C15,Science_Technology,Technology,বেতার,"বেতার হল তার ব্যতীত যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এতে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ বা গ্রহণ করা হয়। ঊনবিংশ শতাব্দির শেষপ্রান্তে অনেক দেশের বিজ্ঞানী প্রায় একই সময়ে বেতার আবিষ্কার করলেও গুগলিয়েলমো মার্কোনিকে বেতারের আবিষ্কারক হিসাবে ধরা হয়। পূর্বে শুধু রেডিওতে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে বেতার প্রযুক্তির ব্যবহার চলছে সর্বত্র। রেডিও (বেতার), টেলিভিশন (দূরদর্শন), মোবাইল ফোন, ইত্যাদিসহ তারবিহীন যেকোনো যোগাযোগের মূলনীতিই হল বেতার। বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয় বেতার দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা রেডিও টেলিস্কোপ। রেডিও হল রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে সংকেত প্রেরণ ও যোগাযোগের প্রযুক্তি। রেডিও তরঙ্গ হল ৩ হার্টজ (Hz) এবং ৩০০ গিগাহার্টজ (GHz) কম্পাঙ্কের মধ্যকার তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ। এগুলি অ্যান্টেনার সাথে সংযুক্ত ট্রান্সমিটার নামক একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র দ্বারা উৎপন্ন হয় যা তরঙ্গ বিকিরণ করে এবং একটি রেডিও রিসিভারের সাথে সংযুক্ত অন্য একটি অ্যান্টেনা দ্বারা গৃহীত হয়। আধুনিক প্রযুক্তি, রেডিও যোগাযোগ, রাডার, রেডিও নেভিগেশন, রিমোট কন্ট্রোল (দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ), রিমোট সেন্সিং এবং অন্যান্য কাজে রেডিও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। রেডিও যোগাযোগে, রেডিও এবং টেলিভিশন সম্প্রচারে, সেল ফোন, দ্বিমুখী (টু ওয়ে) রেডিও, বেতার নেটওয়ার্কিং এবং স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, অন্যান্য অনেক ব্যবহারের মধ্যে, ট্রান্সমিটারে রেডিও সংকেত পরিবর্তন করে তরঙ্গগুলি শুন্য মাধ্যমে একটি ট্রান্সমিটার থেকে রিসিভারে তথ্য নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত। রাডার এর মাধ্যমে বিমান, জাহাজ, মহাকাশযান এবং ক্ষেপণাস্ত্রের মতো বস্তুগুলি সনাক্ত এবং ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়, একটি রাডার ট্রান্সমিটার দ্বারা নির্গত রেডিও তরঙ্গের একটি লক্ষ্যবস্তুকে প্রতিফলিত করে এবং প্রতিফলিত তরঙ্গগুলি বস্তুর অবস্থান প্রকাশ করে। রেডিও নেভিগেশন সিস্টেম যেমন জিপিএস এবং ভিওআর-এ, মোবাইল রিসিভার ইত্যাদি নেভিগেশনাল রেডিও বীকন (যার অবস্থান জানা যায়) থেকে রেডিও সংকেত গ্রহণ করে এবং রেডিও তরঙ্গের আগমনের সময় সঠিকভাবে পরিমাপ করে রিসিভার পৃথিবীতে তার অবস্থান গণনা করতে পারে। ওয়্যারলেস রেডিও রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস যেমন ড্রোন, গ্যারেজ ডোর ওপেনার এবং চাবিহীন এন্ট্রি সিস্টেমে, কন্ট্রোলার ডিভাইস থেকে প্রেরিত রেডিও সংকেত একটি দূরবর্তী ডিভাইসের ক্রিয়",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0 C15,Science_Technology,Technology,প্রযুক্তি,"প্রযুক্তি হল কৌশল, দক্ষতা, পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া-সমষ্টি, যা পণ্য ও সেবা উৎপাদনে বা উদ্দেশ্য সাধনে ব্যবহৃত হয়; যেমন: বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান। প্রযুক্তি হতে পারে কৌশল ও প্রক্রিয়ার জ্ঞান বা এটি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে শুধুমাত্র যন্ত্রের ধারণা যে, এটি কীভাবে পরিচালিত হয় এগুলো সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান ব্যতীত। কৌশল, ( অর্থাৎ মেশিন বা যন্ত্র) যা প্রযুক্তির ইনপুট ব্যবহার নিয়ে ১টি আউটপুট ফলে পরিণত করে তাকে প্রযুক্তি কৌশল বা প্রযুক্তিগত কৌশল বলে। প্রযুক্তির সরলতম রূপ হল মৌলিক সরঞ্জামের বিকাশ ও ব্যবহার। প্রাগৈতিহাসিক কালে আগুন নিয়ন্ত্রণের আবিষ্কার ও পরবর্তীকালে নব্যপ্রস্তর যুগীয় বিপ্লব খাদ্যের উৎসের বৃদ্ধি করেছে এবং চাকার আবিষ্কার মানুষকে এই পরিবেশে পরিভ্রমণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছে। ক্রমে ক্রমে ছাপাখানা, টেলিফোন, মোবাইল, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের আবিষ্কার যোগাযোগ ক্ষেত্রে মানুষের শারীরিক বাঁধাকে দূর করেছে এবং মানুষকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে মুক্তভাবে যোগাযোগে সক্ষম করেছে। প্রযুক্তির অনেক প্রভাব রয়েছে। এটি অধিক সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিকাশে সাহায্য করেছে (বর্তমানের বৈশ্বিক অর্থনীতি সহ) এবং যার ফলে বিলাসী সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়েছে।অনেক প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত উৎপন্ন হয় যা দূষণ হিসেবে পরিচিত এবং যা প্রাকৃতিক সম্পদের অবনতির মাধ্যমে পৃথিবীর পরিবেশের ক্ষতি করে। উদ্ভাবন সর্বদাই সমাজের মূল্যবোধকে প্রভাবিত করে ও সাথে সাথে প্রযুক্তির শিষ্টাচার নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।উদাহরণের মধ্যে রয়েছে দক্ষতার ভিত্তিতে খ্যাতির নির্ধারণ জৈব শিষ্টাচার কে বাধাগ্রস্ত করে। প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে দার্শনিক যুক্তি তর্ক এখনো একমত নয় যে এটি মানুষের পরিস্থিতির উন্নতি করেছে নাকি অবনতি করছে। নব্য-লুডিজম, অ্যানার্কো-আদিমবাদ এবং অনুরূপ প্রতিক্রিয়াশীল আন্দোলন প্রযুক্তির বিস্তারকে সমালোচনা করে যুক্তি দেন যে এটি মানুষের ক্ষতি করে। অন্যদিকে টেকনো-প্রগতিবাদ মতামতের সমর্থকরা প্রযুক্তিকে সমাজের পক্ষে উপকারী মনে করেন। প্রযুক্তি বলতে কোন একটি প্রজাতির বিভিন্ন যন্ত্র এবং প্রাকৃতিক উপাদান প্রয়োগের ব্যবহারিক জ্ঞানকে বোঝায়। নিজের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে প্রজাতিটি কেমন খাপ খাওয়াতে পারছে এবং তাকে কীভাবে ব্যবহার করছে তাও নির্ধারণ করে প্রযুক্তি। মানব সমাজে প্রযুক্তি হল বিজ্ঞান এবং প্রকৌশলের একটি আবশ্যিক",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF C15,Science_Technology,Technology,ইলেকট্রন বিজ্ঞান,"ইলেকট্রন বিজ্ঞান বা বৈদ্যুতিনবিজ্ঞান হলো ফলিত পদার্থবিজ্ঞান এবং তড়িৎ প্রকৌশলের একটি আন্তঃক্ষেত্রীয় শাখা, যেখানে বৈদ্যুতিক সঙ্কেতের বহন, প্রবাহ, নিয়ন্ত্রণ, ব্যবহারিক আচরণ ও প্রক্রিয়া আলোচিত হয়, যা বায়ুশূন্য নল (ভ্যাকিউম টিউব), গ্যাস বা অর্ধপরিবাহী যন্ত্রাংশের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের সঞ্চালন এবং নিয়ন্ত্রণকে অন্তর্ভুক্ত করে। ১৯০৪ সালে জন অ্যামব্রোস ফ্লেমিং দুটি তড়িৎ ধারক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন এক ধরনের বদ্ধ বায়ুশূন্য কাচের নল (ভ্যাকিউম টিউব) উদ্ভাবন করেন, যার মাধ্যমে একমুখী তড়িৎ প্রবাহ প্রেরণ সম্ভব হয়। এর মাধ্যমে ইলেকট্রন বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়। ইংরেজি ভাষায় এটি ইলেকট্রনিক্স (Electronics) নামে পরিচিত।