীকরণ ঘটে এবং বিপুল শক্তির জোগান (Input) দরকার হয়। তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়কে প্লাজমাকণাসমূহকে তড়িচ্চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মাধ্যমে ধারকের দেয়াল থেকে দূরে রাখা হয় যাতে প্লাজমার তাপমাত্রা অত্যুচ্চ থাকে (পিঞ্চ ক্রিয়া দেখুন)।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,পিঞ্চ ক্রিয়া,"দুটি সমান্তরাল পরিবাহকের মধ্য দিয়ে একই দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ ঘটলে পরিবাহকযুগলের মধ্যে যে চৌম্বকীয় আকর্ষণ দেখা যায়, তাকেই পিঞ্চ ক্রিয়া বলে। |
| এই বল প্রথমদিককার আবেশ চুল্লী-গুলিতেই দেখা গিয়েছিল। ১৯৪০ সাল থেকে শুরু করে তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়ক-এর মধ্যে উত্তপ্ত প্লাজমাকে সংঘবদ্ধ রাখার উপায় হিসেবে এই ক্রিয়ার উপর আজতক ব্যাপক গবেষণা হয়ে আসছে। পরীক্ষামূলক টরয়েডীয় তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়কে তাড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে প্লাজমায় বিপুল তড়িৎপ্রবাহ সৃষ্টি করা হয়; এই তড়িৎপ্রবাহ প্লাজমাকে একাধারে যেমন উত্তপ্ত করে তোলে তেমনি পিঞ্চ ক্রিয়ার মাধ্যমে(প্লাজমা মেঘকে কতগুলি সমাক্ষ সিলিন্ডার চিন্তা করলে, পরপর দুটি সিলিন্ডারকে মনে হবে সমান্তরাল দুটি পরিবাহক যাদের মধ্য দিয়ে একই দিকে তড়িৎ প্রবাহিত হওয়ায় তারা পরস্পরকে আকর্ষণ করবে) টিউবের দেয়াল থেকে প্লাজমাকে দূরে রাখে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A_%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক,"প্লাঙ্ক ধ্রুবক (প্রকাশ জ, এছাড়াও প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক বলা হয়) একটি শারীরিক ধ্রুবক কর্মের কোয়ান্টাম, কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান কেন্দ্রীয় হয় না। |
| প্রথম ম্যাক্স প্লাংক দ্বারা ১৯০০ সালে স্বীকৃত, এটি একটি ক্ষুদ্রায়তন বৈদ্যুতিক চার্জিং oscillator এর শক্তি, ই , ক্ষুদ্রতম বৃদ্ধি ইনপুট মধ্যে সমানুপাতিক অবস্থার হিসাবে ধারণা করা হয় কালো শরীরের বিকিরণ রয়েছে, এবং তার সাথে যুক্ত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ ফ্রিকোয়েন্সি, চ , । ১৯০৫ সালে, মান ই , একটি কল্পিত ওসিসিল্টারের ন্যূনতম শক্তি বৃদ্ধি, তত্ত্বগতভাবে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন দ্বারা ""কোয়ান্টাম"" বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের শক্তি তার ন্যূনতম উপাদান দিয়ে যুক্ত হয়। একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ বিরোধিতা হিসাবে আলোর কোয়ান্টাম একটি বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ কণা হিসাবে কিছু ক্ষেত্রে আচরণ। এটি অবশেষে একটি ফোটন বলা হয়। |
| এটি কোয়ান্টাম তত্ত্বের মৌলিক অর্থ হচ্ছে একটি সর্বজনীন ধ্রুবক এবং এটি দ্বারা উপস্থাপিত হয়। h = 6.6260755 × 10-³⁴ জোলস / সেকেন্ড 1900 সালে এম। প্লাংক দ্বারা উপস্থাপিত। যে মাত্রাটি শক্তি × সময়, বা ভরবেগ × দৈর্ঘ্য, এটি কর্মের পরিমাণ মাত্রা হিসাবে একই, তাই h ক্রিয়াটিও বলা হয়। যেহেতু পরমাণুতে ইলেকট্রন শক্তি প্রায় 10 (- /) 1 7 টি জৌলুস এবং বিপ্লব সময় প্রায় 10 (- /) 1 6 সেকেন্ড, তার পণ্য 10 (- /) 3 3 জোল · দ্বিতীয়টি হল এইচ, যেমন বিশ্বের কোয়ান্টাম মেকানিক্স দ্বারা বর্ণিত করা আবশ্যক। যাইহোক, যদি কর্মের পরিমাণ h বেশি বড় হয়, তাহলে এটি ক্লাসিক্যাল বলবিজ্ঞানগুলিতে পরিচালিত হতে পারে। |
| ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞান অনুযায়ী energy যে নিরবচ্ছিন্ন নির্গত হয় সেই ধারণা পাল্টে যায়, বরং তা হয় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্যাকেট আকারে। ... একটি ফোটনের energy বা শক্তি তার কম্পাঙ্ক (frequency) এর সাথে তাই, E=hv সমীকরণ দিয়ে রিলেটেড,যেখানে h হলো প্ল্যাংক ধ্রুবক, যার মান 6.6×10^(-34) জুল*সেকেন্ড। |
| প্লাংকের ধ্রুবক হলো একটি মৌলিক ধ্রুব সংখ্যা যার মান শক্তির একটি কোয়ান্টামের অন্তর্নিহিত শক্তি এবং ঐ কোয়ান্টামের কম্পাঙ্কের অনুপাতের সমান। এটিকে |
| |
| |
| |
| |
| h |
| |
| |
| {\displaystyle \,h} |
| |
| দ্বারা সূচিত করা হয়। |
| |
| এস আই এককে প্লাংকের ধ্রুবক সঠিক এর মান হলো |
| |
| |
| |
| h |
| = |
| |
| |
| {\displaystyle",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95
|
| C15,Science_Technology,Physics,ফার্মিয়ন,"কণা পদার্থবিজ্ঞানে, ফার্মিয়ন হলো ১/২ এর বিজোড় গুণিতক (যেমনঃ ১/২,৩/২) স্পিন বিশিষ্ট একধরনের মৌলিক কণিকা যারা ফার্মি–ডিরাক পরিসংখ্যান মেনে চলে। এই কণিকা পলির বর্জন নীতি মেনে চলে । প্রখ্যাত ইতালীয় তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মির নামানুসারে এই কণিকার নামকরণ করেন ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মি এক শক্তিস্তরে দুটির বেশি ফার্মিয়ন একসঙ্গে থাকতে পারেনা, যা বোসনদের পক্ষে সম্ভব। এদের দ্বারা বস্তু গঠিত হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,বি এল ল্যাকারটি বস্তু,"বি এল ল্যাকারটি বস্তু হলো কিছু কিছু ছায়াপথের কেন্দ্রে দৃষ্ট দুর্লভ ও বিচিত্র বস্তু। সক্রিয় ছায়াপথ কেন্দ্রীনের(active galactic nuclei) এটি একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। এরা আসলে উপবৃত্তাকার ছায়াপথ। এরা প্রচন্ড শক্তিশালী অবলোহিত রশ্মি, দৃশ্যমান আলো এবং রেডিও তরঙ্গ বিকিরণ করে। এদের বর্ণালীতে শোষণ রেখা অথবা নির্গমণ রেখার কোনটাই দেখা যায় না। এদের সংক্ষেপে 'ল্যাকারটিড' বলে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF_%E0%A6%8F%E0%A6%B2_%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%9F%E0%A6%BF_%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81
|
| C15,Science_Technology,Physics,দোদুল্যমান মহাবিশ্ব তত্ত্ব,"দোদুল্যমান মহাবিশ্ব তত্ত্ব হলো ১৯৩৪ সালে রিচার্ড টোলম্যান কর্তৃক প্রদত্ত মহাবিশ্বের চালচিত্র সংক্রান্ত একটি তত্ত্ব যেখানে বলা হয়েছে যে, মহাবিশ্ব হলো সৃষ্টি ও ধ্বংসের এক নিঃশেষ পরম্পরা। যদি মহাবিশ্বের অন্তর্গত পদার্থের ঘনত্ব যথেষ্ট(সংকট ঘনত্বের চেয়ে বেশি) হয় তাহলে মহাবিশ্বের বর্তমান সম্প্রসারণ সসীম ভবিষ্যতেই থেমে যাবে এবং শুরু হবে সংকোচণের পালা যার যবনিকাপাত ঘটবে বৃহৎ সংকোচনের(big crunch) মাধ্যমে। পরবর্তীতে হয়ত বৃহৎ বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে পুনরায় আরম্ভ হবে প্রসারণের পালা এবং এভাবেই নিরবিচ্ছন্নভাবে চলতে থাকবে মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও ধ্বংসের চক্র। |
| তবে এই তত্ত্বটির ভবিষ্যদ্বাণী সম্পর্কে নিশ্চিত হতে মহাবিশ্বের ঘনত্ব ও এর অন্তর্গত ভরের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে যা এখনো আমাদের আওতার বাইরে। |
| |
| কম্পনশীল মহাবিশ্ব",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
|
| C15,Science_Technology,Physics,পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান,"পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান (ইংরেজি: Atomic physics) পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে পারমাণবিক কেন্দ্রীণ ও ইলেকট্রনসমূহ নিয়ে গঠিত একটি আলাদা সিস্টেম বা ব্যবস্থা হিসেবে পরমাণুর উপর গবেষণা করা হয়। পরমাণু কেন্দ্রীণের চারপাশে ইলেকট্রনগুলি কীভাবে বিন্যস্ত এবং এই বিন্যাসগুলি কী প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হতে পারে, তা-ই মূলত এই ক্ষেত্রটির আলোচ্য বিষয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,পারমাণবিক ভর,পারমাণবিক ভর হলো কোন মৌলিক পদার্থের একটি পরমাণুর ভর। পারমাণবিক ভরকে অনেকসময় একীভূত পারমাণবিক ভর একক হিসেবেও প্রকাশ করা হয়। পদার্থের অণুর ক্ষেত্রও একই রকম সংজ্ঞা প্রদান করা যায়। তখন এটিকে আণবিক ভর নামে ডাকা হয়। কোন পদার্থের আণবিক ভর এর পরমাণুগুলোর পারমাণবিক ভর থেকে বের করা যায়। কোন পদার্থের একটি অনুতে অবস্থিত প্রতিটি পরমাণুর পারমাণবিক ভরকে ঐ অণুর রাসায়নিক সংকেতে নির্দেশিত পরমাণুগুলোর স্ব স্ব অনুপাত দ্বারা গুণ করে গুণফলগুলোকে যোগ করলে ঐ অণুর আণবিক ভর পাওয়া যায়।,https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,নিউক্লীয় গবেষণার জন্য ইউরোপীয় সংস্থা,"নিউক্লীয় গবেষণার জন্য ইউরোপীয় সংস্থা একটি ইউরোপীয় গবেষণা সংস্থা যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার পরিচালনায় নিয়োজিত। সংস্থাটির মূল ফরাসি নাম হল অর্গানিজাসিওঁ ওরোপেএন পুর লা রশের্শ ন্যুক্লেয়্যার (ফরাসি: Organisation européenne pour la recherche nucléaire), তবে ফরাসিতে এটি সংক্ষেপে সের্ন নামেই বেশি পরিচিত (আ-ধ্ব-ব:[sɜːɹn] বা [sɛrn])। ইংরেজিতে সংস্থাটির নাম ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ, তবে সংক্ষেপে ফরাসি ""সের্ন"" আদ্যক্ষরাটিকে ইংরেজির মতো করে ""সার্ন"" উচ্চারণ করা হয়। সংস্থাটির আদি ফরাসি নাম কোঁসেই ওরোপেয়াঁ পুর লা রশের্শ ন্যুক্লেয়্যার (Conseil Européen pour la Recherche Nucléaire)-এর আদ্যক্ষর চতুষ্টয় c, e, r, ও n থেকে CERN বা সের্ন আদ্যক্ষরাটির উৎপত্তি, যার বাংলা অর্থ হয় ""নিউক্লীয় গবেষণার জন্য ইউরোপীয় পরিষদ""। |
| সংস্থাটি ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের সীমান্তের কাছে সুইজারল্যান্ডের ফরাসিভাষী জেনেভা শহরের উত্তর-পশ্চিমের একটি শহরতলী মেরাঁ (Meyrin) পৌরসভাতে অবস্থিত। ১৯৫৪ সালের ২৯শে সেপ্টেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত এক সভায় সের্ন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি স্বাক্ষরিত হয়। প্রস্তাবে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের সংখ্যা শুরুতে মাত্র ১২ থাকলেও বর্তমানে এই সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা বেড়ে ২৩-এ দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ইসরায়েল একমাত্র অ-ইউরোপীয় রাষ্ট্র হিসেবে পূর্ণ সদস্যের মর্যাদা লাভ করেছে। সের্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আনুষ্ঠানিক পর্যবেক্ষকসমূহের একটি। |
| সের্নের গবেষণাগারে ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬ শতেরও বেশি বিজ্ঞানী, কারিগর ও প্রশাসনিক কর্মচারী কর্মরত ছিলেন। সে বছর বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশে বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা থেকে আগত ১২ হাজার ৪ শত ব্যবহারকারী এখানে কাজ করেন। |
| গবেষণাগারের পরীক্ষাগুলি থেকে প্রতিদিন গড়ে এক পেটাবাইট উপাত্ত (১০ লক্ষ গিগাবাইট) প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এর মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ১১৫ পেটাবাইট উপাত্ত সংরক্ষণ করে রাখা হয়। |
| সের্নের প্রধান কাজ হল উচ্চ-শক্তির পদার্থবৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য কণা ত্বরক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর যোগান দেওয়া। এ কারণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাভিত্তিক বহু পরীক্ষা সের্নে নির্মাণ করা হয়েছে। সের্নে বৃহৎ হ্যাড্রন সংঘর্ষকটি অবস্থিত, যা কিনা বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচেয়ে বেশী শক্তিবিশিষ্ট কণা সংঘর্ষক। সংস্থাটি মূল কর্মস্থলে একটি বৃহৎ পরিগণন কেন",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,পরম তাপমাত্রা,"পরম তাপমাত্রা (ইংরেজি: Absolute temparature) বলতে বুঝানো হয় এমন এক তাপমাত্রা, যার চাইতে ঠান্ডা কোনো কিছু হতে পারে না। এই তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন গাণিতিকভাবে শূন্য হয়। এর মান শূন্য কেলভিন, -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা -৪৫৯.৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট। |
| তাত্ত্বিকভাবে, পরম শূন্যের নিচে কোনো তাপমাত্রা থাকা সম্ভব নয়। এটা এমন একটা তাপমাত্রা, যেখানে পরমাণু নিজের গতি হারিয়ে ফেলে একেবারেই নিশ্চল হয়ে যায়। আর তাই পরম শূন্য তাপমাত্রায় আসে চরম স্থিতি, অর্থাৎ এনট্রপি হয় সর্বনিম্ন। তবে গবেষকরা সম্প্রতি এই ধারণাকে ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছেন।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%AE_%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,ফ্রিদমান সমীকরণ,"এই সমীকরণগুলো রাশিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী আলেক্সান্দ্র্ আলেক্সান্দ্রোভিচ ফ্রিদমান প্রবর্তন করেন। |
| সূত্রগুলো হলো: |
| |
| |
| |
| |
| |
| H |
| |
| 2 |
| |
| |
| ≡ |
| |
| |
| ( |
| |
| |
| |
| |
| a |
| ˙ |
| |
| |
| a |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| 2 |
| |
| |
| = |
| |
| |
| |
| 8 |
| π |
| G |
| ρ |
| + |
| Λ |
| |
| 3 |
| |
| |
| − |
| K |
| |
| |
| |
| c |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| a |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle H^{2}\equiv \left({\frac {\dot {a}}{a}}\right)^{2}={\frac {8\pi G\rho +\Lambda }{3}}-K{\frac {c^{2}}{a^{2}}}} |
| |
| |
| |
| |
| |
| 3 |
| |
| |
| |
| |
| a |
| ¨ |
| |
| |
| a |
| |
| |
| = |
| Λ |
| − |
| 4 |
| π |
| G |
| ( |
| ρ |
| + |
| |
| |
| |
| 3 |
| p |
| |
| |
| c |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| {\displaystyle 3{\frac {\ddot {a}}{a}}=\Lambda -4\pi G(\rho +{\frac {3p}{c^{2}}})} |
| |
| |
| where |
| |
| |
| |
| ρ |
| |
| |
| {\displaystyle \rho } |
| |
| and |
| |
| |
| |
| p |
| |
| |
| {\displaystyle p} |
| |
| are the density and pressure of the fluid, |
| |
| |
| |
| Λ |
| |
| |
| {\displaystyle \Lambda } |
| |
| |
| আরও সরল রূপ হলো: |
| |
| |
| |
| |
| ρ |
| → |
| ρ |
| − |
| |
| |
| Λ |
| ",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3
|
| C15,Science_Technology,Physics,পাউলি মেট্রিক্স,"পাউলি মেট্রিক্স বলতে এক সেট মেট্রিক্সকে বোঝায়, প্রতিটি স্থান মাত্রার জন্য একটি করে। মেট্রিক্সগুলো হলো: |
| |
| |
| |
| |
| |
| σ |
| |
| 1 |
| |
| |
| = |
| |
| σ |
| |
| x |
| |
| |
| = |
| |
| |
| ( |
| |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| 1 |
| |
| |
| |
| |
| 1 |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \sigma _{1}=\sigma _{x}={\begin{pmatrix}0&1\\1&0\end{pmatrix}}} |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| σ |
| |
| 2 |
| |
| |
| = |
| |
| σ |
| |
| y |
| |
| |
| = |
| |
| |
| ( |
| |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| − |
| i |
| |
| |
| |
| |
| i |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \sigma _{2}=\sigma _{y}={\begin{pmatrix}0&-i\\i&0\end{pmatrix}}} |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| σ |
| |
| 3 |
| |
| |
| = |
| |
| σ |
| |
| z |
| |
| |
| = |
| |
| |
| ( |
| |
| |
| |
| 1 |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| − |
| 1 |
| |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \sigma _{3}=\s",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
| C15,Science_Technology,Physics,বলরেখা,"বলরেখা কোনো বলক্ষেত্রের কাল্পনিক রেখা, যার সাহায্যে ক্ষেত্রের দিক ও প্রাবল্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। বলরেখায় তীর চিহ্ন দিয়ে ক্ষেত্রের অভিমুখ দেখানো হয় এবং বলরেখাগুলির ঘনত্ব ক্ষেত্রের স্থানীয় প্রাবল্য সূচিত করে। দুটি বলরেখা কখনো একে অপরকে অতিক্রম করেনা কারণ একটী বিন্দুতে ক্ষেত্রের একটি মাত্র দিক থাকতে পারে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র,"১৬৮৭ সালে স্যার আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে একটি সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করতে সমর্থিত হয়েছেন। একে সার্বজনীন অ্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্বের আবিষ্কারের পর মহাকর্ষ সূত্রকে আর সার্বজনীন বলা চলেনা, তবে মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের সার্বিকতা কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ হয় নি।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7_%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাস,"পদার্থবিজ্ঞান হলো বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখা। পদার্থবিজ্ঞান বলতে বলা যেতে পারে এটা হলো গণিতের বাস্তব রূপ। এখানে বিভিন্ন গাণিতিক হিসাব নিকাশ দ্বারা প্রকৃতির বিভিন্ন ঘটনাকে বর্ণনা করা হয়। অত্যন্ত বিমূর্তভাবে বলতে গেলে, পদার্থবিজ্ঞান হলো সেই বিজ্ঞান যার লক্ষ্য আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করা। পদার্থবিজ্ঞানে পদার্থ, পদার্থের গতি এবং স্থান ও সময় মাধ্যমে তার আচরণ, শক্তি ও বল সংক্রান্ত রাশি নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখাগুলোর মধ্যে একটি । পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বের আচরণ সম্পর্কে অনুধাবন করা । |
| |
| এটা হলো বিজ্ঞানের সবচেয়ে প্রাচীনতম শাখা। তাই এর ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। |
| পদার্থবিজ্ঞান হলো বিজ্ঞানের একটি শাখা যার প্রাথমিক বিষয় বস্তু শক্তি। পদার্থবিজ্ঞানের আবিষ্কারগুলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি এর উপর।এখনকার পদার্থবিজ্ঞানকে শাস্ত্রীয়/সাধারণ পদার্থবিজ্ঞান এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে বিভক্ত করা যেতে পারে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
| C15,Science_Technology,Physics,প্রিজম (আলোকবিজ্ঞান),আলোকবিজ্ঞানে প্রিজম হলো একটি প্রিজম আকৃতির স্বচ্ছ বস্তু যার মধ্য দিয়ে সাদা আলোকরশ্মি যাবার সময় সাতটি রং এ বিভক্ত হয়ে যায়। ব্যবহার অনুযায়ী এর তলের সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয়। প্রিজম সাধারণত কাচের তৈরি হয় ও ত্রিকোণাকৃতির প্রস্থছেদের তবে এটি অন্য যেকোন স্বচ্ছ পদার্থ দিয়েও তৈরি করা যায়।,https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%AE_(%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8)
|
| C15,Science_Technology,Physics,ধারকত্ব,"ধারকত্ব হল কোন নির্দিষ্ট বিভব পার্থক্যে সঞ্চিত তড়িৎ আধানের পরিমাপ। তড়িৎ আধান সঞ্চয়ের জন্য দুই পাত বিশিষ্ট ধারক সর্বাধিক প্রচলিত। যদি ধারকের পাতদ্বয়ে আধানের পরিমাণ যথাক্রমে +Q ও -Q এবং পাতদ্বয়ের বিভব পার্থক্য V হয়, তবে ধারকত্ব |
| |
| |
| |
| C |
| = |
| |
| |
| Q |
| V |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle C={\frac {Q}{V}}} |
| |
| |
| ধারকত্বের এসআই একক হল ফ্যারাড। ১ ফ্যারাড = ১ কুলম্ব প্রতি ভোল্ট। |
| ধারকত্বের মাত্রাঃ |
| M^-1 L^-2 A^2 T^4 |
| কোন ধারকের ধারকত্বের রাশিমালা : |
| C=4π€0R (এখানে R= ধারকের ব্যাসার্ধ এবং 4π€0= 1/9×10⁹)",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
|
| C15,Science_Technology,Physics,লেন্জের সূত্র,"লেনজ এর সুত্র একটি সহজ উপায় যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি কীভাবে তড়িৎ চুম্বকীয় বর্তনী নিউটনের ৩য় সুত্র এবং শক্তির সংরক্ষণ সুত্র মেনে চলে । লেনজ এর সুত্র হেনরিক লেনজ এর নামানুসারে করা হয়েছে। এতে বলা হয় |
| তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের সময় আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহের জন্য সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক এমন হয়, যে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের আবিষ্ট তড়িৎপ্রবাহ উৎপন্ন হয়, যা সেই চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনকেই বাধা প্রদান করে। অন্যভাবে বললে, আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি বা তড়িৎ প্রবাহের দিক এমনভাবে হয় যে এটি উৎপন্ন হওয়ার মূল কারণের বিরুদ্ধে ক্রিয়া করে। |
| লেনজ এর সুত্র ফ্যারাডের সুত্রের আবেশ ঋণাত্মক চিহ্ন দেয় |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| E |
| |
| |
| = |
| − |
| |
| |
| |
| ∂ |
| |
| Φ |
| |
| |
| B |
| |
| |
| |
| |
| |
| ∂ |
| t |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle {\mathcal {E}}=-{\frac {\partial \Phi _{\mathrm {B} }}{\partial t}}} |
| |
| |
