date,title,subtitle,author,comment,ref,section,media,page,tags,content,article_id 2019-01-01,মুক্তিযুদ্ধ-গবেষণার বর্ণনা তাজুল মোহাম্মদের,টরন্টোয় পাঠশালার বিজয় দিবসের আসর,উত্তর আমেরিকা অফিস,,https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1572837/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0,northamerica,print,1,,দর্শন-শিল্প-সাহিত্য-বিজ্ঞান চর্চার প্ল্যাটফর্ম ‘পাঠশালা’র দশম আসরটি হয়ে গেল ১৫ ডিসেম্বর. এগলিন্টন স্কয়ার টরন্টো পাবলিক লাইব্রেরিতে। বিজয় দিবস সামনে রেখে সাজানো হয় আসরটি। এবারের আলোচক ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক চারণ-গবেষক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য রচনার জন্য ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০১৫’ প্রাপ্ত লেখক তাজুল মোহাম্মদ। উল্লেখ্য. গত শতকের আশির দশকের শুরুর দিক থেকে অদ্যাবধি. চার দশক ধরে. চারণের মতো বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে. ক্ষেত্র অনুসন্ধানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের নানা তথ্য. ইতিহাস তুলে এনে তাজুল মোহাম্মদ রচনা করেছেন ৫৫টি গ্রন্থ। সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার সাধনপুর গ্রামে জন্ম তাজুল মোহাম্মদের। শিক্ষা ও চাকরিজীবন বৃহত্তর সিলেটেই। ১৯৭১ এ দক্ষিণ কুলাউড়া সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি. কুলাউড়ায় ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয় অবস্থানে (৭৪-৭৭). সিলেট জেলা খেতমজুর সমিতির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (৮২-৯২). বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি সিলেট জেলা কমিটির সদস্য (৮৪-৯২). বালাগঞ্জ উদীচীর সহসভাপতি ও খেলাঘর সিলেট জেলা কমিটির সহসভাপতি ও দুটোরই জাতীয় পরিষদের সদস্য তিনি। তাজুল মোহাম্মদের নেতৃত্বে সফল খেতমজুর আন্দোলন হয়েছে সিলেটের এওলারটুক. চারখাই এবং বালাগঞ্জে। তাজুল বৃহত্তর সিলেট ইতিহাস প্রণয়ন পরিষদ প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে তাজুল মোহাম্মদ কুরিয়ার হিসেবে কাজ করেন।তাজুল মোহাম্মদ রচিত প্রায় সব বইই মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ-সংগঠক. প্রত্যক্ষদর্শী. সহায়তাকারীদের বয়ানে গণহত্যা. মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা. আলবদর-রাজাকার-আল শামসের নারকীয় কর্মকাণ্ড. গবেষক হিসেবে নিজের তথ্য সংগ্রহের অভিজ্ঞতা. নিজে দেখা যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ইত্যাদি ঠাঁই পেয়েছে বইগুলোতে। আর ছয়-সাতটি বই মুক্তিযুদ্ধসহ বাংলার নানা ঐতিহাসিক সংগ্রামে ও সমাজ-জীবনে ভূমিকা রাখা আলোকিত ব্যক্তিত্বের ওপর। সদ্য প্রয়াত তারামন বিবির ওপর ‘নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি. বীরপ্রতীক’ শিরোনামে তাঁর লেখা একটি বই আছে।বামপন্থী রাজনীতিতে বিশ্বাসী তাজুল মোহাম্মদের লেখালেখি শুরু আশির দশকের শুরুতে। রাষ্ট্রযন্ত্রের চরম বৈরিতা. স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের হুমকি. যাতায়াত ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদির অপ্রতুলতা—এসবের মধ্যেও তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে. প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে. সাপ্তাহিক ‘সচিত্র সন্ধানী’তে ধারাবাহিকভাবে লিখতে শুরু করেন সিলেটের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে- ‘সিলেটে গণহত্যা’; যা পরে জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ গ্রন্থাকারে প্রকাশ করে। ‘সিলেটে গণহত্যা’ বইটি দিয়ে দেশজুড়ে পরিচিত হন লেখক তাজুল মোহাম্মদ। এরপর একটানা লিখে গেছেন।চারণ-গবেষক তাজুল মোহাম্মদ ঘুরেছেন গ্রামে. জনপদে। মিশেছেন অসংখ্য মানুষের সঙ্গে। বাস্তবতা থেকে আহরণ করেছেন তথ্য। ১৯৮০ থেকে এ কাজ করে চলেছেন তিনি। ঘরে বসে বইপত্র. পত্র-পত্রিকা থেকে তথ্য আহরণ নয়. একেবারে উৎসের কাছাকাছি ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ। এর ভিত্তিতে রচিত হয়েছে তাঁর অনেকগুলো গ্রন্থ। ধীমান গবেষক তাজুল মোহাম্মদ তৃণমূল পর্যায়ে অতি শ্রমসাপেক্ষ তথ্যানুসন্ধানের কাজে রয়েছেন একনিষ্ঠভাবে ব্রতী। এ কাজগুলো করতে গিয়েই তাঁর জীবনে আসে হুমকি। বাধ্য হন ১৯৯৫ সালে প্রবাস জীবন বরণ করে নিতে। বর্তমানে তিনি কানাডার মন্ট্রিয়েল প্রবাসী। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও সাহিত্য প্রকাশের কর্ণধার মফিদুল হক বলেন. ‘চারণের মতো ঘুরে ঘুরে আঞ্চলিক ইতিহাসের অনেক অজানা অধ্যায় তাজুল মেলে ধরেছেন সবার কাছে। তাঁর প্রতিটি গ্রন্থ সরেজমিন অনুসন্ধান. বহু মানুষের সঙ্গে আলোচনা এবং বিবিধ উপায়ে তথ্য আহরণের ফসল। ফলে তাঁর গ্রন্থ মুক্তিযুদ্ধ জানা-বোঝার জন্য হয়ে ওঠে অপরিহার্য। তাজুল কোনো আরাম কেদারাশ্রয়ী গবেষক নন. তিনি চারণের মতো ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করেন তথ্য. অতীত ঘটনার অংশী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার ও কথোপকথনের মাধ্যমে দাঁড় করান ইতিহাসের ভাষ্য এবং এভাবে তাঁর প্রণীত প্রতিটি গ্রন্থ হয়ে ওঠে অনন্য ও বিশিষ্ট।’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধ নিয়ে ১৯৯৫ সালে. ইংল্যান্ডের টোয়েন্টি টোয়েন্টি টেলিভিশন নির্মিত আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রামাণ্যচিত্র ‘ওয়ার ক্রাইমস ফাইলে’ তাজুল মোহাম্মদের তৃণমূল গবেষণা তথ্যগুলো বিশেষভাবে সংযোজিত হয়। হাওয়ার্ড ব্রাডবার্ন এর পরিচালনায় ও রিপোর্টার ডেভিড বার্গম্যানের রিপোর্টিংয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয় তথ্যচিত্রটি। ‘ওয়ার ক্রাইমস ফাইল’ টিমে তাজুল যুক্ত হন গবেষণা কাজে।আসরের শুরুতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পাঠশালার আসরে তাজুল মোহাম্মদ সাক্ষাৎকারভিত্তিক আলাপচারিতায় যোগ দেন পাঠশালার সমন্বয়ক. লেখক-অনুবাদক ফারহানা আজিম শিউলীর সঙ্গে। এই একান্ত আলোচনায় উঠে আসে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রায় সবগুলো গ্রন্থ রচনার সার কথা. তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের অভিজ্ঞতা. প্রতিনিয়ত বৈরিতা মোকাবিলার কথা।তাজুল বলেন. তিনি পরিকল্পিতভাবে কিছু শুরু করেননি। রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে প্রায় কিশোর বয়স থেকে এবং কর্মজীবনে বৃহত্তর সিলেটের নানান জায়গায় যাওয়ার সুযোগ হয়েছে তাঁর। সেই সময় এবং ৭৫ পরবর্তীতে আত্মগোপনে থাকার সময় তিনি প্রত্যক্ষভাবে জানতে পারেন মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী ও স্থানীয় দোসরদের বর্বর সব কাহিনি. দেখতে পান সিলেট জুড়ে অসংখ্য বধ্যভূমি। তাঁর মনে হয়. এ তো একটি কুঁড়ি. দুটি পাতার নয় বরং অগুনতি বধ্যভূমির সমাহার এই সিলেট। তখন থেকে তিনি গণহত্যার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং সংগ্রহ করতে শুরু করেন নানা তথ্য-উপাত্ত। ৭ বছরের সংগৃহীত তথ্যের আলোকে রচিত হয় “সিলেটে গণহত্যা” (১৯৮৯. ২০০৫)। আবার ৮৬ থেকে ৯২—এই ৬ বছরের গবেষণা অর্থাৎ মোট ১১ বছরের পরিশ্রমের ফসল আরও দুটি বই: ‘সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ স্মারক’ (১৯৯৭) ও ‘সিলেটের যুদ্ধকথা’ (১৯৯৯)। ওয়ার ক্রাইমস ফাইল টিমের জন্য তাঁর এক বছরের মাঠ গবেষণার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয় দুটি গ্রন্থ: ‘যুদ্ধাপরাধীর খোঁজে নয় মাস’ (২০১২) ও ‘আলবদরের ডায়েরি’ (২০১১)।তাজুল মোহাম্মদের আলাপচারিতায় জানা যায়. এক সময় সিলেট ছাড়িয়ে প্রায় পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর পদচারণা। উত্তরবঙ্গের মাঠ গবেষণার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয় ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের খোঁজে - কুড়িগ্রাম’ (২০০৮). ‘নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক’ (২০১৮). মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত আলী ও তাঁর যুদ্ধ (২০১৬)। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল ওয়ার মিউজিয়ামের ওর‍্যাল হিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের এক এসাইনমেন্টে তাজুল ইংল্যান্ডের লন্ডন. বার্মিংহাম. ম্যানচেস্টার. স্কটল্যান্ডের এডিনবরা. স্পেনের মাদ্রিদ ইত্যাদি এলাকায় বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার নেন। সেগুলো সংরক্ষিত আছে সে মিউজিয়ামে। আর সেই তথ্যগুলো সংযোজিত হয় তার ‘আমাদের একাত্তর’ বইয়ে।তাজুল নিজের তথ্য সংগ্রহের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন দুটি বই। এগুলো হলো ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের খোঁজে’ (২০০১) ও ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সন্ধানে’ (২০১৪)। ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সন্ধানে’র অধিকাংশ লেখাই ‘সিলেট কণ্ঠে’ ‘মুক্তিযুদ্ধের উপাত্ত সংগ্রহ’ কলামে ছাপা হয়। সেকেন্ডারি রিসোর্সেসের ওপর ভিত্তি করে লিখেছেন দুটো বই। শিমুল ফোটার ১৬ দিন (২০০৮). মার্চ ১৯৭১ (২০০৭)। এ ছাড়া লিখেছেন. মেজর আবদুস সালেক চৌধুরী বীরউত্তম ও সালদা যুদ্ধ (২০১৮). বিভীষিকাময় একাত্তর (২০১৫). এমন বর্বরতা কখনো দেখেনি কেউ (২০১৮)।স্বদেশি আন্দোলন. মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বাংলার সব আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান রাখা বৃহত্তর সিলেটের আলোকিত মানুষদের ওপর তাঁর লেখা বইগুলোর মধ্যে রয়েছে: ‘সোনার মলাট’ (১৯৯০). ‘বারীণ দত্ত ও সংগ্রামমুখর দিনগুলি’ (২০০৯). ‘গোপেশ মালাকার তাঁর জীবন ও সময়’ (২০১৩). ‘সূর্যমণি দেব জন্মশতবর্ষ শ্রদ্ধাঞ্জলি’ (২০১১. সম্পাদিত). ‘সংগ্রামী সাত নারী’ (২০০৯). ‘হেনা দাস জীবন নিবেদিত মুক্তির প্রয়াসে’ (২০০৯). ‘মৃত্যুঞ্জয়ী হিমাংশু শেখর ধর’ (সম্পাদিত. ২০০৬). ‘ড. মীজান রহমান ধ্রুব জ্যোতি তুমি অন্ধকারে’ (২০১৭). ‘প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল আজিজ সম্মাননা গ্রন্থ’ (সম্পাদিত. ২০১৩). ‘মৃত্যুহীন প্রাণ আজির উদ্দিন খান’ (২০০৮) ইত্যাদি। বৃহত্তর সিলেটের সামগ্রিক আন্দোলন সংগ্রাম নিয়ে রচনা করেছেন ‘সিলেটের দুই শত বছরের আন্দোলন’ (১৯৯৫)। এই বইয়ের বেশ কিছুটা অংশ ‘প্রথম চা শ্রমিক আন্দোলন’ শিরোনামে ইংল্যান্ডের জেসিএসসি এবং ও লেভেলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত। ভাষা আন্দোলনে সিলেটের সম্পৃক্ততা নিয়ে রচনা করেছেন ‘ভাষা আন্দোলনে সিলেট’’ (১৯৯৪) ও ‘ভাষা সংগ্রামীদের কথা. বৃহত্তর সিলেট’ (২০১৭)। পাঠশালার পক্ষ থেকে বলা হয়. তাজুল মোহাম্মদ. মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক প্রথম জেনারেশনের গবেষকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একজন। বাঙালির মুক্তিযুদ্ধকে বুঝতে গেলে বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে তাজুল মোহাম্মদদের গবেষণাকর্মের কাছে বারবার যেতে হবে। ৫৫ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ নামের ভূখণ্ডের প্রতি ইঞ্চি ভূমিতে একাত্তরের শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি চিত্রিত করেছেন তাজুল মোহাম্মদরা. তাঁদের অক্লান্ত শ্রমের মাধ্যমে। ঐতিহাসিক ভূমিকার পাশাপাশি তাঁদের সেই সাহসী কাজের অনেকগুলোই এখন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে. করছে। তাঁদের মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক গ্রন্থগুলো সমৃদ্ধ করেছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গ্রন্থাগার। তাজুল রচিত বিভিন্ন জেলার মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাধারার অনুপুঙখ ভাষ্য আঞ্চলিক হয়েও বহন করছে জাতীয় তাৎপর্য. হয়ে উঠেছে ঐতিহাসিক দলিল. যেমন অঞ্চলের তেমনিভাবে জাতিরও বটে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বহুমাত্রিক ইতিহাসের তাৎপর্য অনুধাবনে এবং মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপ্তি. বৈশিষ্ট্য ও পরিসর বুঝতে আগ্রহী পাঠকদের কাছে অপরিহার্য বলেই গণ্য হবে তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রতিটি গ্রন্থ।তাজুল বলেন. মুক্তিযুদ্ধের পূত ইতিহাস মুছে ফেলার সব প্রক্রিয়া যখন সক্রিয়. তখন নতুন প্রজন্মের কাছে ন্যূনতম অভিঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই তার শ্রম সার্থক। ইতিহাসের অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন. ‘ইতিহাসবিদদের যা করার কথা ছিল. তাজুল মোহাম্মদ সেটাই নিজ দায়িত্বে কাধে তুলে নিয়েছেন।’সাক্ষাৎকার ভিত্তিক আলাপচারিতার পর আগত সাহিত্যানুরাগীদের সঙ্গে এক আন্তরিক প্রশ্নোত্তর পর্বে মিলিত হন তাজুল মোহাম্মদ।পাঠশালার বিজয় দিবসের আসরটি শেষ হয় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে।,1572837 2019-01-01,নতুন বছরে তারকাদের পরিকল্পনা কী?,,হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572804/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%80,entertainment,print,1,টেলিভিশন,শুরু হলো নতুন বছর। সবার মতো তারকাদেরও আছে বছরজুড়ে নানা পরিকল্পনা। কী সেটা? চলুন জেনে নেওয়া যাক কয়েকজন তারকার ২০১৯ সালের পরিকল্পনা। এখনো ভাবছিশাকিব খান. চলচ্চিত্র অভিনেতানতুন বছর নিয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা নেই। এখনো ভাবছি। দেশের চলচ্চিত্র নিয়ে. নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে কী করা যায়—সবকিছু নিয়েই ভাবছি। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও চিন্তাভাবনা আছে। বছর তো এক মাসে শেষ হয়ে যাচ্ছে না। পুরো ১২ মাস রয়েছে। তাই ভাবনাগুলো নিশ্চয়ই কাজে লাগানো যাবে। সবকিছু সময়মতো ভক্তদের জানাব। আপনাদের জানাব। সিনেমাটা যেন ‘ক্লিক’ করেমাহিয়া মাহি. চলচ্চিত্র অভিনেত্রীআমি এর আগে যতবার পরিকল্পনা করে বছর শুরু করেছি. সবকিছু ভেস্তে গেছে। তাই নতুন করে কিছুই পরিকল্পনা করব না। যা জরুরি মনে হয়. তা–ই করব। তবে এ বছর আমি খুব ভেবেচিন্তে সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হতে চাই। এতে যদি আমাকে বছরে একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে হয়. তাহলে তা–ই করব। কিন্তু সেটা যেন সিনেমার মতো সিনেমা হয় এবং দর্শকনন্দিত হয়। মোটকথা. সিনেমাটা যেন ক্লিক করে। আর ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব ভালো আছি। এ রকম ভালোই থাকতে চাই। অভিনয়ে আরও মনোযোগী হতে চাইআফরান নিশো. অভিনেতাআমার খুব বেশি পরিকল্পনা নেই। যা আছে খুব সাধারণ। আমার কাজের জায়গায় আরও বেশি পেশাদার হতে চাই। কারণ. দিন যত যাচ্ছে. দায়িত্ব তত বাড়ছে। অভিনয়টা আরও মনোযোগ দিয়ে করতে চাই। আর আমরা মূলত সমালোচক ও দর্শকদের কথা চিন্তা করে অভিনয় করি। এ ক্ষেত্রে সমালোচকদের বিষয়টি মাথায় রেখে যেটা করা হয়. ওই নাটকটি খুব যত্ন নিয়ে করা হয়। কিন্তু সেটা খুব বেশি মানুষ দেখে না। এবার মানুষ যাতে এই নাটকগুলোও দেখে. সেভাবে কাজ করব। আরও বেশি মানুষের মধ্যে সেরা কাজগুলো ছড়িয়ে দেব। পড়াশোনা ও অভিনয়ের সমন্বয় করবসাবিলা নূর. অভিনেত্রীবছরটাই শুরু হচ্ছে ভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে। অভিনয় করতে যাচ্ছি একটা ভৌতিক নাটকে। এ রকম আরও কয়েকটি ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা আছে। যে চরিত্রগুলোর মাধ্যমে অনেক দিন মানুষ সাবিলা নূরকে মনে রাখবে। এ ছাড়া এ বছর পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হব। আমার সেমিস্টারের ফলাফলে সিজিপিএ ভালো এসেছে। এটাকে ধরে রাখতে হবে। মোটকথা. পড়াশোনা ও অভিনয় সমন্বয় করে চলব। আর এ বছর ‘না’ বলাটা শিখতে চাই। কারণ. অনেক কারণেই ‘হ্যাঁ’ বলতে হয়। সেটা এ বছর হতে দিতে চাই না। আর বিয়ে নিয়ে বলব. এ বছর আমার বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবু জন্ম. মৃত্যু. বিয়ে তো আমার হাতে নেই। নিজের ইউটিউব চ্যানেলটা চাঙা করবইমরান. সংগীতশিল্পীআসছে রমজান অবধি আমার গানের পরিকল্পনা চূড়ান্ত। ধীরে ধীরে সেগুলো প্রকাশ করব। এতে অর্ধেক বছর পার হয়ে যাবে। তাই নতুন করে কিছু বলার বা করার নেই। তবে এ বছর আমার নতুন যে পরিকল্পনাটি রয়েছে. সেটি হলো বাছাই করা কিছু শিল্পীর গান ফিচারিং করব। তারপর সেগুলো আমার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করব। আর ব্যক্তিগত কিছু নেই। ভক্তরাই আমার ব্যক্তিগত বিষয়। তাই তাঁদের জন্য গানটা ঠিকমতো করে যেতে চাই। দারুণ কিছু করার প্রস্তুতি নিয়েছিঐশী. সংগীতশিল্পীঅনেক গানের কাজ এগিয়ে রেখেছি। এ বছর একটা অ্যালবাম আসবে। ইচ্ছা আছে ঐশী এক্সপ্রেস ২ নামে আমার দ্বিতীয় অ্যালবাম প্রকাশ পাবে। ২০১৮ সাল আমার দৌড়ের ওপর গেছে। এ বছরটা একটু গুছিয়ে নিয়ে কাজ করতে চাই। পড়াশোনার চাপও বাড়ছে। হুট করে গানের শোও বাড়ছে। দুটিই গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগোতে চাই। মোটকথা. তুমুল প্রস্তুতি নিচ্ছি নতুন বছরে দারুণ কিছু করার।,1572804 2019-01-01,আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?,ভূরাজনীতি,মাইকেল কুগেলম্যান,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572798/%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%AA-%E0%A6%95%E0%A7%80,opinion,print,1,আন্তর্জাতিক,এই মুহূর্তে জালমে খলিলজাদ সম্ভবত সুখী মানুষ নন। আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ দূত এখন এক জরুরি মিশনে আছেন। আর সেটা হচ্ছে তালেবানের সঙ্গে শান্তি–প্রক্রিয়ার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা। কেননা. প্রায় ১৭ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র–সমর্থিত আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তালেবানের যুদ্ধ শেষ করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খলিলজাদ এ ব্যাপারে বেশ কিছুটা এগিয়েছিলেন। তিনি তালেবান প্রতিনিধি ও মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। গত ডিসেম্বর মাসের গোড়ার দিকে এ ব্যাপারে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়। ইউএইতে বৈঠকের পর আফগান টিভি স্টেশন টোলো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খলিলজাদ তালেবানের কথা উল্লেখ করে বলেন. ‘তারা আমাকে বলেছে. আমরা আপনাদের পরাজিত করতে পারব না।’ তারা বলেছে. তারা প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে. এরপর আফগানদের সঙ্গে বসবে এবং রাজনৈতিক উপায়ে এ সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু ট্রাম্পের হঠাৎ করে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা খলিলজাদের কাছে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত খলিলজাদের কাজকে কঠিন করে তুলেছে। তবে সৌভাগ্যক্রমে ওয়াশিংটনের কাছে বিকল্প আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট তালেবানদের তা–ই দিয়েছেন. যা তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল—আর সেটা হচ্ছে সৈন্য প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি—আর এর বিনিময়ে তাদের কিছুই দিতে হবে না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের এ ঘোষণা তালেবানদের জন্য বেহেশত থেকে পাওয়া মান্নার (সুখাদ্য) মতো। তবে মার্কিন আলোচকদের কাছে এটা তাদের পেটে মুষ্ট্যাঘাতের মতো। ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের আগে তালেবানদের আলোচনায় বসতে রাজি করানোটা ছিল কঠিন একটি ব্যাপার। ২০০১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তালেবান জঙ্গিরা আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে আসছে। গত তিন বছরে তালেবান বিদ্রোহীরা তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। দেশটির একটি বড় অংশ এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। তাই তাদের পক্ষ থেকে লড়াই বন্ধ করার কোনো কারণই নেই। তবে তালেবানরা আগে বলেছিল যে তারা যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে আফগান সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসতে পারে. যদি ওয়াশিংটন সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেয়। এখন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা তো এল। কিন্তু তালেবানরা আফগান সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কি না. তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ২০০১ সালে মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তানে তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে যত সরকার আফগানিস্তানের ক্ষমতায় এসেছে. তাদের তালেবান অবৈধ ও ওয়াশিংটনের আজ্ঞাবহ বলে অভিহিত করেছে। ২০১৪ সালে আফগানিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনিশ্চায়কভাবে শেষ হওয়ার পর তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিকে কাবুলে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া দুজন প্রার্থী আশরাফ ঘানি ও আবদুল্লাহ আবদুল্লাহর মধ্যে ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে একটি চুক্তি করেন। এই দুজন এখন বর্তমান আফগান সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কাজেই যখন তালেবানদের বিবৃতিতে বলা হয় যে আফগান সরকার আমেরিকানদের দ্বারা স্থাপিত. তখন আর সেটা তাদের অহেতুক প্রলাপ বলে মনে হয় না। মনে হচ্ছে. সেনা প্রত্যাহারের ট্রাম্পের একতরফা সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটনকে তালেবানের সঙ্গে আফগান সরকারের শান্তি আলোচনা শুরুর তারিখ ঘোষণা করার সুযোগকে ভেস্তে দিল। তাহলে এখন ওয়াশিংটনের সামনে বিকল্প কী? আদর্শিকভাবে. ট্রাম্পের উচিত হবে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা এবং কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর জন্য খলিলজাদকে আরও সময় দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে. ট্রাম্প তাঁর এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন না। কারণ. তিনি কখনোই আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতিতে স্বস্তি বোধ করেননি। ১৭ বছরের আফগান যুদ্ধে ২ হাজার ৪০০ মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। কূটনৈতিক শান্তি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ম্যাটিস আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার শক্ত উপস্থিতি চেয়েছিলেন। এ ছাড়া হোয়াইট হাউসের আরও বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার উপস্থিতির পক্ষে। তাঁরা চেষ্টা করছেন. এ ব্যাপারে ট্রাম্পের মত পরিবর্তন করতে অথবা সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া ধীরে করতে। ট্রাম্প হয়তো শিগগিরই আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন যেসব পদক্ষেপ নিতে পারে. সেগুলো হচ্ছে প্রথমেই ক্ষতি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া। শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের উচিত হবে কাবুলকে এই নিশ্চয়তা দেওয়া যে যদিও সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে. কিন্তু তারা আফগানিস্তানকে পরিত্যাগ করছেন না। ওয়াশিংটনকে এটা বলতে হবে যে তারা আফগান নিরাপত্তা বাহিনীকে অর্থায়ন করা এবং আফগান বিশেষ বাহিনীকে সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রাখবে। এই পদক্ষেপ আফগানদের উদ্বেগকে প্রশমিত করবে এবং মার্কিন সেনাদের বিদায়ের পর তালেবান জঙ্গিদের সম্ভাব্য আগ্রাসনকে সীমিত করবে। দ্বিতীয়ত. ওয়াশিংটনকে তালেবানের ওপর নজর রাখতে হবে। তালেবান যাতে আল-কায়েদার সংস্রব ত্যাগ করে. তা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আশঙ্কা. মার্কিন সেনারা চলে গেলে আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে। তৃতীয়ত. ওয়াশিংটনকে চলতি বছরে অনুষ্ঠেয় আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সম্পূর্ণরূপে সমর্থন দিতে হবে। নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা এবং অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা দিতে হবে। আফগান নেতৃত্বের অধীনে যদি একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়. তাহলে হয়তো তালেবানরা তাদের সঙ্গে ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসতে পারে। আল–জাজিরা থেকে নেওয়া. ইংরেজি থেকে অনূদিত মাইকেল কুগেলম্যান ওয়াশিংটনের উড্রো উইলসন সেন্টারের এশিয়া প্রোগ্রামের উপপরিচালক,1572798 2019-01-01,সন্তানদের জন্য স্যান্ড্রার চিঠি,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572785/%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A0%E0%A6%BF,entertainment,print,1,হলিউড,নেটফ্লিক্স অরিজিনালসের ‘বার্ড বক্স’ ছবিটি নিয়ে এখন আলোচনার শেষ নেই। এরই মধ্যে ছবিটি রেকর্ড করে ফেলেছে। নেটফ্লিক্সে এক সপ্তাহে দেখার হিসাবে ছাড়িয়ে গেল অন্য সব ছবিকে। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন স্যান্ড্রা বুলক। তিনি এবার ছবিটিকে দিলেন ভালোবাসায় পূর্ণ চিঠির তকমা। ছবিটি নাকি তাঁর সন্তানদের জন্য দেওয়া ভালোবাসায় পূর্ণ একটি চিঠি। ছবিতে স্যান্ড্রাকে দেখা গেছে একজন সাহসী মা হিসেবে. যিনি তাঁর সন্তানদের জন্য যেকোনো কিছু করতে পারেন। ক্রিসমাসে ছবিটি ব্যাপক আলোচিত হয়। নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেলেও এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ছবিটি। তাই এর গায়ে সফলতার তকমা লাগতে না–লাগতেই স্যান্ড্রা তাঁর সন্তানদের জন্য একে ভালোবাসার উপহার হিসেবেও ঘোষণা দিলেন। ছবির শুটিংয়ের সময় সেটে স্যান্ড্রার সন্তানেরা উপস্থিত ছিল। তাই তারাও অপেক্ষা করছিল ছবিটির জন্য। তবে ছবিটি নাকি তারা দেখতে পারবে না। কারণ এখনো ছবিটি দেখার মতো বয়স তাদের হয়নি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে স্যান্ড্রা বলেন. ‘একটি কারণে আমি বার্ড বক্স–এ অভিনয় করেছি। আমার ছেলে প্রায়ই বলে. ওদের জন্য একটি সিনেমা করি না কেন? এটা হলো ওদের জন্য একটি ভালোবাসায় ভরা চিঠি। কিন্তু ওরা এটা দেখতে পারবে না। কারণ ছবিটি দেখার জন্য ওদের আরও বড় হতে হবে।’ স্যান্ড্রা বুলক অভিনীত বার্ড বক্স প্রথম সাত দিনে দেখা হয়েছে চার কোটির বেশি নেটফ্লিক্স অ্যাকাউন্ট থেকে। সিনেমা হলের বক্স অফিস হিসাব যেন অনলাইন স্ট্রিমিংয়েও শুরু হয়ে গেল। নেটফ্লিক্স টুইট করে জানিয়েছে. সিনেমাটি এক সপ্তাহে দেখা হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ ৩৭ হাজার ১২৫টি অ্যাকাউন্ট থেকে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছে সুসানে বিয়া। স্যান্ড্রা বুলকের আট বছর বয়সী ছেলের নাম লুইজ ও সাড়ে পাঁচ বছর বয়সী মেয়ের নাম লায়লা। এসশোবিজ।,1572785 2019-01-01,সুনামগঞ্জে ২২. হবিগঞ্জে ১৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত,,নিজস্ব প্রতিবেদক. সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572778/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A7%A8%E0%A7%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%AC-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4,bangladesh,print,1,সুনামগঞ্জ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ|নির্বাচন কমিশন,নির্বাচনী আইন অনুযায়ী পর্যাপ্ত ভোট না পাওয়ায় সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩২ প্রার্থীর মধ্যে ২২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। আর হবিগঞ্জের চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২৪ প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জনই তাঁদের জামানত হারিয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া ভোটের হিসাব থেকে এই তথ্য জানা গেছে। নিবার্চন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে. কোনো আসনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেলে ওই প্রার্থী জামানত ফেরত পাবেন। না পেলে তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। সুনামগঞ্জ-১ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯০৮টি। নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজির হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯১৫ ভোট। এখানে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তিনজনের। তাঁরা হলেন জাকের পার্টির আমান উল্লাহ আমান (৪৪৩ ভোট). ইসলামী আন্দোলনের ফখর উদ্দিন (১ হাজার ৪৩০ ভোট) এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের বদরুদ্দোজা সুজা (১৮৫ ভোট) সুনামগঞ্জ-২ আসনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ২১৫। এ আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের জয়া সেনগুপ্তা। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৮৭ ভোট। এখানে জামানত হারিয়েছেন চারজন। তাঁরা হলেন গণতন্ত্রী পার্টির গোলজার আহমদ (২০৮ ভোট). কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস (৩৩৩ ভোট). বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাহমুদ হাসান চৌধুরী (৮৭ ভোট) এবং ইসলামী আন্দোলনের আবদুল হাই (৩৫৫ ভোট)। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৬৬৭টি। এই আসনে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শাহীনুর পাশা চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯২৫ ভোট। জামানত হারিয়েছেন এলডিপির মাহফুজুর রহমান খালেদ (৫১৩ ভোট). ইসলামী আন্দোলনের মহিবুল হক আজাদ (৩২৮ ভোট) জাকের পার্টির শাহজাহান চৌধুরী (১২৬ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ সৈয়দ মুবশ্বির আলী (৫১ ভোট)। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯০৪। মহাজোটর প্রার্থী সাংসদ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ লাঙ্গল প্রতীকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ ফজলুল হক আছপিয়া ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৪৯ ভোট। জামানত হারিয়েছেন মুসলিম লীগের আল হেলাল (১১৫ ভোট). ইসলামী আন্দোলনের তানভীর আহমদ তাছলিম (১ হাজার ৫২৯ ভোট). খেলাফত মজলিসের মুফতি আজিজুল হক (১ হাজার ৪১৬). এনপিপির মোহাম্মদ দিলোয়ার (৪৫৬ ভোট) এবং স্বতন্ত্র কামরুজ্জামান (৩৬৫ ভোট)। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে ভোট পড়েছে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৯৫৮টি। জয়ী আওয়ামী লীগের মুহিবুর রহমান মানিক নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২১ হাজার ৩২৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিজানুর রহমান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৪২ ভোট। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন গণফোরামের আইয়ুব করম আলী (৬৪৬ ভোট). খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ সফিক উদ্দিন (২০৬ ভোট). ন্যাপের আবদুল ওদুদ (৬৩৫ ভোট). বিএনএফের আশরাফ হোসেন (৮১ ভোট). জাতীয় পার্টির নাজমুল হুদা (৫৫১ ভোট). ইসলামী আন্দোলনের হুসাইন আল হারুন (৭৩৩ ভোট) হবিগঞ্জ-১ আসনে জামানত হারিয়েছেন লাঙ্গল প্রতীকে মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (জাতীয় পার্টি). মই প্রতীকে চৌধুরী ফয়সল শোয়েব (বাসদ). গামছা প্রতীকে নুরুল হক (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ). মোমবাতি প্রতীকে জুবায়ের আহমেদ (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট) ও হাতপাখা প্রতীকে আবু হানিফা আহমদ হোসেন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ )। হবিগঞ্জ-২ আসনে জামানত হারান লাঙ্গল প্রতীকে শংকর পাল (জাতীয় পার্টি). হাতপাখা প্রতীকে আবুল জামাল মসউদ হাসান (ইসলামী আন্দোলন). গামছা প্রতীকে মনমোহন দেবনাথ (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ). আম প্রতীকে পরেশ চন্দ্র দাস (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি) ও সিংহ প্রতীকে আফছার আহমদ (স্বতন্ত্র)। হবিগঞ্জ-৩ আসনে জামানত হারিয়েছেন লাঙ্গল প্রতীকে মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (জাতীয় পার্টি). হাতপাখা প্রতীকে মুহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) ও কাস্তে প্রতীকে পীযুষ চক্রবর্ত্তী (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি) হবিগঞ্জ-৪ আসনে জামানত হারিয়েছেন মোমবাতি প্রতীকে মৌলানা মুহাম্মদ ছোলাইমান খান রাব্বানী (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট). গোলাপফুল প্রতীকে আনছারুল হক (জাকের পার্টি) ও হাতপাখা প্রতীকে শেখ মো. সামছুল আলম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)।,1572778 2019-01-01,আওয়ামী লীগের দাপুটে জয়,,নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধি. সিলেট,৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572777/%E0%A6%86%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%9F,bangladesh,print,1,নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি,নির্বাচনী প্রচারণায় ছিল আওয়ামী লীগের দাপট। মামলা. হামলা ও পুলিশের ধরপাকড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছিল কোণঠাসা। যার প্রভাব পড়ল নির্বাচনের ফলাফলেও। ভোটের হিসাবে সিলেট জেলার ছয়টি আসনে বড় জয় পেয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীরা। পাঁচটি আসনে নৌকার প্রার্থীরা একচেটিয়া ভোট পেয়েছেন। সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকের কোনো প্রার্থী ছিল না। তুলনামূলক অন্য রকম এক পরিবেশে বিজয়ী হয়েছে গণফোরামের প্রতীক উদীয়মান সূর্য প্রতীকে নির্বাচন করা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মোকাব্বির খান। মহাজোটের মনোনয়নে লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করা জাতীয় পার্টির প্রার্থী বর্তমান সাংসদ ইয়াহইয়া চৌধুরী চলে গেছেন চতুর্থ অবস্থানে। গত রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় প্রার্থীদের ভোটের পরিসংখ্যানও জানান এই কর্মকর্তা। ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে. ছয়টি আসনের মধ্যে বিজয়ী ছয়জনের মধ্যে দুজন নতুন প্রার্থী। সিলেট-১ (মহানগর-সদর) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ কে আবদুল মোমেন প্রথমবারই ভোটের মাঠে নেমে জয় পেয়েছেন। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি মোমেন এই আসনের বর্তমান সাংসদ ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ছোট ভাই। অন্যদিকে সিলেট-২ আসনে বিজয়ী গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খানও নতুন প্রার্থী। তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। এ আসনে বিএনপিদলীয় প্রার্থী বিএনপির ‘নিখোঁজ’ নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ায় মোকাব্বির মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে যুক্তরাজ্যে চলে গিয়েছিলেন। উচ্চ আদালতে তাহসিনার মনোনয়ন বাতিল হলে ভোটের মাত্র সপ্তাহখানেক আগে দেশে ফিরে ঐক্যফ্রন্টের সমর্থন নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন মোকাব্বির। পর্যবেক্ষকেরা বলছেন. এই আসনে মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির সাংসদ ইয়াহইয়া চৌধুরী লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করেন। নৌকার কোনো প্রার্থী না থাকায় সিলেটের অন্যান্য আসনের তুলনায় এখানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন নির্ভার। নির্বাচনী প্রচারণা ও ভোটের দিন তুলনামূলক ভিন্ন চিত্র ছিল। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন মোকাব্বির। বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট–২ আসনে মোকাব্বির খান উদীয়মান সূর্য প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪২০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমান ডাব প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪৪৯ ভোট। সিংহ প্রতীকে ২০ হাজার ৭৪৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল হক সরদার। সাংসদ ইয়াহইয়া চৌধুরী ১৮ হাজার ৩২ ভোট পেয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমানকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন ইয়াহইয়া চৌধুরী। এদিকে সিলেট-৫ আসনে গত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া সাংসদ জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা সেলিম উদ্দিন এবার তৃতীয় হয়েছেন। জেলার দুটি আসনে জাতীয় পার্টির বর্তমান দুই সাংসদই পরাজিত হওয়ায় দলটির এবার সংসদে জেলার প্রতিনিধিত্বকারী কেউ থাকল না। ছয়টি আসনের মধ্যে তিনটি আসনেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। জেলার ছয়টি আসনেই এ দলটি প্রার্থী দিয়েছিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী. সিলেট-১ (নগর ও সদর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের এ কে আবদুল মোমেন (নৌকা)। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৫১ ভোট। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা রেদওয়ানুল হক চৌধুরী (হাতপাখা)। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ২৪ ভোট। এ কে আবদুল মোমেন গতকাল বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন. ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখে ভোটাররা আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। তাঁদের এ মূল্যায়ন ও ভালোবাসার সম্মান আমি রাখতে চাই। আমার প্রতিটি কাজই হবে এই এলাকার মানুষের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য। এমনকি যেকোনো পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ইতিবাচক পরামর্শও আমি গ্রহণ করব। দলমত–নির্বিশেষে সবার সঠিক পরামর্শে আলোকিত সিলেট গড়াই আমার মূল লক্ষ্য।’ সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা. ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে জয়ী আওয়ামী লীগের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৮৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফি আহমদ চৌধুরী পেয়েছেন ৮৩ হাজার ২৮৮ ভোট। এই আসনে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন খেলাফত মজলিসের মো. দিলওয়ার হোসাইন। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৯৮৬ ভোট। সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট. জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের ইমরান আহমদ (নৌকা)। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৭২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দিলদার হোসেন সেলিম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৪৪৮ ভোট। এখানে ২ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিল্লুর রহমান (হাতপাখা)। সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের হাফিজ আহমদ মজুমদার। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের উবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ১৫১ ভোট। সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম নাহিদ (নৌকা)। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ১৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফয়সল আহমদ চৌধুরী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮৯ ভোট। ১০৪২ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের মো. আজমল হোসেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন. বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সিলেটে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সব দলের প্রার্থীরাও এখানে সহ–অবস্থানে থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ভোটাররাও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কিংবা ভোটারদের কাছ থেকেও সেভাবে কোনো অভিযোগ ছিল না।,1572777 2019-01-01,গাইবান্ধায় ২৪ প্রার্থী জামানত হারালেন,,প্রতিনিধি. গাইবান্ধা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572776/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%A8%E0%A7%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8,bangladesh,print,1,গাইবান্ধা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন|জাতীয় পার্টি|বিএনপি,গাইবান্ধার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁদের মধ্যে ২৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয় বলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়. গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ১১ জন। তাঁদের মধ্যে নয়জন জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন মুসলিম লীগের হারিকেন প্রতীকের গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ. ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের মো. আশরাফুল ইসলাম খন্দকার. গণতন্ত্রী পার্টির কবুতর প্রতীকের আবুল বাসার মো. শরীতুল্লাহ. গণফ্রন্টের মাছ প্রতীকের শরিফুল ইসলাম. বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকের হাফিজুর রহমান. বাসদের মই প্রতীকের মো. গোলাম রব্বানী শাহ. স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরগাড়ি (কার) প্রতীকের কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খান. স্বতন্ত্র প্রার্থী আপেল প্রতীকের আফরুজা বারী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কুড়াল প্রতীকের প্রার্থী এমদাদুল হক। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন সাতজন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন সিপিবির কাস্তে প্রতীকের মিহির ঘোষ. ইসলামী আন্দোলনের মো. আল-আমিন. ইসলামী ঐক্যজোটের মিনার প্রতীকের মাওলানা যুবায়ের আহমদ. ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের জিয়া জামান খান এবং স্বতন্ত্র প্রাথী সিংহ প্রতীকের মকদুবর রহমান। গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে মোট সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জনই জামানত হারান। তাঁরা হলেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের কাজী মশিউর রহমান. জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের আবুল কালাম. ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম. বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের মো. ছামিউল আলম. ন্যাশনাল পিপলস পার্টির খন্দকার মো. রাশেদ এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের হারিকেন প্রতীকের সানোয়ার হোসেন। গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির ফারুক আলম সরকার. জাতীয় পার্টির এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু. ইসলামী আন্দোলনের আবদুর রাজ্জাক মণ্ডল এবং সিপিবির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী যজেস্বর বর্মন।,1572776 2019-01-01,দুটি আসন পেয়েও আনন্দ-নিরানন্দের দোলাচলে বিএনপি,,নিজস্ব প্রতিবেদক. চাঁপাইনবাবগঞ্জ,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572775/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF,bangladesh,print,1,বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|চাঁপাইনবাবগঞ্জ|রাজনীতি,সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের চিত্রের সঙ্গে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের অবস্থার কোনো মিল নেই। সারা দেশে যেখানে বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের শোচনীয় ভরাডুবি হয়েছে. সেখানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ। অর্থাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনের মধ্যে দুটি বিএনপি দখল করতে সক্ষম হয়েছে। এরপরও আনন্দ-নিরানন্দের দোলাচলে আছেন এখানকার বিএনপির নেতা–কর্মীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী. দলের যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন. ‘এখানে আমরা অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে বিজয় অর্জন করেছি। ভোটের আগের দিনও বিএনপির এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখানকার ভোটাররা জুলুম অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে আমাকে বিজয়ী করেছে। এ জন্য আমি ও আমাদের নেতা–কর্মীরা আনন্দিত। কিন্তু সারা দেশের নির্বাচন নিয়ে আমরা চরমভাবে হতাশ।’ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন. নির্বাচনের নামে এটা একটা তামাশা হয়েছে। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গঠিত সংসদে যোগ দেবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন. ‘দল যে সিদ্ধান্ত নেবে. সেটাই আমার সিদ্ধান্ত।’,1572775 2019-01-01,গণতন্ত্রের বিজয় এখনো সম্ভব,বিশ্ব ২০১৮,হাসান ফেরদৌস,৬,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572763/%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%AC,opinion,print,1,হাসান ফেরদৌস|আন্তর্জাতিক,রোম যখন পুড়ছিল. নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল। এখন সময় বদলেছে. রাষ্ট্রপ্রধানেরা এখন আর বাঁশি বাজান না. তাঁরা টুইট করেন। যেমন মার্কিন প্রেসিডন্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ২২ ডিসেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের চাকা বন্ধ. আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে বসে একের পর এক টুইট করে যাচ্ছেন। ২০১৮ সালের জন্য এর চেয়ে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ সমাপ্তি ভাবা কঠিন। গত দুই বছরে ট্রাম্প আমেরিকার রাজনীতি যেভাবে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে দিয়েছেন. তাতে আমেরিকার তো বটেই. পৃথিবীর সুস্থাবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে উপায় নেই। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর গত ৭০ বছর যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল. ট্রাম্প কার্যত একাই তা উল্টে দিতে চাইছেন। এই বিশ্বব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে সাধারণভাবে সম্মত আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ ব্যবস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ও নেতৃত্বেই এই ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এই বিশ্বব্যবস্থার শিরোমণি। ট্রাম্প এটা থেকে মুখ ফিরিয়ে ‘ঘরে ফেরা’র আওয়াজ তুলেছেন। তাঁর স্লোগান. আমেরিকা ফার্স্ট। ২০১৮ সালে সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণে তিনি বিশ্বের অন্য নেতৃবৃন্দকেও পরামর্শ দিলেন. ‘আপনারাও নিজ নিজ দেশের কথা ভাবুন। আমার মতো আপনারাও “জাতীয়তাবাদী” হোন।’ জাতীয় স্বার্থের যুক্তি তুলেই আমেরিকা দেড় বছর আগে জাতিসংঘের ‘জলবায়ু চুক্তি’ থেকে বেরিয়ে এসেছে। আমরা জানি. বিশ্বের দেশগুলো যদি সম্মিলিত চেষ্টায় ভূমণ্ডলের ক্রমবর্ধমান উষ্ণতা কমাতে ব্যর্থ হয়. তাহলে সবাই এক অনিবার্য বিপর্যয়ে নিক্ষিপ্ত হব। ছোট-বড় কোনো দেশ রেহাই পাবে না। বছর শেষে এক প্রতিবেদনে বিশ্বের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন. এই বিপর্যয় ঠেকাতে আমাদের হাতে আছে মোটে ১৫ বছর। যে জাতীয় স্বার্থের ধুয়া তুলে ট্রাম্প পৃথিবীকে এমন বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে প্রস্তুত. তার রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতটি মাথায় রাখা প্রয়োজন। গত এক দশকে ইউরোপে—এবং পরবর্তী সময়ে উত্তর আমেরিকায়—যে জাতীয়তাবাদী হাওয়া বইছে. তার কেন্দ্রে রয়েছে অভিবাসনবিরোধী প্রবণতা। এসব দেশের সাদা মানুষেরা বলছে. কালো ও বাদামি মানুষের আগমনে তাদের শ্বেতাঙ্গ খ্রিষ্টীয় সভ্যতা আক্রান্ত। একে রক্ষা করতে হলে দরজায় খিল দিতে হবে. কালো ও বাদামি মানুষদের আগমন ঠেকাতে হবে। এই জাতীয়তাবাদী প্রবণতার মূল সুরটি একান্তই বর্ণবাদী। ট্রাম্প তো স্পষ্টই বলেছেন. অভিবাসনে তাঁর আপত্তি নেই. কিন্তু তিনি আফ্রিকা বা ক্যারিবীয় দেশগুলো থেকে কাউকে চান না। তাঁর পছন্দ নরওয়ের মতো দেশ. যে দেশের ৯৪ শতাংশ মানুষ শ্বেতাঙ্গ। ইউরোপেও বর্ণবাদী জাতীয়তাবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাজ্য অভিবাসীদের ঠেকাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যেতে চাইছে। অস্ট্রিয়া. ফ্রান্স. হাঙ্গেরি. এমনকি উদারনৈতিক সুইডেনেও বর্ণবাদী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বর্ণবাদী জাতীয়তাবাদের সমান্তরালভাবেই উত্থান ঘটেছে কর্তৃত্ববাদী রাজনৈতিক নেতৃত্বের। একদিকে ভীতি. অন্যদিকে নির্জলা মিথ্যাকে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করে বসেছেন এমন একদল নেতা. যাঁদের বিগত শতকে নির্দ্বিধায় ‘একনায়ক’ বলতাম। শুধু ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকা নয়. কর্তৃত্ববাদী শাসকদের খপ্পরে এখন এশিয়া. আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোও। যেমন ভারতে মোদি. তুরস্কে এরদোয়ান। ইউরোপে বর্ণবাদ হচ্ছে রাজনীতির ট্রাম্পকার্ড. আর এসব দেশে ব্যবহার হচ্ছে ধর্মের নামে বিভক্তি। আরেক দল কর্তৃত্ববাদী নেতা ক্ষমতা আঁকড়ে আছেন সব প্রতিপক্ষকে ‘শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত করে। যেমন রাশিয়ার পুতিন. নিকারাগুয়ার ওর্তেগা। প্রতিবেশী মিয়ানমারেও রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক বিভক্তি। কর্তৃত্ববাদ জিতছে. পিছু হটছে গণতন্ত্র। ২০১৮ সালের এটাই ছিল প্রধান বৈশিষ্ট্য। অবিশ্বাস্য মনে হবে. কিন্তু এই প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এসেছে তৃতীয় বিশ্বের কিছু দেশ থেকে। মালয়েশিয়া বা ক্ষুদ্র মালদ্বীপের কথা ভাবুন। যখন কর্তৃত্ববাদ ও দুর্নীতিতন্ত্র মালয়েশিয়ায় জেঁকে বসেছে. ঠিক তখনই সে দেশের মানুষ ক্ষমতা থেকে টেনে নামাল প্রধানমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাককে. পতন হলো ৬১ বছর ধরে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা রাজনৈতিক দলটির। মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনকে হটানো সম্ভব. আমরা বাইরের কেউই ভাবিনি। সে দেশের মানুষ সেই কথা মিথ্যা প্রমাণ করে বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির ইব্রাহিম সালিহকে বিজয়ী করে এনেছে। গণতন্ত্রের পক্ষে বিজয় এখনো সম্ভব. যদি জনগণ এককাট্টা হয়। ২০১৮ সালের এটিও একটি শিক্ষা। ২০১৮ সালের অন্য আরেক বৈশিষ্ট্য চীনের উত্থান। একুশ শতকের শুরু থেকেই বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতি হিসেবে চীনের উত্থান। কিন্তু সদ্য বিগত বছরেই চীন আমেরিকার এক নম্বর প্রতিপক্ষ হয়ে উঠল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষায়. আমেরিকার জন্য রাশিয়ার চেয়েও বড় শত্রু চীন। আমেরিকার প্রতি চীনের মূল চ্যালেঞ্জ অর্থনৈতিক। আমেরিকা আর আগের মতো সামরিক বা অর্থনৈতিক. কোনো দিকেই সর্বক্ষমতাধর নয়। আমেরিকা বহু বছর বিশ্বজুড়ে সামরিক আখড়া ও একই সঙ্গে তিন ফ্রন্টে যুদ্ধ জিইয়ে রেখে তার নিজের শক্তি খুইয়ে ফেলেছে। অন্যদিকে. চীন হয়ে উঠেছে নিঃশব্দে উঠে আসা এক পরাশক্তি। নিউইয়র্ক টাইমস বছর শেষে চীন বিষয়ে এক দীর্ঘ প্রতিবেদনে লিখেছে. এক নম্বর দেশকে টেক্কা দিয়েই দুই নম্বরের জায়গাটা দখল করেছে চীন। চীনের এই সাফল্য এসেছে তার নিজস্ব নিয়মে. কমিউনিস্ট পার্টির কর্তৃত্ববাদী চরিত্র টিকিয়ে রেখে। একুশ শতকের গোড়া থেকে শুরু হয় চীনের সমুদ্রভিত্তিক সামরিক সম্প্রসারণ। তার লক্ষ্য অবশ্য সারা বিশ্ব নয়. শুধু এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল। আমেরিকার চোখে চীনের এই অবস্থান সরাসরি হুমকি। চীনকে ঠেকাতে ট্রাম্পের আমেরিকা প্রকাশ্য বাণিজ্যযুদ্ধে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এই চীন–মার্কিন প্রতিযোগিতা বিশ্বরাজনীতিকে সংজ্ঞায়িত করবে। ২০১৮ সালের আরেক বৈশিষ্ট্য সাইবার প্রযুক্তির অভাবিত সম্প্রসারণ। কয়েক বছর আগেও ভাবা হচ্ছিল তথ্যপ্রযুক্তি পৃথিবীকে বদলে দেবে. ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমাতে হবে এক ম্যাজিক হাতিয়ার। কিন্তু গত এক বছরে উপলব্ধি করা গেছে এই হাতিয়ার কতটা বিধ্বংসী হতে পারে। ‘ফেক নিউজ’ কথাটা ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো জনপ্রিয় করেছেন. কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক বিজয়ের পেছনে যে সাইবারভিত্তিক ফেক নিউজ বড় সহায়ক ছিল. এখন সে কথা আমরা জানি। শুধু মিথ্যা প্রচারই নয়; পৃথিবীর ছোট-বড় সব দেশই এখন সাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে নিজের নাগরিকদের ওপর নজরদারি করতে। জর্জ অরওয়েল একসময় যে ‘বিগ ব্রাদার’-এর কথা বলেছিলেন. সেই ব্রিগ ব্রাদার এখন এই সাইবার ক্যামেরা। ভবিষ্যতে এর ব্যবহার বাড়বে. কমবে না। সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে সাইবার প্রযুক্তির ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ।,1572763 2019-01-01,আট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত,,প্রতিনিধি. মতলব দক্ষিণ. চাঁদপুর ও মির্জাপুর. টাঙ্গাইল,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572761/%E0%A6%86%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4,bangladesh,print,1,একাদশ সংসদ নির্বাচন|টাঙ্গাইল|বিএনপি|আওয়ামী লীগ|নির্বাচন কমিশন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা) আসনে বিএনপিসহ চার প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে চার প্রার্থীর। আইন অনুযায়ী. নির্বাচনে পড়া মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পাওয়া প্রার্থীদের জামানত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়। মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়. চাঁদপুর-২ আসনে ভোট পড়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৪টি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের জয়ী প্রার্থী নুরুল আমিন পেয়েছেন ৩ লাখ ১ হাজার ৫০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ জালালউদ্দিন পান ১০ হাজার ২৭৭ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের মো. আফসার উদ্দিন পান ৩ হাজার ১১৭ ভোট। ইসলামী ঐক্যজোটের মনির হোসেন চৌধুরী ২৫৯ ও মুসলিম লীগের নুরুল আমিন পেয়েছেন ১ হাজার ৩১ ভোট পান। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহিদুল ইসলাম ও মতলব উত্তরের ইউএনও শারমিন আক্তার বলেন. মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগও না পাওয়ায় এ আসনে বিএনপি. ইসলামী ঐক্যজোট. ইসলামী আন্দোলন ও মুসলিম লীগের প্রার্থীরা জামানতের টাকা ফিরে পাবেন না। তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মির্জাপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়. টাঙ্গাইল-৭ আসনে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪৯ জন ভোট দেন। আইনানুযায়ী. ৩২ হাজার ভোট না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এখানে আওয়ামী লীগের জয়ী প্রার্থী মো. একাব্বর হোসেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৪৯ ভোট। জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩১৭ ভোট। খেলাফত মজলিসের সৈয়দ মজিবর রহমান পেয়েছেন ১১৩ ভোট. ইসলামী আন্দোলনের শাহিনুর ইসলাম ১ হাজার ৯৭ ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) রুপা রায় চৌধুরী পেয়েছেন ১৫৮ ভোট। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এম শামছুজ্জামান বলেন. নির্বাচনে পড়া ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পাওয়ায় চারজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।,1572761 2019-01-01,‘হ্যাটট্রিক’ তিনজনের. নতুন সাংসদ দুজন,,প্রতিনিধি. চাঁদপুর,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572760/%E2%80%98%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E2%80%99-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%A8,bangladesh,print,1,নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ|চাঁদপুর|একাদশ সংসদ নির্বাচন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এর মধ্যে তিনটি আসনে দলটির প্রার্থীরা জয়ের ‘হ্যাটট্রিক’ করেছেন। অপর দুটি আসনে দুজন প্রার্থী প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। হ্যাটট্রিক করা তিনজন হলেন চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর. চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ও চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। তাঁরা ২০০৮. ২০১৪ ও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। এবার চাঁদপুর-১ আসনে মহীউদ্দীন খান আলমগীর পান ১ লাখ ৯৬ হাজার ৮৪৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোশারফ হোসেন পান ৭ হাজার ৭৫৯ ভোট। চাঁদপুর-৩ আসনে দীপু মনি পান ৩ লাখ ৪ হাজার ৮১২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শেখ ফরিদ আহমেদ পান ৩৫ হাজার ৫০১ ভোট। চাঁদপুর-৫ আসনে রফিকুল ইসলাম পান ৩ লাখ ১ হাজার ৬৪৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মমিনুল হক পান ৩৭ হাজার ১৯৫ ভোট। অপর দুই আসনের মধ্যে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) আসনে নূরুল আমিন ও চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান প্রথমবার সাংসদ হয়েছেন। এ দুজনের মধ্যে শফিকুর রহমান ২০০১ সালে ও ২০০৮ সালে নির্বাচন করেও জয়ী হতে পারেননি। নূরুল আমিন প্রথমবার নির্বাচন করেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় পেলেন। চাঁদপুর-৪ আসনে শফিকুর রহমান পান ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হারুনুর রশিদ পান ৩০ হাজার ৭৯৯ ভোট। চাঁদপুর-২ আসনে নূরুল আমিন পান ৩ লাখ ১ হাজার ৫০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জালাল উদ্দিন পান ১০ হাজার ২৭৭ ভোট।,1572760 2019-01-01,ভোটের ব্যবধানে জয়ের নতুন রেকর্ড আ.লীগের,,প্রতিনিধি. ময়মনসিংহ,৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572759/%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,print,1,নির্বাচন|ময়মনসিংহ|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে ৯টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে ভোটের ব্যবধানে জয়ের নতুন রেকর্ড করেছে আওয়ামী লীগ। গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে ২ লাখ ৩০ হাজার ২৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জুয়েল আরেং। জুয়েল আরেং পেয়েছেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯২৩ ভোট। আর বিএনপির প্রার্থী আফজাল এইচ খান পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৩৮ ভোট। এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রমোদ মানকিন পান ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮১ ভোট। বিএনপির আফজাল এইচ খান পান ৯১ হাজার ৩৪৫ ভোট। ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে ২ লাখ ২৯হাজার ২৩৯ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শরীফ আহমেদ। শরীফ আহমেদ পেয়েছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ৪৭২ ভোট। বিএনপির প্রার্থী শাহ শহীদ সারোয়ার পেয়েছেন ৬২ হাজার ২৩৩ ভোট। এই আসনে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হায়েতুর রহমান খান পান ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৩৩ ভোট। ওই নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী¦প্রার্থী হিসেবে শাহ শহীদ সারোয়ার পেয়েছিলেন ৯৪ হাজার ৯০ ভোট। ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮১ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ ভোট। বিএনপির প্রার্থী এম ইকবাল হোসেইন পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫১৯ ভোট। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রয়াত মজিবুর রহমান ফকির পেয়েছিলেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ২৮০ ভোট। বিএনপির প্রার্থী এম ইকবাল হোসেইন পেয়েছিলেন ৭৬ হাজার ৫১৭ ভোট। ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে ২ লাখ ১০ হাজার ৩৩৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে এম খালিদ পেয়েছেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৬ ভোট। বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন পেয়েছেন ২২ হাজার ২০৩ ভোট। এ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মুখোমুখি নির্বাচন হয়েছিল ২০০৮ সালে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে এম খালিদ ১ লাখ ২১ হাজার ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসনে পেয়েছিলেন ৮১ হাজার ২০৫ ভোট। ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনেও একাদশ নির্বাচনে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির। এ আসনে ২ লাখ ৮ হাজার ২৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন পেয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৫ ভোট। আর বিএনপির প্রার্থী শামছ উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৩২ হাজার ৩৩২ ভোট। এ আসনে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও মুখোমুখি হয়েছিলেন এই দুই প্রার্থী। সেবার মোসলেম উদ্দিন ১ লাখ ২৭ হাজার ৬২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্দ্বী শামছ উদ্দিন আহমেদ পেয়েছিলেন ৮১ হাজার ৮৫০ ভোট। ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩২৬ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী রুহুল আমিন মাদানী পেয়েছেন ২ লাখ ৪ হাজার ৭৩৪ ভোট। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৪০৮ ভোট। এ আসনে নবম নির্বাচনে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রেজা আলী ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবুর রহমান পান ৫৮ হাজার ৪০ ভোট। ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসেন ২ লাখ ৬ হাজার ১৯০ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আবেদীন খান পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খুররম খান চৌধুরী পেয়েছেন ২০ হাজার ৮৫৮ ভোট। ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনেও একাদশ নির্বাচনে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী। এ আসনে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪২২ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজিদ উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ২৪৮ ভোট। বিএনপির ফকরউদ্দিন আহমেদ পান ২৬ হাজার ৮২৬ ভোট। এ আসনে ২০০৮ সালে নবম নির্বাচনে দুই দল মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। নবম নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আমান উল্লাহ ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৫ ভোট পেয়ে সাংসদ নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পান ৬৩ হাজার ৩৭৬ ভোট। এ ছাড়া ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আওয়ামী লীগের সাংসদ ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল ২ লাখ ৮১ হাজার ২৩০ ভোট পেয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ১৭৫ ভোট।,1572759 2019-01-01,এগিয়ে চলছে ‘সিম্বা’,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572755/%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E2%80%99,entertainment,print,1,বলিউড,তিন খান গত বছর হতাশ করেছেন বলিউড ভক্তদের। তাই সবার ধারণা. বছরের শেষ ছবি সিম্বা দিয়ে সেই হতাশা কাটাবেন রণবীর সিং। সেটি পূরণ করতে চলেছে সিনেমাটি। এরই মধ্যে ভারত ও ভারতের বাইরের আয় দিয়ে ছবিটি তুলে ফেলেছে ১০০ কোটি রুপির ওপরে। যদিও রণবীরের অভিনয়কে অতিরঞ্জিত বলেছেন কেউ কেউ। এ বছর সালমান খান অভিনীত রেস থ্রি হতাশ করেছে ভক্তদের। প্রথমবারের মতো আমির খান ও অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ছবি থাগস অব হিন্দোস্থান। আশা ছিল. অন্তত এই সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তুলবে। কিন্তু দুই মহাতারকার ছবি মুখ থুবড়ে পড়ল। বাকি থাকলেন শাহরুখ খান। কয়েক বছর থেকেই খুব একটা ছন্দে নেই কিং খান। এবার ব্যতিক্রমী বামন চরিত্র দিয়ে নিজেকে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। ছবিটির পরিচালক ছিলেন আনন্দ এল রাই। ‘তানু ওয়েডস মানু’র মতো জনপ্রিয় ছবি তিনি বানিয়েছেন। ছবিটিতে ছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ ও আনুশকা শর্মার মতো অভিনেত্রীও। তবু ঘুরে দাঁড়াতে পারলেন না শাহরুখ। তাই বছরের শেষ দিকে বলিউড ভক্তদের নজর পড়ে ‘সিম্বা’র ওপর। সিনেমাতে বেশ কয়েকটি আকর্ষণ আছে। প্রথমবারের মতো একসঙ্গে জুটি হলেন জনপ্রিয় নির্মাতা রোহিত শেঠি ও রণবীর সিং। রণবীর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা দীপিকা পাড়ুকোনকে বিয়ে করে এমনিতেই আলোচনার তুঙ্গে। তা ছাড়া বছরের প্রথম দিকে ‘পদ্মাবত’ সিনেমায় আলাউদ্দিন খিলজির ভূমিকায় অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ছবিটিতে আছে সাইফ আলী খানের মেয়ে সারা আলী খানও। সবকিছু মিলিয়ে ছবিটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল আকাশচুম্বী। সেই আগ্রহ ধীরে ধীরে মেটাচ্ছে ছবিটি। শুধু ভারতেই ছবিটি আয় করেছে ৭৫ কোটি রুপি। গত শুক্রবার ছবিটি মুক্তি পায়। রোববার পর্যন্ত এ হিসাব দিয়েছেন ভারতের বক্স অফিস বিশ্লেষকেরা। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র. কানাডাসহ অন্যান্য দেশ মিলিয়ে আয় হয়েছে ২৯ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে ছবিটি আয় করেছে ১০০ কোটি রুপির ওপরে। বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা. অল্প কদিনের মধ্যেই ছবিটি শুধু ভারতের আয় দিয়েই ঢুকে যাবে ১০০ কোটি ক্লাবের মধ্যে। এ ছাড়া নতুন বছরে রণবীর কাজ করবেন বেশ কয়েকটি ছবিতে। এর মধ্যে জোয়া আখতারের গলি বয় ও কবির খানের ৮৩ অন্যতম। হিন্দুস্তান টাইমস,1572755 2019-01-01,অর্থনীতিতে আরও সুখের আশা,,রাজীব আহমেদ. ঢাকা,৬,https://www.prothomalo.com/economy/article/1572754/%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%BE,economy,print,1,বাণিজ্য সংবাদ,• নতুন বছরের শুরুতেই দায়িত্ব নিচ্ছে নতুন সরকার• ব্যবসায়ীরাও বাড়তি প্রত্যাশার কথা বলছেন• ইশতেহার অনুযায়ী দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান • সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা• ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি ও এক দরজায় সেবা চালু• অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া • ব্যবসার খরচ কমানো ও জ্বালানির দাম সহনীয় রাখা • নতুন বছরের শুরুতেই দায়িত্ব নিচ্ছে নতুন সরকার• ব্যবসায়ীরাও বাড়তি প্রত্যাশার কথা বলছেন• ইশতেহার অনুযায়ী দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান • সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা• ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি ও এক দরজায় সেবা চালু• অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া • ব্যবসার খরচ কমানো ও জ্বালানির দাম সহনীয় রাখা দেশের অর্থনীতির স্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে নতুন বছর শুরু হচ্ছে। রপ্তানি খাত ঘুরে দাঁড়িয়েছে. মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে. প্রবাসী আয় বাড়ছে. বৈদেশিক মুদ্রার মজুত খুবই ভালো অবস্থায়। বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব আসছে। আর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা স্বস্তি দিচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এমনই এক সুখকর অবস্থায় দেশে টানা তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার। ব্যবসায়ীরা বলছেন. নতুন বছর ও নতুন সরকার মিলিয়ে তাঁদের প্রত্যাশা বেশি। প্রত্যাশাগুলো অবশ্য বেশির ভাগই পুরোনো—ব্যবসা সহজ করা. ব্যবসার খরচ কমানো. করব্যবস্থা সহজ করা. অবকাঠামো উন্নতি. জ্বালানির ব্যবস্থা করা. সুদের হার সহনীয় রাখা। এর সঙ্গে নতুন একটি প্রত্যাশা যোগ হয়েছে আওয়ামী লীগের ইশতেহার থেকে। ব্যবসায়ীরা চান. নতুন বছরে নতুন সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান শুরু করুক। জানতে চাইলে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন. ‘আমরা চাই নতুন বছরে সরকার তার ইশতেহারে করা অঙ্গীকার অনুযায়ী দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান শুরু করুক।’ তিনি ব্যবসা সহজ করা. সময়ের কাজ সময় অনুযায়ী শেষ না করলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা. হয়রানিমুক্ত করব্যবস্থা নিশ্চিত করা. বিনিয়োগে উৎসাহ. বেসরকারি ব্যাংকেও ঋণের সুদের ৯ শতাংশ নামিয়ে আনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে জোর দেওয়ার আহ্বান জানান। শফিউল ইসলাম বলেন. নতুন সরকার অনেক উন্নয়নকাজ হাতে নেবে। এ জন্য প্রচুর পয়সার প্রয়োজন হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে হয়রানিমুক্ত পরিবেশে কর দিতে পারেন. সেটা নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারের চলতি মেয়াদে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের কাছাকাছিতে উন্নীত হয়েছে। কিন্তু উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্ব বেড়েছে। এফবিসিসিআই সভাপতি মনে করেন. কর্মসংস্থানের জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। গ্যাস-বিদ্যুতের দামের ক্ষেত্রেও মধ্যমেয়াদি একটি প্রক্ষেপণ থাকা দরকার। তিনি বলেন. যদি জ্বালানির দামের একটি প্রক্ষেপণ থাকে. তাহলে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ পরিকল্পনা সহজ হয়। সরকার গত কয়েক বছরে বেশ কিছু কাজ গুছিয়ে এনেছে. যার সুফল পাওয়া যেতে পারে চলতি বছর। এর মধ্যে অন্যতম ব্যবসায়ীদের জন্য এক দরজায় সেবা বা ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) চালু করা। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ওএসএস চালুর ক্ষেত্রে বেশ এগিয়ে গেছে। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সদ্য বিদায়ী সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন. ‘আমরা চাই ওএসএস দ্রুত চালু হোক। পাশাপাশি সেটার সুফল নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের সহজে ব্যবসা সূচকে আমরা উন্নতি চাই।’ তিনি আরও বলেন. অর্থনৈতিক উন্নতি এই সরকারের একটি বড় শক্তি। সেটা এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। আবুল কাসেম খান মনে করেন. বড় ব্যবসায়ীরা নানাভাবে অর্থের জোগান নিশ্চিত করলেও বিপাকে থাকেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। তাঁদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নিতে হবে. যাতে তাঁরা সহজে ঋণ পান। ব্যাংক খাতের অনিয়ম ও খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে ব্যাংক কমিশন গঠনের দাবিটি আবারও তুলে ধরেন তিনি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে যে রাজনৈতিক সহিংসতা হয়েছিল. তার বড় ভুক্তভোগী ছিল পোশাক খাত। এবার সেটা হয়নি। নির্বাচনের দিন বেশ কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটলেও সার্বিকভাবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক কোনো প্রভাব পড়েনি। ফলে নির্বাচন ঘিরে প্রতিবার যে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়. তা থেকে মুক্ত ছিলেন ব্যবসায়ীরা। জানতে চাইলে পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন. ‘নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। আমরা আশা করব নতুন বছরে এবং পরবর্তীতে এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে।’ টানা তিনবার নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সিদ্দিকুর রহমান বলেন. ‘সরকারের প্রতি মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। আশা করব. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রত্যাশা পূরণ করবেন।’ তিনি অবকাঠামোর উন্নতি. সুশাসন নিশ্চিত করাসহ বেশ কয়েকটি প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। বন্দর নিয়ে তিনি বলেন. চট্টগ্রাম বন্দরের পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। তবে দেশের রপ্তানি বাড়ছে। তাতে যেন চাপ তৈরি না হয়. সে জন্য বে টার্মিনাল নির্মাণ দ্রুত শেষ করতে হবে।,1572754 2019-01-01,রাজনৈতিক সংকট ও মণি সিংহের শিক্ষা,মৃত্যুবার্ষিকী,এম এম আকাশ,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572753/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%9F-%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE,opinion,print,1,রাজনীতি,বাংলাদেশের সমাজজীবন এখনো নানা অমীমাংসিত দ্বন্দ্ব. সহিংসতা. সন্ত্রাস ও সংঘাতে ভরা। একদিকে রয়েছে শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষ. অন্যদিকে রয়েছে আদর্শবিচ্যুত দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। রাজনীতিতে প্রধান যে সংকটটি মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে. তা হচ্ছে গণতন্ত্রের সংকট। এই রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে. এমন একটি উত্তরণকালীন সমাধান খুঁজে বের করা. যাতে একই সঙ্গে গণতন্ত্র ও সুশাসন ফিরিয়ে আনা যায় এবং রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জঙ্গি-সন্ত্রাসী. মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলোর সাময়িক নেতিবাচক উত্থান রহিত ও পরাজিত হয়। সেটা সম্ভব হলে আমরা মহাবিপদের হাত থেকে মুক্ত হতে পারব। এই বিশেষ সন্ধিক্ষণে গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নে কমরেড মণি সিংহের কাছ থেকে সাধারণভাবে জাতি এবং বিশেষভাবে তাঁর অনুসারী বামপন্থীরা কী শিক্ষা পেতে পারে—তা নিয়েই আলোচনা করব।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কমরেড মণি সিংহ জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন সম্পর্কে কী বলেছিলেন. তার বিবরণ পাওয়া যায় স্বাধীনতাযুদ্ধের দলিলপত্রে দেওয়া তাঁর সাক্ষাৎকারে। তিনি বলেছিলেন ‘নির্বাচনের ফলাফল মূল্যায়ন করে আমরা (কেন্দ্রীয় কমিটি) আরও দেখেছিলাম যে. আওয়ামী লীগ কেবল “পূর্ব-পাকিস্তানের” জনগণেরই সর্বাত্মক সমর্থন পায়নি. তৎকালীন পাকিস্তানের সরকার গঠনের অধিকার লাভ করেছে।...পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিগুলো এবং এই শাসকদের মদদদাতা সাম্রাজ্যবাদ কিছুতেই নির্বাচনের এই ফলাফল মেনে নেবে না এবং তা বানচাল করার ষড়যন্ত্র করবে।...এমতাবস্থায় বাংলাদেশ স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকেই অগ্রসর হবে এবং সে সংগ্রামের জন্য জনগণকে প্রস্তুত করা দরকার।’ পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সেদিকে এগিয়ে গেলে. পাকিস্তানের দক্ষিণপন্থী প্রতিক্রিয়াশীল ধর্মভিত্তিক দল ও শক্তিগুলো পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করে। এই মুষ্টিমেয় অংশকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতার প্রশ্নে ব্যাপক জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার প্রশ্ন ১৯৭১ সালে সামনে চলে আসে। তখন বামপন্থীদের মধ্যে দুটি মত বিরাজ করছিল। একটি মত ছিল আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতাসংগ্রামে অংশগ্রহণ করা। অপর মতটি মুক্তিযুদ্ধকে দেখছিল ‘দুই কুকুরের লড়াই’ হিসেবে। এই দ্বিতীয় মতটি ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী’ এবং ‘মুক্তিযোদ্ধাদের বাহিনী’ উভয়কেই সমশত্রু জ্ঞান করে সমদূরত্বের নীতির পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছিল। বিভ্রান্ত চীনাপন্থীদের বৃহৎ একটি অংশ তখন এই অবস্থান গ্রহণ করে। এই উদ্ধৃতি থেকে বোঝা যায়. ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ‘জাতীয় ইস্যুতে’ জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে এগোনোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন কমরেড মণি সিংহ। ‘জাতীয় ইস্যু’র বিপরীতে সংকীর্ণ বামপন্থী অবস্থানকে তিনি ‘বিভেদ সৃষ্টিকারী’ এবং ‘ভ্রান্ত’ বলে অভিহিত করেছিলেন। কেউ প্রশ্ন করতে পারেন এবার ‘গণতন্ত্র ও সুশাসনের’ সংকটকে কেন্দ্র করে সে রকম কোনো জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব ছিল কি? আমরা জানি সাধারণত ‘জাতীয় ঐক্যের’ মধ্যে বাম ও ডানপন্থী উভয় প্রকার শক্তি বিদ্যমান থাকে। সেই জাতীয় ঐক্য জনগণের স্থায়ী কল্যাণে কতটুকু কাজে আসবে. তা নির্ভর করে ঐক্যের ভেতরে শক্তির ভারসাম্য ও নেতৃত্বের শ্রেণিচরিত্রের ওপর। এ বিষয়টি সম্পর্কে কমরেড মণি সিংহ কি সজাগ ছিলেন? তিনি কি ‘জাতীয় ঐক্যের’ অবস্থান নিতে গিয়ে জাতীয় ঐক্যের অভ্যন্তরে ‘বিভিন্ন শ্রেণিগুলোর অভ্যন্তরীণ সংগ্রামের’ দিকটিকে ভুলে গিয়েছিলেন বা তার ওপর জোর কম দিয়েছিলেন? এই প্রশ্নটিও বিচার করা প্রয়োজন। মণি সিংহের সাক্ষাৎকারের আরেক অংশে আছে— ‘আমরা আওয়ামী লীগসহ স্বাধীনতার পক্ষের সকল শক্তির বৃহত্তম জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে সচেষ্ট ছিলাম। এই প্রচেষ্টা তেমন সফল হয়নি। শেষের দিকে বাংলাদেশ সরকারের “পরামর্শদাতা কমিটি” গঠিত হয় এবং তাতে আমাদের পার্টির প্রতিনিধিরূপে আমি ছিলাম। সশস্ত্র সংগ্রামের অগ্রগতির পর্যায়ে আমাদের উভয় দলের দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য ছিল। আমরা মুক্ত এলাকা গড়ে তুলে সেখানে প্রগতিশীল অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক নীতি গ্রহণ ও কার্যকর করার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের মডেল জনগণের কাছে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতাম এবং ওই রকম রণকৌশল গ্রহণের কথা বলতাম। আমরা স্বাধীনতাসংগ্রামকে কেবল সাধারণ জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতাম না।’ এই উদ্ধৃতি থেকে এটা স্পষ্ট যে কমিউনিস্টদের জাতীয় ঐক্যের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অর্থ নিছক জাতীয়তাবাদী বা নিছক বুর্জোয়া গণতন্ত্রী হয়ে যাওয়া নয় বা আত্মসত্তা বিসর্জন দেওয়া নয়। নিজস্ব পৃথক বৈশিষ্ট্য ও পৃথক রণকৌশল বজায় রাখার শর্ত মেনে নিয়েই জাতীয় ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে। উপরিউক্ত আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হচ্ছে. জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের নানা পর্বে ন্যূনতম সুনির্দিষ্ট জাতীয় ইস্যুতে বামপন্থীদের সঙ্গে অন্যান্য অ-বাম শক্তির ব্যাপক ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে. কিন্তু সেই প্রয়োজনীয় ঐক্যের সুনির্দিষ্ট রূপ এমন হতে হবে. যাতে জাতীয় ন্যূনতম ইস্যুর সমর্থক বামপন্থীদের অন্যান্য উচ্চতর সংগ্রামগুলো চালানোর স্বাধীন সুযোগ ও অধিকার বজায় থাকে এবং ক্রমান্বয়ে তাদের শক্তির ভারসাম্য বৃদ্ধি পেতে থাকে। চূড়ান্ত লক্ষ্য ও আশু লক্ষ্যের মধ্যে যাতে সংযোগ বজায় থাকে। তবে উপরিউক্ত রাজনৈতিক দিকটি ছাড়াও অন্য আরও অনেক প্রসঙ্গে অনেক শিক্ষণীয় বিষয় মণি সিংহের পুরো জীবনের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে। তাঁর সততা. নিষ্ঠা. আত্মত্যাগ. সময়ানুবর্তিতা. শৃঙ্খলা. বিপ্লবী মানবতাবাদ. শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা. অঙ্গীকার ও অকৃত্রিম ভালোবাসা; সংগঠনে অধস্তনদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দরদ ইত্যাদি প্রতিটি বিষয়ই আমাদের নানা জনের নানা স্মৃতিতে ভাস্বর হয়ে আছে। গতকাল ৩১ ডিসেম্বর ছিল এই মহান নেতার ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। তাঁকে জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা। এম এম আকাশ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপকakash92@hotmail.com,1572753 2019-01-01,কী ঘটতে চলেছে নতুন বছরে,,রোকেয়া রহমান. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/international/article/1572751/%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87,international,print,1,ইউরোপ|এশিয়া,• যুগের কলকাঠি নাড়ছেন ট্রাম্প. পুতিন. কিম ও যুবরাজ সালমানের মতো ব্যক্তিরা• কিছু ঘটনা নিশ্চিত ঘটবে ২০১৯ সালে• কিছু ঘটনা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা • যুগের কলকাঠি নাড়ছেন ট্রাম্প. পুতিন. কিম ও যুবরাজ সালমানের মতো ব্যক্তিরা• কিছু ঘটনা নিশ্চিত ঘটবে ২০১৯ সালে• কিছু ঘটনা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা বিশ্ব এখন লোকরঞ্জনবাদ ও সংরক্ষণবাদের। যুগের কলকাঠি নাড়ছেন ট্রাম্প. পুতিন. কিম ও যুবরাজ সালমানের মতো ব্যক্তিরা। কিছু ঘটনা নিশ্চিত ঘটবে ২০১৯ সালে। আর কিছু ঘটনা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। তবু ভবিষ্যদ্বাণী। নতুন কংগ্রেস পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে ২০১৮ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ডেমোক্র্যাটরা। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর দেশের ১১৬তম কংগ্রেসের সদস্যরা প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হবেন ৩ জানুয়ারি। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন মাত্রার বিরোধিতার মুখোমুখি হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। মোদিই প্রধানমন্ত্রী থাকবেন? সম্প্রতি ভারতের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটেছে দিল্লিতে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির। রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস। ধারণা করা হচ্ছে. প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালে ভোটারদের কাছে যে প্রত্যাশার বাণী শুনিয়েছিলেন. তা তিনি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই এই ভরাডুবি। কিন্তু ক্যারিশম্যাটিক মোদির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও বেশ। ফলে জয় নিশ্চিত করতে মোদি যেকোনো পদক্ষেপ নেবেন. তা ভাবাই শ্রেয়। ব্রেক্সিট হবে কি?যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ত্যাগ সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে বলে উভয় পক্ষ আশা ব্যক্ত করেছিল; কিন্তু তার উল্টোটা হচ্ছে। ২০১৮ সালজুড়ে উভয় পক্ষ দেনা-পাওনা নিয়ে বারবার আলোচনায় বসেছে। এমনকি শেষ মুহূর্তে চাইলেও যুক্তরাজ্য নিজের ‘ক্ষতি’ করা থামাতে ইইউ থেকে প্রস্থান না-ও করতে পারে. এমন ধারণাও রয়েছে। কারণ. ইইউর আদালত সম্প্রতি রায় দিয়েছেন. ব্রেক্সিট সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারবে যুক্তরাজ্য। তারপরও যদি সবকিছু সময়মতো হয়. তাহলে আগামী ২৯ মার্চ স্থানীয় সময় রাত ১১টায় ইইউ থেকে বেরিয়ে যাবে যুক্তরাজ্য। ক্ষমতায় থাকবেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসৌদি আরবের কলাম লেখক জামাল খাসোগি হত্যার দায় এসে পড়েছে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ওপর। তা সত্ত্বেও নিশ্চিত বলা যায়. তিনিই ক্ষমতায় থাকতে চলেছেন। বিগত তিন বছরে বিরোধীদের দমনের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছেন তিনি। পাশে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খাসোগি হত্যার ঘটনার চেয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল রপ্তানিকারক দেশটির যুবরাজকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি তাঁর কাছে যে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইতিমধ্যে তা খোলাসা করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পকে অভিশংসনযুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের সঙ্গে রাশিয়ার সম্ভাব্য আঁতাতের বিষয়ের তদন্ত এখন তাঁকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে। ট্রাম্প ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বাধা দিয়েছিলেন. বিশেষ কৌঁসুলি রবার্ট ম্যুলারের তদন্তের মাধ্যমে হয়তো সেই বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে এ বছরের শুরুতেই। এ অবস্থায় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় অভিশংসিত হতে পারেন ট্রাম্প। তবে তাঁকে ক্ষমতা থেকে হটাতে উচ্চকক্ষ সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনও লাগবে। সেখানে ক্ষমতাসীনদের অবস্থান পাকাপোক্ত হওয়ায় ট্রাম্প অভিশংসনের চেষ্টা থেকে যে উতরে যাবেন. তা বলাই যায়। সম্রাটের পদত্যাগজাপনের সম্রাট আকিহিতো পদত্যাগ করবেন আগামী ৩০ এপ্রিল। জাপান সাম্রাজ্যের প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাসে আকিহিতোই প্রথম সম্রাট. যিনি সিংহাসন ছাড়ছেন। ৮৩ বছর বয়সী আকিহিতো গত বছর বলেছিলেন. বার্ধক্যজনিত কারণে তাঁর জন্য রাজকীয় দায়িত্ব পালন কঠিন। বাড়বে না দক্ষিণ চীন সাগরের উত্তেজনাদক্ষিণ চীন সগরের বিরোধপূর্ণ জলসীমায় চীন অনেক দিন ধরেই কৃত্রিম দ্বীপ গড়ছে। কিন্তু নতুন বছরে বড় ধরনের এমন পদক্ষেপ বেইজিং নেবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণটা সহজ. ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়েছে চীন। দেশটি আর ওয়াশিংটনের নতুন তোপে পড়তে চাইবে না।,1572751 2019-01-01,উনিশে পা,,মারিয়া সুলতানা,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572750/%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE,life-style,print,1,নকশা|ফ্যাশন|স্টাইল,২০১৯ যাত্রা শুরু করছে আজ। আর যে মেয়েটি আঠারো পেরিয়ে উনিশে রেখেছে পা. সেই মেয়েটির পোশাক কেমন হবে? দেখুন প্রচ্ছদ প্রতিবেদন। ইশ্‌। ইনস্টাগ্রামে তুষারপাতের ছবি দেখে ইচ্ছে করছে এখনই চলে যেতে ওখানে। বরফ বল বানিয়ে খেলতে। কখনোবা মনে হয় একদল সঙ্গী–সাথি নিয়ে বেরিয়ে পড়তে হিমছড়ির বনে-জঙ্গলে। পাহাড়. ঝরনা. নদী—সব দাপিয়ে বেড়াতে! মাঝেমধ্যে আবার মনে হয় একা একা নীলগিরির মেঘ ছুঁয়ে আসতে। মনে হয় মেঘ হয়ে উড়ে যাই এক দেশ থেকে আরেক দেশে. ঘুরে দেখতে পুরো পৃথিবী। জেনে নিতে মন চায় সব অজানা. জিতে নিতে পুরা বিশ্ব! অষ্টাদশী হয়েছে আরও একটু পরিপক্ব. আত্মবিশ্বাসের জায়গা মজবুত হয়েছে আরও। সব ইচ্ছেতে একটু একটু শুরু হয়েছে বিচারবোধ। কারণ. উনিশে পড়ে গেছে পা। পোশাকে ভিন্নতাএই বয়সে মেয়েরা নিজের সৌন্দর্য. ভালো লাগা. পরিবার. বন্ধুবান্ধব. লেখাপড়া. আশপাশের পরিবেশ—সব নিয়ে একটু সচেতন হয়ে ওঠেন। পোশাক তার মধ্যে অন্যতম। নতুন কোন ফ্যাশন চলছে. কোন স্টাইলে নিজেকে সবার থেকে একটু অন্যভাবে উপস্থাপন করা যায়. তা নিয়ে শুরু হয়ে যায় জল্পনাকল্পনা। সাধারণত. মেয়েরা এখন সালোয়ার কুর্তা বা জিনস টপে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কুর্তাতেও এখন এসেছে নতুন ছাঁট ও কাট। আঁটসাঁট কামিজ বা কুর্তার চেয়ে একটু এ-লাইন প্যাটার্নের বা বেশি ঢিলা টপ বেশি জনপ্রিয়। সে ক্ষেত্রে হাতায় এসেছে অনেক রকম ভিন্নতা। বেল স্লিভস. রাফেলস. টিউলিপ. ফ্রিল. কোল্ড শোল্ডার—নতুন নতুন হাতা এই বয়সের মেয়েরা স্বাচ্ছন্দ্যে যোগ করে নিচ্ছেন তাঁদের পোশাকে। এ ক্ষেত্রে তিন বা সাড়ে তিন হাতাওয়ালা পানা কাপড়ের দেড় গজ কাপড়ে হয়ে যাবে টপ। রাফেলস বা বেল স্লিভসের জন্য আরেকটু কাপড় বাড়িয়ে কিনতে হবে। টপের রংটি একরঙা হয়ে হাতাটা হতে পারে প্রিন্টের। কিংবা একটা প্রিন্টের টপের সঙ্গে পরতে পারেন একরঙা প্যান্ট বা স্কার্ট। প্যান্টেও এখন অনেক ধরনের প্যাটার্ন জনপ্রিয়—টিউলিপ প্যান্ট. বক্স প্লিট প্যান্ট. হারেম প্যান্ট. সারারা প্যান্ট. রাফেলস প্যান্ট. ডিভাইডারে হেমলাইনে ফ্রিল বা লেসের সমন্বয়। আড়াই হাত পানার কাপড়ে আড়াই থেকে তিন গজ কাপড়ে হয়ে যাবে এসব প্যান্ট। তবে হারেম প্যান্ট বা সারারা প্যান্টে কাপড় কিনতে হবে আরেকটু বেশি। সুতি. লিনেন বা সিল্কে পাওয়া যায় বিভিন্ন রঙের বা প্রিন্টের কাপড়। বন্ধুদের আড্ডায়. ক্লাসে বা কোচিংয়ের জন্য এই কাপড়গুলো দিয়ে পছন্দমতো কিছু বানিয়ে নিতে পারেন বা কিনেও নিতে পারেন। ফ্যাশনেবলের পাশাপাশি এই কাপড়গুলো আরামদায়কও। দাওয়াতেকোনো বিয়েবাড়ির দাওয়াতে বা আত্মীয়ের বিয়েতে কাপড় নিয়ে দেখা যায় উনিশের মেয়েদের বাড়তি ঔৎসুকতা। কী পোশাক পরবেন. তার কাট বা ধরন. রং এবং সাজ নিয়ে শুরু হয়ে যায় জল্পনাকল্পনা। এ ক্ষেত্রে লেহেঙ্গা. ক্রপ টপের সঙ্গে ঘেরওয়ালা স্কার্ট. সারারা কামিজ. গাউন বেশ জনপ্রিয়। সিল্ক. জর্জেট. ভেলভেট. কাতান সিল্ক—যেকোনো একরঙা কাপড়ে টপ এবং প্রিন্ট কাপড়ে স্কার্ট বা লেহেঙ্গার সঙ্গে চওড়া লেসের পাড় হতে পারে। প্রিন্ট এবং একরঙা—দুটোই মানিয়ে যাবে। এর সঙ্গে চুলের ব্লো ড্রাই. কোঁকড়া বা ছাড়া চুলে হতে পারে সেই সাজ। সঙ্গে হালকা একটু সাজ. হাতভর্তি চুড়ি বা হালফ্যাশনের লম্বা কানের দুল। ব্যস. তৈরি। উনিশের নিজস্ব সৌন্দর্য. বুদ্ধিদীপ্ত চোখ আর নির্মল হাসি তাঁকে সারাক্ষণ করে রাখবে উচ্ছল আর প্রাণবন্ত।লেখক: ডিজাইনার. মুমু মারিয়া,1572750 2019-01-01,খাবার হোক স্বাস্থ্যকর,,রাফিয়া আলম,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572747/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A6%B0,life-style,print,1,নকশা|খাবারদাবার|পরামর্শ,ভোজনরসিক বাঙালিমাত্রই তেল-মসলা দেওয়া খাবার ভালোবাসে। কাচ্চি-রোস্টে বিয়েবাড়ির ভোজ কিংবা বাড়ি ফেরার পথে পুরি-শিঙাড়ায় নিত্য উদরপূর্তি—তেল আর মসলা না হলে খাবারের আয়োজনটাই যেন পানসে। ইতালীয় কায়দায় তৈরি পাস্তা খেতে বসেও পাতে চাই বাড়তি মেয়োনেজ কিংবা লবণ।তবে এত তেল-মসলা শরীরে সইবে তো? বারডেম জেনারেল হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন. প্রতিটি মসলা ও তেলের গুণাগুণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রান্নায় এগুলোর ব্যবহার পরিমিত হলে একদিকে যেমন স্বাদে আসে নতুনত্ব. অন্যদিকে পরিপাকতন্ত্রের কাজে সহায়তা করে। তবে এই দুটি জিনিসের ব্যবহার অতিরিক্ত হলে বেড়ে যাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি। অতিরিক্ত তেল ও মসলায় যা হয়● শর্করা ও আমিষজাতীয় খাবারের তুলনায় তেলজাতীয় খাবার থেকে আড়াই গুণ বেশি ক্যালরি আসে। মানে. ভাতের বদলে সমপরিমাণ পোলাও খেলে কিংবা রুটির বদলে সমপরিমাণ পরোটা খেলে আপনি আড়াই গুণ বেশি ক্যালরি পাবেন। ফলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে।● অতিরিক্ত তেল ও মসলায় তৈরি খাবার খেলে অ্যাসিডিটি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। ডুবোতেলে ভাজা খাবারে অ্যাসিডিটির আশঙ্কা আরও বেশি।● গুরুপাক বা অতিরিক্ত মসলা দেওয়া খাবার খেলে পেটের অন্যান্য সমস্যাও দেখা যায়। এমনকি আলসারও হতে পারে। অতিরিক্ত তেল-মসলা দিয়ে তৈরি খাবার সহজে হজমও হয় না।● একই তেলে বারবার ভাজা খাবার খেলে রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়তে পারে। সঙ্গে বেড়ে যায় হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি। করণীয়অতিরিক্ত তেল-মসলার অপকারিতা সম্পর্কে তো জানা হলো। এবার জেনে নিন আপনার করণীয়—● অন্য কোনো অসুখ না থাকলে অতিরিক্ত তেল ও মসলা দেওয়া গুরুপাক খাবার মাঝেমধ্যে খেতে পারেন। তবে অল্প পরিমাণে।● পেটের বিভিন্ন সমস্যা থাকলে এ ধরনের খাবার একেবারে বাদ দিতে পারলে সবচেয়ে ভালো। ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রম (আইবিএস) আক্রান্ত ব্যক্তি অতিরিক্ত তেল-মসলা খেলে সমস্যায় ভুগতে পারেন। যাঁদের আলসার রয়েছে কিংবা যাঁরা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন. তাঁদেরও এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। ডায়রিয়া বা ডিসেন্ট্রি আক্রান্ত ব্যক্তি অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার খেলে সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই ডায়রিয়া বা ডিসেন্ট্রি হলেও এমন খাবার খাওয়া উচিত নয়।● কাউকে নিমন্ত্রণ করলে তাঁর স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা মাথায় রাখুন। নিজের খাবারের ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে। স্থূল শরীরে নিজের অশান্তি না বাড়াতে চাইলে খাবার খাওয়ার সময় সচেতনতা জরুরি।,1572747 2019-01-01,আ. লীগ ছাড়া জামানত খুইয়েছেন প্রায় সবাই,,প্রণব বল ও সুজন ঘোষ. চট্টগ্রাম,২৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572748/%E0%A6%86.-%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87,bangladesh,print,1,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|চট্টগ্রাম|বিএনপি,• চট্টগ্রামের ১৬ আসন • বিএনপির ১০ জনসহ ৯৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত• ১০ আসনে ৮০ শতাংশের ওপর ভোট• শূন্য ভোট পেলেন একজন • চট্টগ্রামের ১৬ আসন • বিএনপির ১০ জনসহ ৯৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত• ১০ আসনে ৮০ শতাংশের ওপর ভোট• শূন্য ভোট পেলেন একজন নজিরবিহীন নির্বাচনে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের বিজয়ী ১৬ জন ছাড়া প্রায় সবার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ১১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯৫ জন জামানত হারিয়েছেন। এ তালিকায় আছেন ২০–দলীয় জোটের সমন্বয়ক অলি আহমদ. বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানসহ ঐক্যফ্রন্টের ১০ প্রার্থী। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১০টি আসনে ৮০ শতাংশের ওপর ভোট পড়েছে। ১১৭ প্রার্থীর মধ্যে চট্টগ্রাম-১০ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফকে শূন্য ভোট দেখানো হয়। জামানত হারানো বিএনপি জোটের অন্যান্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী. চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সাবেক সাংসদ মোস্তফা কামাল পাশা. চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সাবেক সাংসদ নুরুল আলম. চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের আসলাম চৌধুরী. চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনের নগর বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন ও চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের জসিম উদ্দিন সিকদার। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের বিএনপি প্রার্থী সাবেক সাংসদ সরওয়ার জামাল নিজাম শুধু জামানতই হারাননি. এখানে তিনি তৃতীয় হয়েছেন। তিনি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬২১ ভোটের ব্যবধানে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন। চট্টগ্রাম-১০ আসনে আবদুল্লাহ আল নোমান পরাজিত হয়েছেন ২ লাখ ৪৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে। এলডিপির সভাপতি সাবেক মন্ত্রী অলি আহমদ পরাজিত হন ১ লাখ ৬৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন. ‘আমাদের এজেন্ট. সমর্থক. সাধারণ ভোটার কাউকে ভোট দিতে দেয়নি। এই প্রতিবাদে আমিও ভোটদানে বিরত ছিলাম। এটা প্রহসনের নির্বাচন।’ জামানত বাঁচল যাঁদের চট্টগ্রাম-১১ তে কোনোভাবে জামানত রক্ষা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর। তিনি এম এ লতিফের কাছে ২ লাখ ৩০ হাজার ভোটে পরাজিত হন। জামানত রক্ষা করতে পারা অপর ভাগ্যবানেরা হলেন চট্টগ্রাম-২ আজিম উল্লাহ বাহার. চট্টগ্রাম-৫ সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম. চট্টগ্রাম-৮ আবু সুফিয়ান. চট্টগ্রাম-১২ এনামুল হক ও চট্টগ্রাম-১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম।,1572748 2019-01-01,তেল কম মসলা কম,রেসিপি,,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572746/%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%AE,life-style,print,1,রেসিপি|খাবারদাবার|নকশা,অনেকে মনে করেন খাবারে বেশি তেল আর মসলা যুক্ত হলেই মজাদার হবে। এই ধারণা সঠিক নয়। বেশি তেল ও মসলা শরীরের জন্যও ক্ষতিকর। কম মসলায় রান্না করা যায় স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবার। রেসিপি দিয়েছেন সিতারা ফিরদৌসজুসি চিকেন রোস্ট উপকরণ: মুরগি ১ কেজি. আদাবাটা ১ চা–চামচ. রসুনবাটা ১ চা–চামচ. সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা–চামচ. টকদই ৪ টেবিল চামচ. টমেটো সস ১ টেবিল চামচ. লবণ পরিমাণমতো।প্রণালি: মুরগির চামড়া রেখে পরিষ্কার করে সব উপকরণ দিয়ে ম্যারিনেট করে ১ ঘণ্টা রাখতে হবে। স্টিমার (সেদ্ধ করার পাত্র) বা বড় হাঁড়িতে পানি দিয়ে মুরগির পাত্র রেখে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ভাপে ৪০-৪৫ মিনিট রান্না করতে হবে। মুরগি থেকে ঝোল বের হবে। অল্প জালে চুলায় রেখে নাড়াচাড়া করে ঝোল শুকিয়ে নিন। ভাপের মুরগি মোটা করে কাটা সালাদের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়। দেশি মুরগির পদউপকরণ: মাঝারি আকারের দেশি মুরগি ১টি. আদাবাটা ১ চা–চামচ. রসুনবাটা ১ চা–চামচ. পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল চামচ. গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা–চামচ. তেল ১ টেবিল চামচ. টকদই ৪ টেবিল চামচ. সবজি ২ কাপ (গাজর. বেবিকর্ন. চাইনিজ ক্যাবেজ. ফুলকপি. ব্রকলি. স্কোয়াস. ক্যাপসিকাম ইত্যাদি). কাঁচা মরিচ ৪টি. দারুচিনি ২ টুকরা. এলাচ ২টি. লবঙ্গ ৪টি. তেজপাতা ১টি।প্রণালি: মুরগি পরিষ্কার করে পছন্দমতো টুকরা করে টকদই ও সব মসলা দিয়ে মাখিয়ে ২৫-৩০ মিনিট রেখে দিন। ননস্টিক প্যানে তেল গরম করে সবজি কিছুক্ষণ ভেজে মাংস দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। এবার গরম পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। ঝোল কমে এলে চুলা বন্ধ করে দিন। ভাপে কোরালউপকরণ: কোরাল মাছ ১ কেজি ওজনের ১টি. লেবুর রস ২ টেবিল চামচ. রসুনবাটা ১ চা–চামচ. কাঁচা মরিচবাটা ১ চা–চামচ. টমেটো সস ২ টেবিল চামচ. ফিশ সস ১ টেবিল চামচ. অয়েস্টার সস ১ টেবিল চামচ. জলপাই তেল ১ চা-চামচ. লবণ পরিমাণমতো।প্রণালি: মাছ পরিষ্কার করে দুই পিঠে ছুরি দিয়ে দাগ কেটে সব উপকরণ দিয়ে ম্যারিনেট করুন। স্টিমার বা বড় হাঁড়িতে পানি দিয়ে মাছের পাত্র রেখে ৩০-৩৫ মিনিট রান্না করতে হবে। গ্রিলারে বা ওভেনে ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২০-২৫ মিনিট রেখে নামিয়ে নিন। ভেজিটেবল স্টার ফ্রাইউপকরণ: টুকরো করে কাটা সবজি ২ কাপ (ফুলকপি. বাঁধাকপি. চাইনিজ ক্যাবেজ. রেড ক্যাবেজ. গাজর. বেবিকর্ন. ব্রকলি. স্কোয়াস. পছন্দমতো রঙের ক্যাপসিকাম). পেঁয়াজ ২টি (ভাজে খোলা). কাঁচা মরিচ ৩-৪টি. আদাকিমা ১ চা–চামচ. রসুনকিমা ১ চা–চামচ. জলপাই তেল ১ টেবিল চামচ. কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ. ফিশ সস ১ টেবিল চামচ. অয়েস্টার সস ১ টেবিল চামচ. ভিনেগার ১ টেবিল চামচ. চিনি ১ চা–চামচ. পানি ৩ টেবিল চামচ. লবণ পরিমাণমতো।প্রণালি: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে রাখতে হবে। ননস্টিক ফ্রাইপ্যানে জলপাই তেল গরম করে রসুন. আদা. কাঁচা মরিচ. পেঁয়াজ ও সবজি পর্যায়ক্রমে দিয়ে ভাজুন। লবণ দিন। সবজি ভাজা হলে কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণে ১ চা–চামচ গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে নামাতে হবে। লাউপাতায় মোড়ানো টাটকিনিউপকরণ: টাটকিনি মাছ ৮টি. লাউপাতা ৮টি. টমেটো ২টি. পেঁয়াজকুচি আধা কাপ. কাঁচা মরিচবাটা ১ চা–চামচ. কাঁচা মরিচ ৮টি. হলুদগুঁড়া সামান্য. লবণ পরিমাণমতো. ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ. পেঁয়াজপাতা ১টি. সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ।প্রণালি: লাউপাতা গরম পানিতে অল্প কিছুক্ষণ রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। মাছ কেটে ধুয়ে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে লেবুর রস মাখিয়ে রাখুন। পেঁয়াজ. কাঁচা মরিচবাটা. লবণ. হলুদ. ধনেপাতাকুচি ও তেল একসঙ্গে মাখিয়ে মাছের গায়ে লাগিয়ে টমেটো স্লাইস. আস্ত কাঁচা মরিচ. লাউপাতা দিয়ে মাছ মুড়িয়ে নিতে হবে। ফ্রাইপ্যানে পেঁয়াজপাতা বিছিয়ে লাউপাতায় মোড়ানো মাছ রেখে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে অল্প জ্বালে ৩০ মিনিট রান্না করতে হবে। মাঝে একবার উল্টে দিন। কিছুক্ষণ দমে রেখে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন লাউপাতায় মোড়ানো টাটকিনি। ছবি: সুমন ইউসুফ,1572746 2019-01-01,গড়ে ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট,,নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধি. খুলনা,৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572743/%E0%A6%97%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A7%AD%E0%A7%AB-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%9F,bangladesh,print,2,খুলনা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|ইভিএম|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা জেলার ৬টি আসনে গড়ে ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে খুলনা-২ আসন বাদে অন্য ৫টি আসনে ভোট পড়েছে গড়ে ৮০ দশমিক ৪২ শতাংশ। শুধু খুলনা-২ আসনে ৫০ শতাংশের কম ভোট পড়েছে। জেলার ৬টি আসনে মোট ৭৮৬টি কেন্দ্রে ভোটার ছিলেন ১৮ লাখ ১ হাজার ২ জন। আওয়ামী লীগের ৬ বিজয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন প্রার্থী ৮০ শতাংশের ওপরে ভোট পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২ জন পেয়েছেন ৯০ শতাংশের ওপরে। অন্যদিকে ধানের শীষের কোনো প্রার্থীই ১৯ শতাংশের বেশি ভোট পাননি। নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৩৫ প্রার্থীর মধ্যে ধানের শীষের ২ জন প্রার্থীসহ মোট ২৫ প্রার্থীর জামানত বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খুলনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়. খুলনা-১ আসনে (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) ৮২ দশমিক ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। ওই আসনের ১০৭টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৫৯ হাজার ৪২০ জন। তাঁদের মধ্যে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৭টি ভোট পড়েছে। ১ হাজার ৩৯৯টি ভোট বাতিল হওয়ার পর বৈধ ভোট সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ১২ হাজার ১৮৮। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পঞ্চানন বিশ্বাস নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭২ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৮১ দশমিক ১৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ২৮ হাজার ৩২২ ভোট (১৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ)। এ ছাড়া কাস্তে প্রতীকে অশোক কুমার সরকার ৮২৮. হাতপাখা প্রতীকে মো. আবু সাঈদ ৫ হাজার ৯৬৫ এবং লাঙ্গল প্রতীকে সুনীল শুভ রায় ৪ হাজার ৯২১ ভোট পেয়েছেন। ভোট গ্রহণের দিন দুপুর ১২টার দিকে সুনীল শুভ রায় ও সাড়ে ১২টার দিকে আমীর এজাজ খান ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। খুলনা-২ আসনে (সদর-সোনাডাঙ্গা) ভোট পড়েছে ৪৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। কেন্দ্র ছিল ১৫৭টি। মোট ভোটার ২ লাখ ৯৪ হাজার ১১৬ জন। এই আসনের সব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট হওয়ায় কোনো ভোট বাতিল হয়নি। আসনটিতে খুলনা ৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে। নৌকা প্রতীকের শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল ১ লাখ ১২ হাজার ২০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৭৭ দশমিক ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের নজরুল ইসলাম মঞ্জু ২৭ হাজার ৩৭৯ ভোট পেয়েছেন. যা মোট ভোটের ১৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এ ছাড়া এই আসনে এইচ এম শাহাদাৎ কাস্তে প্রতীকে ১ হাজার ১৬. এস এম সোহাগ টেলিভিশন প্রতীকে ১৫০. কে এম ইদ্রিস আলী গোলাপ ফুল প্রতীকে ৩৮৪. মনিরা বেগম মাছ প্রতীকে ১৭৬ এবং হাতপাখা প্রতীকে মো. আব্দুল আউয়াল ৪ হাজার ১৫ ভোট পান। খুলনা-৩ আসনে (খালিশপুর-দৌলতপুর-খানজাহান আলী) মোট ১১৭টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৭৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোট ভোটার ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮১ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৯ ভোট পড়েছে। বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৬১৬ ভোট। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৮১ দশমিক ৩৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬০৬ ভোট (১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ)। এ ছাড়া মই প্রতীকে জনার্দন দত্ত ২৫৪. হাতপাখা প্রতীকে মো. মুজ্জাম্মিল হক ৬ হাজার ৮৭২. গোলাপ ফুল প্রতীকের এস এম সাব্বির হোসেন ১৯৫ ভোট পেয়েছেন। ভোট গ্রহণের দিন দুপুরের আগেই বিএনপির রকিবুল ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। খুলনা-৪ আসনে (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া) ৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই আসনের ১৩১টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ১০ হাজার ৪৭৬ জন। তাঁর মধ্যে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৬৪ ভোট পড়েছে। বাতিল ভোটের সংখ্যা ১ হাজার ৭৫৩। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস সালাম মুর্শেদী নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৩১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন (৯০ দশমিক ৮৮ শতাংশ)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৭ ভোট (৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ)। তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আসনে কোদাল প্রতীকে কে এম আলী দাদ ২৬৩. হাতপাখা প্রতীকে ইউনুস আহম্মেদ শেখ ৭ হাজার ১২৫. গোলাপ ফুল প্রতীকের শেখ আনছার আলী ৫২৭ এবং টেলিভিশন প্রতীকের শেখ হাবিবুর রহমান ২৯৮ ভোট পেয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী দুপুরের আগেই ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। খুলনা-৫ আসনে (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) ৭৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই আসনের ১৩৩টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৪৭০ জন। তাঁদের মধ্যে ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৩ ভোট পড়েছে। ২ হাজার ১০১ ভোট বাতিল হয়েছে। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মিয়া গোলাম পরওয়ার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩২ হাজার ৯৫৯ ভোট (১২ দশমিক ২১ শতাংশ)। এ ছাড়া এই আসনে কাস্তে প্রতীকে চিত্ত রঞ্জন গোলদার ৪৯৬. লাঙ্গল প্রতীকের মো. শাহীদ আলম ৬২৭ ও হাতপাখা প্রতীকের শেখ মুজিবুর রহমান ৪ হাজার ১৩৩ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ধানের শীষের প্রার্থী বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। খুলনা-৬ আসনে (কয়রা-পাইকগাছা) ভোট পড়েছে ৮৫ দশমিক ০৪ শতাংশ। ভোট পড়ার এ হার জেলার অন্যান্য আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ওই আসনের ১৪১টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৯ জন। তাঁর মধ্যে ৩ লাখ ১১ হাজার ৪৬০ ভোট পড়েছে। বাতিল ভোটের সংখ্যা ২ হাজার ৯২১। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আক্তারুজ্জামান নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ৯২ দশমিক ১৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৫৭ ভোট। এর ফলে তাঁর জামানত বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই আসনের হাতপাখা প্রতীকে গাজী নূর আহমাদ ২ হাজার ২৫৭. গোলাপ ফুল প্রতীকের শেখ মর্তুজা আল মামুন ৩৩৪. কাস্তে প্রতীকের সুভাষ চন্দ্র সানা ৪৪২. টেলিভিশন প্রতীকের মির্জা গোলাম আজম ১৭২ ও লাঙ্গল প্রতীকের মো. শফিকুল ইসলাম ১ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়েছেন। কারাগারে থাকায় ওই আসনের ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে তাঁর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট বেলা ১১টার দিকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। দুই নতুন মুখ খুলনার ৬টি আসনের মধ্যে ২ জন প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১ জন হলেন খুলনা-২ আসনের শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল ও অন্যজন হলেন খুলনা-৬ আসনের মো. আক্তারুজ্জামান।,1572743 2019-01-01,১৭ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত,,প্রতিনিধি. ফরিদপুর,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572742/%E0%A7%A7%E0%A7%AD-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4,bangladesh,print,2,ফরিদপুর|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,ফরিদপুরের চারটি আসনে ১৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জন জামানত হারিয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির চার প্রার্থী রয়েছেন। জামানত রক্ষা হয়েছে পাঁচজন প্রার্থীর। তাঁদের মধ্যে আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী ও স্বতন্ত্র একজন। জামানত রক্ষা করতে হলে প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ প্রয়োজন হয়। ফরিদপুর-১ আসনে (মধুখালী. বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) প্রার্থী ছিলেন চারজন। এ আসনে শুধু জয়ী প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনজুর হোসেনের জামানত রক্ষা পেয়েছে। বিএনপিসহ বাকি তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১০ হাজার ৪৯৯ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৫৭ জন। এই হিসাবে. একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ২৭ হাজার ৩২৪ ভোট প্রয়োজন ছিল। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী শাহ জাফর অল্পের জন্য জামানত খুইয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩০৫ ভোট। অর্থাৎ মাত্র ১৯ ভোট কম পাওয়ায় তিনি জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো অন্য দুই প্রার্থী হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওয়ালিউর রহমান রাসেল (৫ হাজার ৫৮০ ভোট) এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. জাকারিয়া (২৫৩ ভোট)। ফরিদপুর-২ আসনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাজেদা চৌধুরী ছাড়া বাকি তিন প্রার্থীই জামানত খুইয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮৭ হাজার ৩৭০। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৯৭। জামানত রক্ষা করতে ভোট পাওয়ার প্রয়োজন ছিল ১৯ হাজার ৪৭১টি। এ আসনে বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম পেয়েছেন ১৪ হাজার ৯১০. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কে এম ছরোয়ার পেয়েছেন ৪ হাজার ১৫১ ভোট. বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের জয়নুল আবেদীন ওরফে বকুল মিয়া পেয়েছেন ৬৫৭ ভোট। ফরিদপুর-৩ আসনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের খন্দকার মোশাররফ হোসেন ছাড়া বাকি তিন প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়েছে। এ আসনে মোট ভোট ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৪৬৯। জামানত রক্ষা করতে ভোট পাওয়ার প্রয়োজন ছিল ২৪ হাজার ২৯৪টি। এ আসনে বিএনপির চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ পেয়েছেন ২১ হাজার ৭০৪ ভোট. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এ এম নূরুল ইসলাম পেয়েছেন ২ হাজার ৮২৭ ভোট ও সিপিবির মো. রফিকুজ্জামান মিয়া পেয়েছেন ৩৪৮টি ভোট। ফরিদপুর-৪ আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের কাজী জাফর উল্যাহর জামানত রক্ষা পেয়েছে। বিএনপিসহ বাকি তিন প্রার্থী জামানত খুইয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭০ হাজার ৬৯৫। ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ২০৪ জন। জামানত পেতে হলে ২০ হাজার ৯৭৬ ভোট পাওয়ার কথা ছিল। এ আসনে জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন বিএনপির খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম ১২ হাজার ৩৮০. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল হামিদ মিয়া ৯ হাজার ১০ ভোট ও সিপিবির আতাউর রহমান ৩৩১।,1572742 2019-01-01,নতুন সাজে পুরো বছর,,নুজহাত খান,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572744/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0,life-style,print,2,নকশা|রূপচর্চা,বছরের প্রথম দিন থেকেই সৌন্দর্যের সংজ্ঞায় দেখা যাচ্ছে অদলবদল. সংযোজন আর নানান নিরীক্ষা। ২০১৯-এ কেমন হবে সাজের প্রবণতা? থাকছে একেবারে চলতি মেকআপ আর হেয়ারস্টাইলের হালহদিস। এ বছরের ধারাগুলো বেশ বিপরীতধর্মী। বৈশিষ্ট্যের ধরনে বলা যায় মেশানো. কোনো নির্দিষ্ট দিকে ধাবিত নয়। হালকা অদলবদল হয়ে ফিরে আসবে বেশ পুরোনো কিছু জিনিস। বিশেষ করে চোখ আর চুলে। হালকা. একেবারে ন্যাচারাল সাজগোজের পাশাপাশি থাকবে অতিরঞ্জিত রঙিন মেকআপের ব্যবহার। চোখ. ঠোঁট. বেজ ও চুল—এ চারটি অংশেই পাল্টে যাবে সাজের ধরন। র‌্যাম্প থেকে রেড কার্পেটগুলোতে এর আভাসও মিলেছে। পরিবর্তনটা একদম সুস্পষ্ট। জেনে নিন বছরের প্রথম দিনটি থেকেই। চোখপ্রতিবছরই চোখের সাজের ধারায় কিছুটা অদলবদল হলেও মূল বিষয়টি প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। এবারও থাকছে পুরোনো অনেক কিছু. অবশ্যই খানিকটা সংযোজন-বিয়োজনের মধ্য দিয়ে। তবে মজা হলো. যোগ হবে চলতি ধারার বাইরে দু-একটি ব্যাপার। ক্ল্যাসিক কাজল. কালো চোখের জনপ্রিয়তা আবার ফিরবে চলতি ধারায়। কাজল টানা ড্রামাটিক লুকের রমরমা থাকবে বছরজুড়ে। সঙ্গে যোগ হবে আন্ডারলাইনার। অর্থাৎ আইপেন্সিল বা লাইনারের মাধ্যমে রেখা মোটা করে আঁকা হবে চোখের নিচে। তবে যাদের খুব বেশি সাজ পছন্দ নয়. তাদের জন্যও থাকছে অন্য সাজ। শুধু ফ্লিক দিয়ে সাজানো যাবে চোখ। অর্থাৎ চোখের বাইরের কোণে লাইনারের লাইন টেনে নিতে হবে। কালো আর বাদামি তো থাকবেই. আইলাইনারে যোগ হবে অ্যাসিডিক লাইম. কোবাল্ট. গোল্ডের মতো উজ্জ্বল সব রং। থাকবে লাইট. প্যাস্টেল আর মেটালিক আইলাইনারও। আইশ্যাডোতে ট্রেন্ডি হয়ে উঠবে উজ্জ্বল সব রং। থাকবে হালকা. প্যাস্টেল আর ধাতব আইলাইনারও। আইশ্যাডোতে ট্রেন্ডি হয়ে উঠবে উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার। গ্লসি. শিমারি আর ফয়েল ফর্মুলার আইশ্যাডোরও কাটতি বাড়বে এ বছর। কালো ছাড়া রংবেরঙের মাসকারার ব্যবহার বাড়বে আইল্যাশে। দ্য ইমপারফেক্টলি পারফেক্ট হিসেবে খ্যাত ক্লাম্পি স্টাইল মাসকারার ধারা থাকবে বছরজুড়ে। ঠোঁটফর্মুলায় নানা পরিবর্তন দেখা যাবে বছরজুড়ে। ম্যাটের জায়গা দখল করে নেবে পাউডার লিপস্টিক। টেক্সচার ভিন্নধর্মী হলেও ঠোঁটে দেবে ম্যাট ফিনিশ। কিন্তু অস্বস্তিকর টানটান ভাব ছাড়াই ঠোঁট থাকবে আর্দ্র। ময়েশ্চার দেওয়া পাউডার পিগমেন্টও ব্যবহৃত হবে দেদার। ন্যুডে নতুনত্ব আসবে। সামান্য বাদামি যোগ হবে এতে। উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বল রংগুলো নানা মাত্রা যোগ করবে ঠোঁটে। এগিয়ে থাকবে উজ্জ্বল কমলা আর লালের শেডগুলো। কোরাল রঙা ঠোঁটও দেখা যাবে বছরজুড়ে। ফোলানো ঠোঁটের ধারাও থাকছে। বাড়বে চকচকে লিপগ্লসের ব্যবহার। শিমারি কিংবা গ্লিটারের ব্যবহারও থাকবে ঠোঁটে।বেজএ বছর নো-মেকআপ রূপ যেমন থাকছে. তেমনি থাকছে মেকআপে পরিপূর্ণ মুখও। ব্রোঞ্জ. সানকিসড বা কিছুটা পোড়া রঙা বেজের ব্যবহার বাড়বে। কিন্তু ভিন্নধর্মী কৌশলে. চিকবোনের ঠিক ওপরের অংশে থাকবে ব্লাশঅনের ব্যবহার। তা–ও পিচি পিংক ব্লাশঅনের। কনট্যুর বাদ দিয়ে বাড়বে হাইলাইটারের মাধ্যমে ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলার ধারা। মেকআপ না করলেও চলবে। সেটিও ট্রেন্ড। কারণ. আগের চেয়েও তীব্র হয়ে ফিরে আসবে যৎসামান্য সাজ। যেটুকু না করলেই নয়. শুধু সেটুকু মেকআপ ব্যবহার করে চেহারায় আবেদন তৈরি করা। চুলচুল বাঁধার ধারায় দেখা যাবে দারুণ সব পরিবর্তন। বেণি আর খোঁপাকে হটিয়ে এ বছর বাড়বে ঝুঁটির দাপট। তা-ও আবার যেনতেন স্টাইলে নয়. চূড়ায় বাঁধতে হবে ঝুঁটি। জেল বা তেল দিয়ে টেনে করা স্লিক আপডু চলবে এ বছরও। তবে ঢিলেঢালাভাবে চুলের নিচের অংশে কোঁকড়া করে রাখার ধারা থাকবে পছন্দের শীর্ষ। লাইন কিংবা মাঝামাঝি—ববের বছর ২০১৯। তা-ও আবার পরিপাটি করে আঁচড়ানো নয়. বরং যেন মনে হয় এলোমেলোভাবে ফেলে রাখা হয়েছে চুল. ববের সঙ্গে যোগ হবে এমন স্টাইল। বেবি. বারডট আর সফট কার্টেন ফিঞ্জের রমরমা থাকবে বছরজুড়ে। আর যাঁরা চুল রাঙাতে চান. তাঁরা বেছে নিতে পারেন লাইলাক কিংবা কপারের শেডগুলো।এ বছরকার বিউটি ট্রেন্ডেও থাকছে নিজের মতো করে নেওয়ার সুযোগ। তাই নিজেকে সাজিয়ে নেওয়ার কাজ এখন অনেক সহজ। তবে অন্যের অনুকরণে নয়; নিজের মতো করে। ত্বকের যত্ন নিতে ভুলে গেলে কিন্তু চলবে না। এখন অনেক বেশি আধুনিক উপায়ে আর মাপজোখের মাধ্যমে সারা হয় পুরো প্রক্রিয়া। শুধু নিজের জন্য মানানসই সাজটি বেছে নেওয়া প্রয়োজন। সঙ্গে চোখ রাখুন চলতি ফ্যাশন ও স্টাইলের হালহকিকতে। সবকিছুর মিলমিশে তৈরি করে ফেলুন আপনার নতুন বছরের নতুন রূপের নোটবুক। অনন্য হয়ে উঠুন। লেখক: পরিচালক. পারসোনা,1572744 2019-01-01,ইংরেজি নববর্ষ অতি মনোহর,নতুন বছর,অনার্য তাপস,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572741/%E0%A6%87%E0%A6%82%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B0,life-style,print,2,নকশা,বাঙালি যথেষ্ট ভাগ্যবান জাতি। তারা বছরে দুইবার নতুন বছরের আনন্দ উদ্‌যাপন করতে পারে। এই দুটি নতুন বছরের পার্থক্য শুধু ঋতুতে। একটির শুরু গ্রীষ্মে. অন্যটির শুরু শীতে। গ্রীষ্ম বা শীত যা–ই হোক না কেন. নতুন বছরকে বরণ করার আনন্দ সে অনির্বচনীয়! খ্রিষ্টীয় নতুন বছর সোজা বাংলায় আমরা যাকে বলি ইংরেজি নববর্ষ. তাকে বরণ করার মধ্যে একটা ‘রকিং’ ব্যাপার আছে। কেন যেন আমাদের বাঙালি মানসে এই ইংরেজি নববর্ষ মানেই বারবিকিউ পার্টি. হুডখোলা জিপ বা হাউস্পিড বাইক. চামড়ার জ্যাকেট. নীল জিনস. মেটাল মিউজিক আর সেই সঙ্গে অদম্য তারুণ্য মিশে আছে। হয়তো ব্যাপারটা ইউরোপীয় বলে. হয়তো ব্যাপারটার সঙ্গে আমাদের প্রায় ২০০ বছরের ‘প্রতিপালক’ ইংরেজদের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে বলেই। আজ এই একুশ শতকের প্রায় সিকি ভাগ বয়স চলে যাওয়ার কালে বাঙালি এই খ্রিষ্টীয় নতুন বছরকে যেভাবে নিজেদের মতো করে উদ্‌যাপন করে. গত শতকের ষাট. সত্তর বা আশির দশকেও ব্যাপারটা সে রকম ছিল না। সাধারণ্যে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ বা জানুয়ারির ১ তারিখ বিশেষ কোনো অর্থবহ ব্যাপার ছিল না। এলিট ক্লাসের পালনীয় একটা অনুষ্ঠান ছিল এই ‘নিউ ইয়ার’। তাতে সেই ক্লাসের তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণই ছিল মূল ব্যাপার। সাধারণ বাঙালি ছিল দূরবর্তী দর্শকমাত্র। তবে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে কিছুটা চর্চা ছিল. বিশেষ করে যেসব পরিবারের প্রধান ব্যক্তিটি চাকরিজীবী ছিলেন। কারণ. নতুন বছরের প্রথম দিনটিতে ছুটি থাকত। আর কে না জানে যে ছুটি থাকলে কর্তাটি বাড়িতেই থাকবেন। আর কর্তা বাড়িতে থাকলে বাড়িতে কিছু ভালোমন্দ খাওয়া হবে। এই ভালোমন্দ খাবারের সূত্র ধরেই বাঙালি মধ্যবিত্ত মনে রাখত ইংরেজি নতুন বছরের কথা। তবে হ্যাঁ. সাহেবী মালিকানা আর সাহেব বড়কর্তা থাকার ফলে চা–বাগান ছিল নিউ ইয়ার উদ্‌যাপনের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। চার্চ এবং খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা চিরকালই বাংলাদেশে কম। কিন্তু এই কমিউনিটিরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে নিউ ইয়ার উদ্‌যাপনকে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে। তারও আগে. ব্রিটিশ আমলে সম্ভবত বাঙালি ব্যাপক পরিমাণে দ্বিধান্বিত ছিল খ্রিষ্টীয় নববর্ষ পালনের ব্যাপারে। এর বড় কারণ ছিল. এই নতুন বছরের সঙ্গে বাঙালি কৃষি সংস্কৃতির কোনো রকম সম্পর্ক না থাকা. শাসক ইংরেজদের পালন করা একটা অনুষ্ঠানকে নিজেদের করে ভাবতে না পারা। সে জন্য কখনো কখনো বাঙালি মানস যে কিছুটা ব্যঙ্গের চোখেই দেখত ‘গোরা’ সাহেবদের এই আচার পালন. সেটা বোঝা যায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ‘ইংরাজী নববর্ষ’ নামে লেখা একটি কবিতায়। কবি ব্যঙ্গ করে বলছেন. ‘নিরন্ন বায়ান্ন দেব ধরিয়া বিক্রম।/ বিলাতীর শকে আসি করিলা আশ্রম।।/ খ্রীষ্টমতে নববর্ষ অতি মনোহর।/ প্রেমানন্দে পরিপূর্ণ যত শ্বেত নর।।’ সে সময়ের নিরিখে এই ব্যাপারগুলো স্বাভাবিক ছিল। এই ব্যঙ্গ আবার স্বাধীনতা–উত্তর বাংলাদেশে কিছুটা অহংকার হিসেবে ধরা দিয়েছিল। আশির দশকের একটি ঢাকাই সিনেমায় দেখা যায়. সদ্য বড়বাবু হওয়া এক তরুণ নায়ক তাঁর অধীনস্থকে বলছেন. ‘এখন থেকে শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হবে বাংলা মাসে। যান. নোটিশ দিন।’ কিন্তু বাঙালির এই ‘অহংকার’ খুব বেশি দিন টেকেনি। গত শতকের নব্বইয়ের দশক–পরবর্তী সময়ের ব্যাপক গোলকায়নের ফলে ইংরেজি নববর্ষ পালনের ধারা বানের পানির মতো ঢুকে গেছে বাঙালির জীবনে। শহুরে মানুষ তো বটেই. গ্রামীণ পরিসরেও পয়লা জানুয়ারিতে নতুন বছর পালনের একটা বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। সেটা পান্তা–ইলিশ আর অষ্টব্যঞ্জনসহযোগে হয়তো নয়। কিন্তু সকালে উঠে হাসিমুখে দুটো কথা বলে. একটু ভালোমন্দ খাবারের আয়োজন করে ইংরেজি নববর্ষ পালিত হচ্ছে। তারপরেও যে কথাটি বলতেই হয় সেটি হচ্ছে. নিউ ইয়ার পালনের হিড়িক বা প্রবণতা মূলত তারুণ্য–নির্ভর। নতুন বছরে নিয়ম করে বাইরে খাওয়া. মেসেজিং. উপহার দেওয়া থেকে এর যাবতীয় ইভেন্টে তরুণদেরই দেখা যায় সামনের সারিতে। আলো–ঝলমলে সুসজ্জিত শহরে মধ্যরাতে বন্ধুদের সঙ্গে খোলা জিপে কিংবা জ্যাকেট গায়ে বাইকে চড়ে শহরময় ঘুরে বেড়ানোর যে স্বাধীনতা. যে আনন্দ. তাতে তরুণদের অধিকারই প্রধান। বয়স্করা যেহেতু সাবধানী .তাই তাঁদের দৌড় খুব বেশি হলে রুফটপ রেস্টুরেন্টের খোলা আকাশ। সামনে পরিবার কিংবা বন্ধুবান্ধব এবং সুস্বাদু খাদ্য-পানীয়। এতক্ষণ যা বলেছি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে আছে খাদ্য। নতুন বছর পালন হবে আর সামনে পছন্দের সুস্বাদু খাবার থাকবে না. শুধু বাঙালি নয়. পৃথিবীর কোনো জাতির মানুষই মনে হয় সেটা মেনে নিতে পারে না। সেখানে আবার ‘খাদ্য রসিক’ হিসেবে বাঙালির কিঞ্চিৎ খ্যাতি আছে। হ্যাঁ. পান্তা-ইলিশ বা অষ্টব্যঞ্জনের মতো নির্দিষ্ট কোনো ব্যাপার এখনো নিউ ইয়ারকে ঘিরে গড়ে ওঠেনি বটে। তাতে নিউ ইয়ারি খানাখাদ্যের সংস্কৃতিতে খুব উনিশ–বিশ হয়েছে. সেটা বলা যাবে না। তারকা হোটেল থেকে গলির রেস্টুরেন্টের ভিড় দেখলে সেটা বোঝা যায়। এ ছাড়া রসিকজনের রান্নাঘরের খোশবুতে প্রতিবেশীর ঘুম যে হারাম হয়ে ওঠে. তা না বললেও চলে। নিউ ইয়ারের খাবার হিসেবে চপ-কাটলেটের যুগ এখন আর নেই। আছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত চৈনিক খাদ্যের কদর. মোগলাই ঘরানার হেভি স্পাইসি হট খাবারের সুনাম. আছে বিরিয়ানির স্পেশাল কদর। নিউ ইয়ার ইউরোপীয় প্রথা হলেও বাঙালি তো আর কাঁটা চামচে খুটে খুটে খাবার খাবে না। খাবে কবজি ডুবিয়ে নালে–ঝোলে। তাই বরং চলুন এত কথা বাদ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে যাওয়া একটা বিরিয়ানি রান্না শিখে নেওয়া যাক। সুনামগঞ্জ অঞ্চলের মাঝিমাল্লাদের মধ্যে প্রচলিত ছিল এই বিরিয়ানি রান্নার ঘরানা। এখন আর পাবেন বলে মনে হয় না। তাই এই বিরিয়ানির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মাঝিদের বিরিয়ানি’। শুভ নববর্ষ। শান্তিতে-সমৃদ্ধিতে. সুখাদ্যে-সুবাসে ভরে উঠুক বাংলাদেশ। লেখক: লোকসংস্কৃতি–িবষয়ক গবেষক,1572741 2019-01-01,নতুন নুসরাত,নতুন আমি,,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572738/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4,life-style,print,2,নকশা|রূপচর্চা,প্রথম আলোর সবগুলো ট্যাবলয়েড খুঁটিয়ে পড়া নুসরাত জাহান শখ করেই নকশার ‘নতুন আমি’ বিভাগে ছবি মেইল করেন। মেইল করার ছয় ঘণ্টা পরেই এ বিভাগ থেকে ফোন কল পেয়ে অবাক হয়ে পড়েন। তবে জাতীয় নির্বাচনের আগের দিন মেকওভারের কথা শুনে একটু দ্বিধান্বিত ছিলেন। একটু সময় চেয়ে নিজেই ফোন করলেন. জানালেন তিনি আসবেন।নুসরাতের মেকওভারের দায়িত্বে ছিলেন রেড বিউটি স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। তিনি বলেন. ‘আটপৌরে চেহারার নুসরাতকে একটা ভিন্নধর্মী আধুনিক লুক দিতে চেয়েছি। কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে সেটা ঠিকঠাক ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।’ সেই চেহারার সঙ্গে মিলিয়েই তাঁর পোশাক নির্বাচন করা হয়েছে পশ্চিমা ধাঁচে। নুসরাত জাহান শাড়ি আর সালোয়ার–কামিজ পরতে বেশি পছন্দ করলেও এখানে তাঁকে পরানো হয়েছে নীল রঙের ফরমাল প্যান্টের সঙ্গে সবুজ টি-শার্ট ও ধূসর রঙের ওপর সোনালি কাজ করা জ্যাকেট।চুলএকরাশ লম্বা হালকা কোঁকড়া চুলে দেওয়া হয়েছে বব কাট।মেকআপহালকা মেকআপে চোখে স্মোকি ভাব আনা হয় এবং ঠোঁটে দেওয়া হয় বাদামি ও লাল রঙের লিপস্টিক।গ্রন্থনা: অলকানন্দা রায় ‘নতুন আমি’প্রিয় পাঠক. নকশা ‘নতুন আমি’বিভাগের মাধ্যমে আগ্রহী পাঠকদের মেকওভার করে দেওয়া হবে। খ্যাতিমান রূপবিশেষজ্ঞদের হাতে তিনি হয়ে উঠবেন ‘নতুন আমি’। এ বিভাগে ছেলে ও মেয়েরা অংশ নিতে পারবেন। ছবি ও পূর্ণ নাম. ঠিকানা. ফোন নম্বর পাঠিয়ে দিন নকশায়।ই–মেইল: naksha@prothomalo.comঠিকানা: নকশা. প্রথম আলো. ২০-২১ প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন. কারওয়ান বাজার. ঢাকা-১২১৫।ই–মেইলের সাবজেক্টে বা খামের ওপর লিখতে হবে ‘নতুন আমি’,1572738 2019-01-01,এ বছর ফিরবে সত্তরের স্টাইল,চলতি ধারা,আসিফ ইকবাল,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572734/%E0%A6%8F-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2,life-style,print,2,ফ্যাশন|নকশা,ফ্যাশনে ছেলেদের পোশাক নিয়ে তো কম নিরীক্ষা হচ্ছে না। প্রতিবছর কিছু না কিছু যুক্ত হচ্ছে। আর ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে কোথায় কী চলছে. সেটা সহজেই জানা যায়। আন্তর্জাতিকভাবে যেসব ফ্যাশন ব্র্যান্ড বেশি জনপ্রিয়. তারা প্রতিবছর ফ্যাশনের নতুন নতুন ধারা তৈরি করে। সাধারণত আমাদের দেশে সেই ধারা এক বছর পর দেখা যায়। তবে এই দূরত্ব আরও কমে এসেছে। ২০১৯ সালের ফ্যাশন বা স্টাইল নিয়ে তো আরও ছয় মাস আগে থেকেই কাজ চলছে। অনেকের মনই কৌতূহলী. কী আসছে নতুন বছরে?তাদের জন্য বলে রাখা ভালো. ছেলেদের ফ্যাশনে এ বছরের পুরোটা সময় দাপিয়ে বেড়াবে সত্তর দশকের ফ্যাশন আর স্টাইল। সত্তর দশকে বনেদি পরিবারের পুরুষদের প্রধান আকর্ষণ ছিল তৈরি করে নেওয়া পোশাকে। সেই ‘টেইলারিং’ অর্থাৎ মাপমতো বানিয়ে নেওয়া পোশাক এবার বড় জায়গা দখল করে নেবে ছেলেদের ফ্যাশনে। অন্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতেও এই ধারা বেশ বড়সড় আকারে দেখা যাবে। বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড তাই ‘টেইলরিং’ অংশ যুক্ত করছে তাদের বুটিকের সঙ্গে। আমাদের দেশের পোশাকও এখন আন্তর্জাতিক ধারার সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি হয়। আর এই মেলানোর প্রচলনটা বেশি দেখা যায় শীতের সময়। গরমে কিছুটা কম। তবে গরমের সময়েও টি–শার্ট জাতীয় পোশাক মিলিয়ে তৈরি হয়। এখন যেমন আন্তর্জাতিক ফ্যাশনে ছেলেদের সুটে ডাবল ব্রেস্ট প্লেট খুব চলবে। একই সঙ্গে চেকের নকশা এখন ঢুকে গেছে পুরোপুরি। আজকাল নানা ধরনের মোটিফ দেখা যায় ছেলেদের পোশাকে। পোশাকে যেসব মোটিফের সঙ্গে আমাদের দেশের ডিজাইনাররা খুব কম পরিচিত ছিল। কুমির. বিড়াল. প্রজাপতি. বাঘসহ নানা রকম পশুপাখি. ফুল ইত্যাদি। যেটা সাধারণত চীন বা জাপানের মতো দেশে দেখা যেত। অথচ এসব মোটিফ নিয়ে এখন বিশ্বের বড় বড় সব পোশাক প্রতিষ্ঠানই নকশা করছে। এর মূলে একটি অঞ্চল বা দেশের ‘ডমিনেটিং পাওয়ার’ অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। যেমন অর্থনৈতিক শক্তি (নিউ মানি) হিসেবে চীনকে এখন সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে অধিকাংশ দেশ। তাই পোশাক প্রতিষ্ঠানগুলো সেই দেশের বাজার দখলে তাদের মোটিফকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে কাজ করছে। ফ্যাশনের ভূগোলে অর্থনীতি ও রাজনীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ছেলেদের পোশাকে রং খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিক। গত বছর যেমন বেশি চলেছে সবুজ রং। এবারও সেখানে থেকে খুব বেশি সরেনি। এবার সবুজেরই নানা শেড বেশি দেখা যাবে পোশাকে। এর মধ্যে বটল গ্রিন. অলিভ গ্রিন. সি গ্রিন. লিফ গ্রিন. টার্টেল গ্রিন. লাইম গ্রিন. ডার্ক গ্রিন. ফরেস্ট গ্রিন ইত্যাদি থাকবে। এর বাইরে যে রংই ব্যবহৃত হোক. সেটা সরাসরি না করে. তার একটি শেড বেছে নিয়ে তৈরি হবে। বিশ্বের বেশ কিছু ব্র্যান্ড যেমন লম্বা পোশাকের ধারণা নিয়ে এগোচ্ছে. কিছু ব্র্যান্ড আবার এগোচ্ছে খাটো থেকে খাটোর দিকে। আমাদের দেশেও পাঞ্জাবিতে পাশপাশি দুটি ধারা চলছে। একটি লম্বা আর ঢিলেঢালা. আরেকটা হচ্ছে খাটো ও ফিটিং। পাঞ্জাবির সঙ্গে কটির ধারা এবারও থাকবে। শার্টের সঙ্গেও পরা হবে কটি। তবে পাঞ্জাবির প্যাটার্নে থাকবে পরিবর্তন। টি–শার্ট ও শার্টের নকশায় তেমন কোনো পরিবর্তন নেই এ বছর। গত বছরের ধারাতেই পশুপাখির প্রিন্ট চলবে। তবে শার্ট বা টি–শার্টের কাপড় নিয়ে নানা ধরনের নিরীক্ষা চলবে বছরজুড়ে। শীতে কতটা মোটা করা যায় এবং গরমে তা কতটা আরামদায়ক হবে—এ নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলবে। এর একটি পরিবর্তনও দেখা যাবে পোশাকে।সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও এবার ছেলেদের ফ্যাশনে বেশি গুরুত্ব পাবে জুতা। আমাদের দেশি চামড়া দিয়ে তৈরি হচ্ছে এসব জুতা। শুধু চামড়ার জুতা নয়. কাপড় বা মখমলের মতো আরও নানা উপকরণে জুতা তৈরি হচ্ছে। মখমলের ওপর জরদৌসি কাজ করে জুতার জমকালো ভাব আনা হচ্ছে। প্যান্টের কাপড় ওয়াশ করে রং হালকা বানিয়ে ফেলা হচ্ছে। জিনস বা গ্যাবার্ডিনের কাপড়ে হচ্ছে নানা রকম ওয়াশ। নরম আর আরামদায়ক প্যান্ট চলবে পুরো বছর। আরেকটি পরিবর্তন বেশ চোখে পড়বে. সেটা ছেলেদের ব্যাগে। ওয়ালেট বা মানিব্যাগ নয়. এই ব্যাগ মানে হাতব্যাগ। মাঝারি আকারের এই ব্যাগ হাতে ছাড়াও কাঁধ থেকে পেছনে ঝুলিয়ে নেওয়া যাবে। লেখক: ফ্যাশন পরামর্শক. ওটু,1572734 2019-01-01,আমরা আশায় থাকব,স্বদেশ ২০১৮,মহিউদ্দিন আহমদ,৫,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572733/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC,opinion,print,2,রাজনীতি|দিবস|মহিউদ্দিন আহমদ,২০১৮ সালে বছরজুড়ে বাংলাদেশে জন–আলোচনায় ছিল রাজনীতি। সবাই রাজনীতি করেন না। তবু মানুষের কৌতূহল. চাওয়া. না–পাওয়া ও ক্ষোভ—সবই রাজনীতিকে ঘিরে। ২০১৮ সালে বেশ কয়েকটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ও প্রক্রিয়ার সাক্ষী আমরা। শুরুতে নিয়মিত সংবাদ শিরোনাম হয়েছিল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলা এবং আদালতে তাঁর দৌড়াদৌড়ি। একপর্যায়ে তাঁর সাজা হলো। তিনি গ্রেপ্তার হলেন। তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি তারেক রহমান ভিন্ন মামলায় আগেই দণ্ডিত হয়েছিলেন। আইনের ভাষায় তিনি ‘ফেরার’। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার প্রাথমিক রায়ে তাঁর হলো আজীবন কারাদণ্ড। ১০ বছর আগে ‘মাইনাস টু’ ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় এটি ভালোভাবেই কার্যকর হলো বিএনপিতে। অভাবনীয় কিছু না ঘটলে রাজনীতিতে তাঁদের ফিরে আসা কঠিন। বলা চলে. বিএনপিতে খালেদা-তারেক যুগের অবসান হয়েছে। পরিবারতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য ও আবেগ সরিয়ে রেখে এ উপলব্ধি যত শিগগির আসবে. বিএনপি তত নতুনভাবে সংগঠিত হওয়ার সুযোগটি কাজে লাগাতে পারবে। ২০১৮ ছিল নির্বাচনের বছর। আগস্ট মাসে কয়েকটি সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রতীকে প্রথমবারের মতো নির্বাচন হওয়ায় জাতীয় নির্বাচনের একটি মহড়া হয়ে যায়। বিরোধীপক্ষ কারচুপির অভিযোগ তুলেছিল। এ ছিল ‘শান্তিপূর্ণ কারচুপির’ একটি নমুনা। সরকারপক্ষ বলেছে. ভালো নির্বাচন হয়েছে এবং জাতীয় নির্বাচন এ রকমই হবে। পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন সারা বছরই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়ে কমিশনাররা একমত হননি। মাঝেমধ্যে তাঁরা প্রকাশ্য বিরোধে জড়িয়েছেন। জাতীয় রাজনীতির বিভাজন নির্বাচন কমিশনের মধ্যেও দেখা গেছে। বিশেষ করে নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার এবং সেনা মোতায়েনকে কেন্দ্র করে একেক সময় একেক রকম কথা বলে তাঁরা অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। অনেক সময় তাঁদের অতিকথন দৃষ্টিকটু মনে হয়েছে। ১৯৯০-এর দশকে শুরু হওয়া দ্বিদলীয় রাজনীতির দ্বন্দ্ব এ বছরে হয়েছে তীব্রতম। সমন্বয় ও সহাবস্থানের সম্ভাবনা প্রায় নিঃশেষিত। এই দ্বন্দ্বের সর্বগ্রাসী থাবা বিস্তারিত হয়েছে সমাজের সব অংশে। সব পেশাজীবী সংগঠন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এর দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। বছরটি শেষ হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি দল ও মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীজট নিয়ে মুখরোচক আলোচনা ছিল। ৯৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৪১ জন। তাঁদের অনেকেই পরে নিয়মের বেড়াজালে পড়ে বাদ পড়েছেন। হলফনামায় দেখা গেছে. ফৌজদারি মামলা আছে এমন প্রার্থীর ছড়াছড়ি। আইনের ফাঁকফোকর ডিঙিয়ে অনেকেই পার পেয়ে গেছেন। নির্বাচনে সমতল মাঠ নিয়ে আলোচনা ও অভিযোগ ছিল বিভিন্ন মহলে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চেয়ে সরকারকেই বেশি তৎপর হতে দেখা গেছে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন দল ও জোটের আলোচনা হয়েছে নির্বাচন–সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে। এটি প্রাক-নির্বাচনী সংলাপ হিসেবে গণমাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের এ ধরনের সরাসরি ও মুখোমুখি বসা ও আলোচনা এর আগে দেখা যায়নি। নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট আরও বিস্তৃত হয়েছে। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে একদা শত্রুশিবিরের বিকল্পধারা বাংলাদেশ। অন্যদিকে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় গেছেন একদা আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকা কয়েকজন। তৈরি হয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। একসময় তৃতীয় শক্তি বা বিকল্প হিসেবে যাঁরা দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন. তাঁদের কেউ কেউ গেছেন ধানের শীষে. কেউ কেউ সওয়ার হয়েছেন নৌকায়। পছন্দের দলের মনোনয়ন না পেয়ে বেশ কয়েকজন দল পাল্টে প্রতিপক্ষ শিবিরে ঢুকে পড়েছেন। আদর্শের রাজনীতির চিরচেনা চাদরটি তাঁরা অবলীলায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন। ব্যাপারটি দৃষ্টিকটু হলেও এ নিয়ে তেমন মাতম হয়নি। কারণ দুই জোটের ক্ষেত্রেই এটি হয়েছে. কম আর বেশি। প্রধান প্রধান দল ও জোট ডিসেম্বরের শেষার্ধে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে। আওয়ামী লীগ টানা ১০ বছর ক্ষমতায় আছে। দলটি বলছে. ‘একটি আধুনিক. প্রযুক্তিনির্ভর. দক্ষ দুর্নীতিমুক্ত দেশপ্রেমিক গণমুখী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত থাকবে।’ তাদের মুখ্য স্লোগান হলো উন্নয়ন। অন্যদিকে বিএনপি ক্ষমতার বৃত্তের বাইরে আছে ১২ বছর। তারা জোর গলায় ‘সুশাসনের’ কথা বলছে. ‘কর্তৃত্ববাদী’ ও ‘কেন্দ্রীভূত’ ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে কিছু সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে। দুটো ইশতেহারেই জন–আকাঙ্ক্ষার কম–বেশি প্রতিফলন হয়েছে। তবে অগ্রাধিকার পাবে কোনটি. তা দুই প্রধান দলের প্রস্তাবে স্পষ্ট। দলীয় মনোনয়নে দুই শিবিরেই পুরোনো মুখের ছড়াছড়ি। তাঁদের অনেকের বিরুদ্ধেই দুর্বৃত্তায়নের অভিযোগ আছে। নতুন জাতীয় সংসদের গুণগত মান পুরোনো সাংসদদের নিয়ে কেমন হবে. তা নিয়ে কৌতূহল ও শঙ্কা থেকেই যাবে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বে নারী থাকলেও দলীয় মনোনয়নে তাঁরা অপাঙ্‌ক্তেয় থেকে গেলেন। বিগত বছরগুলোতে আর্থসামাজিক খাতে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে অনেক। সবাই চান. এই ধারা অব্যাহত থাকুক। সুশাসনের দাবিটি মৌলিক নাগরিক অধিকারের পর্যায়ে পড়ে। এটি এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। ভবিষ্যতে এ দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় ও ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জটি বড় হয়ে দেখা দেবে। দলীয় সরকারের অধীনে অতীতে সব নির্বাচনে ক্ষমতাসীনেরাই জয়ী হয়েছেন। এবারও সে রকম পূর্বাভাস ছিল। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তা সত্য হলো: একচেটিয়া ভোটে বিপুল বিজয় ঘটেছে আওয়ামী লীগের। বিপরীতে বিএনপির এতটা খারাপ ফলাফল ভাবনাতীত ছিল। আশঙ্কা থেকে যাবে বিরোধী দলবিহীন একটি অকার্যকর সংসদের। মনে করা হয়েছিল যে এই নির্বাচন বিএনপির জন্য হবে সংসদীয় রাজনীতিতে ফিরে আসার লড়াই। কিন্তু সংসদে তাদের উপস্থিতি এবার জাতীয় পার্টিরও পেছনে চলে গেল। আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয় ও বিএনপির ভরাডুবির ফলে বাংলাদেশে আপাতদৃষ্টিতে বিএনপি যুগের সমাপ্তি ঘটল বলে মনে হয়। আর জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক অস্তিত্ব বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিঃশেষিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগের বৃত্তের বাইরে একটি বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির চাহিদা ও উপযোগিতা থেকেই যাবে। নতুন কোনো রূপে এ ধরনের শক্তি জন্ম নিতে পারে। আওয়ামী লীগের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হবে একক শক্তিতে গণতন্ত্রায়ণের পথটি মসৃণ করে কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা। জনযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়া দেশটি এখনো সব নাগরিকের রাষ্ট্র হয়ে ওঠেনি। একের পর এক প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দলতন্ত্র। কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির অনুষঙ্গ হিসেবে কেউ বলেন গণতন্ত্র দেবেন. কেউ বলেন উন্নয়ন। গণতন্ত্র মানুষের জন্মগত অধিকার. এটি কেউ কাউকে দিতে পারে না. বরং কেড়ে নেয়। আর উন্নয়ন কারও দয়ার দান নয়। এটি সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। গণতন্ত্রের অবাধ অনুশীলন ও দায়িত্বশীলতার অনুঘটক হবে রাষ্ট্র. এটাই সবার চাওয়া। ১৯৭০ সালে জয় বাংলা নামে একটি চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত একটি গানের লাইন ছিল: ‘নতুন সূর্য ওঠার এই তো সময়’। আমরা আশায় থাকব. এবার উঠবে নতুন সূর্য।,1572733 2019-01-01,নতুন বছর নতুন ঘর,,গুলশান নাসরীন চৌধুরী,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572732/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%98%E0%A6%B0,life-style,print,2,নকশা|গৃহসজ্জা|আবাসন মেলা,সারা দিন শেষে মন যেখানে শান্তি খুঁজে পায়. স্বস্তি খুঁজে পায়—আমাদের সাজানো–গোছানো আবাসস্থল। হতে পারে সেটা একটি বিশাল বাড়ি. হতে পারে সেটা একটি বড় ফ্ল্যাট অথবা ৮০০ থেকে এক হাজার স্কয়ার ফিটের একটি ছোট ফ্ল্যাট। সামর্থ্য ও রুচি অনুযায়ী বাড়িকে সাজাই আমরা। বসবাসের জায়গাটা ছোট হোক অথবা বড়. সেটা যদি হয় ছিমছাম আর পরিপাটি. বাড়িতে ঢুকলেই মন ভালো হয়ে যাবে।কেউ যদি দেশীয় পণ্য দিয়ে ঘর সাজাতে চান. তবে সে ক্ষেত্রে ডিজাইনার বাঁশ. বেত. পাট. মাটির পটারি. নকশিকাঁথা. শতরঞ্চি. শীতলপাটি. গ্রামীণ চেকের কাপড় ইত্যাদি ব্যবহার করেও ঘর সাজাতে পারেন। যেমন একটা ফ্ল্যাটে ঢোকার মুখে. দরজার বাইরের দেয়ালে একটু গাঢ় রং ব্যবহার করতে পারেন। বেতের বা কাঠের ফ্রেমের আয়না ঝোলাতে পারেন। অতিথি বা বাড়ির সদস্যরা বাসায় ঢোকার আগে নিজেকে একটু দেখে নিতে পারেন। আয়নার পাশে দেয়ালে টেরাকোটা দেয়াল শো–পিস লাগতে পারে। আবার কাঠের বা বড় আয়রনের র‌্যাক ঝুলিয়ে. তাতে ছোট ছোট পটে মানিপ্ল্যান্ট. ক্যাকটাস বা অন্য কোনো গাছ লাগাতে পারেন। স্বাগতমে দেশীয় ছোঁয়াবসার ঘরে আমরা বেতের বা বাঁশের সোফা ব্যবহার করতে পারি। সোফার কভার হিসেবে আমরা এক রঙের হ্যান্ডলুমের কভার ব্যবহার করতে পারি। সঙ্গে রং মিলিয়ে জানালায় গ্রামীণ চেক পর্দা মানিয়ে যাবে। সোফা ব্যাক. সেন্টার টেবিল ও পাশ টেবিলে কুশ কাটার তৈরি কভার ভিন্নতা আনবে। পর্দা. সোফার কভার ইত্যাদির সঙ্গে মিলিয়ে শতরঞ্চি বিছিয়ে দিন। বসার ঘর সাজাতে নানা আকারের পটারি সুন্দর লাগবে। ঋতু অনুযায়ী নানা রঙের তাজা ফুলে সাজাতে পারেন। বসার ঘরের একদিকে আরেকটা শতরঞ্চি বিছিয়ে তাতে ছোট–বড় কুশন রাখা যেতে পারে। এতে বসার জায়গা বাড়বে। একসঙ্গে অনেক মানুষ বসতে পারবে। খাবার ঘর সাজাতে প্রয়োজন হবে খাবার টেবিল ও চেয়ার। এটা কাঠের. বেতের. রট আয়রন বা কাচের টপ দেওয়া হতে পারে। চেয়ারগুলোও টেবিলের সঙ্গে মানানসই হবে। চেয়ারের কভার ব্যবহার করলে দেখতে ভালো লাগবে. সে ক্ষেত্রে জানালার পর্দা ও টেবিলক্লথ হিসেবে দেশীয় কাপড়ে ব্লক বা ছাপা নকশার হতে পারে। টি ট্রলি হিসেবেও কাঠের বা বেতের ব্যবহার করা যেতে পারে। শোয়ার ঘর সাজাতেশোয়ার ঘরের আসবাবপত্র বাঁশ. বেত বা কাঠের হবে। ঘরের এক কোণে ল্যাম্পশেড ব্যবহার করা যাবে. শেডটি বাটিক কাপড়ের ব্লকের বা বেতের হতে পারে। তিন উচ্চতার তিনটি ল্যাম্পশেড থাকতে পারে। এর নিচে মাটির চাঁড়িতে ভাসমান ফুল অথবা মোমবাতি থাকতে পারে। দেয়ালে পেইন্টিং ঝোলালে ভালো লাগবে। এ ঘরেও পর্দা ও বিছানার চাদর হিসেবে দেশীয় কাপড় ব্যবহার করলে ভালো লাগবে। শোয়ার ঘরে নীল. সাদা রঙের পর্দা ও বিছানার চাদর ভালো লাগবে। বাচ্চাদের ঘরে উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার করা ভালো। এতে তারা উৎফুল্ল থাকে। এ ছাড়া দেয়াল. পর্দা. চাদর ইত্যাদি সহজে ময়লা হয় না। শিশুদের ঘরে বেশি আসবাবপত্র না থাকাই ভালো। ঘরটি খোলামেলা থাকলে তাদের খেলাধুলা করতে সুবিধা হবে। রান্নাঘরের জন্যরান্নাঘর পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখতে চুলার ওপরে কিচেন হুড ব্যবহার করতে হবে। দেয়ালে অ্যাডজাস্ট ফ্যান লাগান। এ দুটো ব্যবহার করলে রান্নাঘরের তেল চিটচিটে ভাব এবং ভাজা-পোড়ার গন্ধ থাকবে না। যাঁরা দেশীয় স্টাইলে ঘরবাড়ি সাজান. তাঁরা টেরাকোটা. চায়না ক্লে. কাঠের. বেতের বা হোগলাপাতার তৈরি বাসনকোসন. তৈজসপত্র ব্যবহার করেন। এই বাড়িতে ফলস শিলিং তৈরিতেও বাঁশ বা বেতের ব্যবহার করা যেতে পারে। কেউ যদি বেশি খরচে বাড়ি সাজাতে চান. তবে সেটাও সম্ভব। তবে একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার হিসেবে আমি মনে করি. ফ্ল্যাট ছোট বা বড় যেটাই হোক না কেন. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে. গুছিয়ে রাখলে. গাছপালার বা ফুলের টব থাকলে বাড়িটিকে সুন্দর লাগবে। নতুন বছরে বাড়িতে পরিবর্তন আনবে আসবাবপত্রের একটু জায়গা বদল। জানালার পর্দাগুলোও কিন্তু ঘরের চেহারা পরিবর্তন করতে পারে। শেষ করতে এসে আবারও বলি. ‘সুন্দর মনের’ প্রতিচ্ছবিই হলো ‘সুন্দর ঘর’। দিনের শেষে আমরা আমাদের প্রিয়জনদের নিয়ে শান্তিতে. আনন্দে ও নিশ্চিন্তে থাকতে চাই ঘরেই। ঘরটিকে এ কারণে সাজানো উচিত মনের মতো করেই।লেখক: চেয়ারম্যান. রেডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন,1572732 2019-01-01,৬ মাস নির্বাচনী পাহারাদার হোন,জাতীয় নির্বাচন,মিজানুর রহমান খান,৫৫,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572730/%E0%A7%AC-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%A8,opinion,print,2,রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|নির্বাচন|মিজানুর রহমান খান,৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হয়ে গেল। এই নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অভিযোগ বা আপত্তির বিষয়গুলো আমরা জেনেছি। এই নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষেরও নানা প্রশ্ন থাকতে পারে। কিন্তু শুধু প্রশ্ন তোলা বা অভিযোগ করলেই কোনো নাগরিক বা দলের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। একজন দলীয় বা নির্দলীয় ভোটার কোনো অনিয়মের কারণে সংক্ষুব্ধ হতেই পারেন। ভোটের দিন চলে গেলেই এর প্রতিকার চাওয়ার বিষয়টি শেষ হয়ে যায় না। ভোটের দিনের যেকোনো দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আপনি আইনি প্রতিকার চাইতে পারেন। তবে এটা আপনাকে অপরাধ সংঘটনের ৬ মাস বা ১৮০ দিনের মধ্যে চাইতে হবে। এটা কতটা বাস্তবানুগ. সেই প্রশ্ন থাকতে পারে. কিন্তু আপনি আইনের আশ্রয় নিতে বিমুখ থাকবেন. সেটা যুক্তি নয়। উত্তম বিকল্প তাহলে কী? তাই সত্যিই কোনো অনিয়ম ঘটলে. তার প্রমাণ সংগ্রহ করুন। ৬ জানুয়ারির মধ্যে ইসি গেজেটে ফল প্রকাশ করবে। এই ফল প্রকাশ মানেই অনেকের ধারণা. কারও প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু আইন তা বলছে না। যাঁরা জয়ী হলেন. তাঁরা সাংসদ পদ হারাতে পারেন। যাঁরা পরাজিত. তাঁদের প্রার্থিতাও ছয় মাসের মধ্যে অবৈধ গণ্য হতে পারে। শুধুই প্রার্থিতা বা সাংসদ পদ নয়. নির্বাচনের দিনের কোনো জালিয়াতির অপরাধ প্রমাণিত হলে অনধিক সাত বছর এবং কমপক্ষে ছয় মাস জেল হতে পারে। নির্বাচনী ব্যয় ছিল প্রার্থীপ্রতি অনধিক ২৫ লাখ টাকা। এই টাকা একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক থেকে ভাউচার রেখে খরচ করার কথা। ফল গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে তাঁরা এটা জমা দেবেন। এ–সংক্রান্ত ব্যয়ের বিবরণীগুলো প্রত্যেক প্রার্থীকেই দিতে হবে। ডিসি অফিসে গিয়ে তা দেখা যাবে। আইন বলেছে. নাগরিকেরা এটা দেখবেন বলে খুলে রাখতে হবে। ১২০ দিন খোলা থাকবে। সুতরাং ভোট দিলেই নাগরিক দায় শেষ হয় না। পাবনা ও বগুড়ায় নির্বাচনী এজেন্ট বের করে দেওয়া. প্রকাশ্যে সিল মারা. ভয়ভীতি দেখানো—এমনকি আগের রাতে ‘৮০ শতাংশ’ ব্যালটে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করার মতো অভিযোগ এনেছে বিরোধী দল। নাগরিক হিসেবে কেউ ভোট না দিতে পারলে তার প্রতিকারের চেষ্টা তাঁকেই করতে হবে। আপনার সম্পদ চলে গেলে আপনি তা ফিরে পেতে লড়াই করেন। ভোটও আপনার সম্পদ। আপনার মালিকানার বিষয়। আপনাকে তাই ভোটের পাহারাদার হতে হবে। এই লড়াই ভোটের দিন সূর্যাস্তের পরে শেষ হয়ে যায় না। আগামী পাঁচ বছরে যেকোনো দিনই নির্বাচিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন। এমনকি ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তা. নির্বাচনী এজেন্টসহ পুলিশের কারও অসদাচরণের জন্যও শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব। নিয়ম হলো. কিছু অপরাধের বিচার করবেন হাইকোর্টের বিচারকদের সমন্বয়ে নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল। আর কিছুর বিচার হবে নিম্ন আদালতে। তবে সে জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ইসির অনুমোদন লাগবে। ভোটারদের উচিত কোনো অভিযোগ থাকলে তা লিখিতভাবে ইসির কাছে অভিযোগ করা। এটা সাধারণত আনা হয় না বলে ইসির ওপর কোনো চাপ তৈরি হয় না। সবারই ধারণা. সব প্রতিকার বুঝি ভোটের দিনটা পার করতে পারলেই তামাদি বা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে। সেটা কিন্তু নয়। হাইকোর্ট গোটা নির্বাচন বাতিল করতে পারেন। আপনারা ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল রেকর্ড—এসব অভিযোগের কাজে লাগানো সম্ভব। কারণ. নতুন আইন এটাকে বৈধ করেছে। হাইকোর্ট বিভাগে পাঁচ হাজার টাকা জমা দিয়ে যে কেউ আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচনী বিরোধ নিষ্পত্তির বিচারে ১৯০৮ সালের কোড অব সিভিল প্রসিডিউর এবং ১৮৭২ সালের এভিডেন্স অ্যাক্ট বা সাক্ষ্য আইন চলবে। অন্যান্য মামলার বিচারের চেয়ে নির্বাচনী বিরোধের বিচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে. যাতে দীর্ঘসূত্রতা না ঘটে। এ জন্য আইন বলেছে. হাইকোর্ট বিভাগ যখন বিচার শুরু করবেন. তখন কেবল ন্যায়বিচারের স্বার্থ ব্যতিরেকে এর বিচারকার্য স্থগিত বা মুলতবি করা যাবে না। তবে ন্যায়বিচারের স্বার্থ কী. সেটা বিচারক নিজেই নির্ধারণ করবেন। নির্বাচনী মামলার ডকুমেন্ট বা নথিপত্র কোনো ক্ষুদ্র কারণে অগ্রহণযোগ্য বলে আদালত বিবেচনা করতে পারবেন না। মামলার সাক্ষ্য গ্রহণকালে আপনি কাকে ভোট দিয়েছেন. সেই তথ্য প্রকাশে বিচারক আপনাকে বাধ্য করতে পারবেন না। অনেকের ধারণা. রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বৈধ করেছেন এবং আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হয়ে গেছে. সুতরাং ভোটের পরে কারও প্রার্থী হওয়ার বৈধতার প্রশ্ন আর তোলা যাবে না. সেটি কিন্তু ঠিক নয়। আপিল বিভাগ যেসব প্রশ্ন মীমাংসা করেছেন. সেগুলোর সবটাই অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ। আরপিওর ৬৩ অনুচ্ছেদে লেখা আছে. হাইকোর্ট বিভাগ কোনো নির্বাচনের প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবেন. যদি তিনি দেখেন যে যাঁকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে. তা বৈধভাবে দেওয়া হয়নি। ভোটের দিনে ভোটকেন্দ্রের বাইরে উচ্চ স্বরে কথা বলাও নিষেধ ছিল। ঠিক কতগুলো কেন্দ্রে শান্তিভঙ্গ ঘটেছে. তার তালিকা হতে পারে। কোনো বিরক্তি সৃষ্টির অপরাধ প্রমাণ করতে পারলে কারও তিন বছর জেল হতে পারে। এসব বিধান আর কতকাল কেতাবেই থাকবে? কোনো ভোটারকে কোনোভাবে বিরক্ত করা যাবে না। কিন্তু সারা দেশে এভাবে বিরক্ত করার ভূরি ভূরি অভিযোগ আছে। এখানেও তিন বছরের জেলের বিধান আছে। আমরা ১১টি সংসদ নির্বাচন করেছি। অথচ আজ পর্যন্ত এসব ধারায় কোনো একটি মামলা পর্যন্ত হলো না। এটি একটি নাগরিক ব্যর্থতা। আড়াই কোটি তরুণ ভোটার রয়েছে. তারা যদি এবার বিরক্ত হয়ে থাকে. তবে এই ধারায় অভিযোগ করতে এগিয়ে আসতে পারে। এসব অভিযোগে অভিযুক্তকে ছয় মাসের নিচে কোনো দণ্ড দিতে আদালতের ক্ষমতাই নেই। এবারে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছিল ইভিএম বিষয়ে। ইভিএম–সংক্রান্ত সফটওয়্যার বা এর কোনো কিছুতে যদি পরিবর্তন আনা হয়. তাহলে তার জেল সাত বছর। ইভিএম কোথাও কোথাও কাজ করেনি. এখানেও অনিয়ম ঘটার কথা উঠেছে। বেড়ায় আবু সাইয়িদ প্রিসাইডিং কর্মকর্তা কর্তৃক নির্বাচনী এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। আমাকে তিনি বেলা ১১টাতেই বলেছিলেন. তিনি সংবিধানের ১২৩ খ অনুচ্ছেদের আওতায় সংসদ ভেঙে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন ভোট চান। কোনো নির্বাচনী এজেন্টকে বা প্রার্থীকে কোনো দলের কর্মী বা নির্বাচনী কর্মকর্তা ভোটদানে বাধা দিলে তার শাস্তি সাত বছর জেল। কমপক্ষে ছয় মাস। রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ভোট গ্রহণকারী কোনো কর্মকর্তা যদি ভোটের গোপনীয়তা নষ্ট করেন. তাহলে তাঁর পাঁচ বছর এবং কমপক্ষে তাঁর জেল হবে এক বছর। আরপিওর ৮৪ অনুচ্ছেদে পুলিশের জন্য শাস্তি নির্দিষ্ট রয়েছে। পুলিশকে যদি কোথাও কাউকে ভোট দিতে উৎসাহিত কিংবা বিরত রাখতে তৎপর হতে দেখা যায়. তাহলে ওই পুলিশের পাঁচ বছর জেল। কমপক্ষে এক বছর জেল হবেই। তবে এখানেই ইসির স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ. পুলিশ ও ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তারা জানেন. ইসির পূর্বানুমতি ছাড়া ভোটাররা মামলা করতে পারবেন না। কিন্তু ভোটারদের তাতে ভড়কে গেলে চলবে না। সারা দেশ থেকে অনুমতির জন্য আবেদন পেলে নির্বাচন কমিশনকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। ইসি নির্বাচনের যেকোনো পর্যায়ে কারও প্রার্থিতা বাতিল করতে পারে। আইন বলেছে. বলপ্রয়োগ. ভীতি প্রদর্শন. চাপ সৃষ্টিসহ বিরাজমান বিভিন্ন অপকর্মের কারণে ন্যায়সংগত ও নিরপেক্ষভাবে এবং আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করতে তারা সক্ষম থাকবে। কোনো ব্যালট পেপার বাতিল বা গ্রহণসহ কোনো কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারবে। আইন আরও বলেছে. ‘প্রাসঙ্গিক অন্যান্য আদেশ’ দিতেও তারা পারবে। ইসি চাইলে এখনো তদন্ত করতে পারে। আইনে পথ খোলা। নির্বাচন জাতির জীবনে আরও আসবে। মোট ভোটারের অর্ধেক তখন তরুণ হবে। আমরা যা পারিনি. তারা যাতে সেটা পারে. সেই পথ খুলে দিই। আইনে এসব যে আছে. তা তাদের জানিয়ে রাখা দরকার। এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করি না। এই প্রক্রিয়ায় যদি একটিতেও ফল পাওয়া যায়. সেটা এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ভোটের দিনে ভিজিল্যান্স টিম. অবজারভেশন টিম. মনিটরিং টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল সক্রিয় ছিল। সবটার প্রধান ডিসি ছিলেন। তাদের জবাবদিহিটা নীরবে নাগরিকেরা করতে পারে। এই কমিটিগুলো অকার্যকর থেকেছে বলে ২০২৩ ও ২০২৮ সালেও থাকবে? একটি কমিটিতে ‘বেসরকারি পর্যায়ের দলনিরপেক্ষ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ’ অন্তর্ভুক্ত থাকার কথা ছিল। কিন্তু থাকেনি বলে কোনো দিন থাকবে না? সে জন্যই শুরুটা দরকার। মিজানুর রহমান খান. প্রথম আলোর যুগ্মসম্পাদকmrkhanbd@gmail.com,1572730 2019-01-01,রূপচর্চায় ভুলভ্রান্তি,,ফারিয়া এজাজ,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572729/%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF,life-style,print,2,রূপচর্চা|নকশা,না বুঝেই রূপচর্চা করতে গিয়ে অনেক সময় হয়ে যায় হিতে বিপরীত। রূপচর্চার ক্ষেত্রে কী কী এড়িয়ে যাওয়া উচিত. জানা থাকলে হবে না ত্বকের নানা সমস্যা। রূপবিশেষজ্ঞরা জানালেন রূপচর্চার ভুলভ্রান্তির কথা। হারমনি স্পার আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা এবং হার্বস আয়ুর্বেদিক স্কিন অ্যান্ড হেয়ার কেয়ার ক্লিনিকের রূপবিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমি জানালেন রূপচর্চার নানা বিষয়। স্ক্রাবসাধারণত ত্বকের চারটি ধরন রয়েছে। ত্বকের ধরনভেদে স্ক্রাবারও নানা রকম হয়ে থাকে। যেকোনো ধরনের ত্বকে সপ্তাহে দুই দিনের বেশি স্ক্রাব করা উচিত না। যাদের চামড়া খুব পাতলা ও ত্বক শুষ্ক. তাদের ১৫ দিন পরপর এক দিনের বেশি করা ঠিক না। কারণ. প্রতিদিন আমাদের ত্বকে যে মৃত কোষগুলো হয়. তা একটি নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত জমে যাওয়ার পর তুলতে হয়। যদি প্রতিদিন স্ক্রাব করা হয়. তবে ত্বকের ভেতর আঁচড় কেটে যায়। ফলাফল ত্বকে স্বাভাবিকের তুলনায় খুব তাড়াতাড়ি বলিরেখা পড়ে যায়। তৈলাক্ত ত্বকে মাইল্ড স্ক্রাবার ছাড়া অন্য কোনো স্ক্র্যাবার ব্যবহার না করাই ভালো। স্ক্রাব দুই থেকে তিন মিনিটের বেশি করা উচিত নয়।ফেসিয়াল/প্যাক/ক্রিম/লোশনশুষ্ক ত্বকে ফেসিয়ালের জন্য যেকোনো টকজাতীয় ফল যেমন: লেবু. মাল্টা. কমলা ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকে মধু ব্যবহার করলে অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে। অ্যালোভেরা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও খুব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ফুটন্ত পানিতে অ্যালোভেরা কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে এরপর এর জেল্লা বের করে ত্বকে ব্যবহার করা উচিত। কাঁচা হলুদের রস বের করে জ্বাল দিয়ে তারপর ব্যবহার করা উচিত। এ ছাড়াও কাঁচা হলুদ সব ধরনের ত্বকের জন্য মানানসই নয়। কাঁচা হলুদের মধ্যে একধরনের তেল থাকে. যা আমাদের পরিবেশের সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারে না। এ জন্য অনেক সময় হলুদ ব্যবহারের পর ত্বক কালো হয়ে যায়।কাঁচা দুধ বা টকদই দিয়ে বানানো প্যাক ত্বকে ব্যবহার করা হলে অবশ্যই কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধোবেন। ফল বা ফলের রস দিয়ে তৈরি ঘরোয়া প্যাকগুলো ব্যবহারের পর মিনারেল পানি দিয়ে মুখ ধোবেন। কারণ. প্যাক ব্যবহারের পর ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তখন অতিরিক্ত ক্লোরিনযুক্ত পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে ত্বকে বলিরেখা পড়ে যায়। ফলমূল দিয়ে বানানো ঘরোয়া প্যাক ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর্যন্ত বা শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ব্যবহার করতে হবে। তবে বাজার থেকে কেনা প্যাক সাধারণত ১৫ মিনিটের বেশি ব্যবহার করা ঠিক না। অবশ্যই প্যাকের গায়ে যেই সময় উল্লেখ করা থাকবে. তা অনুসরণ করতে হবে।যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক হারবাল জাতীয় উপকরণ দুধ. মধু. টকদই বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত। দশ মিনিটের বেশি প্যাক লাগানো উচিত না। তৈলাক্ত ত্বকের প্যাক বা স্ক্রাবে মধু. বাদাম ব্যবহার না করাই ভালো। এতে করে ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে যেকোনো কিছু প্রথমে ত্বকের কিছুটা অংশে পরীক্ষা করে তারপর ব্যবহার করুন। প্যাক. ক্রিম বা লোশন সার্কুলার মোশনে ব্যবহার না করে নাক থেকে কান পর্যন্ত. থুতনি থেকে কানের লতি পর্যন্ত. কপাল থেকে নাক বরাবর সংযোগস্থান পর্যন্ত ব্যবহার করা উচিত। কারণ. সার্কুলার মোশনে ত্বকে প্যাক. ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করলে একপর্যায়ে এসে চোখে বা ঠোঁটের কোনে বলিরেখা পরে যায়। মাথার ত্বকে প্যাকের ব্যবহারটকদই তৈরি হয় ভালো ধাঁচের ব্যাকটেরিয়া থেকে। এই টকদই যদি মাথার ত্বকে ব্যবহার করা হয়. তবে ফাঙ্গাস পড়ে যেতে পারে। আবার টকদই ও ডিম একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ব্যবহার করলেও ঠিক একই ধরনের সমস্যা হতে পারে। টোনারঘরোয়া টোনার ব্যবহার করাই ভালো। কারণ. বাজারের টোনারগুলোতে ত্যালাপিন ও অ্যালকোহল থাকে। তাই বাজারের টোনার গোলাপজল বা পানির সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করাই ভালো। কারণ. বাজারের টোনারে অ্যালকোহল বা অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে। তাই সরাসরি ব্যবহারে এই উপাদানগুলো ত্বকে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। খালি হাতে টোনার ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ. এতে করে টোনার লোমকূপ পর্যন্ত পোঁছাতে পারে না এবং এর ব্যবহারও কার্যকর হয় না। এ ছাড়াও টোনার সার্কুলার মোশনে বা ঘষে কখনোই ব্যবহার করা ঠিক না। মনে রাখা ভালো● মাথার ত্বকের ধরন না জেনে যেকোনো পণ্য ব্যবহার করা উচিত না।● ভালো করে না জেনেশুনে ত্বকের কোনো পণ্য কেনা ঠিক না।● আমাদের দেশের পরিবেশ বিবেচনায় পাউডার জাতীয় সানস্ক্রিন ভালো কাজ করে। কারণ. এতে করে লোমকূপ সুরক্ষিত থাকে ও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি প্রবেশ করে ত্বকে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে না। তাই পাউডার জাতীয় সানস্ক্রিন ছাড়া ভিন্ন ধাঁচের সানস্ক্রিন ব্যবহার না করাই ভালো।● শীত ও গ্রীষ্মকালভেদে ত্বকের পণ্য ভিন্ন হয়ে থাকে। ত্বকের ধরন বুঝেই এই পণ্যগুলো ব্যবহার করতে হবে।,1572729 2019-01-01,শীতেই তো শতরঞ্জি,,অলকানন্দা রায়,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572727/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF,life-style,print,2,নকশা|জেনে নিন,শত রঙের বাহারে রাঙা বলেই নামটা কি শতরঞ্জি? লাল-নীল-সাদা-হলুদ-কমলা—এমনি নানা রঙের সুতায় বোনা শতরঞ্জি একসময় রাজা-বাদশাহদের আভিজাত্যের প্রতীক কিংবা জমিদার. বিত্তবানদের ভোজের আসন হিসেবে ব্যবহৃত হলেও হাল আমলে সর্বস্তরের মানুষের ঘরের শোভা। শতরঞ্জি যেমন ঘরের শোভা বাড়ায়. তেমনি শীতের দিনে মেঝের হিম তাড়ানোরও একটি জুতসই উপাদান। তাই শীতের মৌসুমে শতরঞ্জির ব্যবহার যেন একটু বেশিই। শতরঞ্জি বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ‘শতরঞ্জি’র বিক্রয়কর্মী মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম তেমনটাই জানালেন। বাসাবাড়ির সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজে শতরঞ্জির ব্যবহার বারো মাসজুড়েই। শতরঞ্জির ব্যবহার একেক ঘরে একেক রকম। কেউ মেঝে সাজাতে ব্যবহার করেন. কেউ দেয়াল. কেউ ম্যাগাজিন হোল্ডার. কেউবা ব্যবহার করেন খাবার আসন বা বসার আসন হিসেবে. শোবার জন্যও ব্যবহার করেন কেউ কেউ। বিভিন্ন নকশায় শতরঞ্জি হয়ে ওঠে নজরকাড়া—জানালেন শহিদুল ইসলাম। আরও যোগ করলেন. শতরঞ্জির নকশার মধ্যে রয়েছে জামদানি. জ্যামিতিক. কাটারি. পিলপা. আসমান-তারা. প্রজাপতি. নদীর ঢেউ. ফুল-পাতা. নাটাই. ঘুড়ির মোটিফ। এমনকি কারিগরেরা পাগলা-পাগলি নামের একধরনের নকশাও বুনে থাকেন এসব শতরঞ্জির জমিনে। শীতে প্রকৃতিতে যেন বিমর্ষ একটা ভাব ফুটে থাকে। তাই ক্রেতারা ঘর সাজাতে চাকচিক্যময় এসব শতরঞ্জি কেনেন। প্রাধান্য দেন অ্যাক্রিলিক কটন. অ্যাক্রিলিক উলে বোনা কোমল একটু আরামদায়ক শতরঞ্জিকে। পাটে বোনা শতরঞ্জির কদরও কম নয় বলে জানালেন শহিদুল ইসলাম। অ্যাসথেটিকস ইন্টেরিয়রের স্বত্বাধিকারী সাবিহা কুমু বলেন. শতরঞ্জির বুনন একটু মোটা বলে শীতকালে মেঝেতে এর ব্যবহার বেশ আরামদায়ক। ঘরের ভেতর হাঁটাচলায় পায়ে ঠান্ডা লাগার ভয় থাকে না। এমনকি রান্নাঘর বা অন্য কোথাও মেঝেতে বসে যেসব কাজ করার থাকে. সেখানেও এর ব্যবহারে ঠান্ডা লাগার সমস্যাটা আর থাকে না। শীতকালে ঠান্ডার সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোও যেহেতু একটা বড় বিষয়. তাই কোন ঘরে. কোথায়. কতটুকু জায়গায় শতরঞ্জি বিছানো হবে. তার ওপর নির্ভর করে নকশা. রং এবং শতরঞ্জির দৈর্ঘ্য-প্রস্থ নির্বাচন—এমনটাই মনে করেন তিনি। সাবিহা কুমু বলেন. শতরঞ্জি আকারে খুব বেশি বড়সড় হয় না। তাই বসার ঘরে বেশি ফাঁকা জায়গা থাকলে কয়েকটা শতরঞ্জি ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সেন্টার বা কর্নার টেবিল এর ওপর বসানো যেতে পারে। শিশুদের ঘর. শোবার ঘর. খাবার ঘর. এমনকি বারান্দার ফাঁকা জায়গা. যেখানে বিকেল কিংবা সন্ধ্যাগুলোতে চায়ের আড্ডা বসে. সেখানেও শতরঞ্জি বিছানো যেতে পারে। শীতের আমেজে সৌন্দর্যও ফুটে উঠবে শতভাগ।,1572727 2019-01-01,সুস্থ সুন্দর ২০১৯,,,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572724/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF,life-style,print,2,নকশা|নতুন বছরের পৃথিবী,আরও একটা নতুন বছর। ২০১৯। নতুন সূর্য. নতুন আলো। নতুন আশা। নতুন বছর এলেই আমরা নতুন নতুন প্রতিজ্ঞা করি বা পুরোনো না মানা প্রতিজ্ঞাগুলোকে আবার নতুন করে পালন করার পণ করি ।এই যেমন এই বছর আমি রোজ হাঁটব. নিয়ম করে কিংবা রাত জাগব না। অথবা রাতের খাবার আগেভাগে খেয়ে নেব। তারপর? যেই কি সেই...। বছরটাও পুরোনো হতে থাকে. নিজের জীবনযাপনের প্রতিজ্ঞাও দুর্বল হতে থাকে। তবু নতুন বছরের শক্তি অনেক। পোশাকের নকশা থেকে ঘরের সাজ. চুলের কাট থেকে চোখের সাজ—নতুন বছরে সবাই যোগ করতে চায় নতুন কিছু। দেয় আগাম বার্তা। বছরজুড়ে চলে সেই আগাম বার্তার বাস্তবায়ন। নিজের কথাই ধরুন. ভাবছেন একঘেয়ে লাগছে বসার ঘরের সজ্জা। পর্দাটা বদলে দেবেন নতুন বছরে। আসবাব কমিয়ে কুশন দেবেন ছড়িয়ে. আর ঘরের বইয়ের তাকটা নতুন করে বানাবেন। এই অল্প পরিবর্তনেই কিন্তু ঘরের চেহারা যাবে পাল্টে। অতিথিরা ঘরে ঢুকেই বলবে. বাহ্ ঘরটা দারুণ লাগছে! নতুনের এই তো মজা! জানি সবচেয়ে কঠিন কাজ জীবন নকশা পাল্টে ফেলা। পোশাক. সাজ. অন্দরসজ্জা—এসব কিছু নতুন করে ভাবেন বিশেষজ্ঞরা। দেশে-বিদেশে। আপনার চাই তথ্য এবং তা অনুসরণ করা। কিন্তু নিজের জীবনের নকশা নিজেই পাল্টে ফেলতে হয়। এ বড় ধৈর্যের কাজ। প্রথম আলোর নকশা কিংবা ইউটিউব খুললেই সালাদের রন্ধনপ্রণালি পাওয়া যাবে। কিন্তু রোজকার ভাত-রুটির বদলে সালাদ-সবজি খাওয়ার অভ্যাস করা চাট্টিখানি কথা নয়। ভোরবেলা ঘুম ভাঙার পর খালি পেটে পানি খাওয়া নাকি ভালো. আর ভরপেট খেয়ে উঠেই পানি না খাওয়াটা ভালো। জানি তো সবই। মানি কজনা? তবে আধুনিক রূপবিশেষজ্ঞরা বলেন. সৌন্দর্য নাকি আসবে সুস্থতা থেকেই। খাবারের পুষ্টি. জীবনযাপনের নিয়ম. চর্চা. নিজের যত্ন আর ধারাবাহিকতার ধৈর্য. পণ না ভাঙা—সব মিলেই নাকি সুস্থ থাকা. সুন্দর থাকা। নতুন বছরে নকশা তাই কামনা করে সব পাঠক সুস্থ থাকুক. সুন্দর থাকুক। ২০১৯ শুভ হোক। বিভাগীয় সম্পাদক নকশা,1572724 2019-01-01,লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়,,নিজস্ব প্রতিবেদক. বরিশাল,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572721/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%96-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%9F,bangladesh,print,2,বরিশাল|একাদশ সংসদ নির্বাচন|সুজন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,আওয়ামী লীগের দাপুটে প্রচারণা। অন্যদিকে মামলা ও ধরপাকড়ে কোণঠাসা বিএনপি। ভোটের দিনও মাঠ দখলে ছিল আওয়ামী লীগের। ফলাফল বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের পাঁচটিতেই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের একক প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। আরেকটি আসনে মহাজোটের নৌকার প্রার্থীকে হারিয়ে আওয়ামী লীগেরই আরেক শরিক জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়. এই আসনে ভোট পড়ার হারও অনেক কম। আবার যে পাঁচটি আসনে মহাজোটের একক প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন. তাঁরা লাখ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। বরিশালের যে আসনটিতে বিএনপির সঙ্গে লাঙ্গলের প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়. সেটি বাবুগঞ্জ-মুলাদী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-৩ আসন। এ মহাজোটের প্রার্থী ছিলেন বর্তমান সাংসদ ওয়ার্কার্স পার্টির শেখ টিপু সুলতান। তাঁর প্রতীক ছিল নৌকা। জাতীয় পার্টি আসনটি উন্মুক্ত করে দিলে প্রার্থী হন সাবেক সাংসদ গোলাম কিবরিয়া টিপু। আর বিএনপির প্রার্থী ছিলেন জয়নুল আবেদীন। আসনটিতে ট্রাক প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন যুবমৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আতিকুর রহমান। ফলাফলে দেখা যায়. গোলাম কিবরিয়া টিপু ৫৪ হাজার ৭৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম বিএনপির জয়নুল আবেদীন পান ৪৭ হাজার ২৮৭ ভোট। আর নৌকার শেখ টিপু সুলতান পান ১৯ হাজার ২১৯ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান ১২ হাজার ৯৫৫ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৩ হাজার ৬৪৯। এখানে ভোট পড়ে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০। ৬০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বিপরীত চিত্র ছিল বাকি পাঁচটি আসনে। এই আসনগুলোতে ভোট পড়ার হার বেশি। এই পাঁচটি আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে বরিশাল-৫ (সদর) আসনে। প্রায় ৯১ শতাংশ। এখানে আওয়ামী লীগের জাহিদ ফারুক শামীম প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ভোটে বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ারকে হারিয়েছেন। বরিশাল-১ আসনে ভোট পড়েছে প্রায় ৮২ শতাংশ। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। তিনি বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের চেয়ে দুই লাখ ভোট বেশি পেয়েছেন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে বরিশাল-৪ আসনে. ৮১ দশমিক ৬০ ভাগ। এখানে আওয়ামী লীগের পংকজ দেবনাথ ২ লাখ ৩০ হাজার ভোটে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জে এমন নুরুর রহমানকে হারিয়েছেন। বরিশাল-৬ ও বরিশাল-২ আসনে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। বরিশাল-৬ আসনের মহাজোটের নাসরিন জাহান বিএনপির সাবেক সাংসদ আবুল হোসেন খানকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ভোট ও বরিশাল-২ আসনে আওয়ামী লীগের মো. শাহে আলম বিএনপির সরফুদ্দিন আহমেদকে ২ লাখ ভোটে হারিয়েছেন। ভোটের ফলাফলে এমন তারতম্যের বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন. বরিশাল-৩ আসনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বলে সেখানে ভোট পড়ার হার ও দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান কমে গেছে। এ থেকে বোঝা যায়. সেখানে ভোট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে এবং ফলাফলে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে। বাকি পাঁচটি আসনে ভোট প্রাপ্তির ব্যবধান দেখে সহজে অনুমান করা যায়. সেখানে জন–ইচ্ছার প্রতিফলন অতটা হয়নি। এমন ফলাফল মানুষের বিশ্বাসকে নষ্ট করছে। এটা গোটা নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য হুমকি। যা রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দীর্ঘ মেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।,1572721 2019-01-01,নির্বাচনে ১২ প্রার্থীর ভোট পাঁচ শয়ের নিচে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. কক্সবাজার,৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572720/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A-%E0%A6%B6%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%87,bangladesh,print,2,কক্সবাজার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২৯ জন প্রার্থী। এর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে ২২ জন প্রার্থীর। প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোটও না পাওয়ায় প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেন। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১২ জনের ভোট পাঁচ শয়ের নিচে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়. কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে প্রার্থী ছিলেন আটজন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ও ধানের শীষের প্রার্থী ছাড়া অপর ছয় প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম (৪২৫). স্বতন্ত্র তানিয়া আফরিন (২১৮) ও বদিউল আলম (৮৯). ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ আলী আছগর (৫২২). বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মুহাম্মদ ফয়সাল (৭০) ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ ইলিয়াছ (২৩১)। বিজয়ী আওয়ামী লীগের জাফর আলম পেয়েছেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৮৫৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির হাসিনা আহমেদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৬০১ ভোট। কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৯ জন প্রার্থী। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ছাড়া অপর ৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তাঁরা হলেন ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী জামায়াতের এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ (১৮ হাজার ৫৮৭). বিএনপির আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (১১ হাজার ৭৮১). গণফ্রন্টের আনসারুল করিম (২১৫). বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আবু ইউসুফ মুহাম্মদ মনজুর আহমদ (১৪৭). ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জসিম উদ্দিন (১ হাজার ৬৩০). বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. শহিদুল্লাহ (৭১). ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান (৫২০). বিকল্পধারা বাংলাদেশের শাহেদ সরওয়ার (৩৭৯) ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ মোহিবুল্লাহ (৮৭)। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের আশেক উল্লাহ রফিক পেয়েছেন ২ লাখ ১৩ হাজার ৯১ ভোট। কক্সবাজার-৩ (রামু ও কক্সবাজার সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পাঁচজন প্রার্থী। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়া অপর তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তাঁরা হলেন জাতীয় পার্টির মফিজুর রহমান (২৮৪). বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. হাছন (২৬৩) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমিন (১ হাজার ১৬৯)। বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাইমুম সরওয়ার কমল পেয়েছেন ২ লাখ ৫৩ হাজার ৮২৫। বিএনপির লুৎফর রহমান কাজল পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৭১৮। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ছয়জন প্রার্থী। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়া অপর চারজন জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন জাতীয় পার্টির আবুল মনজুর (১৮১). ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ শোয়াইব (১ হাজার ৫১২). ইসলামী ঐক্যজোটের রবিউল হোছাইন (২১৮) ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাইফুদ্দিন খালেদ (৬৮)। বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাহীন আক্তার পেয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ১৮ ভোট।,1572720 2019-01-01,বিনা মূল্যে বই বিতরণ,এই সাফল্য উদ্‌যাপনযোগ্য, মন্তব্য,১,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572718/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%A3,opinion,print,2,সম্পাদকীয়:,সোয়া চার কোটি মানুষ বাস করে—পৃথিবীতে এমন দেশের সংখ্যা খুব বেশি নয়। অস্ট্রেলিয়ার মতো বিশাল দেশে জনসংখ্যা আড়াই কোটির অল্প কিছু বেশি। অতি আনন্দের কথা হলো. অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় অতি ক্ষুদ্র এই দেশটিতে আজ নতুন বছরের প্রথম দিনে সোয়া চার কোটি শিশু–কিশোরের হাতে যাবে নতুন পাঠ্যবই। অর্থাৎ আমাদের এই দেশে শুধু প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত যত শিক্ষার্থী আছে. তাদের সংখ্যাই বিশ্বের বহু দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি। এতসংখ্যক ছেলে–মেয়ের শিক্ষাদীক্ষায় সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করা সহজ বিষয় নয়। শিক্ষান্বেষী সোয়া চার কোটি ছেলে–মেয়ে নতুন বইয়ের গন্ধে আজ বিভোর হবে। নতুন দিনের এক স্বপ্নের হাতছানিতে এগিয়ে যাবে তারা। এত শিশুর হাতে একসঙ্গে বই তুলে দেওয়া নিঃসন্দেহে এক মহাযজ্ঞ। সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে ‘বই উৎসব’ বলা হচ্ছে। এই অভিধাকে অত্যুক্তি বলার অবকাশ নেই। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের সব প্রস্তুতিকে সফলই বলা যায়। ইতিমধ্যে প্রায় সব বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠপর্যায়ে পাঠিয়ে দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ২০১৯ সালের জন্য প্রাক্-প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য মোট ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য খরচ পড়ছে প্রায় ১ হাজার ৮২ কোটি টাকা। বই উৎসব যাতে প্রতিটি শিশুর কাছে উৎসব হয়ে ধরা দেয়. তা নিশ্চিত করা দরকার। বই উৎসবের দিন যারা নতুন বই হাতে পায়. তারা মহা আনন্দে হাসতে হাসতে বাড়ি ফেরে। কিন্তু যারা বই পায় না. তারা বাড়ি ফেরে বিষণ্ন মনে। কাঁদতে কাঁদতে ফেরে। শিশুদের সেই আবেগের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা দরকার। একটি শিশুও নতুন বই পাওয়ার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে না—এটি নিশ্চিত করতে পারলেই এই উৎসব সার্থক হবে। তাহলেই বিনা মূল্যে বই বিতরণে সরকারের সাফল্য প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। অন্যান্য বছর কোথাও কোথাও বই বিতরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে আসতে দেখা গেছে। এটি অনভিপ্রেত। স্থানীয় পর্যায়ের অল্প কিছুসংখ্যক স্বার্থান্বেষী মানুষের এই তৎপরতা সম্পর্কে প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের সজাগ থাকা দরকার। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে এত বড় মহাযজ্ঞের সাফল্য যাতে কলঙ্কিত না হয়. সেটি নিশ্চিত করতে হবে।,1572718 2019-01-01,স্বাগত ২০১৯,,বিশেষ প্রতিনিধি. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572719/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF,bangladesh,print,2,দিবস|ইংরেজি নববর্ষ,সময় কখনো নিষ্ফলা যায় না। অনেক ঘটনার জন্ম দিয়ে অতীতের ঘরে জমা হলো আরও একটি বছর। গতকাল সোমবার বছরের শেষ দিনের সূর্যটা অকৃপণভাবে উজ্জ্বল সোনালি রোদ ছড়িয়েছে। একেবারে উদয়াস্ত। উষ্ণতার পরশ বুলিয়ে গেছে পৌষের শীতে কাতর প্রাণিকুলে। সেই পথ বেয়ে আজ মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে আরেকটি নতুন বছর। বদলে যাবে পুরোনো দিনপঞ্জিকা। আজ এবং আগামী দিনগুলোতে কল্যাণময় উজ্জ্বল দিনের প্রত্যাশায় স্বাগত ২০১৯। একেকটা বছর শেষ হয়ে এলে পাওয়া না–পাওয়ার একটা হিসাব–নিকাশ করতে আগ্রহ জাগে সবার মনেই। অতীতের ব্যর্থতাকে জয় করে একই সঙ্গে নতুন বছরের জন্য নতুন প্রত্যাশায় বুক বাঁধে। বিদায়ী ২০১৮ সালের সব অপ্রাপ্তি ও বেদনা ভুলে নতুন বছরের সেই প্রত্যাশা হোক শান্তি. সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য। শুরু হোক ঐক্যবদ্ধভাবে সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি। নতুন বছর শুরুর প্রাক্কালে ফেলে আসা বছরের দিকে তাকালে জনজীবনে আলোড়ন তোলা অনেক ঘটনাই চোখের সামনে ভেসে ওঠে। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল গুম. খুন. আলোচিত দুর্নীতির বিচার এবং সব ছাপিয়ে গায়েবি মামলা। এর মধ্য দিয়েই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে এগিয়েছে দেশ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বছরের শেষ দিকে গিয়ে রাজনীতিতে সৃষ্টি হয় নতুন এক মেরুকরণ। অবশেষে অনুষ্ঠিত হয় দেশে-বিদেশে বহুল আলোচিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নতুন বছরে শপথ নেবে এই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকার। শুরু হবে নতুন লক্ষ্যে দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলা। নতুন বছরে সবার প্রত্যাশা. সেই চলার পথে যেন সঙ্গী হয় দেশের প্রতিটি মানুষ। কাউকে পেছনে ফেলে কিংবা প্রত্যাখ্যান করে নয়. অগ্রগতির অংশ হোক ঐক্যবদ্ধ জাতি। নতুনের প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরকালের। সে জন্যই খ্রিষ্টীয় নববর্ষ এ দেশেও সার্বজনীনতা পেয়েছে। নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে খ্রিষ্টীয় বর্ষবিদায় ও নতুন বছর বরণ করে নেওয়ার অনুষ্ঠান। এর আরও কারণ. নতুনের মধ্যে থাকা অনন্ত সম্ভাবনা। নতুনের মধ্যে থাকে সামর্থ্য এবং পরিবর্তনের প্রয়াসও। পুরোনোর পুনরাবৃত্তি যখন মানুষের জীবন. সমাজ ও সংস্কৃতিতে অচলায়তনের দেয়াল তুলে দেয়. তখন সেখান থেকে মুক্তির পথ দেখায় নতুন। আজ নতুন বছরে সেই নতুনের আবাহনে মেতে উঠুক সমগ্র দেশ। বিগত বছরের ভুল সংশোধিত হোক। মন্দ ও কুৎসিত নিক্ষিপ্ত হোক আস্তাকুঁড়ে। ২০১৯ সালে ফিরে আসুক দেশের সব মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি।,1572719 2019-01-01,স্বাগত ২০১৯,নতুন বছরে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসুক,,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572717/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF,opinion,print,2,সম্পাদকীয়:,স্বাগত ২০১৯। বিদায় ২০১৮। বিশ্ববাসীর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষও এই খ্রিষ্টীয় বছরকে বরণ করবে নতুন আশা. স্বপ্ন ও উদ্দীপনা নিয়ে। মহাকালের পরিক্রমায় একটি বছর হয়তো খুব বেশি সময় নয়। তারপরও স্বীকার করতে হবে যে ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সাফল্য-ব্যর্থতা পরিমাপ করার ক্ষেত্রে বছরের হিসাব-নিকাশটি গুরুত্বপূর্ণ। নদীর স্রোত ও সময় কখনো স্থির থাকে না। বিগত বছরে আমরা কী করতে পেরেছি. কী করতে পারিনি. তার নির্মোহ বিচার-বিশ্লেষণ জরুরি সামনের পথ সুগম করার জন্যই। বিগত বছরটিতে আর্থসামাজিক. রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেওয়ার অঙ্গীকার করেও মিয়ানমার ফেরত নেয়নি। ফলে আগের ৩ লাখসহ ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর ভার বহন করতে হচ্ছে সমস্যাসংকুল এই বাংলাদেশকে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে. চীন ও রাশিয়ার ভূমিকা মিয়ানমারের চণ্ডনীতিকেই উৎসাহিত করেছে। আমরা আশা করব. নতুন বছরে এ বিষয়ে বিশ্বসম্প্রদায় এগিয়ে আসবে এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে বাধ্য করাবে। গত বছর আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যে ছিল কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন. যা আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারত। কিন্তু তরুণদের এই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনে সরকারের যেভাবে সাড়া দেওয়ার কথা. সেভাবে তারা দেয়নি বা দিতে পারেনি। সরকার সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করার ঘোষণা দিলেও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি অমীমাংসিতই থেকে গেছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুললেও যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তায় কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার। আন্দোলনের মুখে তারা সড়ক নিরাপত্তা আইন পাস করলেও সেই আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিকেরা। এটি দুঃখজনক। সড়ক নিরাপদ হলে যাত্রীসাধারণের সঙ্গে পরিবহনশ্রমিকেরাও নিরাপদ থাকবেন। তবে ২০১৮ সালের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। প্রথম প্রশ্ন ছিল নির্বাচনটি অংশগ্রহণমূলক হবে কি না? বিরোধী দল শুরু থেকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি করে এসেছে এবং এই দাবিতে ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করেছিল। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল বলে আসছে. সংবিধানের বাইরে তারা যাবে না। এই বাদানুবাদ সত্ত্বেও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বহুল আলোচিত সংলাপের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ ডিসেম্বর সব দলের অংশগ্রহণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে বিতর্কের অবসান হয়নি। সরকারি দল বলেছে. নির্বাচনটি সুষ্ঠু ও অবাধ হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী দল ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। বছর শেষের এই রাজনৈতিক বিরোধ নতুন বছরে যাতে বড় ধরনের বিপত্তি তৈরি না করে. সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। নির্বাচন যেভাবেই হোক না কেন. নতুন বছরে বাংলাদেশ নতুন একটি সরকার পেতে যাচ্ছে। এই সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে পদ্মা সেতুসহ চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা। অর্থনৈতিক ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্য থাকলেও দুটি ক্ষেত্রে দেশ এখন নাজুক অবস্থায় আছে। ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতি-অনিয়ম এবং কর্মসংস্থানের অভাব। নতুন বছরে সমস্যা দুটি সমাধানে সরকার দৃঢ় ও টেকসই ব্যবস্থা নেবে. এই প্রত্যাশা করা নিশ্চয়ই অযৌক্তিক হবে না। নতুন বছরে বাংলাদেশে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসুক। সরকারের যেকোনো কর্মপরিকল্পনায় নাগরিক নিরাপত্তা অগ্রাধিকার পাক. এটাই প্রত্যাশা। আমাদের সব পাঠক. লেখক ও শুভানুধ্যায়ীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। শুভ নববর্ষ!,1572717 2019-01-01,সুনসান বিএনপির কার্যালয়,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572713/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন গতকাল সোমবার দিনভর নিরুত্তাপ ছিল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়। নয়াপল্টনের এই কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের আনাগোনা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনও করেননি নিয়মিত গণমাধ্যমের সামনে আসা দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। নির্বাচনের ফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখে নেতা-কর্মীরা দলীয় কার্যালয়মুখী হননি। বেসরকারি ফলাফলে ক্ষমতাসীন দল বড় জয় পেয়েছে। মাত্র পাঁচটি আসনে জয়ী হয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বিএনপি। ঢাকায় কোনো আসন পায়নি দলটি। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর রোববার রাতেই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নির্দলীয়. নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবিলম্বে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট। সাধারণত বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আসা–যাওয়া থাকে। তফসিল ঘোষণার পর প্রায় প্রতিদিনই নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে নেতাদের গাড়ির জটলা লেগেই থাকত। গত এক মাসে প্রায় প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলন করেছেন রুহুল কবির রিজভী। এই সংবাদ সম্মেলন ঘিরে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতি থাকত সব সময়। কিন্তু নির্বাচনের পর এই চিত্র বদলে গেছে। গতকাল অনেকটাই সুনসান ছিল দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। গতকাল সকাল ১০টায় নয়াপল্টন কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে. কেবল রুহুল কবির রিজভী ও কার্যালয়ের কয়েকজন স্টাফ অবস্থান করছেন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ ছাড়া কোনো নেতা-কর্মী কার্যালয়ে আসেননি। এদিকে তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের দিন পর্যন্ত নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টানা অবস্থান থাকলেও গতকাল কাউকে দেখা যায়নি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নয়াপল্টন কার্যালয়ে আসেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের এক কর্মকর্তা। এই কর্মকর্তার সঙ্গে বিএনপির এই দুই নেতা ঘণ্টাখানেক বৈঠক করেন। তবে বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে বিএনপি নেতারা কোনো কথা বলেননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈঠকে অংশ নেওয়া এক নেতা বলেন. নির্বাচনের বিষয়ে বিএনপির পর্যবেক্ষণ জানতে চেয়েছেন মার্কিন দূতাবাসের ওই কর্মকর্তা। এরপর বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মীর নেওয়াজ আলী. রমেশ দত্তসহ আরও কয়েকজন কার্যালয়ে আসেন। তাঁরা কার্যালয়ে অবস্থানরত রিজভীর সঙ্গে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন নিয়ে আলাপ–আলোচনা করেন। তাঁরাও দুপুরের পর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বিকেল পর্যন্ত আর কোনো নেতাকে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেখা যায়নি। নির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে রিজভী বলেন. ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা আজই (গতকাল বিকেলে) এ ব্যাপারে কথা বলবেন। এ ব্যাপারে আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলব না।’ তবে নির্বাচন নিয়ে তাঁর পাশে বসা নেতাদের ভাষ্য. ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি নেতারা মোটেও হতাশ নন। ৯০–এর দশকে এর চেয়ে কঠিন সময় তাঁরা দেখেছেন। এ সময় রিজভীকে দল গোছাতে মনোযোগী হওয়ারও পরামর্শ দেন এক নেতা।,1572713 2019-01-01,বিপিএল খেলতে মাশরাফি ঢাকায় আসছেন,,প্রতিনিধি. নড়াইল ও লোহাগড়া,৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572707/%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87,bangladesh,print,2,নড়াইল|নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|মাশরাফি বিন মুর্তজা|আওয়ামী লীগ,সকাল থেকেই বাসার সামনে দাঁড়িয়ে ভক্ত. শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ছাপিয়ে জনসমুদ্রে পরিণত। লক্ষ্য একটাই. নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাশরাফিকে একনজর দেখা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি যখন বাসা থেকে বের হয়ে পাশের নির্বাচনী অফিস তাহেরা কনভেনশনে যান. তখন সেখানে সাধারণ মানুষের ঢল। ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ীর পর গতকাল সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময় করেন। নির্বাচনের আগে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাসযোগ্য স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে নড়াইলবাসীকে যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন. তা বাস্তবায়নে মানুষের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। সেই সঙ্গে কৃষি. স্বাস্থ্য. শিক্ষা. যোগাযোগব্যবস্থা. খেলাধুলার উন্নয়নসহ মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে চান। এক প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন. নির্বাচনী গণসংযোগের সময় জেলার বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাটের দুরবস্থা দেখেছেন তিনি। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি হলে এলাকার উন্নয়ন দ্রুত সম্ভব। তাই যোগাযোগের ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নে কাজ করতে চান। নড়াইলকে একটি মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে যা কিছু করণীয়. মাশরাফি তা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে করার প্রতিশ্রুতি দেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নয়নের ব্যাপারে তিনি বলেন. বেসরকারিভাবে ইতিমধ্যে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন থেকে ক্রিকেট. ফুটবল ও ভলিবল খেলার উন্নয়নে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে খেলোয়াড় বাছাই করে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের কাজ চলছে। তিনি মনে করেন. এতে তরুণ সমাজ চাকরি. কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে এবং তারা মাদক থেকে দূরে থাকবে। খেলার মাঠ আর রাজনীতির মাঠের মাশরাফির মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে কি না. এমন প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন. দেশের জন্য যেমন খেলেছেন. তেমনি রাজনীতিক হিসেবে দেশের সেবা করতে চান। নির্বাচনে তাঁকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার জন্য নড়াইলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে মাশরাফি আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবাস বোস. জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসেন বিশ্বাস. সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দীন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বিপিএল খেলায় অংশ নেওয়ার জন্য মাশরাফি সপরিবারে আজ মঙ্গলবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। নির্বাচনে মাশরাফি ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের ফরিদুজ্জামান পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৮৩ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৪৪।,1572707 2019-01-01,আবার ধরাশায়ী জাফর উল্যাহ,,প্রবীর কান্তি বালা. ফরিদপুর,২২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572706/%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B9,bangladesh,print,2,নির্বাচন|ফরিদপুর|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,ফরিদপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান চৌধুরীর কাছে আবার ধরাশায়ী হলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ। নির্বাচনে কাজী জাফর উল্যাহ ৪৯ হাজার ৯৪৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। ২০১৪ সালে কাজী জাফর উল্যাহ ২৬ হাজার ৫২ ভোটের ব্যাবধানে মজিবুর রহমানের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। এ বছর সে ব্যবধান আরও বেড়েছে। ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসনটি ভাঙ্গা ও চরভদ্রাসন উপজেলা এবং কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ব্যতীত সদরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। পাঁচ বছর আগে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে কাজী জাফর উল্যাহকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেন ‘বহিরাগত’ মজিবুর রহমান। সে সময় মজিবুর রহমান পাশের মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। অবশ্য ওই নির্বাচনে বিজয়ের পর তিনি ভাঙ্গার আজিমপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামে জমি কিনে বাড়ি বানান। ওই নির্বাচনে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মজিবুরকে ভোট দিয়েছিলেন নৌকার মাঝি পরিবর্তনের জন্য। মজিবুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকটাত্মীয় (বঙ্গবন্ধুর ভাগনে ইলিয়াস চৌধুরীর ছেলে)। তিনি বিজয়ী হলে এ আসনটি আওয়ামী লীগের কবজায় থাকবে বলে আশা করেছিলেন এলাকাবাসী। কিন্তু গত পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগে যোগ দেননি মজিবুর রহমান। তিনি তাঁর নিজস্ব স্বতন্ত্র সত্তা অক্ষুণ্ন রেখে চলেছেন। ওই সংসদীয় আসনের অন্তত ১৪ জন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে. এ বিষয়টি এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় পুঁজি করেছিলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজী জাফর উল্যাহ ও তাঁর সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি ছিল. স্বতন্ত্র সাংসদ গত পাঁচ বছরেও নৌকার মাঝি হতে পারেননি। তিনি নৌকার মাঝি হবেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিয়েছেন। এবার নির্বাচনে তাঁকে (মজিবুর) প্রত্যাখ্যান করবে এলাকার জনগণ। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের আশা ছিল. ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। ওই নির্বাচনে বিএনপির ভোট পেয়েছিলেন মজিবুর। এবার বিএনপি প্রার্থী দিয়েছে এবং তারা যে ভোট পাবে. তা মজিবুরের ভোট থেকে বিয়োগ হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো. এবারের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী খন্দকার ইকবাল হোসেন ১২ হাজার ৩৮০ ভোট পেলেও কাজী জাফর উল্যাহর পরাজয়ের ব্যবধান না কমে বরং বেড়ে গেছে। জানতে চাইলে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার বালিয়াডাঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সবুর কাজল বলেন. মজিবুরের আবার জিতে আসার কারণ হলো. তিনি তৃণমূলের মানুষের দোরগোড়ায় যেতে পেরেছিলেন। তৃণমূলের লোকজন দল দেখেনি. দেখেছে ব্যক্তি মজিবুরকে। পক্ষান্তরে কাজী জাফর উল্যাহ তৃণমূলের সঙ্গে মিশতে পারেন না বলে এলাকায় বদনাম রযেছে। সদরপুর উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা সাব্বির হাসান বলেন. এ এলাকার সাধারণ মানুষ সাংসদ কী জিনিস. তা বুঝত না। মজিবুর রহমান আসার পর সাংসদের কাছ থেকে মূল্যায়ন ও এলাকার উন্নয়ন পেয়েছে সাধারণ মানুষ। এ ব্যাপারে কাজী জাফর উল্যাহ বা মজিবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। কাজী জাফর উল্যাহর সমর্থক ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোবাহান মুন্সী বলেন. ‘নির্বাচনী কৌশলের কাছে আমরা হেরে গেছি। সারা দেশে ভোট হয়েছে যে ফর্মুলায় ফরিদপুর-৪ আসনে ভোট হয়েছে ভিন্ন ফর্মুলায়।’ তিনি হতাশা ব্যক্ত করে বলেন. ‘এত ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পরাজয় মেনে নেওয়া যায় না। এ ফলাফল বলে দেয় নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে।’ মজিবুর রহমানের সমর্থক ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাদাত হোসেন বলেন. গত পাঁচ বছরে স্বতন্ত্র সাংসদ এ এলাকার মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে পেরেছেন। তারপরও তিনি এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন। জনগণ এ বিষয়গুলোই মূল্যায়ন করেছে মাত্র।,1572706 2019-01-01,জামানত হারাবেন মওদুদসহ বিএনপির ছয় প্রার্থীই,নোয়াখালীর ছয় আসন,নিজস্ব প্রতিবেদক. নোয়াখালী,৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572705/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%93%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%9B%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%87,bangladesh,print,3,নোয়াখালী|নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালীর ছয়টি আসনেই জামানত হারাচ্ছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনই ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তাঁরা কেউই মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পাননি। তাই তাঁরা জামানত হারাবেন। জামানত হারানো বিএনপির নেতারা হলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ. দুই ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ও বরকত উল্যাহ বুলু. যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। এ ছাড়া দলের অপর প্রার্থী ফজলুল আজিমও জামানত হারাবেন। নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়. বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের ছয় প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন নোয়াখালী-৪ আসনের প্রার্থী মো. শাহজাহান. আর সবচেয়ে কম ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন নোয়াখালী-২ আসনের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক। শাহজাহানের সঙ্গে বিজয়ী প্রার্থী মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীর ভোটের ব্যবধান ৩ লাখ ৭২ হাজার ৭৬৫। অন্যদিকে জয়নুল আবদিন ফারুকের সঙ্গে বিজয়ী প্রার্থী মোরশেদ আলমের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৫১ হাজার ২২২ ভোট। আবার পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন নোয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী বরকত উল্যাহ বুলু। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৯০ ভোট। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়. নোয়াখালী-১ আসনে প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৬১ হাজার ৩২৩। এখানে আওয়ামী লীগের এইচ এম ইব্রাহিম নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৮৬২ ভোট। নোয়াখালী-২ আসনে প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ১৬ হাজার ৮৪৭। এখানে আওয়ামী লীগের মোরশেদ আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জয়নুল আবদিন ফারুক পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬৯ ভোট। নোয়াখালী-৩ আসনে প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৭৭ হাজার ২৪৮টি। এখানে আওয়ামী লীগের মামুনুর রশিদ কিরণ ২ লাখ ১৭ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বরকত উল্যাহ বুলু পেয়েছেন ৫৩ হাজার ভোট। নোয়াখালী-৪ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ৪ লাখ ৩২ হাজার ৫২৪। এখানে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শাহজাহান পেয়েছেন ২৩ হাজার ২৫৭ ভোট। নোয়াখালী-৫ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৭২ হাজার ৬২৩। এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল কাদের ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মওদুদ আহমদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭০ ভোট। নোয়াখালী-৬ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ২০ হাজার ১৮৭। এখানে আওয়ামী লীগের আয়েশা ফেরদাউস ২ লাখ ১০ হাজার ১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফজলুল আজিম পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৫ ভোট। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস প্রথম আলোকে বলেন. নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রতিটি আসনে যেসব প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাবেন তাঁরা জামানত ফেরত পাবেন। যাঁরা তার চেয়ে কম ভোট পাবেন তাঁদের জামানত ফেরত দেওয়া হবে না। তবে তাঁরা এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত করেননি. কারা কারা জামানত হারাবেন।,1572705 2019-01-01,গণতন্ত্রই নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জ,বিশেষ সাক্ষাৎকার,মশিউল আলম,৬৬,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572701/%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C,opinion,print,3,সাক্ষাৎকার,আমরা আরও একটি বছর পেছনে ফেলে এলাম। স্বাগত ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ। বর্ষশুরুর এই বিশেষ আয়োজনে পেছন ফিরে ও সামনের দিকে দৃষ্টি ফেলেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সুলেখক আকবর আলি খান। ইতিমধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে; এ মাসেই একটি নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেবে; সামনের দিনগুলোতে সরকার ও জনগণের জন্য কী অপেক্ষা করছে. আমাদের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে ইত্যাদি বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক মশিউল আলম আমরা আরও একটি বছর পেছনে ফেলে এলাম। স্বাগত ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ। বর্ষশুরুর এই বিশেষ আয়োজনে পেছন ফিরে ও সামনের দিকে দৃষ্টি ফেলেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সুলেখক আকবর আলি খান। ইতিমধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে; এ মাসেই একটি নবনির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেবে; সামনের দিনগুলোতে সরকার ও জনগণের জন্য কী অপেক্ষা করছে. আমাদের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে ইত্যাদি বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক মশিউল আলম মশিউল আলম: আমাদের এই কথোপকথন যখন ছাপার অক্ষরে ও ভিডিও মাধ্যমে প্রথম আলোর পাঠক–দর্শকদের কাছে পৌঁছাবে. তখন নতুন বছর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিন শুরু হবে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়ে যাবে। এই সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যাঁরা নতুন সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন. তাঁদের উদ্দেশে আপনার কী বলার থাকবে? আকবর আলি খান: শুভ নববর্ষ! আমি আশা করি যে ২০১৯ সালে আমরা আরেক ধাপ এগিয়ে যাব। নতুন সরকার অবশ্যই এ বছরের প্রথম দিকে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। কিন্তু নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও সে কিন্তু পুরোনো সরকারের ধারাবাহিকতায়ই ক্ষমতায় আসবে। কারণ. এ নির্বাচনে দুটি জোট অংশগ্রহণ করেছে. এ দুটি জোটই দীর্ঘদিন ধরে সংঘাতের রাজনীতিতে লিপ্ত রয়েছে। যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে. সেখানেও এর পরিসমাপ্তি ঘটেনি; সেই সংঘাতের রাজনীতিই চালু ছিল। সুতরাং আমরা ২০১৯ সালেও সংঘাতের রাজনীতির পথেই পা বাড়াচ্ছি। এই সংঘাত কমানোর কোনো উদ্যোগ কোনো রাজনৈতিক দল নিতে পারেনি. এটা আমাদের জন্য একটা বড় দুর্ভাগ্য। সংঘাতের রাজনীতির ফলাফল মোটেও ভালো হয় না. সুতরাং আমরা ২০১৯ সালেও শঙ্কার মধ্যেই থাকব।মশিউল আলম: আমাদের মনে হয়. এই সংঘাতের রাজনীতিতে লিপ্ত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান লক্ষ্য যেকোনো উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়া এবং একবার ক্ষমতায় যেতে পারলে যেকোনো উপায়েই তা রক্ষা করা। সে কারণে একটি সরকারের মেয়াদ শেষে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রায় অর্ধশতকের ইতিহাসেও গড়ে উঠল না। আমাদের রাজনীতির এই পরিণতি কেন ও কীভাবে হলো?আকবর আলি খান: বাংলাদেশের রাজনীতির একটা বৈশিষ্ট্য হলো বংশগত রাজনীতি। এ ধরনের রাজনীতি অতীতমুখী হয়. ভবিষ্যতের দিকে তাকায় না। অর্থাৎ যে বংশ যখন রাজত্ব করেছে. তার গরিমাকে পুঁজি করেই তারা চলতে চায়। ভবিষ্যতের দিকে তাদের দৃষ্টি থাকে না। বড় দুই রাজনৈতিক জোটের বাইরেও বংশগত রাজনীতি প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এটা একটা বড় কারণ. এ ছাড়া আরও অনেক কারণ আছে। বাংলাদেশে যে দলাদলির রাজনীতি আমরা দেখে আসছি. তা দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের ইতিহাসে আছে। শুধু ব্রিটিশ আমলে নয়. তার আগেও দলাদলির রাজনীতি ছিল। আমাদের এখানে গ্রামের যে কাঠামো. সেখানে সামাজিক পুঁজি গড়ে ওঠেনি এবং আমাদের গ্রামগুলো উত্তর ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের গ্রামের তুলনায় অনেক বেশি দুর্বল। সুতরাং আমাদের ইতিহাসের মধ্যেও এর উপাদান রয়েছে এবং এর সঙ্গে বর্তমানকালের বংশগত রাজনীতি এই প্রক্রিয়াকে আরও অনেক জটিল করে তুলেছে।মশিউল আলম: এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় কী?আকবর আলি খান: এই পরিস্থিতি বর্ণনা করা যায় একটা ছড়ার সাহায্যে: দেয়ার ওয়াজ আ ইয়াং লেডি অব রাইগা. হু স্মাইলড অ্যাজ শি রোড অন আ টাইগার. দে রিটার্নড ফ্রম দ্য রাইড. উইথ দ্য লেডি ইনসাইড. অ্যান্ড দ্য স্মাইল অন দ্য ফেস অব দ্য টাইগার। এ ছড়ায় বলা হয়েছে. রাইগার এক কুমারী মেয়ে হাসিমুখে বাঘের পিঠে চড়েছিল। কিন্তু বাঘের পিঠে চড়া যত সোজা. নামা তত সোজা নয়। সুতরাং সে আর নামতে পারেনি. বাঘের পিঠেই তার সমাপ্তি ঘটেছে। সুতরাং বংশগত রাজনীতির যে বংশ একবার ক্ষমতায় আসে. তারা কোনোমতেই আর ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হয় না। এর ফলেই আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বার বার সংকট দেখা দেয়।মশিউল আলম: এটা রাজনীতিক ও রাজনৈতিক দলগুলোর দিক। কিন্তু একটা সমাজে রাজনীতিকদের বাইরেও নানান শক্তি থাকে। মধ্যবিত্ত শ্রেণি. সিভিল সমাজ. বুদ্ধিজীবী মহলসহ নানা সামাজিক শক্তি জনগণের তরফ থেকে গণতান্ত্রিক অধিকারসহ নানা ধরনের দাবি–দাওয়া তোলে. যা রাজনীতিকদের ওপর কোনো না কোনো মাত্রায় চাপ সৃষ্টি করে। সেই চাপের মুখে রাজনৈতিক শক্তিগুলো নিজেদের বদলানোর মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আমাদের দেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণি বা সিভিল সমাজ রাজনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারছে না. তাদের কোনো প্রভাব অনুভূত হয় না। এটা কেন হলো?আকবর আলি খান: প্রথমে সিভিল সোসাইটি নিয়ে বলি। বাংলাদেশে পাকিস্তান আমলে সিভিল সোসাইটি অনেকটা শক্তিশালী ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ হওয়ার পরে সংঘাতমূলক রাজনীতিতে সিভিল সোসাইটি প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। সিভিল সোসাইটিতে কারা আছেন? আইনজীবীরা আছেন. শিক্ষকেরা আছেন. সাংবাদিকেরা. পেশাজীবীরা আছেন। প্রতিটা গোষ্ঠীই দলীয় ভিত্তিতে বিভক্ত হয়ে গেছে। আমরা বিভিন্ন দলকে সমর্থন করতে পারি. কিন্তু কতগুলো বিষয়ে আমরা একমত থাকব—এ রকম দেখা যাচ্ছে না। আইনজীবীদের মধ্যে নয়. সাংবাদিকদের মধ্যে নয়. কোনো পেশাজীবী গোষ্ঠীর মধ্যে নয়. কোথাও এ ধরনের ঐকমত্য দেখা যাচ্ছে না। ফলে বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটি খুবই দুর্বল। এখন যাঁরা নির্বাচন নিয়ে কিছু কথা বলেন. তাঁদেরই সিভিল সোসাইটি বলে গালি দেওয়া হয়। আসলে বাংলাদেশে সিভিল সোসাইটি খুব দুর্বল।মশিউল আলম: গণতন্ত্রায়ণে মধ্যবিত্ত শ্রেণিরও কিন্তু ভূমিকা থাকে।আকবর আলি খান: বাংলাদেশের মধ্যবিত্তের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে. তারা দীর্ঘদিনের ত্যাগ–তিতিক্ষার মাধ্যমে মধ্যবিত্ত হয়নি। হঠাৎ করে অনেকেই মধ্যবিত্ত হয়ে গেছেন। এই মধ্যবিত্তদের অনেকেই রাজনীতিকে ব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে বিরাট অংকের টাকার মালিক হয়ে গেছেন। এ রকম হঠাৎ উঠে আসা মধ্যবিত্ত রাজনীতির ওপরে কোনো গঠনমূলক প্রভাব ফেলে না। এরা ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে। আমি বলব না যে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো মধ্যবিত্ত বাংলাদেশে একেবারেই নেই; আছে. কিন্তু এ দেশে আরেকটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি গড়ে উঠেছে. যে গড়ে উঠেছে কালো টাকার ওপর। যারা কালো টাকার কারণে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে প্রবেশ করেছে. তারা কিন্তু কোনো ভালো প্রভাব রাখতে পারে না। সুতরাং না মধ্যবিত্ত. না সিভিল সমাজ—কেউই এখন বাংলাদেশের সমাজ পরিবর্তনে প্রভাব রাখার অবস্থায় নেই।মশিউল আলম: এ রকম দুর্বল গণতান্ত্রিক পরিবেশে একদিকে ভিন্নমত. বিরুদ্ধমত ইত্যাদির জায়গা সংকুচিত হচ্ছে. কিন্তু অর্থনৈতিক অবস্থার তেমন অবনতি অন্তত গত দুই মেয়াদে ঘটেনি; প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত আছে। কিন্তু গণতন্ত্রহীন বা দুর্বল গণতান্ত্রিক পরিবেশ অব্যাহত থাকলে অর্থনীতির ওপরেও ভবিষ্যতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে কি না?আকবর আলি খান: কিছুদিন আগে সিঙ্গাপুরে এক সেমিনারে গিয়েছিলাম. সেখানে বাংলাদেশের দুর্নীতি সম্পর্কে কথা হচ্ছিল। সিঙ্গাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকেরা আমাকে বলেন. তোমরা দুর্নীতি নিয়ে চিন্তিত কেন? দুর্নীতি হলে তো অর্থনীতির উন্নতি ত্বরান্বিত হতে পারে। আমি তাঁদের বলেছিলাম. বড় কথা হচ্ছে. অর্থনৈতিক উন্নয়ন উন্নয়নই বড় কথা নয়. বড় কথা হচ্ছে. কিন্তু সেই উন্নয়নের সুফল কাদের হাতে যাচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে যে উন্নয়ন হচ্ছে. এর সুফল মুষ্টিমেয় লোকের হাতে যাচ্ছে. বেশির ভাগ লোক এই উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে না। তার চেয়েও বড় কথা হচ্ছে. যারা অর্থ উপার্জন করে. সমাজে তাদের বিশ্বাসযোগ্য পন্থায় অর্থ উপার্জন করার প্রয়োজন রয়েছে। যদি দেখা যায়. বেশির ভাগ লোকের উন্নতি হচ্ছে না. কিছু লোক লুটপাট করে ধনী হয়ে যাচ্ছে. তাহলে কিন্তু সেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সমাজের অনুমোদন লাভ করে না এবং সমাজে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশে কিছু লোক লুটপাট করে ধনী হয়ে যাচ্ছে. এতে বেশির ভাগ লোক ঈর্ষান্বিত। তারা মনে করে যে অত্যন্ত অবৈধভাবে কাজ চলছে। এর ফলে যেসব প্রতিষ্ঠান আছে. সেগুলোর ওপর মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। যদি প্রতিষ্ঠানের ওপর মানুষের আস্থা না থাকে এবং যদি তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ থাকে. তাহলে সে সমাজে যেকোনো ধরনের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসতে পারে। সে জন্য বাংলাদেশে শুধু অর্থনৈতিক উন্নতি করলেই হবে না. আমাদের এমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে. যেখানে ধনবৈষম্য লোকজনের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে: যারা ধনী হয়েছে. তারা সঠিকভাবে. সরকারকে কর দিয়ে. সমস্ত আইন–কানুন মেনে ধনী হয়েছে। কিন্তু সেটা না করে যদি একজন রাস্তার হকার ঝট করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যায়. তাহলে এটাতে সমাজে অসন্তোষ দেখা দেবে। আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা বললে বলতে হয়. এটা একক কোনো সরকারের আমলে নয়. ৯০ দশক থেকে প্রবৃদ্ধি ক্রমশ বেড়েছে। সব দলেরই ভূমিকা আছে. কোনো দল বলতে পারবে না যে শুধু আমাদের জন্যই প্রবৃদ্ধি হয়েছে।মশিউল আলম: এই ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণ কী? অনেকে বলেন. এটা মিরাকল।আকবর আলি খান: একটা কারণ হলো. আমাদের দেশের প্রায় কোটিখানেক মানুষ বিদেশে কাজ করছেন। ফলে প্রচুর পরিমাণ অর্থ দেশে প্রবেশ করছে. এটা আমাদের অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চার করেছে। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশ কৃষি খাতে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। ১৯৭১ সালে যেখানে ১ কোটি টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হতো. সেখানে এখন প্রায় ৪ কোটি টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হচ্ছে। অর্থাৎ প্রায় ৪ গুণ উৎপাদন বেড়েছে। আর পোশাকশিল্প খাতে প্রায় ৫০ লাখ নারী নিয়োজিত হয়েছেন. তাঁরা যে কাজ করছেন. তার ফলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অনেক বেড়ে গেছে। এভাবে আমরা আমাদের অদক্ষ ও আধা দক্ষ শ্রমশক্তি থেকে সুফল পেয়েছি। এই সুফলের ফলেই আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি চলছে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যদি হঠাৎ কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন হয় এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী শ্রমিক দেশে আসে. তাহলে কিন্তু এই প্রবৃদ্ধি আর থাকবে না। অথবা আমরা যদি কোনো কারণে পোশাকশিল্পের বাজার হারাই. তাহলেও আমাদের অর্থনীতির ওপর বিরাট নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কৃষি খাতে অগ্রগতির একটা সীমা আছে. সেটাও আস্তে আস্তে কমে আসার সম্ভাবনা আছে। সুতরাং আমাদের নতুন নতুন রপ্তানি খাত চিহ্নিত করতে হবে. উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমাদের মানবসম্পদ উন্নয়নের কাজ ভালোভাবে পরিচালনা করতে হবে। এখন আমরা বলি যে আমাদের দেশের শিক্ষার হার অনেক বেশি. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ ছেলে পড়ছে. অন্যান্য দেশে এই হার অনেক কম। কিন্তু আসলে এগুলো শুধু সংখ্যার মারপ্যাঁচ. গুণগত মানের দিক থেকে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ক্রমশ নিচের দিকে নেমে আসছে। এটা যদি রোধ করা না যায়. তাহলে আমাদের এসব অর্থহীন হয়ে যাবে। আমাদের স্বাস্থ্য খাতেও বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা যেভাবে এগোচ্ছি. সেভাবে এগোতে চাইলে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য আমাদের আরও অনেক কিছু করতে হবে। বাংলাদেশে এখন যে অর্থনৈতিক উন্নতি হচ্ছে. তা পুঁজিনির্ভর নয়. মানবসম্পদ–নির্ভর। মানবসম্পদ–নির্ভর উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে হলে মানবসম্পদকে সুষ্ঠুভাবে গড়ে তোলার জন্য আরও উদ্যোগ নিতে হবে।মশিউল আলম: সারা পৃথিবীতে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ফলে উৎপাদনক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে. লোকবলের প্রয়োজনীয়তা কমে আসছে। এটা বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ অত্যন্ত জনবহুল দেশ. এখানে কর্মসংস্থানের বিরাট সংকট আছে। উৎপাদনক্ষেত্রে অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির প্রসারের ফলে বেকারত্ব বেড়ে যেতে পারে। এই সমস্যা আমরা কীভাবে মোকাবিলা করব?আকবর আলি খান: এটা বাংলাদেশের জন্য বিরাট এক সমস্যা হবে। যেমন আমাদের পোশাকশিল্প চলে অদক্ষ ও আধা–দক্ষ শ্রমিক দিয়ে। পোশাক খাতে এই শ্রমশক্তির ব্যাপক চাহিদা এতকাল ছিল. তাই এত মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এখন যদি কম্পিউটারের মাধ্যমে পোশাকশিল্প নিয়ন্ত্রণ করা যায়. তাহলে ব্যয় অনেক কমে যাবে। এখন আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার অনেক কম. অতি সহজে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব। এভাবে অর্থ সংগ্রহ করে যদি আমেরিকানরা নিজেরাই পোশাকশিল্পে বিনিয়োগ করে. তাহলে তারা সস্তায় বাংলাদেশের চেয়ে ভালো পোশাক তৈরি করতে পারবে। ফলে আমরা তৈরি পোশাকের বাজার হারাব। সুতরাং এই মুহূর্তে আমরা যেভাবে চালাচ্ছি. আগামী দশ বছর পরে আর এভাবে চালাতে পারব না। সে জন্যই আমি বলছিলাম যে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্গঠন করতে হবে। শুধু অদক্ষ ও আধা–দক্ষ শ্রমশক্তির ওপর নির্ভর করে আমরা আর বেশিদূর এগোতে পারব না। দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে হবে. সে জন্য উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিরাট পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। এখন বাংলাদেশের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুধু সনদ দেওয়া হয়. শিক্ষা দেওয়া হয় না। আমাদেরকে সনদের বদলে শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।মশিউল আলম: এ মাসেই নতুনভাবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। সামনের দিনগুলোতে নতুন সরকারের জন্য এবং দেশের জনগণের জন্য আপনি কী ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখেন?আকবর আলি খান: পঞ্চদশ শতকের কবি চণ্ডীদাস লিখে গেছেন. ‘গড়ন ভাঙিতে. সখি. আছে কত খল. গড়িয়া ভাঙিতে পারে সে বড় বিরল।’ অর্থাৎ গড়ে তোলা একটা কাঠামোকে ভাঙা খুব সোজা. কিন্তু সেটা নতুন করে গড়া অত্যন্ত কঠিন কাজ। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা একটা বিরাট বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। গণতন্ত্রের গড়ন বা কাঠামো প্রায় ভেঙে গেছে। কাঠামো নতুন করে গড়া অত্যন্ত কঠিন কাজ। এই কাজ যদি সঠিকভাবে করা না হয়. তাহলে আগামী দশকগুলোতে আমাদেরকে এর দায় বহন করতে হবে। গণতন্ত্রের কাঠামো নতুন করে গড়ার জন্য আমাদের অনেক কিছু করতে হবে. যেমন আইনের শাসন—এটা প্রতিষ্ঠা করার জন্য অনেক বড় বড় সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যা বলে গেছেন. আজও তা সমভাবে প্রযোজ্য। বঙ্গবন্ধু তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে লিখেছেন. ‘আমাদের দেশে যে আইন. সেখানে সত্য মামলায়ও মিথ্যা সাক্ষ্য না দিলে শাস্তি দেওয়া যায় না। মিথ্যা দিয়ে শুরু হয় আর মিথ্যা দিয়ে শেষ করতে হয়। যে দেশে বিচার ও ইনসাফ মিথ্যার ওপর নির্ভরশীল. সে দেশের মানুষ সত্যিকারের ইনসাফ পেতে পারে কি না. সন্দেহ।’ এই হলো বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর মূল্যায়ন। তিনি প্রায় ৫০ বছর আগে এই কথাগুলো লিখেছিলেন. তারপর থেকে বিচারব্যবস্থার কোনো উল্লেখযোগ্য সংস্কারও হয়নি. কোনো উন্নতিও হয়নি। আমাদের বিচারব্যবস্থায় নতুন করে আইন–কানুন করতে হবে. নতুন করে কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে। সেগুলো করা জন্য বিরাট পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।মশিউল আলম: আর প্রশাসনিক ব্যবস্থা?আকবর আলি খান: বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে গেছে। আমি বলি. এই ব্যবস্থা গ্রেশাম বিধির ব্যামোতে আক্রান্ত। অর্থাৎ এখানে ভালো লোকদের দুষ্ট লোকেরা তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এই ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হলে আমলাতন্ত্রের সামগ্রিক পুনর্গঠনের প্রয়োজন হবে। তেমনই পুলিশ ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো প্রয়োজন। এই ধরনের বড় বড় সংস্কার খুব অল্প সময়ে করা যায় না। সংস্কার করার জন্য অত্যন্ত দৃঢ় রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। আগামী দিনের সরকার যদি আমলাতন্ত্র. বিচারব্যবস্থা. পুলিশ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংস্কার করতে না পারে. তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ বুনিয়াদ গড়ে তোলা সম্ভব হবে না। এর সঙ্গে সঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য সুদৃঢ় নীতির ওপর ভিত্তি করে সরকারকে এগিয়ে যেতে হবে। মানবসম্পদ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা না হলে আমরা অর্থনৈতিক উন্নতি ধরে রাখতে পারব না। আমাদের মনে রাখতে হবে. শুধু অর্থনৈতিক উন্নতির জন্যই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়নি; বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল ভিত্তি ছিল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা। বাংলাদেশে যদি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না পায়. তাহলে শুধু অর্থনৈতিক উন্নতিতে জনগণের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা মেটানো সম্ভব হবে না। সুতরাং বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অবশ্যই সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে। এটাও হবে আগামী সরকারের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ।মশিউল আলম: আপনি যে বড় বড় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেন. সেগুলো করার দায়িত্ব রাজনীতিকদের। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতি জনমুখিতা হারাতে হারাতে একটা হতাশাব্যঞ্জক অবস্থায় পৌঁছেছে। রাজনীতি ঠিক না হলে তো কোনো সংস্কারই হবে না। রাজনীতির এই দুর্দশা কাটানোর উপায় কী?আকবর আলি খান: সমস্যাগুলো দুইভাবে দেখা যেতে পারে: একটা স্বল্পকালীন দৃষ্টিকোণ থেকে. আরেকটা দীর্ঘকালীন দৃষ্টিকোণ থেকে। বাংলাদেশে বর্তমানে যে অবস্থা. তাতে স্বল্পকালীন দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো সমাধান দেখা যায় না। তবে দীর্ঘ মেয়াদে এগুলোর সমাধান সম্ভব বলে আমার বিশ্বাস। সুতরাং আমরা যদি বলতে চাই. আগামী দুই বা পাঁচ বছরের মধ্যে বিরাট পরিবর্তন হবে. তাহলে সেটা আশা করাটা ঠিক হবে না। কিন্তু আমরা যদি ১৫–২০ বছরের কথা ভাবি. তাহলে পরিবর্তন আসবে. কারণ পরিবর্তন–বিরোধীরা যতই শক্তিশালী হোক. দেশের মানুষ বুঝতে পারবে. কী করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আস্তে আস্তে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও পরিবর্তন আসবে বলে আমার বিশ্বাস। রাজনৈতিক দল. জনসাধারণ. সিভিল সমাজ—সবাই মিলে আমরা হয়তো সামনের দিকে এগিয়ে যাব. এটাই আমার বিশ্বাস।মশিউল আলম: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।আকবর আলি খান: আপনাকেও ধন্যবাদ।,1572701 2019-01-01,যশোরে প্রকাশ্যে গলায় ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী খুন,,যশোর অফিস,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572853/%E0%A6%AF%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%9B%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%98%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8,bangladesh,online,1,অপরাধ|যশোর|হত্যাকাণ্ড,যশোরে প্রকাশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত করে মহিদুল ইসলাম সাফা (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মোড়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। মহিদুল যশোর শহরের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (আরএন) সড়কে এইচএন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী। তিনি মোটরগাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা করতেন। যশোরের শার্শা উপজেলার ধান্যখোলা গ্রামের নবিস উদ্দিনের ছেলে তিনি। তিনি যশোর শহরের খালধার সড়কে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। এইচএন এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক মোতালেব হোসেন বলেন. সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মহিদুলকে সঙ্গে নিয়ে একটি মোটরসাইকেলে তিনি ঈদগাহ মোড়ে গিয়েছিলেন কিছু তথ্য কম্পিউটার কম্পোজ করার জন্য। মহিদুল মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ছিলেন। মোটরসাইকেল মাসুদ কম্পিউটার নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড় করানোর সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি মোটরসাইকেলে দুজন দুর্বৃত্ত সেখানে এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করে দ্রুত চলে যায়। এরপর তাঁকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের চিকিৎসক শ্যামাপদ জয় জানান. ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মহিদুলের শ্বাসনালী কেটে যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপূর্ব হাসান বলেন. দুজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় জখম করে পালিয়ে গেছে। এতে মারা যান মহিদুল। পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।,1572853 2019-01-01,তরুণী ধর্ষণ. দুই যুবক কারাগারে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572852/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87,bangladesh,online,1,অপরাধ|ধর্ষণ|রাজধানী|আইন ও বিচার,রাজধানীর দারুস সালাম এলাকায় এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই যুবককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। কারাগারে পাঠানো ওই দুই যুবক হলেন জাহিদ হোসেন (২৮) ও জসীম (২৯)। মঙ্গলবার ওই তরুণী বাদী হয়ে দারুস সালাম থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়. গত ১০ ডিসেম্বর ভালোবেসে এক যুবককে বিয়ে করেন ওই তরুণী। বিয়ের পর জানতে পারেন ওই যুবক বিবাহিত। সেই ঘরে একটি সন্তানও আছে। এই কথা জানার পর তিনি ওই যুবককে তালাক দেন। গত রোববার রাত ১০টার দিকে দারুস সালাম থানা এলাকায় আসেন তরুণী। তখন হীরা নামের একজনের কাছে তাঁর এক আত্মীয়ের ঠিকানা জানতে চান তিনি। হীরা ওই তরুণীকে তাঁর আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যাওয়ার সময় জাহিদ ও জসীম তাঁদের আটক করেন। এ সময় ওই আত্মীয়কে মোবাইল ফোনে ডেকে আনা হয়। পরে ওই তরুণীকে জাহিদ তাঁর বাসায় নিয়ে যান। রাতে ওই তরুণীকে জাহিদ ধর্ষণ করেন এবং জসীম দরজার সামনে পাহারা দেন। দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াছিন আলী দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে জামিন না দেওয়ার জন্য আবেদন করেন। দারুস সালাম থানা-পুলিশ আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে বলেছে. ওই তরুণী ধর্ষণের সঙ্গে জাহিদ ও জসীম জড়িত আছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের জেলহাজতে আটকে রাখা দরকার।,1572852 2019-01-01,বিএনপিতেই মতপার্থক্য স্মারকলিপি দেওয়া নিয়ে,,সুহাদা আফরিন. ঢাকা,১১৮,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572849/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87,bangladesh,online,1,নির্বাচন|বিএনপি|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|নির্বাচন কমিশন|একাদশ সংসদ নির্বাচন,অভিযোগ. দাবিদাওয়া নিয়ে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনে গিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের জেরে বৈঠকের মাঝামাঝি বের হয়েও আসেন নেতারা। নির্বাচনের ফল বর্জন করে প্রার্থীসহ সেই ইসিতেই তাঁরা আবার যাচ্ছেন স্মারকলিপি দিতে। যেদিন তাঁরা যেতে চান. ওই দিনই আবার নবনির্বাচিতরা শপথ নেবেন। তবে জোটের বড় দল বিএনপিরই নেতারা মনে করছেন. এখন স্মারকলিপি দিয়ে কিছু হবে না. যা করার নির্বাচনের আগে করতে হতো। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না দাবি করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ চেয়েছিল ঐক্যফ্রন্ট। সেই নির্বাচন কমিশনেই তাঁরা আবার যাচ্ছেন নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচন দাবি নিয়ে। এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ প্রথম আলোকে বলেন. এখন স্মারকলিপি দিয়ে কিছুই হবে না। যে নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সক্ষমতার পরিচয় দেয়নি. সেই নির্বাচন কমিশন এখন কী করবে। নির্বাচনের কয়েক দিন আগে মওদুদ আহমদ ও ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর একটি ফোনালাপ ফাঁস ঘিরে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়। সেখানে তাঁদের আলোচনায় ছিল সব প্রার্থীকে ঢাকায় ডেকে কোনো কর্মসূচি দেওয়া। এখন নির্বাচনের পর সবাইকে ঢাকায় ডেকে কমিশনে নেওয়া প্রসঙ্গে মওদুদ বলেন. ‘এ ধরনের কর্মসূচি নির্বাচনের আগেই করতে হতো। এখন করলে ফলপ্রসূ কিছু হবে বলে মনে হয় না।’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট ৭টি আসনে জয় পেয়েছে। তবে এ নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন বলে এর ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে তারা। ৩ জানুয়ারি ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন কমিশনে যাবে স্মারকলিপি দিতে। সেদিন তাদের সব প্রার্থীই সঙ্গে যাবে। জোটের কয়েকটি সূত্র জানায়. ইতিমধ্যে সবাইকে ঢাকায় আসতে বলা হয়েছে। তাঁদের অবস্থান. তাঁরা কে কোথায় কী করেছেন এসব নিয়ে আলোচনা করা হবে। ঐক্যফ্রন্ট ৩ জানুয়ারি ইসিতে যাবে। তবে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু আজ মঙ্গলবার জানান. ৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে। গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন জানিয়েছেন. স্মারকলিপির পাশাপাশি কর্মসূচিও ঘোষণা করা হবে। ঐক্যফ্রন্টের এক শীর্ষ নেতা জানান. বাম দলগুলোও নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের সঙ্গে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের কথা ভাবছে এই জোট। যদিও ঐক্যফ্রন্ট গঠনের আগে তাদের সঙ্গে জোটভুক্ত হওয়ার জন্য বলা হলেও বাম জোট সাড়া দেয়নি। আন্দোলনের ধরনের ব্যাপারে এই শীর্ষ নেতা বলেন. মিছিল বা অবস্থান কর্মসূচির মতো কিছু হতে পারে। এদিকে ঐক্যফ্রন্টের ৭টি আসনের প্রার্থীরা শপথ নেবেন কি না. সে ব্যাপারে জয়ী প্রার্থীরা এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানেন না। সিলেট-২ আসনে গণফোরাম থেকে জয়ী হওয়া দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান প্রথম আলোকে জানান. দলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন তিনি। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জয়ী প্রার্থীদের শপথের প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন. সব ফলাফলই তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিন্তু কামাল হোসেন জানান. বিষয়টি বিবেচনাধীন। ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন. আইনজীবীসহ অনেকের পরামর্শই হচ্ছে এই ৭ জনের শপথ নিয়ে সংসদে যাওয়া উচিত। পাশাপাশি বাইরের আন্দোলনও থাকবে। তবে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ বলেন. ফল প্রত্যাখ্যান করে শপথ নিতে যাওয়াটা সাংঘর্ষিক সিদ্ধান্ত হবে।,1572849 2019-01-01,৫০০ বিয়েতে নববর্ষ উদ্‌যাপন,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1572850/%E0%A7%AB%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8,international,online,1,আরব বিশ্ব|এশিয়া|ইংরেজি নববর্ষ,ইংরেজি নতুন বছরকে একেক দেশ একেক ভাবে স্বাগত জানায়। ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে স্বাগত ও উদযাপনের কারণে সেগুলো আলোচনায় থাকে। এবার ইংরেজি নতুন বছরকে ইন্দোনেশিয়ার মানুষ একটু ভিন্নভাবে স্বাগত জানাল। রাজধানী জাকার্তায় গণবিয়ে আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বয়স্করাও। এএফপির খবরে বলা হয়েছে. নতুন বছরের প্রথম দিনের শুরুতে জাকার্তায় ছিল বৃষ্টি। বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাঁবুর নিচে পাঁচ শতাধিক বিয়ে সম্পন্ন হয়। বয়স্ক. তরুণ-তরুণীদের এ বিয়ের আয়োজক জাকার্তা সিটি কর্তৃপক্ষ। গণবিয়ের অনুষ্ঠানটি ছিল গরিব পরিবারের সদস্যদের জন্য। জন্ম ও বিয়েসংক্রান্ত সরকারি কাগজপত্র যাঁদের নেই. তাঁরাই এ বিয়ের সুযোগ পেয়েছেন। জাকার্তা সরকার নতুন বছর আগমন উপলক্ষে দ্বিতীয়বারের মতো গণবিয়ের আয়োজন করল। এই গণবিয়েতে তরুণ-তরুণীর পাশাপাশি ছিলেন বয়স্করাও। সবচেয়ে বয়স্ক বরের বয়স ৭৬ বছর আর কনের ৬৫ বছর। আর সবচেয়ে কম বয়সীর বয়স ১৯ বছর। জাকার্তার গভর্নর আনিছ বাশওয়েদান জানান. আইনগতভাবে বৈধ বিয়ে হয়েছে। এর ফলে দম্পতি ও তাঁদের সন্তানেরা চিকিৎসাসেবা পাবেন। শিক্ষার সুযোগ পেয়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশে অবারিত সুযোগ পাবেন। তিনি বলেন. গণবিয়ের জন্য নতুন বছরের সূচনার সময় বেছে নেওয়ার কারণ হলো. নবদম্পতি বিবাহ উৎসব উদযাপন করলে অন্য সবাই এটি উদযাপন করবে। ৫০০ তরুণ-তরুণীর একজন রোহিহা। তিনি এএফপিকে বলেন. তিনি খুবই খুশি। কারণ বৈধভাবে দাহারুণ হাকিমকে বিয়ে করেছি। ইমাম বিয়ে পড়ানোর পরই দারুণ উচ্ছ্বসিত রোহিহা বলেন. ‘আমি খুবই খুশি. খুবই খুশি। এখন আমি আমার সন্তানের জন্মসনদ নিতে পারব। সন্তান এখন এ দেশের অনেক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে।’,1572850 2019-01-01,অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন,,কাউসার খান. সিডনি (অস্ট্রেলিয়া),২,https://www.prothomalo.com/international/article/1572848/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8,international,online,1,অস্ট্রেলিয়া|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বাংলাদেশ,বিশ্বের অন্য দেশের মতো অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় প্রায় সব সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ড এবং অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনসহ (এবিসি) দেশটির প্রায় সব সংবাদমাধ্যম ফলাও করে নির্বাচনের খবর প্রচার করেছে। ‘ক্ষমতাসীন শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছেন’ শিরোনামে গতকাল সোমবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড। নির্বাচনের পুরো চিত্র তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে। এ ছাড়া এসবিএস নিউজ. দ্য অস্ট্রেলিয়ান. নিউজ ডটকম ডট এইউ এবং নাইন নিউজ. স্কাই নিউজ টেলিভিশন চ্যানেলসহ অন্য সব সংবাদমাধ্যমে নির্বাচনের সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদগুলোর শিরোনাম ও বিষয়ে নির্বাচনি সহিংসতার খবরও প্রাধান্য পেয়েছে। নির্বাচনে সরকারি দলের প্রভাব বিস্তারের কথাও বলা হয়েছে কয়েকটিতে। সিডনি মর্নিং হেরাল্ড বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তিনটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। নির্বাচনের দিন প্রকাশিত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘সহিংসতা অব্যাহত. বাংলাদেশিদের নির্বাচন চলছে’। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়. সহিংসতার পর নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা. যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয় মেয়াদের জন্য লড়বেন আর সংসদের বাইরের বিরোধী দলের নেত্রী কারাগারে আছেন। মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আর রাজধানী শহরের রাস্তা খালি হয়ে গেছে। কেননা শহরের বাসিন্দারা নিজ নিজ এলাকায় ভোট দিতে গেছেন। এবারের নির্বাচনে লাখো নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন। এর আগে ২০১৪ সালে সুষ্ঠু ও স্বাধীন নির্বাচন হবে না দাবি করে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচন প্রত্যাহার করে। এবারের নির্বাচনে দলটির নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির অভিযোগে ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন। এবিসি নিউজ ‘মারাত্মক সংঘর্ষ. ভোট কারচুপি আর নানা অভিযোগে বাংলাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। খবরের শুরুতেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৭ জনের প্রাণহানির কথা বলা হয়। তৃতীয় বারের মতো শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হচ্ছেন। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতির পাশাপাশি প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয় নির্বাচনে বিরোধী দলের নড়বড়ে অবস্থানের কথাও। এসবিএস নিউজ. দ্য অস্ট্রেলিয়ান. নিউজ ডটকম ডট এইউ পত্রিকা এবং নাইন নিউজ. স্কাই নিউজ টেলিভিশনসহ অন্য সব গণমাধ্যমের সংবাদে নির্বাচনি সহিংসতার কথা উল্লেখ ছিল।,1572848 2019-01-01,চার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের নির্বাচন,,অনলাইন ডেস্ক,১৪৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572847/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,1,শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|নির্বাচন কমিশন,গত রোববার বাংলাদেশে হয়ে গেল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে. ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ও এর ফলাফল নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বিশ্লেষণ ও মতামতধর্মী নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এই নিবন্ধগুলোর সারসংক্ষেপ এখানে তুলে ধরা হলো: ওয়াশিংটন পোস্ট মার্কিন এই সংবাদমাধ্যমের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত বিশ্লেষণে বলা হয়েছে. বাংলাদেশে বিপুল ব্যবধানে একটি রাজনৈতিক দল জয়লাভ করেছে। বিজয়ী ও বিজিত দলের মধ্যে পার্থক্যসূচক এমন চিত্র উত্তর কোরিয়ার মতো দেশে আশা করা যায়. বাংলাদেশের মতো গণতান্ত্রিক দেশে নয়। ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে. শেখ হাসিনা নিজের ক্ষমতাকে আরও সংহত করছেন. কিন্তু সেটি হচ্ছে তাঁর নির্বাচনী বৈধতার বিনিময়ে। যদিও নির্বাচনের আগে বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞই ধারণা করেছিলেন. শেখ হাসিনাই নির্বাচনে জিতবেন। কিন্তু এত বিপুল ব্যবধানে তিনি জয়ী হবেন—সেই ধারণা ছিল খুবই কম। ভোট গ্রহণের দিন বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্নভাবে অনিয়মের অভিযোগ এসেছে। কিন্তু পর্যবেক্ষকেরা বলছেন. গত রোববারের অনেক আগেই মাঠ দখলে নিয়ে নেয় আওয়ামী লীগ। অর্থনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশের শক্তিশালী হয়ে ওঠার বিষয়টিও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে. একই সঙ্গে বাড়ছে বিরুদ্ধমতের প্রতি অসহিষ্ণুতা। রোববারের নির্বাচনের পর বাংলাদেশ ক্রমে ‘একদলীয় গণতন্ত্রের’ দেশে পরিণত হতে চলেছে। টাইম টাইম ম্যাগাজিনের এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে গত রোববারের ভোট গ্রহণের বিভিন্ন ‘অনিয়মের’ খণ্ডচিত্র। বলা হচ্ছে. নির্বাচন উপলক্ষে ভোটারদের ওপর দমনপীড়ন চলেছে। টাইম-এর মতে. বাংলাদেশের নির্বাচন পৃথিবীর গণতান্ত্রিক ধারার নির্বাচনের মধ্যে অন্যতম। গত ২০ বছরে এখানে রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকেছে কখনো আওয়ামী লীগ. কখনো বিএনপি। শেখ হাসিনার অধীনে বাংলাদেশ দারিদ্র্য থেকে বের হয়ে এসেছে এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে মানবাধিকার সংস্থাগুলো তাঁর সরকারকে ‘ধীরগতির নিপীড়ন’ চালানোর দায়ে অভিযুক্ত করে আসছে। নতুন ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের সমালোচনা করে এই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে. এর ফলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সরকারের সমালোচনা করার বিষয়টি সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। টাইম বলছে. গত রোববার ভোটারদের বাধা দেওয়ার প্রমাণাদি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা ক্রমে বিদ্রূপে পরিণত হয়। সিএনএন মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে প্রকাশিত এক মতামতধর্মী নিবন্ধে রোববারের নির্বাচনকে ‘বিতর্কিত’ অভিহিত করে বলা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে একটি ‘নতুন ও বিপজ্জনক’ যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। সিএনএন বলছে. বিরোধীদের ‘ক্রুদ্ধ’ হওয়ার সব কারণই রয়েছে। কয়েক বছর ধরে বিরোধীদের সরিয়ে দেওয়ার একটি ‘পদ্ধতিগত প্রচারের’ সঙ্গে যুক্ত আছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগকে একটি ‘জনপ্রিয় দল’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সিএনএনের এই লেখায়। বলা হয়েছে. প্রত্যাশিতভাবেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিরোধীদের নতুন নির্বাচনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন। বাস্তবে. নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অভিযোগ জানানো ছাড়া ক্ষোভ প্রকাশের খুব কম বিকল্পই বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোর হাতে রয়েছে। সিএনএনের এই মতামতধর্মী লেখায় আরও বলা হয়েছে. আওয়ামী লীগের ‘অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ উপায়ে’ ক্ষমতা লাভের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ‘প্রায় একদলীয় রাষ্ট্রে’ পরিণত হওয়ার পর্যায়ে চলে গেছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এখন অস্পষ্ট। দেশটির তরুণ ও যুবসমাজ গণতন্ত্রের ওপর বিশ্বাস হারাতে বসেছে। দ্য ইকোনমিস্ট ব্রিটিশ ম্যাগাজিন ইকোনমিস্টের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে. গত রোববারের নির্বাচনে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়ে গেছে। ঢাকায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর হাজার হাজার পোস্টারের ভিড়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি বিএনপির প্রার্থীর কোনো পোস্টার। অন্যদিকে উঠেছে ভোট গ্রহণে নানা অনিয়মের অভিযোগ। ইকোনমিস্ট বলছে. একটি অধিকতর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও সম্ভবত শেখ হাসিনাই জিততেন। বিভিন্ন জনমত জরিপে এগিয়ে ছিল তাঁর দল আওয়ামী লীগ। কিন্তু গত রোববারের জাতীয় নির্বাচনের পর এখন প্রশ্ন উঠেছে—আওয়ামী লীগের এই বিশাল বিজয় কি স্বস্তি আনবে. নাকি দমননিপীড়ন আরও বাড়বে?,1572847 2019-01-01,শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানালেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক নেতারা,,অনলাইন ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572846/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,1,রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক নেতারা। মঙ্গলবার এক বিবৃতির মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এই অভিনন্দন জানান তাঁরা। বিবৃতিতে মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া আদায় করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংগ্রামী সালাম ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনটির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল আহাদ চৌধুরী. মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু. ভাইস চেয়ারম্যান হারুনুর অর রশিদ. মো. আবদুল হাই. মো. কায়কোবাদ. আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী. মমিনুল হক. শাজাহান আলী চৌধুরী সেলিম. কমান্ডার মোশারেফ হোসেন. মো. আবুল খায়ের. জেলা কমান্ডার ফোরামের আহব্বায়ক আবুল ফয়েজ. মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের সভাপতি হুমায়ূন কবির ও সেক্রেটারি সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নয়ন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের. আওয়ামী লীগ নেতা এ বি তাজুল ইসলাম. কামাল আহমেদ মজুমদার. কুয়েত আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদ ইসলাম পাপুলকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক নেতারা সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য ভোটার এবং নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।,1572846 2019-01-01,হঠাৎ স্বর্ণকেশী-চৌদ্দ,ধারাবাহিক উপন্যাস,রিম সাবরিনা জাহান সরকার,৭,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572845/%E0%A6%B9%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A7%8E-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6,durporobash,online,1,,আধ মাতাল ম্যাক্স তার পনেরো কী ষোলো নম্বর বিয়ারের বোতলে টান দিতে দিতে বলেছিল. ম্যাক্স ক্লারাকে আমি চিনি কিনা। আমি হ্যাঁ বলতেই ম্যাক্স এক অদ্ভুতুড়ে গল্পের ঝাঁপি খুলে বসল। ম্যাক্স আর লতার সৎ দাদা মানে স্নাইডার সাহেবের বাবা জ্যাকব স্নাইডার ছিলেন জার্মানির লাইপজিগ শহরের জাঁদরেল ডাক্তার আর বিজ্ঞানী ম্যাক্স ক্লারার ছাত্র। ছাত্রের গবেষণার জন্য বরাদ্দ ছিল মামুলি ইঁদুর কী বড়জোর গিনিপিগ। কিন্তু ফুসফুসের ওপর গবেষণা চালাতে গিয়ে একপর্যায়ে তরুণ জ্যাকবের আরও বড় প্রাণীর দরকার হলো। সেটা মানুষের লাশ হলে সবচেয়ে দারুণ হয়। কিন্তু ক্লারা তার উৎসাহে ভাটা দিলেন। কারণ. ইহুদিদের লাশ ক্লারা একান্ত নিজের গবেষণার কাজে লাগাতেন। সেখানে ছাত্রকে ভাগ দিতে তার মন সায় দিল না। তার বদলে তিনি জ্যাকবকে পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো কুকুরের ওপর চালাতে বললেন। জ্যাকবও দেখল. প্রস্তাব মন্দ না। একবারে নিশ্চিত হয়েই মানুষের ওপর গবেষণা চালানো দরকার। কুকুর আর মানুষ শারীরতত্ত্বভাবে খুব কাছাকাছি। তাই গবেষণার ফলে আকাশ-পাতাল পার্থক্য হওয়ার আশঙ্কা ক্ষীণ। কিন্তু জ্যাকবের গোটা তিরিশেক কুকুর লাগবে। যুদ্ধের ডামাডোলে নাৎসিপন্থী ম্যাক্স ক্লারার ততোধিক নাৎসি ঘেঁষা জ্যাকব তখন খ্যাপাটে এক বুদ্ধি বের করে ফেলল। লাইপজিগ শহরের চারপাশের গ্রামে নাৎসিরা মাইকিং করে জানিয়ে দিল. পোষা কুকুরকে বিনা মূল্যে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। অমুক তারিখে অমুক জায়গায় যেন যে যার কুকুর নিয়ে হাজির হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে ইউরোপ জুড়ে তুমুল জলাতঙ্কের প্রকোপ জার্মানির মানুষের মনে আছে। তাই লোকজনের কাছ থেকে সাড়াও পাওয়া গেল সেরকম। পরের ঘটনা সোজাসাপটা। জ্যাকব বেছে বেছে ইহুদি মালিকের কুকুরগুলোকে হাইডোজের কিটামিন-রম্পুন ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলল। তার ডান হাত একটুকুও হাত কাঁপল না। বাকি কুকুরগুলো ঠিকই র‍্যাবিসের টিকা নিয়ে লেজ নাড়তে নাড়তে খ্রিষ্টান মালিকের পিছু পিছু বাড়ি ফিরে গেল। অবশ্য ইহুদিদের একটা দল জোট পাকিয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়েছিল বটে. কিন্তু নাৎসিদের ফাঁকা গুলির শব্দে ভয়ে প্রাণ নিয়ে পালাতে হয়েছিল তাদের সেদিন। তবে কুকুরের ফুসফুসের ওপর জ্যাকবের গবেষণা ষোলো আনা সার্থক। ম্যাক্স ক্লারা আর জ্যাকব মিলে পরবর্তীতে ইহুদিদের লাশের ওপর সেই বিদ্যা ফলিয়ে মানুষের ফুসফুসে নতুন একধরনের কোষ আবিষ্কার করে সাড়া ফেলে দিল। সেই কোষের নাম আবার দেওয়া হয় ‘ক্লারা কোষ’। কিন্তু সমস্যার শুরু হলো আরও পরে। যুদ্ধের প্রয়োজনে জ্যাকবকে নাৎসিদের সঙ্গে যোগ দিয়ে যুদ্ধে যেতে হলো। কোনো এক অপারেশনে গিয়ে জ্যাকব শত্রুপক্ষের গ্রেনেড হামলায় পড়ে। ডান হাতটা উড়ে গিয়ে খাঁড়ির ভেতরেই কিছুটা দূরে ছিটকে পড়ে। কিন্তু কী আশ্চর্য. কোথা থেকে এক বিশাল কুকুর এসে ছোঁ মেরে জ্যাকবের ডান হাতটা নিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। তুমুল গোলাগুলি আর কামান-গ্রেনেডের ভিড়ে কুকুর আসল কীভাবে কেউ বলতে পারেনি। যুদ্ধ শেষ। ম্যাক্স ক্লারা আর তার শিষ্যদের ধরপাকড় করে জার্মানি থেকে বের করে দেওয়া হলো। হাতকাটা জ্যাকব পরিবার নিয়ে লুকিয়ে এই ডার্মষ্টাডে চলে এল। অজপাড়াগাঁয়ের লোক শহুরে একজন ডাক্তার পেয়ে বিগলিত। জ্যাকবদের কোনো অসুবিধা হলো না। কিন্তু উনিশ শ পঞ্চান্ন সালের এক শীতের সকালে জ্যাকব স্নাইডারকে তার পোষা কুকুর বাজেভাবে কামড়ে দিল। জলাতঙ্কের চৌদ্দটা ইনজেকশন দিয়েও লাভ হলো না। জ্যাকব স্নাইডারের ভয়ংকর হ্যালুসিনেশন শুরু হলো। তার পায়ের কাছে নাকি কালো রঙের ত্রিশটা কুকুর বসে থাকে। জ্যাকব কুকুরের মতো থাবা গেড়ে প্রচুর লালা ফেলতে ফেলতে সপ্তাহখানেকের মাথায় মারা গেল। রেখে গেল তিনটা নানা বয়সী ছোট ছোট বাচ্চা আর তরুণী স্ত্রী। তবে জ্যাকব মারা গিয়ে ভালোই হয়েছে। তাকে একটা বীভৎস মৃত্যু দেখতে হয়নি। দিন কয়েক বাদে তার তিন মাসের ছোট শিশু. মানে লতার সৎ বাবা স্নাইডারের সবচেয়ে ছোট ভাই জুলিয়ানকে খুঁজে পাওয়া গেল না। বাড়ি থেকে পাঁচ মাইল দূরে একটা ভুট্টা খেতে যখন তাকে পাওয়া গেল. তখন বড় বড় নখের আঁচড়ে সেটা আর মানবদেহ বলে চেনা যায় না। সেটা কুকুরের কাজ কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটুকু বলে ম্যাক্স আমার দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিল. ‘এখন বল তো. এর পরে আর কে অপঘাতে মারা গেছে? বলতে পারলে তোমার জন্য দুই বোতল বিয়ার পুরস্কার।’ আমি আর কী বলব। সব শুনে কেমন অসাড় অসাড় লাগছে। আর মনে হচ্ছে এই বুঝি ঘাড়ের পেছন থেকে ইয়া বড় কুকুর লাফ দিয়ে পড়ল বলে। হাত উল্টে বললাম. ‘জানি না. তুমিই বল না।’ ম্যাক্স একটু চুপ থেকে যে কথা শোনাল. তার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। ‘এমিলি। শার্লট মানে লতার যমজ এমিলি।’ বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। ম্যাক্স বলেই যাচ্ছে. ‘শার্লট আর এমিলি নাম দুটো রাখা হয়েছিল বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক শার্লট ব্রন্টি আর তার বোন এমিলি ব্রন্টির নামে। আমার মায়ের খুব প্রিয় লেখিকা এই দুজন।’ হতভম্ব আমি কথার মাঝখানে দুম করে বলে বসলাম. কিন্তু তোমরা তো স্নাইডার সাহেবের রক্তের সম্পর্ক নও. তাহলে কীভাবে?’ ম্যাক্স ফোঁস করে লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে উঠল. ‘জানি না. অনীক. ব্যাখ্যা নেই আমার কাছে। এমিলির ব্যাপারটা ঘটার আগে আমি এসব কুসংস্কার পাত্তা দিতাম না। এমিলি মারা যাওয়ার পর থেকে লতার জন্য ভয় ঢুকে গেছে। তাই হয়তো এসব কাকতালীয় ঘটনাকে চাইলেও উড়িয়ে দিতে পারি না।’ ম্যাক্স আবার চুপ। লতার ঘরের আধ ভেজানো দরজার দিকে তাকালাম। মেয়েটা ঘুমিয়ে আছে রাজ্যের মায়া মেখে। চোখ ফেরানো দায়। তবুও চোখ ফিরিয়ে আস্তে আস্তে বললাম. ‘এমিলির কী হয়েছিল?’ উত্তরে ম্যাক্স আঠারো নম্বর বোতলের ছিপি খুলে বসল। তারপর শুরু করল. ‘এমিলি মারা যায় বছর পাঁচেক আগে। লতা আর এমিলি বাড়ি এসেছিল ক্রিসমাসের ছুটিতে। এক বিকেলে হাঁটতে বেড়িয়েছে দুজন। কোত্থেকে কার এক কুকুর এসে আচমকা ধাক্কা দিল। এমিলি ছিটকে পড়ল রাস্তায়। সেকেন্ডের মাঝে একটা লরি চলে গেল মাথার ওপর দিয়ে। স্পট ডেড।’ আমি রুদ্ধশ্বাসে শুনে যাচ্ছি। দম ছাড়তেও ভয় লাগছে। লতার আর এমিলির দুর্ঘটনা প্রায় এক। স্নাইডার সাহেবের মারা যাওয়াটাও কুকুরকেন্দ্রিক। কিন্তু পার্থক্য. লতা দুর্ঘটনায় কুকুরের অংশটুকু আমি আর ফ্রাউ কেলনার মিলে ম্যাক্স আর তার মায়ের কাছ থেকে গোপন রেখেছি। এখন মনে হচ্ছে কাজটা ভুল হয়নি। পরিবারটা এমনিতেই বিরাট আতঙ্কের ভেতর আছে। কিন্তু সেই আতঙ্ক এখন আমার ভেতরও ঢুকে গেছে. তার কী হবে? ম্যাক্স উঠে দাঁড়াল. ‘অনেক রাত হয়েছে. অনীক। ঘুমিয়ে পড়. কেমন?’ ঘুম কী আর আসে? এপাশ-ওপাশ করে কাটল রাতটা। পরদিন ঝলমলে সকাল। গির্জাটা উঁচু একটা টিলার মতন জায়গায়। লতাকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে আনতে হয়েছে। এখন রীতিমতো হাত ব্যথা করছে। গালিভার ম্যাক্স কেন যেন ইচ্ছে করে এই দায়িত্বটা আমার কাঁধে সঁপে দিয়েছে। তখন কী আর হ্যাঁ-না বলার সুযোগ থাকে? নিজেকে এখন আমার মহারানির সেবায়েত মনে হচ্ছে। রানি ভিক্টোরিয়ার সিংহাসন ঠেলে নিয়ে চলছি। লতা হাজারবার ‘সরি সরি. কষ্ট দিচ্ছি. ক্রাচটা দিলে নিজেই হেঁটে যেতে পারি...’ ইত্যাদি মেয়েলি কথাবার্তা বিরামহীনভাবে বলে বলে মাথা ধরিয়ে দিয়েছে। উত্তরে বলা উচিত ছিল. ‘আরে নাহ্. এ আর এমনকি।’ কিন্তু উল্টো দিয়েছি কষে এক ধমক. ‘অ্যাই মেয়ে. অ্যাই. বলেছি না চুপ করে থাকতে? এত কথা বলার কী আছে. উফ্!’ মেয়েটা সেই যে চুপ মেরে গিয়েছে. এখন পর্যন্ত আর কোনো কথা বলেনি। সে আজকে একটা ছাই রঙের টপের সঙ্গে কালো স্কার্ট পড়েছে। টিলার ওপরে ওঠার সময়ে আচমকা বাতাসে তার স্কার্ট নৌকার হাওয়া লাগা পালের মতো উড়ে মেরিলিন মনরোর ‘দ্যা ফ্লাইং স্কার্ট’ হওয়ার জোগাড় হয়েছিল। আঁতকে উঠে কোনোমতে সেটাকে পাকড়াও করে হাঁটুর নিচে গুঁজে দিয়েছি। তখনো লতা অস্পষ্ট একটা ধন্যবাদের মতন কী যেন আওড়ে আবার কুলুপ এঁটে চুপ। নিস্তব্ধতাটা বিকট ঠেকছে। আজকের দিনে লতার সঙ্গে এতটা রূঢ় না হলেও চলত। তাও আবার সামান্য কারণে। মাফটাফ চাইতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু মাফটা গলার কাছে এসে আটকে আছে। মুখ ফুটে বলা যাচ্ছে না। তাই অসহায়ের মতো চুপ করে থাকাই হলো। গির্জার ভেতরটা একেবারে হিম। অথচ বাইরে উষ্ণ সকাল। ম্যাক্সের ভয়ে নাকি নেহাত ভদ্রতায়. কোনটার কারণে সকালটা থেকে গিয়েছি. জানি না ঠিক। এখন ঠান্ডায় জমছি বসে বসে। লতাকে বাকিদের সঙ্গে সামনের সারিতে বসিয়ে দিয়ে এসেছি। আর আমি বসেছি বেশ খানিকটা পেছনের সারিতে। ইচ্ছে করেই। প্রশ্নবোধক চাহনি এড়াতে হয়তো বা। পাদরি সাহেব বাইবেল খুলে পড়া শুরু করেছেন। আমার সেদিকে মন নেই। কালকে ম্যাক্সের বলা কথাগুলো কানে ভাসছে। রাতের অন্ধকারে ম্যাক্সের কাহিনি রীতিমতো রোমাঞ্চকর মনে হয়েছে। কিন্তু এখন. এই ফকফকে দিনের আলোয় সব কেমন গাঁজাখুরি আর হাস্যকর লাগছে। তবুও কোথায় যেন একটা অস্বস্তি খচখচ করছে। (চলবে) ড. রিম সাবরিনা জাহান সরকার: মিউনিখ. জার্মানি। ধারাবাহিক এই উপন্যাসের আগের পর্ব পড়তে ক্লিক করুন:,1572845 2019-01-01,পুরান ঢাকায় বই উৎসব,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572844/%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%87-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%AC,bangladesh,online,1,রাজধানী|প্রাথমিক শিক্ষা,পুরান ঢাকার ওয়ারীতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বই উৎসব করেছে সূত্রাপুর থানা শিক্ষা অফিসার। মঙ্গলবার দুপুরে ওয়ারীর নারিন্দা সরকারি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এ উৎসব করা হয়। উৎসবের শুরু প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সারোয়ার হাসান। তিনি বলেন. ‘আগে পুরোনো বই দিয়ে নতুন ক্লাসের যাত্রা শুরু হতো। এর তিন থেকে চার মাস পর নতুন বই হাতে পেত শিক্ষার্থীরা। এখন বছরের প্রথম দিন বিনা মূল্যে বই দিচ্ছে সরকার। এতে শিক্ষার্থীরা অনেক খুশি। পড়াশোনার মানও আগের চেয়ে ভালো। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির নেতৃত্ব দিতে হবে।’ এ সময় তিনি একে একে সব শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই তুলে দেন। খুদে শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পেয়ে উল্লাস করে। বই উৎসব অনুষ্ঠানে সূত্রাপুর থানা শিক্ষা অফিসার জামিলা আক্তার. এ থানার সাবেক শিক্ষা অফিসার মইনুল হোসেন. নারিন্দা সরকারি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি তাহেরা পারভীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তা ছাড়া এ উৎসবে হাজি গোলাম মাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়. ওয়ারী বালিকা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়. মুসলিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়. ভজহরি সাহা স্ট্রিট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।,1572844 2019-01-01,এরশাদের অবর্তমানে কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572841/%E0%A6%8F%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%AE,bangladesh,online,1,রাজনীতি|এরশাদ|জাতীয় পার্টি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের অবর্তমানে তাঁর ভাই জিএম কাদেরই হবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। আজ মঙ্গলবার এরশাদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে দলের উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করেছেন। এরশাদ চিঠিতে বলেছেন. ‘আমি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসাবে পার্টির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখছি যে. আমার অবর্তমানে পার্টির বর্তমান কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন । আশা করি. পার্টির জাতীয় কাউন্সিল আমার মতো তাঁকেও চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে পার্টির সার্বিক দায়িত্ব তাঁকে অর্পণ করবে।’চিঠিতে এরশাদ আশা করেন. দলের চেয়ারম্যান হিসেবে যত দিন তিনি দায়িত্ব পালন করবেন তত দিন জিএম কাদের তাঁকে সহযোগিতা করবেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাংসদ এরশাদ চিকিৎসা নেওয়ার জন্য গত ১০ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে যান। চিকিৎসা নিয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরে আসেন। পরদিন ২৭ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। এরপর থেকে তিনি রাজধানীর বারিধারা নিজের বাসভবনেই অবস্থান করছেন।৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে রংপুর যাননি। নির্বাচনে রংপুর-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন এরশাদ।,1572841 2019-01-01,লালকার্ড ছাড়াই রামোসের ২০১৮,,খেলা ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572851/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AE,sports,online,1,ফুটবল|রিয়াল মাদ্রিদ|সার্জিও রামোস|লাল কার্ড,সার্জিও রামোসের ২০১৮ সাল কেটেছে স্বপ্নের মতই। শুধু শিরোপা অর্জন নয়. কার্ড দেখার দিক থেকেও গড়েছেন রেকর্ড। পেশাদারি ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কোনো বছর শেষ করলেন লাল কার্ড ছাড়া। অধিনায়ক হিসেবে ২০১৮ সালকে স্বপ্নের মতো একটা বছর বলতে পারেন রামোস। টানা তৃতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা তো আর মুখের কথা নয়. তাও আবার অধিনায়কের আর্মব্যান্ড নিয়ে। টানা তৃতীয় আর নিজের চতুর্থ ক্লাব বিশ্বকাপও জিতেছেন রামোস। সাফল্যের এ বছরে আরও এক অর্জনের সাক্ষী হয়ে আছেন রামোস। পেশাদারি ক্যারিয়ারে এই প্রথম কোনো বছর তিনি শেষ করেছেন লালকার্ড না দেখেই। মাঠের ভেতরের খেলায় অন্যদের মতো শান্তশিষ্ট তিনি নন। বরং বারবার নিজের আগ্রাসী আচরণের জন্য অনেক কথা শুনতে হয়েছে তাকে। মাঠের ভেতর নিয়মিত সতর্কবাণী তিনি শোনেন। প্রায়ই দেখেন লাল কার্ড। এ পর্যন্ত রামোস লাল কার্ড দেখেছেন ২৪টি—লা লিগায় এটি রেকর্ড। ব্যাপারটি এখন আর তেমন কোনো ঘটনা স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা এই তারকার কাছে। কিন্তু কী আশ্চর্য. এ বছর একটি লাল কার্ডও দেখেননি তিনি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে পা রেখেছিলেন সেই ২০০৫ সালে। লা লিগায় অভিষেক হয়েছিল সেভিয়ার জার্সি গায়ে। অভিষেকের বছরেই লাল কার্ড দেখেছিলেন। তখন থেকে বছরে একটি লাল কার্ডও পাননি—এমনটা কখনোই হয়নি। গত ১৪ বছরের মাথায় রিয়াল মাদ্রিদের অধিনায়ক হয়েছেন। এ বছরটা ছিল তাঁর জন্য অন্য রকমই। লা লিগায় প্রথমবার লাল কার্ড দেখেন এসপানিয়লের বিপক্ষে— ২০০৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। সেই থেকে শুরু। সেভিয়ার জার্সিতে কোনো লাল কার্ড দেখেননি রামোস। এরপর লিগে আরও ১৮ বার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে রিয়ালের হয়ে ২৪ বার লাল কার্ড দেখেছেন তিনি। সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড দেখেছেন বার্সেলোনার বিপক্ষে। এ পর্যন্ত বার্সার বিপক্ষে পাঁচবার লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। রিয়াল মাদ্রিদে ৩৭৬ ম্যাচে ২৪ লাল কার্ড দেখেছেন রামোস। গড়ে প্রতি ১৬ ম্যাচে একবার করে।তবে ২০১৮ সালে সব টুর্নামেন্ট মিলিয়ে ৪২ বার মাঠে নামলেও একবারও লাল কার্ড দেখে মাঠে ছাড়তে হয়নি রামোসকে। তবে গত বছর হলুদ কার্ড দেখেছেন পাঁচবার। শেষবারের মতো রামোস লাল কার্ড দেখেছিলেন ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে। সেবার অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ক্লাবের ক্ষেত্রে তিনি যেমন তেমন. তবে জাতীয় দলে তিনি খুবই সাবধানী। স্পেনের হয়ে ১৬১ ম্যাচ খেলে ফেললেও একটি লাল কার্ডও দেখেননি রামোস! পুরোনো বছর শেষের সঙ্গে সঙ্গে নিজের ভালো গুণটা নিশ্চয় বিসর্জন দিতে চাইবেন না রামোস।,1572851 2019-01-01,আ.লীগের এজেন্টকে মারধর. দুই বিএনপি কর্মী কারাগারে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২৮,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572839/%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87,bangladesh,online,1,অপরাধ|আইন ও বিচার|রাজধানী|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,ঢাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর এজেন্টকে মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার বিএনপির দুই কর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানো ওই দুই কর্মী হলেন রিফাত (২০) ও আসিফ (২৩)। গত সোমবার এই দুজনকে গ্রেপ্তার করেছিল যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়. আওয়ামী লীগের পোলিং এজেন্ট শেখ মো. পল্টু (৪৭) এই মামলার বাদী তিনি। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যাত্রাবাড়ীর শেখদী আবদুল্লাহ মোল্লা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পল্টু। ভোট গণনা শেষে ভোটকেন্দ্র থেকে বাইরে বের হলে সন্ধ্যার সময় পল্টুকে ওই দুই আসামি এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ সময় তাঁকে রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়। রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়. আওয়ামী লীগের এজেন্ট পল্টুর কাছ থেকে জোর করে আসামি রিফাত ও আসিফ ২৫ হাজার ৫০০ টাকা কেড়ে নেন। পল্টুকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা। এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের খুঁজে বের করার জন্য ওই দুজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন. আওয়ামী লীগ প্রার্থীর এজেন্ট পল্টুকে মেরে ডান হাত ভেঙে দিয়েছেন বিএনপির এই দুই কর্মী। এই অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রসঙ্গত. নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান মোল্লা বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির প্রার্থী নবী উল্লাহ নবী।,1572839 2019-01-01,নেকলেস,,কাজী সাবরিনা তাবাসসুম,১,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572836/%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B8,durporobash,online,1,,সকাল থেকেই আমি ছটফট করছি। অস্বস্তি ভাবটা জোঁকের মতো চুষে চুষে খাচ্ছে আমাকে। অবশ্য আমার এই অবস্থার জন্য দায়ী আমি নিজেই। আমি আজ সকালে একটা নেকলেস চুরি করেছি। আমার বান্ধবী আদিবার নতুন বিয়ে হলো। বিয়েতে যেতে পারিনি। তাই বিয়ের অভিনন্দন জানাতে ভাবলাম দেখা করে আসি। খালি হাতেও যাইনি কিন্তু। সুন্দর একটা ফুলদানি কিনেছিলাম আদিবার জন্য। সে আবার খুব ফুল পছন্দ করে কি না! কিন্তু গিয়ে দেখি সে কী কাণ্ড! ফুল পাগলি ওই আদিবা কোথায়? গাভর্তি গয়না পরে টুকটুকে একটা বউ বসে ছিল বিছানার এক কোণে। আমায় দেখে সে কী হাসি। টেনে ধরে ডাইনিং টেবিলে নিয়ে বসাল। এত বড় ডাইনিং টেবিল. এত বাহারি খাবার আর মিষ্টিতে ভরপুর থাকতে পারে. তা ছিল আমার ধারণার বাইরে। টেবিলে আবার খাদ্যসামগ্রী ছাড়াও আরও অনেক দৃষ্টিনন্দন জিনিসে ভর্তি। এই যেমন মোমবাতি. ফুলদানি আরও কত কী! আমি খেতে খেতে ফুলদানিগুলো দেখলাম। আদিবার জন্য কেনা ফুলদানিটা ছুড়ে ফেলে দিতে মন চাইল! আচ্ছা. আমি যে কত দোকান ঘুরে ফুলদানিটা কিনলাম. কই কোথাও তো আদিবার টেবিলে রাখা ফুলদানি চোখে পড়ল না! এগুলো মনে হয় বিদেশি। ফুলদানি যে এত সুন্দর হতে পারে তা আমি জানতামই না! কিন্তু ফুলদানির কি এত সুন্দর হওয়া উচিত? তাতে রাখা হবে ফুল। ফুলের চেয়ে ফুলদানি দৃষ্টিনন্দন হবে কেন? আমি যখন এই সব অপ্রয়োজনীয় কথা ভাবছিলাম. আদিবা একটা ধাক্কা দিয়ে আমার চিন্তার ব্যাঘাত ঘটিয়ে দিল। বাচ্চাদের মতো লাফালাফি শুরু করল বিয়েতে পাওয়া গয়না আমাকে দেখাবে বলে। আমি দেখতে লাগলাম। আরে বাবা! কত গয়না হতে পারে মানুষের? আদিবা একটা একটা করে বের করছে আর বিছানায় রাখছে। নেকলেস. ঝুমকো. চুড়ি. আংটি আরও কত কিছু. আমি তো নামটাও জানি না। আমি গয়না দেখছিলাম কম আর আদিবাকে দেখছিলাম বেশি। হঠাৎ কী মনে করে যেন একটা নেকলেস ব্যাগে ঢুকিয়ে ফেললাম! আমি কিন্তু চোর নই। আদিবাকে দেখে হিংসাও জাগেনি মনে। আবার এমনও নয় যে আমার নুন আনতে পান্তা ফুরায়! আদিবার মতো টাকার বিছানায় ঘুমাই না. কিন্তু ছোটখাটো একটা চাকরি করে দিন চলে যায় আমার। তাহলে নেকলেসটা চুরি করলাম কেন? ওহ হো! আসলে তা আমি নিজেই জানি না। হয়তো আমারও আদিবার মতো গয়না পরে সেজেগুঁজে বসে থাকার বাসনা জেগেছিল! কে জানে? আদিবার গয়নার পসরায় আমি ভুলেই গিয়েছিলাম চুরির কথা। এখন বাসায় এসে ছটফট শুরু হয়ে গেছে। কেন চুরি করলাম? কী করে পারলাম? কী হবে এটা দিয়ে? আদিবা যখন বুঝতে পারবে তখন কী হবে? শুনেছি ধনীদের বাড়িতে সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকে। যদি আমার চুরির ঘটনা কেউ দেখে ফেলে? এতসব ভাবতে ভাবতে নেকলেসটা বের করে গলায় পরলাম। বাহ! আমাকে তো ভালোই মানায়। রেখে দেব নাকি? কী যে বোকা আমি! রেখে দিলে তো সবাই জিজ্ঞেস করবে কোথায় পেলাম এই নেকলেস? ধরা পড়ে যাব। বিক্রি করে দিতে হবে। কত টাকা পাওয়া যাবে? নিশ্চয়ই অনেক। এটা হিরা নাকি সোনা? কিংবা হিরা. সোনা. চুনি. পান্না সবকিছুর সন্নিবেশও হতে পারে। কত সুন্দর এই সব জিনিস। চুরি করে আনলাম বলে অন্তত গলায় পরে নিজেকে দেখতে তো পারলাম! কেমন দেখায় আমাকে। ফোনটা হাতে নিলাম একটা ছবি তোলার জন্য। হঠাৎ মনে হলো আদিবা তো ফোন করল না! সে কী বুঝতে পারেনি একটা নেকলেস গায়েব? ঠিক সেই সময় কলিং বেল বাজল। আমি তড়িঘড়ি করে নেকলেসটা একটা ড্রয়ারে রেখে দৌড়ে গেলাম দরজা খুলতে। সে কী! আদিবা দাঁড়িয়ে। সেই বউ বউ আবেশটা নেই। কেমন হন্তদন্ত চেহারা। আমায় দেখেই জড়িয়ে ধরল খুব দ্রুত। হাউমাউ করে কেঁদে চলছে। বহু কষ্টে বাসার ভেতরে এনে বসালাম। ওর অবস্থা দেখে নেকলেসের কথা ভুলেই গেলাম। বললাম. এত রাতে এখানে? আদিবা যা বলল তার জন্য আমি কখনোই প্রস্তুত ছিলাম না। আমি ওর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসার পর ও আর ওর শাশুড়ি মিলে গয়না গোছাচ্ছিল। হঠাৎ খেয়াল করল একটা নেকলেস গায়েব। শাশুড়ি আদিবাকে জিজ্ঞেস করল। কিন্তু সে বেচারী তো কিছুই জানে না। ওর শাশুড়ি কিছুতেই বিশ্বাস করলেন না। তিনি ভাবলেন আদিবা ওই নেকলেস চুরি করে বিক্রি করে দিয়েছে। রেগেমেগে তিনি আদিবাকে বাসা থেকে বের করে দিলেন। বলে দিলেন গয়না ছাড়া বাসায় ঢোকা নিষিদ্ধ। এই রাতে মেয়েটি কোনো কূল কিনারা খুঁজে না পেয়ে আমার কাছে এল একটুখানি আশ্রয়ের আশায়। আমি এক মিনিট দেরি না করে নেকলেসটা এনে ওর হাতে দিলাম। বললাম ভুলে হয়তো আমার ব্যাগের সঙ্গে আটকে গিয়েছিল. আমি নিজেই দিয়ে আসতাম! ও এসে ভালোই করেছে. ওর জিনিস ওই নিয়ে যাক। আদিবা ভয়ে আর শোকে এমন পাথর হয়ে ছিল যে নেকলেস হাতে নিয়েই দৌড় দিল। কিছুই জানতে চাইল না। আমিও বেঁচে গেলাম লজ্জার কাহিনি লুকাতে পেরে! কিন্তু এই চুরি আজ আমায় বড় একটা শিক্ষা দিল। সকালে আদিবার ডাইনিংয়ের ওই দামি দামি ফুলদানির মূল্য আমি এখন বুঝলাম। এ সমাজে প্রাকৃতিক ফুলের চাইতে সিরামিকের ওই ফুলদানি বেশি মূল্যবান। ফুল ফেলে দিতে দ্বিধাবোধ করে না কেউ কিন্তু ফুলদানির কোনো ক্ষতি যেন না হয় লক্ষ্য সে দিকেই। হঠাৎ আমার আদিবাকে মনে হলো ফুল আর ওর গয়নাগুলো একেকটা মহা মূল্যবান ফুলদানি। সুখে থাকুক আদিবা নামের ফুলটি। সারা দিনের ছটফট ভাবটা কেটে গেল একদম। কাজী সাবরিনা তাবাসসুম: মিলান. ইতালি।,1572836 2019-01-01,ব্যতিক্রমী আয়োজনে ব্রিসবেনে ব্যাবের বর্ষবরণ,,ফারুক রেজা. ব্রিসবেন (অস্ট্রেলিয়া) থেকে,,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572835/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%A3,durporobash,online,1,,সবাই যখন ব্যস্ত নাচ-গান. ডিজে আর আতশবাজির আলোকচ্ছটায় নতুন বছরকে বরণ করার জন্য. ঠিক সেই সময়ই আরেক দল তরুণ ব্যস্ত অভাবী. গৃহহীন ও খাবারহীন ছিন্নমূল মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে! হোক তা মাত্র কিছু সময়ের জন্য. তবুও জীর্ণ জরাকে পিছে ফেলে নতুন বছরের শুরুতে এমন অগ্রযাত্রা সৃষ্টির সেরা জীবের দায়বদ্ধতাকেই যেমন আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে. তেমনি সংগঠনের কার্যক্রমকে নিয়ে গিয়েছে ভিন্ন স্তরে। ব্যতিক্রমী আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন ব্রিসবেন (ব্যাব) বরণ করেছে নতুন বছরকে। গতকাল সোমবার ২০১৮ সালের শেষ দিন সন্ধ্যায় ছিন্নমূল মানুষদের মাঝে ব্যাবের পক্ষে থেকে খাবার বিতরণ করা হয়। এ দিন নগরীর রোমা সড়কের নিকটস্থ ইমা মিলার প্লেসে প্রায় এক শ ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেটজাত খাবার বিতরণ করা হয়। কুইন্সল্যান্ড পুলিশ বিভাগ (কিউপিএস) ও স্থানীয় সামাজিক সংগঠন রোজিসের (ROSIS) সহায়তায় ব্যাবের কর্মসূচিতে বাংলাদেশি ডাক্তারদের সংগঠন (এসবিডিকিউ) ও রোহিঙ্গা সাপোর্ট গ্রুপ অস্ট্রেলিয়া অংশগ্রহণ করে। আগে থেকেই বাংলাদেশি কমিউনিটির কয়েক শ সাধারণ মানুষ নির্ধারিত স্থানে প্যাকেটজাত শুকনা খাবার রেখে যান। বিতরণের একদিন আগে তা সংগ্রহ করে প্যাকেট করা হয়। উল্লেখ্য. গত মাসের মাঝামাঝিতে ফেসবুক ও ইমেইলের মাধ্যমে এই কর্মসূচির কথা জানানো হলে সাধারণ মানুষের সাড়া ছিল অসাধারণ। ফেসবুক ও ইমেইলে তারা ব্যাবের এই কর্মসূচির ভূয়সী প্রশংসা করেন।,1572835 2019-01-01,বিরোধীদলের অংশগ্রহণকে স্বাগত জাতিসংঘের,,অনলাইন ডেস্ক,৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572838/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%A3%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,1,রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতিসংঘ|শেখ হাসিনা,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণাকালে ও নির্বাচনের দিন হতাহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। তবে গত ১০ বছরের মধ্যে প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ মুখপাত্রের কার্যালয় গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে. সকল পক্ষকে সংযত থাকতে এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি. যাতে জনগন সমাবেশ ও মত প্রকাশের অধিকার ভোগ করতে পারে। জাতিসংঘ সকল দলকে নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগসমূহের প্রতিকার শান্তিপূর্ণভাবে এবং আইনগত প্রক্রিয়ায় করার জন্য অনুপ্রাণিত করে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়. জনগণ ও সম্পত্তির উপর হামলা ও সহিংসতা গ্রহণযোগ্য নয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়. বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরমতে. নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় যাচ্ছেন। তবে বিরোধীরা কারচুপির অভিযোগ এনে ভোটের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন।,1572838 2019-01-01,প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি. কাতার ও শ্রীলঙ্কার নেতারা,,বাসস. ঢাকা,১৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572834/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%93,bangladesh,online,1,আওয়ামী লীগ|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|সৌদি আরব|কাতার|শ্রীলঙ্কা,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়ে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সৌদি আরব. কাতার ও শ্রীলঙ্কার নেতারা। মঙ্গলবার পৃথক বার্তায় তাঁরা এ অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম জানান. সৌদি আরবের বাদশাহ ও পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষক সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদ প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে পৃথক বার্তা পাঠিয়েছেন। সৌদি বাদশাহ তাঁর বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য কামনা করেন এবং বাংলাদেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। নির্বাচনী বিজয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দনবার্তা পাঠিয়ে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি. অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি শেখ হাসিনার সাফল্য কামনা করেন। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীকে পৃথকভাবে টেলিফোন করেন। প্রধানমন্ত্রীও তাঁকে অভিনন্দন জানানোর জন্য দুজনকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। আলাপকালে তিন নেতা আশা প্রকাশ করেন যে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান সম্পর্ক ও সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।,1572834 2019-01-01,মালয়েশিয়ান লিগে বাংলাদেশের দুই খেলোয়াড়,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572840/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9C,sports,online,1,মালয়েশিয়া|হকি|খেলা,মালয়েশিয়ান হকি লিগে খেলার সুযোগ পেয়েছেন জাতীয় হকি দলের ফরোয়ার্ড রাসেল মাহমুদ জিমি ও ডিফেন্ডার ফরহাদ আহমেদ শিতুল। দেশের দুই হকি তারকাকে ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মারা দলের জার্সিতে খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক মালয়েশিয়ান কোচ গোপীনাথান কৃষ্ণমূর্তি। ৩ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই লিগ। এর আগে জাতীয় দলের সাবেক জার্মান কোচ গেরহার্ড পিটারের হাত ধরে জার্মানির নিচের ডিভিশনে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছিল বাংলাদেশের হকি খেলোয়াড়দের। এবার জাতীয় দলের আরেক সাবেক কোচের হাত ধরে মালয়েশিয়ান লিগে খেলার সুযোগ পেলেন জিমি ও শিতুল। ইতিমধ্যে ফেডারেশন থেকে খেলার ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করলেন সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাদেক.‘গোপীনাথান কৃষ্ণমূর্তির মাধ্যমে জিমি ও শিতুল এবারের মালয়েশিয়ার লিগে খেলার সুযোগ পেয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁদের ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে।’ ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি দলটি মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় স্তরে খেলে থাকে। মালয়েশিয়ান লিগের আগে পাকিস্তানের টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ এসেছিল শিতুলের সামনে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরেক ডিফেন্ডার আশরাফুল রানা। ফেডারেশন থেকে পাকিস্তানে খেলতে অনাপত্তি মিললেও শিতুল এবং আশরাফুলকে ছাড়পত্র দেননি তাঁদের সংস্থা। তাই পাকিস্তান পর্ব আপাতত বাদ।,1572840 2019-01-01,এপ্রিলে ঢাকায় ৬ জাতি আন্তর্জাতিক ফুটবল,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৪,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572832/%E0%A6%8F%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%AC-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%AC%E0%A6%B2,sports,online,1,ফুটবল|আন্তর্জাতিক ফুটবল|ঢাকা,চলতি বছরের এপ্রিলে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ছয় জাতি বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট। জাতীয় দলের নয়. টুর্নামেন্টটি হবে অনূর্ধ্ব ১৯। আর বাংলাদেশ জাতীয় দল তো ১৯ বছর বয়সী মেয়েদের নিয়েই গড়া। বাংলাদেশের ফুটবলে জন্য সুখবরই বটে। নতুন বছরের প্রথম দিনই ভালো খবর নিয়ে হাজির বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। চলতি বছরের এপ্রিলে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ছয় জাতি বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট। জাতীয় দল নিয়ে নয়. টুর্নামেন্টটি হবে অনূর্ধ্ব ১৯। নতুন টুর্নামেন্টের খবরটি আজ বাফুফে ভবনে বসেই দিয়েছেন সালাউদ্দিন. ‘ঢাকায় অনূর্ধ্ব ১৯ বঙ্গমাতা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হবে। টুর্নামেন্টে খেলবে ছয়টি দল এবং দলগুলোর মান হবে খুব ভালো।’ সিঙ্গাপুর. মালয়েশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছে বাফুফে। তাঁদের ইচ্ছে এমন সব দেশ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করুক. যাদের সঙ্গে লড়াই হবে বাংলাদেশের। সাফের মতো যেন বিশাল বিশাল ব্যবধানে জয় পেতে না হয়। দক্ষিণ এশিয়ার বয়সভিত্তিক ফুটবলে বাংলাদেশের মেয়েদের দুর্দান্ত প্রতাপ। কিন্তু অক্টোবরে তাজিকিস্তানে অনুষ্ঠিত এএফপি অনূর্ধ্ব-১৯ বাছাইপর্বে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখেছে মারিয়া মান্দা. মৌসুমিরা। উত্তর কোরিয়ার কাছে ৭-০ গোলের হার দিয়ে বাছাইপর্ব শুরু করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচে চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে বিদায়। আর নিয়ম রক্ষার শেষ ম্যাচে স্বাগতিক তাজিকিস্তানকে ৫-১ গোলে হারায় বাংলাদেশ। যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়েই ঘরের মাঠে টুর্নামেন্টটি শুরু করতে পারবে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টটির আগে মার্চেই নেপালে অনুষ্ঠিত হবে সিনিয়র নারীদের সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। এর আগে মিয়ানমারে খেলবে এএফসি অনূর্ধ্ব- ১৬ বাছাইপর্বের ম্যাচ। এই দুই দল মিলিয়েই তো বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দল।,1572832 2019-01-01,দলের পর অধিনায়কত্বও পেলেন মুশফিক,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৯,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572831/%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95,sports,online,1,মুশফিকুর রহিম|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০,শেষ মুহূর্তে শুধু ‘আইকন’ হিসেবেই নেয়নি. চিটাগং ভাইকিংস মুশফিকুর রহিমকে ঘোষণা করল অধিনায়ক হিসেবেই। রাজশাহী কিংস ছেড়ে দেওয়ায় মুশফিকুর রহিমকে উঠতে হতো বিপিএলের নিলামে। কিন্তু সেটি উঠতে হয়নি। নিলামে ওঠার আগেই ‘আইকন’ হিসেবে মুশফিক দল পেয়ে গিয়েছিলেন। মুশফিককে এই সম্মান দেওয়া চিটাগং ভাইকিংস এবার আস্থার হাত আরও প্রসারিত করল। মুশফিককে অধিনায়কও বানাল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। গত বিপিএল মুশফিক খেলেছেন রাজশাহী কিংসের সহ-অধিনায়ক হিসেবে। এবার চিটাগং ফ্র্যাঞ্চাইজির চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহেদ ঘটা করেই ঘোষণা করেছেন. বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিক আসন্ন বিপিএলে চিটাগং ভাইকিংসকে নেতৃত্ব দেবেন। বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ এই উইকেটকিপারকে অধিনায়ক হিসেবে পেয়ে বেশ খুশি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির স্বত্বাধিকারী. ‘এ বছর আমাদের দলটা দুর্দান্ত হয়েছে। মুশফিক. (লুক) রনকি. সিকান্দার রাজা. ডেলপোর্টের মতো অনেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে। আমরা মুশফিককে অধিনায়ক হিসেবে পেয়ে ভীষণ খুশি। আশা করি এই মৌসুমটা আমাদের দুর্দান্তই কাটবে।’ ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই চিটাগং মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্সের।,1572831 2019-01-01,উৎসবের মাস,,মে. শফিকুর রহমান. অ্যাডিলেড (অস্ট্রেলিয়া) থেকে,,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572828/%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8,durporobash,online,1,,অস্ট্রেলিয়ায় ডিসেম্বর হচ্ছে উৎসবের মাস। এই উৎসব যেমন লেগে থাকে মানুষের চোখে-মুখে. তেমনি বোঝা যায় প্রকৃতিতে। উল্লেখযোগ্য উৎসবের মধ্যে আছে বড়দিন. বক্সিং ডে. ব্ল্যাক ফ্রাইডে ও থার্টি ফার্স্ট নাইট। তাই এ মাসের শুরুতেই সবাই বলতে চান আমি কিন্তু অফিসে থাকব না। দরকার হলে যোগাযোগ করতে পার ইমেইলে। এভাবে ছুটিতে তারা ছুটে যান বিভিন্ন দেশে। আর আবহাওয়ার মেজাজও থাকে গরম। তেমনি এর বিপরীত মেরুর দেশগুলোতে দেখা যায় শীতের কনকনে কাঁপুনি। এখানে যখন দেখি ২৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড. সে সময় কোরিয়াতে শুনলাম -সাত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। এ দেশকে অবলীলায় বলা যায় বড় শহরের শান্ত গ্রাম। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে থাকে বড়দিন। বড়দিন এ দেশের সব থেকে বড় উৎসব। এ জন্য শহরে সব জায়গায় দেখা যায় ক্রিসমাস ট্রি। কিছু ক্রিসমাস ট্রি তৈরি করা হয় কৃত্রিমভাবে। আবার কিছু গাছ বেড়ে উঠেছে প্রকৃতিগতভাবে। তবে সব গাছই ছোট ছোট মিটির মিটি বাতি দিয়ে আলোকোজ্জ্বল করা হয়। আর উৎসব উপলক্ষে বেশির ভাগ বাড়িতেই রংবেরঙের বাতি জ্বালানো হয় সন্ধ্যার পর। চলে নানা ধরনের খাওয়া দাওয়া আর উপহার বিনিময়। বড়দিনের উৎসবের শুরুর দিনে সকালেই চার্চ যায় বেশির ভাগ। গান আর প্রার্থনায় সময়গুলো তারা পার করেন। এ মাসে কিছু তরুণ বিভিন্ন ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে গান বাজনায় মেতে ওঠে। এই বড়দিনের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সান্তা ক্লজ সাজা। মাথায় থাকে লাল রঙের টুপি আর থাকে সাদা দাঁড়ি। মাঝে মাঝে তারা বসে সময় কাটান কিছু ক্রিসমাস গাছের চারদিকে। অ্যাডিলেড শহরের কেন্দ্র হচ্ছে ভিক্টোরিয়া স্কয়ার। জায়গাটা বেশ গোলাকৃতির। এখানে বসে ছোটখাটো মেলা। নতুন বাতি. আলোকসজ্জা ও নাগরদোলা দেখা যায়। দিনগুলো থাকে সরকারি ছুটি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে। এদের কাছে উৎসব মানে কাজহীন সময় কাটানো। খ্রিষ্ট রীতি অনুসারে ক্রিসমাস মানে হচ্ছে যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন। আর এই দিন থেকেই গণনা করা হয় খ্রিষ্টীয় সাল। এর মানে হচ্ছে ২০১৮ বছর আগে যিশুখ্রিষ্ট এই পৃথিবীতে আসেন। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত কিছু দেশে বড়দিনের পরের দিনটিকে পালন করে বক্সিং ডে। এ দিনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সকল পণ্যে একটা বিশেষ ছাড়। যাকে উৎসব না বলে আর কীই বা বলা যায়। এ জন্যই দোকানগুলোতে দেখা যায় বাড়তি ভিড়। শোনা যায় মানুষের সরগরম ধ্বনি। যা অনেকটা আমাদের দেশের ঈদের আগে দিনের সরগরম বাজার। আর শহরের বাস–ট্রামে চলাচলের জন্য ফ্রি করে দেয় সরকার। এ মাসের শেষের দিকে আছে থার্টি ফাস্ট নাইট। এই বিশেষ দিনে সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় বর্ষবরণ উৎসব। গভীর রাত পর্যন্ত আয়োজন করা হয় আলোকসজ্জা উৎসব। যা দেখার জন্য বিকেল থেকেই ভিড় জমান সকল শ্রেণি পেশার লোকজন। কিছু কিছু সি বিচে আয়োজন করে কনসার্ট। মানুষের যাতায়াত সহজ করার জন্য থাকে বাড়তি যানবাহনের ব্যবস্থা। কিছু কিছু বাড়িতে ব্যক্তিগতভাবে আয়োজন করে ঘরোয়া অনুষ্ঠান আর আলোকসজ্জা। সমুদ্রতীরেও জমে ওঠে আতশবাজি (ফায়ার ওয়ার্কস)। এই অনুষ্ঠানগুলো অনেকটা একই ধরনের। একই সঙ্গে দেখা যায় শেষ সূর্য ডোবার দৃশ্য আর আতশবাজি শব্দ। এরা নিজেদের সংস্কৃতি ধারণ করে রেখেছে নিজেদের মতো করে। যেখানে আছে নানান ধরনের উচ্ছ্বাস আর উন্মাদনা। কিন্তু নেই কোনো সাংস্কৃতিক অসুস্থতা। এই উৎসবের সময়টা হয়তো বেশ অল্প তবুও মানুষ চায় তাদের মনকে রাঙাতে। দোষ তো কিছু নেই। হোক মুখর আমাদের সবার মন ও মনন এই উৎসবে। আর ভালো থাক তার মন আর তাদের মনের রঙিন ভালোবাসা। জয় হোক উৎসবের এবং ভালো থাকুক মানুষের ভালো মন।,1572828 2019-01-01,১৮৬ আসনে ৮০ শতাংশের বেশি ভোট,ইভিএমে ভোটার কম,হারুন আল রশিদ. ঢাকা,৪৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572833/%E0%A7%A7%E0%A7%AE%E0%A7%AC-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A7%AE%E0%A7%A6-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F,bangladesh,online,2,নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন|একাদশ সংসদ নির্বাচন|ইভিএম|জাতীয় পার্টি|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৮৬টি আসনে ভোট পড়েছে ৮০ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে ১৩টি আসনের ভোট ৯০ শতাংশেরও ওপরে। অন্যদিকে ৫০ শতাংশের নিচে ভোট পড়েছে মাত্র ৩টি আসনে। অন্যদিকে ৮০ শতাংশের নিচে ভোট পড়েছে ১১২টি আসনে। নির্বাচনের ফলাফল বিবরণী পর্যালোচনা করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। ৯০ শতাংশের বেশি ভোটপড়া ১৩টি আসন হলো-রংপুর-৬ (৯০.৬৪ শতাংশ). বগুড়া-১ (৯১.০৪). সিরাজগঞ্জ-১ (৯৪.৫৯). টাঙ্গাইল-২ (৯০.৪১). জামালপুর-২ (৯০.৩৮). জামালপুর-৩ (৯২.৫৬). গোপালগঞ্জ-১ (৯৪.৯১). গোপালগঞ্জ-২ (৯০.৯৮). গোপালগঞ্জ-৩ (৯৩.২৪). মাদারীপুর-১ (৯৩.৪২). মাদারীপুর-২ (৯২.১২). শরিয়তপুর-১ (৯৩.৪৮) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (৯৩.৪৫ শতাংশ)। ৫০ শতাংশের নিচে ভোট পড়েছে খুলনা-২ আসনে ৪৯.৪১ শতাংশ. ঢাকা-৬ আসনে ৪৫.২৬ এবং ঢাকা-১৩ আসনে ৪৩.০৫ শতাংশ। এ তিনটি আসনে ইভিএমে ভোট হয়েছে। খুলনা-২ আসনে ২ লাখ ৯৪ হাজার ১১৬ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২১০ ভোট। তাতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ সালাউদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ১০০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩৭৯ ভোট। ঢাকা-৬ আসনে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৫২ ভোট। নিকটতম গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬৯০ ভোট। ঢাকা-১৩ আসনে আওয়ামী লীগের সাদেক খান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬৩ ভোট। বিএনপির আবদুল সালাম পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২৩২ ভোট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হয়েছে ৬টি আসনে। তুলনামূলকভাবে এসব আসনে ভোটগ্রহণের হার কম। ইসি সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রতিটি আসনের কোথাও না কোথাও ইভিএমের ত্রুটির কারণে ভোটগ্রহণ বিলম্বিত বা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ইভিএমে ভোট হওয়া অপর তিনটি আসনে ভোট পড়েছে চট্টগ্রাম-৯ আসনে ৬২.৮৭. রংপুর-৩ আসনে ৫২.৩১ এবং সাতক্ষীরা-২ আসনে ৫২.৮২ শতাংশ। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী পেয়েছে ২৫৭ আসন। দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি পেয়েছে ৫ আসন। বর্তমান সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২২ টি। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয় একচেটিয়া। অল্প কিছু আসনে বিজয়ী প্রার্থীর সঙ্গে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ করা গেছে। অল্প কয়েকটি ছাড়া বেশির ভাগ আসনেই ক্ষমতাসীন দলের বিজয়ী প্রার্থীর সঙ্গে পরাজিত প্রার্থীদের ভোটের পার্থক্য অনেক। জয়ী-পরাজিত প্রার্থীর মধ্যে ভোটের পার্থক্য কম যেসব আসনে: পঞ্চগড়-১ আসনে আওয়ামী লীগের মাজহারুল হক প্রধান পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির নওশাদ জমির পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৯ ভোট। পঞ্চগড়-২ আসনে আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম সুজন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫১৪ ভোট। বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৯৫ ভোট। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেন পেয়েছেন ২ লাখ ২৫ হাজার ৫৯৮ ভোট। এই আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৮০ ভোট। ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিএনপির জাহিদুর রহমান ৮৮ হাজার ৫১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমদাদুল হক পান ৮৪ হাজার ৩৯৫ ভোট। দিনাজপুর-৫ আসনে আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮৩ ভোট। বিএনপির এ জেড এম রেজওয়ানুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৬৭ ভোট। কুড়িগ্রাম-১ আসনে আওয়ামী লীগের আছলাম হোসেন সওদাগর ১ লাখ ২১ হাজার ৯০১ ভোট। বিএনপির সাইফুর রহমান রানা পান ১ লাখ ১৮ হাজার ১৩৪ ভোট। বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির মোশাররফ হোসেন পান ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৮৫ ভোট। জাসদের রেজাউল করিম তানসেন পান ৮৬ হাজার ৪৮ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের সামিল উদ্দিন পান ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৮ ভোট। বিএনপির শাহজাহান মিয়া পান ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫০ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির আমিনুল ইসলাম পার ১ লাখ ৭৫ লাখ ৪৬৬ ভোট। আওয়ামী লীগের জিয়াউর রহমান পান ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫২ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের আবদুল ওদুদ পান ৮৫ হাজার ৯৩৮ ভোট। বিএনপির হারুনুর রশীদ পান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৬১ ভোট। নওগাঁ-১ আসনে আওয়ামী লীগের সাধন চন্দ্র মজুমদার পান ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৯০ ভোট। বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৬। নওগাঁ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের ছলিম উদ্দিন তরফদার পান ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৮১ ভোট। বিএনপির পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী পান ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৩ ভোট। রাজশাহী-২ আসনে আওয়ামী লীগের ফজলে হোসেন বাদশা পান ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৩ ভোট। বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু পান ১ লাখ ৩ হাজার ৩২৭ ভোট। বরিশাল-৩ আসনে জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু পান ৫৪ হাজার ৭৭৮ ভোট। বিএনপির জয়নাল আবেদীন পান ৪৭ হাজার ২৮৭ ভোট। টাঙ্গাইল-৮ আসনে আওয়ামী লীগের জোয়াহেরুল ইসলাম ৫৮ হাজার ৯৮৭ ভোট। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কুঁড়ি সিদ্দিকী পান ৪৪ হাজার ৭৩৫ ভোট। মৌলভীবাজার-২ আসনে গণফোরামের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর পান ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট। বিকল্পধারার এম এম শাহীন পান ৭৭ হাজার ১৭০ ভোট। কুমিল্লা-১ আসনে আওয়ামী লীগের সুবিদ আলী ভূঁইয়া পান ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ ভোট। বিএনপির খন্দকার মোশাররফ হোসেন পান ৯৫ হাজার ৫৪২ ভোট।,1572833 2019-01-01,স্মিথকে কিছু প্রশ্ন করবেন এনামুল,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572830/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A5%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B2,sports,online,2,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,স্টিভেন স্মিথ এলে শুধু কুমিল্লা শক্তিশালীই হবে না. উপকৃত হবে দলের তরুণ ক্রিকেটাররা। এনামুল হক জানালেন. তিনি কিছু প্রশ্ন করবেন সাবেক অস্ট্রেলীয় অধিনায়ককে। অনেক জল ঘোলা হয়েছে স্টিভেন স্মিথকে নিয়ে। অস্ট্রেলীয় তারকার বিপিএল খেলা নিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস অবশ্য শেষ পর্যন্ত একটা আশার খবর পেয়েছে। স্মিথ যোগ হলে স্বাভাবিকভাবেই ভীষণ শক্তিশালী হবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। শুধু মাঠের পারফরম্যান্সেই নয়. সাবেক এ অস্ট্রেলীয় অধিনায়কের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করতে পারলে উপকৃত হবেন কুমিল্লার তরুণ ক্রিকেটাররাও।ওপেনার এনামুল হক তো অনেক প্রশ্ন সাজিয়ে রেখেছেন। স্মিথ এলেই প্রশ্নগুলো তিনি করবেন. ‘বিশ্ব ক্রিকেটে সে অনেক বড় তারকা। আমরা যারা তরুণ ক্রিকেটার আছি সবাই ওকে প্রশ্ন করব। চেষ্টা করব তাঁর থেকে ভালো কিছু জানার। ক্রিকেটে শেখার শেষ নেই। আমার কাছে মনে হয় এত বড় তারকার কাছে ছোট ছোট অনেক কিছুই শেখার আছে। আমি নিজেও কিছু প্রশ্ন তৈরি করে রেখেছি. সে এলে করব। প্রশ্নের উত্তরগুলো পেয়ে যদি কিছু শিখতে পারি. পরে আমার যদি উপকার হয় তাহলে সেটি নেওয়ার চেষ্টা করব। দলে আরও বড় বড় ক্রিকেটার আছে। আফ্রিদি আছে. শোয়েব মালিক আছে. তামিম ভাইয়ের মতো খেলোয়াড় আছেন। আমার কাছে মনে হয় বিপিএল অনেক বড় একটি মঞ্চ. বড় তারকাদের জায়গা। আমি চেষ্টা করব সবার কাছে একটু একটু করে নিয়ে ভবিষ্যতে কাজে লাগানোর।’ এই মুহূর্তে জাতীয় দলের বাইরে আছেন এনামুল। গত বছর অবশ্য দুবার ফিরেছিলেন জাতীয় দলে। কোনো সুযোগই তিনি কাজে লাগাতে পারেননি। ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে বিশ্বকাপ। জাতীয় দলে ফিরতে না পারলে বিশ্বকাপ যে দূরের বাতিঘর হয়ে যাবে. সেটি জানেন বলেই এনামুল মনে করেন. যে লিগ বা টুর্নামেন্টই খেলুন. সবই তাঁর বিশ্বকাপের প্রস্তুতি. ‘যখন উইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে জাতীয় দলে ফিরলাম (গত আগস্টে). যখন ম্যাচগুলোয় ভালো করতে পারলাম না. তখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই আসলে আমার কাছে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। সেটা জাতীয় লিগে বলেন. বিসিএল বলেন. বিপিএলের প্রতিটি ম্যাচ এবং বিপিএলের পরে যদি কোনো ওয়ানডে ম্যাচ খেলি অথবা যেকোনো ম্যাচই আমার জন্য ২০১৯ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি। সব সময় তৈরি থাকার চেষ্টা করব। প্রতিটি ম্যাচই আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি অবশ্যই ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলতে চাই। এটি সব সময় স্বপ্ন দেখি। ২০১৫ বিশ্বকাপের মাঝ পথে যখন চোটে পড়ে মাঠের বাইরে চলে গেলাম. তখন থেকেই আমি স্বপ্ন দেখি ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলব। আমার প্রতিটি চেষ্টাতে. প্রতিটি নেট কিংবা জিম সেশনে চিন্তা করি যে ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলব। যতটা প্রস্তুত হওয়া দরকার এবং যতটুকু ভালো করা দরকার চেষ্টা করব।’,1572830 2019-01-01,সেই শিশুটিকে দেখে ঢাকায় ফিরলেন মাশরাফি,,নড়াইল প্রতিনিধি,৩৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572825/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF,bangladesh,online,2,রাজনীতি|মাশরাফি বিন মুর্তজা|একাদশ সংসদ নির্বাচন,সেই শিশুটিকে দেখেই ঢাকায় ফিরলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক ও জাতীয় সংসদের সদ্য নির্বাচিত সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা।শিশুটির বাবা নির্বাচনের সময় মাশরাফির ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে. ২৭ ডিসেম্বর মনিরুজ্জামান হঠাৎ করেই হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। মৃত্যুর সময় তাঁর স্ত্রী সন্তান জন্ম দেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। সন্তানের মুখ না দেখেই চলে যেতে হয়েছে তাঁকে।নির্বাচনের আগের দিন ২৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তানের জন্ম দেন মনিরুজ্জামানের স্ত্রী। মাশরাফি সেদিন যেতে না পারলেও পাঠিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী সুমনা হক সুমিকে। তাঁর হাত দিয়ে পাঠিয়েছিলেন আর্থিক সহায়তা। গতকাল সোমবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে হাসপাতালে গিয়ে মনিরুজ্জামানের কন্যা শিশুকে দেখতে যান মাশরাফি। কোলে তুলে আদর করেন। স্মরণ করেন পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে।,1572825 2019-01-01,মাদ্রাসাছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে যুবক শ্রীঘরে!,,প্রতিনিধি. কসবা. ব্রাহ্মণবাড়িয়া,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572824/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%87,bangladesh,online,2,অপরাধ|কুমিল্লা,কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় দশম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় আবদুল হাকিম (২১) নামের এক যুবককে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী হাকিম ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফৌজিয়া ছিদ্দিকা। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে. উপজেলার এক মাদ্রাসাছাত্রীকে চার মাস ধরে উত্ত্যক্ত করছিলেন আবদুল হাকিম (২১)। মাদ্রাসায় আসা-যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন আবদুল হাকিম। ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়েও কোনো বিচার পাননি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ওই যুবক মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। মেয়েটির মা ও পরিবারের লোকজন তা প্রত্যাখ্যান করলে ওই যুবক অ্যাসিড ছোড়ার হুমকি দেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ওই যুবককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ আবদুল হাকিমকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই যুবককে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফৌজিয়া ছিদ্দিকা প্রথম আলোকে বলেন. ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে দোষ স্বীকার করায় ওই যুবককে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারায় তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁকে কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।,1572824 2019-01-01,মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিএনপি-জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572823/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8,bangladesh,online,2,রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|রাশেদ খান মেনন|বিএনপি|জামায়াত,সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন. জামায়াতকে ধানের শীষ দেওয়ার পরও শেষ রক্ষা হলো না বিএনপির। নির্বাচনে তাদের ভরাডুবি হলো। আসলে জনগণ এই নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিএনপি ও জামায়াত উভয়কেই প্রত্যাখ্যান করেছে। মেনন বলেন. বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের আঁচল থেকে বের হতে না পারলে তারা আর কখনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষক. ছাত্র ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন. বিএনপি ভোটের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করার মধ্য দিয়ে নির্বাচন সম্পর্কে আবারও তাদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। তারা সারা দিন বলেছে ভোট সুষ্ঠু হয়েছে.আর সন্ধ্যায় গিয়ে বলছে ফলাফল মানি না। তারা যে রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে এটা তারই প্রমাণ। উলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হোসেন. সদস্য তৌহিদুল ইসলামসহ গভর্নিং বডির সদস্য ও শিক্ষকেরা।,1572823 2019-01-01,শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় মৃণাল সেনকে বিদায়,,প্রতিনিধি. কলকাতা,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572829/%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F,entertainment,online,2,চলচ্চিত্র,শেষ হয়ে গেল বাংলা চলচ্চিত্রের একটি স্বর্ণযুগের। যে যুগের কান্ডারি ছিলেন সত্যজিৎ রায়. ঋত্বিক ঘটক আর মৃণাল সেন। সেই বিশ্ববরেণ্য চিত্রপরিচালক মৃণাল সেন আজ মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে অগ্নিতে বিলীন হয়ে গেলেন। মরদেহ নিয়ে শোক মিছিলের পর এই মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। গত রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় এই প্রথিতযশা পরিচালক কলকাতার ভবানীপুরের নিজ বাসভবনে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। মৃণাল সেনের একমাত্র ছেলে কুণাল সেনের আসার জন্য তাঁর মরদেহ কলকাতার হিমঘর পিস ওয়ার্ল্ডে রাখা হয়। গতকাল সোমবার কুণাল সেন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো থেকে কলকাতায় আসার পর আজ মৃণাল সেনের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। আজ বেলা আড়াইটায় পিস ওয়ার্ল্ড থেকে তাঁর মরদেহ সবার শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের কাছে মতিলাল নেহরু রোডে তাঁর সাবেক বাসভবনের সামনে আনা হয়। এই বাড়িতে জীবনের ১২টি বছর কাটিয়েছেন তিনি। এখান থেকেই তাঁর চলচ্চিত্রে উত্থান ঘটে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী এখানেই শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মরদেহ রাখা হয়। তারপর এখান থেকে শোক মিছিল করে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। মতিলাল নেহরু রোডের বাসভবনের সামনে রাখা মৃণাল সেনকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ছুটে আসেন কলকাতা ছবিপাড়ার শিল্পী. কলাকুশলীসহ সাহিত্য. সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। সবাই তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় মরদেহের কাছে উপস্থিত ছিলেন কুণাল সেন। মৃণাল সেনকে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন কবি শঙ্খ ঘোষ. চিত্রপরিচালক তরুণ মজুমদার. সন্দীপ রায়. অঞ্জন দত্ত. অশোক বিশ্বনাথন. অপর্ণা সেন. ত্রিদিব মুখোপাধ্যায়. সৃজিত মুখোপাধ্যায়. অনীক দত্ত. সংগীত পরিচালক দেবজ্যোতি মিশ্র. অভিনেতা প্রসেনজিৎ. কৌশিক সেন. রঞ্জিত মল্লিক. মমতা শংকর. শ্রীলা মজুমদার. মাধবী মুখোপাধ্যায়. বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বিমান বসু. সুজন চক্রবর্তী. বিকাশ ভট্টাচার্য. শ্যামল চক্রবর্তীসহ কলকাতার টলিউড এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। সবাই মৃণাল সেনের চলচ্চিত্র অঙ্গনে অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। বলেন. বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনের শেষ মহিরুহের পতন হয়ে গেল। শেষ হয়ে গেল সত্যজিৎ-ঋত্বিক-মৃণাল যুগের। সত্যজিৎ রায়ের ছেলে পরিচালক সন্দীপ রায় দাবি করে বলেন. ‘সংরক্ষণ করা হোক মৃণাল সেনের ছবিগুলো।’ নন্দিতা দাস বলেন. ‘তিনি ছিলেন আমার শিক্ষক এবং অভিভাবক। তিনি চলে যাওয়ায় আমাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল।’ অপর্ণা সেন বলেন. ‘তিনি ছিলেন আমার বাবার মতো। আর ফিরে পাব না তাঁকে।’ প্রসেনজিৎ বলেছেন. ‘মৃণাল সেনের তুলনা নেই। তিনিই আমাদের চলচ্চিত্রের পথপ্রদর্শক। বাংলা চলচ্চিত্র হারাল এক গুণী শিক্ষককে।’ মৃণাল সেনের শেষ ইচ্ছে ছিল. তাঁর মরদেহে কেউ যেন ফুল আর মালা দিয়ে শ্রদ্ধা না জানায়। তাই পরিবার থেকে অনুরোধ করা হয়েছে. কেউ যেন ফুল আর মালা নিয়ে মৃণাল সেনকে শেষ শ্রদ্ধা না জানান। এই শোকযাত্রায় কারও হাতেই ছিল না ফুল আর মালা। গত রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁর ভবানীপুরের নিজ বাসভবনে প্রয়াত হন মৃণাল সেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। তাঁর জন্ম বাংলাদেশের ফরিদপুর শহরে। মৃত্যুর পর বিকেলেই তাঁর মরদেহ ছেলের ফিরে আসার অপেক্ষায় রাখা হয় কলকাতার হিমঘর পিস ওয়ার্ল্ডে। ৫ জানুয়ারি কলকাতার গোর্কি সদনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশের ফরিদপুর শহরে ১৯২৩ সালের ১৪ মে জন্ম মৃণাল সেনের।,1572829 2019-01-01,‘কলঙ্কিনী’র পর মুখে কুলুপ!,,বিনোদন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572821/%E2%80%98%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E2%80%99%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AA,entertainment,online,2,টেলিভিশন,‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ সিরিয়ালের ‘রাণী রাসমণি’ দিতিপ্রিয়া রায় তাঁর মুখে কুলুপ এঁটেছেন। একের পর এক ট্রলের শিকার হচ্ছেন। যা-ই বলছেন. তা নিয়েই একটি মহল সমালোচনা শুরু করে। এই যেমন গত ২৩ ডিসেম্বর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার অমরাবতী ময়দানে ‘পাণিহাটি উৎসব ও বইমেলা’র মঞ্চে দর্শকদের অনুরোধ রক্ষা করতে গিয়ে বাধে বিপত্তি। রাধারমণ দত্তের ‘কলঙ্কিনী রাধা’ আর প্রচলিত লোকগান ‘পিন্দারে পলাশের বন’ গেয়ে শোনান তিনি। দুটি গানই গেয়েছেন প্রায় বেসুরো। গান গাইতে গিয়ে সুর. তাল. লয় থেকে সরে যান তিনি। মুহূর্তেই সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। সরগরম হয় নেটপাড়া। সমালোচনার মুখে পড়েন দিতিপ্রিয়া। শুরু হয় ট্রল। জনপ্রিয় এই তারকার বিরুদ্ধে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এর আগে জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’তে দিতিপ্রিয়া রায়ের সংলাপ. ‘বাবা. তুমি এয়েচো’ আর ‘বাবা. তুমি খেয়েচো’ নিয়ে মিম ও ট্রলে ছেয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে তখন সংবাদমাধ্যমকে দিতিপ্রিয়া রায় বলেছিলেন. তিনি আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা ভাবছেন। তবে পাশাপাশি নিন্দুকদের ধন্যবাদ জানিয়ে দিতিপ্রিয়া রায় বলেছেন. ‘এভাবে ট্রলিং চলতে থাকলে আমি একদিন সারা ভারতে বিখ্যাত হয়ে যাব! এটা তো প্রথম নয়; এর আগেও সিরিয়ালের সংলাপ নিয়ে একাধিকবার আমাকে ট্রল করা হয়েছে। অনেক দিন সেটা বন্ধ ছিল। আমাকে যাঁরা পছন্দ করেন না. তাঁরা একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। এবার তা হাতে পেয়ে আবার ট্রলিং শুরু হয়েছে।’ তবে জানা গেছে. তাঁকে এবার ‘কথা’ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এসব নিয়ে খোঁচাখুঁচি করতে গিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের যেন বারোটা না বাজে. সেদিকে খেয়াল রাখতে তাঁকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তবে নতুন বছরে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাতে ভুল করেননি। ইনস্টাগ্রামে নিজের নতুন একটি ছবি দিয়ে লিখেছেন. ‘খারাপ স্মৃতিকে তাড়িয়ে. ২০১৮ সালের সুন্দর স্মৃতিগুলো মনে রাখতে চাই৷’ গত সপ্তাহের দর্শক জরিপ অনুযায়ী ভারতের বাংলা চ্যানেলগুলোর মধ্যে এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ সিরিয়াল। আর জনপ্রিয় ‘রাণী রাসমণি’ দিতিপ্রিয়া রায়। মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে সম্প্রতি পাঠভবনে ক্লাস ইলেভেনে ভর্তি হয়েছেন। এই বয়সে দিতিপ্রিয়া রায়ের এতটা জনপ্রিয়তা অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। তাই সুযোগ পেলেই এই নায়িকার সমালোচনায় মেতে ওঠেন তাঁরা।,1572821 2019-01-01,টাঙ্গাইলে সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রী খুন,,প্রতিনিধি. সখীপুর. টাঙ্গাইল,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572822/%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8,bangladesh,online,2,অপরাধ|টাঙ্গাইল|হত্যাকাণ্ড,টাঙ্গাইলের বাসাইলে এক সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে. নিহত নারীর নাম মনোয়ারা বেগম (৩৫)। তিনি বাসাইল উপজেলার নথখোলা গ্রামের প্রবাসী ধলা খানের স্ত্রী। তাঁর স্বামী ও ছেলে আল-আমিন দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে থাকায় বাড়িতে মনোয়ারা একাই থাকতেন। বাসাইল থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে. গত সোমবার রাতে মনোয়ারা বেগম অন্যদিনের মতো নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে অনেক ডাকাডাকি করেও ঘুম থেকে না উঠলে প্রতিবেশীরা ওই ঘরে ঢুকে তাঁর গলাকাটা লাশ দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মনোয়ারার ভাইয়ের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে খুনের মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম তুহিন আলী প্রথম আলোকে মুঠোফোনে বলেন. আজকালের মধ্যেই খুনিদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।,1572822 2019-01-01,প্রধানমন্ত্রী চাইলে মন্ত্রিসভায় যেতে চান মুহিত,,বাসস. ঢাকা,৫৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572820/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4,bangladesh,online,2,অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|একাদশ সংসদ নির্বাচন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে আহ্বান জানালে সাড়া দেবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অর্থমন্ত্রী বলেন. দেশের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে নতুন সরকারকে দুর্নীতি বন্ধে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে নতুন বছরের প্রথম দিনে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন. নতুন সরকারকে দুর্নীতি দমনের মাধ্যমে সব ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে। আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্ব দিতে হবে। মুহিত বলেন. ‘অতীতের মতো আওয়ামী লীগ সরকারকে দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বিগত ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচনে আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছি। আমরা নতুন মেয়াদে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে চাই।’ অর্থমন্ত্রী অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন. প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে আহ্বান জানালে তিনি সাড়া দেবেন। কেননা তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রীকে মান্য করে চলেন। তিনি বলেন. ‘একাদশ সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণ শেখ হাসিনার পক্ষে ভোট দিয়েছে। তারা জানে শেখ হাসিনা ছাড়া দেশের উন্নয়ন হবে না।’,1572820 2019-01-01,দেশে আজ জন্ম নেবে ৮ হাজারের বেশি শিশু,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572818/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A7%AE-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81,bangladesh,online,2,স্বাস্থ্য|পরিবেশ|জনসংখ্যা|জাতিসংঘ|ইউনিসেফ,দেশে আজ মঙ্গলবার নতুন বছরের প্রথম দিনে বাংলাদেশে আট হাজার চার শ'র বেশি শিশু জন্ম গ্রহণ করবে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল-ইউনিসেফের তথ্য তাই বলছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ইউনিসেফ বলছে. আজকের দিনে বিশ্বজুড়ে জন্ম গ্রহণ করবে আনুমানিক মোট তিন লাখ ৯৫ হাজার ৭২ নবজাতক. যার ২ দশমিক ১৩ শতাংশ জন্মাবে বাংলাদেশে। আজ ইউনিসেফের নিউইয়র্ক কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের বিশ্ব জনসংখ্যা সম্ভাবনা (২০১৭). ওয়ার্ল্ড ডেটা ল্যাব. জাতিসংঘের উপাত্ত. যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সরকারি সেবা ও বেশ কয়েকটি দেশের জাতীয় পরিসংখ্যানসহ বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে নবজাতক জন্মের এ সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। বৈশ্বিক ভাবে বছরের প্রথম দিনে যত নবজাতকের জন্ম হবে তার প্রায় অর্ধেকের বেশির জন্ম হবে ভারত. চীন. নাইজেরিয়া. পাকিস্তান. ইন্দোনেশিয়া. যুক্তরাষ্ট্র. কঙ্গো এবং বাংলাদেশ অর্থাৎ এ আটটি দেশে। নতুন বছরের প্রথম দিনে বিশ্বে জন্ম নেওয়া নবজাতকদের এক-চতুর্থাংশের জন্ম হবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। ইউনিসেফ বলছে. বিশ্ব জুড়ে শহর গুলোতে উৎসব মুখর মানুষ নানা আয়োজনে শুধু নতুন বছরকেই স্বাগত জানাবে না. একই সঙ্গে পরিবারের নতুন ও সবচেয়ে ছোট বাসিন্দাকেও স্বাগত জানাবে। ঘড়ির কাঁটা যখন মধ্য রাত্রি নির্দেশ করবে তখন সিডনিতে আনুমানিক ১৬৮. টোকিওতে ৩১০. বেইজিংয়ে ৬০৫. মাদ্রিদে ১৬৬ ও নিউইয়র্কে ৩১৭ নবজাতক জন্ম গ্রহণ করবে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশ ফিজিতে খুব সম্ভবত ২০১৯ সালের প্রথম নবজাতকের জন্ম হবে এবং ওই দিনের শেষ নবজাতকের জন্ম হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ইউনিসেফ আনন্দের সংবাদ দেওয়ার পাশাপাশি মন খারাপের তথ্যও দিয়েছে। তথ্য বলছে. নবজাতককে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশে অনেক নবজাতকের নাম রাখাও সম্ভব হবে না। কেননা তাদের জীবনের প্রথম দিনটি পার করার আগেই তারা মারা যাবে। ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ নবজাতক তাদের জন্মের প্রথম দিনেই এবং প্রায় ২৫ লাখ তাদের জীবনের প্রথম মাসেই মৃত্যুবরণ করে। এদের বেশির ভাগেরই মৃত্যু হয় অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহণ. প্রসবকালীন জটিলতা এবং দূষণ ও নিউমোনিয়ার সংক্রমণের মতো প্রতিরোধযোগ্য কারণে। এটা তাদের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। চলতি বছরে শিশু অধিকার বিষয়ক সনদ গ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি হবে. যা এই বছর জুড়ে বিশ্বব্যাপী উদ্‌যাপন করবে ইউনিসেফ। এই সনদের আওতায় সরকারগুলো আরও অনেক কিছুর পাশাপাশি মানসম্মত উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিটি শিশুর জীবন বাঁচানোর পদক্ষেপ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।,1572818 2019-01-01,টেকনাফ-সেন্ট মার্টিনে পর্যটক পরিবহন শুরু,,প্রতিনিধি. টেকনাফ. কক্সবাজার,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572817/%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AB-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9F%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81,bangladesh,online,2,কক্সবাজার|টেকনাফ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|সেন্টমার্টিন,একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চার দিন বন্ধ থাকার পর আজ মঙ্গলবার থেকে চলাচল শুরু হয়েছে। সকালে কেয়ারি ক্রুস অ্যান্ড ডাইন নামে একটি পর্যটকবাহী জাহাজে করে ১৬৬ পর্যটক সেন্ট মার্টিন গেছেন। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেন. সংসদ নির্বাচনের সময় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে গত শুক্রবার থেকে সোমবার বিকেল (২৮-৩১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত এ নৌপথে পর্যটক পরিবহনের ওপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার আদেশ ছিল। দেশি-বিদেশি পর্যটকের কথা বিবেচনা করে মঙ্গলবার সকাল থেকে এ নৌপথে জাহাজ চলাচলে আর কোনো ধরনের বাধা নেই। কেয়ারি ক্রুস অ্যান্ড ডাইন জাহাজের টেকনাফের ব্যবস্থাপক শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন. চার দিন বন্ধ থাকার পর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে মঙ্গলবার সকালে ১৬৬ পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিন গেছে জাহাজটি। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের পরিদর্শক (পরিবহন) মোহাম্মদ হোসেন বলেন. গত বছরের ২৬ অক্টোবর থেকে এ নৌপথে প্রথমে দুটি পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করে। এরপর পর্যায়ক্রমে কেয়ারি সিন্দাবাদ. কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন. বে-ক্রুস. এলসিটি কাজল. এমভি ফারহান ক্রুজ ও গ্রিন লাইন-১ নামে ছয়টি জাহাজ চলাচল করে আসছিল। সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চার দিন বন্ধের পর আবার জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল হাসান প্রথম আলোকে বলেন. গত ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। মূলত সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এ জাহাজ চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চার দিন শেষে পুনরায় মঙ্গলবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন. ধারণক্ষমতার বেশি পর্যটক পরিবহন না করার পাশাপাশি পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি শিকার না হন. সেদিকে খেয়াল রাখতে জাহাজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।,1572817 2019-01-01,সাব্বির প্রতিজ্ঞা করছেন...,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572819/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8,sports,online,2,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|সাব্বির রহমান,আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা এখনো ওঠেনি। ২০১৮ সালটা তাঁর কেটেছে বিতর্কে। নতুন বছরের প্রথম দিনে সাব্বিরকে তাই দিতে হলো কঠিন কঠিন সব প্রশ্নের উত্তর। বিতর্কে পেছনে রেখে তিনি এখন তাকাতে চান সামনে। বছরের প্রথম দিনেই কঠিন এক পরীক্ষা দিতে হলো সাব্বির রহমানকে। সে পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে যে উত্তীর্ণ হয়েছেন. তা নয়। বরং একটা পর্যায়ে গিয়ে অসহায় আত্মসমর্পণই করতে হয়েছে তাঁকে। বিপিএল শুরু হচ্ছে ৫ জানুয়ারি থেকে। ছুটি শেষে দলগুলো শুরু করেছে অনুশীলন। ঝালিয়ে নিতে শুরু করেছে সিলেট সিক্সার্সও। সিলেটের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে এলেন সাব্বির। কঠিন কঠিন সব প্রশ্ন ছুটে গেল তাঁর দিকে। সংবাদ সম্মেলনের শুরুটা সহজ কিছু প্রশ্ন দিয়ে। গত সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল বিসিবি। আর এক মাস পরই শেষ হবে সেটি। নিষেধাজ্ঞার খড়্গ সরে গেলেই সাব্বির পারবেন জাতীয় দলে চোখ রাখতে। আর এখন জাতীয় দলের প্রসঙ্গ মানেই অবধারিত চলে আসবে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ দলে আদৌ জায়গা হবে কি না. সেটি অবশ্য সাব্বির এখনই ভাবতে চান না. ‘জাতীয় দলের দরজা সবার জন্যই খোলা আছে। বিপিএলটা আমার জন্য অনেক বড় মঞ্চ। আমার কাছে অনেক বড় টুর্নামেন্ট। আমি চেষ্টা করব আমার স্বাভাবিক ক্রিকেটটা খেলতে। বিশ্বকাপ অনেক দূরে আছে এখনো। আপাতত বিপিএল নিয়ে চিন্তা করছি।’ তবে তাঁর আত্মবিশ্বাস. বিপিএলে যদি ভালো করতে পারেন. হারানো জায়গা ফিরে পাবেন আবার. ‘যদি বিপিএলে ভালো করি সুযোগ থাকবে আমার। চেষ্টা করব বিপিএলে ভালো কিছু করার। তারপর বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার ব্যাপারটা আসবে।’ হারানো জায়গা ফিরে পাওয়া না-পাওয়ার প্রশ্নটা সাব্বিরকে শুনতে হচ্ছে অনেক দিন ধরেই। বিতর্ক যে তাঁর পিছু ছাড়ে না. ২০১৮ সালটা হয়ে আছে বিতর্কময়! কখনো বড় অঙ্কের টাকা জরিমানা গুনেছেন. নিষিদ্ধ হয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে. কখনোবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। নিষিদ্ধ হওয়াটা কতটা কষ্টের সাব্বিরের চেয়ে ভালো বুঝবে কে. ‘অনেক কঠিন. বিশেষ করে মানসিকভাবে। এই সময়ে এনসিএল খেলেছি. বিসিএল খেলেছি। অনুশীলন করেছি নিজের উদ্যোগে। বাসায় ছিলাম পরিবারের সঙ্গে। প্রায় (নিষেধাজ্ঞার) পাঁচ মাস হয়ে গেছে. আর এক মাস বাকি আছে। দেখি এবার বিপিএলটা কী হয়।’ তাঁর আশা বিতর্কিত ঘটনা প্রভাব পড়বে না মাঠের পারফরম্যান্সে. ‘তেমন প্রভাব পড়েছে বলে মনে হয় না। আপনি চাইলেই সেঞ্চুরি করবেন এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমি চেষ্টা করেছি নিজের প্রস্তুতি ঠিকমতো নিতে।’ কিন্তু বারবার বিতর্কে জড়াচ্ছেন. নিষিদ্ধ হচ্ছেন. এ থেকে কী শিক্ষা নিচ্ছেন সাব্বির? কঠিন প্রশ্নটা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে সামলানোর চেষ্টা তাঁর. ‘কাল রাতে প্রতিজ্ঞা করেছি. ২০১৮ আমার অনেক খারাপ কেটেছে। ভুলে গেছি। আজ নতুন বছরের প্রথম দিন. সামনে তাকিয়ে আছি এখন।’ বারবার একই ভুল ক্যারিয়ারের জন্য কতটা হুমকি? কী আত্মোপলব্ধি তাঁর. প্রশ্নকর্তার দিকে একবার তাকিয়ে শুধু এতটুকুই বললেন. ‘হুম. আসলেই ভাই। অনেক বড় হুমকি।’ ডেভিড ওয়ার্নার আসছেন সিলেটের হয়ে বিপিএল খেলতে। অস্ট্রেলীয় তারকার সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে দেবে বলেই মনে করেন সাব্বির. ‘অবশ্যই তিনি অনেক ভালো খেলোয়াড়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনেক। অবশ্যই তাঁর দলে থাকাটা ভালো একটা দিক। তাঁর মতো বড় খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা যদি আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেন. আমরা যদি তাঁকে অনুসরণ করি. আমরা যদি বাকি ১০ জন সমর্থন দিতে পারি. তাহলে ভালো কিছু হবে।’ ওয়ার্নারের সঙ্গে একটা জায়গায় মিল আছে সাব্বিরের. দুজনই আপাতত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিষিদ্ধ। অতীতে ওয়ার্নার বিতর্ক পেরিয়ে ভালোভাবে ফিরে এসেছেন। সাব্বির পারবেন? প্রশ্নটা যেন ভয়ংকর বাউন্সার হয়ে ধেয়ে গেল সাব্বিরের দিকে। হুক. পুল নয়; বেশ বিব্রত তিনি. প্রশ্নের উত্তর খুঁজে না পেয়ে ওখানেই সমাপ্তি তাঁর সংবাদ সম্মেলনের।,1572819 2019-01-01,অস্ট্রেলিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কারের সময় একজন নিহত,,কাউসার খান. সিডনি (অস্ট্রেলিয়া),,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572814/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4,durporobash,online,2,,অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে একজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সহিংসতা বা সন্ত্রাসী হামলা নয়. আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করার সময় গুলি বের হয়ে লাগে ২৩ বছর বয়সী একজনের গায়ে। সঙ্গে সঙ্গে মারা যান তিনি। মালিক নিজেই তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় এ ঘটনা ঘটে। গত বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে রাজ্যের বান্ডেলা শহরের কোমো কোমো এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক সিডনির বাসিন্দা ৪১ বয়সী একজনকে অনিচ্ছাকৃত হত্যার দায়ে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত ও দোষী ব্যক্তি একে অপরের পরিচিত এবং সিডনি থেকে একসঙ্গেই ওই এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। ঘটনা ঘটার পরপরই ঘটনাস্থলে দ্রুত জরুরি সেবা পৌঁছায়। তবে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে গুরুতর আহত ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনার সময় আটক ও নিহত ব্যক্তির সঙ্গীসহ আরও প্রত্যক্ষদর্শী উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ ও তদন্তকারী দল ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ একটি অনিচ্ছাকৃত হত্যা মামলা দায়ের করেছে। গত শুক্রবার আদালতে আটককৃত ব্যক্তির জামিন চাওয়া হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে। তাঁকে বর্তমানে ট্যামওর্থ থানা হাজতে রাখা হয়েছে।,1572814 2019-01-01,রোনালদোর সম্পত্তিটা এবার নিচ্ছেন কে?,,পবিত্র সিংহ,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572813/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%87,sports,online,2,নেইমার|ফুটবল|মেসি|ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো,জুভেন্টাসে মানিয়ে নিতে একটু সময় নিয়েছেন রোনালদো। লিগে নিয়মিত গোল পেলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫ ম্যাচে মাত্র এক গোল করেছেন জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড। ফলে ২০১১-১২ মৌসুমের পর এই প্রথম অন্য কারও চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা গোলদাতা হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরষ্কারটা গত কয়েক বছর ধরেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সম্পত্তি। ‘কয়েক’ শব্দটাতে অনিশ্চয়তার ছাপ থাকলে সেটাও দূর করে দেওয়া যাক। গত ছয় মৌসুম ধরেই চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা পর্তুগীজ ফরোয়ার্ড। কোনো মৌসুমে শুরুতেই দৌড় শুরু করেন. কোনো মৌসুমে শেষে এসে ফল পেড়ে নেন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে থাকা করার কিছু থাকে না। নয় মৌসুম পর নতুন দলে এসেছেন রোনালদো। জুভেন্টাসের রোনালদো এখনো গোলবন্যা শুরু করেননি চ্যাম্পিয়নস লিগে। এরই সুযোগ নিতে পারেন অন্যরা। জুভেন্টাসে মানিয়ে নিতে একটু সময় নিয়েছেন রোনালদো। লিগে নিয়মিত গোল পেলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫ ম্যাচে মাত্র এক গোল করেছেন জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড। ফলে ২০১১-১২ মৌসুমের পর এই প্রথম অন্য কারও চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা গোলদাতা হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে। দেখে নেওয়া যাক. তাঁরা কারা— রবার্ট লেভানডফস্কি (৮ গোল) মৌসুমের শুরুতে বায়ার্ন মিউনিখের খুব একটা ভালো সময় যাচ্ছিলনা। কিন্তু সে দুঃসময়ও এই পোলিশ ফরোয়ার্ডকে গোল করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। নিয়মিতই গোল করে চলেছেন। বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগে. এই স্ট্রাইকারের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ভর করে বায়ার্ন মিউনিখ গ্রুপ ‘ই’তে শীর্ষে থেকে শেষ ষোলোতে উঠেছে। ইউরোপের অন্যতম সেরা এই স্ট্রাইকার বাভারিয়ানদের হয়ে এরই মাঝে ৮ গোল করে ফেলেছেন। তাঁর জন্য সুখবর. দলও ফর্মে ফিরে এসেছে। ফলে শেষ ষোলোতে গোল করার সুযোগ বাড়ছে। তবে গত চার মৌসুমে দ্বিতীয় পর্বে তা৬র গোল সংখ্যা একটু দুশ্চিন্তার ব্যাপার। লিওনেল মেসি (৬ গোল) সত্যি বলতে রোনালদোকে শীর্ষ গোলদাতা হওয়া থেকে যদি কেউ আটকাতে পারেন তবে সেটা মেসিই। গত ১০ বছরে যে চার বছরে রোনালদো চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা ছিলেন না. সে চারবারই শীর্ষ গোলদাতা ছিলেন মেসি। ২০১৪/১৫ মৌসুমে তো নেইমার. মেসি ও রোনালদো তিনজনই হয়েছিলেন সেরা। গত তিন বছর ধরে রোনালদো একাই অলিখিত সোনার জুতা পরায় মেসি এবার উঠে পড়ে লেগেছেন রোনালদোর প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য। এবারের মেসি ফিরেছেন তার পুরোনো রূপে। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে ইতিমধ্যে ৬ গোল করে আছেন সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে। এডেন জেকো (৫ গোল) এএস রোমার হয়ে গত মৌসুমে চ্যাম্পইয়নস লিগের শেষ দিকে দুর্দান্ত খেলেছেন জেকো। এ মৌসুমেও দুর্দান্ত ফর্মে আছেন এই বসনিয়ান স্ট্রাইকার। গত চ্যাম্পিয়নস লিগে ১২ ম্যাচে ৮ গোল করে রোমাকে সেমিফাইনালে নিয়ে গেছেন। এবার সে ধারাবাহিকতায় এ মৌসুমেও লিগে ৪ ম্যাচে ৫ গোল করে রয়েছেন তালিকার তৃতীয় অবস্থানে। ডি-বক্সে ভয়ংকর এই স্ট্রাইকার গত মৌসুমে দ্বিতীয় পর্বে ৫ গোল করেছিলেন। সে ফর্ম ধরে রাখতে পারলে শীর্ষ গোলদাতা হতেই পারেন পাউলো দিবালা (৫ গোল) মেসি-রোনালদোর উত্তরসূরি হিসেবে নেইমারের সঙ্গে তাঁর নামই বলা হতো দুই মৌসুম আগে। কেউ আবার তাঁকে আর্জেন্টিনার পরবর্তী মহাতারকা মানতে শুরু করেছেন. নতুন মেসি ট্যাগও পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু নিজেকে শুধুই দিবালা প্রমাণ করতে চাওয়া দিবালা মাঝে কিছুদিন ফর্ম হারিয়ে ফেলেছিলেন। এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে রোনালদোর গোল খরা ঠিকই কাতয়ে দিয়েছেন। মাত্র ২৫৮ মিনিট খেলেই এরই মাঝে ৫ গোল করেছেন। রোনালদোকে সঙ্গী পেয়ে এবার না গোল্ডেন বুটের রেসে তাঁকেই হারিয়ে দেন দিবালা। নেইমার (৫ গোল) নিঃসন্দেহে এই সময়ের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় নেইমার জুনিয়র। তাঁর অসাধারণ ড্রিবলিং স্কিল এবং গতি নিয়ে কারও মনেই কখনো সন্দেহ নেই। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করার সামর্থ্য আর গোল স্কোরিং ক্ষমতার জন্যই তো ২২২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে বাধেনি পিএসজির। গত মৌসুমে গ্রুপ পর্বে ৬ গোল করা নেইমার এবারও ভালো ফর্মে আছেন। এবার তুলনামূলক অনেক কঠিন গ্রুপে (লিভারপুল. নাপোলি) থেকেও ৫ গোল করেছেন। ২০১৪/১৫ মৌসুমের দ্বিতীয় পর্বের ফর্ম টেনে আনতে পারলে সেরা গোলদাতাও হয়ে যেতে পারবেন। তবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ২০১৬/১৭ মৌসুমেও গ্রুপ পর্বে মাত্র ১ গোল করেছিলেন রোনালদো। আর মেসি করেছিলেন ১০ গোল। সেবার দ্বিতীয় প্ররবে ১০ গোল করে ঠিকই মেসিকে টপকে গিয়েছিলেন রোনালদো. দলকেও এনে দিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়নস লিগ। এবারও তেমন কিছু হোক সেটাই চাইছেন জুভেন্টাস সমর্থকেরা। কে হবেন সেরা গোলদাতা? খেলোয়াড় এ মৌসুমে গোল দ্বিতীয় পর্বে গোল (গত ৪ মৌসুমে) লেভানডফস্কি ৮ ৯ মেসি ৬ ৯ জেকো ৫ ৫ দিবালা ৫ ৫ নেইমার ৫ ১০ রোনালদো ১ ২৬,1572813 2019-01-01,ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. খুলনা,৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572816/%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,online,2,আইন ও বিচার|ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন|সাংবাদিক|একাদশ সংসদ নির্বাচন,খুলনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় স্থানীয় সাংবাদিক মো. হেদায়েত হোসেন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বটিয়াঘাটা থানা এলাকার গল্লামারী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। হেদায়েত হোসেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের খুলনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। খুলনা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত ছিলেন তিনি। আজই তাঁদের কমিটি নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে। দুপুরে প্রেসক্লাব থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানান। বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন. সোমবার রাতে বটিয়াঘাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ চৌধুরী বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় হেদায়েতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ইউএনও দেবাশীষ চৌধুরী মোবাইলে প্রথম আলোকে বলেন. ‘নির্বাচনের লিখিত ফলাফলের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করায় রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশে ওই মামলা করা হয়েছে।’,1572816 2019-01-01,সুনামগঞ্জে জামানত গেল ২২ প্রার্থীর,,খলিল রহমান. সুনামগঞ্জ,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572812/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A7%A8%E0%A7%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0,bangladesh,online,2,একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি|সুনামগঞ্জ,সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনেই মহাজোটের বর্তমান সাংসদেরা আবার জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে চারটিতে আওয়ামী লীগ এবং একটিতে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির প্রার্থীর জয় হয়েছে। জেলার পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা ৩২ প্রার্থী মধ্যে ২২জন প্রার্থী নির্বাচনী নীতিমালা অনুযায়ী ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে. কোনো আসনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেলে ওই প্রার্থী জামানত ফেরত পাবেন। সে হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনে জামানত হারিয়েছেন ২২জন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়নি। সুনামগঞ্জ-১ আসনে (তাহিরপুর. জামালগঞ্জ. ধরমপাশা) আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯০৮টি। জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন দুই লাখ ৬৪ হাজার ২৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজির হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯১৫ ভোট। এখানে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তিনজনের। এরা হলেন জাকের পার্টির আমান উল্লাহ আমান. তিনি পেয়েছেন ৪৪৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের ফখর উদ্দিন পেয়েছেন ১ হাজার ৪৩০ ভোট এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের বদরুদ্দোজা সুজা পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। সুনামগঞ্জ-২ আসনে (দিরাই ও শাল্লা) মোট ভোট পড়েছে এক লাখ ৯৫ হাজার ২১৫টি। এ আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাংসদ জয়া সেনগুপ্তা। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ২৪ হাজার ১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৮৭ ভোট। এখানে জামানত হারিয়েছেন চারজন। এঁদের মধ্যে গণতন্ত্রী পার্টির গোলজার আহমদ পেয়েছেন ২০৮ ভোট. কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস ৩৩৩ ভোট. বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাহমুদ হাসান চৌধুরী ৮৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলনের আবদুল হাই ৩৫৫ ভোট। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে (জগন্নাথপুর. দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ১৯ হাজার ৬৬৭টি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ ভোট । তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা শাহীনুর পাশা চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯২৫ ভোট। এখানে জামানত হারিয়েছেন চারজন। এঁদের মধ্যে এলডিপির মাহফুজুর রহমান খালেদ পেয়েছেন ৫১৩ ভোট. ইসলামী আন্দোলনের মহিবুল হক আজাদ ৩২৮ ভোট. জাকের পার্টির শাহজাহান চৌধুরী ১২৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ সৈয়দ মুবশ্বির আলী ৫১ ভোট। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ৯০৪ টি। এখানে জয়ী হয়েছেন মহাজোটর প্রার্থী সাংসদ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ; লাঙল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৩৭ হাজার ২৮৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ ফজলুল হক আছপিয়া ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৪৯ ভোট। এই আসনে জামানত হারিয়েছেন পাঁচজন। এঁদের মধ্যে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আল হেলাল পেয়েছেন ১১৫ ভোট. ইসলামী আন্দোলনের তানভীর আহমদ তাছলিম এক হাজার ৫২৯ ভোট. খেলাফত মজলিসের মুফতি আজিজুল হক এক হাজার ৪১৬. এনপিপির মোহাম্মদ দিলোয়ার ৪৫৬ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান ৩৬৫ ভোট। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) মোট ভোট পড়েছে তিন লাখ ১৮ হাজার ৯৫৮টি। এই আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাংসদ মুহিবুর রহমান মানিক; নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন দুই লাখ ২১ হাজার ৩২৮ ভোট। তাঁর নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিজানুর রহমান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৪২ ভোট। এই আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ছয় প্রার্থীর। এঁদের মধ্যে গণফোরামের আইয়ুব করম আলী পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট. খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ সফিক উদ্দিন ২০৬ ভোট. ন্যাপের মো. আবদুল ওদুদ ৬৩৫ ভোট. বিএনএফের মো. আশরাফ হোসেন ৮১ ভোট. জাতীয় পার্টির নাজমুল হুদা ৫৫১ ভোট. ইসলামী আন্দোলনের হুসাইন আল হারুন ৭৩৩ ভোট।,1572812 2019-01-01,টিয়ে রাজকন্যার আখ্যান-নয়,ধারাবাহিক উপন্যাস: জোড়া সিঁথি নদীর তীরে-পর্ব নয়,মহিবুল আলম,১,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572811/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%9F,durporobash,online,2,,বিকেলের নিস্তব্ধতা চারদিকে। ম্যাপল ও ওক গাছের ফাঁক গলে পড়ন্ত বিকেলের রোদ পড়ছে কেমন তেরসা ও ফালি ফালি হয়ে। দক্ষিণের মৃদুমন্দ বাতাস বইছে হিন হিন. হিন হিন। বাতাসে নদীর কপালের কাছের খোলা চুলগুলো উড়ছে কেমন ধোঁয়ার ঢেউ খেলে। যেন সরু সরু ধোঁয়া। রাকিবের এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না. নদী এত সুন্দর করে সাজতে পারে। রাকিব শুধু একদিন বলেছিল. তার টিয়ে রঙের সবুজ শাড়ি আর খয়েরি রঙের লিপস্টিক পছন্দ। এতেই নদী তার জন্য এমন করে সেজে আসবে. এটা সে এভাবে ভাবতে পারেনি। এখনো রাকিব কিছুক্ষণ পরপর মুগ্ধ হয়ে নদীর দিকে তাকাচ্ছে। ওদের দুজনের হাতেই কফির কাপ। বসন্তের পড়ন্ত বিকেল বলে একটু একটু ঠান্ডা পড়ছে। তাদের কাপের গরম কফি থেকে সরু সরু ধোঁয়া উঠছে সেই হিন হিন বাতাস ও পড়ন্ত বিকেলের মৃদু ঠান্ডাকে ভেদ করে। ওরা থেমে থেমে কফির কাপে চুমুক দিচ্ছে। ওরা ব্যালকনিতে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। নদী কিছুটা অন্যমনস্ক। কিছু একটা ভাবছে। কফির কাপেও নদী চুমুক দিচ্ছে একটু অন্যমনস্কভাবে। রাকিব ডাকল. নদী। নদী বলল. জি। : তুমি কী ভাবছ? : নাহ. তেমন কিছু ভাবছি না। : তুমি কিছু একটা যে ভাবছ তা আমি বুঝতে পারছি। নদী হেসে ফেলল। বলল. আসলেই আমি কিছু একটা ভাবছি। রাকিব জিজ্ঞেস করল. কী সেটা? : আমি মার কথা ভাবছি। মা কলেজ থেকে ফিরলে আর আমি বুয়েট থেকে ক্লাস করে এলে মা ও আমি আমাদের বাসার জানালার দাঁড়িয়ে বিকেলের চা খেতাম। মা কলেজের গল্প করতেন। আমি আমার ডিপার্টমেন্টের বন্ধুদের গল্প করতাম। মাঝেমধ্যে মা গান গাইতেন। নিজের কবিতা আবৃত্তি করতেন। আমি শুনতাম। আমার গানের গলা ভালো না তো. তাই মাঝেমধ্যে ফ্যাসফেসে গলায় মার কবিতা আবৃত্তি করতাম। কিন্তু মা আমার ফ্যাসফেসে গলার কবিতা আবৃত্তি খুব মুগ্ধ হয়ে শুনতেন। আমাদের ছোট্ট বাসায় সেই জানালাটাকে মনে হতো যেন একটা স্বর্গের জানালা। আজ আপনার পাশে দাঁড়িয়ে কফি খেতে খেতে তাই মনে হচ্ছে। : এই ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে তোমার কফি খেতে ভালো লাগছে? : অনেক ভালো লাগছে। : আমারও বিকেলের এই সময়টায় এখানে দাঁড়িয়ে কফি খেতে ভালো লাগে। শুধু ভালো লাগা নয়. খুবই ভালো লাগে। তবে একটা মজার ব্যাপার. ব্যালকনির এক স্থানটা কিন্তু আগে তেমন আমাকে টানত না। তোমার সঙ্গে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে টানে। আজকাল তো একটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। অফিস থেকে ফিরেই আমি কোথাও না গেলে কফি কাপ হাতে বিকেলটা এখানে কাটাই। একাকী মুহূর্তগুলোও আমার এখানে কাটাতে বেশ ভালো লাগে। একাকী অনেক কথা ভাবি। নদী জিজ্ঞেস করল. আমার কথা ভাবেন? রাকিব নরম হাসল। বলল. নদী. তুমি আমার সংস্পর্শে আসার পর অনেক কবিতা লিখছি। প্রতিদিন নতুন নতুন কবিতা। তোমাকে নিয়ে ভাবব নাতো কাকে নিয়ে ভাবব? নদী কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে বলল. আমি জানি। যার কবিতা লেখা ধ্যান. তার কবিতার মানসীও ধ্যান...! রাকিব বলল. বাহ. তুমি বেশ সুন্দর কথা বলেছ তো! তুমি এত সুন্দর কথা শিখেছ কোথা থেকে? নদী চোখ বড় করে বলল. দেখুন. যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করলেও আমি একজন কবির মেয়ে। আরেকজন কবির...! রাকিব জিজ্ঞেস করল. আরেকজন কবির কী? নদী জবাব না দিয়ে মৃদু হেসে দৃষ্টি নামিয়ে নিল। রাকিব বলল. নদী. থ্যাংক ইউ। নদী জিজ্ঞেস করল. থ্যাংক ইউ কেন? : তুমি আজ এই বিকেলে আমার জন্য আমার পছন্দের শাড়িটা পরে এসেছ যে। : সত্যি করে বলেন. শাড়িটা আমাকে মানিয়েছে তো? : পরি লাগছে। পরির রাজকন্যার মতো লাগছে। কপালে সবুজ টিপ. চোখে কাজলের টান. ঠোঁটে খয়েরি লিপস্টিক...! : আপনার এম্যারল্ডের সেটটা শাড়ির সঙ্গে মানিয়েছে না? : দারুণ মানিয়েছে। আচ্ছা. হাতের এই সবুজ কাচের চুড়িগুলো কি তোমার আগে থেকেই ছিল? : নাহ. আমার কাচের চুড়ি থাকবে কোথা থেকে? : তাহলে? : এগুলো আমি শিমুল ভাবির কাছ থেকে নিয়েছি। : এত কিছু তুমি আমার পছন্দের জন্য করেছ? নদী মাথা ঝাঁকিয়ে বলল. হ্যাঁ! রাকিবও মাথা ঝাঁকাল। এক মুহূর্তের জন্য কী যেন ভাবল। তারপর আস্তে করে জিজ্ঞেস করল. নদী. তোমাকে একটা অনুরোধ করতে পারি? : হ্যাঁ. করুন। : আমি কি তোমার পিঠে একটু হাত রাখতে পারি? নদী এক মুহূর্তের জন্য চুপ হয়ে গিয়ে দৃষ্টির ওঠানামা করল। একবার দূরেও তাকাল। ম্যাকফার্লেন স্ট্রিট ধরে দূরে তাকিয়ে সারি সারি ম্যাপল ও ওক গাছগুলো দেখল। বিকেলটা প্রায় পড়ে এসেছে। গাছে গাছে পাখি ডাকতে শুরু করেছে। পাখিদের নীড়ে ফেরার ডাক। রাকিব তাড়াতাড়ি বলল. সরি. আমি মনে হয় একটু বেশিই অনুরোধ করে ফেলেছি। নদী রাকিবের দিকে সরাসরি দৃষ্টিতে তাকাল। এ মানুষটা সহজে কিছু চান না। বরং সে নিজেই অনেকবার অনেক কিছু চেয়েছে। কখনো হাত ধরা। কখনো বাহু ধরে ঝুঁকে ঝুঁকে হাঁটা। কখনো শরীরে শরীর ঘেঁষে বসা...! আজ মানুষটা নিজ থেকে পিঠে একটু হাত দিতে চাচ্ছেন...! নদী রাকিব থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে আস্তে করে বলল. আপনি আমার পিঠে হাত রাখুন প্লিজ। রাকিব কী ভেবে তারপরও দ্বিধা করতে শুরু করল। নদী এবার রাকিবের গায়ে গা ঘেঁষে দাঁড়াল। একটু কাঁপা গলায় বলল. প্লিজ. আপনি আমার পিঠে হাত রাখুন। আমি খুব খুশি হব। রাকিব এবার নদীর পিঠে হাত রাখল। নদী সঙ্গে সঙ্গে তাঁর অবলম্বনহীন মাথাটা রাকিবের কাঁধে এলিয়ে দিল। (শেষ) মহিবুল আলম: গোল্ড কোস্ট. কুইন্সল্যান্ড. অস্ট্রেলিয়া। ইমেইল: ধারাবাহিক এ উপন্যাসের আগের পর্ব পড়তে ক্লিক করুন:,1572811 2019-01-01,রিয়াদের বাংলাদেশ স্কুলে বই বিতরণ উৎসব,,দূর পরবাস ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572810/%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%AC,durporobash,online,2,,সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে আজ বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্কুলের বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা দেশের সঙ্গে মিল রেখে সুদূর সৌদি আরবেও নতুন বছরের প্রথম দিনে (১ জানুয়ারি) নতুন বই পেয়ে তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। বই উৎসবে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার এস এম আনিসুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. আসাদুজ্জামান ও মো. ফখরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। আনিসুল হক বলেন. বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কুলের যেকোনো প্রয়োজনে দূতাবাস পাশে রয়েছে। তিনি বলেন. রিয়াদে বাংলাদেশ স্কুলের জন্য জমি ক্রয় করে স্থায়ী ভবন নির্মাণ করার জন্য রাষ্ট্রদূতের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি ছাত্রছাত্রীদের বছরের প্রথম থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত বিওডি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম স্কুলের সংকটকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক অনুদানের কথা তুলে ধরে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন. অভিবাসীদের সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতে রিয়াদের বাংলাদেশ স্কুলের নিজস্ব ভবন তৈরি হবে। তিনি এ ব্যাপারে দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করেন। আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরা ছাড়া আরও বক্তব্য দেন স্কুলের অধ্যক্ষ আফজাল হোসাইন। এ সময় জেএসসি ও পিএসসিতে জিপিএ ফাইভপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে ছাত্রছাত্রীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি,1572810 2019-01-01,সব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত. হাতপাখা দ্বিতীয়,পটুয়াখালীর চার আসন,মোর্শেদ নোমান. পটুয়াখালী থেকে ফিরে,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572809/%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F,bangladesh,online,2,একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|বিএনপি|আওয়ামী লীগ|জাতীয় পার্টি,পটুয়াখালীর চারটি আসনেই মহাজোটের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন। এসব আসনে পরাজিত ১৬ প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। আর সবগুলো আসনেই হাতপাখা নিয়ে নির্বাচন করা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। পটুয়াখালীর চারটি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এই জেলার চারটি আসনে বেশ কয়েকজন ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী থাকায় এখানকার নির্বাচন নিয়ে সবার বেশ আগ্রহ ছিল। কিন্তু নির্বাচনের ফলে শাসক দলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভোটের সংখ্যা বিপুল হলেও বিরোধীদের চিত্র হতাশাজনক। তারা সবাই জামানত হারিয়েছেন।নির্বাচনী আইন অনুসারে প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রার্থীরা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় এই জামানত জমা দেন। পটুয়াখালী-১পটুয়াখালী ১ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৬ জন। এখানে প্রধান দুই প্রার্থী ছিলেন সাবেক দুই মন্ত্রী। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ছিলেন বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী। আর মহাজোটের প্রার্থী সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শাহজাহান মিয়া। দুজনই নিজ দলের জেলা কমিটির সভাপতিও। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আলতাফুর রহমান. জাকের পার্টির আবদুর রশীদ. বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) আবদুল মতলেব মোল্লা ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) সুমন সন্যামত ভোটের মাঠে ছিলেন।ভোটের ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়. এই আসনের ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৬ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার ৫৭৬। ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৪ শতাংশ। চূড়ান্ত ফলে মহাজোট প্রার্থী শাহজাহান মিয়া ২ লাখ ৭২ হাজার ৭৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রদত্ত ভোটের ৮৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। এই আসনে ১৪ হাজার ৮৭৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আলতাফুর রহমান। বিএনপির প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ১০ হাজার ৪১৩ ভোট। সিপিবির প্রার্থী ১ হাজার ১৩১. এনপিপির প্রার্থী ১ হাজার ১৬১. জাকের পার্টি ২ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থী বাদে অন্য পাঁচ প্রার্থীর কেউই ৮ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। পটুয়াখালী-২এই আসনে প্রার্থী ছিলেন মোট চারজন। শাসক দলের চিফ হুইপ আসম ফিরোজ. বিএনপির সাবেক সাংসদ সহিদুল আলম তালুকদারের স্ত্রী সালম আলম. সিপিবির শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও ইসলামী আন্দোলনের নজরুল ইসলাম ভোটের মাঠে ছিলেন। এই আসনে মোট ভোট ২ লাখ ৫১ হাজার ৮৭৩। ভোট পড়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২৯. মোট ভোটের ৮০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বিজয়ী প্রার্থী আ স ম ফিরোজ পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৩। তিনি প্রদত্ত ভোটের ৯১ দশমিক ৬৪ শতাংশ পেয়েছে। এখানেও দ্বিতীয় হয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তারা পেয়েছে ৯ হাজার ২৬৯ ভোট। বিএনপির প্রার্থী ৫ হাজার ৬৬০ ও সিপিবির প্রার্থী ১ হাজার ৯৯ ভোট পেয়েছেন। পরাজিত সব প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। পটুয়াখালী-৩আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সাংসদ আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনকে বাদ দিয়ে এই আসনে দলটি মনোনয়ন দেয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার ভাগনে এস এম শাহজাদাকে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে তিন ঘন্টার মধ্যে বিএনপিতে যোগ দিয়ে মনোনয়ন বাগিয়ে নেন গোলাম মাওলা রনি। এই দুজনের জন্য এই আসনের নির্বাচনের দিকে সবারই আগ্রহ ছিল। কিন্তু সেখানেও নির্বাচনে হয়েছে একতরফা। মাঠেই ছিলেন না গোলাম মাওলা রনি। যদিও রনির অভিযোগ ছিল তাঁকে ‘গৃহবন্দী’ করে রাখা হয়। এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের কামাল খান ও জাতীয় পার্টির সাইফুল ইসলাম মাঠে ছিলেন।ভোটের ফলে দেখা যায়. ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭৩ ভোটের মধ্যে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯৯ ভোট পড়েছে সেখানে। ভোট পড়ার হার ৭৮ দশমিক ৮৮। বিজয়ী প্রার্থী এস এম শাহজাদা পেয়েছেন ২ লাখ ১৭ হাজার ২৬১ ভোট যা প্রদত্ত ভোটের ৯২ দশমিক ২২ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পেয়েছেন ৯ হাজার ৯ ভোট। বিএনপি ৬ হাজার ৪৫৯ ও জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২ হাজার ২ ভোট। এখানেও পরাজিত ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। পটুয়াখালী-৪এই আসনে প্রার্থী মোট ৬ জন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিব্বুর রহমান প্রথমবারের মতো নির্বাচন করেন। তিনি পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। ৯১ এর নির্বাচন থেকেই তিনি মনোনয়ন চেয়ে আসছিলেন। সাবেক সাংসদ ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুবুর রহমানের আপন ফুপাতো ভাই তিনি। আর বিএনপি প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা মোশাররফ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী। অন্য প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলনের হাবিবুর রহমান হাওলাদার. ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুর রহমান. জাতীয় পার্টির আনোয়ার হাওলাদার ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের বাসদ নেতা জহিরুল আলম।এই আসনে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩৬ ভোটের মধ্যে ২ লাখ ৫ হাজার ১৯০ ভোট পড়েছে। ভোট পড়ার হার ৮২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। বিজয়ী প্রার্থী মহিব্বুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮১ ভোট. যা প্রদত্ত ভোটের ৯২ শতাংশ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ৭ হাজার ২৫১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি ৬ হাজার ৯৭. ইসলামী ঐক্যজোট ৯৬৭. জাতীয় পার্টি ৯৫৮ ও বাসদ ৩০৮ ভোট পেয়েছেন। এখানেও পরাজিত ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।,1572809 2019-01-01,দুই মাস পর জামিনে মুক্ত বিএনপি নেতা,,প্রতিনিধি. নারায়ণগঞ্জ,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572808/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A3%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4,bangladesh,online,2,আইন ও আদালত|বিএনপি|নারায়ণগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান প্রায় দুই মাস পর জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হোসেনের ঘনিষ্ঠ আইনজীবী আনোয়ার প্রধান বলেন. সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে দায়ের করা নাশকতার সবগুলো মামলায় জামিন থাকায় তিনি মঙ্গলবার দুপুরে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকায় তাঁর মায়ের কাছে আছেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সাখাওয়াত হোসেন বলেন. ‘আমি যাতে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে না থাকতে পারি. সরকার যাতে একচেটিয়াভাবে তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারে—শুধু এই রাজনৈতিক কারণে. কষ্ট দেওয়ার জন্য আমার জীবন থেকে দুই মাস কেড়ে নেওয়া হলো। আমি কখনো কোনো অপরাধমূলক কাজে সম্পৃক্ত ছিলাম না। আমাকে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় ফাঁসির সেলে রাখা হয়েছে। বর্তমানে আমি অসুস্থ হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছি।’ গত বছরের ৫ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সাখাওয়াত হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে নারায়ণগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের নাশকতার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিলেও ফতুল্লা মডেল থানার অপর একটি মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে তাঁকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।,1572808 2019-01-01,নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত মেরাজের পরিবারের পাশে সাংসদ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. রাজশাহী,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572807/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87,bangladesh,online,3,রাজনীতি|বিএনপি|আওয়ামী লীগ|জামায়াত|একাদশ সংসদ নির্বাচন,রাজশাহীর মোহনপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত মেরাজুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সন্তানদের জন্য ব্যাংকে পাঁচ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ আয়েন উদ্দিন। তিনি সেই কথা রাখলেন। আজ মঙ্গলবার সকালে সোনালী ব্যাংকের মোহনপুর শাখায় নিহত মেরাজুলের স্ত্রী শেফালী বেগম. ছেলে সেফাত ইসলাম ও ভাই হুমায়ুনের নামে পাঁচ লাখ টাকার একটি এফডিআর করে দেন। রাজশাহীর মোহনপুরে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের হামলায় নিহত হন মেরাজুল ইসলাম। নির্বাচনের পরের দিন গতকাল সোমবার সাংসদ আয়েন উদ্দিন নিহত মেরাজুল ইসলামের বাড়িতে যান। প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহত মেরাজুল ইসলামের স্ত্রী ও সন্তানেরা। আয়েন উদ্দিন তখনই মেরাজুল ইসলামের স্ত্রী শেফালীর হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেন। সেই সঙ্গে মোহনপুর সোনালী ব্যাংকে পাঁচ লাখ টাকার এফডিআর করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ছাড়া পরিবারটি যাতে চলতে পারে সে জন্য প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা দেয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় আয়েন উদ্দিন বলেন. ‘বিএনপি-জামায়াতের প্রতিহিংসার রাজনীতির বলি হয়েছে মেরাজুল ইসলাম। আমি আমার এলাকার প্রত্যেক মানুষকে ভালোবাসি। দলমত-নির্বিশেষে সবার সেবা করতে চাই। দোয়া করি আল্লাহ মেরাজুলকে বেহেস্তবাসী করুন।’ তিনি আরও বলেন. ‘নিহত মেরাজুলের ছেলেকে শিক্ষিত করতে হবে। ছেলে সেফাতের শিক্ষা ও স্ত্রী শেফালীর সংসার খরচের জন্য আমি সব সময় তাদের পাশে আছি’। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাহানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি হযরত আলী. ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন. মৌগাছি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আল আমিন বিশ্বাস. উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ইকবাল হোসেন. মোহনপুর থানার ওসি আবুল হোসেন. মেরাজুলের স্ত্রী শেফালী বেগম. ছেলে সিফাত ইসলাম ও ভাই হুমায়ুন প্রমুখ। মেরাজের ভাই হুমায়ুন নগদ ২০ হাজার টাকা পাওয়া এবং পাঁচ লাখ টাকার এফডিআর খোলার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন।,1572807 2019-01-01,দিনমজুরের মেয়েই এখন ক্রীড়াঙ্গনের বড় সম্পদ,,মারুফ সামদানী. প্রতিনিধি. লোহাগড়া. নড়াইল,১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572815/%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A6,sports,online,3,হকি|অ্যাথলেটিকস,দিনমজুরের সন্তান নমিতা কর্মকার ক্রীড়াক্ষেত্রে হতে পারে বাংলাদেশের বড় সম্পদ। নমিতা কর্মকারের বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। মা চায়না কর্মকার বাসা বাড়িতে কাজ করেন। এই পরিবারের কিশোরী কন্যাই এখন খেলাধুলায় বাংলাদেশের বড় সম্পদ হয়ে উঠেছে। জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকসে বর্শা নিক্ষেপে নতুন রেকর্ড গড়েছে সে। দারুণ ব্যাপার হচ্ছে. একজন হকি খেলোয়াড় হিসেবেও সে নিজেকে গড়ে তুলছে। নারী হকিতে ইতিহাসেই নাম লিখিয়েছে এই নমিতা। গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ৩৪ তম জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিকস দিয়েই নমিতা পাদপ্রদীপের আলোয় আসে। বর্শা নিক্ষেপে আগের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলে ৩৬ দশমিক ৩৬ মিটার দূরত্ব পার করে। সে প্রতিযোগিতার ডিসকাস থ্রো আর শটপুটেও নমিতা নিজেকে প্রমাণ করেছে। এই দুইয়ে সোনা জিততে না পারলেও দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে নড়াইলের এই কিশোরী। তবে বর্শা নিক্ষেপের সাফল্য তাকে আলাদাভাবেই পরিচিতি দিয়েছে। নভেম্বর মাসেই নমিতা ইতিহাসের অংশ হয়ে যায় দেশের প্রথম নারীদের হকি দলের সদস্য হয়ে। সফরকারী ভারতের কলকাতা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের সিরিজ জয়ে দারুণ ভূমিকা তার। নিজে গোল তো করেছেই. সতীর্থকে দিয়ে গোল করাতেও জুড়ি নেই নমিতার। ঢাকা একাদশের সেরা খেলোয়াড় ছিল সে। নমিতা নড়াইলের লোহাগড়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দেবে। লোহাগড়া পৌর শহরের কচুবাড়িয়ায় ওদের বাস। সাড়ে সাত শতাংশ জমির ওপর বসতভিটেটাই সম্বল। এখানে ছোট্ট দুটি ঝুপড়ি টিনের ঘর। অন্য কোনো জমিজমা নেই। নেই আর কোনো আয়। বাবা মাখন কর্মকারের বয়স প্রায় ৬০। কানে শোনেন না। এক চোখে দেখেন না। শরীরের নানা রোগ বাসা বেঁধেছে। ছিলেন কাঠুরে। এখন শক্ত পরিশ্রমের কাজ করতে পারেন না। তাই পানের বরজে কাজ করেন। কিন্তু কাজটি মৌসুমি। প্রায় ছয় মাস কাজ থাকে না। নভেম্বর থেকে কাজ নেই। তখন পরিবারের সদস্যদের নির্ভর করতে হয় নমিতার মায়ের সামান্য আয়ের ওপর। অবশ্য বছর দুই হলো জ্যাভলিন খেলোয়াড় হিসেবে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনে (বিজেএমসি) যোগ দিয়েছেন নমিতা। বেতন সপ্তাহে ১ হাজার ৯০০ টাকা। এই টাকাটা সংসারে কাজে আসছে। মাখন কর্মকরের তৃতীয় সন্তান এই নমিতা। বড় দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। এখন পাঁচজনের সংসার। ছোট মেয়ে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছে। ছেলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। নমিতা নিজেকে অনেক দূর নিয়ে যেতে হয়. ‘ছোটবেলা থেকেই ঝোঁক ছিল খেলাধুলায়। শুরু ফুটবল দিয়ে। অ্যাথলেটিকস হয়ে এখন হকিতে। আমি হকি নিয়েই এখন বেশি স্বপ্ন দেখি।’ দেশে একদিন হকিতে নারীদের জাতীয় দল হবে। সে দলে খেলতে চায় সে। নমিতা ক্রিকেটের মতো হকিতে বাংলাদেশকে নিয়ে যেতে চায় অন্য উচ্চতায়। খেলার হাতেখড়ি তাঁর বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক দিলীপ চক্রবর্তীর কাছে। দিলীপ চক্রবর্তী বললেন. ‘হকিতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। নিজের চেষ্টায় উঠছে নমিতা। নমিতাদের লালন করা গেলে হবে এ দেশের বড় সম্পদ।’ খেলায় এই সম্পদটিকে এখন আমাদের লালন করতে হবে অতি যত্নে। সে যত্ন কী নমিতা পাবে?,1572815 2019-01-01,ওভাই নিয়ে এল লয়্যালটি প্রোগ্রাম ওভাইমাইলস,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/economy/article/1572802/%E0%A6%93%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B2-%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%93%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%B8,economy,online,3,প্রতিষ্ঠানের খবর,দেশের রাইড শেয়ারিং সেবায় ওভাই নিয়ে এসেছে প্রিমিয়াম লয়্যালটি প্রোগ্রাম ওভাইমাইলস। গত ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া ওভাইয়ের এই প্রোগ্রামে সেবাগ্রহণ করলেই থাকছে ওভাইমাইলস অর্জন করার সুযোগ। অর্জিত ওভাইমাইলস নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে ওভাইয়ের একই সেবায় ব্যবহার করা যাবে। ওভাই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়. এমিরেটস ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের মতো উন্নতমানের যাত্রীসেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০১৮ সালের শুরুতে সর্বোচ্চ গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করে ওভাই। যাত্রীদের স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। উল্লেখযোগ্য ও আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য ওভাইকে অন্যান্য রাইড শেয়ারিং সার্ভিস থেকে আলাদা করেছে। ওভাইয়ের রয়েছে নিজস্ব মোটরসাইকেল বহর। ফলে যে কোনো সময় এবং শহরের যে কোনো প্রান্ত থেকেই যাত্রীরা সেবা নিতে পাচ্ছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে যাত্রীদের রক্ষা করে সর্বাধিক নিরাপদ এবং সুবিধাজনক সেবা সুনিশ্চিত করার জন্য তাদের যানবাহনগুলোতে ব্যবহার করা হয় ভেহিকেল ট্র্যাকিং সিস্টেম (ভিটিএস)। যার মাধ্যমে ওভাই যাত্রী ও চালক উভয়ের অবস্থান সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায়। এ ছাড়া ওভাই নারী যাত্রীদের সেবা দিতে নিয়ে এসেছে আরও একটি সার্ভিস ওবোন। ওবোনের মাধ্যমে নারী রাইডাররা নারী যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেন এবং তাদের আধুনিক ও ব্যস্ত জীবনে তাল মিলিয়ে চলতে সহায়তা করে। অ্যাপের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই সিএনজিচালিত অটোরিকশা সেবাও দিচ্ছে ওভাই। গুগল প্লে স্টোর এবং আইওএস অ্যাপ স্টোর উভয় প্লাটফর্ম থেকেই ওভাই অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাচ্ছে। ব্যবহারকারীরা ওভাইয়ের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে (১৬৬৩৩. ০৯৬১০০৫৬৭৮৯) অনুরোধ করেও রাইড বুক করতে পাচ্ছেন। ওভাই অ্যাপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো SOS বাটন। যার মাধ্যমে যাত্রী এবং রাইডার যাত্রাপথে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে SOS বাটনের সাহায্যে ওভাইয়ের গ্রাহকসেবায় যোগাযোগ করতে পারবেন এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা পাবেন। বর্তমানে ওভাইয়ের ৪ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী এবং ১ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত রাইডার রয়েছে। যাত্রা শুরুর এক বছরের মধ্যেই ঢাকার ১৭৯টি পয়েন্ট ছাড়াও চট্টগ্রাম ও সিলেট শহরে ওভাইয়ের সেবা পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতকে নির্ঝঞ্ঝাট ও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যে এবং এই সেবা দেশের অন্যান্য শহরে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে ওভাই। আরও জানতে ফলো করুন ওভাইয়ের ফেইসবুক পেজ এবং ভিজিট করুন ওভাইয়ের ওয়েবসাইট- www.obhai.com.,1572802 2019-01-01,শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর,,প্রতিনিধি. আগরতলা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572806/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0,bangladesh,online,3,রাজনীতি|শেখ হাসিনা|ত্রিপুরা|আওয়ামী লীগ|ভারত,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। বিপ্লবের আশা. আওয়ামী লীগের এই বিশাল জয়ে ত্রিপুরার সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ত্রিপুরা সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিন দিক থেকে বাংলাদেশ দিয়ে বেষ্টিত ত্রিপুরা। বাংলাদেশের সাতটি জেলা ঘিরে রেখেছে ছোট্ট রাজ্যটিকে। ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সহজতম উপায় হলো বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে যাতায়াত। পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে বাংলাদেশের সঙ্গে তাই ত্রিপুরাসহ ভারতের গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলই বিশেষ আগ্রহী। বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের আমলেই চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে ভারত। চট্টগ্রামের রামগড়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ফেনী নদীর ওপর গড়ে উঠছে মৈত্রী সেতু। আগরতলাও রেলপথে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের আখাউড়ার সঙ্গে। এ অবস্থায় ত্রিপুরার উন্নয়নে বাংলাদেশকে পাশে পেতে চান ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন. শেখ হাসিনা তাঁর কাছে মায়ের মতো। তাই শেখ হাসিনার জয়ে তিনি একটু বেশিই খুশি। তিনি নিজেই জানান. টেলিফোনে শেখ হাসিনাকে ত্রিপুরা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জবাবে শেখ হাসিনাও তাঁকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন. ‘সুযোগ পেলে বিদেশ সফর শুরুই করব বাংলাদেশ দিয়ে।’ প্রসঙ্গত. বাংলাদেশের চাঁদপুরের মেগদাই গ্রামে তাঁর পূর্বপুরুষদের বাড়ি ছিল। শুধু বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীই নন. রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের জয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের জনগণকে। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তাপস দে প্রথম আলোকে বলেন. ‘শেখ হাসিনার জয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ভালো হবে। উন্নয়নে গতি আসবে।’ আওয়ামী লীগের জয় প্রসঙ্গে মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত রায় টুইটে মন্তব্য করেন. ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক. যাকে ইংরেজিতে বলে উইন-উইন। এই জিনিসটা বাংলাদেশের তরফ থেকে আপনার (শেখ হাসিনা) মতো করে কেউ বোঝেনি। আপনি দেশের কর্ণধার হওয়ার আরেকটা সুযোগ পেলেন। এবার এই সম্পর্ক আরও আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যাক। আপনার সুস্থ দীর্ঘ জীবন কামনা করি।’,1572806 2019-01-01,কাদের খানের মৃত্যুতে বলিউডে শোক,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572805/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95,entertainment,online,3,বলিউড,বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা কাদের খান (৮১) আর নেই। কানাডার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিকেলেই তিনি কোমাতে চলে যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ। ১৭ সপ্তাহ ধরে তিনি হাসপাতালেই ছিলেন। আজ মঙ্গলবার সকালে কাদের খানের মৃত্যুসংবাদ বলিউডে দ্রুত জানাজানি হয়। এরপর বলিউডজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। বলিউডের অনেক তারকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রয়াত এ অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। অমিতাভ বচ্চন টুইটারে লিখেছেন. ‘কাদের খান চলে গেলেন। খুবই দুঃখের খবর। আমার প্রার্থনা ও সান্ত্বনা রইল। অসাধারণ একজন স্টেজ আর্টিস্ট আর খুব ভালো একজন অভিনেতা ছিলেন। আমরা অনেক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছি। খুব ভালো একজন সহ-অভিনেতা। দক্ষ একজন লেখক. আর তিনি গণিত বিশেষজ্ঞও ছিলেন!’ অনুপম খের লিখেছেন. ‘কাদের খান আমাদের দেশের একজন সূক্ষ্ম অভিনেতা। সেটে তাঁর সঙ্গে কাজ করে অনেক কিছু শিখেছি। খুব ভালো লেখক ছিলেন। তাঁকে খুব মিস করব।’ অসুস্থ কাদের খানের সঙ্গে নিজের একটি ছবি দিয়ে টু্ইটারে মধুর ভান্ডারকর লিখেছেন. ‘এমন একজন প্রতিভাবান লেখক. অভিনেতা আর কমেডিয়ানের মৃত্যুর খবর খুবই দুঃখজনক। তিনি একই সঙ্গে আমাদের কাঁদিয়েছেন আবার হাসিয়েছেন। তাঁর সংলাপ সব সময় আমাদের মনোরঞ্জন করেছে।’ স্মৃতি ইরানি লিখেছেন. ‘আপনি যদি গত শতকের আশি কিংবা নব্বই দশকের দর্শক হন এবং ওই সময়ের হিন্দি ছবি দেখে থাকেন. তাহলে কাদের খানের অভিনয়ের জাদু অবশ্যই দেখেছেন। তাঁর সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য কখনো হয়নি। কিন্তু যদি কখনো দেখা হতো. তাহলে বলতাম. আমাদের হাসানোর জন্য ধন্যবাদ. আপনার মতো শিল্পের কারিগরকে ধন্যবাদ।’ অর্জুন কাপুর লিখেছেন. ‘একজন অভিনেতা. একজন লেখক. যাকে দিয়ে একটি প্রজন্ম বোঝায়। ইন্ডাস্ট্রিতে এই শূন্যতা কখনোই পূরণ হবে না।’ মনোজ বাজপেয়ি লিখেছেন. ‘কাদের খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আপনাকে মিস করব।’ বরুণ ধাওয়ান লিখেছেন. ‘কাদের খান ছিলেন আমার অন্যতম আদর্শ।’ সাধারণ দর্শকেরাও টুইটারে লিখছেন। তেমনি একজন দর্শক লিখেছেন. ‘হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের আরও এক নক্ষত্রের পতন হলো। কাদের খানের মৃত্যু চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। সেই ক্ষতিপূরণ কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তাঁর কাজ. তাঁর অভিনয় দর্শকমনে তাঁকে চিরদিন বাঁচিয়ে রাখবে।’ এদিকে কাদের খানের ছেলে সরফরাজ খান বার্তা সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন. মুম্বাই নয়. কাদের খানকে কানাডার টরন্টোতে দাফন করা হবে। তিনি বলেছেন. ‘এখানে আমাদের পুরো পরিবার রয়েছে। আমরা সবাই এখানেই থাকি। তাই বাবার শেষ কাজও এখানেই হবে।’,1572805 2019-01-01,মুম্বাইয়ে কাদের খানকে দাফন করা হচ্ছে না,,বিনোদন ডেস্ক,৪,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572800/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE,entertainment,online,3,বলিউড,‘বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। কানাডার সময় অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বিকেলেই কোমাতে চলে যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ। ১৭ সপ্তাহ ধরে তিনি হাসপাতালেই ছিলেন।’ বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন সরফরাজ খান. তিনি কাদের খানের ছেলে। হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেতা কাদের খান (৮১) মারা গেছেন। কানাডার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। স্ত্রী শশিতাকে নিয়ে সরফরাজ খান কানাডায় আছেন। কাদের খানও দীর্ঘদিন তাঁদের কাছেই ছিলেন। মৃত্যুকালে কাদের খান স্ত্রী হাজরা. তিন ছেলে ও তাঁদের স্ত্রী এবং নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। কাদের খানের দাফনের ব্যাপারে সরফরাজ খান বলেন. ‘মুম্বাই নয়. বাবাকে কানাডার টরন্টোতেই দাফন করা হবে। এখানে আমাদের পুরো পরিবার রয়েছে। আমরা সবাই এখানেই থাকি। তাই বাবার শেষ কাজও এখানেই হবে।’ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সরফরাজ খান বলেন. ‘বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে তাঁর ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেভাবে সব সময় আমাদের পরিবারের পাশে থেকেছেন. আমাদের মনোবল জুগিয়েছেন. এ জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।’ পিটিআই আগেই জানিয়েছে. কাদের খান শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। চিকিৎসকেরা তাঁকে নিয়মিত ভেন্টিলেটর থেকে বাইপ্যাপ ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করেন। দুই দিন আগে জানা যায়. তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই পুরো সময়টা কাদের খানের ছেলে সরফরাজ আর তাঁর স্ত্রী হাসপাতালেই ছিলেন। আগেই জানা গেছে. কাদের খান অনেক দিন থেকেই প্রোগ্রেসিভ সুপ্রানিউক্লিয়ার পলসিতে (পিএসপি) ভুগেছিলেন। এ সমস্যায় রোগীরা স্বাভাবিক ভারসাম্য ও স্মৃতি হারিয়ে ফেলেন। পিএসপির কারণে তিনি বাক্‌শক্তি হারিয়ে ফেলেন। ২০১৫ সালে মুম্বাইয়ে তাঁর হাঁটুতে একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। কাদের খানের জন্ম আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে। বলিউডে ৩০০ ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ২৫০টি ছবির সংলাপ লিখেছেন। রাজেশ খান্না অভিনীত ‘দাগ’ ছবি দিয়ে ১৯৭৩ সালে বলিউডে অভিনয়জীবন শুরু করেন কাদের খান।,1572800 2019-01-01,নির্বাচনী সহিংসতায় আহত আরও একজনের মৃত্যু,,প্রতিনিধি.চুয়াডাঙ্গা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572801/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81,bangladesh,online,3,একাদশ সংসদ নির্বাচন|সহিংসতা|আওয়ামী লীগ|বিএনপি|জামায়াত,নির্বাচনী সহিংসতায় আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম মো. রিংকু (৩৪)। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী মিছিলে দুর্বৃত্তের বোমা হামলায় আহত হয়েছিলেন। ঘটনার ১১ দিন পর গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে নির্বাচনকালীন সহিংসতায় রাজশাহী. কুমিল্লা ও লালমনিরহাটে আহত তিনজনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন গতকাল সোমবার সকালে এবং অন্যজন রোববার বিকেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁদের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন দুজন এবং এর আগের রাতে একজন আহত হয়েছিলেন। আজ মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রিংকুর লাশ নিজ এলাকায় দাফন করা হয়। রিংকু জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের কাটাপোল গ্রামের ইন্তাজ আলীর ছেলে ও পেশায় দরজি ছিলেন। হাসাদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম নিহত রিংকুকে আওয়ামী লীগ কর্মী বলে দাবি করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে. গত ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাসাদহ বাজারে নৌকা প্রতীকের মিছিলে দুর্বৃত্তরা বোমা হামলা চালায়। ওই সময় মিছিলে থাকা মো. রিংকু গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তাঁকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও সংকটাপন্ন অবস্থায় ওই রাতেই তাঁকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বিকেলে মারা যান রিংকু। রাতেই লাশ গ্রামে আনা হলে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে আজ বিকেলে কাটাপোল গ্রামে দাফন করা হয়। বোমা হামলার ঘটনায় নিহত রিংকুর ভগ্নিপতি হাসাদহ গ্রামের মো.সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে পরের দিন মামলা করে। মামলায় ১৫৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৬০-৭০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিরা স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মী। পুলিশ ইতিমধ্যে ওই মামলার এজাহারভুক্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে। জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ গণি মিয়া প্রথম আলোকে জানান. আইনগত কারণে রিংকুর লাশ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন. ২১ ডিসেম্বর দায়ের করা মামলাটির সঙ্গে নতুন করে ধারা যোগ হয়ে তা হত্যা মামলায় পরিণত হবে।,1572801 2019-01-01,পুরস্কার নিয়ে ভাবেন না রোনালদো,,খেলা ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572803/%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A7%8B,sports,online,3,ফুটবল|ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো|জুভেন্টাস,গত বছর কোনো ব্যক্তিগত পুরস্কার পাননি রোনালদো। নতুন বছরে এসে জানালেন. এসব পুরস্কার নিয়ে ভাবেন না গত ১০ বছরের ব্যক্তিগত পুরস্কারের তালিকার দিকে তাকালে মাত্র দুজন নামের দেখা মিলবে। একজন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো. অন্যজন লিওনেল মেসি। ব্যক্তিগত এমন কোনো পুরস্কার নেই. যা তারা অর্জন করেননি। প্রায় সকল পুরস্কারেই ভাগ বসিয়েছেন এই দুজন। তবে তাদের রাজত্বের দিন শেষ হয়েছে। তাদের রাজত্বে গত বছর হানা দিয়েছেন লুকা মদরিচ। মদরিচ এসেই কেড়ে নিয়েছেন ব্যালন ডি’অর. ফিফা বেস্ট অ্যাওয়ার্ড। এ দেখে সাহস পাচ্ছেন নেইমার. সালাহ. এমবাপ্পেরা। নিজেদের রাজত্ব হারানোর পর রোনালদো বলেই দিলেন. ব্যক্তিগত পুরস্কারের দিকে তাঁর তেমন আগ্রহ নেই। কিছুদিন আগে রোনালদো বলেছিলেন. পুরস্কার জেতা তাঁর জন্য নতুন এক অণুপ্রেরণা। প্রতিবার পুরস্কার জিতলে নতুন করে শুরু করবার আগ্রহ পান। তবে এখন পুরস্কার জেতার অনুভূতি বাকি সব রেকর্ড ভাঙার মতোই মনে হচ্ছে. ‘সত্যি বলতে আমার কাছে এখন ব্যক্তিগত পুরস্কার প্রাপ্তির চাইতে দলের জয়ে ভূমিকা রাখা আমার জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ তবে রেকর্ড ভাঙার অনুভূতি একইরকম আছে তাঁর জন্য। ‘তবে সব রেকর্ড ভাঙার মতো আনন্দ একইরকম। কারণ এর মানে আমার উন্নতি ঘটছে. যাতে রেকর্ডগুলো আমি ভাঙতে পারছি।’ ৮ বছর পর এই প্রথম কোনো বছরে ৫০ গোল করতে পারেননি রোনালদো। ২০১৮ সালে তাঁকে থামতে হয়েছে ৪৯ গোলে। শেষ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেই রেকর্ড বজায় রাখতে পারতেন তিনি. কিন্ত দুই গোল করায় থামতে হয়েছে ৪৯-এই। জুভেন্টাসের জার্সিতে চ্যাম্পিয়নস লিগে মাত্র ১ গোল করেছেন রোনালদো। অথচ রোনালদোকে জুভেন্টাস কিনেছে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের জন্যই। সে পথে অবশ্য এখনো অটল জুভেন্টাস। নতুন দলকে নিয়ে অনেক আশা রোনালদো. ‘দলের সবদিক দিয়েই অনেক উন্নতি হয়েছে। জেতা সব সময়ই কঠিন. যে কারণে আমি প্রতিদিন প্রতিদিনকে ছাড়িয়ে যেতে চাই।আমি অবশ্যই চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে চাই. তবে জিততে না পারলে পুরো পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে না।’,1572803 2019-01-01,আফগানিস্তান সরাসরি দ্বিতীয় রাউন্ডে. বাংলাদেশ নয়,২০২০ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ,ক্রীড়া প্রতিবেদক,১৪,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572797/%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6,sports,online,3,ক্রিকেট|বাংলাদেশ,সুপার টেন নয়. ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকবে ‘সুপার ১২’. আরেক অর্থে দ্বিতীয় রাউন্ড। এই সেরা ১২ পর্বেও সরাসরি খেলতে পারছে না বাংলাদেশ। সরাসরি সুপার ১২ খেলতে হলে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশকে থাকতে হতো সেরা আটে। দেশের মাঠে ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ সরাসরি ‘সুপার টেন’ বা সেরা দশে খেলতে পারেনি। ভারতে অনুষ্ঠিত ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ সরাসরি সেরা দশে খেলতে পারেনি। দুটিতেই বাংলাদেশকে সুপার টেনে পা রাখতে হয়েছে প্রাথমিক পর্বের বৈতরণি পেরিয়ে। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বাংলাদেশকে এগোতে হবে একই পথ অনুসরণ করে। এবার অবশ্য সুপার টেন নয়. থাকছে ‘সুপার ১২’। বাংলাদেশ সরাসরি সুপার ১২ খেলতে পারছে না। অথচ আফগানিস্তানের আশ্চর্য উত্থান. তারা টুর্নামেন্ট শুরুই করবে এ পর্ব থেকে। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সরাসরি সুপার ১২ খেলতে হলে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশকে থাকতে হতো সেরা আটে। বাংলাদেশ আছে ১০-এ। নিয়ম অনুযায়ী. সুপার ১২ খেলতে হলে বাংলাদেশকে এখন প্রাথমিক পর্বটা পেরিয়ে আসতে হবে. যেটা তাদের পেরোতে হয়েছিল ২০১৪ ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও । অথচ যে আফগানিস্তান ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রাথমিক পর্ব পেরোতে পারেনি. গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টেন খেলছে প্রথম পর্বের বাধা পেরিয়ে. তারাই সরাসরি ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার ১২ খেলবে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে আফগানদের অবস্থান যে আটে। বাংলাদেশের সান্ত্বনা. তিনবারের ফাইনালিস্ট ও ২০১৪ চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকেও খেলতে হচ্ছে প্রাথমিক পর্বে। র‍্যাঙ্কিংয়ে নয়ে থাকা শ্রীলঙ্কানরা সরাসরি সুপার ১২ খেলতে পারছে না। সরাসরি সুপার ১২ খেলবে পাকিস্তান. ভারত. ইংল্যান্ড. অস্ট্রেলিয়া. দক্ষিণ আফ্রিকা. নিউজিল্যান্ড. ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। বাকি চারটি দল আসবে প্রাথমিক পর্ব থেকে। এই পর্বে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার সঙ্গে অংশ নেবে আরও ছয়টি দল। ওয়ানডে বিশ্বকাপ কিংবা চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা আটে থেকে যেখানে অনায়াসে টুর্নামেন্টে অংশ নেয়. টি-টোয়েন্টিতে কেন যেন সেটা দেখা যায় না। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ খেলেছে ১৬ টি-টোয়েন্টি. এক বছরে এর চেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি খেলার রেকর্ড নেই দলটির। তারা জিতেছে মাত্র ৫টিতে. হেরেছে ১১টিতেই। আগস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটা বাদে হেরেছে প্রতিটি সিরিজ-টুর্নামেন্টেই। এর মধ্যে আছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ধবলধোলাইয়ের লজ্জাও। সরাসরি সুপার ১২ খেলা নিয়ে অবশ্য সাকিব আল হাসান যথেষ্ট আশাবাদী. ‘সুপার ১২ সরাসরি খেলতে পারছি না ঠিক আছে. তবে আমি আত্মবিশ্বাসী. আমরা প্রাথমিক পর্ব পেরিয়ে টুর্নামেন্টে ভালো করতে পারব। নিজেদের দিনে যে কোনো দলকে হারানোর সামর্থ্য আমরা রাখি। টুর্নামেন্ট অনেক দূর না যাওয়ার কোনো কারণ দেখি না। এখনো সময় আছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভালো করতে এটা আমরা কাজে লাগাব। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছি (গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতেই). সেটি খুব বেশি দিন আগের নয়। ওই পারফরম্যান্স টি-টোয়েন্টিতে আমাদের সামর্থ্যের ব্যাপারে অনেক আত্মবিশ্বাসী করেছে।’,1572797 2019-01-01,অংশগ্রহণমূলক হওয়ায় বেশি ভোট পড়েছে,রিয়াজুল বললেন,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২৮,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572799/%E0%A6%85%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87,bangladesh,online,3,একাদশ সংসদ নির্বাচন|মানবাধিকার|নির্বাচন কমিশন,জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন. দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখার জন্য দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়। তবে দলীয় সরকারকে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিতে হবে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রাক্‌–নির্বাচন. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যাবলি পর্যালোচনা ও নির্বাচন–পরবর্তী মানবাধিকার সংরক্ষণে করণীয়—বিষয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করে কমিশন। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কাজী রিয়াজুল হক বলেন. এবারের জাতীয় নির্বাচনে কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এই নির্বাচন বড় কোনো সংঘাতময় নয়. বরং অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হওয়ায় বেশি শতাংশ ভোটও গণনা হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের ভোট দেওয়া ছিল অংশগ্রহণমূলক। রিয়াজুল হক বলেন. এবারের নির্বাচন উপলক্ষে মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে গত ২৬ ডিসেম্বর একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়। তাদের হটলাইন ১৬১০৮ নম্বর ৩১ ডিসেম্বর রাত ১০টা পর্যন্ত চালু ছিল। নির্বাচনের দিন সারা দেশে থেকে ৫২টি অভিযোগ এসেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে ছিল—বিভিন্ন স্থানে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যেতে বাধা দেওয়া. ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোটারদের বাড়ি গিয়ে ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি. লক্ষ্মীপুরের একটি নির্বাচনী এলাকায় বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া। নির্বাচন–সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে কাজী রিয়াজুল হক বলেন. ‘আমরা এসব অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনকে ফোন করে ব্যবস্থা নিতে অবহিত করেছিলাম। দু-একটি কঠিন ঘটনা ঘটেছে। যেসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশন. জেলা প্রশাসন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তদন্ত নিতে চিঠি দিয়েছি। এসব অভিযোগ পর্যবেক্ষণ করা হয়নি. আমরা এসব খতিয়ে দেখব।’ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে একটি দল নিয়ে ঢাকার ৬ থেকে ৭টি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। তিনি সাংবাদিকদের জানান. সবগুলো ভোটকেন্দ্রতেই তিনি অবাধ. শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেছেন। ভোটকেন্দ্রগুলোয় বিরোধী দলগুলোর পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন. ‘কয়েকটি কেন্দ্রে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্ট পেয়েছি। তবে কয়েকটি কেন্দ্রে পাইনি। পোলিং এজেন্ট না থাকা. কেন্দ্রে প্রবেশের বাধার কারণ আমরা পর্যবেক্ষণ করব।’ ভোটাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে কি না. জিজ্ঞেস করা হলে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন. ‘একটি দল বা প্রতীকের পক্ষে এত ভোট পড়ল। আর আরেকটি প্রতীকের পক্ষে কম ভোট পড়ল. এর কারণটা কী? এটা তো আমরা বলতে পারব না। এটা বলতে পারবে নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলো। যেসব এলাকায় ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি এমন অভিযোগ আছে. সেসব এলাকার লোকজন স্থানীয় প্রশাসন বা আমাদের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানালে. আমাদের যতটুকু আইনগত ক্ষমতা আছে. সে অনুযায়ী তদন্ত করে দেখতে পারি।’ ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন মগবাজারের একটি কেন্দ্রে সংবাদ সংগ্রহের সময় দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন মানবজমিন পত্রিকার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কাফি কামাল এবং জিটিভির নিজস্ব প্রতিবেদক ফেরদৌস আরেফিন। এ ছাড়া যশোরে পাঁচজন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের সময় হামলায় গুরুতর জখম হন। সাংবাদিকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি. এমন প্রশ্নে রিয়াজুল হক বলেন. বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের কেন্দ্রে প্রবেশের বাধা দেওয়ার ঘটনা তিনি সাংবাদিকদের কাছ থেকে শুনেছেন। অনেক জায়গায় সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর কাছে অভিযোগ এসেছে। এসব অভিযোগ নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। নির্বাচনের দিন নোয়াখালীর সুবর্ণচর চরজুবলী ইউনিয়নের এক নারী গণধর্ষণের শিকার হওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এই ঘটনায় তদন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হবে কি না. রিয়াজুল হক বলেন. ‘এই ঘটনাগুলো আমরা জানতে পেরেছি। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলাপ করব. আমলে নেব।’,1572799 2019-01-01,উত্তরে বইছে শৈত্যপ্রবাহ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572791/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9,bangladesh,online,3,শৈত্যপ্রবাহ|আবহাওয়া,পৌষের শীত গেল সপ্তাহে জেঁকে বসার চেষ্টা করছিল। ওই সময় দেশের উত্তরাঞ্চলে কাঁপন ধরানো শীত ছিল। আর রাজধানী ঢাকাসহ মধ্যাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যায় হিম হিম শীত। কিন্তু গতকাল সোমবার ঢাকায় শীতের পরশ যেন খানিকটা কমে আসে। রাজধানীতে নেই বলে কি শীত উধাও হয়ে গেছে? না. তেমনটি মোটেই হয়নি। শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে দেশের উত্তরাঞ্চলে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস থেকে জানা গেছে. আজ মঙ্গলবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে দেশের সর্ব উত্তরের এই জেলায় তাপমাত্রা কমে গেছে। উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী. পাবনা. নওগাঁ. যশোর. চুয়াডাঙ্গা. ময়মনসিংহ. যশোর জেলা এবং মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রাজশাহীতে ১০. ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৮. বগুড়ায় ১১. নওগাঁর বদলগাছীতে ৯. রংপুরে ৯ দশমিক ৫. দিনাজপুরে ৮ দশমিক ৪. নীলফামারীর সৈয়দপুর ও সৈয়দপুরে ৮ দশমিক ৮. কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৭ দশমিক ৮. যশোরে ৯ দশমিক ২. চুয়াডাঙ্গায় ৮ দশমিক ৩. মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৮ দশমিক ৫ এবং সাতক্ষীরায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় এর মাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এভাবে শীত আরও কয়েক দিন পড়তে পারে। ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি তেঁতুলিয়ায় ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা নেমে এসেছিল। ৫০ বছরের মধ্যে এটিই ছিল দেশের সবচেয়ে কম তাপমাত্রার রেকর্ড। এবারও ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে জানুয়ারি মাসে শীতের ধরন একই রকম বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন. ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় উত্তরাঞ্চল থেকে মধ্যাঞ্চলের ঢাকা জেলা ও আশপাশে বেশ শীত পড়েছিল। গতকাল সোমবার তেঁতুলিয়ায় ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল. যা এই শীত মৌসুমে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা। এখন উত্তরাঞ্চলে তীব্র থেকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আরও দুদিন এই অবস্থা থাকতে পারে। তারপর হয়তো আরেক দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। গতবারের মতো ফিফটি ফিফটি শীত পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবার।,1572791 2019-01-01,নেইমারের দামে একাদশই বানিয়ে ফেলল রিয়াল!,,খেলা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572789/%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%B6%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2,sports,online,3,নেইমার|ফুটবল|রিয়াল মাদ্রিদ,বিশ্ব ফুটবলে গত এক দশকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বাক্য সম্ভবত ‘নেইমারকে কিনতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ।’ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড বারবারই ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের হাত ফসকে বেরিয়ে গেছেন। ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে ঠাঁই নিয়েছেন নেইমার। কিন্তু সে দলবদলের মাত্র তিন মাসের মাথায়ও নেইমারকে রিয়ালে আসার আহ্বান জানিয়েছেন পেরেজ। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে পাওয়ার সুযোগ পেলে আগামীকালই হয়তো ২৫০ মিলিয়ন খরচ করতে রাজি হয়ে যাবেন পেরেজ. অবস্থাটা এখনো এমন! রিয়ালে সভাপতিত্বের প্রথম ধাপে দলকে তারকাপুঞ্জ বানিয়ে ফেলেছিলেন পেরেজ। রবার্তো কার্লোস. রাউল. ক্যাসিয়াস. ম্যাকম্যানাম্যান. হিয়েরো. মরিয়েন্তেস. গুতি. সোলারিদের মতো খেলোয়াড় ছিল লস ব্লাঙ্কোসদের। এরপরও দলে এনেছেন লুইস ফিগো. জিনেদিন জিদান. রোনালদো. বেকহাম ও মাইকেল ওয়েনের মতো মহাতারকাদের। কাগজে-কলমে বিশ্বসেরা সে দল মাত্র একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লিগ জিতেছিল। দ্বিতীয় পর্বে এসেও সে পথে হাটতে চেয়েছিলেন পেরেজ। প্রথম মৌসুমেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো. কাকা. জাবি আলোনসো ও করিম বেনজেমাদের হাজির করেছেন। তাদের দেখানো পথে এসেছেন ডি মারিয়া. ওজিল. মদরিচ. টনি ক্রুস. গ্যারেথ বেল ও হামেস রদ্রিগেজরা। বিশেষ করে বেল আর হামেসকে আনতে বেশ খরচ করতে হয়েছে পেরেজকে. বেলের জন্য ১০১ মিলিয়ন ও হামেসের জন্য ৮০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছেন তিনি। এবারেও সাফল্যের কলামে শুধু একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও একটি লা লিগা। নেইমার আর এমবাপ্পেদের পিছু ধাওয়া করতে করতেই নতুন এক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন পেরেজ। সে প্রক্রিয়ার নতুন সংযোজন ব্রাহিম ডিয়াজ। স্প্যানিশ পত্রপত্রিকার কথা যদি সত্য প্রমাণিত হয় তবে জানুয়ারিতেই রিয়াল আসছেন এই উইঙ্গার। ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারের জন্য ১৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করবে রিয়াল। মৌসুমে মাত্র ২০৪ মিনিট মাঠে থাকা এক ফুটবলারের জন্য অঙ্কটা বড়। আবার রিয়ালের ইদানীংকালের দলবদলের কথা চিন্তা করলে এ কিছুই নয়। তরুণ প্রতিভা পেলেই যে উদারহস্তে খরচ করছে এ ক্লাব. এমনকি দর-কষাকষিতেও যাচ্ছে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রিলিজ ক্লজ দিয়েই আনা হচ্ছে তাদের। ভবিষ্যৎ ‘নেইমার’ যেন কোনোভাবেই হাতছাড়া না হয় সে ব্যবস্থা। ২০১৪ সালে হামেসকে কেনার সময়ই আরেক মিডফিল্ডার হাজির হয়েছিলেন রিয়ালে। ব্রাজিলে বিস্মৃতপ্রায় প্রজাতির এক ফুটবলার খুঁজে পাওয়া গেছে শুনেই হাজির হয়েছিল রিয়াল। উইঙ্গার আর উইংব্যাকে ভর্তি দেশে অবশেষে দেখা মিলেছিল এক মিডফিল্ড জেনারেলের। ২১ বছর বয়সী লুকাস সিলভাকে নিতে ১৪ মিলিয়ন খরচ করেছিল রিয়াল। মাত্রই আলোনসোকে বিক্রি করে দেওয়া রিয়াল নতুন ‘আলোনসো’ পাওয়ার জন্য অঙ্কটা কমই ভেবেছিল। ক্রুজেইরো থেকে আসা সিলভা চার বছর পর সেই ক্রুজেইরোতেই আছেন। হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যার পর ফর্ম হারিয়ে ফেলার পর এখন ব্রাজিলেই আছেন সিলভা। রিয়ালে ফেরার সম্ভাবনা দিন দিন কমছে তাঁর। ২০১৪ এর শেষভাগেই আরেকটি দলবদল করেছিল রিয়াল। বিশ্বে তোলপাড় ফেলা ১৫ বছরের ড্যানিশ তরুণ মার্টিন ওডেগার্ডকে নিয়েছিল দলে। সেটাও ২.৩ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে। খেলোয়াড়ের পরিবারকে চুক্তি স্বাক্ষরের উপহার হিসেবে বাড়তি কয়েক মিলিয়ন ইউরোও দিয়েছিল রিয়াল। ভবিষ্যতের তারকাকে দলে আনার এ চেষ্টার ফল যদিও এখনো পায়নি তারা। ২০ বছর বয়সে এসেও ডাচ এক ক্লাবে ধারে খেলছেন ওডেগার্ড। বার্নাব্যু আলোকিত করার স্বপ্ন দেখছেন তিনি. কিন্তু এতে বাজি ধরার লোক খুব কম। রিয়াল তবু কেন এ প্রক্রিয়া চালু রেখেছে? কারণ. মার্কো অ্যাসেনসিও। ওডেগার্ড ও সিলভাকে দলে নেওয়ার মাঝেই রিয়াল কিনে নিয়েছে এই মায়োর্কানকে। ৩.৯ মিলিয়ন ইউরোর সে খেলোয়াড় এরই মাঝে দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। ইউরোপের দুটি ফাইনালে গোল করার কীর্তি হয়ে গেছে তাঁর। ভবিষ্যৎ ব্যালন ডি’অর জয়ী হিসেবে কদিন আগেও জোরেশোরে তাঁর নাম উচ্চারিত হতো। গুঞ্জন আছে এক মৌসুম আগেই তাঁকে কিনতে ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দিয়েছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দুই ক্লাব. অন্তত খেলোয়াড়ের এজেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী। এক অ্যাসেনসিও রিয়ালকে ওডেগার্ড-সিলভার কথা ভুলিয়ে দিচ্ছে। এরই পথ ধরে রিয়ালে হাজির হয়েছেন থিও হার্নান্দেজ. জেসুস ভায়েহো. দানি সেবায়োস. আলভারো ওদ্রিওসোলা. ফেডরিকো ভালভার্দে. আন্দ্রিয়া লুনিন। এদের সবার মধ্যে একটাই মিল. সবার বয়স বিশের এদিক না হলে ওদিক। এদের সঙ্গে আরও দুটি নাম যোগ করে নিতে হচ্ছে একটু আলাদা করে—ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগো গোয়েস। সান্তোসে খেলা রদ্রিগোর বয়স এখনো ১৮ ছোঁয়নি। এর মাঝেই ২০১৮ কোপা ট্রফিতে (অনূর্ধ্ব-২১ ব্যালন ডি’অর) চতুর্থ হয়েছেন । ১৭ বছরের রদ্রিগোর জন্য রিয়াল ৪০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে। রদ্রিগো তবু সান্তোসের হয়ে মাঠে নেমে রিয়ালের নজরে পড়েছেন। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করার আগেই রিয়ালে নাম লিখিয়েছেন। ফ্ল্যামেঙ্গোর বয়স ভিত্তিক দলে খেলেই এতটাই নাম কামিয়েছিলেন যে ৪৫ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে তাঁকে নিয়ে এসেছে রিয়াল। দেড় বছর পর মাদ্রিদে হাজির হয়েছেন। এরই মাঝে রিয়ালের হয়ে দুটি গোলও পেয়ে গেছেন এই ব্রাজিলিয়ান। ১৭ বছরের দুই কিশোরের জন্য রিয়ালের এত খরচের কারণ? এদের দুজনকেই যে ‘ভবিষ্যৎ নেইমার’ বলা হচ্ছে ব্রাজিলে। এভাবেই গত চার বছরে তরুণ ফুটবলারের পেছনে ২০২.২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে রিয়াল। ব্রাহিম ডিয়াজকে যদি পেপ গার্দিওলার হাত থেকে ছিনিয়ে আনতেই পারে তবে সেটা দাঁড়াবে ২১৭.২ মিলিয়নে। ১২ জন খেলোয়াড়ের জন্য এই অর্থ ব্যয় করেছে রিয়াল। পিএসজি যেখানে শুধু নেইমারের জন্যই খরচ করেছে ২২২ মিলিয়ন ইউরো। রিয়ালের এই দলবদলগুলোর মাঝে বেশ কিছু ব্যর্থতা আছে। ভায়েহো কিংবা থিওরা হয়তো সিলভার মতোই পথ হারাতে বসেছেন। কিন্তু অ্যাসেনসিও. সেবায়োস কিংবা ভালভার্দেদের অভিজ্ঞতা ফুটবলের সঙ্গে আর্থিক লাভেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে। রিয়ালের অনভিজ্ঞ কিন্তু প্রতিভাবান কেনার প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি ফল আনতে পারে কি না সেটা দেখার অপেক্ষায় সবাই। না হলে পেরেজকে তাঁর প্রিয় তারকা কেনার নীতিতেই ফিরতে হবে। নেইমার. এমবাপ্পে. হ্যাজার্ডদের দিকে এমনিতেও তো কদিন পর পরই তো নজর দিচ্ছেন এই সভাপতি। খেলোয়াড় দেশ পজিশন দলবদল ভিনিসিয়ুস ব্রাজিল ফরোয়ার্ড ৪৫ মিলিয়ন রদ্রিগো* ব্রাজিল ফরোয়ার্ড ৪০ মিলিয়ন ওদ্রিওসোলা স্পেন ফুলব্যাক ৩০ মিলিয়ন থিও* ফ্রান্স/স্পেন ফুলব্যাক ২৭ মিলিয়ন সেবায়োস স্পেন মিডফিল্ডার ১৬.৫ মিলিয়ন সিলভা* ব্রাজিল মিডফিল্ডার ১৪ মিলিয়ন লুনিন* ইউক্রেন গোলরক্ষক ১৩.৫ মিলিয়ন ভায়েহো স্পেন রক্ষণ ৫ মিলিয়ন ভালভার্দে উরুগুয়ে মিডফিল্ডার ৫ মিলিয়ন অ্যাসেনসিও স্পেন উইঙ্গার ৩.৯ মিলিয়ন ওডেগার্ড* নরওয়ে মিডফিল্ডার ২.৩ মিলিয়ন ডিয়াজ# স্পেন উইঙ্গার ১৫ মিলিয়ন # এখনো দলবদল হয়নি * ধারে অন্য ক্লাবে,1572789 2019-01-01,মালিবাগে বাসচাপায় ২ তরুণী নিহত. গাড়ি ভাঙচুর,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা ও প্রতিনিধি. ঢাকা মেডিকেল,৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572790/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3%E0%A7%80,bangladesh,online,3,সড়ক দুর্ঘটনা|রাজধানী,রাজধানীর মালিবাগে বাসচাপায় দুই নারী গার্মেন্টস কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় সড়ক অবরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর করেছেন তাদের সহকর্মীরা। আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে মালিবাগে আবুল হোটেলের সামনে বাসচালকের শাস্তির দাবিতে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন নাহিদ পারভীন পলি (২২) ও মিম (১৬)। তাঁরা এম এইচ গার্মেন্টসের শ্রমিক। পলির বাড়ি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় এবং মিমের বাড়ি বগুড়ার গাবতলী উপজেলায়। তাঁরা ঢাকার মগবাজারের পূর্ব নয়াটোলায় ভাড়া থাকতেন। এ ঘটনায় বাস ও বাসের চালককে আটক করেছে পুলিশ। দুই তরুণীর লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়. বেলা দেড়টার দিকে মালিবাগের চৌধুরীপাড়ার রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন মিম ও পারভিন। এ সময় সদরঘাট থেকে গাজীপুরগামী সুপ্রভাত পরিবহনের একটি বাস তাঁদের দুজনকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থালেই মিম মারা যায়। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ সার্জেন্ট সুব্রত কুমার দে পারভিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সুব্রত কুমার দে প্রথম আলোকে বলেন. তিনি পারভিনকে আহত অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। তরুণী দুজনের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের পরিচয় জানা যাচ্ছিল না। পরে তাঁদের সহকর্মীরা মর্গে এসে লাশ শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এ ঘটনায় সুপ্রভাত বাস ও বাসের চালককে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ আটক করেছে। হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মালিবাগ আবুল হোটেলের সামনে গিয়ে দেখা গেছে. আজ তিনটার দিকে মালিবাগে আবুল হোটেলের সামনে বাস চালকের শাস্তির দাবিতে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এ সময় কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।,1572790 2019-01-01,অবশেষে কথা বলার সুযোগ পেলেন সন্ধ্যা রায়,,প্রতিনিধি. কলকাতা,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1572788/%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F,international,online,3,ভারত|পশ্চিমবঙ্গ,২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর আসন থেকে জয়ী হন চিত্রতারকা সন্ধ্যা রায়। সাংসদ হওয়ার দীর্ঘ ৪ বছর ৮ মাস পর গতকাল সোমবার তিনি প্রথমবারের মতো পার্লামেন্টে কথা বলার সুযোগ পান। ভারতে একজন সাংসদের মেয়াদকাল ৫ বছর। দেশটিতে সবশেষ লোকসভা নির্বাচন হয় ২০১৪ সালে। পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন আসন্ন। চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলে এই নির্বাচন হওয়ার কথা। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সন্ধ্যা রায় সাংসদ হওয়ায় এ বছরের মে মাসে তাঁর মেয়াদ শেষ হবে। গতকাল জিরো আওয়ারে সন্ধ্যা রায়কে প্রথম কথা বলার সুযোগ দেন লোকসভার স্পিকার। মেয়াদের শেষ পর্যায়ে পার্লামেন্টে কথা বলার সুযোগ পেয়ে আপ্লুত হন সন্ধ্যা রায়। তিনি প্রথমেই ধন্যবাদ জানান স্পিকারকে। লোকসভায় সন্ধ্যা রায় প্রথম কথা বলায় উপস্থিত সাংসদেরা তাঁকে টেবিল চাপড়ে অভিনন্দন জানান। সন্ধ্যা রায় তাঁর ভাষণে অভিযোগ করেন. ভারত ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করলেও ডাকঘরে পুরোপুরি ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হয়নি। তিনি ডাকঘরকে ডিজিটালের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁর এলাকাসহ গোটা দেশের ডাকঘরে এটিএম ব্যবস্থা চালুর আবেদন জানান।,1572788 2019-01-01,বিএনপির ‘ভরাডুবি’ কী কী কারণে. জানালেন কাদের,,বাসস. ঢাকা,১৩৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572787/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,3,নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট,আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন. বিএনপি নেতাদের ভুলের জন্যই নির্বাচনে তাঁদের ভরাডুবি হয়েছে। মনোনয়ন বাণিজ্য. এজেন্ট দিতে না পারা ও নির্বাচনী প্রচারে অংশ না নেওয়া এই ভরাডুবির প্রধান কারণ। তাঁরা নির্বাচনের নামে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নানা নাটক করেছেন। সেতুমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নির্বাচন–পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিএনপির পরাজয়ের বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী কাদের বলেন. বিএনপির প্রার্থীরা কোথাও তাঁদের পোস্টার-ব্যানার লাগাননি। তাঁরা নির্বাচনে পরাজয়ের আগেই হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন। বাস্তবে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো তাঁদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না। তাই এ নির্বাচনে তাঁদের পরাজয় ছিল অবধারিত। উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেন. বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ নিজের কেন্দ্রে তাঁর ভোট দিতে যাননি। তাঁর বাড়ি থেকে মাত্র ৭০ গজের মধ্যে ভোটকেন্দ্র। যদিও তিনি তাঁর কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা ওবায়দুল কাদের বলেন. ‘আমি অবাক হয়েছি যে বিএনপির মতো বড় একটি দলের সাংগঠনিক কোনো কাঠামো নেই। তারা সাংগঠনিকভাবে যে কতটা দুর্বল তা এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে বিএনপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীরাও এজেন্ট দিতে পারেননি। এ কারণে নির্বাচনে তাঁদের ভোটের এমন ফলাফল হয়েছে। কবে নাগাদ নতুন সরকার গঠিত হতে পারে জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন. ‘আমরা আশা করি. আগামী ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগেই সংসদ সদস্যগণ ও নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবেন। নতুন বছরে আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার কি হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন. নতুন বছরের অঙ্গীকার হচ্ছে এ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের যে. ভুল-ভ্রান্তি ও সাংগঠনিক দুর্বলতা বুঝতে পেরেছি তা কাটিয়ে ওঠা।’ আওয়ামী লীগের বিজয়ের কারণ সম্পর্কে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন. জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে গণজোয়ারের প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি বলেন. নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর তা আর কখনো দেখা যায়নি। এ নির্বাচনের রায়ে ’৭০ ও ’৫৪ সালের মতো গণজোয়ারের প্রতিফলন ঘটেছে। জাতীয় পার্টির সঙ্গে ঐকমত্যের সরকার হবে নাকি তারা বিরোধী দল হিসেবে থাকবে. তা জানতে চাইলে তিনি বলেন. আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সরকার গঠনের সময় বিষয়টি দেখবেন। জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এ বিষয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন। বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সাংসদদের শপথ না নেওয়া ও তাঁদের আন্দোলন কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন. বিএনপির আন্দোলনের মতো অবজেকটিভ কন্ডিশন দেশে নেই। আর আন্দোলনে অংশ নেওয়ার মতো সাবজেক্টিভ প্রিপারেশনও তাদের নেই। আন্দোলনের সব সূত্র তাদের বিপক্ষে। তিনি বলেন. বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতাদের এত হতাশ ও বিমর্ষ দেখাচ্ছিল যে মনে হয় যেন তাঁরা নির্বাচনের ভরাডুবিতে ভেঙে পড়েছেন। এ অবস্থায় তাঁদের কর্মীরা কীভাবে আন্দোলন করতে আশাবাদী হবেন? কাদের বলেন. আন্দোলন করতে হলে চেতনার দরকার হয়. আর তার সঙ্গে থাকতে হয় সাংগঠনিক প্রস্তুতি। তার কোনোটিই বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেই। এ ধরনের সামর্থ্য থাকলে তাঁরা নির্বাচনের ফলাফলের বিরুদ্ধে অন্তত একটি মিছিল হলেও করত। বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পরও তাঁরা কোনো ধরনের আন্দোলন করতে পারেননি। তিনি বলেন. বিএনপি তাদের ভাঙা হাট নিয়ে আন্দোলনের সক্ষমতা অর্জন করবে. এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন. আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করাই বড় চ্যালেঞ্জ। বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন. ‘আমরা আশা করি তাঁরা জনগণের রায়কে অসম্মান করবেন না। কারণ যাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন তাঁরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।’ তিনি বলেন. বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট সব সময় গণতন্ত্রবিরোধী ভূমিকা পালন করবে তা দেশের মানুষ যেমন মেনে নেবে না. তেমনি বিশ্বের অন্য নেতারাও তা মেনে নেবেন না। আর তারা (বিএনপি) গণতন্ত্র থেকে পিছিয়ে পড়লে দেশ পিছিয়ে যাবে। নেতা-কর্মীদের প্রতি দলের কী আহ্বান থাকবে জানতে চাইলে কাদের বলেন. ধৈর্য ধরে বিজয়কে ধরে রাখতে হবে। কেউ যাতে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি না করে ও প্রতিপক্ষের ওপর কোনো ধরনের প্রতিহিংসামূলক কোনো কিছু না করে. সে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সময় কাদের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন. আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এদিন সকাল সাতটায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। একই দিন বেলা তিনটায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।,1572787 2019-01-01,দূরত্ব,,,,https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1572786/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A6,bondhushava,online,3,কবিতা|ভালোবাসা,তুমি কাছে থাকলে কী কী হতো ভাবি;যদি পাশে থাকতে বুকে টনটনে ব্যথাটা থাকত না.নিজেকে মাঝেমধ্যেই রক্তশূন্য মনে হতো না.হয়তো ভবিষ্যতে যেতে হতো না আর নার্সিংহোমে।তুমি কাছে থাকলে আমার সৌন্দর্য পরিচর্যা হতো সেলুনে.পুষ্পের প্রতি প্রসারিত থাকত সুকোমল জীবন যাপন.ছেড়ে যেত নাছোড়বান্দা জ্বর;প্রেমময় হতো সময়ের সবকটা সিঁড়ি।তুমি কাছে থাকলেই কেবল শ্বাস নেওয়ার নাম জীবন হয়।,1572786 2019-01-01,‘কবি জসিমউদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কার’ পাচ্ছেন নির্মলেন্দু গুণ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572784/%E2%80%98%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E2%80%99-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8,entertainment,online,3,,বাংলা কবিতায় কবি জসিম উদ্‌দীনের অনন্য অবদান স্মরণে বাংলা একাডেমি ২০১৯ সাল থেকে ‘কবি জসিমউদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কার’ প্রদান করতে যাচ্ছে। এ বছর ‘কবি জসিমউদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কার’ পাচ্ছেন কবি নির্মলেন্দু গুণ। আজ মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের যেকোনো শাখায় সার্বিক অবদানের জন্য একজন খ্যাতিমান সাহিত্যিককে এক বছর অন্তর বাংলা একাডেমি এই পুরস্কার প্রদান করবে। পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি আয়োজিত ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে। কবি নির্মলেন্দু গুণের জন্ম ১৯৪৫ সালের ২১ জুন। তিনি রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা পুরস্কার. একুশে পদক. বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার. আলাওল সাহিত্য পুরস্কার. ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কারসহ দেশ-বিদেশের নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। কবি নির্মলেন্দু গুণের উল্লেখযোগ্য কবিতার বই হচ্ছে ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’. ‘না প্রেমিক না বিপ্লবী’. ‘কবিতা অমীমাংসিত রমণী’. ‘দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী’. ‘চৈত্রের ভালোবাসা’. ‘ও বন্ধু আমার’. ‘আনন্দ কুসুম’. ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’. ‘তার আগে চাই সমাজতন্ত্র’. ‘চাষাভুষার কাব্য’. ‘পৃথিবীজোড়া গান’. ‘প্রথম দিনের সূর্য’. ‘আবার একটা ফুঁ দিয়ে দাও’. ‘মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা’. ‘নেই কেন সেই পাখি’. ‘নিরঞ্জনের পৃথিবী’. ‘চিরকালের বাঁশি’. ‘দুঃখ করো না’. ‘বাঁচো’. ‘যখন আমি বুকের পাঁজর খুলে দাঁড়াই’. ‘ধাবমান হরিণের দ্যুতি’. ‘অনন্ত বরফবীথি’. ‘আনন্দ উদ্যান’. ‘পঞ্চাশ সহস্র বর্ষ’. ‘প্রিয় নারী’. ‘হারানো কবিতা’. ‘শিয়রে বাংলাদেশ’. ‘ইয়াহিয়াকাল’. ‘আমি সময়কে জন্মাতে দেখেছি’. ‘মুঠোফোনের কাব্য’ ইত্যাদি। এ ছাড়া উপন্যাস: ‘দেশান্তর’। ছোটগল্প ‘আপন দলের মানুষ’। শিশুসাহিত্য: ‘কালো মেঘের ভেলা’. ‘সোনার কুঠার’. ‘বাবা যখন ছোট্ট ছিলেন’. ‘মজাঘট’। ভ্রমণকাহিনি: ‘ভলগার তীরে’. ‘ভিয়েতনাম ও কম্পুচিয়ার স্মৃতি’. ‘গিন্সবার্গের সঙ্গে’. ‘ভ্রমি দেশে দেশে’। আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা: ‘আমার ছেলেবেলা’. ‘আমার কণ্ঠস্বর’. ‘শক্তি স্মৃতি ও অন্যান্য’. ‘রক্তঝরা নভেম্বর: ১৯৭৫’। অনুবাদ: ‘রক্ত আর ফুলগুলি’।,1572784 2019-01-01,‘এত বই পৃথিবীর কোনো দেশ ছাপায় না’,,প্রতিবেদক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,৯,https://www.prothomalo.com/education/article/1572783/%E2%80%98%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E2%80%99,education,online,3,,সকালের নরম রোদ ধীরে ধীরে তপ্ত হয়ে উঠছে। বিশাল মাঠে পাখিদের মতো কিচিরমিচির করছে অসংখ্য প্রাথমিক-পড়ুয়া ছেলে-মেয়ে ৷ সঙ্গে আছেন বাবা-মা অথবা বড় ভাই-বোন ৷ সামনে সুন্দর মঞ্চ। বছরের প্রথম দিনে এই খুদে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে নতুন শ্রেণির নতুন বই। মাইক হাতে মঞ্চে এসে দাঁড়ালেন ছোটদের প্রিয় মানুষ অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এই প্রিয় মানুষ তাদের প্রশ্ন করলেন. 'তোমরা কেমন আছ?' শিশুদের অসংখ্য অস্পষ্ট শব্দের কিচিরমিচিরে আকাশে-বাতাসে দোলা লাগল। বোঝা গেল. তারা ভালো আছে এবং প্রিয় এই মানুষকে পেয়ে তাদের খুশির রাজ্যে ঝড় উঠেছে ৷ জাফর ইকবাল বললেন. ‘আমি তো মাস্টার মানুষ. ছেলে-মেয়েদের দেখলে আমি প্রশ্ন করি। তোমাদের একটা প্রশ্ন করব?' আবারও সেই সপ্রতিভ কিচিরমিচির। প্রশ্ন করলেন. ‘বলো দেখি. বাংলাদেশ কতগুলো বই সমস্ত ছেলে-মেয়েদের দেবে?' উত্তর এল. ৩৩ কোটি ৷ এরপর ছোটদের এই প্রিয় মানুষ বললেন. 'এত বই পৃথিবীর কোনো দেশ ছাপায় না ৷ কোনো দেশ ছাপাতে পারবেও না. শুধু বাংলাদেশ পারবে ৷ এত কষ্ট করে এতগুলি বই কেন ছাপায়. বলো। তোমাদের জন্য। তোমরা বইটা পড়বে তো? সারা পৃথিবীর কোনো মানুষ এত নতুন বই পায় না। বাসায় গিয়ে আজকে রাতেই সবগুলো বই পড়ে ফেলবে. ঠিক আছে?' প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে 'বই বিতরণ উৎসব ২০১৯' আয়োজন করা হয়। এই উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এই আয়োজনে ঢাকা মহানগরের রমনা. ধানমন্ডি. লালবাগ. কোতোয়ালিসহ বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। শারীরিক অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত না থাকলেও ফোনে আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল ৷ বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক. জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ৷ প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন. 'সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি ৷ আজকের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি স্বশরীরে উপস্থিত না থাকতে পারায় দুঃখ প্রকাশ করছি ৷ আশা করি. এই বই উৎসব সার্থক হবে ৷ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বই উৎসব পালন করছি ৷ এবার প্রায় ৩৮ কোটি বই আমরা সারা দেশে সমস্ত শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিচ্ছি ৷ শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের মনোযোগ সারা পৃথিবীব্যাপী তাক লাগিয়ে দিয়েছে ৷ আশা করবো. আমাদের শিক্ষার্থীরা নতুন বই পেয়ে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হবে এবং সরকারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করে দেশকে স্বাবলম্বী করে তুলবে এবং উপযুক্ত মানুষে হিসেবে গড়ে উঠবে- তাদের কাছে এই প্রত্যাশা রাখি ৷' খুদে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক বলেন. 'তোমরা খুবই সৌভাগ্যবান যে তোমরা নতুন বই পাও ৷ আমরা কোনো দিন নতুন বই পাই নাই. সব সময় বড় ভাইদের পুরোনো বই নিতাম ৷ তোমাদেরকে দেখে আমার ঈর্ষা হচ্ছে ৷ কিন্তু খুবই ভালো লাগছে যে বাংলাদেশ এত ভালো হয়েছে. এত বিজয় লাভ করতে পারছে যে আজকে ৩৩ কোটি বই দেওয়া হচ্ছে ৷ হাত তালি দাও ৷ সবাই মিলে বলো. ধন্যবাদ ৷ কারণ আমরা নতুন বই পাচ্ছি ৷ নতুন বই পড়তে তোমাদের ভালো লাগবে না? তোমরা বেশি করে বই পড়বে. বেশি করে খেলাধুলাও করবে ৷ বাংলাদেশে ছেলেরা জেগে উঠেছে. মেয়েরাও জেগে উঠেছে ৷ মেয়েরা বরং ছেলেদের চেয়ে বেশি স্কুলে যায় ৷ এই জন্য আজ থেকে ১০. ২০ বছর পরে বাংলাদেশটা হবে একটা সোনার দেশ. সোনার বাংলা. যার স্বপ্ন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেখেছিলেন ৷' বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এই খুদে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন. 'আশা করি সবাই ভালো আছ ৷ সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা ৷ তোমরা দেশের ভবিষ্যৎ. তাই তোমাদের হাতে বই তুলে দেওয়াটা সব থেকে বড় কাজ ৷ আমি ধন্যবাদ জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে. যার অক্লান্ত পরিশ্রমেই এটা সফল হয়েছে ৷ আশা করি. তোমরা সবাই পড়াশোনায় মনোনিবেশ করবে. সাথে সাথে খেলাধুলাটাও করতে হবে ৷ দুইটা জিনিসই এক সাথে চালাতে হবে এবং সবগুলোতেই ভালো করতে হবে ৷ আশা করি. তোমাদের এ বছরটা অনেক সুন্দর যাবে. ভালোভাবে যাবে ৷' আয়োজনের সভাপতির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন. ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবারও দেশ পরিচালনার জন্য জনগণ ম্যান্ডেট প্রদান করেছে ৷ কেন এই ম্যান্ডেট প্রদান করা হয়েছে? একই দিনে আমরা ৩৩ কোটি বই বিতরণ করছি ৷ প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৷ শুধু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আজকে সারা বাংলাদেশে প্রায় তিন কোটি শিক্ষার্থীর মধ্যে বই বিতরণ করছে ৷ এটি সরকারের একটি অভাবনীয় উদ্যোগ ৷ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়েছে ২০১০ সাল থেকে ৷ এখন বাংলাদেশের কোনো গ্রাম নাই যেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয় নাই ৷ আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে ৷ প্রাথমিক শিক্ষার ভিত ও মানকে যদি আমরা শক্তিশালী করতে পারি. তাহলেই কেবল ২০৪১ সালে যে উন্নত বাংলাদেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গড়তে চান. সেটি সম্ভব ৷ ২০১৯ সাল হোক আমাদের মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি বছর ৷ মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য আগামীকাল থেকেই আমাদের যাত্রা শুরু হবে ৷' এই উৎসবের আয়োজকদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়. ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে দেশের ৫০৮টি উপজেলার প্রাথমিক স্তরের ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৭টি বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরে ২ কোটি ৩৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থীদের হাতে যথাক্রমে ৩৪ লাখ ২৮ হাজার ১০টি করে আমার বই ও অনুশীলন খাতা এবং ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৯৯ হাজার ৮২৪টি বই বিতরণ করা হবে ৷ এ ছাড়া. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আওতাভুক্ত প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৮টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ করা হয়েছে ৷,1572783 2019-01-01,৭০ এর নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করলেন তোফায়েল,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২০,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572782/%E0%A7%AD%E0%A7%A6-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2,bangladesh,online,3,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট,বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে উন্নয়নের চরম শিখরে নিয়ে যাওয়া হবে। নির্বাচনের পর আজ মঙ্গলবার বছরের প্রথম দিনে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ এবারের নির্বাচনকে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন. আগামী পাঁচ বছর হবে ঐতিহাসিক বছর। সোনালী দিন। তিনি বলেন. এবারের নির্বাচনেও মানুষ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছে। সাংসদদের শপথ ও নতুন সরকার গঠনের বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন. প্রক্রিয়াটা হলো আজ সাংসদদের গেজেট হতে পারে। এরপর শপথ হবে. সংসদ নেতা নির্বাচন করা হবে। তারপর সংসদ নেতা তাঁর পছন্দমতো মন্ত্রিসভা গঠন করবেন। বিএনপি জামায়াত ও ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনে ভরাডুবির কারণ হিসেবে তোফায়েল আহমেদ বলেন. তাঁদের প্রার্থীদের এলাকায় যোগাযোগ ছিল না। গণসংযোগও সেভাবে করেননি। আবার অর্থের বিনিময়ে মনোনয়ন কেনাবেচা হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন তাঁর নীতি আদর্শ ত্যাগ করেছেন। জামায়াতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। এটা মানুষ পছন্দ করেনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন. সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হলো ড. কামাল হোসেন। বিএনপির এখন আত্মসমালোচনা করা উচিত। তাঁদের উপলব্ধি করে কাজ করা উচিত।,1572782 2019-01-01,এক নজরে ২০১৯ সালের ক্রীড়াসূচি,, মন্তব্য,২,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572781/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF,sports,online,3,ক্রিকেট,এ বছরও খেলার কমতি নেই। সবচেয়ে বড় আয়োজন ক্রিকেট বিশ্বকাপ. যেটি হবে ইংল্যান্ডে। এ বছরের বিশেষ আয়োজনের মধ্যে থাকছে কোপা আমেরিকাও। এবার যে আসরটি হবে ব্রাজিলে। এ বছরও খেলার কমতি নেই। সবচেয়ে বড় আয়োজন ক্রিকেট বিশ্বকাপ. যেটি হবে ইংল্যান্ডে। এ বছরের বিশেষ আয়োজনের মধ্যে থাকছে কোপা আমেরিকাও। এবার যে আসরটি হবে ব্রাজিলে। বিপিএল ৫ জানুয়ারি–৮ ফেব্রুয়ারি. বাংলাদেশ এশিয়ান কাপ ফুটবল ৫ জানুয়ারি–১ ফেব্রুয়ারি. আরব আমিরাত অস্ট্রেলিয়ান ওপেন টেনিস ১৪–২৭ জানুয়ারি. মেলবোর্ন এল ক্লাসিকো (রিয়াল–বার্সেলোনা) ৩ মার্চ. বার্নাব্যু. মাদ্রিদ আইপিএল ২৯ মার্চ–১৯ মে. ভারত এফএ কাপ ফাইনাল ১৮ মে. ওয়েম্বলি অনূর্ধ্ব–২০ বিশ্বকাপ ফুটবল ২৩ মে–১৫ জুন. পোল্যান্ড কোপা ডেল রে ফাইনাল ২৫ মে ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিস ২৬ মে–৯ জুন. প্যারিস বিশ্বকাপ ক্রিকেট ৩০ মে-১৪ জুলাই ইংল্যান্ড উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল ১ জুন. মাদ্রিদ উয়েফা নেশনস লিগ ফাইনালস ৫–৯ জুন. পর্তুগাল মেয়েদের বিশ্বকাপ ফুটবল ৭ জুন–৭ জুলাই. ফ্রান্স কোপা আমেরিকা ১৪ জুন–৭ জুলাই. ব্রাজিল কনক্যাকাফ গোল্ডকাপ ১৫ জুন–৭ জুলাই আফ্রিকা কাপ অব নেশনস ১৫ জুন–১৩ জুলাই ক্রিকেট: অ্যাশেজ ১ আগস্ট–১৬ সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ড উয়েফা সুপার কাপ ১৪ আগস্ট. ইস্তাম্বুল ইউএস ওপেন টেনিস ২৬ আগস্ট–৮ সেপ্টেম্বর. নিউইয়র্ক অ্যাথলেটিকস ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ ২৭ সেপ্টেম্বর–৬ অক্টোবর. দোহা অনূর্ধ্ব–১৭ বিশ্বকাপ ফুটবল ৫–২৭ অক্টোবর. পেরু টেনিস: ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালস ১০–১৭ নভেম্বর. লন্ডন ইউরোপা লিগ ফাইনাল ২৯ মে. বাকু টেনিস: উইম্বলডন ১–১৪ জুলাই. লন্ডন সাইক্লিং: ট্যুর ডি ফ্রান্স ৬–২৮ জুলাই. ফ্রান্স,1572781 2019-01-01,যৌন হয়রানির অভিযোগ অস্বীকার আফগানিস্তান ফুটবল-প্রধানের,,খেলা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572780/%E0%A6%AF%E0%A7%8C%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8,sports,online,4,ফুটবল|আফগানিস্তান,বেশ কয়েক দিন আগে আফগানিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান কেরামুদ্দিন করিমের বিরুদ্ধে তিন নারী ফুটবলার যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন। এই অভিযোগকে অস্বীকার করে তিনি জানিয়েছেন. মানহানির উদ্দেশ্যেই এমন অভিযোগ করা হয়েছে বেশ কয়েক দিন আগে আফগানিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান কেরামুদ্দিন করিমের বিরুদ্ধে তিন নারী ফুটবলার যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন। এই অভিযোগকে অস্বীকার করে তিনি জানিয়েছেন. মানহানির উদ্দেশ্যেই এমন অভিযোগ করা হয়েছে তিনজন আফগানি নারী ফুটবলার যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন দেশটার ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট কেরামুদ্দিন করিমের বিরুদ্ধে। যতক্ষণ না পর্যন্ত এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হচ্ছে. করিম কেরামুদ্দিনসহ অভিযুক্ত আরও চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে বাইরে যেতে পারবেন না. এ নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল। এই অবস্থায় নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সরাসরি অস্বীকার করে কেরামুদ্দিন করিম জানিয়েছেন. ‘এটা আমার সম্মানহানি করার জন্য একটা চক্রের কারসাজি। এসব অভিযোগ আমি অস্বীকার করছি। এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তিই নেই। শুধুমাত্র পরিচয় না দিতে চাওয়া. চেহারা না দেখতে পাওয়া কয়েকজনের কণ্ঠস্বর এই অভিযোগ তুলেছে আমার দিকে। এতে কোনো কিছু প্রমাণ হয় না।’ ভয়ংকর এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে করিমকে নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাও। বহির্বিশ্বের কাছে আফগানিস্তানের মানহানি করার হীন উদ্দেশ্য নিয়ে অভিযোগকারীরা এমন কাজ করছে বলে মনে করছেন করিম. ‘যারা এসব অভিযোগ করছে. তারা আফগানিস্তান ছেড়ে ইউরোপে থাকতে চায়. বাইরের বিশ্বের কাছে আমাদের দেশের. আমাদের ফেডারেশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে চায়। এমন শত্রু আফগানিস্তানের ভেতরে ও বাইরে ছড়িয়ে আছে অনেক।’ এসব অভিযোগের প্রভাব তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের পড়ছে বলে জানিয়েছেন দুই স্ত্রী ও ১১ সন্তানের জনক. ‘অ্যাটর্নি জেনারেল তদন্ত করে দেখবেন এসব অভিযোগের সত্যতা আদৌ আছে কি নেই। একজন স্বামী হিসেবে. একজন পিতা হিসেবে অনেক যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছি আমি।’ এদিকে নারী ফুটবল দলের সাবেক সহকারী কোচ হেলি কার্টার জানিয়েছেন যথাযথ তদন্তে যে দোষী হিসেবে বের হয়ে আসবেন. তাকেই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে. ‘নারী খেলোয়াড়েরা তাদের অভিযোগ আমাকে জানিয়েছে. অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণও দেখিয়েছে আমাকে। তাই করিম যদি মনে করে থাকেন অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই. সেটা হাস্যকর।’ গত সপ্তাহে তিনজন নারী ফুটবলার দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের প্রধানের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানকে জানান. তারা যৌন হয়রানির শিকার। ফেডারেশন প্রধান তাঁদের এই বলেও হুমকি দিয়েছিলেন. যে এসব কথা ফাঁস করলে জীবনশঙ্কায় পড়তে হবে. ক্ষতিগ্রস্ত হবে সবার পরিবার। একজন নারী ফুটবলার ঘটনার ভয়াবহতার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন. করিমের অফিসের মধ্যে গোপন শয়নকক্ষে যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন তিনি. খেয়েছেন ঘুষিও। আরেকজনের অভিযোগ. করিম তাঁর ঘাড় ও ঠোঁটে চুমু দিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে তাঁকে সমকামী আখ্যা থেকে দল থেকেই বাদ দিয়ে দিয়েছেন! আরেকজনের অভিযোগ. করিম তাঁর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে তাঁর সঙ্গে অনৈতিক কাজ করতে চেয়েছেন। অভিযুক্ত কেরামুদ্দিন করিম আফগানিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পাশাপাশি দেশটার একজন রাজনীতিকও বটে। আফগানিস্তানের পাঞ্জশির এলাকার গভর্নর ছিলেন তিনি।,1572780 2019-01-01,‘মধু বাহিনী’র প্রধানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572779/%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E2%80%99%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%A8,bangladesh,online,4,মানবতাবিরোধী অপরাধ|অপরাধ|আইন ও বিচার,একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের মো. মধু মিয়া তালুকদার ওরফে মো. মধু মিয়াসহ (৬৬) দুজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য নিযুক্ত তদন্তসংস্থা।মধু মিয়া বানিয়াচং থানার মুরাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও বিএনপির সমর্থক। এখন তিনি কারাগারে। এই মামলার আরেক আসামি পলাতক থাকায় তাঁর নামপ্রকাশ করেনি তদন্তসংস্থা। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে স্থাপিত তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক এম এ হান্নান খান। তিনি জানান. এটি তদন্ত সংস্থার ৬৭তম তদন্ত প্রতিবেদন। সংস্থার জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক সানাউল প্রথম আলোকে বলেন. আসামি মধু মিয়ার বিরুদ্ধে একাত্তরে গণহত্যা. হত্যা. অপহরণ. আটক. নির্যাতন. লুটপাটসহ মোট ৫টি অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে তদন্ত শুরু হয়। এরপর গত বছরের ২৩ মে তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। মধু মিয়া এবং তার বংশের লোকজন মুসলিম লীগের সমর্থক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি বানিয়াচং থানার মুরাদপুর ইউনিয়নে শান্তি কমিটি ও ‘মধু বাহিনী’ নামে একটি রাজাকার দল গঠন করেন। তখন এই মধু ওই রাজাকার কমিটির প্রধান ছিলেন। দেশ স্বাধীন হলে তিনি পলাতক থাকেন। ১৯৭৬ সালে তিনি নিজ গ্রামে ফিরে এসে বিএনপিতে যোগদান করেন। ২০১৬ সালে বিএনপি থেকে বানিয়াচং থানাধীন মুরাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। বর্তমানে তিনি এই ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতি।,1572779 2019-01-01,কঠিন নিউজিল্যান্ডকেই পাবে বাংলাদেশ,,খেলা ডেস্ক,১১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572774/%E0%A6%95%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6,sports,online,4,ক্রিকেট|বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড সিরিজ,ঘরের মাঠে টানা চার সিরিজ জেতার নতুন রেকর্ড করেছে নিউজিল্যান্ড। ঘরের মাঠ. পরের মাঠ মিলিয়ে গত সাত সিরিজের ছয়টাতেই জিতেছে তারা। ধারাবাহিক সাফল্যের প্রতিফলন টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়েও। নিউজিল্যান্ডের পরের টেস্ট ফেব্রুয়ারিতে. বাংলাদেশের বিপক্ষে। ঘরের মাঠে টানা চার সিরিজ জেতার নতুন রেকর্ড করেছে নিউজিল্যান্ড। ঘরের মাঠ. পরের মাঠ মিলিয়ে গত সাত সিরিজের ছয়টাতেই জিতেছে তারা। ধারাবাহিক সাফল্যের প্রতিফলন টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়েও। নিউজিল্যান্ডের পরের টেস্ট ফেব্রুয়ারিতে. বাংলাদেশের বিপক্ষে। টানা চার টেস্ট সিরিজ জেতার পুরস্কার র‍্যাঙ্কিংয়েও পেল নিউজিল্যান্ড। কেন উইলিয়ামসনের দল দক্ষিণ আফ্রিকাকে টপকে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কাল প্রকাশিত ২০১৮ সালের সর্বশেষ র‍্যাঙ্কিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকানদের চেয়ে ১ রেটিং পয়েন্টে এগিয়ে কিউইরা। শ্রীলঙ্কাকে ১-০ ব্যবধানে হারানোর পর ১০৭ রেটিং পয়েন্ট হয়েছে নিউজিল্যান্ডের। দক্ষিণ আফ্রিকা অবশ্য পাকিস্তান সিরিজ শেষেই আবার পেছনে ফেলতে পারে নিউজিল্যান্ডকে। সিরিজে ১-০-তে এগিয়ে থাকা দলটি উঠে যেতে পারে দ্বিতীয় স্থানেও। বছর শেষের র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ আছে অষ্টম স্থানে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-১–এ এগিয়ে থাকা ভারত (১১৬) সবার ওপরে. ১০৮ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ইংল্যান্ড। ব্যাটসম্যানদের টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ পয়েন্ট হারালেও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের চেয়ে ৩৪ পয়েন্ট এগিয়ে কোহলি। সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে ৬ উইকেট নেওয়া কাগিসো রাবাদাই ধরে রেখেছেন বোলিংয়ের শীর্ষস্থান। ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসনের চেয়ে মাত্র ৬ পয়েন্ট এগিয়ে প্রোটিয়া ফাস্ট বোলার। পাঁচ ধাপ এগিয়ে তিনে উঠেছেন মেলবোর্ন টেস্টে ৯ উইকেট নেওয়া অস্ট্রেলীয় ফাস্ট বোলার প্যাট কামিন্স। কামিন্সের মতো ক্যারিয়ার-সেরা অবস্থানে উঠেছেন ভারতের যশপ্রীত বুমরাও। ম্যাচে ৯ উইকেট নেওয়া বুমরা ১২ ধাপ এগিয়ে উঠেছেন ১৬ নম্বরে। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাটিংয়ে সবার ওপরে সাকিব আল হাসান (২৩ তম)। বোলিংয়ে সাকিবের (২০ তম) চেয়ে এগিয়ে শুধু মেহেদী হাসান মিরাজ (১৭ তম)। অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে সাকিবই ধরে রেখেছেন এক নম্বর জায়গা। আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিং র‍্যাঙ্কিং দল রেটিং ১ ভারত ১১৬ ২ ইংল্যান্ড ১০৮ ৩ (+১) নিউজিল্যান্ড ১০৭ ৪ (-১) দ. আফ্রিকা ১০৬ ৫ অস্ট্রেলিয়া ১০২ ৬ শ্রীলঙ্কা ৯৩ ৭ পাকিস্তান ৯২ ৮ উইন্ডিজ ৭০ ৯ বাংলাদেশ ৬৯ ১০ জিম্বাবুয়ে ১৩,1572774 2019-01-01,সেই সুন্দর একটি ভোরের অপেক্ষায়...,,আশফাকুজ্জামান,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572773/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A7%9F,opinion,online,4,চিঠিপত্র,২০১৯ তোমাকে বলছি। তুমি কেমন আছ? উত্তর দিচ্ছ না। ক্ষতি নেই। সময়ই বলে দেবে কেমন আছ। অপরিচিত কারও সঙ্গে কথা বলা কষ্টকর। তারপরও এই ঝুঁকিটা নিচ্ছি। তোমাকে বলতে চাই. কতগুলো গোপন বেদনার কথা। জানো. একসময় আমিও মানুষ ছিলাম। কেন? তুমি কি এখন মানুষ না? হয়তো। কিন্তু সেই মানুষ না। তিনিই সেই মানুষ. যিনি সমস্ত পৃথিবীর হয়ে দুঃখ পান। নাফ নদীর অথই জলে মৃত শিশু ভাসতে দেখে আমি তো দুঃখ পাই না। বোমায় বিধ্বস্ত ঘরের মধ্যে একমাত্র বেঁচে যাওয়া রক্তাক্ত শিশুর জন্য কেঁদে উঠি না। লাখ লাখ মানুষ নদীতে ভাসতে দেখে. নারী–শিশুকে ধর্ষিত হতে দেখে. পুরুষদের সার বেঁধে গুলি খেতে দেখে বেদনায় চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরেনি। ২০১৯. তুমি জানো? যিনি মানুষ. তিনি ঝরাপালকের বেদনায়ও কষ্ট পান। এমনভাবে শিশিরভেজা ঘাসের বুকে পা ফেলেন যেন মাটির বুকেও কষ্ট না লাগে। আমার তো এমন হয় না। আমার কারণে কেউ হয়তো দুঃখ পান। চারদিকে এত অন্যায়. অমানবিকতা দেখি। অত্যাচার. নিষ্ঠুরতা দেখি। গুম. খুন. হত্যা. ধর্ষণের কথা শুনি। হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের কথা শুনি। কই? আমি তো কোনো প্রতিবাদ করি না। চিৎকার করে বলি না বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় এসব চলবে না। আমি তো লজ্জায় মাথা নত করি না। ২০১৯. তাই তোমাকে বলছিলাম একসময় আমিও মানুষ ছিলাম। এই তো মাত্র সেদিন সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী রাজীব ও মিমের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখলাম। সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী শাকিলকে বাস থেকে ফেলে হত্যা করা হলো। এক ঘাতক যান হাত ছিঁড়ে নিয়ে গেল এক যাত্রীর। সেই যাত্রীকে দেখিনি। সেই হাত আমি দেখেছি। সেই হাত এই গ্রহের মানুষের কাছে নালিশ জানিয়েছিল। তোমরা এই অন্যায় মেনে নিয়ো না। কিন্তু আমি তো মেনে নিয়েছি। সেসবের পরও প্রতিদিন সড়কে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এই বেটা ২০১৯! এরপরও তুমি আমাকে মানুষ বলবে? রাগ করো না ভাই। রাগে. দুঃখে. বেদনায় অনেক সময় নীল হয়ে যাই। মাথা ঠিক থাকে না। তোমাকে তো আগেই বলেছি. তোমাকে কিছু গোপন বেদনার কথা বলব। যাকে ভালো বাসা যায়. তার সঙ্গে রাগও করা যায়। মৃত্যুর চেয়ে নিঃশব্দ আর কী হয়? সব্যসাচী লেখক. পরানের গহিন ভেতরের লেখক অমর কথাশিল্পী সৈয়দ হক চলে গেলেন। এখনো মৃত্যুর গন্ধ শুকায়নি। মাত্র কয়েক দিন আগে চলে গেলেন ‘গোলাপী এখন ট্রেনের মতো’ অনেক নান্দনিক সিনেমার নির্মাতা নন্দিত চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন। কিসের মৃত্যু. কিসের ধ্বংস—কোনো কিছুই আমাকে স্পর্শ করে না। খাই দাই। ঘুমাই। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিই। সন্ধ্যা হয়। ভোর আসে। আবার আরেকটি ভোরের জন্য অপেক্ষা। ২০১৯ তোমার কি মনে হয় এখনো আমি মানুষ আছি? যে সময় তোমার সঙ্গে কথা বলছি. সে সময়ে প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে সারা দেশ। গরিব মানুষ নিশ্চয়ই শীতে কষ্ট পাচ্ছে। আমাদের একটি জনপদ উত্তরবঙ্গ। সেখানে সবকিছু বেশি বেশি। দারিদ্র্য বেশি. নিরক্ষরতা বেশি. শীত বেশি। প্রায় প্রতিবছর এখানে শীতে মানুষ মারা যায়। এবারও তারা শীতে হয়তো আরও বেশি কষ্ট পাবে। আমি তো লেপের মধ্যে শুয়ে নাক ডাকছি। অনেকগুলো কাপড় পরেও বলছি. আহ! কী শীত। আমি হয়তো অনেক কিছু বুঝি না। কতকগুলো মানুষ শীতে কষ্ট পাবে. সেটা তো বুঝি। কই আমি তো এসব মানুষের জন্য কিছু করছি না। তাই তো তোমাকে বলছিলাম ২০১৯. আমি আর আগের মতো নেই। এই যে ধরো না. আমাদের শিশুদের শৈশব বলে কিছু নেই। তোমার জানার কথা না। আমরা তখন শৈশবে। আমরা জানি। আমাদের শৈশব কত আনন্দের ছিল। সে সময় পড়ালেখা ছিল অকাজ। কাজ ছিল গ্রীষ্মের দুপুরে ঢিল ছুড়ে আম পাড়া। পাখি ধরা। নদীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সাঁতার কাটা। ঘুড়ি ওড়ানো। দাঁড়িয়া বান্ধা. ফুটবল. ক্রিকেট. ব্যাডমিন্টন আরও কত–কী খেলা। রাতে দাদা-নানির কাছে গল্প শোনা। জোনাকি ধরা। এ পাড়ায়–ও পাড়ায় ঘোরাঘুরি। সে এক দারুণ সময়! তোমাকে বলে বোঝানো যাবে না। এখনকার শিশুরা সেসব চিন্তাই করতে পারে না। আমরা বড়রা তাদের শৈশব কেড়ে নিচ্ছি। কেড়ে নেওয়া উচ্চারণটা দুর্বল লাগছে। শৈশব হরণ করছি বা লুট করছি। তাদের কেবল পড়া. পড়া আর পড়া। প্রচণ্ড শীতের ভোরে নিজের ওজন থেকে বেশি ওজনের বইয়ের বোঝা নিয়ে স্কুলে যাওয়া। স্কুল থেকে ফিরে কোচিং। কোচিং থেকে ফিরে বাড়িতে টিচারের কাছে পড়া। খেলার মতো তাদের সময় কই? এমনকি ঠিকমতো ঘুমাতেও পারে না। মাত্র এক-দুই নম্বর কম পেলে অভিভাবকদের সে কী বকাঝকা! এই তো কয়েক মাস আগের ঘটনা। চাঁদের মতো ফুটফুটে দুটো শিশু অরণি. আলভি। নিজের মা গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পড়াশোনায় একটু অমনোযোগী ছিল। এইটুকু তাদের অপরাধ। এখনো বাতাসে ফিরছে এই শিশুদের মৃত্যুর গন্ধ। তুমি বলো. ২০১৯. কোনোভাবে এটা মেনে নেওয়া যায়? এত মিষ্টি দুটো শিশু। আমি নিশ্চিত তুমি দেখলে চোখের পানি ধরে রাখতে পারতে না। আমি পেরেছি। আমাদের শিশুদের শৈশব হরণ করার বিরুদ্ধে. জিপিএনির্ভর শিক্ষার বিরুদ্ধে। আমি কি চিৎকার করে বলেছি. তিরিশ লাখ মানুষ রক্ত দিয়ে যে দেশ স্বাধীন করে. সে দেশে এ অনিয়ম চলবে না। এসব বন্ধ করতে হবে। আর এ জন্যই তোমাকে বললাম. একসময় আমিও মানুষ ছিলাম। আরও অনেক কষ্টের কথা আছে। সব কি আর বলা যায়? আগে আমরা গরিব ছিলাম। কিন্তু আমাদের একজনের প্রতি অন্যজনের গভীর ভালোবাসা ছিল। মায়া–মমতা ছিল। আবেগ–অনুভূতি ছিল। মানুষের সুখে-দুঃখে অন্তরাত্মা দিয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করতাম। এখন মধ্য আয়ের দেশ আমাদের ঐশ্বর্য দিচ্ছে। কিন্তু কেড়ে নিচ্ছে মানুষের প্রতি মানুষের. ভালোবাসা. সহমর্মিতা। কাছে থাকা. পাশে থাকার মানসিকতা। আমরা ক্রমশ একে অন্যের থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। এখন আগের মতো কেউ কারও কথা শোনে না। তোমাকে নিরন্তর শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা ২০১৯। তুমি এতটা সময় আমাকে দিলে। অনেকটা সময় নিয়ে আমার কথা শুনলে। তোমাকে বেদনার কথা বলতে পেরে কিছুটা হালকা লাগছে। বিদায়ের আগে একটু অনুরোধও করে রাখি তোমাকে। ২০১৭-১৮ আমাদের অনেক দুঃখ দিয়েছে। বলা যায় অনেক বেশি মন খারাপ করেছে। তুমি ওদের মতো হয়ো না। তুমি ভালো হয়ে এসো। আপন হয়ে এসো। বন্ধু হয়ে এসো। তোমাকে নিয়ে যেন ২০২০–এর কাছে আমাদের অভিযোগ করতে না হয়। ২০১৮ আমাদের কষ্টের কথা শুনতে পায়নি। আমাদের বেদনাবোধ তাকে স্পর্শ করেনি। ২০১৯ তুমি এমন হও যেন তোমাকে এসব বলতেই না হয়। এমন কোনো ঘটনা দেখতে চাই না যা অন্যকে কষ্ট দেয়। অন্যের বেদনার কারণ হয়। আমাদের ভাষা. সংস্কৃতি. মত. পথ হয়তো আলাদা। কিন্তু আমাদের দুঃখ. আমাদের অশ্রু. আমাদের আনন্দ. আমাদের রক্তের রং সব এক। স্রষ্টার কাছে সবাই সমান। কারও প্রতি তার বৈষম্য নেই। বিগ ব্যাং নামে একটি বিখ্যাত থিওরি আছে। এই থিওরি মতে. ১০ থেকে ২০ বিলিয়ন বছর আগে এক মহা বিস্ফোরণ হয়েছিল। এ বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে এই মহাবিশ্বের যাত্রা। তরপর পৃথিবী ঘুরছে সূর্যের চারদিকে। গ্যালাক্সির চারদিকে ঘুরছে সূর্য। আবার নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘুরছে অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রন। এমনি করে জন্মের পর মৃত্যুও একটা চক্র। এই চক্র শেষ না হওয়া পর্যন্ত পৃথিবীতে মানুষ থাকবে। তোমার কাছে প্রার্থনা. এই মানুষ যেন ভালো থাকে। নিউটন একসময় মনে করতেন. সবকিছুর অবস্থান এই প্রকৃতির মধ্যে। প্রকৃতির কোনো অনিশ্চয়তা নেই। তাই আমাদের ওপরও কোনো অনিশ্চয়তা নেই। নিউটনের এই মনে করা আমাদের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। আমরা প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। তোমার কাছে প্রার্থনা. তুমি আমাদের অনিশ্চয়তা. দুঃসময়. আমাদের দুঃখ-বেদনা-কষ্টের কারণগুলো আর যেন ফিরে না আসে। অনেক না–পাওয়ার মধ্যে একটি ভালো খবর দিই। তোমার আসার মাত্র দুদিন আগে একটি নির্বাচন হলো। তোমাকে উপহার দিলাম একটি নতুন সরকার। তুমি তাদের সঙ্গে থেকো। তারা যেন একটি নতুন ভোর এনে দেয়। সেই সুন্দর একটি ভোরের অপেক্ষায় থাকব আমরা। ভালো থেকো ২০১৯। আশফাকুজ্জামান: সাধারণ সম্পাদক. মুক্ত আসর; সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রথম আলো বন্ধুসভা (জাতীয় পর্ষদ),1572773 2019-01-01,জাপা সরকারে না বিরোধী দলে. ঠিক হবে বৈঠকে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572772/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A0%E0%A6%95%E0%A7%87,bangladesh,online,4,জাতীয় পার্টি|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,জাতীয় পার্টির আগামীকাল বুধবারের যৌথসভায় সিদ্ধান্ত হবে দলটি সরকারে না কি বিরোধী দলে থাকবে। দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা আজ মঙ্গলবার এ কথা বলেছেন। রাজধানীর বনানীতে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন. নির্বাচনের ফলাফলে আমরা সন্তুষ্ট নই। জাতীয় পার্টির আরও বেশি আসনে জয়ী হওয়ার কথা ছিল। তিনি বলেন. জাতীয় পার্টি এখন দ্বিতীয় বৃহত্তম ও শক্তিশালী দল। আগামী দিনে জাতীয় পার্টিকে একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা কাজ করব । এখন পার্টির প্রধান কাজ হবে দলকে আরও সংগঠিত করা। আগামী সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি যাতে ক্ষমতায় যেতে পারে সে জন্যও প্রস্তুতি নিতে হবে এখন থেকেই। মসিউর রহমান রাঙ্গা আরও বলেন. কাল পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং প্রেসিডিয়াম সদস্যদের সঙ্গে অনুষ্ঠেয় যৌথসভায় সিদ্ধান্ত হবে জাতীয় পার্টি সরকারে না কি বিরোধী দলে থাকবে। তিনি বলেন. এরপর মহাজোটের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা হবে । আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন. জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী. ভাইস চেয়ারম্যান রওশন আরা মান্নান. আলমগীর সিকদার লোটন. বাহাউদ্দিন বাবুল. নুরুল ইসলাম প্রমুখ।,1572772 2019-01-01,নতুন বইয়ে কাঁচা ঘ্রাণ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572770/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE-%E0%A6%98%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3,bangladesh,online,4,সরকার|প্রাথমিক শিক্ষা,মাথায় লাল সবুজ টুপি। চোখে মুখে হাসির ঝিলিক। হাতে হাতে নতুন বই। বইয়ের কাঁচা সুবাসে উদ্বেলিত খুদে শিক্ষার্থীরা। নতুন বই হাতে পেয়েই নেড়েচেড়ে দেখতে ব্যস্ত একেকজন। হঠাৎ কিছু চোখে পড়তেই পাশের সহপাঠীর সঙ্গে মুখ হাত দিয়ে হাসিতে লুটিয়ে পড়ছে কেউ কেউ। আবার অনেকে বইয়ের ঘ্রাণ শুঁকে দেখছে। নতুন বই বিতরণের মধ্য দিয়ে পাঠ্যপুস্তক উৎসবে মেতে উঠেছে দেশ। রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে পাঠ্যপুস্তক উৎসব ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ উৎসবে অংশ নেয়। পাশাপাশি সারা দেশেই পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালিত হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়ে পাঠ্যপুস্তক উৎসবের উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি বলেন. ‘এই নতুন প্রজন্ম আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়ন করা। শিক্ষার গুণগত মানকে বিশ্বমানে পৌঁছানো। নতুন প্রজন্মকে আধুনিক যুগে উন্নতমানের শিক্ষা জ্ঞান. প্রযুক্তি এবং দক্ষতা দিয়ে গড়ে তোলা. যারা বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে ভূমিকা পালন করবে।’ নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের আরও বেশি ত্যাগী ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার জন্য অনুরোধ জানান মন্ত্রী। বই ছাপানো নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে এবং অসম্ভব বলে চারদিকে সমালোচনা হয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন. বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটাকে অসম্ভব মনে করলেও এ দেশে তা সম্ভব হয়েছে। বছরের প্রথম দিনেই বই তুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তিনি বলেন. এখন আর বই সংগ্রহ করতে বছরের অর্ধেক সময়ে চলে যায় না। একদিকে চলছিল অতিথিদের বক্তব্য অন্যদিকে যাদের জন্য উৎসব তারা নেড়েচেড়ে দেখছিল নতুন বইখানা। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া বিনতে হাসানে নতুন বই হাতে পাওয়া মাত্রই আনন্দ পাঠ সবার আগে পড়ে ফেলে। গল্পগুলো পড়তে ওর ভীষণ ভালো লাগে। এ বছর ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থীর হাতে ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২টি বই তুলে দেওয়া হয়েছে। ২০১০ সাল থেকে এ বই উৎসব হয়ে আসছে। গত ৯ বছরে এ পর্যন্ত তুলে দেওয়া হয়েছে ২৯৬ কোটি ৭ লাখ ৮৯ হাজার ১৭২টি বই। নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান. কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ২০১৯ সালে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম ও নবম-দশম শ্রেণির জন্য দুটি সম্পূরক কৃষি শিক্ষা বই সব থানায় পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এ বই ছাপা হয়েছে ১২ লাখ ৪২ হাজার ৬১টি। ২ কোটি ৬৬ লাখ ছেলে মেয়ে বিভিন্ন বৃত্তি পেয়ে থাকে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন. সবার শিক্ষা লাভের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া পশ্চাৎপদ দেশগুলোর জন্য অনুকরণীয় এবং রোল মডেল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন. ২০৪১ সালের আগেই এ দেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। সেই উন্নত দেশকে নেতৃত্ব দেবে এই শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সচিব বলেন. ‘পরীক্ষাকে পরীক্ষার মতো দাও। পরীক্ষায় কোনোভাবেই আশা করবে না কোনো ধরনের অবৈধ সুযোগ তোমরা সামনে আসবে। সব অবৈধ সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে। বছরের প্রথম দিন থেকে পড়াশোনা করতে হবে’। শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো অবৈধ উপায় অবলম্বন না করে সেদিকে নজর রাখতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। উৎসবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাসিবুর রহমান।,1572770 2019-01-01,১৩ বছর বয়স থেকে প্রেম করছি: দীপিকা পাড়ুকোন,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572771/%E0%A7%A7%E0%A7%A9-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%B8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8,entertainment,online,4,বলিউড,২০১৮ সালটি বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোনের জন্য বিশেষ। ছয় বছর প্রেম করার পর এ বছরই তিনি বিয়ে করেছেন প্রেমিককে। পেয়েছেন পুরস্কার. সম্মাননা। হয়েছেন ভারতের শীর্ষ আয় করা নারী তারকা। বিয়ের পর ফিল্মফেয়ারকে এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি। সেখানে বিয়ের পাশাপাশি উঠে এসেছে সহশিল্পী. প্রেমিক ও স্বামী রণবীর সিংয়ের প্রসঙ্গ। চলুন. পড়ে নেওয়া যাক সাক্ষাৎকারটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এশিয়ার ৫০ জন আবেদনময়ী নারীর মধ্যে আপনি শীর্ষে। আপনার কাছে এর কোনো অর্থ আছে? সত্যি বলতে. নেই। আমার নামটা ওখানে দেখে আমি খুশি হইনি. তা নয়। কিন্তু এই তকমা দিয়ে আমাকে যাচাই করা যাবে না। কাম ও নাম বিষয় দুটোকে এক করে ফেললে চলবে না। প্রথমেই আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে এটা একটা ভুল ট্যাগ। ব্যাপারটা কিন্তু কেবলই শারীরিক নয়; মানসিক. আত্মিক ও ব্যক্তিত্বের সঙ্গেও সম্পৃক্ত। এই বিষয়গুলোর সমন্বয়ে আমার নামটি যদি উচ্চারিত হয়. তাহলে ভালো। তবে এটা কিন্তু আমার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করবে. তা নয়। সম্প্রতি আপনি ভারতের চতুর্থ শীর্ষ রোজগার করা তারকা হয়েছেন।এটা নিয়ে আমি রোমাঞ্চিত; বিশেষ করে পারিশ্রমিক–বৈষম্য নিয়ে যখন কথা হয়। আমি আনন্দিত যে. বিষয়টি সামনে এসেছে। আমি এটা নিয়ে গর্বিত. কারণ আমি এটি অর্জন করেছি. চেয়ে নিইনি। বছরের পর বছর কাজের মাধ্যমে আমাকে এখানে পৌঁছাতে হয়েছে। চাইলেও অকারণে কোনো বোকাও আপনাকে এই টাকা দেবে না। এখনো নারী ও পুরুষ অভিনয়শিল্পীদের সম্মানী-বৈষম্য রয়েছে. এ নিয়ে আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। কিন্তু এটা অবশ্যই উল্লেখযোগ্য একটি মুহূর্ত। আপনি আপনার অনেক পুরুষ সহকর্মীর থেকেও বেশি আয় করেন। এটা কি অন্য নারীদের আত্মবিশ্বাস জোগায়?জোগায়। অন্যরা কত নেয় জানা সত্ত্বেও আমি প্রায়ই ইচ্ছে করে টাকা বেশি নিই। ‘না’ বলার ক্ষেত্রে আমি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। সেটা সিনেমা বা কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্যদূত বা কোথাও উপস্থিত হওয়া—যা-ই হোক না কেন। আমি এটা আমার নিজের জন্য করি. তা নয়। বেশি নিই. কারণ আমি একটা প্রজন্মের জন্য পথ তৈরি করে দিতে চেয়েছি। কাউকে এটা করতেই হতো। আমি করতে পেরে আনন্দিত। এ কারণেই গত দুই বছর কোনো ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি? না। সিনেমার ক্ষেত্রে আমি সব সময়ই দেখি. মন কী চায়। সৃজনশীল কিছু না হলে কাজ করতে ইচ্ছে করে না। একবার পরপর চারটা ছবি করছি মানে যে আমাকে বছরে চারটি করে ছবি করতে হবে. তা নয়। করছি. কারণ প্রতিটি ছবি আলাদা এবং সৃজনশীলতার দিক থেকেও রোমাঞ্চকর। ধরেন দারুণ কিছু. তাহলে টাকা কম নেবেন? দেখতে হবে। বিষয়টি নির্ভর করবে সেখানে পুরুষ শিল্পী কত নিচ্ছেন. সেটার ওপর। সবাই জানে যে কে কত নেন এবং কেন নেন। সেসব ক্ষেত্রে আবার গোঁ ধরে বসে থাকি না। আমি এ বিষয়েও সচেতন যে খান সাহেবদের তুলনায় আমি কতটা পেতে পারি। এমনকি রণবীর সিং. রণবীর কাপুর ও বরুণ ধাওয়ানদের মতো নতুনদের বিষয়েও আমি সচেতন। আমি আমার অবস্থানটা বুঝি। আমি প্রযোজনার খরচ সম্পর্কেও অবগত। আমি এক টাকাও চাইব না. যদি টাকাটা ছবির পেছনে খরচ করা হয়। কিন্তু আমি নিজের অংশটুকু ছাড়ব না. যদি পুরুষ শিল্পীকে টাকা বেশি দেওয়ার জন্য আমাকে কেউ কম দিতে চায়; এমনকি যদি বলেন যে রণবীর সিংকে ছবিতে নেব. তাঁকে অনেকগুলো টাকা দিতে হবে. আপনি বেশি নেবেন না. তাহলে আমি শুনব না। সে ক্ষেত্রে আমাকেও সমান সম্মানী দিতে হবে। গত দুই বছর মনের মতো চরিত্রের জন্য অপেক্ষা করতে খারাপ লেগেছিল? একটু লেগেছিল। কিন্তু আমি নিজেকে ঢেলে সাজানোর খানিকটা সময় পেয়েছিলাম। পুরো সময়টিই দিয়েছিলাম মেঘনা গুলজারের ছবির (অ্যাসিড–সন্ত্রাসের শিকার লক্ষ্মী আগারওয়ালের জীবন নিয়ে চলচ্চিত্র) জন্য। আসলে নিজের কাজের জন্য হলেও জীবনটাকে পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরেই আমি কিন্তু যা করা প্রয়োজন. সবকিছু করেছি। পছন্দের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি. বিয়ে করেছি. ভ্রমণে গিয়েছি. ঘুমিয়েছি। আমি নিজেকে গড়ে তুলেছি। মানুষ হিসেবে. সর্বোপরি শিল্পী হিসেবে এটা আমাদের জন্য জরুরি। নিজেকে সময় দিতে হবে। আমরা তো সিনেমার কাঁচামাল। পশ্চিমে ব্যাপারগুলো এ রকম নয়। তারা দুই বা তিন বছরে একটি করে ছবি করে। আমাদের মনস্তত্ত্ব বদলাতে হবে। মেঘনা গুলজারের ছবিটা আপনাকে রোমাঞ্চিত করল কেন? ছবিটার সঙ্গে মানুষের যোগ আছে। আমি অনেকবার লক্ষ্মী আগারওয়ালের সঙ্গে দেখা করেছি। আমার টিম আমাকে মেঘনার ছবি সম্পর্কে বলেছিল। মেঘনা নিশ্চিত ভেবেছিলেন যে আমি রাজি হব না। আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম ঠিকই. কিন্তু সে বিশ্বাসই করতে পারেনি আমি রাজি হয়ে যাব। সে প্রথম দৃশ্যটা যখন আমাকে বলল. আমি তখন রাজি হয়ে গেলাম। আমি গল্প বুঝে ফেলেছিলাম। এটা এমন একটা গল্প. যেটা বলতে পারতে হবে। আমি জানি. মেঘনা এর সঙ্গে কতটা সম্পৃক্ত। পরিচালকের সঙ্গে শিল্পীকেও একাত্ম হতে হবে। এমনকি কলাকুশলীদেরও ছবিটার ব্যাপারে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। মেঘনা প্রথম দৃশ্যের বর্ণনা করার পর আমার টিম বলল. পরে জানাচ্ছি। কিন্তু আমি বলেছিলাম. আমি ছবিটা করছি। বিষয়টি এতটাই সহজ ছিল। আমরা অযথাই প্রক্রিয়াগুলোকে জটিল করে তুলি। আমি সবার সঙ্গেই যোগাযোগ করেছি। ছবিটা কেন করছি. সে ব্যাপারে আমি সৎ ছিলাম। নির্মাতাকে যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে। যদি কাজের সঙ্গে যুক্ত না হই. তাহলে শুধু শুধু তারিখ নিয়ে ঝুলিয়ে রাখব কেন? সুপারহিরোর চরিত্রে কাজ করার কথা শোনা যাচ্ছিল...হ্যাঁ. করছি। আশা করি কাজটা হবে। অবশ্য এখনো কোনো চিত্রনাট্য হয়নি। আমি আর আমার এক বন্ধু সেটা তৈরি করছি। বিমানে বসে বসে তাঁর সঙ্গে কাজটা নিয়ে কথা বলছিলাম। সুপারহিরোর একটা ছবি করব—এটা ঠিক আছে. কিন্তু জিনিসটা এখনো অঙ্কুরেই রয়েছে। আপনি তো প্রযোজক হয়ে গেলেন। কিসের তাড়নায়? ছবির বিষয়বস্তু। আমি এমন কাজই করতে চাই. যেটা হয় একটা প্ল্যাটফর্ম হবে. নয়তো কোনো কিছুকে তুলে ধরবে কিংবা বক্তব্য থাকবে। লক্ষ্মী আগারওয়ালের কাহিনিটা সে রকম। জানি না পরের বার কী প্রযোজনায় যাব। আমার তো কোনো প্রযোজনা সংস্থাও নেই। সংস্থা হলে নাম কী দেবেন? ‘কা’। মিসরীয় ভাষায় এর মানে ‘আত্মা’। কোনো কিছুর মূল অংশ। বিয়েতে ফিরে যাই। অভিনেত্রীর বৈবাহিক অবস্থা ছবির ওপর কোনো প্রভাব ফেলে?আশা করি পড়বে। সবাই বিবাহিত। তাতে কি ইন্ডাস্ট্রি থেমে গেছে। তার মানে কি আমাদের কোনো মেয়ে বিয়ে করতে বাকি আছে? আমার মনে হয়. এটা বক্স অফিস যতটা না চাপিয়ে দেয়. তার থেকে যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কোনো অভিনয়শিল্পী যদি বিয়ের পর কাজ না করে. সেটা তার সিদ্ধান্ত। যদি কেউ কাজ না করে. বুঝতে হবে সে ক্লান্ত। জীবনটা যাপন করতে চায় এবং পরিবারকে সময় দিতে চায়। কিন্তু আমি নিশ্চিত. নারীরা ও রকম করে ভাবে না। যখন আপনি অমন ভাববেন না. ব্যাপারগুলো সে রকম হবে না। বিয়ের পরে আপনার জীবনে কোনো পরিবর্তন এসেছে? আমি অনেক বেশি বৈষয়িক হয়েছি। নিরাপদ বোধ করি। যখন আপনি একটা সম্পর্কের মধ্যে থাকবেন. তখন একটা অসহায়ত্ব কাজ করবে আপনার ভেতরে; যত দিনই প্রেম করেন না কেন। আমার ধারণা বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড শব্দগুলো অর্থহীন। ক্ষেত্রবিশেষে বিয়ের তুলনায় এগুলোর কোনো ভার নেই। এখন আমরা যখন একে অন্যের দিকে তাকাই. সেখানে দায়িত্ববোধের ব্যাপার থাকে। এটা কি কেবলই ভাবনার বদল নয়? বিয়ের দিন রণবীর যেভাবে আমার হাত ধরেছিল. সেটা ছিল অন্য যেকোনো সময়ের থেকে আলাদা। কিংবা হতে পারে বিষয়টি আমার মাথার মধ্যে ঘটছে। সেখানে একটা দায়িত্ববোধের ব্যাপার ছিল. যেটা আমি ব্যাখ্যা করতে পারব না। এখন যা কিছু করি. ‘আমরা’ করি। তার মানে এই নয় যে আপনি আপনার ব্যক্তিত্ব ও স্বাধীনতা ভুলে যাবেন। কিন্তু ভালো লাগছে যে আমি একই ঘরে একজনের সঙ্গে থাকছি। এমনকি ছবির প্রচারণার কাজে সে দৌড়ে বেড়াচ্ছে. কিন্তু রাতে ঠিকই আমার কাছে ফিরছে। ভোর চারটায় হলেও তো আসছে। সম্পর্কের মধ্যে থাকলে সেটা সম্ভব ছিল না। আমরা কখনোই লিভ টুগেদার করতে চাইনি। দেখেন. আমরা একে অন্যকে বিয়ে করেছি না করিনি? সেই দিক থেকে হয়তো আমরা সেকেলে। প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে আমরা একত্রে ছিলাম. বেড়াতে গিয়েছি. ছুটি কাটিয়েছি একত্রে. কিন্তু আবার যার যার বাড়িতে ফিরতে হয়েছে। আমরা পরিষ্কার ছিলাম যে আমাদের বিয়ের পরে একত্রে থাকতে হবে। এখন আমরা একে অন্যের খোঁজ-খবর নিতে পারি. দেখতে পারি কে কী করছি। রাতে সে কী খাবে (হেসে) ...সব। একসঙ্গে থাকার বিষয়টি কেমন. একটু বিস্তারিত বলবেন? একত্রে থাকাটা খুবই নান্দনিক। আমি নিশ্চিত নিন্দুকেরা বলবে কেবল তো বিয়ে করেছ. ১৫-২০ বছর অপেক্ষা করো. তারপর বুঝবে কী হয়। এখনকার কথা বলি. এটাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অনুভূতি। আমার একত্রে থাকতে ভালো লাগছে. কারণ কাজের জন্য আমি অনেক কম বয়সে ঘর ছেড়েছিলাম। অনেক বন্ধু বলেছে. তারা অত জলদি বাড়ি থেকে বেরোতে চায় না। আমি ছিলাম উল্টো। বরং পরিবারকে বলেছিলাম. আমাকে যেতে হবে। যখন প্রেম করছিলাম. ওর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি বা আমার বাবা-মায়ের সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে একটা ভালো সময় পার করতে চেয়েছি. যার সঙ্গে কথা বলব. নাশতা করব. সেটা মনের মতো কেউ হওয়া চাই। অথচ ১৫ বছর ধরে আমি একা। রণবীর ফিল্মফেয়ারের সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন. তিনি বিয়ে করতে প্রস্তুত ছিলেন। আপনি কেন ১০ বছর সময় নিলেন?এটা তো তাঁর ওপর ছিল না। বিষয়টি হচ্ছে আমি প্রতিশ্রুতি দিতে প্রস্তুত কি না। আমার আগেও কয়েকটি সম্পর্ক ছিল এবং কয়েকবার মন ভেঙেছে। যখন রণবীরের সঙ্গে দেখা হলো. এলোমেলো অবস্থায় ছিলাম। সম্পর্কহীন অবস্থায় ছিলাম। কিছুদিনের জন্য একা থাকতে চেয়েছিলাম। ভেবেছিলাম আর খুচরা প্রেম করব না। ১৩ বছর বয়স থেকে প্রেম করছি. বিয়ে করে ফেলেছি. এখন সেসব বলাই যায়। কোনোটা এক. কোনোটা দুই. আবার কোনোটা তিন বছর টিকেছিল। কাউকে ভালো লাগলে নিজেকে উজাড় করে দেওয়া যায়। ২০১২ সালে আমি যে সম্পর্কটি থেকে বিচ্ছিন্ন হলাম. মনে হচ্ছিল আমি শেষ। আমাকে এই খুচরা প্রেম বাদ দিতে হবে। আমি আর কাউকে জবাবদিহি করতে পারছিলাম না। ২০১২ সালে যখন রণবীরের সঙ্গে দেখা হলো. তাঁকে বললাম. আমার মনে হয় আমাদের দুজনের কোথাও একটা যোগসূত্র রয়েছে। আমি তোমাকে পছন্দ করি আর ব্যাপারটা লুকিয়ে রাখতে চাই না। কিন্তু কোনো প্রতিশ্রুতিতে যাব না। আমি যদি আর কারও সঙ্গে সম্পৃক্ত হই. সেটা আমি চালিয়ে যাব। কিন্তু কিছুই হলো না। আমি আর কিছুই করতে পারলাম না। এমনকি আবেগের বশে এই সম্পর্কেও উতলা হয়ে যাইনি। কিন্তু ছয় মাস আগের কথা বলতে পারি. নিজেকে আর সামলে রাখতে পারিনি। তখন ভাবছিলাম. বিয়ে করে ফেলব নাকি? তখন আর অনিশ্চয়তা ছিল না। ছয় বছরের সম্পর্ক. কত চড়াই-উতরাইয়ের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে আমাদের। কিন্তু বিচ্ছিন্ন হইনি। কোনো বড় ধরনের ঝামেলা হয়নি। আমরা ঝগড়া করেছি। কিন্তু নিজেদের সঙ্গে জড়িয়েই ছিলাম। আমরা বাগদান করেছিলাম চার বছর আগে। বলেন কী!কেউ জানে না ব্যাপারটা। চার বছর আগে আমাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। আমাদের দুজনের মা-বাবা ও বোনেরা ছাড়া বিষয়টি আর কেউ জানত না। বলছিলেন আপনার অনেকবার বিশ্বাস ভেঙেছে। এতে কি ঘৃণা তৈরি হয়নি? হয়েছে। কিন্তু বিয়ে সেটাকে বদলে দিয়েছে। যখন কাউকে নিজের শতভাগ উজাড় করে দিয়ে বারবার মন ভাঙবে. সেটা জীবনের ওপর প্রভাব ফেলবেই। এটা পরবর্তী সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রণবীরের জন্য এসব সামলানো কষ্টকর ছিল। আমরা যে এসব পরিস্থিতি থেকে উতরে গেছি. সেটা কেবল তাঁর কারণে। ভালোবাসায় আস্থা হারাইনি. কিন্তু নিরাপত্তাহীনতা ছিল আমার। সত্যিকারের ভালোবাসা পেলেও সন্দেহ হতো। কারণ. আবারও যদি আগের ঘটনা ঘটে. আপনি সহ্য করতে পারবেন না। প্রত্যেকটা সম্পর্ক ও মানুষ যে ভিন্ন. সেটা আমাকে বোঝাতে রণবীরের অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। আপনারা দুজন সৃজনশীলভাবে একে অপরকে প্রভাবিত করেন কীভাবে? আমরা একে অন্যের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিই না। আমরা নিজেদের কাজ নিয়ে কথা বলি। কিন্তু সে তার সিদ্ধান্ত নেয়. আমি আমারটা। শিল্পী হিসেবে আমরা ভিন্ন। আমাদের পর্দায় উপস্থিতিটাও ভিন্ন। সে কোনো সিনেমা বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার ব্যাপারে আমার পরামর্শ নেয়। যত বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই কাজ করুক না কেন. স্ত্রী হিসেবে আমার বিষয়টিও সে মাথায় রাখে। রিমোট কন্ট্রোল কার হাতে থাকে? আমার হাতে। জানি. জিজ্ঞেস করলে সেও একই কথা বলবে। আপনি তাঁর ফোনের পাসওয়ার্ড জানেন? উউউম. না। মানে আপনি তাঁর ফোন ঘাঁটেন না? দরকার হয় না। রণবীর বলেছিলেন. বিয়ের সবকিছু আপনিই করেছিলেন। বিয়ের কথা প্রথম ভেবেছিলেন কবে?যখন পাঁচ বছরের শিশু. তখন ভেবেছি। সব মেয়েরই স্বপ্ন এটা। কিন্তু আমি তাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই ‘পদ্মাবত’ ছবিতে কাজ করার পর। আমরা বুঝতে পারছিলাম. এ রকম কিছু একটা হতে যাচ্ছে। কেবল সময়ের জন্য অপেক্ষা। যখন ছবিটা মুক্তি পেল. মনে হলো সময় হয়েছে। সে প্রস্তুতই ছিল. কিন্তু বেশ কিছু কাজের ব্যাপারে কথা দিয়ে ফেলেছিল। সময় বের করতে পারবে কি না. ঠিক ছিল না। কিন্তু সেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। রণবীরের পরিবারের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন? মজার। তার বাবার কাছে আমি মেয়ের মতো। কিন্তু তার মায়ের কাছে আমি বন্ধু। মেয়েও বটে। আমি তো তাঁর কাছে আমার একেবারে গোপন কথাটিও বলতে পারি। বিষয়টা বোঝাতে যাওয়া বোকামি হয়ে যাবে। মানে. তার কাছে আমার লুকোছাপার কিছু নেই। তাঁরা আমার বাবা-মায়ের মতো এখন. পরিবারের অংশ। আংকেল খুবই আবেগপ্রবণ. খুব সহজেই ভেঙে পড়েন। মা হচ্ছেন আসল মজার মানুষ। সকাল আটটা পর্যন্ত পার্টি চললেও তিনি থাকতে পারেন। আপনার বিয়ের একটা ঘটনা বলেন. যেটা কেউ জানে না। লোকে বলেছে. আমাদের বিয়ের ছবিগুলো জাদুর মতো। বিয়েটা আসলেই জাদুর মতো ছিল। কোথাও এতটুকু ছন্দপতন হয়নি। ইতালিতে সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিল। নভেম্বরের ১৩ তারিখ সকালে যখনই আমার হাতে মেহেদি পরানো শেষ হলো. অমনি সূর্য উঠে গেল। সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার নীল আকাশ। বৃষ্টির কারণে উদ্বিগ্ন ছিলেন? না। কারণ. আমরা যখন কোনো কিছু বিশ্বাস করি. আমাদের ভেতরে একধরনের শক্তি তৈরি হয়। নভেম্বরের ১২ তারিখ রাত থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল। রাতে আমরা স্বাভাবিকভাবেই খেতে বসেছি। আবহাওয়া নিয়ে কোনো মাথাব্যথা ছিল না। আমাদের পরিচ্ছন্ন আবহাওয়া দরকার ছিল ১৩ থেকে ১৫ নভেম্বর। আমরা সেটা পেয়েছি। এমনকি ১৬ তারিখে যখন অতিথিরা বিদায় নিচ্ছিলেন. সেদিন ঠিকই বৃষ্টি হচ্ছিল। আচ্ছা. আপনাকে বলা রণবীরের সবচেয়ে চমৎকার কথাটা কী ছিল? অনেক কথাই বলেছে। সত্যি বলতে. প্রশংসা করতে সে কার্পণ্য করে না। এটা তাকে ভালোবাসার অন্যতম প্রধান কারণ। বছর কয়েক আগে আমি যখন তার চেয়ে বেশি রোজগার করছিলাম. এ নিয়ে তার কোনো প্রতিক্রিয়াই ছিল না. এ নিয়ে কখনো কোনো কথাই বলেনি। এমনকি তার আচরণেও সামান্যতম পরিবর্তন আসেনি। সম্প্রতি সে ফিল্মফেয়ারের সাক্ষাৎকারে বলল. আমি তাকে বৈষয়িক করেছি। এই কথাটা ভালো লেগেছে।,1572771 2019-01-01,রোনালদোকে ঘর থেকে সরিয়ে দিলেন এমবাপ্পে!,,খেলা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572766/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%98%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%87,sports,online,4,ফুটবল,ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রতি তরুণ ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের মুগ্ধতার কথা নতুন নয়। এমনকি এত দিন এমবাপ্পের নিজের ঘরেও অগণিত রোনালদোর পোস্টার শোভা পেত। 'এত দিন' বলতে হচ্ছে. কেননা নতুন বছর উপলক্ষে নিজের ঘর থেকে 'আইডল' রোনালদোর পোস্টারগুলোকে সরিয়ে নিজের পোস্টার লাগিয়েছেন তিনি! ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রতি তরুণ ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের মুগ্ধতার কথা নতুন নয়। এমনকি এত দিন এমবাপ্পের নিজের ঘরেও অগণিত রোনালদোর পোস্টার শোভা পেত। 'এত দিন' বলতে হচ্ছে. কেননা নতুন বছর উপলক্ষে নিজের ঘর থেকে 'আইডল' রোনালদোর পোস্টারগুলোকে সরিয়ে নিজের পোস্টার লাগিয়েছেন তিনি! ২০১৮ সালটা বলতে গেলে স্বপ্নের মতো কেটেছে ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের। বিশ্বকাপ জিতেছেন. হয়েছেন বিশ্বকাপের সেরা তরুণ খেলোয়াড়। পিএসজির হয়ে লিগ. কাপ. সুপার কাপ জিতেছেন. নিজে হয়েছেন ফ্রান্সের বর্ষসেরা খেলোয়াড়। সব অর্জনের মুহূর্তগুলোকে নিজের কাছে সব সময় জীবন্ত করে রাখতেই কি না. নিজের ঘরের দেয়ালগুলো শুধুই নিজের পোস্টার দিয়ে ভরে ফেলেছেন তিনি। সরিয়ে ফেলেছেন দেয়ালে টাঙানো আগের পোস্টারগুলোকে। আগের বেশির ভাগ পোস্টারই ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর! গতকাল ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এমবাপ্পে। সেই পোস্টের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ছবিতে দেখা গেছে. এমবাপ্পের ঘরে এখন আর রোনালদোর ঠাঁই নেই। রোনালদোর পোস্টারগুলোকে সরিয়ে ঘরে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি নিজেই!বেশ অনেক দিন আগে এমবাপ্পে নিজের ইনস্টাগ্রামে একই রকম একটা ছবি পোস্ট করে সবাইকে জানিয়েছিলেন রোনালদোর প্রতি তাঁর মুগ্ধতার কথা। সে ছবিতে দেখা গিয়েছিল. নিজের ঘরে টাঙানো আইডল রোনালদোর পোস্টারগুলোর দিকে স্বপ্নিল চোখে তাকিয়ে রয়েছেন তিনি। গতকাল ওই একই ছবি পোস্ট করেছেন তিনি. তবে রোনালদোর পোস্টারের বদলে ছিল নিজের পোস্টার।নতুন পোস্টারগুলোর কোনোটিতে দেখা যাচ্ছে সতীর্থ নেইমারের সঙ্গে পিএসজির লিগ জয় উদ্‌যাপন করছেন তিনি. কোনোটায় দেখা যাচ্ছে সদ্য জেতা বিশ্বকাপ ট্রফিতে চুমো এঁকে দিচ্ছেন তিনি. কোনোটায় দেখা যাচ্ছে টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে তাঁর চেহারা। মেসি-রোনালদো নয়. ২০১৯ সালটা হতে যাচ্ছে এমবাপ্পের মতো তরুণদের— নতুন বছরে পা দিতে গিয়ে এমবাপ্পে কি অনুচ্চারে মেসি-রোনালদোদের ক্যারিয়ারের শেষের শুরুটাই বলে দিচ্ছেন?,1572766 2019-01-01,মমতাকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে চান তিনি,,প্রতিনিধি. কলকাতা,৩,https://www.prothomalo.com/international/article/1572765/%E0%A6%AE%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF,international,online,4,ভারত|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|পশ্চিমবঙ্গ,নতুন বছরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তৃণমূল সাংসদ ইদ্রিস আলী। তিনি বলেছেন. আগামী লোকসভা নির্বাচনে মমতাকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য জোর ডাক দিতে হবে। গতকাল সোমবার কলকাতায় অল ইন্ডিয়া মাইনরিটি ফোরামের ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সাংসদ ইদ্রিস আলী। ১৯ জানুয়ারি মমতা কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপিবিরোধী রাজনৈতিক দলের মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন। সেই মহাসমাবেশে সবাইকে উপস্থিত হয়ে মমতাকে প্রধানমন্ত্রী করার দাবি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন ইদ্রিস আলী। তিনি বলেন. ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মুহূর্তে দেশের সেরা মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কাজ আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। আমরা মনে করি. এ বছরের লোকসভা নির্বাচনে তিনিই হবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। আর এ কারণে ১৯ জানুয়ারির ব্রিগেড সমাবেশ সফল করতে হবে। জোরদার করতে হবে মমতাকে প্রধানমন্ত্রী করার দাবিকে।’ ইদ্রিস আলী বলেন. ১৯ জানুয়ারির এই মহাসমাবেশ প্রমাণ করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই এ বছরে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত হবে। তিনিই হবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ইদ্রিস আলী আরও বলেছেন. ‘কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার যা করছে. তা সংবিধানবিরোধী। তিন তালাকসহ অন্যান্য ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপকে আমরা মেনে নিতে পারি না।’ সভায় মাইনরিটি ফোরামের মুখপাত্র এম এ আলী বলেন. দেশপ্রেমিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সবাইকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন. তাঁর বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি। মানুষের স্বার্থেই তিনি রেলমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগও করেছেন। মানুষের কল্যাণে মমতা যেসব প্রকল্প গ্রহণ করেছেন. তা গোটা দেশ এবং বিদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে। ভারতের লোকসভায় রয়েছে ৫৪৩টি আসন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের মধ্যে মমতা জিতেছিলেন ৩৪টিতে। কংগ্রেস ৪টি. বাম দল ২টি এবং বিজেপি ২টি আসনে জিতেছিল। এবার অবশ্য মমতা ঘোষণা দিয়েছেন. রাজ্যের ৪২টি আসনেই জিতবেন তাঁরা। কিন্তু এই ৪২টি আসনে জিতে কি মমতা প্রধানমন্ত্রীর পদ পাবেন. তা–ই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কেননা. মমতা ছাড়াও এই পদের দাবিদার রয়েছেন অন্ধ্র প্রদেশের তেলেগু দেশম পার্টির নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু. উত্তর প্রদেশের বহুজন সমাজ পার্টির নেত্রী কুমারী মায়াবতী. মহারাষ্ট্রের জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির প্রধান শারদ যাদব. উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির নেতা মুলায়ম সিং যাদবসহ আরও অনেকে। আর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তো আছেনই। যদিও মমতার এই মহাসমাবেশে থাকবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বাম দল সিপিএম. সিপিআই ও কংগ্রেস। ফলে. এই মহাসমাবেশ থেকে বিরোধীরা মোদিকে হারাতে একজোট হতে পারবে কি না. তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কারণ. মোদি বিরোধী দলের মধ্যে নেতৃত্বের প্রশ্নে এখনো সমঝোতা হয়নি। তবে প্রক্রিয়া চলছে।,1572765 2019-01-01,বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা,,বাসস,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572764/%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE,bangladesh,online,4,শেখ হাসিনা|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। প্রধানমন্ত্রী এ সময় সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে দলের সভানেত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা এবং শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল উপস্থিত ছিলেন।,1572764 2019-01-01,চারজন গেল কোথায়?,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572762/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F,bangladesh,online,4,অপরাধ|মানবাধিকার|পুলিশ|অপহরণ,রাজধানী ঢাকার ফার্মগেটে বাস থেকে নামিয়ে চারজনকে সাদা পোশাকধারী পুলিশ নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যেরা। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে. পুলিশ ওই চারজনকে ধরার বিষয়টি অস্বীকার করছে। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সন্তানদের ফিরে পেতে মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিখোঁজ এই চারজনের পরিবারের সদস্যেরা। গত ২৯ ডিসেম্বর ওই চারজন ছাত্ররা নিখোঁজ হন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এই চারজন হলেন. এশিয়ান ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আবু খালেদ মোহাম্মদ জাবেদ ( ২৫). স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের ছাত্র বোরহান উদ্দীন (২৬). মানারাত ইউনিভার্সিটির ফার্মেসির শেষ বর্ষের ছাত্র রেজাউল খালেক (২৪) ও ঢাকা ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্র সৈয়দ মমিনুল হাসান (২৭)। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পরিবারের সদস্যেরা বলেন. গত ২৯ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটে কেনাকাটা সেরে বাড়ি ফেরার সময় ফার্মগেটে বাস থামিয়ে জাবেদ. বোরহান. রেজাউল ও মমিনুলকে আটক করে সাদা পোশাকধারী পুলিশ। বাসে থাকা ওই ছাত্রদের অন্য এক বন্ধু বিষয়টি পরিবারকে জানান। ঘটনার পর তাঁরা তেজগাঁও থানাসহ পার্শ্ববর্তী সব থানা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু সবাই আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে তাঁরা খবর পেয়েছেন. তাঁদের সন্তানেরা পুলিশের হেফাজতেই আছেন। এই ঘটনার পর তিনদিন পার হলেও তাঁদের আদালতে তোলা হয়নি। এমন অবস্থায় সন্তানদের ফিরে পেতে মানবাধিকার সংগঠন. সাংবাদিক. প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।,1572762 2019-01-01,জাপানে নববর্ষের জমায়েতে উঠে গেল গাড়ি. আহত ৯,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/international/article/1572758/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A7%AF,international,online,4,এশিয়া|জাপান|ইংরেজি নববর্ষ,জাপানের রাজধানী টোকিওর একটি জনপ্রিয় সড়কে চলছিল ২০১৯ সালকে বরণ করে নেওয়ার আয়োজন। বহু মানুষ সমবেত হন সেই আয়োজনে। এর মধ্যেই নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে আসা মানুষের ওপর দ্রুতগতিতে গাড়ি তুলে দেন এক ব্যক্তি। এতে নয়জন আহত হয়েছেন। পুলিশের বরাত দিয়ে এএফপির আজ মঙ্গলবারের খবরে বলা হয়েছে. আহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন. মানুষকে হত্যা করার উদ্দেশ্য নিয়ে ২১ বছর বয়সী কাজুহিরো কুসাকাবি ১২টা বাজার মাত্র ১০ মিনিট আগে টোকিওর ফ্যাশন ডিস্ট্রিক্ট হারাজুকুর তাকাশিতা স্ট্রিটে জনতার ভিড়ের মধ্যে একটি গাড়ি তুলে দেন। জাতীয় সম্প্রচার কেন্দ্র এনএইচকের খবরে বলা হয়. কুসাকাবি পুলিশকে বলেছেন যে মানুষ হত্যার উদ্দেশ্যে তিনি গাড়ি নিয়ে হামলা চালিয়েছেন। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর কিছু জানানো হয়নি। পুলিশের ওই মুখপাত্র আরও বলেন. হামলার ঘটনায় এক কলেজছাত্র আহত হন। তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কুসাকাবিকে আটক করা হয়েছে। প্রসঙ্গত. নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অনুষ্ঠান উপলক্ষে ওই সড়কে আগে থেকেই গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। এরপরও ইচ্ছাকৃতভাবে কুসাকাবি গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে পুলিশের দাবি।,1572758 2019-01-01,নবনির্বাচিতদের শপথ বৃহস্পতিবার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572757/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,online,4,নির্বাচন|সরকার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরা সাংসদ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) শপথ নেবেন। আজ মঙ্গলবার তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন. কাল বুধবার নির্বাচিতদের নামের গেজেট প্রকাশ হবে। সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের সংলাপে অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। একাদশ সংসদে তারাই বিরোধী দল হতে যাচ্ছে। বিএনপি জোটের সাংসদেরা শপথ না–ও নিতে পারেন বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে তাঁরা ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন. নির্বাচিতরা শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। সচিবালয়ে ওই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন. নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হবে ধারাবাহিক উন্নয়নকে রক্ষা করে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জোর দেওয়া। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন. ‘নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি–জামায়াত ঐক্যফ্রন্ট ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করছে. যা অশনিসংকেত। নির্বাচনে হারলে প্রত্যাখ্যান করা বিএনপি–জামায়াতের বদঅভ্যাস। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগের মতো বিএনপি–জামায়াতেরও অবসানের সূচনা ঘটল।’,1572757 2019-01-01,শীতে আস্থা রাখুন শতভাগ শুদ্ধ পেট্রোলিয়াম জেলিতে,,বিজ্ঞাপন,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572756/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87,life-style,online,4,রূপচর্চা,শীতে চারদিক ঢেকে থাকে কুয়াশার চাদরে। কিন্তু আবহাওয়া হয়ে যায় শুষ্ক। এ কারণে ত্বকে দেখা দেয় রুক্ষতা। হাড়কাঁপানো শীত থেকে বাঁচতে সোয়েটার. জ্যাকেট কিংবা চাদর গায়ে আপনি অনায়াসে বেরিয়ে যেতে পারেন বাইরে। এতে হয়তো আপনার ঠান্ডা কম লাগবে. কিন্তু ত্বকের যত্নে? শীতের শুষ্কতায় ত্বকের যত্নে প্রয়োজন এমন কিছু. যা ত্বককে রাখবে সুস্থ। শীতের স্বভাব ঠান্ডা হলেও মেজাজ খুব কড়া। শীতের কড়া মেজাজের দেখা মেলে ফাটা ঠোঁটের মলিনতায়. নির্জীব ত্বকের শুষ্কতায়. কাটাছেঁড়ার ব্যথায়। এসব ছোটখাটো সমস্যাই হতে পারে ত্বকের বড় অসুখের কারণ। তাই ত্বকের সুরক্ষায় প্রয়োজন শতভাগ শুদ্ধ পেট্রোলিয়াম জেলি। ত্বকের সুস্থতাকে মাথায় রেখে পেট্রোলিয়াম জেলি কেনার সময় গুরুত্ব দিতে হবে পণ্যের উপাদানের বিশুদ্ধতার প্রতি। এ ক্ষেত্রে ট্রিপল পিউরিফাইড. হাইপো অ্যালার্জিনিক ও নন-কমেডোজেনিক (যা ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে না) পেট্রোলিয়াম জেলিকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত. যা আপনার ত্বকের পক্ষে সম্পূর্ণ নিরাপদ। শতভাগ শুদ্ধ পেট্রোলিয়াম জেলি মূলত প্রাকৃতিক তেলের এমন একটি বিশুদ্ধ মিশ্রণ. যা ত্বকের কোষগুলোর মধ্যে একটি বাড়তি লেয়ার তৈরি করে এবং ত্বকে ময়েশ্চার লক করে। আর এভাবেই পেট্রোলিয়াম জেলি ত্বকের স্বাভাবিক রিকভারি সিস্টেমকে ত্বরান্বিত করে ত্বককে শুষ্কতা ও রুক্ষতা থেকে সুস্থ হতে সাহায্য করে। শুধু তা–ই নয়. এই জেলি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা. যেমন: অল্প কাটাছেঁড়া. পা ফাটা. ঠোঁট ফাটার মতো সমস্যা দ্রুত সারিয়ে তোলে। শীতকালে ত্বকের সুস্থতায় তাহলে শুদ্ধ পেট্রোলিয়াম জেলির বিকল্প নেই। চলুন জেনে নিই শুদ্ধ পেট্রোলিয়াম জেলির নানামাত্রিক ব্যবহার। • রাতে পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে ঘুমালে ছোটখাটো কাটাছেঁড়া স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুতই সুস্থ হয়। • অল্প পুড়ে যাওয়া জায়গায় লাগালে পেট্রোলিয়াম জেলি প্রথমে একটি লেয়ার তৈরি করে আর্দ্রতা রক্ষা করায় পোড়া দ্রুত সেরে ওঠে। • নখ ভাঙা কিংবা নখের আশপাশে চামড়া উঠে গেলে তা থেকে রক্ষা পেতে এবং নখকে শক্ত করতে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। • পারফিউম দেওয়ার আগে হাতে বা কানের পেছনে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করে তারপর সেখানে পারফিউম স্প্রে করুন। এভাবে পারফিউমের সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী করা যায়। • মেকআপ রিমুভার হিসেবে পেট্রোলিয়াম জেলি খুব ভালো কাজ করে।,1572756 2019-01-01,নতুন বছরে ওয়ার্নারের দুঃখ ভোলাচ্ছে দারুণ এক সুখবর,,খেলা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572752/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%83%E0%A6%96-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A6%B0,sports,online,4,ক্রিকেট,২০১৮ সালের সব দুঃখ ওয়ার্নার ভুলবেন দারুণ এক সুখবরে ২০১৮ সালের সব দুঃখ ওয়ার্নার ভুলবেন দারুণ এক সুখবরে নতুন বছর শুরু হওয়ার ঠিক আগে দিয়ে দারুণ একটা সংবাদ পেয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। আবারও মা হতে চলেছেন তাঁর স্ত্রী ক্যান্ডিস ওয়ার্নার। গত মার্চে কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে নিষিদ্ধ হওয়ার ঠিক পরপরই গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়েছিল ক্যান্ডিসের। নতুন করে বাবা হতে যাওয়ার খবরটি তাই অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সহ অধিনায়কের জন্য বড় সুসংবাদই।২০১৮ সালটা ওয়ার্নার পরিবারের জন্য ছিল ভুলে যাওয়ারই। মার্চে ডেভিড ওয়ার্নার বল টেম্পারিং-কাণ্ডে অভিযুক্ত হয়ে ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন। কঠিন সে সময়টা আরও কঠিন হয়ে যায় স্ত্রী ক্যান্ডিসের গর্ভপাতে। ২০১৮ সালের শেষ সন্ধ্যায় সুখবরটা প্রকাশ করে যেন দুঃসহ বছরটাকে বিদায় দিলেন ক্যান্ডিস।এক টুইট বার্তায় ক্যান্ডিসের ঘোষণায় মিশে ছিল হাঁপ ছেড়ে বাঁচার স্বস্তি. ‘আপনারা এ বছর আমাদের কঠিন সময়ে যে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়ে গেছেন সে জন্য আমরা দুজনই দারুণ কৃতজ্ঞ। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাচ্ছি যে ২০১৯ সালে আমাদের ৪ জনের পরিবার পাঁচজনে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ ওয়ার্নার দম্পতির দুই সন্তানের নাম আইভি মায়ে ও ইন্ডি রায়ে।নতুন করে বাবা হওয়ার খবরটি ডেভিড ওয়ার্নার এমন একটি সময়ে পাচ্ছেন যখন মার্চের বল টেম্পারিং-কাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে তাঁকে চিহ্নিত করার একটা চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে বল টেম্পারিং-কাণ্ডে ফেঁসে যাওয়া অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন ব্যানক্রফট বল টেম্পারিংয়ের পুরো ঘটনার পরিকল্পনাকারী হিসেবে ডেভিডের নাম বলেছেন। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তদন্তেও ঘটনার পরিকল্পনাকারী বলা হচ্ছে তাঁকেই। বড় দুঃসময়ে বাবা হওয়ার খবরটি যেন তাঁর কাছে তপ্ত আবহাওয়ায় এক পশলা বৃষ্টির মতোই শান্তি ও উপভোগের।,1572752 2019-01-01,নির্বাচনে ভোট দেওয়ার হার স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত: জয়,,অনলাইন ডেস্ক,৪৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572749/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A4,bangladesh,online,4,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি–বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন. এবারের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার হার স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত। গতকাল সোমবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেছেন। সংসদ নির্বাচনের চিত্র তুলে ধরে জয় লিখেছেন. নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেছে। ২৯৮ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছে ২৬৭টি আসনে। জাতীয় পার্টি জিতেছে ২০টি আসনে. বিএনপি ৭টিতে ও অন্যান্যরা জিতেছে ৪টিতে। তিনটি কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে একটি আসনে। এই কেন্দ্রগুলোর ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে। সারা দেশে ১৪টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর মোট ভোটপ্রার্থীদের মধ্যে ব্যবধানের চেয়ে কম হওয়ায় আসনগুলোয় ফলাফল ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। একটি মাত্র আসনের নির্বাচন হয়নি. কারণ সেখানে বর্তমানে শুধু একজন প্রার্থী। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন. এই নির্বাচনে গড়ে ভোট পড়েছে ৮০ শতাংশ। ১৯৯১ সালে ভোট দেওয়ার হার ছিল ৭৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ. ২০০১ সালে ছিল ৭৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ আর ২০০৮ সালে সর্বোচ্চ ৮৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। তাই বলা যায়. এবারের নির্বাচনের ভোট দেওয়ার হার স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত। তিনি আরও বলেন. ‘এই মুহূর্তে আমার হাতে ভোট দেওয়ার সব পরিসংখ্যান নেই। আমাদের দেশে প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ১০ কোটি ৪০ লাখ নিবন্ধিত ভোটার। এখনো পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে. আওয়ামী লীগের পক্ষে এবার আনুমানিক পাঁচ কোটি ভোট পড়েছে. যা অনেক দেশের জনসংখ্যা থেকেও বেশি। যাঁরা বলছেন কারচুপি হয়েছে. ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে. তাঁরা কি বুঝতে পারছেন. এই নির্বাচন ফলাফল অন্য রকম হওয়ার জন্য বিরোধী দলগুলোর আড়াই কোটিরও বেশি ভোটারের সমর্থন প্রয়োজন ছিল? যা এক কথায় অবিশ্বাস্য।’ কারচুপির ঘটনা ঘটেনি উল্লেখ করে জয় বলেন. ‘আমাদের দেশে এখন ১১টি সংবাদের টেলিভিশন চ্যানেল আছে। প্রতিটি চ্যানেলই আমরা সারা দিন দেখছিলাম। কোনো চ্যানেলেই আমরা কারচুপির কোনো ঘটনা দেখিনি। প্রতিটি কেন্দ্রেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ হচ্ছিল আর সব কেন্দ্রের সামনেই ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছিল। আমাদের দেশে বর্তমানে ১৩ কোটির মতো মোবাইল ফোন গ্রাহক আছে। বেশির ভাগ মোবাইলেই ক্যামেরা আছে। যেকোনো অসংগতি খুব সহজেই মানুষ রেকর্ড করতে পারেন। যেই কটি ঘটনা মানুষের চোখে পড়েছে. প্রতিটির ব্যাপারেই নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিয়েছে। মোবাইল ইন্টারনেট পুনরায় চালু করার পরও তেমন অনিয়মের প্রমাণ কিন্তু আমরা দেখিনি।’ প্রধানমন্ত্রীর ছেলে বলেন. ‘প্রায় সব বিদেশি পর্যবেক্ষকই বলেছে. আমাদের নির্বাচন ছিল গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ। সহিংসতায় প্রাণ হারান ১৭ জন. যার মধ্যে বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী. একজন ছিলেন জাতীয় পার্টির আর একজন ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য. যাঁকে বিএনপি-জামায়াত গুলি করে হত্যা করে কেন্দ্র দখলের সময়। ১৭ জনের মধ্যে মাত্র ছয়জন ছিলেন বিরোধী দলগুলোর সদস্য বা সমর্থক।’ জয় বলেন. ‘যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) এমন একটি সংগঠনকে পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠাতে চায়. যেটার নেতৃত্বে আছেন বিএনপি আমলের একজন সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল। এই আবদার ছিল আমাদের নির্বাচনী আইনের পরিপন্থী। কারণ. রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউই নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হতে পারে না। এর জন্যই আনফ্রেল নামক সংগঠনটির কিছু সদস্য আসতে পারেননি বাংলাদেশে। বাকি সদস্যরা কিন্তু ঠিকই ভিসা পেয়েছিলেন এবং আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন। বিরোধী দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজনকে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর চেষ্টা আনফ্রেল ও এনডিআইয়ের পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ। নির্বাচনের আগেই বিবৃতি প্রকাশ করলেও নির্বাচনের পরে কিন্তু তাঁরা আমাদের নির্বাচন নিয়ে কোনো বিবৃতি দেননি. যদিও অন্যান্য পর্যবেক্ষকেরা ঠিকই দিয়েছেন।’ নবনির্বাচিত শেখ হাসিনাকে সবাই অভিনন্দন জানিয়েছে উল্লেখ করে জয় বলেন. ‘আমাদের অঞ্চলের সব রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানই আমাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম আমার মাকে ফোন করে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। আমার সহপাঠী ও ভুটানের রাজা. চীনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীও অভিনন্দন জানান।’ জয় অভিযোগ করেন. ‘সিএনএন. বিবিসি ও অন্যান্য পশ্চিমা গণমাধ্যম আমাদের দেশের সংবাদ. আমাদের দলের ও নির্বাচন কমিশনের সব বিবৃতি অগ্রাহ্য করেই তাদের মতো সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে আমাদের নির্বাচন নিয়ে। যে কয়েকটি অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে. যেগুলোর ব্যাপারে নির্বাচন ইতিমধ্যে কমিশন ব্যবস্থা নিয়েছে। শুধু সেগুলো আর বিরোধী দল. আনফ্রেল ও যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের অভিযোগের ভিত্তিতেই তারা নিউজ করে যাচ্ছে. যা অত্যন্ত হতাশাজনক ও পক্ষপাতদুষ্ট।’,1572749 2019-01-01,বিয়েতে বুঁদ বলিউড,বলিউড ২০১৮,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572737/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1,entertainment,online,4,বলিউড,প্রতিবছরই তো বলিউডে তারকাদের প্রেম হয়. বিয়ে হয়. বিচ্ছেদ হয়। তবে এ বছর যেন তারকাদের বিয়েটা একটু বেশিই হলো। বছরের শুরু থেকেই একদম বিয়েতে বুঁদ ছিল বলিউড। সোনম কাপুর-আনন্দ আহুজা. নেহা ধুপিয়া-অঙ্গদ বেদি. রণবীর সিং-দীপিকা পাড়ুকোন. প্রিয়াঙ্কা চোপড়া-নিক জোনাস আর সবশেষ কপিল শর্মা-গিনি ছত্রাতের বিয়ে নিয়ে বলিউডে পুরো হইহই-রইরই অবস্থা ছিল বছরজুড়ে। প্রতিবছরই তো বলিউডে তারকাদের প্রেম হয়. বিয়ে হয়. বিচ্ছেদ হয়। তবে এ বছর যেন তারকাদের বিয়েটা একটু বেশিই হলো। বছরের শুরু থেকেই একদম বিয়েতে বুঁদ ছিল বলিউড। সোনম কাপুর-আনন্দ আহুজা. নেহা ধুপিয়া-অঙ্গদ বেদি. রণবীর সিং-দীপিকা পাড়ুকোন. প্রিয়াঙ্কা চোপড়া-নিক জোনাস আর সবশেষ কপিল শর্মা-গিনি ছত্রাতের বিয়ে নিয়ে বলিউডে পুরো হইহই-রইরই অবস্থা ছিল বছরজুড়ে। বলিউডে শুরু #মি টুপ্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিনের যৌনকাণ্ড ফাঁস হওয়ার পর গত অক্টোবর থেকে হলিউড উত্তাল। নারী চলচ্চিত্রকর্মীরা তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া যৌন হয়রানি নিয়ে এর পর থেকে মুখ খোলা শুরু করেন। কিন্তু বলিউড ২০১৭ সাল থেকে শুরু করে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিল একেবারেই নীরব। তবে বছরের শেষ প্রান্তিকে এসে বলিউডে দিনবদলের হাওয়া লাগে। সেখানেও শুরু হয় ‘মি টু’ হ্যাশট্যাগের ধারা। শুরুটা করেন অভিনেত্রী তনুশ্রী। তিনি অভিযোগ তোলেন তাঁর সহ-অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে। এর পর থেকে ভারতের একের পর এক বড় বড় রথী-মহারথীর নামে উঠতে থাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ। অভিযুক্ত হন অলক নাথ. সাজিদ খান. বিকাশ বেহেল. কৈলাশ খের. সুভাষ ঘাই. অনু মালিক. রজত কাপুরসহ অনেকে। নড়েচড়ে বসে চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন. গঠিত হয় নারীসহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে নতুন নির্দেশনা ও আইন। নেটফ্লিক্সের প্রভাব ২০১৮ সালে নেটফ্লিক্স ভারতের বাজারে রীতিমতো জেঁকে বসেছে। গত বছর পর্যন্ত এই আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং ওয়েবসাইট ভারতের বাজারকে নানাভাবে পর্যবেক্ষণ করে। এ বছর সেই পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তাঁরা তাঁদের সাইটে মুক্তি দেয় ‘লাস্ট স্টোরিজ’. ‘সেকরেড গেম’. ‘ঘুল’-এর মতো ওয়েব কনটেন্ট। আর তা ছাড়া মার্কিন কনটেন্টগুলো নিয়েও নেটফ্লিক্স ভারতে বেশ প্রচার-প্রচারণা চালায়। ভারতে ঘুরে যান নারকোস সিরিজ ও মোগলি ছবির নির্মাতা ও কলাকুশলীরা। পদ্মাবত নিয়ে অসহিষ্ণুতাগত বছরের শেষের দিক থেকে শুরু হয়ে এ বছরের শুরু পর্যন্ত পদ্মাবত ছবি নিয়ে ভারতের উগ্রবাদীদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা লক্ষ করা যায়। নানাভাবে তাঁরা নির্মাতা সঞ্জয়লীলা বানসালি ও অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনকে হুমকি দিতে থাকে। বানসালি ও দীপিকার বিরুদ্ধে আনা হয় ইতিহাস বিকৃতি ও অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ। কিন্তু ২৫ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তির পরই সব বিতর্কের অবসান ঘটে। প্রেম প্রেম গুঞ্জনদুই জুটির প্রেম নিয়ে এ বছর বলিউড ছিল সরগরম। এই দুই জুটি হলেন রণবীর কাপুর-আলিয়া ভাট ও অর্জুন কাপুর-মালাইকা অরোরা। তবে এ ছাড়া ২০১৮ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হওয়া ইশান খাট্টার ও জাহ্নবী কাপুরের প্রেমের গুঞ্জন বলিউডে উত্তাপ ছড়িয়েছে বেশ। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিতর্কএ বছর ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিতর্কের মুখে পড়ে দেশটির রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কারণে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মাত্র কয়েকজন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে চলে যান। বাকি বিভাগের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন দেশটির তথ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। এ কারণে জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী অনেকে অনুষ্ঠানটি বর্জন করেন। সালমান খানের হাজতবাসবলিউড তারকা সালমান খান এ বছরের এপ্রিল মাসে দুই রাত কাটান ভারতের যোধপুরের জেলখানায়। ১৯৯৮ সালে মায়া হরিণ শিকারের মামলায় তাঁকে থাকতে হয়েছে কারাগারে। দুই রাত জেলে কাটানোর পর তৃতীয় দিনে গিয়ে জামিন পান তিনি। এ মামলায় পাঁচ বছরের সাজা হয় সালমান খানের। কঙ্গনা এ বছরও বিতর্কের রানিকঙ্গনা রনৌত গত বছর অভিনেতা হৃতিক রোশনের সঙ্গে বেশ নোংরা বিবাদে জড়িয়েছিলেন। এ বছরও তিনি বিতর্কের মুখে পড়েছেন। তবে ভিন্ন কারণে। এ বছর কঙ্গনা রনৌত তাঁর মনিকর্নিকা ছবিটি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। বছরের বিভিন্ন সময় এ ছবির জন্য সমালোচিত হয়েছেন তিনি। কখনো ছবির কুশলীদের পারিশ্রমিক না দেওয়ায় ক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি. কখনো আবার পরিচালককে হটিয়ে নিজেই পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে নেওয়ায় সমালোচিত হয়েছেন।,1572737 2019-01-01,মৃণাল সেনের শেষকৃত্য আজ,,প্রতিনিধি. কলকাতা,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572740/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%86%E0%A6%9C,entertainment,online,4,,বরেণ্য চিত্র পরিচালক মৃণাল সেনের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে আজ মঙ্গলবার বিকেলে। পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে. দক্ষিণ কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে হবে এই শেষকৃত্য। এর আগে সবার শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আজ বেলা আড়াইটা থেকে তাঁর মরদেহ রাখা হবে দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের কাছে প্রিয়া সিনেমার সামনে। গতকাল সোমবার মৃণাল সেনের একমাত্র ছেলে কুণাল সেন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো থেকে কলকাতায় এসেছেন। এরপর হঠাৎ করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মৃণাল সেনের শেষ ইচ্ছে ছিল. তাঁর মরদেহে কেউ যেন ফুল আর মালা দিয়ে শ্রদ্ধা না জানায়। তাই পরিবার থেকে অনুরোধ করা হয়েছে. কেউ যেন ফুল আর মালা নিয়ে মৃণাল সেনকে শেষ শ্রদ্ধা না জানান। এখানে শ্রদ্ধা জানানোর পর কেওড়াতলা মহাশ্মশান পর্যন্ত শোকযাত্রা হবে। এই শোকযাত্রায় পা মেলাতে আগ্রহী ব্যক্তিদের অনুরোধ করা হয়েছে তাঁর পরিবার থেকে। গত রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁর ভবানীপুরের নিজ বাসভবনে প্রয়াত হন মৃণাল সেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। তাঁর জন্ম বাংলাদেশের ফরিদপুর শহরে। মৃত্যুর পর বিকেলেই তাঁর মরদেহ ছেলের ফিরে আসার অপেক্ষায় রাখা হয় কলকাতার হিমঘর পিস ওয়ার্ল্ডে। সেখান থেকেই আজ মরদেহ শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে দেশপ্রিয় পার্কের পাশে প্রিয়া সিনেমার সামনে। ৫ জানুয়ারি কলকাতার গোর্কি সদনে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশের ফরিদপুর শহরে মৃণাল সেনের জন্ম ১৯২৩ সালের ১৪ মে। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে ফরিদপুর শহরে। মৃণাল সেনের মৃত্যুতে অবসান হলো বাংলা চলচ্চিত্রের একটি যুগের। যে যুগের শ্রেষ্ঠ পরিচালকের সম্মান পেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়. ঋত্বিক ঘটক আর মৃণাল সেন। ১৯৪৩ সালে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজে পড়াশোনার সময় মৃণাল সেন চলে আসেন কলকাতায়। তারপর এখানে স্কটিশ চার্চ কলেজে ভর্তি হন। বাংলাদেশ ছাড়ার পর সেই তাঁর স্মৃতিবাহী বাংলাদেশে তিনি প্রথম পা রেখেছিলেন ১৯৯০ সালে। বহু নামী সিনেমা তৈরির কারিগর ছিলেন এই মৃণাল সেন। ১৮টি ছবির জন্য পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। পেয়েছিলেন ১২টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার। মৃণাল সেন বাংলা. হিন্দি. ওড়িয়া ও তেলেগু ভাষায় ছবি নির্মাণ করেন। তাঁর প্রথম ছবি ‘রাতভোর’ নির্মিত হয় ১৯৫৫ সালে। এর পরের ছবি ছিল ‘নীল আকাশের নিচে’। তিনি ২৬টি ছবি নির্মাণ করেছেন। নির্মাণ করেছেন ১৪টি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি আর চারটি প্রামাণ্যচিত্র। এই মৃণাল সেনকে নিয়েই কলকাতায় নির্মিত হয়েছে পাঁচটি তথ্যচিত্র। মৃণাল সেনের নির্মিত ছবির মধ্যে রয়েছে ‘কলকাতা ৭১’. ‘ইন্টারভিউ’. ‘পদাতিক’. ‘একদিন প্রতিদিন’. ‘মৃগয়া’. ‘আকালের সন্ধানে’. ‘তাহাদের কথা’. ‘কোরাস’. ‘ভুবন সোম’. ‘খারিজ’. ‘বাইশে শ্রাবণ’. ‘পরশুরাম’. ‘খণ্ডহার’ ইত্যাদি। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক পুরস্কারও। মস্কো. বার্লিন. কান. শিকাগো. মন্ট্রিয়েল. ভেনিস ও কায়রো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। তাঁর নির্মিত ছবি বার্লিন. ভেনিস. মস্কো. চেকোশ্লোভাকিয়া. শিকাগো. মন্ট্রিয়েল. স্পেন. ইতালি. তিউনিসিয়া ও কলম্বোর চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়েছে। তিনি পেয়েছেন ভারতের বিনোদন জগতের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারসহ (২০০৫) ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মান পদ্মশ্রী (১৯৮১)। পেয়েছিলেন ফরাসি সরকারের ‘কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব আর্টস লেটারস’ সম্মান।,1572740 2019-01-01,‘কেউ আমাকে একটি চাকরি দেবেন?’,,মানসুরা হোসাইন,১১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572739/%E2%80%98%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%89-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8%E2%80%99,bangladesh,online,4,রাজধানী|প্রতিবন্ধী|নারী|ঠাকুরগাঁও,জন্মের পর আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত চোখে আলো ছিল। তারপর টাইফয়েড জ্বরে দুই চোখের আলো নিভে যায়। দৃষ্টিহীন চোখের সামনে এখন কেবলই লাল. সাদা বা কালো একটা ছায়া। মায়ের মুখ. স্বামীর মুখ. ছেলেমেয়ের মুখ বা বলতে গেলে মানুষ দেখতে কেমন হয়. তা জানার কোনো উপায় নেই ৪২ বছর বয়সী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রোজিনা বেগমের। জন্ম থেকে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ফজলে রাব্বীকে বিয়ে করেছিলেন রোজিনা। স্বামী বয়সে বেশ ছোট এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে রোজিনার সঙ্গে তাঁর বিস্তর ব্যবধান। স্বামীর মনোভাব ছিল সন্দেহবাতিক। ছিলেন নেশাগ্রস্তও। এসব কারণে সুখ না থাকলেও ১৫ বছর কাটিয়ে দেন স্বামীর সঙ্গে। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে ফারিহা জাহান এবং পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে রাফিউন রাফিকে নিয়ে ছিল সংসার। গত বছরের মার্চ মাসে স্বামী হঠাৎই মারা যান। এখন দুই সন্তান নিয়ে রোজিনা বেগমের দিশেহারা অবস্থা। রোজিনা বেগমের চোখে আলো না থাকলেও কণ্ঠে সুর আছে। স্বামীও স্প্যানিশ গিটার বাজাতেন। বলতে গেলে সুরে সুরেই পরিচয় হয়েছিল স্বামীর সঙ্গে। এখন স্বামী নেই। দুই সন্তান নিয়ে রোজিনা ঠাকুরগাঁওয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকছেন। সেখানে তিনজনের তিন বেলা খাবার হয়তো জুটছে. কিন্তু এই বাড়তি বোঝা কেইবা কত দিন টানতে চায়? তাই পরিবারের সদস্যরা যখন রোজিনার সন্তানদের অবহেলা করেন. তা সহ্য করতে পারেন না। ছেলেমেয়েরা বড় হচ্ছে। তিন বেলা খাবারের বাইরে তিনজন মানুষের অনেক চাহিদা। তাই রোজিনার কণ্ঠে আকুতি. ‘কেউ আমাকে একটি চাকরি দেবেন?’ সঙ্গে সঙ্গেই বললেন. ‘আমি কিন্তু একা চলাচল করতে পারি। আমি গানের টিউশনি করি। বিভিন্ন মঞ্চে গান গাই। কিন্তু এই করে তো আর ছেলেমেয়েকে মানুষ করতে পারব না। তাই আমার চাকরির খুব দরকার। যেকোনো গানের স্কুলেও যদি একটি চাকরি হতো. তাহলে ছেলেমেয়েকে নিয়ে কোনোভাবে জীবনটা কাটিয়ে দিতে পারতাম।’ সম্প্রতি প্রথম আলো কার্যালয়ে বসেই কথা রোজিনা বেগমের সঙ্গে। ছেলে ও মেয়ে সঙ্গেই ছিল। ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় মায়ের বাসায় আসার একটিই উদ্দেশ্য. কোনোভাবে যদি একটি চাকরির সন্ধান পাওয়া যায়। রোজিনা রাজধানীর আগারগাঁও সরকারি সংগীত মহাবিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস করেছেন। তখন এই কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাস করার ব্যবস্থা ছিল না। তাই আর করা হয়নি। এরপর কলেজটিতে স্নাতকোত্তর চালু হলেও সে সুযোগ মেলেনি। স্বামী ছিলেন এইচএসসি পাস। তিনি অষ্টম শ্রেণি থেকেই মাদকাসক্ত ছিলেন। রোজিনার বাবা মারা গেছেন। মা চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন। বড় ভাই সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক। আরেক ভাই ব্যক্তিগত গাড়ির চালক। বয়স বা শিক্ষাগত যোগ্যতার ব্যবধান থাকলেও রোজিনার পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিলেন. ছেলেমেয়ের জানাশোনা আছে. বিয়ে হলে হয়তো সুখেই থাকবেন মেয়ে। রোজিনা পরিবারের কাছে স্বামীর মাদকাসক্তির কথা চেপে গিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন. বিয়ের পর সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু তা আর হয়নি। রোজিনা ঢাকা-গাজীপুরে একাই যাতায়াত করে চার বছর অ্যাসিসটেন্স ফর ব্লাইন্ড চিলড্রেন নামক সংগঠনে প্রুফ রিডারের চাকরি করেছেন। রাজধানীর মিরপুরে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং বর্তমানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান ব্যাপ্টিস্ট মিশন ইন্টিগ্রেটেড স্কুলে গানের শিক্ষকতা করেছেন। প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রে জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার পদে চাকরি করেছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটিতে কাগজে-কলমে এই পদে চাকরি হলেও কাজ করেছেন টেলিফোন অপারেটর হিসেবে। বিয়ের পর থেকে রোজিনা যেখানেই চাকরি করেছেন. পুরো বেতন তুলে দিতে হতো স্বামীর হাতে। রোজিনা বলেন. ‘যেদিন বেতন হতো. স্বামী আমার সঙ্গে যেতেন। বেতন তুলে পুরো টাকা দেওয়ার পর তা নিয়ে স্বামী বাড়ি ফিরতেন। নিজের মতো খরচ করতেন। তাই এ জীবনে সঞ্চয় বলে কিছু করতে পারিনি। তারপর মেয়ে ছোট. তাকে কে দেখবে. সে অজুহাত দিতে থাকেন স্বামী।’ রোজিনাকে তাই চাকরি ছেড়ে স্বামীর সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে উঠতে হয়। তারপর স্বামীর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ঘরের চার দেয়ালের ভেতরেই জীবন কাটে। এ সময়ের মধ্যে ঢাকা বা বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ প্রায় বন্ধের পথে। রোজিনা বললেন. ‘স্বামী মারা গেছেন. তাই তাঁর সম্পর্কে খারাপ কথা বলতে আমারই খারাপ লাগছে। কিন্তু মানুষটা বিয়ের পর কিছুদিন এবং মারা যাওয়ার আগে কিছুদিন ছাড়া সুখ দেননি। শারীরিক নির্যাতন কম করেছেন. কিন্তু চাহিদামতো নেশার টাকা না দিলেই ঘরের জিনিস ভাঙচুর করতেন। মঞ্চে গান গাওয়া বা কোনো চাকরির জন্য যেতে দিতেন না। সারাক্ষণ সন্দেহ করতেন। হীনম্মন্যতায় ভুগতেন। স্বামী ভালো স্প্যানিশ গিটার বাজাতেন. আমি শিখতে চাইলেও কখনোই শেখাননি।’ রোজিনা বেগম জানালেন. বেসরকারি টেলিভিশনে গানের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ‘ক্লোজআপ ওয়ান’–এ অডিশন থেকে সিলেকশন রাউন্ড পর্যন্ত যেতে পেরেছিলেন। অন্য আরেকটি টেলিভিশনে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের গানের অনুষ্ঠান ‘অন্য আলো’তে প্রথম ১৬ জনের মধ্যে জায়গা করে নেন। কিন্তু পরে টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ এই প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশ বেতারের ‘সি’ গ্রেডের তালিকাভুক্ত নজরুলসংগীতশিল্পী। তবে শিল্পীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় এক থেকে দেড় বছরে হয়তো একটি গান গাওয়ার সুযোগ মেলে। একটি গানের জন্য পান ৬০০ টাকা। রোজিনা আরও জানালেন. স্বামী মারা যাওয়ার পর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মঞ্চে গান গাওয়া শুরু করেছেন। ছেলে তার বাবার মতো স্প্যানিশ গিটার বাজাতে পারে। আর মেয়ে মায়ের গান শুনে শুনেই ভালো গাইতে পারে। মঞ্চে মা কোনো জায়গায় আটকে গেলে এই মেয়েই মাকে উদ্ধার করে। ঠাকুরগাঁওয়ে রোজিনা গানের টিউশনি করেন। তবে ছেলেমেয়েদের পরীক্ষার আগে. রমজানের সময় এসব টিউশনি বন্ধ রাখতে হয়। টিউশনি সব সময় পাওয়া যায় না। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে শ্বশুর তিনবেলা তিনজনকে খাবার দেওয়ার ছাড়াও মাসে দুই হাজার টাকা দেন। কিন্তু এই টাকায় ছেলেমেয়েদের তো আর পড়ার খরচ চালানো সম্ভব না। শ্বশুর তাঁর অপারগতার কথা জানিয়ে দিয়েছেন। রোজিনা বলেন. ‘ছেলে জীবিত থাকা অবস্থাতেই আমাকে মেনে নিতে চাইতেন না শ্বশুরবাড়ির লোকজন। স্বামী কোনো কাজ করতেন না। মা-ভাইদের কাছ থেকে টাকা চেয়ে নিয়ে স্বামীর হাতে দিতে হতো। সেই টাকা দিয়ে তিনি নেশা করতেন। এখন তাঁদের ছেলে নেই। আমিও তাঁদের কোনো উপকারে আসতে পারছি না। তাই আমার কদর কেউ করবে না. তা–ই তো স্বাভাবিক। আর আমি নিজেও অন্যের ঘাড়ে বসে খেতে চাই না। আমার গলায় সুর আছে। শরীরে শক্তি আছে। কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। তাই কেউ যদি আমাকে একটি চাকরি দেন. আমার ও ছেলেমেয়েদের জীবনটা অন্য রকম হতে পারবে।’ ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় আসার পথে ঠান্ডা লেগেছে। ঢাকায় আসার আগে শীতের রাতে একটি মঞ্চে গান গেয়েছেন। গলা বসে গেছে। তারপরও প্রতিবেদকের অনুরোধে কয়েকটি গান গাইলেন রোজিনা। তবে শুরু করলেন স্বামীর লেখা একটি গান দিয়ে। স্বামী ভালো ছিলেন না. তারপরও স্বামীর লেখা গান দিয়েই শুরু করলেন. তা জানতে চাইতেই হেসে দিলেন রোজিনা। বললেন. ‘ভালোবেসেই তো বিয়ে করেছিলাম। সেও আমাকে ভালোবাসত। সারাক্ষণ ভয়ে থাকত আমি তাকে ছেড়ে চলে যাব। সবকিছু মিলে তো ১৫ বছর তার সঙ্গেই কাটিয়েছি।’