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8 C15,Science_Technology,Technology,জৈবপ্রযুক্তি,"জৈবপ্রযুক্তি বা জীবপ্রযুক্তি হলো বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলগত নীতি অনুসরণ ও প্রয়োগ করে জীবদের ব্যবহার করার মাধ্যমে মানুষের জন্য কল্যাণকর ও ব্যবহারযোগ্য প্রয়োজনীয় মালামাল তৈরির বিশেষ প্রযুক্তি। এটি মূলত জীববিদ্যাভিত্তিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে যখন প্রযুক্তি কৃষি, খাদ্য বিজ্ঞান, এবং ঔষধশিল্পে ব্যবহৃত হয়। ১৯১৯ সালে হাঙ্গেরীয় কৃষি প্রকৌশলী কারোলি এরাকি সর্বপ্রথম জৈবপ্রযুক্তি শব্দটি ব্যবহার করেন। জাতিসংঘের কনভেনশন অন বায়োলোজিক্যাল ডাইভার্সিটি অনুসারে জৈব প্রযুক্তিকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়: যে কোনো প্রকারের প্রায়োগিক প্রাযুক্তিক কাজ যা জৈবিক ব্যবস্থা, মৃত জৈবিক বস্তু অথবা এর থেকে প্রাপ্ত কোনো অংশকে ব্যবহার করে কোনো দ্রব্য বা পদ্ধতি উৎপন্ন করে বা পরিবর্তন করে যা বিশেষ ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%88%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF C15,Science_Technology,Technology,মহাকাশ প্রযুক্তি,"মহাকাশ প্রযুক্তি বলতে পৃথিবীর সীমানার বাইরে মহাকাশে বিভিন্ন কাজে (যেমন - মহাকাশযানের পরিচালনা, মহাকাশ পর্যবেক্ষণ, ইত্যাদি) ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বোঝায়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF C15,Science_Technology,Technology,কম্পিউটার,"পরিগণক,গণনাযন্ত্র, সংগণক বা কম্পিউটার (ইংরেজি: Computer) হল এমন একটি যন্ত্র যা সুনির্দিষ্ট নির্দেশ অনুসরণ করে গাণিতিক গণনা সংক্রান্ত কাজ খুব দ্রুত করতে পারে। কম্পিউটার (Computer) শব্দটি গ্রিক ""কম্পিউট"" (compute) শব্দ থেকে এসেছে। Compute শব্দের অর্থ হিসাব বা গণনা করা। আর কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। কিন্তু এখন আর কম্পিউটারকে শুধু গণনাকারী যন্ত্র বলা যায় না। কম্পিউটার এমন এক যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করে। সভ্যতার বিকাশ এবং বর্তমানে তার দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে গণিত ও কম্পিউটারের প্রবল প্রভাব। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কম্পিউটার আসে ১৯৬৪ সালে। পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তি কমিশনের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা-তে ১৯৬৪ সালে স্থাপিত হয় বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম কম্পিউটার। এটি ছিল আইবিএম (International Business Machines - IBM) কোম্পানির 1620 সিরিজের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer)। যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্নকরণ। এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম কম্পিউটার।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0 C15,Science_Technology,Technology,অ্যাডোবি ফটোশপ,অ্যাডোবি ফটোশপ (ইংরেজি: Adobe Photoshop) একটি গ্রাফিক্স সম্পাদনাকারী সফটওয়্যার। সাধারণ ভাবে সফটওয়্যারটিকে শুধুমাত্র ফটোশপ নামেই ডাকা হয়। এই সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে অ্যাডোবি সিস্টেমস। অ্যাডোবির সবথেকে জনপ্রিয় সফটওয়্যার এটি। বর্তমানে এই সফটওয়্যারটি ম্যাক ওএস এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য পাওয়া যায়। এই সফটওয়্যারটির ১৩ তম সংস্করণ (ফটোশপ সিএস ৬) প্রকাশিত হয়েছে। থমাস নল (Thomas Knoll) এবং জন নল (John Knoll) নামের দুই ভাই ১৯৮৭ সালে ফটোশপ তৈরির কাজ আরম্ভ করেন।,https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BF_%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%AA C15,Science_Technology,Technology,আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন,"আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন বা আইটিইউ টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম মান নির্ধারণের কাজ করে থাকে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে। এটি টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০০ ধরনের মান নির্ধারণের কাজ করেছে। মে ১৭,১৮৬৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ ইউনিয়ন নামে এটি কাজ শুরু করে। ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। মূলত এই সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত সমঝোতার উপর ভিত্তি করে তৈরি মান অনুমোদন করে। এই সমঝোতা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশগুলো এইসব নিয়ম বা অনুমোদিত মান মেনে চলার ক্ষেত্রে আইনত বাধ্য থাকে। এছাড়াও আইটিইউ এর দুইটি সহযোগী সংস্থা চুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্তের বাইরে বিভিন্ন ধরনের সুপারিশ, অভিযোগ, অভিমত তৈরি এবং যাচাই বাছাই করে থাকে। এরা হল:",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8 C15,Science_Technology,Technology,বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন,"বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থা বা বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চারণ এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এই শব্দটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বিদ্যুৎশক্তি পরিচালনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সাধারণতঃ বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে জনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত সাবস্টেশন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিবহনকে বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ বলে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তিকে আরোহী রূপান্তরকের (transformer) মাধ্যমে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে তা সঞ্চালন করা হয়। সঞ্চালিত বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ সাবস্টেশনে গেলে সেখানে আবার অবরোহী রূপান্তরকের মাধ্যমে নিম্ন বিভবে রুপান্তরিত করা হয়। বসতবাড়ি বা শিল্প কারখানায় সাধারণত সঞ্চালণ বিভবের থেকে কম বিভবেই বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করা হয়। এজন্য সঞ্চালণ বিভব থেকে বণ্টন বিভবে রূপান্তর অবশ্যম্ভাবী। বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ এবং বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ দুটি ভিন্ন ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাবস্টেশন থেকে ব্যবহারকারীর কাছে বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা