text
stringlengths 299
349k
| id
stringlengths 47
47
| dump
stringclasses 57
values | url
stringlengths 20
1.44k
| date
stringdate 2013-05-19 09:26:57
2019-04-26 16:59:17
| file_path
stringlengths 125
155
| language
stringclasses 1
value | language_score
float64 0.9
1
| language_script
stringclasses 1
value | minhash_cluster_size
int64 1
19.2k
| top_langs
stringlengths 32
157
|
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
প্রবাসী লেখকদের কলাম
একালের বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জননন্দিত লেখক সদ্য প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের বেশিরভাগ লেখায় তাঁর প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন এবং সন্তান নোভা-শীলা-বিপাশা-নুহাশদের প্রতি অদ্ভুত ভালবাসা দেখা গেছে । আবার দ্বিতীয় বিয়ের পর তাঁর সাহিত্যে অভিনেত্রী শাওন ও তার দুই ছেলে নিষাদ-নিনিত`র উপস্থিতি ছিল প্রবল।
আর এসময় প্রথম পক্ষের স্ত্রী-সন্তানরা ক্রমশ তাঁর জীবন ও সাহিত্য থেকে আড়াল হয়ে যায় । তবে ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন তার লেখা ‘তিন ডব্লিউ’’তে উঠে আসে কন্যা নোভা, শিলা ও বিপাশা আহমেদের কথা।
আর এ লেখাতে যেমন ছিল কন্যাদের প্রতি তার অন্যরকম ভাললাগার কথা, তেমনি ছিল তাদের উপেক্ষা করারও কিছু কথা। যা তুলে ধরা হলো:
আমার এখন চার নাতি-নাতনি। আমি যেখানে বাস করি, তা তাদের জন্য নিষিদ্ধ বলে এদের আমি দেখি না। ওরাও গ্র্যান্ডপা ডাকার সুযোগ পায় না।
`এভরি ক্লাউড হ্যাজ এ সিলভার লাইনিং`। আমার কর্কট রোগের সিলভার লাইনিং হলো, এই রোগের কারণে প্রথমবারের মতো আমার তিন কন্যা আমাকে দেখতে তাদের সন্তানদের নিয়ে `দখিন হাওয়া`য় পা দিল। ঘরে ঢুকল তা বলা যাবে না। বারান্দায় হাঁটাহাঁটি করতে লাগল। সূর্যের চেয়ে বালি গরম হয়- এ আপ্তবাক্য সত্য প্রমাণ করার জন্য মেয়েদের স্বামীরা মুখ যতটা শক্ত করে রাখার, ততটা শক্ত করে রাখল। অবশ্য আমিও সেই অর্থে তাদের দিকে যে ফিরে তাকালাম, তা নয়। ঘরভর্তি মানুষ। মেয়েদের দেখে হঠাৎ যদি আবেগের কাছে আত্মসমর্পণ করে কেঁদে ফেলি, সেটা ভালো হবে না। আমি আমার তিন ডব্লিউর অর্থাৎ তিন কন্যার গল্প বলি।
১. প্রথম ডব্লিউ
নোভা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন শিক্ষকতা করেছে। আমেরিকা থেকে পিএইচডি করে বর্তমানে দেশে ফিরেছে। পিএইচডি ডিগ্রির সঙ্গে সে হিজাবও নিয়ে এসেছে। মাশাআল্লাহ, কেয়া বাত হায়। আমি যখন নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছি, তখনকার কথা। ইউনিভার্সিটি আমাকে বাগান করার জন্য দুই কাঠা জমি দিয়েছে। আমি মহা উৎসাহে শাইখ সিরাজ হয়ে গেলাম। খুন্তি, খুরপি, কোদাল কিনে এক হুলুস্থূল কাণ্ড। মহা উৎসাহে জমি কোপাই, পানি দিই। বীজ বুনি। আমার সার্বক্ষণিক সঙ্গী কন্যা নোভা।
বিকাল পাঁচটায় ইউনিভার্সিটি থেকে ফিরে দেখি, বাড়ির সামনে খুরপি ও কোদাল নিয়ে নোভা বসে আছে। প্রথমে জমিতে যেতে হবে, তারপর বাসায় ঢোকা। যেদিন ফসলে জমি ভরে গেল, সেদিনের দৃশ্য_ মেয়ে গাছ থেকে ছিঁড়ে টকটকে লাল টমেটো প্লাস্টিকের বালতিতে ভরছে এবং বলছে, বাবা, আই মেইড ইট! (মেয়ে তখনো বাংলা বলা শেখেনি)। মেয়ের আনন্দ দেখে চোখ মুছলাম।
২. দ্বিতীয় ডব্লিউ
নাম শীলা। শুরুতে ছিল শীলা আহমেদ। স্বামী এসে স্ত্রীর নামের শেষে ঘাপটি মেরে বসে থাকা বাবাকে ধাক্কা দিয়ে দূরে ফেলে দেয়। এখন শীলার নামের অবস্থা কী, জানি না। এই মেয়েটিও বড় বোনের মতো মেধাবী। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে অনার্স ও এমএতে ইকোনমিকসে প্রথম শ্রেণী পেয়েছে। এখন তার গল্প। তখন শীলার বয়স ১২ কিংবা ১৩। সবাইকে নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়েছি। হোটেলে ওঠার সামর্থ্য নেই। বন্ধু ফজলুল আলমের বাসায় উঠেছি (ফজলুল আলম হচ্ছে আগুনের পরশমণির শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমের ছোট ভাই)। আমি ক্যাম্পিং পছন্দ করি, ফজলু জানে। সে বনে ক্যাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করল। আমরা জঙ্গলে এক রাত কাটাতে গেলাম। প্রচণ্ড শীত পড়েছে। তাঁবুর ভেতর জড়সড় হয়ে শুয়ে আছি। একসময় ঘুমিয়ে পড়লাম। গভীর রাতে ফুঁপিয়ে কান্নার শব্দে ঘুম ভাঙল। দেখি, শীলা বসে আছে। ফুঁপিয়ে কাঁদছে। আমি বললাম, মা, কী হয়েছে?
আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে, আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।
আমি বুঝলাম, এই মেয়ে কঠিন ক্লস্ট্রোফোবিয়া। আসলেই সে নিঃশ্বাস ফেলতে পারছে না। আমি বললাম, গরম কাপড় পরো। তাঁবুর বাইরে বসে থাকব।
সে বলল, একা একা থাকতে পারব না। ভয় লাগে। কিছুক্ষণ একা থাকতে গিয়েছিলাম।
আমি বললাম, আমি সারারাত তোমার পাশে থাকব।
তাই করলাম। মেয়ে এক পর্যায়ে আমার কাঁধে মাথা রেখে নিশ্চিন্ত মনে ঘুমাল। সকাল হলো। মেয়ের ঘুম ভাঙল। সে বলল, বাবা, তুমি একজন ভালো মানুষ।
আমি বললাম, মা! পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ আছে, একজনও খারাপ বাবা নেই।
এখন মনে হয় শীলা বুঝে গেছে। পৃথিবীতে খারাপ বাবাও আছে। যেমন তার বাবা।
৩. তৃতীয় ডব্লিউ
তৃতীয় কন্যার নাম বিপাশা। অন্য সব ভাইবোনের মতোই মেধাবী (বাবার জিন কি পেয়েছে? হা হা হা। আমাকে পছন্দ না হলেও আমার জিন কিন্তু মেয়েকে আজীবন বহন করতে হবে)।
এই মেয়ে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে ইকোনমিকসে অনার্স এবং এমএতে প্রথম শ্রেণী পেয়ে আমেরিকায় কী যেন পড়ছে। আমি জানি না। আমার ধারণা, এই মেয়েটি অসম্ভব রূপবতী বলেই খানিকটা বোকা। তার বালিকা বয়সে আমি যখন বাইরে কোথাও যেতাম, সে আমার সঙ্গে একটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের শিশি দিয়ে দিত। এই শিশিতে নাকি তার গায়ের গন্ধ সে ঘষে ঘষে ঢুকিয়েছে। তার গায়ের গন্ধ ছাড়া আমি ঘুমুতে পারি না বলেই এ ব্যবস্থা।
যেদিন আমি আমেরিকা রওনা হব, সেদিনই সে আমেরিকা থেকে তিন মাসের জন্য দেশে এসেছে। আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। একবার ভাবলাম বলি_ মা, অনেক দিনের জন্য বাইরে যাচ্ছি। ফিরব কি না তাও জানি না। এক শিশি গায়ের গন্ধ দিয়ে দাও। বলা হলো না। আমার তিন কন্যাই দূরদ্বীপবাসিনী। ওরা এখন আমাকে চেনে না, হয়তো আমিও তাদের চিনি না। কী আর করা?
হুমায়ূন ভাই গুলতেকিনের নাম দেন 'জরি'
রীতা রায় মিঠু : যুক্তরাষ্ট্র থেকে : দুমাস দেশে কাটিয়ে চার দিন হলো মিসিসিপিতে ফিরেছি। স্বজন ছেড়ে আসার বেদনা আর ৩৮ ঘণ্টার বিরক্তিকর প্লেন জার্নিতে এতটাই ক্লান্ত ছিলাম যে, পত্রিকার পাতায় চোখ বোলানোর শক্তিটুকুও ছিল না। দেশে থাকতেই হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু সংবাদ পেয়েছি, কিন্তু এর পরবর্তী সংবাদগুলো সময়মতো জানতে পারিনি। আজ অনলাইনে গত সাতদিনের বাসি সংবাদে চোখ বোলাতেই দেখি, সংবাদের পুরোটা জুড়ে হুমায়ূন। অবাক হইনি, গত বছর সেপ্টেম্বরে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পর থেকে গত ১৯ জুলাই 'না ফেরার দেশে' চলে যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি দিন তিনি সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়েছেন।
তবে গত চারদিনের খবর পড়তে গিয়ে বেশ কয়েকবার চোখ আটকে গেছে, নতুন নাম 'কুসুম'-এর প্রতি। শাওনের নামই কুসুম, এ তো আগে জানা ছিল না! অবশ্য না জানারই কথা, শাওনকে 'কুসুম' নামে ডাকতেন শুধু একজন, তিনি হুমায়ূন আহমেদ। 'কুসুম' নামটি তারই দেওয়া। কুসুমের দিকে তাকিয়েই আমার আরেকটি নাম মনে পড়ে গেল, 'জরি'। পত্রিকার পাতায় তন্ন তন্ন করে খুঁজছিলাম 'জরি'কে। কুসুমের পাশাপাশি জরিরও তো থাকার কথা ছিল, কিন্তু জরিকে পেলাম না। পরে খেয়াল হলো, কুসুম আর জরির পাশাপাশি থাকার কথাও না। জরি ঝরে যেতেই কুসুম ফুটেছিল।
যদিও হুমায়ূনভক্তরা কখনো গ্রহণ করেনি। তাদের ভালোবাসা সম্মানের জায়গাজুড়েই ছিল 'জরি'।
আমি লেখক ও কথক হুমায়ূন আহমেদের পরম ভক্ত। বই পড়ে তাকে যতটুকু জেনেছি, তার চেয়েও বেশি জেনেছি কাছ থেকে দেখে। আজ থেকে ২৭ বছর আগে আমার বিয়ে হয়। আমার স্বামী জীবেন রায় কয়েক বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হুমায়ূন আহমেদের সহকর্মী ছিলেন। তা ছাড়া দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমিস্ট্রির ছাত্র ছিলেন বলে বয়সের কিছুটা ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদেই হুমায়ূন আহমেদ ও তার পরিবারের সঙ্গে আমার পরিচয়। সেই পরিবারে খুব কাছে থেকে দেখেছি গুলতেকিন ভাবী, নোভা, শিলা, বিপাশা, খালাম্মা (মিসেস আয়েশা ফয়েজ), শিখু আপা (ছোট বোন)কে।
'৮৫ সালে জীবেনের সঙ্গে যখন আমার বিয়ে হয়, হুমায়ূন আহমেদ তখনো ব্যস্ত হয়ে ওঠেননি। বন্ধুবান্ধবকে সময় দিতে পেরেছেন। তবে ব্যস্ত না হলেও জনপ্রিয় হতে শুরু করেন। ওই বছরই বিটিভিতে প্রচারিত তার লেখা প্রথম ধারাবাহিক নাটক 'এইসব দিনরাত্রি' তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিয়ের আগে থেকেই আমি হুমায়ূন আহমেদের লেখার ভক্ত। আমার পরম সৌভাগ্য যে, আমাদের বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রখানি হুমায়ূন ভাই করে দিয়েছিলেন। পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজে ব্যস্ততা থাকায় আমাদের বিয়েতে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি, তবে লাল টুকটুকে এক শার্ট পরে বউভাতে এসেছিলেন, একা। ভাবীকে সঙ্গে আনেননি কিন্তু তাদের বাসায় যাওয়ার নিমন্ত্রণ করেছিলেন। বিয়ের দু'মাস পর এক বিকালে জীবেনের সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের আজিমপুরের বাসায় বেড়াতে যাই।
বেল টিপেছি, দরজা খুলতেই সামনে দাঁড়ানো যে সুন্দরী নারীকে দেখলাম, তিনিই যে গুলতেকিন ভাবী তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনি। গুলতেকিন ভাবীর গল্প আমি জীবেনের মুখে অনেকবার শুনেছি। আমেরিকা থাকাকালীন ছোট্ট নোভাকে কোলে নিয়ে তরুণী গুলতেকিনের ছবি আমার স্বামীর পুরনো অ্যালবামে এখনো জ্বলজ্বল করছে। একই ক্যামেরায় বন্দী হুমায়ূন আহমেদ, গুলতেকিন আহমেদ ও শিশু নোভার ছবি এখনো একটি সুখী পরিবারের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। ভাবী যে সুন্দরী ও স্মার্ট ছিলেন, সেই ছবিগুলো দেখেই তা আঁচ করেছিলাম। সেই ভাবীই পরম সমাদরে আমাদের ভেতরের ঘরে নিয়ে গেলেন। সেই ঘরে হুমায়ূন ভাই তখন বেতের সোফায় পা তুলে বসে সিগারেট টানছিলেন। ভাবীকে দেখার আগে ভেবেছিলাম এমন নামিদামি লেখকের স্ত্রী নিশ্চয়ই খুব অহংকারী হবেন। আমার মতো সাধারণ এক মেয়েকে হয়তো পাত্তাই দেবেন না। কিন্তু ভাবীকে সামনাসামনি দেখে একটু চমকালাম। খুব সাধারণ ছাপা সুতির শাড়িতে ভাবীকে একটুও অহংকারী লাগছিল না, বরং দারুণ স্নিগ্ধ ও সুন্দর লাগছিল। আমার মনে আজও সেই ছবি ভেসে ওঠে। বিশাল ধনী পরিবারের মেয়ে হলেও তাকে বরং লেখক স্বামীর বউ হিসেবেই বেশি মানিয়েছিল। প্রথমদিন থেকেই হুমায়ূন ভাইয়ের পারিবারিক পরিমণ্ডল আমার মনে দাগ কেটে যায়। সাধারণ মধ্যবিত্তের সংসারের চারদিকে সুখ যেন উপচে পড়ছিল। কন্যা অন্তঃপ্রাণ হুমায়ূন ভাইয়ের দুই বছর বয়সী কন্যা বিপাশা বাবার চারপাশে ঘুরঘুর করছিল, মেয়ের সঙ্গে খেলা করতে করতেই তিনি আমাদের সঙ্গে গল্প চালিয়ে যাচ্ছিলেন। দারুণ সংসারী বউয়ের মতোই ভাবী নিজ হাতে চা-নাস্তা বানিয়ে আমাদের আপ্যায়ন করেছিলেন।
এরপর গুলতেকিন ভাবীকে নিয়ে হুমায়ূন ভাই এসেছিলেন ক্লিনিকে, আমাদের প্রথম সন্তান মৌটুসীকে দেখতে। একগুচ্ছ লাল গোলাপ ও হুমায়ূন আহমেদের লেখা তিনটি বই হাতে ভাবীকে চমৎকার দেখাচ্ছিল। সেদিনও তার পরনে ছিল ঘিয়ে রংয়ের জমিনে হালকা ছাপা সুতি শাড়ি, ভাবীকে শুরু থেকেই আমার ভালো লেগে যায়। মৃদুভাষী মানুষটি নিজে কম কথা বললেও বাকপটু স্বামীর কাছাকাছি থাকতেই মনে হয় বেশি ভালোবাসতেন। তাকে দেখলেই মনে হতো স্বামী গরবে গরবিনী এক নারীকে দেখছি। এই সুখী দম্পতির সুখের সংসার দেখার লোভে এরপরও কতবার গেছি তাদের বাসায়। ঘরে কী লক্ষ্মী তিনটি মেয়ে, সারাক্ষণ নিজেদের মধ্যেই হুটোপুটি, হাসাহাসি করত। খেলার মাঝখানেই নোভা বা শিলা বাবার কাছে এসে একটু থেকেই আবার খেলায় ফিরে যেত। হুমায়ূন ভাই গল্প করতে পারতেন দারুণ। সেদিনও ক্লিনিকে স্বামী-স্ত্রীতে মিলে কত মজার মজার গল্প শুনিয়েছিলেন এক নতুন মা'কে।
হুমায়ূন ভাইয়ের শহীদুল্লা হলের বাসায় এক সকালে গিয়ে হাজির হয়েছি। দরজার কড়া নাড়তেই ভাবী দরজা খুলে দিয়ে আমাদের ভেতরে ঢুকিয়ে বললেন, 'জীবেনদা, আপনার বন্ধু আইন জারি করেছে, কেউ এসে তার খোঁজ করলে যেন বলে দেই তিনি বাড়িতে নেই। ঈদসংখ্যার উপন্যাস লিখছে তো, তবে আপনার জন্য এই আইন খাটবে না'। খবর পেয়ে হুমায়ূন ভাই এলেন এবং অনেকক্ষণ গল্প করলেন। হুমায়ূন ভাই যখন গল্প করতেন, মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনতাম। ভাবীও পাশে বসে থাকতেন। গল্প করার ফাঁকেই ভাবী নিজহাতে চা-নাস্তা নিয়ে আসতেন। গল্প চলাকালীন হুমায়ূন ভাইকে একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ভাবীকে প্রথম দেখার অনুভূতি সম্পর্কে। বললেন, 'দূর থেকে দেখে মনে হয়েছিল ফুটফুটে এক পরী হেঁটে আসছে'। এটা শুনে ভাবী মিটিমিটি হাসছিল। বিয়ের এত বছর পরও স্বামীর মুখ থেকে এমন মধুবাক্য ক'জন স্ত্রী শুনতে পায়! এরপর হুমায়ূন ভাই বললেন, 'আর কী কী জানতে চাও, বলে ফেলো'। জানতে চাইলাম 'আপনার উপন্যাসের নায়িকাদের নাম সব সময় জরি, নীলু না-হয় রূপা হয়ে থাকে। বিশেষ করে জরি। এই জরিটা কে?' উত্তরে পাশে বসা সুন্দরীকে দেখিয়ে বললেন, 'ইনিই হচ্ছেন জরি। গুলতেকিনকে আমি জরি নামে ডাকি, আমার দেওয়া নাম এটা।' সেদিন আর কিছু জানতে চাইনি। সুখী দম্পতির গল্প শোনা হয়ে গেছে।
আরেক দুপুরে জীবেন হুমায়ূন ভাইয়ের বাসা থেকে ফিরেছে হাতে 'নক্ষত্রের রাত' বইটি নিয়ে। হাতে নিয়ে বইটি খুলে দেখি, 'মিঠু ভাবীকে, টিঙ্কু আহমেদ'। টিঙ্কু আহমেদ কে? জানলাম গুলতেকিন ভাবীর আরেক নাম। সেদিনের সেদিনটি ছিল শিলার জন্মদিন। ভাবী নিজ হাতেই অনেক কিছু রান্না করেছিলেন। খাওয়াপর্ব শেষ হতেই ভাবী আমার জন্য 'নক্ষত্রের রাত' বইটি নিয়ে আসেন। ভেতরে উপহারবাণীতে নিজের নাম স্বাক্ষর করেছিলেন। বইয়ের ভেতর ভাবীর স্বাক্ষর দেখে আবারও একজন সফল লেখকের গর্বিতা স্ত্রীকেই যেন খুঁজে পেলাম।
শেষবার ভাবীর সঙ্গে দেখা হয় ১৯৯১-'৯২ এর দিকে। বিটিভিতে প্রচারিত হুমায়ূন আহমেদের ধারাবাহিক নাটক 'অয়োময়' তখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। এক বিকালে জীবেন 'অয়োময়' নাটকের শুটিং দেখাতে নিয়ে যাবে বলতেই সানন্দে রাজি হয়ে গেলাম।। ঠিক হলো প্রথমে হুমায়ূন ভাইয়ের বাড়িতে যাব, তারপর তার গাড়িতে করেই টিভি স্টেশনে যাব। তারা তখনো শহীদুল্লাহ হলের বাসাতেই থাকতেন। বিকালে তাদের বাড়িতে যাওয়ার পর অনেকক্ষণ আড্ডা হলো। বেডরুমের ফ্লোরে সবাই গোল হয়ে বসে গল্প চলছিল। পাশের রুমে তিন মেয়ের হুটোপুটি আর খিলখিল হাসির আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই চায়ের ট্রে হাতে গুলতেকিন ভাবী এসে আমাদের পাশে বসলেন। সাদার উপর কালো প্রিন্টের জামা, সাদা সালোয়ার, সাদা ওড়নায় তাকে বিষণ্ন দেখাচ্ছিল। তাকে দেখামাত্র 'বিষণ্ন সুন্দরী' শব্দটি আমার মাথায় গেঁথে গেল। এক বছর আগেই তাদের প্রথম পুত্র রাশেদ হুমায়ূন জন্মেই মারা যায়। সেই শোক তখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। ভাবী যতক্ষণ আমাদের সঙ্গে বসেছিলেন, হুমায়ূন ভাই পুরোটা সময় ভাবীর হাঁটুতে পরম মমতায় আলতো করে চাপড় দিচ্ছিলেন। ছোট্ট এক দৃশ্য, কিন্তু আমার মনে দাগ কেটে গেছে। সুখের দৃশ্য, সুখী মানুষ দেখতে কার না ভালো লাগে!
সন্ধ্যার পর হুমায়ূন ভাই তার লাল টুকটুকে গাড়িতে চড়িয়ে আমাদের টিভি স্টেশনে নিয়ে গেলেন। শরীর খারাপ ছিল বলে ভাবী আসেননি (এর কয়েকমাস পরই নুহাশের জন্ম হয়)। অনেকক্ষণ শুটিং দেখলাম, দারুণ অভিজ্ঞতা। বাড়ি ফেরার তাড়া ছিল, শুটিং শেষ না হতেই আমরা বেরিয়ে এসেছি। হুমায়ূন ভাইয়ের গাড়িতে করেই বাসায় যাব, গাড়ির কাছাকাছি আসতেই পেছন থেকে প্রয়াত অভিনেতা মোজাম্মেল হোসেনের গলা শুনে থামলাম। জীবেনের নাম ধরে ডাকছেন, কাছে এসে জীবেনের সঙ্গে খুব নিচু স্বরে কিছু বললেন। জীবেনকে দেখলাম মাথা দোলাচ্ছিল। বাড়ি ফিরে জানলাম, 'হুমায়ূন ভাই আজ বাড়ি ফিরবেন না। গুলতেকিন ভাবী যদি হুমায়ূন ভাইয়ের কথা আমাকে জিজ্ঞাসা করে, আমি যেন বলি, হুমায়ূন ভাই আমার সঙ্গেই আছে'! আমি প্রচণ্ড এক ঝাঁকুনি খেলাম। কাজের ব্যস্ততায় বাইরে থাকতে হতেই পারে, কিন্তু ভাবীকে মিথ্যা বলতে হবে কেন! জীবেন বলল, 'জানি না, মনে হয় হুমায়ূন ভাইয়ের বাইরে রাত কাটানো ভাবী পছন্দ করেন না'।
হুমায়ূন ভাই তার জরিকে না জানিয়ে এমনি আরও কত রাত বাইরে কাটিয়েছেন তা আমার জানার কথা নয়। তবে ঈশ্বর সেদিন আমাদের সহায় ছিলেন, জীবেনকে মিথ্যা বলতে হয়নি। ওই সুন্দর সন্ধ্যার পর গুলতেকিন ভাবীর সঙ্গে জীবেন বা আমার আর কোনোদিন দেখা হয়নি। আমাদের চোখে তো হুমায়ূন ভাই আর তার 'জরি' ছিলেন স্বপ্নলোকের সুখী দম্পতি। সেই 'সুখী' দাম্পত্যের মধ্যে কখন ফাটল ধরেছিল তা একমাত্র তারাই বলতে পারতেন। সাধারণ মানুষ ২০০৫ সালের এক দুপুরে সংবাদ পেল, হুমায়ূন আহমেদ ও গুলতেকিন আহমেদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। মিসিসিপির তীরে বসে আমার শুধু মনে হলো, হুমায়ূন আহমেদের জীবন থেকে 'জরি' হারিয়ে গেল। গুলতেকিন খান নামের 'পরীর' মতো ফুটফুটে সুন্দর যে কিশোরী স্বল্প পরিচিত এক লেখকের জীবনে 'জরি' নামে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল, বিয়ের ৩২ বছর পর সেই 'পরী' তার 'জরি'র পোশাক ত্যাগ করে আবার গুলতেকিন খান নামেই নিজের ভুবনে ফিরে গেল।
হুমায়ূন কি নুহাশ পল্লীতে সমাধিস্থ হতে চেয়েছিলেন ?
গাজী কাশেম, নিউ ইয়র্ক থেকে : ২৮ ফেব্র“য়ারি, ২০১২। চলছে গ্লোবাল ওয়ার্মিং। শীতের মাঝে বসন্তের আমেজ। এবার নিউ ইয়র্ক সিটিতে তুষারপাত হয়নি বললেই চলে। অন্য বছরের মতো সড়কের দু-ধারে কোনো বরফের স্তূপ নেই। বরফগলা পানি নেই। দিন ছোট, রাত শেষ না হতেই আবার রাত আসে। অন্ধকারে জীবন বেশি কাটে। আমার বাসা থেকে হুমায়ূন আহমেদের বাসা গাড়িতে মাত্র ৩ মিনিটের ড্রাইভ। পৌঁছে গেলাম সেই কোর্ট বিল্ডিংয়ের পেছনে অতি পরিচিত বাড়িতে। প্রধান ফটকের ধবল রঙের দরজা রাস্তার দিকে নুইয়ে আছে। দরজাটা টেনে ভেতরে আনলাম। দোতলায় উঠে গেলাম। দরজায় করাঘাত করতেই গৃহপরিচারিকা তিরমিজির কণ্ঠÑ ক্যাডা, ভিতরে আসেন, দরজা খোলা।
সোফায় বসে আছেন হুমায়ূনের শাশুড়ি তহুরা আলী। তাকে ইশারায় বললাম, স্যার কোথায়? তিনি হাতের ইশারায় দেখালেন, স্যার ভেতরের রুমে লেখালেখি করছেন। নিশাদ ছবি আঁকছে। পুরো লিভিং রুম নিষাদের আঁকা ছবিতে ছড়ানো-ছিটানো। আমার কণ্ঠ শুনতে পেয়ে শাওন রুম থেকে বের হয়ে এসে বললেন, ভাই একটা উপকার করবেন?
: জি বলেন?
: একটু গরুর কিমা লাগবে, কয়েকটা টমেটো লাগবে। হুমায়ূন সাহেব স্পাগাতি (নুডুলস, কিমা, টমেটো, রসুন দিয়ে রান্না) খেতে চেয়েছেন।
তাকিয়ে দেখলাম হুমায়ূন আহমেদ নামাজের বিছানায় বসেই লিখছেন। খুব দুর্বল শরীর। হুমায়ূন আহমেদের খাওয়া-দাওয়া একেবারে কমে গেছে। এখন তার রাত কাটে কয়েক লোকমা স্পাগাতি খেয়ে। কোনো খাবারই তিনি খেতে পারছেন না, শুধু অভিযোগÑ প্রত্যেক খাবারে শুধু গন্ধ। ঘর থেকে প্রায় ৭০০ ফুটের পর বাংলাদেশি গ্রোসারি ‘কাওরান বাজার’। কিমা আর টমেটো কিনে আমার আবার গৃহে প্রবেশ।
হুমায়ূন আহমেদ শোয়ার ঘরটা ছেড়ে ডাইনিং টেবিলের চেয়ারে এসে বসলেন।
সালাম দিলাম।
: ওয়ালাইকুম সালাম।
মুখে তেমন একটা হাসি নেই। নীরব। নিনিত এসে হু-হু করছে তার কোলে উঠতে। আমাকে বললেন, নিনিতকে একটু ধরো। তিনি বেশ নীরব। ফ্যাল ফ্যাল করে জানলার কাচের দিকে তাকিয়ে আছেন।
: স্যার দাবা খেলবেন?
মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন, না।
দিনে দাবা খেলেছেন, রাতে আর খেলবেন না। তারপরও দাবা ঘরটা এনে সামনে রাখলাম। নীরব। এমন নীরব তাকে পূর্বের দিনগুলোয় কখনো আমি দেখিনি। নীরবতার কারণ ছিল ভিন্ন, আগামীকাল ২৯ ফেব্র“য়ারি। মাজহার সাহেব দেশে চলে যাবেন, তার কয়েকদিন পর শাওনের মা-ও চলে যাবেন। ১ মার্চ থেকে স্লোন ক্যাটারিংয়ে আর চিকিৎসা নিচ্ছেন না। ২ মার্চ থেকে সিটি হাসপাতাল বেলভ্যুতে ট্রিটমেন্ট শুরু হবে। (বেলভ্যু হাসপাতাল আর স্লোন ক্যাটারিং হাসপাতালের পার্থক্য, যেমন ঢাকা মেডিকেল কলেজ আর এ্যাপোলো হাসপাতাল)। অন্য দিকে কোনো কিছুই খেতে পারছেন না। আমাদেরকে জানালেন, ‘একি হল, যে গরুর মাংস আমার সবচেয়ে প্রিয় ছিল, এখন তার গন্ধ নিতে পারছি না, রেড মিট খাওয়া খুবই দরকার, আমার ব্লাডে রেড সেল খুবই কম। আল্লাহপাক সবই আমার কিসমত থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’ এ ধরনের একটা কষ্ট তার মনটাকে দুমড়ে-মুচড়ে দিচ্ছিল। চোখ দুটিতে প্রচণ্ড কষ্ট। তিনি উঠে গিয়ে ছোট ঘরটায় ঢুকলেন, যে কক্ষটায় মাজহার সাহেব থাকেন। আমিও সাথে ঢুকলাম।
আমরা মুনিয়া মাহমুদ এবং মো. নুরুদ্দিনের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। রাত তখন ১১টা। মুনিয়া মাহমুদ এবং মো. নুরুদ্দিন এলেন।
৫ জনের আসর। গল্প চলছে। হুমায়ূন আহমেদ আজ তার কনিষ্ঠ ভ্রাতা আহসান হাবিবের গল্প জুড়ে দিলেন, বললেন, শুনবে আমার ছোট ভাই আহসান হাবিবের এক কাণ্ড। গ্রামীণ ব্যাংকে ওর একটা চাকরি হয়েছিল। কোনো এক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল। কয়েকদিন না যেতেই সে চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে বাড়ি চলে এলো। কীরে, কী হল, চাকরি ছাড়লি কেন? আহসান হাবিব বলল, সকালে নাস্তার অসুবিধা হয়Ñ এই কারণে চাকরি ছেড়ে দিয়ে চলে এসেছি। এ নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ বেশ হাসলেন, বললেন, ও সকালের নাস্তার জন্য চাকরি ছেড়ে দিয়ে এসেছে। তারপর নুহাশ পল্লীর গল্প শুরু হল।
এক পর্যায়ে মুনিয়া মাহমুদ বললÑ স্যার, আমাকে একটু নুহাশ পল্লীতে জায়গা দেবেন? হুমায়ূন আহমেদ বললেন, নূহাশ পল্লী তো কবরস্থান না। মুনিয়া মাহমুদ বলছিল যাতে সে সেখানে বেড়াতে যেতে পারে, আড্ডা দিতে পারে সেই কারণে।
মাজহার বললেন, কাশেম ভাই শুনেন, আরেক ঘটনা। স্যারের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু আমার মাধ্যমে বললেন, নুহাশ পল্লীতে তাকে একটু জায়গা দিতে। স্যার বললেন, এটা কি কবরস্থান? তিনি মুনিয়া মাহমুদকে এটাও বললেন, আমি চাই না, নুহাশ পল্লীকে বা আমার কবরটাকে মাজার বানাতে। তিনি পাবলিক লাইফের চেয়ে প্রাইভেট লাইফে বেশি বিশ্বাস করতেন। আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রেও তাই থাকতে চেয়েছিলেন বলে আমার মনে হল।
এই গল্পের পর হুমায়ূন আহমেদ বললেন, আমার ছোট ভাই আহসান হাবিবের আরেকটা মজার কাণ্ড শোনো। তোমরা তো জানো ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমার বাবা শহীদ হন। আমরা তখন পিরোজপুরে থাকতাম। আহারে, আমার বাবা জীবনে কোনোদিন আমাদের উপর হাত ওঠাননি। একটা বকাও দিতেন না। আমি চেয়েছিলাম বাবার কবরটা পিরোজপুর থেকে নুহাশ পল্লীতে নিয়ে আসতে। মা মারা গেলে বাবার পাশে মাকেও সমাধিস্থ করতে। এই ব্যাপারে আমার ভাই-বোনদের সাথে আলাপ-আলোচনা করলাম। তারা কেউ আমার এই প্রস্তাবে রাজি হল না। আমার ছোট ভাই আহসান হাবিব কী বলল জানো? বলল, আমরা যদি বাবার কবরটা পিরোজপুর থেকে ঢাকায় নিয়ে আসি তাহলে সেই পিরোজপুরের খালি কবরটা কী করব? সেখানে কি আমরা লিখে রাখব ‘টু-লেট’Ñ কবর ভাড়া দেয়া হবে। এ বলে অনেকক্ষণ হাসলেন।
মার্চের শেষে অথবা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে কোনো এক সন্ধ্যায় হুমায়ূন আহমেদ কেমোথেরাপির যন্ত্রণায় আমাকে বললেন, মাজহারকে ফোন দাও। বাংলাদেশ সময় তখন সকাল। আমি মাজহারকে ফোন দিলাম। পাশে শাওন এবং শাওনের মা। ডায়লগটা ছিল এইÑ
‘মাজহার, ৮টা কেমো শেষ হয়ে গেছে, এখন ডাক্তাররা আরো ৪টা কেমো দিতে যাচ্ছে, এটা তো আমার শরীর নাকি, তুমি আমাকে দেশে নিয়ে যাও। আমি নুহাশ পল্লীতে থাকতে চাই, নুহাশ পল্লীতে আমি মরতে চাই।’
হুমায়ূন আহমেদ ক্লিয়ার কোনো ইঙ্গিত আমাদের সামনে দেননি যে তার মৃত্যুর পর কোথায় তাকে সমাধিস্থ করা হবে। এত তাড়াতাড়ি তাকে অন্ধকার গ্রহে চলে যেতে হবে, এটা তিনি ভাবতে পারেননি। যেখানে স্লোন ক্যাটারিংয়ের বিখ্যাত অনকোলজিস্ট বলেছেন, তুমি ২ থেকে ৪ বছর বাঁচবে। তিনি প্রথমটাই ধরে নিয়েছিলেন। দু বছর। সেই কারণেই অপেক্ষা চলছিল এবং এই সময়ের ভেতরে আরো কিছু কাজ করে যেতে চেয়েছিলেন।
৩০ জুন, রোববার। বেলা ২টা হবে। ম্যানহাটন ডাউন টাউন। ১৪ নং স্ট্রিট এবং ইউনিয়ন স্কয়ারের মোড়। আমার গাড়িতে করে আমি, পূরবী বসু, শাওন এবং মাজহার ওখানে পৌঁছি। ‘বেস্ট বাই’ দোকান থেকে একটা ভয়েস-রেকর্ডার কেনা হয়। হুমায়ূন আহমেদের শেষ কথাগুলো রেকর্ড করার জন্য। মনে হয় তা আর হয়ে ওঠেনি। তখন মাজহার আর শাওন স্বপ্নের ঘোরে বাস করছিলেন। আমি যা দেখেছি-বুঝেছি তার অবস্থা দেখে মনে হয়েছিল তিনি ২৮-২৯ জুন থেকে লাইফ সাপোর্টে চলে যান। যদি সেই সময়ে তিনি লাইফ সাপোর্টে না যেতেন, তাহলে তার শেষ ইচ্ছাগুলো অনায়াসে রেকর্ড করা যেত। আজ তার দাফন নিয়ে এত জটিলতা দেখা দিত না।
|< পূববর্তী||পরবর্তী >|
|
<urn:uuid:d84702b0-67f8-48f2-bf47-af9c8e90474e>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://hollywoodbangla.com/index.php?option=com_content&view=article&id=8258:2012-08-01-10-39-24&catid=37:2010-10-11-16-50-49&Itemid=143
|
2013-05-26T09:08:11Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368706794379/warc/CC-MAIN-20130516121954-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999833
|
Beng
| 1
|
{"ben_Beng_score": 0.9998332858085632}
|
|ছবি:রাজীব /বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম|
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়া সফর ও অস্ত্রচুক্তি নিয়ে অনেক কথা বললেও সব কথা বলেননি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
২৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল নামের একটি সংগঠন।
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “সংবাদ সম্মেলন করেছেন, আপনাকে ধন্যবাদ। সম্মেলনে আপনি অনেক কথা বলেছেন, কিন্তু সংসদে পেপারস দেখান, পড়ে দেখি।’’
চুক্তির নানা বিষয়ে আপত্তি তুলে ধরে মওদুদ বলেন, “সাড়ে চার শতাংশ সুদের হার, নিম্মমানের অস্ত্র আসবে, তারা যা দেবে তাই নিতে হবে-এটা হতে পারে না।’’
‘দেশে আওয়ামী লীগের শাসন আছে, আইনের শাসন নেই’ মন্তব্য করে মওদুদ বলেন, “মির্জা ফখরুলকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হচ্ছে বারবার। এটা আইনের অপব্যবহার, অপপ্রয়োগ। জামিন পাওয়ার পর আবার মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আটকে রাখা আইনের শাসন নয়।”
ডিসি হারুনের পদকপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই পদক দেওয়ার মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করেছে তারা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে বিশ্বাস করে। বিরোধীদলকে দমনের কাজে সন্ত্রাস প্রশ্রয় দেয় সরকার।”
সরকারের উদ্দেশে মওদুদ বলেন, ‘“সব নেতারা জেলে থাকলে আন্দোলন হবে না-এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত কর্মসূচি আসবে।”
তিনি বলেন, “দেশে এখন মিথ্যাচারের রাজনীতি চলছে। সরকারের মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এখন সত্য কথা আসে না। অন্যায় স্বীকার করে না। বিশ্বজিতকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ছাত্রলীগের কাণ্ড হিসেবে স্বীকার করলো না। দুঃখপ্রকাশ করে ক্ষমা চেয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারতেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তা করেন নি।”
মওদুদ বলেন, “২৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা করে দেশের মানুষের কাছে এই দলটি (আওয়ামী লীগ) কলঙ্কিত দল হিসেবে চিরদিন চিহ্নিত হয়ে থাকবে।”
সংগঠনের সভাপতি এম এ হালিমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ, মেজর (অব.) এম এম মেহবুব রহমান, তাঁতি দলের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, জিয়া সেনা নেতা মঞ্জুর হোসেন ইসা প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১৭০৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৫, ২০১৩
এসকেএস/সম্পাদনা: আসিফ আজিজ, নিউজরুম এডিটর; নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর
|
<urn:uuid:5e47c3c8-adde-47df-8fd6-c8a1fcee692f>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=d81c4dc6b1f62123858c49f8126ce98b&nttl=25012013168721
|
2013-05-23T04:08:17Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368702777399/warc/CC-MAIN-20130516111257-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999684
|
Beng
| 3
|
{"ben_Beng_score": 0.9996836185455322}
|
তবুও মানুষ প্রত্যাশা জাগিয়ে রাখতে চায়
রাজনীতি নষ্ট আবর্ত থেকে বেরুতেই পারছে না। বরঞ্চ ক্ষমতার রাজনীতির পথে হাঁটা প্রতিপক্ষ দলগুলোর দেশপ্রেমহীন দলতন্ত্র এবং রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার উত্কট মোহ গণতন্ত্র বিকাশের সম্ভাবনাকে প্রতিদিন অন্ধকারে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছে। জামায়াত মুক্ত হতে না পারায় বিএনপি সাধারণ মানুষের চোখে অনেকটা ব্যাকফুটে রয়েছে। বিরোধী দলীয় রাজনীতির মন্দ সংস্কৃতি লালন করতে গিয়ে সংসদ লাগাতার বর্জন করে গণতন্ত্রের পদযাত্রায় অনেকটা পিছিয়ে ফেলেছে নিজেকে। অন্যায় দুর্নীতির অতীত পাপের জন্য ক্ষমা চেয়ে শুদ্ধ হওয়ার সুযোগ গ্রহণ করেনি। এসব যুক্তি ও দলীয় নানা দুর্বলতার কারণে বার বার চেষ্টা করেও আন্দোলনের মাঠে তেমন সুবিধা করতে পারছে না। তারপরও আল্টিমেটামের মত হটকারী ঘোষণা দিয়ে নিজেদের আন্দোলনের শক্তিকে অনেকটা খাটো করে ফেলেছে। তবুও দলটির সৌভাগ্য রাজনীতির ময়দানে প্রভূত ক্ষতি হওয়ার হাত থেকে আওয়ামী লীগই বিএনপিকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে। বিপুল জনসমর্থনের শক্তি নিয়ে সরকার গঠন করেও সরকার পরিচালক আওয়ামী নেতা-নেত্রীরা ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না। সত্ রাজনীতিকে নির্বাসন দিয়ে এখন পথহারা হয়ে গেছেন আওয়ামী নেতৃত্ব।
এদেশের বিগত দিনের রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে যতদূর তাকানো যাবে এ বিষয়টি স্পষ্ট হবে যে, রাজনীতিকদের হাতে জনগণ সবচেয়ে বেশি প্রতারিত হয়েছে। রাজনীতি আর নির্বাচনের হাতিয়ার হিসেবে ‘জনগণ’ শব্দটির বহুল ব্যবহার হয়েছে। কিন্তু জনগণের চাওয়া-পাওয়াকে রাজনীতিবিদগণ খুব কমই মূল্য দিয়েছেন। তাঁরা স্লোগান দিয়েছেন ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়—দলের চেয়ে দেশ বড়।’ কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে দলগুলো দল, ব্যক্তি ও পরিবারতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছে। সুবিধার ভাগ-বাটোয়ারা পেয়েছেন দলীয় নেতারা। কর্মীরা কখনো এর ছিটেফোঁটা পেয়েছেন কখনো না পেয়েই অন্ধ মোহজালে জড়িয়ে প্রাণপাত করছেন। দেশ ও জনগণের দিকে তেমন করে কেউ ফিরে তাকায়নি। এই দেশ এবং দেশের মানুষ তো এসব ক্ষমতাশালী ও ক্ষমতা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে বস্তুগত কিছু চায় না; এরা চাঁদাবাজির অর্থের ভাগ চায় না, দখল করা খাসজমি, মার্কেট, নদী-খালের ভাগ চায় না। জনগণ চায় একটি নিভাজ-নিপাট গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করুক রাজনৈতিক দলগুলো। এ জন্য কাউকে গণতন্ত্রের কারখানা প্রতিষ্ঠা করতে হবে না। নিজেদের শুধু পরিশুদ্ধ হতে হবে। অন্তরে হতে হবে দেশপ্রেমিক। ব্যক্তিপূজা, দলবন্দনা বাদ দেয়া যাবে না জানি, দলের প্রতি ভালবাসা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধ বিষয় নয়, তবে সবার আগে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক আচরণ তো ঘর থেকেই শুরু করতে হয়। কিন্তু সে চেষ্টা দু’তিন দশকে কি আমরা দেখেছি?
নির্বাচন না করে বৃহত্তর নেতা-কর্মীদের অনুমোদন ছাড়া বড় দলগুলোর প্রধান পদ একই নেত্রীদের অলংকৃত করে রাখতে দেখা যায় কেন? গণতন্ত্রের পথে হেঁটে কেউ আজীবন পার্টিপ্রধান থাকায় তো কোন অন্যায় নেই। তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় কমিটি পর্যন্ত সকল স্তর বছরের পর বছর কাউন্সিলবিহীন পড়ে আছে। সভানেত্রী এবং কয়েকজন নেতার ইচ্ছেয় বার বার নানা পদে ব্যক্তি মনোনীত হচ্ছেন। দেশজুড়ে থাকা অধিকাংশ নেতা-কর্মীর তাতে সায় আছে কিনা তা কি কেউ পরীক্ষা করেছেন?
গণতন্ত্র না থাকায় বিএনপিতে খালেদা জিয়া আর আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর কথা বলার খুব একটা সুযোগ থাকে না। বিএনপির কথা না হয় বাদ দিলাম, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগ বর্তমান নেতৃত্বের কল্যাণে অনেকটা শহুরে এলিট দলে পরিণত হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের কতটা মূল্যায়ন করা হয়? গণতান্ত্রিক আচরণ অব্যাহত রাখতে পারলে আওয়ামী ধমনিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ত। ফলে দেশজুড়ে বলবন্ত হতে পারত দলের জীবনীশক্তি। কিন্তু আওয়ামী নেতাদের শহর কেন্দ্রিক বণিক মনোবৃত্তির কারণে ধীরে ধীরে সুবিধার ফসল ঘরে তুলতে তত্পর জামায়াত আর বিএনপি।
সামপ্রদায়িক দল জামায়াত আর ভুঁইফোঁড় দল বিএনপির পক্ষে সাধারণ মানুষের মধ্যে পৌঁছে যাওয়া সহজ ছিল না। আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র চর্চাবিহীন পথ চলা বরঞ্চ জামায়াত-বিএনপির পায়ের নিচে মাটি পাওয়ার বাস্তবতা নিশ্চিত করে দিয়েছিল। কার্যপদ্ধতি ও আচরণে এই অগণতন্ত্রী দলগুলো জনকল্যাণ বিচ্ছিন্ন হলেও হাস্যকরভাবে জনগণের দোহাই দিয়েই নিজেদের বক্তব্য উত্থাপন করে। দলগুলোর দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক আচরণে মানুষ যেমন আস্থাহীনতায় ভুগছে আবার অনন্যোপায় হয়ে এসব দলের প্রতিই আস্থাশীল হতে চাইছে। এখানেই দলগুলোর আত্মতুষ্টির জায়গা খুঁজে নেয়া উচিত।
আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে বিএনপি-আওয়ামী লীগ কেন গণতান্ত্রিক আচরণ করতে পারছে না? বিএনপির বিষয়টি বোঝা যায়। একটি বড় রাজনৈতিক শূন্যতার সময় সামরিক অঞ্চলের ভেতর থেকে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তাই তাঁর গড়া দল স্বাভাবিকভাবেই গণতান্ত্রিক আচরণ নিয়ে যাত্রা শুরু করতে পারেনি। পরবর্তী সময়েও নিয়মতান্ত্রিক পথে দলটির বিকাশ ঘটেনি। ডান-বাম-সামপ্রদায়িক দল সকল অঞ্চলের সুবিধাবাদী মৌমাছিরা বিএনপি নামের মৌচাকে এসে জায়গা করে নিতে থাকে। স্বার্থবাদী মানুষদের দিয়ে গণতন্ত্রের চর্চা হতে পারে না। এ কারণে বিএনপির গণতন্ত্র বক্তৃতা আর স্লোগানেই রয়ে গেল। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকায় অর্থ আর প্রভাব বলয় দিয়ে বিএনপি দ্রুত সারাদশে সংগঠনটিকে ছড়িয়ে দিতে পেরেছিল। এই দলটি গ্রামেগঞ্জে পৌঁছে দেখল তাদের প্রতিহত করার মতো কোনো গণতান্ত্রিক শক্তি আর সেখানে অবশিষ্ট নেই।
গণতন্ত্র চর্চা যে কোনো দলকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেলহত্যার পরে আওয়ামী নেতৃত্বের আচরণ বুঝিয়ে দিল হত্যাকারীরা কতটা মেধাবী পরিকল্পনায় হেঁটেছে। তারা আওয়ামী লীগের কর্মক্ষম হাত-পাগুলো ভেঙ্গে দিয়েছিল। তাই পরবর্তী নেতৃত্ব ব্যক্তিগত গুণাগুণের কারণেই আত্মবিশ্বাসী হতে পারেননি। নয়ত নতুন বেড়ে ওঠা ভুঁইফোঁড় দল বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করার জন্য যেখানে গণতান্ত্রিক বোধ নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি করার কথা সেখানে প্রতিযোগিতার রাজনীতিতে নেমে পড়ল। যে কারণে আওয়ামী আচরণে গণতন্ত্র দৃঢ়ভাবে জায়গা করে নিতে পারল না।
তবে অসহায় দেশবাসী শেষ পর্যন্ত আশা নিয়ে বাঁচতে চায়। সবকিছুরই শেষ থাকে। রাজনৈতিক দলগুলোরও নিশ্চয় দোদুল্যমানতার অবসান ঘটবে। এসব দলের নেতৃত্বে থাকা মহাজনদেরও উপলব্ধি হওয়ার কথা। গণতান্ত্রিক আচরণহীন স্বার্থবাদী রাজনীতি শেষ পর্যন্ত কারও জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। তাই ইতিহাসের অমোঘ নিয়মে এ সময়ে আমাদের জীবনেও কেন সুবাতাস বইবে না? এখনও আমাদের বুকে আশা ঘর বাঁধে। এটি তো ঠিক, রাজনীতিবিদদের মেধা-চিন্তা-সততার পথ বেয়েই সার্বিক কল্যাণ সাধিত হতে পারে। আমাদের বিপুল জনশক্তি, মেধাবী মানুষ, উর্বর কৃষিভূমি, গ্যাস-কয়লার মতো খনিজ সম্পদ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া কঠিন কিছু নয়। এ জন্য প্রয়োজন দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, জনকল্যাণমূলক প্রশাসন আর গণতন্ত্রের সুপ্রতিষ্ঠা। আর এ সব ক’টি কাজ সম্পন্ন করার পূর্বশর্ত হচ্ছে কলুষমুক্ত দেশপ্রেমিক রাজনীতি। রাজনীতিবিদদের অধিকাংশ যদি চিন্তা-কর্মক্ষেত্রে সত্ হতে পারতেন তাহলে অনুসারী বা তালবেলেম নেতা-কর্মীরা সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অন্যের সম্পদ দখলকারী মস্তান হতে পারত না। নেতাকে অনুসরণ করে দেশ কল্যাণে নিবেদিত হতে পারত। দেশ ও দেশবাসীর কল্যাণের ব্রত নিয়ে যাঁরা রাজনীতিতে টিকে যেতেন রাজনীতির দরোজা শুধু তাঁদের জন্য খোলা থাকত।—এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলেই শুধু পায়ে পায়ে এগিয়ে যেতে পারত দেশ।
এবার আওয়ামী লীগের শাসনকালে অনেক নেতিবাচক উপাদান যুক্ত হয়েছে। প্রশাসনিক অদক্ষতা আর দুর্নীতিকে লুকোনো যাচ্ছে না। মানুষের যাপিত জীবনে স্বস্তি ফিরে আসার সুযোগ কম। এর মধ্যে সাংবাদিক সাগর-রুনির হত্যা রহস্য উন্মোচনে সরকারি বাহিনীর রহস্যজনক ব্যর্থতা। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী নিখোঁজ রহস্য অন্ধকারেই থেকে যাওয়া। পদ্মা সেতুর দুর্নীতি প্রসঙ্গ ধামাচাপা দেয়ার সরকারি প্রচেষ্টা ইত্যাদি সরকারের প্রতি মানুষের সন্দেহ বাড়িয়ে দিচ্ছে। দিকভ্রান্তের মত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের অনেকে অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছেন। সমালোচনাকারী সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী সকলকে শত্রুজ্ঞান করে প্রকাশ্য বক্তব্য রাখছেন।
এই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের এধরনের দুর্বলতা প্রগতিবাদী মানুষের কাম্য নয়। আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়ে সামপ্রদায়িক শক্তিকে সবল করুক তা জাতি কামনা করে না। একারণে এদেশের আশাবাদী মানুষ প্রত্যাশার দীপ জ্বালিয়ে রাখতে চায়। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের বোধোদয় হবে এটিই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাস্নাত মানুষ আশা করে। আওয়ামী নেতৃত্ব বচনে চলনে আরো হিসেবি এবং মার্জিত আচরণ করবে এখন জাতির এমনটিই প্রত্যাশা। দেশপ্রেমের শক্তিতে যদি দুর্নীতিমুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতে পারে বর্তমান সরকার আর এর প্রশাসন তাহলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে নানা ঘুরপথ খুঁজতে হবে না আওয়ামী নেতৃত্বকে। তাই এ সময়ে প্রয়োজন আওয়ামী নেতৃত্বের ধৈর্যশীল হওয়া এবং সমালোচনা শোনার সহ্যশক্তি বাড়ানো। কারণ অধিকাংশ সমালোচনার ভেতর থাকে পথের দিশা। প্রগতিবাদী এবং অসামপ্রদায়িক চেতনার মানুষ বর্তমান বাস্তবতায় চাইবে আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়াক। শুধু দল নয় জনগণের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারলে তার প্রতিদান আওয়ামী লীগ অবশ্যই পাবে। আর এদেশের বেশিরভাগ মানুষ অনন্যোপায় হয়ে হলেও তেমন প্রত্যাশা বাঁচিয়ে রাখছে।
|
<urn:uuid:33e3ceb7-3963-4308-bcb3-1a60e2770099>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://blog.priyo.com/akm-shahnawaz/2012/07/02/23602.html
|
2013-05-21T23:47:15Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368700871976/warc/CC-MAIN-20130516104111-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999664
|
Beng
| 1
|
{"ben_Beng_score": 0.999664306640625}
|
এ কোন আহসানউল্লাহ হল!
গত পরশু বিকেলে বুয়েটে গিয়েছিলাম। কয়েকদিন ধরে প্রিয় শিক্ষক কায়কোবাদ স্যার খুব করে বলছিলেন। ঢাকায় বসে শুধু ফোনে ফোনে কথা হচ্ছে, আর দেখা হচ্ছে না, সেটা তো ঠিক হচ্ছে না। স্যারের সাথে যখন কথা হয়, তখন কিভাবে ঘন্টা পার হয়ে যায়, সেটা খেয়াল থাকে না। তার দু’দিন আগে রাতে কথা বলতে গিয়ে আমার প্রি-পেইড মোবাইল ফোনের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গিয়েছিল। কি বিশ্রী ব্যাপার! স্যার হয়তো ভাবলেন, ফোনটির সংযোগ এমনি কেটে গিয়েছে। তিনি সারারাত ল্যাবে কাটিয়ে দেয়ার জন্য ল্যাবে এসেছিলেন। সেই গভীর রাতে তাকে আসল বিষয়টি জানানো যায়নি; এখনও জানানো হয়নি - এর মাঝে আরো নতুন অনেক বিষয় চলে এসেছে।
ঢাকায় ধানমন্ডির বাইরে খুব একটা আমি যাতায়ত করি না; তার মূল কারণ হলো ট্রাফিক জ্যাম। আমার নিজের গাড়ি নেই। বন্ধু-বান্ধবরা মাঝে মাঝে এখানে সেখানে নিয়ে যেতে চায়; তবে আমি বেশির ভাগটাই এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। রাস্তায় এই ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকাটা আমি মেনে নিতে পারছি না। তাই বলে যে কোথাও যাচ্ছি না তা তো নয়। তবে যতটা পারছি পাঁয়ে হেটে আর রিক্সায় চড়ে যাতায়ত করছি। তাতে আমার হাটাটাও হচ্ছে; সময়টাও বেঁচে যাচ্ছে অনেক। শুধু একটু ভয়ে ভয়ে থাকতে হচ্ছে যে, নির্মিতব্য কোনও ভবন থেকে মাথায় ইট এসে না পড়ে। তাহলে লেখালেখির এখানেই শেষ। (অনেকেই হয়তো ভাবছেন আমি রসিকতা করছি; কিন্তু এটাই বাস্তবতা - প্রতিটি রাস্তায় কয়েকটি করে উচু ভবনে নির্মান কাজ হচ্ছে এবং এগুলোর কোনও নিরাপত্তা বলে কিছু নেই।)
কায়কোবাদ স্যার নাছোড় বান্দা। আমি তাকে অনেক বুঝিয়ে বললাম যে, ঈদের সময় আসবো, তখন রাস্তাটা একটু ফাঁকা হবে। তিনি রাজী হলেন না। টানাটানি করে শনিবারটা তিনি রাজী হলেন। আমি তাকে বললাম, আমি হেটে হেটে বুয়েট পৌঁছে যাবো।
তিনি কোনও কথা কানে তুললেন না। বললেন, “আমি গাড়ি পাঠিয়ে দিব। বিকেল চারটায় আপনাকে তুলতে যাবে। আশা করছি চারটায় রওয়ানা দিলে ইফতারের আগে বুয়েটে এসে পৌছুতে পারবেন।”
আমি অনেকবার তাকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম। কেউ আমাকে এতোটা পথ নিতে আসবে, সেটা আমাকে স্বাচ্ছন্দ দিচ্ছিল না। কিন্তু তিনি প্রস্তাব দিলেন যে, আমার সাড়ে চার বছরের মেয়েটিকে তিনি বুয়েট ঘুরিয়ে দেখাবেন। আমি তাতে রাজি হয়ে গেলাম।
ট্রাফিক জ্যাম কাটিয়ে ধানমন্ডি থেকে বুয়েট যেতে ঘন্টা দেড়েকের মতো লেগে গেলো। স্যারের বাসায় একটু বসেই সাড়ে পাঁচটা নাগাদ হাটতে বের হলাম - উদ্দ্যেশ্য আমার প্রিয় ক্যাম্পাসটি ঘুরে দেখা।
স্যারের বাসাটি বকসিবাজারের গা-ঘেসে। ভেতরটা যা সুন্দর - খুবই সুন্দর। সবুজ ঘাষে চারদিক চকচক করছে, পরিস্কার রাস্তায় কেউ কেউ সাইকেল চালাচ্ছে, খোলা এক চিলতে মাঠে স্যারদের ছেলেমেয়েরা খেলছে - দেখেই মনটা ভরে গেলো। ঢাকা শহরে এমন সুন্দর জায়গা আছে, আগে জানা ছিল না। ঢাকা শহরের শিশুরা বড় হয় এপার্টমেন্টের জানালার রড় ধরে বাইরের ধূসর আকাশ কিংবা পাশের বাড়ির জানালা দেখে দেখে। বিকেলে এমন সুন্দর পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিশুরা খেলছে, এটা দেখেই আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম।
তারপর হেটে গেট পার হতেই বুয়েটের রাস্তা। প্রথমেই কবি নজরুল ইসলাম হল (যার ডাক নাম বয়লার - অতিরিক্ত গরমের জন্য এমন নামকরণ করা হয়েছিল), তারপর আহসান উল্লার ক্যান্টিন (ডাকনাম আউল্লার ক্যান্টিন) এবং তারপরই বিখ্যাত আহসান উল্লাহ হল - যেখানে কেটেছে যৌবনের ছয়টি বছর।
বৃষ্টি হয়েছে বলে চারদিক সবুজের ছড়াছড়ি। সেই সবুজ ঘাস রাস্তার উপরের চলে এসেছে। ঈদের ছুটির জন্য আজকেই হল বন্ধ হয়ে গিয়েছে - তাই সামনের প্রধান ফটকটি বন্ধ। পেছনের ক্যান্টিনটি পার হয়ে গেট দিয়ে চত্তরে ঢুকতেই আমি হারিয়ে গেলাম বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে। কতটা বছর আগে, কতটা সময় আগে এই মাঠে, এই ঘাসে, এই সিড়িতে, এই করিডোরে কত কিছুই না করেছি। জীবনের সবচে সুন্দর সময়টুকু বিলিয়ে দিয়েছিলাম এই ভবনটিকে, এই মাটিকে, এই লোহার গেটটিকে।
আবার, এই হলটিও উজার করে আমাকে দিয়েছে কত কিছু - তথ্য প্রযুক্তির মক্কা সেই সিলিকন ভ্যালীর দরজটা খুলে দিয়েছে এই হল, শত শত বন্ধু উপহার দিয়েছে এই হল, মিছিলে যাওয়া শিখিয়েছে এই হল, নির্বাচন করা শিখিয়েছে এই হল, প্রেম করা শিখিয়েছে এই হল - সর্বপরি আমাকে বড় করেছে এই হল, হলের খাবার, বাবুর্চি, কেয়ারটেকার আর ক্যান্টিনের বয়গুলো (যাদেরকে আমি আদর করে নাট, বল্টু, স্ক্রু ডাকতাম), আর গেটের সামনের ছোট দোকানী যিনি প্রতিদিন টাকা গুনতে ভুল করতেন (আমি দশ টাকার নোট দিলে তিনি আমাকে বিয়াল্লিশ টাকা ফেরত দিতেন। আমি একটু হাসি দিয়ে তাকে চল্লিশ টাকা ফেরত দিতাম। তিনি ফ্যাল ফ্যাল করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকতেন। তার সেই চাহনী আমাকে আজো টানে।)
পাশ করার পর এই নিয়ে দু’বার এলাম আহসানউল্লাহ হলে। মনে পড়লো, সেই ভর্তি পরীক্ষায় টিকে যাওয়ার পর যখন হল থেকে রেজিষ্ট্রি ডাক যোগে পত্র গেলো, আমাকে সীট দেয়া হয়েছে আহসান উল্লাহ হলে, আমার পরিস্কার মনে আছে, সেই রাতে আমি ঘুমাতে পারিনি। সারাটা রাত আমি ভেবেছিলাম, হলটি দেখতে কেমন হবে, আমার রুমটি কেমন হবে, আমার রুমমেট কে হবে - যেন আমি নতুন প্রেমিকাকে দেখতে যাচ্ছি। একটা সময়ে আহসানউল্লাহ হলটি আসলেই প্রেমিকার জায়গাটাই নিয়ে নিয়েছিল। সেটা নিয়ে এখন লিখতে গেলে বিশাল একটা লেখা হয়ে যাবে। আপাতত সেই লোভটা সামলে নিয়ে যেটুকু লিখতে চেয়েছিলাম, সেটুকু শেষ করি।
গেটে দাড়ওয়ানকে জিজ্ঞেস করলাম, ভেতরে যাওয়া যাবে কি না?
সে হাসি মুখেই ভেতরে যেতে দিল।
আমরা সিড়ি দিয়ে সরাসরি দোতলায় উঠে গেলাম, কারণ আমরা রুমটি দোতলায়। দোতালায় একপাশে ছিল আমাদের “কমন রুম” - যেখানে আমরা টিভি, খবরের কাগজ এবং টেবিল টেনিস ও দাবা খেলতাম। বাৎসরিক অনুষ্ঠানগুলোও হতো এই ঘরটিতে। আমার খুবই প্রিয় একটি জায়গা এটি। সেটা যেই দেখতে গিয়েছি, দেখি ওখানে আর কমন রুম নেই - ওটা হয়ে গিয়েছে “নামাজের ঘর” – পাশেই অজু করার বিশেষ ব্যবস্থা। হলটির পাশেই যেখানে ক্যান্টিন, তার উল্টো দিকেই বুয়েটের বিশাল মসজিদ। রাস্তার একদিকে হল, আরেক পাশে সমজিদ। তারপরেও হলের কমন রুমটি কেড়ে নিয়ে আরেকটা মসজিদ! হয়তো কমন রুমটি অনত্র সরিয়ে দেয়া হয়েছে, কিন্তু রাস্তার ওপারেই সমজিদে নামাজ পড়াটা কি আরো বেশি উত্তম নয়! যারা এটি করেছেন, তারা হয়তো ভালো বলতে পারবেন। নিশ্চই কোনও যুক্তি আছে।
নামাজের ঘর পার হয়ে আমরা হাটতে থাকি সামনের দিকে। দু’পা দিতেই আমার মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেলো। বারান্দা আর দরজাগুলো এতো নোংরা - যা আমার কল্পনাতেও ছিল না। বেশির ভাগ রুমে কেউ নেই, ঈদের ছুটিতে আজই বাড়ি চলে গিয়েছে। কিন্তু এ কী হাল এই হলটির! আমার পা চালাতে কষ্ট হচ্ছিল। আমার ছোট মেয়েটি নাকে হাত দিয়েছে। হঠাৎ করেই আমরা যেন কোনও ছাত্রাবাস নয়, বস্তির ভেতর ঢুকে পড়েছি। আমি ভাষা হারিয়ে ফেললাম; যেই উৎসাহ নিয়ে আমার মেয়েকে তার বাবার ছাত্রাবাসটি দেখাতে এসেছিলাম, মুহুর্তেই সেটা ধুসর হয়ে গেলো। অনেকেই হয়তো ভাবছেন, আমি আমেরিকার চোখ দিয়ে দেখছি, তাই এমন লাগছে। তাদের জন্য শুধু বলবো, ঢাকা শহরের কাঁদা-পানি আমার গায়ে আগেও লেগে ছিল, এখনও লাগছে। এগুলো আমাকে ততটা কষ্ট দেয় না। কিন্তু এটা কোনও ছাত্রাবাস, এটুকই আমি মেনে নিতে পারছিলাম না।
কায়কোবাদ স্যার বেশ লজ্জার ভেতর পরে গেলেন। সেটা তার মুখ দেখে আমি বুঝতে পারছিলাম। আর আমার সহকর্মীরা আমাকে সবসময় বলে, আমার চেহারা নাকি আয়নার মতো - খুব সহজেই সবকিছু ফুটে উঠে; কিছুই লুকাতে পারি না। কায়কোবাদ স্যার নিশ্চই আমার কষ্টের চেহারাটা দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, “স্বপন, আমি রাশিয়াতে পড়ার সময় যেই রুমটিতে থাকতাম, ছত্রিশ বছর পর সেখানে গিয়েছিলাম। সেই রুমে যেই ছেলেটি তখন থাকে, তার সাথে ছবি তুলে নিয়ে এসেছিলাম। এটা দেখে ছেলেটি তো মহা অবাক।”
স্যার আমাকে ইজি করার চেষ্টা করছেন। আমরা চুপচাপ আমার রুমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। তিন কোনা ভবন। মাঝখানের কোনাটায় বাথরুম। সেটার দিকে তাকিয়ে বমি আসার যোগাঢ় হলো আমার। কোনও রকমে ওটা পার হয়ে একেকটি রুম পার হচ্ছি, আর যেন একেকটি কষ্টের পাহাড় ডিঙ্গাচ্ছি। তারপর যখন নিজের রুমের সামনে এসে দাড়ালাম, হতাশা এসে আমাকে গ্রাস করে ধরলো। যেই উৎসাহ নিয়ে আমি এসেছিলাম, তার চেয়েও বড় কষ্টে আমি নিস্তেজ হয়ে পড়লাম। রুমটির দরজায় তালা ঝুলছিল না; ভেতর কেউ আছে। দরজায় টোকা দেব সেই শক্তিটুকু যেন নেই।
দরজার সামনে একটু দাড়ালাম। বারান্দায় এক স্তুপ ময়লা জমে আছে। কতদিন পরিস্কার করা হয় না, কে জানে! যত তাড়াতাড়ি ওখান থেকে চলে আসা যায়, ততই যেন বেঁচে যাওয়া।
কায়কোবাদ স্যার আবারো তার ছত্রিশ বছরের আগে ফেলে আসা রাশিয়ার হোষ্টেলের গল্প করছেন। কিভাবে তারা শেয়ার করে রুম, বারান্দা পরিস্কার করতেন এবং ছত্রিশ বছর পর গিয়ে সেই সুন্দর হোষ্টেলটি দেখে তার কেমন লাগছিল - সেগুলো অনবরত বলে যাচ্ছিলেন। আমি মাথা নিচু করে, আস্তে করে রুমটির দরজায় টোকা মারলাম।
একটু পর একটি ছেলে দরজা খুলে দাড়ালো। তাকে নিজের পরিচয় দিয়ে বললাম, “আমি খুব দুঃখিত যে আপনাকে এই অসময়ে বিরক্ত করছি। আমি পনেরো বছর আগে এই রুমটিতে থাকতাম। তাই একটু দেখতে এসেছি।”
ছেলেটি দরজা খুলে আমাকে ভেতরে যেতে বললো না। আমি অনধিকার চর্চা করে, দরজাটা একটু চাপ দিয়ে রুমটি দেখার চেষ্টা করলাম। এই দৃশ্য আমার না দেখলেই যেন ভালো ছিল। ঘরটিতে তিনটি খাট থাকার কথা। সেখানে রয়েছে একটি খাট। বাকি বিছানা করা হয়ছে মাটিতে। কিন্তু ঘরের পুরো পরিবেশটি এতো নোংরা আমি ঠিক কিভাবে লিখবো বুঝতে পারছি না। বাইরের বারান্দায় যেমন নোংরা তার থেকে কয়েকশ গুন নোংরা সেই ঘর। এই ঘরে আর যাই হোক, লেখাপড়া যে হতে পারে না - সেটা আমি নিশ্চিত।
কায়কোবাদ স্যার, আবারো সেই ছবি তোলার কথা বললেন। তাকে অনুসরন করে আমি ছেলেটিকে বললাম, “আমি কি আপনার সাথে একটা ছবি তুলতে পারি?”