,1572739 2019-01-01,ঘটন-অঘটনের বছর,বিশ্বসংগীত ২০১৮,আদর রহমান,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572736/%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0,entertainment,online,4,বিদেশের গান,পশ্চিমা গানের জগৎ ২০১৮ সালে নানা ঘটনা ও অঘটনের কারণে সরব ছিল। সেই ঘটনা ও দুর্ঘটনাগুলোর কয়েকটি আবার মনে করিয়ে দিচ্ছি আজ। পশ্চিমা গানের জগৎ ২০১৮ সালে নানা ঘটনা ও অঘটনের কারণে সরব ছিল। সেই ঘটনা ও দুর্ঘটনাগুলোর কয়েকটি আবার মনে করিয়ে দিচ্ছি আজ। বিয়ন্সের কোচিলা রেকর্ডগত বছরের এপ্রিল মাসে প্রতিবছরের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় কোচিলা ভ্যালি মিউজিক অ্যান্ড আর্টস ফেস্টিভ্যাল। গত ১৭ বছরের ইতিহাস এবার বদলে যায় যখন প্রথমবারের মতো উৎসবের মূল পরিবেশনকারী (হেডলাইনার) হিসেবে বিয়ন্সে ওঠেন মঞ্চে। এবারই প্রথম কোনো কৃষাঙ্গ শিল্পীকে ফেস্টিভ্যাল হেডলাইনার করা হলো। আর বিয়ন্সেও মঞ্চ রীতিমতো কাঁপিয়ে দেন। কোচিলার বদলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেন্ড করতে শুরু করে ‘কোচিলা’ হ্যাশট্যাগ। চাইল্ডিশ গামবিনোর ‘দিস ইজ আমেরিকা’গত বছর যদি বিশ্বসংগীতের পরিমণ্ডলে সবচেয়ে আলোচিত মিউজিক ভিডিওর কথা বলতে হয়. সেটা হবে ‘দিস ইজ আমেরিকা’। অভিনেতা ডোনাল্ড গ্লোভার তাঁর মঞ্চের নাম ‘চাইল্ডিশ গ্যাম্বিনো’ দিয়ে গানটি তৈরি করেন এবং এর মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমানের ভীতকর পরিস্থিতি বিশ্বের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। আর এ কারণেই বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলে এটি। রাজনীতি ও টেলর সুইফটসংগীতশিল্পী টেলর সুইফট অনেক কাণ্ড আর কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালটি কাটিয়েছেন। বছরজুড়ে তিনি আলোচনায় ছিলেন তাঁর ‘রেপুটেশন’ ট্যুর নিয়ে। নানা দেশ ঘুরে ঘুরে সুইফট বেশ কিছু ব্যবসাসফল কনসার্ট করেছন এ বছর। তবে সুইফট সবচেয়ে বেশি আলোচিত হন. যখন প্রথমবারের মতো এ শিল্পী যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অবস্থা ও মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ করেন। সুইফটের মন্তব্যের কারণে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে তরুণ ভোটারদের নিবন্ধনের হার বেড়ে যায়। গানের মানুষদের বিয়েপশ্চিমা গানের জগতে এ বছর বেশ কয়েকটি আলোচিত বিয়ে হয়েছে। জাস্টিন বিবার আর হেইলে স্টেইনফিল্ডের বিয়ে নিয়ে তো আলোচনার শেষ নেই। তা ছাড়া বছরের শেষে এসে গায়িকা মাইলি সাইরাস তাঁর প্রেমিক অভিনেতা লিয়াম হেমসওর্থকে হুট করে বিয়ে করে সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন। নিকি মিনাজ কার্ডি বির মারামারিপশ্চিমা গানের জগতের সবচেয়ে বিতর্কিত মুহূর্ত হিসেবে গায়িকা নিকি মিনাজ ও কার্ডি বির মারামারির কথা বলা যেতে পারে। গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকের একটি পার্টিতে গিয়ে শুধু ঝগড়াই না. চুলোচুলি-মারামারি পর্যন্ত করেন তাঁরা। একে অন্যের দিকে জুতো ছুড়ে মারেন। শেষে দেখা যায় কার্ডি বি মাথায় আঘাতের চিহ্ন আর নিকি খালি পায়ে বেরিয়ে আসছেন পার্টি ছেড়ে। পলের বিটলস স্মৃতিচারণা‘দ্য লেট লেট শো উইথ জেমস কর্ডন’-এর একটি বিশেষ পর্ব গত বছর সাড়া ফেলেছিল সবখানে। অনুষ্ঠানের ‘কারপুল কারাওকে’ বিভাগের ওই বিশেষ পর্বে অংশ নেন বিটলস সদস্য পল ম্যাকার্টনিকে। পল সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন। ঘুরে বেড়ান অ্যাবে রোড. পেইনে লেনের পথে পথে. গেয়ে শোনান বিটলস ব্যান্ডের জনপ্রিয় কিছু গান। লেডি গাগার জ্বলে ওঠাগানের জগতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার জন্য লেডি গত বছর এল ম্যাগাজিনের ‘ওম্যান অব দ্য ইয়ার’ সম্মাননা জেতেন। কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের বক্তব্যে তখন লেডি গাগা বলেন তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া যৌন নিপীড়ন. তাঁর মানসিক রোগ ও জীবনের সংগ্রাম নিয়ে নানা কথা। সেই সময়ই গাগা তাঁর বাগদানের কথাও স্বীকার করেন। তা ছাড়া লেডি গাগা চলতি বছর আ স্টার ইজ বর্ন ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য দর্শক ও বোদ্ধা দুই মহলেই প্রশংসিত হয়েছেন। ডেমি লোভাটোর মাদকাসক্তিলম্বা সময় ধরে চিকিৎসার পরও সুস্থ হয়ে উঠতে পারলেন না সংগীতশিল্পী ডেমি লোভাটো। গত বছর অতিরিক্ত মাদকসেবনের ফলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে নিজ বাড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর লম্বা সময় ধরে থাকতে হয় মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে। কিছুদিন আগেই নিরাময়কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন তিনি। গগনচুম্বী বিটিএস উন্মাদনা কোরিয়ান পপ ব্যান্ড ‘বিটিএস’-এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত বছরই বিটিএস আর্মিতে লাখো তরুণ যোগ দিয়েছেন। এই জনপ্রিয়তার আভাস পাওয়া গেছে চলতি বছরের বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডেই। ব্রিটিশ. মার্কিন ও লাতিন গানের তারকাদের পেছনে ফেলে সবদিক থেকে এগিয়ে গেছে কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস। তা ছাড়া এ বছর টাইম ১০০ রিডার পোলেও বিটিএস সবাইকে ছাপিয়ে শীর্ষ স্থান দখল করে নিয়েছিল। অসুস্থতার সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন সেলেনাবছরের শুরু থেকেই গায়িকা সেলেনা গোমেজ ছিলেন আলোচনায়। লুপাস রোগ থেকে মানসিক অবসাদ ও দুশ্চিন্তার শিকার হন সেলেনা গোমেজ। তাঁর মধ্যে সাবেক প্রেমিক জাস্টিন বিবারের হঠাৎ বিয়ের খবরটাও তাঁকে আহত করেছিল। তাই গত অক্টোবরে হঠাৎ ইমোশনাল ব্রেকডাউনের পর মানসিক চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি হন সেলেনা। কিছুদিন আগেই বেরিয়েছেন চিকিৎসা সেরে।,1572736 2019-01-01,আলোচিত সব ঘটনা,গান ২০১৮,বিনোদন প্রতিবেদক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572735/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE,entertainment,online,5,বাংলা গান,গানের জগতে ২০১৮ সালটি ছিল নানা ঘটনায় পরিপূর্ণ। গান নিয়ে যেমন কাজ হয়েছে. তেমনি গানের জগতের তারকাদের নিয়েও ঘটেছে নানা ধরনের ঘটনা। সেসব নিয়ে থাকল এ আয়োজন। কারাগারে আসিফ আকবরগত জুন মাসে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে গীতিকার. সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিনের করা মামলায় গ্রেপ্তার হন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। অবশেষে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। মাইলসে ফিরলেন শাফিনগত বছরের শেষ দিকে জানা যায়. মাইলসের সঙ্গে কোনো কনসার্টে অংশ নিচ্ছেন না এই ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য শাফিন আহমেদ। কিন্তু মাইলস ভক্তদের সুখবর জানিয়ে শাফিন আহমেদ আবার ফিরে আসেন বছরের মাঝামাঝি। তাপসের গানে সানি লিওনিগানবাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৌশিক হোসেন তাপসের গানের ভিডিওতে মডেল হলেন বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনি। ‘লাভলি অ্যাকসিডেন্ট’ গানটির মিউজিক ভিডিওতে তাপস নিজেও অংশ নেন। ভাইরালএ বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান ভাইরাল হয়ে বেশি কিছু তরুণ সংগীতশিল্পী উঠে আসেন। তাঁদের মধ্যে আরমান আলিফ. টুম্পা খান ও মাহতিম শাকিবের কথা উল্লেখ করা যায়। আরমান আলিফের গাওয়া ‘অপরাধী’ গানটি বেশ জনপ্রিয় হয় তরুণদের মধ্যে। ‘হাজির বিরিয়ানি’ বিতর্কগত বছর দহন সিনেমার ‘হাজির বিরিয়ানি’ নামে একটি গান প্রকাশিত হয় ইউটিউবে। গানটি প্রকাশিত হওয়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক। গানের মধ্যে অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। পরে গানটি ইউটিউব থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।,1572735 2019-01-01,চলে গেলেন কাদের খান,,বিনোদন ডেস্ক,৬,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572731/%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,online,5,বলিউড,হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেতা কাদের খান (৮১) মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার কানাডার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে সরফরাজ খান। স্ত্রী শশিতাকে নিয়ে সরফরাজ খান কানাডায় আছেন। কাদের খানও দীর্ঘদিন তাঁদের কাছেই ছিলেন। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যার পাশাপাশি শেষ দিকে কাদের খান শ্বাসকষ্টেও ভুগছিলেন। দুই দিন আগে জানা যায়. তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সম্প্রতি তাঁকে কানাডার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যতক্ষণ জ্ঞান ছিল. ততক্ষণ চোখের ইশারায় যোগাযোগ করলেও কথা বলতে পারছিলেন না। চিকিৎসকেরা তাঁকে দ্রুত নিবিড় পর্যবেক্ষণে নেওয়ার পরামর্শ দেন। এ সময় তাঁর নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। তাঁকে কৃত্রিম উপায়ে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। আগেই জানা গেছে. কাদের খান অনেক দিন থেকেই প্রোগ্রেসিভ সুপ্রানিউক্লিয়ার পলসিতে (পিএসপি) ভুগেছিলেন। এ সমস্যায় রোগীরা স্বাভাবিক ভারসাম্য ও স্মৃতি হারিয়ে ফেলেন। ২০১৭ সালে তাঁর হাঁটুতে একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। পিএসপির কারণে তিনি বাক্‌শক্তি হারিয়ে ফেলেন। গত রোববার রাতে ভারতীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়. কাদের খান মারা গেছেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাতভর অনেক ভক্ত আর সাধারণ দর্শক বলিউডের এই বরেণ্য অভিনেতাকে স্মরণ করে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর হিড়িক পড়ে যায়। খবরটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য বার্তা সংস্থা পিটিআই থেকে সরফরাজ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তখন বাবাকে নিয়ে এ ধরনের খবর প্রচার হওয়ায় তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি জানান. খবরটা মিথ্যা। পুরোটাই গুজব। হাসপাতালে চিকিৎসকদের একটি দল তাঁর বাবার শারীরিক পরিস্থিতির ওপর ২৪ ঘণ্টা খেয়াল রাখছে। তবে কাদের খানের অবস্থা সংকটজনক। কাদের খানের জন্ম আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে। বলিউডে ৩০০ ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ২৫০টি ছবির সংলাপ লিখেছেন। রাজেশ খান্না অভিনীত ‘দাগ’ ছবি দিয়ে ১৯৭৩ সালে বলিউডে অভিনয়জীবন শুরু করেন কাদের খান।,1572731 2019-01-01,ক্ষুধার্তের খাবার ‘চুরি’ করছে হুতি বিদ্রোহীরা,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1572728/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%BE,international,online,5,আরব বিশ্ব|ইয়েমেন,ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য বরাদ্দ খাদ্য চুরির অভিযোগ এনেছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। গতকাল সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকার ক্ষুধার্ত লোকজনের জন্য খাদ্যসহায়তা অপরিহার্য। কিন্তু তাদের জন্য পাঠানো খাদ্য হুতিরা সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ ডব্লিউএফপির। এই কাজ বন্ধ করতে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির প্রতি দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাটি। ডব্লিউএফপির এক জরিপ বলছে. ইয়েমেনের রাজধানী সানারা লোকজন রেশন পায়নি। অথচ. তাদের জন্যই সহায়তা হিসেবে রেশন পাঠানো হয়েছিল। সংস্থাটির ভাষ্য. সংশ্লিষ্ট বণ্টন এলাকা থেকে হুতিরা অবৈধভাবে খাদ্য সরিয়ে নিচ্ছে। রেশন সরিয়ে নিয়ে তারা তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছে। আবার এমন লোকদের সেই রেশন দেওয়া হয়েছে. যা তাদের প্রাপ্য নয়। তবে ক্ষুধার্তদের জন্য পাঠানো খাদ্য সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। জাতিসংঘ বলছে. প্রায় দুই কোটি ইয়েমেনি খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাদের মধ্যে প্রায় এক কোটি লোক জানে না যে. তাদের পরের বেলার খাবার কোথা থেকে আসবে। ইয়েমেনে বেশ কয়েক বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করলে দেশটিতে যুদ্ধ মারাত্মক আকার ধারণ করে। জাতিসংঘের তথ্যমতে. ইয়েমেনে যুদ্ধে প্রায় ৭ হাজার বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে প্রায় ১১ হাজার লোক।,1572728 2019-01-01,উনের নতুন হুঁশিয়ারি,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/international/article/1572726/%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF,international,online,5,এশিয়া|ইংরেজি নববর্ষ|উত্তর কোরিয়া|যুক্তরাষ্ট্র|ডোনাল্ড ট্রাম্প|কিম জং উন,নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন পরমানু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে নতুন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বলেছেন. তিনি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রাখলে তিনি অঙ্গীকার থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন। স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার ভোরে দেশটির সরকারি টিভিতে উনের ভাষণ প্রচারিত হয়। উন বলেন. যদি বিশ্ববাসীর সামনে করা প্রতিশ্রুতি না রেখে ট্রাম্প নিষেধাজ্ঞা চালিয়ে যান এবং দেশের জনগণের ওপর চাপ দিতে থাকেন তাহলে আমাদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য নতুন উপায় খুঁজতে হবে। উত্তরসূরি কিম ইল সাংয়ের ঐতিহ্য অনুসারে উন প্রতি নববর্ষে ভাষণ দেন। সাধারণত এই ভাষণে গত বছরের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে দেশের জনগণকে জানানো হয়। পর্যবেক্ষকেরা এই ভাষণ থেকে পিয়ংইয়ংয়ের বৈদেশিক নীতি সম্পর্কে আভাস পেতে চান । নববর্ষের ভাষণে কিম জং উন আরও বলেন. উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্র তৈরি. ব্যবহার ও বিস্তার ঘটাবে না বলে অঙ্গীকার করেছে। অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপও নিয়েছে। তিনি যেকোনো সময় ট্রাম্পের সঙ্গে আবার দেখা করার জন্য প্রস্তুত। গত বছর নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে উন দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য দেন । ওই ভাষণে উন জানান. দক্ষিণ কোরিয়ার আয়োজিত শীতকালীন অলিম্পিকে উত্তর কোরিয়া অংশ নেবে । গত এপ্রিল মাসে উন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে আলোচনা করেন। দুই কোরিয়ার নেতার মধ্যে এরপরও দুইবার বৈঠক হয়েছে। উন সিঙ্গাপুরে গত জুন মাসে ট্রাম্পের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠক করেন। পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে দুই নেতার মধ্যে ওই বৈঠকে চুক্তি সই হয়। তবে এই বৈঠকের পর খুব সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন. আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে তিনি কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন।,1572726 2019-01-01,বাজে রসিকতায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুঃখপ্রকাশ,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1572725/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%83%E0%A6%96%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6,northamerica,online,5,,যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একটি শাখা ইউএস স্ট্রাটিজিক কমান্ডের পক্ষ থেকে একটি টুইট করা হয়েছিল। টুইটে বলা হয়. যেকোনো সময় বড় ধরনের বোমা ফেলতে প্রস্তুত তারা। মজার ছলেই টুইটটি করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর মজার থাকেনি। এমন বাজে রসিকতার জন্য দুঃখপ্রকাশ করতে হয়েছে তাদের। এএফপির আজ মঙ্গলবারের খবরে বলা হয়েছে. ইউএস স্ট্রাটিজিক কমান্ডের করা টুইটে একটি ভিডিও ছিল যেখানে বি-২ বোমারুরা বোমা নিক্ষেপ করছেন। সঙ্গে লেখা বার্তায় ছিল. ‘যদি কখনো প্রয়োজন হয়. আমরা এর চেয়ে অনেক অনেক বড় কিছু নিক্ষেপ করতে প্রস্তুত।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে আতঙ্কের পাশাপাশি সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এই সমালোচনার মুখে টুইটটি প্রত্যাহার করে ইউএস স্ট্রাটিজিক কমান্ডের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করে আরেকটি টুইট করা হয়। ওই টুইটে বলা হয়. ‘আমাদের আগের টুইটটি একটি বাজে রসিকতা। এতে আমাদের মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটে না। আমরা এ জন্য দুঃখপ্রকাশ করছি। আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের নিরাপত্তার জন্য সদা প্রস্তুত।’ ইউএস স্ট্রাটিজিক কমান্ডের এক মুখপাত্র এনবিসি নিউজকে বলেন. ভিডিওতে যে ছবি দেখানো হয়েছে. তা পারমাণবিক বোমার ছবি নয়।,1572725 2019-01-01,দেখে নিন ২০১৯ সালে বাংলাদেশের পুরো ক্রিকেট সূচি,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,২৫,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572723/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF,sports,online,5,ক্রিকেট,তিনটি ফাইনালে হার. আফগানিস্তানের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই. ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট সিরিজে হার—এ ব্যর্থতার বিপরীতে বাংলাদেশ দলের সাফল্যের পাল্লাটাই ভারী ছিল বিদায়ী বছরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আরও একটি ব্যস্ত বছর কাটাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১৯ সাল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বকাপের জন্য। দেখা নেওয়া যেতে পারে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ দলের পুরো সূচি। তিনটি ফাইনালে হার. আফগানিস্তানের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই. ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট সিরিজে হার—এ ব্যর্থতার বিপরীতে বাংলাদেশ দলের সাফল্যের পাল্লাটাই ভারী ছিল বিদায়ী বছরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আরও একটি ব্যস্ত বছর কাটাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১৯ সাল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বকাপের জন্য। দেখা নেওয়া যেতে পারে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ দলের পুরো সূচি। ২০১৮ সালে ব্যস্ত এক বছর কাটিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। এ বছরও বাংলাদেশের অপেক্ষায় ব্যস্ত সূচি। বাংলাদেশের সামনে আবারও বড় চ্যালেঞ্জ। বিদেশের মাটিতে সামর্থ্যের কঠিন পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি তো আছেই। এ বছর বাংলাদেশ খেলতে যাবে বিশ্বকাপ। বছরটা বাংলাদেশ শুরু করবে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিপিএল দিয়ে। আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা শুরু ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে। মে মাসে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের পরই বিশ্বকাপ—ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এক টুর্নামেন্ট। ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই—টানা ছয় মাস বাংলাদেশকে খেলতে হবে বিদেশের মাঠে। অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুটি হোম সিরিজের পর আবার বিদেশে কঠিন পরীক্ষা। ভবিষ্যৎ সফর সূচি (এফটিপি) অনুযায়ী. নভেম্বরে ভারত সফর. ডিসেম্বরে তিনটি ওয়ানডে খেলতে শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার কথা বাংলাদেশের। অর্থাৎ বছরের ৮ মাসই বিদেশে কাটাবে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচি নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলা কঠিন। নানা কারণে হুটহাট পাল্টে যায় সূচি। জানুয়ারিতে বিপিএল. এটাই এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে। আগামী ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ. জাতীয় লিগ. বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) কবে হবে. এখনই বলা কঠিন। গত বছরের বিপিএল যেহেতু এ বছর হতে যাচ্ছে. ২০১৯ সালেই দুটি বিপিএল হবে কি না সেটিও বলার উপায় নেই।,1572723 2019-01-01,থ্রিজি–ফোরজি ফের চালু,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১২,https://www.prothomalo.com/technology/article/1572716/%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E2%80%93%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81,technology,online,5,খবরাখবর,আবার থ্রিজি ও ফোরজি সেবা সচল করেছে মোবাইল অপারেটরগুলো। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা ২১ মিনিট থেকে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা ফিরতে শুরু করে। আজ সকালে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরগুলোকে থ্রিজি ফোরজি চালুর নির্দেশ দেওয়ার পর তারা এ সুবিধা চালু করে। মোবাইল অপারেটরদের সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা পাওয়া যাচ্ছে। এ সেবা বন্ধ থাকায় মোবাইল থেকে ইন্টারনেটে ঢোকা যায়নি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২৭ ঘণ্টা বন্ধ রেখে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা চালু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবারও তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। রোববার ভোট শেষ হওয়ার দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় বিটিআরসির নির্দেশনা পেয়ে মোবাইল ফোন অপারেটররা সব ধরনের মোবাইল ইন্টারনেট চালু করে। এরপর রাত ৯টার পর আবার ফোর জি ও থ্রি জি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ভোটের আগের দিন শনিবার রাত ১১টার দিকে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে নির্দেশনা পাঠিয়ে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করেছিল বিটিআরসি। শনিবার দুপুর থেকে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ করে টু-জি সেবা চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল বিটিআরসি। কিন্তু শনিবার রাত ১১টার পর থেকে ভোটের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত টু-জি সেবাও বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া বিটিআরসির পক্ষ থেকে। ফলে ভোটের আগের দিন মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত মোবাইলে ইন্টারনেট সেবা পায়নি গ্রাহকেরা। এরপর রোববার সন্ধ্যা ৬টায় আবার ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা মোবাইলে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ রেখেছিল বিটিআরসি। শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত কিছু সময় ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা পেয়েছিলেন গ্রাহকেরা। প্রসঙ্গত. মোবাইলে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকলেও ব্রডব্যান্ডে ইন্টারনেটে স্বাভাবিক সেবা পেয়েছেন গ্রাহকেরা। আসন্ন সংসদ নির্বাচনের ভোটের আগে ‘অপপ্রচার’ ঠেকাতে ১৩ ডিসেম্বর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ইন্টারনেটের গতি কমানোর প্রস্তাব দেয় পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ওই বৈঠকে সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সমন্বয়সভায় এই পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে সব বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি. সব রিটার্নিং অফিসার. জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।,1572716 2019-01-01,কথা শুনলে বেঁচে যেতেন খাসোগি!,,অনলাইন ডেস্ক,৫,https://www.prothomalo.com/international/article/1572715/%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BF,international,online,5,আরব বিশ্ব|সৌদি আরব,গেল বছরে বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি ছিল সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ড। সৌদি আরব থেকে ১৫ সদস্যদের দল উড়ে গিয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে গত ২ অক্টোবর তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এমন উচ্চ নিরাপত্তার স্থানে হত্যাকাণ্ড ঘটানো অসম্ভব বলেই মতপ্রকাশ করেছে তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। তাদের প্রতিবেদনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যাঁর নাম এসেছে. তিনি আর কেউ নন. তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবের ক্ষমতাধর ব্যক্তি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি আরবের মতো দেশ. যারা অন্য কোনো দেশের মতামতের গুরুত্ব না দিয়ে নিজেদের প্রথা অনুসারে শাসনে অভ্যস্ত. তারাও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নাড়া খায় এই হত্যাকাণ্ডে। ২০১৭ সালের জুনে যুবরাজ মোহাম্মদ ক্রাউন প্রিন্স হওয়ার পর কড়া সমালোচক হিসেবে খাসোগি তাঁর রোষানলে পড়েন। দুর্নীতিবিরোধী ও ভিন্নমত দমনের অভিযানে ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যে নিজেকে বাঁচাতে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসনে চলে যান একসময়ের রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি জামাল খাসোগি। একসময় সৌদি রাজপরিবারের বৃত্তি নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্টদের সাক্ষাৎকার নেওয়া এবং ওসামা বিন লাদেনের একাধিকবার সাক্ষাৎকার নেওয়া খাসোগি আন্তর্জাতিক মহলে সুপরিচিত ছিলেন। স্বেচ্ছানির্বাসনের সময়ে তিনি ওয়াশিংটন পোস্টে কলাম লিখতেন। তাঁর কলামজুড়ে থাকত সৌদি শাসকদের বিরুদ্ধে গঠনমূলক সমালোচনা। নির্বাসনে যাওয়ার পরপরই ২০১৭ সালের অক্টোবরে যুবরাজের গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা কাহতানি তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে যুবরাজের পক্ষে কলাম লেখার অনুরোধ জানান এবং এটাও জানান. তাঁর লেখা প্রতিটি শব্দ যুবরাজের নজরে রয়েছে। কিন্তু সে কথা শোনেননি খাসোগি। আর কথা না শোনার পরিণতি তাঁকে ভোগ করতে হয়েছে ঠিক পরের বছরের অক্টোবরে প্রাণ দিয়ে। নিখোঁজের দিন থেকে এ পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিন খাসোগি ছিলেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ খবরে। সবশেষ গতকাল সোমবারও খাসোগি ইস্যুতে তুরস্কের গণমাধ্যমে ভিডিওসহ নতুন তথ্য প্রকাশ হয়েছে। এএফপি. আঙ্কারা ও আল-জাজিরার খবর থেকে জানা গেছে. তুরস্কের আ-হাবার নামের এক টেলিভিশন চ্যানেল তাদের খবরে বলেছে. ব্যাগ ও বাক্সতে করে খাসোগির মরদেহের টুকরা ইস্তাম্বুলের সৌদি আরবের কনস্যুলেট থেকে বের করা হয়েছে। টেলিভিশনটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ করেছে। ওই ফুটেজে দেখা গেছে. ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেট থেকে কনসাল জেনারেলের বাসায় পাঁচটি বাক্স এবং দুটি বড় ব্যাগ নিয়ে যাচ্ছেন তিনজন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্রের বরাত দিয়ে টেলিভিশনটি বলেছে. ওই ব্যাগ ও বাক্সতে ছিল খাসোগির মরদেহের টুকরা। ইস্তাম্বুলের যে সৌদি কনস্যুলেট ভবনে খাসোগিকে হত্যা করা হয়. ওই কনস্যুলেটের কাছেই কনস্যুলার জেনারেলের বাসা। আ-হাবার টেলিভিশন আরও বলেছে. একটি মিনিবাসে করে ওই ব্যাগ ও বাক্সগুলো কনসাল জেনারেলের বাসার গ্যারেজে নেওয়া হয়। পরে ওই তিনজনকে সেগুলো ভেতরে নিতে দেখা যায়। তুরস্কের দৈনিক পত্রিকা ডেইলি সাবাহের দুই সাংবাদিক এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি বই লিখেছেন। এতেও উঠে এসেছে নতুন তথ্য। বইটিতে ওই ১৫ জনের দলে নতুন দুজনের নাম উঠে এসেছে। তাঁরা হলেন সাইদ মুয়ায়েদ আল-কারনি ও মুফলিস শায়া আল-মুসলেহ। তাঁরা ওই সময় কনস্যুলেটের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। আসলে তাঁরা সৌদি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য এবং তাঁদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট রয়েছে। খাসোগিকে হত্যার পর আন্তর্জাতিক মহলে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে প্রথমে এ হত্যাকাণ্ডের কথা অস্বীকার করে সৌদি আরব। পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে কনস্যুলেট ভবনে হত্যার কথা স্বীকার করে নেয় দেশটি। তবে এ হত্যার পেছনে যুবরাজ মোহাম্মদের সংশ্লিষ্টতা জোরের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব। দেশটি রাজ্যের সুপ্রিম কাউন্সিলে কিছু রদবদল এনেছে। তবে এই রদবদলের কোনো আঁচ লাগেনি যুবরাজ মোহাম্মদের গায়ে। আগের মতো এই কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে ক্ষমতা যুবরাজ মোহাম্মদের হাতেই রয়েছে। তিনি উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেই রয়েছেন। রদবদল করে যাঁদের আনা হয়েছে. তাঁরাও যুবরাজের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি। ক্রাউন প্রিন্স ওয়াশিংটনসহ অন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে খাসোগি হত্যার ব্যাপারে তাঁর জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকৃতি জানিয়ে রীতিমতো দেনদরবার করে চলেছেন। এ অবস্থায় দেশটির মৃদুভাষী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়েরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে গত শুক্রবার থেকে নিযুক্ত হয়েছেন ইব্রাহিম আল-আসাফ। ৬৯ বছর বয়সী ইব্রাহিম দীর্ঘ সময় ধরে সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে অতি পরিচিত এক মুখ। এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টের এক খবরে বলা হয়েছে. জামাল খাসোগি সৌদি আরব থেকে পালিয়ে আসতেন বাধ্য হলেও সৌদি আরব এটা স্পষ্ট করেছিল যে তিনি তাদের কাছ থেকে পুরোপুরি পালাতে পারবেন না কখনো। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় এক বন্ধুর বাসায় এসে ওঠেন খাসোগি। ওই বন্ধু জানান. ২০১৭ সালের অক্টোবরে রিয়াদ থেকে সৌদ বিন আবদুল্লাহ আল-কাহতানি খাসোগিকে ফোন দেন। ওই সময় কাহতানি ছিলেন বাদশাহ আবদুল্লাহর আইনবিষয়ক উপদেষ্টা এবং যুবরাজ মোহাম্মদের গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা। খাসোগি হত্যা ইস্যুতে তাঁকে পরে বরখাস্ত করা হয়। ফোনে খাসোগিকে কাহতানি বলেছিলেন. যুবরাজ মোহাম্মদের বিভিন্ন সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করছে লোকজন। এই প্রশংসায় যুবরাজ খুশি। তিনি খাসোগিকে যুবরাজের এসব অর্জন নিয়ে লিখতে এবং তা ছড়িয়ে দিতে জোর দেন। ফোনালাপে তাঁর কথাগুলো আন্তরিক এবং অনুরোধের মতো শোনালেও কাহতানি একটি স্পষ্ট বার্তা দেন যে খাসোগি এই মুহূর্তে সৌদি শাসনের অধীনে না থাকলেও তাঁর প্রতিটি শব্দ দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি নজরে রাখছেন। জবাবে খাসোগি একের পর এক অধিকারকর্মীদের গ্রেপ্তারের ঘটনার কথা তুলে ধরে প্রতিক্রিয়া জানান। খাসোগির বন্ধু জানান. খাসোগির ফোন ধরে রাখা হাতটি থর থর করে কাঁপতে দেখেছিলেন তিনি।,1572715 2019-01-01,ক্রিকেটে একটা বৈশ্বিক ট্রফির স্বপ্ন মাশরাফি–সাকিবদের,,রানা আব্বাস,৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572714/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A8,sports,online,5,ক্রিকেট|মাশরাফি বিন মুর্তজা|সাকিব আল হাসান|তামিম ইকবাল|মুশফিকুর রহিম|মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ,মাশরাফি বিন মুর্তজা. সাকিব আল হাসান. তামিম ইকবাল. মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ হচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সোনালি প্রজন্মের ৫ প্রতিনিধি। মাশরাফি এ বছর বিদায় নিলে ২০১৯ বিশ্বকাপের পর আর হয়তো কোনো আইসিসির টুর্নামেন্টে এক সঙ্গে দেখা যাবে না তাদের। ‘পঞ্চপাণ্ডব’ থাকতে থাকতে কি বাংলাদেশ পারবে কোনো ট্রফি জিততে? নতুন বছরের প্রথম দিনে তাদের স্বপ্নের কথা জেনে নেওয়া যাক মাশরাফি বিন মুর্তজা. সাকিব আল হাসান. তামিম ইকবাল. মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ হচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সোনালি প্রজন্মের ৫ প্রতিনিধি। মাশরাফি এ বছর বিদায় নিলে ২০১৯ বিশ্বকাপের পর আর হয়তো কোনো আইসিসির টুর্নামেন্টে এক সঙ্গে দেখা যাবে না তাদের। ‘পঞ্চপাণ্ডব’ থাকতে থাকতে কি বাংলাদেশ পারবে কোনো ট্রফি জিততে? নতুন বছরের প্রথম দিনে তাদের স্বপ্নের কথা জেনে নেওয়া যাক অতীতের পাতায় চলে গেছে ২০১৮। স্বাগত ২০১৯। বছরটা বাংলাদেশ ক্রিকেটে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ. এটি যে বিশ্বকাপের বছর। অন্য দুই সংস্করণের তুলনায় ওয়ানডেতে ধারাবাহিক সাফল্য. অন্তত ছয়জন ক্রিকেটারের আছে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা। স্বাভাবিকভাবেই ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ভালো কিছুর স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। কিন্তু বাস্তবতা যে বড্ড কঠিন। বড় ট্রফি দূরে থাক. আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ কখনো কোনো ফাইনালই জেতেনি। ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি অবশ্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট ছিল. তবে সে টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচই ওয়ানডে হিসেবে গণ্য হয় না। কখনোই ফাইনাল না জেতার তিক্ত তথ্যটা জানার পরও স্বপ্ন দেখতে হয়। বড় ট্রফি. বড় মঞ্চে আলো ছড়াতে বাংলাদেশ আগামী মে-জুনে-জুলাইয়ে খেলতে যাবে বিশ্বকাপ। বেলজিয়াম যেমন ২০১৮ ফুটবল বিশ্বকাপ খেলেছে তাদের সোনালি প্রজন্মে সওয়ার হয়ে। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপও বাংলাদেশ খেলতে যাবে তার সোনালি প্রজন্মের ওপর আস্থা রেখে। মাশরাফি বিন মুর্তজা. সাকিব আল হাসান. তামিম ইকবাল. মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ হচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সোনালি প্রজন্মের ৫ প্রতিনিধি—যাঁরা এক সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন এক দশকের বেশি সময় ধরে. যাঁরা এক সঙ্গে খেলেছেন ১০০-এর বেশি ওয়ানডে। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ দিয়ে শেষ করার ইচ্ছে মাশরাফির. এই বিশ্বকাপের পর তাই আর কোনো আইসিসির টুর্নামেন্টে এক সঙ্গে পাওয়া যাবে না ‘পঞ্চপাণ্ডব’কে। পাঁচ তারকা থাকতে থাকতে কি বাংলাদেশ পাবে একটা বৈশ্বিক শিরোপার স্বাদ? প্রশ্নটা বিভিন্ন সময় করা হয়েছিল তাঁদের। নতুন বছরের প্রথম দিনটা হচ্ছে স্বপ্নের কথা বলার দিন. আশার গান শোনানোর দিন। অন্য সময় প্রকাশ না করে এ দিনে তাই জানানো হলো তাঁদের স্বপ্নের কথা— মাশরাফি বিন মুর্তজা ‘বৈশ্বিক শিরোপা জিততে আসলে ভাগ্যের সহায়তা দরকার. শুধু ভালো খেললেই হবে না। তাহলে তো দক্ষিণ আফ্রিকার তিন-চারটা বিশ্বকাপ জেতার কথা ছিল। ওই লাকটা থাকতে হবে। একই সঙ্গে ভালোও খেলতে হবে। নির্দিষ্ট টুর্নামেন্টে ভালো খেলতে হবে। তবে শুধু পাঁচজনকে দিয়ে বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব নয়। দল হিসেবে খেলতে হবে। তবে কোনো শিরোপা জয় একটা দলের মানদণ্ড নয়। ধারাবাহিক ভালো খেলাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। এটা ঠিক. জুনিয়ররা ২০১৫ সালে যেভাবে খেলেছিল. সেভাবে খেলতে পারলে অনেক কিছু সম্ভব ছিল। ওদের অনেক ভূমিকা আছে। আর সিনিয়রদের সমর্থন তো আছেই।’ সাকিব আল হাসান ‘সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ওয়ানডেতে আমরা ভালো একটা দল। কন্ডিশন আমাদের পক্ষে না থাকলেও যে ভালো করব না. তা নয়। আমাদের উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। তবে কিছু একটা করেই ফেলব. সেটিও বলা ঠিক হবে না।’ তামিম ইকবাল‘অবশ্যই সম্ভব। এই সম্ভবকে সত্যি করতে হলে আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে। দল হিসেবে ভালো করতে হবে। দুই-তিনজনে বড় ট্রফি জেতা সম্ভব নয়।’ মুশফিকুর রহিম ‘আমাদের অবশ্যই স্বপ্ন দেখা উচিত ২০১৯ বিশ্বকাপে ভালো করার। বিশ্বকাপের সূচিটা যেভাবে করা হয়েছে তাতে অবশ্যই ভালো করা উচিত। আমরা পাঁচজন যেভাবে ভালো খেলছি. যদি ফিট থেকে খেলতে পারলে আশা করি ভালো কিছু আশা করতেই পারি। মাহমুদউল্লাহ‘বিশ্বাসটা আমাদের আছে. আমরা বড় কোনো টুর্নামেন্ট জিততে পারব। এর আগে আমরা ৪-৫টা ফাইনাল খেললাম। ফাইনালে শেষ যে বাধাটা সেটা আমরা পার হতে পারছি না। এ বিষয়ে আমাদের মনোযোগ আছে। আমাদের যেকোনো ক্যাম্প শুরু হলে মাশরাফি ভাই এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলছে. পরে সুযোগটা আবার এলে আমাদের কী করা উচিত. যেভাবে খেলেছি আগে. কী ভিন্ন চিন্তা করলে আমরা এটা কাটিয়ে উঠতে পারি. এসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলি। এ জিনিসগুলো খুঁজে বের করা. কোন জায়গায় আমাদের ঘাটতি আছে এটা কাটিয়ে উঠতে হবে। সামনে যদি এ ধরনের সুযোগ আসে. বলব যে আমি অন্তত এ সুযোগ হারাতে চাই না।’,1572714 2019-01-01,গত বছর হারিয়েছি যাঁদের,,বিনোদন প্রতিবেদক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572712/%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0,entertainment,online,5,,শেষ হয়েছে ২০১৮ সাল। এ বছর বিনোদন-সংস্কৃতির বেশ কয়েকজন গুণী মানুষকে হারিয়েছি আমরা। তাঁদের জন্য থাকল শ্রদ্ধাঞ্জলি। শেষ হয়েছে ২০১৮ সাল। এ বছর বিনোদন-সংস্কৃতির বেশ কয়েকজন গুণী মানুষকে হারিয়েছি আমরা। তাঁদের জন্য থাকল শ্রদ্ধাঞ্জলি। আমজাদ হোসেনকিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা. গীতিকার. চিত্রনাট্যকার. অভিনয়শিল্পী ও লেখক আমজাদ হোসেন মারা যান গত ১৪ ডিসেম্বর। ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্রের জন্য তিনি বিখ্যাত। তাঁর নির্মিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো নয়নমণি. গোলাপী এখন ট্রেনে. সুন্দরী. কসাই. দুই পয়সার আলতা. জন্ম থেকে জ্বলছি. হীরা মতি. ভাত দে ইত্যাদি। বাংলা চলচ্চিত্রের গানের জন্যও তিনি বিখ্যাত। তাঁর লেখা ও নির্মিত চলচ্চিত্রের গানগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো’. ‘আমি আছি থাকব ভালোবেসে মরব’. ‘হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ’. ‘কেউ কোনো দিন আমারে তো কথা দিলো না’. ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসত’। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পাশাপাশি বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। আইয়ুব বাচ্চুবাংলা ব্যান্ড ও আধুনিক গানের অন্যতম প্রাণপুরুষ আইয়ুব বাচ্চু মারা যান গত ১৮ অক্টোবর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এই শিল্পী। বাংলা গানের এই অমর শিল্পীর জন্ম ষাটের দশকে চট্টগ্রামে। ব্যান্ড-জীবনে তিনি ফিলিংস ও সোলসেরও সদস্য ছিলেন। পরে নিজের ব্যান্ড এলআরবি গঠন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য ব্যান্ড ও একক অ্যালবাম হলো এলআরবি. সুখ. ফেরারী মন. যুদ্ধ. রক্ত গোলাপ. কষ্ট. সময়. বলিনি কখনো. জীবনের গল্প ইত্যাদি। তাঁর সেরা কিছু গানের মধ্যে আছে ‘চলো বদলে যাই’. ‘এই রুপালি গিটার’. ‘ফেরারী মন’. ‘এখন অনেক রাত’. ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’. ‘উড়াল দেব আকাশে’ ইত্যাদি। আনোয়ার হোসেনখ্যাতিমান আলোকচিত্রী. চিত্রগ্রাহক ও মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন মারা যান গত ১ ডিসেম্বর। তাঁর অসাধারণ কাজগুলোর একটি হলো মুক্তিযুদ্ধের সময় একহাতে রাইফেল ও অন্য হাতে ক্যামেরা নিয়ে অংশগ্রহণ। স্বাধীনতার পরে আলোকচিত্র ও চিত্রগ্রহণ ছিল তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ। বাংলাদেশের অসাধারণ সব চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রাহক ছিলেন তিনি। চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম সূর্য দীঘল বাড়ি. এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী. পুরস্কার. অন্য জীবন. লাল সালু ইত্যাদি। সাইদুল আনাম টুটুলঅভিনয়শিল্পী এবং ছোট ও বড় পর্দার গুণী নির্মাতা ও চিত্র সম্পাদক সাইদুল আনাম টুটুল মারা যান গত ১৮ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের অনেকগুলো বিখ্যাত চলচ্চিত্রের চিত্র সম্পাদক ছিলেন তিনি। তা ছাড়া টেলিভিশনে বেশ কিছু নাটক নির্মাণ ও অভিনয় করেছেন। তাঁর নির্মিত ছবি আধিয়ার। এ ছাড়া সরকারি অনুদানে নির্মাণ করছিলেন কালবেলা ছবিটি। এটি শেষ করার আগেই তিনি মারা যান। তাঁর সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো সূর্য দীঘল বাড়ি. ঘুড্ডি. দহন. দীপু নাম্বার টু. দুখাই ইত্যাদি। আলী আকবর রুপুবছরের প্রথম দিকে ২২ ফেব্রুয়ারি মারা যান বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলী আকবর রুপু। বেশ কিছু বিখ্যাত গানের সুর ও সংগীত করেন এই গুণী মানুষটি। তাঁর উল্লেখযোগ্য গানের মধ্য আছে ‘একদিন কান্নার রোল পড়বে আমার বাড়িতে’. ‘যারে ঘর দিলা সংসার দিলা রে’. ‘দরদিয়া’. ‘পদ্মপাতার পানি নয়’. ‘কবিতার মতো মেয়েটি. গল্পের মতো ছেলেটি’ ইত্যাদি। জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে আলী আকবর রুপু প্রায় ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন গানের সুর ও কম্পোজ করেছেন। রানী সরকারচলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনেত্রী রানী সরকার মারা যান ৭ জুলাই। তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য স্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয় ১৯৫৮ সালে। শুরুতেই মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন। ওই বছর তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এ জে কারদার পরিচালিত দূর হ্যায় সুখ কা গাঁও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর এহতেশামুর রহমান পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র চান্দাতে অভিনয় করেন। এরপর উর্দু ছবি তালাশ ও বাংলা ছায়াছবি নতুন সুর-এ কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবি দুটি বেশ জনপ্রিয় হয়। গত শতকের ষাট. সত্তর ও আশির দশকে চলচ্চিত্রে তিনি বেশি অভিনয় করেন। ২০১৬ সালে বাংলা চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয় তাঁকে। বিদেশিবলিউড. হলিউডসহ বেশ কিছু তারকাকে হারিয়েছি এ বছর। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সংগীতশিল্পী অ্যারেথা ফ্রাঙ্কলিন. বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী. কমিক সুপারহিরো স্রষ্টা স্ট্যান লি. ডিজে ও সংগীতশিল্পী আভিকি. হলিউড অভিনেতা বার্ট রেনল্ডস. পরিচালক বার্নার্দো বার্তোলুচ্চি।,1572712 2019-01-01,গেল বছর ভালো যায়নি বিশ্ব পুঁজিবাজার,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/economy/article/1572711/%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0,economy,online,5,বিদেশের খবর,বিশ্ব পুঁজিবাজারের জন্য বিদায়ী বছরটি খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না। এক দশকের মধ্যে ২০১৮ সালে সবচেয়ে খারাপ অবস্থার মুখে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার। ওয়াল স্ট্রিটের মতো খারাপ অবস্থা না হলেও বছরজুড়ে নেতিবাচক প্রভাব ছিল ইউরোপ ও এশিয়ার পুঁজিবাজারেও। বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। বছর শেষে যুক্তরাষ্ট্রের ডাও জোন্স সূচক কমেছে ৫ দশমিক ৬ পয়েন্ট। এস অ্যান্ড পুওর ৫০০ কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। নাসডাক হারিয়েছে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ দর। ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর এমন পতন দেখেনি এই পুঁজিবাজার। আসলে বছরজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের ঝাপটা ও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির শ্লথগতির কারণে নেতিবাচক অবস্থানে চলে যায় যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার। এর মধ্যে দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপক্ষে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বারবার সুদের হার বাড়ানোর বিষয়টিও পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এশিয়ার পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রে বছর শেষে হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক কমেছে ১৪ শতাংশ। জাপানের নিকেই হারিয়েছে ১৫ শতাংশ দর। এক বছরে চীনের সাংহাই কম্পোজিট সূচক কমেছে ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে. যুক্তরাজ্যের প্রধান সূচক বছর শেষে কমেছে ১২ শতাংশ।,1572711 2019-01-01,ঝলমলে আলোয় বর্ষবরণ,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/international/article/1572709/%E0%A6%9D%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%A3,international,online,5,ছবির গল্প|ইংরেজি নববর্ষ,বিদায় নিল আরও একটি বছর। জীবনের হিসেবে অতীত হলো ২০১৮। বরাবরের মতো নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অধীর অপেক্ষার ছিল বিশ্ব। নতুনের আবাহনে দেশে দেশে জমকালো. চোখ ধাঁধানো আয়োজনে মাতে বিশ্ববাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদযাপনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন শহরে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেসব শহরে বড় ধরনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়. তার মধ্যে রয়েছে হংকং. টোকিও. মস্কো. প্যারিস. বার্লিন. লন্ডন ও এডিনবার্গ। এসব উৎসব ঘিরে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। ছবিতে দেখা যাক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উৎসব।,1572709 2019-01-01,২০১৮ সালের সেরা ফোন কোনটি?,সিনেটের চোখে,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/technology/article/1572710/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AE-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%9F%E0%A6%BF,technology,online,5,মোবাইল ফোন,প্রতি বছর নানা রকম উদ্ভাবনী ফিচার নিয়ে নতুন স্মার্টফোন বাজারে আসে। এর মধ্যে কয়েকটি অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পায়। ২০১৮ সালের স্মার্টফোনের বাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন জনপ্রিয় হয়েছিল। এর মধ্যে অ্যাপল. স্যামসাং ও গুগলের তিনটি ফোন বেশি জনপ্রিয় হয়েছে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে. ২০১৮ সালে আইফোন এক্সআর. গ্যালাক্সি এস ৯. ও পিক্সেল ৩ ফোনটি জনপ্রিয় হয়েছিল। অবশ্য ফোনের জনপ্রিয়তা. বাজারে আসার পরিমাণ. এর ক্যামেরাসহ যন্ত্রাংশের মান বিবেচনা ধরলে প্রিমিয়াম ফোনের বাজারে স্যামসাং. অ্যাপল. ও হুয়াওয়ে প্রাধান্য পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং ও তিনে থাকা অ্যাপলের ফোন বিক্রি কমেছে। তবে উদ্ভাবনী বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে চীনা ব্র্যান্ড অপো ও ভিভো চমক দেখিয়েছে। ২০১৯ সালেও স্মার্টফোনের বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়তে দেখা যাবে। নতুন বছরে ৫জি নেটওয়ার্ক সমর্থিত ফোন আনবে স্যামসাং. এলজি ও ওয়ানপ্লাস। এ ছাড়া নতুন বছরে ভাঁজ করা ফোনের দেখা মিলতে পারে। ২০১৮ সালে সিনেটের দৃষ্টিতে সেরা ফোনের তালিকা: ক্যামেরায় সেরা: গুগল পিক্সেল ৩ দামের দিকে সেরা আইফোন: এক্সআর মডেল অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য: গ্যালাক্সি নোট ৯ মিডরেঞ্জের সেরা: ওয়ানপ্লাস ৬ টি সেরা সাশ্রয়ী ফোন: মটো জি৬ শক্তিশালী ও সেরা নকশা: হুয়াওয়ে মেট ২০ প্রো অলরাউন্ডার: এলজি ভি৪০ থিংককিউ ২০১৮ সালের সেরা উদ্ভাবনী ফোন নকশা ও পেছনে তিন ক্যামেরা: হুয়াওয়ে পি২০ প্রো পপ আপ ক্যামেরা মডিউল: অপো ফাইন্ড এক্স প্রথম ইনস্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার: ভিভো এক্স ২১ গেমিং ফোন: রেজার ফোন ২ মুভি নির্মাণে: রেড হাইড্রোজেন ওয়ান ফোনের বাজারে বিজয়ী যারা অ্যাপল: আইফোন বিক্রি থেকে ব্যাপক মুনাফা করায় ট্রিলিয়ন ডলার কোম্পানিতে পরিণত হয় অ্যাপল। ওয়ানপ্লাস: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে টি-মোবাইলের সঙ্গে চুক্তি হওয়ায় ফোন বিক্রি ২৪৯ শতাংশ বেড়েছে। স্যামসাং: বিশ্বের স্মার্টফোন বাজারের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং। হুয়াওয়ে: অ্যাপলকে হটিয়ে স্মার্টফোন বাজারের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে হুয়াওয়ে। ধাক্কা খেল যারা: হুয়াওয়ে: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্যযুদ্ধের ধাক্কায় বড় ধাক্কা খেয়েছে চীনের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। জেডটিই: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেডটিইর ব্যবসার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিপদে পড়ে জেডটিই। পাম: স্মার্টফোন বাজারে সাড়ম্বরে ফেরার ঘোষণা দিলেও দামি এক ডিভাইস আনায় বাজার ধরতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।,1572710 2019-01-01,নতুন বছরে ৫ চমক,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/technology/article/1572708/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%AB-%E0%A6%9A%E0%A6%AE%E0%A6%95,technology,online,5,খবরাখবর,চলে এসেছে নতুন বছর। নতুন বছরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে নতুন চমক দেখার আশায় থাকেন প্রযুক্তিপ্রেমীরা। প্রযুক্তি বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের হতাশ করে না। ২০১৯ সালেও তাই অ্যাপল. গুগল. মাইক্রোসফট. আমাজন. স্যামসাংয়ের কাছ থেকে নতুন চমক দেখা যেতে পারে। প্রযুক্তিবিশ্বে সাড়া জানানো কয়েকটি প্রযুক্তিপণ্য এ বছর ঘোষণা দিতে পারে এ পাঁচ প্রতিষ্ঠান। চলুন জেনে আসি সম্ভাব্য সে পণ্যগুলো সম্পর্কে: চলে এসেছে নতুন বছর। নতুন বছরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে নতুন চমক দেখার আশায় থাকেন প্রযুক্তিপ্রেমীরা। প্রযুক্তি বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের হতাশ করে না। ২০১৯ সালেও তাই অ্যাপল. গুগল. মাইক্রোসফট. আমাজন. স্যামসাংয়ের কাছ থেকে নতুন চমক দেখা যেতে পারে। প্রযুক্তিবিশ্বে সাড়া জানানো কয়েকটি প্রযুক্তিপণ্য এ বছর ঘোষণা দিতে পারে এ পাঁচ প্রতিষ্ঠান। চলুন জেনে আসি সম্ভাব্য সে পণ্যগুলো সম্পর্কে: অ্যাপলপ্রযুক্তি বিশ্বে অ্যাপল নতুন বছরে নতুন চমক নিয়ে হাজির হয় সব সময়। ২০১৮ সালে আইপ্যাড প্রো কিংবা নতুন আইফোন বাজারে আনলেও অ্যাপলের সময়টা ভালো যায়নি। কিন্তু বাজার বিশ্লেষকেরা পূর্বাভাস দিচ্ছেন ২০১৯ সালটি অ্যাপলের জন্য দুর্দান্ত একটি বছর হবে। এ বছরে অ্যাপলের কাছ থেকে বেশ কিছু চমক দেওয়া নতুন পণ্য দেখতে পাওয়া যাবে। এ বছর অ্যাপল বাজারে ছাড়তে পারে আইফোন ১১। এ ছাড়া নতুন এয়ারপড. নতুন ম্যাক প্রো বাজারে ছাড়বে অ্যাপল। এর বাইরে অ্যাপল ব্র্যান্ডের নতুন হেডফোন বাজারে আসতে পারে বলেও গুঞ্জন রয়েছে। নতুন আইম্যাক. নতুন অ্যাপল পেনসিল ছাড়াও নতুন রূপে আসতে পারে ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সিরি। অ্যাপল টিভির নতুন সংস্করণও দেখা যেতে পারে। এর বাইরে সাশ্রয়ী দামের নতুন আইফোন মডেলের ধারা অব্যাহত রাখতে পারে অ্যাপল। গুগল২০১৮ সালে গুগলের ফোন কিংবা হোম হাবের চেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল গুগল ডুপ্লেক্স। গুগলের দারুণ এআই সিস্টেম এটি। ২০১৮ সালে গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভার্চ্যুয়াল সফটওয়্যারের ওপর গুরুত্ব বাড়তে দেখা গেছে। এ বছর গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট নির্ভর থার্ড পার্টি ডিভাইস দেখা যেতে পারে। এর বাইরে বড় আকারের গুগল হোম হাব দেখা যাবে এ বছর। এ ছাড়া নতুন বছরে পিক্সেল ফোর স্মার্টফোনের ঘোষণা দিতে পারে গুগল। গুগল নিজস্ব ব্র্যান্ডের ক্রোমবুক আনতে পারে এ বছর। মাইক্রোসফট২০১৮ সালে মাইক্রোসফটকে ঢেলে সাজিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা। মাইক্রোসফটের অফিস ৩৬৫ সফটওয়্যারের ব্যবহারকারী এখন সাড়ে ১৩ কোটি যারা অর্থের বিনিময়ে এ সেবা নিচ্ছেন। ফলে মাইক্রোসফটের মুনাফা বেড়েছে। এ বছরে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ ওএসের আপডেট আনতে পারে যাতে উইন্ডোজ সেটস নামে নতুন লগইন অপশন যুক্ত হবে। এর বাইরে সারফেস ব্র্যান্ডের নতুন ল্যাপটপ ‘সারফেস৩’ ও ‘সারফেস প্রো ৭’ দেখা যাবে। এ বছর মাইক্রোসফটের কাছ থেকে নতুন সারফেস ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনের ঘোষণাও আসতে পারে। আমাজন২০১৮ সাল ছিল আমাজনের জন্য দুর্দান্ত একটি বছর। নতুন ইকো ডটসহ নতুন অ্যালেক্সা ডিভাইস বাজারে আসার পর তা দারুণ জনপ্রিয় হয়েছে। তবে কিছু করপোরেট বিষয়ের কারণে আমাজনকে কিছু ধাক্কা খেতে হয়েছে। তবে ২০১৯ সালটি আমাজনের জন্য আরও এগিয়ে যাওয়ার বছর হবে। এ বছর আমাজন বাজারে আনবে ইকো অটো যাতে ভার্চ্যুয়াল সফটওয়্যার অ্যালেক্সা যুক্ত থাকবে। এর বাইরে আমাজন ব্র্যান্ডের নতুন টিভি. রিং ডোরবেলসহ উদ্ভাবনী বেশ কিছু পণ্য আনবে আমাজন। স্যামসাং২০১৯ সালটি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়ের জন্য চ্যালেঞ্জের একটি বছর। এ বছরে গ্যালাক্সি এস ১০ নামের নতুন মডেলের স্মার্টফোন বাজারে আনতে পারে বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। আগামী ফেব্রুয়ারিতে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে গ্যালাক্সি সিরিজে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন হিসেবে এস১০-এ এস১০ প্লাসের ঘোষণা দিতে পারে বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। নতুন স্মার্টফোনে উদ্ভাবনী ফিচারের পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি ডিসপ্লে যুক্ত করবে স্যামসাং। এর বাইরে ভাঁজ করা মডেলের স্মার্টফোন ও ৫জি সমর্থিত নতুন স্মার্টফোনের ঘোষণা দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। স্মার্টফোন ছাড়াও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সফটওয়্যার বিক্সবিচালিত গ্যালাক্সি হোম স্মার্ট স্পিকার. ৮কে টিভি. ৪কে এইচডিআর কিউএলইডি সেট আনতে পারে স্যামসাং।,1572708 2019-01-01,২০১৯ সালে ১৮০–তে চোখ জেমি ডের,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৩,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572704/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%AE%E0%A7%A6-%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%8B%E0%A6%96-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0,sports,online,5,ফুটবল,শুরু হওয়া নতুন বছরে র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির মানদণ্ড ঠিক করে ফেলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে। ২০১৯ সালে ১৮০ র‌্যাঙ্কিং ছুঁতে চান তিনি। শুরু হওয়া নতুন বছরে র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির মানদণ্ড ঠিক করে ফেলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে। ২০১৯ সালে ১৮০ র‌্যাঙ্কিং ছুঁতে চান তিনি। সাফল্য-ব্যর্থতা মিলিয়ে কেটে গেল আরেকটি বছর। নতুন বছর মানেই পুরোনোকে পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে চলার লক্ষ্য। আজ শুরু হওয়া নতুন বছরে র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির মানদণ্ড ঠিক করে ফেলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে। ২০১৯ সালে ১৮০ র‌্যাঙ্কিং ছুঁতে চান তিনি। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সেই তলানিতে থেকেই বছর শেষ করেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে লাল-সবুজদের অবস্থান ১৯২। কার্যত এর নিচে আর যাওয়ার জায়গা কোথায়! এই খাদ থেকে ওঠার রাস্তা খুঁজছেন জেমি। ১৮০ তে আসতে পারলেই আপাত সন্তুষ্টি বলে জানিয়েছেন. ‘২০১৯ সালে আমার লক্ষ্য থাকবে জাতীয় দলকে ১৮০ র‌্যাঙ্কিংয়ে নিয়ে আসার। এ জন্য আমাদের প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। তবে এর সঙ্গে সঠিক পরিকল্পনা থাকাটাও জরুরি। এই দুটি বিষয় মিলে গেলেই ১৮০ তে আসা আমাদের জন্য সম্ভব।’ র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি ঘটার প্রথম শর্ত বেশি বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এবং জয় পাওয়া। নতুন বছরে অনেকগুলো আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলিয়ে জাতীয় দলকে তৈরি করার লক্ষ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। কমপক্ষে ১০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তালিকায় আছে কম্বোডিয়া. ইন্দোনেশিয়া. মালয়েশিয়া. সিঙ্গাপুর. থাইল্যান্ডসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ। এ ছাড়া চলতি বছরেই শুরু হবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। ফুটবলাররাও অপেক্ষায় আছেন একটি সাফল্যমণ্ডিত বছরের জন্য। কাতারকে হারিয়ে গত বছর এশিয়ান গেমসে ফুটবলের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছিল বাংলাদেশ। এমন স্মরণীয় সাফল্য এ বছর আরও বেশি দেখতে চান তাঁরা। আন্তর্জাতিক ফুটবলে লম্বা বিরতিতে থাকা বাংলাদেশ দল গত বছর ১৭ মাস পরে ফেরে মাঠে। এরপর সাফ. বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ. এশিয়ান গেমস ও প্রীতি ফুটবল মিলিয়ে খেলেছে একাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ। নতুন বছরেও যেন নিয়মিত ম্যাচের সুযোগ মেলে. জাতীয় দল ও বসুন্ধরা কিংসের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো সবার হয়ে সে আরজিটাই জানালেন. ‘গত বছর আমাদের প্রস্তুতির কোনো অভাব ছিল না। এ জন্যই এশিয়াডে এমন ফল পেয়েছিলাম। আমাদের প্রয়োজন বেশি বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা। বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার কারণেই ভারতের ফুটবল আমাদের চেয়ে অনেক দূরে এগিয়ে গেছে। বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাই না বলে আমরা বড় দলগুলোর সঙ্গে খেলতেও ভয় পাই।’,1572704 2019-01-01,দুইয়ে মিলে এক হলেন যাঁরা,,বিনোদন প্রতিবেদক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572703/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE,entertainment,online,5,,এক বছরে বিনোদন মাধ্যমের অনেক তারকাই বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে। দুজন মিলে শুরু করেছেন সংসারজীবন। চলুন জেনে নিই. গত এক বছরে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন কারা। এক বছরে বিনোদন মাধ্যমের অনেক তারকাই বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে। দুজন মিলে শুরু করেছেন সংসারজীবন। চলুন জেনে নিই. গত এক বছরে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন কারা। ইরেশ যাকের-মিম রশিদ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন অভিনেতা ইরেশ যাকের। পাত্রী অভিনেত্রী মিথিলার বোন মিম রশিদ। মিম নিজেও নির্মাণ ও প্রযোজনার সঙ্গে জড়িত। তাঁদের বিয়েতে বিনোদন জগতের অনেক তারকা উপস্থিত হন। এ বছরের মার্চে তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নেপালে হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা বাতিল করা হয়। তৌসিফ-সুষমাএ বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ছোটপর্দার অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব। তাঁর স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস সুষমা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। সাড়ে তিন বছরের প্রেমের সফল পরিণতি ঘটে তাঁদের বিয়ের মাধ্যমে। বিয়েতে উপস্থিত হন তৌসিফের সব তারকা বন্ধুরা। নাবিলা-রিমউপস্থাপিকা ও অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ে করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০১৭ সালেই। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ২০১৮-এর এপ্রিলে। তাঁর বর জুবাইদুল হক রিম বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা। বাপ্পা মজুমদার-তানিয়া হোসাইনএকেবারে ঘরোয়া আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ বছরের জুনে গায়ক-সংগীত পরিচালক বাপ্পা মজুমদার এবং অভিনয়শিল্পী-উপস্থাপিকা তানিয়া হোসাইনের বিয়ে করেন। এর আগে ১৬ মে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বাপ্পা মজুমদার ও তানিয়ার বাগদান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাপ্পা ও তানিয়ার পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও অভিনয় ও সংগীতজগতের ঘনিষ্ঠরাই উপস্থিত ছিলেন। শবনম ফারিয়া-হারুনুর রশীদবিয়ের গুঞ্জন উঠেছিল আগেই। তবে পুরো বিয়ের ব্যাপারটি বছরের শেষে এসে খোলাসা করেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। বিয়ের কথা জানান দেশের সংবাদমাধ্যমে। তাঁর বর হারুনুর রশীদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তাঁদের বিয়েতে অংশ নেন বিনোদন মাধ্যমের অনেক তারকা। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা অর্থাৎ বৌভাত অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সিয়াম-অবন্তিবছরের শেষে এসে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন চলচ্চিত্র অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা শাম্মা রুশাফি অবন্তিকে করেন জীবনসঙ্গী। বিয়ে প্রসঙ্গে সিয়াম জানান. একেবারে হুট করেই বিয়ের পরিকল্পনা করেছি। দুই পরিবারের সম্মতি ও আয়োজনেই বিয়ে হয়েছে। সিয়ামের স্ত্রী অবন্তি পড়াশোনা শেষ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।,1572703 2019-01-02,পরিকল্পনা কমিশন চালাবেন কারা?,জনপ্রশাসন,আলী ইমাম মজুমদার,৩,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572916/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE,opinion,print,1,আলী ইমাম মজুমদার|অর্থনীতি,সরকার ইকোনমিক ক্যাডার ভেঙে দিয়ে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত করেছে। এরপর নিয়োগ হবে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারেই। এতে ক্যাডারের সংখ্যা ২৭ থেকে কমে হলো ২৬। ইকোনমিক ক্যাডার গঠিত হয়েছিল ১৯৮৫ সালে। এখন এর জনবল ৪৬৪ জন। তাঁদের পদবি সহকারী প্রধান. সিনিয়র সহকারী প্রধান. উপপ্রধান. যুগ্ম প্রধান ও বিভাগীয় প্রধান নামে। এগুলো যথাক্রমে সহকারী সচিব. সিনিয়র সহকারী সচিব. উপসচিব. যুগ্ম সচিব. অতিরিক্ত সচিবের সমান্তরাল পদবি। সুযোগ-সুবিধা কাছাকাছিই ছিল। তবে পদোন্নতিতে কিছুটা পিছিয়ে ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এখন পদবি ও কর্মক্ষেত্র একই হয়ে গেল। ইকোনমিক ক্যাডারের অপেক্ষাকৃত তরুণ কর্মকর্তাদের মাঠ প্রশাসনে কাজ করারও সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তেমনি পরিকল্পনা কমিশনেও কাজ করতে পারবেন সচিবালয়ের কর্মকর্তারা। সেখানে সদস্যের অধীনে অতিরিক্ত. যুগ্ম. উপ ও সহকারী সচিবেরা থাকবেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েরও পরিকল্পনা কোষে ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। এখন তাঁদের পদবি পরিবর্তনের পাশাপাশি তাঁরা অন্য শাখা. অধিশাখা কিংবা অনুবিভাগে কাজের অধিকার পেলেন। পারস্পরিক বদলিযোগ্য হয়ে গেল পদগুলো। জানা গেছে. দুই ক্যাডারের কর্মকর্তাদের আগ্রহে এ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত সরকার নিতেই পারে। তবে এটা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে কি না. এ বিষয়ে সংশয় রয়েছে। নতুন ক্যাডার সৃজন বা একাধিক ক্যাডারের একীভূতকরণ সরকারের আওতাধীন কাজ। তবে চাকরির শর্তাবলি পরিবর্তিত হচ্ছে বিধায় সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত সাংবিধানিকভাবে আবশ্যক। সিদ্ধান্তটি সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন ও সংশয় সামনে আসে। প্রথমত. সচিবালয়ের সচিব থেকে সহকারী সচিবের পদগুলো নির্বিচারে প্রশাসন ক্যাডারের নয়। সহকারী সচিব পদে পদোন্নতির মাধ্যমেও কিছু নিয়োগের ব্যবস্থা আছে। আর উপসচিব ও যুগ্ম সচিব পদে যথাক্রমে ২৫ ও ৩০ শতাংশ পদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে প্রশাসন ক্যাডার ব্যতীত অন্য ক্যাডারগুলোর জন্য। সেখানে ইকোনমিক ক্যাডারের কিছু কর্মকর্তাও কাজ করছেন। অবশ্য গত কয়েক বছরে মঞ্জুরীকৃত পদসংখ্যার অনেক বেশি সংখ্যায় পদোন্নতি দেওয়ায় সে অনুপাত রক্ষা করা গেছে বলে মনে হয় না। কিন্তু এখন সচিব পদে অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তা আছেন বেশ কয়েকজন। থাকাই যথার্থ। জানা যায়. মূল ক্ষোভটা ছিল একই সময়ে ইকোনমিক ক্যাডারের লাইন পদে পদোন্নতি না হওয়া নিয়ে। বিসিএসের সব ক্যাডারে একসঙ্গে একই ব্যাচের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হয় না। মেধাক্রমও একটি মুখ্য বিবেচ্য বিষয় থাকে। তবে সচিবালয়ে সাম্প্রতিক কালে পদবিহীন পদোন্নতিগুলো এসব প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসার সুযোগ করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশেও এ ধরনের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। দাবি আরও আসতে থাকবে। সেই রাস্তা খোলা হয়েছে সচিবালয় থেকেই। এখন ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্তির পর পরিকল্পনা কমিশনের পদগুলোও হিসাবে আসবে। সেখানে এক বিভাগীয় প্রধানের স্থানে তিনজন অতিরিক্ত সচিব পদায়ন করা হলে বিস্মিত হব না। প্রশ্ন হলো. প্রকল্প দলিল কারা বানাবেন আর কারাই বা করবেন এর পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার কাজ। প্রকল্প দলিল মূলত সংশ্লিষ্ট সংস্থা থেকে খসড়া করা হয়। এটার প্রয়োজনীয় পরিমার্জন হয় মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কোষে। আর তৃতীয় নেত্রে দেখা হয় পরিকল্পনা কমিশনে। সেখানেই এটা হয় চূড়ান্ত। কমিশনের সদস্য পদে কখনো কখনো ইকোনমিক ক্যাডারের কেউ ছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত পদগুলো উন্মুক্ত। সচিবদের থেকেই কিংবা চুক্তিতে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁরা একেকটি বিভাগের নেতৃত্বে থাকেন। সহায়তা করছিলেন ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা। এ ছাড়া কমিশনে এসডিজি. এমডিজি. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা আর পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হয়। এরই অংশ হিসেবে তৈরি হয় বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা। ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা তাঁদের বিশেষায়িত জ্ঞান দিয়েই প্রকল্প দলিল চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সদস্যের কাছে উপস্থাপন করতেন। তারপর হয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভা। সে পর্যায়ে সবার মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ দলিলটি চূড়ান্ত করে পরিকল্পনামন্ত্রীর কাছে পেশ করা হয়। তাঁর আওতায় যেটুকু থাকে তাতে তিনি অনুমোদন দেন। বাকিগুলো পাঠান একনেকে। এই যাচাই-বাছাইয়ের কাজগুলো এখন আর বিশেষায়িত জ্ঞানের অধিকারী ব্যক্তিদের হাতে থাকছে না। এমনকি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পের খসড়া তৈরির কাজেও থাকবেন সাধারণ ক্যাডারের সদস্যরাই। তা ছাড়া. এ ধরনের বিশেষায়িত জ্ঞানের কিছু কর্মকর্তা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন. পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) কাজের জন্যও আবশ্যক ছিল। ক্যাডারটি প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত না করেও সুযোগ-সুবিধার কোনো অসমতা থাকলে তা দূর করা সম্ভব ছিল। যখন অনেক বড় বড় প্রকল্প আমাদের সামনে আসছে. তখন প্রয়োজন ছিল এ ক্যাডারটির আরও দক্ষতা বৃদ্ধি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঘটল বিপরীতটা। বিসিএস ট্রেড ক্যাডারের মঞ্জুরীকৃত পদসংখ্যা এখন সাকল্যে ২৮. কর্মরত আছেন ১৫ জন। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক যুগে বাণিজ্য একটি বিশেষায়িত বিষয়। এ বিষয়ে ধারাবাহিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তা অনেক প্রয়োজন। তাঁরা কাজ করতে পারেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়. আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোসহ নবগঠিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটিতে (বিডা)। এগুলোর হিসাব-নিকাশ করা না হলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ব্যাহত হতে পারে। ইকোনমিক ক্যাডার প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূতকরণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষিত হয়েছে। এ পর্যায়ে হয়তো কিছু করার নেই। তবে বিকল্প খুঁজতে হবে। পদ-পদবি পরিবর্তিত হয়ে গেছে. সেটা যাক। প্রথম নিয়োগের পর মাঠ প্রশাসনের কাজ শেষ করে সচিবালয়ে নিয়োগ দেওয়ার সময় একটি অংশকে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন-সংক্রান্ত কাজের জন্য পৃথক করা চলে। তাঁরা পরিকল্পনা কমিশনসহ এ ধরনের কাজই করবেন। এতে কারও চাকরিতে পদোন্নতির সুযোগ হ্রাস পাওয়ার কথা নয়। বিশেষায়িত জ্ঞানসম্পন্ন কর্মকর্তাও কিছু থাকবেন। মন্ত্রণালয়গুলো কয়েকটি গুচ্ছে বিভক্ত করার প্রস্তাবটিতে কোনো রাজনৈতিক বাধা থাকার কথা নয়। এতে কারও চাকরির সুযোগ-সুবিধাও হ্রাস পাবে না। ভারতের আইএএসদেরও এখন গুচ্ছের ভিত্তিতে পদায়ন করা হয়। প্রশাসন ক্যাডার সদস্যদের সব বিষয়ে কিছু কিছু ধারণা থাকতে হবে। তবে একটি বা দুটি বিষয়ে তাঁদের বিশেষ জ্ঞান বা অভিজ্ঞতার অধিকারী হতেই হবে। নইলে একপর্যায়ে তাঁদের প্রাসঙ্গিকতাই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারে। আলী ইমাম মজুমদার. সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবmajumderali1950@gmail.com,1572916 2019-01-02,উন্মুক্ত হচ্ছে ঐতিহ্য জাদুঘর,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572915/%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%98%E0%A6%B0,bangladesh,print,1,ইতিহাস|ঐতিহ্য|জাদুঘর,আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগেই হয়েছে। এখন দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে এশিয়াটিক সোসাইটি ঐতিহ্য জাদুঘর। কাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির সদস্যদের পরিদর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হবে নগরের নতুন এ জাদুঘরের দ্বার। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত খোলা থাকবে এ প্রতিষ্ঠানটি। জাদুঘরের কিউরেটর জাহাঙ্গীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন. আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে সাধারণ দর্শকদের জন্য প্রতি শুক্র ও শনিবার খোলা থাকবে ঐতিহ্য জাদুঘর। শুক্র. শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। শুক্রবার বেলা ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত নামাজের বিরতি। কিউরেটর জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন. ঢাকার আদি নবাবদের স্মৃতিবিজড়িত নিমতলী প্রাসাদ বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার একটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাকে সংরক্ষণ করেছে। এতে ১৭০০ থেকে ১৯০০ শতাব্দীর সময়কালের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। এ ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাকে জাদুঘরে রূপান্তরের পাশাপাশি একে একটি শিক্ষা. জ্ঞান-বিজ্ঞান. গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। জাদুঘরটি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র। সর্বোপরি সাধারণ ঐতিহ্যপিয়াসী নাগরিক. দর্শক. ঢাকাপ্রেমিক. গবেষক ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অতীত ঐতিহ্য তুলে ধরা এই জাদুঘরের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। জানা গেছে. ঢাকার মোগল নায়েব-নাজিমদের জন্য ২৫০ বছর পূর্বে নির্মিত প্রাসাদ ভবনের মূল অংশ সংরক্ষণের অভাবে ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। একটি অংশ বর্তমানে আছে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজধানী ঢাকার ৪০০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন কর্মসূচির আওতায় ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু নিয়মিত ব্যবহার না করায় আবার তা কার্যকারিতা হারাচ্ছিল এবং স্থায়ীভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিল। এই ভবন ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ভবনটিতে জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। নতুন তৈরি জাদুঘরে ১৭০০-১৯০০ সাল পর্যন্ত ঢাকা এবং পূর্ব বাংলার সমাজ. সংস্কৃতি ও জীবনভিত্তিক নিদর্শন সাজানো হয়েছে। এসব নিদর্শন ঢাকার বহু বনেদি ও সংস্কৃতিমান পরিবার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। জাদুঘর পরিদর্শনের জন্য দর্শকদের প্রবেশমূল্য ২০ টাকা এবং ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১০ টাকা। বিদেশি দর্শকদের জন্য ২০০ টাকা। ইতিহাসের পাতায় আর লোকমুখে এখনো আছে নিমতলী প্রাসাদ। তবে বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। কেবল ভবনের প্রধান প্রবেশদ্বারটি টিকে আছে. যার নাম ‘নিমতলীর দেউড়ি’। এটিই এখন এশিয়াটিক সোসাইটির ঐতিহ্য জাদুঘর।,1572915 2019-01-02,সাড়ে ৬ হাজার মুক্তিযোদ্ধার ভাতা লোপাট,,রোজিনা ইসলাম. ঢাকা,১২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572914/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A7%AC-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F,bangladesh,print,1,অপরাধ|মুক্তিযোদ্ধা|জালিয়াতি|বরিশাল,বরিশালে ৬ হাজার ৪৫৬ জন মুক্তিযোদ্ধার সম্মানী ভাতার প্রায় চার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বলছে. মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাবদ এই টাকা মন্ত্রণালয় থেকে ছাড় করেছে তারা। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা বলছেন. তাঁদের হাতে এই টাকা আসেনি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে. গরমিলটা শুরু হয়েছে বরিশালের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে। কিন্তু জেলা প্রশাসন বলছে. ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মন্ত্রণালয় থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বাবদ প্রায় চার কোটি টাকা কম দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বরিশালে চারজন জেলা প্রশাসক বদলি হয়েছেন। কিন্তু আজও এ সমস্যার সমাধান হয়নি। ভাতাও বুঝে পাননি মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন. ‘আমার মনে হয়. পুরো টাকাটা লোপাট হয়ে গেছে। বরিশাল জেলা প্রশাসনের তৎকালীন কর্মকর্তারা টাকাটা মেরে দিয়েছেন।’ পুরো বিষয়টি জানতে বরিশালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শেখ রিয়াদ মুহাম্মদ নূর গত দুই বছরে কয়েক দফা তথ্য অধিকার আইনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। কিন্তু মন্ত্রণালয় বরিশাল জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। সমাধান না পেয়ে শেখ রিয়াদ তথ্য কমিশনে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ আগস্ট ও ১০ অক্টোবর কমিশনে শুনানি হয়। কমিশন মন্ত্রণালয়কে সম্মানী ভাতা দিতে ব্যবস্থা নিতে বলে। গত ২৪ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়. তাদের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে. মুক্তিযোদ্ধারা সম্মানী ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাঁরা ভাতা পাননি। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়। জানতে চাইলে বরিশালের বর্তমান জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান প্রথম আলোকে বলেন. ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি জানা নেই। তবে যেহেতু মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়. আমি অবশ্যই খোঁজ নেব।’ বরিশালের সাবেক জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন. ‘পুরো বিষয়টি বিভ্রান্তিকর। আমি থাকাকালীন অনেক চেষ্টা করেছি বিষয়টি সমাধান করতে। আর্থিক বিষয় এমনিতেই স্পর্শকাতর। কিন্তু তাঁরা ভাতা পাননি. এটা ঠিক। ২০১৫ সালে জেলা প্রশাসক ছিলেন শহিদুল আলম। তিনি অন্যত্র বদলি হয়ে গেছেন অনেক আগেই। তাই তাঁর এখন দায় নেই।’ সম্মানী ভাতা পাননি. এমন কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা প্রথম আলোর কাছে অভিযোগ করেন. ২০১৪ সালের জুন থেকে ২০১৫ সালের মার্চ পর্যন্ত বরিশাল জেলার মোট ভাতাভোগী ছিলেন ৬ হাজার ২৩২ জন। ২০১৫ সালের এপ্রিলে আরও ২২৪ জন যুক্ত হয়ে মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৬ হাজার ৪৫৬। ওই সময় মুক্তিযোদ্ধারা প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে ভাতা পেতেন। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের জন্য প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার নামে ব্যাংক হিসাবে ১৫ হাজার টাকা করে জমা হওয়ার কথা। কিন্তু জমা হয় ১০ হাজার টাকা করে। আর এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত জমা হয় ১৫ হাজার টাকা করে। তাহলে তাঁদের এক মাসের (মার্চ) ভাতা কোথায় গেল. সেই প্রশ্নই তুলেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। ধীরেন চন্দ্র বিশ্বাস. এনায়েতুর রহমান. আমীর আলী. আনোয়ার হোসেনসহ অন্তত ৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা অভিযোগ করেন. গত তিন বছরে তাঁরা এ ভাতা পেতে অনেক দৌড়ঝাঁপ করেছেন। এখনো তাঁরা আশা ছাড়েননি। তাঁদের মতো অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পাঁচ হাজার অনেক টাকা। এই টাকায় এক মাস তাঁদের সংসার চলে যায়। তাঁদের প্রশ্ন. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় যদি তাঁদের জন্য ভাতা বরাদ্দ দিয়ে থাকে. তাহলে টাকাটা গেল কোথায়? এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রথম আলোকে বলেন. ‘আমার কাছে এমন অভিযোগ এসেছে। অভিযোগটি গুরুতর। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দ টাকা কেন তাঁদের পরিশোধ করা হয়নি. তা আমি জেলা প্রশাসকের কাছে জানতে চেয়েছি। মন্ত্রণালয় এ টাকা বরাদ্দ দিলে অবশ্যই তাঁদের পাওয়ার কথা। কোথায় গলদ হয়েছে. আমরা খতিয়ে দেখছি।’,1572914 2019-01-02,প্রথমবার সাংসদ ৬ ব্যাংক পরিচালক,,সানাউল্লাহ সাকিব. ঢাকা,৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572913/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A7%AC-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95,bangladesh,print,1,নির্বাচন|রাজনীতি|ব্যাংক|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,নতুন-পুরোনো মিলিয়ে ১৭ জন ব্যাংক পরিচালক এবার আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন-পুরোনো মিলিয়ে ১৭ জন ব্যাংক পরিচালক এবার আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার ৬ জন ব্যাংক পরিচালক প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হয়েছেন। এর মধ্যে ৫ জন আওয়ামী লীগ থেকে এবং ১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর বাইরে ব্যাংকের আরও ১১ পরিচালক এবার সংসদ সদস্য হয়েছেন. যাঁরা এর আগেও সাংসদ ছিলেন। সেই হিসাবে নতুন-পুরোনো মিলিয়ে ১৭ জন ব্যাংক পরিচালক এবার আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সাংসদ নির্বাচিত হওয়া ১৭ জন ব্যাংক পরিচালকের মধ্যে ১৫ জন বেসরকারি ব্যাংকের আর ২ জন রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের পরিচালক। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো সাংসদ হয়ে ব্যাংক খাতে আলোচনায় এসেছেন সালমান এফ রহমান। তিনি আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতির বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা। এ ছাড়া সাবেক সচিব ও রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুর হোসেনও এবার প্রথমবারের মতো সাংসদ হয়েছেন। এ তালিকায় আরও আছেন নিটল নিলয় গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও জনতা ব্যাংকের পরিচালক সেলিমা আহমাদ. ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক এনামুল হক শামীম. শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক আনোয়ার হোসেন খান ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদ ইসলাম। তাঁদের মধ্যে শহীদ ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও তাঁকে পূর্ণ সমর্থন দেয় মহাজোট। এ ছাড়া অন্যরা আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন। ব্যাংক পরিচালকদের সাংসদ হওয়াকে কীভাবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তা জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন. ব্যাংক পরিচালক ও সাংসদ দুটো পদে দায়িত্ব পালন একই সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হবে না। কারণ. আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন একজনকে দিয়ে হয় না। এ ছাড়া বেসরকারি ব্যাংক পরিচালকেরা ধনিক শ্রেণি হিসেবে ইতিমধ্যে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছেন। এখন সাংসদ হওয়ায় প্রভাব আরও বেড়ে যাবে। ইব্রাহিম খালেদ আরও বলেন. বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালকের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কোনো নীতিনির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন না। এখন ব্যাংক পরিচালকেরা সাংসদের পদ ব্যবহার করে গভর্নরকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারেন। কারণ. অতি ধনিক রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ আশা করা যায় না। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়. পুরোনোদের মধ্যে এবারও সাংসদ হয়েছেন ইউনিয়ন ব্যাংকের পরিচালক ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ. মেঘনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান এইচ এন আশিকুর রহমান. যমুনা ব্যাংকের পরিচালক গোলাম দস্তগীর গাজী ও তাজুল ইসলাম. এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক আবদুল মান্নান. প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালক আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও বি এইচ হারুন. মধুমতি ব্যাংকের পরিচালক শেখ ফজলে নূর তাপস ও দিদারুল আলম. মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালক মোর্শেদ আলম। জানা গেছে. বিএনপি থেকেও বেশ কয়েকজন ব্যাংক পরিচালককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁদের কেউ জিততে পারেননি। আবার দুই দল থেকে অনেক ব্যাংক পরিচালক মনোনয়ন চেয়েও পাননি। গত কয়েক বছরে নানা কারণে আলোচনায় ব্যাংক খাত। এর মধ্যে এক ফারমার্স ব্যাংক গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে না পারায় বেশির ভাগ ব্যাংকের আমানতে টান পড়ে। তাতে সংকট আরও ঘনীভূত হয়। এর মধ্যেই ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার নির্দেশনা আসে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে। ব্যাংক পরিচালকেরা এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নানাবিধ সুবিধা আদায় করে নেন। আর আমানতকারীদের স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে সরকার. ব্যাংকের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক হাতে হাত মেলায়। জনতা ব্যাংকে অ্যাননটেক্স ও ক্রিসেন্ট গ্রুপের ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ জালিয়াতি আলোচনায় নতুন মাত্রা দেয়। ফলে গত বছরের ৯ মাসেই (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) দেশের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয় প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। জানতে চাইলে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন. ব্যাংকের এত পরিচালক সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় তা এ খাতের জন্য ভালো। এখন এ খাতে যেসব সমস্যা ও অনিয়ম ধরা পড়েছে. তা সমাধান করতে এসব সাংসদ ভালো ভূমিকা রাখতে পারবেন।,1572913 2019-01-02,শ্রীলঙ্কায় মাদক চোরাচালানে নাম এল তিন বাংলাদেশির,,রাহীদ এজাজ. ঢাকা,৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572911/%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%9A%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%8F%E0%A6%B2-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B0,bangladesh,print,1,অপরাধ|মাদক|শ্রীলঙ্কা|বাংলাদেশ,• কলম্বোয় গত ডিসেম্বরে দুটি পৃথক অভিযান • ৩০৪ কেজি হেরোইন ও ৫ কেজি কোকেন জব্দ • ৩ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার. তাঁদের একজন নারী • কলম্বোয় গত ডিসেম্বরে দুটি পৃথক অভিযান • ৩০৪ কেজি হেরোইন ও ৫ কেজি কোকেন জব্দ • ৩ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার. তাঁদের একজন নারী শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক ইতিহাসে মাদকের সবচেয়ে বড় চালানসহ ধরা পড়েছেন দুই বাংলাদেশি। তাঁদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ২৭২ কেজি হেরোইন ও ৫ কেজি কোকেন। গত ৩১ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর উপকণ্ঠ মাউন্ট লাভিয়ানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জব্দ করা মাদকের দাম প্রায় ১৫২ কোটি টাকা। ধরা পড়া দুই বাংলাদেশি হলেন বগুড়ার মোহাম্মদ জামালউদ্দিন ও জয়পুরহাটের দেওয়ান রফিউল ইসলাম। গত বছর বড়দিন (২৫ ডিসেম্বর) সামনে রেখে শ্রীলঙ্কার পুলিশের মাদক বিভাগ ও স্পেশাল টাস্কফোর্স ওই বিশেষ অভিযান চালায়। এর আগে ১৪ ডিসেম্বর কলম্বোর উপকণ্ঠের একই এলাকা থেকে ৩২ কেজি হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করা হয় বাংলাদেশি এক নারীকে. নাম সূর্যমণি। তিনি গত বছরের অক্টোবরের শুরুতে মালয়েশিয়া থেকে কলম্বো পৌঁছান বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। ২০১৩ সালে একটি বিশেষ অভিযানে শ্রীলঙ্কায় একসঙ্গে আটক হয়েছিল ২৬১ কেজি মাদক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এই তথ্য দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে. মাত্র এক মাসের মধ্যে ৩০৪ কেজি হেরোইন. ৫ কেজি কোকেনসহ তিন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের ঘটনা শ্রীলঙ্কায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ আভাস দিয়েছে। বিপুল পরিমাণ মাদক চোরাচালানের বিষয়ে বিশেষায়িত তথ্য বিনিময় ও তদন্তে সহযোগিতার জন্য শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের দপ্তর. দেশটির পুলিশের মহাপরিদর্শক ও পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের প্রধান কলম্বোয় বাংলাদেশের হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। জানতে চাইলে শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন. মাদক চোরাচালানের তদন্তের বিষয়ে দেশটির সরকার বাংলাদেশের সহযোগিতা চেয়েছে। বাংলাদেশ সব সময় সন্ত্রাসবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্সের’ (শূন্য সহিষ্ণুতা) নীতি অনুসরণ করে আসছে। মাদক চোরাচালানের তদন্তে শ্রীলঙ্কাকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ। হাইকমিশনার জানান. মাদক চোরাচালানের বিষয়ে কীভাবে দুই পক্ষ একে অন্যকে সহযোগিতা করতে পারে. তা নিয়ে ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষের একটি বৈঠকের কথা রয়েছে। এদিকে শ্রীলঙ্কা পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকারাকে উদ্ধৃত করে গতকাল দেশটির প্রথম সারির গণমাধ্যম ডেইলি মিরর জানিয়েছে. মাউন্ট লাভিয়ানার টেম্পলার্স রোডের একটি আবাসিক এলাকা থেকে প্রথমে ৯ কেজি হেরোইনসহ দুই বাংলাদেশি জামাল ও রফিউলকে আটক করা হয়। কেকের বাক্সে বিশেষ কায়দায় রাখা ওই হেরোইন জব্দের সময় দুই বাংলাদেশির একজনের কাছে স্বয়ংক্রিয় চাবি (ফ্ল্যাটের দরজা খোলার জন্য) পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদের পর দুজনকে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় একটি দোতলা বাড়িতে যান। বাড়িতে ঢুকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের চোখ আটকে যায়। তাঁরা দেখতে পান. ঘরজুড়ে রয়েছে হেরোইন–ভর্তি প্যাকেট। পরে সেখান থেকে ২৬৩ কেজি হেরোইন. ৫ কেজি কোকেনসহ সব মিলিয়ে ২৬৮ কেজি মাদক উদ্ধার করা হয়। শ্রীলঙ্কার মুদ্রায় উদ্ধারকৃত মাদকের দাম ৩৩৩ কোটি রুপি. যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫২ কোটি টাকা। শ্রীলঙ্কার পুলিশ ও বিশেষ টাস্কফোর্সের সদস্যদের ধারণা. মাদক হাতবদলের জন্য ওই বাড়িকে নিরাপদে ব্যবহার করে আসছিল পাচারকারীরা। কলম্বোর বাড়িটি থেকে সারা দেশে মাদকের চালান পৌঁছে দেওয়া হতো।,1572911 2019-01-02,আনন্দে ঢেকে যাক কষ্ট,,সুমনা শারমীন,২,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572909/%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%A2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F,life-style,print,1,অধুনা|জেনে নিন,জীবনে দুঃখ–কষ্ট. বেদনা–ব্যর্থতা আসবেই। পাশাপাশি আসবে আনন্দ–সুখ–সফলতা। মানুষের জীবনে আনন্দ–বেদনার এই কাব্যে আনন্দ থাকুক এগিয়ে। কষ্টকে দিক হারিয়ে। সফলতা ঢেকে দিক ব্যর্থতাকে। নতুন বছরে এই তো চাওয়া। লিখেছেন সুমনা শারমীন মেয়েটির মনে অনেক কষ্ট। হারিয়েছে তার প্রথম সন্তান। নাড়িছেঁড়া ধন। ভেবেই পায় না কী নিয়ে বাঁচবে সে? বন্ধুবান্ধব. আত্মীয়স্বজনের অনুরোধে অবশেষে মাস দেড়েক পর ঘরের বাইরে বের হলো সে। সবাই বোঝাল. যাও. মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নিয়ে এসো। কয়েক বছর আগের কথা। দিনটি ছিল ৩১ ডিসেম্বর। কাল থেকে নতুন বছর। মেয়েটি চোখেমুখে পানির ঝাপটা দিল. মনকে শক্ত করার চেষ্টা করল। কিন্তু বেসিনের আয়না ঝাপসা হয়ে যায় বারবার। আবার পানির ঝাপটা। বহুদিন পর চুল বাঁধল. বাইরে যাওয়ার শাড়ি পরল নাকি শাড়ি প্যাঁচাল! ঢাকার ধানমন্ডির সড়ক দিয়ে রিকশায় যাচ্ছে...। হঠাৎ পাশের রিকশায় দেখল এক জোড়া তরুণ–তরুণী উচ্ছল হাসিতে লুটিয়ে পড়ছে। থমকে গেল মেয়েটা। মনে হলো. ঘরের বাইরে এসে ভুল হলো। বাইরেটা বড় স্বার্থপর! আমার মনে এত কষ্ট. আর দেখো ওরা কেমন নির্লজ্জের মতো হাসছে! কী নিষ্ঠুর! হায় রে অবুঝ. ওই অপরিচিত তরুণ–তরুণী কী করে জানবে তোমার কষ্টের কথা? আর ঘর থেকে বের না হলে কী করে জানতে পৃথিবীতে একই সময়ে সব মানুষ দুখী নয়! সুখ–দুঃখ সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো. আসে আবার মিলিয়েও যায়। নিজেকে এই কথাটা বোঝাতে সময় লেগেছিল মেয়েটার। আবার মা হয়েছিল মেয়েটি. আশঙ্কা আর আতঙ্কে মাসখানেক ছবি তোলা হয়নি নবজাতকের। ছোট্ট মানুষটি ঘুমিয়ে থাকলে নাকের কাছে বারবার আঙুল নিয়ে দেখত। সব ঠিক আছে তো? অতঃপর সময় বহিয়া গেল. ছোট্ট মানুষটা প্রথম হাসল নাকি হাসাল পরিবারকে! প্রথম মায়ের তর্জনী মুঠো করল. সিলিং পাখার ঘূর্ণি দেখল চোখ ঘুরিয়ে. উপুড় হলো. ঘাড় উঁচু করল...সবটাতেই বিস্ময়. আনন্দ বাবা–মায়ের। একের পর এক ছবি তোলা. বর্ণনা লিখে রাখা। আমাদের কার জীবনে ভালো–মন্দ নেই? উত্থান–পতন নেই? সফলতা-ব্যর্থতা নেই? তবু জীবন কি থেমে থাকে? একেক সময় মনে হয়. আর তো বইতে পারি না। তবু বড় কোনো বিপদ এলে সবকিছু জেনেও একটা ‘মিরাকেল’–এর অপেক্ষায় থাকি। ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে ফিনিক্স পাখির উড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি। আর যখন রাত পোহালে ভোর হয়. তখন বুঝতে পারি. সময়ই একমাত্র শক্তি। সময়ই পারে দুঃখকে ঢেকে দিয়ে আনন্দে ভাসাতে। রবীন্দ্রনাথ নাকি বাঙালির মনের আনন্দ-বেদনা. উত্থান-পতনের সব অনুভূতির কথাই লিখে রেখে গেছেন। ঠিক তা–ই। আছে দুঃখ. আছে মৃত্যু. বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি. তবু আনন্দ. তবু অনন্ত জাগে।। তবু প্রাণ নিত্যধারা. হাসে সূর্য চন্দ্র তারা. বসন্ত নিকুঞ্জে আসে বিচিত্র রাগে।। তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে. কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে। নাহি ক্ষয়. নাহি শেষ. নাহি নাহি দৈন্যলেশ— সেই পূর্ণতার পায়ে মন স্থান মাগে।। ক্রিকেট–বোদ্ধা বন্ধু একবার আমার লাগাতার বিপদের সময় বলেছিল. উইকেট বাঁচিয়ে ক্রিজে টিকে থাকাটাই এখন বড় ব্যাপার। শতরানের আশা এখনই কোরো না। ভুল শট খেলে আউট হয়ে যেতে পারো। বরং ছোট ছোট শট খেলে মধ্যাহ্নভোজের আগে অর্ধশত রান করো। দেখবে. দিন শেষে শতরান হয়ে যাবে! আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখি. জীবনের সঙ্গে ক্রিকেটের এত মিল! তাই তো এক রানের আনন্দও তো অনেক সময় শতরানের মতো। আমরা অনেক সময় তা ভুলেই যাই। আবার এক রান না পেলে অহেতুক মুষড়ে পড়ি। জীবনে বড় বিপদ এসেই আমাদের মনে করিয়ে দেয়. কত অল্পে আমরা অহেতুক মন খারাপ করি। আনন্দ উদ্‌যাপন করাটাও যে জীবনের অংশ. বড় ঝড় থেকে না ফিরলে মনেই থাকে না। কেউ হয়তো ভর্তি হতে চেয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে. হলো না। মন তো ভাঙবেই। কিন্তু হাল ছেড়ে দেওয়ারও তো কিছু নেই। মনোবিদেরা বলেন. জীবনে বিকল্প পথও ধরতে হয়। একটা হলো না তো আরেকটা হবে. হয়তো তাতেই হবে বাজিমাত। শিক্ষার্থীরা তো বটেই. অভিভাবকেরাও অনেক সময় ভুলে যান লেখাপড়াটাই আসল কথা। অমুক স্কুলে ভর্তি না হতে পারলে তাঁর সন্তানের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে. এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। প্রথম আলোর দেশজুড়ে থাকা প্রতিনিধি আর ট্রাস্টের কল্যাণে জানতে পারি. কত নাম না জানা বিদ্যালয় থেকে কত অভাবের সঙ্গে লড়াই করে ঈর্ষাজাগানিয়া ফলাফল করছে অদম্য মেধাবীরা। জীবন তো খেলাই। একবার আউট হলেইবা কী? আরেকবার ছক্কা হবেই। হোক বা না হোক. ছক্কার স্বপ্ন তো দেখতে হবে। যে ‘শচীন শচীন’ নির্ভরতার ধ্বনিতে স্টেডিয়াম মুখরিত থাকত. সেই শচীন টেন্ডুলকার কি হাঁস (ডাক) মারেননি? তাই বলে কি থেমেছে তাঁর অর্জন? প্রথম আলোর কিশোরদের ম্যাগাজিন কিশোর আলোর জন্মদিনে এসে তাই বিশ্বখ্যাত অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান স্বপ্ন দেখালেন বিশ্বকাপ জয়ের। বললেন. ‘স্বপ্ন তো তা–ই. যা অন্যে বিশ্বাস করে না। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি।’ আরেকটা নতুন বছর এল। নতুনের শক্তি অনেক। এটা শুধু দেয়াল পঞ্জিকা বা মোবাইলের ক্যালেন্ডারের নতুন মাস নয়। নিজেকে জয় করার প্রত্যয়ও বটে। আর কোথাও কিছু না থাক. বুকের ভেতরে প্রত্যয় থাকলেই যথেষ্ট। তবেই গাইতে পারেন. ‘আমরা করব জয় একদিন।’ মনে পড়ে স্কুলজীবনের কথা। অগ্রণী স্কুলের গানের শিক্ষক মামুন স্যার শিখিয়েছিলেন রবীন্দ্রসংগীতটি— ওরে. নূতন যুগের ভোরে দিস নে সময় কাটিয়ে বৃথা সময় বিচার করে।। কী রবে আর কী রবে না. কী হবে আর কী হবে না ওরে হিসাবি. এ সংশয়ের মাঝে কি তোর ভাবনা মিশাবি?।... কর্মক্ষেত্রই বলুন. পরিবার বলুন. কিংবা বন্ধুত্ব—আনন্দ–বেদনার নকশিকাঁথার ফোঁড়েই জীবন হয় পূর্ণ। তবে দিনশেষে আনন্দের পাল্লা যেন হারিয়ে দেয় কষ্টকে। ব্যর্থতা যেন সফলতার কাছে হয় পরাজিত। নয়তো জীবন জিতবে কী করে বলুন? নতুন বছরে এই তো চাওয়া।,1572909 2019-01-02,হাত দেখে স্বাস্থ্য গণনা,জেনে নিন,,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572907/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A8%E0%A6%BE,life-style,print,1,অধুনা|পরামর্শ|জেনে নিন,হাত দেখে ভাগ্য গণনা করেন জ্যোতিষীরা। সেটা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য. তা নিয়ে তর্ক করা যেতে পারে। তবে হাতের অবস্থা দেখে স্বাস্থ্য গণনার বিষয়টি বিজ্ঞানসম্মত। আপনার হাতের অস্বস্তির লক্ষণ দেখে নিজেই অনুমান করতে পারবেন স্বাস্থ্যের অবস্থা। সমাধানও আছে। তবে সব সমস্যা ও সমাধানের ব্যাপারে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে ক্লান্তি ও অবসাদ কীভাবে বুঝবেন: ভারী কিছু তুললে হাতের চামড়া–সংলগ্ন স্নায়ুতে চাপ পড়ে। এমনটা হয় হাতের কবজি বেকায়দায় থাকলেও। আর এর ফলে হাতের আঙুলগুলোতে অস্বস্তিকর অনুভূতি হয়। যা করতে হবে: পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান ও বিশ্রাম নিন। ম্যাসাজ নিলেও উপকার হবে। রক্তসঞ্চালনে সমস্যা কীভাবে বুঝবেন: ডান হাতের আঙুলের ডগা অসাড় লাগতে পারে বেশ কিছু কারণে। তার মধ্যে আঙুলের চামড়া–সংলগ্ন স্নায়ুতে চাপ. হাত কিংবা কাঁধের সন্ধিস্থলের আঘাত অন্যতম। কার্ডিওভাসকুলার অসুখের কারণে রক্ত ঠিকমতো চলাচল করতে পারে না। ফলে ডান হাতের আঙুলে অস্বস্তি হতে পারে। যা করতে হবে: নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। হাঁটুন. দৌড়ান. ব্যায়াম করুন। এর ফলে শরীরের সব জায়গায় রক্তসঞ্চালন ত্বরান্বিত হবে। তবে সবার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। ভিটামিনের অভাব কীভাবে বুঝবেন: কিছু ভিটামিনের (যেমন ‘ই’. ‘বি১ ’. ‘বি৬’ এবং ‘বি ১২ ’) অভাবে বাঁ হাত অথবা বাঁ পায়ের আঙুলে অস্বস্তিকর অনুভূতি হয়। যা করতে হবে: ভিটামিনের অভাব পূরণ করুন। ভিটামিন নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। অতিরিক্ত ভিটামিন শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মেরুদণ্ডের সমস্যা কীভাবে বুঝবেন: মেরুদণ্ডের অনেক সমস্যার কারণে বাঁ হাতের অনামিকা ও কনিষ্ঠায় অস্বস্তি হতে পারে। মেরুদণ্ডের সমস্যার কারণে আঙুলের স্নায়ুতেও চাপ পড়ে আর এর ফলেই আঙুলে অস্বস্তি হয়। যা করতে হবে: সুযোগ পেলেই আড়মোড়া ভাঙুন। মেরুদণ্ড একটু বাঁকা করুন। যোগব্যায়াম ও শরীরচর্চা করতে পারেন। সাঁতারেও উপকার হয়। দীর্ঘক্ষণ একটানা বসে থাকা যাবে না। ডায়াবেটিস কীভাবে বুঝবেন: পা থেকে শুরু করে একটা অস্বস্তিকর অনুভূতি হাতের তালু ও আঙুল পর্যন্ত পৌঁছে যায়। শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে রক্তসঞ্চালনের মাত্রা কমে গেলে এমনটা হয়। আর রক্তসঞ্চালনের মাত্রা হ্রাস পায় স্নায়ুর শীর্ষ ভাগগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে। যা করতে হবে: টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের বেলায় চিকিৎসকেরা ইনসুলিনের পরামর্শ দেন। টাইপ টু ডায়াবেটিসের বেলায় অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসই মূল কারণ। তাই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করলে সমাধান মিলে যায়। কারপাল টানেল সিনড্রোম কীভাবে বুঝবেন: এ সমস্যার কারণে হাতের বুড়ো আঙুল. তর্জনী কিংবা মধ্যমা অসাড় লাগতে পারে। ঝিমঝিমও করতে পারে। কর্মক্ষেত্রে বা দৈনন্দিন জীবনে আমাদের হাত অনেক সময় ক্রমাগতভাবে চলতে থাকে। এর ফলেই এমনটা হয়। যা করতে হবে: নিয়ম করে সাধারণ কিছু ব্যায়াম করতে পারেন। কাজের ফাঁকেই কবজি দুটি একটু ঘুরিয়ে. টানটান করে ব্যায়ামগুলো করা যায়। গ্রন্থনা: মাহফুজ রহমানসূত্র: ব্রাইটসাইড,1572907 2019-01-02,ক্যাটরিনা কাইফ নন. শ্রদ্ধা কাপুর,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572903/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AB-%E0%A6%A8%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0,entertainment,print,1,বলিউড,নাচ নিয়ে সিনেমা এবিসিডি ৩-এ থাকছেন না ক্যাটরিনা কাইফ। সালমান খান অভিনীত ভারত ছবির শুটিংয়ের জন্য কাজ করতে পারছেন না এই ছবিতে। সেখানে দেখা যেতে পারে ফের শ্রদ্ধা কাপুরকেই। এর মধ্য দিয়ে আবার একসঙ্গে দেখা যেতে পারে এবিসিডি ২–এর জুটিকে। কারণ বরুণ ধাওয়ান কাজ করছেন. এটি নিশ্চিত। কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক রেমো ডি সুজা পরিচালিত ‘এবিসিডি: এনিবডি ক্যান ড্যান্স’ খুবই জনপ্রিয় একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। ইতিমধ্যে ছবিটির দুই কিস্তি নির্মিত হয়েছে। দুটোই দর্শকেরা বেশ পছন্দ করেছেন। ছবির একটি অন্যতম চরিত্রে থাকেন আরেক জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক প্রভু দেবা। প্রথমে শোনা গিয়েছিল. একটি নতুন জুটি নিয়ে তৈরি করা হবে এই সিনেমা। সেখানে ভাবা হয়েছিল ক্যাটরিনা কাইফ ও টাইগার শ্রফকে। এবার খবর এল টাইগার ও ক্যাট কেউই থাকছেন না। ছবিতে দেখা যেতে পারে সেই পুরোনো জুটি বরুণ ধাওয়ান ও শ্রদ্ধা কাপুরকেই। কারণ পরিচালক রেমো আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন. টাইগার থাকছেন না ছবিতে। এবার জানা গেল. এই ছবিতে ক্যাটরিনাও থাকছেন না। সালমান খান অভিনীত ভারত ছবির কাজ চলছে জোর কদমে। সেখানে কাজ করছেন ক্যাটরিনা কাইফ। এই সিনেমার বাইরে কাজ করার একদমই ফুরসত নেই তাঁর। এমনিতেই থাগস অব হিন্দোস্থান ও জিরো ছবি দুটি দিয়ে বেশ খারাপ অবস্থায় আছেন ক্যাট। ছবি দুটি বক্স অফিসে ভালো করেনি। তাই ভারত ছবিতে একনিষ্ঠভাবেই কাজ করছেন তিনি। এদিকে পরিচালক রেমো ডি সুজার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে. ক্যাটরিনার অপারগতার জন্য সেখানে ভাবা হচ্ছে শ্রদ্ধা কাপুরকেই। তবে এটি এখনো নিশ্চিত নয়। এই তালিকায় আছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ও কৃতি শ্যাননও। তবে শ্রদ্ধা যে তালিকায় এক নম্বরে. এটি নিশ্চিত করেছে ছবির ঘনিষ্ঠ সূত্রটি। ২২ জানুয়ারি অমৃতসরে ছবির প্রথম দিকের শুটিং শুরু হবে। এরপর লন্ডনে হবে ফেব্রুয়ারি মাসের শুটিং। আর জুলাই মাসের দিকে শুটিং থাকছে মুম্বাইতে। ছবির পরিচালক জানিয়েছেন. নভেম্বরের দিকে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। ডিএনএ,1572903 2019-01-02,সুস্থ সম্পর্কের সাতকাহন,মনোজগৎ,মেখলা সরকার,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572901/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A8,life-style,print,1,সম্পর্ক|অধুনা,সম্পর্ক মূলত দুজন ব্যক্তিকে আবেগ. ভালোবাসার মাধ্যমে মানসিকভাবে যুক্ত করে। সম্পর্কের ভালোবাসা আমাদের যোগ্যতা সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী করে। অন্যের কাছে প্রাধান্য. যেকোনো প্রয়োজনে পাশে পাওয়ার নিশ্চয়তা. সঙ্গীর জীবনে নিজের গুরুত্ব আমাদের শুধু আনন্দিতই করে. তা–ই নয়; আমাদের মনে এক গভীর নিরাপত্তাবোধ দেয়. উদ্বেগ কমায়. জীবনের ছোট-বড় নানা সমস্যা মোকাবিলা করা সহজ করে। ইতিবাচক দাম্পত্যে ব্যক্তিকে উজ্জীবিত ও জীবনমুখী করে. কর্মস্পৃহা বাড়ায়। পজিটিভ সাইকোলজির প্রবক্তা মার্টিন সেলিগম্যান ব্যক্তির ভালো থাকা বা সুখের যে পাঁচটি স্তম্ভের কথা বলেছেন. তার মধ্যে ‘সম্পর্ক’ অন্যতম। গুণগত জীবন যাপনের জন্য এই পাঁচটি স্তম্ভ গুরুত্বপূর্ণ হলেও অন্য গবেষণায়ও দেখা গিয়েছে. ‘ইতিবাচক সম্পর্ক’ সুখের অন্যতম প্রধান নির্ধারক। সুস্থ সম্পর্ক বুঝতে... সুস্থ সম্পর্ক সেটাই যেখানে দুজন সঙ্গী *পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে সন্তুষ্ট. পরিতৃপ্ত ও সুখীবোধ করে *পরস্পরের কাছে নিরাপদ এবং আরামদায়ক বোধ করবে *পরস্পরের প্রতি আচরণ সম্মানপূর্ণ হবে *নিজেদের সঙ্গে কাটানো সময় আনন্দপূর্ণ হবে *পরস্পরের জীবনের প্রতি আগ্রহ থাকবে (যেমন: বন্ধুবান্ধব. ভালো লাগার বিষয়. পরিবার. জীবন নিয়ে ভাবনা. স্কুল-কলেজ. কর্মক্ষেত্র ইত্যাদি) *পরস্পরের প্রতি আস্থা/বিশ্বাস থাকবে *পারস্পরিক ভালোবাসা. মমতা. শ্রদ্ধা. বিশ্বাস. গ্রহণযোগ্যতা ইত্যাদির ভিত্তিতে পরস্পরকে প্রতিনিয়ত বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। কেন প্রয়োজন সম্পর্কের সুস্থতা? *ইতিবাচক সম্পর্ক যেমন সঙ্গীদের জীবনে ইতিবাচক কর্মশক্তি. সক্রিয়তা যোগ করে। তেমনি রোমান্টিক সম্পর্কের গুণগত উপাদানগুলোর অভাব ব্যক্তিকে করে তুলতে পারে চরম অসুখী. অনুৎপাদনশীল। *সম্পর্কের নেতিবাচকতা আমাদের নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস কমায় *হীনম্মন্যতা তৈরি হয় *নিরাপত্তাহীনতা. উদ্বেগ ও অস্থিরতা বাড়ায় *কর্মস্পৃহা কমায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে জীবনবিমুখী করে তুলতে পারে। *গবেষণায় দেখা গিয়েছে. সম্পর্ক থাকা না–থাকার তুলনায় সম্পর্কের গুণগত মানের ওপর ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য. জীবন যাপনে সন্তুষ্টি. সঙ্গী ও সন্তানদের ভালো থাকা নির্ভরশীল (কামিং অ্যান্ড ডেভিস. ২০১১; ব্যারেট ২০১১)। গবেষণা বলছে. অসুখী দাম্পত্যের নেতিবাচক প্রভাব ব্যক্তির নিজের এবং তাঁর সন্তানদের ওপর সুদূরপ্রসারী। সম্পর্কের গুণগত মান বাড়াবেন কীভাবে? যেকোনো আবেগময় সম্পর্ক একধরনের বেড়ে ওঠা গাছের মতো. যা সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন প্রতিদিনের পরিচর্যা। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পারস্পরিক আবেগ. ভালোবাসা. আকর্ষণ. নির্ভরশীলতা এমনি এমনি বেড়ে উঠবে না। এর জন্য প্রয়োজন দুজনের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও এর গুরুত্ব অনুধাবন! সময় দিন: প্রতিদিন ‘অল্প’ হলেও শুধু দুজনের জন্য কিছুটা সময় রাখুন। এ সময়ে পরস্পরের সঙ্গ উপভোগের চেষ্টা করুন. মজা করুন. পরস্পরের খোঁজখবর নিন. তার সারা দিনের কর্মব্যস্ততা ইত্যাদি নিয়ে পারলে কথা বলুন. গল্প করুন। অল্প সময়ের জন্য হলেও সঙ্গীর নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ এবং প্রাধান্য নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে সাহায্য করে. আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। সম্মান করুন: গুণগত সম্পর্কের অন্যতম নির্ধারক পারস্পরিক সম্মান। আচরণ. কথায়. অন্যের কাছে প্রকাশে সঙ্গীর আত্মসম্মানের দিক খেয়াল রাখুন। প্রশংসা করুন: প্রতিদিন ছোটখাটো নানা ভালো কাজে প্রশংসা করুন। অন্যের প্রশংসা বা স্বীকৃতি আমাদের উৎসাহিত করা ছাড়াও আমাদের ভালো দিকগুলোর প্রতি যে সঙ্গী মনোযোগী তা প্রমাণ করে। স্নেহ প্রকাশ করুন: প্রতিদিন নানাভাবে (স্পর্শের মাধ্যমে. মৌখিকভাবে) আপনার মমতা. স্নেহ সঙ্গীকে প্রকাশ করুন। প্রতিটা মানুষেই নানা ধরনের ‘নাজুকতা’ মধ্যে দিয়ে যায়। প্রিয়জনের স্নেহময় ‘আশ্রয়’ আমাদের নাজুকতা মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। বেড়াতে যান: কর্মব্যস্ততা থাকলেও সপ্তাহে অন্তত একবেলা আপনার সঙ্গীর জন্য রাখুন। একসঙ্গে বাইরে বের হন. ঘুরুন. একসঙ্গে ভালো লাগার কিছু উপভোগ করুন। একান্তে কাটানো এ সময় সমস্যা নিয়ে কথা না বলে ইতিবাচক বিষয় নিয়ে কথা বলুন। ছোট ছোট এ ধরনের অভ্যাস সম্পর্কে বৈচিত্র্য আনতে সাহায্য করে. ক্লান্তি দূর করে। দ্বন্দ্ব মোকাবিলায় কৌশলী হোন: রোমান্টিক বা আবেগময় সম্পর্কে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভালো কিছুর সঙ্গে নানা অপ্রাপ্তি. দ্বন্দ্ব. অপ্রত্যাশিত বিষয় যোগ হবে। অযথা প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বা মনের মধ্যে না পুষে সরাসরি করে কথা বলুন। এমনভাবে বলবেন না. যাতে অপর পক্ষ চ্যালেঞ্জ বোধ করে বা নিজেকে ছোট মনে করে। প্রয়োজনে সঙ্গীর ব্যক্তিত্বে কিছু সীমাবদ্ধতা যা খুব একটা পরিবর্তন করতে পারবেন না. সেটা গ্রহণ করুন। সে ক্ষেত্রে তার ভালো বিষয়গুলো এবং সম্পর্কের শক্তিশালী দিকগুলো বেশি করে মাথায় রাখুন। খোলামেলা কথা বলুন: ভালোবাসা. সততা. স্বচ্ছতা. বিশ্বাস. দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে দাঁড়ানো সম্পর্ক পরস্পরকে যে নির্ভরতা দেয় এবং যেভাবে নির্ভার করে সেটা দীর্ঘ জীবনের পথ চলার নানা জটিলতা অনেক সহজ করে দেয়। পরস্পরের সঙ্গে খোলামেলাভাবে কথা বলা. রসবোধ রাখা. নিজের মতামতের বাইরে অন্যের মতামত গ্রহণ করার মানসিকতা রাখুন। সম্পর্কে বন্ধুত্ব: দাম্পত্যে বন্ধুত্ব যোগ হলে এর স্থায়িত্ব বাড়ে। কাজেই পরিবার. শৈশব. অতীত. আগ্রহ ও কাজের বিষয়. জীবন সম্পর্কে ভাবনা. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইত্যাদি নানা কিছু শেয়ার করুনএবং তার বিষয়ে আগ্রহ দেখান। একান্ত সময়: নিজের ব্যক্তিগত জায়গা (পারসোনাল স্পেস) রাখুন। নিজের ভালো লাগার বিষয় চর্চা করুন. নিজস্ব বন্ধুবান্ধব রাখুন. আত্মনির্ভরশীল হন। সঙ্গীর প্রতি সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতা থেকে বিরত থাকুন। সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় যেসব কারণে *ছোট করে কথা বলা. সমালোচনা করা *সবকিছুতে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা বা নিজের সুবিধায় ব্যবহার করা *ছোটখাটো চাহিদা. আগ্রহ উপেক্ষা *আত্মসম্মানে আঘাত লাগে এমন আচরণ *পরিবার নিয়ে হেয় করে কথা বলা। মেখলা সরকার. সহযোগী অধ্যাপক. জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট. ঢাকা,1572901 2019-01-02,সবাই মিলেই কাজ করি,সন্তান পালন,আহমেদ হেলাল,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572900/%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF,life-style,print,1,সম্পর্ক|অধুনা|পেশা,১১ বছর বয়সের মেয়ে সুহাইরা। ছোটবেলা থেকে মা যদি সুহাইরাকে একটি ছোট্ট কাজও করতে বলতেন. তখনই ওর বাবা হা হা করে উঠতেন. ‘এত ছোট মেয়ে. ও আবার কী কাজ করবে।’ এভাবে কোনো কাজ না করার কারণে সুহাইরা এখন কোনো কাজই করতে চায় না বা করতে পারে না। যেকোনো দায়িত্বকেই ভয় পায়। এমনকি তার নিজের দৈনন্দিন কাজগুলো. যেমন: স্কুলের বই গোছানো থেকে শুরু করে নিজের জামাকাপড় খুঁজে পাওয়া—সবকিছুতেই সে বাবা-মায়ের ওপর নির্ভরশীল। ছোট ছোট বিষয়ে সে কার্যকরী সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। বাবা-মায়েরা সন্তানকে ভালোবাসেন। ভালোবেসে তাদের সব সময় আরামে রাখতে চান। কিন্তু এই আরামে রাখার প্রক্রিয়ায় সন্তানদের সামাজিক দক্ষতা গড়ে ওঠে না. অংশগ্রহণমূলক মনোভাব তৈরি হয় না. আর ছোট-বড় কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এ জন্য ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের তাদের বয়স উপযোগী দায়িত্ব ভাগ করে দিতে হবে। হয়তো সব কাজ সে নিখুঁত করে করতে পারবে না. কখনো ভুল হবে কিন্তু তার নিজের সক্ষমতা বাড়তেই থাকবে। একটি শিশু কৈশোর. তারুণ্য পার হয়ে পরিবার আর সমাজে যখন দায়িত্ববান সদস্য হিসেবে নিজের ভূমিকা রাখতে যায়. তখন কিন্তু তার শৈশবের শিক্ষাগুলো সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। বাবা-মায়েদের মনে একটা ধারণা থাকে. ‘ও কি এই বয়সে কিছু করতে পারবে’ বা ‘ও এটা খুব ভালো করে করতে পারবে না’ কিংবা ‘এটা করতে গেলে ওর অনেক কষ্ট হবে।’ এই ধারণাগুলো শিশুর জ্ঞানীয় (কগনিটিভ) বিকাশ আর সামাজিক-আবেগীয় (সোশিয়ো-ইমোশনাল) বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে. দায়িত্ব নিতে শেখায় না। আবার শৈশবে বা কৈশোরে শিশুকে কোনো দায়িত্ব এমনভাবে দেওয়া যাবে না. তার প্রতি কোনো টার্গেট ঠিক করে দেওয়া যাবে না. যাতে তারা সেগুলোকে বোঝা মনে করে। এ জন্য সামাজিক অনুষ্ঠানের মোড়কে. দৈনন্দিন যাপিত জীবনের সাধারণ কাজের মধ্য দিয়ে শিশুদের দায়িত্ব দিতে হবে। তারা যেন বিষয়টিকে-দায়িত্বটিকে আনন্দ হিসেবে গ্রহণ করে. বাড়তি কাজ হিসেবে নয়। সবাই মিলে কাজ করার অভ্যাস যদি পরিবারে থাকে. তবে পারিবারিক বন্ধনগুলো দৃঢ় হয়. অপরের মতামতকে মূল্য দিতে শেখে আর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে পারে। বাবা-মায়েদের করণীয় * শিশু-কিশোরেরা কোনো কাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে করতে গেলে শুরুতেই তাদের নিরুৎসাহিত করবেন না। যদি মনে করেন কাজটিতে যুক্ত হওয়া তার জন্য সঠিক হচ্ছে না. তখন তাকে বুঝিয়ে বলুন। * কাজের ফলাফল যা-ই হোক. তাদের প্রতি বক্রোক্তি. সমালোচনা কিংবা আরেকজনের সঙ্গে তুলনা করবেন না। * পারিবারিক আর সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেরাও অংশ নিন আর শিশুদেরও অংশ নিতে উৎসাহিত করুন। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় দিবসগুলোতে শিশুদের নিয়ে অংশ নিন। পারিবারিক পিকনিক. একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়া. বিয়ে. জন্মদিনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শিশুদের নিয়ে যান। * পারিবারিক আর সামাজিক অনুষ্ঠানে শিশুদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়াটাই সব নয়—এসব অনুষ্ঠানে শিশুদের তাদের বয়স উপযোগী দায়িত্ব দিন। হতে পারে ট্রেন. বাস বা প্লেনের টিকিটগুলোর একটি কপি তাদের কাছে রাখতে দেওয়া এবং যথাযথ সময়ে তাদের দিয়েই সেগুলো ব্যবহার করানো। ছোটখাটো কেনাকাটায় তাদের হাতে অল্প টাকা দিয়ে কেনাকাটার অভ্যাস করা. এতে তাদের মানি ম্যানেজমেন্ট দক্ষতা বাড়বে। * পিকনিকের আয়োজন থেকে শুরু করে খাবার তৈরি বা পরিবেশনায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন। হয়তোবা সবকিছু সুচারুভাবে তারা করতে পারবে না. কিন্তু আপনি মন খুলে তাদের প্রশংসা করুন. উৎসাহ দিন। * যেকোনো পারিবারিক আয়োজনের বিষয়ে তাদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না। তাদের কাছ থেকে মতামত নিন। আপনার এবং তাদের মতের সুবিধা-অসুবিধাগুলো তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন। * শিশু-কিশোরেরা যদি পড়ালেখার পাশাপাশি বৃত্তিমূলক কোনো কাজ. হাতের কাজ শিখতে চায়. তবে তাকে উৎসাহ দিন। অনেক সময় দেখা যায়. মূলধারার পড়ালেখার চেয়েও শিশুদের জীবনে এই বৃত্তিমূলক শিক্ষা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। * কোনো শিশু-কিশোর যদি এ ধরনের ছোটখাটো কাজ করতে খুবই অনাগ্রহ প্রকাশ করে. তবে কেন সে অনাগ্রহী হচ্ছে. তা খুঁজে দেখার চেষ্টা করুন। তার মধ্যে সোশ্যাল অ্যাংজাইটি. স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যা. মানসিক সমস্যা. থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি বা ব্যক্তিত্বের সমস্যা হচ্ছে কি না. তা নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। * বাবা-মায়েদের মনে রাখতে হবে যে সন্তানের আরামের কথা চিন্তা করে তাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া থেকে বিরত থাকলে পরবর্তী সময়ে তারা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে. দায়িত্বশীল নাগরিক হবে না এবং পদে পদে হোঁচট খাবে। এ কারণে শিশু-কিশোরদের ছোটবেলা থেকেই বয়স অনুযায়ী কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কাজ দিলে বাবা-মায়েরা সেগুলো তদারকি করবেন আর কখনোই বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজের দায়িত্ব তাদের দেওয়া যাবে না। আহমেদ হেলাল সহযোগী অধ্যাপক. জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট. ঢাকা।,1572900 2019-01-02,মোমোর স্বাদ নিতে টেস্টি টিবেটে,রেস্তোরাঁ রিভিউ,তাবাসসুম ইসলাম,১,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572898/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87,life-style,print,1,খাবারদাবার|অধুনা,বদলাচ্ছে এ শহর. বদলে যাচ্ছে শহুরে অভ্যাসগুলোও। খুব ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যায়. পরিবর্তনের রং লেগেছে আমাদের খাদ্যাভ্যাসেও। মোড়ের দোকানের তেলে ভাজা পেঁয়াজি-বেগুনি কিংবা ঘুগনি দেওয়া ঝালমুড়ির বদলে ইদানীং শীতের সন্ধ্যাগুলোতে আমাদের সঙ্গী হয়ে উঠছে ভিনদেশি এক খাবার. মোমো। মোমোর জন্মস্থল তিব্বতে। সেখানকার পাহাড়ি সাদাসিধে মানুষেরা মাংস. মাছ বা সবজির পুরকে ময়দার আবরণে মুড়িয়ে বাষ্পের ভাপে তৈরি করে মোমো। ক্রমেই সুস্বাদু খাবারটি ছড়িয়ে পড়ে ভুটান. নেপাল. দার্জিলিং. সিকিম. গ্যাংটকসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে। বাংলাদেশের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় মোমো পাওয়া গেলেও সম্প্রতি এ শহরে মোমোর জনপ্রিয়তা যেন একাই বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ‘টেস্টি টিবেট’। ঘর থেকে বেরিয়ে ধানমন্ডিতে রোজই দেখি কমলা-সাদায় বড় করে লেখা ব্যানার ‘টেস্টি টিবেট’। আর এরপর ঢাকার যেদিকেই ছুটি না কেন. হোক তা বনানীর অফিসপাড়া কিংবা বসুন্ধরার আবাসিক এলাকা. সর্বত্রই টেস্টি টিবেট আর তার তিব্বতি মাস্কটের দেখা মেলে। কৌতূহলের বশেই তাই একদিন সন্ধ্যায় ঢুকে পড়লাম ধানমন্ডি ২৭–এর সুপার শপ ‘স্বপ্ন’–সংলগ্ন টেস্টি টিবেটের ফুডকোর্টটিতে। চার টেবিলের ফুডকোর্টটি আয়তনে বেশ ছোট এবং পার্শ্ববর্তী গ্লোরিয়া জিন্সও এটি ব্যবহার করে। যেহেতু একদল কাস্টমার উঠে যেতেই টেবিল চলে যাচ্ছে অন্য কারও দখলে. তাই এ ধরনের ফুডকোর্টে চটজলদি টেবিল পরিষ্কার করে ফেলা খুব জরুরি। কিন্তু এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে কিছুটা উদাসীন মনে হলো। সুপার শপের ভেতরে গিয়ে টেস্টি টিবেটের আলাদা কাউন্টারে খাবারের অর্ডার দিতে হয়। কাউন্টারেই চোখে পড়ল মোমো বানানোর ঐতিহ্যবাহী পাত্র ‘মাকটু’র আধুনিক রূপ। স্টিলের এ তিন তলা পাত্রে রয়েছে ছোট ছোট ছিদ্র আর পাত্রের একেবারে নিচের তলায় ফুটছে গরম পানি। সেই গরম পানির ভাপেই তৈরি হচ্ছে নানা রকম মোমো। রসনাবিলাসের বৈচিত্রময়তার কথা পুরোপুরি মাথায় রেখেই মেনু সাজিয়েছে টেস্টি টিবেট। তাই মেনু দেখে খানিকক্ষণ সিদ্ধান্তহীনতার দোলাচলে ভুগতে হয় বটে! চিকেন মোমোরই রয়েছে পাঁচটি রকমভেদ. আর সেই সঙ্গে গরুর মাংস. চিজ. সবজি. চিংড়ি এবং চকলেট মোমো তো রয়েছেই। বিজয়ের মাসে তাদের মেনুতে নতুন সংযোজন স্পিনাক বা পালংশাকের নির্যাস দিয়ে তৈরি গ্রিন চিকেন বেসিক মোমো এবং বিটরুটের রস থেকে তৈরি রেড চিকেন চিলি মোমো। এ ছাড়া সেদ্ধ মোমোর পাশাপাশি ফ্রায়েড মোমোর উল্লেখও পাওয়া গেল মেনুতে। যেকোনো মোমোই ৩ পিস. ৬ পিস কিংবা ৮ পিস অর্ডার দেওয়া যায়। পিস এবং ভেতরের পুরের ভিন্নতার সঙ্গে তারতম্য ঘটে দামের। বেছে নিলাম ৬ পিস চিকেন চিলি মোমো এবং ৩ পিস চকলেট মোমো। দাম পড়ল যথাক্রমে ১৬৭ টাকা এবং ১০৩ টাকা। সঙ্গে যোগ হলো ১৫% ভ্যাট। অর্ডার দেওয়ার সময়ই বিল মেটাতে হয় অর্থাৎ পে ফার্স্ট! তবে কার্ড কিংবা ক্যাশ দুই পদ্ধতিতেই বিল দিতে পারবেন আপনি। অর্ডার দিতে দিতে ঝটপট কিছু প্রশ্নও করে নিলাম কাউন্টারে দাঁড়ানো সেলসম্যানকে। আর সেখান থেকেই জানতে পারলাম টেস্টি টিবেট মূলত বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের একটি যৌথ প্রয়াস এবং ঢাকায় বর্তমানে এর ১৮টি শাখা রয়েছে। মিনিট দশেক পর ধোঁয়া ওঠা গরম-গরম মোমো হাজির হলো টেবিলে। চিকেন মোমোর সঙ্গে রয়েছে দুই রকম সস। বাইরের আবরণের ঠিকঠাক পুরুত্ব আর ভেতরের পুরে টাটকা স্বাদ দার্জিলিংয়ের টয় ট্রেনস্টেশনে খাওয়া মোমোর কথা মনে করিয়ে দিল ঠিকই. কিন্তু চকলেট মোমো বেশ হতাশই করল। ‘মুখে দিতেই গলে যাবে’—মোমোর এ প্রচলিত বৈশিষ্ট্য ঠিকঠাক মানা হয়নি ভিন্ন স্বাদের এ মোমোতে। এ ছাড়া মিষ্টির পরিমাণও যেন খানিকটা বেশি মনে হলো। ফুডকোর্টটি ছোট বলেই আয়েশ করে খাওয়ার সুযোগ টেস্টি টিবেটের ধানমন্ডির এ শাখাতে একটু কম। তবে বনানী. উত্তরাসহ আরও বিভিন্ন স্থানে রয়েছে তাদের পূর্ণাঙ্গ রেস্তোরাঁ। আবার বনানী ১১ বা বেইলি রোডের মতো কোনো কোনো শাখায় রয়েছে শুধু টেকওয়ের ব্যবস্থা. অর্থাৎ সেখান থেকে শুধু মোমো পার্সেল করে নিয়ে যেতে পারবেন আপনি। যখন অস্বাস্থ্যকর তেলে ভাজা খাবার আর ফাস্ট ফুডের একচ্ছত্র আধিপত্যে হাঁপিয়ে উঠছিল এ শহরবাসী. তখন টেস্টি টিবেটের মোমোর স্বাদ একই সঙ্গে মুগ্ধ করেছে ভোজনবিলাসী ও স্বাস্থ্যসচেতন মানুষকে। এতে নেই তেল-মসলার আধিক্য. নেই স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাই যেকোনো বয়সী মানুষ নির্দ্বিধায় সুদূর তিব্বতে উদ্ভাবিত সুস্বাদু মোমো মুখে পুরে জটায়ুর মতো বলে ফেলতে পারেন. ‘উইকে একদিন করে মোমো খেতে পারলে মশাই ছয় মাসের মধ্যে চেহারায় একটা ধ্যানী ভাব এসে যাবে।’,1572898 2019-01-02,স্থাপত্য হয়ে উঠুক সবুজের কবিতা,আবাসন,রফিক আজম,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572896/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%81%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE,life-style,print,1,অধুনা|আবাসন|জেনে নিন|আবাসন মেলা,বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে যখন বিশ্বায়নের জয়জয়কার. মনে হচ্ছিল পৃথিবীর তাবৎ সুন্দর বিষয়গুলো বিশ্বায়িত হবে। দেশে দেশে অর্থনীতির ফারাক সংকুচিত হবে। বিশ্বায়িত হবে মানুষে মানুষে বিশ্বাস. শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে এই পৃথিবী দেখল যে বিশ্বায়িত হলো দেশে দেশে যুদ্ধ. অস্ত্র. হিংসা. বিদ্বেষ. অবিশ্বাস আর বিভিন্ন অবয়বে কার্বন। আর সরলভাবে বললে. এই কার্বনের প্রসার একাই যথেষ্ট এই পৃথিবীকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলতে। সুতরাং এই ছোট্ট পৃথিবীকে বসবাসের জন্য আমাদের বিশ্ববাসীকে একত্রে কাজ করতে হবে। এটাই সত্য। আর এই যাত্রায় স্থপতিরা হচ্ছেন একদল মানুষ. যাঁরা জলবায়ু পরিবর্তন অনুধাবন করতে পারেন সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে। স্থপতিমাত্রই কাজ করেন পরিসর আর পরিবেশ নিয়ে। এদের মধ্যকার মধ্যস্থতা নিয়ে। সুতরাং একজন স্থপতির জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ও ফল সম্পর্কে গভীরভাবে জানা গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞানীদের মতানুসারে. বিশ্বের তাপমাত্রা আর ৬ ডিগ্রি বাড়লেই পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হবে। গবেষণায় দেখা যায়. ২০৮০ সালে বাংলাদেশের তাপমাত্রা বেড়ে যাবে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা বাড়ার ফলে সমস্যা হবে ক্যাসকেডিং বা বহুমাত্রিক এবং এর করুণ পরিণতি ভোগ করবে বাংলাদেশের মানুষসহ আশপাশের দেশগুলো। এমতাবস্থায় এটি স্পষ্ট যে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নগরকেন্দ্রিক স্থাপত্যচর্চায় স্থপতিদের ভূমিকা বিশাল সমুদ্রে এক বিন্দু জলের ফোঁটার মতো। তাই কেবল বৃহত্তর স্তর থেকে ক্ষুদ্রতম স্তর পর্যন্ত মানব সম্প্রদায়ের একটি সম্মিলিত এবং সংঘবদ্ধ জোর প্রচেষ্টাই পারে এই ধরণিকে রক্ষা করতে। তবে জলবায়ু নিয়ে সচেতন পদক্ষেপ স্থপতিদের নেতৃত্বে হওয়া একান্তভাবে কাম্য। স্থপতিরা জানেন. একটি নগর স্থাপত্যে যত উপাদান. যেমন দালান. দালানের মাঝখানের জায়গাগুলো. রাস্তা. ফুটপাত. উদ্যান. মাঠ. গাছগাছালি. পাখপাখালি সবকিছুতে কীভাবে সমন্বয় করতে হয়। এখন স্থপতিদের চ্যালেঞ্জটা হলো. কীভাবে কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমিয়ে প্রকৃতিতে প্রাধান্য দিয়ে একটি টেকসই সমন্বিতরূপে নগর নির্মাণ করা যায়। দরকার দর্শনভিত্তিক স্থাপত্যচর্চার। যেমনটি বলেছেন কবি জালালউদ্দিন রুমি. ‘গাছের মতো হও. ঝেড়ে ফেলো মৃত পাতা’। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকার দিকে তাকালে দেখি. ঢাকা হচ্ছে বিশ্বের একটি অত্যন্ত জনবহুল শহর এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ। নথি অনুযায়ী. বাংলাদেশ হলো জলবায়ু পরিবর্তনে সব থেকে কম ভূমিকা রাখা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী একটি দেশ। বাংলাদেশ পার ক্যাপিটায় মাত্র শূন্য দশমিক ৪ মেট্রিক টন কার্বন উৎপাদন করে থাকে. যেখানে যুক্তরাষ্ট্র করে থাকে ১৭ মেট্রিক টন এবং যুক্তরাজ্য করে ৭ দশমিক ১ টন। এ কথা সত্যি যে ‘বিশ্বায়ন’ শব্দটি নতুন হলেও জলবায়ুর ক্ষেত্রে পৃথিবী বরাবরই ছিল বিশ্বায়িত। তাপ. দূষণ. মানবজাতির দায়িত্বহীন কর্মকাণ্ড. কোনো রকম বাধাবিঘ্ন ছাড়াই ছড়িয়ে পড়তে পারে বিশ্বময়। তাই ঢাকা শহরের সমস্যা আসলে স্থানিক নয়. বৈশ্বিকও বটে। বিশ্বের প্রসঙ্গে বাংলাদেশের প্রসঙ্গকে বোঝা. গোটা দেশের জলরাশিকে (হাইড্রোলজি) বোঝা খুব জরুরি শুধু স্থাপত্যের বিচারে একটি দাগ টানার জন্য। একটি সবুজ নগরীর জন্য আমাদের জানতে হবে ইতিহাস. প্রত্নতত্ত্ব. নৃতত্ত্ব. সামগ্রিক মনস্তত্ত্ব. ভূবিজ্ঞান. সূর্য. বাতাসের গতিপথ ইত্যাদি। সবকিছুর পরে এটাও সত্য যে বাংলাদেশ বসে নেই। বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করে যাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে। অতি সম্প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে ‘জল সবুজে ঢাকা’ নামের. যেখানে ৩১টি খেলার মাঠ আর পার্ককে সঠিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে. যাতে নগরবাসী এগুলো অবাধভাবে ব্যবহার করতে পারে। এ জন্য প্রধানত এখানে থাকছে না আর কোনো নিরেট সীমানাদেয়াল। এগুলো দার্শনিকভাবে হয়ে উঠবে জনগণের জন্য উন্মুক্ত আর শহরের একটি অংশ। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করবে সবুজে ঘেরা পরিবেশের মধ্য দিয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত। আশা করি এই প্রকল্পের সার্থকতা ঢাকাকে খানিকটা হলেও টেকসই সবুজের দিকে ধাবিত করবে। সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে. বাংলাদেশ হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব–দ্বীপ। ৫০টির বেশি নদ–নদী. ১ হাজার ২০০–এর অধিক খাল–বিল উত্তরের হিমালয় থেকে পানি বয়ে নিয়ে আসে আর এঁকেবেঁকে ধাবিত হয়ে মিলিত হয় বঙ্গোপসাগরে। পানির প্রাচুর্য আর মানুষের সঙ্গে পানির গভীর সম্পর্ক বাংলাদেশকে পরিণত করেছে এক কবিতার দেশে। এই কবিতা আরও সমৃদ্ধ হয় বর্ষাকালে যখন এ দেশের ভূদৃশ্যের ক্যানভাসে পানিপ্রধান হয়ে নেতৃত্ব দেয়। বর্ষার পর যখন পানি কমতে থাকে. রেখে যায় পলিমাটি তার ভালোবাসার চিহ্নস্বরূপ। চাষযোগ্য হয়ে ওঠে জমি আর সবুজে সবুজে ছেয়ে যাওয়া প্রান্তর দোল খায় বাতাসের ছোঁয়ায়। আমাদের শহরগুলোও হওয়া দরকার এই আবেগে তৈরি। যেখানে শহর হবে জলরাশি. সূর্যের আলো আর বাতাসের লীলাভূমি. ধাবিত হবে কাব্যিক এক নগরীর দিকে। লেখক: স্থপতি,1572896 2019-01-02,মিরপুরে বিপিএলের কলরব,,ক্রীড়া প্রতিবেদক. ঢাকা,৩,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572897/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%B0%E0%A6%AC,sports,print,1,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,বছর ঘুরে আবারও আসছে বিপিএলের রঙিন আসর। দেশের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ মাঠে গড়াবে ৫ জানুয়ারি। প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে পড়ে গেছে সাজ সাজ রব। বছর ঘুরে আবারও আসছে বিপিএলের রঙিন আসর। দেশের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ মাঠে গড়াবে ৫ জানুয়ারি। প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে পড়ে গেছে সাজ সাজ রব। বিপিএলের মৌসুম এসে গেছে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেও ফিরে এসেছে পুরোনো দৃশ্য। খেলোয়াড়দের মেলা বসতে শুরু করেছে সেখানে। ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু বিপিএলকে সামনে রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলো অনুশীলন করছে একাডেমি মাঠে। অনুশীলন শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির হচ্ছেন খেলোয়াড়েরা। বিপিএল মাঠে গড়ানোর আগে কাল সেখানেই কিছু ‘বাউন্সার’ ধেয়ে এল সিলেট সিক্সার্সের সাব্বির রহমানের দিকে। আচরণবিধি ভাঙার অপরাধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটাচ্ছেন সাব্বির। নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আরও এক মাস বাকি। তার আগেই ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বিপিএলে খেলবেন এই ব্যাটসম্যান। কাল সিলেট সিক্সার্সের প্রতিনিধি হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অপ্রিয় প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হলো তাঁকে। ‘বাউন্সারে’ কিছু হুক-পুল খেলে একপর্যায়ে অবশ্য কথা শেষ না করেই চলে যান তিনি। তার আগে অবশ্য সাব্বির বলেছেন ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা. ‘কাল (পরশু) রাতে প্রতিজ্ঞা করেছি...২০১৮ সালটা আমার অনেক খারাপ কেটেছে। আজ (গতকাল) নতুন বছরের প্রথম দিন। সামনে তাকিয়ে আছি এখন।’ জাতীয় লিগ আর বিসিএলে খেললেও গত পাঁচ মাস মানসিক অস্থিরতার মধ্যেই কাটিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা সাব্বির। স্বপ্ন দেখছেন বিপিএলে ভালো কিছু করতে. যেন নিষেধাজ্ঞা ওঠার পর আবার ফিরতে পারেন জাতীয় দলে। এবার সিলেট সিক্সার্সের মূল আকর্ষণ অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার। বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে তিনিও এখন বহিষ্কৃত. ফিরবেন মার্চে। তার আগে বিপিএলেই প্রস্তুতিটা সেরে নেবেন সিলেটের অধিনায়ক। সাব্বির আশাবাদী. ওয়ার্নারের অভিজ্ঞতার সঙ্গে স্থানীয়দের চেষ্টায় বিপিএল থেকে এবার ভালো কিছুই পাবে তাদের দল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস নিয়ে একই রকম আশা এনামুল হক বিজয়ের. ‘খুবই ভালো দল হয়েছে আমাদের। তামিম ভাই আছেন. ইমরুল কায়েস ভাই আছেন. বিদেশিদের মধ্যে শোয়েব মালিক. স্টিভেন স্মিথ. শহীদ আফ্রিদির মতো খেলোয়াড় আছেন। কোচ. ম্যানেজমেন্ট সবাই অনেক সাহায্য করছেন।’ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সম্ভাবনাময় শুরুর পরও জাতীয় দলে ক্রমেই অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন এনামুল। সুযোগ পেলেও দিতে পারেন না সামর্থ্যের প্রমাণ। সাব্বিরের মতো এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানও নিজেকে ফিরে পেতে কাজে লাগাতে চান বিপিএলকে. ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে জাতীয় দলে ফেরার পর যখন ভালো করতে পারলাম না. তখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই আমার কাছে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। সব সময় তৈরি থাকার চেষ্টা করব। আমি ২০১৯ বিশ্বকাপে খেলতে চাই। এর জন্য যতটুকু পারফর্ম করা দরকার. চেষ্টা করব করতে।’ সাব্বিরের যেমন আছেন ওয়ার্নার. এনামুল তেমনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের ড্রেসিংরুমে পাবেন স্মিথকে। এই অস্ট্রেলিয়ানের কাছে এনামুলের জানার আছে অনেক কিছু। কিছু প্রশ্ন তো নাকি তৈরিও করে রেখেছেন. ‘এত বড় সুপারস্টারের কাছে অনেক কিছুই শেখার আছে। আমি নিজেও কিছু প্রশ্ন তৈরি করে রেখেছি। এ ছাড়া আফ্রিদি. শোয়েব মালিক ভাই আছেন। চেষ্টা করব সবার কাছ থেকেই কিছু শিখতে।’ শুরুতে কোনো দল না নিলেও শেষ পর্যন্ত মুশফিকুর রহিমের দল রাজশাহী কিংসে জায়গা হয়েছে শাহরিয়ার নাফীসের। সে জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতি কৃতজ্ঞ এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। চেষ্টা করবেন পারফরম্যান্স দিয়ে প্রতিদান দিতে। শাহরিয়ারের দৃষ্টিতে এবার সব দলই প্রায় সমান শক্তির হলেও স্থানীয় ক্রিকেটারদের দিক দিয়ে রাজশাহীই এগিয়ে. ‘স্থানীয় ক্রিকেটারদের দিক দিয়ে আমরাই সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল। আমাদের বিদেশি ক্রিকেটাররাও টি-টোয়েন্টির জন্য দারুণ কার্যকরী। নিজেদের দিনে তারা যেকোনো দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখে।’,1572897 2019-01-02,কেন চা চাই?,গুণাগুণ, মন্তব্য,১,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572893/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87,life-style,print,1,অধুনা|পরামর্শ,ফুরফুরে দিনের সঙ্গে চায়ের যোগসূত্র কী. তা নিয়ে অনেক গবেষণা আছে। চায়ের কাপে তুমুল ঝড় তুলে সেই আলোচনাও চলতে পারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরকে চাঙা করে. তারুণ্যকে ধরে রাখে। পুষ্টিবিদেরা মনে করেন. দুধ. চিনি ছাড়া চা. বিশেষ করে গ্রিন টি শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো। শহুরে লোকের কাছে চা এতটাই প্রিয় যে নানা স্বাদের চা নিয়েই শুধু অলিগলি থেকে শুরু করে নানা জায়গায় রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। সেসব দোকানে চা–ই মুখ্য. সঙ্গে চায়ের সঙ্গে মিলিয়ে অন্য মুখরোচক খাবার। শীতের সকালে এক কাপ চা হাতে নিয়ে পড়ে ফেলুন কেন এই চা পান করছেন। ওজন কমাতে গ্রিন টি. ব্ল্যাক টির (দুধ. চিনি ছাড়া চা) অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ম্যাগনেশিয়াম চর্বি কমিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে পেশি মজবুত করে. মেটাবলিজম বাড়ায়। ওজন কমানোর জন্য দুধ–চিনি ছাড়া চা ও গ্রিন টি উপকারী। দিনে চারবার চা পান করতে পারেন। এর বেশি নয়। বেশি পান করলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। ক্যানসার প্রতিরোধে শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো. চা কোনো জাদুকরি পানীয় নয়. যা খেলে ক্যানসার হবে না বা সেরে যাবে। তবে এটা সত্য. বিজ্ঞানীরা নানা গবেষণা করে বলেছেন. চায়ের গুণাগুণ স্তন. কোলন. ত্বক. ফুসফুস. পাকস্থলী ও জরায়ুর ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। সুস্থ হৃদ্‌যন্ত্র নিয়মিত চা পানে হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ থাকে। কফির থেকে চায়ে ক্যাফেইন কম থাকে. সে কারণে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়। ত্বকে তারুণ্য চোখের নিচে বলিরেখা. কালো দাগ. মুখে ক্লান্তি সব দূর করতে পারে চা। পান করে তো বটেই. ত্বক পরিচর্যায়ও চা ব্যবহার করতে পারেন। টি–ব্যাগ দিয়ে চা বানানোর পর তা ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে টি–ব্যাগ চোখের ওপরে ১০–১৫ মিনিট রাখুন। নিমেষে ক্লান্তি দূর। মানসিক চাপ কমাতে যখনই খুব কাজের চাপে বা চিন্তায় থাকেন. মনে হয় চায়ের চুমুকে মিলবে সমাধান। কথাটা পুরোপুরি মিথ্যা নয়। প্রিয় স্বাদের চায়ের সুবাস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান খানিক সময়ের জন্য হলেও মস্তিষ্কে ভালো লাগা পৌঁছে দেবে। এতে আপনার অস্বস্তি. দুঃশ্চিন্তা কমে মনে হালকা ভাব আনবে। ঘুমের জন্যও চা অনেক বিশেষজ্ঞ বলেন. চা ঘুমের জন্য ক্ষতিকর। তবে ক্যামোমাইল ও আদা চা ঘুমের ঘণ্টা দুয়েক আগে পান করলে চোখে দ্রুত ঘুম চলে আসবে। বিশেষ করে ক্যামোমাইল স্বাদের চা দুশ্চিন্তা দূর করে. ইনসোমনিয়া প্রতিরোধ করে। খুসখুসে কাশি ও মাথা ব্যথা সারাতে যুগ যুগ ধরে খুসখুসে কাশি. নাক বন্ধ. গলাব্যথা ও মাথাব্যথা সারাতে আদা চা. তুলসী চা খুব কার্যকর। অর্ণবের গানের মতো শেষে বলতে চাই. ‘ভালোবাসা তাই অন্য কোথাও চায়ের কাপে নিজের সাম্রাজ্য নিজেই গড়ুক’। চায়ের প্রতি ভালোবাসা থেমে না যাক. সঙ্গে যোগ হোক সুস্থতা ও হৃদয়ে উষ্ণতা। পুষ্টিবিদ আখতারুন্নাহার আলোর সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন তৌহিদা শিরোপা,1572893 2019-01-02,আসনসংখ্যায় রেকর্ড. ভোটের ব্যবধানেও,,শওকত হোসেন ও রিয়াদুল করিম. ঢাকা,৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572890/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%93,bangladesh,print,1,নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি,• বিশাল ব্যবধানে জিতেছে আ. লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট• ভোটের হার নিয়ে জন্ম দিয়েছে নানা আলোচনা• মহাজোট প্রদত্ত ভোটের ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে • বিএনপির নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের প্রাপ্ত ভোট ১২–১৫ শতাংশের মধ্যে • বিজয়ী প্রার্থীদের ১১০ জনই পেয়েছেন প্রদত্ত ভোটের ৯০ শতাংশের বেশি • বিপুল ভোটের হিসাবে সরকারি দলের মধ্যেও কিছুটা অস্বস্তি দেখা দিয়েছে • বিশাল ব্যবধানে জিতেছে আ. লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট• ভোটের হার নিয়ে জন্ম দিয়েছে নানা আলোচনা• মহাজোট প্রদত্ত ভোটের ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে • বিএনপির নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের প্রাপ্ত ভোট ১২–১৫ শতাংশের মধ্যে • বিজয়ী প্রার্থীদের ১১০ জনই পেয়েছেন প্রদত্ত ভোটের ৯০ শতাংশের বেশি • বিপুল ভোটের হিসাবে সরকারি দলের মধ্যেও কিছুটা অস্বস্তি দেখা দিয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের মহাবিজয়ের পরে ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসন পেয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৬০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে জয়ী হয়েছে ২৫৭টিতে। কেবল আসনসংখ্যা নয়. বিজয়ী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের হিসাব এবং ভোটের ব্যবধান অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী. মহাজোট প্রদত্ত ভোটের ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের প্রাপ্ত ভোট ১২ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের ১১০ জনই পেয়েছেন প্রদত্ত ভোটের ৯০ শতাংশের বেশি ভোট। আর বিপুল ভোটের এই হিসাব সরকারি দলের মধ্যেও কিছুটা অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বিএনপি এই ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। সাধারণ মানুষও ভোটের ফলাফলে অনেকটা বিস্মিত। পশ্চিমা গণমাধ্যমে এর সমালোচনা করে লেখালেখি হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে. ভোটের এমন ব্যবধান বাংলাদেশের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশের কাছে প্রত্যাশিত নয়। নির্বাচনে মহাজোটের জয় যেমন ছিল একচেটিয়া. ভোটের আগে প্রচারণাও ছিল তা-ই। ভোটের দিনেও একচেটিয়া প্রচার ছিল মহাজোটের প্রার্থীদের। কেন্দ্রে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের কোনো এজেন্ট দেখা যায়নি। ভোট কারচুপির জন্য বিএনপি পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। এবারে নির্বাচনী সহিংসতায় মারা গেছেন ১৭ জন। তবে সরকারি দলের পক্ষ থেকে এই ফলাফলকে স্বাভাবিক বলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন. বিএনপির ভরাডুবি বিএনপির দোষে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন. ‘জনগণ যেভাবে ভোট দিয়েছে সেভাবে ভোট হয়েছে।’ আবার রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন. বিএনপি দলটিও ছিল অপ্রস্তুত. কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছিল না। এটিও সরকারি দলের একচেটিয়া বিজয়ের কারণ। তবে ঘাঁটি বলে পরিচিত আসনগুলোতে বিপুল ব্যবধানে যেভাবে বিএনপির প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন. তাতে ভোটের সামগ্রিক ফল নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। সাবেক নির্বাচন কমিশনার ড. এম সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন. সব মিলিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য. ভোটের ধরন ও ফলাফল দেখে অনেকের মতো তিনি নিজেও কিছুটা হতভম্ব। বিশ্লেষণে কিছু জায়গায় কিছু অস্বাভাবিকতা দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য নির্বাচনে এ রকম দেখা যায়নি. এটা নিয়ে পর্যালোচনার ব্যাপার আছে। বিএনপির সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হয়েছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে। সেবার তারা ২৭টি আসন পেয়েছিল. ভোট পেয়েছিল ৩০ শতাংশ। এবার এর চেয়েও অনেক খারাপ অবস্থা হয়েছে। এটাও একটা গবেষণার বিষয় যে কেন এমন হলো। ৯০ ভাগের বেশি ভোট পেয়েছেন ১১০ জন একটি আসনে যত বৈধ ভোট পড়েছে. তার ৯০ শতাংশের বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ১১০ জন প্রার্থী। এঁদের মধ্যে ১০৮ জন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। বাকি দুজনও আওয়ামী লীগের জোটের শরিক। তাঁরা হলেন সাতক্ষীরা-১ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির মোস্তফা লুৎফুল্লা এবং পিরোজপুর-২ আসনে জেপির আনোয়ার হোসেন। ৯৯ শতাংশ ভোট পাওয়া ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে আছেন সিরাজগঞ্জ-১ আসনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম. গোপালগঞ্জ-১ আসনে ফারুক খান. গোপালগঞ্জ-২ আসনে শেখ ফজলুল করিম সেলিম. মাদারীপুর-১ আসনে নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন. শরীয়তপুর-১ আসনে ইকবাল হোসেন। এসব আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা ১ শতাংশের কম ভোট পেয়েছেন। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার পেয়েছেন ৯৯ শতাংশ ভোট. ২০০৮ সালের নির্বাচনেও পেয়েছিলেন ৯৭ শতাংশ ভোট। এ ছাড়া বিজয়ীদের মধ্যে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন ৮৯ জন. ৭০ থেকে ৭৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন ৪৫ জন. ৬০-৬৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন ২৮ জন. ৫০ থেকে ৫৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন ১৮ জন এবং ৩০ থেকে ৪৯ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন ৬ জন। দুজনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে. ১৪৬টি আসনে মহাজোটের প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা ১০ শতাংশেরও কম ভোট পেয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত ৮৩টি আসনে তাঁদের ভোট ৫ শতাংশেরও কম। এঁদের প্রায় সবাই ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী। অন্তত ১৯টি আসনে দ্বিতীয় হয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা। এই দলটি এবার ২৯৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। তবে কোথাও তাদের প্রার্থী জয়ী হয়নি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া ভোটের ফলাফলের প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে। ১৭টি আসনে মোটামুটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়. ২৯৮টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হয়েছে। বাকি আসনগুলোতে মূলত ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেননি। যে আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে সেগুলোর বেশির ভাগ উত্তরবঙ্গে। পঞ্চগড়-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজাহারুল হক প্রধান ৫৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী নওশাদ জমির পেয়েছেন ৪২ শতাংশ ভোট। এ ছাড়া পঞ্চগড়-২. ঠাকুরগাঁও-৩. দিনাজপুর-৪. লালমনিরহাট-৩. কুড়িগ্রাম-১. বগুড়া-৪ (বিএনপি জয়ী). চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১. ২. ৩. নওগাঁ-১ ও ৩. রাজশাহী-২ আসনে মহাজোট ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের ভোটের হার মোটামুটি কাছাকাছি। এসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল-৩. টাঙ্গাইল-৮. ফরিদপুর-৪. কুমিল্লা-১ আসনেও দুই জোটের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান কাছাকাছি। সবখানে বিশাল ব্যবধানে হারলেও খালেদা জিয়ার আসন বগুড়া-৬ থেকে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ৮১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম ওমর পেয়েছেন ১৫ শতাংশ ভোট। অবশ্য নিজের আসন ঠাকুরগাঁও-৩-এ বড় ব্যবধানে হেরেছেন মির্জা ফখরুল। এখানে তিনি পেয়েছেন ৩৬ শতাংশ ভোট. আর বিজয়ী প্রার্থী আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেন পেয়েছেন ৬৩ শতাংশ ভোট। আগের হিসাব ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পাওয়া ভোটের হার ছিল ৪৯ শতাংশ। বিএনপি পেয়েছিল ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ। ২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৪০ দশমিক ২ শতাংশ ভোট. আর বিএনপি পেয়েছিল ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট। সেবার সরকার গঠন করেছিল বিএনপি। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করেছিল আওয়ামী লীগ। সেবার তারা পেয়েছিল ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট। বিপরীতে বিএনপি পেয়েছিল ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করেছিল। সেবার আওয়ামী লীগ ভোট পায় ৩০ দশমিক ১ শতাংশ আর বিএনপি ৩০ দশমিক ৮০ শতাংশ। একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলভিত্তিক ভোটের হার এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন. আওয়ামী লীগের ভোট ৭৫ শতাংশের বেশি হবে। আর বিএনপির ভোট হবে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ। ঘাঁটিতেও দুর্দশা বিএনপির ফেনী-১ ও ৩ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কখনো হারেনি বিএনপি। একইভাবে লক্ষ্মীপুর ১. ৩ ও ৪ আসনও বিএনপির আসন হিসেবে পরিচিত। এসব আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা শুধু যে পরাজিত হয়েছেন. তা নয়. হেরেছেন বিশাল ব্যবধানে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিজের এলাকা ফেনীর তিনটি আসনের কোনোটিতে বিএনপি ১১ শতাংশের বেশি ভোট পায়নি। ফেনী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় ১১ শতাংশ. ফেনী-২ আসনে ২ শতাংশ আর ফেনী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ৭ শতাংশ ভোট। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ঐক্যফ্রন্টের (এলডিপি) প্রার্থী পেয়েছেন ২ শতাংশ ভোট। আওয়ামী লীগের আনোয়ার হোসেন খান পেয়েছেন ৯৬ শতাংশ ভোট। লক্ষ্মীপুর-২-এ বিএনপির প্রার্থী প্রায় ১০ শতাংশ. লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ৬ শতাংশ এবং লক্ষ্মীপুর ৪ আসনে ১৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জেলা বগুড়াতেও বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান আছে বলে বিবেচনা করা হয়। এখানে তুলনামূলক ভালো ফল করেছে বিএনপি। বগুড়ার ৭টি আসনের মধ্যে দুটি আসনে (বগুড়া-৪ ও ৬) বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। আর বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন প্রায় ৬ শতাংশ. বগুড়া-২-এ প্রায় ২৫ শতাংশ. বগুড়া-৩-এ ২৬ শতাংশ. বগুড়া-৫-এ ১২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। বড় ব্যবধানে বিজয় বেশির ভাগ আসনে জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে পরাজিতদের ভোটের ব্যবধান লাখের ওপরে। সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ঢাকা-১৯ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. মো. এনামুর রহমান। তাঁর সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর ব্যবধান ৪ লাখ ২০ হাজার ৬৪৮ ভোটের। রাজবাড়ী-২ আসনে জিল্লুল হাকিম জয়ী হয়েছেন ৩ লাখ ৯৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে। কুমিল্লা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের আ হ ম মুস্তফা কামাল জয়ী হয়েছেন ৩ লাখ ৯২ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে। জামালপুর-৩ আসনে মির্জা আজম তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৩ লাখ ৮০ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন। নোয়াখালী-৪ আসনে একরামুল করিম চৌধুরী জয়ী হয়েছেন ৩ লাখ ৭২ হাজার ভোটের ব্যবধানে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আওয়ামী লীগের র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বিএনপির প্রার্থীর চেয়ে ৩ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া জামালপুর-৫ আসনে মোজাফ্ফর হোসেন ৩ লাখ ৪২ হাজার ৯৩৫. পিরোজপুর-১ আসনে শ ম রেজাউল করিম ৩ লাখ ৩০ হাজার. যশোর-৩ আসনে কাজী নাবিল আহমেদ ৩ লাখ ২৯ হাজার. সিরাজগঞ্জ-১ আসনে মোহাম্মদ নাসিম ৩ লাখ ২৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বিএনপির বড় নেতাদের ফল বিএনপির বড় নেতারাও এই নির্বাচনে হেরেছেন বড় ব্যবধানে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ নোয়াখালী-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে। এই আসনে মওদুদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৭০ ভোট। আর ওবায়দুল কাদের পেয়েছেন মোট ভোটের ৯৩ শতাংশ বা ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৪ ভোট। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লার দুটি আসন থেকে নির্বাচন করে বড় ব্যবধানে হেরেছেন। এর মধ্যে কুমিল্লা-১ আসন থেকে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৫৪২ ভোট। এই আসনে আওয়ামী লীগের সুবিদ আলী ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ ভোট। কুমিল্লা-২ আসন থেকে খন্দকার মোশাররফ পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৩৩ ভোট। এই আসনে আওয়ামী লীগের সেলিমা আহমাদ ২ লাখ ৬ হাজার ১৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৯৮ ভোট। এই আসনে জয়ী আওয়ামী লীগের এম আবদুল লতিফ পেয়েছেন ২ লাখ ৮৩ হাজার ১৬৯ ভোট। ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির মির্জা আব্বাস পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৭১৭ ভোট। এই আসনে মহাজোটের প্রার্থী রাশেদ খান মেনন পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৮ ভোট। নরসিংদী-২ আসনে বিএনপির আবদুল মঈন খান পেয়েছেন ৭ হাজার ১৮০ ভোট। এই আসনে আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আশরাফ খান ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭১১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ঢাকা-৩ থেকে বিএনপির গয়েশ্বর চন্দ্র রায় পেয়েছেন ৭ শতাংশ ভোট (১৬ হাজার ৬১২) আর ২ লাখ ২১ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নসরুল হামিদ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য. রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হারুন অর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন. বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্ট যেভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে. তাকে অংশ নেওয়া বলা যায় না। তারা সর্বাত্মকভাবে নির্বাচনে নামেনি। শুরু থেকে শুধু অভিযোগ আর অভিযোগ করে গেছে। স্থানীয়ভাবে যেসব জায়গায় বিএনপির শক্ত অবস্থান ছিল. সেখানে তারা ভালো করেছে। লাখের বেশি ভোটও পেয়েছে। সাংগঠনিক এবং আদর্শিক দিক থেকে বিএনপি বড় ধরনের বিপর্যয়ে পড়ে আছে। বিএনপির দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক দুর্বলতা ও রাজনৈতিক চর্চার ফল এই পরিণতি। যার অধীনেই নির্বাচন হতো বিএনপির একই পরিণতি হতো। তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নতুনভাবে সংগঠিত হতে হবে।,1572890 2019-01-02,নতুন সরকার: ডাক দিয়ে যাই,নির্বাচন ২০১৮,মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন,১০,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572889/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%87,opinion,print,1,রাজনীতি,শুরুর কথা ৩০ ডিসেম্বর. ১৬ পৌষ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জনবন্ধু শেখ হাসিনা। চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ. তবে অত্যন্ত কঠিন যাত্রাপথে তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাই। শেখ হাসিনার শাসনকালে সব কটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতির জনকের নিজ হাতে গড়া আওয়ামী লীগ ১৯৯১ সালে পঞ্চম. ১৯৯৬ সালে সপ্তম. ২০০১ সালে অষ্টম ও ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট পেয়েছিল যথাক্রমে ৩৪. ৩৭. ৪১ ও ৪৮ শতাংশ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই পারিসংখ্যানিক প্রবণতায় ৬০ শতাংশ ভোট পাওয়াটাই যুক্তিযুক্ত। তবে অন্যবারের মতো এবার আমার নিজের হিসাব–নিকাশ ঠিক হয়নি। আওয়ামী লীগ ১৮০-১৯০টি আর বিএনপি ৯০-৯৫টি আসন পাবে বলে অনুমান বিপুলভাবে ভুল প্রমাণিত হয়ে গেল। বিএনপি বনাম আওয়ামী লীগ বিএনপির ভোট বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে (ক) প্রায় ১০ বছরের জনবিচ্ছিন্নতা; (খ) ২০১৪ সালের নির্বাচনে না গিয়ে প্রতিহত করার নামে মানুষ পোড়ানো ও সম্পত্তি নষ্ট করা; (গ) অবরোধ নাটক করা; (ঘ) শেখ হাসিনার অনন্য সাহসী ৫০-৫০ ফর্মুলার মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রত্যাখ্যান করা; (ঙ) স্বাধীনতাবিরোধী. দেশদ্রোহী অপশক্তি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে মানবতা হত্যার অপরাধীদের সঙ্গে যতিবিহীন গাঁটবন্ধনে থাকা; (চ) পাকিস্তান তথা আইএসআইয়ের সঙ্গে প্রকাশ্য দহরম-মহরম; (ছ) পরিবারতন্ত্রে নেতৃত্বের সংকট; (জ) কার্যত কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিকল্পনা না করাকে কারণ বলে মনে করা হয়। সুশৃঙ্খল ও সংগঠিত সবল নেতৃত্ব. নজরকাড়া অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি. হৃদয় উষ্ণ করা সামাজিক অগ্রগতি. সাংস্কৃতিক পুনরুত্থান এবং প্রায় দুই বছর ধরে সঠিক পথে নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণ আওয়ামী লীগের বিজয়. অর্থাৎ ২৫৯টি আসনে জয়ী হতে সহায়তা করেছে বৈকি। এই নির্বাচনের অন্যতম বিশাল সফলতা: দেশদ্রোহী. জঙ্গি. যুদ্ধাপরাধী জামায়াতিরা কোনো আসনেই জয়লাভ করেনি। শেখ হাসিনার অনন্য বিজয়গাথা অকুতোভয়. চৌকস. দক্ষ. গতিময়. উদ্ভাবনী. জ্ঞানালোকে উজ্জ্বল এবং মানুষকে কাছে টেনে ভালোবাসার মোহনীয় ক্ষমতা শেখ হাসিনাকে এক জাদুকরি নেতৃত্বের উচ্চ আসনে নিয়ে গেছে। দেড় বছর পর তিনি ইন্দিরা গান্ধী. চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা. মার্গারেট থ্যাচার. ভিগদিস ভিনগোদি ও মেরি মেকলিসকে টপকিয়ে পৃথিবীর দীর্ঘতম সময়ের সফল সরকারপ্রধান হিসেবে বিরাজমান হবেন। বিশ্বসভা তাঁর নেতৃত্বকে মর্যাদা দেয়। তিনি মাদার অব দ্য আর্থ। শেখ হাসিনা মানবতার মাতা। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হয়েছে অনন্য কৃতিত্বের সঙ্গে। বোদ্ধারা বলছেন. আগামী ১২–১৪ বছরে বাংলাদেশ পৃথিবীর ২৬তম বৃহৎ অর্থনীতি হয়ে উঠবে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সমীক্ষা: নারীর ক্ষমতায়নে লিঙ্গসমতা সূচকে চারটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বসেরা আর সামগ্রিক সূচকে ১৪৯টি দেশের মধ্যে ৪৮তম স্থানে—দক্ষিণ এশিয়ার অন্য সব দেশের তুলনায় অনেক ওপরে। ১৯৭২ সালে হিউস্ট ফ্যালান্ড আর জ্যার্ক পারকিনসন ‘বাস্কেট কেস’ বলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বে সন্দিহান হয়ে যে কটাক্ষ করেছিলেন. বিশ্বের তাবৎ অর্থনীতিবিদ. প্রতিষ্ঠান ও দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে তিনটি সবচেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধির অর্থনীতি বলে স্বীকৃতি দিয়ে তার জোরালোভাবে খণ্ডন করেছে। জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক এইচডিআইতে বাংলাদেশ এখন মধ্যম পর্যায়ে—৭২ বছরের গড় আয়ু. শিশুমৃত্যুর হার হাজারে ৩০–এর নিচে আসা. শিক্ষায় উচ্চহার. সুপেয় পানি ও বিজ্ঞানসম্মত পয়োনিষ্কাশনে অগ্রগতি এবং চমকপ্রদ সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের কাঠামোতে নাকি এ ক্ষেত্রে শক্তি জুগিয়েছে। শেখ হাসিনা মানুষকে ভালোবাসেন। শিশুদের আরও বেশি এবং শারীরিকভাবে হুমকির সম্মুখীনদের সবচেয়ে বেশি মমতায় তিনি আপন করতে পারেন বলেই আপামর জনসাধারণ তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের ভোট বাক্স ভরে দিয়েছেন। আত্মপ্রসাদ নয় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সতর্কবাণী না শুনে নির্বাচন কমিশনের কিছুটা হলেও গাফিলতির ছিদ্র দিয়ে কতিপয় অতি উত্সাহী ৩০–৩৫টি সংসদীয় আসনে ৮৫ থেকে ৯৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিত করে আওয়ামী লীগের বিজয়ীদের ৯০ শতাংশ ভোটপ্রাপ্তি ঘটিয়েছেন। এটি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। নির্বাচন কমিশন তদন্ত করে যথাবিহিত ব্যবস্থা নিতে পারে। সার্বিক ফলাফলে এর কোনো প্রভাব নেই. তা মানতেই হবে। বলা বাহুল্য. একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতা বাংলাদেশের অতীত অবস্থান ও সমসাময়িক বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনায় কম বৈ বেশি নয়। ২০০১ সালের নির্বাচনোত্তর তাণ্ডব এবং ২০১৪ সালে প্রতিহত করার উন্মাদনার কথা কে না স্মরণ করে! আগামী পাঁচ বছরের করণীয় বড় বিজয়. মজবুত নেতৃত্ব। যেখানে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা. সেখানে উন্নয়ন ধারণাই জনগণকে এ বিজয়কেতন ওড়াতে উদ্বুদ্ধ করেছে। রাজনীতি. অর্থনীতি ও সমাজনীতিতে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংস্কার করতে হবে। কোনো সংস্কারই সহজ না. সে জন্যই আসন্ন সরকারের প্রথম ছয় মাসের মধ্যে সব না হলেও মুখ্য ঘরোয়া সংস্কারগুলোতে হাত দিতে হবে। জনমনে প্রত্যাশা. হাসিনা সরকার বিশাল কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। অর্থনীতিতে সমৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রবৃদ্ধি মডেল বদল করে ব্যাপক শিল্পায়ন ও বহুমুখিতা আনা সমীচীন হবে। শিল্পায়নে কর্মসংস্থান হবে. বাড়বে আয় রোজগার. কমবে দারিদ্র্য ও বঞ্চনা এবং হ্রাস পাবে আয়. সম্পদ ও সুযোগবৈষম্য। এটি করতে হলে অবকাঠামোগত অব্যাহত প্রবৃদ্ধি ঘটাতে হবে. প্রয়োজন হবে অধিকতর বিনিয়োগযোগ্য তহবিল। সরকারি খাতে দুর্নীতি হ্রাস ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্বৃত্ত তহবিল সঞ্চয় জরুরি। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধির স্থিতাবস্থা দূর করতে হলে একদিকে যেমন আকর্ষণীয় পলিসি সংস্কার করে প্রণোদনা দিতে হবে. অন্যদিকে তেমনি করহার না বাড়িয়ে অনেক বেশি রাজস্ব আদায় করতে হবে। উপযুক্ত নীতি–কৌশলে মুদ্রা পাচার বন্ধ করা এবং রপ্তানিতে জোয়ার আনতে অর্থনীতির ক্ষেত্রে তথা ব্যাংকিং বিমা ও মূলধন মার্কেটে বহু বিলম্বিত সংস্কার এনে স্বচ্ছতা. দক্ষতা ও সততার পথ চালু করতে হবে। সুশাসনে নৈতিকতা. আইন প্রয়োগে কৃতসংকল্পতা এবং জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা প্রয়োজন। নির্বাচনী ইশতেহারের ঘোষণা অনুযায়ী. তারুণ্যের শক্তিকে বিকশিত করার জন্য ১৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে অবস্থানকারী তরুণ. তরুণী. যুবক ও যুব মহিলাকে বৃত্তিমূলক ও প্রযুক্তি শিক্ষায় পারদর্শী করে তুলতে হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের মতোই উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের ভর্তি অনুপাত বর্তমানের ৪৩: ৫৭ থেকে ৫০: ৫০–তে রূপান্তর করা প্রয়োজন। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিবছর সামষ্টিক আয়ের শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হারে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২০২৩ সালে শিক্ষাক্ষেত্রের বরাদ্দ জিডিপির শতকরা শূন্য ৫ ভাগে উন্নীত করা সমীচীন হবে। অনুরূপভাবে স্বাস্থ্য খাতের বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা আনাও প্রয়োজন। একটি নতুন ড্রাগ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসন বিভাগ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে আরও সমৃদ্ধ করবে। ভূমি ব্যবস্থাপনায় চাই লিজিংসহ নতুন চিন্তাধারা ইশতেহারের ঘোষণা অনুযায়ী. দুর্নীতি দমনে আরও কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন। সুশাসনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপ্রধানের ক্ষমতা কিছুটা বৃদ্ধি. ন্যায়পাল নিয়োগ ও সংবিধানের ৭০ ধারার প্রয়োগে সীমারেখা আনা যায় কি না. তা–ও দেখা যেতে পারে। ঢাকা মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্ট এবং বেশ কিছু মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে ঢাকার বাইরে স্থানান্তর করা যায়। রেলপথ ও জলপথের গতিময় উন্নতি প্রয়োজন। বস্ত্রশিল্প. পর্যটন. মত্স্য. দুগ্ধ. আসবাব. চামড়া. ওষুধ. খেলাধুলার সরঞ্জাম. মোটরযান সংযোজন. সিরামিকস ইত্যাদি শিল্পের প্রসার ঘটিয়ে আগামী পাঁচ বছরে তৈরি পোশাক ও নিট আয়ের সমকক্ষ বিকল্প শিল্প খাত সৃষ্টির প্রয়াস নেওয়া যেতে পারে। পরিশেষে জাতির পিতার নির্দেশিত পথ অনুসরণ করে কল্যাণরাষ্ট্রে আধুনিক. বিজ্ঞানমনস্ক. প্রযুক্তিনির্ভর. গণতান্ত্রিক. অসাম্প্রদায়িক. দুর্নীতি ও বঞ্চনামুক্ত সমতাপ্রবণ সোনার বাংলাদেশ গঠনে সর্ববলিষ্ঠ পদক্ষেপ নেওয়ার পথ খুলে দিয়েছে একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বৃহৎ ও মহৎ প্রতিবেশী ভারত. অর্থনীতির পরাশক্তি চীনসহ আন্তর্জাতিক মহল নির্বাচনের বিজয়ে সাধুবাদ জানানোর লহরি সৃষ্টি করেছে ইতিমধ্যে। শেখ হাসিনার অসাধারণ নেতৃত্ব দৃঢ় পদক্ষেপে বাংলাদেশকে জনকল্যাণের একটি আদর্শ গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারবে. সে আশা অবশ্যই করা যাবে। ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য,1572889 2019-01-02,সোনার দাম বাড়ছে আজ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩,https://www.prothomalo.com/economy/article/1572888/%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C,economy,print,1,বাণিজ্য সংবাদ,বছরের শুরুতেই দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দর বাড়ায় প্রতি ভরি সোনায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫১৭ টাকা দাম বাড়ছে। তাতে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম দাঁড়াচ্ছে ৪৮ হাজার ৯৮৯ টাকা। নতুন এ দর আজ বুধবার থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) গতকাল মঙ্গলবার রাতে সোনার দাম বাড়ার ঘোষণা দেয়। গত ২৩ ডিসেম্বর সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৭ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সমিতি। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে পরে সিদ্ধান্তটি স্থগিত করে তারা। দর বাড়ায় আজ থেকে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা ৪৮ হাজার ৯৮৯ টাকা. ২১ ক্যারেট ৪৬ হাজার ৬৫৬ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হবে ৪১ হাজার ৬৪০ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি আগের মতোই থাকছে. অর্থাৎ ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা। একইভাবে রুপার ভরি ১ হাজার ৫০ টাকা অপরিবর্তিত থাকছে। এদিকে গতকাল পর্যন্ত প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৪৭ হাজার ৪৭২ টাকা. ২১ ক্যারেট ৪৫ হাজার ১৯৮ টাকা. ১৮ ক্যারেট ৪০ হাজার ১২৪ টাকায় বিক্রি হয়। আজ থেকে ২২ ও ১৮ ক্যারেট সোনার ভরিতে ১ হাজার ৫১৭ টাকা দাম বাড়ছে। ২১ ক্যারেটে ভরিতে বাড়ছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা। প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ. ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ. ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা থাকে। অলংকার তৈরিতে সোনার সঙ্গে মজুরি ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) যোগ হবে।,1572888 2019-01-02,নাক বন্ধ হলে,কুশল সংবাদ,মো. শরিফুল ইসলাম,১,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572887/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87,life-style,print,1,অধুনা|আমার ডাক্তার|পরামর্শ,নাক বন্ধ থাকা একটি প্রচলিত সমস্যা। সাধারণ থেকে জটিল. বিভিন্ন কারণে নাক বন্ধ থাকে। কিন্তু এই সময়ে হঠাৎ নাকের ভেতর বন্ধ হয়ে গেছে। কথা বলার সময়ও নাকে কথা বেঁধে আসছে। শীতের সময় এমন সমস্যা হতেই পারে। শুষ্ক আবহাওয়ায় ধুলাবালুর কারণে অ্যালার্জি হলে নাক বন্ধ হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। ভাইরাসজনিত কারণে এ সময়ে নাক বন্ধ হতে পারে। নাক বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ঘ্রাণ নিতে অসুবিধা হওয়া. মাথাব্যথা. হালকা সর্দি. জ্বর বা কাশিও থাকতে পারে। এ ছাড়া কথা বলার সময় অসুবিধা হতে পারে। জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ও অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান বলেন. দেখা যায় সাধারণত ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যায়। নাকের ভেতরে কিছু টিস্যু রয়েছে। এগুলো ছোট হয়ে যায়. কখনো বড় হয়। এটি নাকের বাতাস চলাচলের রাস্তাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ ছাড়া নাকের মাঝখানের যে ভাগটি রয়েছে. সেটিও মাঝেমধ্যে সমস্যা করে। অনেক সময় দেখা যায়. সর্দি হয়ে নাক বন্ধ হয়ে গেল. মুখ দিয়ে শ্বাস ফেলছে। কী করবেন গরম পানিতে মেনথলের দুই-তিনটি দানা ছেড়ে দিয়ে সেই পানির ভাপ নিতে পারেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাকের ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন। অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। তবে নাকের ড্রপগুলো দীর্ঘদিন বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ. একটানা দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে একসময় সেটির কারণেই আবার নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। এক পাশের নাক বন্ধ নাকি উভয়? এ সময়ে ভাইরাস বা অ্যালার্জির কারণে নাক বন্ধ হলে দুপাশের নাকই বন্ধ হয়ে থাকে। যদি কারও শুধু এক পাশের নাক বন্ধ হয়. সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ নাকের কোনো টিউমার. নাকে ছত্রাক সংক্রমণ বা অন্য কোনো কারণে এক পাশের নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। শিশুর নাক বন্ধ? নাক বন্ধ থাকার কারণে ঘুমাতে পারে না. বিরক্ত হয় ও কাঁদে। আধা কাপ হালকা কুসুম গরম পানিতে চার ভাগের এক চামচ লবণ মিশিয়ে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। শিশুকে চিত করে শুইয়ে কাঁধের নিচে একটা তোয়ালে গোল করে মাথাটা খানেক উঁচু করে দিন। এবার ৩০ থেকে ৬০ সেকেন্ড পর পর দুই বা তিন ফোঁটা করে নাকে এই ড্রপ দিয়ে দিন। একটু পর কাত করে নাকের সর্দি বের হতে দিন এবং টিস্যু বা পাতলা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে দিন। কখনোই নাকের ভেতর টিস্যু বা কটন বাড ঢোকাবেন না। প্রতিরোধ ভাইরাসজনিত সর্দি-জ্বরে অসুস্থ ব্যক্তি হাঁচি-কাশির সময় নাকেমুখে রুমাল বা টিস্যু পেপার চেপে ধরলে অন্যদের মধ্যে জীবাণু ছড়াবে না। বাইরে থেকে ফিরে প্রত্যেকেরই হাত ধোয়া উচিত। কারণ. হাতের মাধ্যমেও জীবাণু ছড়াতে পারে। বাসায় ধুলাময়লা জমতে দেওয়া চলবে না। এতে অন্তত ঘরের মধ্যে ধুলাবালুর কারণে অ্যালার্জির সমস্যা থেকে বাঁচা যাবে। লেখক: চিকিৎসক,1572887 2019-01-02,ফেসবুকে নিমন্ত্রণ,ফেসবুক,মুসলিমা জাহান,২,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572886/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A3,life-style,print,1,অধুনা|ফেসবুক|জেনে নিন,শায়লা হাসানের শৈশবের অন্যতম শখ ছিল বিয়ের দাওয়াতপত্র জমানো। বাসায় কোনো দাওয়াতপত্র এলেই মা-বাবার কাছ থেকে চেয়ে নিয়ে গোপন ফাইলে বন্দী করতেন। ছুটির দিনে নানান কারুকাজময় দাওয়াতপত্রগুলো বের করে দেখেটেখে আবার রেখে দিতেন। সেই শায়লা হাসানের বিয়েতে কোনো দাওয়াতপত্র ছাপানো হয়নি। আত্মীয়-বন্ধুদের নিমন্ত্রণে বেছে নেওয়া হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ফেসবুক)। সেখানে ইভেন্ট খুলে নিমন্ত্রিত ব্যক্তিদের বিয়ের দিন-ক্ষণ. স্থান—সবকিছু জানানো হয়। ফেসবুক ইভেন্ট হচ্ছে একধরনের পঞ্জিকা. যেখানে আসন্ন ঘটনা সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের অবহিত করা যায়। যেকোনো ফেসবুক ব্যবহারকারী এটি খুলতে পারেন। মাল্টিন্যাশনাল প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী শায়লা বলেন. নিজের কাজ নিয়ে খুব ব্যস্ততা। তার ওপর বিয়েতে কেনাকাটাসহ অনেক কাজ থাকে। ফলে সবার হাতে হাতে বিয়ের দাওয়াতপত্র পৌঁছানো সময়সাপেক্ষ ও পরিশ্রমের। আবার অনেক পরিবারের সবাই চাকরিজীবী। তাঁদের নির্ধারিত সময়ে দাওয়াতপত্র পৌঁছে দেওয়া বেশ ঝক্কির। সবাই যেহেতু ফেসবুকে আছেন. তাই ইভেন্ট খুলে নিমন্ত্রণ দেওয়ায় সময়. পরিশ্রম ও খরচ বেঁচে গেছে। তবে মুঠোফোনে সবাইকে ফোন দিয়ে নিমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানান এই তরুণী। ফেসবুকের কারণে জীবনে অনেক ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তন কতটা ইতিবাচক. কতটা নেতিবাচক. সে নিয়ে বিতর্ক আছে। তবে ইভেন্টের মাধ্যমে কম সময়ে. কম খরচে. কম পরিশ্রমে অনেক মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ বেড়েছে বলে মন্তব্য বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানুর। স্বাধীনতার আগে থেকেই নানান সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন এই নারীনেত্রী। মালেকা বানু বলেন. যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে মানুষকে যুক্ত করতে আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যোগাযোগ করতে হতো। অনেক সময় মাইকিং বা হাতে লেখা পোস্টার-লিফলেট বিতরণ করা হতো। ব্যক্তি সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটলেও এটি বেশ কষ্টদায়ক ছিল। ফেসবুক ঘেঁটে দেখা গেছে. এখানে কেনাকাটা. খাবার. ভ্রমণ. খেলাধুলা. গান. ক্র্যাফটস. নেটওয়ার্কিংসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ইভেন্ট খোলার ব্যবস্থা আছে। এখন বিয়ে থেকে শুরু করে জন্মদিন. সেমিনার. সামাজিক আন্দোলন বা অনুষ্ঠানসহ যেকোনো বিষয়ে ইভেন্ট খুলে নিমন্ত্রণের কাজ সারার পাশাপাশি ইভেন্টটি সম্পর্কে জানানো হয়। সম্প্রতি ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোও তাঁদের কাজের জন্য এই প্ল্যাটফরম বেছে নিয়েছেন। সুহানা-নয়ন রহমান দম্পতির সন্তানদের পরীক্ষা শেষ। নয়ন ফেসবুকে নিঝুম দ্বীপে বেড়ানোর ইভেন্ট দেখে পরিবারসহ সেখানে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন। নয়ন বলেন. এখন ফেসবুকের পাতায় পাতায় ঘুরে বেড়ায় বিভিন্ন স্থানে বেড়ানোর ইভেন্ট। সেখানে লাইক দিয়ে সব তথ্য জানা যায় নিমেষেই। তবে চাকরিজীবী শোয়েব হোসাইন এক বন্ধুর বিয়েতে রওনা দিয়েও শেষ পর্যন্ত যাননি। তাঁর মতে. এ ধরনের নিমন্ত্রণে আন্তরিকতার ঘাটতি আছে। এর মাধ্যমে নানান বিব্রতকর পরিস্থিতিও তৈরি হয়। পত্রিকায় প্রকাশ. ২০১১ সালে জার্মানির এক মেয়ের জন্মদিনে ১ হাজার ৬০০ অতিথি এসে হাজির। কারণ. মেয়েটি অসাবধানতাবশত ইভেন্টটি পাবলিক করে দিয়েছিল। পরে ভিড় সামলাতে পুলিশ নামাতে হয়েছিল। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন. বিশ্বায়ন ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বদলের কারণে মানুষের ব্যস্ততা. কাজের পরিধি বেড়েছে। সে পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে যোগাযোগের ধরনে বদল এসেছে. ভার্চ্যুয়াল যোগাযোগও বেড়েছে—বিষয়টি ইতিবাচক। তবে খেয়াল রাখতে হবে. যত সুফলই থাকুক না কেন. প্রযুক্তি যেন আমাদের নিয়ন্ত্রণের সুযোগ না পায়।,1572886 2019-01-02,একটা উপন্যাস লেখা শুরু করেছি: মিনার,,হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572885/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0,entertainment,print,1,আলাপন,নতুন বছরে বেশ কিছু খবর জানালেন তরুণ সংগীতশিল্পী মিনার রহমান। সব খবরই তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মিনার–ভক্তদের জন্যও। চলুন তাঁর সঙ্গে আলাপে জেনে নিই বিস্তারিত। নতুন বছরে বেশ কিছু খবর জানালেন তরুণ সংগীতশিল্পী মিনার রহমান। সব খবরই তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মিনার–ভক্তদের জন্যও। চলুন তাঁর সঙ্গে আলাপে জেনে নিই বিস্তারিত। নতুন বছরে নতুন কী খবর দিতে চাইছেন? অনেকগুলো খবর আছে। আপাতত গানগুলো নিয়ে বলি। এই মাসের মধ্যেই আমার একটা নতুন গান আসবে গানচিল থেকে। ‘উড়ে উড়ে’ নামে গানটির মিউজিক ভিডিও হবে। তারপরই আসবে। আর ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ নামে একটা অন্য রকম গান করছি। এটা নিয়ে খুব টেনশনে আছি। আর ধ্রুব মিউজিক স্টেশন থেকেও একটা গান আসবে। এসব নিয়েই বছরের শুরুর দুই–তিন মাস কেটে যাবে। নিয়মিত কাজ তো আছে। বইয়ের কথা কী যেন বলছিলেন? এটা এখনই বলতে চাইছি না। কিন্তু যখন জিজ্ঞেস করলেন. একটু ধারণা দিতে পারি। একটা উপন্যাস লেখা শুরু করেছি। ইচ্ছা আছে এবারের বইমেলায় প্রকাশ করার। শেষ না করা অবধি অবশ্য কিছুই বলা যাচ্ছে না। বইটার প্রচ্ছদও আমি করব। নতুন বছরের প্রথম দিন কীভাবে কাটালেন? আমার বোন ও দুলাভাই এসেছেন চট্টগ্রাম থেকে। তাঁদের নিয়ে নতুন বছর কাটিয়েছি। পুরোপুরি পারিবারিকভাবে নতুন বছর উদ্যাপন। খুব মজা করেছি। কোনো পরিকল্পনা আছে নতুন বছর নিয়ে? গান করতে চাই। তবে সেটা অবশ্যই ভালো মানের গান। ২০১৮ সালটা আমার জন্য অনেক ভালো গিয়েছে। আমার মনে হয়. মিউজিকের ক্ষেত্রে একটু নতুনত্ব আনতে হবে। শুনেই যেন শ্রোতারা বলেন. ‘সামথিং নিউ।’ আসলে. শ্রোতারা যেন নতুন কিছু পান. সেই চেষ্টা করব। গেল বছর তো নানা ধরনের গান ভাইরাল হলো। সে ক্ষেত্রে কি আপনার গানের শ্রোতা একটু কমে গিয়েছে? একেবারেই সে রকম নয়। নতুন গান হলে নতুন শ্রোতা তৈরি হবে। আমরা তো চাই নতুন নতুন গান হোক। তবে সত্যি কথা হলো. আমার গানের একটা আলাদা শ্রোতাশ্রেণি আছে. যারা নিয়মিত আমাকে গানের উৎসাহ দেয়। গান শোনে। এ কারণে নিয়মিত গান করব। শেষ তিন প্রশ্ননতুন বছরে কী করবেন না? গত বছরে আমি বেশ মোটা হয়েছি। এবার শুকাব। কম খাব। আপনার প্রথম প্রেমিকার নাম কী? নাম মনে পড়ছে না। কার সঙ্গে ডুয়েট গান করার ইচ্ছা আছে? রুনা লায়লা ম্যামের সঙ্গে।,1572885 2019-01-02,ফিরছেন মাঠের মাশরাফি,,ক্রীড়া প্রতিবেদক. ঢাকা,৯,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572883/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF,sports,print,2,মাশরাফি বিন মুর্তজা|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০,নড়াইল–২ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কাল ঢাকায় ফিরেছেন। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লক্ষ্য নিয়ে এবার মনোযোগী হতে চান ক্রিকেটে। নড়াইল–২ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কাল ঢাকায় ফিরেছেন। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লক্ষ্য নিয়ে এবার মনোযোগী হতে চান ক্রিকেটে। গত ২৩ ডিসেম্বর নড়াইলে গিয়েছিলেন ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা। কাল ঢাকায় ফিরলেন সাংসদ হয়ে। নিজ শহরে এবারের সফরটা সব মিলিয়ে ৯ দিনের। এর মধ্যেই নির্বাচনী প্রচারণা. নির্বাচন এবং সংসদ সদস্যের মুকুট পরে ফেলা। রাজনীতিতে নেমেই বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও ক্রিকেটার পরিচয়টাই এখনো অগ্রাধিকার পাচ্ছে মাশরাফির কাছে। নির্বাচনের মাত্র দুই দিনের মধ্যে নিজ এলাকা আর ভোটারদের ছেড়ে ঢাকায় ফেরার সেটিই কারণ। ঢাকা ফেরার পথে কাল মুঠোফোনে মাশরাফি বলছিলেন. ‘কাল (আজ) থেকে বিপিএলে আমাদের অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। আমি চাচ্ছি অনুশীলনের শুরু থেকে দলের সঙ্গে থাকতে। খেলাটাই তো আমার পেশা।’ বিপিএলের অনুশীলনে জাতীয় দলের মতো কড়াকড়ি নেই। মাশরাফি তাতে এক-দুই দিন পর যোগ দিলেও কারও কিছু বলার ছিল না। কিন্তু খেলার মাঠে সেরাটা দিতে হলে যে অনুশীলনের বাইরেও কিছু করতে হয়! মাশরাফি যেমন এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নিজের ফিটনেসকে। তা ছাড়া একজন খেলোয়াড় মাঠ থেকে কত দিন আর দূরে থাকতে পারেন! মাশরাফির রক্তেও নির্বাচন শেষ হতেই ফুটতে শুরু করেছে ক্রিকেট. ‘আগে যেভাবে খেলেছি. অনুশীলন করেছি...এখনো সেভাবেই সময়মতো সবকিছু করব। ফিটনেসের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। আমার শরীরের অবস্থা তো আর সবার মতো নয়। কাজেই এটার ওপর জোর দিতেই হবে।’ ভোটের মাঠে সরাসরি উপস্থিতি কম ছিল মাশরাফির। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ শেষে নির্বাচনে সময় দিতে পেরেছেন মাত্র সাত-আট দিন। রাজনীতিতে এত অল্প সময়ের বিনিয়োগে সংসদ সদস্য হওয়াটাকে রেকর্ডই বলতে হবে। যদিও মাশরাফি এতে অস্বাভাবিক কিছু দেখছেন না. ‘এমন তো নয় যে আমি ভোট উপলক্ষে হঠাৎ করে নড়াইলে গেছি। নড়াইলে আমার নিয়মিত যাতায়াত আছে। মানুষের কাছেই ছিলাম।’ জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ. এরপর নির্বাচন-সব মিলিয়ে তিন-চার মাস ধরে কম চাপ যায়নি মাশরাফির ওপর দিয়ে। খেলা. অধিনায়কত্ব আর রাজনীতির মধ্যে ভারসাম্য রাখতে প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয়েছে সতর্কভাবে। হাতে সময় কম থাকায় নির্বাচনের আগের কয়দিন নড়াইলে গিয়ে ছুটোছুটিও করতে হয়েছে অনেক বেশি। অবশ্য নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে চাপের কথা প্রায় ভুলেই গেছেন তিনি. ‘মানুষ অনেক স্বতঃস্ফূর্ত ছিল। এটা দেখেই বেশি ভালো লেগেছে। এক শ বছরের এক বৃদ্ধাকে দেখলাম তার ৬০ বছর বয়সী মেয়ের কোলে চড়ে ভোট দিতে এসেছেন। ভোট শেষে অনেকে আমার সঙ্গে দেখাও করেছেন। মানুষের এ রকম ভালোবাসা পাওয়ার পর আর তো কিছু লাগে না!’ নির্বাচনের আগে মাশরাফি মাঠে নামলেই ‘নৌকা নৌকা’ স্লোগান উঠেছে গ্যালারিতে। সংসদ সদস্য হয়ে যাওয়ার পর নিশ্চয়ই মাঠে মাশরাফির ওপর চোখটা আরও বেশি থাকবে সবার। অনেকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে যাচাই করতে পারেন তাঁর পারফরম্যান্সও। মাশরাফিও সেটা জানেন। তবে তিনি এটাকে বলছেন ‘যার যার দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার।’ তাঁর কথা. ‘কে কীভাবে ভাববে. সেটা তো আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। আর এটা নতুন নয়. ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও ছিল। খেলোয়াড় হিসেবে আমার যা দায়িত্ব. মাঠে নেমে আমি তা-ই করার চেষ্টা করব।’ সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা প্রথম মাঠে নামবেন বিপিএলে। তবে বিপিএল ভাবনার মধ্যেই ওয়ানডে অধিনায়ককে মাথায় রাখতে হচ্ছে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফর ও বিশ্বকাপের কথা। মাশরাফি আগেই আভাস দিয়েছেন. বিশ্বকাপের পর ক্যারিয়ার নিয়ে নতুন করে ভাববেন। তাঁর কথার সূত্র ধরে ধারণা-হয়তো ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের পরই বিদায় বলবেন ক্রিকেটকে। কিন্তু এ মুহূর্তে মাশরাফির মাথায় সেসব নেই। বিপিএলের পর জাতীয় দলের নিউজিল্যান্ড সফর। এরপর আয়ারল্যান্ড হয়ে বিশ্বকাপযাত্রা। ২০১৯ সালটাকে যে সবাই বাংলাদেশ দলের জন্য চ্যালেঞ্জের বছর বলছে. মাশরাফির চোখে সেটি নিউজিল্যান্ড সফর আর বিশ্বকাপের কারণেই. ‘ঘরের মাঠে এখন আমরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে সফল হচ্ছি। আমাদের দলও আগের চেয়ে বেশি ভারসাম্যপূর্ণ। চ্যালেঞ্জ বেশি দেশের বাইরে। বিদেশের মাটিতে আমরা মাঝেমধ্যে সাফল্য পাই। ২০১৯ সালে সুযোগ আছে সেটাকে পরের ধাপে নিয়ে যাওয়ার।’ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের ভালো স্মৃতি না থাকলেও মাশরাফির চোখে সেটি আলাদা কিছু নয়. ‘বিদেশে গিয়ে যেখানেই খেলবেন. চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তেই হবে। আর নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ বললে বিশ্বকাপ কী? সেটা আরও বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বকাপে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য থাকবে সেমিফাইনালে খেলা। বড় লক্ষ্য স্থির না করলে আসলে কিছুই করা যায় না।’ সেটা তো মাশরাফি এবার রাজনীতির মাঠেও দেখালেন!,1572883 2019-01-02,ভোটের পর চাঙা শেয়ারবাজার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/economy/article/1572881/%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0,economy,print,2,শেয়ারবাজার,নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে সূচকের বড় ধরনের উত্থান ঘটেছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এদিন ৮০ পয়েন্ট বা প্রায় দেড় শতাংশ বেড়েছে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটি ২৮২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়েছে। সূচকে বড় ধরনের উত্থান হলেও লেনদেনে তার কোনো প্রভাব ছিল না। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন. ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনে আবারও নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করায় বিনিয়োগকারীরা কিছুটা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। এ কারণে নির্বাচনের আগে যেসব বিনিয়োগকারী নিষ্ক্রিয় ছিলেন. তাঁদের অনেকে সক্রিয় হতে শুরু করেছেন। তাতে বাজারে কিছুটা চাহিদা বেড়েছে। জানতে চাইলে ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ডিএসইর সাবেক পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন. নির্বাচন ঘিরে দেশের সাধারণ মানুষসহ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সেই শঙ্কা কেটে গেছে। এ ছাড়া সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা হওয়ায় তাতে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের কোনো আশঙ্কা নেই। তাই নির্বাচনের আগে যেসব বিনিয়োগকারী নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিলেন. তাঁরা আবারও সক্রিয় হতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি বছর শেষে ব্যাংক খাতের ভালো মুনাফার খবরও বিনিয়োগকারীদের কিছুটা আস্থা ফেরাতে সহায়তা করেছে। সব মিলিয়ে তাই শেয়ারবাজারে বছরের প্রথম দিনের শুরুটা বেশ ভালোই হয়েছে। শাকিল রিজভী আশা প্রকাশ করেন. বড় ধরনের কোনো অনিশ্চয়তা দেখা না দিলে নতুন সরকার ও নতুন বছরের শুরুতে বাজার ভালো থাকবে। কারণ. বাজারের সূচক ও শেয়ারের দাম অনেক নিচে নেমে গেছে। বাজার যেখানে নেমেছে. সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী. ২০১৮ সালে ব্যাংক খাতে ভালো পরিচালন মুনাফা হয়েছে। বছরজুড়ে নানা সংকটের মধ্যেও ব্যাংকগুলোর আয় বেড়েছে। এ খবরে গতকাল শেয়ারবাজারে ব্যাংক খাতের শেয়ারের দামেও ছিল চাঙাভাব। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ২৭টিরই দাম বেড়েছে। কমেছে মাত্র ২টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১টির দাম। এদিকে. বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় গতকাল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকোর সব কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ঢাকার বাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানির শেয়ারের দাম গতকাল সর্বনিম্ন সাড়ে ৩ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে শাইনপুকুর সিরামিকসের শেয়ারের দাম। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১০ শতাংশ বা ১ টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৪০ পয়সায়। এ ছাড়া বেক্সিমকো সিনথেটিকসের দাম সাড়ে ৯ শতাংশ বা ৭০ শতাংশ বেড়ে ৮ টাকা. বেক্সিমকো লিমিটেডের দাম সাড়ে ৮ শতাংশ বা ২ টাকা বেড়ে সাড়ে ২৫ টাকা আর বেক্সিমকো ফার্মার দাম ২ টাকা ৮০ পয়সা বা সাড়ে ৩ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৮২ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে বেক্সিমকো লিমিটেড ডিএসইর মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ ৫ কোম্পানির মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে ছিল। এদিন এককভাবে কোম্পানিটির ২৯ কোটি টাকার শেয়ারের হাতবদল হয়। ঢাকার বাজারে গতকাল দিন শেষে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৩০ কোটি টাকা. যা আগের দিনের চেয়ে ৮ কোটি টাকা কম। চট্টগ্রামের বাজারে এদিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি টাকা. যা আগের দিনের চেয়ে ১৭ কোটি টাকা কম। ঢাকার বাজারে গতকাল মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল বিবিএস কেবলস। এদিন ডিএসইতে এককভাবে কোম্পানিটির প্রায় ৩১ কোটি টাকার শেয়ারের হাতবদল হয়। দিন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৮ টাকা ৭০ পয়সা বা ৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকায়।,1572881 2019-01-02,বিয়ের দুদিন পর জানতে পারি...,পরামর্শ,,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572882/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%AE-%E0%A6%A8,life-style,print,2,অধুনা|পরামর্শ,পাঠকের কাছ থেকে সন্তান পালন. মনোজগৎ ও ব্যক্তিজীবনের সমস্যা নিয়ে পাঠকের প্রশ্ন বিভাগে নানা রকমের প্রশ্ন এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক মেহতাব খানম নির্বাচিত দুটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন এবার। * আমি একটি মেয়েকে ভালোবাসি। আমাদের সম্পর্ক প্রায় তিন বছর হলেও ভালোবাসার মানুষকে যে কথা বলে মনের তৃপ্তি দিতে হয়. সে তা পারে না। আমরা প্রতিদিন মাত্র ১৫-২০ মিনিট কথা বলতে পারি। আর দেখা হচ্ছে না প্রায় আট–নয় মাস। কিছুদিন ধরে আমার মনে হচ্ছে. সে আমাকে ভালোবাসে না। এই অবস্থায় আমার কী করা উচিত?নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক # তোমাদের সম্পর্কটি তিন বছর ধরে চলছে এবং প্রতিদিন তোমরা কিছু সময় কথা বলছ জেনে মনে হচ্ছে. সম্পর্কটির মধ্যে ইতিবাচক দিক নিশ্চয়ই রয়েছে। তবে ফোন করার ক্ষেত্রে কার আগ্রহ বেশি রয়েছে. সীমিত সময় কথা বলার বা দেখা না হওয়ার পেছনে কারণগুলো কী. তা জানতে পারিনি। মেয়েটি কি তোমার সঙ্গে এখন আর দেখা করতে চাইছে না? তুমি লিখেছ. তার কথার ধরন তোমাকে তৃপ্ত করছে না। তুমি কি তার সঙ্গে সহমর্মিতা দেখাচ্ছ? ওর মনকে স্পর্শ করে এমন কিছু কথা বলছ. নাকি সম্পর্কের অবনতির জন্য ওকেই দায়ী করছ। একটি সম্পর্কে তো দুটো মানুষকেই একইভাবে অবদান রাখতে হয়। পরস্পরের খুব ভালো বন্ধুও হতে হয়। ওর দিক থেকে যদি আবেগের প্রকাশ কমে গিয়ে থাকে. তাহলে তুমি তাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করতে পারো. সে এই সম্পর্কটি এখন কীভাবে দেখছে। ওকে কোনো রকম দোষারোপ না করে তুমি যা ভাবছ এবং অনুভব করছ. তা ওকে বুঝতে সাহায্য করো। দেখা করে তোমরা খোলাখুলি আলোচনা করে দুজনেই বুঝতে চেষ্টা করো একজন অন্যজনকে আগের মতোই ভালোবাসছ কি না বা সম্পর্কের গুণগত মানটিতে কোনো পরিবর্তন এসেছে বলে মনে হচ্ছে কি না। সেটি হয়ে থাকলে তোমাদের কী করণীয়. তা নিয়ে খুব সততা ও বস্তুনিষ্ঠভাবে দুজনেই নিজস্ব মতামত প্রকাশ করে ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করো।*আমি আসলে মানসিক দিক দিয়ে খুব কষ্টে আছি। আমার বিয়ে হয়েছে আজ থেকে ৯ বছর আগে। আমার স্বামী আর আমি দুজনেই সরকারি চাকরিজীবী। আমার এক ছেলে আর এক মেয়ে। সমস্যা হলো বিয়ের দুদিন পর জানতে পারি. আমার স্বামীর সঙ্গে আমার বিয়ের আগে অনেক বছর ধরে একটি ভিন্নধর্মালম্বী মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক চলছে। সেই মহিলা বিবাহিত আর তাঁর দুই বাচ্চা। আমার বিয়ের পরও ওদের সম্পর্কটা ওরা চালিয়ে গেছে। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে খুব অশান্তি হতো। সম্প্রতি আমি মহিলার সঙ্গে কথা বলেছি এবং তিনি সব স্বীকার করেছেন। কিন্তু আমার স্বামীকে আমি এখন বিশ্বাস করতে পারছি না। কারণ. আমি ওর মোবাইলে দেখেছি. এখনো দুজনের মধ্যে প্রতিদিন কথা হয়। যার কারণে আমার স্বামী ঘরে আমার ওপর খুব মানসিক অত্যাচার চালাচ্ছে। বলে রাখি. বিয়ের অনেক আগে এক ছেলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। ছেলেটা আমাকে খুব ভালোবাসত। আমার পরিবার ওকে মেনে নেয়নি। যার কারণে আমিও আর এগোইনি। এখন আমার স্বামী আমার এক আত্মীয়ের কাছ থেকে ব্যাপারটা জেনে গেছে। কিন্তু আপনারা বিশ্বাস করুন. এখন ওই ছেলের সঙ্গে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই। তবু এটা আমার স্বামী বিশ্বাস করতে চাইছে না। ওই ছেলেটা বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। কিন্তু তবু আমার স্বামী ওকে নিয়ে আমাকে সন্দেহ করে চলেছে। এই নিয়ে সব সময় খুব মানসিক চাপে থাকি। এখন আমার মা–বাবা আমার বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। ওদের সামনে ও আমাকে যা নয় তাই বলে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করছে। ফলে তাঁরা খুব হীনম্মন্যতায় ভুগছেন।নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক # মানুষ অনেক স্বপ্ন নিয়ে বিবাহিত জীবনটি শুরু করে। বিয়ের মাত্র দুদিনের মাথায় তুমি অনেক বড় একটি ধাক্কা খেলে। একটি সম্পর্কে বিশ্বাস হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ। অথচ সেটি ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল যখন জানতে পারলে. তুমি প্রতারিত হয়েছ। বিয়ের আগে অনেকেই ভালোবাসার সম্পর্কে থাকে. কিন্তু বিয়ের পরও সম্পর্কটি চালিয়ে যাওয়া বা নতুন কোনো সম্পর্কে জড়ানো অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য। তুমি প্রতারণা. অবিশ্বাস. অবহেলা. অশ্রদ্ধা ও মানসিক নির্যাতনের মধ্যে দীর্ঘ নয় বছর এই সম্পর্কটি যে কারণে চালিয়ে গেছ. তার একটি ব্যাখ্যা হয়তো তোমার কাছে আছে। তবে এত বড় একটি সময় এটির ভেতরে থাকা খুবই ক্লান্তিকর ও অবসাদময় হওয়ার কথা। তুমি স্বামীকে হয়তো ভালোবাস বলে আশায় বুক বেঁধে দুটো সন্তানকেও পৃথিবীতে নিয়ে এসেছ। তবে ওরা কিন্তু বাবা-মায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বহিঃপ্রকাশ দেখে বড় হচ্ছে না। উপরন্তু তারা একটি চলমান সংঘাতময় সম্পর্ক দেখতে পাচ্ছে। এতে করে ওদের মনে প্রবল ভীতির সৃষ্টি হচ্ছে. যেটির প্রভাব তাদের ব্যক্তিত্বের বিকাশকে অত্যন্তÿক্ষতিগ্রস্ত করার কথা। তুমি তো অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী এবং শিক্ষিত একটি মানুষ. তারপরও কী ভেবে নিজেকে এই অবমাননাকর পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে চলেছ. তা খুব ভালো করে ভেবে দেখো। তোমার স্বামী কি নিজের অপরাধবোধ কমাবার জন্য তোমাকে একটি বিবাহপূর্ব সম্পর্ক নিয়ে নির্যাতন করছেন কি না জানি না। ব্যাপারটি নিয়ে তাঁকে আর কোনো ব্যাখ্যা দিয়ে নিজের ক্লান্তি বাড়তে দিয়ো না। নিজেকে আন্তরিকভাবে ভালোবেসে. শ্রদ্ধা করে এবং পরিপূর্ণভাবে নিজের যত্ন নিয়ে পথ চলতে চেষ্টা করো। পাশের মানুষটি তোমার আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করবে. সেই ক্ষমতাটি তাঁকে না দিয়ে তুমিই নিজের আবেগের নিয়ন্ত্রক হওয়ার চেষ্টা করো। অর্থাৎ কিসে তুমি কষ্ট পাবে বা খুশি হবে. সেই সিদ্ধান্ত যেন তোমারই হয়. সেই লক্ষ্যে মানসিক শক্তিটি বাড়াতে থাকো। আশা রাখছি নিজের কোনো ক্ষতি করবে না। কারণ. তোমার জীবন অনেক মূল্যবান। যদি খুব বেশি কষ্ট হয়. তাহলে ০৯৬১২২২২৩৩৩ এই টেলিসেবা নম্বরটিতে ফোন করে কাউন্সেলিং সেবা নিজে পারো। যেসব সংস্থায় কাউন্সেলিং ও সাইকোথেরাপির সুযোগ আছে. সেসব জায়গায় গিয়ে তুমি কীভাবে মানসিকভাবে ভালো থাকতে পারো. সেটির জন্য সরাসরি সেবা গ্রহণ করতে পারো।,1572882 2019-01-02,স্তনে ব্যথা মানেই ক্যানসার নয়,,ডা. রাফিয়া আলম,১,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572880/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A7%9F,life-style,print,2,স্বাস্থ্য|আমার ডাক্তার,স্তনে চিনচিন ব্যথা. অস্বস্তি নানা কারণে হতে পারে। হরমোনের ওঠা–নামার কারণে স্তনে যে ব্যথা হয়. তা স্বাভাবিক ব্যাপার। মাসিকের কয়েক দিন আগে থেকে শুরু হয়ে শেষ হওয়া পর্যন্ত এই চিনচিন ব্যথা হতে পারে। কৈশোরে স্তন গ্রন্থির বৃদ্ধির সময় এবং একই কারণে গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস ব্যথা হতে পারে। তবে আঘাত. প্রদাহ বা সংক্রমণ হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। স্তন্যদায়ী মায়ের প্রায়ই স্তনে প্রদাহ হতে দেখা যায়। শিশুকে সঠিক নিয়মে স্তন্যপান না করানো ও পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখা এর প্রধান কারণ। এমনকি স্তনে জীবাণুর সংক্রমণ হওয়াও বিচিত্র নয়। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি এবং অন্যান্য কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও স্তনব্যথা হয়। স্তনে ব্যথা মানেই কি ক্যানসার? জেনে রাখুন. সাধারণত স্তনব্যথা স্তন ক্যানসারের লক্ষণ নয়। তবে যেকোনো একপাশের স্তনের নির্দিষ্ট একটি স্থানে ব্যথা. যা মাসিকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এর সঙ্গে গোটা বা চাকা অনুভব করা. স্তনবৃন্ত থেকে রক্তপাত কিংবা বগলে গোটা অনুভব করলেই কেবল আতঙ্কিত হওয়ার কিছু আছে। সিস্ট আর ক্যানসার এক নয়স্তনে সিস্ট থাকলেও একটা চিনচিনে ব্যথা হতে পারে। মনে রাখবেন. সিস্ট মানেই ক্যানসার নয়। অল্প বয়সে অনেকেরই স্তনে সিস্ট হয়। সন্দেহ দূর করতে চিকিৎসকের পরামর্শমতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে নিলে ভালো। স্বাভাবিক ব্যথা কেমনমাসিকের আগে ও মাসিকের সময় যে হরমোনজনিত ব্যথা হয়. তা দুই স্তনেই অনুভূত হয়. চাপ চাপ ব্যথার সঙ্গে স্তন ভারী মনে হয়। দুই দিকের বগলেও ব্যথা হতে পারে। মাসিকের দুই সপ্তাহ আগে থেকেও শুরু হতে পারে. আর মাসিক শুরু হলে ব্যথার তীব্রতা কমে আসে. শেষ হয়ে গেলে ব্যথা থেমে যায়। এ ব্যথায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে স্তনে সংক্রমণ বা প্রদাহ হলে ওপরের ত্বক লালচে দেখাবে. স্পর্শ করলেই ব্যথা করবে। অনেক সময় স্তনে পুঁজ জমা হয় বা ফোড়া হয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। পুঁজ জমা হলে শল্যচিকিৎসক তা বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। সংক্রমণ হয়েছে ভেবে নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করবেন না। পুঁজ বের করার আগে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করলে জটিলতা বাড়তে পারে। ব্যথা কমাতে কী করবেনমাসিক–সংক্রান্ত সাধারণ স্তনব্যথার ক্ষেত্রে হালকা গরম সেঁক বা কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে সেঁক দিতে পারেন। আঁটসাঁট ব্রাসিয়ার পরুন. শোয়ার সময়ও পরতে পারেন এক দিন। চর্বি. চা-কফি ও ধূমপান এড়িয়ে চলুন। প্যারাসিটামল সেবন করতে পারেন।,1572880 2019-01-02,সুবর্ণচরে নারী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা. গ্রেপ্তার ১,,নিজস্ব প্রতিবেদক. নোয়াখালী,১৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572878/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%A7,bangladesh,print,2,নোয়াখালী|ধর্ষণ|আইন ও বিচার|নারী নির্যাতন,নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের এক গ্রামে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে এক নারীকে মারধর ও গণধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার নারীর স্বামী গত সোমবার রাতে সুবর্ণচরের চরজব্বার থানায় এ মামলা করেন। তবে তাঁরা আগে ভোট দেওয়া নিয়ে ঝামেলার কথা জানালেও মামলায় তা উল্লেখ নেই। মামলায় বলা হয়েছে ‘পূর্ববিরোধের’ কথা। চরজব্বার থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জানিয়েছেন. একই এলাকার মোশারফ. সালাউদ্দিন. বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু ও সোহেলসহ নয়জন মামলার আসামি। মামলার পর রাতেই আসামি বাদশা আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আসামি ঘটনার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি। আদালতের কাছে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। ওই নারীর স্বামী প্রথম আলোকে বলেন. সোমবার রাতে পুলিশ তাঁকে মামলা করার জন্য হাসপাতাল থেকে গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যায়। তিনি সেখানে গিয়ে ঘটনার বর্ণনা দেন। পুলিশ তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী এজাহার লিখে আসামিদের নাম ঠিক আছে কি না জিজ্ঞেস করলে তিনি তাতে সম্মতি দেন। পুলিশ তাঁকে পুরো এজাহার পড়ে শোনায়নি। তিনিও পড়ালেখা না জানায় এজাহার পড়ে দেখতে পারেননি। এজাহারে ভোটকেন্দ্রে ভোট দেওয়া নিয়ে ঝামেলার বিষয়টি বাদ পড়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওসি বলেন. বাদী যা যা বর্ণনা করেছেন. তা-ই উল্লেখ করা হয়েছে। এখন যদি তিনি কিছু বাদ গেছে বলে দাবি করেন. তদন্তে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক খলিল উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন. চিকিৎসাধীন নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন আছে। তবে ডাক্তারি পরীক্ষার ফল বুধবার (আজ) নাগাদ পাওয়া গেলে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। নির্যাতনের শিকার নারী বলেন. ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সবাই একই এলাকার চরজুবলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য রুহুল আমিনের লোক। তাঁরা সবাই নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করেছেন। ভোটের দিন আসামিরা তাঁকে তাঁদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে বলেন। তিনি তাতে রাজি না হলে এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে যুবকেরা তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এরপর ওই দিন রাতে বাড়িতে গিয়ে তাঁরা মারধর ও ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন এ ঘটনায় তিন সদস্যের তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। গতকাল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ ঘটনার নিন্দা ও জড়িত ব্যক্তিদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ. হিউম্যান রাইটস ফোরাম বাংলাদেশ. বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্র ও দেশের মালিকানা ফিরে পেতে সংগ্রামরত জনগণ।,1572878 2019-01-02,৩০ দিনে ৩ কেজি ওজন কমান,ডায়েট,ইসরাত জাহান,,https://www.prothomalo.com/life-style/article/1572879/%E0%A7%A9%E0%A7%A6-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A7%A9-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%93%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8,life-style,print,2,অধুনা|পরামর্শ,দুই দিন হলো নতুন বছর শুরু হয়েছে। গত বছর যা করতে পারেননি. তা এ বছর করতে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিতে পারেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী জীবনযাপন করলে সারা বছর ভালো থাকা যায়। বছরের প্রথম ৩০ দিনে ৩ কেজি ওজন কমানো পরিকল্পনা হাতে নিন। ছেলে-মেয়েদের ডায়েটের জন্য পরিকল্পনা আলাদা হবে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ কিলোক্যালরি এবং নারীদের ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ কিলোক্যালরি দরকার। শীতের সময় আমাদের দেশে অনেক শাকসবজি পাওয়া যায়। শীতের মৌসুমি সবজি শাক খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।সুস্থ থাকার জন্য আমাদের শরীরে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট দরকার। শর্করা. প্রোটিন এবং চর্বি প্রতিদিনই খাই। শীতের সময়ে সবুজ শাকসবজি. ফলমূল খেতে হবে।প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়া উচিত। ডিমের অ্যালবুমিনের কোনো বিকল্প নেই। মাছের বদলে মুরগি খেতে পারেন বা অন্য প্রায় সব খাদ্য উপকরণের বিকল্প আছে। কিন্তু ডিমের অ্যালবুমিনের কোনো বিকল্প নেই। এ উপকরণটি শরীরের জন্য খুবই দরকারি। অ্যালবুমিন কমে গেলে অনেক সময় শরীরে পানি চলে আসে. রক্তশূন্যতা তৈরি হয়।মাছ বা মাংস থেকে একটি অংশ. দুধ থেকে একটি উপকরণ খেতে হবে। অনেকে দুধ খেতে চান না। মনে করেন দুধে ফ্যাট আছে। তাই ননফ্যাট দুধও খেতে পারেন। ৩০ দিনে ৩ কেজি ওজন কমাতে চাইলে কার্বোহাইড্রেট ১০ শতাংশ কমাতে হবে। ফ্যাটযুক্ত দুধের উপকরণ না খেতে চাইলে রাতের খাবারে টকদই নিতে পারেন। টকদইতে একই সঙ্গে প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম রয়েছে। টকদই আমাদের হজমে সাহায্য করে। অনেকে অফিসে কাজ করার ফলে বাইরে ও অনিয়মিত খাবার খান। এর ফলে তাঁদের হজমে সমস্যা হয়। এ ধরনের মানুষ রাতে টকদই খেলে ভালো উপকারিতা পাবেন। এক কাপ টকদই তাঁর সারা দিনের খাওয়া উপকরণগুলো হজম হতে সাহায্য করে। ব্যায়ামসকালে ব্যায়াম করা বা হাঁটা সবচেয়ে ভালো। তবে যদি কেউ সকালে সময় করতে না পারেন. তাহলে অফিস বা কাজ থেকে ফেরার পরে সিঁড়ি দিয়ে (পাঁচতলা পরিমাণ) টানা তিনবার ওঠানামা করে তাতেও কিন্তু অনেক উপকার পাওয়া যায়। মনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে জিম করা উচিত নয়। সিঁড়িতে হাঁটতে পারেন। হাঁটতে হলে কমপক্ষে টানা ৩০ মিনিট একই গতিতে হাঁটতে হবে। তাহলে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।,1572879 2019-01-02,শোধ নিয়েছেন শেখ হাসিনা,রাজনীতি,মহিউদ্দিন আহমদ,২৮২,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572877/%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE,opinion,print,2,নির্বাচন|মহিউদ্দিন আহমদ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,১৯৭৩ সাল থেকে শুরু করে এ দেশে দলীয় সরকারের অধীনে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে. তার সব কটিতেই জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীনেরা। অন্যদিকে. নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে পরপর দুই মেয়াদে কোনো দল ক্ষমতায় যেতে পারেনি। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি তোলা হয়েছিল একসময়। এই দাবি নিয়ে আন্দোলনের সামনের কাতারে ছিল আওয়ামী লীগ। আবার আওয়ামী লীগের হাত দিয়েই বাতিল হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। রাজনীতিতে পাল্টাপাল্টি অবস্থান সমাজে তৈরি করে দিয়েছে বিভেদের এক অলঙ্ঘনীয় দেয়াল। ১৯৮০-এর দশকে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ দেশে গড়ে উঠেছিল দ্বিদলীয় রাজনীতি। ১৯৯১ সালের নির্বাচন থেকেই এর স্বরূপ দিন দিন প্রকট হচ্ছিল। ২০১৮ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দ্বিদলীয় রাজনীতির মেরুদণ্ডটি আপাতদৃষ্টিতে ভেঙে পড়ল। এ নিয়ে আগামী দিনে অনেক কথাবার্তা এবং গবেষণা হবে। বলার অপেক্ষা রাখে না. ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর গবেষণা করা সহজ। ঘটনা ঘটার আগে পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। ক্রিকেট থেকে শুরু করে রাজনীতি—সব জায়গায় একই রকম। গত চার দশকে এ দেশে আমরা শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া—এই দুজন নেতার উত্থান দেখেছি রূপকথার মতো। রাজনীতির স্বাভাবিক ব্যাকরণ অনুযায়ী এমনটি হওয়ার কথা ছিল না। বিশেষ পরিস্থিতিতে নেতৃত্বের সংকট ও শূন্যতা তৈরি হওয়ায় নিয়তি তাঁদের টেনে এনেছিল রাজনীতির পিচ্ছিল পথে। তারপর হাঁটি হাঁটি পা পা করে তাঁরা নিজেদের জায়গা তৈরি করে নিয়েছিলেন. প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একচ্ছত্র কর্তৃত্ব। দুজনের উত্থানের পেছনেই আছে বিয়োগান্ত ইতিহাস। তারপরও তাঁদের মধ্যে কোনো সহজ সমীকরণ তৈরি হয়নি। রাজনীতিতে তাঁরা ছিলেন পরস্পরের প্রধান প্রতিপক্ষ—এটি বললে কম বলা হবে। এখন তো কষ্ট করে খুঁজে দেখতে হবে. তাঁরা কবে শেষবারের মতো কথা বলেছিলেন। ইতিহাসে এ ধরনের দ্বৈরথ খুব বেশি দেখা যায় না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করা নিয়ে দুজনই অনড় অবস্থানে চলে গিয়েছিলেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন তখন দরজায় কড়া নাড়ছে। ২৬ অক্টোবর ২০১৩ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়াকে ফোন করে ২৮ তারিখ গণভবনে আসার জন্য দাওয়াত দেন। উদ্দেশ্য. একসঙ্গে বসে কথাবার্তা বলা ও রাতের খাবার খাওয়া। ওই সময় বিএনপির নেতৃত্বে ১৮-দলীয় জোটের তিন দিনব্যাপী হরতাল শুরু হয়ে গেছে। তাঁদের ৩৭ মিনিটের টেলিফোন সংলাপের শেষ অংশটি ছিল এ রকম: খালেদা: আপনি বলেন যে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে আপনি রাজি আছেন। তাহলে আমি কালকেই উইথড্র করে দেব।...বসে ঠিক করব. কালকে উইথড্র হবে। আমরা কালকেই আপনার সঙ্গে আলোচনায় বসব। কোনো অসুবিধা নাই। হাসিনা: আপনি সর্বদলীয়টা মেনে নেন। খালেদা: সর্বদলীয়টা মানা যায় না। হাসিনা: কালকে আসেন. সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে। খালেদা: হরতাল প্রত্যাহার হবে না। ২৯ তারিখ ডেট দেন। আমরা আলোচনায় যাব। হাসিনা: আমি আপনাকে দাওয়াত দিচ্ছি. আপনি আসুন। খালেদা: না. আমি যেতে পারব না। হরতালের মধ্যে আমি কোথাও যাই না (সূত্র: মহিউদ্দিন আহমদ. বিএনপি: সময়-অসময়. প্রথমা প্রকাশন)। উল্লেখ্য. প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে সংসদে ফাঁকা দলগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলা হয়েছিল। বিএনপি ওই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। খালেদা জিয়া নিজের শক্তি সম্বন্ধে অতিমাত্রায় আস্থাশীল ছিলেন এবং শেখ হাসিনার শক্তিকে খাটো করে দেখেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে খালেদা ওই দিনই হেরে গিয়েছিলেন। প্রচণ্ড চাপ সত্ত্বেও ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচনটি করিয়ে নিয়ে হাসিনা বাজির দরে জিতে যান। গত পাঁচ বছরে তিনি ক্রমাগত প্রমাণ করে গেছেন. তিনি একজন দক্ষ স্ট্রাইকার বা হার্ডহিটিং ব্যাটার। তিনি একজন ‘মাস্টার পলিটিশিয়ান’। রাজনীতির লড়াইয়ে তিনি আজ জয়ী। অন্যদিকে খালেদার চলছে অগস্ত্যযাত্রা। এটি একটি রূঢ় বাস্তবতা। বাংলাদেশের গত পাঁচ দশকের ইতিহাসে দুটো বড় ঘটনা ঘটে গেছে. যার তাৎপর্য ছিল সুদূরপ্রসারী। একটি হলো ১৫ আগস্ট ১৯৭৫. অন্যটি হলো ২১ আগস্ট. ২০০৪। দুটোর মধ্যে অদ্ভুত মিল আছে। একদা এ দেশে পিকিংপন্থীদের কয়েকটি গ্রুপ শুরু করেছিল ‘খতম’-এর রাজনীতি। ওগুলো ঘটেছিল বিপ্লবের নামে বিচ্ছিন্নভাবে। সমাজে তা আতঙ্ক ছড়ালেও প্রবল কোনো ঢেউ তুলতে পারেনি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার বড় উদাহরণটি হলো ১৫ আগস্ট। তখনো বিএনপির জন্ম হয়নি। কিন্তু পরে খুনিদের সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে জারি হওয়া ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ সংসদে পাস করিয়ে নিয়ে বিএনপি পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের দায়ভার নিজেদের কাঁধে নিয়ে নিয়েছিল। জেনারেল জিয়াউর রহমানের লিগেসি থেকে তাঁর উত্তরসূরি খালেদা জিয়া বেরিয়ে আসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তা কাজে লাগাননি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ ১১ নভেম্বর (১৯৯৬) সংসদের আলোচ্যসূচিতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব রেখেছিল। স্পিকারের ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণের তুচ্ছ অজুহাত তুলে বিএনপির সদস্যরা সেদিন সংসদ থেকে ওয়াক আউট করে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন. তাঁরা এ আইনটির বাতিল চান না। এর অর্থ দাঁড়ায়. ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার করা যাবে না. এ অবস্থানটি বিএনপি বজায় রেখেছিল। ২১ আগস্ট. ২০০৪ আওয়ামী লীগের সমাবেশে বোমা ও গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। এ ঘটনায় ২৪ জন নিহত হলেও শেখ হাসিনা অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। বিএনপি সরকার এর সুষ্ঠু তদন্তের ব্যবস্থা না করে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালায়। তৈরি হয় ‘জজ মিয়া নাটক’। ২০০৬ সালের ২১ আগস্ট প্রথম আলো জজ মিয়ার মা জোবেদা খাতুনের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই ভুয়া মামলার বিষয়টি ফাঁস করে দেয়। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে. ইচ্ছে করে এই নাটক সাজানোর মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার আবারও নিজেদের কাঁধে হাসিনা-নির্মূল ষড়যন্ত্রের দায়ভার নিয়ে নেয়। এসব কিছু মেনে নিয়ে ‘রিকনসাইল’ করার মতো অবস্থানে থাকার কথা নয় শেখ হাসিনার। প্রতিশোধটি তিনি নিলেন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। তিনি এক এক করে হাত বাড়ালেন সম্ভাব্য শত্রুদের দিকে। তাঁদের জোটসঙ্গী করলেন। চরম সমালোচনা সত্ত্বেও হেফাজতে ইসলামের মতো একটি উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীকে কৌশলে নির্বিষ করতে সক্ষম হলেন। জাতীয় পার্টিকে নিয়ে রীতিমতো ডাংগুলি খেললেন। আর মূল প্রতিপক্ষ বিএনপিকে ক্রমাগত বিচ্ছিন্ন ও কোণঠাসা করতে লাগলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দেখা গেল. বিএনপির ওপর দিয়ে একটি সুনামি বয়ে গেল। গ্রেনেড ছুড়তে হলো না. কামান দাগানোর দরকার পড়ল না। ভোটের লড়াইয়ে বিএনপি নকআউট হয়ে গেল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে সূক্ষ্ম না স্থূল কারচুপি হয়েছে. এ নিয়ে জন–আলোচনা চলছে. চলবে। বাস্তবতা হলো. বিএনপি রাজনৈতিক দল হিসেবে একেবারেই খাদের কিনারায় চলে গেছে। এটি আর আগের মতো উঠে দাঁড়াতে পারবে না। তবে আওয়ামী বৃত্তের বাইরে একটি উদার গণতান্ত্রিক দলের চাহিদা সমাজে থেকেই যাবে। তবে তা গড়ে উঠতে সময় লাগবে। শেখ হাসিনা রাজনৈতিকভাবে শোধ নিয়েছেন! বলা যায়. মধুর প্রতিশোধ। মহিউদ্দিন আহমদ: লেখক ও গবেষকmohi 2005 @gmail. com আরও পড়ুন:আগামী সপ্তাহে নতুন সরকারপ্রার্থীদের থেকে কারচুপির তথ্য নেবে বিএনপি,1572877 2019-01-02,নারায়ণগঞ্জে সড়ক দখল,ট্রাফিক পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হবে,,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572874/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A3%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%96%E0%A6%B2,opinion,print,2,সম্পাদকীয়:,সড়ক হচ্ছে যানবাহন চলাচলের জন্য আর ফুটপাত হচ্ছে পথচারীদের পায়ে হেঁটে চলার জন্য। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ নগরের খানপুর ইশা খাঁ সড়ক ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা সড়কের অবস্থার যে চিত্র প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে. তাতে তা মনে হচ্ছে না। মঙ্গলবার প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী. নারায়ণগঞ্জ নগরের খানপুর কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট-সংলগ্ন ঈশা খাঁ সড়ক ও ফুটপাত দখল করে সেখানে বিভিন্ন অচল যানবাহন ফেলে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের দুই-তিন সারিতে বিভিন্ন গণপরিবহনের গাড়ি পার্কিং করে রাখা হচ্ছে। এতে সড়কটি সংকীর্ণ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়ছে এই পথে চলাচলকারীরা। এ ছাড়া নবাব সিরাজউদ্দৌলা সড়কের মেট্রো সিনেমা হলের মোড়সংলগ্ন সড়কেও অচল প্রাইভেট কার. টেম্পোসহ বিভিন্ন যানবাহন ফেলে রাখা হয়েছে। সড়কের পাশে চায়ের দোকান. বাসের কাউন্টার থাকায় এর অর্ধেক অংশ ও ফুটপাত দখল হয়ে গেছে। একটি নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এই বেহাল চিত্র কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রশ্ন হচ্ছে. এসব দেখার কি কেউ নেই? মোটরযান আইন অনুযায়ী. রাস্তায় গাড়ি আইন মেনে চলছে কি না বা পার্কিং করা হচ্ছে কি না. তা দেখার দায়িত্ব পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের। আইনে ট্রাফিক পুলিশকে লাইসেন্সসহ কাগজপত্র যাচাই এবং সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া এবং জরিমানা করার মতো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে তারা। নারায়ণগঞ্জের এ দুটি সড়কের ক্ষেত্রে যে ট্রাফিক পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করছে না. তা তো বোঝাই যাচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশের কর্তব্যের প্রতি এই অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়। ট্রাফিক পুলিশকে অবশ্যই এ দুটি সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে। যারা আইন অমান্য করে ফুটপাত ও সড়ক দখল করে রেখেছে. তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলার উপযোগী করতে হবে। সড়কে যাতে অবৈধভাবে কেউ যানবাহন পার্কিং করতে না পারে. সে জন্য আইনের প্রয়োগ করতে হবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে গাড়ি পার্কিংয়ের বিষয়ে বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন প্রশাসনের। সড়ক বা মহাসড়কে যারা নিয়ম না মেনে ইচ্ছেমতো গাড়ি পার্কিং করছে. তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। নারায়ণগঞ্জ শহরে অনেক বিপণিকেন্দ্র গড়ে উঠলেও নেই গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। তাই গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য স্থান নির্ধারণ করে দিতে হবে। অকেজো গাড়ি রাখার জন্য ডাম্পিং স্টেশন তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি নাগরিকদেরও সড়কে চলাচলে সচেতন হতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্য কেউ যাতে ভোগান্তির শিকার না হয়. সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।,1572874 2019-01-02,প্রার্থীদের থেকে কারচুপির তথ্য নেবে বিএনপি,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩৮,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572875/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট,• ঐক্যফ্রন্ট কাল বৃহস্পতিবার ইসিতে স্মারকলিপি দেবে • অভিযোগের তথ্য দলিল আকারে প্রকাশ করবে বিএনপি • বিএনপি ভুলত্রুটি–দুর্বলতা চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে• বিএনপি বলছে. ভোটাধিকার হরণের নতুন নজির হয়েছে • বিএনপির ভেতরে-বাইরে নেতৃত্বের দুর্বলতা নিয়েও প্রশ্ন • ঐক্যফ্রন্ট কাল বৃহস্পতিবার ইসিতে স্মারকলিপি দেবে • অভিযোগের তথ্য দলিল আকারে প্রকাশ করবে বিএনপি • বিএনপি ভুলত্রুটি–দুর্বলতা চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে• বিএনপি বলছে. ভোটাধিকার হরণের নতুন নজির হয়েছে • বিএনপির ভেতরে-বাইরে নেতৃত্বের দুর্বলতা নিয়েও প্রশ্ন ফলাফল প্রত্যাখ্যান করলেও আপাতত বড় কোনো কর্মসূচিতে যাবে না বিএনপি। সার্বিক পরিস্থিতি বুঝে ওঠার চেষ্টা করছে তারা। দলটি গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন ও তার আগে যেসব অনিয়ম. কারচুপি এবং হামলা. মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে; তার আসনভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছে। তা গ্রন্থিত করে দলিল আকারে প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া নির্বাচনে নিজেদের ভুলত্রুটি. দুর্বলতাও চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এদিকে অবিলম্বে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা আগামীকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দেবেন। এ লক্ষ্যে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের বৃহস্পতিবার সকালে গুলশানের বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রগুলো বলছে. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত কী কী ঘটেছিল. তার সুনির্দিষ্ট বৃত্তান্ত প্রার্থীদের কাছ থেকে লিখিত আকারে সংগ্রহ করা হবে। এ লক্ষ্যে একটি খসড়া ফরম করা হয়েছে। তাতে তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রতীক বরাদ্দ পর্যন্ত. প্রতীক বরাদ্দ থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত কোন আসনে কতটি মামলা ও কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে. প্রচারের সময় কতটি হামলা এবং তাতে কতজন আহত হয়েছেন. ভোটের আগের রাতে কেন্দ্রগুলোতে কী হয়েছিল. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বাসাবাড়িতে গিয়ে কী ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়েছিলেন. ভোটের দিন কীভাবে এজেন্টদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়. কেন্দ্র থেকে কীভাবে মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে. ভোটে কী ধরনের কারচুপি করা হয়েছে—তা ফরমে জানতে চাওয়া হবে। এই উদ্যোগের বিষয়ে এখনই বিএনপির কেউ কথা বলতে রাজি হননি। তবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত সোমবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন. তাঁরা নির্বাচনে অনিয়ম. ভোট ডাকাতির তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে পরবতী করণীয় ঠিক করবেন। বিএনপির নেতারা বলছেন. ৩০ ডিসেম্বরের এমন একটি নির্বাচন হয়েছে. যা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের চেয়েও ভয়াবহ। তাই ক্ষমতাসীন দল এই নির্বাচনের অনিয়ম. অসংগতি ও রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে যা যা করেছে. তার তথ্য-উপাত্ত সন্নিবেশিত করে দলিল আকারে সংরক্ষণ করা জরুরি। তারা মনে করছেন. ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল এক রকম। আর ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মানুষের ভোটাধিকার হরণের নতুন নজির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল প্রথম আলোকে বলেন. ‘পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে এই সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগসাজশ করে এমন একটা নির্বাচন করল. এটা জাতির রাজনৈতিক ইতিহাস ও নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় ঘটনা বলে আমি মনে করি।’ বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন. ক্ষমতাসীন মহাজোটের ২৮৮ আসনের বিপরীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাত্র সাতটি আসন পেয়েছে। বেশির ভাগ আসনেই ভোটের ব্যবধান লাখের বেশি। ভোটের এই অস্বাভাবিক ফলাফল মানুষ বিশ্বাস করছে না এবং তা সর্বত্র আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বিএনপির নেতারা মনে করছেন. বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান যদি কাছাকাছি হতো বা বিএনপির আসনসংখ্যা আরও বাড়ত. তাহলে ভোট ভালো কি খারাপ হয়েছে. তা নিয়ে মানুষ কিছুটা বিভ্রান্ত হতো. অনেকের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা পেত। এ ছাড়া ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির না যাওয়া. প্রধানমন্ত্রীর সংলাপে সাড়া না দেওয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ছিল। তখন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ নিয়ে অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছে। কিন্তু এবার বিএনপি নিজ থেকে সংলাপের প্রস্তাব পাঠিয়েছে. একাধিকবার সংলাপে গেছে. কোনো দাবি না মানা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। কিন্তু ভোটে বিএনপিকে মাঠে নামতে দেওয়া হয়নি। এখন নেতারা মনে করছেন. দলীয় সরকারের অধীন ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল. এই নির্বাচন তার পক্ষে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে। বিএনপির নেতারা বলছেন. এবার নির্বাচনে না গেলে দল ভেঙে যেত। তবু কম প্রস্তুতিতে অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিএনপিকে এই নির্বাচনে অংশ নিতে হয়েছে। সরকার চেয়েছিল নির্বাচন ঘিরে বিএনপিতে বিভক্তি ধরাতে। তা সম্ভব হয়নি। বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিতদের একটি অংশকে সরকারের মিত্র আরেকটি জোটে নিয়ে নির্বাচিত করারও পরিকল্পনা ছিল সরকারি দলের। এক আসনে একাধিক প্রার্থীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়ায় এই কৌশল সফল হয়নি বলে বিএনপি মনে করছে। দলটির নেতাদের দাবি. ন্যূনতম সুষ্ঠু ভোট হলে ফলাফল ভিন্ন হতো। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সরকারি দল ফলাফল আগে থেকে নির্দিষ্ট করে রেখেছিল। ৩০ ডিসেম্বর ছিল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। অবশ্য নির্বাচনের পর বিএনপির ভেতরে-বাইরে নেতৃত্বের দুর্বলতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া নির্বাচনে প্রস্তুতির ঘাটতি. কিছু আসনে দুর্বল প্রার্থী মনোনয়ন. বেশির ভাগ প্রার্থীর ঝুঁকি না নেওয়ার প্রবণতা. নেতা-কর্মীদের মাঠে নামাতে না পারা. মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত দল জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া—এসব নিয়েও সমালোচনা আছে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন. যেখানে প্রকাশ্যে ভোট চুরি হয়েছে. আগের রাতেই ব্যালটে সিল দিয়ে বাক্স ভর্তি করে রাখা হয়েছে. সেখানে অন্য অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। আরও পড়ুন:আগামী সপ্তাহে নতুন সরকারশোধ নিয়েছেন শেখ হাসিনা,1572875 2019-01-02,নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা,সব পক্ষের দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশিত, মন্তব্য,১,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572873/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A6%BE,opinion,print,2,সম্পাদকীয়:,নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ৩৫ বছর বয়সী এক নারী অভিযোগ করেছেন. রোববারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রতীক ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন বলে প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের ১০-১২ জন কর্মী-সমর্থক তাঁকে ধর্ষণ করেছেন। এ ধরনের গুরুতর অপরাধের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক; কেননা ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরে এমন প্রতিহিংসামূলক প্রবণতা সমাজে স্বাভাবিক শান্তিশৃঙ্খলার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এভাবে শত্রুতা রাজনৈতিক ক্ষেত্র পেরিয়ে ব্যক্তিগত. পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষেত্র পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার জের স্বাভাবিক সামাজিক সম্পর্কের জন্য যেন ক্ষতিকর হয়ে না ওঠে. সরকারের সে দিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত। নির্বাচনের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় ১৭-১৮ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। দৃশ্যত রাজনৈতিক এসব সহিংসতার সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো. নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির স্বজনেরা হত্যাকারীদের প্রতি ঘৃণা-প্রতিহিংসা পোষণ করবেন। নির্বাচনের পরের দিনও কিছু এলাকা থেকে এমন সব সহিংসতার খবর এসেছে. যেগুলো সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলার জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। যেমন গাজীপুরে একটি বাড়ি ও একটি পোলট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে দেওয়া. চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো। ফরিদপুরে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ২০টি বাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ এসেছে। এসব সহিংসতা যতটা না রাজনৈতিক. তার চেয়ে বেশি গোষ্ঠীগত। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সংযমী আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে যথার্থ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। বিএনপির নেতৃত্বেরও উচিত তঁাদের নেতা-কর্মীদের প্রতি একই ধরনের আহ্বান জানানো। রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যকার কোন্দল মেটানো ও সহিংসতা রোধ করা প্রধানত তাদেরই দায়িত্ব। তবে সহিংসতা ঘটার পর তার আইনানুগ প্রতিকারের উদ্যোগ নিতে হবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে। প্রতিটি সহিংসতার ঘটনাই ফৌজদারি অপরাধ; আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে মনে রাখতে হবে. রাজনৈতিক কারণে কোনো ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে আইন এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে হবে. তাদের বিচার করার জন্য যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে হবে। সাধারণত ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ সহিংসতার ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগে গড়িমসি লক্ষ করা যায়; এটা গ্রহণযোগ্য নয়. কারণ এভাবে সমাজের স্বাভাবিক শান্তিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধর্ষণের ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে. কিন্তু ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে ১০-১২ ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অবিলম্বে অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে তৎপর হয়. তাহলে সমাজে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বলে একটা কথা বেশ চালু রয়েছে; প্রভাবশালী অপরাধীদের ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগে অবহেলার অভিযোগ অনেক। বিশেষত ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ‘সাত খুন মাফ’ বেশ প্রচলিত ধারণা। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা একান্ত প্রয়োজন। সে জন্য ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের পক্ষ থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর প্রতি এমন নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন যে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে যেন কেউই অপরাধ করে আইনের আওতার বাইরে থাকতে না পারে। সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আইনের যথার্থ প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলাই বাহুল্য। তবে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একার পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষত রাজনৈতিক সহিংসতা এড়ানোর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত ক্ষমতাসীন দলের। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা কোনোভাবেই যাতে ঘটতে না পারে. তা নিশ্চিত করতে হবে। সারা দেশে শান্তিশৃঙ্খলার পরিবেশ স্বাভাবিক থাকুক।,1572873 2019-01-02,আগামী সপ্তাহে নতুন সরকার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572876/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,print,2,নির্বাচন|সরকার|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,• নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথ কাল• শনি-রোববার নতুন সরকার গঠন• বিশেষ অর্জন মাথায় রেখে মন্ত্রিসভা• মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে• মন্ত্রিসভায় আসতে পারে নতুন মুখ • নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথ কাল• শনি-রোববার নতুন সরকার গঠন• বিশেষ অর্জন মাথায় রেখে মন্ত্রিসভা• মন্ত্রিসভার আকার বাড়তে পারে• মন্ত্রিসভায় আসতে পারে নতুন মুখ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। আগামী শনি বা রোববারের মধ্যে নতুন সরকার গঠন হতে পারে। এর আগে কাল বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত সাংসদেরা শপথ নেবেন। এদিকে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে. নিরঙ্কুশ জয় এবং টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের মতো ‘বিশেষ’ অর্জনের বিষয়টি মাথায় রেখেই নতুন মন্ত্রিসভা সাজানো হবে। মন্ত্রিসভার কলেবর সামান্য বাড়তেও পারে। কারণ. এবার দলের বিপুলসংখ্যক নেতা বিজয়ী হয়েছেন. মন্ত্রিসভায় মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদের একটি করে পদ বহাল থাকছে। জাতীয় পার্টি এখনকার মতোই একই সঙ্গে সরকারি ও বিরোধী দলে থাকতে পারে। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন প্রথম আলোকে বলেন. সংসদ নেতা জানেন মন্ত্রিসভায় কে বা কারা থাকবেন। এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীসহ বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য ৫৩। তাঁদের মধ্যে নির্বাচনের আগে ৪ জন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী বাদ পড়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা বাড়তে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভায় নতুন মুখও আসবে। আলোচনায় আছেন চট্টগ্রামের এক নেতা। প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রীদের দু-একজনের পদোন্নতি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুরোনোদের মধ্যে থেকে বাদ দেওয়া এবং নতুনদের অন্তর্ভুক্ত করার কাজটি বেশ জটিল হবে। বেশি আলোচনা হচ্ছে অর্থমন্ত্রী নিয়ে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হননি এবং তিনি অর্থমন্ত্রী থাকছেন না. এটা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত মোটামুটি নিশ্চিত ছিল। তবে গতকাল তিনি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন. প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি আরও এক বছর অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে চান। এখন নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে দুজনের নাম আলোচনায় আছে। সরকারের সফল মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় থাকা কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী. বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ. শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু. স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম. শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ. সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেননসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী একই মন্ত্রণালয়ে থাকতে পারেন বলেও আলোচনা আছে। বয়োবৃদ্ধ এবং প্রবীণ দু-তিনজন মন্ত্রী বাদ পড়তে পারেন। জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম গত সোমবার প্রথম আলোকে বলেন. নির্বাচন কমিশন এবং সংসদ সচিবালয়ের কাজ শেষ হওয়ার পর মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। মন্ত্রিসভার গঠন সম্পর্কে তিনি আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত পাননি। নবনির্বাচিত সাংসদদের গেজেট গতকাল রাতে প্রকাশ করা হয়েছে বলে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান। এদিকে নবনির্বাচিত সাংসদেরা ইতিমধ্যে ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন। গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল ইনু সাংবাদিকদের বলেন. বৃহস্পতিবার সাংসদদের শপথ হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছেন. ১০ জানুয়ারির মধ্যে মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যাবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন. ৩ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে নতুন সরকার গঠিত হতে পারে। বেশি ভোটে জয়আওয়ামী লীগের একাধিক নীতিনির্ধারকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে. নিরঙ্কুশ জয় পেলেও কিছু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে আওয়ামী লীগ বা মহাজোটের প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান অনেক বেশি হওয়ায় এ নিয়ে দলে অস্বস্তি আছে। প্রভাবশালী পশ্চিমা প্রচারমাধ্যম এ নির্বাচনের নানা অনিয়ম তুলে ধরে সরকারের সমালোচনাও করছে। তবে সরকার গঠন হলে এই অস্বস্তি কেটে যাবে। ইতিমধ্যে ওআইসি. সার্ক ও ভারতের পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে প্রশংসা এসেছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের অভিনন্দনবার্তাও অস্বস্তি কাটিয়ে তুলতে সহায়তা করবে। যুক্তরাষ্ট্র. ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো থেকেও অনুরূপ শুভেচ্ছা বা অভিনন্দনবার্তা আশা করছে সরকার। আওয়ামী লীগ এবার ২৬০ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি এবং ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বাদে দলের সব প্রার্থীই জয়ী হয়েছেন। তবে ভোটের ব্যবধান এত বেশি যে অতীতের কোনো নির্বাচনে এতটা ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হননি। বৃহত্তর ফরিদপুর. গাজীপুর. ময়মনসিংহ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা অতীতে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। কিন্তু চট্টগ্রাম. রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান অনেক বেশি। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। এই বিপুল বিজয়ের পরও তা উদ্যাপন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর পেছনে মূল কারণ. উদ্যাপন করতে গিয়ে নেতা-কর্মীরা বাড়াবাড়ি করতে পারেন. এ থেকে সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে. জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়াও হতে পারে। তাই উদ্যাপনের চেয়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম প্রথম আলোকে বলেন. শেখ হাসিনা. আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের ওপর মানুষ যে বিপুল আস্থা রেখেছে. এর প্রতিদান দেওয়া তাঁদের কাছে বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার দেবে। মানুষ যে ভুল করেনি. এটা পুনরায় প্রমাণ করবে পরবর্তী সরকার। আরও পড়ুন:প্রার্থীদের থেকে কারচুপির তথ্য নেবে বিএনপিশোধ নিয়েছেন শেখ হাসিনা,1572876 2019-01-02,নির্বাচিত দুজন নতুন. দুজন পুরোনো মুখ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. মৌলভীবাজার,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572872/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96,bangladesh,print,2,নির্বাচন|মৌলভীবাজার|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারের চারটি আসনের মধ্যে দুটিতে বর্তমান সাংসদেরা জয় পেয়েছেন। বাকি দুজন নতুন মুখ। তাঁদের একজন এবারই প্রথম সাংসদ হলেন। অন্যজন এর আগে একবার সাংসদ হয়েছেন। চারটি আসনের মধ্যে দুটি আসনে বর্তমান সাংসদেরা দল থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় এবার প্রার্থী হননি।দলীয় সূত্রে জানা গেছে. মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে এবার জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের মো. শাহাব উদ্দিন। তিনি বর্তমান সাংসদ ও জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় হুইপ। এ নিয়ে তিনি চারবার সাংসদ হলেন। তিনি প্রথম সাংসদ হয়েছিলেন ১৯৯৬ সালে। এরপর হন ২০০৮ ও ২০১৪ সালে।মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে এবার সাংসদ হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী গণফোরামের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ। তিনি ডাকসুর সাবেক ভিপি. ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। সুলতান মোহাম্মদ মনসুর প্রথম সাংসদ হন নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৯৯৬ সালে। এরপরে আর কখনো তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি। এবার নতুন দল. জোট ও নতুন প্রতীকে নির্বাচন করে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। দল. জোট ও প্রতীক নতুন হলেও তিনি নিজেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী বলেই মনে করেন। এ আসনে বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের আবদুল মতিন। তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে দলের সিদ্ধান্ত মেনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে কোনো প্রার্থীই ছিল না। দলটি জোটের শরিক বিকল্পধারা বাংলাদেশকে আসনটি ছেড়ে দেয়। বিকল্পধারা থেকে এখানে প্রার্থী হয়েছিলেন এম এম শাহীন। তবে তিনি মনসুরের কাছে হেরে গেছেন। মৌলভীবাজার-৩ (মৌলভীবাজার সদর-রাজনগর) আসনে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের নেছার আহমদ। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি নির্বাচনে অংশ নেন। এ আসনে বর্তমান সাংসদ সৈয়দা সায়রা মহসিন। তিনি এবার আর দল থেকে মনোনয়ন পাননি। প্রয়াত সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী মারা গেলে তাঁর স্ত্রী সৈয়দা সায়রা মহসিন উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগের মো. আব্দুস শহীদ। তিনি জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ এবং এ আসনের বর্তমান সাংসদ। এ নিয়ে আব্দুস শহীদ ষষ্ঠবার সাংসদ হলেন। আব্দুস শহীদ প্রথম নির্বাচিত হন ১৯৯১ সালে। এরপর ধারাবাহিকভাবে ১৯৯৬. ২০০১. ২০০৮ ও ২০১৪ সালে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন।,1572872 2019-01-02,আ.লীগের তিন ও জাপার একজন পুনর্নির্বাচিত,,প্রতিনিধি. গাইবান্ধা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572871/%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4,bangladesh,print,2,নির্বাচন|গাইবান্ধা|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় পার্টি|আওয়ামী লীগ,গাইবান্ধার মোট পাঁচটি সংসদীয় আসন। এর মধ্যে গত রোববার চারটিতে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গাইবান্ধা-৩ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ফজলে রাব্বী চৌধুরীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। নির্বাচনে চারটি আসনে পুরোনোরাই নির্বাচিত হয়েছেন। গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল মতিন বেসরকারিভাবে চারজনকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির নেতা শামীম হায়দার পাটোয়ারী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি গত বছরের ১৩ মার্চ দ্বিতীয় দফা উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন। তিনি এবার ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাজেদুর রহমান ৬৫ হাজার ১৭৩ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া এই আসনে বাসদের গোলাম রব্বানি শাহ ১২৩. মুসলিম লীগের গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ ১৭৫. ইসলামী আন্দোলনের আশরাফুল ইসলাম খন্দকার ১ হাজার ৪০০. গণতন্ত্রী পার্টির আবুল বাসার মো. শরীতুল্লাহ ৪৬৪. গণফ্রন্টের শরিফুল ইসলাম ২০১. খেলাফত আন্দোলনের হাফিজুর রহমান সর্দার ১৬৪ ভোট. স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সাংসদ কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খান ১ হাজার ৫২৯ ভোট. এমদাদুল হক ১৯৬ ভোট ও আফরুজা বারী ৩৯৪ ভোট পেয়েছেন। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মহাজোটের প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেত্রী মাহাবুব আরা বেগম গিনি হ্যাটট্রিক করেন। তিনি নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিজয়ী হয়েছিলেন। তিনি এবার ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৭ ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সাবেক সাংসদ মো. আবদুর রশিদ সরকার ৬৮ হাজার ৬৭০ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির জিয়া জামান খান ২১৩. সিপিবির মিহির ঘোষ ৩ হাজার ৪০৭. ইসলামী আন্দোলনের আল-আমিন ২ হাজার ২৮৯ ভোট পেয়েছেন। গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনেও জিতেছিলেন। তিনি ৩ লাখ ৮৬০ ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির কাজী মশিউর রহমান ৫ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়েছেন। গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। এর আগে তিনি নবম ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়ী হয়েছিলেন। তিনি ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৬১ ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ফারুক আলম সরকার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১৯ হাজার ৯৯৬ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে জাতীয় পার্টির এ এইচ এম গোলাম শহীদ ৯ হাজার ২৩১ ভোট. ইসলামী আন্দোলনের আবদুর রাজ্জাক মণ্ডল ৭২০ ভোট এবং সিপিবির যজেস্বর বর্মন ৩০৪ ভোট পেয়েছেন।,1572871 2019-01-02,পুরোনোরাই নির্বাচিত হলেন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. রংপুর,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572870/%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8,bangladesh,print,2,নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|রংপুর|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় পার্টি|বিএনপি,রংপুরের ছয়টি আসনে আগের ছয় প্রার্থীই পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগের ও দুজন জাতীয় পার্টির। এসব আসনে গড়ে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে ভোট পড়েছে ৮৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন। রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। মসিউর রহমান রাঙ্গা ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯১৪. নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহ রহমতুল্লাহ ১৯ হাজার ৪৯৩. স্বতন্ত্র প্রার্থী সি এম সাদিক ৩ হাজার ৬৩৭. এনপিপির ইশা মোহাম্মদ ৫১২. ইসলামী আন্দোলের মোক্তার হোসেন ৭ হাজার ৫৭০ ভোট পেয়েছেন। রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জয় লাভ করেন। তিনি এবারের নির্বাচনে ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৮ ও তাঁর নিকটতম প্রাথী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার ৫৩ হাজার ৩৫০ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিসুল ইসলাম মণ্ডল ১৫ হাজার ৫৭৭. ইসলামী আন্দোলনের আশরাফ আলী ৯ হাজার ১৮৫. জাকের পার্টির আশরাফ উজ জামান ৩ হাজার ২৯৫. এনপিপির ওয়াসিম আহমেদ ১৬৩. বিএনএফের জিল্লুর রহমান ১১৫. বিকল্পধারার হারুন আর রশিদ ১৯৭ ও জাসদের কুমারেশ চন্দ্র রায় ১৯ হাজার ৬৭৮ ভোট পেয়েছেন। রংপুর-৩ (সদর) আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মহাজোটের প্রার্থী এইচ এম এরশাদ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জিতেছিলেন। এবার টানা তৃতীয়বারের মতো জিতে তিনি হ্যাটট্রিক করলেন। এবার তিনি ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী রিটা রহমান ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট পেয়েছেন। রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী টিপু মুনশি বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ২০০৮ ও ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জিতেছিলেন। এবারের নিয়ে তিনি টানা তিনবার জিতে হ্যাটট্রিক করলেন। এবার টিপু মুনশি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৩ ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ১ লাখ ৪ হাজার ১৭৭ ভোট পেয়েছেন। রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এইচ এন আশিকুর রহমান জয়ী হয়েছেন। এবার নিয়ে তিনি টানা তিনবার জিতে হ্যাটট্রিক করলেন। এবার তিনি ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৫৮. তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহ মো. সোলায়মান আলম ৬৪ হাজার ১৪৭. জাতীয় পার্টির এস এম ফখর–উজ–জামান ১২ হাজার ৫০৯. বাসদের মমিনুল ইসলাম ৭৫২. ইসলামী আন্দোলনের শফিউল আলম ভোলা মণ্ডল ৩ হাজার ৩. জাকের পার্টির শামীম মিয়া ২ হাজার ৮৫ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪১৪ ভোটার। এর মধ্যে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ১২৬ ভোটার ভোট দিয়েছেন।,1572870 2019-01-02,বিএনপির চারজনসহ ১৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে,,প্রতিনিধি. নাটোর,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572869/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A7%A7%E0%A7%AB-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4,bangladesh,print,2,নির্বাচন|নাটোর|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|জাতীয় পার্টি,নাটোরের চারটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বিএনপির চার প্রার্থীও রয়েছেন। জেলায় প্রথমবারের মতো বিএনপির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়. নিয়ম অনুযায়ী যে পরিমাণ ভোট পড়েছে. তার আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। নাটোরের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে ১৫ জন এক-অষ্টমাংশ ভোট পাননি। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার তালিকায় রয়েছেন নাটোর-১ আসনে বিএনপির কামরুন্নাহার শিরিন. বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আনছার আলী. জাতীয় পার্টির আবু তালহা. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খালেকুজ্জামান ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাকসুদুর রহমান। নাটোর-২ আসনে বিএনপির সাবিনা ইয়াসমিন. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আজিজার রহমান. জাতীয় পার্টির মজিবুর রহমানের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নাটোর-৩ আসনে বিএনপির দাউদার মাহমুদ. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোস্তফা ওয়ালীউল্লাহ. জাতীয় পার্টির আনিসুর রহমান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের মনজুর আলমের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নাটোর-৪ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির হারুন উর রশিদ. জাতীয় পার্টির আলাউদ্দিন মৃধা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বদরুল আমিনের। প্রবীণ বিএনপি নেতা ও সাবেক সাংসদ কাজী গোলাম মোর্শেদ বলেন. নাটোরে এই প্রথম কোনো নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্তের ঘটনা ঘটল। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুর রহিম জানান. বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের (কাস্টিং ভোট) এক–অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তবে এখনো তাঁরা এ ব্যাপারে চূড়ান্ত তালিকা করেননি। শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করা হবে।,1572869 2019-01-02,ভোট দেখতে গিয়ে লাশ. খোঁজ নেননি কেউ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. কুমিল্লা ও প্রতিনিধি. ব্রাহ্মণবাড়িয়া,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572868/%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B6-%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%81%E0%A6%9C-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%89,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|ব্রাহ্মণবাড়িয়া|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে ভোটের আগের দিন শনিবার দিবাগত রাতে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ শাখাওয়াত হোসেন (১৮) মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল নয়টায় আড্ডা ডিগ্রি কলেজের মাঠে তাঁর জানাজা হয়েছে। গত সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে ভোটের দিন রোববার গুলিবিদ্ধ হয়ে ইসরাইল মিয়ার (১৬) নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত সোমবার তাঁর বাবা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহির মিয়াসহ ৩৫ জনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচ শ জনকে আসামি করেছেন। শাখাওয়াত বরুড়া উপজেলার আড্ডা গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। তিনি শ্রমিকের কাজ করতেন। গতকাল তাঁর জানাজায় বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের অংশ নেন। পরে তিনি শাখাওয়াতের পরিবারকে সান্ত্বনা দেন। ইসরাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রাজঘর দক্ষিণ এলাকার ছায়েদ মিয়ার ছেলে। সে বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। সে মুদি দোকানে কাজ করত। ছায়েদ রাজমিস্ত্রি। ঘটনার তিন দিন পার হলেও পুলিশ. প্রশাসন বা রাজনীতিবিদদের কেউ তাঁদের বাড়িতে যাননি। বরুড়ার বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলেন. শনিবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে আড্ডা ডিগ্রি কলেজের ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ গুলি করে। এতে বিএনপির চারজন কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। তাঁরা হলেন নুরুজ্জামান. শাখাওয়াত হোসেন. দিদারুল আলম ও নাহিদ হোসেন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার সকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাখাওয়াত মারা যান। শাখাওয়াতের বাবা আবু তাহের বলেন. কলেজে কে বা কারা আগুন দিয়েছে—এ খবর পেয়ে শাখাওয়াত অন্য অনেকের সঙ্গে সেখানে যান। এরপর গুলিবিদ্ধ হন। তিনি ছেলে হত্যার বিচার চান। জানতে চাইলে বরুড়া থানার ওসি আজম মাহমুদ গতকাল বলেন. ওই ঘটনায় রোববার কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তরুণ কুমার আচার্য এক থেকে দেড় শ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পুলিশ. স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়. রোববার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী রাজঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে যান। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁকে চারদিক থেকে ঘেরাও করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিপেটা ও গুলি করে। এ সময় কেন্দ্র থেকে ১৫০ থেকে ২০০ গজ উত্তরে থাকা ইসরাইল গুলিবিদ্ধ হয়। একই এলাকার বাছির মিয়া. ছানা উল্লাহ ও জাবেদ মিয়াও গুলিবিদ্ধ হন। তাঁদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে ইসরাইল মারা যায়। ইসরাইলের মা সামিরুন বেগম গতকাল বলেন. ‘আমার ছেলের এখনো ভোটের বয়সই হয়নি। সকালে ভাত খাইয়্যা ভোট দেখতে গিয়া লাশ হইল পুলাডা। এখনো কেউ খোঁজ পর্যন্ত নিতে আইল না।’,1572868 2019-01-02,জয়ীদের দুজন মুক্তিযোদ্ধা. একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী,,প্রতিনিধি. নেত্রকোনা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572867/%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,print,2,নেত্রকোনা|নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনার পাঁচটি আসনে জয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে দুজন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন খেতাবপ্রাপ্ত। এ ছাড়া জয়ী একজন প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকের স্ত্রী।ওই দুই মুক্তিযোদ্ধা হলেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের মো. আশরাফ আলী খান খসরু ও নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীর প্রতীক।নেত্রকোনা-৪ (মোহনগঞ্জ-মদন-খালিয়াজুরি) আসনে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রয়াত আবদুল মমিনের স্ত্রী রেবেকা মমিন জয়ী হয়েছেন।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়. এবারের নির্বাচনে নেত্রকোনার পাঁচটি আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন দলের ২৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সব কটি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।আশরাফ আলী মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১ নম্বর সেক্টরে টাইগার কোম্পানির প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে নেত্রকোনার বিভিন্ন রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেন। মাধ্যমিক স্কুল থেকে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে হাতেখড়ি নেন। বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। নবম সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খানের চেয়ে ৮৬ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে প্রথমবার নির্বাচিত হন। দশম সংসদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়নবঞ্চিত হন। এবার তিনি ২ লাখ ৮৪ হাজার ২০৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ারুল হক পান ৩০ হাজার ৭২২ ভোট। আশরাফ আলীর বাবা প্রয়াত নুরুল ইসলাম খানও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। ওয়ারেসাত বেলালের পরিবারের প্রায় সবাই মুক্তিযোদ্ধা। তিনি নিজে বীর প্রতীক। তাঁর বড় ভাই কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম খেতাব পাওয়া। আরেক বড় ভাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনও মুক্তিযোদ্ধা। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে হাতেখড়ি ওয়ারেসাত বর্তমানে পূর্বধলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে প্রথম সাংসদ হন। টানা তিনবার নির্বাচিত হয়ে এবার তিনি ‘হ্যাটট্রিক’ করলেন। এবার তিনি ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৭৫ ভোট পান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির মো. আবু তাহের তালুকদার পান ১৫ হাজার ৬৩৮ ভোট। রেবেকা মমিন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আবদুল মমিনের স্ত্রী। রেবেকা ষাটের দশকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হন। এরপর দলের বিভিন্ন পদে থেকে বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন। টানা তিনবার নির্বাচিত হয়ে তিনিও এবার ‘হ্যাটট্রিক’ করেছেন। এবার তিনি নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৪ হাজার ৪৪৩ ভোট পান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী বিএনপির তাহমিনা জামান পান ৩৮ হাজার ১৮১ ভোট। জেলার অপর দুই জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনে মানু মজুমদার পান ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৭৭ ভোট। নেত্রকোনা (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনে অসীম কুমার উকিল পান ২ লাখ ৭০ হাজার ১৪৪ ভোট।,1572867 2019-01-02,প্রথমবার অংশ নিয়েই সাংসদ হলেন গোলাপ,,প্রতিনিধি. মাদারীপুর,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572866/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%82%E0%A6%B6-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA,bangladesh,print,2,নির্বাচন|মাদারীপুর|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,মাদারীপুরের তিনটি আসনে আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে মাদারীপুর-৩ (একাংশ সদর ও কালকিনি) আসনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রথমবার মনোনয়ন পেয়ে সাংসদ হয়েছেন আব্দুস সোবহান গোলাপ।আব্দুস সোবহান গোলাপ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী। এই আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৭ ভোট। এর মধ্যে গোলাপ পেয়েছেন ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির আনিসুর রহমান খোকন পেয়েছেন ৩ হাজার ২৯৬ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ বেলায়েত হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৫০ ভোট।নির্বাচনে বেসরকারি ফল ঘোষণার পর গত সোম ও মঙ্গলবার গোলাপের বাসভবনের সামনে ভোটারদের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন. ‘সবার ভালোবাসা আর দোয়ায় আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আপনাদের সুখে-দুঃখে আগে যেমন ছিলাম. এখনো থাকব।’ তিনি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর গোলাম ফারুক বলেন. ‘এই এলাকার মানুষ নৌকার ওপর নির্ভরশীল। তাঁরা শেখ হাসিনার নৌকাকে ভালোবাসেন। তাই সবাই নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আব্দুস সোবহান গোলাপকে ভোট দিয়েছেন। তাঁর বিজয়ে আমাদের নেতা-কর্মীরা আন্দন্দিত।’ মাদারীপুর-১ ও ২ আসনে আওয়ামী লীগের পুরোনো প্রার্থীরাই বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৯৩ ভোট। মাদারীপুর-২ আসনে নৌ–পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান পেয়েছেন ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৪০ ভোট। শাজাহান খান এ নিয়ে সপ্তমবার সাংসদ নির্বাচিত হলেন।,1572866 2019-01-02,১০ প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত সাতজনের,,প্রতিনিধি. জয়পুরহাট,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572865/%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জয়পুরহাট|জাতীয় পার্টি|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট জেলার দুটি আসনে বিজয়ী দুই প্রার্থী ও একজন স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী ছাড়া অন্য সাতজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে. জয়পুরহাট-১ আসনে (সদর ও পাঁচবিবি) আওয়ামী লীগের প্রার্থী সামছুল আলম ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৮২৫টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী আলেয়া বেগম পেয়েছেন ৮৪ হাজার ২১২টি ভোট। দুজনই জামানতের ২০ হাজার টাকা ফেরত পাবেন। এদিকে ১ হাজার ৮২৩ ভোট পেয়ে জাতীয় পার্টির (জাপা) আ স ম গোলাম মোক্তাদির তিতাস. ৪ হাজার ২৪৬ ভোট পেয়ে ইসলামী আন্দোলনের দেওয়ান মো. জহুরুল ইসলাম ও ৫০৭ ভোট পেয়ে বাসদের ওয়াজেদ পারভেজ জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে ভোটার ৩ লাখ ৯৯ হাজার ২৪৫ জন। প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ১৪ হাজার ২৭৩টি। জয়পুরহাট-২ আসনে (কালাই. ক্ষেতলাল. আক্কেলপুর) আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাদে সব প্রার্থী তাঁদের জামানত হারিয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৩০টি। তিনি জামানতের ২০ হাজার টাকা ফেরত পাবেন। এ আসনে জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন বিএনপির আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান. তাঁর প্রাপ্ত ভোট ২৬ হাজার ১২০টি; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল বাকী. প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৬৮৩টি; জাতীয় পার্টির কাজী আবুল কাশেম. প্রাপ্ত ভোট ৫৪৯টি এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শাহ জামান তালুকদার. তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৫৪৪টি। তাঁরা প্রত্যেকে প্রদত্ত ভোটের এক–অষ্টমাংশের চেয়ে কম ভোট পেয়ে ২০ হাজার টাকার জামানত হারালেন। জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন. কোনো প্রার্থী নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের চেয়ে কম ভোট পেলে তাঁর জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হবে। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭ হাজার ২৯৮ জন। প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৮৩টি।,1572865 2019-01-02,বিজয়ী পুত্রের সংবর্ধনায় সাংসদ মজিদ মণ্ডল,,প্রতিনিধি. রায়গঞ্জ. সিরাজগঞ্জ,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572864/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2,bangladesh,print,2,নির্বাচন|সিরাজগঞ্জ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের বর্তমান সাংসদ আবদুল মজিদ মণ্ডলের ছেলে আবদুল মমিন মণ্ডল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। রূপনাই এলাকায় নিজ বাসভবনে ও দলীয় কার্যালয়ে নবনির্বাচিত সাংসদ মমিন মণ্ডলকে ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং মিষ্টি বিতরণ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় নেতা–কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় বিজয়ী আবদুল মমিন মণ্ডলকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান তাঁর বাবা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ আবদুল মজিদ মণ্ডল। এ সময় তিনি গত পাঁচ বছরের শাসনামলে সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার জন্য নেতা–কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া প্রায় আড়াই বছর ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তিনি বলেন. ‘দলের সব কর্মসূচিতে ছিলাম. আছি। ভবিষ্যতেও থাকব. ইনশা আল্লাহ।’ তিনি তাঁর ছেলে নবনির্বাচিত সাংসদ আবদুল মমিন মণ্ডলকে এলাকার অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন নতুন উন্নয়ন কর্মসূচি ও দলকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যেতে নানা পরামর্শ দেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বজলুর রশিদ ও হাতেম আলী. সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী. ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা এনায়েতপুর উপজেলা বাস্তবায়ন. নদীভাঙনরোধ ও তাঁতশিল্পে গ্যাস–সংযোগ প্রদানের বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে নবনির্বাচিত সাংসদকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।,1572864 2019-01-02,ভোটের তিক্ততা ছাপিয়ে সম্প্রীতি,,মোহাম্মদ মোস্তফা. ঢাকা,৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572863/%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF,bangladesh,print,3,নির্বাচন|রাজনীতি|ঢাকা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,বেশ তিক্ত পরিবেশেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছিল ঢাকা-৯ আসনে। গণসংযোগে নেমে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা আব্বাস মাঠে কয়েক দফা হামলার মুখে পড়েছিলেন। অভিযোগের তির ছিল প্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতাসীন দলের সাবের হোসেন চৌধুরীর কর্মীদের দিকে। নির্বাচনের পরে সেই তিক্ততা ভুলে সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টিতে এগিয়ে এলেন আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থী সাবের হোসেন চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তিনি আফরোজা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসায় গিয়েছিলেন কুশল বিনিময় করতে এবং ভবিষ্যতে একযোগে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান নিয়ে। একইভাবে ঢাকা–৪ আসনে নির্বাচনের দিন হামলায় আহত বিএনপির প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদকে দেখতে হাসপাতালে যান জাতীয় পার্টির বিজয়ী সৈয়দ আবু হোসেন। গতকল বেলা তিনটায় সাবের হোসেন চৌধুরী আফরোজা আব্বাসের বাসায় যান। তখন অবশ্য তিনি বাসায় ছিলেন না। আফরোজার স্বামী মির্জা আব্বাসের সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কাটান সাবের। মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। ২০০৮ সালে আসন পুনর্বিন্যাসের আগে ঢাকা-৮ ও ঢাকা-৯ একসঙ্গে ছিল। তখন এই দুই আসন মিলিয়ে ছিল ঢাকা-৬। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে সাবের হোসেন চৌধুরী আওয়ামী লীগের এবং মির্জা আব্বাস বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। আব্বাস দম্পতিকে আগাম না জানিয়ে হঠাৎ করেই সাবের হোসেন চৌধুরী তাঁদের শাহজাহানপুরের বাসায় যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে কোনো নেতা-কর্মী ছিলেন না। তিনি মির্জা আব্বাসের বাসায় দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে করমর্দন করে তাঁদের খোঁজখবর নেন। সাবের হোসেন চৌধুরীর হঠাৎ আগমন এবং হাসিমাখা মুখ দেখে হতবাক হয়ে যান নিরাপত্তাকর্মী এবং সেখানে অবস্থানরত আব্বাসের কয়েকজন সমর্থক। সাবের হোসেন চৌধুরীকে মির্জা আব্বাসের অফিসকক্ষে বসিয়ে তাঁর আগমনের খবর ভেতরে নিয়ে যান এক কর্মচারী। ঘরোয়া পোশাকেই অতিথিকে অভ্যর্থনা জানান আব্বাস। পরে তাঁরা প্রায় ৪০ মিনিট বিভিন্ন বিষয়ে একান্তে কথা বলেন। এরপর সাবের হোসেন চৌধুরীকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। হাসিমুখেই মির্জা আব্বাস হাত মিলিয়ে সাবের হোসেন চৌধুরীকে বিদায় জানান। প্রচারণার সময় আফরোজার ওপর হামলার অভিযোগ ওঠার পরই নির্বাচনের পরিবেশ আরও উন্নত করতে নিজ থেকেই আফরোজা আব্বাসকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাসায় যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে গতকাল রাতে সাবের হোসেন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন. ‘আমাদের রাজনৈতিক আদর্শ. চিন্তা ও দর্শনে ভিন্নতা থাকতে পারে. তবে সামাজিকভাবে সম্পর্ক থাকবে না. এটা তো হয় না। উনি (আফরোজা আব্বাস) যেহেতু এই এলাকা থেকে নির্বাচন করেছেন. তাই উনারও হয়তো কিছু উন্নয়ন নিয়ে চিন্তা থাকতে পারে। সেই সব চিন্তা শোনার জন্যই কথা বলতে গিয়েছি।’ সাবের বলেন. ‘আফরোজা পেয়েছেন ৬০ হাজার ভোট। এলাকার প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ উনাকে সমর্থন জানিয়েছেন। তাঁর মতামতেরও একটা গুরুত্ব রয়েছে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর দলমত-নির্বিশেষে বিজয়ী প্রার্থী সকলের প্রতিনিধি। আমি সবাইকে নিয়েই উন্নয়ন করতে চাই।’ মির্জা আব্বাস বলেন. ‘আফরোজার সঙ্গে সাবের হোসেন চৌধুরী দেখা করতে এসেছিলেন। তবে আফরোজা বাসায় ছিল না। তাই আমার সঙ্গেই কথাবার্তা হয়েছে।’ কোন বিষয়ে কথা হয়েছে জানতে চাইলে মির্জা আব্বাস বলেন. নানা বিষয়ে কথাবার্তা হয়েছে। সালাউদ্দিনকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন সৈয়দ আবু হোসেননির্বাচনের দিন দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমেদকে দেখতে গেছেন ওই আসনে নবনির্বাচিত সাংসদ সৈয়দ আবু হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎ​সাধীন সালাউদ্দিনকে দেখতে যান তিনি। সৈয়দ আবু হোসেন প্রথম আলোকে বলেন. ‘সালাহউদ্দিন আহমেদ ঘুমে ছিলেন। এ সময় ছেলে তানভীর আহমেদ রবিনসহ নিকটাত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আন্তরিকভাবে কথা বলেছেন। আমি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছি।’,1572863 2019-01-02,দেড় কেজি সোনাসহ আটক ২,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572983/%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9C-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A6%86%E0%A6%9F%E0%A6%95-%E0%A7%A8,bangladesh,online,1,অপরাধ|রাজধানী|চোরাচালান|সোনা|বিমানবন্দর,রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেড় কেজি সোনাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার বিমানবন্দরের ভেতরে লাগেজ কালেক্টিং এরিয়ায় দুজনকে আটক করে ঢাকার কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম। আটক দুজন হলেন সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে আসা যাত্রী মোলাম মিয়া (৪৫) ও বিমানবন্দরে কর্মরত প্ল্যান্ট কোয়ারাইন্টাইন কর্মকর্তা আবদুল আজিজ। প্রিভেন্টিভ টিম জানায়. লাগেজ কালেক্টিং এরিয়ায় একটি পিলারের পাশে ১ দশমিক ৬ কেজি সোনা হস্তান্তরের সময় সৌদির এক ফ্লাইটে আসা যাত্রী মোলাম মিয়া ও বিমানবন্দরে কর্মরত প্ল্যান্ট কোয়ারাইন্টাইনের (উদ্ভিদ সংগনিরোধ বিভাগ) ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান আবদুল আজিজকে আটক করা হয়। এ সময় সোনার ১৪টি বার জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ৮২ লাখ টাকা জানিয়ে ঢাকা কাস্টম হাউসের উপকমিশনার অথেলো চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন. ওই যাত্রী ও চোরাচালানে সহযোগিতা করায় প্ল্যান্ট কোয়ারাইন্টাইন কর্মকর্তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।,1572983 2019-01-02,আ.লীগের সংসদীয় দলের সভা বৃহস্পতিবার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572982/%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,online,1,সংসদ|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|সরকার,আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায়। জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যগণের শপথ অনুষ্ঠান বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথ কক্ষে এ শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৯ টি. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২২ টি. বিএনপি ৫ টি. ওয়ার্কার্স পার্টি ৩ টি. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ২ টি. বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২ টি. গণফোরাম ২ টি. জাতীয় পার্টি-জেপি ১টি এবং তরিকত ফেডারেশন ১টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে ৩ জন স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।,1572982 2019-01-02,জাতিসংঘের দূত বহিষ্কৃত,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1572981/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE,international,online,1,আফ্রিকা|জাতিসংঘ|সোমালিয়া,রাষ্ট্রীয় বিষয়ে বেআইনিভাবে নাক গলানোর অভিযোগে জাতিসংঘের দূতকে বহিষ্কার করেছে সোমালিয়া। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ ইজে আওয়াদ বহিষ্কারের বিষয়টি জানান। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়. নিকোলাস হায়সোম সোমালিয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হায়সোম দেশটির সরকার বিরোধী একজন নেতার সমর্থনকারীদের হত্যা ও আটকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। দমন-পীড়নের শিকার এই ব্যক্তিরা জঙ্গি সংগঠন আল-শাবাবের সাবেক উপনেতা মুখতার রোবোর অনুসারী। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ. গত বছর তাঁরা ১৫ রোবোপন্থীকে হত্যা ও ৩০০ জনকে আটক করে। নিহত ও আটক এসব ব্যক্তিদের একটাই অপরাধ. তাঁরা মুখতার রোবোর অনুসারী। গত অক্টোবরে মুখতার রোবো দেশটির সাউথ ওয়েস্ট প্রদেশের প্রধানের পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। কিন্তু দেশটির প্রশাসন এই ঘোষণাকে আমলে না নিয়ে তাঁকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এবং গত ডিসেম্বর প্রথম দিকে গ্রেপ্তার করে। রোবোর বিরুদ্ধে সরকারের অভিযোগ. তিনি এখনো উগ্রবাদী মতাদর্শ ছাড়েননি। রোবোকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষণার ও গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে প্রদেশটির রাজধানী বাইদোয়ায় রোবোপন্থীরা ব্যাপক বিক্ষোভ নামে। আর এই বিক্ষোভ দমনে কঠোর হস্তক্ষেপ করে সোমালিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী। এ পর্যন্ত ১৫ বিক্ষোভকারী নিহত ও কমপক্ষে ৩০০ জনকে আটক করা হয়েছে। এদিকে জাতিসংঘের এই দূত এসব দমন-পীড়নের বিরোধিতা করে আসছিলেন। তিনি রোবোকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে আইনি যৌক্তিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর হায়সোম সোমালিয়ার সরকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে জানতে চান. ‘কোন আইন বলে তারা রোবোকে নির্বাচন করতে দিচ্ছে না?’ বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। বুধবার সোমালিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ ইজে আওয়াদ হায়সোমের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে বলেন. ‘তাঁকে আমরা আর সোমালিয়া স্বাগত জানাচ্ছি না’। আহমেদ ইজে আওয়াদ বিবিসিকে বলেন. ‘মি. হায়সোম কূটনৈতিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। তিনি এমন আচরণ করছেন যেন তিনি সোমালিয়ার প্রধান বা শাসক।’ তবে হায়সোমের লিখিত অভিযোগপত্রের জবাবে সোমালিয়া কর্তৃপক্ষ কি বলেছে সে বিষয়ে পরিষ্কার কিছু জানা যায়নি। প্রসঙ্গত. হায়সোম দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক। তিনি দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার আইনি উপদেষ্টা ছিলেন। সোমালিয়ার আগে তিনি জাতিসংঘের দূত হিসেবে আফগানিস্তান. সুদান ও দক্ষিণ সুদানে দায়িত্ব পালন করেন। গত সেপ্টেম্বর তাঁকে সোমালিয়ার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।,1572981 2019-01-02,‘নৌকায় ভোট দেওয়াই কি অপরাধ হয়েছে?’,,প্রতিনিধি. ফরিদপুর,২৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572980/%E2%80%98%E0%A6%A8%E0%A7%8C%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E2%80%99,bangladesh,online,1,নির্বাচন|ফরিদপুর|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় নির্বাচন,ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা. চরভদ্রাসন ও সদরপুরের একাংশ) আসনে আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ অভিযোগ করেছেন. নির্বাচনের রাত থেকে পরদিন পর্যন্ত বিজয়ী স্বতন্ত্র সাংসদের সমর্থকেরা ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলা. ভাঙচুর. লুটপাট. মারধর করেছেন। এসব বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি). পুলিশ সুপার (এসপি). থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানিয়েও কোনো প্রতিকার তিনি পাননি। তিনি এ সময় আক্ষেপ করে বলেন. নৌকায় ভোট দেওয়াই কি অপরাধ হয়েছে? ভাঙ্গা পৌরসভার কার্যালয়ের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন সাবেক সাংসদ কাজী জাফর উল্যাহ। তিনি বলেন. ‘নির্বাচনের দিন রাত থেকে ফরিদপুর-৪ আসনের ভাঙ্গা ও সদরপুর অঞ্চলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে প্রতিপক্ষের গুন্ডারা একাত্তরের পরাজিত শক্তির মতো তাণ্ডব চালিয়েছে।’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে কাজী জাফর উল্যাহ বলেন. ‘অনেক দুঃখ. বেদনা নিয়ে আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে দেশবাসী ও প্রিয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অত্যন্ত ছোট একটি বার্তা পৌঁছাতে চাই। নেত্রী শেখ হাসিনা নৌকায় ভোট দিতে বলেছিলেন। নৌকায় ভোট দেওয়াই কি আজ অপরাধ হয়েছে? একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় যাচ্ছে। কিন্তু ভাঙ্গা ও সদরপুর এলাকায় মার খেয়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে নৌকার সমর্থকেরা।’ এ সময় তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে দায়িত্বহীনতার অভিযোগ করে বলেন. ‘নির্বাচনের দিন রাতে ও পরদিন ভাঙ্গায় অন্তত ৮৬টি জায়গায় হামলা হয়েছে। বাড়িঘর দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা এ ব্যাপারে থানায় ৪৮টি অভিযোগ দিয়েছি. কিন্তু পুলিশ মাত্র ৭টি মামলা নিয়েছে।’ কাজী জাফর উল্যাহ আরও বলেন. ৩১ ডিসেম্বর সকালে যখন একের পর এক খবর আসতে থাকল যে নৌকার সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা হচ্ছে. ভাঙচুর হচ্ছে. লুটতরাজ হচ্ছে. তখন তিনি ডিসি. এসপি ও ওসিকে আবারও জানান। কিন্তু বিন্দুমাত্র ফল পাননি। অবশেষে ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি হামলার বিষয়টি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে জানান। আক্ষেপ করে সংবাদ সম্মেলনে কাজী জাফর উল্যাহ বলেন. হামলা. ভাঙচুর ও লুটপাটের নায়কেরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও প্রশাসন ও পুলিশ নাকি তাদের খুঁজে পায় না। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন. ‘এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রশাসন ও পুলিশ যদি এ তাণ্ডব থামাতে না পারে. আসামিদের গ্রেপ্তার করতে না পারে. তাহলে আমরা এ ঘটনার প্রতিবাদে জোরালো কর্মসূচি দেব।’ কাজী জাফর উল্যাহর অভিযোগের ব্যাপারে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া বুধবার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন. প্রশাসন কোনো ব্যাপারে কোনো গাফিলতি করেনি। তিনি বলেন. নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরের দিন তিনি ও পুলিশ সুপার দীর্ঘ সময় ভাঙ্গায় অবস্থান করেছেন। নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার জন্য এ পর্যন্ত ১৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেওয়া হয়েছে।,1572980 2019-01-02,আহত আ.লীগ নেতার মৃত্যু,নির্বাচনী সহিংসতা,নিজস্ব প্রতিবেদক. বগুড়া,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572979/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81,bangladesh,online,1,নির্বাচন|সহিংসতা|অপরাধ|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি,বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ভোটের দিন নির্বাচনী সহিসংতায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলার পাইকর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নাজমুল হুদা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) আলী আশরাফ ভূঞা বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন।পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে. ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল হুদা ও যুবলীগের সহসভাপতি আজিজুর রহমানের ওপর ভোটের দিন কেন্দ্রের বাইরে ধানের শীষের সমর্থকেরা হামলা চালান। এতে আহত আজিজুর রহমানকে ওই দিনই হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। আর নাজমুল হুদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বগুড়া-৪ আসনে (কাহালু-নন্দীগ্রাম) মহাজোট-সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিমের এই সমর্থকদের ওপর ভোটের দিনদুপুরে উপজেলার বাগইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ওই দিনই যুবলীগের নেতা আজিজুর রহমান নিহত হন। তাঁর ছোট ভাই জাহিদুর রহমান বাদী হয়ে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে নাজমুল হুদাকে ওই দিন আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটলে গতকাল মঙ্গলবার তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে নাজমুল হুদা মারা যান। কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবির প্রথম আলোকে বলেন. ভোটের দিন কেন্দ্রের বাইরে এই হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই কাহালু থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। একই ঘটনায় নিহত আজিজুরের ভাই হত্যা মামলা করায় নতুন করে আর কোনো মামলার প্রয়োজন নেই। প্রসঙ্গত. গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন ও আগের দিন রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী সহিংসতায় ১৭ জন নিহত হন।,1572979 2019-01-02,বছরের শুরুতেই প্রথা ভাঙল ভারতে!,,প্রতিনিধি. নয়াদিল্লি,,https://www.prothomalo.com/international/article/1572978/%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%B2-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87,international,online,1,ভারত|নারী,নতুন বছরের শুরুতেই প্রথা ভাঙল। কেরালার বিখ্যাত শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করলেন দুই নারী. যাঁরা ঋতুমতী. যাঁদের বয়স চল্লিশের কোঠায়। আজ বুধবার ভোরে কালো পোশাক পরে পুলিশের সাহায্যে মন্দিরে প্রবেশ করে প্রার্থনা শেষে নির্বিঘ্নে চলে যান ওই দুই নারী। এর পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় ‘অপবিত্র’ হয়ে যাওয়া মন্দির। ধোয়া-মোছার পর ‘পবিত্রতা’ ফিরিয়ে এনে ফের খোলা হয় মন্দির। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন. ‘আজ দুই নারী শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করেছেন। পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া আছে. যেসব নারীরা মন্দিরে যেতে চান. তাঁদের যেন সব ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হয়।’ শবরীমালা মন্দিরে হিন্দু দেবতা আয়াপ্পার অধিষ্ঠান। আয়াপ্পার পুরুষ ভক্তদের দাবি. ওই দুই নারী মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করলেও দেবতার দর্শন হয়নি। কেরালা হাইকোর্টের নির্দেশে ১৯৯১ সাল থেকে শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই প্রথা এবং লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন. ধর্মাচরণের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে ভেদাভেদ করা যায় না। রায় সত্ত্বেও গত চার মাসে কোনো ঋতুমতী নারী শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেননি। সেই অসাধ্য সাধিত হলো বুধবার ভোরে। দীর্ঘ গিরিপথ হেঁটে ভোর চারটার সময় চল্লিশ বছর বয়সী ওই দুই নারী. বিন্দু ও কনক দুর্গা. মন্দিরে প্রবেশ করেন। টেলিভিশন ভিডিওতে দেখা যায়. কালো কাপড়ে শরীর ঢেকে পুলিশের সাহায্যে দুই নারী মন্দিরে ঢুকছেন। বিন্দুর বয়স ৪৪। তিনি সিপিআই (এমএল) সমর্থক ও কর্মী। কনক দুর্গার বয়স ৪২। তিনি তামিলনাড়ুর অসামরিক সরবরাহ দপ্তরের কর্মী। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তিনি কেরালায় আসেন আয়াপ্পা দর্শনের ইচ্ছায়। এর ঠিক আগের দিন. মঙ্গলবার. কেরলের শাসক বামপন্থী ফ্রন্টের উদ্যোগে লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে কয়েক লাখ নারী মানববন্ধন করেন। উত্তর থেকে দক্ষিণ ৬২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাজ্যে লাখ লাখ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে এই মানববন্ধনে শামিল হন। উদ্যোক্তাদের দাবি তিরিশ লাখ নারী এই প্রতিবাদে জড়ো হয়েছিলেন। এর পাল্টা মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। তাদের দাবি. ধর্মাচরণের ক্ষেত্রে প্রথা ও বিশ্বাসকে গুরুত্ব দিতে হবে।,1572978 2019-01-02,উপাচার্যদের উপাচার্য,,রউফুল আলম. যুক্তরাষ্ট্র থেকে,৩,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572977/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF,durporobash,online,1,,ফিলিপ জোসেফ হার্টগ ঢাকায় এলেন। সংক্ষেপে পি জে হার্টগ। নবস্থাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে তাকে লন্ডন থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঢাকায় তখন গাড়ি নেই তেমন। ঘোড়ার গাড়ির চল। ঢাকা জুড়ে ঘোড়ার গাড়ির ঠকঠক শব্দ। হার্টগ সস্ত্রীক ঘোড়ার গাড়িতে চেপে বসলেন। তিনি রসায়নে পিএইচডি করা। পণ্ডিত লোক। ইংল্যান্ডের বিদ্বৎসমাজে তার খুব খ্যাতি। গবেষণার চেয়ে প্রশাসনিক দক্ষতায় ছিলেন পারদর্শী। ঢাকায় আসার আগে তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ছিলেন। সতেরো বছর কাজ করেছেন সেখানে। ঢাকায় এসে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হলো. বলধার জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণের সঙ্গে। নরেন্দ্র নারায়ণের ছিল অসম্ভব উদ্ভিদ প্রীতি। তাঁর বাড়ির আঙিনা ছিল বহু জাতের গাছে ভরা। সেই বাগান এখন ‘বলধা গার্ডেন’ নামে পরিচিত। হার্টগ সেই বাগান দেখে বিস্মিত। অভিভূত! নরেন্দ্র নারায়ণ সেই বাগানেই হার্টগকে সংবর্ধনা দিলেন। হার্টগ বিয়ে করেছিলেন একান্ন বছর বয়সে। স্ত্রী ম্যাবল হার্টগের বয়স তখন আটাশ। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই পারিবারিকভাবে ইহুদি। ঢাকায় তখন হাতেগোনা দুই-চারটি ইহুদি পরিবার। নেই কোনো তাদের উপাসনালয় (সিনেগগ)। ম্যাবল হার্টগ সিনেগগ না পেয়ে কিছুটা ব্যথিত হলেন। হার্টগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই বাছাই করা শিক্ষক নেওয়া শুরু করলেন। তিনি জানতেন. বৃক্ষের পরিচয় ফলে আর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় সেটার শিক্ষকদের যোগ্যতায়। তিনি নিয়োগ দিলেন সত্যেন বোসকে। লন্ডন থেকে ডেকে আনলেন বাঙালি তরুণ রসায়নবিদ জ্ঞান ঘোষকে। এই জ্ঞান ঘোষকে নিয়ে আমি লিখেছিলাম—বিস্মৃত এক বাঙালি বিজ্ঞানী। জ্ঞান ঘোষ ছিলেন প্রবাদতুল্য জ্ঞানী ও দূরদর্শী। কুড়ি বছর বয়সে মাস্টার্সে পড়ার সময় কলকাতায় বসে রসায়নের সবচেয়ে বিখ্যাত জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন। তাও একক অথার হিসেবে। যা হোক. হার্টগের সময় নিয়োগ পেলেন ড. পি মহেশ্বরী ও ড. ওসমান গনির মতো ডাকসাইটে লোক। প্রফেসর বি এম সেনগুপ্ত. ওলাল্টার এ জেনকিনসন. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মোতাহার হোসেন চৌধুরী—এমন পণ্ডিতদের দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুরু করলেন ফিলিপ জোসেফ হার্টগ। সত্যেন বোসের মতো লোকের প্রফেসরশিপ আটকে দিয়েছিলেন এই হার্টগ। চাট্টিখানি কথা নয়! নিয়মের সঙ্গে আপস করেননি। ডক্টরেট ডিগ্রি ছাড়া তার আমলে প্রফেসর হওয়ার নিয়ম ছিল না। সে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন শুধুমাত্র আলবার্ট আইনস্টাইনের সুপারিশপত্র পেয়ে। হার্টগ জানতেন. আইনস্টাইন যার পক্ষে লিখেছেন. সে লোক যেন-তেন নয়। কোনো গভর্নরের সুপারিশে হার্টগ নত হননি। হার্টগের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল নক্ষত্রদের সমাবেশ। সে সময়ের গভর্নর জেনারেল রোনাল্ডসে তাকে লিখেছিলেন—‘শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রত্যেক প্রার্থীর সঙ্গে পৃথকভাবে বসে আলোচনা করে প্রার্থী নির্বাচন করতে হবে। তাদের সঙ্গে আলোচনায় যেসব বিষয় প্রাধান্য পাবে তা হলো. তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা. অভিজ্ঞতা ইত্যাদি। তবে সবার আগে তাদের পেশাগত সুখ্যাতি বা বাজারমূল্য (Market Value) যাচাই করে দেখতে হবে।’ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা নিয়ে শত বছর পরও যদি বিস্তর লেখা হয়. সেখানে পি জে হার্টগের নাম আসবেই। আজকের দিন পর্যন্ত তার চেয়ে দূরদর্শী. প্রতিষ্ঠানপ্রেমী. প্রাজ্ঞ ও জ্ঞান সমঝদার উপাচার্য বাংলাদেশের কোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্ভবত পায়নি। স্বাধীনতার পর তো অবশ্যই নয়! তাই আমি তাকে বলি. উপাচার্যদের উপাচার্য—The Vice Chancelor of Vice Chancelors। তাঁকে নিয়ে আমাদের অনেক লেখালেখি দরকার। তাঁকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবগত করা দরকার। তাহলেই শিক্ষার্থীরা বুঝবেন. প্রায় এক শ বছর আগেও আমাদের চিন্তাচেতনা কতটা আধুনিক ও কালজয়ী ছিল। পি জে হার্টগ এক শ বছর আগে যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতেন. সেই লক্ষ্যে কাজ করত পশ্চিমের দেশগুলো। ইউরোপ-আমেরিকা সেই সব লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে পেরেছে বলেই তাদের দেশে গড়ে উঠেছে পৃথিবীসেরা প্রতিষ্ঠান। একজন ভিনদেশি ও ভিন জাতের মানুষ হয়েও শুধুমাত্র জ্ঞান. কর্তব্য ও প্রতিষ্ঠানকে ভালোবেসে তিনি যে কঠোর কঠিন ও আধুনিক হতে পেরেছিলেন. একজন স্বদেশি স্বজাতির মানুষ হয়েও আজকের উপাচার্যরা তেমন হতে পারছে না কেন? সূত্র: বিস্মৃত এক বাঙালি বিজ্ঞানী. প্রথম আলো. ২৯ আগস্ট ২০১৭ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা: সৈয়দ আবুল মকসুদ। ড. রউফুল আলম: রসায়ন গবেষক. যুক্তরাষ্ট্র।ইমেইল: ; ফেসবুক: ,1572977 2019-01-02,সাবেক উপসচিব রিমান্ডে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572976/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87,bangladesh,online,1,অপরাধ|আইন ও বিচার|নির্বাচন কমিশন|একাদশ সংসদ নির্বাচন,বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নির্বাচন কমিশনের সাবেক উপসচিব সামছুল আলমকে তিন দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। শেরেবাংলা নগর থানা-পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম আজ বুধবার এই আদেশ দেন। এর আগে সামছুল আলমকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সনজিৎ কুমার ঘোষ। রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনে বলা হয়. দুই বছর আগে (২০১৬) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব পদ থেকে অবসরে যান। সামছুল আলম গত ৩১ ডিসেম্বর বিকেল ৫টায় তাঁর মুঠোফোন থেকে নির্বাচন কমিশনের অফিস সহকারী মুহাম্মদ আমজাদ হোসেনকে ফোন করেন। আমজাদ ফোনটি নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা অরবিন্দ দাশের কাছে দিতে বলেন। সামছুল আলম তখন অরবিন্দ দাশের কাছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি প্রাথমিক ফলাফলের গেজেট প্রকাশের আগে বার্তাশিট চান। অরবিন্দ তখন সামছুলকে জানান. বার্তাশিট তৈরি করতে আরও দুই ঘণ্টা সময় লাগবে। আর গেজেট প্রকাশের আগে বার্তাশিট বা কোনো প্রকার তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়। এ ঘটনায় নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা অরবিন্দ সাবেক উপসচিব সামছুল আলমের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গতকাল মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় পরস্পর যোগসাজশে সরকারি সম্পত্তি ও জানমালের ক্ষতি করার জন্য অন্তর্ঘাতমূলক কাজ করার অপচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে. সাবেক উপসচিব সামছুলকে নির্বাচন কমিশন সচিবের একান্ত সচিবের (পিএস) কক্ষ থেকে ৩১ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে পাঁচটায় আটক করা হয়। মামলার এজাহারে বাদী অরবিন্দ দাশ বলেন. সামছুলকে নির্বাচন কমিশনে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একেকবার একেক ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দেন। সামছুলকে বার্তাশিট দেওয়া সম্ভব নয় বলা সত্ত্বেও তিনি অবৈধ উপায়ে বার্তাশিট সংগ্রহ করার জন্য অবৈধভাবে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মতো সংরক্ষিত স্থানে অনধিকার প্রবেশ করেছেন। এজাহারে বলা হয়. অজ্ঞাতনামা আসামিদের ইন্ধন ও সহায়তায় গেজেট প্রকাশের আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলের বার্তাশিট বা নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে উসকানিমূলক তথ্য উপস্থাপন করে সরকারি সম্পত্তি ও জানমালের ক্ষতি করার জন্য অন্তর্ঘাতমূলক কাজ করার উদ্দেশ্য ছিল সামছুলের। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনে বলেন. এ ঘটনার বিষয়ে সরেজমিন প্রকাশ্য ও গোপনে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়. আসামি সামছুল বিএনপি ও সমমনা দলের অন্য সদস্যদের মদদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নিজেদের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টায় এবং অন্তর্ঘাতমূলক কাজ করার জন্য এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার বিষয়ে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। মামলার ঘটনার নেপথ্যে জড়িত অন্য আসামিদের সম্পর্কে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। সামছুল আলমকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন বাতিল চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী আয়ুবুর রহমান। হয়রানি করার জন্য তাঁর মক্কেলকে এ মামলার আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামি সামছুলের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তদন্ত কর্মকর্তা সনজিৎ কুমার ঘোষ প্রথম আলোকে বলেন. আসামি সামছুলকে নির্বাচন কমিশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনের জন্য আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।,1572976 2019-01-02,পুলিশ–যুবলীগ সংঘর্ষ. আহত ১০,,প্রতিনিধি. রায়পুর. লক্ষ্মীপুর,২৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572975/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6-%E0%A6%93-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%86%E0%A6%9F%E0%A6%95-%E0%A7%AC,bangladesh,online,1,যুবলীগ|অপরাধ|পুলিশ|লক্ষ্মীপুর,লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের ভেতরে পুলিশের সঙ্গে যুবলীগের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশের ৪ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে ওই হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়. হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন যুবলীগের স্থানীয় কর্মী দেলোয়ার হোসেনের ওপর হামলার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এতে শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বেলা একটার দিকে শহরের তমিজ মার্কেটে জেলা যুবলীগের কার্যালয় ঘেরাও করে পুলিশ। এ সময় দলীয় নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পুলিশ ও যুবলীগ সূত্রে জানা যায়. সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের আঠিয়াতলী গ্রামের দেলোয়ার হোসেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার কারাগার থেকে এলাকায় ফেরেন। বুধবার সকালে তিনি একটি ছুরি নিয়ে ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমানকে আক্রমণ করেন। পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁকে মারধর করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত দেলোয়ার হোসেন ও অপর আরেকজনকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে আহত দেলোয়ারকে দেখতে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু হাসপাতালে যান। এ সময় টিপুর সঙ্গে থাকা লোকজন দেলোয়ারকে মারধর করেন। এতে বাধা দিতে গেলে তাঁরা পুলিশের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। আহত ব্যক্তিরা হলেন সদর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম. সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) গিয়াস উদ্দিন. কনস্টেবল নয়ন পাল. মেহেদী হাসান ও সাংবাদিক মীর ফরহাদ হোসেন সুমন। আহত অন্যদের পরিচয় প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। তবে পুলিশের আহত সদস্যরা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এই ঘটনায় পুলিশ হাসপাতাল এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা-কর্মীদের ১০টি মোটরসাইকেল জব্দ করে নিয়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে সদর (পশ্চিম) উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল হক মাহবুব. সদর (পূর্ব) যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রূপম হাওলাদার. যুবলীগের নেতা সাইমুন. ছাত্রলীগের নেতা আসিক আহমেদ ও মো. রনিকে আটক করেছে পুলিশ। সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন. আহত আওয়ামী লীগের নেতা আবদুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আর দেলোয়ার হোসেন পুলিশ পাহারায় সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন. যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। সমঝোতার চেষ্টা চলছে। লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন. হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজনের ওপর হামলার চেষ্টা করে একটি গ্রুপ। এ সময় বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা করে ছয়জনকে আটক করে।,1572975 2019-01-02,প্রত্যাশা পূরণ হবে. ব্যর্থ হব না: পরিকল্পনামন্ত্রী,,বাসস. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572974/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%B9%E0%A6%AC-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80,bangladesh,online,1,নির্বাচন|সরকার|শেখ হাসিনা|মূল্যস্ফীতি|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি,পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন. ‘নির্বাচনের আগে জনগণের মধ্যে আশঙ্কা ছিল. ভোটে সরকার পরিবর্তন হলে চলমান উন্নয়নকাজ বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু দেশবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে নৌকার পক্ষে ভোট দেওয়ায় ক্ষমতাসীন দল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। আমরা ব্যর্থ হব না. জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে।’ আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসির সম্মেলনকক্ষে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে মাসিক ভোগ্যপণ্যের মূল্যসূচক প্রকাশকালে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন. ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতির হার নভেম্বর থেকে সামান্য কমে ৫.৩৫ শতাংশ হয়েছে। নভেম্বর মাসে এই হার ছিল ৫.৩৭ শতাংশ। খাদ্যপণ্য এবং সাধারণ পণ্যের দাম কিছুটা কমায় মূল্যস্ফীতির হার হ্রাস পেয়েছে। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন. সাধারণ মূল্যসূচক অক্টোবরে ৫.৪০. সেপ্টেম্বরে ৫.৪৩ ও আগস্টে ছিল ৫.৪৮ শতাংশ। এ ছাড়া জুলাইতে ৫.৫১. জুনে ৫.৫৪. মে-তে ৫.৫৭. এপ্রিলে ৫.৬৩. মার্চে ৫.৬৮. ফেব্রুয়ারিতে ৫.৭২ ও জানুয়ারিতে ৫.৮৮ শতাংশ ছিল । পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ডিসেম্বরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয় ৫.২৮ শতাংশ. যা নভেম্বরে ছিল ৫.২৯ শতাংশ। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন. আন্তর্জাতিক বাজারে চিনি. দুধ. পাম তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমায় মূল্যস্ফীতি কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ১০ বছরের মধ্যে চিনির দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে। মূল্যস্ফীতি আরও কমে চলতি অর্থবছরে ৫.৫ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে তিনি জানান। বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় তাঁর নির্বাচনী এলাকার জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি বলেন. নির্বাচনের আগে দেশের জনগণের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ লক্ষ করা গেছে। তাদের আশঙ্কা ছিল. ভোটে যদি সরকার পরিবর্তন হয়. তাহলে চলমান উন্নয়নকাজ বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু দেশবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে নৌকার পক্ষে ভোট দেওয়ায় ক্ষমতাসীন দল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। তিনি বলেন. ‘আমরা ব্যর্থ হব না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ সঠিক অবস্থানে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বলেন. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য-উপাত্তে দেখা যায়. পল্লি এলাকায় ডিসেম্বরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ৪.৮৪। নভেম্বরে ছিল ৫.০৬ শতাংশ। নগরে ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৬.২৭ শতাংশ। নভেম্বরে ছিল ৬.৩২ শতাংশ। গত জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বছরে গড়ে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.৫৫ শতাংশ। ২০১৭ সালে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল ৫.৭০ শতাংশ।,1572974 2019-01-02,নতুন বছরে অস্ট্রেলিয়ায় পরিবর্তন,,কাউসার খান. সিডনি (অস্ট্রেলিয়া),,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572973/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8,durporobash,online,1,,শুরু হয়ে গেল নতুন বছর ২০১৯–এর পথচলা। নতুন বছরে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জীবনে আনা হয়েছে বেশ কিছু নতুনত্ব ও পরিবর্তন। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি আইন ও পরিবর্তন গতকাল ১ জানুয়ারি থেকেই চালু করা হয়েছে। দেশটির জনজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন ও পরিবর্তিত এসব বিষয়গুলো প্রভাব ফেলতে পারে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের খরচ কমবে নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ). অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটোরি (এসিটি). কুইন্সল্যান্ড ও সাউথ অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য সুখবর এনেছে শক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ১ জানুয়ারি থেকে ব্যবহারকারীদের বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিলের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। ভিক্টোরিয়া রাজ্যে ২৫০ থেকে ৭২০ ডলার পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে। অন্য রাজ্যেও থাকছে বিশেষ ছাড়। বাড়বে গণপরিবহনের ভাড়া এসিটি. কুইন্সল্যান্ড ও ভিক্টোরিয়ার মেলবোর্নে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়তে চলেছে। এসিটিতে জানুয়ারির পাঁচ তারিখ থেকে আড়াই শতাংশ ভাড়া বাড়বে। ৭ জানুয়ারি থেকে ব্রিসবেনে ১ দশমিক ৮ শতাংশ ও মেলবোর্নে ভাড়া বাড়বে ২ দশমিক ২ শতাংশ। স্যানিটারি পণ্যে কর প্রত্যাহার অস্ট্রেলিয়ায় নতুন বছরের নতুনত্বের সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তন. নারীদের ব্যবহৃত প্রায় সকল স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে সরকারের কর উঠিয়ে নেওয়া। কেননা. এই পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বিভিন্ন সংগঠন কাজ করে আসছিল। অবশেষে. স্যানিটারি পণ্যের ওপর ধার্য করা ১০ শতাংশ জিএসটি তুলে নিয়েছে সরকার। দেশটির সকল রাজ্য সরকার এর সঙ্গে একমত জানিয়েছে। দেশটিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত স্যানিটারি পণ্য টেম্পন ও প্যাড ইত্যাদির কর বাতিল করা হয়েছে। এনএসডব্লিউ রাজ্যে শিশুর জন্য উপহার এনএসডব্লিউ রাজ্যে এ বছর থেকে প্রতি শিশুর জন্য ৩০০ ডলার মূল্যের শিশুতোষ সামগ্রী উপহার দেবে রাজ্য সরকার। গত জুন মাসে প্রায় ১৬ কোটি ডলারের এই উপহার সামগ্রী বিতরণের কথা জানায় রাজ্য সরকার। নতুন বছর থেকে জন্মানো সকল শিশুই পাবে এই উপহার। সৃজনশীলতায় মিলবে ১০০ ডলার এনএসডব্লিউ রাজ্যের শিশুদের বিদ্যালয়ের বাইরে সৃজনশীল সংস্কৃতি চর্চার জন্য ১০০ ডলার দেবে রাজ্য সরকার। রাজ্যের সংগীত. নাটক. শিল্প ইত্যাদি ক্লাসগুলোর ফিতে এই ছাড় পাবে শিশুরা। টিকা নয় তো. স্কুলও নয় ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ১ জানুয়ারি থেকে টিকা গ্রহণ করেনি এমন কোনো শিশুকেই বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে না দেওয়ার আইন চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে. ‘টিকা নয় তো. শিক্ষাও নয়’। আইন অমান্যে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে হাজার ডলার জরিমানা করা হবে। ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকদের ২ ডলার এটিএম ফি ন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়া ব্যাংকের (ন্যাব) গ্রাহকেরা রেডিএটিএম থেকে যেকোনো পরিমাণ অর্থ উত্তোলনে ২ অস্ট্রেলীয় ডলার ফি প্রদান বাধ্যতামূলক করেছে ব্যাংকটি। ১ জানুয়ারি থেকে এ শর্ত চালু হয়েছে। ফি-ফ্রি এটিএম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য নয়।,1572973 2019-01-02,অনিয়মের শেষ দেখে ছাড়বেন বিসিবি সভাপতি,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,১১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572971/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF,sports,online,1,বাংলাদেশ ক্রিকেট|মাশরাফি বিন মুর্তজা|আওয়ামী লীগ,নতুন বছরে প্রথমবারের মতো সংবাদমাধ্যমের সামনে এলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। মাশরাফির সাংসদ হওয়া. ঘরোয়া ক্রিকেটে অনিয়ম দূর করতে বর্তমান বোর্ডের উদ্যোগ—নানা বিষয়ে কথা বললেন নাজমুল। একজন বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক. আরেকজন বিসিবি সভাপতি। মাশরাফি বিন মুর্তজা আর নাজমুল হোসেন এখন মিলে গেছেন এক বিন্দুতে—দুজনই আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সাংসদ। মাশরাফির সাংসদ হওয়ায় বেশ রোমাঞ্চিত নাজমুল।কেন রোমাঞ্চিত. নাজমুল সেটিই আজ ধানমন্ডিতে ব্যক্তিগত কার্যালয়ে সংবাদমাধ্যমকে বললেন. ‘এটি তো এক সাংঘাতিক ব্যাপার! আমার মনে হয় ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো এটি হতে যাচ্ছে। আমার এটি জানা নেই বা কখনো শুনিনি যে একজন সংসদ সদস্য ক্রিকেট খেলছে মাঠে এবং অধিনায়কত্ব করছে। এটি পুরোপুরি নতুন হবে এবং আমি অনেক রোমাঞ্চিত। একটি জিনিস মনে রাখবেন যে মাশরাফি রাজনীতিতে এসেছে এবং সে অনেক বেশি সিরিয়াস। একটাই চিন্তা ওর মাথায়. সেটি হলো এলাকার কাজ। এলাকার মানুষের জন্য ও কিছু করতে চায়। আজও যতক্ষণ সে আমার সঙ্গে ছিল. একই কথা বলেছে যে পাপন ভাই আমার এটি লাগবে. ওটা লাগবে। আমি শুধু বলেছি সব হবে. আগে শপথ নিয়ে নাও. মন্ত্রী পরিষদ গঠন হোক. তুমি যা যা চাও সব হবে। সে এলাকায় কাজ করতে চায়।’রাজনীতিতে জড়ালেও মাশরাফির ভাবনায় যে ক্রিকেটই প্রাধান্য পাচ্ছে সেটিও বললেন নাজমুল. ‘ওর মনের মধ্যে যে সব সময়ই ক্রিকেট আছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। ও (নড়াইল) থেকে সরাসরি অনুশীলনে চলে এসেছে। বিপিএল শুরু হতে যাচ্ছে। নিজের খেলার প্রতি সম্পূর্ণ সিরিয়াস. এতটুকুও পরিবর্তন হয়নি। এর বড় প্রমাণ হচ্ছে. যখন আমরা নির্বাচনের মাঠে চলে গিয়েছি এবং এলাকায় কাজ করছি তখন কিন্তু সে খেলছিল এবং খেলার মধ্যে ছিল। ও অনেক দেরি করে (এলাকায়) গিয়েছে। এটাই প্রমাণ করে যে এখনো খেলাটিই তাঁর কাছে বেশি প্রাধান্য পায়।’ মাঠের চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সঙ্গে যেভাবে উতরে যান. বিসিবি সভাপতি আশাবাদী. মাশরাফি রাজনীতির মাঠেও সফল হবেন একইভাবে। নাজমুলের চোখে মাশরাফি হচ্ছেন. ‘সত্যিকারের এক যোদ্ধা।’ মাশরাফি চ্যালেঞ্জ উতরে গেলেও বর্তমান বোর্ড কি পারবে ঘরোয়া ক্রিকেটের অনিয়ম. সমস্যা. পক্ষপাতমূলক আম্পায়ারিং. ম্যাচ পাতানোর মতো মহামারি আকার ধারণ করা রোগ সারিয়ে তুলতে? তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য বিষাক্ত হয়ে ওঠা পরিবেশটা স্বাভাবিক করতে? ঢাকার প্রথম. দ্বিতীয় বিভাগের ক্রিকেটে নানা অনিয়ম. ক্লাবগুলো ক্ষমতার দাপট দেখানোর চেষ্টা—এসব বন্ধে কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন বিসিবি সভাপতি? নতুন বছরের শুরুতে নাজমুল প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন. ঘরোয়া ক্রিকেটে অনিয়ম দূর করতে তিনি উদ্যোগ নেবেন. ‘একটা ছিল বিপিএল। প্রথম যখন আসি. বিপিএল নিয়ে ঝামেলা ছিল। সেটা দূর করার চেষ্টা করেছি. মোটামুটি হয়েছেও। প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। কিন্তু গতবার কোনো বিতর্ক হয়নি। ওটাও গেল। আমাদের এখন আরও নিচে যেতে হবে। প্রথম. দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগে যাব. জেলায় জেলায় যেতে হবে। সব ঠিক করতে সময় লাগবে। আম্পায়ারিংয়ে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। আম্পায়ারিং যদি ঠিক করতে পারি. তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে। আর ক্লাবের ব্যাপার হলো. সবই আসলে ক্লাব থেকে এসেছে। সুতরাং স্বাভাবিকভাবে তাদের দাপট থাকে। বোর্ড যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে. আম্পায়ারিং সুষ্ঠু হয়. যদি আমি শক্ত থাকি বা ওরা যদি আমার কাছ থেকে সাহস পায়. তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে। শুধু আম্পায়ারিং নয়. আরও অনেক অভিযোগ আছে. খুব ভয়ংকর। যা দূর করা সহজ কাজ নয়। উন্নতি হচ্ছে. নিচের পর্যায়েও হবে। আরও তিন বছর যদি ক্রিকেটের সঙ্গে থাকি. তাহলে এর শেষ দেখে নেব। কোনো জায়গায় ছাড় দেওয়া হবে না।’,1572971 2019-01-02,মাকড়সা ঠেকাতে পুলিশ!,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/international/article/1572963/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%9C%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%A0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6,international,online,1,অস্ট্রেলিয়া,এক পথচারী যাচ্ছিলেন রাস্তা দিয়ে। রাস্তার ধারের বাড়ি থেকে তিনি শুনতে পেলেন এক শিশুর চিৎকার। সেই সঙ্গে শোনা গেল. ‘এটা মরছে না কেন?’ তাতেই ঘটে গেল লঙ্কাকাণ্ড। ওই পথচারী গিয়ে খবর দিলেন পুলিশে। চলে এল পুলিশ। এসে দেখল. ওই বাড়ির মালিক একটি মাকড়সাকে মারার চেষ্টা করছিলেন! বিবিসির খবরে বলা হয়েছে. ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়ার পার্থের একটি উপশহরে এ ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনার কথা স্বীকার করেছে স্থানীয় পুলিশ বিভাগ। এক টুইট বার্তায় পুলিশ জানিয়েছে. ওই ঘটনায় একটি মাকড়সা ছাড়া আর কেউ ‘আঘাত’ পায়নি। পুলিশের মুখপাত্র স্যামুয়েল ডিনিসন বলেন. ‘আমরা গিয়ে পুরো উল্টো বিষয় দেখতে পেয়েছি। প্রথমে ভেবেছিলাম এটি হয়তো কোনো মারাত্মক অপরাধ। খুব ভালো ব্যাপার হলো যে. এতে শুধু মাকড়সা জড়িত ছিল!’ তবে কোন প্রজাতির মাকড়সাকে মারার চেষ্টা চলছিল. তা জানা যায়নি। বিশ্বের বেশ কিছু বিষাক্ত প্রজাতির মাকড়সার বাস অস্ট্রেলিয়াতে। অবশ্য অনেক বছরে দেশটিতে মাকড়সার কামড়ে কারও মৃত্যু হয়নি। অস্ট্রেলিয়ায় মোট দুই হাজার ৯০০ প্রজাতির মাকড়সা বাস করে।,1572963 2019-01-02,শেখ হাসিনাকে পুতিনের অভিনন্দন,,বাসস. ঢাকা,১৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572962/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8,bangladesh,online,1,নির্বাচন|সরকার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|ভ্লাদিমির পুতিন|রাশিয়া,রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলের সভাপতি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম আজ বুধবার বাসসকে বলেন. ‘রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এক বার্তায় রোববারের জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন. পুতিন প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য এবং বাংলাদেশের অব্যাহত. শান্তি. অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।,1572962 2019-01-02,ব্যবসা কেস প্রতিযোগিতার নিবন্ধন ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/economy/article/1572961/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A8-%E0%A7%AB-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4,economy,online,1,,বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তবিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেস প্রতিযোগিতার নিবন্ধন চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য ব্যবসার নতুন ধারণা খুঁজে বের করা এবং সেটিকে সফল হতে সাহায্য করা। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী চ্যাম্পিয়ন দল পাবে নগদ ১ লাখ টাকা। এ ছাড়া প্রথম রানারআপ ৫০ হাজার এবং দ্বিতীয় রানারআপ দল ২৫ হাজার টাকা করে পাবে। যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক-পূর্ব পর্যায়ের সর্বোচ্চ চারজনের একটি দল দলভিত্তিক এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। পিওনেরোস ৩.০ নামের এই প্রতিযোগিতার লক্ষ্য ব্যবসায়িক চিন্তার উৎসারণ ঘটানোর মাধ্যমে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির করে দেশে একটি স্থায়ী উদ্যোক্তা সংস্কৃতি তৈরি করা। আয়োজকেরা জানান. প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীর পরিবর্তনশীল চাকরিবাজারে টিকে থাকতে হলে প্রয়োজন একাধিক দক্ষতার সমন্বয়. প্রয়োজন ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা এবং সেগুলোকে বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে পারার ক্ষমতা। এই প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই গুণের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে বলে তাঁরা আশা করছেন। ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আগ্রহী দলগুলো নিবন্ধন করতে পারবে। ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইন ধাপের পর নির্বাচিত দলগুলো আগামী ১৮ জানুয়ারি নিজেদের ব্যবসার কেস উপস্থাপন করার সুযোগ পাবে। দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেডর পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই আয়োজনের সহযোগী প্রথম আলো। নিবন্ধন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য https://www.edcbuet.org/pioneros/,1572961 2019-01-02,মহাজোট হারলে দেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়ত: মেনন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572960/%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A8,bangladesh,online,1,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|রাশেদ খান মেনন|বিএনপি,সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন. আজ যদি মহাজোট ভোটে হেরে যেত.তাহলে দেশ খুব বড় বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতো। নেতৃত্বশূন্য.মেধাহীন ঐক্যফ্রন্টের ছায়ায় বিএনপি দেশকে আবার বহু বছর পেছনে নিয়ে যেত। সন্ত্রাস.চাঁদাবাজি. জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হতো দেশ। মহাজোটের এই বিজয়ে দেশ খুব বড় একটি বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে সমাজকল্যাণমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। রাশেদ খান মেনন বলেন. একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নৌকার যে বিশাল বিজয় এসেছে. তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনার ফসল নয়। এ বিজয় গত ১০ বছরের উন্নয়ন ও পরিশ্রমের ফসল। বর্তমান সরকারের গত ১০ বছরের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দেশের মানুষ কেবল তুষ্টই থাকেনি. ভোটের মাধ্যমেই তাদের ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ আলী আকবরের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুছা চৌধুরী.ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক. সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব সরকার. কর্মচারী সমিতির সভাপতি সারওয়ার হোসেন.সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।,1572960 2019-01-02,দেখে মনে হলো অনেক দিনের চেনা,,রহমান মৃধা. সুইডেন থেকে,১,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572959/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE,durporobash,online,1,,অর্থ আছে শর্ত নেই। দেহ আছে কিন্তু তার দেখা নেই। ইচ্ছে আছে উপায় নেই। সে কোন জাতি? সে এক বোরকার মধ্যে লুকিয়ে থাকা আরবের নারী জাতি।ঘুরে এলাম সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেখে এলাম পরিবর্তনের রংধনু। আরব উপদ্বীপে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে ও ওমান উপসাগরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি দেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাত সাতটি আমিরাত নিয়ে গঠিত। এটি একটি যুক্তরাষ্ট্র হিসেবে ১৯৭১ সালের ২ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। সাতটি আমিরাতের মধ্যে ছয়টি (আবুধাবি. দুবাই. শারজাহ. আজমান. উন্মুল কুয়াইন ও ফুজিরা) ওই দিন সংযুক্ত হয়। সপ্তমটি রাস-আল-খাইমা ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে যোগদান করে।উনিশ শতকে ব্রিটিশদের স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি অনুসারে সাতটি রাষ্ট্র পূর্বে চুক্তিবদ্ধ রাষ্ট্র নামে পরিচিত ছিল। সাতটি মরুভূমির সমন্বয়ের এই দেশটি গড়ে উঠতে শুরু করেছে সম্পূর্ণ আউট সোর্সের মধ্য দিয়ে। মরুভূমিতে শহরের পর শহর. রাস্তার পর রাস্তা তৈরি করে তারা দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। সভ্য মানবজাতির বসতবাড়িতে যা কল্পনা করতেও সাহস হারিয়ে ফেলার কথা। আর হচ্ছে এ জাতির অর্থনৈতিক ও মানসিক পরিবর্তন। তবে আরব আমিরাতের মানুষের মনুষ্যত্বের পরিবর্তন কতটা উন্নতির দিকে তা বলতে পারব না। তবে যা দেখে এলাম তার বর্ণনা দিতে চেষ্টা করব।দেশটির নারী জাতি বাস করছে দিন-দুপুর. জাগরণ. আচরণ ও সাগরের ভ্রমণে কালো বোরকার ভেতরের এক অন্ধকার রাজ্যে। ম্যান ডমিনেটেড বা পুরুষের রাজ্যে নারীর বাস নারী জাতির সর্বনাশ। তারপরও নারী জাতি ঘর থেকে বের হতে শুরু করেছে। তাদের পথচলা এখন শহর. সাগর. হোটেল ও রেস্টুরেন্টে দেদারসে লক্ষণীয়। তবে মানবের চেহারাতে নয়. বোরকার ভেতরে এক চলমান দৃশ্য যা অন্ধকারাচ্ছন্ন পোশাকে ঢাকা। আমার ভ্রমণের সময়টুকু ছিল তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুল-কলেজের ছুটির সময়। তাই তারাও ছুটিতে এসেছিল একই হোটেলে যেখানে আমাদের সময় কেটেছে। তাই দেখেছি তাদের জীবনযাপন কাছ থেকে দুরে. বহু দুরে। সারা বিশ্বের নরনারী যখন খোলামেলা সূর্যের কিরণে সাগরে সাঁতার কাটছে বিকিনি পরে ঠিক তখন তারা সাগরের পাড়ে পায়চারি করছে কালো পর্দার আড়ালে বোরকার তলে। আরবের নারীরা দেখছে সারা পৃথিবী. দেখছে অন্য পুরুষ–নারীর দেহ। কিন্তু নিজেদের দেখাচ্ছে কালো কাপড়ে ঘেরা এক চলমান জীব হিসেবে। আমাদের ভ্রমণের শেষের দিন। রেডিসন ব্লু হোটেলে রাতের ডিনার একটু তাড়াতাড়ি শেষ করেছি। আমি আর আমার সহধর্মিণী মারিয়া হাঁটতে বেরিয়েছি সাগরের পাড়ে। চাঁদের কিরণ এত সুন্দর রূপ ধারণ করেছে যে. তার জ্যোৎস্নাতে অন্ধকার আলোই পরিণত হয়েছে। মরুভূমির দেশে হোটেলের চারপাশে গড়ে তুলেছে সবুজে ভরা এই প্যারাডাইজ হোটেল। সুন্দর ঘাসের ওপর পার্সিয়ান কার্পেটের বিছানাতে বোরকা পরা এক নারী বসে আছেন। সুন্দর করে সাজিয়েগুছিয়ে এক পিকনিকের সমন্বয়ে। যা বেশ দূর থেকেই আমাদের নজরে পড়েছে। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ শব্দ শুনতে পেলাম. ‘প্লিজ কাম অ্যান্ড জয়েন উইথ মি’। প্রথমে বিশ্বাস করতেও অবিশ্বাস লাগছিল। পরে মারিয়া বলে. না. মহিলা আমাদের বলছে। দাঁড়িয়ে গেলাম শান্ত হয়ে। ভদ্রমহিলা সন্ধ্যার চা–কফির আয়োজন করছেন তার আর চারজন বান্ধবীর জন্য। আমাকে মারিয়ার সঙ্গে কয়েকবার দেখেছেন সাগরের পাড়ে। দেখেছেন হোটেলের লবিতে। দেখেছেন ব্রেকফাস্ট ও সন্ধ্যার ডিনারে। আজ জ্যোৎস্না রাতে হঠাৎ পথে দেখা হতে তার কৌতূহল ও সাহসের পরিচয়. এই আকস্মিক নিমন্ত্রণ। বসে গেলাম দুজনে। শুরু হলো কথা। হাজারো প্রশ্ন। ভেবেছিলাম আমিই হয়তো তাদের নিয়ে ভেবেছি। ওমা! তিনি তো দেখি আমার থেকে আরও বেশি ভেবেছেন। কয়েক মিনিট শুধু তিনি একা। কিছুক্ষণ পরে তার বান্ধবীরা এসে তিনি হয়ে গেলেন তারা। তার অন্য চার বান্ধবীও এসে হাজির ও আমাদের পরিচয় পর্ব শেষ হলো। মারিয়ার মুখে স্লামালাইকুম শুনে তারা হয়েছিলেন আপ্লুত। প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলাম তাদের পরিচয়। তারা সবাই বিবাহিত ও স্বামীদের সঙ্গে ছুটিতে এসেছেন। বয়সে আমাদের ছোট হবেন। আজ সন্ধ্যায় তারা প্ল্যান করেছেন বান্ধবীরা মিলে জ্যোৎস্না রাতে চা কফির আড্ডা দেবেন। ওদিকে তাদের স্বামীরা বেলি ড্যান্স দেখতে শহরে গিয়েছেন। হায়রে আরব জাতি! রেখেছে অন্ধকারে ঢেকে নিজেদের নারীদের। অথচ দেখছে উজাড় করে পর নারীকে! অনেক কথা জানার ছিল. জানা হলো না। যতটুকু দেখলাম ও শুনলাম তাতে মনে হলো. তাদের দেহেও বইছে ভালোবাসার ঢেউ। তারাও বাঁচতে চান আমাদের মতো করে। তবে ম্যান ডমিনেটেড লাইফে সবকিছু সম্ভব নয় একদিনে। মনে পড়ে গেল. ‘রোম ওয়াজ নট বিল্ড ইন এ ডে’। চাঁদের জ্যোৎস্না রাতে আরবের এক মরুভূমিতে গালফ অব ওমানের পাড়ে হাতে চা তুলে দিতে চোখের পলক পড়েছিল সেদিন সেই রূপসী সুন্দরী নারীর মুখে। দেখে তারে মনে হলো. তিনি মনে মনে আমাদের ভালোবেসে ফেলেছেন তার বোরকা ঢাকা হৃদয়ের মাঝে। কথা বলতে আর কথা শুনতে কখন ঘণ্টা কেটে গেছে জানি না। হঠাৎ মেয়ে জেসিকা এসে হাজির। তাই লম্বা গল্প কমিয়ে চলে এলাম হোটেলে। সকালে আরলি ব্রেকফাস্ট শেষ করে সবকিছু গুছিয়ে লবিতে ব্যাগগুলো রেখে সাগরের পাড়ে দিনটা কাটিয়ে দিতে হবে। বিকেলে বাস এসে নিয়ে যাবে আমাদের দুবাই বিমানবন্দরে। সেদিনও আবার দেখা হয়েছিল সেই চার নারীর সঙ্গে। পাশ দিয়ে হেঁটে যেতে চুপি চুপি বলে গেলেন. হ্যাভ এ সেফ জার্নি. হোপ টু সি ইউ অ্যাগেইন’। ২৫ ডিসেম্বর সুইডেনে ফিরে এসেছি। সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক কিছু পার্থক্য সত্ত্বেও আরব জাতির ভালোবাসা দেখে এলাম আরব আমিরাতে। ফুজিরার ছোট্ট একটি শহর নাম দিবা যেখানে গড়ে উঠেছে রেডিসন ব্লু হোটেল। গালফ অব ওমান সাগরের পাড়ে। সেদিন আধো রাতে হঠাৎ ঘুম ভাঙতেই মনে পড়ে গেল সুরাইয়ার কথা। যিনি চা-কফির আড্ডাতে নিমন্ত্রণ করেছিলেন চাঁদের জ্যোৎস্না রাতে. আমাকে আর আমার সহধর্মিণী মারিয়াকে। রহমান মৃধা: সুইডেন। ইমেইল: [image/jpeg: image 1. jpeg]Attachments area,1572959 2019-01-02,রাগ করে কিছুই খাননি কাদের খান!,,প্রতিনিধি. মুম্বাই,২,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572958/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,online,1,হলিউড,মৃত্যুর আগে খাওয়াদাওয়া একদম ছেড়ে দিয়েছিলেন হিন্দি চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা কাদের খান। মৃত্যুর আগে পাঁচ দিন কিছুই মুখে তোলেননি ৮১ বছরের এই অভিনেতা। এমনকি এক ফোঁটা পানিও না। বাড়ির খাবার ছাড়া কাদের খানের মুখে কিছু রোচে না। মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে পর্যন্ত বাড়ির খাবার খেয়েছেন তিনি। কাদের খানের ছেলে সরফরাজের স্ত্রী সাহিস্তা নিজের হাতে রান্না করে শ্বশুরমশাইকে খাওয়াতেন। কিন্তু ডাক্তার পরে বাইরের খাবারের অনুমতি দেননি। কাদের খানকে হাসপাতালের খাবার খেতে বলা হয়। তখনই বেঁকে বসেন তিনি। হাসপাতালের খাবার খেতে একদম রাজি হননি। সাহিস্তার অনুরোধও রাখেননি। সাহিস্তা তাঁকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন. এই সময় খাবার খাওয়া কতটা জরুরি। কাদের খানের এক বন্ধু জানান. ‘মৃত্যুর আগের পাঁচ দিন শুধু খাবার নয়. এক ফোঁটা পানিও খাননি তিনি। তা সত্ত্বেও ১২০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছেন। এমনটা সবার পক্ষে সম্ভব না।’ বাক্‌শক্তি না থাকায় কাদের খান চোখ দিয়ে সব প্রশ্নের জবাব দিতেন। চোখের অভিব্যক্তি দিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে দেন. হাসপাতালের খাবার মোটেও মুখে তুলবেন না। গত ৩১ ডিসেম্বর কানাডার সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা ছয়টায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা কাদের খান। দীর্ঘ দিন বার্ধক্যজনিত নানা অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। ১৭ দিন ধরে কানাডার একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। মৃত্যুর আগে কোমায় চলে যান এই অভিনেতা। তাঁর ছেলে সরফরাজ খান বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের মাধ্যমে কাদের খানের মৃত্যুর খবর ঘোষণা দেন। সরফরাজ জানিয়েছেন ভারতে নয়. কানাডাতেই এই অভিনেতাকে দাফন করা হবে। প্রথমে তাঁর নিথর দেহটিকে মসজিদে নিয়ে যাওয়া হবে। জানাজার পর কাদের খানকে দাফনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই বরেণ্য অভিনেতার প্রয়াণে হিন্দি চলচ্চিত্রের জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অমিতাভ বচ্চন. অনুপম খের. অর্জুন কাপুর. বরুণ ধাওয়ানসহ অনেক তারকা টুইটারে শোক জানান। এমনকি রাজনীতিবিদেরাও কাদের খানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং মোদি. রাহুল গান্ধী. স্মৃতি ইরানিসহ অনেকেই টুইট করেছেন।,1572958 2019-01-02,ভুল তথ্য দিয়েছেন ইসি সচিব,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৫৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572957/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A6%B2-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF,bangladesh,online,1,নির্বাচন|সিইসি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় পার্টি|আওয়ামী লীগ|নির্বাচন কমিশন,সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দল কত আসন পেয়েছে. সেই ঘোষণা দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়েছেন। ৩১ ডিসেম্বর ভোরে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করতে গিয়ে হেলালুদ্দীন গণমাধ্যমকে বলেছেন. জাতীয় পার্টি (জাপা) সব মিলিয়ে ২০টি আসন পেয়েছে। বাস্তবে জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২২টি আসন। এই তথ্য সংশোধন করে ইসি সচিবালয় থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে জানতে সচিব হেলালুদ্দীনকে ফোন দিলে তা ধরেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাইদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন. ‘স্যার বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। সেদিন তাড়াহুড়ো করে কাজ করতে গিয়ে এই ভুল হয়েছে। আসলে জাতীয় পার্টির আসনসংখ্যা হবে ২২।’ ৩০ ডিসেম্বর সংসদের ২৯৯টি আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা সারা রাত জেগে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহ করেন। ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়. সেদিন রাতে তাড়াহুড়ো করে কাজ করতে গিয়ে জাপার কাজী ফিরোজ রশীদ (ঢাকা-৬) ও ফখরুল ইমামকে (ময়মনসিংহ-৮) আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে গোনা হয়েছে। যে কারণে জাপার আসন কমে ২০টি হয়ে যায়। নির্বাচনের ফলাফল বিবরণীতে দেখা যায়. ঢাকা-৬ আসনে কাজী ফিরোজ রশীদ ৯৩ হাজার ৫৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী পেয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬৯০ ভোট। ময়মনসিংহ-৮ আসনে ফখরুল ইমাম পেয়েছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণফোরামের এ এইচ এম খালেকুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩ ভোট। একই দিন ফল ঘোষণা দিতে গিয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আওয়ামী লীগের আসনসংখ্যাতেও ভুল করেছেন। তিনি বলেছেন. আওয়ামী লীগ পেয়েছে ২৫৯টি আসন। বাস্তবে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ২৫৭টি আসন। মূলত আওয়ামী লীগকে দুটি আসন বাড়িয়ে দেওয়ার কারণেই জাতীয় পার্টির দুটি আসন কমে যায়। এ বিষয়েও ইসি সচিবালয় থেকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সব মিলিয়ে ২৬০টি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। দলটি হেরেছে তিনটি আসনে। আওয়ামী লীগের পরাজিত তিন প্রার্থী হলেন—জিয়াউর রহমান (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২). আবদুল ওদুদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩) ও কাজী জাফর উল্লাহ (ফরিদপুর-৪)। এই তিন আসনে জিতেছেন যথাক্রমে বিএনপির আমিনুল ইসলাম. হারুনুর রশীদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবর রহমান চৌধুরী।,1572957 2019-01-02,টেন্ডুলকারের গুরু আচরেকার আর নেই,,খেলা ডেস্ক,৬,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572956/%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%86%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87,sports,online,1,ক্রিকেট|শচীন টেন্ডুলকার|ভারত,৮৭ বছর বয়সে আজ মৃত্যুবরণ করেছেন শচীনের কোচ রামাকান্ত আর্চাকার। শচীন টেন্ডুলকারের গুরু রমাকান্ত আচরেকার আর নেই। আজ বুধবার মুম্বাইয়ে ৮৭ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর হাতেই ক্রিকেটের হাতেখড়ি হয়েছিল টেন্ডুলকারের। নিজেকে কিংবদন্তির কাতারে নিয়ে গিয়েও গুরুকে সব সময়ই মাথায় তুলে রেখেছিলেন তিনি। আচরেকারের আশীর্বাদধন্য হয়েই ২৪ বছর ধরে ক্রিকেট দুনিয়াকে শাসন করেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেট তারকা। বিস্তারিত আসছে...,1572956 2019-01-02,‘সাব্বিরের শৃঙ্খলাও ঠিক থাকতে হবে’,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572955/%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%83%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87%E2%80%99,sports,online,2,ক্রিকেট|সাব্বির রহমান|বিপিএল টি২০,বিপিএল এবার অনেকের ফেরার মঞ্চ। বিতর্কে জড়িয়ে জাতীয় দলের বাইরে থাকা সাব্বির. নাসির. আল আমিনরা চেষ্টা করবেন এই টুর্নামেন্টে দারুণ কিছু করতে হারানো জায়গা ফিরে পেতে। এবার বিপিএলে সিলেট সিক্সার্স দলটা যা হয়েছে না! ড্রাফটের পর থেকেই এ নিয়ে বেশ রসিকতা হচ্ছে। বিতর্কে জড়িয়ে নানা সময়ে নিষিদ্ধ হওয়া অনেক ক্রিকেটার যে এই দলে। নাসির হোসেন. সাব্বির রহমান. আল আমিন হোসেন তো আছেনই। বহু আগে আইসিএলে নাম লিখিয়ে পথ হারানো অলক কাপালিও এই দলে। তাসকিন আহমেদের বিষয়টা নাসির-সাব্বিরের মতো ঠিক নয়। তবে তিনিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বেশ কিছু দিন খেলতে পারেননি বোলিং অ্যাকশন নিষিদ্ধ হওয়ায়। আর দলটা নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডেভিড ওয়ার্নার. যিনি এখনো নিষিদ্ধ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। সব বিতর্কিত খেলোয়াড়দের সামলানো নিশ্চিত বড় এক চ্যালেঞ্জ সিলেট টিম ম্যানেজমেন্টের।কাল সাব্বিরকে অবশ্য বিতর্ক নিয়ে অনেক অপ্রিয় প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে। আজ প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন বললেন. সাব্বিরের শুধু পারফরম্যান্স নয়. তাঁকে নজর দিতে হবে নিজের শৃঙ্খলার দিকেও. ‘সাব্বির রহমান নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছে অনেকটা। তাঁর খেলার চেয়ে বেশি নজর দিতে হবে নিজের প্রতি। ওর শৃঙ্খলা. এই দিকটিও ঠিক থাকতে হবে। সব দিকেই নজর দিতে হবে।’ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ দলের নিউজিল্যান্ড সফর। জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি হোম সিরিজের পারফরম্যান্স অনুযায়ী নিউজিল্যান্ড সফরের দল অনেকটা হয়েই আছে। বিপিএলের পারফরম্যান্সে এক-দুজনকে সুযোগ হতে পারে কি না. সেটি এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেননি মিনহাজুল. ‘টি-টোয়েন্টি সংস্করণ ও টেস্ট ক্রিকেটকে কখনো একসঙ্গে মেলানো যায় না। এটি আলাদা একটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। যেহেতু এখানে অনেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের সম্পৃক্ততা আছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই হিসাব করা হবে। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে এর তুলনা হবে না। তবে এখান থেকে আমাদের প্রস্তুতি শুরু হবে। ক্রিকেটারদের মনোভাব. পারফরম্যান্স সবকিছু দেখা হবে। সুতরাং প্রতিটি ম্যাচ খেলোয়াড়ের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেটা যে সংস্করণই খেলুক।’মিনহাজুলের কথা. যে টুর্নামেন্ট বা যে সংস্করণই হোক. ভালো খেললে বিবেচনায় থাকবেন। সাব্বির. নাসির. তাসকিন কিংবা আল আমিন তাই বিপিএলকে দেখবেন ফেরার মঞ্চ হিসেবেই।,1572955 2019-01-02,২০০ টাকায় মিলবে বিপিএলের টিকিট,,খেলা ডেস্ক,৫,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572954/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9F,sports,online,2,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,বিপিএল শুরু হচ্ছে ৫ জানুয়ারি। খেলা মাঠে গড়াতে এখনো তিন দিন বাকি আছে. তবে টিকিট মিলবে এর আগেই। আগামীকাল সকাল থেকেই শুরু হবে এবারের বিপিএলের টিকিট বিক্রি। সর্বনিম্ন ২০০ টাকায় মিলবে বিপিএলের টিকিট।আজ বিপিএল জানিয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা পর্বের টিকিট পাওয়া যাবে। মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম ও শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেটের পার্শ্ববর্তী বুথে মিলছে ঢাকার ম্যাচগুলোর প্রথম পর্বের টিকিট। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বুথে টিকিট বিক্রি হবে। ছাদবিহীন সাধারণ গ্যালারির টিকিট মূল্য রাখা হয়েছে ২০০ টাকা. ছাদযুক্ত গ্যালারির টিকিট মূল্য রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা। ক্লাব হাউস ও ভিআইপি গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে ৫০০ টাকা খরচ করতে হবে। আর গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে খেলোয়াড়দের কাচ থেকে দেখার সুযোগ পেতে দরকার হবে ২ হাজার টাকার টিকিট। ঢাকার দ্বিতীয় পর্বের টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২০ জানুয়ারিতে। আর তৃতীয় পর্বের টিকিট মিলবে ৩১ জানুয়ারিতে।সিলেটের দর্শক টিকিট কিনতে পারবেন ১৪ জানুয়ারি থেকে। তবে সিলেটের বুথ বিভাগীয় স্টেডিয়াম নাকি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বসানো হবে. সে সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। বিপিএলের চট্টগ্রাম অংশের টিকিট মিলবে ২৪ তারিখ থেকে। এমএ আজিজ স্টেডিয়াম ও জহর আহমেদ স্টেডিয়ামের পার্শ্ববর্তী বুথেই মিলবে টিকিট। আগ্রহী দর্শক চাইলে সহজ ডটকম থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন বিপিএলের টিকিট। এলিমিনেটর ও ফাইনালের টিকিটের মূল্য এবং বিক্রির দিনক্ষণ পরে জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।,1572954 2019-01-02,গাইড ও কোচিং জেনারেশন,,মোকাররম আলাভী. হুবেই (চীন) থেকে,১,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572953/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1-%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8,durporobash,online,2,,আমাদের পিছিয়ে থাকার সবচেয়ে বড় কারণ হয়তো বই বিমুখতা। বই পড়ার সূচকে আমাদের অবস্থান সারা বিশ্বের একদম তলানির দিকে। কিন্তু গাইড পড়ার দিকে সবার চাইতে এগিয়ে। প্লে গ্রুপে ভর্তি হবে তার জন্য গাইড। পরীক্ষায় পাস করতে হবে তার জন্য গাইড। ভর্তি পরীক্ষা তার জন্য গাইড। চাকরির পরীক্ষা তার জন্য গাইড। শুধু গাইড আর গাইড। আমরা বাচ্চাদের গাইড পড়তে দিই। গল্পের বই দেখলে কেড়ে নেই এমনভাবে যেন তারা অনেক বড় অপরাধ করে ফেলেছে! বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা টেক্সট বুক পর্যন্ত দেখে না. বাইরের বই তো দূরের কথা। নোট আর লেকচার পড়ে পড়ে পাস। বেশ চলছে...। আরেক অসাধারণ কাজ করে যাচ্ছে কোচিং সেন্টারগুলো। প্রায় সবকিছুর জন্যই কোচিং আছে। এ ক্ষেত্রে বাণিজ্যের পরিমাণ দেখলে চক্ষু চড়কগাছ। যেভাবে এগোচ্ছে দেশ. কিছুদিন পরে সৃষ্টিশীল মানুষ অথবা সৃজনশীলতা বলতে কিছুই থাকবে না! খালি থাকবে সৃজনশীল প্রশ্ন আর বস্তা বস্তা গাইড। আপনি এমন আজব শিক্ষাব্যবস্থা আর মেধার অবমূল্যায়ন পৃথিবীর আর কোথাও দেখবেন না। আমরা শিশুদের মেধাকে বিকশিত হতে না দিয়ে গলা টিপে হত্যা করছি। তাদের যখন দেওয়ার কথা মুক্ত খোলা হাওয়া. তখন তাদের কাঁধের ওপরে তুলে দিচ্ছি বইয়ের বোঝা। সেই ভারে তো সে আর পারছে না মাথা তুলে দাঁড়াতে। তার মেরুদণ্ড আক্ষরিক অর্থেই বাঁকা করে দিচ্ছি।এই জেনারেশনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো কবি নেই. সাহিত্যিকে নেই. শিল্পী নেই. গায়ক নেই. নায়ক নেই. চলচ্চিত্রকার নেই. বিজ্ঞানী নেই। আছে কিছু করপোরেট গবেট আর গোলাম! সবাই এটাকে লক্ষ্য করে ছুটছে তো ছুটছেই!এখনই সর্বোচ্চ সময় কিছু একটা করার জাগরণের। শিক্ষাব্যবস্থাকে আপাদমস্তক পরিবর্তনের! নতুবা আমরা জাতি হিসেবে আস্তাকুঁড়ে বিলীন হয়ে যাব। যে স্বপ্ন নিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষেরা তাদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন তা স্বপ্নই রয়ে যাবে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও আমাদের নিজেদের অস্তিত্ব হাতড়ে বেড়াতে হয়. এ দায় কার? ... মোকাররম আলাভী: ইছাং. হুবেই. চীন। ইমেইল: ,1572953 2019-01-02,সেই বিপিএলে ফিরে কেমন লাগছে আশরাফুলের,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৪৫,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572951/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0,sports,online,2,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট|মোহাম্মদ আশরাফুল,দুদিন পরই বিপিএল। দলগুলো এরই মধ্যে শুরু করে দিয়েছে অনুশীলন। চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে অনুশীলন শুরু করেছেন আশরাফুলও। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে পাঁচ বছর পর বিপিএলে ফিরছেন বাংলাদেশ দলের এ সাবেক অধিনায়ক বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ( বিপিএল) যে ফিক্সিং মুক্ত নয়. সেটি প্রমাণিত হয়েছে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সংস্করণে. ২০১৩ সালেই। আর সেই ফিক্সিং জড়িত থাকায় যার নামটা সবার আগে আসে—মোহাম্মদ আশরাফুল। পরে তিনি স্বীকার করেন. ক্ষমা চান. কঠিন শাস্তিও পান। অন্ধকার পর্বটা পেছনে ফেলে আবারও বিপিএলে আশরাফুল। ফিরে কেমন লাগছে তাঁর? মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি একাডেমি মাঠে এখন প্রতিদিন বসছে তারকাদের মেলা। স্থানীয় খেলোয়াড়ের অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন এরই মধ্যে। কাল-পরশু থেকে প্রতিটি দলে যোগ দিতে শুরু করবেন বিদেশি তারকারাও। এই তারকাদের ভিড়ে আশরাফুলের দিকে আলাদা নজর পড়ার একটাই কারণ. গত আগস্টে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা কেটে যাওয়ায় পাঁচ বছর পর আশরাফুল ফিরছেন বিপিএলে। খেলবেন চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে। এ টুর্নামেন্টে ফিরে একটু অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করছে আশরাফুলের. ‘খুবই ভালো লাগছে। গত দুই বছর প্রথম শ্রেণি এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলছি। কিন্তু এই খেলাগুলো আসলে টিভিতে সম্প্রচার হয় না। বিপিএল একটি আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট। এখানে খেলতে পেরে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে হচ্ছে। চিটাগাং ভাইকিংসের মালিককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাকে নেওয়ার জন্য। আর যেহেতু খেলাটি জানি এবং আমার অভিজ্ঞতা আছে সুতরাং চেষ্টা করব সুযোগ পেলে ভালো খেলার।’ যে টুর্নামেন্টে লেখা হয়েছিল কলঙ্কিত অধ্যায়. সেটিতে ফিরে আশরাফুলকে শুধু ভালো খেললেই হবে না সতর্ক থাকতে হবে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন না হয়। আশরাফুল অবশ্য প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন. আর ভুল নয়. তিনি ফিরে আসতে চান দুর্দান্ত চেহারায়.‘আমি যে অন্যায় করেছিলাম সেটার শাস্তি পেয়েছি। এ কারণে পাঁচ বছর নয় মাস বাইরে ছিলাম এ সংস্করণ থেকে। যেহেতু আমি অন্যায় স্বীকার করেছি এবং প্রায়শ্চিত্ত করেছি এবং গত দুটি বছর আমি ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেছি। মোটামুটি ভালো ক্রিকেট খেলেছি. ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ বলেন. বিসিএলের এই মৌসুমটা বলেন। আমি চেষ্টা করব আমার যারা ভক্ত আছেন. তারা অপেক্ষায় আছে যেন আবার ফিরে আসতে পারি। তাদের জন্য হলেও চেষ্টা করব এ বিপিএলে ভালো খেলতে। যদি ফিরে আসতে পারি. একটা উদাহরণ তৈরি হবে। দীর্ঘ সময় বাইরে থেকেও আবার পারফরম্যান্স দিয়ে ফিরে আসা একটা চ্যালেঞ্জও বলে মনে করি।' আপাতত ভাবনায় বিপিএল থাকলেও আশরাফুলের স্বপ্ন জাতীয় দল। গত আগস্টে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি উঠে যাওয়ার পর প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন. তাঁর স্বপ্ন ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলা। আজ সংবাদমাধ্যমকেও একই কথা বলেছেন আশরাফুল. ‘যেহেতু আমি একজন ব্যাটসম্যান. সুতরাং আমি যদি ফিট থাকতে পারি বিশ্বাস করি আরও চার-পাঁচ বছর খেলতে পারব। আপনি যদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখেন তাহলে দেখবেন অনেকেই আছে এমন। সেটা নির্ভর করবে ফিটনেসের ওপরে। গত দুই বছরের চেয়ে এখন আমি নিজেকে অনেক ফিট মনে করছি। ফিটনেস এবং পারফরম্যান্স ঠিক থাকলে যত লম্বা সময় খেলা যায়। আর বাংলাদেশ দলে তো অবশ্যই খেলতে চাই। তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছি বাংলাদেশের হয়ে. ২০০৩. ২০০৭ এবং ২০১১ সালে। ২০১৫ সালে নিষেধাজ্ঞা না থাকলে হয়তো তখন সুযোগ পেতে পারতাম। সামনে যেহেতু ২০১৯ বিশ্বকাপ রয়েছে. যদিও আমি সেটি নিয়ে এখন চিন্তা করছি না। তার পরেও মনে করি যে যদি ভালো করতে পারলে আমার অভিজ্ঞতাগুলো হিসাব করতে পারে।’,1572951 2019-01-02,‘জনগণের প্রতি দায়িত্বটা আরও বেড়ে গেছে’,,বাসস. ঢাকা,১৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572952/%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF,bangladesh,online,2,সরকার|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ নির্বাচনে তাঁর দলের নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি অব্যাহতভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন. ‘নির্বাচনের পর দেশ ও জনগণের প্রতি আমার দায়িত্বটা আরও বেড়ে গেছে।’ শেখ হাসিনা আজ বুধবার বিকেলে গণভবনে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে আসা বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন. ‘জনগণের সেবা করাটা একটি বড় কাজ এবং আমি যত দিন বেঁচে থাকব এটা অব্যাহত রাখব।’ তিনি বলেন. ‘নির্বাচনের পর দেশ ও জনগণের প্রতি আমার দায়িত্বটা আরও বেড়ে গেছে।’ এ সময় তিনি জনগণের আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করে যাওয়ারও অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।বাংলাদেশ স্কাউটস এবং গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা. উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে ফুলের তোড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। শেখ হাসিনা বলেন. রোববারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয় সব সম্প্রদায় ও শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। ‘সমাজের সর্বস্তরের জনগণ আওয়ামী লীগের বিজয়ের জন্য সর্বান্তকরণে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল এবং এ জন্য আমি তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি.’ বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।শেখ হাসিনা তাঁর সন্ত্রাস. জঙ্গিবাদ এবং মাদকবিরোধী অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন. ‘বাংলাদেশের মাটিতে এ ধরনের জঞ্জালের কোনো স্থান হবে না।’ আওয়ামী লীগের সভাপতি তাঁর দলের নিরঙ্কুশ বিজয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে গণভবনে আসা বিভিন্ন সংস্থার সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে ধন্যবাদ জানান।,1572952 2019-01-02,নির্বাচনের পোস্টার সরানো শুরু,,আবদুস সালাম,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572950/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81,bangladesh,online,2,ছবির গল্প|একাদশ সংসদ নির্বাচন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার দুই দিন পরও রাজধানীর সড়ক ও অলিগলি থেকে সরানো হয়নি নির্বাচনী পোস্টার। এতে করে সৌন্দর্য হারাচ্ছে নগর। এদিকে বুধবার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পোস্টার সরানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি নিজ হাতে ঢাকা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদের নির্বাচনী পোস্টার অপসারণ করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ছবিগুলো বুধবারের।,1572950 2019-01-02,আরও ৬ ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র হচ্ছে,,অনলাইন ডেস্ক,২৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572949/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A7%AC-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87,bangladesh,online,2,ভিসা|ভারত,৬ জানুয়ারি থেকে ঠাকুরগাঁও ও বগুড়াতে এবং ১২ জানুয়ারি থেকে কুমিল্লা. নোয়াখালী. ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সাতক্ষীরায় ছয়টি নতুন ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু হতে যাচ্ছে। আজ বুধবার ভারতীয় হাই কমিশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে নয়টি ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু রয়েছে। এই ছয়টি নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রসহ এই সংখ্যা দাঁড়াবে মোট ১৫। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়. ‘বাংলাদেশে জুড়ে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু এবং প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধাসমূহ. ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সুদৃঢ় করতে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মানুষে মানুষে সম্পর্ক শক্তিশালী করার জন্য ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের সহযোগিতায় ভারতীয় হাই কমিশনের অব্যাহত প্রচেষ্টারই প্রতিফলন এটি।’,1572949 2019-01-02,কে আছেন. কে নেই?,,ইব্রাহীম চৌধুরী,,https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1572948/%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87,northamerica,online,2,আমেরিকা|যুক্তরাষ্ট্র,যাঁরা তাঁকে ঘৃণা করেন. প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের নতুন বছরের অভিনন্দন জানিয়েছেন। ‘ফেক মিডিয়া’—যারা নিত্যদিন ট্রাম্পের সমালোচনায় মুখর. তাদেরও শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেছেন. ‘শান্ত থাকো। আমেরিকার যে উন্নয়ন আসছে. তা নিয়ে আনন্দ করো।’ তাঁর ভাষায়. সামনে অনেক বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে আমেরিকায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সীমান্ত–দেয়ালে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দে কংগ্রেস একমত না হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার কার্যত বন্ধ রয়েছে। ওয়াশিংটনে বসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পড়েছেন উত্তপ্ত রাজনৈতিক বৈরিতায়। তাঁর স্বভাবসুলভ উপহাসে ভরা ছিল নববর্ষের টুইট বার্তা। সমালোচকদের শান্ত থাকার কথা তিনি বলেছেন। ২০১৯ সালের শুরুতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে তাঁর হোয়াইট হাউস গোছাতে হবে। অস্থির হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কে আছেন. কে নেই—তা হলফ করে কেউ বলতে পারবেন না। কার কোন সময় প্রস্থান ঘটছে. কে কোন সময় চলে যাচ্ছেন—তা নিয়ে হিসাব মেলাতে হিমশিম খেতে হয় খোদ আমেরিকার রাজনীতিবিদ বা সংবাদমাধ্যমেরও। বছরের শুরুতেই দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ নিয়ে ভাবতে হবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে। জেফ সেশনের প্রস্থানের পর উইলিয়াম বারকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। কংগ্রেসের শুনানিতে উইলিয়াম বার যে কঠিন পরীক্ষায় পড়বেন. তা এখনই অনুমান করা হচ্ছে। উইলিয়াম বার সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের সময় অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। এবারে রবার্ট ম্যুলারের চলমান তদন্ত নিয়ে শুনানিতে উইলিয়াম বার কড়া প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন। জেফ সেশনের প্রস্থানের পর অ্যাটর্নি জেনারেলের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন ম্যাথিউ উইটেকার। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস ডিসেম্বরের ২০ তারিখে তাঁর পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। ট্রাম্পের বিদেশনীতির সঙ্গে ভিন্নমতের কারণেই তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন ছেড়ে যাচ্ছেন। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন থেকে দেখানো হচ্ছে ম্যাটিস অবসরে যাচ্ছেন। প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী প্যাট্রিক শানাহান ১ জানুয়ারি থেকে জেমস ম্যাটিসের দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন. তিনি শিগগিরই নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোনয়ন দেবেন। অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল জ্যাক কেইন. সিনেটর টম কটন ও লিন্ডসে গ্রাহাম প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন—এমন আলোচনা হচ্ছে। যদিও সিনেটর গ্রাহাম ইঙ্গিত দিয়েছেন. তিনি ট্রাম্প প্রশাসনে যুক্ত হতে অনিচ্ছুক। তাঁরা সবাই আবার সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আসছেন। ইন্টেরিয়র সেক্রেটারি রায়ান জিঙ্কেও চলে যেতে হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগ আসছে। জমি ইজারা দেওয়া এবং চার্টার ফ্লাইটে ভ্রমণ নিয়ে তিনি নৈতিকতা লঙ্ঘনের দায়ে আটকা পড়ছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে শিগগিরই তাঁর বিকল্প খুঁজতে হবে। এ ক্ষেত্রে ডেপুটি ইন্টেরিয়র সেক্রেটারি ডেভিড বার্নহার্ডথ দায়িত্ব পেতে পারেন রায়ানের। এ পদের জন্য কংগ্রেসম্যান রব বিশপ. সিনেটর ডিন হেলার এবং সাবেক কংগ্রেসম্যান সিন্থিয়া লিমিসের নাম উচ্চারিত হচ্ছে।ফক্স নিউজের একসময়ের উপস্থাপক হেইদার ন্যুয়ার্ট মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে পরিচিত হয়ে ওঠেন মুখপাত্র হিসেবে। জাতিসংঘে আমেরিকার স্থায়ী দূত হিসেবে নিকি হেলির প্রস্থানের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হেইদার ন্যুয়ার্টকে এ পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। হেইদার ন্যুয়ার্ট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিদেশনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মোকাবিলা করার লড়াই সামাল দিতে হবে। তাঁর এ নিয়োগ নিশ্চিত করতে কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটরা কতটা হামলে পড়েন. তা এখন দেখার অপেক্ষায়।হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের পদে চলতি দায়িত্ব পালন করছেন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট বিভাগের প্রধান মিক ম্যালভানি। জন কেলির প্রস্থানের পরই চিফ অব স্টাফ কে হচ্ছেন. এ নিয়ে আলোচনা চলছিল। চিফ অব স্টাফের জন্য কংগ্রেসের শুনানির প্রয়োজন হয় না। অস্থির হোয়াইট হাউসে এ পদটিতে আবার কে আসছেন. এ নিয়ে নানা কানাঘুষা চলেই আসছে। বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে উইলবার রস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের শুরু থেকেই দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি তাঁর প্রস্থান নিয়ে সংবাদমাধ্যম সরগরম হয়ে উঠেছে। এ পদে ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের প্রধান লিন্ডা ম্যাকমাহন নিয়োগ পেতে পারেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম দিকের সমর্থক উইলবার রস। বর্তমানে ৮১ বছর বয়সী রসের বয়স আর কর্মক্ষমতা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উপহাস করেছেন বলে সংবাদ বেরিয়েছে।পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার প্রধান পদেও নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে পত্রিকায় সংবাদ বেরিয়েছে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিষয়ক প্রধান ক্রিস্টিন নেলসেন মধ্য মেয়াদি নির্বাচনের পরই বিদায় নিচ্ছেন. এমন কথা শোনা গেলেও এখনো আছেন। অভিবাসী দমনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির কঠিন বাস্তবায়ন নিয়ে ব্যস্ত ক্রিস্টিন নেলসনও থাকছেন না শেষ পর্যন্ত—এমন কথাই শোনা যাচ্ছে। এসব পদপদবি ছাড়াও ট্রাম্প প্রশাসনের আরও কমপক্ষে এক ডজন উচ্চ পদে পরিবর্তন আসতে পারে শিগগিরই। তাঁদের কেউ স্বেচ্ছায় চলে যাচ্ছেন. কেউ পড়েছেন প্রেসিডেন্টের রোষানলে। সংবাদ বিশ্লেষকেরা মনে করেন. প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই জানেন না তাঁর প্রশাসনে কে আছেন. কে নেই! সামনের দিনগুলো একদিকে নিজের বিরুদ্ধে তদন্ত তল্লাশি সামাল দেওয়া. নিজের প্রশাসন গুছিয়ে আনাসহ কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া ডেমোক্র্যাটদের সামাল দিতে গিয়ে নিজে কতটা বেসামাল হন. তা দেখার জন্যই অপেক্ষা এখন। ইব্রাহীম চৌধুরী. আবাসিক সম্পাদক. প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সংস্করণ। ibrahim. chowdhury@prothomalo. com,1572948 2019-01-02,মৃত্যুর দ্বারে দাঁড়িয়ে স্মৃতির অবগাহন,,উইলি মুক্তি,,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1572947/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A8,durporobash,online,2,,বর্ষাকালের ঝুম বৃষ্টি। মাঝে মাঝে বিকট শব্দে বিজলি চমকাচ্ছে। টিনের চালে বৃষ্টি পড়ার রিমঝিম জল তরঙ্গের মতো চমৎকার মনোমুগ্ধকর ধ্বনির এই আওয়াজ বধির পরির কান পর্যন্ত পৌঁছায় না। ভাবলেশহীন পরি একা একা ঘরের সামনের পাটাতনের ওপর বসে আছেন। বৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ভিজে গিয়ে পরার শাড়িটা গায়ের সঙ্গে লেপ্টে আছে। মনের মাঝে প্রচণ্ড ঝড় নিয়ে স্মৃতির অবগাহনে পরি ফিরে যায় বহু বছর আগে. তাঁর শৈশবে। অসহনীয় প্রচণ্ড কানের ব্যথায় একদিন মাঝরাতে ছোট্ট পরির ঘুম ভেঙে যায়। ব্যথার কারণে কিছুক্ষণ পর পর ফুঁপিয়ে কাঁদছে। একটু একটু করে তিন দিন থেকেই ব্যথাটা হচ্ছে। কানে আঙুল দিয়ে পানির মতো কিছু একটা অনুভব করল পরি। পরির মা পাশের ঘর থেকে উচ্চ স্বরে জিজ্ঞেস করেন. কাঁনদস কেন? কান ব্যথা করে মা. পরি উত্তর দেয়। আইচ্ছা এহন ঘুমা. কালকা নুরুছুনের লগে ডাক্তারের কাছে পাডামুনে (নুরুছুন বাড়ির ম্যানেজার)। তারপরও পরির গোঙানির আওয়াজ পাওয়া যায়। বড় বোন আদর করে সান্ত্বনা দেয়. লক্ষ্মী বইন আমার এহন ঘুমা কালকা ডাক্তারের কাছে নিয়া গেলে মিষ্টি ওষুধ দিব তোরে। দেহিছ কানের ব্যথা এক্কেবারে ভালো হইয়া যাইব। বড় বোনের আদর আর সান্ত্বনা পেয়ে ব্যথা নিয়ে ঘুমাবার চেষ্টা করে পরি। পরদিন যথারীতি নুরুছুন পরিকে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। কান পরীক্ষা করে ডাক্তার দেখল কানের থেকে তরল জাতীয় কিছু একটা গড়িয়ে পড়ছে। নুরুছুন ডাক্তারকে বলেন. পুসকুনিতে গোছল করতে যাইয়া কানে পানি ঢুকছে ডাক্তার সাব। ওষুধ দেন ঠিক হইয়া যাইব। ডাক্তার পরির কানে একটি ওষুধের বোতল থেকে কয়েক ফোঁটা ওষুধ ওর কানে ঢেলে দিলেন। ফেনার মতো কী যেন বের হলো। কিন্তু মুহূর্তেই চিৎকার করে পরি মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। বেশ কিছু ঘণ্টা পর পরি চোখ খুলে দেখে মা আর ভাই বোনেরা সবাই ওর পাশে বসে কাঁদছে। কানের ব্যথায় পরিও কাঁদতে থাকে। অ্যালোপ্যাথিক ডাক্তারের চিকিৎসার কিছুদিনের মধ্যে পরি সুস্থ হয়ে ওঠে ঠিকই কিন্তু পরবর্তীতে জানতে পারে হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ভুল করে অ্যাসিড জাতীয় কিছু একটা ঢেলে দিয়েছিল পরির কানে। যে কারণে পরির একটি কানের পর্দা ছিঁড়ে গিয়ে চিরতরে অকেজো হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে কানে কথা অস্পষ্ট হতে থাকে। মদনগঞ্জ শহরের প্রতিষ্ঠিত ও স্বনামধন্য বড় ব্যবসায়ী সৈয়দ মতিউর রহমান মিঞার সাত কন্যা আর তিন পুত্র সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় কন্যা হচ্ছে পরি। অসম্ভব সুন্দরী ও সুশ্রী বলে বাবা মা নাম রেখেছেন পরি বানু। বনেদি পরিবার। ব্যাপারী বাড়িতে গদির মধ্যে পুরো দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মহাজনদের আনাগোনায় বাড়ি গমগম করে। সমগ্র বাড়িতে লোকজন. আত্মীয়স্বজন. কাজের লোক. খানাপিনা সব সময়ই জমজমাট থাকে। বড় বড় হাঁড়িতে রসনার আয়োজন করা হয় প্রতিদিন। কখনো কেউ শূন্য হাতে এ বাড়ি হতে ফেরত যায় না। এত জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে নিজের জগতে পরি ছিল নিতান্তই একা অসহায়।আট বছরের পরি চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী কানে কম শুনতে পায় বলে সবাই ওর সঙ্গে জোরে কথা বলে। স্কুলে গিয়েও তেমন একটা সুবিধা করতে পারছিল না। তাই একসময় পরির স্কুলে যাওয়াই বন্ধ হয়ে গেল। পরির অপারগতা পরিকে সবার কাছ থেকে আলাদা করে দিল। বড় সংসারে ছোট ছোট ভাই বোনদের দেখাশোনা করা. মাকে সাহায্য করা যেন নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল পরির ভাগ্যে। দূর থেকে মা মরিয়ম বেগম মেয়েকে দেখতেন আর আঁচলে চোখ মুছতেন।দিন গড়িয়ে যেতে লাগল। ভাইবোনদের সবাই লেখাপড়া শিখে বড় হয়ে গেল। কিন্তু পরি অজ্ঞতার আবরণে অন্ধকার সাগরে আবৃত হয়ে রইল। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেল। এক এক করে ছোট বোনদেরও বিয়ে হয়ে যেতে লাগল। কিন্তু পরির কথা কেউই ভাবছে না। নিজেকে লুকিয়ে পরি গোপনে কাঁদে। একদিন দাদির কাছে পরির কষ্ট ধরা পড়ে যায়। দাদি জিজ্ঞাসা করাতে কাঁদতে কাঁদতে আফসোস করে পরি বলে. বাবায় ছোট বোনদের বিয়া দিয়া দিতাছে. আমার বিয়ার কথা কেউ ভাবে না. কয়ও না। আমারে কি বাবায় কোনো দিন বিয়া দিব না? দাদি আশ্বাস দিয়ে বলেন. সবুর কর. কান্দিস না. আমি তোর বাপের লগে কথা কমুনে। দাদির কথা অনুযায়ী পরির জন্য পাত্র খোঁজ করা শুরু হলো। যথারীতি পরির উপযুক্ত ভালো একজন পাত্র দেখে ধুমধাম করে পরিরও বিয়ে দিয়ে দেওয়া হলো। আনন্দে পরির চেহারা এখন ঝলমল করে। সবাই ওকে দেখে মনের মধ্যে শান্তি পায়। ভরসা পায় এই ভেবে যে পরি এখন ভালো আছে। সুখে আছে শ্বশুরবাড়িতে। পুরোনো দিনের প্রচলন. মেয়েদের প্রথম সন্তান তাদের বাবার বাড়িতে হয়। আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা পরিকে তার স্বামী বাবার বাড়িতে রেখে যায় বাচ্চা প্রসবের জন্য। পরিকে পেয়ে বাড়ির সবাই অনেক খুশি। পরির জীবনে সুখের সীমা নেই। নতুন অতিথির আগমনের আশায় সবার মাঝেই একটি প্রস্তুতি চলতে থাকে। কিন্তু হায়. বিধির কী বিধান মাস খানেক পর একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান পরির কোল জুড়ে পৃথিবীতে এল ঠিকই কিন্তু পৃথিবীর আলো দেখা থেকে বঞ্চিত. জন্মান্ধ হয়ে। চোখ দুটো কেমন ঘোলাটে সাদা। নবজাতকের আগমনে পরির স্বামী ও শাশুড়ি আসে দেখা করতে পরির বাবার বাড়িতে। শুরু থেকেই পরির সমস্যা। তার ওপর অন্ধ বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। এই নিয়ে পরির শাশুড়ি তার বাবা-মাকে অনেক কথা শুনিয়ে দিলেন। অতঃপর পরির শাশুড়ি ওদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অসম্মতি প্রকাশ করলেন। পরির বাবা-মা তাদের এই অমানবিক আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে গেলেন। সিদ্ধান্ত নিলেন পরিকে তারা আর শ্বশুরবাড়িতে পাঠাবেন না। মানুষের দুর্বল মুহূর্তে অন্যের দ্বারা বিরোধ করা অপ্রাসঙ্গিক কিছু শব্দ অন্তরাত্মায় কতখানি ওলটপালট করে দেয় যে ভুক্তভোগী সেই একমাত্র বুঝতে পারেন। অশ্রুসজল চোখে পরি দরজায় দাঁড়িয়ে স্বামী আর শাশুড়ির চলে যাওয়া দেখল। কিছুদিন পর মায়ের অবাধ্য হয়েও পরির স্বামী গোপনে দুই দুবার পরির সঙ্গে দেখা করতে আসে। বউ ও সন্তানকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরির বাবা-মাকে অনুরোধ করে। কিন্তু পরির বাবা-মা নিজের সন্তানের কষ্টের কথা ভেবে আর নিজেদের অহংকারী আত্মমর্যাদা যেন কোনো ভাবেই ক্ষুণ্ন না হয় সমাজের কাছে. এ জন্য পরির স্বামীকে বারণ করে দিলেন সে যেন এ বাড়িতে আর কখনো না আসে। বিহ্বল নির্বাক পরি বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তের ওপর আর কোনো কথা বলার সাহস পেল না। স্বামী আবারও নিতে আসবে কেবল এই আশায় বুক বেঁধে শূন্য আকাশের পানে চেয়ে পরি প্রতীক্ষার প্রহর গুনতে লাগল। বছর ঘুরে বছর আসে। দেখতে দেখতে দুই বছর পার হয়ে যায়। খবর আসে পরির স্বামী আবার বিয়ে করেছেন। এই কথা শুনতে পেরে পরির সমস্ত সাজিয়ে রাখা স্বপ্ন. দিন রাতের অপেক্ষা আর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে আছড়ে পড়ল দুই চোখের জল হয়ে। নিজের কষ্ট সামাল দিয়ে উঠতে অনেকটা সময় কেটে গেল পরির। কোনোরকম অভিযোগবিহীন মায়ের সংসারের কাজ আর নিজের বাচ্চা দেখাশোনা করে দিন অতিবাহিত করতে লাগল। বাচ্চাটার চোখ দুটোর দিকে তাকালে কেমন মায়া হয়। সুন্দর ফুটফুটে বাচ্চাটির চোখ ঘোলাটে সাদা হয়ে আছে। পরির এক ছোট বোন স্বামীর বাড়ি থেকে বাড়িতে বেড়াতে এসে মরিয়ম বেগমকে অনুরোধ করল. বাচ্চাটিকে চোখের ডাক্তার দেখানো দরকার। ঢাকায় নিয়ে ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে হয়তো ও দেখতে পাবে। কথামতো পরি আর তার বাচ্চাটিকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হলো চোখের ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার পরামর্শ দিলেন অপারেশন করলে হয়তো এই চোখ ভালো হয়ে যাবে তবে সময় লাগবে। আনন্দের অশ্রু ফেলতে ফেলতে পরি বাচ্চাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে এসে হরবর করে মাকে সব কথা এক নিশ্বাসে জানাল। মরিয়ম বেগম পরিকে আশ্বস্ত করলেন. তার বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া হবে অপারেশনের জন্য। পরি আনন্দে আত্মহারা. ছেলেকে নিয়ে আশার আলো দেখতে পেল। দিন গড়িয়ে যেতে থাকে। পরিও দুদিন পরপরই মাকে তাগিদ দিতে থাকে। আজ যাই কাল যাই করে মরিয়ম বেগম বড় সংসারের নানাবিধ ঝামেলার কারণে অতটা মনোযোগ দিতে পারেননি। এরই মধ্যে হঠাৎ করেই একদিন বাচ্চাটি টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। মরিয়ম বেগমকে পরি বাচ্চাটির জ্বরের কথা জানানোর পর ডাক্তার দেখানো হয় কিন্তু মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে প্রচণ্ড জ্বরে বাচ্চাটিকে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হয়। বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন সন্তানকে হারিয়ে পরি পাগলের মতো হয়ে যায়। রাত দুপুরে দৌড়ে কবরস্থানে চলে যায়। ছেলের কবরের পাশে বসে বিলাপ করে কাঁদে। বাড়ির লোকজন জোর করে তাকে ধরে নিয়ে আসে। তাতেও পরি শান্ত হয় না। পাগলের মতো দৌড়ে যায় মা মরিয়ম বেগমকে মারতে। চুল ধরে টেনে বলে. তুই আমার পোলারে মারছস। ডাক্তারের কাছে নেছ নাই ওষুধ দেছ নাই। আমার সোনা মানিক মইরা গেছে। আমারে ফালায় থুইয়া গেছে গা। তুই মারছস আমার মানিকরে তুই মারছস। পরির চোখ মুখ ঠিকরে বোবা আর্তনাদ বেরিয়ে আসে। আক্ষেপ করে সেই সময় বলে আজকে আমার স্বামী থাকলে আমার জাদু সোনা মইরা যাইত না। মরিয়ম বেগম মেয়ের এই কষ্টে নির্বাক হয়ে যান। এ কী হলো? বাস্তবতা এতটাই কঠিন যে কখনো কখনো বুকের ভেতর গড়ে তোলা বিন্দু বিন্দু ভালোবাসাও অসহায় হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবেই পরির পাগলামি চলতে থাকে। এক সময় একদম নিশ্চুপ হয়ে যায় পরি। আর কারও সঙ্গে কথা বলে না কাঁদেও না। একাকিত্বকে আঁকড়ে ধরে সামনের দিনগুলো নিরানন্দভাবে অতিবাহিত করতে থাকে। এক সময় বোনদের সবার বিয়ে হয়ে যায়। ভাইরাও বিয়ে করে নতুন বউ ঘরে নিয়ে আসে। কয়েক বছর পর পরির বাবা বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে মারা যান। যুগের পরিবর্তন ও ঘর বাড়ির পরিবর্তন হলো। নতুন নতুন মানুষদের আগমন হলো কিন্তু পরি যেমনটি ছিল তেমনিই আছে। ভাবলেশহীন শূন্য দৃষ্টিতে বারান্দার এক কোনায় বসে থেকে নৈসর্গিক জীবনের পথচলা পরির নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়। বেশ কিছু বছর পর পরির মা তার বড় বউয়ের হাতে পরিকে দেখে রাখার সমস্ত দায়িত্বভার দিয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করলেন। পরি সম্পর্কে আমার আত্মীয়। যখনই বাংলাদেশে যেতাম পরিচয় দেবার পর পুরো চেহারায় হাসি টেনে এনে মাথায় মুখে হাত বুলিয়ে দিয়ে বলতেন. রুসনের মাইয়া আইছে. রুসনের মাইয়া। পুলাও নান. মানসো নান (পোলাও রান্না কর. মাংস রান্না কর)। চোখে তেমন দেখতে পেতেন না তারপরও খুশিতে তার বড় বড় চোখ দুটি চকচক করে উঠত। বারো বছর আগে আমার সঙ্গে শেষ দেখা হয়েছিল। শেষবার আমাকে আর চিনতে পারেননি। ফ্যাল ফ্যাল করে শুধু মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। কারণ চোখে দেখতে পেতেন না. কানে তো শুনতেই পেতেন না। কিছু জানতে চাইলে উত্তরও পাওয়া যেত না। এখন সেই পরি অসুস্থ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। তার বড় ভাইয়ের ছেলেমেয়েরা তাকে দেখাশোনা করে। হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডের বিছানায় শুয়ে থাকেন। যেন অথর্ব নির্জীব একটি শরীর যার কোনো ভাষা নেই. চাহিদা নেই। বেঁচে আছেন নির্মোহ দৃষ্টি নিয়ে নিজের খেয়ালে নিজের ধ্যানে। যেন বেঁচে থাকাটা তার জন্য দুঃসহ এক শাস্তি। ক্যানসারে আক্রান্ত পরির শরীরের অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু অংশে পচন ধরেছে। বিছানায় চোখ বন্ধ করে বুকে হাত দিয়ে শুয়ে থাকেন। শরীরের কোনো যন্ত্রণা এখন আর তার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায় না। মাঝে মাঝে শরীরের কিছু অংশ মৃত বলে দাবি করে। কিছু মাছি গায়ের ওপর বসে থাকে। তারপরও তার মুখে উফ্ পর্যন্ত নেই। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস। আচ্ছা মৃত্যুর আগ মুহূর্তে কী মৃত মানুষের শরীরের গন্ধ মাছিগুলো টের পেয়ে যায়? সারাক্ষণই গায়ের ওপর বসে কানের কাছে ভন ভন করে একটি মাছি। মৃত্যুর দ্বারে দাঁড়িয়ে স্মৃতির অবগাহনে পরি প্রহর গুনে যাচ্ছেন অন্তিম শয্যার। উইলি মুক্তি: নিউইয়র্ক. ডুক্তরাষ্ট্র।,1572947 2019-01-02,বিবেক ওবেরয় প্রধানমন্ত্রী!,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572946/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80,entertainment,online,2,বলিউড,বলিউডে তৈরি হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বায়োপিক। আর তা তৈরি হবে ২০১৯ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনের আগেই। জানা গেছে. ছবিতে নরেন্দ্র মোদির চরিত্রে অভিনয় করবেন বিবেক ওবেরয়। আমাজনের ওয়েব সিরিজের পর এই ছবির মধ্য দিয়ে বলিউডে ফিরছেন এই তারকা। ছবিটি তৈরি করবেন ২০১৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া ‘মেরি কম’ ছবির পরিচালক ওমাং কুমার। এরপর তিনি আরেকটি বায়োপিক তৈরি করেছেন। সরবজিৎ সিংকে নিয়ে তৈরি তাঁর এই ছবির নাম ‘সরবজিৎ’। ছবিটি তৈরি হবে ৭০ এমএম প্রযুক্তিতে। পরিচালক ওমাং কুমারের এই ছবিতে থাকবে নরেন্দ্র মোদির জীবনের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত। চা-বিক্রেতা থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দেশে প্রধানমন্ত্রী হওয়া—সবই থাকবে গল্পে। দিল্লি থেকে বারোদা পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় ছবিটির শুটিং হবে। আরও থাকবে উত্তরাখন্ড আর হিমাচল প্রদেশও। নির্বাচনের আগে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হলে তা দেশের জনগণের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে. এমনটাই আশা করছেন উদ্যোক্তারা। দেশের নরেন্দ্র মোদির ভক্তরা যদি ছবিটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে আসেন. তাহলেই নাকি বাণিজ্যিক দিক থেকে ছবিটি ব্যবসাসফল হবে। বিবেক ওবেরয় এখন দক্ষিণের মালয়ালাম ছবি ‘লুসিফা’র কাজ নিয়ে ব্যস্ত। সর্বশেষ তাঁকে শেষ দেখা গেছে কন্নড় ছবি ‘কমান্ডো’ আর তামিল ছবি ‘বিবেগম’-এ।,1572946 2019-01-02,৬৪ মিলিয়নে কিনে আবার ফেরত!,,খেলা ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572945/%E0%A7%AC%E0%A7%AA-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%A4,sports,online,2,ফুটবল|ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ|আন্তর্জাতিক ফুটবল,জানুয়ারির দলবদলে ৬৪ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচকে কিনেছে চেলসি। কিন্তু গ্রীষ্মের আগে তাঁকে ডর্টমুন্ড ছাড়তে রাজি নয়. তাই কিনেই আবার ধারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিসিচকে উইঙ্গার উইলিয়ান এ মৌসুমে নেই পুরোনো ছন্দে। ডান প্রান্তে খেলার জন্য চেলসির প্রয়োজন একজন উইঙ্গার। ওদিকে ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচ পণ করেছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলবেনই। দুই দুইয়ে চার মিলেছে যখন. তখন আর বাধা কিসে! ৬৪ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে তাই বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে পুলিসিচকে নিয়ে এসেছে চেলসি। তবে এখনই মার্কিন উইঙ্গারকে মাঠে নামাতে পারছে না চেলসি। কিনে আবার ডর্টমুন্ডেই ধারে পাঠিয়ে দিয়েছে তাঁকে। চলতি মৌসুম শেষ করে তবেই ইংল্যান্ডে পাড়ি জমাবেন এই প্রতিভা। শুরু হয়েছে জানুয়ারির দলবদল। দল বদলের বাজারে অনেক গুঞ্জন থাকলেও এখন পর্যন্ত পুলিসিচের মোটা অঙ্কের দল বদলের খবরটিই আগুন ছড়িয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে বরুসিয়াতে খেলছেন ২০ বছর বয়সী উইঙ্গার। ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি আছে তাঁর। ব্যক্তিগতভাবে চুক্তি নবায়ন না করার ইচ্ছে আগেই জানিয়েছেন। সে সঙ্গে যোগ হয়েছে চেলসির আগ্রহ। দুইয়ে দুই মিলে পুলিসিচ এখন ইংলিশ ক্লাবটির সম্পত্তি। ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটিতে নাম লেখাতে পেরে নিজেকে বিশেষ একজন ভাবছেন পুলিসিচ. ‘কিংবদন্তি এক ক্লাবে নাম লেখাতে পেরে নিজেকে বিশেষ একজন মনে হচ্ছে।’ দেশের জার্সিতে ২৩ ম্যাচে নয় গোল আছে পুলিসিচের। চলতি মৌসুমে বরুসিয়ার জার্সিতে ১৮ ম্যাচে গোল করেছেন তিনটি। কিন্তু নতুন কোচের কাছে তাঁর চেয়ে জাডোন সানচোই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। আর তাঁকে বিক্রি করা ছাড়া আর কোনো উপায়ই ছিল না বলে মনে করেন বরুসিয়া ক্লাব পরিচালক মিশেল জোর্ক. ‘ক্রিস্টিয়ানোর সব সময় স্বপ্ন ছিল সে প্রিমিয়ার লিগে খেলবে। ফলে তাঁর সঙ্গে আমরা চুক্তি করতে পারছিলাম না। এর মধ্যে চেলসির প্রস্তাবটাও ছিল লাভজনক।’,1572945 2019-01-02,‘দীপিকা পাড়ুকোন’ খেতে চান?,,বিনোদন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572944/%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E2%80%99-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,online,2,বলিউড,‘দীপিকা পাড়ুকোন’ খেতে চান? অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন. এ আবার কেমন কথা! কিন্তু আপনি নিশ্চিত থাকুন. সত্যিই তা-ই। খাবার হিসেবে ‘দীপিকা পাড়ুকোন’ কিন্তু খুবই জনপ্রিয়। ভারতে নয়. আপনি ‘দীপিকা পাড়ুকোন’ খেতে পারবেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অস্টিন শহরে। জানা গেছে. সেখানে স্থানীয় এক রেস্তোরাঁয় বলিউডের এ সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই তারকার নামে বিক্রি হচ্ছে দোসা।দীপিকা পাড়ুকোন ফ্যান ক্লাবের টুইট থেকে খবরটি জানতে পেরেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। তিনি তো অবাক! শুরুতে ভেবেছেন. এটা শুধুই ভক্তের পাগলামি। পরে দেখেছেন. সত্যি সত্যি সেখানে ‘দীপিকা পাড়ুকোন’ নাম দোসা বিক্রি হচ্ছে। এর দাম ১০ ডলার। মেন্যুর ওপরের দিকে আছে আইটেমটি। কারণ এরই মধ্যে এটি খুব জনপ্রিয় হয়েছে। সবকিছু দেখে তিনি টুইটারে সেই রেস্তোরাঁর মেনুর ছবি দিয়ে লিখেছেন. ‘কারও খিদা লেগেছে?’যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারতের পুনাতেও ‘দীপিকা পাড়ুকোন’ নামে পরোটার থালি পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে সবাই ‘দীপিকা পাড়ুকোন’ খাচ্ছেন. সেখানে তাঁর স্বামী রণবীর সিং কী বলবেন? সব দেখে রণবীর সিং বলেন. ‘তাঁর স্ত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের নামে যেখানে যা খাবার পাওয়া যাচ্ছে. তিনি সব খাবেন।’,1572944 2019-01-02,বল মনে করে খেলছিল শিশুরা,,প্রতিনিধি. নারায়ণগঞ্জ ও সংবাদদাতা. ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572943/%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE,bangladesh,online,2,নারায়ণগঞ্জ|বিস্ফোরন,নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ময়লার স্তূপ থেকে ক্রিকেট বলের মতো দেখতে স্কচটেপ মোড়ানো চারটি বল কুড়িয়ে পায় শিশুরা। এই বল নিয়ে খেলার সময় ঘটে গেল বিস্ফোরণ। আহত হলো তিন শিশু। আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে পশ্চিম রসুলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বলসদৃশ বস্তু আসলে ককটেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত শিশুরা হলো পশ্চিম রসুলপুর আবদুল মান্নানের ভাড়াটে টিটু মিয়ার দুই ছেলে আসিফ (৫) ও আরিফ (৩) এবং একই বাড়ির ভাড়াটে আবুল হোসেনের মেয়ে আঁখি (১২)। গুরুতর আহত আঁখিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয় । এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়. সকাল ১০টায় পশ্চিম রসুলপুর এলাকায় আবদুল মান্নানের বাড়ির পাশে একটি ময়লার স্তূপ থেকে ক্রিকেট বলের মতো দেখতে চারটি বল কুড়িয়ে নিয়ে আসে তাঁর ভাড়াটেদের তিন শিশু। ওই তিন শিশু ঘরের ভেতরে বলসদৃশ বস্তু নিয়ে খেলার সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দেখে আঁখির মুখ এবং অপর দুই শিশুর শরীর ও হাত-পা পুড়ে গেছে। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের বিছানায় আঁখি প্রথম আলোকে বলে. ‘ আমরা খেলা করছিলাম। আসিফ কুড়িয়ে বল আকৃতির স্কচটেপ প্যাঁচানো চারটি বল আনে। আমরা খেলা করতে করতে একটি বিকট শব্দ হয়।’ আঁখির ডান হাত পা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে গেছে। সে রসুলপুর আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা বলেন. ‘তিনটি ককটেল আমরা উদ্ধার করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’,1572943 2019-01-02,সব সম্ভাবনাই আছে: জি এম কাদের,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572942/%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,2,রাজনীতি|এরশাদ|জাতীয় পার্টি|আওয়ামী লীগ,জাতীয় পার্টি (জাপা) সরকারে নাকি বিরোধী দলে থাকবে. তা সংসদীয় দল ও মহাজোটের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর চূড়ান্ত করা হবে। এমনকি জাতীয় সরকারও হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আজ বুধবার বনানীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন জি এম কাদের। জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের রাজনৈতিক উত্তরসূরি জি এম কাদের বলেন. ‘আমরা দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছি। আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের সঙ্গে মহাজোট গঠন করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। আজকের সভার সিদ্ধান্ত হয়েছে. আমাদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) শপথ নেবেন। শপথ গ্রহণের পর সংসদীয় দল সিদ্ধান্ত নেবে—আগামী দিনে আমাদের রাজনীতিটা কোন দিকে প্রবাহিত হয়। দলের সাংসদেরাই বসে সিদ্ধান্ত নেবেন। এরপর মহাজোটের সঙ্গে বসেও আমাদের সমস্যা ও সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করব।’ জি এম কাদের বলেন. সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন এবং সরকার ও বিরোধী দলের থাকা না-থাকার বিষয় সম্পর্কে সংসদীয় দল সিদ্ধান্ত নেবে। দলের অধিকাংশ প্রেসিডিয়াম সদস্য সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। প্রেসিডিয়াম সদস্যরাও সংসদীয় দলকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন. ‘পার্লামেন্টে (সংসদে) শক্তিশালী বিরোধী দল থাকা দরকার। তবে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যদি মনে করা হয় শক্তিশালী বিরোধী দল হচ্ছে না... এটি আগেও হয়েছে। ’৭৩ সালে আওয়ামী লীগের সিটের (আসন) সংখ্যা দুই-তিনটি বাদে সবগুলোই ছিল। এটা তো জনগণের ইচ্ছা। গণতন্ত্রে তো জনগণের ইচ্ছার বাইরে কোনো কিছু হওয়ার উপায় নেই। হয়তো জাতীয় সরকার হতে পারে। অনেক কিছুই হতে পারে। নির্বাচনে রেজাল্ট যেটা আসে সেটার ওপর ভিত্তি করে সংসদ চলবে।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান বলেন. ‘সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সংসদে সরকারি দলের (আওয়ামী লীগ) পরই এখন আমাদের (জাতীয় পার্টি) অবস্থান। আমরা মহাজোট গঠন করে নির্বাচন করেছি। তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ও আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার মিলেমিশে করেছি। সেই অবস্থান থেকেই আমাদের সামনে অগ্রসর হতে হবে। ভবিষ্যতে অবস্থান বুঝে যদি কোনো প্রয়োজন হয়. দেশের স্বার্থে তখন সেটা দেখা যাবে। জোটের সঙ্গে আছি। জোটের সব নেতা-কর্মী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। কাজেই এখনো আমরা একভাবেই আছি। একভাবেই থাকতে চাই। মন্ত্রিপরিষদে থাকার বিষয়টিও সংসদীয় দল ও মহাজোটের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বিরোধী দলের নেতা হওয়ার বিষয়টিও আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। এখন আমি সম্ভাবনার বিষয়টি বলতে চাই না। সব ধরনের সম্ভাবনাই আছে।’ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে কি না? জানতে চাইলে জিএম কাদের বলেন. ‘আমার এলাকায় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে. এইটুকু বলতে পারব। অন্য এলাকায় হয়েছে কি না. তা বলতে পারব না। যেহেতু আমার এলাকার নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।’ আজ সকাল ১০টায় বৈঠক শুরু হয়। তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। এতে দলের জি এম কাদের. মসিউর রহমান. কাজী ফিরোজ রশীদ. ফয়সল চিশতী. আবু হোসেন বাবলা. লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন. সালমা ইসলামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তবে বিদায়ী সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে দেখা যায়নি। আরও পড়ুন: জাতীয় পার্টি সরকারে না বিরোধী দলে. সিদ্ধান্ত কাল,1572942 2019-01-02,বিপিএলে বিদেশি তারকারা কে কোন দলে?,,খেলা ডেস্ক,১৮,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572940/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87,sports,online,2,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,বিপিএলের ষষ্ঠ মৌসুম শুরু হচ্ছে ৫ জানুয়ারি। জাতীয় দলের টানা সূচির ডামাডোলে অনেকেরই হয়তো মনে নেই তারকারা কে কোন দলে খেলছেন এবারের বিপিএলে। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের আগে তাই প্রথম আলোর পক্ষ থেকে আরেকবার জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিদেশি তারকারা কে কোন দলে খেলছেন অবশেষে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ। নির্ধারিত সময়ের একটু পরেই হচ্ছে এবারের বিপিএল। তবে এতে আগ্রহের কমতি হয়নি কোনো। এবার বিপিএল সাজছে আরও বাড়তি রঙে। এবারই যে প্রথম এবি ডি ভিলিয়ার্স. স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারদের দেখা যাবে বিপিএলে। বিপিএলে প্রায় প্রতি ম্যাচেই বিদেশি তারকারা মোড় ঘুড়িয়ে দেন। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্কোয়াড গড়তে তাই ভালো বিদেশি খেলোয়াড়ের বিকল্প নেই। প্রতিটি দলই তাই চেষ্টা করেছে সম্ভাব্য সেরা খেলোয়াড়টিই বেছে নিতে। তবে এবার যেমন স্মিথদের বিপিএলে দেখা যাচ্ছে তেমনি বিগ ব্যাশের কারণে রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবীর মতো তারকাদের পাওয়া যাচ্ছে না। বিপিএলে বিদেশি তারকাদের দল রংপুর রাইডার্সক্রিস গেইল. এবি ডি ভিলিয়ার্স. অ্যালেক্স হেলস. রাইলি রুশো. ওশান টমাস. শেলডন কটরেল. শন উইলিয়ামস. রবি বোপারা। ঢাকা ডায়নামাইটসকাইরন পোলার্ড. রোভম্যান পাওয়েল. আন্দ্রে রাসেল. সুনীল নারাইন. ইয়ান বেল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসস্টিভেন স্মিথ. শহীদ আফ্রিদি. এভিন লুইস. লিয়াম ডসন. শোয়েব মালিক. থিসারা পেরেরা। খুলনা টাইটানসকার্লোস ব্রাফেট. লাসিথ মালিঙ্গা. ডাভিড মালান. ইয়াসির শাহ. পল স্টারলিং. ব্রেন্ডন টেলর. ডেভিড ভিসে। সিলেট সিক্সারসডেভিড ওয়ার্নার. আন্দ্রে ফ্লেচার. ইমরান তাহির. মোহাম্মদ ইরফান. নিকোলাস পুরান. সোহেল তানভীর। রাজশাহী কিংমোহাম্মদ হাফিজ. সেকুগে প্রসন্ন. রায়ান টেন ডেসকাট. ইসুরু উদানা। চিটাগং ভাইকিংসমোহাম্মদ শেহজাদ. লুক রনকি. সিকান্দার রাজা. দাসুন শানাকা. ক্যামেরন ডেলপোর্ট. নাজিবুল্লাহ জাদরান।,1572940 2019-01-02,ফেনীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দুই,,প্রতিনিধি. ফেনী,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572941/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87,bangladesh,online,2,অপরাধ|ফেনী|বন্দুকযুদ্ধ,ফেনীতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যদের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছেন। র‌্যাবের দাবি নিহত দুজন মাদক ব্যবসায়ী। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দাগনভূঁঞা উপজেলা সিলোনীয়া বাজার এলাকায় ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।নিহতরা হলেন মো. আসাদ (৪২) ও ইমামুল হক আকন্দ (২৪)। দুজনই মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।র‌্যাব জানায়. ফেনী সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা ধর্মপুর থেকে একদল মাদক পাচারকারী বড় ধরনের মাদক পাচার করছে—এমন খবরের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা রাতেই সেখানে হাজির হয়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক পাচারকারীরা একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ে দ্রুত পালায়। র‌্যাবও তাদের পিছু নেয় এবং ধাওয়া করে। একপর্যায়ে দাগনভূঁঞা উপজেলা সিলোনীয়া বাজার এলাকায় পৌঁছে মাদক পাচারকারীরা কাভার্ডভ্যান ফেলে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তাঁরা (পাচারকারীরা) র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনের লাশ উদ্ধার করেন। এ ছাড়া একটি ওয়ান শুটার গান. ১৩টি গুলি ও ২৫০ কেজি গাঁজা এবং একটি কাভার্ডভ্যান জব্দ করেন। আজ বুধবার দুপুরে ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে লাশ দুটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। দুপুর পর্যন্ত তাঁদের কোনো স্বজন লাশ নিতে হাসপাতাল মর্গে যায়নি। র‌্যাব-৭. ফেনী ক্যাম্পের অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিম জানান. নিহত দুজনই মাদক পাচারকারী চক্রের সদস্য। এ ঘটনায় র‌্যাবের ফেনী ক্যাম্পের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দাগনভূঁঞা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।,1572941 2019-01-02,অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দিকে মার্কিন বাহিনীর কাঁদানে গ্যাস,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1572938/%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87,northamerica,online,2,যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকা,যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসনপ্রত্যাশী লোকজনকে রুখতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে মার্কিন সীমান্তরক্ষী বাহিনী। ১৫০ জনের একটি দল মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করলে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বাধার মুখে পাথর ছুড়তে শুরু করে। এর জবাবে কাঁদানে গ্যাস ও পিপার স্প্রে (মরিচের গুঁড়ামিশ্রিত স্প্রে) ছোড়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এ সময় ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার এএফপির খবরে জানানো হয়. গতকাল মঙ্গলবার সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গত বছরের নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত দ্বিতীয়বার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার ঘটনা ঘটল। অভিবাসনপ্রত্যাশী পাঁচ হাজার অভিযাত্রীর মধ্যে সবশেষ খ্রিষ্টীয় নববর্ষের বিকেলে তিজুয়ানা. মেক্সিকো. সান দিয়েগোর ঠিক দক্ষিণে এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় দেড় হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী অবস্থান নিয়েছেন। বিষয়টি ক্ষুব্ধ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এএফপির প্রতিবেদকের সামনেই কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার ঘটনাটি ঘটে। প্রতিবেদনে বলা হয়. সেখানে এক শ জনের মতো জড়ো হয়েছিল। মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লোকজন গত সোমবার স্থানীয় সময় রাত আটটার দিকে প্লায়াস দ্য তিজুয়ানা নামক জায়গায় জড়ো হয়। প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলীয় স্থানটি প্রায়ই অবৈধ অভিবাসীদের বহির্গমন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সীমান্ত এলাকাটি বেড়া দিয়ে ঘেরা। অপর প্রান্তে মার্কিন বাহিনীকে নজরদারি করতে দেখা যায়। রাত বাড়লে দুই পাশের লোকজন খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্‌যাপনে মেতে ওঠে। ওই সময় অভিবাসীরা সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে মার্কিন সীমান্তরক্ষী বাহিনী কমপক্ষে দুটি কাঁদানে গ্যাস ছুড়লে অভিবাসীরা ফিরে যান। সীমান্ত পেরিয়ে যাওয়া অভিবাসী দলে নারী. পুরুষ. কিশোর-কিশোরী ও শিশু ছিল। ওই চেষ্টার পর ওই দলের একটি অংশ সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থান নেয় এবং পরে অন্যরা সেখানে এসে যোগ দেয়। নববর্ষ শুরু হওয়ার অল্প কিছু পরে কয়েক জন অভিবাসী পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে টহলে থাকা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অবস্থান বোঝার চেষ্টা করে। ওই দলটি দৌড়ে সীমান্তে যাওয়ার সেকেন্ডের মধ্যে মার্কিন বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। এক বিবৃতিতে ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) জানিয়েছে. নিরাপত্তাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়ানোর পর ৪৫ জন অভিবাসীর প্রথম দলটি মেক্সিকোর দিকে ফিরে গেছে। একটু পরই তারা সিবিপি কর্মকর্তাদের দিকে পাথর ছুড়তে শুরু করে।,1572938 2019-01-02,সব অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য সমাধানের আহ্বান,বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্য,প্রতিনিধি. লন্ডন,২২,https://www.prothomalo.com/international/article/1572937/%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8,international,online,2,যুক্তরাজ্য|নির্বাচন|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বাংলাদেশ,বাংলাদেশের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন নিয়ে উত্থাপিত সব অভিযোগের স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরে এমন আহ্বান জানান দেশটির পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মার্ক ফিল্ড। তিনি জানান. নির্বাচনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল তিনি লক্ষ করেছেন। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মার্ক ফিল্ড বলেন. নির্বাচন ঘিরে গ্রেপ্তার এবং বাধা প্রদানের বিশ্বাসযোগ্য ঘটনাগুলোর পাশাপাশি এসব ঘটনা যে বিরোধী দলগুলোর নির্বাচনী প্রচারকে সীমিত করেছে অথবা প্রচারণা থেকে বিরত রেখেছে. সেসব বিষয়ে তিনি অবগত। নির্বাচনের দিন অনিয়মের কারণে ভোটারদের ভোট দিতে না পারার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এসব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ. স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানান তিনি। নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোর অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই বিবৃতিতে মার্ক ফিল্ড নির্বাচনী প্রচারকালে ঘটে যাওয়া ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সংঘাতের ঘটনাগুলোর নিন্দা জানান। নির্বাচনের দিন প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে প্রিয়জন হারানো পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ব্রিটিশ এই প্রতিমন্ত্রী। মার্ক ফিল্ড বলেন. যেকোনো কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য অবাধ. সুষ্ঠু. নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অপরিহার্য। নিজেদের বিরোধগুলো নিরসনে সরকার ও বিরোধী দলগুলোর একসঙ্গে কাজ করা এবং বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিবৃতি তিনি আরও বলেন. বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারত্ব রয়েছে। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি জনগোষ্ঠী যুক্তরাজ্যে বসবাস করছে। অধিকতর স্থিতিশীল. সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা. তাতে যুক্তরাজ্য অব্যাহতভাবে সমর্থন দিয়ে যাবে।,1572937 2019-01-02,নারীদের ৬২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন,,অমর সাহা. কলকাতা,,https://www.prothomalo.com/international/article/1572936/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%AC%E0%A7%A8%E0%A7%A6-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%98-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A8,international,online,2,ভারত|নারী,ভারতের কেরালার নারীরা গতকাল মঙ্গলবার ৬২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। এতে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের লাখ লাখ নারী। লিঙ্গবৈষম্যের প্রতিবাদে এবং শবরীমালা মন্দির নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ মান্য করার দাবিতে এই মানববন্ধন হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটায় উত্তর কেরালার কাসারগড় থেকে দক্ষিণ কেরালার তিরুবনন্তপুরম পর্যন্ত লম্বা এই মানববন্ধনে অংশ নেন রাজ্যের লাখ লাখ নারী। এই মানববন্ধনে সায় ছিল রাজ্যের বামদলীয় সরকারের। এতে অংশ নেয় রাজ্যের ১৭৬টি রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। একই দিন এই মানববন্ধনকে সমর্থন জানিয়ে কোঝিকোড়ের মুথালাকুলামে সমান্তরাল আরেকটি ‘সৌভ্রাতৃত্ব বন্ধন’ তৈরি করেন কেরালার পুরুষ সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্টজনেরা। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট কেরালার ঐতিহ্যবাহী শবরীমালা মন্দিরে ঋতুমতী নারীদের প্রবেশাধিকার দিলে এ নিয়ে বিক্ষোভ ছড়ায় কেরালার বিভিন্ন এলাকায়। লিঙ্গবৈষম্যের প্রতিবাদে এবং সুপ্রিম কোর্টের রায় পালন করতে এই মানবপ্রাচীর তৈরি করেন রাজ্যের নারীরা। গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের চেষ্টা সত্ত্বেও শবরীমালার আয়াপ্পা মন্দিরে ঢুকতে পারেননি ঋতুমতী নারীরা। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় ৬২০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি। আন্দোলনকারীরা বলছেন. শিক্ষা. স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে কেরালা সমৃদ্ধ ঐতিহ্য বহন করে। তবে এখন কেরালার নারীদের ঠেলে দেওয়া হচ্ছে মধ্যযুগীয় অন্ধকারে। এর প্রতিবাদেই এই মানববন্ধন। তবে মানববন্ধন করতে গিয়ে যাতে কোনো যানজটের সৃষ্টি না হয়. সেই লক্ষ্যে গতকাল দুপুর থেকে ইডুকি. কোঝিকোড়. কান্নুর. তিরুবনন্তপুরমসহ বিভিন্ন জেলার স্কুল ছুটি ঘোষণা করা হয়। মানববন্ধনে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাতসহ অন্য নেতারাও। এদিকে এই মানববন্ধনের প্রতিবাদ করেছে কেরালায় বিজেপির নারী মোর্চার সভাপতি কেটি রেমা। তিনি বলেন. এই মানববন্ধন সফল হলেও লিঙ্গবৈষম্যের ইস্যু এখানে প্রাধান্য পায়নি। বরং এটাকে মনে হয়েছে সিপিএমের সমাবেশ।,1572936 2019-01-02,নারী নির্যাতনে অপরাধীরা পার পাবে না: কাদের,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572939/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87,bangladesh,online,2,নির্বাচন|ওবায়দুল কাদের|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|বিএনপি,নির্বাচনের পরপর নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীকে নির্যাতনের ঘটনায় অপরাধী যারাই হোক. কেউ পার পাবে না বলে হুঁশিয়ারি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা আজ বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাত করতে যান। সাক্ষাত শেষে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন. এ বিষয়ে ইতিমধ্যে পুলিশের আইজির সঙ্গে কথা হয়েছে। একজন ডিআইজি সেখানে গেছেন। প্রশাসন এ ব্যাপারে তৎপর. সরকারও কঠোর অবস্থানে আছে। অপরাধী যেই হোক তাকে শাস্তি পেতেই হবে। বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের নবনির্বাচিত সাতজন সাংসদ শপথ নাও নিতে পারেন বলে গণমাধ্যমে যেসব খবর এসেছে- এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন. তাঁদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত। জনগণের রায়কে তাঁরা সম্মান করবেন এটাই আশা করি। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে আ. লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন. ‘এটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তবে ১০ জানুয়ারির মধ্যেই নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।’ আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে গণধর্ষণের ঘটনায় আরেকজন গ্রেপ্তার,1572939 2019-01-02,আমরা তোমাদের ভুলব না,,শাওন রায়,,https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1572935/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%AC-%E0%A6%A8%E0%A6%BE,bondhushava,online,3,,মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীর কথায় যুদ্ধদিনের স্মৃতি। পিনপতন নীরবতায় সেই স্মৃতিকথা শুনছেন বন্ধুরা। এ চিত্র গত ১৪ ডিসেম্বর বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ শিরোনামের আয়োজনের। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চট্টগ্রাম বন্ধুসভা। এতে উপস্থিত ছিলেন একাত্তরের গেরিলা যোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান। প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে শুরু হয় মূল আয়োজন। ছিল বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন। এরপর স্মৃতির ডালি খুলে বসেন ডা. মাহফুজুর রহমান। তিনি বলেন. ‘১৯৫২ সালে বাঙালি যখন ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছিল. তখনো চিন্তা করেনি বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন. সার্বভৌম রাষ্ট্র হবে। কিন্তু ১৯৭০–এ নিবার্চনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ের পর যখন শাসনভার বুঝিয়ে দেয়নি. তখন বাঙালি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এরপর নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। ১৯৭১ সালে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাঙালি যখন স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছে. ঠিক তখনই বাঙালিকে মেধাশূন্য জাতিতে পরিণত করতে বর্বর নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ করতে তৈরি হয়েছিল নীলনকশা। ধরে নিয়ে হত্যা করা হয় বুদ্ধিজীবীদের।’ ১৯৭১ সালে ডা. মাহফুজুর রহমান ছিলেন চট্টগ্রামের একটি গেরিলা দলের কমান্ডার। তিনি তখনকার সম্মুখ সমরের গল্পও শোনান বন্ধুদের। তিনি বলেন. ‘সে সময় চট্টগ্রাম ছিল একটি গলির মতো। অল্প কয়েকটি ভবন ছিল। সবচেয়ে বড় কথা এই শহরের মানুষগুলো পাশে ছিল। আমাদের আশ্রয় দিয়েছে। খেতে দিয়েছে। এই মানুষগুলো পাশে না থাকলে হয়তো এত তাড়াতাড়ি বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না।’ তিনি বলেছেন. ‘আমরা যুদ্ধ করেছি স্বাধীন. অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশের জন্য। কত যোদ্ধা তিনি দেখেছেন. নিজের শরীরের সঙ্গে বোমা লাগিয়ে জয় বাংলা বলে শত্রুর ঘাঁটিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।,1572935 2019-01-02,নোয়াখালীতে গণধর্ষণের ঘটনায় আরেকজন গ্রেপ্তার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. নোয়াখালী,২১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572932/%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,online,3,অপরাধ|নোয়াখালী|ধর্ষণ|নারী নির্যাতন|নারীর প্রতি সহিংসতা,নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে (৪০) মারধর ও গণধর্ষণের ঘটনায় আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম মো. স্বপন (৩৫)। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো। গ্রেপ্তার অপর আসামি হলেন বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০)। নির্যাতনের শিকার ওই নারী বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আজ বুধবার দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে তাঁর কাছে শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে চালে তিনি প্রথম আলোকে বলেন. এখনো পুরো শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা। ব্যথার কারণে কাত হয়ে ফিরতে পারেন না। সারা শরীরে নির্যাতনের জায়গাগুলোতে রক্ত জমে কালো হয়ে গেছে। চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. মামলায় মো. সোহেল (৩৫). মো. হানিফ ৩০). মো. স্বপন (৩৫). মো. চৌধুরী (২৫). মো. বেচু (২৫). বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০). আবুল (৪০). মোশারফ (৩৫) ও ছালা উদ্দিনের (৩৫) নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলা করার পর এ পর্যন্ত দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান. বাদশা ও স্বপনকে গ্রেপ্তারের পর থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু তাঁরা ঘটনার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. খলিল উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন. ওই নারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন আছে। গতকাল মঙ্গলবার থানা থেকে অনুরোধপত্র পাঠানোর পর তাঁরা আলামত সংগ্রহ করেছেন। তবে পরীক্ষার ফলাফল এখনো তাঁর হাতে এসে পৌঁছায়নি। আজ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পৃথক দুটি দল ঘটনার তদন্তে নোয়াখালীতে গেছে। তদন্ত দলের সদস্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নারী. তাঁর স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে কথা বলেছেন। এজাহারে ঘটনার বর্ণনায় ভোটকেন্দ্রে ভোট দেওয়া নিয়ে ঝামেলার বিষয়টি বাদ পড়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ওসি নিজাম উদ্দিন বলেন. বাদী যা যা বর্ণনা করেছেন. তাই উল্লেখ করা হয়েছে। এখন যদি তিনি কোনো কিছু বাদ গেছে বলে দাবি করেন. তাঁরা তদন্তে সেটিও খতিয়ে দেখবেন। গত রোববার রাতে একদল যুবক ওই নারীর ঘরে ঢুকে প্রথমে তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে মারধর করে। পরে স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই নারীকে ঘরের বাইরে নিয়ে গণধর্ষণ করা হয়।,1572932 2019-01-02,বিপিএলে দেশি তারকারা কে কোন দলে?,,খেলা ডেস্ক,১৪,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572933/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87,sports,online,3,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,বিপিএলের ষষ্ঠ মৌসুম উপলক্ষে দল সাজানো হয়ে গেছে বহু আগেই। তবে জাতীয় দলের টানা সূচির ডামাডোলে অনেকেরই হয়তো মনে নেই তারকারা কে কোন দলে খেলছেন এবারের বিপিএলে। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের আগে তাই প্রথম আলোর পক্ষ থেকে আরেকবার জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে কোন তারকা খেলছেন কোন দলে বিপিএলের ষষ্ঠ মৌসুম উপলক্ষে দল সাজানো হয়ে গেছে বহু আগেই। তবে জাতীয় দলের টানা সূচির ডামাডোলে অনেকেরই হয়তো মনে নেই তারকারা কে কোন দলে খেলছেন এবারের বিপিএলে। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের আগে তাই প্রথম আলোর পক্ষ থেকে আরেকবার জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে কোন তারকা খেলছেন কোন দলে অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে. আগামী ৫ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ। সব দলই নিজেদের স্কোয়াড সাজিয়ে নিয়েছে এরই মাঝে। মাঠের লড়াইয়েই জানা যাবে. কারা সেরা দল গড়ল। আর কোন দলে খামতি রয়ে গেছে একটু। কিন্তু তার আগে একটু ধারণা পেতে চাওয়ার সহজ উপায় সব দলে থাকা তারকাদের খোঁজ নেওয়া। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা কে কোন দলে রয়েছেন সেটা দেখে নিলেই কাজটা অনেকটা এগিয়ে যায়। এ ছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিনিয়ত নজর কাড়া কিছু তারকা থাকেন . যারা এখানেই জ্বলে ওঠেন। জাতীয় দলের আশপাশে থাকা অনেক ক্রিকেটারই বিপিএলে জ্বলে ওঠে নজরে আসতে চান। তারাও থাকছে দেশি তারকাদের মাঝে। এবারের দলবদলে মূল তারকাদের অধিকাংশই আগে থেকেই কোনো না কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শুধু মুশফিকুর রহিমই চিটাগং ভাইকিংসে যুক্ত হয়েছেন। রংপুর রাইডার্সমাশরাফি বিন মুর্তজা. মোহাম্মদ মিঠুন. নাজমুল ইসলাম অপু। ঢাকা ডায়নামাইটসসাকিব আল হাসান. রুবেল হোসেন. নুরুল হাসান সোহান। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসতামিম ইকবাল. এনামুল হক. আবু হায়দার. ইমরুল কায়েস. মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। খুলনা টাইটানসমাহমুদউল্লাহ. আরিফুল হক. নাজমুল হোসেন শান্ত. তাইজুল ইসলাম। সিলেট সিক্সার্সলিটন দাস. সাব্বির রহমান. তাসকিন আহমেদ. নাসির হোসেন। রাজশাহী কিংসমোস্তাফিজুর রহমান. সৌম্য সরকার. মুমিনুল হক. মেহেদী হাসান. ফজলে মাহমুদ. আরাফাত সানী। চিটাগং ভাইকিংসমুশফিকুর রহিম. আবু জায়েদ রাহী. মোহাম্মদ আশরাফুল. মোসাদ্দেক হোসেন. নাঈম হাসান. খালেদ আহমেদ।,1572933 2019-01-02,বলিউডে বছরের প্রথম বাগদান,,বিনোদন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572931/%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,online,3,বলিউড,বলিউডে নতুন বছরের প্রথম দিন সবাই তখন ব্যস্ত শুভেচ্ছা জানাতে আর নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার নানা আয়োজন নিয়ে। কিন্তু এর মধ্যেই হয়ে গেল এমি জ্যাকসনের বাগদান। বয়ফ্রেন্ড জর্জ পানাইয়োতুর সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গ ছবি দেখা গেছে। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে গত বছর ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও দেন তাঁরা। তাতে দেখা গেছে. কোনো একটি দ্বীপে তাঁর চমৎকার সময় কাটাচ্ছেন। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা দেখে তখন অনেকেই প্রশ্ন করেছেন. তাঁরা বিয়েটা আর বাকি রাখছেন কেন? এবার জানা গেছে. ১ জানুয়ারি তাঁরা চুপিচুপি আংটি বদল করেছেন। ইনস্টাগ্রামে জর্জ পানাইয়োতুর সঙ্গে নিজের অন্তরঙ্গ ছবি দিয়ে এমি জ্যাকসন লিখেছেন. ‘নতুন জীবন শুরু হলো। তোমাকে ধন্যবাদ এই মুহূর্তে আমাকে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী মানুষদের একজন করার জন্য।’ ইনস্টাগ্রামে দেওয়া জর্জ পানাইয়োতুর সঙ্গে এমি জ্যাকসনের অন্তরঙ্গ ছবিটি জাম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে তোলা। তাই ধারণা করা হচ্ছে. থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে জাম্বিয়াতে জর্জ পানাইয়োতুর সঙ্গে নিরিবিলিতে সুন্দর সময় কাটাচ্ছেন বলিউডের এই তারকা। জর্জ পানাইয়োতু একজন ব্রিটিশ ধনকুবের। বিলাসবহুল হোটেলের ব্যবসা তাঁর। হিলটন. পার্ক প্লাজা আর ডাবল ট্রি হোটেলের মালিক তিনি। এমি জ্যাকসনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অনেক দিনের। তাঁরা একসঙ্গে থাকছেন. বেড়াচ্ছেন. একান্তে সময় কাটাচ্ছেন। এমি জ্যাকসন সম্প্রতি রজনীকান্ত আর অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। গত বছর ২৯ নভেম্বর ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি এরই মধ্যে দারুণ ব্যবসাসফল হয়েছে। ছবিটি মুক্তির সময় এমি জ্যাকসন সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন. ‘ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনটাও সাজাতে চাই।’ ২৪ বছর বয়সী ব্রিটিশ মডেল এমি জ্যাকসন ২০১০ সাল থেকে অভিনয় করছেন ভারতের চলচ্চিত্রে। এরই মধ্যে তিনি তামিল. তেলেগু ও হিন্দি ভাষার ১৬টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে এমি তাঁর মডেলিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। ওই সময়ে তামিল পরিচালক এ এল বিজয়ের চোখে পড়েন তিনি। সুযোগ পান চলচ্চিত্রে। ২০১০ সালে মুক্তি পায় তামিল ছবি ‘মাদরাসাপত্তিনম’। এরপর মডেলিংয়ের পাশাপাশি ভারতের ছবিতে অভিনয় করছেন। বলিউডে তাঁর প্রথম ছবি ‘এক দিওয়ানা থা’ মুক্তি পায় ২০১২ সালে। তেলেগু ভাষায় তাঁর প্রথম ছবি ‘ইয়েভাদু’। তাঁর দ্বিতীয় হিন্দি ছবি প্রভু দেবার ‘সিং ইজ ব্লিং’। এই ছবিতে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘ফ্রিকি আলী’ ছবিতে এমি অভিনয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির সঙ্গে। এমি জ্যাকসন ‘মিস টিন লিভারপুল’ ও ‘মিস টিন গ্রেট ব্রিটেন’ খেতাব জয় করেন। ‘মিস টিন ওয়ার্ল্ড’ খেতাব জেতেন ২০০৯ সালে। পরের বছর ‘মিস ইংল্যান্ড’ প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম রানারআপ হন। জর্জ পানাইয়োতুর আগে এমি জ্যাকসন প্রেম করেছেন প্রতীক বাব্বরের সঙ্গে। ২০১২ সালে তাঁরা একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ‘এক দিওয়ানা থা’ ছবিতে। ছবিটি বক্স অফিসে তেমন সুবিধা করতে পারেনি। কিন্তু প্রতীক বাব্বর আর এমি জ্যাকসনের প্রেম জমে ক্ষীর। তখন এমনও শোনা গেছে. প্রতীক বাব্বর আর এমি জ্যাকসন একসঙ্গে থাকা শুরু করেছেন। জর্জ পানাইয়োতুর সঙ্গে এমি জ্যাকসনের বাগদান তো হলো. তাঁদের বিয়েটা কবে হচ্ছে? ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে. হয়তো এ বছরই তাঁরা বিয়ে করবেন।,1572931 2019-01-02,ঐক্যফ্রন্টকে মাথা গরম না করার পরামর্শ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572930/%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AE,bangladesh,online,3,একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|আওয়ামী লীগ|নির্বাচন কমিশন,১৪-দলীয় জোটের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন. ঐক্যফ্রন্ট যা (আসন) পেয়েছে. তা নিয়েই তাদের আসা উচিত। অতীতের মতো একই ভুলের পুনরাবৃত্তি তারা করবে না। কেননা. অতীতের ভুলের জন্য অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাদের মাথা গরম না করে ইতিবাচক রাজনীতিতে আসা উচিত। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় ১৪-দলীয় জোটের এক বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এই মন্তব্য করেন। নাসিম বলেন. মহাজোটের এই বিশাল জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই অবিস্মরণীয় বিজয়ের মাধ্যমে জনগণ সন্ত্রাসী দলকে ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ করেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন. তরুণ ও নারীরা যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে ভোট প্রদান করেছেন. তাতে পরিষ্কার বোঝা যায়. জনগণ কোনো জঙ্গিবাদী-সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নেতৃত্ব চায় না। নাসিমের ভাষ্য. নির্বাচন সামনে রেখে একটি আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। নির্বাচন বানচাল করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত। একটি টালবাহানার ধূম্রজাল সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু বাংলার জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের কারণে মহাজোট অবিস্মরণীয় বিজয় অর্জন করেছে। পুনর্নির্বাচনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেওয়া থেকে ঐক্যফ্রন্টকে বিরত থেকে ইতিবাচক রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানান নাসিম। তিনি বলেন. পুনর্নির্বাচনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিতে যাওয়া হাস্যকর ব্যাপার। যেখানে ভারত. চীন. কাতার. শ্রীলঙ্কাসহ সারা বিশ্ব থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে. সেখানে স্মারকলিপি দেওয়া হাস্যকর ব্যাপার। সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন. এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ দুটি রায় দিয়েছে। একটি হচ্ছে জঙ্গি. সন্ত্রাসমুক্ত শান্তি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা এবং মুক্তিযুদ্ধের শক্তির পক্ষে রায়। আরেকটি হচ্ছে যাঁরা রাজাকার. জামায়াত. সাম্প্রদায়িক জঙ্গিবাদী সম্প্রদায়ের সঙ্গে পার্টনারশিপ করে অশান্তির রাজনীতি করেন. তাঁদের বর্জন এবং চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া. সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।,1572930 2019-01-02,মার্চেই ফিরছেন রোনালদো. আর মেসি?,,খেলা ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572929/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A7%8B-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF,sports,online,3,ফুটবল|মেসি|ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো|পর্তুগাল|আর্জেন্টিনা,সবকিছু ঠিক থাকলে পর্তুগালের হয়ে ১৫৫তম ম্যাচটি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলবেন আগামী ২২ মার্চ। লিওনেল মেসিও জাতীয় দলে ফিরছেন বলে আভাস মিলেছে সবকিছু ঠিক থাকলে পর্তুগালের হয়ে ১৫৫তম ম্যাচটি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলবেন আগামী ২২ মার্চ। লিওনেল মেসিও জাতীয় দলে ফিরছেন বলে আভাস মিলেছে বছরের শেষভাগটা জাতীয় দলের বাইরে কাটিয়েছেন দুজনই। রাশিয়া বিশ্বকাপের পর থেকেই বিশ্রামে সময়ের অন্যতম দুই সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মেসিকে নিয়ে গুঞ্জন ছিল. আর কখনো হয়তো আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলতেই দেখা যাবে না তাঁকে! আর রোনালদোকে নিয়ে লোকেরা বলেছে অন্য কথা—হয়তো ধর্ষণ কেলেঙ্কারির কারণেই পর্তুগালের অধিনায়ককে জাতীয় দলে ডাকা হচ্ছে না! সংবাদমাধ্যম আর ফুটবল সমর্থকদের এসব কথার মাঝে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন মেসি ও রোনালদো। কিন্তু দুই দলেরই কোচরা বলে গেছেন. সময় হলেই জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যাবে তাঁদের। আর্জেন্টিনার ভারপ্রাপ্ত কোচ স্কালোনি তো দিন কয়েক আগেও বলেছেন. নতুন বছরেই দেশের জার্সিতে মাঠে নামবেন মেসি। আর রোনালদো? এ বছর পর্তুগালের হয়ে তাঁর মাঠে ফেরার খবরটি নিজেই দিয়েছেন। পর্তুগালের ক্রীড়া দৈনিক রেকর্ডকে ৩৩ বছর বয়সী রোনালদো বলেছেন. ‘২০১৯ সালে (জাতীয় দলে) ফিরতে আমি উন্মুখ হয়ে আছি।’ ফ্রান্সের কাছে ৪–৩ গোলে হেরে রাশিয়া বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে আর্জেন্টিনা। এরপরই মেসি ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০১৮ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে আর খেলবেন না. থাকবেন বিশ্রামে। রোনালদো ও রকম ঘোষণা না দিলেও বিশ্বকাপের পর আর জাতীয় দলের হয়ে কোনো ম্যচ খেলেননি। এই সময়ে ৬টি ম্যাচ খেলেছে পর্তুগাল। ৩টি জয়ের পাশাপাশি ৩টি ম্যাচে করেছে ড্র। জায়গা করে নিয়েছে নেশনস লিগের চূড়ান্ত পর্বে। এই ম্যাচগুলোতে রোনালদো কেন খেলেননি? এত দিন পর সেটা জানিয়েছেন রোনালদো নিজেই। পর্তুগালের টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে এ মৌসুমেই জুভেন্টাসে নাম লেখানো তারকা ফরোয়ার্ড। নতুন জায়গায় মানিয়ে নিতে তাঁর একটু বেশি পরিশ্রম করার প্রয়োজন ছিল। জুভেন্টাসে একটু বেশি সময় দিতেই জাতীয় দল থেকে বিশ্রাম চেয়েছিলেন রোনালদো। রেকর্ড পত্রিকায় তিনি বলেছেন. ‘আমি বলেছিলাম. মৌসুমের প্রথম অর্ধে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারব না। তারাও রাজি হয়েছিল। আমার এখন ৩৩ বছর বয়স। মাত্রই একটি দেশ থেকে আরেকটি দেশে এসেছি। এখানকার কাজের ধরন. সতীর্থ. ব্যক্তিগত রুটিন—সবই নতুন ছিল। আমার মনে হয়েছে. মৌসুমের প্রথম অর্ধে জাতীয় দলে বিশ্রামে থাকাটাই ভালো হয়েছে।’ রোনালদোর কৌশলটা কাজেও লেগেছে বলতে হবে। জুভেন্টাসের হয়ে সব প্রতিযোগিতায় খেলা ২৪ ম্যাচে গোল করেছেন ১৫টি. গোলে সহায়তা ৮টি। জুভেন্টাসের হয়ে প্রথম গোল পেতে অবশ্য ৪ ম্যাচ লেগেছে রোনালদোর। সিরি ‘আ’র চতুর্থ ম্যাচে সাসসুয়োলোর বিপক্ষে জোড়া গোল দিয়ে সেই যে শুরু. আর পেছন ফিরে তাকাননি। ১৯ ম্যাচ শেষে ১৪ গোল নিয়ে সিরি ‘আ’র সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন পর্তুগাল অধিনায়কই। তা না হয় হলো. কিন্তু নতুন বছরে পর্তুগালের হয়ে কবে মাঠে নামবেন রোনালদো? খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে না তাঁর ভক্তদের। সবকিছু ঠিক থাকলে ২২ মার্চ লিসবনে ইউক্রেনের বিপক্ষে ইউরো ২০২০–এর বাছাইপর্বের ম্যাচটি দিয়েই জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফিরবেন রোনালদো. যেটি হবে পর্তুগালের হয়ে তাঁর ১৫৫তম ম্যাচ। মেসি কবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরবেন. সে দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা আভাস দিয়ে রেখেছে. আগামী কোপা আমেরিকার আগেই জাতীয় দলে দেখা যাবে মেসিকে। ২০১৯ সালে টানা তৃতীয় বছরের মতো কোপার আসর বসছে। এবারের আয়োজক ব্রাজিল। জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে এ বছরের কোপা আমেরিকা।,1572929 2019-01-02,৭১ বছরের ইতিহাস ডাকছে কোহলির ভারতকে,,খেলা ডেস্ক,১৬,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572928/%E0%A7%AD%E0%A7%A7-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A7%87,sports,online,3,ভারত|অস্ট্রেলিয়া|ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেট,১৯৪৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়া সফর করছে ভারত। কখনো অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ জেতা হয়নি। এবার সেই উজ্জ্বল সম্ভাবনার সামনে বিরাট কোহলির ভারত ১৯৪৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়া সফর করছে ভারত। কখনো অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ জেতা হয়নি। এবার সেই উজ্জ্বল সম্ভাবনার সামনে বিরাট কোহলির ভারত একটা কীর্তি এরই মধ্যে গড়েছে ভারত। ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমের পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়া সফরে দুটি টেস্ট জিতেছে তারা। বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি ধরে রাখা তাই নিশ্চিত তাদের। কিন্তু বিরাট কোহলিরা আরও বড় কীর্তির সামনে দাঁড়িয়ে। সিডনিতে বাংলাদেশ সময় কাল বৃহস্পতিবার ভোরে শুরু সিরিজের শেষ টেস্টটা না হারলেই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া থেকে সিরিজ জিতে ফিরবে কোনো ভারতীয় দল। সুযোগটা কি নিতে পারবেন কোহলিরা? এ মুহূর্তে মনে হচ্ছে. না নিতে পারার কোনো কারণ নেই। ঐতিহ্যগতভাবেই অস্ট্রেলিয়া সফরে গেলে ভারত সিডনিতে খেলার জন্য অপেক্ষা করে থাকে সবচেয়ে বেশি। কারণ অন্য যেকোনো মাঠের চেয়ে সিডনি অনেক বেশি স্পিনবান্ধব। এখানেই ভারত কিছুটা সুযোগ পায় নিজেদের শক্তিটা দেখানোর। কোহলিরা এবার সেই সিডনিতে নামছেন সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে। এমন দারুণ মঞ্চ আর কবে পেয়েছে ভারত! আরও একটা জায়গায় এবার এগিয়ে ভারত। চিরকাল অস্ট্রেলিয়া গিয়ে ভালো পেস বোলারের অভাবে ভুগেছে ভারত। সেই দলেরই পেসার জসপ্রীত বুমরা এখন পর্যন্ত ২০ উইকেট নিয়ে সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক। যেখানে তিন অস্ট্রেলিয়ান পেসার প্যাট কামিন্স. মিচেল স্টার্ক ও জস হ্যাজলউডের উইকেট যথাক্রমে ১৪. ১২ ও ১১টি করে। এর আগে কখনো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হতে পারেননি কোনো ভারতীয় পেসার। যদি চিরাচরিত ঐতিহ্য মেনে সিডনি স্পিনিং উইকেটই থাকে. তাহলেও লাভটা হবে সম্ভবত ভারতেরই। হ্যাঁ. অস্ট্রেলিয়া দলেও এই সময়ের অন্যতম সেরা স্পিনার নাথান লায়ন আছেন। পার্থে যিনি ৮ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন । তবে একা লায়নের কাঁধে সব দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে মনে হয় না নিশ্চিন্ত থাকতে পারবে অস্ট্রেলিয়া। পার্থে ভারত কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার না খেলালেও মেলবোর্নেই দলে ফিরিয়েছে রবীন্দ্র জাদেজাকে। ৫ উইকেট নিয়ে সেটার প্রতিদানও দিয়েছেন জাদেজা. যেখানে লায়ন পেয়েছেন মাত্র ১ উইকেট। ওদিকে অ্যাডিলেডে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৬ উইকেট নিয়ে চোটে পড়া রবিচন্দ্রন অশ্বিন ফিট হয়ে গেছেন প্রায়। স্পিনবান্ধব উইকেট হলে সিডনিতে তাঁর ফেরা প্রায় নিশ্চিত। অধিনায়ক কোহলিই আভাস দিয়েছেন. ‘ও ম্যাচ খেলার মতো ফিটনেসের খুব কাছাকাছি। আমার মনে হয়. সিরিজের শেষ টেস্টটা খেলার জন্য সে মুখিয়ে আছে।’ স্পিনের লড়াইয়ে জেতার জন্যই সম্ভবত অস্ট্রেলিয়া দলে ডাকা হয়েছে লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার মারনাস লাবুশেনকে। মেলবোর্নে সুযোগ পাওয়া মিচেল মার্শের জায়গা নিতে পারেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তা অবশ্য শুধু স্পিন নয়. ব্যাটিংও। এই সিরিজে এখন পর্যন্ত সেঞ্চুরি নেই কোনো অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানের। প্রথম ছয়জনের মধ্যে ৩০-এর ওপরে গড় শুধু পাঁচ নম্বরে ব্যাট করা ট্রাভিস হেডের। মেলবোর্নের দুই ইনিংসে ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ করেছেন ৮ ও ৩। কিন্তু বিকল্প ওপেনারের এতই অভাব যে তাকেই রেখে দিতে হচ্ছে দলে! এমনি এমনি তো আর স্মিথ-ওয়ার্নারের জন্য আক্ষেপ করছেন না অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক টিম পেইন। কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার নিজেই বলেছেন. ‘দলের দরজায় যারা কড়া নাড়ছে. ওদের কারও ব্যাটিং গড়ই ভালো নয়। আমাদের ব্যাটিং নিয়ে অনেক কাজ করতে হবে।’এ সুযোগটা কেন নেবে না ভারত!,1572928 2019-01-02,সালমান বাটের ক্যারিয়ার শেষ করে দিয়েছেন আফ্রিদি!,,খেলা ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572927/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BF,sports,online,3,ক্রিকেট|পাকিস্তান|শহীদ আফ্রিদি,স্পট ফিক্সিংয়ের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে জাতীয় দলে ফিরতে চেয়েছিলেন সালমান বাট। ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করেছেন. পুনর্বাসন–প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছেন। কিন্তু জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন. কিন্তু আফ্রিদিই নাকি তাঁর সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। স্পট ফিক্সিংয়ের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে জাতীয় দলে ফিরতে চেয়েছিলেন সালমান বাট। ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করেছেন. পুনর্বাসন–প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছেন। কিন্তু জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন. কিন্তু আফ্রিদিই নাকি তাঁর সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। কফিন ঢুকে পড়েছিলেন তিনি নিজেই। আর সালমান বাটের দাবি সত্যি হলে সেই কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার কাজ করেছেন শহীদ আফ্রিদি। স্পট ফিক্সিংয়ের কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হয়েছিলেন বাট। সঙ্গে মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ আসিফ। কারাভোগও করতে হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ পূরণ করে তিনজনই ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেছেন। আমির তো পাকিস্তান দলেই নতুন করে জায়গা করে নিয়েছেন। বাট আর আসিফেরও সে সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু বাটের দাবি. শহীদ আফ্রিদির জন্যই ২০১৬ সালে সুযোগ আসার পরও জাতীয় দলে ফেরা হয়নি তাঁর। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাটকে নিতে চেয়েছিল পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তখনকার অধিনায়ক আফ্রিদি বেঁকে বসেছিলেন। পাকিস্তানের টিভি চ্যানেল জিটিভিকে বাট সে ঘটনাই বলেন. ‘২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় একদিন কোচ ওয়াকার ইউনিস ফোন করে আমাকে লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) যেতে বলেন। সেখানে ওয়াকার ও ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার আমার ফিটনেস সম্পর্কে খোঁজ নেন। নেটে ব্যাটিংও দেখেন। আমি জাতীয় দলে ঢোকার মুখেই ছিলাম। কিন্তু অধিনায়ক আফ্রিদির আপত্তির মুখে আমি সুযোগ পাইনি।’ ওয়াকার ইউনিস তাঁকে আশ্বাসও দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন বাট. ‘ওয়াকার ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করেন. নতুন করে পাকিস্তান ক্রিকেট দলে খেলার ব্যাপারে মানসিকভাবে প্রস্তুত কি না।’ বাট তো এক পায়েই খাড়া ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়নি। আফ্রিদি যে তাঁর পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন. সেটি বাট জেনেছিলেন ওয়াকারের কাছ থেকেই. ‘ব্যাপারটা আমি ওয়াকার ভাইয়ের কাছ থেকেই জানি। তিনি বলেন. আফ্রিদি আমাকে দলে নিতে চায় না। কিন্তু আমি এ নিয়ে আফ্রিদিকে কিছুই জিজ্ঞেস করিনি। আমি মনে করেছি. ব্যাপারটা ঠিক হবে না। আমি এটাও জানি না. আফ্রিদির সমস্যাটা কোথায় ছিল। কে বা কারা তাঁকে আমার দলভুক্তির বিষয়ে তাঁর মধ্যে নেতিবাচক মনোভাবের জন্ম দিয়েছিল।’ জাতীয় দলে সুযোগ না পেয়ে বেশ হতাশ বাট। তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না. কী করলে তিনি নির্বাচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবেন. ‘আমি জানি না আর কী করলে জাতীয় দলে সুযোগ পাব। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ করে ঘরোয়া ক্রিকেটে তো আমি রান করে যাচ্ছি। বোর্ডের ঠিক করে দেওয়া পুনর্বাসন–প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমি মনে করি. পুরো ব্যাপারটা আমাদের ব্যাখ্যা না করা খুব বড় অবিচার।’ ৩৫-এ পা দিয়ে ফেলা বাটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার সম্ভাবনা আর তেমন নেই। ২০১৬ সালে সুযোগটা পেলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতেও পারত।,1572927 2019-01-02,সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ ৫ ডিগ্রির নিচে,,প্রতিনিধি. পঞ্চগড়,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572926/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%9C-%E0%A7%AB-%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%87,bangladesh,online,3,আবহাওয়া|শৈত্যপ্রবাহ|পঞ্চগড়,পঞ্চগড় জেলার ওপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আজ বুধবার জেলার সর্বোত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস. যা গত তিন দিনের চেয়ে বেশ কমেছে। তবে সকাল সকাল মিলেছে সূর্যের দেখা।রাতভর কুয়াশা আর সকাল সকাল সূর্য ওঠার কারণে কয়েক দিন ধরেই দিন সেখানে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। রাতভর হিমেল বাতাস থাকার কারণে তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে বলে জানান তেঁতুলিয়ার আবহাওয়া পর্যবেক্ষকেরা।তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়. আজ সকাল নয়টায় তেঁতুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল নয়টায় এই তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এর আগের দিন সোমবার সকাল নয়টায় তেঁতুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক মো. সামিউজ্জামান বলেন. সকাল নয়টায় তেঁতুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। দুপুর ১২টার দিকে তাপমাত্রা ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া দুপুর ১২টায় তেঁতুলিয়ার বাতাসে আর্দ্রতা ২৮ শতাংশ ছিল. যা বিকেলে হওয়ার কথা ছিল বলে তিনি জানান। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকাল নয়টার বুলেটিনে বলা হয়. শ্রীমঙ্গল. পাবনা. নওগাঁ. চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।,1572926 2019-01-02,সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ. ঘরবাড়ি ভাঙচুর,,প্রতিনিধি. ফরিদপুর,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572925/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0,bangladesh,online,3,অপরাধ|ফরিদপুর|সহিংসতা,ফরিদপুরের সালথায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০টি বাড়ি ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। আহত হয়েছে ৩০জন। পুলিশ প্রথমে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও পরে শটগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ও আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামে দুই দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের নগরকান্দা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ এ সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকা সন্দেহে সাতজনকে আটক করেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে. ফুকরা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হায়দার সিকদারের সঙ্গে একই গ্রামের কাউছার মাতুব্বারের বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল রাত ৮টার দিকে ফুকরা বাজারে হায়দার সিকদারের সমর্থক লাল মিয়ার সঙ্গে কাউছার মাতুব্বারের সমর্থক রুহুল মোল্লার কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে লাল মিয়া আহত হয়। এই ঘটনার পর রাতেই উভয় দলের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র ঢাল. কাতরা. সড়কি. ভেলা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরই জের ধরে আজ সকাল ৭টার দিকে উভয় দলের সমর্থকেরা আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুই ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০টি বসতবাড়ি ভাঙচুর করে সংঘর্ষকারীরা। সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাকছুদুল ইসলাম. ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সালথা-নগরকান্দা) সার্কেল এফএম মহিউদ্দীন. সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন খানসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন. সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে দুই দফায় ২৪টি কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয় এবং শটগানের ৩২টি গুলি ছোড়া হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৭জনকে আটক করা হয়েছে। তবে দুপুর পর্যন্ত কোনো পক্ষই এ ব্যাপারে থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। ওসি আরও বলেন. সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ইটের আঘাতে চারজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।,1572925 2019-01-02,শেখ হাসিনার জন্য দল সামলানো দুষ্কর হবে: কাদের সিদ্দিকী,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৫৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572924/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,3,কাদের সিদ্দিকী|আওয়ামী লীগ|শেখ হাসিনা|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|বিএনপি,কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা কাদের সিদ্দিকী বলেছেন. শেখ হাসিনার জন্য নিজের দল সামলানো দুষ্কর হবে। এ ছাড়া এই নির্বাচনকে কলঙ্কের নির্বাচন অভিহিত করে নির্বাচন কমিশনের প্রতি নতুন করে জাতীয় নির্বাচন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন. ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন কোনো কিছুতে আনন্দ নেই। একদলীয় পার্লামেন্ট পৃথিবীর কোথাও শুভ ফল আনতে পারেনি। এখানেও পারবে না। নিজের দলকে সামলানো শেখ হাসিনার জন্য এত দুষ্কর হবে যে একসময় বিরক্ত হয়ে শেখ হাসিনা পদত্যাগ না করেও চলে যেতে পারেন।’ কাদের সিদ্দিকীর অভিযোগ. ‘ভাড়া করা কিছু কিছু বিদেশি পর্যবেক্ষক সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বললেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অস্বাভাবিক কারচুপির নির্বাচন. ত্রুটিতে ভরা কলঙ্কিত নির্বাচন।’ প্রশাসনকে ব্যবহার করে কারচুপির মাধ্যমে ভোটে জিতলেও আওয়ামী লীগ মানুষের সমর্থন নিয়ে কখনো জিততে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। এবারের নির্বাচনে দেশের ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা বলেন. ‘দেশের পর ক্ষতি হয়েছে শেখ হাসিনার. নির্বাচন–পদ্ধতির ও বঙ্গবন্ধুর এবং দেশে নির্বাচন–পদ্ধতির অপমৃত্যু ঘটেছে। এ বিজয় আগামী অল্প দিনের মধ্যেই সবচেয়ে নিন্দার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। কারণ. অতিরিক্ত খেলে হজম হয় না। বাংলাদেশের অন্তর থেকে বর্তমান সরকার ও সরকারের নেত্রী ধুয়েমুছে উঠে গেছেন।’ ঐক্যফ্রন্টের জয়ী প্রার্থীদের শপথ নেওয়া প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন. শরিক হিসেবে তিনি শপথ নেওয়ার পক্ষে নন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জোটভুক্ত হয়ে এবারের নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ চারটি আসনে লড়েছিল। লিখিত বক্তব্যে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়. এ বছর নানা টানাপোড়েন থাকলেও দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু সরকার ও নির্বাচন কমিশন সংবিধান এবং ন্যূনতম নীতি-নৈতিকতাকে পদদলিত করে এই নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। তফসিল ঘোষণা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ এনে তারা বলে. সরকারদলীয় কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিলেমিশে আগেই নৌকা মার্কায় সিল মেরে বাক্স ভরে রাখে। এ ছাড়া ধানের শীষের এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করে দলটি। এই নির্বাচন বাতিল করে দ্রুত নির্দলীয় সরকারের অধীনে নতুন জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার. যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী প্রমুখ।,1572924 2019-01-02,রেমন্ড: শত কোটি ডলারের সাম্রাজ্য নিয়ে বাপ-বেটার যুদ্ধ,,অনলাইন ডেস্ক,৯,https://www.prothomalo.com/international/article/1572923/%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%B6%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%A1%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0,international,online,3,ভারত,রেমন্ড গ্রুপের নাম শোনেননি—এমন লোক কম। ভারতের এই প্রতিষ্ঠানের পোশাকের খ্যাতি রয়েছে। বাংলাদেশেও রেমন্ড জনপ্রিয়। তবে শত কোটি ডলারের খ্যাতনামা এই প্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে ক্ষমতার যুদ্ধ। তাও নিজেদের লোকের মধ্যে। আরও স্পষ্ট করে বললে বাপ-বেটার মধ্যে। বাবা এখন কপাল চাপড়ে বলছেন. কেন ছেলেকে এত ক্ষমতা দেওয়ার মতো ভুল করলেন! ছেলের কারণে তিনিই নিজে এখন বিলাসবহুল বাড়ি ও বিশাল আকারের প্রতিষ্ঠানছাড়া হতে যাচ্ছেন! বাপ-বেটার এই দ্বন্দ্বের খবর উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়. বিজয়পাত সিংহানিয়া শত কোটি ডলারে পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠানের সাম্রাজ্য নিজের পরিবারের ভেতরেই রাখবেন বলে ভেবেছিলেন। সেই ভাবনা থেকে তিন বছর আগে উপহার হিসেবে ছেলে গৌতম সিংহানিয়ার হাতে রেমন্ড গ্রুপের কর্তৃত্ব তুলে দেন। তখন থেকে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। এখন বাবা বিজয়পাত সিংহানিয়া মনে করছেন. ছেলে তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন এবং তাঁকে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ৮০ বছর বয়সী বিজয়পাতের দাবি. আবেগতাড়িত হয়ে তিনি ওই ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিজয়পাত সিংহানিয়া ছোট টেক্সটাইল ব্যবসা থেকে আজ ধনকুবের হয়েছেন। রেমন্ড গ্রুপকে এখন বলা হয় পশমি সুতার স্যুট উৎপাদনের দিক দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান। এই গ্রুপের সিমেন্ট. ডেইরি ও প্রযুক্তি বাণিজ্যও রয়েছে। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ক্রেডিট সুসির প্রতিবেদন অনুসারে. বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গড়ে ওঠা পারিবারিক বাণিজ্যের দিকে দিয়ে বিশ্বে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। তবে পরিবারগুলোর মধ্যে ক্ষমতার সুষ্ঠু বণ্টন ও নতুন প্রজন্মের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার ব্যাপারে কিছু বিশ্লেষকের মত হচ্ছে. ভারতে এ ধরনের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আরও সুশাসন নিশ্চিতের জন্য বৈশ্বিক করপোরেট মান প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। ভারতের আরেক আলোচিত ধনী আম্বানি পরিবারেও এমন যুদ্ধ হয়েছে। কোনো একটি মান নির্ধারণ করা থাকলে এ ধরনের লড়াই রোধ করা সম্ভব। বর্তমানে এশিয়ার সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি। বাবা ধিরুভাইয়ের মৃত্যুর পর রিলায়েন্স গ্রুপ নিয়ে মুকেশ আম্বানির সঙ্গে তাঁর ভাই অনিলের বছরের পর বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ভারতের আরেক শিল্পপতি ওয়েভ গ্রুপের মালিক পন্টি চাধাকে তাঁর ভাই হারদিপ সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে ২০১২ সালে গুলি করে হত্যা করেন। পারিবারিক ওষুধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান র‌্যানবেক্সি ও রেলিগের নিয়ে ধনকুবের দুই ভাই শিবেন্দর সিং ও মালবিন্দর সিংয়ের মধ্যেও লড়াইয়ের অভিযোগ রয়েছে। রেমন্ড গ্রুপ নিয়ে বাপ-বেটার যুদ্ধের সূত্রপাত হয় ২০১৫ সালে ছেলে গৌতমের হাতে বাবা বিজয়পাত প্রতিষ্ঠানের ৩৭ শতাংশ অংশীদারত্ব তুলে দেওয়ার পর। বিজয়পাত জানান. চুক্তি অনুসারে তিনি মুম্বাইয়ের মালাবার হিল এলাকায় সিংহানিয়া পরিবারের ৩৬ তলার জে কে হাউসের একটি অ্যাপার্টমেন্ট পান। বাজারের দরের চেয়ে বেশ কম দাম ধরা হয় বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টটির। গৌতম রেমন্ড বোর্ডকে পরামর্শ দেন যে অ্যাপার্টমেন্টটিকে যেন প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান সম্পদ বিক্রি হিসেবে ধরা হয়। বিরোধ চরমে ওঠে তখন. যখন বোর্ড এক চিঠিতে প্রতিষ্ঠানের প্রতি অশালীন মন্তব্যের অভিযোগ তুলে বিজয়পাতের ‘চেয়ারম্যান ইমেরিটাস’ খেতাব নিয়ে নেয়। বিজয়পাত অভিযোগ করেন. তাঁকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর পদ এবং তাঁকে দেওয়া ভারত সরকারের শীর্ষ উপাধি ‘পদ্মভূষণ’ চুরি করে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান. দুই বছর ধরে ছেলের সঙ্গে তিনি কথা বলেন না। এখন ছেলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার চিন্তা করছেন। বাবা-মায়ের মৌলিক চাহিদা পূরণ না হলে ২০০৭ সালের ভারতের এক আইন অনুসারে ওই বাবা-মা সন্তানদের উপহার হিসেবে দেওয়া সম্পত্তি ফিরিয়ে নিতে পারেন। বিজয়পাত সেই আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা ভাবছেন। ৯৩ বছরের পুরোনো রেমন্ড গ্রুপকে ছেলে গৌতমের হাতে তুলে দেওয়াকে ‘চরম নির্বুদ্ধিতা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিজয়পাত সিংহানিয়া। বিজয়পাত আরও বলেন. জীবদ্দশায় কোনো বাবা-মা তাঁর সম্বল যেন কখনো সন্তানদের হাতে তুলে দেওয়ার মতো ভুল না করেন। তবে গৌতম বলেছেন. তিনি শুধু তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সঠিক কাজ করেছেন। রেমন্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব ছেলে হিসেবে তাঁর দায়িত্বের চেয়ে আলাদা। তাঁর বাবা বিজয়পাত বোর্ডের সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নিয়েছেন। তিনি বলেন. ‘আমি ভুক্তভোগী। আমি কি কোনো ভুল করেছি? বাবার কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর পুরো খেলাই পাল্টে গেছে। প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ানোর জন্য আমি এখন অনেক সিদ্ধান্ত নিতে পারি. যা আগে পারতাম না।’ তবে বাপ-বেটার এই লড়াইয়ের আপাতদৃষ্টিতে কোনো প্রভাব পড়েনি রেমন্ড গ্রুপে। ২০১৮ সালে প্রথম আট মাসে ৫০ শতাংশ লাভ বেড়েছে প্রতিষ্ঠানের। রেমন্ড গ্রুপ সম্প্রতি ইথিওপিয়াতে একটি বড় কারখানা খুলেছে। ৫৫টিরও বেশি দেশে তাদের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে।,1572923 2019-01-02,খুলনার সাংবাদিকের তিন দিনের রিমান্ড,,নিজস্ব প্রতিবেদক. খুলনা,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572922/%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1,bangladesh,online,3,নির্বাচন|খুলনা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন,খুলনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া স্থানীয় সাংবাদিক মো. হেদায়েত হোসেন মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। আজ বুধবার খুলনার বিচারিক হাকিম আদালত-৩-এর বিচারক এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হেদায়েত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিচারিক হাকিম আদালত-৩-এর বিচারক নয়ন বিশ্বাসের আদালতে হাজির করে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। হেদায়েত হোসেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের খুলনা প্রতিনিধি। খুলনা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষও তিনি। গতকালই তাঁদের কমিটি নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে। দুপুরে প্রেসক্লাব থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানান। বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন. গত সোমবার রাতে বটিয়াঘাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ চৌধুরী বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় হেদায়েতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গতকাল মোবাইল ফোনে প্রথম আলোকে ইউএনও দেবাশীষ চৌধুরী বলেন. ‘নির্বাচনের লিখিত ফলাফলের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করায় রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশে ওই মামলা করা হয়েছে।’,1572922 2019-01-02,জাতীয় পার্টি সরকারে না বিরোধী দলে. সিদ্ধান্ত কাল,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572921/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2,bangladesh,online,3,রাজনীতি|জাতীয় পার্টি,জাতীয় পার্টি সরকারে না বিরোধী দলে থাকবে. সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে কাল বৃহস্পতিবার। কালই দলের নবনির্বাচিত সাংসদেরা শপথ নেবেন। এরপর দলের সংসদীয় বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ নিয়ে তারা মহাজোটের সঙ্গেও আলোচনা করবে। আজ বুধবার রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠকের পর দলের মহাসচিব মসিউর রহমান এ কথা জানান। সকাল ১০টায় বৈঠক শুরু হয়। তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক চলে। এতে দলের কো–চেয়ারম্যান জি এম কাদের. কাজী ফিরোজ রশীদ. ফয়সল চিশতী. আবু হোসেন বাবলা. লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী. সালমা ইসলামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। গত সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এবং পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে অবশ্য দেখা যায়নি। সংসদে বিরোধী দল হতে গেলে ১০ শতাংশ আসন (৩৮টি) থাকতে হয়. সেখানে জাতীয় পার্টির আছে ২২টি আসন। এ বিষয়ে এবং মন্ত্রিত্বের ব্যাপারে জাতীয় পার্টির অবস্থান কী হবে—সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে জি এম কাদের বলেন. ‘এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনসংখ্যার দিক দিকে আওয়ামী লীগের পরই আমাদের অবস্থান। আমরা মহাজোটে ছিলাম. এখনো আছি। ভবিষ্যৎ বুঝে দেখা হবে।’,1572921 2019-01-02,উপজেলা নির্বাচন মার্চে হতে পারে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572920/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87,bangladesh,online,3,নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন|উপজেলা পরিষদ নির্বাচন|রাজনীতি|উপজেলা নির্বাচন,চলতি বছরের মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন হতে পারে। আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফার ভোট গ্রহণ করা হয়। ছয় দফায় এই নির্বাচন হয়। এটি ছিল দেশের চতুর্থ উপজেলা নির্বাচন। আজ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন. আগামী মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। দেশে ১৯৮৫ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। ওই বছর ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়। ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে তৃতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছর ৪৭৫টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়। উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী. পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে।,1572920 2019-01-02,গায়েবি ভোটে জিতেছে আ.লীগ: রিজভী,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৫২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572919/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%AD%E0%A7%80,bangladesh,online,3,রাজনীতি|আওয়ামী লীগ|বিএনপি|জালিয়াতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|সহিংসতা,বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একতরফা নির্বাচনের মুখ্য উপাদান হিসেবে কাজ করেছে। বাংলাদেশে আর গণতন্ত্রের গৌরবোজ্জ্বল যুগ সৃষ্টি হলো না। শেখ হাসিনার দল মানুষের ভোটে জেতেনি. তাঁর দল জিতেছে গায়েবি ভোটে। আজ বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ করেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন. ‘মিথ্যা জয়ের জন্য ভোট জালিয়াতি করতে পানির মতো টাকা খরচ করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেছনে। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে নতুন সরকার তৈরি হবে. তা হবে গভর্নমেন্ট অব দ্য বিজিবি. বাই দ্য র‍্যাব এবং ফর দ্য পুলিশ।’ রিজভী বলেন. এই মহাডাকাতির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে উপহাস করা হয়েছে। আওয়ামী নেতারা এখন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তাঁদের ‘গলাবাজির’ জোরে ভোট নিয়ে মহাজালিয়াতির ঘটনা আড়াল করতে চাইছেন। কিন্তু দেশবাসী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখ কিছুই এড়ায়নি। গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ১৯৭৩ সালের ‘খারাপ’ নির্বাচনের চেয়েও ‘কুৎসিত’। রিজভী অভিযোগ করেন. ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর দেশ আরও একধাপ বর্বর যুগে প্রবেশ করল। নির্বাচনের নামে নিষ্ঠুর রসিকতা করে এখন জনপদের পর জনপদে ধানের শীষের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর চলছে পৈশাচিক বর্বরতা। মূর্খের অহংকারে আক্রমণ করে ভেঙে ফেলা হচ্ছে নিরীহ মানুষের বাড়িঘর. দোকানপাট ও বাজার। সেগুলোয় অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। রিজভী বলেন. বিএনপির নেতা-কর্মীদের ঘরছাড়া. এলাকাছাড়া করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার করার রীতিমতো হিড়িক শুরু হয়েছে। নানা হয়রানিসহ শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। আক্রমণে অনেকে নিহত হয়েছেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান. কৃষিখামার. সহায়-সম্পদের ওপর বেপরোয়া হানা দেওয়া হচ্ছে অবিরাম।,1572919 2019-01-02,৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনী পোস্টার অপসারণের ঘোষণা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572917/%E0%A7%AA%E0%A7%AE-%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE,bangladesh,online,3,একাদশ সংসদ নির্বাচন|ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন|রাজধানী,আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব নির্বাচনী পোস্টার. ফেস্টুন অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। আজ বুধবার সকালে পুরান ঢাকার সুরিটোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে নির্বাচনী পোস্টার অপসারণ কাজ উদ্বোধনের সময় তিনি এ ঘোষণা দেন। সাঈদ খোকন বলেন. গত ৩০ ডিসেম্বর দেশে উৎসব মুখর পরিবেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে প্রার্থীরা পোস্টার-ফেস্টুন ও ব্যানারসহ নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী ব্যবহার করেছেন। আমরা এই প্রচার সামগ্রী অপসারণের মধ্য দিয়ে নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ঢাকা উপহার দিতে চাই। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যাবতীয় পোস্টার সামগ্রী অপসারণ করবে ডিএসসিসি। এই সময়ের মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশনও কাজ করবে।মেয়র সাঈদ খোকন বলেন. এই সময়ের মধ্যে ডিএসসিসির একার পক্ষে সব পোস্টার অপসারণ কিছুটা কঠিন হবে। তাই নির্বাচনে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের ও রাজনৈতিক দলকে অনুরোধ করছি আপনারা আমাদের সাহায্য করবেন। আমরা সবাই মিলে এই শহরকে সুন্দর করে নগরবাসীকে উপহার দিতে চাই।পরে সাঈদ খোকন নিজ হাতে ঢাকা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদের নির্বাচনী পোস্টার অপসারণ করেন।,1572917 2019-01-02,প্রবাসী বন্ধুরা কে কোথায়?,,বন্ধুসভা ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1572912/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F,bondhushava,online,3,,প্রবাসী বন্ধুরা আমরা আপনাদেরই খুঁজছি। আপনাদের উপস্থিতি চাইছি বন্ধুসভার ফেসবুকে. গ্রুপে ও ওয়েবসাইটে।আপনারা কোথায় আছেন. কী করছেন. কেমন আছেন—সে কথা আমরা জানতে চাই অন্যদেরও জানাতে চাই। এ বিষয়ে আমাদের লিখুন নিয়মিত।প্রবাসে কত বিচিত্র বিষয় আছে আপনার চোখের সামনেই. সে সব বিষয় নিয়েও লিখুন। আপনার মাধ্যমে সে কথা জানুক অন্য বন্ধুরাও।লেখার সঙ্গে ছবি দেবেন। দন্ত্যস রওশন. সভাপতিপ্রথম আলো বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদ,1572912 2019-01-02,আ.লীগের জয় প্রত্যাশিত. ভোটের সংখ্যা নিয়ে সংশয়,প্রথম আলোকে মাইকেল কুগেলম্যান,বিশেষ প্রতিনিধি. যুক্তরাষ্ট্র,৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572910/%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A7%9F,bangladesh,online,3,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,যুক্তরাষ্ট্রের থিংক ট্যাংক উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাইকেল কুগেলম্যান মনে করেন. সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোর দুর্বলতার কারণেই আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয় অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে যে ব্যবধানে ক্ষমতাসীন দল এই বিজয় অর্জন করে. তা যুক্তিকে হার মানায়। প্রথম আলোর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধির কাছে এক লিখিত মন্তব্যে কুগেলম্যান এই মন্তব্য করেন।কুগেলম্যান বলেন. সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলো যেভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল. তাতে আওয়ামী লীগ যে এই নির্বাচনে জয়যুক্ত হবে. তা আগে থেকেই টের পাওয়া গিয়েছিল। তারাই ছিল এই নির্বাচনে ‘ফেবারিট’ দল। তবে নির্বাচনী ফলের সম্পূর্ণ একপেশে অবস্থা সন্দেহের উদ্রেক করে। কোনো রাজনৈতিক দল. তা সে যত জনপ্রিয় হোক না কেন. ৯৫ শতাংশের অধিক আসন দখল করবে—এ কথা ভাবার কোনো কারণ নেই। সন্দেহের সেটাই কারণ।কুগেলম্যান মনে করেন. এই ফলাফল কয়েকটি উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এর অন্যতম হলো বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ। নির্বাচনের আগে যেভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর হামলা চালানো হয় এবং এরপর আগামী পাঁচ বছরের জন্য আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ ক্ষমতা অর্জন. তাতে বাংলাদেশ ক্রমে একদলীয় রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে—এটা বললে অত্যুক্তি হবে না।বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই মার্কিন বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন. বিরোধী দলগুলোর পুনর্নির্বাচনের দাবি বাস্তবায়িত না হলে তারা দেশজুড়ে অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। তবে বিরোধী দলগুলো এখন এতটা দুর্বল যে তাদের পক্ষে সংগঠিত রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলা কার্যত অসম্ভব। এই অবস্থায় যা হতে পারে. তা হলো বিক্ষিপ্ত সহিংস হামলা।আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলগুলোর সহাবস্থান দীর্ঘমেয়াদি খুব সুখকর হবে না বলেই মনে করেন কুগেলম্যান। এর ফলে দেশে একধরনের রাজনৈতিক সংকটের সূচনা হতে পারে। তিনি এও মনে করেন. ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগ হয়তো বিরোধীদের সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে ফেলতে তাদের দিকে সমঝোতার হাত বাড়াতে পারে। তবে বাংলাদেশ সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে তিক্ততা এখন এতটাই যে এমন কিছু আশা করা অতিরঞ্জিত মনে হতে পারে।,1572910 2019-01-02,শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন সোনিয়া গান্ধীর,,ইউএনবি. ঢাকা,৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572908/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%B0,bangladesh,online,3,নির্বাচন|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|সোনিয়া গান্ধী|কূটনৈতিক সম্পর্ক,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।ইহসানুল করিম বলেন. ‘গত রবিবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ায় ভারতীয় কংগ্রেস দলের নেতা সোনিয়া গান্ধী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা. বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি বার্তা পাঠিয়েছেন।’বার্তায় সোনিয়া গান্ধী বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি. অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্য কামনা করেন বলেও জানান প্রেস সচিব।,1572908 2019-01-02,ওয়াশিংটনে ক্ষমতার পালাবদল বিভক্তি কেবল বাড়াবেই,,বিশেষ প্রতিনিধি. যুক্তরাষ্ট্র,,https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1572906/%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%87,northamerica,online,4,,বৃহস্পতিবার থেকে মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণভার চলে যাচ্ছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের হাতে। গত দুই বছর কংগ্রেসের উভয় কক্ষই ছিল ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণে। প্রশাসনের সমক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় শাখা হলেও রিপাবলিকান কংগ্রেস ট্রাম্পের প্রতি নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়ে গেছে। কিন্তু এখন অবস্থা বদলে যাবে. তা ট্রাম্পও বুঝতে শুরু করেছেন। প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ছাড়া কোনো প্রস্তাব পাসই তাঁর পক্ষে সম্ভব হবে না। সে কথার প্রথম লক্ষণ পাওয়া গেল গতকাল মঙ্গলবার। এদিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাজেট প্রশ্নে অব্যাহত অচলাবস্থা ও ফেডারেল সরকারের ‘বন্ধ’ থামাতে মতবিনিময়ের জন্য রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতৃবৃন্দকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি উভয় দলের নেতাদের বুঝিয়ে বলতে চান সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য তাঁর প্রস্তাবিত ‘দেয়াল’ এত জরুরি কেন। এই ‘দেয়াল’ নিয়ে মতান্তরের কারণে প্রায় ১০ ধরে ফেডারেল সরকারের এক–চতুর্থাংশের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে আছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন. মেক্সিকোর সঙ্গে নিরাপত্তাদেয়াল নির্মাণে আগামী বাজেটে পাঁচ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ না করা হলে তিনি সেই বাজেট প্রস্তাবে স্বাক্ষর করবেন না। বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা বলছেন. তাঁরা দেয়ালের জন্য এক পয়সাও দেবেন না. তবে সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দিতে প্রস্তুত। ডেমোক্র্যাটরা এই ‘বন্ধের’ জন্য সব দায় চাপিয়েছেন ট্রাম্পের ঘাড়ে। গত মাসে হোয়াইট হাউসে এক প্রকাশ্য বৈঠকে ট্রাম্প জানান. সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য তিনি সরকারের কাজকর্ম বন্ধ করে দিতে প্রস্তুত। এই কাজের জন্য তিনি গর্বিত বোধ করবেন। কিন্তু তাঁর অনুগত সমর্থকেরা ছাড়া রিপাবলিকান দলের প্রধান নেতাদের কেউই ট্রাম্পের এই বন্ধের সমর্থনে এগিয়ে আসেননি। ডেমোক্র্যাটদের একগুঁয়ে মনোভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স সমঝোতার একটি চেষ্টা করেছিলেন। তিনি প্রস্তাব রেখেছিলেন. আড়াই বিলিয়ন ডলার দিলেই ট্রাম্প সন্তুষ্ট হবেন। কিন্তু সে প্রস্তাব ডেমোক্র্যাটরা ফিরিয়ে দিয়েছেন। এদিকে নতুন কংগ্রেসে সম্ভাব্য ডেমোক্রেটিক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির জানিয়েছেন. বৃহস্পতিবার প্রতিনিধি পরিষদের প্রথম দিনই তাঁরা সরকারের কাজকর্ম পুনারম্ভের জন্য বাজেট বরাদ্দ প্রস্তাব পাস করবেন। তাঁরা দুটি ভিন্ন ভিন্ন প্রস্তাব গ্রহণ করবেন। প্রথম প্রস্তাবে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ছাড়া বাকি সব ফেডারেল সরকারের এক বছরের বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে একই রকম একটি প্রস্তাব আগেই গৃহীত হয়েছে। তাঁদের দ্বিতীয় প্রস্তাবে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যয় বরাদ্দ মঞ্জুর করা হবে। এতে সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য চলতি বরাদ্দ অব্যাহত রাখা হবে. কিন্তু ট্রাম্পের দেয়ালের জন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হবে না। উভয় পক্ষকে আলাপ-আলোচনার জন্য সময় দিয়ে সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে এই আংশিক বাজেট প্রস্তাব তাঁরা গ্রহণ করবেন। হোয়াইট হাউস থেকে বলা হয়েছে. ট্রাম্প এমন প্রস্তাব কিছুতেই সমর্থন করবেন না। কিন্তু তার বদলে অন্য আর কী তিনি করবেন. সে কথাও পরিষ্কার নয়। ট্রাম্পের দেয়ালের ব্যাপারে ডেমোক্র্যাটরা এতটা খেপে আছেন যে বিনিময়ে কিছু না পেলে এই কাজে তাঁরা কোনো অর্থ বরাদ্দ করবেন বলে মনে হয় না। কোনো কোনো রিপাবলিকান নেতা মনে করেন. অভিবাসন প্রশ্নে ডেমোক্র্যাটদের দাবি মেনে নিলে উভয় পক্ষের মধ্যে একটা রফা হতে পারে। তাঁরা দীর্ঘদিন থেকে ‘ডাকা’ কর্মসূচিভুক্ত বৈধ কাগজপত্রবিহীন তরুণ অভিবাসীদের বৈধকরণের দাবি জানিয়ে আসছেন। রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন. দেয়াল বাবদ অর্থ বরাদ্দ হলে এমন একটি সমঝোতা ট্রাম্পের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।,1572906 2019-01-02,ক্ষোভ আর কষ্ট নিয়ে চলে গেলেন কাদের খান,,বিনোদন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572905/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,online,4,বলিউড,কাদের খানের জন্ম আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে হলেও তাঁর পড়াশোনা. শিক্ষকতা এবং পরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়া—সবকিছুই হয়েছে মুম্বাইয়ে। রাজেশ খান্না অভিনীত ‘দাগ’ ছবি দিয়ে ১৯৭৩ সালে বলিউডে অভিনয়জীবন শুরু করেন কাদের খান। বলিউডে তিনি অভিনয় করেছেন তিন শতাধিক ছবিতে। ২৫০টি ছবির সংলাপ লিখেছেন। তাঁর অভিনীত শেষ ছবি ‘হোগ্যায়া দিমাগ কা দাহি’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালের ১৬ অক্টোবর। বলিউডের প্রখ্যাত এই অভিনেতা আর নেই। কানাডার টরন্টোর একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। কাদের খানের মৃত্যুর পর সামনে এসেছে তাঁর কিছু ক্ষোভ আর কষ্টের কথা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে অনেকেই বলছেন. কাদের খান চলচ্চিত্রকে অনেক দিয়েছেন. কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে কিছু ক্ষোভ নিয়ে চলে যেতে হলো। যে মুম্বাই তাঁকে এত যশ. খ্যাতি আর সম্মান দিয়েছে. মৃত্যুর আগে তিনি সেই শহরকে ত্যাগ করে চলে যান টরন্টোতে. ছেলে সরফরাজ খানের কাছে। এ সময় তাঁর মনে ছিল অনেক কষ্ট। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ মুম্বাই আনতে চাননি তাঁর পরিবার। যদিও বার্তা সংস্থা পিটিআইকে সরফরাজ খান বলেছেন. ‘মুম্বাই নয়. বাবাকে টরন্টোতে দাফন করা হবে। এখানে আমাদের পুরো পরিবার রয়েছে। আমরা সবাই এখানেই থাকি। তাই বাবার শেষ কাজও এখানেই হবে।’ কী সেই ক্ষোভ আর কষ্ট? হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে. ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননার জন্য কাদের খানের নাম ছিল বিবেচনায়। তখন কাদের খানের অসুস্থতা ক্রমেই বাড়ছে। তাই আগ্রহীরা চেয়েছিলেন. কাদের খানের জীবদ্দশায় যেন তাঁকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া হয়। খবরটি পৌঁছে গিয়েছিল কাদের খানের কাছেও। তখন তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন. ‘সরকার যদি মনে করে এই সম্মান পাওয়ার মতো কাজ আমি করেছি. তাহলে আমি তা পেতে পারি। তবে আমাকে যেন এই সম্মান দেওয়া হয়. এর জন্য এত মানুষ সরকারকে অনুরোধ করেছেন. তাঁদের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।’ শেষ পর্যন্ত ‘পদ্মশ্রী’ পাননি কাদের খান। ‘হোগ্যায়া দিমাগ কা দাহি’ ছবির প্রচারণার সময় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি। সেটাই ছিল তাঁর শেষ সাক্ষাৎকার। যাঁরা পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন. সেই তালিকা দেখে কাদের খান বলেছিলেন. ‘খুব ভালো কথা যে আমি পদ্মশ্রী পাইনি।’ তবে তিনি আঙুল তুলেছিলেন সংশ্লিষ্টদের ‘সততা’র দিকে। ব্যাপারটি তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন. ‘জীবনে কখনো চাটুকারিতা করিনি। ভবিষ্যতেও করব না। এখন যে অভিনেতাদের পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে. তাঁদের দিলে আমার আর দরকার নেই।’ কাদের খান আরও বলেছিলেন. ‘পুরস্কার জীবনে বড় কথা নয়। কিন্তু কাদের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে. সেটা বড় কথা। আগে এ ধরনের পুরস্কারের জন্য প্রাপকদের বাছাই করা হতো সততার সঙ্গে। কিন্তু সেই দিন আর নেই। মানুষ এখন খুব বেশি স্বার্থপর। ঠিকমতো সম্মান দিতেও ভুলে গেছে। যাঁরা এই বছর পদ্মশ্রী পেলেন. তাঁদের মতো যোগ্যতা আমার নেই। তাঁদের ধন্যবাদ জানাই. যাঁরা পদ্মশ্রীর জন্য আমার নাম পাঠিয়েছেন।’ বলিউডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যাঁরা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন. তাঁদের ব্যাপারে কাদের খানের ছিল তীব্র আপত্তি। সেই সাক্ষাৎকারে সহকর্মীদের রাজনীতি থেকে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেছিলেন. ‘ফিরে এসো. রাজনীতি তোমাদের লক্ষ্য নয়।’,1572905 2019-01-02,নতুন সাংসদদের শপথ আজ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572904/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A0%E0%A6%BF,bangladesh,online,4,নির্বাচন কমিশন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় সংসদ,সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে সংসদ সচিবালয়কে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। বুধবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এ কথা জানান। ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন. নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের প্রস্তুতি নিতে সংসদ সচিবালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ হবে। নবনির্বাচিত সাংসদদের গেজেট গত মঙ্গলবার রাতে প্রকাশ করা হয়েছে বলে প্রথম আলোকে জানান নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। একাদশ সংসদে তারাই বিরোধী দল হতে যাচ্ছে। বিএনপি জোটের সাংসদেরা শপথ না-ও নিতে পারেন বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে তারা ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন. নির্বাচিতরা শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।,1572904 2019-01-02,যমুনা নদীতে মাছ ধরা,,সোয়েল রানা. বগুড়া,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572902/%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9B-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A6%BE,bangladesh,online,4,ছবির গল্প|যমুনা নদী|বগুড়া,বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার রৌহদহ গ্রাম। ভাঙনের কবলে পড়া গ্রামটির কিছু অংশ মাত্র টিকে আছে। সেখানে আছে যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এলাকা। একটু নিচুতেই জেলেদের বেঁধে রাখা ২০ থেকে ২৫টি ছোট নৌকা। সেখানে দল বেঁধে বসবাস করেন কয়েকজন জেলে। ছবিগুলো ১ জানুয়ারির। বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার রৌহদহ গ্রাম। ভাঙনের কবলে পড়া গ্রামটির কিছু অংশ মাত্র টিকে আছে। সেখানে আছে যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এলাকা। একটু নিচুতেই জেলেদের বেঁধে রাখা ২০ থেকে ২৫টি ছোট নৌকা। সেখানে দল বেঁধে বসবাস করেন কয়েকজন জেলে। ছবিগুলো ১ জানুয়ারির।,1572902 2019-01-02,ইয়েস স্যার-ইয়েস ম্যাডাম বদলে ‘জয়হিন্দ’,,অমর সাহা. কলকাতা,৭,https://www.prothomalo.com/international/article/1572899/%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B8-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B8-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E2%80%99,international,online,4,ভারত|নরেন্দ্র মোদি|বিজেপি,ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্য গুজরাটে স্কুলে আর ছাত্রছাত্রীদের নাম ডাকার সময় বলা যাবে না. ইয়েস স্যার. ইয়েস ম্যাডাম বা প্রেজেন্ট স্যার. প্রেজেন্ট প্লিজ ইত্যাদি। সেখানে বলতে হবে জয় হিন্দ বা জয় ভারত। এই অভিনব নিয়ম চালু হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিন থেকে। গত সোমবার গুজরাটের শিক্ষামন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের পর নির্দেশিকা জারি করে রাজ্যের প্রাথমিক. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্ষদ। এতে বলা হয়. ছোট থেকেই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ‘দেশপ্রেম বোধ জাগিয়ে তোলার’ লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুজরাট সরকার। রাজ্যের সব সরকারি. বেসরকারি ও সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্কুলকে এই সিদ্ধান্ত মেনে চলতে হবে। প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা এই নিয়মের আওতায় থাকবে। শিক্ষামন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিং বলেছেন. একজন ছাত্রছাত্রী স্কুলে কমপক্ষে ১০ হাজার বার ইয়েস স্যার. ইয়েস ম্যাডাম বা প্রেজেন্ট স্যার ইত্যাদি বলে। কিন্তু তার বদলে যদি ছাত্রছাত্রীরা ১০ হাজার বার ‘জয়হিন্দ’ বা ‘জয় ভারত’ বলে তাতে করে ছাত্রছাত্রীদের মনে দেশপ্রেম বাড়বে। যদিও রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে বিরোধীরা। কেউ কেউ এ কথাও বলেছেন. রাজনীতিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুজরাটের বিজেপি সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে ভারতের মধ্য প্রদেশে সাবেক বিজেপি শাসিত সরকার গত বছরের মে মাসে এই একই ধরনের নির্দেশ জারি করেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল. বিভিন্ন বিদ্যালয়ে রোল বা নাম ডাকার সময় বলতে হবে’জয় হিন্দ’। মধ্যপ্রদেশে গত শিক্ষাবর্ষ থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে।,1572899 2019-01-02,‘বর্ণবাদী’ গান্ধী এবং আফ্রিকার প্রতিশোধ,,চৌধুরী মুফাদ আহমদ,৫,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1572895/%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E2%80%99-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%A7,opinion,online,4,আন্তর্জাতিক|ভারত|আফ্রিকা,কিছুদিন আগে আফ্রিকার দেশ ঘানার রাজধানী আক্রায় ইউনিভার্সিটি অব ঘানা থেকে গান্ধীজির মূর্তিটি সরিয়ে ফেলতে হলো! ২০১৬ সালে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি মূর্তিটি উন্মোচন করার পরপরই সেটি সরানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নেতৃত্বে আন্দোলন গড়ে ওঠে। তাঁরা তাঁদের দাবির পক্ষে একটি পিটিশনে গান্ধীকে ‘বর্ণবাদী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন. দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকার সময় তিনি ভারতীয়দের আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের চেয়ে উন্নততর জাতি হিসেবে বিবেচনা করতেন এবং তাঁর বিভিন্ন লেখায় আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের ‘বর্বর’. ‘অসভ্য’. ‘কাফ্রি’ বলে উল্লেখ করেছেন। গান্ধীর বিরুদ্ধে ভারতে বর্ণপ্রথা টিকিয়ে রাখা সমর্থন করার অভিযোগও করা হয় এই আবেদনে।এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘#GhandiMustFall’ নামে একটি আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়। মূর্তিটির পতনকে আন্দোলনকারীরা তাঁদের বিজয় হিসেবে দেখছেন। আফ্রিকার অন্য আরেকটি দেশ মালাওয়িতে গান্ধীজির মূর্তি স্থাপনের একটি উদ্যোগ আন্দোলনের মুখে সম্প্রতি স্থগিত করেছেন সে দেশের হাইকোর্ট।দুই. একজন ধনাঢ্য গুজরাটি মুসলমান ব্যবসায়ীর আইন উপদেষ্টা হিসেবে বিলেতফেরত ব্যারিস্টার মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ১৮৯৩ সালে ভারত থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়েছিলেন ফ্রক কোট ও পাগড়ি পরে। ১৯১৫ সালের জানুয়ারিতে গুজরাটি সাধারণ কৃষকের পোশাকে তিনি বোম্বে (বর্তমানে মুম্বাই) বন্দরে জাহাজ থেকে নামেন। ইতিমধ্যে ভারতের মানুষের কাছে তাঁর যে ইমেজ গড়ে উঠেছিল. তা বর্ণবাদ ও ব্রিটিশবিরোধী এক সন্ত-রাজনীতিবিদের ইমেজ. যিনি অহিংস সত্যাগ্রহ দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন. জেল-জুলুমকে তুচ্ছ করেছেন। কিছুদিন পর তাঁকে রবীন্দ্রনাথ ‘মহাত্মা’ উপাধি দেন। কিন্তু গান্ধীজি দক্ষিণ আফ্রিকায় আসলে কী করেছিলেন. সে বিষয়ে ভারতের. এমনকি আফ্রিকার মানুষের ধারণা ছিল ভাসা–ভাসা। গান্ধীর নিজের লেখা এবং তাঁর ভক্ত জীবনীকারদের লেখা থেকে তাঁর দক্ষিণ আফ্রিকার জীবনের একটি খণ্ডিত চিত্র পাওয়া যেত। বছর দুয়েক আগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকীয় দুজন অধ্যাপক আশ্বিন দেশাই ও গুলাম ওয়াহেদের গবেষণা গ্রন্থ ‘দ্য সাউথ আফ্রিকান গান্ধী: স্ট্রেচার বেয়ারার অব দ্য এম্পায়ার’ প্রকাশের পর গান্ধীর দক্ষিণ আফ্রিকায় জীবন সম্পর্কে চমকপ্রদ সব তথ্য বেরিয়ে আসে। সামনে উঠে আসে গান্ধীজির অন্য এক রূপ। তিন. ঊনবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ আফ্রিকায় মূলত দুই ধরনের ভারতীয় ছিলেন—আখ চাষের খামারে. কয়লাখনিতে ও রেললাইন নির্মাণকাজে নিয়োজিত দরিদ্র চুক্তিবদ্ধ শ্রমিক এবং গুজরাট থেকে আসা মুসলমান ও হিন্দু ব্যবসায়ী সমাজ। দক্ষিণ আফ্রিকার দখলদার শ্বেতাঙ্গরা কালো আফ্রিকানদের মতো ভারতীয়দেরও বর্ণবাদী বৈষম্যের দৃষ্টিতে দেখত। দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার পর গান্ধীজিও এই বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হন এবং এর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। তবে তাঁর আন্দোলন ছিল ভারতীয়দের. মূলত ভারতীয় ব্যবসায়ী শ্রেণির প্রতি ইউরোপীয়দের বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে। গান্ধীর যুক্তি ছিল. ভারতীয় ব্যবসায়ীরা দক্ষিণ আফ্রিকায় এসেছে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রজা হিসেবে। ব্রিটেনের মহারানির ১৮৫৮ সালের ঘোষণা অনুযায়ী ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সব প্রজার সমান অধিকার থাকার কথা। তাই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের শ্বেতাঙ্গদের সমান সামাজিক অধিকার থাকা উচিত। ১৮৯৪ সালে তিনি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সংগঠন নাটাল ন্যাশনাল কংগ্রেসের সেক্রেটারি হন। ভারতীয়দের বিরুদ্ধে ঔপনিবেশিক শাসকদের নানা বৈষম্যমূলক কালাকানুনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের নিয়ে নিরলসভাবে তিনি অহিংস ‘সত্যাগ্রহ আন্দোলন’ গড়ে তোলেন। নানা কারণে নির্যাতিত. অপমানিত হন. জেল খাটেন। চার. কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর বর্ণবাদী ইউরোপীয়দের নির্মম শোষণ-নির্যাতনে গান্ধী কোনো সমস্যা দেখেননি। ‘আফ্রিকা’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ বলেছেন. ‘কালো ঘোমটার নিচেঅপরিচিত ছিল তোমার মানবতা রূপউপেক্ষার আবিল দৃষ্টিতে।’ গান্ধীজির দৃষ্টিতেও আফ্রিকার কালো মানুষদের মানবতার রূপ উপেক্ষিত হয়েছে। তাদের ‘ভাষাহীন ক্রন্দন ধ্বনি’ তাঁর কানে পৌঁছায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি শ্বেতাঙ্গ ইউরোপীয়দের চরম বৈষম্যমূলক আচরণ গান্ধী মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু এটি মেনে নিতে পারেননি যে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গরা ‘সভ্য’ ভারতীয়দের আফ্রিকার ‘অসভ্য কাফ্রিদের’ কাতারে নামিয়ে দেবে। তাই তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গদের বোঝানোর চেষ্টা করেন. ভারতীয়রা আসলে ইউরোপীয়দের মতো একই ইন্দো-আর্য জনগোষ্ঠী থেকে উদ্ভূত! কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানদের থেকে ভারতীয়দের পৃথক সুবিধার জন্য গান্ধী শ্বেতাঙ্গ কর্তৃপক্ষের কাছে নিরলস দেনদরবার করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁর ওঠাবসা–চলাফেরা ছিল বিত্তশালী ভারতীয় ব্যবসায়ী ও শ্বেতাঙ্গদের সঙ্গে। কৃষ্ণাঙ্গদের সংস্পর্শ তিনি এড়িয়ে চলতেন। তাঁর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আফ্রিকার বিপুলসংখ্যক কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের স্বার্থের কোনো সম্পর্ক ছিল না। গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্যের অবসান চাননি. চেয়েছেন সেই ব্যবস্থা অটুট রেখে ভারতীয়দের. বিশেষত ভারতীয় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের জন্য শ্বেতাঙ্গদের মতো সুযোগ-সুবিধা। পাঁচ. দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধীর আন্দোলনের কোনো ব্রিটিশবিরোধী চরিত্র ছিল না। তিনি একান্তভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী ব্রিটিশ সরকারের অনুগত ছিলেন। ১৮৯৯ সালে ‘বোয়ার যুদ্ধে’. অর্থাৎ দক্ষিণ আফ্রিকায় বসতকার (সেটেলার) ওলন্দাজ এবং ব্রিটিশদের মধ্যে যুদ্ধে. গান্ধী অ্যাম্বুলেন্স বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আহত ব্রিটিশ সৈন্যদের পরিচর্যায় নিয়োজিত হন এবং ‘সার্জেন্ট মেজর’ পদ লাভ করেন। যুদ্ধের সময় ব্রিটিশদের তৈরি বিভিন্ন ‘কনসেনট্রাশন ক্যাম্পে’ হাজার হাজার বোয়ার এবং কৃষ্ণাঙ্গ নারী-শিশু প্রাণ হারায়। ব্রিটিশদের এই নির্মমতা গান্ধীকে বিচলিত করেনি। ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে কৃষ্ণাঙ্গ জুলুরা বিদ্রোহ করলে ব্রিটিশ সরকার নির্মমভাবে এই বিদ্রোহ দমন করে। এই যুদ্ধে সাড়ে তিন হাজার জুলু নিহত. সাত হাজার আহত ও ত্রিশ হাজার গৃহহারা হয়। এই অসম যুদ্ধেও গান্ধী শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের সেবার জন্য অ্যাম্বুলেন্স বাহিনী তৈরি করেন। তিনি জুলুদের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের দিয়ে সশস্ত্র মিলিশিয়া বাহিনী তৈরি করার প্রস্তাবও করেন! গান্ধী তাঁর এই ব্রিটিশ আনুগত্যের জন্য যারপরনাই গর্বিত ছিলেন। ভারতে ফিরে আসার পাঁচ বছর পর ১৯২০ সালে ভারতবাসী ইংরেজদের কাছে লিখিত এক খোলা চিঠিতে তিনি বলেন. ‘আমি বিনীতভাবে বলতে চাই যে গত টানা ২৯ বছর আমি ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে যেরূপ সহযোগিতা করেছি. আর কোনো ভারতীয় তা করেনি। আমি যেরূপ বৈরী পরিবেশে এই সহযোগিতা করেছি. অন্য কেউ হলে বিদ্রোহ করত।’ ছয়. তবে শ্বেতাঙ্গদের সহিংসতার বিরুদ্ধে গান্ধীর আপসকামী রাজনীতি ও অহিংস সত্যাগ্রহ আন্দোলনে বিশেষ ফল না হওয়ায় গান্ধীর প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার ভারতীয়দের আস্থা ধীরে ধীরে কমে আসে। তাঁর নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের মিশনারি স্কুলে শিক্ষিত সন্তানেরা ভারতকে নয়. দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিজেদের দেশ মনে করত। তারা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থমুখিন গান্ধীর আন্দোলনে অনাগ্রহী হয়ে নতুন সংগঠন গড়ে তোলে। শুধু কৃষ্ণাঙ্গরাই নয়. দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধীর অহিংস সত্যাগ্রহ আন্দোলনে ১৯১৩ সালের আগে ভারতীয় চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের কোনো সক্রিয় ভূমিকা ছিল না। ভারতীয় চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের চুক্তির মেয়াদ শেষে দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকতে হলে তিন পাউন্ড ট্যাক্স দেওয়ার একটি আইনের বিরুদ্ধে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছিল। ১৯১৩ সালে গান্ধী ও তাঁর ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সংগঠনের সমর্থনে তিন পাউন্ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে খনিশ্রমিকদের আন্দোলন গড়ে ওঠে। গান্ধীর অনাগ্রহ সত্ত্বেও এই আন্দোলন দ্রুত চুক্তিবদ্ধ ভারতীয় আখশ্রমিকদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে এবং সহিংস আকার ধারণ করে গান্ধীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এই আন্দোলনের পর জেল থেকে ছাড়া পেয়ে গান্ধী ভারতে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ. তিনি বুঝতে পেরেছিলেন. তাঁর সত্যাগ্রহ আন্দোলনের অকার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনীতি ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে। সাত. এদিকে ভারতের রাজনীতিতে তখন গান্ধীর মতো একজন নেতার প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। কারণ. ভারতে তখন আবেদন-নিবেদনের রাজনীতির পর্ব শেষ হয়ে মধ্যবিত্তের মধ্যে সহিংস সন্ত্রাসবাদী বা ‘বিপ্লবী’ আন্দোলন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ রকম পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকারের প্রয়োজন ছিল ভারতের জাতীয় আন্দোলনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অনুগত ও নির্ভরযোগ্য একজন লোক। আবার ভারতীয় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়েরও দরকার ছিল একজন দক্ষ কিন্তু বিশ্বস্ত লোক. যিনি আন্দোলনে যাতে তাঁদের স্বার্থ রক্ষিত হয়. তা নিশ্চিত করতে পারবেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় এই দুপক্ষের স্বার্থে কাজ করা পরীক্ষিত লোক ছিলেন গান্ধী। তাই দেখি. গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারত আসার আগে বিলেত যাচ্ছেন। সেখানে লর্ড হার্ডিঞ্জ গান্ধীকে ‘হিন্দ’. অর্থাৎ ভারতে আসার আগেই ‘কাইজার-ই-হিন্দ’ বা ‘হিন্দুস্থানের বাদশাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯১৫ সালের জানুয়ারি মাসে গান্ধী তৎকালীন বোম্বে পৌঁছান। ভারতে পৌঁছার পর কয়েক বছরের মধ্যেই পরম ব্রিটিশভক্ত ‘মহাত্মা’ গান্ধী ভারতের শিল্পপতি-ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সমর্থনে ভারতের ‘ব্রিটিশবিরোধী’ রাজনীতিতে নিয়ামক ভূমিকা পালন করতে শুরু করেন এবং তাঁর মতাদর্শের আদলে কংগ্রেসের রাজনৈতিক চরিত্র নির্ধারণ করেন। চৌধুরী মুফাদ আহমদ. প্রাবন্ধিক cmahmed@gmail.com,1572895 2019-01-02,নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখার আহ্বান ইইউর,,অনলাইন ডেস্ক,১৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572894/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0,bangladesh,online,4,নির্বাচন|সহিংসতা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|দুর্নীতি,বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ওঠা অনিয়মের অভিযোগ যথাযথভাবে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সংস্থাটির মুখপাত্র গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানিয়েছেন। ইইউর মুখপাত্রের বিবৃতিতে বলা হয়. ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক ফলাফল জানিয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়. গত ১০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ও বিরোধীদের অংশগ্রহণ গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আকুল আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন। নির্বাচনের দিন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখ করার মতো বাধা থেকেই যায়. যা নির্বাচনী প্রচার ও ভোটকে কলঙ্কিত করেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এসব অনিয়মের অভিযোগ যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা এবং পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজটি করা নিশ্চিত করতে হবে। বিবৃতিতে বলা হয়. ‘ইইউর প্রত্যাশা বাংলাদেশ গণতন্ত্র. মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে আমরা আমাদের সমর্থন অব্যাহত রাখব।’,1572894 2019-01-02,ভোট বাগাতে নতুন কৌশল বিজেপির,,অমর সাহা. কলকাতা,৫,https://www.prothomalo.com/international/article/1572892/%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0,international,online,4,ভারত|বিজেপি|নরেন্দ্র মোদি,ভারতের আগামী লোকসভা নির্বাচনে উদ্বাস্তুদের ভোট নিশ্চিত করতে এবার মোদি সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে নতুন করে সংশোধনী আনছে। সংশোধনীতে বলা হয়েছে. দেশের উদ্বাস্তু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। পাশাপাশি যেসব সংখ্যালঘু উদ্বাস্তু ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী রয়েছেন. তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে। গত সোমবার নাগরিকত্ব বিল নিয়ে দিল্লিতে যৌথ সংশোধনী কমিটির এক বৈঠক শেষে এই সংশোধনী আনার কথা বলেছেন কমিটির সদস্য বিজেপির সাংসদ মীনাক্ষী লেখি। তিনি বলেছেন. বাঙালি. বিশেষ করে হিন্দু উদ্বাস্তুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই সংশোধনী আনা হচ্ছে। বৈঠকে এই সংশোধনী আনার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এই সংশোধনী পাস হলে আসামে চলতি জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়া বাঙালি হিন্দুদের সমস্যা মিটে যাবে। কারণ. এনআরসিতে যাঁদের নাম ওঠেনি বা পর্যাপ্ত নথি দিয়ে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি. তাঁদের বিরুদ্ধে আর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আসামে এনআরসি তালিকায় তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া সহজ হয়ে যাবে। পাশাপাশি যেসব বাঙালিকে আসামের ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দী রাখা হয়েছে. তাঁদের মুক্তি দেওয়া হবে। যৌথ সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান রাজেন্দ্র আগরওয়াল ৭ জানুয়ারি লোকসভায় এই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশ করবেন। বিলে বলা হয়েছে. প্রতিবেশী বাংলাদেশ. পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু হিন্দু. খ্রিষ্টান. বৌদ্ধ. শিখ. পার্শি ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের যাঁরা ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন. তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। আর সংখ্যালঘু উদ্বাস্তুদের ‘বিদেশি’ তকমা দিয়ে ক্যাম্পে বন্দী রাখা যাবে না। পাশাপাশি এখন যেসব সংখ্যালঘু হিন্দু ডিটেনশন ক্যাম্পে রয়েছেন. তাঁদের মুক্তি দেওয়া হবে। ৭ জানুয়ারি লোকসভায় এই সংশোধনী পেশ করার কথা থাকলেও চলতি শীতকালীন অধিবেশনে এই বিল পাস হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ. ৮ জানুয়ারি শেষ হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এদিকে ৪ জানুয়ারি আসামের শিলচর থেকে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করার কথা প্রধানমন্ত্রী মোদির। সেই নির্বাচনী প্রচার সভায় মোদি নাগরিকত্ব বিল নিয়ে কোনো কথা বলবেন কি না. সেদিকে তাকিয়ে আছে গোটা দেশ। যদিও ২০১৪ সালের সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনের সময় মোদি ঘোষণা দিয়েছিলেন উদ্বাস্তুদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে নাগরিকত্বের স্বাদ পায়নি উদ্বাস্তুরা।,1572892 2019-01-02,ভারতে ওয়েবসাইটে ভুয়া খবর ছড়ালে আরও শাস্তি,,অনলাইন ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/international/article/1572891/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A6%B0-%E0%A6%9B%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF,international,online,4,ভারত|ভুয়া খবর,ভুয়া খবর ও শিশু পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ অ্যাপ ও ওয়েবসাইটগুলোর বিরুদ্ধে সাজা বাড়িয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। প্রস্তাবিত আইনে বিধি লঙ্ঘন করলে অ্যাপ ও ওয়েবসাইটগুলোকে সরিয়ে দেওয়ার কঠোর সাজার ব্যবস্থা রাখা হবে। আজ বুধবার টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনে এ খবর প্রকাশ করা হয়। খবরে বলা হয়. তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বৈঠকের কয়েক দিন পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে প্রতিনিধিরা অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি বেআইনি বিষয়গুলো চিহ্নিত করতে প্রস্তাবিত আইনের ব্যাপারে তাদের মতামত জানান। এই একটি মূল ক্ষেত্রে সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মতবিরোধ ছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন. আইন ভঙ্গ করলে বা সহায়তা করতে না চাইলে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতার প্রয়োজন রয়েছে। আইনে সংশোধন আনার পর তা হোয়াটসঅ্যাপ. ফেসবুক. গুগল. টুইটার ও টেলিগ্রামের মতো জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। ভুয়া খবরের উৎস শনাক্ত করা. এনক্রিপশনের সুযোগ পাওয়া (এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ ছাড়া আর কেউ তথ্যে প্রবেশ করতে পারে না). রাজনীতি ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে এমন বিষয়. শিশু হয়রানি ও প্রতিশোধমূলক পর্নো চিত্র ছড়ানোর ব্যাপারে এসব যোগযোগমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের মতবিরোধ ছিল। আরেক সরকারি কর্মকর্তা জানান. তথ্যপ্রযুক্তি আইনে এখন যেসব শাস্তির বিধান রয়েছে. তা যথেষ্ট নয়। এটা সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক আয় রয়েছে. সেই তুলনায় সাজা অনেক কম। ডেটা সুরক্ষা বিলে সাজা আরও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হচ্ছে। পুনিত ভাসিন নামের ভারতের একজন সাইবার আইন বিশেষজ্ঞের মতে. ভুয়া খবর ঠেকানোর প্রবণতা রোধে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইনে খুব কমই ব্যবস্থা রয়েছে। ভারতের এমন কোনো আইন নেই. যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ইস্যুতে কাজ করতে বলা যায়। একমাত্র ভারতের দণ্ডবিধি অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তাদের বিরুদ্ধে বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি আইনে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। ডেটা স্থানীয়করণসহ ভারতের এ–সংক্রান্ত আইনটিকে আরও কঠোর করা উচিত এবং তা বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি জানান। এর আগে গত জুলাই মাসে রাজ্য সভায় আইন ও তথ্যপ্রযুক্তি–বিষয়ক মন্ত্রী রবি শংকর বলেছিলেন. অপরাধ সংঘটন. ঘৃণা ছড়ানো. জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদকে উসকানি দেওয়া এবং অর্থ পাচারে ইন্টারনেটকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে না দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতে আইন করা হবে। তিনি আরও বলেছিলেন. ভারতে বিদেশি ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ওই সব প্রতিষ্ঠানকে ভারতের আইন ও বিচার বিভাগের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে হবে।,1572891 2019-01-02,৩০ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে শিশু উদ্ধার,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/international/article/1572884/%E0%A7%A9%E0%A7%A6-%E0%A6%98%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%82%E0%A6%AA-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0,international,online,4,ইউরোপ|রাশিয়া,রাশিয়ায় ধসে যাওয়া অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে ১১ মাসের শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শূন্যের নিচে তাপমাত্রায় ৩০ ঘণ্টা ধরে শিশুটি ধ্বংসস্তূপের ভেতর আটকে ছিল। শিশুটিকে উদ্ধারের পর চিকিৎসার জন্য মস্কোয় পাঠানো হয়েছে। শিশুটির জ্ঞান থাকলেও অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আজ বুধবার বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়. রাশিয়ার মাগনিতোগোরস্ক শহরে গত সোমবার ১০তলা অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে এখনো পর্যন্ত নয়জনের মৃত্যুর তথ্যের সত্যতার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৩২ জন। গ্যাস–সংযোগের ছিদ্র থেকে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিস্ফোরণে ভবনের একাংশ ধসে যায়। ভবনটিতে ৪৮টি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে এবং এতে বাসিন্দা রয়েছেন ১২০ জন। উদ্ধার হওয়া শিশুটির ব্যাপারে বলা হয়েছে. ছেলেশিশুটির নাম ইভান। এর আগে তার মাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। রাজধানী মস্কো থেকে ১ হাজার ৬৯৫ কিলোমিটার দূরত্বে মাগনিতোগোরস্ক শহরে দিনের বেলাতেই তাপমাত্রা থাকে মাইনাস ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে. প্রচণ্ড শীতের কারণে শিশু ইভানের গায়ে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে. মাথায় আঘাত আছে. পায়ের একাধিক জায়গা ভেঙে গেছে। চিকিৎসার জন্য তাকে উড়োজাহাজে করে মস্কো নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পায়োত্রর গ্রিতসেনকো নামের একজন উদ্ধারকর্মী জানান. দোলনায় কম্বলে মোড়া ছিল শিশুটি। আন্দ্রেই ভালমান নামের আরেকজন উদ্ধারকর্মী শিশুটির কান্নার শব্দ শুনতে পান। তিনি সেটা জানানোর পর শব্দের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার জন্য যন্ত্রপাতি বন্ধ করে নীরবতা আনা হয়। তখন শোনা যায়. সত্যিই শিশুর কান্না। তাঁরা শিশুটিকে থামতে বলার সঙ্গে সঙ্গেই সে থেমে যায়। এরপর তারা শিশুটির উদ্দেশে জিজ্ঞেস করেন. ‘তুমি কোথায়?’। শিশুটি তখন আবার কান্না শুরু করে। ঘটনাটি দলের প্রধানকে জানানোর পর তিনি শিশুটিকে উদ্ধারে সবাইকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে যুক্ত হতে বলেন। এর আগে সোমবার ভবনটিতে উদ্ধার তৎপরতা চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। আরও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভবনটিকে কিছুটা উপযোগী করে তোলার পর উদ্ধারকাজ শুরু করার কথা ছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান. তিনি ঘুম ভেঙে দেখতে পান. নিচে পড়ে যাচ্ছেন। দেয়াল ধসে পড়েছে। তাঁর মা চিৎকার করছেন এবং তাঁর ছেলে ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই চাপা পড়ে গেল। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনায় আজ মাগনিতোগোরস্ক শহরে শোক দিবস পালন করা হবে। সেখানে পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। শহরের সব ধরনের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে।,1572884 2019-01-02,গলায় দড়ি দেওয়ার আগ মুহূর্তে যা মনে হলো...,,মানসুরা হোসাইন. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572862/%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A6%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B,bangladesh,online,4,নারী নির্যাতন,যৌন হয়রানির পর মনে হয়েছিল. আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করার চিন্তা এল. আগ মুহূর্তে মনে হলো জীবনে ভালো কোনো অর্জন কি নেই? আছে তো। কোনো প্রতিযোগিতায় গোল্ড মেডেল পাওয়া বা অন্য কোনো অর্জনের পর তো কত লোক শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। তাহলে শুধু একটি মাত্র ঘটনার জন্য আত্মহত্যা করা কি ঠিক? না. ঠিক না। বরং যৌন নির্যাতনের কথা প্রকাশ করে অন্যদের সচেতন করতে হবে। হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলনে সমর্থন দিতে হবে। ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের প্রযোজনায় হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলন নিয়ে একটি পরিবেশনার চিত্র এটি। এতে অভিনয় করেন মূকাভিনয়শিল্পী কামরুন্নাহার মৌসুমী। তিনি এই সংগঠনে দ্বিতীয় মেয়াদে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কামরুন্নাহার মৌসুমী জানালেন. এখনো পর্যন্ত এই আন্দোলন নিয়ে এটিই প্রথম পরিবেশনা। শুধু এই আন্দোলন নয়. সমাজে ঘটে যাওয়া অনেক অসংগতি এ শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে। ধর্ষণের পর জন্ম নেওয়া সন্তানকে মা ডাস্টবিনে ফেলবেন কি না. টক শোগুলোতে কী হয় অথবা পরিবারে টেলিভিশনের রিমোট নিয়ে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই বা ভারতের বিভিন্ন টিভি সিরিয়ালের প্রভাবসহ বিভিন্ন বিষয়কে ফুটিয়ে তোলা হয় মূকাভিনয়ের মাধ্যমে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে কথা হয়। টিএসসির নির্দিষ্ট কক্ষে সংগঠনের শিল্পীরা রিহার্সেল করছিলেন। ঠোঁটে লিপস্টিক. মুখে বিশেষ ধরনের সাদা পাউডার. হাতে–পায়ে সাদা মোজা. গায়ে সাদা-কালো ডোরাকাটা পোশাক। সাজসজ্জা বলতে গেলে এই। তবে শিল্পীরা জানালেন. সাদা মানে ভালো. কালো মানে অন্ধকার. এভাবে এই সাজসজ্জার মাধ্যমেই ফুটিয়ে তোলা হয় মূলভাব। কিছুক্ষণ সেখানে থাকার পর মনে হলো. এই শিল্পীরা কত কথা বলে যাচ্ছেন কিন্তু মুখে একটুও শব্দ নেই। তাঁদের পুরো শরীর. চোখ কিন্তু অনেক কথা বলে যাচ্ছে। তাই হয়তো এই সংগঠনের স্লোগান: না–বলা কথাগুলো না বলেই হোক বলা। ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের প্রতিষ্ঠা হয় ২০১১ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ সংগঠনকে বার্ষিক অনুদান দিচ্ছে। চলতি বছরে এ সংগঠনের উদ্যোগে ঢাকায় হবে তৃতীয় আন্তর্জাতিক মূকাভিনয় উৎসব হবে। গত বছর দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক উৎসব উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকায় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন. ‘শুধু বিনোদন নয়. এই শিল্প আমাদের দেশে সত্যিকারের সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। তথ্যকে আরও স্পষ্ট ও শক্তিশালী করবে। সমাজের নানা অসংগতি. অব্যবস্থাপনা. অপসংস্কৃতি. কুসংস্কার. মাদক. ধর্মের বাড়াবাড়ি. ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো বিষয়গুলোকে মূকাভিনয়ের মাধ্যমে তুলে ধরে সমাজ ও রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে।’ সংগঠনটির শিল্পীরা শুধু দেশে নয়. ভারত. দক্ষিণ কোরিয়া. আর্মেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশে প্রদর্শনী করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে এনেছেন। আলাপের সময় ষাটের দশকের শেষ দিকে কলকাতায় যোগেশ দত্তের কাছে মূকাভিনয়ে হাতেখড়ি পাওয়া পার্থ প্রতিম মজুমদারের কথাও বারবার বললেন সংগঠনের শিল্পীরা। কেননা. দেশের মূকাভিনয়শিল্প নিয়ে কথা বলতে গেলে প্যারিসপ্রবাসী এই মূকাভিনয়শিল্পীর নাম বলতেই হবে। ২০১৩ সালে প্যারিস থেকে এই শিল্পী প্রথম আলোয় এক লেখায় লেখেন. ‘কথা না বলেও আমরা অনেক কথা বলি. ভাষা ব্যবহার না করেও আমরা দেহ দিয়ে এমন অঙ্গভঙ্গি করি. যা ভাষা উচ্চারণের চেয়েও অনেক বেশি প্রকট ও শক্তিশালী। যাকে নাম দেওয়া হয়েছে “বডি ল্যাংগুয়েজ” বা “দৈহিক ভাষা”। এগুলোকে সম্মিলিত করেই একটা শিল্পের জন্ম হয়েছে. যার নাম “মূকাভিনয়”।’ ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের প্রতিষ্ঠাতা মীর লোকমান প্রথম আলোকে বলেন. ২০০৯-১০ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর মূকাভিনয় বিষয়ে একটি কর্মশালায় অংশগ্রহণের সুযোগ মেলে। ২০১১ সালের দিকে একটি সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে সংগঠনের শিল্পীরা রাস্তায় বিভিন্ন পারফর্ম করতেন। দেশে অনেক আগে থেকেই এ শিল্পের যাত্রা শুরু। তবে সেভাবে চর্চার অভাবে মানুষের কাছে তখন বিষয়টি খুব বেশি পরিচিত ছিল না। কেমন-কেমন করে তাকিয়ে থাকতেন। বর্তমানে কেমন করে তাকানোর পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটেছে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মূকাভিনয় রাখার চেষ্টা করা হয়। মীর লোকমান বলেন. এটি একটি নির্বাক শিল্পমাধ্যম। সাহসের অভাবে বা সমাজ বাস্তবতায় যে কথাগুলো বলা সম্ভব না. তা–ই বলে দেওয়া হচ্ছে এ শিল্পের মাধ্যমে। সমাজ-রাষ্ট্রের অন্যায়–অত্যাচারের বিপরীতে এ শিল্প কাজ করছে। বলা যায়. নির্বাক ভাষায় শক্তিশালী আওয়াজ তোলা হচ্ছে। এতে দর্শক ও শিল্পীদের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক থাকে। সরাসরি চোখে চোখে কথা হয়। গল্পগুলো প্রায় ক্ষেত্রেই সমসাময়িক বিষয় থেকে বেছে নেওয়া হয় বলে তা দর্শকদের কাছে পরিচিতই থাকে। গল্প পরিচিত না হলেও খুব সমস্যা হয় না। সহজ ভাষায় গল্প বলা হয় বলে দর্শকেরা তা বুঝতে পারেন। ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। তিনি জানালেন. পূর্ণাঙ্গ কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে তাঁর দায়িত্ব। জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কামরুন্নাহার মৌসুমী জানালেন. পরিবারের সহায়তা ছাড়া এ শিল্পের সঙ্গে বেশি দিন টিকে থাকা সম্ভব না। এ শিল্পে এখনো পর্যন্ত নারীদের সংখ্যা অনেক কম। নেতৃত্বের জায়গায় নারীরা নেই বললেই চলে বলে খানিকটা আক্ষেপও প্রকাশ করেন তিনি।,1572862 2019-01-02,ফেসবুকে বিশ্বাস রাখিব কেমনে?,,অর্ণব সান্যাল,১,https://www.prothomalo.com/technology/article/1572860/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87,technology,online,4,ফেসবুক|পরামর্শ,শুধু ক্ষমা চাইতে চাইতেই গত বছরটা কাটিয়ে দিলেন মার্ক জাকারবার্গ। সঙ্গে ছিল সমস্যা কাটিয়ে ওঠার আশ্বাসও। কিন্তু সেই আশ্বাসবাণী বারংবার শুনতে শুনতে বড্ড পানসে হয়ে গেছে। এখন আর ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা তাতে আস্থা রাখেন কিনা সন্দেহ! একের পর এক কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত ফেসবুকে বিশ্বাস ধরে রাখাটাই এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত মাসে ফেসবুকের নতুন ‘স্ক্যান্ডাল’ প্রকাশিত হয়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে. গ্রাহকদের অজান্তেই তাঁদের তথ্য অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করেছে ফেসবুক। অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আছে—আমাজন. অ্যাপল. মাইক্রোসফট. নেটফ্লিক্স. স্পটিফাই ও ইয়ানডেক্সের মতো প্রতিষ্ঠান। এগুলোকে নিজেদের গ্রাহকদের তথ্যে প্রবেশাধিকার দেয় ফেসবুক। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে. ফেসবুকের ২০১৭ সালের কিছু অভ্যন্তরীণ নথি থেকে এ খবর জানা গেছে। নথিতে দেখা গেছে. বছরের পর বছর ধরে গ্রাহকদের তথ্যে অন্য প্রতিষ্ঠানকে প্রবেশাধিকার দিয়ে আসছিল ফেসবুক। এতে করে সব পক্ষই লাভবান হচ্ছিল। তবে এ নিয়ে ফেসবুক কখনোই গ্রাহকদের সামনে টুঁ শব্দটি করেনি! ২০১৮ সালের শুরুটাও ছিল এমনি। গত মার্চ মাসের ১৭ তারিখে ফাঁস হয় কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কাণ্ড। জানা যায়. লাখ লাখ ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পাওয়া তথ্য দিয়ে মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করেছিল কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা নামের প্রতিষ্ঠানটি। ওই ঘটনায় মাত্র কয়েক ঘণ্টায় কমে গিয়েছিল ফেসবুকের স্টক শেয়ারের দাম। এরপর থেকে পুরো বছরজুড়েই নানা ঘটনায় নেতিবাচক আলোচনার কেন্দ্রে থেকেছে মার্ক জাকারবার্গের প্রতিষ্ঠান। গত মার্চের শেষ ভাগেই গড়ে ওঠে ‘ডিলিট ফেসবুক’ আন্দোলন. যা জারি ছিল বছরের শেষ অবধি। এপ্রিলে জানা যায়. ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার হাতে ছিল ৮ কোটি ৭০ লাখ গ্রাহকের তথ্য। এই গ্রাহকেরা জানতেনই না যে. তাদের তথ্য অন্যের হাতে চলে গেছে। সিএনএন বলছে. অ্যাপল. মাইক্রোসফট ও স্যামসাংসহ বেশ কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ফেসবুকের তথ্য আদান-প্রদানের সম্ভাবনার কথা যায়। এটি গত ৩ জুনের খবর। গত সেপ্টেম্বরে মার্কিন সিনেট কমিটিকে ফেসবুকের সিওও শেরিল স্যান্ডবার্গ জানান. ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রুশ তৎপরতার বিষয়টি সার্বিকভাবে বোঝা তাঁর প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব ছিল না। অর্থাৎ ফেসবুক ব্যবহার করে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়টি ঠেকাতে পুরোপুরি সফল হয়নি ফেসবুক। ওই মাসেই জানা যায়. নজিরবিহীন সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি এবং ৩ কোটি ব্যবহারকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপর ফেসবুকের ব্যর্থতার তালিকা আরও লম্বা করে দেয় ডিসেম্বর মাসটি। নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে. মাইক্রোসফটের বিং সার্চ ইঞ্জিন নাকি সব ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নাম দেখতে পেত। এই অনুমতি দিয়েছিল ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ নথিতে দেখা গেছে. ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত বার্তা দেখার অনুমতি ছিল নেটফ্লিক্স ও স্পটিফাই-এর। অন্যদিকে আমাজনকে ব্যবহারকারীদের নাম ও যোগাযোগের ঠিকানা দেখার অনুমতি দিয়েছিল ফেসবুক। মার্ক জাকারবার্গ অবশ্য প্রতিবাদ করে বলতেই পারেন. ‘চেষ্টা তো কম করিনি।’ কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে. সেই চেষ্টা আদতে কতটুকু আন্তরিক? এই প্রশ্নের সঙ্গে সঙ্গে উঠে গেছে জাকারবার্গের পদত্যাগের দাবিও। অবশ্য সংবাদমাধ্যম ওয়্যারড জানাচ্ছে. ফেসবুকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যেকোনো বিরোধিতা সামাল দেওয়ার উপায় জানা আছে জাকারবার্গের। শেরিল স্যান্ডবার্গের অবস্থাও তেমনই। সুতরাং জাকারবার্গের সরে যাওয়া অনেকটাই অসম্ভব। দ্য টাইমসের দাবি. ১৫০ টিরও বেশি কোম্পানির সঙ্গে ফেসবুকের তথ্য আদানপ্রদানের চুক্তি আছে। বলা হচ্ছে. ফেসবুক এর ব্যবহারকারীদের তথ্যে জেনেশুনেই প্রবেশাধিকার দিয়েছিল এবং তার পরিধি ছিল ব্যাপক। ফেসবুক অবশ্য বছরজুড়েই ভাঙা রেকর্ডের মতো একই কথা শুনিয়ে গেছে। তা হলো—‘ব্যবহারকারীদের কোনো তথ্যের অপব্যবহার হয়নি’. ‘ব্যবহারকারীদের তথ্য বিক্রি করা হয়নি’। কিন্তু বিশ্লেষকেরা বলছেন. আদতে অন্য কোম্পানির কাছে ব্যবহারকারীদের তথ্য বিক্রিই করেছে ফেসবুক। হয়তো তথ্যের বদলে ট্যাঁকে ডলার আসেনি. কিন্তু এসেছে অন্যান্য মূল্যবান সুবিধা। এভাবেই চলেছে বিনিময় প্রক্রিয়া। সেটি বিক্রি নয়তো কি? এত বিতর্ক ও সমালোচনার চড়া মূল্যও দিতে হয়েছে ফেসবুককে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন বলছে. ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ নিজে হারিয়েছেন প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার। সিএনবিসি বলছে. ২০১৮ সালে ফেসবুকের স্টক শেয়ারের দাম কমেছে প্রায় ২৫ দশমিক ৭ শতাংশ। এ তো গেল আর্থিক ক্ষতির হিসাব। অন্যদিকে ফেসবুককে ছেড়ে গেছেন হোয়াটসঅ্যাপের সহপ্রতিষ্ঠাতা জান কোউম। বিদায় বলে দিয়েছেন ইনস্টাগ্রামের সহপ্রতিষ্ঠাতা কেভিন সিসট্রম ও মাইক ক্রিগারও। এ ছাড়া ফেসবুকের নেতৃস্থানীয় কর্মীদের অনেকেই ছেড়ে দিয়েছেন সাধের প্রতিষ্ঠান। শুধু চলে গিয়েই ক্ষান্ত হননি তাঁরা. গলা চড়িয়েছেন সমালোচনাতেও। নিন্দুকেরা বলছেন. জাকারবার্গের ফেসবুক এখন ‘অত্যন্ত ধনী’ ও ‘ক্ষমতাবান’ একটি প্রতিষ্ঠান। হাবভাবে মনে হচ্ছে. কাউকেই পরোয়া করছে না এটি। প্রশ্ন হলো—ফেসবুক কি পৃথিবীকে আরও নিরাপদ করবে? নাকি ক্ষমতাবান করপোরেশনের মতো রোজগারের জন্য যা খুশি তাই করবে? ২০১৮ সাল নিয়ে মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন. গত বছরের সমস্যাগুলো ঠিক করতে এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। না পারলে হয়তো এবারও ক্ষমা চেয়ে নেবেন। দিন শেষে ব্যবহারকারীদের বলে দেবেন. ‘উই আর সরি’!,1572860 2019-01-02,ফেনীতে র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২,,প্রতিনিধি. ফেনী,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572859/%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A7%A8,bangladesh,online,4,অপরাধ|ফেনী|বন্দুকযুদ্ধ|চট্টগ্রাম বিভাগ,ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছেন। র‍্যাবের দাবি. নিহত দুজন মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার সিলোনিয়া বাজার এলাকায় ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এই ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন আসাদ (৪২) ও ইমামুল আকন্দ (২৪)। তাঁরা দুজনই মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার বাসিন্দা। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৭ ফেনী ক্যাম্পের অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়েত জামিল ফাহিম। তিনি জানান. র‍্যাব ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান. ১৩টি গুলি. ২৫০ কেজি গাঁজা ও কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে। নিহত দুজনের লাশ ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।,1572859 2019-01-02,কিতাবের ফুটবল মাঠে থাকলেই হয়!,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৩,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572858/%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A7%9F,sports,online,4,ফুটবল|কাজী সালাউদ্দিন,নতুন বছরের শুরুতে গতকালই বাফুফের কাছ থেকে পাওয়া গেছে ফুটবলসূচি। আশার কথা. কাগজে-কলমে আন্তর্জাতিক আর ঘরোয়া মিলিয়ে ক্যালেন্ডারজুড়ে ফুটবল আর ফুটবল। নতুন বছরের শুরুতে গতকালই বাফুফের কাছ থেকে পাওয়া গেছে ফুটবলসূচি। আশার কথা. কাগজে-কলমে আন্তর্জাতিক আর ঘরোয়া মিলিয়ে ক্যালেন্ডারজুড়ে ফুটবল আর ফুটবল। শিরোনামেই সন্দেহের আভাস দেখে ভড়কে গেলে চলবে না। বাংলাদেশের ফুটবলের অতীত রেকর্ড জানা থাকলে এটা সন্দেহ নয়. বাস্তবতার নিরিখে নিজেদের আটকে রাখা। বার্ষিক সূচি প্রকাশ করতে জুড়ি নেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের। কিন্তু কেতাবে লেখা বাস্তবে মানা হয় কম। নিকট অতীতে মাঠে বল গড়ানোর চেয়ে ফেডারেশনের কথার খেলাই দেখা গেছে বেশি। নতুন বছরের শুরুতে গতকালই বাফুফে দিয়ে দিয়েছে একটি ফুটবলসূচি। আশার কথা. কাগজে-কলমে বছরজুড়ে শুধু ফুটবল আর ফুটবল। ফিফা বা এএফসির নির্ধারিত সূচি তো আছেই. বোর্ডের নিজস্ব অনেক পরিকল্পনাও আছে ফুটবল নিয়ে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা দুটির সূচিতে গরমিল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই. বিপত্তিটা বাধে বাফুফের নিজেদের আয়োজনে। তবে নতুন বছরের নতুন আশা; ২০১৯ সালে নতুন মোড়কে নিজেদের মেলে ধরবে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। বিশ্ব ফুটবল র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৯২ স্থানে থেকে ২০১৮ সাল শেষ করেছে বাংলাদেশ। টানা চতুর্থবারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপপর্ব থেকে নিয়েছে বিদায়। কিন্তু ২০১৮ সালকে ফুটবল ইতিহাসের সেরা বলে আখ্যায়িত করেছেন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। এশিয়ান গেমসে কাতারকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় পর্বে খেলতে পারার সুবাদেই বাফুফে সভাপতির এমন দাবি। নতুন বছরে গত বছরের ধারাটাই ধরে রাখতে চান তিনি. ‘২০১৮ সালটা সেরা ছিল। সে ধারাটাই ধরে রাখতে চাই। জানুয়ারিতেই শুরু হয়ে যাবে প্রিমিয়ার লিগ। এরপর ধারাবাহিকভাবে সেকেন্ড ডিভিশন. ফার্স্ট ডিভিশন ও থার্ড ডিভিশন শুরু হবে. যাতে খেলোয়াড়েরা ধারাবাহিকভাবে খেলে যেতে পারেন।’ বাফুফের ঘোষণা অনুযায়ী নতুন বছরে কমপক্ষে ১০টি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বছরের শেষ দিকে কাতার বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ তো আছেই। প্রাক-বাছাই না বাছাইপর্ব খেলতে হবে. সেটা এখনো চূড়ান্ত নয়। তবে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামার চেষ্টা থাকবে বলে জানিয়েছেন সভাপতি. ‘জাতীয় দল আমার কাছে অগ্রাধিকার পাবে। খেলার আগে আমি খেলোয়াড়দের দুই সপ্তাহের জন্য চাই ক্লাবের কাছ থেকে। যখন ইচ্ছা দল পাঠাতে তিনটি দেশ—জাপান. কোরিয়া ও কাতার সম্মতি দিয়ে রেখেছে।’ কয়েক বছর থেকেই বছরব্যাপী ব্যস্ত থাকে মেয়েদের ফুটবল। বয়সভিত্তিক ও সিনিয়র জাতীয় দল মিলিয়ে নতুন বছরেও থাকবে সেই ব্যস্ততা। সেই সঙ্গে যোগ হতে পারে মেয়েদের লিগ. ‘এই মাসের শেষে ক্লাবগুলোকে ও কিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে মেয়েদের লিগ খেলার ব্যাপারে আমন্ত্রণ জানানো হবে। তাদের জবাবের ওপর নির্ভর করবে মেয়েদের লিগ।’ ২০১৪ সালে শেষ আয়োজিত হয়েছিল মেয়েদের ঘরোয়া লিগ। এরপর গত বছর আয়োজন করতে চেয়েও ব্যর্থ হয়েছে বাফুফে। ২০১৯ সালের ফুটবল সূচি নিম্নে দেওয়া হলো। এর সঙ্গে কিছু সংযোজন হওয়ার কথা রয়েছে। জাতীয় বয়সভিত্তিক ও সিনিয়র দল ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ (১৮-২৬ মার্চ. ৩-১১ জুন)বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ (সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর)এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ বাছাইপর্ব (বাহরাইনে ১৮-২৬ মার্চ) সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ (আগস্ট) এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাই (১৪-২২ সেপ্টেম্বর) সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ (সেপ্টেম্বর) এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ বাছাই (১-৬ অক্টোবর) ঘরোয়াপ্রিমিয়ার লিগের প্রথম পর্ব (১৮ জানুয়ারি-৩০ এপ্রিল)চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ (৪ ফেব্রুয়ারি-১৭ এপ্রিল)পাইওনিয়ার লিগ (মার্চ-এপ্রিল) দ্বিতীয় বিভাগ (জানুয়ারি থেকে মার্চ) প্রথম বিভাগ (এপ্রিল থেকে জুন) তৃতীয় বিভাগ (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) প্রিমিয়ারের অনূর্ধ্ব-১৮ লিগ (১০ আগস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর)। নারী ফুটবল১২-২২ মার্চ নেপালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ মিয়ানমারে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ১-১৯ এপ্রিল বাংলাদেশে বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৮/১৯ আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপআগস্টে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট জেএফএ অনূর্ধ্ব-১৮ ঘরোয়া ফুটবল,1572858 2019-01-02,সোনালির জন্মদিনে যা লিখলেন গোল্ডি,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572857/%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BF,entertainment,online,4,বলিউড,স্বামী গোল্ডি বেহেলকে কেক খাইয়ে দিচ্ছিলেন বলিউড তারকা সোনালি বেন্দ্রে। স্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার ছিল এই বলিউড তারকার ৪৪তম জন্মদিন। ছবিটির সঙ্গে এক আবেগঘন পোস্ট লিখেছেন বলিউড তারকার স্বামী।নিজের পোস্টে গোল্ডি লিখেছেন. ‘শুভ জন্মদিন সোনালি। লোকে বলে সঙ্গীকে হতে হয় প্রিয় বন্ধু. নিজের আয়না ও লড়াই করার শক্তি। তুমি আমার জন্য এর সবগুলো বা তার চেয়েও বেশি। ২০১৮ সাল তোমার জন্য একটা কঠিন বছর ছিল। কিন্তু তুমি সাহসের সঙ্গে সময়টির মোকাবিলা করেছ। আমি গর্বিত। সব সময় ইতিবাচক থাকা সম্ভব নয়। কিন্তু তুমি সেটা থাকতে পারো। তোমার জীবনের বিশেষ এই দিনে কামনা করি. সব সময় তোমার মঙ্গল হোক।’জন্মদিনে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন সোনালি। সাদা শার্ট ও রুপালি স্কার্ট পরা সোনালিকে দারুণ উজ্জীবিত দেখাচ্ছিল কাল। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন হৃতিকের সাবেক স্ত্রী সুসান খান. গায়ত্রী ওবেরয়. অভিনেতা কুনাল কাপুর প্রমুখ।গত বছর ক্যানসার ধরা পড়ে সোনালির। চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান তিনি। চিকিৎসা শেষে গত ৩ ডিসেম্বর ভারতের মুম্বাইয়ের নিজের বাড়িতে ফেরেন এই অভিনেত্রী। সোনালি এখন অনেকটা সুস্থ। নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হচ্ছে। সেই সঙ্গে একটু একটু করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছেন এই অভিনেত্রী।২০১৮ সাল সোনালি বেন্দ্রের জন্য ছিল একটি দুঃস্বপ্নের বছর। রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে ফিরেছেন তিনি। বছর শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কিছু ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। চুল কেটে ফেলার আগে শেষবার ব্লো-ড্রাই করার একটি ছবিতে তিনি লিখেছেন. ‘আবারও চুলগুলো উঠতে শুরু করেছে। নতুন বছরে হয়তো আবার ব্লো-ড্রাই করতে পারব। এই জার্নিটা থেকে অনেক কিছু শিখেছি।’ তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস,1572857 2019-01-02,টিভিতে আজকের খেলা সূচি,,খেলা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572856/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF,sports,online,4,ক্রিকেট|ফুটবল|আজকের খেলা,টেলিভিশনের পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন: ৪র্থ টেস্ট-১ম দিন সনি সিক্স অস্ট্রেলিয়া-ভারত আগামীকাল ভোর ৫-৩০ মি. ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২ ও ১ চেলসি-সাউদাম্পটন রাত ১-৪৫ মি. নিউক্যাসল-ম্যান ইউনাইটেড রাত ২টা হপম্যান কাপ সনি টেন ২ ফ্রান্স-জার্মানি সকাল ৮টা অস্ট্রেলিয়া-স্পেন বেলা ৩-৩০ মি. এনবিএ সনি টেন ১ এলএ ক্লিপার্স-ফিলাডেলফিয়া সকাল ৯-৩০ মি. মেয়েদের বিগ ব্যাশ সনি সিক্স থান্ডার-সিক্সার্স সকাল ৯-৫০ মি. বিগ ব্যাশ লিগ সনি সিক্স থান্ডার-স্কর্চার্স বেলা ২-১৫ মি. রঞ্জি ট্রফি স্টার স্পোর্টস ২ বাংলা-দিল্লি সকাল ৯-৩০ মি. টেনিস স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২ মহারাষ্ট্র ওপেন বেলা ৩-১৫ মি. ব্যাডমিন্টন স্টার স্পোর্টস ১ প্রিমিয়ার ব্যাডমিন্টন লিগ সন্ধ্যা ৭-২০ মি.,1572856 2019-01-02,চীনে কি আমির ক্রেজ শেষ?,,অনলাইন ডেস্ক,৪,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1572855/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9C-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7,entertainment,online,4,বলিউড,অমিতাভ বচ্চন ও আমির খানের ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ ভারতের বক্স অফিসের ইতিহাসে অন্যতম ব্যর্থ একটি সিনেমা। সিনেমাটি চীনে মুক্তি পেয়েছে গত শুক্রবার। কিন্তু মিস্টার পারফেকশনিস্টের আগের সিনেমাগুলো থেকে এ সিনেমা আয় করেছে অনেক কম। এরপরই বলা শুরু হয়েছে. চীনে কি আমির ক্রেজ শেষ হতে চলল। ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’কে বলো হচ্ছে বলিউডের সবচেয়ে বেশি ব্যয়ের একটি সিনেমা। কিন্তু স্থানীয় বাজারে ছবির আয় ১৪৫ কোটি রুপির সামান্য বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারেও সুবিধা করতে পারেনি ছবিটি। চীনে আমির খানের জনপ্রিয়তা অন্য যেকোনো ভারতীয় তারকার চেয়ে বেশি। সেখানে তাঁর সিনেমা হাজারো কোটি রুপি ব্যবসার রেকর্ডও গড়েছে। কিন্তু প্রথম দিনে ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’-এর আয় প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম। শুক্রবারের আয় সাড়ে ১০ লাখ ডলারের মতো। ভারতীয় রুপিতে পৌনে ১১ কোটি রুপি। অন্যদিকে. আমিরের ‘সিক্রেট সুপারস্টার’ প্রথম দিনে আয় করে ৬১ লাখ ডলারের কাছাকাছি। ‘দঙ্গল’ আয় করেছিল ২৫ লাখ ডলার। ভারতের মতো চীনেও ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। চলচ্চিত্রের বাণিজ্যবিষয়ক গবেষক ত্বরণ আদর্শ বলেছেন. ৩৩৫ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত ছবিটি ভারতের মতো চীনের বাজারেও ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ছবিটি গত তিন দিনে মাত্র ৩২ কোটি রুপি আয় করেছে চীনের বাজার থেকে। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম চলচ্চিত্রের বাজার চীনে আমিরের যথেষ্ট জনপ্রিয়তাও ছবিটির ধস ঠেকাতে পারেনি। ত্বরণ আদর্শ গত সোমবার টুইটে লেখেন. বিগ বাজেটের ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ ছবিটির সঙ্গে একই সময়ে ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন ছবি চীনে মুক্তি পায়। আমিরের ছবিটি প্রতিযোগিতা করতেই পারেনি। শুক্র থেকে রোববার তিন দিনে ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ছবিটির মোট আয় ছিল ৪৮ লাখ ডলার। অবশ্য চীনের দর্শক টানতে আমির সেখানে ছুটে গিয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণায় অংশও নিয়েছিলেন। এমনকি জনি ডেপ ও জ্যাকি চ্যানের সঙ্গেও একটি অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন। উল্লেখ্য. গত বছরের মে মাসে আমিরের ‘দাঙ্গাল’ ছবিটি চীনে মুক্তির প্রথম সপ্তাহে আয় করেছিল ১৪ মিলিয়ন ডলার বা ৯৭ কোটি রুপি এবং বেশ কিছুদিন টানা চলে রেকর্ড ১ হাজার ৪০০ কোটি রুপি আয় তুলেছিল সেখান থেকে। কিছুদিন আগে ভারতীয় দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন আমির খান। তিনি জানান. নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন। কিন্তু দর্শকদের বিনোদন দিতে পারেনি। তাই দুঃখিত। বিজয় কৃষ্ণ আচারিয়া পরিচালিত সিনেমাটিতে নায়িকা হয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ ও ফাতিমা সানা শেখ। কয়েক দিন আগে নেটফ্লিক্সে ওয়েব সিরিজ ‘সিলেকশন ডে’র প্রিমিয়ারে উপস্থিত হয়ে ফাতিমা জানান. ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’-এর ব্যর্থতা দুঃখজনক। তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস ও এনডিটিভি।,1572855 2019-01-02,হলোগ্রাফি এবং পদার্থবিজ্ঞানের মেসি,,ড. সাজিদ হক,৭,https://www.prothomalo.com/technology/article/1572854/%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF,technology,online,4,গবেষণা,আজকে যে বিষয়টা দিয়ে আলোচনা শুরু করতে চাই. সেই ধারণাটার জন্ম স্ট্রিং তত্ত্ব থেকে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো. এর গ্রহণযোগ্যতা এখন আর স্ট্রিং তত্ত্ব সঠিক কি না. তার ওপর নির্ভর করে না। এটি এখন সমগ্র পদার্থবিদ্যার সম্পদ। বিষয়টি হচ্ছে ‘হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদ’ নামে একটা কনজেকচার (conjecture). যা AdS/CFT correspondence নামে বেশি পরিচিত। স্বাভাবিকভাবেই এর প্রবক্তা হুয়ান মালদাছেনা (Juan Maldacena) এখনকার পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র। হুয়ান মালদাছেনা আর্জেন্টিনার লোক। কাজ করেন প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির সঙ্গে সংযুক্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি. সংক্ষেপে IAS-এ। তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করার জন্য এর থেকে ভালো কোনো জায়গা এই গ্রহে নেই। এখানেই কাজ করতেন আইনস্টাইন। আমার এক গুয়াতেমালান পদার্থবিদ বন্ধু তাঁর স্থপতি বাবাকে মালদাছেনার পরিচিতি দিতে গিয়ে বলেছিল. ‘ও হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানের মেসি’। অপেক্ষাকৃত তরুণদের ভেতর মালদাছেনার থেকে বড় পদার্থবিদ আছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি না। তাই এখনকার পদার্থবিজ্ঞানে মালদাছেনার গুরুত্ব বোঝাতে এর থেকে যথার্থ বিবৃতি আর হয় না। আজকে হুয়ান মালদাছেনার এই হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদ নিয়ে আলোচনা করব। এই ধারাবাহিক লেখায় আমরা স্ট্রিং তত্ত্বের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের আলোচনার একটা মূল বক্তব্য ছিল এই তত্ত্ব বিভিন্ন ধারণা ও বিষয়কে একীভূত করে। মজার ব্যাপার হলো. একীভূতকরণ ছাড়াও স্ট্রিং তত্ত্বের কাছ থেকে একেবারে নতুন কিছু ব্যাপার আমরা পাই। এর একটি হলো গণিতের কাছে পদার্থবিদ্যার ঋণ শোধ। ব্যাখ্যা করি. গত কয়েক শ বছরের গণিত ও পদার্থবিদ্যার সম্পর্ক পর্যালোচনা করলে দেখা যায়. পদার্থবিদ্যা গণিত থেকে কেবল নিয়েই গেছে. বিনিময়ে গণিতে বেশি কিছু যোগ করতে পারেনি। সম্পর্কটা অনেকটাই একমুখী। কিন্তু এই ব্যাপারটা এখন আর সত্যি নয়। স্ট্রিং তত্ত্ব গণিত গবেষণার ক্ষেত্রেও নতুন ধারণা ও দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। এর একটা উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে মিরর সিমেট্রি (Mirrorsymmetry) বলে একটা বিষয়। এই গাণিতিক ধারণা স্ট্রিং তত্ত্ব থেকে এসেছে। বিষয়টা একটু জটিল. সুযোগ পেলে অন্য কোথাও আলোকপাত করব। আজকের মূল আলোচনায় ফেরা যাক। আমার ধারণা. গত বিশ-পঁচিশ বছরে স্ট্রিং তত্ত্ব এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় কাজটা হচ্ছে হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদ বা AdS/CFTcorrespondence। এটা মূলত একটা কনজেকচার (conjecture)। কারণ. এই ধারণা এখনো ঠিক গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি. কিন্তু এর বিশুদ্ধতা নিয়ে পদার্থবিদদের মনে কোনো সন্দেহ নেই বলা চলে। এর হাজার হাজার গাণিতিক পরীক্ষা করা হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদ একটা আজব ধরনের প্রস্তাব করে। এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের দুটি তত্ত্বের ভেতর একধরনের দ্বৈতবাদের কথা বলে। তত্ত্বগুলো এতটাই আলাদা যে এদের ভেতর কোনো রকম মিল চিন্তাই করা যারা না। আরও বড় কথা হলো. তত্ত্ব দুটি ভিন্ন ভিন্ন স্থান. কাল ও মাত্রায় সংজ্ঞায়িত। হুয়ান মালদাছেনা আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে এই অদ্ভুত প্রস্তাবটা দিয়ে সবাইকে একরকম হকচকিয়ে দেন এবং হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদ নিয়ে লেখা তাঁর গবেষণাপত্রটা এখন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বেশিবার সাইটেড পেপারগুলোর একটি। এর সাইটেসন সংখ্যা ১৪ হাজারের ওপরে। সাইটেসন সংখ্যা হচ্ছে কতবার এই গবেষণাপত্র অন্য গবেষকেরা তাঁদের গবেষণাপত্রের কাজে ব্যবহার করেছেন. তার একটা হিসাব। এই সাইটেসন নম্বরটার গুরুত্ব বোঝাতে বলে রাখি স্বয়ং আইনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটার সাইটেসন নম্বর ৪ হাজারের একটু কম। যদিও সাইটেসন নম্বরই একটা গবেষণাপত্রের গুরুত্বের মূল মাপকাঠি নয়. তাই এভাবে সরাসরি তুলনা ঠিক যথার্থ নয়। যা হোক. এই ধারণা ব্যাখ্যা করার আগে একটা ব্যক্তিগত গল্প বলা যেতে পারে। কয়েক বছর আগে নিউইয়র্কের স্টোনি ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইমনস সেন্টারে গিয়েছিলাম স্ট্রিং থিওরির একটা কর্মশালায়। লক্ষ করেছি বাংলাদেশের গবেষকেরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অন্তর্মুখী হন. নতুন পরিবেশে তাদের খাপ খাওয়াতে বেশ সময় লাগে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। এর অন্য একটা কারণ হতে পারে আমার ব্যক্তিগত হীনম্মন্যতা। বিজ্ঞান ও গণিতে আমাদের অর্জন বড় কম—বলার মতো না আসলে। জাতিগত অন্তর্মুখিতা বা ব্যক্তিগত হীনম্মন্যতা—যেকোনো কারণেই হোক. লাঞ্চের সময় অন্য সবার সঙ্গে না বসে আমি একেবারে একা একটা ভিন্ন টেবিলে বসলাম। মাথা নিচু করে খাচ্ছি এমন সময় একজন সামনে এসে জিজ্ঞেস করল. সে কি আমার সঙ্গে বসতে পারে? তাকিয়ে দেখি ব্যক্তিটি হচ্ছেন হুয়ান মালদাছেনা। আমার পিএইচডি অ্যাডভাইজার আর মালদাছেনা দুজনেই একই সময় প্রিন্সটনে পিএইচডি করেছেন এবং বেশ ভালো বন্ধু। কাজেই মালদাছেনার সঙ্গে কথা শুরু করতে আমার তেমন সমস্যা হয়নি। তবে সার্বিকভাবে মালদাছেনার সঙ্গে এই লাঞ্চটা খুব ভালো যায়নি। তখন আমি যে বিষয়টা নিয়ে কাজ করছিলাম. তা নিয়ে ওকে আমি একটা প্রশ্ন করেছিলাম। সত্যি বলতে কি. ওর উত্তর আমি ঠিক বুঝতে পারিনি। তা ছাড়া মিনিট দশেকের মধ্যেই আমাদের টেবিলে লোক জমে গেল। সবাই মালদাছেনার কাছে কিছু না কিছু শুনতে চায়। হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদে ফিরে আসা যাক। এই দ্বৈতবাদ যে দুটি ভিন্ন ভিন্ন তত্ত্বকে সম্পৃক্ত করে. তার একটি হলো এক বিশেষ ধরনের কোয়ান্টাম বলবিদ্যার তত্ত্ব. যাকে কনফরমাল ফিল্ড থিওরি (সংক্ষেপে CFT) বলা হয়। সহজভাবে চিন্তা করার জন্য এটাকে তড়িৎ চুম্বকীয় বলের কোয়ান্টাম তত্ত্বের মতো মনে করা যেতে পারে। ধরা যাক এই তত্ত্ব চার মাত্রার বিশ্বে সংজ্ঞায়িত। এখন গাণিতিকভাবে এই চার মাত্রার সঙ্গে আমরা একটি (বা একাধিক) বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারি। ঠিক এই রকমই একটা বেশি মাত্রার বিশ্বে দ্বিতীয় তত্ত্বটি সংজ্ঞায়িত। আরও মজার বিষয় হচ্ছে. এই দ্বৈত তত্ত্ব একটি বিশেষ ধরনের মহাকর্ষীয় তত্ত্ব। বিশেষ এই অর্থে যে এই মহাকর্ষীয় তত্ত্বের একটা নির্দিষ্ট জ্যামিতিক গঠন আছে. যাকে আমরা অ্যান্টি ডি সিটার স্পেস (সংক্ষেপে AdS) বলি। এ কারণেই এই দ্বৈতবাদকে AdS/CFT correspondence বলা হয়। মালদাছেনা তাঁর প্রথম প্রস্তাবে এই দ্বৈত তত্ত্ব একটা দশ মাত্রার সুপার স্ট্রিং তত্ত্ব ধরেছিলেন। আর মাত্রার এই ভিন্নতার জন্যই এই দ্বৈতবাদকে হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদ বলা হয়। মাত্রার ভিন্নতা ছাড়াও তত্ত্ব দুটির আরও কিছু অদ্ভুত বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্য আছে। তার একটি হলো. বেশি মাত্রার মহাকর্ষীয় তত্ত্বের ওপর গাণিতিক পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা বহু ক্ষেত্রেই অনেক সহজ. কম মাত্রার দ্বৈত তত্ত্বটির তুলনায়। এটাই মূলত এই হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদের মূল শক্তি। যেসব কম মাত্রার দ্বৈত তত্ত্ব বেশ জটিল. আমরা পদার্থবিদ্যার প্রচলিত গাণিতিক অস্ত্র দিয়ে যাদের ঘায়েল করতে পারি না. তাদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত সহজ দ্বৈত তত্ত্বটা ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষা–নিরীক্ষা যা করার এই তত্ত্বের ওপর করে দ্বৈতবাদের অভিধান ব্যবহার করে অপেক্ষাকৃত জটিল তত্ত্বটি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই হলোগ্রাফিক দ্বৈতবাদ স্ট্রিং তত্ত্বের এক বিরাট সাফল্য। আজকাল এই ধারণা পদার্থবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখায়ও ব্যবহার করা হচ্ছে। তত্ত্ব হিসেবে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি স্ট্রিং তত্ত্বকে নিয়ে সমালোচনাও কম নয়। এই ধারাবাহিক লেখাটা অসম্পূর্ণ হবে যদি তার কিছুটা এখানে উল্লেখ না করা হয়। সমালোচনার কেন্দ্রে আছে মূলত তত্ত্বের সঙ্গে পরীক্ষা–নিরীক্ষাকে সম্পৃক্ত করতে না পারার অক্ষমতা। এর মূল কারণটা আগেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে। স্ট্রিং পরীক্ষাগারে দেখা বা এ–সম্পর্কিত কিছু সরাসরি পরিমাপ করা আমাদের বর্তমান পরীক্ষা–নিরীক্ষা করার ক্ষমতার অনেক বাইরে। আসলে স্ট্রিং তত্ত্ব এক্সপেরিমেন্ট থেকে বহুদূর অগ্রগামী। বিজ্ঞানে তত্ত্ব এবং এক্সপেরিমেন্টের উন্নতি হওয়া উচিত হাত ধরাধরি করে. এ ক্ষেত্রে সেই ব্যাপারটা মোটেই ঘটেনি। দ্বিতীয়ত. এই তত্ত্ব জটিল গণিত দিয়ে বাঁধা। অন্য বিষয়ের লোকজন তো বাদই দিলাম. বহু সাধারণ পদার্থবিজ্ঞানীর গণিতে সেই দক্ষতা থাকে না. যা দিয়ে এই তত্ত্বকে ঠিকমতো বোঝা সম্ভব হয়। আসলে বহুমাত্রিক জগতের ধারণা যেমন চিন্তা করা কঠিন. তার গাণিতিক বর্ণনাও বেশ জটিল একটা বিষয়। একটা উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা পরিষ্কার হতে পারে। ধরুন. আপনার কাছে মোটাসোটা একটা বই আছে। বইটার পাতাগুলোর পুরুত্ব খুবই কম. কাজেই পৃষ্ঠাসংখ্যা অনেক বেশি। ধরা যাক. এই বইয়ের ৫০ নম্বর পাতায় একটা পোকার ছবি আছে। এই পাতাকে আপনি কল্পনা করতে পারেন একটা দুই মাত্রার বিশ্বের সঙ্গে. যেখানে কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ আছে. কিন্তু উচ্চতা বলে কিছু নেই। এখন কল্পনাকে আরও বাড়িয়ে ৫০ নম্বর পাতার এই পোকাকে ধরে নিন জীবন্ত। যেহেতু একটা দুই মাত্রার বিশ্বে (৫০ নম্বর পাতা) এই পোকার বাস. কাজেই এই পোকাকেও হতে হবে দুই মাত্রার. অর্থাৎ এর কোনো উচ্চতা থাকবে না। আশা করি আমাকে অনুসরণ করতে পারছেন। এখন ধরা যাক. এই পাতার ওপর আপনি একটা চায়ের কাপ রাখলেন। এখন প্রশ্ন হলো. পোকাটি কি চায়ের কাপটা দেখতে পাবে বা এটা যে একটা চায়ের কাপ. তা বুঝতে পারবে? আসলে পারবে না। কারণ. পোকাটার জগতে উচ্চতা বলে কিছু নেই। কাজেই কাপটার যে অংশ দুই পাতার ওপরে আছে. সেই বৃত্তাকার তলাটা শুধু বুঝতে পারবে। কাজেই একটা দুই মাত্রার পোকার জন্য তিন মাত্রার চায়ের কাপ সম্পূর্ণ অজানাই থেকে যাবে। একইভাবে আমরা একটা চার মাত্রার (তিনটি স্থান মাত্রা ও সময়) জগতে বাস করি। কাজেই দশ মাত্রা নিয়ে আমাদের মস্তিষ্ক কোনো ছবি তৈরি করতে পারে না। দশ মাত্রার মহাবিশ্ব আমাদের জন্য ভয়াবহ রকমের জটিল। তবে পার্থক্য হলো আমরা মানুষ. পোকা না. আমাদের হাতে আছে ‘গণিত’ নামের একটা অসম্ভব শক্তিশালী অস্ত্র। এই গণিত দিয়ে আমরা এই বাড়তি মাত্রাগুলো নিয়ে চিন্তা করতে পারি। এই মাত্রাগুলো কী রকমের হতে পারে. তা ধারণা করতে পারি। কিন্তু এখানেও সমস্যা আছে। এই বাড়তি মাত্রাগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিতে বর্তমান গণিতও মনে হচ্ছে পুরোপুরি সক্ষম নয়। এই বাড়তি মাত্রাগুলো বোঝার জন্য এখনকার গণিত থেকে সবচেয়ে বোধগম্য যে ধারণা আমরা পাই. তার নাম হচ্ছে ‘কালাবি ইয়াও ম্যানিফোল্ড’। কালাবি ইয়াও ম্যানিফোল্ড হচ্ছে একটা ছয় মাত্রার বিশ্ব. যার জ্যামিতিক প্রকৃতি আমাদের জানা। কাজেই স্ট্রিং তত্ত্বের বাড়তি ছয় মাত্রার কমপ্যাকটিফাইড (আগের লেখায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে) বিশ্বকে আমরা কালাবি ইয়াও হিসেবে ধরে নিই। কারণ. কালাবি ইয়াও ম্যানিফোল্ডের বাইরে অন্য ধরনের স্থান সম্পর্কে আমাদের পুরোপুরি জ্ঞান নেই। কিন্তু এই বাড়তি মাত্রাগুলো যে কালাবি ইয়াও ধরনের হবে. তার কোনো প্রমাণ আমাদের হাতে নেই। মাত্রা বেশি থাকায় আর একটা খুব বড় সমস্যা তৈরি হয়। আবার বইয়ের উদাহরণটাতে ফিরে যাওয়া যাক। আগেই বলছি. তিন মাত্রার বইয়ের ভেতর বহু দুই মাত্রার পাতা ঢোকানো আছে। প্রতিটা পাতা আমাদের দুই মাত্রার পোকাটার জন্য একটা সম্ভাব্য বিশ্ব হতে পারে। তেমনিভাবে দশ মাত্রার মহাবিশ্বে অসংখ্য অসংখ্য চার মাত্রার বিশ্ব থাকতে পারে। কল্পকাহিনিতে এদের প্যারালাল মহাবিশ্ব (ParallelUniverse) হিসেবে দেখানো হয়। সমস্যাটা হলো. এখান থেকে আমাদের পরিচিত চার মাত্রার বিশ্ব খুঁজে বের করা বালুর ট্রাকের ভেতর থেকে সুই খুঁজে বের করার থেকেও অনেক অনেক গুণ বেশি কঠিন। এই কঠিন প্রশ্নের একটা উত্তর অনেকে এভাবে দেন যে আমরা সেখানেই বাস করি. যেখানে আমরা বাস করতে পারি। আমরা সেই মহাবিশ্বে বাস করি. যেখানে পৃথিবী নামক বাসযোগ্য গ্রহ তৈরি হয়েছে. যেখানে অনেক মৌলিক কণা যেমন ইলেকট্রন. প্রোটন এসব আছে। আমাদের এই মহাবিশ্ব সব জায়গাতে দেখতে এক রকম এবং তা সম্প্রসারিত হচ্ছে। যদি এসব না থাকত. তাহলে আমদের অস্তিত্বও থাকত না এবং এই সব দেখার. চিন্তা করার জন্যও কেউ থাকত না। এই বিচিত্র সমাধানকে এনথ্রপিক সমাধান বলা হয় এবং বহু পদার্থবিদ এটা মানতে পারেন না। বলা ভালো. এখন পর্যন্ত এই বিষয়টার খুব ভালো কোনো সমাধান আমাদের নেই। এসব কিছু মিলিয়েই স্ট্রিং তত্ত্ব যেন অন্য ভুবনের তত্ত্ব। আমার নিজের ব্যক্তিগত অভিমত হলো. এই তত্ত্বের খুব সামান্য অংশই আমরা আসলে বুঝি। স্ট্রিং তত্ত্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান অনেকটা বিশাল হাতির শরীরের এক জায়গা স্পর্শ করে হাতি সম্পর্কে ধারণা করার মতো। কাজেই অনেক মৌলিক প্রশ্নের উত্তরই আমরা জানি না। তা ছাড়া পদার্থবিজ্ঞানের বক্তব্য তো পাথরে খোদাই করা নয়. এর ধ্যানধারণা বহমান। নতুন চিন্তা. নতুন ধারণা আগের অসম্পূর্ণ ধারণাকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করে চলেছে। আর আমাদের মনে রাখা উচিত. মহান তত্ত্ব ছাড়া কোনো বিজ্ঞান খুব বেশি আগাতে পারে না। আজকের দিনে আমরা শুধু পর্যবেক্ষণ এবং তা থেকে পাওয়া তথ্য–উপাত্তকেই বিজ্ঞান হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তথ্য–উপাত্ত আমাদের কেবলই বিভিন্ন পরিমাপকের মধ্যকার correlation সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। কিন্তু চিন্তার বিপ্লব আনতে হলে. এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড কীভাবে কাজ করে. তা বুঝতে হলে প্রয়োজন বিশুদ্ধ তত্ত্বের। যেমন নিউটন. আইনস্টাইন বা ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক দিয়ে গেছেন। এডওয়ার্ড উইটেন কোনো এক জায়গায় স্ট্রিং তত্ত্ব নিয়ে বলেছিলেন. ‘যে তত্ত্বের সঙ্গে এত চমৎকার গণিত জড়িয়ে আছে. তার সবকিছু ভুল হতে পারে না।’ বিবৃতিটা সুন্দর এবং অর্থবহ. তবে এর প্রমাণ হবে ভবিষ্যতের পদার্থবিদদের হাতে। আমরা আশা করব. এই বিষয়ে বাংলাদেশি পদার্থবিজ্ঞানীদের কিছুটা হলেও ভূমিকা থাকবে। ড. সাজিদ হক: শিক্ষক ও গবেষক. স্ট্রিং থিওরি অ্যান্ড কসমোলজি. ইউনিভার্সিটি অব উইন্ডসর. কানাডাই-মেইল: shajidhaque@gmail.com লেখকের এ বিষয়ে আগের লেখা— ১. ‘থিওরি অব এভরিথিং’ ২. প্রথম স্ট্রিং বিপ্লব ৩. দশ-মাত্রিক মহাবিশ্ব ও সুপার স্ট্রিং তত্ত্ব,1572854 2019-01-03,প্রিয়তার মাথায় বিশ্বমুকুট,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573102/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%9F,bangladesh,print,1,রাজধানী|মুক্তিযুদ্ধ,১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরেই বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা ওড়ান প্রিয়তা ইফতেখার। জিম্বাবুয়ের হারারেতে. দ্য ভেন্যু অ্যাভান্ডলেতে অন্য প্রতিযোগীরা যখন ঝলমলে পোশাকে হাজির হন. সেখানে প্রিয়তা সাদা শাড়ি পরে মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি সেজে তুলে ধরেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা। কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠের গান. গোলাগুলির আওয়াজ. জয়বাংলা ধ্বনি—সব মিলে দর্শকদের প্রথমে বুঝতে কষ্ট হলেও পরে যখন পুরো ইতিহাস জানলেন. তখন হলভর্তি দর্শক করতালি দিয়ে স্বাগত জানালেন প্রিয়তাকে। তারপরই প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি নারীর মাথায় উঠল ‘মিস কালচার ওয়ার্ল্ড ওয়াইড-২০১৮’–এর মুকুট। গতকাল প্রথম আলো কার্যালয়ে বসে প্রিয়তা ইফতেখার তাঁর মুকুট জয়ের গল্প শোনান। এ মুকুট জয়ের আগেই তিনি জয় করেন ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’। মিস কালচার ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করে ৫০টি দেশ। সর্বশেষ একটি দেশের প্রতিযোগীর মাথায় এ মুকুট তুলে দেয় জিম্বাবুয়ের ডেস্টিনেশন মার্কেটিং ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ। প্রিয়তা ইফতেখার নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত নূরজাহান বেগম এবং শিশুসাহিত্যিক. সংগঠক ও সাংবাদিক রোকনুজ্জামান খানের (দাদাভাই) নাতনি। প্রিয়তার বাবা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ এবং মা রীনা ইয়াসমীন আহমেদ মারা গেছেন। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য তাঁকে গত এক বছর বিভিন্ন দেশের প্রশিক্ষকদের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। প্রিয়তা মুকুট (রেপ্লিকা) নিয়ে দেশে ফিরেছেন ২৯ ডিসেম্বর। জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্টের হাত থেকে মুকুট নিতে শিগগিরই তিনি সে দেশটিতে যাবেন বলে জানালেন। প্রিয়তা বলেন. বিজয়ী হিসেবে আগামী এক বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করতে হবে। বাংলাদেশের পাশাপাশি জিম্বাবুয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্যকেও তুলে ধরতে হবে। প্রিয়তা দেখালেন. তাঁর নকশিকাঁথার গাউনে গোল করে কাটা জাতীয় পতাকার পাশেই জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্টের সিগনেচার (গোল্ড) ব্যাজ লাগানো আছে। এতিম মেয়ে শিশুদের জন্য কোনো ফাউন্ডেশন গঠন এবং নানি নূরজাহান বেগমের ‘বেগম ক্লাব’কে নতুন করে চালু করতে চান।,1573102 2019-01-03,একজন নোবেলম্যান,,হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক,৯,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573055/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,print,1,আনন্দ|বাংলা গান,এক নজরে নোবেল পুরো নাম: মাঈনুল আহসান। ডাকনাম: নোবেল বাবা: মোজাফফর এইচ নান্নু মা: নাজমা বেগম গ্রাম: লতিফপুর. গোপালগঞ্জ ভাইবোন: দুই ভাই. এক বোন। প্রথম স্কুল: ঢাকার গুলশানের একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল। শেষ কলেজ: দ্য ক্যামব্রিজ স্কুল. কলকাতা। প্রথম গিটার: সিগনেচার ব্রান্ডের একটি গিটার। সারেগামাপায় গাওয়া প্রথম গান: জেমসের ‘বাবা’। প্রশ্ন করলাম. আপনার প্রথম শেখা গান কোনটা? নোবেল চোখটা মিটি মিটি করলেন বার কয়েক। অনেকক্ষণ আলাপের পর বোঝা গেল এটা তাঁর অভ্যাস। বললেন. খুব ছোটবেলায় বাবা বাড়িতে গানের ক্যাসেট আনতেন। সেগুলো সবাই মিলে শুনতাম। শুনে শুনে আইয়ুব বাচ্চু. জেমস. হাসানের গান তুলতাম। ‘হাসতে দেখো গাইতে দেখো’. ‘চারদিকে উৎসব’ গানগুলো মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। প্রসঙ্গ ধরেই নোবেলের ছোটবেলায় প্রবেশ করা। ভারতীয় চ্যানেল জি বাংলার গানবিষয়ক রিয়্যালিটি শো সারেগামাপা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাঈনুল আহসান নোবেল এখন জনপ্রিয় মুখ। এই তরুণের গান শুনে মুগ্ধ এখন বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শ্রোতারা। তাঁর গান শুনে অনেকে নতুন করে খুঁজে পেয়েছেন আইয়ুব বাচ্চুকে. কখনো মনে হয়েছে জেমস গাইছেন। আবার লোকগানও মানিয়ে গেছে নোবেলের পানির মতো সহজ কণ্ঠে। জি বাংলা সূত্রে এত দিনে সবাই জেনে গেছেন নোবেলের বাড়ি গোপালগঞ্জে। বাবা ব্যবসার পাশাপাশি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। মা গৃহিণী। তিন ভাইবোনের মধ্যে নোবেল সবার বড়। বড় ছেলে হিসেবে বাবা–মায়ের স্বপ্ন ছিল ছেলে পড়াশোনা শেষ করে ‘বড়’ কিছুই হবেন। কিন্তু গান যখন গলার সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটিয়ে ফেলল. তখন নোবেল বুঝে গিয়েছিলেন তাঁকে আসলে গানেই থাকতে হবে। গান গেয়েই পূরণ করতে হবে মা–বাবার সেই ‘বড়’ হওয়ার স্বপ্ন। গোপালগঞ্জ–খুলনা–ঢাকা–কলকাতা নোবেল জন্মেছেন গোপালগঞ্জে। কিন্তু বেড়ে উঠেছেন বিভিন্ন জায়গায়। বাবার ছিল পরিবহনের ব্যবসা। সেই সূত্রে কখনো খুলনা. কখনো ঢাকায় কেটেছে ছোটবেলা। আঙুলের কর গুনে নোবেল বললেন. আমি থ্রি. ফোর. ফাইভ. সিক্স পর্যন্ত গোপালগঞ্জের এস এম মডেল সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে পড়েছি। ক্লাস সেভেনে ভর্তি হই ঢাকার একটি স্কুলে। কিন্তু সেখানে ভালো লাগে না। যাই খুলনায়। ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়েছি ওখানে। একের পর এক স্কুল বদলাতে বদলাতে আমি কাহিল হয়ে যাই। একেকবার একেক পরিবেশ. একেক নিয়মকানুন. নতুন নতুন বন্ধু। এরপর নাইনে এসে আবার ভর্তি হই গোপালগঞ্জের একটি স্কুলে। কিন্তু সেখানে বেশিদিন থাকতে পারি না। একটা মারামারির ঘটনায় আমাকে টিসি দিয়ে বের করে দেয়। তখন বাবা দেশেই রাখতে চান না। পাঠিয়ে দেন দার্জিলিং। পাশের শহর কাশিয়াংয়ে হিমালি বোর্ডিং স্কুলের শিক্ষার্থী হয়ে যাই সে বছর। ভর্তি হই নাইনে। একটানা বলে থামেন নোবেল। এই ফাঁকে নোবেল সম্পর্কে একটা বাড়তি তথ্য দেওয়া যেতে পারে। গুছিয়ে কথা বলা মানুষ নোবেল। একটানা কথা বললে থামানো কঠিন হয়ে যায়। নাইনে তিনবার. বাসাবদল চারবার হাসতে হাসতে নোবেল বলেন. জানেন. আমি ক্লাস নাইনেই তিনবার পড়েছি। দুইবারের হিসাব মিলল। আরেকবার? প্রশ্ন টেবিলে তোলার আগেই উত্তর প্রস্তুত করেছেন নোবেল। হিমালি বোর্ডিং স্কুলের নাইন শেষ করেছি। কিন্তু আর ওখানে পড়তে ইচ্ছা করেনি। এসে ভর্তি হই কলকাতার হাজরার একটি স্কুলে। আবার নাইনে! এবার হিসাব মেলে। দ্য কেমব্রিজ স্কুলের শিক্ষার্থী হয়ে পাস করেন এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের ও লেভেল এবং এ লেভেল। এর মধ্যে আর গানের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি? রে রে করে ওঠেন নোবেল। কী বলেন. এর মধ্যে গানের জন্যই আমাকে বাসা বদলাতে হয়েছে চারবার! উৎসুক হয়ে উঠি। নোবেল উৎসাহ মেটান। এর মধ্যে আমার সঙ্গী হয়েছিল ৬০০ টাকা দিয়ে কেনা একটা পুরোনো সিগনেচার ব্যান্ডের গিটার। যেটা এখনো আছে। সেই গিটার নিয়ে সব জায়গায় হেড়ে গলায় গান গাইতেন। গান গাইবেন বলে কলকাতায় বাসা নিয়েছিলেন গলির শেষ মাথায়। নীরব. সুনসান এলাকায় রাত তিনটায় চিৎকার করে উঠত নোবেলের গলা। ফলে যা হওয়ার তা–ই হয়। ছাড়তে হয় সেই বাসা। একবার দুবার নয়. চারবার। পরে কলকাতার এক বন্ধু নিজেদের বাগানবাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন নোবেলকে। সেখানেই নিয়মিত গানের চর্চাটা চালাতে থাকেন নোবেল। যে কারণে বাবার সঙ্গে অভিমান এইচএসসি পাস করে সোজা ঢাকায়। সময়টা ২০১৪। তত দিনে পুরোদস্তুর গানের সঙ্গে প্রেম হয়ে গেছে নোবেলের। বাবা–মাকে সোজা জানিয়ে দেন. বই–খাতা কিংবা বড় চাকরি নয়. আমার প্রেম আসলে গানের সঙ্গে। এই প্রেম ভাঙা যাবে না। এমন বার্তা পেয়ে কোনো মা–বাবাই চিন্তামুক্ত হতে পারবেন না। নোবেলের বাবাও পারেননি। ছেলেকে নিয়মিত পড়াশোনার জন্য বারবার বলতে থাকেন। মায়ের চাপ ছিল। কিন্তু অনড় নোবেল। উদাহরণ দিতেন. ‘জিম মরিসন মাত্র সেভেন পাস. আমাদের গুরু জেমস পড়াশোনা না করে বাসা ছেড়েছিলেন। আমিও তাঁদের মতো হব।’ বাবা উত্তর দিতেন. ‘তুমি তাঁদের মতো কখনোই হতে পারবা না। পারলে হয়ে দেখাও? জেমস একজনই!’ নোবেল উত্তর দিতেন. ‘আমিও একজনই। আমি তাঁদের মতোই হব। আমি জেমস না হতে পারি. নোবেল হব।’ নোবেল জানান. সারেগামাপার সফলতা আসার আগেই বাবার সঙ্গে নিয়মিত কথা–কাটাকাটি হতো। পরিবার থেকে বলত. পড়াশোনা প্রথমে. দ্বিতীয় হোক গান। কিন্তু নোবেল গানকেই প্রথম অবস্থানে জায়গা দেন। কারণটা পরিষ্কার। নোবেল বলেন. আমার একটা বিশ্বাস ছিল. মিউজিক আমাকে বদলে দেবে। মিউজিক আমাকে আপন করে নেবে। যেটা চাকরি–বাকরি থেকে সম্ভব না। প্রশ্ন করি. বাড়ি থেকে বড় কোনো চাপ আসেনি? এবার নোবেল খানিকটা আড়মোড়া ভাঙেন বোধ হয়। আমি আসলে কোনো কিছুই গায়ে মাখাই না। আমি আমার গতিতে আগাই। বাবা হয়তো বলতেন. পড়াশোনা না করলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাও। আমি বলতাম. ছেলে হিসেবে তো বাড়িতে আমারও অধিকার আছে। নোবেলের ভাষায়. আমাদের (বাবা–ছেলের) অনেকটা টম অ্যান্ড জেরির সম্পর্ক ছিল। আমি জানতাম বাবা তাঁর জায়গায় একদম ঠিক। কিন্তু আমিও যে ঠিক. এটা প্রমাণ করার জন্য তো সময় লাগবে। এই কারণে ধৈর্য ধরে থাকতাম। যা বলছে বলুক. আমি আমার মতো করে এগিয়ে যাই। গানে নোবেলের অনুপ্রেরণা এই সময়ে নোবেলের গানের শ্রোতা কোটি কোটি। কিন্তু জানেন কি. কোন শ্রোতাদের অনুপ্রেরণায় আজকের নোবেলের জন্ম? প্রশ্ন করতে হয় না। নোবেল আগ্রহী হয়েই বলা শুরু করেন। আমি যখন কলকাতায় ছিলাম. তখন বন্ধুদের কাছ থেকে গিটারের কর্ড শিখি। গান গাওয়া শিখি। ওই সময় আমার বাসার সামনে কয়েকজন শ্রোতা নিয়মিত আসত। ওরা আশপাশের বাড়ির। সিনিয়র বন্ধু সব। এখনো আমার নাম মনে আছে. হেমন্ত. হ্যাপি. আদিবসহ কয়েকজন। ওরা ছিল আমার নিয়মিত শ্রোতা। ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে দিনের শেষে আমার একটা গান শুনে যেত। ওরা আমার প্রথম অনুপ্রেরণা। উৎসাহদাতা। ওরা না থাকলে হয়তো এত দ্রুত গানে আসা কঠিন হয়ে যেত। ২০১৬ সালে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন গানটাই করবেন নোবেল। গড়ে তোলেন একটা ব্যান্ডও। সেখানে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতেন। সেটা এই সময়ে এসে খুব কাজে লেগেছে বলে জানান নোবেল। নোবেলের সে রকম কোনো ওস্তাদ নেই। নেননি কোথাও প্রশিক্ষণও। একজন নোবেলম্যান তারপরের গল্প সবারই জানা। নোবেল অংশ নেন জি বাংলার অডিশনে। বিচারকদের শোনান জেমসের ‘বাবা’ গানটি। ভিডিও কলের মাধ্যমে আরও কয়েকবার অডিশন দেন। তারপর পান কলকাতার টিকিট। বাকিটা তো ইতিহাস। যে ইতিহাসের সাক্ষী দুই বাংলার ‘সারেগামাপা’র শ্রোতারা। এখন নোবেল স্বপ্ন দেখছেন একটা ব্যান্ড করার। দলের নাম দিয়েছেন নোবেলম্যান। এই নামে একটা ইউটিউব চ্যানেলও আছে তাঁর। ইচ্ছা আছে নোবেলম্যান ছড়িয়ে যাবে দেশ–বিদেশে। তাঁর গলায় ভর করে ছড়িয়ে যাবে বাংলা গানও।,1573055 2019-01-03,‘না বলা শিখুন’ এবং...,সমাজ,মাসুদ আহমেদ,২,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573052/%E2%80%98%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8%E2%80%99-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82,opinion,print,1,রাজনীতি,এ অধিবাসের সাম্প্রতিক কালে সবচেয়ে জনপ্রিয় গল্পকার তাঁর এক নাটকে এক বিশিষ্ট চরিত্রের মুখ দিয়ে একটি কথা বলিয়েছিলেন। আড়াই দশক আগের হলেও তা হয়তো অনেক দর্শকই ভুলে যাননি। কথাটি ছিল ‘পারলেন না তো না বলতে?’ ‘না’ বলা শিখুন। এই বাক্যটি তাৎপর্যপূর্ণ নানা দিক থেকে। তা হলো. সমাজের একশ্রেণির মানুষের অন্যায্য অভিপ্রায়. তা থেকে আত্মরক্ষার কৌশল এবং এই লেখকের ব্যক্তিমানস চেনার চেষ্টা। তা প্রাসঙ্গিক হবে না যদি এ সঙ্গেই যেকোনো রাজনৈতিক আমলে যেকোনো সংবাদপত্রে একটি নির্দিষ্ট সংবাদ পরিবেশনার শিরোনাম মনে করে দেখি। ওটি হলো. কোনো মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা সমাজের যেকোনো প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনার খবর ছাপানোর সময় সাংবাদিকেরা একটি স্ট্যান্ডার্ড বাক্য ব্যবহার করে থাকেন। ‘মন্ত্রী মহোদয় ধৈর্যসহকারে তাঁদের বক্তব্য শ্রবণ করেন।’ এ থেকে বোঝা যায় বক্তব্য ছিল জোরালো. দীর্ঘ. দাবি পেশমূলক অনেকাংশে অযৌক্তিক. অন্যায্য এবং বিরক্তি ও ধৈর্যচ্যুতি উত্পাদক। নইলে মহোদয়কে ধৈর্য ধরে বক্তব্য শুনতে হবে কেন? তিনি জনপ্রতিনিধি। কূটনীতি তাঁর নিত্য অনুষঙ্গ। সাক্ষাৎপ্রার্থীদের সব দাবি বা বক্তব্য বাস্তবায়ন না করতে পারলেও এবং সেগুলো যুক্তিসংগত না হলেও তিনি মুখের ওপর না বলে নির্বাচকদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে পারেন না। তাই তাঁর সাক্ষাৎ ও বক্তব্য শ্রবণ অব্যাহত থাকে। কিন্তু এই জনপ্রিয় লেখক তাঁর পাঠকদের সরাসরি শিখিয়েছেন ‘না’ বলতে। নিজের সম্পদ. সময়. খ্যাতি ও সামগ্রিক স্বার্থ অটুট ও অব্যাহত রাখতে এর প্রয়োজন ছিল। এই লেখক কোনো বিশিষ্ট বা সাধারণ উদীয়মান লেখকের কোনো সাহিত্যকর্মের প্রশংসা বা পর্যালোচনা প্রায় করেননি। লেখক উল্লেখযোগ্য সম্পদ অর্জন করলেও কোনো বিশ্ববিদ্যালয়. হাসপাতাল বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিংবা নবীন লেখক প্রকল্পও তিনি স্থাপন করেননি। অন্যের সাহিত্যকর্ম পর্যালোচনা করলে সেই লেখকের খ্যাতির মাত্রা আরম্ভ হতে পারত। পাঠকের চোখে এটা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রতীয়মান হয় যে কোনো নবীন লেখকের লেখার ব্যাপারে প্রতিষ্ঠিত ও বিশিষ্ট লেখকেরা কেউ কিছু বলছেন কি না। খ্যাতির যাত্রার সঙ্গে অর্থাগমও বেড়ে যেত। নবীন লেখক প্রশিক্ষণও একই ফল দিত। ফলে তাঁর নিজের ওই দুটি ক্ষেত্র কিছুটা হলেও কম মনোযোগ পাওয়া আরম্ভ হতো বলে তাঁর আশঙ্কা ছিল। তেমনি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করলে তাঁর সম্পদ বেশ খানিকটা হ্রাস পেত। কাজেই ‘না বলা শিখুন’ যে তাঁর না বলে উপায় ছিল না। আমাদের মননে. দর্শনে. বিশ্বাসে ও নীতিতে যা সুপ্ত হয়ে থাকে. মুখ ফুটে তা একদিন প্রকাশ পাবেই। যেমন যিনি পান করা পছন্দ করেন তিনি কোথাও গেলে তা খুঁজবেন। পাঠাভ্যাস যাঁর মজ্জাগত. তিনি খোঁজেন বই। রাজনীতি বা খাদ্যে যাঁর প্রবণতা. তিনিও কোনো সমাবেশে এই বিষয়ের আলোচনা তুলবেনই। তেমনি আত্মপরতা যাঁর প্রধান ঝোঁক. তা–ও বের হয়ে আসবেই। কোনো সন্দেহ নেই যে এই লেখকের অন্তত পাঁচটি সাহিত্যকর্ম মানোত্তীর্ণ ও রসোত্তীর্ণ তো অবশ্যই হয়েছে। এগুলো মহাকালোত্তীর্ণও হবে। সেটি একদিক। কিন্তু জীবনের আরও পরিণত সত্তার এই ‘না বলা’ দর্শনের পরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন এই লেখক অবিস্মরণীয়ভাবে। ২.কিন্তু বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ শিল্পী এই সব ক্ষেত্রে কী করেছেন এবং বলেছেন. তা দেখা যাক। তিনি আরম্ভ করলেন ‘মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ’ বলে। এটি এক বড় ‘হ্যাঁ’ বলা শিখুন। নোবেল পুরস্কার পাওয়ার বেশ পর তাঁর তো নভোচারী হয়ে যাওয়ার কথা। তার বদলে তিনি কাছে টেনেছেন এবং প্রশংসা করেছেন পূর্ব বাংলার জসীমউদ্‌দীনকে. সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখাকেও মোটেই অবহেলা করেননি। আর নজরুল? তা বলাই বাহুল্য। যে সম্মান এবং পরামর্শ তিনি তাঁকে দিয়েছেন. তা বিরল নয়. তার কোনো উদাহরণ নেই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে। শরত্চন্দ্রকে আলোর পাদপীঠে তিনিই এনেছিলেন। মেজদিদি উপন্যাস পড়ে তিনি মুগ্ধ হয়ে এক কেশতেল কোম্পানিকে বললেন এই নবীন প্রতিভাকে একখানি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য। এই স্বীকৃতি তাঁকে জনমনোযোগের মধ্যে আনা শুরু করল। পাবনায় বাঘাবাড়ী ঘাটের যে শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে আমরা এখনো খাঁটি গরুর দুধ পাই. সেই স্থাপনার সমুদয় জমি তাঁরই দান করা। আর ‘শান্তিনিকেতন’-এ তাঁর সংগীত শিক্ষা গ্রহণকারীদের সংখ্যা নির্ণয় করা দুঃসাধ্য হতে পারে। এই কবিশ্রেষ্ঠ ওই প্রাঙ্গণের ব্যাপক অর্থনৈতিক ব্যবহার করতে পারতেন। সাহিত্য তাঁর প্রাণ হলেও রাজনীতির ক্ষেত্রেও মাত্র একটি বিবৃতি দিয়ে তিনি তাঁর বিশ্বমাপের উদারতা এবং ইতিবাচকতার অকাট্য প্রমাণ রেখে গেছেন। ১৯৩৮ সালে ‘হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন. ‘আজ ভারতের মুসলমানরা একটি স্বাধীন স্বদেশভূমি প্রতিষ্ঠার জন্য যে সংগ্রাম করিতেছে. ইহার জন্য তাহাদের চাইতে আমাদের দোষই বেশি। সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় হিসাবে আমরা কি কখনো তাহাদিগকে কাছে টানিয়া বুকে জড়াইয়া ধরিয়াছি?’ তিনি ধূর্ত হলে বলতে পারতেন যে রাজনীতি বা কংগ্রেস আমার পেশা নয়. অধীত বিষয় নয়। কাজেই এ বিষয়ে আমি কেন কিছু বলব? তার বদলে সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিরুদ্ধে বিপন্ন এক ভিন্ন মানব সম্প্রদায়ের পক্ষে তিনি এই বিবৃতি দেন। যাঁর চোখে পড়েছে ‘বিশ্ব ভরা প্রাণ. আকাশ ভরা সূর্য তারা’র মতো অপরিমেয় বিশাল সব বিষয়. তিনি তো এমনি মহৎই হবেন। কেবল নিজের স্বার্থ রক্ষা করে নয় বরং সবারটা রক্ষা করে আমরা মহৎ হতে পারব। তার জন্য ভালো মানুষকে ভালোবেসে এবং খারাপদের বিশ্বাস করে কাছে টেনে সংশোধন করার কাজে আমাদের ব্রতী হতে হবে। নইলে বিশ্বকবির কাছ থেকে শুধু জাতীয় সংগীত নিলে হবে? এটা ঠিক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ও বাংলা ভাগের প্রস্তাবে কবিগুরু সম্মত হননি। কিন্তু ১৯০৫ আর ১৯৩৮-এ তাঁর বয়স এক ছিল না। তিনি নিজেই বলেছেন. ‘কৃতকর্মের ফল বোঝা অল্প বয়সের কর্ম নহে।’ মুসলমানদের স্বার্থে কথা বলে তাঁর সব ‘পাপ’ স্খালন হয়েছে। আর দ্বিতীয়বার সুখের সন্ধান করা তো দূরের কথা মাত্র। ৪১ বছর বয়স থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ে তিনি স্ত্রীবিহীন জীবনযাপন করেও দেখিয়েছেন—মৃত স্ত্রীর পবিত্র স্মৃতির মধ্যে আর কারও স্থান হওয়া অনুচিত। মাসুদ আহমেদ. কথাসাহিত্যিক. সাবেক কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল,1573052 2019-01-03,জুলিয়া রবার্টসের অজানা ১০,,,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573050/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A7%A7%E0%A7%A6,entertainment,print,1,হলিউড|আনন্দ,১. এই হলিউড অভিনেত্রীর আসল নাম কিন্তু জুলিয়া নয়. জুলি রবার্টস। যখন আমেরিকার অভিনয়শিল্পীদের সংস্থায় নাম লেখাতে গিয়েছিলেন. তখন দেখা গেল জুলি রবার্টস নামে একজন অভিনয়শিল্পী আগে থেকেই আছেন তালিকায়। তাই সহজ পথটাই বেছে নিতে হয়েছিল তাঁকে। নিজের নাম একটুখানি বদলে রাখতে হয়েছে জুলিয়া। ২. মার্কিন অভিনেত্রী জুলিয়া রবার্টসের শরীরে আছে স্কটল্যান্ড. আয়ারল্যান্ড. সুইডেন. জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের রক্ত। পরিবারের মধ্যে জুলিয়ার বড় ভাই এরিক আন্থনি রবার্টস আর বড় বোন লিসা রবার্টসও অভিনয়শিল্পী হয়েছেন। ৩. ছোটবেলায় জুলিয়ার স্বপ্ন ছিল পশুচিকিৎসক হওয়ার। ৪. মাত্র ১৩ বছর বয়সেই জুলিয়া রবার্টস প্রথম কাজে যোগ দেন। ছোট্ট একটি পিৎজার দোকানে ওয়েট্রেস হিসেবে কাজ করেছেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে তিনি নিউইয়র্কে চলে আসেন। সেখানে তিনি বেঁচে থাকার জন্য কাজ করার পাশাপাশি অভিনয়বিদ্যার ওপর পড়াশোনা করেন। ৫. মাত্র ২২ বছর বয়সে ১৯৮৯ সালে স্টিল ম্যাগনোলিয়াস ছবিতে জুলিয়া রবার্টস প্রথমবারের মতো অস্কারে মনোনয়ন পান। পরে ২০০০ সালে এরিন ব্রোকোভিচ ছবিতে অভিনয় করে তিনি অস্কার ও গোল্ডেন গ্লোব দুটো পুরস্কারই পান। ৬. মোনালিসা স্মাইল ছবিতে অভিনয় করার জন্য তিনি পেয়েছিলেন ২৫ মিলিয়ন ডলার। হলিউডে তখন পর্যন্ত কেউ এত বেশি সম্মানী পাননি। ৭. মেকআপ নেওয়ার পর অন্য সবার মতো বসে থাকেন না তিনি। সটান শুয়ে পড়েন। তিনি বিশ্বাস করেন. এতে তাঁর কাজ সবচেয়ে ভালো হয়। ৮. জনপ্রিয় ম্যাগাজিন পিপল ১২ বার জুলিয়া রবার্টসকে এই গ্রহের সেরা সুন্দরীর অভিধা দিয়েছে। ৯. জুলিয়া রবার্টস কিন্তু বাঁহাতি। হলিউডে কিন্তু বাঁহাতি শিল্পীর সংখ্যা কম নয়। যেমন টম ক্রুজ. কিয়ানু রিভসও বাঁহাতি। ১০. অনেক দিন পর্যন্ত তাঁর বদভ্যাস ছিল দাঁতে নখ কাটার। অনেকেরই থাকে। তবে তিনি দাঁত দিয়ে হাতের নখ কাটতেন না। কাটতেন পায়ের নখ। শরীর কতটা বাঁকা করে কাজটা করতে হতো. ভেবে দেখুন।,1573050 2019-01-03,ডকুমেন্টারি ফিল্মমেকার আমি নই: মৃণাল সেন,সাক্ষাৎকার, মন্তব্য,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573044/%E0%A6%A1%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8,entertainment,print,1,আনন্দ|আলাপন,এক নজরে মৃণাল সেন জন্ম ১৪ মে. ১৯২৩ জন্মস্থান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় পড়ালেখা উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে তিনি ফরিদপুর থেকে কলকাতায় যান। পদার্থবিদ্যা নিয়ে স্কটিশ চর্চা কলেজে পড়াশোনা করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। প্রথম চলচ্চিত্র রাতভোর শেষ চলচ্চিত্র আমার ভুবন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সংখ্যা ২৭ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১৪ প্রামাণ্যচিত্রের সংখ্যা ৫ উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র নীল আকাশের নিচে বাইশে শ্রাবণ পুনশ্চ কলকতা ট্রিলজি—ইন্টারভিউ কলকাতা ৭১ পদাতিক কোরাস মৃগয়া একদিন প্রতিদিন আকালের সন্ধানে খারিজ পরশুরাম খন্দর ইত্যাদি। বাংলা বাদে অন্য ভাষার চলচ্চিত্র মাটির মনীষ (ওড়িয়া) ভুবন সোম (হিন্দি) ওকা উরি কথা (তেলেগু) উৎসবে অংশগ্রহণ কান. বার্লিন. মস্কো. শিকাগো. মন্ট্রিল. ভেনিস. কায়রোসহ বিশ্বের নামকরা নানা চলচ্চিত্র উৎসব। বিচারক কান. বার্লিন. মস্কো. ভেনিস. টোকিও. তেহরান. শিকাগোসহ ভারত ও এর বাইরের নানা চলচ্চিত্র উৎসব। আত্মজীবনীমূলক বই অলওয়েজ বিং বর্ন পুরস্কার ও সম্মাননা পদ্মভূষণ দাদাসাহেব ফালকে কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব আর্টস অ্যান্ড লেটারস (ফ্রান্স) ও অর্ডার অব ফ্রেন্ডশিপসহ (রাশিয়া) চলচ্চিত্র ও এর বাইরের আরও অনেক পুরস্কার। সূত্র: মৃণালসেন ডট অর্গ নাসির আলী মামুন: আপনি ১৯৪০-এ কলকাতা গেলেন. কেমন ছিল চল্লিশের কলকাতা? মৃণাল সেন: মারমুখী. ভয়ংকর! মানুষ বন্যার জলের মতো এদিক থেকে ওদিক...ছুটছে। আপাতত মনে হলো. কোনো গন্তব্য নেই তাদের। অনেক কুকুর খাবারের খোঁজে শহরময় শোরগোল করে চলে যাচ্ছে। প্রত্যেকটা গলিতে ওদের চেঁচামেচি। ছোট শহরগুলো থেকে চাকরি ও আশ্রয়ের জন্য প্রতিদিন মানুষ এসে কলকাতায় ভিড় করছে। তারা কেউ ফিরে যেতে পারছে না। বৃদ্ধ–শিশু বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ সবাই মিলে গাদাগাদি অবস্থা। শ্বাস নিতে পারছে না শহর কলকাতা। শিশুদের মুখগুলো কেমন ভীতিকর পাণ্ডুর নিস্তব্ধ। চোখের দিকে তাকালেই আঁতকে উঠতে হয়। আমার পকেটশূন্য. তাদের দিকে তাকানো যায় না। সবাই মানুষ. কোনো ধর্ম নেই। কে হিন্দু কে মুসলমান চেনার দরকার নেই। রাজনৈতিক আন্দোলনের বিপক্ষে এ যেন এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়. যা আমার সম্পূর্ণ অচেনা। ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বাড়ির সামনের আবর্জনার মধ্য থেকে মানুষ ও কুকুর খাবার খুঁজতে থাকে. এমন দৃশ্য দেখে বাড়িতে ফিরে যেতে চাইলাম। তা ছাড়া কলকাতায় কোনো থাকার জায়গার পাকা ব্যবস্থা করতে পারছিলাম না। আমি তখন প্রায় সতেরো বা কিছু বেশি বয়সের এক ক্লান্ত যুবক। পূর্ব বাংলার এক ছোট্ট শহর থেকে এসেছি। সবকিছুই আমার জন্য নতুন। ভয়ার্ত সব চিত্র দেখে বাড়ি ফেরার কথা ভাবতে হচ্ছিল। পূর্ব বাংলা থেকে প্রতিদিন মানুষজন আসছে। কলকাতার প্রধান রাস্তাগুলোর দুপাশ শরণার্থীদের ভিড়ে ঠাসা। রাস্তায় না–খাওয়া মানুষদের দেহ পড়ে আছে. এটা যেন স্বাভাবিক অবস্থা কলকাতা নগরের। কিন্তু আমার মতো ছোট শহর ফরিদপুর থেকে আসা একজন. এমন দৃশ্য দেখে অস্থির হয়ে গেলাম। কী করব. বুঝতে পারছিলাম না। নিজেকে স্ট্রেনজার মনে হতে লাগল।কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। একদিকে রাজনৈতিক আন্দোলন অন্যদিকে মানবিক বিপর্যয়—সব মিলিয়ে এমন একটা অবস্থা. যা এখনো গায়ে কাঁটা দেয়। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন গান্ধীজির নেতৃত্বে তখন এমন এক অবস্থানে. তারপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ. এসব থেকে সাধারণ মানুষের মুক্তি হচ্ছিল না। কাগজ খুললেই একদিকে মানুষের মৃতদেহ এবং একই সঙ্গে ভারতের স্বাধীনতার আন্দোলন...কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সিনেমার খবর থাকত। সবই আমি পড়তাম অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে। মানে এসব কিছু-কিছু আছে...খণ্ড খণ্ড. কোথায় যে রেখেছি...লিখেছি. ছিল. এখন কোথায় গেছে বলতে পারব না। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে যে অপ্রত্যাশিত এবং ভয়ংকর অধ্যায়. তা যেন সিনেমার মতো মফস্বলের এক যুবকের বুকের ভেতরটা ক্ষতবিক্ষত করে দিয়ে গেল। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে যে দৃশ্য দেখতে হলো. তা ছিল আমার জন্য নতুন কোনো দুর্ঘটনা। কলকাতার পথে পথে ঘুরে যা প্রত্যক্ষ করলাম. সেটি অভাবিত এবং বর্বর। পীড়া দিতে লাগল. আমরা কি মানুষ! ব্রিটিশরাও চাচ্ছিল রাজনীতি অন্যদিকে সরিয়ে দিতে। অসহায় মানুষদের দুর্দশা নিয়ে রাজনীতি করেছে তারা. আমল দেয়নি। স্বাভাবিকভাবে ওদের সিদ্ধান্ত ছিল. ভারতীয়দের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে সরিয়ে রাখা। ধনী ও প্রভাবশালীরা ওদের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে ব্যবসা করছিল। কলকাতায় নিয়মিত রেশনিং প্রায় বন্ধ। খাদ্যদ্রব্যের দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে রাখা হয়েছে। চিনি ও দুধ নাগালের বাইরে. বাচ্চারা খাবে কী. মরতে হচ্ছে! রাতে শহর কলকাতায় মহড়া. লাইট থাকে না. বিদ্যুৎ চলে যায়। মাঝেমধ্যে সাইরেন বেজে ওঠে। এসব বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে ভাবলাম. আর কত দিন...আমি চলে গেলাম ফরিদপুর। মামুন: ফরিদপুরে কী দেখলেন? মৃণাল: তেমন কিছু না। ছিমছাম. পদ্মাপারের সেই ছোট শহর। শহরের মধ্য দিয়ে গ্র্যান্ড ট্রাংক রোড সরাসরি কলকাতায় চলে গিয়েছে। এখানে রাতে বাতি নেই। ঘোড়ার গাড়ি. সাইকেল। বাড়িতে এসে কদিন বেশ মাছ-ভাত খেলাম। সবাই আমাকে দেখতে আসে. বলে. আমার ওজন নাকি কমেছে। খাচ্ছি-দাচ্ছি আর গল্প করছি। সহপাঠীরা এসে সবাই জানতে চাইছে. স্বাধীনতা আন্দোলনের কী অবস্থা. কত দূর। বন্ধুরা কলকাতার গল্প শুনতে জাপটে ধরছে। জানলাম. আমাদের শহরের বেশ কিছু হিন্দু পরিবার. যাদের সঙ্গে আমাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠতা ছিল. তারা কলকাতায় চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমি প্রায় সকালে গিয়ে তাদের বাড়িতে হাজির হয়ে কলকাতার রাস্তায় যা দেখেছি তা সবিস্তারে বলতে লাগলাম. যাতে তারা দুর্দশায় মধ্যে গিয়ে বিপদে না পড়ে। আমার গল্প শুনে তাদের অভিভাবকেরা বিশ্বাস করেনি আমাকে. তারা চলে গেল বাস্তবতা জেনেও। দেখলাম. এক রাতের মধ্যে কয়েকটি হিন্দু পরিবার প্রতিবেশী মুসলমানদের কাছে না বলে চলে গেল ভারতে। বন্ধুরা চলে যাচ্ছে। আমি দেখলাম. একা হয়ে যাচ্ছি। আমার বাড়ির কাছে রাজেন্দ্র কলেজ. প্রিন্সিপাল স্যারের কাছে একদিন দেখা করতে গেলাম। তিনিও আমাকে পরামর্শ দিলেন হায়ার স্টাডি করতে. কলকাতায় গিয়ে পড়াশোনা করতে। আলীপুরের কাছে অরোরা টকিজ-এ গিয়ে সিনেমা দেখলাম কলকাতা থেকে কি যেন ওটা...অ্যা অ্য এ্যা। দেখি. মনে করতে পারছি না। মামুন: আপনি তো প্রথম পাঁচ বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে অরোরা সিনেমা হলে গেলেন। সেখান থেকে আপনার মনে হলো... মৃণাল: সাউন্ড। নির্বাক ছবি দেখছিলাম মায়ের পাশে বসে। একটা সিনেমায় দেখা গেল. বৃষ্টির মধ্যে নায়িকা দৌড়ে চলে যাচ্ছে। তখন হঠাৎ সিনেমা হলের টিনের ছাদে বৃষ্টির আওয়াজ। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল। তখন প্রথম আমার মনে হচ্ছিল. সিনেমার জন্য সাউন্ড অপরিহার্য। সাউন্ড ছাড়া চলচ্চিত্র হতে পারে না। মামুন: আপনি চার্লি চ্যাপলিনের অনেক ছবি দেখেছেন। কিন্তু তাঁকে নিয়ে আপনার বই লিখতে হলো কেন? মৃণাল: আপনি যেভাবে বলছেন সেটি মনে হচ্ছে আমাকে দিয়ে কেউ কাজটি করিয়েছে। চ্যাপলিন পৃথিবীর বহু নামীদামি ব্যক্তিদের দখল করে নিয়েছে। আমি যখন সিনেমায় ঢুকিনি তখন ‘চার্লি চ্যাপলিন’ লিখেছিলাম। সত্যজিৎ রায় প্রথম সংস্করণের প্রচ্ছদ এঁকে দিয়েছিলেন ১৯৫৩-তে। পরে আমি সিনেমায় হাত দিই। কিন্তু এখন পর্যন্ত চ্যাপলিন আমাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। সত্যজিৎ রায়ও বহুবার তাঁর প্রশংসা করেছেন। চ্যাপলিন এমন একজন ব্যক্তি. তিনি শুধু অভিনেতা নন। পৃথিবীর মানুষদের জন্য তিনি এক মানবিক প্রতিনিধি। আজ পর্যন্ত অন্য কোনো অভিনয়শিল্পীর মধ্যে চার্লি চ্যাপলিনের মতো কাউকে দেখি না। তাঁর অভিনয় আসলে কৌতুক নয়. অন্য এক আয়োজন চ্যাপলিনের সারা জীবনের পুরো সময়টায়। তিনি আমার কাছে শান্তি ও মানবতার এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আমাদের মহাত্মা গান্ধীও চ্যাপলিনকে খুব পছন্দ করতেন। ওর পক্ষে বেশি ব্যাখ্যা করার দরকার আছে মনে করি না। চ্যাপলিনের নাতনি কলকাতায় আমার বাসায় দেখা করতে এসেছিল। মামুন: কলকাতার যেসব স্পর্শকাতর এবং মানবিক বিপর্যয়ের কথা বললেন আপনার সিনেমায় সেগুলোর প্রতিফলন—দেখলাম না কেন? মৃণাল: আমি তো আগেই বলে দিয়েছি এসব হবে না। ফিল্ম নিয়ে কোনো কথা বলব না আমি...। মামুন: আপনি ফরিদপুর আর কলকাতার কথাই বলুন... মৃণাল: আপনারা আমার সিনেমাগুলো দেখেননি। মামুন: দেখেছি. আমি নাম ধরে বলতে পারি। মৃণাল: আচ্ছা শুনুন. আমি অন্যদের মতো কাহিনিনির্ভর ছবি তৈরি করিনি। আপনাদের বুঝতে দেরি হলে আমার তো কোনো দোষ নেই। কলকাতার ওপরে তো আমি কয়েকটি সিনেমা বানিয়েছি। বাস্তবতার বাইরে আমি যাইনি. অন্যরা কী করেছে সেটা দেখুন। আপনি যেটা জানতে চাইছেন. সেটা বলছি...ডকুমেন্টারি ফিল্মমেকার আমি নই। আমার সিনেমা জ্ঞান ও প্রমাণ দিয়ে বুঝতে হবে।,1573044 2019-01-03,কিম কী চান. তা ট্রাম্পকে শুনতে হবে,যুক্তরাষ্ট্র–উত্তর কোরিয়া,হ্যারি জে কাজিয়ানিস,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573043/%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87,opinion,print,1,আন্তর্জাতিক,গত মঙ্গলবার নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উনের ভাষণের পর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে আলোচনায় যে অচলাবস্থা চলছে. মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তা ভাঙার সুবর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে। তবে এ আলোচনায় সাফল্যের জন্য পরমাণু অস্ত্র সমর্পণের বিনিময়ে উত্তর কোরিয়া কী চায়. সে ব্যাপারে ট্রাম্পকে মনোযোগ দিতে হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে করমর্দন. তাঁর আশ্বাসবাণী ও হাসির বিনিময়ে কিম জং–উন তাঁর দেশকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ করবেন—এমনটা হবে না। তিনি নিশ্চিতভাবেই এর জন্য উচ্চ মূল্য দাবি করবেন। পরমাণু অস্ত্র তৈরি ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য তাঁর দেশ কয়েক দশক সময় ব্যয় করেছে এবং প্রচুর সম্পদকে কাজে লাগিয়েছে। পরমাণু অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে কিম দেখেন তাঁর রক্ষাকবচ হিসেবে। তাঁর মতে. এই কর্মসূচির কারণেই যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ায় আঘাত হানতে পারে না। কিম জং–উনের নববর্ষের বক্তব্য উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবির ব্যাপারে তাঁর চিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ জানালা আমাদের কাছে খুলে দিয়েছে। সুখবর হচ্ছে যে কিম তাঁর বক্তব্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন. তিনি আরও একবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন. পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের টেকসই উপায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করতে অনিচ্ছুক। এমনকি উত্তর কোরিয়ার ওপর থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কীভাবে প্রত্যাহার করা হবে. তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করতে ইচ্ছুক নয়। কিম তাঁর বক্তব্যে বলেন. ‘আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মঙ্গলের জন্য আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে যেকোনো মুহূর্তে আলোচনায় বসতে রাজি আছি। তবে বিশ্ববাসীর সামনে করা প্রতিশ্রুতি না রেখে ট্রাম্প যদি নিষেধাজ্ঞা চালিয়ে যান. তাহলে আমাদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য নতুন উপায় খুঁজতে হবে।’ অন্য কথায়. যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছাড় না পেলে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার হুমকি দিলেন কিম। কিম বলেন. ‘আমরা পরমাণু অস্ত্র তৈরি করব না এবং পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার ঘটাব না। এটা আমরা আগেও বলেছি এবং এখন আবারও বলছি। যদি যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিশ্রুতি পালন করে. তাহলে তা আমাদের দুই দেশের জন্যই ভালো হবে। কিন্তু যদি তারা আগের মতোই আচরণ করতে থাকে. তাহলে তা কারও জন্য ভালো হবে না। কিন্তু আমি আশা করছি. তারা সেটা বন্ধ করবে।’ এর অর্থ হচ্ছে. কিম এই বার্তা দিচ্ছেন যে যুক্তরাষ্ট্র যদি উত্তর কোরিয়ার ওপর থেকে কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে না নেয়. তাহলে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে তারা কোনো পদক্ষেপ নেবে না। যদি কিম তাঁর বক্তব্যে সত্যনিষ্ঠ হন. তাহলে বলা যায় যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি করতে যাচ্ছে. তবে তা হবে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ছাড়ের বিনিময়ে। তার মধ্যে হয়তো থাকতে পারে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টিও। কিমের বক্তব্যে এটাই স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি একতরফাভাবে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ করবেন না। কেউ এতে অবশ্য বিস্মিত হয়নি এবং কিমের বক্তব্যে আমাদেরও আহত হওয়া উচিত হবে না। কেননা. সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ট্রাম্প ও কিমের ঐতিহাসিক বৈঠকে শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য দুই দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী নতুন মার্কিন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে চুক্তি হয়। ওই চুক্তিতে আরও বলা হয় যে কোরীয় উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার ব্যাপারে উত্তর কোরিয়া কাজ করবে। এসব কথা খুবই সহজবোধ্য. কিন্তু ট্রাম্পের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে এবং পত্রপত্রিকায় পাঠানো বিবৃতিতে চুক্তির বক্তব্যকে বদলে দিয়ে বলা শুরু করেন যে উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু অস্ত্র সমর্পণ করবে। আসলে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা চাইছেন যে উত্তর কোরিয়া কোনো কিছুর বিনিময় ছাড়াই তার সব পরমাণু অস্ত্র সমর্পণ করবে। এটা একটা শুভ ইচ্ছা বটে। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার মতো পরমাণু অস্ত্রসমৃদ্ধ দেশ তা করবে. এমনটা আশা করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। উত্তর কোরিয়ার কাছে দূরপাল্লার আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাইড্রোজেন বোমা আছে. যা অন্য কোনো পরমাণু ক্ষমতাধর দেশের কাছে নেই। তবে কিমের ‘নতুন উপায়’–এর অর্থ এই নয় যে তারা ক্ষেপণাস্ত্র বা পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষায় ফিরে যাবে. যা উত্তর কোরিয়ার ওপর আঘাত হানতে যুক্তরাষ্ট্রকে উসকে দেবে। আমরা চাইলেই ২০১৯ সালকে কোরীয় উপদ্বীপকে ঘিরে আরেকটি উত্তেজনার বছরে পরিণত করাটা এড়াতে পারি। আমি বলতে চাই. প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার এটাই সময়। কিন্তু সে জন্য তাঁকে বাস্তবানুগ হতে হবে। উত্তর কোরিয়া কী চায়. তা শুনতে হবে। ট্রাম্পের এটা আশা করা উচিত হবে না যে বড় ধরনের কোনো বিনিময় ছাড়া উত্তর কোরিয়া নিজেকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করবে। ফক্স নিউজথেকে নেওয়া. ইংরেজি থেকে অনূদিত হ্যারি জে কাজিয়ানিস. যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের ডিফেন্স স্টাডি বিভাগের পরিচালক,1573043 2019-01-03,দারুণ একটা বছর গেল জয়ার,তারার কথা,আনন্দ প্রতিবেদক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573038/%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0,entertainment,print,1,চলচ্চিত্র|আনন্দ,২০১৮ সালের ৫ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল সাইফুল ইসলাম পরিচালিত পুত্র ছবিটি। ২০১৯ সালের ৪ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত বিসর্জন । দুই ছবির পার্থক্য হলো. একটি বাংলাদেশের ছবি আরেকটি কলকাতা থেকে আসছে আমদানি–রপ্তানি নীতিমালায় ভর করে। তবে দুই ছবির একটা মিল আপনার মন গর্বে ভরিয়ে দেবে। সেটি হলো দুই ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমাদের দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ২০১৮ কিংবা ২০১৯. দুটো বছর শুরুই হলো জয়া আহসানকে দিয়ে। মাঝখানে চলে গেছে ১২ মাস। এ ১২ মাসে বসে ছিলেন না এই অভিনেত্রী। বরং বিগত বছরগুলোর চেয়ে ২০১৮ সালেই নতুন করে জ্বলে উঠেছেন যেন। এটাকে জ্বলে ওঠা না বলে নতুন পরিচয়ে আবির্ভূত হওয়া বলাই ভালো।২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত ও প্রযোজিত দেবী চলচ্চিত্রটি। সরকারি অনুদানে নির্মিত এ ছবিটি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দেবী উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি। পরিচালক অনম বিশ্বাসের প্রথম পরিচালনা। জয়া আহসানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘সি তে সিনেমা’র প্রথম চলচ্চিত্র এটি।তবে এত কিছুর চেয়ে প্রযোজক জয়া গত বছর ছিলেন দাপুটে। একটা ছবিকে কী করে মানুষের কাছে নিয়ে যেতে. কতটা প্রচারণা করলে দেশে–বিদেশে দর্শকের দোরগোড়ায় পৌঁছানো যায়—এটাই দেখিয়েছেন তিনি।প্রযোজক জয়াকে প্রসঙ্গ ধরিয়ে দিতেই গত মঙ্গলবার বললেন. ‘আমি তেমন কিছুই করিনি। যতটুকু করেছি এটা সততার সঙ্গে করার চেষ্টা করেছি। আমি তো আসলে একটা দায়িত্ব নিয়েছিলাম। দেবীর দায়িত্ব। সেই দায়িত্বটা পালন করেছি মাত্র। একজন প্রযোজক হিসেবে এটা তো আমাকে করতেই হবে।’জয়া আহসান এমনই। বরাবরই কাজকে গুরুত্ব দিয়ে কথা বলেন। যখন কথা হচ্ছিল তখন তিনি ভারতে। আগামীকাল কলকাতায় মুক্তি পাচ্ছে তাঁর অভিনীত বিজয়া চলচ্চিত্রটি। কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত এ ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এ ছবিরই প্রথম কিস্তি ছিল বিসর্জন। বিজয়া নিয়ে কথা তো হলোই। বললেন দেবী নিয়ে তাঁর ভ্রমণের একটা অংশও।‘আমার ছবিটা সাধারণ দর্শকেরা যেভাবে পছন্দ করেছেন। তেমনি সমালোচকেরা করেছেন। এ দুটো মহলের পছন্দের তালিকায় ওঠা সহজ ছিল না। এ ক্ষেত্রে আমি নিজেকে সফল বলতে পারি।’এতটুকু বলে জানিয়ে রাখলেন. প্রবাসেও ছবিটির জয়জয়কার। বললেন. ‘নানা দেশে ছবিটির প্রদর্শনী শেষে যে পরিমাণ দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছি. সেটা ভোলার নয়। একই সঙ্গে ব্যবসাও করেছে। তবে এটা আমার একার অর্জন নয়। ছবির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার। তাদের নিয়েই দারুণ একটা বছর গেল আমার।’কথা শেষ করার আগে আগে বললেন. ‘বিসর্জন ছবিটি সবাইকে হলে গিয়ে দেখার অনুরোধ করছি। ছবিটি হয়তো কলকাতার. কিন্তু এটার প্রেক্ষাপট পুরোটাই বাংলাদেশের। গল্প. চরিত্র সবই।’নতুন বছরটাও জয়ার জন্য ভালো যাবে. এমন প্রত্যাশা শুধু জয়ার ভক্তদের নয়. স্বয়ং জয়ারও। বছরের শুরুতেই মুক্তি পেতে যাওয়া বিজয়া নিয়ে প্রচারণায় আছেন। খুব তাড়াতাড়ি শুরু করবেন তাঁর প্রযোজনায় দ্বিতীয় ছবি ফুড়ুৎ–এর কাজ।তবে বছর শেষে জয়ার জন্য সুখবর আরও একটা এসেছে। ভারতের পত্রিকা টাইমস অব ইন্ডিয়ার বর্ষসেরা বাঙালি নারী অভিনেত্রীর তালিকায় আছে জয়ার নাম। জানা গেছে. কলকাতায় মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা সিনেমার অভিনেত্রীদের মধ্যে পত্রিকাটির বিবেচনায় বছরের (২০১৮) সেরা হয়েছেন আটজন অভিনেত্রী। সে তালিকার শুরুর দিকেই রয়েছে ঢাকার অভিনেত্রী জয়ার নাম। সৃজিত মুখার্জির এক যে ছিল রাজা ছবিতে ‘মৃণ্ময়ী’ চরিত্রে অভিনয়ের সূত্রে এ তালিকাভুক্তি। জয়া অবশ্য সব অর্জন ঢেলে দিলেন তাঁর ভক্তদের দুয়ারে। বাংলাদেশের মানুষদের কাছে।,1573038 2019-01-03,২০১৮ ভালো ছিল. ২০১৯ বেছে কাজ করব: মনোজ,,শরীফ নাসরুল্লাহ,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573037/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AE-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AC-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%9C,entertainment,print,1,আনন্দ|টেলিভিশন,ফুল ফোটানোর খেলা ও কথা হবে তো? নাটক দিয়ে পরিচিত মুখ মনোজ প্রামাণিক। দিব্যি অভিনয় করে যাচ্ছেন টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে। এ ছাড়া বিজ্ঞাপন তো আছেই। গত বছরের কাজের খতিয়ান হিসাব করে যে কথাটি মনোজ প্রামাণিকের মুখ থেকে বের হলো. সেটি হলো—বেশ ভালো কেটেছে বছরটি। কেন?কারণ খুঁজতে চোখ ফেরানো যাক তাঁর কাজের দিকে। এই বছরেই বেশ কিছু ভালো কাজ উপহার দিয়েছেন তিনি। একক নাটক তো করছেনই হরদম। সঙ্গে ছিল মোস্তফা সরয়ার ফারুকী. অমিতাভ রেজাদের মতো নির্মাতাদের পরিচালনায় অভিনয়। মিষ্টি প্রেমের গল্প থেকে একেবারে সিরিয়াস চরিত্র—সবকিছুতেই মনোজ ছিলেন স্বাভাবিক। মনোজের বছরটিকে তাই ভালো না বলে উপায় নেই। মনোজের ভাষ্য. ‘২০১৮ বছরটি শুরু করেছিলাম মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সিনেমা শনিবার বিকেল–এর শুটিং দিয়ে। এরপর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ‘ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প’ প্রকল্পের নাটক। এর মধ্যে ছিল শাফায়েত মনসুর রানা পরিচালিত শহরের নতুন গান নাটকটি। ওই সময় মঞ্চেও একটি কাজ করেছিলাম নিখোঁজ সংবাদ নামে। ওটাও আমার জন্য একটা মাইলফলক ছিল। গত বছর সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি এক পর্বের নাটক করি। এ ছাড়া বিয়ের দাওয়াত রইল টেলিছবিটিও উল্লেখ করার মতো। এটি পরিচালনা করেছিলেন রেদওয়ান রনি। বাংলালিংকের একটি বিজ্ঞাপন এ বছর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে আমার ক্যারিয়ারে। আরেকটি সিনেমাও করেছি এ বছর—ইতি তোমারই ঢাকা। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে অমনিবাস চলচ্চিত্র এটি।’মনোজ জানান. আরও একটি সিনেমার কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু এখনই সে বিষয়ে বলতে মানা আছে। সময় এলেই বলবেন। তবে এ বছরটি কিন্তু টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইন মাধ্যমেও বেশ কাজ করেছেন তিনি। বছরটি অনলাইনে কেমন গেছে মনোজের? উত্তর ছিল. ‘গত বছরে অনলাইনে বেশ কিছু কাজ করেছি। আইফ্লিক্সের পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করেছি। বায়োস্কোপ লাইভের একটা ওয়েব ফিল্ম করেছি। ইউটিউবের জন্য স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে করেছি। এখানে যেটা হয় যে ভিন্ন ভিন্ন বৈচিত্র্যময় কনটেন্ট নিয়ে কাজ করা যায়। অনলাইনের কাজগুলো ভালো ছিল। এই প্ল্যাটফর্ম মানুষের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে। মানুষের কাছে যাচ্ছে। এটাকে আমার কাছে মনে হয় সম্ভাবনাময় একটি দিক। আমি এখানে আরও কাজ করতে চাই।’গত বছরের অভিজ্ঞতায় নতুন বছরে কী উন্নতি করতে চান তিনি? মনোজ বলেন. ‘আসলে খুব তাড়াতাড়ি করে নাটকে কাজ করতে হয়। প্রস্তুতির জন্য অনেক সময় লাগে। আরও সময় নিয়ে যদি কাজ করা যেত তাহলে আরও ভালো করতে পারতাম। তা ছাড়া তাড়াহুড়োর কারণে স্ক্রিপ্ট অনেক দুর্বল হয়। এ ক্ষেত্রে যদি যত্ন নেওয়া হয় তাহলে আরও ভালো কাজ হবে।’ সবিকছু মিলে এই ছিল মনোজের গত বছরের সালতামামি। এককথায় বছরটিকে মনোজ বললেন. ‘ভালো ছিল।’ টেলিভিশন. অনলাইন. বিজ্ঞাপন ও চলচ্চিত্র—সব জায়গায় বছরজুড়ে কাজ করছেন মনোজ। আগামী বছর নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা কী? মনোজ বলেন. ‘নির্দিষ্ট করে ওই রকম পরিকল্পনা করতে পারছি না। আমি যেটা করতে চাই যে আরেকটু বেছে বেছে কাজ করব। বেশি বেশি চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই।’,1573037 2019-01-03,জ্বলে উঠবে বাংলা গানের মঙ্গলদীপ,,রাসেল মাহ্​মুদ,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573036/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA,entertainment,print,1,বাংলা গান|আনন্দ,লুভা নাহিদ চৌধুরী মহাপরিচালক. বেঙ্গল ফাউন্ডেশন কলকাতায় বাংলাদেশের শিল্পীদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সেখানকার শিল্পীরাও নিয়মিত বাংলাদেশে গান করতে আসেন। এই খণ্ড খণ্ড পরিবেশনার বাইরে একই মঞ্চে আমরা তাঁদের উপস্থাপন করতে চেয়েছি. এর পেছনে একটি উদ্দেশ্য আছে। বাংলা গানে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের পথচলা একেবারেই ভিন্ন। পশ্চিমবঙ্গের ছিল একটি প্রতিষ্ঠিত সংগীত ও চলচ্চিত্রাঙ্গন। কিন্তু ৫০–এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত নানা ঘাত–প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে আমাদের পথ চলতে হয়েছে। নানা চড়াই–উতরাইয়ের ভেতর দিয়ে নিজেদের খুঁজে পেতে হয়েছে। আমাদের সংগীতে সেসবের প্রভাব রয়েছে। প্রেম–ভালোবাসার পাশাপাশি আমাদের গানের একটি বড় জায়গাজুড়ে আছে দেশচেতনা। নানা যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে আমরা আজকের অবস্থানে পৌঁছেছি। দুই বাংলার এ দুই গল্পের সম্মেলনে বাংলা গানের একটি তৃতীয় গল্প তৈরি হতে পারে এ উৎসবের মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গকে আমরা আমাদের সংগীতের পথচলার ইতিহাসটি জানাতে চাই। এতে সামগ্রিকভাবে বাংলা গানকে উপলব্ধি করতে সুবিধা হবে উভয় পক্ষের। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এ যাত্রায় যুক্ত হয়েছে বন্ধন ব্যাংক. দ্য বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও নাথিং বেয়ন্ড সিনেমা। একালের ‘তুমি যাকে ভালোবাসো স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো’ থেকে সেকালের ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’। নচিকেতার ‘নীলাঞ্জনা’ বা বাপ্পা মজুমদারের ‘পরী’। এক জায়গায় বসে যদি গানগুলো শোনা যায়. কেমন হয়? পাশাপাশি দুই বাংলার দুই প্রজন্মের শিল্পীরা যদি শোনান তাঁদের গান বাঁধার পেছনের গল্পটি. শ্রোতার জন্য সেটি হবে এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা। বাংলা গানের অনুরাগীরা সেই সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। কলকাতার নজরুল মঞ্চে কাল শুক্রবার বিকেলে রবীন্দ্রসংগীত গাইবেন বাংলাদেশের রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও ভারতের লোপামুদ্রা মিত্র। পরদিন নজরুলসংগীত গাইবেন খায়রুল আনাম শাকিল ও ইন্দ্রানী সেন। কাল সেখানে বসছে বাংলা গানের আসর ‘বাংলা উৎসব’। এই আসরের মধ্য দিয়ে জ্বলে উঠবে বাংলা গানের আরেক মঙ্গলদীপ। তিন দিনের এই উৎসবে প্রায় সব ধরনের বাংলা গান শোনাবেন দুই বাংলার স্বনামখ্যাত ও জনপ্রিয় শিল্পীরা। সেই ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগে পশ্চিম বাংলা ও বাংলাদেশ আলাদা হয়ে যায়। সেই থেকে তারা বাংলায় হেসেছে. কেঁদেছে এবং গেয়েছে। ভাষা এক হলেও দুই বাংলার গানে ছিল ভিন্ন ব্যথা. আকুতি. ভিন্ন সুর। সেসবের কিছুটা প্রতিবেশীরা জানেন. বেশির ভাগের খোঁজ তাঁদের রাখা হয়নি। স্যাটেলাইট চ্যানেল ও ইউটিউবের কল্যাণে গান বিনিময় তো হলো অনেক। এবারে গানের ভেতরকার আকুতিগুলো শুনবেন তাঁরা। বিশেষ করে নানা অভিঘাতের মধ্য দিয়ে তৈরি হওয়া বাংলাদেশের গানগুলোর ঘটনা তো একেবারেই আলাদা। দুই বাংলার অংশগ্রহণে যৌথভাবে এই উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশের বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ও ভারতের বন্ধন ব্যাংক. দ্য বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং নাথিং বেয়ন্ড সিনেমা। দুই বাংলার শিল্পীরা নিয়মিত দুই দেশের মঞ্চ ও টেলিভিশনে গান করেন। কিন্তু এ ধরনের উৎসব মঞ্চের আয়োজন এবারই প্রথম। রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা মনে করেন. বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করার জন্য এ এক দারুণ উৎসব। ব্যতিক্রমী এই আয়োজন দুই বাংলার মানুষকেই সমৃদ্ধ ও আনন্দিত করবে। অন্যদিকে নজরুলসংগীতশিল্পী খায়রুল আনাম শাকিলের মতে. দুই বাংলার সংগীত বিনিময়ে এই উৎসব একটি ব্যতিক্রম মাত্রা যুক্ত করবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়. অতুলপ্রসাদ সেন. রজনীকান্ত সেন ও কাজী নজরুল ইসলাম—এই পঞ্চকবির গান থাকবে বাংলা উৎসবে। থাকবে আধুনিক ও পুরোনো দিনের বাংলা গান. রাগপ্রধান গান. চলচ্চিত্রের গান. লোকগান এবং ব্যান্ডের গান। রূপঙ্কর বাগচীর ‘এ তুমি কেমন তুমি’ কিংবা সামিনা চৌধুরীর ‘কবিতা পড়ার প্রহর’ গানগুলো তাঁদের কণ্ঠে একের পর এক বেজে উঠলে সেই অভিজ্ঞতা দুই বাংলার শ্রোতাদের জন্যই হবে অনন্য। এই উৎসবে গাইবে দুই বাংলার দুটি ব্যান্ড। ঢাকার চিরকুট ও কলকাতার চন্দ্রবিন্দু। চিরকুটের শিল্পী শারমিন সুলতানা সুমি বলেন. ‘চমৎকার গোছানো একটি উৎসব হতে যাচ্ছে এটি। বাংলা গান নিয়ে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াই। এবার এতজন শিল্পীর সঙ্গে এক মঞ্চে গাইব. এটা আমাদের জন্য অনেক ভালো লাগার একটি ব্যাপার হবে। আমাদের বিশ্বাস. ওপার বাংলার শ্রোতারাও আমাদের গান পছন্দ করেন।’,1573036 2019-01-03,আফ্রিকা কেন গান্ধীর বিরুদ্ধে,জাতীয়তা,আলতাফ পারভেজ,৩,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573028/%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87,opinion,print,1,আলতাফ পারভেজ|আন্তর্জাতিক,গত ১২ ডিসেম্বর ঘানায় গান্ধীর ভাস্কর্য ভাঙার ঘটনা ‘সংবাদ’ হিসেবে পুরোনো হয়ে গেছে। তবে এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। গড়ার সময় থেকে এই ভাস্কর্য নিয়ে প্রতিবাদ চলছিল। ঘানার ঘটনার দুই মাস আগে মালাউইয়েও গান্ধীর ভাস্কর্য নির্মাণের একটি প্রকল্প বিক্ষোভের মুখে স্থগিত করেন আদালত। গান্ধীর অনেক জীবনীকারই বলেন. ভারত আফ্রিকাকে একজন মোহনদাস দিয়েছিল আর আফ্রিকা ফিরিয়ে দিয়েছে একজন ‘মহাত্মা’কে। কিন্তু এ মুহূর্তে পরিস্থিতি ভিন্ন। ২০১৬ থেকে আফ্রিকাজুড়ে গান্ধীকে নিয়ে বিতর্ক চলছে। চীনকে মোকাবিলায় ভারত যখন গান্ধীর ইমেজ সামনে রেখে আফ্রিকায় ব্যাপক কূটনৈতিক আয়োজনে লিপ্ত. তার মধ্যেই শুরু ভাস্কর্যবিরোধী এই সামাজিক আন্দোলন। এই বছরই ভারতে উদ্যাপিত হচ্ছে গান্ধীর জন্মের দেড় শ বছর পূর্তি। ঠিক এই সময় গান্ধীবিরোধী মনোভাবের ঢেউ ভারতের জন্য অস্বস্তির। একটি বই পরিস্থিতি বদলে দিলগান্ধী আফ্রিকায় ২১ বছর কাটিয়েছিলেন। ২৩ বছর বয়সে তিনি সেখানে যান। ১৮৯৩ থেকে ১৯১৪ পর্যন্ত তাঁর আফ্রিকার দিনগুলো নিয়ে সম্প্রতি সাড়াজাগানো এক গবেষণা করেছেন অশিন দেশাই ও গোলাম ভাহেদ। তাঁরা উভয়েই আফ্রিকার সমাজ ও ইতিহাস বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। দেশাই জোহানেসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিদ্যা পড়ান এবং ভাহেদ খাওজুলু নাটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষক। ২০১৬ সালে প্রকাশিত ‘সাউথ আফ্রিকান গান্ধী: স্ট্রেচার বেয়ারার অব এম্পায়ার’ নামের তাঁদের গবেষণা নিয়ে দুই বছর ধরে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপস্থিতির পুরোনো সব বয়ানকে চ্যালেঞ্জ করেছেন তাঁরা। গান্ধী সাদাদের বিরুদ্ধে কালোদের মুক্তির সংগ্রাম থেকে স্থানীয় ভারতীয়দের অধিকারের লড়াইকে পৃথকভাবে দেখতেন। এতে কীভাবে সাদারা লাভবান হচ্ছিল. সেটাই বইটির মুখ্য বিষয়। আফ্রিকায় ভারতীয় নাগরিকদের অধিকার নিয়ে লড়াই করলেও গান্ধী মনে করতেন. ক্ষমতায় সাদাদেরই থাকা সংগত। দেশাই ও ভাহেদ দেখান. আফ্রিকায় তাঁর তৎপরতার সঙ্গে পরবর্তীকালে লেখা গান্ধীর আত্মজীবনীর মিল নেই। দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধী কালোদের নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন. যা বর্ণবাদী। ১৮৯৩ সালে নাটাল পার্লামেন্টকে লেখা এক চিঠিতে দেখা যায়. গান্ধী মনে করছেন. কালোদের চেয়ে আফ্রিকার ভারতীয়রা ‘উন্নত’। কালোদের তিনি ‘কাফির’ বলেছিলেন. এমনও প্রমাণ মেলে ১৯০৪-এর এক স্মারকলিপিতে। ১৯০৫-এ ডারবানে যখন প্লেগ লাগে. গান্ধী তার জন্য দায়ী করেন ‘নোংরা’ আফ্রিকানদের। ‘নেটিভ’ কালোদের থেকে ভারতীয়দের পৃথকভাবে বাস করার সুপারিশ ছিল তাঁর। এসব ইতিহাসের ওপর দাঁড়িয়ে তরুণেরা এখন বলছে. গান্ধীকে আদর্শ হিসেবে আফ্রিকায় মানায় না আর। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাস্কর্য আফ্রিকার নায়কদেরই গড়া উচিত. কোনো বর্ণবাদীর নয়। ক্রোধের ভাবাবেগে এ–ও বলা হচ্ছে. আফ্রিকায় গান্ধীর ভাস্কর্য থাকলে ভারতে ১৯১৯-এ জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল ডায়ারের মূর্তি স্থাপনেও আপত্তি ওঠা উচিত হবে না! তবে আফ্রিকায় সবাই গান্ধীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেছে. এমন নয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধীর ভাস্কর্য প্রথম গড়েছিলেন খোদ নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৯৩ সালে। এখনো আফ্রিকাজুড়ে গান্ধীর অহিংসার দর্শনের প্রচুর অনুরাগী। তাঁদের মতে. জীবনের শুরুতে করা কালোদের বিরুদ্ধে কিছু মন্তব্য দিয়ে গান্ধীর পুরো জীবন ও অবদানকে বিচার করা সংকীর্ণতা হবে। অন্তত ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার মতো নজির স্থাপন অপ্রয়োজনীয়। গান্ধীর এই মন্তব্যগুলো হয়তো কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতাড়িত ছিল. যা ক্ষমার যোগ্য এবং বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে বিচারযোগ্য নয়। এসব মন্তব্য এড়িয়েও গান্ধীর মূল্য আছে। গান্ধী নিজেও সাদাদের বর্ণবাদী সামাজিক নীতির দ্বারা বহু সময় নির্যাতিত হয়েছেন। আফ্রিকায় চীন-ভারত ‘যুদ্ধ’ ও গান্ধী২০১৬ সালের ১৬ জুন ঘানায় গান্ধীর ভাস্কর্যটি উন্মুক্ত করেছিলেন তখনকার ভারতীয় রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। ভারতীয় অনুদানে এটি নির্মিত। এ সময় ঘানা থেকে বহুদূরের মালাউইয়েও গান্ধীর ভাস্কর্য তৈরি হচ্ছিল ভারতের সহায়তায়। বহুকাল ধরে আফ্রিকার দক্ষিণে গান্ধীকে সামনে রেখে ভারত প্রভাব বাড়াতে তত্পর। আফ্রিকার অনেক দেশেই দুই-তিন প্রজন্ম ধরে ব্যবসায় ভারতীয়রা প্রভাবশালী। এই প্রভাবকে ভূরাজনৈতিকভাবে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে গান্ধীর উপস্থিতিকে ভারত ব্র্যান্ডিং করতে চাইছে মহাদেশজুড়ে। ওই অঞ্চলের অনেক শহরে গান্ধীর ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারত ২০১৮-এর জুলাইয়ে জানিয়েছে. আফ্রিকায় তাদের দূতাবাসের সংখ্যা ২০২১ সালের মধ্যে ১৮টি বাড়িয়ে ৪৭-এ উন্নীত করা হবে। চীন ইতিমধ্যে যা ৫০ করেছে। আফ্রিকার ৫৪ দেশে চীনের বাণিজ্যের আকার ভারতের চেয়ে তিন গুণ বড়। তবে নয়াদিল্লি এই অবস্থা বদলাতে তত্পর। ২০১৬ সালে প্রণব মুখার্জির ঘানা সফর ছিল সেই লক্ষ্যে নতুন অভিযানের শুরু। কিন্তু আক্রায় গান্ধীর ভাস্কর্য উদ্বোধনের কিছুদিন পরই তার খানিকটা ভেঙে দেয় শিক্ষার্থীরা। পরে স্থানীয় শিক্ষকেরাও এর অপসারণের আন্দোলনে যুক্ত হন। অনলাইনে শুরু হয় হ্যাশট্যাগযুক্ত ‘গান্ধী মাস্ট ফল’ প্রচারণা। শেষ পর্যন্ত ভাস্কর্যটি ভাঙতেই হয়। মালাউই ও ঘানার সরকার এবং আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমগুলো এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য লুকাচ্ছে। মালাউইয়ের আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন. গান্ধী কোনো দিন সেখানে যাননি. কেবল ভারতের প্রভাব দৃষ্টিগ্রাহ্য করতে তাঁদের রাজধানীতে ভাস্কর্য তৈরি হচ্ছিল। ভাস্কর্য প্রকল্পটি ছিল বিশাল আকারের এক বাণিজ্যিক চুক্তির প্রচ্ছদ মাত্র. জনদাবি সত্ত্বেও যে চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করেনি সরকার। একইভাবে আক্রার কালো তরুণেরাও শুধু ব্যক্তি গান্ধীর বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল না. নিজ দেশ থেকে ইউরো-এশিয়ান ভাবাদর্শের অবসান চাইছিল। এই তরুণেরা আফ্রিকায় ইউরোপীয় ও ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে বলছে। এই আধিপত্যের রেশ ইতিহাসের চৌহদ্দি ছাড়িয়ে সমাজে ব্যাপকভাবে আছে এখনো। ব্রিটিশ ও ফরাসি অধীনতার সময় আফ্রিকায় শিল্প স্থাপনের নামে বিপুল জমি ভারতীয়দের দখলে যায়। তার অনেকাংশই এখনো বহাল তবিয়তে ভারতীয়দের হাতে আছে। এই বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়েই মূর্তি ভাঙার ক্ষোভটি বোঝা দরকার। আফ্রিকায় উপনিবেশবিরোধী সংগ্রামে নির্যাতিতরা তাদের পাশে দেখেনি ভারতীয়দের। আফ্রিকার আজকের তরুণেরা তাদের নতুন জানাশোনা নিয়েই গান্ধীকে সহ্য করতে পারছে না। তারা বলছে. রাজনৈতিক চিন্তা ও আদর্শে যদি সংশোধন ও প্রত্যাখ্যান থাকতে পারে. তাহলে সাহিত্য-গান-ভাস্কর্যের মতো প্রতীককে ঘিরেও তা থাকতে হবে। এ রকম যুক্তিতর্কের মধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধীর একটি ভাস্কর্য সাদা রঙে মুড়ে দেওয়া হয় ২০১৫ সালে। স্পষ্টত বিনিয়োগ ও বর্ণবাদকে একসঙ্গে আর নিতে চাইছে না আফ্রিকা। কালোদের এই ক্ষোভ গত বছর অন্য গোলার্ধেও আঘাত হানে। কানাডায় জুলাইয়ে আফ্রিকান স্টাডিজ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বিক্ষোভ করেছে কার্লেটন ক্যাম্পাস থেকে গান্ধীর ভাস্কর্য সরানোর জন্য। ঘানার ঘটনায় অনুপ্রাণিত অটোয়ার আফ্রিকান শিক্ষার্থীদের এক নেতা বলেন. ইতিহাসের পুনঃপাঠ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হওয়া উচিত। ২০১৬-এর অক্টোবরে ক্যালিফোর্নিয়াতেও গান্ধীর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরুদ্ধে অনুরূপ গণবিক্ষোভ হয়। প্রতিবাদের নৈতিক শক্তি নেই ভারতেরভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি গান্ধীপন্থী দল না হলেও ঘানা. মালাউই ও অটোয়ার ঘটনা দেশটির অনেকের জন্যই বিব্রতকর। আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত না হলেও ভারতে মোহনদাস করমচাদ গান্ধী জাতির পিতৃতুল্য। কিন্তু ভারতের তরফ থেকে এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানানোর নৈতিক শক্তিতে টান পড়েছে। কিছুদিন আগে ত্রিপুরার বিলোনিয়া কলেজ স্কয়ার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে লেনিনের ভাস্কর্য নামানো হয়েছে। দক্ষিণ ভারতে দ্রাবিড় জাতীয়তাবাদী রামস্বামী পেরিয়ার এবং উত্তর ভারতে বি আর আম্বেদকরের ভাস্কর্যও দেশটিতে বহুবার আক্রান্ত হয়েছে গত বছর। গান্ধীর বিরুদ্ধে আফ্রিকায় বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ থাকলেও লেনিন-আম্বেদকর-পেরিয়ারের বিরুদ্ধে হাতুড়ি হাতে নেওয়া হিন্দুত্ববাদীরা তেমন কোনো অভিযোগ তোলেনি। এই অন্ধ জাতীয়তাবাদী জিঘাংসা আফ্রিকায় পাথুরে ভাস্কর্য ভাঙার বহু আগে খোদ গান্ধীকেই একদা হত্যা করেছিল ভারতে। আফ্রিকায় গান্ধীর দ্বিতীয় মৃত্যুযাত্রায় ভারত তাই শোকও প্রকাশ করতে পারছে না। আলতাফ পারভেজ: ইতিহাস গবেষক,1573028 2019-01-03,দর্শক হওয়া কঠিন!,,তানজিন তিশা,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573026/%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%A8,entertainment,print,1,আনন্দ|আলাপন,● সাধারণ দর্শক হিসেবে অভিনেত্রী তানজিন তিশার অভিনয় কেমন লাগে?সুযোগ পেলেই নিজের কাজ দেখি। ইউটিউবে খুঁজে খুঁজে দেখি কোন কাজটা কীভাবে নিলেন দর্শক. আমি নিজে কতটা পরিপক্ব হলাম। কিন্তু দর্শক হিসেবে যদি নিজের অভিনয়ের মূল্যায়ন করতে বলেন. তাহলে সেটা আমি পারব না। এ ব্যাপারে আমার পক্ষে দর্শক হওয়া কঠিন!● যদি ‘ইউটার্ন’ টেলিছবিতে আপনার অভিনয়কে মূল্যায়ন করতে বলি. তাহলে ১০-এ নিজেকে কত নম্বর দেবেন?আমি তো এখন অর্ধেক নম্বরও দেব না। কারণ ওটা ছিল আমার প্রথম টেলিছবি। খুবই অপরিপক্ব অভিনয় করেছি। আমি জানি না দর্শক কেন কীভাবে আমাকে গ্রহণ করলেন। আমি এটার জন্য সেরা নবীন শিল্পী হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েও অবাক হয়েছি। আমি এই টেলিছবিতে আমাকে অভিনয় করানোর জন্য আমার পরিচালক রেদওয়ান রনিকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তাঁরই কৃতিত্বে ইউটার্ন এতটা প্রশংসিত হয়েছে। তবে আমি নিজের অভিনয়কে ১০-এ ১ নম্বরের বেশি দেব না।● নাটকে কোন নায়কের বিপরীতে অভিনয় করতে ভালো লাগে?আফরান নিশো।● অভিনয়. মডেলিং. উপস্থাপনা—এর মধ্যে কোনটি বেশি ভালোবাসেন?আমি উপস্থাপনা খুব কম করেছি। দুই বা তিনটি অনুষ্ঠান হবে। তা-ও শখের বশে। আর মডেলিং করেছি টানা তিন–চার বছর। সেটাও আমার খুব প্রিয়। কিন্তু আপাতত অভিনয়টাকে খুব বেশি ভালোবেসে ফেলেছি। তাই এ তিনটির মধ্যে অভিনয়কে এগিয়ে রাখব আমি।● বিয়ের পিঁড়িতে কবে বসছেন?আমি নিজেই এখন প্রস্তুত নই। আমার মনে হয় বিয়ের জন্য আমার বয়স এখনো অনেক কম। এখনো অনেক কাজ বাকি. লক্ষ্য অর্জন বাকি। তাই বিয়ে নিয়ে আপাতত ভাবছি না।● আপনি এত বেশি ইনোসেন্ট কেন?আমিও মাঝেমধ্যে এটা ভাবি. আমি এত ‘ইনোসেন্ট’ কেন? আমার ব্যক্তিত্বে দুটি বৈশিষ্ট্য প্রবল। আমার সরলতা আর বদমেজাজ। মানে আমি খুব শর্ট টেম্পার্ডও। সবাই হয়তো আমার ইনোসেন্সটা দেখে. শর্ট টেম্পারটা দেখে না।প্রশ্নগুলো করেছেন: শিমুল আহম্মেদ. সাতক্ষীরা,1573026 2019-01-03,শেয়ারবাজার নিয়ে নতুন স্বপ্ন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/economy/article/1573024/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A8,economy,print,1,শেয়ারবাজার,• গত বছর শেষে ডিএসইর প্রায় সব সূচক ছিল নেতিবাচক• সেখানে ভোটের পর নতুন বছরের শুরুটা আশা জাগাচ্ছে• বুধবার ডিএসইর লেনদেন পৌঁছেছে ৬৯৬ কোটি টাকায়• এটি আগের দিনের চেয়ে ১৬৬ কোটি টাকা বেশি • গত বছর শেষে ডিএসইর প্রায় সব সূচক ছিল নেতিবাচক• সেখানে ভোটের পর নতুন বছরের শুরুটা আশা জাগাচ্ছে• বুধবার ডিএসইর লেনদেন পৌঁছেছে ৬৯৬ কোটি টাকায়• এটি আগের দিনের চেয়ে ১৬৬ কোটি টাকা বেশি ২০১৮ সালটি শেয়ারবাজারের জন্য ছিল মন্দার বছর। সদ্য বিদায়ী বছরটিতে সূচক. লেনদেন. বিদেশি বিনিয়োগ. বাজার মূলধনসহ গুরুত্বপূর্ণ সব সূচকের পতন ঘটেছে। তবে ভোটের পরে শুরু হওয়া নতুন বছরটি আশা জাগাচ্ছে বিনিয়োগকারীদের মনে। গত দুই দিনে বাজারে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও ঊর্ধ্বমুখী। গতকাল বুধবার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন পৌঁছেছে ৬৯৬ কোটি টাকায়. যা আগের দিনের চেয়ে ১৬৬ কোটি টাকা বেশি। গত দুই দিনে বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১১১ পয়েন্ট। তাতেই মন্দার বছর কাটিয়ে শেয়ারবাজার আশা জাগাচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। ২০১৮ সালে শেয়ারবাজারের সব সূচক খারাপ থাকলেও ডিএসইর হাত ধরে বছরটিতে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ দেশে এসেছে। ডিএসইর মালিকানার ২৫ শতাংশ শেয়ার কিনে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে গত বছর যুক্ত হয়েছে চীনের শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত জোট। ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন ও কর্মসূচি (স্কিম) অনুযায়ী চীনের জোটের কাছে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর এ শেয়ার বিক্রি করা হয়। যদিও এ শেয়ার বিক্রি নিয়েও তুমুল আলোচনা তৈরি হয়। কারণ. ডিএসই চীনের জোটের কাছে শেয়ার বিক্রি করতে চাইলেও বিভিন্ন মহল থেকে ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নেতৃত্বে গঠিত জোটের কাছে এ শেয়ার বিক্রির চাপ তৈরি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ডিএসইর সদস্যদের অনড় অবস্থানের কারণে চীনের জোটের কাছে শেয়ার বিক্রির অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত বছর শেয়ারবাজারের সাফল্য বলতে চীনের জোটের যুক্ত হওয়ার ঘটনা। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য মোটেই সুখকর বছর ছিল না ২০১৮ সালটি। বছরটিতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ৮৫৯ পয়েন্ট বা ১৪ শতাংশ কমে গেছে। এ সূচক বছরের একপর্যায়ে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৩১৮ পয়েন্টের অবস্থানে উঠলেও বছরের শেষ ভাগে এসে তা সর্বনিম্ন ৫ হাজার ২০৪ পয়েন্টে নেমে আসে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী. ২০১৮ সালে ২৪২ কার্যদিবসে ঢাকার বাজারে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা। যেখানে ২০১৭ সালে লেনদেন হয়েছিল ২ লাখ ১৬ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা। মোট লেনদেন কমে যাওয়ায় দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণও কমেছে সদ্যবিদায়ী বছরে। ২০১৮ সাল শেষে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ কমে নেমে এসেছে ৫৫২ কোটি টাকায়। ২০১৭ সাল শেষে যেখানে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮৭৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ২০১৮ সালে এসে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ৩২৩ কোটি টাকা। জানতে চাইলে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান বলেন. ‘২০১৮ সালে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর কাছে শেয়ার বিক্রি ছিল আমাদের তথা শেয়ারবাজারের জন্য এক ঐতিহাসিক ঘটনা। বছরের লম্বা সময় ধরে আমরা এ কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। তাই বছরটিতে নতুন আর কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। তবে ২০১৯ সালে এসে নতুন বেশ কিছু উদ্যোগ যুক্ত হবে ডিএসইতে। যার সুফল পাবেন বাজারের সঙ্গে যুক্ত সবাই।’ মাজেদুর রহমান বলেন. ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য আলাদা এসএমই বোর্ড চালুর প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত করে আনা হয়েছে। আশা করছি এ বছরের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যেই সেটি চালু করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া ইটিএফ চালুর কাজও প্রায় গুছিয়ে আনা হয়েছে। এর বাইরে চলতি বছর বন্ড লেনদেনের উদ্যোগ. শেয়ারবাজারের লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য গঠিত সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টি বাংলাদেশ নামে নতুন কোম্পানি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে. গত বছরটিতে উল্লেখ করার মতো ভালো কোনো কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি। ফলে বাজারের গভীরতা বাড়েনি। এ কারণে বছরজুড়েই বিভিন্ন বাজে কোম্পানির শেয়ার নিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কারসাজির ঘটনা ঘটে। এসব কারসাজির মাধ্যমে কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলেও কারসাজির বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থার শক্ত কোনো অবস্থান দেখা যায়নি। সূচক ও লেনদেনে মন্দাভাব থাকলেও গত বছর বাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১২টি সিকিউরিটিজ। তা সত্ত্বেও বাজার মূলধন আগের বছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ কমে নেমে আসে ৩ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকায়।,1573024 2019-01-03,উৎসবে. বিরহে ২০১৮-এর বলিউড,,,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573025/%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A7%87-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AE-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1,entertainment,print,1,আনন্দ|বলিউড,টপচার্ট হলিউড ১. আকুয়াম্যান (জেসন মোমোয়া. অ্যাম্বার হার্ড. উইলেম ডেফো. নিকোল কিডম্যান) ২. ম্যারি পপিনস রিটার্নস (এমিলি ব্লান্ট. কলিন ফার্থ. মেরিল স্ট্রিপ) ৩. বাম্বলবি (হেইলি স্টেইনফেল্ড. জন সিনা) ৪. স্পাইডার–ম্যান ইনটু দ্য স্পাইডার-ভার্স (অ্যানিমেশন) ৫. দ্য মিউল (ব্র্যাডলি কুপার. মাইকেল পেনা. ডাইয়ানে উইস্ট) সূত্র: বক্সঅফিস মোজো সংগীত ১. থ্যাংক ইউ. নেক্সট (আরিয়ানা গ্রান্ডে) ২. উইদাউট মি (হ্যালসে) ৩. অল আই ওয়ান্ট ফর ক্রিসমাস ইজ ইউ (মারায়া ক্যারি) ৪. সিকো মোড (ট্রাভিস স্কট) ৫. সান ফ্লাওয়ার (পোস্ট ম্যালন ও সোয়ে লি) সূত্র: বিলবোর্ড (দ্য হট ১০০) বলিউড ১. সিম্বা (রণবীর সিং. সারা আলী খান. অজয় দেবগন) ২. জিরো (শাহরুখ খান. ক্যাটরিনা কাইফ. আনুশকা শর্মা) ৩. কেদারনাথ (সুশান্ত সিং রাজপুত. সারা আলী খান) ৪. থাগস অব হিন্দোস্থান (অমিতাভ বচ্চন. আমির খান. ক্যাটরিনা কাইফ. ফাতিমা সানা শাইখ) ৫. ২.০ (রজনীকান্ত. অক্ষয় কুমার. অ্যামি জ্যাকসন) সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা হ্যাশট্যাগ মি টু কয়েক মাস আগে বলিউডের বুকে আছড়ে পড়েছিল হ্যাশট্যাগ মি টু ঝড়। এই ঝড় রীতিমতো নগ্ন করে দেয় একের পর এক বলিউড ব্যক্তিত্বকে। হলিউড থেকে বলিউডে এই ঝড় আসে অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্তর হাত ধরে। প্রায় ১০ বছর আগে হর্ন ওকে প্লিজ ছবির সেটে এই বলিউড সুন্দরী যৌন হেনস্থার শিকার হন। তনুশ্রী এই অভিযোগ এনেছিলেন বলিউডের প্রভাবশালী অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে। এরপর একের পর এক বলিউড অভিনেতা. পরিচালক. প্রযোজক ও লেখকের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ ওঠে। জালে বন্দী সমগ্র দুনিয়া ক্রমে নেটের জালে (ওয়েব) বন্দী হতে চলেছে। এখন মুঠোফোনে চলে এসেছে সমগ্র গ্ল্যামার দুনিয়া। নেটফ্লিক্স. অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর সৌজন্যে ট্রেনে. বাসে. চলতে চলতে দেখতে পাওয়া যায় সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজ। তাই ছবি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে গাঁটের কড়ি খরচ করার দিন ক্রমে ফুরিয়ে আসছে। এখন বিনোদন জগৎ আপনার মুঠোফোনে বন্দী। এই নতুন ডিজিটাল দুনিয়ার জনপ্রিয়তা ক্রমে বাড়ছে। প্রেম-ভাঙন ২০১৮তে কিছু নতুন প্রেমের জন্ম হয়েছে. আবার কিছু প্রেমের ভাঙন হয়েছে। তবে এ বছর আলোচিত প্রেমগুলোর শীর্ষে আছে আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুরের প্রেম। ২০১৯–এ নাকি তাঁদের দুই হাত এক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। মালাইকা অরোরা ও আরবাজ খানের ডিভোর্স হয় ২০১৭ সালে। ডিভোর্সের পরপরই মালাইকা ও অর্জুন কাপুরের প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়। ২০১৮–তে সেই গুঞ্জন সত্যি হয়ে সবার সামনে আসে। ২০১৯–এ এই জুটিও বিয়ে করতে পারেন। আরবাজের জীবনেও এসেছেন জর্জিয়া আন্দ্রিয়ানি। ২০১৮ সালে দীর্ঘ ২০ বছরের দাম্পত্য সম্পর্ক ভেঙে যায় অর্জুন রামপাল ও মেহর জেসিয়ার। অর্জুনের জীবনে এসেছেন আফ্রিকান মডেল গ্যাব্রিয়েলা ডেমেট্রিএডস। ডিভোর্সের পর ফারহান আখতারের সঙ্গে শিবানি দান্ডেকরের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এদিকে হাঁটুর বয়সী এক মডেলের প্রেমে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী তথা সাবেক বিশ্ব সুন্দরী সুস্মিতা সেন। প্রেমিক রহমান স্যলকে নাকি বিয়ে করতে চলেছেন সুস্মিতা। ঘর বাঁধলেন যাঁরা গত বছরের মে মাসে অভিনেত্রী সোনম কাপুর বিয়ে করেন ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজাকে। এর পরপরই চুপিসারে বিয়ে সেরে ফেলেন অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া এবং অভিনেতা অঙ্গদ বেদী। দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং এক স্বপ্নের বিয়ে উপহার দেন বলিউডকে। ইতালির লেক কেমোর ভিলা ডেল বাল্বিনেলো প্যালেসে রাজকীয়ভাবে বিয়ে করেন বলিউডের এই রোমান্টিক জুটি। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে বলিউড. তথা হলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও মার্কিন পপ তারকা নিক জোনাসের বিয়ে হয়। ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মেয়ে ঈশা বলিউড তারকা নন। তবে এই বিয়েতে প্রায় সমগ্র বলিউড শামিল হয়েছিল। এই মৌসুমে বিয়ে উৎসবের সমাপ্তি হয় কৌতুক অভিনেতা তথা সঞ্চালক কপিল শর্মার বিয়ে দিয়ে। তিনি তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা গিন্নিকে ঘটা করে বিয়ে করেন। নবীন এক ঝাঁক ২০১৮ সালে হিন্দি ছবির দুনিয়ায় এক ঝাঁক নবাগত পা রাখলেন। সবার নজর ছিল শ্রীদেবীকন্যা জাহ্নবী এবং সাইফ-অমৃতার কন্যা সারার দিকে। জাহ্নবী অভিনীত ধড়ক ছবিটি বেশ ভালোই সাড়া পায়। সারা আলী খানের অভিষেক নিয়েও বলিউডে রীতিমতো সরগরম ছিল। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সারার দুটি ছবি মুক্তি পায়। সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে জুটি বেঁধে তাঁর প্রথম ছবি কেদারনাথ মুক্তি পায়। ক্যারিয়ারের শুরুতে সবার মনে জায়গা করে নেন এই তারকা–কন্যা। এরপর রোহিত শেঠির সিম্বা ছবিতে তাঁকে রণবীরের সিংয়ের বিপরীতে দেখা যায়। প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা বিনোদ মেহেরার পুত্র রোহন মেহেরা বাজার ছবির মাধ্যমে বিটাউনে পা রাখলেন। খ্যাতনামা পরিচালক অনিল শর্মার পুত্র উৎকর্ষের অভিষেক ছবি জিনিয়াস। সালমান খানের ভগ্নিপতি আয়ুশ শর্মাও লাভ যাত্রী ছবির মাধ্যমে বলিউডে এলেন। এ ছাড়া বনিতা সান্ধু. মিথিলা পালকর. দুলকর সালমান. কৃতিকা কামরা. মৌনি রায়. ঈশান খত্তর. সুমিত ব্যস. আয়শা শর্মা. অবিনাশ তিওয়ারি. তৃপ্তি ডিমরি. শিখা তলসানিয়া. রাধিকা মদনসহ আরও অনেক নবাগতর অভিষেক হয়েছে এ বছরই। ছোট ছবি বড় ধামাকা ২০১৮–তে অনেক বড় বাজেটের ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। আবার কম বাজেটের ছবি দারুণ ব্যবসা করেছে। রাজ কুমার রাও এবং শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত ভৌতিক কমেডি ছবি স্ত্রী বক্স অফিসে দুর্দান্ত সফলতা পায়। বাজিমাত করে আয়ুষ্মান খুরানা অভিনীত দুটি ছবি—অন্ধাধুন ও বাধাই হো। আয়ুষ্মান. টাবু ও রাধিকা আপ্তে অভিনীত থ্রিলার–নির্ভর ছবি অন্ধাধুন শুধু বক্স অফিস নয়. চিত্র সমালোচকদেরও মন জয় করে। এ বছরের সেরা ছবির শীর্ষে উঠে এসেছে শ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত ছবিটি। আয়ুষ্মান অভিনীত বাধাই হো ছবিটি পায় আশাতীত সাফল্য। মাত্র ২৯ কোটি রুপিতে নির্মিত ছবিটি ব্যবসা করে ২২০ কোটি রুপি। আলিয়া ভাট অভিনীত রাজি ছবিটি বক্স অফিসে সাফল্যের পাশাপাশি সবার মন জয় করে। ৩০ কোটি বাজেটের ছবিটি প্রায় ২০০ কোটির ব্যবসা করে। বরুণ ধাওয়ান ও আনুশকা শর্মা অভিনীত সুই ধাগা. সোনু কি টিটু কি সুইটি. ১০২ নট আউট কম বাজেটের ছবি হয়েও ভালোই সাফল্য পেয়েছে। রানী মুখার্জি অভিনীত হিচকি ছবিটি শুধু দেশে নয়. দেশের বাইরেও ছক্কা হাঁকিয়েছে। এ বছর সবচেয়ে বাজিমাত করেছেন রণবীর কাপুর। একাধিক ফ্লপের পর অবশেষে সাফল্যের মুখ দেখেন তিনি। রাজ কুমার হিরানী পরিচালিত সঞ্জু ছবিটি তাঁকে রাতারাতি সুপারস্টার বানিয়ে দেয়। তিন খান—খানখান বলিউড সাম্রাজ্যকে রীতিমতো শাসন করে এসেছেন তিন খান। ২০১৮ সালে সালমান. আমির. শাহরুখ—এই তিন খানেরই বাজার বেশ মন্দা। সালমান খানের রেস থ্রি ছবি সবাইকে হতাশ করে। জঘন্য পরিচালনার জন্য অনেকে রেমো ডি’সুজাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখ দেখে আমির খানের থাগস অব হিন্দোস্থান। যশরাজ ব্যানারের ছবিটিতে আমির ছাড়াও ছিলেন অমিতাভ বচ্চন। বছরের শেষে আরেকটি চূড়ান্ত ব্যর্থতা শাহরুখ খানের জিরো ছবিটি।,1573025 2019-01-03,হলিউড ২০১৯!,,সাদিয়া ইসলাম,৩,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573020/%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF,entertainment,print,1,আনন্দ|হলিউড,ফ্রোজেন টু ফ্রোজেন কেবল শিশুদের নয়. বড়দেরও ভালো লেগেছিল। সেই ভালো লাগা নিয়ে অ্যানা–এলসা আবার আসছে ফ্রোজেন টু নিয়ে। এ ছবিটি মুক্তি পাবে ২২ নভেম্বরে। অ্যাভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়ার–এন্ডগেম মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম বড় বাজেটের চলচ্চিত্র অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার–এর শেষ পর্ব আসছে ২৬ এপ্রিল। মাত্র দিন কয়েক আগে গত হওয়া বছর থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনার কমতি নেই। ইতিমধ্যে ছবির ট্রেলার ভক্তদের মধ্যে আলোড়ন তুলেছে। স্পাইডারম্যান ফার ফ্রম হোম অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার–এ ‘থানোস’–এর এক তুড়িতে উড়ে গিয়েছিল ‘স্পাইডারম্যান’। এরপর কি ঘটেছে তাঁর ভাগ্যে? সে কি আর ফিরবে? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার–এন্ডগেম–এ। আর এর পর আবার পর্দায় ফিরে আসবে অতিমানব ‘স্পাইডারম্যান’। এবারের ছবিটির নাম স্পাইডারম্যান: ফার ফ্রম হোম। টয় স্টোরি ৪ টয় স্টোরি সিরিজের ছবিগুলো নিয়ে বাচ্চা–তরুণ–প্রবীণ সবারই কম–বেশি আগ্রহ থাকে। ২০১৯ সালে সেই টয় স্টোরির চতুর্থ কিস্তি আসতে যাচ্ছে। কেমন ব্যবসা করবে এই অ্যানিমেশন ছবিটি? জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে ২০ জুন পর্যন্ত। ক্যাপ্টেন মার্ভেল গত বছরের অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার ছবির শেষে ক্যাপ্টেন মার্ভেল ছবির একটি আঁচ পাওয়া যায়। এর পর থেকে শুরু হয় কৌতূহল। সেই কৌতূহলে ইতি টানা হবে এ বছরের ৮ মার্চ। সেই দিন মুক্তি পাবে ক্যাপ্টেন মার্ভেল ছবিটি। ‘ক্যাপ্টেন মার্ভেল’ হিসেবে অভিনেত্রী ব্রি লারসনকে এরই মধ্যে ট্রেলারে দেখতে পেয়েছেন দর্শকেরা। সেটা নিয়ে রয়েছে দর্শকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। স্টার ওয়ারস: এপিসোড ৯ ২০১৮ সালে স্টার ওয়ারস সিরিজের হান সোলো ছবিটি প্রত্যাশিত ব্যবসা করতে পারেনি। কিন্তু ২০১৯ সালে ধারণা করা হচ্ছে হলিউডের জনপ্রিয়তম এই সিরিজটির নতুন ছবি পুরোনো অবস্থান ফিরে পাবে। আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পাবে স্টার ওয়ারস: এপিসোড ৯। জোকার ব্যাটম্যানের চিরশত্রু জোকারকে নিয়ে পুরো একটা চলচ্চিত্রের ঘোষণা ডিসি কমিকের ভক্তদের মধ্যে রোমাঞ্চ তৈরি করেছিল। এ বছর তো আসছে আস্ত ছবিটিই। ছবিতে দেখা যাবে ‘জোকার’ কীভাবে জোকার হয়ে উঠল. সেই গল্প। এবারের ছবিতে ‘জোকার’ চরিত্রে অভিনয় করবেন ওয়াকিম ফিনিক্স। এটি মুক্তি পাবে ৪ অক্টোবর। ইট: চ্যাপ্টার টু ২০১৭ সালের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবি ইট। পিলে চমকে দেওয়া সেই ছবির দ্বিতীয় পর্ব আসছে চলচ্চিত্র বছরের ৬ সেপ্টেম্বর। এখনো ট্রেলার বা ছবির গল্পের ব্যাপারে তেমন একটা কিছু প্রকাশ করেনি ছবির পরিচালক বা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। শুধু জানা গেছে. প্রথম ছবির খুদে শিল্পীরা এবারের ছবিতে বড় হয়ে যাবে. তারা ফিরবে তাদের শৈশবের স্মৃতিময় শহরে ২৭ বছর পর। ফিরবে ভয়ংকর ‘ইট’–এ।,1573020 2019-01-03,একজন মাদক ব্যবসায়ী. অন্যজন কৃষকের সন্তান,শ্রীলঙ্কায় মাদকসহ গ্রেপ্তার ২,নিজস্ব প্রতিবেদক. বগুড়া ও প্রতিনিধি. জয়পুরহাট,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573019/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8,bangladesh,print,1,আইন ও বিচার|শ্রীলঙ্কা|মাদক,• গত ৩১ ডিসেম্বর কলম্বোয় মাদকবিরোধী অভিযান • অভিযানে হেরোইন–কোকেনসহ দুই বাংলাদেশি আটক• আটক মাদকের মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫২ কোটি টাকা• গ্রেপ্তার জামাল ২০১৭ সালে বগুড়ায় ইয়াবাসহ ধরা পড়েন• ধরা পড়া রাফিউলের বাবা রফিকুল অবস্থাপন্ন কৃষক • গত ৩১ ডিসেম্বর কলম্বোয় মাদকবিরোধী অভিযান • অভিযানে হেরোইন–কোকেনসহ দুই বাংলাদেশি আটক• আটক মাদকের মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫২ কোটি টাকা• গ্রেপ্তার জামাল ২০১৭ সালে বগুড়ায় ইয়াবাসহ ধরা পড়েন• ধরা পড়া রাফিউলের বাবা রফিকুল অবস্থাপন্ন কৃষক শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে বিপুল পরিমাণ মাদকের চালানসহ আটক দুই বাংলাদেশির অন্যতম মোহাম্মদ জামালউদ্দিন বগুড়ার পুলিশের নথিতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকের একটি মামলা বগুড়ার আদালতে বিচারাধীন। অন্যজন জয়পুরহাটের দেওয়ান রাফিউল ইসলাম অবস্থাপন্ন কৃষক পরিবারের সন্তান। সেখানে তাঁর বা তাঁর পরিবারের কারও বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। শ্রীলঙ্কার পুলিশ গত ৩১ ডিসেম্বর কলম্বোর মাউন্ট লাভিয়ানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ২৭২ কেজি হেরোইন ও ৫ কেজি কোকেনসহ ওই দুই বাংলাদেশিকে আটক করে। আটক মাদকের মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫২ কোটি টাকা। বগুড়ার পুলিশ বলেছে. শ্রীলঙ্কায় ধরা পড়ার আগে মোহাম্মদ জামালউদ্দিন ২০১৭ সালের ১২ আগস্ট বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে ৩০টি ইয়াবা বড়িসহ শহরের রূপকথা হাউজিং এলাকায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এ ঘটনায় ডিবির তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে জামালউদ্দিনের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছিলেন। তদন্ত শেষে বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক নাছিম উদ্দিন একই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর এ মামলায় জামালউদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। মামলাটি বগুড়ার একটি আদালতে বিচারাধীন। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সনাতন চক্রবর্তী গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেন. মোহাম্মদ জামালউদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী পুলিশের নথিতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। দুজনই মাদকসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন। জামালের বাড়ি ময়মনসিংহে. বগুড়ায় বিয়ে করে শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। আদালতে ইয়াবা পাচারের মামলা বিচারাধীন থাকলেও বগুড়ার ঠিকানায় জামালউদ্দিনের নামে গত বছরের ৭ নভেম্বর পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছে। তাঁর নামে একাধিক ব্যাংক হিসাবের হদিস পাওয়া গেছে এবং এসব ব্যাংক হিসাবে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে। পুলিশ সূত্র বলেছে. গতকাল দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকায় জামালের বাসায় গিয়ে তাঁর কক্ষ তল্লাশি করে। এ সময় জামালের শাশুড়ি ও স্ত্রীকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশ জামালের শয়নকক্ষ থেকে একটি মুঠোফোন উদ্ধার করে। ওই মুঠোফোনে দেখা গেছে. ধরা পড়ার আগে জামাল শ্রীলঙ্কা থেকে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। জামালের স্ত্রী শামিমা জামাল প্রথম আলোকে বলেন. তাঁর স্বামী সপ্তাহখানেক আগে শ্রীলঙ্কায় গেছেন। সেখান থেকে ফোনও করেছেন। তবে মাদকের বিপুল চালানের সঙ্গে জামালের ধরা পড়ার বিষয়টি তিনি জানেন না। জয়পুরহাট সদর থানার পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে. শ্রীলঙ্কায় জামালের সঙ্গে ধরা পড়া দেওয়ান রাফিউল ইসলামের বাড়ি জেলার সদর উপজেলার চকবরকত ইউনিয়নের রামনগর চাঁদপুর গ্রামে। তাঁর বাবা দেওয়ান রফিকুল ইসলাম অবস্থাপন্ন কৃষক। রাফিউলরা চার ভাই ও দুই বোন। তাঁদের মধ্যে সবার ছোট রাফিউল ২০০৮ সালে জয়পুরহাট শহরের শহীদ জিয়া কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকায় গিয়ে একটি বায়িং হাউজে চাকরি নেন। চাকরি করা অবস্থায় কাপড়ের ব্যবসা–সংক্রান্ত কাজে তাঁকে বিদেশে যাতায়াত করতে হতো বলে তাঁর পরিবার জানত। তবে তিনি চীন ছাড়া অন্য কোন কোন দেশে যাতায়াত করেছেন. তা তাঁর পরিবার বলতে পারেনি। ১০-১২ দিন আগে রাফিউল কাপড়ের ব্যবসার কাজে শ্রীলঙ্কায় যাবেন বলে বাড়িতে থাকা তাঁর মামাতো ভাই রামিন হোসেনকে মুঠোফোনে জানিয়েছিলেন। জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল হক বলেন. শ্রীলঙ্কায় রাফিউলের গ্রেপ্তারের বিষয়টি পুলিশ জেনেছে। ওই পরিবারের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তবে জয়পুরহাট সদর থানায় ওই পরিবারের কারও বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।,1573019 2019-01-03,পুরোনো বিশৃঙ্খলায় সড়ক. ঝরছে রক্ত,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573018/%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%83%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%96%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95-%E0%A6%9D%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4,bangladesh,print,1,সড়ক দুর্ঘটনা|দুর্ঘটনা|চট্টগ্রাম,• নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ভুলেছেন সবাই• বেপরোয়া চালকেরা. পিষ্ট মানুষ • নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো ভুলেছেন সবাই• বেপরোয়া চালকেরা. পিষ্ট মানুষ চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্ণফুলী ইপিজেডের ভেতর নিজের কর্মস্থলের সামনেই গত ২৯ ডিসেম্বর বাসচাপায় নিহত হয়েছিলেন তিনজন। দুর্ঘটনায় নিহত কেইপিজেডের কর্মকর্তা আবদুল লতিফের থেঁতলে যাওয়া শরীরটা দ্রুততম সময়ে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করার চেষ্টাতেই ছিলেন তাঁর ছেলে মামুনুর রশীদ। বাবার এ রকম একটা ক্ষতবিক্ষত শরীর দেখে মাথায় আর অন্য কিছুই কাজ করছিল না চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্রলীগের নেতা মামুনের। যাওয়ার আগে কেবল পুলিশকে অনুরোধ করেছিলেন. তাঁর বাবার দাফনের আগেই যেন ঘাতক বাসচালক গ্রেপ্তার হন। এক সপ্তাহ হতে চলল। ওই ঘটনায় কোনো মামলাই হয়নি. পুলিশও কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। এর মধ্যেই দেশের রাস্তায় ঝরে গেছে অনেক রক্ত। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার. নতুন বছরের প্রথম দিনে রাজধানীর সড়কে বাসচাপায় দুই তরুণী নিহত হওয়ার পর পুলিশ জানল বাসচালকের কোনো লাইসেন্সই নেই। অথচ মো. জুনায়েদ নামের ওই বাসচালক আরেকটি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে দিনের পর দিন গাড়ি চালাচ্ছিলেন। গত বছরের ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় দুই কলেজশিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর দেশজুড়ে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহের প্রায় পুরোটাই ঢাকার সড়কগুলো ছিল শিক্ষার্থীদের দখলে। সরকারদলীয় লোকজনের লাঠিপেটা আর মামলার মুখে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে ক্ষান্ত দেয়। তবে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রীরা বিভিন্ন সময় নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। এরপর সরকারের পক্ষ থেকে সড়কে যান চলাচল ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়। পরিবহনমালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোও নিজেদের ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার কথা বলেছিল। তবে বছর শেষে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। নির্বাচনের ডামাডোলে ব্যস্ত পুলিশ সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টিই ভুলতে বসেছে। লাইসেন্স নেই বাসচালকেরদুই কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর আগস্টে শুরু হওয়া নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রাজধানীতে চলাচলরত সব ধরনের যানবাহনের চালককে লাইসেন্স দেখাতে বাধ্য করে। তারা লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করে পুলিশকেও। ওই ঘটনার পরম্পরায় ঢাকা মহানগর পুলিশ ও পরিবহনমালিক-শ্রমিকদের বিভিন্ন সংগঠন থেকেও বারবার লাইসেন্স ছাড়া কাউকে চালক না রাখতে বলা হয়েছিল। লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে কয়েক দিন পুলিশকে বেশ তৎপরও দেখা গিয়েছিল। তবে এখন পরিস্থিতি আবার আগের মতোই। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার মালিবাগে বাসচাপায় নিহত হন পোশাকশ্রমিক নাহিদ পারভীন পলি (২১) ও তাঁর বান্ধবী মিম আক্তার (১৫)। ঘটনার প্রতিবাদে ওই সড়কে ব্যাপক ভাঙচুর করে আটকে রাখেন শ্রমিকেরা. দুটি বাসে আগুনও দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান. ওই দুই তরুণী রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময়ই সুপ্রভাত ও তুরাগ পরিবহনের দুটি বাস আগে যাওয়ার পাল্লা দিয়ে মালিবাগ ফ্লাইওভার থেকে নামছিল। দুর্ঘটনার পর পুলিশ সুপ্রভাত পরিবহন বাসের চালক মো. জুনায়েদকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটানোর অভিযোগ এনে হাতিরঝিল থানায় মামলা করেছেন নিহত মিমের মা জরিনা বেগম। হাতিরঝিল থানার ওসি আবু মো. ফজলুল করিম বলেন. চালক জুনায়েদ কোনো লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। তাঁর শিক্ষানবিশ লাইসেন্স রয়েছে বলে তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন। পুলিশ ও বিআরটিএর কর্মকর্তা বলেছেন. সড়কে গাড়ি চালানোর জন্য শিক্ষানবিশ লাইসেন্স দেওয়া হয় না। এই লাইসেন্স নিয়ে কেউ বাসের মতো গণপরিবহন চালানোর কথা নয়। তিনজনের মৃত্যুর পরও...গত ২৯ ডিসেম্বর সকালে যখন শ্রমিকেরা কেইপিজেডের নিজ নিজ কারখানায় ঢুকছিলেন. তখনই একটি কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক সারি বাসকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় নিয়ন্ত্রণ হারানো দ্রুতগতির একটি বাস। ধাক্কা খেয়ে প্রথম বাসটি সামনের আরেকটি বাসকে ধাক্কা দেয়। ইপিজেডের ভেতরে ইয়ংওয়ানের একটি কারখানায় ঢোকার জন্য সেদিক দিয়ে শ্রমিকেরা যাচ্ছিলেন। তিন বাসের মধ্যে পড়ে হতাহত হন বেশ কয়েকজন। শেষ পর্যন্ত তিনজন মারা যান। নিহত ব্যক্তিরা হলেন আবদুল লতিফ. রাজিয়া সুলতানা ও মো. ইকবাল। নিহত আবদুর লতিফের ছেলে মামুনুর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন. বাবা মারা যাওয়ার পর তিনি লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে যান। এর মধ্যেই গত মঙ্গলবার কর্ণফুলী থানা থেকে তাঁকে ফোন করে মামলা করবেন কি না. সেটা জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন. ‘আমি তো তখন দিশেহারা। পুলিশকে বললাম. ভাই. আমাদের চাওয়ার কিছু নেই. খালি আমার বাবাকে কবরে শোয়ানোর আগে ওই ড্রাইভাররে ধরেন। আমরা চলে আসলাম। এখন পুলিশ জানতে চাচ্ছে মামলা করব কি না।’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সহসম্পাদক মামুন বলেন. ৬ জানুয়ারি থেকে তাঁর স্নাতক চূড়ান্ত সেমিস্টারের পরীক্ষা। এখনো তিনি পরিবারের সঙ্গে টাঙ্গাইলেই রয়েছেন। দিশেহারা অবস্থা পুরো পরিবারটির। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর মাহমুদ বলেন. ওই ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ একটি এজাহার দিয়েছে। এখন হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারের কেউ মামলার বাদী হবেন. নাকি কেইপিজেড. সেই সিদ্ধান্ত আজ (বৃহস্পতিবার) হবে। ফিরেছে পুরোনো ব্যবস্থাশিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে রাজধানীর সড়কে চলা অনিয়ম তাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। গত সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে ট্রাফিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন। কিন্তু মাসের শেষে তিনিই ‘কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সফলতা’ আসেনি বলে স্বীকার করেন। এরপর নির্বাচনের কারণে পুলিশের তৎপরতাও কমে যায়। পরিবহনসংশ্লিষ্ট একাধিক বাস ও লেগুনামালিক. চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়. আগস্টের আন্দোলনের পর পুলিশ গাড়ি থামিয়ে লাইসেন্স ও ফিটনেস পরীক্ষা করেছে. মামলাও হয়েছে প্রচুর। কিন্তু দুই মাস পরই তাঁরা আবার আগের ব্যবস্থায় ফিরে গেছেন। পুরোনো সেই ব্যবস্থার নাম ‘মানতি’। অর্থাৎ পুলিশের কোনো একজন বা একদল কর্মকর্তার সঙ্গে মাসভিত্তিক টাকার বিনিময়ে একটা অলিখিত ছাড়পত্র নেওয়া। সেই গাড়িটি কোন কোন সড়কে চললে সেই মানতির আওতায় থাকবে. তা-ও বলে দেওয়া হয়। ওই সব সড়কে কোনো পুলিশ গাড়িটি আটকালে চালক ফোনে সেই ‘মানতি’ করা কর্মকর্তার কাছে ফোন করে ফোনটি ধরিয়ে দেন গাড়ি আটকানো কর্মকর্তাকে। এভাবেই চলছে এখন। একজন লেগুনামালিক গতকাল বলেন. আগস্টের ‘ওই ঝামেলার’ পর তিনি নিজেই গাড়ি চালানো শুরু করেন। এখন আবার অন্যদের কাছে লেগুনা দৈনিক জমার ভিত্তিতে ভাড়া দিয়ে দোকান করছেন। তিনি বলেন. ‘ছোট গাড়ির ছোট ড্রাইভার. মানতি করা থাকলি পরে কুনো সমস্যা নাই।’ লেগুনামালিকেরা বলছেন. আবারও শিশু-কিশোর চালকেরা তাঁদের গাড়িগুলো চালাচ্ছেন। গাড়ির সব ঠিক থাকলেও মামলা হয় যদি মানতি করা না থাকে। আর মানতি করা থাকলে বাতিল গাড়িও রাস্তায় চালাতে পারেন তাঁরা। চালকের লাইসেন্স আছে কি না. সেই বালাইও থাকে না। বেশির ভাগ লেগুনা স্ট্যান্ড থেকে এই বিষয়গুলো সামলানো হয়। কারওয়ান বাজারের একজন মিনিট্রাকচালক বলেন. ‘পুলিশরে ট্যাকা না দিয়া কেউ ঢাকা শহরো গাড়ি (ট্রাক) চালাইতে পারে না। ট্যাকা দিলে সব ঠিক. না থাকলে নতুন গাড়িতেও মামলা।’ তিনি বলেন. পরিবহন ব্যবসায়ীরা রাস্তায় ঝামেলা হোক. এটা চান না বলে টাকা দিয়েই সমাধান খোঁজেন। পুলিশের ওয়েব পোর্টাল ডিএমপি নিউজে দেখা যায়. ঢাকার পুলিশ প্রতিদিন গড়ে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের দায়ে চার হাজার মামলা করছে। এর অর্ধেকর বেশি মোটরসাইকেল. উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তিগত গাড়ি।,1573018 2019-01-03,মধুচন্দ্রিমা নয়. পরিবারের সঙ্গে মাইলি-লিয়াম,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573015/%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE,entertainment,print,1,বিদেশের গান,মার্কিন সংগীতশিল্পী মাইলি সাইরাস ও অস্ট্রেলীয় বংশোদ্ভূত হলিউড অভিনেতা লিয়াম হেমসওর্থের বিয়ের খবরটা হুট করেই আসে। আর বিয়েটাও হয় একেবারে অন্য রকম আয়োজনে। এবার বিয়ের পর তাঁদের মধুচন্দ্রিমাটাও হলো অন্য রকমভাবে। একে মধুচন্দ্রিমা না বলে পারিবারিক পুনর্মিলনী বলা চলে। নবদম্পতি গত ২৩ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই চলে গেলেন লিয়ামের ভাই অভিনেতা ক্রিস হেমসওর্থের বাড়ি। সেখানে উদযাপন করলেন ইংরেজি নববর্ষ। বিয়ের পর তারকারা যেখানে বিলাসবহুল আর অভিজাত সব জায়গায় মধুচন্দ্রিমা কাটানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন. সেখানে সদ্য বিবাহিত মাইলি সাইরাস আর লিয়াম হেমসওর্থের বেলায় দেখা গেল ব্যতিক্রম। ভক্তরা ধারণা করেছিলেন. মাইলি ও লিয়াম তাঁদের বিবাহিত জীবনের প্রথম নববর্ষ বুঝি কোনো স্কি রিসোর্টে উদ্যাপন করবেন। কিন্তু গত মঙ্গলবার রাতে ইনস্টাগ্রামে দেখা গেল. পরিবারকে নিয়ে বেশ ঘটা করে নবদম্পতি নিজেদের ছুটির দিন কাটাচ্ছেন। অভিনেত্রী এলসা পাটাকির দেওয়া একটি পোস্টে প্রথমে দেখা যায় তিনি তাঁর স্বামী ক্রিস হেমসওর্থকে জড়িয়ে ধরে আছেন। পরের ছবিটিতে ক্রিস. এলসার সঙ্গে মাইলিকেও দেখা যায়। দীর্ঘদিন প্রেমের পর লিয়াম ও মাইলি ২৩ ডিসেম্বর বিয়ে করেন। শুরুতে কথা ছিল ধুমধাম করেই বিয়ে করবেন তাঁরা। কিন্তু গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মালিবুতে দাবানলের আগুনে পুড়ে যায় লিয়াম-মাইলির বাড়ি। সেখানেই বিয়ের কথা ছিল তাঁদের। পরে আর বেশি জাঁকালো আয়োজনে যাননি তাঁরা। যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে ঘরোয়া আয়োজনে হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। এন্টারটেইনমেন্ট টুনাইট।,1573015 2019-01-03,প্রথমবার ওয়েব সিরিজে মোশাররফ করিম,,বিনোদন প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573014/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%AC-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B0%E0%A6%AB-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE,entertainment,print,1,টেলিভিশন,এবার ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। ছয় পর্বের ওয়েব সিরিজটির তিন লেখকেরও একজন এই অভিনেতা। তাঁর সঙ্গে লেখক হিসেবে আরও আছেন শামীম জামান ও ফজলুল সেলিম। তবে মূল গল্প ও সিরিজটি পরিচালনা করেছেন শামীম জামান। কদিন আগে এই সিরিজের শুটিং হলো মালয়েশিয়ার পুত্রজায়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়। মোশাররফ করিম ছাড়াও এই সিরিজে অভিনয় করেছেন শামীম জামান. নাবিলা ইসলাম. ফারুক আহমেদ. তারেক স্বপন ও মালয়েশিয়ান অভিনেত্রী ফারাহ। এরই মধ্যে শুটিং শেষ করে দেশে ফিরেছেন পরিচালক শামীম জামান। দেশে ফিরে তিনি বললেন. ‘দারুণ একটা গল্প। প্রাথমিকভাবে নাম দিয়েছি আলটিমেটাম। তবে নাম পরিবর্তন হতে পারে।। বঙ্গ বিডির জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। দর্শকেরা উপভোগ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।’ এখন মালয়েশিয়ায় আছেন মোশাররফ করিম। সেখান থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। প্রথমবারের মতো ওয়েব সিরিজে অভিনয় প্রসঙ্গে বলেন. ‘অভিনয়ের সময় আমি আসলে জানি না. এটা ওয়েব সিরিজ. নাকি নাটক। আমার কাছে গল্প ও চরিত্রটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমার চরিত্রটাই ঠিকঠাক করার চেষ্টা করেছি। ওয়েব সিরিজ বা নাটক—যেটাই বলি. অভিনয়ের পাশাপাশি মিউজিক. সম্পাদনা সবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি. সব মিলিয়ে ভালোই হবে।’ জানা গেছে. প্রতিটি পর্বের দৈর্ঘ্য হবে ১০ মিনিট। ছয় পর্বের সিরিজটিতে মোট ৬০ মিনিটের একটা গল্প দেখবেন দর্শক। কমেডিনির্ভর গল্পটি প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন. ‘গল্পে দেখা যাবে. দেশে বিয়ে করে রেখে মালয়েশিয়া যান মোশাররফ করিম। সেখানে গিয়ে বিশেষ কারণে আরেকটা বিয়ে করেন। কিছুদিন পর দেশ থেকে এই বউও মালয়েশিয়া চলে যান। তারপর কী পরিণতি হয়. সেটাই দেখা যাবে গল্পে।’ এই সিরিজে অভিনয় শেষ করে এরই মধ্যে দেশে ফিরেছেন অভিনেত্রী নাবিলা। তিনি বলেন. ‘আমরা তিন দিনে কাজটি শেষ করেছি। সবার মধ্যেই ভালো করার চেষ্টা ছিল। গল্পটাও বেশ ভালো। আর মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার আলাদা একটা মজা আছে। অনেক কিছু শেখা যায়। এ সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না।’ পরিচালক শামীম জামান জানান. খুব তাড়াতাড়ি বঙ্গ বিডিতে সিরিজটির প্রচার শুরু হবে।,1573014 2019-01-03,নিখোঁজ চার শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নাশকতা মামলা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573013/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%81%E0%A6%9C-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE,bangladesh,print,1,আইন ও বিচার|পুলিশ|অপহরণ,• সংবাদ সম্মেলনের এক দিন পর নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার• চার শিক্ষার্থীকে বৃহস্পতিবার তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ• তুলে নিয়ে যাওয়ার পাঁচ দিন পর আদালতে উপস্থাপন• কবে কোথা থেকে গ্রেপ্তার. সে তথ্য এড়িয়ে যাচ্ছে পুলিশ• তাঁতী লীগের নির্বাচনী অফিসে হামলার অভিযোগ• স্বজনেরা বলছেন. অন্যায়ভাবে ছেলেদের জড়ানো হয়েছে • সংবাদ সম্মেলনের এক দিন পর নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার• চার শিক্ষার্থীকে বৃহস্পতিবার তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ• তুলে নিয়ে যাওয়ার পাঁচ দিন পর আদালতে উপস্থাপন• কবে কোথা থেকে গ্রেপ্তার. সে তথ্য এড়িয়ে যাচ্ছে পুলিশ• তাঁতী লীগের নির্বাচনী অফিসে হামলার অভিযোগ• স্বজনেরা বলছেন. অন্যায়ভাবে ছেলেদের জড়ানো হয়েছে তুলে নিয়ে যাওয়ার পাঁচ দিন পর গতকাল বুধবার বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আদালতে উপস্থাপন করেছে কাফরুল থানার পুলিশ। শিক্ষার্থীদের পক্ষে করা জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃত ওই চার শিক্ষার্থী আবু খালেদ মো. জাবেদ. বোরহান উদ্দিন. রেজাউল খালেক ও সৈয়দ মমিনুল হাসানকে গত বৃহস্পতিবার ‘ডিবি’ পরচিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মঙ্গলবার সকালে তাঁদের অভিভাবকেরা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে সন্তানদের সন্ধান দাবি করেন। তাঁরা জানান. বৃহস্পতিবার চার বন্ধু আজিজ সুপার মার্কেট থেকে কেনাকাটা সেরে বাসে মিরপুরে ফিরছিলেন। ফার্মগেটে বাস থেকে সাদাপোশাকের পুলিশ তাঁদের নামিয়ে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁদের হেফাজতে রাখার কথা ক্রমাগত অস্বীকার করে আসছিল পুলিশ। গ্রেপ্তার শিক্ষার্থী সৈয়দ মমিনুল হাসানের বড় ভাই সৈয়দ ইদরাক গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেন. ‘একটি মামলাসহ ডিবি পুলিশ চারজনকে কাফরুল থানায় দিয়ে যায় মঙ্গলবার রাতে। তারা (রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ থাকা শিক্ষার্থীরা) কাফরুল থানার পুলিশের নম্বর থেকে ফোন করে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে। তারপরই আমরা জানতে পারলাম তারা বেঁচে আছে। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ) আইনে মামলা দিয়েছে।’ শিক্ষার্থীদের স্বজনেরা বলছেন. অন্যায়ভাবে তাঁদের ছেলেদের মামলায় জড়ানো হয়েছে। কাফরুল থানার পুলিশ আদালতে যে কাগজপত্র জমা দিয়েছে. সেখানে এই চার শিক্ষার্থীকে বিএনপি–জামাতের সক্রিয় সদস্য. ‘দেশে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটনকারী’. সন্ত্রাসী ও বোমাবাজ দুষ্কৃতকারী দলের সক্রিয় সদস্য বলে উল্লেখ করেছে। পুলিশ বলেছে. তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সহযোগীদের নিয়ে বোমা. ককটেল তৈরি ও এগুলো হেফাজতে রাখতেন। তাঁরা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য বিভিন্ন সময় যানবাহনের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে জনগণের জানমালের ক্ষতি করে আসছিলেন। গত ১৭ ডিসেম্বর রাত ৯টা ২০ মিনিটে বাইশটেকী. হাজী জব্বারের বাড়ির সামনে তাঁতী লীগের নির্বাচনী অফিসে তাঁরাই হামলা চালান। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল ইউসুফ হাওলাদার. রফিকুল ইসলামদের হত্যা করা। সে জন্য তাঁদের এলোপাতাড়ি মারধর করেন আসামিরা। পরে পেট্রলবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। মামলার ঘটনার বিষয়ে এই আসামিদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আসামিরা যে তথ্য দিয়েছেন. সেগুলো যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে। অমিল পাওয়া গেলে আসামিদের রিমান্ডে পেতে পুলিশ আবেদন করবে। গ্রেপ্তার চার শিক্ষার্থীর মধ্যে আবু খালেদ মোহাম্মদ জাবেদ (২৫) এশিয়ান ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগ. বোরহান উদ্দীন স্ট্যাম্পফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগ. রেজাউল খালেক মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। মমিনুল হাসান সদ্য ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করেছেন। আসামিদের কোথা থেকে কবে গ্রেপ্তার করা হলো এবং নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কী তথ্য পেল. জানতে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার মো. শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। খুদে বার্তা দিয়ে ফোন করলেও তিনি ধরেননি। কাফরুল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসলামউদ্দীন বলেন. তিনি এ বিষয়ে জানেন না। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানেন। জিল্লুর রহমান ফোনও ধরেননি।,1573013 2019-01-03,পাঁচ মিনিটেই নতুন বিদ্যুৎ–সংযোগ,,আজাদ রহমান. ঝিনাইদহ,৩৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573012/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E%E2%80%93%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97,bangladesh,print,1,ঝিনাইদহ|খুলনা বিভাগ|সরকার,• ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু• সরঞ্জাম নিয়ে ভ্যানযোগে বাড়িতে বাড়িতে হাজির হচ্ছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা• গ্রাহকের আবেদন পেলেই ফি নিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংযোগ • ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু• সরঞ্জাম নিয়ে ভ্যানযোগে বাড়িতে বাড়িতে হাজির হচ্ছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা• গ্রাহকের আবেদন পেলেই ফি নিয়ে দেওয়া হচ্ছে সংযোগ ভ্যানগাড়িতে আছে মিটার. বিদ্যুতের তারসহ অন্য সরঞ্জাম। সঙ্গে আছেন দুজন লাইনম্যান ও একজন ওয়ারিং পরিদর্শক। প্রতিদিন সকাল থেকে গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন তাঁরা। গ্রাহক বিদ্যুৎ নিতে চাইলে মাত্র পাঁচ মিনিটেই পেয়ে যাবেন সংযোগ। কোনো হয়রানি নেই. দিতে হবে না কোনো বাড়তি অর্থ। ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আলোর ফেরিওয়ালা’। আর এর উদ্যোক্তা হরিণাকুণ্ডু উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) শেখ আবদুর রহমান। তিনি জানান. গত ২৪ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই কার্যক্রম গোটা উপজেলায় সব বাড়িতে বিদ্যুৎ–সংযোগ না পৌঁছানো পর্যন্ত চলবে। শুরুর পর প্রথম চার দিনে তাঁরা ৫৪টি নতুন সংযোগ দিয়েছেন। ঝিনাইদহের একটি উপজেলা হরিণাকুণ্ডু। ৮টি ইউনিয়নের এই উপজেলায় ১৩৬টি গ্রাম রয়েছে. যেখানে প্রায় ৩ লাখ লোকের বসবাস। চাঁদপুর নামের একটি ইউনিয়ন ছাড়া বাকি ৭টি ইউনিয়নে বর্তমানে ৩৭ হাজার ২১৫ জন পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছেন। প্রতিদিনই নতুন সংযোগ দেওয়ার কাজ চলছে। পল্লী বিদ্যুৎ হরিণাকুণ্ডু জোনাল অফিসের এজিএম শেখ আবদুর রহমান জানান. দেশে এখনো বিদ্যুৎ নিতে গিয়ে গ্রাহকেরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। একটা সংযোগের জন্য দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। অনেক সময় বাড়তি পয়সাও খরচ হয়ে যায়. যেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। শেখ আবদুর রহমান জানান. এই অবস্থা দেখে তাঁর মাঝেমধ্যেই খারাপ লাগত। তা ছাড়া সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। সেই জায়গায় গ্রাহক হয়রানির শিকার হবেন. এটা হতে পারে না। তাই তিনি বিকল্প উদ্যোগ নেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন সংযোগ কীভাবে দেওয়া যায়. সেই পরিকল্পনা নেন। সেই পরিকল্পনা থেকে তিনি এই ভ্যানগাড়িতে করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এটাকে তিনি ‘আলোর ফেরিওয়ালা. পল্লী বিদ্যুৎ দুয়ার মিটারিং কার্যক্রম’ নাম দিয়েছেন। ওই নামেই চলছে তাঁর এই কার্যক্রম। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে. গত ২৪ ডিসেম্বর এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. আলতাফ হোসেন। ওই দিনই ১৩টি নতুন সংযোগ দেওয়া হয়। এরপর ২৫ ডিসেম্বর ১৫ টি. ২৬ ডিসেম্বর ১৬টি ও ২৭ ডিসেম্বর ১১টি সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এরপর নির্বাচনের কারণে তাঁদের কার্যক্রম তিন দিন বন্ধ ছিল. যা আবার শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান. ভ্যানে মিটার. তার থেকে শুরু করে সব ধরনের সরঞ্জাম থাকছে। দুজন লাইনম্যান ও একজন ওয্যারিং পরিদর্শক থাকছেন ওই ভ্যানে। তাঁরা গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন। যে এলাকার বাসাবাড়িতে এখনো বিদ্যুৎ নেই. সেই এলাকায় বেশি যাচ্ছেন. সেখানে মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। যাঁরা নতুন সংযোগ নিতে আগ্রহী. তাঁদের সদস্য ফি বাবদ ভ্যাটসহ ১১৫ টাকা আর জামানত হিসেবে ৪০০ টাকা (বাণিজ্যিক হলে ৮০০) জমা দিতে হচ্ছে। আলোর ফেরিওয়ালাদের কাছে টাকা জমা নেওয়ার রসিদ বই থাকছে. তাঁরা সেখানে বসেই টাকা জমা করছেন। এরপর ওয়্যারিং পরিদর্শক ওয়্যারিং যাচাই করে ঠিক আছে জানালেই সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। গোটা প্রক্রিয়ায় মাত্র পাঁচ–ছয় মিনিট সময় লাগছে। গ্রাহককে শহরে আসতে হচ্ছে না. আবেদনের পাঁচ মিনিটেই সংযোগ পাচ্ছেন। এ ছাড়া পল্লী বিদ্যুতের লোকজন গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ানোর কারণে পুরোনো গ্রাহকদের কোনো সমস্যা থাকলে সেটাও দ্রুত ঠিক করে নিতে পারছেন তাঁরা। বাড়িতে বসে নতুন সংযোগ পেয়েছেন এমন একজন হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বাকচুয়া গ্রামের রাসেল আহম্মদ। তিনি জানান. পল্লী বিদ্যুতের এই কার্যক্রম তাঁদের অনেক সুবিধা এনে দিয়েছে। সংযোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে ধরনা দিতে হচ্ছে না। টাকা জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ানো লাগছে না। দিনের পর দিন ঘুরতে হচ্ছে না। মাত্র পাঁচ মিনিটেই নতুন সংযোগ পেয়ে যাচ্ছেন. যা এর আগে ভাবতেও পারেননি তাঁরা। আরেক গ্রাহক হরিণাকুণ্ডু পৌর শহরের মো. টুলু মিয়া জানান. পল্লী বিদ্যুতের এই কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে. সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের কাছ থেকে জনগণ প্রকৃত সেবা পাচ্ছেন। ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. আলতাফ হোসেন বলেন. হরিণাকুণ্ডু সমিতি যে কর্মসূচি নিয়েছে. তা অনুকরণীয়। ইতিমধ্যে তিনি এই কার্যক্রম চালুর জন্য অন্য অফিসগুলোকেও নির্দেশ দিয়েছেন।,1573012 2019-01-03,হাতিরঝিলে ৪৭টি ফ্ল্যাট বিক্রি করবে রাজউক,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573011/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%9D%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A7%AA%E0%A7%AD%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%89%E0%A6%95,bangladesh,print,2,আবাসন|ঢাকা|হাতিরঝিল|রাজউক,হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় নির্মিত ৪৭টি ফ্ল্যাট বিক্রি করবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। প্রায় ১ হাজার ৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটগুলো কিনতে রাজউকের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে। পরে লটারির মাধ্যমে ফ্ল্যাট প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। রাজউকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রাজউক সূত্রে জানা গেছে. ৩১৬ বর্গফুটের ‘কমন স্পেস’সহ প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন ১ হাজার ৬০০ বর্গফুট। আগ্রহী ব্যক্তিদের ফ্ল্যাট বরাদ্দের জন্য ৩০ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফরম ও প্রসপেক্টাস অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড. রাজউক ভবন শাখা থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এ জন্য অফেরতযোগ্য ৫০০ টাকা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে একই ব্যাংকের শাখায় জামানত বাবদ চার লাখ টাকা জমা রাখতে হবে। জামানত জমার রসিদের মূল কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। দেশের বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও রাজউকের ওয়েবসাইট (www.rajukdhaka.gov.bd) থেকে আবেদনপত্রের ফরম ও প্রসপেক্টাস সংগ্রহ করতে পারবেন। এ জন্য অফেরতযোগ্য ৬০ মার্কিন ডলার দিতে হবে। প্রসপেক্টাসে বর্ণিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাজউক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন পাঠাতে হবে। রাজউক বলছে. আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর কোনো কাগজপত্র যুক্ত করা যাবে না। অসম্পূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ দরখাস্ত বাতিল বলে বিবেচনা করা হবে। হাতিরঝিল ছাড়াও উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ‘এ’ ব্লকে নির্মিত ও নির্মাণাধীন আরও কিছু ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেবে রাজউক। ফ্ল্যাটগুলোর আয়তন ১ হাজার ৬৫৪ বর্গফুট। এই প্রকল্পের ফ্ল্যাট বরাদ্দের জন্য আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। এ–সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য রাজউকের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। প্রয়োজনে uap@rajukdhaka.gov.bd এই ই–মেইল ঠিকানায় বা ০১৭৩০০১৩৯৪৫ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।,1573011 2019-01-03,‘গালি বয়’ ছবির রণবীর–আলিয়া,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573010/%E2%80%98%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E2%80%99-%E0%A6%9B%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0%E2%80%93%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE,entertainment,print,2,বলিউড,এই সময়ের তরুণ দুই প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী রণবীর সিং ও আলিয়া ভাট। সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন নির্মাতা জোয়া আখতার। এই ত্রয়ী মিলে নিয়ে এলেন সিনেমা—গালি বয়। সম্প্রতি প্রকাশিত হলো সিনেমাটির পোস্টার। পোস্টারে দুজনেই ধরা দিলেন অন্য চেহারায়। ইতিমধ্যে সিনেমাটি বিশ্বের নামকরা একটি চলচ্চিত্র উৎসব ‘বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে’ আমন্ত্রিত হয়েছে। সিনেমার অভিনয়শিল্পীসহ সবার জন্য এ এক সুখবর বটে। পয়লা জানুয়ারি আলিয়া ভাট সিনেমাটির পোস্টারের একটি ছবি পোস্ট করেন। এর পরপরই গতকাল আবার রণবীর সিংও দুটি পোস্টার পোস্ট করেন। সেখানে একটি পোস্টারে দেখা যায় রণবীর সিং ও আলিয়া ভাট হেডফোনে গান শুনছেন। রণবীরের সাদামাটা বেশ আর আলিয়ার মাথা হিজাব দিয়ে ঢাকা। অন্য দুটি পোস্টারে দেখা যায় হুডি পোলো শার্ট পরা রণবীর। সামনে থেকে সূর্যের আলোকশিখা আসছে। রণবীর সিং পোস্টারের ছবি পোস্ট করে লিখেছেন. ‘স্ট্রিট সিঙ্গারের কণ্ঠ’ আর আলিয়া লিখেছেন. ‘আমাদের সময় এসে গেছে।’ এই সিনেমায় রণবীর সিংকে দেখা যাবে স্ট্রিট সিঙ্গারের ভূমিকায়। সিনেমাটিতে অভিনয় করে বেশ অনন্দিত রণবীর সিং। এই সিনেমায় না থাকলে নাকি তিনি খুবই ঈর্ষায় ভুগতেন। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন. ‘দিব্যি দিয়ে বলছি. যদি আমি ছাড়া অন্য কেউ এ সিনেমায় থাকত. তাহলে আমি ঈর্ষায় জ্বলতাম। এটা মুম্বাই। এটা হিপহিপ। এটা তো আমাকেই মানায়।’ এই মুহূর্তে রণবীর সিংয়ের সিনেমা সিম্বা বক্স অফিসে চলছে তরতরিয়ে। বছরটি রণবীরের গেছে বেশ। পদ্মাবত দিয়ে শুরু করেছিলেন দুর্দান্তভাবে। আর বছর শেষও করলেন সিম্বা দিয়ে অসাধারণভাবে। আলিয়া ভাটকে রাজি সিনেমার পরে অতিথি চরিত্র ছাড়া আর কোনো ছবিতে দেখা যায়নি গত বছর। হাতে আছে বড় বড় কয়েকটি সিনেমা। এর মধ্যে কলঙ্ক ও ব্রহ্মাস্ত্র অন্যতম। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।,1573010 2019-01-03,এ নির্বাচন দুই পক্ষকে কী বার্তা দিল,নির্বাচন ২০১৮,আবুল মোমেন,৪১,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573009/%E0%A6%8F-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B2,opinion,print,2,রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|নির্বাচন|আবুল মোমেন,২০১৪ সালের নির্বাচনের চেয়ে ২০১৮ সালের নির্বাচন নিশ্চিতভাবেই ভালো হয়েছে। এতে সব দলের অংশগ্রহণ ছিল এবং ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতিও ভালোই ছিল। অবশ্য এ নির্বাচন নিশ্চয়ই ২০০৮ সালের মতো ভালো হয়নি. এর আগের তিনটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের সঙ্গেও তুলনীয় হবে না। এবারের নির্বাচনের সময় প্রধান বিরোধী দলের নেতা. প্রার্থী ও কর্মীদের অনেকের স্থান হয়েছে কারাগারে. অনেকেই ছিলেন গ্রেপ্তার–আতঙ্কে পলাতক এবং সম্ভাব্য মামলার ভয়ে দৌড়ের ওপর। এসব ঘটনা এবং নির্বাচনের আগের রাতে ও নির্বাচনের দিনে ক্ষমতাসীন দল ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মীদের লক্ষণীয় ব্যাপক তৎপরতাও নিশ্চয় কাঙ্ক্ষিত ছিল না। তবু পরাজিত পক্ষ যদি এই অভিযোগগুলো তুলে ধরে নির্বাচনে ধরাশায়ী হওয়ার সম্পূর্ণ উত্তর খুঁজে পেয়েছে মনে করে. তবে সম্ভবত তাদের মূল্যায়ন হবে অসম্পূর্ণ। এর বাইরে আরও কিছু কারণ রয়েছে এবং সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে হয়। অন্তত সে পর্যন্ত না এগুলো বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন অর্ধসমাপ্ত থেকে যাবে। বিজয়ী জোট দ্রুতই সরকার গঠন করতে চলেছে। নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতে কার্পণ্য করব না। আর সেই সঙ্গে বলব. জয়ী ও পরাজিত উভয় পক্ষের জন্যই এই নির্বাচন থেকে কিছু ভাবনার খোরাক রয়েছে এবং তার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকা দরকার। ২০০৭ সালের এক–এগারোর পরে দৃশ্যত নিরপেক্ষ একটি সরকার দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে যে অভিযান শুরু করেছিল. তাতে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি. কিন্তু বিএনপি হয়েছিল। তদুপরি বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দায়বদ্ধতার গুরুত্বই প্রধান. সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের ঘাটতি ততটা দৃশ্যমান না হলেও বিএনপির রাজনীতি তাকে অস্বীকার ও লঙ্ঘন করেই গড়ে ওঠায় তাদের ব্যত্যয় প্রকটভাবে দৃশ্যমান। তার ওপর হাওয়া ভবনের দুর্নীতি. সমান্তরাল প্রশাসন চালিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও এ–সংক্রান্ত মামলাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার দায় নিয়ে দলের উদীয়মান কান্ডারি তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবন প্রশ্নবিদ্ধ. এমনকি কলঙ্কিত হয়ে পড়ে। এর বিপরীতে গত দুই মেয়াদে শেখ হাসিনার সরকার বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি কার্যকরের পাশাপাশি পাঠ্যবই. গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি পুনরুদ্ধার করেছে. জাতির মানসে এর গৌরববোধ ফিরিয়ে এনেছে। সরকারের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের মতো প্রতিষ্ঠান. সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান. সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য সংগঠন মিলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও আবেগকে এ সময়ে চাঙা করতে পেরেছে। আমার মনে হয়. ২০১৮ সাল নাগাদ দেশের রাজনীতি অনেকাংশে পঁচাত্তর–পরবর্তী পাকিস্তানবাদী রাজনীতিকে জবাব দিয়ে একাত্তরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠেছিল। রাজনীতিতে এই যে একটা বাঁকবদল ঘটে গেছে. তাকে বিএনপির নেতৃত্ব যথাযথ গুরুত্ব দেননি। এই পরিবর্তনের আরও প্রমাণ মেলে যখন দেখি এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় বরাবরের মতো ইসলাম বিপন্ন বা ভারতের আগ্রাসনের ধুয়া ওঠেনি। কোথাও এ ধরনের স্লোগান শোনা যায়নি। শেখ হাসিনাসহ মহাজোটের নেতারা তাঁদের উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর জোর দিয়ে এর ধারাবাহিকতার জন্য ভোট চেয়েছেন। আর বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্ট গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে ভোট প্রার্থনা করেছে। এতে নির্বাচনটি সরলভাবে উন্নয়ন বনাম গণতন্ত্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বলেই প্রতিভাত হতে পারে. এমনকি সেভাবেই চিহ্নিত হচ্ছে। কিন্তু ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য ভালো হবে আরও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে রাজনীতিতে পাকিস্তানবাদকে তামাদি করে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনরুজ্জীবনের দিকটির ওপর জোর দিলে। তবে এই সূত্রেই আরও কথা এসে যাবে। আগে বলেছি. মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি আওয়ামী লীগের দৃশ্যমান কোনো ঘাটতি ছিল না। কিন্তু বিগত মেয়াদ এবং সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনকে বিবেচনায় নিলে মানতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শাঁস যে গণতন্ত্র. তার প্রতি সুবিচার হয়নি. হচ্ছে না। যদি এই চেতনার সূচনা ও বিকাশকে পূর্বাপর বিবেচনায় নেওয়া যায়. তাহলে দেখব জনগণের অধিকার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে দেশে একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েমই এর ভিত্তি ও মূলকথা। কিন্তু সম্ভবত পঁচাত্তরের মর্মান্তিক ঘটনাবলি ও তার পরবর্তী ইতিহাস বিকৃতি. ন্যায়বিচারের পথ রোধ এবং দীর্ঘ একতরফা রাজনৈতিক দমনপীড়নের অভিজ্ঞতা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের বিবেচনায় বৈরী প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ পরাস্ত করার আকাঙ্ক্ষা তীব্রতর করেছিল। এটি সম্ভবত তাদের ওপর এতটাই মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করেছিল যে. সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এবারের নির্বাচনে নতুন প্রজন্ম. নাগরিক সমাজের সমমনা দক্ষ ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া এবং নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ. গ্রহণযোগ্য রাখার সাহস তারা দেখাতে পারেনি। নির্বাচনের সকল পর্যায়ের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ একটুও হালকা হতে দেয়নি। গত ১০ বছরে. বিশেষ করে শেষ পাঁচ বছরে সরকার অবকাঠামো. বিদ্যুৎসহ সব ক্ষেত্রে যে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালিয়েছে. তার সুফল মানুষ পেতে শুরু করেছে। দুর্নীতি. বেকারত্ব ও বৈষম্য থাকলেও অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রভাব জনজীবনে অনুভূত হচ্ছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে উদ্যোগী মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ বেড়েছে। তা ছাড়া. বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম এবং বয়স্ক ভাতার মতো সরকারি সহায়তা প্রকল্পগুলো দারিদ্র্যের বৃত্ত ভাঙার কাজে সহায়ক হয়েছে। তাই বলছিলাম. এটাই ছিল উপযুক্ত সময়. যখন আওয়ামী লীগ অনেকটাই চাপমুক্ত থেকে নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার ঔদার্য প্রদর্শনের ঝুঁকি নিতে পারত। তাহলেই পাকিস্তানবাদী রাজনীতির পক্ষে কোনো অজুহাত থাকত না এবং তার কফিনে শেষ পেরেকটিও ঠোকা হয়ে যেত। সেই সঙ্গে আমাদের রাজনীতির অনেক কলঙ্কিত চরিত্রেরও রাজনৈতিক আয়ুর সমাপ্তি ঘটত। এ কথা মানতে হবে. গত ১০ বছরে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রনেতা হিসেবে অনেক পরিণত. দক্ষ এবং দূরদর্শী হয়ে উঠেছেন। আপাতত দেশে তাঁর সমকক্ষ রাজনীতিবিদ নেই। এ কথা আলোচিতও হচ্ছে যে তাঁরই ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ও ক্যারিশমার ওপর নির্ভর করেই আওয়ামী লীগের অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থান তৈরি হয়েছে। নির্বাচনোত্তর অনেক আলোচনা–সমালোচনাও তাঁর পক্ষেই চাপা দেওয়া সম্ভব। এবারে তাঁর কাছে জাতির প্রত্যাশা আরও বাড়বে. তাতে সন্দেহ নেই। তাঁর নেতৃত্বে নতুন সরকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই গণতন্ত্রের বাতাবরণ আরও মুক্ত ও উদার করবে—সে প্রত্যাশা নিশ্চয় অসংগত হবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার গণতান্ত্রিক আদর্শে থেকেই রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে যদি বিভিন্ন ও বিচিত্র কণ্ঠস্বর সরব না থাকে. আলোচনা ন্যায্য সমালোচনাকে ধারণ না করে. প্রয়োজনে জনগণের অংশীদারত্বের পরিসর ও এর কার্যকারিতা বাড়ানো না যায়. তাহলে সমাজ তো গণতন্ত্রচর্চার জন্য তৈরি হবে না। সরকারও কর্তৃত্ববাদী হতে থাকবে. আর ক্ষমতা ঘিরে পেটোয়া বাহিনীর তৎপরতা ও উৎপাত অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে। আমাদের মনে থাকবে অন্তঃকোন্দলে জর্জরিত ছাত্রলীগের ক্যাডাররা শেখ হাসিনার হুঁশিয়ারিকেও গ্রাহ্য করেনি। কর্তৃত্ববাদ. অনুদারতা ও অসহিষ্ণুতার সংস্কৃতির বিপরীতে এখন সচেতন নাগরিক সমাজের মুখ্য দাবি সুশাসন। আমলাতন্ত্র. পুলিশ. গোয়েন্দা. সামরিক বাহিনী সবাইকে নিজ নিজ চৌহদ্দিতে নিয়মের গণ্ডিতে থেকেই দায়িত্ব পালন করতে হয়; যার মূলনীতি হলো নিরপেক্ষতা. সমতা ও ন্যায়। বলার ও করার স্বাধীনতা বস্তুত নাগরিকদের অধিকার। তাদের কোনো প্রভু থাকতে পারে না. কারণ বাংলাদেশ সাংবিধানিকভাবে একটি প্রজাতন্ত্র. প্রজারাই এ রাষ্ট্রের মালিক। যথার্থ গণতন্ত্র ছাড়া তাদের এ অধিকার নিশ্চিত করা যায় না। দীর্ঘ স্বৈরশাসন কিংবা বিবদমান রাজনীতির টানাপোড়েন এবং গণতান্ত্রিক আমলেও ক্ষমতার কর্তৃত্বপরায়ণতার খেসারত দিয়ে এ দেশের নাগরিক সমাজ দুর্বল. অনেকেই উঞ্ছবৃত্তিতে. কেউবা পক্ষপাতদুষ্টতায় ভোগেন এবং কেউ রীতিমতো স্তাবকে পরিণত হন। মহৎ শাসক নাগরিকদের এহেন হেনস্তার জীবন থেকে মুক্ত রাখেন। আবুল মোমেন: কবি. প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক,1573009 2019-01-03,ধানের শীষের ১৬১ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন,,রিয়াদুল করিম. ঢাকা,৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573007/%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AC%E0%A7%A7-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|ধানের শীষ|আওয়ামী লীগ|নির্বাচন কমিশন,• মনোনয়নপত্র জমার সময় ২০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়• প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়• বিএনপি-জোটের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা এবার জামানত হারিয়েছেন • ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ১৪ জন জামানত হারিয়েছিলেন • মনোনয়নপত্র জমার সময় ২০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়• প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়• বিএনপি-জোটের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা এবার জামানত হারিয়েছেন • ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ১৪ জন জামানত হারিয়েছিলেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের অন্তত ১৬১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। জামানত ফিরে পাওয়ার মতো প্রয়োজনীয়সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হবে। বিএনপি ছাড়াও ২০-দলীয় জোটের শরিক দলগুলো ও ঐক্যফ্রন্টের কয়েকজন বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে এবার নির্বাচনে লড়েছিলেন। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ১৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছিলেন। নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী. নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ২০ হাজার টাকা নির্বাচন কমিশনের অনুকূলে জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। সংসদীয় আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট যদি কোনো প্রার্থী না পান. তাহলে তাঁর জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। এবার জামানত হারানো বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লার দুটি আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে. কুমিল্লা-২ আসনে তিনি জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে তাঁর জামানত রক্ষা করার জন্য ২৯ হাজার ৬০৪ ভোট প্রয়োজন ছিল। তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৩৩ ভোট। বিএনপির নেতা মওদুদ আহমদ নোয়াখালী-৫ আসনে ১০ হাজার ৯৭০টি ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৬২৩। অর্থাৎ জামানত রক্ষার জন্য মওদুদকে ৩৪ হাজার ৭৭ ভোট পেতে হতো। মওদুদের বিপরীতে ওবায়দুল কাদের পেয়েছেন ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৪ ভোট। এ ছাড়া বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে আবদুল মঈন খান. গয়েশ্বর চন্দ্র রায়. খন্দকার মাহবুব হোসেন. আবদুল্লাহ আল নোমান. আলতাফ হোসেন চৌধুরী. হাফিজ উদ্দিন আহমদ. মজিবর রহমান সরোয়ার. চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ. মোহাম্মদ শাহজাহান. জেএসডির আবদুল মালেক রতন. জামায়াতের নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রমুখ ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে এবার জামানত হারিয়েছেন। বিএনপি-জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদও জামানত হারিয়েছেন। তবে তিনি নিজের দলের প্রতীক ছাতা নিয়ে নির্বাচন করেছেন। এর আগে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছিল বিএনপির। সেবার বিএনপি পেয়েছিল ৩০টি আসন। জামায়াত পেয়েছিল ২ টি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ওই প্রার্থীদের প্রায় সবাই সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের মোট প্রদত্ত ভোটের ৩৩ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিলেন। খন্দকার মোশাররফ ৪৪ শতাংশ. মওদুদ আহমদ ৪৯ শতাংশ. মঈন খান ৩৯ শতাংশ. গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৩৭ শতাংশ. মজিবর রহমান সরোয়ার ৪৪ শতাংশ. কামাল ইবনে ইউসুফ স্বতন্ত্র নির্বাচন করে ৩৩ শতাংশ. খন্দকার মাহবুব হোসেন ৩৮ শতাংশ. আবদুল্লাহ আল নোমান ৪৪ শতাংশ. মো. শাহজাহান ৪১ শতাংশ. জামায়াতের নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। ইসি সূত্র জানায়. এবারের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি জামানত হারিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগের ৩৮টি আসনে। এরপর ঢাকার ৩৪ টি. খুলনার ৩২ টি. বরিশালের ২০ টি. ময়মনসিংহের ১৯ টি. রাজশাহীর ১৫টি ও রংপুরের ৩টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থীরা। গত ৩০ ডিসেম্বর ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন ছাড়া ২৯৮টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট পেয়েছে ২৮৮ আসন। আর বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে ৭ টি। অবশ্য ঐক্যফ্রন্ট এই নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচন দাবি করেছে। এবারের নির্বাচনে শুধু আসনসংখ্যা নয়. বিজয়ী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের হিসাব এবং ভোটের ব্যবধান অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। একইভাবে বিএনপির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ারও রেকর্ড হয়েছে। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন. নির্বাচন হলে জামানতের প্রশ্ন আসত। বস্তুত কোনো নির্বাচন হয়নি. ভোট ডাকাতি হয়েছে। যাঁরা বেশি ডাকাতি করেছেন. তাঁদের ভোট বেশি পড়েছে। নির্বাচনের নামে যা হয়েছে. তা দেশের মানুষ দেখেছে। এবারের সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়. ঐক্যফ্রন্টের ভরাডুবি হয়েছে বরিশালে। বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের ২০ টিতেই ধানের শীষের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া কুমিল্লা. ফেনী. নোয়াখালী এলাকায় বিএনপির শক্ত অবস্থান আছে বলে মনে করা হয়। কিন্তু এসব এলাকায়ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারাসহ বেশির ভাগ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আসন ফেনী-১। এই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী মুন্সী রফিকুল আলম জামানত হারিয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৯৪ ভোট। জামানত রক্ষার জন্য এই আসনে ভোট প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ৭০। এই আসনে মহাজোটের প্রার্থী জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার পেয়েছেন ২ লাখ ৪ হাজার ২৫৬ ভোট। একইভাবে ফেনী-১ ও ২. নোয়াখালী ১.২. ৪.৫ ও ৬. লক্ষ্মীপুর-১.২ ও ৩ আসনেও ধানের শীষের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী এলাকা হিসেবে পরিচিত রাজবাড়ী. শরীয়তপুর. ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জের প্রায় সব আসনেই ধানের শীষের প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থীদের যাঁরা জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন. তাঁদের বেশির ভাগ উত্তরবঙ্গ. সিলেট ও ঢাকার। পঞ্চগড়. ঠাকুরগাঁও. দিনাজপুর. নীলফামারী. লালমনিরহাট. কুড়িগ্রাম. চাঁপাইনবাবগঞ্জ. রাজশাহী. সুনামগঞ্জ. সিলেট. হবিগঞ্জে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের প্রায় সবাই জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। ঢাকা বিভাগের মধ্যে ঢাকা মহানগর এলাকার ১১টি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীদের জামানত রক্ষা হয়েছে। তবে ঢাকা-২ ও ৩ এবং ঢাকা-১৯ ও ২০ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর জামানত রক্ষা হয়নি। জানতে চাইলে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ড. এম সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন. সাধারণত দেখা যায়. আওয়ামী লীগ বা বিএনপি হারলেও তাদের একটি বড় ভোটব্যাংক থাকে। ১০ বছরের ব্যবধানে এভাবে একটি দলের ভোট কমে যাওয়া. যেখানে বিএনপির অবস্থান শক্ত বলে মনে করা হয়. সেখানেও দলটির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার মতো ঘটনা অস্বাভাবিক। সঠিক তদন্ত হলে এর আসল কারণ বের হয়ে আসবে। আর বিএনপি যে অভিযোগ করছে. তারা যদি তথ্য-প্রমাণ আদালতে বা নির্বাচন কমিশনে হাজির করতে পারে. তাতে হয়তো কারণটা বোঝা যাবে।,1573007 2019-01-03,ডিজিটাল আইনে মামলা,আটক সাংবাদিককে মুক্তি দিন, মন্তব্য,১,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573001/%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE,opinion,print,2,সম্পাদকীয়:,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশাল বিজয়ের পরে যখন সাংবাদিক সমাজ স্মরণে আনছিল যে. ডিজিটাল আইন বাতিলে খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেছিলেন. তখনই খুলনা থেকে প্রথম খবর এল সাংবাদিক গ্রেপ্তারের। খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের নির্বাচনের ফলাফলের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করা হয়েছে। একটি তথ্যগত গরমিল–বিষয়ক রিপোর্ট নিয়ে যেভাবে জেলা. উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ বিভাগ ডিজিটাল আইনে মামলা. গ্রেপ্তার এবং রিমান্ডের দিকে ঝুঁকে পড়ল. তাতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। যে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে. তঁারা হচ্ছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বাংলা ট্রিবিউন’ ও ইংরেজি দৈনিক ‘ঢাকা ট্রিবিউনের’ খুলনা প্রতিনিধি হেদায়েত হোসেন মোল্লা এবং খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সহসভাপতি. ন্যাশনাল রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মানবজমিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মো. রাশিদুল ইসলাম। রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাতে একই তথ্য অন্তত চারটি সংবাদমাধ্যমে (সময় টিভি. বাংলাদেশ প্রতিদিন. বাংলা ট্রিবিউন ও মানবজমিন) পরিবেশিত হলো. অথচ সাংবাদিকেরাই ভুল করেছেন অনুমান করে তঁাদের বিরুদ্ধে মামলা. গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের মতো ঘটনা ঘটে গেল। হেদায়েত হোসেন আটক হওয়ার পর তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে আর রাশিদুল ইসলাম এখন আত্মগোপনে আছেন। যুক্তির নিরিখেই আমরা প্রশ্ন তুলতে পারি. সাংবাদিকেরা ভ্রান্ত ছিলেন. সেটা অনুমানসিদ্ধ বিষয় হলে কেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ভুল করে থাকতে পারেন. সেটা অনুমানসিদ্ধ বিষয় হবে না? বিবিসির খবরে বলা হয়েছে. রিটার্নিং কর্মকর্তা শুরুতে যে তথ্য দিয়েছিলেন. তা–ই প্রচার করা হয়েছে। সেই তথ্য যদি ভুল হয়ে থাকে তবে তা প্রচারের দায়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা হবে কেন? আর কোনো তথ্যগত গরমিল–বিষয়ক রিপোর্টের ভিত্তিতে যদি এভাবে আইন তার ‘নিজস্ব পথে’ চলতে শুরু করে. তাহলে তো যেকোনো সংবাদমাধ্যমের পক্ষে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হবে না। যুগ যুগ ধরে এই নিয়ম চলে আসছে যে. তথ্যগত ভুল হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি প্রথমে প্রতিবাদ জানান। এটা আত্মপক্ষ সমর্থন দেওয়ার সর্বজন স্বীকৃত সুযোগ। ডিজিটাল আইন সাংবাদিকদের ওপর প্রয়োগ না করার যে প্রতিশ্রুতি আমরা পেয়েছিলাম. সে বিষয়ে আমরা ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকদের মনোযোগ আকর্ষণ করি। এই ধারায় যদি ডিজিটাল আইনের প্রয়োগ চলতে থাকে. তাহলে ইতিপূর্বে যে কারণে সমগ্র সাংবাদিক সমাজ মানববন্ধনে প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ ও আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিল. তা–ই সত্যে পরিণত হবে। আর সে ক্ষেত্রে স্বাধীন সাংবাদিকতা অধিকতর হুমকির মুখে থাকবে। এই ঘটনা ডিজিটাল আইন বাতিলের দাবিকে আরও যৌক্তিক করে তুলল। আমরা আবারও এই আইন বাতিলের দাবি জানাই। একই সঙ্গে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার ও আটক সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করছি।,1573001 2019-01-03,এপারে ‘বিসর্জন’. ওপারে ‘বিজয়া’,,বিনোদন প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573002/%E0%A6%8F%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E2%80%99-%E0%A6%93%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E2%80%99,entertainment,print,2,চলচ্চিত্র,আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশে ‘বিসর্জন’ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে ‘বিজয়া’। দুই ছবিরই অভিনেত্রী জয়া আহসান। দুটিতেই কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ছবি দুটি পরিচালনা করেছেন ভারতের কৌশিক গাঙ্গুলি। বছর দেড়েক আগে পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাওয়া ‘বিসর্জন’ ছবিটি এবার বাংলাদেশে একাধিক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ভারত থেকে আমদানি করা ছবি হিসেবে। পশ্চিমবঙ্গে একাধিক পুরস্কারে ভূষিত আলোচিত এই ছবি বাংলাদেশে আমদানি করেছে ইন উইন এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ জানান. শুক্রবার ঢাকার মধুমিতা. স্টার সিনেপ্লেক্স. বলাকা. শ্যামলী ও চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে মুক্তি পাচ্ছে ‘বিসর্জন’। তিনি বলেন. তিন মাস আগে বাংলাদেশে ছবিটির সেন্সর হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে মুক্তির সময় বেশ আলোচনায় ছিল ছবিটি। পশ্চিমবঙ্গে বড় বড় পুরস্কারও জিতেছে এটি। তা ছাড়া ছবির মূল নায়িকা বাংলাদেশের জয়া আহসান। সে কারণে বাংলাদেশের দর্শকের কাছে ছবিটি নিয়ে আগ্রহও আছে। ‘বিসর্জন’ সিনেমা দিয়ে জয়া আহসান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফিল্মফেয়ার. জি সিনে অ্যাওয়ার্ড. সেরা বাঙালি এবিপি আনন্দ পুরস্কার. হায়দরাবাদ চলচ্চিত্র উৎসব. ওয়েস্ট বেঙ্গল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ও ইন্টারন্যাশনাল বেঙ্গলি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডসহ নানা আয়োজনে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন। এদিকে একই দিনে পশ্চিমবঙ্গের অনেক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘বিসর্জন’ ছবিটির দ্বিতীয় কিস্তি ‘বিজয়া’। বর্তমানে ছবিটির প্রচারণায় কলকাতায় অবস্থান করছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। গতকাল বুধবার দুপুরে কলকাতা থেকে মুঠোফোনে তিনি জানান. শুক্রবার কলকাতার নন্দনে প্রিমিয়ার শো হওয়ার মধ্য দিয়ে ওই দিনই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে মুক্তি পাচ্ছে বিজয়া। বছরের প্রথম ছবি হিসেবে একই দিনে দুই দেশে ছবি দুটি মুক্তি পাচ্ছে—এ কারণে আনন্দিত জয়া। তিনি বলেন. ‘দুই দেশেই বছরের প্রথম ছবি হিসেবে আমার দুটি সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। খুব ভালো লাগছে। বিজয়া পশ্চিমবঙ্গের দর্শকের কাছে বহুল প্রতীক্ষিত ছবি।’ ‘বিসর্জন’ নিয়ে জয়া বলেন. ‘বিসর্জন বাংলাদেশের গল্পের ছবি. বাংলাদেশের মানুষের ছবি। ছবিটি হয়তো এরই মধ্যে ইউটিউবে অনেকেই দেখেছেন। তারপরও বাংলাদেশের দর্শকদের অনুরোধ করব. তাঁরা যেন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবিটি দেখেন।’ ছবি দুটিতে আরও অভিনয় করেছেন আবির চট্টোপাধ্যায়. কৌশিক গাঙ্গুলি প্রমুখ।,1573002 2019-01-03,সড়কে মৃত্যু,দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ কত দিনে?,,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573000/%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81,opinion,print,2,সম্পাদকীয়:,গত মঙ্গলবার মালিবাগের চৌধুরীপাড়া এলাকায় বাসের নিচে চাপা পড়ে দুই নারীর মৃত্যু. বাসে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা সড়কপথে সার্বিক নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলার একটি উদাহরণ মাত্র। সড়ক দুর্ঘটনায় একই দিনে ব্যাংক কর্মকর্তা ও শিক্ষকসহ সারা দেশে আরও ছয়জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী. মালিবাগের একটি কারখানার শ্রমিক পারভিন পলি তাঁর সঙ্গে থাকা কিশোরী মিম আক্তারকে নিয়ে কারখানা থেকে দুপুরের খাবার খাওয়ার পর বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় সুপ্রভাত পরিবহনের একটি বাস তাঁদের চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে মিম ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং পলিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বাসটি চাপা দেওয়ার আগে মিম ও পলি বাসের দিকে হাত তুলে চিৎকার করে সেটি থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন. বাসটি তুরাগ পরিবহনের আরেকটি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছিল। তদুপরি যেই দূরত্বে বাসটি ছিল. তাতে চালকের পক্ষে থামিয়ে দুর্ঘটনা এড়ানো কঠিন ছিল না। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের কারখানা থেকে শত শত শ্রমিক এসে রাস্তায় বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের হাতে শতাধিক যানবাহন ভাঙচুর হয় এবং দুটি বাস পুড়ে যায়। শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে কয়েক ঘণ্টা সেখানে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। বাসচালককে আটকের পর পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নেন। এই যে সড়ক অবরোধ. মানুষের জানমালের ক্ষতি. দুর্ভোগ—সবকিছুর পেছনে সড়ক দুর্ঘটনা। যাত্রীদের নিরাপত্তাহীনতা। এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী. বাংলাদেশে প্রতিবছর ২৪ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনায়। গত বছর বিমানবন্দর সড়কেও দুই বাসের মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে দুই কলেজশিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছিল। সেই দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে এবং দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলে। তাদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সড়ক নিরাপত্তা আইন পাস করে. যাতে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য শাস্তির মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়। আইনটিকে সবাই স্বাগত জানালেও পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন বিরোধিতা করে। এই আইন বাতিলের দাবিতে তারা ধর্মঘটও পালন করেছে। কিন্তু তারা এটি বুঝতে চাইছে না যে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন কিংবা সড়ক নিরাপত্তা আইন পরিবহনশ্রমিক বা চালকদের বিরুদ্ধে নয়. বরং এই আইন যাত্রীদের পাশাপাশি তাদেরও নিরাপত্তা দেবে। পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে. সড়ক নিরাপদ রাখতে হলে পরিবহনশ্রমিকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তাঁদের উপযুক্ত মজুরি. কর্মপরিবেশ ও চাকরির নিশ্চয়তা দিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়. দূরপাল্লার বাসে একনাগাড়ে ১৭–১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত চালকদের কাজ করতে হয়। এটি অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল. সেটি কার্যকর করা জরুরি। পরিবহন খাতে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলার অন্যতম কারণ চাঁদাবাজি। শ্রমিক সংগঠনের নামে স্বার্থান্বেষী মহল অপ্রশিক্ষিত ও অদক্ষ চালকদের দিয়ে কাজ করাতে উৎসাহী। এতে কথিত শ্রমিক সংগঠন লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবহন খাত। একটি দুর্ঘটনা পুরো পরিবারকে কাঁদায় ও নিঃস্ব করে দেয়। মালিবাগের দুর্ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি। সেই সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক. যদিও মানুষের জীবনের ক্ষতি কোনো কিছুতেই পুষিয়ে নেওয়ার নয়।,1573000 2019-01-03,যে কম্বল এখন ছড়িয়ে গেল সব জেলায়,,প্রতিনিধি. রায়গঞ্জ. সিরাজগঞ্জ,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572998/%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%9B%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F,bangladesh,print,2,সিরাজগঞ্জ|শৈত্যপ্রবাহ,শৈত্যপ্রবাহে কদর বেড়েছে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় তৈরি কম্বলের। কয়েক দিন শীত বেড়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কাজীপুরের কম্বল বিক্রির ধুম। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসছেন। কিনে নিয়ে যাচ্ছেন নানা রঙের কম্বল। গতকাল বুধবার উপজেলার শিমুলদাইড় বাজারে কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। বছর কুড়ি আগের ঘটনা। যমুনাবিধৌত কাজীপুর উপজেলার চালিতাডাঙা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা তৈরি পোশাক কারখানার ঝুট কাপড়ের কম্বল তৈরি শুরু করেন। ঢাকা. গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ঝুট কাপড় কিনে এনে সেলাইমেশিনে একটির সঙ্গে আরেকটির জোড়া দিয়ে তৈরি করা হতো এ কম্বল। এ কারণে এর নামকরণ হয় ঝুট কম্বল। সময় পার হয়. ধীরে ধীরে এ কাজে যুক্ত হন উপজেলার আরও কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ। নদীভাঙনের শিকার এসব মানুষ খুঁজে পান উপার্জনের নতুন পথ। তাঁরা দিনরাত একাকার করে তৈরি করেন কম্বল। একপর্যায়ে শিমুলদাইড় বাজার কম্বলের বড় বাজার হিসেবে গড়ে ওঠে। এরপর সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সীমানা পার হয়ে এ কম্বল ছড়িয়ে পড়ে দেশের প্রায় সব জেলায়। বাজারের তিনজন কম্বল ব্যবসায়ী বলেন. ঝুট কাপড়ের পাশাপাশি নতুন কাপড়ের কম্বলও তৈরি করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে নতুন কাপড় কিনে এনে কেটে সেলাই করে এসব কম্বল তৈরি করা হয়। বাজারে ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার ৫০০ টাকা দামের কম্বল পাওয়া যায়। প্রথম দিকে শুধু দুস্থ মানুষের কথা চিন্তা করে ঝুট কাপড়ের কম্বল তৈরি করা হতো। এ কম্বল নারীরা বাড়িতে বসে সেলাইমেশিনে জোড়া দিয়ে তৈরি করতেন। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে বাড়তে থাকে কম্বলের চাহিদা। সাধারণ কম্বলের সঙ্গে সঙ্গে বাহারি কম্বল তৈরিও শুরু হয়। উপজেলার শিমুলদাইড়. বরশীভাঙ্গা. সাতকয়া. শ্যামপুর. ছালাভরা. কুনকুনিয়া. পাইকরতলী. ঢেকুরিয়া. বরইতলা. মুসলিমপাড়া. মানিকপোটল. গাড়াবেড়. রশিকপুর. হরিনাথপুর. ভবানীপুর. মাথাইলচাপড়. রৌহাবাড়ি. পলাশপুর. বিলচতল. চকপাড়া. লক্ষ্মীপুর. বেলতৈল. চালিতাডাঙা. মাধবডাঙাসহ অর্ধশতাধিক গ্রামে তৈরি হয় হরেক রঙের ও মানের কম্বল। এসব গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ এ কাজের সঙ্গে যুক্ত। ছালাভরা গ্রামের নার্গিস খাতুন. চায়না খাতুনসহ বেশ কয়েকজন বলেন. তাঁরা একটি কম্বল সেলাই করে ২৫ থেকে ৩০ টাকা মজুরি পান। রান্নাবান্নাসহ ঘরকন্নার কাজের ফাঁকে ফাঁকে তিনি কম্বল সেলাই করেন। এতে তাঁর বাড়তি আয় হয়। তিনজন কম্বল ব্যবসায়ী বলেন. সাধারণ মাপের একটি লেপ তৈরি করতে ২ হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু মানভেদে ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় কম্বল পাওয়া যায়। ফলে কম্বলের কদর দিন দিন বেড়েই চলেছে। শিমুলদাইড় বাজারের ব্যবসায়ী আয়নাল হক. সোহেল রানা. আবদুল লতিফ ও রাশেদুল ইসলামসহ ১০ জন বলেন. এ বাজারে শতাধিক কম্বলের দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকান থেকে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের অনেক জেলায় কম্বল সরবরাহ করা হচ্ছে। ক্রেতারা পছন্দ করে দরদাম ঠিক করে টাকা পাঠালে এখান থেকে ট্রাকে কম্বল পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিদিনই ট্রাকে করে কম্বল যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়। রংপুর থেকে কম্বল কিনতে আসা ব্যবসায়ী আলী হোসেন বলেন. উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। এমনিতেই গরিব মানুষের কাছে কাজীপুরের ঝুট কাপড়ের কম্বলের কদর বেশি। দামে কম কিন্তু টেকসই আর ভালো ওম পাওয়া যায় এ কম্বলে। তা ছাড়া নতুন কাপড়ের কম্বলও তৈরি করা হচ্ছে। দেখতে সুন্দর ও নাগালের মধ্যে দাম থাকায় অনেকেই এসব কম্বল কিনছেন। এলাকার রফিকুল ইসলাম. সালমা খাতুন. সাইদুল ইসলামসহ পাঁচজন বলেন. ব্যবসায়ীরা ব্যক্তি উদ্যোগে কম্বলের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। অনেকে ঋণ করে অর্থের জোগান দেন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দরকার। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন. কাজীপুরে ঝুট কাপড় ও নতুন কাপড়ে তৈরি হওয়া কম্বল এ অঞ্চলের হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।,1572998 2019-01-03,ভোটের ব্যবধানে বড় ফারাক,,প্রণব বল. চট্টগ্রাম,১৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572997/%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|চট্টগ্রাম|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,ভোটের ব্যবধানে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে এবারের নির্বাচন। চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট যেখানে ৮৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে. সেখানে বিএনপি জোট পেয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। অথচ এর আগের নির্বাচনগুলোতে এই দুই দলের ভোট ছিল প্রায় সমান। ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোট চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে চারটিতে জিতেছিল। সেবার চট্টগ্রামে তারা ৪৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। আওয়ামী লীগ জোট জিতেছিল ১১টি আসনে। তাদের ভোট ছিল ৪৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। বড় ব্যবধানে জয় ছিল জামায়াতের আ ন ম শামসুল ইসলামের—প্রায় ৬০ হাজার ভোট। অন্যগুলোতে ব্যবধান ছিল প্রায় ৮ থেকে ৩৭ হাজার ভোটের। একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়. আওয়ামী লীগ জোটের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৬২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন মিরসরাইয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। ১২টি আসনে দুই লাখের বেশি ব্যবধানে জিতেছে আওয়ামী লীগ। ১৬ আসনে আওয়ামী জোট মোট ৩৭ লাখ ৭৬ হাজার ২৬৯ ভোট পেয়েছে। ১৬ আসনেই তারা জয়ী হয়েছে। এটি মোট প্রদত্ত ভোটের ৮৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। ১০টি আসনে ৮০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। তিনটিতে প্রায় ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। অন্যদিকে ১৬ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থীরা মোট ৪ লাখ ৬০ হাজার ৯৪৯ ভোট পান। এটি মোট প্রদত্ত ভোটের ১০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এই জোটের ১০ জন তাঁদের জামানত হারিয়েছেন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী তৃতীয় হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন প্রদত্ত ভোটের ১ দশমিক ২২ শতাংশ। সন্দ্বীপে বিএনপি প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ ভোট। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন. ‘এটা তো প্রহসনের নির্বাচন। সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে এজেন্ট—কেউ কেন্দ্রে যেতে পারেননি। সরকারি দলের লোকজন আগের দিন রাত থেকে ভোট নিয়েছে। এ কারণে এই ব্যবধান।’ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১১ আসনে এম এ লতিফের কাছে হেরেছেন। এখানে তিনি ১৫ শতাংশ ভোট পান। তাঁর জামানত রক্ষা হলেও বাজেয়াপ্ত হয়েছে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের জামানত। চট্টগ্রাম থেকে তিনি একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে আসন ছিল ১৫টি। সেবার বিএনপি–জামায়াত জোট ১৩টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ দুটি আসনে জেতে। মোট প্রদত্ত ভোটের ৫৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ পেয়েছিল বিএনপি জোট। বিপরীতে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৪১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। ভোটের ব্যবধানে এত ফারাকের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী (নওফেল) প্রথম আলোকে বলেন. ‘এবার ভোটাররা ধারাবাহিকতা চেয়েছেন। পরিবর্তন চাননি। আমাদের নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা যেভাবে উৎসাহ নিয়ে কেন্দ্রে ভোট দিতে গেছেন. সেভাবে বিএনপির নেতা–কর্মী–সমর্থকেরা যায়নি। এর মূল কারণ নেতৃত্ব–সংকট। বিএনপি জিতলে নেতৃত্বে কে থাকবেন. তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে ছিলেন সমর্থকেরা।,1572997 2019-01-03,সর্বোচ্চ পাঁচবার জয়ী মতিন খসরু ও আলী আশরাফ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. কুমিল্লা,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572995/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%96%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB,bangladesh,print,2,নির্বাচন|কুমিল্লা|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার ১১টি আসনের সব কটিতে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল মতিন খসরু ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার আলী আশরাফ পাঁচবার করে জয়ী হলেন। গত রোববার ভোট নেওয়ার পর রাতেই এসব আসনের ফল ঘোষণা করা হয়। জানতে চাইলে আবদুল মতিন খসরু বলেন. ‘এই জয় জনগণের জয়। এবার এত উন্নয়ন করব যে জনগণ আমাকে সারা জীবন স্মরণ করবে। সারা জীবন আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি। শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আদর্শ থেকে নড়িনি। এ কারণে বারবার মানুষ আমাকে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়। নির্বাচনের ফল অনুযায়ী. এ জেলায় পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল. রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. তাজুল ইসলাম চারবার করে জয়ী হলেন। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সুবিদ আলী ভূঁইয়া জয়ী হলেন তিনবার করে। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাছিমুল আলম চৌধুরী. উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন ও রাজী মোহাম্মদ ফখরুল দুবার করে জয়ী হলেন। প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছেন সেলিমা আহমাদ। কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদ মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া এবারসহ চারবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে টানা তিনবার জয়ী হয়ে ‘হ্যাটট্রিক’ করলেন। কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে জেলার একমাত্র নারী প্রার্থী সেলিমা আহমাদ প্রথমবার নির্বাচনে এসেই জয়লাভ করেন। কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন দুবার জয়ী হয়েছেন। তিনি এ আসনে চারবার প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র ও এবার আওয়ামী লীগ থেকে জয়ী হলেন। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল দুইবার নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে দুবারই জয়ী হলেন। ২০১৪ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল মতিন খসরু সাতবার নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। এবারসহ পাঁচবার জয়ী হলেন। এখানে আওয়ামী লীগ থেকে তিনিই সর্বোচ্চবার জয়ী হলেন। ১৯৯১ সালেও তিনি জয়ী হন। তখন আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিল। কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর. কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ আ ক ম বাহাউদ্দিন এবারসহ পাঁচটি নির্বাচনে অংশ নেন। তিনি টানা তিনবার জয়ী হয়ে হ্যাটট্রিক করলেন। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাংসদ মো. আলী আশরাফ ১০টি নির্বাচনে অংশ নেন। তিনি জয়ী হন পাঁচবার। ১৯৭৩ সালে স্বতন্ত্র থেকে তিনি নির্বাচিত হন। চারবার আওয়ামী লীগ থেকে জয়ী হন। কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাছিমুল আলম চৌধুরী দুবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে দুবারই জয়ী হলেন। কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ মো. তাজুল ইসলাম পাঁচবার নির্বাচনে অংশ নেন। চারবার জয়ী হলেন। কুমিল্লা-১০ (সদর দক্ষিণ. লালমাই ও নাঙ্গলকোট) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল পাঁচবার অংশ নিয়েছেন। চারবার জয়ী হলেন। কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক সাতবার নির্বাচন করেন। তিনি চারবার জয়ী হলেন।,1572995 2019-01-03,‘আমার এত ভোট গেল কই?’,,নিজস্ব প্রতিবেদক. সিলেট,১৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572993/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%87%E2%80%99,bangladesh,print,2,নির্বাচন|সিলেট|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে মোটরগাড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মোহাম্মদ আবদুর রব মল্লিক নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। তিনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন. ‘আমার পক্ষে শত শত কর্মী মাঠে কাজ করেছে। সব কেন্দ্রে আমার এজেন্ট ছিল। আমাকে অনেকেই ভোট দিয়েছে। কিন্তু হিসাবের খাতায় আমার ভোট এত কম কেন? আমার এত ভোট গেল কই?’নির্বাচনের দুই দিন পর গত মঙ্গলবার বিকেলে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আবদুর রব এ প্রশ্ন তোলেন। সিলেট-২ আসনে গণফোরাম মনোনীত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মোকাব্বির খান ৬৯ হাজার ৪২৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮৬ হাজার ৫৮৬ জন। ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৭৩। জামানত হারানো প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন আবদুর রব। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ১৭০ ভোট।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবদুর রব বলেন. ‘আমি সব জরিপে এগিয়ে থাকার পরও আমার হাজার হাজার ভোট কারচুপি করে গণফোরামের প্রার্থী মোকাব্বির খানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।’ একজন আওয়ামী লীগ নেতার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফলাফলে এমন রদবদল হয় বলে দাবি করেন আবদুর রব। যুক্তরাজ্যপ্রবাসী আবদুর রব নির্বাচন সামনে রেখে সিলেটে আসেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‌ইউকে-বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান তিনি। লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক আইএজি সদস্য ছিলেন। পেশায় আইনজীবী আবদুর রব বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে সিলেট-২ আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র উচ্চ আদালত বাতিল করলে তিনি তখন বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমর্থন চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। এতেও বিফল হয়ে পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সংস্থার জরিপ প্রতিবেদনে তাঁর অবস্থান প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল দাবি করে আবদুর রব আরও বলেন. ‘ভোটের এক দিন আগে এক আওয়ামী লীগ নেতা বড় অঙ্কের টাকা দাবি করে বলেন. টাকা দিলে আমাকে বিজয়ী করা হবে। কিন্তু আমি তাতে রাজি হইনি। কারণ আমার বিশ্বাস ছিল. ফেয়ার নির্বাচন হলে আমিই বিজয়ী হব। ১২৭টি ভোটকেন্দ্রে যেমন আমার এজেন্ট ছিল. তেমনি ছিল শত শত ভোটার। ফলফল ঘোষণার পর আমি হতবাক হয়ে যাই। এমনকি ফলাফল শুনে গত দুই দিন ধরে শত শত মানুষ আমার বাড়িতে ভিড় করে. তারাও ফলাফল মেনে নিতে পারেনি। তিনি নির্বাচনের ফলাফল বাতিল দাবি করেন।’ সংবাদ সম্মেলনে দুই উপজেলার অর্ধশত কর্মী–সমর্থকের মধ্যে মাওলানা সৈয়দ মোছলেহ উদ্দিন. মাওলানা আছাব আলী. সিলেট জেলা তরুণ প্রজন্ম দলের সাধারণ সম্পাদক মো. সমর আলী. বাবুল চক্রবর্তী. ব্যবসায়ী খালিক মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।,1572993 2019-01-03,২৭ বছর চেষ্টার পর জয় পেলেন জাহিদুর,,প্রতিনিধি. পীরগঞ্জ. ঠাকুরগাঁও,১৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572992/%E0%A7%A8%E0%A7%AD-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0,bangladesh,print,2,ঠাকুরগাঁও|নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|জাতীয় পার্টি|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে (পীরগঞ্জ–রানীশংকৈল) তিন সাবেক সাংসদকে হারিয়ে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রংপুর বিভাগের মধ্যে তিনিই একমাত্র বিএনপির প্রার্থী. যিনি জয়ী হতে পেরেছেন। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি নির্বাচন করছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর পর মানুষের সহানুভূতির কারণে তিনি জয়ী হয়েছেন।পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম বলেন. ‘এ আসনে এবার মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে ওয়ার্কার্স পার্টির লোককে নৌকা প্রতীক দিয়ে মনোনয়ন দেওয়াটাই হয়েছে বড় ভুল। এ আসনটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি ছিল। আওয়ামী লীগের নেতা ইমদাদুল হককে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে না দিয়ে মহাজোট থেকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেওয়া হলে কোনো শক্তিই নৌকাকে হারাতে পারত না। তা ছাড়া এ আসনের একটি বাড়িও খুঁজে পাওয়া যাবে না. যে বাড়িতে বিএনপির জাহিদুর তিন-চারবার যাননি। এ জন্য বিএনপি-জামায়াত ছাড়াও অনেক ভোটার তাঁকে সহানুভূতির ভোট দিয়েছেন।’পীরগঞ্জ পৌর শহরের ব্যবসায়ী সুলতান আলমগীর সরকার বলেন. ‘জাহিদুর রহমান তাঁর অনেক সম্পদ বিক্রি করে বিএনপির রাজনীতি করছেন। ২৫-২৬ বছর ধরে নির্বাচন করতে গিয়ে তিনি দুই উপজেলার সব জায়গার মানুষের সঙ্গে মিশে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এবার মানুষ দল বিবেচনা করে নয়. তাঁর প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েই তাঁকে ভোট দিয়েছেন। এ জন্যই তিনি এবার জয়ী হয়েছেন।’১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের মকলেসুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে সাংসদ হন। ওইবার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান বিএনপি থেকে প্রথমবারের মতো ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে পঞ্চম হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমদাদুল হক ৫৫ হাজার ৯৫৩ ভোট পেয়ে সাংসদ হন। সেবার বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবদুল মালেক। ২০০১ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ লাঙ্গল প্রতীকে ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে নির্বাচন করে সাংসদ হন। সেবার বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান ৮ হাজার ৩৫৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন জোটবদ্ধভাবে হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা ইমদাদুল হক আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েও দলীয় নির্দেশে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। সেবার মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। ওই নির্বাচনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান ৪৬ হাজার ৫৪৫ ভোট পান। ২০১৪ সালের দশম নির্বাচনে বিএনপি ভোট বর্জন করে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে চতুর্মুখী লড়াই হয়েছে। নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা মো. ইয়াসিন আলী. জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক সাংসদ হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ. সাবেক সাংসদ জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইমদাদুল হক এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমানের মধ্য তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার সূত্রমতে. বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান (ধানের শীষ) পীরগঞ্জ উপজেলায় ৫০ হাজার ৭৮৯ এবং রানীশংকৈল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৩৭ হাজার ৭২১ মিলে ৮৮ হাজার ৫১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইমদাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলায় ৬৬ হাজার ৭৯২ ভোট এবং রানীশংকৈল উপজেলায় ১৭ হাজার ৬০৩ মিলে ৮৪ হাজার ৩৮৫ ভোট পান। এ ছাড়া মহাজোটের প্রার্থী মো. ইয়াসিন আলী (নৌকা) পীরগঞ্জ উপজেলায় ১২ হাজার ৫৩২ এবং রানীশংকৈল উপজেলায় ২৫ হাজার ৫৩১ মিলে ৩৮ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাফিজউদ্দিন আহম্মেদ (লাঙ্গল) পীরগঞ্জ উপজেলায় ১৬ হাজার ২৭৪ এবং রানীশংকৈল উপজেলায় ১০ হাজার ৯০৮ মিলে ২৭ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে চতুর্থ হন। তা ছাড়া এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোপাল চন্দ্র রায় (সিংহ) ৫৪৮. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নাজিমউদ্দীন আহম্মেদ (হাতপাখা) ১ হাজার ৫৩. বাম গণতান্ত্রিক জোটের প্রার্থী প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম (কাস্তে) ৯৭০ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী মো. শাফি আল আসাদ (আম) ১০৯ ভোট পেয়েছেন।,1572992 2019-01-03,শ্বশুরবাড়ি কেন্দ্রের ফলাফলে লজ্জা পেলেন তিন প্রার্থী,,প্রতিনিধি. সখীপুর. টাঙ্গাইল,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572991/%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|টাঙ্গাইল|আওয়ামী লীগ|জাতীয় পার্টি,টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের তিন সাংসদ প্রার্থী শ্বশুরবাড়ি কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল দেখে খুবই লজ্জা পেয়েছেন। ওই তিন প্রার্থী তাঁদের শ্বশুরবাড়ি কেন্দ্রে কেউ শূন্য. কেউ ৭ আবার কেউ ৪ ভোট পেয়েছেন। তাঁরা বলেছেন. এই নির্বাচন ছিল প্রহসনের নির্বাচন। অতএব এ লজ্জা শুধু তাঁদের না. এ লজ্জা সারা জাতির। গত রোববারের নির্বাচনে এই আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী জোয়াহেরুল ইসলাম ২ লাখ ৭ হাজার ৬৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের কুঁড়ি সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীকে ৭১ হাজার ১৪৪ ভোট পান। খোঁজ নিয়ে জানা যায়. এই আসনে পাঁচজন প্রার্থী লড়েছেন। তাঁর মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জোয়াহেরুল ইসলাম বিয়ে করেছেন টাঙ্গাইল সদরে। ফলে এই আসনে তাঁর শ্বশুরবাড়ি নেই। অন্যদিকে ঐক্যফ্রন্টের কুঁড়ি সিদ্দিকী লেখাপড়া করছেন. এখনো তিনি বিয়েই করেননি। তবে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব কাজী আশরাফ সিদ্দিকী বিয়ে করেছেন সখীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাহারতা গ্রামে। শ্বশুর-শাশুড়ি ভোট দিয়েছেন কাহারতা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে। ওই কেন্দ্রে জামাই আশরাফ সিদ্দিকী লাঙ্গল প্রতীকে মাত্র ৪ ভোট পেয়েছেন। একই কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবদুল লতিফের শ্বশুর-শাশুড়ির লোকজনও ভোট দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রে পাখা প্রতীকে আবদুল লতিফ ভোট পেয়েছেন মাত্র ৭টি। আরেক প্রার্থী বাংলাদেশ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সফি সরকার বিয়ে করেছেন আওয়ামী লীগের বিজয়ী প্রার্থী জোয়াহেরুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি বেড়বাড়িতে। এই আসনের বিজয়ী জোয়াহেরুল ইসলাম সম্পর্কে সফি সরকারের চাচাশ্বশুর হন। ওই কেন্দ্রে আম প্রতীকে ভোট পড়েছে শূন্য। শূন্য ভোট পেয়েছেন শুনে সফি বলেন. ‘ফলাফলে নিশ্চয়ই ভুল আছে।’ কাজী আশরাফ বলেন. ‘সরকার চুরি করে আমার সব ভোট নিয়ে গেছে। সুষ্ঠু ভোট হলে আমি নৌকা মার্কার প্রতিদ্বন্দ্বী থাকতাম।’,1572991 2019-01-03,সাংসদদের শপথ আজ. আগ্রহ মন্ত্রিসভা নিয়ে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572988/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%86%E0%A6%9C-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87,bangladesh,print,2,নির্বাচন|সরকার|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|জাতীয় পার্টি|বিএনপি,• বেলা ১১টায় শপথ• ঐক্যফ্রন্টের সাংসদদের শপথ অনিশ্চিত• সংসদ নেতা ঠিক করতে আজ আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা • শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে সংসদ সচিবালয় • জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়নি। • ১০ জানুয়ারির আগেই নতুন মন্ত্রিসভা. তবে শনি বা রোববারও হতে পারে • বেলা ১১টায় শপথ• ঐক্যফ্রন্টের সাংসদদের শপথ অনিশ্চিত• সংসদ নেতা ঠিক করতে আজ আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা • শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে সংসদ সচিবালয় • জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়নি। • ১০ জানুয়ারির আগেই নতুন মন্ত্রিসভা. তবে শনি বা রোববারও হতে পারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা আজ বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন। বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে এই অনুষ্ঠান হবে। তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিত বিএনপি ও গণফোরামের সাত সাংসদ আজ শপথ নেবেন কি না. তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়নি। নির্বাচিত সাংসদদের শপথের পর আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে মন্ত্রীদের শপথ ও নতুন সরকার গঠন করা হতে পারে। এর আগে আজ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় সংসদ নেতা ঠিক করা হবে। সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই থাকছেন এবং তিনিই হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী. এটা নিশ্চিত। এখন সবার আগ্রহ নতুন মন্ত্রিসভায় সদস্যহিসেবে কারা থাকছেন এবং বর্তমান মন্ত্রিসভার কারা বাদ পড়ছেন তা নিয়ে। দুই দিন ধরেই প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গেছে। এমনকি বর্তমান মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যেও এ নিয়ে আলোচনা আছে। তবে বিষয়টি একেবারে প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার হওয়ায় এ বিষয়ে কেউ পরিষ্কার করে বলতেও পারছেন না। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের নেতারাও ধারণা করে কথা বলছেন। সরকারি ও আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রের ধারণা. নতুন মন্ত্রিসভায় বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের আধিক্য থাকছে। তবে কয়েকজন মন্ত্রী বাদ পড়তে পারেন। সরকারি সূত্রমতে. আগামী শনি বা রোববার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা আছে। অবশ্য এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন এবং কলেবর সম্পর্কে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন. এটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি প্রয়োজন মনে করলে হয়তো কারও সঙ্গে আলাপ করতে পারেন। ঐকমত্যের সরকার গঠন করা হবে কি না—এমন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন. এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ১০ জানুয়ারির আগেই সব হয়ে যাবে। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। এর মধ্যে ফলাফল স্থগিত হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন বাদে গত মঙ্গলবার রাতে ২৯৮টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গেজেট প্রকাশের পর ইসি সচিবালয় শপথের বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে গতকাল জাতীয় সংসদ সচিবালয়কে চিঠি দিয়েছে। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়. শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিদায়ী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথ পড়াবেন। স্পিকার নিজেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ জন্য জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী. নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর আগে তিনি নিজে শপথ নেবেন। রেওয়াজ অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সদস্যরা প্রথমে শপথ নেবেন। এরপর ক্রমানুসারে অন্য দলের সাংসদেরা শপথ নেবেন। শপথ শেষে নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদ সচিবালয়ের স্বাক্ষর খাতায় সই করবেন। সংবিধান অনুযায়ী. জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট হওয়ার তিন দিনের মধ্যে শপথ করাতে হয় এবং ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে. শপথ অনুষ্ঠান শেষে আজ দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় সংসদ নেতা নির্বাচন করা হবে. যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির নেতৃত্বাধীন মহাজোট পেয়েছে ২৮৮টি আসন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে ৭টি আসন। এর মধ্যে বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫টি ও গণফোরাম ২ টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সূত্রমতে. একাদশ সংসদে জাতীয় পার্টিই বিরোধী দল হতে যাচ্ছে। তবে বর্তমান মন্ত্রিসভার মতো সরকারেও তারা থাকছে। যদিও জাতীয় পার্টি এ বিষয়ে গতকাল পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি। আজ বৃহস্পতিবার দলটির সিদ্ধান্ত জানানোর কথা।,1572988 2019-01-03,উ. কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত ইতালিতে ‘উধাও’!,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/international/article/1573115/%E0%A6%89.-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%A4-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%89%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%93%E2%80%99,international,online,1,উত্তর কোরিয়া|এশিয়া|ইতালি,ইতালিতে নিযুক্ত উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত ‘উধাও’ হয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। এদিকে জানা গেছে. ইতালিতে নিযুক্ত পিয়ংইয়ংয়ের শীর্ষ কূটনীতিক নাকি একটি পশ্চিমা দেশের আশ্রয়ে রয়েছেন। তবে এই খবর নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। উত্তর কোরিয়াও এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে. উধাও হয়ে যাওয়া কূটনীতিকের নাম জো সং-গিল। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হিসেবে তিনি ইতালিতে নিযুক্ত আছেন। পিয়ংইয়ংয়ের অত্যন্ত উচ্চপদের একজন কর্মকর্তার ছেলে জো সং-গিল। এর আগে ২০১৬ সালে লন্ডনে নিযুক্ত উত্তর কোরিয়ার এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নিজের পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন। এরপর ওই কূটনীতিক দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ নেন। এবারও একই ঘটনা ঘটেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন. রাষ্ট্রীয় উঁচু পদে থাকা কর্মকর্তারা পক্ষত্যাগের অর্থ হলো. তাঁরা কিম জং-উনের শাসনের প্রতিবাদ করছেন। এ ছাড়া পক্ষত্যাগকারী কূটনীতিকের অন্যান্য দেশের কাছে উত্তর কোরিয়ার স্পর্শকাতর তথ্য সরবরাহ করার সম্ভাবনাও থাকে। দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারদলীয় সাংসদ কিম মিন-কি আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন. মেয়াদ শেষের আগেই দূতাবাস থেকে পালিয়ে গেছেন জো সং-গিল। গত নভেম্বরের শেষের দিকে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নভেম্বরের শুরুতেই পালিয়ে যান তিনি। দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র জানিয়েছে. এখনো পর্যন্ত জো সং-গিলের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা যায়নি। অন্যদিকে ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে. সেখানকার সরকারের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয়ের কোনো আবেদন করেননি জো। তাই ধারণা করা হচ্ছে. অন্য কোনো দেশের আশ্রয়ে আছেন জো সং-গিল। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় কিছু পত্রপত্রিকা জানিয়েছে. পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপদেই আছেন জো। ৪৮ বছর বয়সী জো সং-গিল ২০১৭ সালের অক্টোবর মাস থেকে রোমে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের ভূমিকায় কাজ শুরু করেন। তাঁর পরিবার উত্তর কোরিয়ায় বেশ প্রভাবশালী বলে জানা গেছে। ইতালিতে থাকা দূতাবাস উত্তর কোরিয়ার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ. এই দূতাবাসটি জাতিসংঘের রোমভিত্তিক ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে। ফলে দেশটির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া সম্ভব হয়।,1573115 2019-01-03,শপথ নেওয়া হলো না সৈয়দ আশরাফের,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৩৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573114/%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%88%E0%A7%9F%E0%A6%A6-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,1,আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং বৃহস্পতিবার রাতে সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক. বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন। দেশে না থেকেও সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন। বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচিত সাংসদেরা শপথ নিয়েছেন। তবে শপথ নেওয়ার জন্য সময় চেয়ে তাঁর চিঠিটি আজই স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। আশরাফুল ইসলাম ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। ভারতের দেরাদুনে প্রশিক্ষণ নেন তিনি। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমএ ডিগ্রী লাভ করেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭০ বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ–সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর তিনি যুক্তরাজ্য চলে যান। প্রবাস জীবনে তিনি যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় তিনি নির্বাচিত হন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং স্থানীয় সরকার. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি এক কন্যার জনক। তাঁর স্ত্রী শিলা ইসলাম ২০১৭ সালের অক্টোবরে মারা যান। সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে শোকজনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা. বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শোক জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক. স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম. গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেন. বিদ্যুৎ.জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ. সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।,1573114 2019-01-03,সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573113/%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0,bangladesh,online,1,দুর্নীতি|মামলা|রাজধানী,জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সড়ক ভবনের কার্যভিত্তিক একজন কার্যসহকারী ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি আলাদা মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনা থানায় মামলা দুটি করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ। দুদকের উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মামলার এজাহারে বলা হয়. সড়ক বিভাগের কার্যভিত্তিক কার্যসহকারী মো. কামাল আক্তারুজ্জামান ১ কোটি ১৭ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ছাড়া দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণিতে প্রায় ৯৬ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। ২৮ লাখ টাকার ঋণ নেওয়ার মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। দুর্নীতির মাধ্যমে এই অর্থ অর্জন করেন তিনি। অন্য মামলার এজাহারে বলা হয়. শাহিনুর বেগম একজন গৃহিণী। তাঁর স্বামী মো. কামাল আক্তারুজ্জামানের দুর্নীতির মাধ্যমে আয় করা অবৈধ অর্থ নিজের নামে ভোগদখলে রেখেছেন। তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৮৫ লাখ ৩৩ হাজার ৪৯৮ টাকার সম্পদ রয়েছে। সম্পদ বিবরণিতে তিনি প্রায় ৯৩ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা।,1573113 2019-01-03,খোকার পিএসের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573112/%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE,bangladesh,online,1,অপরাধ|আইন ও বিচার|দুদক|মামলা,ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান ও তাঁর স্ত্রী শাহনাজ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন. সম্পদের মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন. সংস্থার সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়. দুজনের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৭৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে রাখার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ৩৬ লাখ টাকারও বেশি ঋণ নেওয়ার মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। এজাহারে আরও বলা হয়. মনিরুল ইসলাম খান মেয়রের এপিএস হলেও ব্যবসায়িক আয় দেখিয়েছেন। তাঁর আয়ের চেয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ বেশি। ঋণ নেওয়ার তথ্য দিলেও এর সপক্ষে উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ প্রদর্শন করতে পারেননি। তাঁর স্ত্রী শাহানাজ ইসলামের সম্পদ বিবরণী যাচাইয়ের সময় দেখা গেছে. গৃহিণী হওয়ার কারণে তিনি কোনো আয় করেন না। মনিরুল ইসলাম তাঁর অর্জিত অবৈধ আয়কে বৈধ করার জন্য স্ত্রী শাহানাজ ইসলামের নামে আয়কর নথি খুলে স্ত্রীর নামে ব্যবসার আয় ও ঋণ গ্রহণের মিথ্যা তথ্য প্রদর্শন করেছেন। প্রসঙ্গত. জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় মনিরুল ইসলামের ৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।,1573112 2019-01-03,উল্টো সুর মাহবুব তালুকদারের,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১২৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573111/%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A6%95,bangladesh,online,1,নির্বাচন কমিশন|সরকার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|নির্বাচন,নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের সঙ্গে বারবার ভিন্নমত পোষণ করে সরকারবিরোধীদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। প্রশংসিত সেই মানুষটি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার তৃতীয় দিনের মাথায় এসে উল্টো সুরে কথা বলতে শুরু করলেন। আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনের পিঠা উৎসবে অংশ নিয়ে মাহবুব তালুকদার বলেছেন. ‘নির্বাচন অংশীদারিমূলক হয়েছে।’ ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনের পর আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। পিঠা উৎসবে মাহবুব তালুকদার বলেন. ‘মনোরম পরিবেশে আপনাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আমি খুব ভাগ্যবান. নিজে নিজেই বললাম। তার কারণ হলো. আমি আমার জীবনের প্রারম্ভে যখন সরকারের চাকরিতে আসি. তখন বঙ্গভবনে পাঁচ বছর সময় কাটিয়েছিলাম। চারজন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আমার সরাসরি কাজ করার সুযোগ হয়েছে। সেটা ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত। আর জীবনের শেষ পর্যায়ের এসে মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চারজন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছে। সে জন্য আমি মনে করি. জীবনের প্রথম আমলা হিসেবে কাজ করা এবং জীবনের শেষ প্রান্তে এসে পাঁচ বছর. এগুলো আমার জীবনে গৌরবগাথা হয়ে থাকবে।’ মাহবুব তালুকদার আরও বলেন. ‘আপনারা জানেন. আমাদের নির্বাচনের কোনো ধারাবাহিকতা নেই কিংবা ছিল না। আমরা কখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে. কখনো সেনা-সমর্থিত সরকারের অধীনে নির্বাচন করেছি। কখনো নির্বাচন করেছি দলীয় সরকারের অধীনে। কিন্তু তা অংশীদারিমূলক হয়নি। এই প্রথম একটা অংশীদারি ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আমরা জাতিকে উপহার দিতে পেরেছি। আমি মনে করি. এই নির্বাচন বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে একটা ঐতিহ্য সৃষ্টি করবে।’ মাহবুব তালুকদার আরও বলেন. ‘নির্বাচন যে এত বিশাল কর্মযজ্ঞ. এ বিষয়ে সত্যি আমার ধারণা ছিল না। কারণ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করার কোনো সুযোগ কিংবা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কাজ করার কোনো সুযোগ আমার আমলা জীবনে কখনো হয়নি। এখানে এসে এই বিশাল কর্মকাণ্ড দেখে বিশাল অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পেরেছি। কী নিরলস প্রচেষ্টায় আপনারা নির্বাচনকে সফল করেছেন. প্রত্যক্ষভাবে না থাকলে এটা আমি দেখতে পারতাম না. বুঝতে পারতাম না। আমি বিশেষ করে লক্ষ করেছি. এই বিশাল কর্মযজ্ঞের যিনি কেন্দ্রবিন্দু. আমাদের নির্বাচন কমিশনের সচিব মহোদয় এবং তাঁর সঙ্গে এখানে যাঁরা ছিলেন. তাঁরা কী নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই নির্বাচনকে সফল করেছেন। সে জন্য আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। যোদ্ধার মতোই তিনি এই বিশাল কর্মযজ্ঞে সবাইকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।’ অন্য কমিশনারদের সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে নিবিড় দাবি করে মাহবুব তালুকদার বলেন. ‘অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে আমার প্রতিদিন দেখা হয়. যাঁদের সঙ্গে দুই বছরের কাছাকাছি সময় অতিবাহিত করেছি। আরও তিন বছর অতিবাহিত করতে পারব আশা করি। তাঁদের সঙ্গে আমার যে সম্পর্ক. তা নিবিড়। মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সঙ্গেও আমার একটা অত্যন্ত মধুর সম্পর্ক রয়েছে. যেটার জন্য আমি আনন্দিত এবং গর্বিত। আপনারদের সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’ সবশেষে মাহবুব তালুকদার বলেন. ‘আমি একটা জিনিস সবার কাছে প্রত্যাশা করি। আমি মনে করি. আমার মতো বয়স্ক আর কেউ এখানে নেই। আপনাদের সবার দোয়া কামনা করি। আর অন্তরের অন্তস্তল থেকে আপনাদের সবাইকে দোয়া করি।’,1573111 2019-01-03,যৌতুকের মামলায় পুলিশের এএসআই কারাগারে,,প্রতিনিধি. নেত্রকোনা,৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573109/%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AF%E0%A7%8C%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%95-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87,bangladesh,online,1,যৌতুক|অপরাধ|আইন ও বিচার|পুলিশ|নারী নির্যাতন,নেত্রকোনায় স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলামকে (৩৫) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।পুলিশ কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলামের বাড়ি মদন উপজেলার শিবাশ্রম গ্রামে। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত। তাঁর স্ত্রীর নাম নিলুফার ইয়াসমিন ওরফে লাকী (২৪)। স্থানীয় বাসিন্দা ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে. মদনের শিবাশ্রম গ্রামের মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে ২০১৩ সালের ২২ জুন নেত্রকোনা পৌর শহরের কাটলি এলাকার বাসিন্দা আবদুল ওয়াদুদের মেয়ে নিলুফার ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই মাজহারুল ইসলাম তাঁর স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য নানানভাবে চাপ দেন। এরপর নিলুফার তাঁর বাবার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা এনে দেন। পরে তাঁর স্বামী মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে আরও টাকা আনার জন্য চাপ দিতে থাকেন। ২০১৭ সালের ৩ মে স্ত্রী নিলুফারকে ৩ লাখ টাকা এনে দিতে বলেন মাজহারুল। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় নিলুফারকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন মাজহারুল। এতে মাজহারুলকে প্ররোচিত করেন তাঁর বড় ভাই ও মা। এই ঘটনায় ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর নিলুফার ইয়াসমিন বাদী হয়ে স্বামী মাজহারুল ইসলাম. শাশুড়ি হোসনা আক্তার ও ভাশুর আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় মাজহারুল ইসলাম বৃহস্পতিবার হাজিরা দিতে গেলে বিচারক তাঁর জামিন নামঞ্জুর কারাগারে পাঠান। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় মাজহারুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনার কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক গোলক চন্দ্র বসাক।,1573109 2019-01-03,বিপিএলকে অস্ট্রেলিয়া দলে ফেরার সেতু ভাবছেন ওয়ার্নার,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৫,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573110/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8,sports,online,1,অস্ট্রেলিয়া|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০,অধিনায়ক হিসেবে আগেই তাঁর নাম ঘোষণা করে হয়েছিল। ওয়ার্নারকে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দিল সিলেট সিক্সার্স ফ্র্যাঞ্চাইজি। বল বিকৃতির অপরাধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো নিষিদ্ধ সাবেক অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক সংবাদমাধ্যম জানালেন তাঁর বিপিএল ভাবনা কাল ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। আজ সকালে বিসিবি একাডেমি মাঠে অনুশীলন. সন্ধ্যায় হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে সিলেট সিক্সার্সের অধিনায়ক হিসেবে সংবাদমাধ্যমের সামনে আসা—শুরু হয়ে গেছে ডেভিড ওয়ার্নারের বিপিএল-পর্ব। বল বিকৃতের দায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিষিদ্ধ ওয়ার্নার গত জুলাইয়ে কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি দিয়ে ফিরেছেন প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে. খেলেছেন সিপিএল। এবার এলেন বিপিএল খেলতে। আগামী মার্চে উঠে যাবে তাঁর নিষেধাজ্ঞা। মার্চে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে ওয়ার্নারের ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা একেবারের উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ওয়ার্নার অবশ্য বিষয়টা ছেড়ে দিচ্ছেন নির্বাচকদের হাতেই. ‘তারা আমাকে নেবে কি নেবে না. এটা নির্ভর করছে নির্বাচকদের ওপর। আমি যেটা করতে পারি. এই টুর্নামেন্টে এবং এর পর আইপিএলে রান করা। আমাকে সব সময় তৈরি থাকতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে যে দলে নির্বাচিত হতে আমি সেরা।’ ধারাবাহিক ভালো খেললে অস্ট্রেলীয় নির্বাচকেরা নিশ্চয়ই উপেক্ষা করবেন না তাঁকে। নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে জাতীয় দলে ফেরার একটাই উপায়. এই মুহূর্তে নানা দেশে যে টুর্নামেন্টে খেলছেন. সেগুলোয় ধারাবাহিক ভালো করা। কিন্তু বিপিএলে ভালো খেললেও কি নির্বাচকেরা বিবেচনায় নেবেন? টুর্নামেন্টটা কীভাবে ‘রেট’ করবেন ওয়ার্নার? ‘আন্তর্জাতিক সূচির মধ্যে নির্দিষ্ট খেলোয়াড়দের পাওয়া অনেক কঠিনই হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মুহূর্তে বিপিএলকেই দেখুন বিগ ব্যাশের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হচ্ছে। এর পর পিএসএল আছে। আইপিএল আছে। বিশ্বকাপের আগে এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন সত্যি অনেক ভালো ব্যাপার। কিন্তু অনেক বিদেশি খেলোয়াড় এখানে আসতে পারেনি।’ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ওঠেনি. খেলতে পারছেন না অস্ট্রেলিয়া দলে। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটেও তিনি নিষিদ্ধ আগামী মার্চ পর্যন্ত। অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরলেও কোনো দিন হতে পারবেন না অধিনায়ক। বল বিকৃতির অপরাধে নিষেধাজ্ঞা এখনো শেষ হয়নি। তবে ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছেন অনেকটাই। নিষিদ্ধ হওয়ার পর কেমন কেটেছে সময়. সেই অভিজ্ঞতা বলেছেন ওয়ার্নার. ‘জীবন ভালোই চলেছে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। যদি মাঠে থাকতাম. তাহলে তো এসব করতে পারতাম না। নিজের ভেতর থেকে সেরাটা বের করে আনা ও ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বাড়িতে একজন ভালো বাবা ও ভালো স্বামী হওয়া। এখন আবার সময় হয়েছে খেলার. সিলেট সিক্সার্সকে শীর্ষে নেওয়ার।’ আর সিলেটকে ওয়ার্নার শীর্ষে নিতে চান সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে. ‘এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ায় ক্লাব ক্রিকেট খেলা নিয়ে আজ ওয়াকারের (সিলেট কোচ) সঙ্গে কথা বলছিলাম। (এখানে) উইকেট নিচু ও মন্থর। এই কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়া একটু কঠিন। তবে দেশে অনেক রান করে এসেছি। আর ঢাকা-চট্টগ্রামে আগেও খেলেছি। জানি. উইকেট কেমন হতে পারে। ছন্দটা ধরে নেওয়ার ব্যাপার মাত্র এবং নিশ্চিত করা যেন সিলেটকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারি।’,1573110 2019-01-03,অস্ট্রেলীয় ভাষ্যকারকে ব্ল্যাকআউট করে দিচ্ছে ভারত!,,খেলা ডেস্ক,২২,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573108/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%86%E0%A6%89%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4,sports,online,1,ভারত|ক্রিকেট|অস্ট্রেলিয়া,বাংলাদেশের প্রশংসা করে বিরাগভাজন হয়েছিলেন হার্শা ভোগলে। চাকরি হারাতে হয়েছিল। দীর্ঘ দিন বেকার থাকার পর আবারও ক্রিকেট ধারাভাষ্য ও টিভি পণ্ডিত হিসেবে ফিরেছেন। ভোগলের মতো অতটা কঠিন না হলেও. বিচিত্র এক অভিজ্ঞতা পেতে হচ্ছে কেরি ও’কিফকে। চলতি সিডনি টেস্টে যখনই তিনি ধারাভাষ্য দিচ্ছেন. তাঁর বদলে অন্যদের ধারাভাষ্য শোনাচ্ছে সনি ইএসপিএন। অনুমান করা হচ্ছে. আগের টেস্টে অভিষিক্ত মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে নিয়ে খোঁচা মেরে কথা বলায় এই শাস্তি। অস্ট্রেলিয়ার হোম সিরিজ প্রচারের দায়িত্বে আছে ফক্স ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তাদের ফিড নিয়েই যেটি ভারতে সম্প্রচার করছে সনি পিকচার নেটওয়ার্কের খেলার চ্যানেলগুলো। কোনো ঝামেলা না বাড়াতেই সনি ও’কিফকে ব্ল্যাকআউট করছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। খবরটি অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি কেউ। তবে মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে নিয়ে আগের টেস্টে করা তাঁর মন্তব্য ভারতীয় সমর্থকদের খেপিয়ে দিয়েছিল। এ নিয়ে টুইটারে এক পশলা ঝড় বয়ে গেছে। তিন ইনিংসের ক্যারিয়ার। দুটিতেই সত্তরের ইনিংস খেলে এরই মধ্যে নজর কেড়েছেন মায়াঙ্ক। মেলবোর্নে অভিষেকের সময় মায়াঙ্কের ঘরোয়া ক্রিকেটের দুর্দান্ত ফর্ম নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিল ধারাভাষ্য কক্ষে। কথা হচ্ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি নিয়ে। এ সময় ও’কিফ মন্তব্য করেন. মায়াঙ্কের ট্রিপল সেঞ্চুরিটি এসেছিল রেলওয়ের ক্যানটিন কর্মীদের নিয়ে গড়া দলের বিপক্ষে। কথাটার মধ্যে কতটা নিরীহ হাস্যরস ছিল. কতটা বিদ্রূপ; তা তো বলা কঠিন। তবে ভারতীয় সমর্থকেরা ভালোভাবে নেয়নি এই মন্তব্য। অনেকে বলছেন. এ ধরনের কথা বলা বর্ণবাদী আচরণের শামিল। সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে এতটা হইচই হবে ভাববেই পারেন ও’কিফ। এর আগে তিনি বলেছেন. তাঁর বলা কথাকে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে. এটা অন্যায়। তিনি কী ভেবে কী বলেছেন. সেটা ধরে নিয়ে রায় দেওয়া ঠিক হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি ক্ষমাও চান। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। এত দিন সনি যেটা করত. সেটা হলো নিজেদের স্টুডিও থেকে ৩০ মিনিট ধারাভাষ্য দেওয়া হতো। এরপর অস্ট্রেলিয়া থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত ধারাভাষ্য দেখানো হতো। কিন্তু ও’কিফ যদি ধারাভাষ্য কক্ষে থাকেন. সে ক্ষেত্রে আর এ নিয়মে কাজ করা হচ্ছে না। ঘটনার দিন মার্ক ওয়াহ ব্যাখ্যা করছিলেন ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের ৫০ গড় অস্ট্রেলিয়ায় ৪০ এর কাছাকাছি থাকবে. তখন মায়াঙ্কের ব্যাটিং দেখে ও’কিফ বলেছিলেন সে অনুযায়ী ত্রি শতক রেলওয়ের ক্যানটিনের ছেলেদের বিপক্ষে এসেছে। পরে এ মন্তব্যের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন. ‘ভারতের প্রথম শ্রেণিতে আগারওয়াল অনেক রান করেছে এ নিয়েই কথা বলছিলাম। আমি মোটেও ভারতের ক্রিকেটের মান নিয়ে কথা বলিনি। ওটা মজা ছিল। অনেক বেশি রান তাই বলেছিলাম। যদি কেউ এতে মনঃক্ষুণ্ন হয় তবে দুঃখিত।’ রবি শাস্ত্রী এর কড়া উত্তর দিয়েছিলেন। মায়াডোর ৭৬ রানের ইনিংসের পর বলেছিলেন. ‘ও কেরিকে একটা জবাব দিয়েছে। আর সেটা হলো. যখন তুমি ক্যানটিন খুলবে তখন মায়াঙ্ক এসে কফির গন্ধ শুকে যাবে। সে দেখতে চায় ভারতে যে কফি ছিল সেটার গন্ধ ভালো নাকি এখানকারটা।’ এরপরও অবশ্য ও’কিফের আচরণ খুব একটা বদলায়নি। সে টেস্টের চতুর্থ দিনেই ভারতীয়দের নাম নিয়ে রসিকতা করেছেন। বলেছেন. ‘কেন আপনি আপনার ছেলের নাম চেতেশ্বর জাদেজা রাখবেন!’,1573108 2019-01-03,বিএনপি শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছিল: মেনন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৪০,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573107/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A8,bangladesh,online,1,নির্বাচন|সরকার|বিএনপি|রাশেদ খান মেনন,সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন. বিএনপি দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে ধীরে ধীরে শিক্ষাব্যবস্থার যে উন্নয়ন করেছে. দেশের মানুষ আজ তার সুফল পাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর মিন্টো রোডের বাসভবনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নেতাদের সঙ্গে ‘বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। বিএনপি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশের অর্থনীতিকে শেষ করে দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন. ‘তারেক জিয়া ও তাঁর বন্ধুরা মিলে দেশটাকে ছেলেখেলায় পরিণত করেছিল। বাংলাদেশ দুর্নীতিতে হ্যাটট্রিক করেছিল শুধু বিএনপির লুটপাটের কারণে।’ বিএনপি শাসনামলের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মেনন বলেন. তখন শিক্ষাক্ষেত্রে ছেলেমেয়েরা সময়মতো বই পেত না। নতুন শিক্ষক নিয়োগ হতো না. নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করতে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হতো। বর্তমান সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েক গুণ। শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এখন বছরের প্রথম দিনই নতুন বই পাচ্ছে। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মহসীন রেজা. সমিতির ঢাকা মহানগর উত্তরের সম্পাদক অধ্যক্ষ আবদুল মান্নান. টিঅ্যান্ডটি কলেজের অধ্যক্ষ কাজী কামরুজ্জামান প্রমুখ।,1573107 2019-01-03,অধিনায়ক তামিমকে ভালো লাগে ইমরুলের,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573106/%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0,sports,online,1,ইমরুল কায়েস|কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|তামিম ইকবাল,তামিমের অধীনে খেলতে ইমরুলের অনেক ভালো লাগে। অধিনায়ক যে তাঁকে বোলিং করতে দেন। ইমরুল কায়েসকে কখনো বোলিং করতে দেখেছেন? মনে করাটা একটু কঠিনই। অফ স্পিনার হিসেবে টেস্টে বোলিং করেছেন ৪ ওভার। ওয়ানডে কিংবা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি কখনোই নয়। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে এক টুর্নামেন্টেই তাঁকে বোলিং করতে দেখে গেছে। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে বিজয় দিবস টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে। সেবার খেলেছিলেন ইউসিবি বিসিবি একাদশে। আর এই দলের অধিনায়ক ছিলেন তামিম ইকবাল। তামিমের অধিনায়কত্বে বোলিং করার সুযোগ পেয়েছেন. সেটি ভীষণ আপ্লুত করে ইমরুলকে। গত বিপিএল থেকে তামিমের অধীনে কুমিল্লায় খেলছেন বাঁহাতি ওপেনার। এবারও খেলছেন। তামিমের অধীনে খেলাটা তিনি ভীষণ উপভোগ করেন. কেন জানেন? অধিনায়ক তাঁকে বোলিং করতে দেন বলে. ‘(তামিমের অধীনে খেলতে) আমি সব সময় উপভোগ করি। এর আগেও ওর অধীনে খেলেছি। ভালো লাগে। বিশেষ করে ও আমাকে বোলিং দেয়।’ নিতান্তই রসিকতা করে বলা। ‘ও আমাকে বোলিং দেয়’ বলতে ২০১৩ সালে বিজয় দিবস টি-টোয়েন্টিতেই। ৩ ইনিংসে বোলিং করার সুযোগ পেয়েছিলেন. মোট ৫ ওভার করে ৩৩ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। বোলিংয়ে তাঁর প্রতি দলের খুব একটা প্রত্যাশা নেই। প্রত্যাশা ব্যাটিংয়ে. তিনি খাঁটি ব্যাটসম্যান। দলে. দলের বাইরে ব্যাটিংয়ে তাঁর অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী। চ্যালেঞ্জটা আবারও নিচ্ছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গত ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত খেলা ইমরুল. ‘অবশ্যই নিজের সেরাটা দেব।’ এরপর যোগ করলেন. ‘ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। আপনি যদি দেখেন বিপিএল থেকে কিন্তু আমাদের অনেক তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটার উঠে আসছে। প্রতি বিপিএলেই আমাদের স্থানীয় ক্রিকেটাররা সেরা পাঁচে থাকে। এটি অবশ্যই আমাদের ক্রিকেটের জন্য একটি ভালো দিক। আশা করি. এ বছরও সেরা পাঁচে থাকবে আমাদের স্থানীয় ক্রিকেটাররা। আর এত বড় বড় ক্রিকেটারের সঙ্গে খেললে এবং ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করলে অনেক অভিজ্ঞতা হয়।’ হয় না. হয় না কুমিল্লা দলটা শেষ পর্যন্ত তারকা ঠাসা হয়েছে। তামিম. স্টিভ স্মিথ. ইমরুল. মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন. আবু হায়দার. এনামুল হক (বিজয়). শহীদ আফ্রিদি. এভিন লুইস. শোয়েব মালিককে নিয়ে কুমিল্লা এখন শিরোপার দাবিদার। শুরু থেকেই কুমিল্লার হয়ে খেলা ইমরুলের আশা. এবার তাঁরা ভালো কিছুই উপহার দেবেন. ‘গত বছরটা দুর্ভাগ্যজনক ছিল। প্রথম রাউন্ড দেখেছিলেন যে আমরা বেশ ভালোভাবে শেষ করেছি। দুটি ম্যাচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা হেরে গিয়েছি। আমাদের সব সময় লক্ষ্য থাকে ভালো কিছু করার। কুমিল্লায় আমি গত চার-পাঁচ বছর খেলেছি. প্রতিবছরই লক্ষ্য থাকে ফাইনালে খেলা। এই বছরও আমাদের সবার লক্ষ্য ফাইনালে খেলা। ওভাবেই মানসিকভাবে প্রস্তুত আছে সবাই। এবারের টুর্নামেন্টে কুমিল্লা ভালো একটি দল তৈরি করেছে। দলের সবাই আশাবাদী যে ভালো কিছু করতে পারব।’ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক). স্টিভ স্মিথ. ইমরুল কায়েস. মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন. আবু হায়দার. এনামুল হক (বিজয়). মেহেদী হাসান. জিয়াউর রহমান. মোশাররফ হোসেন. মোহাম্মদ শহীদ. শামসুর রহমান. সানজিৎ সাহা. শহীদ আফ্রিদি. এভিন লুইস. শোয়েব মালিক. লিয়াম ডসন. থিসারা পেরেরা. ওয়াকার সালমাখাই ও আমির ইয়ামিন।,1573106 2019-01-03,নতুন সরকার গঠনে শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান,,বাসস. ঢাকা,১৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573105/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8,bangladesh,online,1,সরকার|শেখ হাসিনা|রাষ্ট্রপতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করায় নতুন সরকার গঠন করতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে আহ্বান জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের প্রধান নির্বাচিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাসসকে বলেন. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে বঙ্গভবনে পৌঁছান। প্রেস সচিব বলেন. রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের ঐতিহাসিক বিজয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন. ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ মুক্তিযুদ্ধের এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনার ও দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পক্ষে রায় দিয়েছে। তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।,1573105 2019-01-03,সাইবেরিয়া থেকে আমেরিকা. কেউ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেনি: সিইসি,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১০৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573104/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%89-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8,bangladesh,online,1,নির্বাচন|সিইসি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন,প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন. সাইবেরিয়া থেকে ইউরোপ. আমেরিকাসহ পৃথিবীর কোনো দেশ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান কিংবা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে মন্তব্য করেনি। এটি ইসি সচিবালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবার সফলতা। একাদশ সংসদ নির্বাচন শেষে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে’ এই মন্তব্য করেন সিইসি নূরুল হুদা। সিইসি বলেন. ‘সংসদ নির্বাচন জাতির জন্য বড় একটা কাজ। নির্বাচন যখন শেষ হলো তারপর পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে. বিভিন্ন কমিউনিটি আমাদের এই নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করেছে। তারা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেছে। এই নির্বাচনকে তারা সফল হিসেবে উল্লেখ করেছে। নির্বাচন কেউ প্রত্যাখ্যান করেনি। সাইবেরিয়া থেকে শুরু করে ভলগা নদীর পাড় দিয়ে. প্রশান্ত মহাসাগর হয়ে আমেরিকা. ইউরোপ—সর্বত্র নির্বাচনের বার্তা আমরা পৌঁছে দিয়েছি। সেখান থেকে শীতের হাওয়ায় ঢেউয়ে ঢেউয়ে আমাদের কাছে এখানে চলে এসেছে।’ এ সময় সিইসি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে জানতে চান. ‘কি. আসেনি? এসেছে?’ উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উত্তর. ‘হ্যাঁ।’ আবারও সিইসির প্রশ্ন. ‘সেটা কেমন করে হলো? পৃথিবীর কোনো দেশ. কোনো সংস্থা নির্বাচনের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছে? কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেছে?’ কর্মকর্তাদের সম্মিলিত উত্তর. ‘না।’ এবার সিইসি বলেন. ‘কারণ এটা আপনাদের বিজয়। এটা আপনাদের সার্থকতা। এটা আপনাদের সাফল্য. সকলের সাফল্য।’,1573104 2019-01-03,৫ মাস আগেই ইংল্যান্ডে ‘ফাইনাল’!,,খেলা ডেস্ক,৬,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573101/%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%87%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E2%80%99,sports,online,1,ফুটবল|লিভারপুল|ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ,নতুন বছরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুল। সিটি হেরে গেলে তাদের শিরোপাস্বপ্ন ধূসর হয়ে যাবে। কারও কারও চোখে আজকের ম্যাচটাই ফাইনাল! বাংলাদেশ সময় রাত ২টা শুরু হবে ম্যাচটি। দেখাবে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ওয়ান এই ম্যাচের পর আরও ১৭টি করে ম্যাচ বাকি থাকবে দুই দলের। আরও ৫ মাস। তা যত ম্যাচই বাকি থাক. লিগে আবার ফাইনাল কী? কিন্তু ইতিহাদ স্টেডিয়ামে আজ যখন লিভারপুলকে আতিথ্য দেবে ম্যানচেস্টার সিটি. ম্যাচটি কার্যত হয়ে দাঁড়াবে প্রিমিয়ার লিগের ‘ফাইনাল’। হয়তো শিরোপা কোনো দলের হাতে উঠবে না. তবে অনেকের চোখে ইংলিশ লিগ শিরোপার নিষ্পত্তি করে দেবে এই ম্যাচই। তবে উল্টোটাও হতে পারে. লিগ শিরোপার দৌড় হতে পারে আরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। জয়-পরাজয় এখানে এতটাই পার্থক্য গড়ে দেওয়ার মতো. ৩ পয়েন্ট এখানে এতটাই মূল্যবান। জয়ী দল ৩ পয়েন্ট পেলেও এই ধরনের ম্যাচগুলোকে ‘সিক্স পয়েন্টার’ বলা হয়। লিগে এখনো অপরাজিত লিভারপুল ২০ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে. তিনে থাকা সিটির পয়েন্ট ৪৭। পরশু কার্ডিফ সিটিকে ৩-০ গোলে হারানো টটেনহাম এক পয়েন্ট এগিয়ে দুইয়ে. যদিও ম্যাচ খেলেছে একটি বেশি। তা আজ জিতলে সিটির চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে যাবে লিভারপুল. আর হারলে সিটি ব্যবধানটা নামিয়ে আনবে ৪ পয়েন্টে। ‘সিক্স পয়েন্টার’ তো আর এমনি এমনি বলা হচ্ছে না! এই ম্যাচের আগে সিটির ওপরই চাপ বেশি। লিভারপুলের মাঠে মৌসুমে দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎটি ছিল গোলশূন্য ড্র. এবারও ড্র হলে লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ খুব অসন্তুষ্ট হবেন না। কিন্তু সিটিকে জিততেই হবে। চাপটা স্বীকার করে নিয়েছেন সিটির পর্তুগিজ মিডফিল্ডার বার্নার্দো সিলভাও. ‘জানি চাপটা আমাদের ওপরই বেশি। না জিতলে এরপর ওদের ধরা কঠিন হয়ে যাবে। সাত পয়েন্ট আর চার পয়েন্টে পিছিয়ে থাকার পার্থক্যটা অনেক।’ প্রায় একই সুর গার্দিওলারও। লিগে সর্বশেষ ম্যাচে সাউদাম্পটনের মাঠে জেতার পর লিভারপুলকে সর্বোচ্চ সম্মানই দিয়েছিলেন সিটি কোচ. ‘শিরোপাদৌড়ে আমাদের প্রতিপক্ষ দলটা (লিভারপুল) এই মুহূর্তে ইউরোপের—হয়তো বিশ্বেরও—সেরা। সে কারণেই আগামী বৃহস্পতিবার (আজ) ম্যাচটা জেতা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ. যাতে শিরোপা লড়াইটা শেষ পর্যন্ত নেওয়া যায়। লিভারপুল যে অবস্থায় আছে. তাতে আমরা পয়েন্ট হারানো মানেই দৌড় শেষ।’ এ যে শুধুই গার্দিওলার মনস্তাত্ত্বিক খেলা নয়. তার প্রমাণ পেতে আরেকটু পিছিয়ে যেতে হবে। গত মাসেই একটা অনুষ্ঠানে বই পড়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গার্দিওলা বলেছিলেন. ‘আমি বই পড়তে শুরু করি আর তখনই মাথায় চলে আসে “লিভারপুল আর ইয়ুর্গেন ক্লপ”। এরপর আর মনোযোগ দিতে পারি না।’ গত মৌসুমে সিটির যাত্রা নিয়ে তৈরি প্রামাণ্যচিত্রেও লিভারপুলকে নিয়ে গার্দিওলার কথাটা ছিল. ‘ওদের ভয় পাই আমি। ওরা ভয়ংকর. আমি মন থেকেই বলছি এটা।’ কোচিং ক্যারিয়ারে ১০ বছরে ২৪ শিরোপাজয়ী. তর্ক সাপেক্ষে সময়ের সবচেয়ে উদ্ভাবনী কোচকে ভয় ধরানো কম কথা নয়। এমনিতে গার্দিওলার কোচিং ক্যারিয়ারে ‘নেমেসিস’ হয়ে আছেন ক্লপ। অন্তত ১০ বার মুখোমুখি হয়েছেন. এমন কোচদের মধ্যে শুধু ক্লপের বিপক্ষেই জয়ের চেয়ে গার্দিওলার হার বেশি (১৫ ম্যাচে ৫ জয়. ৮ হার)। তবে উল্টো দিকে ক্লপও এসব রেকর্ড আর এই মৌসুমের ফর্ম নিয়ে তৃপ্তি নিয়ে বসে নেই। সিটির চেয়ে ৭ পয়েন্ট এগিয়ে থাকা নিয়ে ভাবছেন না লিভারপুল কোচ. ‘এই ব্যবধান নিয়ে আমরা ভাবি না. একটা সেকেন্ডের জন্যও না।’ গার্দিওলা আর তাঁর দলকে দারুণ সমীহ করছেন. ‘সিটি অসাধারণ একটা দল। আর সিটির মাঠে যাওয়ার আগে কোন দল ভাববে যে. ‘হয়তো আমরাই জিতব? বিশ্বের কোনো দলই না।’ দুই কোচের এত সমীহা. কিন্তু রেফারির বাঁশির পরই যে দুটি দল ‘ফুটবল-যুদ্ধে’ নামবে. তা নিয়ে সংশয় সামান্যই। লিগের শিরোপাদৌড়ে উঁকি দিতে থাকা টটেনহামের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো পর্যন্ত সব ভুলে একটা ‘ফুটবল প্রদর্শনী’র আশায় আছেন. ‘আমি নিরপেক্ষ থেকেই ম্যাচটা উপভোগ করব। ফল নিয়ে ভাবছি না. আমি শুধু প্রদর্শনীটা উপভোগ করতে চাই।’,1573101 2019-01-03,বিদেশেও ভালো দল হয়ে উঠবে বাংলাদেশ,,তারেক মাহমুদ. ঢাকা,৮,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573100/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6,sports,online,1,ক্রিকেট|সাকিব আল হাসান|বাংলাদেশ ক্রিকেট,বিশ্বকাপের বছরে দেশের বাইরে অনেক খেলা। সাকিব আল হাসানের প্রত্যাশা. এবার বিদেশের মাটিতেও ‘ভালো দলে’র পরিচিতি পাবে বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে সাকিব আল হাসানের জন্য কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? মেয়ে আলাইনার স্কুলে ভর্তি হওয়া নাকি ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ?প্রশ্ন শুনে মৃদু হেসে ক্ষণিকের জন্য চিন্তার সাগরে হারিয়ে গেলেন টেস্টের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের খোলা চত্বরে একবার দৃষ্টি ঘুরিয়ে এনে সাকিব যেন খুঁজে পেলেন উত্তর. ‘দুটিই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বাবা হিসেবে মেয়ের স্কুলে ভর্তিটা গুরুত্বপূর্ণ. আর খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ।’'গত নভেম্বরে তিন পেরিয়ে চারে পা দিয়েছে সাকিবকন্যা আলাইনা। গুলশানের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে মেয়েকে ভর্তি করিয়ে দিয়ে বাবা সাকিব বেশ রোমাঞ্চিত। বছরটাও রোমাঞ্চকর হয়ে উঠতে পারে ক্রিকেটার সাকিবের কাছে। সে জন্য ২০১৯ সাল নিয়ে যে স্বপ্নটা তিনি দেখছেন. পূরণ হতে হবে সেটি।এ বছর বাংলাদেশ দল দেশের বাইরেই খেলবে বেশি। এ মাসের শেষ দিকে নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে শুরু। এরপর আয়ারল্যান্ড সফর ও ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ। সম্ভাব্য সূচিতে আছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা সফরও। বিদেশের মাটিতে বেশি খেলা—সাকিবের চোখে বাংলাদেশের জন্য এটিই বছরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর চ্যালেঞ্জের পিঠেই থাকে নতুন উচ্চতায় ওঠার হাতছানি। একেকটি চ্যালেঞ্জ জেতা মানেই হলো নিজেদের আরেক ধাপ ছাড়িয়ে যাওয়া। ২০১৯ সেই সম্ভাবনার দুয়ারই কি খুলে দিচ্ছে না বাংলাদেশ দলের সামনে! সাকিব অন্তত সেভাবেই নিচ্ছেন নতুন বছরটাকে. ‘বছরটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং...আমি বলব অনেক বেশিই চ্যালেঞ্জিং হবে। কারণ বিশ্বকাপসহ বেশির ভাগ খেলাই আমাদের দেশের বাইরে খেলতে হবে’—এটুকু বলে জানালেন চ্যালেঞ্জ জয়ের লক্ষ্যের কথাও. ‘এটা একটা সুযোগ আমাদের জন্য। বাইরের কন্ডিশনে আমরা কখনো ভালো করিনি। ব্যক্তিগত কিছু ভালো পারফরম্যান্স হয়তো আছে. কিন্তু দেশের বাইরে দল হিসেবে ভালো ফলাফল খুব একটা করিনি। এবার যেহেতু বাইরে অনেক ম্যাচ খেলব. সেগুলোতে ভালো ফলাফল পেলে আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে।’ ভিন্ন কন্ডিশনের প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াইয়ে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির অধিনায়কের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিটনেস। আঙুলের সামান্য চোট কী মারাত্মক ভোগান্তিতে ফেলতে পারে. সেটি তো নিজেই দেখেছেন গত বছর! বছরের শুরুতে তাই দলের সবার উদ্দেশে বলেছেন. ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সবাইকে ফিট থাকতে হবে এবং খুব ভালো অবস্থায় থাকতে হবে। ভালো খেলার জন্য এটাই সবার আগে দরকার।’ সঙ্গে মাথায় রাখতে বলেছেন ভিন্ন কন্ডিশনে যাঁর যাঁর দুর্বলতার কথাও. ‘আমাদের সব জায়গায়ই উন্নতি করতে হবে। বিদেশের মাটিতে আমরা ভালো খেলি না. সেদিক দিয়ে চিন্তা করলে উন্নতির অনেক জায়গাই আছে। আমি মনে করি ব্যক্তিগতভাবেও সবাইকে যার যার মতো প্রস্তুতি নিতে হবে। বাইরের কন্ডিশনে ভালো খেলার জন্য যার যেখানে উন্নতি করা দরকার. সেভাবে কাজ করতে পারলে দল হিসেবেও আমরা সেটার সুফল পাব।’ বছর শুরু হবে নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে। অনেকের ধারণা. বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপের চেয়েও কঠিন হতে পারে এই সফর। নিউজিল্যান্ডে সর্বশেষ সফরের অভিজ্ঞতাও সেই শঙ্কা জাগায়। কিছু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স বাদ দিলে সফরটা ছিল তিক্ত অভিজ্ঞতার। তবে পুরোনো স্মৃতি মনে করে এখনই ‘ব্ল্যাক ক্যাপ’ জুজুতে আক্রান্ত হতে রাজি নন সাকিব. ‘নিউজিল্যান্ড সফর আমাদের জন্য সব সময় চ্যালেঞ্জিং থাকে. এবারও হয়তো তা–ই হবে। তারপরও ভালো করার আশা তো থাকবেই।’ সাকিবের আশাটা বিশ্বকাপ নিয়েই বেশি। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা আগেই বলেছেন. ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অন্তত সেমিফাইনালে খেলার লক্ষ্য থাকবে বাংলাদেশের। কাল সাকিবও বলছিলেন. ‘ছয়টা ম্যাচ জিতলে খুবই ভালো. তবে সেমিফাইনালে খেলতে হলে আমাদের কমপক্ষে পাঁচটি ম্যাচ তো জিততেই হবে। চেষ্টা থাকবে যেন ছয়টি ম্যাচ জিততে পারি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলতে পারলে খুবই ভালো অর্জন হবে আমাদের জন্য।’ সে যাত্রায় নিজের সেরাটা ঢেলে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা সাকিবের। ২০১৯ সালে ব্যক্তিগত কোনো লক্ষ্য না থাকলেও দলের সাফল্যে অবদান রাখতে পারাটাই তাঁর কাছে হবে বড় অর্জন! বছরটা যা দিয়ে শুরু হচ্ছে. সেই বিপিএল নিয়েও ঢাকা ডায়নামাইটসের সাকিবের আছে বড় স্বপ্ন. ‘আন্দ্রে রাসেল. সুনীল নারাইনের মতো টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ আছে আমাদের। স্থানীয় এবং বিদেশিদের নিয়ে দলটা বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।’ কাল শেষ বিকেলে একাডেমি মাঠে ঢাকা ডায়নামাইটসের খেলোয়াড়দের বৃত্তে মধ্যমণি হয়ে সাকিব হয়তো সে আশার কথাই শোনাচ্ছিলেন। আশা আছে আরও। ২০১৯ সালে বিদেশের মাঠে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ছবি ফুটিয়ে তুলবেন সাকিব-মাশরাফিরা।,1573100 2019-01-03,সাংবাদিক হেদায়েতের জামিন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. খুলনা,৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573099/%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8,bangladesh,online,1,সাংবাদিক|আইন ও বিচার|একাদশ সংসদ নির্বাচন,রিমান্ডে অসুস্থ হয়ে পড়ায় ১১ দিনের জামিন পেয়েছেন খুলনার সাংবাদিক হেদায়েত হোসেন মোল্লা। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় তিনি খুলনা কারাগার থেকে মুক্তি পান। এর আগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হেদায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছিল। আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে. আজ সকালে তাঁর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। এরপর পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দুই দফায় আদালত ঘুরে তাঁর এই জামিন মঞ্জুর হয়। খুলনা জেলা ও দায়রা জজ মশিউর রহমান চৌধুরী হেদায়েতকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন এই জামিন দিয়েছেন। হেদায়েতের আইনজীবী মাসুম বিল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন. সকালে রিমান্ড শুরু হলে হেদায়েত অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তাঁকে বটিয়াঘাটা উপজেলা-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারপর তাঁকে সংশ্লিষ্ট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ (যে আদালত তাঁর রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন) পাঠানো হয়। তখন ওই আদালতের বিচারক নয়ন বিশ্বাস তাঁকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁর অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বিকেলের দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকের কাছে জামিনের আবেদন করা হয়। ওই আদালতের বিচারক মশিউর রহমান তাঁর ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। হেদায়েত হোসেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের খুলনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। তিনিসহ দৈনিক মানবজমিনের খুলনার নিজস্ব প্রতিবেদক রাশিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ. তাঁরা দুজন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লিখিত ফলাফলের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ করেছিলেন। এই অভিযোগে বটিয়াঘাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ চৌধুরী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ওই দুজনের নামে মামলা করেন। রাশিদুল ইসলাম পলাতক।,1573099 2019-01-03,আপিল বিভাগে দুটি বেঞ্চ গঠন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573098/%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87,bangladesh,online,1,আইন ও বিচার|আদালত|সুপ্রিম কোর্ট,বিচারকাজ পরিচালনায় আগামী রোববার থেকে আপিল বিভাগে দুটি বেঞ্চ বসবেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের এই বেঞ্চ গঠন করে দেন। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান আজ প্রথম আলোকে বলেন. আপিল বিভাগে বর্তমানে সাতজন বিচারপতি আছেন। এক বছরের বেশি সময় ধরে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চে বিচারকাজ চলছিল। এখন আপিল বিভাগে মামলার সংখ্যা ১৯ হাজারের বেশি। এ অবস্থায় মামলা জট নিরসনে প্রধান বিচারপতি দুটি বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন। আপিল বিভাগের এক নম্বর ও দুই নম্বর কোর্টে ৬ জানুয়ারি থেকে বিচারকাজ পরিচালিত হবে। এ অনুসারে কার্যতালিকা প্রস্তুতও করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আজ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়. প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন. বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী. বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের সমন্বয়ে এক নম্বর কোর্ট এবং বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী. বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকীর সমন্বয়ে দুই নম্বর কোর্টে বিচারকাজ পরিচালিত হবে বলে প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত আরেকটি বিজ্ঞপ্তির ভাষ্য. আপিল বিভাগের মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানকে নিয়মিত চেম্বার জজ হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রধান বিচারপতি। তথ্যানুসন্ধ্যানে জানা যায়. আপিল বিভাগে তিন বিচারপতি নিয়োগের পর ২০১৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আপিল বিভাগের দুটি বেঞ্চ গঠন করে দেন। তখন আপিল বিভাগে নয়জন বিচারপতি ছিলেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রধান বিচারপতি সিনহার পদত্যাগ করার আগ পর্যন্ত আপিল বিভাগে দুটি বেঞ্চে বিচার কাজ চলে। তবে ওই বছরের শুরুতে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি মারা যান. দুজন বিচারপতির অবসরে যান এবং বছরের শেষ দিকে পদত্যাগ করেন বিচারপতি সিনহা। আর গেল বছরের ফেব্রুয়ারিতে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি পদত্যাগ করেন. যার মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ায় চারে। এরপর গত বছরের অক্টোবরে তিনজন বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়. যার মধ্য দিয়ে বিচারপতির সংখ্যা হয় সাত।,1573098 2019-01-03,এবার ‘গার্ড অব অনার’ পাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ,,খেলা ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573097/%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%85%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E2%80%99-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6,sports,online,1,ফুটবল|রিয়াল মাদ্রিদ|আন্তর্জাতিক ফুটবল,‘গার্ড অব অনার’ শব্দটা নিয়ে কম কথা হয়নি গত মৌসুমে। ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে এসে পরের ম্যাচে বার্সেলোনাকে পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তাই বার্সার খেলোয়াড়েরা দুই পাশে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানাবেন. আর তারা মাঠে ঢুকবেন—এমন কিছু আশা করেছিল রিয়াল। কিন্তু সেটায় রাজি হয়নি বার্সেলোনা। এবারও ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে আজই প্রথম মাঠে নামছে রিয়াল। ভিয়ারিয়াল অবশ্য বার্সেলোনার মতো কিছু করছে না। রিয়াল মাদ্রিদকে বৈশ্বিক এক শিরোপা জয়ের সম্মান জানাবে তারা। চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়কে ছেলে খেলা বানিয়ে ফেলেছে রিয়াল। ঘরোয়া ফুটবলে অস্বস্তিকর ফলকে ভুলিয়ে দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে তারা। টানা ক্লাব বিশ্বকাপও জেতা হয়ে গেছে লস ব্লাঙ্কোরা। এর মাঝে দ্বিতীয়টি জয়ের পরই এক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ২৩ ডিসেম্বরের সে ম্যাচের আগে ‘গার্ড অব অনার’ চেয়েছিল রিয়াল। কিন্তু বার্সেলোনা রাজি হয়নি। তারা বলেছিল. যে প্রতিযোগিতা তারা খেলেনি. সেটার জন্য এমন সম্মান তারা দেবে না। গত মৌসুমের শেষ দিকেই আবার উঠে এসেছিল ‘গার্ড অব অনার’ প্রসঙ্গ। লিগ জয় প্রায় নিশ্চিত করেই বার্সেলোনা পরের এল ক্লাসিকো খেলতে এসেছিল বার্নাব্যুতে। তখন আবার উঠে এসেছিল ‘গার্ড অব অনার’! তখন রিয়াল ঠায় মানা করে দিয়েছিল। এবার অবশ্য ভিয়ারিয়াল অত আলোচনায় যায়নি। কারণ. গতবার বার্সেলোনা লিগ জেতার পর ভিয়ারিয়াল ‘গার্ড অব অনার’ দিয়েছিল কাতালানদের। স্প্যানিশ ফুটবলের রীতি অনুযায়ী. কোনো ক্লাব লিগ শিরোপা আগেই নিশ্চিত করে ফেললে সেই দল মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোয় প্রতিপক্ষের মাঠে ‘গার্ড অব অনার’ পায়। তবে এটি মূলত একটি প্রথা. কোনো বাধ্যগত নিয়ম নয়। লিগের বাইরেও গার্ড অব অনার দেওয়ার কেতা আছে। ২০০৯ সালে এই ভিয়ারিয়ালই বার্সেলোনাকে ক্লাব বিশ্বকাপ জেতার কারণে ‘গার্ড অব অনার’ দিয়েছিল। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ভ্যালেন্সিয়ার কাছে গার্ড অব অনার পেয়েছিল সেবার ক্লাব বিশ্বকাপ জেতা রিয়াল। ঠিক তার পরের মৌসুমেই বার্সেলোনাকে এই সম্মান দেখিয়েছিল রিয়াল বেটিস. বার্সাও সেবার ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে খেলতে নেমেছিল লিগে। তবে ২০১৬ ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে লিগে গ্রানাডার বিপক্ষে খেলতে নেমে ‘গার্ড অব অনার’ পায়নি রিয়াল।,1573097 2019-01-03,বাঘের সঙ্গে লড়ে ফিরলেন তিনি!,,প্রতিনিধি. বাগেরহাট,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573096/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9B-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE,bangladesh,online,1,দুর্ঘটনা|সুন্দরবন,সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের আক্রমণের মুখে পড়েন মাসুম হাওলাদার (৩০)। কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি তিনি। উল্টো বাঘের সঙ্গে লড়াই করে ফিরিয়ে এনেছেন নিজের জীবন। এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মাসুম। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের তাম্বুলবুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ দিন সন্ধ্যার কিছু আগে আহত মাসুমকে উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ফেরা মাসুম হাওলাদার বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছেলে। তিনি সুন্দরবনে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। মামুনের ভাই জাহিদুল হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন. বুধবার সকালে বন বিভাগের ধানসাগর স্টেশন থেকে বনে প্রবেশের অনুমতি নিয়ে নৌকায় করে সুন্দরবনের তাম্বলবুনিয়া খাল এলাকায় বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা দুই ভাই। দুপুর দুইটার দিকে বড়শীর আধার সংগ্রহের জন্য তিনি খালে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। ওই সময় মাসুম খালের পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। জাহিদুল বলেন. বনের ভেতরে থাকা একটি বাঘ হঠাৎ পেছন থেকে মাসুমের ওপর আক্রমণ করে। বাঘটি তাঁর ডান পায়ে থাবা দেয়। মাসুম চিৎকার দিয়ে লাথি মারলে বাঘটি পা ছেড়ে হাতে থাবা দিয়ে টেনে তাঁকে বনের ভেতর নিয়ে যায়। পরে মাসুমের সঙ্গে বাঘটির ধস্তাধস্তি হয়। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে ধস্তাধস্তি চলে জানিয়ে জাহিদুল বলেন. একপর্যায়ে তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের অন্য জেলেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ছুটে আসে। পরে মাসুমকে ছেড়ে বাঘ গভীর বনে ঢুকে যায়। বাঘের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়েছেন মাসুম। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থান বাঘের নখ ও দাঁতের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়। পরে মাসুমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। জাহিদুলের দাবি. পূর্ণবয়স্ক বাঘটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট। বাঘটি কেয়াবনের মধ্য দিয়ে শ্যালা নদীর চরে এসে অপেক্ষা করছিল। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় তথ্য অনুয়ায়ী. ২০০১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সুন্দরবনে ৩৫টি বাঘের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে দুষ্কৃতকারীদের হাতে ১০টি. লোকালয়ে ঢুকে পড়লে জনতার হাতে ১৪টি. বার্ধক্যজনিত কারণে ১০টি এবং ২০০৭ সালের সিডরে একটি বাঘ মারা যায়। এই সময়ে বাঘের পাল্টা আক্রমণে প্রায় ৩০০ জেলে. বাওয়ালি. মৌয়াল এবং গ্রামবাসী মারা গেছেন। শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক অসীম কুমার সমাদ্দার প্রথম আলোকে বলেন. বাঘের আক্রমণে আহত জেলে মাসুমকে বুধবার সন্ধ্যায় ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর বাম হাতে বাঘের নখের আঁচড় এবং ডান পায়ে দাঁতের কামড়ের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মাসুম এখন শঙ্কামুক্ত। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মাহমুদুল হাসান বলেন. সুন্দরবনের ভেতরে যাওয়া জেলেদের নিরাপদে থেকে সংঘবদ্ধভাবে মাছ ধরতে বন বিভাগ থেকে সতর্ক করা হয়।,1573096 2019-01-03,আইনজীবী মইনুলকে বিএসএমএমইউতে ভর্তির নির্দেশ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573095/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6,bangladesh,online,1,আইন ও বিচার,সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মইনুল হোসেনকে অবিলম্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করে চিকিৎসাসেবা দিতে কারা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আইনজীবী মইনুল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার ওই আদেশ দেন। মইনুল হোসেনকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য নির্দেশনা চেয়ে তাঁর স্ত্রীর সাজু হোসেনের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে মইনুল হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন. সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আবদুর রহিম ও এম মাসুদ রানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক। আদেশের বিষয়টি জানিয়ে আইনজীবী আবদুর রহিম প্রথম আলোকে বলেন. বিএসএমএমইউতে ভর্তির পর মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা শেষে শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক হলে—এই বিষয়টি আদালতকে অবহিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৯ নভেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠনের মাধ্যমে বিএসএমএমইউতে মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় ওই প্রতিবেদন জমা পড়ে। আবদুর রহিম জানান. বোর্ডের ওই প্রতিবেদনে মইনুল হোসেনকে হাসপাতালে ভর্তি করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুপারিশ ছিল। এরপর ওই নির্দেশনা চেয়ে গতকাল বুধবার আবেদনটি করা হয়। গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশন চ্যানেলের একটি টক শোতে আলোচনার একপর্যায়ে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলে মন্তব্য করেন মইনুল হোসেন। তাঁর এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ ঘটনায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন পর্যন্ত ২২টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি মানহানির মামলা এবং অপর ২টি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলা। এর মধ্যে রংপুরে মানহানির অভিযোগে করা এক মামলায় ২২ অক্টোবর রাতে রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে মইনুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।,1573095 2019-01-03,অস্ট্রেলিয়ায় স্বল্প দক্ষ কর্মীদের স্থায়ী ভিসার সুযোগ,,কাউসার খান. সিডনি (অস্ট্রেলিয়া),১,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573093/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0,durporobash,online,1,,যেসব কাজে কম দক্ষতা প্রয়োজন. এমন কাজের পেশাদারদের জন্য নতুন বছরের শুরুতেই সুখবর আনছে অভিবাসন খ্যাত দেশ অস্ট্রেলিয়া। দেশটিতে তাদের জন্য স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দিয়ে রাজ্যভিত্তিক নতুন ভিসা চালু করছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। শুধু তাই নয়. ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা কম হলেও এ ভিসায় আবেদন করা যাবে। দেশটির ফেডারেল সরকার ইতিমধ্যেই নর্দান টেরিটরি ও ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের সঙ্গে ভিসা সংক্রান্ত চুক্তি সাক্ষর করেছে। অন্য রাজ্যের সঙ্গেও এই চুক্তি হতে পারে। ‘Designated Area Migration Agreements (DAMA)’ নামের প্রকল্পের আওতায় নতুন ভিসাটি অনেকটা দেশটির সাবক্লাস ৪৮২ কর্মভিসার মতোই। এই ভিসার চাহিদার পেশা তালিকায় ১১৭টি পেশা রয়েছে। পেশাগুলো প্রধানত কৃষি ও আতিথেয়তা শিল্পকে কেন্দ্র করে। পেশাগুলোর জন্য উচ্চকর্ম ও ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রয়োজন নেই। ভিসার আবশ্যিক শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে. যে রাজ্যের জন্য ভিসা মঞ্জুর হবে. ভিসার ধরনের ওপর নির্ভর করে সেই রাজ্যে দুই ও চার বছর পর্যন্ত বসবাস ও কাজ করতে হবে। রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শ্রমের ঘাটতি পূরণে সহজ শর্তের এই ভিসা চালু করছে সরকার। যদিও ভিসাটির আবশ্যিক শর্ত ও আবেদন প্রক্রিয়া এখনো প্রকাশ করেনি অভিবাসন বিভাগ। চলতি বছরের মাঝামাঝির মধ্যেই নতুন ভিসাটির আবেদন প্রক্রিয়া চালুর কথা জানিয়েছেন দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান। ‘সরকার দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রয়োজন পূরণ করতে অভিবাসন কার্যক্রমকে আরও উন্নতও করার চেষ্টা করছে’. বলেন কোলম্যান। দেশটির প্রধান শহরে জনসংখ্যার চাপ কমাতে নতুন অভিবাসীদের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের শ্রম বাজারের ঘাটতি পূরণেই সরকার নতুন প্রকল্প চালু করেছে বলে জানান তিনি। ডিএএমএ প্রকল্পটির যেকোনো তথ্য রাজ্যভিত্তিক অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করবে সরকার। কাউসার খান: অভিবাসন আইনজীবী. সিডনি. অস্ট্রেলিয়া। ইমেইল: ,1573093 2019-01-03,২২০ কেজি গাঁজা জব্দ. কারাগারে ৪,,প্রতিনিধি. কসবা. ব্রাহ্মণবাড়িয়া,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573094/%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%AA,bangladesh,online,2,অপরাধ|মাদক|ব্রাহ্মণবাড়িয়া,ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় প্রায় ২২০ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ আজ বৃহস্পতিবার ভোরে একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় ওই ভ্যানের চালকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার গদখালী গ্রামের আবদুর রাজ্জাক (৩৬). নেত্রকোনার চানগাও গ্রামের আবদুল আউয়াল. কসবা উপজেলার মরাপুকুর গ্রামের শফিক মিয়া (৪৫) ও শরীফ (১৯)। পুলিশ বলছে. তাঁরা মাদক ব্যবসায়ী। পুলিশ জানায়. এক সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কুটি-নয়নপুর সড়কের পৌর এলাকার টি আলী বাড়ি মোড়ে ওই কাভার্ড ভ্যানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় ১১টি বস্তায় প্রায় ২২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের চালকসহ চারজনকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় কসবা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহাম্মদ বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় আটক চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিচারিক হাকিমের আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবদুল মালেক বলেন. ২২০ কেজি গাঁজা ও একটি কাভার্ড ভ্যানসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। মামলাটির তদন্ত করছেন তিনি।,1573094 2019-01-03,শবরীমালা বিতর্কে উত্তাল কেরালা,,প্রতিনিধি. নয়াদিল্লি,২,https://www.prothomalo.com/international/article/1573091/%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE,international,online,2,ভারত|মন্দির|বিজেপি,ভারতের কেরালার রাজনীতি এই মুহূর্তে শবরীমালা মন্দির ঘিরে আবর্তিত। হিন্দু দেবতা ‘আয়াপ্পা’-এর মন্দিরে নারী প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতি ও সমাজ দ্বিধাবিভক্ত। নারী প্রবেশের প্রতিবাদে বিজেপিসহ দক্ষিণপন্থীদের ডাকা হরতাল আংশিক সফল। বামপন্থী মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই এই হরতালকে সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টের বিরোধিতা হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন. মন্দিরে নারী প্রবেশে সহায়তা করে সরকার তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেছে। এই দায়িত্ব পালনে সরকার বদ্ধপরিকর। গতকাল বুধবার কাকভোরে মধ্যবয়সী ঋতুমতী দুই নারী প্রশাসনিক সহায়তায় শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করে প্রার্থনা সারেন। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন আজ বৃহস্পতিবার বলেছেন. ওই দুই নারী বিন্দু ও কনকদূর্গা দীর্ঘ পথ হেঁটে মন্দিরে প্রবেশ করেছেন। তাঁদের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়নি। দীর্ঘ এই যাত্রা পথে এবং মন্দিরে প্রবেশের সময় তাঁদের কেউ বাধা দেননি। কেউ প্রতিবাদও করেননি। অথচ এর প্রতিবাদে হরতালের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই কারণে হরতালের ডাক দেওয়ার অর্থ সুপ্রিম কোর্টের বিরোধিতা করা। ঋতুমতী নারীদের প্রবেশের পর মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মন্দির বন্ধ করে দেন। ধোয়া-মোছার মধ্য দিয়ে ‘অপবিত্রতা’ দূর করেন। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন এই কাজেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন. পুরোহিতদের এই কাজও সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা। মন্দির সম্পর্কিত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার প্রধান পুরোহিতের নেই। সেই এখতিয়ার রয়েছে একমাত্র দেবাসম বোর্ডের। কেরালা হাইকোর্টের ১৯৯১ সালের নির্দেশ অনুযায়ী ১০ থেকে ৫০ বছরের ঋতুমতী নারী ওই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেন না। সন্দেহজনক নারীদের মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে বয়সের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হয়। এই প্রথার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা হয়. গত সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ আদালত তার রায়ে সেই বৈষম্য দূর করেন। সেই থেকে একাধিকবার মন্দির দর্শনে গেলেও কোনো ঋতুমতী নারী সফল হননি। কখনো সাধারণ দর্শনার্থী. কখনো মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁদের বাধা দিয়েছেন। গত বুধবার ভোরে বিন্দু ও কনকদূর্গা সেই অসাধ্যসাধন করেন। বিতর্ক ও রাজনৈতিক তরজা তা নিয়েই। বুধবারের ঘটনার পর রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বামপন্থীদের সঙ্গে বিজেপি সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে চন্দ্রন উন্নিথন নামে এক ব্যক্তি আহত হন। আজ বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবারের হরতালের ডাক দেয় শবরীমালা কর্ম সমিতি ও অন্তঃ রাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিষদ। তাদের প্রত্যক্ষ মদদ দিয়েছে বিজেপি. আরএসএস ও দক্ষিণপন্থী কিছু সংগঠন। আংশিকভাবে হরতাল সফলও। বিভিন্ন শহরে পথ অবরোধ করা হয়। সরকারি বাসে ভাঙচুর করা হয়। সিপিএম-বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষও বাধে। তিনজন ছুরিকাহত হন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে। লিঙ্গবৈষম্য সত্ত্বেও শবরীমালা মন্দির কর্তৃপক্ষর পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। অথচ নারী বৈষম্য দূর করতে তিন তালাক বিলকে আইনে পরিণত করতে বিজেপি মরিয়া। এই স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন. তিন তালাক হলো নারীর অধিকার ও মর্যাদার প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন. শবরীমালা মন্দির বিশ্বাসের।,1573091 2019-01-03,ইসিতে ঐক্যফ্রন্টের যেসব অভিযোগ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৫২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573092/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97,bangladesh,online,2,নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ‘ভোট ডাকাতি’ ও ‘তাণ্ডব’ হয়েছে—এ অভিযোগসহ মোট ১৭টি অভিযোগ-সংবলিত স্মারকলিপি নির্বাচন কমিশনে দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নিজেদের প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার পর নির্বাচন কমিশনে (ইসি) যায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) পাঁচ পৃষ্ঠার স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এতে জোটের নেতারা ভোটের দিন ও তার আগের দিনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় সরকারদলীয় লোকজনের ‘ভোট ডাকাতি ও তাণ্ডবের’ চিত্র তুলে ধরেন। তাঁদের প্রায় প্রতিটি অভিযোগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়ী করা হয় এবং বলা হয়. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে তাঁরা প্রতিকার পাননি বরং এই বাহিনী হামলা-মামলায় অংশ নিয়েছিল। এ ছাড়া সেনাবাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার অভিযোগ এনে ঐক্যফ্রন্ট বলেছে. সেনাবাহিনী নামার পর বিএনপি/ঐক্যফ্রন্টের নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন. হামলা-মামলা বেড়ে যায়। অভিযোগের কিছু অংশ হলো. নির্বাচনের আগের রাতে দেশে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি করে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভরে রাখা. ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যেতে বাধা প্রদান ও ভয় দেখানো. পোলিং এজেন্টদের ভয় দেখানো. কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়াসহ কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া ও মারধর. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় জাল ভোট দেওয়া ও ভোটারদের নৌকায় সিল মারতে বাধ্য করা. বেআইনিভাবে মধ্যাহ্নবিরতি. জুডিশিয়াল ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিষ্ক্রিয় রাখা. অসংখ্য ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোট কাস্ট. পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেখানোর জন্য অন্য এলাকা থেকে লোক এনে লাইনে দাঁড় করানো. আওয়ামী লীগের পদধারী নেতাদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ—এসব অনিয়মে নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকা। এসব অভিযোগের বাইরেও তফসিল ঘোষণার পর থেকে ঐক্যফ্রন্টের নেতা-কর্মীদের ওপর বিভিন্ন পর্যায়ে হয়রানি. হামলা-মামলা ও নির্বাচন কমিশনের সরকারের প্রতি ‘পক্ষপাতমূলক আচরণের’ বিবরণ দেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ইসিকে দায়ী করে ঐক্যফ্রন্ট জানায়. তফসিল ঘোষণা পেছানোসহ নির্বাচন পেছানোর দাবিও কমিশন প্রত্যাখ্যান করে. নির্বাচনের দুই মাস আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিধানের বাইরে গিয়ে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করে সরকারদলীয় লোকজনদের নিয়োগ দেয়. দলীয় মনোনয়ন বিতরণকালে ইসি সচিব ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষপাতমূলক আচরণ করে. ঐক্যফ্রন্টের ১৮ জনের প্রার্থিতা বাতিলে নির্বাচন কমিশনের রহস্যজনক ভূমিকা. গায়েবি মামলা. গ্রেপ্তার. হয়রানি ও প্রার্থীদের আটকে কমিশনের পদক্ষেপ না নেওয়া. দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নিরুৎসাহিত করা. প্রচারণায় বাধা. প্রশাসন ও পুলিশে রদবদল না করা. গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ. সরকারি দলের আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ সব জায়গায়ই তারা ইসির নীরব ভূমিকা দেখতে পেয়েছিল। ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্মারকলিপি দিতে ইসিতে যান কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী. জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব. নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না. বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান এবং গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু।,1573092 2019-01-03,শিশুসহ ১৭ রোহিঙ্গা আটক,,প্রতিনিধি. কসবা. ব্রাহ্মণবাড়িয়া,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573090/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A7%A7%E0%A7%AD-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%9F%E0%A6%95,bangladesh,online,2,অপরাধ|রোহিঙ্গা সমস্যা|কুমিল্লা,কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বেশ কয়েক জন শিশুসহ ১৭ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করা হয়েছে। উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া এলাকা থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসন।স্থানীয় থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়. বাগড়া বাজারে গাড়ির জন্য রোহিঙ্গাদের একটি দল অপেক্ষা করছে. এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে শিশুসহ ১৭ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করে। আটক রোহিঙ্গারা হলেন নুরুল আমিন (৩৯). শফিকা বেগম (২৬). আবদুল্লাহ (২৭). নূর কালিমা (৬). রোকেয়া বিবি (০৪). নুর কায়দা (৩). হোসনামা বেগম (২৫). আবদুর রহমান (৬). আশরফা (৮). মো. আমিন (২৫). জাহেদা বেগম (২৩). মো. ইয়াছিন (৪). মো. রফিক (২৮). আমিনা বেগম (২৪). নূর কালিমা (৫). মো. শফিক (৩) ও মো. রশিদ (২)। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এ এম শাহজাহান কবির প্রথম আলোকে বলেন. আটক ওই রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন. তাঁরা কসবার পুটিয়া-শ্যামপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। তাঁদের বাড়ি মিয়ানমারের আকিয়াব ও বুচিডং এলাকায়।,1573090 2019-01-03,প্রখ্যাত সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত চলে গেলেন,,প্রতিনিধি. কলকাতা,,https://www.prothomalo.com/international/article/1573089/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8,international,online,2,ভারত|সাহিত্য|লেখক,প্রখ্যাত সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত আর নেই। আজ বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি প্রয়াত হন। গতকাল বুধবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।১৯৩৯ সালের ৫ মার্চ বিহারের ভাগলপুরে দিব্যেন্দু পালিতের জন্ম। স্কুল-কলেজের পাঠ সেখানেই।বাবার মৃত্যুর পর ভাগলপুর থেকে স্নাতক পাস করে জীবন ও জীবিকার সন্ধানে চলে আসেন কলকাতায়। বাঁচার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। না খেয়ে শিয়ালদহ স্টেশনে রাতও কাটিয়েছেন। কিন্তু লেখালেখি ছাড়েননি। কলকাতায় এসে তিনি তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে ১৯৬১ সালে এমএ পাস করেন। কর্মজীবনও শুরু হয় এই ১৯৬১ সাল থেকে।দিব্যেন্দু পালিত প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন কলকাতার ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় সহসম্পাদক হিসেবে। পরবর্তী সময় তিনি যোগ দেন বিজ্ঞাপন সংস্থায়। কাজ করেন ক্লারিয়ন ম্যাকান অ্যাডভারটাইজিং সংস্থাসহ আনন্দবাজার ও স্টেটসম্যানে। পরে তিনি কাজ করেন আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে।ভাগলপুর কলেজে পড়াশোনার সময় থেকে দিব্যেন্দু পালিত লেখালেখি শুরু করেন। তাঁর প্রথম গল্প ‘ছন্দপতন’ প্রকাশিত হয় আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয় ক্রোড়পত্রে ১৯৫৫ সালের ৩০ জানুয়ারি। দিব্যেন্দু পালিতের তখন বয়স ছিল ১৬ বছর। ১৯৫৬ সালে দেশ পত্রিকায় ছাপা হয় গল্প ‘নিয়ম’। ২০ বছর বয়সে প্রথম উপন্যাস ‘সিন্ধু বারোয়াঁ’ প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে। একজন ঔপন্যাসিক. ছোটগল্পকার. কবি. প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন দিব্যেন্দু পালিত। পাশাপাশি তিনি হয়ে ওঠেন একজন সাংবাদিকও। দিব্যেন্দু পালিতের লেখা গল্প-উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘ঘরবাড়ি’. ‘সোনালী জীবন’. ‘ঢেউ’. ‘সহযোদ্ধা’. ‘আমরা’. ‘অনুভব’. ‘জেটল্যাগ’. ‘গাভাসকার’. ‘হিন্দু’. ‘জাতীয় পতাকা’. ‘ত্রাতা’. ‘ব্রাজিল’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ১৯৮৪ সালে তিনি পেয়েছিলেন আনন্দ পুরস্কার। এ ছাড়া পেয়েছেন সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার. বঙ্কিম পুরস্কারসহ আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মান। তাঁর লেখা ইংরেজিসহ ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর লেখা নিয়ে চলচ্চিত্র হয়েছে। হয়েছে রেডিও. টেলিভিশনে নাটকও ।,1573089 2019-01-03,মৃণাল সেন: সিনেমার মহান কারিগর,,রিয়াজ মাহমুদ. টরন্টো (কানাডা) থেকে,,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573088/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A6%B0,durporobash,online,2,,একটা পরিপূর্ণ জীবন তিনি অতিবাহিত করে চলে গেলেন। তিনি মৃণাল সেন। সিনেমার অবিসংবাদিত কারিগর। বয়স হয়েছিল পঁচানব্বই। প্রায় শত বছরের জীবন। কত দীর্ঘ পরিভ্রমণ শেষে কত যুগ যুগান্তের অভিজ্ঞতাময় একজন মানুষ ইতিহাস হলেন। ফরিদপুর থেকে কলকাতায় গিয়েছিলেন উনিশ শ চল্লিশের দিকে। তারপর প্রেমে পড়লেন কলকাতার। নিজেকে কখনো রিফিউজি ভাবতেন না। শহর কলকাতা তাঁকে নিবিড় করে নিয়েছিল। তিনিও কলকাতাকে ভালোবাসলেন। মানুষকে জানতে ও বুঝতে সেই নতুন শহরে মার্কসবাদী রাজনীতি. সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে জড়ালেন নিজেকে। বহুজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হলো। সলিল চৌধুরী. সত্যজিৎ রায়. ঋত্বিক ঘটক. তাপস সেন. উৎপল দত্ত ও বংশী চন্দ্রগুপ্ত তাঁর বন্ধু হলেন। আড্ডার ও শিল্পের সহযোগী হলেন। নস্টালজিয়া কখনো তাঁকে তাড়িত করেনি। সেই যে. বাংলাদেশের ফরিদপুর ছেড়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন. তারপর প্রায় পঞ্চাশ বছর পর ফরিদপুর গিয়েছিলেন সস্ত্রীক। সবকিছুই প্রায় ভুলে গিয়েছিলেন ফরিদপুরের। কিন্তু যখন ফরিদপুরের পথে গোয়ালন্দ রুটে অগ্রসর হচ্ছিলেন এক এক করে স্মৃতির জানালার দুয়ার সব খুলে যাচ্ছিল। পথে যেতে যেতে দুই পাশের জল. জনপদ আর মানুষ সব যেন চেনা অতীত হয়ে বুকের মধ্যে আছড়ে পড়ছিল। পাঁচ বছর বয়সী সেই যে. ছোট বোনটি পানিতে ডুবে মারা গিয়েছিল। প্রায় পঞ্চাশ বছর পর তার সমাধিচিহ্নের কাছে এসে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলেন না। পুরোপুরি ভেঙে পড়লেন। ছেলে কুনাল সেনের কাছে বলে চলেন সেই স্মৃতিকথা। সিনেমা তিনি করবেন এ রকম ভাবেননি। বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে পদার্থবিদ্যা. রসায়ন আর অঙ্ক এসব নিয়েই কাটিয়ে দিতে পারতেন জীবনের বাকি দিনগুলো। সেই তিনিই সিনেমায় মহিরুহ হলেন। ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরিতে সিনেমা বিষয়ে বইপত্র পড়তে পড়তে ঢুকে পড়লেন সিনেমায়। যেমন ভ্লাদিমির নিলসেনের দ্য সিনেমা এজ আ গ্রাফিক আর্ট বইটি তাঁকে যেমন সিনেমার টেকনিক্যাল দিকগুলো জানতে সাহায্য করেছিল. তেমনি ছোটবেলায় দেখা চার্লি চ্যাপলিনের দ্য কিড সিনেমাটি তাঁকে সিনেমার প্রতি প্রবল আগ্রহী করে তুলেছিল। যে মহান শিল্পী চার্লি চ্যাপলিনের সিনেমা তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল ছোটবেলায় জীবনের পরিক্রমায়. সেই মহান চ্যাপলিনের সঙ্গেই ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে মৃণাল সেন উৎসব মঞ্চ শেয়ার করেছিলেন। মৃণালের নিজের ভাষায়. ‘সবাই যখন চ্যাপলিনকে দাঁড়িয়ে করতালিতে শ্রদ্ধা জানাচ্ছিল. আমারও সৌভাগ্য হয়েছিল সেখানে থাকবার। আমি চাইছিলাম এগিয়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরে বলি আপনার সিনেমা আমি ভালোবাসি। আপনার সিনেমা দেখে দেখে আমি সমৃদ্ধ করছি নিজেকে।’ কাকদ্বীপে গিয়ে ভেবেছিলেন শুটিং করবেন প্রথম সিনেমার। যে জন্য লিখেছিলেন প্রথমবারের মতো চিত্রনাট্য। সলিল চৌধুরী করবেন সংগীত। ঋত্বিক ঘটক করবেন পরিচালনা। হৃষীকেশ মুখার্জি ও তাপস সেনও ছিলেন দলে। কিন্তু কাকদ্বীপে আর যাওয়া হলো না। সকল পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছিল পুলিশের নজরদারিতে। পুলিশের তল্লাশি হবে জানতে পেরে চিত্রনাট্য ছিঁড়ে হাওয়ায় মিলিয়ে দেওয়ার পর উপলব্ধি করেছিলেন. ওই সিনেমা না হয়ে বরং ভালো হয়েছে। নিজের লেখা প্রথম চিত্রনাট্য কেমন যেন মনে ধরছিল না। বলছিলেন জীবনের গল্প। নিজের কথা। রিলিজিয়নের সংস্কার কখনো স্পর্শ করেনি তাঁকে। পুজো পার্বণ. পাপ পুণ্যের হিসাব করে জীবনকে নিরানন্দ করেননি। দেশভাগের প্রভাবেও প্রভাবিত হয়ে মলিন থাকেননি। বরং মানুষের দিকে তাকিয়ে দেখেছেন। কোথায় কেমন করে পৃথিবীর মানুষ ক্ষুধা. দারিদ্র্যয় ধুঁকছে অমানবিকতার কাছে. অপরিসীম বঞ্চনার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। এ রকম বৈশ্বিক প্রেক্ষিত থেকে মানুষের জীবনের সংকটকে অনুভব করতে করতে অগ্রসর হলেন এক বিন্দুর দিকে। সেই বিন্দুটির নাম সিনেমা। সৃষ্টির শুরুতেই নিজের কাজকে বিচার করে সিদ্ধান্ত নিলেন সিনেমা তৈরি করা তাঁর কাজ নয়। তারপর আবার করলেন আবার মুখ ফেরালেন। এই যে ঘটনাবহুল অধ্যায় সেটিই মৃণাল সেনের সিনেমার পথ পরিক্রমার সফল সূচনা। রাতভোর থেকে আমার ভুবন পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছেন মাইলের পর মাইল পথ। সে পথে কুড়িয়ে নিয়েছেন কত কত নতুন নতুন মুখ। পাদপ্রদীপের শিখায় ঝলমল করা সেসব মুখ আজ আর কারও অচেনা নয়। যেমন ভুবন সোম সিনেমায় ভয়েস ওভার আর্টিস্ট সেই ছেলেটির কথা। খুঁজে বের করেছিলেন সেই নতুনকে যে আজ অমিতাভ বচ্চন। ভুবন সোমের ভয়েস রেকর্ডিং করে মৃণাল সেন তাঁকে যখন তিন শ টাকা দিয়েছিলেন. আনন্দে উদ্ভাসিত অমিতাভ বলেছিলেন. ‘দাদা. এ আমার সিনেমা থেকে প্রথম উপার্জন’। মৃগয়া সিনেমায় সাঁওতাল যুবকের জন্য কে কে মহাজনকে লিখেছিলেন একটি যুবকের বিবরণ দিয়ে একটি চিঠি। বিবরণে জানা যায়. পুনায় এক ছাত্র রয়েছে যার দৈহিক গড়ন অনেকটা সেই সাঁওতাল যুবকের মতো। সেই ছাত্রের নামের প্রথম অক্ষর ম। কে কে মহাজন অনুমান করলেন। খুঁজে পেলেন সেই তাকে। মৃগয়া সিনেমায় সেই ছেলেটি অভিনয় করলেন। জীবনের প্রথম সিনেমা করলেন বিখ্যাত পরিচালক মৃণাল সেনের সঙ্গে। তার ওপর সে বছরেই ভূষিত হলেন ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডে। মিঠুন চক্রবর্তী বলছিলেন তাঁর ক্যারিয়ার শুরুর সেই কথা। বলছিলেন মৃণাল দার মধ্যে তিনি নিজের অস্তিত্বকে খুঁজে পান। তেমন করে অভিনয়ের জন্য নিয়েছিলেন প্রায় অচেনা রঞ্জিত মল্লিক. অঞ্জন দত্ত কিংবা সুহাসিনী মুলে. নন্দিতা দাস. কৌশিক সেন এঁদেরকে। আজকে তাদের সকলেই বিখ্যাত সেলিব্রেটি। এর পাশাপাশি ভারতীয় সিনেমা জগতের বিখ্যাত অভিনেতা অভিনেত্রীদের অনেকেই যেমন নাসিরউদ্দিন শাহ. ওম পুরী. শাবানা আজমি. পঙ্কজ কাপুর. আন্নু কাপুর. সিমি গাড়োয়াল. ডিম্পল কাপাডিয়া. মমতা শংকর. মাধবী মুখোপাধ্যায়. অপর্ণা সেন. সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়. উৎপল দত্ত. ধৃতিমান চ্যাটার্জি এঁদের নিয়েও কাজ করেছেন। কাজ করেছেন ভারতীয় গণনাট্য সংস্থার থিয়েটার শিল্পীদের নিয়েও। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন অরুণ মুখোপাধ্যায়. বিভাস চক্রবর্তী. বিজন ভট্টাচার্য ও জ্ঞানেশ মুখার্জির মতো অভিনয় শিল্পীরা। মৃণাল সেন সিনেমার। সিনেমা মৃণাল সেনের। মৃণাল সেনের বহু সিনেমার অভিনয়শিল্পী স্ত্রী গীতা সেন। গীতা সেন ছায়ার মতো আগলে রেখেছিলেন তাঁকে আজীবন। গীতা সেনের নিজের কথায়. ‘ছবির মধ্যে যখন ডুবে থাকেন সে সময় মৃণাল সেন অসম্ভব স্বার্থপর ও সংসারের প্রতি ভীষণ উদাসীন এবং সেটা আমি মেনে নেই কারণ আমি বুঝি তাঁর সেই ভেতরের মানুষটিকে যেখানে তিনি ধ্যানী একজন শিল্পী’। সিনেমার নন্দনতত্ত্বকে জেনে বুঝে তারপর সিনেমা করতে শুরু করেছিলেন মৃণাল সেন। সে সময়টায় তাঁর সিনেমা বিষয়ে শিক্ষার পদ্ধতিটিই ছিল সিনেমা দেখা ও বই পড়া। সিনেমার বই. সাহিত্যের বই. দর্শনের বই. হাতের কাছে যখন যা পেতেন সেসব বই। এভাবে পড়তে পড়তে সিনেমা। দেখতে দেখতে সিনেমা। বানাতে বানাতে সিনেমা। নিজের কাজকে দেখে দেখে ভুল বের করে সংশোধন করতেন নিজেকে। যাতে পরের সিনেমা আরও নিখুঁত হয়। তিনি নিজেই জানালেন সে কথা এভাবে. ‘আমি যদি আমার সিনেমাগুলো আবার বানাতে পারতাম তবে হয়তো আরও নিখুঁত করে বানাতে পারতাম।’ এমনি পরিশীলিত সিনেমামনস্ক ছিলেন বলেই সৃষ্টি করেছেন তাঁর কালজয়ী সিনেমা ভুবন। ভুবন সোম. বাইশে শ্রাবণ. একদিন প্রতিদিন. আকালের সন্ধানে. খারিজ. কলকাতা ’৭১. ইন্টারভিউ. পদাতিক. তেলেগু ভাষায় ওকা উরি কথা. হিন্দি ভাষায় খণ্ডহর. একদিন আচানক. কিংবা জেনেসিস যেন একেকটি মাস্টারপিস। সময়ের পরিক্রমায় মৃণাল সেনের সিনেমা আন্তর্জাতিক হয়ে উঠেছে। তিনি একজন মানবতাবাদী চলচ্চিত্রকার ও প্রথার বিপরীতে নতুন ধারার সিনেমার নির্মাতা। বৈশ্বিক সিনেমার পরিমণ্ডলে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কারিগর। নান্দনিক শিল্প ও শিল্পী হয়েই চিরকাল বেঁচে থাকবেন মৃণাল সেন। বেঁচে থাকবে তাঁর সিনেমা। (২ জানুয়ারি. ২০১৮),1573088 2019-01-03,নতুন মন্ত্রিসভার শপথ সোমবার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573087/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,online,2,সরকার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট,নতুন মন্ত্রিসভার শপথ আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিকেল সাড়ে তিনটায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করবেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে প্রধানমন্ত্রী. এরপর মন্ত্রী. প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা শপথ নেবেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নতুন মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন।মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম আজ বৃহস্পতিবার শপথের সময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫ টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। পরে সাংসদেরা শপথের কাগজে সই করেন। আওয়ামী লীগের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাসদ. ওয়ার্কার্স পার্টি. তরিকত ফেডারেশন. জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্যরা শপথ নেন। এরপর জাতীয় পার্টির সদস্যরা শপথ নেন। জাতীয় সংসদে যোগ দিচ্ছে না বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।,1573087 2019-01-03,বেসামরিক বিমানের প্রকৌশলীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573085/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A6%9B%E0%A7%9F%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE,bangladesh,online,2,দুদক|অপরাধ|আইন ও বিচার,বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আগামী সপ্তাহে এ মামলা করবে। আজ বৃহস্পতিবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এ মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান. আগামী সপ্তাহে সংস্থার চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম এ মামলা করবেন। দুদক সূত্র জানায়. অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা. জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজেরা লাভবান হয়ে অন্যকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী জেনারেটর সরবরাহ করেননি। উপরন্তু ৬০ লাখ ৫০ হাজার টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ছয়টি ধারায় অভিযোগ এনে মামলার অনুমোদন দিয়েছে কমিশনের সভা। মামলায় যাঁদের আসামি করা হচ্ছে তাঁরা হলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পিঅ্যান্ডডি/কিউএস সার্কেল. কুর্মিটোলা) মো. শহীদুল আফরোজ. নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাঁদ দে. কক্সবাজার বিমানবন্দরের সাবেক ব্যবস্থাপক (বর্তমানে রাডার অ্যাপ্রোচ কন্ট্রোলার. শাহ আমানত বিমানবন্দর) মো. হাসান জহির. কক্সবাজার বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী (বর্তমানে খান জাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পে কর্মরত) শহীদুল ইসলাম মণ্ডল. সাবেক সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) ভবেশ চন্দ্র সরকার এবং মেসার্স ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্সের মো. শাহাবুদ্দিন।,1573085 2019-01-03,দেশে ফিরল চার শিশু-কিশোর,,প্রতিনিধি. বিরামপুর. দিনাজপুর,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573084/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B2-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,online,2,অপরাধ|ভারত|বাংলাদেশ|শিশু|কিশোর,ভারতের শিশু শোধনাগারে বিভিন্ন মেয়াদে আটক থাকার পর দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে চার শিশু-কিশোর। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ শিশু-কিশোরদের বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশ শিশু-কিশোরদের তাদের অভিভাবকদের কাছে বুঝিয়ে দেয়। দেশে ফেরত আসা শিশু-কিশোরেরা হলো জামালপুরের উদনাপাড়ার মেহেদি হাসান. কক্সবাজারের চকরিয়ার রবিউল আলম. জয়পুরহাট সদরের জহন মার্ডি এবং কুমিল্লার লাকসামের জাফর ইকবাল। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সবুর বলেন. এই শিশু-কিশোরেরা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধপথে ভারতে প্রবেশের সময় সে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়। পরে আদালত তাদের ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট শিশু শোধনাগারে রাখার নির্দেশ দেন। সেখানে তারা ১৪ থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত ছিল। পরে ভারত-বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ে চিঠি আদান-প্রদানের পর শিশু-কিশোরদের ফেরত পাঠানো হয়।,1573084 2019-01-03,‘সিনিয়র’দের অধিনায়ক হয়ে কেমন লাগছে মিরাজের,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৬,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573082/%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%B0%E2%80%99%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0,sports,online,2,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|মেহেদী হাসান মিরাজ|রাজশাহী কিংস,আজ আনুষ্ঠানিকভাবে মেহেদী হাসান মিরাজকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে রাজশাহী কিংস। তাঁর ডেপুটি সৌম্য সরকার। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা থাকলেও সিনিয়রদের অধিনায়ক হচ্ছেন এই প্রথম। মেহেদী হাসান মিরাজ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন টানা চার বছর। ২০১৬ যুব বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্বে তৃতীয় হয় বাংলাদেশ। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে এখনো পর্যন্ত এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য। বয়সভিত্তিক ক্রিকেট পেরিয়ে মিরাজ জাতীয় দলে পা রেখে দ্রুত নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে। তবু আজ নতুন এক পর্ব শুরু হলো তাঁর। বিপিএলে রাজশাহী কিংস তাদের অধিনায়ক হিসেবে আজ ঘোষণা করেছে মিরাজের নাম। প্রথমবারের মতো কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি দল তো বটেই. বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের বাইরে প্রথম অধিনায়ক হওয়ার অভিজ্ঞতাও হলো তাঁর। দলে তরুণ খেলোয়াড়ের তুলনায় স্থানীয়-বিদেশি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেশি। সিনিয়রদের অধিনায়ক হয়ে মিরাজের চোখেমুখে যে আনন্দের ছটা. সেটিই দেখা গেল শীতের এ পড়ন্ত বিকেলে। রাজধানীর হাতিরঝিলে রাজশাহীর জার্সি উন্মোচন ও অধিনায়ক ঘোষণার অনুষ্ঠান শেষে ২১ বছর বয়সী অলরাউন্ডার বললেন. ‘এটি আমার জন্য অনেক বড় একটি সুযোগ। এত বড় টুর্নামেন্টে আমার এর আগে কখনো অধিনায়কত্ব করা হয়নি। আপনারা জানেন যে আমি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে অধিনায়কত্ব করেছি অনেক দিন। সেখানে নির্দিষ্ট বয়সের খেলোয়াড় ছিল। এখানে কিন্তু অনেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার থাকে। বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটার থাকে. স্থানীয় ক্রিকেটার থাকে । আমার জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ এটি। চেষ্টা করব শতভাগ দিতে। আগের যে অভিজ্ঞতা আছে. অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে. সেটি কাজে লাগবে আশা করি।' স্থানীয় খেলোয়াড়েরা তো আছেনই। মিরাজকে সামলাতে হবে বিদেশি খেলোয়াড়দেরও। তবে কাজটা মোটেও কঠিন মনে হচ্ছে না তাঁর. ‘কাজটা সহজ হয়ে যাবে। আপনারা জানেন যে কোচ আছে. (ল্যান্স) ক্লুজনার। তিনি দুর্দান্ত একজন ক্রিকেটার ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা দলে। এখন অনেক ভালো কোচ। আর আমাদের যে সিনিয়র ক্রিকেটাররা আছে. টিম ম্যানেজমেন্টে যারা আছেন. তাঁরা অনেক অভিজ্ঞ। এটি আমার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। তাঁরা আমাকে সাহায্য করবে। শুধু আমি একাই সিদ্ধান্ত নেব তা নয়। সকলের সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত হবে। আমরা হয়তো এক সিদ্ধান্তে থাকতে পার। সবার একটি সিদ্ধান্ত নিয়েই কাজ করা হবে. শুধু আমার সিদ্ধান্ত কিংবা কোচের সিদ্ধান্তে হবে না। সবার সিদ্ধান্তকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে আমার মনে হয়।’ ২০১৬ বিপিএলে ফাইনাল খেলেছে রাজশাহী। গত বিপিএলে অবশ্য শেষ চারেই উঠতে পারেনি দলটি। অধিনায়ক মিরাজ তাই এখনই দূরের স্বপ্ন দেখছেন না। আপাতত তাঁর লক্ষ্য. সেরা চার নিশ্চিত করা. ‘অবশ্যই সবার স্বপ্ন থাকে ফাইনাল খেলার। আমাদের আপাতত লক্ষ্য পরের পর্বে যাওয়া (শেষ চারে ওঠা)। যদি যেতে পারি আশা করি ফাইনাল খেলতে পারব।’ রাজশাহী কিংস:মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক). সৌম্য সরকার (সহ অধিনায়ক). মুমিনুল হক. মোস্তাফিজুর রহমান. শাহরিয়ার নাফীস. কামরুল ইসলাম. ফজলে রাব্বি. জাকির হাসান. আরাফাত সানি. আলাউদ্দিন বাবু. মার্শাল আইয়ুব. ক্রিস্টিয়ান জঙ্কার. ইসুরু উদানা. লরি ইভান্স. রায়ান টেন ডেসকাট. শেকুগে প্রসন্ন. মোহাম্মদ সামি ও কায়েস আহমেদ।,1573082 2019-01-03,মর্মান্তিক!,,প্রতিনিধি. সখীপুর. টাঙ্গাইল,৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573083/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%87%E0%A6%9A-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0,bangladesh,online,2,দুর্ঘটনা|শিশু|টাঙ্গাইল,টেলিভিশন দেখার জন্য বিদ্যুতের সুইচ চাপতে গিয়েছিল শিশুটি। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলের বাসাইলে পূর্ব নয়াপাড়ায়। মারা যাওয়া শিশুটির নাম জিহাদ হাসান (৭)। সে ওই এলাকার মহর আলীর ছেলে ও বাসাইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে পড়ত। জিহাদের চাচা কুরবান আলী বলেন. সকাল সাড়ে নয়টার দিকে টেলিভিশন দেখতে বিদ্যুতের সুইচ চাপতে গিয়ে জিহাদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বাসাইল পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহানুর রহমান বলেন. জিহাদ ১ জানুয়ারি বই উৎসবে যোগ দেয়। ওই দিনই সে বাসাইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে (শিশু শ্রেণি) ভর্তি হয়ে নতুন বই নিয়ে বাড়ি ফিরে। গতকাল বুধবারও সে নতুন বই নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়েছিল। আজ এমন দুর্ঘটনা—মর্মান্তিক!,1573083 2019-01-03,বিকল্পধারা শেখ হাসিনার পাশে থাকবে: বি চৌধুরী,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573081/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80,bangladesh,online,2,নির্বাচন|শেখ হাসিনা|রাজনীতি|বি. চৌধুরী|বিকল্পধারা|একাদশ সংসদ নির্বাচন,বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী টানা তৃতীয়বারের মতো মহাবিজয়ের রেকর্ড সৃষ্টির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বিকল্পধারার নব নির্বাচিত সাংসদ এবং দলের মহাসচিব আবদুল মান্নান ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি. চৌধুরীকেও অভিনন্দন জানান। বি চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তার বারিধারার বাসভবনে বিকল্পধারার বিশেষ যৌথসভায় এ অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন. একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট প্রার্থীরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিপুল বিজয় অর্জন করেছেন। এ কৃতিত্ব শেখ হাসিনার। তিনি পরপর তৃতীয়বারের মতো একটি মহাবিজয়ের রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন. বিকল্পধারা বাংলাদেশ আশা করে. শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের বিস্ময়করধারা বাংলাদেশকে পৃথিবীর অগ্রগামী দেশগুলোর কাতারে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে। উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনার অব্যাহত অবদান তাঁকে স্মরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করবে। এই লক্ষ্য অর্জনে বিকল্পধারা বাংলাদেশ সব সময় শেখ হাসিনার পাশে থাকবে। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া সভায় বিকল্পধারার ইশতেহারে ঘোষিত প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইন সভার প্রস্তাবসহ অন্যান্য প্রস্তাব বাস্তবায়নে দেশব্যাপী প্রচারণা এবং বিকল্পধারার সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার জন্য সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে বিকল্পধারার নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান ও মাহী বি. বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান দলের নেতা-কর্মীরা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান. প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি চৌধুরী. সমশের মবিন চৌধুরী. প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুক্তফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন. প্রেসিডিয়াম সদস্য মজহারুল হক শাহ চৌধুরী. আবদুর রউফ মান্নান. মুহম্মদ ইউসুফ. ও আনোয়ারা বেগম. বিকল্পধারার কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব আলী. মুনিরুল ইসলাম. ওবায়েদুর রহমান মৃধা. শ্রিপা রহিম. যুবধারার সভাপতি আসাদুজ্জামান বাচ্চু. ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান ঝান্টু. মহিলা নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।,1573081 2019-01-03,উদীচী ফ্রান্সের সম্মেলন ও কার্যকরী কমিটি,,অনুপম বড়ুয়া. প্যারিস (ফ্রান্স) থেকে,১,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573086/%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%9A%E0%A7%80-%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF,durporobash,online,2,,বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ফ্রান্স সংসদের সপ্তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। দুই বছরের (২০১৯-২০) জন্য কিরণময় মণ্ডলকে সভাপতি ও সাখাওয়াত হোসেন হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ২১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন শম্পা বড়ুয়া। গত ৩০ ডিসেম্বর রোববার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংগীতের সঙ্গে দুই দেশের জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়। পতাকা উত্তোলন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মূকাভিনয় শিল্পী পার্থ প্রতিম মজুমদার. উবারভিলিয়ে শহরের প্রথম সহকারী মেয়র অন্তনী দাগে ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল মালিক। স্বাগত বক্তব্য দেন সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের চেয়ারম্যান সাগর বড়ুয়া। প্রথম পর্বে বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহাম্মেদ আলীর সঞ্চালনা ও সভাপতি কিরণময় মণ্ডলের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি আজিজুল মালিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জীবন বিশ্বাস. ফ্রান্সপ্রবাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা আমিরুল আরহাম. ডা. উত্তম বড়ুয়া ও সমাজকর্মী হাসনাত জাহান। দ্বিতীয় পর্বে সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন হাওলাদারের সঞ্চালনায় সাংগঠনিক অধিবেশনের শুরুতে সাধারণ সম্পাদক বিষয় নির্বাচনী কমিটি প্রস্তাব আকারে সকলের সামনে তুলে ধরেন। এরপর সাধারণ সম্পাদক শোক প্রস্তাব পাঠ করেন। শোক প্রস্তাবের পর বিগত দুই বছরের কার্যক্রম পাঠ করে শোনানো হয়। অর্থনৈতিক রিপোর্ট পেশ করেন কোষাধ্যক্ষের পক্ষে সাখাওয়াত হোসেন হাওলাদার। এরপর শুরু হয় নির্বাচনী কমিটির সভা। এ কমিটি পরবর্তী দুই বছরের জন্য ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী পরিষদের নাম প্রস্তাব আকারে তুলে ধরার পর সর্বসম্মতিক্রমে ২১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়। এ সময় আজিজুল মালিক. জীবন বিশ্বাস. আমিরুল আরহাম ও ডা. উত্তম বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন। নবনির্বাচিতদের শপথ পাঠ করান আজিজুল মালিক। তৃতীয় ও শেষ পর্বে সম্মেলনে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদীচী যুক্তরাষ্ট্র সংসদের কোষাধ্যক্ষ সাবিনা হাই উর্বি এবং বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ফ্রান্স শাখা. অক্ষর. চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ফ্রান্স শাখা. তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফ্রান্স শাখার প্রতিনিধিরা। এ পর্বে উদীচী ফ্রান্স সংসদ পরিচালিত বাংলা ভাষা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কিশোর কিশোরী ও ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের সঙ্গে নিয়ে উদীচী শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। এ ছাড়া. সংগীত পরিবেশন করেন জীবন বিশ্বাস। নৃত্য পরিবেশন করেন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলা স্কুলের নৃত্য প্রশিক্ষক ও উদীচী কর্মী উদিতা তন্বী।,1573086 2019-01-03,মোদির সভায় কালো পোশাক নয়,,প্রতিনিধি. কলকাতা,,https://www.prothomalo.com/international/article/1573080/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A7%9F,international,online,2,নরেন্দ্র মোদি|ভারত|বিজেপি,আগামী শনিবার ভারতের বিজেপি শাসিত রাজ্য ঝাড়খন্ডে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি রাজ্যের পালামৌতে বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় যোগ দেবেন। এই জনসভায় যাঁরাই আসবেন. তাঁরা কোনো কালো পোশাক পরে আসতে পারবেন না। এ নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। ঝাড়খন্ড সরকার নির্দেশ দিয়েছে. মোদির জনসভায় যোগ দিতে হলে কালো রঙের পোশাক. বিশেষ করে শাল. ট্রাউজার. শার্ট. কোট. সোয়েটার. মাফলার. টুপি. মোজা. টাই. ব্যাগ ও জুতা পরে আসা যাবে না। তবে শেষ মুহূর্তে ঝাড়খন্ড সরকার ছাড় দিয়েছে কালো রঙের জুতোকে। তবে সবাইকে সচিত্র বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে ঢুকতে হবে এই জনসভাস্থলে। ঝাড়খন্ড সরকার মোদির এই জনসভায় রাজ্যে চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োজিত ৮০ হাজার প্যারা টিচার যাতে কোনো বিক্ষোভ দেখাতে না পারেন. সে জন্য এই নির্দেশ জারি করেছে। পালামৌ জেলার পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ মাহাত বলেছেন. ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির জনসভায় যোগ দিতে ইচ্ছুক ঝাড়খন্ডবাসী কালো পোশাক পরে আসতে পারবেন না। ওই দিন প্যারা টিচাররা এই জনসভায় যোগ দিয়ে যাতে কোনো বিক্ষোভ বা কালো পতাকা দেখাতে না পারেন. তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। গত মাসে ঝাড়খন্ডের রাজধানী রাঁচিতে মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের এক অনুষ্ঠানে প্যারা টিচাররা যোগ দিয়ে কালো পতাকা উঁচিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। দাবি তুলেছিলেন অন্য সরকারি শিক্ষকদের মতো তাঁদেরও বেতনসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার। এই কারণেই রাজ্য সরকারের নির্দেশে পুলিশ সুপার এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।,1573080 2019-01-03,খোলা আকাশের নিচে শিশুদের খেলাধুলার ব্যতিক্রমী আয়োজন,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/economy/article/1573079/%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A7%80,economy,online,2,অর্থনীতি|প্রতিষ্ঠানের খবর,বর্তমানে রাজধানীর শিশুরা মোবাইল গেমস যতটা খেলে. ক্রিকেট-ফুটবল ততটা নয়। এক কথায় দৌড়ানো. সাইকেল চালানো ও ক্রিকেট-ফুটবল খেলার মতো সুষ্ঠু পরিবেশই তারা পাচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে গত এক বছর ধরে ব্যতিক্রমী একটি কর্মসূচি পালন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। গত মাস থেকে এর সঙ্গে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্র্যান্ড সার্ফ এক্সেল। সার্ফ এক্সেলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে. সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহযোগিতায় ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সড়কের প্রায় ২০০ মিটার অংশে প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই তিন ঘণ্টা সময় শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এখানে নিজের মতো খেলাধুলা. শরীরচর্চা. ব্যায়াম. সাইকেল চালানো. আড্ডাসহ নানারকম সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেন। এখানে আসার জন্য কোনো ধরনের নিবন্ধন বা টিকিট কাটতে হয় না। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে. আগামীকাল ৪ জানুয়ারি বরাবরের মতোই এই কর্মসূচির ১৪তম আসর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে। ওই দিন স্বাভাবিক কর্মসূচির সঙ্গে ইউনিলিভারের ব্র্যান্ড সার্ফ এক্সেলের পক্ষ থেকে শিশু-কিশোরদের জন্য বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন থাকবে। এ আয়োজন সম্পর্কে ইউনিলিভার বাংলাদেশের মার্কেটিং ডিরেক্টর তানজিন ফেরদৌস আলম বলেন. খেলাধুলা শিশুদের অন্যতম প্রধান অধিকার। এই বিশ্বাস থেকে সার্ফ এক্সেল মনে করে. প্রতিভা বিকাশে শিশুদের এই অধিকার রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ খেলার মাধ্যমেই শিশুরা অনেক কিছু শেখে। আর এভাবে শিখতে গেলে কাপড়ে কঠিন দাগ লাগতেই পারে। সেই দাগ দূর করে শিশুদের আবার তাদের জগতে ফিরে যেতে সাহায্য করে সার্ফ এক্সেল। ডিটিসিএ-এর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান বলেন. ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর ২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস পালন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের এই দিবস পালনের অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের সড়ক মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ মাসে অন্তত একটি দিন গাড়িমুক্ত রাখার ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ওই বছরের নভেম্বরে প্রথম এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার এ কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়. এ কর্মসূচিতে গড়ে প্রায় পাঁচ শ লোক সমবেত হচ্ছেন। শিশু-কিশোর. নারী-পুরুষ. প্রবীণ. প্রতিবন্ধী নির্বিশেষে সব ধরনের মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। বাংলাদেশে নতুন হলেও বিশ্বের অনেক দেশেই এমন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলছে।,1573079 2019-01-03,‘আমার কিছু বলার নেই’,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573078/%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE,bangladesh,online,2,খালেদা জিয়া|আইন ও বিচার|রাজনীতি|দুর্নীতি,বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে করে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয় আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ১২ মিনিটে। তাঁর পরনে ছিল গোলাপি রঙের শাড়ি। খালেদা জিয়া আসার তিন মিনিট পর ১২ টা ১৫ মিনিট বিচারক এজলাসে আসেন। এরপর শুরু হয় নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারিক কার্যক্রম। এজলাস কক্ষে পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতি বেশি দেখে ক্ষুব্ধ হন খালেদা জিয়া। আদালতকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন. ‘আদালতে এত পুলিশ কেন?’।খালেদা জিয়া বলেন. ‘লইয়ারদের তো বসতে দিতে হবে।’ তখন দুদকের পিপি মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন. ‘আদালত কক্ষে চেয়ার আছে’তখন খালেদা জিয়া কাজলকে উদ্দেশ্য করে বলেন. ‘কোথায় আছে চেয়ার।’ ডায়াসে দাঁড়ানো মামলার আসামি মওদুদ আদালতকে উদ্দেশ্য করে বলেন. ‘এভাবে কী ফেয়ার ট্রায়াল হতে পারে?’তখন খালেদা জিয়া আদালতকে উদ্দেশ্য করে বলেন. ‘এ রকম জায়গায় কোনো মামলা চলতে পারে না। আমি আর আসব না।’ এরপর ক্ষুব্ধকণ্ঠে খালেদা জিয়া আবারও বলেন. ‘আমি আর এই কোর্টে আসতে পারব না। আমাদের লোকদের আসতে দেওয়া হয় না। ’ কাজল তখন খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন. এটা উন্মুক্ত আদালত। এখানে সবাই আসতে পারেন। কাউকে বাধা দেওয়া হয় না। খালেদা জিয়া তখন ফের বলেন. ‘সাজা দেওয়ার জন্যই আনছেন। সাজা দিয়েছেন। সাজা দেবেন। এখানে আমি আর আসব না।’খালেদা জিয়ার কথা শেষে মওদুদ তখন আদালতের উদ্দেশ্যে বলেন. ‘ইজ ইট এ্যা পাবলিক ট্রায়াল?’ আইনজীবীদের নাম রেজিস্ট্রি করে এখানে আসতে হয়।’ এরপর মওদুদ ফের বলেন. এটা কী উন্মুক্ত আদালত? মওদুদ তখন বিচারককে জানান. আগের বিচারককে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তখন তিনি জানিয়েছেন. বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন। তখন বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান মওদুদকে উদ্দেশ্য করে বলেন. ‘আমিও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।’ অবশ্য শুনানি চলার সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আদালত কক্ষে আসেন। তিনিও খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানির পরবর্তী তারিখ ১৩ জানুয়ারি ধার্য করে এজলাস ছেড়ে যান বিচারক। এরপর হুইল চেয়ারে বসা খালেদা জিয়ার কাছে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ। খালেদা জিয়া কথা বলতে শুরু করেন মওদুদের সঙ্গে। নিম্ন আদালতে বিচারাধীন নাইকো মামলার বিষয়সহ নানা বিষয়ে খালেদা জিয়া মওদুদের সঙ্গে কথা বলেন। তখন এজলাসে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা খালেদা জিয়াকে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেন।তখন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন. দেখছেন না উনি (খালেদা) কথা বলছেন। খালেদা জিয়া মওদুদের সঙ্গে কথা বলেই চলেন। একপর্যায়ে পুলিশ বাহিনীর এক সদস্য খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার জন্য হুইল চেয়ার টান দেন। তখন খালেদা জিয়া রাগান্বিত হন। নিজের পায়ের দিকে তাকিয়ে পুলিশ সদস্যের উদ্দেশ্যে খালেদা বলেন. ‘আমার পায়ের যদি কিছু হয়….।’কথা বলার একপর্যায়ে খালেদা জিয়া মওদুদকে বলেন. ‘খোকন কোথায় খোকন।’ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন তখন খালেদা জিয়ার সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। খোকন তখন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। খোকন আর খালেদা জিয়ার কথোপকথন চলে প্রায় ৫ মিনিট। খোকনের সঙ্গে কথা বলার পর খালেদা তাঁর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। খালেদা জিয়া সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলীকে বলেন. ‘কাগজপত্র পেয়েছেন কী না?’ মওদুদসহ তিনজনের সঙ্গে কথা বলে চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চান. ‘আপনার কিছু বলার আছে কি না।’ খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের বলেন. ‘আমার কিছু বলার নেই।’ মওদুদ আহমেদ ও মাহবুব উদ্দিন খোকনের কাছে সাংবাদিকেরা জানতে চান. খালেদা জিয়া তাঁদের কী বলেছেন? মওদুদ অবশ্য দাবি করেন. নির্বাচন কিংবা রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। প্রায় একই কথা বলেন খোকনও। অবশ্য শুনানির আগে মওদুদ আহমেদ বিএনপিপন্থী এক আইনজীবীর সঙ্গে নির্বাচনসহ সাম্প্রতিক রাজনীতির নানা বিষয় নিয়ে একান্তে কথা বলেন। খালেদা জিয়া এর আগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বলেছিলেন. তিনি অসুস্থ। তাঁর পক্ষে আদালতে আসা সম্ভব নয়। তিনি ন্যায়বিচারও পাচ্ছেন না। এরপর খালেদা জিয়া আর আদালতে হাজির হননি। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত বছরের অক্টোবর মাসে খালেদা জিয়ার সাত বছরের কারাদণ্ড হয়। আর গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি মাসে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। সেদিন পুরান ঢাকার আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ এই আদালত থেকে পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়। সেই থেকে তিনি এই কারাগারে আছেন। অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৩ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এ চলছে নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারকাজ। মামলাটি অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে রয়েছে। আজ অভিযোগ গঠন বিষয়ে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন মোশাররফ হোসেন কাজল। খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তিনি পড়ে শোনান। আসামি মওদুদ আহমেদ তিনি শুনানি শুরু করেন। নাইকো দুর্নীতির সঙ্গে মওদুদ আহমেদ জড়িত নন সে ব্যাপারে যুক্তি তুলে ধরেন।বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) । ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক। মামলায় অভিযোগ করা হয়. ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।আসামিপক্ষ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলে হাইকোর্ট ওই বছরের ৯ জুলাই এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং রুল দেন। প্রায় সাত বছর পর ২০১৫ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। পরে ওই বছরের ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আমিনুল ইসলাম ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।,1573078 2019-01-03,গত বছর গণধর্ষণের শিকার ১৮২ জন,মহিলা পরিষদের তথ্য,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573076/%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AE%E0%A7%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%A8,bangladesh,online,2,নারী|নারী নির্যাতন|ধর্ষণ|যৌন হয়রানি,বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য বলছে. গত বছর মোট ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ৯৪২টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হন ১৮২ জন নারী ও শিশু। আর ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ৬৩ জনকে। বছরটিতে যৌন নির্যাতনের শিকার হন ১৪৬ জন। যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার ২১২ জনের মধ্যে শুধু এ কারণে হত্যা করা হয় ১০২ জনকে। মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপপরিষদে সংরক্ষিত ১৪টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে গত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী. বছরটিতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন ২৮১ জন। ১৯৩টি বাল্যবিবাহের ঘটনার মধ্যে ৫২টি সম্পন্ন হয় এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয় ১৪১টি। মহিলা পরিষদ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে. বছরটিতে উদ্বেগজনক হারে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মোট ৩ হাজার ৯১৮টি নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ৩০৫ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। মোট ৪৮৮ জন নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়। হত্যার চেষ্টা করা হয় ৩৯ জনকে। গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার ৮৭ জনের মধ্যে হত্যা করা হয় ৫৮ জনকে। বছরটিতে নির্যাতনের কারণে চারজন গৃহকর্মী আত্মহত্যা করেন। উত্ত্যক্তের শিকার ১৭১ জনের মধ্যে ১৪ জন আত্মহত্যা করেন। ৩৭৭ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। গত বছর অন্যান্য নির্যাতনের মধ্যে অ্যাসিড সন্ত্রাসের শিকার হওয়া ১৯ জনের মধ্যে মারা যান ৩ জন। বছরটিতে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ১৪৫টি। পাচারের শিকার হন ৪১ জন নারী ও শিশু। তাঁদের মধ্যে যৌনপল্লিতে বিক্রি করা হয় ১৫ জনকে।,1573076 2019-01-03,পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ,খাসোগি হত্যাকাণ্ড,অনলাইন ডেস্ক,১২,https://www.prothomalo.com/international/article/1573075/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7,international,online,2,আরব বিশ্ব|সৌদি আরব,সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন ১১ জনের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন সৌদি আরবের সরকারি কৌঁসুলি। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী রিয়াদে এ মামলার প্রথম শুনানির দিন আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এ আবেদন জানান রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলি। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। বিয়ের কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে গিয়ে নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল খাসোগি। একসময় সৌদি রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ খাসোগি পরে তাদের কট্টর সমালোচকে পরিণত হন। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত খাসোগি ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক ছিলেন। তুরস্ক শুরু থেকেই এ ঘটনার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করলেও দেশটি প্রথমে তা অস্বীকার করে। ঘটনার দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো সৌদি স্বীকার করে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে নিহত হয়েছেন খাসোগি। তবে আন্তর্জাতিক মহল সৌদির এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে প্রকৃত সত্য জানানোর আহ্বান জানায়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরব স্বীকার করে. খাসোগিকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। সৌদি আরব ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত দল গঠন করে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সৌদি আরবের আলোচিত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের দিকে অভিযোগের তির যায়। তবে সৌদি আরব বারবার এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলে. ঘটনার সঙ্গে যুবরাজের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ধরনের অভিযোগ কেউ করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তুরস্ক দাবি করে. ঘটনার দিন বিশেষ উড়োজাহাজে করে সৌদি থেকে ১৫ সদস্যের দল কনস্যুলেটে গিয়ে খাসোগিকে হত্যার পর ওই দিনই ফিরে যায়। শুধু তা-ই নয়. মরদেহ অ্যাসিডে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ায় ঘটনার এত দিন পরও খাসোগির মরদেহ পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া এ হত্যাকাণ্ডের বহু প্রমাণ তাদের কাছে থাকার দাবিও করে তুরস্ক। তবে আজ অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন. তুরস্কের কাছে থাকা তথ্য-প্রমাণ সৌদিকে দেওয়ার জন্য দুবার আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছে তারা। তবে তুরস্কের পক্ষ থেকে সাড়া মেলেনি। আদালতে আজ হাজির করা ১১ আসামির নাম প্রকাশ করেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ।,1573075 2019-01-03,লক্ষ্মীপুরে পুলিশ–যুবলীগ সংঘর্ষে মামলা. গ্রেপ্তার ৬,,প্রতিনিধি. রায়পুর. লক্ষ্মীপুর,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573074/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E2%80%93%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,online,2,পুলিশ|যুবলীগ|লক্ষ্মীপুর|মামলা|অপরাধ,লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পুলিশের সঙ্গে যুবলীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে সদর (পূর্ব) যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রূপম হাওলাদারসহ ৭৪জন নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়। এঁদের মধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আজ বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।লক্ষ্মীপুর সদর থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম বাদী হয়ে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানায় মামলা করেন। এতে রূপম হাওলাদারসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫০-৬০জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ ও যুবলীগ সূত্র বলেছে. লাহারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমানকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি যুবলীগ কর্মী দেলোয়ার হোসেন গত মঙ্গলবার জামিনে মুক্তি পান। গতকাল সকালে তিনি ধারালো অস্ত্র নিয়ে আবদুর রহমানের ওপর হামলা চালান। পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা দেলোয়ারকে মারধর করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ আবদুর রহমান ও দেলোয়ারকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে আবদুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে যান জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজন দেলোয়ারকে মারধর করেন। এতে বাধা দিতে গেলে তাঁরা পুলিশের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত দশজন আহত হয়েছেন। জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন. ‘যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সাথে পুলিশের ভুল বোঝাবুঝিতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে শহরের তমিজ মার্কেটে জেলা যুবলীগের কার্যালয় ঘেরাও করে পুলিশ। নেতা-কর্মীদের পিটিয়ে আহত করে। এখন উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’ লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন. হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজনের ওপর হামলার চেষ্টা করে যুবলীগ নেতা-কর্মীরা। এ সময় বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ৬জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।,1573074 2019-01-03,ওরাও থাকুক ভালোবাসার ওমে,,বন্ধুসভা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1573077/%E0%A6%93%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%95-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%93%E0%A6%AE%E0%A7%87,bondhushava,online,2,,‘ওরাও থাকুক ভালোবাসার ওমে’ শিরোনামে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার দিয়েছে আমার চুয়াডাঙ্গা নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।১ জানুয়ারি. ২০১৯ মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দিগড়ী গ্রামে অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে এবং দিগড়ী কওমি মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের ছাত্রদের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার দিয়েছে সংগঠনটি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন আসিফ আনজুম পিয়াস. আবদুল্লাহ আল মামুন. সুজন মাহমুদ বিহাল. বিজয় আহমেদ. প্রদীপ কুমার. আবদুল ওহাব. পার্থ দাস নিখিলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।তরুণদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সমাজসেবক মো. খাইরুল বিশ্বাস বলেন. ‘এই কন কনে শীতে দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমার চুয়াডাঙ্গা সংগঠনের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’এ কর্মসূচির সমন্বয়ক আবদুল ওহাব বলেন. ‘চুয়াডাঙ্গা জেলায় শীতের প্রভাব বেশি। গ্রামের দরিদ্র. অবহেলিত মানুষগুলো যাতে শীতে কষ্ট না পায়. এ জন্যই আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ। হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতায় আমরা এই আয়োজন করেছি।’‘আমার চুয়াডাঙ্গা’ মূলত একটি ফেসবুক ভিত্তিক সংগঠন জেলার তরুণদের দ্বারা পরিচালিত হয়। জেলা সদরের দিগড়ী গ্রামের বিলপাড়ার তরুণদের দ্বারা এটি পরিচালিত হয়। বর্তমানে তাঁরা সাংগঠনিকভাবে উন্নয়নমুখী নানা কাজে নিজেদের যুক্ত রেখেছেন।,1573077 2019-01-03,২০১৯ সালে যেসব রেকর্ড ডাকছে মেসিকে,,খেলা ডেস্ক,৪,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573072/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87,sports,online,3,ফুটবল|মেসি|বার্সেলোনা|আন্তর্জাতিক ফুটবল,এ মৌসুমে সম্ভাব্য সব শিরোপা জেতার চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন লিওনেল মেসি। টানা তিন বছর চ্যাম্পিয়নস রিয়াল মাদ্রিদকে জিততে দেখার পর ইউরোপিয়ান সেরার ট্রফিটা খুব করেই চাচ্ছেন বার্সেলোনা তারকা। সে সঙ্গে ঘরোয়া দাপটও ধরে রাখতে চাইছেন। সেটা করতে পারলে দলীয় অর্জন তো হবেই। সে সঙ্গে ব্যক্তিগত সব মাইলফলকও ছোঁয়া হবে তাঁর। গিগসের ট্রফি রেকর্ড বার্সেলোনার জার্সিতে ৩৩টি ট্রফি জিতেছেন লিওনেল মেসি। নিঃসন্দেহে অসাধারণ এক অর্জন। কিন্তু এক ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জেতার রেকর্ড এখনো গড়া হয়নি তাঁর। ৩৬টি শিরোপা জিতে সে রেকর্ড রায়ান গিগসের। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবদন্তি রেড ডেভিলদের হয়ে প্রায় দুই দশকে অর্জন করেছেন তিন ডজন শিরোপা। মেসি এ মৌসুমেই গিগসকে ছুঁতে চাইলে আরেকটি ট্রেবল জিততে হবে বার্সাকে। গত মৌসুমে লা লিগা ও কোপা দেল রে জিতেছে বার্সেলোনা। কিন্তু তিন মৌসুম ধরে চ্যাম্পিয়নস লিগ ছোঁয়া হচ্ছে না তাদের। এ মৌসুমে তাই এমনিতেই এ ট্রফিতে বাড়তি নজর দিচ্ছেন মেসিরা। ইনিয়েস্তার মাঠে নামার রেকর্ড বার্সেলোনার জার্সিতে ৬৫৭টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন মেসি। কাতালান জার্সিতে তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মাত্র দুজন। দুই প্রিয় সতীর্থ আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ও জাভি হার্নান্দেজই শুধু এগিয়ে। এ বছরই জাপানে পাড়ি জমানো ইনিয়েস্তা বার্সেলোনা ক্যারিয়ারে ৬৭৪টি ম্যাচ খেলেছেন। আর মাত্র ১৮টি ম্যাচ খেললেই তাঁকে ছাড়িয়ে যাবেন মেসি। এ মৌসুমেই তাই বার্সেলোনার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড হয়ে যাবে মেসির। শীর্ষে থাকা জাভি অবশ্য এখনো নাগালের বাইরে (৭৬৭)। বার্সেলোনাতেই পুরো ক্যারিয়ার কাটানোর ইচ্ছা আছে মেসির। অন্তত কাতালান ক্লাবের কর্মকর্তারা তেমনটাই আশা করেন। সেটা হলে রেকর্ডটা মেসিরই হবে একদিন। লা লিগায় সবচেয়ে বেশি জয় চার বছর হলো রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে পোর্তোতে গেছেন ইকার ক্যাসিয়াস। কিন্তু সবচেয়ে বেশি লা লিগা ম্যাচ জয়ের রেকর্ড এখনো দখলে আছে তাঁর। রিয়াল কিংবদন্তি ৩৩৪ ম্যাচ শেষ করেছেন জয়ের আনন্দ নিয়ে। আর ১২টি ম্যাচ জিতলেই মেসি তাঁকে টপকে জেতে পারবেন। বার্সেলোনা এ বছর লা লিগা জিতলে এ রেকর্ডটাও তাই হয়ে যাবে মেসির। সোনার জুতা গত দুই বছর ধরেই লা লিগার পিচিচি ট্রফি বিজয়ী মেসি। স্প্যানিশ লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের পোশাকি নাম এটি। ইউরোপিয়ান সোনালি জুতাও জিতেছেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। এবারও সে কীর্তি গড়তে পারলে হ্যাটট্রিক হয়ে যাবে তাঁর। এখনো পর্যন্ত কেউ ইউরোপের সোনার জুতা জেতার হ্যাটট্রিক গড়তে পারেননি। লা লিগায় অবশ্য এ কীর্তি গড়েছেন আরও চারজন—তেলমো জারা. আলফ্রেডো ডি স্টেফানো. কুইনি. হুগো সানচেজ। লা লিগায় পিচিচি জেতার জারার রেকর্ডও (৬) ছুঁয়ে ফেলবেন মেসি। হ্যাটট্রিকের ফিফটি ক্যারিয়ারে ৪৯টি হ্যাটট্রিক করা মেসি এখন আছেন অনন্য এক অর্জনের অপেক্ষায়। মাত্র এক ম্যাচেই তিনটি গোল করলেই হয়ে যাবে হ্যাটট্রিকের ফিফটি।,1573072 2019-01-03,কৃষ্ণা কাবেরী হত্যায় একমাত্র আসামির মৃত্যুদণ্ড,,আদালত প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573073/%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1,bangladesh,online,3,অপরাধ|আইন ও বিচার|আদালত|ফাঁসি,রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কলেজশিক্ষিকা কৃষ্ণা কাবেরী বিশ্বাস হত্যা মামলার একমাত্র আসামি কে এম জহিরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে নিহত কৃষ্ণা কাবেরীর স্বামী এবং দুই মেয়েকে আঘাতের অভিযোগে আসামিকে পৃথক ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। কৃষ্ণা আদাবরের মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। আর জহিরুল ইসলাম ব্রোকারেজ হাউজ হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপক ছিলেন। এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সরকারি কৌঁসুলি আবু আবদুল্লাহ ভূইয়া প্রথম আলোকে বলেন. হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন জহিরুল। আপিল বিভাগ তাঁর জামিন বাতিল করার পর থেকে তিনি পলাতক। আদালত জানিয়েছেন. আসামি গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের তারিখ থেকে এ রায় কার্যকর হবে। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়. ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ রাতে কৃষ্ণা কাবেরীর স্বামী সিতাংশু শেখর বিশ্বাসকে কেক ও ফুল নিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের বাসায় যান সিতাংশুর পূর্বপরিচিত কে এম জহিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। জহিরুল একপর্যায়ে সিতাংশু (৪৮). কৃষ্ণা কাবেরী (৩৫) ও দুই মেয়ে শ্রোভনা বিশ্বাস (১৫) ও অদ্বিতীয়া বিশ্বাসকে (৮) হাতুড়িপেটা করে বাসায় আগুন ধরিয়ে দেন। ওই ঘটনায় আহত ও অগ্নিদগ্ধ কৃষ্ণা কাবেরী পরে মারা যান। নিহত কৃষ্ণা কাবেরীর স্বামী বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উপপরিচালক সিতাংশু শেখর বিশ্বাস। তিনি এ ঘটনায় বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। ২০১৬ সালের ৩০ মে জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়. সিতাংশু বিশ্বাস হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের মাধ্যমে বিও অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। সেখানে আট লাখ টাকা ছিল। শেয়ার ব্যবসার সূত্রেই জহিরুলের সঙ্গে সিতাংশুর পরিচয় হয়। সিতাংশুর শেয়ার আত্মসাৎ করার জন্য এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল আসামি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় ২২জন সাক্ষী উপস্থাপন করেন।,1573073 2019-01-03,চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন শেখ হাসিনা,,বাসস. ঢাকা,২৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573071/%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE,bangladesh,online,3,সরকার|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন,আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো ও টানা তৃতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বিকেল জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন. ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা. যিনি একজন জননন্দিত নেতা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তিনি চতুর্থবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। কেননা. আমরা সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে আমাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছি।’ তোফায়েল আহমেদ বলেন. আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বৈঠকে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করলে দলের জ্যেষ্ঠ সদস্য আমির হোসেন আমু তা সমর্থন করেন। সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচনের পরে সকল সংসদ সদস্য তুমুল করতালির মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান। আজ সকালেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। শপথ গ্রহণের পর আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ ভবনের একটি কক্ষে এই বৈঠক হয়। সেখানে শেখ হাসিনাকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। এর আগে ২০০৯ সালে নবম সংসদ ও ২০১৪ সালে দশম সংসদের পর এবার টানা তৃতীয় মেয়াদে সংসদ নেতা নির্বাচিত হলেন শেখ হাসিনা। তিনি ১৯৯৬ সালেও সপ্তম সংসদেও সংসদ নেতার ভূমিকায় ছিলেন।,1573071 2019-01-03,উড়োজাহাজের উড়ো চিঠি,,শামীম শাহেদ,,https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1573069/%E0%A6%89%E0%A7%9C%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%9C%E0%A7%8B-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A0%E0%A6%BF,bondhushava,online,3,গল্প,সঙ্গে বাচ্চা থাকলে অনেক সুবিধা। বিশেষ করে প্লেন জার্নিতে। এয়ারপোর্টে আপনি হয়তো দাঁড়িয়ে আছেন. সামনে লম্বা লাইন। বাচ্চাদের দেখলেই বলবে. আফটার ইউ। আফটার ইউ। ইউরোপের সব জায়গাতেই আমরা এটা দেখেছি। ভেবেছিলাম. আমাদের দেশে এটা হবে না। এখানে বাচ্চা কি আর বড় কি. সবাইকে ধাক্কাধাক্কি করে তার জায়গা নিতে হয়। কিন্তু বিস্মিত হয়ে লক্ষ করলাম. এখানেও বাচ্চাদের বিষয়টি সবাই বিশেষ যত্নের সঙ্গে দেখল। আমাদের আগে দিয়ে দিল। আমরা কাউন্টারের কাছাকাছি চলে এলাম। বাঁ দিকে কাচের দেয়ালের ঠিক ওপারেই কাতার এয়ারওয়েজের বিরাট একটি প্লেন দাঁড়ানো। আমরা সবাই বেশ উত্তেজিত। ইউরোপ যাচ্ছি। সুইডেন. সুইজারল্যান্ড. ডেনমার্ক. জার্মানি. ফ্রান্স. স্পেন. ইতালি। লম্বা প্ল্যান। ‘আপনারা কি প্রথমে সুইডেন যাচ্ছেন. নাকি কোপেনহেগেন?’ প্রশ্ন করলেন কাতার এয়ারওয়েজের কাউন্টারে বসে থাকা সাফকাত সাহেব। ভদ্রলোককে দেখে কেমন যেন চিন্তিত মনে হলো।‘কোপেনহেগেন। কেন. কোনো সমস্যা?’‘একটা সমস্যা আছে।’‘কী সমস্যা বলেন তো।’ভদ্রলোক একটু সময় নিয়ে বললেন. ‘আপনাদের ভিসা নাই।’আমি ঘামতে শুরু করলাম। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা। ‘বলেন কি। ভিসা নেই মানে? এত দূর এলাম কী করে? লাগেজ শিফট করলাম. বোর্ডিং পাস নিলাম. ইমিগ্রেশন করলাম. একটু পরে প্লেনে উঠব. আর আপনি এখন বলছেন ভিসা নেই। এটা কীভাবে সম্ভব?’মুন খুব একটা টেনশন নিতে পারে না। একটু টেনশনে পড়লেই তার চোখমুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বেশি টেনশনে পড়লে ফাম্বল করতে শুরু করে। এখনো ফাম্বল শুরু করে দিল। ‘উ...উ...উনি কী বলছেন এসব। আ...আ...আমাদের ভিসা নেই মানে!’ ‘এত টেনশনের কি আছে? দেখা যাক।’ আমি মুনকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলাম।সাফকাত সাহেব আমাদের ইশারায় পাশে ডাকলেন। ‘আসুন আমার সঙ্গে. বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি।’পাথরের মতো তাকে অনুসরণ করলাম। অরোরা দৌড়াতে দৌড়াতে এসে প্রশ্ন করল. ‘মা. আমরা কখন প্লেনে উঠব?’ কেউ কোনো উত্তর দিল না। মান–ইজ্জতের ব্যাপার। ‘দেখুন. ভুলটা আপনাদের না। ভুলটা সময়ের।’ সাফকাত সাহেব বলছেন. আমরা তার মুখের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে আছি। ‘আপনাদের পাঁচজনের ভিসা শুরু ২৪ জুলাই থেকে। একজনের ২৫ জুলাই। আপনারা যখন কোপেনহেগেন নামবেন. তখন সেখানে থাকবে ২৪ জুলাই। তার মানে আপনাদের মধ্যে একজন এন্ট্রি নিতে পারছেন না। দোষটা আপনাদের না। দোষটা সময় এবং গন্তব্যের।’‘তা...তা...তাহলে আমরা এখন কী করব?’ প্রশ্ন করল মুন। সে বেশি টেনশন করছে।মুনের এ বিষয়টি আমার খুব ভালো লাগে। মুন যখন বেশি টেনশনে করে. ফাম্বল করতে শুরু করে. তখন ছোট ছোট ঘামের বিন্দু এসে তার নাকের ডগায় জড়ো হতে থাকে। সবকিছু ভুলে মুগ্ধ হয়ে আমি তখন তার দিকে তাকিয়ে থাকি। বাইপ্রডাক্ট হিসেবে দেখা যায় তার ফাম্বল করা থেমে যায়। এখনো মুন ফাম্বল করছে আর ঘামছে। আমি তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। ‘ঢং রাখো। এখন কী করব সেটা বলো’—ধমকের সুরে বলে মুন। তার ফাম্বল করা থেমে গেছে। আমি হাসি হাসি মুখে সাফকাত সাহেবের দিকে ঘুরে দাঁড়ালাম. ‘এখন আমরা কী করব?’‘চিন্তার কিছু নেই। আমি সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আপনারা পরের ফ্লাইটে যাবেন।’এরপর থেকে বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা হলেই আমরা চিন্তায় পড়ে যাই. নতুন কোনো সমস্যা হবে না তো? অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে. প্রতিবারই একটা না একটা সমস্যা হয়. আবার সেটা কেটেও যায়। একবার তো তিনটি লাগেজই হারিয়ে গেল। সেবারও ইউরোপ ট্যুর ছিল। এটা পরে বলছি। আগে দাওয়াত আর মুনের কাহিনি বলি। বিয়ের পরপর মুন একটি কাজ করত। খাবারদাবার রান্না করে সামনে বসে থাকত। খেতে শুরু করলে বলত. ‘ভালো হয়েছে না?’‘হ্যাঁ’ ছাড়া উত্তরের আর কোনো অপশন নেই।নিতান্ত অভদ্র না হলে কারও পক্ষে কি বলা সম্ভব. না ভালো হয়নি। খুবই বাজে হয়েছে।আমি ভদ্রলোক। আমি হাসি হাসি মুখে বললাম. চমৎকার হয়েছে। আর মনে মনে ভাবলাম. বাকি জীবন খাব কীভাবে? এখন অবশ্য মুন চমৎকার রাঁধে। একবার বাসায় ফিরছি. রাতে তখন প্রায় ১২টা বাজে। মুন টেবিলে খাবার সাজিয়ে বসে আছে। আমি খেতে বসলাম। মুন যত্ন করে তুলে দিচ্ছে. আমি খাচ্ছি।‘আরেকটা চিকেন নাও।’ বলে জোর করে দ্বিতীয় টুকরাটা আমার প্লেটে তুলে দিল মুন। আমি খুবই খুশি হলাম. মেয়েটা এখনো আমাকে কত ভালোবাসে।ভাবতে না ভাবতেই আরেকটি চিকেন আমার প্লেটে তুলে দিল সে। নাও না. খাও। আমি হাসি হাসিমুখে এটাও মেনে নিলাম। চতুর্থ টুকরাটা দিতে যাবে. আমি বিনয়ের সঙ্গে বাধা দিলাম। আর পারব না। সঙ্গে সঙ্গে খেপে গেল সে. ‘নাও না। তা না হলে আবার ফ্রিজে তোলার ঝামেলা।’ মুন খাওয়াতে পছন্দ করে। খুব একটা খেতে পছন্দ করে না। তাই কোথাও বেড়াতে গেলে আমরা সাধারণত দাওয়াত খাওয়াটা এড়িয়ে চলি। এবার পারা গেল না। রেজা-ফারাহদের বাসায় দাওয়াত খাওয়া দিয়ে শুরু হলো। আর শেষ হলো সাদাত-শার্লীনদের দিয়ে। মাঝখানে আরমান. ধ্বনি. স্বর্ণালী. সৈকত. নবী. ইমরান. ইমরুল. শফিক ভাই. ভাবি—এরা তো আছেই। আর আমাদের সব সময়ের যন্ত্রণার সর্বংসহা সঙ্গী হচ্ছে সোহেল আর পিংকি। সুইডেনের লুন্ড শহরের কেন্দ্রে চমৎকার খোলা জায়গায় শার্লীনদের বাড়ি। সামনে বিশাল খোলা প্রান্তর। একটি ছোট লেক। দূরে একটা খামারবাড়ি। সেখানে ঘোড়া চরছে। আমাদের আড্ডা যখন শেষ হলো. তখন রাত দুইটা বাজে। পুরো এলাকায় আমরাই শুধু চিৎকার–চেঁচামেচি করছি। শার্লীন বললেন. ইউরোপিয়ানরা এমনই। একটু আলাদা থাকতে পছন্দ করে। এ প্রতিযোগিতায় আরও একটু এগিয়ে থাকে সুইডিশরা। তারা চমৎকার করে বাড়িঘর সাজাবে. টেবিল লাইট জ্বালাবে. ডিম লাইট জ্বালাবে. মোমবাতি জ্বালাবে। টেবিলের ওপর এক তোড়া ফুল রাখবে। এরপর দুজন বসে চুপচাপ কফি খেতে থাকবে।বাঙালিদের সঙ্গে এটা একেবারেই যায় না। বাঙালি হলো আড্ডাবাজ এবং দলবদ্ধ। সেই জোকটা আবারও বলি। একবার এক রেস্টুরেন্টে পাঁচ বন্ধু গিয়ে চায়ের অর্ডার করল. এক কাপ চা দেন আর চারটা খালি কাপ দেন। খাওয়ার পর কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল. বিল কত। কাউন্টারে বসা ম্যানেজার বলল. বিল লাগবে না. কাপগুলো ধুয়ে দিয়ে যান।গল্পটা শুনে শার্লীন বললেন. আমরা এখানে এটাই মিস করি শামীম ভাই।(আমেরিকা থেকে),1573069 2019-01-03,ইউমিডিজি ওয়ান ও ওয়ান প্রোতে তরুণদের আগ্রহ,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/technology/article/1573068/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9,technology,online,3,মোবাইল ফোন,দেশের বাজারে সম্প্রতি উন্মোচন হওয়া ইউমিডিজি ব্র্যান্ডের নতুন দুই স্মার্টফোন পাওয়া যাচ্ছে রবিশপে। ‘ইউমিডিজি ওয়ান’ এবং ‘ওয়ান প্রো’ নামের ফোন দুটি এখন রবিশপে ফরমাশ দিলে ডেটা বান্ডেল অফার পাওয়া যাবে। এমনকি ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধাও পেতে পারেন। এর আগে রাজধানীতে ফোন দুটি উন্মোচন করে গ্রাহকদের জন্য অফার ঘোষণা করে ইউমিডিজি ও রবি। ইউমিডিজি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম ওবায়দুল্লাহ বলেন. নতুন বছরে নতুন স্মার্টফোনের প্রতি তরুণের বরাবর আগ্রহ থাকে। সাইড ফিঙ্গারপ্রিন্ট. দ্রুতগতির ওয়্যারলেস চার্জার এবং এনএফসি সুবিধাসহ মিডরেঞ্জ বাজেটে পাওয়া যাচ্ছে ইউমিডিজি ওয়ান সিরিজের স্মার্টফোনগুলো। দুটি ডিভাইসেই ডিজাইনে বেশ নতুনত্ব আনা হয়েছে। ইউমিডিজি ওয়ান প্রো ফোনে রয়েছে ৫.৯ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে এবং ৪ডি কার্ভ গ্লাস বডি। ১.৫ গিগাহার্টজ হেলিও অক্টাকোর পি২৩ ফোরএক্স কর্টেক্স-এ ৫৩ চিপসেটের প্রসেসর রয়েছে এতে। ৪ গিগাবাইট র‍্যামের পাশাপাশি এতে রয়েছে ৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি। চাইলে মাইক্রো এসডি কার্ড দিয়ে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। ছবি তোলার জন্য পেছনে রয়েছে ১২ ও ৫ মেগাপিক্সেল ডুলায় রিয়ার ক্যামেরা ও ফ্ল্যাশ। রয়েছে প্যানারোমা. ফেস রিকগনিশন ও রিয়েলটাইম ফিল্টার ফিচার। সেলফি ও ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে এফ/২.০ অ্যাপারচারসহ ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ফোনটিতে ওয়্যারলেস চার্জিং ও ফাস্ট চার্জিং সুবিধাসহ রয়েছে দীর্ঘ ব্যাকআপ দিতে ৩৫৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। রয়েছে সাইড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর. ফোরজি. ব্লুটুথ. ডুয়েল সিম ব্যবহারের সুবিধা। ডিভাইসটিতে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে স্টক অ্যান্ড্রয়েড ৮.১। ইউমিডিজি ওয়ান ফোনে রয়েছে ৫.৯ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে এবং ৪ডি কার্ভ গ্লাস বডি। ১.৫ গিগাহার্টজ হেলিও অক্টাকোর পি২৩ ফোরএক্স কর্টেক্স-এ ৫৩ চিপসেটের প্রসেসর রয়েছে এতে। ৪ গিগাবাইট র‍্যামের পাশাপাশি এতে রয়েছে ৩২ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি। চাইলে মাইক্রো এসডি কার্ড দিয়ে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। ছবি তোলার জন্য পেছনে রয়েছে ১২ ও ৫ মেগাপিক্সেল ডুলায় রিয়ার ক্যামেরা ও ফ্ল্যাশ। রয়েছে প্যানারোমা. ফেস রিকগনিশন ও রিয়েলটাইম ফিল্টার ফিচার। সেলফি ও ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে এফ/ ২.০ অ্যাপারচারসহ ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ডিভাইসটিতে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে স্টক অ্যান্ড্রয়েড ৮.১। ফোনটিতে ফাস্ট চার্জিং সুবিধাসহ রয়েছে দীর্ঘ ব্যাকআপ দিতে ৩৫৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। এ ছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর. ফোরজি. ব্লুটুথ. ডুয়েল সিম সুবিধা মিলবে ফোনটিতে। ইউমিডিজি ওয়ান ফোনের দাম ১৫ হাজার ৯৯০ এবং ওয়ান প্রোর দাম পড়বে ১৯ হাজার ৯৯০ টাকা।,1573068 2019-01-03,যেখানে জয়াসুরিয়ার সঙ্গে মাশরাফি,,খেলা ডেস্ক,১০,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573067/%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF,sports,online,3,মাশরাফি বিন মুর্তজা|ক্রিকেট|রংপুর রাইডার্স|বিপিএল টি২০,নড়াইল-২ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েই মাশরাফি বিন মুর্তজা চলে এসেছেন ঢাকায়. বিপিএলকে সামনে রেখে পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। ক্রিকেট ইতিহাসে মাশরাফিই কি একমাত্র ক্রিকেটার যিনি খেলাকে পুরোপুরি বিদায় না জানিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন? ২৮ তারিখ পর্যন্ত নিজ এলাকায় জনসংযোগ করলেন। ৩০ তারিখের নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক ভোটে নড়াইল-২ আসনের সাংসদ হলেন। সাংসদ হয়েই ৫ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া বিপিএলের জন্য ঢাকায় চলে এলেন. পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন. জিম করলেন। আবার আজ সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য সংসদে পা রাখলেন তিনি। ৩০ তারিখের পর থেকে এভাবেই চলছে দেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার জীবন। কখনো তিনি ক্রিকেটার. কখনো তিনি জাতীয় সংসদে নিজ এলাকার নির্বাচিত প্রতিনিধি।ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়ার উদাহরণ আছে অনেক গুলিই। পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান তো রাজনীতি করতে করতে গত বছর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীই হয়ে গেলেন। ক্রিকেটের পিচ থেকে রাজনীতির ‘স্পিচে’ আগ্রহী হয়ে ওঠার তালিকায় আরও রয়েছেন শ্রীলঙ্কার অর্জুনা রানাতুঙ্গা. সনৎ জয়াসুরিয়া. হাসান তিলকরত্নে. ভারতের মনসুর আলী খান পতৌদি. মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন. নভজোৎ সিং সিধু. বিনোদ কাম্বলি. মনোজ প্রভাকর. কীর্তি আজাদ. পাকিস্তানের সরফরাজ নাওয়াজ. আমির সোহেল প্রমুখ। ভারতের রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নাম লিখিয়েছিলেন শচীন টেন্ডুলকারও। আমাদের দেশেও কিন্তু মাশরাফিই প্রথম ক্রিকেটার নন যিনি রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছেন। ২০১৪ সাল থেকে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ হিসেবে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় দেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাইমুর রহমান।কিন্তু এক দিকে সনৎ জয়াসুরিয়া ছাড়া বাকি সবার থেকে মাশরাফি কিন্তু আলাদা। সেটি কোন জায়গায়?সবাই রাজনীতির মাঠে নেমেছিলেন ক্রিকেটের ময়দান থেকে পুরোপুরিভাবে অবসর নেওয়ার পর। মাশরাফি আর জয়াসুরিয়াই এ ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ব্যতিক্রম. খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেটকে পুরোপুরি বিদায় জানানোর আগেই তাঁরা সংসদ সদস্য হয়েছেন। ২০১০ সালে নিজের এলাকা মাতারা থেকে শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন জয়াসুরিয়া। সাংসদ হওয়ার পরেও ২০১১ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার হয়ে টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে খেলে গেছেন তিনি। খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলস. রুহুনা রাইনোস ও কান্দুরাতা ওয়ারিয়র্সের হয়ে খেলেছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি। এদিকে নড়াইল-২ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েই বিপিএলের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছেন মাশরাফি। এই টুর্নামেন্টে তিনি তো রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক।রাজনীতিতে নেমেই বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। তবে এখনো ক্রিকেটার পরিচয়টাই অগ্রাধিকার পাচ্ছে মাশরাফির কাছে। নির্বাচনের মাত্র দুই দিনের মধ্যে নিজ এলাকা আর ভোটারদের ছেড়ে ঢাকায় ফেরার সেটিই কারণ। ঢাকা ফেরার পথে কাল মুঠোফোনে মাশরাফি বলছিলেন. ‘কাল (আজ) থেকে বিপিএলে আমাদের অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। আমি চাচ্ছি অনুশীলনের শুরু থেকে দলের সঙ্গে থাকতে। খেলাটাই তো আমার পেশা।’বিপিএলের অনুশীলনে জাতীয় দলের মতো কড়াকড়ি নেই। মাশরাফি তাতে এক-দুই দিন পর যোগ দিলেও কারও কিছু বলার ছিল না। কিন্তু খেলার মাঠে সেরাটা দিতে হলে যে অনুশীলনের বাইরেও কিছু করতে হয়! মাশরাফি যেমন এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নিজের খেলাকেই। তা ছাড়া একজন খেলোয়াড় মাঠ থেকে কত দিন আর দূরে থাকতে পারেন! মাশরাফির রক্তেও নির্বাচন শেষ হতেই ফুটতে শুরু করেছে ক্রিকেট. ‘আগে যেভাবে খেলেছি. অনুশীলন করেছি...এখনো সেভাবেই সময়মতো সবকিছু করব। ফিটনেসের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। আমার শরীরের অবস্থা তো আর সবার মতো নয়। কাজেই এটার ওপর জোর দিতেই হবে।’,1573067 2019-01-03,ওমানে প্রবাসী ফুটবল টুর্নামেন্ট,চট্টগ্রাম এফসি চ্যাম্পিয়ন,বাবলু চৌধুরী. ওমান থেকে,,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573066/%E0%A6%93%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F,durporobash,online,3,,ওমানে প্রবাসীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রবাসী সেভেন স্টার টুর্নামেন্টে বাংলাদেশি দল চট্টগ্রাম এফসি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফাইনালে চট্টগ্রাম এফসি ৩-১ গোলে ভারতীয় প্রবাসীদের দল কালা এফসিকে পরাজিত করে এই গৌরব অর্জন করে। গত ২০ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) ওমানের প্রাচীন শহর ইস্কিতে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম এফসির গোলরক্ষক ইমতিয়াজ ইসলাম সেরা খেলোয়াড় ও একই দলের স্ট্রাইকার রাহাদুল ইসলাম ৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। টুর্নামেন্টে দুটি গ্রুপে ভারতীয় প্রবাসীদের ছয়টি ও বাংলাদেশি প্রবাসীদের চারটি দল অংশ নেয়। দলগুলো হচ্ছে বেঙ্গল টাইগার এফসি. নিজুয়া এফসি. কারসা এফসি. সিরিয়া এফসি. বারকা আল মুজ ইয়ং স্টার. চট্টগ্রাম এফসি ওমান. কালা এফসি. চিটাগাং ফ্রেন্ডস গ্রুপ. জালান বুওয়ালি এফসি ও আল হামরা এফসি। দলের খেলোয়াড়েরা বেশির ভাগই ছিলেন প্রবাসী শিক্ষার্থী। ওমানপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ইবনে মিজান রুবেল প্রধান অতিথি ও ওমানী ব্যবসায়ী আহমেদ আলী সাইদ আল আমরি বিশেষ অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন। চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি ও নগদ ১৫০ ওমানী রিয়াল এবং রানার আপ দলকে ট্রফি ও নগদ ৫০ ওমানী রিয়াল দেওয়া হয়। অনুভূতি জানাতে গিয়ে চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম এফসির অধিনায়ক অন্তু চৌধুরীর বলেন. এই অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রবাসে দেশ ও চট্টগ্রামের সুনাম বাড়াতে অবদান রাখতে পেরে আমরা খুব আনন্দিত। এই ধারা ধরে রাখতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এই অর্জনের জন্য চট্টগ্রাম এফসিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে চট্টগ্রাম সমিতি ওমান। শুভেচ্ছা বার্তায় সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী তাপস বিশ্বাস বলেন. আমরা তাদের নিয়ে গর্ব করতে পারি। তারা চট্টগ্রামের মুখ উজ্জ্বল করেছে।... বাবলু চৌধুরী: প্রচার সম্পাদক. চট্টগ্রাম সমিতি ওমান।,1573066 2019-01-03,ইন্দোনেশীয় সেলুন ও পান দোকানি,,নাঈম হাবিব. জার্মানি থেকে,,https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573065/%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF,durporobash,online,3,,ইউরোপ থেকে এশিয়ার কোনো দেশে বেড়াতে গেলে সর্বপ্রথম যে কাজটা করি. তা হলো মাথার চুল ছাঁটানো। হয়তো বলবেন. কেন. ইউরোপে কি চুল ছাটানোর সেলুন নেই? আসলে ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। আছে। আধুনিক. মডার্ন ও উন্নতমানের অনেক সেলুন আছে জার্মানিতে। আর যারা চুল কাটেন তারা যেমন তেমন কারিগর নন। রীতিমতো কয়েক বছর চুল কাটার প্রশিক্ষণ নিতে হয়। দলিল আছে সবার। এখানে এদের কারিগর. আর্টিস্ট ইত্যাদি ইত্যাদি বলা হয়ে থাকে। জার্মানিতে আমার প্রথম চুল ছাঁটানোর অভিজ্ঞতা ছিল খুবই খারাপ। সেলুনের মোটা করে সুন্দরী জার্মান নারী চুল কাটলেন আমার। কিছু সময় মেশিন দিয়ে আর কিছুক্ষণ কাঁচি দিয়ে কাটলেন। তবে চিরুনি ব্যবহার করলেন না। আর সেখানেই আমার যত সন্দেহের সৃষ্টি। চুল কাটলেন না তিনি আমার চুল ধরে টানাটানি করলেন? কিছুই বুঝতে পারলাম না। সর্বশেষ অবস্থা এতই করুণ ছিল যে কয়েক সপ্তাহ আয়নায় নিজের চেহারা পর্যন্ত দেখিনি। ইন্দোনেশিয়ায় ঘুরতে গিয়ে পরিচয় হলো ইদ্রিসের সঙ্গে। বুকিটিংগি শহরের সেলুন দোকানি ইদ্রিস। মানুষের চুল কাটেন প্রায় এক যুগ ধরে। নিজের দোকানের পাশেই নিজের বউকে করে দিয়েছেন পানের দোকান। জামাই বউ পাশাপাশি দোকানদার। আমি বাংলাদেশের শুনতেই ইদ্রিসের বউ নুরিয়ানী ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি খাওয়ালেন। মূল্য নিতে চাইলেন না। সদা হাস্যোজ্জ্বল ইদ্রিস পরিবার। চুল ছাঁটতে ছাঁটতে অনেক গল্প হলো আমাদের। ইন্দোনেশিয়া. বাংলাদেশ ও জার্মানির সামাজিক রাজনৈতিক কোনো বিষয়ই বাদ পড়েনি গল্পে। ইদ্রিস–নুরিয়ানীর দুই সন্তান। বড় ছেলে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে। ডিপ্লোম্যাটিক হতে চায়। ছোট ছেলে গিটারিস্ট। সারা দিন গিটার নিয়ে পড়ে থাকে। মিউজিশিয়ান হতে চায়। ছেলে দুইটাকে মানুষের মতো মানুষ করা ছাড়া ইদ্রিস ও নুরিয়ানীর আর তেমন কোনো বিশেষ চাওয়া নেই এই জীবনে। এক কথায় ইদ্রিস নুরিয়ানী সুখী দম্পতি। দুই সন্তানের একটি সুখী পরিবার। বকর আলী কফি বিক্রেতা। রাতে মোটরসাইকেলে করে ইন্দোনেশিয়ার রাস্তায় রাস্তায় কফি বিক্রি করেন। দিনের বেলা প্রাইভেট টুরিস্ট গাইড হিসেবে কাজ করেন। বকর ভাই ভালো ইংরেজি বলতে পারেন। নিজের বিজনেস কার্ড হাতে ধরিয়ে বললেন. আগ্নেয়গিরি দেখার ট্যুরে যেতে চাইলে কল দেবেন। বকর ভাইয়ের গরম কফি খেতে খেতে নানান কল্পনা জল্পনা মনে ধরল। এক যুগেরও বেশি সময় পার করে ফেললাম পরবাসে। কতবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি সব ছেড়ে চলে যাব দেশে। আপন দেশে বসবাস করব। আপন দেশে কাজকর্ম করে খাব। আপন দেশে শান্তিতে মরব। কিন্তু প্রতিবারই মনের মধ্যে প্রশ্ন জেগেছে. দেশে গিয়ে কী করব? কী খাব? কাজকর্ম পাব কি? জনসংখ্যা বহুল বাংলাদেশে যেখানে মানুষ দৈনন্দিন বিদেশ পালানোর পথ খুঁজছেন সেখানে জার্মানি ছেড়ে আপন দেশে শান্তি আছে কি?তারপরও ইন্দোনেশিয়ার ইদ্রিস পরিবার ও বকরের কাছে জীবনের কিছু অনুপ্রেরণা পেলাম।... নাঈম হাবিব: জার্মানি. ইমেইল: ,1573065 2019-01-03,মিরাজই রাজশাহী কিংসের অধিনায়ক,,খেলা ডেস্ক,৬,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573064/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95,sports,online,3,মেহেদী হাসান মিরাজ|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|রাজশাহী কিংস,আগামী পরশু থেকে বিপিএল শুরু হলেও এত দিন অধিনায়কের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি রাজশাহী কিংস কর্তৃপক্ষ। আজ জানা গেল. এই মৌসুমে রাজশাহী কিংসের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজকে। দলে দেশীয় তারকাদের মধ্যে রয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান. সৌম্য সরকার. মমিনুল হক। বিদেশি তারকাদের মধ্যে দলে আনা হয়েছে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ. নেদারল্যান্ডসের রায়ান টেন ডেসকাট. শ্রীলঙ্কার ইসুরু উদানা ও সেকুগে প্রসন্নেসহ বেশ কিছু ক্রিকেটারকে। তবে রাজশাহী কিংসের অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজকেই। মিরাজ যে নেতৃত্ব প্রদানে একদমই আনকোরা তা কিন্তু নন। বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে নেতৃত্ব দিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ নাম কামিয়েছিলেন তিনি। দেশের ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে বেশ কয়েক বছর ধরেই মিরাজকে তৈরি করা হচ্ছে। আসন্ন বিপিএলে রাজশাহী কিংসের মতো এক ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হওয়াটা মিরাজের উন্নতির পক্ষে অনেক সহায়ক হবে. এমনটাই মনে করা হচ্ছে। দলের সহ অধিনায়ক করা হয়েছে সৌম্য সরকারকে। দলের কোচ হিসেবে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিধ্বংসী অলরাউন্ডার ল্যান্স ক্লুজনার। ক্লুজনার-মিরাজ জুটি এই মৌসুমে রাজশাহীকে কী এনে দেয়. দেখার বিষয় সেটাই।,1573064 2019-01-03,ইসিতে স্মারকলিপি দিল ঐক্যফ্রন্ট,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573062/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F,bangladesh,online,3,একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|নির্বাচন কমিশন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে সাত সদস্যর একটি প্রতিনিধি দল আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসিতে স্মারকলিপি জমা দেয়। পরে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন. ‘নির্বাচনের নামে জাতির সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে। দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’ ঐক্যফ্রন্টের জয়ীরা শপথ নেবেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন. ‘আমরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি। শপথ নেওয়ার প্রশ্ন আসবে কেন?’ যেখানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন সেখানে কারচুপি হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন. ‘সেগুলোতেও ডাকাতি হয়েছে. তবে তারা কুলিয়ে উঠতে পারেনি।’ পরে সাংবাদিকদের স্মারকলিপি পড়ে শোনান মির্জা ফখরুল। স্মারকলিপিতে তারা অভিযোগ করেছে. নির্বাচনের আগের রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সহায়তার আওয়ামী লীগের কর্মী ও সন্ত্রাসী বাহিনী ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট কেটে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে। এর আগে দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির মহাসচিব সাংবাদিকদের বলেন. একাদশ জাতীয় সংসদে যোগ দিচ্ছে না বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তখন তিনি বলেন. ‘শপথ তো পার হয়ে গেছে. শপথ নেব কোথায়? প্রত্যাখ্যান করলে আবার শপথ থাকে নাকি? আমরা শপথ নিচ্ছি না।’ তিনি অভিযোগ করেন. নির্বাচনের নামে নিষ্ঠুর প্রতারণা ও প্রহসন করা হয়েছে। এ কারণে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছে। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। আজ সকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। পরে সাংসদেরা শপথের কাগজে সই করেন। আওয়ামী লীগের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাসদ. ওয়ার্কার্স পার্টি. তরিকত ফেডারেশন. জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্যরা শপথ নেন। এরপর জাতীয় পার্টির সদস্যরা শপথ নেন। আরও পড়ুন:বৈঠক শেষ. বিকেলে ইসিতে যাবে ঐক্যফ্রন্ট,1573062 2019-01-03,বিপিএলে কার হাতে কেমন অস্ত্র?,,খেলা ডেস্ক,৬,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573061/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0,sports,online,3,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|মাশরাফি বিন মুর্তজা,বিপিএল মানেই ঢাকার রাজত্ব। বর্তমানে ডায়নামাইটস নামে খেলা এ ফ্র্যাঞ্চাইজি বিপিএলের শিরোপা জিতেছে তিনবার। গতবার হয়েছে রানার্সআপ। আর যেবার সেরা দুইয়ে থাকতে পারেনি. সেবারও প্লে অফ খেলেছে এ দলটি। ব্যক্তিগতভাবে মাশরাফি বিন মুর্তজা অবশ্য আরও সফল। তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মাশরাফি। তাই বিপিএলে সাফল্য পেতে চাইলে দুটি বিষয় নিশ্চিত করা ভালো—হয় দলের নামের সঙ্গে ঢাকা শব্দটা জুড়ে দিতে হবে. অথবা দলে থাকতে হবে একজন মাশরাফি! ভাগ্যিস. এভাবে ভাবছে না বিপিএলের বাকি ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলি। ষষ্ঠ বিপিএল জয়ের জন্য সবাই দল গড়েছেন নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী। এবারের বিপিএলে মহাতারকার সংখ্যাও তাই বেড়েছে। ক্রিস গেইল তো প্রথম বছর থেকেই বিপিএলের সঙ্গী। এ বছর এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ডেভিড ওয়ার্নার থাকছেন বিপিএলে। ষ্টিভেন স্মিথকে নিয়ে প্রথমে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও বিপিএলের বৃহত্তর স্বার্থে তাঁর বিলম্বিত অন্তর্ভুক্তিও মেনে নেওয়া হয়েছে। যাদের এমন মহা তারকা নেই তারা দেশি তারকা ও বিদেশি কার্যকর খেলোয়াড় নিয়ে নামছে শিরোপার লড়াইয়ে। চলুন দেখে নেওয়া যাক এবারের বিপিএলে কোন দল কেমন হলো— রংপুর রাইডার্স: * বর্তমান চ্যাম্পিয়ন. পঞ্চমবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: মাশরাফি* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ও পেস বোলিং ব্যাটসম্যান: ক্রিস গেইল. এবি ডি ভিলিয়ার্স. অ্যালেক্স হেলস. মেহেদী মারুফ. মোহাম্মদ মিঠুন. রাইলি রুশো. নাদিফ চৌধুরী. ফারদীন হাসান।পেসার: মাশরাফি বিন মুর্তজা. আবুল হাসান. শেলডন কটরেল. শফিউল ইসলাম. ওশান থমাস।স্পিনার: নাজমুল ইসলাম অপু. নাহিদুল ইসলাম. সোহাগ গাজী।অলরাউন্ডার: রবি বোপারা. ফরহাদ রেজা. বেনি হাওয়েল. শন উইলিয়ামস। ঢাকা ডায়নামাইটস: * বর্তমান রানার্সআপ. তিনবারের চ্যাম্পিয়ন. ষষ্ঠবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: সাকিব* দলের শক্তিশালী দিক: অলরাউন্ডার ব্যাটসম্যান: ইয়ান বেল. হজরতউল্লাহ জাজাই. মিজানুর রহমান. মোহাম্মদ নাইম. নুরুল হাসান সোহান. রনি তালুকদার।পেসার: অ্যান্ড্রু বার্চ. মোহর শেখ. রুবেল হোসেন. কাজী অনিক. শাহাদাত হোসেন। স্পিনার: আসিফ হাসান. সুনীল নারাইন।অলরাউন্ডার: সাকিব আল হাসান. কাইরন পোলার্ড. রোভম্যান পাওয়েল. আন্দ্রে রাসেল. শুভাগত হোম। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস: * একবার চ্যাম্পিয়ন. চতুর্থবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: তামিম* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ও অলরাউন্ডার ব্যাটসম্যান: স্টিভ স্মিথ. তামিম ইকবাল. এনামুল হক. ইমরুল কায়েস.এভিন লুইস. মেহেদি হাসান. শামসুর রহমান।পেসার: আবু হায়দার. মোহাম্মদ শহীদ. ওয়াকার সালামখিল। স্পিনার: লিয়াম ডসন. মোশাররফ হোসেন. সনজিত সাহা।অলরাউন্ডার: শহীদ আফ্রিদি. শোয়েব মালিক. আমির ইয়ামিন. মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন. থিসারা পেরেরা. জিয়াউর রহমান। খুলনা টাইটানস: * সেরা সাফল্য: প্লে অফ (তিনবার). পঞ্চমবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: মাহমুদউল্লাহ* দলের শক্তিশালী দিক: বোলিং ব্যাটসম্যান: আল আমিন. জহুরুল ইসলাম. জুনায়েদ সিদ্দিক. ডেভিড মালান. নাজমুল হোসেন শান্ত. মাহিদুল ইসলাম. পল স্টারলিং. ব্রেন্ডন টেলর। পেসার: আলী খান. লাসিথ মালিঙ্গা. শরিফুল ইসলাম. সুবাশিষ রায়।স্পিনার: তাইজুল ইসলাম. ইয়াসির শাহ. তানভীর ইসলাম. জহীর খান।অলরাউন্ডার: মাহমুদউল্লাহ. কার্লোস ব্রাফেট. আরিফুল হক. ডেভিড ভিসে। সিলেট সিক্সারস: * সেরা সাফল্য: প্লে অফ. পঞ্চমবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: ওয়ার্নার* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ও পেস বোলিং ব্যাটসম্যান: ডেভিড ওয়ার্নার. লিটন দাস. আফিফ হোসেন. আন্দ্রে ফ্লেচার. জাকের আলী. সাব্বির রহমান. নিকোলাস পুরান. তৌহিদ হৃদয়।পেসার: আল আমিন হোসেন. প্যাট ব্রাউন. এবাদত হোসেন. গুলবাদিন নাইব. মেহেদী হাসান রানা. মোহাম্মদ ইরফান. সোহেল তানভীর. তাসকিন আহমেদ।স্পিনার: ফ্যাবিয়ান অ্যালেন. ইমরান তাহির. সন্দীপ লামিচানে. নাবিল সামাদ।অলরাউন্ডার: অলক কাপালি. মোহাম্মদ নওয়াজ. নাসির হোসেন। রাজশাহী কিংস: * সেরা সাফল্য: রানার্সআপ. পঞ্চমবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: মিরাজ* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান: সৌম্য সরকার. লরি ইভানস. ক্রিস্টিয়ান ইয়ংকার. ফজলে মাহমুদ. মুমিনুল হক. মার্শাল আইয়ুব. জাকির হাসান।পেসার: কামরুল ইসলাম. মোস্তাফিজুর রহমান. ইসুরু উদানা।স্পিনার: আরাফাত সানী. কায়েস আহমেদ।অলরাউন্ডার: আলাউদ্দীন বাবু. মেহেদী হাসান মিরাজ. সেকুগে প্রসন্ন. মোহাম্মদ হাফিজ. রায়ান টেস ডেসকাট। চিটাগং ভাইকিংস: * সেরা সাফল্য: রানার্সআপ. ষষ্ঠবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: মুশফিক* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ও অলরাউন্ডার ব্যাটসম্যান: মুশফিকুর রহিম. মোহাম্মদ আশরাফুল. মোহাম্মদ শেহজাদ. নজীবুল্লাহ জাদরান. লুক রনকি. মোসাদ্দেক হোসেন. সাদমান ইসলাম. ইয়াসির আলী।পেসার: আবু জায়েদ রাহী. রবিউল হক. খালেদ আহমেদ।স্পিনার: নিহাদুজ্জামান. নাঈম হাসান. সানজামুল ইসলাম।অলরাউন্ডার: ক্যামেরন ডেলপোর্ট. রবি ফ্রাইলিঙ্ক. সিকান্দার রাজা. দাসুন শানাকা।,1573061 2019-01-03,পিপলস লিজিংয়ের সাবেক দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573060/%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%B8-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A7%AB-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87,bangladesh,online,3,আইন ও বিচার|দুদক|মামলা|অপরাধ|দুর্নীতি,আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিংয়ের সাড়ে ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পরিচালকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রণব ভট্টাচার্য বলেন. অন্যায়ভাবে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-নীতি অমান্য করে কোনো জামানত ছাড়াই ওই অর্থ তুলে নেওয়া হয়। এ ছাড়া ঋণচুক্তিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে পরস্পর যোগসাজশে ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে জালিয়াতির এ ঘটনা ঘটে।মামলায় আসামি করা হয়েছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের সাবেক পরিচালক বিশ্বজিৎ কুমার রায়. সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. হেলাল উদ্দিন. বিশ্বজিৎ রায়ের স্ত্রী শিল্পী রানী রায়. ভাই ইন্দ্রজিৎ কুমার রায় ও আত্মীয় রণবীর কুমার রায়কে।মামলার এজাহারে বলা হয়. দুদকের অনুসন্ধান ও পিপলস লিজিংয়ের নথিপত্র পর্যালোচনায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের যোগসাজশ প্রমাণ হয়েছে। তাঁরা নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য পরিচালকের যোগসাজশে ভুয়া এই ঋণ দিয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. হেলাল উদ্দিন. সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক দলিল উল হক ও মহাব্যবস্থাপক আ ন ম তারিক চৌধুরী ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। তবে দলিল উল হক ও আ ন ম তারিক চৌধুরী মারা যাওয়ার কারণে তাঁদের মামলায় আসামি করা হয়নি।,1573060 2019-01-03,নৌকাটা কেমন আছে?,,অনলাইন ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/international/article/1573059/%E0%A6%A8%E0%A7%8C%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87,international,online,3,অস্ট্রেলিয়া|এশিয়া|ভ্রমণ,নয় বছর আগে সাগরপথে বিশ্বভ্রমণের বাসনা নিয়ে সাগরে নেমেছিল মার্কিন কিশোরী অ্যাবি সান্ডারল্যান্ড। তখন তার বয়স ছিল ১৬ বছর। তবে ঝড়ের মুখে পড়ে তার সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ছোট যে পালতোলা নৌকা নিয়ে সে সাগরে নেমেছিল. সেটা ডুবে গিয়েছিল। মজার ব্যাপার হলো. গত সোমবার সেই ছোট নৌকাটির দেখা মিলেছে। পুলিশ জানিয়েছে. দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ক্যাঙারু আইল্যান্ড থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে একটি উড়োজাহাজ থেকে কর্তৃপক্ষ নৌকাটি শনাক্ত করেছে। এক বিবৃতিতে বর্তমানে ২৫ বছর বয়সী সান্ডারল্যান্ড বলেন. ‘আমার হৃদয়টা কেমন যেন লাফিয়ে উঠছে। ভালো-খারাপ পুরোনো অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল। তারপরও এত দিন পর নৌকাটা কেমন আছে. দেখতে মন চাইছে।’ সান্ডারল্যান্ড ২০১০ সালে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সমুদ্রপথে যাত্রা করে। এর পাঁচ মাস পর তার নৌকা ভারত মহাসাগরের ৩০ ফুট উঁচু ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায়। ওই কিশোরী তখন ২০ ঘণ্টা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন ছিল। এ সময় পার্থ থেকে উড়ে যাওয়া একটি উড়োজাহাজ তাকে সমুদ্রে দেখতে পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে উদ্ধারের ব্যবস্থা করে। অ্যাবি সান্ডারল্যান্ডকে আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া উপকূল থেকে ৩ হাজার ২২০ কিলোমিটারেরও দূর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। একটি ফরাসি জাহাজ তাকে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর তাকে মাদাগাস্কারের কাছে ফ্রান্সের অধীন রিইউনিয়ন দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরিবারের কাছে ফিরে যায় সে। এর আগে ২০০৯ সালে ১৭ বছর বয়সে সান্ডারল্যান্ডের ভাই জ্যাক সমুদ্রপথে একা বিশ্বভ্রমণ করেছিল। স্যান্ডারল্যান্ড সেই রেকর্ড ভাঙতে সমুদ্রপথে যাত্রা শুরু করেছিল। তবে তাকে এভাবে একা ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ায় সে সময় তার পরিবারের কড়া সমালোচনা করেছিল অনেকে। সে বছর সান্ডারল্যান্ড ব্যর্থ হলেও ১৬ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ার মেয়ে জেসিকা ওয়াটসন সমুদ্রপথে একা বিশ্বভ্রমণের রেকর্ড করেছিল।,1573059 2019-01-03,জ্বলে শুধু ধূপ,,দিলারা সামস্ দিলু,,https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1573063/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AA,bondhushava,online,3,কবিতা,শব্দের আড়ালে জীবননিঃশব্দে খুঁজে ফিরি ভোরের শিশিরগাঁথি মালা ঝিনুক স্বপ্নের ধূপছায়া আঁধারে জোনাক চাদর জড়িয়েনিঃসঙ্গ একা চলি পায়ে পায়েঅনুভবে কাছে পাই আনন্দ সুখলিপি নক্ষত্রের গায়ে। স্মৃতির রণেুতে কার্তিকের ফসলি তাপ পুড়েকাঁচা পাকা সোনা ধানে অঘ্রানের মাঠজুড়েসাথি সোনাঝুরি একরাশ সুখ-কাঁদে নিশির শিশিরে ।,1573063 2019-01-03,হজা ভাই,প্রথম বেলা– ১,দন্ত্যস রওশন,,https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1573054/%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87,bondhushava,online,3,গল্প,আমাদের বাড়ির সামনে হজা ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলো। হজা ভূঁইয়া। বাম হাতে লাঠি। তিনি তাঁর বাড়ির দিকে যাচ্ছেন। গায়ে সোয়েটার। তার ওপরে জ্যাকেট। চুল. দাড়ি. গোঁফ সবই কাঁচা-পাকা। আমরা যখন ছোট. তখন হজা ভাই নৌকা চালাতেন। নৌকার মাঝি। আমরা বলতাম. ‘কেরাই নাও।’ বিশেষ করে বর্ষায় নৌকা ছাড়া উপায় ছিলে না। তারপর আস্তে আস্তে বর্ষা কমে আসতে লাগল। কাশিয়াখালী নামক জায়গায় দেওয়া হলো বেড়িবাঁধ। পদ্মা নদীর মুখ বন্ধ হয়ে গেল। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যেতে লাগল আমাদের প্রাণের ইছামতী নদী। বর্ষাকাল মানেই পুরো গ্রামে পানি। বাড়িগুলো যেন ছোট ছোট দ্বীপ। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি যেতে লাগে নৌকা। আমাদের ছিল একটি ‘কোষা’ নৌকা। সেই নৌকায় আমরা এবাড়ি-ওবাড়ি যেতাম। সেই নৌকা নিয়ে যেতাম দাউদপুর বাজারে কিংবা বারুয়াখালী অথবা বান্দুরা হাটে। যাদের নৌকা ছিল. তাদের বড়লোকই বলা হতো। সচ্ছল। আর যাদের নৌকা ছিল না. বর্ষাকালে তারা একরকম বন্দীই থাকত বাড়িতে। অন্যের নৌকায় হাট-বাজারে যেত। আমরা চার–পাঁচজন মিলে নৌকা বেয়ে যেতাম শিকারীপাড়া স্কুলে। আমাদের গ্রাম বকচর থেকে চার কিলোমিটার দূরে। সবার হাতেই থাকত বইঠা। নৌকা নিয়ে নির্ধারিত সময়ে আমাদের স্কুলে পৌঁছাতে হতো। হজা ভাইয়ের সঙ্গে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। তিনি আমার বাঁ হাত ধরে টেনে রাস্তার পাশে দাঁড় করালেন। আমাদের পাশ কেটে একটি ইজিবাইক চলে গেল। কিছুক্ষণ পরে আবার আমাদের পাশ দিয়ে ধুলো উড়িয়ে চলে গেল একটি নতুন মোটরসাইকেল। তারপর পাশ কেটে চলে গেল একটি দেড় টনি ট্রাক।মনে পড়ল আমার ছোটবেলার কথা। আমাদের বাড়ির সামনে এই রাস্তা দিয়ে রাখালেরা গরু-বাছুর চরাতে নিয়ে যেত দূরের মাঠে। আবার গরুর পাল নিয়ে ফিরে আসত গোধূলি বেলায়। গরুর পালের পেছনে পেছনে থাকত দু–চারটি ভেড়া। ওদের গলায় কোনো দড়ি থাকত না। ওরা নেচে নেচে গরুর পালের পেছনে ছুটত।সে সময় গ্রামের সরু রাস্তাগুলোকে বলতাম হালট। হালট শব্দটি ঢেঁকি শব্দের মতো বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখন বলি রাস্তা। জানা গেল আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তাটি পাকা হবে। ইট বিছানো হবে। এখন কেউ কেউ রাস্তাটিকে সড়ক বলে। একসময় সড়ক শব্দটিও হয়তো উঠে যাবে। রাস্তাটির নাম হবে হয়তোবা বকচর রোড। হজা ভাই আমাদের বাড়ির দিকে আঙুল তুলে বললেন. ‘বাড়িটা মেরামত করো। নতুন ঘরটর দেও। খারাপ দেখা যায়।’ আমাদের বাড়িটির নড়বড়ে অবস্থা। কখন যেন ভেঙে পড়ে!হজা ভাইয়ের কথা শুনে লজ্জা পেলাম। আধা ঘণ্টা আগেই আমি আমার ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে প্রায় পুরো গ্রাম চক্কর দিয়েছি। ৮০ শতাংশ বাড়িতেই পাকা ঘর। অ্যাটাচ বাথরুম। টয়লেট. ছোট একটি গ্রামে তিনটি দোতলা বাড়ি। আমার দেখা ছোটবেলায় সেই বাড়িগুলো ছিল শণ দিয়ে ছাওয়া বা টিনের ঘর। গ্রামে আমরা কয়েক ‘ঘর’ ছিলাম ভদ্রলোক। সেই সময়ের ভদ্রলোকের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন। যাঁরা চাকরি করতেন. তাঁদের বলা হতো ভদ্রলোক বা মিয়া। আমরা ছিলাম মিয়াদের দলে।আর যাঁরা ছিলেন দিনমজুর বা কামলা কৃষক. চাষি. তাঁদের সেই দলে ফেলা হতো না। হজা ভাইকে বললাম. ‘কেমন আছেন?’ ‘ভাই. দুই পায়ে ব্যথা. হাঁটতে পারি না। জানোই তো পাঁচ বছর ধইরা বইসা পেশাব করতে পারি না। দাঁড়াইয়া কাম সারতে অয়। কী করুম। কী অসুখ যে হইল। মিটফোর্ড হাসপাতালে গেছিলাম কয়েকবার। কাজ অয় নাই। বসতে পারি না।’ হজা ভাইয়ের স্ত্রী মারা গেছেন কয়েক বছর হলো। দুই ছেলে বিবাহিত। এক ছেলে মধ্যপ্রাচ্যে। আরেক ছেলে ঢাকার একটি ছোটখাটো হোটেলে কাজ করেন। বললাম. ‘থাকেন কার কাছে?’‘আর বইল না. ভাই। ভাতের অভাব নাই। যে বাড়িতেই যাই. খাওন দেয়। কিন্তু আমারে দেহার কেউ নাই।’ হজা ভাই লাঠি ভর দিয়ে বাড়ির দিকে গেলেন। আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকলাম। কী সবল দেহ ছিল তাঁর। হাতে সেগুন কাঠের বইঠা নিয়ে নৌকা চালিয়ে আমাদের নিয়ে যেতেন বান্দুরা। বান্দুরা ছিল লঞ্চঘাট। সেই ঘাট থেকে লঞ্চ ছেড়ে যেত ঢাকার দিকে। আমি একের পর এক স্টেশনের নাম মুখস্থ করতাম। বান্দুরার পরই গোল্লাস্টেশন। তারপর ধাপারি. তারপর কলাকোপা. নবাবগঞ্জ. কক্সনগর. কোমরগঞ্জ. কৈলাইল। তারপর লম্বা যাত্রায় লঞ্চ পৌঁছে যেত ফতুল্লা স্টেশনে। আমরা রোমাঞ্চিত হতাম। সদরঘাটের দিকে চেয়ে। আহ কী মজা. ঢাকা শহরে পৌঁছে যাচ্ছি।একদিন লোকজনের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। চোখ মেলে বাইরে দেখি হজা ভাইয়ের মাথায় বিরাট এক বোঝা। বোঝাটি মাথা থেকে নামাতেই দেখি আমাদের বড় রেডিওটা।আমাদের গ্রামে প্রথম রেডিও আসে আমাদের বাড়িতেই। রেডিও নষ্ট হয়েছিল বলে সেটা সারাই করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ঢাকায়। হজা ভাই ‘গয়নার নাও’–এ করে রেডিও নিয়ে গিয়েছিলেন ঢাকায়। আমাদের গ্রাম থেকে গয়নার নাও (বড় ছইওয়ালা নাও) ছাড়ত সন্ধ্যাবেলায়। সেটা সদরঘাট পৌঁছাতে পরের দিন সকালবেলা। আমরা বাড়ি থেকেই গয়নার নৌকার মাঝিদের হাঁকডাক শুনতাম. ‘এ্যাই ঢাকা। ঢাকা।’ সম্ভবত রেডিওতে সাপ্তাহিক নাটক হতো। নাটক হতো অনেক রাতে। সেই নাটক শোনার জন্য যে কত দিন রাত জাগার চেষ্টা করেছি। পারিনি। পরের দিন সকালে উঠে মাকে বলেছি কেন আমাকে জাগালে না।আব্বা চাকরি করতেন কলকাতায়। এক বছর. দেড় বছর পরপর বাড়িতে আসতেন। বাড়ির বারান্দায় বসে থাকতেন। গ্রামের ছোটরা অনেকে চিনতই না তাঁকে। জিজ্ঞেস করত. ‘লোকটা কে রে?’ আমি বেশ মজা পেতাম। আবার কষ্টও হতো। আবার কেউ কেউ জানত আমার বাবা নেই। মনে পড়ে বাবার হাত ধরে রথের মেলায় গিয়েছিলাম গউদপুর বাজারে। লটকন. চানাচুর. মুরালি ও সোলার বানর কিনে দিয়েছিলেন আব্বা। আমার কাকা চাকরি করতেন ঢাকায়। বাবার চাচাতো ভাই। চাকরি করতেন কুঠি বাড়িতে। সাহেব বাড়ির খানসামা হিসেবে। তিনি বাড়ি ফিরতেন ঢাকা থেকে লঞ্চে কালিগঙ্গা নদী দিয়ে। বালুখণ্ড ছিল লঞ্চঘাট। সেখান থেক‌ে ঘোড়ার পিঠে চড়ে বাড়িতে ফিরতেন প্রায় প্রতি মাসে। সঙ্গে নিয়ে আসতেন নানা রকম খাবার. বিস্কুট। আমরা ভাইবোনেরা কাকার উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর আমাদের সবার হাতে চাচি তুলে দিতেন নানান রকম খাবার। আহা সে কী অমৃত!হজা ভাই অনেক দূরে চলে গেছেন। আমরা হাঁটছি গ্রামে। সঙ্গে আমার এক চাচাতো ভাই হীরক। আমি এক মহিলাকে দেখলাম লাউয়ের জাংলার নিচে বসে মোবাইলে কথা বলছেন। আমি হীরককে বললাম. ‘এত কী কথা কয় রে মহিলা।’হীরক উত্তর দিল. ‘ওনার স্বামী ইতালি থাকে। মনে হয় হের সঙ্গেই কথা কইতেছে।’মনে মনে বলি এ কী বিস্ময়। আমাদের গ্রামটা ইতালি পৌঁছে গেছে।,1573054 2019-01-03,শবরীমালা মন্দিরে নারীর প্রবেশকে ঘিরে সহিংসতায় নিহত ১,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1573053/%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%98%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4,international,online,3,ভারত,ভারতের কেরালার বিখ্যাত শবরীমালা মন্দিরে ঋতুমতী দুই নারীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে সহিংসতা শুরু হয়েছে। এতে একজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছে বলে এএফপির খবরে বলা হয়। কেরালা পুলিশের মুখপাত্র প্রমোদ কুমার এএফপিকে বলেন. নিহত ব্যক্তি বিজেপির সদস্য। গতকাল বুধবার বিক্ষোভের সময় পাথরের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। গতকাল রাতে তিনি মারা যান। গতকাল ভোরে কালো পোশাকে পুলিশের সাহায্যে মন্দিরে প্রবেশ করে প্রার্থনা শেষে নির্বিঘ্নে চলে যান ওই দুই নারী। এরপরই বন্ধ করে দেওয়া হয় ‘অপবিত্র’ হয়ে যাওয়া মন্দির। ধোয়ামোছার পর ‘পবিত্রতা’ ফিরিয়ে এনে ফের খোলা হয় মন্দির। শবরীমালা মন্দিরে হিন্দু দেবতা আয়াপ্পার অধিষ্ঠান। আয়াপ্পার পুরুষ ভক্তদের দাবি. ওই দুই নারী মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করলেও দেবতার দর্শন হয়নি। কেরালা হাইকোর্টের নির্দেশে ১৯৯১ সাল থেকে শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই প্রথা এবং লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করা হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন. ধর্মাচরণের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে ভেদাভেদ করা যায় না। রায় সত্ত্বেও গত চার মাসে কোনো ঋতুমতী নারী শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেননি। সেই অসাধ্য সাধিত হলো গতকাল ভোরে। দীর্ঘ গিরিপথ হেঁটে ভোররাত চারটার সময় চল্লিশোর্ধ্ব ওই দুই নারী—বিন্দু ও কনক দুর্গা—মন্দিরে প্রবেশ করেন। টেলিভিশন ভিডিওতে দেখা যায়. কালো কাপড়ে শরীর ঢেকে পুলিশের সাহায্যে দুই নারী মন্দিরে ঢুকছেন। বিন্দুর বয়স ৪৪। তিনি সিপিআই (এমএল) সমর্থক ও কর্মী। কনক দুর্গার বয়স ৪২। তিনি তামিলনাড়ুর অসামরিক সরবরাহ দপ্তরের কর্মী। গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তিনি কেরালায় আসেন আয়াপ্পা দর্শনের ইচ্ছায়। গতকালের ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে. সহিংসতা যাতে আর ছড়িয়ে পড়তে না পারে. সে জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ গতকাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল. স্টান গ্রেনেড ও জলকামান থেকে জল ছোড়ে। রাজ্যের রাজধানী তিরুঅন্তপুরমে বিশৃঙ্খলা চলাকালে সাংবাদিকেরা হেনস্তার শিকার হন। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়. রাজ্যের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপির বিক্ষোভ আয়োজন মার খেয়েছে। শবরীমালা মন্দিরে নারীদের প্রবেশ বিষয়ে মোদি গতকাল বলেন. বিষয়টি ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। ভারতীয় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন. কিছু কিছু মন্দির আছে. যাদের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে. যেখানে পুরুষেরাও যেতে পারে না এবং পুরুষেরা যানও না।,1573053 2019-01-03,পাকিস্তানকে গরু মেরে জুতো দান ট্রাম্পের,,অনলাইন ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/international/article/1573051/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0,international,online,3,পাকিস্তান|ডোনাল্ড ট্রাম্প|যুক্তরাষ্ট্র,মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানে ১৩০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি মনে করেন. দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো শত্রুদের ঘর। ত্রাণ বন্ধ করে দিলেও ট্রাম্প পাকিস্তানের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক চান। গতকাল বুধবার এই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। এ যেন অনেকটা গরু মেরে জুতো দানের মতো ব্যাপার। ইকোনমিক টাইমসের খবরে জানানো হয়. ট্রাম্প প্রশাসন তালেবান জঙ্গিদের সঙ্গে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে খুব বেশি ভাবছে না। তবে পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে খুব শিগগির বৈঠক করবেন ট্রাম্প। এর আগে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দাবি করা দক্ষিণ ক্যারোলাইনার সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এক সাক্ষাৎকারে সিএনএনকে জানান. পাকিস্তান তালেবান জঙ্গিদের আলোচনার টেবিলে বসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাস ও আইএস দমনে কাজ করবে। রিপাবলিকান সিনেটর গ্রাহাম চান. আফগানিস্তানের যুদ্ধ অবসানে তালেবান জঙ্গিদের শান্তি আলোচনায় আনার প্রচেষ্টা হিসেবে পাকিস্তানকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব দিক যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন. ‘আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাই। তবে দেশটি শত্রুদের ঘর। তারা শত্রুদের লালন করে। আমরা সেটা করতে পারি না।’ ট্রাম্প আরও বলেন. ‘এ কারণে পাকিস্তানের নতুন নেতার সঙ্গে আমি বৈঠক চাই। তবে আমি পাকিস্তানে ১৩০ কোটি ডলারের সহায়তা বন্ধ করেছি। আমি মনে করি. এই অর্থ পানিতে পড়েছে। তাই আমি এটি বন্ধ করেছি।’ গত বছরের আগস্ট মাসে ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন। ওই বছরের জানুয়ারি মাসে ইমরান খান বলেন. প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করবেন। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা তালেবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইমরান খানকে চাপ দেন পম্পেও।,1573051 2019-01-03,আমরা শপথ নিচ্ছি না: ফখরুল,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১২৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573049/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%96%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2,bangladesh,online,3,মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|রাজনীতি|নির্বাচন কমিশন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন,একাদশ জাতীয় সংসদে যোগ দিচ্ছে না বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন. ‘শপথ তো পার হয়ে গেছে. শপথ নেব কোথায়? প্রত্যাখ্যান করলে আবার শপথ থাকে নাকি? আমরা শপথ নিচ্ছি না।’ তিনি অভিযোগ করেন. নির্বাচনের নামে নিষ্ঠুর প্রতারণা ও প্রহসন করা হয়েছে। এ কারণে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেওয়ার বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন. প্রার্থীদের প্রতিবাদ ও নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যানের চিঠি নিয়ে একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে যাবে। এ ছাড়া প্রত্যেক প্রার্থী তাঁর নিজ নিজ এলাকার নির্বাচনী পরিবেশ উল্লেখ করে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করবেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী. ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুব্রত চৌধুরী. মোস্তফা মোহসিন মন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। আজ বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। পরে সাংসদেরা শপথের কাগজে সই করেন। আওয়ামী লীগের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাসদ. ওয়ার্কার্স পার্টি. তরিকত ফেডারেশন. জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্যরা শপথ নেন। এরপর জাতীয় পার্টির সদস্যরা শপথ নেন।,1573049 2019-01-03,যৌন হেনস্তাকারীর সঙ্গে গওহর খান!,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573048/%E0%A6%AF%E0%A7%8C%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%93%E0%A6%B9%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,online,3,বলিউড,বলিউডের চিত্রপরিচালক বিকাশ বহেলের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা কঙ্গনা রনৌত। গত বছর অক্টোবর মাসে হাফপোস্ট ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রনৌত বলেছেন. ‘বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আমাদের দেখা হতো। আমরা একে অপরকে আলিঙ্গন করে অভিবাদন জানাতাম। কিন্তু এই সুযোগে বিকাশ তাঁর মুখ আমার ঘাড়ে গুঁজে দেন। আমাকে বেশ জোরে চেপে ধরতেন আর আমার চুলের ঘ্রাণ নিতেন। ওই সময় তিনি বলেছেন. “তোমার শরীরের ঘ্রাণ আমার ভালো লাগে. কঙ্গনা।” ওই অবস্থা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে আমাকে একটু বেগ পেতে হতো।’ এবার শোনা যাচ্ছে. বিতর্কিত এই চিত্রপরিচালকের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন গওহর খান। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও গওহর খান ২০০৯ সাল থেকে চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করছেন। প্রথম ছবি ‘রকেট সিং: সেলসম্যান অব দ্য ইয়ার’। এই ছবিতে তিনি অভিনয় করছেন রণবীর কাপুরের সঙ্গে। এরপর অজয় দেবগনের সঙ্গে ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বাই’ (২০১০). অভিষেক বচ্চন ও কঙ্গনা রনৌতের সঙ্গে ‘গেম’ (২০১১). অর্জুন কাপুর ও পরিণীতি চোপড়ার সঙ্গে ‘ইশাকজাদে’সহ (২০১২) ১১টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস সেভেন’-এ চ্যাম্পিয়ন হন তিনি। এ ছাড়া ‘ঝলক দিখলা যা থ্রি’ আর ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি’তেও তিনি প্রতিযোগী ছিলেন। এদিকে পরিচালক বিকাশ বহেলের সঙ্গে গওহর খানের প্রেমের গুঞ্জন এখন বলিউডজুড়ে। এ ব্যাপারে গওহর খান কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বন্ধুরা বলছেন. গওহর আর বিকাশ একে অপরের ভালো বন্ধু। তাঁদের ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক নেই। তা মানতে চায়নি অনেকেই। কারণ. বিকাশ বহেল আর গওহর খানকে নাকি ঘনিষ্ঠভাবে দেখে গেছে। তা থেকে এই ধারণা এখন খুবই পোক্ত যে তাঁরা একে অন্যের প্রেমে বেশ ভালোই ডুবে আছেন। বিকাশ বহেল হিন্দি ছবি ‘চিলার পার্টি’. ‘কুইন’. ‘শান্দার’ আর ‘সুপার থার্টি’র পরিচালক। প্রযোজনা করেছেন আরও অসংখ্য ছবি। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ নতুন নয়. কিন্তু এর কোনোটার ব্যাপারেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ কারণে বিকাশ বহেলের সাহস ক্রমেই বেড়ে যায়। সম্প্রতি তাঁর কুকর্মগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছেন বলিউড তারকা কঙ্গনা রনৌতসহ আরও কয়েকজন। ‘কুইন’ ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্যান্টম ফিল্মসের একজন সাবেক কর্মীকে বিকাশ বহেলের যৌন হেনস্তা করার ঘটনা সামনে এনেছেন কঙ্গনা রনৌত। এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম অংশীদার ছিলেন বিকাশ বহেল। এই অভিযোগকে সত্যি বলেছেন প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম অংশীদার বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে। প্রতিষ্ঠানটির অন্য দুজন অংশীদার অনুরাগ কাশ্যপ ও মধু মন্টেনা। তবে সম্প্রতি ফ্যান্টম ফিল্মস ভেঙে গেছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে শেষ তৈরি হয়েছে ‘সুপার থার্টি’। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন হৃতিক রোশন। পরিচালনা করেছেন বিকাশ বহেল। ছবিটি ২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা আছে। হাফপোস্ট ইন্ডিয়াকে বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে বলেন. ‘এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। অনুরাগ কাশ্যপ আমাকে বিষয়টি জানান। এরপর মধু. আমি আর অনুরাগ ওই নারীর সঙ্গে বসেছি। তিনি আমাদের কাছে পুরো ঘটনা বলেছেন। ঘটনাটি শোনা আমাদের জন্য ভীষণ কঠিন ছিল. ভয়ংকরও বলতে পারেন।’ এর আগে ভুক্তভোগী এই নারী বলেছেন. ২০১৫ সালের অক্টোবরে তিনি অনুরাগ কাশ্যপের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন প্রতিষ্ঠান কিংবা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারও কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি। এই প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার আগে পর্যন্ত বিকাশ বহেল তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছেন। পরে তা জানতে পারেন কঙ্গনা রনৌত। ‘কুইন’ ছবির এই তারকা বললেন. ‘মেয়েটির কথা আমি বিশ্বাস করেছি। “কুইন” ছবির শুটিংয়ের সময় বিকাশের বিয়ে হয়। এরপরও তাঁর স্বভাবের কোনো পরিবর্তন হয়নি। নিত্যনতুন সঙ্গীর সঙ্গে তাঁকে দেখা যায়। আমি মেয়েটির পাশে দাঁড়িয়েছিলাম. ভেবেছিলাম বিষয়টা সামনে আসবে। কিন্তু ওই সময় ঘটনাটিকে সচেতনভাবে ধামাচাপা দেওয়া হয়। যেহেতু মেয়েটির পক্ষ নিয়ে আমি কথা বলেছি. তাই হরিয়ানার স্বর্ণপদক বিজয়ী এক নারীকে নিয়ে যে চলচ্চিত্র তৈরির কথা ভাবা হয়েছিল. তা থেকে আমাকে বাদ দেওয়া হয়।’,1573048 2019-01-03,শেখ হাসিনা আবার সংসদ নেতা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573047/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE,bangladesh,online,3,নির্বাচন|শেখ হাসিনা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছে একাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগ। আজ বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে শেখ হাসিনাকে দলটির নেতা নির্বাচিত করা হয়। এবার টানা তৃতীয় মেয়াদে জাতীয় সংসদ নেতা হলেন তিনি। সকালেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। শপথ গ্রহণের পর আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ ভবনের একটি কক্ষে এই বৈঠক হয়। সেখানে শেখ হাসিনাকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। এর আগে ২০০৯ সালে নবম সংসদ ও ২০১৪ সালে দশম সংসদের পর এবার টানা তৃতীয় মেয়াদে সংসদ নেতা নির্বাচিত হলে শেখ হাসিনা। তিনি ১৯৯৬ সালেও সপ্তম সংসদেও সংসদ নেতার ভূমিকায় ছিলেন।,1573047 2019-01-03,পেলে-ম্যারাডোনার সমান নন মেসি!,,খেলা ডেস্ক,২৫,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573046/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF,sports,online,4,ফুটবল|মেসি|ডিয়েগো ম্যারাডোনা|আন্তর্জাতিক ফুটবল,বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব জিতেছেন পাঁচ-পাঁচবার। নিজের ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে প্রতিনিয়ত গড়ে যাচ্ছেন নতুন নতুন ইতিহাস। কিন্তু আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে নামলেই লিওনেল মেসির সব অর্জন যেন ফিকে হয়ে যায়। আর্জেন্টিনার মূল দলের হয়ে এখনো যে কিছুই জেতেননি তিনি! সেই ব্যর্থতার দিকে আঙুল তুলেই ব্রাজিল কিংবদন্তি জিকো জানালেন. পেলে-ম্যারাডোনা হতে এখনো অনেকটুকু পথ পাড়ি দিতে হবে মেসিকে। ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে ম্যারাডোনার কাছাকাছি থাকলেও পেলেকে এখনো ধরতে পারেননি মেসি. এমনটাই ভাবছেন জিকো. ‘মেসিকে বড়জোর ম্যারাডোনার কাছাকাছি বলা যায়। তার মানে পেলের সঙ্গে মেসির তুলনা হওয়ার প্রশ্নই আসে না। কেননা আমার মতে পেলে সবার চেয়ে সেরা।’ একজন সফল ও সম্পূর্ণ ফুটবলারের যেসব গুণাবলি থাকা দরকার. তার সবকিছুই পেলের ছিল মনে অভিমত জিকোর. 'একজন সম্পূর্ণ ফুটবলারের সকল বৈশিষ্ট্য ও গুণ পেলের ছিল। ঈশ্বর যখন পেলেকে বানিয়েছিলেন. তাঁর মধ্যে একজন পরিপূর্ণ ফুটবলারের সকল গুণাবলিই দিয়ে দিয়েছিলেন— গতি. ড্রিবলিং করার ক্ষমতা. শট নেওয়ার দক্ষতা. হেড করার ক্ষমতা. শক্তি. যেকোনো পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরতে পারার যোগ্যতা. সবকিছু। বিশ্বের খুব কম ফুটবলারই আছে যে পেলের মতো হেড করতে পারত। তিনি ছিলেন ১৭০ সেন্টিমিটার লম্বা. অর্থাৎ ভালোভাবে হেড করতে তাঁর কোনো সমস্যাই হতো না। বল নিয়ে কারিকুরি করতে পারা বা দলকে নিজের কাঁধে বয়ে নিয়ে যাওয়া— সম্ভাব্য সব দিকেই পেলে নিজেকে উন্নত করেছিলেন।’ মেসির মধ্যেও এসব গুণ কমবেশি আছে মানলেও মেসিকে পেলে-ম্যারাডোনার সমান ভাবতে নারাজ জিকো. ‘হ্যাঁ. মেসিও ভালো. তবে পেলের মতো নয়। সে এখনো আর্জেন্টিনার হয়ে একটা বিশ্বকাপও জিততে পারেনি. এটাই অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়।’ এই এক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার কারণে মেসি ম্যারাডোনার সমানও নাকি হতে পারেননি. ‘মেসি এখন যেমন ক্লাব পর্যায়ে সবকিছু জিতছে. ম্যারাডোনার তেমন জিতেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের হিসাব করলে ম্যারাডোনা একজন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন যেটা এখনো মেসি হতে পারেনি। ম্যারাডোনা সব সময় জাতীয় দলের হয়ে খেলতে এসে নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিত। আন্তর্জাতিক যেকোনো প্রতিযোগিতায় সব সময় নিজের সেরাটা ঢেলে দিত। এমনকি ভালো দল না নিয়েও সে নিজে জানপ্রাণ দিয়ে লড়ত। মেসি তো তাও সতীর্থ হিসেবে ইনিয়েস্তা. জাভি. নেইমার. সুয়ারেজ. পিকেদের পেয়েছে।’সত্তর-আশির দশকে ব্রাজিলের হয়ে মাঠ কাঁপিয়েছিলেন ‘সাদা পেলে জিকো। জিকোর এই বক্তব্য মেসিকে তাতিয়ে দিতে বাধ্য. আর এর মধ্যেই লিগের ১৫ ম্যাচে ১৫ গোল করা মেসি যদি আরও খেপে যান. তা আর্জেন্টিনা আর বার্সেলোনা. দুই দলের জন্যই ভালো!,1573046 2019-01-03,সিডনির প্রথম দিনেও নায়ক পূজারা,,খেলা ডেস্ক,১৩,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573045/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE,sports,online,4,ভারত|অস্ট্রেলিয়া|ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেট,চেতেশ্বর পূজারার অপরাজিত ১৩০ রানে সিডনি টেস্টের প্রথম দিনে ভালো অবস্থানে ভারত। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনশেষে তারা স্কোরবোর্ডে তুলেছেন ৪ উইকেটে ৩০৩ রান। পূজারার যোগ্য সঙ্গী হয়ে ছিলেন মৈনাক আগারওয়াল চেতেশ্বর পূজারার অপরাজিত ১৩০ রানে সিডনি টেস্টের প্রথম দিনে ভালো অবস্থানে ভারত। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনশেষে তারা স্কোরবোর্ডে তুলেছেন ৪ উইকেটে ৩০৩ রান। পূজারার যোগ্য সঙ্গী হয়ে ছিলেন মৈনাক আগারওয়াল সিডনি টেস্টের শুরুটা হলো চেতেশ্বর পূজারার ব্যাটিং-প্রদর্শনী দিয়েই। তাঁর অনবদ্য. অপরাজিত সেঞ্চুরিতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত প্রথম দিন শেষে স্কোরবোর্ডে তুলেছে ৪ উইকেটে ৩০৩ রান। পূজারা দিন শেষে অপরাজিত ছিলেন ১৩০ রান করে।দিনের দ্বিতীয় ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন পূজারা। ওপেনার লোকেশ রাহুলের আরও একটি ব্যর্থতার পর। ব্যক্তিগত ৯ রানে যখন জস হ্যাজলউডের বলে শন মার্শের ক্যাচ হয়ে রাহুল ফিরলেন স্কোরবোর্ডে তখন ভারতের রান মাত্র ১০। মোটামুটি বিপর্যয়ের মুখ দাঁড়িয়ে পূজারা অস্ট্রেলীয় বোলারদের সামনে যেন দেয়াল তুলে দাঁড়ালেন। অপর ওপেনার মৈনাক আগারওয়ালের সঙ্গে ১১৬ রানের জুটি গড়েন। মৈনাক খেলেছেন দারুণ। ১১২ বলে ৭৭ রান করে নাথান লায়নের বলে ফেরেন তিনি। এরপর অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে পূজারা জুটি গড়েন ৫৪ রানের। কোহলি অবশ্য নিজের ইনিংসটি খুব বড় করতে পারেননি। ২৩ রানে হ্যাজলউডের বলে উইকেটের পেছনে টিম পেইনের হাতে ধরা পড়েন তিনি। এরপর দিনের বাকিটা সময় পূজারা পর করেছেন আরও দুটি জুটির অংশ হয়ে। অজিঙ্কা রাহানের সঙ্গে জুটিটা ৪৮ রানের বেশি হয়নি। তবে দিন শেষে হনুমা বিহারির সঙ্গে যুগলবন্দীটা অবিচ্ছিন্ন ৭৫ রানের। রাহানে ১৮ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে পেইনের হাতে ক্যাচ দিলেও বিহারি দিন শেষে অপরাজিত আছেন ৩৯ রানে।পূজারা ২৫০ বল খেলে ১৩০ রানে অপরাজিত। তাঁর ইনিংসে বাউন্ডারি ১৬টি। কাল তাঁর টিকে থাকার ওপর ভারতের ইনিংসের দৈর্ঘ্য অনেকটাই নির্ভর করবে। অস্ট্রেলিয়ার হ্যাজলউড নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক ও কামিন্স।,1573045 2019-01-03,চাঁদের অন্ধকার দিকের প্রথম ছবি পাঠাল চীনা নভোযান,,অনলাইন ডেস্ক,৫,https://www.prothomalo.com/technology/article/1573042/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%9B%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8,technology,online,4,মহাকাশ,চাঁদের অন্ধকার দিকে একটি রোবটিক যানের সফল অবতরণ করিয়েছে চীন। চাঁদের অদেখা অংশে প্রথমবারের মতো রোবটযান পাঠানো হলো। মানুষবিহীন চাং’ই-৪ নামের ওই রোবটযান দক্ষিণ গোলার্ধের এইটকেন বেসিনে অবতরণ করেছে। এটি চাঁদের ডার্ক সাইড বা অন্ধকার অংশ। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। চাঁদে প্রাণের রহস্য নিয়ে গবেষণার জন্য এই চন্দ্রযান পাঠানো হয়েছে। এটি চাঁদের ওই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ও বায়োলজিক্যাল পরীক্ষা চালাবে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে একে মহাকাশ গবেষণায় বড় ধরনের পদক্ষেপ বলা হচ্ছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়. মহাকাশ গবেষণায় চীনের এই চন্দ্রযানের অবতরণকে মাইলফলক হিসেবে দাবি করছে চীনা কর্তৃপক্ষ। বলা হচ্ছে. আগের যেসব চন্দ্রযান পাঠানো হয়. সেগুলো অবতরণ করেছিলে চাদের পৃথিবীমুখী অংশে। কিন্তু চাং’ই-৪ প্রথম কোনো চন্দ্রযান. যেটি চাঁদের পৃথিবীর বিপরীত দিকের অংশে অবতরণ করেছে. যে অংশকে চাঁদের অন্ধকার অংশ বলেও অভিহিত করা হয়। চাঁদের ওই অংশ পৃথিবী থেকে খুব কম সময় দেখা যায় বলে অন্ধকার অংশ বলা হয়। চাঁদের ওই পৃষ্ঠের ছবিও পাঠিয়েছে নভোযানটি। ফলে প্রথমবারের মতো চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের ছবি দেখল পৃথিবীবাসী। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের মুলার্ড. স্পেস সায়েন্স ল্যাবরেটরির অধ্যাপক অ্যান্ড্রু কোওটস বলেন. চাঁদের অন্ধকার অংশ আরও বেশি রুক্ষ ও অনেক বেশি গর্তে ভরা। বিবিসি অনলাইনের তথ্য অনুযায়ী. চীনের মিশনের আরেকটি লক্ষ্য হচ্ছে চাঁদের অপর পাশে একটি বেতার যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করা এবং সেখানে ভবিষ্যতের টেলিস্কোপ স্থাপনের জন্য একটি ক্ষেত্র তৈরি করা। এ মিশনের মহাকাশযানটিতে করে তিন কেজি আলুর বীজ আর ফুলের বীজ নেওয়া হয়েছে. যা দিয়ে চাঁদে জীববিজ্ঞানের কিছু পরীক্ষা চালানো হবে। কৃত্রিম পরিবেশ তৈরির ‘চাঁদের ছোট জীবমণ্ডল’ নামের এই নকশা চীনের ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনায় করা হয়েছে। মহাকাশযানটি হচ্ছে চাং’ই-৩–এর পরবর্তী সংস্করণ। ২০১৩ সালে চাঁদে ওই যান পাঠিয়েছিল চীন। যানটিতে দুটি ক্যামেরা রয়েছে। একটি অংশ তেজস্ক্রিয়তা যাচাই করতে পারে এবং আরেকটি অংশ মহাকাশের স্বল্পমাত্রার তরঙ্গ পর্যালোচনা করতে পারে। চাঁদের ভূপৃষ্ঠের নিচে কী আছে. সেটি পরীক্ষা করে দেখার জন্য একটি রাডার রয়েছে। এমন কিছু যন্ত্র রয়েছে. যেটি খনিজ উপাদান শনাক্ত করে বিশ্লেষণ করতে পারে। চাঁদ নিয়ে গবেষণায় চীনের বিশাল কর্মসূচির অংশ হচ্ছে এই মিশন। প্রথম এবং দ্বিতীয় চাং–ই মিশনের উদ্দেশ্য ছিল কক্ষপথ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ। তবে তৃতীয় আর চতুর্থ মিশনের লক্ষ্য চাঁদের ভূপৃষ্ঠ। চাং’ই–৫ আর ৬–এর লক্ষ্য হবে চাঁদ থেকে সংগৃহীত পাথর আর মাটির নমুনা ফিরিয়ে এনে গবেষণাগারে জোগান দেওয়া।,1573042 2019-01-03,কোকেন হটাতে এককাট্টা যুক্তরাষ্ট্র-কলম্বিয়া,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1573041/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE,international,online,4,লাতিন আমেরিকা|যুক্তরাষ্ট্র|কলম্বিয়া,কলম্বিয়া মাদকদ্রব্য কোকেনের সবচেয়ে বড় উৎপাদক আর যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় গ্রাহক। এই দুই দেশ মিলে ভয়াবহ মাদকটি হটাতে একজোট হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভান ডুইকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা জানান। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়. বৈঠকে কলম্বিয়ায় কোকেনের মূল উপকরণ কোকাপাতার উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাইক পম্পেও। তিনি বলেন. ২০২৩ সালের মধ্যে দুই দেশ কোকার উৎপাদন ৫০ শতাংশ কমিয়ে ফেলার চেষ্টা করবে। জবাবে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান. কলম্বিয়া ইতিমধ্যে কোকা নির্মূল কর্মসূচি শুরু করেছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে. কলম্বিয়ায় রেকর্ড পরিমাণ কৃষিজমি কোকা চাষের জন্য ব্যবহৃত হয়। কোকেনের উৎপাদন কমানোর জন্য অনেক দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি। কোকেনের উৎপাদন কমানো ও মাদক পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্র বছরে চার কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দিয়ে থাকে। মাইক পম্পেও বলেন. কলম্বিয়ায় কোকেনের উৎপাদন কমানোর জন্য ২০১৩ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশই এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন। তাই কোকেন নির্মূলে এক হয়ে কাজ করছে দুই দেশ। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গত মাসে বলেন. ২০১৮ সালে ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে কোকার উৎপাদন নির্মূল করা হয়েছে। এ বছর আরও এক লাখ হেক্টর জমি থেকে কোকার উৎপাদন নির্মূল করবে সরকার।,1573041 2019-01-03,আসামের বাঙালিদের বিপদ কমছে না,,তরুণ চক্রবর্তী. আগরতলা,,https://www.prothomalo.com/international/article/1573040/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%A6-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE,international,online,4,ভারত|বাঙালি|আসাম,ভারতের আসাম রাজ্যে নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় নাম থাকলেও বিপদ কমছে না রাজ্যের বাঙালিদের। নতুন করে যাচাই হবে অনেকেরই নাগরিকত্ব। বিপন্ন হতে চলেছেন নয় লাখ আসামবাসী। এঁদের বেশির ভাগই বাঙালি। গত সোমবার ছিল আসামের এনআরসি–ছুটদের নাম তোলার আবেদনের পাশাপাশি চূড়ান্ত খসড়ায় নাম নথিভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর শেষ দিন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এনআরসি সূত্রে খবর. ৪০ লাখ ৭ হাজার ৭০৭ জনের নাম বাদ পড়লেও দরখাস্ত জমা পড়েছে ৩১ লাখ। এর পাশাপাশি এনআরসির খসড়া তালিকায় নাম থাকলেও আপত্তি জানানোর শেষ দিন গত ৩১ ডিসেম্বর তিন লাখ নামের বিরুদ্ধে আপত্তি জমা পড়েছে। বাঙালিবিদ্বেষী বলে পরিচিত আসামের সংগঠন আসুর নেতৃত্ব ৩০টি সংগঠন এই আপত্তি জানানোর দায় স্বীকার করেছে। আসু নেতা লুরিন জ্যোতি গগৈ সাংবাদিকদের বলেন. ‘৩১ ডিসেম্বরের আগে মাত্র ৭৭০টি আপত্তি জমা পড়েছিল। কিন্তু আমরা উদ্যোগ নিয়ে শেষ দিনেই গোটা রাজ্যে এক দিনে তিন লাখ আপত্তি জমা করিয়েছি।’ ১৫ জানুয়ারি থেকে এসব আপত্তির মীমাংসা–প্রক্রিয়া শুরু হবে। জানা গেছে. বাঙালিদের বিরুদ্ধেই প্রায় সব আপত্তি জমা পড়েছে। তাই আসামের বাঙালিদের ফের দিতে হবে নাগরিকত্বের পরীক্ষা। এনআরসি তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে হঠাৎ করে আপত্তি বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আসুর এই ভূমিকার নিন্দা জানিয়েছে আসাম রাজ্য নাগরিক অধিকার রক্ষা সমন্বয় সমিতি (সিআরপিসিসি)। সংগঠনটির চেয়ারম্যান তপোধীর ভট্টাচার্য আজ বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন. ‘রাষ্ট্র কখনো প্রতিশোধের ভূমিকা নিতে পারে না। পুরোটাই তো সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে হওয়ার কথা। এখন সুপ্রিম কোর্ট আসুর এই বিদ্বেষের বিচার করুক।’একই সঙ্গে তিনি বলেন. ‘এক দিনে এত আপত্তি আসলে তো মানুষকে হয়রানি করার জন্যই। গোটা ঘটনার তদন্ত হওয়া জরুরি।’ গতকাল থেকে আবার শুরু হয়েছে এনআরসির খসড়ায় নামের বানানবিভ্রাট সংশোধন। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই প্রক্রিয়া। অনলাইনে বা এনআরসি সেবাকেন্দ্রে গিয়ে সংশোধন করতে হচ্ছে ভুল নামের।,1573040 2019-01-03,বৈঠক শেষ. বিকেলে ইসিতে যাবে ঐক্যফ্রন্ট,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573039/%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A0%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F,bangladesh,online,4,নির্বাচন|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|নির্বাচন কমিশন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফল বিপর্যয়ের পর ধানের শীষের প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক শেষ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়। শেষ হয় বেলা দেড়টায়। বৈঠকের পর বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিতে বিকেল তিনটায় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের একটি প্রতিনিধি দল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে যাবে। বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন. বৈঠকে ১৭৪ জন প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বিজয়ী পাঁচজন প্রার্থীও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা হলেন. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর. হারুনুর রশীদ. আমিনুল ইসলাম. মোশারররফ হোসেন ও জাহিদুর রহমান। ২৯৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। বাকি দুটি আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপির অলি আহমেদ নিজ দলের প্রতীক ছাতা এবং কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদ স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। বৈঠকের শুরুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাগত বক্তব্যে প্রার্থীদের কাছে তাঁদের নিজ নিজ এলাকার ভোটের পরিস্থিতি এবং পরবর্তী করণীয় কী হতে পারে. তা বিস্তারিতভাবে বলতে প্রার্থীদের প্রতি অনুরোধ করেন। বৈঠকে বিএনপির পাশাপাশি জেএসডি. গণফোরাম. খেলাফত মজলিশের প্রার্থীরা থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী উপস্থিত হননি। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর. স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন. মাহবুবুর রহমান. আবদুল মঈন খান. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী. নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম উপস্থিত। এ ছাড়া জেএসডির আ স ম আবদুর রব. আবদুল মালেক রতন. শহীদউদ্দিন মাহমুদ. কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী. ইকবাল সিদ্দিকী. গণফোরামে সুব্রত চৌধুরী. মোস্তফা মহসিন মন্টু. আমসা আমিন. নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না. খেলাফত মজলিসের আহমেদ আবদুল কাদের. লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান. এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ প্রমুখ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।,1573039 2019-01-03,এক ওভারে ৩৪ রান!,,খেলা ডেস্ক,৩,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573035/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%93%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%A9%E0%A7%AA-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8,sports,online,4,ক্রিকেট|শ্রীলঙ্কা|নিউজিল্যান্ড,এক ওভারে ৩৪ রান নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ আক্রমণাত্মক ছিলেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জিমি নিশাম এক ওভারে ৩৪ রান নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ আক্রমণাত্মক ছিলেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জিমি নিশাম ৬.৬.৬.৬.৩ (নো-বল).৬.১ - শেষ বলটা ঠিকমতো মারতে পারলে ওয়ানডেতে এক ওভারে সবচেয়ে বেশি রান নেওয়ার রেকর্ডটা আজকেই করে ফেলতে পারতেন জিমি নিশাম! কিংবা. শেষ বলে যদি ১ না হয়ে অন্তত চার রান হতো. তাহলে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে হটিয়ে ওয়ানডেতে সবচেয়ে কম বল খেলে অর্ধশতক করার রেকর্ডটাও নিজের করে নিতে পারতেন এই কিউই! এমনই খুনে মেজাজে ছিলেন আজ তিনি। ৪৯ তম ওভারে ৩৪ রান নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নিজের দলকে রানের পাহাড়ে চড়িয়েছেন তিনি।নিশামের পাশাপাশি মার্টিন গাপটিল. রস টেলর আর কেন উইলিয়ামসনের ব্যাটও হেসেছে আজ। সকলের মিলিত অবদানে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের প্রথম ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৭১ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। এটি কিউইদের ওয়ানডে ইতিহাসের সপ্তম সর্বোচ্চ স্কোর। ২০১৭ সালের জুন মাসের পর আর ওয়ানডে দলে ডাক পাননি নিশাম। বহুদিন পর আজকে দলে ফিরেই নিজের ফিরে আসার মুহূর্তকে রাঙিয়ে তুললেন এই বাঁ হাতি অলরাউন্ডার। আর তাতে কপাল পুড়েছে লঙ্কান অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরার। ৪৯ তম ওভারটা করতে আসার আগে পেরেরার বোলিং পরিসংখ্যানটা মোটামুটি সম্মানজনক ছিল. ৯ ওভার বল করে ৪৬ রানে ২ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ঝামেলাটা বাঁধল শেষ ওভারটা করতে এসেই। নিশামের কাছে পাঁচ ছক্কা খেয়ে ৩৪ রান দেওয়ার পর পেরেরার বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড়ায়. ১০-০-৮০-২!ওভারের প্রথম দুই বলে মিড উইকেটের ওপর দুই ছক্কা মেরে পেরেরাকে অভ্যর্থনা জানান নিশাম। দুই ছয় খেয়ে লাইন-লেংথের কথা ভুলে গিয়ে নিশামকে আবারও ফুল লেংথের বল করেন পেরেরা. ফলাফল একই। তৃতীয় ছয়টা বোলারের মাথার ওপর দিয়ে গিয়ে মাঠের সাইটস্ক্রিনে আছড়ে পড়ে। চতুর্থ বলে আবারও মিড উইকেটের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন নিশাম। টানা চার ছয় খেয়ে পেরেরা তখন রীতিমতো দিশেহারা। অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গার সঙ্গে শলাপরামর্শ করেও লাভ হয়নি. পরের বলটা ফুলটস মারতে গিয়ে নো-বলের শিকার হন তিনি. যে বলে নিশাম আরও দুই রান তুলে নেন। ফ্রি-হিট পেয়ে ওভারের পঞ্চম ছক্কাটা মারেন নিশাম। মাঠে তখন তুমুল উত্তেজনা. ওভারের ৫ বলে ৩৩ রান নেওয়া নিশাম কি শেষ বলে অন্তত একটা বাউন্ডারি মারতে পারবেন? মারতে পারলেই একই সঙ্গে দুই দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে দুটি রেকর্ড কেড়ে নিতে পারতেন তিনি— হার্শেল গিবসকে হটিয়ে এক ওভারে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ডটা নিজের করে নিতে পারতেন. আর ভিলিয়ার্সকে হটিয়ে সবচেয়ে কম বলে অর্ধশতক করার রেকর্ডটাও করে ফেলতেন। রেকর্ড হারানোর শঙ্কাতে ছিলেন থিসারা পেরেরা নিজেও। ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার পাল্লেকেল্লেতে দক্ষিণ আফ্রিকার রবিন পিটারসনের এক ওভারে ৩৫ রান নিয়ে এক ওভারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তোলার রেকর্ডটা এই পেরেরারই!যাই হোক. শেষ পর্যন্ত কোনো রেকর্ডই ভাঙেনি. শেষ বলে এক রান নিয়ে ওভারে ৩৪ রান নিতে পারেন নিশাম। তবে একটা রেকর্ড কিন্তু ঠিকই করে ফেলেছেন তিনি. সেটি ন্যূনতম ১০ বল খেলা ইনিংসগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্ট্রাইক-রেটওয়ালা ইনিংসের রেকর্ড! ৩৬১.৫৪ স্ট্রাইক রেটে ১৩ বলে ৪৭ রান করেছেন নিশাম. পেছনে ফেলেছেন ৩৩৮.৬৪ স্ট্রাইক রেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষের ভিলিয়ার্সের ৪৪ বলে ১৪৯ রানের ইনিংসটাকে।নিশামের আগে কিউইদের হয়ে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন মার্টিন গাপটিল (১৩৯ বলে ১৩৮). কেন উইলিয়ামসন (৭৪ বলে ৭৬) ও রস টেলর (৩৭ বলে ৫৪)। জবাব দিতে নেমে ডিকভেলা আর গুনাতিলাকার উইকেট দুটি হারিয়ে ২৩ ওভারে ২ উইকেটে ১৫৫ রান তুলেছে লঙ্কানরা। দিনটাকে পুরোপুরি নিজের করে নেওয়ার মিশনে নেমেছেন যেন নিশাম. উইকেট দুটিও যে তারই শিকার!,1573035 2019-01-03,কাদের খানকে দাফন,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573034/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%A8,entertainment,online,4,বলিউড,বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা কাদের খানকে দাফন করা হলো টরন্টোর মিডভেল সিমেট্রিতে। তাঁর ছেলে সরফরাজ খান জানিয়েছেন. কানাডার স্থানীয় সময় অনুযায়ী গতকাল বুধবার বেলা আড়াইটায় কাদের খানকে দাফন করা হয়। শেষ যাত্রায় আগা সম্প্রদায়ের স্থানীয় সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরাই চোখের জলে কাদের খানকে বিদায় জানান। কানাডার টরন্টোর একটি হাসপাতালে গত ৩১ ডিসেম্বর কাদের খান শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মরদেহ মুম্বাই আনতে চাননি তাঁর পরিবার। যদিও বার্তা সংস্থা পিটিআইকে সরফরাজ খান বলেছেন. ‘মুম্বাই নয়. বাবাকে টরন্টোতে দাফন করা হবে। এখানে আমাদের পুরো পরিবার রয়েছে। আমরা সবাই এখানেই থাকি। তাই বাবার শেষ কাজও এখানেই হবে।’ এর আগে বার্তা সংস্থা পিটিআইকে কাদের খানের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন সরফরাজ খান। তিনি বলেন. ‘বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। কানাডার সময় অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বিকেলেই কোমাতে চলে যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ। ১৭ সপ্তাহ ধরে তিনি হাসপাতালেই ছিলেন।’ কানাডার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। স্ত্রী সাহিস্তাকে নিয়ে সরফরাজ খান কানাডায় আছেন। কাদের খানও দীর্ঘদিন তাঁদের কাছেই ছিলেন। মৃত্যুকালে কাদের খান স্ত্রী হাজরা. তিন ছেলে ও তাঁদের স্ত্রী এবং নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। পিটিআই আগেই জানিয়েছে. কাদের খান শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। চিকিৎসকেরা তাঁকে নিয়মিত ভেন্টিলেটর থেকে বাইপ্যাপ ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করেন। দুই দিন আগে জানা যায়. তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই পুরো সময়টা কাদের খানের ছেলে সরফরাজ আর তাঁর স্ত্রী হাসপাতালেই ছিলেন। কাদের খান অনেক দিন থেকেই প্রোগ্রেসিভ সুপ্রানিউক্লিয়ার পলসিতে (পিএসপি) ভুগেছিলেন। এ সমস্যায় রোগীরা স্বাভাবিক ভারসাম্য ও স্মৃতি হারিয়ে ফেলেন। পিএসপির কারণে তিনি বাক্শক্তি হারিয়ে ফেলেন। ২০১৫ সালে মুম্বাইয়ে তাঁর হাঁটুতে একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। কাদের খানের জন্ম আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে। বলিউডে তিন শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ২৫০টি ছবির সংলাপ লিখেছেন। রাজেশ খান্না অভিনীত ‘দাগ’ ছবি দিয়ে ১৯৭৩ সালে বলিউডে অভিনয়জীবন শুরু করেন কাদের খান।,1573034 2019-01-03,নোয়াখালীতে ওই নারীকে গণধর্ষণের আলামত মিলেছে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. নোয়াখালী,৪৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573033/%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%93%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87,bangladesh,online,4,নোয়াখালী|আইন ও বিচার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|চট্টগ্রাম বিভাগ|আওয়ামী লীগ,সুবর্ণচরের সেই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার পর গণধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. খলিল উল্যাহ। স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই নারীকে (৪০) গণধর্ষণ করা হয়। মো. খলিল উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন. এখন প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। বিকেল নাগাদ তা চূড়ান্ত হবে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন. ডাক্তারি পরীক্ষাকালে নির্যাতনের শিকার শরীর থেকে সংগ্রহ করা আলামত পরীক্ষার জন্য গতকাল আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়। নির্যাতনের শিকার নারীর অভিযোগ. তিনি গত রোববার সকালে এলাকার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যান। এ সময় কেন্দ্রে থাকা আওয়ামী লীগের কয়েকজন যুবক তাঁকে তাঁদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে বলেন। তিনি তাতে রাজি না হলে যুবকেরা তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ওই দিন রাত ১২টার দিকে ছালা উদ্দিন. সোহেল. বেচু. মোশারফসহ ১০ থেকে ১২ জনের একদল যুবক ঘরে ঢুকে প্রথমে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে মারধর করেন। পরে স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই নারীকে ঘরের বাইরে পুকুরপাড়ে এনে গণধর্ষণ করেন। এই নারীর দাবি. ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সবাই একই এলাকার চর জুবলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য রুহুল আমিনের লোক। আসামিরা কে কোথায় আছে—রুহুল আমিন সবই জানেন। পুলিশ এ ঘটনার ইন্ধনদাতা হিসেবে রুহুল আমিনসহ এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সুবর্ণচরের চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন জানান. গতকাল রাতে রুহুল আমিনকে সুবর্ণচরের উত্তর ওয়াপদা এলাকার একটি মাছের খামার থেকে. আর মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি মো. বেচুকে সেনবাগ উপজেলার কেশাপাড় গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার করা অপর তিনজন হলেন প্রধান আসামি মো. সোহেল (৪০). মো. স্বপন (৩৫) ও বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০)। নির্যাতনের শিকার ওই নারী (৪০) বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গতকাল দুপুরে হাসপাতালে তিনি প্রথম আলোকে বলেন. সারা শরীরে নির্যাতনের জায়গাগুলোতে রক্ত জমে কালো হয়ে গেছে। ব্যথার কারণে তিনি নড়াচড়া করতে পারছেন না। ওসি নিজাম উদ্দিন আজ বৃহস্পতিবার সকালে জানান. গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা প্রাথমিকভাবে গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামি বাদশা আলমের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। আরও পড়ুন:সুবর্ণচরের কালরাতনোয়াখালীতে গণধর্ষণের ঘটনায় আরেকজন গ্রেপ্তারসুবর্ণচরে নারী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা. গ্রেপ্তার ১,1573033 2019-01-03,মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় বিজেপিতে,,প্রতিনিধি. কলকাতা,,https://www.prothomalo.com/international/article/1573032/%E0%A6%AE%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87,international,online,4,ভারত|বিজেপি,ভারতের লোকসভা নির্বাচন সমাগত। আগামী মার্চ-এপ্রিলে এই নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে তারকা টানার খেলা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। বিজেপি. কংগ্রেস. তৃণমূল—সবাই চাইছে তারকাদের প্রার্থী করে দলকে জিতিয়ে আনতে। এবার এই খেলায় বলিউডের বাঙালি তারকা মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়কে দলে ভিড়িয়েছে বিজেপি। গতকাল বুধবার দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় মৌসুমীর হাতে তুলে দেন বিজেপির পতাকা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা মুকুল রায়. প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়. সায়ন্তন বসু প্রমুখ। মৌসুমী কংগ্রেসের টিকিটে ২০০৪ সালে কলকাতার লোকসভার একটি আসনে লড়ে পরাজিত হয়েছিলেন। তারপর তিনি রাজনীতি থেকে দূরে সরে যান। এবার মৌসুমীর বিজেপিতে যোগদানের পর রাজনৈতিক মহলে কথা ছড়ায় যে তিনি এবার লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের কোনো একটি আসনে প্রার্থী হচ্ছেন। মৌসুমী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন. দল যা চাইবে. তিনি তা–ই করবেন। মোদির উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তাঁর ভালো লেগেছে। তাই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। মৌসুমী আশির দশকে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে ছবি করে ঝড় তোলেন। ১৯৬৭ সালে ‘বালিকা বধূ’ ছবির মাধ্যমে তিনি প্রথম বাংলা চলচ্চিত্রে পা রাখেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ১১ বছর। ২০১৫ সালে অভিনয় করেন বলিউডের ‘পিকু’ ছবিতে। সব মিলিয়ে মৌসুমী বাংলা-হিন্দি মিলিয়ে ১১০টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌসুমী অভিনয় করেছেন বলিউড তারকা রাজেশ খান্না. বিনোদ খান্না. শশী কাপুর. সঞ্জীব কুমারের মতো প্রথিতযশা তারকাদের সঙ্গে। তিনি নানা পুরস্কারও পেয়েছেন। প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক ও শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ছেলে জয়ন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী মৌসুমী। তাঁদের দুই মেয়ে পায়েল ও মেঘা। এই বাংলার তারকা রুপা গঙ্গোপাধ্যায়. লকেট চট্টোপাধ্যায়. বাবুল সুপ্রিয় প্রমুখ আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।,1573032 2019-01-03,পশ্চিম ইসলামবাগে পলিথিন কারখানায় আগুন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573031/%E0%A6%AA%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8,bangladesh,online,4,আগুন|দুর্ঘটনা|রাজধানী,রাজধানীর পশ্চিম ইসলামবাগে একটি পলিথিন কারখানায় আগুন লেগেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সেখানে আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। আগুন নেভাতে ৯টি ইউনিট কাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের ডিউটি অফিসার এরশাদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন. আজ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে পশ্চিম ইসলামবাগের ওই পলিথিন কারখানায় আগুন লাগে। এ আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট কাজ করছে। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি এরশাদুল ইসলাম।,1573031 2019-01-03,পোস্ট অফিস গ্রাহকদের জন্য কোনাকার্ড,,অনলাইন ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/technology/article/1573030/%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%85%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B8-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1,technology,online,4,খবরাখবর,টেলিকমিউনিকেশন টেকনোলজি ডেভেলপার ‘থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের (টিডব্লিউটিএল) সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তি করেছে কোনা সফটওয়্যার ল্যাব লিমিটেড। এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পোস্ট অফিসের গ্রাহকেরা কোনাকার্ড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। টিডব্লিউটিএল হলো বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের জন্য ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অপারেটর. যারা কোনাকার্ডের মাধ্যমে পোস্ট অফিসের ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে চায়। এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সেবা হলো টাকা আদান-প্রদান. রেমিট্যান্স–সংক্রান্ত সেবা. টাকা পরিশোধ. ইউটিলিটি বিল পরিশোধ ইত্যাদি। প্রাথমিক ভাবে এ সেবাগুলো শুধু পোস্ট অফিসের গ্রাহকেরা পাবেন। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ মার্কেটের বিষয়টি বিবেচনা করে কোনা তাদের প্ল্যাটফর্মটি সরবরাহ করতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্ম স্মার্টফোনের পাশাপাশি ফিচার ফোনেও ব্যবহার করা যাবে। কোনাকার্ড হলো কোরিয়ার প্রথম প্রি-পেইড. ওপেন মোবাইল. আইসি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম. যা ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে। এটা দিয়ে কার্ড ইস্যু. অনুমোদন. পেমেন্ট এবং সেটেলমেন্ট করা যায়। এতে ইএমভি (ইউরোপে. মাস্টার কার্ড ‍ও ভিসা) প্রযুক্তি থাকায় পৃথিবীর যেকোনো দেশে এটা ব্যবহার করা যাবে। বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোয় এ ধরনের কার্ডের প্রচলন অনেক বেশি।,1573030 2019-01-03,নানার বারোটা বাজিয়ে ফিরে যাচ্ছেন তনুশ্রী,,বিনোদন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573029/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80,entertainment,online,4,বলিউড,এরই মধ্যে বলিউডের শক্তিমান অভিনেতা নানা পাটেকারের ব্যক্তিগত ইমেজের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন ২০০৪ সালের ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স’ ও সাবেক বলিউড তারকা তনুশ্রী দত্ত। তিনি নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন। ভারতের টিভি চ্যানেল নিউজ এইটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তনুশ্রী দত্ত অভিযোগ করেন. ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবি করতে গিয়ে নানা পাটেকার তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছেন। এরপর অপ্রত্যাশিত নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে নানা পাটেকারকে। এ সময়ের তুমুল জনপ্রিয় কয়েকজন বলিউড তারকা তাঁর সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছেন। প্রখ্যাত এই অভিনেতার অভিনয়জীবনের ভবিষ্যৎ এখন প্রশ্নের মুখে পড়েছে। চুক্তি হয়েছে. এমন কয়েকটি ছবি থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এদিকে তিনি খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হন না। সাংবাদিক. টিভি ক্যামেরা ও সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে চলছেন। এবার বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে তনুশ্রী দত্ত জানালেন. আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছেন তিনি। বললেন. ‘আমি এখন ওখানেই থাকি। ছুটিতে মুম্বাই এসেছি। সুতরাং আমাকে ফিরতেই হতো। নানা কারণে এবার ছুটিটা একটু লম্বা হলো। তবে আমি সবাইকে খুব মিস করব। আমার পুরো পরিবার কিন্তু ভারতেই থাকে।’ বিশ্বের অনেক দেশেই যখন হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলন ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে. ভুক্তভোগীরা মুখ খুলছেন. অপরাধীদের মুখোশ খুলে পড়ছে. মানুষ এর সঙ্গে একাত্মতা জানাচ্ছে. ঠিক তখন প্রায় ১০ বছর আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা সামনে এনে ভারতে এই আন্দোলনের সূচনা করেন তনুশ্রী দত্ত। তিনি মুখ খোলার পর চরম বিরোধিতার মুখে পড়েন। কিন্তু দমে যাননি। যা বলার দরকার ছিল. ঠিকই বলেছেন। নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে গেছেন। একই সময় বলিউডের আরও কয়েকজন অনেক দিন আগে তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ন্যক্কারজনক ঘটনা সামনে এনেছেন। তাঁরা বলিউডের এমন সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেছেন. যাঁদের এত দিন সমাজে সম্মানের চোখে দেখা হতো। অল্প দিনেই ভারতে এই আন্দোলন শক্তিশালী রূপ নেয়। ভারতে হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলনের সূচনার শতভাগ কৃতিত্ব দেওয়া হয় তনুশ্রী দত্তকে। তবে আইএএনএসকে তিনি বলেন. ‘একজন সাধারণ মানুষের জার্নিকে মিডিয়া হিরোইন বানিয়ে দিয়েছে। আমি মোটেও তেমন কিছু না. বরং আমি একটা মাধ্যম. যার মধ্য দিয়ে সমাজে পরিবর্তন ও সচেতনতার প্রসার হয়েছে।’ তনুশ্রী দত্ত জানালেন. আজ তাঁর হারানোর ভয় নেই। তবে এক দশক আগের ওই ঘটনা তাঁর ক্যারিয়ারকে শেষ করে দেয়। বললেন. ‘তাই আমাকেও একদিন না একদিন তার জের কাটিয়ে বের হতেই হতো।’ তনুশ্রী দত্ত মনে করেন. এরই মধ্যে ভারতে হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলন যতটা শক্তশালী হয়েছে. সাধারণ মানুষের সমর্থন পেয়েছে. এর ফলে সেই অসৎ চরিত্রের মানুষগুলো ভয় পেয়ে গেছে। তারা নিজেদের কর্মকাণ্ড ঢাকার চেষ্টা করবে। কিন্তু যারা নির্যাতিত হচ্ছে. তারা অবশ্যই মুখ খুলবে। এই আন্দোলনে তিনি ভূমিকা রেখেছেন মাত্র. কিন্তু এই আন্দোলন তাঁর ওপর নির্ভরশীল নয়। এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে. এগিয়ে যাবে আপন গতিতে। বললেন. ‘এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য গুরুত্বপূর্ণ। কোনো আন্দোলন যদি ব্যক্তিনির্ভর হয়ে যায়. তখন এর সাফল্যের সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়।’,1573029 2019-01-03,গুলশানে জড়ো হচ্ছে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১০,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573027/%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%9C%E0%A7%8B-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F,bangladesh,online,4,নির্বাচন|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|নির্বাচন কমিশন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ও নির্বাচিত সদস্যরা গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জড়ো হচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিভিন্ন নির্বাচিত এলাকার প্রার্থী ও নির্বাচিত ব্যক্তিরা গুলশানে আসতে শুরু করেছেন। আজ বেলা ২টার পর সেখান থেকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে যাবেন তাঁরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিভিন্ন দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর. জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত হয়েছেন। সেখানে উপস্থিত একাধিক নেতা প্রথম আলোকে বলেন. মূলত এখানে যে প্রার্থীরা আসছেন. তাঁরা ভোটের দিনের অনিয়মের প্রমাণসহ বিভিন্ন তথ্য নিয়ে আসছেন। সেগুলো এক জায়গায় করে. নির্বাচন কমিশনে জমা দেবেন তাঁরা। তাদের মূল দাবির মধ্যে থাকছে. নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচন দেওয়া। বিএনপির এক নেতা বলেন.নির্বাচিত নতুনেরা শপথ নিয়ে ফেলেছেন. কমিশন তাদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে. তারপরও আমরা কমিশনকে বলব. এ ভোটকে অনুমোদন না দিতে। লিখিত আকারে অভিযোগ সেখানে জমা দেব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন. প্রহসন ও কারচুপির নির্বাচনের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম কর্মসূচি হচ্ছে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেওয়া। এ জন্য বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে তথ্য নিচ্ছেন তারা। পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। ক্ষমতাসীনেরা সবকিছু গায়ের জোরে করছে। সাধারণ মানুষ ভোট দেখেছে। তারাই এর প্রতিবাদ করবে। সামনে কী করণীয়. তখন সেটি নির্ধারণ হবে।,1573027 2019-01-03,যুব উদ্যোক্তা সম্মেলন ‘জিইবি-২০১৮’ অনুষ্ঠিত,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/technology/article/1573023/%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E2%80%98%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AE%E2%80%99-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%A4,technology,online,4,খবরাখবর,সম্প্রতি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে যুব উদ্যোক্তাদের আসর গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ বুটক্যাম্প বা জিইবি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক উদ্যোক্তাদের এ আয়োজনে বিশ্বের ৪০টি দেশ থেকে সফল উদ্যোক্তা ও ১৫০ জন মেধাবী তরুণ অংশগ্রহণ করেন। এমআইটি স্লোগান স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের লিঙ্কন ইউনিভার্সিটি কলেজ এবং এশিয়া স্কুল অব বিজনেস (এএসবি) যৌথভাবে বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করে। দল গঠন. আলোচনা. স্টার্টআপ ওয়ার্কআউট. ব্যবসায়িক মডেল গঠন. উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণার মতো নানা আয়োজন ছিল এতে। এ আয়োজনে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করে লিডসাস গ্লোবাল অ্যাকশন (এলজিএ)। এলজিএর প্রতিষ্ঠাতা সাদিক আল সরকার বলেন. জিইবি তরুণ উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম। এখানে ধারণা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়. যা সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে সাহায্য করে। গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ বুটক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খগেন্দ্র আচার্য বলেন. শুরু থেকেই জিইবি যুব উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সেশন ও নেটওয়ার্কিং নিয়ে কাজ করেছে। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীরা বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণকারীদের উত্থাপিত সম্ভাবনাময় বিভিন্ন উদ্যোগের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং এটা ভবিষ্যতে তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য খুবই ইতিবাচক।,1573023 2019-01-03,টেন্ডুলকার ভুলবেন কীভাবে আচরেকার স্যারকে?,,খেলা ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573022/%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87,sports,online,4,ক্রিকেট|শচীন টেন্ডুলকার|ভারত,শচীন টেন্ডুলকার ক্রিকেট শিখেছিলেন রমাকান্ত আচরেকারের কাছে। তিনি খুব বিখ্যাত ক্রিকেটার বলতে যা বোঝায় সেটি ছিলেন না। কিন্তু তিনি পরিণত হয়েছেন ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা কোচে। মুম্বাইয়ের ময়দানে তিনি টেন্ডুলকারের মতোই ক্রিকেটের স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছিলেন অজস্র ছেলের মধ্যে। তাঁর মৃত্যুতে মুম্বাইই কেবল নয় ভারতীয় ক্রিকেট অঙ্গনও শোকস্তব্ধ শচীন টেন্ডুলকার ক্রিকেট শিখেছিলেন রমাকান্ত আচরেকারের কাছে। তিনি খুব বিখ্যাত ক্রিকেটার বলতে যা বোঝায় সেটি ছিলেন না। কিন্তু তিনি পরিণত হয়েছেন ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা কোচে। মুম্বাইয়ের ময়দানে তিনি টেন্ডুলকারের মতোই ক্রিকেটের স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছিলেন অজস্র ছেলের মধ্যে। তাঁর মৃত্যুতে মুম্বাইই কেবল নয় ভারতীয় ক্রিকেট অঙ্গনও শোকস্তব্ধ ক্রিকেটার হিসেবে খুব বিরাট কিছু তিনি কখনোই ছিলেন না। ষাটের দশকে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার হয়ে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বিপক্ষে খেলা একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচই তাঁর ক্যারিয়ারের সম্বল। কিন্তু কোচ হিসেবে রমাকান্ত আচরেকার সম্ভবত ক্রিকেট ইতিহাসেরই অংশ। তাঁর হাতেই যে গড়ে উঠেছিলেন ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার—শচীন টেন্ডুলকার। আচরেকারের মৃত্যুর পর তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত শিষ্য শোকস্তব্ধ। সারদাশ্রম বিদ্যামন্দিরে ক্রিকেট শেখার সে দিনগুলি চোখের সামনে যে বারবার ভেসে উঠছে ক্রিকেট কিংবদন্তির। গুরুর মৃত্যুর পর তাই তাঁর আবেগমথিত প্রতিক্রিয়া. ‘তাঁর কাছ থেকেই আমার ক্রিকেটের হাতেখড়ি। আমার জীবনে তাঁর অবদান বলে শেষ করা যাবে না। স্যার ছোট থেকে যে ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন. আমি দাঁড়িয়ে আছি সে ভিতের ওপরই। তিনি আমাদের শিখিয়েছিলেন সোজা খেলতে ও জীবন এগিয়ে নিয়ে যেতে।’সেই ছোট্ট বেলায় রমাকান্ত আচরেকারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল টেন্ডুলকারকে। বোলার হতে চাওয়া টেন্ডুলকারকে বানিয়েছিলেন ব্যাটসম্যান। শিখিয়েছিলেন ব্যাটিংয়ের কেতা। বাকিটা তো ইতিহাস! সেই ছোট্ট টেন্ডুলকার পরের ৩০ বছরে পরিণত হলো বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান। সর্বকালের অন্যতম সেরাও। ক্রিকেটের এমন কোনো ব্যক্তিগত রেকর্ড বাদ থাকল না. যেটি নিজের মালিকানায় নেননি টেন্ডুলকার। কিন্তু কী আশ্চর্য. ক্রিকেটীয় উৎকর্ষের চূড়ায় অবস্থান করেও টেন্ডুলকার নিজের প্রেরণা. নিজের বাজে সময়ের আশ্রয়স্থল হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সেই আচরেকারকেই। গুরুর সঙ্গে কথা বলেই যেন নতুন উদ্যম খুঁজে পেতেন। শক্তি পেতেন প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার।টেন্ডুলকার কাল গুরুর মৃত্যুর পর একটা দারুণ কথা লিখেছেন। আবেগী হলেও সেই কথাটিই সবাইকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কোচ রমাকান্ত আচরেকার আসলে কী ছিলেন। টুইটারে টেন্ডুলকার লিখেছেন. ‘এবার হয়তো স্বর্গে গিয়েও ক্রিকেটের উৎকর্ষ বাড়িয়ে তুলবেন আচরেকার স্যার।’আচরেকারের আরেক শিষ্য বিনোদ কাম্বলি। ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ারটা তাঁর কোনো দিনই টেন্ডুলকারের ধারেকাছে যেতে পারেনি। সেটি নিয়ে আচরেকার স্যারের ক্ষোভ বা দুঃখ ছিল কিনা. সেটির ধার না ধেরেই কাম্বলির টুইট. ‘আমার ক্রিকেটীয় সত্তার জন্ম হয়েছে আচরেকার স্যারের হাতেই। আপনার অভাব অনুভব করব সব সময়ই। ওপরেও শান্তিতে থাকুন. ভালো থাকুন স্যার।’মুম্বাইয়ের ক্রিকেট মহলে অন্য চোখেই দেখা হয় আচরেকার স্যারকে। কয়েক দশকে প্রায় হাজার খানিক ছাত্র তৈরি করেছেন তিনি। সবাই যে ‘শচীন টেন্ডুলকার’ হতে পেরেছে. এমনটি হয়তো নয়. কিন্তু তিনি ক্রিকেটের যে উন্মেষ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন. সেটির প্রভাব অনেক বিস্তৃত। ভারত সরকারও তাঁর অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে শ্রদ্ধার সঙ্গেই। তিনি পেয়েছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার। গুরু হিসেবে তিনি সত্যিই ছিলেন পুরোপুরি অন্যরকম। তাঁর কাছে ক্রিকেট ছিল নিছক এক খেলা নয় বিধাতার আরাধনাও।২০১৩ সালের নভেম্বরে ২৪ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানেন টেন্ডুলকার। নিজের বিদায়ী বক্তৃতার একটা বড় অংশ জুড়েই ছিল স্যার আচরেকার. ‘১১ বছর বয়স থেকে আমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন আচরেকার স্যার। স্যার কোনো দিন বলেননি . “ভালো খেলেছ”। পাছে আমি আত্মতুষ্টিতে ভুগতে থাকি। ভালো খেললে তাঁর চেহারার দিকে তাকিয়েই বুঝতে পারতাম. তিনি কতটা খুশি। খুব উজ্জ্বল হয়ে উঠত তাঁর চোখ-মুখ। চেহারার মধ্যেই একটা আনন্দ ঝিলিক দিত। না চাইতেই মিলত ভেলপুরি. ফুচকা।’টেন্ডুলকারই কেবল নয়. অন্য ছাত্রদের মনেও নিশ্চয়ই ভিড় করছে স্যার আচরেকারকে নিয়ে অজস্র স্মৃতি। সে সব স্মৃতি আনন্দের. বেশির ভাগই বাকিটা জীবন রোমন্থন করে যাওয়ার।,1573022 2019-01-03,নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত চায় এইচআরডব্লিউ,,অনলাইন ডেস্ক,১২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573021/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%A1%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89,bangladesh,online,4,নির্বাচন|একাদশ সংসদ নির্বাচন|এইচআরডব্লিউ,সদ্য শেষ হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে ‘নিরপেক্ষ’ ও ‘স্বাধীন’ কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। গতকাল বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায় নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনটি। গত ৩০ ডিসেম্বর ছিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন। এইচআরডব্লিউ ভোটের আগে ও ভোটের দিন বিরোধী দলের কর্মীদের ওপর হামলা. ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো. ভোট জালিয়াতি এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের একপেশে দলীয় আচরণের তদন্ত চায়। এইচআরডব্লিউয়ের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন. ‘নির্বাচনের প্রচারণার সময় বিরোধী পক্ষের ওপর সহিংসতা ও ভয়ভীতি দেখানো. তাদের নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা এবং মতপ্রকাশে বাধা সৃষ্টি করার জন্য আইনের অপব্যবহার হয়েছে।’ অ্যাডামস আরও বলেন. ‘নির্বাচনের দিন জোর করে ব্যালটে সিল মারা. ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। ভোটকেন্দ্রেও ক্ষমতাসীন দলের আধিপত্য ছিল। তাই এসব ঘটনার তদন্তে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন কমিশন গঠন করা উচিত।’ বিবৃতিতে বলা হয়. নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের কয়েক হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাংবাদিকেরা দাবি করেছেন. গ্রেপ্তার ও হামলার ভয় দেখিয়ে তাঁদের প্রতিবেদন লিখতে. কাটছাঁট করতে বাধ্য করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে বিটিআরসি মোবাইলের থ্রিজি ও ফোরজি সুবিধা বন্ধ করে দেয়। নির্বাচনের দিন সহিংসতায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছে। এইচআরডব্লিউয়ের বিবৃতিতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীর গণধর্ষণের ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়। বিরোধী পক্ষে ভোট দেওয়ার কারণে ওই নারীকে ধর্ষণ করার অভিযোগের কথা উঠে আসে বিবৃতিতে। এ ছাড়া খুলনার সাংবাদিক হেদায়তে হোসেন মোল্লা ও রাশিদুল ইসলামের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়।,1573021 2019-01-03,সুবর্ণচরের কালরাত,,নিশাত সুলতানা,৪৭,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573017/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4,opinion,online,4,নির্বাচন|নারী নির্যাতন|ধর্ষণ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,সুবর্ণচর! কী সুন্দর একটি নাম! কিন্তু আজ দুদিন হলো সুবর্ণচর নামটি আমার মনের চোখে আর সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা রূপে ধরা দিচ্ছে না; বরং ধরা দিচ্ছে এক বিভীষিকা হিসেবে। চোখ বন্ধ করলেই আমি দেখতে পাচ্ছি সুবর্ণচরের এক নিভৃত গ্রামের আঙিনায় এক নারীকে নেকড়ের মতো ঘিরে ধরেছে ১০-১২ জন পুরুষ. তারা অট্টহাসি হাসছে আর নারীটিকে ধর্ষণ করছে নিষ্ঠুর উল্লাসে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার মোবাইল ফোনে নারীটির ধর্ষিত. থেঁতলানো শরীরের ছবি তুলছে। ঘরের মধ্যে বন্দী করে রাখা হয়েছে নারীটির স্বামী ও শিশুসন্তানদের। স্বামী আর্তচিৎকার করছেন তাঁর অসহায়ত্বে। কিন্তু তাঁর চিৎকার শুনতে পাবেন এমন কেউ নেই সেই তল্লাটে। সন্তানদের চোখে ভয়ার্ত দৃষ্টি. তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না। তারাও ছটফট করছে. বারবার বাবার কাছে প্রশ্ন করছে কী অন্যায় করেছেন তাদের মা? কখন মুক্তি মিলবে তাঁর? তাদের মা আদৌ কখনো ফিরতে পারবেন তো তাদের কাছে? তারা একের পর এক প্রশ্ন করে চলেছে। সেই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর জানা নেই বাবার। তিনি শুধু আর্তনাদ করে চলেছেন। অবোধ শিশুগুলো আর কিছুই চায় না; শুধু ফিরে পেতে চায় তাদের মাকে। তারা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে চায় মায়ের বুকে। সুবর্ণচর নোয়াখালী জেলার একটি উপজেলার নাম। সুবর্ণচরে সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঠিক পরের রাতে গণধর্ষণ করা হয়েছে এক নারীকে। ‘গণধর্ষণ’ শব্দটির ভার এতটাই বেশি যে তা লিখতে গেলেও কেন জানি আঙুল সরতে চায় না. ভারী হয়ে আসে। কিন্তু সেই গণধর্ষণের নিষ্ঠুর অভিজ্ঞতার গুরুভার সারাটা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে সুবর্ণচরের সেই নারীকে। তবে গত দুদিনে ধর্ষণের শিকার সেই নারীর আর্তনাদ নির্জন সুবর্ণচর ছাপিয়ে পৌঁছে গেছে গোটা বাংলাদেশের মানুষের কানে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে. নারীটির অপরাধ হলো তিনি ভোটকেন্দ্রে এলাকার প্রভাবশালীদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দেননি। তাই তাঁকে ভোটকেন্দ্রেই হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং সে রাতেই সেই হুমকিকে বাস্তবে পরিণত করা হয়েছে। গণধর্ষণের মাধ্যমে সেই নারীকে তাঁর ‘স্পর্ধা’র জন্য চরম শাস্তিও দেওয়া হয়েছে। যেহেতু জানা গেছে বেশ কিছু রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রয়েছে এই জঘন্য ঘটনাটিতে. তাই স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। অপরাধের গুরুত্বের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের মারপ্যাঁচ। এরই মধ্যে অপরাধের ভয়াবহতা তার গুরুত্ব হারাতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে ঘটনাটি গুজব না বাস্তব. নির্বাচনের সঙ্গে এটির সম্পৃক্ততা আছে কি নেই. কিংবা অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের সত্যতা আর অসত্যতার বিষয়টি। এই সব আলোচনার আড়ালে বরাবরের মতোই ঢাকা পড়ে যাচ্ছে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আশ্রয়ে নেওয়ার বিষয়টি। কয়েকজন অপরাধীকে ইতিমধ্যেই ধরা হয়েছে। বাকিরা এখনো পলাতক। যারা ধরা পড়েছে. তারা আইনের আওতায় আসবে তো; নাকি প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় আইনের ফাঁক গলে বাইরে বেরিয়ে আসবে. তা সময়ই বলতে পারবে। তবে আমাদের সামনে নেই ভরসা করার মতো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির তেমন কোনো উদাহরণ। সুবর্ণচরের নারীটি কি পাবেন তাঁর প্রতি হওয়া অন্যায়ের সুবিচার? বাংলাদেশ নাকি বিশ্বের বুকে বিস্ময় জাগানিয়া নারীর ক্ষমতায়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রায় দুই দশক ধরে নারী নেতৃত্বের হাত ধরে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। কদিন আগে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছেন ৬৮ জন নারীনেত্রী। তাঁরা কি কেউ সুবর্ণচরের নারীটির পাশে দাঁড়িয়েছেন? খোঁজখবর নিয়েছেন তাঁর? যে দেশে মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক নারী. সেই দেশে নিজ ইচ্ছায় প্রার্থীকে ভোটদানের অপরাধে একজন নারীকে গণধর্ষণের শিকার হতে হয়। এর চেয়ে লজ্জা আর কী হতে পারে! বাংলাদেশ কি দিন দিন ধর্ষণের অভয়ারণ্যে পরিণত হতে চলেছে? যে দেশে বছরে গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার নারী ধর্ষণের শিকার হন. সে দেশ নারী ক্ষমতায়নের কথা গর্বভরে বলা যায় কি! এ তো গেল রিপোর্টকৃত ধর্ষণের পরিসংখ্যান। তবে এই সংখ্যার কয়েকগুণ বেশি ঘটনা রয়ে যায় পর্দার অন্তরালে; যেহেতু ধর্ষণের অধিকাংশ ঘটনাই অপ্রকাশিত থাকে। সুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার নারীটির শিশুসন্তানেরা তাদের মায়ের ওপর হওয়া অত্যাচারের বিচার চায়। তাদের নিষ্পাপ চোখগুলো কেন এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী হলো. সেই প্রশ্নের উত্তর চায় তারা। তারা জানতে চায়. এই নির্বাচন তাদের জীবনে কী পরিবর্তন নিয়ে এল। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পাওয়া খুব জরুরি। সুবর্ণচরের ঘটনাটির সঙ্গে সম্পৃক্ত কাপুরুষদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়টি যদি সত্য হয়ে থাকে. তবে তা মেনে নিতে দ্বিধা কোথায়! একজন ধর্ষণকারীর সবচেয়ে বড় পরিচয়. সে একজন ধর্ষক। অপরাধী কোনো দলের হতে পারে না. তার কোনো পরিচয় থাকতে পারে না। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য. এই অপরাধীদের রাজনৈতিক দলগুলো বড় চাপ তৈরি না হলে কখনো ত্যাজ্য করে না। একজন খুনি কিংবা ধর্ষক একটি রাজনৈতিক দলের আদর্শকে যে কতটা ভূলুণ্ঠিত করে. তা কি আদৌ ভেবে দেখে রাজনৈতিক দলগুলো! কোনো মুখোশের আড়ালে প্রকৃত অপরাধকে কখনো ঢাকা যায় না। যা সত্য তা দিবালোকের মতো প্রকাশ হবেই। আর জনতার আদালতে কোনো কিছুই অজানা থাকে না। নিশাত সুলতানা: লেখক ও গবেষকpurba_du@yahoo.com,1573017 2019-01-03,প্রিমো এক্সফাইভ বাজারে,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/technology/article/1573016/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%8B-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87,technology,online,4,মোবাইল ফোন,বাজারে এসেছে ওয়ালটনের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘প্রিমো এক্সফাইভ’। দেশে তৈরি ৬ জিবি র‍্যামের প্রথম স্মার্টফোন এটি। ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ফোনটির দাম ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। ফোনে এক বছরের রেগুলার ওয়ারেন্টির সঙ্গে রয়েছে ৩০ দিনের ইনস্ট্যান্ট রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। ওয়ালটন সেল্যুলার ফোন বিক্রয় বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান জানান. ‘প্রিমো এক্সফাইভ’ মডেলের ফোনটি তৈরি হয়েছে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানায়। গত মাসে ফোনটির প্রি-অর্ডার বা আগাম ফরমাশ নেওয়া হয়েছিল। প্রিমিয়াম মেটাল ফ্রেম ডিজাইনের ‘প্রিমো এক্সফাইভ’ ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ৫.৯৯ ইঞ্চির ইন-সেল আইপিএস প্রযুক্তির ফুল এইচডি প্লাস ১৮: ৯ রেশিওর ফুলভিউ ডিসপ্লে। পর্দার রেজ্যুলেশন ২১৬০ বাই ১০৮০ পিক্সেল। অ্যান্ড্রয়েড ৮.১ ওরিও অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত ফোনটিতে আছে ৬৪ বিটের ২ গিগাহার্টজ অক্টাকোর প্রসেসর। গ্রাফিকস হিসেবে রয়েছে মালি-জি ৭১। এর ইন্টারনাল স্টোরেজ ৬৪ জিবি. যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। নতুন এই ফোনের পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত পিডিএএফ প্রযুক্তির এফ ২.০ অ্যাপারচারসমৃদ্ধ ডুয়াল বিএসআই ক্যামেরা. যার একটিতে আছে ১৩ মেগাপিক্সেল লেন্স. অন্যটিতে ৫ মেগাপিক্সেল লেন্স। এতে নিখুঁত ছবির পাশাপাশি ধারণ করা যাবে ফুল এইচডি ভিডিও। আকর্ষণীয় সেলফির জন্য এই ফোনের সামনে রয়েছে সফট এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত এফ ২.০ অ্যাপারচার সাইজের ১৬ মেগাপিক্সেল বিএসআই ক্যামেরা। এতে আছে ৩ হাজার ৪৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি। দুটি ন্যানো সিম ব্যবহারের সুবিধাসম্পন্ন ফোনটি থ্রিজি এবং ফোরজি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে। মেমোরি কার্ডের জন্য রয়েছে আলাদা স্লট। ফোনের তথ্য সুরক্ষায় রয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। এর ফেস আনলক ফিচার ০.৩ সেকেন্ডে ব্যবহারকারীর মুখাবয়ব রিড করতে পারবে। রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর. প্যাটার্ন লক এবং পাসওয়ার্ডও। কানেকটিভিটি ফিচার হিসেবে রয়েছে ওয়াই-ফাই. ব্লুটুথ ভার্সন ৪. ইউএসবি টাইপ-সি. ওটিজি. ওটিএ এবং ডব্লিউ ল্যান হটস্পট। ফোনটিতে ফুল এইচডি ভিডিও প্লেব্যাক করা যাবে। রয়েছে রেকর্ডিংসহ এফএম রেডিও।,1573016 2019-01-03,শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573008/%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A7%A8%E0%A7%AF%E0%A7%A7-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF,bangladesh,online,4,সরকার|শেখ হাসিনা|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|জাতীয় সংসদ|জাতীয় পার্টি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।পরে সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন।পরে সদস্যদের শপথের কাগজে স্বাক্ষর করতে বলেন। পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে সাংসদদের রেজিস্ট্রারে স্বাক্ষর করতে বলা হয়।আওয়ামী লীগের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাসদ. ওয়ার্কার্স পার্টি. তরিকত ফেডারেশন. জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্যরা শপথ নেন। এরপরই জাতীয় পার্টির সদস্যরা শপথ নেবেন। তবে শপথ নেননি বিএনপির ৫ ও গণফোরামের ২ নির্বাচিত প্রতিনিধি। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ।,1573008 2019-01-03,কুমিল্লা ও মেহেরপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২,,নিজস্ব প্রতিবেদক. কুমিল্লা ও প্রতিনিধি. মেহেরপুর,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573006/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A7%A8,bangladesh,online,5,অপরাধ|মেহেরপুর|কুমিল্লা|বন্দুকযুদ্ধ,কুমিল্লা ও মেহেরপুরে দুটি পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে এ দুটি ঘটনা ঘটে। কুমিল্লায় পুলিশ ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যদের সঙ্গে এবং মেহেরপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ‘গোলাগুলিতে’ দুজন নিহত হন। দুটি ঘটনায়ই পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে. নিহত দুজন মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। কুমিল্লা: কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার মনা গ্রাম এলাকায় ডিবির ও থানা-পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে. নিহত সাইফুল মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। গতকাল রাত ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। কুমিল্লা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা প্রথম আলোকে বলেন. সাইফুলের কাছে থেকে একটি রিভলবার ও ৩০০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। সাইফুলের বাড়ি আদর্শ সদর উপজেলার জোড়ামেহের গ্রামে। পুলিশ সূত্র জানায়. ডিবি পুলিশ ও থানা-পুলিশের একটি দল মনা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করতে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়েন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী সাইফুল গুলিবিদ্ধ হন। সাইফুলকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা জানান. সাইফুলে বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় অস্ত্র ও মাদকসংক্রান্ত পাঁচটি মামলা আছে। জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন সাইফুল। মেহেরপুর: মেহেরপুরের সদর উপজেলায় দুই পক্ষের গোলাগুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়. গতকাল দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার বুড়িপোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবু মুসায়েদ (৩২) । মেহেরপুর পৌর এলাকার বেড়পাড়ায় তাঁর বাড়ি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুর সদর থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন. গতকাল রাত দুইটার দিকে সদর উপজেলার বুড়িপোতা গ্রামে গোলাগুলির খবর পেয়ে টহল পুলিশ সেখানে গিয়ে তল্লাশি চালায়। সেখানে একটি লিচুবাগান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে। রবিউল ইসলাম বলেন. ‘মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের ধারণা। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।’,1573006 2019-01-03,মোদিকে চার প্রশ্ন রাহুলের,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/international/article/1573005/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0,international,online,5,ভারত|নরেন্দ্র মোদি|রাহুল গান্ধী,পার্লামেন্টে বিতর্ক ও সংবাদ সম্মেলনের পর রাফালে যুদ্ধবিমান নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকে চার প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন কংগ্রেস দলের প্রধান রাহুল গান্ধী। গতকাল বুধবার টুইটে রাফালে যুদ্ধবিমানের সংখ্যা ও দাম নিয়ে মোদিকে চারটি প্রশ্ন করেন রাহুল। রাহুল টুইটে এও লেখেন. প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো সাহস নেই মোদির। রাফালে ইস্যুতে মুখোমুখি ২০ মিনিট মোদির সঙ্গে কথাও বলবেন বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন রাহুল। টুইটে মোদিকে করা রাহুলের চার প্রশ্ন হলো—১. ১২৬টির বদলে ৩৬টি যুদ্ধবিমান কেন? ২. প্রতিটি যুদ্ধবিমানের জন্য ৫৬০ কোটির বদলে ১ হাজার ৬০০ কোটি রুপি কেন? ৩. এইচএএলের বদলে এএ কেন? ৪. মোদি কি এগুলো দেখাচ্ছেন? নাকি এই রাফালেগুলো বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে? প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারাম অবশ্য রাহুলের পাল্টা টুইটে লিখেছেন. ফেল করা একজন ছাত্র ক্লাসের বাইরে থেকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন। ফ্রান্সের কাছ থেকে অত্যাধুনিক রাফালে যুদ্ধবিমান কেনাবেচার প্রসঙ্গটি বেশ কিছুদিন ধরেই বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে দাখিল হয়েছে একাধিক জনস্বার্থ মামলা। বিরোধীদের অভিযোগ. চুক্তি সইয়ের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদি পক্ষপাতিত্ব করেছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পরিবর্তে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন বেসরকারি সংস্থাকে। সুপ্রিম কোর্টে তাঁদের আবেদন. এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। অবশ্য রাফালে চুক্তি নিয়ে সন্দেহের কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশের শীর্ষ আদালত। তদন্তের দাবিও খারিজ করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। পাশাপাশি অনিল আম্বানির সংস্থাকে সুবিধা পাইয়ে দিতে দাসোর সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস. তাও খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে পুনর্বিবেচনার আরজি জানিয়েছেন সাবেক মন্ত্রী অরুণ শৌরী. যশোবন্ত সিনহা এবং আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। রাফালের প্রস্তুতকারী সংস্থা দাসো তার ‘অফসেট’ পার্টনার হিসেবে বেছে নিয়েছে ভারতীয় শিল্পপতি অনিল আম্বানির এক সংস্থাকে। অভিযোগ. সরকারি সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডকে (হ্যাল) বঞ্চিত করে আম্বানির সংস্থার সঙ্গে দাসোকে চুক্তিবদ্ধ হতে প্রভাব খাটিয়েছে মোদি সরকার।,1573005 2019-01-03,যাঁর দিকে আঙুল তিনি গ্রেপ্তার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. নোয়াখালী,৩৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573003/%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E2%80%99-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%B2,bangladesh,online,5,নোয়াখালী|ধর্ষণ|আইন ও বিচার|চট্টগ্রাম বিভাগ|আওয়ামী লীগ,নোয়াখালীর সুবর্ণচরের একটি গ্রামে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো। সবশেষ গতকাল বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয় চরজুবলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য রুহুল আমিন ও মো. বেচুকে। পুলিশ জানায়. ঘটনার ইন্ধনদাতা হিসেবে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে মো. বেচুকে গ্রেপ্তার করা হয়। চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. সুবর্ণচরের উত্তর ওয়াপদা এলাকার একটি মাছের খামার থেকে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মো. বেচুকে সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় এলাকার একটি ইটভাটা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. রুহুল আমিন ও মো. বেচুকে থানা হাজতে আনা হয়েছে। তাঁরা প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আগে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন মো. স্বপন. মো. সোহেল ও বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু। স্বপনকে গত মঙ্গলবার রাতে এবং সোহেলকে গতকাল গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেল এই মামলার প্রধান আসামি। নির্যাতনের শিকার নারী গত রোববার সকালে এলাকার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যান। এ সময় কেন্দ্রে থাকা আওয়ামী লীগের কয়েকজন যুবক তাঁকে তাঁদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে বলেন। তিনি তাতে রাজি না হলে যুবকেরা তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ওই দিন রাত ১২টার দিকে ছালা উদ্দিন. সোহেল. বেচু. মোশারফসহ ১০ থেকে ১২ জনের একদল যুবক ঘরে ঢুকে প্রথমে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে মারধর করেন। পরে স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই নারীকে ঘরের বাইরে পুকুরপাড়ে এনে গণধর্ষণ করেন। নির্যাতনের শিকার নারীর অভিযোগ. ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সবাই চরজুবলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য রুহুল আমিনের লোক। মামলার এজাহারে মো. সোহেল (৩৫). মো. হানিফ ৩০). মো. স্বপন (৩৫). মো. চৌধুরী (২৫). মো. বেচু (২৫). বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০). আবুল (৪০). মোশারফ (৩৫) ও ছালা উদ্দিনের (৩৫) নাম উল্লেখ করা হয়। নির্যাতিত নারী প্রথম আলোকে বলেন. তাঁর সারা শরীরে নির্যাতনের স্থানে রক্ত জমে আছে। তিনি নড়াচড়া করতে পারছেন না। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. খলিল উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন. ডাক্তারি পরীক্ষাকালে নির্যাতনের শিকার শরীর থেকে সংগ্রহ করা আলামত পরীক্ষার জন্য গতকাল আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে। চরজব্বার থানার ওসি নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া বাদশা আলম ও স্বপনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা ঘটনার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি। আদালতে বাদশা আলমের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন. নোয়াখালীতে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের কেউ ছাড় পাবে না। এ ধরনের ঘটনা অবশ্যই নিন্দনীয় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে। সুবর্ণচরে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন সংগঠন। তারা এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) খন্দকার গোলাম ফারুক গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি নির্যাতনের শিকার নারীর সঙ্গে কথা বলেন। গতকাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) আল-মাহামুদ ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সেলিনা আক্তারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আরেকটি দলও ঘটনার তদন্তে নোয়াখালীতে যায়।,1573003 2019-01-03,যত দোষ চীনের!,,অনলাইন ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/technology/article/1572999/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%B2,technology,online,5,খবরাখবর,বেশ কিছুদিন ধরেই বাজার বিশ্লেষকেরা আইফোন বিক্রি কমে যাচ্ছে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন। বিষয়টি মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে নিয়েছে। আইফোন বিক্রি কমে যাওয়ার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের বিচলিত করে তুলেছে। কিন্তু কী কারণে আইফোন বিক্রি কমছে বা দোষ কার? অ্যাপল কর্তৃপক্ষ মনে করছে. এ দোষ চীনের। বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়. আইফোন বিক্রি কমার কারণ হিসেবে চীনের অর্থনৈতিক দুর্বল অবস্থাকে দায়ী করেছে অ্যাপল। অ্যাপল কর্তৃপক্ষ বলেছে. গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের হিসাব ধরলে তাদের সম্ভাব্য রাজস্বের পরিমাণ ৮ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার। কিন্তু গত নভেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠানটি ৮ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার রাজস্বের পূর্বাভাস দিয়েছিল। ওই রাজস্বের পূর্বাভাস বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছিল। অ্যাপলের সম্ভাব্য রাজস্ব কমার খবরে তাদের শেয়ারের দাম ৭ শতাংশ পড়ে গেছে. যা গত নভেম্বর মাস থেকে ২৮ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটল। সাধারণত গত প্রান্তিকের উৎসবের সময়টিকে অ্যাপলের জন্য শক্তিশালী প্রান্তিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ৮ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের রাজস্বের হিসাব গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশ কম. যা ২০১৬ সালের পর থেকে বছরওয়ারি হিসাবে প্রথমবার কোনো প্রান্তিকে রাজস্ব কমার ঘটনা। গতকাল বুধবার বিনিয়োগকারীদের কাছে লেখা এক চিঠিতে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুক বলেছেন. বৃহত্তর চীন অঞ্চলে আইফোন বিক্রিতে সমস্যা হয়েছে। এর মধ্যে হংকং ও তাইওয়ান রয়েছে। এ অঞ্চল থেকে অ্যাপলের রাজস্ব আসে প্রায় ২০ শতাংশ। তবে উন্নয়নশীল বাজারের পাশাপাশি উন্নত দেশের বাজারেও সমস্যা রয়েছে বলে জানান কুক। তিনি বলেন. অনেক গ্রাহক নতুন আইফোন হালনাগাদ করার পক্ষে নন। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন. আইফোন বিক্রি কমার আরেকটি কারণ হচ্ছে এর দাম। চড়া দামের আইফোন অনেকেই কিনতে আগ্রহী নন। আটলান্টিক ইকুইটিসের বিশ্লেষক জেমস কর্ডওয়েল বলেন. বিনিয়োগকারীরা প্রশ্ন তুলবেন অ্যাপলের আগ্রাসী দামের বিষয়টির কারণেই এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছ কি না. তা নিয়ে। বিশ্লেষকেদের ভাষ্য. চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাব পড়েছে অ্যাপলের ওপর। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন. বাণিজ্য–দুশ্চিন্তা ক্রেতাদের আস্থায় আঘাত করেছে।টিম কুক আরও বলেন. গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে আইফোন কেনার প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি গ্রাহকসেবার বিষয়টি আরও জোরদার করা হবে। আরও পড়ুন:আইফোনের চাহিদা আরও কমছে,1572999 2019-01-03,শেখ হাসিনাকে ইরানের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন,,বাসস. ঢাকা,১২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572996/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8,bangladesh,online,5,নির্বাচন|সরকার|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|ইরান,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলের সভাপতি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো এক বার্তায় রুহানি বলেন. ‘আপনার নেতৃত্বে সফল সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং আওয়ামী লীগের বিজয়ে আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।’ রুহানি বলেন. ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণির অংশগ্রহণে অর্জিত এই সাফল্য আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ।’ ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের বিষয়টি উল্লেখ করে রুহানি আশা প্রকাশ করেন. মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত হবে। রুহানি বলেন. ‘দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে আমাদের সম্পর্ক ভবিষ্যতে প্রতিটি ক্ষেত্রে আরও সম্প্রসারিত হবে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য এবং বাংলাদেশের জনগণের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন রুহানি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্ব নেতারা অভিনন্দন জানিয়ে আসছেন। এই তালিকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি. ভারতের বিরোধী দল ভারতীয় কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী. রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন. চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং. শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে প্রমুখ আছেন।,1572996 2019-01-03,উইন্ডোজ ১০ এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়,,অনলাইন ডেস্ক,৪,https://www.prothomalo.com/technology/article/1572994/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%9C-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F,technology,online,5,খবরাখবর|মাল্টিমিডিয়া,আপনার কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন? বিশ্বজুড়ে অধিকাংশ পিসি ব্যবহারকারী এখন উইন্ডোজ ১০ ওএস ব্যবহার করছেন। বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট তিন বছর আগে উন্মুক্ত করেছিল উইন্ডোজ ১০ সংস্করণ। উইন্ডোজ ৭ সংস্করণকে ছাড়িয়ে যেতে ৩ বছর সময় লেগেছে উইন্ডোজ ১০-এর। এর আগে সবচেয়ে জনপ্রিয় উইন্ডোজ সংস্করণ ছিল উইন্ডোজ এক্সপি। অবশ্য ২০১৩ সালের আগে থেকেই উইন্ডোজ ৭ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। ২০১৫ সালে উইন্ডোজ ৭ এর জনপ্রিয়তা বেশি থাকলেও উইন্ডোজের নতুন সংস্করণ ছাড়ে মাইক্রোসফট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান নেট অ্যাপ্লিকেশনসের তথ্য অনুযায়ী. বর্তমানে অপারেটিং সিস্টেমের বাজার দখলের হিসেবে উইন্ডোজ ১০ এগিয়ে গেছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী. উইন্ডোজ ১০ এর দখলে রয়েছে বাজারের ৩৯ দশমিক ২২ শতাংশ আর উইন্ডোজ ৭ এর দখলে রয়েছে ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এক দশক আগে উইন্ডোজ ৭ উন্মুক্ত করেছিল মাইক্রোসফট। গত বছর মাইক্রোসফট ঘোষণা দিয়েছিল. এখন পর্যন্ত পিসি. এক্সবক্স. ট্যাবলেট কম্পিউটার ও ফোন মিলিয়ে ৭০ কোটি যন্ত্রে উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করা হয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যে ১০০ কোটি যন্ত্রে উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ সফটওয়্যারের সর্বশেষ হালনাগাদ ছিল উইন্ডোজ ১০ অক্টোবর আপডেট সংস্করণ। এতে বিভিন্ন যন্ত্রের মধ্যে সিনক্রোনাইজ করার সুবিধা ক্লাউড ক্লিপবোর্ড. আপডেটে স্নাইপিং টুল. ডার্ক ফাইল এক্সপ্লোরার. এজের উন্নত সংস্করণের মতো নতুন বেশ কিছু ফিচার এসেছিল। এতে সার্চের প্রিভিউ দেখা এবং ফোল্ডার টাইটেল দেওয়ার মতো নতুন সুবিধাও এসেছিল। তবে উইন্ডোজের নতুন আপডেট যন্ত্র থেকে তথ্য মুছে দিচ্ছে এমন অভিযোগ ওঠার পর মাইক্রোসফট নতুন সংস্করণ বন্ধ করে দেয়। পরে ওই সমস্যা সমাধান করে তা আবার উন্মুক্ত করা হয়।,1572994 2019-01-03,সাকিব-মুশফিক-জিমি হতে চাইলে...,,রাশেদুল ইসলাম,৩,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572990/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87,sports,online,5,বিকেএসপি|ভর্তি পরীক্ষা|খেলা,বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ( বিকেএসপি) ভর্তি বাছাই প্রক্রিয়া। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ( বিকেএসপি) ভর্তি বাছাই প্রক্রিয়া। গত শতাব্দীর শেষ দিকেও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে পেশাদারির ছোঁয়া ছিল না বললেই চলে। ভালো লাগা বা শরীরচর্চার অংশ হিসেবে খেলাতে নাম লেখাতেন সবাই। এ ছাড়া কোনো মা-বাবা শখের বশেই সন্তানদের হাতে তুলে দিতেন ব্যাট অথবা ফুটবল। আবার যে ছেলেটার পড়ার টেবিলে মন বসে না. তার বাঁধভাঙা আগ্রহের কাছেও হার মানতেন অভিভাবকেরা। সময়ের পালাবদলে ক্রীড়া এখন অন্যতম সেরা সম্মানজনক পেশা। ভালো খেলতে পারলেই অর্থকড়ির সঙ্গে যশ-খ্যাতি! ফলে বর্তমানে অভিভাবকেরাও চান তাঁর সন্তান খেলোয়াড় হোক। আর এ জন্য চাই সঠিক গাইডলাইন। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। যেখান থেকে উঠে এসে বিশ্ব ক্রিকেট মাতাচ্ছেন সাকিব আল হাসান. মুশফিকুর রহিম. নাসির হোসেন. আবদুর রাজ্জাকদের মতো ক্রিকেটার। তাই অনেকেই ভেবে থাকেন. ছেলেকে একবার বিকেএসপিতে দিতে পারলেই সে-ও বুঝি হয়ে গেল মস্ত বড় ক্রিকেটার। বিকেএসপিতে ভর্তি হতে পারলে ভালো একটা গাইডলাইন পাওয়া যাবে নিশ্চয়ই। কিন্তু ব্যক্তিগত মেধা ও পরিশ্রম ছাড়া ক্রীড়ায় সাফল্য পাওয়া যায় না বললেই চলে। আবার সঠিক উপায়ে পরিশ্রমের পথটা জানা উচিত। সে পথটা দেখিয়ে দিতে পারে বিকেএসপি। শুধু ক্রিকেট নয়. সব খেলাতেই আছে খেলোয়াড় তৈরির এ কারখানার ছাত্রছাত্রীদের প্রাধান্য। ফুটবলে উঠে এসেছেন মাসুদ রানা. হাসান আল মামুন. ফিরোজ মাহমুদ টিটু. জাহিদ হাসান এমিলির মতো তারকারা. যাঁরা দীর্ঘ সময় দেশের ফুটবলে পতাকা বহন করেছেন। হকিতে আছেন মামুনুর রশিদ .রাসেল মাহমুদ জিমিরা। এ ছাড়া একক খেলাগুলোতে তৈরি হয়েছেন শুটার আসিফ হোসেন. আবদুল্লাহ হেল বাকি. সাঁতারু মাহফুজার আক্তার শিলার মতো তারকারা। ভর্তির সময়১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে চারদিন ব্যাপী বাছাই প্রক্রিয়া। আর্চারি. অ্যাথলেটিকস. বাস্কেটবল. বক্সিং. ক্রিকেট. ফুটবল. হকি. জুডো. শুটিং. সাঁতার. টেনিস. টেবিল টেনিস. তায়কোয়ান্দো. কারাতে. উশু ও ভলিবল—এই ১৭টি খেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে বিকেএসপিতে। ভর্তির নিয়মকানুনসাধারণত চতুর্থ. পঞ্চম. ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রতিবছর একেকটি খেলায় যে কটি আসন খালি হয়. তার বিপরীতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়। বিকেএসপির প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নির্দিষ্ট দিনে প্রশিক্ষণার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তির জন্য বাছাই করা হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ে সাধারণত স্বাস্থ্য ও বয়স দেখা হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে দেখা হয় শারীরিক সক্ষমতা। তৃতীয় পর্বে শিক্ষার্থীকে মাঠে পাঠানো হয়। সেখানে আবেদন অনুযায়ী নেওয়া হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণদের পরবর্তী সময় সাত দিনের বাছাই ক্যাম্পে ডাকা হয়। সপ্তাহব্যাপী সকাল-বিকেল অনুশীলনের পর নেওয়া হয় লিখিত পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা হয় ১০০ নম্বরে। বিষয় বাংলা. ইংরেজি. গণিত ও সাধারণ জ্ঞান। স্বাস্থ্য পরীক্ষা (প্রথম ধাপ)প্রথমেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসকেরা নির্ধারণ করে থাকেন আবেদনকারীর বয়স. উচ্চতা. ওজন ও শারীরিক কোনো ত্রুটি আছে কি না। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ‘ইয়েস’ কার্ড পেলেই আবেদনকারী নিজ নিজ খেলার মাঠে গিয়ে শারীরিক সক্ষমতা ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। অর্থাৎ যে ক্রিকেটে আবেদন করেছে. সে যাবে ক্রিকেট মাঠে। যে ফুটবলে. সে যাবে ফুটবল মাঠে। শারীরিক সক্ষমতা ( দ্বিতীয় ধাপ)আবেদন অনুযায়ী নিজ নিজ মাঠেই হয়ে থাকে শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা। সাধারণত দেখা হয় স্পিড (গতি). স্ট্রেংথ (শক্তি). অ্যান্ডুরেন্স (দম). এজিলিটি (ক্ষিপ্রতা). ব্যালান্স (ভারসাম্য). ফ্লেক্সিবিলিটি (নমনীয়তা)। ব্যবহারিক পরীক্ষা (তৃতীয় ধাপ)সাত দিনব্যাপী দ্বিতীয় দফায় চূড়ান্ত লড়াইয়ে জায়গা করে নেওয়ার জন্য ব্যবহারিক পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনকারীদের খেলা অনুযায়ী নেওয়া হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। যেমন ক্রিকেটে ভর্তি-ইচ্ছুকদের জন্য ব্যাটিং-বোলিং ড্রিল ও ফুটবলারদের জন্য স্কিল-গেম। প্রাথমিক বাছাইয়ের জন্য এই তিনটি ধাপই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এক দিনে। এখান থেকে বাছাই করে নেওয়া হয় সাত দিনব্যাপী বাছাই পরীক্ষায়। সাত দিনব্যাপী বাছাইপর্বসপ্তাহব্যাপী বাছাইপর্বের ধাপটি পুরোপুরি আবাসিকভাবে পরিচালনা করা হয়। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বিকেএসপির নিজস্ব হোস্টেলে রেখে আয়োজন করা হয় চূড়ান্ত নির্বাচনী পরীক্ষা। সপ্তাহব্যাপী সকাল-বিকেল অনুশীলনে তাদের মেধা ও দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্গে লক্ষ্য করা হয় আবেদনকারীর আচার-আচরণ। শেষ দিনে অনুষ্ঠিত হয় লিখিত পরীক্ষা। ১০০ নম্বরের পরীক্ষার বিষয় বাংলা. ইংরেজি. গণিত ও সাধারণ জ্ঞান। সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হতে চাইলে তার জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির সিলেবাসে পরীক্ষা হবে। আবার যে প্রতিযোগী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক. তার জন্য পঞ্চম শ্রেণির সিলেবাস। নিয়মকানুন তো সব জানাই হলো। তাহলে এবার ছেলে বা মেয়েকে দাঁড় করিয়ে দিন পরীক্ষার লাইনে—যদি ইচ্ছে থাকে ছেলে বা মেয়েটিকে সাকিব. মুশফিক. আসিফ. এমিলি বা শিলার মতো তারকা হিসেবে দেখার। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও আরও খবর জানত এখানে দেখুন:,1572990 2019-01-03,টিভিতে আজকের খেলা সূচি,,খেলা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572989/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF,sports,online,5,আজকের খেলা|ক্রিকেট|ফুটবল,টেলিভিশনের পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন: ৪র্থ টেস্ট-১ম দিন সনি সিক্স অস্ট্রেলিয়া-ভারত ভোর ৫-৩০ মি. ১ম ওয়ানডে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১ নিউজিল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা সকাল ৭টা ২য় টেস্ট-১ম দিন সনি ইএসপিএন দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান বেলা ২-৩০ মি. ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১ ম্যানচেস্টার সিটি-লিভারপুল রাত ২টা লা লিগা সনি টেন ২ ভিয়ারিয়াল-রিয়াল মাদ্রিদ রাত ২-৩০ মি. টেনিস সনি টেন ২ ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনাল সকাল ৭টা ও বেলা ৩টা হপম্যান কাপ সনি টেন ২ এইচডি গ্রেট ব্রিটেন-যুক্তরাষ্ট্র সকাল ৮টা গ্রিস-সুইজারল্যান্ড বেলা ৩-১৫ মি. এনবিএ সনি টেন ১ মেম্ফিস-ডেট্রয়েট সকাল ৭টা এলএ লেকার্স-ওকলাহোমা সকাল ৯-৩০ মি. মেয়েদের বিগ ব্যাশ সনি সিক্স রেনেগেডস-হারিকেনস সকাল ৯-৫০ মি. বিগ ব্যাশ লিগ সনি সিক্স রেনেগেডস-স্ট্রাইকার্স বেলা ২-১৫ মি. টেনিস স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২ মহারাষ্ট্র ওপেন বেলা ৩-১৫ মি. ব্যাডমিন্টন স্টার স্পোর্টস ১ প্রিমিয়ার ব্যাডমিন্টন লিগ সন্ধ্যা ৭-২০ মি.,1572989 2019-01-03,জয়ের ধারায় ফেরা ম্যানচেস্টারের বছর শুরু জয় দিয়েই,,খেলা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1572987/%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%9C%E0%A7%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%87,sports,online,5,ফুটবল|ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ|ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড,ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নিউক্যাসলের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যানইউর হয়ে একটি করে গোল করেন লুকাকু ও রাশফোর্ড। মরিনহোর বিদায়ের পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ওলে গানার সোলসকায়ের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ম্যানইউকে জয়ের ধারায় ফেরানো। মনে করিয়ে দেওয়া ম্যানইউ জিততে পারে। সেটা তিনি ভালোই পেরেছেন। ম্যানইউর কোচ হিসেবে নিজের প্রথম ম্যাচে কার্ডিফ সিটিকে হারিয়ে নিজে করলেন উড়ন্ত সূচনা। ইপিএলের সফলতম দল ফিরল জয়ের ধারায়। বুধবার রাতে সেটা অব্যাহত রাখল ইংলিশ ক্লাবটি। লুকাকু ও রাশফোর্ডের গোলে নিউক্যাসলের বিপক্ষে পেয়েছে ২-০ গোলের জয়। যে দল জয় কি জিনিস সেটা প্রায় ভুলেই গেছে। সে দলের হয়েই দায়িত্ব নেওয়ার পর ওলে গানার সোলসকায়ের এটা টানা চতুর্থ জয়। নিউক্যাসলের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকে শেষ—আধিপত্য ধরে রাখে ম্যানইউ। বলের দখল নিয়ে একের পর এক আক্রমণে ওঠা পগবারা গোলের দেখা পাচ্ছিল না কোনোমতেই। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে এসে গোলের দেখা পায় ম্যানইউ। সেই অর্থে. ‘জয়ের জন্য ঘাম ঝরাতে হয়েছে ম্যানইউকে’ এটা বলা যেতেই পারে। দ্বিতীয়ার্ধে অতিথিদের রক্ষণে কাঁপন তোলে স্বাগতিকেরাই। ৬৩তম মিনিটে ম্যানইউর কোচ মার্শিয়ালকে তুলে নিয়ে লুকাকুকে মাঠে নামান। কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে খুব বেশি দেরি করেননি বেলজিয়ান এই স্ট্রাইকার। প্রথম ছোঁয়াতেই খুঁজে পান প্রতিপক্ষের জাল। খেলা শেষের মিনিট দশেক আগে স্বাগতিকদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন রাশফোর্ড। ৬৪তম মিনিটে এই রাশফোর্ডের ফ্রি-কিক ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে না পারার খেসারতই দিয়েছিলেন নিউক্যাসলের গোলরক্ষক। ৮০তম মিনিটে রাশফোর্ড নিজেই প্রতিপক্ষ জালের দেখা পান। ডি-বক্সের মধ্যে সানচেজের বাড়ানো বল নিখুঁত শটে জালে পাঠান রাশফোর্ড। ২১ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে মৌসুমে তালিকার ৬ নম্বরে আছে ম্যানইউ। সমান ম্যাচ খেলে ১৫ নম্বরে অবস্থান করা নিউক্যাসলের সংগ্রহ ১৮ পয়েন্ট। আর এক ম্যাচ কম খেলেও তালিকার শীর্ষে থাকা লিভারপুলের ঝুলিতে জমা আছে ৫৪ পয়েন্ট।,1572987 2019-01-03,নির্বাচনকে সত্তরের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা শেখ হাসিনার,,বাসস. ঢাকা,৫৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572986/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96,bangladesh,online,5,নির্বাচন|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|ভারত,প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন. দেশের জনগণ এবার প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছে. প্রার্থী দেখে নয়। তিনি বলেন. ‘এটা ছিল ১৯৭০ সালের নির্বাচনের মতো. জনগণ কেবল প্রতীক দেখেই তাদের ভোট দিয়েছে. তারা এটাও দেখেনি প্রার্থী কে ছিল। তারা নৌকাতে ভোট দিয়েছে. যেহেতু তারা উন্নয়নের সুফল লাভ করেছে।’ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন. এটা বিশেষ করে বেসামরিক প্রশাসন এবং সশস্ত্র বাহিনী. পুলিশ. বিজিবি. আনসার. কোস্টগার্ডসহ সবার সহযোগিতার কারণেই সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন. সব দলও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন. বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত সমস্যা এবং সমুদ্রসীমার সমস্যাসহ বিভিন্ন সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে পেরেছে। তিনি বলেন. প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি অন্যদের জন্য একটি উদাহরণ। ভারতের হাইকমিশনার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন. নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয় ছিল বাংলাদেশের বিগত ১০ বছরের চমকপ্রদ উন্নয়নের প্রতিফলন। এ প্রসঙ্গে শ্রিংলা বলেন. বাংলাদেশের জনগণ সন্ত্রাস এবং হরতাল চায় না এবং তারা শান্তিতে বসবাস করতে চায়। হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পর্কে ভারতীয় গণমাধ্যমে সর্বোপরি ইতিবাচক সংবাদই পরিবেশিত হয়েছে এবং সম্পাদকীয়গুলোতে নির্বাচনের প্রশংসা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে শ্রিংলা বলেন. আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন এই অঞ্চলের একটি পরিবর্তিত শক্তি। তিনি বলেন. বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এবং নারীর ক্ষমতায়নে গত কয়েক বছরের মধ্যে ব্যাপক উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছে এবং এটা খুবই দ্রুততার সঙ্গে সংঘটিত হয়েছে। বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে শ্রিংলা প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান ‘ধর্ম যার যার. কিন্তু উৎসব সবার’-এর প্রশংসা করেন। তিনি এ দেশে তাঁর মেয়াদকালীন অবস্থানের স্মরণীয় স্মৃতি রোমন্থন করেন এবং বলেন. এ দেশের জনগণ খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ। ভারতের হাইকমিশনার বলেন. তিনি তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ‘ডকুড্রামা’ হাসিনা: এ ডটারস টেল দেখেছেন এবং এতে তিনি গভীরভাবে আলোড়িত হয়েছেন। তিনি এখানে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরও পরিদর্শন করেছেন। বৈঠকে ভারতের হাইকমিশনার এবং প্রধানমন্ত্রী উভয়েই বাংলাদেশ এবং ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী. মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান. সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন এবং হাইকমিশনারের সহধর্মিণীও উপস্থিত ছিলেন।,1572986 2019-01-03,বিএনপির বিপর্যয়ের কারণ ‘মনোনয়ন বাণিজ্য’,,বাসস. ঢাকা,৬৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572985/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E2%80%99,bangladesh,online,5,সরকার|শেখ হাসিনা|রাজনীতি|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,সংসদ নির্বাচনে ‘মনোনয়ন বাণিজ্য’ বিএনপির বিপর্যয়ের প্রধান কারণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন. কিছুসংখ্যক বিএনপি প্রার্থী তাদের দলের শীর্ষ নেতাদের কথামতো দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গিয়েছিলেন। দূতাবাস তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে অথবা অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলেন। ৩০ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে যায় বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) প্রতিনিধি দল। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে তাঁর ওপর অগাধ আস্থা রাখা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যবসায়ীসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। ওই প্রতিনিধি দলকে শেখ হাসিনা বলেন. ‘আমি সব সময় মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আমার ওপর যে আস্থা স্থাপন করেছে. আমি যেন তার প্রতিদান দিতে পারি।’ শেখ হাসিনা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে বিপুল সমর্থন দেওয়ার জন্য দেশের ব্যবসায়ী সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন. ‘আপনাদের সমর্থন আমাদের জনসমর্থন পেতে সহায়তা করেছে।’ নির্বাচনে মহাজোটে নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন. এবার জনগণ নৌকা ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীকে ভোট দেয়নি। কেননা তারা নৌকাকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করে। তিনি বলেন. ‘এবার জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে খুবই আগ্রহী ছিল। এমনকি অনেক ভোটার কেবল প্রতীক দেখেই ভোট দিয়েছে। জনগণ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য যে রকম আবেগ দেখিয়েছিল এবারও তারা সেই একই আবেগ দেখিয়েছে।’ শেখ হাসিনা নির্বাচনে বিএনপির বিপর্যয়ের জন্য ‘মনোনয়ন বাণিজ্য’কে প্রধান কারণ উল্লেখ করে বলেন. দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিরোধী দলের আচরণ ছিল খুবই অদ্ভুত। বিজয়ী হবে—এমন প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়নি তারা। তিনি বলেন. ‘তারা প্রতিটি আসনে টাকা নিয়ে তিন থেকে চারজন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। তারা নির্বাচনকে বাণিজ্য হিসেবে নিয়েছে. প্রতিযোগিতায় জিততে চায়নি।’ শেখ হাসিনা বলেন. কিছু সংখ্যক বিএনপি প্রার্থী তাদের দলের শীর্ষ নেতাদের কথামতো দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গিয়েছিল। দূতাবাস তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদের রিটার্নিং অফিসারের কাছে অথবা অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন. দলের নেতাদের প্রতি বিরক্ত হয়ে তাঁরা প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন. মনোনয়ন কেনার জন্য টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করে। তিনি বলেন. গণতন্ত্রের জন্য একটি শক্তিশালী বিরোধী দল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা একটি শক্তিশালী বিরোধী দল পেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা যদি মনোনয়ন বাণিজ্যের মতো হীন কাজে জড়িয়ে পড়েন তাহলে আপনি বিরোধী দল কোথায় পাবেন। শেখ হাসিনা বলেন. তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ছাড়া আর কিছু পাওয়ার আশা করেন না। তিনি বলেন. ‘আমি চাই বাংলাদেশের মানুষ বাসস্থান পাক. তাদের সন্তানেরা শিক্ষা. স্বাস্থ্য ও খাদ্যের অধিকার পাক. যাতে তাদের জীবন সুন্দর সমৃদ্ধ হয়। তিনি ব্যবসায়ীদের নিজ-নিজ এলাকার জনগণকে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে বলেন. তাদের সাহায্য সহযোগিতা তাদের এলাকার প্রচুর মানুষের জীবন পাল্টে দিতে পারে। আর তখন বাংলাদেশের কোনো মানুষ দারিদ্র্যের কবলে নিপতিত থাকবে না।,1572985 2019-01-04,শিল্পমালিকদের আবারও বড় কর-সুবিধা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/economy/article/1573174/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE,economy,print,1,বাণিজ্য সংবাদ,• গত সেপ্টেম্বরেই উৎসে কর কমিয়ে দিয়েছিল সরকার• চার মাসের মাথায় আবার কর কমল অর্ধেকের বেশি• কর-সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবে • গত সেপ্টেম্বরেই উৎসে কর কমিয়ে দিয়েছিল সরকার• চার মাসের মাথায় আবার কর কমল অর্ধেকের বেশি• কর-সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগেই শিল্পমালিকদের বড় কর-সুবিধা দেওয়া হলো। এখন থেকে পাট ছাড়া যেকোনো পণ্য রপ্তানি করলে উৎসে কর দশমিক ২৫ শতাংশ দিলেই চলবে। গত সেপ্টেম্বরে এই হার আগের চেয়ে কমিয়ে দশমিক ৬০ শতাংশ করা হয়েছিল। এখন সেই উৎসে কর অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেওয়া হলো। গত বুধবার অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই কর-সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবে। এরপর আগের অবস্থায় মানে. ১ শতাংশ হারে উৎসে কর দিতে হবে। দেশ থেকে যত পণ্য রপ্তানি হয়. এর ৮৩ শতাংশের বেশি হয় তৈরি পোশাক। ফলে নতুন কর-সুবিধা সবচেয়ে বেশি পাবেন পোশাকমালিকেরাই। উৎসে কর ছাড়া পোশাক উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের বার্ষিক আয়ের ওপর ১২ শতাংশ হারে করপোরেট কর দিতে হবে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সবুজ কারখানা হলে ওই মালিককে ১০ শতাংশ হারে কর দিলেই হবে। এ দুটি সুবিধাই আগামী বছরের জুন মাস পর্যন্ত থাকবে। সরকারের হঠাৎ দেওয়া এই কর-সুবিধার ফলে পোশাকসহ রপ্তানি খাতের শিল্পমালিকদের মুনাফার হার বাড়বে। আর শিল্পমালিকেরা বলছেন. এতে রপ্তানি খাত উৎসাহিত হবে. তাতে রপ্তানির পরিমাণও বাড়বে। তবে অর্থবছরের মাঝখানে এভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায় কিছুটা কমবে। উৎসে কর কমানো প্রসঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন. তৈরি পোশাক খাত ভালো করছে. রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও বাড়ছে। অন্য অনেক খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তাই পোশাক খাতকে নতুন করে কর প্রণোদনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি আরও বলেন. ‘গত চার দশকে পোশাক খাতে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। এত বছর পরও যদি এই খাতকে কর-সুবিধা দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হয়. তবে তা দুঃখজনক। আমি মনে করি. সরকার ব্যবসায়ীদের চাপের মুখে নতি স্বীকার করে কর কমিয়েছে।’ বছর ধরে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের রপ্তানিকারকদের উৎসে কর দিতে হচ্ছে। এনবিআরে আয়কর অধ্যাদেশে তৈরি পোশাক খাতে উৎসে কর ১ শতাংশ। কিন্তু তিন বছর ধরে প্রতিবছর প্রজ্ঞাপন দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকের উৎসে করহার দশমিক ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হতো। এক বছর করে অর্থাৎ জুলাই থেকে জুন মাস পর্যন্ত এই সুবিধা দেওয়া হতো। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে নতুন করে আর এ সুবিধা দেওয়া হয়নি। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতি অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে উৎসে করহার ১ শতাংশ হয়ে যায়। বাজেটের পর প্রতিক্রিয়ায় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক ও উৎপাদকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন. ‘সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কথা বলে করপোরেট কর ও উৎসে কর কমিয়ে আনব।’ আর এ কথার তিন মাস পরে সরকার ঠিকই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছিল। আর চার মাস পরে আরক দফা পরিবর্তন করা হলো। গত সেপ্টেম্বর মাসে ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ৬ শতাংশ করা হয়। তাতেও মন ভরেনি ব্যবসায়ীদের। তাঁরা উৎসে কর পুরোপুরি প্রত্যাহারের দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত তৈরি পোশাকসহ অন্য রপ্তানি পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ করা হয়। বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির প্রথম আলোকে বলেন. রপ্তানি পোশাকের দাম ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে। এই অবস্থায় টিকে থাকতে হলে উৎপাদনদক্ষতা বাড়াতে হবে। আবার চলতি মাসে শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে। এই সময়ে কিছুটা কর-সুবিধা পেলে এই খাত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। মোহাম্মদ নাছির আরও বলেন. সবাই (সব রপ্তানিকারক) সুবিধা চায়. কিন্তু সাফল্য দেখাতে পারে না। যেহেতু তৈরি পোশাক খাতটি রপ্তানিতে বড় ভূমিকা পালন করছে. আবার আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে-তাই এই খাতটি বাড়তি সুবিধা পেতেই পারে। চলতি অর্থবছরে ৩ হাজার ২৬৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে. চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে উৎসে কর হিসেবে ২ হাজার কোটি টাকা কর আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে। উৎসে কর কমানোর ফলে ৪০০-৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব কমতে পারে।,1573174 2019-01-04,মার্কিন বাহিনী সরিয়ে আনা কতটা যুক্তিযুক্ত হবে?,সিরিয়া,জেফরি ডি স্যাক্স,৩,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573173/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87,opinion,print,1,আন্তর্জাতিক,সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনাবাহিনী সরিয়ে নিয়ে আসার ঘোষণাকে ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান—উভয় দলের সমর্থকেরা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। দুই দলের সমর্থকেরাই মনে করেন. বিশ্বের সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি থাকা অপরিহার্য। তাঁরা মনে করেন. যেসব জায়গায় মার্কিন সেনা মোতায়েন করা আছে. সেখান থেকে সরে এলে সেই শূন্যস্থান প্রতিপক্ষ দখল করে নেবে এবং তাতে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়ে যাবে। তাঁরা মনে করছেন. সিরিয়া থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে আনার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ভয়ানক অস্থিরতা তৈরি হবে। মার্কিন অনুপস্থিতির সুযোগে সেখানে রাশিয়া. তুরস্ক ও ইরানের আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা শুরু হবে। এতে নতুন করে সংঘাতের সূচনা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর গোড়া থেকেই সিরিয়ায় সেনা মোতায়েনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে দাবি করে এসেছে। তারা বলে এসেছে সিরিয়ায় আইএস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর অংশ হিসেবে সেখানে মার্কিন সেনা মোতায়েন অপরিহার্য। এখন সেখানে আইএস পরাজিত হয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে। ফলে ট্রাম্প মনে করছেন সেখানে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি অর্থহীন। তিনি মনে করছেন এখন আর তাদের সেখানে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু এটি বোঝা কঠিন নয়. ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের কারণে লাভবান হবেন সিরিয়ার বাশার আল–আসাদ. রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের আলী খামেনি। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের কারণে ইসরায়েল সেখানে একা হয়ে পড়বে। কুর্দিদের সঙ্গে স্পষ্ট প্রতারণা করা হবে। এ ছাড়া এমন সব জটিলতা তৈরি হবে. যা আঞ্চলিক অস্থিরতাকে বাড়িয়ে দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিবিদেরা যে চরম সত্য কথাটি কখনোই বলতে পারবেন না বা স্বীকার করবেন না. সেটি হলো মার্কিন বাহিনী আসলে সিরিয়ায় (একইভাবে ইরাক. আফগানিস্তান. ইয়েমেন. হর্ন অব আফ্রিকা. লিবিয়া এবং আশপাশের আরও অনেক এলাকায়) আইএস দমনের উদ্দেশ্য নিয়ে যায়নি। এসব এলাকায় মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য আইএস একটি মোক্ষম অজুহাত মাত্র। যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক আধিপত্য ধরে রাখাই মূলত সেখানে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির মূল কারণ। সিরিয়ায় বাশার আল–আসাদকে সরিয়ে সেখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা উচিত এবং সেটি করার জন্যই সেখানে মার্কিন সেনা থাকা দরকার—এমন কথা বলার নৈতিক অধিকার আমেরিকার নেই। এর কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে যে দেশটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে সেই সৌদি আরবের গণতন্ত্র নিয়ে আমেরিকার মাথাব্যথা নেই। সেই সৌদি আরবের রাজতন্ত্রকে আমেরিকা প্রথম থেকেই সমর্থন দিয়ে আসছে। এটি মনে করার কোনো কারণ নেই. গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ২০১১ সালে সিরিয়ায় সেনা পাঠিয়েছিল। এর একমাত্র কারণ ছিল বাশার আল–আসাদ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিলেন। বাশারের ‘পাপ’ হলো তিনি রাশিয়ার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন এবং ইরানের কাছ থেকে সহায়তা নিয়েছেন। এই একমাত্র ‘পাপ করায়’ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ঘোষণা করেছিলেন. ‘বাশারকে উৎখাত করতেই হবে।’ বাশারকে সরানোর জন্য তখন আমেরিকা এবং ইসরায়েল. তুরস্ক. সৌদি আরব. সংযুক্ত আরব আমিরাত. কাতারসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক অংশীজন আসাদবিরোধীদের অস্ত্র. সরঞ্জাম. প্রশিক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক সব সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ওবামা সে সময় ‘অপারেশন টিম্বার সাইক্যামোর’ নামের একটি প্রেসিডেন্সিয়াল তদন্তপত্রে সই করেছিলেন। তাতে বাশারকে উৎখাত করার জন্য সিআইএকে সৌদির সহায়তা নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ওবামা চেয়েছিলেন সিরিয়ায় মার্কিন সেনা পাঠানো নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের দিক থেকে যেন কোনো ধরনের বিরোধিতা না আসে। সে কারণেই তখন বলা হয়েছিল আইএস দমন করতেই সেখানে মার্কিন বাহিনী যাচ্ছে। তবে তারা সেখানে গিয়ে মূলত বাশারবিরোধী জিহাদিদের সব ধরনের সহায়তা করেছে। সেখানে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির কিছুদিনের মধ্যেই সব স্পষ্ট হয়ে গেল। আমেরিকা. ইসরায়েল ও সৌদি আরব একযোগে বাশারকে সরিয়ে দিতে কাজ শুরু করল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিআইএর বাশারকে উৎখাত করার পরিকল্পনা সফল হলো না. কারণ সিআইএর এই তৎপরতার মধ্যেই দৃশ্যপটে রাশিয়া চলে এল। পুতিন বাশারকে সামরিক সহায়তা দিলেন। ইরান তো আগে থেকেই বাশারের সঙ্গে ছিলেন। এতে সিরিয়ায় প্রক্সি যুদ্ধ লেগে গেল। এই যুদ্ধে সেনা ও সাধারণ মানুষ মিলে মোট নিহত হয়েছে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ। সিরিয়া থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে এক কোটি লোক। এই বাস্তুচ্যুত সিরীয়রা ইউরোপে বন্যার পানির মতো ধেয়ে গেছে এবং গোটা ইউরোপের রাজনীতিকে এটি একটি ঝাঁকুনি দিয়েছে। আইএস নৃশংস ভূমিকায় এসে বেশ কয়েকজন আমেরিকানকে শিরশ্ছেদ করার পর ২০১৪ সালে ওবামা সিরিয়ায় বিমান হামলার নির্দেশ দেন। কুর্দি বিদ্রোহীদের সহায়তা করতে তারা ব্যাপক হামলা চালায়। এখন ট্রাম্পের যুক্তি হলো. সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল–আসাদকে উৎখাত করে সেখানে যদি যুক্তরাষ্ট্র পাপেট সরকার বসানো বা সেখান থেকে রাশিয়া ও ইরানকে বিতাড়িত করার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে সেখানে মার্কিন সেনা মোতায়েন রেখে খরচ বাড়ানোর কোনো মানে হয় না। কিন্তু বাস্তবতা হলো মার্কিন সেনা এখন সেখান থেকে সরিয়ে নিলেই আরও বড় বিপর্যয় দেখা দেবে। কুর্দিদের নিশ্চিহ্ন করতে উত্তর সিরিয়ায় তুরস্ক অভিযান চালাবে। এখানকার আধিপত্য নিয়ে রাশিয়া ও তুরস্ক ভয়ানক বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারে। সিরিয়ায় ইরানের বাহিনীর বিরুদ্ধে ইসরায়েল তুমুল আক্রমণ শুরু করতে পারে। ইতিমধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালাতে ইসরায়েল ও সৌদি আরব জেটবদ্ধ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সিরীয় যুদ্ধ পুরোদস্তুর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। এখন হুট করে সিরিয়া থেকে মার্কিন বাহিনীর চলে আসাটা এসব ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে। গোটা অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়াবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র এত দিন যেভাবে ভূমিকা রেখে এসেছে. তা থেকে সরে আসাটাও দেশটির ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ইংরেজি থেকে অনূদিত। স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেটজেফরি ডি স্যাক্স কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক,1573173 2019-01-04,জনশক্তি রপ্তানি কমলেও প্রবাসী আয়ে সুসময়,,সামছুর রহমান. ঢাকা,২,https://www.prothomalo.com/economy/article/1573169/%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F,economy,print,1,বিদেশের খবর,• ২০১৮ সালে জনশক্তি রপ্তানি কমলেও বেড়েছে প্রবাসী আয়• গবেষণা সংস্থা রামরু বলছে. গত বছর নতুন কোনো শ্রমবাজার উন্মোচিত হয়নি• প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ডলার• আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি • ২০১৮ সালে জনশক্তি রপ্তানি কমলেও বেড়েছে প্রবাসী আয়• গবেষণা সংস্থা রামরু বলছে. গত বছর নতুন কোনো শ্রমবাজার উন্মোচিত হয়নি• প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ডলার• আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি ২০১৮ সালে জনশক্তি রপ্তানি কমলেও বেড়েছে প্রবাসী আয়। আলোচ্য সময়ে জনশক্তি রপ্তানি ২৭ শতাংশ কমেছে। তার বিপরীতে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। অভিবাসন–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন. ২০১৭ সালে রেকর্ডসংখ্যক জনশক্তি রপ্তানি হয়েছিল. মূলত এর প্রভাবে বেড়েছে প্রবাসী আয়। এর পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকা দুর্বল হওয়ায় এবং হুন্ডি প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রবাসী আয় বেড়েছে। জনশক্তি রপ্তানিবিষয়ক গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) বলছে. আগের বছরগুলোর মতো গত বছরেও নতুন কোনো শ্রমবাজার উন্মোচিত হয়নি। ২০১৮ সালে নারীশ্রমিকদের বিদেশ যাওয়ার হার গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। গত বছর আট শতাধিক নারীশ্রমিক নির্যাতিত হয়ে দেশে ফিরেছেন। এদিকে ২০১৮ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ডলার. যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী. ২০১৮ সালে মোট ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১৮১ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে যান। সেখানে ২০১৭ সালে জনশক্তি রপ্তানি হয়েছিল ১০ লাখ ৮ হাজার ৫২৫ জন। সেই হিসাবে ২০১৭ সালের তুলনায় প্রায় ২৭ দশমিক ২০ শতাংশ জনশক্তি রপ্তানি কমেছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির প্রায় ৬৩ শতাংশ হয়েছে উপসাগরীয় এবং অন্যান্য আরব দেশে। বাকি ৩৭ শতাংশের বেশির ভাগ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক কর্মী গেছেন সৌদি আরবে। এরপর মালয়েশিয়া.কাতার. ওমান ও সিঙ্গাপুরে। তবে গত বছরের নভেম্বরে সৌদি আরব সরকার ‘সৌদিকরণ কর্মসূচির (প্রতি কারখানায় ২০ শতাংশ সৌদি নাগরিক থাকা বাধ্যতামূলক)’ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য ১২ ধরনের চাকরি বন্ধ ঘোষণা করেছে সৌদি সরকার। এতে সে দেশের শ্রমবাজার আস্তে আস্তে বাংলাদেশিদের জন্য সংকুচিত হয়ে আসছে। ইতিমধ্যে এসব কাজে জড়িত বাংলাদেশিরা দেশে ফিরতে শুরু করেছে। এ বিষয়ে রামরুর প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান তাসনিম সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন. নারী-পুরুষ উভয়ে যেসব দেশে যাচ্ছে সেটির সামগ্রিক মূল্যায়ন করলে দেখা যায়. দেশের শ্রমবাজারে বরাবরই একটি বা দুটি দেশের আধিপত্য। কখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত. কখনো মালয়েশিয়া বা সৌদি আরব। এক দেশকেন্দ্রিক বাজার ব্যবস্থার অসুবিধা হলো সেই দেশে কোনো সমস্যা বা বিপর্যয় দেখা দিলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারও বিপদের মুখে পড়ে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে. প্রায় ছয় বছর পর বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার খুলেছে। প্রকৃতপক্ষে পুরুষ শ্রমিকদের জন্য বাজার বন্ধই রয়েছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আরব আমিরাত শুধু নারী গৃহকর্মী গ্রহণ করছে। ২০১৮ সালে মাত্র ৩ হাজার ২৩৫ জন সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছেন. যাঁদের অধিকাংশই নারী। দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী. ধীরে ধীরে ১৯টি পেশায় পুরুষ কর্মী নেবে দেশটি। গত বছর বিদেশে সবচেয়ে বেশি কর্মী যান কুমিল্লা জেলা থেকে। তবে আগের বছরগুলোর মতো গত বছরেও পার্বত্য জেলাগুলো থেকে বিদেশে শ্রম রপ্তানি হয়নি বললেই চলে। কমেছে নারী অভিবাসন ২০১৫ সাল থেকে দেশের নারীশ্রমিকদের বিদেশ যাওয়া ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০১৭ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চসংখ্যক নারীশ্রমিক বিদেশে যান। কিন্তু ২০১৮ সালে বিদেশগামী নারী কর্মীর সংখ্যা আবারও কমে এসেছে। ২০১৮ সালে নারীশ্রমিকদের বিদেশ যাওয়া গত বছরের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। রামরু বলছে. চলতি বছর কমপক্ষে আট শতাধিক নারীশ্রমিক নির্যাতিত হয়ে দেশে ফিরেছেন। ২০১৮ সালে বিদেশ যান ১ লাখ ১ হাজার ৬৯৫ জন নারী কর্মী। এর বড় অংশই যায় সৌদি আরবে। বাংলাদেশি অভিবাসী মহিলা শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের (বমসা) চেয়ারম্যান লিলি জাহান প্রথম আলোকে বলেন. সৌদি আরব থেকে নারীরা নির্যাতিত হয়ে ফিরে আসায় মানুষ ভয় পাচ্ছেন। তাই প্রশিক্ষণ নিয়েও অনেকে যাচ্ছেন না।,1573169 2019-01-04,দীপিকার নতুন বছরের ভাবনা,,বিনোদন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573168/%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE,entertainment,print,1,বলিউড,গত বছরজুড়েই বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ছিলেন আলোচনায়। বছরের শুরুর দিকে পদ্মাবত ছবি দিয়ে তিনি উঠে আসেন শিরোনামে। বছরের শেষটি ছিল বিয়ের আলোয় উজ্জ্বল। নতুন বছর শুরু হলো মাত্র কদিন। নতুন বছরে দীপিকার ভাবনা কী? তা–ই জানালেন একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে। ২ জানুয়ারি ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন দীপিকা। সেখানে দেখা যায় কতগুলো বালিশের ছবি। তার ওপরে লেখা কিছু ইংরেজি শব্দ। শব্দগুলোর বাংলা করলে দাঁড়ায়—‘সুস্থতা’. ‘ভারসাম্য’ ও ‘অনন্য’। তার মানে দাঁড়ায় নতুন বছরের সব পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকছে এই তিনটি শব্দ। কাজের মধ্যেও নিজের সুস্থতার দিকে খেয়াল রাখবেন তিনি। তা হতে পারে শারীরিক কিংবা মানসিক। কারণ হতাশা নিয়ে দীপিকার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আছে। আর এই বছরে সবকিছুর মধ্যেই ভারসাম্য রেখে চলতে চান পদ্মাবত অভিনেত্রী। এ ছাড়া কাজের বেলায় নিজেকে উচ্চতায় নিতে হলে থাকতে হবে অনন্য। এই তিনটি বিষয় ধরেই নতুন বছরের কাজগুলো সাজাতে পারেন বলিউড এই অভিনেত্রী। বিয়ের রেশ কাটিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ করার পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে। অ্যাসিড–সন্ত্রাসের শিকার লক্ষ্মী আগারওয়ালের জীবনী নিয়ে সিনেমায় কাজ করতে যাচ্ছেন তিনি। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন মেঘনা গুলজার। সিনেমার নাম ছাপাক। ডেকান ক্রনিকল।,1573168 2019-01-04,আমার ব্যান্ডটি নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই: আরমীন মুসা,,হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573167/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%BE,entertainment,print,1,আলাপন,তরুণ সংগীতশিল্পী আরমীন মুসার ক্যারিয়ারে ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ নিকেতনের জংশন নামের একটি মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে গানের অনুষ্ঠান। গাইবেন তিনি ও তাঁর দল ‘দ্য আরমীন মুসা ব্যান্ড’। সেই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির ফাঁকে গতকাল কথা বললেন প্রথম আলোর সঙ্গে। তরুণ সংগীতশিল্পী আরমীন মুসার ক্যারিয়ারে ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ নিকেতনের জংশন নামের একটি মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে গানের অনুষ্ঠান। গাইবেন তিনি ও তাঁর দল ‘দ্য আরমীন মুসা ব্যান্ড’। সেই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির ফাঁকে গতকাল কথা বললেন প্রথম আলোর সঙ্গে। ১০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি কেমন? কয়েক দিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। ২০১৮ সালে আমার ক্যারিয়ারের ১০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর একটা অনুষ্ঠান করেছিলাম। সেই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় কিস্তি হবে আগামীকাল (আজ)। সেখানে আমার নিজের জনপ্রিয় গানগুলো গাইব। এ ছাড়া নতুন গান. আমার গাওয়া সিনেমা–নাটকের গান. অর্ণবের গাওয়া কিছু গান এবং একটা লোকগান গাইব। আড়াই ঘণ্টার একটা অনুষ্ঠান। আসলে আমার ১০ বছরের একটা জার্নি শেয়ার করব দর্শকের সঙ্গে। ১০ বছর কোন সময়টা থেকে শুরু হয়েছে? আমার প্রথম অ্যালবাম বের হওয়ার সময়টাই আমার ক্যারিয়ারের শুরু। আমার প্রথম অ্যালবামের নাম আয় ঘুম ভাঙাই। ওই সময় থেকেই আমার শ্রোতারা আমাকে খুঁজে নিয়েছেন। ১০ বছরে আপনার অর্জন কী? খুব বেশি কিছু না। গান গাইছি। একটা শ্রোতাশ্রেণি তৈরি হয়েছে. যাঁরা আমাকে নতুন গান গাওয়ার জন্য নিয়মিত উৎসাহ দেন। আমার দুটো অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। আগে নিয়মিত অনুষ্ঠানে গান গাইতাম। এই তো। আর গান নিয়ে পড়াশোনা করেছি। তবে এটাও সত্যি. আমি যে ধরনের গান গাই. সে ধরনের গানের শ্রোতা কমে গেছে। আগে অর্ণব. তপু ভাইয়েরা এ ধরনের গান গাইতেন। কিন্তু এখন দুজনই কমিয়ে দিয়েছেন। ‘অপরাধী’ গানটা যদি আমাদের দেশের সবচেয়ে হিট গান হয়. তাহলে বুঝে নিতে হবে শ্রোতারা বলে দিয়েছেন তাঁরা কী গান পছন্দ করেন। আপনাদের ঘাসফড়িং নামের একটা উদ্যোগ আছে। সেটা কত দূর কী? এটা আমাদের ১৬ জনের একটা প্ল্যাটফর্ম। আমরা এখানে গানের চর্চা করি। আমরা পশ্চিমা ধাঁচের বাংলা গান করার চেষ্টা করি। বড় কিছু এখনো শুরু করিনি। তবে করব। আপনার সামনের পরিকল্পনা কীআমার ‘দ্য আরমীন মুসা’ ব্যান্ডটি নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আর নতুন একটা বাংলা অ্যালবাম করব। শেষ তিন প্রশ্নআপনার আলমারিতে কতগুলো শাড়ি আছে? আমার নিজের আছে ৪০টার মতো। আম্মুর (শিল্পী নাশিদ কামাল) আছে শত শত। সেগুলোও আমি পরি। বিয়ের জন্য পাত্রের কী গুণ থাকতে হবে? তাঁকে সৎ হতে হবে। কোন খাবার সামনে পেলে ডায়েটের কথা ভুলে যান? ভাত আর মাছ।,1573167 2019-01-04,কাজী আনোয়ার হোসেনের ভুবনে,, মন্তব্য,৯,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573182/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87,onnoalo,print,1,অন্য আলো,পাঠকনন্দিত মাসুদ রানার স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন। প্রায় এক হাতেই আমাদের দেশে দাঁড় করিয়েছেন রহস্য–রোমাঞ্চ গল্পের জনপ্রিয় সাহিত্যধারা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রকাশনী পাঠক তৈরিতে বিরাট ভূমিকা রেখেছে এখানে। কিন্তু কাজী আনোয়ার হোসেন. পাঠকদের কাছে যাঁর পরিচয় কাজীদা নামে. তিনি কি কেবলই একজন জনপ্রিয় লেখক? বছরের শুরুতে এই আয়োজনে থাকছে কাজী আনোয়ার হোসেনের বিভিন্ন ভুবনের খোঁজখবর। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শিবব্রত বর্মন ও রওশন জামিল পাঠকনন্দিত মাসুদ রানার স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন। প্রায় এক হাতেই আমাদের দেশে দাঁড় করিয়েছেন রহস্য–রোমাঞ্চ গল্পের জনপ্রিয় সাহিত্যধারা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রকাশনী পাঠক তৈরিতে বিরাট ভূমিকা রেখেছে এখানে। কিন্তু কাজী আনোয়ার হোসেন. পাঠকদের কাছে যাঁর পরিচয় কাজীদা নামে. তিনি কি কেবলই একজন জনপ্রিয় লেখক? বছরের শুরুতে এই আয়োজনে থাকছে কাজী আনোয়ার হোসেনের বিভিন্ন ভুবনের খোঁজখবর। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শিবব্রত বর্মন ও রওশন জামিল প্রশ্ন: থ্রিলারধর্মী সাহিত্যকে অনেকে সাহিত্য হিসেবে খুব গুরুত্ব দিতে চান না. লঘু মনে করেন। মনে করেন এগুলো শুধুই জনচাহিদা মেটায়। এ ব্যাপারে আপনার কী মত? কাজী আনেয়ার হোসেন: থ্রিলার আমার ভালো লাগে। সেই কৈশোরে. আজ থেকে ৭৩ বছর আগে. কলকাতা থেকে প্রকাশিত শ্রী হেমেন্দ্র কুমার রায়ের লেখা ঘটোৎকচ. যকের ধন. আবার যখের ধন. নৃমুণ্ডু শিকারী ইত্যাদি থ্রিলার বইগুলো আমাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে ফেলে। তার পরপরই হাতে পেলাম রবিন হুড। লেখকের নাম জানি না. সেসব খেয়াল করার বয়স ছিল না সেটা—বইটি অনেক খুঁজেও হাতে পাইনি আর। অপূর্ব লেগেছিল। রবিনের মৃত্যুতে কেঁদেকেটে বুক ভাসিয়েছিলাম; তার বীরত্ব. সাহস. নেতৃত্ব. বিপদগ্রস্ত ও ভাগ্যাহতদের প্রতি দুর্বলতা. গরিবদের সাহায্য-সহযোগিতা. নারীর প্রতি সম্মান—এই সব গুণের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। এই বইগুলো আমাকে এতটাই প্রভাবিত করেছিল যে আজও সে মোহের জাল কেটে বেরোতে পারিনি. চির কিশোর রয়ে গেছি। লঘু বলেন বা বলেন অকিঞ্চিৎকর সাহিত্য; আমি আমার ভালোবাসার জগতে দিব্যি আরামে ও আনন্দে বিচরণ করছি আজীবন। প্রশ্ন: প্রবল জনপ্রিয় মাসুদ রানার স্রষ্টা আপনি। ৫০ বছরেরও বেশি আগে লিখতে শুরু করেছিলেন এই সিরিজ। এখন তো দুনিয়া পাল্টে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। আজ থেকে ৩০ বছর পর মানুষ কি আর মাসুদ রানা পড়ব? পড়লে কেন পড়বে বলে আপনার মনে হয়? কাজী আনোয়ার হোসেন: সুদীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে পাঠক মাসুদ রানা পড়েছে এবং মজা পেয়েছে। এখনো সেই প্রথম বই কুয়াশা-ধ্বংস পাহাড়–এর মতোই নতুন বইগুলো যারা সাগ্রহে কিনে পড়ছে. তাদের মধ্যে নিত্যনতুন কিশোর আছে. তাদের স্বপ্নের বাগান ফুলে-ফলে সমৃদ্ধ করে দিচ্ছে সেবা প্রকাশনী; আগামী ৩০ বছরেই তাদের সব আগ্রহ শেষ হয়ে যাবে. এটা আমি মনে করি না। নিজে থাকব না. কিন্তু যাদের গড়ে-পিটে দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি. আমি জানি. তারা আরও বহুদিন টিকিয়ে রাখবে সেবা ও তার সিরিজগুলোকে। তা ছাড়া. আমার খাতিরে বা আমার মুখ চেয়ে পাঠকেরা এসব বই কিনে পড়ছেন. ব্যাপারটা তা তো নয়. নিশ্চয়ই এসব কাহিনির ভেতর অন্তর্নিহিত বিশেষ কিছু আকর্ষণ ও আবেদন রয়েছে. যেগুলো সমালোচকদের চোখ এড়িয়ে গেছে। তা না হলে যেসব সুসাহিত্যিক এত দিন মাসুদ রানার প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য প্রকাশ করে নিজেদের অনেক উঁচুতে তুললেন. এতগুলো বছর চেষ্টা করেও তাঁরা কি পাঠকদের এসব বাজে লেখা থেকে সরিয়ে নিজেদের লেখার প্রতি টানতে পেরেছেন? না। তাঁদের বিচরণক্ষেত্র ভিন্ন. কৈশোর পেরিয়ে তবেই না পরিণত বয়সে পৌঁছাবে মানুষ। আমিই কি কিশোর পাঠকদের চিরকৈশোরে ধরে রাখতে পারছি. ঠেলে দিচ্ছি না তাদের দিকে? ৩০ কেন. আগামী ৬০ বছরেও সেবার প্রয়োজন ফুরাবে বলে মনে করি না। প্রশ্ন: শুরুর কয়কেটি উপন্যাস বাদ দিলে আপনার মাসুদ রানার কাহিনিগুলো সবই ধার করা। বিদেশি কাহিনির ছায়া অবলম্বন। মৌলিক মাসুদ রানা লিখলেন না কেন? কাজী আনোয়ার হোসেন: মূল কারণ. আমার অভিজ্ঞতার অভাব। মাসুদ রানা বইয়ে যেসব দেশের কথা. অভিজ্ঞতার কথা. ঘটনার কথা. জটিল পরিস্থিতির কথা থাকে. সেসব সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা একজন মধ্যবিত্ত বাঙালির পক্ষে অর্জন করা প্রায় অসম্ভব। তাই বিদেশি কাহিনির সাহায্য আমাকে নিতেই হয়েছে। কিন্তু বিদেশি সবকিছু আমাদের এখানে মানায়ও না। মাসুদ রানার ৪৫৭তম সংখ্যা প্রকাশিত হতে চলেছে এখন। ৪৫৭! ভাবুন একবার। প্রথম দিকে মৌলিক রানা লেখার চেষ্টা করেছি। তারপরেই বুঝে গেলাম. বিদেশি কাহিনির ছায়া না নিয়ে কোনো উপায় নেই। সবটা নেওয়া যাবে না; রগরগে যৌনতা আমাদের সংস্কৃতিতে গ্রহণযোগ্য নয়. যে বিষয়গুলো চলবে. ততটুকুর ছায়া নিয়ে নিজের মতো করে রচনা করতে হবে বাঙালি মাসুদ রানার চরিত্র। এই একই সমস্যায় পশ্চিম বাংলার বড় বড় সাহিত্যিকও পড়েছিলেন বলে অকাতরে স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের শার্লক হোমস. লেসলি চার্টারিসের দ্য সেইন্ট. অ্যান্থনি হোপের দ্য প্রিযনার অভ—এমন আরও অসংখ্য বিদেশি লেখকের বই আত্তীকরণে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি। প্রশ্ন: অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যের ভান্ডার বাঙালি পাঠকের কাছে তুলে ধরার কাজ দীর্ঘদিন ধরেই করছে আপনার সেবা প্রকাশনী। এর অনুবাদগুলোর ঝরঝরে ভাষা। কিন্তু অনেকে বলেন. এখন সেবা প্রকাশনী থেকে ভালো অনুবাদ পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ কী? কাজী আনোয়ার হোসেন: আপনি ঠিক কী বলতে চাইছেন পরিষ্কার বুঝতে পারলাম না। সেবা আর অনুবাদ ছাপছে না? নাকি. ছাপছে কিন্তু সেগুলো ভালো হচ্ছে না? যাকগে. এ প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে নেই। আমি তো ভালো জেনেই ছাপছি। যাঁরা এ কথা বলেন. কারণটাও নিশ্চয়ই আমার চেয়ে তাঁরাই ভালো বলতে পারবেন। ব্যাপারটা বনফুলের ‘পাঠকের মৃত্যু’ গল্পের মতোও হতে পারে। যাঁরা আগে একসময়ে মুগ্ধ হয়েছেন. এখন তাঁদের কাছে ভালো না লাগারই তো কথা। তাঁরা তো আর সেই মানুষটি নেই. বয়স হয়েছে. মন-মানসিকতা ও বুদ্ধির বিকাশ হয়েছে. বদলে গেছেন। তিনি কেন এখন পড়তে যাবেন এসব? প্রশ্ন: স্পাই থ্রিলার ঘরানায় ইংরেজি ভাষায় অনেক সফল লেখকের দেখা মেলে। যেমন: ইয়ান ফ্লেমিং. জেমস হেডলি চেজ. টম ক্লেনেসি. ল্যাডলাম বা কিছু পরিমাণে জন লে কারে। কিন্তু বাংলায় কাজী আনোয়ার হোসেন ছাড়া আর সফল কাউকে দেখা যায় না। কারণ কী? কাজী আনোয়ার হোসেন: কী বলব। মনে হয় আমাদের লেখকেরা ঘাপটি মেরে থাকেন ভ্রুকুটির ভয়ে। সুসাহিত্যিকেরা যদি এসব লেখাকে ছোট নজরে না দেখতেন. তাহলে হয়তো ইতিমধ্যেই আরও কয়েকটা কাজী আনোয়ার হোসেন গজিয়ে যেত। প্রশ্ন: একজন প্রকাশক হিসেবে পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার কাজটিকে আপনি কতটা গুরুত্ব দেন? সেবা প্রকাশনী এই কাজটি কীভাবে সম্পাদন করে? কাজী আনোয়ার হোসেন: সম্পাদনার কাজটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করি। কারণ. একটি বই কেবল আনন্দই দিচ্ছে না. পাঠককে নানা ধরনের শিক্ষাও দিচ্ছে। তবে সম্পাদনা যিনি করবেন. তাঁর সে কাজের যোগ্যতা থাকা অপরিহার্য। প্রায় সব লেখকের লেখাতেই ভুল থাকে। বিদেশের মতো আমরাও যদি সুশিক্ষিত. উপযুক্ত সম্পাদক নিয়োগ দিতে পারতাম. তাহলে ভালো হতো। কিন্তু আমাদের বাজার ছোট বলে পারি না। শ্রদ্ধেয় চিত্তরঞ্জন সাহা তাঁর প্রকাশনী মুক্তধারায় এই চেষ্টা করে দেখেছেন. কিন্তু তেমন ভালো ফল পাননি। একজন উপযুক্ত সম্পাদককে যে পরিমাণ সম্মানী দেওয়া উচিত. তার দশ ভাগের এক ভাগও তো আমরা দিতে পারি না। প্রশ্ন: আপনার বাবা বিখ্যাত সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন। আপনাদের পরিবার মূলত গানের পরিবার। আপনি নিজেও একসময় গান করতেন। সিনেমায়ও গান করেছেন আপনি। আপনার সংগীতজীবনের এই পর্বটি সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন। কাজী আনোয়ার হোসেন: শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চা আমাদের পরিবারের মজ্জাগত। বাবা শিক্ষক ছিলেন. আমার বেশির ভাগ বোনই শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে চলেছে গানবাজনার চর্চা। বোনেরা গেয়েছেন রবীন্দ্রসংগীত; আমার বাবা. সেজ কাকা আর ছোট ভাই কাজী মাহবুব হোসেন বাজিয়েছেন সেতার। প্রশ্ন: গানের ক্ষেত্রেও দেখা গেল. পরিবারের অন্যদের চেয়ে ভিন্নপথে হাঁটলেন আপনি। রবীন্দ্রসংগীত গাইলেন না। গাইলেন সিনেমার গান। কাজী আনোয়ার হোসেন: হ্যাঁ. একটু ভিন্ন পথই আমার পছন্দ। রেডিও-টিভিতে আমি গেয়েছি আধুনিক. নজরুলগীতি ও পল্লিগীতি; সিনেমার প্লেব্যাকে গেয়েছি বাংলা ও উর্দু গান। প্রশ্ন: সংগীতজীবন থেকে সরে গেলেন কেন? কাজী আনোয়ার হোসেন: ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৮ সাল—১০টা বছর তো গান গাইলাম. আর কত? তা ছাড়া. তত দিনে লেখালেখি ও প্রকাশনা ব্যবসাকে পেশা হিসেবে নিয়ে ফেলেছি—দুটোই পূর্ণাঙ্গ চাকরির মতো। একজীবনে সবকিছু তো আর হয় না। প্রশ্ন: সিরিয়াস বনাম পপুলার কালচার—বাংলা দেশের বাস্তবতায় বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখেন? কাজী আনোয়ার হোসেন: আমি এ নিয়ে তেমন একটা ভাবনার সুযোগ বা অবকাশ পাইনি। আমার যা ভালো লাগে তা-ই পড়ি। যা ইচ্ছে করে তা-ই করি। আমার মনে হয়. এই দুই ধারা মোটেই সাংঘর্ষিক নয়. সব রকম কালচারেরই প্রয়োজন আছে। প্রশ্ন: আপনার পরিবারে বরাবর ছিল সিরিয়াস সাহিত্যের চর্চা। আপনি গেলেন পপুলার সাহিত্যের দিকে। সিরিয়াস বনাম পপুলার কালচার পরিবারের মধ্যে কি এই বিরোধের মুখে পড়তে হয়েছিল? কাজী আনোয়ার হোসেন: না. কখনোই না। আমার বাবা কাজী মোতাহার হোসেন প্রবন্ধ রচনা করতেন. বোন সন্​জীদা খাতুন আত্মজীবনীমূলক সরস লেখার পাশাপাশি কঠোর ভাষায় পাঠ্যপুস্তক ধাঁচের বইও লিখেছেন. বড় বোন যোবায়দা মির্যা আত্মজীবনীর মতো করে লিখেছেন সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি। আমার ভাই আর আমি লিখেছি রহস্য-রোমাঞ্চের বই। এ নিয়ে কারও বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়নি আমাদের। বাবা তো রীতিমতো উৎসাহ দিয়েছেন। সন্​জীদা খাতুনও আমার প্রথম রচনা কুয়াশা ১ ও ২-এর পাণ্ডুলিপি পড়ে যথেষ্ট উৎসাহ দিয়েছেন। প্রশ্ন: বাংলাদেশে থ্রিলার সাহিত্যের ভবিষ্যৎ কী? কাজী আনোয়ার হোসেন: সব মিলিয়ে শিল্প-সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ খুব ভালো—এমনটি বলতে পারছি না. দুঃখিত। শুধু থ্রিলার সাহিত্য কেন. এ দেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা. নাচ-গান-বাজনা-সিনেমা-ছবি-ভাস্কর্য. অর্থাৎ যা কিছু সুন্দর. সব ধরনের শিল্পসৃষ্টির ধারা ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে আসছে ক্রমে। কিসের করাল গ্রাস গিলে খাচ্ছে আমাদের সৌন্দর্যবোধ. সেটা বাঙালিকে বুঝতে হবে। আমি তো চলেই যাব. যাঁরা এখানে থাকবেন তাঁদের সতর্ক হওয়ার কিন্তু এখনই সময়। প্রশ্ন: আপনার এপিটাফে কী লেখা দেখতে চান? কাজী আনোয়ার হোসেন: কিছু না। লাশটা ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দিয়ে যেতে চাই। নিয়মকানুন জানার চেষ্টা করছি।,1573182 2019-01-04,আটার দাম বেড়েছে কেজিতে ২ টাকা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/economy/article/1573166/%E0%A6%86%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A7%9C%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A7%A8-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE,economy,print,1,বাণিজ্য সংবাদ,• চাল ও আটার দাম বাড়ল • চালের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২–৩ টাকা• খুচরায় মোটা চাল ৩৭–৩৮ টাকা• সরু চাল ৫৫–৫৬ টাকা• মাঝারি চাল ৪৪–৪৮ টাকা • চাল ও আটার দাম বাড়ল • চালের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২–৩ টাকা• খুচরায় মোটা চাল ৩৭–৩৮ টাকা• সরু চাল ৫৫–৫৬ টাকা• মাঝারি চাল ৪৪–৪৮ টাকা কয়েক মাস কমতির দিকে থাকার পর দেশে চালের দাম বেড়েছে। রাজধানীর কয়েকটি বাজারের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা বলছেন. গত কয়েক দিনে সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। বেড়েছে আটা ও ময়দার দামও। বাজারে আটা কিনতে গেলে ক্রেতাকে দুই টাকা বাড়তি দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চালকলের মালিকদের দাবি. প্রতিবছর আমন মৌসুম এলে চালের দাম কিছুটা বাড়ে। সরকারিভাবে এখন ৩৬ টাকা কেজি দরে মোটা চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। তাঁরা বলছেন. চালের দাম এত দিন কম ছিল। ফলে কৃষকেরা ধানের ভালো দাম পাচ্ছিলেন না। গম আমদানিকারক ও আটা বিপণনকারীদের দাবি. বিশ্ববাজারে গমের দাম বেশ বেড়েছে। সে অনুপাতে দেশে আটার দাম বাড়েনি। পুরান ঢাকার বাবুবাজার–বাদামতলীর চালের আড়তমালিকেরা জানান. প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চালের দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে। মোটা চালের পাইকারি দর উঠেছে কেজিপ্রতি ৩৫ টাকার আশপাশে। অন্যদিকে মাঝারি চাল বিক্রি হচ্ছে মানভেদে কেজিপ্রতি ৩৮–৪২ টাকায়। এ ছাড়া ভালো মানের সরু মিনিকেট চাল কেজিপ্রতি ৫২–৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জানতে চাইলে বাদামতলীর চালের আড়ত শিল্পী রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী কাওসার রহমান প্রথম আলোকে বলেন. ভোটের কয়েক দিন আগে ও পরে মিলিয়ে চালের দামটা কিছুটা বাড়ল। মোটা চাল কেজিপ্রতি ৩২–৩৩ টাকায় নেমে গিয়েছিল যা ২০১৭ সালের শেষ দিকে কেজিপ্রতি ৪৫ টাকার বেশি ছিল। ঢাকার কাজীপাড়া ও কারওয়ান বাজারের খুচরা দোকানে ভালো মানের সরু মিনিকেট চাল কেজিপ্রতি ৫৫–৫৬ টাকা. মাঝারি বিভিন্ন চাল ৪৪–৪৮ টাকা এবং মোটা গুটি ও স্বর্ণা চাল ৩৭–৩৮ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। অবশ্য বাজারে এর বাইরে আরও কম দামের মোটা চাল রয়েছে. যা সব বাজারে পাওয়া যায় না। আবার মানও তেমন ভালো না। কারওয়ান বাজারের চাল ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন. দাম বাড়িয়েও চাল সরবরাহে মিলমালিকেরা গড়িমসি করছেন। নগদ টাকা পাঠিয়েও তিনি চালের সরবরাহ পাননি। মিলমালিকেরা বলছেন. চাল সরবরাহে দেরি হবে। ওই ব্যবসায়ী জানান. সুগন্ধি চালের দাম দুই দফায় কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৯০ টাকায় উঠেছে। এটা খুচরা দোকানে আরও বেশি পড়বে। চালের দামের সবচেয়ে অস্বস্তিকর সময় ছিল ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর–অক্টোবর মাস। ওই সময় খুচরা বাজারে মোটা চালের দর কেজিপ্রতি ৫০ টাকায় উঠেছিল। আর সরু চাল উঠেছিল কেজিপ্রতি ৬৫ টাকায়। এরপর বাড়তি আমদানি ও ২০১৮ সালের শুরুতে বোরোর মৌসুমের ভালো ফলনে চালের দাম কমে। বছরের শেষ দিকে আমনের ভালো ফলন হলেও কৃষকেরা ভালো দাম পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। চালকল মালিকদের বড় সংগঠন বাংলাদেশ অটো. মেজর ও হাসকিং মিলমালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী প্রথম আলোকে বলেন. সরকার পুরোদমে চাল কেনা শুরু করার পর দাম কিছুটা বেড়েছে। এতে ধানের দামও মণে ৫০ টাকার মতো বাড়তি। এখন প্রতি মণ ধান ৬৫০–৬৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন. এটা কমপক্ষে ৭৫০ টাকায় ওঠা দরকার। কারওয়ান বাজারের বিক্রেতারা জানিয়েছেন. আটা ও ময়দার দাম কেজিপ্রতি ২ টাকা করে বেড়েছে। আটা প্রতি দুই কেজির প্যাকেট ৬৮ টাকা ও ময়দা ৯২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জানতে চাইলে খাদ্যপণ্য বিপণনকারী একটি বড় কোম্পানির একজন কর্মকর্তা বলেন. বিশ্ববাজারে গমের দাম ঊর্ধ্বমুখী। দেশে প্রতিযোগিতা বেশি বলে বিশ্ববাজারের মতো দাম বাড়ছে না।,1573166 2019-01-04,অপরাধীর বিচার চাই,অভিমত,রাশেদা কে চৌধূরী,৮,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573165/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87,opinion,print,1,রাজনীতি,নির্বাচনের পরপর নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনাটি শুধু অনাকাঙ্ক্ষিতই নয়. এটি বর্বরোচিত একটি ঘটনা। এটি সবার মনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। কঠিন বাস্তবতা হলো. ঘটনাটি রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে বলে বড় করে সামনে এসেছে। কিন্তু গণমাধ্যম যে সারাক্ষণ নারী নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরে. সেটা কিন্তু অতটা গুরুত্ব পায় না. সে বিষয়টিও দেখতে হবে। তবে নোয়াখালীর বর্বরোচিত এই ঘটনা আলোড়ন জাগানোর মতোই ঘটনা। এ বিষয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন আছে। কারণ. অনেক সময় দেখা যায় অপরাধীরা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে পার পেয়ে যায়। এখানে যেন সেটি না ঘটে। বিষয়টি দেখার দায়িত্ব শুধু সরকার বা গণমাধ্যমের নয়. আমাদের সবার দায়িত্ব। আরেকটি বাস্তবতা হলো অতীতে দেখা গেছে. এ ধরনের ঘটনা নিয়ে বেশ কিছুদিন আলোচনা চলে. পরে তা হারিয়ে যায়। সেই কারণে মানবাধিকারের জায়গা থেকে দাবি করব. যেন বিষয়টি কখনো হারিয়ে না যায়. অপরাধীদের যেন অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হয়. সে যে–ই হোক। অর্থ প্রতিপত্তি ও রাজনৈতিক প্রভাব যা–ই থাকুক না কেন. অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতেই হবে। গণমাধ্যমেই উঠে এসেছে. নারী নির্যাতনের ঘটনার অধিকাংশের বিচার হয় না। এ বিষয়ে নীতিনির্ধারক ও আদালতকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। এখনো তো ৮০ শতাংশের মতো নারী নিজের ঘরেই নির্যাতনের শিকার হন। এগুলোও আদালতের দৃষ্টিতে নিতে হবে। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ঘটনাটিও প্রথমে সেভাবে সামনে আসেনি। তাই আমি বলব. এসব নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বড় ভূমিকা রয়েছে। অভিযোগকারীর অভিযোগটি যাতে ঠিকমতো তদন্ত হয় এবং অভিযোগটি যাতে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়. সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ. অভিযোগটি সঠিকভাবে তদন্ত করে আদালতে উপস্থাপন না করলে আদালতও নিরুপায় হয়ে থাকেন। তাই তদন্তকাজটি সঠিকভাবে করতে হবে। আমি মনে করি. নারী নির্যাতন বন্ধে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তাদের তৎপরতা আরও বাড়াতে হবে। ওই সব কর্মকর্তা যদি আরও তৎপর হন. তাহলে এ ধরনের ঘটনা কমে যাবে। লেখক: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা,1573165 2019-01-04,২০১৯ সালে পাঠকপ্রিয় হবে যে ছয়টি উপন্যাস,,,,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573180/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A7%9F%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8,onnoalo,print,1,অন্য আলো,প্রতিবছরের মতো ২০১৯ সালেও বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত হবে রাশি রাশি বই। এর মধ্য থেকে এই ছয়টি উপন্যাস সাড়া ফেলেছে প্রকাশের আগেই। প্রতিবছরের মতো ২০১৯ সালেও বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত হবে রাশি রাশি বই। এর মধ্য থেকে এই ছয়টি উপন্যাস সাড়া ফেলেছে প্রকাশের আগেই। দ্য টেস্টামেন্টস কানাডার স্বনামখ্যাত সাহিত্যিক মার্গারেট অ্যাটউডের ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত উপন্যাস দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল-এর পাঠক জানেন যে উপন্যাসটির শেষ দৃশ্য অমীমাসিংত। ‘ডিসটোপিয়ান’ ধাঁচের এ গল্পের শেষে কেন্দ্রীয় চরিত্র অফরেড একটি ভ্যানে উঠে বসে। সেটা তাকে মুক্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে অথবা মৃত্যুর দিকেও। কিন্তু নিশ্চিত করে শেষ দৃশ্যে কিছু বলা নেই। অ্যাটউডের কল্পনায় গড়া সেই জগৎ নিয়ে পাঠকদের আজও অনেক জিজ্ঞাসা। ত্রিশ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর অ্যাটউড বইটির সিক্যুয়েল লিখেছেন. যার নাম দ্য টেস্টামেন্টস। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হবে এই বই। দ্য ফলকনার ২০১৯ সালে প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের ডানা জ্যাপনিকের প্রথম উপন্যাস দ্য ফলকনারকে তুলনা করা হচ্ছে জে ডি স্যালিনজারের বিখ্যাত উপন্যাস ক্যাচার ইন দ্যা রাইয়ের সঙ্গে। সতেরো বছরের লুসি অ্যাডলারের জীবন–জগৎ ও তার দেখাকে নিয়ে গড়ে উঠেছে উপন্যাসটির গল্প। ১৯৯৩ সালে নিউইয়র্কে বসবাসরত এই তরুণীর মধ্য দিয়ে সমসাময়িক প্রজন্মের আশা. আকাঙ্ক্ষা. হতাশা মূর্ত হয়ে উঠেছে বইটিতে। ব্ল্যাক লেপার্ড. রেড উলফ ২০১৫ সালের ম্যানবুকারজয়ী উপন্যাস আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব সেভেন কিলিংস-এর রচয়িতা জ্যামাইকার মার্লন জেমসের নতুন বই ব্ল্যাক লেপার্ড. রেড উলফ প্রকাশিত হবে আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে। আফ্রিকায় অপহৃত এক বালককে অনুসন্ধান নিয়ে এর কাহিনি। মূল চরিত্রের নাম ট্র্যাকার. যাকে একজন দাস ব্যাবসায়ী নিযুক্ত করেছে বালকটিতে খুঁজতে। কিন্তু বালকটির পরিচয়সহ আরও নানা বিষয় ট্র্যাকারের কাছে রহস্যাবৃত। আফ্রিকার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির পরতে পরতে নিয়ে যাওয়া তার অনুসন্ধান পাঠককেও রোমাঞ্চের মুখোমুখি করবে। মেশিনস লাইক মি বুকারজয়ী আমেরিকান ঔপন্যাসিক ইয়ান ম্যাকইউয়ানের মেশিনস লাইক মি প্রকাশিত হবে এপ্রিল মাসে। নতুন এই বিজ্ঞান কল্পকাহিনিতে একজন যন্ত্রমানব ও ত্রিভুজ প্রেমের ঘটনার মধ্য দিয়ে কিছু চিরাচরিত মৌলিক প্রশ্ন আলোচিত হয়েছে। কোন বৈশিষ্ট্যের জন্য আমরা মানুষ. কিংবা মানুষেরৃই তৈরি যন্ত্র আদৌ কি তার হৃদয়কে বুঝতে সক্ষম—এসব জিজ্ঞাসার কিছুটা হদিস এর মধ্য দিয়ে দিতে চেষ্টা করেছেন ঔপন্যাসিক। দ্য পরপস এ বছরের মে মাসে প্রকাশিত হবে ইংরেজ সাহিত্যিক মার্ক হ্যাডনের দ্য পরপস। টায়ারের রাজপুত্র পেরিক্লিসের মহাকাব্যিক কাহিনির ছায়া রয়েছে উপন্যাসটিতে। পরপস একটি জাহাজের নাম। পৌরাণিক সময়ের অনুরণন পাওয়া যাবে উপন্যাসের চরিত্র অ্যাঞ্জেলিকের পরিক্রমায়. যার মা বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে এবং বাবা তাকে আগলে রেখে বড় করছে। কিন্তু এই আপাতসরল আখ্যানের ভেতরেই রয়েছে আরও অনেক জটিল হিসাব–নিকাশ। ফ্রাঙ্কিসটাইন ২০১৯ সালের আরেকটি আলোচিত উপন্যাস ফ্রাঙ্কিসটাইন। মেরি শেলির বিখ্যাত বিজ্ঞান কল্পকাহিনি ফ্রাঙ্কেনস্টাইনকেই পুনরায় যাপনের একটি প্রচেষ্টা এই উপন্যাস। লিখেছেন ইংরেজ সাহিত্যিক জেনেট উইনটারসন। দ্য গার্ডিয়ানের দৃষ্টিতে ২০১৮–এর সেরা ছয় উপন্যাস ১. ইংরেজ ঔপন্যাসিক প্যাট বার্কারের দ্য সাইলেন্স অব দ্য গার্লস ২. উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাহিত্যিক অ্যানা বার্নসের মিল্কম্যান ৩. ইংরেজ সাহিত্যিক সারাহ পেরির মেলমথ ৪. পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক মোহাম্মদ হানিফের রেড বার্ডস ৫. যুক্তরাষ্ট্রের ঔপন্যাসিক টমি অরেঞ্জের রচনা দেয়ার দেয়ার ৬. যুক্তরাষ্ট্রের ঔপন্যাসিক ক্যাটরিওনা ওয়ার্ডের লিটল ইভ সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান. বিবিসি. ফোর্বস ও গুডরিডস গ্রন্থনা: নুসরৎ নওরিন,1573180 2019-01-04,দুই কবির দুই শহর,,আখতার হোসেন খান,,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573179/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%B0,onnoalo,print,1,অন্য আলো,সম্প্রতিক কালে পিয়াস মজিদের সম্পাদনায় দুটি চমৎকার বই বেরিয়েছে প্রথমা প্রকাশন থেকে। একটি শামসুর রাহমানের আমার ঢাকা. অন্যটি বেলাল চৌধুরীর আমার কলকাতা। বই দুটি বাইরে থেকে দেখতে অনেকটা বড় স্মার্টফোনের মতন—সুমুদ্রিত. পরিপাটি এবং বলা ভালো. দুটি বইয়েরই নান্দনিক প্রচ্ছদ এঁকেছেন শিল্পী রফিকুন নবী। প্রথমটি—আমার ঢাকা বইয়ে স্থান পেয়েছে কবি শামসুর রাহমানের ঢাকা-আসক্তি নিয়ে কিছু সুসংগৃহীত নিবন্ধ ও কবিতা। আর দ্বিতীয়টি—আমার কলকাতা শিরোনামের বইয়ে রয়েছে আমাদেরই আরেক ‘বোহেমিয়ান’ কবি বেলাল চৌধুরীর কলকাতা-প্রেমের গদ্য ও কবিতার সংগ্রহ। প্রথমটি পড়লে মনে হবে ঢাকা শহর না থাকলে শামসুর রাহমানের কবি-জন্ম হতো না. ঢাকা শহরের মাটি থেকেই তিনি গড়ে উঠেছেন ধীরে ধীরে। আর দ্বিতীয়টিতে বেলাল চৌধুরী দিশেহারা যৌবনে অনেকটা ভাগ্যান্বেষণে ভিন্ন রাষ্ট্রের এক শহরে গিয়ে তাঁর পুরো প্রেম উগরে দিচ্ছেন। রাষ্ট্র ভিন্ন হলেও শহর কলকাতা তো বাংলা ভাষার নাড়ির সঙ্গে যুক্ত। ঢাকা শামসুর রাহমানের জন্য ‘ভালোবাসার শহর। এ শহর ছেড়ে পৃথিবীর অন্য কোনো শহরে বেশি দিন থাকতে পারব না।’ আমার ঢাকার ‘আমার জন্মশহর. স্মৃতির শহর’ নিবন্ধে রাহমান যেমন জানাচ্ছেন: ‘পুরানো ঢাকায় আমি পুরানো ইতিহাসের নিশ্বাস ও দীর্ঘশ্বাস শুনতে পাই।’ এই বইয়ের পনেরোটি নিবন্ধের মধ্যে পাওয়া যাবে কবির গড়ে ওঠার একটা ধারাবাহিক চিত্র। তিনি এই শহরেই মানুষ হয়েছেন বলে আমরা তাতে পাই নগুরে বৈদগ্ধ. ইট–সুরকির গন্ধ. পাই ‘বিউটি বোর্ডিং’-এর কথা. পাই ‘শরৎ চক্কোত্তি রোডে. মাহুতটুলীর খোলা ছাদে’ চলে যাওয়ার আহ্বান (‘দুঃসময়ে মুখোমুখি’)। চক্রবর্তীর প্রাকৃত-তদ্ভব ‘চক্কোত্তি’র ব্যবহার মনে রাখার মতো। আর ‘বিউটি বোর্ডিং’ জানাচ্ছে ‘চায়ের পেয়ালা সামনে রেখে/উঠতাম মেতে/পাউন্ড. স্পেংলার. টোয়েনবি. মার্ক্স. উত্তর-রৈবিক/কবিতার দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে প্রত্যাগত/নাবিকের ধরনে।’ এ রকম কাব্যিক বর্ণনায় সুধীন্দ্রনাথ দত্তের ‘সংবর্তে’র কথা মনে পড়বে কারও কারও। বেলাল চৌধুরীর কলকাতা-প্রেম বাংলা সাহিত্যের একটা অভূতপূর্ব ঘটনা। নানান কারণে দাউদ হায়দার বা তসলিমা নাসরীনের মতো যাঁরা দেশ ছেড়ে বিদেশবিভুঁইয়ে গেছেন. বেলাল চৌধুরী তাঁদের থেকে ভিন্ন। পঁচিশ বছর বয়সে জাপানি মাছ ধরার ট্রলারে কাজ নিয়ে পকেটে কাঁচা টাকা ভরে কলকাতায় নামেন তিনি। আর এক যুগ সেখানকার নগরজীবনের সঙ্গে. বিশেষ করে কবিকুলের সঙ্গে দারুণভাবে মিশে যান। বেলাল প্রসঙ্গে কলকাতার কবি কবিতা সিংহ বলেছেন. তাঁর জন্য ‘আমাদের সকলের ঘরেই চাল মাপা থাকত’। আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বেলালকে ঠাউরিয়েছিলেন ‘ছদ্মবেশী রাজকুমার’ বলে। আমার কলকাতা গ্রন্থে স্থান পেয়েছে ছয়টি নিবন্ধ আর সাতটি কবিতা। এর প্রথমটি ‘আমার কলকাতা’। তবে এ বইয়ের সবচেয়ে বড় লেখাটি ‘কলকাতার দিনরাত্রি’; আছে ‘কফি হাউস: চন্দ্রাহত এক রাতে’। তা ছাড়া কলকাতায় যেহেতু বেলাল চৌধুরী পুরো ১৯৭১ সাল কাটিয়েছেন. তাই ‘কলকাতায় একাত্তর’ তো প্রাসঙ্গিকভাবেই থাকবে। ‘কলকাতাকে’ কবিতায় বেলাল লিখেছেন: ‘প্রাচীন আর্য কিংবা দ্রাবিড় সভ্যতার দান নও/ফিরিঙ্গি বণিকের উদগ্র লালসায় লালিত তুমি/লাস্যময়ী নটীর মতো ডাগর হয়েছ দিনে দিনে/তুমি আমার বিনাশ ও বেদনা তুমি আমার ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ—/তুমি আমার উত্থান-পতনের স্বর্গনরক’। আমার ঢাকা ও আমার কলকাতার সুলিখিত ভূমিকাতেই পাওয়া যাবে বই দুটির সারবত্তা। দুই কবির কেউই ঢাকা কিংবা কলকাতা নিয়ে এ ধরনের বই লিখবেন. এটা ভাবা যায়নি। তবে দুজনই বিভিন্নভাবে এবং নানা সময়ে. ঢাকা ও কলকাতা সম্পর্কে তাঁদের হৃদয়ের ভাব ও ভাবনা প্রকাশ করে গেছেন। একজন ঢাকায়. বিশেষ করে পুরানো ঢাকায়. ‘ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস’ শুনতে পান. অন্যজনের কাছে কলকাতা তাঁর ‘বিনাশ ও বেদনা’. ‘ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ’। সম্পাদক পিয়াস মজিদ দুজনের বিস্তৃত সাহিত্য থেকে সেসব সামগ্রী উদ্ধার করে দুটি বইয়ের আকৃতি দিয়ে একটা বিরাট দায়িত্ব সমাপন করলেন। আর প্রথমা প্রকাশনকেও ধন্যবাদ জানাতে হবে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে তা সুপাঠ্য হিসেবে পাঠকের কাছে উপস্থাপনের জন্য। এ–জাতীয় প্রকাশনা এ জন্যই প্রয়োজনীয় যে ভবিষ্যতের কোনো একদিন যদি বাংলাভাষীদের অসমাপ্ত রেনেসাঁ পরিপূর্ণতা পায়. তখন ঢাকা ও কলকাতাই তার প্রধান ঐতিহাসিক কেন্দ্র হিসেবে সমাদৃত হবে। আমার ঢাকা শামসুর রাহমান প্রচ্ছদ: রফিকুন নবী. প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন. ঢাকা. প্রকাশকাল: নভেম্বর ২০১৮. ১৩৬ পৃষ্ঠা. দাম: ২৮০ টাকা। আমার কলকাতা বেলাল চৌধুরী প্রচ্ছদ: রফিকুন নবী. প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন. ঢাকা. প্রকাশকাল: নভেম্বর ২০১৮. ১৪৫ পৃষ্ঠা. দাম: ২৮০ টাকা।,1573179 2019-01-04,ঠিক দুপুরবেলা,এই সময়ের গল্প,লুনা রুশদী,১,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573178/%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE,onnoalo,print,1,অন্য আলো,গোরস্থানে বসে ভেজি বার্গার খাইতেছি। আচ্ছা. আমি তো সেমেটারি বলতে পারতাম অথবা কবরস্থান...গোরস্থান কেন বললাম? এর মধ্যে একটা গা ছমছম করা ভয় ভয়–টাইপ ভাব আছে. না? এই জায়গাটা অন্য রকম। বহু আগে এই এলাকার কবরস্থান ছিল এইখানে. ছড়ানো–ছিটানো কবরগুলি আছে। মাঝে মাঝে গাছ. দুই–একটা বেঞ্চ। এই অক্টোবরের শুরুতে মেলবোর্ন শীত থেকে ঝাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করছে. অফিশিয়ালি যদিও বসন্ত শুরু হয় সেপ্টেম্বর মাসে। গাছগুলিতে নতুন পাতা. এলোমেলোভাবে মৌসুমি ফুলের বীজ ছিটানো হইছিল. এখন রং–বেরঙের ফুল ফুটে আছে শেওলা ধরা প্রাচীন কবরগুলিকে ঘিরে. দেখলেই ফররুখ আহমদের কবিতার লাইন মনে পড়ে ‘কাফনের পাশ দিয়ে বেজে চলে দৃঢ় পাখোয়াজ...’। রাস্তার কাছাকাছি ঠিক ঢোকার মুখে বাচ্চাদের পার্কমতন. বিকালের দিকে আসে ওরা। দুপুরবেলায় কেউ আসে না। এটা বলতেছি গত তিন সপ্তাহের অভিজ্ঞতা থেকে। চাকরিটা ছাড়ার পরে বাসার কাউকেই বলি নাই. হুদাই অনেকগুলি কথা বলতে হবে. ভাল্লাগে না। তাই রোজ রোজ ঠিকঠাক তৈরি হয়ে বাসা থেকে বের হই। উল্টাপাল্টা চক্কর দিতে থাকি। কিন্তু দুপুরবেলায় আমার বর্তমান স্থায়ী ঠিকানা এইখানে। হাংরি জ্যাকস থেকে একটা ভেজি বার্গার আর এক কাপ কফি নিয়ে এইখানে এসে বসি. গাছের কচি সবুজ পাতার ফোকর থেকে দুপুরের রোদ ছেঁকে আসে আর কবরের চিড় ধরা সিমেন্টের ওপরে গড়াগড়ি খায়. পাতার ছায়া পড়ে. ঘাসের ওপর দিয়ে বাতাস সরতে থাকে. পাখিরা ঘোরেফেরে. ওড়ে. দোল খায়। এই সবই ভালো লাগে। মাটির ওপরের মানুষ থেকে মাটির নিচের মানুষেরা অনেক আরামদায়ক। বোঝা বয়ে তিন মণ ওজনের একটা বই নিয়ে আসছি যদিও. কিছুই পড়ি নাই। ঘাসের ওপরে বই. তার ওপরে কফির টেক অ্যাওয়ে কাপ। টুং টাং করে মেসেজ আসতেছে ফেসবুক মেসেঞ্জারে। আমার অল্প পুরান প্রেমিক বেড়াতে গেছে অতি পুরান প্রেমিকের বাড়িতে—নিউইয়র্ক থেকে নিউ জার্সি। এরা দুইজনেই কবি। অতি পুরান এত দিনে বিয়ে করে সংসারি এবং এক বাচ্চার বাপ। অল্প পুরানও সেই পথে পা বাড়াইছে. আংটিবদল হয়ে গেছে। দেখলাম আমার প্রেমের এই একটা আছর আছে। প্রেম ছোটার সাথে সাথেই এরা একনিশ্বাসে বিয়ে করে ফেলে। আমি তাই নিজের পরিচয় দিতে পারি সমাজসেবী হিসেবে। যাদেরই বিবাহযোগ্য ছেলেরা বিয়ের বিষয়ে গাঁইগুঁই করতেছে. অথবা বিদ্রোহী হয়ে উঠতে চাইতেছে. তাদের আমার হাতে ছেড়ে দিলেই ঠিক করে দেব একদম। অল্প পুরানের সাথে আমার যোগাযোগ মোটামুটি অব্যাহত. অবশ্য ফর্ম বদলাইছে। এখন বেশির ভাগ সময় তার বিয়ে নিয়ে আলাপ হয়. ফিঁয়াসের ছবি দেখি. বিবাহিত জীবন সম্পর্কে অভয় দিই; যেহেতু সে জীবনও আমি কাটাইছি কয়েক বছর। অতি পুরানের সাথে সরাসরি কথা না হইলেও একে অপরের ফেসবুক পোস্টে মাঝে মাঝে লাইক দিই। অল্প পুরান লিখছে. অতি পুরান ঘরে ঢুকল। লিখলাম. ওরে একটা চুমা দাও। একটা হাসিমুখের ইমো দিলাম. আসলে হাসলাম না। ফোনটা নামায়ে রাখলাম. এর সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেমনে কথা বলতাম? এখন তো নাম দেখলেই হাই আসে! কফির কাপ থেকে ধোঁয়া উঠতেছে। সাধারণত হাংরি জ্যাকসের কফি হয় কুসুম গরম। আমি অর্ডার দেওয়ার সময় বলি এক্সট্রা হট দিতে. সেটাও অনেকেই পারে না। কফিতে চুমুক দিলাম. খুবই ভালো বানাইছে। তারপরে মুখের সামনে কাপ নিয়ে দেখলাম ধোঁয়ার আড়ালে দুনিয়া কেমন কাঁপতে থাকে. যেন তরল. বাষ্প হয়ে মিলাইতে চাইতেছে। হঠাৎ দেখি একটু দূরে. চার–পাঁচটা কবরের ওই পাশে ঝোপের আড়াল থেকে একটা অবয়ব নড়তে নড়তে বড় হইতেছে. তখনো কফির ধোঁয়ার আড়াল থেকে দেখতেছিলাম বলে মনে হচ্ছিল চেরাগের দৈত্য বের হয়ে নিজের সাথেই ডিবেট করতেছে যে রূপ বদলায়ে কঠিন হবে. নাকি বায়বীয়ই থাকবে। কাপ নামায়ে খেয়াল করলাম একজন হেঁটে আসতেছে. মাঝে মাঝেই লম্বা গাছের আড়ালে চলে যাইতেছে. সূর্যের দিক থেকে আসতেছিল বলে চেহারা স্পষ্ট হচ্ছিল না। আরেকটু কাছে আসলে বুঝলাম গায়ের চামড়া বাদামি. তবে পোশাক রীতিমতো পশ্চিমা ফর্মাল অ্যাটায়ার—সাদা শার্ট আর কালো রঙের থ্রিপিস স্যুট. একটা বো টাইও আছে। এত সেজেগুজে এই দুপুরবেলায় কই থেকে আসতেছে সে? এ রকম কাপড় তো লোকে বিয়েতে পরে. নয়তো ফিউনেরালে। কাছেই অবশ্য একটা চার্চ আছে। তার চলাফেরায় একটা হারায়ে যাওয়া ভাব। একটু দুলে দুলে আলতো হাঁটতেছে. যেন সে একটা পাখি. যেন মাত্র হাঁটতে শিখছে। হাঁটার ভঙ্গিতে জামিকে মনে পড়ল। একবার. তখনো তার সাথে প্রেম হয় নাই। ওর লেটেস্ট প্রেমিকার সাথে বেড়াতে গেছিল। গাড়ির ভেতরে সিগারেট ধরাইছে. প্রেমিকা তাকে আলটিমেটাম দিল. ‘আমি. না সিগারেট?’. জামি যথারীতি জবাব দিল. ‘সিগারেট।’ তত দিনে ওর এই সব কীর্তিকলাপে মেয়েটা যথেষ্টই অতিষ্ঠ। ওরে গাড়ি থেকে নামায়ে দিল সেই জিলংয়ের কাছে। শহর থেকে গাড়িতে এক ঘণ্টার রাস্তা. আমাদের বাসা থেকে দেড় ঘণ্টা। শীতের রাত্রি আর ততক্ষণে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বন্ধ হয়ে গেছে। জামি এদিক–সেদিক কয়েক ঘণ্টা চক্কর দিয়েও বের হওয়ার পথ না পেয়ে রাত দুইটার দিকে ফোন করে বলে. ‘জেবা. আমি তো হারায়ে গেছি. আমার বাসা কোথায়?’ তখন ওরেই ঠিকমতন চিনি না. ওর বাসা চিনব কেমনে? অথচ মাত্র ঘুম ভেঙে ওর কণ্ঠস্বর শুনেই মনে মনে দেখতেছিলাম ও সেই পড়ে যাওয়ার ভঙ্গিতে হাঁটতে হাঁটতে হয়রান হয়ে রাস্তার মাঝখানে বসে পড়তেছে। ড্রাইভার হিসেবে আমি বেশ খারাপ. কোনোমতে চোখেমুখে পানি ছিটায়ে বের হলাম তারে উদ্ধার করতে। তখন তো আর জিপিএস ছিল না. আমি ম্যাপও দেখতে জানতাম না। এক শবার হারায়ে যখন ওরে খুঁজে পেলাম. তখন প্রায় ভোর. মহা আরামে একটা বাসস্টপের বেঞ্চে শুয়ে ঘুমাচ্ছিল। ডাক দিতেই চরম বিরক্ত মুখে চোখমুখ কুঁচকায়ে বলল. ‘ব্যাক্কল নাকি তুই? কাঁচা ঘুম থেকে এমনে উঠাইতে হয়? যাহ্​ চা নিয়া আয়!’ আমি টাশকি খেয়ে কতক্ষণ ওর দিকে তাকায়ে থেকে যখন সত্যিই চায়ের খোঁজ করতে রওনা দিছি. সে হাসতে হাসতে আমার হাত ধরে টেনে পাশে বসায়ে এক হাতে বেড় দিয়ে জড়ায়ে ধরল। মনে হচ্ছিল ওর কাঁধ আর গলার মাঝের খালি জায়গাটুকুতে আমার মাথাটা জিগ-স পাজলের মতন ক্লিক করে বসে গেছে। আমার পিঠে আলতো হাত বোলাচ্ছিল আর কপালে ওর খোঁচা খোঁচা দাড়ির ঘষা লেগে একটা গা শিরশির ভাব। শীতের সকালের শিশির আর ধুলা মেশানো অদ্ভুত একটা গন্ধ থাকে. যেন বহু আগের কোনো সময় বয়ে নিয়ে আসতেছে. সেই সাথে ওর গায়ের গন্ধ মিলে বেহুঁশ–বেহুঁশ লাগতেছিল। আত্মা কাঁপতেছিল আর তা সারা শরীরে ছড়ায়ে যাচ্ছিল...। মনে মনে ভাবলাম. এরে আমি সারা জীবন দেখেশুনে রাখব. হাঁটার সময় ধরে রাখব। অনেক পরে বুঝতে পারছি. আমার ভাবনাগুলি আমারই ছিল. যার যার হাঁটা সে নিজেই হাঁটে। এতক্ষণে আমার একদম সামনে এসে দাঁড়াইছে লোকটা। দেখলাম ওয়েস্ট কোটে চেইন লাগানো একটা পকেটঘড়ি। এ রকম ঘড়ি শুধু সাদা–কালো ইংরেজি সিনেমায় দেখেছি। খুব বিনীত ভঙ্গিতে একদম পুরোনো দিনের ইংলিশে বলল. ‘আমি কি কিছুক্ষণ আপনার পাশে বসে আপনার সঙ্গলাভের আনন্দ পেতে পারি।’ আমি হেসে দিয়ে বললাম. ‘পেতে পারেন।’ বসতে বসতে তার নজর গেল আমার পাশে রাখা বইয়ের মলাটে. স্পষ্ট বাংলায় পড়ল মধ্যরাতের অশ্বারোহী। একটু চমকায়ে তাকাইলাম. ‘আপনি বাঙালি নাকি?’ ‘হা হা. অর্ধেক. আমার মা ছিলেন কলকাতার আর বাবা পাঞ্জাবের। আমি বড় হইছি অমৃতসরে।’ একটু কোনাকোনিভাবে আমার পাশে বসছে। খুব পরিচ্ছন্ন দেখতে. ঘাসে হাত বুলাইতে থাকা আঙুলগুলি লম্বা লম্বা. সুন্দরভাবে নখ কাটা. কোথাও ময়লা নাই। গায়ের সাদা শার্টটা এতটাই ধবধব করতেছে যে মনে হয় লন্ড্রি ডিটারজেন্টের বিজ্ঞাপন। বসছে যেন ভাসতেছে. যেন তারে ভেদ করেই ওইপাশের গাছগাছালি নজরে আসবে। তার কাছ থেকে ঘাস. ফুল আর শেওলা মেশানো অদ্ভুত জলজ একটা গন্ধ পাইতেছিলাম। ‘তোমার নাম কী?’ লোকটা জানতে চাইল বাংলায়। কাছ থেকে দেখে বুঝলাম যত কম বয়সী মনে হইছিল ততটা না. অন্তত পঁয়তাল্লিশের ওপরেই হবে। চুলও পাকতে শুরু করছে. সল্ট অ্যান্ড পেপার। সে আমারে তুমি বলাতে বেশ ভালো লাগল। ‘জেবুন্নেসা. সবাই জেবা ডাকে।’ ‘বাহ্. বাহ্শাহজাদী জেবুন্নেসা! কে ছিল জানো তো?’ ‘আওরঙ্গজেবের মেয়ে।’ ‘হ্যাঁ. আরেকটা পরিচয়ও ছিল তাঁর—কবি ছিলেন. সুফিয়ানা কবিতা লিখতেন।’ ‘তাই নাকি? আপনি কবিতা পড়েন?’ ‘পড়তাম তো. জেবুন্নেসার কবিতাও পড়েছি।’ ‘বলেন তো...’ ‘তাহলে একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করি. এটা সেই মিড ১৬০০–এর কথা। তখনকার পারস্যদেশে কবিরা মুখে মুখে শায়েরি লিখত। মাঝে মাঝে একজনের শুরু করা মিসরা বা লাইন আরেকজন শেষ করতেন...’ ‘হ্যাঁ এই রকম শুনছিলাম. মসজিদে কবিতার লাইন লিখে রেখে আসত. না?’ ‘রাইট. তো একটা এ রকম লাইন ঘুরতে ঘুরতে জেবুন্নেসার কাছে চলে এল—দোররে আবলাক কিসি কাম দিদা মওজুদ...’ ‘মানে?’ ‘আবলাক একরকমের মুক্তা. বলা হচ্ছে. এত সুন্দর আর কী আছে পৃথিবীতে...। জেবুন্নেসাও মনে মনে লাইনটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছেন—এ রকম ভাবতে ভাবতেই একবার স্নান শেষে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চোখে সুরমা পরছিলেন. এক ফোঁটা পানি গড়িয়ে পড়ল গালে. আর তিনি পরের লাইন লিখলেন—মাগার আশেক বোতানে সুরমা আলুত...।’ ‘সুরমা তো বুঝলাম...মাগার মানে কিন্তু...আর?’ ‘সুরমা মেশানো প্রেমিকার চোখের পানি তার চেয়েও সুন্দর...’ ‘হা হা. নিজেই নিজেরে দেখে মুগ্ধ? এইটা কি সত্যি ঘটনা?’ ‘হতেই পারে। তাঁর পেন নেম ছিল মাখফি. মানে যে লুকানো থাকে। একবার তাঁর সাথে দেখা করার জন্য একদল কবি আসলেন সম্রাটের দরবারে। জেবুন্নেসা ছিলেন পর্দানশিন. তাঁদের সাথে দেখা না করে লিখে পাঠালেন. ‘দার সাকুনে মাখফি মানাম/ চুঁ বুঁয়ে গুল দার বুর্গে গুল/হার কে খাহি দিদারে মান/হার সাকুন দিদা মোরা/ জেব ও জিনাত বাস হামি নাম/নামে মান জেবুন্নেসাস্ত...।’ ‘অর্থ বলেন।’ ‘যেভাবে গোলাপের খুশবু লুকিয়ে থাকে ফুলের ভেতর. আমিও আমার কবিতার ভেতর আছি. যে আমায় দেখতে চায়. সে আমার কবিতা দেখুক। রূপ ও যৌবন মানেই আমি. আমার নাম জেবুন্নেসা!’ ‘পুরাই তো দেখি আমার মতন কথাবার্তা।’ ‘নামের কিছু ইম্প্যাক্ট তো থাকেই!’ হাসতে হাসতে বলল লোকটা। ততক্ষণে প্রায় বিকাল. আমি হাঁ করে দেখতেছিলাম তার চোখ কী সুন্দর ঝিকমিক করে. লম্বা চোখের পাপড়ি! ‘আপনার নাম কী?’ ‘মহেন্দ্র. তবে এই দেশে লোকে আমার মিডল নেম ধরে ডাকত. কুমার।’ ‘কই থাকেন আপনি?’ ‘এখানেই তো।’ ‘এত ড্রেসড আপ যে?’ ‘হা হা. তোমার সাথে দেখা হবে জানতাম তো!’ ‘বলছে! কী করেন আপনি এমনিতে?’ ‘কিছুই না!’ ‘বাহ. আমিও তো! হাত মিলান!’ সে একটু হেসে আমার হাত ধরল. ধরেই থাকল। কী ঠান্ডা আর নরম হাত. তার স্পর্শ শান্তির মতন আমার রক্তের ভেতরে মিশতেছিল। ‘আপনার বউ নাই?’ ‘ছিল তো...অন্য আরেক জীবনে। অমৃতসরে ছিলাম তখন। তোমার কথা বলো।’ ‘আমারও. সে অনেক অনেক দিন আগের কথা।’ ‘তখন মানুষ কাঁচা মাংস খেত?’ ‘না না. তার চেয়ে আরেকটু পরে. এই ধরেন জেবুন্নেসা মানে আমাকে তো আমার বাবা আওরঙ্গজেব বন্দী করে রাখছিলেন. না? তো আমি লুকায়ে লুকায়ে চলে আসলাম মেলবোর্ন...।’ ‘তারপরে?’ ‘মহা প্রেমে পড়লাম. বিয়ে করলাম...আমরা খুব গরিব ছিলাম. মানুষের ফেলে দেওয়া জিনিসপাতি নিয়ে এসে ঘরে তুলতাম। একটা টিভি ছিল এমন ঘোলা. ওইটাতে কিছুই ঠিকমতন বোঝা যাইত না। একবার জামির মামার বাসায় নরমাল টিভি দেখে পুরা তাজ্জব হয়ে গেছিলাম. আরে টিভি এমন হয়?’ ‘১৬০০ সালে টিভি কোথায় পেলে?’ ‘আহ্​ হা. নেভার লেট ট্রুথ গেট ইন দ্য ওয়ে অব অয়া গুড স্টোরি। আপনার বউয়ের কথা বলেন।’ ‘তাকে ঠিকঠাক চেনার সুযোগই পাই নাই। ধরো সময়টা ছিল ১৯৩০–এর এদিক–সেদিক। তখনো ভারতে ইংরেজদের রাজত্ব। আমি মাত্র ডাক্তারি পাস করেছি. মহুয়া ছিল বাঙালি. আমার মায়ের বাচপানের বন্ধুর মেয়ে। তোমার মতোই দেখতে ছিল. এইরকম আহ্লাদি গোলগাল চেহারা. বড় বড় চোখ...সুন্দর হাসি...।’ ‘আপনি বউয়ের কথা বলতেছেন না আমার সাথে ফ্লার্ট করতেছেন?’ ‘এক ঢিলে দুই পাখি. হা হা! মহুয়াকে আমার খুব ভালো লাগত. তবে প্রেম বলতে যা বোঝায়. সে রকম কিছু ছিল না। তত দিনে আমার বাবা গত হয়েছেন। মায়ের উৎসাহে বিয়ে হলো। এক মাস অনেক রকম পারিবারিক আচার পালন করতে করতেই কাটল। এত লোকের মধ্যে নিজেরা কাছে আসার সুযোগই হচ্ছিল না।’ ‘তারপর?’ ‘একবার গেলাম মানালিতে. ওইখানে গুরুদুয়ারা আছে. সেখানে প্রার্থনার জন্য। সেই প্রথম আমাদের একসাথে কোথাও যাওয়া। তিনটা দিন স্বপ্নের মতন ছিল. সারা দিন ঘুরতাম. সারারাত প্রেম করতাম। মানালিতে শেষ দিনটা ভীষণ ঘোরাঘুরি করে দুজনেই ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে শুয়ে পড়লাম। মহুয়ার মাথা আমার কাঁধে. আমি ওর চুলে বিলি কাটছিলাম. ওর গায়ে লেবুর গন্ধের মতন একটা গন্ধে আমাকে আচ্ছন্ন করছিলাম। কখন ঘুমিয়ে পড়লাম. জানি না। সে–ই আমাদের একসাথে শেষ ঘুম...।’ ‘মানে?’ ‘মহুয়া আর উঠল না। ঘুমের ভেতর কখন চলে গেছে. আমি টের পাইনি. আমার ডাক্তারি বিদ্যা ওকে ধরে রাখতে পারল না...সেই সকালের প্রতিটা ঘটনা. প্রতিটা দৃশ্য এখনো আমি পরিষ্কার দেখতে পাই। আমি তার মুখের দিকে তাকায়ে ছিলাম. কী রকম দুঃখী চেহারাটা. কিছুই বলতে পারলাম না আমি।’ ‘বহু কষ্টে একটা গাড়ি জোগাড় করতে সারা দিন গেল। মানালি থেকে অমৃতসর বারো ঘণ্টার পথ গাড়ির পেছনের সিটে ওর মাথা কোলে নিয়ে আমি এসেছি। মনে হচ্ছিল ও ঘুমাচ্ছে আমার কোলে। চাঁদ ছিল. ওর মুখে আলো পড়ছিল...সব মনে আছে আমার।’ ‘তারপরে?’ খুব অস্পষ্ট করে হাসল মহেন্দ্র. ‘এই তো. আমার মা বেঁচে ছিলেন আরও দশ বছর. আমিও তাঁর কাছে ছিলাম। তারপরে চলে আসলাম। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে. আমি ডাক্তার. আমাকে এদের দরকার ছিল।’ এতক্ষণে মনে পড়ল আমরা তো গল্প গল্প খেলতেছিলাম। সত্যি সত্যি এ রকম হয় নাকি? ‘শোনেন. বিকাল কিন্তু হয়ে যাইতেছে. এখন দলে দলে বাচ্চারা আসবে। চলেন উঠি। কালকে আসবেন?’ ‘চেষ্টা করব. এই সব তো আমার হাতে না।’ ‘আপনার ফোন নম্বরটা লিখে দেন এইখানে।’ বইটা আগায়ে দিলাম কলমসহ. সে–ও লিখল। তারপরে আমার হাত ধরে টেনে তুলল। একসাথে হেঁটে কিছুদূর গিয়েই মনে পড়ল ফোনটা আনতে ভুলে গেছি। ‘একটু দাঁড়াবেন. ফোনটা আনি।’ মাথা ঝাঁকায়ে হাসল। আমি দৌড়ায়ে ফোন তুলে নিয়ে ফিরে দেখি কেউ নাই। আরে কই গেল? এদিক–ওদিক খুঁজলাম। বই খুলে নম্বর নিতে গিয়ে দেখি লেখা. ‘আমি ক্লান্ত প্রাণ এক...’। ওই দিক থেকে আসছিল না? হেঁটে গেলাম। এইখানেও একটা কবর? এইটা তো দেখি নাই আগে! ঝোপঝাড়ে দূর থেকে দেখা যায় না। দেখি নামের ফলকে লেখা ‘এম কে সিং (১৮৯০—১৯৪৬)।,1573178 2019-01-04,ইসলামের আলোকে শিক্ষক–শিক্ষার্থী সম্পর্ক,ধর্ম,শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573161/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%95%E2%80%93%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95,opinion,print,1,ধর্ম,শিক্ষকতা একটি মহান পেশা। শিক্ষার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত শিক্ষকের। একজন ছাত্রকে কেবল শিক্ষিতই নয়. বরং ভালো মানুষ করে গড়ে তোলার গুরুদায়িত্বটাও থাকে শিক্ষকের ওপরই। তাই একজন শিক্ষককে হতে হয় অনেক বেশি সচেতন. অনেক বেশি ধৈর্যশীল। একজন আদর্শ শিক্ষক হতে হলে আপনাকে বিশেষ কিছু গুণের অধিকারী হতে হবে। শিক্ষাদানের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো শিক্ষার্থীর পরিপূর্ণ জীবন বিকাশে সহায়তা প্রদান করা। এ লক্ষ্য অর্জনের পূর্বশর্ত হলো উপযুক্ত শিক্ষক। শিক্ষক-শিক্ষিকার পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি. জ্ঞানের সমন্বয় সাধন. উন্নতি ও সঠিক পন্থায় বিতরণের জন্য প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। আদি শিক্ষক হলেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। তাই ফেরেশতারা বলেছিলেন. ‘হে আল্লাহ. আপনি পবিত্র! আপনি যা শিখিয়েছেন তা ছাড়া আমাদের কোনোই জ্ঞান নেই; নিশ্চয় আপনি মহাজ্ঞানী ও কৌশলী।’ (সুরা-২ বাকারা. আয়াত: ৩২)। আমাদের প্রিয় নবী (সা.)–এর প্রতি ওহির প্রথম নির্দেশ ছিল. ‘পড়ো তোমার রবের নামে. যিনি সৃষ্টি করেছেন. সৃষ্টি করেছেন মানব “আলাক” থেকে। পড়ো. তোমার রব মহা সম্মানিত. যিনি শিক্ষাদান করেছেন লেখনীর মাধ্যমে। শিখিয়েছেন মানুষকে. যা তারা জানত না।’ (সুরা-৯৬ আলাক. আয়াত: ১-৫)। ‘দয়াময় রহমান (আল্লাহ)! কোরআন শেখাবেন বলে মানব সৃষ্টি করলেন; তাকে বর্ণনা শেখালেন।’ (সুরা-৫৫ রহমান. আয়াত ১-৪)। আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধনই শিক্ষার উদ্দেশ্য। নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে যেসব বিষয় সরাসরি সম্পর্কিত: সুশাসন. ন্যায়বিচার. মানবাধিকার. দুর্নীতি দমন. অর্থনৈতিক উন্নয়ন. প্রবৃদ্ধি. সন্ত্রাস দমন. শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা। আচরণে (কর্মে) অভীষ্ট ইতিবাচক পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধনের জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে তথ্য প্রদান বা জ্ঞান দান করাকে শিক্ষা বলে। খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর এক প্রশ্নের জবাবে হজরত উবায় ইবনে কাআব (রা.) বলেন. ‘ইলম হলো তিনটি বিষয়—আয়াতে মুহকামাহ (কোরআন). প্রতিষ্ঠিত সুন্নত (হাদিস) ও ন্যায় বিধান (ফিকাহ)।’ (তিরমিজি)। হজরত ইব্রাহিম (আ.) দোয়া করলেন. ‘হে আমাদের প্রভু! আপনি তাদের মধ্যে পাঠান এমন রাসুল. যিনি তাদের সমীপে আপনার আয়াত উপস্থাপন করবেন. কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দেবেন এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী স্নেহশীল ও কৌশলী।’ (সুরা-২ বাকারা. আয়াত: ১২৯)। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের যাবতীয় ক্ষেত্র এবং শিক্ষা–সম্পর্কিত দিকনির্দেশনা দেয় ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআন। এই মহান গ্রন্থের নির্দেশনাকে বাস্তব ক্ষেত্রে রূপ দিয়েছেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি জগৎ ও জীবনের পার্থিব ও আধ্যাত্মিক সব সমস্যার সমাধান নিজ জীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেখিয়ে গিয়েছেন। এমন কোনো সমস্যা নেই. যা তিনি (হজরত মুহাম্মদ সা.) স্পর্শ করেননি এবং তিনি যা স্পর্শ করেছেন তা পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করেছেন। ইসলামে বিশেষ করে আল–কোরআন ও হাদিসে জ্ঞানার্জনের প্রতি কী নির্দেশ আছে. তা জানা আবশ্যক। পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধানের উৎস পবিত্র কোরআন হলো মুসলিম বিশ্বের মূল শিক্ষাগ্রন্থ। এ গ্রন্থের বিধান থেকে শিক্ষাও বাদ যায়নি; বরং এ গ্রন্থের প্রথম আয়াত অবতীর্ণ হয় শিক্ষার দুটি দক্ষতা উল্লেখ করে; তা হলো পড়া ও লেখা। কোরআনে রয়েছে. ‘হে প্রভু! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দাও।’ (সুরা-২০ তহা. আয়াত: ১১৪)। শিক্ষা গ্রহণ ছাড়া জ্ঞান বৃদ্ধি পেতে পারে না। মানবাত্মার সঠিক বিকাশের প্রধান উপায় হলো শিক্ষালাভে জ্ঞান বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজের সত্তা উপলব্ধি করে জীবন সমস্যা সমাধানে দক্ষতা অর্জন করা। আল্লাহ তাআলা নবী ও রাসুলদের শিক্ষক হিসেবে পাঠিয়েছেন। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর পূর্বে প্রেরিত নবীরা সবাই ছিলেন মহান শিক্ষক। শেষ নবী (সা.)–কে জগতের উজ্জ্বল আলোকবর্তিকাস্বরূপ প্রেরণ করা হয়। আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তাঁকে শিক্ষার বিষয়বস্তু ও পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন। শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন. ‘আমাকে শিক্ষক হিসেবেই পাঠানো হয়েছে।’ এ ক্ষেত্রে হজরত আদম (আ.)-এর শিক্ষাপদ্ধতিও উল্লেখ করা যায়। হজরত আদম (আ.) সরাসরি আল্লাহর তত্ত্বাবধানে প্রত্যক্ষভাবে প্রকৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন এবং ফেরেশতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে প্রথম হয়ে মানবের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন। হজরত আদম (আ.) ছিলেন বিশ্বের প্রথম শিক্ষক। ধরায় অবতীর্ণ হয়ে তিনি আল্লাহর কাছ থেকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লব্ধ জ্ঞান দ্বারা তাঁর পরিবার-পরিজনকে শিক্ষা দান করেন। তাঁর স্রষ্টা ও শিক্ষকের গুণাবলি ও নির্দেশনা প্রচার করেন। হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন বিশ্বশিক্ষক। মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী. বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ও আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজমের সহকারী অধ্যাপকsmusmangonee@gmail.com,1573161 2019-01-04,এই সময়ের কবিতা,পদাবলি,,,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573175/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE,onnoalo,print,1,অন্য আলো,নির্মলেন্দু গুণ অনুভব আবিষ্ট করে রাখে যে হৃদয়খানি শান্তিতে কভু সে কাজ হয় না সাধা. কিছুই আমার হয় না সহজে জানি; নিয়ত শ্রমেই আমার নিয়তি বাঁধা। অন্যেরা তবু মাতে উল্লাস নিয়ে শান্তিতে কাজ সাঙ্গ হয়েছে ব’লে মুক্ত করে সে নিজেকে বাহবা দিয়ে. প্রার্থনা শেষে ধন্যবাদের ছলে। আমি তো দ্বন্দ্বে জড়ানো অহর্নিশ. উত্তেজনায়. স্বপ্ন অনিঃশেষে জীবনের সাথে আমার হয় না মিশ যায় না ইচ্ছা গড্ডলিকায় ভেসে। স্বর্গকে ভাবি হৃদয়ভুক্ত হেন বিশ্বকে আমি টানি আপনার মাঝে; ভালোবাসা আর ঘৃণা দিয়ে চাই যেন ভাগ্য আমাতে জ্বলুক দীপ্ত সাজে। আমি চাই সব জয় করে নিতে. তাই ঈশ্বরঢালা সকল আশিস দল. সুপ্ত সকল জ্ঞান লভিতে চাই. খুঁজে পেতে চাই সুর শিল্পের তল। চিরতরে আমি চূর্ণ করেছি ধরা. যেহেতু নিজের বিশ্ব পারিনি বানাতে. মোর আহ্বান কখনো শোনেনি ওরা. ব্যস্ত জাদুর মন্ত্রে বধির হানাতে। মৃত ও বধির পালায় পলকে দূরে অবজ্ঞা ছুড়ে আমাদের কৃতি দ’লে; মোদের মতোই মোদের কর্ম পোড়ে— বেপরোয়া ওরা ওদের পথেই চলে। ওদের ভাগ্যে বখরা নিইনি তবু— কখনো তেমন জোয়ার-ভাটায় ভেসে. নিরর্থতায় ধাবিত হয়নি কভু. ঘটাও যবে গিয়েছি মুচকি হেসে। পতন ঘটেছে. ধ্বংস হয়েছে ঢের পালাক্রমে কত কক্ষ দুর্গদ্বার; শূন্যে মিলিয়ে যেতে না যেতেই ফের. জন্ম নিয়েছে নবীন রাজ্য আর। এমনি চলেছে বর্ষ বর্ষ ধরে. শূন্য হইতে সর্বস্বের পানে. দোলনা হইতে শববাহী খাট ’পরে. শত উত্থান শত পতনের বানে। আত্মাও তাই নিজের পথেই চলে যতক্ষণ না সে সরাসরি পায় ক্ষয়. ঈশ্বর আর মানব দম্ভ দ’লে যদি না তাদের নির্মূল করা হয়। তাহলে এসো না দুঃসাহসীর মতো ছিঁড়ে ফেলি সেই ঈশ্বর আঁকা বৃত্ত. ভাগ করে নিই সুখ ও দুঃখ যত ভাগ্যমাপনী যেহেতু দোলায় মত্ত। অতএব এসো ঝুঁকি নিই সমুদয়. বিশ্রামহীন. বিরক্তিহীন চিতে; নিরানন্দে নীরব বিষাদে নয়. নয় কর্ম ও কামনার বিপরীতে। আপন গহনে গুম হয়ে বসে নয় দুখের জোয়ালে বশ্যতা মানা চুপে. ইচ্ছা স্বপ্ন কর্ম সমুদয় থেকে গেল বলে অসম্পূর্ণরূপে। মহাদেব সাহা জ্ঞানসূত্র ওয়ান্স ইজ ফর এভার—হেগেল [যাহা দেখিতেছ. তাহা পূর্বের দেখা ও শোনা বিষয়. অথবা পূর্বের দেখা ও শোনা বিষয়ের সদৃশ] যাজ্ঞবল্ক্য দার্শনিক তত্ত্বে কত জ্ঞান. কত আলো. তারও পরে প্রশ্ন থেকে যায়. পরম মেলে না। এই পরম কোথায় মেলে. কেউ বলতে পারে না; আমি তাই জিজ্ঞাসার দ্বার খুলে রাখি. স্মৃতিতে যা আসে তা নতুন জ্ঞান নয়. পুরাতন বিজ্ঞানেরই পুনরাবির্ভাব এত তত্ত্ব. এত জ্ঞান. মন তবুও ভরে না; যাজ্ঞবল্ক্য. উদ্দালকের কাছে যাই. কী বলেন সনৎকুমার? আমি. মীমাংসা জানি না. বলি জ্ঞান শ্রেষ্ঠ. তৃষ্ণা মেটে না। কামরুজ্জামান কামু বাইরে যাব আমরি বাংলা ভাষা তোমাকে পাওয়ার আশায় আকাশে চিৎকারিব আমাদের গানের গলা গোঙানির ধ্বনির মতো গড়ায়ে পড়ল হেসে কে যেন ডাকল মা গো আমি কি বাইরে যাব সাদেকের রক্ত খাব এ রকম নোনতা দিনে জানালায় গড়গড়াব খোদা অই পাশের ঘরে মায়েদের বাচ্চা মরে আমি মূক স্বামীর মতো অসীমের অন্ধকারে আমরি বাংলা ভাষা ভাষাহীন ভূমণ্ডলে আমাকে উপড়ে ফেলে কেটে দে শিকড়-বাকড় কবিতা লেখব না আর মা. আমি বাইরে যাব টোকন ঠাকুর পাহাড়ি অনুচর ও আমাদের ভালোবাসা মানুষ পাহাড়ে যায়. পাহাড় আসে না। যে কথা অপ্রকাশিত. লেখাও হবে না. শুনবে না কেউ. সেই কথা কুড়িয়ে নিতে শীত আসে অঘ্রানের শেষে। কথার পালক নিয়ে চলে যায় শীত. পাহাড়ের দিকে। মানুষের গোপন কথা জমিয়ে পাহাড় দাঁড়িয়ে থাকে. অনড়। তার বহুদিন পর আমাদের হারানো নিশ্চুপ কথার কথা মনে পড়ে গেলে আমরা হইহই করতে করতে দল বেঁধে পাহাড়ে বেড়াতে যাই। আমরা পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে থাকি. বুঝতে চেষ্টা করি. উপত্যকার কোন ভাঁজে আমাদের সেই কথা লুকিয়ে আছে. যা আমরা কাউকে বলিনি বলেই একদিন শীত এসে নিয়ে গেছে সংগোপন শ্বাসপ্রশ্বাস! যাকে বলি বিহ্বলতা. নির্ঝর নৈকট্য কামনা. যাকে বলি ভালোবাসা. অন্তরঙ্গতা. তাকে আমরা হারিয়ে ফেলি একদিন। তারপর হারানোকে খুঁজে পেতে পাহাড়ে গিয়ে দেখি. পাহাড় রহস্য করছে. থমকে থাকা কুয়াশার সঙ্গে জমিয়ে গপ্পো করছে। পাহাড় ভ্রুক্ষেপই করছে না. কে আমরা. কোথা থেকে এসেছি. কী আমাদের চাওয়া. আমাদের কী হারানো গেছে? আবারও শীত আসছে. পাহাড়ের অনুচর হয়ে। এবং পাহাড় আসবে না. হারানো কথার সন্ধানে আমাদেরই রহস্য-বাঁকের পাহাড়ে যেতে হবে। মুয়িন পারভেজ আকিরা কুরোসাওয়ার প্রতি আজও দস্যু আসে পউষ মাসে. ফসল কাটার দিনে ধানসবজি সবই যে নেয় ন্যায্যদামে কিনে ওরা জোর করে না ওরা জোর করে না. বেচাকেনা খুবই পরিপাটি ওজনে নেই কারচুপি. ভাই. মানুষ ওরা খাঁটি নেই ছলচাতুরী নেই ছলচাতুরী. বাহাদুরি. কেবল নেশার ঘোরে একটু গালিগালাজ বা কান ম’লে দেওয়া জোরে তাই পলে পলে তাই পলে পলে আজ সকলে ওদের আশায় ঘামে নইলে ভালো কাপড়-খাবার জোটে না গেরামে বলি আসল কথা বলি আসল কথা. এমন প্রথা-দস্যুতা চায় চাষি বউ-ঝিরাও ভালোবাসে দস্যুরাজের বাঁশি তবু কয়েকজনে তবু কয়েকজনে সংগোপনে শহরপথে যাই দেখেশুনে খুঁজে আনি সপ্ত সামুরাই ওদের চুল পেকেছে ওদের চুল পেকেছে. বেড়ে গেছে বয়েস যেন শীতে দিনে ওরা থাকে মাঠে. রাত্তিরে ছাউনিতে ওরা ঢাল-তলোয়ার ওরা ঢাল-তলোয়ার ফেলে এবার কাস্তে হাতে নিয়ে কালি মেখে ভূত সাজবে শিশুর দলে গিয়ে ওদের নেই অপমান ওদের নেই অপমান. নেই পিছুটান; হয়তোবা চুপ মেরে খড়ের গাদায় শুয়ে শুয়ে শুনবে. ‘হা রে রে রে’ এ আয়োজনে দুটি অলংকরণ করেছেন: সব্যসাচী মিস্ত্রী,1573175 2019-01-04,অ্যাপে চলা. অ্যাপে খাওয়া,নগরজীবন,সাদিকুর রহমান. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573159/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE,bangladesh,print,1,রাজধানী|ঢাকা|মোবাইল অ্যাপ|ই কমার্স,• অ্যাপভিত্তিক হোম ডেলিভারি সেবার চাহিদা বাড়ছে• ঢাকায় বেশ কয়েকটি অ্যাপভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান• ঢাকায় নিবন্ধিত অ্যাপভিত্তিক ২০টি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান• গৃহস্থালি থেকে শুরু করে অনেক সেবা নিমেষেই মেলে • অ্যাপভিত্তিক হোম ডেলিভারি সেবার চাহিদা বাড়ছে• ঢাকায় বেশ কয়েকটি অ্যাপভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান• ঢাকায় নিবন্ধিত অ্যাপভিত্তিক ২০টি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান• গৃহস্থালি থেকে শুরু করে অনেক সেবা নিমেষেই মেলে কারওয়ান বাজারে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন জুনায়েদ আজিম। কাজের ফাঁকে অফিসে বসেই সেরে নেন দুপুরের খাবার। অথচ কিছুদিন আগেও খাবার খেতে অফিসের বাইরে যেতে হতো তাঁকে। মুঠোফোনের একটি অ্যাপ তাঁর এই কাজ সহজ করে দিয়েছে। অর্ডার দিলে খাবার এখন অফিসে চলে আসে। নভেম্বরে মিরপুর থেকে আজিমপুরে বাসা স্থানান্তর করেছেন রোকসানা আক্তার। নতুন বাসায় বৈদ্যুতিক কাজের জন্য মিস্ত্রি খোঁজার ঝামেলা পোহাতে হয়নি তাঁকে। মিস্ত্রি মিলেছে মুঠোফোনের অ্যাপে। জুনায়েদ ও রোকসানা বলেছেন. হোম ডেলিভারিভিত্তিক অ্যাপস ব্যবহার করে গৃহস্থালি থেকে শুরু করে অনেক সেবা নিমেষেই পাওয়া যায়। শহরের যানজট. মানুষের ব্যস্ততা আর অল্প সময়ে সেবা পাওয়ার চাহিদা থাকায় গত কয়েক বছরে ঢাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি অ্যাপভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। গৃহস্থালির কাজ সারানো. মালামাল স্থানান্তর. বাসায় বা অফিসে খাবার পৌঁছানো. এমনকি রূপচর্চার সুবিধাও মিলছে অ্যাপগুলোতে। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) তথ্যানুযায়ী. শুধু ঢাকায় নিবন্ধিত অ্যাপভিত্তিক ২০টি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন. অ্যাপেই সেবার বিভিন্ন ধরন. খরচ. ডেলিভারির সময়সহ বিস্তারিত দেওয়া থাকে। গ্রাহকেরা ঘরে বা অফিসে বসেই অর্ডার করতে পারেন। এতে খোঁজাখুঁজির ঝামেলা পোহাতে হয় না। আবার অ্যাপগুলোর সঙ্গে যুক্ত থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন। অ্যাপের মাধ্যমে বাসার ফ্রিজ. এসি. বাথরুমের কল. ক্লিনার. বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি. রেস্টুরেন্টের খাবার. লন্ড্রি. রূপচর্চাকারী থেকে গাড়ির চালক সরবরাহসহ ৮৬ ধরনের সেবা দেয় সেবা ডট এক্সওয়াইজেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা বৃতি সাবরিন বলছেন. গ্রাহকেরা সুবিধা তো পাচ্ছেনই. পাশাপাশি মিস্ত্রিদেরও এখন পথে ঘুরে কাজ খুঁজতে হয় না। অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই তাঁদের গ্রাহক মিলছে. আয়ও বেড়েছে। ২০১৩ সালে ঢাকায় প্রথম অ্যাপভিত্তিক খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে ‘হাংরি নাকি’। নিজেদের ২৫০ জন কর্মী দিয়ে বর্তমানে শুধু ঢাকায় ৯০০টি রেস্তোরাঁর খাবার সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি। এর উপ-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইব্রাহীম বিন মহিউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. ‘অফিসে কাজ করার সময় নিজেদের খাওয়ার জন্য রেস্তোরাঁ থেকে ড্রাইভার বা অফিস সহকারীকে দিয়ে খাবার আনাতে হতো। সেখান থেকেই চিন্তা মাথায় আসে যে একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কীভাবে বাসায় বা অফিসে খাবার সরবরাহ করা যায়।’ তিনি বলেন. খাবার অর্ডার করা বেশির ভাগ গ্রাহকই তরুণ পেশাজীবী ও শিক্ষার্থী। ধানমন্ডির একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন মাহফুজ সালেকিন। যাতায়াতের ভোগান্তি এড়াতে বিভিন্ন সময় অ্যাপের মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ করেন তিনি। ‘এই সেবায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি চলে আসে। অনলাইনেই পণ্যের দাম পরিশোধের পর যে ডেলিভারি চার্জ আসে. সেটিও অনেক কম থাকে। এ ছাড়া ছাড়ও দেয় প্রতিষ্ঠানগুলো।’ বলছিলেন মাহফুজ। তরল ও পচনশীল দ্রব্য বাদে অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের কাজ করে ই-কুরিয়ার। ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গ্রাহকসেবা কর্মকর্তা সানজিদা কামাল বলছেন. ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গ্রাহকেরা অর্ডার করেন। এরপর প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা গ্রাহকের নির্ধারিত স্থান থেকে পণ্য নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেন। পণ্য গ্রহণ করার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অ্যাপের সাহায্য নিতে হয়। সেখানে গ্রাহকের বিশেষ কোড দেওয়া থাকে। পণ্য পরিবহনে পরিবেশবান্ধব যান হিসেবে বাইসাইকেল ব্যবহার করা হয়। রাইড শেয়ারিংয়ের পাশাপাশি উপহার. খাবার. কাগজপত্র সরবরাহের সেবা দেয় পাঠাও। এ ছাড়া ভাগো বিডি. ই-পোস্ট. বিদ্যুৎ. অ্যারামেক্স. পেপার ফ্লাই. শপ আপ. টিকটক. গোগো বাংলা. আই-এক্সপ্রেস. এনআরবি এক্সপ্রেস. সুন্দরবন. এসএ পরিবহন. কন্টিনেন্টাল. ডেলিভেরো. ই-ম্যান. স্টিড ফাস্ট কুরিয়ার নামের প্রতিষ্ঠানগুলোও রাজধানীতে হোম ডেলিভারি সেবায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।,1573159 2019-01-04,‘অনেকেই ছাত্রজীবনের কাজ সারা জীবন করে যাচ্ছেন’,সৈয়দ জাহাঙ্গীরের অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার,,,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573172/%E2%80%98%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E2%80%99,onnoalo,print,1,অন্য আলো,২৯ ডিসেম্বর মারা গেছেন বাংলাদেশের অগ্রজ চিত্রকর সৈয়দ জাহাঙ্গীর। পঞ্চাশের দশকের যে শিল্পীরা এ দেশের চিত্রকলাচর্চার ভিত্তিভূমি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিলেন. তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। তাঁর এই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর। এখানে তিনি সবিস্তার তুলে ধরেছেন নিজের শিল্পচিন্তা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নাসির আলী মামুন ২৯ ডিসেম্বর মারা গেছেন বাংলাদেশের অগ্রজ চিত্রকর সৈয়দ জাহাঙ্গীর। পঞ্চাশের দশকের যে শিল্পীরা এ দেশের চিত্রকলাচর্চার ভিত্তিভূমি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিলেন. তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। তাঁর এই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর। এখানে তিনি সবিস্তার তুলে ধরেছেন নিজের শিল্পচিন্তা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নাসির আলী মামুন নাসির আলী মামুন: আমাদের দেশের অগ্রজ চিত্রকরদের মধ্যে আপনি অগ্রগণ্য। প্রথমে আপনার কাছে জানতে চাই শিল্পের ভাষার পরিবর্তনটা কীভাবে ঘটে? সৈয়দ জাহাঙ্গীর: শিল্পের নিজস্ব ভাষা আছে। রং লেখার আঁচড়ে যাঁরা শিল্পকলার চর্চা করেন. তাঁরাই তৈরি করেন আর সময় এই ভাষা পরিবর্তন শিল্পীকে উসকে দেয়। সময় বা কাল কিন্তু শিল্পীর জীবনে প্রভাব বিস্তার করে। সময়ের আবদারকে অবশ্যই আমলে নিতে হয়। মামুন: শিল্পীরা কি সময়ের কাছে অনেক সময় অসহায় হয়ে যান না? জাহাঙ্গীর: হ্যাঁ. হতেও পারেন। কিন্তু যিনি নিজেকে তৈরি করে দীর্ঘকাল শিল্পসাধনায় সক্রিয়. তিনি অসহায় হতে পারেন না। দেখবে যে শিল্পকলায় শিক্ষালাভ করেও অনেকেই ছাত্রজীবনের কাজ সারা জীবন করে যাচ্ছেন। তাঁরা কিন্তু বুঝতে পারেন না যে সব সময় ছাত্র হয়ে থাকতে নেই। শিক্ষাজীবনের পাঠ্যক্রম থেকে তিনি যেন আর বের হয়েই আসতে পারছেন না। এর কারণ কী? কারণ তাঁদের মেধা নেই। যা কিছু সেই ছাত্রজীবনে শিখেছিলেন. বার্ধক্যে এসেও তা-ই করে যাচ্ছেন। আমাদের দেশের এ ধরনের শিল্পীর সংখ্যা বেশি। কেবল দু-চারজনই নিজের কাজের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেয়েছেন। আমি দেখেছি কয়েক বছর আগেও চারুকলার পঠনপদ্ধতি আধুনিক ছিল না. সেই ষাট-সত্তর দশকের পাঠদান চালু ছিল। একদম হাল আমলের কথা আমি জানি না। তবে আমার মনে হয়. খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। এটা বোঝা যায়। আমাদের জ্যেষ্ঠ শিল্পীদের ছবি ছাত্রাবস্থায় যেমনটা দেখেছি. এখনো একই রকম। এঁদের মধ্যে দু-একজন ছাড়া সবাই-ই পুরোনো ধাঁচে ক্যানভাসে যেন কিছু রঙের খেলা করে যাচ্ছেন। শিক্ষক বা জ্যেষ্ঠ শিল্পীরা যদি পরিবর্তন না আনতে পারেন তাহলে ছাত্ররা শিখবে কোত্থেকে! মামুন: জয়নুল. কামরুল এবং আরও অনেক খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী আপনাদের শিক্ষক ছিলেন...। জাহাঙ্গীর: তাঁদের সরাসরি ছাত্র হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। আবেদিন স্যার কলকাতা আর্ট স্কুলের ছাত্র এবং পরে শিক্ষক হয়েছিলেন। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা ছিল তৎকালীন সময়ে সবচেয়ে আধুনিক শিক্ষা। কলকাতা আর্ট স্কুলের কারিকুলাম তিনি ব্যবহার করেছিলেন এবং তাঁর নিজস্ব কিছু চিন্তা আমাদের মধ্যে সংক্রমিত করতে পেরেছিলেন। আমাদের আদি সংস্কৃতি বা এই যে লোকশিল্প. এটা শিল্পাচার্যের হাত ধরে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জয়নুল-কামরুল দুজনেই লোকশিল্পের শিক্ষা দিয়ে গেছেন আমাদের। এখন কথা হলো. তাঁরা আমাদের লোকসংস্কৃতির যে স্টাইলটি শিখিয়ে গেছেন. আমরা কি ঠিক তাঁদের মতোই ছবি আঁকতে চেষ্টা করব? আমি তো সেটা মনে করি না। আবেদিন স্যার বলতেন লোকসম্পদ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ. এই ধারা যেন টিকে থাকে। তবে এ-ও বলতেন এই শিল্পকে মূল রেখে এটাকে আরও আধুনিক ঢঙে সাজাতে। কোন শিল্প-প্রকরণের একই জায়গায় দীর্ঘকাল আবদ্ধ থাকা তিনি পছন্দ করতেন না। মামুন: আপনারা কি শিল্পাচার্যের সব কথা মেনে চলতেন? জাহাঙ্গীর: অবশ্যই। তিনি না হলে আমরা কেউ শিল্পী হতে পারতাম কি না যথেষ্ট সন্দেহ হয়। তাঁর আঁকা চল্লিশের দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা তৎকালীন সময়েই বিশ্বমানের। তিনি যখন আমাদের ক্লাস করাতেন. তখন আমরা মুগ্ধ হয়ে তাঁর কথা শুনতাম। তাঁর জীবনের শিল্পী হওয়ার যে অভিজ্ঞতা এমনটা আর কারও ছিল না। তিনি নিজে আমাদের প্রত্যেককে হাতে ধরে ধরে ড্রইং শিখিয়েছেন। আমরা যেন এক জায়গায় আটকে না থাকি সেটাও স্মরণ করিয়ে দিতেন। তাঁর কথা শুনেছি বলে আজকে আমরা ছবি আঁকার চেষ্টা করতে পারছি। তবে এর মধ্যে মাত্র দু-একজন আছেন. যাঁরা তাঁর সরাসরি ছাত্র ছিলেন. কিন্তু তাঁদের কোনো পরিবর্তন আসেনি। পুরোনো ধাঁচেই ছবি আঁকেন তাঁরা। এঁদের কাছ থেকে ছাত্ররা কীই-বা আশা করতে পারে। মামুন: তাহলে হাল আমলে ছাত্ররা চারুকলায় কীভাবে বিকশিত হবে? জাহাঙ্গীর: ছাত্ররা এখন সব জানে। তারা অনেক বুদ্ধিমান। নতুন প্রজন্ম যখন চারুকলায় বা আর্টের কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে আসে. তারা আগেই অনেক কিছু জেনে আসে। প্রত্যেকের বাড়িতে ইন্টারনেট আছে. ওটা বুদ্ধির দরজা খুলে দেয়। তারা জানে কী করতে হবে এবং কোথায় তাদের যেতে হবে। কিন্তু আমার কিছুটা দুঃখও হয় এ কারণে যে এখন এত সুযোগ থাকার পরও অনেক তরুণ তাদের তৈরি করার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করতে চায় না। আমরা প্রায় সবাই চারুকলা পাঠের প্রাথমিক সময়গুলোতে গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছিলাম। আমাদের না ছিল কোনো আর্টের শিক্ষা. না ছিল কোনো থাকা-খাওয়ার জায়গা। আমাদের মধ্যে মুর্তজা বশীর ও হামিদুর রহমান বনেদি পরিবার থেকে এসেছিলেন। বশীর কিন্তু এখনো সক্রিয়। মামুন: এস এম সুলতানের সঙ্গে আপনার দেখা হয়েছিল পুরান ঢাকায় হামিদুর রহমানের বাড়িতে। জাহাঙ্গীর: আগে একটু বলে নিই. এখনকার তরুণেরা যে ধরনের ছবি আঁকে তাতে কয়েকজনের ছবি দেখে আমি বিস্মিত হয়ে যাই। আমি নিয়মিত তরুণদের প্রদর্শনীতে যেতাম। এখন শরীর ভালো থাকে না. শ্বাসকষ্ট. তাই যাওয়া হয়ে ওঠে না। তাদের ছবির ফর্ম ও টেকনিক দুর্দান্ত। আলাপ করে জেনেছি ওরা নিজেরাই পাস করার পর নতুন পথ ও চিন্তা ছবিতে যুক্ত করেছে। এখন রঙের ব্যবহারটা এমনভাবে করে অনেক সময় ওয়াটার কালারটা বোঝা যায় না। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা ওরা নিজেরাই করে। তরুণেরা আমার কাছে যখন আসে. তাদের সঙ্গে কথা বলে অনেক কিছু শিখি আমি। ছাত্রাবস্থায় আমাদের যে রকম মেধা ছিল তার চেয়ে অনেক জ্ঞান তাদের আছে। মামুন: নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা আপনার শিল্পকর্ম বোঝে? জাহাঙ্গীর: তারা যখন আমার ছবির ধরন. রং ও বিষয়ের বর্ণনা দিতে থাকে. আমি অবাক হই এই ভেবে যে আমার মতো বিচ্ছিন্ন এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের কাজ ওরা যত্ন নিয়ে দেখে! একদল মেধাবী তরুণ শিল্পী আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে. তারা আমাকে ফোন করে দেখা করতে চায়। তারা আমার ছবি পছন্দ করে. এটা আমি বুঝি। দেখবে. একই ধরনের বিষয় ধরে ছবি এঁকেছে আমার সমকালীন শিল্পীরা. কিন্তু আমার ছবির রং ব্যবহার. কম্পোজিশন এবং ফর্মটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। নদী ও নৌকার অনেক ছবি এঁকেছি আমি এবং আমারটায় কোনো মানুষ হয়তো নেই. তারপর আমার ছবি অন্যদের মতো নয়। ছাত্ররাই বলে. আমার ছবিতে একগুঁয়েমি নেই. নতুনত্ব আছে। আমার নীল ও হলুদ রঙের ব্যবহার আর সবুজের...ওদের ভাবায়. ওরা আমার ছবি দেখে। এই ছবিটা দেখো (একটি ছবি দেখিয়ে). ক্যানভাসটা শুধু সবুজ রঙের কিন্তু কত ধরনের সবুজ! সামনের শীতে একটা প্রদর্শনী করার জন্য এই ছবিগুলো আঁকছি। আমার স্টুডিওটা ছোট. বড় কাজ করতে পারি না। মামুন: এস এম সুলতানের সঙ্গে ওই যে দেখা হয়েছিল. মনে আছে? জাহাঙ্গীর: ১৯৫৬-এর দিকে হবে। আমার আত্মজীবনীতে এ ঘটনা লিখেছিও। হামিদুর রহমানের বাসায় সুলতান সাহেবের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয়েছিল আমার। তিনি তখন গেরুরা রঙের শাড়ির মতো একটা কাপড় জড়িয়ে খালি গায়ে ছিলেন। ধীরে কথা বলতেন. বেশ সুন্দর করে আস্তে আস্তে কথা বলতেন। মনে আছে. হামিদ তখনই বলেছিল বিখ্যাত শিল্পী। আমার স্টুডিও আছে জেনে হামিদের সঙ্গে তিনি একদিন এলেন আমার বাড়িতে। কোমর থেকে একটা পোঁটলা বের করে কলকিতে ভরে গাঁজা খেতে শুরু করলেন আমাদের সামনেই। আমি বললাম. আমাকে একটু দেন. তিনি দিলেন। খেয়ে আমার কোনো রকম নেশা ধরছিল না। তাই বললাম. কই কিছু তো হয় না। বললেন ঘণ্টাখানেক পরে ধরবে. অপেক্ষা করেন। এই ঘটনারও অনেক পরে আমি যখন শিল্পকলায় ছিলাম. সে সময় নড়াইল থেকে ঢাকায় এলে তিনি মাঝেমধ্যেই আমার অফিসে চলে আসতেন। কখনো কিছু কথা বলতেন. আবার কখনো উদাস মনে কোনো কথা না বলে দু-এক ঘণ্টা বসে থেকে কাউকে না বলে চলে যেতেন। তাঁর এই ধরন সম্পর্কে আমি আগেই জানতাম বলে আশ্চর্য হতাম না। কয়েক দিন আগে সুলতান সাহেবের ওপর তোমার আলোকচিত্র প্রদর্শনী দেখে এসে আমি কয়েক পাতা লিখেছি। সাদা-কালো ছবিতে তাঁকে জীবন্ত করে রেখেছ তুমি। আমি বিশ্বাস করি. এস এম সুলতান একজন বিশ্বমানের খাঁটি শিল্পী। তাঁর ছবি দেখে আমরা বুঝতে পারি. তাঁর মেধাটা কত ওপরে ছিল। শিল্পীকলা একাডেমিতে তাঁকে আমরা ‘রেসিডেন্ট আর্টিস্ট’ করেছিলাম। এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী এবং সমগ্র বাংলাদেশে ভ্রাম্যমাণ চারুকলা প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছিলাম আমি। মন্ত্রণালয় বাজেট বরাদ্দ দিতে চায়নি. তারপরও যুদ্ধ করে করেছি। এ ব্যাপারে ভালো কিছু মানুষের সহায়তা পেয়েছি। সুলতান সাহেব এসব ব্যাপারে বিশেষ করে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে প্রদর্শনী নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার প্রশংসা করতেন। এ ছাড়া গ্রামের কৃষকদের জন্য যেন শিল্পীদের ছবি দেখার সুযোগ করা যায়. সে ব্যাপারে তিনি আমাকে বলতেন। কিন্তু সেই সুযোগ সৃষ্টি করতে পারিনি। মামুন: জীবনের শেষ বাঁকে এসে কী করতে ইচ্ছে করে? জাহাঙ্গীর: আর তো কিছু পারি না। শুধু যত দিন পারি ছবি আঁকতে চাই। কিন্তু যখন নিজের কাছে মনে হবে আমার সৃষ্টি করার ক্ষমতা শেষ হয়ে এসেছে. তখন আর ছবি আঁকার চেষ্টা করব না। মামুন: কী করবেন তখন? জাহাঙ্গীর: যদি পারি লিখব। শিল্পকলা নিয়ে কিছু লেখার চিন্তা আছে। যদি থাকে লিখব। আমাদের সময়ের শিল্পকর্ম এবং বর্তমান সময়ের তরুণদের শিল্পকর্ম নিয়ে লিখতে চাই।,1573172 2019-01-04,ভুলটা কার?,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573153/%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,print,1,নির্বাচন|আইন ও বিচার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|সাংবাদিক,• খুলনার সাংবাদিক হেদায়েত জামিনে মুক্তি পেয়েছেন• ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে হেদায়েত• হেদায়েত গ্রেপ্তারের পর জোর আলোচনা—ভুলটা কার • খুলনার সাংবাদিক হেদায়েত জামিনে মুক্তি পেয়েছেন• ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে হেদায়েত• হেদায়েত গ্রেপ্তারের পর জোর আলোচনা—ভুলটা কার খুলনার সাংবাদিক হেদায়েত হোসেন মোল্লা গতকাল বৃহস্পতিবার ১১ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে. ভুলটা আসলে কার। ৩০ ডিসেম্বর রাতে ভোটের ফল ঘোষণার সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা সাংবাদিকেরা বলছেন. ওই ভুলের সূত্রপাত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের ঘোষণা থেকে। সেদিনকার একটি ভিডিওতে দেখা যায়. জেলা প্রশাসক নিজের মুখে বলছেন. নৌকার প্রার্থী ২ লাখ ৫৩ হাজার ও ধানের শীষের প্রার্থী ২৮ হাজার ১৭০ ভোট পেয়েছেন। ওই দুই ভোটসংখ্যার যোগফল খুলনা-১ আসনের মোট ভোটারের চেয়ে ২২ হাজার বেশি। ঘণ্টাখানেকের পরে জেলা প্রশাসক চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে আবারও ওই আসনের ফল ঘোষণা করেন। তখন বলা হয়. ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের পঞ্চানন বিশ্বাস। খুলনা-১ আসনের মোট ভোটারের চেয়ে ২২ হাজার ভোট বেশি পড়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করে প্রশাসনের কোপে পড়েন ঢাকা ট্রিবিউন ও মানবজমিন–এর খুলনা প্রতিনিধি যথাক্রমে হেদায়েত হোসেন মোল্লা ও রাশিদুল ইসলাম। তাঁদের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরী। মামলায় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়। সেই মামলায় মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয় হেদায়েত হোসেনকে. তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ছবিটি এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার পুলিশ তাঁকে আদালতে নিয়ে তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা এবং সাংবাদিকদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদের মুখে গতকাল সন্ধ্যায় জামিনে মুক্তি পান হেদায়েত। তাঁকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন জেলা দায়রা জজ আদালত। হেদায়েত গ্রেপ্তারের পর থেকেই জোর আলোচনা—ভুলটা কার। খুলনা ও ঢাকার অন্তত পাঁচজন সংবাদকর্মী বলছেন. জেলা প্রশাসকই প্রথম দফায় ভুল ঘোষণা দিয়েছেন। সাংবাদিকদেরই একজন মোট ভোটারের চেয়ে ঘোষিত ফলে ভোটার সংখ্যা বেশি বলে জেলা প্রশাসকের নজরে আনেন। কিন্তু এরপরেও জেলা প্রশাসক ওই ফলাফলটা বাতিল বা বিষয়টি বিবেচনাধীন—এ ধরনের কোনো ব্যাখ্যা না দিয়েই ঘণ্টাখানেক পরে আবারও একটি ফলাফল ঘোষণা করেন। এর মধ্যেই কোনো কোনো সাংবাদিক সেই ফলাফল তাঁদের প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেন। সাংবাদিকদের তোলা একটি ভিডিওতে দেখা যায়. জেলা প্রশাসক বলছেন. ‘...ধানের শীষ ২৮ হাজার ১৭০ ভোট. নৌকা ২ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬৯।’ তখনই একাধিক সংবাদকর্মী দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন. এর আগে যখন বলেছিলেন. তখন ধানের শীষের ভোট ২৯ হাজার বলে ঘোষণা এসেছিল। ওই কথা শুনে জেলা প্রশাসক জিবে কামড় দিয়ে হাতের কাগজটি ভালোভাবে দেখছিলেন। ওই কাগজ থেকে তিনি ভোটের ফল পড়ছিলেন। এর ঘণ্টাখানেক পরে জেলা প্রশাসককে বলতে শোনা যায়. ‘ভোটকেন্দ্র ১০৭. আমরা ফলাফলও পেয়েছি ১০৭। বিজয়ী ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৯ ভোটে. পঞ্চানন বিশ্বাস আর ওনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ ২৮ হাজার ৪৩৭ ভোট।’ এ বিষয়ে খুলনার জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হেলাল হোসেন গতকাল প্রথম আলোকে বলেন. ‘ওখানে অনেকগুলো আসনের ফলাফল আসছিল. আমি মনে হয় তখন অন্য কোনো আসনের ফল ঘোষণা করছিলাম। ওটা খুলনা-১–এর নয়। শুধুমাত্র দাকোপ উপজেলার ফল ঘোষণার সময় মনে হয় কয়েক শ ভোট এদিক-ওদিক হয়েছিল. ২৮ হাজার সামথিং আর ২৯ হাজার। এর বাইরে এ রকম হওয়ার কথা নয়।’ একটি ভিডিওতে তিনি ২ লাখ ৫৩ হাজার নৌকার ভোট ঘোষণা করছেন উল্লেখ করে জানতে চাওয়া হলে হেলাল হোসেন বলেন. ‘আসলে তখন কী বলেছি. সেটা তো এখন আর মনে নেই। ভিডিওটাও হাতের কাছে নেই।’ তিনি বলেন. ‘আমার স্বাক্ষর করা ফলাফলটা হলো আসল। যতক্ষণ না পর্যন্ত সেটা পাওয়া যায়. ততক্ষণ এভাবে বলা যাবে না।’ তাহলে একেবারে স্বাক্ষর করা ফলাফল হাতে হাতে দিলেই হয়. এ রকম মুখে বলে ফল ঘোষণার প্রয়োজনটা কী জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন. ‘দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে তাঁদের উচিত ছিল বিষয়গুলো যাচাই করে নেওয়া। আমি যখন খাদ্যমন্ত্রীর পিএস ছিলাম. তখনো সাংবাদিকদের সঙ্গে কাজ করেছি। তখন ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকেরা কোনো বিষয় অস্পষ্ট থাকলে সে বিষয়ে জেনে নিয়ে তারপর পরিবেশন করতেন।’ ৩০ ডিসেম্বর রাতে খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ছিলেন একাত্তর টিভির বিশেষ প্রতিনিধি পারভেজ নাদির রেজা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন. রিটার্নিং কর্মকর্তা যখন ঘোষণা দিলেন. নৌকা ২ লাখ ৫৩ হাজার আর ধানের শীষ ২৮ হাজার. তখনই কয়েকজন সাংবাদিক তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন. ‘তাতে তো মোট ভোটারের চেয়ে ভোটসংখ্যা বেশি হয়।’ অসামঞ্জস্যটি ধরিয়ে দেওয়ার পর ‘তাই নাকি তাই নাকি’ বলে তখন রিটার্নিং কর্মকর্তা কাউকে ফোন করেন। মুখের সামনের মাইক্রোফোন চালু রেখেই তিনি মুঠোফোনে জেলা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তাকে ইংরেজিতে বকাবকি করেন। কিন্তু তাঁর ঘোষিত ফলাফলটি সাংবাদিকেরা গ্রহণ করবেন কি না. সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি. কোনো ব্যাখ্যাও দেননি। ঘণ্টাখানেক পর তিনি চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতিইউএনবি জানায়. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কানাডা শাখা গত রোববার অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের ওপর হওয়া হামলার ঘটনা তদন্তে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বুধবার অ্যামনেস্টির ওয়েবসাইটে এ আহ্বান জানিয়ে বাছবিচারহীনভাবে গ্রেপ্তার করা সাংবাদিক ও নেতা–কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ারও আহ্বান জানায়। সিপিজের বিবৃতিসাংবাদিক হেদায়েত হোসেন মোল্লাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) গত বুধবার বলেছে. সরকারের উচিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় তার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকা।,1573153 2019-01-04,দুর্ভাবনার কুয়াশা সরিয়ে আলো আসুক,নতুন সরকার,আনিসুল হক,৮,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573150/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%95,opinion,print,1,আনিসুল হক|রাজনীতি,বছরের প্রথম দিনের সকালবেলা হাজির হয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে. সেখানে ছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বই উৎসব। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা এসেছিল. তাদের অভিভাবকেরা ছিলেন। শিক্ষার্থীরা বই পেল. রঙিন বই। পৌষের ভোরটা ছিল কুয়াশাঢাকা. তারপর হয়ে উঠল রোদ-ঝলমলে. আর রঙিন জামাকাপড় পরা ছেলেমেয়েদের মনে হচ্ছিল একঝাঁক পরি। রোদে কি বাচ্চারা কষ্ট পাচ্ছে? রসিকতা করে বললাম. শোনো. রোদে ভিটামিন ডি আছে। ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল তখন বললেন. এই যে দেখো. মঞ্চে আছেন সাকিব আল হাসান. তাঁরা যখন ক্রিকেট মাঠে খেলেন. তখন কি কেউ তাঁদের মাথায় ছাতা ধরে থাকে? আমি তো কিশোর আলোর কিশোর-কিশোরীদের বলি. এর সবই ট্রেনিং। এই যে তোমরা কিশোর আলোর অনুষ্ঠানগুলোয় আসো. তখন কি বাসে কিংবা রিকশায় কেউ তোমাদের জিজ্ঞেস করে. এ প্লাস বি হোল স্কয়ারে কী হয়? এই জ্ঞানগুলো কাজে লাগে. কাজে লাগে বলেই বিমান আকাশে ওড়ে. কিন্তু জীবন মানে কেবল বইয়ের জ্ঞান নয়। শক্তপোক্ত হয়ে বড় হও. বাইরের পৃথিবীর বিরূপ পরিবেশেও টিকে থাকতে শেখো। ছোটবেলায় কোনো দিনও নতুন বই পড়ার এবং নতুন জুতা পরার সুযোগ পাইনি। ৪ নম্বর ছিলাম ভাইবোনের মধ্যে. বড় ভাইবোনের ব্যবহৃত বই বছর শেষে পেতাম আর বড় ভাইদের ছোট হয়ে যাওয়া জুতা পরার সৌভাগ্য অর্জন করতাম। সেই বাংলাদেশ আজ কতটা সক্ষমতা অর্জন করল! এক দিনে ৩৩ কোটি বই বিলি করা হচ্ছে। ঝকঝকে নতুন বই। মুহম্মদ জাফর ইকবাল হিসাব করে বলেন. এই ৩৩ কোটি বই একটার পাশে আরেকটা রাখলে সারা পৃথিবীকে তিনবার প্রদক্ষিণ করতে পারবে! একজন টিভি সাংবাদিক আমাকে প্রশ্ন করলেন. ‘বইয়ে ছাপার ভুল থাকে. এ নিয়ে কিছু বলুন।’ বই সম্পাদনা করা. বই পরিমার্জনা করা. প্রুফ দেখা—এগুলো বিশেষায়িত কাজ. যাঁর কাজ. তাঁকেই যেন করতে দেওয়া হয়। পেশাদার সম্পাদক. সংশোধক নিয়োগ করতে খুব সামান্য টাকাই লাগবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের এটা খুব সামান্য অংশ. কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটা যেন অবশ্যই করা হয়। ২. আজ থেকে কুড়ি বছর পরে বাংলাদেশ হবে একটা আলোকিত উন্নত বাংলাদেশ। এ আশার পেছনে অনেকগুলো গাণিতিক বাস্তবতা কাজ করে। এখন আমাদের প্রায় ৯৯ শতাংশ ছেলেমেয়ে স্কুলে যায়। আমরা যদি এদের ঝরে পড়া রোধ করতে পারি. এদের লেখা. পড়া. হিসাব কষা এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা নিশ্চিত করতে পারি. বাকি কাজটা এরা নিজেরাই করে নিতে পারবে। মানুষ একটা আশ্চর্য সৃষ্টিশীল প্রাণী. অমিত সম্ভাবনার আকাশ প্রত্যেকের ভেতরে রাখা আছে। শিক্ষা হলো পরশপাথর। মানুষের সেই সম্ভাবনার দরজা শিক্ষা খুলে দেয়। মাটির মানুষ সোনার মানুষে পরিণত হয়। এখানে আমাদের কতগুলো চাওয়া আছে। মানসম্পন্ন শিক্ষা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। ছেলেমেয়েরা যেন স্কুলে যায় এবং শেখে। তারা লেখাপড়া করুক. খেলাধুলা করুক. নৈতিক শিক্ষা লাভ করুক এবং সংস্কৃতির চর্চা করুক। ২০ বছর পরে এই দেশের কৃষক হবেন শিক্ষিত কৃষক. শ্রমিক হবেন শিক্ষিত শ্রমিক। এখনই কিন্তু সেই শিক্ষিত কৃষক. শিক্ষিত শ্রমিকের সৃষ্টিশীল উদ্যোগের সুফল আমরা পাচ্ছি। কৃষিক্ষেত্রে. শিল্পক্ষেত্রে বিপ্লব আপনা–আপনি আসেনি। দুই নম্বর দাবিটা আবারও জোরের সঙ্গে করি। ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ অভিবাসী শ্রমিক বিদেশে গেছেন। আমাদের অভিবাসী জনশক্তি যাচ্ছে অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে। পরিকল্পনা করে এই শ্রমজীবীদের পেশাজীবীতে উন্নীত করতে হবে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এই সূত্রটা প্রধান বিবেচ্য হওয়া উচিত। একই সঙ্গে আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি. দক্ষতা. যোগ্যতা আরও বাড়িয়ে প্রবাসীদের কল্যাণ ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের দূতাবাসগুলোতেও অভিবাসীদের কল্যাণ ও মর্যাদা হওয়া উচিত এক নম্বর অগ্রাধিকার। এখনই আমাদের প্রায় ১ কোটি মানুষ বিদেশে আছে। ১০ বছরে আরও ১ কোটি যাবে। গাণিতিক হারে না বেড়ে সংখ্যাটা জ্যামিতিক হারে বাড়লে ২০২৮ সালে ৩ কোটি মানুষের বিদেশে থাকার কথা। তারা বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাবে। এদিকে দেশেও যদি সবাই শিক্ষিত ও দক্ষ হয়. তাহলে অর্থনৈতিক কর্মপ্রবাহের বিপ্লব চলতে থাকবে। এই সময়টায় দরকার হবে সুশাসন। দুর্নীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ। বিদ্যুৎ। ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা এবং বিদেশে টাকার অবৈধ পাচার রোধ। দরকার হবে নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তার বোধ। একটা বিষয় নিয়ে অগণিত গবেষণা হচ্ছে. অনেকগুলো গবেষণা প্রতিবেদন ইন্টারনেটেই পাওয়া যায়. তা হলো—সুশাসনের সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মাথাপিছু আয়ের সম্পর্ক। সুশাসন ভালো হলে যেমন আয় বাড়ে. তেমনি মাথাপিছু আয় যেসব দেশে কম. সেসব দেশে সুশাসন আসে না। পশ্চিম লন্ডনের ব্রুনেই ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পাবলিক হেলথ রিসার্চ বলছে. মাথাপিছু আয়ের সঙ্গে শুধু সুশাসনের সম্পর্ক আছে তা-ই নয়. জনস্বাস্থ্য. সুপেয় পানি ইত্যাদিরও সম্পর্ক আছে। আমরা আশা করি. ১০-২০ বছর পরে যখন আমাদের মাথাপিছু আয় আরও বাড়বে. তখন আমাদের দেশে সুশাসনও আরও আসবে। শঙ্কাও আছে কতগুলো। এবারের ভোটের পর সংসদে কার্যকরী বিরোধী দল থাকছে না। অমর্ত্য সেন বলেছিলেন. যে দেশে গণতন্ত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে. সে দেশে দুর্ভিক্ষ হতে পারে না। কারণ. দেশের কোথাও খাদ্যাভাব দেখা দিলে তা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবে আর সরকার যেহেতু জনগণের ভোট প্রত্যাশা করে. তারা দ্রুতই ব্যবস্থা নেবে। এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটা অব্যাহত থাকবে তো? গণমাধ্যমে অপ্রিয় সত্য প্রকাশ করতে দেওয়া হবে তো? দেশের মানুষের প্রকৃত কোনো দুঃখ লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে তো? দ্বিতীয় শঙ্কাটা পরিবেশ নিয়ে। প্রান্তিক মানুষকে নিয়ে। উন্নয়ন. প্রবৃদ্ধি. মুনাফা কিন্তু অন্ধ মত্ত হস্তীর মতো; তা পায়ের নিচে বন. জলাভূমি. মাটি. সবকিছু তছনছ করে ফেলে। আমরা যেন আমাদের পরিবেশকে উন্নয়ন এবং গৃধ্নুতার বলি না করি। আর সবকিছুর মূলে যেন থাকে মানুষ। বঙ্গবন্ধু সব সময় বলতেন. ‘আমার গরিব-দুঃখী মানুষ’। তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও সব সময় গরিব-দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কথা বলেন। আমার এক স্থপতি বন্ধুর মুখে শুনেছি. তাঁরা যখন ঢাকার একটা সৌন্দর্য ও জলাশয় প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছিলেন. প্রধানমন্ত্রী একটা কথাই বলেছিলেন. গরিব মানুষের যেন ক্ষতি না হয়. তাদের যেন পুনর্বাসন করা হয়। এই নীতিটা যেন সর্বত্র বজায় থাকে। নতুন সরকার শিগগিরই শপথ নেবে। তারা যেন তাদের নির্বাচনী ইশতেহারটা ভুলে না যায়। ইশতেহারে আছে. ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চেতনাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরা হবে এবং সংবিধান হবে রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ দলিল।’ ‘আইনের শাসনের মূল বক্তব্যই হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান; কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’ ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও মর্যাদা সমুন্নত রাখা হবে।’ ‘সর্বজনীন মানবাধিকার সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হবে।’ রোমান সম্রাট দার্শনিক মার্কেস অরেলিয়াস (১২১-১৮০) বলেছিলেন. ‘যদিও কেউই অতীতে ফিরে যেতে পারবে না. ব্র্যান্ড নিউ আরম্ভ করতে পারবে না; কিন্তু যে কেউই শুরু করতে পারবে এখনই. এবং রচনা করতে পারবে একটা ব্র্যান্ড নিউ সমাপ্তি।’ আজকের দিনটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজ থেকেই নবোদ্যমে শুরু করুন. যাতে শেষটা সুন্দর হয়. ফলটা শুভ হয়। আর সে জন্য আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারই যথেষ্ট। আর আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনা. আছে অসমাপ্ত আত্মজীবনী. কারাগারের রোজনামচা। তাঁর অমূল্য বাণী ‘বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র হয় না’ এবং চিরদিনের অনুপ্রেরণা. ‘মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না।’ পয়লা জানুয়ারির সকালটার মতো আমাদের দুর্ভাবনার কুয়াশা কেটে যাক. রোদে ঝলমল করে উঠুক আমাদের বর্তমান আর ভবিষ্যৎ। আনিসুল হক: প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক ও সাহিত্যিক,1573150 2019-01-04,লেখক রঙ্গ,, মন্তব্য,১,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573171/%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%95-%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97,onnoalo,print,1,অন্য আলো,জব্দ মোহিতলাল মজুমদার ১৩২৮ বঙ্গাব্দ। কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখন সদ্য প্রকাশ পেয়েছে। বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে কবিতাটির জয়জয়কার। সবার মুখেই প্রশংসা। শুধু একজনই তখন ক্ষিপ্ত. তিনি কবি মোহিতলাল মজুমদার। সর্বত্র তিনি প্রচার করে বেড়াচ্ছিলেন. ‘বিদ্রোহী’ আদতে তাঁর ‘আমি’ শীর্ষক একটি ব্যক্তিগত রচনার পদ্যরূপ মাত্র। একদিন সন্ধ্যায় সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত. হেমেন্দ্রকুমার রায়. নলিনীকান্ত সরকারসহ আরও কয়েকজন সাহিত্যিক মিলে জম্পেশ আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেখানে মোহিতলাল হঠাৎ এসে হাজির হয়ে নজরুল কীভাবে ও কী প্রকারে তাঁর লেখা ‘মেরে দিয়েছেন’ তা ক্রোধতপ্ত কণ্ঠে বয়ান করতে শুরু করেন। বিশেষ করে তাঁর নিবন্ধের দুটি শব্দের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বললেন. ‘শব্দ দুটি হচ্ছে “মহামারী” আর “উন্মাদ”। আমার রচনার ওই দুটি শব্দ আছে নজরুলের “বিদ্রোহী”র মধ্যে। বলুন আপনারা এ চুরি কি না?’ বিরক্ত নলিনীকান্ত সরকার হঠাৎ বলে বসলেন. ‘ও রকম চুরি রবীন্দ্রনাথের লেখাতেও আছে!’ এ কথায় সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত চটে গিয়ে বললেন. ‘কোথায় দেখলেন আপনি?’ নলিনীকান্ত জানালে. ‘ঐ খ্যাপা শ্রাবণ ছুটে এলো আশ্বিনেরি আঙিনায় গানটি রবীন্দ্রনাথের চুরি।’ সত্যেন্দ্রনাথ রাগে চোখ লাল করে ফের বললেন. ‘কোত্থকে চুরি করেছেন?’ নলিনীকান্তের সোজা জবাব. ‘গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা থেকে। ওর মধ্যে শ্রাবণ আর আশ্বিন দুটো শব্দই আছে।’ সত্যেন্দ্রনাথসহ বাকিরা এবার হো হো করে হেসে উঠলেন। আর এভাবে নিদারুণ জব্দ হয়ে মোহিতলাল হয়ে পড়লেন গম্ভীর। সূত্র: শতদল গোস্বামীর সাত পুরুষের রম্য জগৎ প্রেমেন্দ্র মিত্রের থেকে লেখা আদায় করতে... কবি-কথাকার প্রেমেন্দ্র মিত্র লেখার ব্যাপারে ছিলেন অত্যন্ত খুঁতখুঁতে। তাই তাঁর কাছ থেকে সময়মতো লেখা আদায় করতে পত্রিকার সম্পাদকদের যারপরনাই বেগ পেতে হতো। একবার যুগান্তর পত্রিকার পূজাসংখ্যার জন্য তাঁর কাছে একটি ভালো গল্প বা কবিতা চেয়েছিলেন সংখ্যার দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পাদক পরিমল গোস্বামী। কিন্তু যথারীতি প্রেমেন্দ্র মিত্র লেখা দিতে দেরি করছিলেন। ওদিকে পূজাসংখ্যা প্রকাশের সময়ও এগিয়ে আসছিল। এমন সময় একদিন এক বন্ধুর বাড়িতে হঠাৎ তাঁর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। প্রেমেন্দ্র মিত্র তখনো মাথা নাড়ছেন. ‘না না. এবারে আর লেখাটা মনে হয় না হবে।’ হতাশ পরিমল গোস্বামী তখন প্রেমেন্দ্রর দিকে একটা খাতা এগিয়ে দিয়ে বললেন. ‘এটি আমার এক নাতনির অটোগ্রাফ বই। আপনি কিছু লিখে না দিলে ও মন খারাপ করবে।’ অগত্যা প্রেমেন্দ্র মিত্র ছয় লাইনের একটা পদ্য লিখে দিলেন ওই খাতায়। খাতাটা ফেরত নিয়ে এবারে পরিমল গোস্বামী তাঁর ব্রহ্মাস্ত্রটি ছাড়লেন. ‘তাহলে এবার আমার কথা শোনো। যদি পরশুর মধ্যে তোমার ভালো লেখাটি না পাই. তা হলে যুগান্তর–এর পূজাসংখ্যায় এই লেখাটাই ছেপে দেব।’ এ হুমকিতে কাজ হয়েছিল। পরে দিনকয়েকের মধ্যেই প্রেমেন্দ্র মিত্রের ‘ভালো’ লেখাটি পত্রিকার দপ্তরে পৌঁছে যায়। সূত্র: লীলা মজুমদারের খেরোর খাতা গ্রন্থনা: মুহিত হাসান,1573171 2019-01-04,মোহিত কামালের সমাজমনস্ক শিল্পীসত্তা,,সেলিনা হোসেন,,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573162/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%80%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE,onnoalo,print,1,অন্য আলো,২ জানুয়ারি ছিল কথাসাহিত্যিক মোহিত কামালের ৬০তম জন্মদিন ২ জানুয়ারি ছিল কথাসাহিত্যিক মোহিত কামালের ৬০তম জন্মদিন আমাদের সাহিত্যভুবনের সাম্প্রতিক এক নাম মোহিত কামাল। পেশাগত জীবনে তিনি যেমন খ্যাতির শিখরে অবস্থান করছেন. কথাসাহিত্যেও এক প্রণিধানযোগ্য ধারার প্রবর্তক। আমরা জানি. সমাজের অন্তরে যে ক্ষত মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে. তার বিরুদ্ধে তিনি তাঁর শানিত কলম হাতে নিরলস যোদ্ধা হিসেবে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। মোহিত কামাল তাঁর চরিত্রদের আমাদের বাস্তব সমাজজীবন থেকেই হাজির করছেন কথাসাহিত্যে। এ বছরেই প্রকাশিত তাঁর উপন্যাস চোরাগলি. যেখানে আমরা লক্ষ করব আমাদের সমাজে কী ঘটে চলেছে। চারপাশে ফাঁদ. চোরাগলি। না-বুঝে অনেক তরুণ-তরুণী আটকে পড়ছে মরণফাঁদে। বিপন্ন হয়ে পড়ছে তাদের জীবন। প্রায় অনতিক্রম্য এ ফাঁদকে রাষ্ট্র-কর্তৃপক্ষ. সমাজ ও পরিবারের পক্ষেও উৎখাত করা যেখানে কঠিন চ্যালেঞ্জ. সেখানে সাহসী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তরুণী ইথা এগিয়ে আসে। বলতে গেলে ইথা সম্মুখসমরে অবতীর্ণ হয়। এই প্রতিজ্ঞা-প্রজ্বালিত ইথা মোহিত কামালের সৃষ্ট চরিত্র। জিনাত আরা ইথার মা। এই মা এমন এক ‘মা’. যিনি মোহিত কামালের তুলিতে মায়ের অধিক এক মা হিসেবে চিত্রিত হয়েছেন। পাঠকেরা ইথার সাফল্যে অন্ধগহ্বরে ডুবতে থাকা সমাজকে সংস্কারের দিশা পায়। অল্প কথায় উল্লেখ করা যায়. মোহিত কামালের আরও আরও সমধর্মী উপন্যাসের কথা—সুস্মিতার বাড়ি ফেরা. বিষাদনদী. উড়ালমন. না. মন ইত্যাদি। পাঠক পেয়ে যায় ঊর্মি. সুস্মিতা. রুবা. মিথিলাদের। তাদের জীবন থেকে সমাজের. ব্যক্তির ও সমাজ-গবেষকের পাঠ নিতে হবে। চিরকালের হিংসা. অভিলাষ. জিঘাংসা ও পাশববৃত্তির সঙ্গে মিশে গেছে সতর্ক সাইবার ক্রাইম। সমাজ বদলে যায়. চিরকালের চরিত্রও বদলে যায়. আধুনিক কালের প্রযুক্তিঋদ্ধ আত্মবিধ্বংসী চরিত্ররা উঠে আসে সাহিত্যে। শিল্পরূপ সফল না হলে যা সাহিত্য পদবাচ্য না-ও হতে পারে. যে শিল্পরূপ কথাশিল্পীর আরাধ্য. মোহিত কামালের চরিত্ররা মানবিক গুণাবলি পরিস্ফুটনের সফল বাহন হয়েছে। এ কথাকারের সৃষ্টিসম্ভার কম নয়. তাঁর অপরিসীম শ্রমের ফসল আমাদের পথ দেখায়। মরুঝড়: তিনি কেবলই স্বদেশ-স্বসমাজের মানুষের মনোজাগতিক ক্ষতাক্রান্ত চরিত্রাবলিরই লিপিকার নন. তাঁর মরুঝড় উপন্যাসটিতে তা লক্ষ করা যায়। এই মরুঝড় কেবল মরুভূমির দেশের বৃত্তেই সীমাবদ্ধ নয়. এর বিস্তার ঘটেছে সজল বাংলাদেশের মানুষের মনোভূমিতেও। সংকট আর সন্দেহের ঝড় বয়ে চলেছে মনের গহন প্রান্তেও। প্রাকৃতিক জলোচ্ছ্বাসের মতোই ঘরে ঘরে. পরিবারে তথা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে এই ঝড় লন্ডভন্ড করে দেয় সজল দেশের জীবন্ত চরিত্রের মন-প্রকৃতি ও মনোভুবন। স্বদেশে রেখে যাওয়া স্বজনদের জন্য মরু-শ্রমিকের বুকের প্রান্তরে জীবন্ত-বাস্তব মরুঝড় যেন-বা বিরহিনী কিশোরী বধূ নামক প্রদীপ শিখাটি নিভে যায়-যায়। স্বামীর অনুপস্থিতিতে শাশুড়ির সঙ্গে দ্বন্দ্ব একালের এ ‘গৃহদাহ’-এই পরিবর্তমান নতুন সমাজের নতুন দ্বন্দ্ব. নতুন বৈশ্বিক বাস্তবতা আজকের কথাসাহিত্যেরও নতুন প্রপঞ্চ। সুস্মিতার বাড়ি ফেরা: চলমান সামাজিক সমস্যাকে লেখক আলোকপাত করেছেন এ উপন্যাসে। নিকট অতীতের অ্যাসিড-সন্ত্রাস যেমন সমাজ মেনে নেয়নি। আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তার লাগাম টেনে ধরতে পেরেছে। অথচ এখন চলছে সাইবার ক্রাইম। এ ক্ষেত্রে এই প্রজন্মের তরুণেরাই সিদ্ধহস্ত। তরুণদের একটি ক্ষুদ্রাংশ এই প্রযুক্তির অপব্যবহারে তৎপর হওয়ায় সামাজিক সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। ধ্বংসের মুখে পড়ছে আক্রান্ত পরিবার। এই অনতিক্রম্য সামাজিক সংকট থেকে মুক্তির নিশানা এঁকেছেন মোহিত কামাল। সাহিত্য সর্বদাই অগ্রগামী চেতনার স্রষ্টা. অপরাধীকে শনাক্ত করার বিশ্লেষণী মাধ্যম। সমাজের মানবিক উত্তরণের পথিকৃৎ মোহিত তাঁর শিল্পচেতনাকে ক্ষুণ্ন করে সাহিত্যকর্ম করেননি. হয়তোবা শিল্পরূপ সৃষ্টির সাধনাকে ছাড়িয়ে সামাজিক সংকট উত্তরণের মাধ্যমও হয়ে উঠতে চেয়েছে তাঁর সাহিত্য। নিশ্চয়ই আমরা তাঁর এই সৃষ্টিপ্রবণতাকে স্বাগত জানাই। লেখক নিজেই আমাদের জানিয়েছেন ‘এ বইটি সমসাময়িক. সাইকোসোশ্যাল প্যাথলজি. মাদক. সন্ত্রাস. সাইবার ক্রাইম. এখনকার ছেলেরা যেসব ফেস করছে. এসব নিয়ে লেখা।...আমি সব সময় কিন্তু সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে লিখছি।’ এ উপন্যাসের কাহিনিতে রাজিব ও সুস্মিতার বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল। হবু স্বামী কৌশলে সুস্মিতার কিছু স্থির ছবি ধারণ করে। ফটোশপের মাধ্যমে সুস্মিতার ছবিগুলোকে অশ্লীল পর্নোস্টারের ছবির মতো তৈরি করে পরিবারকে ব্ল্যাকমেল করে। এ রকম এক ঘটনা একটি সমাজকেই ব্ল্যাকমেল করার শামিল। তবে এ উপন্যাসে লেখক একজন সুস্মিতার স্রষ্টা—বাস্তব সমাজজীবনের একজন সুস্মিতাই মানবিক-উত্তরণের নেতৃত্ব দিতে পারে। পথভ্রষ্ট ঘূর্ণির কৃষ্ণগহ্বর উপন্যাসের প্রেক্ষাপট বিস্তৃত হয়েছে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত। এ কয়টা উপন্যাস নিশ্চয় ব্যতিক্রমধর্মী এক প্রণিধানযোগ্য আর্থসামাজিক আন্তর্জাতিক পটভূমে প্রণীত উপন্যাসের পাঠ; যা বিদ্বৎসমাজের নজর কেড়েছে। এই বিস্তীর্ণ নীলজলধির মাঝে দ্বীপ-দীপান্তরের বৃক্ষশোভিত নদ–নদী-সমুদ্রবেষ্টিত ভূমিগুলোতে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক মানব-মানবীর ভেতর থেকে লেখক তাঁর কলমে এঁকেছেন ঈপ্সিত চরিত্রটি। ‘ব্ল্যাকহোল’-এর মতো ব্যক্তি ও সমাজজীবনকে গ্রাস করে. সমাজজীবনেও মানুষের এমনতর মানবেতর অবস্থা লেখক মোহিত কামালকে গভীরভাবে বেদনায়িত করেছে. যে বেদনা-উৎসব থেকেই রচিত হয়েছে এই দীর্ঘ পটভূমির উপন্যাস। লেখক এভাবে দেশ-কালের সীমানা পেরিয়ে এক আন্তর্জাতিক সাহিত্যভুবন রচনা করেন। আমরা লক্ষ করতে পারি. চেনা বন্ধু অচেনা পথ (২০১১)-এর প্রেক্ষাপট ভার্চ্যুয়াল ওয়ার্ল্ড-ফেসবুক। ঘর (২০১১). অহনা (২০১২). পাথর পরান (২০১৩) আবর্তিত হয়েছে পারিবারিক. সামাজিক ও দাম্পত্য সম্পর্ককেন্দ্রিক কাহিনিমালায়। এসব উপন্যাসের প্রাণরসায়নের উপাদান মনস্তত্ত্ব। সব মিলিয়ে বলা যায়. মনস্ত্বাত্তিক উপাদানের মিশেলে প্রতিনিয়ত এক নতুন ধরনের উপন্যাসের রচয়িতা মোহিত কামাল। ২ জানুয়ারি ছিল এই লেখকের ৬০তম জন্মদিন। তাঁর মঙ্গল কামনা করি।,1573162 2019-01-04,অজান্তে অমিত রায়ের স্থানে নিজেকে ভেবেছি,,,,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573160/%E0%A6%85%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF,onnoalo,print,1,অন্য আলো,জামিলুর রেজা চৌধুরী। জাতীয় অধ্যাপক ও এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। শিল্প–সাহিত্যের নানা বিষয়ে আগ্রহ আছে তাঁর। তিনি একজন নিমগ্ন পাঠক. চলচ্চিত্র দেখেন নিয়মিত। তিনি লিখেছেন তাঁর প্রিয় ৫ বিষয়ে। জামিলুর রেজা চৌধুরী। জাতীয় অধ্যাপক ও এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। শিল্প–সাহিত্যের নানা বিষয়ে আগ্রহ আছে তাঁর। তিনি একজন নিমগ্ন পাঠক. চলচ্চিত্র দেখেন নিয়মিত। তিনি লিখেছেন তাঁর প্রিয় ৫ বিষয়ে। ১. প্রিয় বই ‘শেষের কবিতা’ পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম প্রিয় বই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষের কবিতা। সম্ভবত ১৯৫৯-৬০ সালের দিকে বইটি আমি প্রথমবার পড়েছিলাম। তখন আমি বুয়েটে থাকতাম. বয়স ১৬-১৭ বছর। তখন অমিত রায় চরিত্রটি—তার বিলেত থেকে ফিরে আসা. স্যুট পরা. লাবণ্যর সঙ্গে দেখা হওয়া—এই সব বিষয় মনে রোমাঞ্চ সৃষ্টি করেছিল। হয়তো অজান্তে অমিত রায়ের স্থানে নিজেকে ভেবেছি। আমি বেশ কয়েকবার শিলং গিয়েছি। আজও সেখানে গেলে এই উপন্যাসের প্লট এবং চরিত্রগুলো জীবন্ত হয়ে ভেসে ওঠে আমার চোখে। সাহিত্য নিয়ে তুলনামূক বিবেচনায় আমি যাব না। তবে একজন পাঠক হিসেবে বলব. সেই সদ্য কৈশরোত্তীর্ণ বয়সে শেষের কবিতা পড়ে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। ২. প্রিয় চরিত্র ইন্দ্রনাথ খুবই সাহসী একটি চরিত্র শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত উপন্যাসের ইন্দ্রনাথ আমার প্রিয় চরিত্র। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শ্রীকান্তকে ছাপিয়ে ইন্দ্রনাথ চরিত্রটি প্রিয় হওয়ার কারণ সম্ভবত এই যে ইন্দ্রনাথ খুবই সাহসী একটি চরিত্র। ১৯৫৩ সালের কথ। আমাদের বাংলা শিক্ষক শ্রীকান্ত উপন্যাসের কিছু অংশ ক্লাসে পাঠ করে শোনাতেন আমাদের। আর এ কথাও বলতে হবে. শ্রীকান্তু আমার জীবনের প্রথম উপন্যাস. যেটি আমার পাঠ করার সুযোগ হয়েছিল। সেই কিশোর বয়সে—তখন আমি সপ্তম শ্রেণিতে পড়ি—মনে আছে. উপন্যাসের ইন্দ্রনাথ চরিত্রটি মনে গভীর দাগ কেটেছিল। সে সময় ইন্দ্রনাথের সাহসী কার্যকলাপ আমার মনে গভীরভাবে রেখাপাত করেছিল বলেই হয়তো পরিণত বয়সে এসেও ইন্দ্রনাথকে আমি ভুলিনি। ৩. প্রিয় গান মৃত্যুর পরেও ভালো কাজের জন্য সবাই যেন তাকে মনে রাখে আমার প্রিয় গানের তালিকা বেশ দীর্ঘ। এই বয়সে এসে প্রিয় গানের কথা যদি বলতে হয় তো বলব. রবিঠাকুরের ‘যখন পড়বে না মোর পা’য়ের চিহ্ন এই ঘাটে’ গানের কথা। গানটি যদিও দুঃখের. তবু ইদানীং এটিই আমি শুনি। কেন শুনি সে ব্যাখ্যা যদি দিতে হয় তাহলে বলব. মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি এই যে সে চায় যেন মৃত্যুর পরেও ভালো কাজের জন্য সবাই তাকে মনে রাখে। জীবনের গোধূলি লগ্নে মানুষ তাই ফিরে তাকায় নিজের ফেলে আসা জীবনপথে. উঁকি দিয়ে দেখতে চায় যাপিত জীবনের অলি-গলিতে। ভাবে অজস্র প্রাণের আসা-যাওয়ার এই ঘাটে যখন তার পায়ের চিহ্ন আর পড়বে না. তখন কি সে বিস্মৃত হবে. নাকি মানুষ তাকে মনে রাখবে? ৪. প্রিয় চলচ্চিত্র কাজল আছে বলেই অপর্ণা নেই আমার প্রিয় চলচ্চিত্র সত্যজিৎ রায়ের অপুর সংসার। ছবিটি দেখেছিলাম সম্ভবত ১৯৬১-৬২ সালে। সম্ভবত ইন্ডিয়ান ইনফরমেশন সার্ভিসে ছবিটি প্রথমবার দেখেছিলাম আমি। ছবিটি আমার মনে দাগ কেটেছিল গভীরভাবে। বিশেষভাবে এখানে বলব অপু চরিত্রটির কথা। যখন ছবিটি দেখি. আমার বয়স ছিল ১৮-১৯ বছর। এই ছবির একটি সংলাপ মনে ভীষণভাবে দাগ কেটেছিল এবং আমার ধারণা. ওই সময় বা এখনো এই সংলাপ দর্শকের মনে দাগ কাটবে। সংলাপটি ছিল: ‘কাজল আছে বলেই অপর্ণা নেই।’ শুধু সংলাপটি শুনে এর গুরুত্ব বা মর্মান্তিকতা উপলব্ধি করা যাবে না. ছবিটি দেখতে হবে. অপুর সংসার দেখতে হবে। ৫. প্রিয় শখ এক ম্যাচে দশ উইকেট নিয়েছি আমার প্রিয় শখ খেলাধুলা। ছাত্রজীবনে বুয়েটে আমি শ্রেণিকক্ষে যতটা সময় দিয়েছি. খেলাধুলায় বোধ হয় তার সমান সময় দিয়েছি। স্কুলজীবনে ফুটবল খেলেছি। মনে আছে. যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তাম. একবার স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাই। কিন্তু স্কুলের পরে আর ফুটবল তেমন একটা খেলা হয়নি। তবে আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট। দীর্ঘদিন ক্রিকেট খেলেছি আমি। শিক্ষক হিসেবেও খেলেছি। ক্রিকেটে আমার একটি আন-অফিশিয়াল রেকর্ড আছে—এক ম্যাচে আমি দশ উইকেট নিয়েছিলাম। লেফট আর্ম স্পিন করতাম আমি। এখনকার অনেক ক্রীড়া সাংবাদিক আছেন. যাঁরা আমার বোলিং সম্বন্ধে জানেন।,1573160 2019-01-04,ভাড়াটের কষ্ট,রস রচনা,আদনান মুকিত,৬,https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573157/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F,onnoalo,print,2,অন্য আলো,আপনি চাইলে ঢাকা শহরের বাড়িওয়ালাদের তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করতে পারবেন। ১. কড়া বাড়িওয়ালা: যাঁরা ঠিক রাত ১১টায় বাড়ির গেট বন্ধ করে দেন। ২. মোটামুটি কড়া বাড়িওয়ালা: তাঁরা বাড়ির গেট বন্ধ করেন ঠিক রাত সাড়ে ১১টায়। ৩. হালকা কড়া বাড়িওয়ালা: এই শ্রেণির বাড়িওয়ালারা গেট বন্ধ করেন রাত ১২টায়। এই তিন শ্রেণির বাইরেও কেউ কেউ আছেন. তবে তাঁরা বাড়িওয়ালা নন। আপনার–আমার মতোই সাধারণ মানুষ। আপনি হয়তো এই শ্রেণিবিভাগের কথা শুনে ভ্রু কুঁচকাচ্ছেন (আর যদি বাড়িওয়ালা হয়ে থাকেন. তাহলে নিশ্চয়ই এতক্ষণে ‘কী সব লেখে’ বলে পত্রিকা গুটিয়ে ফেলেছেন)। আসলে কুঁচকানো ছাড়া ভ্রু দুটির তেমন কোনো কাজ নেই। অনেকে পুরো মাথা ন্যাড়া করে ফেলে. কিন্তু রেখে দেয় ভ্রু দুটি। ভ্রু ছাড়া বিরক্তি প্রকাশ করবে কী করে? আমরা যারা ভাড়া থাকি. সাধারণত তাদের প্রতি ভ্রু কুঁচকে তাকান দুজন। বাড়ির দারোয়ান ও স্বয়ং বাড়িওয়ালা। নিম্নলিখিত কারণে দারোয়ানের কুঁচকানো ভ্রু দেখার সৌভাগ্য অর্জন করবেন আপনি— খুব সকালে বাড়ি থেকে বের হলে। কোনো কারণে ভারী মেইন গেটটা খুলতে হলে (যেমন আপনি ফ্রিজ বা আলমারি কিনে এনেছেন. গেট খুলতে হবে। দারোয়ানকে খুঁজেই পাবেন না। আর পেলেও ‘চাবি লইয়া আইতাসি’ বলে কোথায় যেন হারিয়ে যাবেন তিনি)। আপনার কোনো অতিথি এলে (এসব ক্ষেত্রে অতিথি যখন আপনার নাম বলেন. তখন না চেনার ভান করেন দারোয়ান)। সেই অতিথি চলে যাওয়ার সময়। এবং রাতে নির্ধারিত সময়ের পর বাড়িতে এলে। সবগুলো বিরক্তি প্রকাশই নিশ্চয়ই যৌক্তিক। নইলে আমরা এত দিন ধরে মেনে নিচ্ছি কেন (নিচ্ছি কারণ আমরা ভাড়াটে)? বিস্ময়কর হলো. নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট পর এলেই আপনি খেয়াল করবেন. দারোয়ান ঘুমিয়ে গেছেন। যেন গেট বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখও বন্ধ হয়ে যায় তাঁদের। শুধু আমি না. চোরও দুবার এসে আমার বারান্দা থেকে কাপড়চোপড় চুরি করে নিয়ে গেছে। কিন্তু দারোয়ানের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যেতে পারেনি. কারণ তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। পরদিন সকালে ভ্রু কুঁচকে দারোয়ান বলেছিলেন. ‘কাপড়চোপড় রাইতে ঘরে ঢুকায় রাখবেন না? দিনকাল খারাপ!’ বাড়িওয়ালার ভ্রু কুঁচকানোর কথা আলাদা করে বলা কঠিন। সবকিছুতেই ভ্রু কুঁচকানোর বিস্ময়কর ক্ষমতা তাঁদের। ব্যাচেলর. বিবাহিত. তরুণ. কিশোর যা-ই হন. বাড়িওয়ালা শুধু ভ্রু কুঁচকে তাকাবেন। আপনি আমার কথাটা উড়িয়ে দিচ্ছেন তো? একটা উদাহরণ দিলে ঠিকই একমত হবেন আশা করি। একবার গুনগুন করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে নামছিলাম। বাড়িওয়ালার সঙ্গে দেখা। ভদ্রলোক ভ্রু কুঁচকে বললেন. ‘কোথায় যাচ্ছেন?’ ‘এই একটু হাঁটাহাঁটি করে আসি।’ ‘যান। হাঁটাহাঁটি করা খুব ভালো। তবে. কোনো কমপ্লেন যেন না আসে।...আপনার ভাড়াটে আমার বাসার সামনে হাঁটাহাঁটি করে—এই টাইপ আরকি।’ ‘না না। কী বলেন!’ ‘গুড। আর সিঁড়ি দিয়ে একটু আস্তে ওঠা–নামা করবেন। এমনভাবে হাঁটবেন. যেন শব্দ না হয়। অনেকে বিরক্ত হতে পারে. তাই না? অন্যভাবে নেবেন না. আপনি ছোট ভাইয়ের মতো. তাই বললাম।’ ‘জি. ঠিক আছে।’ সিঁড়িতে নতুন টাইলস বসিয়েছেন. সে জন্য বোধ হয় এই চিন্তা। মানুষের প্রতি মায়া থাক না থাক. টাইলসের প্রতি তো আছে। সেটাইবা কজনের থাকে? সেদিন থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিঃশব্দে ওঠা–নামার অনুশীলন শুরু করলাম। কঠিন কিছু তো না। তা ছাড়া সিঁড়িতে কারও পায়ের শব্দ শুনলে আমারও বিরক্ত লাগে। তো নিঃশব্দে সিঁড়ি দিয়ে নামছি. হঠাৎ আবার দেখা বাড়িওয়ালার সঙ্গে। দেখামাত্র ভ্রু কুঁচকে তাকালেন আমার দিকে। কিন্তু কিছুই বললেন না। পরদিন মা ডেকে বললেন. ‘কিরে. তুই নাকি পা টিপে টিপে সন্দেহজনকভাবে সিঁড়ি দিয়ে নামছিলি? ব্যাপার কী? কী করেছিস? তোদের জন্য তো সমাজে মুখ দেখানো যাবে না!’ এই হলো ব্যাপার। মাসের প্রথম সপ্তাহটা ছাড়া বাকি সব দিনই ভ্রু কুঁচকে থাকে বাড়িওয়ালাদের। কারণ. প্রথম সপ্তাহেই ভাড়াটা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের হাতে তুলে দিই আমরা। বাড়িওয়ালারা সাধারণ মানুষ নন। ঢাকা শহরের মতো একটা জায়গায় যাঁর পাঁচ–দশতলা বাড়ি. তাঁকে সাধারণের কাতারে ফেলব—এত সাহস আমার নেই। সাধারণ মানুষ হলে গেট বন্ধ করা নিয়ে আরেকটু চিন্তাভাবনা তাঁরা করতেন নিশ্চয়ই। যে শহরে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না মতিঝিল থেকে মোহাম্মদপুর যেতে কতক্ষণ লাগবে. সেখানে রাত ১১টায় বাড়ির দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিতে কঠোর হওয়া লাগে। শুধু তালা নয়. অনেকে তো সাইনবোর্ডও ঝুলিয়ে দেন বাড়ির দরজায়. ‘রাত ১১টার পর থেকে গেট বন্ধ—আদেশক্রমে বাড়িওয়ালা।’ ধরুন. গভীর রাতে ভূমিকম্প হলো. দ্রুত বাড়ি থেকে বের হতে হবে. তাই না? কিন্তু পারবেন না। গেট তো বন্ধ। ভূমিকম্প হলে প্রথমে যেতে হবে বাড়িওয়ালার কাছে (সাধারণত তাঁরা ভূমিকম্প টের পান না. দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন তো. ঘুম হয় গাঢ়)। চাবি খুঁজে সবাইকে নিয়ে তিনি যখন গেট খুলবেন. ততক্ষণে ভূমিকম্প শেষ. ভাগ্য খারাপ থাকলে আপনিও। আমার ধারণা. ঢাকার বাসায় ভাড়া থাকলে কবির সুমন গাইতেন. ‘কতটা কঠোর হলে তারে বাড়িওয়ালা বলা যায়...।’ শহরে এমন অসংখ্য দুর্ভাগা আছেন. যাঁরা সপ্তাহে অন্তত তিন দিন অফিস থেকে ৯টা–১০টার আগে বেরোতে পারেন না। অনেকের বাসা থেকে অফিসের দূরত্ব বস থেকে কর্মচারীর দূরত্বের সমানুপাতিক। তার মধ্যে অফিস থেকে বেরিয়ে কতক্ষণ পর বাহন পাবেন. তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই অবস্থায় প্রতিটি ভাড়াটে চাকরিজীবীর মাথায় একটা ভয়ংকর চাপ. ‘গেট লাগায় দিবে ভাই।’ কদিন আগে পাঠাও বাইকে করে বাড়ি ফিরছি। রাত পৌনে ১১টা. তবু ভয়ংকর জ্যাম। রাইডার করুণ মুখে বললেন. ‘ভাই. কিছু মনে না করলে আপনি আরেকটা বাইকে চলে যাবেন? আমাকে টাকা দেওয়া লাগবে না। বাসার গেট আটকায় দিবে সাড়ে ১১টায়। আমি পৌঁছাতে পারব না ভাই. প্লিজ।’ তাঁর কষ্টটা বুঝে ওই জ্যামের মধ্যেই নেমে গেলাম। ভদ্রলোক গেট খোলা পেয়েছিলেন কি না. জানি না. তবে আমি পাইনি। ফোন করে বাড়িওয়ালার কাঁচা ঘুম ভাঙিয়ে ভেতরে ঢুকেছিলাম। তালা খুলে ‘ওয়ার্নিং’ দিতে ভুলে যাননি তিনি। তবু আমি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ. কারণ আমি ভাড়াটে। তিনি এসে তালা খুলে না দিলে রাস্তায় বসে ‘ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে’ ধরনের গান গাওয়া ছাড়া কীই–বা করতাম আমি? তবে একটা ব্যতিক্রমী ঘটনাও ঘটেছিল কদিন আগে। সে রাতেও আমি দেরি করে ফেলেছি। বাস থেকে নেমেই ছুটছিলাম বাড়ির দিকে। এলাকার মার্কেটটা পেরোতেই শুনি পাশের কলাপসিবল গেটে ধাক্কা দিচ্ছে কে যেন। গিয়ে দেখি সেই চেনা মুখ! আমাদের বাড়িওয়ালা! ব্যস্ত ভঙ্গিতে কাকে যেন ফোন দিচ্ছেন বারবার। এই মার্কেটের শেষ মাথায় কিসের যেন একটা অফিস আছে তাঁর। চিন্তিত মুখে তিনি বললেন. ‘দেখো তো. পাশের দোকানটা খোলা আছে না? ওখানে জলিল নামে একজন আছে। ওকে একটু ডাকো।’ ‘কোনো সমস্যা হয়েছে?’ ‘না. মানে অফিসে কাজের মধ্যে ছিলাম. ওরা ভেবেছে আমি চলে গেছি। গাধাটা গেটে তালা দিয়ে দিয়েছে।’ আরেকটি ছুটির ঘণ্টা কেস। পাশের দোকানে গিয়ে দেখি এক বৃদ্ধ শাটার নামাচ্ছেন। জলিল কোথায় জিজ্ঞেস করতেই বললেন. ‘হ্যায় তো গেসেগা।’ দ্রুত বাড়িওয়ালাকে জানালাম সে কথা. ‘আংকেল. জলিল তো নাই।’ ‘নাই মানে?’ চমকে উঠলেন বাড়িওয়ালা। ‘দোকানের বৃদ্ধ আংকেল বলল. উনি চলে গেছেন।’ বাড়িওয়ালার মুখে উদ্বেগের ছাপ. ‘ওই বুড়াকে আমার কথা বলো। বলো যে আমি মানে মকবুল সাহেব (বাড়িওয়ালার নাম) বের হবেন। চাবিটা নিয়ে আসতে।’ ‘জি’ বলেই আমি আবার গেলাম সেই দোকানে। বৃদ্ধকে বললাম। বৃদ্ধ আরও বিরক্ত হয়ে বলল. ‘জলিল তো চাবি দিয়া যায় নাই।’ ‘হায় হায়! এ তো “চাবি মাইরা দিসে ছাইড়া” টাইপ অবস্থা!’ আবার কলাপসিবল গেটের কাছে ছুটে গিয়ে দেখি অস্থির ভঙ্গিতে পায়চারী করছেন বাড়িওয়ালা। বললাম. ‘আংকেল. জলিল ভাই তো চাবি নিয়ে চলে গেছেন।’ বাড়িওয়ালা অসহায় হয়ে বললেন. ‘হায় হায়! কী বলো! বের হব কী করে? ছাগলটা তো ফোনও ধরছে না।’ একটু পর পাশের দোকানের বৃদ্ধ এসে বললেন. ‘কলা–রুটি কিছু দিয়া যামু. স্যার? সারা রাইত না খাইয়া থাকবেন কেমনে?’ বাড়িওয়ালা ধমকে বিদায় করে দিলেন বৃদ্ধকে। আমিও চলে যাচ্ছিলাম. ভদ্রলোক বললেন. ‘ইয়ে. তুমি একটু থাকো না. মানে জলিলের বাসা তো কাছেই। ও চলে আসবে।’ ‘কিন্তু আংকেল. সাড়ে ১১টা তো বেজে গেছে. গেট তো বন্ধ হয়ে যাবে।’ ‘আরে না না। আমি ফোন করে দিয়েছি তো। কোনো সমস্যা হবে না। আর ইয়াংম্যান. এখনই তো রাত করে বাসায় ফেরার বয়স...ইয়ে. তুমি একটু জলিলের নম্বরে কল দেবে? আমারটা ধরছে না।’ আমি খুব চাচ্ছিলাম চলে যেতে। তালা–চাবির চক্করে পড়লে কেমন লাগে. তা বুঝুক বাড়িওয়ালা। কিন্তু তবু আমি বাড়িওয়ালাকে ছেড়ে গেলাম না। কারণ ওই যে. আমি তো ভাড়াটে।,1573157 2019-01-04,সরকারে না বিরোধী দলে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত চায় জাতীয় পার্টি,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573146/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় পার্টি|এরশাদ|শেখ হাসিনা,• এবার জাপা থেকে ২২ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন • গতকাল বৃহস্পতিবার শপথ নেন জাপার সাংসদেরা• অসুস্থতার কারণে এরশাদ শপথ নিতে পারেননি • শপথের পর জাপার সাংসদেরা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন• জাপার সংসদীয় দলের সভায় এরশাদ ছিলেন না• বৈঠকে সরকারে থাকা না-থাকা নিয়ে হট্টগোল হয় • এবার জাপা থেকে ২২ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন • গতকাল বৃহস্পতিবার শপথ নেন জাপার সাংসদেরা• অসুস্থতার কারণে এরশাদ শপথ নিতে পারেননি • শপথের পর জাপার সাংসদেরা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন• জাপার সংসদীয় দলের সভায় এরশাদ ছিলেন না• বৈঠকে সরকারে থাকা না-থাকা নিয়ে হট্টগোল হয় সরকারের অংশীদার হবে. না বিরোধী দলের ভূমিকা নেবে জাতীয় পার্টি (জাপা)—এ নিয়ে সিদ্ধান্তহীন দলের নেতারা। জাপার জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ চান দল এবার বিরোধী দলের ভূমিকা নেবে। তবে দলের নবনির্বাচিত সাংসদদের বেশির ভাগই সরকারের সঙ্গে থাকতে চান। এ অবস্থায় বিষয়টি মীমাংসার জন্য মহাজোটের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ চেয়েছেন দলের নেতারা। তাঁর সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন জাপা নেতারা। গতকাল বৃহস্পতিবার শপথ নেওয়ার পর সংসদ ভবনে জাপার সাংসদেরা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন। এবার দলটি থেকে ২২ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ শপথ নিতে পারেননি। ফলে সংসদীয় দলের সভায় তিনি ছিলেন না। সংসদীয় দলের বৈঠকে উপস্থিত থাকা জাপার একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে জানায়. সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সরকারে থাকা না–থাকা নিয়ে হট্টগোল হয়। রওশন এরশাদ বলেন. যাঁরা আগে মন্ত্রী ছিলেন তাঁরা দলের জন্য খুব একটা উপকারে আসেননি। তাই এবার সরকারে না থাকাই ভালো। একপর্যায়ে নবনির্বাচিত সাংসদ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন. ‘আমরা যদি দলের জন্য কোনো কাজ না করে থাকি তাহলে আমাদের দল থেকে বের করে দেন।’ দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদের মনোভাবও সরকারের না থাকার পক্ষেই বলে জানান জাপার একটি সূত্র। গতকালের বৈঠকে তিনি বলেছেন. সরকারে যদি থাকতে হয় তাহলে সবাই থাকব. মাত্র কয়েকজন থাকবে না। তাঁর এই বক্তব্যের জবাবে মুজিবুল হক বলেন. ‘দলে আপনার অবদান কী?’ পরে অন্য সাংসদেরা বলেন. মহাজোটের অংশীদার হিসেবে সরকারে থাকতে চান তাঁরা। নির্বাচনের সময় এলাকায় জনগণের কাছে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাওয়া হয়েছে। মহাজোটে থাকলে সরকারের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা যাবে। জাপার একটি সূত্র জানায়. বৈঠকের শেষ দিকে রওশন এরশাদ বলেন. অধিকাংশ সংসদ সদস্য সরকারে থাকতে চান। তাই জাপা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারে থাকার। বাকিটা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। বৈঠক শেষ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাপার কো–চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন. ‘কে বিরোধী দলে হবে. সেটা সরকার দেখবে। প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সময় চেয়েছি আমরা।’ ১ জানুয়ারি রাতে এরশাদ ‘জাতীয় পার্টির জন্য ভবিষ্যৎ নির্দেশনা’ শিরোনামে সাংবাদিকদের কাছে এক বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে জানান. তাঁর অবর্তমানে দলের দায়িত্ব নেবেন জি এম কাদের। সরকারে থাকা না–থাকা নিয়ে নির্বাচনের পর থেকেই জাপার উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। গত মঙ্গলবার দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সদ্য নির্বাচিত সাংসদদের নিয়ে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তখন সাংবাদিকদের দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছিলেন. ‘শপথ নেওয়ার পর জাপার পার্লামেন্টারি কমিটি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’ দশম সংসদে জাপার তিন সাংসদকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী করা হয়। এর বাইরে এরশাদকে পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্ব দেওয়া হয়। রওশন এরশাদকে করা হয় বিরোধী দলের নেতা। হুইলচেয়ারে আসতে চাননি এরশাদগতকাল সকালে এরশাদ ছাড়া দলের ২১ জন সাংসদ শপথ নেন। তখন সাংবাদিকদের জাপার নেতারা বলেছিলেন. অসুস্থতার কারণে এরশাদ বিকেলে স্পিকারের কক্ষে শপথ নেবেন। কিন্তু বিকেলে জানানো হয়. তিনি শপথ নিচ্ছেন না। এ প্রসঙ্গে জি এম কাদের সাংবাদিকদের বলেন. ‘তিন–চার দিনের মধ্যে তাঁর (এরশাদ) শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। তা না হলে বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই শপথ নেবেন পার্টির চেয়ারম্যান।’ জাপা সূত্র জানায়. সংসদ সচিবালয় থেকে গতকাল সকালে এরশাদের শপথ নেওয়ার বিষয়ে রওশন এরশাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়। তখন তিনি বলেছিলেন. আজ (গতকাল) শপথ নিতে আসতে হলে তাঁকে (এরশাদ) হুইলচেয়ারে আসতে হবে। এটি দল ও দেশবাসীর কাছে নেতিবাচক বার্তা দেবে। গত ১০ ডিসেম্বর চিকিৎসার জন্য এরশাদ সিঙ্গাপুরে যান. ফেরেন ২৬ ডিসেম্বর। এরপর থেকে তিনি বারিধারার বাসভবনে অবস্থান করছেন। অসুস্থতার কারণে নিজের নির্বাচনী এলাকা রংপুর-৩ আসনে ভোট দিতে যাননি তিনি। দেশে ফেরার পর পরদিন বাসায় একবার সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন তিনি।,1573146 2019-01-04,মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা লোপাট,ঘটনার দ্রুত তদন্ত হোক,,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573143/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F,opinion,print,2,সম্পাদকীয়:,অল্প কিছুদিন আগেই খবর বেরিয়েছিল সারা দেশে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের বসবাসের জন্য যে পাকা ভবন বানিয়ে দেওয়া হয়েছে. তাতে বছর না ঘুরতেই ফাটল দেখা দিয়েছে। ‘বীর নিবাস’ নামের একতলা ওই বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে। কিন্তু সেই বাড়ির ছাদ কখন তাঁদের মাথায় ভেঙে পড়বে. সেই আতঙ্কে আছেন তাঁরা। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দ করা সুযোগ-সুবিধায় স্বার্থান্বেষীদের কালো থাবার খবর একের পর এক প্রকাশিত হচ্ছে। বীর নিবাসের ফাটলের মতো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মূল্যবোধেও যে ফাটল ধরেছে. বরিশালের মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা তছরুপ করার মধ্য দিয়ে তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে. বরিশালের ৬ হাজার ৪৫৬ জন মুক্তিযোদ্ধার জন্য বরাদ্দ করা ভাতা থেকে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে ভাতা পেতেন। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের জন্য প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার নামে ব্যাংক হিসাবে ১৫ হাজার টাকা করে জমা হওয়ার কথা। কিন্তু জমা হয় ১০ হাজার টাকা করে। বাকি পাঁচ হাজার টাকার কোনো হদিস নেই। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বলছে. তারা এই টাকা ছাড় করেছে। মুক্তিযোদ্ধারা বলেছেন. তাঁদের হাতে টাকা আসেনি। আর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বলছে. তারা ‘খোঁজ’ নিয়ে দেখবে। ইতিমধ্যে বরিশালে চারজন জেলা প্রশাসক বদলি হয়েছেন। তাই এই টাকা কোথায় গেল. তার উত্তর পাওয়া এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার মতো একটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে এ ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করা মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধের সঙ্গে তামাশা করারই নামান্তর। এ বিষয়টিকে আর দশটি আর্থিক অনিয়মের মতো করে দেখার সুযোগ নেই। যে সূর্যসন্তানেরা এ দেশের স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ব এনে দিয়েছেন. তঁাদের সেই ঋণ ভাতা বা কোনো বস্তুগত সম্মাননা দিয়ে শোধ করা সম্ভব নয়। তবু যাঁরা অসচ্ছল এবং জীবনসায়াহ্নে এসেছে দারিদ্র্যে ধুঁকছেন. তাঁদের জন্য কিছু করতে পারার মধ্য দিয়েই জাতি গর্ব করতে পারে। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার যে অর্থ খরচ করে. তা জনগণের পকেট থেকে আসে। এটিকে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা হিসেবে বিবেচনা করা যায়। সেই শ্রদ্ধার জায়গাটি অল্প কিছু মানুষের ক্ষুদ্র স্বার্থের কারণে নষ্ট হবে—সেটি কোনো কাজের কথা না। এ বিষয়টি দ্রুত আমলে নেওয়া দরকার। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে একের পর এক প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চলবে. আর ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষ’ যথারীতি ‘দেখছি’. ‘তদন্ত হচ্ছে’ বলে ঘটনা আড়াল করায় সহায়তা করে যাবে. এটি মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।,1573143 2019-01-04,সাংসদদের শপথ,স্থায়ী কমিটিগুলো যেন কার্যকর হয়,,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573142/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5,opinion,print,2,সম্পাদকীয়:,নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হলো। বিএনপিসহ দেশের প্রায় সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা নির্বাচনের প্রস্তুতিপর্বে যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছিল. নির্বাচনের ফল ঘোষিত হওয়ার পর তা আর থাকল না। কারণ. নতুন সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একচেটিয়া বিজয়ের ফলে দলভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব অত্যন্ত কম। উপরন্তু বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সাংসদেরা শপথ না নেওয়ায় বহুদলীয় প্রতিনিধিত্বমূলক জাতীয় সংসদের আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণই থেকে যাচ্ছে। প্রতিনিধিত্বশীল. কার্যকর ও ফলপ্রসূ সংসদের আকাঙ্ক্ষা ও প্রয়োজনীয়তার কথা বললে আমাদের হতাশার কথাই বলতে হয়। কারণ. এ দেশে এমন সংসদ আমরা খুব কম পেয়েছি। যখন সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল ছিল. তখনো সংসদ বর্জন. বিরোধীদলীয় সাংসদদের কথা বলার সময় মাইক বন্ধ করা. ঘন ঘন ওয়াকআউট ইত্যাদি কারণে সংসদ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেনি। কোনো কোনো সংসদে কোরাম–সংকট দৃষ্টিকটু পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। সদ্য বিগত দশম জাতীয় সংসদও সত্যিকার অর্থে কার্যকর ও ফলপ্রসূ ছিল না। সেটি ছিল কার্যত বিরোধী দলবিহীন এক জাতীয় সংসদ। এবারও জাতীয় পার্টি সরকার গঠনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগ দিলে আমরা জাতীয় সংসদে একই অবস্থার পুনরাবৃত্তি দেখতে যাচ্ছি। এর অর্থ কি এই যে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র বিরোধী দলবিহীন সংসদের যুগে প্রবেশ করেছে? রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত এ বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতার জন্যও এটা খুব জরুরি। জাতীয় সংসদে একটি দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিকাশের ক্ষেত্রে যে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে. সে সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সাংসদদের সংখ্যাগুরু অংশ একই দল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বলে সংসদে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে মতভেদ ও তর্ক-বিতর্ক হতে পারবে না এমন কোনো বাধ্যবাধকতা থাকা উচিত নয়। আমরা মনে করি. সংবিধানের ৭০ ধারা বাতিল করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা উচিত। জাতীয় সংসদের প্রধান দায়িত্ব আইন প্রণয়ন ও সরকারের কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা; একাদশ জাতীয় সংসদে এই দায়িত্বের প্রায় পুরোটাই বর্তাবে সরকারি দলের সাংসদদের ওপর। সাংসদেরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁদের আশা-প্রত্যাশার দিকে দৃষ্টি দেবেন—এটা যেমন স্বাভাবিক প্রত্যাশা. তেমনি জাতীয় স্বার্থে নতুন নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরোনো আইনগুলোর প্রয়োজনমাফিক সংশোধনের কাজে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। আমরা বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করতে চাই সরকারি নীতি-কর্মসূচি ও কর্মসম্পাদনের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংসদের কার্যকর ভূমিকা পালনের ওপর। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমরা জনস্বার্থের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপের ওপর জোর দিতে চাই। জনস্বার্থের অনুকূল নয় এমন নতুন আইন প্রণয়ন করা থেকে বিরত থাকা উচিত। বিদ্যমান যেসব আইন বা কোনো আইনের কোনো ধারা বা বিধানের বিরুদ্ধে প্রবল জনমত রয়েছে. আমরা সেগুলো বাতিল বা সংশোধন করার আহ্বান জানাই। এই আহ্বান সরকারি দলের সাংসদদের প্রতিই। নতুন সংসদের সদস্যদের প্রতি আমাদের আহ্বান. বহুনিন্দিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল বা সংশোধন করার উদ্যোগ নিন। সংসদের অধিবেশনে এটা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হোক। জাতীয় সংসদকে কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার একটি কার্যকর উপায় সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোর অবিরাম কার্যকারিতা নিশ্চিত করা। কার্যত বিরোধী দলহীন জাতীয় সংসদে স্থায়ী কমিটিগুলোই শেষ ভরসার স্থল। দুর্নীতির লাগামহীন বিস্তার রোধ করাসহ গুরুতর জাতীয় সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সরকারের সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোর চাপ অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে। আমরা আশা করব. নতুন সংসদের নজরদারিতে নতুন সরকার দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ ও অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে তৎপর হবে।,1573142 2019-01-04,‘ডিসকাউন্ট’ অফার!,,প্রতিনিধি. ফেনী,১৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573138/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%AE-%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE,bangladesh,print,2,নির্বাচন|ফেনী|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন অন্য রকম হেনস্তার শিকার হয়েছেন ফেনী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল)। বিষয়টি তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন বলে জানান।জয়নাল আবেদীন জানান. গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন দুটি জাতীয় পত্রিকার ভেতরের পাতায় নামীদামি কোম্পানির মুঠোফোনের ওপর ‘ডিসকাউন্ট’ অফার দিয়ে বিজ্ঞাপন ছাপানো হয়। কিন্তু সেই বিজ্ঞাপনে তাঁর বর্তমান ফোন নম্বর এবং আগের একটি নম্বর. যেটি তিনি এখন ব্যবহার করেন না. তা ছাপিয়ে দেওয়া হয়।জয়নাল আবেদীন বলেন. ভোটের দিন সকালে বেশ কয়েকটি অপরিচিত নম্বর থেকে তাঁর কাছে ফোন এলেও তিনি তেমন গুরুত্ব দেননি। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফোন আসার মাত্রা বেড়ে যায়। তিনি বুঝতে পারেন কেউ তাঁকে হেনস্তা করার জন্য এমন কৌশল গ্রহণ করেছে। এই চক্রটি তাঁকে ভোটের দিন ভোট গ্রহণের কার্যক্রম ও নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে দূরে রাখতে চায়।সেই পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে জয়নাল আবেদীনের ছেলে জাবেদ ইকবাল বিবিসি বাংলাকে বলেন. ‘নির্বাচনের দিন ভোরবেলা থেকেই বাবার মোবাইলে অপরিচিত নম্বর থেকে সারাক্ষণ ফোন আসতে থাকে। কলাররা এমন সব ডিসকাউন্টের কথা বলছিল. যার সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই ছিল না। এসব কলের অত্যাচারে আমরা না পারছিলাম নেতা–কর্মীদের কল রিসিভ করতে. না পারছিলাম কাউকে ফোন করতে। পরে একসময় একজন কলারের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলে জানতে পারলাম পুরো ঘটনাটা।’ জাবেদ ইকবাল বলেন. ‘এবারের নির্বাচনে আমরা নানামুখী চাপের মধ্যে ছিলাম। ভোটের সময় প্রতিপক্ষ নানা ধরনের চাল চেলে থেকে। কিন্তু এ ধরনের কৌশলের কথা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি।’ দুটি সেকেন্ডহ্যান্ড মোটরসাইকেলও বিপুল হারে ডিসকাউন্ট দিয়ে বিক্রি করার কথা বিজ্ঞাপনগুলোতে ঘোষণা করা হয়। জয়নাল আবেদীন বলেন. যে পত্রিকায় ওই বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছিল. সে পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার ফোনে জানতে চেয়েও সঠিক কোনো উত্তর পাননি। তিনি এ বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান। তিনি বলেন. পৃথিবীর কোনো দেশে স্থানীয় বা জাতীয় নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে এমন অপকৌশলের নজির আছে বলে তাঁর জানা নেই। তিনি তাঁর প্রায় ৬০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এমন আর দেখেননি বলে জানান। ঘটনাটি তিনি গতকাল অভিযোগ আকারে ঢাকায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাছে জানিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে ফেনী-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী পেয়েছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ৬৬৮ ভোট। আর ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী ধানের শীষের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন এবার পেয়েছেন মাত্র ৫ হাজার ৭৮৪ ভোট।,1573138 2019-01-04,গাইবান্ধা-৩ আসনে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল,,প্রতিনিধি. গাইবান্ধা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573135/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE-%E0%A7%A9-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B2,bangladesh,print,2,গাইবান্ধা|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় পার্টি|নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে পুনঃ ঘোষিত তফসিল অনুয়ায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাইয়ের দিন। যাচাই–বাছাই শেষে ওই দিন তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগ নেতা শাহ মো. ইয়াকুবুল আজাদ. জাতীয় পার্টির নেতা মো. মঞ্জুরুল হক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রিগেডিয়ার (অব.) মাহামুদুল হক। গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল মতিন বলেন. দলীয় মনোনয়ন না থাকা ও ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্র জমা দেওয়ায় তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। গাইবান্ধা–৩ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরী গত ১৯ ডিসেম্বর মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে এ আসনের নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। এ কারণে ৩০ ডিসেম্বর সারা দেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও এখানে হয়নি। নির্বাচন কমিশন ২৩ ডিসেম্বর এ আসনের পুনঃ তফসিল ঘোষণা করে। ঘোষিত পুনঃ তফসিল অনুযায়ী গত বুধবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১০ জানুয়ারি এবং ভোট গ্রহণ ২৭ জানুয়ারি। তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় এখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল আটজনে। প্রথম দফায় তফসিল ঘোষণার পর সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদ ইউনুস আলী সরকার. জাতীয় পার্টির (জাপা) দিলারা খন্দকার শিল্পী. জাসদের এস এম খাদেমুল ইসলাম. এনপিপির মিজানুর রহমান. ইসলামী আন্দোলনের হানিফ দেওয়ান. বাসদের সাদেকুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান জানান. সাদুল্যাপুর ও পলাশবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসন। এখানে ১৩২টি কেন্দ্রে ১৩২ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা. ৭৮৬ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ১ হাজার ৫৭২ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৭৪৬ জন এবং নারী ২ লাখ ১১ হাজার ১০৮ জন।,1573135 2019-01-04,জিএম কাদের ফিরলেন. বাকি দুজন পুনর্নির্বাচিত,লালমনিরহাটের তিনটি আসন,প্রতিনিধি. লালমনিরহাট,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573133/%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4,bangladesh,print,2,আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|বিএনপি|লালমনিরহাট|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় পার্টি|নির্বাচন,এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে দুজন ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে একজন জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে দুজন ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে একজন জয়ী হয়েছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের তিনটি সংসদীয় আসনই পেয়েছেন মহাজোট মনোনীত প্রার্থীরা। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে দুজন ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে একজন। এবার নিয়ে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হলেন তাঁরা। লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন মো. মোতাহার হোসেন। তিনি লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন। ২০০৮ এবং ২০১৪ সালেও তিনি সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে তিনি এই আসন থেকে টানা চারবার সাংসদ নির্বাচিত হলেন। তিনি ভোট পান ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬২ এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. হাসান রাজীব প্রধান পেয়েছেন ১২ হাজার ১৫৭ ভোট। লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন নুরুজ্জামান আহমেদ। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচনে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি এবারের নির্বাচনে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৪২ ভোট পান এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রোকন উদ্দিন ৭৮ হাজার ১৯৩ ভোট পেয়েছেন। এই আসনের মোট ভোট ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৮টি। লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে জয় পেয়েছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের। তিনি এই আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন। এবারের নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৩ ভোট পান এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু ৮১ হাজার ৩৯৯টি ভোট পেয়েছেন। জেলায় তিনটি সংসদীয় আসনের মোট ভোটার ৯ লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন। এর মধ্যে ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭৪টি ভোট পড়েছে। ভোট পড়ার হার ৮৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ৪ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪. বিএনপি ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৪৯ ভোট. জাতীয় পার্টি ১ লাখ ১৮ হাজার ২৬২ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দল ২৭ হাজার ৩৫৯ ভোট পেয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোট জাতীয় পার্টি ১.১৮.০৬২ বিএনপি ১.৭১.৭৪৯ আওয়ামী লীগ ৪.৬১.৬০৪ অন্যান্য ২৭.৩৫৯,1573133 2019-01-04,মন্নুজান সুফিয়ান ও নারায়ণ চন্দ্রের হ্যাটট্রিক জয়,খুলনা-৩ ও ৫ আসন,নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধি. খুলনা,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573132/%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A3-%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%9C%E0%A7%9F,bangladesh,print,2,খুলনা|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি,১৯৭৯. ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন মন্নুজান। ২০০০ সালের উপনির্বাচনে প্রথম নির্বাচিত হন নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। ১৯৭৯. ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন মন্নুজান। ২০০০ সালের উপনির্বাচনে প্রথম নির্বাচিত হন নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। টানা তৃতীয়বারের মতো জয় পেয়েছেন খুলনা-৩ (খালিশপুর-দৌলতপুর-খানজাহান আলী) আসনের আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদ দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ও খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের বর্তমান সাংসদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তৃতীয়বারের মতো তাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া বেসরকারি ফলাফল থেকে দেখা গেছে. খুলনা-৩ আসনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। তিনি ৮১ দশমিক ৩৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি রকিবুল ইসলাম বকুল পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬০৬ ভোট (১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ)। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮১ জন। ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৯টি। এর আগে ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম মন্নুজান সুফিয়ান নৌকা প্রতীক নিয়ে ৪৫ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান খান পান ৬ হাজার ৪২৪ ভোট। আর ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বেগম মন্নুজান সুফিয়ান পেয়েছিলেন ৭৪ হাজার ৬৭৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম ধানের শীষ প্রতীকে পান ৫৮ হাজার ১৭৭ ভোট। এর আগে বেগম মন্নুজান সুফিয়ান একবার সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন. ১৯৮৬ সালের তৃতীয় সংসদ নির্বাচন ও ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে সব কটি নির্বাচনেই দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। খুলনা-৫ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তিনি ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মিয়া গোলাম পরওয়ার ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ৯৫৯ ভোট (১২ দশমিক ২১ শতাংশ)। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৪৭০ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৩টি। এর আগে ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ নৌকা প্রতীক নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিয়া গোলাম পরওয়ার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৩১২ ভোট পেয়েছিলেন। এর আগে ২০০০ সালের ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ডুমুরিয়া-ফুলতলা আসনে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে তিনি চারদলীয় জোট প্রার্থীর কাছে ৪ হাজার ৫৪৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। খুলনা-১ আসনে চতুর্থবার সাংসদ হলেন পঞ্চানন বিশ্বাস। এবারের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭২ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। পেয়েছেন ৮১ দশমিক ১৩ শতাংশ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ২৮ হাজার ৩২২ ভোট (১৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ)। এই আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৪২০ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৭টি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে খুলনা-১ আসন থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে টেলিভিশন প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয় পান পঞ্চানন বিশ্বাস। এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীকে ৭৮ হাজার ৫৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বিএনপির প্রার্থীকে তিনি ৩১ হাজার ২৯ ভোটে পরাজিত করেন। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে পান ৬৬ হাজার ৯০৪ ভোট। ওই নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ননী গোপাল মণ্ডলকে পরাজিত করেন।,1573132 2019-01-04,মাশরাফিকে মন্ত্রী করার দাবি,,প্রতিনিধি. লোহাগড়া. নড়াইল,৩৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573131/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF,bangladesh,print,2,নড়াইল|নির্বাচন|মাশরাফি বিন মুর্তজা|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,নবনির্বাচিত সাংসদ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে মন্ত্রী করার দাবি জানিয়েছে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ দাবি জানানো হয়। মাশরাফি নড়াইল-২ (লোহাগড়া-সদরের একাংশ) আসনের সাংসদ। গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি শিকদার আবদুল হান্নান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল করিম. মুনশী আলাউদ্দিন. মো. ফয়জুল হক. সৈয়দ মশিয়ূর রহমান. মো. সালেক মুনশী. শেখ সিহানুক রহমান. শিকদার নজরুল ইসলাম. বি এম কামাল হোসেন. বুলবুল শিকদার. এম এম শরিফুল আলম প্রমুখ। বক্তারা বলেন. স্বাধীনতার পরে নড়াইলে কেউ মন্ত্রী হননি। তাই বিপুল ভোটে বিজয়ী বিশ্বজোড়া খ্যাতিমান ক্রিকেট তারকা মাশরাফিকে মন্ত্রী করা হোক।,1573131 2019-01-04,একাধিক মন্ত্রী চান ময়মনসিংহবাসী,,প্রতিনিধি. ময়মনসিংহ,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573130/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80,bangladesh,print,2,নির্বাচন|ময়মনসিংহ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এবার মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ময়মনসিংহবাসী তাঁদের জেলার একাধিক সাংসদকে পূর্ণ মন্ত্রী করার দাবি জানিয়েছেন। এ নিয়ে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাসও দিচ্ছেন। সাধারণ মানুষের দাবি. ময়মনসিংহ অঞ্চল মূলত আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। ২০০৮ সালের নির্বাচনে পর একদাশ সংসদ নির্বাচনে আবারও ময়মনসিংহের ১১টি আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের প্রার্থী সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। ১১টি আসনের মধ্যে ৯টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন. আরও দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন জাপার প্রার্থীরা। কিন্তু মন্ত্রিসভায় কখনো ময়মনসিংহের সাংসদেরা গুরুত্বপূর্ণ স্থান পান না। নতুন মন্ত্রিসভায় তাই ময়মনসিংহের একাধিক সাংসদকে পূর্ণ মন্ত্রী দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন ময়মনসিংহবাসী। এলাকাবাসী যাঁদের মন্ত্রী করার দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা হলেন ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের সাংসদ নাজিম উদ্দিন আহমেদ. ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনের সাংসদ মোসলেম উদ্দিন ও ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সাংসদ রুহুল আমিন মাদানী। গৌরীপুর উপজেলার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন. নাজিম উদ্দিন আহমেদ প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। টানা দুইবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। নাজিম উদ্দিন আহমেদকে নতুন মন্ত্রিসভায় দেখতে চান গৌরীপুরের সাধারণ মানুষ। গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক বিধু ভুষণ দাস বলেন. নাজিম উদ্দিন আহমেদ প্রবীণ ও ত্যাগী নেতা। তাঁকে নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হলে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ খুশি হবেন। ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনের সাংসদ মোসলেম উদ্দিনকে নতুন মন্ত্রিসভায় দেখতে চান তাঁর এলাকার বাসিন্দারা। কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন. মোসলেম উদ্দিন ১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়াসহ মোট ছয়বার একই আসনে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। প্রবীণ এ আওয়ামী লীগের নেতাকে তাই মন্ত্রিত্ব দেওয়া মানুষের দাবি। ত্রিশাল আসন থেকে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন রুহুল আমিন মাদানী। এ নেতাকেও নতুন মন্ত্রিসভায় দেখতে চান এলাকার মানুষ।,1573130 2019-01-04,আট কেন্দ্রে একটি ভোটও পাননি বিএনপির প্রার্থী,,প্রতিনিধি. মতলব দক্ষিণ. চাঁদপুর,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573128/%E0%A6%86%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|চাঁদপুর|বিএনপি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁদপুর-২ আসনের আটটি ভোটকেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জালালউদ্দিন একটি ভোটও পাননি। গত রোববার ভোট নেওয়ার পর নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়। সেই ফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা যায়। মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়. চাঁদপুর-২ আসনের মতলব উত্তর উপজেলায় ৯৭ ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ৫৭টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়। এ দুই উপজেলা মিলে মোট কেন্দ্র ১৫৪টি। এর মধ্যে মতলব দক্ষিণের দুটি ও মতলব উত্তরের ছয়টি ভোটকেন্দ্রে মোহাম্মদ জালালউদ্দিনের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে একটি ভোটও পড়েনি। মতলব উত্তরের ওই ছয়টি কেন্দ্র হলো পাঁচগাছিয়া. রাঢ়িকান্দি. ফৈলাকান্দি ও নবুরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়. দক্ষিণ রাঢ়িকান্দি মদিনাতুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও সুজাতপুর নেছারিয়া উচ্চবিদ্যালয়। মতলব দক্ষিণের কেন্দ্র দুটি হচ্ছে ১৪৬ নম্বর ঘোড়াধারী ও ১৭১ নম্বর উপাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়. ১৫৪টি ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল আমিন নৌকা প্রতীক নিয়ে ৩ লাখ ১ হাজার ৫০ ভোট পেয়ে সাংসদ নির্বাচিত হন। বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জালালউদ্দিন পান ১০ হাজার ২৭৭ ভোট। জানতে চাইলে মতলব দক্ষিণ ও উত্তরের ইউএনও বলেন. এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির জালালউদ্দিনসহ চারজনই জামানত হারিয়েছেন।,1573128 2019-01-04,সাংবাদিক থেকে সাংসদ,,প্রতিনিধি. চাঁদপুর,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573126/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%B6%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|চাঁদপুর|আওয়ামী লীগ|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসন থেকে জয়ী হয়েছেন। এর মাধ্যমে স্বাধীনতার পর এই আসনে আওয়ামী লীগের হয়ে প্রথমবার ভোটের মাধ্যমে সাংসদ হলেন তিনি।শফিকুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক নেতাও। তাঁর জয়ে চাঁদপুরের সাংবাদিক সমাজ আনন্দিত। সাংসদ হিসেবে জয়ী হওয়ার পর তাঁকে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠন ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে।দলীয় ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা যায়. স্বাধীনতার পর ২০১৪ সালের আগ পর্যন্ত এই আসনে আওয়ামী লীগের কেউ সাংসদ হতে পারেননি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাংসদ হন মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া। এ বছর এই আসনে শামছুল ও শফিকুর প্রাথমিকভাবে দলীয় মনোনয়ন পান। পরে শফিকুরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়। এরপর আওয়ামী লীগের হয়ে ভোটের মাধ্যমে শফিকুর এখানে প্রথমবার সাংসদ নির্বাচিত হন। রোববার ভোটের পর ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়. শফিকুর রহমান ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৯টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সাংসদ মো. হারুনুর রশীদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৩০ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়েছেন। জানতে চাইলে মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন. ‘শান্তিপূর্ণভাবে ভোট শেষ হওয়ায় প্রথমে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মী ও ফরিদগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। আগামী দিনে জাতীয় সংসদে গিয়ে আমার সহকর্মী ও বন্ধুদের নিয়ে ফরিদগঞ্জকে আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। পাশাপাশি এই উপজেলা থেকে মাদক দূর করার শপথ নিচ্ছি। সরকার থেকে সুযোগ পেলে সাংবাদিক সমাজের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করব।’ শফিকুরের জন্ম ফরিদগঞ্জের বালিথুবা ইউনিয়নের মিয়াজী বাড়িতে। ফরিদগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসায় পড়ার সময় থেকে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০০১ ও ২০০৮ সালে তিনি এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সাংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। ১৯৭১ সালে শফিকুর মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেন। পরে তিনি যুক্তরাজ্য ও জাপানে সাংবাদিকতার ওপর উচ্চতর শিক্ষা নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় তিনি ইত্তেফাক-এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি বেসরকারি সিটিজেন টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ও প্রধান সম্পাদক। গত ২৭ ডিসেম্বর চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বলেন. ‘সাংবাদিক শফিক আমার সহপাঠী ও বন্ধু। তার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছি। তাকে আমি ডেকে নিয়ে এই আসন থেকে মনোনয়ন দিয়েছি।’,1573126 2019-01-04,বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে তালা. কার্যক্রমও স্থবির,,একরামুল হক. চট্টগ্রাম,৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573125/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|চট্টগ্রাম|পুলিশ|বিএনপি,চট্টগ্রাম বিএনপির রাজনীতি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী গ্রেপ্তার হওয়ায় বিএনপির রাজনীতিতে এই স্থবিরতা নেমে এসেছে। ফলে দেড় মাস ধরে নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবন চত্বরে দলটির কোনো কর্মসূচি পালিত হচ্ছে না। কার্যালয়টিতে এখন ঝুলছে তালা। দলীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে. দলটি নগর কমিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন গত ৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকা থেকে এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম গত ২২ অক্টোবর নগরের জিইসি মোড় থেকে গ্রেপ্তার হন। আবুল হাশেমের সঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। তাঁরা সবাই এখন কারাগারে। দলীয় নেতারা আরও জানান. চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সম্পাদকীয় পদের আরও ১৬ নেতা কারাগারে আছেন। ফলে নগর বিএনপির কার্যক্রম দেড় মাস ধরে স্থবির রয়েছে। সংগঠনটির দ্রুত মাঠে নামারও কোনো প্রস্তুতি নেই বলে দলীয় নেতা–কর্মীরা জানিয়েছেন। কারণ. বিভিন্ন মামলায় পুলিশ এখনো ধরপাকড় অব্যাহত রেখেছে। ফলে কেউ রাজনীতির মাঠে আসতে সাহস পাচ্ছে না। কারারুদ্ধ নগর বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম–৯ (কোতোয়ালি–বাকলিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। তফসিল ঘোষণার আগে তিনি গ্রেপ্তার হন। ফলে তাঁর জন্য দলীয় কিছু নেতা–কর্মী কাজ করেছিলেন। মামলা–মোকদ্দমার কারণে পুরো শক্তি নিয়ে শাহাদাতের পক্ষে নেতা–কর্মীরা কাজ করতে পারেনি বলে দলীয় সূত্র জানায়। নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান এ প্রসঙ্গে প্রথম আলোকে বলেন. নির্বাচনের পর পুলিশ ধরপাকড় বন্ধ করবে বলে নেতা–কর্মীরা মনে করেছিল। কিন্তু মামলা–হামলা বন্ধ হয়নি। বরং নতুন নতুন মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। যাঁরা কারাগারে আছেন তাঁদেরও গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপির করণীয় কী জানতে চাইলে আবু সুফিয়ান বলেন. ‘সতর্কতার সঙ্গে আমাদের এগোতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবেগের বশবর্তী হয়ে কিছু করা যাবে না। তা ছাড়া তাড়াহুড়ো করে আন্দোলনে যাওয়া যাবে না। তবে নির্বাচনে মানুষ বিএনপির পক্ষে ছিল। অনেকে ভোট দিতে পারেনি বলেন সাধারণ মানুষের সহানুভূতি বিএনপির পক্ষে। তাই মানুষের সহানুভূতি কাজে লাগিয়ে ধীরগতিতে এগোতে হবে আমাদের।’ গত বুধবার বিকেলে দেখা যায়. চট্টগ্রাম নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবন চত্বরে দলীয় নেতা–কর্মীদের আনাগোনা নেই। মূল ফটকে বসে অলস সময় কাটছে একদল পুলিশের। কার্যালয়ের মাঠে ক্রিকেট খেলছে কিছু শিশু–কিশোর। আর কার্যালয়ে ঝুলছে তালা। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা বলেন. কার্যালয়ে নেতা–কর্মীরা এখন আর আসেন না। মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ক্রিকেট খেলে আশপাশের শিশু–কিশোরেরা। বিএনপির একাধিক নেতা জানান. নির্বাচনের পর পরিস্থিতি অনুকূলে আসবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু নতুন নতুন মামলায় গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। পুলিশ কাউকে মাঠে দাঁড়াতে দিচ্ছে না। এমনকি নগর বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন ৪২ মামলায় জামিন পেয়েছিলেন। নির্বাচনের দুদিন আগে তাঁর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। আরেকটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ফলে তাঁর মুক্তি আটকে যায়। একইভাবে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেমের বিরুদ্ধে প্রায় ডজন খানেক মামলা আছে। তাঁকেও একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। নগর বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী বলেন. ‘নগরে ৬টি থানা এবং ১৫টি ওয়ার্ডের সভাপতি এবং সম্পাদক কারাগারে। এ ছাড়া নগর কমিটির প্রায় প্রতিটি নেতা মামলার আসামি। মুক্ত পরিবেশে রাজনীতি করার সুযোগ কার্যত বন্ধ। আসলে একটি কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে আমাদের। এ রকম পরিস্থিতি আর কখনো বিএনপিকে মোকাবিলা করতে হয়েছিল কিনা আমার জানা নেই।’,1573125 2019-01-04,স্বপনকে মন্ত্রী দেখতে চান জয়পুরহাটবাসী,,প্রতিনিধি. আক্কেলপুর. জয়পুরহাট,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573124/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জয়পুরহাট|আওয়ামী লীগ,ভোটের মাঠের লড়াই শেষ। নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথ গ্রহণও শেষ হয়েছে। এখন মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ বাকি। আওয়ামী লীগ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর-কালাই-ক্ষেতলাল) আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত সাংসদ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান জয়পুরহাটবাসী। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ এই দাবির কথা জানিয়েছেন।নির্বাচনের পর আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও স্ট্যাটাস দিচ্ছেন অনেকে। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে কালাই উপজেলায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্সেও তাঁকে মন্ত্রী করার দাবি জানানো হয়েছিল।আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এই আসনে টানা দ্বিতীয়বার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদেও রয়েছেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির প্রার্থী আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান। এই আসনে তিনি বিএনপি থেকে চারবার সাংসদ নির্বাচিত হন এবং একবার তিনি জাতীয় সংসদের হুইপ ছিলেন। খলিলুরকে বিএনপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত করা হয়। এবারের নির্বাচনে আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান জামানত খুইয়েছেন। আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন তাঁকে ২ লাখ ২ হাজার ৬১৮ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। খলিলুর রহমান পান মাত্র ২৬ হাজার ১১২ ভোট। এই আসনে আগে কখনো এত বিশাল ভোটের ব্যবধানে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড নেই। ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছিল। ওই দুটি নির্বাচনেও জয়পুরহাট থেকে দলটির প্রার্থীদের কেউই সাংসদ নির্বাচিত হননি। এবারের নির্বাচনে জেলার দুটি আসনেই আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। এরশাদ সরকারের পতনের পর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে এবারই প্রথম ভোটের মাধ্যমে জেলার দুটি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হলেন। ২০১৪ সালে এখানে দলটির দুই প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। জেলা শহরের রিকশাচালক আলম হোসেন বলেন. আওয়ামী লীগ দেশে চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের আগের তিন সরকারের আমলে জয়পুরহাট থেকে কাউকে মন্ত্রী বানানো হয়নি। এবারের সরকারের মন্ত্রিসভায় জয়পুরহাট-২ আসন থেকে নির্বাচিত আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে তাঁরা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। আক্কেলপুর উপজেলা সদরের স্টেশন সড়কের পোশাক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন. সাংসদ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন আক্কেলপুর-কালাই-ক্ষেতলাল উপজেলায় দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এবার বিপুল ভোটের ব্যবধানে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে তাঁরা দেখতে চান। আক্কেলপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার নবীবুর রহমান বলেন. ‘এবারের নির্বাচনে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বিপুল ভোটে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তাঁকে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার দাবি জানাই।’ আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী বলেন. তাঁরা আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তিনি নির্বাচনের আগে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে মন্ত্রী করার দাবি জানিয়েছিলেন।,1573124 2019-01-04,অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে স্বাগত জানাল জাপান,,মনজুরুল হক. টোকিও. জাপান,৩০,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573248/%E0%A6%85%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8,bangladesh,online,1,নির্বাচন|বাংলাদেশ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাপান,বাংলাদেশে গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সব দলের অংশগ্রহণমূলক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়েছে জাপান। শুক্রবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানায়।জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস সচিব তাকেশি ওসুগার দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে. দেশের সব কটি প্রধান বিরোধী দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে জাপান স্বাগত জানায় এবং এই অগ্রগতিকে জাপান সংশ্লিষ্ট সবার চালানো প্রচেষ্টার ফলাফল হিসেবে গণ্য করে। পাশাপাশি হতাহতের বেশ কিছু ঘটনাসহ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উদ্বেগজনক ঘটনাগুলোকে জাপান দুঃখজনক হিসেবে দেখছে।বিবৃতিতে বলা হয়. বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময়কাল থেকে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুরাষ্ট্র জাপান। তারা আশা করছে. গণতান্ত্রিক অগ্রগতির পথ ধরে এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশের চালানো প্রচেষ্টায় অব্যাহত সমর্থন ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা জাপানের আছে। উল্লেখ্য. বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে জাপানের সরকারি মহল কিংবা সংবাদমাধ্যমের খুব বেশি আগ্রহ লক্ষ করা যায়নি। নির্বাচনের ফল ও ফল নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি এবং অসন্তোষের সংবাদ প্রচার করলেও বিশ্লেষণমূলক কোনো নিজস্ব প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি জাপানের প্রধান সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেল।,1573248 2019-01-04,সরফরাজের ফিফটির বদলা ডু প্লেসির সেঞ্চুরিতে,,খেলা ডেস্ক,৪,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573247/%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%A1%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87,sports,online,1,ক্রিকেট|পাকিস্তান|দক্ষিণ আফ্রিকা|টেস্ট ক্রিকেট,সেঞ্চুরিয়নে সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই দলের অধিনায়ক ইতিহাস গড়েছিলেন। ফাফ ডু প্লেসি ও সরফরাজ আহমেদ দুজনই পেয়েছিলেন ‘চশমা’। প্রায় ১৪২ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এক ম্যাচে দুই অধিনায়কের দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ার ঘটনা এই একটিই। কেপটাউন টেস্টেই ঘটল উল্টো। গতকাল পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেছেন অধিনায়ক সরফরাজ। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক আজ পেয়েছেন সেঞ্চুরি। পাকিস্তানের ১৭৭ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ৩৮২ রান তুলেছে প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় দিনেই ২০৫ রানে এগিয়ে স্বাগতিক দল। নবম টেস্ট সেঞ্চুরি করার পরই অবশ্য আউট হয়ে গেছেন ডু প্লেসি। শাহীন আফ্রিদির বলে আউট হওয়ার আগে করেছেন ১০৩ রাব। ২ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা দক্ষিণ আফ্রিকা দিনের দ্বিতীয় ওভারেই হারায় হাশিম আমলাকে। দলকে ১৪৯ রানে আউট থিউনিস ডি ব্রুইনও। এরপর ১৫৬ রানের জুটি ডু প্লেসি ও টেম্বা বাভুমার। ৩ রানের মাথায় স্লিপে ক্যাচ তুলেও তৃতীয় আম্পায়ারের সৌজন্য বেঁচে যাওয়া বাভুমা ফিরেছেন ৭৫ রানে। ডু প্লেসি ও কুইন্টন ডি ককের জুটি এনে দিয়েছে ৫১ রান। ডু প্লেসি আউট হয়ে যাওয়ার পর বাকি দিনটা পার করে দিয়েছেন ডি কক ও ভারনন ফিল্যান্ডার। ডি কক অপরাজিত ৫৫ রানে। ফিল্যান্ডারের রান ৬।,1573247 2019-01-04,গরু নিয়ে লেজেগোবরে বিএসএফ!,,অনলাইন ডেস্ক,১০,https://www.prothomalo.com/international/article/1573246/%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%8F%E0%A6%AB,international,online,1,ভারত|বিএসএফ|পশ্চিমবঙ্গ,ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানের সময় জব্দ করা গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সর্বোচ্চ আদালতের এক আদেশের কারণে কসাইদের কাছে নিলামে গরু-ছাগল বিক্রি করতে পারছে না বিএসএফ। আবার এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইকোনমিক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে. ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে একটি আদেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট। তাতে বলা হয়েছিল. প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ আইন মেনে জব্দ করা গবাদিপশু বিক্রি করতে হবে। আর এই আদেশেই তৈরি হয়েছে গন্ডগোল। কারণ স্বাভাবিক নিলামে গরু-ছাগল কেনায় অংশ নেন কসাইরা। ফলে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা এড়ানো সম্ভব হয় না। এই কারণে গরু-ছাগল বিক্রি করতে পারছে না বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রের বরাত দিয়ে ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে. বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা. কৃষ্ণনগর. বেরহামপুর ও মালদার চারটি সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের হেফাজতে প্রায় এক হাজার গবাদিপশু রয়েছে। এদিকে উপযুক্ত দেখভালের অভাবে এসব গবাদিপশুর মৃত্যুও হচ্ছে। গত সপ্তাহেই মারা গেছে প্রায় এক ডজন গবাদিপশু। বিএসএফ বলছে. দক্ষিণ বাংলার গুয়াহাটি এলাকায় কমপক্ষে ৮০০ গবাদিপশু জব্দ অবস্থায় আছে। গত ডিসেম্বরে এই সংখ্যা দেড় হাজারে পৌঁছেছিল। বিএসএফের জন্য এসব গবাদিপশুর দেখাশোনা করা খুব কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সম্প্রতি কিছুসংখ্যক গবাদিপশু স্থানীয় গোশালাগুলো ও কিছু বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। কিন্তু স্থানীয় গ্রামবাসী এসব গরু-ছাগল নিতে চান না। গত ডিসেম্বরে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কাছে প্রায় দুই হাজার গবাদিপশু হস্তান্তর করে বিএসএফ। এদিকে চোরাকারবারিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা এসব গরু-ছাগল কারও ঘাড়েও চাপাতে পারছে না বিএসএফ। স্থানীয় পুলিশ এগুলো গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। রাজ্য পুলিশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে. মামলা না করলে একটি গরু-ছাগলও তারা নেবে না। আর শুধু মামলাই নয়. সঙ্গে দিতে হবে চোরাচালানে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদেরও! তবেই জব্দ গরু-ছাগল নিজেদের হেফাজতে নেবে পুলিশ।,1573246 2019-01-04,শতাধিক জার্মান নেতার তথ্য হ্যাকড!,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1573245/%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A1,international,online,1,ইউরোপ|জার্মানি|হ্যাকিং,জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলসহ দেশটির শতাধিক রাজনীতিবিদ বড় ধরনের হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছেন । একই কাতারে আছেন দেশটির কয়েকজন তারকা ও সাংবাদিক। তবে হ্যাকিংয়ের পেছনে কারা জড়িত. তা এখনো জানা যায়নি। সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন. চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের স্পর্শকাতর কোনো তথ্য হ্যাক হয়নি। শুক্রবার জার্মানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরবিবি ইনফো রেডিওর বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়. হ্যাক করা তথ্যগুলো অনলাইনে পোস্ট করা হয়েছিল গত মাসে। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার সর্বপ্রথম বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়. জার্মানির ‘বিল্ড’ পত্রিকা জানিয়েছে. সব তথ্যই চুরি হয়েছে ২০১৮ সালের অক্টোবরের আগে। প্রতিবেদনে বলা হয়. হ্যাকিংয়ের তালিকায় এএফডিএ ছাড়া জার্মান পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিটি দলের সদস্যরাই আছেন। হ্যাকিংয়ের পর এসব ব্যক্তির বেশ কিছু তথ্য একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়। ফাঁস হওয়া এসব তথ্যের তালিকায় আছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চ্যাট. ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং ব্যক্তিগত ছবি। তবে কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত. তা এখনো বের করতে সক্ষম হয়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। যতটুকু জানা গেছে. অ্যাকাউন্টটি হামবুর্গ থেকে খোলা। এর ফলোয়ারের সংখ্যা ১৭ হাজার। তবে ম্যার্কেলের স্পর্শকাতর কোনো তথ্য হ্যাক হয়নি বলে জানিয়েছেন জার্মান সরকারের মুখপাত্র মার্টিনা ফিতজ। তিনি বলেন. চ্যান্সেলর দপ্তর থেকে কোনো সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রকাশ পায়নি। ফিতজ হ্যাকিংয়ের শিকার রাজনীতিকদের প্রসঙ্গে বলেন. এই তালিকায় তাঁদের পার্লামেন্ট সদস্য. দেশটির হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি ও প্রাদেশিক পার্লামেন্টের সদস্যরা রয়েছেন। জার্মানির বিচারমন্ত্রী ক্যাটরিনা বার্লে এ হ্যাকিংকে ‘মারাত্মক হামলা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন. ‘এর পেছনে জড়িত ব্যক্তিরা আমাদের গণতন্ত্র ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আস্থা ক্ষুণ্ন করতে চাইছে।’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে. ওই টুইটারে ম্যার্কেলের ই-মেইল অ্যাড্রেস ও কয়েকটি চিঠি প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে গ্রিন পার্টির নেতা রবার্ট হেবেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে করা চ্যাট ও ক্রেডিট কার্ডের পরিপূর্ণ তথ্য ফাঁস করে দেওয়া হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়. জার্মানির রাজনীতিবিদেরা এর আগেও হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছেন। ২০১৫ সালে জার্মান পার্লামেন্টের কম্পিউটার থেকে তথ্য চুরি করতে কয়েক দফা সাইবার হামলা হয়—যার জন্য দেশটি রাশিয়াকে দায়ী করেছিল।,1573245 2019-01-04,সৈয়দ আশরাফের দাফন বনানী কবরস্থানে,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573244/%E0%A6%B8%E0%A7%88%E0%A7%9F%E0%A6%A6-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87,bangladesh,online,1,রাজনীতি|আওয়ামী লীগ,আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ রোববার বাদ আসর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। এর আগে ওই দিন সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা. দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে দ্বিতীয় জানাজা ও বেলা ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ইদগাহ মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার আওয়ামী লীগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়. শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলীয় নেতারা তাঁর মরদেহ গ্রহণ করবেন। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ২১ বেইলি রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনে নেওয়া হবে। সেখান থেকে মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। এদিকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শুক্রবার জুমার নামাজের পর কিশোরগঞ্জের সব মসজিদে দোয়া করা হয়। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে গেছে শোকবার্তায়। সবার কথা একটাই. বড় ভালো মানুষ ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। কোনো দলের না. তিনি ছিলেন সবার। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সৈয়দ আশরাফ ১৯৯৬ সাল থেকে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে টানা পাঁচবার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও বিজয়ী হন তিনি। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গত জুলাই থেকে সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে আশরাফ মারা যান।,1573244 2019-01-04,মিরাজের মধ্যে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অধিনায়ক দেখেন ক্লুজনার,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৪,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573243/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%A8,sports,online,1,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|মেহেদী হাসান মিরাজ|রাজশাহী কিংস|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,তরুণ এক অধিনায়কে সওয়ার হয়ে এবার বিপিএল-অভিযান শুরু করছে রাজশাহী কিংস। কাল রাজধানীর হাতিরঝিলের মুক্ত মঞ্চে বেশ ঘটা করে মেহেদী হাসান মিরাজকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজি। বিপিএলের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টে মাঠে. মাঠের বাইরে নানা ধরনের চাপ থাকে। সব চাপ সামলে মিরাজ পারবেন সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে? ল্যান্স ক্লুজনার ভীষণ আশাবাদী তাঁর তরুণ অধিনায়ককে নিয়ে। রাজশাহী কোচ মিরাজের মধ্যে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ অধিনায়কের ছবি দেখছেন. ‘সে দুর্দান্ত খেলোয়াড়। ও এখনো তরুণ। তবে সে আগেও অধিনায়কত্ব করেছে (বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে)। এটা হচ্ছে তার জন্য আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। আমাদের কিছু অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে যারা ওর আশপাশে থাকবে। তারা ওকে সহায়তা করবে। অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে পরিচিত করতে আমরা ওকে একটা প্ল্যাটফর্ম করে দিতে চাচ্ছি। কে বলতে পারে ভবিষ্যতে সে বাংলাদেশের অধিনায়কও হতে পারে।’ মিরাজ কাল বলছিলেন. তাঁর কাজটা অনেক সহজ করে দিতে আছেন কোচ ক্লুজনার। এখন অধিনায়ক-কোচের রসায়নটা জমলে ভালো ফল পেতে পারে ২০১৬ বিপিএলের রানার্সআপরা। রংপুর. ঢাকা. সিলেট. কুমিল্লার তুলনায় রাজশাহী দলে অবশ্য তারকা সমাবেশ কিছুটা কম। মিরাজ. সৌম্য সরকার. মোস্তাফিজুর রহমান. মুমিনুল হকদের মতো স্থানীয় তারকাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ক্লুজনারকে। প্রতিপক্ষ দল তাঁদের তুলনায় কতটা এগিয়ে সেটি নয়. ক্লুজনার ভরসা রাখতে চান নিজের অস্ত্রের ওপর. ‘অন্য দলগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে চাচ্ছি না। আমরা কী করতে পারি. নিজেদের ওপরই আমাদের ভরসা থাকবে। অবশ্যই এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত কিছু দল আছে। কোনো ম্যাচই সহজ নয়। আমরা কী করতে পারি. ম্যাচ কীভাবে জিততে পারি. মনোযোগ তাই নিজেদের দিকেই থাকবে।’,1573243 2019-01-04,বিএনপি ষড়যন্ত্রের বীজ রোপণের অপচেষ্টা করছে: তথ্যমন্ত্রী,,অনলাইন ডেস্ক,২১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573242/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%B7%E0%A7%9C%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%9C-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87,bangladesh,online,1,রাজনীতি|বিএনপি|জাসদ|একাদশ সংসদ নির্বাচন,পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলে বিএনপি নতুন ষড়যন্ত্রের বীজ রোপণের অপচেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) খবরে বলা হয়েছে. রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন. নির্বাচন পরিচালনায় নেতৃত্বের সীমাহীন ব্যর্থতা ঢাকতেই বিএনপি নির্বাচন সংক্রান্ত মনগড়া অভিযোগের ফিরিস্তি দিচ্ছে।তথ্যমন্ত্রী বলেন. ‘নির্বাচন পরিচালনায় বিএনপির নেতারা সম্পূর্ণ ব্যর্থ ও জনবিচ্ছিন্ন ছিলেন। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরির উছিলা খুঁজে গায়েবি শক্তির হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় তারা নির্বাচনের দিকে মন না দিয়ে ষড়যন্ত্রের পথে পা বাড়িয়েছে। এখন পিঠ বাঁচানোর জন্য মনগড়া অভিযোগের আশ্রয় নিয়েছে।’ নির্বাচনে হারলেই ফল প্রত্যাখ্যান বিএনপির পুরোনো রাজনৈতিক বদঅভ্যাস বলে মন্তব্য করে হাসানুল হক ইনু বলেন. এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলও হারা মাত্র প্রত্যাখ্যান করেছিল বিএনপি। জাসদ সভাপতি বলেন. ‘বাংলাদেশ এখনো জঙ্গি-জামাত-যুদ্ধাপরাধী-রাজাকার ও তাদের দোসরদের হুমকি থেকে মুক্ত নয়।’ তিনি বলেন. দেশকে দুর্নীতি. বৈষম্য ও দেশবিরোধীদের হুমকি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত না করা পর্যন্ত জাসদের সংগ্রাম চলবেই। সাংবাদিকদের নির্ভয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন. ‘কোনো হুমকি এলেই তথ্য মন্ত্রণালয়কে আপনারা অবহিত করুন।’ এ সময় শেখ হাসিনার সরকারকে গণমাধ্যম-বান্ধব সরকার হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি। ঢাকা মহানগর জাসদের সমন্বয়ক মীর হোসাইন আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শিরীন আখতার. জাসদ স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন. নুরুল আখতার. নাদের চৌধুরী. সহসভাপতি আফরোজা হক রীনাসহ জাসদ-এর কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা অংশ নেন।,1573242 2019-01-04,‘সাকিব দুর্দান্ত এক অধিনায়ক’,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,২,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573241/%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95%E2%80%99,sports,online,1,সাকিব আল হাসান|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|ঢাকা ডায়নামাইটস|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,ডোপ টেস্ট উত্তীর্ণ হতে না পারায় নিষেধাজ্ঞা জুটেছিল। গত বছর বিপিএল তাই আর খেলা হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেলের। এক বছরের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় ক্যারিবীয় এই অলরাউন্ডারকে আবারও দলে ভিড়িয়েছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দল ঢাকা ডায়নামাইটস। ষষ্ঠ বিপিএল শুরু হওয়ার আগে নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন রাসেল। আর তা করতে গিয়ে দলটির অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। বিপিএল মানেই ঢাকার রাজত্ব। বর্তমানে ডায়নামাইটস নামে খেলা এ ফ্র্যাঞ্চাইজি বিপিএলের শিরোপা জিতেছে তিনবার। গতবার হয়েছে রানার্সআপ। সর্বশেষ ২০১৬ সালে ঢাকা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সে দলের সদস্য ছিলেন রাসেল। টি-টোয়েন্টি দুনিয়ায় রাসেলের রাজত্ব অনেক বড়। ভারতের আইপিএল থেকে বাংলাদেশের বিপিএল. অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ আর নিজেদের ক্যারিবীয় লিগ—সবখানেই আছেন। আর বিভিন্ন লিগে বাংলাদেশের সাকিবের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। বিপিএলে সাকিব তো রাসেলের অধিনায়কই। অধিনায়ক হিসেবে সাকিবকে বড় সার্টিফিকেট দিয়েছেন রাসেল. ‘সাকিব খুব ভালো অধিনায়ক। আমি ওর সঙ্গে কলকাতা নাইট রাইডার্স আর জ্যামাইকা তালওয়াশেও খেলেছি। সে খুবই আক্রমণাত্মক খেলে। মাঝে মাঝে একটু রাগী আচরণও করে। অন্য অধিনায়কদের মধ্যেও এটা দেখা যায়। আমরা সবাই পেশাদার খেলোয়াড়। আমরা ব্যাটে বা বলে খারাপ করলে অধিনায়ক কঠিন প্রতিক্রিয়া দেখাতেই পারেন। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যতটা সহজ খেলা যায়। আমি জানি একজন অধিনায়ক হিসেবে সে সর্বোচ্চটাই দেবে।’ এবারের বিপিএল এ স্টিভেন স্মিথ. ডি ভিলিয়ার্স. ডেভিড ওয়ার্নারদের মতো তারকাদের খেলতে দেখা যাবে। সবাই একবাক্যে বলছেন টুর্নামেন্টের মান বেড়ে গিয়েছে অনেক এবং খেলাও হবে জমজমাট। বিষয়টি মানছেন রাসেলও. ‘খুব প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে। কিছু খেলোয়াড় টুর্নামেন্টে বিশেষত্ব এনে দিয়েছে। দিন শেষে তাঁরা মানুষ। কিন্তু আমরা জানি বিশেষ করে ডি ভিলিয়ার্স এবং ডেভিড ওয়ার্নার কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে। প্রতিপক্ষ হিসেবে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে কত তাড়াতাড়ি তাঁদের আউট করা যায়। তাঁদের বিপক্ষে আমাদের বিশেষ পরিকল্পনা রাখতে হবে। কিন্তু এ টুর্নামেন্টের জন্য তাঁরা খুবই ভালো।’,1573241 2019-01-04,‘শক্তির অপপ্রয়োগের প্রমাণ সুবর্ণচরের গণধর্ষণ’,,প্রতিবেদক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,২৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573240/%E2%80%98%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E2%80%99,bangladesh,online,1,নোয়াখালী|সুবর্ণচর|অপরাধ|ধর্ষণ|চট্টগ্রাম বিভাগ|আওয়ামী লীগ|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,ভোটের দিন রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল। তিনি বলেন. ‘আমাদের সমাজ কতটা অগণতান্ত্রিক এবং এই নির্বাচনে কীভাবে শক্তির অপপ্রয়োগ হয়েছে. এই ঘটনা তার একটা প্রমাণ। আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ কতটা নিষ্ঠুর. এই ঘটনা তারও প্রমাণ। প্রত্যাশা করব. আওয়ামী লীগ তার সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে।’শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক মানববন্ধনে মেসবাহ কামাল এ কথা বলেন। সুবর্ণচরে গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে ‘যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীজোট’ নামে এক সংগঠন। মেসবাহ কামাল বলেন. ‘নোয়াখালীর সুবর্ণচরের এই ঘটনা আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনাগুলোর একটা। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে. আমি তাদের মৃত্যুদণ্ড এবং এই ব্যাপারে আইনের যে অপ্রতুলতা রয়েছে. তা সংশোধনের দাবি জানাচ্ছি।’ মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে সংগঠনটির আহ্বায়ক শিবলী হাসান. সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকী. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ—বিসিএলের কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহজাহান আলী সাজু. লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মারুফ রসূল. সংস্কৃতিকর্মী সানজিদা কাজী. হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সদস্য রূপসী চাকমা প্রমুখ বক্তব্য দেন। প্রসঙ্গত. গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন রাতে ওই নারীর স্বামী-সন্তানকে বেঁধে তাঁকে পিটিয়ে আহত ও ধর্ষণ করা হয়। ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই নারীকে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।,1573240 2019-01-04,বিপিএলে কোটি টাকার খেলোয়াড়েরা সবাই কি এসেছেন?,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৫,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573238/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8,sports,online,1,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,বিপিএলের অতীতের আসরগুলির তুলনায় এবার বড় তারকাদের সমাবেশ একটু বেশিই। কোটি টাকার খেলোয়াড়দের অনেকে চলে এসেছেন। কেউ চলে আসবেন টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পরই নির্বাচনী ডামাডোল। মাশরাফি বিন মুর্তজা প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা ছিলেন একটু বাড়তি কৌতূহলী। সেটির রেশ কাটতে না কাটতেই প্রাত্যহিক জীবনে নতুন যোগ হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। বিসিবি অবশ্য খুব একটা ঢাকঢোল পেটাচ্ছে না এবার। অনেকটা নীরবে শুরু হয়ে যাচ্ছে বিপিএল। সংক্ষিপ্ত বিরতিতে শুরু হয়ে যাওয়া এবারের বিপিএলে নতুনত্ব বলতে যোগ হচ্ছে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস). এলইডি স্টাম্প. ড্রোন ও স্পাইডার ক্যামেরা। টুর্নামেন্টটা জমাতে এসব অবশ্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিপিএল জমবে দেশি-বিদেশি তারকাদের উপস্থিতিতে। অন্য বিপিএলের তুলনায় এবার বড় তারকাদের সমাবেশ একটু বেশিই। বিশেষ করে স্টিভ স্মিথ. ডেভিড ওয়ার্নার. এবি ডি ভিলিয়ার্স. ক্রিস গেইল. অ্যালেক্স হেলসের উপস্থিতি বাড়িয়ে দিয়েছে টুর্নামেন্টের জৌলুস। টাকার অঙ্কে প্রত্যেকের দাম স্বাভাবিকভাবেই চড়া। কারও পারিশ্রমিক দুই কোটি টাকা. কারও তিন কোটি। কোটি টাকার খেলোয়াড়েরা কেউ কেউ চলে এসেছেন. কেউ আসবেন টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর। যাঁর খেলা নিয়ে এবার বেশ জলঘোলা হয়েছে. সেই স্টিভ স্মিথ অবশেষে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস সূত্রে জানা গেল. সন্ধ্যায় তিনি ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। তাঁর জাতীয় দলের সতীর্থ ও সিলেট সিক্সার্সের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার তো এসে গেছেন তিন দিন আগেই। আজ সকালেও ক্রিস গেইলকে দেখা যায়নি রংপুরের অনুশীলনে। বিপিএল এ রংপুর রাইডার্সের জার্সিতে খেলতে আগামীকাল সকালে ঢাকা এসে পৌঁছাবেন ক্রিস গেইল। তবে মারকুটে ব্যাটসম্যান আগামীকালের ম্যাচটি খেলবেন কিনা. তা এখনো নিশ্চিত নয়। দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি কখন যোগ দেবেন ক্যারিবীয় ওপেনার. ‘ও আজ না হয় কাল আসবে। এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি।’ পরে জানা গেল. গেইল কাল সকালে নেমেই খেলবেন দুপুরে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচটি। আগেই জানা গিয়েছিল. রংপুরের আরেক বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স যোগ দেবেন টুর্নামেন্ট শুরুর কদিন পর। সবশেষ যেটি জানা গেল. প্রোটিয়া তারকা যোগ দেবেন সিলেট পর্ব থেকে। রংপুরের ইংলিশ তারকা অ্যালেক্স হেলস অবশ্য চলে এসেছেন আগেই। কাল দলের সঙ্গে জন্মদিনের কেকও কেটেছেন। এরই মধ্যে চলে এসেছেন ঢাকার কোটি টাকার তিন ক্যারিবীয় তারকা সুনীল নারাইন. কাইরন পোলার্ড ও আন্দ্রে রাসেল। রাসেল আজ শুনিয়েছেন টুর্নামেন্টে তাঁর প্রত্যাশার কথাও. ‘আমি মনে করি আমাদের একটা ভালো দল হয়েছে। এখনো আমাদের প্রত্যাশা জেতা। খেলোয়াড়দের নতুন শুরু করতে হবে। দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ের সঙ্গে আমি খেলেছি। নতুন টুর্নামেন্ট. নতুন বছর। শুরুটাও হতে হবে আমাদের ভালো। এগিয়ে যেতে হবে এখান থেকে।’,1573238 2019-01-04,ভবন থেকে তরুণীর লাশ উদ্ধার,,প্রতিনিধি. ঢাকা মেডিকেল,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573239/%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%9D%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B9-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0,bangladesh,online,1,অপরাধ|রাজধানী|মতিঝিল,রাজধানীর মতিঝিল থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের ধারণা. শ্বাসরোধে স্বামী তাঁকে হত্যা করেছেন। আজ বিকেল চারটার দিকে আরামবাগের একটি ভবনের ষষ্ঠ তলায় ওই লাশ পাওয়া যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে. মারা যাওয়া ওই নারীর নাম শরীফা বেগম (২৫)। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. নয়ন। তাঁদের উভয়ের বাড়ি ময়মনসিংহের কাউনিয়ায়। সন্ধ্যার পর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জালাল উদ্দিন আশপাশের লোকজনের বরাত দিয়ে প্রথম আলোকে বলেন. ওই নারী মানুষের বাসায় কাজ করতেন। তাঁর স্বামী নয়ন ময়মনসিংহে রিকশা চালাতেন। মাঝেমধ্যে তিনি ঢাকায় স্ত্রীর কাছে এসে থাকতেন। গতকাল রাতে তিনি (স্বামী) ঢাকায় আসেন। আজ দুপুরের দিকে চলে যান। এই পুলিশ কর্মকর্তার ধারণা. সকাল থেকে দুপুরের কোনো এক সময় নয়ন তাঁর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যান। এসআই জালাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে. ওই নারী যে ভবনের ষষ্ঠ তলায় থাকতেন. সেটি মূলত একটি মেস। সাধারণত গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন. এমন নারীরা সেখানে থাকেন। শরীফা ওই ফ্ল্যাটেরই একটি কক্ষে থাকতেন। সেই কক্ষে মাঝেমধ্যে তাঁর স্বামী এসে থাকতেন। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন. অভিযুক্ত নয়নকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আগামীকাল শনিবার শরিফার মরদেহের ময়নাতদন্ত হবে।,1573239 2019-01-04,‘বড় ভালো মানুষ ছিলেন’,,প্রতিনিধি. কিশোরগঞ্জ,৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573237/%E0%A6%B8%E0%A7%88%E0%A7%9F%E0%A6%A6-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80,bangladesh,online,1,আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|কিশোরগঞ্জ,আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর কিশোরগঞ্জের সব মসজিদে দোয়া করা হয়। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে গেছে শোকবার্তায়। সবার কথা একটাই. বড় ভালো মানুষ ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। কোনো দলের না. তিনি ছিলেন সবার। সৈয়দ আশরাফের স্বজন শাহ আবদুল বাছেত প্রথম আলোকে বলেন. থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে সৈয়দ আশরাফের মরদেহের পাশে রয়েছেন ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম. ছোট বোন জাকিয়া নূর. রাফিয়া নূর ও একমাত্র মেয়ে রিমা ইসলাম। সম্ভবত শনিবার সন্ধ্যায় সৈয়দ আশরাফের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। রাতে রাখা হতে পারে বারডেম হাসপাতালে। পরে রোববার সকাল ১০টায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। জাতীয় ঈদগাহ মাঠে দলের পক্ষ থেকে হতে পারে দ্বিতীয় জানাজা। এরপর মরদেহ কিশোরগঞ্জে আনা হতে পারে। এদিকে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) খবরে বলা হয়েছে. বর্তমানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ আগামীকাল দেশে আনা হবে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সন্ধ্যা ছয়টায় তাঁর মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক উপকমিটির সদস্য আনোয়ারুল কবির বাসসকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন. ‘আগামীকাল সন্ধ্যা ছয়টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছাবে। তবে দাফনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’ শাহ আবদুল বাছেত আরও বলেন. সৈয়দ আশরাফের মরদেহ দেশে আনা ও অন্য সব বিষয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। আগামী রোববার জোহরের নামাজের পর কিশোরগঞ্জ শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে তাঁর তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর তাঁর মরদেহ জন্মস্থান ময়মনসিংহে নেওয়া হতে পারে এবং সেখানে শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে মরদেহ সৈয়দ আশরাফের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরের যশোদল ইউনিয়নের বীরদামপাড়া গ্রামে. নাকি ঢাকার বনানী কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে. সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সৈয়দ আশরাফ ১৯৯৬ সাল থেকে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে টানা পাঁচবার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও বিজয়ী হন তিনি। গত জুলাই থেকে তিনি থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সৈয়দ আশরাফ মারা যান। কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. কামরুল আহসান প্রথম আলোকে বলেন. সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ তথা বাংলাদেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তাঁর মতো সৎ ও নির্লোভ আরেকজন রাজনীতিবিদের জন্ম হবে কি না. তা নিয়ে সংশয় আছে। হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম বলেন. সৈয়দ আশরাফ কোনো দলের ছিলেন না. তিনি ছিলেন সবার। তাঁর জন্যই কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে সহমর্মিতা ছিল। ছিল না সংঘাত-দ্বন্দ্ব। এ জন্য দলমত-নির্বিশেষে সবাই ব্যক্তি সৈয়দ আশরাফকে পছন্দ করতেন।,1573237 2019-01-04,উত্তাল কেরালা. ৮০১ মামলায় গ্রেপ্তার ১৩৬৯,,অনলাইন ডেস্ক,৬,https://www.prothomalo.com/international/article/1573233/%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A7%AE%E0%A7%A6%E0%A7%A7,international,online,1,ভারত|নারী|মন্দির,ভারতের কেরালা রাজ্যের শবরীমালা মন্দিরে তৃতীয় নারী প্রবেশ করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর নিশ্চিত করেছে। রাজ্য পুলিশ বলছে. শ্রীলঙ্কার ওই নাগরিক মন্দিরে ঢুকেছেন। তবে শশীকলা নামের ওই নারীর দাবি. তিনি মন্দিরে ঢুকলেও পুলিশের বাধার কারণে আরাধ্য দেবতার দর্শন পাননি। এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে. শশীকলা নামের শ্রীলঙ্কার সেই নাগরিকের বয়স ৪৬ বছর। শবরীমালা মন্দিরে এত দিন ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ঋতুমতী কোনো নারী প্রবেশ করতে পারতেন না। তবে সর্বোচ্চ আদালত সম্প্রতি তা খারিজ করে দিয়েছেন। এরপরই গত বুধবার ভোরে মধ্যবয়সী ঋতুমতী দুই নারী প্রশাসনের সহায়তায় শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করে প্রার্থনা সারেন। তার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ ও সহিংসতা। এই বিক্ষোভ আজ শুক্রবারও চলছে। লাইভ মিন্টের খবরে বলা হয়েছে. এ পর্যন্ত পুলিশ ১৩৬৯ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। মোট মামলা হয়েছে ৮০১টি। অন্যদিকে গত বুধবার শবরীমালা মন্দিরে ঢোকা দুই নারীর নাম বিন্দু ও কনকদূর্গা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন. মন্দিরে ঢোকার সময় সেখানকার কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কোনো বাধা পাননি। দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে. শশীকলা বৃহস্পতিবার রাতে মন্দিরে ঢোকেন। সেখানকার স্থানীয় পুলিশ বলছে. শশীকলাকে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি এবং তিনি প্রার্থনা করতে পেরেছেন। তবে শশীকলা বলছেন. পুলিশ তাঁকে বাধা দিয়েছেন এবং তিনি ঢুকেছেন মন্দিরের নিয়ম মেনেই। শ্রীলঙ্কার এই নাগরিকের দাবি. তিনি ঋতুমতী নন এবং এটি নিশ্চিত করতে তাঁর কাছে চিকিৎসকদের সনদপত্রও ছিল। ১৯৯১ সালে দেওয়া কেরালা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ১০ থেকে ৫০ বছরের ঋতুমতী নারী ওই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেন না। সন্দেহজনক নারীদের মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে বয়সের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হয়। এই প্রথার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। গত সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ আদালত তার রায়ে সেই বৈষম্য দূর করেন। সেই থেকে একাধিকবার মন্দির দর্শনে গেলেও কোনো ঋতুমতী নারী সফল হননি। গত বুধবার ভোরে প্রথমবারের মতো দুই নারী সেই প্রথা ভাঙেন। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেরালায় রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বামপন্থীদের সঙ্গে বিজেপি সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়েছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘসহ (আরএসএস) বিভিন্ন ডানপন্থী সংগঠন এই সংঘাতে ইন্ধন জোগাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে ধর্মনিরপেক্ষতা ও বৈষম্যহীনতার পক্ষে গলা ফাটানো রাজ্য কংগ্রেসও। অবশ্য প্রবল বিক্ষোভের মুখেও অটল আছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তিনি বলেছেন. মন্দিরে নারী প্রবেশে সহায়তা করে সরকার তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেছে। এই দায়িত্ব পালনে সরকার বদ্ধপরিকর।,1573233 2019-01-04,আমরা ক্ষুব্ধ. উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত: ড. কামাল,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৬৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573231/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A6%A1.-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2,bangladesh,online,1,ড. কামাল হোসেন|রাজনীতি|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|ধর্ষণ|সরকার|নোয়াখালী,জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নে ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন. এ ঘটনায় গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার নির্যাতিত হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ. উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে কামাল হোসেন বলেছেন. ভোটের দিন রাতে সুবর্ণচরের ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীর (৪০) ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরোচিত লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। জাতি হিসেবে এ ঘটনা সবাইকে অত্যন্ত হেয় প্রতিপন্ন করেছে। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এমন ঘটনা কল্পনা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিবৃতিতে কামাল হোসেন বলেন. ‘এই ঘটনা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার. মৌলিক মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকির সম্মুখীন করেছে এবং এতে আমরা ভীষণ ভাবে ক্ষুব্ধ. উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত।’ এ ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য তিনি দেশের জনগণকে উদ্যোগী হওয়ার জন্য বলেন। তিনি আরও বলেন. এই লজ্জা সমগ্র জাতির। ওই নারী নির্যাতিত নয়. বরং নির্যাতিত হয়েছে গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার। ৩০ ডিসেম্বর রাতে ওই নারীর স্বামী-সন্তানকে বেঁধে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয় এবং ধর্ষণ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বিবৃতিতে গণফোরাম সভাপতি বলেন. নির্যাতনের শিকার ওই নারী তাঁর নিজ এলাকার একটি ভোট কেন্দ্রে নিজের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে চাইলে. ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। সরকার এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে সন্ত্রাসী ধর্ষকদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় কামাল হোসেন দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।,1573231 2019-01-04,খাবারের মধ্য দিয়ে দুজন মানুষের বন্ধুত্ব,,বিনোদন ডেস্ক,২,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573229/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC,entertainment,online,1,চলচ্চিত্র,‘আহার থেকে আহা রে। আবার আহা রে ইমোশনও।’ নতুন ছবি ‘আহা রে...’র ভাবনা নিয়ে এভাবেই বললেন পরিচালক রঞ্জন ঘোষ। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্য কলকাতার হোটেল হিন্দুস্তান ইন্টারন্যাশনালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছবিটির টিজার প্রকাশ করা হলো। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের আরিফিন শুভ আর ভারতের ঋতুপর্ণা সেনগপ্ত। রঞ্জন ঘোষ আরও বলেন. এই দুজনই খেতে এবং রান্না করতে ভালোবাসেন। খাবার ও রান্নার মধ্যে যে শিল্প আছে. এর প্রতি তাঁরা দুজনই কমিটেড। এটা প্রেমের গল্প তো বটেই. সঙ্গে জীবনযুদ্ধ আর দায়িত্ববোধের কথাও বলা হচ্ছে। ঢাকার এক মুসলিম বাঙালি শেফ এবং কলকাতার এক বাঙালি হিন্দু হোম কুকের দেখা হওয়া নিয়ে এগিয়েছে এই ছবির গল্প। বাঙালি শেফের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ আর হিন্দু হোম কুক ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে রঞ্জন ঘোষ বলেন. হিন্দু-মুসলিমের প্রেম শুনলেই আমাদের মনে হয় খুব হিংস্র কিছু হতে চলেছে। কিন্তু সব সময় শুধু ধর্ম প্রেমে সমস্যা সৃষ্টি করে না. পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির জন্যও প্রেমিক–প্রেমিকাকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এই বার্তাই খাবারের মধ্য দিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। এই অনুষ্ঠানে ছবিটি নিয়ে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন. ‘প্রেমকে কীভাবে খাবারের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করতে পারি। আর খাবার মানুষের জীবনে কত বড় একটা জায়াগাজুড়ে আছে. যেখানে খাবারের মধ্য দিয়ে আমরা প্রেমকে ছুঁতে পারি। পরিচালক এখানে প্রেমকে বেশি হাইলাইট না করে প্রেমে কীভাবে পৌঁছাবে. সেটা দেখিয়েছেন। জীবনের কোন কোন দিকগুলো মানুষের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ. সেই জায়গাগুলো আমরা পাই এই ছবিতে।’ তিনি আরও বলেন. ‘২০১৯ সালের শুরুটা যাতে খুব সুন্দরভাবে করতে পারি. সেই চেষ্টা আমাদের ছিল। তাই নতুন বছরে আমরা “আহা রে...” ছবিটি দর্শকদের সামনে নিয়ে আসছি। “আহা রে...” নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন. অনেক আশা। আমি চাই. ছবিটি দর্শকদের কাছে খুব সুন্দরভাবে পৌঁছে যাক।’ ছবিতে তাঁর সহশিল্পীকে নিয়ে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন. আরিফিন শুভ দারুণ কাজ করেছেন। আর আরিফিন শুভ বলেন. ‘গল্পটা শুনে আমি প্রেমে পড়ে যাই। কলকাতায় কাজ করা আমার প্রথম ছবি “আহা রে...”। কাজটা সবার ভালো লাগুক. এটাই আশা।’ ‘আহা রে...’ ছবির টিজারে দেখা যায়. নামাজ শেষ। এরপর অ্যাপ্রোন পরে রান্না করছেন এক তরুণ। সরস্বতী পূজার অঞ্জলি শেষ করেছে মেয়েটি। রান্নাঘরে ছড়িয়ে আছে সবজি। তার মধ্যে বসেই রান্না করছে সে। এদিকে এই অনুষ্ঠানের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন আরিফিন শুভ। এর সঙ্গে তিনি জানালেন. ভারতে ‘আহা রে’ ছবিটি মুক্তি পাবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর ভাবনা আজ ও কাল।,1573229 2019-01-04,আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে মামলা,,প্রতিনিধি. গৌরনদী. বরিশাল,৫,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573219/%E0%A6%97%E0%A7%8C%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A7%AE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE,bangladesh,online,1,অপরাধ|রাজনীতি|বরিশাল|আওয়ামী লীগ,বরিশালের গৌরনদীতে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আজ শুক্রবার একপক্ষ থানায় মামলাটি করে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলের ওই সংঘর্ষে আহত হন অন্তত আটজন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।প্রত্যক্ষদর্শী. স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে. উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের পূর্ব ডুমুরিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য কবির হাওলাদার ও আওয়ামী লীগের কর্মী কেরামত ব্যাপারীর সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। নির্বাচনের পর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ নতুন মাত্রা পায়। এ বিরোধের জেরে কেরামত ব্যাপারীর সমর্থক সাইফুল ব্যাপারীর নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন গতকাল বিকেলে কবির হাওলাদারের সমর্থক আজগর মৃধার বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাঁর স্ত্রী রিজিয়া বেগমকে পিটিয়ে আহত করেন। পরে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ইউপি সদস্য কবির হাওলাদারের সমর্থকেরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে পাল্টা হামলা চালান। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান. এই সংঘর্ষে কমপক্ষে আটজন আহত ও একটি বসতঘর ভাঙচুর হয়। আহতদের মধ্যে পাঁচজন হলেন. কেরামত ব্যাপারীর সমর্থক মালেক ব্যাপারী (৭০). আদেল ঘরামি (২৮). ফরিদা বেগম (৩৫). শাহিনুর বেগম (৩৫) ও কবির হাওলাদারের সমর্থক রিজিয়া বেগম (৩০)। আহত বাকি তিনজন কবির হাওলাদারের সমর্থক। আহত লোকজনের মধ্যে মালেক ব্যাপারী ও আদেল ঘরামিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ফরিদা বেগম. শাহিনুর বেগম ও রিজিয়া বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ভাঙচুর হয় কবির হাওলাদারের সমর্থক ফারুক ব্যাপারীর বসতঘর। কবির হাওলাদার ও কেরামত ব্যাপারী হামলার জন্য পরস্পরকে দায়ী করছেন। গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরোয়ার বলেন. এ ব্যাপারে কেরামত ব্যাপারী ১৫ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করেছেন। অপরপক্ষ এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।,1573219 2019-01-04,মুশফিকের আশা. আশরাফুল ভালো খেলবেন,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573217/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8,sports,online,1,মুশফিকুর রহিম|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|মোহাম্মদ আশরাফুল|চিটাগং ভাইকিংস|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,চিটাগং ভাইকিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মুশফিক। তাঁর দলে আছেন নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে বিপিএলে ফেরা আশরাফুল। মুশফিকের আশা. আশরাফুলের সেরাটাই পাওয়া যাবে এ টুর্নামেন্টে। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা মোহাম্মদ আশরাফুল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর ফিরতে পারবেন কি না. সেটি এখনই বলার উপায় নেই। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বাদ প্রকারান্তরে তাঁর পাওয়া হচ্ছে এই বিপিএল দিয়েই। স্পট ফিক্সিংয়ের কারণে নিষিদ্ধ থাকায় পাঁচ বছর খেলতে পারেননি এই টুর্নামেন্ট। বিপিএলে অবশেষে ফিরেছেন আশরাফুল. তাঁকে স্বাগত জানাচ্ছেন তাঁর অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। মুশফিক এবার নেতৃত্ব দেবেন চিটাগংকে। অধিনায়ক হিসেবে আশরাফুলকে নিয়ে তাঁর আশা অনেক. ‘তিনি অনেক কষ্ট করেছেন। ঘরোয়া ক্রিকেট অন্যান্য পর্যায়ে ভালো করেছেন। তিনি আশা করি এবারও ভালো খেলবেন। তিনি ভালো খেললে সেটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্যই ভালো।’ বিপিএলে আগেও অধিনায়কত্ব করেছেন মুশফিক। টুর্নামেন্টের শুরু কিংবা মাঝ পথে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ারও উদাহরণ আছে। ২০১৩ বিপিএলে দুরন্ত রাজশাহীর অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন টুর্নামেন্টের মাঝ পথে। আর গতবার তো টুর্নামেন্ট শুরুর আগ মুহূর্তে বললেন রাজশাহী কিংসের অধিনায়কত্ব করবেন না। এবার আবার চিটাগংয়ের নেতৃত্ব পেয়েছেন। মুশফিকের চাওয়া. এবার দায়িত্বটা ভালোভাবে শেষ করা. সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া. ‘এটা সম্মানের ব্যাপার. উপভোগের ব্যাপার। একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জিংও বটে। প্রত্যাশা বেশি থাকে। দলের মালিকপক্ষ বা সমর্থকদের পক্ষ থেকেও চাপ থাকে। অনেক দিন পর দায়িত্ব এসেছে। চেষ্টা করব পারফরম্যান্স দিয়ে চিটাগংকে গত টুর্নামেন্টের চেয়ে ভালো একটা ফলাফল এনে দেওয়ার।’ তবে আপাতত মুশফিকের চোখে কালকের ম্যাচে। মাশরাফির রংপুরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাঁদের বিপিএল-অভিযান। উদ্বোধনী ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু করতে চান চিটাগং অধিনায়ক. ‘এটা যেহেতু প্রথম ম্যাচ. সবাই চাইবে ভালোভাবে শুরু করতে। আমরাও তা-ই চাই। যাদের সঙ্গে খেলব. তারা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। সেটা ঠিক আছে কিন্তু এবার কিন্তু সবাই নতুন করে শুরু করবে। কাগজে-কলমে আমাদের দলটা অতটা শক্তিশালী না হলেও আমাদের কিন্তু কয়েকজন কার্যকরী টি-টোয়েন্টি খেলোয়াড় আছে। যাদের নিয়ে আমরা খুব ভালো একটা ম্যাচ শুরু করতে পারব বলে আত্মবিশ্বাসী। শুরুটা তাই গুরুত্বপূর্ণ। এটাতেই আপাতত মনোযোগ।',1573217 2019-01-04,‘বিপিএল খেলে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি হয় না’,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,২,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573214/%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E2%80%99,sports,online,1,মাশরাফি বিন মুর্তজা|ক্রিকেট|বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,বিপিএল শেষেই নিউজিল্যান্ড সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এর পর মে মাসের শেষ দিকে ইংল্যান্ডে বসবে বিশ্বকাপের ১২তম আসর। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে ২ জুন। সামনে সময় আছে বেশ। কিন্তু বিপিএল এর মাঝেও বিশ্বকাপ প্রসঙ্গটা প্রতিদিনই ওঠে। রংপুর রাইডার্সের অনুশীলনে দলীয় অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে আজও কথা বলতে হয়েছে বিশ্বকাপ প্রসঙ্গ নিয়ে। বিপিএল ও বিশ্বকাপের মধ্যে পার্থক্যটা বিশাল। প্রথমত বিপিএল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট আর বিশ্বকাপ ৫০ ওভারের খেলা। তাই বিপিএল দিয়ে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি হবে না বলে পরিষ্কার জানিয়েছেন মাশরাফি. ‘আমাদের খেলোয়াড়েরা ভালো খেলছে। এমনকি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিও যদি লক্ষ্য করেন. এখন জাতীয় দলে যারা খেলছে. ভালো খেলছে। এখন তরুণ খেলোয়াড় যারা উঠে আসছে তাদের একটা ভালো একটা সুযোগ আছে। কিন্তু বিশ্বকাপের জন্য মনে হয় না এই টুর্নামেন্টের প্রয়োজনীয়তা একেবারেই আছে। কারণ প্রথমত ফরম্যাট ২০ ওভারের। বিভিন্ন সময়ে যারা ব্যাটিংয়ে যাবে তাদের পরিস্থিতি ওইরকম থাকবে না. বোলারদের পরিস্থিতিও ওইরকম থাকবে না। এটার সঙ্গে ৫০ ওভার মেলানো কঠিন।’ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নেতৃত্ব থাকছেন মাশরাফির. এ কথা দৃঢ়ভাবে বলাই যায়। বিশ্বকাপের কন্ডিশনের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি. ‘আপনি যদি কন্ডিশন ধরেন. এখানে (বিপিএল) এমনি রান কম হয়. ইংল্যান্ডে সেখানে সাড়ে তিন শ অথবা ৩২০. ৩৩০ হবে। বরং বলতে পারেন নিউজিল্যান্ড থেকে আমাদের ২০১৯ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু হতে পারে।’ এবারের বিপিএলে ডি ভিলিয়ার্স. স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারদের মতো তারকাকে খেলতে দেখা যাবে। গত বিপিএলে উইকেটের মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। ব্যাটসম্যানদের অনেক ভুগিয়েছে মিরপুরের উইকেট। কিন্তু এবার ভালো খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে মান বাড়বে বলে মনে করেন মাশরাফি. ‘টুর্নামেন্টের শক্তি দেখলে হয়তোবা আমাদের উইকেট ওরকম (রান উৎসব) সাপোর্ট করে না অনেক সময়। মানুষ চায় বড় রান দেখতে। ১৮০. ১৯০ বা ২০০ রান যখন তাড়া করা যাবে তখন টুর্নামেন্টের গ্রহণযোগ্যতা অনিবার্য। উইকেট একটা বিষয়। চট্টগ্রামে খেলা হলে দেখবেন ব্যাটসম্যান. বোলার সবাই এনজয় করে। ওই চ্যালেঞ্জটা থাকে। কিন্তু এবার কিছু ভালো খেলোয়াড় এসেছে। আগেরবার যারা এসেছে তার থেকে কোয়ালিটি এবং বিশ্বক্রিকেটের ইনফর্ম খেলোয়াড়রাও এখানে আছে। হয়তো বা টুর্নামেন্টের গ্রাফটা ওপরের দিকে যাবে আশা করছি।’,1573214 2019-01-04,মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক ফখরুলের,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৬৯,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573213/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A0%E0%A6%95-%E0%A6%AB%E0%A6%96%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,1,রাজনীতি|বিএনপি|মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার সকালে মিলারের বাসায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বিএনপির মহাসচিবের সঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপির নেতারা সাংবাদিকের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। সাংবাদিকেরা বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁরা কোনো উত্তর দেননি।গতকাল বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে জেএসডির সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন. সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যাবে। তিনি বলেন. ক্ষমতাসীনেরা সবকিছু গায়ের জোরে করছে। সাধারণ মানুষ ভোট দেখেছে. তারাই এর প্রতিবাদ করবে। সামনে কী করণীয়. তখন সেটি নির্ধারণ হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে নির্বাচনের দিন থেকে ‘ভোট কারচুপি. অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ করে নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।,1573213 2019-01-04,সুবর্ণচরের সেই নারীকে দেখতে যাচ্ছেন ফখরুলরা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,২৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573212/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AB%E0%A6%96%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%B0%E0%A6%BE,bangladesh,online,1,রাজনীতি|নোয়াখালী|ধর্ষণ|বিএনপি|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট,নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের ধর্ষণের শিকার সেই নারীকে দেখতে যাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। কাল শনিবার সকালে তাঁরা নোয়াখালীর উদ্দেশে রওনা হবেন।বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান প্রথম আলোকে বলেন. জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর. জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব. নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ ঐক্যফ্রন্টের নেতারা আগামীকাল শনিবার নোয়াখালী যাবেন। সকাল সাতটায় গুলশান বিএনপি অফিস থেকে তাঁরা রওনা হবেন।সুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই নারী (৪০) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সেখানেই যাবেন। তাঁদের কালই ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের দিন রাতে ওই নারীর স্বামী-সন্তানকে বেঁধে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয় এবং ধর্ষণ করা হয়। নির্যাতনের শিকার নারীর পরিবার জানায়. ভোটকেন্দ্রে কথা-কাটাকাটির জেরে এই ঘটনা ঘটানো হয়। ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই নারীকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।,1573212 2019-01-04,মাশরাফি বলছেন রাজনীতিবিদ নয় খেলোয়াড় হিসেবে দেখতে,,ক্রীড়া প্রতিবেদক,১৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573209/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%A8%E0%A7%9F-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9C-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87,sports,online,2,মাশরাফি বিন মুর্তজা|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|রংপুর রাইডার্স|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,কদিন আগে সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। মাশরাফি বিন মুর্তজার সময় হয়েছে রাজনীতিক পরিচয়টা পাশে রেখে খেলায় মনোযোগী হওয়ার। গত বার তাঁর নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রংপুর রাইডার্স। এবারও তাঁর আশা গতবারের পুনরাবৃত্তি করা। নির্বাচন শেষে ঢাকায় এসে গত কদিন এক সঙ্গে দুটি কাজ করতে হয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। সকালে রাজনৈতিক কার্যক্রম তো বিকেলে মাঠে অনুশীলন। মাশরাফি যে দুটিই এক সঙ্গে পারেন. সেটি দেখিয়েছেন। তবে কাল থেকে তিনি শুধু একটি পরিচয়েই থাকতে চান. শুধুই খেলোয়াড়।নড়াইল থেকে আসার পর থেকেই সাংসদ হিসেবে অভিনন্দন পাচ্ছেন সবার কাছে। নির্বাচনের রেশ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। রাজনৈতিক পরিচয়টা সাময়িক সরিয়ে খেলার মাঠের নেতা হিসেবে আবারও শুরু করা একটু হলেও যে কঠিন মাশরাফি. সেটি মানছেন. ‘একটা থেকে আরেকটায় আসা এই সময়টা খুব কঠিন। খুব দ্রুত. সংক্ষিপ্ত সময়ে এটা করতে হচ্ছে। তবে আমি সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছি। এখন দেখা যাক।’সাংসদ হিসেবে প্রথম খেলতে নামছেন। রাজনৈতিক পরিচয় পাশে রেখে খেলায় যেন পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন. মাশরাফির তাই অনুরোধ এবার যেন সবাই তাঁকে শুধু খেলোয়াড় হিসেবে দেখে. ‘অন্য সময় যেভাবে খেলি. সেভাবেই খেলব। খেলোয়াড় হিসেবেই এখানে আমি পরিচিত এবং মাঠেও নামছি খেলোয়াড় হিসেবে. সংসদ সদস্য হিসেবে না। আমি আশা করি আপনারা সবাই আমাকে সেভাবেই দেখবেন।’এখনো পর্যন্ত যে পাঁচ বিপিএলে খেলেছেন চারটিতেই হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন। চারবার শিরোপা জিতেছেন তিনটি ভিন্ন ভিন্ন দলের হয়ে। সাফল্যের এই রহস্যটা কী. আগেও বিচ্ছিন্নভাবে নানা ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আজ আরেকবার বললেন. ‘আগের বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি. প্রতিবারই এ চাপ নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করি। গতবার ছাড়া প্রতিবারই আমাকে এই চাপ নিয়ে শুরু করতে হয়েছে। বর্তমান চ্যাম্পিয়নের সব সময়ই আলাদা একটা চাপ থাকে। আপনি যে ভালো দল গুছিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবেন এই সংস্করণে. এই নিশ্চয়তাও নেই। কাল থেকে আমাদের খুব ভালোভাবে শুরু করতে হবে। খারাপও হতে পারে। গতবার আমরা শুরুর দিকে হারছিলাম। পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। ওই মানসিকতা থাকতে হবে। নির্দিষ্ট কোনো রেসিপি নেই। অনেক জায়গার প্লেয়ার আসে. এখানে বন্ধনটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এক সঙ্গে থাকা . এক সঙ্গে সবকিছু করা। এই ধরনের টুর্নামেন্টে এসব খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ তবে মাশরাফি আশাবাদী তাঁর দলটা এবার দুর্দান্ত হয়েছে। দলে যে আছেন ক্রিস গেইল. এবি ডি ভিলিয়ার্স. অ্যালেক্স হেলসের মতো বড় তারকা। তবে এটি তাঁকে মোটেও অতি আত্মবিশ্বাসী করছে না. ‘এবার আমাদের দলটা ভালো. ভারসাম্যপূর্ণ। বোলিং বিভাগ একটু ঠিক রাখতে হবে। এখনো সব খেলোয়াড় আসেনি। আগেরবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি. একটা প্রত্যাশা তো আছে। গতবারের চেয়ে দল আরও ভালো বলে মনে হচ্ছে। আত্মবিশ্বাস থাকতেই হবে। তবে অতি আত্মবিশ্বাস নয়। নতুন করে টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে. নতুন চ্যালেঞ্জ।’ টুর্নামেন্টে মাশরাফির রংপুর রাইডার্স কত দূর যাবে. সেটি নিয়ে পরে ভাবলেও চলবে। আপাতত তাদের ভাবতে হচ্ছে চিটাগং ভাইকিংসকে নিয়ে। রংপুর-চিটাগং ম্যাচ দিয়েই শুরু হয়ে যাবে বিপিএলের ষষ্ঠ সংস্করণ।,1573209 2019-01-04,আখতারুজ্জামান ইলিয়াস: আম্মার ঘরে কী ফেলে এসেছিলেন?,,ফারুক ওয়াসিফ,২৭,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573207/%E0%A6%86%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8,opinion,online,2,ফারুক ওয়াসিফ|স্মরণ|বগুড়া,আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সঙ্গে প্রথম দেখা বৃষ্টির সন্ধ্যায়. শেষ দেখা কবরস্থানে. তখন তাঁর মুখটা ঢাকা। বগুড়ায় শুরু. বগুড়াতেই শেষ। তাঁর সঙ্গে স্মৃতি কম বলেই হয়তো সবটাই অমূল্য মনে হয়. সবটাই মনে থাকে। ১৯৯৪ সাল। তখন ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়ে ফেলেছি। বাম ছাত্র রাজনীতি ও প্রতিষ্ঠানবিরোধী সাহিত্যকর্ম. দুটোতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছি। ফলে বিস্তর আড্ডা হতো। বন্ধুমহল. পার্টি মহল সেরে আসতাম পড়ুয়ায়। বগুড়ার থানা রোডের এই বইয়ের দোকানটি আর যথাস্থানে যথাভাবে নেই. অথচ একসময় এটাই ছিল উত্তরবঙ্গের শাহবাগ. বগুড়ার আজিজ সুপার মার্কেট। কে না আসতেন সেখানে? এ রকম এক আড্ডায় শিক্ষক ও সাহিত্যগুরু শোয়েব শাহরিয়ার বললেন. ‘এই ফারুক. জানো নাকি. ইলিয়াস ভাই আসছেন।’ বললাম. তাই নাকি? আমি দেখা করব। স্যার বললেন. ‘তুমি কাল সন্ধ্যায় ইলিয়াস ভাইয়ের বাসায় আসো. আমিও আসব।’ সাতমাথা থেকে বামে নবাববাড়ি হয়ে জেল রোডের মোড়ে একটা ছোট্ট সড়কদ্বীপ। তার বামে একটা চৌচালা বাংলো বাড়ি দেখতাম। সামনে পাতাবাহার গাছসমেত পুরোনো বাড়ি। সেটাই আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ওরফে মঞ্জুদের বাড়ি। তিনি তখন ঢাকা কলেজের শিক্ষক। মাঝেমধ্যেই বগুড়া আসতেন ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাস লেখার কাজে। পুরোনো বাড়িটার পেছনেই ছিল তিন কি চারতলা এক হলুদ দালান। সেটাও ইলিয়াস পরিবারেরই বাড়ি। বাড়িটার নাক বরাবর গেলে জেলখানা ও স্টেশন ক্লাব পেরিয়ে মরা করতোয়া নদী। না জেনেই কত বছর সেখানে আড্ডা দিয়েছি। পরে বুঝেছি. তাঁর নিরুদ্দেশ যাত্রা গল্পের বাড়ি. রাস্তা এবং মৃত্যুদৃশ্যটা বাড়ির সামনের এই রাস্তারই। পরদিন সন্ধ্যায় খুব ‘মনোরম মনোটোনাস’ বৃষ্টি। তার মধ্যে হাজির হলাম সেই হলুদ বাড়িতে। তত দিনে ইলিয়াস সম্পর্কে আমি কিছুটা জানি। তাঁর গল্পের বইগুলো পড়েছি. ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসও পড়া। আমার মধ্যে অন্য আরেক ভাব। ছাত্র ফেডারেশন নামে যে সংগঠনটির শাখা আমি প্রথম বগুড়ায় খুলেছি. সেটা আর আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সংগঠন সেই বাংলাদেশ লেখক শিবির একই জোটের সদস্য। ইতিমধ্যে আমারও কয়েকখানা গল্প কামরুল হুদা পথিক ও সরকার আশরাফ সম্পাদিত লিটল ম্যাগাজিন ‘দ্রষ্টব্য’ ও ‘নিসর্গে’ বেরিয়েছে। হলুদ বাতির সেই সন্ধ্যায়. ইলিয়াসদের বৈঠক ঘরে এই পটুভূমিতে ভাবছি. কী বলব তাঁকে? শোয়েব শাহরিয়ার স্যার এখনো আসছেন না কেন? এর মধ্যে ইলিয়াস এলেন। মোটা ফ্রেমের চশমা. বাসার পোশাক পরা. হাতে সেই বিখ্যাত পাইপ আর দরাজ গলা। জানতে চাইলেন কী করি। বলা হলো। কথায় কথায় উনি বললেন. ‘তোমার গল্পগুলো পড়তে দেবে? আমি পড়তে চাই।’ বালকের প্রথম অহংবোধ আমাকে মনের ভেতর খাড়া করে ফেলল। বলে ফেললাম. ‘আমরা তো আপনার লেখা খুঁজে খুঁজে পড়ি। আমার লেখা যদি সত্যিই পড়তে চান তাহলে আপনিও খুঁজে নেবেন। আজিজ মার্কেটসহ বিভিন্ন জায়গায় পত্রিকাগুলো পাওয়া যায়।’ এমন কথায় অন্য কারও হয়তো ভ্রু কুঁচকে যেত। কিন্তু ইলিয়াসের কণ্ঠে অগাধ প্রশ্রয় আর আগ্রহ। বললেন. ‘আলবৎ! তাই তো. তাই তো. আমি অবশ্যই খুঁজে নিয়ে পড়ব।’ তারিফ করতে করতে এ গল্পটা উনি ঢাকায় এসে অনেককে করেছিলেন। এক উঠতি তরুণের আত্মশ্লাঘাকে স্বীকৃতি দিয়ে তিনি আসলে লেখকের আত্মমর্যাদাবোধেরই জ্বালানি জুগিয়েছিলেন সেদিন। আরেকবারের কথা। পড়ুয়ার উল্টোদিকে শ্যামলী রেস্টুরেন্টে আড্ডা হচ্ছে। কবি শোয়েব শাহরিয়ার. সাহিত্য সমালোচক ও গল্পকার বজলুল করিম বাহার. কথাসাহিত্যিক সাজাহান সাকিদার—এঁরা ছিলেন। তরুণদের মধ্যে কবি শিবলী মোকতাদির. মান্নান আরজুরা ছিলেন। রাত প্রায় ১০টায়ও সেই আড্ডা আর ফুরায় না। সবাই মিলে জেলরোডের দিকে হাঁটা দিলাম। ইলিয়াস ভাইকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। সুনসান শীতের রাতে বাংলা সাহিত্য সদরঘাটের লঞ্চের মতো গুঞ্জন করতে করতে চলছে। মাঝেমধ্যে লঞ্চের ভেঁপুর মতো ইলিয়াসের সেই বিখ্যাত হো হো হাসি—পল্টনের লেখক শিবিরের আড্ডায় যে হাসি ফাটলে নাকি ফুলার রোডের গোমড়া শিক্ষকেরাও চমকে উঠতেন। তো. আমরা তাঁর বাড়ির কাছাকাছি এসেছি. এমন সময় পেছন থেকে একটা চিৎকার ভেসে এল. ‘ক্যা রে মঞ্জু উ উ’। মঞ্জু ফিরে তাকায়। জেলখানা রোডের অন্ধকারে. গলির ভেতর থেকে মূর্তির মতো এগিয়ে আসে একটা ঢ্যাঙা চেহারার মানুষ। বয়স বোঝা যায় না. চল্লিশও হতে পারে. পঞ্চাশও হতে পারে। কাছে এসে হাত রাখে মঞ্জুর ঘাড়ে। ‘ক্যা রে. কবে অ্যালু. খবর পানু না!’। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ‘কাপুরুষ’ উপন্যাসের স্পাই আর সন্ত্রাসবাদী দস্যু ছোটবেলায় ছিল গলাগলি বন্ধু। স্পাইটির নাম ছিল রূপা। শৈশবের মাঠে দস্যুটি বন্ধুকে ডাক দিত: ‘রূপা বেন গাড়া রে!’ বন্ধুর ডাকে ইলিয়াস মঞ্জু হয়ে গেলেন। জলেশ্বরীতলার শুরুতে যেখানে ইলিয়াসদের বাড়ি. তার আগেই কালীবাড়ি মোড়। সেখানেই ছিল এই বন্ধুটির বাড়ি। আধা অপ্রকৃতিস্থ মানুষটিকে পরেও দেখেছি। এক একা হাঁটতেন আর বিড়বিড় করতেন। কেন যেন মনে হয়. ওই চরিত্রটির মধ্যে ‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’ গল্পের প্রদীপের ছায়া পাওয়া যায়। শেষের দিকে...হায়. তখন কে জানত যে শেষের দিকটা কাছে চলে আসছে? শেষের দিকে ‘খোয়াবনামা’ লেখার কাজে খুব ঘুরতেন বগুড়ার গাবতলী থানার কাৎলাহার বিল. গোলাবাড়ি. মহিষবাথান. চন্দনবাইশা. ধুনট. মহাস্থান এসব জায়গায়। সারা দিন ঘুরতেন. সন্ধ্যায় দেখতাম ওই চৌচালা বাংলো বাড়ির বৈঠকখানায় গল্প করতে করতে এক হাত দিয়ে ডান ঊরু টিপছেন। খুব ব্যথা হতো। তখনো পায়ের ক্যানসারটা ধরা পড়েনি। টাইপরাইটারটা সঙ্গেই থাকত। আরেক ঘরে বসে কখনো কখনো লেখার খটাখট শব্দ পেতাম। গোলাবাড়ী বাজারে তাঁদের এক আত্মীয় নাকি জিন নামাতে পারেন। তার গল্প হতো। গাবতলীর বিখ্যাত পোড়াদহের বিলের গল্প হতো। এসবই ছিল তাঁর ‘খোয়াবনামা’ লেখার রসদ। অনেক ঘুরেছেন তিনি। ঘুরতে ঘুরতেই ডান পা-টা ক্যানসারে কাটা পড়ল। আমার কেবল তাঁর পায়ের কথা মনে আসে। তিনি সেই ধরনের লেখক. যাঁদের মনের চোখকে প্রভাবিত করে তাঁদের পা। জোড়া পায়ে তাঁরা লোক-লোকান্তরে. গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘুরে বেড়ান। পায়ে পায়ে তাঁরা চলে যান সেই কিনারে যেখানে জীবন ‘অনাগরিক’. ‘অসুশীল’ আর প্রকৃতি প্রায় ‘বুনো’। কিংবা এই রাজধানী. সভ্যতার এই বাংলাদেশি কেন্দ্র. তার জনসমতলেও অনেক ঘুরেছেন তিনি। পুরান ঢাকা থেকে শুরু করে যমুনার চর. সাতক্ষীরা-বরিশাল থেকে তেঁতুলিয়া-পঞ্চগড়—সব পথের ধুলা তাঁর পায়ে লেগেছে। সেই ধুলা জানিয়েছে সামান্য মানুষের বাঁচা-মরার অসামান্য ইতিহাস। সেই সব জানা থেকে সাহিত্য হয়. শিল্প হয়। সেই সুবাদে তাঁর সটান পা জোড়ার হাঁটাহাঁটির কথা মনে পড়ে। লেখক শিবিরের সংগঠক হিসেবে জেলায় জেলায় সফর করেছেন. চলে যাচ্ছেন আরও ভেতরে. পাকা সড়ক আর বিদ্যুতের খুঁটি ছাড়িয়ে আরও ৪০-৫০ মাইল ভেতরে। কখনো কারও মোটরসাইকেলের পেছনে বসে. কখনো বা নৌকায়। পা তাঁকে টেনে নিয়ে যেত গল্পের শিকড়ের কাছে. কাহিনির বীজের কাছে। মনে পড়ে সেই পা জোড়ার একটি কাটা যাওয়ার কথা। সেই কাটা পা নিয়ে তিনি চড়ে বসেন হুইলচেয়ারে। যেমনটা তাঁর ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসে দেখি: বিদ্রোহী ফকিরদের নেতা মুনশি বায়তুল্লাহ ইংরেজের গুলি খাওয়া বুক নিয়ে মরে যাওয়ার পর চড়ে বসেছিলেন কাৎলাহারের বিলপাড়ের পাকুড়গাছের মাথায়। তাঁর অধীন মানুষ ও প্রকৃতিকে সেখান থেকেই দেখে রাখতেন। ইলিয়াসও অন্তিমে হুইলচেয়ারে করে চেষ্টা করেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর উপন্যাসটি শেষ করতে। পারেননি. হুইলচেয়ারে বসে থাকতে পারেননি. পদাতিক জীবন ভুলতে পারেননি। মরে গিয়েছিলেন অকালে. মাত্র ৫৪ বছর বয়সে। এ রকম পায়ের ব্যথাকে শাসন করতে করতেই বলেছিলেন একদিন. ‘আজ মহাস্থানগড়ে যাব. ওই উপন্যাসটার কথা ভাবা শুরু করেছি।’ প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের কৈবর্ত বিদ্রোহ আর একাত্তরের সময়কার মহাস্থানগড় এলাকার পটভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস লিখতে যাচ্ছেন। করে গেলে সেটা হতো ‘চিলেকোঠার সেপাই’ ও ‘খোয়াবনামা’র পরে তাঁর ট্রিলজির শেষ খণ্ড। জীবন শ্রেষ্ঠকে সুযোগ দেয় না প্রায়ই। ওই গোলাবাড়ি থেকে মহাস্থানের পথে এখনো ‘খোয়াবনামা’র ফকির আর সন্ন্যাসীদের দেখা যায়। ইংরেজের বিরুদ্ধে ফকির মজনু শাহ আর ভবানী পাঠকের সন্ন্যাসীদের লড়াই শেষ হলেও. ইতিহাস জীবন্ত হয়ে হাঁটে মানুষের দেহবিজড়িত আচরণে। গোলাবাড়ি বাজারে এক সাধুর দেখা পেয়েছিলাম যিনি যৌবনে যমুনা নদীর তলায় ব্যাখ্যাতীত কোনো ঘটনা দেখে কথা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে এখন খালি পায়ে এখানে সেখানে ঘোরেন। এই লোকটির মধ্যে কি ‘খোয়াবনামা’র তমিজের বাপকে দেখা যায় না? ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হলো ‘খোয়াবনামা’। সে বছরই লেখক শিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে একটা চমৎকার আলোচনা অনুষ্ঠান করে এর ওপর। অসুস্থ থাকায় পরে তাঁকে আলোচনার রেকর্ড শোনানো হয়। এ রকমই একদিন ঢাকায় আজিমপুর কলোনির বাসায় হাজির হলাম সন্ধ্যার দিকে। গিয়ে শুনি. হুইলচেয়ারে বসে একাই গোসল করতে গিয়ে সুস্থ পা-টাতে চোট পেয়েছেন। বসার ঘরে বসে আছি। ভাবি হুইলচেয়ার ঠেলে তাঁকে গোসল করিয়ে নিয়ে আসছেন। দেখছি সেই প্রাণবান মানুষটাকে। যে মানুষটা বহির্মুখী. প্রাণবান. উদ্দাম আড্ডায় তুখোড়। তেজি সেই মানুষটার মাথাভর্তি ধূসর চুল ছিল. গলার আওয়াজ ছিল গমগমে. আর ছিল প্রাণখোলা হাসি। সেই পদাতিক প্রাণবান মানুষটা তখন যুদ্ধাহত. ক্যানসারে একটা পা কাটা। ফুসফুসেও ছড়িয়েছে মরণাত্মক কর্কট ব্যাধি। আমাকে দেখেই খেপে গেলেন। কেন জাহাঙ্গীরনগর থেকে উজিয়ে তাঁকে দেখতে এসেছি। বললাম. ‘একটা মিটিং ছিল. ঢাকায় আসতেই হতো। ভাবলাম. আপনাকে দেখে যাই।’ শুনে আরও ক্ষিপ্ত হলেন। ভাবি পেছনে হুইলচেয়ার ধরে দাঁড়িয়ে। ইশারায় চুপ থাকতে বললেন। ইলিয়াস ভাই তখনো বলে চলেছেন. ‘তোমার কি গোঁফ হয়েছে. তুমি কি স্ট্যালিন হয়েছ? তোমাকে ছাড়াও বিপ্লব হবে।’ এতক্ষণে রাগের কারণ বুঝলাম। তিনি জানতেন. আমার তখন ফুসফুসে পানি জমেছে. ফুটা হয়েছে। বিশ্রামে থাকার নির্দেশ আছে। এ অবস্থায় কেন আমি ছোটাছুটি করছি. এই-ই তাঁর উদ্বেগ। হাসপাতালে তাঁকে দেখতে গিয়ে এ রকমই তোপের মুখে পড়েছিলেন তাঁর অগ্রজ বন্ধু ও সতীর্থ কথাশিল্পী শওকত আলী। পা-হীন তাঁকে দেখে কেঁদে ফেলেছিলেন। ইলিয়াস নরম আবেগ সইতেন না। ধমকে উঠলেন. ‘পা গেল আমার. তুমি কাঁদছ কেন?’ পায়ের ব্যথাটা আর ছিল না। কিন্তু অন্য ব্যথা তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াত। যে পা নেই. সেই পায়ের সাড়া পেতেন। মনে হতো হাঁটুর কাছে চুলকাচ্ছে কিংবা ঊরুর সেই ব্যথাটা বুঝি ফেরত এসেছে। আনমনে ডান হাতটা সেখানে নিয়ে যেতেন. কিন্তু হাতে কিছু ঠেকত না. কেবলই শূন্যতা। যেখানে ব্যথা. যেখানে পা-টা থাকার কথা. সেখানে তা নেই। সেটা তিনি ফেলে এসেছেন কলকাতার হাসপাতালে। সেবার কলকাতায় যাওয়ার পথে কোনো এক ভক্ত ছবি তুলতে চাইছিল তাঁর। ইলিয়াস নিষ্ঠুর। বললেন. ‘অ্যাই. ভালো করে তোলো. দেখো দুটো পা-ই যেন ওঠে। নইলে কেউ তো বিশ্বাস করবে না যে আমার দুটো পা-ই ছিল।’ শ্লেষ ও রসিকতার আড়ালে এভাবে দুঃখ ঢাকতেন। তাঁর চরিত্রদেরও রেহাই দিতেন না এই শ্লেষ ও রসিকতা থেকে। তাদের তুচ্ছতা. অসহায়ত্ব দেখাতেন ঠিকই. কিন্তু পড়ার পর পাঠকের মনে কোথায় যেন একটা মায়ার রেশ রয়ে যেত। নিরাবেগ ভাষার তলায় যেন দরদের শিরা বয়ে যেত. সেই দরদ পাঠককেও ছুঁত। শেষ স্মৃতিটা ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারির। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সেদিন সমাবর্তন। তার মধ্যেই সমাবর্তনের মাইকে ঘোষিত হলো. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আর নেই। আমি আর কথাসাহিত্যিক প্রশান্ত মৃধা দৌড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুপুরের বাসে চড়ে বসি। সেবার খুব বন্যা হয়েছিল দেশে। সাভার থেকে ঢাকার পথের দুপাশে আদিগন্ত জলরাশি। বাসের দরজায় ঝুলছি আমরা দুজন। কথা নেই কারও। কেবল অফুরান জলরাশির দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল. নেই আর সেই মহিম ছায়া. মাঝে মাঝে আর কার কাছে যাব? তাঁর ‘থাকা’র মতো না-থাকাটাও এতই প্রবল। তাঁর সেই কাটা পায়ের মতো. যা নেই কিন্তু ঠিকই ব্যথা দেয়। সেদিনও বোধ হয় আকাশ মেঘলাই ছিল। বিকেলের দিকে আজিমপুর সরকারি কলোনিতে নিচতলার বাসায় পৌঁছালাম। সেই বসার ঘরে ঢুকলাম. যেখানে মহাশ্বেতা দেবীর আসা উপলক্ষে আড্ডায় কয়েক মাস আগেই হাজির হয়েছিলাম। সেই ঘর. যেখানে বদরুদ্দীন উমরের দেওয়া ক্ল্যাসিকাল সংগীতের ক্যাসেট থেকে শুনিয়েছিলেন। ঢাকার বিদায় পর্ব শেষে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে বগুড়ায়। কী মনে হলো. বললাম. আমিও যাব। একটা লাশবাহী গাড়ি আর একটা মাইক্রোবাস। ৯টা কি ১০ টার মধ্যে পৌঁছে গেলাম আরিচা ঘাটে। সরকারিভাবে একটা বিশেষ ফেরি রাখা ছিল। খুব কুয়াশা আর শীত। তার মধ্যে অনেক রাতে ফেরির ছাদে উঠে এসেছি। দেখি. আরেক দিকে রেলিংয়ে হেলান দিয়ে আছেন ইলিয়াসের ছোট ভাই. অনুবাদক ও খ্যাতনামা অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি আমাদের শিক্ষক ছিলেন। ওই হিম শোকের রাতে আমরা কোনো কথা বলিনি। একমনে ফেরির উঁচু ছাদের থেকে তাকিয়ে ছিলাম ফেরির ফ্লাডলাইটের আলোয় ঘোলা স্রোতের ঘূর্ণির দিকে। অদ্ভুত একটা অনুভূতি হয়। এই যমুনা নদী চলে গেছে তাঁর গ্রামের বাড়ির কাছ দিয়ে। যমুনা থেকে করতোয়া ও বাঙ্গালী নদী যার আরেক নাম মহিষাবান. তা গিয়ে মিশেছে ‘খোয়াবনামা’র কাৎলাহার বিলে. যার পাড়ে বসে পোড়াদহের মাছের মেলা. যে মেলায় বিশাল বাগাড় মাছেরা বিক্রি হয়. যারা নাকি ছিল ফকির মজনু শাহের শিষ্য মুনশি বায়তুল্লাহর শিষ্য বিদ্রোহী ফকির। মনে হলো. মৃত্যুর পরের এই ঘরে ফেরার যাত্রা যেন তাঁর সাহিত্যিক যাত্রারই অনুকরণ। উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে সংস্কৃতির যে ভাঙা সেতু জোড়া লাগাতে চেয়েছেন. ফিরতে চেয়েছেন দেশের উৎসভূমিতে; অন্তিম দিনে নদী বেয়ে বেয়ে তিনি সেখানেই ফিরে যাচ্ছেন। ক্লান্তি কি জুড়াল পথিকের? যৌবনে কবিতায় লিখেছিলেন তিনি. ‘‘ক্লান্ত চোখে ক্লান্ত চোখের পাতা’তারো চেয়ে ক্লান্ত আমার পাযে ঘর দেখি. “একটুখানি বসি?” জবাব আসে. “না এখানে না।’’ পরদিন দুপুরের পর বগুড়ার ভাই পাগলা মাজার কবরস্থানে তাঁর কবর হয়। কবরস্থানের মূল দরজা দিয়ে ঢুকলেই বামের প্রথম কবরটি বাবা-পুত্রের: বদিউজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াস ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। তার পরেরটি একজন তরুণ মুক্তিযোদ্ধার। এবং আশ্চর্য কাকতাল. তার পাশের কবরটি আমার বড় চাচার. তিনি গত হয়েছেন গত বছর। ইলিয়াসকে কবরে শোয়ানোর পর কাউকে কিছু বলতে বলা হলো। তাঁর ছেলে পার্থ এবং দুই ভাই কিছু বলতে পারছিলেন না। কেউ একজন আমাকে কিছু বলতে বললেন। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে যা বলেছিলাম তা আজও বিশ্বাস করি: তাঁর অকালমৃত্যুর ক্ষতি যেমন পূরণ হওয়ার নয়. তেমনি তাঁর সৃষ্টিকর্ম সাহিত্যের মানচিত্রে বাংলাদেশকে ক্রমশ উজ্জ্বল করে যাবে। ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্প। গল্পটায় ঘোরগ্রস্ত একটি যুবকের ঘুম হয় না। তার কেবলই মনে হয়. ‘আম্মার ঘরে কী যেন ফেলে এসেছি’। যুবকের নামটাও তাঁর নামের সঙ্গে মেলে. ‘রঞ্জু’। রঞ্জু কী যেন হারিয়ে ফেলেছে সে তা জানে না। কিন্তু তার ফাঁকা লাগে. একলা লাগে. শোক হয়। হারানোর এই অনুভূতি শিল্পীকে চালিত করে। আজীবনের কাজে সে তা খোঁজে। হয়তো তা মায়ের কোলের পরম শান্তি ও নিশ্চয়তা। নাড়ির সেই বন্ধন যৌবনে আমরা যা হারিয়ে ফেলি। তারপর না-বুঝেই খুঁজি অন্য কোনো মানুষে. প্রকৃতিতে. দৈবে. ইতিহাসে। ইলিয়াসও কি ‘আম্মার ঘরে হারিয়ে ফেলা’ সেই পরম বন্ধন খুঁজে গেছেন মানুষের ভেতর. ইতিহাসের মধ্যে. মিথ ও প্রবাদে এবং মনের অন্ধকার প্রদেশে? ফারুক ওয়াসিফ: লেখক ও সাংবাদিক।faruk.wasif@prothom-alo.info,1573207 2019-01-04,বিএনপির পরাজিত প্রার্থী হাসপাতালে গ্রেপ্তার,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573206/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87,bangladesh,online,2,আইন ও বিচার|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন,সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার সময় রাজধানীর মতিঝিল থেকে ৮ কোটি টাকা উদ্ধারের মামলায় মিয়া নুরুদ্দীন অপুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে তাঁকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১। নুরুদ্দীন শরীয়তপুর-৩ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি–জামায়াত সরকারের সময় মিয়া নুরুদ্দীন অপু সমালোচিত ও বিতর্কিত হাওয়া ভবনের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। ওই সময় তিনি বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ছিলেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় অপু মালয়েশিয়া চলে যান। এরপর দেশে ফিরে বেশ কিছু দিন জেল খাটেন। র‍্যাব-১-এর উপ-অধিনায়ক মেজর রাকিবুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন. নুরুদ্দীন অপু ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গ্রেপ্তারের পর তিনি সেখানেই র‍্যাবের প্রহরায় চিকিৎসাধীন থাকবেন। র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে. নুরুদ্দীন অপু ওই হাসপাতালের ৫০৩ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন। আট কোটি টাকা উদ্ধারের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গত ২৫ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলের সিটি সেন্টার থেকে টাকাসহ ব্যবসায়ী আলী হায়দার ও দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। আলী হায়দার আমদানি-রপ্তানি ও ঠিকাদারি কোম্পানি ইউনাইটেড করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। গ্রেপ্তারের পর মতিঝিলের সিটি সেন্টারে র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন. একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিপুল পরিমাণ টাকা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব টাকা হুন্ডির মাধ্যমে দুবাই থেকে বাংলাদেশে এসেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে নগদ ৮ কোটি টাকা ও ১০ কোটি টাকার চেক পাওয়া গেছে। টাকার সঙ্গে তারেক রহমানের ছবিযুক্ত বিএনপির এক নেতার লিফলেটও উদ্ধার করা হয়। এরই মধ্যে ১৪ কোটি কালোটাকা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সর্বশেষ শরীয়তপুর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দীন অপুকে সাড়ে তিন কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। টাকা পাঠানোর তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে র‍্যাব।,1573206 2019-01-04,কোহলিকে দুয়ো দেওয়ায় খেপেছেন পন্টিংরা,,খেলা ডেস্ক,১৬,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573193/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A7%8B-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B0%E0%A6%BE,sports,online,2,ভারত|ক্রিকেট|বিরাট কোহলি|টেস্ট ক্রিকেট|অস্ট্রেলিয়া,সিডনি টেস্টে ব্যাটিংয়ে নামার সময় বিরাট কোহলিকে ‘দুয়ো’ দেওয়া মানতে পারছেন না অনেকেই। সিরিজ শুরু হওয়ার আগ থেকেই অস্ট্রেলিয়া ব্যস্ত ছিল বিরাট কোহলিকে নিয়ে। মাঠে অস্ট্রেলিয়ানদের এই কোহলি-কেন্দ্রিক চিন্তার ফল তুলে নিচ্ছে ম্যাচে। কোহলিও তাঁর স্বভাবগত আক্রমণাত্মক আচরণ দিয়ে খেপিয়ে তুলছেন অস্ট্রেলীয়দের। স্বাগতিক গ্যালারি সেটা মানতে পারছে না। এরই ফল. গ্যালারি থেকে দুয়ো দেওয়া হচ্ছে ভারত অধিনায়ককে। গালিও শুনতে হচ্ছে তাঁকে। নিজেদের দর্শকের এমন আচরণ লজ্জায় ফেলে দিয়েছে স্বয়ং রিকি পন্টিংকে। মেলবোর্নে কোহলিকে খেপানোর চেষ্টা হয়েছিল গালাগালির মাধ্যমে। পার্থেও দুয়ো দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সিডনির দর্শকেরাও বাদ যাবেন কেন? কোহলি ব্যাট করতে নামার সময় গর্জে উঠেছিল সিডনির গ্যালারি। দুয়ো দিয়ে ভরকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল কোহলিকে। পন্টিংকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে কড়া প্রতিক্রিয়াই মিলেছে. ‘এটা যদি সত্যি দুয়ো হয়ে থাকে. তাহলে খুবই লজ্জার ব্যাপার। পার্থ টেস্টেও এ নিয়ে বলেছিলাম। কিছু সম্মান দেখাও।’ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কেভিন রবার্টসও ব্যাপারটায় অসন্তুষ্ট. ‘এটা দেখতে মোটেও ভালো লাগেনি আমার। আমরা অস্ট্রেলিয়ানদের গর্বিত হতে বলি. আমরা জেতার কথা বলি। কিন্তু আমরা আশা করি এটা সম্মানের সঙ্গে অর্জিত হবে. এ নিয়ে কোনো তর্ক করার সুযোগ নেই। আমি সমর্থকদের বলব এ খেলাকে সম্মানের সঙ্গেই সমর্থন দিন। এটা (সম্মান দেওয়া) আমাদের চেয়ে বড়. সফরকারীদের সম্মান করুন. তাদের আমাদের দেশের সেরা অভিজ্ঞতা দুন। ওদের মাঠের খেলায় হারানোর চেষ্টা করব কিন্তু সেটা সম্মানের সঙ্গেই। সেটা খেলোয়াড়. কর্মকর্তা. সমর্থক. সম্প্রচারক—সবারই মেনে চলা উচিত। এ খেলার মূল ভিত্তি হলো সম্মান এবং আশা করি এখন থেকে আমরা সবাই সেটা দেখতে পারব।’ ধারাভাষ্যকার টিম লেন অবশ্য দর্শকদের আরও কড়া কথা শুনিয়েছেন. ‘আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি. সে (কোহলি) যখন মাঠে নামল তখন যে অভ্যর্থনা পেয়েছে সেটা ছিল খুব বাজে এবং নিম্নমানের। সে সফরকারী দলের অধিনায়ক। এভাবে তাঁকে স্বাগত জানানো নিচু মানসিকতার পরিচয় দেয়। সে তো ভুল কিছু করেনি. সে শুধু একটু বেশিই ভালো খেলছে... জাতি হিসেবে আমাদের আরও ভালো করা উচিত। আমার এটা ভালো লাগেনি। কোহলির একটাই দোষ. সে তাঁর দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং অস্ট্রেলিয়ায় এসে জিতছে। মানুষের এটা ভালো না লাগলেও তাদের এর মূল্য বোঝা উচিত এবং প্রশংসা করা উচিত।’,1573193 2019-01-04,জাপানি ভিক্ষুরা দেখিয়ে দিলেন,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1573191/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8,international,online,2,এশিয়া|জাপান,জাপানি ভিক্ষুরা এখন দড়ি লাফ দিচ্ছেন। একই সঙ্গে স্কেটিং করছেন। এমনকি খেলাও দেখাচ্ছেন। আর এসবই তাঁরা করছেন ঐতিহ্যবাহী কিমোনো পরে। ভিক্ষুরা দেখাতে চান তাঁদের এ পোশাকেই তাঁরা সহজে সবকিছু করতে পারেন। স্থানীয় ইয়োমিউরো শিমবুন পত্রিকার খবরে জানানো হয়. এক মাস আগে কিমোনো পরে গাড়ি চালানোর সময় পুলিশ একজন বৌদ্ধ ভিক্ষুর জরিমানা করে। এই পোশাক পরে গাড়ি চালানো নিরাপদ নয় বলে ওই ভিক্ষুকে জানানো হয়। তবে ওই ভিক্ষু ছয় হাজার ইয়েন জরিমানা দেননি।বিবিসির খবর বলছে. এর পর থেকে কিমোনোর পক্ষে নানা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে কিমোনো পরে নানা ধরনের কর্মকাণ্ডের ভিডিও প্রকাশ করতে থাকেন ভিক্ষুরা। হ্যাশট্যাগ আই ক্যান ডু দিস ইন মংকসে ভিক্ষুরা এসব ভিডিও পোস্ট করছেন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন. কিমোনোর হাতের ও ঝুলের লম্বার কারণে গাড়ি চালানোয় প্রভাব পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেছিলেন। ওই বৌদ্ধ ভিক্ষু বলেন. তিনি ২০ বছর ধরে কিমোনো পরে গাড়ি চালাচ্ছেন। কখনো তাঁকে জরিমানা করা হয়নি। জরিমানা পরিশোধ করা না হলে স্থানীয় ট্রাফিক আইন অনুসারে তাঁর শাস্তি হতে পারে।,1573191 2019-01-04,জন্মদিনে নজরুলমঞ্চে ফাহমিদার গান,,বিনোদন প্রতিবেদক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573190/%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,online,2,বাংলা গান,জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবীর জন্মদিন আজ। এখন তিনি আছেন কলকাতায়। জানালেন. সেখানে নজরুলমঞ্চে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি গান করবেন। আজ থেকে সেখানে শুরু হচ্ছে ‘বাংলা উৎসব ২০১৯’। যৌথভাবে আয়োজন করেছে বেঙ্গল গ্রুপ ও বন্ধন ব্যাংক। চলবে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এখানে গান করবেন দুই বাংলার জনপ্রিয় শিল্পীরা।ফাহমিদা নবী আজ দুপুরে নজরুলমঞ্চে যান। সেখান থেকে ফেসবুক লাইভে আসেন তিনি। ভক্ত আর পরিচিতজনদের সঙ্গে জন্মদিনের আনন্দ ভাগ করে নেন। জানালেন. রাতে এই উৎসবে তিনি গান করবেন। এর আগে এসেছেন মহড়া করতে। এ সময় সেখানে আরও ছিলেন বাপ্পা মজুমদার ও তানিয়া হোসাইন দম্পতি। তাঁরাও সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।ফাহমিদা নবী বলেন. ‘খুব ভালো লাগছে। জন্মদিনে আজ আমি অনুষ্ঠান করছি। শিল্পীর জন্য এটা বড় প্রাপ্তি।’ গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকেই জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন তিনি। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন. ‘সবাই এত ভালোবাসো। ব্যাপারটা আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা জোগায়। আমি অনেক পথ চলতে পারি। সব যুদ্ধ জয় করতে পারি। আমি অনেক কিছু করতে পারব. যদি তোমরা আমার পাশে থাকো।’,1573190 2019-01-04,অস্ট্রেলীয় ধারাভাষ্যকারকে খোঁচা দিয়েই যাচ্ছে ভারত,,খেলা ডেস্ক,৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573189/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4,sports,online,2,ভারত|ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেট|অস্ট্রেলিয়া,মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমনিতেই বিপাকে পড়েছিলেন কেরি ও’কিফ। অস্ট্রেলিয়া-ভারত সিরিজে মেলবোর্ন টেস্টে অভিষেক হয়েছিল আগারওয়ালের। অভিষিক্ত আগারওয়ালকে নিয়ে খোঁচা মেরে কথা বলায় চলতি সিডনি টেস্টে যখনই তিনি ধারাভাষ্য দিচ্ছেন. তাঁর বদলে অন্যদের ধারাভাষ্য শোনাচ্ছে সনি ইএসপিএন। তবে নতুন করে যে খোঁচা শুনতে হচ্ছে সেটা মেলবোর্ন টেস্টেরই ঘটনা। মেলবোর্নে অভিষেকের সময় মায়াঙ্কের ঘরোয়া ক্রিকেটের দুর্দান্ত ফর্ম নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিল ধারাভাষ্য কক্ষে। কথা হচ্ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি নিয়ে। মার্ক ওয়াহ ব্যাখ্যা করছিলেন ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের ৫০ গড় অস্ট্রেলিয়ায় ৪০ এর কাছাকাছি থাকবে। এ সময় ও’কিফ মন্তব্য করেন. মায়াঙ্কের ট্রিপল সেঞ্চুরিটি এসেছিল রেলওয়ের ক্যানটিন কর্মীদের নিয়ে গড়া দলের বিপক্ষে। কথাটার মধ্যে কতটা নিরীহ হাস্যরস ছিল. কতটা বিদ্রূপ; তা তো বলা কঠিন। তবে ভারতীয় সমর্থকেরা ভালোভাবে নেয়নি এই মন্তব্য। অনেকে বলছেন. এ ধরনের কথা বলা বর্ণবাদী আচরণের শামিল। এরপরও অবশ্য ও’কিফের আচরণ খুব একটা বদলায়নি। সে টেস্টের চতুর্থ দিনেই ভারতীয়দের নাম নিয়ে রসিকতা করেছেন। বলেছেন. ‘কেন আপনি আপনার ছেলের নাম চেতেশ্বর জাদেজা রাখবেন!’ চেতেশ্বর পূজারা ও রবীন্দ্র জাদেজাদের নাম উচ্চারণ করতে তাঁর খুব কষ্ট হচ্ছিল. এমন একটা ভাব দেখিয়েছেন ও’কিফ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক দিন ধরে আছেন এমন দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে নিয়ে তাঁর এমন মজা যে ভালোভাবে নেবে না ভারত সেটা জানা ছিল। সিডনিতে অস্ট্রেলিয়াকে আবার নাকানিচুবানি খাওয়াচ্ছে ভারত। যে দুজনকে নিয়ে মজা করেছিলেন সেই পূজারা ও জাদেজাই ভারতকে এনে দিয়েছেন পাহাড়সম স্কোর। আজ তাই ভারতের ইনিংসে চিড় ধরাতে যখন বোলিংয়ে আনা হলো মার্নাস লেবুশেনকে. তখনই পাল্টা খোঁচা জুটল ও’কিফের কপালে। ধারাভাষ্যকক্ষে থাকা সুনীল গাভাস্কার এই লেগ স্পিনারকে দেখেই বলে উঠলেন. ‘লেবুশেন হলো এমন এক নাম যা শুধু ও’কিফের পক্ষেই উচ্চারণ করা সম্ভব।’ ইঙ্গিতটা পরিষ্কার. ভারতীয়দের নাম নিয়ে খোঁচা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া. ওদিকে তাদের নিজেদের খেলোয়াড়ের নাম সঠিকভাবে উচ্চারণ করাও প্রায় অসম্ভব!,1573189 2019-01-04,সালমান কেন চুমুর দৃশ্য করেন না?,,প্রতিনিধি. মুম্বাই,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573188/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%83%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE,entertainment,online,2,বলিউড|সালমান খান,সালমান খানের জন্য হাজার হাজার তরুণী দিওয়ানা। অনেকেই বেজায় খুশি যে এখনো তিনি অবিবাহিত। কিন্তু বলিউডের সবচেয়ে বিবাহযোগ্য নায়কটিকে কখনো পর্দায় নায়িকার ঠোঁটে ঠোঁট রাখতে দেখা যায়নি। অনেকের মনে প্রশ্ন. ‘বলিউডের ভাইজান’ কেন পর্দায় চুমুর দৃশ্য করেন না। এর আসল কারণ কী? এবার সেই রহস্য থেকে চাদর সরালেন সালমান খানের ভাই আরবাজ খান। সালমান নিজেও জানালেন তাঁর চুমু না খাওয়ার কারণ। ভারতের সনি চ্যানেলের জনপ্রিয় কমেডি অনুষ্ঠান ‘দ্য কপিল শর্মা শো’তে অতিথি হয়ে এসেছিলেন খান খানদান। এই শোতে বাবা সেলিম খান আর দুই ভাই আরবাজ ও সোহেলকে সঙ্গে নিয়ে আসেন সালমান। ভাইজানের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে নানা মজার কথা এখানে ফাঁস হয়। চুমুর প্রসঙ্গ উঠতেই সালমান খান বলেন. ‘বাড়িতে আমরা সবাই একসঙ্গে বসে ইংরেজি সিনেমা দেখতাম। আর যখন কোনো চুমুর দৃশ্য আসত. আমরা টিভির পর্দা থেকে মুখ সরিয়ে নিতাম। লজ্জায় একে অপরের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারতাম না। তখন বাড়িতে একটা অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হতো। সেখান থেকেই আমি অনুভব করি. পরিবারের সঙ্গে বসে চুমুর দৃশ্য দেখতে খুবই সমস্যা হয়।’ এ জন্য সালমান সিদ্ধান্ত নেন. পর্দায় কখনো তিনি কোনো চুমুর দৃশ্য করবেন না। কপিল শর্মা সালমানকে জিজ্ঞেস করেন. কোনো নতুন নায়িকার সঙ্গে তিনি কীভাবে রোমান্টিক দৃশ্য করবেন। সালমান বলেন. তিনি তো কোনো চুমুর দৃশ্য করেন না। এদিকে এ প্রসঙ্গে আরবাজ খান মজা করে বলেন. ‘ও অফস্ক্রিনে এই কাজটা এত করে যে. অনস্ক্রিনের আর প্রয়োজন হয় না।’ ভাইয়ের কথা শুনে সালমান খান হাসিতে ফেটে পড়েন।,1573188 2019-01-04,সংখ্যালঘুরা শঙ্কাহীনভাবে ভোট দিয়েছেন: রানা দাশগুপ্ত,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১০,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573187/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE,bangladesh,online,2,একাদশ সংসদ নির্বাচন|সংখ্যালঘু|আওয়ামী লীগ,এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাম্প্রদায়িকতা এবং ধর্মান্ধতাকে কোনো রাজনৈতিক দল ব্যবহার করেনি বলে মন্তব্য করেছেন সংখ্যালঘু নেতারা। তাঁদের মতে. এ কারণে এবারের নির্বাচনে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুরা শঙ্কাহীনভাবে ভোট দিতে পেরেছেন। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু নেতারা। নির্বাচনে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। তিনি বলেন. ‘এবারের নির্বাচনে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুরা শঙ্কাহীনভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগে সক্ষম হয়েছেন। সাম্প্রদায়িকতা এবং ধর্মান্ধতাকে কোনো রাজনৈতিক দল ব্যবহার করেনি। আমরা এটিকে ইতিবাচক মনে করি। আমরা এ জন্য সরকার. নির্বাচন কমিশনসহ সব রাজনৈতিক দলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’ বেশ কয়েক জেলায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার উল্লেখ করে রানা দাশগুপ্ত বলেন. নির্বাচনের আগে–পরে ফেনীর সোনাগাজী. ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা. ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা. পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিসহ কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষ. প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। দুর্বৃত্তদের কাউকে কাউকে আটক করেছে. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। এতে সংখ্যালঘু জনমনে আশা ও আস্থা ফিরে আসতে শুরু করেছে। সংসদনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে রানা দাশগুপ্ত বলেন. আওয়ামী লীগ সুনির্দিষ্টভাবে তার নির্বাচনী ইশতেহারে সন্ত্রাস. জঙ্গিবাদ. মাদক নির্মূলের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতির অঙ্গীকার করেছে। এটি আক্ষরিকভাবে কার্যকর করতে ভবিষ্যৎ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। রানা দাশগুপ্ত বলেন. এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজাকার. স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সংসদ গঠিত হতে যাচ্ছে। আশা করা যায়. সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় সুস্পষ্ট যে অঙ্গীকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা করেছে. তা যথার্থভাবে পালন করবে। সংসদের ভেতরে ও বাইরে তা তাঁরা প্রত্যক্ষ করতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি। সংসদে সংখ্যালঘু ৩৫ জনের মতো সাংসদ থাকা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন রানা দাশগুপ্ত। তিনি বলেন. ২০১৪ সালের নির্বাচনে সংখ্যালঘু প্রতিনিধি ছিলেন ১৮ জন। এবারও তা–ই আছে। দেশে ভোটারদের ১২ শতাংশ সংখ্যালঘু। তাই ৩৫ থেকে ৩৬টি আসনে সংখ্যালঘু সাংসদ থাকা উচিত বলে মনে করেন তাঁরা। তিনি দাবি করেন. ভবিষ্যতে যাঁরা নেতৃত্ব দেবেন. তাঁরা যেন সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে ভূমিকা পালন করেন। সংবাদ সম্মেলনে গতকাল আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক. বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির অন্যতম সভাপতি হিউবার্ট গোমেজ। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ. বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিও. সাংগঠনিক সম্পাদক দীপংকর ঘোষ প্রমুখ।,1573187 2019-01-04,হাঙ্গেরি যাচ্ছে জোড়া মাথার রাবেয়া-রোকাইয়া,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573186/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%8B%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE,bangladesh,online,2,স্বাস্থ্য|স্বাস্থ্যসেবা|হাঙ্গেরি|চিকিৎসা,পাবনায় জোড়া মাথা নিয়ে জন্ম নেওয়া রাবেয়া-রোকাইয়াকে চিকিৎসার জন্য হাঙ্গেরি নেওয়া হবে। হাঙ্গেরি থেকে ফেরার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের অধীনে চিকিৎসাধীন এই যমজ শিশুদের দেশেই অস্ত্রোপচার করার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রাবেয়া-রোকাইয়াকে হাঙ্গেরি নেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ শিশু দুটির চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন। হাঙ্গেরিতে চিকিৎসার জন্য তাঁর দেওয়া অনুদান শিশুদের মা-বাবার হাতে তুলে দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ নাসিম বলেন. প্রধানমন্ত্রী বাস্তব অর্থেই মানবতার নেত্রী। তিনি চিকৎসক ও রাবেয়া-রোকাইয়ার বাবা-মাকেও ধন্যবাদ জানিয়ে ওদের চিকিৎসার সাফল্য কামনা করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন জানান. বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরির যৌথ উদ্যোগে রাবেয়া-রোকাইয়ার চিকিৎসা হবে। সেখানে হাঙ্গেরি. জার্মানি ও বাংলাদেশের পাঁচটি দলের ২০ সদস্য কাজ করবেন। তিনি জানান. রাবেয়া-রোকাইয়া যখন ভর্তি হয় বাংলাদেশে জার্মানি ও হাঙ্গেরির প্রতিনিধিদল ছিল। তখন থেকেই ওদের চিকিৎসার কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয় সাংসদের মাধ্যমে শিশু দুটির অবস্থা প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছানো হয়। তিনি শিশু দুটির চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে ওদের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।