হয়। বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থায় বিপুল পরিমাণ শক্তি সরবরাহ করা হয় বিধায় সাধারণতঃ এ ব্যবস্থায় উচ্চ বিভব (১১০ কেভি বা কিলোভোল্ট) ব্যবহার করা হয়। মূলতঃ ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে দূর দূরান্তে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। শুধুমাত্র অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় (যেমন বড় বড় শহরে) মাটির নিচে দিয়ে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এসব এলাকায় বিপুল পরিমাণে ক্যাপাসিটিভ এবং রেজিস্টিভ লস থাকে এবং এখানে ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল বলে মাটির নিচের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করা হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8 C15,Science_Technology,Technology,যন্ত্র,"বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়। একটি যন্ত্র এক বা একাধিক অংশ সংবলিত কর্ম সঞ্চালনের জন্য শক্তি ব্যবহার করার একটি কাঠামো। যন্ত্র সাধারণত, যান্ত্রিক রাসায়নিক, তাপ, অথবা বৈদ্যুতিক শক্তি দ্বারা চালিত হয়। এই যন্ত্র এর সাহায্যে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করা যায় খুব সহজ ভাবে এবং স্বয়ংক্রিয় ভাবে। একটি যন্ত্র কেবলমাত্র একটি বলকে দিক বা মাত্রায় রুপান্তরিত করে। কিন্তু এছাড়াও আরও জটিল যন্ত্র আছে যা আমাদের জীবনে দরকার এবং জীবনকে করে দিয়েছে সহজ। যেমনঃ যানবাহন, ইলেকট্রনিক সিস্টেম, আণবিক যন্ত্র , কম্পিউটার, টেলিভিশন, এবং রেডিও ইত্যাদি।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0 C15,Science_Technology,Technology,ইলেকট্রনিক প্রকৌশল,"ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল বা কখনো কখনো ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল প্রকৌশলবিদ্যার একটি শাখা যেটি ইলেক্ট্রনের প্রভাব ও আচরণ সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সাহায্যে বিভিন্ন উপাদান, যন্ত্রপাতি, (যেমন ইলেক্ট্রন টিউব, ট্রানজিস্টর, সমন্বিত বর্তনী) ইত্যাদির নির্মাণ, পরিমার্জন, পরিবর্ধন করে। ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি বা উপাদানের চালিকাশক্তি হিসেবে তড়িৎশক্তি ব্যবহৃত হয়। এই প্রকৌশলের অন্তর্গত শাখার মধ্যে তড়িৎশক্তি, টেলিযোগাযোগ প্রকৌশল, অর্ধ-পরিবাহী দ্বারা নির্মিত তড়িৎ বর্তনী অন্যতম।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2 C15,Science_Technology,Technology,মোড়কজাত ও লেবেল যুক্তকরণ,"মোড়কজাত করন হল কোন উৎপাদিত বস্তুকে বিক্রয়, সংরক্ষণ বা বিতরনের জন্য মোড়ক বদ্ধ করার বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং শিল্প। এর সাথে মোড়কের নকশা, উৎপাদন, পণ্যের মূল্যায়ন ইত্যাদি বিষয়গুলোও জড়িত। মোড়কজাত করন কে বলা যায় পরিবহন, সংরক্ষণ, বিতড়ন, বিক্রয় ও ব্যবহার এর সমন্বিত ব্যবস্থা। মোড়কে কোন উৎপাদিত বস্তুকে ভরা হয় কারণ এটি বস্তুটিকে বাহ্যিক আঘাত থেকে রক্ষা করে, সংরক্ষণ করে,মধ্যস্থ বস্তুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য বহন করে, পরিবহন করে এবং বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত করে। মোড়কজাতকরনের সাথে দেশের সরকারি নীতি, ব্যবসা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কারখানা এবং ব্যক্তিগত ব্যবহার জড়িত। লেবেল করন হল মোড়কের গায়ে লিখিত, বৈদ্যুতিক বা দৃশ্যমান কোন তথ্য লেখার ব্যবস্থা। এটি ঐ পণ্য বহন ও ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বহন করে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4_%E0%A6%93_%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2_%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3 C15,Science_Technology,Technology,তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস,"তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (ইংরেজি: liquefied natural gas) বা এলএনজি হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস যাকে সংরক্ষণ ও পরিবহনের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে তরলে রূপান্তর করা হয়েছে। জ্বালানি হিসেবে এলএনজির জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বাড়ছে। এলএনজি আলাদা কোন জ্বালানি নয়, আদতে এটি প্রাকৃতিক গ্যাসেরই তরল রূপ। প্রাকৃতিক গ্যাস সাধারণ চাপ ও তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। শীতলকরণ (refrigeration) প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের তাপমাত্রা কমিয়ে -১৬০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নামিয়ে আনলে গ্যাস তরলে পরিণত হয়। এই তরল প্রাকৃতিক গ্যাসকেই এলএনজি বলা হয়। পরিবহনের সুবিধার্থে এক বায়ুমন্ডলীয় চাপে এলএনজি তৈরি করা হয়। এলএনজির প্রধান উপাদান হচ্ছে মিথেন। প্রাকৃতিক গ্যাসকে এলএনজিতে রূপান্তরিতগগ করার সময় মিথেন বাদে অন্যান্য অনাকাংক্ষিত উপাদান যেমন ধূলিকণা, এসিড গ্যাস, হিলিয়াম, পানি, অপেক্ষাকৃত ভারী হাইড্রোকার্বন, নাইট্রোজেন ইত্যাদি দূর করা হয়, যার কারণে অন্য অনেক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে এলএনজি ব্যবহারে দূষণ কম হয়। এলএনজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, যখন প্রাকৃতিক গ্যাসকে সাধারণ বায়ুমন্ডলীয় চাপে তরল করে ফেলা হয় তখন এর আয়তন কমে যায় প্রায় ৬০০ গুন। অর্থাৎ ৬০০ লিটার গ্যাসকে এলএনজিতে রূপান্তরিত করে মাত্র এক লিটারের ছোট্ট একটা বোতলে ভরে ফেলা যায়। এ জন্যই এলএনজি জাহাজে পরিবহন করা সুবিধাজনক। একসাথে অনেক বেশি জ্বালানি পরিবহন করা যায় পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্তপ্রান্তে। যখন পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিবহন অসম্ভব কিংবা অর্থনৈতিকভাবে অসাশ্রয়ী, সেসব ক্ষেত্রে গ্যাসকে তরল বানিয়ে তারপর বিশেষভাবে তৈরি সামুদ্রিক জাহাজ বা এলএনজি ট্যাংকারের মাধ্যমে পরিবহন করা যায়। এলএনজি কিন্তু এলপিজি (LPG) বা সিএনজি (CNG) নয়। এলপিজি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস, পাওয়া যায় রিফাইনারি থেকে। এটি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ। অন্যদিকে সিএনজি মানে হচ্ছে কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। এটাও মিথেন কিন্তু এলএনজির মত তরল অবস্থায় থাকে না, গ্যাসকে কেবল প্রচন্ড চাপে সংকুচিত (কম্প্রেস) করা হয় যাতে অনেক বেশি গ্যাস ছোট একটা সিলিন্ডারে জমা করে রাখা যায়। অন্যদিকে, এলএনজিকে কম্প্রেস করা হয় না, বরং প্রাকৃতিক গ্যাসকে এত বেশি ঠান্ডা (রেফ্রিজারেশন) করা হয় যে একসময় সাধারণ চাপেই সে তরল হয়ে যায়। এই কারণে, সিএনজ",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8 