| এর থেকে বুঝা যায় যে আবেশিত তড়িচ্চালক বল (ℰ) এবং চৌম্বক প্রবাহ (∂ΦB) এর মধ্যে বিপরীত চিহ্ন আছে ।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,রংধনু,"রংধনু বা রামধনু , হল একটি আলোকীয় ঘটনা। এটি পানির কণার মধ্যে আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিস্তার-এর ফলে সৃষ্টি হয়। এর ফলে আকাশে আলোর একটি ধারাবাহিক দৃশ্যমান বর্ণালী দেখা যায়। রংধনু সাধারণত বহুবর্ণের একটি বৃত্তাকার খণ্ড আকারে দেখা যায়। সূর্যের আলো থেকে সৃষ্টি হওয়া রংধনু সবসময় সূর্যের ঠিক বিপরীত দিকে আকাশে দেখা যায়। রংধনু কেবল বৃষ্টির কারণে নয়; বাতাসে থাকা বিভিন্ন ধরনের পানি থেকেও এটি তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কুয়াশা, জলকণা ছিটা এবং বাতাসে ভাসমান শিশির। |
| রংধনু সম্পূর্ণ বৃত্ত আকারেও হতে পারে। তবে সাধারণত পর্যবেক্ষক মাটির উপরে আলোকিত পানিকণার দ্বারা গঠিত বৃত্তের একটি অংশ বা খণ্ডই দেখতে পান। এই বৃত্তের কেন্দ্র সূর্য থেকে পর্যবেক্ষকের চোখের দিকে টানা একটি সরলরেখার উপর অবস্থিত। |
| প্রাথমিক রংধনুতে বাইরের দিকে লাল রং এবং ভেতরের দিকে বেগুনি রং দেখা যায়। এই রংধনু তখনই তৈরি হয়, যখন আলো পানিকণার ভেতরে প্রবেশের সময় প্রতিসৃত হয়, পরে কণার পেছনের অংশে অভ্যন্তরীণভাবে প্রতিফলিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত বেরিয়ে আসার সময় আবার প্রতিসৃত হয়। |
| দ্বৈত রংধনুতে প্রাথমিক রংধনুর বাইরের দিকে আরেকটি রংধনু দেখা যায়। এতে রঙগুলোর বিন্যাস উল্টো হয়, অর্থাৎ লাল রং ভেতরের দিকে থাকে। এটি ঘটে, কারণ আলো পানিকণার ভেতরে থেকে বের হওয়ার আগে দুইবার অভ্যন্তরীণভাবে প্রতিফলিত হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A7%81
|
| C15,Science_Technology,Physics,লসন শর্ত,"লসন শর্ত হলো তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়ক থেকে শক্তি স্ফুরণের জন্য প্রয়োজনীয় একটি শর্ত। এটি সর্বপ্রথম প্রকাশ করেন জে. ডি. লসন। |
| এটাকে সাধারনতঃ ফিউশান্-জ্বালানীর কণাসমূহের ঘনত্ব এবং শক্তি পরিশোধ (Energy breakeven)-এর জন্য দরকারি অবরোধকালের (Containment time) গুণফলের ক্ষুদ্রতম মান হিসেবে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ, এ হলো বিক্রিয়াকারী কণাসমূহের প্রয়োজনীয় ঘনত্ব এবং এই কণাসমূহকে প্রজ্বলন তাপমাত্রায় (Ignition temperature) উত্তপ্ত করতে ব্যবহৃত শক্তির চেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদন করতে তাদেরকে যে সময়কাল বিক্রিয়া করতে হয় তার পরিমাপ। |
| প্রজ্বলন তাপমাত্রায় ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম-এর একটি ৫০ : ৫০ মিশ্রণের জন্য এই গুণফলের মান ১০১৪ এবং ১০১৫ প্রতি ঘন সেন্টিমিটার-সেকেন্ড এর মধ্যে থাকে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%B8%E0%A6%A8_%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4
|
| C15,Science_Technology,Physics,সমদৈশিকতা,"সমদৈশিকতা বলতে পরিমাপ গ্রহণের দিক বা অভিমুখ নির্বিশেষে কোনও বস্তুর কোনও ধর্মের মান একই বা সমান হওয়ার ঘটনাটিকে নির্দেশ করা হয়। একে ইংরেজি পরিভাষায় ""আইসোট্রপি"" (Isotropy) বলে। অন্য ভাষায় কোনও বস্তুকে কোনও অক্ষের উপরে ঘোরালে যদি সেটির কোনও পর্যবেক্ষণকৃত বা পরিমাপকৃত ধর্মের মান সর্বদা একই হয়, তাহলে ঐ বস্তুর ঐ ধর্মটি সমদৈশিক (Isotropic আইসোট্রপিক)। কোনও ধর্ম যদি এরূপ সমদৈশিকতা প্রদর্শন করে, তবে তাকে সমদৈশিক ধর্ম (Isotropic property আইসোট্রপিক প্রপার্টি) বলে। যদি কোনও পদার্থকে বিভিন্ন দিক থেকে পরিমাপ করলে এর ধর্মগুলির মান একই হয়, তাহলে সেটিকে সমদৈশিক পদার্থ (Isotropic material আইসোট্রপিক ম্যাটিরিয়াল) বলে। যেমন একটি তরল পদার্থ একটি সমদৈশিক পদার্থ, কিন্তু একটি কেলাসিত কঠিন পদার্থ সমদৈশিক নয় (বরং বিষমদৈশিক) কারণ এগুলি কেলাসের অক্ষ থাকে। |
| সমদৈশিকতার বিপরীত ধারণাটি হল বিষমদৈশিকতা বা অসমদৈশিকতা (Anisotropy অ্যানাইসোট্রপি)। সমদৈশিকতার কাছাকাছি আরেকটি ধারণা হল সমসত্ত্বতা (Homogeneity হোমোজেনেইটি); যদি কোনও পদার্থের প্রতিটি বিন্দুতে পদার্থটির সব গাঠনিক ভৌত ধর্ম একই হয়, তাহলে সেটিকে সমসত্ত্ব পদার্থ বলে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%88%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,ব্যারিয়ন,"ব্যারিয়ন হলো সবল মিথষ্ক্রিয়াকারী মৌলিক কণিকাসমূহের একটি শ্রেণী। এরা হলো যৌগিক অতিপারমাণবিক কণিকা যা বিজোড় সংখ্যক যোজ্যতা কোয়ার্কের (অন্তত তিনটি) সমনন্বয়ে গঠিত। নিউট্রন, প্রোটন এবং হাইপেরন নামে পরিচিত অস্থিতিশীল হ্যাড্রন এই শ্রেনীর সদস্য। কোন ব্যাবস্থায় বিদ্যমান ব্যারিয়নের মোটসংখ্যা থেকে প্রতিব্যারিয়নের মোটসংখ্যা বাদ দিলে পাওয়া যায় ব্যারিয়ন সংখ্যা। |
| ব্যারিয়ন হলো হ্যাড্রনের উপ-শ্রেণি এবং সাম্প্রতিক তত্ত্বানুযায়ী ৩টি কোয়ার্ক দ্বারা গঠিত । বেরিয়ন কোয়ান্টাম সংখ্যাকে বেরিয়ন সংখা বা ভারিত্বের সংখ্যা বলে এবং যেকোন মিথস্ক্রিয়ায় সংরক্ষিত থাকে ।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,বোলট্জম্যান ধ্রুবক,"বোলট্জমান ধ্রুবক পরিসাংখ্যিক বলবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ধ্রুব সংখ্যা যা তাপমাত্রা এবং শক্তির এককের মধ্যে সংযোগ হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ এই ধ্রুবকটির মাধ্যমে শক্তিকে তাপমাত্রার এককে প্রকাশ করা যায়। |
| |
| |
| |
| k |
| |
| |
| {\displaystyle k} |
| |
| অথবা |
| |
| |
| |
| |
| k |
| |
| B |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle k_{B}} |
| |
| দ্বারা ধ্রুবকটি প্রকাশ করা হয়। এর মান |
| |
| |
| |
| 1.3806 |
| × |
| |
| 10 |
| |
| − |
| 23 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle 1.3806\times 10^{-23}} |
| |
| জুল প্রতি কেলভিন বা |
| |
| |
| |
| 0.00008617 |
| |
| |
| {\displaystyle 0.00008617} |
| |
| ইলেকট্রন ভোল্ট প্রতি কেলভিন। বিখ্যাত অস্ট্রীয় পদার্থবিজ্ঞানী লুডভিগ বোলট্জম্যানের নামানুসারে এর নামকরণ হয়েছে। সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করলে দাঁড়ায়: |
| |
| |
| |
| |
| k |
| = |
| |
| |
| R |
| |
| N |
| |
| |
| A |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle k={\frac {R}{N_{\rm {A}}}}\,} |
| |
| |
| যেখানে |
| |
| |
| |
| R |
| |
| |
| {\displaystyle R} |
| |
| গ্যাস ধ্রুবক এবং |
| |
| |
| |
| |
| N |
| |
| |
| A |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle N_{\rm {A}}} |
| |
| আভোগাদ্রো সংখ্যা। |
| পার্টিশন অপেক্ষক, বসু-আইনস্টাইন, ফার্মি-ডিরাক অথবা ম্যাক্সওয়েল-বোলট্জমান বিন্যাসের ভিত্তিতে নির্ধারিত যে কোনো সম্পর্কের মধ্যে বোলট্জমান ধ্রুবকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95
|
| C15,Science_Technology,Physics,সাধারণ আপেক্ষিকতা,"সাধারণ আপেক্ষিকতা বা আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব (ইংরেজিতে General Theory of Relativity তথা GTR নামে পরিচিত) বলতে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন কর্তৃক ১৯১৫-১৯১৬ সালে আবিষ্কৃত মহাকার্ষের জ্যামিতিক তত্ত্বকে বোঝায়। এটি বিশেষ আপেক্ষিকতা এবং নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বকে একীভূত করার মাধ্যমে একটি বিশেষ অন্তর্দৃষ্টির জন্ম দিয়েছে। অন্তর্দৃষ্টিলব্ধ বিষয়টি হচ্ছে, স্থান এবং কালের বক্রতার মাধ্যমে মহাকর্ষীয় ত্বরণকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। তিনি এই ফর্মুলার মাধ্যমে স্থান ও কালের মধ্যে সংযোগ সেতু স্থাপন করেছেন যা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান বড় ভূমিকা পালন করে। স্থান-কালের মধ্যস্থিত পদার্থের ভর-শক্তি এবং ভরবেগের কারণেই এই বক্রতার উৎপত্তি ঘটে। ভবিষ্যতে এই তত্ত্ব ""টাইম মেশিন"" বা সময় যন্ত্রের ধাঁধা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3_%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,মহাকর্ষীয় তরঙ্গ,"মহাকর্ষীয় তরঙ্গ হলো ত্বরিত বস্তু কর্তৃক সৃষ্ট স্থান-কালের আন্দোলনজনিত বিশেষ প্রকারের তরঙ্গ। সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্ব অনুযায়ী নির্বাতে এর বেগ আলোর বেগের সমান। ১৯০৫ সালে অঁরি পোয়াঁকারে এই তরঙ্গের প্রস্তাবনা দেন এবং আইনস্টাইন তার সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্ব থেকে এর বর্ণনা দেন। যেকোন ত্বরিত, স্পন্দিত এবং প্রবলভাবে আন্দোলিত ভর মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সৃষ্টি করতে সক্ষম। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ মহাকর্ষীয় বিকিরণের মাধ্যমে শক্তি পরিবহন করে যা বিচ্ছুরক শক্তির একটি রূপ। নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র এদের অস্তিত্ব সম্পর্কে বলে না যেহেতু এই সূত্র ভৈত মিথস্ক্রিয়া সমূহ অসীম গতিতে বিস্তৃত হয় এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করে বর্ণিত - যা দেখায় যে চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞান আপেক্ষিকতার সাথে জড়িত ঘটনা সমূহ বর্ণনা করতে পারে না। |
| ১৯৯৩ সালে রাসেল অ্যালান হাল্স এবং জোসেফ হুটন টেইলর জুনিয়র কর্তৃক আবিষ্কৃত হাল্স-টেইলর যুগ্ন পালসার তাদের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। এই পালসারটিই প্রথম বস্তু যা মহাকর্ষীয় তরঙ্গের পরক্ষ প্রমাণ দেয়। |
| ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে লিগো এবং ভার্গো ঘোষণা করে যে তারা প্রথম কোনো পর্যবেক্ষিত মহাকর্ষীয় তরঙ্গের তালিকা মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ঘটনা প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ করেছে। পর্যবেক্ষণটি এর ৫ মাস পূর্বে উন্নমিত লিগো আবিস্কারক কর্তৃক করা হয়। ইহা একটি যুগ্ন কৃষ্ণ গহব্বর ব্যবস্থার একত্রিকরণের কারণে উৎপন্ন হয়। এর পরে, লিগো আরো দুটি নিশ্চিত এবং একটি সম্ভাব্য মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে। |
| ২০১৭ সালে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের আবিস্কারে অবদানের জন্য রাইনার ভাইস, কিপ থর্ন ও ব্যারি ব্যারিশ-কে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97
|
| C15,Science_Technology,Physics,লম্বন,"দর্শকের দুইটি ভিন্ন অবস্থানের সাথে কোন খ-বস্তু(celestial body) যে কোণ উৎপন্ন করে থাকে তাকে লম্বন বলে। এই দুই অবস্থানের একটি পৃথিবীর কেন্দ্র এবং অপরটি ভূপৃষ্ঠস্থ কোন স্থান হয়ে থাকলে ভিত্তি রেখাটি(base line) হয় পৃথিবীর ব্যাসার্ধের সমান। এই প্রকারের লম্বনকে বলা হয় আহ্নিক লম্বন। আর দুই অবস্থানের একটি পৃথিবীর কেন্দ্র এবং অপরটি সূর্যের কেন্দ্র হয়ে থাকলে ভিত্তিরেখাটি হবে পৃথিবীর কক্ষপথের গড় ব্যাসার্ধের সমান। এই দ্বিতীয় প্রকারের লম্বনকে বার্ষিক লম্বন বলা হয়। |
| পৃথিবী থেকে গ্রহ বা নক্ষত্রের দূরত্বের মতো বড় দূরত্ব পরিমাপ করতে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্যারালাক্স নীতি ব্যবহার করেন। |
| এখানে, প্যারালাক্স শব্দটি হল নক্ষত্রের দুটি দৃষ্টি-রেখার মধ্যে প্রবণতার আধা-কোণ, যেমনটি দেখা যায় যখন পৃথিবী তার কক্ষপথে সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে। |
| এই দূরত্বগুলিকে ""মহাজাগতিক দূরত্বের মই"" বলা হয়, যাকে বলা হয় তার সর্বনিম্ন স্তর তৈরি করে, প্রথমটি পদ্ধতির ধারাবাহিকতায় যার মাধ্যমে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মহাকাশীয় বস্তুর দূরত্ব নির্ধারণ করে, জ্যোতির্বিদ্যায় অন্যান্য দূরত্ব পরিমাপের ভিত্তি হিসাবে কাজ করে যা উচ্চতর স্তর তৈরি করে। |
| প্যারালাক্স রাইফেল স্কোপ, বাইনোকুলার, মাইক্রোস্কোপ এবং টুইন-লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরার মতো অপটিক্যাল যন্ত্রগুলিকেও প্রভাবিত করে যা বস্তুগুলিকে সামান্য ভিন্ন কোণ থেকে দেখে। |
| মানুষের সাথে অনেক প্রাণীর দুটি চোখ ওভারল্যাপিং ভিজ্যুয়াল ক্ষেত্র রয়েছে যা গভীরতা উপলব্ধি করতে প্যারালাক্স ব্যবহার করে; |
| এই প্রক্রিয়া স্টেরিওপসিস নামে পরিচিত। |
| কম্পিউটার ভিশনে প্রভাবটি কম্পিউটার স্টেরিও ভিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং একটি প্যারালাক্স রেঞ্জফাইন্ডার নামে একটি ডিভাইস রয়েছে যা এটি পরিসীমা খুঁজে পেতে ব্যবহার করে, এবং কিছু বৈচিত্র্যের ক্ষেত্রেও একটি লক্ষ্যের উচ্চতা। |
| প্যারালাক্সের একটি সাধারণ দৈনন্দিন উদাহরণ মোটর গাড়ির ড্যাশবোর্ডগুলিতে দেখা যায় যা একটি সুই-স্টাইলের যান্ত্রিক স্পিডোমিটার ব্যবহার করে। |
| সরাসরি সামনে থেকে দেখা হলে, গতি ঠিক 60 দেখাতে পারে, কিন্তু যাত্রীর আসন থেকে দেখা হলে, সূচটি বিমানের সমতল থেকে সুচের স্থানচ্যুতির সাথে মিলিত দেখার কোণের কারণে কিছুটা ভিন্ন গতি দেখাতে পারে। |
| সংখ্যাসূচক ডায়াল।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,মহাজাগতিক রশ্মি,"মহাজগতিক রশ্মি ইংরেজি Cosmic rays বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়। মহাজাগতিক রশ্মি হল উচ্চ-শক্তির প্রোটন এবং পারমাণবিক নিউক্লিয়াস যা প্রায় আলোর গতিতে মহাকাশের মধ্য দিয়ে চলে। তারা সূর্য থেকে, আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সিতে সৌরজগতের বাইরে থেকে, এবং দূরবর্তী ছায়াপথ থেকে উদ্ভূত হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সাথে প্রভাবে, মহাজাগতিক রশ্মি গৌণ কণার ঝরনা তৈরি করে, যার মধ্যে কিছু পৃষ্ঠে পৌঁছায়; যদিও স্তূপটি ম্যাগনেটোস্ফিয়ার বা হেলিওস্ফিয়ার দ্বারা মহাকাশে বিচ্যুত হয়। |
| মহাজাগতিক রশ্মি ১৯১২ সালে ভিক্টর হেস বেলুন পরীক্ষায় আবিষ্কার করেছিলেন, যার জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। |
| মহাজাগতিক রশ্মির সরাসরি পরিমাপ, বিশেষ করে নিম্ন শক্তিতে, ১৯৫০ এর দশকের শেষের দিকে প্রথম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পর থেকে সম্ভব হয়েছে। পারমাণবিক এবং উচ্চ-শক্তি পদার্থবিদ্যায় ব্যবহৃত অনুরূপ কণা ডিটেক্টরগুলি মহাজাগতিক রশ্মির গবেষণার জন্য উপগ্রহ এবং মহাকাশ অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। ফার্মি স্পেস টেলিস্কোপ (২০১৩) থেকে পাওয়া তথ্য প্রমাণ হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে প্রাথমিক মহাজাগতিক রশ্মির একটি উল্লেখযোগ্য ভগ্নাংশ নক্ষত্রের সুপারনোভা বিস্ফোরণ থেকে উদ্ভূত হয়। ২০১৮ সালে ব্লাজার TXS 0506+056 থেকে নিউট্রিনো এবং গামা রশ্মির পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে, সক্রিয় গ্যালাকটিক নিউক্লিয়াসও মহাজাগতিক রশ্মি তৈরি করতে দেখা যায়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF
|
| C15,Science_Technology,Physics,সূক্ষ্ম-গঠন ধ্রুবক,"সূক্ষ্ম-গঠন ধ্রুবক(Fine-structure constant) হলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম ইলেকট্রো-গতিবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধ্রুবরাশি। |
| |
| ইলেকট্রন-আধানের বর্গ এবং (২, শুন্য মাধ্যমে পরাবৈদ্যুতিক ধ্রুবক,প্ল্যাংকের ধ্রুবক ও আলোর দ্রুতির গুণফল) -এর অনুপাত হিসাবে একে সংজ্ঞায়িত করা হয়। একে |
| |
| |
| |
| |
| α |
| |
| |
| {\displaystyle \,\alpha } |
| |
| দ্বারা সূচিত করা হয়। এর মান হলো: ১/১৩৭.০৩৬ ।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95
|
| C15,Science_Technology,Physics,বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন,"বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থা বা বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চারণ এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এই শব্দটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বিদ্যুৎশক্তি পরিচালনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সাধারণতঃ বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে জনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত সাবস্টেশন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিবহনকে বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ বলে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তিকে আরোহী রূপান্তরকের (transformer) মাধ্যমে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে তা সঞ্চালন করা হয়। সঞ্চালিত বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ সাবস্টেশনে গেলে সেখানে আবার অবরোহী রূপান্তরকের মাধ্যমে নিম্ন বিভবে রুপান্তরিত করা হয়। বসতবাড়ি বা শিল্প কারখানায় সাধারণত সঞ্চালণ বিভবের থেকে কম বিভবেই বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করা হয়। এজন্য সঞ্চালণ বিভব থেকে বণ্টন বিভবে রূপান্তর অবশ্যম্ভাবী। |
| বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ এবং বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ দুটি ভিন্ন ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাবস্টেশন থেকে ব্যবহারকারীর কাছে বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা হয়। বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থায় বিপুল পরিমাণ শক্তি সরবরাহ করা হয় বিধায় সাধারণতঃ এ ব্যবস্থায় উচ্চ বিভব (১১০ কেভি বা কিলোভোল্ট) ব্যবহার করা হয়। মূলতঃ ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে দূর দূরান্তে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। শুধুমাত্র অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় (যেমন বড় বড় শহরে) মাটির নিচে দিয়ে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এসব এলাকায় বিপুল পরিমাণে ক্যাপাসিটিভ এবং রেজিস্টিভ লস থাকে এবং এখানে ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল বলে মাটির নিচের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করা হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8
|
| C15,Science_Technology,Physics,বেইলি’র হার,"ইংরেজি, The Baily's beads। পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ সূর্যকে প্রায় আবৃত করে ফেললেও, চাঁদের পৃষ্ঠদেশ বন্ধুর হওয়ায় সূর্যের কিছু কিছু অংশ অনাবৃত থেকে যায়। এই অনাবৃত অংশগুলি থেকে বেরিয়ে আসা আলোর পরম্পরাকে দেখে মোতিহারের মতো মনে হয়। এই ঘটনাটি ১৮৩৬ সালে ফ্রান্সিস বেইলি সবার প্রথমে অবলোকন করেন বলে তার সম্মানার্থে একে বেইলি'র হার নাম দেয়া হয়েছে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E2%80%99%E0%A6%B0_%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,সূর্যগ্রহণ,"চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়। এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। অমাবস্যার পরে নতুন চাঁদ উঠার সময় এ ঘটনা ঘটে। পৃথিবীতে প্রতি বছর অন্তত দুই থেকে পাচঁটি সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়। এর মধ্যে শূন্য থেকে দুইটি সূর্যগ্রহণ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়। |
| সূর্যগ্রহণ |
| যখন চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময়ে ঠিক সূর্য ও পৃথিবীর মাঝামাঝি এসে পড়ে তখন সেটি সূর্যের আলোকে পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয়-অর্থাৎ চাঁদের ছায়া পৃথিবীর কিছু অংশের উপরে পড়ে। এ ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলে। এ সময় সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। সূর্যগ্রহণ বিভিন্ন রকম হতে পারে; যেমন-আংশিক, পূর্ণগ্রাস, বলয় এবং হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ। তোমাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, সূর্যের ব্যাস চাঁদের ব্যাস থেকে 400 গুণ বড়ো, তারপরেও চাঁদ কীভাবে সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলতে পারে? কারণটি সহজ, চাঁদ সূর্যের তুলনায় ছোট হলেও এটি পৃথিবীর 400 গুণ কাছে অবস্থান করে সেজন্য পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে চাঁদ ও সূর্যকে প্রায় একই আকারে দেখা যায়। চাঁদের কক্ষপথ খানিকটা উপবৃত্তাকার, এটি যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসে তখন পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব হয় 3.63 লক্ষ কিমি, যখন পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে থাকে তখন পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব হয় 4.05 লক্ষ কিমি। চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী দূরত্ব সবচাইতে বেশি হলে তাকে বলে অপভূ (apogee) এবং চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব সবচাইতে কম হলে তাকে বলে অনুভূ (perigee)। |
| আংশিক সূর্যগ্রহণ |