দুই বছর সাত মাস বয়সী এ শিশু দুটির বাংলাদেশে এর আগে মস্তিষ্কের রক্তনালিতে দুবার অস্ত্রোপচার করা হয়। হাঙ্গেরি থেকে ফেরার পর দেশে শেখ হাসিনা ন্যাশনাল বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ওদের মূল অস্ত্রোপচার হবে। বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের পরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ. রাবেয়া–রোকাইয়ার মস্তিষ্ক আলাদা। কিন্তু ওদের পুরোপুরি আলাদা করার জন্য টিস্যু বাড়াতে হবে। এ ছাড়া আরও কিছু চিকিৎসার জন্য ওদের হাঙ্গেরি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন. সারা বিশ্বে এ ধরনের চিকিৎসায় সফলতার হার ২০ শতাংশের কম। যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানান তিনি। হাঙ্গেরিতে রাবেয়া-রোকাইয়াকে তিন থেকে চার মাস থাকতে হতে পারে বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে ‘ফর বাংলাদেশ’ নামে হাঙ্গেরিভিত্তিক একটি বাংলাদেশি সংগঠন শিশু দুটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকবে। রাবেয়া-রোকাইয়াসহ ছয়জন আজ রাতে হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা হবেন। সঙ্গে যাবেন বার্ন ইউনিটের ওদের চিকিৎসক হোসাইন ইমাম। শিশু দুটির বাবা রফিকুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাচ্চা দুটির জন্য সবার কাছে দোয়া চান। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম. সাংসদ হাবিবে মিল্লাত. ফর বাংলাদেশের হাসনাত মিয়াসহ বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকেরা।,1573186 2019-01-04,চীন ভ্রমণে আমেরিকানদের বাড়তি সতর্ক হওয়ার পরামর্শ,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1573185/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6,northamerica,online,2,,চীন সফরের ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। চীনে কানাডার কয়েকজন ‘উঁচু দরের’ ব্যক্তি গ্রেপ্তার হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য নতুন করে এই ভ্রমণ–সতর্কতা জারি করল। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের হালনাগাদ পরামর্শে সতর্ক করে বলেছে. যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের চীন ত্যাগের ক্ষেত্রে অযৌক্তিকভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। নতুন ভ্রমণ–সতর্কতায় বলা হয়. কথিত প্রস্থান নিষেধাজ্ঞার আওতায় চীন বিদেশি নাগরিকদের সে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। চীনের কথিত এই নিষেধাজ্ঞাকে দমনমূলক বলে বর্ণনা করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ভ্রমণ–সতর্কতায় যুক্তরাষ্ট্র বলছে. মার্কিন নাগরিকেরা চীনে আটক হতে পারেন। সেখানে তাঁদের কনস্যুলার সেবা থেকে বঞ্চিত করা হতে পারে। এমনকি তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে অবহিত করা না–ও হতে পারে। চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মেং ওয়ানঝুকে গত মাসে গ্রেপ্তার করে কানাডা। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে টানাপোড়েনের সম্পর্ক চলার মধ্যে মেং ওয়ানঝু গ্রেপ্তার হন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যর্পণ অনুরোধে কানাডার ভাঙ্কুভার বিমানবন্দরে মেং ওয়ানঝুকে গ্রেপ্তার করা হয়। মেং ওয়ানঝু গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে কানাডার সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন বাড়ে। গত মাসেই চীন কানাডার দুজন ‘হাই-প্রোফাইল’ নাগরিককে আটক করে। তাঁরা হলেন কানাডার সাবেক কূটনীতিক মাইকেল কভরিগ ও ব্যবসায়ী মাইকেল স্প্যাভর। চীনে তাঁদের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের শীর্ষ কৌঁসুলি বলেছেন. কভরিগ ও স্প্যাভর সন্দেহাতীতভাবে চীনা আইন ভেঙেছেন। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী. কানাডার ১৩ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্র বলছে. তাদের তিন নাগরিকের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনে চীন। গত নভেম্বরে তাঁদের চীন ত্যাগে বাধা দেওয়া হয়।,1573185 2019-01-04,নিজের তথ্য বেচার সুযোগ আসবে?,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/technology/article/1573184/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87,technology,online,2,খবরাখবর,আপনার নাম. বয়স. পেশা. জন্মতারিখ. শখের মতো ব্যক্তিগত অনেক তথ্যই বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে মূল্যবান। এর বাইরেও আপনি প্রতিদিন নানা রকম ডেটা বা তথ্য তৈরি করেন। আপনার কেনাকাটা. চিকিৎসা কিংবা পছন্দের বিভিন্ন তথ্যের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হাঁ করে থাকে. অর্থাৎ আপনার ব্যক্তিগত এসব তথ্যের মূল্য আছে। ব্যক্তিগত তথ্য যদি অন্যের হাতে চলে যায়. তবে তা বিপদের কারণ হতে পারে। তাই নিজের তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি। এ বিষয়টি মাথায় রেখে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট ‘বালি’ নামের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ‘বালি’ প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের বিষয়ে সংগৃহীত তথ্যের সব নিয়ন্ত্রণ ব্যবহারকারীর হাতে দিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে মাইক্রোসফট রিসার্চের প্রকল্পটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। বালিকে ব্যক্তিগত ডেটা ব্যাংক বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ থাকবে। এখানে ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করার সুবিধা থাকবে। এ ছাড়া তথ্য প্রদর্শন. ব্যবস্থাপনা. শেয়ার করা ও তা থেকে অর্থ আয় করার সুযোগ থাকবে। ২০১৪ সালে মাইক্রোসফট রিসার্চে কাজ করার সময় ‘ইনভার্স প্রাইভেসি’ ধারণা নিয়ে কাজ করেছিলেন ইউরি গুরেভিস. ইফিম হুদিস ও জেনেট উইং নামের তিন গবেষক। তাঁদের সেই ধারণার ওপর ভিত্তি করে বালি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে মাইক্রোসফট। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য একত্র করতে পারবেন ব্যবহারকারী এবং তা দেখতে পারবেন। তবে এই তথ্যের মালিকানার মডেল কীভাবে কাজ করবে. মাইক্রোসফট সে বিষয়ে কিছু বলেনি। এ প্রকল্প বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে কি না. তা–ও এখনো জানায়নি মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ। তথ্যসূত্র: জেডডিনেট।,1573184 2019-01-04,৯০ বছর পর পূজারাই...,,খেলা ডেস্ক,১৭,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573183/%E0%A7%AF%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87,sports,online,2,ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেট|অস্ট্রেলিয়া|ভারত,ডাবল সেঞ্চুরিটা করতে না পারলেও সিডনি টেস্টে ৯০ বছরের পুরোনো একটা রেকর্ড ঠিকই ভেঙে ফেলেছেন চেতেশ্বর পূজারা ডাবল সেঞ্চুরিটা করতে না পারলেও সিডনি টেস্টে ৯০ বছরের পুরোনো একটা রেকর্ড ঠিকই ভেঙে ফেলেছেন চেতেশ্বর পূজারা ১৯২৮-২৯ মৌসুমে অ্যাশেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের হারবার্ট সাটক্লিফ বল খেলেছিলেন ১ হাজার ২৩৭টি। এত দিন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে যেকোনো সফরকারী দলের ব্যাটসম্যান হিসেবে এটি ছিল সবচেয়ে বেশি বল খেলার রেকর্ড। শুক্রবার চেতেশ্বর পূজারা ৯০ বছরের পুরোনো এই রেকর্ড থেকে সাটক্লিফের নাম মুছে দিয়ে নিজের নামটি লিখলেন নতুন করে। এবার অস্ট্রেলিয়া সফরে চারটি টেস্ট মিলিয়ে পূজারা বল খেলেছেন ১ হাজার ২৫৭টি।সিডনি টেস্টে পূজারা ৩৭৩ বল খেলে করেছেন ১৯৩ রান। অল্পের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি করতে পারেননি। তবে ৯০ বছরের পুরোনো রেকর্ডটি ভেঙে নিশ্চয়ই সে দুঃখটা ভুলেছেন ভারতের নতুন যুগের এই ‘রাহুল দ্রাবিড়’।পূজারা অবশ্য দ্রাবিড়কে ছাড়িয়েছেন অন্য একটি জায়গায়। ২০০৩-০৪ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে দ্রাবিড় খেলেছিলেন ১ হাজার ২০৩টি বল। আজ পূজারা তাঁকে ছাড়িয়েছেন। একই সঙ্গে ব্রাকেটবন্দী হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কমপক্ষে এক হাজার বল খেলা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের তালিকায়।আরও একটি রেকর্ড এই ইনিংসে হয়েছে পূজারার। নবম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন ১৫০ রানের ইনিংস। তবে তিনে নামা ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৫০ করা দ্বিতীয় ভারতীয় তিনি।,1573183 2019-01-04,মন্ত্রিপরিষদে ‘বড় চমকের’ কথা বললেন কাদের,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৭৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573181/%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%9A%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E2%80%99-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0,bangladesh,online,2,আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|ওবায়দুল কাদের|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|বিএনপি,আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন. এবারের নির্বাচনে যেহেতু আমরা বড় বিজয় পেয়েছি. সে হিসেবে মন্ত্রিপরিষদেও বড় চমক থাকবে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আজ শুক্রবার সকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন। এর আগে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংসদ সদস্যদের শপথ না নেওয়ার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন. ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি বড় ভুল করেছে। শপথ না নিলে বিএনপি আরও বড় ভুল করবে। তিনি বলেন. ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি যে ভুল করেছিল. এবার সংসদ অধিবেশনে যোগ না দিলে একই ব্যর্থতা আর ভুলের চোরাবালিতে তাদের আটকে থাকতে হবে। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরও বলেন. শপথ নেওয়া ও সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে বিরোধী পক্ষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমাদের পার্টির পক্ষ থেকে. সরকারের পক্ষ থেকেও আমি আমন্ত্রণ করেছিলাম। জনগণ যে রায় দিয়েছে. যেটুকু রায় দিয়েছে. এটা তাদের সম্মান করা উচিত। এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক জানান কাদের। তিনি বলেন. আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ ছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তাঁর মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। রাজনীতিতে সৈয়দ আশরাফের আরও অনেক কিছু দেওয়ার ছিল। পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে লন্ডনে বঙ্গবন্ধু কন্যাদের পাশে ছিলেন সৈয়দ আশরাফ।,1573181 2019-01-04,সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে ড. কামালের শোক,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573177/%E0%A6%B8%E0%A7%88%E0%A7%9F%E0%A6%A6-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A1.-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%8B%E0%A6%95,bangladesh,online,2,শোক|মৃত্যু|রাজনীতি|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|ড. কামাল হোসেন,জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু। সৈয়দ আশরাফের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতিও তাঁরা গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই শোক প্রকাশ করা হয়। গণফোরামের মিডিয়া সেলের লতিফুল বারী হামিম গণমাধ্যমে এই বিবৃতি পাঠান। বিবৃতিতে বলা হয়. একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সৈয়দ আশরাফের মতো অভিজ্ঞ সাংসদ ও সৎ. দক্ষ রাজনীতিবিদের বিশেষ প্রয়োজন ছিল। তিনি এই পরিস্থিতিতে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থে ভূমিকা রাখতে পারতেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশ হারাল মহৎপ্রাণ ত্যাগী দেশপ্রেমিক একজন রাজনীতিবিদকে। পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত সৈয়দ আশরাফ গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। সৈয়দ আশরাফ ব্যাংককে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সাংসদ নির্বাচিত হন। গত জুলাই মাস থেকে তিনি ব্যাংককে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ কারণে গতকাল সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি অংশ নিতে পারেননি। সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন।,1573177 2019-01-04,জাপা বিরোধী দল হচ্ছে. এরশাদ বিরোধী দলীয় নেতা,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৭৮,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573176/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80-%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%80-%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE,bangladesh,online,2,রাজনীতি|জাতীয় পার্টি|এরশাদ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবশেষে জাতীয় পার্টিই হতে যাচ্ছে প্রধান বিরোধী দল। বিরোধী দলীয় নেতা হবেন দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। দলের কোনো সদস্য মন্ত্রী হবেন না। আজ শুক্রবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সই করা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। নির্বাচনে পর গত চার দিন ধরে এই ইস্যুটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ছিল। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটে রয়েছে জাতীয় পার্টি। ফলে দলটি সরকারে না বিরোধী দলে থাকবে তা নিয়ে ছিল আলোচনা। এ কয়দিনে জাতীয় পার্টি একাধিক বৈঠক করলেও এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি। অবশেষে আজ দলের চেয়ারম্যান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালেন। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ২৯৮টি আসনের ফলাফল অনুসারে. জোটগতভাবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট পেয়েছে ২৮৮ আসন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে মাত্র ৭টি আসন। আলাদাভাবে আওয়ামী লীগ ২৫৭টি. জাতীয় পার্টি ২২টি. বিএনপি ৫টি. ওয়ার্কার্স পাটি ৩টি. স্বতন্ত্র ৩টি. জাসদ ২টি. বিকল্পধারা ২টি. গণফোরাম ২টি. জেপি ১টি ও তরিকত ফেডারেশন ১টি করে আসন পেয়েছে। বিবৃতিতে এরশাদ বলেন. জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে পার্টির সর্বস্তরের নেতা. কর্মী. সমর্থক ও দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি জানাচ্ছেন যে. একাদশ জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টি প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। পদাধিকার বলে জাতীয় পার্টির সংসদ বিষয়ক দলের সভাপতি হিসেবে তিনি হবেন বিরোধী দলের নেতা। পার্টির কো চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বিরোধী দলীয় উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।বিবৃতিতে এরশাদ জানান. তাঁর দলের কোনো সংসদ সদস্য মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হবেন না।,1573176 2019-01-04,নিরঙ্কুশ জয়ে ১৯ জানুয়ারি আ.লীগের মহাসমাবেশ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৩২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573170/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B6-%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6,bangladesh,online,2,নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে আগামী ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার আওয়ামী লীগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়. ১৯ জানুয়ারি শনিবার বেলা আড়াইটায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ২৯৮টি আসনের ফলাফল অনুসারে. জোটগতভাবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট পেয়েছে ২৮৮ আসন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট পেয়েছে মাত্র ৭টি আসন। আলাদাভাবে আওয়ামী লীগ ২৫৭টি. জাতীয় পার্টি ২২টি. বিএনপি ৫টি. ওয়ার্কার্স পাটি ৩টি. স্বতন্ত্র ৩টি. জাসদ ২টি. বিকল্পধারা ২টি. গণফোরাম ২টি. জেপি ১টি ও তরিকত ফেডারেশন ১টি করে আসন পেয়েছে। ১৯ জানুয়ারির মহাসমাবেশকে সর্বাত্মকভাবে সফল করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী. সমর্থক. শুভানুধ্যায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়. কাল শনিবার (৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে সহযোগী সংগঠনের সভাপতি. সাধারণ সম্পাদক. ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি. সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের অন্তর্গত আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্যদের এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ওবায়দুল কাদের।,1573170 2019-01-04,আবারও গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ড রোনালদোর,,খেলা ডেস্ক,৩,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573164/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC-%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B0,sports,online,2,ফুটবল|জুভেন্টাস|ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো,টানা তৃতীয়বারের মতো গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ডে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। শুধু তাই নয়. ২০১৮ সালের সেরা গোলের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন পর্তুগিজ তারকা টানা তৃতীয়বারের মতো গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ডে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। শুধু তাই নয়. ২০১৮ সালের সেরা গোলের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন পর্তুগিজ তারকা দুই দিন আগেই বলেছিলেন. এখন আর ব্যক্তিগত পুরস্কার নিয়ে তিনি ভাবেন না। বরং দলের সাফল্যের দিকেই বেশি মনোযোগ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। ভালো খেললে যে পুরস্কার ঠিকই কোনো খেলোয়াড়ের দিকে ছুটে যায়. সেটির প্রমাণ রাখলেন পর্তুগিজ তারকা। নতুন বছর শুরু হতে না হতেই পেয়ে গেলেন গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ডের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। শুধু তা-ই নয়. এই পুরস্কারে ২০১৮ সালের সেরা গোলটিও তাঁরই। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো গ্লোব পুরস্কার জিতলেন জুভেন্টাসের এই তারকা। গত বছরের শুরুতেও প্রায় সব পুরস্কারই নিজের নামে করে নিয়েছিলেন রোনালদো। গত বছর জিদান-রোনালদো জুটি মিলে দুবাই থেকে গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডের সবগুলো পুরস্কার জয় করে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ মৌসুমে ‘গুরু জিদান’ না থাকলেও নিজে দুটি পুরস্কার হাতে নিলেন। বর্ষসেরা ফুটবলার হওয়ার পাশাপাশি গত বছর চ্যাম্পিয়নস লিগে জুভেন্টাসের বিপক্ষে করা তাঁর সেই বাইসাইকেল কিকের গোলটি জিতেছে সেরা গোলের পুরস্কার। বাইসাইকেল কিকে করা গোলটি নির্বাচিত হয়েছে ২০১৮ সালের সেরা গোল। ৮ বছর ধরে দেওয়া এই পুরস্কারের পাঁচবারের সেরা খেলোয়াড়টির নাম ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এবার সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতার পথে তাঁর প্রতিপক্ষ ছিলেন বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্সের আতোয়াঁন গ্রিজমান ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে রোনালদো নিজের উচ্ছ্বাস গোপন রাখেননি. ‘অসাধারণভাবে আরেকটি নতুন বছরের সূচনা। যারা যারা প্রশংসা আর পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ।’ ছবিতে নিজের স্ত্রী সন্তানের সঙ্গে ছিলেন তাঁর এজেন্ট হোর্হে মেন্ডেজ। এই মেন্ডেজ বছরের সেরা এজেন্ট হিসেবে জিতেছেন গ্লোব পুরস্কার। যারা যারা এই ২০১৮ সালের গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ডে পুরস্কৃত হয়েছেন তারা হলেন: বছরের সেরা খেলোয়াড়: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো সেরা কোচ: দিদিয়ের দেশম সেরা এজেন্ট: হোর্হে মেন্ডেজ সেরা গোল: রোনালদো বনাম জুভেন্টাস (চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনাল) ক্যারিয়ারে সেরা অগ্রগতি: ব্লেইস মাতুইদি সেরা স্পোর্টিং ডিরেক্টর: ফ্যাবিও প্যারাটিসি সেরা ক্লাব: অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড: রোনালদো নাজারিওবিশেষ খেলোয়াড় অ্যাওয়ার্ড: জবেনোমির বোবানআরব ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড: সামির আল জাবের,1573164 2019-01-04,মাখোঁর ওপর অখুশি বেশির ভাগ ফরাসি,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1573163/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%81%E0%A6%B0-%E0%A6%93%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF,international,online,2,ইউরোপ|ফ্রান্স,ফ্রান্সের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ ও তাঁর সরকারের ওপর অখুশি। বেশির ভাগ লোকজন পরিবারের আয় ব্যাপক হারে বাড়াতে সরকারের আরও পদক্ষেপ চায়। গতকাল বৃহস্পতিবার এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে. উদুক্সা অ্যান্ড দেন্তসু কনসাল্টিং ফর ফ্রান্সইনফো এবং সংবাদপত্র ফিগাহো পরিচালিত যৌথ জরিপে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। জরিপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের মাত্র ২৫ শতাংশ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ক্ষমতায় আসেন এমানুয়েল মাখোঁ। দুই মাস ধরে হলুদ জ্যাকেট পরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শন চলে ফ্রান্সের সড়কজুড়ে। এই বিক্ষোভ ‘ইয়েলো ভেস্ট’ নামে ব্যাপক প্রচারও পেয়েছে। এই ‘ইয়েলো ভেস্ট’ বিক্ষোভ মাখোঁ সরকারকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। জ্বালানি খাতে কর বাড়ানোর সিদ্ধান্তসহ বেশ কিছু নীতির ব্যাপারে নমনীয় হতে বাধ্য হন মাখোঁ। তাঁর ২০ মাসের সরকার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে বিক্ষোভের মধ্যেও তিনি সংবাদ সম্মেলনে বেকার–ভাতা ও চাকরির ক্ষেত্রে সংস্কার আনার অঙ্গীকার করেছেন। বুধ ও বৃহস্পতিবার পরিচালিত জরিপে অংশ নিয়েছেন এক হাজার চারজন। ২০১৮ সালের এপ্রিলেও একটি জরিপ চালায় তারা। ওই সময়ে ৫৯ শতাংশ সরকারের ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। আর এবার সরকারের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের সংখ্যা বেড়ে ৭৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।জরিপে অংশগ্রহণকারী ৫৪ শতাংশ মানুষ ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বলেছেন। এর আগের জরিপগুলোতে বেকারত্বের বিষয়টি দীর্ঘদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উদ্বেগের জায়গায় ছিল। এবার সেটা নেমে চতুর্থ স্থানে চলে এসেছে।,1573163 2019-01-04,মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে স্পিকার হলেন ন্যান্সি পেলোসি,,অনলাইন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1573158/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF,northamerica,online,2,,মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হলেন ডেমোক্রেটিক দলের ন্যান্সি পেলোসি। এ পদে আসীন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর। মধ্যবর্তী নির্বাচনে জিতে প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ডেমোক্রেটিক দল। গতকাল প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে সেখানে ডেমোক্র্যাট আধিপত্য শুরু হলো। এবারের কংগ্রেস নানা জাতি. ধর্ম. বর্ণের নির্বাচিত সদস্যের কারণে বৈচিত্র্যময় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়. ন্যান্সি পেলোসি (৭৮) ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট। তিনি এমন একসময়ে নির্বাচিত হলেন. যখন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে ট্রাম্পের দেয়াল নির্মাণে বাজেট বিতর্ক ইস্যুতে ফেডারেল সরকারের একাংশের কাজকর্ম বন্ধ। ডেমোক্র্যাটরা এই দেয়াল নির্মাণের বিরোধিতা করে বাজেট বরাদ্দে সিনেটে সমর্থন দেননি। অন্যদিকে ট্রাম্প বরাদ্দ না পেলে অন্যান্য বাজেট বরাদ্দের কাগজপত্রে সই করবেন না বলে জানিয়েছেন। দুই পক্ষের অবস্থান পরিবর্তন না হওয়ায় বাজেট না পেয়ে ফেডারেল সরকারের একাংশের কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়া হয়। বড়দিনের আগে ২১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থা এখনো কাটেনি। এ অবস্থায় প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের আধিপত্য এই ইস্যুতে তাঁদের বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। স্পিকার নির্বাচিত হয়ে ন্যান্সি পেলোসি বলেছেন. তিনি চান এ অচলাবস্থার সমাপ্তি হোক। তবে তিনি সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে সমর্থন দেবেন না বলে জানিয়েছেন।ন্যান্সি বলেন. যুক্তরাষ্ট্রে নারীর ভোটাধিকারের শতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের সময়ে কংগ্রেসে নারী স্পিকার হতে পেরে তিনি গর্বিত। এবার কংগ্রেসে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০২ জন নারী নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৬ জন নতুন নির্বাচিত। আর রেকর্ডসংখ্যক ৪৩ জন অশ্বেতাঙ্গ. যদিও অতীতের নির্বাচনে রিপাবলিকান নারীরা অনেক ক্ষেত্রে প্রথম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। টেনেসি অঙ্গরাজ্যের প্রথমবার কোনো নারী সিনেটর হয়েছিলেন রিপাবলিকান মার্শা ব্ল্যাকবার্ন। তবে এবার সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি নতুন নারী নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্রেটিক দলের। প্রথমবারের মতো দুজন মুসলিম নারী নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন মিশিগান থেকে নির্বাচিত ফিলিস্তিন মুসলিম রাশিদা ত্লায়েব এবং মিনেসোটার সোমালি মুসলিম ইলহান ওমর। দুজন আদিবাসী নারীও প্রথমবারের মতো কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন নিউ মেক্সিকোর দেব্রা হালান্দ এবং কানসাসের শ্যারিস ডেভিডস। শপথ অনুষ্ঠানে যেখানে ডেমোক্র্যাটরা নানা ধর্ম–বর্ণের নারী-পুরুষের নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি উদ্‌যাপন করছিল. তখন বিপরীত চিত্র দেখা গেছে রিপাবলিকান শিবিরে। নির্বাচিত রিপাবলিকানদের বেশির ভাগই শ্বেতাঙ্গ পুরুষ। প্রতিনিধি পরিষদে শপথ নেওয়ার সময়ে ক্যাপিটল ভবনটিতে সবচেয়ে বড় মেঘ হিসেবে ছিল ফেডারেল সরকারের একাংশের কাজকর্ম বন্ধ থাকা। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো সরকারের কাজকর্ম বন্ধ থাকার বিষয়টি এত দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। এটা ইতিমধ্যে একটি কংগ্রেস শেষ করে পরবর্তী কংগ্রেসের সময়ে গিয়ে ঠেকেছে। এরপরও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি ভরে ওঠে সমর্থকদের প্রতি নির্বাচিতদের পুষ্পশোভিত বক্তব্যে। তবে এ উপলক্ষে শ্যাম্পেইন গ্রহণ পর্বটি সংক্ষেপ করা হয়. কারণ কংগ্রেসের প্রকৃত কাজ খুব দ্রুত শুরুর তাগাদা ছিল। ফেডারেল সরকারের কাজকর্ম শুরুর জন্য ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে ভোটের সময় নির্ধারণ করেন শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। ইতিমধ্যে সিনেটে রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের দেয়াল নির্মাণের পক্ষে দাবিকৃত অর্থের ব্যাপারে সমর্থন দিয়েছেন। ন্যান্সি পেলোসি ও তাঁর দলের নির্বাচিত সদস্যরা ফেডারেল চাকা সচল করতে বিল পাস করার কথা বলেছেন। তবে তাঁরা জানিয়েছেন. এই বিলে সীমান্তে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেয়াল নির্মাণে অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি থাকবে না।সিনেটে রিপাবলিকানরা বলেছেন. প্রেসিডেন্টের অনুমোদন ছাড়া কোনো বিল তাঁরা পাস করবেন না। ফলে অচলাবস্থা আরও দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ বরাদ্দ না হলে বাজেটসংক্রান্ত কোনো আইনে স্বাক্ষর করবেন না বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটরা জানিয়েছেন. তাঁরা ১৩০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ বরাদ্দ সমর্থন করবেন না। ট্রাম্প যে পরিমাণ অর্থ চেয়েছেন. এর আগে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদে তা পাস হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের কাছে তা পৌঁছানোর আগে সিনেটে ৬০ ভোটে পাস হতে হবে। আর সিনেটে রিপাবলিকানদের আসন রয়েছে ৫১টি। মার্কিন কংগ্রেসের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে মোট সদস্য ৫৩৫ জন। এর মধ্যে সিনেটে ১০০ জন ও প্রতিনিধি পরিষদে ৪৩৫ জন সদস্য রয়েছেন। হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনকক্ষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় ন্যান্সি পেলোসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন. ‘এটা অনেক বড়. অনেক বড় একটি অর্জন। আশা করা যায়. আমরা একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি।’,1573158 2019-01-04,ডাবল সেঞ্চুরি হলো না পূজারার. রান পাহাড়ে ভারত,,খেলা ডেস্ক,৪৫,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573156/%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4,sports,online,3,ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেট|ভারত|অস্ট্রেলিয়া,নিজে ডাবল সেঞ্চুরিটা পেতে গিয়েও পাননি। তবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ভারতীয় উইকেটরক্ষক হিসেবে সেঞ্চুরিটা ঠিকই পেয়েছেন ঋষভ পন্ত। তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ১৫৯ রানে। প্রথম ইনিংসে ভারত ৭ উইকেটে ৬২২ রান তুলে সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন নিজেদের প্রথম ইনিংসের। নিজে ডাবল সেঞ্চুরিটা পেতে গিয়েও পাননি। তবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ভারতীয় উইকেটরক্ষক হিসেবে সেঞ্চুরিটা ঠিকই পেয়েছেন ঋষভ পন্ত। তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ১৫৯ রানে। প্রথম ইনিংসে ভারত ৭ উইকেটে ৬২২ রান তুলে সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন নিজেদের প্রথম ইনিংসের। সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ডাবল সেঞ্চুরিটা পেতে গিয়েও পেলেন না চেতেশ্বর পূজারা। ১৯৩ রানে ফিরেছেন তিনি। কিন্তু তিনি ডাবল সেঞ্চুরি না পেলেও ভারত কিন্তু ঠিকই রান পাহাড়ে চড়েছে। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৬২২ রান তুলে ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে বিরাট কোহলির দল। সেঞ্চুরি পেয়েছেন ঋষভ পন্ত। ১৫৯ রানে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন তিনি।৩৭২ বল খেলেছেন সফলভাবে। নিজেকে ডাবল সেঞ্চুরি থেকে যখন ৭ রান দূরে দেখছেন. ঠিক তখনই ভুলটা করলেন পূজারা। মুখোমুখি হওয়া ৩৭৩তম বলে নাথান লায়নের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরের দিকে হাঁটলেন। ইনিংসে ২২টি বাউন্ডারি মেরেছেন সৌরাষ্ট্রের এই ব্যাটসম্যান।কাল ছয় নম্বরে নেমে হনুমা বিহারি বেশ ভালোই খেলছিলেন। আজ তাঁর ইনিংসটি শেষ হয়েছে ৪২ রানে। বিহারির পর ব্যাটিংয়ে নেমেই বাজিমাত করেছেন পন্ত। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ভারতীয় উইকেটরক্ষক হিসেবে সেঞ্চুরি পেলেন। প্রথমে পূজারার সঙ্গে ৮৯ রানের জুটি. পরে রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে ২০৪ যোগ করেই দলকে নিয়ে যান বড় সংগ্রহের দিকে। ১৫৯ রান তিনি করেছেন ১৮৯ বলে। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৫টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কার মার। জাদেজা অবশ্য লায়নের বলে বোল্ড হওয়ার আগে করেছেন ৮১ রান। ১১৪ বলে ৭ বাউন্ডারি ও একটি ছক্কায় সাজানো ছিল তাঁর ইনিংসটি।অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ বোলাররা প্রায় সবাই সিডনিতে এখনো পর্যন্ত খুব ভালো কিছু করতে পারেননি। মিচেল স্টার্ক. জস হ্যাজলউড. প্যাট কামিন্স. নাথান লায়নরা সবাই একশ রানের বেশি খরচ করেছেন। লায়ন অবশ্য ৪ উইকেট পেয়েছেন ১৭৮ রানের খরচায়। স্টার্ক দিয়েছেন ১২৩. হ্যাজলউড ১০৫. কামিন্স ১০১। হ্যাজলউড ২টি আর স্টার্ক তুলে নিয়েছেন ১ উইকেট।টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিল ভারত। শুরুটা তেমন ভালো না হলেও প্রথম দিনের নায়ক ছিলেন পূজারা। তিনি প্রথমে মৈনাক আগারওয়াল ও পরে বিরাট কোহলি. আজিঙ্কা রাহানে ও হনুমা বিহারিকে সঙ্গে নিয়ে ভারতের বড় সংগ্রহের ভিতটা গড়ে দিয়েছিলেন। আগারওয়াল আউট হন ৭৭ রানে।,1573156 2019-01-04,একের বদলে ১৩,,অনলাইন ডেস্ক,৪,https://www.prothomalo.com/international/article/1573154/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2,international,online,3,কানাডা|এশিয়া|চীন,কানাডার ১৩ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে চীন। গতকাল বৃহস্পতিবার কানাডার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে. চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে টেকনোলজিসের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মেং ওয়ানঝুকে গত মাসে গ্রেপ্তারের পর থেকে চীন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে যখন একটি টানাপোড়েনের সম্পর্ক চলছে. ঠিক তখনই গ্রেপ্তার হন মেং ওয়ানঝু। যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যর্পণ অনুরোধে ১ ডিসেম্বর কানাডার ভাঙ্কুভার বিমানবন্দরে হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতার মেয়ে মেং ওয়ানঝুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানে প্রযুক্তি বিক্রি করার অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি হংকং থেকে মেক্সিকো যাচ্ছিলেন। ভাঙ্কুভার বিমানবন্দরে তাঁর যাত্রাবিরতি ছিল। মেং ওয়ানঝু হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেংফেইয়ের মেয়ে এবং প্রতিষ্ঠানটির সিএফও। কানাডা সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়. চীন যে ১৩ জনকে আটক করেছে. এর মধ্যে কমপক্ষে ৮ জনকে মুক্তি দিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে. তা প্রকাশ করা হয়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার এ বিবৃতি দেওয়ার আগ পর্যন্ত মাত্র তিনজনকে গ্রেপ্তারের কথা প্রকাশ করা হয়েছে। মেংকে গ্রেপ্তারের পর থেকে চীন ও কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক উদ্বেগ বেড়েছে। কানাডা অবশ্য কয়েকবার বলেছে. তাদের দেশের নাগরিকদের আটক করার সঙ্গে মেং ওয়ানঝুর গ্রেপ্তারের সম্পর্ক নেই। তবে বেইজিংভিত্তিক পশ্চিমা কূটনীতিক ও কানাডার সাবেক কূটনীতিকেরা বলছেন. কানাডার নাগরিকদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি চীন ‘ইটের বদলে পাটকেল’ হিসেবেই নিয়েছে। ১১ ডিসেম্বর ৭৪ লাখ মার্কিন ডলারে শর্ত সাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন কানাডার আদালত। এখন তিনি ভাঙ্কুভারে নিজের কয়েক লাখ ডলার মূল্যের বাড়িতে থাকছেন। চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝুর বিরুদ্ধে ব্যাংকের সঙ্গে প্রতারণার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের বিষয়ে লড়তে হচ্ছে। তাঁর পায়ে মনিটর যুক্ত করা হয়েছে এবং রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত তাঁকে বাড়িতে থাকতে হবে। দোষী সাব্যস্ত হলে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে তাঁর। কানাডার এক কর্মকর্তা বলেছেন. চীন যাঁদের গ্রেপ্তার করেছে. তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মাইকেল কভরিগ. মাইকেল স্প্যাভর. সারাহ ম্যাকাইভার প্রমুখ। ম্যাকাইভার পেশায় শিক্ষক। তাঁকে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কভরিগ একজন কূটনীতিবিদ আর স্প্যাভর ব্যবসায়ী। এ ছাড়া বেশ কিছু অভিযোগে চীনে ২০০ কানাডার নাগরিককে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে বেইজিং বলেছিল. জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কানাডার দুজন নাগরিককে আটক করেছে তারা। দেশটির আইন ভেঙেছিলেন তাঁরা। কানাডার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে. কানাডার নাগরিকদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কানাডার নাগরিকদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। এর আগে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝুকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয় চীন। হুয়াওয়ের ওই নির্বাহীকে দ্রুত ছেড়ে দিতে কানাডার প্রতি আহ্বান জানায় বেইজিং। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে. মেং ওয়ানঝুকে না ছাড়লে তার ভয়ানক পরিণতির সব দায় কানাডাকে ভোগ করতে হবে। মেংকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে. ভাঙ্কুভারে বিমান পরিবর্তনের সময় মেংকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি তাঁর অধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন। এটা অযৌক্তিকভাবে আইন লঙ্ঘন করে করা হয়েছে। এ ঘটনায় কানাডার রাষ্ট্রদূতকে ডেকে চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী লি উচেং তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। বিবিসি অনলাইন এ তথ্য জানায়। চীনা টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝুর গ্রেপ্তারে কানাডা সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। আরও পড়ুন:ওয়ানঝুকে ছাড়ো. নইলে ভয়ানক পরিণতি ভোগ করোহুয়াওয়ের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘প্রতারণার’ অভিযোগহুয়াওয়ের কপালে কী আছে?যে কথা মনে করায় কালো রাজহাঁস,1573154 2019-01-04,বছরের শুরুতেই ধাক্কা খেল রিয়াল,,খেলা ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573152/%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2,sports,online,3,রিয়াল মাদ্রিদ|ফুটবল,প্রায় দুই বছর পর খেলায় ফেরা সান্তি কাজোরলার ২ গোলে রিয়াল মাদ্রিদকে জয় বঞ্চিত রেখেছে ভিয়ারিয়াল। বেনজেমা- ভারানের গোলে এগিয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে কাজোরলার গোলে ১ পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে হয় রিয়াল মাদ্রিদকে। প্রায় দুই বছর পর খেলায় ফেরা সান্তি কাজোরলার ২ গোলে রিয়াল মাদ্রিদকে জয় বঞ্চিত রেখেছে ভিয়ারিয়াল। বেনজেমা- ভারানের গোলে এগিয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে কাজোরলার গোলে ১ পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে হয় রিয়াল মাদ্রিদকে। বড়দিনের ছুটি শেষে মাঠে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু ফেরাটা হলো ভুলে যাওয়ার মতোই। নতুন বছরের শুরুটা রাঙাতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। ভিয়ারিয়ালের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে রিয়াল। সান্তি কাজোরলাই মূল সর্বনাশটা করেছেন রিয়ালের। রীতিমতো ত্রাতা হয়ে উঠে করেছেন জোড়া গোল করেই ভিয়ারিয়ালকে এনে দিয়েছেন একটি পয়েন্ট।স্পেনের ইতিহাসে কাজোরলার নাম লেখা থাকবে অন্যভাবে। এক যুদ্ধাহত সৈনিক হিসেবে তাকে চিনে থাকবে সবাই। চোটের কারণে নিজের ক্যারিয়ারের সবটুকু বিসর্জন দেওয়ার পথে ছিলেন কাজোরলা। ২০১৩ সালে চিলির বিপক্ষে ম্যাচে ডান পায়ের অ্যাঙ্কেলের হাড়ে চিড় ধরে এই কাজোরলার। সে থেকে শুরু। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ভিয়ারিয়াল থেকে আর্সেনালে পাড়ি জমানো কাজোরলাকে বেশির ভাগ সময় কাটাতে হতো সাইডলাইনে বসেই। কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃসময় হয়ে আসে ১৬-১৭ মৌসুমে। সেবার ২ বছরের বেশি সময় মাঠের বাইরে বসে কাটাতে হয় তাঁকে। দৌড়ানোর স্টাইলের কারণেই নাকি অ্যাঙ্কেলে সমস্যা হতো তাঁর। এর পরপরই আর্সেনাল থেকে ভিয়ারিয়ালে চলে আসেন। নতুন বছরের প্রথম দিনই ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে রিয়াল ছেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কেইলর নাভাস। ভিয়ারিয়াল ম্যাচে মূল একাদশের জন্য কোর্তয়ার ওপরেই ভরসা রাখেন কোচ সান্তিয়াগো সোলারি। তবে ভরসার পাত্র হতে পারেননি তিনি। চার মিনিটের মাথাতেই গোল করেন সান্তি কাজোরলা। রক্ষণের ভুল থেকে পাওয়া বলে পা ছুঁইয়ে ভিয়ারিয়ালকে এগিয়ে নেন কাজোরলা। ভিয়ারিয়ালের জার্সিতে নতুন করে প্রত্যাবর্তনের পর এটিই তার প্রথম গোল। তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি রিয়াল মাদ্রিদকে। ৭ মিনিটের মাথায় লুকাস ভাসকেজের বাড়ানো ক্রস থেকে মাথা ছুঁইয়ে দলকে সমতায় ফেরান করিম বেনজেমা। এটি এই মৌসুমে তার সপ্তম গোল। ১৯ মিনিটের মাথায় ৩৫ গজ দূরে ফ্রি কিক পায় রিয়াল মাদ্রিদ। ‘বার্থডে বয়’ টনি ক্রুসের বাড়ানো ফ্রি কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান রাফায়েল ভারানে। ৩২ মিনিটের মাথায় লুকা মদরিচের গোল বাতিল হয় অফসাইডের ফাঁদে পড়ে। প্রথমার্ধে আর কোনো গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ইসকোকে নামানো হয়েছিল মাঝমাঠের আধিপত্য ধরে রাখতে. কিন্তু ৬৪ মিনিটে লুকা মদরিচকে ওঠানোর পর মাঝমাঠে পুরো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ৬৬ মিনিটে সবচেয়ে সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন লুকাস ভাসকেজ। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন ভাসকেজ। এমনকি পাশে থাকা বেনজেমাকে পাস দিলেও বল জালে জড়ানো ছিল সহজ ব্যাপার। এরপর থেকে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে ভিয়ারিয়াল। তবে গোলের মুখ দেখতে অপেক্ষা করতে হয় ৮২ মিনিট পর্যন্ত। ডিবক্সের বাঁ পাশ থেকে বাড়ানো ক্রস ফাঁকায় পেয়ে যান কাজোরলা। হেড করে কর্তোয়ার দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে ভিয়ারিয়ালকে সমতায় ফেরান তিনি। এই গোলের পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। এ ড্রয়ে লা লিগায় চতুর্থ অবস্থানেই থাকছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৯ জয় ৩ ড্র আর ৫ হারে রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট এখন ৩০। লিগের শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে রিয়ালের ব্যবধান ৭ পয়েন্টের।,1573152 2019-01-04,তিন ধারাবাহিক দিয়ে দীপ্ত টিভির বছর শুরু,,বিনোদন প্রতিবেদক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573151/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81,entertainment,online,3,টেলিভিশন,দীপ্ত টিভিতে আগামীকাল শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে নতুন তিনটি ধারাবাহিক নাটক—‘ভালোবাসার আলো-আঁধার’. ‘খলনায়ক’ ও ‘মান অভিমান’। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দীপ্ত টিভি ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এখানে উপস্থিত ছিলেন দীপ্ত টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী উরফী আহমদ ও অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান ফুয়াদ চৌধুরী। এ ছাড়া নাটকগুলোর শিল্পী ও কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়. শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার এই ধারাবাহিকগুলো প্রচারিত হবে—সন্ধ্যা ছয়টা ও রাত সাড়ে আটটায় ‘খলনায়ক’. সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা ও রাত সাড়ে নয়টায় ‘ভালোবাসার আলো-আঁধার’ এবং সন্ধ্যা সাতটা ও রাত নয়টায় ‘মান অভিমান’। ‘খলনায়ক’ নাটকের গল্পে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান রুমী ধনীর মেয়ে মেঘকে ভালোবেসে অতি দ্রুত ধনী হওয়ার আশায় পা রাখে অন্ধকার জগতে। বাবা-মা. বোনের চেষ্টায় একসময় সে ফিরে আসে স্বাভাবিক জীবনে। কিন্তু রুমীর জীবনে ঝড় তোলে মেঘ। নিজের স্বার্থের জন্য রুমীকে সাজায় খলনায়ক। ভালোবাসার সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে সত্য প্রকাশ না করে শহর ছাড়ে রুমী। নতুন শহরে রুমীর প্রেমে পড়ে মাফিয়া গডফাদারের মেয়ে চৈতি। পুরোনো প্রেমের দগদগে ক্ষত আর নতুন প্রেমের হাতছানির ভেতর স্বপ্নভাঙা এক নায়কের গল্প নিয়ে ‘খলনায়ক’। জুনায়েদ হোসেন ও ওয়াহিদুজ্জামান সবুজের রচনা এবং ফিরোজ কবীর ডলারের পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন গোলাম কিবরিয়া তানভীর. ইশানা খান. সানজিদা তন্ময়. ফজলুর রহমান বাবু. শিল্পী সরকার অপু. লায়লা হাসান. আল মামুন. রোদেলা. নিকি প্রমুখ। ‘ভালোবাসার আলো-আঁধার’ নাটকের চিত্রনাট্য লিখেছেন ফাহমিদুর রহমান. সংলাপ লিখেছেন নুসরাত জাহান। পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান সোমেন। অভিনয় করেছেন বৈশাখী ঘোষ. শাহেদ শরিফ খান. সাইফুল জার্নাল. সাবিনা দীপ্তি. শম্পা রেজা. আফরোজা বানু. আবুল কাশেম. মিলি মুন্সী. চান্দা মাহজাবিন. রেজাউল সুজন. আইনুন পুতুল. রুহুল. তূর্য. নাজাহ আলাইনাসহ অনেকে। এই নাটকের গল্পে স্বামীর মৃত্যুর পর সব ছেড়ে সন্তানকে আঁকড়ে নতুন করে জীবন শুরু করতে চেয়েছিল নন্দিনী। কিন্তু লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত সন্তানকে বাঁচাতে সাত বছর পর তাকে ফিরে আসতে হয় ঢাকায়। চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে মরিয়া নন্দিনী কোথাও সাহায্য না পেলে এগিয়ে আসে তার অফিসের বস মাহিন। কিন্তু তার বদলে নন্দিনীকে খোয়াতে হবে আত্মমর্যাদা। ঘৃণা আর ভালোবাসার দ্বন্দ্বের ভেতর একলা মায়ের জয়-পরাজয়ের গল্প নিয়ে দীপ্ত টিভির নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘ভালোবাসার আলো-আঁধার’। ‘মান অভিমান’ নাটকের পরিচালক রাজু খান। জেন অস্টেন রচিত 'প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’-এর অনুপ্রেরণায় নাটকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন নাসিমুল হাসান. সংলাপ লিখেছেন সরোয়ার সৈকত। অভিনয় করেছেন সমাপ্তি মাশুক. রোজী সিদ্দিকী. তোফা হাসান. ইফফাত আরা তিথি. শিবলী নওমান. সানজিদা ইপসাসহ আরও অনেকে। এই নাটকের মধ্যবিত্ত পরিবারের রানুকে ভালোবাসে শিল্পপতি রাহাত। সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়ায় রাহাতের বিত্তশালী বন্ধু ফরহাদ। দাম্ভিক ফরহাদের মতে. গরিব আর ধনীর ভালোবাসা নাটক–সিনেমায় মানালেও বাস্তবে অসম্ভব। আর রানুর বোন বীথি বিশ্বাস করে ভালোবাসা দিয়ে সব অসম্ভবকে জয় করা যায়। একদিন সেই বীথিরই প্রেমে পড়ে ফরহাদ।,1573151 2019-01-04,উত্তর–পূর্ব ভারতে ভোটের প্রচারে মোদি-অমিত,,আগরতলা প্রতিনিধি,১,https://www.prothomalo.com/international/article/1573149/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E2%80%93%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4,international,online,3,ভারত|বিজেপি|নরেন্দ্র মোদি,উত্তর–পূর্ব ভারতে লোকসভা ভোটের প্রচারে নেমে পড়ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মনিপুর আর আসাম সফরে যাচ্ছেন। আগামীকাল বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ যাচ্ছেন ত্রিপুরায়। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের এখনো অন্তত তিন মাস বাকি। তার আগেই বিজেপি পুরোদমে ভোটের প্রচারে নেমে পড়ছে। বিজেপি ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া। মনিপুরের জঙ্গি সংগঠনগুলো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে বয়কটের ডাক দিয়ে ‘জনতা কারফিউ’ জারি করেছে। সেই বয়কটকে উপেক্ষা করেই আজ মোদি বিজেপি শাসিত মনিপুরে যাচ্ছেন। তাঁর সফর উপলক্ষে অভূতপূর্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে । মনিপুরের রাজধানী ইম্ফলে একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন মোদি। এ ছাড়া ভারত-মিয়ানমার সুসংহত স্থলবন্দর. ডোলাইথাবি ড্যাম. হ্যান্ডলুম এস্টেট প্রভৃতি প্রকল্পও তিনি শুরু করবেন। ইম্ফল থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসামের বাঙালি–অধ্যুষিত শিলচরে যাবেন। সেখানে বিজেপির ‘বিজয় সংকল্প সমাবেশে’ তিনি ভাষণ দেবেন । মোদির আসাম সফরের আগেই ৬ দফা প্রশ্ন তুলে তাঁকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে কংগ্রেস। মোদি ২০১৪ সালে একই মাঠে ভাষণ দিতে গিয়ে ছয়টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি পালনের বিষয়ে কংগ্রেস জানতে চেয়েছে। শিলচর থেকে কংগ্রেস নেতা পার্থরঞ্জন চক্রবর্তী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন. ‘প্রধানমন্ত্রী আসছেন। খুব ভালো কথা। কিন্তু তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতির কী হলো. সেটা জানিয়ে নিজের চেয়ারের মর্যাদা রক্ষা করুন মোদি।’ বিজেপি অবশ্য কংগ্রেসের কথায় কান দিতে নারাজ। তারা ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সফল করতে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল. প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রঞ্জিত দাস শিলচরে প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণে পৌঁছে গেছেন। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ মোদির পাশাপাশি শনিবার দুদিনের সফরে ত্রিপুরা যাচ্ছেন। দলের প্রদেশ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পৃষ্ঠাপ্রমুখদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেবেন। ভারতে ভোটার তালিকার প্রতিটি পাতায় ৩০টি করে ভোটারের নাম থাকে। এপিঠ-ওপিঠ মিলিয়ে ৬০। এই ৬০ জনের জন্য একজন করে নেতা থাকেন। এই নেতার পদটির নাম পান্নাপ্রমুখ বা পৃষ্ঠাপ্রমুখ। বিজেপির মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে জানিয়েছেন. ত্রিপুরায় ৪২ হাজার পৃষ্ঠাপ্রমুখ আছেন তাঁদের। তাঁরা তো আসবেনই। সঙ্গে আসবেন সাধারণ ভোটাররাও। আগরতলার বিবেকানন্দ স্টেডিয়ামে লক্ষাধিক মানুষের জনসমাবেশ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সেই সঙ্গে দাবি করেন. শনিবার থেকেই তাঁদের লোকসভা ভোটের প্রচারও শুরু হচ্ছে। ভারতে লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৫টি। এর মধ্যে ২৫টিই উত্তর–পূর্ব ভারতে।,1573149 2019-01-04,টেকনাফে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ,,প্রতিনিধি. টেকনাফ (কক্সবাজার),,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573148/%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B6,bangladesh,online,3,অপরাধ|কক্সবাজার|বন্দুকযুদ্ধ|টেকনাফ|মাদক,কক্সবাজারের টেকনাফে এক ব্যক্তির গুলিবদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশের ধারণা. অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী হতে পারেন। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীর জুম্মাপাড়ার টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ প্রথম আলোকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের ভাষ্য. লাশের পরনে ছিল প্যান্ট ও ফুলহাতা শার্ট। লাশের শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। বুকে ও পেটে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা. ইয়াবার চালান পাচারের সময় দুই দলের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ওই ব্যক্তি গুলিতে নিহত হয়ে থাকতে পারেন। বাহারছড়া ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াস প্রথম আলোকে বলেন. ‘আজ শুক্রবার সকালে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একটি লাশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। তবে. তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে সুরতহাল করে লাশটি উদ্ধার করে।’ ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন. সকালে গুলিবিদ্ধ লাশটি দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।,1573148 2019-01-04,ফারহান ও শিবানী বিয়ে করছেন,,প্রতিনিধি. মুম্বাই,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573147/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8,entertainment,online,3,বলিউড,বলিউডে ২০১৮ সালে বিয়ের উৎসব শুরু হয়েছিল সোনম কাপুরকে দিয়ে। ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজার সঙ্গে চার বছর প্রেম করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা অনিল কাপুরের মেয়ে। এরপর গত বছরের ৮ মে তাঁরা বিয়ে করেন। এরপর নেহা ধুপিয়া-অঙ্গদ বেদি. দীপিকা পাড়ুকোন-রণবীর সিং. নিক জোনাস-প্রিয়াঙ্কা চোপড়া. কপিল শর্মা-গিন্নি শর্মাসহ একাধিক বলিউড তারকা বিয়ে করেছেন। শোনা যাচ্ছে. এ বছর নাকি সবার আগে সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন বলিউড তারকা ফারহান আখতার আর সংগীত তারকা শিবানী দান্ডেকর। বলিউডে এখন জোর গুঞ্জন. এই জুটির দীর্ঘদিনের প্রেম এবার বিয়ের রূপ নিতে চলেছে। ফারহান আখতার দ্বিতীয়বার বিয়ে করছেন। এর আগে বলিউড হেয়ার স্টাইলিশ অধুনা ভবানিকে বিয়ে করেছিলেন। ২০১৬ সালে তাঁদের ১৬ বছরের দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি ঘটে। মাঝে কিছুদিন শ্রদ্ধা কাপুরের সঙ্গে ফারহানের ঘনিষ্ঠতার কথা শোনা যায়। তবে শিবানী ও ফারহানের সম্পর্ক বেশ গভীর। আর নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে তাঁরা খুব সিরিয়াস। এদিকে শোনা গেছে. ফারহানের দুই কন্যা সাক্ষ্য ও আকিরা নাকি শিবানীকে খুব পছন্দ করে। তাহলে আর বাধা কোথায়! এবার ফারহান-শিবানীর পরবর্তী কদম যে বিয়ে. তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ফারহান হামেশাই ইনস্টাগ্রামে তাঁর সঙ্গে শিবানীর ছবি পোস্ট করেন। এই রোমান্টিক জুটির ভালোবাসার ঝলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধরা পড়ে। ফারহান-শিবানী ছাড়া এ বছর কয়েকটি বলিউড জুটির বিয়ের পিঁড়িতে বসার সম্ভাবনা আছে। এই যেমন বরুণ ধাওয়ান-নাতাশা দালাল. অর্জুন কাপুর-মালাইকা অরোরা। ফারহান এখন ব্যস্ত ‘স্কাই ইজ পিংক’ ছবির শুটিং নিয়ে। সোনালি বোস পরিচালিত এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে আছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তাঁদের মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন জায়রা ওয়াসিম।,1573147 2019-01-04,কপিল এত নিচে নামলেন!,,প্রতিনিধি. মুম্বাই,৩,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573145/%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%8F%E0%A6%A4-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8,entertainment,online,3,বলিউড,২০১৮ মোটেও ভালো কাটেনি সঞ্চালক ও কৌতুক অভিনেতা কপিল শর্মার। তবে বছরের একদম শেষে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। নতুন জীবন শুরু করেছেন তিনি। সনি চ্যানেলে আবার নতুন করে শুরু হয়েছে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’। পাশাপাশি দীর্ঘ দিনের বান্ধবী গিন্নি ছত্রাতের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন। জীবনটাকে ঠিকঠাক গুছিয়ে নিলেও আর্থিক দিক থেকে তাঁকে অনেক নিচে নামতে হয়েছে। জানা গেছে. একেবারেই কম পারিশ্রমিকে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ সঞ্চালনা করছেন তিনি। গত ২৯ ডিসেম্বর ঘটা করে শুরু হলো ‘দ্য কপিল শর্মা শো’। কপিল শর্মার ফিরে আসায় তাঁর ভক্তরা দারুণ খুশি। অনুষ্ঠানটি ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা ফিরে পাচ্ছে। এদিকে আর্থিক দিক থেকে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি। ১ বা ২ লাখ রুপি নয়. প্রায় ৫০ লাখ রুপির ঝটকা! তবে এই ক্ষতি তিনি মুখ বুজে সহ্য করছেন। কারণ কপিল শর্মা এবার অনুষ্ঠানটি সালমান খানের সঙ্গে যৌথভাবে প্রযোজনা করছেন। এর আগে ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ তিনি নিজেই প্রযোজনা করেছেন। ২০১৬ সালে কপিলের সঙ্গী ছিলেন সুনীল গ্রোভার. কিকু শারদা আর চন্দন প্রভাকর। তখন কপিল শর্মা প্রতি পর্বের জন্য পারিশ্রমিক নিয়েছেন ৬০ থেকে ৮০ লাখ রুপি। কিন্তু এখন প্রতি পর্বের জন্য যা পারিশ্রমিক পাচ্ছেন. তা একেবারই কম। জানা গেছে. কপিল শর্মার পারিশ্রমিক এক ধাক্কায় ১৫ লাখ রুপিতে নেমে এসেছে। অনুষ্ঠানটিতে এবার কপিলের সঙ্গে আছেন ভারতী সিং আর কৃষ্ণা। তাঁরা প্রত্যেকে প্রতি পর্বের জন্য পাচ্ছেন প্রায় ১২ লাখ রুপি। ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ ধীরে ধীরে আবার জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু কপিল শর্মা নিজের আর্থিক ক্ষতি কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন. তা বলা মুশকিল। এর আগে সনি চ্যানেল কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দিয়েছিল।,1573145 2019-01-04,সুবর্ণচরে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ১,,নিজস্ব প্রতিবেদক. নোয়াখালী,৭,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573144/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A7%A7,bangladesh,online,3,নোয়াখালী|আইন ও বিচার|চট্টগ্রাম বিভাগ|ধর্ষণ,নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের এক গ্রামে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে (৪০) ধর্ষণের ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সবশেষ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম জসিম উদ্দিন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে সুবর্ণচরের চরজব্বর থানার পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় এ নিয়ে মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. গত রাতে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জসিম মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তবে তদন্তে তাঁর নাম এসেছে। তাই জড়িত সন্দেহ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া জসিমকে চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীতে আনা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ। নির্যাতনের শিকার নারীর স্বামী গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন. তিনি পেশায় অটোচালক। এক মাসের বেশি সময় অসুস্থ. অটোরিকশাটিও বিকল। আয়-রোজগারও নেই। অসুস্থতার কারণে ভোটের দিন (৩০ ডিসেম্বর) কেন্দ্রেও যাননি। স্ত্রী আশপাশের কয়েকজনের সঙ্গে ভোট দিতে গিয়েছিলেন। ভোট দেওয়া নিয়ে কেন্দ্রে বেচু. সোহেল. স্বপনসহ কয়েকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। তারা তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পরে রাতে তারা বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাঁকে মারধর করে সন্তানসহ সবাইকে বেঁধে ফেলে এবং স্ত্রীকে ঘরের বাইরে নিয়ে পিটিয়ে আহত এবং ধর্ষণ করে। নির্যাতনের শিকার নারী নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারধরের শিকার তাঁর স্বামীও। গতকাল সকালে ওই নারী বলেন. গত তিন দিনের চিকিৎসায় তাঁর অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। শরীরে এখনো প্রচণ্ড ব্যথা। ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই নারীকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. খলিল উল্যাহ গতকাল বিকেলে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। ডাক্তারি পরীক্ষার প্রতিবেদন গতকাল বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ জানায়. এ মামলায় এজাহারভুক্ত চার আসামিসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জসিম ছাড়া অন্যরা হলেন ইন্ধনদাতা হিসেবে অভিযুক্ত চরজুবলী ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য রুহুল আমিন (৪০). প্রধান আসামি মো. সোহেল (৪০). আসামি মো. বেচু (২৫). মো. স্বপন (৩৫). বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০)। ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় ৩১ ডিসেম্বর নয়জনের নাম উল্লেখ করে চরজব্বর থানায় মামলা করেন নির্যাতনের শিকার নারীর স্বামী। এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো পাঁচজন গ্রেপ্তারের বাইরে রয়েছেন।,1573144 2019-01-04,পালাবে কোথায়?,,অনলাইন ডেস্ক,১,https://www.prothomalo.com/technology/article/1573141/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%95,technology,online,3,খবরাখবর|ফেসবুক,ফেসবুক নানা উপায়ে ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে। কিন্তু যাঁরা ফেসবুক ব্যবহার করেন না. তাঁরা কি নিশ্চিন্তে আছেন? আসলে কারও নিশ্চিন্তে থাকার উপায় নেই। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থাক বা না থাক. ইন্টারনেট দুনিয়ার সবার তথ্য সংগ্রহ করছে ফেসবুক। গোপনীয়তার অধিকার নিয়ে কাজ করা যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান প্রাইভেসি ইন্টারন্যাশনাল বলছে. বিভিন্ন অ্যাপ নির্মাতারা ফেসবুকের কাছে তথ্য পাঠিয়ে দিচ্ছে। তাই যাঁরা ফেসবুক ব্যবহার করছেন না. বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের তথ্যও ফেসবুকের কাছে চলে যাচ্ছে। গত ৩০ ডিসেম্বর প্রাইভেসি ইন্টারন্যাশনাল ‘হাউ অ্যাপস অন অ্যান্ড্রয়েড শেয়ার ডেটা উইথ ফেসবুক’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও কীভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করা হয়. সে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ওই গ্রুপের বিশেষজ্ঞরা ৩৪টি অ্যাপ নিয়ে পরীক্ষা চালান। এর মধ্যে ২১টি অ্যাপের মাধ্যমে ফেসবুকের কাছে স্বয়ংক্রিয় তথ্য পাঠাতে দেখেছেন তাঁরা। বিশেষজ্ঞরা বলেন. ৬০ শতাংশের বেশি অ্যাপ থেকে ফেসবুকের কাছে তথ্য পাচার করা হয়। অ্যাপ খোলামাত্রই ফেসবুকের কাছে তথ্য চলে যায়। এসব অ্যাপের মধ্যে ডুয়োলিঙ্গ. কায়াক. শাঝাম. স্পটিফাই. ট্রিপ অ্যাডভাইজর ও ইয়েলপের মতো জনপ্রিয় অ্যাপ রয়েছে। সম্প্রতি জার্মানির লেইপজিগে ৩৫তম ক্যাওস কমিউনিকেশনস কংগ্রেস হ্যাকার সম্মেলনে ওই তথ্য তুলে ধরে প্রাইভেসি ইন্টারন্যাশনাল। অবশ্য তারা বলেছে. এই তথ্য শেয়ার ঠেকানোর কোনো পথ নেই। আপনি ফেসবুকে লগইন করেন বা না করেন. আপনার অ্যাকাউন্ট থাক বা না থাক. ফেসবুকের কাছে তথ্য যাবেই। শুধু অ্যান্ড্রয়েড নয়. আইওএস প্ল্যাটফর্মের কিছু অ্যাপ থেকেও একইভাবে তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন. যে অ্যাপগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে. তার বাইরেও অনেক অ্যাপ থেকে নানা রকম তথ্য নিতে পারে ফেসবুক। যেমন আপনি কোন অ্যাপ কখন ব্যবহার করেন. ফেসবুক সে তথ্য সঙ্গে সঙ্গে জানছে। কোনো অ্যাপ ইনস্টল করলে বা মুছে ফেললেও তা জানতে পারে ফেসবুক। এর আগে ফেসবুকের বিনা মূল্যের অনাভো প্রটেক্ট ভিপিএন অ্যাপ এ ধরনের কাজ করত। বিষয়টি জানার পর আইওএস প্ল্যাটফর্ম থেকে তা সরিয়ে দেয় অ্যাপল। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ থেকে তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি নির্ভর করে গুগল অ্যাডভারটাইজিং আইডির (এএআইডি) ওপর। অ্যাপে বিজ্ঞাপনদাতারা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন অ্যাপ থেকে ব্রাউজিংয়ের আচরণের বিষয়টি ব্যবহার করেন। গুগলের অ্যাড আইডি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর ইন্টারনেটের বিভিন্ন আচরণ ধরা হয়। এ ক্ষেত্রে লোকেশন সার্ভিসকে কাজে লাগানো হয়। এ ধরনের প্রাইভেসি লঙ্ঘনের জন্য অ্যাপ নির্মাতাদের দোষারোপ করা যায়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়. যেসব অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকের অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (এসডিকে) ব্যবহার করা হয়. সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে তথ্য দেয়। অ্যাপ নির্মাতা ওই ফাংশন পুরোপুরি বন্ধ করতে পারে না। আইওএস প্ল্যাটফর্মেও একইরকম ফেসবুক এসডিকে ব্যবহার হয়। অবশ্য ফেসবুকের মতোই অন্যান্য অনলাইন বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান মোবাইল অ্যাপ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। তবে গত বছর থেকে ফেসবুক প্রাইভেসির ক্ষেত্রে বিষয়টিকে আরও বড় করে তুলেছে। দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে. ফেসবুককে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো পথ থাকছে না। ফেসবুক ছেড়ে পালানোর পথ নেই। তথ্যসূত্র: দ্য রেজিস্টার।,1573141 2019-01-04,ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573140/%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%AD%E0%A7%A7%E0%A6%A4%E0%A6%AE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A6%9C,bangladesh,online,3,ছাত্রলীগ|রাজনীতি|প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ ৪ জানুয়ারি। ১৯৪৮ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ছাত্রলীগের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বায়ান্নর ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন. সাতান্নর শিক্ষক ধর্মঘট. বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন. উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান. একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। স্বাধীন বাংলাদেশেও বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের সংগ্রামী ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য। তবে সময়ের পরিক্রমায় ছাত্রলীগ একাধিক ধারায় বিভক্ত হয়। নিজেদের মধ্যে দলাদলি. অন্তর্কোন্দল. হামলা-মারামারিসহ নানা কারণে ছাত্রলীগের সমালোচনাও আছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রলীগ চার দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল। তবে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব কর্মসূচি স্থগিত করেছে ছাত্রলীগ। জাসদ সমর্থিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগও দিবসটি উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তারা আজ বেলা ১১টায় কলা ভবনের সামনে বটতলায় সমাবেশ ও শোভাযাত্রা করবে। জাসদ ছাত্রলীগের আরেকটি অংশ সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করবে। জাসদের সর্বশেষ কাউন্সিলে দলটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ার পর ছাত্রলীগও দুটি আলাদা কমিটি করে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি স্থগিতসৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব কর্মসূচি স্থগিত করার কথা জানিয়ে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়. ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন–পরবর্তী সব কর্মসূচি স্থগিত করা হলো। বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার বাদ জুমা সব সাংগঠনিক ইউনিটকে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়. শুক্রবার সকালে শুধু জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এ ছাড়া পরবর্তী সব কর্মসূচি স্থগিত করা হলো। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক. বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন। দেশে না থেকেও সৈয়দ আশরাফ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন।,1573140 2019-01-04,ভারতে সর্পদংশনে সবেচয়ে বেশি মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গে,,প্রতিনিধি. কলকাতা,,https://www.prothomalo.com/international/article/1573139/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9A%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87,international,online,3,ভারত|পশ্চিমবঙ্গ|সাপ,ভারতে সাপের কামড়ে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর প্রদেশ। ২০১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গে সাপের কামড়ে ২৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০১৮ সালেও সাপের কামড়ে মৃত্যুর দিক থেকে এগিয়ে ভারতের এ রাজ্য। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেশব্যাপী সমীক্ষা শেষে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত ‘ন্যাশনাল হেলথ প্রোফাইল-১৮’ বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার কলকাতার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে সেই প্রতিবেদন। ২০১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গে সাপের কামড় খেয়েছে ২৯ হাজার ৭ জন। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৫ হাজার ৪৮১। ২০১৬ সালেও সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে ছিল পশ্চিমবঙ্গ। মৃত্যু হয়েছিল ১৩৮ জনের। এরপর ছিল উত্তর প্রদেশ। সেখানে ২০১৭ সালে মারা গেছে ১২৫ জন। মধ্য প্রদেশে ৭৫ জন. অন্ধ্রপ্রদেশে ৮৪ জন এবং ওডিশায় ৮৩ জন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়. পশ্চিমবঙ্গে সাপের কামড়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা. পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর. বাঁকুরা. বর্ধমান এবং মুর্শিদাবাদ জেলায়। বেশি মৃত্যু হয় চন্দ্রবোড়া সাপের কামড়ে। এ ছাড়া মারা গেছে কালাচ. কেউটে. গোখরা সাপের কামড়ে।,1573139 2019-01-04,কিলোমিটারে রূপ নিচ্ছে পদ্মা সেতু,,কমল জোহা খান. ঢাকা,১৩৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573136/%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81,bangladesh,online,3,সরকার|পদ্মা সেতু|পদ্মা সেতু প্রকল্প,দেড় শ মিটার নিয়ে একটি একটি করে পাঁচটি স্প্যান বসে একটু একটু করে দীর্ঘ হচ্ছিল পদ্মা সেতু। পাঁচ স্প্যানের দৈর্ঘ্য হয় ৭৫০ মিটার। এবার ষষ্ঠ স্প্যান বসতে যাচ্ছে প্রমত্তা এই নদীর ওপর। আগুয়ান ফেব্রুয়ারিতে আরও একটি স্প্যান বসে যেতে পারে। পরপর দুই মাসে দুটি স্প্যান বসার পর পদ্মা সেতুর এক কিলোমিটারের বেশি অংশ দৃশ্যমান হবে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন. ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ষষ্ঠ স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তে বসানো হবে। এ ছাড়া মাওয়া প্রান্তে স্প্যান স্থাপনের কাজ চলছে। পদ্মা সেতু প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে. মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের সামনে ষষ্ঠ ও সপ্তম স্প্যান দুটি প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। ষষ্ঠ স্প্যানটি বসানো হবে সেতুর ৩৭ ও ৩৬ নম্বর পিলারের (খুঁটি) ওপর। আর সপ্তম স্প্যানটি ৩৬ ও ৩৫ পিলার দুটিতে বসানো হবে। কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে আরও স্প্যান প্রস্তুত করার কাজ বেশ দ্রুত চলছে বলে জানান পদ্মা সেতু প্রকল্পের এক প্রকৌশলী। তিনি বলেন. কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে আরও পাঁচটি স্প্যানের ৯০ শতাংশ প্রস্তুতের কাজ শেষ হয়েছে। এ মাসের মধ্যে এসব স্প্যান প্রস্তুত হয়ে যাবে। এই স্প্যানগুলো আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বসানো হবে। তবে আপাতত জাজিরা প্রান্ত থেকে স্প্যান বসানোর কাজ চলবে। ৬ ও ৭ নম্বর পিলার নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ার মাওয়া প্রান্তে স্প্যান আপাতত বসানো হচ্ছে না। এই দুটি পিলারের কাজ শেষ হলে মাওয়ায় স্প্যান বসানো শুরু হবে। তবে মাঝ নদীতে ১২ ও ১৩ নম্বর পিলার দুটি প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর খুঁটিতে বসানো হয় দ্বিতীয় স্প্যান। গত বছরের ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর খুঁটির ওপর বসে তৃতীয় স্প্যান। ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর খুঁটির ওপর চতুর্থ স্প্যান বসানো হয়। সবশেষ ২৯ জুন সেতুর পঞ্চম স্প্যান বসানো হয়েছে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকায়। জাজিরা প্রান্তের তীরের দিকের এটিই শেষ স্প্যান। এর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর ৭৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়। দ্বিতল পদ্মা সেতু হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরার মধ্যে। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য (পানির অংশের) ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ডাঙার অংশ ধরলে সেতুটি প্রায় নয় কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। খুঁটির ওপর ইস্পাতের যে স্প্যান বসানো হবে. এর ভেতর দিয়ে চলবে ট্রেন। আর ওপর দিয়ে চলবে যানবাহন। পুরো সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা ৪২টি। প্রতিটি পিলারের রাখা হয়েছিল ছয়টি পাইল। একটি থেকে আরেকটি পিলারের দূরত্ব ১৫০ মিটার। এই দূরত্বের লম্বা ইস্পাতের কাঠামো বা স্প্যান জোড়া দিয়েই সেতু নির্মিত হবে। ৪২টি খুঁটির ওপর এ রকম ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। এর মধ্যে ৩টি স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। স্প্যানের অংশগুলো চীন থেকে তৈরি করে সমুদ্রপথে জাহাজে করে আনা হয় বাংলাদেশে। ফিটিং করা হয় মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে। তবে কাদামাটির পরই শক্ত মাটি না পাওয়ায় পদ্মা সেতুর ১৪টি পিলারের মধ্যে ১টি করে পাইলের সংখ্যা বাড়ানো হয়। স্প্যানের মতো পিলার নির্মাণের কাজও বেশ দ্রুত চলছে। পদ্মা সেতু প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে. মূল নদীতে ৪০টি পিলার রয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি পিলারের নির্মাণকাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। ১৪টি পিলারের কাজ আগামী মার্চ মাসের শেষে সম্পন্ন হয়ে যেতে পারে। বাকি ১১টি পিলারের পাইল ড্রাইভের কাজ চলছে। পিলার ও স্প্যানের পাশাপাশি সেতুতে রেলপথের জন্য স্ল্যাব বসানোর কাজ চলছে। দুটি রেলওয়ের স্ল্যাব বসানো হয়ে গেছে। এ মাসেই শুরু হবে ২২ মিটার প্রস্থের রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত পদ্মা সেতুর পুরো প্রকল্পের ৬২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে মূল সেতুর কাজ হয়েছে ৭২ শতাংশ। এ ছাড়া নদী শাসনের কাজ হয়েছে ৪৮ শতাংশ। বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ওই বছরের ২৮ আগস্ট ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছিল। পরে আওয়ামী লীগ সরকার এসে রেলপথ সংযুক্ত করে ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথম দফায় সেতুর ব্যয় সংশোধন করে। বর্তমান ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি। মূল সেতু নির্মাণে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। আর নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেক প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন। দুই প্রান্তে টোল প্লাজা. সংযোগ সড়ক. অবকাঠামো নির্মাণ করছে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।,1573136 2019-01-04,আট আসনে জামানত হারাচ্ছেন ৩১ জন,পঞ্চগড় ও দিনাজপুর,প্রতিনিধি. পঞ্চগড়,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573134/%E0%A6%86%E0%A6%9F-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A7%A9%E0%A7%A7-%E0%A6%9C%E0%A6%A8,bangladesh,online,3,আওয়ামী লীগ|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|পঞ্চগড়|জাতীয় পার্টি,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়ের দুটি আসনের ১০ জন এবং দিনাজপুরের ছয়টি আসনের ২১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা ছাড়া অন্য ১০ জন প্রার্থীই তাঁদের জামানত হারিয়েছেন। পঞ্চগড় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম বলেন. নিয়ম অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে সরকারি কোষাগারে ২০ হাজার টাকা করে জামানত হিসেবে জমা দিতে হয়। সেই জামানতের টাকা ফেরত পেতে ওই আসনের সব ভোটকেন্দ্রে পড়া মোট ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ পেতে হয়। পঞ্চগড়-১ আসনে পাঁচজন জামানত হারিয়েছেন। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুল্লাহ ৩ হাজার ৪৫৩. জাকের পার্টির মো. সুমন রানা. ৩ হাজার ৩৯৯. জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) আল রাশেদ প্রধান ১ হাজার ৪১২. জাতীয় পার্টির আবু সালেক ৭২৯ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শেখ মো. হাবিবুর রহমান ১৩২ ভোট পেয়েছেন। পঞ্চগড়-২ আসনে জামানত হারিয়েছেন পাঁচজন। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের কামরুল হাসান ২ হাজার ৫২৬. জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির তাসমিয়া প্রধান ১ হাজার ৬৭০ ভোট. সিপিবির আশরাফুল আলম ৬৪১. জাতীয় পার্টির লুৎফর রহমান ৩৫৪ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী ফয়জুর রহমান ১৩২ ভোট পেয়েছেন। দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ছয়জন প্রার্থী। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪২৩টি ভোট পড়েছে। নিয়ম অনুযায়ী জামানত ফেরত পেতে প্রয়োজন হবে ৩৫ হাজার ৩০৩ ভোটের। ওই পরিমাণ ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে জাগপার মো. আরিফুল ইসলাম. ইসলামী আন্দোলনের আশরাফুল আলম. জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাহিনুর ইসলাম ও মুসলিম লীগের প্রার্থী সৈয়দ মনজুর উল করিমের। দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৩২টি ভোট পড়েছে। জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীকে ৩১ হাজার ১৭ ভোটের। কিন্তু ওই ভোট না পাওয়ায় ইসলামী আন্দোলনের মো. হাবিবুর রহমান. জাতীয় পার্টির জুলফিকার হোসেন. মুসলিম লীগের মো. এরশাদ হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকাররম হোসেনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে পাঁচজন প্রার্থী ছিলেন। এ আসনের কেন্দ্রগুলোতে ২ লাখ ৭৭ হাজার ১৭৫ ভোট পড়েছে। জামানত ফিরে পেতে দরকার ছিল ৩৪ হাজার ৬৪৭ ভোট। কিন্তু ওই ভোট না পওয়ায় বিকল্পধারার আশরাফুল ইসলাম. সিপিবির মো. বদিউজ্জামান ও মুসলিম লীগের প্রার্থী সৈয়দ মাহমুদ উল করিম জামানত হারিয়েছেন। দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনে সাতজন প্রার্থী ছিল। এ আসনের কেন্দ্রগুলোতে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬৫টি ভোট পড়েছে। জামানত বাঁচাতে ৩৩ হাজার ৪৪৭ ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ওই ভোট না পাওয়ায় ইসলামী আন্দোলনের মিজানুর রহমান. জাতীয় পার্টির মোনাজাত চৌধুরী. মুসলিম লীগের মোজাফফর হোসেন. সিপিবির রেয়াজুল ইসলাম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী সাজেদুল আলম চৌধুরীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে ইসলামী আন্দোলনের মো. মতিউর রহমান. ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী শওকত আলী. বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শফিকুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী সোলায়মান সামী জামানত হারিয়েছেন। দিনাজপুর-৬ আসনে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৩৬টি ভোট পড়েছে। জামানত রক্ষার জন্য ৪৪ হাজার ৩৯২ ভোট পাওয়ার দরকার ছিল। কিন্তু ওই ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের নুর আলম সিদ্দিক এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শাহিদা খাতুন।,1573134 2019-01-04,ভবঘুরে গরু-ছাগলের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র,,প্রতিনিধি. কলকাতা,৭,https://www.prothomalo.com/international/article/1573127/%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0,international,online,3,ভারত|বিজেপি,জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশ। এই রাজ্যের শাসনক্ষমতায় এখন বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর যোগী আদিত্যনাথ এই রাজ্যের বহু ঐতিহাসিক স্থানের নাম বদলে দিয়েছেন। ওই রাজ্যে গো-হত্যা. গো-ব্যবসা বন্ধ করেছেন। রক্ষা করছেন গরু। তিনি এবার রাজ্যজুড়ে ভবঘুরে গরু-ছাগলের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। মূলত উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন এলাকার চাষিরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন. ভবঘুরে গরু-ছাগলের অত্যাচারে তাঁরা অতিষ্ঠ। এসব গরু-ছাগল নষ্ট করে দিচ্ছে খেতের ফসল। তাই চাষিদের কথা মাথায় রেখে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবার গরু-ছাগলের পুনর্বাসনের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন। যাতে ভবঘুরে গরু-ছাগল আর কৃষকের খেতের ফসল নষ্ট করতে না পারে। এই আশ্রয়কেন্দ্র গড়ার জন্য সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে ১০০ কোটি রুপি বরাদ্দ করেছে। আশ্রয়কেন্দ্র চালানোর জন্য রাজ্য সরকার বড় ব্যবসায়ীদের ওপর ২ শতাংশ ‘গো-কল্যাণ সেস’ আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিভিন্ন লাভজনক সংস্থা ও বাজার কমিটির আয়ের ওপর এই কর ধার্য করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গত বুধবার রাতে রাজ্যের সব জেলা শাসকদের এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছেন. ১০ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যের সব ভবঘুরে গরু-ছাগলকে আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। রাজ্যের কৃষক ও সাধারণ মানুষ যাতে ভবঘুরে গরু-ছাগল নিয়ে কোনো সমস্যায় না পড়েন. তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেছেন. যাঁরা বাড়ির পোষা গরু-ছাগল রাস্তায় ছেড়ে দেবেন. তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরিমানা করা হবে মোটা টাকা। এই আশ্রয়কেন্দ্র চালানোর জন্য রাজ্যের জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সাহায্য নেওয়া হবে। ভবঘুরে গরু-ছাগলের ফসল নষ্ট করে দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বেশ কিছুদিন ধরে আলিগড় ও ফৈজাবাদ জেলার কয়েকটি গ্রামের চাষিরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এ সময় তাঁরা এলাকার বেশ কিছু ভবঘুরে গরু-ছাগল ধরে এনে স্কুলে তালা দিয়ে রাখেন। তাঁরা ঘোষণা দেন. এ নিয়ে রাজ্য সরকারের ঘোষণা না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা ওই গরু-ছাগল আটকে রাখবেন। এ খবর পৌঁছার পর মুখ্যমন্ত্রী ভবঘুরে গরু-ছাগলের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের ঘোষণা দেন।,1573127 2019-01-04,চুয়াডাঙ্গায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নিহত,,প্রতিনিধি. চুয়াডাঙ্গা,২,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573122/%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80,bangladesh,online,3,খুলনা বিভাগ|অপরাধ|বন্দুকযুদ্ধ|চুয়াডাঙ্গা|মাদক,চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুল বারেক (৪০) নামের সন্দেহভাজন এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র. গুলি ও ফেনসিডিল উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুক্তারপুর-নলডাঙ্গা মাঠে কথিত এই বন্দুকযুদ্ধ হয়। পুলিশ বলছে. নিহত বারেক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৫টি মামলা রয়েছে। বারেকের বাড়ি উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কার্পাসডাঙ্গা মিশনপাড়ায়। বাবার নাম আব্দুল গণি। বন্দুকযুদ্ধে আহত পুলিশের সদস্যরা হলেন দামুড়হুদা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তপন কুমার. এসআই রাম প্রসাদ. সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ রানা. কনস্টেবল নাহিদ হোসেন ও ফজলে রাব্বী। বারেকের লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। একই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে পুলিশের আহত সদস্যদের। দামুড়হুদা মডেল থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) এএসআই রওশন আলীর ভাষ্য. গতকাল দিবাগত রাতে একদল মাদক পাচারকারী মুক্তারপুর-নলডাঙ্গা মাঠে অবস্থান করছে বলে খবর পায় পুলিশ। রাত একটার দিকে পুলিশ অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক পাচারকারীরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে মাদক পাচারকারীরা পিছু হটে। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাদক ব্যবসায়ী বারেককে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের আহত সদস্যদেরও ‍উদ্ধার করা হয়। তাদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। বারেককে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পুলিশের আহত সদস্যদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এএসআই রওশন আলী বলেন. ঘটনাস্থল থেকে একটি শাটারগান. দুটি গুলি. দুটি রামদা ও এক বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।,1573122 2019-01-04,বিপিএলের পুরো সূচি দেখুন এখানে,,খেলা ডেস্ক,৬,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573121/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8B-%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87,sports,online,3,ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|টি টোয়েন্টি ক্রিকেট,বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসর শুরু হচ্ছে আগামীকাল। প্রতিদিন হবে দুটি করে ম্যাচ। শুক্রবার প্রথম ম্যাচ শুরু হবে বেলা দুইটায়। দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা সাতটায়। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোয় প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর সাড়ে ১২টায়। দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে। আগের টুর্নামেন্টগুলোর মতো এবারও ঢাকা. চট্টগ্রাম ও সিলেটে খেলা হবে। প্রথম ১৪ ম্যাচের পর ১৫ জানুয়ারি থেকে সিলেটে হবে বিপিএলের ৮টি ম্যাচ। ২১ জানুয়ারি আবার ঢাকায় ফিরবে বিপিএল। মিরপুরে ৬ ম্যাচ খেলার পর ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্বের খেলা। সেখানে ৬ দিনে হবে ১০টি ম্যাচ। ১ ফেব্রুয়ারি আবার ঢাকায় ফিরবে বিপিএল. চারটি লিগ ম্যাচের পর শুরু হবে প্লে অফ ও ফাইনাল। ৪ ফেব্রুয়ারি এলিমিনেটর ও প্রথম কোয়ালিফায়ার। ৬ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হবে এলিমিনেটরে বিজয়ী ও প্রথম কোয়ালিফায়ারে পরাজিত দল। প্রতিটি প্লে অফ ও ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে। ফাইনাল ৮ ফেব্রুয়ারি। বিপিএলের সূচি তারিখ ভেন্যু ডে ম্যাচ নাইট ম্যাচ জানুয়ারি ০৫. ২০১৯ ঢাকা রংপুর রাইডার্স বনাম চিটাগং ভাইকিংস ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম রাজশাহী কিংস জানুয়ারি ০৬. ২০১৯ ঢাকা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বনা্ম সিলেট সিক্সার্স খুলনা টাইটানস বনাম রংপুর রাইডার্স জানুয়ারি ০৮. ২০১৯ ঢাকা ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম খুলনা টাইটানস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বনাম রংপুর রাইডার্স জানুয়ারি ০৯. ২০১৯ ঢাকা সিলেট সিক্সার্স বনাম চিটাগং ভাইকিংস খুলনা টাইটানস বনাম রাজশাহী কিংস জানুয়ারি ১১. ২০১৯ ঢাকা ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম রংপুর রাইডার্স কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বনাম রাজশাহী কিংস জানুয়ারি ১২. ২০১৯ ঢাকা চিটাগং ভাইকিংস বনাম খুলনা টাইটানস ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম সিলেট সিক্সার্স জানুয়ারি ১৩. ২০১৯ ঢাকা রংপুর রাইডার্স বনাম রাজশাহী কিংস চিটাগং ভাইকিংস বনাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস জানুয়ারি ১৫. ২০১৯ সিলেট খুলনা টাইটানস বনাম রাজশাহী কিংস সিলেট সিক্সার্স বনাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস জানুয়ারি ১৬. ২০১৯ সিলেট ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম রাজশাহী কিংস সিলেট সিক্সার্স বনাম রংপুর রাইডার্স জানুয়ারি ১৮. ২০১৯ সিলেট সিলেট সিক্সার্স বনাম ঢাকা ডায়নামাইটস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বনাম খুলনা টাইটানস জানুয়ারি ১৯. ২০১৯ সিলেট সিলেট সিক্সার্স বনাম রংপুর রাইডার্স চিটাগং ভাইকিংস বনাম খুলনা টাইটানস জানুয়ারি ২১. ২০১৯ ঢাকা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস বনাম রাজশাহী কিংস ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম চিটাগং ভাইকিংস জানুয়ারি ২২. ২০১৯ ঢাকা খুলনা টাইটানস বনাম রংপুর রাইডার্স ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস জানুয়ারি ২৩. ২০১৯ ঢাকা চিটাগং ভাইকিংস বনাম রাজশাহী কিংস খুলনা টাইটানস বনাম সিলেট সিক্সার্স জানুয়ারি ২৫. ২০১৯ চট্টগ্রাম সিলেট সিক্সার্স বনাম রাজশাহী কিংস চিটাগং ভাইকিংস বনাম রংপুর রাইডার্স জানুয়ারি ২৬. ২০১৯ চট্টগ্রাম সিলেট সিক্সার্স বনাম খুলনা টাইটানস চিটাগং ভাইকিংস বনাম রাজশাহী কিংস জানুয়ারি ২৮. ২০১৯ চট্টগ্রাম খুলনা টাইটানস বনাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম রংপুর রাইডার্স জানুয়ারি ২৯. ২০১৯ চট্টগ্রাম চিটাগং ভাইকিংস বনাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস রংপুর রাইডার্স বনাম রাজশাহী কিংস জানুয়ারি ৩০. ২০১৯ চট্টগ্রাম চিটাগং ভাইকিংস বনাম ঢাকা ডায়নামাইটস সিলেট সিক্সার্স বনাম রাজশাহী কিংস ফেব্রুয়ারি ০১. ২০১৯ ঢাকা ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস চিটাগং ভাইকিংস বনাম সিলেট সিক্সার্স ফেব্রুয়ারি ০২. ২০১৯ ঢাকা রংপুর রাইডার্স বনাম কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ঢাকা ডায়নামাইটস বনাম খুলনা টাইটানস ফেব্রুয়ারি ০৪. ২০১৯ ঢাকা এলিমেনেটর (৩য় বনাম ৪র্থ) প্রথম কোয়ালিফায়ার (প্রথম বনাম দ্বিতীয়) ফেব্রুয়ারি ৬. ২০১৯ ঢাকা দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার (পরাজিত দল ৪৪ বনাম জয়ী দল ৪৩) ফেব্রুয়ারি ৮. ২০১৯ ঢাকা ফাইনাল ফেব্রুয়ারি ৯. ২০১৮ ঢাকা ফাইনালের রিজার্ভ দিন,1573121 2019-01-04,টিভিতে আজকের খেলা সূচি,,খেলা ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573120/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF,sports,online,3,আজকের খেলা|ফুটবল|ক্রিকেট,টেলিভিশনের পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন: ৪র্থ টেস্ট-২য় দিন সনি সিক্স অস্ট্রেলিয়া-ভারত ভোর ৫-৩০ মি. ২য় টেস্ট-২য় দিন সনি ইএসপিএন দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান বেলা ২-৩০ মি. হপম্যান কাপ সনি টেন ২ এইচডি স্পেন-ফ্রান্স সকাল ৮টা অস্ট্রেলিয়া-জার্মানি বেলা ৩-১৫ মি. টেনিস সনি টেন ২ ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনাল সকাল ১১টা ও বিকেল ৫টা এনবিএ সনি টেন ১ সান আন্তোনিও-টরন্টো সকাল ৭টা গোল্ডেন স্টেট-হিউস্টন সকাল ৯-৩০ মি. বিগ ব্যাশ লিগ সনি সিক্স হারিকেনস-সিক্সার্স বেলা ২-১৫ মি. আই লিগ স্টার স্পোর্টস ৩ নেরোকা-শিলং বেলা ২-৩০ মি. চেন্নাই-গোকুলাম বিকেল ৫-৩০ মি. টেনিস স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২ মহারাষ্ট্র ওপেন বিকেল ৫-১৫ মি. ব্যাডমিন্টন স্টার স্পোর্টস ১ প্রিমিয়ার ব্যাডমিন্টন লিগ সন্ধ্যা ৭-২০ মি.,1573120 2019-01-04,‘ফাইনাল’ তবে ম্যানচেস্টার সিটিই জিতল,,খেলা ডেস্ক,৪,https://www.prothomalo.com/sports/article/1573119/%E2%80%98%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E2%80%99-%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B2,sports,online,3,ফুটবল|লিভারপুল|ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ,ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। সিটির হয়ে ১টি করে গোল করেন আগুয়েরো ও সানে। লিভারপুলের একমাত্র গোলটি করেন রবার্তো ফিরমিনো। ম্যাচটিকে বলা হচ্ছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ‘ফাইনাল’। কাগজে-কলমে মোটেও নয়। কিন্তু যে গতিতে লিভারপুল এগোচ্ছিল তাতে সিটির জন্য এই ম্যাচ অলিখিত ফাইনালই হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই ম্যাচ আগে লিভারপুলের সঙ্গে ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্টের ব্যবধান ছিল ৭। হারলেই সেটা গিয়ে দাঁড়াত ১০-এ। তাই ম্যাচটি সিটির জন্য রীতিমতো বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পরিণত হয়। লিভারপুলকে আতিথ্য জানানোর আগে সিটি কোচ গার্দিওলা সেটা স্বীকারও করে নিয়েছেন। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটিই। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ—আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদেরই। তবে দুই দলই আক্রমণের বুফে সাজিয়ে বসেছিল। শুধু বাকি ছিল গোলমুখ খোলার। সেটা পারছিল না কোনো দলই। প্রথমার্ধের শেষ দিকে. ম্যাচের ৪০তম মিনিটে গোলের দেখা পায় ম্যানচেস্টার সিটি। নিজেদের সীমানা থেকে ঠিকমতো বল ক্লিয়ার করতে না পারার খেসারত দেয় লিভারপুল। সিলভার বাড়ানো বল থেকে গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড সার্জিও আগুয়েরো। প্রিমিয়ার লিগের পরিসংখ্যান বলছে. ২০১৬ সালের অক্টোবরের পর থেকে এই প্রথম গোলের জন্য এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হয় সিটিকে। আগুয়েরোর গোলের পর প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণে মনোযোগী হয়ে ওঠে। এতে কাজও হয়। ৬৪তম মিনিটে সমতায় ফেরে লিভারপুল। আলেক্সান্ডর আরনল্ড লম্বা ক্রস পান ফাঁকায় জায়গা করে নেওয়া রবার্টসন। রবার্টসনের আড়াআড়ি শটে উড়ে গিয়ে মাথা ছোঁয়ান ফিরমিনো। লিভারপুলের এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের গোলে সমতায় ফেরে ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। লিগে এ নিয়ে আট গোল করেন ফিরমিনো। এর মিনিট দু-এক আগেও গোলের ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন ফিরমিনো। কে জানে সেটা কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচটা হয়তো হারতে হতো না! এর আগে ম্যাচের ১৯তম মিনিটেও গোলের সুযোগ পায় লিভারপুল। কোনোমতে সেটা রক্ষা করেন সিটির স্টোনস। গোললাইন টেকনোলজি ব্যবহার করে দেখা যায় অল্পের জন্য গোললাইন পার হয়নি বল। সে যা-ই হোক. খুব বেশি সময় সমতা ধরে রাখতে পারেনি লিভারপুল। ম্যাচের ৭২তম মিনিটে অতিথিদের বুকে ফের ছুরি চালায় সিটি। এবার হন্তারক সানে। সানের কোনাকুনি নেওয়া শট গোলপোস্টে লেগে জালে জড়ায়। স্বাগতিকদের সমর্থকেরা ততক্ষণে জয়ের উল্লাস শুরু করে দিয়েছেন। এরপর অবশ্য ৮২তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় সিটি। তবে লিভারপুলকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক অ্যালিসন। ৯০তম মিনিটে সুযোগ পায় লিভারপুলও। এবার সালাহর শট আটকে দেন সিটির গোলরক্ষক।,1573119 2019-01-04,প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি স্থগিত করল ছাত্রলীগ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা,৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573118/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97,bangladesh,online,3,ছাত্রলীগ|রাজনীতি|প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী,জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সব কর্মসূচি স্থগিত করেছে ছাত্রলীগ। শুক্রবার এবং এর পরবর্তী সব কর্মসূচি স্থগিত করে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়. ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন পরবর্তী সকল কর্মসূচি স্থগিত করা হলো। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার বাদ জুমা সব সাংগঠনিক ইউনিটকে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়. শুক্রবার সকালে শুধুমাত্র জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এ ছাড়া পরবর্তী সব কর্মসূচি স্থগিত করা হলো। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।প্রসঙ্গত. ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি আয়োজন করেছিল ছাত্রসংগঠনটি। এর আগে. বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং বৃহস্পতিবার রাতে সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক. বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন। দেশে না থেকেও সৈয়দ আশরাফ কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন।,1573118 2019-01-05,মুক্তিযুদ্ধের গল্পমালা,না বলা গল্প,আদনান সৈয়দ,,https://www.prothomalo.com/northamerica/article/1573338/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE,northamerica,print,1,,[১৯৭১ সালে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য কিশোর. যুবক. বৃদ্ধ সবার চোখেমুখ তখন আগুনে তাতিয়ে থাকত। তাদের মুখের ভাষা তখন একটাই. ‘যুদ্ধে যাব’। অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়ে যুদ্ধে গিয়েছিলেন. আবার অনেকেই বয়স কম হওয়ার কারণে যুদ্ধে যেতে পারেননি। লেখক. সাংবাদিক ও নাট্যকার আহমেদ মুসাও এর ব্যতিক্রম নন। মুক্তিযুদ্ধে প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য আমাকে অযোগ্য বিবেচনা করা হলো। বারবার লাইনে দাঁড়াই. কাজ হয় না। আমার ডান-বাম থেকে সবাইকে নেয়. আমাকে নেয় না। কারণ একটাই. বয়স যে কম তা শুধু নয়. অসম্ভব রোগা আমি। ওদের ধারণা. আমি বন্দুকই আগলাতে পারব না। কিন্তু আমি জানতাম পারব। তাই হাল না ছেড়ে বারবার দাঁড়াতাম লাইনে।’ কিন্তু আহমেদ মুসার রক্তে ছিল যুদ্ধের যাওয়ার দৃঢ়তা। চলুন সেই গল্পটি শুনি আহমেদ মুসার মুখ থেকেই] গল্প-৭বিজয়ের আলোয় সুখ-দুঃখ ও গৌরবের গল্পমনে পড়ে. ১৯৭০ সালে আমি যখন ভোটারও হইনি. নৌকায় ভোট দিয়েছিলাম তিনটি। সারা দেশটাই তখন নৌকাময়। আমার মতো অতি উৎসাহীদের কর্মকাণ্ড ছাড়াই নৌকার বিজয় একই রকম হতো সন্দেহ নেই। কিন্তু কে শোনে কার কথা!ইয়াহিয়া খান যখন ৩ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলেন. বাঙালিরা হয়ে উঠলেন মারমুখী। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতি তখন ঐক্যবদ্ধ। মাওলানা ভাসানী. অধ্যাপক মোজাফ্ফর. মনি সিং প্রমুখ স্বাধীনতার মৌলিক প্রশ্নে একমত। ব্যক্তি নেতৃত্বের একগুঁয়েমিতে তাঁরা জাতিকে বিভক্ত করেননি। ঝুঁকি নেননি। ওয়াক ওভার দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে. দিয়েছেন সহায়তা-পরামর্শ। এ এক অনন্য মহানুভবতা।৩ মার্চের পর এক রাতে কারফিউ ভাঙার জন্য কাশেম ভাইয়ের ছোট ভাই ওয়াদুদসহ আমরা কয়েকজন মিছিল করে মহল্লা থেকে স্লোগান দিতে দিতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে যাচ্ছিলাম। সাকুরার কাছে যাওয়ার পরপরই ইন্টারকন্টিনেন্টালে অবস্থান নেওয়া পাকিস্তানি সৈন্যরা ফাঁকা গুলি শুরু করে। তখনো আমাদের নির্বিচারে হত্যার লাইসেন্স তারা পায়নি বলে বেঁচে গেলাম সেই যাত্রা। দৌড়ে চলে আসি বাসায়। এ ঘটনার পর মার্চের মাঝামাঝি আমার মা. ভাবি ও ছোট ভাই ইউসুফসহ আমাকে জোর করে গ্রামের বাড়ি আড়াইহাজারের ইজারকান্দিতে পাঠিয়ে দেওয়া হলো। ঢাকায় রয়ে গেলেন বড় ভাই মহিউদ্দিন আহমেদ ও বাবা মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। গ্রামের বাড়ি গিয়ে মন টিকছিল না। মনে হচ্ছিল এত বড় আন্দোলন ও আয়োজন থেকে দূরে থাকব? আমি কি এতই ভীরু? এরপর একেবারে মালির ঘাড়ে গিয়ে পড়লাম। ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় উপস্থিত হলাম ঢাকার বাসায়। আমাকে দেখে সবাই উৎকণ্ঠিত। অনেক পথ হাঁটার কারণে ক্লান্ত ছিলাম বলে ঘুমিয়ে পড়লাম। কতক্ষণ পরে ঘুম থেকে উঠে জানলাম. খোলা জিপে শেখ কামাল ও আওরঙ্গ আমাদের মহল্লায় এসে কাশেম ভাইকে কিছু নির্দেশ দিয়ে দ্রুত চলে গেছেন। আমাদের গলিতে ব্যারিকেড দেওয়া শুরু করলাম। আমাদের দোকানের মাত্র কয়েক গজ দূরে দি পিপল ও গণবাংলা পত্রিকার অফিস। টিক্কা খান বেজায় খাপ্পা ছিল পত্রিকা দুটির ওপর. বিশেষ করে টিক্কার ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন ছাপা হওয়ায়। আমাদের ছোটাছুটির মধ্যেই শুরু হয়ে গেল ধরপাকড়। রাত ১২টার পর বিভীষিকা নেমে এল ঢাকায়। আমরা লুকোলাম হোটেল গ্রিনে। লুকোনো অবস্থায়ই দেখলাম দি পিপল ও গণবাংলায় আগুন দিচ্ছে পাকিস্তানি মিলিশিয়ারা। সঙ্গে নিপ্পন মোটরস জ্বলল। পাশের কাঁটাবন বস্তিতে দেখলাম আগুনের শিখা। হোটেল গ্রিন থেকে পূর্ব পাশের সাকুরা পর্যন্ত বামপাশের প্রতিটি দোকান পুড়িয়ে দিল তারা। হোটেল গ্রিন আর তার সামনে আমাদের দোকানসহ অনেক দোকান ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেল। কারণ এই জায়গার মালিক ইয়াহিয়া খানের দূর সম্পর্কের বোন নওয়াব আয়েশা বেগম। বিহারিরা এখানে থাকে বলে মহল্লাটাও বেঁচে গেল। প্রায় দুই দিন অবরুদ্ধ থাকার পর শুক্রবার জুমার নামাজের আগে কারফিউ তোলার পর আমরা তিনজন তিন দিকে বেরিয়ে পড়লাম. যাতে মারা পড়লেও একসঙ্গে সবাই না মরি। আমি চলে গেলাম বন্ধু আনিসের সঙ্গে কলাকোপার আগলী-গালিমপুরে। আনিস নিপ্পন মোটরসে কাজ করত। বাবা গেলেন কাকরাইল মসজিদের তাবলিগ জামাতের সঙ্গে। বড় ভাই গেলেন আরেক কাফেলায়।গ্রিন হোটেল থেকে বের হয়ে প্রথম দেখলাম আমার এক বন্ধুর লাশ. আমাদের এলাকার খাগকান্দার সিদ্দিক ভাই। সাকুরার পাশে তার দোকানে জ্বলন্ত অঙ্গার হয়ে বসে আছেন। খুব ঘনিষ্ঠ ছিলাম। আমরা প্রায়ই একসঙ্গে দোকানের মাল কিনতে মৌলভীবাজার যেতাম. এক লঞ্চে বাড়ি ফিরতাম। এই দোকানের মালিক ছিলেন এমদাদুল হক ভূঁইয়া. যিনি ১৯৯৬ সালে আড়াইহাজারে আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ হয়েছিলেন। তার আগে ছিলেন জাতীয় পার্টির উপজেলা চেয়ারম্যান। তিনি পাকিস্তান আমলে কসকো নামক এক পাকিস্তানি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। মাঝে মাঝে কথা হতো তখন।শাহবাগ হয়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে ডানে-বামে অসংখ্য লাশ ও আহত মানুষ পেছনে ফেলে ভীত মানুষের কাফেলার সঙ্গে সারা দিন হেঁটে সন্ধ্যায় পৌঁছলাম গালিমপুর। গ্রামের রাস্তার দুপাশে দেখলাম খাদ্য ও পানি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে শত শত মানুষ। শিশুদের জন্য নিয়ে এসেছে দুধ। বাঙালির নৈতিকতায় সেদিন এসেছিল প্লাবন. যা আমরা ধরে রাখতে পারলে ইতিহাস হতো অন্যরকম।গালিমপুর থেকে পরের সপ্তায় দুই দিন হেঁটে বাড়িতে পৌঁছে দেখি আব্বা আর বড় ভাই আগেই পৌঁছে গেছেন। স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লাম।আমাদের এলাকাটি মেঘনা নদী পরিবেষ্টিত দুর্গম চর। চৌদ্দটি গ্রাম নিয়ে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন। কেউ কেউ বলেন চৌদ্দমৌজা। চার পাশের মেঘনা দিয়ে আর্মি আসা-যাওয়া করলেও চরের ভেতর কখনো ঢোকেনি। পাকিস্তানের সমর্থক ও মালেক মন্ত্রিসভার এসএম সোলায়মানের কিছু অনুগামী থাকলেও তারা তেমন মাথাচাড়া দেয়নি। দু-চারটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা অবশ্য ঘটেছিল। একবার মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে গোপনে এসএম সোলায়মানের কেএসপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে হাতে লেখা পোস্টার সাঁটা হয়েছিল. গ্রামের বাজারের ভবনের দেয়ালে। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন উত্তেজনা বিরাজ করে। কেউ কেউ সেনাবাহিনী ডেকে আনার হুমকিও দিয়েছিল। মনে পড়ে. এ নিয়ে শেষে একটি গ্রাম্য সালিসও হয়েছিল কালাপাহাড়িয়া গ্রামের আমবাগে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তেমন কোনো অশান্তি হয়নি।আমাদের এলাকা থেকে মুক্তিযুদ্ধে একটি বড় দল গিয়েছিল। আড়াইহাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন আবদুস সামাদ। শামসুল হক ছিলেন নাম করা মুক্তিযোদ্ধা যিনি ১৯৮৯ সালে বিএনপি থেকে সাংসদ হয়েছিলেন। আমাদের ইউনিয়নের মূল নীতিনির্ধারক ছিলেন আমার বাবার দুই মামা. কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়সহ স্থানীয় মেডিকেল ও আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আবদুর রশিদ ও মিয়া মোহাম্মদ এরশাদউল্লা। এলাকার মানুষের কাছে খুবই শ্রদ্ধাভাজন এই দুজন ছিলেন যথাক্রমে সমাজকল্যাণ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক। তাদের পরামর্শক্রমেই দুজন রাজাকার বাহিনীতে গিয়ে অস্ত্র হাতিয়ে মুক্তিযুদ্ধে চলে যান। তখন স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকেও রাজাকারদের প্রতি অস্ত্রসহ মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছিল। এ ছাড়া এলাকার শান্তি কমিটি যাতে সত্যিকারের পাকিস্তানপন্থীদের হাতে চলে না যায় ও এলাকায় পাকিস্তানি সৈন্যদের যাতে ডেকে আনতে না পারে. সে জন্য আবদুর রশিদ ও মিয়া মোহাম্মদ এরশাদউল্লাহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ করে আওয়ামী লীগেরই একজনকে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান করেন। ফলে আমাদের অঞ্চল পাকিস্তানিদের আক্রমণ থেকে বেঁচে যায়। আমাদের ইউনিয়নে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন কদমিরচর গ্রামের ফজলুল হক। ইনি বেশ কয়েকবার ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। একাত্তরে তিনিও দুজনেরই বাছাই করা কমান্ডার ছিলেন।আমরা ঢাকার দোকান ফেলে বাড়িতে গিয়েছিলাম প্রায় খালি হাতে। গ্রামে গিয়ে আমাদের একটি জমি বন্ধক রেখে বাজারে দোকান কিনলাম। মূলত বড় ভাই দেখাশোনা করতেন দোকান। এর আয় দিয়েই কোন রকম সংসার চলতো। সে জন্য ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তার মুক্তিযুদ্ধে যাওয়া হয়নি। এপ্রিলের মাঝামাঝি বাবা বললেন. ঢাকা গিয়ে দোকান থেকে অন্তত কিছু মালপত্র নিয়ে আসবেন। তাঁর বয়স ও পরহেজগার অবয়ব দেখে সৈন্যরা তাকে কিছু করবে না বলে জানালেন। আমি তাঁর সঙ্গে যাওয়ার বায়না ধরলাম। তখন ঢাকা কিশোর-যুবকদের জন্য ভয়ানক ঝুঁকিপূর্ণ। অনেককে মিলিটারি ধরে নিয়ে মেরে ফেলার সংবাদ গ্রামে থেকেই পেতাম। কারণ আমাদের এলাকার কিছু সরকারি–বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজে যোগ দিয়েছিলেন। বাবা প্রথমে ইতস্তত করলেও সঙ্গে নিতে রাজি হন। তার ধারণামতে. আমার বয়স ও শারীরিক কাঠামো মিলিটারির দৃষ্টি আকর্ষণ করার মতো ছিল না। কিন্তু হোটেল গ্রিনে পৌঁছার পর আমাকে আনায় সবাই বাবাকে দুষতে লাগলেন। গ্রিন হোটেলে আমার এক খালুও কাজ করতেন। দীন ইসলাম নামের একজন আত্মীয়ও ছিলেন। সবাই আমাকে তক্ষুণি গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে বললেন। আমি ছাত্রলীগ করা ছেলে হিসেবে বিহারিদের কাছে চিহ্নিত ছিলাম বলে এই দুশ্চিন্তা। বাবা শেষে আমাকে কিছু দামি কিন্তু হালকা মাল নিয়ে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে চাবি দিলেন আমার হাতে।গ্রিন হোটেল থেকে বের হয়ে দেখি মার্চের গোড়ার দিকে আমার হাতে লেখা ‘চিকা’র ওপর সাদা রঙ্গের প্রলেপ। হাসান আসকারীর বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার পর তার মাঠে পড়ে থাকা ম্যানহোলের কয়েক হাজার পাইপ খাড়া করে ঘেরাও সৃষ্টি করা হয়েছিল। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে আমি কয়েকজনকে নিয়ে এসব পাইপের ওপর স্লোগান লিখেছিলাম। একেকটা পাইপে একটা করে অক্ষর। যেসব স্লোগান লিখেছিলাম সেসবের মধ্যে ছিল. ‘জয় বাংলা. তোমার দেশ আমার দেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ’. ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব লও লও লও সালাম’. ‘তোমার আমার ঠিকানা. পদ্মা-মেঘনা-যমুনা’ ইত্যাদি। লেখার ওপর প্রলেপ দেখে খারাপ লাগলেও আশ্বস্ত হলাম এই ভেবে যে. এগুলো যে আমার হাতের লেখা সেটা আর প্রমাণ করা যাবে না। অবশ্য লেখার সময় কিছু অবাঙালি যুবকও আমাদের সুনজরে থাকতে উৎসাহ দিয়েছিল। এখনতো অবস্থা পাল্টে গেছে। চিন্তিত অবস্থায় দোকানের সামনে এসে দাঁড়ালাম।আমাকে দোকানের সামনে দেখে প্রতিবেশী বিহারি সেলিম মিস্ত্রি এগিয়ে এসে যা বলল. তার সারমর্ম হচ্ছে. এবার ভালো একটা গোসল দিয়ে দোকান খুলে বস. তোমার কোনো ভয় নেই. আমরা আছি ইত্যাদি। এই লোকের সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। একসঙ্গে ভলিবল খেলতাম। তারপরও গোসলের কথা বলল ঈঙ্গিতপূর্ণভাবে। অর্থাৎ. আগে আন্দোলন-সংগ্রাম যা করেছ. ভুলে গিয়ে পরিশুদ্ধ হও। আরেক প্রতিবেশী বিহারি গোলাম হোসেন টিটকারি দিয়ে বলল. ‘কোথায় গেল তোমাদের সাড়ে সাত কোটি!’ মনটা খারাপ হয়ে গেল। আরও কিছু বিহারি ছেলেমেয়েকে আসতে দেখে দোকান খোলা নিরাপদ মনে করলাম না। গ্রিন হোটেলে ফিরে বাবার হাতে চাবি দিয়ে সব বললাম। বাবা বললেন. তুই এখানেই অপেক্ষা কর। আমি কিছু মাল নিয়ে আসি।বাবা দোকান খুলতে গিয়ে দেখেন কাশেম ভাইয়ের দোকানের সামনে নওয়াব আয়েশা বেগম দাঁড়িয়ে কয়েকজন বিহারিকে চিৎকার করে বলছে. ‘ইয়ে কাফের কাশেম কা দোকান। লুট লো সব...।’ পাশে দাঁড়িয়ে আছে কয়েকজন সৈন্য। আমরা হোটেল থেকেই তার চিৎকার শুনছিলাম। বাবাও আমাদের দোকান না খুলে আবার ফেরত এলেন। এবার আর কাউকে কিছু বলতে হলো না। আমি গ্রিনের পেছন দিয়ে মহল্লার শেষ কোনা ধরে শুকুর মোহাম্মদের বাড়িতে ঢোকার চিন্তা করলাম। দেয়াল টপকানোর প্রস্তুতি নিতে গিয়ে দেখি. বিহারি আহমদ আলীর স্ত্রী আমাকে ডাকছেন। বিহারিদের মধ্যে এই পরিবারটিকে সজ্জন হিসেবে দেখেছি। তাই খুব একটা ঘাবড়ালাম না। তিনি এসে আমার হাত ধরে তার বাসায় নিয়ে এলেন। একসময় আমরা এই বাসায় ভাড়া থাকতাম। আমার মা তাকে খুব পছন্দ করতেন। আমি কোনো ভুল করলে মা নিজে না বকে তার কাছে বলতেন। তিনি আমাকে তিরস্কার করে সাবধান করতেন। ঘরে ঢোকার পর তিনিও উর্দুতে অনুযোগ করলেন. ‘আমি কেন আসলাম।’ তিনি দ্রুত ভাত বেড়ে দিলেন। আমি খেতে থাকি।আহমদ আলীর স্ত্রী বললেন. আর্মি শহর কবজা করেছে। এরপর গ্রামে ছড়িয়ে পড়বে। সাবধানে থেকো। তার অভয় পেয়ে বের হয়ে আমি মহল্লার এবার গলি ধরে চলে এলাম লোক প্রশাসন ভবনের কাছে। সেখানে থামের আড়ালে দাঁড়িয়ে জিরিয়ে নিলাম কতক্ষণ। তারপর ডানে-বামে দেখে বামে শাহবাগ হোটেল পেরিয়ে চলে এলাম তৎকালীন রেডিও পাকিস্তান অফিসের সামনে. বাস স্টপে। রাস্তায় একজনমাত্র পরিচিতের সঙ্গে দেখা হলো। পাঞ্জাবি ক্ষৌরকার আল্লাদাত্তা খানের ছেলে। নামটা ভুলে গেছি। অতিশয় গরিব বলে মাঝে মাঝে ওকে এটা-সেটা দিতাম। সে কুশল জিজ্ঞেস করে তার পথে চলে গেল। সে হয়তো ভেবেছিল মহল্লাতেই আছি। বাস থামতেই দ্রুত উঠে পড়লাম। বাসে বসে মনে মনে ভাবতে চেষ্টা করলাম. ঠিক এই সময়টাতেই কাশেম ভাইয়ের দোকান লুট করতে নওয়াব আয়েশা বেগম কেন আর্মি ডেকে আনলেন? ব্যাপারটি কাকতালীয়ও হতে পারে। আমাদের জন্য আর্মি ডেকে আনলে বাবা ও আমাকে নিশ্চয় তুলে দিতেন আর্মির হাতে। লুট করাতেন আমাদের দোকানও। হয়তো বাবাকে দেখার পর তার কাশেম ভাইয়ের কথা স্মরণ হয়েছে। হতে পারে আমাদের ভয় দিতে তিনি এটা করেছেন। এমনও হতে পারে. আমার বাবা শ্মশ্রুমণ্ডিত পরহেজগার হওয়ায় তিনি খানিকটা সমীহ করতেন বলেই হয়তো সেদিন তাকে মিলিটারির হাতে তুলে দেননি। ভয়ের মধ্যেও আমার সবচেয়ে কৌতূহল লাগছিল এই নারীর আচরণ। প্রায় সারা দিন মাতাল অবস্থায় থাকা এই নারীর হাতে জ্বলে দামি সিগারেট। খিস্তি করেন অহরহ। এই নারী যখন কাশেম ভাইকে ‘কাফের’ বলে গালি দেন. তখন তাদের ইসলামের মানে কতই না ঠুনকো ঠেকে। তখন আওয়ামী লীগ ও ন্যাপসহ আন্দোলনরত সবাই তাদের কাছে কাফের। বিশেষ করে নওয়াব হাসান আসকারি ও খাজা শাহাবুদ্দিনের বাড়িতে আগুন দেওয়ার কারণে মাওলানা ভাসানীর অনুসারীদের প্রতি তাদের বিদ্বেষ আরও বেড়ে যায়। মহল্লার বিহারিরা ছড়া কাটতে শুরু করে. ‘সর্দি-কাশি-হাঁপানি. মাওলানা ভাসানী।’নওয়াব আয়েশা বেগম শুধু নয়. খাজা তোফায়েল. খাজা হাবিবুল্লা প্রমুখ দূর থেকে দেখলেই আমরা দামি সিগারেট সব লুকিয়ে ফেলতাম। কারণ. সেসব দেখলে তারা বিনে পয়সায় থাবা মেরে নিয়ে যেতেন। জায়গা ও বাড়িভাড়া ছাড়া তাদের আর কোনো রোজগার ছিল না। কিন্তু খাই ছিল অনেক বেশি। তবে নওয়াব আয়েশা বেগমকে আমার ছিটগ্রস্ত মনে হয়েছে। তার নাতি মানে মুন্নীর বাচ্চা থালা ভাঙার শব্দে একবার আনন্দ পেয়েছিল দেখে নওয়াব বেগম প্রায়ই অনেক নতুন থালা কিনে নাতিকে ভাঙতে দিতেন. সেই শব্দে তিনিও বিমল আনন্দ পেতেন। ঘরের জনাপাঁচেক মানুষের জন্য কাজের লোক ছিল ডজনখানেক। কাউকেই বেতন দেওয়া হতো না। ওটা–সেটা দিয়ে নানাভাবে পুষিয়ে নিতেন। কাউকে কাউকে থাকার জন্য কিছু জায়গা দেখিয়ে দেওয়া হতো। ওরা আবার ছাপড়া তুলে সেগুলো গরিব মানুষের কাছে ভাড়া দিতেন। রোজার মাসে শুধু ইফতারের জিনিসপত্র কেনার জন্য থাকত সাত্তার নামের এক আধা-বাঙালি। নওয়াব আয়েশা বেগম রোজায় গরিবদের ইফতার খাওয়াতেন. যদিও তার মদ্যপানে দিনেও বিরতি হতো না। আমি অবাক হয়ে দেখতাম. এই নারীই আবার ইফতারের জন্য সবচেয়ে ভালো মসুর ডাল ও খাঁটি সরিষার তেল আনাতেন দূরের রহমত ওয়েল মিলের গেট থেকে। যা হোক. আয়েশার কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতার বড় কারণ. তিনি ইয়াহিয়া খানের আত্মীয় হওয়ায় ২৫ মার্চ আমরা কয়েক শ মানুষ বেঁচে গিয়েছিলাম। আগুনের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল আমাদের দোকানটিও। বাবা পরে এক সময়ে দোকানের কিছু মাল আনতে পেরেছিলেন। কিছু মাল হাওয়া হয়ে যায়।আজ আমার ওজন শরীরের সঙ্গে মানানসইয়ের চেয়ে বেশি। কিন্তু একাত্তরে ছিলাম লিকলিকে. মাত্র পঁচানব্বই পাউন্ড। ক্লাস টেনে উঠেছি মাত্র। বাড়িতে কয়েক দিন থাকার পর গ্রামের বন্ধু সিরাজকে নিয়ে পালিয়ে গেলাম আগরতলা। লুঙ্গির নিচে একটি ছোট চাদর ঢুকিয়ে বাড়ি থেকে নৌকায় গেলাম চন্দনপুর। মার কাছ থেকে বিদায় নিলাম চন্দনপুর বাজারে যাওয়ার কথা বলে। সেখান থেকে লঞ্চে রামকৃষ্ণপুর। সেখান থেকে চারঘাটে রাত কাটিয়ে গেলাম এক গ্রামে। নাম সম্ভবত মনিয়ন্দ। রাতে পার হলাম সিঅ্যান্ডবি ব্রিজ। রাজাকাররা শরণার্থীদের কাছ থেকে মাথাপিছু দুই টাকা করে নিল। যারা মুক্তিযুদ্ধ করতে যাচ্ছে তাদের ফ্রি। রেললাইন পার হয়ে অনেকক্ষণ হেঁটে ও ট্রাকে করে পৌঁছলাম আগরতলা। প্রথমে গেলাম কংগ্রেস ভবনে। তার আগে পরিচিত একজনকে ধরে আওয়ামী লীগের এক নেতার কাছ থেকে সনদ নিলাম। (পরে বর্ণনা শুনে ও ঘটনা পরম্পরায় জানতে পেরেছিলাম. ইনি ছিলেন ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বাবা কফিল উদ্দিন চৌধুরী)। একদিন পর আমাদের পাঠানো হলো হাপানিয়া বেজ ক্যাম্পে। এখান থেকে প্রশিক্ষণের জন্য মুক্তিযোদ্ধা বাছাই করা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য. আমাকে মুক্তিযুদ্ধে প্রশিক্ষণ নেওয়ার অযোগ্য বিবেচনা করা হলো। বারবার লাইনে দাঁড়াই. কাজ হয় না। আমার ডান-বাম থেকে সবাইকে নেয়. আমাকে নেয় না। কারণ একটাই. বয়স যে কম তা শুধু নয়. অসম্ভব রোগা আমি। ওদের ধারণা. আমি বন্দুকই আগলাতে পারব না। কিন্তু আমি জানতাম পারব। তাই হাল না ছেড়ে বারবার দাঁড়াতাম লাইনে। একবার সিরাজকে রিক্রুট করল. কিন্তু আমাকে করল না। সিরাজ আবার আমাকে ছাড়া যাবে না। আমার জন্য বেচারার যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেওয়া হলো না। এক সময় কঠিন পেটের পীড়া ও আমাশয় হয়ে গেল. হওয়ারই কথা। বেজ ক্যাম্পে ভাত দিত এক বেলা। সন্ধ্যার পর। প্রায় পচে যাওয়া আতপ চালের মধ্যে পোকাও থাকত যা সন্ধ্যার অন্ধকারে দেখা না যাওয়ায় ভালোই হতো। সঙ্গে কথিত ডাল. প্রায় পানিই বলা যায় একে। তবে শুনতাম. যারা প্রশিক্ষণ নিতে যেত. সেখানে আরও উন্নত খাবার ছিল। এসব নিয়ে কারওই কোনো অনুযোগ ছিল না. আমাদেরও না। ভারত সাধ্যমতো যথেষ্ট করেছিল। কিন্তু অসুখ তো কিছুই বিবেচনা করে না। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ত। অবস্থা সংকটজনক দেখে আগস্টে ফিরে এলাম বাড়িতে। আবার সুস্থ হয়ে নভেম্বরে এলাকার আরও ৩০ জন একসঙ্গে রওনা হলাম ত্রিপুরায়। এদের মধ্যে ছিলেন ঝাউকান্দির আবুল কাশেম. কালাপাহাড়িয়ার শফিকুল ইসলাম সিদ্দিক. স্থানীয় অভিনেতা আবদুর রহমান. স্নেহভাজন সাংবাদিক শেখ ফরিদের বাবা আবদুল লতিফ ও প্রথম সঙ্গে যাওয়া সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। এবার আর পালিয়ে নয়। মা. বাবা ও বড় ভাই নৌকায় তুলে দিলেন। গতবার পালিয়ে যাওয়ার সময়ও আসলে মা টের পেয়েছিলেন। পরে বলেছেন. মা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির জন্য রোজা রেখেছিলেন কয়েকটা। বাবাও নামাজ পড়ে দোয়া করতেন দ্রুত স্বাধীনতার জন্য। বিহারিদের সঙ্গে তাঁরও ছিল অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা।কিন্তু সেবার আর সীমান্ত পার হওয়া গেল না। সীমান্তে তখন পাকিস্তানিদের সঙ্গে আলবদর. আলশামস সদস্যরাও পাহারা দিচ্ছিল। মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের যাওয়া-আসা কঠিন হয়ে পড়ল। কারণ. আলবদর-আলশামস স্থানীয় বলে জানত কোন কোন পয়েন্ট বন্ধ করতে হবে। কী ভয়ংকর ও নিপুণ তাদের বিশ্বাসঘাতকতা। কয়েক দিন নৌকায় কাটিয়ে আবার ফিরে এলাম। অপেক্ষা করতে থাকলাম সীমান্তের অবস্থা শিথিল হওয়ার। কিন্তু তা আর হয়নি। সর্বাত্মক যুদ্ধ লেগে গেল। স্বাধীন হয়ে গেল আমার দেশ। আক্ষেপ রয়ে গেল আমার। আমার স্বজনেরা. আমাদের বীরেরা লড়াই করে. জীবন দিয়ে স্বাধীনতা দিয়ে গেল আমাদের। আমাকে দিয়ে গেল বাড়তি কিছু. স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম শ্রেণির নাগরিকত্বও।পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণের সপ্তাহ খানিক পর ঢাকা গেলাম। আমার বড়ভাই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের রিফ্রেসমেন্ট রুমে ম্যানেজার হিসাবে তার আগের কাজে যোগ দিয়েছেন ১৮ তারিখ থেকেই।মহল্লায় যেসব বাঙালি ভাড়া থাকত. সবাই গিয়ে যার যার বাসায় উঠল। অবাঙালিরা পালিয়ে বিহারি ক্যাম্পে চলে গেছে। সম্পন্ন ব্যক্তিরা বা লুট করে নতুন ধনী হওয়া ব্যক্তিরা আগেই চলে গেছে পাকিস্তান। আমরা যে বাসায় ভাড়া থাকতাম. সেটি দখলে নেওয়ার ব্যাপারে বড় ভাই মহিউদ্দিন আহমদ আমার পরামর্শ চাইলেন। আমার মনে পড়ে. সেদিন বলেছিলাম. কোনো কিছু দখল করা ঠিক হবে না। বঙ্গবন্ধু বলেছেন. দেশে সমাজতন্ত্র কায়েম হবে। কারও অভাব থাকবে না। আমার ভাই আমার কথা মেনে নিয়ে বাসা ছেড়ে দিলেন। কয়েক দিন পর রেলওয়ে ক্যাটারিংয়ে জড়িতরা গঠন করলেন সমবায়। বড়ভাই একজন পরিচালক হিসেবে চলে গেলেন লাকসাম রেলওয়ে রিফ্রেশমেন্ট রুমে। আমি আমার স্কুল থেকে রেজিস্ট্রেশন পাল্টে ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা দিলাম নিজের এলাকা কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন হাই স্কুল থেকে। পাশ করে এই স্কুলেই জুনিয়র শিক্ষকের চাকরি নিলাম। কারণ. আমাদের আর্থিক অবস্থা তখন খারাপ। এর আগে অল্প কয়েক দিন শিক্ষকতা করেছি উলুকান্দি প্রাইমারি স্কুলে। দোকান দেখাশোনায়ও সাহায্য করতে থাকি বাবাকে।সশস্ত্র যুদ্ধে যেতে না পারার আক্ষেপ রয়েই গেল। সান্ত্বনা এই. চেষ্টার ত্রুটি ছিল না। পরবর্তী জীবনে মুক্তিযুদ্ধের মহান স্বপ্ন-চেতনার পক্ষে যা কিছু ঘটেছে সে-সবের মিছিলে থাকার চেষ্টা করেছি. করে যাচ্ছিও। আমি মনে করি. আমাদের স্বাধীনার যুদ্ধ শেষ হলেও মুক্তির সংগ্রাম বিরামহীন চলছে। বাংলাদেশকে দুর্নীতি ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করতে এই সংগ্রাম চলবে।,1573338 2019-01-05,ধন্যবাদের দেশে,,আদনান মুকিত,৩,https://www.prothomalo.com/pachmisheli/article/1573337/%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87,pachmisheli,print,1,ছুটির দিনে,রূপবৈচিত্র্যে জাপানের একেকটা জায়গা একেক রকম। কিন্তু বিনয়. সহমর্মিতা. শৃঙ্খলা. ভদ্রতায় প্রত্যেক জাপানি যেন এক সুতোয় গাঁথা। রূপবৈচিত্র্যে জাপানের একেকটা জায়গা একেক রকম। কিন্তু বিনয়. সহমর্মিতা. শৃঙ্খলা. ভদ্রতায় প্রত্যেক জাপানি যেন এক সুতোয় গাঁথা। জাপানে বেড়াতে যাব—এটা জানার পর থেকেই বেশ চিন্তিত হয়ে পড়লেন মা। দেশের জামালপুর গেলেই চিন্তায় তাঁর ঘুম হয় না. আর এ তো জাপান! কী খাব. ঠান্ডায় টিকতে পারব কি না—এমন নানা বিষয় নিয়ে তাঁর চিন্তা! অবশ্য মাকে দোষও দেওয়া যায় না। শুরুতেই তাঁর চিন্তার একটা খোরাক জোগালাম। বিমানবন্দরে যাওয়ার পথেই আবিষ্কার করলাম. ক্যামেরার চার্জার ঠিকই নিয়েছি. কিন্তু ক্যামেরাই নেওয়া হয়নি। আর জাপান ভ্রমণের তৃতীয় দিনই প্রমাণ পেলাম আমাকে নিয়ে চিন্তার যথেষ্ট কারণ আছে! মুগ্ধতার শুরু জাপানে বাস থেকে নামার সময় টিকিট দেখাতে হয় চালককে। টিকিট দেখে সন্তুষ্ট হয়ে রোবটের মতো মাথা নিচু করে ধন্যবাদ দেবেন যাত্রীকে। যাত্রী নেমে গেলেই বন্ধ হয়ে যাবে স্বয়ংক্রিয় দরজা. সঙ্গে সঙ্গে আবার ছুটবে বাস। টিকিট দেখিয়ে নেমে গেলাম। বাস চলে যেতেই মনে পড়ল. এই বাসেই আমার সবকিছু। অর্থাৎ মানিব্যাগ। একবার মনে হলো. বাংলা সিনেমার নায়কের মতো বাসের পেছনে ছুটি। তবে মাথা গরম করলাম না (ডিসেম্বরে জাপানে তীব্র শীত. মাথা গরম করার সুযোগই নেই)। জাপানি বন্ধু শিমা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে দেখে বললাম. ‘মনে হয় মানিব্যাগ বাসে ফেলে এসেছি।’ একটা বিস্ময়সূচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে সে বলল. ‘কী ছিল মানিব্যাগে?’ ‘সব ডলার। আইডি কার্ড।’ ছুটলাম বাসস্ট্যান্ডের দিকে। বাসের সময়সূচি লেখা বোর্ড থেকে কেন্দ্রীয় বাস অফিসে ফোন দিল শিমা। বাস অফিস কয়েকটা প্রশ্ন করল। কী রঙের মানিব্যাগ. কোন সিটে বসেছিলাম ইত্যাদি। তারপর বলল. ‘আমরা পেলে জানাব।’ পেলে জানাব—এই কথা সম্পর্কে ভালোই ধারণা আছে। তাই হাল ছেড়ে দিয়ে হোস্টেলে ফিরে এলাম। হোস্টেলের অভ্যর্থনাকারী শুনে চিন্তিত হয়ে পড়লেন। হওয়ারই কথা. মানিব্যাগ না পেলে বিলটা দেব কীভাবে? ঠিক ১০ মিনিটের মাথায় ফোন এল। বাস অফিস থেকে একজন ফোনে জানালেন. ‘নিকটস্থ চকোকুনোমোরি স্টেশনে এসো। তোমার মানিব্যাগ নিয়ে বাস আসছে।’ দ্রুত স্টেশনে গেলাম। সত্যি সত্যি একটা যাত্রীশূন্য বাস এসে থামল। দরজা খুলে চালক আমার হাতে ধরিয়ে দিলেন মানিব্যাগ এবং আমি কিছু বলার আগেই ধন্যবাদ দিয়ে চলে গেলেন। বলা যায় তখন থেকেই জাপানের প্রতি মুগ্ধতার শুরু। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য. চাকচিক্যের চেয়েও জাপানিদের নম্র-ভদ্র ব্যবহার. শৃঙ্খলাই বেশি মুগ্ধ করেছে আমাকে। জাপানে কাটানো আট দিনে যতবার ধন্যবাদ বা ‘আরিগাতো গোজাইমাস’ শুনেছি. জীবনে অতগুলো কলাও বোধ হয় খাইনি! ১৪ হাজার মানুষের শহরে হাকোনে নামের একটা শহরে গিয়েছিলাম। রাজধানী টোকিও থেকে কিছুটা দূরের এই শহরে প্রায় ১৪ হাজার মানুষের বসবাস। ফুজি পর্বত. শিন্তো ধর্মের মন্দির. আশি হ্রদ. গোরা পার্ক. জাপানের প্রথম উন্মুক্ত জাদুঘর. কাচের জাদুঘরসহ বিভিন্ন ধরনের জাদুঘর দেখতে প্রচুর পর্যটক ভিড় করেন হাকোনেতে। আগ্নেয়গিরি থাকায় ঐতিহ্যবাহী হট স্প্রিংয়ের জন্যও বিখ্যাত এই শহরটা। জাপানিজ অ্যানিমেতে যেমন পাহাড়ঘেরা ছোট্ট. ছিমছাম শহর দেখা যায়. হাকোনে ঠিক তেমনই। হাকোনে নামটার অর্থ জানতে না পেরে নিজেই একটা অর্থ দাঁড় করিয়ে ফেললাম। ট্রেন থেকে নেমে বিস্ময়ে হাঁ করে এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা যায় বলেই বোধ হয় এর নাম হাকোনে। মনে হলো সিনেমার কোনো সেটে ঢুকে পড়েছি। একটু পরপর যাওয়া–আসা করছে ছোট ছোট রঙিন ট্রেন। যাত্রীরা উঠছে চকচকে কিন্তু পুরোনো আমলের গাড়িতে। এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে বহু পুরোনো টানা রিকশা। স্টেশন ঘিরেই ছোট্ট একটা বাজার। সারি সারি দোকানে খাবার. স্মারক সাজিয়ে রাখা। দোকানি হাসিমুখে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন সবাইকে। পর্যটন শহর হলেও অসম্ভব রকমের নীরবতা হাকোনেতে। নীরবতার চিত্র আসলে পুরো জাপানেই। সবাই খুব মৃদু স্বরে কথা বলে। বাস-ট্রেনে তো ফোনে কথা বলাই নিষেধ। যত প্রয়োজনই হোক. বাস-ট্রেনে ফোনে কথা বলা যাবে না। কারণ. অন্য যাত্রীরা বিরক্ত হতে পারেন। একই চিত্র হাকোনেতেও। সন্ধ্যা ৬টার পর সব সুনসান। হাকোনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ফুজি পর্বত। কুয়াশা. বৃষ্টি আর মেঘের কারণে এক দিনও ভালোভাবে দেখতে পারিনি তার আসল রূপ। ফুজি দেখার জন্য নানা ব্যবস্থা করেছে শহর কর্তৃপক্ষ। দুই পাহাড়ের মাঝখানে তৈরি ৪০০ মিটার লম্বা ঝুলন্ত সেতু মিশিমা স্কাইওয়াক থেকে কিংবা আশি হ্রদে জাহাজে চেপে বা রোপওয়ে. কেব্​ল কারে চড়ে দেখা যায় ১২ হাজার ৩৮৯ মিটার উঁচু এই পর্বত। নানা মাধ্যমে ফুজির নাগাল পাওয়ার চেষ্টায় দেখা গেছে আশি হ্রদের বিভিন্ন রূপ। আগ্নেয়গিরি থেকে সৃষ্ট হ্রদটার তীরেই রয়েছে প্রাচীন শিন্তো ধর্মের কয়েক শ বছরের পুরোনো মন্দির। আশি হ্রদের পাড়ে বসে যেমন উপভোগ করেছি শান্ত নীল জলধারা. তেমনি কেব্​ল কারে চড়ে কোমাগাতাকে পর্বতের চূড়ায় উঠে দেখেছি সূর্যাস্তের সময় কেমন বদলে যায় রোদ ঝলমলে লেকটা। আশি হ্রদের মতো গোরা পার্কও রোদ ঝলমলে। ১৯১৪ সালে নির্মিত পাহাড়ঘেরা এই পার্কে ঢুকতেই স্বাগত জানায় খোলা আকাশ আর স্বচ্ছ পানির ফোয়ারা। সবুজের সমারোহ. ফুলের বাগান ছাড়াও পার্কটিতে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী জাপানি টি–হাউস। বহু বছর আগে জঙ্গলের ভেতরের এই টি–হাউসে ঐতিহ্যবাহী চা উৎসব করত জাপানিরা। উৎসব আরও আছে একদিন গেলাম কামাকুরা নামের একটা শহরে। সাগরপারের এই শহরে বিশাল বুদ্ধমূর্তি। সেখান থেকে খুব কাছেই এনোশিমার বাতিঘর। সন্ধ্যায় চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা আর সুরে বর্ণিল হয়ে ওঠে সি ক্যান্ডেল নামের ৬০ মিটার উঁচু বাতিঘর এবং পার্ক। সার্ফিংয়ের জন্যও বেশ পরিচিত এনোশিমা। সকাল হলেই শত শত সার্ফার সার্ফবোর্ড নিয়ে হেঁটে বা সাইকেলে চেপে ছোটে সৈকতের দিকে। আর শিশুরা মা–বাবার হাত ধরে ভিড় করে এনোশিমা অ্যাকুরিয়ামে। বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী আর ডলফিনের খেলা দেখে আনন্দে মাতে ছেলেমেয়েরা। জাপানিরা যেখানে এক সুতোয় গাঁথা জাপানের যোগাযোগব্যবস্থা অতুলনীয়। আট দিনে ঘুরেছি ছয়টি শহরের বিভিন্ন জায়গায়। জাদুঘরগুলোর কথা তো বলাই হলো না। এককথায় রূপ-বৈচিত্র্যে জাপানের একেকটা জায়গা একেক রকম। কিন্তু বিনয়. সহমর্মিতা. শৃঙ্খলা. ভদ্রতায় সব জাপানি যেন এক সুতোয় গাঁথা। এই শান্ত মানুষগুলোই জাপানের আসল সৌন্দর্য। আরিগাতো গোজাইমাস জাপান! তথ্য সত্য ● জাপানে ‘বিড়াল ক্যাফে’ রয়েছে. যেখানে গিয়ে আপনি কফি পান করতে পারেন. পারেন বিড়ালের সঙ্গে সময় কাটাতে। জাপান ছাড়া এমন ক্যাফের দেখা মেলে কোরিয়ায়। ● ২০১৫ সাল পর্যন্ত জাপানে মধ্যরাতে নাচানাচির ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা ছিল। ● জাপানে প্রতিবছর প্রায় ১ হাজার ৫০০ বার ভূমিকম্প হয়। ● জাপানের মোট জনসংখ্যার অন্তত ৫০ হাজার মানুষের বয়স ১০০ বছরের ওপরে। ● ‘কঙ্গো গুমি অ্যান্ড কোম্পানি’ নামে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো প্রতিষ্ঠানটি ছিল জাপানে। ২০০৬ সালে বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানটির গোড়াপত্তন হয়েছিল ৫৭৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে। ● জাপানে প্রায় ৬ হাজার ৮০০ দ্বীপ রয়েছে। ● বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে জাপানের ট্রেন–ব্যবস্থা সবচেয়ে সময়নিষ্ঠ। এ দেশের ট্রেনগুলো গড়ে বিলম্ব করে ১৮ সেকেন্ড। ● জাপানে শিশুদের ডায়াপারের চেয়ে বুড়োদের ডায়াপারের বিক্রির পরিমাণ বেশি! ● জাপানে একটি ভবনের পাট ফুঁড়ে মহাসড়ক চলে গেছে। ভবনটি ‘গেট টাওয়ার বিল্ডিং’ নামে পরিচিত। ● অকুনোশিমা জাপানের ছোট্ট দ্বীপ। তবে এই দ্বীপটি ‘র​্যাবিট আইল্যান্ড’ নামেই পরিচিত! হাজার হাজার মুক্ত খরগোশ এখানে ঘুরে বেড়ায়। ● জাপানে অধিকাংশ সড়কের নাম নেই। ● শুধু জাপানের মানুষই পারে ২০ ভাবে ‘দুঃখিত’ বলতে। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট. বিবিসি. ফ্যাক্ট স্লাইড,1573337 2019-01-05,দিনক্ষণ জানালেন নিকোল,,বিনোদন ডেস্ক,,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573335/%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2,entertainment,print,1,হলিউড,ব্যক্তিজীবনের কোনো সুখবর নয়। অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান ৫২-তে এসেও কাজ নিয়ে মহাব্যস্ত। একের পর এক সিনেমায় আর টিভি সিরিজে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। এবার তিনি ভক্তদের দিলেন তাঁর জনপ্রিয় সিরিজ ‘বিগ লিটল লাইস’-এর নতুন কিস্তির খবর। জানালেন নতুন কিস্তির প্রচার শুরুর সময়।গত সপ্তাহে সিএনএনের বছর শুরুর একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন হলিউড অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান ও তাঁর স্বামী সংগীতশিল্পী কেইথ আরবান। সেখানে নিকোলকে প্রশ্ন করা হয়. ২০১৯-এ দর্শকের সামনে কী চমক নিয়ে আসছেন তিনি? জবাবে নিকোল তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ বিগ লিটল লাইস-এর খবর জানান। এর নতুন কিস্তি প্রচার শুরুর সময়টি জানিয়ে দেন ভক্তদের। নিকোল বলেন. ‘আমরা জুন মাসের অপেক্ষায় আছি। সবাই চাইছি জুনেই বিগ লিটল লাইস-এর প্রচার শুরু করতে। এ জন্য শেষ মুহূর্তের কাজ আমরা দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছি। এখনো কাজ চলছে।’এই টিভি সিরিজের জন্য গত বছর নিকোল কিডম্যান জিতেছেন এমি আর গোল্ডেন গ্লোবসহ অনেক সম্মানজনক পুরস্কার। এবার এই সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে সবার প্রত্যাশা আরও বেশি। কারণ. গত কিস্তির তারকাদের পাশাপাশি এবারের নতুন মৌসুমে যুক্ত হয়েছেন অস্কারজয়ী প্রখ্যাত অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপও। তাই মেরিল ও নিকোলের অভিনয় মাধুর্য এক ফ্রেমে দেখার জন্য হলিউডপ্রেমীরা রীতিমতো মুখিয়ে আছেন। জুন মাসে বিগ লিটল লাইস-এর প্রচার শুরুর আভাস সেই উৎসাহী দর্শকদের ব্যাকুলতা এবার আরেকটু বেড়ে গেল। ফক্স নিউজ,1573335 2019-01-05,শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ও তুঘলকি কাণ্ড,কর্মসংস্থান,তুহিন ওয়াদুদ,১৮,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573331/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%98%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1,opinion,print,1,শিক্ষা,নন-গভর্নমেন্ট টিচার্স রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড সার্টিফিকেশন অথরিটি. সংক্ষেপে এনটিআরসিএ (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) নামক প্রতিষ্ঠানে চলছে তুঘলকি কাণ্ড। প্রতিষ্ঠানটির অদক্ষতা আর স্বেচ্ছাচারিতায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দেশের লাখ লাখ চাকরিপ্রত্যাশী মানুষ। এনটিআরসিএ মূলত বেসরকারি স্কুল. কলেজ. মাদ্রাসা ও কারিগরি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন পরীক্ষার আয়োজন করে। ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত একটি বিশেষ পরীক্ষাসহ মোট ১৫টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা হয়েছে। স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এনটিআরসিএ দেড় শতাধিক মামলায় পড়েছিল। পরে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সবগুলো পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের একটি সম্মিলিত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। উত্তীর্ণদের যাঁদের বয়স ৩৫-এর মধ্যে আছে. তাঁরাই শুধু আবেদন করতে পারছেন। এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সব পরীক্ষা অভিন্ন পদ্ধতিতে এবং অভিন্ন নীতিমালায় অনুষ্ঠিত হয়নি। কখনো সারা দেশে শূন্য পদ সাপেক্ষে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল. কখনো বলা হয়েছিল উপজেলাভিত্তিক পদ শূন্য সাপেক্ষে। ফলে কখনো কম নম্বর পেয়েও কেউ উত্তীর্ণ হয়েছিলেন. কখনো অনেক নম্বর পেয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি।পরীক্ষা পদ্ধতিতেও ছিল ভিন্নতা। ১৫টি নিবন্ধন পরীক্ষায় কখনো শুধু লিখিত পরীক্ষা হয়েছে। কখনো প্রাথমিক বাছাই. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা—তিনটিই হয়েছে। কোনো নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করানো হয়েছে অনেক. কখনো সামান্যই। কোনো বছর পাসের হার ছিল ৫২ শতাংশ. কোনো বছর ২ শতাংশের কম। এনটিআরসিএর সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকার কারণে চাকরিপ্রার্থীদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এনটিআরসিএ এমপিও. নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে অভিন্ন আবেদন গ্রহণ করছে। বিনা বেতনে চাকরি এবং বেতনে চাকরি—এ দুটি কখনোই এক হতে পারে না। যতটি পদ শূন্য আছে. ততটি পদের জন্য আলাদা আবেদন করার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। উত্তীর্ণ প্রার্থী যতটি পদের জন্য আবেদন করবেন. ততটি পদের জন্য প্রার্থীকে বিবেচনা করা হবে। একেকটি পদের বিপরীতে আবেদনকৃত ব্যক্তিদের মেধাক্রম বিচার করে নিয়োগের সুপারিশ করবে এনটিআরসিএ। উত্তীর্ণ প্রার্থীরা যতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে উল্লেখ করবেন. তাঁকে প্রতিটির জন্য ১৮০ টাকা ফি দিতে হবে। যদি তিনি কোনো দোকান থেকে কাজটি করতে চান. তাহলে প্রতিটি আবেদনের জন্য আরও ৩০-৪০ টাকা দিতে হচ্ছে। অথচ নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রত্যেক পরীক্ষার্থী একবার ৩৫০ টাকা ফি প্রদান সাপেক্ষে আবেদন করেছিলেন। এরপর তাঁদের প্রাথমিক বাছাই. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাঁরা এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন. তাঁদের কাছ থেকে পছন্দক্রম চাওয়া হয়েছে। এই পছন্দক্রম অনুযায়ী কাজ করার জন্য এ প্রতিষ্ঠানের এক টাকাও অতিরিক্ত প্রয়োজন নেই। তারপরও এই টাকা ফি ধার্য করাটা বেকারদের ওপর জুলুম। দেশের সব চাকরিতে বেকারদের বিনা টাকায় আবেদন করার সুযোগটাই এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রতি মাসে একজন বেকারের চাকরির আবেদনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকার ব্যাংক ড্রাফট করতে হয়। এই টাকা একজন বেকারের প‌ক্ষে সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া একজন বেকারকে রীতিমতো লটারির টিকিট কিনে ভাগ্য যাচাইয়ের মতো অবস্থায় ফেলা হয়েছে। একজন চাকরিপ্রার্থী পছন্দক্রমে ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করলে প্রয়োজন হবে ১০ হাজার ৫০০ টাকা। আমাদের দেশে একজন বেকার চাকরিপ্রার্থীর পক্ষে কি এত টাকা দিয়ে চাকরির আবেদন করা সম্ভব? নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের কাছ থেকে টাকা কিংবা পছন্দক্রম কোনোটি নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। প্রথমে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ফল মেধাক্রম অনুযায়ী প্রকাশ করতে পারত এনটিআরসিএ। এতে যে পদগুলো শূন্য থাকত. সেই অবশিষ্ট পদে নিয়োগের জন্য আবারও নতুন শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করত। এভাবে যখন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়োগ শেষ হতো. তখন একইভাবে নন-এমপিও পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যেত। পাবলিক সার্ভিস কমিশন এক আবেদনে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাডারে. নন-ক্যাডারে. এমনকি মাধ্যমিক-প্রাথমিক স্কুলেও নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। পিএসসি যদি এক আবেদনে হাজার হাজার পদ উন্মুক্ত রাখতে পারে প্রতিযোগিতার জন্য. তাহলে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য আলাদা আবেদন করতে বলা প্রহসনই বটে। ধরা যাক. ইংরেজি বিভাগের একজন প্রার্থী দেশের যেকোনো এলাকায় চাকরি করতে চান। ইংরেজি বিভাগে পদ শূন্য আছে ৫০০টি। তাঁর মেধাক্রম ৫০০তম। তিনি কি তাহলে ৫০০টি প্রতিষ্ঠানের জন্য আবেদন করবেন? এটা কি হয় কখনো? এনটিআরসিএ গত ডিসেম্বর মাসে ৩৯ হাজার ৫৩৫টি পদে কলেজ-স্কুল পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধনধারীদের কাছ থেকে পছন্দক্রম ঠিক করে আবেদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। আবেদন জমা পড়ে প্রায় ৩১ লাখ। প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রায় ৭৮টি। সেই হিসাব করলে এনটিআরসিএ প্রায় ৫৬ কোটি টাকা আয় করছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখে এসব সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এনটিআরসিএ কোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান কিংবা লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয়। এটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। সেই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান যে অন্যায় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে. তা বন্ধ হওয়া জরুরি। তুহিন ওয়াদুদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক এবং রিভারাইন পিপলের পরিচালক wadudtuhin@gmail.com,1573331 2019-01-05,যত ‘ট্রিপ’ তত টাকা,,সামছুর রহমান. ঢাকা,৬,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573326/%E0%A6%AF%E0%A6%A4-%E2%80%98%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E2%80%99-%E0%A6%A4%E0%A6%A4-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE,bangladesh,print,1,গণপরিবহনে নৈরাজ্য|সড়ক দুর্ঘটনা,সড়কে বিশৃঙ্খলা প্রায় পাঁচ মাস আগে চালকদের সঙ্গে চুক্তিতে বা ট্রিপে বাস চালানো বন্ধের সিদ্ধান্ত হয় এটি কার্যকর হয়নি নিরাপদ সড়কের দাবিতে গত বছরের আগস্টে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় পরিবহন মালিক সমিতি রাজধানীতে চুক্তিতে বাস চালানো বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু নিজেদের নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রায় মাসেও কার্যকর করতে পারেননি পরিবহনমালিকেরা। রাজধানীর অধিকাংশ বাস এখনো চলছে চুক্তি ভিত্তিতে। চুক্তিতে বাস চালানো বন্ধ করে চালক ও চালকের সহকারীদের মাসিক বা দৈনিক বেতন এবং নিয়োগপত্র দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল মালিক সমিতি। কিন্তু আগের মতোই চুক্তিতে বা ট্রিপ (যাত্রার শুরু থেকে গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত) বাস চালাচ্ছেন মালিকেরা। ট্রিপ অনুযায়ী চালকেরা মালিকের কাছ থেকে টাকা পান। বেশি ট্রিপ দিতে পারলে টাকা বেশি। ফলে যাত্রী এবং ট্রিপের জন্য চালকেরা রাস্তায় বেপরোয়া থাকেন। একই রুটের (পথ) অন্য পরিবহনের সঙ্গেও এ কারণেই রেষারেষি করেন চালকেরা। এ বিষয়ে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের (নিসচা) চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন প্রথম আলোকে বলেন. মালিক সমিতির নেতাদের সিদ্ধান্ত সমিতির সদস্যরাই মানছেন না। চালক ও সহকারীর বেতন নির্ধারণের পাশাপাশি মালিকের জমাও নিশ্চিত করতে হবে। মালিক সমিতি. বাস মালিক. সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার লোকজন বসে বেতন বা মজুরি নির্ধারণ করতে পারেন। চুক্তিতে বাস চালানো বন্ধ করতে না পারার জন্য পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা দাবি করছেন. চালক ও সহকারীরা একই মালিকের বাস প্রতিদিন চালান না। ফলে চালক ও সহকারীর নিয়মিত বা মাসিক বেতন নির্ধারণ প্রায় অসম্ভব। বেতন নির্ধারণের পাশাপাশি চালকদের নিয়োগপত্র দেওয়া. ভাড়ার টাকা মালিক সঠিকভাবে যাতে পায়. সে জন্য টিকিট কাউন্টার স্থাপন করাসহ আরও বেশ কিছু কাজ করতে হবে। আবদুল্লাহপুর থেকে বছিলা রুটে (পথে) চলাচল করা প্রজাপতি পরিবহনের চালক খালেক মিয়া বলেন. ‘আগে বাস চালাতাম জমা হিসাবে। দিনের শেষে মালিককে জমার টাকা বুঝিয়ে দিতে হতো। জমার টাকা. গ্যাস. লাইন খরচ তোলার পরে নিজের আর হেলপারের (সহকারী) আয় তোলা লাগত। এখন ট্রিপ হিসাবে টাকা দেয়। কিন্তু ট্রিপ কম হলে আয় কম।’ গত বছরের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বেপরোয়া বাসের চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। সেদিন থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৮ আগস্ট পরিবহন মালিক সমিতি ঘোষণা দেয়. ৯ আগস্ট থেকে চুক্তিতে গাড়ি চালানো হবে না। কোনো মালিক চালকের সঙ্গে চুক্তিতে গাড়ি চালালে ওই কোম্পানির সমিতির সদস্যপদ বাতিল করা হবে। চালক নিয়োগ দিয়ে গাড়ি রাস্তায় নামাতে হবে। নবীনগর থেকে মিরপুর ১৪ নম্বর রুটের ইতিহাস পরিবহন. ধামরাই থেকে গুলিস্তানগামী সাভার পরিবহন. কদমতলী থেকে মিরপুর চিড়িয়াখানা রুটের দিশারী পরিবহন. গাবতলী থেকে মতিঝিল রুটের গাবতলী লিংক পরিবহনের অন্তত ১০টি বাসের চালক ও সহকারীর সঙ্গে গতকাল শুক্রবার কথা বলে প্রথম আলো। তাঁরা জানান. মালিক সমিতির নির্দেশেই তাঁরা ট্রিপে গাড়ি চালাচ্ছেন। তাঁদের কারও বেতন নির্ধারিত না। যত ট্রিপ তত টাকা এই চুক্তিতে তাঁরা বাস চালাচ্ছেন। জানতে চাইলে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন. কোনো চালক পুরো মাস একই মালিকের বাস চালান না। তাই মাসিক বেতন নির্ধারণ কঠিন। তাই ট্রিপ ভিত্তিতে দৈনিক একটি মজুরি নির্ধারণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে বেপরোয়া চালানো অনেকটাই কমছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে মালিকদের ধারণার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন অনেক বাসচালক। তাঁরা মনে করেন. চালকদের দৈনিক মজুরি নির্ধারণ করলে বেপরোয়া বাস চালানো বন্ধ হবে। গাবতলী লিংক পরিবহনের চালক মো. ওহিদুল বলেন. ‘চালকেরা একই মালিকের বাস নিয়মিত চালায় না এটা ঠিক। মাসিক বেতন নির্ধারণ না করতে পারলে দৈনিক মজুরি ঠিক করুক। এক দিন কাজ করলে চালক ওই দিনের টাকা পাবে অন্তত এই নিশ্চয়তা থাকবে। তাহলে আর রাস্তায় পাড়াপাড়ি করবে না কোনো চালক।’,1573326 2019-01-05,এই ঔদাসীন্য অমানবিক,শীত,সারফুদ্দিন আহমেদ,,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573323/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%94%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95,opinion,print,1,বিতর্ক,আরও একটি পৌষ সংক্রান্তিমুখী। মাঘ সমাগত। শীত এখন ভরা যৌবনে। শীতের মধ্যে গরম পোশাক পরে পিঠাপুলির গুণকীর্তন করা সোজা। গরম লেপের তলে শুয়ে পি বি শেলির ‘ইফ উইন্টার কামস. ক্যান স্প্রিং বি ফার বিহাইন্ড’ থেকে শুরু করে সুকান্তের ‘হে সূর্য. শীতের সূর্য!’—এই রকমের কাব্য পড়তেও ভালো লাগে। কিন্তু শহর–গ্রামের আনাচকানাচে ও শহরের ফুটপাতের ওপর যেসব ছায়া-শরীর প্রতিটি নির্জন শীতরাতে কেবল পরস্পরের উত্তাপ নিয়ে জড়াজড়ি করে নিশিযাপন করে. তাদের কাছে শীত কাব্য হয়ে আসে না। আসে যম হয়ে। তাদের একাংশ ঠান্ডায় মারা যায়। তাদের কোনো সঠিক শুমারি হয় না। অনুমান ও অনেকটা আন্দাজের ওপর নির্ভর করেই এই হতভাগ্যদের সংখ্যা ধার্য করা হয়। দেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে এখন যে শীত অনুভূত হচ্ছে. তা নিয়ে কাব্য করা চলে না। সেখানকার শীত আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। সেখানে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। উত্তরের হিমেল বাতাসের সঙ্গে নেমে আসছে হাড়কাঁপানো শীত। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে সকাল নয়টা পর্যন্ত মাত্রাতিরিক্ত শীত অনুভূত হচ্ছে। জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না অনেকে। বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ। কর্মহীন হয়ে পড়েছে তারা। হাটবাজারে ক্রেতা–বিক্রেতার ভিড় কম। ক্রেতার অভাবে দোকানদার ও যাত্রীর অভাবে পরিবহনকর্মীরা রাস্তার পাশে আগুন জ্বেলে শীত তাড়াচ্ছেন। স্কুল–কলেজ ও সরকারি অফিসে উপস্থিতি কম। রোদ উঠলেও তার তেজ অত্যন্ত ম্লান। সন্ধ্যা হতেই সুনসান হচ্ছে শহর। আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন. কুয়াশা থাকলে শীত কম থাকে। এবার কুয়াশা না থাকার কারণেই ঘনীভূত হয়েছে শীতের প্রকোপ। সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা বাড়ে। শীতের কারণে পঞ্চগড় এবং এর আশপাশের জেলায় শিশু ও বয়স্করা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ডায়রিয়া. শ্বাসকষ্ট. সর্দি-কাশিসহ হৃদ্‌রোগের প্রকোপ সেখানে বেড়ে গেছে। প্রতিদিন হাসপাতালে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ ভর্তি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। উত্তরবঙ্গের মানুষের একটি বিরাট অংশ তীব্র দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করে। গরম কাপড় কেনা বা জোগাড় করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। যেখানে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা. সেখানে এসব মানুষ কত দিন এভাবে টিকে থাকতে পারবে. সেটি একটি বিরাট প্রশ্ন। পঞ্চগড় পৌরসভার হিসাব অনুযায়ী. পৌর এলাকায় ২০ হাজারের বেশি অসহায় ছিন্নমূল ও দুস্থ মানুষ বসবাস করে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বলছে. জেলার প্রায় দুই লাখ দুস্থ মানুষ আছে। তাদের শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত যে পরিমাণ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে. তা খুবই অপ্রতুল। স্থানীয় লোকজনের বক্তব্য থেকে জানা যাচ্ছে. এই শীতের রাতে দুই–তিনটা লেপ না হলে শীত মানতে চায় না। সেখানে ত্রাণের পাতলা কম্বল এই তীব্র শীত ঠেকাবে কী করে? শীতকবলিত এই জনপদে কতজন মানুষের শীত মোকাবিলা করার মতো পোশাক ও বাসস্থান আছে. সে সমীক্ষা আমাদের সামনে নেই। তথাপি সংবাদমাধ্যমের অসম্পূর্ণ ‘সমীক্ষায়’ যা প্রকাশ পাচ্ছে. তাতে শীতকবলিত হতদরিদ্র মানুষের প্রতি সরকারের. প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের অমানবিক ঔদাসীন্যের ছবি ভালোভাবেই প্রকাশ পাচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে. শীতের কামড় থেকে এই ভাগ্যাহত মানুষগুলোকে রক্ষা করার জন্য নৈশ আশ্রয়ের ব্যবস্থা থাকা উচিত। কারণ. বহু মানুষ এমন ঘরবাড়িতে বসবাস করে. যা এই শীতের ছোবল থেকে তাদের রক্ষা করতে পারবে না। স্থানাভাব বা তহবিলের সীমাবদ্ধতা এই মানুষগুলোকে রক্ষা করতে না পারার কারণ হতে পারে না। এর একমাত্র কারণ হতে পারে নিছকই সদিচ্ছার অভাব এবং ইচ্ছাকৃত ঔদাসীন্য। বহু মানুষ আছে. যাদের কোনো ঘরবাড়িই নেই। বিশেষ করে শহরের উড়ালসাঁকোর নিচে. বিভিন্ন অলিগলিতে প্রচণ্ড শীতের মধ্যে বহু গৃহহীন মানুষ শুয়ে থাকে। কী লাগে কয়েকটি শীতকালীন নৈশ আশ্রয় তৈরি করতে? মাথার ওপর টিন কিংবা টালির আচ্ছাদন. চারটি দেয়াল আর দু-একটি কপাট দেওয়া জানালা। হাজার হাজার কোটি টাকার তহবিল নিয়ে রাষ্ট্র এমন কয়েকটি অকিঞ্চিৎকর মূল্যের নৈশ আশ্রয় বানাতে পারে না? যে অর্থে রাষ্ট্র প্রতিটি গ্রামকে শহরের সুবিধায় আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে. শহরের সব পার্ক-উদ্যানকে নানা রঙে রঞ্জিত করতে তৎপর থাকে. তার চেয়ে অনেক কম ব্যয়ে হতভাগ্য নিরাশ্রয়দের শীতের রাতে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়া যায়। তাতে শহরের সৌন্দর্যায়নের কাজে কোনো ব্যাঘাত হওয়ারও কথা না। শুধু পঞ্চগড় বা উত্তরবঙ্গ নয়. খোদ রাজধানীতেও বহু মানুষ শীতে কাঁপতে থাকে। রাষ্ট্রের অমানবিক ঔদাসীন্যের কারণে খোলা আকাশকে চাঁদোয়া বানিয়ে শহুরে গরিব. ভবঘুরে. ভিখারি ও নিরাশ্রয় মানুষ পৌষের অকালবর্ষণ মাথায় করে রাত যাপন করছে। পঞ্চগড়ের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে রাজধানীর আশ্রয়হীনেরা অসংগঠিত। তারা ইউনিয়নবদ্ধ নয়। তাই তাদের আশ্রয়ের অধিকার নিয়ে কোনো দাবিমুখর হতে দেখা যায় না। ধনীরা তাদের প্রতি দয়াপরবশ হয়ে তাদের শীতের কাপড় অথবা নৈশ আশ্রয়স্থল বানিয়ে দিতে চায়। এই দয়া করার দৃষ্টিভঙ্গিই আমাদের তাদের অধিকার সম্পর্কে উদাসীন করে তোলে। আশ্রয়হীনের জন্য নিদেনপক্ষে শীতকালীন অস্থায়ী নৈশ আশ্রয়স্থলের কথাটি কখনো আমাদের মনে উদয় হয় না। সবার কাছেই এখন স্পষ্ট হয়েছে. আমাদের ঋতুচক্রের গতি–প্রকৃতি আর আগের মতো নেই। আবহাওয়া ক্রমেই চরমভাবাপন্ন হয়ে উঠছে। গরমকালে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। শীতকালে তা নামছে অস্বাভাবিকভাবে। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে গেলে জনগণের জীবনযাপন ও আবাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা দরকার। উত্তরাঞ্চলে শীত তীব্রভাবে জেঁকে বসে সেটা আমরা জানি। কিন্তু সেই তীব্রতা ফিবছরই বেড়ে চলেছে। সেই তুলনায় সেখানকার মানুষের শীত মোকাবিলা করার মতো আবাসন নির্মাণ ও গরম কাপড় কেনার সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। এ ক্ষেত্রে সরকারকেই সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে। সারফুদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোর জে্যষ্ঠ সহসম্পাদক sarfuddin2003@gmail.com,1573323 2019-01-05,চুক্তি স্বাক্ষর করে শুটিং শুরু,,বিনোদন প্রতিবেদক. ঢাকা,১,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573318/%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81,entertainment,print,1,টেলিভিশন,অবশেষে চুক্তি স্বাক্ষর করে শুরু হলো নতুন বছরের টেলিভিশন নাটকের শুটিং। নাট্যকার. পরিচালক. অভিনয়শিল্পীসহ সংশ্লিষ্টরা মিলে নেওয়া এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে এরই মধ্যে। বেশ কয়েক দিন আগে টেলিভিশন নাটকের সঙ্গে জড়িত ছয়টি সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড. টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ. অভিনয়শিল্পী সংঘ. টেলিভিশন নাট্যকার সংঘ. ক্যামেরাম্যান অ্যাসোসিয়েশন ও টেলিভিশন মিডিয়া মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলে যৌথভাবে জানিয়েছিল. ১ জানুয়ারি থেকে সব শুটিং হবে চুক্তি স্বাক্ষর করে। তবে ১ জানুয়ারি ক্যামেরাম্যান অ্যাসোসিয়েশনের মিলনমেলা থাকায় সেদিন কোনো শুটিং হয়নি। তাই ২ জানুয়ারি শুরু হওয়া শুটিংয়ে হাজির হয়েছিলেন ডিরেক্টরস গিল্ড. অভিনয়শিল্পী সংঘ. টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের নেতারা। তাঁরা উত্তরার বেশ কয়েকটি শুটিং বাড়ি ঘুরে পরিচালক. অভিনয়শিল্পী. মেকআপ আর্টিস্টসহ সংশ্লিষ্টদের চুক্তি স্বাক্ষর করান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু. সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলীক. সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন হোসেন। অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব নাসিম. সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান জর্জ. টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সাধারণ সম্পাদক এজাজ মুন্না এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আজম খান। চুক্তি স্বাক্ষর প্রসঙ্গে ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন. ‘আমরা উত্তরার বেশ কয়েকটি শুটিং বাড়ি ঘুরেছি। বিভিন্ন শুটিং বাড়িতে পরিচালকদের সঙ্গে অভিনয়শিল্পীদের চুক্তি স্বাক্ষর করিয়েছি। এই চুক্তি স্বাক্ষর করে শুটিং যেন নিয়মিত করা হয়. সে ব্যাপারে সবার সহযোগিতা চেয়েছি। যে রকম সাড়া পেলাম. আশা করছি এটা নিয়মিত হবে।’ তিনি জানান. চুক্তি স্বাক্ষর করে শুটিং শুরুর প্রথম দিনে বিভিন্ন শুটিং বাড়িতে ছিলেন অভিনয়শিল্পী আমিরুল হক চৌধুরী. রহমত আলী. মৌসুমি হামিদ. জামিল. আ খ ম হাসান. ইন্তেখাব দিনার. নাদিয়া. অপূর্ব. আবুল হায়াত. তাহসান. মাজনুন মিজানসহ অনেকেই। পরিচালকদের মধ্যে ছিলেন শিহাব শাহীন. মিজানুর রহমান আরিয়ান. ফরিদুল হাসান. ভিকি জাহেদ প্রমুখ।,1573318 2019-01-05,সুশাসন নিশ্চিত করলেই দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব,এ সপ্তাহের সাক্ষাৎকার, মন্তব্য,২,https://www.prothomalo.com/economy/article/1573317/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%AC,economy,print,1,বিশ্লেষণ,টানা তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করছে। সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ও প্লামি ফ্যাশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল হক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শুভংকর কর্মকার। টানা তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করছে। সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ও প্লামি ফ্যাশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল হক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শুভংকর কর্মকার। প্রথম আলো: নতুন বছর. নতুন সরকার। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করছে। আপনি তো সরকারের দুই মেয়াদ দেখছেন। তৃতীয় মেয়াদে অর্থনীতির কোন কোন বিষয়ের ওপর সরকারের বেশি জোর দেওয়া দরকার বলে মনে করেন? ফজলুল হক: আওয়ামী লীগ সরকারের টানা দুই মেয়াদে যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ হয়েছে। পণ্য রপ্তানিতে আয় বেড়েছে। তবে অর্থনীতির কয়েকটি খাতে ঘাটতি রয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় ঘাটতি ছিল সুশাসন ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা. যদিও এর কোনো শেষ নেই। তারপরও এটি সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা দরকার। গত এক–দেড় বছরে দেশের ব্যাংকিং খাত এলোমেলো হয়ে গেছে। অর্থনীতির স্বার্থেই এই খাত ঠিকঠাক করা দরকার। কারণ. ব্যাংকিং খাত হচ্ছে অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড। এখানে গন্ডগোল হলে কোনো কিছুই সঠিকভাবে কাজ করে না। অন্যদিকে শেয়ারবাজার এখন পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের আস্থার জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি। চীনের দুটি শেয়ারবাজারের একটি জোট বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের অংশীদার হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি এটিকে চমৎকার পদক্ষেপ মনে করি। তবে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য. চীনের জোট আসার পরও আমাদের শেয়ারবাজারের মন্দাভাব কাটেনি। মন্দার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না জানি না. তবে আমাদের অর্থনীতির বর্তমান চেহারার সঙ্গে শেয়ারবাজারের চেহারা ঠিক মিলছে না। তাই সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য হলেও শেয়ারবাজারের চেহারাটা ঠিক করা জরুরি। অন্যদিকে অবকাঠামো খাতে সরকার অনেকগুলো মেগা (বড়) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তার বাইরে কিছু কাজ জরুরি ভিত্তিতে করা দরকার। যেমন বিদ্যুতের সরবরাহ আরেকটু নিশ্চিত করা. যাতে নতুন সংযোগ দেওয়া যায়। গ্যাসের সংকট সমাধানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আনা হচ্ছে। তবে অস্বাভাবিক দাম বাড়িয়ে যদি এই সংকটের সমাধান করা হয়. তাহলে শিল্পকারখানা চাপে পড়বে। তাই দাম না বাড়িয়ে কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়. সেই পথ খুঁজতে হবে। এটি নিশ্চিত করা সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। তবে নতুন সরকার নতুন উদ্যমে কাজগুলো করবে বলে ব্যবসায়ীরা প্রত্যাশা করবেন। প্রথম আলো: দেশের পণ্য রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসছে। খাতটির ব্যবসায়ী নেতারা প্রায়ই বলেন. অন্য প্রতিযোগী দেশের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যে আছে বাংলাদেশ। খাতটির জন্য নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা কী? ফজলুল হক: পোশাকশিল্পের জন্য সরকার যেটি করতে পারে তা হলো. আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে পোশাক খাতের সংযোগ ঘটানো। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা আরও বেশি পোশাক খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পারে। পাশাপাশি নতুন ব্যবস্থাটি জনপ্রিয় করতে হবে। জনগণকে আশ্বস্ত করতে হবে. বিবিএ-এমবিএ না করেও ভালো চাকরি পাওয়া যায়। বর্তমানে প্রচুর বিদেশি লোক কাজ করেন আমাদের পোশাকশিল্পে। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যায়। কিন্তু দেশের তরুণ-তরুণীদের দক্ষ করে বিদেশিদের জায়গায় বসানো গেলে প্রকৃত অর্থেই পোশাকশিল্পের সক্ষমতা অনেক বাড়বে। এতে আমাদের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। বাংলাদেশ ২০২৪ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশ হবে। ফলে আগামী পাঁচ বছর খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জিএসপি–সুবিধা হয়তো আমরা পাব না। তাই জিএসপি প্লাস কিংবা অন্য আঙ্গিকে রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত–সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে এখন থেকেই সরকারকে চেষ্টা করতে হবে। সেই প্রক্রিয়াটা এখনই শুরু করা দরকার। তাই প্রত্যাশা থাকবে. নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে কাজ করবে। প্রথম আলো: ২০২১ সালের মধ্যে পণ্য রপ্তানি ছয় হাজার কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তার মধ্যে পোশাক রপ্তানি থাকবে পাঁচ হাজার কোটি ডলার। সেই পরিমাণ রপ্তানি সামলানোর জন্য সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সরকারকে কী করতে হবে? ফজলুল হক: বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সরকার ইতিমধ্যে কয়েকটি বড় প্রকল্প নিয়েছে। মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর এবং পটুয়াখালীতে পায়রা বন্দর হচ্ছে। তবে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে পাঁচ বা সাত বা দশ বছর লাগবে। পাশাপাশি আরও কিছু কাজ করা দরকার। যেমন আমাদের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামেই অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণ করেই বন্দরের সক্ষমতা অনেকটা বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য খুব বেশি টাকাও লাগে না। শক্ত পদক্ষেপ নিলে এক বছরের মধ্যেই কাজগুলো শেষ করা সম্ভব। এ ছাড়া ঢাকা বিমানবন্দরে কাস্টমের ওয়্যারহাউস খুবই অগোছালো অবস্থায় আছে। এর উন্নতি করা খুব কঠিন কাজ নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করলে এসব ছোট জায়গায় উন্নতি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম আলো: নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের (শূন্য সহিষ্ণুতা) নীতির কথা বলেছে। বিষয়টি নিয়ে আপনি কতটা আশাবাদী? দুর্নীতি বন্ধ করতে পারবে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ? ফজলুল হক: নতুন সরকার ক্ষমতায় আসছে। ফলে এখনই দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থার মতো অজনপ্রিয় বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার সঠিক সময়। কারণ. তিন-চার বছর চলে গেলে সরকারকে আবার ভোটের হিসাব করতে হয়। তখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আমি মনে করি. সুশাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমেই দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব। তখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে না। স্বয়ংক্রিয়ভাবেই দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে। সহজ কথা হচ্ছে. চোর ধরার চেয়ে চোর যাতে তৈরি না হতে পারে. সেই ব্যবস্থা করতে হবে। এখানেই বেশি মনোযোগ দেওয়া দরকার। আমি প্রত্যাশা করি. সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়টি নতুন সরকার এক নম্বর অগ্রাধিকার তালিকায় রাখবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন অনেকবার। তাই সরকারের নতুন মেয়াদে সেটির বাস্তবায়ন হবে বলেই আমার বিশ্বাস। প্রথম আলো: রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য অনেক বছর ধরেই কাজ হচ্ছে। তবে কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। গলদ কোথায়? নতুন সরকার কী করতে পারে? ফজলুল হক: রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য সরকার বিভিন্ন সময় নানা উদ্যোগ নিয়েছে। প্রণোদনা দিয়েছে। সেগুলো খারাপ ছিল না। তাই সরকারকে দোষারোপ করা যাবে না। আমার মনে হয়. মূল ঘাটতি উদ্যোক্তাদের তরফ থেকেই ছিল। যাহোক. পণ্য রপ্তানি আয় বাড়ানো ও রপ্তানি খাতে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছানোর জন্য পণ্যের বহুমুখীকরণ দরকার। সরকার বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি একটি গবেষণা করা যেতে পারে। তারপর সে অনুযায়ী কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। প্রথম আলো: সহজে ব্যবসা করার সূচকে বাংলাদেশ এখনো তলানিতে আছে। গত বছর মাত্র এক ধাপ উন্নতি হয়েছে। সহজে ব্যবসা করার সূচকে বড় ধরনের উন্নতির জন্য নতুন কী করতে পারে? আপনার পরামর্শ কী? ফজলুল হক: ব্যবসা সহজ না হলে আমাদের মতো দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না। সহজে ব্যবসা করার সূচকে বাংলাদেশ যখন তলানিতে থাকে. তখন বিদেশি উদ্যোক্তারা নিরুৎসাহিত হয়। এক ধাপ উন্নয়ন আসলে উন্নতি নয়। এই জায়গায় উন্নতি করতে হলে সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করতে হবে। যেমন গ্যাসের সরবরাহ যদি পর্যাপ্ত থাকে. তাহলে গ্যাস–সংযোগ পাওয়া সহজ হবে। একইভাবে বিদ্যুতের সরবরাহ যদি পর্যাপ্ত থাকে. তাহলে বিদ্যুতের সংযোগ মিলবে। তখন এসব খাতে দুর্নীতি কমে যাবে। একটি উদাহরণ দিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। একসময় টিঅ্যান্ডটির লাইন নেওয়ার জন্য জুতার তলা ক্ষয় করে ফেলতে হয়েছে। এখন চাইলেই আপনি খুব সহজে টেলিফোন নিতে পারেন। টিঅ্যান্ডটি লাইন নিয়ে এখন আর দুর্নীতি নেই। প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ ফজলুল হক: আপনাকেও ধন্যবাদ।,1573317 2019-01-05,তিশা নয়. বুবলী,,বিনোদন প্রতিবেদক. ঢাকা,২,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573315/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%80,entertainment,print,1,চলচ্চিত্র,বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল কাজী হায়াতের ‘বীর’ ছবিতে শাকিব খানের নায়িকা থাকবেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা। এ ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে তিশার সঙ্গে কথাও হয়েছিল। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে তিশা নয়. এই ছবিতে শাকিব খানের নায়িকা হচ্ছেন বুবলী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছবির দুজন প্রযোজকের একজন এমডি ইকবাল। তিনি বলেন. ‘আমরা তিশাকেই এই ছবিতে শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে নিতে চেয়েছিলাম। গত মঙ্গলবার চূড়ান্ত মিটিং করেছি কিন্তু তিশার সঙ্গে সময় না মেলায় তাঁকে নিয়ে কাজটি করছি না। এখন বুবলীকে চূড়ান্ত করেছি। তিনি শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে বীর ছবিতে অভিনয় করবেন।’ ছবির নায়ক শাকিব খান নিজেও এই ছবির আরেকজন প্রযোজক। তিনিও জানিয়েছেন. বুবলীই বীর ছবির নায়িকা। বিষয়টি নিয়ে তানজিন তিশার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন. ‘এর আগে বিষয়টি নিয়ে ফোনে একাধিকবার আলাপ–আলোচনা হয়েছিল। গত মঙ্গলবার প্রযোজকসহ আমরা বসেছিলাম কিন্তু সামনে আমার ভালোবাসা দিবসের একাধিক নাটকের শুটিং ও অস্ট্রেলিয়াতেও শুটিং করতে যাওয়ার কথা আছে। সবকিছু মিলিয়ে কাজটি করা হচ্ছে না।’ ১২ জানুয়ারি থেকে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় ‘বীর’ ছবির শুটিং শুরু হবে। ১০ ফেব্রুয়ারি টানা চলবে এই শুটিং। প্রযোজক জানান. আগামী পয়লা বৈশাখে ‘বীর’ ছবিটি মুক্তির কথা আছে।,1573315 2019-01-05,সশস্ত্র বাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বললেন চীনা প্রেসিডেন্ট,,অনলাইন ডেস্ক,১০,https://www.prothomalo.com/international/article/1573312/%E0%A6%B8%E0%A6%B6%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE,international,print,1,এশিয়া|সশস্ত্র বাহিনী|চীন,চীনের সশস্ত্র বাহিনীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা অবশ্যই শক্তিশালী করতে হবে এবং যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে সবকিছু করতে হবে। গতকাল শুক্রবার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এ কথা বলেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে. দক্ষিণ চীন সাগরে আঞ্চলিক বিরোধ সত্ত্বেও চীন সেনা উপস্থিতি জোরদার করতে ইচ্ছুক। এ ছাড়া তাইওয়ান ও বাণিজ্যের মতো বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের মতবিরোধ বাড়ছে। বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে জানানো হয়. শীর্ষ সেনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট বলেছেন. চীনের জন্য ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। তাই সশস্ত্র বাহিনীকে চীনের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের প্রয়োজনে কাজ করে যেতে হবে। সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সি চিন পিং। তিনি বলেছেন. সশস্ত্র বাহিনীকে নতুন যুগের জন্য কৌশল পরিকল্পনা করতে হবে এবং যুদ্ধের প্রস্তুতি ও যুদ্ধ চালানোর জন্য দায়িত্ব নিতে হবে। চীনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন. গত ১০০ বছরে বিশ্ব যে পরিবর্তন দেখেনি. সে ধরনের বড় পরিবর্তনের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বিশ্ব। চীন তার উন্নতির জন্য কৌশলগত সুযোগের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীকে দ্রুত সাড়া দিতে হবে। তাদের যৌথ অপারেশন সক্ষমতা হালনাগাদ করতে হবে এবং নতুন ধরনের যুদ্ধসেনা প্রতিপালন করতে হবে। গত বুধবার চীনা প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন. তাইওয়ান অবশ্যই চীনের অংশ হিসেবে থাকবে। স্বাধীনতা উসকে দেওয়া কোনো কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর ওই কথার পর এবার সশস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার কথা বলছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘এশিয়া রিঅ্যাসুরেন্স ইনিশিয়েটিভ অ্যাক্ট ইন্টু ল’তে স্বাক্ষর করে তাইওয়ানের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করার পর চীনা প্রেসিডেন্ট এ কথা বললেন।,1573312 2019-01-05,অনিয়মের অভিযোগ কম নয়,নির্বাচন,কামাল আহমেদ,৫৫,https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573311/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97-%E0%A6%95%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A7%9F,opinion,print,1,রাজনীতি,‘এমন নির্বাচন কখনো দেখেনি কেউ’ শিরোনামে ভোটের এক দিন আগে আমি লিখেছিলাম. দলীয় সরকারের অধীনে গ্রহণযোগ্য. সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অসম্ভব প্রমাণিত হলে বিরোধীরা লাভবান হবে. তাদের দাবির যৌক্তিকতা প্রমাণিত হবে। ভোটের ফল ঘোষণার পর তারা সে কথাই বলেছে। পাঁচ বছর আগেও আমি লিখেছিলাম. ‘রাজনৈতিক সরকার যে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে অক্ষম. সে কথা প্রতিষ্ঠার জন্য মন্ত্রীরা যে প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়েছেন. সে জন্য বিএনপির উচিত তাঁদেরকে ধন্যবাদ দেওয়া’ (যে নির্বাচনে দুই পক্ষই হেরেছে. প্রথম আলো. ৬ জানুয়ারি. ২০১৪)। তবে এবারে ধন্যবাদটা আরও বড় আকারে দেওয়া উচিত। কারণ. বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদের চেয়েও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আসন সংখ্যা এতটাই বেড়েছে যে তা বিশ্বাস করানো আগের চেয়েও কঠিন হয়ে পড়েছে। ভোটের দিনে সহিংসতায় ১৭ জনের দুঃখজনক প্রাণহানি সত্ত্বেও নির্বাচন ছিল অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ। তবে আপাতদৃশ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ কম নয়। ভোটের আগেই বাক্স ভর্তি. ভোটারদের ভোট দিতে না পারা ও ব্যালটে সিল মারার মতো অভিযোগ এসেছে। এগুলোর পাশাপাশি প্রদত্ত ভোট ও বিজয়ীদের প্রাপ্ত ভোটের যে উচ্চ হার দেখা যাচ্ছে. তার সঙ্গে খুলনা. রাজশাহী ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী মডেলের অদ্ভুত মিল পাওয়া যায়। অর্থাৎ. এবারের নির্বাচনে সিটি করপোরেশন মডেলের সফল জাতীয় রূপ দেখা গেল। এবারের ভোটের ফলাফল এতটাই বিস্ময়কর যে নির্বাচন বিশ্লেষকেরা ভোটের শতাংশ বা সংখ্যাগুলো কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন. তা-ই বুঝে উঠতে পারছেন না। কয়েকজন প্রার্থী ভোট পেয়েছেন ৯৯ শতাংশ. যেমন বরিশাল-১ আসনে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। আরও এমন অনেক নেতা আছেন. যাঁরা ৯৯ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন এত বেশি প্রার্থী. যা স্বাভাবিক নয়। ফেনীর অঘোষিত রাজা বলে খ্যাত নিজাম হাজারী একটি (অক্সফোর্ড স্কুল) কেন্দ্রের ৩ হাজার ১৬৭টি ভোটের সব কটি ভোটই পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম এবং মাহবুব তালুকদার ভোট দিতে গিয়ে বিরোধীদের কোনো এজেন্টকে দেখতে পাননি। ভোট শুরুর প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অসংখ্য অভিযোগ পাওয়ার কথা বলেছেন মাহবুব তালুকদার। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসব অভিযোগের জবাবে বলেছেন. কোনো প্রার্থী এজেন্ট না দিতে পারলে কমিশনের কী করার আছে। অথচ এক দিন আগে বিরোধীদের এজেন্টদের গ্রেপ্তার এবং ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগের পটভূমিতে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ভেতরেই তিনি এজেন্টদের ভয় দেখিয়ে বাধা দেওয়া আর এজেন্ট দিতে না পারার ফারাকটা যেভাবে অস্বীকার করলেন. তা দুঃখজনক। ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কর্তা এইচ টি ইমাম থেকে শুরু করে অন্য নেতারা এমন ধারণাই তৈরির চেষ্টা করছিলেন যে বিরোধী জোট এতই দুর্বল যে তাদের এজেন্ট দেওয়ার মতো লোকও নেই। বাম জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও তাঁদের এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। সব ধরনের অনিয়মের সাক্ষ্য-প্রমাণ আড়াল করতে কমিশনের সর্বাত্মক চেষ্টা সত্ত্বেও কোনো কোনো এলাকার ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এজেন্টদের প্রতিবাদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরছে। বিষয়টি যে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা ছিল না. বরং সারা দেশের ভোটচিত্রের অভিন্ন বৈশিষ্ট্য. তার সাক্ষ্য একচেটিয়া ভোটের পরিসংখ্যান। দেশীয় সংবাদমাধ্যম. বিশেষ করে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তাদের বিশেষ আয়োজনে নিয়মিতভাবে সরকার–সমর্থক আলোচকদের নিয়ে সরকারি ভাষ্যকে ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা ধরনের জল্পনায় সময় কাটিয়েছে। এদের মধ্যে অবশ্য দু-একটা চ্যানেল কিছুটা ব্যতিক্রম ছিল। ভোটের আগের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচার করার পর যমুনা টিভির সম্প্রচার কেবল অপারেটররা আগের রাতেই বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ আছে। ফলে অনলাইন ছাড়া তা দেখা যায়নি। তবে দেশীয় সংবাদমাধ্যমের চিত্র যা–ই হোক না কেন. আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর ছবিটা ছিল উল্টো। বিবিসি. সিএনএন. আল–জাজিরা. গার্ডিয়ান. ইন্ডনডিপেনডেন্ট. ডয়েচে ভেলে. ওয়াশিংটন পোস্ট ও দ্য ইকোনমিস্ট ভোটের অনিয়মের ছবিগুলোকেই প্রাধান্য দিয়েছে। বিবিসি ভোট দিতে না পারা ভোটারদের সহায়তা করায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা. ভোট শুরুর আগেই ব্যালট বাক্স ভর্তি. ভোটকেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলের একচেটিয়া পোস্টার-ফেস্টুন ও কর্মীদের নিয়ন্ত্রণের ফুটেজকেই ব্রিটিশ দর্শকদের সামনে মুখ্য করে তুলে ধরেছে। এমনকি. অর্থনৈতিক পত্রিকা ফিন্যান্সিয়াল টাইমস–এর খবরেও ভোট জালিয়াতি. ভোট দিতে না পারা. বিরোধীদের এজেন্ট বিতাড়ন এবং ভোটের অবিশ্বাস্য ব্যবধানের বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে। ক্ষমতাসীনেরা ছাড়া প্রায় সব রাজনৈতিক দলই এই নির্বাচনে অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগ এনেছেন। বাম জোটের প্রধান শরিক সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম একে ‘ভুয়া ভোটের ভুয়া নির্বাচন’ অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। বাম জোট বলেছে. প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে গোটা নির্বাচনকে ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে সর্বাধিক আসনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনও এই নির্বাচনকে প্রহসন বলে অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমে নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিরোধীদের দাবির বিষয়টিও বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। তা ছাড়া অনিয়মের অভিযোগগুলো নির্বাচন কমিশন তদন্ত করে দেখছে বলেও এসব খবরে বলা হয়েছে। অভিযোগ তদন্তের বিষয়টিকে এসব সংবাদমাধ্যমে অনিয়মের প্রশ্নটিকে কমিশনের স্বীকৃতি হিসেবেই বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক পরিসরে এই একচেটিয়া বিজয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। বিশেষত. ভোটের আগে বিরোধীদের ঢালাও গ্রেপ্তার. মামলা ও নিবর্তনের বিষয়গুলোতে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্বেগ-সমালোচনা কারও নজর এড়ায়নি। ফলাফল ঘোষণার পর হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক টুইটে ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগের কথা প্রকাশ করা হয়েছে। তা ছাড়া. আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের গড়িমসিকে তারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হিসেবেই বিবেচনা করেছে। প্রার্থী মনোনয়নে বিরোধী ঐক্যফ্রন্টকে যতটা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়েছে. তা কি এই বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে? সে ক্ষেত্রেও দেখা যায় যে এই বাধা সবচেয়ে বেশি এসেছে সরকারের পক্ষ থেকে। উপজেলা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রদের পদত্যাগপত্র গ্রহণের প্রশ্নে সরকারের ভূমিকার কারণে তাদের অনেক প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়েছেন. অনেককে নানা গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে. অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা বিদ্রোহী প্রার্থীর সমস্যা ঐক্যফ্রন্টে যতটা না হয়েছে. তার চেয়ে ক্ষমতাসীন জোটে তা বরং অনেক বেশিই ছিল। আরও বিস্ময়ের বিষয় হচ্ছে. কথিত মনোনয়ন–বাণিজ্যের কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ার কথা যেই দলটির. সেই জাতীয় পার্টিও বিস্ময়কর ফল করেছে। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রদবদল নিয়ে কম কৌতুক হয়নি। দলটির প্রধান এইচ এম এরশাদ ও তাঁর স্ত্রী রওশন এরশাদ কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারেও অংশ নিয়েছেন বলে জানা যায় না। এই পটভূমিতে তাঁদের দ্বিতীয় প্রধান দল হওয়াকে অলৌকিকই বলতে হবে। জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক গাঁটছড়ার বিষয়টি ভোটের ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলেছে. তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। ক্ষমতাসীন জোটের মনোনয়নে স্বাধীনতাযুদ্ধে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করা বিকল্পধারার মহাসচিবের নির্বাচিত হওয়া সেই সংশয় জিইয়ে রাখছে। প্রশ্ন হচ্ছে. এই ফলাফলের পরিণতিতে দেশের রাজনীতিতে কী পরিবর্তন আসবে? কার্যত ঐক্যফ্রন্টের সাতজন ছাড়া পুরো সংসদে মহাজোটের বাইরে কারও থাকার সম্ভাবনা নেই। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় পার্টি বিরোধী দলে বসলেও সেটা হবে পাতানো বিরোধী দল। এই দলের কোনো কোনো নেতা বলেছেন. তাঁরা মহাজোটের শরিক হয়ে নির্বাচন করছেন. মহাজোটের শরিকেই থাকতে চান। গত সংসদে বিএনপি না থাকলেও রাজনীতিতে তারাই ছিল সরকারের প্রতিপক্ষ. এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটবে বলে মনে হয় না। লেখক: সাংবাদিক,1573311 2019-01-05,এবার বাংলাদেশি ৩ নারী জড়িত থাকার তথ্য,,রাহীদ এজাজ. ঢাকা,৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573310/%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A7%A9-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%9C%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF,bangladesh,print,1,আইন ও বিচার|মাদক|শ্রীলঙ্কা|বাংলাদেশ,• শ্রীলঙ্কায় মাদক চোরাচালান• এ পর্যন্ত ছয় বাংলাদেশি নাগরিকের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে কলম্বোর পুলিশ• তাঁদের মধ্যে চারজনই নারী• কলম্বোয় গত ৩১ ডিসেম্বর ২৭২ কেজি হেরোইন. ৫ কেজি কোকেনসহ ধরা পড়েন দুই বাংলাদেশি • তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে শ্রীলঙ্কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াজিরা আবিওয়ার্দানার ফোন। • আগামীকাল রোববার ঢাকায় আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক। • শ্রীলঙ্কায় মাদক চোরাচালান• এ পর্যন্ত ছয় বাংলাদেশি নাগরিকের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে কলম্বোর পুলিশ• তাঁদের মধ্যে চারজনই নারী• কলম্বোয় গত ৩১ ডিসেম্বর ২৭২ কেজি হেরোইন. ৫ কেজি কোকেনসহ ধরা পড়েন দুই বাংলাদেশি • তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে শ্রীলঙ্কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াজিরা আবিওয়ার্দানার ফোন। • আগামীকাল রোববার ঢাকায় আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক। শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক ইতিহাসে মাদকের সবচেয়ে বড় চালান আটকের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ছয় বাংলাদেশি নাগরিকের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর দেশটির পুলিশ মাদক চোরাচালানে জড়িত এক নারীসহ তিন বাংলাদেশির কথা বলেছিল। তাঁরা এখন কলম্বোয় নিরাপত্তা হেফাজতে রয়েছেন। নতুন করে যে তিন বাংলাদেশির নাম প্রকাশ করেছে শ্রীলঙ্কা. তাঁরা সবাই নারী। শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশকে জানিয়েছে. প্রায় দুই বছর ধরে অভিযুক্ত ওই বাংলাদেশি নাগরিকেরা কলম্বোতে মাদক আনা–নেওয়ার কাজে জড়িত। তাঁরা কখনো ঢাকা থেকে সরাসরি কলম্বো আবার কখনো কুয়ালালামপুর থেকে কলম্বো হয়ে ঢাকায় আসা–যাওয়া করেছেন। বাংলাদেশি আরও কয়েকজন নাগরিক কলম্বোয় মাদক চোরাচালানে জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কলম্বোর অভিবাসন কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী. বাংলাদেশি তিন নারী হলেন শাহীনা আক্তার. রেহানা আখতার ও তানিয়া। এর মধ্যে শাহীনা আক্তার ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ থেকে ২০১৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তত ১০ বার শ্রীলঙ্কায় গেছেন। ওই সময়ের মধ্যে তিনি কখনো কুয়ালালামপুর থেকে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরেছেন। কখনো কুয়ালালামপুর থেকে কলম্বো হয়ে কুয়ালালামপুরে গেছেন। আবার কখনো ঢাকা থেকে কলম্বো হয়ে আবার ঢাকায় ফিরেছেন। ওই ১৯ মাসে তিনি মূলত শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনস ও মালিন্দো এয়ারে তিনটি গন্তব্যে আসা-যাওয়া করেছেন। শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ কলম্বোর বাংলাদেশ হাইকমিশনকে জানিয়েছে. অস্ট্রেলিয়া থেকে এক বাংলাদেশি শাহীনার সঙ্গে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ করতেন। তিনি এখন শ্রীলঙ্কায় নেই। অন্য দুই নারীর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই তাদের কাছে। শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক ইতিহাসে মাদকের সবচেয়ে বড় চালান ধরা পড়ে গত ৩১ ডিসেম্বর। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হন দুই বাংলাদেশি বগুড়ার মোহাম্মদ জামালউদ্দিন ও জয়পুরহাটের দেওয়ান রফিউল ইসলাম। তাঁদের কাছ থেকে ২৭২ কেজি হেরোইন ও ৫ কেজি কোকেন জব্দ করা হয়। কলম্বোর উপকণ্ঠ মাউন্ট লাভিয়ানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁদের কাছ থেকে জব্দ করা মাদকের দাম প্রায় ১৫২ কোটি টাকা। যে ফ্ল্যাট থেকে মাদকের বিশাল এই চালান ধরা পড়েছে. তা ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শাহীনা এক বছরের জন‍্য ভাড়া নিয়েছিলেন বলে জানায় শ্রীলঙ্কার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর কলম্বোর উপকণ্ঠের একই এলাকা থেকে ৩২ কেজি হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করা হয় বাংলাদেশি এক নারীকে. নাম সূর্যমণি। তিনি গত বছরের অক্টোবরের শুরুতে মালয়েশিয়া থেকে কলম্বোয় পৌঁছান বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। সর্বশেষ ২০১৩ সালে একটি বিশেষ অভিযানে শ্রীলঙ্কায় একসঙ্গে আটক হয়েছিল ২৬১ কেজি মাদক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এই তথ্য দিয়েছে। এদিকে ৩ জানুয়ারি শ্রীলঙ্কার স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি রফিউলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। কলম্বোর একটি কূটনৈতিক সূত্র প্রথম আলোকে বলেছে. জিজ্ঞাসাবাদের সময় বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। জানতে চাইলে কলম্বো থেকে মুঠোফোনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন. শ্রীলঙ্কা সরকারের অনুরোধেই হাইকমিশনের একজন প্রতিনিধি জিজ্ঞাসাবাদের সময় উপস্থিত ছিলেন। গতকাল জামালউদ্দিনকেজিজ্ঞাসাবাদ করেছেএসটিএফ। এ সময়ও হাইকমিশনের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। শ্রীলঙ্কায় ধরা পড়ার আগে জামালউদ্দিন ২০১৭ সালের ১২ আগস্ট বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে ৩০টি ইয়াবা বড়িসহ শহরের রূপকথা হাউজিং এলাকায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এ ঘটনায় বগুড়া সদর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর জামালের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। মামলাটি বগুড়ার আদালতে বিচারাধীন। শ্রীলঙ্কায় মাদকসহ গ্রেপ্তারের খবর ২ জানুয়ারি প্রথম আলোয় প্রকাশিত হওয়ার পর বগুড়ায় জামালের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়া রফিউল ইসলামের বাড়ি জয়পুরহাট সদর উপজেলার রামনগর চাঁদপুর গ্রামে। তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় কোনো মামলা নেই বলে পুলিশ জানায়। শ্রীলঙ্কার পুলিশি হেফাজতে থাকা আরেক বাংলাদেশি নারী সূর্যমণি গত অক্টোবরের শুরুতে মালয়েশিয়া থেকে কলম্বো যান। তাঁর বাড়ি লালমনিরহাটে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে. জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শ্রীলঙ্কার পুলিশকে বলেছিলেন বাংলা ছাড়া অন্য কোনো ভাষা জানেন না। কিন্তু পরে জানা গেছে. সূর্যমণি ইংরেজির পাশাপাশি সিংহলি ভাষায় কথা বলতে পারেন। এদিকে শ্রীলঙ্কায় মাদক পাচারে বাংলাদেশিদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় করণীয় ঠিক করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাল রোববার ঢাকায় আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক ডেকেছে। এতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।,1573310 2019-01-05,ও আমার দেশের মাটি,মৃত্তিকা সংগ্রহশালা,নাবিলা কবির,,https://www.prothomalo.com/pachmisheli/article/1573308/%E0%A6%93-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BF,pachmisheli,print,1,ছুটির দিনে,খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন। এই ভবনের নিচতলায় কিছুদূর এগোতেই নিচে নামার সিঁড়ি। নিচতলা থেকে আরও নিচে! সঙ্গের বন্ধু তাই রসিকতা করে বলল. ‘সয়েল আর্কাইভ বা মৃত্তিকা সংরক্ষণাগার দেখতে হলে মাটির নিচে গিয়েই দেখতে হবে দেখছি।’ মাটির ২০ ফুট নিচে নেমে দেখি কলাপসিবল গেটে তালা ঝুলছে। তবে কি আজ আর্কাইভ বন্ধ? একজন আরেজনের দিকে তাকিয়ে ওপরে প্রায় উঠেই এসেছি. তখন দেখা সংরক্ষণাগারের তত্ত্বাবধায়ক উজ্জ্বল কুন্ডুর সঙ্গে। তিনি নিচে নিয়ে গেলেন। জানালেন. নিরাপত্তার স্বার্থে তালা দিয়ে রেখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকলে অবশ্য নয়টা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত আর্কাইভ খোলাই থাকে। ফটক খুলতেই জ্যামিতিক আকৃতির ঘরে দেখি থরে থরে শত শত বাক্স সাজানো। সেসব বাক্সেই বন্দী পুরো বাংলাদেশের মাটি। প্রায় এক হাজার বর্গফুটের ছোট একটি ঘরে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়াকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। একটি বাক্সের মধ্যে রাখা আরও তিনটি বাক্স। আর তাতে রয়েছে মাটি। বাক্সের গায়ে আবার নম্বর বসানো। জিজ্ঞেস করতেই জানা গেল. এই নম্বরই মাটির পরিচয়। পুরো বাংলাদেশকে পাঁচটি অঞ্চলে ভাগ করে তাদের মধ্যে দেওয়া হয়েছে প্লট নম্বর। প্লট নম্বর দেখে বলে দেওয়া যাবে কোনটি কোন অঞ্চলের মাটি। ১৬৯৮টি প্লটের ৪২২৫টি মাটির নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে এখানে। আর্কাইভের এক মাথায় রয়েছে বাংলাদেশের মানচিত্র. যেখানে অঞ্চল ও প্লট নম্বর দেওয়া রয়েছে. যার সঙ্গে মিলিয়ে যে কেউ বুঝে নিতে পারবেন সে জায়গার মাটি কোনটি। ছোটখাটো আর্কাইভটি সংগ্রহের দিক দিয়ে বেশ সমৃদ্ধ। বাংলাদেশ বন বিভাগের সঙ্গে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে. জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) কারিগরি সহায়তায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএইডের আর্থিক সহযোগিতায় এই মৃত্তিকা আর্কাইভ গড়ে তোলা হয়েছে। ভবিষ্যতে একে আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা আছে। জানালেন উজ্জ্বল কুন্ডু। বন বিভাগ. কৃষি বিভাগ. পরিবেশ বিভাগ. মৃত্তিকা সম্পদ বিভাগসহ কৃষির সব খাতের জন্য গবেষণাকে সহজ করার জন্যই গত বছরের ৮ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয়েছে এই আর্কাইভ।,1573308 2019-01-05,পল্লী বিদ্যুতের ৮০০ ভ্যান নামছে. ৫ মিনিটে সংযোগ,,নিজস্ব প্রতিবেদক. ঝিনাইদহ,২৩,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573306/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%AE%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97,bangladesh,print,1,সরকার|বিদ্যুৎ সংযোগ,• বাড়ি বাড়ি যাবে ভ্যান• ভ্যানগুলোতে থাকবে বিদ্যুতের মিটার• সব প্রক্রিয়া শেষে মাত্র ৫ মিনিটেই দেওয়া হবে নতুন সংযোগ • বাড়ি বাড়ি যাবে ভ্যান• ভ্যানগুলোতে থাকবে বিদ্যুতের মিটার• সব প্রক্রিয়া শেষে মাত্র ৫ মিনিটেই দেওয়া হবে নতুন সংযোগ দেশের গ্রামাঞ্চলে আজ শনিবার থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৮০০ রিকশা–ভ্যান নামছে। বাড়ি বাড়ি যাবে এসব ভ্যান। ভ্যানগুলোতে থাকবে বিদ্যুতের মিটার. তারসহ নতুন বিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়ার সব সরঞ্জাম। গ্রাহক বিদ্যুৎ–সংযোগ চাইলে তাৎক্ষণিক সব প্রক্রিয়া শেষে মাত্র ৫ মিনিটেই দেওয়া হবে নতুন সংযোগ। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে. পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মঈন উদ্দীন গত বৃহস্পতিবার বিকেলে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপকদের (জিএম) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে প্রতিটি সমিতি থেকে অন্তত ১০টি করে রিকশা–ভ্যান নামিয়ে এভাবে বিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেওয়া ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক মো. আলতাফ হোসেন এসব তথ্য প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন. পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশের পর গত শুক্রবারই তিনি রিকশা–ভ্যান প্রস্তুত করেছেন। শনিবার থেকে সেগুলো মাঠে নেমে কাজ করবে। একইভাবে দেশের অন্যান্য স্থানেও শনিবার থেকে ভ্যান নামবে। ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ড উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাব-জোনাল অফিসের এজিএম শেখ আবদুর রহমান গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে ভ্যানে সরঞ্জাম নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন বিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। সঙ্গে থাকছেন দুজন লাইনম্যান ও একজন ওয়্যারিং পরিদর্শক। যাঁরা নতুন সংযোগ নিতে চাইছেন. তাঁদের সব প্রক্রিয়া শেষ করে মাত্র ৫ মিনিটে নতুন সংযোগ দিচ্ছেন। হয়রানি. ভোগান্তি ও বাড়তি অর্থ খরচ ছাড়াই গ্রাহকেরা সংযোগ পাচ্ছেন। ৪ দিনে এভাবে তিনি ৫৪টি সংযোগ দেন। তিনি এই কর্মসূচির নাম দিয়েছেন ‘আলোর ফেরিওয়ালা’। হরিণাকুণ্ডুতে পল্লী বিদ্যুতের এই উদ্যোগ নিয়ে ৩ জানুয়ারি প্রথম আলোর শেষ পাতায় ‘পাঁচ মিনিটে নতুন বিদ্যুৎ–সংযোগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে. এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর তা পল্লী বিদ্যুতের উচ্চপর্যায়ে সাড়া ফেলে এবং উচ্চপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা হরিণাকুণ্ডুর শেখ আবদুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। বিষয়টি দেখে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিকভাবে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএমদের নিয়ে ওই ভিডিও কনফারেন্স করেন। সেখানে ওই উদ্যোগকে মডেল হিসেবে নিয়ে প্রতিটি সমিতিকে অন্তত ১০টি করে এমন ভ্যান নামানোর নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী আজ থেকে ৮০০টি ভ্যান নামছে।,1573306 2019-01-05,রুমানার প্রত্যয়,,রানা আব্বাস,১,https://www.prothomalo.com/we-are/article/1573305/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%9F,we-are,print,1,ছুটির দিনে|তরুণ,আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক রুমানা আহমেদ। ২০১৯ সালটা রাখতে চান আরও স্মরণীয় করে. শোনালেন সে প্রত্যয়ের কথা। আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক রুমানা আহমেদ। ২০১৯ সালটা রাখতে চান আরও স্মরণীয় করে. শোনালেন সে প্রত্যয়ের কথা। বছরের শেষ দিনে রুমানা আহমেদ যখন সুসংবাদটা পেলেন. তিনি ছুটি কাটাতে তখন খুলনায়। ফোনের পর ফোন. এসএমএসে একের পর এক অভিনন্দন বার্তা—বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক যে জায়গা করে নিয়েছেন আইসিসি ঘোষিত মেয়েদের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে। ২০১৮ সালটা বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে ভীষণ স্মরণীয় হয়ে থাকবে একটি কারণেই. জুনে ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপ জেতা। আর সেই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল রুমানার। বাংলাদেশকে শিরোপা জেতানোর টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে নেন ১০ উইকেট। ফাইনালে হন ম্যাচসেরা। রুমানা অবশ্য তাঁর লেগ স্পিন আর ব্যাটিং দুটি দিয়ে অনেক দিন ধরেই দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। মেয়েদের ওয়ানডেতে বাংলাদেশের একমাত্র হ্যাটট্রিকের গৌরবটা তাঁরই। গত বছর ২৪ টি-টোয়েন্টিতে ৩০ উইকেট আর ২২৯ রান করে বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার ছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে মেয়েদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে উইকেট শিকারে রুমানা ছিলেন দুইয়ে. অলরাউন্ড পারফরম্যান্সেও তাঁকে রাখতে হবে সেরা তিনে। দুর্দান্ত এক বছর কাটানো বাংলাদেশের এ অলরাউন্ডারকে তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে রাখতে খুব একটা ভাবতে হয়নি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থার বিচারক প্যানেলকে। এমন অর্জনে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত রুমানা। তবে তিনি নাকি ভাবতে পারেননি আইসিসির বর্ষসেরা দলে জায়গা পাবেন। যেমনটি বলছিলেন. ‘বাংলাদেশের মেয়েদের ক্রিকেটে এটাই বোধ হয় প্রথম। আমার জীবনে নতুন এক অভিজ্ঞতা। ভীষণ ভালো লেগেছে। ২০১৮ সালটা আমার অনেক ভালো কেটেছে। তবে খুবই চমকে গিয়েছিলাম। এতটা প্রত্যাশা করিনি। নিজের কাছে অনেক বড় অর্জন মনে হয়েছে। ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি বলা যায়। এই দলে থাকাটা আরও সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।’আইসিসির দলে জায়গা পেতে হয়তো বড় অবদান রেখেছে মেয়েদের এশিয়া কাপে রুমানার পারফরম্যান্স। যে টুর্নামেন্ট জিতে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়েছে। এশিয়া কাপের শিরোপা জয় বাংলাদেশকে এতটা আত্মবিশ্বাসী করে. কদিন পরই দুর্দান্ত প্রতাপে পেরিয়ে যায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বও। কিন্তু আসল মঞ্চেই আলো ছড়াতে পারেননি বাংলাদেশের মেয়েরা। নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত মেয়েদের টি-টোয়েন্টিতে প্রতিটি ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে ভালো না করায় এ ভরাডুবি হলেও রুমানা বললেন. ব্যর্থতার পেছনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে. ‘বিশ্বকাপ বড় মঞ্চ। এ ধরনের টুর্নামেন্টে ভালো করতে হলে আগ থেকে জয়ের অভ্যাস থাকতে হবে। আর জয়ের অভ্যাস গড়তে প্রচুর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে হবে। সামনে যদি বেশি বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারি. বিশ্বকাপেও আমরা ভালো করতে পারব। এটা নিয়ে চিন্তিত নই। আমরা ভাবছি কতটা এগোতে পারছি।’রুমানা যে এগোনোর কথা বললেন. ২০১৮ সালটা বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট আসলেই কতটা এগিয়েছে. প্রশ্নটা এসে যাচ্ছে। এটা ঠিক. এশিয়া কাপের মতো বড় সাফল্য এসেছে গত বছর। এত বড় সাফল্য বাংলাদেশ ক্রিকেটেই আগে কখনো আসেনি। তবু রুমানা কিছু বাস্তবতা মনে করিয়ে দিলেন. ‘হ্যাঁ. অবশ্যই আমরা এগিয়েছি। তবু বলব কিছু জায়গায় এখনো আমরা অনেক পিছিয়ে। বিশ্বকাপের পর দেখেন বেশির ভাগ দলই ব্যস্ত খেলা নিয়ে। আমরাই শুধু বসে আছি। ভারতীয় খেলোয়াড়েরা বিশ্বকাপ খেলে এসে ব্যস্ত ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে। এরপর তারা নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে। বাংলাদেশ সেখানে পরের সিরিজ কার বিপক্ষে খেলবে. সেটি জানি না। জানি একটা ঘরোয়া লিগ হবে। কিন্তু ঘরোয়া লিগ তো সব নয়। ভালো কিছু করতে হলে আমাদের বেশি বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে হবে।’|বিসিবি সূত্রে জানা গেল. আগামী মার্চে নেপালে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়া গেমস দিয়ে মেয়েরা ফিরবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। রুমানা মনে করেন. বছরে যদি চার-পাঁচটা সিরিজ-টুর্নামেন্টে খেলতে পারেন. সামনে আরও বড় সাফল্য আসবে তাঁদের হাত ধরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ততা কবে থেকে শুরু. সেটি নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও তিনি বসে নেই। ব্যক্তি উদ্যোগে ফিটনেস ও স্কিল নিয়ে কাজ করছেন। আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়ে যে বেড়ে গেছে রুমানার স্বপ্নের পরিধি. ‘সব সময়ই চেষ্টা করি সফল হতে। দলকে সাফল্য এনে দিতে আমাকে ভালো খেলতেই হবে। ২০১৮ অনেক ভালো গেছে। এ বছর আরও ভালো খেলার চেষ্টা করব। ফিটনেস ও স্কিল নিয়ে কাজ করছি। পেছনে যেটা গেছে. গেছে। এবার ২০১৯ সালটা আরও স্মরণীয় করে রাখতে চাই। র​্যাঙ্কিংয়ে আরও ওপরে উঠতে চাই. এক-দুইয়ে চলে আসতে চাই। ভালো খেললে র​্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি এমনিই হবে। আর সেটা হলে ভবিষ্যতে এমন সুখবর আরও পাওয়া যাবে।’রুমানার ‘আরও সুখবর’ শুনতে অপেক্ষায় থাকবে বাংলাদেশ।,1573305 2019-01-05,শখ থেকে স্বর্ণ,,মাহফুজ রহমান,,https://www.prothomalo.com/pachmisheli/article/1573301/%E0%A6%B6%E0%A6%96-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3,pachmisheli,print,1,ছুটির দিনে,ডাকটিকিটের সমৃদ্ধ এক সংগ্রহ আছে শেখ শফিকুল ইসলামের। তাঁর কাছে আছে পূর্ববঙ্গের রাজস্ব ডাকটিকিটও। এই সংগ্রহ প্রদর্শন করে ইন্দোনেশিয়ায় আয়োজিত ‘ফোর নেশনস স্ট্যাম্প এক্সিবিশনে’ স্বর্ণ জিতেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশি ডাকটিকিট সংগ্রাহকদের মধ্যে এটাই প্রথম স্বর্ণপদক। শেখ শফিকুল ইসলাম এই সংগ্রহসহ আরও তিনটি সংগ্রহ দেখালেন আমাদের। ডাকটিকিটের সমৃদ্ধ এক সংগ্রহ আছে শেখ শফিকুল ইসলামের। তাঁর কাছে আছে পূর্ববঙ্গের রাজস্ব ডাকটিকিটও। এই সংগ্রহ প্রদর্শন করে ইন্দোনেশিয়ায় আয়োজিত ‘ফোর নেশনস স্ট্যাম্প এক্সিবিশনে’ স্বর্ণ জিতেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশি ডাকটিকিট সংগ্রাহকদের মধ্যে এটাই প্রথম স্বর্ণপদক। শেখ শফিকুল ইসলাম এই সংগ্রহসহ আরও তিনটি সংগ্রহ দেখালেন আমাদের। শেখ শফিকুল ইসলামের ভাষায়. ‘প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় থেকেই ডাকটিকিট সংগ্রহ করছি। এখন আমার বয়স ৫৮। দীর্ঘ এই সময়ে সংগ্রহ কম হয়নি!’ তা ঠিক কতগুলো ডাকটিকিট সংগ্রহ করেছেন এই জীবনে? এই প্রশ্নে তিনি এমনভাবে হাসলেন যেন আকাশের তারার সংখ্যা জানতে চেয়েছি। মোটা দাগে ৩০টি সংগ্রহ আছে তাঁর। এ পর্যন্ত বিশ্বের নামকরা প্রায় সব প্রদর্শনীতে দেখিয়েছেন সংগ্রহগুলো। পেয়েছেন অনেক পুরস্কার আর সীমাহীন আনন্দ। প্রশ্ন করে জানা গেল বর্তমানের ১৯৫টি দেশের তিন লাখের বেশি ডাকটিকিট রয়েছে তাঁর সংগ্রহে। শেখ শফিকুল ইসলাম সফল ব্যবসায়ী। দারুণ গোছানো মানুষ। ঢাকার গুলশান ১–এ তাঁর বাসা। সেখানেই কথা হচ্ছিল। পরিপাটি বসার ঘর। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ডাকটিকিটের সংগ্রহশালাটিও নিপুণ হাতে গোছানো। কিন্তু ওই গোছানো সংগ্রহশালা দেখতে দেখতেই মাথায় প্যাঁচ লেগে গেল! কত রং. আকার. বয়স. দাম আর গন্ধের ডাকটিকিট যে সাজিয়ে রাখা তাঁর অ্যালবামগুলোতে! কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখি অবস্থা। কিংবা বলা যায়. ফুলের বনে যার পাশে ‘যাই’ তারেই লাগে ভালো। কোনোটা দেখতে সুন্দর. কোনোটির দাম শুনে মুখ হাঁ হয়ে যায়. কোনোটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব শিহরণ জাগায়।আবার বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে সেঁটে থাকা ডাকটিকিটগুলো ছুঁয়ে দিলে কেমন গর্ববোধ হয়। তাই এই বিচিত্র ৩০টি সংগ্রহ থেকে বাছাই করা ৪টি নিয়ে বিস্তারিত বললেন শেখ শফিকুল ইসলাম। পূর্ববঙ্গের রাজস্ব ডাকটিকিট এই রাজস্ব ডাকটিকিটগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল ১৭১২ থেকে ১৮৯০ সালের মধ্যে। রাজস্ব ডাকটিকিট বলতে বিচারকাজ ও বিচারকাজের বাইরে এগুলো ব্যবহার করা হতো। এগুলোর মধ্যে ১৮৩১ সালের একটি দুষ্প্রাপ্য। যশোরের কোনো এক ব্যক্তির জমির মালিকানা হস্তান্তরের দলিল। এতে ১ হাজার ৬০০ রুপির রাজস্ব ডাকটিকিট ব্যবহৃত হয়েছে। এর আর দ্বিতীয় কোনো কপি নেই বলে জানালেন শেখ শফিকুল ইসলাম; ফলে দামও অনেক। ১৭১২ সালের আরেকটি দানপত্র চোখে পড়ল. ফারসি ভাষায় লেখা। প্রাচীন কাগজটি হাতে নিতেই মনে হলো. অতি বৃদ্ধ কোনো মানুষের হাত ধরেছি! ২০০৪–০৫ সাল থেকে এগুলো সংগ্রহ করছেন শেখ শফিকুল ইসলাম। মজার ব্যাপার হলো. এগুলোর কোনোটাই তিনি বাংলাদেশ বা ভারত থেকে সংগ্রহ করেননি। যুক্তরাজ্য. ফ্রান্স. অস্ট্রেলিয়াসহ আরও বেশ কিছু দেশে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে ছিল পূর্ববঙ্গের দলিলগুলো! এই সংগ্রহের জন্য ২০০৯ সালে কোরিয়া থেকে লার্জ সিলভার পদক জিতেছিলেন শফিকুল। তারপর গত বছরের আগস্ট মাসে ইন্দোনেশিয়া. মালয়েশিয়া. থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর—এই চার জাতি আয়োজিত ‘ফোর নেশনস স্ট্যাম্প এক্সিবিশনে’ থেকে পেলেন স্বর্ণ। আর এ পর্যন্ত মোট ১০টি পুরস্কার পেয়েছেন এই সংগ্রহের জন্য। পাকিস্তানি ডাকটিকিটের ওপর ‘বাংলাদেশ’ ওভারপ্রিন্ট কেবল ডাকমাশুল আদায়ের জন্য নয়. বাংলাদেশের প্রথম ৮টি ডাকটিকিট স্বাধীনতা আদায়ের হাতিয়ার হিসেবেও কাজ করেছিল। স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টির জন্য মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে ওই ৮টি ডাকটিকিট প্রকাশ করে। শেখ শফিকুল ইসলাম বলছিলেন. ‘ডাকটিকিট প্রকাশিত হলেও বাংলাদেশে ডাকঘরের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে। স্বাধীনতার পরও অবশ্য পাকিস্তানের ডাকটিকিট চালু ছিল। সে ক্ষেত্রে ডাকটিকিটে “পাকিস্তান” শব্দটির ওপর “বাংলাদেশ” শব্দটি ওভারপ্রিন্ট করা হতো। ১৯৭৩ সালের ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত এমনটা করা হয়েছিল। আর পাকিস্তানি খাম–পোস্টকার্ডের ব্যবহার ছিল ১৯৭৪ সালের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত। এর মধ্যে অল্প কিছু খামের ওপর পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টাররা লিখে দিয়েছিলেন. “এই পোস্ট অফিসে এই রবার স্ট্যাম্পটি পাকিস্তানি স্ট্যাম্পের ওপর ব্যবহৃত হচ্ছে”।’ এ ধরনের ডাকটিকিটের সংখ্যা কম বলে শেখ শফিকুল ইসলামের এই সংগ্রহও মূল্যবান। তাঁর ভাষায়. ‘এই সংগ্রহটি আমার খুব প্রিয়। বাংলাদেশের ইতিহাসের সাক্ষী এই ডাকটিকিট বা খামগুলো নিছক কাগজের টুকরা নয়. আরও বেশি কিছু।’ মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে বাংলাদেশে ডাকঘরের যাত্রা শুরুর পুরো সময়টার ডাকটিকিট. খাম. পোস্টকার্ডসহ নানা কিছু সংগ্রহ করেছেন শেখ শফিকুল ইসলাম। এসব নিয়ে পোস্ট অফিস রাবারপ্রিন্ট ‘বাংলাদেশ’ অন পাকিস্তান স্ট্যাম্প অ্যান্ড পোস্টাল স্টেশনারি ১৯৭১–১৯৭৪ নামে একটি বই–ও প্রকাশ করেছেন ২০১৫ সালে। বইটির জন্য ২০১৬ সালে নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড স্ট্যাম্প শোতে ‘লার্জ সিলভার’ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। বইটির নতুন সংস্করণ করছেন প্রভিশনাল ওভারপ্রিন্টস ক্ল্যাসিফিকেশন নামে। এ পর্যন্ত এই সংগ্রহের জন্য পেয়েছেন ১৫টি পুরস্কার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিকদের চিঠির খাম ১৯৭৪–৭৫ সালের কথা। শেখ শফিকুল ইসলাম তখন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুলতানপুরে সপ্তম বা অষ্টম শ্রেণিতে পড়েন। ‘সে সময় আমাদের আত্মীয় পীর শাহ মঈনুদ্দীন চিশতির বাড়িতে গিয়ে গুপ্তধনের খোঁজ পেলাম!’ বলছিলেন শফিকুল. ‘তখন পিয়নের পেছন পেছন সারা দিন ঘুরতাম একটা ডাকটিকিটের জন্য। ওই বাড়িতে গিয়ে মনে হলো. এ তো গুপ্তধন। বড় এক ঘরের ছাদে ঝুলে থাকতে দেখলাম অনেকগুলো খাম। ব্যস. হাজারো মাকড়সার জাল দুহাতে সরিয়ে সেগুলো নামিয়ে আনলাম। অনেক চিঠি। অধিকাংশই আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে বাঙালি সৈনিকদের লেখা। পীর সাহেবের মুরিদ হিসেবে লিখেছিলেন তাঁরা। ওগুলোর মূল্য বোঝার বয়স তখন আমার ছিল না। কেবল ডাকটিকিটগুলোই নিয়ে এসেছিলাম।’ দীর্ঘ ২০ বছর পর শফিকুল ঠিকই উপলব্ধি করলেন. গুপ্তধনের কিছুই তো তিনি নিয়ে আসেননি। ফলে আবার ফিরে গেলেন ওই বাড়িতে। আগের চেয়েও আরও অযত্নে পড়ে ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈনিকদের লেখা চিঠির খামগুলো। গুরমুখী. আরবি. রোমান. উর্দু—কত ভাষায় লেখা সেসব চিঠি! এগুলোর গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে ‘সেন্সর’ করার কারণে। অর্থাৎ চিঠির অনেক কিছুই মুছে দেওয়া হয়েছিল। এই সংগ্রহ শেখ শফিকুল ইসলামকে এনে দিয়েছে ৫টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার। যুগে যুগে বৈশ্বিক যোগাযোগ অধিকাংশ নবীন ডাকটিকিট সংগ্রাহকের বেলায় রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলার এই কথাগুলো খুব খাটে. ‘ইচ্ছেমতো কুড়িয়ে-বাড়িয়ে যা পেয়েছি ঝুলি ভরতি করেছি তাই দিয়েই’। কিন্তু শেখ শফিকুল ইসলামের পরামর্শ. ‘নতুন যারা ডাকটিকিট সংগ্রহ করছে. তারা একটা বিষয় বেছে নিলে ভালো করবে। যা পাই তা–ই সংগ্রহ করি—এমনটা হলে জট পাকিয়ে যায়। আমি যেমন এই সংগ্রহটি সাজিয়েছি বৈশ্বিক যোগাযোগ নিয়ে।’ কী আছে এই অ্যালবামে? বতসোয়ানার ডাকটিকিটে দেখা যাচ্ছে গুহাচিত্র. অস্ট্রিয়ার ডাকটিকিটে টাইপরাইটার. ভারতের ডাকটিকিটে টেলিফোন আবার যুক্তরাষ্ট্রের ডাকটিকিটে শিক্ষক–শিক্ষার্থীর কথোপকথন। যোগাযোগের প্রায় সব মাধ্যমই উঠে এসেছে এই সংগ্রহে। এমনকি সংগীত তারকার সঙ্গে শ্রোতার যোগাযোগ কিংবা স্যাটেলাইটের মতো বিষয়ও বাদ যায়নি। শেখ শফিকুল ইসলামের ভাষায়. ‘পৃথিবীটাই চলছে যোগাযোগের কারণে। যোগাযোগ কোথায় নেই? আদিম যুগ থেকে এই আধুনিক যুগের যোগাযোগব্যবস্থা ডাকটিকিটে দেখা যায়। আমি সেসব নিয়েই গবেষণা ও সংগ্রহ করেছি। সংগ্রহটির জন্য গত বছর “ফোর নেশনস স্ট্যাম্প এক্সিবিশনে” লার্জ ভার্মিল পেয়েছি আমি।’,1573301 2019-01-05,স্বস্তির পাশাপাশি আছে অনেক চ্যালেঞ্জ,,জাহাঙ্গীর শাহ. ঢাকা,২,https://www.prothomalo.com/economy/article/1573297/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C,economy,print,1,বাণিজ্য সংবাদ,• বড় প্রবৃদ্ধি নিয়ে নতুন বছর শুরু করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার• এ সময়ে আবার ভ্যাট আইন চালু করতে হবে• শেষ করতে হবে বড় দুটি প্রকল্প • উচ্চ প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কমাতে হবে তীব্র আয়বৈষম্য • থাকবে ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার তাগিদ • বড় প্রবৃদ্ধি নিয়ে নতুন বছর শুরু করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার• এ সময়ে আবার ভ্যাট আইন চালু করতে হবে• শেষ করতে হবে বড় দুটি প্রকল্প • উচ্চ প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কমাতে হবে তীব্র আয়বৈষম্য • থাকবে ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার তাগিদ নতুন বছরে অর্থনীতিতে যেমন স্বস্তির খবর থাকবে. তেমনি কিছুটা চাপও থাকবে। স্বস্তির বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো. দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি বিনিয়োগের স্থবিরতার অবসান ঘটাতে এ বছরই কয়েকটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের জমি কারখানা স্থাপনের জন্য প্রস্তুত হবে। আবার ব্যবসা-বাণিজ্যের বিদ্যমান ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে চলতি অর্থবছরেই সার্বিকভাবে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের ঘরে পৌঁছাবে। আবার এ বছরই পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা। এই দুটি মেগা প্রকল্প শেষ হলে তা অর্থনীতির জন্য বড় অর্জন হবে। তবে আদৌ চলতি বছর প্রকল্প দুটি শেষ হবে কি না. তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। চলতি বছরে নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে অস্বস্তিকর বিষয় হতে পারে নতুন মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন। ব্যবসায়ীদের তীব্র আপত্তির মুখে ২০১৭ সালের জুন মাসে আইনটির বাস্তবায়ন দুই বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়। আগামী জুলাই থেকে নতুন আইনটি বাস্তবায়ন হওয়ার কথা। আবার ব্যাংক খাতে এখন ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ খেলাপি হয়ে আছে। রয়ে গেছে বড় বড় কয়েকটি ব্যাংক কেলেঙ্কারির রেশ। এই খাতে স্বজনপ্রীতি. অনিয়ম দূর করতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর আছে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। এসব বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন. ‘এ বছর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ শুরু হলে. তা ভালো খবরই হবে। তবে শুধু অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের কাজ শেষ করলেই হবে না। একজন বিনিয়োগকারীর অন্য সুবিধা যেমন ওয়ানস্টপ সার্ভিস. শুল্ক আইন. কোম্পানি আইন. দক্ষতা উন্নয়ন আইনসহ ব্যবসা সহজীকরণের সংস্কার উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন. উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করতে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। ব্যাংক খাতের অনিয়মের পেছনে ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতা—দুজনই দায়ী; দোষীদের আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ প্রাপ্তি সহজলভ্য করতে হবে। এসব করতে পারলে সব মিলিয়ে আমরা একটি রূপান্তরমূলক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাব।’ সম্ভাবনাবেসরকারি বিনিয়োগ কয়েক বছর ধরেই জিডিপির অনুপাতে ২১-২২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাঘুরি করছে। বিনিয়োগের স্থবিরতা কাটাতে ২০৩০ সালের মধ্যে সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো খবর হলো. এ বছরই অন্তত চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। ওই চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী. মৌলভীবাজারের শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল. চট্টগ্রামের আনোয়ারার চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল ও খুলনা অর্থনৈতিক অঞ্চল। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা নির্মাণের জন্য কয়েক শ শিল্প প্লট প্রস্তুত হয়ে যাবে। এতে বিনিয়োগ যেমন বাড়বে. নতুন কর্মসংস্থানও হবে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। যদিও লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। গত কয়েক মাসে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল একাধিকবার সাংবাদিকদের বলেছেন. চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অন্তত সোয়া ৮ শতাংশ হবে। স্বাধীনতার পর এটিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি। এর আগে ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে ১২ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। এর আগের বছর প্রবৃদ্ধি খুব কম হওয়ায় ওই বছর (১৯৭৪-৭৫) প্রবৃদ্ধি এমনভাবে বেড়েছে। অন্যদিকে নতুন বছর একটি স্বস্তিদায়ক মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি নিয়ে শুরু হচ্ছে। গত ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ হয়েছে। উচ্চ প্রবৃদ্ধি বনাম বৈষম্যপ্রখ্যাত সাময়িকী ইকোনমিস্ট-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট সম্প্রতি ২০১৯ সালের বিশ্ব প্রবৃদ্ধির একটি পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যমতে. চলতি বছরে শীর্ষ প্রবৃদ্ধির পাঁচটি দেশের একটা হবে বাংলাদেশ। এ বছর সবচেয়ে ভালো করবে সিরিয়া। এরপরই রয়েছে বাংলাদেশ. প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। ৭ দশমিক ৪ শতাংশ নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকবে ভুটান. এরপরের স্থানে ভারত. প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। শীর্ষ পাঁচের শেষ দেশটি রুয়ান্ডা. ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। এর আগে গত অক্টোবরে বহুজাতিক ব্যাংক দ্য হংকং সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি) ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়ে ৭৫টি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মূল্যায়ন করে বলেছে. ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির বিবেচনায় বিশ্বের ২৬ তম বড় অর্থনীতির দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ৪২ তম। বাংলাদেশের পেছনে থাকবে মালয়েশিয়া. ভিয়েতনাম. ফিলিপাইন ও পাকিস্তানের মতো দেশ। তবে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও এ নিয়ে বড় ধরনের দুশ্চিন্তাও আছে। বৈষম্য বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) গত নভেম্বর মাসে গবেষণা করে দেখিয়েছে. বাংলাদেশ উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও এখনো প্রতি চারজনের একজন অতিদরিদ্র আর প্রতি আটজনের একজন দারিদ্র্যের নিম্নসীমার নিচে রয়েছে। উচ্চ প্রবৃদ্ধি হলেও অসমতা বা বৈষম্য বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির গতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে। অর্থনীতিবিদেরা বলছেন. সেসব দেশকে উন্নয়ন তত্ত্বে উচ্চ আয়বৈষম্যের দেশ হিসেবে অভিহিত করা হয়. বাংলাদেশ এখন এর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। সুতরাং আয়বৈষম্য কমানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করছেন সবাই। আশা ও অনিশ্চয়তা বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার প্রথম মেয়াদে ক্ষমতায় এসে অগ্রাধিকারভিত্তিতে মেগা প্রকল্প নিতে শুরু করে। এখন পর্যন্ত ১০টি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার। এই তালিকায় আছে পদ্মা সেতু. মেট্রোরেল. চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র. মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র. পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা–খুলনা রেলপথ নির্মাণ অন্যতম। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু ও রাজধানীর মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ শেষ করতে চায় সরকার। প্রকল্প প্রস্তাবেও সময়সীমা ডিসেম্বর পর্যন্ত। গত নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রকল্পের ৬১ শতাংশ কাজ শেষ। আগামী ডিসেম্বর মাসে পদ্মা সেতু শেষ হলে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। তবে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটি শেষ করা নিয়ে সংশয় আছে। ২০০৭ সালে একনেক এই প্রকল্পে প্রথম ব্যয় ধরেছিল ১০ হাজার ১৬১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আর এখন তা প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা। বাস্তবায়নের সময় বাড়লে খরচও বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে মেট্রোরেলের কাজ শেষ হলে রাজধানীর নাগরিকেরা প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। ডিসেম্বরে উত্তরা থেকে মিরপুর হয়ে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের কাজ শেষ হওয়ার কথা। এতে যানজটে নাকাল হওয়ার হাত থেকে রাজধানীবাসীর কিছুটা মুক্তি মিলবে। প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ২০ শতাংশের মতো হলেও বাস্তবায়ন অগ্রগতি অনেক বেশি বলে জানা গেছে। চ্যালেঞ্জ অনেক ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যে ভ্যাট আইন চালু করতে হবে। আগামী জুলাই মাসে এই আইন চালু করার ঘোষণা আছে। ২০১২ সালের এই আইন প্রথম পাঁচ বছর শুধু প্রস্তুতির জন্য রাখা হয়েছিল। এই সময় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের সঙ্গে ভ্যাট আইন নিয়ে আলোচনা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও (এনবিআর) ভ্যাটের যাবতীয় কার্যক্রম অনলাইনে করার প্রস্তুতি নিয়েছে। নতুন আইনে ভ্যাট হার একটি. তা হলো ১৫ শতাংশ। ব্যবসায়ীরা চেয়েছিলেন একাধিক ভ্যাট হার। কিন্তু ২০১৭ সালের জুলাই মাসে এই ভ্যাট আইন চালুর ঠিক আগে ব্যবসায়ীদের তীব্র আপত্তির মুখে সরকার পিছু হটে। আইনটি দুই বছর পিছিয়ে দিয়ে আগামী জুলাই মাসে নতুন সময় ঠিক করা হয়। অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় আছে ব্যাংক খাত। সবচেয়ে বড় ঘটনা ঘটেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার মতো রিজার্ভ চুরি। এ ছাড়া গত কয়েক বছরে এই খাতে হল–মার্ক. বেসিক ব্যাংক. ফারমার্স ব্যাংক. জনতা ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে। অনিয়ম করে কয়েক হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। একই পরিবারের হাতে বেসরকারি ব্যাংকের মালিকানা দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে ব্যাংক আইন পরিবর্তন করা হয়েছে। ব্যাংক খাত সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা এখন নতুন সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. সর্বস্তরের মানুষের সমর্থনের কারণে নতুন সরকারের দায়িত্ব আরও বেড়েছে। তিনি চান. ব্যবসা সহজ করা. সময়ের কাজ সময়েই শেষ না করলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা. হয়রানিমুক্ত কর ব্যবস্থা. বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া. ব্যাংকঋণের সুদ ৯ শতাংশে নামিয়ে আনা।,1573297 2019-01-05,মৃত্যুর ১৪ বছর পর স্বীকৃতি,শব্দসৈনিক আনোয়ারুল আবেদীন,আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ রাজশাহী,১,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573295/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AA-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF,bangladesh,print,1,ছুটির দিনে|মুক্তিযুদ্ধ,চিঠিটা যখন এসে বাড়িতে পৌঁছাল. তার প্রায় ১৪ বছর আগে মারা গেছেন প্রাপক। প্রাপকের ভাই ‘একমাত্র বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কার্যে ব্যবহার্য’ লেখা খামটি বুঝে নিলেন। খাম খুলে দেখেন. ছোট ভাই আনোয়ারুল আবেদীনের নাম মুক্তিযুদ্ধের ‘শব্দসৈনিক’ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত হয়েছে। সেই গেজেটেরই একটি পাতার ফটোকপি রয়েছে খামের ভেতর। শব্দসৈনিকের বড় ভাই আশফাকুল আশেকীন বলছিলেন. ‘গত বছরের জুন মাসে সে চিঠিখানা হাতে পেয়েছি। আনোয়ারুল আবেদীন মারা যান ২০০৪ সালের ১৬ এপ্রিল। তাঁর ডাকনাম ছিল টুলু। তাঁর মৃত্যুর ১৪ বছর এবং বিজয়ের ৪৭ বছর পর এই স্বীকৃতি আমাকে হতবিহ্বল করে ফেলেছিল।’ আনোয়ারুল ও আশফাকুল যমজ ছিলেন। পাঁচ মিনিটের ছোট ছিলেন আনোয়ারুল আবেদীন। যুদ্ধদিনের আনোয়ারুল আবেদীন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের কলকাতায় অবস্থিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রশাসনিক বিভাগে কর্মরত ছিলেন আনোয়ারুল আবেদীন। তিনি একজন শব্দসৈনিক. স্ক্রিপ্ট রাইটার. গীতিকার. কথক শিল্পী ছিলেন। তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিতভাবে ‘মীরজাফরের রোজনামচা’ এবং ‘জনতার আদালত’ নামে দুটি কাউন্টার প্রপাগান্ডা লিখতেন এবং স্বকণ্ঠে প্রচার করতেন। আনোয়ারুল আবেদীনের স্ত্রী ড. ফরিদা সুলতানা বলছিলেন. ‘আনোয়ারুল আবেদীন যুদ্ধে গিয়েছিলেন পরিবারের কাউকে না জানিয়ে। ১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল রাজশাহীর চারঘাটে যেদিন যুদ্ধ হয়. সেদিন চারঘাটের একটি দলের সঙ্গে তিনি ভারতে চলে যান। যুদ্ধে যাওয়ার পরে পরিবারের সদস্যরা ধরেই নিয়েছিলেন. তিনি হয়তো বেঁচে নেই। পরে তাঁর হাতের লেখা একটি চিঠি থেকে জানা যায়. তিনি বেঁচে আছেন।’ আনোয়ারুল আবেদীনের বাড়ি রাজশাহী শহরের বোয়ালিয়া থানার ঘোড়ামারা এলাকায়। তাঁর বাবার নাম মোহাম্মদ ইয়াসিন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তিনি বাংলাদেশ বেতার রাজশাহীতে অনুষ্ঠান প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি তথ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। প্রথমে খুলনা বিভাগ ও পরে রাজশাহী বিভাগের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই পদে থেকেই তিনি অবসর নেন। তিনি বাংলাদেশ বেতারের একজন ‘এ-প্লাস’ গ্রেডের গীতিকার ছিলেন। রম্য লেখক হিসেবেও সুখ্যাতি ছিল। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় কোনো দিন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সনদ নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। নাম এল পত্রিকায় ২০০৫ সালের ১৩ জুন ঢাকা থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ-এ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট শিল্পী-কর্মীদের ১৭৭ জনের নামের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকার ৭৬ নম্বর ক্রমিকে আনোয়ারুল আবেদীনের নাম ছিল। এটা দেখার পরে তাঁর স্ত্রী ড. ফরিদা সুলতানা ২০০৫ সালের ৪ জুলাই আনোয়ারুল আবেদীনের নাম মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করেন। তারও এক যুগ পরে এল এই স্বীকৃতি।,1573295 2019-01-05,তিন বছরেও অজানা কোকেনের গন্তব্য,,গাজী ফিরোজ. চট্টগ্রাম,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573296/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%85%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF,bangladesh,print,1,অপরাধ|চট্টগ্রাম|চট্টগ্রাম বিভাগ|মাদক,• তেলের চালানে কোকেন • ডিবি পুলিশের তদন্তে গন্তব্য অজানা থাকায় র‍্যাবকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ• র‌্যাবের তদন্তেও তা বের হয়নি• শুরু হয়নি বিচার • তেলের চালানে কোকেন • ডিবি পুলিশের তদন্তে গন্তব্য অজানা থাকায় র‍্যাবকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ• র‌্যাবের তদন্তেও তা বের হয়নি• শুরু হয়নি বিচার চট্টগ্রাম বন্দরে জব্দ হওয়া কোকেনের চালানের গন্তব্য সাড়ে তিন বছরেও জানা যায়নি। চালানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত কি না. র‍্যাবকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। এখনো শেষ হয়নি তদন্ত। পাশাপাশি একই ঘটনায় করা মাদক মামলার বিচারও শুরু হয়নি। জামিন পেয়ে পলাতক রয়েছেন আসামি। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন. চালানটির গন্তব্য নির্ধারণ ও জড়িত দেশি–বিদেশি চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। না হলে তারা এ ধরনের অপরাধ বারবার করবে। এতে ক্ষতি হবে দেশের। ২০১৫ সালের ৬ জুন পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোকেন সন্দেহে চট্টগ্রাম বন্দরে সূর্যমুখী তেলের চালান জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এরপর ২৭ জুন তেলের চালানের ১০৭টি ড্রামের মধ্যে একটি ড্রামের নমুনায় কোকেন শনাক্ত হয়। বলিভিয়া থেকে আসা চালানটির প্রতিটি ড্রামে ১৮৫ কেজি করে সূর্যমুখী তেল ছিল। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি). মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাসায়নিক পরীক্ষাগারসহ চারটি পরীক্ষাগারে তেলের চালানের দুটি ড্রামের নমুনায় কোকেন শনাক্ত হয়। এ চালানটি উরুগুয়ের মন্টিভিডিও থেকে জাহাজীকরণ করা হয়। পরে তা সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে. বাংলাদেশ এর আগে কখনোই বলিভিয়া থেকে সূর্যমুখী ভোজ্যতেল আমদানি করেনি। তা ছাড়া তরল কোকেনকে গুঁড়া বা পাউডার কোকেনে রূপান্তর করার মতো প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি বাংলাদেশে নেই। কোকেন জব্দের ঘটনায় চট্টগ্রামের বন্দর থানায় ২০১৫ সালের ২৭ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। আসামি করা হয় চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খানজাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদকে। ঘটনার পাঁচ মাস পর চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ নূর মোহাম্মদকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। চালানের গন্তব্য অজানা. আন্তর্জাতিক চক্র শনাক্ত না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ নারাজি আবেদন করলে আদালত র‍্যাবকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। কিন্তু র‍্যাবের তদন্তেও চালানটির গন্তব্য বের করা সম্ভব হয়নি। র‍্যাব নূর মোহাম্মদসহ ১০ জনকে আসামি করে ২০১৭ সালের ৩ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত তা গ্রহণ করেন। বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি বিচার শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। ২৩ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ রয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর সরকারি কৌঁসুলি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন. কোকেন জব্দের ঘটনার মাদক মামলা বিচার শুরুর জন্য প্রস্তুত হলেও চোরাচালান আইনের মামলাটি তদন্ত এখনো শেষ করতে পারেনি র‍্যাব। মামলা দুটি হলেও ঘটনা ও সাক্ষী একই। দুটি মামলার বিচার কার্যক্রম একসঙ্গে চললে সময় বাঁচবে। একজন সাক্ষীকে দুবার আসতে হবে না। এতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা যাবে। এ জন্য তদন্ত প্রতিবেদন দিতে র‍্যাবকে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন. চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক ও চোরাচালান আইনে একই ঘটনায় হওয়া দুটি মামলার বিচারও একসঙ্গে হয়েছিল। পলাতক আসামিরা অধরালন্ডনপ্রবাসী চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ফজলুর রহমান ও মৌলভীবাজারের বকুল মিয়া এখনো ধরা পড়েননি। আর জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন নূর মোহাম্মদ। জামিনে রয়েছেন কসকো বাংলাদেশ শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক এ কে আজাদ. সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদী আলম. সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সাইফুল আলম ও আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল। কারাগারে রয়েছেন প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা ও পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান।,1573296 2019-01-05,নিহত ২৪ জনের পরিচয় মেলেনি,,শেখ সাবিহা আলম. ঢাকা,,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573294/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A7%A8%E0%A7%AA-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BF,bangladesh,print,1,অপরাধ|পুলিশ,• জঙ্গিবিরোধী ২১ অভিযান• জঙ্গিবাদে সন্তান নিহত হলেও একঘরে হওয়ার ভয়ে পরিবারগুলো পরিচয় শনাক্ত করতে আসে না • ২০১৬ সালের জুলাই থেকে দুই বছরে ২১ অভিযানে ৮৫ জঙ্গি নিহত• নিহত জঙ্গিদের শুধু সাংগঠনিক নাম জানা গেছে • পরিচয় না পাওয়া মৃতদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন • জঙ্গিবিরোধী ২১ অভিযান• জঙ্গিবাদে সন্তান নিহত হলেও একঘরে হওয়ার ভয়ে পরিবারগুলো পরিচয় শনাক্ত করতে আসে না • ২০১৬ সালের জুলাই থেকে দুই বছরে ২১ অভিযানে ৮৫ জঙ্গি নিহত• নিহত জঙ্গিদের শুধু সাংগঠনিক নাম জানা গেছে • পরিচয় না পাওয়া মৃতদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন গুলশানের হোলি আর্টিজানে ২০১৬ সালের ১ জুলাই জঙ্গি হামলার পর থেকে গত বছরের ৫ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশ ও র‍্যাবের জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত হয়েছে ৮৫ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাংগঠনিক নাম জানা গেলেও তাদের ২৪ জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত ব্যক্তিদের সবাই আইএস মতাদর্শে বিশ্বাসী নব্য জেএমবির সদস্য বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যৌথ বাহিনীর ২টি. পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটি) ১৪টি এবং র‍্যাবের ৫টি অভিযানে সন্দেহভাজন ওই জঙ্গিরা নিহত হয়। এর মধ্যে র‍্যাবের অভিযানে নিহত ১৫ জনের পরিচয় এখনো অজানা। অজ্ঞাতনামাদের অন্য ৯ জন নিহত হয়েছে ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের নোয়াগাঁওয়ের পাতারটেকে সিটির অভিযানে এবং ২০১৭ সালের ২৪–২৭ মার্চ পর্যন্ত পরিচালিত যৌথ বাহিনীর অভিযানে। ‘অজ্ঞাতনামা’ থাকার পেছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে বলে মনে করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। প্রথমত. অনেকে পরিবারগুলো একঘরে হয়ে যাওয়ার ভয়ে সন্তানদের শনাক্ত করতে আসতে চান না। কেউ কেউ গোপনে এসে নমুনা দিয়ে চলে যান। দ্বিতীয়ত. যেসব অভিযানে বিস্ফোরণ ঘটে সেখানে মৃতদেহগুলো পুড়ে যাওয়ায় নমুনা সংগ্রহ করা যায়নি। ফলে অজ্ঞাতনামা হিসেবে লাশগুলো দাফন করা হয়। র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানান. ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মিরপুরের বর্ধনবাড়িতে র‍্যাবের অভিযানে আবদুল্লাহর পরিচয় পাওয়া গেলেও সহযোগীদের পরিচয় জানা যায়নি। গত বছরের অক্টোবরে মিরসরাইয়ের অভিযানেও একই কারণে মৃতদেহ শনাক্ত করা যায়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া ও জনসংযোগ) মাসুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন. জঙ্গি হামলায় কেউ নিহত হলে লাশ শনাক্ত করতে প্রথমেই জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে আঙুলের ছাপ মেলে কি না. মিলিয়ে দেখা হয়। ডিএমপির সংবাদ–বিষয়ক পোর্টাল ডিএমপি নিউজে ছবি প্রকাশ করে পরিচয় জানতে চাওয়া হয় এবং নিহত ব্যক্তিদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। যাদের পরিচয় মেলেনি২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর পুলিশ ও র‍্যাবের পৃথক অভিযানে এক দিনে মারা যায় ১১ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরও ১ জন। গাজীপুর. টাঙ্গাইল ও ঢাকার আশুলিয়ায় পরিচালিত ওই অভিযানে ৮ জনের পরিচয় এখনো অজানা। গাজীপুরের নোয়াগাঁওয়ে ওই দিন অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম। ‘অপারেশন স্পেট এইট’ নামের ওই অভিযানে নিহত হয় ৭ জন। কাছেই গাজীপুরের হাঁড়িনালে র‍্যাবের অভিযান ‘শরতের তুফান’–এ নিহত হয় আরও ২ জন। এখন পর্যন্ত পাতারটেকে নিহত সন্দেহভাজন জঙ্গিদের ১ জনের নাম ফরিদুল ইসলাম ওরফে আকাশ বলে জানা গেছে। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইমের কর্মকর্তারা জানান. ফরিদুল নব্য জেএমবির ঢাকা বিভাগের অপারেশন কমান্ডার ছিল। পরে সব মৃতদেহ অজ্ঞাতনামা হিসেবে দাফন করে কর্তৃপক্ষ। অপারেশন স্পেট এইটের পর ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিট আশকোনার সূর্যভিলায় অপারেশেন রিপল ২৪ পরিচালনা করে। ২০১৭ সালের ১৫ ও ১৬ মার্চ পুলিশ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অ্যাসল্ট সিক্সটিনে একসঙ্গে দুটি আস্তানায় অভিযান চালায়। ওই অভিযানে নিহত ৫ জনের ৪ জন হলো বান্দরবনের কামাল ও জোবায়দা দম্পতি. তাদের সন্তানও মিরপুরের রাফিদ আল হাসান। পরিচয় পাওয়া যায়নি ১ জনের। অপারেশন অ্যাসল্ট সিক্সটিনের সূত্র ধরে ৮ দিন পর ২০১৭ সালের ২৫ মার্চ পুলিশ. র‍্যাব ও সেনাবাহিনী অভিযান চালায় সিলেটের শিববাড়ির আতিয়া মহলে। ওই অভিযানে নিহত ৪ জনের ১ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি বান্দরবানের বাইশারীর মনজিয়ারা। আতিয়া মহলের অভিযানকে কেন্দ্র সিলেটে হত্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দুটি মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দেওয়ান আবুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন. ধারণা করা হচ্ছিল মৃতদেহগুলোর একটি নব্য জেএমবি মুসার। মুসার মায়ের ডিএনএ নেওয়া হয়েছিল. কিন্তু মেলেনি। তবে ওই সময় থেকে নিখোঁজ একজন তরুণের মৃতদেহ এখানে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের একটি সূত্র বলছে. ওই অভিযানে নিহত আরও ২ জনের পরিচয় তাঁরা পেয়েছেন। ১ জনের নাম ফাহিম. অন্যজনের নাম খাববাব আল মিশরী। ফাহিমের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় পাওয়া যায়নি। খাববাবের বাড়ি টাঙ্গাইল. শুধু এটুকুই জানা গেছে। কাছাকাছি সময়ে ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ র‍্যাব সদর দপ্তরের ফোর্সেস ব্যারাকের সামনে এক তরুণ আত্মঘাতী বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। পরদিন আমিরন নামের এক নারী তাঁকে নিজের সন্তান বলে দাবি করেন। তিনি জানান. ছেলেটির নাম রফিক। তবে যাচাই–বাছাই শেষে দেখা যায়. আত্মঘাতী তরুণটি তাঁর সন্তান নন। একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর র‍্যাব মিরপুরের বর্ধনবাড়িতে ৫৬ ঘণ্টার অভিযান পরিচালনা করে। ওই অভিযানে নিহত হয় ৬ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আবদুল্লাহর পরিচয় পাওয়া গেলেও বাকিদের শনাক্ত করা যায়নি।,1573294 2019-01-05,ক্যানসার শনাক্ত হবে ১০ মিনিটে,গবেষক দলে বাংলাদেশের ড. সিনা,কাউসার খান সিডনি (অস্ট্রেলিয়া),৩,https://www.prothomalo.com/technology/article/1573293/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87,technology,print,2,ছুটির দিনে,অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক সম্প্রতি এমন একটি পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছেন. যা দিয়ে রক্তের একটা পরীক্ষা করে সব ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে খবরটি দ্য টেলিগ্রাফ. সিএনএনসহ আন্তর্জাতিক অনেক সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট ফর বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ন্যানো টেকনোলজির (এআইবিএন) ক্যানসার শনাক্তের পদ্ধতি উদ্ভাবনের সে খবর বাড়তি মনোযোগ কাড়ল গবেষক দলের সদস্য আবু আলী ইবনে সিনার কথা জেনে। ১২ জন গবেষকের একজন ড. সিনা বাংলাদেশি। চাঁদপুর থেকে ব্রিসবেন বিদেশ–বিভুঁইয়ে বসে বাংলাদেশি কারও সাফল্যের সংবাদ শুনলে ভালো লাগে এবং আনন্দে ভরে যায় মন। সেই আনন্দেই আগ্রহ নিয়ে ফোনে যোগাযোগ করি তাঁর সঙ্গে। আলাপে আলাপে জানা হয় আবু আলী ইবনে সিনার জীবনকথা। সিনা থাকেন অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন শহরে। ফ্যাশন ডিজাইনার স্ত্রী সাবিহা সুলতানা এবং ছেলে জাবিরকে নিয়ে তাঁর ছোট সংসার। বাংলাদেশি এই গবেষকের বেড়ে ওঠা চাঁদপুরের বাবুরহাটে। শিক্ষক দম্পতি মো. শহীদুল্লাহ ও সুরাইয়া আক্তারের প্রথম সন্তান তিনি। স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর হয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পড়াশোনা শেষে বাংলাদেশে একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়েছিলেন। তবে সে চাকরিতে মন টেকেনি। সিনা বলছিলেন. ‘গবেষণার কাজের জন্যই শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হতে চাচ্ছিলাম। একসময় সুযোগও পেলাম।’ সেই সুযোগটা ছিল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন (বায়োকেমিস্ট্রি) বিভাগে। ২০১১ সালে যোগ দেন শিক্ষক হিসেবে। দুই বছর সেখানে শিক্ষকতা করেছেন। ২০১৩ সালে বৃত্তি নিয়ে পিএইচডি করার সুযোগ পান অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়টির অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট ফর বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ন্যানো টেকনোলজি থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টারফর পারসোনালাইজড ন্যানো মেডিসিনে ক্যানসার নিয়ে গবেষণা করছেন সিনা। যুক্ত হলেন ক্যানসার গবেষণায়২০১২ সালের কথা। অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট ফর বায়ো-ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ন্যানো টেকনোলজির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন উপপরিচালক অধ্যাপক ম্যাট ট্রাউ বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রকল্প হাতে নিলেন। তিনি প্রকল্পগুলো শুরু করেছিলেন ক্যানসার শনাক্তের সহজ পদ্ধতি খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে। যাঁরা পিএইচডি করছিলেন তাঁদেরই যুক্ত করা হয় সেসব প্রকল্পে।২০১৫ সালে এমনই একটি প্রকল্পে কাজের সুযোগ পান আবু আলী ইবনে সিনা। অধ্যাপক ম্যাট ট্রাউয়ের অধীনে গবেষণা প্রকল্পটিতে ড. সিনা. আরেক বাংলাদেশি গবেষক ড. মুহম্মদ জে এ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন দেশের ১২ জন গবেষক ছিলেন। তবে অধ্যাপক ম্যাট ট্রাউয়ের নেতৃত্বে প্রধানত গবেষক ড. লরা কারেস্কোসা ও ড. সিনা ছিলেন মূল ভূমিকায়। তাঁদের সে গবেষণাতেই উঠে এল ক্যানসার নির্ণয়ের এই নতুন পদ্ধতি।সুফল পাবে বাংলাদেশবর্তমানে ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার অপেক্ষায় আছে উদ্ভাবনটি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণাগারে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এর সুফল পাওয়া যেতে পারে। সব মিলিয়ে আরও বেশ কয়েক বছর লেগে যাবে বলে জানালেন সিনা।সফল হলে স্বল্প সময়ে শুধু রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই শনাক্ত করা যাবে ক্যানসার। শরীরের যেকোনো অঙ্গের যেকোনো ধরনের ক্যানসারের উপস্থিতির কথা জানা যাবে এই পরীক্ষায়। এই পদ্ধতিতে প্রাথমিক পর্যায়েই যেকোনো ধরনের ক্যানসার শনাক্ত করা যাবে। ফলে প্রাথমিক চিকিৎসাতেই ক্যানসার নির্মূল সম্ভব হবে। আবু আলী ইবনে সিনা জানালেন. ‘পদ্ধতিটি সহজ ও সাশ্রয়ী। রক্তের ডিএনএ তৈরি হওয়ার পর মাত্র ১০ মিনিটে ক্যানসার শনাক্তকরণ সম্ভব হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার শনাক্ত করা গেলে জীবন যেমন বেঁচে যাবে. তেমনি চিকিৎসা ব্যয়ও কমবে। বাংলাদেশের জন্য এই উদ্ভাবনের সুফল ভাগাভাগি করতে আরও কাজ করব আমি।’,1573293 2019-01-05,আমার রাঁধতে ভালো লাগে: জাহিদ হাসান,,হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক. ঢাকা,৩,https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573290/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A7%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8,entertainment,print,2,আলাপন,আজ রাত ৮টা ১৫ মিনিটে এনটিভিতে প্রচারিত হবে ধারাবাহিক নাটক ‘মিস্টার টেনশন’-এর ৭৫ তম পর্ব। আদিবাসী মিজান ও জাকির হোসেনের রচনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান। এটি পরিচালনা করেছেন আদিবাসী মিজান। নাটকসহ এই সময়ের বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কথা হলো জাহিদ হাসানের সঙ্গে। আজ রাত ৮টা ১৫ মিনিটে এনটিভিতে প্রচারিত হবে ধারাবাহিক নাটক ‘মিস্টার টেনশন’-এর ৭৫ তম পর্ব। আদিবাসী মিজান ও জাকির হোসেনের রচনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান। এটি পরিচালনা করেছেন আদিবাসী মিজান। নাটকসহ এই সময়ের বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কথা হলো জাহিদ হাসানের সঙ্গে। ‘মিস্টার টেনশন’–এর ৭৫ তম পর্ব প্রচারিত হতে যাচ্ছে। আপনার কেমন লাগছে বা দর্শকের কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন? এটা তো আসলে আমি বলতে পারি না। সবাই তো নিজেরটা ভালোই বলবে। তবে আমি বলার চেয়ে দর্শকেরা ‘ভালো’ বলা ভালো। এনটিভির মতো চ্যানেলে একটা নাটক ৭৫ পর্ব পার করছে. এটা নিশ্চয় ভালো হচ্ছে বলেই করছে। আমি মাঝেমধ্যে ছেড়ে দিতে চেয়েছি। কিন্তু পরিচালকসহ সবার আগ্রহে এখনো নাটকটিতে নিয়মিত অভিনয় করছি। আপনাকে এই সময়ে অভিনয়ে খুব কম দেখা যাচ্ছে? ভালো চিত্রনাট্য পাই না। এ কারণে কমিয়ে দিয়েছি। ভালো চিত্রনাট্য না পাওয়ার কারণে কাজটা উপভোগ করছি না। এই বয়সে এসে ওই রকম কমেডি অভিনয় করতে ইচ্ছা করে না। আমাদের এখানে নির্মাণে যত্নের খুব অভাব. পরিকল্পনার অভাব। চ্যানেলের যে দোষ দেব. সেটাও দিতে পারছি না। সব মিলিয়ে আসলে শক্ত নীতিমালা নেই. এটাই সমস্যা। এই ক্ষেত্রে প্রথম সারির অভিনেতা হিসেবে কি আপনাদের কিছু করার নেই? না। এটা করার সুযোগ আমাদের হাতে নেই। এটা নীতিনির্ধারকদের হাতে। একটা উদাহরণ দিই. আমাদের দেশে নীতিমালা আছে টেলিভিশনে ৭-১০ শতাংশ বিদেশি অনুষ্ঠান প্রচার করতে পারবে। কিন্তু আমাদের দেশে এমনও চ্যানেল আছে ৯০ শতাংশ বিদেশি অনুষ্ঠান প্রচার হয়। কিছু করার নেই। কিছুদিন আগে নির্বাচনী প্রচারণায় আপনাকে দেখা গেল। নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা কী? মাত্র তো শপথ নিল। একটু গুছিয়ে নিতে সময় লাগবে। সরকার সব সময় শিল্পীদের পক্ষে থাকবে এবং আমাদের সবার জন্য কাজ করবে. এটাই প্রত্যাশা করি। ভবিষ্যতে কি রাজনীতিতে আসার ইচ্ছা আছে? না। আপাতত সে রকম ইচ্ছা নেই। সময় বলে দেবে কী করব। এখন তাহলে কী নিয়ে ব্যস্ততা আপনার? আমি ব্যবসা করার পরিকল্পনা করছি। শুরু করেছি। দেখা যাক। শেষ তিন প্রশ্নআপনি কি রান্না করতে পারেন? খিচুড়ি. গরুর মাংস. ডিমভাজি. হাঁস আমার রাঁধতে ভালো লাগে। এই সময়ের অভিনেত্রীরা আপনাকে খুব পছন্দ করেন। কারণ কী? (হাসি) কারা পছন্দ করেন? জানি না তো। এখনো কোন খাবারটি সামনে পেলে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন? সুস্বাদু খাবার হলেই আমি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি।,1573290 2019-01-05,নিউইয়র্কের বাঙালি নায়ক,,ইব্রাহীম চৌধুরী নিউইয়র্ক,১৬,https://www.prothomalo.com/we-are/article/1573289/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95,we-are,print,2,ছুটির দিনে,সাইদ আলী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন পুলিশ কর্মকর্তা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক ঘটনায় সাহসী ভূমিকা দেখিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। নিউইয়র্ক তো বটেই. যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের কাছেও সত্যিকারের নায়ক বনে গেছেন সাইদ আলী। দেশটির মূলধারার সংবাদমাধ্যমও এখন তাঁর প্রশংসা করছে। এই আয়োজনে রইল সাহসী সাইদ আলীর কাহিনি। সাইদ আলী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন পুলিশ কর্মকর্তা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক ঘটনায় সাহসী ভূমিকা দেখিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। নিউইয়র্ক তো বটেই. যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের কাছেও সত্যিকারের নায়ক বনে গেছেন সাইদ আলী। দেশটির মূলধারার সংবাদমাধ্যমও এখন তাঁর প্রশংসা করছে। এই আয়োজনে রইল সাহসী সাইদ আলীর কাহিনি। একজন পুলিশ সদস্যের দিকে তেড়ে আসছেন পাঁচজন মদ্যপ বলবান মানুষ। মারমুখী মানুষদের নিবৃত্ত করতে কারাতে ভঙ্গিতে হাতের লাঠি চালিয়ে যাচ্ছেন সেই পুলিশ সদস্য। এতে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলেন লোকগুলো। হামলে পড়ার চেষ্টা করলেন। প্রশিক্ষিত পুলিশ সদস্য লাথি দিয়ে ফেলে দিলেন একজনকে। তারপর আরও একজনকে। এভাবে একে একে ধরাশায়ী করে ফেলেন পাঁচ আক্রমণকারীকে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও চিত্রের দৃশ্য এটি। আচমকা দেখলে সিনেমার কোনো বিশেষ মুহূর্তের দৃশ্য ভেবে অনেকে ভুল করতে পারেন। তবে তা সিনেমার কোনো দৃশ্য নয়. নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনের ইস্ট ব্রডওয়ের পাতাল রেলস্টেশনে ঘটে যাওয়া সত্য ঘটনা। আর যে মানুষটা নায়কোচিত ভঙ্গিতে মারমুখী ব্যক্তিদের ধরাশায়ী করলেন. তিনি সাইদ আলী৷ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান পুলিশ সদস্য। দেশটির নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের একজন কর্মকর্তা। পুলিশের একজন কর্মকর্তার দিকে মারমুখী হয়ে তেড়ে আসার কারণে চাইলে গুলি ছুড়তে পারতেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে এমন ঘটনা হরহামেশাই ঘটে। অনেক প্রাণহানির অভিযোগও ওঠে। কিন্তু নিজের জীবন বিপন্ন হতে পারে ভেবেও সে পথে হাঁটেননি সেই সদস্য। ঘটনার সময় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সহকর্মীদের তাৎক্ষণিক বার্তা পাঠিয়ে নিজেই সামাল দেন পরিস্থিতির। আর সে কারণেই বাহবা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষসহ কর্তাব্যক্তিদের। একা ছিলেন সাইদ আলী গত ২৩ ডিসেম্বর. রোববার। নিউইয়র্ক শহরে তখন রাত। সাইদ আলী একা দায়িত্ব পালন করছিলেন ম্যানহাটনের ইস্ট ব্রডওয়ের সাবওয়ে (পাতাল রেল) স্টেশনে একসময় জানলেন. একজন নারীকে উত্ত্যক্ত করছেন পাঁচজন মদ্যপ। ছুটে এলেন সাইদ আলী। মাতালদের কাছে যেতেই তেড়ে এলেন তাঁরা। কারাতে ভঙ্গিতে আক্রমণের চেষ্টা করলেন। মাতালদের ওপর হাতের লাঠি উঁচিয়ে চিৎকার করে পিছিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করতে থাকেন আলী৷ পেছাতে পেছাতে বলতে থাকেন. ‘আমি তোমাদের আঘাত করতে চাই না. থামো!’ কিন্তু তাঁরা থামলেন না। সাইদ আলী সর্বোচ্চ পেশাদারির মাধ্যমে সামাল দিলেন মাতালদের। সেদিনের ঘটনা নিয়ে কথা বলতেই মুখোমুখি হয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমের। প্রথা মেনে সহকর্মীদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন সাইদ আলী। সেখানে সেদিনের ঘটনা খোলাসা করে বললেন। বললেন কেন গুলি না চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে. ‘জীবন অনেক মূল্যবান। তাই কাউকে সর্বোচ্চ আঘাত করার আগে ক্ষণিকের জন্য হলেও দ্বিতীয়বার চিন্তা করা উচিত। আমি সেনাবাহিনী আর পুলিশের প্রশিক্ষণ থেকেই এ শিক্ষা পেয়েছি।’ প্রাপ্ত শিক্ষার সর্বোচ্চ ব্যবহার করেছেন সাইদ আলী। তাই তো সেদিনের ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ করে তাঁর বীরত্বের কাহিনি। ছড়িয়ে পড়ল ইন্টারনেটেপ্ল্যাটফর্মে উপস্থিত কোনো এক যাত্রী দৃশ্যটি ভিডিও করেছিলেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন সেই ৪৩ সেকেন্ডের ভিডিও। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। সবাই সাইদ আলীর নায়কোচিত ভূমিকার প্রশংসা করে শেয়ার করতে থাকেন। গত ২৪ ডিসেম্বর মাডি নামে এক ব্যক্তির টুইটার প্রোফাইল থেকে শেয়ার করা ভিডিওটিই ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেখেছেন প্রায় ৫১ লাখ মানুষ। বিশ্বের লাখ লাখ মানুষ দেখলেও তা জানতেনই না সাইদ আলী। সেদিন সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন. ‘আমি জানতাম না মুহূর্তটি কেউ ভিডিও করেছে। সে সময় তো দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত ছিলাম। পরদিন সকালে বিভিন্নজনের ফোনে জানতে পারি৷’ জেনে বিস্মিত হয়েছিলেন তিনি। হওয়ারই কথা. ততক্ষণে তিনি যে রীতিমতো নায়ক বনে গেছেন।|এরপর সাইদ আলীকে নিয়ে এতটাই আলোড়ন হয় যে ২৬ ডিসেম্বর তাঁকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত পত্রিকা দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দিয়ে খবর প্রচার করে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল। সম্মানিত হলেন সাইদ সাহসিকতার প্রশংসা সাধারণ মানুষ তো করেছেই। সেই সঙ্গে নিউইয়র্ক শহরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও সাইদ আলীকে ভাসিয়েছেন প্রশংসা বাক্যে। যেমন নিজের টুইটার প্রোফাইল থেকে টুইট করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র বিল ডি ব্লাজিও। নগরীর ব্রুকলিনের কাউন্সিলম্যান চেইম এম ডাচ তো নিজ হাতে সাইদ আলীর হাতে তুলে দিয়েছেন সাহসিকতার বিশেষ সনদ। ‘অফিসার আলী মহৎ কাজ করেছেন’ উল্লেখ করে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) ট্রানজিট ব্যুরোর সহকারী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভিনসেন্ট কোগান বিবৃতি দিয়েছেন। নিউইয়র্কে পুলিশের প্যাট্রলম্যান বেনোভেল্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্যাট লিঞ্চ বলেছেন. ‘অফিসার সাইদ আলী তাঁর চরম পেশাদারি দেখিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন। ঘটনা ভিন্ন খাতে যেতে পারত। রক্ত ঝরতে পারত। জীবনহানিও ঘটতে পারত।’ এ ছাড়া নিউইয়র্ক পুলিশে কর্মরত বাংলাদেশি পুলিশ অফিসারদের সংগঠন—বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) সাইদ আলীর এই সাহসিকতার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। সংগঠনের মিডিয়া লিয়াজোঁ কর্মকর্তা জামিল সারোয়ার বললেন. ‘সাইদ আলীর জন্য আমরা সত্যিই গর্বিত। বাংলাদেশিরা নিউইয়র্ক পুলিশে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।’ ৩৬ বছর বয়সী সাইদ আলীর জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে । তিন বছর বয়সে মা-বাবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন আলী। বড় হয়েছেন ব্রুকলিনে। পড়াশোনা শেষে কর্মজীবন শুরু করেন মার্কিন সেনাবাহিনীতে। সেখান থেকে ছয় বছর আগে যোগ দিয়েছেন নিউইয়র্কের পুলিশ বাহিনীতে। পুলিশ সদস্য হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন সাইদ আলী। আলী সেদিন কষ্ট পেয়েছিলেন ২০১৭ সালের ঘটনা। মুসলিম দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সে সময় তুরস্কের ইস্তাম্বুল গিয়েছিলেন সাইদ আলী। ইস্তাম্বুল থেকে উড়োজাহাজে নামেন যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সেখানেই তাঁকে থামিয়ে দেওয়া হয়। সাবেক মার্কিন সেনাসদস্য পরিচয় দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড ইমিগ্রেশন বিভাগের দীর্ঘ তল্লাশির মুখে পড়েন তিনি। সে অভিজ্ঞতা আলীর কাছে ছিল অপমানের। ২০১৭ সালের ১৫ মে নিউইয়র্ক টাইমস আলীর সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছিল। সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন. ‘আমি মনে করি আমার ব্যক্তিগত অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।’ ক্ষুব্ধ সাইদ আলী প্রশ্ন রেখেছিলেন. ‘যারা বিমানবন্দর দিয়ে আসবে. তাদের মধ্যে কারও নামে আলী থাকলেই কি সে জঙ্গি সন্দেহের তালিকায় থাকবে?’ সময় কত দ্রুত বদলে যায়। মাত্র দেড় বছরের মাথায় সেই সাইদ আলী বীরত্বের সম্মান পেলেন। তাঁর বীরত্ব আর পেশাদারির সংবাদ প্রচার হতে থাকল সঙ্গে। যোগ্য আমেরিকানের কাজ করেছেন বলে বাহবা পেলেন অনেকের। তবে এত কিছুর সঙ্গে ঠিকই উচ্চারিত হচ্ছে বাংলাদেশের নাম। হবেই তো. বাংলাদেশেই যে সাহসী সাইদ আলীর শিকড়।,1573289 2019-01-05,গ্রামটির একটাই ‘দোষ’. তাই এখন বিচ্ছিন্ন,,নিজস্ব প্রতিবেদক. রাজশাহী,৩৪,https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573288/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E2%80%99-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8,bangladesh,print,2,নির্বাচন|রাজশাহী|একাদশ সংসদ নির্বাচন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ,• তানোরের কলমা• ধানের শীষে ভোট বেশি পড়েছে • তাই বাস ঢুকছে না• ডিশ লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে • তানোরের কলমা• ধানের শীষে ভোট বেশি পড়েছে • তাই বাস ঢুকছে না• ডিশ লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে গ্রামটির ভেতরে দিয়ে যাত্রীবাহী বাস চলত। ৩০ ডিসেম্বরের সংসদ নির্বাচনের পর সেই গ্রামে আর বাস ঢুকছে না। বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে টেলিভিশনের স্যাটেলাইট সংযোগ। অটোরিকশার চালকদের গ্রামের বাইরে যেতে বারণ করে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বাইরের গাড়িগুলোও গ্রামের ভেতর দিয়ে যাতায়াত করছে না। রাজশাহীর তানোরের এই গ্রামটির নাম কলমা। এটি রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের একটি গ্রাম। রাজশাহী শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে এই গ্রামের ভোটাররা কলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। এই কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক পেয়েছেন ১ হাজার ২৪৯ ভোট। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী পেয়েছেন ৬৫৩ ভোট। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের বাসিন্দারা বলেন. একটা ‘দোষে’ তাঁদের গ্রাম এখন বাইরের জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন। দোষটা হলো. নৌকার চেয়ে ধানের শীষে ভোট বেশি পড়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে কলমা গ্রামে গিয়ে বিএনপির কোনো নেতাকে পাওয়া না গেলেও সমর্থকেরা ছিলেন। প্রকাশ্যে তাঁরা কিছু বলতে চাননি। তাঁদের ভাষায়. বাস বন্ধ. ডিশ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি গ্রামের গভীর নলকূপগুলো আওয়ামী লীগের লোকজন দখলে নিয়েছেন। এবার হয়তো তাঁদের সেচের পানিও দেওয়া হবে না। গ্রাম থেকে বের হতে হলে পশ্চিমে বিল্লি গ্রাম এবং পূর্বে দরগাডাঙ্গা গ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু কোনো দিক দিয়েই গ্রামের লোকজন আর বের হতে পারছে না। তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী গতকাল সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন. ‘কলমা গ্রামের বিষয়টি আমিও শুনেছি। কিন্তু আমার কিছু করার নেই।’ এক গ্রামবাসী বলেন. এখন আর দলমত দেখা হচ্ছে না। যাকে পাচ্ছে তাকেই মারছে. হুমকি দিচ্ছে। গত বুধবার গ্রামের আওয়ামী লীগ সমর্থক দুই শিক্ষক একটি মোটরসাইকেলে করে কলেজে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁদের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে দুজনকেই মারধর করা হয়েছে। গ্রামের এক অটোরিকশাচালক বলেন. আওয়ামী লীগের লোকজন তাঁকে দরগাডাঙ্গা বাজার থেকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। এখন তিনি গাড়ি নিয়ে গ্রামের বাইরে যেতে পারছেন না। ওই চালক যখন এ কথা বলছিলেন. তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন কলমা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। তাঁর অভিযোগ. ভোটের আগের দিন কলমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তানোর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার লোকজন নিয়ে কলমা বাজারে বসে ছিলেন। বিএনপির লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতা–কর্মী আহত হন। গ্রামের বিএনপি কর্মীরা এ কারণে আওয়ামী লীগের রোষানলে পড়েছেন। তবে কয়েক দিন পর সব ঠিক হয়ে যাবে। আর দুই শিক্ষককে মারার ঘটনাটি ভুল–বোঝাবুঝি। কলমা বাজারে গিয়ে কয়েকটি মাত্র দোকান খোলা পাওয়া যায়। একটি রেস্তোরাঁও খোলা ছিল। মালিক আবদুল মোত্তালেব বলেন. আগে যত লোক বাজারে আসত. নির্বাচনের পরে তিন ভাগের এক ভাগ লোকও আসছে না। বেচাকেনা একেবারে মন্দা। পাশের দরগাডাঙ্গা বাজারে কথা হয় একজন ভটভটিচালকের সঙ্গে। তিনি বলেন. আওয়ামী লীগের লোকজন তাঁদের কলমা গ্রামের ভেতর দিয়ে যেতে নিষেধ করেছেন। রাজশাহী থেকে তানোরের বিল্লি সড়কে চলাচলকারী বিসমিল্লাহ পরিবহনের একটি বাসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন. ভোটের পর থেকে কলমা গ্রামের ভেতর দিয়ে বাস চলছে না। কেন চলছে না. জানতে চাইলে তিনি প্রথমে কোনো উত্তর দিতে চাননি। একপর্যায়ে বলেন. ‘ওখানে মারামারি হয়েছে. এ জন্য বাস আর ওদিক দিয়ে যাচ্ছে না।’ এ ব্যাপারে কথা বলার চেষ্টা করা হয় তানোর থানার ওসি রেজাউল ইসলাম ও কলমা ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দারের সঙ্গে। তাঁরা ফোন ধরেননি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মো. গোলাম রাব্বী প্রথম আলোকে বলেন. তিনি বিষয়টি জানেন না। কেউ তাঁকে এ বিষয়ে কিছু বলেননি। তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন।,1573288