ছেলেটি মাথা নাড়িয়ে বললো, “সরি, আমি কারো সাথে ছবি তুলি না।”
আমি প্রথমে একটু অবাক হলাম। আমার চেয়েও বেশি অবাক হলেন কায়কোবাদ স্যার। একটু অপ্রস্তুত হয়ে নিজেকে সামলে নেয়ার চেষ্টা করলাম। হয়তো আছে কোন কারণ, যা আমরা জানি না। ছেলেটির জন্য খুব মায়া হলো। আমাদের আর ছবি তোলা হলো না। একটি খারাপ স্মৃতি থেকে বেঁচে গেলাম। কিন্তু আমার মনে আছে, আমরা যখন ওই ঘরে থাকতাম, তখনো একদিন দুপুর বেলা একজন প্রাক্তন ছাত্র তার পরিবার নিয়ে আমাদের রুমে এসেছিলেন। তার নাম আমার মনে নেই। কিন্তু তার সাথে আমরা সবাই ছবি তুলেছিলাম, আমাদের বিছানায় তাদেরকে বসতে দিয়েছিলাম, তাকে ক্যান্টিন থেকে চা এনে খাইয়ে ছিলাম। আমি এখানে বলছি না যে, আমরা বেশি স্বচ্ছল ছিলাম। টিউশনী করে বুয়েটে পড়তে হয়েছে, সেখানে স্বচ্ছল থাকার সুযোগ ছিল না। কিন্তু আমাদের ঘরটি পরিস্কার ছিল, পরিপাটি ছিল, আলো-বাতাস ছিল - মানুষকে নিয়ে বসবার মতো ছিল। আমার ধারণা ছিল, বিগত সময়গুলোতে চারদিকে সম্পদের যেই ঝনঝনানী দেখি, তার ছিটেফুটা ক্যাম্পাসেও লাগবে। ঘরগুলো আরো সুন্দর হবে, পরিপাটি হবে, কারো কাছে ল্যাপটপ থাকবে - খুব সুন্দর একটি পরিবেশ থাকবে। পনেরো বছরে এটুকু অগ্রগতি তো আশা করা যায়, তাই না? কিন্তু এ কী দারিদ্রতা! এটা তো টাকার বিষয় নয়, এটা হলো মানসিকতার পরিচয়।
ঠিক রাস্তার উল্টো দিকেই তো শিক্ষকদের থাকার জায়গা। সেটা তো কত সুন্দর ঝকঝকে তকতকে। কিন্তু ছাত্রদের থাকার জায়গাটা যেন বস্তিকেও হার মানাবে। আমরা আর দেরি না করে, দ্রুত পা চালিয়ে এলাকাটা ছেড়ে আসি।
আমি জানি না, বর্তমানে আহসানউল্লাহ হলের প্রভোষ্ট কে। কারো নজরে যদি এই লেখাটি আসে, তাহলে তার প্রতি অনুরোধ রইলো, দয়া করে প্রভোষ্ট স্যারকে বলবেন, হলটি যেন তিনি একটু পরিস্কার করে দেন। শুনেছি, পরিচ্ছন্নতা ঈমানে অঙ্গ। ওখান যদি নামাজের ঘর হতে পারে, তাহলে পুরো হলটি আরো পরিস্কার থাকলে তার পরজগতে নিশ্চই অনেক কাজে আসবে।
আর যদি কেবল মাত্র টাকার অভাবে হলটি পরিস্কার রাখা সম্ভব না হয়ে থাকে, তাহলে সেটুকু জানালে, আমি আহসানউল্লাহ হলের প্রাক্তন ছাত্রদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে সেই টাকার যোগাঢ় করে দিবো। তবুও হলটিতে লেখাপড়ার পরিবেশটুকু ফিরিয়ে দিন।
ঢাকা, ২৯ আগষ্ট ২০১১
ফেসবুক পেজ: http://facebook.com/pages/Zakaria-Swapan/183025368405195
পুনশ্চ: আমার সিনিয়র রানা ভাই বলছেন, নামাজের জায়গাটা দোতলাতেই ছিল, আর কমন রুমটি ছিল তৃতীয় তলায়। যদি তাই হয়, তাহলে আমার তথ্যে একটু ভুল হয়েছে। দীর্ঘদিন পর এমন করুন অবস্থায় নিজের হলটিকে দেখে আমি আসলেই হতবাক হয়ে পড়েছি। এই অনিচ্ছাকৃত ভুলটির জন্য ক্ষমা চাইছি। তবে, নামাজের ঘরটিও পরিচ্ছন্ন ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয় খুললে আমি আবারো দেখতে যাবো। তখন হয়তো আরো আপডেট দিতে পারবো।
|
<urn:uuid:1f8cbdca-31a8-4224-8fee-94b4c9f60292>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://blog.priyo.com/zswapan/2011/08/29/4496.html
|
2013-05-21T23:33:24Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368700871976/warc/CC-MAIN-20130516104111-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999871
|
Beng
| 19
|
{"ben_Beng_score": 0.999870777130127}
|
ঢাকা: ভারতকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক নারী ও পতিতা ব্যবসায়ী চক্র তাদের ঘৃণ্য ব্যবসার যোগান সচল রাখতে অনেকদিন ধরেই হাত বাড়িয়ে রেখেছে বাংলাদেশের দিকে।
পাচার হওয়া বাংলাদেশি নারীদের ভারতের বিভিন্ন শহরে জোর করে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার চাঞ্চল্যকর কাহিনী মাঝেমধ্যেই প্রকাশ পায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে বাংলাদেশের সরকারকে এ নিয়ে তৎপর হতে দেখা যায়না। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে খুব একটা গুরুত্ব পায়না এসব ঘটনা।
সম্প্রতি ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে পাচার হওয়া বাংলাদেশি নারীদের কীভাবে জোর করে পতিতাবৃত্তিতে নামানো হয়।
পাশাপাশি উদঘাটিত হয়েছে অপরাধী চক্রের শক্তিশালী নেটওয়ার্কেরও বিভিন্ন তথ্য।
খবরে বলা হয়েছে, নেটওয়ার্কটির বিস্তৃতি গোটা ভারত জুড়েই। আর এদিকে বাংলাদেশের কাহিনীটি স্রেফ প্রলোভন নির্ভর।
বাংলাদেশি কম বয়সি মেয়েরাই মূল টার্গেট। তাদের ভালো কাজ দেওয়ার প্রলোভনে ফেলে ভারতে চালান করে চক্রটি। এদিকে তাদের হয়ে কাজ করে পাচারকারী একটি দল। তারাই ওই মেয়েদের বিক্রি করে চক্রটির কাছে। পরে এই মেয়েরা বিকোয় কোলকাতা, মুম্বাই, হায়দরাবাদসহ ভারতের বিভিন্ন শহরের পতিতালয়ে।
আর সেখানেই শুরু হয় দুর্ভোগের গল্প। পতিতাবৃত্তির অভিশপ্ত জীবন তাদের টেনে নিয়ে যায় এক শহর থেকে আরেক শহরে। তবে সেটা তাদের ইচ্ছায় নয়। বিভিন্ন চক্রের হাতে হাতে নিয়মিত হাতবদল হতে থাকে তারা।
সম্প্রতি এ রকমই একটি চক্রের সরূপ উদঘাটন করে দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের পুলিশ। কেরালার কোচি শহরের এরনাকুলামে দেহ ব্যবসা পরিচালনাকারী ওই চক্রের আস্তানায় হানা দেয় পুলিশ। সেখানেই সন্ধান মেলে বাংলাদেশি তরুণীদের।
এভাবে অহরহই বাংলাদেশ থেকে নারীদের পাচার করে আনার ঘটনা ঘটছে বলে উদঘাটিত হয়েছে পুলিশি তদন্তে। এরনাকুলাম পুলিশ জানায়, ধরা পড়ার মাত্র কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশ থেকে আরও কয়েক ডজন মেয়েকে এরনাকুলামে আনে ওই চক্র। পরে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে চালান দেওয়া হয় তাদের।
গত বৃহস্পতিবার এরনাকুলামের আলুভা এলাকায় পাচারকারীদের ওই আস্তানায় হানা দেয় পুলিশ। পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতারের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয় ১৯ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি তরুণীকে। বাংলাদেশি ওই মেয়ের থেকেই পাওয়া যায় চক্রগুলোর চাঞ্চল্যকর নানা কর্মকাণ্ডের তথ্য। ৪০ হাজার রুপিতে কেনা মেয়েটিকে মাত্র নয়দিন আগে সেখানে আনা হয় বলে জানিয়েছে গ্রেফতারকৃতরা।
এরনাকুলামের সুপারিটেন্ডেন্ট অব পুলিশ এস সতীশ বিনো সংবাদমাধ্যমকে জানান ওই মেয়েটির কাছ থেকে পাচারকারী সিন্ডিকিটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন তারা। এখন ওই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই চক্রটির অন্যান্য শাখা প্রশাখা সনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। মেয়েটিকে কেরালায় আনার আগে মুম্বাই ও হায়দরাবাদ ঘুরিয়ে আনা হয় বলে জানান সতীশ বিনো।
তিনি আরও জানান, নারী ব্যবসায়ী এ চক্রগুলো শহরতলীর ঘনবসতিপূর্ণ ঘিঞ্জি এলাকাগুলোতে তাদের আস্তানা গাড়ে। সাধারণত বাইরে থাকা আসা অভিবাসী শ্রমিকদের আবাস ওই সব এলাকায় পরিচয় গোপন করে তৎপরতা চালানো অনেক সহজ হয় তাদের জন্য।
এর আগেও বাংলাদেশ থেকে পাচার করা নারীদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার ঘটনা সংবাদমাধ্যমে উঠে আসলেও এ ব্যাপারে টনক নড়েনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। জানা গেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন পক্ষকে ম্যানেজ করেই পাচারকারীরা তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে।
অল্প কিছু অর্থের বিনিময়ে অন্য দেশে পতিতাবৃত্তিতে নিজের দেশের অসহায় মেয়েদের পাঠানোর মত জঘন্য কাজ করতে বুক কাঁপে না তাদের।
এভাবে প্রতি বছর কত মেয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে ভারতের বিভিন্ন পতিতাপল্লীতে দেহ ব্যবসায় ব্যবহৃত হচ্ছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই কারও কাছেই।
অনেকের ধারণা পাচারকারীদের সিন্ডিকেট অনেক শক্তিশালী হওয়ায় এবং এর সঙ্গে অনেক রাঘব বোয়াল যুক্ত থাকায় বছরের পর বছর ধরে অবাধে নিজেদের ঘৃণ্য তৎপরতা চালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছে পাচারকারীরা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এভাবেই কী অন্য দেশের পতিতালয়ে বিক্রি হওয়ার জন্য পাচার হতে থাকবে বাংলাদেশের অসহায় তরুণী, কিশোরীরা।
দেশের প্রশাসন ও সচেতন সমাজের টনক কী কখনই নড়বে না?
বাংলাদেশ সময়: ২২১৪ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০১৩
সম্পাদনা: রাইসুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর
|
<urn:uuid:992904a8-63b3-4477-973a-588c31b636dc>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=3aa849a8d19430aab07f4be21598adb9&nttl=04022013171040
|
2013-06-18T22:10:33Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368707434477/warc/CC-MAIN-20130516123034-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999509
|
Beng
| 3
|
{"ben_Beng_score": 0.9995094537734985}
|
ফরেক্সে প্রায় প্রতিদিনই গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিউজ রিলিজ হয়। আপকামিং নিউজ গুলো বিভিন্ন ব্রোকারের Economic Calender সেকশনে পাওয়া যায়। নিউজ রিলিজ হওয়ার পূর্বে বিভিন্ন প্রতিষ্টান সার্ভে করে কোন নিউজ কিরকম আসতে পারে তার একটা পূর্বাভাষ ভ্যালু (forecast) তৈরি করে। এসব প্রতিষ্টানে bloomberg, cnbc এর মত বড় বড় বিজনেজ নিউজ এজেন্সী থাকে। এই forecast ভ্যালুর চেয়ে actual খারাপ আসা মানে ঐ দেশের ইকোনমি খারাপ করছে , আর ঐ ভ্যালু থেকে ভাল করা মানে ঐ দেশের ইকোনমি ভাল করছে। নিউজ আসার সাথে সাথে প্রাইসের প্রচুর উঠানামা করবে। ফান্ডামেন্টাল থিওরী অনুযায়ী কোন দেশের ইকোনমি ভাল করছে এই খবর আসলে সাথে সাথে ঐ দেশের মুদ্রা বাড়তে থাকবে আবার ঐ দেশের ইকোনমি খারাপ করছে খবর আসলে উল্টা ঘটবে।
যারা স্কালপিং করেন তাদের জন্য নিউজ ট্রেডিং আশীর্বাদস্বরুপ কারণ নিউজ রিলিজ হওয়ার ৫-১০ মিনিটেই ৩০-৫০ পিপস মুভ হতে পারে। সেটা নির্ভর করে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ নিউজ সেটার উপরে।
attachment file এ দেখুন কোন দেশের কোন কোন নিউজে কত পিপ মুভমেন্ট হতে পারে এবং কত টুকু চেঞ্জে নিউজ ফিগার আসলে সেটা ট্রেড করা যায়।
Tradable Figure হচ্ছে ঐ নিউজের forecast থেকে কতটুকু চেঞ্জে actual figure আসলে সেটা ট্রেড করার যোগ্য। মনে রাখবেন উপরের ট্রেডেবল ফিগারটা হচ্ছে একেবারে মডারেট ফিগার। মানে অতটুকু একচুয়াল ভ্যালু চেঞ্জ হলে প্রাইস অবশ্যই মুভ করবে। কিন্তু বাস্তবে ট্রেড করার জন্য অতটুকু চেঞ্জ দরকার হয় না । কিছুটা কম চেঞ্জ হলেও সমস্যা নেই। যেমন us Nonfarm payroll হচ্ছে অনেক স্পর্শকাতর একটা নিউজ। এটার ট্রেডেবল ফিগার দেয়া আছে 70K ডিফারেন্সে। কিন্তু 70K ডিফারেন্স না হয়ে কম হলেও প্রাইস প্রচুর মুভ করবে।
Movement range হচ্ছে কত পিপস মুভ হতে পারে। পক্ষে আসলে প্রাইস বাড়বে আর বিপক্ষে আসলে প্রাইস কমবে।
বিভিন্ন ব্রোকার নিউজ রিলিজের সময় স্প্রেড বাড়িয়ে দেয় কারণ ঐ মুহূর্তে মার্কেটে volatility বেশি থাকে। তাই আপনার একাউন্ট ফিক্সড স্প্রেড না হলে স্প্রেড বেশি দেখলে অবাক হবেন না। Requotes হতে পারে যদি আপনার ব্রোকার market maker হয়। আবার মাঝে মাঝে প্লাটফর্ম হ্যাং হয়ে যেতে পারে। আবার ট্রেড ওপেন হয়ে গেলেও শো না করতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি পুনরায় ট্রেড ওপেন করে ফেললে পরে দেখবেন ২টা ট্রেড। আবার বাংলাদেশের বিদ্যুতের যে অবস্থা নিউজ রিলিজে ট্রেড ওপেন করার পর যদি বিদ্যূত চলে যায় তাহলে কি করবেন সেটাও ভেবে রাখবেন। কারণ নিউজ রিলিজের পর একচুয়াল ভ্যালু যা আসে তা মাঝে মাঝে সংশোধন হয় যাকে Revise বলে। যেমন ইউএস এর jobless claims আসল প্রচুর। jobless claims প্রচুর আসা মানে আমেরিকায় চাকরি সঙ্কট প্রচুর। মানে আমেরিকার ইকোনমি খারাপ অবস্থায় আছে। আপনি eur/usd বাই দিলেন। পরে revised figure আসল যে আসলে ততটুকু খারাপ নয়। তখন মার্কেট সাথে সাথে ইউ টার্ন করবে। সেসময় আপনাকে স্ক্রিনের সামনে থাকতে হবে যাতে কোন অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা থেকে বাচা যায়। তাই নিউজ ট্রেডিংয়ে হাইয়েস্ট সতর্কতা পালন করবেন।
নিউজ ট্রেডিং রিয়েল একাউন্টে করার আগে ডেমো ট্রেড করে নিবেন market volatility আপনি কতটুকু ভালভাবে handle করতে পারছেন দেখবেন।
|
<urn:uuid:2b7fdbf2-abd6-4745-b600-338a2449b4f7>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://bdpips.com/school/news-trading
|
2013-05-23T11:06:53Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368703293367/warc/CC-MAIN-20130516112133-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999791
|
Beng
| 11
|
{"ben_Beng_score": 0.9997912049293518}
|
(দরকার নাই, তাও বলি: সকল চিন্তা আমার, এবং অসাড় চিন্তাও। )
১
'দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক' যেন এডরেনালিনে চলা জীবন। ডেভিড ফিঞ্চারের এই প্রবনতাটা আগে ছিল না তা না। কিন্তু জাকারবার্গ বাস্তব জীবনের মানুষ কিনা, চোখে পড়ে।
২
সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হতে সময় লাগে না। ফিঞ্চারের সাথে যুক্ত হয়েছেন ওয়েস্ট উইং-এর অ্যারন সরকিন।
ফ্ল্যাশের পর ফ্ল্যাশের পর ফ্ল্যাশ, তা সে হেনলি রয়েল রেগাটায় আরনি হ্যা ...
চল্লিশ কেজির খানিক বেশী এই শরীরটার ওজন। মাথাটা মনে হয় সেই তুলনায় একটু বেশীই ভারী। মাঝে মাঝেই মনে হয়, মাথাটা না থাকলে একটু সাচ্ছন্দ্যে চলতে পারতাম। এই মাথাটাতেই কিনা আমার ইচ্ছা করে সারা দুনিয়ার সব কিছু ঢুকিয়ে রাখি। নাহ ঠিক বললাম না, সব কিছু না, কেবল তাই যা আমি শিখতে চাই, জানতে চাই আর আমার জীবনের সুন্দর মুহুর্তগুলো। নতুন কিছু করার যে কি আনন্দ, তা আমি জানি। খুব সাধারন একটা ধার ...
পাহাড়পুরেও কিউই! :
কাননবিলাস সেরে সবে চা-পান করে মনমেজাজ তোফা হয়ে গেল, ওদিকে তখন বেলাও প্রায় গড়িয়ে এসেছে, তাই পঞ্চপাণ্ডবের চকিত সিদ্ধান্ত, এবার শহরের ধার থেকে একটু হাওয়া খেয়ে আসা যাক। অটোমামাকে বলতেই তিনি কিছু পথঘাট ঘুরিয়ে আমাদের একটা বেশ খোলামেলা জায়গায় নিয়ে গেলেন। তখন যাকে বলে আসলেই"বৃষ্টি শেষে রুপালী আকাশ", বেশ ফুরফুরে হাওয়া দিচ্ ...
একদিন এক স্রোতস্বিনী কে পার হয়ে যাব বলে প্রবল উদ্যমে ঘুম থেকে উঠে দাড়িয়েছিলাম। আমার পূর্বপুরুষ যারা সেই একই স্বপ্নকে বুকে ভরে গিয়েছিলেন স্রোতস্বিনীর উপারে , তাদের কারু নামগন্ধও ফিরে আসেনি কখনো -এই মর্মে সতর্কবাণী জারি করে আবারো ঘুমিয়ে পড়লো আমার আত্নজা। তার ভাবলেশহীন ঘুমন্ত মুখ আমার স্মৃতিকে প্রতারিত করলো কিছুটা - যারা কেবল তার ছায়াকে সঙ্গিনী করে হারিয়ে গিয়েছিল দূর কুয়াশায় অ ...
যখন নিরর্থক নিঃসঙ্গতায় আপ্লুত এই হৃদয়
শুন্যতাকে করে বিষজ্ঞান
জীবন খোজে পূর্ণ প্রেমের আধার
কিংবা আধারটাই করে আকর্ষণ
আর অন্বিষ্ট হয় নিজের পরিশ্রুতিসাধন।
তখন হঠাৎই আনন্দে দেখি
প্রচলিত মূদ্রায় আমি মূল্যহীন
বিনিময় অযোগ্য কিংবা অসাধ্য
যেনো পদ্মায় ভেসে চলা পানা
কিংবা কৃষ্ণপক্ষের প্রথমা তিথির জ্যোৎস্না।
ব্রুনো
সুপ্রিয়া দেবী যেমন "ডাটা" গুঁড়ো মশলার বিজ্ঞাপনের শুরুতে জবজবে গলায় বলেন "সব বৌমাদের বলছি" আমি তাঁকে অনুসরণ করে বলি "যাঁরা দীর্ঘদিন ঘরছাড়া, ডিমের ভুজিয়া, ম্যাগি, ম্যাকডোনাল্ড আর ট্যাকো বেল-এ খেয়ে খেয়ে যাঁরা ভাবছেন এ জীবন লইয়া কি করিব সেই সব হতভাগ্যদের উদ্দেশ্যে এই সহজ রেসিপি নিবেদিত হল।" কারণ তাঁরা মরিয়া এবং অকুতোভয় (এ দুই-এর কম্বো ছাড়া ঝট করে কোন আনাড়ী রাঁধুনী মাছ রাঁধবেন কি?) তাই মা ...
১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ছিলো অবরোধ দিবস। সারা দেশ থেকে দলে দলে মানুষ এসে জড়ো হয়েছিলো ঢাকায়।মিছিলে মিছিলে উত্তাল হয়ে উঠেছিলো সেদিন ঢাকা নগরী।গুলিস্তান-বংগবন্ধু এভিনিউ-বায়তুল মোকারম এলাকায় জনতার ভিড়ে, সমস্ত জনতাকে ছাপিয়ে বারবার একটি মুখই উদয় হচ্ছিলো। আর সেটি নূর হোসেনের।খালি গা। জিন্সের ট্রাউজার পরনে।বুকে পিঠে স্লোগান লেখা—স্বৈরাচার নীপাত যাক/গণতন্ত্র মুক্তি পাক।সে ছুটছিল ...
অনেকদিন লেখা হয় না। আজ পণ করলাম, ভাল হোক, মন্দ হোক, লিখেই ছাড়ব।
এই লিখেছি খেয়াল খুশি
এই লিখেছি বাজে
ইচ্ছে মতন,লিখছি যখন
মন ছিলনা কাজে।
পাগলামিটা এই ছিলো আর
এই এখুনি নেই
আমি কি আর পাগল বলো?
আমি তোমার সেই।
দূর দূর দূর অনেকটা দূর
রোদ্দুরে নেই ছায়া,
ঘর ছেড়েছি, পর ছেড়েছি
তবু কিসের মায়া?
ঘোরের মাঝে ঘর ভেঙ্গেছি
ভুল বুঝেছি তায়
অভিমানের ভান ভুলেছি
পাল তুলেছি নায়।
পথ হারিয়ে, রথ হারি ...
উল্টা মরকের বীজে! স্বরনালি চিরে চিরে চৈত্রপরবশে মনের ভাবগুলো দীর্ঘকাল বাঁচার আশায় মুক্তহৃদয় পাঠ হতে পারে, এরকম ভাব করে সে-ও জানতে চায় কতটুকু নিরাপদ ছুঁলে বুক-দেহে জাগে না মৃত্যুভয় এই প্রতীক্ষায় তাকে তাড়ানো যাবে না সার্কাসে-এসেন্সে কিংবা স্বয়ং বাগানবাড়ির ছায়ায়; বসে থাকা; জন্ম নেয়া; তোমার একান্ত যতকথা... তত আমার পূর্ণতা... বিপরীত সুতোর মতো ছুটে নিঃশ্বাসে টেনে নিচ্ছো চিবুকের ছাট; বি ...
রাত হলে যখন কোন মানুষ থাকে না রাস্তায় তখন রাস্তাগুলো নদী হয়ে যায়। কেউ চলে আসলেই আবার নিথর পীচের শরীর। তবে কেউ কেউ মাতাল হলে নদী দেখতে পায়। আমি মাতাল না হয়েও মাঝে মাঝে দেখি। এই যেমন এখন একটা নদীর পারে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতেছি বাসের জন্য। প্রতিদিন দিনের দৈর্ঘ্য কমে আসছে। সাড়ে পাঁচটা বাজতেই সন্ধ্যার মুখে চুনকালি পড়ে আর ৮টা বাজতেই রাস্তাগুলা নদী। দিব্যদর্শী মাতালেরা ছাড় ...
|
<urn:uuid:13d9bf26-60aa-465d-9af7-5b7ae1ef06ce>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://www.sachalayatan.com/archive/all/2010/11/10
|
2013-05-25T19:27:56Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368706121989/warc/CC-MAIN-20130516120841-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999573
|
Beng
| 1
|
{"ben_Beng_score": 0.9995730519294739}
|
ভীতি
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
||এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি।
দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন।
(সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (অক্টোবর ২০১১)
ভবিষ্যতে কোনও অশুভ বা বিপদের আশঙ্কা অথবা বেদনার অনুভুতির আগাম চিন্তা করে মানসিক যে অস্বস্তির সৃষ্টি হয় তা হলো ভয় বা ভীতি। ভয়ের কারণে মানুষ যেকোনও উদ্যোগে দ্বিধাগ্রস্ত হয়।
|এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন।|
|
<urn:uuid:9017b0c2-6a4e-4505-b4ed-7247fdbe98ef>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF
|
2013-05-19T09:26:57Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368697232084/warc/CC-MAIN-20130516094032-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998455
|
Beng
| 2
|
{"ben_Beng_score": 0.998454749584198}
|
আয়ারল্যান্ডকে হেয় করছেন বিসিবি সভাপতি
ঢাকা: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল মানুষটা এমনই- কৃতিত্ব নিতে বড্ড ভালোবাসেন। মানুষকে বিভ্রান্ত করতেও তিনি বেশ পারদর্শী।
আয়ারল্যান্ডকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই দেওয়ায় কৃতিত্ব জাহির করতে মোস্তফা কামাল ব্যতিব্যস্ত। বাংলাদেশ দলের সঙ্গে থাকা বিসিবি সভাপতি বলে বেড়াচ্ছেন ইউরোপ সফর আয়োজনের সমস্ত কৃতিত্ব তার। ওয়ানডের পরিবর্তে টি-টোয়েন্টি খেলতে আইরিশ ক্রিকেট বোর্ডকে রাজি করাতে বিসিবি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজামউদ্দিন চৌধুরীকে দিয়ে যোগাযোগ করিয়ে ছিলেন তিনি। কেন যেন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগকে কোনো কৃতিত্ব দিতে চান না বিসিবি সভাপতি। আসলে আইরিশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্ত কাজটি করেছে বিসিবি ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ। তার জন্য কৃতিত্ব পাওয়ার কথা ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন সিরাজের। আর কামাল বোর্ড সভাপতি হিসেবে এমনতেই কৃতিত্ব পান। তার জন্য বলে বেড়ানোর প্রয়োজন হয় না।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ইউরোপ সফরের খরচপাতি নিয়ে তিনি যা বলেছেন তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। জাতীয় দলের সঙ্গে সফরে থাকা সাংবাদিকদের বিসিবি সভাপতি বলেছেন, আয়ারল্যান্ডে তিনটি ম্যাচ খেলার জন্য তিন কোটি টাকা খরচ হয়েছে! ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড বাংলাদেশ দলকে কোনো ধরণের সুযোগ সুবিধা দেয়নি। তাদের টাকা নেই, বিসিবির অনেক টাকা। বিসিবি তাই দু’হাতে টাকা উড়িয়েছে। মোস্তফা কামালের দাবি হোটেল ভাড়া থেকে থাকা খাওয়া সব খরচ বিসিবির। নিশ্চয়ই আরিশ ক্রিকেট বোর্ডের মানুষগুলো খুব ভদ্র এবং বিনয়ী। অথবা বিসিবি সভাপতির কথাগুলো সম্পর্কে তারা অবগত না। তারা জানলে হয়তো ভুল তথ্য প্রচারের অভিযোগে মোস্তফা কামালকে কড়া প্রতিবাদ জানাতেন।
আসল ঘটনা হলো ইউরোপ সফরে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার জন্য বিসিবির খরচ নির্ধারণ হয় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার মতো। যার সিংহভাগ যাচ্ছে বিমান পরিবহন খরচে। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে দুই দিন আগে যাওয়ায় এবং দুইদিন দেরি করে দেশে ফেরায় কিছু টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে বিসিবির। আইরিশ ক্রিকেট বোর্ড ১৪ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ দলকে আতিথেয়তা দিয়েছে। নেদারল্যান্ডসেও ২৫ জুলাই পর্যন্ত আতিথেয়তা পাবে জাতীয় দল। একটা দ্বিপাক্ষিক সিরিজে যে সব সুবিধা থাকে তার সবই পাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু বিসিবি সভাপতি সাংবাদিকদের বলেছেন, আয়ারল্যান্ডে যাবতীয় খরচ বিসিবির। তিন কোটি টাকা খরচ হয়েছে কেবল আয়ারল্যান্ডে! আইসিসি সহ-সভাপতি প্রার্থী যখন এমন ভুল তথ্য দিয়ে আরেকটি সহযোগী ক্রিকেট বোর্ডকে বিব্ররত করেন তখন অন্যরা তার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে কিছু করার থাকে না।
বিসিবি সভাপতি আইসিসির বড় কর্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও তিনি হয়তো জানেন না বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজনের জন্য আইসিসির কাছ থেকে অনুদান পেয়েছে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস। সেই অনুদানের টাকা এবং নিজেদের তহবিল থেকে কিছু খরচ করে বাংলাদেশ দলকে আতিথেয়তা দিয়েছে। বিসিবি সভাপতি যে তিন কোটি টাকা খরচের কথা বলছেন তাহলে বাকি এক কোটি ৭০ লাখ টাকা গেলো কোথায়?
সর্বশেষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে একটি অতিরিক্ত ম্যাচ খেলার জন্য এখন কিছু টাকা বেশি খরচ হবে বিসিবির। বিসিবি থেকেই রয়েল ডাচ ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়েছে খরচ পাতি নিয়ে একটি অতিরিক্ত ম্যাচ খেলার জন্য। তাতে সদয় সম্মতি জানিয়েছে ডাচ বোর্ড।
অতিরিক্ত ম্যাচটি বাদ রেখে এবং সফরের আগে পিছে অতিরিক্ত চার দিন না থাকলে ১২ লাখ টাকা কম খরচ হতো। সেক্ষেত্রে ১৪ জুলাই আয়ারল্যান্ড গেলে এবং নেদারল্যান্ডস থেকে ২৬ জুলাই দেশে ফিরলে ১ কোটি ১৮ লাখ টাকায় সফর সম্পন্ন হতো বাংলাদেশ দলের।
বিসিবি সভাপতি বোধ হয় ভুলে গেছেন আইসিসি এবং এসিসি ইভেন্ট ছাড়া আন্তর্জাতিক দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে বিমান পরিবহন খরচ বহন করে সফরকারী দল। সিরিজের নির্ধারিত সময়ের আগে পরে থাকলে তার দায়ও তাদের। এজন্য স্বাগতিক বোর্ডকে উপহাস করার কোনো সুযোগ নেই। ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের দারিদ্রতাকে যে ভাবে বিসিবি সভাপতি পরিহাস করলেন তা আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের ক্রিকেট বোর্ড কর্মকর্তাদের জানা উচিৎ। তারা এথেকে বুঝতে পারবেন তাদের ভাবি সহ-সভাপতি কি ধরণের মানুষ।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০৮ ঘণ্টা, জুলাই ২৪, ২০১২
এসএ
সম্পাদনা: চঞ্চল ঘোষ, নিউজরুম এডিটর
|
<urn:uuid:d1a0aa11-ea0a-47a0-b49c-e033cd1e317d>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://www.banglanews24.com/Cricket/detailsnews.php?nssl=0b61ce5b2194aca9fb261715123972ca&nttl=20120724060917128412
|
2013-05-24T15:12:42Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368704666482/warc/CC-MAIN-20130516114426-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999785
|
Beng
| 3
|
{"ben_Beng_score": 0.9997852444648743}
|
বিবরণ: বিবাহ সমাজের নৈতিক ভিত্তি। ইসলাম বিবাহকে খুব সহজ করে দিয়েছে। আমরা নানা আনুষ্ঠানিকতার নামে বিবাহকে জটিল করে তুলেছি। সাথে নানা অবৈধ বিষয় ঢুকিয়ে এর দ্বীনী আবহে কালিমা যুক্ত করছি।
বিবাহ ও তালাকের সিরিজ বয়ানের এ পর্বে দাম্পত্য বন্ধনকে দৃঢ় করার উপায়, দাম্পত্য সমস্যা নিরসনের উপায়, তালাকের প্রকারভেদ ও তিন তালাকের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
বি:দ্র: বয়ানটি ডাউনলোড করার জন্য উপরে অডিও প্লেয়ারে Share এ ক্লিক করুন। তারপর Download এ ক্লিক করুন। যে পেইজ আসবে সেখানে Download এ ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।
|
<urn:uuid:9ad5edaf-23ff-4203-8b73-34b7434e3f1b>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://yousufsultan.com/juma-bayan-marriage-and-talaq-4/
|
2013-05-24T15:13:00Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368704666482/warc/CC-MAIN-20130516114426-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998759
|
Beng
| 23
|
{"ben_Beng_score": 0.998759388923645}
|
বগুড়া: বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বুধবার রাতে পৃথকভাবে ২ মাদক ব্যবসায়ীকে ভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন-উপজেলার গোসাইবাড়ি এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে আতিকুর রহমান আতিক (২২) ও চরপাড়া এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (২৫)।
এদের মধ্যে আতিককে ১ বছর ৮ মাস এবং রাজ্জাককে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছামছুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার হুকুম আলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ পুড়িয়া গাঁজাসহ রাজ্জাককে এবং রাত ৮টার দিকে গোসাইবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭০ পুড়িয়া গাঁজাসহ আতিককে তার বাড়ির পাশ থেকে আটক করা হয়।
পরে বুধবার রাত ৮টা ও ৯টার দিকে তাদের পৃথকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের অপরাধ স্বীকার করায় আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতাউল গণি তাদের এ সাজা দেন।
বাংলাদেশ সময়: ১০০৯ ঘণ্টা, জুন ০৭, ২০১২
সম্পাদনা: শিমুল সুলতানা, নিউজরুম এডিটর
|
<urn:uuid:fdff4b3f-90af-44d8-bff3-551a0a38ca12>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=b23557391e7bf2f2d60586d32be724f3&nttl=117260
|
2013-06-19T05:27:33Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368707906397/warc/CC-MAIN-20130516123826-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999549
|
Beng
| 2
|
{"ben_Beng_score": 0.9995492696762085}
|
নাম তার মনির। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যারা কাজ করেন তারা বেশ ভালোভাবেই তাকে চেনেন। মূলত তিনি মিডিয়ারই একজন শিল্পী।
কিন্তু এই শিল্পীর রকমটাই শুধু একটু আলাদা। সচরাচর আমরা এই শিল্পের সাথে জড়িতদের মেকআপম্যান হিসেবে ডাকলেও সময়ের পালা বদলে এখানেও এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া।
এখন সবাই এই পেশার কর্মীকে ‘মেকআপ আর্টিস্ট’ হিসেবেই মূল্যায়ন করে থাকেন। কারণ তারাও আসলে একধরনের শিল্পের চর্চা করছেন। একজন শিল্পী মেকআপ ছাড়া ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতেই চান না। সেই অর্থে একজন মেকআপ আর্টিস্টের গুরুত্ব অপরিসীম। এই সময়ের সফল একজন মেকআপ আর্টিস্ট মনির। মিডিয়াতে কাজ শুরু করেছিলেন শখের বশে। আর এখন এটাই তার পেশা। মাঝে মাঝে নেশা জাগে প্রিয় প্রিয় মানুষের সাথে সাক্ষাৎ করার।
ঠিক তেমনি সম্প্রতি শখ হলো মনিরের তার প্রিয় নায়ক অক্ষয় কুমারের সাথে দেখা করার। নির্ভরযোগ্য সূত্র ধরে গত আগস্টের শেষে অক্ষয়ের ‘ও মাই গড’ ছবির শুটিং এ গিয়ে প্রিয় নায়কের সাথে দেখা করে এলেন মনির। অক্ষয় তার সাথে বেশ কিছুটা সময় কাটান।
এ বিষয়ে মনির বাংলানিউজকে বলেন, ‘এটা আমার সৌভাগ্য যে তার মতো বড় তারকার সাথে আমি দেখা করে আসতে পেরেছি। আর তিনি মানুষ হিসেবেও অনেক ভালো। আমাকে সঙ্গেে নিয়ে বিভিন্ন শুটিং স্পট ঘুরে ঘুরে দেখিয়েছেন। আমি অনেক আনন্দিত।’
বাংলাদেশ সময়: ২০৫৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ০৪, ২০১২
এজে
|
<urn:uuid:2c1b8db4-e413-4c07-9c52-9b6a2b647be4>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=5174b3b426509ae508352856762e2c3a&nttl=20121004094106143242
|
2013-05-21T09:39:34Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368699856050/warc/CC-MAIN-20130516102416-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999838
|
Beng
| 3
|
{"ben_Beng_score": 0.99983811378479}
|
ইউপিএ সরকার সংখ্যগরিষ্ঠতা হারিয়েছে, পদত্যাগের দাবি তৃণমূলের
ডিএমকের সমর্থন প্রত্যাহারের নিরিখে অবিলম্বে ইউপিএ সরকারের ইস্তফা দাবি করল একসময়ের ঘনিষ্ঠ শরিক তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে দলের সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায় বলেন, "ছ`মাস ধরে তৃণমূল বলে আসছে কেন্দ্রে সংখ্যালঘু সরকার চলছে।" কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুকুল। জনস্বার্থ বিরোধী মূল্যবৃদ্ধি, পেট্রোল ও ডিজেলের দর চড়ানোর মতো সিদ্ধান্তে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে জেহাদ জারি রাখার কথাও এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছে দলের সাধারণ সম্পাদক।
|
<urn:uuid:f84f5ef4-8a77-4828-a1c6-af9b44ceb533>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://zeenews.india.com/bengali/tags/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2_%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F.html
|
2013-05-23T18:12:09Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368703662159/warc/CC-MAIN-20130516112742-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.99964
|
Beng
| 4
|
{"ben_Beng_score": 0.9996404647827148}
|
| সিটি করপোরেশন নির্বাচনে
বিএনপির জটিল সমীকরণএই নির্বাচনে শাসকদলকে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেবে না প্রধান বিরোধী দল। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে না, তবে প্রার্থী দেবে।যাযাদি রিপোর্ট আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি 'ধরি মাছ না ছুঁই পানি' কৌশল গ্রহণ করেছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব চাচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে বৈধতা না দিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে। আর এ জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে তারা কোনো প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবে না। কিন্তু নির্বাচনে অংশ নেবে।
বিএনপি নেতারা বলছেন, জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে মহানগরগুলোর নেতৃত্ব অধিক গুরুত্বপূর্ণ। যে কারণে আসন্ন চার সিটি নির্বাচনে তারা আওয়ামী লীগকে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে রাজি নন। আবার এই নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে মনোনয়ন দেয়া হলে সেটা হবে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে মেনে নেয়া। পাশাপাশি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বিএনপির প্রধানতম রাজনৈতিক ইস্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ওপর।
একই কৌশল অবলম্বন করে এর আগে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরাসরি প্রার্থী দেয়নি দলটি। জাতীয় সংসদের শূন্য হওয়া বেশ কয়েকটি উপনির্বাচনেও অংশ নেয়নি তারা। কিন্তু সিটি নির্বাচনগুলোয় প্রার্থীদের পরোক্ষভাবে সমর্থন দিয়েছে। এ কৌশলের সুযোগ নিয়েই কুমিল্লায় বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু। কিন্তু এখন পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। যতই জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে ততই জটিল সমীকরণে পড়ছে বিএনপির এ কৌশল।
বর্তমান সময়ে কোনো প্রার্থীকে পরোক্ষ সমর্থন দিয়ে বিজয়ী করাও সহজ নয়। কিন্তু দেশের গুরুত্বপূর্ণ চারটি সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আগামী নির্বাচনে। যা বিগত নির্বাচনে উপলব্ধি করেছে বিএনপি। তবে এবারো আপসহীন অবস্থানে থেকেই পরোক্ষ সমর্থন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। যারা চূড়ান্ত প্রার্থী হবেন তারা দলের পদ থেকে পদত্যাগ করেই নির্বাচন করবেন। কিন্তু এবার একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে হিমশিম খাচ্ছেন স্থানীয় নেতারা।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, বিগত সিটি নির্বাচনের ভুল সিদ্ধান্তের উপলব্ধি থেকেই এবার কৌশলী অবস্থান নিয়েছে দলটি। সিটি নির্বাচনের ব্যাপারে স্থানীয় নেতৃত্বের ওপর সিদ্ধান্তের ভার ছেড়ে দিয়েছেন শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে গ্রুপিং, দ্বন্দ্ব-বিভেদ ভুলে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার তাগিদও দেয়া হয়েছে।
এদিকে বিএনপির মাঝারি সারির নেতারা জানান, রাজনীতিতে আপসহীন অবস্থান সবসময় ফলদায়ক নয়। এবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহরের ক্ষমতা দখল করতে না পারলে আগামী নির্বাচনে নিশ্চিতভাবেই তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কিন্তু সরাসরি নির্বাচনে না নামলে সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয়ী করা কঠিন। সেই সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও হতাশা তৈরি হবে।
এদিকে সমপ্রতি ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আইনগত বাধা দূর হয়েছে উচ্চ আদালতের রায়ে। তবে এখনো সিদ্ধান্ত আসেনি সরকারের তরফে। কিন্তু ডিসিসি নির্বাচন নিয়েও কঠিন সমীকরণে রয়েছে বিএনপি। ডিসিসিকে দ্বিখ-িত করার প্রতিক্রিয়ায় ভবিষ্যতে মেয়র নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছিলেন সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা। আবার সারাদেশে যখন বিএনপির আন্দোলন তুঙ্গে তখন বারবার ব্যর্থ হয়েছে ঢাকা মহানগর বিএনপি। মহানগর আহ্বায়ক হিসেবে ব্যর্থতার দায়ভারও খোকারই বেশি।
অন্যদিকে গতবছর ডিসিসি নির্বাচনের প্রচারণা চালানোর সময় উপযুক্ত প্রার্থী পায়নি বিএনপি। আলোচনায় ছিল একজন ব্যবসায়ী নেতা ও একজন নাগরিক নেতাই পেতে যাচ্ছেন বিএনপির সমর্থন। সে পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটেনি এখনো। ফলে এ মুহূর্তে সরকার ডিসিসি নির্বাচন ঘোষণা করলে বিপাকে পড়বে বিএনপি।
এদিকে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী নিয়েই সবচেয়ে বড় সঙ্কটে রয়েছে বিএনপি। বিএনপির কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা চাইছেন মরহুম অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সাবেক মহানগর সভাপতি আরিফুল হক চৌধুরীকে। বর্তমান সরকারের সময়ে গা বাঁচিয়ে চলা এ নেতার ঘোর বিরোধী জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তৃণমূল নেতারা চাইছেন নিখোঁজ বিএনপি নেতা ও সিলেট জেলা সভাপতি এম ইলিয়াস আলীর সবচেয়ে আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ও মামলায় জর্জরিত জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান জামানকে। তৃণমূল বিএনপি নেতারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ইলিয়াস আলীর ব্যাপারে সিলেটবাসীর আবেগের মূল্যায়ন কেবল জামানই পেতে পারেন। আবার জোটের শরিক দল জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়েরও সেখানে প্রার্থী হয়েছেন।
আবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ হয়েছে খুলনায়। সাবেক বিএনপি নেতা ও স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলীসহ প্রবীণ রাজনীতিকরা 'সম্মিলিত নাগরিক কমিটির' ব্যানারে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের পক্ষে মাঠে নামায় পাল্টে গেছে রাজনৈতিক পট। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি নির্বাচনে নেমেছেন জাতীয়তাবাদী নাগরিক ফোরামের ব্যানারে। ওদিকে বরিশালে যখন আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিরণ মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তখনও একক প্রার্থী ঠিক করত পারেনি বিএনপি। বিএনপির প্রার্থী ঠিক না হওয়ায় বিমর্ষ নেতাকর্মীরা। এ অবস্থায় সাবেক মেয়র সরোয়ারসহ এবারের দুই প্রার্থী আহসান হাবিব কামাল ও এবাদুল হক চাঁনকে ঢাকায় তলব করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এদিকে স্বস্তিতে নেই রাজশাহী বিএনপির নেতাকর্মীরাও। রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী নিয়ে ১৮ দলের অন্যতম শরিক জামায়াতকে মানাতে এখন গলদঘর্ম বিএনপির। জামায়াত আলাদা মেয়রপ্রার্থী দেয়ায় জোটের মধ্যে চলছে সম্পর্কের টানাপড়েন। অতীতে বারবারই বিএনপিকে ছাড় দেয়া হলেও ননাভাবে বঞ্চনার কারণে এবার আর ছাড় দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জামায়াতের শীর্ষ নেতারা।
এ অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের মুখপাত্র শামসুজ্জামান দুদু জানান, সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে এখনো কিছু ভাবছে না বিএনপি। দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চেয়ে এই মুহূর্তে জাতীয় নির্বাচনকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। তিনি বলেন, এখন এ নির্বাচন নিয়ে তারা চিন্তিত নন। তবে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সেই সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর তাদের আস্থার সঙ্কটের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারপারসনের এ উপদেষ্টা বলেন, যারা এ নির্বাচনে অংশ নিতে চান তাদের কথা শোনা হবে। তারপর নির্বাচনে অংশ নেয়া, না নেয়ার প্রশ্ন আসবে।
খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে দুদু বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগতভাবে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। তাই এ ক্ষেত্রে কেউ নিজে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে দলের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে অংশ নেয়ার চিন্তা করতেই পারেন। আর দলের সিদ্ধান্ত জানাতে স্থায়ী কমিটির সভায় আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, আওয়ামী লীগকে খালি মাঠে গোল দিতে দেয়া হবে না। তাদের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া ছিল। এখনো জনসংযোগ বাড়ানোসহ অন্য প্রস্তুতি নেবেন।
বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম বলেন, নির্বাচনে অংশ নেবেন। যখনই নির্বাচন হোক না কেন। আজ হলে আজ, কাল হলে কাল। আগেও সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিলেন, এখনো প্রস্তুত আছেন।
উল্লেখ্য, আইনি জটিলতায় যাওয়ার আগে ডিসিসি নির্বাচনে অংশ নিতে রিপন, সালাম ছাড়াও আগ্রহী ছিলেন বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আওয়াল মিন্টু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরউদ্দিন পিন্টু, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক সালাউদ্দিন আহমেদ ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আরেক যুগ্ম-আহ্বায়ক এমএ কাইয়ুম।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
|
<urn:uuid:d5202ae8-bd78-49a3-ac62-2b4f43d6d7f1>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=197&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&index=4
|
2013-05-19T17:38:15Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368697917013/warc/CC-MAIN-20130516095157-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.99981
|
Beng
| 6
|
{"ben_Beng_score": 0.9998099207878113}
|
শেষ দেখা হল না আফজলের পরিবারের, কারফিউতে স্তব্ধ কাশ্মীর
Update: February 10, 2013 16:21 IST
তিহারের বন্ধ দরজার আড়ালে গতকাল আফজল গুরুর ফাঁসির পর এখন সরকার ও তাঁর পরিবারের মধ্যে শুধুই তোপ দাগার পালা। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকার বলছে আফজলের ফাঁসির কথা আগেই জানানো হয়েছিল তাঁর পরিবারকে। অন্যদিকে সরকারের এই দাবি মানতে নারাজ গুরুর পরিবার।
আফজল গুরুর ভাইপো মহম্মদ ইয়াসিন গুরু জানিয়েছেন, তাঁরা সংবাদমধ্যমের কাছে থেকেই ফাঁসির খবর পান। শ্রীনগরের শোপর গ্রামে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, "সরকারের তরফে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি।" তিনি আরও বলেন, "মানবতার খাতিরে অন্তত পরিবারের সঙ্গে গুরুর কথা বলানো উচিৎ ছিল, তাঁর কোনও শেষ ইচ্ছা ছিল কি না তাও জানা হল না।" এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার জন্য সরকার পক্ষকেই দায়ী করেছে আফজলের পরিবার।
২০০১-এ সংসদ হামলায় দোষী সব্যস্ত আফজল গুরুকে গতকাল তিহারে ফাঁসি দেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর কে সিং সংক্ষেপে জানান, কাশ্মীরের এক উচ্চপদস্থ পুলিস আধিকারিক স্পিড পোস্টে তাঁর পরিবারকে আফজলের ফাঁসির খবর জানান। চিঠির প্রাপ্তি স্বীকারও করা হয়েছিল বলে দাবি করেন সিং।
রবিবারেও কারফিউ জারি রয়েছে কাশ্মীর উপত্যাকায়। আফজলের ফাঁসির এক দিন কেটে গেলেও এখনও থমথমে কাশ্মীরে জনজীবন। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, গতকাল বেশ কয়েকটি জায়গায় কারফিউ লঙ্ঘন হওয়ার জেরে আজ সকাল থেকে পাহাড়ের নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে নতুন করে পাহাড়ে কোনও অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি।
কার্ফুর দ্বিতীয় দিনেও উপত্যাকায় মোবাইল পরিষেবা ও খবর চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ রাখা হয়েছে। শনিবার পাহাড়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জন আহত হন। গতকাল সকাল ৮টা। কাক-পক্ষী টের পাওয়ার আগে, দিল্লি তিহার জেলে সংসদ ভবন হামলার অন্যতম চক্রী আফজল গুরুকে ফাঁসি দেওয়া হয়। তার পর থেকেই কাশ্মীরে নতুন করে হিংসা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করা হয়েছে কাশ্মীর উপত্যাকায়।
|
<urn:uuid:c1714b1e-9cc4-4c9c-9ad0-9915bd29eb73>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://zeenews.india.com/bengali/nation/afzal-guru-s-family-counters-govt-says-not-informed-about-execution_11310.html
|
2013-05-19T18:02:35Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368697917013/warc/CC-MAIN-20130516095157-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999859
|
Beng
| 8
|
{"ben_Beng_score": 0.9998594522476196}
|
বাংলা ভাষা
বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিক নীতি
-
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
ছবি: সৈকত ভদ্র
-
ভিলেম ভ্যান শেন্ডেল
বাংলা পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম ভাষা। এ ভাষা ছড়িয়ে আছে বিশ্বময়। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একে দৃশ্যগোচর করার জন্য এখন দরকার একটি নীতি। লিখেছেন আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক এশীয় ইতিহাস বিভাগের সভাপতি ও বাংলাদেশ-গবেষক ভিলেম ভ্যান শেন্ডেল।
আমি কথা বলি ডাচ ভাষায়। এটাই আমার মাতৃভাষা। শিশুকালে আমি এই ভাষা শিখেছি, এই ভাষায় আমি স্বপ্ন দেখি, আমার ভাবনাচিন্তা আর অনুভূতিগুলো সবচেয়ে ভালোভাবে আমি এই ভাষাতেই প্রকাশ করতে পারি। আমার ছেলেমেয়েদের সঙ্গেও আমি এই ভাষাতেই কথা বলি।
খুব সম্ভবত আপনিও বাংলাভাষী এবং ডাচ ভাষা আপনার সামান্যই অথবা একেবারেই অজানা। আপনি হয়তো জানেন, ভাষা দুটি দূর সম্পর্কের ভাইবোন। কিছু কিছু শব্দে তো দারুণ মিল। যেমন মুখের যে সাদা জিনিসটিকে আপনি ‘দাঁত’ বলেন, আমি তাকে বলি ‘তাঁত’। ‘ইসক্রুপ’ বা ‘হরতন’ বা ‘তুরুপ’ শব্দগুলো বলার সময় হয়তো না জেনেই আপনি ডাচ ভাষা ব্যবহার করছেন। এ রকম অজস্র মিল আছে আমাদের দুই ভাষার মধ্যে। যেমন বাংলা ও ডাচ উভয় ভাষারই প্রথম শনাক্তযোগ্য বাংলা পাণ্ডুলিপির কাল দশম শতাব্দী। দুটি ভাষাতেই বিপুল ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক ঐতিহ্যের বিকাশ হয়েছে। পৃথিবীতে তিনটি দেশের—নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম ও সুরিনামের—জাতীয় ভাষা ডাচ। বাংলাও তেমনই বাংলাদেশের জাতীয় ভাষা এবং ভারতের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা।
বাংলাভাষীরা ডাচ ভাষা সম্পর্কে সামান্যই জানেন। ডাচভাষীরাও বাংলা সম্পর্কে অতি অল্পই ধারণা রাখেন। এতে কি কিছু যায় আসে, দুনিয়াতে ভাষা যেখানে হাজারটা? অন্যেরা কেন বাংলা ভাষা সম্পর্কে জানতে আসবে? কিন্তু কেবল ডাচভাষীরাই যে বাংলা সম্পর্কে অজ্ঞ তা নয়, বঙ্গীয় বদ্বীপ আর বিশ্বময় ছড়ানো অভিবাসী বাঙালিদের বাইরে বাংলা প্রায় এক অদৃশ্য ভাষা। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক এবং চিন্তারও বিষয়। বাংলা পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম ভাষা হলেও আন্তর্জাতিকভাবে এটা সবচেয়ে কম পরিচিত ভাষাগুলোর একটি। সত্যি বলতে কী, এমন কথাও কেউ বলতে পারেন যে পঞ্চাশ বছর আগেও যতটা ছিল, বাংলা ভাষা এখন তার চেয়ে কম দৃশ্যমান। এক পণ্ডিত যখন লেখেন, ‘নবম অথবা দশম শতাব্দীতে লিখিত বৌদ্ধ সান্ধ্যভাষার সময় থেকে...বর্তমান পর্যন্ত বাংলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যে কোনো ছেদ পড়েনি। তবু এটা এক রকম বিস্ময়ের ব্যাপার, এত প্রাচীন ও এত সমৃদ্ধ সাহিত্য সম্পর্কে পাশ্চাত্য সামান্যই সজ্ঞান।’ তখন আপনি যুক্তি দিতে পারেন, পঞ্চাশ বছর আগের চেয়ে তো বাংলার পরিচিতি কিছুটা বেড়েছে।
পঞ্চাশ বছর আগে, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার বেশ কটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা শেখা যেত। কিন্তু আজ আর সেই দিন নেই। বাংলাভাষীরা সংখ্যায় ডাচভাষীদের চেয়ে ১০ গুণ বেশি হলেও আজকাল দুনিয়ার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই বাংলা কোর্সের চেয়ে বেশি হারে ডাচ ভাষার কোর্স চালু আছে। যেমন বার্কলের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে লেখা আছে: ‘যুক্তরাষ্ট্রে একমাত্র একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই নিয়মিতভাবে বাংলা শেখানো হয়, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে তা হয় বিক্ষিপ্তভাবে।’ পরিণামে, বাংলা ভাষা এর বৈশ্বিক আবেদন ও দৃশ্যমানতা বিপুলভাবেই হারিয়ে ফেলেছে। অর্থাৎ, বিদেশে বাংলা শেখানো লক্ষণীয়ভাবে কমে গেছে।
পরিষ্কারভাবে, আমাদের এখন বাংলার জন্য একটি আন্তর্জাতিক নীতি প্রণয়ন করা দরকার। খুবই আশ্চর্যের বিষয়, তার ভাষা আন্দোলনের জন্য যে বাংলাদেশ গর্বিত, যারা সফলভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রতিষ্ঠা করেছে, বিদেশে বাংলা শেখানো উৎসাহিত করায় এখনো পর্যন্ত তাদের কোনো কার্যকর নীতিমালা নেই।
এ ব্যাপারে ডাচ ভাষার অভিজ্ঞতা থেকে প্রেরণা পাওয়া যেতে পারে। ১৯৮০ সালে নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম ও সুরিনামের সরকার হাতে হাত মিলিয়ে ‘তালুনি’—ডাচ ভাষায় যার অর্থ ‘ভাষিক ঐক্য’—গঠন করেছে। তালুনির কাজ দুনিয়াজুড়ে ডাচ ভাষার শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়া। এটা এক অনন্য সংগঠন। পৃথিবীর আর কোথাও একই ভাষার দেশগুলোর মধ্যে এ রকম কোনো চুক্তি হয়নি। এটা খুবই কাজের কাজ হয়েছে। এখন বছরে ১৫ হাজার শিক্ষার্থী—মেক্সিকো থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা, তুর্কি থেকে জাপান, ফ্রান্স থেকে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত—এই ভাষা অধ্যয়ন করে। এবং তাদের সেরা অংশকে গ্রীষ্মের ছুটিতে নেদারল্যান্ডসের সামার স্কুলে আমন্ত্রণ করা হয়।
আমরা কি ভাবতে পারি না যে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা সরকার একই রকম কিছু করুক? বাংলা একাডেমী কি বাংলা ভাষার জন্য একটা মোক্ষম আন্তর্জাতিক নীতি প্রণয়নের কাজ সমন্বয় করতে পারে না? বিশ্বজুড়ে ছড়ানো প্রবাসী সংগঠনগুলো কি এ ধরনের উদ্যোগে জড়িত থাকতে পারে না? অবশ্যই পারে। বাংলা ভাষাকে বর্তমানের চেয়ে আরও জোরালোভাবে বিশ্বময় উপস্থাপন করা গেলে বাঙালিদের মতো ভাষাগর্বী সমাজের মানুষ অবশ্যই বিপুলভাবে লাভবান হবে।
ইংরেজি থেকে অনূদিত
অধ্যাপক ভিলেম ভ্যান শেন্ডেল, নেদারল্যান্ডস
|
<urn:uuid:ffa58aa7-44dc-45ec-8e43-2f0e80c1a6e6>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-12-03/news/308339
|
2013-05-24T22:07:28Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368705097259/warc/CC-MAIN-20130516115137-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.99961
|
Beng
| 1
|
{"ben_Beng_score": 0.999609649181366}
|
|ছবিঃ কাশেম হারুন/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম|
মাহমুদুর রহমান মান্না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা। রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে কথা বলে আমজনতার কাছে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। তবেনিজ দলের সমালোচক হওয়ার অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হিসেবে নিগৃহীত হয়েছেন দলীয় পরিমণ্ডলে; বলা যায়, তাকে করে রাখা হয়েছে একঘরে। তাই কয়েক দশকের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও অর্জিত সুনামকে সঙ্গী করে সম্প্রতি `নাগরিক ঐক্য’ নামে বিকল্প এক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। এ ফোরামের প্রার্থী হয়েই ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তরের) মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা তার। সম্প্রতি তার নিজস্ব রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বাংলানিউজের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন স্বকালে কিংবদন্তি হয়ে ওঠা সাবেক এই ছাত্রনেতা। বাংলানিউজের পক্ষে তার একান্ত সাক্ষাৎকারিটি নিয়েছেন স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আশরাফুল ইসলাম।
বাংলানিউজ: কি ভাবে দেখছেন দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে?
মাহমুদুর রহমান মান্না: দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। দেশ একটি অমীমাংসিত রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে পড়ে গেছে। থিওরিটিক্যালি (তাত্ত্বিকভাবে) এটি কঠিন কিছু নয়, এর সমাধান করা যায়। কিন্তু দেশ ক্রমাগত সাংঘর্ষিক অবস্থার দিকে যাচ্ছে। এই সংকট পেরোনোর কোনো সদিচ্ছাও নেই রাজনৈতিক দলগুলোর।
অর্থনৈতিক অবস্থাও ভাল নয়। গার্মেন্ট শিল্পপ্রধান একটি বড় অঞ্চল সংঘাত-সহিংসতার মুখে বন্ধ রয়েছে। ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট (নগদ মুদ্রার সংকট) , দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট। এসবকিছু মিলিয়ে পরিস্থিতিকে আমি খুবই নাজুক এবং ভঙ্গুর মনে করছি। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবেই, তারপরও রাজনৈতিক পন্থাই এসব কিছুর সমাধানের সর্বোত্তম উপায়।
বাংলানিউজ: তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের ইস্যুতে বিএনপির চলমান আন্দোলন কর্মসূচিকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
মাহমুদুর রহমান মান্না: আমি মনে করছি, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে এখন আর আন্দোলন করছে না, তারা চাচ্ছে দলনিরপেক্ষ কোনো সরকার পদ্ধতি। এ দাবির পক্ষে যুক্তি আছে বলেই আমি মনে করি। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, প্রধান দু’টি রাজনৈতিক দলের পরস্পরের প্রতি কোনো আস্থা-বিশ্বাস নেই। তাই আমাদের একটি `পক্ষপাতহীন অবস্থান` (‘নিউট্রাল পজিশন’) খুঁজতে হবে।
বাংলানিউজ: যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রশ্নে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততা কতটুকু বলে মনে করেন?
মাহমুদুর রহমান মান্না: এ সরকারের মেয়াদের গত সাড়ে তিন বছরে অবস্থাদৃষ্টে তেমনটাই (সম্পৃক্ততা আছে) মনে হচ্ছে। কেবল একবার মওদুদ সাহেব (বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ) কিছু কথা বলেছিলেন, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বিএনপি বা বিরোধী কোনো রাজনৈতিক দল সরকারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ তুললেই ``তারা যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় না`` মনে করা উচিৎ নয়। উল্টো সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের পুলিশ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে দলগুলো অভিযোগ করছে ।
বাংলানিউজ: ``দেশের প্রধান দু’টি রাজনৈতিক দলের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি এবং তারা এদের থেকে মুক্তি চায়`` --এ অভিমত অনেক বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষের। এ অভিমতের সঙ্গে কতটা একমত আপনি?
মাহমুদুর রহমান মান্না: নিশ্চয়ই আমিও অনেকাংশে তা-ই মনে করি। রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচির কারণে আমার ছেলের ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা দিতে হয়েছে রাত ১২টায়, কিন্তু কেন? বিরোধী দলের কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করতে রাজধানীর উত্তরায় যানবাহন আটকে দেওয়া হয়, শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরতে পারেনি, সীমাহীন বিড়ম্বনা ভোগ করেছে। এসব দিক বিবেচনায় নিলে এক অর্থে আমরা এদের হাতে জিম্মিই হয়ে আছি বলা যায়। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা কি প্রত্যাশা করি? তাদের কাছে আমারা প্রত্যাশা করি প্রগতি, সুখে-শান্তিতে থাকার নিরাপত্তা। কিন্তু তারা তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।’
বাংলানিউজ: দেশের `গণতান্ত্রিক দল` বলে দাবিদার দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা কতটুকু হচ্ছে? আর না হলে এর জন্য কাকে দায়ী করবেন?
মাহমুদুর রহমান মান্না: চর্চা নেই। এজন্য ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারিতাকেই দায়ী করবো। দলের মধ্যে যিনি গণতন্ত্রের কথা বলছেন তিনি নিজেই যথাযথভাবে তা পালন করছেন না। ওনারা যদি চর্চাটা করেন তাহলেই সহজ হয়ে যায়, না করলে কঠিন। তবে এর জন্য দায় তাদেরই।
বাংলানিউজ: রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর আপনার কেমনতরো অভিজ্ঞতা হলো সে প্রসঙ্গে বলুন।
মাহমুদুর রহমান মান্না: সংস্কারের কথা আমি আজ নতুন বলছি না। জাসদ ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বলে আসছি। আমার কথা প্রথম দিকে সবাই পছন্দ করলেও পরবর্তী সময়ে এসে আর সেভাবে নেয়নি। তবে আমি নিশ্চিতভাবেই সংস্কারপন্থি। যারা সংস্কার নিয়ে এক সময় অনেক কথা বলেছেন, তাদের অনেকেই আজ ভাল আছেন, কেবল আমি ভাল নেই।
বাংলানিউজ: আপনার নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ ‘নাগরিক ঐক্যে’র সাফল্য নিয়ে আপনি কতোখানি আশাবাদী?