| পৃথিবী ও সূর্যের মাঝামাঝি অবস্থানকালে চাঁদ যদি সূর্যের খানিকটা অংশ ঢেকে ফেলে তবে আংশিক সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হয়। এক্ষেত্রে যে স্থানে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যায় সেখানে সূর্যকে চাঁদ দ্বারা আংশিক ঢাকা অবস্থায় দেখা যায়। আংশিক সূর্যগ্রহণের সময় মূলত উপচ্ছায়ার প্রাধান্য বেশি থাকে। একে খণ্ডগ্ৰাস সূর্যগ্ৰহণ নামে অভিহিত করা হয়। |
| পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ |
| গ্রহণের সময় সূর্য যদি চাঁদের দ্বারা সম্পূর্ণ ঢেকে যায় তবে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হয়। আমরা জানি, চাঁদ পৃথিবীকে উপবৃত্তাকার পথে পরিভ্রমণ করে। ফলে কখনো কখনো চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে (অনুভূ) তখন চাঁদকে তুলনামূলকভাবে বড়ো দেখা যায়। চাঁদ অনুভূ অবস্থানে থাকার সময় যদি সূর্যগ্রহণ হয",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%A3
|
| C15,Science_Technology,Physics,ভৌত সূত্র,"একটি ভৌত সূত্র, ভৌত বিধি, বৈজ্ঞানিক সূত্র বা প্রাকৃতিক নিয়ম হল এক ধরনের বৈজ্ঞানিক সাধারণ ধারণা যা ভৌত ঘটনাসমূহের প্রায়োগিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাধ্যমে গঠিত হয়। কিংবা একে একেবারে সাধারণভাবে বলতে গেলে এটি এক ধরনের গাণিতিক বা যৌক্তিক সংজ্ঞাও হতে পারে। অনেক বছর ধরে পরিচালিত সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং পরীক্ষণের সার বা নির্যাস হচ্ছে এই প্রায়োগিক সূত্রসমূহ। এই ভৌত সূত্রগুলো এ কারণে বৈজ্ঞানিক সমাজ কর্তৃক সর্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A7%8C%E0%A6%A4_%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,সরণ,"যে কোনো বস্তু বা বিন্দু একটি অবস্থান থেকে আরেকটি অবস্থানে স্থানান্তরিত হলে, প্রথম অবস্থান থেকে দ্বিতীয় অবস্থান অবধি ভেক্টরকে সরণ বলে। সহজ কথায়, আদি বিন্দু হতে শেষ বিন্দুর মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্বকেই সরণ বলে, অর্থাৎ সরলরৈখিক দূরত্ব এবং সরণের দিক প্রথম অবস্থানটি থেকে দ্বিতীয় অবস্থানটির দিকে। যদি বস্তুটি সর্পিল গতিতে প্রথম অবস্থান থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে যায়, তাহলে অতিক্রান্ত দূরত্ব সরণের থেকে দৈর্ঘ্যে বেশি। সরণকে s দ্বারা প্রকাশ করা হয়। (s, জার্মান শব্দ ""Strecke"" এর প্রথম letter থেকে নেয়া হয়েছে । ) |
| |
| সরণ একটি ভেক্টর রাশি। তাই ভেক্টর যোগের নীতি মেনে দুটি সরণকে যোগ করা যায়। অর্থাৎ বিন্দু A থেকে বিন্দু Bতে প্রথম সরণ a ও বিন্দু B থেকে C-তে দ্বিতীয় সরণ b হলে, মোট সরণ বিন্দু A থেকে বিন্দু C-তে সরণের সমতুল্য হবে এবং প্রথমে b ও পরে a পরিমাণ সরণ হলেও মোট সরণ একই হত।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3
|
| C15,Science_Technology,Physics,সরল যন্ত্র,"পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় সরল যন্ত্র (simple machine) এমন একটি যান্ত্রিক ব্যবস্থা যা বলের দিক অথবা পরিমাণ পরিবর্তন করে। |
| সাধারণভাবে বলা যায় সবচেয়ে সরল উপায়ে যান্ত্রিক সুবিধা ব্যবহার করে বলবৃদ্ধি করার ব্যবস্থাকে সরল যন্ত্র বলে |
| সরল যন্ত্র একটিমাত্র বলের ক্রিয়ার মাধ্যমে একটি কাজ করে। উক্ত যন্ত্রের উপর বল প্রযুক্ত হলে তা কাজ সম্পাদন করে এবং এর ফলে নির্দিষ্ট দূরত্ব আতিক্রান্ত হয়। সম্পাদিত কাজ অতিক্রান্ত দূরত্ব ও প্রযুক্ত বলের গুণফলের সমান। কোন একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাজের পরিমাণ ধ্রুবক। অবশ্য প্রয়োজনীয় বলের পরিমাণ অপেক্ষাকৃত অধিক দূরত্বের উপর কম বল প্রয়োগ করে কমানো যেতে পারে। দুইটি বলের পরিমাণের অনুপাতকে যান্ত্রিক সুবিধা বলা হয়ে থাকে। |
| প্রথাগতভাবে সরল যন্ত্র বলতে রেনেসাঁ যুগের বিজ্ঞানীদের সংজ্ঞায়িত নিম্নোক্ত ৬টি যন্ত্রকে বোঝায়ঃ: |
| |
| আনত তল (N) |
| চাকা-অক্ষদন্ড (O) |
| লিভার (T),,,যেমন : সি,স |
| কপিকল (U),,,যেমন: বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। |
| গোঁজ (V [single wedge]; X [double wedge]) |
| স্ক্রু (Y) |
| আসলে এই ছয় প্রকারের সরল যন্ত্রই হচ্ছে আধুনিককালের সব জটিল যন্ত্রের মূল। এদেরকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে জটিল ও উন্নত যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%B2_%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
| C15,Science_Technology,Physics,মহাকর্ষ ধ্রুবক,"মহাকর্ষীয় ধ্রুবক (প্রতীক: G ) একটি প্রায়োগিক ভৌত ধ্রুবক যা জাগতিক বস্তুসমূহের মধ্যে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বলের পরিমাপে প্রয়োজন হয়। ইহা নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্র এবং আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদের সূত্র থেকে পাওয়া যায়। |
| মহাকর্ষীয় বলের সূত্র অনুসারে দুইটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণীয় বল(F) - উহাদের ভরের (m1 ও m2) সমানুপাতিক এবং উহাদের মধ্যকার দূরত্ব (r) বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। |
| গানিতিকভাবে, |
| |
| |
| |
| |
| F |
| = |
| G |
| |
| |
| |
| |
| m |
| |
| 1 |
| |
| |
| |
| m |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle F=G{\frac {m_{1}m_{2}}{r^{2}}}} |
| |
| |
| এখানে, সমানুপাতিক ধ্রুবক G হল- মহাকর্ষীয় ধ্রুবক। |
| মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের মান নির্ণয় করা সম্ভবত বিজ্ঞানের ভৌত ধ্রুবকগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা কঠিন। এসআই এককে, 2006 CODATA অনুসারে এর মান |
| |
| |
| |
| |
| G |
| = |
| 6.67428 |
| × |
| |
| 10 |
| |
| − |
| 11 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle G=6.67428\times 10^{-11}} |
| |
| মি৩ কেজি-১ সেকেন্ড -২ |
| |
| |
| |
| = |
| 6.67428 |
| × |
| |
| 10 |
| |
| − |
| 11 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle =6.67428\times 10^{-11}} |
| |
| নিউটন x মি২ / কেজি২, যার আদর্শ আপেক্ষিক অনিশ্চয়তা (standard relative uncertainty) ১০৪ রসায়ন-১ মধ্যে ১। 5g ভরের দুইটি বস্তুর এই 1 m দূরত্বে স্থাপন করলে আকর্ষণ বলে হবে G এর সমান ।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95
|
| C15,Science_Technology,Physics,বিশেষ আপেক্ষিকতা,"বিশেষ আপেক্ষিকতা বা আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (সংক্ষেপে STR) হলো স্থান-কাল এর আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ক সাধারণভাবে গৃহীত ও পরীক্ষা-পর্যবেক্ষণ দ্বারা দৃঢ়ভাবে সমর্থিত তত্ত্ব। এই তত্ত্বটি আলবার্ট আইনস্টাইন প্রথম ১৯০৫ সালে On the Electrodynamics of Moving Bodies নামক গবেষণা পত্রে প্রকাশ করেন। এই বিশেষ আপেক্ষিকতাকে সাধারণ আপেক্ষিকতার একটি বিশেষ রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাইকেলসন এবং মর্লি তাদের পরীক্ষণের মাধ্যমে তিনটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন। এই সিদ্ধান্তগুলোর প্রেক্ষিতেই আইনস্টাইন তার এই তত্ত্ব প্রণয়ন করেন। তত্ত্বটি দুইটি মৌলিক স্বীকার্যের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছিল: |
| ১. পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র সমূহ সকল জড়ত্ত্বীয় নির্দেশতন্ত্রে একই রূপে বলবৎ থাকবে। |
| ব্যাখ্যা: নিউটনের গতিসূত্রের ১ম সূত্র যে নির্দেশতন্ত্রে প্রযুক্ত হয়, তাকে জড়ত্ত্বীয় নির্দেশতন্ত্র বলে। যদি কোন বস্তু জড়তায় থাকে তাকে এর ওপর বাহ্যিক বল প্রযুক্ত না হলে এর অবস্থার কোন পরিবর্তন হবে না। এ স্বীকার্য অনুসারে দুজন পর্যবেক্ষক একই রৈখিক বেগে চলতে থাকলে কোনো ভৌত সূত্রের রূপ একই থাকবে। |
| ২ আলোর গতিবেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে একই রূপে বলবৎ থাকবে। |
| ব্যাখ্যা: এ স্বীকার্যের প্রেক্ষিতে ইথারের অস্তিত্ব স্বীকার করা কোন মতে সম্ভব হয় না। তাছাড়া ইথার মাধ্যমের ওজন বা সান্দ্রতা কিছুই নির্ণয় করা যায় না। আইনস্টাইনের মতে, আলোক পরিবাহী ইথারের প্রবর্তন অনাবশ্যক। মাইকেলসন - মোরলে পরীক্ষা এবং পরবর্তী যুগে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার সাহায্যে প্রমাণিত হয়েছে যে, শূন্যস্থানে বা বায়ু মাধ্যমে আলোকের বেগ আলোক প্রবাহের দিক, উৎস এবং পর্যবেক্ষকের আপেক্ষিক বেগের ওপর নির্ভরশীল নয়। এটি একটি ধ্রুব রাশি। |
| মেঘনাদ সাহা ও তার সহপাঠী এবং সহকর্মী সত্যেন্দ্রনাথ বসু সর্বপ্রথম আলবার্ট আইনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অফ রিলেটিভিটি জার্মান থেকে ইংরাজি অনুবাদ করেন যা কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7_%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
| C15,Science_Technology,Physics,রূপান্তরক,"রূপান্তরক বলতে এমন একটি বৈদ্যুতিক কলকৌশলকে বোঝায় যার মাধ্যমে তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের মূলনীতি ব্যবহার করে একটি পরিবর্তী প্রবাহের বৈদ্যুতিক বর্তনী থেকে বৈদ্যুতিক শক্তিকে অপর একটি বর্তনীতে বৈদ্যুতিক বিভব, বৈদ্যুতিক প্রবাহ, দশা বা সামগ্রিক প্রতিরোধে পরিবর্তন সাধন করে স্থানান্তরিত করা হয়। একে ইংরেজিতে ""ট্রান্সফর্মার"" (Transformer) বলে। সাধারণত রূপান্তরকগুলিতে কোনও পরিবর্তী তড়িৎ ব্যবস্থায় অপরিবর্তিত কম্পাঙ্কতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তিকে বিভবের মান অনুযায়ী কমিয়ে বা বাড়িয়ে এক বর্তনী থেকে অন্য বর্তনীতে স্থানান্তর করা যায়। রূপান্তরক একটি (সাধারণত লোহার) মজ্জা ও দুইটি (অন্তরিত তামার তারের) কুণ্ডলী নিয়ে গঠিত; মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তী বিদ্যুৎপ্রবাহ একটি পরিবর্তী চৌম্বকীয় ক্ষেত্র সৃষ্টি করে, যেটি গৌণ কুণ্ডলীতে পরিবর্তী বিদ্যুৎপ্রবাহের সৃষ্টি করে। গৌণ ও মুখ্য কুণ্ডলীতে বিভবের (ভোল্টেজ) অনুপাত গৌণ ও মুখ্য কুণ্ডলীতে প্যাঁচের অনুপাতের প্রায় সমান। উচ্চ কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য রূপান্তরকের মজ্জাটিকে প্রায়শই স্তরিত লোহা (laminated iron) দিয়ে তৈরি করা হয়, যেটি উচ্চ প্রবেশ্যতা প্রদান করে ও ঘূর্ণি বিদ্যুৎপ্রবাহগুলিকে (Eddy current) ন্যূনতম মাত্রায় নিয়ে আসে। |
| পরিবর্তী বিদ্যুৎপ্রবাহ ব্যবস্থায় কম বিভবকে বেশি বিভবে বা বেশি বিভবকে কম বিভবে রূপান্তর করার জন্য রূপান্তরক ব্যবহৃত হয়। কম থেকে বেশি বিভবে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত রূপান্তরককে উচ্চধাপী রূপান্তরক (স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার) এবং বেশি থেকে কম বিভবে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত রূপান্তরককে নিম্নধাপী রূপান্তরক (স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার) বলা হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%95
|
| "C15","Science_Technology","Physics","আলো","আলো এক ধরনের শক্তি বা বাহ্যিক কারণ, যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়। অথবা বলা যায়, আলো একটি তির্যক, তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ যা সাধারণ মানুষ দেখতে পারে। আলো বস্তুকে দৃশ্যমান করে, কিন্তু এটি নিজে অদৃশ্য। আমরা আলোকে দেখতে পাই না, কিন্তু আলোকিত বস্তুকে দেখি। আলো এক ধরনের বিকীর্ণ শক্তি। এটি এক ধরনের তরঙ্গ। আলো তির্যক তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের আকারে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে গমন করে। মাধ্যমভেদে আলোর বেগের পরিবর্তন হয়ে থাকে। আলোর বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের ব্যস্তানুপাতিক। শুন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সবচেয়ে বেশি, আলোর বেগ অসীম নয়। শূন্যস্থানে আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ২৯,৯৭,৯২,৪৫৮ মিটার বা ১,৮৬,০০০ মাইল। কোন ভাবেই আলোর গতিকে স্পর্শ করা সম্ভব নয়। আলোর বেগ ধ্রুব। আলোর কোনো আপেক্ষিক বেগ নেই। আলোর বেগ সর্বদা সমান। দৃশ্যমান আলো মূলত তড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালির ছোট একটি অংশ মাত্র। মানুষ ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ দেখতে পায় । সাদা আলো সাতটি রঙের মিশ্রণ, প্রিজম এর দ্বারা আলোকে বিভিন্ন রঙে (৭টি রঙ) আলাদা করা যায়। যা আমরা রংধনু দেখতে পাই। আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ, আপবর্তন, ব্যাতিচার হয়। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে আলোর একই সাথে কণা ধর্ম ও তরঙ্গ ধর্ম বিদ্যমান। |
| |
| দীপ্তমান বস্তু থেকে আলো কীভাবে আমাদের চোখে আসে তা ব্যাখ্যার জন্য বিজ্ঞানীরা এ পর্যন্ত চারটি তত্ত্ব প্রদান করেছেন। যথা- |
| ১. স্যার আইজ্যাক নিউটনের কণা তত্ত্ব (Corpuscular Theory) |
| ২. বিজ্ঞানী হাইগেন এর তরঙ্গ তত্ত্ব (Wave Theory) |
| ৩. ম্যাক্সওয়েলের তড়িতচৌম্বক তত্ত্ব (Electromagnetic Theory) |
| ৪. ম্যাক্স প্লাঙ্ক এর কোয়ান্টাম তত্ত্ব (Quantum Theory) |
| ১৯০৫ সালে আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে আইন্সটাইন এ ঘটনার ব্যাখ্যা দেন, সেজন্য তাকে ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পদার্থবিজ্ঞান","পদার্থবিজ্ঞান পদার্থ ও তার গতির বিজ্ঞান। বাংলায় ""পদার্থবিজ্ঞান"" শব্দটি একটি সমাসবদ্ধ পদ। ""পদার্থ"" ও ""বিজ্ঞান"" দুটি সংস্কৃত শব্দ নিয়ে এটি গঠিত। এর ইংরেজি পরিভাষা Physics শব্দটি গ্রিক φύσις (ফুঁসিস) অর্থাৎ ""প্রকৃতি"", এবং φυσικῆ (ফুঁসিকে) অর্থাৎ ""প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান"" থেকে এসেছে। পদার্থবিজ্ঞান বলতে বলা যেতে পারে এটা হলো গণিতের বাস্তব রূপ। এখানে বিভিন্ন গাণিতিক হিসাব নিকাশ দ্বারা প্রকৃতির বিভিন্ন ঘটনাকে বর্ণনা করা হয়। অত্যন্ত বিমূর্তভাবে বলতে গেলে, পদার্থবিজ্ঞান হল সেই বিজ্ঞান যার লক্ষ্য আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করা। |
| পাশ্চাত্যের ভাষাগুলোতে পদার্থবিজ্ঞানকে ""ফিজিক্স"" বা এই জাতীয় শব্দ দিয়ে নির্দেশ করা হয়। এই শব্দটি প্রাচীন গ্রিক φυσική (ἐπιστήμη) বা রোমান Physikḗ (epistḗmē), φύσις physis ""প্রকৃতি"") থেকে এসেছে যার অর্থ ""প্রকৃতির জ্ঞান""। যেখানে পদার্থ, পদার্থের গতি এবং স্থান ও সময় মাধ্যমে তার আচরণ এবং শক্তি এবং বল সংক্রান্ত রাশি নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখাগুলোর মধ্যে একটি। পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বের আচরণ সম্পর্কে অনুধাবন করা । |
| পদার্থবিজ্ঞান প্রাচীনতম একাডেমিক বিষয়ের মধ্যে অন্যতম, সম্ভবত জ্যোতির্বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রাচীনতম। শেষ দুই সহস্রাব্দে, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং গণিতের কিছু শাখার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দর্শনের অংশ ছিল, কিন্তু ১৭দশ শতকের বৈজ্ঞানিক বিপ্লবের সময় প্রাকৃতিক বিজ্ঞান তাদের নিজস্ব অধিকার হিসাবে অনন্য গবেষণা কর্মসূচিতে পরিণত হয়। পদার্থবিদ্যা গবেষণার অনেক আন্তঃসম্পর্কিত এলাকায়, যেমন জৈববিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম রসায়ন হিসাবে ছেদ করে, এবং পদার্থবিজ্ঞানের সীমারেখা কঠোরভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় না পদার্থবিজ্ঞানে নতুন ধারণাগুলি প্রায়ই অন্যান্য বিজ্ঞানগুলির মৌলিক পদ্ধতি ব্যাখ্যা করে যখন গণিত এবং দর্শনের ক্ষেত্রে গবেষণার নতুন নতুন উপায়গুলি খোলার সময়। |
| পদার্থবিজ্ঞান তাত্ত্বিক সাফল্য থেকে উদ্ভূত নতুন প্রযুক্তির অগ্রগতির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অবদানও করে। উদাহরণস্বরূপ, তড়িচ্চুম্বকত্ব বা পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের বিকাশের অগ্রগতিগুলি সরাসরি নতুন পণ্যগুলির উন্নয়নে পরিচালিত হয়েছে যা নাটকীয়ভাবে একটি আধুনিককালের সমাজ যেমন টেলিভিশন, কম্পিউটার, গার্হস্থ্য যন্ত্রপাতি এবং পারমাণব","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","অ্যাম্পিয়ার","অ্যাম্পিয়ার (ইংরেজি:Ampere) (আন্তর্জাতিক একক অনুযায়ী এককের প্রতীক: A; আন্তর্জাতিক একক অনুযায়ী মাত্রার প্রতীক: I), প্রায়ই সংক্ষিপ্ত Amp; হলো তড়িৎ প্রবাহের আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি এবং সাতটি এসআই ভিত্তি এককের একটি। বিখ্যাত ফরাসি বিজ্ঞানী অঁদ্রে-মারি অ্যাম্পিয়ার (১৭৭৫-১৮৩৬) এর নামানুসারে এই এককের নামকরণ করা হয়েছে। তিনি ছিলেন ফরাসি গণিতবিদ এবং পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তিনি তড়িৎগতিবিজ্ঞানের জনক হিসেবে বিবেচিত। সব তড়িৎ যন্ত্রতেই এর গ্রহণীয় অ্যাম্পিয়ারের সর্বোচ্চ মান উল্লেখ থাকে। ব্যাটারির মান বুঝানোর জন্য এর গায়ে ভোল্ট (V) ও অ্যাম্পিয়ার (Amp) উল্লেখ করা থাকে।এস আই পদ্ধতিতের মতে অ্যাম্পিয়ার হল একটা ইউনিট। এটি তড়িৎ চুম্বকীয় বল যা তড়িৎ পরিবাহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। প্রথমে সি জি এস পদ্ধতির তড়িৎ এর দুটি ধারণা ছিল। এটি এস আই পদ্ধতির মতই এবং অন্যটি তড়িৎ চার্জ এর ভিত্তির একক হিসাবে ধরা হয় এবং একক চার্জের পরিমাপ করা হয় দুটি চার্জিত তামার প্লেটের মধ্যে। এরপর অ্যাম্পিয়ার নির্ধারণ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে ১ কুলম্ব চার্জকে। এস আই পদ্ধতিতে চার্জের একক কুলম্ব এবং এটি পরিমাপ করা হয় ১ অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ ১ সেকেন্ডে যে পরিমাণ প্রবাহিত হয়। ভবিষ্যতে এস আই পদ্ধতির পরিবর্তন হতে পারে এবং তা ভিত্তি একক হতে পারে। কুলম্বের মতে তড়িৎ চার্জ নির্ধারিত হয় ইলেকট্রন এবং প্রোটন দ্বারা।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","কেলভিন","কেলভিন হলো তাপগতীয় তাপমাত্রার এস. আই. একক। ১ কেলভিন হলো পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপগতীয় তাপমাত্রার ১/২৭৩.১৬ ভগ্নাংশের সমান। তাপমাত্রার পার্থক্য কেলভিন এবং ডিগ্রি সেলসিয়াস(সেন্টিগ্রেড) স্কেলে সমান; কিন্তু ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রকাশিত একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা সংখ্যাগতভাবে কেলভিনে প্রকাশিত তাপমাত্রার চেয়ে ২৭৩.১৫ পরিমাণ ক্ষুদ্রতর। |
| অর্থাৎ, ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস = ১ কেলভিন - ২৭৩.১৫ |
| কেলভিনকে 'K' দ্বারা সূচিত করা হয়। |
| পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো ০ K(বা -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। ১৯৬৭ সালের আন্তর্জাতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে পূর্বেকার প্রচলিত নাম ডিগ্রি কেলভিন অচল হয়ে গেছে। এই এককের নামটি আসলে লর্ড কেলভিন(১৮২৪-১৯০৭)-এর নামে রাখা হয়েছে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","আপেক্ষিক ভর","কোন প্রসঙ্গ-কাঠামো (ইংলিশে, reference frame) থেকে কোন স্থির পর্যবেক্ষক কোন বস্তুর যে ভর পরিমাপ করেন তা বস্তুটির আপেক্ষিক ভর। এই ভরটি ঐ প্রসঙ্গ-কাঠামো সাপেক্ষে ঐ বস্তুর ভরের উপর নির্ভর করে। পক্ষান্তরে কোন বস্তুর স্থির ভর প্রসঙ্গ-কাঠামো নিরপেক্ষ। |
| আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব অনুসারে |
| |
| |
| |
| v |
| |
| |
| {\displaystyle v} |
| |
| দ্রুতিতে গতিশীল কোন বস্তুর ভর |
| |
| |
| |
| m |
| |
| |
| {\displaystyle m} |
| |
| হবে, |
| |
| |
| |
| |
| m |
| = |
| |
| |
| |
| m |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| 1 |
| − |
| |
| v |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| / |
| |
| |
| c |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle m={m_{0} \over 1-v^{2}/c^{2}}} |
| |
| |
| যেখানে |
| |
| |
| |
| |
| m |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle m_{0}} |
| |
| হলো এর ভর এবং |
| |
| |
| |
| c |
| |
| |
| {\displaystyle c} |
| |
| হলো আলোর দ্রুতি। |
| সুতরাং, কোন বস্তুর দ্রুতি যদি আলোর দ্রুতির কাছাকাছি হয় কেবল তখনি তার আপেক্ষিক ভর ও নিশ্চল ভর এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পার্থক্য দেখা যাবে। উদাহরনস্বরূপ, যখন |
| |
| |
| |
| v |
| = |
| c |
| |
| / |
| |
| 2 |
| |
| |
| {\displaystyle v=c/2} |
| |
| , আপেক্ষিক ভর, স্থির ভর অপেক্ষা ১৫% বেশি হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","অবলোহিত বিকিরণ","যে সকল তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সীমা ১ মাইক্রোমিটার থেকে ১ মিলিমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত তাদের বলা হয় অবলোহিত বিকিরণ (আইআর) রশ্মি। এই বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অপেক্ষা সামান্য বড়। খালি চোখে এদের দেখা যায় না। উইলিয়াম হার্শেল ১৮০০ সালে এই বিকিরণ আবিষ্কার করেন। |