C15,Science_Technology,Technology,খনি প্রকৌশল,"খনি প্রকৌশল বা মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকৌশল পেশার একটি শাখা যা মূলত প্রকৃতি থেকে খনিজ পদার্থের উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পর্কিত তত্ত্ব, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং এর প্রয়োগ নিয়ে কাজ করে থাকে। আধুনিক সমাজের জন্য খনিজ পদার্থের উত্তোলন এবং এর প্রক্রিয়াকরণ হল অত্যন্ত আবশ্যিক একটি বিষয়। খনিজ পদার্থের উত্তোলন প্রক্রিয়ার প্রকৃতিজনিত কারণেই খনি এলাকার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক পরিবেশের ব্যাঘাত ঘটে থাকে। তাই খনি প্রকৌশলীদের শুধুমাত্র খনিজ পদার্থের উত্তোলন নয় বরং এর ফলে পরিবেশের ক্ষতি যেন যতটা সম্ভব কম হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হয়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%BF_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2 C15,Science_Technology,Technology,বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ,"টেলিগ্রাফ শব্দটি দিয়ে যে যন্ত্রকে বোঝানো হয় তা মূলতঃ বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ। এই টেলিগ্রাফে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ সংকেত ( electrical signal) ব্যবহার করে টেলিযোগাযোগ লাইন বা বেতার চ্যানেলের মাধ্যমে দূর দূরান্তে লিখিত বার্তা বা পত্র প্রেরণ করা হয়। তবে টেলিগ্রাফ দ্বারা শুধু বার্তা বা খবরটাই পাঠানো যায়, মূল লিখিত পত্রটিকে পাঠানো যায় না। টেলিগ্রাফে বার্তাটিকে প্রথমে মোর্স কোডে রূপান্তরিত করে নেয়া হয় এবং তার পরে এই কোডটি টেলিগ্রাফের প্রেরক-যন্ত্রের সাহায্যে অন্যপ্রান্তে পাঠানো হয়। অন্যপ্রান্তেও একটি টেলিগ্রাফ থাকে যার গ্রাহক-যন্ত্রে কোড-বার্তাটিকে গ্রহণ করে আবার ভাষায় রূপান্তর করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। বার্তা পাঠানোর এই পদ্ধতিকে বলে টেলিগ্রাফি, আর গ্রাহকের কাছে বার্তাটি যে রূপে পৌঁছে দেয়া হয় তাকে বলে টেলিগ্রাম। টেলিগ্রাফ ছিল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার প্রথম নিদর্শন যা মুহুর্তের মধ্যে দূর-দূরান্তের খবর এনে দিত মানুষের কাছে। এর সামাজিক এবং অর্থনৈতিক প্রভাব ছিল ব্যাপক। যার ফলে আবিস্কারের মাত্র কয়েক দশকের মধ্যেই দেশ থেকে দেশে এবং সাগরের এপার-ওপারে টেলিগ্রাফের লাইন ছড়িয়ে পড়ে।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB C15,Science_Technology,Technology,আবেশ মোটর,"আবেশ মোটর বা ইনডাকশন মোটর পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ দ্বারা চালিত এক প্রকার বৈদ্যুতিক মোটর। এই মোটরের রোটরে তড়িচ্চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে শক্তি সরবরাহ করা হয় বলে এর নাম আবেশ মোটর দেয়া হয়েছে। এর কোন ব্রাশ নেই এবং এটি বেশ শক্তিশালী মোটর বলে শিল্প-কারখানায় আবেশ মোটরের, বিশেষ করে পলিফেজ আবেশ মোটরের, বহুল ব্যবহার রয়েছে। পরিবর্তী কম্পাঙ্ক চালকের (variable frequency drive) সাহায্যে আবেশ মোটরের গতি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%B0 C15,Science_Technology,Technology,ওয়েবক্যাম,ওয়েবক্যাম হলো বিশেষ ধরনের ভিডিও ক্যামেরা যা একটি কম্পিউটারের সাথে ইউএসবির মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ইন্টারনেটে ভিডিও আদান-প্রদান করতে পারে। ১৯৯১ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এ ওয়েবক্যাম আবিষ্কার হয়। একুশ শতক থেকে ল্যাপটপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ল্যাপটপেই ওয়েবক্যাম যুক্ত করা শুরু করেছে।,https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE C15,Science_Technology,Technology,তড়িৎ ক্ষেত্র,"তড়িৎ ক্ষেত্র (কখনো কখনো সংক্ষিপ্তাকারে E-ক্ষেত্র লেখা হয়) বলতে কোন বৈদ্যুতিকভাবে আহিত কণা যেখানে অবস্থান করে তার চারিদিকে যতদূর পর্যন্ত আধানটির বলের প্রভাব (আকর্ষণ জনিতও হতে পারে, আবার বিকর্ষণ জনিতও হতে পারে) বিস্তৃত থাকে, সেই অঞ্চলকে বোঝায়। তড়িৎ ক্ষেত্র আধানকে বেষ্টন করে রাখে এবং এই ক্ষেত্রের অন্যন্য বস্তুর ওপর আকর্ষণ বা বিকর্ষণের মাধ্যমে বল প্রয়োগ করে। একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের বৈদ্যুতিকভাবে আহিত কণার জন্য অথবা সময়ের সাথে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তনের জন্য হতে পারে। এটি একটি ভেক্টর রাশি। বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র উপরিপাত নীতি মেনে চলে। E = ∑ i E i = E 1 + E 2 + E 3 ⋯ {\displaystyle \mathbf {E} =\sum _{i}\mathbf {E} _{i}=\mathbf {E} _{1}+\mathbf {E} _{2}+\mathbf {E} _{3}\cdots \,\!} একটি বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্র E তড়িৎ বিভবের(V) ঋণাত্মক গ্রেডিয়েন্টের সমান E = − ∇ V {\displaystyle \mathbf {E} =-\nabla V}",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%E0%A7%8E_%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0 C15,Science_Technology,Technology,ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম,"ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম (ইং: World Wide Web Consortium) হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও ডব্লিঊথ্রিসি শিক্ষা এবং প্রচারে অংশগ্রহণ করে, সফটওয়্যার তৈরিতে এবং ওয়েব সম্পর্কে আলোচনা জন্য একটি উন্মুক্ত ফোরাম হিসেবে কাজ করে। md abdul alim m2a এটি প্রতিষ্ঠা করেন।",https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%A1_%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1_%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%AC_%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE C15,Science_Technology,Technology,ইউনিফাইড এক্সটেনসিবল ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস,ইউনিফাইড এক্সটেনসিবল ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস একটি বৈশিষ্ট্য যা অপারেটিং সিস্টেম ও প্ল্যাটফর্ম ফার্মওয়্যার এর মধ্যবর্তী সফটওয়্যার ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে। ইউইএফআই বায়োসকে প্রতিস্থাপন করার জন্য তৈরি হয়েছে।