মাহমুদুর রহমান মান্না: সিটি করপোরেশন নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়েছে, মানুষ দলবাজি চায় না । তার প্রমাণ নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণ দু’দলের (আওয়ামী লীগ-বিএনপি) বাইরের প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছে। জাতীয় নির্বাচনেও যদি মানুষ যোগ্য বিকল্প দেখে, তাহলে পরিবর্তন আসতেও পারে।
আমার অবস্থান দু’দলের বিরুদ্ধে নয়, তবে রাজনৈতিক দলের নেতাদের যোগ্য হয়ে উঠতে হবে। তাদের সচেতন করতে চাই। কোনো রাজনৈতিক দল গঠনের স্বপ্ন এখনো আমার নেই। তবে আমার মৃত্যুর পর হলেও সেটা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমি মার্টিন লুথার কিং কে স্মরণ করতে চাই। তার ভূমিকা কিভাবে আমেরিকাতে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল।
বাংলানিউজ: কোন রাজনৈতিক দর্শন কাজে লাগাতে চান?
মাহমুদুর রহমান মান্না: মহাত্মা গান্ধী ও নেলসন ম্যান্ডেলা আমার প্রিয় ও অনুকরণীয় নেতা। তাদের রাজনৈতিক দর্শন কাজে লাগাতে চাই।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৮ ঘণ্টা, জুন ২০, ২০১২
সম্পাদনা: জাকারিয়া মন্ডল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর/ আহমেদ রাজু, চিফ অব করেসপন্ডেন্টস; জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর
email@example.com
|
<urn:uuid:e5487e27-6f80-4c70-888b-38710a99c346>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=7362d7755d909ad065a12f6b1af28116
|
2013-05-22T20:50:17Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368702447607/warc/CC-MAIN-20130516110727-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999536
|
Beng
| 2
|
{"ben_Beng_score": 0.9995362758636475}
|
গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জামায়াত-শিবিরের সহিংসতায় গুরুতর আহত তোজাম্মেল আলী নামে আরও এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪ পুলিশসহ ৭ জনে।
এদিকে,জামায়াত-শিবিরকর্মীরা সুন্দরগঞ্জ থানা ও বামনডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ফলে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জামায়াত-শিবির নিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে।
শুক্রবার সকালে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার একেএম নাহিদুল ইসলাম পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৭ জন নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
নিহত অপর পুলিশ সদস্যরা হলেন- বাবলু (২৮), নাজিম (৩০), হযরত (৩৫)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণার পর জামায়াত-শিবির কর্মীরা সংগঠিত হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোটা সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তাণ্ডব শুরু করে। তারা সুন্দরগঞ্জ থানা ঘেরাও করে থানায় হামলার চেষ্টা চালায়। পুলিশ প্রথমে ফাঁকা গুলি করে তাদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু জামায়াত-শিবির কর্মীরা থানায় হামলা চালালে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এ সময় জামায়াত-শিবিরের ৩ কর্মী নিহত হন। তাদের নাম পাওয়া যায়নি।
এদিকে, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা রেলস্টেশন, রেলের প্রকৌশলীর অফিস ও গোডাউনে আগুন লাগিয়ে দেয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। তারা রেল লাইন উপড়ে ফেলে স্লিপারে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়িন্ত্রণে পরিস্থিতি নিয়িন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। লাইন উপড়ে ফেলার কারণে লালমনিরহাট ও রংপুর থেকে সান্তাহার এবং ঢাকাগামী সকল ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এ সময় হামলাকারীদের হামলায় বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কনস্টেবল বাবলু মিয়া ও জিআরপি পুলিশের কনস্টেবল নাজিম উদ্দীন নিহত হন। আহত হন আরও ৫ পুলিশ সদস্য। তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ০৯৩৮ ঘণ্টা, মার্চ ০১, ২০১৩
সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর
|
<urn:uuid:6f01efe0-3a85-455e-9a1b-9ca58244fbdd>
|
CC-MAIN-2013-20
|
http://banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=bb412ed94f79a53c9d1738e5515c2beb&nttl=01032013177984
|
2013-06-19T18:45:11Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-20/segments/1368709006458/warc/CC-MAIN-20130516125646-00017-ip-10-60-113-184.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999667
|
Beng
| 2
|
{"ben_Beng_score": 0.9996670484542847}
|
Last Updated: Friday, December 06, 2013, 14:41
কাশীপুরে বসেই বেলুড় দর্শন। কাশীপুর ঘাট নবরূপে সংস্কার করে সেখানে বসেই বেলুড় দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। একটি বহুজাতিক সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই পরিকল্পনা নিয়েছে কেএমসি কর্তৃপক্ষ। শুধু নোংরা আবর্জনায় ভরা শ্মশান নয়, কাশীপুর ঘাটকে এবার কলকাতার পর্যটন মানচিত্রে সংযোজন করার উদ্যোগ নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। ঘাট সংস্কারের পাশাপাশি তাকে আধুনিক আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলারও পরিকল্পনা রয়েছে পুরসভার।
|
<urn:uuid:e555b271-7c41-47d1-acfa-b635934ed515>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://zeenews.india.com/bengali/tags/%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE_%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE.html?Page=1
|
2013-12-20T12:37:00Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1387345771702/warc/CC-MAIN-20131218054931-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998932
|
Beng
| 7
|
{"ben_Beng_score": 0.9989316463470459}
|
ঢাকা: দিনের আলোতে পুলিশের কর্মকর্তারা যেখানে দাঁড়িয়ে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন, আহ্বান জানান জনগণকে শপথ নেওয়ার। এর মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে সেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দেখা যায় মাদক সেবনের আড্ড।
মাদক সেবনকারীরা বলেছেন শপথ নিয়েছে পুলিশ আমরাতো শপথ নেই নাই।
মঙ্গলবার ছিলো বিশ্ব মাদক বিরোধী দিবস। এই দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর পুলিশ একটি ৠালির আয়োজন করে। ৠালীটি কেন্দ্রীয় শহীদমিনার থেকে শুরু হয়ে টিএসসিতে গিয়ে শেষ হয়।
আর এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তা (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, ডিএমপি কমিশনারসহ পুলিশের কর্তারা হাজির হয়েছিলেন সেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে তারা মাদকের বিরুদ্ধে গলাফাঁটিয়ে বক্তব্য দেন।
ঘোষণা করেন মাদকের বিষয়ে কোন রকম ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণকে তার সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান পুলিশের কর্তারা।
কিন্তু দিনের আলোর সঙ্গে সঙ্গেই ফুরিয়ে গেলো পুলিশের সেই হম্বিতম্বি। সন্ধা গড়িয়ে যেতেই এসব এলাকা ফিরে পায় সেই চিরচেনা রূপ। রাত গভীর হতে থাকলে গলিতে গলিতে বাড়তে থাকে গাঁজার ধোয়া।
কারওয়ান বাজার সড়কদ্বীপে প্রকাশ্যে সিগারেটে গাঁজা ভরতে দেখা যায় কয়েকজন যুবককে। সিএনজি থেকে নামতেই ওই যুবকরা দ্রুত সটকে পড়ে।
এমনকি খোদ মতিঝিল থানার কয়েকশ গজের মধ্যে গাঁজা সেবনকারীদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।
এদিন রাতে সোয়া একটায় মতিঝিল ইনার সার্কুলার রোডে ঢুকতেই নাকে এসে লাগে গাঁজার গন্ধ। অথচ এই রোডের উপরেই মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে মতিঝিল থানা।
১০৪ মতিঝিল ভবনের এক কর্মচারি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে জানান, দিনে রাতে সব সময়েই ইনার সার্কুলার রোডে গাঁজা সেবনকারীদের আড্ডা চলে। বেশ কয়েকটি চায়ের দোকানে থেকে গাঁজা বিক্রি করা হয়।
ওই কর্মচারিটি দাবি করে, পুলিশকে বলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায় না। সিটি টাওয়ারের পশ্চিম পার্শ্বে একটি চায়ের দোকানের সামনে দিনের বেলাতেও চলে গাঁজা সেবনের আড্ডা।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অন্যান্য রাতের মতোই এদিনও মাদক সেবনকারীদের জটলা দেখা গেছে।
মতিঝিল আরামবাগ এলাকায় রাতের ডিউটিতে থাকা মতিঝিল থানার এক কনস্টেবল জানান, শুনেছি মঙ্গলবার ছিলো মাদক বিরোধী দিবস। তবে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ কোনো নজরদারি করার জন্য কোন নির্দেশনা দেওয়া হয় নি।
অনেকে মন্তব্য করেছেন পুলিশও কাজের চেয়ে গলাবাজি বেশি করছে। অনেকটাই রাজনৈতিক নেতাদের মতো। এর চেয়ে যদি তারা আন্তরিকভাবে কাজ করতো অনেক বেশি ফল পাওয়া যেতো।
রফিকুল ইসলাম নামের এক শ্রমিক নেতা বলেছেন, পুলিশ পারে না এমন কোনো কাজ নেই। কিছু ক্ষেত্র আছে তাদের করতে দেওয়া হয় না। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা করতে চায় না।
রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, বিজিবি যদি কঠোর হয় তাহলে ফেন্সিডিল বাংলাদেশে ঢুকতে পারত না। আবার পুলিশ যদি সঠিক দায়িত্ব পালন করত তাহলে ফেন্সিডিল রাজধানী পর্যন্ত আসার কথা নয়।
বাংলাদেশ সময়: ০৪৫০ ঘণ্টা, জুন ২৭, ২০১২
সম্পাদনা: বেনু সূত্রধর,নিউজরুম এডিটর
|
<urn:uuid:3513d09e-c98d-414f-9591-c7b6fc2d1648>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/l/details.php?nssl=36cbb165fdbe3a26b21fa941d90737fe
|
2013-12-06T04:54:12Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386163049570/warc/CC-MAIN-20131204131729-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999886
|
Beng
| 4
|
{"ben_Beng_score": 0.999886155128479}
|
Last Updated: Wednesday, March 28, 2012, 15:09
অস্ট্রেলিয়া সফর ও এশিয়া কাপের পর যাবতীয় প্রচারের আলো ভারতের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলির দিকে। বাইশ গজে পারফর্ম করাকে কোহলি যেমন দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা মনে করেন, তেমনি সামাজিক দায়বদ্ধতায় নিজেকে জড়িয়ে রাখতে ভালোবাসেন তিনি। আইসিসি-র রুম টু রিডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর কোহলি। ক্রিকেটের পাশাপাশি ছোট্ট শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে প্রচারে নেমে পড়েন নিজের শহর দিল্লিতে।
|
<urn:uuid:bc2f4456-a4f0-4f61-945d-d8af1e1bf9ef>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://zeenews.india.com/bengali/tags/BATSMAN.html
|
2013-12-11T01:55:06Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386164029048/warc/CC-MAIN-20131204133349-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999842
|
Beng
| 1
|
{"ben_Beng_score": 0.9998421669006348}
|
আমার এই ছোট্ট জীবনে সুযোগ হয়েছে বিশ্বের বেশকটি দেশ ঘুরে দেখার। কিন্তু আমাদের দেশের বান্দরবান যেয়ে আমার বার বার মনে হচ্ছিল...দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া ঘর হতে শুধু....একটি ধানের শীষের উপর একটি শিশির বিন্দু।
চ্যানেলের জন্য একটি প্রোগ্রাম তৈরি করতে বান্দরবান গিয়েছিলাম, কিন্তু কিছু বিপত্তির পর সেই ট্যুর আমাদের এ্যাডভেঞ্চার ট্যুরে পরিণত হলো, কীভাবে?
রুমা বাজার থেকে বগা লেক:
এই ভ্রমণের গল্পটি বান্দরবানের রুমা বাজার থেকেই শুরু করা যাক। সাঙ্গু নদী পেরিয়ে ৯ সদস্যের আমাদের দলটি যখন রুমা বাজারে পৌঁছালো তখন দুপুর প্রায় ২টা । শুরুতেই বিপত্তি। অসুস্থ হয়ে পড়লো ক্যামেরাম্যান রনি। অনেক চেষ্টা করেও তার মানসিক শক্তি ফিরিয়ে আনা গেলো না। সে আর পারবে না, এমনটাই বলে দিলো সরাসরি। পাহাড়ের অদেখা দৃশ্য, সৌন্দর্য মানুষের সামনে তুলে ধরার স্বপ্নকে কবর দিতে হলো সেখানেই। সিদ্ধান্ত হলো, কামেরা এবং সকল সরঞ্জামসহ তাকে রেখেই আমরা এগিয়ে যাবো সামনে। মন তখন খুব খারাপ, যে রিপোর্ট করার কথা বলে অফিস থেকে বেড়িয়েছি তাতো অঙ্কুরেই বিনষ্ট হলো।
অনেক খুঁজে একজন গাইড পাওয়া গেলো যে আমাদেরকে কেওক্রাডং পর্যন্ত নিয়ে যাবে। তার নাম লাল রুয়াত খুম বোম। রুমা বাজার থেকে পাহাড়ে ওঠার টুকিটাকি জিনিসপত্র কিনে এবং সেখানকার সেনা ক্যাম্পে রিপোর্ট করার পর রওনা দিতে দিতে বেজে গেল সাড়ে তিনটা। প্রথমে যাবো বগা লেক, তারপর সেখানে রাত থেকে পরদিন কেওক্রাডং।
সাধারণত যে পথ দিয়ে পর্যটকরা যায় সে পথ আমাদের লক্ষ নয়। আমরা বেছে নিলাম বিকল্প পথ। সে পথে যতটা কষ্ট, সৌন্দর্যের হাতছানিও ততটাই। যাই হোক, আমরা রুমা বাজার থেকে ওপরের দিকে ওঠা শুরু করলাম। প্রথম পাহাড় দিয়ে যতটা ওপরের দিকে উঠছি, শরীরের শক্তি ততটাই কমে আসছে। এতটা পরিশ্রম করা হয় না সাধারণত, তাই পা আর চলতে চায় না। কিন্তু গন্তব্য বহুদূর তাই এগিয়ে যাওয়াই একমাত্র উপায়। এভাবে উঠতে উঠতে একটা সময় যখন পাহাড়ের ওপরের অংশে পৌঁছালাম তখন শুধু আমাদের কয়েকজনের শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ ছাড়া যেন আর কোনো শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। যদিও পরের কয়েকদিনে বুঝতে পেরেছি অতি ক্ষুদ্র একটি পাহাড় ছিল সেটি। তবুও শান্তি যে ওঠা শেষ করতে পেরেছি।
এবার নামার পালা। ঠিক যতটা উঠেছিলাম ততটাই নিচে নেমে যেতে হবে। নামাটা যদিও কম কষ্টের না তবুও ওঠার চেয়ে কম। দীর্ঘক্ষণ ধরে নামার পর একটা সময় কলকল করে বয়ে চলা জলের ধারার শব্দ কানে ভেসে আসলো। তারও কয়েক মিনিট পর চোখের সামনে ধরা দিলো অন্য এক প্রকৃতি। চারিদিকে উচু উচু পাহাড়, তারই মাঝখানে যে অল্প একটু সমতল ভূমির মতো সে অংশ দিয়েই একে-বেঁকে নেমে আসছে পাহাড়ি জলধারা। স্থানীয়ভাবে ঝিরি বলা হয় এটাকে। সে জলধারা যেমন স্বচ্ছ, তেমনি পাহাড়ের রঙ নিয়ে কিছুটা সবুজাভ। সে স্বচ্ছ জলের ভেতর দিয়ে তাকালে নানা রং এর পাথর দেখা যায় স্পষ্ট। এই জলধারাই পুরো পথে আমাদের তৃষ্ণা মিটিয়েছে।
এমন অবাক সৌন্দর্য দেখে আমরা ভুলে যাই পাহাড়ে ওঠার সব ক্লান্তি। সেই ঝিরি পথ দিয়ে আমরা এগিয়ে যাই সামনে। একই ঝিরি বার বার পার হই। ঠান্ডা পানিতে জুড়িয়ে যায় পা, সাথে মনও। এ পথ দিয়ে পাহাড়ে বসবাসকারী আদিবাসী আর খুবই রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষ ছাড়া তেমন কেউ চলে না । এগিয়ে যেতে যেতে চোখে পড়ে কিছু আদিবাসী। কিন্তু তাদের পায়ের গতি এমন বন্ধুর পথেও এতটাই দ্রুত যে, কিছুক্ষণের মধ্যেই আড়াল হয়ে যায় তারা। এক বৃদ্ধের সঙ্গে দেখা হলো। নাম জিজ্ঞেস করে যে উত্তর পাওয়া গেল সেটা বুঝতে পারিনি । তবে এটুকু বুঝেছি যে, এতটা দূরের দুর্গম পথে রওনা হয়েছে সে যে, তার বাড়ি পৌঁছাতে দুদিন লেগে যাবে। সূর্য দ্রুত পাহাড়ের আড়ালে লুকিয়ে যাবার জন্য তাড়াহুড়ো শুরু করলো। আমরাও হাঁটার গতি বাড়ালাম। কিন্তু চোখের সামনে প্রকৃতি এতটাই অকৃপণ যে তাকালেই মুগ্ধতায় আটকে যায় চোখ। আর সে মুগ্ধতার স্মৃতি ক্যামেরায় বন্দি করছিলাম যে যার মতো। যত ওপরের দিকে যাচ্ছি তত বড় বড় পাথর দেখা যাচ্ছে ঝিরির মাঝখানে। আর তাতে পানির ধাক্কায় যে শব্দের উৎপত্তি সে সুরের দ্যেতনায় ভরা চারপাশ। পায়ের গতি এবার সত্যি সত্যি বাড়াতে হলো।
যখন সন্ধ্যা নামলো পাহাড়ের বুকে তখন আমরা বগামুখ পাড়ায়। পথের তখনো অনেক বাকি। সে পথ আরো অনেক বেশি দুর্গম। মিনিট পাঁচেক বিরতিতে শুকিয়ে যাওয়া বুকটাতে কিছুটা সজীবতার পরশ দিয়ে নেই, পানি খেয়ে। তারপর আবার পথ চলা শুরু।
এবার চারটি টর্চলাইট জ্বলে উঠলো পথ খুঁজে পেতে। সবার পিঠে ব্যাগ, পায়ে এমন সব স্যান্ডেল বা জুতো যা সহজে পিছলে না যায়। পাহাড়ি রাতের অন্ধকারে টর্চের আলোয় পথ খুঁজে এগিয়ে চলি আমরা। চারিদিকে শুধু অজানা, অচেনা আর অদেখা পোকামাকড়ের শব্দ ছাড়া চরাচরে জমাট নিস্তব্ধতা। পায়ের নিচে পিচ্ছিল পাথর, পথে পথে কিলবিল করছে জোঁক। কিন্তু সেসব দেখার সময় কোথায়? কোনমতো পিছলে পড়া এড়িয়ে দ্রুত চলে যেতে হবে গন্তব্যে।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে হাঁটার পরিণতি এবার দেখা দিলো। পাহাড়ে হাটার নিয়ম হলো, একটা দলের সবাই একসাথে চলতে হবে। কিন্তু পা তো আর কারো চলতে চায় না। তাই একজনের সাথে অন্যজনের দূরত্ব কেবলই বাড়তে থাকে। সেই অন্ধকারেই ওপরের দিকে টর্চের আলো ফেলে একটা পাহাড়ের চেহারা দেখে চমকে উঠি সবাই। পাহাড়টি যেন সরাসরি উঠে গেছে, কোন ঢাল নেই। কেউ কেউ ভাবতে চাই কিভাবে হলো এমনটা, কিন্তু গবেষনার সময় কোথায়? দলের কেউ একজন জানে যে, সামনে এমন একটা জায়গা আছে যেখানে অনেক উচু থেকে জলের ধারা সোজা নিচে পড়ছে সেটার ওপরে উঠে গেলে আর ঝিরি পেরোতে হবে না। কিন্তু সেই জায়গা তো আর আসে না। আমাদের গাইড লাল রুয়াতও তো তেমন কিছু বলতে পারছে না। বার বার ঝিরি পার হচ্ছি, পিচ্ছিল পাথরে পা ফেলে বার বার পিছলে পড়ছি, হাত-পা কেটে ছিলে যাচ্ছে, হয়তো বা জোঁকও চুষে চুষে খাচ্ছে রক্ত। কিন্তু পথ চলা আর শেষ হয় না। একটা জায়গা পাওয়া গেল যেখানে পাহাড়ের গায়ে খাঁজকাটা একটা সরু জায়গা দিয়ে প্রায় শুয়ে থেকে পার হতে হলো খুব কৌশলে। দলের একজন গুনছিল কতবার পার হচ্ছি একই ঝিরি। কারণ, রুবেল কোথায় যেন পড়েছে যে, ঝিরিটি প্রায় ৫৪ বার পার হলে শেষ হয়। একটা সময় সামনে পড়লো বহু আরাধ্য সেই জায়গা যেটা পেরোলে অল্প একটা পথ বাঁকি থাকে বগা লেক যেতে। কেমন যেন মুক্তির স্বাদ পেতে শুরু করলাম। অনেক উচু থেকে অবিরাম ঝড়ে পড়ছে পানি। নিচে বড় একটা পাথরের উপর বসে পড়লাম সবাই। সবার টর্চ জ্বালিয়ে আলোকিত করলাম জায়গাটা। একটু জিরিয়ে নেয়া, শরীরে একটু শক্তি সঞ্চয়ের চেষ্টা। কারণ, যে উচু জায়গা থেকে পানি পড়ছে খাড়া উঠে যেতে হবে সেখানে, একটু পা পিছলে গেলে বা হাত ফসকালে ঘটে যেতে পারে যে কোনো অঘটন। কিন্তু বিধিবাম! টর্চের আলো পেয়ে পাহাড়ের সবগুলো পোকা যেন হাজির হলো সেখানে।
এবার আবারও দুর্ধষ যাত্রা। শেওলা পিচ্ছিল সেই পাথুরে পথ বেয়ে আমরা ওপরে উঠতে থাকি। ধরার মতো শক্ত কিছু নাগালের মধ্যে নেই তাই প্রায় শুয়ে শুয়ে উঠতে থাকি সবাই। অবাক ব্যাপার হলো একটা সময় দেখলাম, আমরা সবাই আসলে ওপরে উঠে গেছি। অন্য সময় হলে হয়তো এতটা ঝুঁকি কেউ নিতাম না আমরা কেউই। নিরুপায় হলে মনে হয় মানুষ অনেক কিছুই পারে। এবার প্রাণ-ভরে শ্বাস নেওয়ার পালা। কারণ, সবারই ধারণা কাছাকাছি পৌঁছে গেছি আমরা।
একটা উঁচু পাহাড় পেরোলেই পেয়ে যাবো বগা লেক। এই আশাতে দ্রুত পা চালাই । কিন্তু অদ্ভুত একটা রহস্যের জালে জড়িয়ে পড়েছি আমরা। সেই ঝিরি পথ আর শেষ হয় না। রাত তখন নয়টা পেরিয়ে গেছে। পাহাড়ি বৃষ্টি পথকে আরও দুর্গম করে দিয়ে গেছে। লাল রুয়াতকে বার বার জিজ্ঞেস করেও জানা গেল না কতক্ষণ ধরে এভাবে চলতে হবে? একটু একটু করে হতাশা আর আশঙ্কা বাড়তে থাকলো দলের সদস্যদের মধ্যে। পা যেন চলতে চায় না। হাটার গতি অনুযায়ী দলের কেউ পিছিয়ে পড়লো, কেউ গেল এগিয়ে। মাঝখানে কবরের অন্ধকার। সেই রাতে জোরে জোরে শব্দ করে প্রতিধ্বনি করি আমরা কিন্তু অন্যপক্ষ থেকে কোন সাড়া মেলে না। আবারো তাদের জন্য ১০ মিনিট, ১৫ মিনিট বা ২০ মিনিটের অপেক্ষা। এভাবেই চলছিলাম। আর নিশ্চিত হচ্ছিলাম যে লাল রুয়াত পথ ভুল করেছে। আমাদের মধ্যে যে ঝিরি পার হওয়ার সংখ্যা গুনছিল সে তা বাদ দিয়েছে অনেক আগেই কারণ ৫৪ বার নয় ঝিরি পারি দেয়ার সংখ্যা তার হিসেবে ১০০ পেরিয়ে গেছে অনেক আগেই।
একটা ভৌতিক সুরঙ্গের মতো জায়গায় এসে সবচেয়ে ভীতিকর কথাটি এবার বললো লাল রুয়াত। ওপরের দিকে পাহাড়ের গায়ে একটি পথ দেখিয়ে বললো,আমরা একটু ভুল পথে এসেছি ওপরের ঐ পথটাই আসল। উপায়? সেখানে যাওয়ার পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন তাই এই জোকে ভরা জঙ্গল হাঁচড়েই ওপরে উঠে যেতে হবে। জঙ্গলের নিচে কোন গর্ত আছে কি না, সাপ থাকার আশঙ্কা তো আছেই..উফ, উপায় নেই দেরি করা যাবে না। ঝাপিয়ে পড়লাম প্রায় অন্ধকারে। যা ধরি তা-ই ভেঙ্গে যায়, নিচে পড়ে যাই আবার উঠি। একটু পরে আমরা সবাই ঐ রাস্তার ওপর। এবার নিশ্চিত হওয়া গেল যে ঝিরি পথ শেষ। এবার শুধুই ওপরে ওঠার পালা। আমরা উঠছি, অনেক ওপরে। প্রথম যে পাহাড়ে ওঠার মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়েছিল তার চেয়ে আরও বেশি ভীতিকর। খাড়া, বৃষ্টিতে ভিজে কর্দমাক্ত আর পিচ্ছিল। মাটি ছাড়া ভরসা করে ধরার মতো আর কিছু নেই। দুর্গম-প্রতিকুল পথে একটানা হাঁটায় পায়ের শক্তি চলে গেছে অনেক আগেই। এবার মনের শক্তি দিয়ে যতদুর যাওয়া যায়।
লাল রুয়াত পাহাড়ি ছেলে। সে উঠে যায় সবার আগে। আমরা পেছনে পড়ে থাকি, আমাদের পা কাঁপে, হাত কাঁপে, কাঁপে পুরো শরীর। পা একটু পিছলে গেলে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমাদের কাছে দড়ি ছিল প্রায় ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যর। কিন্তু সেটা যে কোন গাছের সাথে বেঁধে ধরে ধরে ওপরে উঠে যাবো তারও কোন উপায় নেই কারণ সে পথে তেমন গাছ নেই। আঙ্গুল বসিয়ে দেই কাঁদা মাটিতে, নিচের দিকে তাকাই না ভয়ে। এভাবে কতক্ষণ সময় কেটেছে সে সময় রাখা হয়নি। এক সময় যে যার মতো করে পেরেছে উঠে গেছে পাহাড় চূড়ায়। আরো এক ঘন্টা পর আমরা যখন ’বগালেক পাড়া’য় লারাম এর বাড়িতে পৌঁছালাম তখন রাত সোয়া এগারোটা-যেখানে আমাদের খুব বেশি হলে রাত আট টা কিংবা সাড়ে আট টা বাজার কথা ছিল। এবার সবাই যে যার মতো লেগে গেল জোঁক খুঁজতে। যারা স্যান্ডেল পরেছিল তাদের পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকে ফাঁকে আর যাদের পায়ে জুতা ছিল তাদের হাঁটু পর্যন্ত উঠে গিয়ে চুম্বকের মতো কামড়ে ধরে ছিল পাহাড়ি জোঁকগুলো। সবার পা-ই তখন জোঁকের কামড়ে রক্তাক্ত।
রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম ‘লারাম’(বগালেক পাড়ার বাসিন্দা) এর ঘরের মেঝেতে। সকল ক্লান্তি জড়ো হওয়া ঘুম ভাঙ্গতে একটু দেরি-ই হলো। কিন্তু চোখ খুলে দেখি আশেপাশে কেউ নেই। আগের রাতের বিভীষিকাময় যাত্রা, জোঁকের আতঙ্ক আর যে কোন মুহুর্তে মৃত্যুর আশঙ্কাকে পেছনে ফেলে, দলের সবাই অনেক ভোরেই ঘুম ছেড়ে ক্যামেরা নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছে।
ঘর থেকে বেরিয়েই চেয়ে দেখি-বগা লেক। উঁচু উঁচু পাহাড়ের মাঝে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া এই লেক দিনকে দিন পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। বেলা বাড়ছিল আর বগা লেকের চারদিকে প্রাচীরের মতো দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়গুলোর মাথায় আটকে যাচ্ছিল উড়তে থাকা মেঘগুলো। সে দৃশ্য দেখে যে অনুভতি হয় তা এই কী-বোর্ডের অক্ষরে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। পাহাড়ের সাথে মেঘের এই সংঘর্ষেই সারাদিনের মধ্যে অনেকবারই বৃষ্টি নামে। বগা লেকে থাকতে থাকতে আমরাও এমন বৃষ্টি দেখলাম। এর মধ্যে জুম চালের ভাতের সাথে কুমড়োর তরকারি, ডিম আর ডাল দিয়ে সকালের খাবার প্রস্তুত। সে খাবার খেতে খেতে পরবর্তী যাত্রার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে...
বান্দরবানের পুরো ভ্রমণ পড়তে...
রোমাঞ্চকর বান্দরবান(২য় পর্ব):
http://www.banglanews24.com/LifeStyle/detailsnews.php?nssl=2698
রোমাঞ্চকর বান্দরবান(শেষ পর্ব)
http://www.banglanews24.com/LifeStyle/detailsnews.php?nssl=2721
|
<urn:uuid:b1fe71f4-be52-4692-8039-d599ca331482>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/LifeStyle/detailsnews.php?nssl=2666
|
2013-12-11T20:03:02Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386164044912/warc/CC-MAIN-20131204133404-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999588
|
Beng
| 20
|
{"ben_Beng_score": 0.9995878338813782}
|
দীপিকা পাডুকোন,কাজল, রানী মুখার্জী এবং আনুশকা শর্মা এ চার নায়িকাই বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রী। এবার রোহিত শেঠীর পরিচালনায় পরবর্তী সিনেমা `চেন্নাই এক্সপ্রেস` এ শাহরুখ খানকে দেখা যাবে চার নায়িকার বিপরীতে।
এ ছবির প্রধান নায়িকা হিসেবে দীপিকা পাডুকোনকে অনেক আগেই ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু সিনেমার গল্প এমন যে তাতে আরও তিন নায়িকা দরকার থাকায় শাহরুখের প্রেমিকা হিসেবে তাদেরকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
এই তিন নায়িকা হলেন কাজল, রানী মুখার্জী এবং আনুশকা শর্মা। এবারই প্রথম একসাথে চার নায়িকার সাথে রোমান্স করবেন থানদের রাজা শাহরুখ।
পরিচালক বলেন, যেহেতু ওরা আগেও শাহরুখের সাথে কাজ করেছেন তাই তাদেরকে নেয়া।
গল্পে দেখা যাবে, একটি ছেলে রমেশবারাম যাওয়ার জন্য মুম্বাই থেকে ট্রেনে করে রওনা হন। এই দীর্ঘ পথে বিভিন্ন ঘটনা ঘটে, অনেকের সাথে দেখা হয়।তারপর ঘটতে থাকা নানা ঘটনা।
এতে শুধু রোমান্সই নয় জোরালো অ্যাকশনও করতে দেখা যাবে শাহরুখকে। এখন দেখা যাক `চেন্নাই এক্সপ্রেস` সিনেমাটি নিয়ে শাহরুখ কতদূর যান।
বর্তমানে শাহরুখ `জাব তাক হ্যা জান` সিনেমার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এতে কাজ করেছেন বলিউড কিং শাহরুখ খান, ক্যাটরিনা কাইফ ও আনুশকা শর্মার মত তারকারা।
আগামী দিওয়ালিতে সিনেমাটি পেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ২১০২ ঘণ্টা, অক্টোবর ০৯,২০১২
এমকে
|
<urn:uuid:8b99c789-1ffe-4a01-91b8-b451bf6f6a3e>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=eba0372b757bc3e729c979470fccb192&nttl=20121009092138144326
|
2013-12-08T00:06:15Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386163056120/warc/CC-MAIN-20131204131736-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999566
|
Beng
| 2
|
{"ben_Beng_score": 0.9995661377906799}
|
ঢাকা : শনিবার রূপসী বাংলা হোটেলে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইফতার করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া। এনপিপি আয়োজিত এ ইফতার পার্টিতে জোটের নেতারা অংশ নেন।
ইফতারের আগে খালেদা জিয়া জোট নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। দেশের সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ বিশেষ মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু, জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। এছাড়া পরিবারের ওপর ষড়যন্ত্র মোকাবেলা, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনজাত করা হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসন চলমান আন্দোলনকে বেগবান করতে গত এপ্রিলে চার দলীয় জোটের সম্প্রসারণ করে নতুন রাজনৈতিক মোর্চা ‘১৮ দলীয় জোট’ গঠন করেন।
মঞ্চে বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে এক টেবিলে বসে ইফতার করেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সভাপতি শেখ শওকত হোসেন নিলু, মহাসচিব ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মজিবুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, মুসলিম লীগের নির্বাহী সভাপতি এ এইচ এম কামারুজ্জামান খাঁন, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল মবিন, ন্যাপ সভাপতি জেবেল রহমান গানি, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্র্টির সভাপতি খন্দকার গোলাম মর্তজা, পিপলস পার্টির সভাপতি গরীব নেওয়াজ, ডেমোক্রেটিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মনি ।
ইফতার পার্টিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, মহানগর সদস্য সচিব আবদুস সালাম, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া ও জামায়াতের প্রচার সম্পাদক তাসনিম আলম।
এছাড়া এনপিপি’র কেন্দ্রীয় নেতা আ হ ম জহির হোসেন হাকিম, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব আলমগীর মজুমদার, এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব সাহাদাত হোসেন সেলিম, আবদুল হান্নান, মোস্তাফিজুর রহমান, মনিরা বেগম, সেলিম তালুকদার, জিয়াউর রহমান হীরা ইফতার যোগদান করেন।
বাংলাদেশ সময়: ২০৩৮ ঘণ্টা, জুলাই ২৮, ২০১২
এমএম/
|
<urn:uuid:71376212-eeb2-4482-82a7-1a0bdf44c31f>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/l/details.php?nssl=0719f687d85542f5f26ab416692689b1
|
2013-12-07T23:54:00Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386163056120/warc/CC-MAIN-20131204131736-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999742
|
Beng
| 3
|
{"ben_Beng_score": 0.9997416138648987}
|
ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের ২০১৩ সালের বার্ষিক নির্বাচনে দৈনিক কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি এম সাইফুল মাবুদ সভাপতি এবং এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের নিজাম জোয়ারদার বাবলু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রেসক্লাব ভবনে বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। ভোট গণনা শেষে বিকেলে নির্বাচন কমিশন ফলাফল ঘোষণা করেন।
নির্বাচনে ২৮ জন সদস্যর মধ্যে সবাই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। মোট ১১টি পদের বিপরীতে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেন।
নির্বাচনে সরাসরি ভোটে সহসভাপতি পদে দৈনিক মানবজমিনের আমিনুল ইসলাম লিটন, নির্বাহী সদস্য পদে দৈনিক আজকের বসুন্ধরার ফয়সাল আহমেদ, ইউএনবির আমিনুর রহমান টুকু, সময় টিভির শাহনেওয়াজ খান সুমন, দৈনিক প্রথম আলোর আজাদ রহমান, বাংলাভিশনের আসিফ ইকবাল মাখন, দৈনিক ভোরের ডাকের আবদুল হাই নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়া সহ সম্পাদক পদে বাংলানিউজের আসিফ ইকবাল কাজল এবং ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক পদে দৈনিক আজকালের খবরের এম রবিউল ইসলাম রবি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কমিশনার হিসেবে ঝিনাইদহ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ তোবারক হোসেন ও সহকারী কমিশনার হিসেবে জেলা তথ্য কর্মকর্তা এসএম কবীর ও প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য এমবি জামান সিদ্দিকী দায়িত্ব পালন করেন।
ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৪ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১২, ২০১২
সম্পাদনা: সোহেলুর রহমান, শামীম হোসেন, নিউজরুম এডিটর
|
<urn:uuid:e233851e-f683-440e-94e6-4e1a211f32aa>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=3c644bfa4cac04efde637306572784ba&nttl=12122012157727
|
2013-12-12T16:46:15Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386164646459/warc/CC-MAIN-20131204134406-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999703
|
Beng
| 2
|
{"ben_Beng_score": 0.9997034072875977}
|
শ্রীশৈল শক্তিপীঠ
শ্রীশৈল বাংলাদেশের সিলেট শহরের ৩ কি.মি. উত্তর-পূর্বে দক্ষিণ সুরমার জৈনপুর গ্রামে অবস্থিত একটি শক্তিপীঠ।[১] এখানে সতী দেবীর গ্রীবা পতিত হয়েছিল। দেবী এখানে মহালক্ষ্মী হিসেবে পূজিত হন এবং ভৈরব হচ্ছেন সম্বরানন্দ।
হিন্দু ভক্তদের জন্য এটি একটি পবিত্র তীর্থস্থান।
গুরুত্ব[সম্পাদনা]
সত্য যুগে দক্ষ যজ্ঞের পর সতী মাতা দেহ ত্যাগ করলে মহাদেব সতীর মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রলয় নৃত্য শুরু করলে বিষ্ণু দেব সুদর্শন চক্র দ্বারা সতীর মৃতদেহ ছেদন করেন। এতে সতী মাতার দেহখন্ডসমূহ ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থানে পতিত হয় এবং এ সকল স্থানসমূহ শক্তিপীঠ হিসেবে পরিচিতি পায়।[২]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
|এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন।|
|
<urn:uuid:f28cfe93-2489-406e-aec4-a297e3c01d4b>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B6%E0%A7%88%E0%A6%B2_%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%80%E0%A6%A0
|
2013-12-13T13:18:57Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386164943590/warc/CC-MAIN-20131204134903-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.993843
|
Beng
| 51
|
{"ben_Beng_score": 0.9938433170318604}
|
চট্টগ্রাম: একাত্তরের মানবাতা বিরোধী অপরাধী ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করায় ‘আংশিক বিজয়’ অর্জিত হয়েছে বলে মনে করছেন চট্টগ্রাম গণজাগরণ মঞ্চের নেতারা।
একই সঙ্গে সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং বাকিদের রায় দ্রুত কার্যপর করতে সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানান তারা।
কাদের মোল্লার রায় কার্যকরের পর শুক্রবার বন্দরনগরীতে গণজাগরণ মঞ্চ আয়োজিত বিজয় মিছিলের পর শহীদ মিনারে এক সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড় থেকে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর মোমিন রোড, বৌদ্ধ মন্দির সড়ক, নন্দন কানন, রাইফেল ক্লাব ও নিউমার্কেট মোড় হয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের সঙ্গে স্বত:স্ফূর্তভাবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আবাল বৃদ্ধ-বণিতা অংশ নেন।
এসময় তাদের কণ্ঠে ‘কাদের মোল্লার ফাঁসি হল, জনতার জয় হল’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় রাজাকারের ঠাঁই নাই’, ‘শাহবাগের বিজয় হল, রাজাকারের ফাঁসি হল’-সহ বিভিন্ন ধরনের সেøাগান দিতে শোনা যায়।
এদিকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে একাত্তরের শহীদ ও গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান চট্টগ্রাম গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক-কর্মীরা।
কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকরকে ‘আংশিক বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করে চট্টগ্রাম গণজাগরণ মঞ্চের সমন্বয়কারী শরীফ চৌহান বলেন,‘ দীর্ঘ প্রায় ১০ মাসের আন্দোলন-সংগ্রামের পর এ রায় কার্যকরের মধ্যে দিয়ে ‘আংশিক বিজয়’ অর্জিত হয়েছে। এ বিজয়ে গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন,‘১৯৯২ সালে শহীদ জননী জাহানার ইমামের নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তারই ধারাবাহিকতায় তরুণ প্রজন্মের গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলছে। এতে আবার প্রমাণ হয়েছে বাংলার মানুষ আজও হারেনি।’
বাঙালি কখনও হারে না উল্লেখ করে শরীফ চৌহান বলেন,‘বাংলার মানুষ সবসময় বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ে এবং সর্বশেষ ২০১৩ সালে কাদের মোল্লার ফাঁসির মধ্যে দিয়েও বাঙালি জাতির বিজয় হয়েছে।’
সমাবেশে গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে সকল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সব তরুণ শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী, পেশাজীবী, ছাত্র ও নারীদের ধন্যবাদ জানানো হয়।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণজাগরণ মঞ্চ চট্টগ্রামের সদস্য সচিব ও উদীচীর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. চন্দন দাশ, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পূর্বাঞ্চলের সভাপতি মৃণাল চৌধুরী, নারী নেত্রী রেখা চৌধুরী, উদীচী চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুনীল ধর, প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের সভাপতি ও সংস্কৃতিকর্মী রাশেদ হাসান, প্রজন্ম একাত্তরের সলিল চৌধুরী, সংস্কৃতিকর্মী শীল দাশগুপ্তা, যুব মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক কায়সার আলম, সংস্কৃতিকর্মী আলাউদ্দিন খোকন, ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি রবিউল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব, ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয়, ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ ভৌমিক, সাংবাদিক স্বরূপ ভট্টাচার্য, শিক্ষক সালমা জাহান মিলি, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী তরুণ উদ্যোগের প্রীতম দাশ ও প্রিন্স রুবেল প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১৯২৮ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৩
এমবিএম/টিসি
|
<urn:uuid:72367562-6853-4190-8866-959cf7b0cfc3>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=2e6868d33c1ce4f6846dd9147e561e07&nttl=09092012137725
|
2013-12-13T13:32:59Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386164943590/warc/CC-MAIN-20131204134903-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999431
|
Beng
| 9
|
{"ben_Beng_score": 0.9994310140609741}
|
ঢাকা: সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মিসরের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিলেন মোহাম্মদ মুরসি । মিসরের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং রাষ্ট্রের পঞ্চম প্রধান হিসেবে শনিবার রাজধানীর কায়রোতে সাংবিধানিক আদালতের সামনে শপথ নেন তিনি।
উল্লেখ্য, রাজতান্ত্রিক শাসন উৎখাতের দীর্ঘ ৬০ বছর পর মিসরে এই প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কোনো প্রেসিডেন্ট শপথ নিলেন ।
সংবাদমাধ্যম জানায়, শনিবার রাজধানী কায়রোতে নীলনদের তীরে অবস্থিত মিসরের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কনস্টিটিউশনাল কোর্টের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন মুরসি। শপথ অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ আদালতের এক বিচারক বলেন, ‘আজ দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের জন্মদিন।’ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
প্রথা অনুযায়ী পার্লামেন্টের সামনে শপথ নিতে চেয়েছিলেন মুরসি। কিন্তু মোবারক পরবর্তী মিসরের ক্ষমতাসীন সামরিক পরিষদ নির্বাচিত পার্লামেন্টকে বিলুপ্ত করলে সে পথ রুদ্ধ হয়ে যায়।
তবে শুক্রবার তাহরির স্কয়ারের সমাবেশে তিনি জনগণের সামনে প্রতীকী শপথ নেন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা যে কোনো মূল্যে অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।
মাত্র একদিন আগে তাহরির স্কয়ারের সমাবেশে দেওয়া ঐতিহাসিক ওই বক্তৃতায় তিনি মিসরের সামরিক বাহিনীর জেনারেলদের সর্তক করে বলেন, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপের কোনো চেষ্টা বরদাস্ত করবেন না তিনি।
তাহরির স্কয়ারের ভাষণে মিসরে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠারও অঙ্গীকার করেন তিনি। পাশাপাশি সংবিধানের গণতান্ত্রিক চরিত্র বজায় রাখারও অঙ্গীকার করেন। এসময় মুরসি বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানই জনগণের জবাবদিহিতার উর্দ্ধে নয়।’ ধারণা করা হচ্ছে বেসামরিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির লড়াইয়ে লিপ্ত দেশটির সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যেই মুরসির এ মন্তব্য।
তাহরির স্কয়ারে শনিবারের ভাষণের এক পর্যায়ে ভাষণ মঞ্চ থেকে বেরিয়ে জনতার কাছাকাছি চলে আসেন প্রেসিডেন্ট মুরসি । তিনি তার পরিহিত জ্যাকেট খুলে ফেলে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, তার শরীরে কোনো বুলেট প্রুফ জ্যাকেট নেই। তিনি বলেন, ‘আমি আমার জনগণকে ভয় করি না। সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আমি আর কাউকেই ভয় করি না।’
এ সময় মুরসি অঙ্গীকার করেন, তিনি বিপ্লবের সময় আটক বেসামরিক নাগরিকদের মুক্তির জন্য কাজ করে যাবেন। মিসরের মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ধারণা, আন্দোলনের সময় আটক প্রায় ১২ হাজার বেসামরিক নাগরিককে বর্তমানে সামরিক আদালতে বিচারের সম্মুখীন করার প্রক্রিয়া চলছে।
শনিবারের ভাষণে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ব্যাপারেও কথা বলেন মুরসি। প্রতিবেশী আফ্রিকান এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের অঙ্গীকার করে এ অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এখন থেকে মিসরের পররাষ্ট্রনীতিতে জনগণের ইচ্ছাই প্রতিফলিত হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১৮২১ ঘণ্টা, জুন ৩০, ২০১২
সম্পাদনা:রাইসুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর
|
<urn:uuid:71215093-0dc3-4ff9-b02d-c33661b06df4>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=05a50bbe2807089735f36bf23da7bd86&nttl=20120630063303123180
|
2013-12-04T23:00:41Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386163037829/warc/CC-MAIN-20131204131717-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999761
|
Beng
| 1
|
{"ben_Beng_score": 0.9997610449790955}
|
চাঁদপুর: ঢাকা থেকে চুরি হওয়া অর্ধকোটি টাকার মালামাল চাঁদপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার দিনগত রাত ১০টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার পশ্চিম হোসেনপুর গ্রামের ছৈয়াল বাড়ির একটি ঘর থেকে এসব মালামাল উদ্ধার করা হয়।
চাঁদপুর মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, মেসার্স নাইস মেটাল ইন্ড্রাস্ট্রিজের বিভিন্ন মালামাল জননী ট্রান্সপোর্টে ঢাকার ফকিরাপুল থেকে ফরিদপুরের অলিপুরে নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু গাড়ির চালক ও চোর চক্রের যোগসাজসে মালামালগুলো চাঁদপুর নিয়ে আসা হয়।
রোববার দুপুরে হোসেনপুর গ্রামে এসব মাল আনলোড করা হয়। পরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেলিনা বেগমের ঘর থেকে তা উদ্ধার করে। তবে এর সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
মালামালগুলোর মধ্যে রয়েছে, গাড়ির টিউব, টায়ার, স্টিল, কাচের মালামাল, অ্যালমুনিয়ামের মালামাল, প্লাস্টিকের জালি, প্লাস্টিকে বয়ম, আইপিএসএর ব্যাটারি ইত্যাদি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বাংলানিউজে জানান, দুপুরের দিকে মালগুলো ছৈয়াল বাড়িতে নামানো হয়। পরে সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে জননী ট্রান্সপোর্টের মালিক আবদুল মান্নান মুঠোফোনে বাংলান্জিকে বলেন, মালামালগুলো চুরি হওয়ার পর শাহবাগ থানায় রোববার সকালে অভিযোগ দেই। পরে শাহবাগ থানা পুলিশ গাড়ির চালককে গ্রেফতার করে।
চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) মাহাবুব মোর্শেদ বাংলানিউজকে বলেন, আমি বিষয়টি শাহবাগ থানার ওসিকে জানিয়েছি। উদ্ধার হওয়া মালামাল গুলো শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বাংলাদেশ সময়: ০১৫১ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১২
সম্পাদনা: রোকনুল ইসলাম কাফী, নিউজরুম এডিটর
|
<urn:uuid:4d3fcdd8-3245-4150-89ef-015fbea278b3>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=e86934732b477a746b042bfe96477439&nttl=20120730015759129503
|
2013-12-09T21:17:06Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386163998951/warc/CC-MAIN-20131204133318-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999454
|
Beng
| 4
|
{"ben_Beng_score": 0.9994544386863708}
|
|কাদের সিদ্দিকী|
কিশোরগঞ্জ: কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, আমি শেখ হাসিনার যেমন পদত্যাগ চাই, তেমনি খালেদা জিয়াকেও বলবো ঘরে বসে থাকবেন না। রাস্তায় বেরিয়ে আসুন। আপনাদের অশান্তির আন্দোলনে আমাদের সমর্থন নেই। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন।
শুক্রবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের রথখোলা মাঠে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।
কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন,গায়ের জোরে ভোট নিয়ে আওয়ামী লীগ বেশিদিন টিকতে পারবে না। খালেদা জিয়াও ৯৬ সনে এমনই নির্বাচন করেছিল। ৪২ দিনও টেকেনি। আর হাসিনা ৮৪ দিনও টিকবে না।
তিনি বলেন, হাসিনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী না আনলে দেশে এত মারামারি কাটাকাটি হতো না। দেশে এখন সংঘাতে যেসব মানুষ মারা যাচ্ছে, তার জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, এর দায় দায়িত্ব শেখ হাসিনার।
অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করেন কাদের সিদ্দিকী।
কিশোরগঞ্জ জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীর প্রতীক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ারসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশ সময়: ১১০৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৩
|
<urn:uuid:3484facc-03b1-423a-90f7-a9149304479c>
|
CC-MAIN-2013-48
|
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=4906d5a2c46415bd284d0d25133a3b90&nttl=117960
|
2013-12-13T17:32:13Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2013-48/segments/1386164965557/warc/CC-MAIN-20131204134925-00011-ip-10-33-133-15.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999585
|
Beng
| 50
|
{"ben_Beng_score": 0.9995850920677185}
|
আসলেই তো, শুভ আর আমি তখন হল, বাসা মিলায়া থাকি। মাইয়া চোদার মত জায়গা নাই। বকশী বাজারের হলে সেই সময় মেয়ে ঢুকানো বন্ধ কইরা দিছে। আগে একটা লেখায় মনে হয় বলছিলাম, হলে চোদার সুব্যাবস্থা ছিল যখন আমরা প্রথম ঢুকছি।
নাফিসা কইলো, দেখ, তোমাদের দুজনকে আমি পছন্দ করি, কিন্তু আমারও লিমিটেশন আছে সেটা তোমাদের বুঝতে হবে। ঢাকায় অনেকে আমাকে চিনে, হুট করে বললেই যেকোন জায়গায় যেতে পারি না।
আমি কইলাম, হুম, সেটা বুঝেছি। একটা বাসা নিতে পারলে ভালো হতো।
এই বাজারে বাসা নিতে গেলে অনেক খরচ। শুভ আর আমি অনেক ভাইবাও কোন ডিসিশনে আসতে পারলাম না। না চুইদা মাস পার হয়। নাফিসা নামিরারে ফোনে বিরক্ত করি, এক আধটু ডার্টি কথাবার্তা কই আর ফোনসেক্সের নামে ধোন লাড়িচাড়ি, এইভাবেই যাইতেছিল।হঠাৎ একদিন নাফিসা হন্তদন্ত হইয়া ফোনে কইলো, একটা আইডিয়া মাথায় এলো, পরশু রাতে একটা পার্টি আছে, আমরা এখান থেকে ছয়জন মেয়ে যাচ্ছি ক্যাটারিং কোম্পানীর সাথে, তোমাদের মনে হয় ঢুকিয়ে দেয়া যাবে। প্রাইভেট পার্টি। ইনভাইটেড গেস্ট ছাড়া কেউ ঢুকতে পারে না।
শুইনা তো আমার তালগাছে ওঠার আনন্দ হইতাছে। নাফিসা কইলো, একটু ড্রেস আপ করতে হবে
আমি কইলাম, ড্রেস আপ?
নাফিসাঃ হ্যা। সাদা টাক্সিডো পড়ে আসতে পারবে?
আমিঃ টাক্সিডো কোথায় পাবো, সাফারি আছে সেইটাও ছাই রঙা
নাফিসাঃ তাহলে যেভাবে পারো জোগাড় করো
শুইনাতো শুভরও মাথায় হাত। বহুত খরচের মামলা। ওদিকে আবার প্রাইভেট পার্টি, হাতছাড়া করি কেমনে। স্কুলআমল থিকা এইসব পার্টির ভিডিও দেইখা আসতেছি। দুই দিন পর টাক্সিডো পইড়া নাফিসাদের ফ্ল্যাটের নীচতলায় আইসা হাজির হইলাম শুভ আর আমি।রাস্তার লোকে তাকায়া তাকায়া যায়। নাফিসারা নামতে দেরী করতাছে ওদিকে আমাদের উঠতেও দিতাছে না। শুভ ইনসাইড ইনফরমেশনের আশায় গেটের দারোয়ানের লগে গল্প জুইড়া দিল। ফ্ল্যাটে নাকি ওরা সাত আট টা মেয়ে একসাথে থাকে। শালা পুরা বাসা ধইরা একটা চোদা দিতে মন চায়। এক ঘন্টা খাড়া করায়া রাইখা ওরা যখন নামছে ততক্ষনে আমগো অবস্থা চুপসানো বেলুনের মতন। একটা ফেসিয়াল মাইরা আসছিলাম, ঐটার জিলও গেছে গা নিশ্চয়ই। সুন্দর পরিচ্ছন্ন সাজ দিছে মাইয়াগুলা। হালকা মেকআপ, হালকা লিপস্টিক, সাদা স্কার্ট, সাদা টপ। সবাই আবার একরকম কইরা চুল বান্ধা। জড়ায়া ধইরা একটা যাতা দিতে মন চায়। শুভ কইলো, সামলায়া রাখ ব্যাটা, আগেই লোচাইতে গিয়া ভজঘট পাকায়া ফেলবি।
রাত তখন দশটা পার হইছে। গুলশান এক নম্বরের রাস্তায় একটা গলিতে আমাদের মাইক্রোটা ঢুকলো। জিমনেসিয়ামের নীচে পার্ক করলো ড্রাইভার। ঢাকা শহরে এখন প্রচুর জিম ব্যবসা গজাইছে। বছর দুয়েক আগে মাইয়া ধরার আশায় চার হাজার টাকা দিয়া ভর্তি হইছিলাম একটাতে, কন্টিনিউ করা হয় নাই। ছাত্র মানুষ এত টাকা দিয়া পোষাইতে ছিল না। মুল দরজা দিয়া না ঢুইকা পিছের একটা চোরা দরজার সামনে গেলাম। ভিতর থেকে জিগাইতেছে, কোড নাম্বার কত। মাইয়াদের মধ্যে যেইটা একটু বড় সেইটা বললো, জি টি টু থার্টি সিক্স।ভিতরের লোকটা বললো, ওয়েলকাম ম্যাডাম। তারপর খটাং শব্দ কইরা অটোমেটিক লকটা খুললো। এর মধ্যে বাকি মাইয়াগুলার সাথে টুকটাক কথা হইছে। ক্যাটারিঙের দলে নাকি আরো ষোলটা মাইয়া আছে। তারাও আসবো। মেইন বাবুর্চি দুইজন আর আমরা দুইজন হেল্পার। ভিতরে ঢুইকা তো চক্ষু চড়ক গাছ। জিমের যন্ত্রপাতি সরায়া পুরাটা অন্য ভাবে সাজানো। এখনও লোকজন আসে নাই। কিচেনের সাইডটাতে আইসা দুইটা সাদা এপ্রোন ধরায়া দেওয়া হইলো। শুভ কইলো, খালি কি বাবর্চির কাজই করতে হইবো নাকি?
আমিঃ তাইলে পুরা ধরা
রান্না ঘরে পুরা কাজের ছেলের মতন খাটাইলো এক ঘন্টা। খাবার আগে থিকাই হাফ রেডি কইরা আনছে, যাস্ট মিক্স আর গরম করতেছে এইখানে। কামের ফাকে ফাকে দরজা দিয়া পার্টি হল টা দেখার চেষ্টা করতেছি।
হলরুমটাতে লোকজনের কথায় গম গম করতেছে, কিন্তু যাওনের সুযোগ হইতেছে না। শেষে গোল ট্রে তে শ্রিম্প স্টিক দিয়া বুইড়া বাবর্চিটা আমাদের হাইসা কইলো, যান এখন ভিতরে নিয়া যান।
মাইয়াগুলা তো শুরু থিকাই আসা যাওয়া করতেছে। হলরুমে বদ্ধ ঘরে মিউজিকের শব্দে কিছু শোনা যায় না। অনেক লোক। মাইয়া পুরুষ মিলায়া হয়তো একশ হইবো। মাইয়াই বেশী। নাফিসাগো মত স্কার্ট পরা আছে, আবার রেগুলার ড্রেসেও আছে।
ট্রে দুইটা একটা টেবিলে রাইখা বাথরুমে গিয়া হাত মুখ ধুইয়া, চুল সাজাইয়া ভদ্র লোকের মত পার্টিতে রিএন্টার করলাম। লোকে সব সাইজা গুইজা আসছে। আপস্কেল পার্টি। এন্ট্রি ফি নিশ্চয়ই অনেক। শুভ কইলো, এক্সট্রা ড্রেস আনা উচিত ছিল। বালের সাদা টাক্সিডোতে এখনও খ্যাত খ্যাত দেখাইতাছে।
হলরুমটাতে কয়েকটা ভাগ করা হইছে। একদিকে ছোট বার। ঐটার সামনে কিছু টেবিল চেয়ার সোফা। মধ্য বয়সী বেশ কিছু লোক খাইতেছে আর গল্প করতেছে। টেবিলগুলা পার হইয়া বাফে বুথে খাবারের সারি। এরপর বড় একটা খোলা জায়গা। দোতালায় ওঠার সিড়ি।তারপর রুমের আরেক মাথায় কাঠের পাটাতন, ওইটারে বানাইছে ড্যান্স ফ্লোর। মিরর বল বসাইছে ছাদে। মাইয়াগুলার বড় অংশ ঐদিকে, ছোকরা টাইপের লোকজনও আছে। ছোকরা বলতে ত্রিশ বা তার উপরে। এইখানে আমাদের বয়সী কাউরে চোখে পড়ে নাই, মানে পুরুষ পোলাগো মধ্যে। শুভ আর আমি হাটতে হাটতে ঐদিকে গেলাম। জমজমাট পরিবেশ পাইয়া গা গরম হইয়া গেল। এরম পার্টিই তো করতে মন চায়। মাইয়া যে কয়েকটা দেখি সবগুলাই সুন্দর। তারচেয়েও বেশী সুন্দর কইরা সাইজা আসছে। মধ্যবিত্ত মাইয়ারা সেই তুলনায় সাজগোজ করতে শিখে নাই। মাইয়াদের সাথে সাথে পুরুষগুলারে দেইখাও বোঝার চেষ্টা করতেছি এরা কারা। শুভরে কইলাম, কাউরে চিনস?
শুভঃ নাহ।
আমিঃ একটু বয়সী লোকজন, তোর কি মনে হয়
শুভঃ হ। চাকরীজীবি ব্যবসায়ী টাইপের। বাসায় বৌ রাইখা মৌজ করতে আসছে।
আমিঃ পলিটিশিয়ানও থাকতে পারে।
শুভঃ তাতো অবশ্যই। তাগো পোলাপানরাও থাকতে পারে। দেশে টপ এক রাজাকারের দুই পোলা তো এইসব পার্টির রেগুলার কাস্টমার। এদের একটার ছবি দেখছি ইউরোপে গিয়া লুচ্চামি করতেছে
আমিঃ আমিও দেখছি। কি আর বলবি। দাড়ি টুপী রাইখা এরা মাদ্রাসার ছাত্র গুলারে চুইষা খায়, ওদিকে নিজেদের পোলাপান গুলা পড়ে বিদেশে আর ইচ্ছামত বেলেল্লাপনা করে
আমি একটা মোচুয়ারে দেখাইয়া কইলাম, দেখ দেখ, এই শালায় না টিভিতে টক শো হোস্ট করে?
শুভঃ হু তাইতো মনে হয়, হারামজাদা দিনে ভদ্রতা শিখায় আর রাইতে আসছে ল্যাংটা পার্টিতে
আমাদের সাথে চোখাচুখি হওয়ার সাথে সাথে লোকটা মুখ ঘুরায়া ফেললো।
ড্যান্স ফ্লোরের কাছে গিয়া নাফিসারে নাগাল পাইলাম। সে ট্রে হাতে এখনও। একটা লোক তার পাছা টিপতে টিপতে কি জানি জিগাইতেছে। আমি আর শুভ তাড়াতাড়ি মুখ ঘুরায়া অন্য দিকে চইলা গেলাম। দৃশ্যটা ভালো লাগলো না। শুভ কইলো, বাদ দে। এইটাই আমগো দেশের বাস্তবতা। এইসব মাঝবয়সী ভদ্রলোক দিনে হয়তো কোন অফিসের বড় অফিসার, রাতে কাজের মেয়েরে ধর্ষন করে আর সপ্তাহে একদিন কচি মেয়েগুলারে এইখানে আইসা মলেস্ট করে।
চাইরটা মেয়ে আর দুইটা পোলা নাচতাছে ফ্লোরের মাঝখানে। ভালই নাচে। ভীড়ে আশে পাশে অনেক মেয়ে। বুঝতেছি না, এইখানে কি টেপাটেপি ফ্রি না পারমিশনের ব্যাপার আছে।অনেকেই দেখতাছি জড়াজড়ি চুমাচুমি করতেছে।
হঠাৎ মিউজিক বন্ধ কইরা এক লোক স্টেজে উঠলো। এই শালাই মনে হয় হোস্ট। জিসান ভাই। নাফিসাগো কাছে নাম শুনছি। পেট্রনদের ধন্যবাদ টন্যবাদ জানায়া সে আনুষ্ঠানিকভাবে পার্টি শুরু করলো। আজকের গানের দল নাকি ফিলিপিন্স থেকে আসছে।পাচটা বোচা ফিলিপিনো মাইয়া, জাস্ট প্যান্টি আর ব্রা ধরনের পড়া স্টেজে উইঠা গান ধরলো। পরিচিত পপ মিউজিকের ফিলিপিনো ভার্সন। নীচে ফ্লোরে ভালো নাচানাচী শুরু হইছে। এখন ওয়েট্রেস আর ভাড়া করা হোস্টেস গুলাও নাচতেছে। নাফিসা পরে বলছিলো পার্টি জমানোর জন্য এসব হোস্টেস আসে। আমরা তো নাচতে পারি না। পিছে গিয়া সোফায় বসলাম। গলা দিয়া কিছু তরল ঢালতেছি আর ভাবতেছি চোদা শুরু হইবো কখন। একটা হোস্টেস মাইয়া আইসা কইলো, বয়েজ, লোনলী?
শুভঃ তোমার জন্য অপেক্ষা করছি
মাইয়াঃ অফ কোর্স বেইব, তুমি তো আমার জন্যই অপেক্ষা করছো। তাহলে আর দেরী কেন?
শুভরে টাইনা ফ্লোরে নিয়ে গেল মাইয়াটা। ওর গায়ে সাপের মত জড়ায়া ল্যাপ্টালেপ্টি করতেছে, মিউজিকের তালে তালে। শুভর কোট টা খুইলা দিল। ফ্লোরে অনেক লোকই এখন প্রায় খালি গায়ে। মাইয়ারাও দুয়েকজন শুধু ব্রা পড়া। আধা ল্যাংটা এত জংলী মাইয়া আগে দেখি নাই। ধোনে একটা শিরিশিরা ভাব টের পাইলাম। ভাগ্য সহায় হইলো অবশেষে, একটা মাইয়া কাছে আইসা বললো, কেউ তোমার সাথে আছে?
আমিঃ না
মেয়েঃ তাহলে আমি একটু বসি, টায়ার্ড অলরেডী ইউ নো
মুখে খাবার দিয়া জিগাইলো, আগে এসেছো এই ক্লাবে
আমিঃ এখানে এই প্রথম
মেয়েঃ দ্যাটস গুড। ঢাকায় জিসান ভাইয়ের পার্টিটা বেস্ট। এখানে আমি সবচেয়ে সেফ ফিল করি। উনি খুব ভালোমত মেইল ফিমেইলের রেশিও মেইনটেইন করে
আমিঃ ও, তাই নাকি
মেয়েঃ অবশ্য প্যাট্রনদের ফিও বেশী, হা হা। লাকি যে আমি গার্ল, ফ্রী ঢুকতে পারি
আমিঃ সব মেয়েই কি ফ্রী ঢুকতে পারে
মেয়েঃ এভরিওয়ান। আই মিন এভরি গার্ল। তো তুমি কার সাথে এসেছ
আমি ঢোক গিলা বললাম, পুরোনো এক বান্ধবীর সাথে
মেয়েঃ এক্স গার্লফ্রেন্ড?
আমি হাইসা বললাম, নাহ, বর্তমান গার্লফ্রেন্ডই
মাইয়াটার সাথে কথা কইতে কইতে খেয়াল করলাম, শুভ শুধু প্যান্ট পড়া এখন, ওর লগের মাইয়াটা ব্রা দিয়া দুধগুলা শুভর বুকে ঘষতেছে আর নাচতাছে। আমার পাশে বসা মেয়েটা খেয়াল করে বললো, তুমি নাচতে চাও?