| উত্তপ্ত সিরামিক এর একটি উত্তম উৎস। এটি দৃশ্যমান অঞ্চল হতে অর্থাৎ visible বা 'infra' এর পর থেকেই শুরু। এটি Near IR, Middle IR ও Far IR এরুপ তিনটি অংশে বিভক্ত। IR (Infrared) অর্থাৎ অবহেলিত বর্ণালি হলো কম্পন বর্ণালি। কোন স্থায়ী বা পরিবর্তনযোগ্য ডাইপোল মোমেন্ট বিশিষ্ট কম্পনশীল অণু IR অঞ্চলের রেডিয়েশন শোষণ করলে তা এক শক্তির কম্পন স্তর থেকে উচ্চ শক্তির কম্পন স্তরে উন্নীত হয়। ফলে কম্পনশক্ত্যির পরিবর্তন ঘটে, শোষণ ঘটে। এতে কম্পন বর্ণালি উৎপন্ন হয়। প্রতিটি পদার্থের আণবিক গঠন অনুসারে তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমূলক IR বর্ণালি রয়েছে। আর এ IR বর্ণালি বিশ্লেষণ করে পদার্থ শনাক্ত করা যায়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A3" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ইলেকট্রন-ভোল্ট","ইলেকট্রন-ভোল্ট হলো শক্তির একপ্রকার একক। একে |
| |
| |
| |
| |
| e |
| V |
| |
| |
| {\displaystyle \,eV} |
| |
| দ্বারা প্রকাশ করা হয়। |
| ১ ভোল্ট বিভব পার্থক্যর দু'টি স্থানের একটি থেকে অন্যটিতে একটি ইলেকট্রনকে স্থানান্তর করতে ইলেকট্রনটির দ্বারা যে পরিমাণ কাজ সম্পাদিত হয় তাকেই ১ ইলেকট্রন-ভোল্ট বলে। এটি এস. আই. একক নয়, তবে মৌলিক কণিকা সমূহের শক্তি পরিমাপ করতে এই এককটি ব্যবহার করা হয়। |
|
|
| |
| |
| |
| |
| 1 |
| e |
| V |
| |
| |
| {\displaystyle \,1eV} |
| |
| = |
| |
| |
| |
| |
| 1.602 |
| ∗ |
| |
| 10 |
| |
| − |
| 19 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,1.602*10^{-19}} |
| |
| জুল","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F" |
| "C15","Science_Technology","Physics","আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপ","আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপ আগে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও চাপ হিসাবে পরিচিত ছিল। যেসব ভৌত রাশিসমূহের মান তাপমাত্রা ও চাপের পরিবর্তনের সাথে সাথে ওঠা-নামা করে তাদের পরিমাপের জন্যে ব্যবহৃত আদর্শ শর্তাদিকেই আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপ বলা হয়। গ্যাসসমূহের বৈশিষ্টাবলী তুলনা করার সময় এই শর্তাদি ব্যবহৃত হয়। শর্তগুলি হলো: ২৭৩. ১৫ কেলভিন (বা ০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড এবং ১০১৩২৫ প্যাসকেল (বা ৭৬০ মিলিমিটার পারদ) চাপ। |
| অথবা সমুদ্রপৃষ্ঠে ৪৫° অক্ষাংশে এবং ০ °C উষ্ণতায় ৭৬ সে.মি পারদ বা ১০১৩২৫ pa চাপ প্রয়োগ করে তাকে প্রমাণ চাপ বা এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বলে । |
| জানা উচিত:[1atm=76 cm(Hg)=760mm(Hg)=101.325kPa=101325Pa=760torr=1bar] |
| যে সকল গ্যাস চার্লস এবং বয়েল এর সূত্র যুগ্মভাবে মেনে চলে তাদের আদর্শ গ্যাস বলা হয় কিন্তু প্রকৃতিতে এই গ্যাস পাওয়া যায়না । উচ্চ তাপমাত্রা ও নিন্ম চাপে সকল গ্যাস আদর্শ গ্যাস এর মত আচরণ করে।। |
| সেমি (cm) থেকে Pa তে রূপান্তর: |
| প্রয়োজনীয় সূত্র: |
| চাপ P = hpg |
| এখানে, |
| h(উচ্চতা) = 72 cm = 0.72 m |
| ,p(পারদের ঘনত্ব) = 13596 kg m^-3 |
| ,g(অভিকর্ষজ ত্বরণ) = 9.8 m s^-2 |
| P = 0.72 X 13596 X 9.৪ = 95933.376 Pa |
|
|
| ","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6_%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE_%E0%A6%93_%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA" |
| "C15","Science_Technology","Physics","অ্যাংস্ট্রম একক","অ্যাংস্ট্রম ( ; ANG-strəm ) বা ångström ১০−১০ মিটার সমান দৈর্ঘ্যের একটি মেট্রিক একক; অর্থাৎ, এক মিটারের এক দশ-বিলিয়নতম (মার্কিন), এক সেন্টিমিটারের একশো-মিলিয়নতম, ০.১ ন্যানোমিটার বা ১০০ পিকোমিটার। এর প্রতীক হল Å, সুইডিশ বর্ণমালার একটি অক্ষর। এককটির নামকরণ করা হয়েছে সুইডিশ পদার্থবিদ অ্যান্ডার্স জোনাস অ্যাংস্ট্রোম (১৮১৪-১৮৭৪) এর নামে। |
| দৈর্ঘ্যের অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি একক হচ্ছে অ্যাংস্ট্রম। আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য, অণু-পরমাণুর মধ্যকার দূরত্ব বা ব্যাস, ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের তলগুলোর মধ্যকার দূরত্ব, কোষের বিভিন্ন পরিমাপ, ইত্যাদি ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য প্রকাশের জন্য অ্যাংস্ট্রম একক ব্যবহার করা হয়। যেমন আমরা বলি, বেগুনী আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৪,০০০ অ্যাংস্ট্রম। সুইডেনের বিজ্ঞানী অ্যান্ডার্স জোনাস অ্যাংস্ট্রমের (Anders Jonas Ångström) নামানুসারে অ্যাংস্ট্রম এককের নামটি এসেছে। বিকিরণ বিশ্লেষণে বর্ণালিবীক্ষণ যন্ত্র বা স্পেকট্রোস্কোপ ব্যবহারের পথিকৃৎ ছিলেন তিনি। সূর্যে যে হাইড্রোজেন আছে সেটা সূর্যের আলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনিই জানিয়েছিলেন। |
| এক অ্যাংস্ট্রম হচ্ছে এক মিটারের দশ বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ বা 10−10 মিটার (0.0000000001)। |
| এক অ্যাংস্ট্রম = ০.১ ন্যানো মিটার |
| অ্যাংস্ট্রমকে স্ক্যান্ডিনেভীয় বর্ণ Å এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। |
| অ্যাংস্ট্রম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক হলেও এটি এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি এসআই (SI) পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত নয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE_%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%95" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ওজমা প্রকল্প","ওজমা প্রকল্প(Project Ozma) হলো বহির্জগতে প্রাণ-অনুসন্ধান মূলক একটি প্রকল্প। ১৯৬০ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রীন বাংকে একদল রেডিও জ্যোতির্বিদ এই প্রকল্পটি আরম্ভ করেন। এতে ২১ সে. মি. তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের রেডিও দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। কয়েক মাস পরেই প্রকল্পটি পরিত্যক্ত হয়। 'ওজমা' নামটি ফ্রাংক বমের শিশুকাহিনী 'ওজের যাদুকর'(Wizard of Oz) থেকে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের অপর নাম ছিল 'ছোট্ট হরিৎ-মনু প্রকল্প'(Project Little Green Man)।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%93%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BE_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA" |
| "C15","Science_Technology","Physics","কম্পাঙ্ক","কম্পাঙ্ক(Frequency) হলো একক সময়ে কোনো পুনরাবৃত্তিমূলক ঘটনা ঘটবার সংখ্যা। অর্থাৎ একটি ঘটনা যদি বার বার ঘটতে থাকে, তবে একক সময়ে ঐ ঘটনাটি যতবার ঘটবে তা হলো ঐ ঘটনার কম্পাঙ্ক।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95" |
| "C15","Science_Technology","Physics","অপভূ","পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কোন বস্তুর (চাঁদ, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং আপাতভাবে সূর্য) উপবৃত্তাকার কক্ষপথের পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরের বিন্দুকে অপভূ(ইংরেজি: Apsis)(গ্রিক: ἁψίς; plural apsides , Greek: ἁψίδες) বলা হয়। সূর্য ভূ-কক্ষের অপভূ'তে আসে ৩ রা জুলাই।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%AD%E0%A7%82" |
| "C15","Science_Technology","Physics","কণা পদার্থবিজ্ঞান","কণা পদার্থবিজ্ঞান (ইংরেজি: Particle Physics) পদার্থবিজ্ঞানের একটি প্রধান শাখা, যার কাজ হলো পদার্থ এবং বিকিরণের মৌলিক উপাদান এবং তাদের মাধ্যে মিথষ্ক্রিয়া নিয়ে গবেষণ করা। এই শাখার আর এক নাম উচ্চ-শক্তি পদার্থবিজ্ঞান (High Energy Physics)। এই নামকরণের প্রধান কারণ হলো অধিকাংশ মৌলিক কণাই সাধারণ অবস্থায় প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না কিন্তু অতিশক্তি সম্পন্ন কণা সংঘাতে এই সকল কণার সৃষ্টি এবং পর্যবেক্ষণ সম্ভব। |
| কণা (Particle) শব্দটি সাধারণভাবে নানারকম অতিক্ষুদ্র বস্তূসমূহ (যেমন- প্রোটন কণা, গ্যাসের কণা, এমনকি ধূলিকণা) বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও কণা পদার্থবিজ্ঞান সাধারণভাবে পদার্থের ক্ষুদ্রতম অবিভাজ্য কণা সমূহ এবং তাদের আন্তঃক্রিয়া ব্যাখা করতে প্রয়োজনীয় মৌলিক ক্রিয়াগুলি সম্পর্কে আলোচনা করে। আধুনিক কণা ত্বরণ যন্ত্রে (Particle Accelerator) উচ্চশক্তি সম্পন্ন দুটি কণার মুখোমুখি সাংঘাতের পর্যবেক্ষণ সম্ভব। |
| সমস্ত আবিষ্কৃত মৌলিক ক্ষেত্র এবং তাদের গতিবিদ্যা প্রমিত মডেলে (Standard Model) সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। সুতরাং, কণা পদার্থবিজ্ঞান মূলত এই প্রমিত মডেলের চর্চা ও বিস্তার এর প্রচেষ্টা।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%A3%E0%A6%BE_%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব","কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব হল ভৌত ব্যবস্থাসমূহ ব্যাখ্যা করার একটি তত্ত্ব বা কাঠামো, যা কণা পদার্থবিজ্ঞান ও ঘনীভূত পদার্থ পদার্থবিজ্ঞানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আধুনিক কণা পদার্থবিজ্ঞানের বেশির ভাগ তত্ত্ব (যেমন মৌলিক কণাসমূহের আদর্শ মডেল ও তাদের মধ্যকার মিথস্ক্রিয়া) আপেক্ষিক কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব ব্যবহার করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ঘনীভূত পদার্থ পদার্থবিজ্ঞানেও এটি ব্যবহার করা হয়, বিশেষত যখন কণার সংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধির সুযোগ থাকে (যেমন অতিপরিবাহিতার বিসিএস তত্ত্বে)।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0_%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC" |
| "C15","Science_Technology","Physics","আলোকবিজ্ঞান","আলোকবিজ্ঞান (প্রাচীন গ্রিক ভাষায় ὀπτική - চেহারা অথবা দেখা) পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যা আলোর আচরণ, বৈশিষ্ট্যাবলী এবং বস্তুর সঙ্গে আলোর পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া বর্ণনা করে। আলোকবিদ্যা আলোক সম্বন্ধীয় প্রত্যক্ষ ঘটনা ব্যাখ্যা করে। |
| আলোকবিজ্ঞান সাধারণত দৃশ্যমান, অবলোহিত, এবং অতিবেগুনী আলোর আচরণ বর্ণনা করে; যেহেতু আলো একটি তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ, অনুরূপ ঘটনা রঞ্জন রশ্মি, মাইক্রোওয়েভ, বেতার তরঙ্গ, এবং তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের অন্যান্য রূপেও ঘটে। সুতরাং, আলোকবিজ্ঞানকে তড়িৎ-চুম্বকীয় তত্ত্বের একটি শাখা ক্ষেত্র হিসেবে গণ্য করা যায়। কিছু আলোক সম্বন্ধীয় প্রত্যক্ষ ঘটনা কোয়ান্টাম প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল যা কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের সঙ্গেও আলোকবিজ্ঞানকে যুক্ত করে। প্রকৃতপক্ষে আলোক সম্বন্ধীয় ঘটনার একটি বিশাল সংখ্যা আলোর তড়িৎ-চুম্বকীয় ধর্ম ব্যবহার করে ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণের দ্বারা ব্যাখ্যা করা সম্ভব।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান","কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান (ইংরেজি: Quantum mechanics) বা কোয়ান্টাম( ক্ষুদ্রাংশিক/ কণাবাদী) পদার্থবিজ্ঞান (ইংরেজি: Quantum physics) আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যা পরমাণু এবং অতিপারমাণবিক কণার/তরঙ্গের মাপনীতে পদার্থের আচরণ বর্ণনা করে। কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানকে ব্যবহার করে বিশাল কোন বস্তু যেমন তারা ও ছায়াপথ এবং বিশ্বতত্ত্বমূলক ঘটনা যেমন ব্যাখ্যা করা যায় তেমনি স্ট্যান্ডার্ড মডেলভিত্তিক মহা বিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) বিশ্লেষণ এবং ব্যাখ্যা করা যায়। |
| উল্লেখ্য, পদার্থবিজ্ঞানের যেসব ক্ষেত্র চিরায়ত (ক্লাসিক্যাল) নিউটনীয় বলবিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না, সেসব ক্ষেত্রে পদার্থগুলির জড়তাত্ত্বিক ভৌত আচরণ সম্পর্কে ধারণা পাবার জন্য পদার্থবিজ্ঞানীরা কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান ব্যবহার করে থাকেন। পারমাণবিক অথবা তার চেয়েও ছোট মাপের কোন ভৌত ব্যবস্থায়, খুব নিম্ন অথবা খুব উচ্চ শক্তিতে, অথবা অতিশীতল তাপমাত্রায় চিরায়ত এবং কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের বিশ্লেষণের মধ্যে প্রায়শই পার্থক্য দেখা যায়। কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান রসায়ন, আণবিক জীববিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স, কণা পদার্থবিজ্ঞান, ন্যানোপ্রযুক্তি এবং প্রযুক্তিবিদ্যার আধুনিকায়নের ভিত্তি এবং বিজ্ঞানের কোয়ান্টামভিত্তিক এই শাখাগুলো বিগত পঞ্চাশ বছরব্যাপী পৃথিবীকে রাতারাতি এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত করেছে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","অতিপরিবাহিতা","অতিপরিবাহী বা সুপার-কন্ডাক্টার হল কিছু পদার্থের উপর অতিশৈত্যের প্রভাবে উদ্ভূত এমন পরিবাহী ধর্ম যাতে বিদ্যুত পরিবহনের রোধ শূন্য হয়ে যায়। অর্থাৎ একটি বর্তনী অতিপরিবাহী হলে তার মধ্যে একবার বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে দিলে রোধজনিত তাপ ক্ষয় না থাকার ফলে, বিদ্যুৎটি কোন নতুন উৎস ছাড়াই বইতেই থাকবে। ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী কামারলিং ওনেস অতিশৈত্যে পারদের বৈদ্যুতিক রোধ মাপতে গিয়ে ৪.২ কেলভিন তাপমাত্রায় পারদে এই বিশেষত্ব প্রথম আবিষ্কার করেন। এই বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হয় বার্ডিন-কুপার-শ্রিফার তত্ত্ব [Bardeen-Cooper-Schrieffer (BCS) theory] দ্বারা। |
| |
| কিন্তু অধিকাংশ অতিপরিবাহী কেবল খুব নিম্ন তাপমাত্রায় অতিপরিবাহী থাকে। অতিপরিবাহী পদার্থের বৈশিষ্ট্য হল এর ভিতর থেকে চৌম্বক ক্ষেত্রকে বার করে দেয়। তাই অতিপরিবাহীর বিকর্ষণে চুম্বক ভাসতে পারে। এই ভাসান অর্থাৎ লেভিটেশন ব্যবহার করে খুব দ্রুতগামী ট্রেন চালানো হয় যাতে লাইনের সঙ্গে ঘর্ষণ না হয়। |
| কিছু পদার্থ রয়েছে যেগুলো সাধারণ অতিপরিবাহীগুলি যে তাপমাত্রায় অতিপরিবাহিতা দেখায় তার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় এই ধর্ম প্রদর্শন করে। এদের উচ্চ তাপমাত্রা অতিপরিবাহী বলা হয়।২০২০ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, Carbonaceous sulfur hydride হল 15 °সে বা 288K এবং 267 GPa বায়ুচাপে প্রাপ্ত অতিপরিবাহী। |
| |
| এম আর আই (ম্যাগ্নেটিক রেসোনান্স ইমেজিং) মেশিনের চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরির জন্য এত বেশি বিদ্যুত লাগে যে তার রোধ কম করতে অতি পরিবাহী বর্তনী ব্যবহার করতে হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ইঞ্জিন","ইঞ্জিন বা মোটর একটি যন্ত্র যা এক বা একাধিক ধরনের শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। |
| শক্তির উৎসগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য শক্তি (যেমন পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি যা জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়), তাপ শক্তি (জিওথার্মাল), রাসায়নিক শক্তি, বৈদ্যুতিক শক্তি এবং পারমাণবিক শক্তি (নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার ফিউশন) অন্তর্ভুক্ত। অনেক প্রক্রিয়ায় তাপ শক্তি মধ্যবর্তী অবস্থায় তৈরি হয়; এজন্য তাপ ইঞ্জিনগুলোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কিছু প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যেমন বায়ুমণ্ডলীয় কনভেকশন সেল, পরিবেশগত তাপকে গতিতে রূপান্তর করে (যেমন উর্ধ্বমুখী বায়ু প্রবাহ)। যান্ত্রিক শক্তি পরিবহন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি অনেক শিল্প প্রক্রিয়ায়ও ব্যবহৃত হয়, যেমন কাটিং, পিষে ফেলা, গুঁড়ো করা, এবং মেশানো। |
| তাপ ইঞ্জিন তাপকে বিভিন্ন তাপগতীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজে রূপান্তর করে। অন্তর্দহন ইঞ্জিন সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ, যেখানে জ্বালানির দহন থেকে সৃষ্ট তাপ দহন প্রকোষ্ঠে গ্যাসীয় পণ্যগুলোর দ্রুত চাপ বৃদ্ধি ঘটায়, যা পিস্টনকে ঠেলে দেয় এবং ক্র্যাঙ্কশাফট ঘোরায়। জেট ইঞ্জিনের মতো প্রতিক্রিয়া ইঞ্জিন নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী থ্রাস্ট উৎপন্ন করে রিঅ্যাকশন মাস নির্গত করে। |
| তাপ ইঞ্জিন ছাড়াও, বৈদ্যুতিক মোটর বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, পানির মোটর সংকুচিত বাতাস ব্যবহার করে, এবং ক্লকওয়ার্ক মোটর ইলাস্টিক শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে। জৈবিক সিস্টেমে, মলিকিউলার মোটর, যেমন মায়োসিন, রাসায়নিক শক্তি ব্যবহার করে শক্তি এবং গতি সৃষ্টি করে (এটি রাসায়নিক ইঞ্জিন, তবে তাপ ইঞ্জিন নয়)।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ত্বরণ","বলবিজ্ঞানে ত্বরণ (ইংরেজি: Acceleration) হলো সময়ের সাথে কোনও বস্তুর বেগ পরিবর্তনের হার। এটি একটি সদিক রাশি বা ভেক্টর রাশি, অর্থাৎ এটির মান ও দিক উভয়ই বিদ্যমান। কোনও বস্তুর ত্বরণের দিক সেই বস্তুর উপর প্রযুক্ত বলসমূহের লব্ধি বলের দিকে হয়। নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রানুসারে, ত্বরণের মান হলো নিম্নোক্ত দুটি কারণের সম্মিলিত প্রভাব: |
| |
| বস্তুতে প্রযুক্ত সমস্ত বাহ্যিক নীট বলের ক্ষেত্রে — ত্বরণের মান নীট লব্ধি বলের সরাসরি সমানুপাতিক। |
| বস্তুটির ভর — ত্বরণের মান বস্তুর ভরের ব্যস্তানুপাতিক। |
| ত্বরণের এসআই একক হলো মিটার প্রতি বর্গ সেকেন্ড (m⋅s−2, |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| m |
| |
| s |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle {\tfrac {\operatorname {m} }{\operatorname {s} ^{2}}}} |
| |
| )। |
| উদাহরণস্বরূপ, যখন কোনও যানবাহন স্থির অবস্থা (একটি জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে বেগ শূন্য) থেকে শুরু করে এবং ক্রমবর্ধমান গতিতে একটি সরলরেখা বরাবর গতিশীল হয়, তখন এটি ভ্রমণের দিকের দিকে ত্বরান্বিত হয়। যানবাহনটি বাঁক নিলে নতুন দিক বরাবর ত্বরান্বিত হয় এবং গতি ভেক্টর পরিবর্তিত হয়। বর্তমান গতির দিকে গাড়ির ত্বরণকে রৈখিক (বা বৃত্তীয় গতির ক্ষেত্রে স্পর্শিনী) ত্বরণ বলা হয়, যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে উপস্থিত যাত্রীরা পিছনের দিকে একটি বল অনুভব করেন। দিক পরিবর্তন করার সময়, কার্যকর ত্বরণকে কেন্দ্রমুখী (বা বৃত্তীয় গতির ক্ষেত্রে লাম্বিক) ত্বরণ বলা হয়, যার প্রতিক্রিয়া হিসাবে যাত্রীরা একটি অপকেন্দ্র বল অনুভব করেন। যদি গাড়ির গতি হ্রাস পায় তবে ত্বরণ বিপরীত দিকে হয় এবং গাণিতিকভাবে এটি ঋণাত্মক, যাকে কখনও কখনও মন্দন বলা হয় এবং মন্দনের প্রতিক্রিয়া হিসাবে যাত্রীরা তাদেরকে সামনে ঠেলে দেওয়ার মতো একটি জড়তা বল অনুভব করে। এই জাতীয় ঋণাত্মক ত্বরণ প্রায়শই মহাকাশযানে রেট্রোকেট জ্বালিয়ে অর্জন করা হয়। ত্বরণ এবং মন্দন উভয়ই একই বিবেচনা করা হয়, এগুলি উভয়ই বেগ পরিবর্তনের হার। এই ত্বরণগুলির প্রতিটি (স্পর্শিনী, কেন্দ্রমুখী, মন্দন) যাত্রীদের দ্বারা অনুভূত হয় যতক্ষণ না তাদের আপেক্ষিক (পার্থক্যমূলক) বেগ যানবাহনের সাপেক্ষে নিরপেক্ষ হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%A3" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ক্ষমতা (পদার্থবিজ্ঞান)","পদার্থবিজ্ঞানে, ক্ষমতা হলো প্রতি একক সময়ে স্থানান্তরিত বা রূপান্তরিত শক্তির পরিমাণ। আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতিতে, ক্ষমতার একক হলো ওয়াট, যা প্রতি সেকেন্ডে এক জুলের সমান। পূর্বে ক্ষমতাকে ""কার্যকলাপ""-ও বলা হতো ক্ষমতা একটি স্কেলার রাশি। |