,https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1_%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B2_%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8 "C15","Science_Technology","Technology","বেতার","বেতার হল তার ব্যতীত যোগাযোগের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এতে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ বা গ্রহণ করা হয়। ঊনবিংশ শতাব্দির শেষপ্রান্তে অনেক দেশের বিজ্ঞানী প্রায় একই সময়ে বেতার আবিষ্কার করলেও গুগলিয়েলমো মার্কোনিকে বেতারের আবিষ্কারক হিসাবে ধরা হয়। পূর্বে শুধু রেডিওতে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে বেতার প্রযুক্তির ব্যবহার চলছে সর্বত্র। রেডিও (বেতার), টেলিভিশন (দূরদর্শন), মোবাইল ফোন, ইত্যাদিসহ তারবিহীন যেকোনো যোগাযোগের মূলনীতিই হল বেতার। বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে মহাকাশ পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয় বেতার দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা রেডিও টেলিস্কোপ। রেডিও হল রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে সংকেত প্রেরণ ও যোগাযোগের প্রযুক্তি। রেডিও তরঙ্গ হল ৩ হার্টজ (Hz) এবং ৩০০ গিগাহার্টজ (GHz) কম্পাঙ্কের মধ্যকার তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ। এগুলি অ্যান্টেনার সাথে সংযুক্ত ট্রান্সমিটার নামক একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র দ্বারা উৎপন্ন হয় যা তরঙ্গ বিকিরণ করে এবং একটি রেডিও রিসিভারের সাথে সংযুক্ত অন্য একটি অ্যান্টেনা দ্বারা গৃহীত হয়। আধুনিক প্রযুক্তি, রেডিও যোগাযোগ, রাডার, রেডিও নেভিগেশন, রিমোট কন্ট্রোল (দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ), রিমোট সেন্সিং এবং অন্যান্য কাজে রেডিও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। রেডিও যোগাযোগে, রেডিও এবং টেলিভিশন সম্প্রচারে, সেল ফোন, দ্বিমুখী (টু ওয়ে) রেডিও, বেতার নেটওয়ার্কিং এবং স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, অন্যান্য অনেক ব্যবহারের মধ্যে, ট্রান্সমিটারে রেডিও সংকেত পরিবর্তন করে তরঙ্গগুলি শুন্য মাধ্যমে একটি ট্রান্সমিটার থেকে রিসিভারে তথ্য নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত। রাডার এর মাধ্যমে বিমান, জাহাজ, মহাকাশযান এবং ক্ষেপণাস্ত্রের মতো বস্তুগুলি সনাক্ত এবং ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়, একটি রাডার ট্রান্সমিটার দ্বারা নির্গত রেডিও তরঙ্গের একটি লক্ষ্যবস্তুকে প্রতিফলিত করে এবং প্রতিফলিত তরঙ্গগুলি বস্তুর অবস্থান প্রকাশ করে। রেডিও নেভিগেশন সিস্টেম যেমন জিপিএস এবং ভিওআর-এ, মোবাইল রিসিভার ইত্যাদি নেভিগেশনাল রেডিও বীকন (যার অবস্থান জানা যায়) থেকে রেডিও সংকেত গ্রহণ করে এবং রেডিও তরঙ্গের আগমনের সময় সঠিকভাবে পরিমাপ করে রিসিভার পৃথিবীতে তার অবস্থান গণনা করতে পারে। ওয়্যারলেস রেডিও রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস যেমন ড্রোন, গ্যারেজ ডোর ওপেনার এবং চাবিহীন এন্ট্রি সিস্টেমে, কন্ট্রোলার ডিভাইস থেকে প্রেরিত রেডিও সংকেত একটি দূরবর্তী ডিভাইসের ক্রিয়","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0" "C15","Science_Technology","Technology","প্রযুক্তি","প্রযুক্তি হল কৌশল, দক্ষতা, পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া-সমষ্টি, যা পণ্য ও সেবা উৎপাদনে বা উদ্দেশ্য সাধনে ব্যবহৃত হয়; যেমন: বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান। প্রযুক্তি হতে পারে কৌশল ও প্রক্রিয়ার জ্ঞান বা এটি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে শুধুমাত্র যন্ত্রের ধারণা যে, এটি কীভাবে পরিচালিত হয় এগুলো সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান ব্যতীত। কৌশল, ( অর্থাৎ মেশিন বা যন্ত্র) যা প্রযুক্তির ইনপুট ব্যবহার নিয়ে ১টি আউটপুট ফলে পরিণত করে তাকে প্রযুক্তি কৌশল বা প্রযুক্তিগত কৌশল বলে। প্রযুক্তির সরলতম রূপ হল মৌলিক সরঞ্জামের বিকাশ ও ব্যবহার। প্রাগৈতিহাসিক কালে আগুন নিয়ন্ত্রণের আবিষ্কার ও পরবর্তীকালে নব্যপ্রস্তর যুগীয় বিপ্লব খাদ্যের উৎসের বৃদ্ধি করেছে এবং চাকার আবিষ্কার মানুষকে এই পরিবেশে পরিভ্রমণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছে। ক্রমে ক্রমে ছাপাখানা, টেলিফোন, মোবাইল, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের আবিষ্কার যোগাযোগ ক্ষেত্রে মানুষের শারীরিক বাঁধাকে দূর করেছে এবং মানুষকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে মুক্তভাবে যোগাযোগে সক্ষম করেছে। প্রযুক্তির অনেক প্রভাব রয়েছে। এটি অধিক সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিকাশে সাহায্য করেছে (বর্তমানের বৈশ্বিক অর্থনীতি সহ) এবং যার ফলে বিলাসী সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়েছে।অনেক প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত উৎপন্ন হয় যা দূষণ হিসেবে পরিচিত এবং যা প্রাকৃতিক সম্পদের অবনতির মাধ্যমে পৃথিবীর পরিবেশের ক্ষতি করে। উদ্ভাবন সর্বদাই সমাজের মূল্যবোধকে প্রভাবিত করে ও সাথে সাথে প্রযুক্তির শিষ্টাচার নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।উদাহরণের মধ্যে রয়েছে দক্ষতার ভিত্তিতে খ্যাতির নির্ধারণ জৈব শিষ্টাচার কে বাধাগ্রস্ত করে। প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে দার্শনিক যুক্তি তর্ক এখনো একমত নয় যে এটি মানুষের পরিস্থিতির উন্নতি করেছে নাকি অবনতি করছে। নব্য-লুডিজম, অ্যানার্কো-আদিমবাদ এবং অনুরূপ প্রতিক্রিয়াশীল আন্দোলন প্রযুক্তির বিস্তারকে সমালোচনা করে যুক্তি দেন যে এটি মানুষের ক্ষতি করে। অন্যদিকে টেকনো-প্রগতিবাদ মতামতের সমর্থকরা প্রযুক্তিকে সমাজের পক্ষে উপকারী মনে করেন। প্রযুক্তি বলতে কোন একটি প্রজাতির বিভিন্ন যন্ত্র এবং প্রাকৃতিক উপাদান প্রয়োগের ব্যবহারিক জ্ঞানকে বোঝায়। নিজের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে প্রজাতিটি কেমন খাপ খাওয়াতে পারছে এবং তাকে কীভাবে ব্যবহার করছে তাও নির্ধারণ করে প্রযুক্তি। মানব সমাজে প্রযুক্তি হল বিজ্ঞান এবং প্রকৌশলের একটি আবশ্যিক","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF" "C15","Science_Technology","Technology","ইলেকট্রন বিজ্ঞান","ইলেকট্রন বিজ্ঞান বা বৈদ্যুতিনবিজ্ঞান হলো ফলিত পদার্থবিজ্ঞান এবং তড়িৎ প্রকৌশলের একটি আন্তঃক্ষেত্রীয় শাখা, যেখানে বৈদ্যুতিক সঙ্কেতের বহন, প্রবাহ, নিয়ন্ত্রণ, ব্যবহারিক আচরণ ও প্রক্রিয়া আলোচিত হয়, যা বায়ুশূন্য নল (ভ্যাকিউম টিউব), গ্যাস বা অর্ধপরিবাহী যন্ত্রাংশের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের সঞ্চালন এবং নিয়ন্ত্রণকে অন্তর্ভুক্ত করে। ১৯০৪ সালে জন অ্যামব্রোস ফ্লেমিং দুটি তড়িৎ ধারক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন এক ধরনের বদ্ধ বায়ুশূন্য কাচের নল (ভ্যাকিউম টিউব) উদ্ভাবন করেন, যার মাধ্যমে একমুখী তড়িৎ প্রবাহ প্রেরণ সম্ভব হয়। এর মাধ্যমে ইলেকট্রন বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়। ইংরেজি ভাষায় এটি ইলেকট্রনিক্স (Electronics) নামে পরিচিত।