আমিঃ আসলে আমি নাচি নাই কখনও
মেয়েঃ বাঙালী ছেলেরাও কেউই নাচতে পারে না, নো বিগি
ও হাত ধরে টেনে উঠালো। ফ্লোরে জায়গা নাই। সিড়ির সামনের খোলা জায়গায় কোমরে হাত দিয়া নাচলাম। যত কঠিন ভাবছিলাম ততটা না। মানে নাচতে চাইলে নাচা যায়। রোমান্টিক একটা মিউজিক দিছে তখন জেনি ফিসফিস করে বললো, তোমার মত নভিস ছেলে আমার ভালো লাগে। বুড়ো খোকাদের সাথে থাকতে থাকতে অরুচি ধরে গেছে
আমি কইলাম, তোমার মত একটা টীচার দরকার আমার। পনের মিনিটে নাচ শিখে গেলাম
জেনিঃ হা হা, আই সি। আর কি শিখতে চাও
আমিঃ এনিথিং। তোমার যা মন চায়
জেনিঃ আচ্ছা, আচ্ছা। তাহলে উপরে চলো, জ্যান্ত খেয়ে ফেলবো তোমাকে
মাইয়াটারে তাকায়া দেখলাম। হোস্টেস বা স্টুয়ার্ডেসদের কেউ না হয়তো। জামা কাপড়ে অন্তত তাই মনে হয়। একটু ভারী শরীর, কিন্তু চেহারাটা ভালৈ। ওর সাথে সাথে সিড়ি দিয়া উপর তলায় গেলাম। এইখানে পর্দা টানায়া খুপড়ি খুপড়ি বানায়া রাখছে। একটা পর্দা সরায়া দৃশ্য দেইখা তো মাল লাফ দিয়া মাথায় উঠতে চায়। চার পাচটা মাইয়া আর দুইটা লোক চোদাচুদি করতেছে। জেনি বললো, দেখবো পরে, আজকে তোমাকে দিয়ে খাতা খুলবো।
ও আমার হাত টাইনা একটা খালি খুপড়িতে গিয়া ঢুকলো। ভেলভেটের পর্দা চার দেয়ালে।পর্দার ওপাশ থেকে একটা মেয়ের আহ, আহ আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছি। ফ্লোরে ম্যাট্রেস বিছানো।জেনি আমার কলার ধরে তোষকের উপরে ফেললো। তারপর দুই গালে দুইটা থাপ্পড় দিয়া আমার পেটের উপর চইড়া বসলো। আমি তখনও জানতাম না এই আসরের মেয়েগুলা মেথ খাইয়া নামছে। ঢাকায় ক্রিস্টাল মেথের আরেক নাম ইয়াবা। বেশীর ভাগ ড্রাগে মাইয়াদের সেক্স ড্রাইভ কইমা যায়, যেমন হেরোইন, মারিজুয়ানা। ইয়াবার ইফেক্ট উল্টা, এইটা একমাত্র নেশা যেইটা খাইলে মাইয়ারা ভাদ্র মাসের কুত্তা স্টাইলে চুদতে চায়। জেনি টানা হেচড়া কইরা আমার বেল্ট টা খুললো। তারপর প্যান্ট টা টান দিয়া জাইঙ্গা সহ নামায়া নিল। ধোন আরো একঘন্টা আগে থেকে খাড়া হইয়া আছে। জেনি ধোন দেইখা কইলো, দিস ইজ গুড। আই উইল ফাক ইউ রিয়েল হার্ড।
আমি কইলাম, আমিও। আরো কিছু কইতে চাইছিলাম গলায় আটকায়া কইতে পারলাম না
ও আমার ধোনটায় থুতু মেখে হাতের মুঠোয় নিয়ে নিল। আলতো করে চাপ দিয়ে যখন ওঠা নামা করছিল ভীষন শিহরন খেলে গেল শরীরে। ডান হাত দিয়ে জেনি ধোনের আগা থেকে গোড়া আবার গোড়া থেকে আগা আনা নেয়া করছে। একটু পর পর জিভ দিয়ে ধোনের মাথা থেকে যে লালা বের হইতেছিল ঐটা চাইটা খাইয়া নিলো। জিভ দিয়া লাল মুন্ডুটারে চাইটা দিল তারপর। এই মাইয়াগুলা জানে কিভাবে মজা দিতে হয়। জিভ দিয়া চাটা শেষ কইরা অন্য হাতের তালুটা দিয়া ধোনের মুন্ডুটা ঘষে দিতে লাগলো। এগুলা করতে করতে জেনি বীচি দুইটা চাটা দিতেছে তখন। কতক্ষন চাটার পর মুখে পুরে নিল বীচি দুইটা। তারপর আস্তে আস্তে কামড় দিল। এমন ফিলিংস যে মাল বাইর হইয়া আসতে চায়। আমি ওর চুলের মুঠি ধরলাম হাত দিয়া। মাগিটারে ছিড়া খুইড়া চুদতে মন চাইতাছে, আমারে পাগল বানায়া ফেলবো মনে হয়। বীচি দুইটা ওর গরম মুখের ভিতর আরামে গলে যাওয়ার দশা।
আমার দিকে তাকায়া বললো, ভালো হচ্ছে
আমি কইলাম, মাইরা ফেলবা তো আমারে
জেনিঃ না না পরে মরো, আগে আমাকে কোলে নিয়ে ফাক করো
আমিঃ অসুবিধা নাই, মাল আটকিয়ে রাখছি
আমি উঠে দাড়াইলাম। জেনিও উইঠা দাড়াইছে। আমি একটু নীচু হয়ে ওর থলথলে পাছার তলে হাত দিয়া কোলে নিলাম। বাচ্চা মেয়ের মত ও লাফ দিয়ে কোলে উইঠা আমারে একটা চুমু দিল। আমার চোখে চোখ রাইখা কইলো, ফাক মি, ফাক মি লাইক এ ডগ
আমি পাছা সহ ওর কোমরটা ধইরা নাড়াচাড়া করলাম, খাড়া ধোনটা ওর ভোদায় গেথে দিতে হইবো। জেনির ভোদার গর্তটা মনে হয় একটু পিছের দিকে। কিছু মেয়ের ভোদা এত শেষে থাকে কেন জানি না। ধোন দিয়া আন্দাজে এদিক ওদিক ধাক্কা মারলাম। জেনি গিগল কইরা হাইসা উঠলো, এখনো রাস্তা চিনে উঠতে পারো নি?
আমি কইলাম, নতুন তাই সময় লাগতেছে
একটা হাত দিয়া কষ্ট কইরা ভোদাটা ধরলাম, এরপর আঙ্গুল দিয়া বুইঝা নিলাম গহ্বরটা কোথায়। জেনিরে সেভেন্টি ফাইভ ডিগ্রী এঙ্গেলে চুদতে হবে। ওর পাছা ধইরা একটু বাকাইতে ভোদার ছিদ্র ধোনের আগায় চইলা আসলো। চাপ দিতেই ধোনটা পিছলা খাইয়া ঢুইকা গেল গরম ভোদায়। গুদের লালায় ভিজে আছে ভোদাটা । ওর ভোদাটা হয়তো এমনিতেই টাইট তারওপর কোলে তুললে যে কোন মেয়ের ভোদা আরও টাইট লাগে। পাছা ধরে ওর শরীর একটু সামনে আনি আবার পেছনে নিয়া যাই, এইভাবে ঠাপানি শুরু করলাম। জেনি তখন আমার ঘাড়ে মাথা গুইজা আরাম খাইতেছে। ওর রাশি রাশি কোকড়া চুল আমার মুখে ঠোটে মাখামাখি। পাছার পিছনে ধরে জোরে জোরে ওকে কাছে টাইনা আইনা ধোনটা গেথে দিতেছি।আফ্রিকান মাগুরের মাছের মত পিছলা হইয়া গেছে ধোনটা। কোলে নিয়ে খুব একটা চোদার সুযোগ হয় নাই এর আগে। বেশী ভারী হইলে কোলে নিয়া চোদা কষ্ট। একটু একটু বিরতি নিয়া চুদতেছি, জেনি বললো, থামাও কেন বেইব। কিপ গোয়িং।
আমিঃ একটু দম নিয়া নিতেছি
দম নেওয়ার ফাকে জেনির দুধে মুখ দিলাম। দুদুগুলা ভরাট, ওর শরীরের সাইজের তুলনায় ভালই বড়। আমি যখন চুষতেছিলাম, খেয়াল করলাম জেনি নিজেও এক হাত দিয়া নিজের অন্য দুধটা দলামোচড়া করতেছে। ঠাপাইতে ঠাপাইতে হাতটা কখন ওর পাছার ফুটায় গেছে খেয়াল করা হয় নাই। পাতলা বাল ফুটার আশে পাশে। কন্ডম পাইলে এক দফাঘোগা মেরে নিতে হবে।
কতক্ষন যে এইভাবে গেল মনে নাই। হাত দুইটা অবশ হইয়া গেছে। জেনিরে বললাম, এখন নামায়া দেই। অন্যভাবে করি।
জেনিঃ দাড়িয়েই করতে হবে, আমার খুব মজা লাগছে।
আমি জেনিরে কোল থিকা নামাইয়া ভাবতেছিলাম ডগি মারবো। কিন্তু ওর পরিকল্পনা অন্য।সে একটা পা তুলে দিল আমার হাতে। তারপর আমার ধোনটা নিয়া হাত দিয়ে নিজের ভোদায় ঢুকায়া দিল। দুইজনে মুখোমুখি দাড়াইয়া চুদতে সমস্যা হইতেছিল। ওর ভোদার গর্তটা বেশী তলায়। আমি জেনির কোমর ধইরা উল্টা দিকে ঝুইকা ঠাপ দিতে লাগলাম।জেনি চোখ বুজে এক হাতে নিজের দুধ টিপছে আরেক হাতে ভোদার মধ্যে আঙ্গুল চালাইতেছে। মাইয়াদের মাস্টারবেশন দেখলে ভীষন উত্তেজনা লাগে আমার। ধোনটা লোহার মত শক্ত হইয়া গেল দৃশ্যটা দেইখা। ওর পায়ের রানের সাথে ফকাত ফকাত শব্দ হইতেছিল আমার ঠাপে।
একসময় বুঝলাম জেনি অর্গ্যাজম করতেছে, সে ভোদার উপরে ভগাঙ্কুরে আড়াআড়ি আঙ্গুল চালাইতেছে ভীষন দ্রুত। চোখ বন্ধ করে দাতে দাতে চাইপা বড় বড় নিশ্বাস নিতেছে। একটা দুধ শরীরের সব শক্তি দিয়া চিপড়াইতে চিপড়াইতে উহ উহ উম উমমমম শীতকার করে জেনী চরম মজাটা খাইয়া নিল। চোখ খুইলা ও এখন হাসতেছে। আমারে কইলো, আমার মুখে ফেল? আমি শুয়ে নিচ্ছি, তোমার নির্যাস খাবো
এদিকে পুরা জিমেই আলো খুব কমায়া দিছে। ডিম করা লাল আলো। পাশের খোপড়ায় এখন অনেক মেয়ের চিল্লাচিল্লি। চরম চোদা শুরু হইছে। ফিলিপিনো মাইয়াগুলার গান অবশ্য এখনও চলে। জেনিরে চিত কইরা শোয়াইয়া ওর বুকে চইরা বসলাম। ধোনের গায়ে তখনও জেনির গুদের পিচ্ছিল রস। ওর বুকের ওপর বইসা হাত মারা শুরু করছি। জেনি হা কইরা আছে। কইলো, জানো তো ছেলেদের সীমেনে অনেক হরমোন আছে, খেলে শরীরের পেশী শক্ত হয়।
আমিঃ তাই নাকি, এই তথ্য কখনও শুনি নাই
আমি দুই হাটুতে ভর দিয়া চোখ বন্ধ কইরা হ্যারী পটারের হার্মোইনীরে চুদতে চুদতে মাল বাইর কইরা দিলাম। জেনির মুখে গালে গাঢ় সাদা মাল গড়ায়া পড়লো। জেনি তাড়াতাড়ি ধোনটা মুখে নিয়া পুরাটা চুইষা নিলো। চুষতে চুষতে ও আমার বীচি আর ধোন টিপে টিপে নলে যা ছিল সেইটাও বাইর কইরা খাইলো।
করিডোরে তোয়ালে সারি করে সাজাইয়া রাখছে। দুইজনে ধোন ভোদা মুইছা নীচে যাইতেছি ল্যাংটা অবস্থায়, আমি বললাম, জামা কাপড় গুলা নিয়া আসা উচিত।
জেনি কইলো, কেউ নেবে না, ভয়ের কোন কারন নাই
নামতে নামতে ওর পাছাটা দেখলাম। ফুলা মোটা পাছা, এইটা কামড়াইয়া হোগা মারা উচিত ছিল, কিন্তু এখন দেরী হয়ে গেছে। নীচে অর্ধেকের বেশী লোক পুরা ল্যাংটা। সেই ড্যান্স ফ্লোরে জনা বিশেক ছেলে মেয়ে গন চোদাচুদি করতেছে। যে যারে পারে চুদতেছে। আমি জেনিরে ছাইড়া খাবারের কাছে গিয়া একটা প্লেটে কিছু কাবাব লইলাম। খুধা লাইগা গেছে। খুজতে খুজতে শুভরে পাইলাম। ও দেখি আরেক মাইয়ার লগে। সোফায় বইসা মাইয়াটারে কোলে নিয়া আয়েশী ভঙ্গিতে চুদতেছে। শুভ আমারে দেইখা আমার মাথাটা ধইরা ওর মুখ আমার কানের কাছে নিলঃ কয়টা চুদছস?
আমিঃ একটা
শুভঃ এতক্ষনে একটা? এইটা আমার তিন নাম্বার
আমিঃ তুই সংখ্যা বাড়াইতে থাক, আমি কোয়ালিটির দিকে নজর দিতেছি
আমি বার টার দিকে গেলাম, ঐখানে একটা মেয়েরে অনেক আগেই চোখ দিয়া রাখছি। এরম সুন্দর মেয়ে চোদার সুযোগ পাই না। শুভর মত আগাছা চুইদা লাভ নাই। মাইয়াটা মনে হয় পুরা টাল। আমি গিয়া জিগাইলাম, কেমন আছো, কি নাম তোমার?
মেয়েঃ অলিভ
আমিঃ অলিভ? না অলিভিয়া?
আলিভঃ অলিভ হলে কোন প্রবলেম? হোয়াই তোমরা সবসময় এই প্রশ্নটা করো?
আমিঃ স্যরি অলিভ, ভুল হয়ে গেছে। কেমন আছো?
এইসব সুন্দরী হাই সোসাইটির মাগীরা দিনের বেলায় নিশ্চয়ই আমার লগে কথা কইতো না।এখন কত সহজে আলগা কইরা দিছে। আমি গা ঘেইষা বসলাম। একটা হাত ওর ঘাড়ে দিতে ও মাথা এলায়া দিল। আমি সুন্দরীটার টসটসে ঠোটে চুমু দিয়া কইলাম, আই ওয়ান্ট টু ফাক ইউ
অলিভঃ এভরিওয়ান ওয়ান্টস টু ফাক মি … এটাই আমার লাইফের ট্র্যাজেডী
অলিভ আজকে এত তরল খাইছে যে কথাও ঠিকমত বলতে পারতেছে না। টুল থেকে ওরে কোলে কইরা একটা খালি টেবিলে শোয়ায়া দিলাম। ও চোখ আধাবোজা অবস্থায় বিরবির করে বললো, কোথায় নিচ্ছো আমাকে?
আমার কথা বলার সময় নাই, ওর লো কাট শার্ট টা খুইলা নিলাম। পুরা ল্যাংটা কইরা চুদতে হইবো। নাইলে মজা কম। ব্রা নাই, খুলছে আর পড়ে নাই হয়তো। প্যান্টি নামায়া ভোদাটা বাইর করলাম। একটা বালও নাই, মনে হয় মাত্র কয়েকঘন্টা আগে ছাটছে। ভোদাটা ওকে, অলিভের চেহারার মত সুন্দর না, অবশ্য আমি আগেও দেখছি সুন্দর মেয়েদের ভোদা সুন্দর থাকে না। এই ভোদাটা অনেক ব্যবহার হইছে, হয়তো তের বছর বয়স থেকেই ব্যবহার হইয়া আসতেছে। ছোট করে দুই তিনটা চাপড় দিলাম ভোদায়, খোচা খোচা বাল সহ হাতের মুঠোয় নেওয়ার ট্রাই মারলাম। তারপরে হাতের তালু ঘষলাম মসৃন ভোদাটার চামড়ায়।
আর দেরী করা উচিত হবে না। আরেকবার ঠোটে চুমু দিয়া দুই দুধ চোষা শুরু করছি।ছোটবেলা থেকে এরম সুন্দরী মেয়ে শুধু রাস্তা ঘাটে দেখছি। আমারে দেইখা ঘাড় ঘুরায়া নিছে, অনেক অবজ্ঞা, উপেক্ষা করছে। আইজকা আমার সুযোগ। দুধ চোষা শেষ কইরা নিশিরে উল্টায়া পাছায় থাপ্পড় দেওয়া শুরু করলাম। মাইয়াটা পাসড আউট হইয়া গেছে প্রায়। ফর্সা পাছা, পাচ আঙ্গুলের লাল দাগ বইসা যাইতেছে আমার চড়ে খাইয়া। আমার রোখ চাইপা গেছে ওদিকে। ডান পাছায় জোরে একটা থাপ্পড় দিয়া কইলাম, এইটা আমারে রৌদ্রে দাড় করায়া রাখার জন্য। আরেকটা থাপ্পড় মারলাম বায়ের পাছার তালে, এইটা আমারে মিথ্যা বলার জন্য। জোড়া থাপ্পড় দিলাম দুই পাছায় একসাথে, এইটা আমার সাথে ফোনে ব্রেক আপ করার লাইগা। মনে হয় একটু বেশী জোরে দিয়া ফেলছি, পাশের টেবিলে মাঝ বয়সী দুইটা আধ লেংটা লোক মদ টানতেছিল, তারা ঘুইড়া তাকাইলো। থাপড়ানি বন্ধ করতে হইলো।
পাছার তাল দুইটা ফাক করে ফুটাটা দেইখা নিলাম, বেশ ভালো, কুচকানো বাদামী চামড়া দিয়ে ছিদ্রটা বন্ধ হইয়া আছে। ভোদা মেরে তারপর এইটা মারবো। ওকে স্প্যাংকিং করতে করতে ধোনটা আবার খাড়া হয়ে গেছে এদিকে। টেবিলের ওপর চিত করে পা দুটো টেনে আমার ঘাড়ে তুলে নিতে হইলো। দাড়াইয়া চুদতে হইবো। কোমর ধইরা টাইনা ভোদাটা টেবিলের কিনারায় আইনা ধোনটা সেধিয়ে দিলাম গুদে। শুকনা হইয়া আছে। সাত আট টা ঠাপ মেরেও ভোদার প্রতিক্রিয়া নাই। শুকনা ভোদা চোদা যায়, কিন্তু চুদে মজা নাই। টেবিল থেকে একটা বোতল নিয়া ধোনে কিছু তরল ঢাইলা ভিজায়া নিলাম। ওর পা দুইটা পাথরের মত ভারী। ভিজা ধোনে একটু ভালো লাগতেছে। গোটা বিশেক ঠাপ দেওয়ার পর অলিভ চোখ খুললো। আমি উবু হয়ে এক হাত ওর একটা দুধে আর এক হাতে নিজের ওজন দিয়া সিরিয়াসলি ঠাপ দিতেছি। এই সুন্দরীর পেটে বাচ্চা বানায়া ফেলুম আজকে।
আমি কইলাম, খুব, আজকে কড়া চোদা দেব তোমারে
অলিভঃ দাও, ফাক মি লাইক দেয়ার ইজ নো টুমোরো, এখন কম হলে ভালো লাগে না
ওর টেবিলের মাঝে নিয়া আমি নিজেও টেবিলে শুইয়া নিতেছি। নাইন্টি ডিগ্রী এঙ্গেলে চুদব এখন। অলিভের দুইপায়ের মধ্যে এক পা দিয়া ধোনটা চালায়া দিলাম ভোদায়। ও জাইগা ওঠার পর থিকা ভোদাটাও সাড়া দিতাছে। একটু একটু কইরা পিছলা লালা বাইর হইতেছে।প্রাকৃতিক এই লালা না থাকলে চুইদা ভালো লাগে না। স্ট্রোক মারি আর অলিভের চাদ মুখটা দেখি। এরম একটা মেয়েরে নিজের কইরা চাইছি অনেক। তখন পাই নাই। আজকে পাইলাম, ততদিনে ওরা মাগী হয়ে গেছে।
খেয়াল করি নাই, শুভ আইসা পাশে দাড়াইছে, কইলো, কই পাইলি এই মাল? তাড়াতাড়ি কর, আমিও এক রাউন্ড দিতে চাই
আমিঃ তুই কখন আসলি, শালা পিপ। এখন যা, তুই তাকায়া থাকলে চুদতে অস্বস্তি লাগতেছে, শেষ হইলে ডাকুম নে
অলিভরে পাজাকোলা কইরা সোফায় নিয়া শোয়াইলাম। মিশনারী স্টাইলে এইবার। সহজে মাল বাইর হয় এইভাবে। দুই পা ছড়ায়া ভোদাটার ভিতর এক নজর দেইখা নিলাম। খয়েরী রঙের পাতা দুইটা ভোদার দেয়ালে ল্যাপ্টায়া আছে। ছোটমত ভগাঙ্কুরটা উকি দিচ্ছে।ধোনটারে হাত দিয়া ভোদার আশে পাশে নাড়াচাড়া করে গেথে দিলাম ভিতরে। ওর দুইটা পা উচু কইরা ধোনটা আরো চেপে দিলাম। কোমর আনা নেওয়া করে চোদা শুরু হলো আমার।মাঝে মাঝে নীচু হইয়া ওরে চুমু দেই। অলিভ চোখ বন্ধ কইরা মুখটা খুইলা রাখছে। ঠাপের গতি বাড়াইতে বাড়াইতে টের পাইলাম ভোদাটা আরো পিচ্ছিল হইয়া গেছে, এইবার লালা ছাড়তেছে ভোদাটা। অলিভ একসময় চোখ মেইলা আমারে চাইপা ধরলো বুকের সাথে। ওর বুকে শোওয়া অবস্থায় টের পাইতেছি ভোদার পেশী দিয়া ধোনটারে চাপ দিতাছে অলিভ।চটির ভাষায় ভোদা দিয়া কামড় দিতাছে। আমি উত্তেজিত হইয়া ধোনটা আরো গভীরে ঢুকাইতে লাগছি, পারলে জরায়ুর মধ্যে ধোন চালাই। মাইয়াটা জড়ানো অবস্থায় ঘাড়ে গলায় কামড় দিতাছে। আমিও পাল্টা কামড় দিলাম ওর কানে। চোদাচুদি ভাল জইমা উঠছে।অলিভ তার দুই পা দিয়া আমার পিঠে আকড়ায়া ধরলো। আমি দেখলাম আর ধইরা রাখা সম্ভব না। চার পাচটা রাম ঠাপ দিয়া মাল ছাইড়া দিলাম ওর ভোদায়। যতক্ষন মাল বাইর হইতেছিল ততক্ষন ভোদার মধ্যে ধোনটা গাইথা রাখলাম।
শুভর হাতে অলিভরে ছাইড়া গায়ে একটা তোয়ালে জড়ায়া এক প্লেট খাবার নিলাম। খাইতে খাইতে হাটতেছি। দুইবার মাল ফেইলা চোদার ইচ্ছা একটু কইমা গেছে। ড্যান্স ফ্লোরের পোলাপানও শান্ত। শুধু বুইড়া কয়েকটা এখনও চুদতেছে। শালা বুইড়া ভামগুলারে দেখলেই গা জ্বালা করে। আধা ঘন্টা উপরে নীচে হাইটা পুরা জায়গাটা দেইখা নিলাম। নীচে আইসা দেখি শুভও প্লেট হাতে নিয়া গ্যাংব্যাং দেখতেছে। ফিলিপিনো গায়িকাগুলারে লাইন দিয়া চোদা দেওয়া হইতেছে। কেউ ডগি, কেউ চিত, কেউ বইসা চোদা দিতেছে। অনেকে পুরা কাপড়ও খুলে নাই। শুভ কইলো, ডগি লাইনটায় দাড়া, আমার জন্য জায়গা রাখিস, প্লেট টা রাইখা আসি।
আমি ওদের ড্রামারটারে আগেই নজর দিয়া রাখছিলাম। খুবই কিউট মাইয়া। ওরে সোফায় চুদতেছে লোকে। ঐখানে লাইন দিলাম। সামনে আরো ৩/৪ জন। খাড়ায়া আছি, আমার ঠিক সামনে মাঝ ত্রিশের এক লোক। আমরা দুইজনেই তোয়াইল্যা পড়া। অপেক্ষা করতে করতে কথা শুরু হইলো। কইলাম যে এখনও স্টুডেন্ট, তবে পার্ট টাইম কাজ করি। সত্যি কথাই কইলাম। ঐ লোক, তৌফিক ভাই, মাল্টিন্যাশনালে আছে।
আমি কথায় কথায় কইলাম, একদিকে মসজিদের নগরী ঢাকা সেইখানে আবার এই পার্টিও চলে, না দেখলে বিশ্বাস করতাম না
তৌফিকঃ এখন তো একটু কমেছে। কেয়ারটেকার গভমেন্টের আমলে ধরপাকড়ের পর কিছুদিন বন্ধ ছিল, তার আগে সপ্তাহে ১০/১২টা পার্টি হতো ঢাকায়, আবার শুরু হবে
আমিঃ বাংলাদেশ তো অফিশিয়ালী মুসলিম দেশ, অবশ্য একটা “উদার” শব্দ লাগায় কেউ কেউ
তৌফিকঃ মুসলিম দেশে হারেম পার্টি নিষিদ্ধ কবে থেকে? আমাদের শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলার অন্তত তিনশ মেয়ে নিয়া হারেম ছিল। এর একটা অংশ হিন্দু মেয়ে জোর করে ধরে আনা। সিরাজ পালা করে এদের সাথে সঙ্গম করতো। একই অবস্থা অন্যান্য মুসলিম শাসকদেরও। অন্য ধর্মের রাজা উজিররাও যে পিছিয়ে ছিল তা নয়। সুতরাং সেক্স পার্টি সব আমলেই ছিল। ধর্মের দোহাই দিয়ে বিছানার নীচে লুকিয়ে রাখি এই যা।
আমিঃ হু, দুঃখজনক
তৌফিকঃ নাহ, সত্যিকার দুঃখজনক হচ্ছে আমাদের সামাজিক ব্যবস্থার ডবল স্ট্যান্ডার্ড।ধর্মভিত্তিক সমাজ এমন নিয়ম করে রেখেছে যে এখানে মেয়েরা একবেলা হাফপ্যান্ট পড়ে ফুটবল খেললে বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল বের হয়, আবার সেই মিছিলওয়ালারা যখন সন্ধ্যায় রমনা পার্কে ধর্ষন করে সেটা নিয়ে কারো মাথাব্যাথা নেই। আমাদের এই পার্টির কথাই ধরো, এরা দিনের বেলায় সভা সমিতিতে বড় বড় বক্তব্য দিয়ে বেড়ায়, কেউ কেউ মানবাধিকার সংস্থাও করে কেউ ধর্ম ব্যবসায়ীদের পক্ষে টিভিতে বক্তৃতা মেরে যাচ্ছে আর রাতে ওয়াইল্ড পার্টিতে কচি মেয়েদের সাথে সেক্স করছে। এই মেয়েরা কি সবাই ইচ্ছে করে এখানে এসেছে, মোটেই না, অনেকেই বাধ্য হয়েছে নানাভাবে।
এরমধ্যে শুভ আসছে। আমার সামনে ঢুকতে চাইতেছে। উনি শুভরে ভালোমত বুঝায়া পিছে পাঠায়া দিল। আমার পিছে আরো ১০/১২ জন লোক।
ফিলিপিনারে চুদার যখন সুযোগ পাইছি ততক্ষনে ১০/১৫ জনের চোদা সারা। ভোদা পুরা ম্যান্দা মাইরা আছে। ওর সমতল দুধ একটু চাপ চুপ দিয়া চুমু দিলাম। চেহারাটা খুব সুন্দর।ভোদাটা আলগা কইরা একটু ভিতরটা দেইখা নিলাম। বালে ভরা ভোদা কিন্তু পরিচ্ছন্ন।বালটা ট্রিম করে আসছে। সবসময় ভোদার ভিতর দেখতে খুব ভালো লাগে। বোচা মাইয়া চুদি নাই কখনও। ভোদা তো সেই একরকমই দেখতে। ধোনটা লাড়াচাড়া কইরা ঠাইসা দিলাম গর্তে। কন্ডম পইড়া নিতে হইছিলো, এই মাগী আবার কন্ডম ছাড়া চোদে না। কন্ডম পড়লে ভোদার অনুভুতিটা বুঝা কষ্ট। কয়েকটা ঠাপ দিলাম, ওর চিকনা পেট ধইরা টেপাটেপি করলাম। টাইট ভোদা, এতজনের চোদা খাওয়ার পরও ধোন কামড়ায়া ধরে। দুই দুধে হাত দিয়া একটানা ২০/২৫ টা ঠাপ দিলাম। জোরে ঠাপাইয়াও মাল বাইর হইতে চাইতেছে না। পিছের লোকজন এরমধ্যে ওয়ার্নিং দিতাছে। কি আর করা, ধোনটা বাইর কইরা হোগার ফুটায় ঠাসতে গেছি, মাইয়াটা লাফ দিয়া উইঠা বইসা বললো, হোয়াট আর ইউ ডুয়িং, আই উইল চার্জ ইউ এক্সট্রা ফর এনাল ফাকিং।
আমি কইলাম, ওকে স্যরি, তাইলে এখন করবো না
ওর নাক চাইপা আরেকটা চুমা দিয়া জায়গা ছাইড়া দিলাম।
গ্লাসে একটু তরল ঢাইলা ঘুরতে ঘুরতে দোতলার লবিতে আসলাম। উপরে লোকজন কম।একটা টিভিতে শব্দ বন্ধ করে ব্লু ফিল্ম চলতেছে। এই মুহুর্তে এইসবে মন নাই। আমি সুরা টানতে টানতে চোখটা বন্ধ করলাম। কতক্ষন ছিলাম মনে নাই। শুভ আইসা উঠাইলো। টানা চোদাচুদির পর একটু ঝিম মারছি। চাপা অন্ধকারে বইসা নীচে লোকজনের কাজকর্ম দেখতেছি। পিছে একটা মেয়ের ফোপানী শুইনা দুইজনেই মাথা ঘুরাইলাম। একটা মুশকো মধ্য বয়সী লোক, ২০/২২ বছরের ওয়েট্রেস গুলার একটারে ধরে আনছে। উপরে লোকজন কমের সুযোগে জোর করে চোদার চেষ্টা করতেছে। মাইয়াটাও যে কোন কারনেই হউক কোনভাবেই রাজী হইতাছে না। হাত দুইটা বুকের কাছে নিয়া নিজেরে খুব কষ্টে গুটায়া রাখছে। কতক্ষন ধস্তাধস্তির পর শুভ আর বইসা থাকতে পারলো না। কাছে গিয়া কইলো, আঙ্কেল আপনি ওরে জোর করতেছেন কেন?
বুইড়াঃ মাগী করতে দিবো না, দেখ কত বড় সাহস
শুভঃ এইখানে কাউরে জোর কইরা চোদার নিয়ম নাই, নো মিনস নো
বুইড়াঃ হোর লাগাতে আবার নিয়ম লাগে নাকি?
শুভঃ কে হোর আর কে ইনোসেন্ট সেইটা ব্যাপার না, ও আপনাকে না বলেছে, আপনি চলে যান
বুইড়া মাথা ঘুরায়া আমাদের দেইখা বললো, তুমি কে? চিনো আমারে?
শুভঃ আপনারে চিনার ইচ্ছা নাই। আপনি ওরে দশ সেকেন্ডের মধ্যে ছেড়ে না দিলে একটা উষ্টা দিয়া দোতলা থিকা ফেইলা দিমু
বুইড়া শুভর কথা শুইনা সাথে সাথে উইঠা দাড়াইলো, একটা ঘুষি মারতে গেল শুভরে। আমি তাড়াতাড়ি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য উঠেছি, ততক্ষনে দেরী হয়ে গেছে। শুভ বুইড়ারে একটা ধাক্কা দিয়া মাটিতে ফেইলা দিল। বুইড়া চিতকার দিয়া জনৈক জামানের নাম ধইরা ডাকলো। জামান মনে হয় লগের লোক। হৈ চৈ শুইনা আশে পাশে থেকে আরো ৪/৫ জন লোক আইসা হাজির। শুভ কইতেছে, দেখেন ভাই, এই শালায় মেয়েটারে রেইপ করতে চায়
আমাগো পক্ষে কয়েকজন আবার বিপক্ষেও কয়েকজন। জামান শালা উপরে আইসা শুভর কলার ধইরা কইলো, তুই কে? স্যারের গায়ে হাত দিছিস?
ভীড় ঠেলে তৌফিক ভাই এসে জামানের হাত থিকা শুভরে ছাড়াইয়া জামানরে একদিকে নিয়া কি যেন বুঝাইতেছে। বুইড়া তখনও বিড়বিড় কইরা গালি দেয়। একবার জোরে বইলা উঠলো, মাগীর পোলা কতবড় সাহস আমারে ধাক্কা মারে, তোর যদি পুলিশে না দিছি
শুভ মুহুর্তের মধ্যে আমার দিকে তাকায়া বললো, রেডি থাক দৌড় দিবি। এই বলে ও বুইড়ার কাছে গিয়া মুখে একটা ঘুষি দিয়া বলো, চুতমারানী কি বললি আমারে? শালা নাতনীর বয়সী মাইয়াগো চুদতে আসছস লজ্জা করে না? কুত্তার বাচ্চা। শুভ বুড়াটার তলপেটে একটা লাথি দিয়া আমারে বললো, সুমন দৌড়া।
আমি আর দাড়াই নাই। ঝাড়া দৌড় দিয়া নীচে তারপর কিচেনের চোরা দরজা দিয়া গ্যারেজে চইলা আসলাম। শুভও পিছে পিছে। রাত তখন আড়াইটা। কোন দিকে যাই বুঝতেছি না।গ্যারেজ থেকে বাইর হইয়া বড় রাস্তায় আসলাম। শুভ পুরা ঘামতেছে। কোথায় লুকানো যায় জায়গা খুজতেছি। এরকম সময় একটা গাড়ী বের হয়ে আসলো। তৌফিক ভাই। ওনারে দেইখা আমি হাত উচা করলাম। দৌড়ায়া ওনার গাড়ীতে ঢুকলাম দুইজনে। গাড়ীতে তৌফিক ভাই কইলো, তোমরা বোকা নাকি? ঐ লোককে চিনো? ঢাকার নামকরা রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। সরকার র্যাব সব ওর হাতের মুঠোয়। তোমাদেরকে ধরতে পারলে জেলের ভাত খাইয়ে ছাড়বে
আমিঃ মাথা গরম হয়ে গেছিলো
তৌফিকঃ উহু। এরকম মাথা গরম করলে চলবে না। সমাজ বদলাতে চাও এভাবে হবে না।বিষবৃক্ষের ফল ছিড়লে তো গাছ মরবে না, ছিড়তে হবে এর শেকড়
শুভঃ হু, তাই হয়তো
তোফিকঃ বাট এট দ্যা এন্ড, তোমাদের সেন্টিমেন্টের প্রশংসা করি, হয়তো স্থুল, তবু অপরাধ দেখে চোখ বুজে থাকো নি। এই একটা কারনে তোমাদের এই ইন্টারনেট জেনারেশনের উপর আমি খুব আশাবাদী
শুভর ক্লিনিকের সামনে নাইমা গেলাম দুইজনে। লিফট দিয়া নয়তলায় গিয়া শুভরে কইলাম, গোসলখানা আছে তোগো এইখানে, একটা গোসল দেওয়া দরকার
শুভ উত্তর দিলো, আর তিন ঘন্টা অপেক্ষা কর তারপর বাসায় গিয়া করিস
|
<urn:uuid:6686aae3-bd1a-4150-bac0-c9e4d5e010ed>
|
CC-MAIN-2014-10
|
https://banglachoti2.wordpress.com/2012/09/26/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%97%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE/
|
2014-03-07T08:07:50Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-10/segments/1393999636902/warc/CC-MAIN-20140305060716-00045-ip-10-183-142-35.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.997406
|
Beng
| 128
|
{"ben_Beng_score": 0.9974064826965332}
|
Last Updated: Tuesday, November 27, 2012, 11:54
দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুর্সি। প্রেসিডেন্টের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে নিজের জারি করা ডিক্রির বিষয়ে বিচারপতিদের সঙ্গে কথা বলছেন তিনি। তবে, মিশরের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে মুর্সি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না বলে জারি হওয়া ডিক্রি বহাল থাকবে। শুধুমাত্র এর পরিসর সীমিত করা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে। যদিও, বিরোধীরা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আন্দোলন বজায় রেখেছে।
|
<urn:uuid:daec484c-04bd-4951-8db8-75243a1b1d02>
|
CC-MAIN-2014-10
|
http://zeenews.india.com/bengali/tags/Muslim_Brotherhood.html?Page=100
|
2014-03-11T07:13:54Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-10/segments/1394011150121/warc/CC-MAIN-20140305091910-00045-ip-10-183-142-35.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999822
|
Beng
| 35
|
{"ben_Beng_score": 0.999822199344635}
|
Hits: 94
মোঃ সাদ্দাম হোসাইন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া (২৪ জুলাই ২০১৩) :: ব্রাক্ষণবাড়ীয়া উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের শিক্ষিত যুবক জামাল উদ্দিন নিজ এলাকার মাঠে প্রথমে মাত্র ১০০ টমেটোর চাড়া চাষ করে। ২য় বছর ৩০০ চাড়া, এবং ৩য় বছর ৮ হাজার চাড়া রোপন করেন ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার চিনাইর ৮০ শতাংশ জায়গার উপর টমেটো চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।টমেটো চাষী জামাল জনতার কথাকে জানান, সে ছোট বেলা থেকেই কৃষি কাজে আগ্রহ। আর সেই আগ্রহ থেকেই আজ স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্নটা দেখছেন। টমেটো গাছে আর মাত্র ২০ দিন পরেই ফুল আসবে বলে সে জনতার কথাকে জানান।
ফল আসার পর প্রতিটি গাছ থেকে ১ থেকে দেড় কেজি করে ফল পাওয়া যাবে বলে জামাল জানায়। টমেটো ব্যবসায়ীরা মাঠ থেকে নগদ মূল্যে টমেটো নিয়ে যায়। প্রতি কেজির দাম পাওয়া যাচ্ছে ৭০-৮০ টাকা। এত দাম কেন? প্রশ্ন করা হলে জামাল বলে অকালীন টমেটোর দাম একটু বেশি, সে হিসেবে ৮ হাজার গাছে মোট ফল পাওয়া যাবে প্রায় ১২ হাজার কেজি। যা বাজার মূল্যে বিক্রয় করে দাম পাওয়া যাবে প্রায় ৯ লাখ টাকা। সব খরচ বাদে নিজ আয় হবে প্রায় ৪ -৫ লাখ টাকা।
জামালের নিজ এলাকায় আরও টমেটো চাষ করে । অল্প জমিতে স্বল্প পরিসরে পুঁজি খাটিয়ে বেশি আয় হওয়ার আশায় জামাল টমেটো চাষ করেছেন। আগামী বছর আরও জমিতে টমেটো চাষ করবেন বলে জানান।জামাল আশা করছে , আগামী বছরগুলোতে টমেটো আবাদ আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।
|
<urn:uuid:d0467236-f9eb-45fc-955f-2c2c440f5bb0>
|
CC-MAIN-2014-10
|
http://alokitobangla.com/national/1838-2013-07-24-13-06-28
|
2014-03-10T22:38:36Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-10/segments/1394011038777/warc/CC-MAIN-20140305091718-00045-ip-10-183-142-35.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999097
|
Beng
| 20
|
{"ben_Beng_score": 0.9990967512130737}
|
এই লেখাটি কাউকে ছোট বা বড় করা, কিংবা কারো কৃতিত্বকে খাটো করে দেখানোর জন্য নয়, বরং সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান গুলোর দুর্নীতি ও প্রতারনার মাধ্যমে সরল মানুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা জানানোর জন্য। লেখাটি আমার ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে লিখলেও যাতে এই লেখাটি পড়ে মানুষ সচেতন হতে পারে এবং এই ধরনের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পায়,সেজন্য লিখা।
বেশ কয়েকবছর থেকেই ইন্টারনেট ইউজ করি। দেড় বছর আগে প্রথম একটা থ্রিজি মডেম ( মবিডাটা ব্র্যান্ডের ) কিনি, সেটাতে নতুন কেনা একটা ইন্টারনেট সিম (গ্রামীণের) দিয়ে নেট চালাতাম। কয়েকমাস পর বাংলালায়ন ওয়াইম্যাক্স এর একটা ( প্রিপেইড ) মডেম দিয়ে খুব সাচ্ছন্দে নেট ইউজ শুরু করি। বাংলালায়নকে খুব পছন্দ হয়ে যায়, তাই এখনও এটাতেই আছি। মাঝে দুএক মাস গ্রামীণের ‘তথাকথিত’ আনলিমিটেড প্যাকেজ ইউজ করেছি, তবে হতাশ হয়েছি এর মাত্র ৫ জিবি ইউসেজ লিমিট আর অতি উচ্চ মুল্যের কারনে ( মাসিক বিল প্রায় ১ হাজার টাকা ! ) এর পর থেকে আমার ভ্রান্ত ধারনা হয়েছিল যে, বাংলাদেশের কোন মোবাইল কোম্পানিও আনলিমিটেড ইন্টারনেট সেবা দিতে পারেনা/দেয়না এমনকি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানিগুলোও । তারা শর্ত প্রযোজ্যের নাম করে হয়ত একটি নির্দিষ্ট মাসিক ইউজেস লিমিট দিয়ে দেয়, তবে আমার ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল ছিল, পরে ভালভাবে খোঁজ নিয়ে জানলাম যে, মোবাইল কোম্পানিগুলোর মধ্যে রবি ( সাবেক একটেল ) এবং সকল ওয়াইম্যাক্স কোম্পানিই ‘সত্যিকারের’ আনলিমিটেড ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে। বাংলালিংক এর কথা সঠিক জানিনা। আমার পরিচিত অনেকেই এসব আনলিমিটেড প্যাকেজ বহুদিন থেকেই ইউজ করে আসছে, এসব জেনে আমারও কয়েকমাস ‘সত্যিকারের’ আনলিমিটেড প্যাকেজ নিতে ইচ্ছা করল।
খোঁজ নিয়ে দেখলাম, বাংলালায়নে নিলে মাসিক খরচ পড়বে প্রায় ১৪৫০ টাকা, অপরদিকে রবি নিলে খরচ পড়বে প্রায় ৯০০ টাকা , সেক্ষেত্রে নতুন একটা রবি পোস্টপেইড সিম কিনতে হবে ৩০০ টাকা দিয়ে আবার সাথে ৫০০ টাকা সিকিউরিটি মানি জমা দিতে হবে। রবি সেবা (রবি কাস্টমার কেয়ারের বাংলা নামকরন) তে গিয়ে একটা খুশির খবর শুনলাম, নতুন গ্রাহকদের জন্য প্রথম ৬ মাস মাসিক বিল দিতে হবে মাত্র ৪৯০ টাকা করে, ৭ম মাস থেকে প্রায় ৯০০ টাকা করে দিতে হবে। তাই বেশি কিছু না ভেবেই এ মাসের ১৩ তারিখেই প্যাকেজটা কিনে ফেললাম। একদিন পর সিম ও লাইন একটিভ হবার পর খুলে দেখি চক্ষু চড়কগাছ !! একেবারে মাথায় হাত !!! লাইনের একি বাজে অবস্থা !!! মডেম কানেক্ট নিচ্ছেনা, নিলেও নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বার মাত্র ২ বা কখনও ৩ টা।
মবিডাটা মডেমটা চেঞ্জ করে একটা হেম মডেম দিয়ে চেষ্টা করলাম, একই ফলাফল। একটা পেজ লোড হতে প্রচুর সময় লাগছে, ওই পেজে পরবর্তীতে কোন কমান্ড দিলে ( ক্লিক করলে ) ব্ল্যাঙ্ক পেজে দেখাচ্ছে The Webpage is not availabe অর্থাৎ ভেরি স্লো কানেকশন।
এরপর কয়েকবার রবি সেবায় গেলাম, তারা তাদের কম্পিউটার ডাটাবেজ দেখে বলল লাইন ঠিক আছে, আমি স্পীড পরীক্ষা করে দেখতে বললাম, তারা বলল এখানে এটা সম্ভব না । পরে আরও একদিন গেলাম , তারা বলল ঢাকাতে কমপ্লেন পাঠাচ্ছি, আপনাকে কিছুদিনের মধ্যে ঢাকা থেকে ফোন করবে। উল্লেখ্য, সেদিন ছিল ১৮ তারিখ অর্থাৎ ঈদের ২ দিন আগে, আমি জানতে চাইলাম ঈদে আপনাদের ছুটি কয়দিন, তারা বলল সরকারি ছুটির মতই ৩ দিন। আমি হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরলাম, ভাবলাম হায়রে শখের আনলিমিটেড ইন্টারনেট ! ৫ দিন হয়ে গেল কেনার পর, সামনে মাসের ১০ তারিখে ১ মাসের মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যাবে , ৫০০ টাকা সিকিউরিটি মানির মধ্যে থেকে ৪৮২ টাকা ঠিকই রবি কেটে নিবে অথচ আমি কোনরকম ব্রাউজিংই করতে পারছিনা, ডাউনলোড তো দূরে থাক। বাসায় এসে রবির ওয়েবসাইট এ রবি সমাধান এ নিজেই নিজের কমপ্লেইন সাবমিট করলাম, অতিরিক্ত হিসেবে তাদের সিমের সাথে দেয়া মেইল অ্যাড্রেস একই রকম একটা মেইল পাঠালাম।
এর মধ্যে একদিন একটা ডাউনলোড দিলাম, শুরু হল স্লো ডাউনলোড স্পীড দিয়ে, কয়েক মিনিট পর Cannot Find Server মেসেজ দিয়ে ডাউনলোড বন্ধ হয়ে গেল। উল্লেখ্য, আমি বাস করি রাজশাহী শহরের সাগরপাড়া নামক এক জায়গায়, যেটা রাজশাহী শহরের প্রাণকেন্দ্র সাহেব বাজারের এবং রবি সেবার বিল্ডিং থেকে কয়েকশ গজ উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত। আমার বাসায় বাংলালায়ন এর ফুল নেটওয়ার্ক থাকে, গ্রামীণেরও তাই। অথচ রবি নিয়ে জ্বলে উঠার আগেই মনে হয় সব কিছু নিভে গেল……!
এর মধ্যে একদিন আমি আমার কর্মস্থল মান্দা, নওগাঁর প্রসাদপুরে গেলাম, ওমা ! ওখানে গিয়ে দেখি মডেম কাজ করছে , নেটওয়ার্ক ভাল পাচ্ছে, স্বাভাবিক ভাবে পেজ ওপেন হচ্ছে, কয়েকটা ডাউনলোড দিলাম, দেখলাম মোটামুটি একটা স্পীডে ডাউনলোড হচ্ছে ( যদিও যেরকম স্পীডের কথা শুনেছিলাম একজনার কাছ থেকে,সেরকম না ) । তারপরও মনে মনে খুশি হলাম, যাক লাইনটা মনে হয় ঠিক করে দিয়েছে ! যেই ভাবা সেই কাজ, প্রায় ৩ ঘণ্টা পর দেখলাম লাইন কেটে গেছে, ডাউনলোড বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পরে আরেকবার ডাউনলোড দিলাম, ওই একই ফল ৩ ঘণ্টার আশেপাশে সময় হলেই আর সার্ভার পাচ্ছেনা। ২ দিন পর বাসায় এসে টেস্ট করলাম, দেখলাম সিমের/লাইনের অবস্থা মুমূর্ষু , কোন রেসপন্স নাই। পরের দিন আবার কাস্টমার কেয়ারে গেলাম, তারা দুঃখিত হয়ে বলল এর বেশি তাদের আর কিছুই করার নাই, ঢাকা থেকে এটা ঠিক করে দিবে…। আর অভিযোগ করার পর ১১ দিন অতিবাহিত হলেও তথাকথিত সেই ঢাকার ফোন কল আজও আসেনি। এই হল আপন শক্তিতে রবির জ্বলে ওঠার গল্প ( মানুষের সাথে ধাপ্পাবাজি করে )।
তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি লাইনটা বন্ধ করে নিব, আর সবাইকে ব্যাপারটা জানাব। ৮০০ টাকা আর সাথে দৌড়াদৌড়ী তো সম্পূর্ণ বৃথা গেছেই গেছে, আর যাতে কারো ভোগান্তি না হয় সেজন্য কষ্ট করে এই লেখাটি লিখেছি।
এবার আসল কথায় তথা সারমর্মে আসা যাক। আমার এরকম আরও দুএকটা তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে (আমার ব্লগে পূর্বের লেখাটি নকিয়া কেয়ার নিয়ে) সবাই হয়ত লেখাগুলো পড়বেন আর মনে মনে বলবেন শুধু আমার ক্ষেত্রেই এসব ধোঁকাবাজি হচ্ছে, কিন্তু চিন্তা করে দেখবেন আপনি বা আপনার মত অনেকেই এরকম প্রতারণার শিকার হতে পারেন। কারন বর্তমান দেশ,সমাজ বা পৃথিবী যাইই বলুন না কেন সকল জায়গাতেই প্রায় সকল পেশায়, প্রায় সকল ক্ষেত্রেই দুর্নীতি আর ধাপ্পাবাজি প্রবেশ করেছে। ‘প্রচারেই প্রসার’ এই মূলনীতিকে সামনে নিয়ে ভাল মন্দ সবাই নিজেদের ঢাক পিটিয়ে যাচ্ছে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। কারন এসব বিজ্ঞাপন দেয়া অনেক সহজ হয়ে গেছে গণমাধ্যম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও টেকনোলোজির ব্যাপক উন্নতি ও সহজলভ্যতার কারনে। ভিতরে যাইই থাকুক আর না থাকুক, রঙ্গিন প্রলোভনে আকৃষ্ট হয়ে কতশত মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। খাদ্যদ্রব্য,ভোগ্যপন্য, ওষুধ, চিকিৎসা সেবা ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, ইলেক্ট্রনিক্স, ইন্টারনেট সেবা ইত্যাদি ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই একই অবস্থা।এসবের মধ্যে কিন্তু ভাল জিনিষেরও বিজ্ঞাপন আছে, কিন্তু কোনটা ভাল, কোনটা খারাপ , কোনটা আসল আর কোনটাই বা নকল তা বুঝতে আসলে মানুষ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়।
তাই সকলকে সচেতন থাকতে হবে, কোন কিছু গ্রহণ/ক্রয়ের পূর্বে একটু খোঁজ খবর বা পরখ করে নেয়া উচিত। ইন্টারনেট সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও একই কথার সঙ্গে আরও বলব, আপনি যেখানে বসবাস করেন সেখানে,যে মোবাইল কোম্পানির ইন্টারনেট ইউজ করতে চান তার ফুল নেটওয়ার্ক আছে কিনা সেটা পরখ করুন এবং সেই কোম্পানির সিমে ১৫ বা ২০ মেগাবাইটের একটা শর্ট প্যাকেজ নিয়ে ব্রাউজ এবং ছোট কিছু ডাউনলোড করে এর সার্ভিসটা দেখে নিন। ইন্টারনেট কানেকশান একাধিক ঘণ্টা চালু রেখে এসব দেখা উচিত কেননা অনেক সময় দেখা যায় ভাল চলতে চলতে কয়েক ঘণ্টা পর নেট কানেকশান আর থাকেনা বা সার্ভার পায়না। আপনার এলাকায় যদি বাংলালায়ন,কিউবি,ওলো বা এজাতীয় ওয়াইম্যাক্স সার্ভিস থাকে এবং আপনার বাসস্থানে তার ভাল নেটওয়ার্ক থাকে তবে চোখ বুজে কোন কিছুর দিকে না হাত বাড়িয়ে ওয়াইম্যাক্স কানেকশান নিয়ে নিন। স্পীড,অর্থসাশ্রয়সহ সব দিক দিয়ে আপনি বহুগুন লাভবান হবেন ( বিশেষ করে বাংলালায়ন নিলে )।
আর যদি এগুলোর সার্ভিস না থাকে তবে আমার মনে হয় গ্রামীণফোনের মডেম কেনা উচিত কারন দেশের সব জায়গায় এর নেটওয়ার্ক আছে ( পার্বত্য তিন জেলাতে একটু ব্যাতিক্রম )। অন্যান্য মোবাইল কোম্পানিরও ইন্টারনেট সেবা নিতে পারেন তবে তা অবশ্যই উপরিউক্ত নিয়মে পরীক্ষা করার পর। মডেমের ক্ষেত্রে একটা কথা বলতে চাই, শুধুমাত্র গ্রামীণফোন বিল্ট ইন মডেম বিক্রি করে করে ( Huwei ব্র্যান্ডের ) , যেটা খুব ভাল সার্ভিস দেয় [ যদিও দুএকটা মডেম এ সমস্যা দেখা দেয় ], কানেকশান ঠিক থাকে, কাটেনা, ডাউনলোড স্পীডও প্রায় স্ট্যাটিক থাকে এবং এই মডেমে গ্রামীণফোন ইন্টারনেট এর ডিফল্ট কনফিগারেশন করা থাকে । কিন্তু অন্যান্য থ্রিজি মডেমে ( যেমন, Mobidata, Hame প্রভৃতি ব্র্যান্ডের ) ক্ষেত্রে তা থাকেনা, যেকোনো সিম সাপোর্ট করে , তবে এগুলো প্রায়ই ঝামেলা করে যেমন স্লো স্পীড, নো কানেকশান, ডিসকানেক্ট হয়ে যাওয়া প্রভৃতি। তাই এসব বিবেচনা করে দেখা যায়, গ্রামীণের বিল্ট ইন মডেমই নেয়া শ্রেয়।
আর হ্যাঁ একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা, কোন জিনিস ‘সেকেন্ডহ্যান্ড’ কিনবেন না। যাই হোক, অনেক কথা হল, আমার এই লেখাটি ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, ভাল বা মন্দ যাইই লাগুক মন্তব্য করুন… ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন আর এই কথাগুলো সুযোগ হলে সকলের মাঝে শেয়ার করুন।
ধন্যবাদ সকলকে, হ্যাপি ব্রাউজিং ।
|
<urn:uuid:228fc2dd-47c9-4517-a4a5-204d391597c4>
|
CC-MAIN-2014-10
|
https://subratakumar.wordpress.com/
|
2014-03-11T10:02:48Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-10/segments/1394011168572/warc/CC-MAIN-20140305091928-00045-ip-10-183-142-35.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999702
|
Beng
| 3
|
{"ben_Beng_score": 0.9997024536132812}
|
ওমান উপসাগর
|এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। (মার্চ ২০১০)|
ওমান উপসাগর আরব সাগরের উত্তর-পশ্চিম বাহু। এটি হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে পারস্য উপসাগরের সাথে সংযুক্ত। ওমান উপসাগরের উত্তরে ইরান, এবং দক্ষিণে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ওমান উপসাগরের উত্তরাংশের গভীরতা ৫০ থেকে ২০০ মিটার। উপসাগরটি এরপর দ্রুত গভীরতর হয়ে আরব সাগরের সাথে মিশে গেছে। ওমান উপসাগর পূর্ব-পশ্চিমে ৫৬০ কিমি দীর্ঘ। এই উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী একত্রে অর্থনৈতিক কৌশলগতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাহাজপথগুলির একটি গঠন করেছে। প্রতিদিন পারস্য উপসাগরের উপকূলীয় দেশগুলি থেকে প্রায় ৮০টি বিশালাকার তৈলবাহী ট্যাংকার জাহাজ এই পথ অতিক্রম করে। সমুদ্র পরিবহনভিত্তিক বিশ্ব তেল বাণিজ্যের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এই ট্যাংকারগুলি পরিবহন করে থাকে।
|
<urn:uuid:af8f0ff1-fa09-4f0d-b543-05fa3703ef34>
|
CC-MAIN-2014-10
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%93%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0
|
2014-03-12T08:46:03Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-10/segments/1394021547621/warc/CC-MAIN-20140305121227-00045-ip-10-183-142-35.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999687
|
Beng
| 82
|
{"ben_Beng_score": 0.9996873140335083}
|
গত ২৪ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে চীনের জাতীয় দৈনিক শিনহুয়াতে ইন্টারনেটে তদারকি বাড়ানোর জন্য ‘আসল নামে অনলাইন নিবন্ধন করতে হবে’ এমন একটি প্রতিবেদন বেরিয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীন সরকার ৫০০ মিলিয়ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর আসল নাম নিবন্ধনের জন্য আইন করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
শিনহুয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন এই আইন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রতারণা ও অপবাদ থেকে ‘রক্ষা’ করবে। এনপিসি স্ট্যান্ডিং কমিটির লেজিসলেটিভ অ্যাফেয়ার্স-এর ডেপুটি ডিরেক্টর লি ফেই বলেছেন:
এই ধরনের পরিচয় ব্যবস্থাপনার অন্তরালেও সব ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই ভিন্ন নামে তথ্য শেয়ার করতে পারবেন।
এই বছরের শুরুতেই চীনা মাইক্রোব্লগ সার্ভিস সিনা উইবু আসল নাম নিবন্ধন চালু করে। কিন্তু নানা ধরনের কারিগরি জটিলতার কারণে এটাকে আর এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। এখন সরকার এটাকে আইনে পরিণত করলে উইবু’র মতো সামাজিক নেটওয়ার্ক সার্ভিসের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। উল্লেখ্য, উইবুতে ৪০০ মিলিয়ন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে। কিছু নেটিজেনের ধারণা, চীনের মতো দ্রুত প্রবৃদ্ধিশীল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দেশে প্রতারণা ও দুশ্চিন্তা থেকে বাঁচার কথা বলে এই ধরনের আইন দিয়ে আসলে কথা বলার স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করবে।
আইনবিদদের উদ্বেগ
廖睿:该议案提出者的直接动因,
是近来微博等网络媒体上络绎不绝的反腐败举报。 恳请全国人大常委,在审议此议案时, 如有涉及限制宪法规定的公民言论自由权利的违宪条款时, 能严肃对待,以对国家、民族负责任的态度,投下你自己一票!
廖睿:এই প্রস্তাবের সরাসরি মোটিভেশানল দিক হলো, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মিডিয়াতে দুর্নীতিবিরোধী মন্তব্যগুলো। আমি ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে সুপারিশ করবো, তারা যেন এটাকে গভীরভাবে বিবেচনা করে। আর সংবিধান নিয়ন্ত্রিত নাগরিকদের বাক স্বাধীনতাকে সম্পৃক্ত করে। দেশ ও জাতির প্রতি দায়িত্বশীলতার জন্য আপনার ভোট দিন।
法客瑾爷:对于保障他人名誉权、防止网络犯罪具有重大意义,
但难保不会成为政府干涉言论自由的帮凶。
法客瑾爷:এই আইনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এটা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সুনাম রক্ষা করবে এবং সাইবার অপরাধ প্রতিহত করবে। যদিও সরকার বাক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করবে না, এ বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই।
লিউ জিয়াওইউয়ান নামের আরেক আইজীবী, উইবুতে যার ৭০ হাজার অনুসারী রয়েছে, তিনি দক্ষিণ কোরিয়াতেও আসল নাম নামে অনলাইন নিবন্ধন প্রক্রিয়া ব্যর্থ হওয়ার উদাহরণ টেনে আইনটির সমালোচনা করেন:
刘晓原律师: 2012年8月23日,韩国宪法法院做出裁决,8名法官均认定网
络实名制违背了宪法。 宪法法院称互联网实名制阻碍了用户自由表达意见, 没有身份证号的外国人很难登录留言板, 此外留言板信息外泄的可能性增大,从这些因素来看, 这一制度的不利影响并不小于其公益性。
刘晓原律师: ২৩ আগস্ট ২০১২ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার কনস্টিটিউশনাল কোর্ট সিদ্ধান্ত নেয়। সেখানে আটজন বিচারক আসল নামে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সংবিধান লংঘনের বিষয় খুঁজে পান। কনস্টিটিউশনাল কোর্ট বলে, আসল নামে ইন্টারনেট নিবন্ধন বাক স্বাধীনতাকে ব্যাহত করবে। বিদেশীরা আইডি নম্বর ছাড়া মেসেজ বোর্ডে ঢুকতে অসুবিধায় পড়বে। এছাড়াও মেসেজ বোর্ডে তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে। এইসব অসুবিধার ছাড়া আসল নাম নিবন্ধনে কোনোই ফায়দা পাওয়া যাবে না।
সাধারণ অনলাইন ব্যবহারকারীরা কী ভাবছে?
东来和西去:我不知道你们立法的初衷是什么?
是维护公民的言论自由还是扼杀?
东来和西去:আমি জানি না কী জন্য এই আইন করা হচ্ছে? এটা কি আমাদের বাক স্বাধীনতা রক্ষা করবে, না নিয়ন্ত্রণ করবে?
扬尘无导:实名没什么可怕,怕的是应言获罪。
扬尘无导:আসল নাম নিবন্ধনে ভয়ের কিছু নেই। তবে অনলাইনে কথা বলার জন্য এই আইনের কারণে শাস্তি ভোগ করা লাগতে পারে।
zhang3:原来准备了那么多天的圣诞大礼,是网络实名制。
实际也没啥。本来真要找你也是分分钟的事,现在就少走一个程序。 短期会让人恐惧,长期会给人勇气,让人有担当。掘墓的, 焉知不是为自家准备。
জিয়াং৩: ইন্টারনেটে আসল নাম নিবন্ধনের জন্য প্রস্তুতি নেয়া এই বড়দিনের সবচেয়ে বড়ো উপহার। যদিও নিবন্ধন সেরে ফেলাটা তেমন ঝামেলার কিছু নয়। যারা ইতোমধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়াটা জেনে ফেলেছেন, তাদের জন্য আরো সহজ। স্বল্পমেয়াদের জন্য এটা আমাদের ভয় পাইয়ে দিলেও দীর্ঘকালীন সময়ে এটা আমাদের আরো সাহসী করে তুলবে। কে না জানে, নিজের জন্য খবর খুঁড়তে কেউ-ই চাইবে না।
游离的世界已经灰白:网络是悬在官员头上的一把利剑!
立法是应当的,关键看这法怎么立? 关键是如何处理保护官员与保护公民言论自由孰轻孰重的问题。
游离的世界已经灰白:ইন্টারনেট অফিসারদের মাথার ওপর তলোয়ারের মতো ঝুলছে! এজন্য তাদের একটা আইন দরকার। কিন্তু এর চাবি অফিসাররা নিজেদের এবং নাগরিকদের বাক স্বাধীনতা রক্ষার জন্য কীভাবে ব্যবহার করবে এটাই বড়ো প্রশ্ন। কোনটা আগে আসবে?