| ক্ষমতা অন্যান্য পরিমাপের সাথেও সম্পর্কিত; উদাহরণস্বরূপ, একটি স্থল যান চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষমতা যানটির চাকার উপর বায়ুগতিগত ড্র্যাগ ও আকর্ষণ বলের যোগফল এবং যানটির বেগের গুনফলের সমান। একটি মোটরের উৎপাদন ক্ষমতা হলো মোটর যে টর্ক তৈরি করে তার এবং এর আউটপুট শ্যাফ্টের কৌণিক বেগের গুনফলের সমান। একইভাবে, একটি বর্তনীর মধ্য দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক উপাদানে ব্যবহৃত ক্ষমতা উপাদানটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ এবং উপাদানের বিভবের গুণফল।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE_(%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8)" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ত্রৈধ বিন্দু","তাপগতিবিজ্ঞানে, যে তাপমাত্রা ও চাপে কোনও পদার্থ একইসাথে গ্যাসীয়, তরল এবং কঠিন তিন অবস্থায় সহাবস্থান করতে পারে তাকে ঐ বস্তুর ত্রৈধ বিন্দু বা ত্রিদশা বিন্দু বলে। এটি সেই তাপমাত্রা এবং চাপ যেখানে ঊর্ধ্বপাতন, গলন এবং বাষ্পীভবনের বক্ররেখাগুলো একে অপরকে ছেদ করে। উদাহরণস্বরূপ, পারদের ত্রৈধ বিন্দু ঘটে −৩৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (−৩৭.৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় এবং ০.১৬৫ মিলিপ্যাসকেল চাপে। |
| যেসকল পদার্থে বহুরূপতা বিদ্যমান আছে সেসকল পদার্থের ক্ষেত্রে কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয় দশার ত্রৈধ বিন্দুর পাশাপাশি আরও একটি ত্রৈধ বিন্দু থাকতে পারে, যেখানে একাধিক কঠিন দশা জড়িত থাকে। হিলিয়াম-৪ একটি অস্বাভাবিক উদাহরণ, কারণ এটি কোনো ঊর্ধ্বপাতন/অবক্ষেপণ বক্ররেখা ধারণ করে না এবং তাই এর কঠিন ও গ্যাসীয় দশার মিলনের জন্য কোনো ত্রৈধ বিন্দু নেই। পরিবর্তে এর একটি বাষ্প-তরল-অতিতারল্য বিন্দু, একটি কঠিন-তরল-অতিতারল্য বিন্দু, একটি কঠিন-কঠিন-তরল বিন্দু এবং একটি কঠিন-কঠিন-অতিতারল্য বিন্দু রয়েছে। এগুলোকে ল্যামডা বিন্দুর সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যা কোনো ধরনের ত্রৈধ বিন্দু নয়। |
| লর্ড কেলভিনের ভাই জেমস থমসন ১৮৭৩ সালে ""ত্রৈধ বিন্দু"" পরিভাষাটি তৈরি করেছিলেন। একাধিক পদার্থের ত্রৈধ বিন্দুগুলো আইটিএস-৯০ আন্তর্জাতিক তাপমাত্রা পরিমাপকে বিন্দু নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে হাইড্রোজেনের ত্রৈধ বিন্দু (১৩.৮০৩৩ কেলভিন) থেকে পানির ত্রৈধ বিন্দু (২৭৩.১৬ কেলভিন, ০.০১ °সে বা ৩২.০১৮ °ফা) অন্তর্ভুক্ত। |
| ২০১৯ সালের আগ পর্যন্ত পানির ত্রৈধ বিন্দু কেলভিনের সংজ্ঞা নির্ধারণে ব্যবহৃত হতো, যা ছিল আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি অনুযায়ী তাপগতিবিজ্ঞানের তাপমাত্রার মূল একক। কেলভিন এমনভাবে সংজ্ঞায়িত ছিল যাতে পানির ত্রৈধ বিন্দু ঠিক ২৭৩.১৬ কেলভিন হয়, তবে ২০১৯ সালের এসআই পুনঃসংজ্ঞায়নের মাধ্যমে কেলভিনকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করা হয়, যাতে বোলট্জম্যান ধ্রুবক ১.৩৮০৬৪৯×১০−২৩ J⋅K−1 ঠিক করা হয় এবং পানির ত্রৈধ বিন্দু একটি পরীক্ষামূলকভাবে পরিমাপিত ধ্রুবক হয়ে ওঠে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%88%E0%A6%A7_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81" |
| "C15","Science_Technology","Physics","গোলক","বৃত্তকে এর ব্যাসের চারপাশে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকেই গোলক বা সুষম গোলক বলে। |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| |
| {\displaystyle \,r} |
| |
| ব্যাসার্ধের একটি গোলকের আয়তন হবে (4π |
| |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| 3 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,r^{3}} |
| |
| )/3 এবং এর পৃষ্ঠদেশের ক্ষেত্রফল হবে 4π |
| |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,r^{2}} |
| |
| । কার্তেসীয় স্থাণাঙ্ক ব্যাবস্থায় কেন্দ্র মূল-বিন্দুতে অবস্থিত এমন |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| |
| {\displaystyle \,r} |
| |
| ব্যাসার্ধর কোন গোলকের সমীকরণ হবে: |
| |
| |
| |
| |
| |
| x |
| |
| 2 |
| |
| |
| + |
| |
| y |
| |
| 2 |
| |
| |
| + |
| |
| z |
| |
| 2 |
| |
| |
| = |
| |
| r |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,x^{2}+y^{2}+z^{2}=r^{2}} |
| |
| । |
| সুতরাং গোলক হল ত্রিমাত্রিক দেশে অবস্থিত একটি গোল বলের ন্যায় জ্যামিতিক আকার।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%95" |
| "C15","Science_Technology","Physics","টিটিয়ুস-বোডে নীতি","টিটিয়ুস-বোডে নীতি সূর্য থেকে গ্রহগুলির দূরত্বের আসন্ন আপেক্ষিক মানসমূহের মধ্যে এক চমৎকার গাণিতিক সম্পর্ক প্রকাশ করে। ০, ১, ২, ৪, ৮, ১৬, ৩২, ৬৪, ... ... ইত্যাদি সংখ্যাগুলির প্রতিটিকে ৩ দিয়ে গুণ করে ৪ যোগ করে ১০ দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যায়: ০.৪, ০.৭, ১.০, ১.৬, ২.৮, ৫.২, ১০.০, ১৯.৬, ... ... । সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বকে একক ধরা হলে এই মানগুলি অন্যান্য গ্রহের দূরত্ব নির্দেশ করবে। সাধারণভাবে সূর্য থেকে দূরত্ব |
| |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| n |
| |
| |
| = |
| 0.6 |
| + |
| 0.45 |
| ∗ |
| |
| 2 |
| |
| n |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \,r_{n}=0.6+0.45*2^{n}} |
| |
| ; যেখানে শুক্র গ্রহের জন্য |
| |
| |
| |
| |
| n |
| = |
| 0 |
| |
| |
| {\displaystyle \,n=0} |
| |
| , পৃথিবীর জন্য |
| |
| |
| |
| |
| n |
| = |
| 1 |
| |
| |
| {\displaystyle \,n=1} |
| |
| ইত্যাদি। মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে ২.৮ দূরত্বে কোন গ্রহ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না, পরবর্তীতে সেখানে সিরেস(ceres) নামক গ্রহাণুটি আবিষ্কৃত হয়। |
| এই নীতিটি প্রথমে ইয়োহান টিটিয়ুস আবিষ্কার করেন এবং পরে ১৭৭২ সালে ইয়োহান এলার্ট বোডে একে জনপ্রিয় করে তোলেন। |
| |
| ১ k=৮ কে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে গ্রহাণুপুঞ্জকে একটি স্বতন্ত্র গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করতে হয়। গ্রহাণুপুঞ্জ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার কারণে সূর্য থেকে এর দূরত্বের জন্য যে মান(২.৭৭ মহাজাগতিক একক) গৃহীত হয়েছে তা আসলে পুঞ্জের অন্তর্গত সর্ববৃহৎ গ্রহাণু(সিরেসের) এর দূরত্ব।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A1%E0%A7%87_%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF" |
| "C15","Science_Technology","Physics","তরঙ্গ দৈর্ঘ্য","পদার্থবিজ্ঞানে তরঙ্গ সঞ্চালনকারী কোনো কম্পনশীল কণার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে এটি তরঙ্গের একই ফেজ এর পরপর সংশ্লিষ্ট বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব। যেমন দুটি সংলগ্ন ক্রেস্ট, ট্রফ বা শূন্য ক্রসিং উভয়ই ট্রাভেলিং তরঙ্গের একটি বৈশিষ্ট্য এবং সেইসাথে অন্যান্য স্থানিক তরঙ্গের একটি নিদর্শন। |
| তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিপরীত দিককে স্থানিক কম্পাঙ্ক বলে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত গ্রিক অক্ষর ল্যাম্বডা (λ) দ্বারা চিহ্নিত হয়। তরঙ্গদৈর্ঘ্য শব্দটি কখনও কখনও মড্যুলেটেড তরঙ্গ এবং বিভিন্ন সাইনোসয়েডের হস্তক্ষেপ দ্বারা গঠিত মডুলেটেড তরঙ্গ বা তরঙ্গের সাইনোসয়েডাল খামেও প্রয়োগ করা হয়। |
| উচ্চতর কম্পাঙ্কবিশিষ্ট তরঙ্গগুলির ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে এবং নিম্ন কম্পাঙ্কবিশিষ্ট তরঙ্গগুলির দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে। |
| যে মাধ্যম দিয়ে তরঙ্গ চলাচল করে, সেই মাধ্যমের উপর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ভর করে। (উদাহরণস্বরূপ, ভ্যাকুয়াম, বায়ু বা জল)। তরঙ্গের উদাহরণ হল শব্দ তরঙ্গ, আলোকতরঙ্গ, জলতরঙ্গ এবং পর্যায়ক্রমিক বৈদ্যুতিক তরঙ্গ(যা একটি কন্ডাক্টর)। একটি শব্দ তরঙ্গ বায়ুর একটি পরিবর্তনের ফলে চাপ, আলো এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন এবং চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তিত হয়। জলের তরঙ্গ হল জলের পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য। একটি স্ফটিক জালির কম্পন এ, পারমাণবিক অবস্থান পরিবর্তিত হয়। |
| তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা কম্পাঙ্কের পরিসরকে বর্ণালী বলা হয়।বর্ণালী নামের উৎপত্তি দৃশ্যমান আলোর বর্ণালী থেকে। এখন সমগ্র ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম প্রয়োগ এর পাশাপাশি একটি শব্দ বর্ণালী বা কম্পন বর্ণালী প্রয়োগ করা যেতে পারে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97_%E0%A6%A6%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98%E0%A7%8D%E0%A6%AF" |
| "C15","Science_Technology","Physics","গিঁট","গিঁট (বা গেরো, বা গ্রন্থী): |
| দড়ির (বা সুতা) নিজেকে বেষ্টনকারী পেঁচ যা দড়িটির নিজের বা পেঁচে বেষ্টিত অন্যান্য সামগ্রীর নড়াচড়ায় বাধাদেয়। দড়ির গিঁট বাঁধার জন্য ব্যবহার হয়, যা ঘর্ষণ দ্বারা স্থায়ী।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%81%E0%A6%9F" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ডিউটেরিয়াম","ডিউটেরিয়াম বা ডয়টেরিয়াম হলো হাইড্রোজেনের অর্থাৎ উদজানের একটি ভারী আইসোটোপ। এর চিহ্ন 2H অথবা D । একে ভারী হাইড্রোজেনও বলে। এর কেন্দ্রীনকে বলা হয় ডিউট্রন যার মধ্যে রয়েছে একটি প্রোটন এবং একটি নিউট্রন। |
| ডিউটেরিয়াম আইসোটোপের নামকরণ করা হয় গ্রিক ডিউটেরস শব্দ থেকে, যার অর্থ হল ""দ্বিতীয়""। এর মাধ্যমে নিউক্লিয়াসের দুটি উপাদানকে বিবৃত করা হয়। হ্যারল্ড উরি ১৯৩১ সালে ডিউটেরিয়াম আবিষ্কার ও নামকরণ করেন। ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কারের পর ডিউটেরিয়ামের নিউক্লিয় গঠন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলে এবং উরি ১৯৩৪ সালে নোবেল পুরস্কার জয় লাভ করেন।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","তাপগতিবিজ্ঞান","তাপগতিবিজ্ঞান (ইংরেজি: Thermodynamics) পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে তাপশক্তি ও তাপমাত্রা এবং এরসাথে শক্তি ও কাজের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাপগতিবিজ্ঞানের মূলনীতিগুলো বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের সমস্ত শাখায় মৌলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাপগতিবিজ্ঞানের কেন্দ্রীয় ধারণা হল বৃহৎ সিস্টেম বা তাপগতীয় সিস্টেম (macroscopic system)। বৃহৎ সিস্টেম বলতে জ্যামিতিকভাবে পৃথক করা যায় এমন একটি পদার্থ-অংশকে বোঝায়, যার ধর্মগুলোকে তাপমাত্রা, চাপ, এনট্রপি, আভ্যন্তরীণ শক্তি, এনথ্যালপি, গিবস্ মুক্ত-শক্তি ইত্যাদির মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বর্ণনা করা যায়। সেই জ্যামিতিক গণ্ডির বাইরে বিশ্বের (universe) যে অংশ, তাকে পরিবেশ বলে। যদি সিস্টেমটি কোন অসীম, অনুত্তেজিত পরিবেশের সহাবস্থানে থাকে, তাহলে সেই পরিবেশকে রিজার্ভয়ার (reservoir) বলে। এই পরিবেশের আচরণ তাপগতিবিদ্যার চারটি নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যা পরিমাপযোগ্য। আণুবীক্ষণিক ভৌত পরিমাপ ব্যবহার করে একটি পরিমাণগত বিবরণ প্রদান করা যায়, কিন্তু পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যা দ্বারা আণুবীক্ষণিক উপাদানগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটি ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। |
| তাপগতিবিদ্যা বিজ্ঞান বিভিন্ন বিষয়ের জন্য প্রযোজ্য যেমন: প্রকৌশল, বায়োকেমিস্ট্রি, রাসায়নিক প্রকৌশল, যান্ত্রিক প্রকৌশল এবং বিশেষ করে ভৌত রসায়ন। তবে অন্যান্য জটিল ক্ষেত্রে যেমন আবহাওয়াবিদ্যার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়। |
| |
| ঐতিহাসিকভাবে, তাপগতিবিদ্যা প্রাথমিক বাষ্প ইঞ্জিনগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানোর উদ্দ্যেশে বিকশিত হয়েছিল, বিশেষ করে ফরাসি পদার্থবিদ নিকোলাস লিওনার্দ সাদি কার্নোটের (১৮২৪) কাজের মাধ্যমে, যিনি বিশ্বাস করতেন যে ইঞ্জিনের কার্যকারিতা হল মূল চাবিকাঠি যা ফ্রান্সকে নেপোলিয়নীয় যুদ্ধে জয়ী হতে পারে। স্কটস-আইরিশ পদার্থবিজ্ঞানী লর্ড কেলভিন ১৮৫৪ সালে সর্বপ্রথম তাপগতিবিদ্যার একটি সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা প্রণয়ন করেন: তাপ-গতিবিদ্যা হল কোনো পদার্থের দেহ সংলগ্ন অংশগুলোর মধ্যে কাজ করা শক্তির সাথে তাপের সম্পর্ক ও বৈদ্যুতিক শক্তির সাথে তাপের সম্পর্ক।"" |
| যান্ত্রিক তাপ ইঞ্জিনে তাপগতিবিদ্যার প্রাথমিক প্রয়োগ যা রাসায়নিক যৌগ এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার অধ্যয়ন দ্রুত প্রসারিত হচ্ছিল। রাসায়নিক তাপগতিবিদ্যা, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এনট্রপির অবস্থা ও প্রকৃতি অধ্যয়ন করে যা তাপগতিবিদ্যার সম্প্রসারণ ও এ সম্পর্কিত জ্ঞানের সিংহভাগ আবিষ্কৃত ","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ক্যালাবি-ইয়ো বহুধা","ক্যালাবি-ইয়ো বহুধা হলো এক বিশেষ ধরনের বহুধা। গণিতের নানা শাখা যেমন: বীজগণিতীয় জ্যামিতি এবং তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানে এর দেখা মেলে। বিশেষতঃ স্ট্রিং তত্ত্বে অনেকসময় স্থান-কালের বাড়তি মাত্রাগুলো (মোট ১০টি মাত্রার মধ্যে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা ও সময় পরিচিত এই ৪টি বাদে বাকি ৬ টি) ষড়মাত্রিক ক্যালাবি-ইয়ো ম্যানিফোল্ডের আকারে থাকে বলে মনে করা হয়। |
| ধারণা করা হয় যে, ষড়মাত্রিক ক্যালাবি-ইয়ো বহুধার অন্তর্গত গহ্বর-এর সংখ্যার উপর মৌল-কণিকা গোত্রের সংখ্যা সরাসরিভাবে নির্ভর করে। যেহেতু এরকম গোত্রের সংখ্যা ৩, তাই ৩টি গহ্বরবিশিষ্ট ষড়মাত্রিক ক্যালাবি-ইয়ো ম্যানিফোল্ডগুলোই স্ট্রিং তত্ত্বে আকর্ষণীয় বলে বিবেচিত হয়ে থাকে। |
| এই বিশেষ বহুধার ধারণার প্রবক্তা ইউজেনিও ক্যালাবি ও শিং-টাং ইয়ো এর নামে এর নামকরণ করা হয়েছে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8B_%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","চাপ","চাপ (প্রতীক: p বা P) হল একক ক্ষেত্রফলে কোন বস্তুর তলের ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত সমভাবে বিতরিত বল। পারিপার্শ্বিক চাপের সাপেক্ষে যে চাপ উৎপন্ন হয় তাকে বলা হয় গজ চাপ। |
| চাপ প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন একক ব্যবহৃত হয়। এগুলির মধ্যে কিছু একক পাওয়া যায় বলের একককে ক্ষেত্রফলের একক দিয়ে বিভক্ত করে; এসআই পদ্ধতিতে চাপের একক প্যাসকেল (পা), হল এক নিউটন প্রতি বর্গমিটার (নি/মি২); একইভাবে, পাউন্ড-বল প্রতি বর্গ ইঞ্চি (পিএসআই) হল ইম্পেরিয়াল এবং মার্কিন প্রথাগত পদ্ধতিতে চাপের ঐতিহ্যগত একক। আদর্শ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এককেও চাপ প্রকাশ করা যেতে পারে; বায়ুমণ্ডল (এটিএম) এই চাপের সমান, এবং টর হল এর ১⁄৭৬০ ভাগ। ম্যানোমেট্রিক একক, যেমন সেন্টিমিটার জল, মিলিমিটার পারদ, এবং ইঞ্চি পারদ, একটি ম্যানোমিটারে একটি নির্দিষ্ট তরলের স্তম্ভের উচ্চতার চাপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ঘনপদার্থবিজ্ঞান","ঘনপদার্থবিজ্ঞান হল পদার্থবিজ্ঞানেরএকটি শাখা যাতে বিভিন্ন ঘন পদার্থের নানা ধর্ম, যেমন অতিপরিবাহিতা, অর্ধপরিবাহিতা, অয়শ্চৌম্বকত্ব ইত্যাদি আলোচিত হয়। পদার্থের ভৌত ধর্ম যেমন দশান্তর ইত্যাদি নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানের এই শাখাটিতেই সবচেয়ে গভীর গবেষণা হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%98%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","জড় প্রসঙ্গ কাঠামো","চিরায়ত বলবিজ্ঞান এবং বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে, জড় প্রসঙ্গ কাঠামো হলো এমন এক প্রসঙ্গ কাঠামো যার কোন ত্বরণ নেই। জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে, বাহ্যিক কোন বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটে না অথবা ত্বরণ ঘটে না। অর্থাৎ নিউটনের প্রথম গতিসুত্র এই প্রসঙ্গ কাঠামোয় কাজ করে। |
| জড় প্রসঙ্গ কাঠামোকে গ্যালিলীয় প্রসঙ্গ কাঠমো বা নিউটনীয় প্রসঙ্গ কাঠামোও বলা হয়। |
| যেসব প্রসঙ্গ কাঠামোতে নিউটনের প্রথম গতিসূত্র অপরিবর্তিত থাকে তাদেরকে জড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%A1%E0%A6%BC_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97_%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8B" |
| "C15","Science_Technology","Physics","চৌম্বক ক্ষেত্র","চৌম্বক ক্ষেত্র হলো একটি ভেক্টর ক্ষেত্র যা কোন আপেক্ষিক গতিসম্পন্ন আধান বা চুম্বকিত বস্তুর চৌম্বকীয় প্রভাব ব্যাখ্যা করে। একটি আধান, অন্যান্য আধানের স্রতের সাথে সমান্তরালে ধাবিত হলে তা তার নিজের বেগের উলম্বে একটি বল অনুভব করে। চৌম্বক ক্ষেত্রের এই ক্রিয়াটি সাধারণত স্থায়ী চৌম্বকে দেখা যায়। |
| তত্ত্বগত ভাবে, একটি চৌম্বক ক্ষেত্র অসীম দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে, শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত পরীক্ষা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার জন্য এবং পরিবেশের অন্যান্য চৌম্বক ক্ষেত্র-এর উপস্থিতির জন্য ( যেমন ভূ -চৌম্বক ক্ষেত্র ) কার্যক্ষেত্রে কোন চৌম্বক ক্ষেত্র একটি সীমিত সীমা পর্যন্ত বিস্তৃত বলে ধরা হয়। |
| তড়িৎচৌম্বকতে ""চৌম্বক ক্ষেত্র"" শব্দটি B এবং H চিহ্ন দ্বারা চিহ্নিত দুটি স্বতন্ত্র কিন্তু ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত ভেক্টর ক্ষেত্রের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেম অফ ইউনিটে, H হচ্ছে চৌম্বক ক্ষেত্রের শক্তি যাকে প্রতি মিটার অ্যাম্পিয়ারের SI বেস ইউনিটে পরিমাপ করা হয় এবং B, চৌম্বকীয় প্রবাহের ঘনত্ব, টেসলায় পরিমাপ করা হয় (SI বেস ইউনিটে: কিলোগ্রাম প্রতি সেকেন্ড 2 প্রতি অ্যাম্পিয়ার) (এ/এম)। H এবং B কীভাবে চুম্বকীয়করণের জন্য দায়ী তার মধ্যে পার্থক্য। একটি ভ্যাকুয়ামে, দুটি ক্ষেত্র ভ্যাকুয়াম ব্যাপ্তিযোগ্যতার মাধ্যমে সম্পর্কিত। কিন্তু একটি চুম্বকীয় পদার্থে, পদগুলি প্রতিটি বিন্দুতে উপাদানের চুম্বককরণের দ্বারা পৃথক হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95_%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","দৃশ্যমান বর্ণালী","দৃশ্যমান বর্ণালি বা দৃশ্য বর্ণালি বা আলোক বর্ণালি হচ্ছে তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর সেই অংশ যা মানুষের চোখে দৃশ্যমান অর্থাৎ যা মানুষের চোখ চিহ্নিত করতে পারে। এই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সীমার তড়িচ্চুম্বকীয বিকিরণকে দৃশ্যমান আলো বা শুধু আলো বলে অভিহিত করা হয়। মানুষের চোখ ৩৮০ থেকে ৭৮০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে সাড়া দেয়। কম্পাঙ্কে এই সীমা ৭৯০ টেরাহার্জ থেকে ৪০০ টেরাহার্জ পর্যন্ত বিস্তৃত। মানুষের চোখ সর্বোচ্চ প্রায় ৫৫৫ ন্যানোমিটার পর্যন্ত ""দেখতে"" পারে যা দৃশ্যমান বর্ণালির সবুজ রঙের এলাকায় অবস্থিত। অবশ্য মানুষের চোখ এবং মস্তিষ্ক আলাদা করে চিনতে পারে এমন অনেক রঙই দৃশ্যমান বর্ণালিতে নেই। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ঔজ্জ্বল্য পরিবর্তিত রং যেমন গোলাপী কিংবা মিশ্র রং ম্যাজেন্টা এই বর্ণালিতে অনুপস্থিত কারণ এই রঙগুলি একাধিক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মিশ্রণের ফলে সৃষ্টি হয়। |
| অনেক প্রজাতির প্রাণির চোখ মানুষের চোখে দৃশ্যমান বর্নালী ছাড়া ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে সংবেদনশীল হয়। যেমন মৌমাছির মত অনেক কীটপতঙ্গ অতিবেগুনী আলোতে দেখতে পায় যা ফুলের মধু আহরণে তাদেরকে সহায়তা করে। পাখিরাও অতিবেগুনী আলোতে (৩০০-৪০০ ন্যানোমিটার) দেখতে পায়। কিছু কিছু পাখির যৌন নির্ভর চিহ্ন শুধুমাত্র অতিবেগুনী আলোতে দেখা যায়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%83%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80" |
| "C15","Science_Technology","Physics","তরঙ্গ","তরঙ্গ বা ঢেউ হলো এক ধরনের কম্পনরত আন্দোলন যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে। মাধ্যম ব্যতিরেকে তরঙ্গ শূন্যস্থান দিয়েও সঞ্চারিত হতে পারে। এ ধরনের তরঙ্গ হলো তাড়িতচ্চৌম্বক তরঙ্গ এবং মহাকর্ষীয় তরঙ্গ। জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনের ফলে বা কোনো বস্তুর কলাকৌশলের ফলে যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয় তাকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে। এই তরঙ্গ মাধ্যমের কণার কোন স্থায়ী ঘটায় না, বরং এই তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দন বা কম্পন দ্বারা সঞ্চালিত হয়।সুতরাং যান্ত্রিক তরঙ্গের সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমটি স্থিতিস্থাপক এবং অবিচ্ছিন্ন হওয়া প্রয়োজন। |
| তরঙ্গ বেগ : নির্দিষ্ট দিকে, প্রতি সেকেন্ড সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে ঐ তরঙ্গের তরঙ্গ বেগ বলে। |