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8_%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8" "C15","Science_Technology","Technology","জৈবপ্রযুক্তি","জৈবপ্রযুক্তি বা জীবপ্রযুক্তি হলো বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলগত নীতি অনুসরণ ও প্রয়োগ করে জীবদের ব্যবহার করার মাধ্যমে মানুষের জন্য কল্যাণকর ও ব্যবহারযোগ্য প্রয়োজনীয় মালামাল তৈরির বিশেষ প্রযুক্তি। এটি মূলত জীববিদ্যাভিত্তিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে যখন প্রযুক্তি কৃষি, খাদ্য বিজ্ঞান, এবং ঔষধশিল্পে ব্যবহৃত হয়। ১৯১৯ সালে হাঙ্গেরীয় কৃষি প্রকৌশলী কারোলি এরাকি সর্বপ্রথম জৈবপ্রযুক্তি শব্দটি ব্যবহার করেন। জাতিসংঘের কনভেনশন অন বায়োলোজিক্যাল ডাইভার্সিটি অনুসারে জৈব প্রযুক্তিকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়: যে কোনো প্রকারের প্রায়োগিক প্রাযুক্তিক কাজ যা জৈবিক ব্যবস্থা, মৃত জৈবিক বস্তু অথবা এর থেকে প্রাপ্ত কোনো অংশকে ব্যবহার করে কোনো দ্রব্য বা পদ্ধতি উৎপন্ন করে বা পরিবর্তন করে যা বিশেষ ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%88%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF" "C15","Science_Technology","Technology","মহাকাশ প্রযুক্তি","মহাকাশ প্রযুক্তি বলতে পৃথিবীর সীমানার বাইরে মহাকাশে বিভিন্ন কাজে (যেমন - মহাকাশযানের পরিচালনা, মহাকাশ পর্যবেক্ষণ, ইত্যাদি) ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বোঝায়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF" "C15","Science_Technology","Technology","কম্পিউটার","পরিগণক,গণনাযন্ত্র, সংগণক বা কম্পিউটার (ইংরেজি: Computer) হল এমন একটি যন্ত্র যা সুনির্দিষ্ট নির্দেশ অনুসরণ করে গাণিতিক গণনা সংক্রান্ত কাজ খুব দ্রুত করতে পারে। কম্পিউটার (Computer) শব্দটি গ্রিক ""কম্পিউট"" (compute) শব্দ থেকে এসেছে। Compute শব্দের অর্থ হিসাব বা গণনা করা। আর কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। কিন্তু এখন আর কম্পিউটারকে শুধু গণনাকারী যন্ত্র বলা যায় না। কম্পিউটার এমন এক যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করে। সভ্যতার বিকাশ এবং বর্তমানে তার দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে গণিত ও কম্পিউটারের প্রবল প্রভাব। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কম্পিউটার আসে ১৯৬৪ সালে। পাকিস্তান পারমাণবিক শক্তি কমিশনের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা-তে ১৯৬৪ সালে স্থাপিত হয় বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম কম্পিউটার। এটি ছিল আইবিএম (International Business Machines - IBM) কোম্পানির 1620 সিরিজের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer)। যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্নকরণ। এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম কম্পিউটার।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0" "C15","Science_Technology","Technology","অ্যাডোবি ফটোশপ","অ্যাডোবি ফটোশপ (ইংরেজি: Adobe Photoshop) একটি গ্রাফিক্স সম্পাদনাকারী সফটওয়্যার। সাধারণ ভাবে সফটওয়্যারটিকে শুধুমাত্র ফটোশপ নামেই ডাকা হয়। এই সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে অ্যাডোবি সিস্টেমস। অ্যাডোবির সবথেকে জনপ্রিয় সফটওয়্যার এটি। বর্তমানে এই সফটওয়্যারটি ম্যাক ওএস এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য পাওয়া যায়। এই সফটওয়্যারটির ১৩ তম সংস্করণ (ফটোশপ সিএস ৬) প্রকাশিত হয়েছে। থমাস নল (Thomas Knoll) এবং জন নল (John Knoll) নামের দুই ভাই ১৯৮৭ সালে ফটোশপ তৈরির কাজ আরম্ভ করেন।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BF_%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%AA" "C15","Science_Technology","Technology","আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন","আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন বা আইটিইউ টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম মান নির্ধারণের কাজ করে থাকে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে। এটি টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০০ ধরনের মান নির্ধারণের কাজ করেছে। মে ১৭,১৮৬৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ ইউনিয়ন নামে এটি কাজ শুরু করে। ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। মূলত এই সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত সমঝোতার উপর ভিত্তি করে তৈরি মান অনুমোদন করে। এই সমঝোতা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশগুলো এইসব নিয়ম বা অনুমোদিত মান মেনে চলার ক্ষেত্রে আইনত বাধ্য থাকে। এছাড়াও আইটিইউ এর দুইটি সহযোগী সংস্থা চুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্তের বাইরে বিভিন্ন ধরনের সুপারিশ, অভিযোগ, অভিমত তৈরি এবং যাচাই বাছাই করে থাকে। এরা হল:","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97_%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8" "C15","Science_Technology","Technology","বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন","বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থা বা বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চারণ এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এই শব্দটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বিদ্যুৎশক্তি পরিচালনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সাধারণতঃ বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে জনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত সাবস্টেশন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিবহনকে বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ বলে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তিকে আরোহী রূপান্তরকের (transformer) মাধ্যমে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে তা সঞ্চালন করা হয়। সঞ্চালিত বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ সাবস্টেশনে গেলে সেখানে আবার অবরোহী রূপান্তরকের মাধ্যমে নিম্ন বিভবে রুপান্তরিত করা হয়। বসতবাড়ি বা শিল্প কারখানায় সাধারণত সঞ্চালণ বিভবের থেকে কম বিভবেই বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করা হয়। এজন্য সঞ্চালণ বিভব থেকে বণ্টন বিভবে রূপান্তর অবশ্যম্ভাবী। বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালণ এবং বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ দুটি ভিন্ন ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে। বিদ্যুৎশক্তি বিতরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাবস্টেশন থেকে ব্যবহারকারীর