বেইজিং ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জিহাং জিয়াং পরামর্শ দিয়েছেন:
展江教授: 应该首先将《政府信息公开条例》上升为法律,
并扩大政府信息公开范围;同时对言论自由制定保护性法律, 然后才能进行限制性立法。否则,网络实名制最后可能法不责众, 不了了之。
প্রথমে সরকারি তথ্য জনগণের কাছে তুলে ধরে সরকারি তথ্য প্রচার নিয়মকে আমরা আইনে উন্নীত করতে পারি। একই সময়ে নিয়ন্ত্রণমূলক নিয়মকানুন তৈরির আগে আইনটি কীভাবে বাক স্বাধীনতাকে রক্ষা করবে তা তুলে ধরতে হবে। এটা ছাড়া, জনগণের সমালোচনার মুখে আসল নাম নিবন্ধনের ব্যাপারটা কাজ করবে না।
এখন পর্যন্ত পরিষ্কার না আইনটি কবে থেকে কার্যকর হবে। বিদেশী ভিপিএন সার্ভিসের মাধ্যমে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সরকার সেন্সরশিপের নিয়মে ফেলে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারকে বাধাগ্রস্ত করছে। চীনে ইন্টারনেটের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ কমায় যেকোনো আশাবাদীকে হতাশ করবে।
|
<urn:uuid:8e744b60-6498-47bf-b9b3-a0ed6d7081f6>
|
CC-MAIN-2014-10
|
http://bn.globalvoicesonline.org/2012/12/29/34554/
|
2014-03-08T03:46:34Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-10/segments/1393999652934/warc/CC-MAIN-20140305060732-00045-ip-10-183-142-35.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999092
|
Beng
| 51
|
{"ben_Beng_score": 0.999091625213623}
|
কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে প্রতিবাদ সমাবেশ অব্যাহত
পারভেজ খান ও আবুল হোসেন, হ্যালো-টুডে ডটকম : রায় প্রত্যাখ্যান করে কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় আজও অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন শত শত মানুষ।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়ায় ক্ষুব্ধ বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেল ৩ টা থেকে শাহবাগে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করছেন তারা।
কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার সবাই। বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বাম দলগুলোর নেতাকর্মী, ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন, অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক, স্লোগান ৭১, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা ছাড়াও সাধারণ জনগণ।
গতকাল মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় এসব সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই তারা সড়ক অবরোধ করেন। সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার, মাহমুদুল হক মুন্সী, সুপ্রীতি ধরসহ সংগঠনের দুই শতাধিক নেতাকর্মী অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সংগঠকরা তাদের সাথে যোগ দেন ও সংহতি জানান। মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে রায়ের প্রতিবাদ জানান। এসময় তারা দেশাত্মবোধক গান ও কবিতার মাধ্যমে কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধপরাধীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ও তা কার্যকর করার দাবি জানান। সড়ক অবরোধে বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছে। এ বিচার নিয়ে নাটক শুরু হয়েছে। কোনো নাটক মানবো না। কাদের মোল্লার একবার নয় অন্তত একশ’বার ফাঁসি হওয়া উচিত। সব রাজাকারের ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি ছাড়া অন্য কোনো শাস্তি হতে পারে না। রাত আটটায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শাহবাগে সড়ক অবরোধ চলছিল। ইমরান এইচ সরকার জানান, ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা। আজ বুধবার আরো বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। গতকাল সন্ধ্যায় রায়ের বিরুদ্ধে মশাল মিছিল ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্র-ছাত্রীরা ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংগঠন। ‘কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই’, ‘কসাই কাদেরের যাবজ্জীবন সাজা মানি না’, ‘আর কোনো রায় নেই, কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই’, ‘রাজাকারদের সঙ্গে বসবাস করতে চাই না’, ‘একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘আতাত নয় ন্যায় বিচার চাই’সহ বিভিন্ন শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে একাত্মতা জানিয়েছে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ, উদীচি, শ্লোগান’ ৭১সহ বিভিন্ন সংগঠন। কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় না দিলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীদের অনেকে।
শাহবাগ এলাকায় আন্দোলনকারীদের সাথে থাকা প্রজন্ম ব্লগের ব্লগার ও ছাত্রনেতা সানোয়ার পারভেজ পুলক সর্বশেষ অবস্থা জানাতে গিয়ে বলেন,রাত কাটানোর জন্য গণখিচুড়ি রান্নার আয়োজন হয়েছে।একি সাথে প্রজেক্টরে চলছে মুক্তিযুদ্ধের নানা ডকুমেন্টারি, ও মুক্তির গান ।
একাধিক আন্দোলনকারী জানিয়েছে, তারা তাদের দাবিতে অনড়, রাজাকারদের ফাঁসি ছাড়া তারা বাড়ি ফিরবেন না।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, আন্দোলন চলবে সারারাত। সবার দাবি, যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন নয়, ফাঁসি চান তারা। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা। আগামীকাল বুধবার আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে ।
সম্পাদনা/হ্যালো-টুডে ডটকম/ আহমেদ তৌফিক/ মামুন
|
<urn:uuid:72f83763-8bbd-4569-8a15-0305b351b0ff>
|
CC-MAIN-2014-10
|
http://hello-today.com/ht/74071
|
2014-03-07T14:25:10Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-10/segments/1393999644032/warc/CC-MAIN-20140305060724-00045-ip-10-183-142-35.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999396
|
Beng
| 2
|
{"ben_Beng_score": 0.9993957281112671}
|
মৃদঙ্গ
পরিচ্ছেদসমূহ
উৎপত্তি[সম্পাদনা]
মৃদঙ্গ একটি অতি প্রাচীন ঘাতবাদ্য বিশেষ। বিভিন্ন পৌরাণিক গ্রন্থে মৃদঙ্গের উল্লেখ পাওয়া গেলেও এর উৎপত্তি সম্বন্ধে স্পষ্ট ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায় না।
শিবপুরাণ অনুসারে ত্রিপুরাসুর বধের পর শিব যখন তাণ্ডবনৃত্য শুরু করেন, তখন অসুরের রক্তে ভিজে যাওয়া মাটি দিয়ে ব্রহ্মা এক মৃদঙ্গের অনুরূপ বাদ্যযন্ত্র প্রস্তুত করেন যার আচ্ছাদন মৃত অসুরের চামড়া দিয়ে এবং বেষ্টনী ও গুলি অসুরের শিরা ও অস্থি দিয়ে তৈরী করা হয়।
অপর একটি পৌরাণিক কাহিনীতে মৃদঙ্গের আবিষ্কর্তা হিসেবে ঋষি স্বাতির নাম পাওয়া যায়। এতে বলা হয়, এক বৃষ্টির দিনে সরোবর থেকে জল আনার সময় সরোবরের জলে ছড়িয়ে থাকা পদ্মপাতায় বৃষ্টির ফোঁটার আওয়াজে মুগ্ধ হয়ে সেই শব্দকে বাদ্যে ধরে রাখার চেষ্টায় স্বাতি মৃদঙ্গের উদ্ভব করেন।[১]
ক্রমবিকাশের ধারা[সম্পাদনা]
মহামুনি ভরতের নাট্যশাস্ত্র গ্রন্থে তিন প্রকার মৃদঙ্গের উল্লেখ পাওয়া যায় - ১) আঙ্কিক অর্থাৎ যা অঙ্কে স্থাপন করে বা কোলে রেখে বাজানো হয়, ২) ঊর্ধ্বক অর্থাৎ যা ঊর্ধ্বে তুলে বাজানো হয় এবং ৩) আলিঙ্গ্য অর্থাৎ যাকে আলিঙ্গন করে বাজানো হয়। পরবর্তীকালে ঊর্ধ্বক এবং আলিঙ্গ্যের অবলুপ্তি ঘটে। এই গ্রন্থে মৃদঙ্গ, পণব, দর্দুর প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি মূরজ বা পুষ্কর নাম দুটির উল্লেখ পাওয়া যায়। পুষ্কর বা পদ্মপাতায় বৃষ্টি পড়ার শব্দ থেকে মৃদঙ্গ, পণব ও দর্দুর এই তিন বাদ্যের জন্মকাহিনী অনুযায়ী এই তিন বাদ্যকে ত্রিপুষ্কর বলা হয়ে থাকে। পরবর্তীকালে পণব ও দর্দুর বাদ্যযন্ত্রগুলি মৃদঙ্গের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যায়। মৃদঙ্গ কথাটির আক্ষরিক অর্থ মৃৎ অঙ্গ বা মাটির অঙ্গ, কিন্তু ত্রয়োদশ শতকে লেখা শাঙ্গর্দেবের সঙ্গীত রত্নাকর গ্রন্থে এই যন্ত্র কাঠ দ্বারা নির্মিত বলে জানা যায়।[১]
পাখোয়াজের সঙ্গে সম্পর্ক[সম্পাদনা]
শাঙ্গর্দেবের ত্রয়োদশ শতকে লেখা সঙ্গীত রত্নাকর গ্রন্থে স্কন্ধাৰজ, অড্ডাৰজ প্রভৃতি চর্মাচ্ছাদিত বাদ্যযন্ত্রের উল্লেখ আছে। ১৪০৬ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত সুধাকলশ বাচনাচার্যের সঙ্গীতোপনিষৎসারোদ্ধার গ্রন্থে পখাউজ নামক বাদ্যযন্ত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়। ভাষাতাত্ত্বিক মতে পুষ্কর ও আৰজ এই দুই শব্দের অপভ্রংশ মিলিত হয়ে পখাউজ এবং পরবর্তীকালে পাখোয়াজ শব্দের সৃষ্টি করেছে। [১]
- কাঠামো – মৃদঙ্গের কাঠামো নিম, কাঁঠাল, খয়ের বা রক্তচন্দন কাঠের তৈরী হয়ে থাকে।
- ছাউনি – মৃদঙ্গের দুই ধারের দুই মুখ চামড়া দিয়ে ঢাকা থাকে, এই অংশকে ছাউনি বলে।
- কানি – ছাউনির ধার বরাবর গোলাকার চামড়ার পটিকে কানি বলে
- গাব বা স্যাহী – ডানদিকের ছাউনির মাঝামাঝি কালো গোলাকার অংশকে গাব বলে। এটি বাম দিকের ছাউনিতে থাকে না।
- সুর বা ময়দান বা লব – ডানদিকের ছাউনির গাব ও কানির মাঝের অংশ এবং বাম দিকের ছাউনির কানি বাদে বাকি অংশকে সুর বলে।
- পাগড়ী বা গজরা – ছাউনি ও কাঠামোর সংযোগস্থলে চামড়ার অংশকে পাগড়ী বলে।
- ছোট্ বা বদ্ধি – চামড়ার যে সরু পটি পাগড়ীর মধ্যে যাতায়াত করে ছাউনিকে টান করে বেঁধে রাখে, তাকে ছোট্ বা বদ্ধি বলে।
- গুলি বা গট্টা – কাঠামো ও ছোটের মাঝে যে আটটি গোলাকার কাঠের টুকরো দিয়ে ডান দিকের ছাউনিতে সুর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়, তাদের গুলি বলে।
- ঘর – পাগড়ীর ওপরে যে ছিদ্রপথ দিয়ে ছোট যাতায়াত করে, তাকে ঘর বলে।
- ঘাট – দুই ঘরের মধ্যবর্তী পাগড়ীর ওপরের অংশকে ঘাট বলে।
মৃদঙ্গের সাতটি মুখ্য বর্ণ আছে। এগুলি হল – তা, দী বা দেন, না, তে, টে, ঘে বা গে এবং ক। এর মধ্যে ডান হাতে বাজানো হয় পাঁচটি বর্ণ – ১) তা, ২) দী বা দেন্, ৩) না, ৪) তে, ৫) টে এবং বাম হাতে বাজানো হয় দুটি বর্ণ – ১) ঘে বা গে, ২) ক।
- তা – ডান হাতের তর্জনী, মধ্যমা, অনামিকা ও কনিষ্ঠাকে একসঙ্গে করে, বিশেষভাবে অনামিকা ও কনিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে কনিষ্ঠার দ্বারা গাবের ওপরের অংশে আঘাত করে ‘তা’ বাজানো হয়।
- দী বা দেন্- ডান হাতের তর্জনী, মধ্যমা, অনামিকা ও কনিষ্ঠাকে একসঙ্গে করে গাবের মাঝে আঘাত করে হাত সরিয়ে নিয়ে ‘দী’ বা ‘দেন্’ বাজানো হয়।
- না – কানি বা সুরের ওপর ডান হাতের তর্জনী দিয়ে আঘাত করে ‘না’ বাজানো হয়।
- তে – গাবের ওপর ওপরের দিকে পাঞ্জা ঘুরিয়ে ডান হাতের মধ্যমা ও অনামিকা দিয়ে আঘাত করে হাত না সরিয়ে নিয়ে ‘তে’ বাজানো হয়।
- টে - গাবের ওপর নিচের দিকে পাঞ্জা ঘুরিয়ে ডান হাতের তর্জনী দিয়ে আঘাত করে হাত না সরিয়ে নিয়ে ‘টে’ বাজানো হয়।
- ঘে বা গে – বাম দিকের ছাউনির ওপর বাম হাতের পাঞ্জার ঊর্ধ্বাংশ দিয়ে আঘাত করে হাত সরিয়ে নিয়ে ‘ঘে’ বা ‘গে’ বাজানো হয়।
- ক- বাম দিকের ছাউনির ওপর বাম হাতের পাঞ্জা দিয়ে আঘাত করে হাত না সরিয়ে নিয়ে ‘ঘে’ বা ‘গে’ বাজানো হয়।
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- তবলার ব্যাকরণ- প্রথম আবৃত্তি - ডঃ প্রশান্ত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রথম প্রকাশ, চতুর্থ সংস্করণ, জানুয়ারী ১৯৯৬, প্রকাশক - প্রজন্ম, ১৯৭ আন্দুল রোড, হাওড়া
|
<urn:uuid:7c7ddca8-7d4a-4293-95ef-59e10a6e9959>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A6%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97
|
2014-04-24T20:52:32Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1398223206672.15/warc/CC-MAIN-20140423032006-00472-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999279
|
Beng
| 68
|
{"ben_Beng_score": 0.9992790818214417}
|
ম্যানহাটন প্রকল্প
ম্যানহাটন প্রকল্প পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য প্রতিষ্ঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রকল্পের নাম যাতে যুক্তরাজ্যের সক্রিয় সহযোগিতা ছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্মিত পারমাণবিক বোমা সফলভাবে বিস্ফোরণের ফলেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটেছিল। একে পৃথিবীর ইতিহাসে সর্ববৃহৎ পদ্ধতিগত, শৈল্পিক ও বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ
সাধারণ পরিচিতি[সম্পাদনা]
১৯৪৫ সালের মূল্যমানে এই প্রকল্পের জন্য খরচ হয়েছিল প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এতে মোট ১৭৫,০০০ লোক কাজ করেছিল। প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ গোপনে সম্পাদিত হয় এবং সেখানকার খুব কম লোকই তার প্রকৃত উদ্দেশ্য জানতো। প্রকল্পের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় কিছু লোকই পারমাণবিক বোমা তথা তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র নির্মাণের বিষয়টি অবগত ছিল। ম্যানহাটন প্রকল্প পৃথিবীর ইতিহাসে একটি নতুন যুগের সূচনা ঘটায় যাকে বলা হয় "পারমাণবিক যুগ"। পারমাণবিক বোমা কতটা ভয়ানক এবং বিধ্বংসী হতে পারে, আর এর প্রতিক্রিয়াই বা কি হতে পারে, প্রকল্পের মাধ্যমে তা পরিষ্কার হয়েছে। পারমাণবিক বোমা তৈরির পর একটি নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতার উদ্ভব ঘটেছে। এর ফলে বর্তমানে এতো পরিমাণ পারমাণবিক বোমা উৎপাদিত হয়েছে যার মাধ্যমে মানব সভ্যতা এবং পৃথিবীর অধিকাংশ জীবকূল মুহুর্তেই ধ্বংস করে দেয়া সম্ভব।
১৯৪২ সালে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৪৬ সালে একে এটমিক এনার্জি কমিশনের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হয়। এর ফলে মূলত ম্যানহাটন প্রকল্পের সমাপ্তি ঘটে। এর প্রকৃত কেন্দ্র ছিল নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন নামক ব্যুরোতে। এছাড়াও দেশব্যাপী ৩টি স্থানে এর কেন্দ্র ও পরীক্ষাগার অবস্থিত ছিল। এই স্থানগুলো হচ্ছে টেনেসির ওক রিজ, ওয়াশিংটনের হ্যানফোর্ড এবং নিউ মেক্সিকোর লস আলামস। এই প্রকল্পের পরিচালক ছিলেন ব্রিগেডিয়ার লেজলি রিচার্ড গ্রোভ্স এবং লস আলামসের বৈজ্ঞানিক পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার। বিংশ শতাব্দীর একদল সেরা বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ লস আলামসে ওপেনহাইমারের অধীনে কাজ করেছিলেন। প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানী ও গণিতবিদদের মধ্যে রয়েছেন ফিলিপ এইচ আবেলসন, হান্স বেটে, নিল্স বোর, জেমস চ্যাডউইক, এনরিকো ফের্মি, রিচার্ড ফাইনম্যান, অটো ফ্রিশ্চ, জর্জ কিস্তিয়াকোভ্স্কি, আর্নেস্ট লরেন্স, ফিলিপ মরিসন, সেথ নেডারমেয়ার, জন ফন নিউমান, রুডলফ্ পিয়ার্লস, ইসিদোর ইজাক রাবি, লিও জিলার্দ, এডওয়ার্ড টেলার, স্তানিসল' উলাম, হ্যারল্ড উরে এবং ভিক্টর ওয়েইজকফ। প্রকল্পে কাজ শুরু করার আগেই এদের মধ্যে ৫ জন নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন এবং যুদ্ধের পর এখান থেকে আরও ৩ জন নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
ম্যানহাটন প্রকল্প ৪টি পারমাণবিক বোমা বানিয়েছিল। এর মধ্যে ট্রিনিটি নামক প্রথম বোমাটি নিউ মেক্সিকোর আলামোগোর্ডোর নিকটে পরীক্ষামূলকভাবে বিস্ফোরিত করা হয়। অন্য দুটি বোমা ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট এবং ৯ আগস্ট তারিখে যথাক্রমে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বিস্ফোরিত হয়। শেষ বোমাটি আগস্টের শেষ দিকে জাপানের উপর নিক্ষেপ করার জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই জাপান আত্মসমর্পণ করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
পারমাণবিক গবেষণার উৎস[সম্পাদনা]
ম্যানহাটন প্রকল্পই পৃথিবীর প্রথম সফল পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তাই পারমাণবিক বোমা তৈরির ধারণার ইতিহাসকে এর ইতিহাস হিসেবেও বিবেচনা করা যায়। ১৯০০'র সময়কার ব্রিটেন এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশের কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারেই এ ধারণার বীজ বুনন শুরু হয়। প্রথম দিকটায় পরমাণুকে নিরেট এবং অবিভাজ্য জ্ঞান করা হতো। তিনি এক্স-রশ্মি, রেডিয়াম, ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন এবং আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি আবিষ্কারের পর যে বিপ্লবের সূচনা হয় তাতে বিজ্ঞানীরা অতিপারমানবিক জগৎকে বুঝতে শুরু করেন। ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড এবং ওলন্দাজ পদার্থবিজ্ঞানী নিল্স বোর পৃথক পৃথক দুটি পরমাণু মডেলের ধারণা দেন যেগুলোতে পরমাণুকে নিরেট না বলে অতি ক্ষুদ্র আকারের সৌর জগৎ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। বলা হয়, পরমাণুর কেন্দ্রের ধনাত্মক প্রোটন এবং নিরপেক্ষ নিউট্রনকে কেন্দ্র করে ঋণাত্মক ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করছে।
বিজ্ঞানীরা জানতেন, প্রতিটি রাসায়নিক মৌলের পরমাণু আলাদা, একের সাথে অন্যের সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। যেমন, হাইড্রোজেন মৌলের ক্ষেত্রে একটি ইলেকট্রন একটি প্রোটনকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এটিই সরলতম গঠন। ইউরেনিয়াম পরমাণুতে ৯২টি ইলেকট্রন ৯২টি প্রোটনকে কেন্দ্রকরে আবর্তন করছে যা অনেকটাই জটিল। এই মৌলের পারমানবিক সংখ্যা তাই ৯২। এই মৌলগুলোর যে কোন একটির মধ্যেও আবার বিভিন্নতা দেখা যায় যাদেরকে বলা হয় সমাণুক। একটি নির্দিষ্ট মৌলে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সর্বদা সমান এবং নির্দিষ্ট হলেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যার উপর ভিত্তি করে এদের মধ্যে পার্থক্যের সৃষ্টি হতে পারে। এভাবেই সমাণুকের সৃষ্টি হয়। ইউরেনিয়ামের তিনটি স্থায়ী সমাণুক রয়েছে যাদেরকে তাদের পৃথক পৃথক ভর সংখ্যা দ্বারা নামাঙ্কিত করা হয়। এগুলো হল U২৩৮, U২৩৫ এবং U২৩৪। ইউ-২৩৮ প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশী পাওয়া যায়, আর ইউ-২৩৫ হল বিরলতম। প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে শতকরা মাত্র ০.৭ ভাগ ইউ-২৩৫ থাকে। ইউরেনিয়াম যেহেতু অস্থিত মৌল, তাই তখন থেকেই বিজ্ঞানীরা এর কেন্দ্রকে দ্রুত গতির নিউট্রন ঝড় দ্বারা আঘাত করে নতুন ধরণের শক্তি আবিষ্কারের চেষ্টা শুরু করেছিলেন।
নাৎসি জার্মানি থেকে ইংল্যান্ডে পালিয়ে আসা হাঙ্গেরীয় বংশোদ্ভূত পদার্থবিজ্ঞানী লিও জিলার্দ ১৯৩৩ সালের কোন একদিন লন্ডনের রাস্তায় স্ট্রিট লাইটের রং পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এমন সময় তিনি হঠাৎ বুঝতে পারেন, সঠিক পদার্থ পাওয়া গেলে তার পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে বিভাজিত করে সেখান থেকে নিউট্রন বিমুক্ত করা যেতে পারে। এর ফলে নিউক্লীয় শিকল বিক্রিয়া শুরু হতে পারে যার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে মুক্তিপ্রাপ্ত নিউট্রনগুলো আরও পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে ভাঙতে থাকবে যার ফলে নিউক্লীয় বিভাজন বিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে। তৈরি হবে স্বয়ংক্রিয় নিউক্লীয় বিভান বিক্রিয়ার ধারা এবং এর সাথে অবিচ্ছিন্নভাবে নিউক্লীয় শক্তি বিমুক্ত হবে। এ ধরণের শিকল বিক্রিয়া তড়িৎ উৎপাদন বা বোমা তৈরীতে কাজে লাগানো যেতে পারে। পরের বছর জিলার্দ এ নিয়ে একটি ব্রিটিশ পেটেন্ট জমা দেয়ার জন্য প্রস্তুত করেন। কিন্তু জার্মান বিজ্ঞানীরা পেটেন্টের কথা জেনে গিয়ে বিধ্বংসী পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে হাত দিতে পারে, এই ভয়ে তিনি পেটেন্ট জমা দেয়া থেকে বিরত থাকেন।
একই বছর অর্থাৎ ১৯৩৩ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে ফরাসি বিজ্ঞানী আইরিন জোলিও-কুরি এবং তার স্বামী ফ্রেদেরিক জোলিও-কুরি একসাথে গবেষণা করে কৃত্রিমভাবে তেজস্ক্রিয়তা সৃষ্টিতে সমর্থ হন। এর কিছুকাল পরেই ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী এনরিকো ফের্মি প্রথম কৃত্রিমভাবে রাসায়নিক মৌল তৈরি করেন যার পরমাণবিক সংখ্যা ইউরেনিয়াম থেকে বেশী। ফের্মি আসলে পরমাণুকেই বিভাজিত করেছিলেন, যদিও তখন তা বুঝতে পারেননি। জার্মানির বার্লিনে ভৌত রসায়নবিদ অটো হান এবং ফ্রিৎজ স্ট্রসম্যান ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসকে নিউট্রনের মাধ্যমে আঘাত করে ফের্মির পরীক্ষার পুণরাবৃত্তি করেন। ১৯৩৮ সালে এ পরীক্ষার মাধ্যমে তারা বেরিয়াম মৌলটি পান যা ছিল অনেকটাই বিস্ময়কর। হান তার দীর্ঘ সময়ের বৈজ্ঞানিক গবেষণা সহকর্মী লিজে মাইটনারকে এ বিষয়ে লিখেন। সমসাময়িককালের সেরা নারী বিজ্ঞানী মাইটনার হিটলারের কারণে জার্মানি ত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন। মাইটনার ও তার ভ্রাতুষ্পুত্র অটো ফ্রিশ্চ হানের চিঠি পড়ে ১৯৩৮ সালের ডিসেম্বরে এ বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে আসেন। তারা বলেন, এই দুই জার্মান বিজ্ঞানী ইউরেনিয়াম পরমাণুর কেন্দ্রীনকে প্রায় অর্ধেক অর্ধেক করে বিভাজিত করেছেন। ইউরেনিয়ামকে এভাবে বিভাজিত করার ফলে ৫৬ পারমানবিক সংখ্যাবিশিষ্ট বেরিয়াম এবং ৩৬ পারমানবিক সংখ্যাবিশিষ্ট ক্রিপ্টন মৌল দুটি সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রিশ্চ প্রথম এই প্রক্রিয়ার নাম দেন "ফিশন" তথা কেন্দ্রীন বিভাজন।
মাইটনার ও ফ্রিশ্চ, হান ও স্ট্রসমানের ফলাফলের একটি তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তারা যুক্তি দেখান যে এই ফলাফল বোরের পরমাণু মডেলকে সমর্থন করে। ইউরেনিয়াম পরমাণুর এ ধরণের বিভাজনে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় এবং এই পরিমাণ আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ E=mc2 দ্বারা নির্ণয় করা যায়। এভাবে অতি ক্ষুদ্র ভর থেকে বিপুল শক্তি উৎপাদন সম্ভব। আর প্রতিটি কেন্দ্রীন বিভাজনে যদি উপজাত হিসেবে নিউট্রন তৈরি হয় তবে তো শিকল বিক্রিয়ার আকারে এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে। মাইটনার ও ফ্রিশ্চ এই তথ্য নিয়ে কোপেনহেগেনে বোরের কাছে ছুটে যান যিনি তখন পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য ওয়াশিংটন ডিসি'র উদ্দেশ্যে রওয়ানা হচ্ছিলেন। এটা ১৯৩৯ সালের জানুয়ারির কথা। ইউরেনিয়ামের কেন্দ্রীন বিভাজন সম্ভব জানতে পেরে ওয়াশিংটনের বিজ্ঞানীরা অনতিবিলম্বে তাদের গবেষণাগারে আগের পরীক্ষাগুলোর পুণরাবৃত্তি করতে শুরু করেন। এর মাত্র ১ বছরের মধ্যে কেন্দ্রীন বিভাজন বিষয়ে শতাধিক গবেষণাপত্রের উদ্ভব হয়। জিলার্দ ইউরেনিয়াম বিভাজনের খবর শুনে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, "পৃথিবী দুঃখের দিকে এগিয়ে চলেছে"। ১৯৩৯ সালের মধ্যে বিজ্ঞানীদের একটি ছোট দল নিশ্চিত ছিলেন যে, এই প্রক্রিয়ায় অনন্য সাধারণ শক্তির এক অস্ত্র নির্মাণ সম্ভব, অন্তত তত্ত্ব তা-ই বলছিল।
ব্রিটিশ প্রচেষ্টা[সম্পাদনা]
বিজ্ঞানীরা দেখলেন, কেবল ইউরেনিয়াম-২৩৫ থেকেই বিভাজন সম্ভব। কিন্তু ৫০ থেকে ১৮০ টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে ইউ-২৩৫ থাকে শতকরা এক ভাগেরও কম। তাই পারমাণবিক বোমা বানালে তার ভর হবে প্রায় ৫০ টন যা অবাস্তব কল্পনা বৈ নয়। তাই বোমার পরিবর্তে বড় আকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণের কথা চিন্তা করতে থাকেন। কিন্তু ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর নাৎসি জার্মানি পোল্যান্ড দখল করার পর যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় তখন বোঝাই যাচ্ছিল, যুদ্ধ শেষ না হলে এতো বড় প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। পোল্যান্ড দখলের ২ সপ্তাহ পর হিটলার এক বেতার ভাষণে ব্রিটেনকে এই বলে ভয় দেখান যে, তার কাছে এমন অস্ত্র আছে যা ঠেকানোর সাধ্য কারও নেই। ব্রিটিশ গোয়েন্দারা এই ভাষণ নিয়ে গবেষণা করে এ ধরণের হুমকির চারটি সম্ভাব্য অর্থ বের করেন:
- হিটলার কেবল মিথ্যা হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
- নাৎসিরা একটি বিধ্বংসী বিষাক্ত গ্যাস তৈরি করেছে।
- হিটলার এর মাধ্যমে Luftwaffe নামে পরিচিত জার্মান বিমান বাহিনীকেই নির্দেশ করছিল।
- জার্মানরা একটি পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে।
১৯৩৯ সালের শুরতে ব্রিটিশ গোয়েন্দারা জার্মানির পারমাণবিক বোমা নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে বিশেষ দোনামোনার মধ্যে ছিল। তখনই প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল পারমাণবিক বোমা নিয়ে গবেষণার জন্য ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের নির্দেশ দেন। ব্রিটিশ সব বিজ্ঞানীরা অন্যান্য কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই দায়িত্ব অর্পিত হয় দুই শরণার্থী বিজ্ঞানী Otto Frisch এবং Rudolf Peierls-এর উপর। তারা ১৯৪০ সালে Frisch-Peierls স্মারক উত্থাপন করেন যাতে বলা হয়, প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম থেকে ইউ-২৩৫ পৃথক করতে পারলেই কেবল বোমা তৈরি সম্ভব। কারণ সেক্ষেত্রে, ৫০ টন ইউ-২৩৮ নয়, কেবল কয়েক কয়েক কেজি ইউ-২৩৫ দিয়েই বোমা তৈরি করা যাবে যার ফলে শিকল বিক্রিয়া শুরু হবে। পরবর্তীতে বলা হয়, ১০ কিলোগ্রাম ইউ-২৩৫ দিয়ে এ উদ্দেশ্য সাধন সম্ভব। শিল্প-কারখানার প্রক্রিয়া ব্যবহার করে এই পৃথকীকরণ করা যেতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করেন। অবশ্য এই দুই বিজ্ঞানী এই বলে সতর্ক করেন, এর ফলে যে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের সৃষ্টি হবে তার কথা চিন্তা করে এ ধরণের প্রকল্প থেকে বিরত থাকা উচিত। চার্চিল এই স্মারকের বিষয়গুলো বিবেচনা করে দেখার জন্য একটি উচ্চস্থানীয় নিরীক্ষক দল তৈরি করেন যারা ১৯৪১ সালে পরমানবিক বোমা তৈরির চেষ্টা করার পক্ষে মত দেয়। এ সময় স্যার জেমস চ্যাডউইক দুই মার্কিন বিজ্ঞানীকে বলেছিলেন, "আমার ইচ্ছা ছিল তোমাদের বলা যে, এই বোমা কাজ করবেনা। কিন্তু আমি শতকরা ৯০ ভাগ নিশ্চিত যে তা কাজ করবে।" ১৯৪০ সালের মধ্যে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা বোমা তৈরির বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছিল। কিন্তু চার্চিল জানতেন, ব্রিটিনের মাটিতে এতো বড় প্রকল্পের কাজ শুরু করা যাবেনা। কারণ এতো বড় প্রকল্পের তথ্য হিটলার সহজেই জেনে যাবে এবং তার Luftwaffe দিয়ে ধ্বস করে দেবে। তাই ব্রিটিশ গবেষণা তাত্ত্বিক পর্যায়েই রয়ে যায়।
মার্কিন প্রচেষ্টা[সম্পাদনা]
মার্কিন পরমাণু গবেষণা বেশ ধীরলয়ে চলছিল। অবশ্য ১৯৩৯ সালের প্রথম থেকেই অভিবাসী বিজ্ঞানীরা এই গবেষণা ত্বরাণ্বিত করার জন্য সরকারকে রাজি করাতে চেষ্টা করে যাচ্ছিল। এ বছরের জুলাইয়ে মার্কিন প্রবাসী হাঙ্গেরীয় বিজ্ঞানী ইউজিন উইগনার, লিও জিলার্দ এবং এডওয়ার্ড টেলার মার্কিন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের সর্বোৎকৃষ্ট পন্থাটি কাজে লাগায়। তারা আইনস্টাইনকে অনুরোধ করেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টকে এ বিষয় জানিয়ে চিঠি লেখার জন্য। ২ আগস্ট আইনস্টাইন এ অনুরোধ রক্ষা করে রুজভেল্টকে একটি নতুন ধরণের বোমার কথা জানিয়ে চিঠি লিখেন। এর মাত্র ৬ বছরের মাথায়ই যে জাপানে অপরিমেয় শক্তির বোমা বিস্ফোরিত হতে পরে, আইনস্টাইন তখন তা ভাবতেও পারেননি। ঐ বছরেরই ১১ অক্টোবর Alexander Sachs (যার বিজ্ঞানী সমাজের সাথে কিঞ্চিৎ পরিচয় থাকলেও রুজভেল্টের সাথে ভাল পরিচয় ছিল) পত্রটি রুজভেল্টের কাছে হস্তান্তর করেন। রুজভেল্ট বিজ্ঞান সম্বন্ধে বেশ কমই জানতেন। তাই চিঠিটি পড়ে অবিলম্বে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে ইউরেনিয়াম সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে তথ্য জোগাড়ের নির্দেশ দেন। ১৯৪১ সালের ২৮ জুন রুজভেল্টের নির্দেশে সাইন্টিফিক রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট দফতরের মাধ্যমে "ন্যাশনাল ডিফেন্স রিসার্চ কমিটি" গঠিত হয়। অবশ্য মার্কিনীরা পারমানবিক বোমা তৈরীতে তখনও খুব একটি তাড়া বোধ করছিল না। কিন্তু ৭ ডিসেম্বর জাপান কর্তৃক পার্ল পোতাশ্রয় আক্রমণ তাদের টনক নড়িয়ে দেয়। এই আক্রমণের পরপরই যুক্তরাষ্ট্র জাপান ও জার্মানির সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই পারমারবিক বোমা নিয়ে যত তত্ত্বকথা চলছিল তা তৎক্ষণাৎ ব্যবহারিক প্রয়োগের মুখ দেখে। কারণ সবাই বুঝতে পারছিল, যে জাতি প্রথম পারমানবিক বোমা তৈরি করবে তারা যুদ্ধে জিতবে।
পার্ল পোতাশ্রয় হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি কর্পস অফ ইঞ্জিনিয়ার্সের সহযোগিতায় পারমানবিক বোমা নির্মাণ প্রক্রিয়াকে সরকারীভাবে সুসংগঠিত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগণ কর্তৃক পরিচালিত সাধারণ গবেষণা প্রকল্প থেকে এই প্রচেষ্টা একটি সুবৃহৎ জাতীয় নির্মাণ প্রকল্পে রূপ নেয় যার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার্স কর্পসের "ম্যানহাটন ইঞ্জিনিয়ার ডিস্ট্রিক্ট"-কে। এখান থেকেই ম্যানহাটন প্রকল্প নামটি এসেছে। প্রকল্পের সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব নেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল লেজলি রিচার্ড গ্রোভ্স। এই সুদক্ষ সামরিক প্রকৌশলী এর আগে পেন্টাগন নির্মাণে সহযোগিতা করেছিলেন। গ্রোভ্স পারমানবিক গবেষণা সংক্রান্ত সকল প্রচেষ্টাকে একক উদ্দেশ্যে সুসংহত করেন। ফলশ্রুতিতে বড় আকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, বিমান, জাহাজ বা ডুবোজাহাজের জন্য শক্তির উৎস নির্মাণ সংক্রান্ত সকল পরিকল্পনা বন্ধ করে দেয়া হয়। তখন থেকে এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল কেবল একটি, পারমানবিক বোমা তৈরি করে সম্ভাব্য ন্যুনতম সময়ে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানো।
গ্রোভ্স প্রথমেই ক্রিসলার, জেনারেল ইলেকট্রিক, ইস্টম্যান কোডাক, ওয়েস্টিংহাউস এবং ডুপন্ট-এর মত মার্কিন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা কাজে লাগান। এছাড়া উচ্চতর নিউক্লীয় গবেষণার জন্য অনেকগুলো বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়কেও এ কাজে যুক্ত করেন যার মধ্যে ছিল প্যাসাডেনার ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, নিউ ইয়র্ক সিটির কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়, কেমব্রিজের ম্যাসাচুসেট্স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি এবং নিউ ইয়র্কের রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়। পরিশেষে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি ভিন্ন স্থানে তিনটি সুবৃহৎ ফেডারেল স্থাপনা নির্মাণ করেন। এই স্থানগুলি ছিল টেনেসির ওক রিজ, ওয়াশিংটনের হ্যানফোর্ড এবং নিউ মেক্সিকোর লস আলামস। ১৯৪২ সালের শরতে গ্রোভ্স এই প্রকল্পের সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ততদিনে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপ ও প্রশান্ত মহাসাগরে অক্ষ শক্তির সাথে যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছে। মার্কিন বিজয়ের সংবাদ সেদেশের সংবাদপত্রগুলোতে ফলাও করে প্রচার করা হতো। কিন্তু ম্যানহাটন প্রকল্পের সকল ধরণের তথ্য একেবারে গোপন করে যান গ্রোভ্স। চূড়ান্ত সফলতার আগে এর পারমানবিক বোমা তৈরির খবর কেউই জানতো না। এমনকি প্রকল্পের কর্মীদেরকেও জ্ঞানের শ্রেণীবিভক্তিকরণের মাধ্যমে অজ্ঞ করে রাখা হয়েছিল। অর্থাৎ কর্মীরা তাদের নিজস্ব কাজটি করার জন্য যতটুকু না জানলেই নয় ততটুকুই জানতো। সর্বস্তরের কর্মীরা এতে বেশ হতাশ বোধ করলেও গোপনীয়তা ঠিক বজায় ছিল।
এদিকে বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণা পুরোদমে চালিয়ে গেলেন। এনরিকো ফের্মি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার গবেষণার স্থান শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ধাতুবিজ্ঞান গবেষণাগারে নিয়ে আসলেন। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে অব্যবহৃত ফুটবল স্টেডিয়ামের নিচে একটি স্কোয়াশ কোর্ট কিছুদিনের জন্য ব্যবহার করতে দিল। সেখানে ফের্মি তার ক্রুদের সাহায্যে বিশাল বিশাল ইউরেনিয়াম দণ্ড ও গ্রাফাইট খণ্ড সন্নিবেশিত করলেন যেগুলো প্রায় কোর্টের ছাদ পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। ফের্মি দেখলেন, গ্রাফাইটের মাধ্যমে শিকল বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এভাবে ১৯৪২ সালের ২ ডিসেম্বর ফের্মি পৃথিবীর প্রথম নিয়ন্ত্রিত নিউক্লীয় শক্তি বিমুক্তিকরণ প্রক্রিয়া নির্মাণ করলেন। এর প্রায় ৪ বছর আগে বোর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বিভাজন বিক্রিয়ার খবর এনেছিলেন। ফের্মি কেবল একটি বাতি জ্বালানোর মত শক্তি উৎপাদনে সমর্থ হয়েছিলেন। তথাপি এটি ছিল সকল ধরণের নিউক্লীয় শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়ার আদি পুরুষ। ফের্মির উদ্ভাবনের পর বিজ্ঞানীরা উৎসাহী হলেন এই ভেবে যে তারা সঠিক পথে রয়েছেন। তদুপরি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত শক্তিশালী বোমা তৈরি সহজসাধ্য ছিলনা। এর মূল কারণ, ইউরেনিয়ামের সবচেয়ে প্রাচুর্যময় সমাণুক ইউ-২৩৮ নিউক্লীয়ভাবে বিভাজিত হয়না। সুতরাং বিজ্ঞানীদের পরমাণু পরমাণু ধরে ইউ-২৩৮ থেকে ইউ-২৩৫ পৃথক করার একটি কার্যকর পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে হবে। এক্ষেত্রে আবার রাসায়নিক পদ্ধতি কাজে দেবেনা, কারণ রাসায়নিকভাবে ইউ-২৩৮ ও ইউ-২৩৫ একই মৌল। এদেরকে পৃথক করতে হবে ভৌতভাবে।
ওক রিজ[সম্পাদনা]
ইউরেনিয়ামের সমাণুকগুলো পৃথক করার জন্য মার্কিন বিজ্ঞানীরা বেশ কয়েকটি পদ্ধতি নির্ণয় করেছিল, কিন্তু ঠিককোন পদ্ধতি ভাল কাজে দেবে তাবোঝা যাচ্ছিল না। আদৌ কোনটি কাজে দেবে কি-না তাও ছিল অনিশ্চিত। অগত্যা গ্রোভ্স সবগুলো পদ্ধতিতেই চেষ্টা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেন। এগুলোর জন্য বড় বড় দালান এবং তার চারপাশে নিরাপত্তার খাতিরে বিপুল পরিমাণ খালি জায়গার দরকার ছিল। মার্কিন সেনাবাহিনী এ ধরণের প্রথম স্থাপনা গড়ে তোলে টেনেসির পূর্বাঞ্চলে গ্রাম্য এলাকায় ক্লিঞ্চ নদীর তীরে। এর আয়তন ছিল ২৪,০০০ হেক্টর তথা ৫৯,০০০ একর। যুদ্ধের সময় এ স্থানটি সাইট এক্স নামে পরিচিত হলেও যুদ্ধের পরে এর নাম হয় ওক রিজ জাতীয় গবেষণাগার। গ্রোভ্সের প্রয়োজন অনুসারে প্রায় সবই ছিল এই ওক রিজে। উল্লেখ করার মধ্য ছিল: কাকাছির মধ্য বসবাসকারী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জনশক্তি, পর্যাপ্ত জল এবং মৃদু আবহাওয়া যা নির্বিঘ্নে কাজ করার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। ঠিকাদাররা অবিলম্বে ওক রিজে নির্মাণ কাজ শুরু করে। নির্মিত হয় তখন পর্যন্ত পৃথিবীর বৃহত্তম স্থাপনা কে-২৫ প্ল্যান্ট। সমগ্র নিউ ইয়র্ক সিটির চেয়েও বেশী তড়িৎ শক্তি ব্যবহার করতো এই প্ল্যান্টটি। এতে গ্যাসীয় ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরেনিয়াম সমাণুক পৃথক করা হতো।
|এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন।|
|
<urn:uuid:73711f54-b9d1-4bf9-8669-ed286aab5045>
|
CC-MAIN-2014-15
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA
|
2014-04-18T23:50:39Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609535535.6/warc/CC-MAIN-20140416005215-00032-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.99915
|
Beng
| 91
|
{"ben_Beng_score": 0.9991495609283447}
|
ইন্টারনেট দুনিয়ার মোটামুটি সবখানেই দাপটের সাথে বিচরণ করলেও, একটা জায়গায় একটু পিছিয়ে যাচ্ছিল গুগুল সাহেবরা। আর তা হল সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং। এটা বাদ দিলে আর বাকি সব খানেই হয় ওনারা সর্বেসর্বা বলা চলে। সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে যাত্রা শুরু করে প্রথমে ইয়াহু, আলতাভিস্তার ভাত মেরেছে তারা, গুগুল রিডার দিয়ে ব্লগলাইন/নিউজগেটর কে না খাইয়ে মেরেছে, জিমেইল দিয়ে ইয়াহু/হটমেইল/এওএল কে শুইয়ে দিয়েছে - বেচারা ইয়াহুতো এমনই মার খেয়েছে যে আরেকটু হলেই মাইক্রোসফটের হাতে নিজের ইজ্জ্বত বিকিয়ে দিত এবং সামনে যে দিবেনা তার এখনও কোন নিশ্চয়তা নেই। আইগুগুল দিয়ে পেজফ্লেক্স বা মাইক্রোসফট লাইভ এর ঠ্যাং ভেঙ্গে দিয়েছে, ব্লগস্পট নিয়ে ওয়ার্ডপ্রেসের সাথে সমান তালে পাল্লা দিচ্ছে গুগুল বাবাজি।
নতুন ভার্সান বের করতে যেয়ে নেটস্কেপ নিজেরাই নিজেদের পিছে আঙ্গুল দেওয়ায় – বদখত ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (আই ই) নিয়ে মাইক্রোসফট যখন ধাক্কিতিকি নাচছিল, তখন ফায়ারফক্সের অর্থায়ন করে গাছে তুলে দিয়ে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের দাড়ি ধরে টান দিয়েছে এই গুগুলই। আর এখন নিজেরাই ক্রোম ব্রাউজার নিয়ে এসেছে ফায়ারফক্সের মই কেড়ে নিয়ে আই ই কে খান খান করে দিতে । তাদের মস্তানি এমনই বেড়েছে যে একদিকে নেক্সাস ওয়ান দিয়ে আইফোন কে হুমকি দিচ্ছে তো আরেকদিকে এন্ড্রোয়েড দিয়ে তাবৎ স্মার্টফোন ওএস (operating system)কেই ধমকি দিচ্ছে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বেচে বুচে যখন মাইক্রোসফট দুইটা পয়সা করে খাচ্ছিল, তখন ঘোষনা দিল ক্রোম ওএস(operating system) এর। হারাধনের ছেলেদের মতন মাইক্রোসফটের আরেক সোনার খনি অফিসের সাথে পাল্লা দিতে নিয়ে এসেছে গুগুল ডক। এক্সচেঞ্জ সার্ভার নামে মাইক্রোসফটের আরেক ছেলেরে দৌড়ানি দিতেসে গুগুল এপ্স দিয়ে। মাইক্রোসফটও অবশ্য বসে নেই, তারা গুগুলের তান্ডব ঠেকাতে তাদের সবচেয়ে ছোট ছেলে বিং কে লেলিয়ে দিয়েছে। বিং দেখতে ভালো। বয়সে নবীন হলেও বেশ ভালই এগুচ্ছে এবং সময়ই বলতে পারবে সে গুগুলকে কতখানি কড়কে দিতে পারে।
এদের অত্যাচারে ইন্টারনেটে আসলেই টেকা দায় হয়ে গেছে অন্যদের জন্য। শুধু যে সফটওয়ার কোম্পানিরা বিপাকে আছে তা না, টেলিফোন কম্পানিগুলোর ব্যবসা খেতে নিয়ে এসেছে গুগুল ভয়েস। তবে সবখানেই মস্তানি চলেনা। ইউটিউবরে ধরতে নিয়ে আসছিল গুগুল ভিডিওকে কিন্তু উলটা ইউটিয়ুব ই এমন থাবড় দিল যে রাগের চোটে গুগুল ইউটিয়ুবকে খেয়েই ফেলল। এটা আরেক সমস্যা যুদ্ধে যদি দেখে যে জেতার সম্ভাবনা নাই, তাহলে সোজা খেয়ে ফেলে! ডাবলক্লিক তাদের এডওয়ার্ডস/এডসেন্স প্রকল্পের সাথে পাল্লা দিতে চাচ্ছিল বলে তাকেও গুগুলের পেটে যেতে হয়েছে। কিছুদিন আগে ফিডবার্নার কে খেয়ে এখন তৃপ্তির ঢেকুর তুলছে তারা। এমন শত্রুর সাথে আপনি কি করে পারবেন?
কিন্তু বাবার ও বাবা আছে, এত কিছু করেও সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ে বার বার ধরা খাচ্ছিল তারা ফেসবুকের কাছে, টুইটারের কাছে, ইয়াহুর পেটে যাওয়া ফ্লিকারের সাথে পারছিলোনা পিকাসা নিয়ে। অর্কুট নিয়ে একটু ফেসবুক কে গুতাও দিসিল বাজায় দেখতে কিন্তু সুবিধা হয়নাই। না পারলে যা হয় তারা চেষ্টা করল ফেসবুককে খেয়ে ফেলতে। কিন্তু ফেসবুক বিরাট মাস্তান মাত্র কিছুদিন আগেই গুগুল কায়দায় সে ফ্রেন্ডফিডকে খেয়েছে, সুতরাং সে ধরা দিবে কেন? এখন গুগুল ই বা কি করে? সবাই জেনে যাচ্ছে যে সে ফেসবুকের কাছে তার সব জারিজুড়ি ফাঁস। এই অবস্থায় গুগুল করল কি ….
গুগুল কি করল এটা আপাতত এখন থাক, লেখা এমনিতেই বড় হয়ে গেছে – চা খাওয়া দরকার। আমিতো আর সচল না যে চা খেয়ে এসে পোস্ট এডিট করে বাকিটা এখনই দিয়ে দিব। আগামী কাল বা পরশুদিন দ্বিতীয় পর্ব নামিয়ে দিব আশা করছি।
পাদটীকাঃ যাঁরা ইন্টারনেট বিষয়ে কিঞ্চিত কম আগ্রহী তাদের জন্য দুই একটা টীকা দেওয়া যেতে পারে।যেমন ধরা যাক খেয়ে নেওয়া বলতে এই লেখায় বোঝানো হয়েছে কিনে নেওয়া।খাদ্যচক্রের বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে খেয়ে নেয়, তেমনি বড় কোম্পানিরাও প্রায়ই ছোট কোম্পানিদের কিনে নেয়।গুগুল এভাবে যাদের কিনেছে তাদের ঠিকানা পাবেন এই ঠিকানায়। গুগুলের এমন অবস্থা দেখে মনে হতে পারে ইন্টারনেটটাকে আর কিছুদিনের মধ্যেই তারা সরকারি অফিসের টেন্ডার বক্স বানিয়ে ফেলবে যেখানে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন ছাড়া আর কারও টেন্ডার জমা পড়বেনা। কিন্তু এখানে সূক্ষ পার্থক্য হলো গুগুলের ইনোভেশনের কারণে ব্যবহারকারীরা নিজেরা স্বেচ্ছায় তার হাতে ধরা দেয় – এখানেই গুগুলের জয়।
(চলবে)
|
<urn:uuid:34afc439-7b90-4fa7-b0c2-40c81479d641>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.sachalayatan.com/rajputro/30247
|
2014-04-21T12:11:50Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609539776.45/warc/CC-MAIN-20140416005219-00096-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999458
|
Beng
| 33
|
{"ben_Beng_score": 0.9994584918022156}
|
আজ আমার জেল হাজতে যাওয়ার এক বছরপূর্তি!
আজ ৩১ জানুয়ারি ২০১৩। ঠিক এক বছর আগে এই দিন রাতে আমার প্রথম জেল হাজতে প্রবেশ করতে হয়। হাজতে থাকা অবস্থায় ভাল-মন্দ অনেক স্মৃতি নিয়ে আমার এই লেখা। জেল হাজত থেকে বের হয়েই লেখাটি লিখেছিলাম। আজ এক বছরপূর্তিতে লেখাটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আশা করি লেখাটি আপনাদের ভাল লাগবে। এক বছরপূর্তিতে কিছু করবো কিনা এখনও ঠিক করিনি। তবে আমার পরিবারের পক্ষ থেকে মজা করে বলেছে আজ নাকি তারা এই দিনটিকে স্মরণ করে কেক কাটবে!
যেভাবে আটক হলাম
রাতের ঘন কালো অন্ধকার শেষে পুব আকাশে সূর্য উঠলেই কাল থেকে শুরু হবে বহুল কাঙ্খিত প্রিয় বইমেলা । তাই প্রকাশনীতে সকাল থেকেই আমার ব্যস্ততা ছিল । বিকেলে আমার বন্ধু আরিফ ফোন করে আমার সাথে দেখা করতে চাইলো কিন্তু আমার অনেক ব্যস্ততার কারণে তাকে আর সময় দিতে পারলাম না । মধ্য রাতে যখন ঘরে ফিরবো তখন আরিফের সহধর্মিনী এলিসের মোবাইল থেকে একটা ফোন আসলো । কল রিসিভ করা মাত্রই সে প্রচন্ড কান্নাকাটি শুরু করে দিলো । আমি সান্তনা দিয়ে জানতে চাইলাম কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা ? সে বললো আমার বন্ধু এক্সিডেন্ট করেছে এবং সে এখন মহাখালির ঢাকা মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি আছে । সে আরো বললো তার অবস্থা খুব খারাপ আমি যেন আসার সময় কিছু টাকা নিয়ে আসি । আমার কাছে তখন মাত্র পাচশত টাকা ছিল । ওই রাতেই একবন্ধুকে ফোন করে দশ হাজার টাকা চাইলাম । সে আসতে বললো আর সাত হাজার টাকা দিলো । আমি খুব দ্রুত টাকা নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সামনে চলে আসলাম । আরিফের বড় ভাই মতিনও সেখানে ছিল । আমি মতিন ভায়ের কাছে জানতে চাইলাম আরিফের কি খবর ? সে আমাকে প্রশ্ন করলো তোমার রক্তের গ্রুপ কি ? আমি বললাম আমার রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ আর আরিফের রক্তও বি পজিটিভ আমি রক্ত দিতে পারবো, বন্ধুর জন্য রক্ত দিতে আমার কোনো সমস্যা নেই ..... আমার কথা শেষ হতে না হতেই সাদা পোশাকধারী পুলিশ হ্যান্ডকাপ বের করে বললো ইউ আর আন্ডার এরেস্ট । আমি কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই তারা আমাকে গাড়ীতে করে সোজা থানায় নিয়ে আসে। পরে থানায় এসে জানলাম আমার বন্ধু আর তার ফ্যামিলীর মানুষ আমাকে পরিকল্পিত ভাবে ধরিয়ে দিয়েছে । আমি আগে যে কোম্পানিতে চাকরি করতাম সে কোম্পানি দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার কারণে পুলিশ কোম্পানির এমডিকে খুজছে কিন্তু তাকে না পেয়ে শেষমেষ আরিফকে আটক করে এবং তাদেরকে দিয়ে গল্প সাজিয়ে আমাকেও আটক করে । পুলিশ মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক ট্র্যাক করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিবকে আটক করবে বলে আমাদের জানালেও শেষ পর্যন্ত এমডির কোনো হদিস মেলেনি ।
থানার হাজতে ছিলাম দুইদিন
৩১ জানুয়ারিতে আমরা আটক হই । রাতে থানার হাজতে অন্য চার বন্দীর সাথে আমাদের ঘুমাতে দেওয়া হলো । জীবনের প্রথম থানা হাজতে বসবাস । রাতে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু ঘুম আর আসে না । শেষ রাতে দেখলাম নতুন কিছু অপরাধীদের ধরে আমাদের লকাপে রেখে দিয়েছে । সারারাত মশার অমানসিক অত্যাচার সহ্য করে ভোর পহালাম । পহেলা ফেব্রুয়ারি সকালে আমার শুভাকাঙ্খিরা খোঁজ খবর নিতে এলো । আমাদের সহবন্দীদের সাথে নানা গল্প গুজব করে কীভাবে চোখের পলকে যেন দিনটি পার হয়ে গেলো । প্রথম রাতে নিজেকে অনেক লাজুক মনে হলেও পরদিন আমি ছিলাম হিরো । কারণ হাজতে যে আগে আসে তার জানা শোনা একটু বেশি থাকে, সেই সুবাদে তার কর্তৃত্বও অনেক বেশি থাকে । ১ ফেব্রুয়ারি রাতে একটু আরাম করে ঘুমিয়ে ছিলাম । গত রাতের মত আজ রাতেও নতুন কিছু আসামী আমদানি হলো । আমি তাদেরকে আমাদের রুমে থাকার বন্দোবস্ত করলাম । আমাদের বাসা থেকে বেশি খাবার এসেছে বলে অন্যদেরকে আমাদের খাবার দিলাম । বালিশবিহীন মশাযুক্ত নোংরা ঘরে কাটিয়ে দিলাম আরো একটি রাত । দুইদিন থানায় রেখে ২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার আমাদেরকে ৫৪ ধারায় (সন্দেহ জনক আটক মামলায়) কোর্টে চালান করে দেয় থানার পুলিশ ।
বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আমাদের কারাগারে যেতে হলো !
থানায় অপেক্ষা করছি পুলিশের আসামীবাহী গাড়ীর জন্য । দুপুরের আগেই চলে এলো গাড়ী । আমরা গাড়ীতে উঠার আগে এস আই গোলাম রসুল এসে বললেন কোর্ট থেকে বিকেলে থানায় দেখা করে যাবেন আর আপনার মোবাইল, মানিব্যাগ, ঘড়ি ও বেল্ট নিয়ে যাবেন । এরপর আমরা গাড়ীতে উঠলাম । গাড়ীর ভেতর থেকে বাইরের ঢাকা দেখতে কেমন তা অনুভব করার চেষ্টা করলাম । কেমন লাগলো তা ঠিক বলতে পারবো না । তবে যানজট পেরিয়ে ঘন্টা খানিকের মধ্যে আমরা কোর্টে এসে পৌঁছে গেলাম । আমাদেরকে কোর্টের গারদে রাখা হলো । কোনো একজন এসে আমাদের থেকে ওকালতনামায় স্বাক্ষর নিয়ে গেলেন । গারদের ছোট্ট একটা রুমে গাদাগাদি করে প্রায় ৬০/৭০ জন লোক রাখা হয়েছে । এত কিছুর মধ্যেও কিছু লোক মনের সুখে গাজা টেনে যাচ্ছে । চেহারাতে বিন্দুমাত্র টেনশন নেই । কাছে গিয়ে কথা বলতে চাইলে সে জানতে চাইলো আমার লাগবে কিনা ? আমি বললম কীভাবে ? সে বললো টাকা দিয়ে । একটু অবাক হলাম এখানে টাকা আসবে কি করে ? দাম জানতে চাইলে বললো চারশত টাকা । আমি বললাম এত বেশি দাম কেন ? উত্তরে সে বললো 'আর' তাই দাম বেশি । কিছুক্ষণ পরে দেখা হলো হিযবুত তাহরীর সদস্য সন্দেহে আটক ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালের ডাক্তার গোলম হায়দার রসুলের সঙ্গে । অনেক ব্যাপারে তার থেকে জানতে চাইলাম । সে শুদ্ধ উচ্চারণে আমাকে নসিহত করলেন আর হিযবুত তাহরীর সম্পর্কে তার পূর্ণাঙ্গ কোনো ধারণা নেই বলে দাবি করলেন । অন্যান্য আসামীদের সাথে কথা বলছি আর অপেক্ষা করছি কখন আমাদেরকে ডাকা হবে । অপেক্ষা করতে করতে প্রায় বিকাল পাচটা বেজে গেলো । কিন্তু আমাদের আর ডাক পরলো না । জানতে পারলাম বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কোর্টে এসেছেন বলে আমাদেরকে আজ আর কোর্টে তোলা হবে না । ঠিক তখনও বুঝতে পারছিলাম না এখান আমাদেরকে কোথায় রাখা হবে বা জামিন দেওয়া হবে কিনা ? কিছুক্ষণ পরে আমাদের পুলিশ ভ্যানে করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে নেওয়া হলো । ততক্ষণে বুঝতে পারলাম আমরা আজ অনাকাঙ্খিত ভাবেই শ্বশুরবাড়ীতে চলে এসেছি । গাড়ী থেকে নেমে সোজা চলে গেলাম অফিসরুমে । তারপর একে একে সবার নাম ডেকে তার বিস্তারিত বিবরণ লিখছেন একজন লেখক। আমরা সবাই লাইন ধরে আমাদের নাম তালিকাভুক্ত করলাম। এরপরেই আমাদের কারাগারে প্রবেশ করানো হবে।
অর্ধ উলঙ্গ করে চেকাপ অত:পর কারাগারে প্রবেশ
নিরাপত্তার জন্য দেশে-বিদেশে নিরাপত্তারক্ষীদের চেকাপ করার অনেক দৃশ্য দেখার সুযোগ আমার। আমি পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশও ঘুরেছি । আমার চোখে দেখা সব থেকে বেশি চেকাপ করেছে এয়ারপোর্টে । যেখানে একটা সূচ থাকলেও ধরা পরে এবং তা কর্তৃপক্ষ নিয়ে নেন । তাদের থেকে বেশি চেকাপ আমার জীবনে আর দেখা হয়নি । এবার আজ দেখার ভাগ্য হতে যাচ্ছে । কারণ আমার আগে যারা আছেন তাদেরকে কারাগারে ঢোকার আগে অর্ধ উলঙ্গ করে লজ্জাস্থানের উভয় দিকে হাত দিয়ে ভালো মত ঘষে মেজে চেকাপ করা হচ্ছে । পোষাকে সে বড় অফিসার হোক বা কোন মাওলানা সাহেব, চেকাপ করার ক্ষেত্রে কারো রেহায় নেই । টাকা-পয়সা, বেল্ট, কলম, পানির বোতল, খাবার, মানিবেগ, আইডি/ভিজিটিং কার্ড কোন কিছুই ভেতরে নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। সবার মত আমিও আমার সব কিছু কারারক্ষী পুলিশকে দেখিয়ে তারপর কারাগারে প্রবেশ করলাম ।
কারাগারের ভেতরের জানা-অজানা গল্প
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের স্থানটিতে এক সময় ছিল মোঘল নওয়াব সুবেদার ইব্রাহিম খাঁর নির্মিত কেল্লা । এ কেল্লার মধ্যে ছিল মহল, বিচারালয়, টাকশাল । ঐতিহাসিকদের মতে ১৫৪৫ সালে শেরশাহের আমলে এখানে প্রথম কেল্লা তৈরি করা হয়েছিল । প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে এবং বন্দী সংখ্যা বিবেচনায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ৷ ঢাকা বিভাগের এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের এখানে দন্ডপ্রদানের জন্য আটক রাখা হয়। এছাড়াও ঢাকা শহরের বিভিন্ন থানার মামলায় বিচারাধীন লোকদিগকে, বিচারকালীন সময়ে আটক রাখার স্থান হচ্ছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার। বিচারাধীন আটক ব্যক্তিকে বলা হয় হাজতী। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার এক কথায় সুন্দর । ভেতরে ঢোকা মাত্র ডান দিকে রয়েছে তাজমহলের ভাস্কর্য । বাম দিকে দেওয়াল জুড়ে লেখা নীতি বাক্য । একটু সামনে এগুতেই দুই দিকে সারিবদ্ধ গাছ দাড়িয়ে । কোথাও বিন্দুমাত্র কোন ময়লা-আবর্জনা বা নোংরা নেই । ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি এলাকায় বিভক্ত। ওয়ার্ড ও এলাকাগুলো হচ্ছে - আমদানী, বহির্গমন, কেস টেবিল, খাতা, সেল, ফরেন সেল, মেন্টাল, দফা, চৌকা, দশ সেল, নব্বই সেল, কনডেমন্ড সেল, ফাঁসির মঞ্চ । অপ্রাপ্তবয়স্ক, বৃদ্ধ ও মহিলাদের পৃথক রাখা হয় । বিদেশী নাগরিকদের জন্যও রয়েছে পৃথক স্থান । আমরা প্রথমে এসে আমদানীতে উঠেছি । আমদানী হচ্ছে নতুন হাজতিদের প্রাইমারি স্কুল । যেখানে নতুন হাজতিদের কি করণীয় আর কি বর্জনীয় তা শিক্ষা দেওয়া হয় ।
আমদানী স্কুলের প্রথম ক্লাসে যা শিখলাম
আমদানীতে প্রবেশমাত্র আমাদেরকে চার জন করে ফাইলে বসতে বললো । ফাইল কি তখনও জানিনা । কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আমাদের প্রত্যেকের নাম, পিতার নাম ও থানার নাম জানতে চাইলো । এরপর আবারও শুরু হয়ে গেলো চেকাপ । তবে এবার অর্ধউলঙ্গ না করলেও তার বাকি ছিল না । এরপর ক্লাস । একজন দাড়িয়ে তার লেকসার শুরু করে দিলেন । বললেন জেলখানা খুবই কষ্টের জায়গা । এখানে পানি সংকট, তাই বাথরুমে হাফ বদনার বেশি পানি ব্যবহার করবেন না । গোসল করতে পারবেন না । ভাত খাওয়ার আগে যদি হাত ধুতে চান তবে পানি যেন কব্জির উপরে না ওঠে, উঠলে কিন্তু অপমান হবেন । এই ওয়ার্ডে (যমুনা -৪ এ) প্রায় ২০০ জন লোক থাকে কিন্তু বাথরুম দুইটা তার মধ্যে একটা নষ্ট, তাই বাথরুমে ঢুকতে হলে সিরিয়ালে প্রবেশ করুন । রাতে ঘুমানোর সময় আমরা যেভাবে ঘুমাতে দিবো তার ব্যতিক্রম হলে পরিনাম ভালো হবে না । সকাল ৪ টায় সবাইকে ডেকে দেওয়া হবে । ঘুম থেকে উঠে বাইরে লাইন ধরে বের হবেন । তারপর কি করতে হবে ওখান থেকেই বলে দেওয়া হবে । মনে রাখবেন এখানে কেউ সুখ করতে আসে না । তবে টাকা থাকলে সুখের অন্ত নেই ! যারা হাজতখানায় ভালো থাকতে চান তারা সামনের দিকে বসুন । আমরা সামনের দিকে বসলাম । কিছুক্ষণ পর আমাদের রাতের খাবার হিসেবে খিচুরী দেওয়া হলো । সারাদিন ঠিক মত খাওয়া হইনি । প্রচন্ড খুদা লেগেছে । খিচুরী পাওয়া মাত্র জিব্বায় জল চলে আসলো । হাত কব্জি পর্যন্ত ধুয়ে খিচুরী মুখে নেওয়া মাত্রই বমি চলে আসলো । অসম্ভব তিতা আর গন্ধ । ক্ষুধার্ত বলে কষ্ট করে খাওয়ার চেষ্টা করলাম । যতবার মুখে লোকমা নিয়েছি ততবারই আখরি বা খোয়া পেয়েছি । মুখ থেকে কোনো ময়লা ফেলানোর জায়গা নেই বলে তা পানিদিয়ে গিলে খেয়ে ফেলেছি । খাওয়া শেষে আবারও ক্লাস শুরু। আগের বক্তা আবারও তার বক্তব্য শুরু করলেন । তিনি প্রথমেই বললেন আপনারা নতুন বলে জেল কর্তৃপক্ষ আজকে উন্নতমানের খিচুরী দিয়েছেন (!) তবে আগামীকাল থেকে আপনাদের নিয়মিত খাবার খেতে হবে । তিনি আরো বললেন যারা জেলখানায় ভালো থাকতে চান তাদের জন্য আমরা বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছি । অন্যদেরকে খাবার তুলতে তিনবার লাইন ধরতে হয় । একবার ভাতের লাইন এবং অন্য দুইবার ডাউল ও সবজির লাইন । যারা লাইনে খাবার তুলেন তাদের সারাদিন খাবার তুলতেই সময় চলে যায় । কিন্তু আপনাদের লাইন ধরে খাবার তুলতে হবে না আর বাইরে যে খাবার খেয়েছেন এখানেও সেই খাবার খেতে পারবেন । অন্যরা খাওয়ার আর গোসলের পানির জন্য প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে । কিন্তু আপনাদের পানি সব সময় প্রস্তুত থাকবে । অন্যরা রাতে ঘুমানোর সময় একজনের মুখের ওপর অন্যজন পা দিয়ে ঘুমায় । কিন্তু আপনারা আরাম করে ঘুমাতে পারবেন । বিনিময়ে আপনাদেরকে সপ্তাহে মাত্র ২৫০০ টাকা দিতে হবে । যাদের স্বামর্থ আছে তারা চূড়ান্ত ভাবে নাম লেখা দিলেন । অন্যরা রাতে শুধুমাত্র কত হয়ে ঘুমানোর জায়গা পেলেও আমরা একটু আরাম করে ঘুমিয়েছিলাম ।
ভোর চারটায় দ্বিতীয় ক্লাসে জেলারের সাথে সাক্ষাতকার
রাতে আমরা অনেক দেরি করে ঘুমালেও ঘড়ির কাটায় যখন ভোর চারটা তখন আমাদেরকে ডেকে দেওয়া হলো । তারাহুরা করে ঘুম থেকে উঠলাম । রুমের বাইরে আমাদেরকে যেতে বলা হলো । এরপর আবারও চার সদস্য বিশিষ্ট ফাইল করতে বলা হলো । কোন অনিয়ম করা হলে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে বললেন দায়িত্বে থাকা একজন কয়েদী। আমাদের প্রত্যেকের নাম ডেকে সিরিয়াল ধরে দুই পায়ের ওপর ভোর করে বসতে বলা হলো । এরপর শিক্ষা দেওয়া হলো যে যখন জেলার সাহেব আসবেন তখন একজন দাড়িয়ে বলবে- "বন্দীরা সা-ব-ধা-ন" তখন সবাই দাড়িয়ে বলবেন- "আসসালামুআলাইকুম" । তিনবার আমাদেরকে প্যাকটিস করানো হলো । মধ্য বয়স্ক একজন জেলার সাহেব আসলেন আমরা নিয়ম অনুসরণ করে তাকে সালাম দিলাম । এরপর তার উপস্থিতিতে আমাদের কোর্টের তারিখ দেওয়া হলো ২৩ ফেব্রুয়ারি । আবার লাইন ধরে আমাদেরকে দাড়িয়ে তিনবার আলাদা করে ওজন, শরীরের বিশেষ চিহ্ন এবং শরীরের মাপ নিলেন । সব শেষে আমাদের ছবি তুলে প্রায় চার ঘন্টার ক্লাসের সমাপ্তি হলো । এবার আমাদের যমুনা-৪ ভবনে এসে রেগুলার খাবার খাওয়ার পালা । আজকেও খিচুরি দিয়েছে কিন্তু কালকেরটা শক্ত ছিল আর আজকেরটা এত পাতলা যে দেখে মনে হচ্ছে হাত ধোয়া হলুদ রঙের পানি। কিছুই করার নেই তাই চুমুক দিয়ে খিচুরি খেয়ে ফেললাম !