| পদার্থবিজ্ঞানে তরঙ্গ সঞ্চালনকারী কোনো কম্পনশীল কণার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে এটি তরঙ্গের একই ফেজ এর পরপর সংশ্লিষ্ট বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব।যেমন দুটি সংলগ্ন ক্রেস্ট, ট্রফ বা শূন্য ক্রসিং উভয়ই ট্রাভেলিং তরঙ্গের একটি বৈশিষ্ট্য এবং সেইসাথে অন্যান্য স্থানিক তরঙ্গের একটি নিদর্শন। তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিপরীত দিককে স্থানিক কম্পাঙ্ক বলে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত গ্রিক অক্ষর ল্যাম্বডা (λ) দ্বারা চিহ্নিত হয়। তরঙ্গদৈর্ঘ্য শব্দটি কখনও কখনও মড্যুলেটেড তরঙ্গ এবং বিভিন্ন সাইনোসয়েডের হস্তক্ষেপ দ্বারা গঠিত মডুলেটেড তরঙ্গ বা তরঙ্গের সাইনোসয়েডাল খামেও প্রয়োগ করা হয়। উচ্চতর কম্পাঙ্কবিশিষ্ট তরঙ্গগুলির ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে এবং নিম্ন কম্পাঙ্কবিশিষ্ট তরঙ্গগুলির দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে। |
| যে মাধ্যম দিয়ে তরঙ্গ চলাচল করে, সেই মাধ্যমের উপর তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ভর করে। (উদাহরণস্বরূপ, ভ্যাকুয়াম, বায়ু বা জল)। তরঙ্গের উদাহরণ হল শব্দ তরঙ্গ, আলোকতরঙ্গ, জলতরঙ্গ এবং পর্যায়ক্রমিক বৈদ্যুতিক তরঙ্গ(যা একটি কন্ডাক্টর)। একটি শব্দ তরঙ্গ বায়ুর একটি পরিবর্তনের ফলে চাপ, আলো এবং অন্যান্য ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন এবং চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তিত হয়। জলের তরঙ্গ হল জলের পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য। একটি স্ফটিক জালির কম্পন এ, পারমাণবিক অবস্থান পরিবর্তিত হয়। |
| তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা কম্পাঙ্কের পরিসরকে বর্ণালী বলা হয়।বর্ণালী নামের উৎপত্তি দৃশ্যমান আলোর বর্ণালী থেকে। এখন সমগ্র ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম প্রয়োগ এর পাশাপাশি একটি শব","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97" |
| "C15","Science_Technology","Physics","গ্যাসের গতিতত্ত্ব","এই নিবন্ধটি গ্যাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; আরও জানতে দেখুন কঠিন বস্তুর গতিতত্ত্ব |
| |
| গ্যাসের গতিতত্ত্ব বা গ্যাসের আণবিক গতিতত্ত্ব(ইংরেজি: Kinetic theory) অনুযায়ী সব বস্তুই বহুসংখ্যক ক্ষুদ্র কণার (অণুর) সমন্বয়ে গঠিত। এই তত্ত্ব অনুযায়ী অণুগুলি সর্বদা অনিয়মিতভাবে গতিশীল। সতত গতিশীল এই কণাগুলির অনবরত পরস্পরের সঙ্গে ও ধারক পাত্রের দেওয়ালের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে চলে। কোনো গ্যাসীয় ব্যবস্থায় কোন কোন অণু বর্তমান ও তাদের গতির ধারণা ব্যবহার করেই এই তত্ত্ব দিয়ে ওই ব্যবস্থার সমষ্টিগত ধর্মগুলি, যেমন চাপ, তাপমাত্রা, অথবা আয়তন ব্যাখা করা যায়। এককথায় এই তত্ত্বানুযায়ী স্থির বিকর্ষণ নয়, যা কিনা নিউটনের অনুমান ছিল, বরং বিভিন্ন গতিবেগে ছুটে চলা অণুগুলির মধ্যে সংঘর্ষই চাপের কারণ। |
| গ্যাসের কণাগুলির আয়তন খালি চোখে দেখা না গেলেও, পরাগরেণু অথবা ধূলিকণার বিক্ষিপ্ত গতি বা ব্রাউনীয় গতি, অণুবীক্ষণযন্ত্রে দেখা যায়। তা থেকে এটা জানা গেছে যে এই গতির উৎস পরাগরেণু অথবা ধূলিকণার ক্রমাগত সংঘর্ষ। ১৯০৫ খ্রীস্টাব্দে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন গতিতত্ত্বের এই পরীক্ষামূলক প্রমাণ প্রকাশ করেন। এটিকেই পরমাণু ও অণুর অস্তিত্বের স্বপক্ষের প্রমাণ হিসেবেও গণ্য করা হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC" |
| "C15","Science_Technology","Physics","চৌম্বক উত্তোলন","চৌম্বক উত্তোলন বা ইংরেজি পরিভাষায় ম্যাগনেটিক লেভিটেশন (ইংরেজিতে: Magnetic levitation) হল এক ধরনের পদ্ধতি যাতে চৌম্বক ক্ষেত্রের সাহায্যে কোন বস্তুকে অবলম্বন ছাড়া শূন্যে ভাসিয়ে রাখা হয়। এক্ষেত্রে বস্তুর প্রতি মাধ্যাকর্ষণজনিত প্রভাবকে চৌম্বকীয় চাপ দিয়ে প্রতিহত করা হয়। আর্নশ তত্ত্ব প্রমাণ করে যে, কেবল ফেরোচুম্বকত্ত্ব কোন বস্তুকে মাধ্যাকর্ষণ প্রভাব হতে মুক্ত রেখে তাকে শূন্যে ভাসিয়ে রাখতে সক্ষম। কিন্তু ডায়াচুম্বকজাতীয় পদার্থের অতিপরিবাহিতা এই ঘটনায় বাধা প্রদান করে। |
| যদিও চৌম্বক উত্তোলনে চৌম্বক শক্তির মাধ্যমে বস্তুকে উত্তোলিত করা হয়, তথাপি কোন কোন ক্ষেত্রে বস্তুকে সামান্য পরিমাণে অবলম্বন প্রদানের উদ্দেশ্যে যান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। একে বলা হয় ছদ্ম উত্তোলন (ইংরেজি পরিভাষায় সিউডো লেভিটেশন)। চৌম্বক উত্তোলন চুম্বক-উত্তোলিত রেল, চৌম্বক বিয়ারিং এবং অন্যান্য যান্ত্রিক কাজে ব্যবহৃত হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95_%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ট্রায়োড","ট্রায়োড (ইংরেজি: Triode) এমন এক প্রকারের ইলেকট্রনিক বিবর্ধক যার তিনটি ইলেকট্রোড থাকে। সাধারণতঃ ট্রায়োড বলতে ভ্যাকুয়াম টিউব ট্রায়োডকেই বোঝায়। ট্রায়োড হচ্ছে প্রথম ইলেকট্রনিক বিবর্ধক - ডায়োড নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়ে লি ডি ফরেষ্ট ১৯০৬ সালে ট্রায়োড আবিষ্কার করেন। ইংরেজি ট্রায়োড শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ τρίοδος (tríodos) থেকে যার দুটি অংশ - tri- মানে তিন এবং hodós মানে পথ।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8B%E0%A6%A1" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ডোপায়ন","ডোপায়ন বা ডোপিং হলো অর্ধপরিবাহী উৎপাদনে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি অত্যন্ত খাঁটি অর্ধ পরিবাহী'র মধ্যে ভেজাল মিশিয়ে এর বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্যাবলী পরিবর্তন করা। ভেজালের পরিমাণ অর্ধপরিবাহীর ধরনের উপর নির্ভর করে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","উইকিপিডিয়া:পদার্থবিজ্ঞান পরিভাষা","নিচে পদার্থবিজ্ঞান-সংক্রান্ত ইংরেজি পারিভাষিক শব্দগুলির বাংলা পরিভাষাসমূহের একটি তালিকা ইংরেজি বর্ণানুক্রমে উপস্থাপন করা হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কিত নিবন্ধ সম্পাদনা করার সময় এই তালিকায় থাকা পরিভাষা গুলি ব্যবহার করুন। |
| দ্রষ্টব্য: অনুগ্রহ করে তালিকাটি সম্পাদনা করার সময় বর্ণানুক্রম রক্ষার চেষ্টা করুন। অধিকন্তু কিছু কিছু ভুক্তির অধীনে এক বা একাধিক উপভুক্তি যোগ করা হয়েছে। যেমন energy-র অধীনে আছে বিভিন্ন প্রকারের energy ও energy-সংশ্লিষ্ট পরিভাষা (biomass energy, transformation of energy)। ভুক্তি অনুসন্ধান ও যোগ করার ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি খেয়াল রাখুন।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE:%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পদার্থ","চিরায়ত বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে যা কিছু কোনও স্থান বা আয়তন দখল করে এবং জড়তা (বা ভর) ও মহাকর্ষ ধর্ম প্রদর্শন করে, তাকে পদার্থ বলে। দৈনন্দিন স্পর্শযোগ্য সমস্ত বস্তু মোটামুটিভাবে শেষ বিচারে অনেকগুলি পরমাণু দিয়ে তৈরি, যেগুলি আবার পরস্পর আন্তঃক্রিয়াশীল অতিপারমাণবিক কণা দিয়ে তৈরি। তবে ভরহীন কণা যেমন ফোটন ও অন্যান্য শক্তি-সংক্রান্ত ঘটনা যেমন আলো, তাপ, চুম্বকত্ব, বিদ্যুৎ, তেজস্ক্রিয়তা, এগুলিকে পদার্থ হিসেবে গণ্য করা হয় না। পদার্থ বিভিন্ন ধরনের অবস্থা বা দশায় বিরাজ করে, যেমন কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয়। জীবদেহে অবস্থিত বা জীবদের দ্বারা উৎপাদিত বিশেষ পদার্থগুলিকে জৈব পদার্থ এবং বাকী সব পদার্থকে অজৈব পদার্থ বলা হয়। পদার্থ ও শক্তি একত্রে মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তুনিষ্ঠ ঘটনার ভিত্তি গঠন করেছে; তবে কোনও কোনও বিজ্ঞানীর মতে তথ্য পদার্থ ও শক্তির চেয়েও মৌলিক একটি ধারণা।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পরমাণু","মৌলিক পদার্থের যে ক্ষুদ্রতম কণার মধ্যে মৌলটির সমস্ত ধর্ম উপস্থিত থাকে এবং যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে মৌলিক পদার্থটির পরমাণু বলে। সমস্ত কঠিন, তরল, গ্যাস এবং আয়ন -এর গঠনের মূলে রয়েছে নিস্তরিত বা আধানগ্রস্ত পরমাণু। পরমাণুর আকার খুবই ক্ষুদ্র; সাধারনত এরা দৈর্ঘ্যে ১০০ পিকোমিটার (১ মিটারের ১০,০০০,০০০,০০০ ভাগের ১ ভাগ)। |
| পরমাণুর মাত্রা এই ক্ষুদ্রাকার হওয়ার কারণেই এর আচরনের বৈশিষ্টতা প্রথাগত পদার্থবিদ্যার সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%81" |
| "C15","Science_Technology","Physics","প্লাজমা","আয়নিত গ্যাস ও ইলেকট্রনের সমন্বয়ে গঠিত পদার্থের চতুর্থ অবস্থাকে প্লাজমা বলে। |
| প্লাজমা পদার্থের চতুর্থ অবস্থা (কঠিন, তরল ও বায়বীয়র পর)। প্লাজমা হচ্ছে আয়নিত গ্যাস যেখানে মুক্ত ইলেকট্রন এবং ধনাত্মক আয়নের সংখ্যা প্রায় সমান। আন্তঃনাক্ষত্রিক স্থানে, গ্যাস ক্ষরণ টিউবে, নক্ষত্রের (এমনকী সূর্যের) বাতাবরণে এবং পরীক্ষামূলক তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়কে (Thermonuclear reactor) প্লাজমা দেখতে পাওয়া যায়। |
| বৈদ্যুতিকভাবে প্রশম থাকা সত্ত্বেও প্লাজমা সহজেই বিদ্যুৎ পরিবহন করে। এদের থাকে অত্যুচ্চ তাপমাত্রা। |
| প্লাজমার কণাগুলি আয়নিত হওয়ায় গ্যাসের সাথে এর কিছু আচরণগত পার্থক্য আছে। গবেষণাগারে নিম্নচাপে রেখে গ্যাসকে (যতক্ষণ না গ্যাসীয় কণাগুলির গড় গতিশক্তি গ্যাসীয় অণু বা পরমাণুসমূহের আয়নীকরণ শক্তির কাছাকাছি হচ্ছে ততক্ষণ) উত্তপ্ত করে প্লাজমা তৈরি করা যায়। অত্যুচ্চ তাপমাত্রায় (প্রায় ৫০০০০ কেলভিন বা তার উপরে) গ্যাসীয় কণাগুলির মাঝে সংঘর্ষের কারণে গ্যাসের ঝটিতি আয়নায়ন (Cascading আয়নন) ঘটে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে, যেমন- প্রতিপ্রভ(Fluorescent) বাতিতে, প্লাজমাকণাগুলি নিরন্তর ধারকের দেয়ালের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ায় শীতলীকরণ এবং পুনর্মিলন (Recombination) ঘটে যার ফলে সামগ্রিক তাপমাত্রা বেশ নিচু থাকে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত আংশিক আয়নীকরণ ঘটে এবং বিপুল শক্তির জোগান (Input) দরকার হয়। তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়কে প্লাজমাকণাসমূহকে তড়িচ্চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মাধ্যমে ধারকের দেয়াল থেকে দূরে রাখা হয় যাতে প্লাজমার তাপমাত্রা অত্যুচ্চ থাকে (পিঞ্চ ক্রিয়া দেখুন)।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পিঞ্চ ক্রিয়া","দুটি সমান্তরাল পরিবাহকের মধ্য দিয়ে একই দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ ঘটলে পরিবাহকযুগলের মধ্যে যে চৌম্বকীয় আকর্ষণ দেখা যায়, তাকেই পিঞ্চ ক্রিয়া বলে। |
| এই বল প্রথমদিককার আবেশ চুল্লী-গুলিতেই দেখা গিয়েছিল। ১৯৪০ সাল থেকে শুরু করে তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়ক-এর মধ্যে উত্তপ্ত প্লাজমাকে সংঘবদ্ধ রাখার উপায় হিসেবে এই ক্রিয়ার উপর আজতক ব্যাপক গবেষণা হয়ে আসছে। পরীক্ষামূলক টরয়েডীয় তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়কে তাড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে প্লাজমায় বিপুল তড়িৎপ্রবাহ সৃষ্টি করা হয়; এই তড়িৎপ্রবাহ প্লাজমাকে একাধারে যেমন উত্তপ্ত করে তোলে তেমনি পিঞ্চ ক্রিয়ার মাধ্যমে(প্লাজমা মেঘকে কতগুলি সমাক্ষ সিলিন্ডার চিন্তা করলে, পরপর দুটি সিলিন্ডারকে মনে হবে সমান্তরাল দুটি পরিবাহক যাদের মধ্য দিয়ে একই দিকে তড়িৎ প্রবাহিত হওয়ায় তারা পরস্পরকে আকর্ষণ করবে) টিউবের দেয়াল থেকে প্লাজমাকে দূরে রাখে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A_%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক","প্লাঙ্ক ধ্রুবক (প্রকাশ জ, এছাড়াও প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক বলা হয়) একটি শারীরিক ধ্রুবক কর্মের কোয়ান্টাম, কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান কেন্দ্রীয় হয় না। |
| প্রথম ম্যাক্স প্লাংক দ্বারা ১৯০০ সালে স্বীকৃত, এটি একটি ক্ষুদ্রায়তন বৈদ্যুতিক চার্জিং oscillator এর শক্তি, ই , ক্ষুদ্রতম বৃদ্ধি ইনপুট মধ্যে সমানুপাতিক অবস্থার হিসাবে ধারণা করা হয় কালো শরীরের বিকিরণ রয়েছে, এবং তার সাথে যুক্ত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ ফ্রিকোয়েন্সি, চ , । ১৯০৫ সালে, মান ই , একটি কল্পিত ওসিসিল্টারের ন্যূনতম শক্তি বৃদ্ধি, তত্ত্বগতভাবে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন দ্বারা ""কোয়ান্টাম"" বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের শক্তি তার ন্যূনতম উপাদান দিয়ে যুক্ত হয়। একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ বিরোধিতা হিসাবে আলোর কোয়ান্টাম একটি বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ কণা হিসাবে কিছু ক্ষেত্রে আচরণ। এটি অবশেষে একটি ফোটন বলা হয়। |
| এটি কোয়ান্টাম তত্ত্বের মৌলিক অর্থ হচ্ছে একটি সর্বজনীন ধ্রুবক এবং এটি দ্বারা উপস্থাপিত হয়। h = 6.6260755 × 10-³⁴ জোলস / সেকেন্ড 1900 সালে এম। প্লাংক দ্বারা উপস্থাপিত। যে মাত্রাটি শক্তি × সময়, বা ভরবেগ × দৈর্ঘ্য, এটি কর্মের পরিমাণ মাত্রা হিসাবে একই, তাই h ক্রিয়াটিও বলা হয়। যেহেতু পরমাণুতে ইলেকট্রন শক্তি প্রায় 10 (- /) 1 7 টি জৌলুস এবং বিপ্লব সময় প্রায় 10 (- /) 1 6 সেকেন্ড, তার পণ্য 10 (- /) 3 3 জোল · দ্বিতীয়টি হল এইচ, যেমন বিশ্বের কোয়ান্টাম মেকানিক্স দ্বারা বর্ণিত করা আবশ্যক। যাইহোক, যদি কর্মের পরিমাণ h বেশি বড় হয়, তাহলে এটি ক্লাসিক্যাল বলবিজ্ঞানগুলিতে পরিচালিত হতে পারে। |
| ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞান অনুযায়ী energy যে নিরবচ্ছিন্ন নির্গত হয় সেই ধারণা পাল্টে যায়, বরং তা হয় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ প্যাকেট আকারে। ... একটি ফোটনের energy বা শক্তি তার কম্পাঙ্ক (frequency) এর সাথে তাই, E=hv সমীকরণ দিয়ে রিলেটেড,যেখানে h হলো প্ল্যাংক ধ্রুবক, যার মান 6.6×10^(-34) জুল*সেকেন্ড। |
| প্লাংকের ধ্রুবক হলো একটি মৌলিক ধ্রুব সংখ্যা যার মান শক্তির একটি কোয়ান্টামের অন্তর্নিহিত শক্তি এবং ঐ কোয়ান্টামের কম্পাঙ্কের অনুপাতের সমান। এটিকে |
| |
| |
| |
| |
| h |
| |
| |
| {\displaystyle \,h} |
| |
| দ্বারা সূচিত করা হয়। |
| |
| এস আই এককে প্লাংকের ধ্রুবক সঠিক এর মান হলো |
| |
| |
| |
| h |
| = |
| |
| |
| {\displaystyle","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ফার্মিয়ন","কণা পদার্থবিজ্ঞানে, ফার্মিয়ন হলো ১/২ এর বিজোড় গুণিতক (যেমনঃ ১/২,৩/২) স্পিন বিশিষ্ট একধরনের মৌলিক কণিকা যারা ফার্মি–ডিরাক পরিসংখ্যান মেনে চলে। এই কণিকা পলির বর্জন নীতি মেনে চলে । প্রখ্যাত ইতালীয় তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মির নামানুসারে এই কণিকার নামকরণ করেন ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মি এক শক্তিস্তরে দুটির বেশি ফার্মিয়ন একসঙ্গে থাকতে পারেনা, যা বোসনদের পক্ষে সম্ভব। এদের দ্বারা বস্তু গঠিত হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","বি এল ল্যাকারটি বস্তু","বি এল ল্যাকারটি বস্তু হলো কিছু কিছু ছায়াপথের কেন্দ্রে দৃষ্ট দুর্লভ ও বিচিত্র বস্তু। সক্রিয় ছায়াপথ কেন্দ্রীনের(active galactic nuclei) এটি একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। এরা আসলে উপবৃত্তাকার ছায়াপথ। এরা প্রচন্ড শক্তিশালী অবলোহিত রশ্মি, দৃশ্যমান আলো এবং রেডিও তরঙ্গ বিকিরণ করে। এদের বর্ণালীতে শোষণ রেখা অথবা নির্গমণ রেখার কোনটাই দেখা যায় না। এদের সংক্ষেপে 'ল্যাকারটিড' বলে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF_%E0%A6%8F%E0%A6%B2_%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%9F%E0%A6%BF_%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81" |
| "C15","Science_Technology","Physics","দোদুল্যমান মহাবিশ্ব তত্ত্ব","দোদুল্যমান মহাবিশ্ব তত্ত্ব হলো ১৯৩৪ সালে রিচার্ড টোলম্যান কর্তৃক প্রদত্ত মহাবিশ্বের চালচিত্র সংক্রান্ত একটি তত্ত্ব যেখানে বলা হয়েছে যে, মহাবিশ্ব হলো সৃষ্টি ও ধ্বংসের এক নিঃশেষ পরম্পরা। যদি মহাবিশ্বের অন্তর্গত পদার্থের ঘনত্ব যথেষ্ট(সংকট ঘনত্বের চেয়ে বেশি) হয় তাহলে মহাবিশ্বের বর্তমান সম্প্রসারণ সসীম ভবিষ্যতেই থেমে যাবে এবং শুরু হবে সংকোচণের পালা যার যবনিকাপাত ঘটবে বৃহৎ সংকোচনের(big crunch) মাধ্যমে। পরবর্তীতে হয়ত বৃহৎ বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে পুনরায় আরম্ভ হবে প্রসারণের পালা এবং এভাবেই নিরবিচ্ছন্নভাবে চলতে থাকবে মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও ধ্বংসের চক্র। |
| তবে এই তত্ত্বটির ভবিষ্যদ্বাণী সম্পর্কে নিশ্চিত হতে মহাবিশ্বের ঘনত্ব ও এর অন্তর্গত ভরের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে যা এখনো আমাদের আওতার বাইরে। |
|
|
| কম্পনশীল মহাবিশ্ব","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান","পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান (ইংরেজি: Atomic physics) পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে পারমাণবিক কেন্দ্রীণ ও ইলেকট্রনসমূহ নিয়ে গঠিত একটি আলাদা সিস্টেম বা ব্যবস্থা হিসেবে পরমাণুর উপর গবেষণা করা হয়। পরমাণু কেন্দ্রীণের চারপাশে ইলেকট্রনগুলি কীভাবে বিন্যস্ত এবং এই বিন্যাসগুলি কী প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হতে পারে, তা-ই মূলত এই ক্ষেত্রটির আলোচ্য বিষয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পারমাণবিক ভর","পারমাণবিক ভর হলো কোন মৌলিক পদার্থের একটি পরমাণুর ভর। পারমাণবিক ভরকে অনেকসময় একীভূত পারমাণবিক ভর একক হিসেবেও প্রকাশ করা হয়। পদার্থের অণুর ক্ষেত্রও একই রকম সংজ্ঞা প্রদান করা যায়। তখন এটিকে আণবিক ভর নামে ডাকা হয়। কোন পদার্থের আণবিক ভর এর পরমাণুগুলোর পারমাণবিক ভর থেকে বের করা যায়। কোন পদার্থের একটি অনুতে অবস্থিত প্রতিটি পরমাণুর পারমাণবিক ভরকে ঐ অণুর রাসায়নিক সংকেতে নির্দেশিত পরমাণুগুলোর স্ব স্ব অনুপাত দ্বারা গুণ করে গুণফলগুলোকে যোগ করলে ঐ অণুর আণবিক ভর পাওয়া যায়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","নিউক্লীয় গবেষণার জন্য ইউরোপীয় সংস্থা","নিউক্লীয় গবেষণার জন্য ইউরোপীয় সংস্থা একটি ইউরোপীয় গবেষণা সংস্থা যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার পরিচালনায় নিয়োজিত। সংস্থাটির মূল ফরাসি নাম হল অর্গানিজাসিওঁ ওরোপেএন পুর লা রশের্শ ন্যুক্লেয়্যার (ফরাসি: Organisation européenne pour la recherche nucléaire), তবে ফরাসিতে এটি সংক্ষেপে সের্ন নামেই বেশি পরিচিত (আ-ধ্ব-ব:[sɜːɹn] বা [sɛrn])। ইংরেজিতে সংস্থাটির নাম ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ, তবে সংক্ষেপে ফরাসি ""সের্ন"" আদ্যক্ষরাটিকে ইংরেজির মতো করে ""সার্ন"" উচ্চারণ করা হয়। সংস্থাটির আদি ফরাসি নাম কোঁসেই ওরোপেয়াঁ পুর লা রশের্শ ন্যুক্লেয়্যার (Conseil Européen pour la Recherche Nucléaire)-এর আদ্যক্ষর চতুষ্টয় c, e, r, ও n থেকে CERN বা সের্ন আদ্যক্ষরাটির উৎপত্তি, যার বাংলা অর্থ হয় ""নিউক্লীয় গবেষণার জন্য ইউরোপীয় পরিষদ""। |
| সংস্থাটি ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের সীমান্তের কাছে সুইজারল্যান্ডের ফরাসিভাষী জেনেভা শহরের উত্তর-পশ্চিমের একটি শহরতলী মেরাঁ (Meyrin) পৌরসভাতে অবস্থিত। ১৯৫৪ সালের ২৯শে সেপ্টেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত এক সভায় সের্ন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি স্বাক্ষরিত হয়। প্রস্তাবে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের সংখ্যা শুরুতে মাত্র ১২ থাকলেও বর্তমানে এই সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা বেড়ে ২৩-এ দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ইসরায়েল একমাত্র অ-ইউরোপীয় রাষ্ট্র হিসেবে পূর্ণ সদস্যের মর্যাদা লাভ করেছে। সের্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আনুষ্ঠানিক পর্যবেক্ষকসমূহের একটি। |
| সের্নের গবেষণাগারে ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬ শতেরও বেশি বিজ্ঞানী, কারিগর ও প্রশাসনিক কর্মচারী কর্মরত ছিলেন। সে বছর বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশে বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা থেকে আগত ১২ হাজার ৪ শত ব্যবহারকারী এখানে কাজ করেন। |
| গবেষণাগারের পরীক্ষাগুলি থেকে প্রতিদিন গড়ে এক পেটাবাইট উপাত্ত (১০ লক্ষ গিগাবাইট) প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এর মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ১১৫ পেটাবাইট উপাত্ত সংরক্ষণ করে রাখা হয়। |