কাছে বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা হয়। বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন ব্যবস্থায় বিপুল পরিমাণ শক্তি সরবরাহ করা হয় বিধায় সাধারণতঃ এ ব্যবস্থায় উচ্চ বিভব (১১০ কেভি বা কিলোভোল্ট) ব্যবহার করা হয়। মূলতঃ ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে দূর দূরান্তে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। শুধুমাত্র অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় (যেমন বড় বড় শহরে) মাটির নিচে দিয়ে বিদ্যুৎশক্তি প্রেরণ করা হয়। এসব এলাকায় বিপুল পরিমাণে ক্যাপাসিটিভ এবং রেজিস্টিভ লস থাকে এবং এখানে ঝুলন্ত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল বলে মাটির নিচের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করা হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A8" "C15","Science_Technology","Technology","যন্ত্র","বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যন্ত্র হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা উপায়, যার মাধ্যমে বল প্রয়োগে কোনো কাজ করা যায়। একটি যন্ত্র এক বা একাধিক অংশ সংবলিত কর্ম সঞ্চালনের জন্য শক্তি ব্যবহার করার একটি কাঠামো। যন্ত্র সাধারণত, যান্ত্রিক রাসায়নিক, তাপ, অথবা বৈদ্যুতিক শক্তি দ্বারা চালিত হয়। এই যন্ত্র এর সাহায্যে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করা যায় খুব সহজ ভাবে এবং স্বয়ংক্রিয় ভাবে। একটি যন্ত্র কেবলমাত্র একটি বলকে দিক বা মাত্রায় রুপান্তরিত করে। কিন্তু এছাড়াও আরও জটিল যন্ত্র আছে যা আমাদের জীবনে দরকার এবং জীবনকে করে দিয়েছে সহজ। যেমনঃ যানবাহন, ইলেকট্রনিক সিস্টেম, আণবিক যন্ত্র , কম্পিউটার, টেলিভিশন, এবং রেডিও ইত্যাদি।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0" "C15","Science_Technology","Technology","ইলেকট্রনিক প্রকৌশল","ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল বা কখনো কখনো ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল প্রকৌশলবিদ্যার একটি শাখা যেটি ইলেক্ট্রনের প্রভাব ও আচরণ সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সাহায্যে বিভিন্ন উপাদান, যন্ত্রপাতি, (যেমন ইলেক্ট্রন টিউব, ট্রানজিস্টর, সমন্বিত বর্তনী) ইত্যাদির নির্মাণ, পরিমার্জন, পরিবর্ধন করে। ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি বা উপাদানের চালিকাশক্তি হিসেবে তড়িৎশক্তি ব্যবহৃত হয়। এই প্রকৌশলের অন্তর্গত শাখার মধ্যে তড়িৎশক্তি, টেলিযোগাযোগ প্রকৌশল, অর্ধ-পরিবাহী দ্বারা নির্মিত তড়িৎ বর্তনী অন্যতম।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2" "C15","Science_Technology","Technology","মোড়কজাত ও লেবেল যুক্তকরণ","মোড়কজাত করন হল কোন উৎপাদিত বস্তুকে বিক্রয়, সংরক্ষণ বা বিতরনের জন্য মোড়ক বদ্ধ করার বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং শিল্প। এর সাথে মোড়কের নকশা, উৎপাদন, পণ্যের মূল্যায়ন ইত্যাদি বিষয়গুলোও জড়িত। মোড়কজাত করন কে বলা যায় পরিবহন, সংরক্ষণ, বিতড়ন, বিক্রয় ও ব্যবহার এর সমন্বিত ব্যবস্থা। মোড়কে কোন উৎপাদিত বস্তুকে ভরা হয় কারণ এটি বস্তুটিকে বাহ্যিক আঘাত থেকে রক্ষা করে, সংরক্ষণ করে,মধ্যস্থ বস্তুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য বহন করে, পরিবহন করে এবং বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত করে। মোড়কজাতকরনের সাথে দেশের সরকারি নীতি, ব্যবসা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কারখানা এবং ব্যক্তিগত ব্যবহার জড়িত। লেবেল করন হল মোড়কের গায়ে লিখিত, বৈদ্যুতিক বা দৃশ্যমান কোন তথ্য লেখার ব্যবস্থা। এটি ঐ পণ্য বহন ও ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বহন করে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4_%E0%A6%93_%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2_%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3" "C15","Science_Technology","Technology","তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস","তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (ইংরেজি: liquefied natural gas) বা এলএনজি হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস যাকে সংরক্ষণ ও পরিবহনের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে তরলে রূপান্তর করা হয়েছে। জ্বালানি হিসেবে এলএনজির জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বাড়ছে। এলএনজি আলাদা কোন জ্বালানি নয়, আদতে এটি প্রাকৃতিক গ্যাসেরই তরল রূপ। প্রাকৃতিক গ্যাস সাধারণ চাপ ও তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। শীতলকরণ (refrigeration) প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের তাপমাত্রা কমিয়ে -১৬০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নামিয়ে আনলে গ্যাস তরলে পরিণত হয়। এই তরল প্রাকৃতিক গ্যাসকেই এলএনজি বলা হয়। পরিবহনের সুবিধার্থে এক বায়ুমন্ডলীয় চাপে এলএনজি তৈরি করা হয়। এলএনজির প্রধান উপাদান হচ্ছে মিথেন। প্রাকৃতিক গ্যাসকে এলএনজিতে রূপান্তরিতগগ করার সময় মিথেন বাদে অন্যান্য অনাকাংক্ষিত উপাদান যেমন ধূলিকণা, এসিড গ্যাস, হিলিয়াম, পানি, অপেক্ষাকৃত ভারী হাইড্রোকার্বন, নাইট্রোজেন ইত্যাদি দূর করা হয়, যার কারণে অন্য অনেক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে এলএনজি ব্যবহারে দূষণ কম হয়। এলএনজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, যখন প্রাকৃতিক গ্যাসকে সাধারণ বায়ুমন্ডলীয় চাপে তরল করে ফেলা হয় তখন এর আয়তন কমে যায় প্রায় ৬০০ গুন। অর্থাৎ ৬০০ লিটার গ্যাসকে এলএনজিতে রূপান্তরিত করে মাত্র এক লিটারের ছোট্ট একটা বোতলে ভরে ফেলা যায়। এ জন্যই এলএনজি জাহাজে পরিবহন করা সুবিধাজনক। একসাথে অনেক বেশি জ্বালানি পরিবহন করা যায় পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্তপ্রান্তে। যখন পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিবহন অসম্ভব কিংবা অর্থনৈতিকভাবে অসাশ্রয়ী, সেসব ক্ষেত্রে গ্যাসকে তরল বানিয়ে তারপর বিশেষভাবে তৈরি সামুদ্রিক জাহাজ বা এলএনজি ট্যাংকারের মাধ্যমে পরিবহন করা যায়। এলএনজি কিন্তু এলপিজি (LPG) বা সিএনজি (CNG) নয়। এলপিজি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস, পাওয়া যায় রিফাইনারি থেকে। এটি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ। অন্যদিকে সিএনজি মানে হচ্ছে কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। এটাও মিথেন কিন্তু এলএনজির মত তরল অবস্থায় থাকে না, গ্যাসকে কেবল প্রচন্ড চাপে সংকুচিত (কম্প্রেস) করা হয় যাতে অনেক বেশি গ্যাস ছোট একটা সিলিন্ডারে জমা করে রাখা যায়। অন্যদিকে, এলএনজিকে