চার হাজার টাকা দিয়ে আমাদের কিনে নিলেন জল্লাদ শাহজাহান
যদিও সকালের লাইনে দাড়িয়ে সবাইকে ছাপিয়ে ইয়া বড় গোপওয়ালা এই লোকটি আমাকে একবার বলেছিলেন আমি কোথাও নাম লিখিয়েছি কিনা ? আমি উত্তরে বলেছিলাম আমদানীতেই আমাদের নাম লেখা হয়েছে । এবার তিনি এসেছেন আমদানীর নীলাম অনুষ্ঠানে । অনেকের মধ্যে তিনি আরিফ, মাকসুদ, রাসেল, আসাদ ও আমাকে আটশত টাকা করে চার হাজার টাকায় কিনে নিলেন । ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান জল্লাদ মো: শাহজাহান ভূঁইয়া । এরশাদ শিকদার, বাংলাভাই ও বঙ্গবন্ধুর খুনিসহ অন্যান্য ৩৩ জন আসামিকে তিনি ফাসি দিয়েছেন । সেই জল্লাদ আমাদেরকে নিয়ে তার মেঘনা-২ কক্ষে নিয়ে গেলেন । তার বিছানায় নিয়ে আমাদেরকে বসিয়ে অনেক উপদেশ দিলেন । আর আমাদের থেকে বাড়ির লোকদের মোবাইল নাম্বার নিলেন তাদের খবর দেওয়ার জন্য যে আমরা ক্যান্টিনে খাবো তার বিনিময়ে আমাদেরকে সপ্তাহে ২৫০০ টাকা দিতে হবে । যথারীতি ফোন করে খবর দিলে তাকে আমরা টাকা পরিশোধ করে দেই । জামিন না পাওয়া পর্যন্ত এই কক্ষেই ছিলাম । এসময় অনেক দাগী দাগী আসামী-হাজতির সঙ্গে পরিচয় হয়েছে । হয়েছে অনেক অভিজ্ঞতা । এবার সে সম্পর্কেই কিছু আপনাদের বলবো ।
হাজতে সারাদিন যেভাবে কেটে যেত
ঢাকায় আমার বাড়ি লালবাগ কেল্লা এলাকায় । এই কারাগারটিও আমাদের এলাকার পাশে অবস্থিত । আমি যে ভবনে থাকতাম সেখান থেকে আমাদের লালবাগ শাহী মসজিদের মিনার দেখা যেত । প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে মিনার দেখে নিজের সন্তানকে ভিশন মিস করতাম । কারণ সে তো ওই মিনারের পাশেই থাকে । তবে তার আগে ভোর ছয়টায় আমাদেরকে কক্ষ রাইটার মুন্না ভাই সবাইকে ঘুম থেকে ডেকে দিতেন ফাইল করার জন্য । ঘুম থেকে উঠে প্রথমে চারজন করে ছয় গুনটি দিতে হয় । কয়েদী-হাজতিদের গুনতে ঠিক ছয়টার সময় চলে আসেন জমাদার । আমাদের রুমে ৬৭ জন লোক থাকার কথা থাকলেও সেখানে থাকেন গরে ২৭০ জন মাত্র !! জমাদার তার গণনা শেষ করে চলে গেলে আমরা বাইরে বের হতাম মর্নিং ওয়ার্ক আর ব্রাশ হওয়ার জন্য । ফ্রেশ হয়ে এসে মোটা লাল রুটি দুই পিস আর ঘন ডাউল পেতাম সকালের নাস্তা করার জন্য । রুটির ময়লা ফেলে তারপর আমরা কয়েক বন্ধু মিলে সকালের ব্রেকফার্স্ট শেষ করতাম । খাওয়া শেষে গোসল করতাম । একদম মাপা ছোট একবালতি পানিতে গোসল করতে হতো । এরপর মনে চাইলে একটু গড়াগড়ি বা বাইরে গিয়ে আমতলায় আড্ডা দিতাম। সকাল ছয়টা থেকে বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত কেউ দেখতে আসলে দেখা করতে যেতাম । ঠিক দুপুর বারোটার আগে আমাদেরকে রুমে ঢুকতে হতো । কারণ এখন বারো গুনতি হবে। সবাই চার সদস্যবিশিষ্ট ফাইল করে বসে যেতাম তারপর জমাদার এসে গুনে চলে গেলে ফাইল শেষ হতো । এরপর দুপুরের খাওয়ার পালা। সাধারণত দুপুরে আমরা মোটা চাউলের ভাত, ডাল আর আলু ভর্তা খেতাম। দুপুরের খাওয়া শেষ হলে আবার লকাপ খুলে দেওয়া হতো। আমরা আবারও বাইরে বের হতাম । বদ্ধ সীমানা পাচীর ঘেরা এলাকায় হাটাহাটি করতাম আর কারো সাথে পরিচয় হলে তার মামলার কাহিনী শুনতাম। বিকাল পাচটা বাজার আগে আমাদেরকে ঘরে ফিরে যেতে হতো । এবার পাচ গুনতির পালা। সকাল ছয়টা পর্যন্ত লকাপ করার আগে জমাদার এসে আমাদেরকে গুনে তারপর চলে যেতেন। ঘন্টা খানিক পর সন্ধা ছয়টায় আমাদের রাতের খাবার দিতো। রাতের খাবার শেষ হলে বিছানা ঠিক করে দিত জল্লাদের বাহিনীরা। প্রথম প্রথম সন্ধায় ঘুম আসলেও পরে মধ্য রাতের আগে আর ঘুম আসতোনা না। রাতে বাথরুমে যেতে বড়ই কষ্ট হতো। ২৭০ জন লোকের মাত্র ২টি বাথরুম! রাতে বাথরুমে গেলে রীতিমত যুদ্ধ করতে করতে যেতে হতো। কারণ একেতো সিরিয়াল দ্বিতীয়ত অন্যরা ঘুমিয়ে পড়লে মানুষ ডিঙ্গিয়ে বাথরুমে যেতে হয়। একবার তো একজন বলে উঠলেন- "কপালে পারা দিবি, বুকে পারা দিবি মাগার বালিশে পারা দিতে পারবি না" !! এভাবেই রাতের পর দিন আর দিনের পর রাত কেটে যেত।
ফাইল ফাইল আর ফাইল
সারাদিনে প্রত্যহ বেশ কয়েকবার কারাবন্দীদের সংখ্যা গণনার জন্য একেকটি সারীতে ৪ জন করে বসিয়ে সর্বমোট সারীর সংখ্যা গুনে বন্দীদের সংখ্যা বের করা হয়। চারজনের একেকটি সারীকে ফাইল বলা হয়। ভোর ৬ টায় যার যার ওয়ার্ডে একবার ফাইল হয়, তারপর দুপুর ১২ টায় একবার এবং লকআপের সময় (আসরের নামাজের পর) বিকেল ৫ টায় আরেকবার ফাইল বসিয়ে গনণা করা হয়। গণনার পূর্বে ফাইল ঠিক, ফাইল ঠিক বলে সবাইকে সতর্ক করে দেয়া হয়। তারপর সকল এলাকার ও ওয়ার্ডের যোগফলসমূহ কেসটেবিলে সুবেদার সাহেবের কাছে প্রেরণ করা হয়, তিনি সম্পূর্ণ জেলখানার হিসাব বের করেন এবং জেলার মহোদয়কে অবহিত করেন। এছাড়া আরও যেসব ফাইল রয়েছে- তিন সারী ঘুমানোর জায়গায় মধ্যখানে যারা ঘুমান তাদেরকে বলা হয় "মাজ ফাইল", সন্ধায় গুনতির পর ভাজা মাছ ফাইলবদ্ধ করে দেওয়া হলে বলা হয় "মাছ ফাইল", বাইরে থেকে কেউ দেখতে আসলে তাদেরকে মাইকে "মসজিদ ফাইলে" অর্থাৎ ওয়ার্ডের মসজিদ এলাকায় অপেক্ষা করতে বলা হয়, বৃহস্পতিবারে সারা জেলখানা ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হয় তখন জেল খানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাহেব দেখতে আসলে তাকে বলা হয় "সাহেব ফাইল", ভাত খাওয়ার আগে সবাইকে ফাইল করে বসতে বলা হয় এই বসাকে "ভাত ফাইল" বলে। এছারাও আরো অসংখ্য ফাইলের জন্মস্থান এই কারাগার। অবস্থা দেখে মনে হয় এখানে জীবনটা যেন ফাইলময়!
কারাগারে কি আছে কি নেই ?
আমাদের মেঘনা-২ এর গেটের পাশে একটি প্লেটে লেখা আছে- এই ওয়ার্ডে কতজন জন বন্দী আছে। কত গুলো কম্বল, চাদর, থালা, বাটি, লুডু, টিভি, রেডিও, কেরাম বোর্ড ইত্যাদি আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের কথা হচ্ছে এখানে একটি টিভি আছে তাও বিটিভি ছাড়া অন্য চ্যানেলের দেখা পাওয়া মেলা ভার। আর বিনোদনের অন্যান্য সরঞ্জামের সাথে কারো সাক্ষাত মেলে না। দরজার পাশে যে নোটিশ লেখা আছে তা সর্ব শেষ চক দিয়ে লেখা ২০০৩ সালের মে মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত আপডেট করা আছে!
কারাগারের কিছু ভালো দিক
এখানে রাস্তা-ঘাট, ড্রেন,রুম সব কিছু সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে, আর এ জন্য সারা কারাগারে খুজলে একটি মশাও পাওয়া যাবে না। এখানে নিয়ম শৃঙ্খলা সব সময় বজায় রাখা হয়, বিনোদনের জন্য প্রত্যেকটি রুমে একটি করে টিভি রয়েছে। যাদের খাওয়ার সমস্যা তাদের জন্য ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করা আছে। নারী-শিশু ও বিদেশীদের জন্য পৃথক পৃথক থাকার ব্যবস্থা আছে।কারাগারকে গণমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে সিটিজেন চার্টার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে । হাজতী বন্দীদের সাথে ৭ দিন অন্তর একবার আর কয়েদী বন্দীর সাথে ১৫ দিন অন্তর একবার দেখা করা যাওয়ার নিয়ম থাকলেও কারারক্ষীদের ব্যানসন সিগারেটের প্যাকেট ঘুষ দিলেই দিনে যতবার খুশি দেখা করা যায়। কেউ অসুস্থ হয়ে পরলে তার জন্য কারাগারে রয়েছে কারা হাসপাতাল। কারাগারে আটক বন্দীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও তাদের আগ্রহ অনুসারে বিভিন্ন ট্রেডে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয় যেমন- টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, রেডিও, ফ্যানসহ ও অন্যান্য ইলেকট্রিক সামগ্রী মেরামত, গবাদি পশুপালন, মৎস চাষ, বেকারী দ্রব্যাদি ও বিভিন্ন ধরনের প্যাকিং ম্যাটেরিয়াল প্রস্তুত ইত্যাদির বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে । এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
কারাগারের কিছু খারাপ দিক
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অনেক অনেক খারাপ দিক রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে - এই কারাগারে সর্বমোট বন্দী ধারণ ক্ষমতা ২৫০০ সেখানে গড়ে বন্দী থাকে দশ হাজার ! এক হাত জাগায় এক জনের বুকে মুখে আরেক জনের পা দিয়ে চার জনকে ঘুমানোর চেষ্টা করানো হয়! কতটা অমানবিক ও অমানসিক কষ্টে এখানে সাধারণ বন্দীরা থাকেন তারায় শুধু জানেন। সারা কারাগার মিলে পানি উঠানোর জন্য মোটর রয়েছে মাত্র দুইটি ! কোন কোন সময় দুইটিই নষ্ট হয়ে যায়। বাইরে থেকে পানি নিয়ে আসার ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে সব সময় এখানে পানির জন্য যুদ্ধ করতে হয়। খাওয়া বা বাথরুমের পানি যতটুকু দরকার তার থেকে অনেক কম দেওয়া হয়। প্রত্যেকদিন সরকার নির্ধারিত খাবার দেওয়ার কথা থাকলেও নোংরা পানি দিয়ে রান্না করা তেল-লবন ছাড়া সবজি ডাউল খেতে দেওয়া হয়। আর যে ভাত খেতে দেওয়া হয় তা এদেশের ভিক্ষুকেরাও খায় না। ভাত মুখে দেওয়া মাত্রই বমি চলে আসে। ভাতে প্রচুর পরিমানে আখরি আর খোয়া। সম্ভবত এক কেজি চাউলে প্রায় আধপোয়া খোয়া দেওয়া হয়। বিনোদনের জন্য শুধু কাগজে কলমেই সরঞ্জাম রয়েছে কিন্তু বাস্তবে কিছুই নেই। সরকার কর্তৃক ধুমপান কারাগারে নিষিদ্ধ থাকলেও খুব প্রকাশ্যে সব সময় ধুমপান করা হয়। যার কারণে অধুমপায়ীদের অসম্ভব কষ্ট হয়। কারাগারে সর্ব মাদক নিষেধ হলেও কারারক্ষীরা এখানে মাদক ছাপ্লাই দেয়। অথচ অন্যদের কাছে তা থাকলে তাত্ক্ষণিক সর্ব শাস্তি দেওয়া হয়। মাইকে সকাল থেকে যে কজন পুরুষ কন্ঠ দেন তারা অনেক ক্ষেত্রেই ঠিক ঠাক মত নাম উচ্চারণ করতে পারেন না বলে অনেক কিছুই ভুল হয়ে যায়। যিনি কাগজে লিখে স্লিপ পাঠান তার লেখাও অনেক অস্পষ্ট বলে অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হয়। মাইক শুধু রুম ও মসজিদ ফাইলে দেওয়া হয়েছে কিন্তু বাইরে দেওয়া হয়নি বলে যারা অবসর সময় বাইরে হাটাহাটি করেন তারা কিছুই শুনতে পান না।
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে আল্লাহর ঘরে সিগারেট দান করুন !!!
আমরা জেলে আসার পর ৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার ছিল ঈদে মিলাদুন্নবী। এ উপলক্ষ্যে জল্লাদ শাহজাহান তার ওয়ার্ডে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজনের প্লান করেন। তার কয়েকদিন আগে থেকেই তার মাধ্যমে নামাজ এলাকায় ঘোষণা হলো- আগামী সোমবার ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে মিলাদ হবে, যারা অংশ গ্রহণ করতে চান তারা আল্লাহর ঘরে এসে সিগারেট দান করুন। প্রথমে একটু অবাকই হয়েছিলাম। পরে জানতে পারলাম কারাগার নামক এই দেশে কারেন্সির নাম হচ্ছে "সিগারেট"। অনেকেই সিগারেট দান করলেন। প্রায় সাড়ে সাত হাজার টাকা হয়েছিল। তার সাথে সাড়ে তিনহাজার টাকা যোগ করে জল্লাদ শাহজাহান ওই ওয়ার্ডে প্রত্যেকের জন্য এক প্যাকেট ডিম বিরিয়ানী ও মিষ্টির ব্যবস্থা করেন। উল্লেক্ষ্য জল্লাদ শাহজাহান ওই দিন মেঘনা-২ এর সকল কয়েদী-হাজতিদেরকে সন্ধার নামাজে অংশগ্রহন করান। আরেকটি কথা, এই ওয়ার্ডে যে কয়েক ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা হয় সে কয় ওয়াক্তে পিনপতন নিরবতায় নামাজ আদায় করা হয় জল্লাদ আর রাইটারের সহযোগিতার কারণে। যা কেন্দ্রীয় কারাগারে খুবই বিরল।
বন্দী হাবিবুর রহমান পিতা মরণ চন্দ্র দাস !
যদিও লোকটির সাথে একবারের জন্য হলেও আমার দেখা হয়নি তবে সে আমাদের সাথে একই দিনে জেলে এসেছেন। নাম তার হাবিবুর রহমান আর পিতার নাম মরণ চন্দ্র দাস ! নাম শুনে অবাক হয়েছিলাম । মাইকে কয়েক দিন ধরে নানা কারণে তার পিতার নামসহ ডাকা হয়। পরে জানতে পারলাম সে হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছেন। মূলতঃ সে একজন মুসলিম মেয়েকে ভালোবাসতো আর তাকে বিয়ে করার জন্যই ধর্ম ত্যাগ করেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় সুমন মল্লিক ও মাহবুবুর রহমান পিন্টু নামের আরো দুই নব মুসলিমের সাথে পরিচয় হয়। তাদের প্রত্যেকের ধর্ম ত্যাগের ঘটনা একই। কিন্তু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মেয়ের পরিবার তা মেনে নিতে পারেন না বলে মামলা করে দেন। মেয়ে অনেক ভালোবাসলেও যেমন তাদের খোজ খবর নিতে পারে না তেমনি ধর্ম ত্যাগ করার করণে পারিবারিক ভাবেও তারা কোন প্রকার সহযোগিতা পান না। এত কষ্টের পরেও জানতে চেয়েছিলাম আগের ধর্মে ফেরত যাওয়ার ইচ্ছা আছে কিনা ? উত্তরে তারা প্রত্যেকে বলেছেন ইসলাম শান্তির ধর্ম, এই ধর্ম রেখে কোথায় যাবো ?
অদ্ভুত কিছু নাম
যারা ক্রাইম জোনে বসবাস করেন তারা হয়তো নিজেদের বিকৃতি নামই বেশি পছন্দ করেন। সবাই তাদের বিকৃতি নামেই ডাকেন। এই নামগুলো আবার তাদের ন্যাশনাল আইডি কার্ডেও উল্লেখ আছে। অনেকের কাছে এই অদ্ভুত নামগুলো নতুনত্ব বহন না করলেও আমার কাছে একটু অন্যরকম মনে হয়েছে। যতটুকু মনে রাখতে পেরেছি ততটুকুই বলছি - জাউড়া রাজিব, জারজ মাছুম, ঘাউড়া মাসুদ, চিটার সেলিম (তার বাবার নামও চিটার দিয়ে শুরু), কুত্তা ফারুক, শুয়োর রবিন, গলাকাটা রাসেল, প্যাটকাটা শানু, চাল্লি লিটন, চোর সুলতান, কসাই আরিফ, বিচ্ছু রুবেল, পচার বাচ্ছা, পিচ্চি রফিক, কালা পাঠা, মাথা নষ্ট হারুন, রামদা গোপাল, টিকটিকে শাহজাহান, ঘোরার ডিম, হাবা হাকিম, ৪৭ ওসমান, বাট্টু বাট, ধলা মানিক, ফাউল সুজন ইত্যাদি।
এটিএম কার্ডের বিকল্প পিসি কার্ড
হ্যাঁ, কারাগারে স্বাচ্ছন্দ জীবনযাপন করার জন্য আছে প্রায় সব ব্যবস্থা যদি টাকা থাকে। যেকোন প্রকার খাবার থেকে শুরু করে নিত্য ব্যবহার্য যে কোন পণ্য এখানে কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু তা নগদ টাকায় নয়। পিসি কার্ডের মাধ্যমে আপনার বিল পে করতে পারবেন। আপনার আত্মীয়স্বজন আপনার পিসি কার্ডে ব্যালেন্স লোড করে দিলে আপনি তা মনের সুখে ব্যবহার করতে পারবেন।
কঠোর নিরাপত্তা রক্ষী ও অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী
কারাগারের বাইরে আমরা যে কোন নিরাপত্তা রক্ষীদের দেখলে সামান্যও ভয় পাই না অথচ এখানে যারা দায়িত্বে আছেন মাত্র একটি ডান্ডা হাতে করে তাদেরকে সকল কারা বন্দীরা যমের মত ভয় পায়। কারণ এখানে সামান্য একটু ভুল হলে তাকে যেমন খুশি তেমন পেটানো হয়। কারও কিচ্ছু বলার নেই। এছাড়া কেউ কারও নামে বিচার দিলে বিচারে উভয়কে সমান ভাবে পেটানো হয়। বড় বিচার হলে আমদানীতে নিয়ে গিয়ে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে হাত ঝুলিয়ে কয়েকজন মিলে পেটায়। কারা অভ্যন্তরের সরকারি নিরপত্তা রক্ষীদের মিয়াসাব বলা হয়, মিয়াসাবদের উপরে রয়েছেন জমাদার সাহেবগন এবং তাদের তত্ত্বাবধানে থাকেন সুবেদার সাহেবগন। রয়েছেন একাধিক সাবজেলার ও একজন জেলার মহোদয়। আর সর্বোপরী রয়েছেন জেল সুপার মহোদয় ও ডিআাইজি প্রিজন। এখানে কয়েদীদেরও পদবী রয়েছে। তারা কারা অভ্যান্তরে অনেক কাজ করে থাকেন। এখানে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের কারাভোগের মেয়াদের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পদবী দেয়া হয়। পদবী অনুযায়ী পোষাক ও কাজের ধরনের পরিবর্তন ঘটে। মাঝে মাঝে পুরাতন ওভারসীয়ার কয়েদীদের মধ্যে কেহ শিক্ষিত হলে, তাকে কারাফটকে অবস্থিত অফিসে দাপ্তরিক কাজও করতে দেয়া হয়। আর তাদের পদবী গুলো হচ্ছে- সাধারণ কয়েদী, রাইটার, পাহাড়া, মেইট, সিআইডি, ওভারসীয়ার ইত্যাদি।
লোভী উকিলের কান্ডকারখানার জন্য দীর্ঘসময় জেলে থাকতে হলো
আমাদেরকে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪ ধারায় (সন্দেহ জনক) মামলা দেওয়া হয়েছে। কোন অপরাধ প্রমাণিত না হলে কোর্টে তিন শত টাকা জমা দিয়ে এসব মামলা থেকে খারিজ পাওয়া যায়। উকিল না থাকলেও মহুরীর মাধ্যমে জামিনযোগ্য এসব লোকদেরকে মহামান্য কোর্ট খারিজ করে দেন। কিন্তু আমাদের উকিল টাকার লোভে সামান্য এই নামকা ওয়াস্তে মামলাকে পৃথিবীর সব থেকে কঠিন মামলা সাজিয়ে আমাদেরে ফ্যামিলি থেকে টাকা খাওয়ার ধান্দা করে। আমাদের বৃহস্পতিবার কারাগারে নিয়ে এসেছে, উকিল চাইলে শুক্রবার বিশেষ কোর্টের মাধ্যমে আমাদেরকে জামিনের ব্যবস্থা করতে পারতেন। কিন্তু তার প্লান ছিল আমাদের যতদিন আটকিয়ে রাখতে পারবে তার তত ডিমান্ড বাড়বে। তার কথা মতো আমাদের ফ্যামিলীর মানুষদেরকে পরের সপ্তাহের মঙ্গলবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলে। মঙ্গলবার কোর্টে না উঠেই উকিল জানিয়ে দেয় - ওই পক্ষের (পুলিশের) তিনজন উকিল দাড়িয়েছে (?) দেড় লাখ টাকার নিচে জামিন করা সম্ভব নয়!! উকিলের কথা শুনে মামলা সহজে অপসারণ করার লক্ষে আমাদের ফ্যামিলীর লোক আরো একজন উকিল ম্যানেজ করেন। কিন্তু এবার এই উকিলের কথা শুনে আগের উকিলের ম্যাজাজ বিগ্রে যায়। সে আর কোন ভাবেই এই মামলায় সহযোগিতা করতে রাজি হয়নি। সুযোগ বুঝে পরে আসা উকিলও তার রেট বাড়াতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৭৩ হাজার টাকার বিনিময়ে আমাদের জামিনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আর এসব কারণেই আমাদের জেলখানায় থাকতে হলো অর্ধমাস।
অবশেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেলাম
আমাদের ফ্যামিলীর লোকজন তো প্রতিদিনই আশ্বাস দিয়ে যেত আমাদের আগামীকালই মুক্তি হচ্ছে। মূলতঃ উকিল যেভাবে বলতো তারাও আমাদেরকে সেভাবে বলতো। ৩১ জানুয়ারি থেকে পহেলা বসন্ত অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিনই জানতাম আজ আমারা জামিন পাবো। সারাদিন অপেক্ষা করেও দেখতাম জামিন হচ্ছে না। মাইকে যখন নাম ঘোষণা করা হয় তখন নিজের নামের আশে-পাশে কারো নাম ডাকলে বুকের মধ্যে ধরপর শুরু হয়ে যেত। তীব্র আকাঙ্খা ম্লান হলে কার ভালো লাগে ? এসময় বুঝতাম অপেক্ষার প্রহর কত কঠিন। পহেলা বসন্তেও যখন ছাড়া পেলাম না তখন অনেকটা আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। আমাদের রুমের বিটিভিতে দেখলাম রঙ্গিন বসন্ত পালন হচ্ছে। গতবছর এই দিনে কত মজা করেছি অথচ আজ এখন আমি জেলে। বসন্তের প্রথম প্রহর শেষ হয়ে পরদিন যখন দ্বিতীয় প্রহর তথা ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের প্রহর শুরু, তখন অনেকটা ভুল করেই যেন মাইকে শুনতে পেলাম আমাদের জামিন হয়েছে। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। খুশির খবর পেয়ে তারাহুরা করে ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা করলাম অত:পর প্রস্তুতি নিলাম বের হওয়ার জন্য। জল্লাদ আমাদেরকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের সাথে বের হলেন। সাথে আমার বেডমেট মাকসুদও বের হলো। ওর সাথে এখানে এসেই পরিচয় হয়েছে। এই অল্প কয়েক দিনে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব এত বেশি গভীর ছিল যে রাতে আমি ঘুমানোর সময় ওর গায়ে পা দিয়ে আরাম করে ঘুমাতাম। বয়সে আমার থেকে বড় হলেও একজন ভালো বন্ধু যেমন হওয়া দরকার মাকসুদ ঠিক তেমন। সে আমার সাথে নিচ পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে যখন তার সীমানা শেষ তখন আমার গলা ধরে কিছক্ষণ ফুফরিয়ে কান্নাকাটি করেছে। আমিও আমার চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। তাকে রেখে আমার চলে আসতে অনেক কষ্ট হচ্ছিলো। আমার যেতে ইচ্ছা করছিলো না। কিন্তু নিয়মের বাইরে এখানে একমিনিটও চলা সম্ভব নয় বলে আমার প্রিয় বন্ধু মাকসুদকে রেখেই আমাকে চলে আসতে হলো। জামিন টেবিলে আসলে তারা আমার কাগজ-পত্র চেকাপ করে অফিসে পাঠিয়ে দিলো। আমার সাথে একত্রে ১১০ জন বন্দী জামিন পেয়েছেন। কিন্তু আমার সহধর্মিনীর বড় ভাই নাসির আমাকে তারাতারি বের করার জন্য অফিস কর্মকর্তাকে টাকা দিলে তারা আমার সিরিয়াল ৯৮ থেকে ৩ নাম্বারে নিয়ে এসে আমাকে কারাগারের বাইরে বের করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সকাল আটটা থেকে আমাদের বের করার প্রস্তুতি নিলেও বিশেষ ব্যবস্থায় আমার বের হতে সাড়ে এগারোটা লেগে যায়। আহ্ খাঁচার বন্দী খাঁচা থেকে বের হলে যে কি পরিমাণ আত্মতৃপ্তি পায় তা আজ অনুভব করতে পারলাম। স্বাধীনতা অনুভব করা যায় কিন্তু প্রকাশ করা যায় না। লাল কংক্রিট ঘেরা পাচীর পেরিয়ে অবরুদ্ধ ফটক থেকে বের হয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম, অত:পর স্বাধীন চিত্তে শান্তির নীড়ের দিকে রওয়ানা হলাম।
[হাজত হচ্ছে পৃথিবীর ভেতর আরেকটি পৃথিবী। 'জীবনে একবারের জন্য হলেও হাজতে যাওয়া উচিত' এমন নীতি কথা হয়তো আমরা অনেকেই জানি কিন্তু সেখানে যাওয়ার সুযোগ অনেকেরই হয়ে ওঠে না। যারা অবরুদ্ধ কারাগার সম্পর্কে জানতে চান তাদের জন্য আমার অর্ধমাস হাজত বাসের অভিজ্ঞতা উত্সর্গ করলাম।]
-
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য
|
<urn:uuid:49f07f96-821e-44f6-a52b-ab62a5fdc2f2>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://prothom-aloblog.com/posts/56/173932
|
2014-04-16T19:02:43Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609524644.38/warc/CC-MAIN-20140416005204-00648-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999653
|
Beng
| 23
|
{"ben_Beng_score": 0.9996527433395386}
|
যুক্তিমনস্কদের নির্মল বিনোদনের ব্লগ। বিতর্ক বা বাকবিতণ্ডার স্থান নেই এখানে। এই ব্লগে ধর্মের যুক্তিযুক্ত সমালোচনা করা হবে, ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে, অপদস্থ করা হবে, ব্যঙ্গ করা হবে। যেমন করা হয়ে থাকে সাহিত্য, চলচ্চিত্র, খেলাধুলা বা অন্যান্য যাবতীয় বিষয়কে।
সাইটের সর্বশেষ আপডেট প্রতিদিন নিজের খোমাখাতা বা গুগল+ অ্যাকাউন্টে পেতে হলে ধর্মকারীর বন্ধু বা ফ্যান হোন।
“শান্তির” অনলে দগ্ধ
(এই সংখ্যা প্রতিদিন হালনাগাদ হবে)
‘গুটিকয়েক’ লোকের কারণে নাকি ‘শান্তির’ ধর্ম ইসলাম সন্ত্রাসের ধর্ম অপবাদ পেয়েছে। সেই ‘গুটিকয়েক’ লোক কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ড কোরানসম্মত বলেই দাবি করে। তাদের দাবি ভিত্তিহীন নয়।
খ্রিষ্টান ধর্মের বর্বরতম অধ্যায় স্প্যানিশ ইনকুইজিশনের ৩৫০ বছরে যতো লোককে হত্যা করা হয়েছে, শান্তিপ্রিয় ইসলামীদের হাতে এক বছরে গড়ে তার চেয়ে বেশি লোক মারা যায়। গত দু’মাসে ইসলামীদের ঘটানো ‘শান্তিপূর্ণ’ কৃতকর্মের হালনাগাদ বিশদ তালিকা। এই শতকে তাদের মহিমামণ্ডিত কর্মনির্ঘণ্টও আছে এখানে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
১৯৭১ সালে রাজাকার-আলবদরদের কৃতকর্ম এবং পরবর্তীতে তাদের ও তাদের অনুসারীদের অশুভ তৎপরতার হালনাগাদ তথ্যসমৃদ্ধ অসাধারণ দু'টি সাইট।
একটা কথা: যুদ্ধাপরাধীদের একজনও নির্ধার্মিক নয় কেন, ভেবে দেখেছেন কি?
|
<urn:uuid:33df4b88-e1a6-4d91-96ec-56a05de3d8f0>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.dhormockery.com/2012/03/blog-post_255.html
|
2014-04-19T14:30:07Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609537271.8/warc/CC-MAIN-20140416005217-00048-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999792
|
Beng
| 1,066
|
{"ben_Beng_score": 0.9997921586036682}
|
আগের তিনদিনের রোমাঞ্চকর যাত্রার সঙ্গে যারা ছিলেন, চলুন এবার আপনাদের নিয়ে ভ্রমণের শেষ পর্যন্ত জানি।
দিন ০৪: পাতসিও থেকে সারচু
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই আগের মত শুকনো রুটি খেয়েই রওনা হবার সময় পরিচিত হই সেই তাবুবাসীদের সঙ্গে। একটি তাবুতে ছিল কারলো (ইতালি) ও অপর তাবুতে ছিল যাদক দম্পতি (ইসরায়েল)। এত দিন পর তিন জন সাইকেল সঙ্গী পেয়ে একটু সাহস বেড়ে যায়। কিন্তু বেশিক্ষণ তাদের সঙ্গে সাইকেল চালানো যায়নি, তারা আমাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যায়। এর কারন তাদের ছিল ট্যুর গাইড যারা তাদের মালামাল বহন কাছিল। আর আমি আমার ভারি মালপত্র একাই বহন করে ধীরে ধীরে এগুতে থাকি।
পাতসিও থেকে দৃশ্যপট হঠাৎ ই বদলে যায় শুকনো ও ধুসর হিমালয় অঞ্চলে। এ জায়গাটি মূলত সামরিক ঘাঁটি। তাই যথেষ্ট নিরাপদ বোধ করি একা একা যাত্রার এই অংশটুকুতে। এখান থেকে ২ কি:মি: দূরেই বারালাছা লা পাহাড়ের বেস ক্যাম্প। এই বেস ক্যাম্প থেকে ক্রমশ ওপরের দিকে উঠতে থাকি যার উচ্চতা প্রায় ১৬৫০০ফিটেরও বেশি। ধীরে ধীরে যখন চূড়ায় পৌঁছি সেখানে কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নেই। উচ্চতা, অক্সিজেন স্বল্পতা ও ক্লান্তি সব মিলিয়ে ঘুম যেন অনিবার্য হয়ে পড়ে। এখান থেকে সারচু মাত্র ২৫কি:মি:।
সারচু এ যেন এক যাদুর এলাকা, ভৌগালিক অবস্থান এমনই যে এখানে কোন রকম চেষ্টা ছাড়া সাইকেল আপনা থেকেই প্রায় ২০কি:মি: বেগে চলতে থাকে। কারও মতে এখানে একরকম চৌম্বকীয় ক্ষেত্র আছে যা লোহাযাতীয় যেকোন কিছুকেই টানতে থাকে। জায়গাটি আসলে ঢাল বলেই মূলত এমনটি হয়ে থাকে যা দৃশ্যত সমতল মনে হয়। প্রায় সন্ধে বেলা সারচু গিয়ে প্রথমেই একটি সামরিক ঘাটি চোখে পড়ে। এই যায়গায় এসে সেই তিনজন সাইক্লিস্টের সঙ্গে দেখা হয় আবার। তারা আমার তিন ঘন্টা আগেই এখানে চলে আসে । সিদ্ধান্ত নেই আমরা এখানেই রাত কাটিয়ে পরদিন এই ঘাটি পার হব।
দিন ০৫: সারচু থেকে পাং
আগের রাতগুলো এতটা ঠান্ডা ছিলনা যেমনটা আজ অনুভূত হচ্ছে । স্বল্প সময়ে সামরিক ঘাঁটিতে কার্যাদি সম্পন্ন করে বেরিয়ে পড়ি নকিলা পাহাড়ের দিকে। পাহাড়টির উচ্চতা প্রায় ১৬,২৩০ফিট। আজকের দিনটা খুবই স্বরণীয় ৩ টি ঘটনার জন্য। প্রথমত, নকিলা পাহাড়ে ওঠার জন্য ২১টি লুপ যা গাতা লুপ নামে পরিচিত, সহজভাবে বললে ২১টি বিপরীত মূখী রাস্তা যা মাসসিক ও শারিরীক উভয় দক্ষতার জন্য অগ্নিপরীক্ষা। দ্বিতীয়ত, আকষ্মিক ও ভয়াবহ আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং তৃতীয়ত, সাইকেলের বা পার্শের প্যাডেল নষ্ট হওয়া।
প্রথমে বা পার্শের প্যাডেলটি সঙ্গে থাকা যন্ত্রপাতির সাহায্যে তার দিয়ে বেধে চালানো শুরু করি। শুরু থেকে ১০কি:মি: এর মধ্যে ১৫০০ফিট উচ্চতায় ওঠার জন্য সেই ২১টি বিপরীত মূখী রাস্তা যে কি ভয়ঙ্কর কষ্টকর তা বলে বোঝাবার মত নয়। একটি শেষ করতে না করতে আরেকটি শুরু হয়ে যায়। এ যেন আর শেষ হয় না....। এরই মধ্যে খাবার পানিও শেষ। রাস্তার পাশে ঝরনার পানি পান করে কোনরকম শেষ হয় গাতা লূপ। এই কষ্টকর লুপ শেষ করে দুপুরের খাবারের বিরতি নেই। সারচু থেকে তৈরি করা খাবার দিয়েই দুপুরের খাবার শেষ করে আবারও শুরু হয় যাত্রা। ধীরে ধীরে আরও ওপরে উঠতে উঠতে প্রায় দুপুর ২টা বেজে যায় নকিলা পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছোতে। সেখানে কিছুক্ষণ ছবি তুলে আবার পাহাড়ের অন্য পাশ ধরে নিচে নামতে শুরু করি। নিচে নামাটা সব সময়ই আনন্দদায়ক। কারন, নকিলা পাহাড়ের নিচে নামতে মাত্র ১ঘন্টারও কম সময় লাগে। এভাবেই বেলা ৩টার মধ্যে পৌঁছে যাই হুইস্কি নুল্লাহ।
হুইস্কি নুল্লাহ থেকে পাং মাত্র ৩২ কি:মি: এবং এর মাঝে আছে আরও একটি ১৬৮০০ফিট উচ্চতার লাচুং চূড়া।
ঘণ্টা খানিকের মধ্যেই ভয়ঙ্কর ভাবে বদলাতে শুরু করে আবহাওয়া। হিমালয়ের পাহাড়ে যে কখন কি হয় বলা খুবই মুশকিল। হঠাৎ করেই বরফ পড়তে শুরু করে ১৫মি: এলাকা জুড়ে। চারদিক সাদা হয়ে উঠে। ভয় শুধু যদি রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায়, তাহলে চালানো তো দূরের কথা পালাব কোথায়? ওপরওয়ালার বিশেষ রহমতে ১৫মি: পর বরফ ছাড়া ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করে। এরই মাঝে পানি শেষ হয়ে যাওয়াতে বরফ চুষেই পানির তৃষ্ণা মেটাতে হয়। আনুমানিক ৫টার দিকে এভাবেই প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে সব শেষে লাচুং চূড়ায় পৌঁছে যাই। এখানে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমান ছিল ৫১% প্রায়। এখান থেকে শুধু নিচের দিকেই নামা আর নিচে নামলেই পাং নামক স্থানে রয়েছে আরও একটি সামরিক ঘাঁটি। সব মিলিয়ে শরীর এতটাই ক্লাস্ত ছিল যে বিশ্রাম নেবার সময় কখন যে ঘুমিয়ে যাই বলতে পারি না। এতদিনের জীবনে এত মজার ঘুম কখনোই ঘুমাইনি যতদূর মনে পড়ে।
যখন ঘুম ভাঙ্গে, নিজেকে আবিষ্কার করি সেই সামরিক ঘাঁটির হাসপাতালে এবং সন্ধে হয়ে গেছে ততক্ষণে। প্রথমে বেশ কিছুক্ষণ কিছুই মেলাতে পারিনি, কোথায় আমি? আর হাসপাতালেই বা কেন? পরে ডাক্তারের কাছ থেকে জানতে পারলাম, দুই ইউরোপীয়ান ভ্রমণকারী আমাকে ঘুমস্ত অবস্থায় পায় লাচুং চূড়ায় এবং তারা আমাকে ডাকলে তাদের ডাকে সাড়া না দেয়ায় ওরা ধরে নেয় আমার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর তাই তাদের গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। ডাক্তার পরীক্ষা করে আমাকে ছেড়ে দেয় আর বলে দেয়, এমন অবস্থায় না ঘুমানোর জন্য। পাহাড়ে এমন জায়গায় ঘুম পেলে সাইক্লিং বাদ দিয়ে এদিক সেদিক ঘুরাঘুরি করতে। কারন, যেখানে অক্সিজেন কম থাকে, তখন রক্তে ও মাস্তিষ্কেও অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে যা ঘুম থেকে মুত্যুর দিকে গড়িয়ে যায়। হাসপাতাল থেকে বিদায় নিয়ে হাসপাতালের কাছেই তাবুতে রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ি।
দিন ০৬: পাং থেকে লাতো
পরের দিন ঠিক ডক্তারের কথা মাথায় রেখেই সকাল ৭টায় আবার সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়ি। প্রথম ১০ কি:মি: সাইক্লিং করে ১৫৬০০ফিট উ”চতার মরি প্লেইন নামক স্থানে পৌঁছি। জায়গাটি দৈর্ঘ্যে ৪০কি:মি ও প্রস্থ্’ ৫০কি:মি: এর মত পাহাড়ে ঘেড়া সমতল ভূমি। প্রায় ৪০কি:মি: সাইক্লিং করে আবার ৬০০ফিট নিচে নেমে আসি। এখানে একটি ঝরনার পাশে পানি আর বিস্কুট খাবার সময় একটি খালি সামরিক গাড়ি এসে থামে। ড্রাইভার গাড়ি থেকে নেমেই তার চুলা, চাল, ডাল দিয়ে খিচুড়ি রান্না শুরু করে দেয়। সে আমাকে শুধু বিস্কুট খেতে দেখে তার খাবার খাওয়ার আমস্ত্রন জানায়। যেহেতু একা চলছি, তাই সেরকম ভারি খাবার বয়ে বেড়ানো একেবারেই অসম্ভব ছিল আমার জন্য। তার এক প্রস্তাবেই সাড়া দিয়ে দেই। মনে হচ্ছিল কত যুগ পরে একটু ভাল খাবার পেলাম। তারপর এখান থেকে আবার শুরু হয় ১৭৫৮০ফিট উচ্চতার তাংলাং চূড়ায় ওঠা। মাত্র ২১ কি:মি: পথ পাড়ি দিলেই পৌঁছে যাব সেই চূড়ায় পৃথিবীর দ্বিতীয় উচু সড়ক পথ। পাহাড়ি নদী, মেঘ, মেঘের ছায়া, বরফ ঢাকা পাহাড় এসব দৃষ্টিকাড়া সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে অবশেষে আমি তাংলাং চূড়ায়। এখান থেকে শুধুই নিচের দিকে নেমে যাওয়া লাতো পর্যন্ত। যতই নিচে নামছিলাম ততই মানুষের সভ্যতার চিহ্ন চোখে পড়ছিল। রুমপটসে, গয়া ও অন্যান্য ছোট ছোট গ্রাম এর পাশ দিয়ে পৌঁছে যাই লাতো। জায়গাটি এতই সুন্দর যে মনে হচ্ছিল সম্পূর্ন যাত্রায় এই জায়গাটিই সবচেয়ে সুন্দর। চারদিকে সবুজ গাছপালা ঘেরা ও পাহাড়ি নদীর পাশে এমনই একটি জায়গা তাবু করে থাকার জন্য উপযুক্ত স্থান। এরই সাথে মাথার ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছিল একটাই চিন্তা আর মাত্র ১ দিন আর তার পরই সেই স্বপ্ন পূর্ণ হবে।
দিন ০৭: লাতো থেকে লেহ
৭০কি:মি: মাত্র লেহ ও আমার মাঝে দূরত্ব। ১৫ কি:মি: পর্যন্ত নিচু পথ ধরে এগিয়ে যাওয়া উপসি পর্যন্ত। তারপর ৫০কি:মি: এ মত উচু নিচু পথ ধরে সাইক্লিং করে থিকসে নামক জায়গার দিকে এগুতে থাকি। পথে কারু নামক স্থানে ছোট একটি যাত্রা বিরতি নেই। কারু হচ্ছে সেই যায়গা যেখান থেকে পৃথিবীর তৃতীয় উচু সড়ক পথ চ্যাং লা যাওয়া যায় এবং একই রাস্তা ধরে যাওয়া যায় প্যানগং লেক যা কিনা ১৫০০০ফিট উচ্চতায় অবস্থিত। থিকসে পৌঁছে যাই স্বল্প সময়ের মধ্যেই। তারপর যে শহরটি আছে তা হচ্ছে চংলামসার যা লেহ থেকে মাত্র ৬কি:মি দূরে। ধীরে ধীরে সরকারি ভবন, স্কুল, মন্দির ইত্যাদি চোখে পড়তে থাকে। অবশেষে দুপুর ২টায় লেহ শহরে পৌঁছে যাই। শহরে পা রেখেই দুপুরের খাবার সেরে হোটেল খুজে বের করি এত দিন পর একটু আরাম করে এক রাত থাকার জন্য।
বিকেল বেলা বের হই কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি অনুমতি পত্র নেয়ার জন্য। অত্যন্ত হৃদয় বিদারক একটি খবর আমার মনকে একেবারেই ভেঙ্গে দেয়। তা হল বাংলাদেশীরা খারদুং লা যেতে পারবে না। মনে হল, আমরা আমাদের দেশের ভাবমূর্তি এতটাই নিচে নামিয়েছি যে আমরা যেতে পারব না। অবশেষে পরদিন ঠিকই সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়ি খারদুং লার পথে। যাই হোক অবশেষে খারদুং লা পৌঁছি। কিন্তু খারদুং লার চূড়ায় যাওয়ার পথেই একটি সামরিক ঘাঁটি থেকে ফিরে আসতে হয়। সান্তনা এতটুকুই যে, সেই চুড়াতে পৌঁছাতে না পারলেও সেই পৃথিবীর সর্বোচ্চ পথে তো গিয়েছি!
শুধু মানালি থেকে লেহ পর্যন্ত শুধু সাইক্লিং করে পৃথিবীর সর্বোচ্চ সড়ক পথে ওঠা নয়। বরং তার চাইতেও বেশি কিছু। এটা সেই সকল মানুষের পুরস্কার, যারা জীবন বাজি রেখে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ব্যতিক্রম কিছু করার ক্ষমতা রাখে। আর বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দেয় আমরা বাংলাদেশীরাও পারি সুযোগ পেলে ভাল, ব্যাতিক্রম কিছু করার।
দেশে ফিরে বন্ধু আর সহকর্মীদের যখন গল্প করছিলাম, তখন বুঝতে পেরেছি আমাদের ছোট্ট এই জীবনে আসলে কী অর্জন করেছি। নিজের চোখে পৃথিবীর অপরূপ রূপ দেখার অভিজ্ঞতার কাছে ১০ দিনেই কষ্ট এখন আর কিছুই মনে হয় না।
এবারের গন্তব্য নেপাল...
|
<urn:uuid:c2806f8c-7773-4d10-ac16-b5d41b42abe2>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.banglanews24.com/LifeStyle/detailsnews.php?nssl=2854
|
2014-04-23T17:32:01Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1398223203235.2/warc/CC-MAIN-20140423032003-00112-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999447
|
Beng
| 16
|
{"ben_Beng_score": 0.9994471669197083}
|
চিরায়ত প্রথায় বড় দিনের বানী দিয়েছেন পোপ বেনেডিক্ট – বাণীতে তিনি সিরিয়াসহ বিশ্বের কলহ বিক্ষুদ্ধ অঞ্চলগুলোয় শান্তি কায়েমের আহ্বান জানিয়েছেন ।
পৌপ তাঁর ঐ বাণীতে আজ বলেছেন – সিরিয়ার জনগনের জন্যে এ শান্তি বিকশিত হবে বসন্তে । সরকার বিরোধি অসন্তোষে দেশটিতে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ বিনাশ হয়েছে । সেইন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার ঝুল বারান্দায় দাঁড়িয়ে পৌপ তাঁর ঐ বাণী মারফত মালিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার ডাক দেন , যেখানে কিনা আল কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জঙ্গিরা দেশটির অংশ বিশেষ জবর দখল করে রেখেছে , ইসলামপন্থি উগ্রবাদিরা রক্তক্ষয়ি যুদ্ধ বাধিয়েছে যে নাইজিরিয়ায় , সেখানে শান্তি কায়েমের আহ্বান জানান তিনি । নিচে ঝুল বারান্দার সামনে সমবেত হাজার হাজার পুন্যার্থি পৌপের ঐ বানী শোনেন ।
নিস্পত্তি আলোচনার মধ্যে দিয়ে একটা সুরাহা খুঁজে নিতে সাহসিক পদক্ষেপ গ্রহনের জন্যে তিনি ইস্রাইল ও ফিলিস্তিনীদের প্রতি আহ্বান জানান – ধর্মমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যে আহ্বান জানান তিনি চীনের প্রতি ।
ওদিকে , পশ্চিম তটের বেথলেহেমে সারা বিশ্বের হাজার হাজার পর্যটক জমায়েত হয়েছেন বড়দিন উপলক্ষে । খৃস্ট ধর্মানূসারীদের বিশ্বাস যিশূ খৃস্টের জন্ম হয়েছিলো এই বেথলেহেম শহরেই । এই গেলো মাসেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অ-সদস্য রাষ্ট্র রূপে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি জানাতে ভোট-অনুমোদন প্রদান করে । বাত্সরিক বড়দিন-পূর্ব হিতোপদেশ বয়ানে এলাকার শীর্ষ ক্যাথোলিক যাজক ফুয়াদ তোয়াল ফিলিস্তিনীদের ঐ অর্জনে হর্ষ ব্যক্ত করেন এবং অঞ্চলটির সীমাহিন বিরোধের নিরসনকল্পে ইস্রাইলীদের সঙ্গে মিলে কাজ করার জন্যে ফিলিস্তিনীদের প্রতি আহ্বান জানান ।
হিমেল আবহাওয়ার মধ্যেও বড়দিনের উত্সব বেশ গভীর রাত অবধিই চলতে থাকে । পর্যটকদের অনেকেই এ উত্সবকে হৃদয়স্পর্শি বলে অভিহিত করেন ।
|
<urn:uuid:af9817c3-cbe8-49e1-ac17-6b8cbe046c6e>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.voabangla.com/content/christmas/1572002.html
|
2014-04-19T17:09:25Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609537308.32/warc/CC-MAIN-20140416005217-00384-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999647
|
Beng
| 40
|
{"ben_Beng_score": 0.9996473789215088}
|
আমার একান্ত ইচ্ছে গণমানুষের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রনয়নকে সহযোগীতা করা , এক্ষেত্রে দারিদ্র্য বিমোচনকল্পে দারিদ্রের উৎস জানতে একটি গবেষণাগার স্থাপন করে হস্তশিল্প ও কৃষিশিল্পের উৎকর্ষ সাধনে হস্ত ও কৃষিজ শিল্পের খুচরা যন্ত্রাংশের সহজপ্রাপ্তি বা কৃষি সরঞ্জাম ও সার-বীজের সহজলভ্যতা অর্জণ সেই সঙ্গে সেচের জন্য নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎপ্রাপ্তি ও তার মুল্য নাগালের মধ্যে রেখে উৎপাদিত পণ্যের বাজারমূল্য নিশ্চিত করে পণ্য সংরক্ষণের জন্য সুলভে হিমাগার পাওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান এবং উৎপাদিত পণ্য শহরে বিপণনের জন্য উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রণয়ন, এবং পরিবহন চাঁদাবাজী ও পুলিশি বখরা বন্ধে প্রশাসনের নজরদারীর জোরদারের পাশাপাশি বেকার চাঁদাবাজদের বিকল্প কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ পুলিশের বেতন বৃদ্ধিতে সরকারকে উৎসাহিত করা যেতে পারে ।
তাছাড়া পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধ করে বিষয়ভিত্তিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের উন্নয়নে যুবসমাজের জন্য নানাবিধ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের উদ্দ্যোগী মনোভাবকে কাজে লাগানো সম্ভব ।
পরিবারের উপার্জনশীল ব্যক্তির অকাল মৃত্যুতে উদ্ভুত অচলাবস্থা মোকাবিলায় সরকারী প্রকল্পের আওতায় পারিবারিক বীমা প্রণয়ন , শিক্ষার হার বৃদ্ধিকল্পে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, এবং নারী শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ সরকারী অনুদান অব্যাহত রেখে ধর্মীয় শিক্ষার আধুনিকিকরণকল্পে বিনামুল্যে পুস্তক ও কম্পিউটার সামগ্রী সরবরাহসহ বিভিন্ন আর্থিক সাহায্যের মধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষাকে ইতিবাচক পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে ধর্মীয় মূল্যবোধকে উজ্জীবিত করতে নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারী ও বেসরকারীভাবে গৃহিত পদক্ষেপকে উৎসাহিত করতে সরকারের নাগরিক ফোরামে তুলে ধরা যেতে পারে ।
|
<urn:uuid:df67718f-287b-49a0-bcc9-478fd1bb8ef3>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.bodlejaobodledao.com/archives/14656
|
2014-04-16T07:13:47Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609521558.37/warc/CC-MAIN-20140416005201-00304-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999354
|
Beng
| 10
|
{"ben_Beng_score": 0.9993541836738586}
|
ইকুয়েডর ২৮শে নভেম্বর, ২০১২ বুধবার নিষ্কলুষ দক্ষিণ-কেন্দ্রীয় আমাজনের সংরক্ষিত অঞ্চলের প্রায় এক কোটি একর এলাকায় ১৩টি তেল ব্লকের জন্যে একটি আন্তর্জাতিক লাইসেন্স প্রদানের আলোচনা শুরু করেছে। এতে আদিবাসী নেতারা তাদের জমিতে পেট্রোলিয়াম অনুমোদনের প্রতিবাদ করার জন্যে রাস্তায় নেমে এসেছে।
শত শত আদিবাসী বিক্ষোভকারীরা লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়ার শুরু করা একাদশতম তেল এবং শক্তি সম্পর্কিত সভা চলার সময় জে.ডাব্লিউ. ম্যারিয়ট হোটেলের বাইরে জড়ো হয়েছে।
ইকুয়েডরের আদিবাসীদের জাতীয়তাসমূহের কনফেডারেশন (কোনাইয়ে) এবং আমাজনের আদিবাসী জাতীয়তাসমূহের কনফেডারেশন (কনফেনাইয়ে) আয়োজিত প্রতিবাদে সাতটি আদিবাসী জাতীয়তার প্রতিনিধিরা অনুমতি দানের প্রক্রিয়া এবং ড্রিলিংযের সম্ভাব্য পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব বিষয়ে আলোচনা না করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আমাজনওয়াচ (আমাজন প্রহরী) রিপোর্ট করেছে যে আদিবাসী বিক্ষোভকারীদের উপর সামরিক বাহিনী, পুলিশ, বেসরকারী নিরাপত্তা বাহিনী এবং মরিচের গুড়ার আক্রমণ হয়েছে। আমাজনওয়াচ তাদের ওয়েবসাইটে মখোমুখি সংঘাতের বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছে।
পৃথিবী দ্বীপ অনুসারে, কনফেনাইয়ে অভিযোগ করেছে যে হাইড্রোকার্বন সংক্রান্ত সহকারী সচিব অনুমতি ছাড়াই অক্টোবর মাসে আচুয়ার, কিচওয়া এবং সাপারা আদিবাসী সম্প্রদায়ের ভিতরে প্রবেশ করে স্থানীয় লোকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা অনুষ্ঠিত করেছে। তবে কনফেনাইয়ে সম্প্রদায়গুলোর বৃহত্তর সিদ্ধান্ত-গ্রহণ কাঠামোর পরিবর্তে বাছাই করে কিছু ব্যক্তি যুক্ত করায় এই আলোচনাগুলোকে অবৈধ বলেছে।
এই বছর অক্টোবর মাসের শুরুতে ব্লগার ইকুয়াচাস্কি [স্প্যানিশ ভাষায়] রিপোর্ট করেছেন যে আচুয়ার, শিউইয়ার, সাপারা এবং কিচওয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের নেতারা একটি সংবাদ সম্মেলন করে ঘোষণা করেছে যে তারা তাদের জমিতে পেট্রোলিয়াম শিল্পকে প্রবেশের অনুমতি দিবে না। সভাটির অডিওটিও [স্প্যানিশ ভাষায়] পাওয়া যাচ্ছে।
বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠন একাদশতম তেল আলোচনা সম্পর্কে কয়েকটি নেতিবাচক ঘোষণা দেওয়া সত্ত্বেও কোড়িয়া সরকার তাদের উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
২৮শে নভেম্বর তারিখে অনলাইনে প্রকাশিত একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে [স্প্যানিশ ভাষায়] কোনাইয়ে এবং কনফেনাইয়ে লিখেছে:
Las nacionalidades indígenas situadas en el centro sur de la Amazonia: Kichwas Amazónicos, Shuar, Achuar, Shiwiar y Sáparas, rechazaron la decisión unilateral del régimen de licitar bloques petroleros mediante la llamada XI Ronda e instaron a que esta sea suspendida de inmediato.
আমাজনের দক্ষিণ-কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত আদিবাসী জাতীয়তা: কিচওয়া, শুয়ার, আচুয়ার, শিউইয়ার, এবং সাপারারা শাসকগোষ্ঠীর তথাকথিত ১১তম আলোচনার সময় পেট্রোলিয়াম ব্লকগুলো নিলামে তোলার একতরফা সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে অবিলম্বে এটি স্থগিত করার জোর পরামর্শ দিয়েছে।
উপরন্তু, সংগঠনগুলো জোর দিয়ে বলেছে যে সরকারের আলোচনা স্থানীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিয়মকে তোয়াক্কা করেনি এবং এতে স্থানীয় ভাষায় সঠিক পদ্ধতির অভাব রয়েছে।
যোগাযোগটিতে কনফেনাইয়ে সভাপতি ফ্রাংকো ভিতেরির নিচের উদ্ধৃতিটিও রয়েছে:
“…Estamos unidos y nos oponemos totalmente a la XI Ronda Petrolera. El avance de la frontera petrolera en nuestro territorio representa el fin de nuestra forma de vida y puede significar el fin de nuestras vidas.
“… আমরা একতাবদ্ধ এবং সম্পূর্ণভাবে ১১তম তেল আলোচনার বিরোধিতা করি। আমাদের সংরক্ষিত অঞ্চলগুলোতে তেল উত্তোলনের মানে হলো আমাদের জীবনযাত্রার অবসান এবং এর মানে আমাদের নিজেদের জীবনগুলোরও শেষ হতে পারে।”
ওপেক (পেট্রোলিয়াম রপ্তানীকারক দেশগুলোর সংস্থা)-এর ক্ষুদ্রতম সদস্য হিসেবে ইকুয়েডরের জন্যে, একটি রাষ্ট্রের জন্যে তেল শিল্প গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস হিসেবে বিবেচিত। রয়টার্স রিপোর্ট করেছে যে সরকার ১৩টি ব্লক থেকে অন্ততঃ ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ আশা করে। গত কয়েক বছর ধরে দেশটির তেলের উৎপাদন প্রতিদিন প্রায় ৫ লক্ষ ব্যারেল হওয়ায় নবায়ন অযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী উইলসন দেশের আরো দশ বছর টিকে থাকার জন্যে প্রতিদিন ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ব্যারেলে তেল উৎপাদন উন্নীত করার আশা করেন।
নতুন আমাজনীয় অনুমোদনগুলোর নিলাম উপস্থাপন করার জন্যে কোম্পানীগুলোর হাতে ছয় মাস সময় রয়েছে। সরকার আশা করছে চুক্তিগুলো ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরের পূর্বেই স্বাক্ষরিত হবে।
“আমরা একটি অসঙ্গতির মধ্যে বসবাস করছি”
দেশের মধ্যে একাদশতম তেল আলোচনা এখনো চলতে থাকলেও এটি ইয়াসুনি জাতীয় পার্কের ইশপিঙ্গো-তাম্বোকচা-তিপুতিনি (আইটিটি) এলাকায় তেল রেখে দেওয়ার অর্থায়নের পথ খুঁজছে। সরকারী উদ্যোগটি [স্প্যানিশ ভাষায়] সরকার, ফাউন্ডেশন এবং ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে ১৮ কোটি ৭০ লক্ষ ডলারের প্রতিশ্রুতিসহ ৬ কোটি ৪০ লক্ষ ডলার আকৃষ্ট করেছে। সম্প্রতি প্রকল্পটির আলোচক কমিটির প্রধান ইভোনী বাকি বলেছেন:
ইকুয়েডর তেলে উপর নির্ভর করতে চায় না বলে এই জন্যে নির্ভরতা কমাতে চায়। তেলের দেশগুলো অভিশপ্ত। উন্নয়নশীল দেশগুলো এর উপর এতো বেশি নির্ভর করে যে তারা অন্য কোন কিছুর উন্নয়ন করতে চায় না। এটা দুর্নীতির বংশ বিস্তার করে এবং মূল্য চুকাতে হয় দরিদ্রদের। একমাত্র সুবিধাটি ঐতিহ্যগতভাবেই অভিজাতদের কাছে চলে যায়।
নভেম্বরে রেবেলিওন (বিদ্রোহ) [স্প্যানিশ ভাষায়] এর সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে কনফেনাইয়ে সভাপতি ফ্রাংকো ভিতেরি বর্তমান কোড়িয়া প্রশাসনের অসঙ্গতিটিকে তুলে ধরেছেন:
Cierto, vivimos efectivamente en una contradicción. Mientras se esboza un discurso ecologista en los ámbitos internacionales, el gobierno del presidente Rafael Correa ha lanzado la XI Ronda Petrolera.
আমরা কার্যকরভাবেই একটি অসঙ্গতির মধ্যে বসবাস করছি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিমণ্ডলে পরিবেশবিদদের একটি আলোচনার রূপরেখা টানার পরও রাষ্ট্রপতি রাফায়েল কোড়িয়া একাদশতম তেল আলোচনা শুরু করেছেন।
এই বছরের ২৬শে অক্টোবর তারিখে এই স্ববিরোধিতাটি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ান আইন রিসোর্স কেন্দ্র সরকারের উচ্চস্তরের বন সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি এবং আদিবাসীদের পূর্ব-পুরুষের ত্রিশ লক্ষ হেক্টর তেল (৩ হাজার বর্গ কিলোমিটার) জমি তেল উন্নয়নের জন্যে উন্মুক্ত করার পরিকল্পনার মধ্যেকার অসঙ্গতিটি উল্লেখ করে জাতিসংঘের কয়েকজন জলবায়ু পরিবর্তন কর্মকর্তাকে একটি চিঠি পাঠায়। তারা রিপোর্ট করেছে যে অনুমোদন প্রক্রিয়াটিতে জমিগুলো বৃক্ষশূন্য না করার জন্যে আদিবাসীদের অর্থায়ন করা সোশিওবস্ক নামের ইকুয়েডরীয় একটি কর্মসূচীর অধীনে থাকা আদিবাসীদের জমি রয়েছে। চিঠিটিতে অনুমোদনের প্রক্রিয়াটির বৈধতাকে প্রশ্ন করেছেন যেটি আদিবাসী জনগণের মুক্ত, প্রাথমিক এবং জ্ঞাত সম্মতি ছাড়া অগ্রসর হয়েছে।
কপ (পক্ষসমূহের সম্মেলন) ১৮
কাতারের দোহায় ইকুয়েডরের পরিবেশ মন্ত্রণালয় [স্প্যানিশ ভাষায়] অংশ গ্রহণ করা জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের (কপ১৮) পটভূমিতে বর্তমান তেল অনুমোদনটি ঘটেছে। সম্মেলনটি ২৬শে নভেম্বর শুরু হয়ে ৭ই ডিসেম্বর তারিখে শেষ হয়েছে।
আন্তঃপ্রাদেশিক আন্তর্জাতিক ফেডারেশন স্কুয়ার কেন্দ্রসমূহের সভাপতি ফ্রান্সিসকো শিকিসহ ইকুয়েডরীয় আমাজনের কয়েকজন আদিবাসী নেতা ইকুয়েডরের একাদশতম তেল আলোচনাটিকে কপ১৮-তে নিয়ে এসেছে।
ফুন্দাসিওন (ফাউন্ডেশন) পাচামামা [স্প্যানিশ ভাষায়] অনুসারে, এসব নেতারা আন্তর্জাতিক মিত্রদের সরকারের “ইকুয়েডরের পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা অঙ্গীকার সমুন্নত রাখার রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব”কে নিন্দা জানানোর আহবান জানিয়েছে।
বহুজাতিক তেল কোম্পানির সঙ্গে আইনি সংগ্রাম করতে গিয়ে বিখ্যাত ইকুয়েডরের একটি আদিবাসী গোষ্ঠী সারাইয়াকুর তিনজন নেতাও এই বিক্ষোভে যোগদান করেছে। সম্প্রতি তারা আমাজনওয়াচের ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত একটি ভিডিও পিটিশন সংকলিত করেছে।
একাদশতম তেল আলোচনায় বর্তমানে তাদের জমি অন্তর্ভুক্ত না থাকলেও সরকার সারাইয়াকু (কিচওয়া) সংরক্ষিত অঞ্চলেরগুলিসহ আরো পাঁচটি ব্লক নিলামের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সারাইয়াকু জনগণের ব্লগে [স্প্যানিশ ভাষায়] সরকারের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন ১৬৯ অথবা ইকুয়েডরের সংবিধান অনুসারে আদিবাসী জনগণের মুক্ত, প্রাথমিক এবং জ্ঞাত সম্মতি নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গতি না থাকা পূর্ববর্তী “আলোচনাগুলোর” সমালোচনা করে কোড়িয়া প্রশাসনের কাছে পাঠানো কয়েকটি যৌথ চিঠি রয়েছে।
আদিবাসী সংগঠণগুলো ইকুয়েডরের পরিবেশগত কর্মসূচী, এর আদিবাসী জনগণের অধিকার রক্ষার সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি এবং চলমান একাদশতম তেল আলোচনায় আদিবাসীদের নিষ্কলুষ জমি ছাড়ের মধ্যেকার অসঙ্গতির প্রতি দৃষ্টি মনোযোগ আকর্ষণের জন্যে ডিসেম্বর মাসব্যাপী প্রতিবাদ অব্যহত রাখার পরিকল্পনা করেছে।
|
<urn:uuid:658e0a4f-0105-4b5c-b565-8f9f00fc51a9>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://bn.globalvoicesonline.org/2012/12/18/33781/
|
2014-04-17T18:25:27Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609530895.48/warc/CC-MAIN-20140416005210-00336-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998709
|
Beng
| 46
|
{"ben_Beng_score": 0.9987094402313232}
|
1আহা, তুমি যদি আকাশ চিরে নেমে আসতে! যদি পাহাড়-পর্বত তোমার সামনে কাঁপত! 2আগুন যেমন ডালপালা জ্বালায় আর জল ফুটায় তেমনি তুমি নেমে এসে তোমার শত্রুদের কাছে নিজেকে প্রকাশ কর, যেন জাতিগুলো তোমার সামনে ভয়ে কাঁপে। 3আমরা যা আশা করি নি তেমন ভয় ও ভক্তি জাগানো আশ্চর্য কাজ যখন তুমি করেছিলে তখন তুমি নেমে এসেছিলে আর পাহাড়-পর্বত তোমার সামনে কেঁপেছিল। 4সেই আগেকার কাল থেকে তুমি ছাড়া আর কোন ঈশ্বরের কথা কেউ কানেও শোনে নি চোখেও দেখে নি, যিনি তাঁর অপেক্ষাকারীর জন্য কাজ করে থাকেন। 5যারা ঈশ্বরের ইচ্ছামত কাজ করতে আনন্দ পায় আর তোমাকে স্মরণ করে তোমার পথে চলে তাদের সাহায্য করবার জন্য তুমি এসে থাক; কিন্তু আমরা পাপ করেছি ও অনেক দিন ধরে সেই অবস্থায় আছি বলে তুমি আমাদের উপর ভীষণ রাগ করে আছ। তাহলে আমরা কেমন করে উদ্ধার পাব? 6আমরা প্রত্যেকে অশুচি লোকের মত হয়েছি আর আমাদের সব সৎ কাজ নোংরা কাপড়ের মত। আমরা সবাই পাতার মত শুকিয়ে গেছি, আমাদের পাপ বাতাসের মত করে আমাদের উড়িয়ে নিয়ে গেছে। 7কেউ তোমাকে ডাকে না কিম্বা মিনতি করতে কেউ তোমার কাছে আসে না, কারণ আমাদের দিক থেকে তুমি তোমার মুখ ফিরিয়ে রেখেছ আর আমাদের পাপের জন্য আমাদের ধ্বংস হয়ে যেতে দিচ্ছ। 8তবুও, হে সদাপ্রভু, তুমিই আমাদের পিতা। আমরা মাটি, তুমি কুমার; আমরা সবাই তোমার হাতের কাজ। 9হে সদাপ্রভু, তুমি এত বেশী রাগ কোরো না; আমাদের পাপ চিরকাল মনে রেখো না। আমরা মিনতি করছি, তুমি আমাদের দিকে তাকাও, কারণ আমরা সবাই তোমারই লোক। 10তোমার পবিত্র শহরগুলো মরু-এলাকা হয়ে গেছে; এমন কি, সিয়োনেরও সেই অবস্থা হয়েছে, হ্যাঁ, যিরূশালেম জনশূন্য হয়েছে। 11আমাদের পূর্বপুরুষেরা যেখানে তোমার প্রশংসা করতেন আমাদের সেই পবিত্র ও গৌরবময় উপাসনা-ঘর আগুনে পুড়ে গেছে আর আমাদের পছন্দনীয় যা কিছু ছিল ধ্বংস হয়ে গেছে। 12হে সদাপ্রভু, এই সবের পরেও কি তুমি বসে থাকবে? তুমি কি চুপ করে থেকে আমাদের ভীষণ শাস্তি দেবে?