| সের্নের প্রধান কাজ হল উচ্চ-শক্তির পদার্থবৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য কণা ত্বরক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর যোগান দেওয়া। এ কারণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাভিত্তিক বহু পরীক্ষা সের্নে নির্মাণ করা হয়েছে। সের্নে বৃহৎ হ্যাড্রন সংঘর্ষকটি অবস্থিত, যা কিনা বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচেয়ে বেশী শক্তিবিশিষ্ট কণা সংঘর্ষক। সংস্থাটি মূল কর্মস্থলে একটি বৃহৎ পরিগণন কেন","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পরম তাপমাত্রা","পরম তাপমাত্রা (ইংরেজি: Absolute temparature) বলতে বুঝানো হয় এমন এক তাপমাত্রা, যার চাইতে ঠান্ডা কোনো কিছু হতে পারে না। এই তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন গাণিতিকভাবে শূন্য হয়। এর মান শূন্য কেলভিন, -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা -৪৫৯.৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট। |
| তাত্ত্বিকভাবে, পরম শূন্যের নিচে কোনো তাপমাত্রা থাকা সম্ভব নয়। এটা এমন একটা তাপমাত্রা, যেখানে পরমাণু নিজের গতি হারিয়ে ফেলে একেবারেই নিশ্চল হয়ে যায়। আর তাই পরম শূন্য তাপমাত্রায় আসে চরম স্থিতি, অর্থাৎ এনট্রপি হয় সর্বনিম্ন। তবে গবেষকরা সম্প্রতি এই ধারণাকে ভেঙে দিতে সক্ষম হয়েছেন।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%AE_%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ফ্রিদমান সমীকরণ","এই সমীকরণগুলো রাশিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী আলেক্সান্দ্র্ আলেক্সান্দ্রোভিচ ফ্রিদমান প্রবর্তন করেন। |
| সূত্রগুলো হলো: |
|
|
| |
| |
| |
| |
| H |
| |
| 2 |
| |
| |
| ≡ |
| |
| |
| ( |
| |
| |
| |
| |
| a |
| ˙ |
| |
| |
| a |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| 2 |
| |
| |
| = |
| |
| |
| |
| 8 |
| π |
| G |
| ρ |
| + |
| Λ |
| |
| 3 |
| |
| |
| − |
| K |
| |
| |
| |
| c |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| a |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle H^{2}\equiv \left({\frac {\dot {a}}{a}}\right)^{2}={\frac {8\pi G\rho +\Lambda }{3}}-K{\frac {c^{2}}{a^{2}}}} |
| |
|
|
| |
| |
| |
| 3 |
| |
| |
| |
| |
| a |
| ¨ |
| |
| |
| a |
| |
| |
| = |
| Λ |
| − |
| 4 |
| π |
| G |
| ( |
| ρ |
| + |
| |
| |
| |
| 3 |
| p |
| |
| |
| c |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| {\displaystyle 3{\frac {\ddot {a}}{a}}=\Lambda -4\pi G(\rho +{\frac {3p}{c^{2}}})} |
| |
|
|
| where |
| |
| |
| |
| ρ |
| |
| |
| {\displaystyle \rho } |
| |
| and |
| |
| |
| |
| p |
| |
| |
| {\displaystyle p} |
| |
| are the density and pressure of the fluid, |
| |
| |
| |
| Λ |
| |
| |
| {\displaystyle \Lambda } |
| |
|
|
| আরও সরল রূপ হলো: |
|
|
| |
| |
| |
| ρ |
| → |
| ρ |
| − |
| |
| |
| Λ |
| ","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পাউলি মেট্রিক্স","পাউলি মেট্রিক্স বলতে এক সেট মেট্রিক্সকে বোঝায়, প্রতিটি স্থান মাত্রার জন্য একটি করে। মেট্রিক্সগুলো হলো: |
|
|
| |
| |
| |
| |
| σ |
| |
| 1 |
| |
| |
| = |
| |
| σ |
| |
| x |
| |
| |
| = |
| |
| |
| ( |
| |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| 1 |
| |
| |
| |
| |
| 1 |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \sigma _{1}=\sigma _{x}={\begin{pmatrix}0&1\\1&0\end{pmatrix}}} |
| |
|
|
| |
| |
| |
| |
| σ |
| |
| 2 |
| |
| |
| = |
| |
| σ |
| |
| y |
| |
| |
| = |
| |
| |
| ( |
| |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| − |
| i |
| |
| |
| |
| |
| i |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \sigma _{2}=\sigma _{y}={\begin{pmatrix}0&-i\\i&0\end{pmatrix}}} |
| |
|
|
| |
| |
| |
| |
| σ |
| |
| 3 |
| |
| |
| = |
| |
| σ |
| |
| z |
| |
| |
| = |
| |
| |
| ( |
| |
| |
| |
| 1 |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| |
| |
| 0 |
| |
| |
| − |
| 1 |
| |
| |
| |
| ) |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle \sigma _{3}=\s","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","বলরেখা","বলরেখা কোনো বলক্ষেত্রের কাল্পনিক রেখা, যার সাহায্যে ক্ষেত্রের দিক ও প্রাবল্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। বলরেখায় তীর চিহ্ন দিয়ে ক্ষেত্রের অভিমুখ দেখানো হয় এবং বলরেখাগুলির ঘনত্ব ক্ষেত্রের স্থানীয় প্রাবল্য সূচিত করে। দুটি বলরেখা কখনো একে অপরকে অতিক্রম করেনা কারণ একটী বিন্দুতে ক্ষেত্রের একটি মাত্র দিক থাকতে পারে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র","১৬৮৭ সালে স্যার আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে একটি সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করতে সমর্থিত হয়েছেন। একে সার্বজনীন অ্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্বের আবিষ্কারের পর মহাকর্ষ সূত্রকে আর সার্বজনীন বলা চলেনা, তবে মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের সার্বিকতা কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ হয় নি।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7_%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাস","পদার্থবিজ্ঞান হলো বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখা। পদার্থবিজ্ঞান বলতে বলা যেতে পারে এটা হলো গণিতের বাস্তব রূপ। এখানে বিভিন্ন গাণিতিক হিসাব নিকাশ দ্বারা প্রকৃতির বিভিন্ন ঘটনাকে বর্ণনা করা হয়। অত্যন্ত বিমূর্তভাবে বলতে গেলে, পদার্থবিজ্ঞান হলো সেই বিজ্ঞান যার লক্ষ্য আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করা। পদার্থবিজ্ঞানে পদার্থ, পদার্থের গতি এবং স্থান ও সময় মাধ্যমে তার আচরণ, শক্তি ও বল সংক্রান্ত রাশি নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখাগুলোর মধ্যে একটি । পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বের আচরণ সম্পর্কে অনুধাবন করা । |
|
|
| এটা হলো বিজ্ঞানের সবচেয়ে প্রাচীনতম শাখা। তাই এর ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। |
| পদার্থবিজ্ঞান হলো বিজ্ঞানের একটি শাখা যার প্রাথমিক বিষয় বস্তু শক্তি। পদার্থবিজ্ঞানের আবিষ্কারগুলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি এর উপর।এখনকার পদার্থবিজ্ঞানকে শাস্ত্রীয়/সাধারণ পদার্থবিজ্ঞান এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে বিভক্ত করা যেতে পারে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","প্রিজম (আলোকবিজ্ঞান)","আলোকবিজ্ঞানে প্রিজম হলো একটি প্রিজম আকৃতির স্বচ্ছ বস্তু যার মধ্য দিয়ে সাদা আলোকরশ্মি যাবার সময় সাতটি রং এ বিভক্ত হয়ে যায়। ব্যবহার অনুযায়ী এর তলের সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয়। প্রিজম সাধারণত কাচের তৈরি হয় ও ত্রিকোণাকৃতির প্রস্থছেদের তবে এটি অন্য যেকোন স্বচ্ছ পদার্থ দিয়েও তৈরি করা যায়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%AE_(%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8)" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ধারকত্ব","ধারকত্ব হল কোন নির্দিষ্ট বিভব পার্থক্যে সঞ্চিত তড়িৎ আধানের পরিমাপ। তড়িৎ আধান সঞ্চয়ের জন্য দুই পাত বিশিষ্ট ধারক সর্বাধিক প্রচলিত। যদি ধারকের পাতদ্বয়ে আধানের পরিমাণ যথাক্রমে +Q ও -Q এবং পাতদ্বয়ের বিভব পার্থক্য V হয়, তবে ধারকত্ব |
| |
| |
| |
| C |
| = |
| |
| |
| Q |
| V |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle C={\frac {Q}{V}}} |
| |
|
|
| ধারকত্বের এসআই একক হল ফ্যারাড। ১ ফ্যারাড = ১ কুলম্ব প্রতি ভোল্ট। |
| ধারকত্বের মাত্রাঃ |
| M^-1 L^-2 A^2 T^4 |
| কোন ধারকের ধারকত্বের রাশিমালা : |
| C=4π€0R (এখানে R= ধারকের ব্যাসার্ধ এবং 4π€0= 1/9×10⁹)","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC" |
| "C15","Science_Technology","Physics","লেন্জের সূত্র","লেনজ এর সুত্র একটি সহজ উপায় যার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি কীভাবে তড়িৎ চুম্বকীয় বর্তনী নিউটনের ৩য় সুত্র এবং শক্তির সংরক্ষণ সুত্র মেনে চলে । লেনজ এর সুত্র হেনরিক লেনজ এর নামানুসারে করা হয়েছে। এতে বলা হয় |
| তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের সময় আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহের জন্য সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক এমন হয়, যে চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনের আবিষ্ট তড়িৎপ্রবাহ উৎপন্ন হয়, যা সেই চৌম্বক ফ্লাক্সের পরিবর্তনকেই বাধা প্রদান করে। অন্যভাবে বললে, আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি বা তড়িৎ প্রবাহের দিক এমনভাবে হয় যে এটি উৎপন্ন হওয়ার মূল কারণের বিরুদ্ধে ক্রিয়া করে। |
| লেনজ এর সুত্র ফ্যারাডের সুত্রের আবেশ ঋণাত্মক চিহ্ন দেয় |
|
|
| |
| |
| |
| |
| |
| E |
| |
| |
| = |
| − |
| |
| |
| |
| ∂ |
| |
| Φ |
| |
| |
| B |
| |
| |
| |
| |
| |
| ∂ |
| t |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle {\mathcal {E}}=-{\frac {\partial \Phi _{\mathrm {B} }}{\partial t}}} |
| |
|
|
| এর থেকে বুঝা যায় যে আবেশিত তড়িচ্চালক বল (ℰ) এবং চৌম্বক প্রবাহ (∂ΦB) এর মধ্যে বিপরীত চিহ্ন আছে ।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","রংধনু","রংধনু বা রামধনু , হল একটি আলোকীয় ঘটনা। এটি পানির কণার মধ্যে আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিস্তার-এর ফলে সৃষ্টি হয়। এর ফলে আকাশে আলোর একটি ধারাবাহিক দৃশ্যমান বর্ণালী দেখা যায়। রংধনু সাধারণত বহুবর্ণের একটি বৃত্তাকার খণ্ড আকারে দেখা যায়। সূর্যের আলো থেকে সৃষ্টি হওয়া রংধনু সবসময় সূর্যের ঠিক বিপরীত দিকে আকাশে দেখা যায়। রংধনু কেবল বৃষ্টির কারণে নয়; বাতাসে থাকা বিভিন্ন ধরনের পানি থেকেও এটি তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কুয়াশা, জলকণা ছিটা এবং বাতাসে ভাসমান শিশির। |
| রংধনু সম্পূর্ণ বৃত্ত আকারেও হতে পারে। তবে সাধারণত পর্যবেক্ষক মাটির উপরে আলোকিত পানিকণার দ্বারা গঠিত বৃত্তের একটি অংশ বা খণ্ডই দেখতে পান। এই বৃত্তের কেন্দ্র সূর্য থেকে পর্যবেক্ষকের চোখের দিকে টানা একটি সরলরেখার উপর অবস্থিত। |
| প্রাথমিক রংধনুতে বাইরের দিকে লাল রং এবং ভেতরের দিকে বেগুনি রং দেখা যায়। এই রংধনু তখনই তৈরি হয়, যখন আলো পানিকণার ভেতরে প্রবেশের সময় প্রতিসৃত হয়, পরে কণার পেছনের অংশে অভ্যন্তরীণভাবে প্রতিফলিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত বেরিয়ে আসার সময় আবার প্রতিসৃত হয়। |
| দ্বৈত রংধনুতে প্রাথমিক রংধনুর বাইরের দিকে আরেকটি রংধনু দেখা যায়। এতে রঙগুলোর বিন্যাস উল্টো হয়, অর্থাৎ লাল রং ভেতরের দিকে থাকে। এটি ঘটে, কারণ আলো পানিকণার ভেতরে থেকে বের হওয়ার আগে দুইবার অভ্যন্তরীণভাবে প্রতিফলিত হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A7%81" |
| "C15","Science_Technology","Physics","লসন শর্ত","লসন শর্ত হলো তাপ-নিউক্লীয় বিক্রিয়ক থেকে শক্তি স্ফুরণের জন্য প্রয়োজনীয় একটি শর্ত। এটি সর্বপ্রথম প্রকাশ করেন জে. ডি. লসন। |
| এটাকে সাধারনতঃ ফিউশান্-জ্বালানীর কণাসমূহের ঘনত্ব এবং শক্তি পরিশোধ (Energy breakeven)-এর জন্য দরকারি অবরোধকালের (Containment time) গুণফলের ক্ষুদ্রতম মান হিসেবে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ, এ হলো বিক্রিয়াকারী কণাসমূহের প্রয়োজনীয় ঘনত্ব এবং এই কণাসমূহকে প্রজ্বলন তাপমাত্রায় (Ignition temperature) উত্তপ্ত করতে ব্যবহৃত শক্তির চেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদন করতে তাদেরকে যে সময়কাল বিক্রিয়া করতে হয় তার পরিমাপ। |
| প্রজ্বলন তাপমাত্রায় ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম-এর একটি ৫০ : ৫০ মিশ্রণের জন্য এই গুণফলের মান ১০১৪ এবং ১০১৫ প্রতি ঘন সেন্টিমিটার-সেকেন্ড এর মধ্যে থাকে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%B8%E0%A6%A8_%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4" |
| "C15","Science_Technology","Physics","সমদৈশিকতা","সমদৈশিকতা বলতে পরিমাপ গ্রহণের দিক বা অভিমুখ নির্বিশেষে কোনও বস্তুর কোনও ধর্মের মান একই বা সমান হওয়ার ঘটনাটিকে নির্দেশ করা হয়। একে ইংরেজি পরিভাষায় ""আইসোট্রপি"" (Isotropy) বলে। অন্য ভাষায় কোনও বস্তুকে কোনও অক্ষের উপরে ঘোরালে যদি সেটির কোনও পর্যবেক্ষণকৃত বা পরিমাপকৃত ধর্মের মান সর্বদা একই হয়, তাহলে ঐ বস্তুর ঐ ধর্মটি সমদৈশিক (Isotropic আইসোট্রপিক)। কোনও ধর্ম যদি এরূপ সমদৈশিকতা প্রদর্শন করে, তবে তাকে সমদৈশিক ধর্ম (Isotropic property আইসোট্রপিক প্রপার্টি) বলে। যদি কোনও পদার্থকে বিভিন্ন দিক থেকে পরিমাপ করলে এর ধর্মগুলির মান একই হয়, তাহলে সেটিকে সমদৈশিক পদার্থ (Isotropic material আইসোট্রপিক ম্যাটিরিয়াল) বলে। যেমন একটি তরল পদার্থ একটি সমদৈশিক পদার্থ, কিন্তু একটি কেলাসিত কঠিন পদার্থ সমদৈশিক নয় (বরং বিষমদৈশিক) কারণ এগুলি কেলাসের অক্ষ থাকে। |
| সমদৈশিকতার বিপরীত ধারণাটি হল বিষমদৈশিকতা বা অসমদৈশিকতা (Anisotropy অ্যানাইসোট্রপি)। সমদৈশিকতার কাছাকাছি আরেকটি ধারণা হল সমসত্ত্বতা (Homogeneity হোমোজেনেইটি); যদি কোনও পদার্থের প্রতিটি বিন্দুতে পদার্থটির সব গাঠনিক ভৌত ধর্ম একই হয়, তাহলে সেটিকে সমসত্ত্ব পদার্থ বলে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%88%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ব্যারিয়ন","ব্যারিয়ন হলো সবল মিথষ্ক্রিয়াকারী মৌলিক কণিকাসমূহের একটি শ্রেণী। এরা হলো যৌগিক অতিপারমাণবিক কণিকা যা বিজোড় সংখ্যক যোজ্যতা কোয়ার্কের (অন্তত তিনটি) সমনন্বয়ে গঠিত। নিউট্রন, প্রোটন এবং হাইপেরন নামে পরিচিত অস্থিতিশীল হ্যাড্রন এই শ্রেনীর সদস্য। কোন ব্যাবস্থায় বিদ্যমান ব্যারিয়নের মোটসংখ্যা থেকে প্রতিব্যারিয়নের মোটসংখ্যা বাদ দিলে পাওয়া যায় ব্যারিয়ন সংখ্যা। |
| ব্যারিয়ন হলো হ্যাড্রনের উপ-শ্রেণি এবং সাম্প্রতিক তত্ত্বানুযায়ী ৩টি কোয়ার্ক দ্বারা গঠিত । বেরিয়ন কোয়ান্টাম সংখ্যাকে বেরিয়ন সংখা বা ভারিত্বের সংখ্যা বলে এবং যেকোন মিথস্ক্রিয়ায় সংরক্ষিত থাকে ।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","বোলট্জম্যান ধ্রুবক","বোলট্জমান ধ্রুবক পরিসাংখ্যিক বলবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ধ্রুব সংখ্যা যা তাপমাত্রা এবং শক্তির এককের মধ্যে সংযোগ হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ এই ধ্রুবকটির মাধ্যমে শক্তিকে তাপমাত্রার এককে প্রকাশ করা যায়। |
| |
| |
| |
| k |
| |
| |
| {\displaystyle k} |
| |
| অথবা |
| |
| |
| |
| |
| k |
| |
| B |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle k_{B}} |
| |
| দ্বারা ধ্রুবকটি প্রকাশ করা হয়। এর মান |
| |
| |
| |
| 1.3806 |
| × |
| |
| 10 |
| |
| − |
| 23 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle 1.3806\times 10^{-23}} |
| |
| জুল প্রতি কেলভিন বা |
| |
| |
| |
| 0.00008617 |
| |
| |
| {\displaystyle 0.00008617} |
| |
| ইলেকট্রন ভোল্ট প্রতি কেলভিন। বিখ্যাত অস্ট্রীয় পদার্থবিজ্ঞানী লুডভিগ বোলট্জম্যানের নামানুসারে এর নামকরণ হয়েছে। সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করলে দাঁড়ায়: |
|
|
| |
| |
| |
| k |
| = |
| |
| |
| R |
| |
| N |
| |
| |
| A |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle k={\frac {R}{N_{\rm {A}}}}\,} |
| |
|
|
| যেখানে |
| |
| |
| |
| R |
| |
| |
| {\displaystyle R} |
| |
| গ্যাস ধ্রুবক এবং |
| |
| |
| |
| |
| N |
| |
| |
| A |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle N_{\rm {A}}} |
| |
| আভোগাদ্রো সংখ্যা। |
| পার্টিশন অপেক্ষক, বসু-আইনস্টাইন, ফার্মি-ডিরাক অথবা ম্যাক্সওয়েল-বোলট্জমান বিন্যাসের ভিত্তিতে নির্ধারিত যে কোনো সম্পর্কের মধ্যে বোলট্জমান ধ্রুবকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95" |
| "C15","Science_Technology","Physics","সাধারণ আপেক্ষিকতা","সাধারণ আপেক্ষিকতা বা আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব (ইংরেজিতে General Theory of Relativity তথা GTR নামে পরিচিত) বলতে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন কর্তৃক ১৯১৫-১৯১৬ সালে আবিষ্কৃত মহাকার্ষের জ্যামিতিক তত্ত্বকে বোঝায়। এটি বিশেষ আপেক্ষিকতা এবং নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বকে একীভূত করার মাধ্যমে একটি বিশেষ অন্তর্দৃষ্টির জন্ম দিয়েছে। অন্তর্দৃষ্টিলব্ধ বিষয়টি হচ্ছে, স্থান এবং কালের বক্রতার মাধ্যমে মহাকর্ষীয় ত্বরণকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। তিনি এই ফর্মুলার মাধ্যমে স্থান ও কালের মধ্যে সংযোগ সেতু স্থাপন করেছেন যা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান বড় ভূমিকা পালন করে। স্থান-কালের মধ্যস্থিত পদার্থের ভর-শক্তি এবং ভরবেগের কারণেই এই বক্রতার উৎপত্তি ঘটে। ভবিষ্যতে এই তত্ত্ব ""টাইম মেশিন"" বা সময় যন্ত্রের ধাঁধা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3_%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","মহাকর্ষীয় তরঙ্গ","মহাকর্ষীয় তরঙ্গ হলো ত্বরিত বস্তু কর্তৃক সৃষ্ট স্থান-কালের আন্দোলনজনিত বিশেষ প্রকারের তরঙ্গ। সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্ব অনুযায়ী নির্বাতে এর বেগ আলোর বেগের সমান। ১৯০৫ সালে অঁরি পোয়াঁকারে এই তরঙ্গের প্রস্তাবনা দেন এবং আইনস্টাইন তার সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্ব থেকে এর বর্ণনা দেন। যেকোন ত্বরিত, স্পন্দিত এবং প্রবলভাবে আন্দোলিত ভর মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সৃষ্টি করতে সক্ষম। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ মহাকর্ষীয় বিকিরণের মাধ্যমে শক্তি পরিবহন করে যা বিচ্ছুরক শক্তির একটি রূপ। নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র এদের অস্তিত্ব সম্পর্কে বলে না যেহেতু এই সূত্র ভৈত মিথস্ক্রিয়া সমূহ অসীম গতিতে বিস্তৃত হয় এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করে বর্ণিত - যা দেখায় যে চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞান আপেক্ষিকতার সাথে জড়িত ঘটনা সমূহ বর্ণনা করতে পারে না। |
| ১৯৯৩ সালে রাসেল অ্যালান হাল্স এবং জোসেফ হুটন টেইলর জুনিয়র কর্তৃক আবিষ্কৃত হাল্স-টেইলর যুগ্ন পালসার তাদের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। এই পালসারটিই প্রথম বস্তু যা মহাকর্ষীয় তরঙ্গের পরক্ষ প্রমাণ দেয়। |
| ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে লিগো এবং ভার্গো ঘোষণা করে যে তারা প্রথম কোনো পর্যবেক্ষিত মহাকর্ষীয় তরঙ্গের তালিকা মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ঘটনা প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ করেছে। পর্যবেক্ষণটি এর ৫ মাস পূর্বে উন্নমিত লিগো আবিস্কারক কর্তৃক করা হয়। ইহা একটি যুগ্ন কৃষ্ণ গহব্বর ব্যবস্থার একত্রিকরণের কারণে উৎপন্ন হয়। এর পরে, লিগো আরো দুটি নিশ্চিত এবং একটি সম্ভাব্য মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে। |
| ২০১৭ সালে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের আবিস্কারে অবদানের জন্য রাইনার ভাইস, কিপ থর্ন ও ব্যারি ব্যারিশ-কে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97" |
| "C15","Science_Technology","Physics","লম্বন","দর্শকের দুইটি ভিন্ন অবস্থানের সাথে কোন খ-বস্তু(celestial body) যে কোণ উৎপন্ন করে থাকে তাকে লম্বন বলে। এই দুই অবস্থানের একটি পৃথিবীর কেন্দ্র এবং অপরটি ভূপৃষ্ঠস্থ কোন স্থান হয়ে থাকলে ভিত্তি রেখাটি(base line) হয় পৃথিবীর ব্যাসার্ধের সমান। এই প্রকারের লম্বনকে বলা হয় আহ্নিক লম্বন। আর দুই অবস্থানের একটি পৃথিবীর কেন্দ্র এবং অপরটি সূর্যের কেন্দ্র হয়ে থাকলে ভিত্তিরেখাটি হবে পৃথিবীর কক্ষপথের গড় ব্যাসার্ধের সমান। এই দ্বিতীয় প্রকারের লম্বনকে বার্ষিক লম্বন বলা হয়। |
| পৃথিবী থেকে গ্রহ বা নক্ষত্রের দূরত্বের মতো বড় দূরত্ব পরিমাপ করতে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্যারালাক্স নীতি ব্যবহার করেন। |