কম্প্রেস করা হয় না, বরং প্রাকৃতিক গ্যাসকে এত বেশি ঠান্ডা (রেফ্রিজারেশন) করা হয় যে একসময় সাধারণ চাপেই সে তরল হয়ে যায়। এই কারণে, সিএনজ","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8" "C15","Science_Technology","Technology","খনি প্রকৌশল","খনি প্রকৌশল বা মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকৌশল পেশার একটি শাখা যা মূলত প্রকৃতি থেকে খনিজ পদার্থের উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পর্কিত তত্ত্ব, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং এর প্রয়োগ নিয়ে কাজ করে থাকে। আধুনিক সমাজের জন্য খনিজ পদার্থের উত্তোলন এবং এর প্রক্রিয়াকরণ হল অত্যন্ত আবশ্যিক একটি বিষয়। খনিজ পদার্থের উত্তোলন প্রক্রিয়ার প্রকৃতিজনিত কারণেই খনি এলাকার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক পরিবেশের ব্যাঘাত ঘটে থাকে। তাই খনি প্রকৌশলীদের শুধুমাত্র খনিজ পদার্থের উত্তোলন নয় বরং এর ফলে পরিবেশের ক্ষতি যেন যতটা সম্ভব কম হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হয়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%BF_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2" "C15","Science_Technology","Technology","বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ","টেলিগ্রাফ শব্দটি দিয়ে যে যন্ত্রকে বোঝানো হয় তা মূলতঃ বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ। এই টেলিগ্রাফে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ সংকেত ( electrical signal) ব্যবহার করে টেলিযোগাযোগ লাইন বা বেতার চ্যানেলের মাধ্যমে দূর দূরান্তে লিখিত বার্তা বা পত্র প্রেরণ করা হয়। তবে টেলিগ্রাফ দ্বারা শুধু বার্তা বা খবরটাই পাঠানো যায়, মূল লিখিত পত্রটিকে পাঠানো যায় না। টেলিগ্রাফে বার্তাটিকে প্রথমে মোর্স কোডে রূপান্তরিত করে নেয়া হয় এবং তার পরে এই কোডটি টেলিগ্রাফের প্রেরক-যন্ত্রের সাহায্যে অন্যপ্রান্তে পাঠানো হয়। অন্যপ্রান্তেও একটি টেলিগ্রাফ থাকে যার গ্রাহক-যন্ত্রে কোড-বার্তাটিকে গ্রহণ করে আবার ভাষায় রূপান্তর করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। বার্তা পাঠানোর এই পদ্ধতিকে বলে টেলিগ্রাফি, আর গ্রাহকের কাছে বার্তাটি যে রূপে পৌঁছে দেয়া হয় তাকে বলে টেলিগ্রাম। টেলিগ্রাফ ছিল টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার প্রথম নিদর্শন যা মুহুর্তের মধ্যে দূর-দূরান্তের খবর এনে দিত মানুষের কাছে। এর সামাজিক এবং অর্থনৈতিক প্রভাব ছিল ব্যাপক। যার ফলে আবিস্কারের মাত্র কয়েক দশকের মধ্যেই দেশ থেকে দেশে এবং সাগরের এপার-ওপারে টেলিগ্রাফের লাইন ছড়িয়ে পড়ে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB" "C15","Science_Technology","Technology","আবেশ মোটর","আবেশ মোটর বা ইনডাকশন মোটর পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহ দ্বারা চালিত এক প্রকার বৈদ্যুতিক মোটর। এই মোটরের রোটরে তড়িচ্চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে শক্তি সরবরাহ করা হয় বলে এর নাম আবেশ মোটর দেয়া হয়েছে। এর কোন ব্রাশ নেই এবং এটি বেশ শক্তিশালী মোটর বলে শিল্প-কারখানায় আবেশ মোটরের, বিশেষ করে পলিফেজ আবেশ মোটরের, বহুল ব্যবহার রয়েছে। পরিবর্তী কম্পাঙ্ক চালকের (variable frequency drive) সাহায্যে আবেশ মোটরের গতি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%B0" "C15","Science_Technology","Technology","ওয়েবক্যাম","ওয়েবক্যাম হলো বিশেষ ধরনের ভিডিও ক্যামেরা যা একটি কম্পিউটারের সাথে ইউএসবির মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ইন্টারনেটে ভিডিও আদান-প্রদান করতে পারে। ১৯৯১ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এ ওয়েবক্যাম আবিষ্কার হয়। একুশ শতক থেকে ল্যাপটপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ল্যাপটপেই ওয়েবক্যাম যুক্ত করা শুরু করেছে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE" "C15","Science_Technology","Technology","তড়িৎ ক্ষেত্র","তড়িৎ ক্ষেত্র (কখনো কখনো সংক্ষিপ্তাকারে E-ক্ষেত্র লেখা হয়) বলতে কোন বৈদ্যুতিকভাবে আহিত কণা যেখানে অবস্থান করে তার চারিদিকে যতদূর পর্যন্ত আধানটির বলের প্রভাব (আকর্ষণ জনিতও হতে পারে, আবার বিকর্ষণ জনিতও হতে পারে) বিস্তৃত থাকে, সেই অঞ্চলকে বোঝায়। তড়িৎ ক্ষেত্র আধানকে বেষ্টন করে রাখে এবং এই ক্ষেত্রের অন্যন্য বস্তুর ওপর আকর্ষণ বা বিকর্ষণের মাধ্যমে বল প্রয়োগ করে। একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের বৈদ্যুতিকভাবে আহিত কণার জন্য অথবা সময়ের সাথে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তনের জন্য হতে পারে। এটি একটি ভেক্টর রাশি। বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র উপরিপাত নীতি মেনে চলে। E = ∑ i E i = E 1 + E 2 + E 3 ⋯ {\displaystyle \mathbf {E} =\sum _{i}\mathbf {E} _{i}=\mathbf {E} _{1}+\mathbf {E} _{2}+\mathbf {E} _{3}\cdots \,\!} একটি বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্র E তড়িৎ বিভবের(V) ঋণাত্মক গ্রেডিয়েন্টের সমান E = − ∇ V {\displaystyle \mathbf {E} =-\nabla V}","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%E0%A7%8E_%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0" "C15","Science_Technology","Technology","ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম","ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম (ইং: World Wide Web Consortium) হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও ডব্লিঊথ্রিসি শিক্ষা এবং প্রচারে অংশগ্রহণ করে, সফটওয়্যার তৈরিতে এবং ওয়েব সম্পর্কে আলোচনা জন্য একটি উন্মুক্ত ফোরাম হিসেবে কাজ করে। md abdul alim m2a এটি প্রতিষ্ঠা করেন।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%A1_%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1_%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%AC_%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE" "C15","Science_Technology","Technology","ইউনিফাইড এক্সটেনসিবল ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস","ইউনিফাইড এক্সটেনসিবল ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস একটি বৈশিষ্ট্য যা অপারেটিং সিস্টেম ও প্ল্যাটফর্ম ফার্মওয়্যার এর মধ্যবর্তী সফটওয়্যার ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে। ইউইএফআই বায়োসকে প্রতিস্থাপন করার জন্য তৈরি হয়েছে।","https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1_%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B2_%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8"