Isaiah 64
|
<urn:uuid:ae638e88-ff67-4935-955c-3583ab73b858>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.bible.is/BNGCLV/Isa/64
|
2014-04-17T18:31:22Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609530895.48/warc/CC-MAIN-20140416005210-00336-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999969
|
Beng
| 20
|
{"ben_Beng_score": 0.9999686479568481}
|
ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান
|এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। (মার্চ ২০১০)|
ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান (ইংরেজি: Historical linguistics) ভাষার পরিবর্তন ও তার পরিণামের গবেষণা। ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান শাখাটির মাধ্যমেই একটি আধুনিক শাস্ত্র হিসেবে ভাষাবিজ্ঞানের গোড়াপত্তন ঘটেছিল। ১৭৮৬ সালে অপেশাদার ভাষাবিদ স্যার উইলিয়াম জোনস গ্রিক, লাতিন ও সংস্কৃতের তুলনা করে এদের একটি সাধারণ পূর্বসূরী ভাষা তথা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাপরিবারের অস্তিত্ত্ব সম্পর্কিত অনুকল্প দাবী করেছিলেন; এই সালকেই ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞানের জন্মবছর হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে একই সময়ে কিছু হাঙ্গেরীয় ভাষাবিদ ফিনীয় ভাষার সাথে হাঙ্গেরীয় ভাষা ও অন্যান্য উরালীয় ভাষা যে একই ভাষাপরিবারের অন্তর্গত, তা প্রস্তাব করেছিলেন।
১৯ শতকের প্রায় পুরোটা জুড়ে ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান ব্যাপকভাবে অধীত ও গবেষিত হয়। বেশির ভাগ ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞানীই ছিলেন জার্মান কিংবা জার্মানিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। এরা ছিলেন তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞানী। তারা সমসাময়িক বিভিন্ন ভাষার মধ্যে তুলনা করে তাদের বংশ-ইতিহাস বের করার চেষ্টা করতেন। ১৯শ শতকে শেষে এসে কিছু তরুণ ভাষাবিজ্ঞানী দাবী করেন যে কালের সাথে ধ্বনি পরিবর্তন সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে; অর্থাৎ যেকোন ভাষায় নির্দিষ্ট প্রতিবেশে একটি প্রদত্ত ধ্বনি একই নিয়মে পরিবর্তিত হয়। "নব্যব্যাকরণবিদদের" এই অনুকল্প ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞানে বিপ্লব আনে, এবং পরবর্তী একশ বছর ধরে এটি অমোঘ নিয়ম হিসেবেই বিবেচিত হয়।
তবে ইদানিং ভাষার পরিবর্তন বিষয়ক গবেষণায় কিছু চাঞ্চল্যকর উপাত্ত বেরিয়ে এসেছে, যা নব্যব্যাকরণবিদদের প্রস্তাবের সাথে ঠিক খাপ খায় না। ভাষা বৈচিত্র্য (vairation) ও ভাষার পরিবর্তনের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। ফলে ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞানের গবেষণাও একটি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে।
|এই ভাষাবিজ্ঞান বিষয়ক নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন।|
EXTERNAL REFERENCE
|
<urn:uuid:166eb7d0-3684-4883-849b-6ac7387bf2c7>
|
CC-MAIN-2014-15
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
|
2014-04-21T14:44:45Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609540626.47/warc/CC-MAIN-20140416005220-00432-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998579
|
Beng
| 96
|
{"ben_Beng_score": 0.9985787868499756}
|
কুমিল্লা পোল্ট্রি শিল্প হুমকির মুখে
স্টাফ রিপোর্টার।। কুমিল্লায় ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত চোরাইপথে রোগাক্রান্ত ব্রয়লার মুরগির ডিম ও বাচ্চা আমদানির ফলে হুমকির মুখে পড়েছে কুমিল্লা পোল্ট্রি শিল্প। অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে ভারতীয় ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা পাওয়ায় দেশীয় হ্যাচারির বাচ্চা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী ও খামারিরা। ফলে দেশীয় খামারের বাচ্চা বিক্রি না হওয়ায় বন্ধ হতে বসেছে ব্রিডারফার্ম, বেকার হয়ে পড়ছেন শত শত শ্রমিক। এছাড়াও অধিকাংশ পোল্ট্রি মালিকরা ফার্ম অন্যত্র ভাড়া দিয়ে বিদেশে চলে গেছেন। ফার্ম ভাড়া নিয়েও মুরগী পালনে করতে বরাবরই হিমশিম খাওয়ার কারণে গুটিয়ে নিয়েছে পোল্ট্রি ফার্ম। সূত্র জানায়, কুমিল্লার পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ রোগাক্রান্ত মুরগির বাচ্চা ও ডিম অবৈধভাবে দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ১২৫ কিলোমিটারের ৫টি উপজেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সীমান্তবর্তী হওয়ায় কুমিল্লা জেলাসহ উপজেলায় এ সব মুরগির বাচ্চা ও ডিমের বিশাল মার্কেট গড়ে উঠেছে। অবৈধ পথে আসা ভারতীয় রোগাক্রান্ত মুরগির বাচ্চা বিক্রি করে অধিক মুনাফা পাওয়ায় ডিলাররা দেশীয় মুরগির বাচ্চা বিক্রয় বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে কুমিল্লা মুরগী ফার্মে বাচ্চা উৎপাদনকারী খামারও প্রায় বন্ধের পথে। তবে মুরগির বাচ্চা অবৈধভাবে কুমিল্লা প্রবেশ করেছেন বেশির ভাগ কুমিল্লা সদর সদর দক্ষিণের সদর উপজেলার শিবেরবাজার, তেলকুপিবাজার, নিশ্চিন্তপুর, অরণ্যপুর, বিবির বাজার, গোলাবাড়ি, শাহপুর, সংরাইশ, সাহাপাড়া, সদর দক্ষিণের বৌয়ারা বাজার, সূর্যনগর, একবালিয়া, লক্ষ্মীপুর, তালপট্টি, সুবর্ণপুর, ভাটপাড়া, কালিকাপুর, দরিবটগ্রাম, নালবাগ, কনেশতলা, মথুরাপুরসহ তালকাটা বেড়া নেই এসব স্থান দিয়ে প্রতিনিত মুরগির বাচ্চা আসছে। কুমিল্লার বালুতুপা এলাকার পোল্ট্রি খামারি জাবেদ, জাহিদ, রিপন জানায়- মরগির বাচ্চা অতিরিক্ত দামের কারণে এ ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেছি। দেশীয় হ্যাচারির মুরগির বাচ্চার দাম প্রতিটি ৭৫-৮০টাকা। অপর দিকে ভারতীয় বাচ্চার দাম ৪০-৪৫ টাকা। ভারতীয় বাচ্চার দাম কম হওয়ায় বাচ্চা নিচ্ছেন। তিনি আরো জানান, বেশি দাম দিয়ে দেশীয় হ্যাচারির মুরগির বাচ্চা ক্রয় করে বিক্রির সময় দাম না পাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। ফলে আমরা ছাড়াও অধিকাংশরাই মুরগি খামার ব্যবসা গুটিয়ে ফেলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ডিলার ভারতীয় মুরগির বাচ্চা বিক্রির কথা স্বীকার করলেও মুরগির বাচ্চা রোগাক্রান্ত এ কথা স্বীকার করেননি। তিনি জানান- পোল্ট্রি খামারিদের ব্যবসায় ধরে রাখতে বাধ্য হয়েই তারা কম দামের ভারতের বাচ্চা খামারিদের সরবরাহ করছেন। অথচ আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বার্ডফু আক্রান্ত কোনো দেশ থেকে বাচ্চা, গোশত, ডিম ও আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে চোরাই পথে মুরগির বাচ্চা ও ডিম এনে দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পকে হুমকির মধ্যে ফেলেছে। এ বিষয়ে কুমিল্লা পোল্ট্রি ব্যবসায়ী ভাই ভাই হ্যাচারীর মালিক আরিফ জানায়- কুমিল্লা-ভারত খুব কাছাকাছি হওয়ায় এবং সীমান্ত দিয়ে অধিকাংশ স্থানে তার কাটার বেড়া না থাকার কারণে বিজিবি সদস্যদের ফাঁকি দিয়ে রাতের আধারে সুকৌশলে কম মূল্যে রোগাক্রান্ত মুরগির বাচ্চা কুমিল্লায় প্রবেশ করার কারণে বাংলাদেশের মুরগির হ্যাচারিগুলোও আজ পথে বসেছে। কম মূল্যে এবং রোগাক্রান্ত বাচ্চাদের প্রতি জুগছে পোলট্রি মালিকরা। তিনি জানান, খাদ্য ভ্যাকসিন মেডিসিন দেশে তেমন উৎপন্ন না হওয়ায় বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, ফলে বাচ্চা উৎপাদন খরচ বেশি হচ্ছে। তিনি দাবি করেন ভারত বেশি দিন এই মূল্যে বাচ্চা সরবরাহ করতে পারবে না। ফলে কুমিল্লা পোলট্রির শিল্প ধ্বংস করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কম দামে বাচ্চা সরবরাহ করছে। এ বিষয়ে বিজিবি এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান- কুমিল্লার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় মুরগির বাচ্চা প্রবেশ করছে না। আমরা সবসময় প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছি। তবে অন্য কোনো বর্ডার এলাকা দিয়ে বাচ্চা প্রবেশ করছে কি না তা আমার জানা নেই। এ বিষয়ে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
|
<urn:uuid:7c9fa1c4-90e0-4ed5-b042-3e2d2fef66d8>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.comillarkagoj.com/details.php?p_id=&n_id=9807
|
2014-04-24T11:01:46Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1398223206120.9/warc/CC-MAIN-20140423032006-00464-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999267
|
Beng
| 13
|
{"ben_Beng_score": 0.9992665648460388}
|
আজ সারাদিন: ঢাকা ও চট্টগ্রাম
comments powered by
ঢাকা:
হুমায়ূন আহমেদের ৬৩তম জন্মদিন উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের একক মেলার উদ্বোধন, বিকেল সাড়ে ৩টায়, স্থান পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে।
চট্টগ্রাম:
আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ: ৩ দিনব্যাপী ফরাসি কমিক চলচ্চিত্র উৎসবের দ্বিতীয় দিনে আজ সন্ধ্যা ৭টায় জঁ মিশেল রিব পরিচালিত ‘জাদুঘরের উঁচুতে, জাদুঘরের নিচে’ প্রদর্শিত হবে।
আওয়ামী লীগ, বন্দর থানা: মুক্তিযোদ্ধা শেখ দেলোয়ারের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচি। এর মধ্যে আছে আলোচনা সভা, কবর জেয়ারত ও মিলাদ মাহফিল।
খানকায়ে কাদেরিয়া সৈয়দিয়া তৈয়বিয়া: নগরীর বলুয়ার দীঘির পাড়ের খানকা প্রাঙ্গণে আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়ব শাহের বার্ষিক ওরস দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
|
<urn:uuid:c3410b2d-9812-48f7-ab6f-ae51d5761343>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.banglanews24.com/LifeStyle/detailsnews.php?nssl=2612
|
2014-04-19T22:07:16Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609537754.12/warc/CC-MAIN-20140416005217-00056-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998707
|
Beng
| 20
|
{"ben_Beng_score": 0.9987067580223083}
|
বিশ্বরেকর্ড গড়ে বাবার অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ রুদিশার
সংবাদ সংস্থা
লন্ডন, ১১ই আগস্ট— বাবার অপূর্ণ স্বপ্ন পূর্ণ করার সঙ্কল্প নিয়ে লন্ডনে পা রেখেছিলেন তিনি। ফিরলেনও লক্ষ্য জয় করে। সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় লিখে রেখে গেলেন নিজের নাম— ডেভিড রুদিশা। শুধু সোনাই জিতলেন না, সেই দুরন্ত অভিযানে বিশ্বরেকর্ডও গড়ে ফেললেন কেনিয়ার এই দৌড়বিদ। নিজের আলোকিত পারফরম্যান্সকে উৎসর্গ করলেন বাবা ড্যানিয়েল রুদিশাকে।
আসরে উসেইন বোল্টের আবির্ভাবের তখনও ঢের বাকি। কিন্তু লন্ডনের ওলিম্পিক্স পার্ক স্টেডিয়াম সেই রোমাঞ্চে কাঁপতে শুরু করে দিয়েছে। বোল্ট পারবেন? পারলেই ইতিহাস! আর সেই ইতিহাসের প্রত্যক্ষদর্শী হওয়ার শিহরণ! তারই মাঝে বোল্টের জন্য সাজিয়ে রাখা মঞ্চে হাজির হলেন তিনি। খানিক বাদে যে আলোয় উদ্ভাসিত হবেন বোল্ট, সেই আলো আগেই গায়ে মাখলেন ডেভিড রুদিশা। বাবার অতৃপ্ত স্বপ্নপূরণের দায়ভার নিয়ে ওলিম্পিক্সের লাল ট্র্যাকে পা রাখা কেনিয়ান যুবক গড়ে ফেললেন ইতিহাস। নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ে জিতলেন পুরুষদের ৮০০মিটার দৌড়ের সোনা। সময় নিয়েছেন এক মিনিট ৪০.৯১সেকেন্ড। এই প্রথম ৮০০মিটারে মিনিটের পর সেকেন্ডের ঘরে চল্লিশে কেউ নামিয়ে আনলেন সময়।
২৩বছর বয়সী রুদিশার এমন পারফরম্যান্স আদৌ অপ্রত্যাশিত নয়। ৮০০মিটারের সেরা দশটি টাইমিংয়ের মধ্যে ছয়টিই এই কেনিয়ানের দখলে। উইলসন কিপকেটারের ১৩বছরের পুরানো রেকর্ড ভেঙেছিলেন ২০১০সালে। নিজের সেই রেকর্ড নতুন করে মুছে লিখতে বেশি দিন সময় নেননি তিনি। ওই বছরের আগস্টে মাত্র সাতদিনের ব্যবধানে নিজের বিশ্বরেকর্ড ভেঙেছিলেন দু’বার। তার দুই বছর পর আরেক আগস্টে খোদ ওলিম্পিক্সের আসর সাক্ষী থাকলো তাঁর নয়া কীর্তির। ৮০০মিটারে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে সোনা জেতার সর্বশেষ কীর্তিটি ৩৬বছর আগের। তাই ৮০০মিটারের ফাইনালটাই ‘সর্বকালের সেরা’ হয়ে গেল কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। কারণ, ফাইনালে দৌড়ানো আটজনের প্রত্যেকেই হয় নিজের সেরা টাইমিং কিংবা মরসুমের সেরা কিংবা জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন। এক মিনিট ৪১.৭৩ সেকেন্ড টাইমিং নিয়ে রুপো জিতেছেন বোতসোয়ানার নাইজেল অ্যামস। ব্রোঞ্জ গিয়েছে রুদিশারই সতীর্থ টিমোথি কিটুমের দখলে।
ঐতিহাসিক সোনা জয়ের পর রুদিশা জানান, ইভেন্টের দিন সকাল থেকেই নাকি তাঁর মন বলছিল, কিছু একটা হবে। ‘আমি যে জিতব, এ নিয়ে কোনো সংশয় আমার মনে ছিল না। শুধু বিশ্বরেকর্ড ভাঙার জন্য ভালো একটা কন্ডিশনের অপেক্ষায় ছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলাম আবহাওয়া দুর্দান্ত। মনে হলো, স্পেশাল কিছু করেও ফেলতে পারি,’ বলছেন নায়ক।
এমনিতেই কেনিয়ার মাসাই গোষ্ঠীর দৌড়ের ট্র্যাকে যথেষ্ট সুনাম আছে। তা ছাড়া দৌড় তাঁর রক্তেই। বাবা ড্যানিয়েল রুদিশা ১৯৬৮-র ওলিম্পিক্সে ৪x৪০০ মিটার রিলেতে রুপো জিতেছিলেন। মা নাওমিও ছিলেন ৪০০মিটারের হার্ডলার। বাবাই তাঁর গুরু। ট্র্যাকে নামার আগে ঘুরেফিরে বাবার কথাই ভাবছিলেন অনুগত ছেলে। বলছেন, ‘রেস শুরুর আগে মনে হয়েছিল, দেশে বাবা টিভিতে কিভাবে আমাকে দেখছেন। তিনি তো আর এখানে আসতে পারেননি। তিনি সব সময়ই আমাকে উৎসাহ জুগিয়েছেন। তিনি না থাকলে আজ এ পর্যন্ত আসতেই পারতাম না। তিনি আমার কাছে অনেক বড় অনুপ্রেরণা। সব সময়ই স্বপ্ন দেখেছি ওলিম্পিক্সে তাঁর চেয়ে ভালো কিছু করার। তাঁর চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার।’
বাবার অধরা স্বপ্নপূরণের তৃপ্তিও ধরা পড়ল তাঁর কথায়, ‘বাবাকে সব সময়ই বলতে শুনেছি, ষাটের দশকে তিনি ৪০০ মিটারের বিশ্বরেকর্ড ভাঙার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু পারেননি। তাঁরই ছেলে হিসেবে বিশ্বরেকর্ড ভাঙতে পারাটা আমার কাছে তাই অনেক বড় সম্মানের।’
বোল্টের সঙ্গে তাঁর সরাসরি দ্বৈরথ নেই। কিন্তু কিছুক্ষণের জন্য হলেও বোল্ট-রাজত্বে ভাগ বসানোর তৃপ্তিও ফুটে উঠলো রুদিশার কণ্ঠে, ‘বোল্ট আমার দেখা সেরা স্প্রিন্টার। মানুষ ওকে ভালোবাসে ওর দুর্দান্ত সাফল্য অর্জনের জন্যই। আমি জানতাম, ৮০০মিটারে স্পেশাল কিছু করতে পারলে সাময়িকভাবে হলেও লোকে আমাকে বিশেষ মর্যাদার আসন বসিয়ে দেবে।’
রুদিশার বাবা ড্যানিয়েল রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। ছেলের কৃতিত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে চোখের কোণে জল ভরে যাচ্ছিল প্রাক্তন অ্যাথলিট বাবার। তাঁর কথায়, ‘আজ আমার জীবন ধন্য হয়ে গেলো। নিজের খেলোয়াড়ী জীবনের অপূর্ণ স্বপ্ন পূর্ণ হলো ছেলের হাত ধরে। এই আনন্দ ভাষায় বোঝানো যাবে না। আমি এবং ওর মা জীবনের সেরা পুরস্কারটা পেয়ে গেলাম।’ একটু থেমে তিনি যোগ করলেন, ‘রুদিশার গতির ব্যাপারে আমি বরাবর প্রত্যয়ী ছিলাম। জানতাম ওলিম্পিক্সে সোনা জিতবে। তবে বিশ্বরেকর্ড গড়াটা যেন সব প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গিয়েছে।’ ড্যানিয়েলের বিশ্বাস, রেকর্ড ভাঙাগড়ার খেলায় তাঁর ছেলেও একদিন নিজের ইভেন্টে কিংবদন্তী হয়ে উঠবে।
|
<urn:uuid:cfaf4c34-f125-4a83-b759-4089421e05c6>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://ganashakti.com/bengali/news_details.php?newsid=28731
|
2014-04-21T05:04:18Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1397609539493.17/warc/CC-MAIN-20140416005219-00088-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999885
|
Beng
| 32
|
{"ben_Beng_score": 0.9998849630355835}
|
তিনি রসময় গুপ্ত! তিনি সমকামী!
বাংলাদেশে ভালবাসা দিবস চালুর উদ্যোক্তা, বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমান সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর প্রকাশ করেছেন তার এক সময়ের সহযোগী সাংবাদিক।
শফিক রেহমান এর পেশা-জীবন শুরু হয় একজন চার্টার্ড একাউন্টেন্ট হিসেবে। পরবর্তীতে লন্ডনে বাংলা রেডিও স্টেশন চালুসহ বিবিসি, ইত্তেফাকে সাংবাদিকতা করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।
রসময় গুপ্ত!
তার এক সময়ের সহকর্মী জানায় ভালবাসা দিবসের আগে নেপথ্যে থেকে বাংলাদেশে পর্ণো-সাহিত্য প্রকাশ শুরু করেন আর সেই বইগুলোর লেখক হিসাবে ছদ্দনাম ব্যবহার করতেন রসময় গুপ্ত। লন্ডন থেকে বিভিন্ন নগ্ন/পর্ণো ছবি সংগ্রহ করে বাংলাদেশে রসময় গুপ্ত নামে প্রচলিত ভাষায় “চটি” প্রকাশ করে অনেকদিন একচেটিয়া ব্যবসা করেছেন। পরবর্তিতে একই নাম দিয়ে অনেক আন্ডারগ্রাউন্ড প্রকাশকরা প্রকাশ শুরু করলে ব্যক্তিগত সুনাম রক্ষার্থে ব্যবসা থেকে হাত গুটাতে হয়। ১৯৮৪ সালে শুরু করেন সাপ্তাহিক যায়যায়দিন যেখানে লুকিয়ে থাকা গুপ্তের সামান্য ছায়া পড়তো।
যায়যায়দিন
বাংলাদেশে সাপ্তাহিক পত্রিকায় সম্ভবত সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ছিল যায়যায়দিন। মূলত এরশাদের সামরিক শাসন বিরোধী ক্ষুরধার লেখনী পাঠকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা সক্ষম হয়। ৯১ পরবর্তীতেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ সকল মতের সংবাদ/কলাম প্রকাশ, যুক্তি উপস্থাপন করে সংবাদ বিশ্লেষণ এবং সৎ ও নির্ভিক সাংবাদিকদের সহযোগিতায় যায়যায়দিন’এর অবস্থান সুসংহত থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে নিজেকে রাজনৈতিক মেরুকরণে আবদ্ধ করে বিতর্কিত হয়ে পড়েন।
জানা যায় ৯৮ সাল থেকে প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে জড়ানো শুরু করেন। আওয়ামী লীগ সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা বেশী হওয়ায় বিএনপির দিকে ঝুকে পড়েন। ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে “১ কোটি ভোটারের কাছে আবেদন” শিরোনামে সংখ্যা প্রকাশ করার মাধ্যমে দলীয় সাংবাদিক হিসেবে হাতে খড়ি দেন। এ থেকেই কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে অসন্তোষের সৃষ্টি হতে থাকে। পরবর্তী সময়ে বিএনপি-বিরোধী বা আওয়ামী লীগ সমর্থন পাবে এ ধরনের লেখার প্রতি সেন্সর জারী করায় অনেক সাংবাদিক/লেখক সরে আসেন সে পত্রিকা থেকে। পাঠকদের কাছে মৃত্যু হয় সাপ্তাহিক যায়যায়দিনের।
দৈনিক যায়যায়দিন
সাকা চৌধুরীর পরামর্শে হাওয়া ভবনের নূরুল ইসলাম ছোটন এর টাকায় যায়যায়দিন দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত করতে তেজগাঁর খাস জমি বন্দোবস্ত নিয়ে, সরকারি রাস্তার নাম পাল্টে ‘লাভ রোড’ রেখে বসুন্ধরা গ্রুপের টাকা ও ব্যাংক ঋণ নিয়ে আলিশান অফিস তৈরির কাজ চলে। আবার কয়েক কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে যাযাদি দৈনিক হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে — এমন সাজ সাজ রব পড়ে মিডিয়া জগতে। বছর দেড়েক ধরে শুধু অফিস নির্মাণ, অত্যাধুনিক প্রেস এবং নিজস্ব পাওয়ার স্টেশন বসানো, বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া থেকে বাছাই করে সংবাদ কর্মী নিয়োগের কাজও চলে। ২০০৬ সালে দৈনিক যায়যায়দিন প্রকাশিত হওয়া শুরু হয়। ২০০৬ সালের একতরফা নির্বাচন করতে বিএনপির এই পরামর্শদাতা ১/১১ পট পরিবর্তনের পর তার নাটের গুরু নূরুল ইসলাম ছোটন গা ঢাকা দিলে দৈনিক পত্রিকা নিয়ে বেকায়দায় পড়ে যায়।
চার মাসের মাথায় ২০০৬ সালের অক্টোবরে বসুন্ধরা গ্রুপের চাপে শফিক রেহমান গার্মেন্টস শ্রমিক ছাঁটাই করার কায়দায় একসঙ্গে ছাঁটাই করেন শতাধিক সংবাদকর্মী। কোনো রকম আগাম নোটিশ এবং দেনা-পাওনা পরিশোধ ছাড়াই ঈদের ছুটির পর এই ছাঁটাই কার্যকর করা হয়। এক সকালে সাংবাদিকরা যাযাদির অফিসে ঢুকতে গিয়ে দেখেন অফিস গেট বন্ধ; প্রধান ফটকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ছাঁটাই নোটিশ!
ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা খবর পান, শফিক রেহমান পত্রিকাটি বন্ধ করে তাদের বকেয়া টাকা পরিশোধ করা ছাড়াই লন্ডন পাড়ি জমাচ্ছেন! তারা ধাওয়া করেন বিমানবন্দরে। পরবর্তীতে আর্থিক কেলেংকারী সংশ্লিষ্টতার কারণে গ্রেফতার হন এবং ২০০৮ সালে পদত্যাগ করেন।
কামুক ও সমকামী : শফিক রেহমান
হোটেল ইন্টার-কন্টিনেন্টালে একাউন্টেন্ট হিসাবে কর্মরত থাকতে শফিকের বিরুদ্ধে এক কর্মচারী সমকামীতার অভিযোগ তোলে বলে জানা যায়। ৯১ পরবর্তীতে সাপ্তাহিক যায়যায়দিনে নবীন লেখকদের লেখার সুযোগ দেয়ার নামে নবীনরা এবং ডেমোক্রেসীওয়াচের ছাত্রছাত্রী/সার্ভেয়ারদের মধ্যে অনেককেই সে ফাদে আটকে যৌন-সম্পর্ক গড়ে তুলতো। এ নিয়ে কয়েকবার তার স্ত্রী তালেয়া রেহমানের কাছেও বিরাগভাজন হয়েছে।
বিএনপির আন্তর্জাতিক লবিস্ট
যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান লবিং গ্রপের সাথে এক সময় সুসম্পর্কের কারণে শফিক রেহমান বিএনপির আন্তর্জাতিক লবিস্ট হিসাবে কাজ করে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের আইএসআই এবং তাদের সমর্থিত সাংবাদিক গ্রুপের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসাবে গণ্য হয়। বর্তমানে দৈনিক আমার দেশ এবং নয়াদিগন্তে প্রকাশিত রিপোর্টের ভিত্তিতে পাকিস্তান ডেইলি’তে সংবাদ প্রেরণ ও প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা/ব্যক্তিত্বদের কাছে প্রেরণ করছে যার বিষয়বস্তু : বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সিভিল ওয়ার কায়েম করেছে এবং ভারতের নির্দেশে সব চলছে।
শফিক রেহমান সকলের পরিচিত একটি নাম। এক সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু তার মতো একজন ব্যক্তিত্বের পূর্ব ইতিহাস এমনকি বর্তমান কার্যক্রমও অনেককেই আহত করেছে বা করবে।
|
<urn:uuid:76b3adf2-656f-48db-a293-2951387e8368>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://behindthescenario99.wordpress.com/tag/%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4/
|
2014-04-23T09:11:48Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1398223202457.0/warc/CC-MAIN-20140423032002-00104-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999441
|
Beng
| 38
|
{"ben_Beng_score": 0.9994407296180725}
|
Quote:
১. হত্যাকারী: এটিএন বাংলার চেয়ারম্যানের ছোটভাই। প্রথম দিনেই সে ধরা পড়ে পুলিশের হাতে। হাসিনার নির্দেশে তাকে পরের দিন ছেড়ে দিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
২. খুন হওয়ার কারন: বিমান মন্ত্রী ফারুক খানের সামিট গ্রুপের অপকর্ম নিয়ে মেহেরুন রুনি একটি সেনসিটিভ প্রতিবেদন তৈরী করেছিল। সেটি এটিএন বাংলা প্রচার করেনি। সেটা মাছরাঙ্গা টিভিতে দেয়ার জন্য রুনি তার স্বামীকে দেয়। ঐ প্রতিবেদন প্রকাশ হলে মন্ত্রী কর্নেল ফারুক এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরাট দুর্নীতির কথা ফাঁস হয়ে যেতো। এ প্রতিবেদনের খবর এটিএনের চেয়ারম্যান মাহফুজ হাসিনার কান পর্যন্ত পৌছে দেয়। ক্ষেপে যায় ফারুক খান। সাগরের ল্যাপটপ কব্জা করার দায়িত্ব পড়ে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যানের ছোটভাইর ওপর। এ কাজে খুনীদের বাসায় পাঠায় রুনি বাসায়। সমঝোতা না হওয়ায় অবশেষে পরিনতি হয় - সাগর রুনি বধ।
৩. এখন পরকীয়া, কল লিষ্ট ইত্যকার যত গল্প, এগুলো তৈরী করা হচ্ছে আসল ঘটনা চাপা দিয়ে চলছে কেবল একটা ‘জজ মিয়া’ নাটকের প্রস্তুতি।
৪. হাসিনার আজকের বক্তব্য “কারো বেডরুম পাহারা দেয়া সরকারের কাজ নয়” এতে পরিস্কার যে, হত্যার ঘটনা হাসিনা জানা ছিলো এবং খুনীদের পার করায় তার হাত রয়েছে।
Why it has to be Hasina but no one else? Why not Shahara, or Hanif, or Farook himself, or you name any criminal for that matter! Why Hasina has to be the 'Godmother' of such? She must have earned thousands crors of money through Loiita, Abul, Muhit and gong by now, how much she hardly can make from Farook and his Summit group? All these days she need not to be afraid of her huge corruption but this time! She had to become such cold blooded 'Godmother' which put the murderers in '71 in shame!!
Reminds me the stories of diamond/gold crown in Mujib house, bank robbery of his son etc., the patterns are there.
|
<urn:uuid:1678b943-fd45-4c21-9839-487e28db1553>
|
CC-MAIN-2014-15
|
http://www.banglacricket.com/alochona/showpost.php?p=1484190&postcount=42
|
2014-04-24T04:36:16Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-15/segments/1398223205137.4/warc/CC-MAIN-20140423032005-00456-ip-10-147-4-33.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999392
|
Beng
| 36
|
{"ben_Beng_score": 0.9993923902511597}
|
ধর্ষণ সমাজের লজ্জা, ধর্ষিতার নয়। আমার মুখটা দয়া করে ঝাপসা করবেন না। পার্ক স্ট্রিটে নির্যাতিতা মহিলার এমন সাহসী সিদ্ধান্তই বিপ্লব আনল।
দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অবশেষে ঝলমলে শৃঙ্গ জয়। সঙ্কোচ ঝেড়ে ফেলে আত্মপ্রকাশ করলেন পার্ক স্ট্রিটের নির্যাতিতা। নিজের নাম ঘোষণা করে দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, ধর্ষিতা নন, ধর্ষণকারীরাই সমাজের লজ্জা। এক বছর আগেও হতাশার অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছিল যে জীবন, সেখান থেকে এ যেন রূপকথার পুনরুত্থান।
এ যেন কুয়াশার চাদর ভেদ করে ঝলমলে সূর্যোদয়। এতদিন সুজেটের ঝাপসা, ঘষা, ঘষা ছবি দেথতেই অভ্যস্ত ছিলাম আমরা। অস্পষ্ট এক অবয়ব, যার শুধু আউট লাইনটুকুই বোঝা যায়।
কিন্তু কুয়াশার চাদর সরে গেল মঙ্গলবার।
যে পার্কস্ট্রিট চরম বিপর্য়ের দিকে তাঁকে ঠেলে দিয়েছিল, মঙ্গলবার সেই গ্রাউন্ড জিরো থেকেই শুরু হল নতুন আত্ম নির্মাণ। বলা ভাল, এক নতুন লড়াই।
সাধারণ মানুষের অসাধারণ লড়াইয়ের কথা আমাদের প্রেরণা জোগায়। দুহাজার বারোর পাঁচই ফেব্রুয়ারি সুজেটকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর তিনি এতটাই মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন, যে থানায় যাওয়ার কথাও ভাবেননি। আত্মীয়ের পরামর্শে অভিযোগ যখন জানাতে গেলেন, ততক্ষণে তিনদিন পেরিয়ে গিয়েছে। পানশালা থেকে বেরিয়ে গাড়ির ভিতর ধর্ষণ। তাই চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দুই পুলিস অফিসার।
এরপর আরও বড় আঘাত। সবচেয়ে বড়। খোদ মুখ্যমন্ত্রী পার্কস্ট্রিটের ঘটনাকে সাজানো ঘটনা বললেন। তারপর থেকে ধেয়ে এসেছে একের পর এক বাক্যবাণ। ধর্ষণ যে হয়েছে, তা বলেছিলেন একজন। এমনকি কারা এই কাজ করেছে তাও সামনে এনে দিয়েছিলেন তিনি।
ব্যস। তারপরে ইনিও যুগ্ম কমিশনার অপরাধ থেকে বদলি হয়ে গেলেন বারাকপুরে ডিআইজি ট্রেনিং পদে। দময়ন্তী সেনের বদলির পর থেকেই অথৈ জলে পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণ কাণ্ডের তদন্ত। ঘটনার পর একবছর পেরিয়ে গেলেও মূল অভিযুক্ত এখনও ফেরার।
মন্দ মেয়ের তকমা। আশপাশের লোকেদের ভুরু কোঁচকানো দৃষ্টি। লজ্জা, ভয়, আতঙ্ক আর সঙ্কোচ। সব মিলিয়ে এক দুর্বিষহ পরিস্থিতি। চাকরি খুইয়ে আর্থিক অভাব সেই সঙ্কটকে আরও তীব্র করে। কিন্তু দুই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে মা লড়াই ছাড়েনি। সম্প্রতি একটি চাকরিতেও যোগ দিয়েছেন সুজেট। তাও আবার নারী কল্যাণের কাজে। সুজেট জানিয়েছেন নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অন্যান্য নির্যাতিতাদের সমস্যা উপলব্ধি করতে চান তিনি।
তবু তাঁকে ঘিরে ঝাপসা চাদরটুকু ছিল। কিন্তু তা সরিয়ে দিল একটি মৃত্যু। কামদুনির পরিত্যক্ত জমি লাগোয়া খালের ধারে কুড়ি বছরের এক তরুণীর দেহ উথালপাথাল করে দিল সুজেটের দুনিয়া।
কামদুনি,গাইঘাটা, গেদে, সব ক্ষোভে ফুটছে। আর পারলেন না সুজেট। গৌতম বুদ্ধ বলেছিলেন আত্মদীপ ভব। সুজেটও সেটাই করলেন। নিজেই নিজের প্রদীপ হলেন।
অন্তরালবর্তিনী থেকে আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠার কাজটা মোটেই সহজ ছিল না। পোড়া বাংলায় মেয়েদের সম্মান আজ ধুলোয়। তাই সুজেট নিজেই নিজের ঝাপসা বর্ম ছিন্ন করলেন। এখন তিনি এক অনির্বাণ দীপশিখা।
|
<urn:uuid:076ed5b4-fd00-4f35-b218-26182f06f1a0>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://zeenews.india.com/bengali/kolkata/park-street-rape-victim-exclusive_14105.html
|
2014-08-01T11:18:19Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510274967.3/warc/CC-MAIN-20140728011754-00444-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999702
|
Beng
| 17
|
{"ben_Beng_score": 0.9997022151947021}
|
বাংলাদেশে ওয়েডিং ফটোগ্রাফিকে পেশাগত/প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে উন্নিত করার জন্য ওয়েডিং ডায়েরি’র ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ওয়েডিং ডায়েরি এবার আত্নপ্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান হিসেবে। প্রতিষ্ঠানটির চিফ ফটোগ্রাফার এবং দেশের শীর্ষ ওয়েডিং ফটোগ্রাফার প্রীত রেজা গত ৫-১০ ডিসেম্বর থাইল্যান্ডের ব্যাংকক’এ কাভার করলেন একটি ওয়েডিং প্রোগ্রাম।
ব্রিটিশ বর এবং থাই কনে’র এই প্রোগ্রামটি আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফার হিসেবে ওয়েডিং ডায়েরি’র যাত্রাকে স্মরনীয় করে রাখবে। ব্যাংককের মান্ডারিয়ান ওরিয়েন্টালে প্রথমে অনুষ্ঠিত হয় থাইল্যান্ডের এতিহ্যবাহী বিয়ে, পরবর্তীতে শুইসটেল নাই লার্ট পার্কে আয়োজন করা হয় ব্রিটিশ কায়দার বিয়ে পরবর্তী বৌভাত।
এরই ধারাবাহিকতায় জানুয়ারির মাঝামাঝিতে রয়েছে দিল্লি এবং মার্চ, এপ্রিলে রয়েছে সিঙ্গাপুর ও কুয়ালালামপুর সফর। উল্লেখ্য যে, ফটোগ্রাফার প্রীত রেজা এবছর ‘দ্যা ডেইলি নিউ এজ’ এর ‘ইয়াং আইকন ২০১২’ মনোনিত হয়েছেন। এছাড়া এবারের বেস্ট ওয়েডিং ফটোগ্রাফার ২০১২ পুরস্কারও প্রীত রেজার।
ফটোগ্রাফার প্রীত রেজা ২০১০ সালে আয়োজন করেন বাংলাদেশের প্রথম ‘ওয়েডিং ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন’।
|
<urn:uuid:05c693b6-1f0a-47c7-8337-a2a4bfd32c17>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://www.banglanews24.com/LifeStyle/detailsnews.php?nssl=3255
|
2014-07-25T08:58:55Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1405997894140.11/warc/CC-MAIN-20140722025814-00090-ip-10-33-131-23.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998993
|
Beng
| 17
|
{"ben_Beng_score": 0.9989929795265198}
|
গত ১২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে পাকিস্তানের তালিবান জঙ্গীরা ১৫ বছর বয়সী মালালা ইউসুফজাইকে গুলি করে। মালালার অপরাধ সে সোয়াতে নারী শিক্ষার জন্য নির্ভীকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। মালালা এখন আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠছে। তবে পুরোপুরি আশংকামুক্ত হয়নি। পুরো সুস্থ হতে আরো কিছু সময় লাগবে।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য আবেদন
মালালা ইউসুফজাইকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়ার জন্য আবেদন পেশ করেছেন যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বসবাসকারী পাকিস্তানি-ব্রিটিশ বংশদ্ভুত নারী সাঈদা চৌধুরী। মালালা নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলে জাতীয় রাজনীতিবিদরা আগ্রহী হবে। সাঈদা চৌধুরী এই আবেদনপত্রটি উইলিয়াম হেগ, ডেভিড ক্যামেরন, নিক ক্লেগ এবং এড মিলিব্যান্ডের কাছে পাঠাতে চান, যাতে কাজটা আরো এগিয়ে যায়।
তার আবেদনপত্রে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষ স্বাক্ষর করেছে। সবাই স্বাক্ষর করছে যেন মালালার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার শুরু এখান থেকেই হয়:
মালালা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলে সবার কাছে একটা পরিষ্কার বার্তা যাবে যে, বিশ্ববাসী সবকিছু দেখছে, যারা লিঙ্গবৈষম্য, মানবাধিকারসহ নারী শিক্ষা নিয়ে কাজ করছে পৃথিবীর সবাই তাদের পাশে আছে।
Tটুইটারে মালালা হ্যাশট্যাগ (#) ইতোমধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ শেয়ার করেছে। আর গত ৯ দিনে মালালার জন্য নোবেল [মালালাফরনোবেল] হ্যাশট্যাগ প্রায় ৯ শত মানুষ শেয়ার করেছে।
আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করার কারণ ব্যাখ্যা করে ফারিনা আলম লিখেছেন:
… মালালা আমাকে আশা দিয়েছে।
স্টিফেন ফারলং মন্তব্য করেছেন:
এরকম কচি বয়সে এই সাহস এবং বিশ্বাসকে স্বীকৃতি দেয়া দরকার। সে সারাবিশ্বের নতুন থেকে বৃদ্ধ সবার অনুপ্রেরণা এবং আশার আলোকবর্তিকা।
মালালা দিবস উদযাপন
১০ নভেম্বর, শনিবার জাতিসংঘ মালালা দিবস উদযাপনের ঘোষণা দেয়। ৩ কোটি ২০ লক্ষ মেয়ে যারা স্কুলে যেতে পারে না, মালালাকে তাদের আলোকবর্তিকা ধরে বিশ্ববাসী দিবসটি পালন করে। মালালার সমর্থনে এদিন পাকিস্তানের ইসলামাবাদ, লাহোর এবং করাচিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া সারাবিশ্বের ১০০টি দেশে দিবসটি উদযাপিত হয়।
তবে মালালার নিজ শহরে জঙ্গী হামলার ভয়ে খোলা ময়দানে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব হয় নি।
জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী শিক্ষা সম্প্রসারণের বিশেষ দূত গর্ডন ব্রাউন গত ৯ নভেম্বর, শুক্রবারে নারী শিক্ষার ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করতে পাকিস্তানে যান। তিনি এএফপিকে বলেন, একটি দেশ শিক্ষা খাতে বাজেটের মাত্র ২ শতাংশ বরাদ্দ দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে না।
এমকিউএম (মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট) নামের একটি রাজনৈতিক দল তাদের করাচির প্রধান কার্যালয়ের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে মালালা দিবস পালন করে:
কায়নাত নামের মালালার এক বন্ধু মালালার ওপর আক্রমণের সময় ঘটনাস্থলে ছিল সে বলেছে, ওইদিনের ঘটনার কথা মনে হলেই তার কান্না পায়, আতংক চেপে ধরে। দুর্ভাগ্য, মৌলবাদী হামলার ভয়ে সোয়াত উপত্যকার কোথাও দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে না।
মালালার প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে ১১ বছর বয়সী বুশরা সিদ্দিকী তার ব্লগে লিখেছে:
আমার কথা হলো, মালালা পাকিস্তানের জন্য আলোকবর্তিকা আর আশাবাদের প্রতীক। আল্লাহ তাকে রক্ষা করুন।
টুইটারে প্রতিক্রিয়া
সালমান আহমেদ টুইট করেছেন:
সমুয়া সিং টুইট করেছেন:
আলী সালমান আলভি মন্তব্য করেছেন যে, মৌলবাদীদের প্রতি সহানুভূতিশীলরা মালালার সাহসিকতা খর্ব করার চেষ্টা করছে:
|
<urn:uuid:bd05e99e-bcba-43d8-968f-e5c1d8b5ede1>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://bn.globalvoicesonline.org/2012/11/13/32948/
|
2014-07-29T20:52:57Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510267865.20/warc/CC-MAIN-20140728011747-00354-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999374
|
Beng
| 48
|
{"ben_Beng_score": 0.9993743300437927}
|
শুক্রবার সকালে কলকাতার খাদ্যভবনে মাওবাদী পোস্টার উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সকাল সাড়ে নটা নাগাদ খাদ্যভবনে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্তসহায়কের ঘর থেকে উদ্ধার হয় এগারোটি মাওবাদী পোস্টার। আপ্তসহায়কের ঘরে কেউ একটি বাদামী ব্যাগ রেখে যায়। সেটি খুলে দেখা যায় তারমধ্যে এগারোটি মাওবাদী পোস্টার রয়েছে। জঙ্গলমহলের অশান্ত পরিবেশ কবে ঠিক হবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তার জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে ওই পোস্টারে। এছাড়াও অযোধ্যা পাহাড় সংলগ্ন জঙ্গল এলাকায় খাদ্য দফতরের অফিস বন্ধের হুমকি, সহায়ক মূল্যের ধান কু্ইন্টাল প্রতি দুহাজার টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে পোস্টারগুলিতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নিউমার্কেট থানার পুলিস। আজ আপ্তসহায়কের ঘর থেকে একটি অল্প বয়সী যুবককে বেরোতে দেখেছিলেন বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ঘটনার জেরে খাদ্যভবনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
|
<urn:uuid:d5a362e3-4ce2-4c6c-910d-8ee0c5fd025f>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://zeenews.india.com/bengali/kolkata/mao-poster_1522.html
|
2014-07-29T20:52:35Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510267865.20/warc/CC-MAIN-20140728011747-00354-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999809
|
Beng
| 4
|
{"ben_Beng_score": 0.999809205532074}
|
থুসিডাইডিস এর আবক্ষ মূর্তি, রয়েল অন্টারিও মিউজিয়াম, টরোন্টো
থুসিডাইডিস (প্রাচীন গ্রিক: Θουκυδίδης, Thoukydídēs; আনুমানিক: ৪৬০ খ্রিস্ট্রপূর্ব – সি. ৩৯৫ খ্রিস্টপূর্ব) ছিলেন একজন গ্রিক ইতিহাসবিদ ও এথেনিয়ান জেনারেল।[১] তাঁর লেখা পিলোপনেশিয়ান যুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থে খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীর ৪১১ খ্রিস্টপূর্বের স্পার্টা ও অ্যাথেন্স এর মধ্যকার যুদ্ধের বর্ননা রয়েছে। তার এই লেখা ক্লাসিক বলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ও এটি এই বিষয়ের উপর প্রথম গ্রন্থ হিসেবেও সমাদৃত। থুসিডাইডিসকে বৈজ্ঞানিক ইতিহাসের জনক বলে আক্ষায়িত করা হয়। কারন, তথ্যপ্রমান সংগ্রহের কঠোর মান নিয়ন্ত্রন, ও দেবতাদের হস্তক্ষেপ সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের কারণ এবং প্রভাকে কোন প্রকার উৎস ব্যতীত বিশ্লেষণ করাই ছিল তার প্রধান কাজ। প্রাচীন ইতিহাস হল মূলত সাহিত্য। সেখানে থুসিডাইডিস সর্বজনীন মানবিক সমস্যাগুলো অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। তাকে রাজনৈতিক বাস্তবতার জনকও বলা হয়ে থাকে।
৪২৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন। স্পার্টার কমান্ডার ব্রাসিডাস এথেন্সের গূরত্বপূর্ণ এলাকা এম্ফিপোলিস আক্রমন করে কিন্তু থুসিডাইডিস তার ছোট বাহিনী নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছতে দেরি করেন এবং ব্রাসিডাসের আক্রমন ঠেকাতে ব্যার্থ হন। কিন্তু তিনি তার বাহিনী নিয়ে আইওনের কাছের বন্দরে ব্রাসিডাসের আক্রমন প্রতিহত করেন। যুদ্ধের এই ব্যার্থতার ফলে তাকে থ্রাসিয়ানে নির্বাসিত করা হয় ও তিনি নির্বাসিত হওয়ার প্রায় বিশ বছর পর এথেন্স ফিরে আসেন।[২]
এথন্স থেকে নির্বাসিত হয়ে তিনি পিলোপনেশিয়ান এলাকাগুলো ভ্রমণ করেন ও পিলোপনেশিয়ান যুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থটি রচনা করেন। গ্রন্থটি লেখার সময় তিনি যুদ্ধরত দুই পক্ষের সাক্ষাতকার গ্রহণের সুযোগ পান ও প্রচুর তথ্য-প্রমান সংগ্রহ করেন।
থুসিডাইডিস ৪৩০ খ্রিস্টপূর্বের এথেন্সের বিখ্যাত প্লেগ সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন, যে প্লেগে এথেন্সের জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ নিহত হয়েছিল। এই প্লেগেই এথেন্স নেতা পেরিক্লিস মৃত্যুবরণ করেন।
|
<urn:uuid:eabbfac6-be8e-492a-8c1c-6d670eddc8f6>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8
|
2014-08-01T13:51:02Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510274987.43/warc/CC-MAIN-20140728011754-00450-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999563
|
Beng
| 24
|
{"ben_Beng_score": 0.9995625615119934}
|
Last Updated: Saturday, October 13, 2012, 18:47
এর আগে প্রাক্তন বিচারপতি শ্যামল সেনের হাই পাওয়ার্ড কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মাত্র পাঁচটি মৌজা তাঁদের দেওয়া হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ চরমে উঠলে শ্যামল সেন কমিটির সুপারিশ খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠিত হয়। সেই কমিটির কাছে পনেরো দিনের মধ্যে মোর্চার পক্ষ থেকে লিখিত দাবিও পেশ করা হবে বলে মোর্চা নেতারা জানিয়েছেন। তাঁদের আরও অভিযোগ, যে সরকারি দফতরগুলি মৌজাকে হস্তান্তর করার কথা ছিল, সেই কাজ খুব আস্তে চলছে এবং পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হচ্ছে না। তাই দফতরের দ্রুত হস্তান্তরের কথা বলে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়েছেন মোর্চা নেতৃত্ব।
|
<urn:uuid:f6ec508a-4012-4ad6-ad2f-2deb1724ab12>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://zeenews.india.com/bengali/tags/Roshan_Giri.html
|
2014-07-10T02:17:22Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1404776400583.60/warc/CC-MAIN-20140707234000-00034-ip-10-180-212-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999969
|
Beng
| 6
|
{"ben_Beng_score": 0.9999693632125854}
|
কলকাতা পুরসভার সামনে বামফ্রন্টের সভার মঞ্চ করতে বাধা দিয়েছিল পুলিস।
কিন্তু পুলিসি বাধার মুখে পড়েও বাম নেতারা মঞ্চ ছাড়াই, খালি গলায় সভা
করলেন। আগেই বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু জানিয়ে দিয়েছিলেন পুলিস বাধা
দিলেও কলকাতা পুরসভার সামনে বামেদের সভা হবে। সেই অবস্থানেই অনড় ছিলেন বাম
নেতারা।
ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার বিরুদ্ধে কণ্ঠরোধের অভিযোগ তুলল বিরোধীরা। গৌতম দেবের সভার পর এবার পুলিসের টার্গেট রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রর সভা। আর সেই সভা নিয়ে বিরোধী ও সরকার পক্ষের টানাপোড়েন তুঙ্গে। পুলিস কলকাতা পুরসভার সামনে বামেদের সভার অনুমতি দেয়নি। বাম নেতারা পাল্টা জানিয়েছেন, আগামিকালের সভা হবেই। কারণ ওই সভার কথা একমাস আগে পুলিসকে জানিয়েছিলেন তাঁরা।
মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভার সামনে সভা করবে বামেরা। আটই সেপ্টেম্বর সে কথা কলকাতা পুলিসকে জানায় বামফ্রন্ট। একমাস পরে সাতই অক্টোবর নিউ মার্কেট থানার চিঠি আসে বাম নেতাদের কাছে। সেই চিঠিতে বলা হয়, কলকাতার পুরসভার সামনে সভা করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না বামেদের। এই সভা হলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে বলে জানায় পুলিস। পাল্টা তোপ দাগে বাম নেতারাও। তাঁরা জানান, কলকাতা পুরসভার সামনেই তাঁরা সভা করবেন। অশান্তি হলে দায়ি থাকবে প্রশাসন।
তবে পুলিস কোনও সভার অনুমতি না দিলে মঞ্চ তৈরি এবং মাইক বাধা যথেষ্ট কঠিন। বাম নেতাদের বক্তব্য পুলিসি বাধার মোকাবিলা করেই সভা করবেন তাঁরা। বাম নেতাদের অভিযোগ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ কলকাতা পুরসভা। ত্রিফলা আলো নিয়েও দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের তীব্র অভিযোগ উঠেছ। শহরের সৌন্দর্যায়নে কয়েক কোটি টাকা খরচ করা হলেও বহু জায়গাতেই পানীয় জলের সঙ্কট চলছে। বিরোধী শিবিরের দাবি, তাঁরা এসব ইস্যুতে সরব হচ্ছেন বলেই সভার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। শুধু বিরোধী রাজনৈতিক দলই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার বিরুদ্ধে একাধিক সংগঠন, বুদ্ধিজীবীদের একাংশ বারবার প্রতিবাদের কন্ঠরোধ করার অভিযোগ তুলছে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন মঙ্গলবার সূর্যকান্ত মিশ্রের সভা।
|
<urn:uuid:1d9da2cc-0ac2-4cfa-a2d8-cae26cd3efe3>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://zeenews.india.com/bengali/kolkata/left-meeting-amid-police-threat_8454.html
|
2014-07-26T08:14:42Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1405997895170.20/warc/CC-MAIN-20140722025815-00058-ip-10-33-131-23.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999913
|
Beng
| 11
|
{"ben_Beng_score": 0.9999128580093384}
|
সন্তান জন্মদানের অক্ষমতা ও পারিবারিক নির্যাতন
মোঃ জাহিদ হোসেন
বিয়ের প্রথম দুই বছর স্বামীর সংসারে ভালই যাচ্ছিল গৃহিণী বৃষ্টির (ছদ্ম নাম)। কিন্তু তার জীবন আজ চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তায় ঘেরা। যখন সে চট্রগ্রাম কলেজে অনার্সে ভর্তি হল তখন তার সাথে পরিচয় হয় একই কলেজের মেঘ (ছদ্মনাম) নামের একটি ছেলের সাথে। মেঘ তখন অনার্স ৩য় বর্ষে পড়ত। কলেজে একই পথে আসা-যাওয়া করতে করতে কোন একদিন মেঘের সাথে বৃষ্টির পরিচয় হয়। এর পর বন্ধুত্ব।
এই ক্ষেত্রে প্রায় সময় যেটা হয় তা হল একটি ছেলে ও মেয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব প্রেমে পরিণত হয়। মেঘ ও বৃষ্টির ক্ষেত্রেও তাই হল। তাদের এই ভালবাসার সম্পর্কে ছোটখাটো বাধাবিপত্তি থাকলেও ভালভাবে অতিবাহিত হতে থাকে।
মেঘ তার মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ করার পর একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকুরী নেয়। আর এর মধ্যে মেঘ বৃষ্টিকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করে। তবে মেঘের পরিবার এই বিয়েতে খুব একটা খুশি ছিলনা। যদিও মেঘ বৃষ্টিকে বিয়ের পর আগের মত ভালবাসত তার পরেও হঠাৎ বৃষ্টির সুখময় জীবন আস্তে আস্তে বিষাদময় হয়ে উঠে। কারণ বৃষ্টি কোনভাবে জানতে পারে যে সে কখনো মা হতে পারবেনা।
অনেক চিন্তা ভাবনা করে সে এই ব্যাপারটা তার স্বামীর সাথে শেয়ার করে। পরবর্তীতে মেঘের পরিবার এই কথা জানতে পারে। কিন্তু তারা বৃষ্টিকে সান্ত্বনা দেওয়া তো দূরের কথা বরং বৃষ্টির এই অক্ষমতা নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা রকম নোংরা ও বাজে কথা বলতে থাকে যা এক প্রকারের মানসিক নির্যাতন। কিন্তু প্রথম প্রথম বৃষ্টির স্বামী সব সময় তার পাশে থাকায় ও তাকে সমর্থন দেওয়ায় এসব নোংরা ও বাজে কথা তাকে তেমন প্রভাবিত করতে পারেনি।
এরপর মেঘ বৃষ্টিকে নিয়ে বেশ কয়েকজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। আর এই দিকে অমাবস্যার অন্ধকার বৃষ্টির জীবনকে যেন পুরোপুরি ঢেকে ফেলে। কারণ মেঘের পরিবারের লোকদের বিভিন্ন নোংরা ও বাজে কথা বৃষ্টিকে প্রভাবিত না করলেও একটা সময় মেঘকে ঠিকই প্রভাবিত করে ফেলে। মেঘের পরিবারের লোকরা মেঘ ও বৃষ্টিকে জড়িয়ে বানান সব কথা বলতে থাকে যেটা থেকে পরোক্ষ ভাবে বুঝায় যে মেঘেরও কোন অক্ষমতা রয়েছে।
পরিবার থেকে এমন সব বাজে কথা শুনার পর মেঘ এক সময় আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে যে অক্ষম নয় তার পরিচয় দিতে চায় দ্বিতীয় বিয়ে করে। আর এর মধ্যে বৃষ্টির প্রতি মেঘের যে ভালবাসা ছিল তার কিছুই অবশিষ্ট থাকল না। সে সম্পূর্ণ অন্য রকম হয়ে যায় এবং বৃষ্টিকে এড়িয়ে চলতে থাকে। বৃষ্টি মেঘকে বাচ্চা দত্তক কিংবা পালক নিতে বলে। কিন্তু মেঘ তাতে রাজী হয়নি। বরং সে অক্ষমতার অপবাদ দিয়ে তার উপর মানসিক নির্যাতন শুরু করে।
ইতিমধ্যে মেঘ অন্য একটি মেয়ের সাথে পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত হয়। এর কিছু দিন পরেই মেঘ তার স্ত্রী বৃষ্টিকে না জানিয়ে ঐ মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে তুলে আনে যেটা প্রচলিত আইনে অনুমিত নয়। বৃষ্টি এই কথা জেনে হতবিহব্বল হয়ে পড়ে। বৃষ্টি যখন এসব নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেল তখন তার স্বামী ও পরিবারের লোকেরা মিলে তাকে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য করতে লাগল। অথচ যে মেঘ বৃষ্টিকে জীবন দিয়ে ভালবাসত বলে সে জানত আজ সেই মেঘই সন্তান জন্মদানের অক্ষমতা নিয়ে কোন কথা উঠলে বৃষ্টিকে মানসিক নির্যাতন থেকে শারীরিক নির্যাতন করে। এতো সব মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের পরেও সে তার স্বামীর ঘরে থাকতে চায়।
এখন সমাজের কাছে বৃষ্টির প্রশ্ন - এর কি কোন সমাধান নেই? শুধু সেই কি এর জন্য একা দায়ী? তার স্বামী কি পারত না তাকে উন্নত কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে? তার কি স্বামীর ঘরে থাকার অধিকার নেই? কত দিন ধরে চলবে তার উপর এমন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন? আর কিভাবে তার স্বামী তার অনুমতি না নিয়ে ২য় বিয়ে করেছে?
পাঠক, এখানে বৃষ্টি যে মানসিক নির্যাতনের শিকার তা পারিবারিক নির্যাতনের পর্যায়ে পড়ে। পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন,২০১০ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে এমন কোন নারী বা শিশু সদস্যের উপর কোন প্রকার শারীরিক,মানসিক ও যৌন নির্যাতন করা যাবে না। এই ক্ষেত্রে পারিবারিক সম্পর্ক বলতে রক্তের সম্পর্কের কারণে বা বিয়ের মাধ্যমে বা দত্তকের মাধ্যমে বা যৌথ পরিবারের সদস্য হবার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত কোন সম্পর্ককে বুঝাবে। কেউ এসব অপরাধ করলে তিনি অনধিক ছয় মাস কারাদন্ড বা অনধিক দশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন এবং অপরাধ পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে তিনি অনধিক দুই বৎসর কারাদন্ড বা এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।
মেঘ তার প্রথম স্ত্রী বৃষ্টিকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে। কিন্তু মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী কোন পুরুষ একটি বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় ১ম স্ত্রী বা সালিসি পরিষদের অনুমতি না নিয়ে ২য় বিয়ে করতে পারবেন না। যদি অনুমতি ছাড়া বিয়ে করেন তাহলে ঐ ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় প্রকারে দণ্ডনীয় হবেন এবং ঐ বিবাহ মুসলিম বিবাহ ও তালাক আইন ১৯৭৪ অনুসারে নিবন্ধিত হতে পারবে না।
এক সময় মেঘ ও তার পরিবার বৃষ্টিকে তাদের ঘর থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করতে থাকে। কিন্তু এক জন বিবাহিত মহিলার বিয়ে বলবৎ থাকা অবস্থায় তার স্বামীর ঘরে থাকার অধিকার অবশ্যই আছে যদি বিয়েটি আইনসিদ্ধ হয়। কোন কারণ ছাড়া স্বামী বা স্বামীর পরিবারের অন্য কেউ স্ত্রীকে বাসগৃহে থাকার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারেনা। এই ধরণের বেআইনি কাজ করার জন্য বৃষ্টি আইনের আশ্রয়ও নিতে পারে।
পাঠক, বর্তমান পৃথিবীতে এমন অনেক উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে যেখানে সন্তান জন্মদানের অক্ষমতা দূর করা সম্ভব। সমস্যা শুধু বৃষ্টির না হয়ে মেঘেরও থাকতে পারে। তাই উভয়ের যথাযথ চিকিৎসা নেওয়া উচিত। তারপর কি করা যায় সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। এই ক্ষেত্রে আইনের কোন আশ্রয় নেওয়ার চেয়ে সামাজিকভাবে নিজেদের মধ্যে আপোষ করে নেওয়া ভাল।
লেখকঃ সভাপতি, হিউম্যান রাইটস স্টুডেন্ট কাউন্সিল, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন (বি.এইচ.আর .এফ), চট্রগ্রাম শাখা
24 Dec 2012 12:49:38 AM Monday
|
<urn:uuid:3cc495e5-c8f1-4110-9757-196096bc1e15>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://www.banglanews24.com/Law/detailsnews.php?nssl=903ce9225fca3e988c2af215d4e544d3
|
2014-07-31T21:40:09Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510273676.54/warc/CC-MAIN-20140728011753-00426-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999639
|
Beng
| 9
|
{"ben_Beng_score": 0.9996390342712402}
|
কলকাতা থেকে দুই মাওবাদীকে গ্রেফতারের ঘটনায় আদালতের তীব্র ভর্তসনার মুখে পড়ল কলকাতা পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। শুক্রবার আলিপুর সিএমএম আদালতে তোলা হয় ধৃত মাওবাদী নেতা কিশোর ওরফে সব্যসাচী গোস্বামী এবং কলকাতা সিটি কমিটির সদস্য জাকির হোসেনকে। ধৃত কিশোর ওরফে সব্যসাচী গোস্বামী মাওবাদী রাজ্য কমিটির সদস্য। জাকিরকে পনেরো তারিখে গ্রেফতার করা হলেও তাঁকে শুক্রবার আদালতে পেশ করা হয়।
অভিযুক্তদের আইনজীবী অভিযোগ করেন ১৫ এপ্রিল ধর্মতলা থেকে জাকির হোসেনকে গ্রেফতারের পর চারদিন ধরে বেআইনিভাবে আটক করে রেখে, জেরার নামে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে তাঁকে। সারা শরীরে আঘাতের চিহ্নগুলিই তার প্রমাণ। এরপরেই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বরূপ শেঠ জাকিরের শরীরের আঘাতের চিহ্নগুলি দেখতে চান।
বিচারক সিএমএম কাঠগড়ায় ডাকেন এসটিএফের তদন্তকারী অফিসার অশোককুমার ঘোষকে। বিচারক জানতে চান, জাকিরের শরীরে আঘাতের চিহ্নগুলি কিসের । উত্তরে তদন্তকারী অফিসার জানান, মেডিক্যাল কলেজে মেডিক্যাল করানো হয়েছে। বিচারক প্রশ্ন করেন, আরএমওর নাম কি। আইও তখন বলেন, মেডিক্যাল রিপোর্টে সই আছে। বিচারক আবার প্রশ্ন করেন, আরএমওর নাম কি। আই ও উত্তরে বলেন, জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গেছি।
এরপরেই বিচারক তীব্র ভর্তসনা করেন তদন্তকারী অফিসারকে। এবং বলেন, হোয়াট ডু ইউ মিন, জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গেছি। এক্ষুনি কোর্টের বাইরে যান, যেভাবে হোক জেনে আসুন আরএমওর নাম। যদিও এদিন আরএমওর নাম জানাতে পারেনি এসটিএফ। এরপর বিচারক অভিযুক্তদের আইনজীবীকে জামিনের আবেদন জমা দিতে বলেন। জাকির হোসেনকে তেইশ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
ধৃত কিশোর ওরফে সব্যসাচী গোস্বামীকে পঁচিশে এপ্রিল পর্যন্ত পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। কিন্তু জাকিরের এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে ডেপুটি কমিশনার এসটিএফকে এই ঘটনায় তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখতেও নির্দেশ দেন। এবং একইসঙ্গে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলেন। উল্টোদিকে সব্যসাচী গোস্বামীর আইনজীবীর উপস্থিতিতে তাঁকে জেরা করা যাবে এই মর্মে নির্দেশ দেন। এবং মেডিক্যালের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলেন।
|
<urn:uuid:9d03a4c0-7dcb-49d4-90bc-b83034f29543>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://zeenews.india.com/bengali/kolkata/two-maoisat-arrested-form-kolkata_12872.html
|
2014-07-31T23:25:32Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510273676.54/warc/CC-MAIN-20140728011753-00426-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999844
|
Beng
| 15
|
{"ben_Beng_score": 0.999843955039978}
|
Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, দুর্নীতির সঙ্গে তার ছেলে তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতা ছিল না। তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। তার নিজস্ব সম্পদ বলতে কিছু নেই। কিন্তু ফখরুদ্দীন-মইন তাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রদল আয়োজিত ‘জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভবিষ্যৎ ও তারেক রহমান :প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। এর আগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন তিনি। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৪৮তম জন্মদিন উদযাপন করেছে দলটি। শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্বেচ্ছা রক্তদান, আলোচনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। সকালে ছাত্রদলের উদ্যোগে
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মিলনায়তনের মূল ফটকের প্রবেশদ্বারে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে সেখানে পুরস্কার বিতরণের পাশাপাশি ৪৮ পাউন্ডের একটি কেক কাটেন খালেদা জিয়া। পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাসাসের উদ্যোগে শিল্পী আনিসের তিন দিনব্যাপী একক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন তিনি।
দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করে। মঙ্গলবার মানিকগঞ্জে রাত ১২টা ১ মিনিটে ৪৮ পাউন্ডের কেক কাটার মাধ্যমে জন্মদিনের কর্মসূচি শুরু হয়। বরিশাল থেকে ফেরার পথে খালেদা জিয়া মানিকগঞ্জে কেক কাটেন। বিএনপির উদ্যোগে বগুড়ায় এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঢাকার বাইরে মানিকগঞ্জসহ জেলা পর্যায়েও কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, সেনা-সমর্থিত ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তারেকের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে ‘পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার’ চালানো হয়েছিল। অথচ তারেক যেভাবে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিল, তাতে দল ও দেশ উপকৃত হতো। দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যেত; কিন্তু চক্রান্তকারীরা আগে থেকেই তারেককে টার্গেট করে নানাভাবে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অপপ্রচার চালাতে শুরু করে।
তারেক রহমানের পুরোপুরি আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর দোয়া চান খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, তারেক এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। মঙ্গলবারও লন্ডনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিল বলে তার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। সে যাতে পূর্ণাঙ্গ সুস্থ হয়ে দেশে ফিরতে পারে, সে জন্য সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
তিনি বলেন, ‘তারেকের চিন্তাভাবনা ছিল ভিন্ন প্রকৃতির। সে তৃণমূল থেকে বিএনপিকে সুসংগঠিত করছিল। আওয়ামী লীগ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বললেও অনেক আগেই তারেক রহমান এ কাজ শুরু করেছে। নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানাতে গবেষণা কাজ করেছে। এসব দেখে প্রতিপক্ষ ভেবেছে, এই ছেলেকে বেশিদূর এগিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। এ জন্য তাকে টার্গেট করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তারা তারেক রহমানকে শেষ করতে চেয়েছিল। আল্লাহর রহমতে সে বেঁচে গেছে।’
ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ঢাবির সাবেক ভিসি অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা, বার কাউন্সিলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ঢাবির অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ূয়া, অধ্যাপক তাজমেরী এসএ ইসলাম, সাবেক ফুটবল তারকা রুম্মন ওয়ালা বিন সাবি্বর, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব, সিনিয়র সহসভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানস্থলে ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ সেন্টারের সহায়তায় আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এতে মায়ের কোলে শিশু তারেক রহমান থেকে শুরু করে তার পারিবারিক-রাজনৈতিক-সামাজিক-কূটনৈতিক কার্যক্রম এবং গ্রেফতার ও নির্যাতনের ছবি স্থান পেয়েছে। ১৪৬টি ছবির মধ্যে সর্বশেষে রয়েছে যুক্তরাজ্যের হিথ্রো বিমানবন্দরে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হুইলচেয়ারে বসা তারেক রহমানের ছবি।
সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খালেদা জিয়া কিছুক্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। শুরুতেই তারেক রহমানকে নিয়ে শায়রুল কবির খানের লেখা ‘নতুন পথের দিশারী’ গান গেয়ে শোনান শিল্পী আসিফ।
মঙ্গলবার রাতে ধানমণ্ডি থানা বিএনপি এবং অঙ্গদলগুলোর উদ্যোগে কেক কাটা হয়। এতে স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল মান্নান, কেন্দ্রীয় নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল উপস্থিত ছিলেন। বাদ আসর দৈনিক দিনকাল অফিসে কেক কাটা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যুবদল বাদ মাগরিব দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেক কাটে।
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আ’লীগ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে_ মওদুদ : বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ফের ১/১১-এর মতো ঘটনা ঘটলে সব থেকে বড় আঘাত আসবে আওয়ামী লীগের ওপর। সেদিকে না গিয়ে আওয়ামী লীগের জন্য সম্মানজনক হবে বিরোধী দলের হাতে নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়া। তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ হেরে গিয়ে বিরোধী দলে থাকবে। কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আর ১/১১-এর ?মতো ঘটনা ঘটলে রেল, পদ্মা সেতুতে যেসব মন্ত্রী-এমপি দুর্নীতি করেছেন, তারা যত শক্তিশালী হোন না কেন, ছাড় পাবেন না।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে তারেক রহমানের ৪৮তম জন্মদিন উপলক্ষে স্বদেশ মঞ্চ আয়োজিত ‘১/১১ ষড়যন্ত্র, আগামী প্রজন্মের নেতৃত্ব ও তারেক রহমান’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় মওদুদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যতদিন সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় না হবে, ততদিন আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে দলীয় নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের যে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে তাতে ১৮ দল অংশ নেবে না। তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার গঠিত হলে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করা হবে। আগামীতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদকে কার্যকর, হিংসা-বিদ্বেষের রাজনীতি দূর করে বিচার বিভাগ ও সংবাদমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ না করে বিরোধী দলকে সম্মানজনক অবস্থানে রাখা হবে।
|
<urn:uuid:c0756d02-a38e-432e-bba7-b6a17584fa20>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://bangla.bdnews.com/news/22237
|
2014-07-30T00:55:42Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510268363.15/warc/CC-MAIN-20140728011748-00360-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999832
|
Beng
| 37
|
{"ben_Beng_score": 0.9998319745063782}
|
সাহারা মরুভূমি
এবং লোকসংখ্যা ২০ লক্ষের বেশী হবে না। পাহাড়, মালভূমি, বালি ও অনূর্বর ভূমি দ্বারা সাহারা মালভূমি গঠিত। বেশ কিছু মরূদ্যানও আছে। কূপ ও প্রস্রবণ থেকেই কিছু পানি পাওয়া যায়।
বিস্তৃতি[সম্পাদনা]
খনিজ পদার্থ[সম্পাদনা]
আবহাওয়া[সম্পাদনা]
অত্যন্ত গরম ও শুকনো। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০ সেমি-র বেশী হয় না। দিনে প্রচন্ড গরম ও রাতে ঠান্ডা। কখনো কখনো পাহাড়ের চূড়ায় বরফও জমে থাকতে দেখা যায়। শীতকাল থেকে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রী সে থেকে ৪৩ ডিগ্রী সে পর্যন্ত ওঠানামা করে।
অধিবাসী[সম্পাদনা]
গাছপালা[সম্পাদনা]
মরুভূমির কোনো কোনো জায়গায় ঘাস, গুল্ম ও ছোট গাছ জন্মে। পানির সন্ধানে গাছ গুলোর মূল মাটির খুব গভীরে পৌঁছায় এবং অনেক ক্ষেত্রেই বাতাস থেকে পাতার মাধ্যমে পানি গ্রহণ করে।
পশুপাখী[সম্পাদনা]
সাপ, গিরগিটি ও খেঁকশিয়ালের মত প্রাণী বাস করে। যাযাবর ও পণ্যবাহকেরা যাতায়াতের জন্য উট ব্যবহার করে।
পূর্বাবস্থা[সম্পাদনা]
১০,০০০ বছর আগে সাহারার আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত আর্দ্র ও শীতল ছিল, বেশ কিছু হ্রদ ও ছোট নদীর অবস্থানের প্রমাণ পাওয়া যায়। বর্তমানে শুষ্ক মরুভূমি, এমন কিছু অঞ্চলের পাহাড়ের গুহায় আদিম মানুষের বসবাসের চিহ্ন (গুহাচিত্র ও পাথরের যন্ত্রপাতি) পাওয়া গেছে যা থেকে বোঝা যায় ঐ এলাকা থেকে এক সময়ে সহজে পানির নাগাল পাওয়া যেত।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এই এলাকায় হাতি জিরাফ ও অন্যান্য প্রাণী বাস করত। আফ্রিকা বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পুর্ণ, আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।
|
<urn:uuid:2230f64c-1d4e-448b-a091-b37adb74ee7c>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE_%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF
|
2014-07-31T09:25:33Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510272940.33/warc/CC-MAIN-20140728011752-00408-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999299
|
Beng
| 36
|
{"ben_Beng_score": 0.9992988109588623}
|
ধিক্কার বিশ্বজিতের নির্মম হত্যাকারীদের
অ্যাডভোকেট শেখ সালাহ্উদ্দিন আহমেদ
৯ ডিসেম্বরের অবরোধে ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও ও সহিংসতার দৃশ্যে এই উদ্বেগ বড় হয়ে উঠেছে যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা-সংলাপ না হলে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন হতে পারে।
৯ তারিখের অবরোধের সময় এক তরুণের নৃশংস হত্যাসহ চারজনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই চারটি প্রাণের দায় কার?