| এখানে, প্যারালাক্স শব্দটি হল নক্ষত্রের দুটি দৃষ্টি-রেখার মধ্যে প্রবণতার আধা-কোণ, যেমনটি দেখা যায় যখন পৃথিবী তার কক্ষপথে সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে। |
| এই দূরত্বগুলিকে ""মহাজাগতিক দূরত্বের মই"" বলা হয়, যাকে বলা হয় তার সর্বনিম্ন স্তর তৈরি করে, প্রথমটি পদ্ধতির ধারাবাহিকতায় যার মাধ্যমে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মহাকাশীয় বস্তুর দূরত্ব নির্ধারণ করে, জ্যোতির্বিদ্যায় অন্যান্য দূরত্ব পরিমাপের ভিত্তি হিসাবে কাজ করে যা উচ্চতর স্তর তৈরি করে। |
| প্যারালাক্স রাইফেল স্কোপ, বাইনোকুলার, মাইক্রোস্কোপ এবং টুইন-লেন্স রিফ্লেক্স ক্যামেরার মতো অপটিক্যাল যন্ত্রগুলিকেও প্রভাবিত করে যা বস্তুগুলিকে সামান্য ভিন্ন কোণ থেকে দেখে। |
| মানুষের সাথে অনেক প্রাণীর দুটি চোখ ওভারল্যাপিং ভিজ্যুয়াল ক্ষেত্র রয়েছে যা গভীরতা উপলব্ধি করতে প্যারালাক্স ব্যবহার করে; |
| এই প্রক্রিয়া স্টেরিওপসিস নামে পরিচিত। |
| কম্পিউটার ভিশনে প্রভাবটি কম্পিউটার স্টেরিও ভিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং একটি প্যারালাক্স রেঞ্জফাইন্ডার নামে একটি ডিভাইস রয়েছে যা এটি পরিসীমা খুঁজে পেতে ব্যবহার করে, এবং কিছু বৈচিত্র্যের ক্ষেত্রেও একটি লক্ষ্যের উচ্চতা। |
| প্যারালাক্সের একটি সাধারণ দৈনন্দিন উদাহরণ মোটর গাড়ির ড্যাশবোর্ডগুলিতে দেখা যায় যা একটি সুই-স্টাইলের যান্ত্রিক স্পিডোমিটার ব্যবহার করে। |
| সরাসরি সামনে থেকে দেখা হলে, গতি ঠিক 60 দেখাতে পারে, কিন্তু যাত্রীর আসন থেকে দেখা হলে, সূচটি বিমানের সমতল থেকে সুচের স্থানচ্যুতির সাথে মিলিত দেখার কোণের কারণে কিছুটা ভিন্ন গতি দেখাতে পারে। |
| সংখ্যাসূচক ডায়াল।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","মহাজাগতিক রশ্মি","মহাজগতিক রশ্মি ইংরেজি Cosmic rays বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়। মহাজাগতিক রশ্মি হল উচ্চ-শক্তির প্রোটন এবং পারমাণবিক নিউক্লিয়াস যা প্রায় আলোর গতিতে মহাকাশের মধ্য দিয়ে চলে। তারা সূর্য থেকে, আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সিতে সৌরজগতের বাইরে থেকে, এবং দূরবর্তী ছায়াপথ থেকে উদ্ভূত হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সাথে প্রভাবে, মহাজাগতিক রশ্মি গৌণ কণার ঝরনা তৈরি করে, যার মধ্যে কিছু পৃষ্ঠে পৌঁছায়; যদিও স্তূপটি ম্যাগনেটোস্ফিয়ার বা হেলিওস্ফিয়ার দ্বারা মহাকাশে বিচ্যুত হয়। |
| মহাজাগতিক রশ্মি ১৯১২ সালে ভিক্টর হেস বেলুন পরীক্ষায় আবিষ্কার করেছিলেন, যার জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। |
| মহাজাগতিক রশ্মির সরাসরি পরিমাপ, বিশেষ করে নিম্ন শক্তিতে, ১৯৫০ এর দশকের শেষের দিকে প্রথম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পর থেকে সম্ভব হয়েছে। পারমাণবিক এবং উচ্চ-শক্তি পদার্থবিদ্যায় ব্যবহৃত অনুরূপ কণা ডিটেক্টরগুলি মহাজাগতিক রশ্মির গবেষণার জন্য উপগ্রহ এবং মহাকাশ অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। ফার্মি স্পেস টেলিস্কোপ (২০১৩) থেকে পাওয়া তথ্য প্রমাণ হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে প্রাথমিক মহাজাগতিক রশ্মির একটি উল্লেখযোগ্য ভগ্নাংশ নক্ষত্রের সুপারনোভা বিস্ফোরণ থেকে উদ্ভূত হয়। ২০১৮ সালে ব্লাজার TXS 0506+056 থেকে নিউট্রিনো এবং গামা রশ্মির পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে, সক্রিয় গ্যালাকটিক নিউক্লিয়াসও মহাজাগতিক রশ্মি তৈরি করতে দেখা যায়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF" |
| "C15","Science_Technology","Physics","সূক্ষ্ম-গঠন ধ্রুবক","সূক্ষ্ম-গঠন ধ্রুবক(Fine-structure constant) হলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম ইলেকট্রো-গতিবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধ্রুবরাশি। |
|
|
| ইলেকট্রন-আধানের বর্গ এবং (২, শুন্য মাধ্যমে পরাবৈদ্যুতিক ধ্রুবক,প্ল্যাংকের ধ্রুবক ও আলোর দ্রুতির গুণফল) -এর অনুপাত হিসাবে একে সংজ্ঞায়িত করা হয়। একে |
| |
| |
| |
| |
| α |
| |
| |
| {\displaystyle \,\alpha } |
| |
| দ্বারা সূচিত করা হয়। এর মান হলো: ১/১৩৭.০৩৬ ।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95" |
| "C15","Science_Technology","Physics","বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন","বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থা বা বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চারণ এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এই শব্দটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বিদ্যুৎশক্তি পরিচালনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সাধারণতঃ বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে জনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত সাবস্টেশন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিবহনকে বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ বলে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তিকে আরোহী রূপান্তরকের (transformer) মাধ্যমে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে তা সঞ্চালন করা হয়। সঞ্চালিত বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ সাবস্টেশনে গেলে সেখানে আবার অবরোহী রূপান্তরকের মাধ্যমে নিম্ন বিভবে রুপান্তরিত করা হয়। বসতবাড়ি বা শিল্প কারখানায় সাধারণত সঞ্চালণ বিভবের থেকে কম বিভবেই বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করা হয়। এজন্য সঞ্চালণ বিভব থেকে বণ্টন বিভবে রূপান্তর অবশ্যম্ভাবী। |
| বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ এবং বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ দুটি ভিন্ন ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাবস্টেশন থেকে ব্যবহারকারীর কাছে বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা হয়। বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থায় বিপুল পরিমাণ শক্তি সরবরাহ করা হয় বিধায় সাধারণতঃ এ ব্যবস্থায় উচ্চ বিভব (১১০ কেভি বা কিলোভোল্ট) ব্যবহার করা হয়। মূলতঃ ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে দূর দূরান্তে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। শুধুমাত্র অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় (যেমন বড় বড় শহরে) মাটির নিচে দিয়ে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এসব এলাকায় বিপুল পরিমাণে ক্যাপাসিটিভ এবং রেজিস্টিভ লস থাকে এবং এখানে ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল বলে মাটির নিচের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করা হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8" |
| "C15","Science_Technology","Physics","বেইলি’র হার","ইংরেজি, The Baily's beads। পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ সূর্যকে প্রায় আবৃত করে ফেললেও, চাঁদের পৃষ্ঠদেশ বন্ধুর হওয়ায় সূর্যের কিছু কিছু অংশ অনাবৃত থেকে যায়। এই অনাবৃত অংশগুলি থেকে বেরিয়ে আসা আলোর পরম্পরাকে দেখে মোতিহারের মতো মনে হয়। এই ঘটনাটি ১৮৩৬ সালে ফ্রান্সিস বেইলি সবার প্রথমে অবলোকন করেন বলে তার সম্মানার্থে একে বেইলি'র হার নাম দেয়া হয়েছে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E2%80%99%E0%A6%B0_%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","সূর্যগ্রহণ","চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়। এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। অমাবস্যার পরে নতুন চাঁদ উঠার সময় এ ঘটনা ঘটে। পৃথিবীতে প্রতি বছর অন্তত দুই থেকে পাচঁটি সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়। এর মধ্যে শূন্য থেকে দুইটি সূর্যগ্রহণ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়। |
| সূর্যগ্রহণ |
| যখন চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময়ে ঠিক সূর্য ও পৃথিবীর মাঝামাঝি এসে পড়ে তখন সেটি সূর্যের আলোকে পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয়-অর্থাৎ চাঁদের ছায়া পৃথিবীর কিছু অংশের উপরে পড়ে। এ ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলে। এ সময় সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। সূর্যগ্রহণ বিভিন্ন রকম হতে পারে; যেমন-আংশিক, পূর্ণগ্রাস, বলয় এবং হাইব্রিড সূর্যগ্রহণ। তোমাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, সূর্যের ব্যাস চাঁদের ব্যাস থেকে 400 গুণ বড়ো, তারপরেও চাঁদ কীভাবে সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলতে পারে? কারণটি সহজ, চাঁদ সূর্যের তুলনায় ছোট হলেও এটি পৃথিবীর 400 গুণ কাছে অবস্থান করে সেজন্য পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে চাঁদ ও সূর্যকে প্রায় একই আকারে দেখা যায়। চাঁদের কক্ষপথ খানিকটা উপবৃত্তাকার, এটি যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসে তখন পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব হয় 3.63 লক্ষ কিমি, যখন পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে থাকে তখন পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব হয় 4.05 লক্ষ কিমি। চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী দূরত্ব সবচাইতে বেশি হলে তাকে বলে অপভূ (apogee) এবং চাঁদ ও পৃথিবীর দূরত্ব সবচাইতে কম হলে তাকে বলে অনুভূ (perigee)। |
| আংশিক সূর্যগ্রহণ |
| পৃথিবী ও সূর্যের মাঝামাঝি অবস্থানকালে চাঁদ যদি সূর্যের খানিকটা অংশ ঢেকে ফেলে তবে আংশিক সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হয়। এক্ষেত্রে যে স্থানে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যায় সেখানে সূর্যকে চাঁদ দ্বারা আংশিক ঢাকা অবস্থায় দেখা যায়। আংশিক সূর্যগ্রহণের সময় মূলত উপচ্ছায়ার প্রাধান্য বেশি থাকে। একে খণ্ডগ্ৰাস সূর্যগ্ৰহণ নামে অভিহিত করা হয়। |
| পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ |
| গ্রহণের সময় সূর্য যদি চাঁদের দ্বারা সম্পূর্ণ ঢেকে যায় তবে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হয়। আমরা জানি, চাঁদ পৃথিবীকে উপবৃত্তাকার পথে পরিভ্রমণ করে। ফলে কখনো কখনো চাঁদ পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে (অনুভূ) তখন চাঁদকে তুলনামূলকভাবে বড়ো দেখা যায়। চাঁদ অনুভূ অবস্থানে থাকার সময় যদি সূর্যগ্রহণ হয","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%A3" |
| "C15","Science_Technology","Physics","ভৌত সূত্র","একটি ভৌত সূত্র, ভৌত বিধি, বৈজ্ঞানিক সূত্র বা প্রাকৃতিক নিয়ম হল এক ধরনের বৈজ্ঞানিক সাধারণ ধারণা যা ভৌত ঘটনাসমূহের প্রায়োগিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাধ্যমে গঠিত হয়। কিংবা একে একেবারে সাধারণভাবে বলতে গেলে এটি এক ধরনের গাণিতিক বা যৌক্তিক সংজ্ঞাও হতে পারে। অনেক বছর ধরে পরিচালিত সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং পরীক্ষণের সার বা নির্যাস হচ্ছে এই প্রায়োগিক সূত্রসমূহ। এই ভৌত সূত্রগুলো এ কারণে বৈজ্ঞানিক সমাজ কর্তৃক সর্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A7%8C%E0%A6%A4_%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","সরণ","যে কোনো বস্তু বা বিন্দু একটি অবস্থান থেকে আরেকটি অবস্থানে স্থানান্তরিত হলে, প্রথম অবস্থান থেকে দ্বিতীয় অবস্থান অবধি ভেক্টরকে সরণ বলে। সহজ কথায়, আদি বিন্দু হতে শেষ বিন্দুর মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্বকেই সরণ বলে, অর্থাৎ সরলরৈখিক দূরত্ব এবং সরণের দিক প্রথম অবস্থানটি থেকে দ্বিতীয় অবস্থানটির দিকে। যদি বস্তুটি সর্পিল গতিতে প্রথম অবস্থান থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে যায়, তাহলে অতিক্রান্ত দূরত্ব সরণের থেকে দৈর্ঘ্যে বেশি। সরণকে s দ্বারা প্রকাশ করা হয়। (s, জার্মান শব্দ ""Strecke"" এর প্রথম letter থেকে নেয়া হয়েছে । ) |
|
|
| সরণ একটি ভেক্টর রাশি। তাই ভেক্টর যোগের নীতি মেনে দুটি সরণকে যোগ করা যায়। অর্থাৎ বিন্দু A থেকে বিন্দু Bতে প্রথম সরণ a ও বিন্দু B থেকে C-তে দ্বিতীয় সরণ b হলে, মোট সরণ বিন্দু A থেকে বিন্দু C-তে সরণের সমতুল্য হবে এবং প্রথমে b ও পরে a পরিমাণ সরণ হলেও মোট সরণ একই হত।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3" |
| "C15","Science_Technology","Physics","সরল যন্ত্র","পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় সরল যন্ত্র (simple machine) এমন একটি যান্ত্রিক ব্যবস্থা যা বলের দিক অথবা পরিমাণ পরিবর্তন করে। |
| সাধারণভাবে বলা যায় সবচেয়ে সরল উপায়ে যান্ত্রিক সুবিধা ব্যবহার করে বলবৃদ্ধি করার ব্যবস্থাকে সরল যন্ত্র বলে |
| সরল যন্ত্র একটিমাত্র বলের ক্রিয়ার মাধ্যমে একটি কাজ করে। উক্ত যন্ত্রের উপর বল প্রযুক্ত হলে তা কাজ সম্পাদন করে এবং এর ফলে নির্দিষ্ট দূরত্ব আতিক্রান্ত হয়। সম্পাদিত কাজ অতিক্রান্ত দূরত্ব ও প্রযুক্ত বলের গুণফলের সমান। কোন একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাজের পরিমাণ ধ্রুবক। অবশ্য প্রয়োজনীয় বলের পরিমাণ অপেক্ষাকৃত অধিক দূরত্বের উপর কম বল প্রয়োগ করে কমানো যেতে পারে। দুইটি বলের পরিমাণের অনুপাতকে যান্ত্রিক সুবিধা বলা হয়ে থাকে। |
| প্রথাগতভাবে সরল যন্ত্র বলতে রেনেসাঁ যুগের বিজ্ঞানীদের সংজ্ঞায়িত নিম্নোক্ত ৬টি যন্ত্রকে বোঝায়ঃ: |
|
|
| আনত তল (N) |
| চাকা-অক্ষদন্ড (O) |
| লিভার (T),,,যেমন : সি,স |
| কপিকল (U),,,যেমন: বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। |
| গোঁজ (V [single wedge]; X [double wedge]) |
| স্ক্রু (Y) |
| আসলে এই ছয় প্রকারের সরল যন্ত্রই হচ্ছে আধুনিককালের সব জটিল যন্ত্রের মূল। এদেরকে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে জটিল ও উন্নত যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%B2_%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0" |
| "C15","Science_Technology","Physics","মহাকর্ষ ধ্রুবক","মহাকর্ষীয় ধ্রুবক (প্রতীক: G ) একটি প্রায়োগিক ভৌত ধ্রুবক যা জাগতিক বস্তুসমূহের মধ্যে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বলের পরিমাপে প্রয়োজন হয়। ইহা নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্র এবং আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদের সূত্র থেকে পাওয়া যায়। |
| মহাকর্ষীয় বলের সূত্র অনুসারে দুইটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণীয় বল(F) - উহাদের ভরের (m1 ও m2) সমানুপাতিক এবং উহাদের মধ্যকার দূরত্ব (r) বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। |
| গানিতিকভাবে, |
|
|
| |
| |
| |
| F |
| = |
| G |
| |
| |
| |
| |
| m |
| |
| 1 |
| |
| |
| |
| m |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| r |
| |
| 2 |
| |
| |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle F=G{\frac {m_{1}m_{2}}{r^{2}}}} |
| |
|
|
| এখানে, সমানুপাতিক ধ্রুবক G হল- মহাকর্ষীয় ধ্রুবক। |
| মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের মান নির্ণয় করা সম্ভবত বিজ্ঞানের ভৌত ধ্রুবকগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা কঠিন। এসআই এককে, 2006 CODATA অনুসারে এর মান |
|
|
| |
| |
| |
| G |
| = |
| 6.67428 |
| × |
| |
| 10 |
| |
| − |
| 11 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle G=6.67428\times 10^{-11}} |
| |
| মি৩ কেজি-১ সেকেন্ড -২ |
| |
| |
| |
| = |
| 6.67428 |
| × |
| |
| 10 |
| |
| − |
| 11 |
| |
| |
| |
| |
| {\displaystyle =6.67428\times 10^{-11}} |
| |
| নিউটন x মি২ / কেজি২, যার আদর্শ আপেক্ষিক অনিশ্চয়তা (standard relative uncertainty) ১০৪ রসায়ন-১ মধ্যে ১। 5g ভরের দুইটি বস্তুর এই 1 m দূরত্বে স্থাপন করলে আকর্ষণ বলে হবে G এর সমান ।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7_%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95" |
| "C15","Science_Technology","Physics","বিশেষ আপেক্ষিকতা","বিশেষ আপেক্ষিকতা বা আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (সংক্ষেপে STR) হলো স্থান-কাল এর আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ক সাধারণভাবে গৃহীত ও পরীক্ষা-পর্যবেক্ষণ দ্বারা দৃঢ়ভাবে সমর্থিত তত্ত্ব। এই তত্ত্বটি আলবার্ট আইনস্টাইন প্রথম ১৯০৫ সালে On the Electrodynamics of Moving Bodies নামক গবেষণা পত্রে প্রকাশ করেন। এই বিশেষ আপেক্ষিকতাকে সাধারণ আপেক্ষিকতার একটি বিশেষ রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মাইকেলসন এবং মর্লি তাদের পরীক্ষণের মাধ্যমে তিনটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন। এই সিদ্ধান্তগুলোর প্রেক্ষিতেই আইনস্টাইন তার এই তত্ত্ব প্রণয়ন করেন। তত্ত্বটি দুইটি মৌলিক স্বীকার্যের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছিল: |
| ১. পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র সমূহ সকল জড়ত্ত্বীয় নির্দেশতন্ত্রে একই রূপে বলবৎ থাকবে। |
| ব্যাখ্যা: নিউটনের গতিসূত্রের ১ম সূত্র যে নির্দেশতন্ত্রে প্রযুক্ত হয়, তাকে জড়ত্ত্বীয় নির্দেশতন্ত্র বলে। যদি কোন বস্তু জড়তায় থাকে তাকে এর ওপর বাহ্যিক বল প্রযুক্ত না হলে এর অবস্থার কোন পরিবর্তন হবে না। এ স্বীকার্য অনুসারে দুজন পর্যবেক্ষক একই রৈখিক বেগে চলতে থাকলে কোনো ভৌত সূত্রের রূপ একই থাকবে। |
| ২ আলোর গতিবেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে একই রূপে বলবৎ থাকবে। |
| ব্যাখ্যা: এ স্বীকার্যের প্রেক্ষিতে ইথারের অস্তিত্ব স্বীকার করা কোন মতে সম্ভব হয় না। তাছাড়া ইথার মাধ্যমের ওজন বা সান্দ্রতা কিছুই নির্ণয় করা যায় না। আইনস্টাইনের মতে, আলোক পরিবাহী ইথারের প্রবর্তন অনাবশ্যক। মাইকেলসন - মোরলে পরীক্ষা এবং পরবর্তী যুগে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার সাহায্যে প্রমাণিত হয়েছে যে, শূন্যস্থানে বা বায়ু মাধ্যমে আলোকের বেগ আলোক প্রবাহের দিক, উৎস এবং পর্যবেক্ষকের আপেক্ষিক বেগের ওপর নির্ভরশীল নয়। এটি একটি ধ্রুব রাশি। |
| মেঘনাদ সাহা ও তার সহপাঠী এবং সহকর্মী সত্যেন্দ্রনাথ বসু সর্বপ্রথম আলবার্ট আইনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অফ রিলেটিভিটি জার্মান থেকে ইংরাজি অনুবাদ করেন যা কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7_%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE" |
| "C15","Science_Technology","Physics","রূপান্তরক","রূপান্তরক বলতে এমন একটি বৈদ্যুতিক কলকৌশলকে বোঝায় যার মাধ্যমে তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশের মূলনীতি ব্যবহার করে একটি পরিবর্তী প্রবাহের বৈদ্যুতিক বর্তনী থেকে বৈদ্যুতিক শক্তিকে অপর একটি বর্তনীতে বৈদ্যুতিক বিভব, বৈদ্যুতিক প্রবাহ, দশা বা সামগ্রিক প্রতিরোধে পরিবর্তন সাধন করে স্থানান্তরিত করা হয়। একে ইংরেজিতে ""ট্রান্সফর্মার"" (Transformer) বলে। সাধারণত রূপান্তরকগুলিতে কোনও পরিবর্তী তড়িৎ ব্যবস্থায় অপরিবর্তিত কম্পাঙ্কতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তিকে বিভবের মান অনুযায়ী কমিয়ে বা বাড়িয়ে এক বর্তনী থেকে অন্য বর্তনীতে স্থানান্তর করা যায়। রূপান্তরক একটি (সাধারণত লোহার) মজ্জা ও দুইটি (অন্তরিত তামার তারের) কুণ্ডলী নিয়ে গঠিত; মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তী বিদ্যুৎপ্রবাহ একটি পরিবর্তী চৌম্বকীয় ক্ষেত্র সৃষ্টি করে, যেটি গৌণ কুণ্ডলীতে পরিবর্তী বিদ্যুৎপ্রবাহের সৃষ্টি করে। গৌণ ও মুখ্য কুণ্ডলীতে বিভবের (ভোল্টেজ) অনুপাত গৌণ ও মুখ্য কুণ্ডলীতে প্যাঁচের অনুপাতের প্রায় সমান। উচ্চ কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য রূপান্তরকের মজ্জাটিকে প্রায়শই স্তরিত লোহা (laminated iron) দিয়ে তৈরি করা হয়, যেটি উচ্চ প্রবেশ্যতা প্রদান করে ও ঘূর্ণি বিদ্যুৎপ্রবাহগুলিকে (Eddy current) ন্যূনতম মাত্রায় নিয়ে আসে। |
| পরিবর্তী বিদ্যুৎপ্রবাহ ব্যবস্থায় কম বিভবকে বেশি বিভবে বা বেশি বিভবকে কম বিভবে রূপান্তর করার জন্য রূপান্তরক ব্যবহৃত হয়। কম থেকে বেশি বিভবে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত রূপান্তরককে উচ্চধাপী রূপান্তরক (স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার) এবং বেশি থেকে কম বিভবে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত রূপান্তরককে নিম্নধাপী রূপান্তরক (স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার) বলা হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%95" |
| |