ক্ষমতাসীন ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এ প্রশ্ন সমানভাবে প্রযোজ্য। রাজপথভিত্তিক প্রায় সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি এখন পরিণত হয়েছে ধ্বংসযজ্ঞ ও সহিংসতার উৎসবে। বিরোধী দলগুলো মুখে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির কথা বলে, কিন্তু কার্যত যেকোনো কর্মসূচিকে ‘সফল’ করার জন্য তাদের কর্মী-সমর্থকদের জ্বালাও-পোড়াও কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে বিরোধী দলের কর্মসূচিকে জননিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য হুমকি আখ্যা দিয়ে তাতে বাধাদানে সরকার শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করেই তুষ্ট নয়; ক্ষমতাসীন দল ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীদেরও নামিয়ে দিচ্ছে রাস্তায়।
অবরোধের সময় পুরান ঢাকায় বিশ্বজিৎ দাস নামের এক তরুণকে ছাত্রলীগের কিছু কর্মী যে নৃশংসতায় খুন করেছেন, তা এই প্রক্রিয়ার এক ভয়ংকর পরিণতির দৃষ্টান্ত। বিশ্বজিৎ দাসের নৃশংস খুনের জবাব কি সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের কাছে আছে?
সহিংস রাজনীতি কেড়ে নিল বিশ্বজিৎকে। ২৪ বছরের তরতাজা তরুণ বিশ্বজিৎ রাজনীতির সাতপাঁচে ছিলেন না।
ছোট একটি টেইলার্স দোকান চালাতেন তিনি। বিরোধী দলের অবরোধ কর্মসূচির দিনে দোকানটি তিনি বন্ধ রেখেছিলেন। কিন্তু এক গ্রাহকের ফোন পেয়ে তিনি তার ঋষিকেশ দাস লেনের বাসা থেকে শাঁখারীবাজারের দোকানে যাচ্ছিলেন। ভেবেছিলেন গ্রাহককে তার পোশাক দিয়েই বাসায় ফিরে আসবেন।
কিন্তু ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবরা মাঝপথেই কেড়ে নিল তার প্রাণ। একদিকে ছাত্রলীগ অন্যদিকে বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে বিশ্বজিৎ ভয়ে আতঙ্কে পাশের একটি ডেন্টাল ক্লিনিকে আশ্রয় নেন।
বিশ্বজিৎকে জামায়াত-শিবিরকর্মী সন্দেহে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা । প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীদের একটি মিছিল ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। বিপরীত দিক থেকে এ সময় ছাত্রলীগের একটি মিছিলও আসছিল। তারা আইনজীবীদের ধাওয়া করে।
এ অপ্রীতিকর অবস্থায় পড়ে পথচারী বিশ্বজিৎ ছুটে আশ্রয় নেন পাশের এক ক্লিনিকে।
এ সময় ছাত্রলীগ ক্যাডাররা তাকে প্রতিপক্ষের লোক ভেবে হত্যা করে। বিশ্বজিৎ প্রাণ বাঁচাতে নিজের পরিচয় দিলেও উন্মত্ত দানবদের হাত থেকে রক্ষা পাননি।
দেশের সাধারণ মানুষ সহিংস রাজনীতির কাছে সত্যিকার অর্থে এখন জিম্মি। শুধু জিম্মি করা নয়, নিছক সন্দেহের বশে তাদের প্রাণও কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
অবরোধের মতো কর্মসূচি যদি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, নিরীহ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়, যানবাহন ভস্মীভূত করে, আতঙ্ক ছড়ায়, তা হলে এমন রাজনৈতিক কর্মসূচি তা গণতন্ত্রে যতই স্বীকৃত হোক, কারও কাম্য হতে পারে না।
আমরা অতীতেও হরতাল, অবরোধ দেখেছি; কিন্তু এমন নৃশংসতা খুব কমই দেখা গেছে। বিশেষ করে প্রকাশ্য দিবালোকে বিশ্বজিৎ নামের এক পথচারী তরুণকে নৃশংসভাবে হত্যার দৃশ্য আমাদের শঙ্কিত করেছে।
এ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই আমরা। আমার মতে, ১৮ দলীয় জোট কর্মসূচি দিতেই পারে। সরকারি দলেরও কর্মসূচির রাজনৈতিক বিরোধিতার অধিকার আছে। কিন্তু সে জন্য রাজপথে কেন সরকারি দলের সমর্থকরা রক্তারক্তি, সংঘাতে লিপ্ত হবে?
বিশ্বজিতের মতো নিরীহ পথচারী তরুণ কেন নৃশংস বলি হবে রাজনীতির। দেশের বিভিন্ন দৈনিকে তাকে হত্যার যে মর্মান্তিক বিবরণ ছাপা হয়েছে, যে করুণ দৃশ্য টিভি চ্যানেলে দেখা গেছে, তা অগণিত মানুষকে অশ্র“সিক্ত করেছে। এ রকম নিরীহ তরুণকে হত্যার দায় কি সরকারও এড়াতে পারে! রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান এমন হিংসাত্মক কর্মসূচি হতে পারে না।
সংকট যত গভীর হোক, আলাপ-আলোচনার মধ্যেই আছে তার সমাধান। কোন প্রক্রিয়ায় সবার গ্রহণযোগ্য একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা যায়, সেই পন্থা উদ্ভাবন হরতালে নয়, আলোচনাতেই সম্ভব।
অতীতেও হরতালে-অবরোধে কোনো নির্বাচিত সরকারের পতন হয়নি। তাহলে কেন দুর্ভোগের হরতাল! দেশে এ মুহূর্তে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে আমরা শঙ্কিত। কদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীদের রাজপথে প্রতিরোধে নামতে আহ্বান জানিয়েছেন, যা মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়।
আগুন জ্বালানো সহজ। নেভানো কঠিন। আমরা গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থেই শান্তিতে বিশ্বাসী।
আমরা সাধারণ মানুষ। আমাদের ছোট ছোট স্বপ্ন কেন রাজনীতির নিষ্ঠুরতার কাছে হেরে যাবে? আমরা মনে করি, এ প্রশ্ন বিশ্বজিতের বোনের, বাবা-মা বা ভাইয়ের নয়, সারা জাতির।
অবরোধের নামে ৯ তারিখে বিএনপি-জামায়াত সমর্থকরা সারা দেশে যে তাণ্ডব চালিয়েছে তা যেমন দুর্ভাগ্যজনক, তেমন ছাত্রলীগ নামের নব্য ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবদের অস্ত্র হাতে প্রকাশ্যে পাঁয়তারা, চাপাতি দিয়ে মানুষ খুনের নৃশংসতাও নিন্দনীয়। অপরাজনীতির হাতে আÍদানকারী বিশ্বজিতের নির্মম হত্যাকাণ্ডকে আমরা ধিক্কার জানাই। ধিক মানুষ হত্যার রাজনীতিকে।
লেখকঃ অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ও সভাপতি, সাউথ এশিয়ান ল’ ইয়ার্স ফোরাম
11 Dec 2012 07:43:29 PM Tuesday
|
<urn:uuid:45e32f6e-ced8-4cd9-8bc5-32cc094b93ec>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://www.banglanews24.com/Law/detailsnews.php?nssl=42a0e188f5033bc65bf8d78622277c4e
|
2014-08-01T22:31:51Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510275393.46/warc/CC-MAIN-20140728011755-00456-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999478
|
Beng
| 12
|
{"ben_Beng_score": 0.9994780421257019}
|
রাইফেল স্কোয়ারের ওই পাশের মার্কেটে বেশ বড় একটা সিডির দোকান আছে। দোকানে স্মার্ট, সুদর্শন একটা ছেলে বসে থাকে। সে লক্ষ্য করল লাজুক টাইপের একটা ছেলে প্রতিদিন তার দোকানে আসে। তার দিকে একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে। কিছুই বলে না। তার চোখ কিন্তু কথা বলে। দুচোখে তার ভালোবাসার ঝিলিক বোঝা যায়। লাজুক ছেলেটা চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। প্রতিদিন একটি করে সিডি কিনে নিয়ে সে বাড়ী ফিরে যায়। দোকানি ছেলেটা চুপচাপ তার চলে যাওয়া পথের দিকে তাকিয়ে থাকে। বছরখানের ধরে সে প্রতিদিনই আসে। একদিনের জন্য আসা বন্ধ করে নাই।
সপ্তাহখানেক হয়ে গেলো। ছেলেটির আর দেখা নেই। কিছু খোঁজাখুজির পর ছেলেটার বাসার হদিস বের করে ফেলল। কিছু ফুল নিয়ে সে দেখা করতে গেলো ছেলেটার সাথে। ছেলেটার কথা জিজ্ঞেস করার পর ছেলেটার মা হাউমাউ করে কেঁদে উঠল। দেয়ালে ঝুলছে ছেলেটার হাসিমাখা একখানা ফোটোগ্রাফ। ছবির ভিতর দিয়েও সে তার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। ছেলেটার ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছিলো। সপ্তাহ খানেক আগে সে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে চিরতরে। দোকানের ছেলেটা সেই ছেলেটার রুম দেখতে চাইলো। তার মা তাকে রুমে নিয়ে গেলো। টেবিলের উপর সাজানো রয়েছে সিডি বক্সগুলো। ছেলেটার কোন সিডি প্লেয়ার নেই। সে ভালোবাসার টানে প্রতিদিন ছুটে যেত সিডির দোকানে। সিডি কেনার নাম করে মূলত ছেলেটাকেই দেখতে যেত।
দোকানি ছেলেটার চোখ ফেঁটে কান্না পেলো। এই সিডির বক্সগুলো যদি সে ওপেন করত তাহলে সে তার ভালোবাসার কথা জানতে পারত। তার অব্যক্ত ভালোবাসার কথা রেকর্ড করে পাঠাতো সে সিডিগুলোর ভিতরে। দুজন দুজনকে ভালোবেসে গেছে । কিন্তু অব্যক্ত ভালোবাসা অধরাই রয়ে গেলো। তাই কেউ যদি কাউকে ভালোবাসে, সত্যিকারের ভালোবাসে। তবে তার উচিত সেই ভালোবাসাকে প্রকাশ করা।
|
<urn:uuid:876caeb9-93a1-4d73-bb0e-b8f5edd7481d>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://somokamita.wordpress.com/2011/09/21/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A6%BF/
|
2014-07-28T20:28:50Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510261958.8/warc/CC-MAIN-20140728011741-00318-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999943
|
Beng
| 35
|
{"ben_Beng_score": 0.9999431371688843}
|
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩
॥ আবুল ওয়াফী॥
১৯৭৩ সালের ২০ জুলাই আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও অন্যান্য অপরাধের বিচার ও শাস্তির জন্য বাংলাদেশের পার্লামেন্টে এই আইনটি পাস হয়। আইসিটি অ্যাক্ট ১৯৭৩ শিরোনামের এই আইনটির অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটা রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে জারি করা কোনো আইন নয়।
১. এই আইনটি যে সংসদে পাস করা হয় রাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বয়ং ছিলেন সেই সংসদের নেতা। সদস্য ছিলেন অভিজ্ঞ আইন প্রণেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন ....বিস্তারিত
‘আমরা জাস্টিস করব না’
॥ জামশেদ মেহ্দী॥
অবশেষে দেশি-বিদেশি আইন বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কাই সত্য বলে প্রমাণিত হলো। তারা বহুদিন থেকেই আশঙ্কা করে আসছেন যে বাংলাদেশের ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন মোটেই আন্তর্জাতিক নয়। এই আইন আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নয় এবং স্বচ্ছও নয়। এই আইনে অভিযুক্তরা ন্যায়বিচার বা ইনসাফ পাবে না। অনুরূপভাবে যে ট্রাইব্যুনালটি হয়েছে সেটি নিরপেক্ষ নয়। এই ট্রাইব্যুনাল প্রধান ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির (ঘাদানিক) সাথে অতীতে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। এই ....বিস্তারিত
দুই অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিধি দুই ধরনের!
॥মতিউর রহমান আকন্দ॥
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ তথা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে দেশের কয়েক জন শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদের বিচার চলছে। ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস্ (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ৬ ধারা মোতাবেক গঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস্ ট্রাইব্যুনাল। এ ট্রাইব্যুনালের বয়স ২ বছর অতিক্রান্ত হলো। বিচার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার উদ্দেশ্যে সরকার ২০১২ সালের ২২ মার্চ আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। যার নাম দেয়া হয় ট্রাইব্যুনাল-২। ....বিস্তারিত
ট্রাইব্যুনালের এক বিচারকের মন্তব্যের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ
সোনার বাংলা রিপোর্ট : ‘আমরা ন্যায় বিচার করব না’ মর্মে ট্রাইব্যুনালের একজন বিচারকের মন্তব্যের প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। ঢাকায় অনুষ্ঠিত মিছিল ও সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেছেন, সরকার ৭৩’র কালো আইন দিয়ে কথিত যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চায়। প্রথম থেকেই জামায়াতে ইসলামীসহ দেশ-বিদেশের আইন বিশেষজ্ঞগণ ....বিস্তারিত
স্বাধীনতার ৪১ বছরে আমাদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি
॥ শামস তারেক ॥
গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ৪১ বছর আমরা পার করেছি। কিন্তু এই ৪১ বছরে আমাদের প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ হয়েছে? সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিরোধীদলের নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে বাধা দান, কিংবা শহীদ জিয়াউর রহমানের ওপর পাঁচটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনে বাধাদান ইত্যাদি প্রমাণ করে যে আদর্শ নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছিলাম, সেই আদর্শ থেকে আমরা অনেক দূরে সরে গেছি। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে যে ন্যায়বিচারভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল, ক্ষমতাসীন সরকারের আচরণ প্রমাণ করে তারা এই আদর্শ ....বিস্তারিত
সোনার বাংলা ডেস্ক : মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আইনজীবীদের কপি সরবরাহ না করেই কিছু বিদেশি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ৫টি ভলিউম ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন (এক্সিবিট) করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন। সরকার পক্ষের সর্বশেষ সাক্ষী-হিসেবে তৃতীয় দিনের মত মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধেতিনি গত ১০ এপ্রিল মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেন। পূর্বে সরবরাহ না করা এসব ডকুমেন্ট আদালতে এক্সিবিট করা আইনসম্মত নয় বলে অভিযোগ করেন মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, ....বিস্তারিত
বার্তা২৪ ডটনেট : ৭০ লাখ টাকাসহ রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ওমর ফারুক ও রেলওয়ের জিএম ইউসুফ আলী মৃধা ‘আটক’ হওয়ার ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১০ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর একটার দিকে রেলভবনে সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী এ কথা জানান। তবে মন্ত্রী ও বিজিবি তাদের আটক হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘‘সোমবার গভীর রাতে টাকা নিয়ে বাসায় যাওয়ার সময় ওমর ফারুকের চালক তাকে অপহরণ করার চেষ্টা করছিল। এ সময় ভয়ে জীবন বাঁচাতে তিনি বিজিবি সদর দপ্তরের ....বিস্তারিত
সোনার বাংলা রিপোর্ট : মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আগামী ২৪ মে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে ভোট হতে যাচ্ছে।
ভোটের এই দিন ঠিক করে গত ৯ এপ্রিল সোমবার বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
এ উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ জানান, ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহীরা ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। তা যাচাই-বাছাই হবে ২২ ....বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কর্তৃক সাক্ষীর জেরা, রিভিউ আবেদন, সময় ব্যবস্থাপনাসহ বেশ কিছু বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস্ (ট্রাইব্যুনাল-২) রুলস্ অব প্রসিডিউর ২০১২ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান গত ৬ এপ্রিল এক বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস্ (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ২২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মাননীয় ট্রাইব্যুনাল-২ রুলস্ অব প্রসিডিউর ২০১২ তে যেসব বিধি প্রণয়ন করেছেন ....বিস্তারিত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ গত ৮ এপ্রিল এক বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সুবহান পাবনার ....বিস্তারিত
সোনার বাংলা রিপোর্ট : দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, মন্ত্রী ও আইএমএফে’র বিরোধিতা এবং ব্যাপক সমালোচনা সত্ত্বেও মহাজোট সরকারের রাজনৈতিক বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গত ৮ এপ্রিল রোববার বেসরকারি খাতে ৯টি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দিয়েছে। ব্যাংকগুলোর মূল উদ্যোক্তারা হলেন মহাজোট সরকারের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, এমপি ও সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নিকটাত্মীয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজেও এর আগে বলেছিলেন, নতুন ব্যাংক দেয়া সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। ২০১১ সালে তিনি জাতীয় সংসদে এ ....বিস্তারিত
|
<urn:uuid:a495cffc-3536-4db3-b846-f8d4763ed753>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://www.weeklysonarbangla.net/news_category.php?newsctgid=68&newspd=74&categoryname=%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE&publicationdate=2012-04-13
|
2014-07-22T07:18:38Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1405997857710.17/warc/CC-MAIN-20140722025737-00234-ip-10-33-131-23.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999559
|
Beng
| 34
|
{"ben_Beng_score": 0.9995589852333069}
|
ঈশ্বর স্পেস নির্মাণ – ডগ পোলক সঙ্গে স্টিভ Sjogren দ্বারা সাক্ষাৎকার
ভুগছেন “evangiphobia?” অতীতে evangelistic পদ্ধতি দ্বারা বন্ধ করা হয়েছে? আপনার বন্ধুদের সাথে আধ্যাত্মিক কথোপকথন শুরু জিনিসটা কিভাবে করার চেষ্টা করছেন, সহকর্মীদের, তাদের বাঁক ছাড়া এবং পরিবারের সদস্যদের? … তারপর হয়তো কিছু কিভাবে তৈরি শিখতে সময় “ঈশ্বর স্থান”! ডগ পোলক, লেখক “ঈশ্বর স্থান”, এবং পুরস্কার সহরচয়িতা বই বিজয়ী, “দুর্নিবার ধর্মপ্রচার” আমাদের পার সাহায্য করার জন্য এই সাক্ষাত্কারে আমাদের গাইড হিসেবে কাজ করা হবে / তাদের বিভক্ত করা.
ডগ পোলক ওপর
আধ্যাত্মিক কথোপকথন জন্য ডগ এর আবেগ তাকে গ্রহণ করেছে 36 বিভিন্ন দেশ, আমাদের সাত মহাদেশ ছয়, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ জুড়ে. ডগ খ্রীষ্টের অনুগামীদের প্রাকৃতিক তাদের আধ্যাত্মিক কথোপকথন মান এবং পরিমাণ বৃদ্ধি সহায়তা করে, doable, এবং বাস্তব উপায়ে. তিনি গির্জা শনিবার বিশ্বের মাধ্যমে সোমবার খ্রিস্টান বিশ্বাসের জন্য plausibility তৈরি কথোপকথন সঙ্গে সংস্কৃতি নিয়োজিত সজ্জিত রোববার বিল্ডিং ছেড়ে চলে যেতে হবে প্রতীত হয়. আপনি এই ওয়েবসাইটে ডগ সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে পারেন:http://www.godsgps.com/godsgps-my-information/
|
<urn:uuid:1f18781f-5699-4e21-a0e1-4dbc0afa4682>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://www.serve-others.com/creating-god-space-an-interview-with-doug-pollock-by-steve-sjogren/?lang=bn
|
2014-07-24T21:46:27Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1405997892495.1/warc/CC-MAIN-20140722025812-00106-ip-10-33-131-23.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999371
|
Beng
| 44
|
{"ben_Beng_score": 0.9993707537651062}
|
নারী মানবাধিকার সুরক্ষায় বরাদ্দ রেখে উপজেলা পরিষদের বাজেট ঘোষনা যাচাই করা হয়নি
- by কামাল উদ্দীন
- চট্টগ্রাম
- ২৮ জুলাই ২০১২
- ১১:৪৬
- স্থানীয় সরকার
নারীর মানবাধিকার সুরক্ষা বিশেষ করে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, নারী নির্যাতন বন্ধ, যৌন হয়রানি, নারী ও শিশু পাচার রোধ, দরিদ্র নারীদের আত্মকর্মসংস্থান জোরদার, যৌতুক বন্ধ ইত্যাদি খাতে বরাদ্দ রেখে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের ২০১২-১৩ অথর্ বছরের বার্ষিক বাজেট উন্মুক্তকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২২ জুলাই উপজেলা পরিষদ হল রুমে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বদরুছ মেহের।
সভায় ২০১২-১৩ অর্থ বছরের বাজেট পাঠ করে শুনান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বদরুছ মেহের। বোয়ালখালী উপজেলার জন্য চলতি অর্থ বছরে ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা বাজেট ঘোষনা করেন। বাজেট এ নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, কৃষিতে নারীর কর্ম সৃজন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অসহায় ও নির্যাতিত নারীদের আইনী সহায়তা এবং শিক্ষায় নারীর অংশ গ্রহণ কার্যকর বৃদ্ধিতে দুই লক্ষ টাকার বরাদ্ধ রাখা হয়।
সভায় নারীর অগ্রগতি ও উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য বোয়ালখালী উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে স্থানীয় তহবিল সংগ্রহ করে নারী বান্ধব কর্মসূচী সম্পন্ন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এবং এ ব্যাপারে সরকারী বেসরকারী দাতা সংস্থা ও দানশীল ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
|
<urn:uuid:a8ca8dfb-36f1-4a95-9320-d6f7475be8ee>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://nagorikkontho.org/portal/reports/view/1855
|
2014-07-28T04:12:14Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1406510256737.1/warc/CC-MAIN-20140728011736-00294-ip-10-146-231-18.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.997212
|
Beng
| 21
|
{"ben_Beng_score": 0.9972115755081177}
|
পোপ বেনেডিক্ট , রোমান ক্যাথোলিক ধর্মানুসারিদের প্রধাণ হিসেবে এই বুধবারে শেষবারের মতো দর্শনার্থিদের সামনে উপস্থিত হলেন । এ অবস্থান থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন আগামিকাল বৃহস্পতিবার থেকে ।
প্রার্থনা সভায় পৌরহিত্য করতে তিনি রোমের সেইন্ট পিটার্স স্কোয়ারে হাজির হন ভক্ত-অনুসারিদের সামনে । এজন্যে প্রায় ৫০ হাজার টিকিট বিলি করা হয় এবং কর্মকর্তাদের ধারণা এর চেয়েও সংখ্যায় হাজার হাজার বেশি পূন্যার্থি সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন ।
দর্শনার্থী-শ্রোতৃমন্ডলীর উদ্দেশে পোপ বলেন – সমস্যা – সংকট আর ঝড়ো হাওয়ায় তাড়িত উত্তাল তরঙ্গের মধ্যে দিয়ে দিনগুলো তাঁর সময়ে অতিক্রান্ত হয়ে থাকলেও চার্চের এ প্রতিষ্ঠানকে ঈশ্বর ডুবতে দেবেন না কোনোক্রমেই ।
পোপের এভাবে দর্শনার্থিদের সামনে উপস্থিত হওয়াটা সাপ্তাহিক প্রার্থনার ঘটনা হলেও এবারের উপস্থিতি আগের যে কোনো সপ্তাহের তুলনায় অনেক অনেক বেশি ছিলো ।
|
<urn:uuid:6979aacb-6106-4224-9fd9-dea361334b16>
|
CC-MAIN-2014-23
|
http://www.voabangla.com/content/pope-final-audience/1611918.html
|
2014-07-25T23:02:57Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-23/segments/1405997894865.50/warc/CC-MAIN-20140722025814-00066-ip-10-33-131-23.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999819
|
Beng
| 39
|
{"ben_Beng_score": 0.9998189806938171}
|
গোড়ায় গণ্ডগোল। লিফট বিভ্রাট, পানীয় জলসঙ্কট, বৃষ্টির জলে থই থই অবস্থা, সমস্যার ত্রিফলায় জেরবার নবান্ন। পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে আজ নবান্নে জলের পাউচ বিলি করা হয়। পানীয় জলের সমস্যা সামাল দেওয়া গেলেও বৃষ্টির জলে নাজেহাল অবস্থা নবান্নের। গত দুদিনের বৃষ্টিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা একরকম জল থই থই। মিটছে না লিফটের সমস্যাও। পূর্ত দফতর জানিয়ে দিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহ এই সমস্যা চলবে। রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি দিয়ে লিফট বিভ্রাটের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে পূর্ত দফতর।
বিভ্রাট পিছু ছাড়ছে না নবান্নের। লিফটের বিভ্রাটের পর গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া জলসঙ্কট। মঙ্গলবার থেকেই ব্যাপক পানীয় জলসঙ্কটে নবান্ন জুড়ে কর্মীদের ত্রাহি ত্রাহি রব। হাওড়া পুরসভা থেকে জল না মেলায় বসানো হয়েছে ডিপ টিউবওয়েল। কিন্তু তাতেও সমস্যা মিটছে না । কুইক রিলিফ হিসাবে মঙ্গলবার কর্মীদের হাতে হাতে বিলি হল জলের পাউচ।
লিফটের সমস্যাও মিটছে না এক্ষুনি। এই মর্মেই বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে পূর্ত দফতর। প্রতিটি লিফটের পাশেই পড়েছে নয়া বিজ্ঞপ্তি। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে লিফটের গতি বাড়াতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি বসানোর কাজ চলছে। সেই কারণেই আগামী একসপ্তাহ পর্যায়ক্রমে একটি করে লিফট বন্ধ রাখা হবে। কর্মচারিদের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে এরজন্য দুঃখপ্রকাশও করেছে পূর্তদফতর।
নবান্নে মোট লিফট সংখ্যা পাঁচ। ভিআইপিদের জন্য বরাদ্দ দুটি। কর্মীদের জন্য বরাদ্দ তিনটি লিফটের একটি করে লিফট কাজের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। আপাতত দুটি লিফটেই ওঠানামা করতে হবে কর্মীদের।
লিফটের কাজ চলায় আরও একটি বিষয়ে কর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছে পূর্ত দফতর। চারতলার আগে থামবে না কোনও লিফট। তাই চারতলা পর্যন্ত সপ্তাহদুয়েক আপাতত হেঁটেই উঠতে হবে কর্মীদের। তবে ছাড় থাকছে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের। ভিআইপি লিফটে তাঁরা যে কোনও তলায় যেতে পারবেন।
জলসঙ্কট মোকাবিলায় একদিকে যখন হাতে হাতে জলের পাউচ বিলি চলছে তখন বৃষ্টির জলে ফের ভেসেছে নবান্নের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তল। সোমবার রাতের বৃষ্টিতেই জল থইথই নবান্ন।
|
<urn:uuid:333fb699-32e4-49cd-9706-256e0adc39a7>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://zeenews.india.com/bengali/kolkata/nabanna-bad-condition_17324.html
|
2014-08-23T00:52:29Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1408500824970.20/warc/CC-MAIN-20140820021344-00376-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999732
|
Beng
| 8
|
{"ben_Beng_score": 0.9997316002845764}
|
সাম্যবাদ বা কমিউনিজম হল শ্রেণিহীন, শোষণহীন, ব্যক্তিমুনাফাহীন এমন একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবাদর্শ যেখানে ব্যক্তিগত মালিকানার স্থলে উৎপাদনের সকল মাধ্যম এবং প্রাকৃতিক সম্পদ (ভূমি, খনি, কারখানা) রাষ্ট্রের মালিকানাধীন এবং নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে। সাম্যবাদ হল সমাজতন্ত্রের একটি উন্নত এবং অগ্রসর রূপ, তবে এদের মধ্যেকার পার্থক্য নিয়ে বহুকাল ধরে বিতর্ক চলে আসছে। তবে উভয়েরই মূল লক্ষ্য হল ব্যক্তিমালিকানা এবং শ্রমিক শ্রেণির উপর শোষণের হাতিয়ার পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থার অবসান ঘটানো।
ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস মার্কসীয় দর্শনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা যিনি জার্মানীর বারামানে জন্মগ্রহণ করেন। অত্যন্ত রক্ষণশীল এবং গোঁড়া ধর্মীয় পরিবেশে তিনি ছোটবেলায় লালিত পালিত হয়েছিলেন ফলে অতিমাত্রায় ধর্মীয় নিয়ন্ত্রণ তাঁর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল। ব্যবসা ও রাজনীতির প্রতি তাঁর ছিল বিশেষ ঝোঁক। এ কারণে তিনি প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়াও ছেড়ে দিয়েছিলেন। ছোটবেলায় তিনি কবিতা লিখতেন, তাও বাদ দিয়েছিলেন। তিনি পিতার ব্যবসায় হাত লাগাতে লাগলেন এবং তৎকালীন রাজনৈতিক বিষয়ে এবং হেগেলীয় দর্শনের পঠন-পাঠন শুরু করলেন। হেগেলীয় দর্শন অধ্যয়নে তিনি এর বিশেষ ত্রুটিসমূহ লক্ষ্য করতে লাগলেন এবং তাঁর মনে এর বিপুল সমালোচনা জমা হতে লাগলো।
নকশাল আন্দোলন একটি উগ্রপন্থী কমিউনিস্ট আন্দোলনের নাম। বিংশ শতাব্দীর সপ্তম দশকে পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়ি থেকে শুরু হয়ে এটি ধীরে ধীরে ছত্রিশগড় (তদানীন্তন মধ্যপ্রদেশ) এবং অন্ধ্র প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ক্রমে এটি একটি সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনে রূপ নিয়েছিল।নকশাল শব্দটি এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি ছোটগ্রাম ’’’নকশালবাড়ি’’’ থেকে।এখানে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র একাংশ ১৯৬৭ সালে তাদের নেতৃবৃন্দের বিরোধিতা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী) একটি পৃথক উগ্র বামপন্থী দল গঠন করেন। এ বিপ্লবী দলের নেতৃত্বে ছিলেন চারু মজুমদার এবং কানু স্যানাল। এ বিদ্রোহের সূচনা হয়েছিল ১৯৬৭ সালের ২৫ মে তারিখে। তখন নকশালবাড়ি গ্রামের কৃষকদের উপর স্থানীয় ভূস্বামীরা ভাড়াটে গুন্ডার সাহায্যে অত্যাচার করছিল। এরপর এই কৃষকরা ঐ ভূস্বামীদের সেখান থেকে উৎখাত করে। চারু মজুমদার চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মাও-সে-তুং এর অনুসারী ছিলেন। তিনি মনে করতেন ভারতের কৃষক এবং গরিব মানুষদের মাও-সে-তুং এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে শ্রেণিশত্রুদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করা প্রয়োজন। তার কারণ তারাই সর্বহারা কৃষক শ্রমিকদের শোষণ করে। তিনি নকশালবাড়ি আন্দোলনকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তার লেখনীর মাধ্যমে। তার বিখ্যাত রচনা হল ‘’’হিস্টরিক এইট ডকুমেন্টস্’’’, যা নকশাল মতাদর্শের ভিত্তি রচনা করে।
|
<urn:uuid:feec0f44-56e9-4d3b-8b93-770c3a9b36cc>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0:%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
2014-09-02T11:45:33Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1409535921957.9/warc/CC-MAIN-20140901014521-00014-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999458
|
Beng
| 19
|
{"ben_Beng_score": 0.9994584918022156}
|
সামারে একদিন...ওয়াসিম খান পলাশ
ওয়ালীবি পার্ক বেলজিয়ামের একটি প্রসিদ্ধ পার্ক। এখানে রয়েছে শিশু কিশোর, তরুণ,বয়স্ক সবার জন্য খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্ট। ইউরো ডিজনিতে যেমন দুটি পার্ট। দুটি অংশে প্রবেশে দুটো টিকিট নিতে হয়। কিন্তু পার্ক ওলীবিতে একটি টিকিটেই পুরো পার্ক ঘুরে দেখা যায়। প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ২০ ইউরো। তবে ১ মিটারের কম উচ্চতার ছেলে মেয়েদের কোনো প্রবেশ মুল্য লাগে না।
এখানে একটি পার্কের সাথে আরেকটি পার্কের তুলনা করা কঠিন। প্রতিটি পার্কের রয়েছে আলাদা আলাদা বৈচিত্র্য।
এ আদলের পার্ক এখন অনেক দেশেই আছে। ফ্রান্সেও এ আদলের পার্ক বেশ কয়েকটি রয়েছে। পার্ক আস্কতেরিক্স, পার্ক সেন্ট পল ঊল্লেখযোগ্য। আমি বিভিন্ন সময়ে ইউরোপের বেশ কিছু দেশ ভ্রমণ করেছি। রোমের লুনা পার্ক,লন্ডনের হাইড পার্ক, জার্মানির মোভি পার্ক, হোলিডে পার্ক অনেকটা এ আদলের।
আয়তনের দিক দিয়ে ইউরোপের সবচেয়ে বড় দেশ ফ্রান্স। ফ্রান্সকে ইউরোপের ট্রানজিটও বলা যেতে পারে। দেশটির চারিদিকে কয়েকটি দেশের ফ্রন্টিয়ার। বেলজিয়াম, স্পেন, ইটালী ও সুইজারল্যান্ডের বর্ডার আছে এই দেশটির সাথে। ফ্রান্সের সবচেয়ে কাছের দেশটি হলো বেলজিয়াম। প্যারিস ব্রাসেলসের দুরত্ব মাত্র ২৬১ কিলোমিটার। ডিরেক্ট ট্রেনে প্যারিস থেকে এক ঘন্টা বিশ লাগে ব্রাসেলস যেতে। সড়ক পথে লেগে যায় প্রায় তিন ঘন্টা। ইউরোপের অনেকগুলো দেশ আমার দেখা হয়েছে ইতিমধ্যে। বেলজিয়ামকে মনে হয়েছে একটু অন্য রকম। ঘর বাড়ীর আর্কিটেকচার সম্পূর্ন ভিন্ন ধরনের। অধিকাংশ ঘর লাল সিরামিক ইটের তৈরী। বাড়ী গুলোর চমৎকার চমৎকার সব ডিজাইন। ব্রাসেলস শহরটি বেশ বড়ই মনে হয়েছে আমার কাছে। শহরটি মনে হলো আধুনিক পুরোনোর সংমিশ্রন। দুটো মেট্রো লাইন শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চলে গেছে। এছাড়া শহরজুড়ে চোখে পড়েছে জালের মতো বিস্তৃত ট্রাম লাইন।
আর্ন্তজাতিক রাজনীতিতে ব্রাসেলস একটি গুরুত্বপূর্ন রাজধানী। মিটিং প্লেস। এখানে রয়েছে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদর দপ্তর। বিশ্বের পরাশক্তিরা এখান এসে অনেক গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। বেলজ়িয়ামে তিনটি ভাষা প্রচলিত। ফ্লেমিস, ডাচ ও ফ্রেন্স। প্রায় সবাই ইংরেজি জানেন। বেলজিয়ামে ফ্রেন্স ও ফ্লেমিসদের দ্বন্দ অনেক দিনের। দেশটির কিছু অংশে ফ্রেন্সরা সংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠ আবার কিছু অংশে ফ্লেমিসরা সংখ্যা গরিষ্ঠ। প্রশাসনেও আছে এই দুই ভাষা ভাষীদের নিরব দ্বন্দ্ব। বেলজিয়াম ইউরোপের ছোট্ট একটি দেশ। আয়তন মাত্র ৩০২৫৮ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ১০ মিলিয়ন। প্রতি কিলোমিটারে ৩৩৪ জনের আবাস। দেশটির প্রায় শত ভাগ শিক্ষিত। বেলজিয়ামের স্ট্রবেরি বিশ্ব বিখ্যাত। এখানে ব্যাপক ভাবে স্ট্রবেরির চাষ করা হয়। এগুলো সংরক্ষণ করে পরবর্তীতে জ্যাম, জ্যালী প্রস্তত করা হয়।
তবে বেলজিয়ামের ডায়মন্ড বাজার বিশ্ব বিখ্যাত। দেশটির এন্থারপেন শহরে রয়েছে বিশাল ডায়মন্ড মার্কেট।
যাই হোক লিখাটা শুরু করেছিলাম ওয়ালীবি ভ্রমণ নিয়ে। আসলে ভ্রমণটি অরগানাইজড করেছিলো আমার এলাকার ম্যারী। ম্যারী হলো সিটি করপোরেশনের অধীন প্রতিটি ওয়ার্ডের আঞ্চলিক প্রশাসনিক ব্যুরো। প্রতিটি ভেকেশানে এরা প্রচুর ভ্রমনণর ব্যাবস্থা করে থাকে। নাম মাত্র এন্ট্রী দিয়ে এলাকাবাসীরা এসব ভ্রমনণ অংশ নিতে পারে।
এবারের ভ্রমণে আমরা ৮০ জন যাত্রী। দুটি লাক্সারিয়াস দ্বোতলা বাসে যাত্রা করলাম। এসব ভ্রমণে আমি সাধারণত দ্বোতলাতে বসতে পছন্দ করি। প্রতিটি বাসে একজন করে গাইড। এখানে গাইড ও যাত্রী উভয়ে উভয়ের পরিচিত। এই গাইডরা দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের সেবায় নিয়োজিত। ভোর ৬ টায় আমাদের নিয়ে বাস বেলজিয়ামের ওয়ালীবির উদ্দেশ্য যারা শুরু করলো। ভোরের যাত্রাতে রাতে কারোই ভাল ঘুম হয় না। তারপরও শিশু কিশোর, তরুণ- তরুণী, বয়স্ক সবার ভিতর অন্য রকম একটা অনুভুতি। যেন অচেনা চিনতে যাচ্ছি। অটো রুট ধরে আমরা ছুটে চলেছি।
সকালের শান্ত পরিবেশ অপূর্ব লাগছিলো দুপাশ। আশে পাশের অনেকে, রাতের অপূর্ন ঘুম পুর্ন করে নিচ্ছিলেন। প্রায় ঘন্টা তিনেক চলার পর বাস হাইওয়ের পার্শ্বে এক রেস্তোরার সামনে এসে থামলো। গাইড আমাদের সবাইকে এক ঘন্টা সময় দিলেন ব্রেকফাষ্টের জন্য। গাইড নিচের লাগেজ ষ্টোর খূলে দিলেন। যার যার মতো প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে সবাই ছুটলো রেস্তোরার দিকে। হাইওয়ের পার্শ্বে এসব যাত্রাবিরতিতে পাবলিক টয়লেট, ফাষ্টফূডের দোকান, মিনি মার্কেট থাকে। হাইওয়ের পার্শ্বের এই যাত্রা বিরতির স্থানগুলো সব সময় ব্যস্ত থাকে যাত্রীদের আসা যাওয়ায়। সবার মতো আমিও প্রথমে টয়লেট সেরে একটা গরম কাফে নিলাম। আমাদের সাথে আসা অনেককে দেখলাম বাসা থেকে নাস্তা বানিয়ে এনেছে। আবার অনেকে ফাষ্টফূড থেকে কিনে নাস্তা করছে। বাইরে চমৎকার রোদ ঝলমলে সকাল। যারা সিগারেটে অভ্যস্ত, সিগারেট টেনে নিচ্ছেন।
গাইড এসে আমাদের পুন:যাত্রার ইঙ্গিত দিলেন। আমরা যে যার সিটে গিয়ে বসলাম। গাইড সবাই এসেছেন কিনা একবার চেক করে নিলেন। বাস হাইওয়ে ধরে ছুটে চললো ...........।
firstname.lastname@example.org
রেটিং দিন :
|
<urn:uuid:e1da3a22-acf5-428d-8631-3fda88769490>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://thebengalitimes.com/details.php?val=140&pub_no=0&menu_id=8
|
2014-08-21T19:59:19Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1408500821289.49/warc/CC-MAIN-20140820021341-00012-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.99972
|
Beng
| 8
|
{"ben_Beng_score": 0.9997197985649109}
|
শেয়ার করুন:
|Tweet||
রাঙামাটি থেকে আব্দুর রাজ্জাক ॥ পাহাড় ধসে গত কয়েকদিনে সহস্রাধিক মানুষ মারা গেলেও এখনও পাহাড় ধসের ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে রাঙামাটির অসংখ্য মানুষ।
প্রবল বর্ষণে বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বহু মানুষ পাহাড় ধসে মারা গেছে। কিন্তু এতো ঝুঁকি জেনেও রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের খাদে বসবাস করছে অসংখ্য মানুষ। দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে এসব মানুষের। এতে চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারীরা। শুধু রাঙ্গামাটি শহরে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে, এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। গত কয়েক দিনের টানা প্রবল বর্ষণে ব্যাপক পাহাড় ধস হওয়ায় শহর এলাকার অর্ধশতাধিক পরিবার উদ্বাস্তু হয়েছে। আতংকে ভুগছে অনেকে। এছাড়া প্রবল বর্ষণে শহর এলাকাসহ গোটা জেলায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছে লোকজন। বর্ষণে বিভিন্ন স্থানে ভূমি ও পাহাড় ধস হচ্ছে। কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধিতে দ্রুত প্লাবিত হচ্ছে হ্রদবেষ্টীত নিম্নাঞ্চল।
খবরে জানা যায়, এ পর্যন্ত জেলায় কোথাও প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে সতর্ক করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সরেজমিন দেখা গেছে, বর্ষণে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের আশপাশের এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক পাহাড় ধস হয়েছে। এতে আতংকে ভুগছে লোকজন। অনেকে নিরাপদ স্থানে সরে গেছে। অব্যাহত পাহাড় ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকায় জেলা প্রশাসন থেকে শহরে মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে রাঙ্গামাটি শহর এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘটে ব্যাপক পাহাড় ধসের ঘটনা। এতে ঝুঁকিতে পড়ে হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু রাঙ্গামাটিতে অব্যাহত পাহাড় কাটা কখনও বন্ধ হয়নি। প্রতিনিয়ত পাহাড় কেটে পাহাড়ের পাদদেশে নির্মাণ করা হয় বাড়িঘর। এসব বাড়িঘর নির্মাণে মানা হচ্ছে না বিল্ডিং কোড। ফলে রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বাড়ছে মারাত্মকভাবে।
জানা যায়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসের ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। সবচেয়ে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটেছে ১৯৯৭ সালের জুন মাসে। ওই সময় বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে শহরের রিজার্ভমুখ এলাকায় শিশু, মহিলাসহ একই পরিবারের ৭ জনের প্রাণহানি হয়। এরপরও রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কেটে অপরিকল্পিত বসতবাড়ি নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে পাহাড়ের নিচে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত পরিবারের লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন। ২৭ জুন রাঙ্গামাটি জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আক্তার ও সাব্বির আহম্মেদের নেতৃত্বে দমকল বাহিনীর সদস্যরা শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে লোকজনকে নিরাপদে সরে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া পাহাড়ে ভূমি ধসের কারণে যাতে প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে জনগণকে অবহিত করা হয়। ওই সময় তারা রাঙ্গামাটি টেলিভিশন ভবন এলাকা, শিমুলতলী ও মানিকছড়িসহ শহরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনের তালিকা প্রস্তুত করে ২৮ জুন তা জেলা প্রশাসকের কাছে দাখিল করেছেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভমুখ, কেরানিপাহাড়, ওয়াপদা কলোনি, ওমদা মিয়া হিল, আসামবস্তি, ট্রাইবেল আদাম, টিটিসি, হাসপাতাল, ভেদভেদী, রাঙ্গাপানি, মোনঘর, কলেজ গেট, কল্যাণপুর, নতুনপাড়া, পুলিশ লাইন এলাকাসহ রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ির আশপাশে বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কেটে বসতবাড়ি নির্মাণ চলে আসছে অপরিকল্পিতভাবে। এছাড়া কাপ্তাই হ্রদবেষ্টীত পাহাড়ের পাদদেশে এবং ভাসমান টিলায় মাটি কেটে অপরিকল্পিত বাড়িঘর নির্মাণ করে পাহাড় ধসের ঝুঁকির মধ্যে বাস করছে অনেকে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পাহাড় ধসে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এসব এলাকা থেকে বসবাসকারীদের না সরালে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকার জনগণ মনে করছে।
সতর্কবার্তা:
বিনা অনুমতিতে দি ঢাকা টাইমস্ - এর কন্টেন্ট ব্যবহার আইনগত অপরাধ, যে কোন ধরনের কপি-পেস্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, এবং কপিরাইট আইনে বিচার যোগ্য!
|
<urn:uuid:02bebe69-a3a8-4ca3-aa01-ab1e1ff20df9>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://thedhakatimes.com/2012/07/01/2658/rangamati-town-knowing-the-risks-are-under-50-thousand-people-living-in-the-mountains/
|
2014-08-27T10:50:56Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1408500829210.91/warc/CC-MAIN-20140820021349-00214-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999338
|
Beng
| 13
|
{"ben_Beng_score": 0.9993383884429932}
|
সামষ্টিক অর্থনীতি
সামস্টিক অর্থনীতি হচ্ছে অর্থনীতির একটি শাখা যা জাতীয় বা আঞ্চলিক অর্থনীতির সামগ্রিক কর্মদক্ষতা, কাঠামো ও আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। সামষ্টিক অর্থনীতি অর্থনীতির দুইটি সাধারণ মুল ক্ষেত্রের একটি। সামষ্টিক অর্থনীতিবিদগন পুরো অর্থনীতি কর্মকান্ড বোঝার জন্য জিডিপি, বেকারত্বের হার ও মূল্য সুচকের মত সামগ্রিক নির্দেশক নিয়ে আলোচনা করে। সামষ্টিক অর্থনীতিবিদগন মডেল উন্নয়ন করে থাকে যা কিছু উপাদানের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে, যেমন জাতীয় আয়, উৎপাদন, ভোগ, বেকারত্ব, মুদ্রাষ্ফীতি, সঞ্চয়, বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক বানিজ্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা। অন্য দিকে, ব্যষ্টিক অর্থনীতি একক উপাদানের কর্মকান্ডের উপর প্রাথমিক আলোকপাত করে যেমন, ফার্ম ও ভোক্তা, এবং তাদের আচরণ নির্দিষ্ট বাজারে দাম ও পরিমাণ কিভাবে নির্ধারন করে তা নিয়ে আলোচনা করে।
সামষ্টিক অর্থনীতি একটি বিশাল শিক্ষাক্ষেত্র, এখানে গবেষনার দুইটি দিক রয়েছে:জাতীয় আয়ে (বানিজ্য চক্র)স্বল্পকালীন স্থানান্তরের কারণ ও প্রভাব এবং দীর্ঘকালীন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জাতীয় আয় বৃদ্ধি) নির্ধারনের চেষ্টা করা।
সামষ্টিক অর্থনীতি মডেল ও তাদের প্রভাব সরকার ও বৃহৎ সংস্থা উভয়েরই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক নীতি ও ব্যবসা পরিস্থিতি মুল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ
সামষ্টিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব উন্নয়ন[সম্পাদনা]
"সামষ্টিক অর্থনীতি" ধারনাটি ১৯৩৩ সালে নরওয়েজিয়ান অর্থনীতিবিদ রাগনার ফ্রিশের একই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত "সামষ্টিক পদ্ধতি" ধারনা থেকে এসেছে। এবং বিগত সময়ে এই ক্ষেত্রের প্রচুর বিস্তৃত উপাদান অনুধাবন করার একটি দীর্ঘ প্রচেষ্টা রয়েছে। ইহা বিগত সময়ের বাণিজ্য বিচ্যুতি ও আর্থিক অর্থনীতি গবেষনার সামগ্রিক ও বিবর্ধন।
মার্ক ব্লাগ, অর্থনৈতিক চিন্তাধারার একজন উল্লেখযোগ্য ইতিহাসবিদ, তাঁর "Great Economists before Keynes: 1986" রচনায় বলেন যে, সুইডিশ অর্থনীতিবিদ নুট উইকসেল " কম কিংবা বেশী হউক আধুনিক সামষ্টিক অর্থনীতির প্রতিষ্টায় অবদান রয়েছে।
বুনিয়াদী অর্থনীতি ও অর্থের পরিমাণ তত্ত্ব[সম্পাদনা]
মূল নিবন্ধ: অর্থের পরিমাণ তত্ত্ব
বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে অর্থের পরিমাণ তত্ত্ব সামষ্টিক অর্থনীতি মডেলের সমর্থনে বুনিয়াদী অর্থনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রনে আসে। এই তত্ত্ব বিনিময় সমীকরন সৃষ্টি করে: সমীকরনটিতে বলা হয় যে, অর্থের যোগানের সময় অর্থের প্রবাহ (একটি বিনিময় প্রক্রিয়ায় নগদ অর্থ একজন থেকে অন্য জনের নিকট কত গতিতে স্থানান্তরিত হয়) হচ্ছে অপ্রকৃত উৎপাদনের (মূল্যস্তর কালীন উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার পরিমান) সমান। বুনিয়াদী অর্থনীতিবিদগন, যেমন ইর্ভিং ফিশার দেখান যে, স্বল্প কালে প্রকৃত আয় ও অর্থের প্রবাহ স্থিতিশীল হতে পারে, অতএব, এই তত্ত্বের মুলকথা হচ্ছে, মুল্য স্তর পরিবর্তিত হতে পারে অর্থের যোগান পরিবর্তনের মাধ্যমে। অর্থের বুনিয়াদী পরিমাণ তত্ত্ব প্রকাশ করে যে, অর্থের চাহিদা স্থিতিশীল এবং অন্যান্য উপাদান যেমন সুদের হার হতে স্বাধীন। অর্থনীতিবিদগন মহামন্দার সময়ে অর্থের বুনিয়াদী পরিমাণ তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন যেখানে অর্থের চাহিদা ও অর্থের প্রবাহ ব্যর্থ হয়।
কেইন্সীয় মতবাদ[সম্পাদনা]
১৯৩০ সাল পর্যন্ত বেশীর ভাগ অর্থনৈতিক বিশ্লেষন সামগ্রিক আচরণ থেকে বেড়িয়ে একক আচরণ বিশিষ্ট হতে পারেনি। ১৯৩০ সালের মহামন্দা ও জাতীয় আয় ও উৎপাদন পরিসংখ্যানের ধারনা উন্নয়নের সাথে সাথে সামষ্টিক অর্থনীতির ক্ষেত্র সমুহ প্রসারিত হতে থাকে। বর্তমানে আমরা জানি ঐ সময়ের পুর্বে সম্পুর্ন জাতীয় হিসাব ছিলনা। বৃটিশ অর্থনীতিবিদ জন মাইনার্ড কেইন্স যিনি মহামন্দাকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন তার ধারনা সঠিক ভাবে ফলপ্রসু হয়।
কেইন্সের পরবর্তী সময়কাল[সম্পাদনা]
অর্থনীতির একটি চ্যালেঞ্জ ছিল যে সামষ্টিক অর্থনীতি ও ব্যাষ্টিক অর্থনীতি মডেলের মধ্যে সমন্বয় সাধন। ১৯৫০ সাল হতে শুরু করে সামষ্টিক অর্থনীতিতে সামষ্টিক আচরনের ব্যষ্টিক ভিত্তিক মডেল সমুহেরে উন্নয়ন সাধিত হতে থাকে, যেমন ভোগ সমীকরন। ডাচ অর্থনীতিবিদ জান টিম্বার্গেন সর্বপ্রথম জাতীয় সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল উন্নয়ন করেন, যা তিনি নেদারল্যান্ডের জন্য তৈরি করেন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যে প্রয়োগ করেন। প্রথম বিশ্ব সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল হার্টন ইকোনোমেট্রিক ফোরকাষ্টিং এ্যাসোসিয়েট (Wharton Econometric Forecasting Associates)-এর লিন্ক প্রকল্পে (LINK project) লরেন্স ক্লেইন আরম্ভ করেন এবং তার ফলে তিনি ১৯৮০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
তত্ত্ববিদ যেমন জে আর রবার্ট লুকাস পরামর্শ (১৯৭০ সালে) দেন যে, সামষ্টিক অর্থনীতির অন্তত: কিছু প্রচলিত কেন্সীয়ান মতবাদ ( জন মায়ার্ড কেইন্স পরবর্তী) বিতর্কিত যেমন সেগুলো ব্যাক্তিগত আচরণ সম্পর্কে অনুমিত শর্ত থেকে পাওয়া নয়, কিন্তু সামষ্টিক অর্থনীতির চলক সমুহের মধ্যে পর্যবেক্ষনমুলক বিগত সহসম্পর্ক ভিত্তির বিপরীত। কখনও কখনও নব্য কেন্সীয়ান সামষ্টিক অর্থনীতিতে ব্যষ্টিক অর্থনীতির মডেল গুলোকে সামষ্টিক অর্থনীতির তত্ত্বের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার জন্য সাধারণ ভাবে উপস্থাপন করা হয় এবং কিছু কেইন্সীয়ান বাদী একটি ধারনার প্রতিদন্দ্বিতা করে যে, যদি মডেল সমুহ বিশ্লেষন গুরুত্বপুর্ণ হলে ব্যষ্টিক অর্থনীতি কাঠামো আবশ্যিক। একটি সাদৃশ্য পাওয়া যায় যে, পরিমাপ গত পদার্থ বিদ্যার বিষয় সমুহ বাস্তব তত্ত্বের সহিত পুরোপুরি সামঞ্জস্য পুর্ন নয় এর মানে এই নয় যে, বাস্তব মতবাদ ভুল।
চিন্তাধারার বিভিন্ন স্কুল সমুহ সবসময় সরাসরি প্রতিযোগিতা করেনা, কখনও কখনও তারা ভিন্ন ভিন্ন উপসংহারে পৌছে। সামষ্টিক অর্থনীতি গবেষনার একটি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ক্ষেত্র। অর্থনৈতিক গবেষনার লক্ষ্য একেবারে সঠিক ফলাফল বের করা নয়, বরঞ্চ কিছুটা কার্যকরী ( এম. ফ্রেডম্যান, ১৯৫৩)। ফ্রেডম্যানের মতে, একটি অর্থনৈতিক মডেল তথ্যের সঠিক ব্যবহার বা মডেল প্রতিষ্ঠার উপযুক্ত করার জন্য সঠিক ভাবে পুন: পুন: পর্যবেক্ষন করতে হবে।
বিশ্লেষনের প্রকৃতি[সম্পাদনা]
অর্থনীতির দুইটি ভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে সাধারণ পার্থক্য হচ্ছে: কেইন্সীয়ান অর্থনীতিতে চাহিদার উপর আলোকপাত করা হয় এবং যোগান অর্থনীতিতে যোগানের উপর আলোকপাত করা হয়। অন্যের পুরোপুরি ব্যতিক্রম গৃহীত হতে দেখা যায়না, কিন্তু বেশীর ভাগ স্কুল অন্যের তাত্ত্বিক কাঠামোর উপর প্রভাব রাখার চেষ্টা চালায়।
|
<urn:uuid:4a218141-86c7-4e7e-ba48-5feeceae8ada>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF
|
2014-08-30T14:21:19Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1408500835488.52/warc/CC-MAIN-20140820021355-00098-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998321
|
Beng
| 98
|
{"ben_Beng_score": 0.9983210563659668}
|
বিতর্কিত কাশ্মিরে পাকিস্তানি সৈন্যরা সীমান্তের ওপার থেকে গুলি করে দুজন ভারতীয় সৈন্যকে হত্যা করার অভিযোগ এনে ভারত পাকিস্তানের কাছে আনুষ্ঠানিক নালিশ এনেছে। পাকিস্তান এর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সালমান খুরশিদ আজ বলেন যে, মঙ্গলবারের ঐ ঘটনা সম্পর্কে ভারত খুব শক্ত ভাষায় তার উদ্বেগের কথা পাকিস্তানকে জানিয়ে দিয়েছে। ভারত বলছে যে এই দু জন সৈন্যের মৃতদেহকে খুব বর্বরতা এবং অমানবিকতার সঙ্গে ক্ষত বিক্ষত করা হয় এবং এই ঘটনা আন্তর্জাতিক বিধানের স্পষ্ট লংঘন। তবে খুরশিদ একই সঙ্গে এ কথা ও বলেন যে বিষয়টি যেন এই দুটি পরমাণু অস্ত্রের অধিকারিী দেশগুলোর মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত না করে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি ঐ মরদেহের প্রতি যে আচরণ করা হয়েছে তাকে অমানবিক বলে অভিহিত করেন ।
মি অ্যান্টনি বলেন যে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কর্মকান্ড অত্যন্ত উস্কানিমূলক। ভারতীয় সৈন্যের মৃতদেহের প্রতি তাদের আচরণ ছিল অমানবিক। আমরা পাকিস্তান সরকারের কাছে এর প্রতিবাদ জানাবো এবং সামরিক তৎপরতা বিষয়ে আমাদের মহাপরিচালক পাকিস্তানে তার সহপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র আজ বলেন যে একজন সৈন্যের মৃতদেহ থেকে মস্তক বিচ্ছিন্ন করা হয়্ । অন্যদিকে পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন যে তাঁরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখেছেন এবং ভারতীয় অভিযোগের পক্ষে কোন প্রমাণ পাননি। ভারতীয় সামরিক বাহিনী বলছে যে ঘন কুয়াশার আবরণে সুযোগ নিয়ে মঙ্গলবার পাকিস্তানি সৈন্যরা মেন্দহার শহরের কাছে পাকিস্তানি সৈন্যরা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় সৈন্যদের হত্যা করে।
|
<urn:uuid:a217294a-2056-4e80-ac4f-719dda1069a7>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://www.voabangla.com/content/india-complains-about-soldier-killings-9-november-2013/1580662.html
|
2014-08-29T20:21:49Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1408500833115.44/warc/CC-MAIN-20140820021353-00364-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999713
|
Beng
| 39
|
{"ben_Beng_score": 0.9997128844261169}
|
আমার ভাইয়ের শ্বশুরের পুরো পরিবার লন্ডনে থাকে। নববর্ষ পালন করতে ভাইয়ের অক্সফোর্ড পড়ুয়া শালী বাংলাদেশে এলো। এসেই আমাদের বাসায় উঠল। সে জানালো যত দিন বাংলায় থাকবে ততদিন নাকি আমাকে তার গাইড সাজতে হবে। ভাই ভাবি তাতেই সায় দিল। ভাইয়ের শালী জারা যেমন ৫’ ১০” ইঞ্চি লম্বা, যেমন তার চেহার তেমনি বডি ফিগার। বিধাতা নিজ হাতে একে বানিয়েছে।
এবার কাজের কথায় আসি, আমি আর না করলাম না। এমন একটা রূপসী, যৌবন যার পুরা শরীরে তার গাইড না হয়ে কি পারা যায়? সে রাতে আমার রুমে এসে গল্প শুরু করল। আমি তার কথা শুনছি কিনা জানিনা কিন্তু আমি তার কচি স্তনের থেকে চোখ ফিরাতে পারছি না। রাত বারোটা পর্য্যন্ত কথা বলার পর সে চলে গেল আর আমার অস্থিরতা বাড়তে লাগল। যে করেই হোক একে আমার চুদিতে হবে, না চুদিলে শান্তি পাব না।
১০ সময় সময় ঘুম থেকে উঠে এসেই বলল, গুড মনিং বেয়াই।
গুড মনিং বেয়াইন।
কখন বের হবেন আমাকে নিয়ে ঢাকা দেখাতে?
এইতো ফ্রেশ হয়ে নাস্তা শেষ করেই।
আমি ভাবছি কোথায় নিয়ে যাবো একে, কোথায় পাবো একে চোদার নিরাপদ জায়গা। আমার বন্ধু রবিনের পরামর্শে গাড়ী নিয়ে বের হলাম ন্যাশনাল পার্কে।
জারা প্রশ্ন করল আমরা কোথায় যাচ্ছি?
আমি বললাম অনাবিল সুখের হাওয়া খেতে।
কোথায় পাওয়া যায় সুখের হাওয়া?
আমি বললাম ন্যাশনাল পার্কে যাব আমরা।
সে বলল সেখানে এতো সুখের হাওয়া?
চলুন গেলেই টের পাবেন।
পার্কের টিকেট করে গেটে ঢুকতেই ‘কি স্যার বসার জায়গা লাগবো?’, দালাল এসে বলছে?
আমি বললাম একটু পর দেখা করতে। দালালটা চলে গেল। ঢুকতেই অনেক প্রেমিক প্রেমিকা আড্ডা দিচ্ছে। ওর অবশ্য বুঝতে বাকী নেই এটা প্রেম করার জায়গা। একটু এগোলেই অসংখ্য জুটি এখানে বসে আছে। একে অপরকে কিস করছে। ও লজ্জা মাখা খেয়ে আমাকে দেখাচ্ছে। যতই সামনে এগোচ্ছে ততোই কঠিন সেক্স আমারদের চোখে পড়ছে। কেউ প্রেমিকার দুধ মালিশ করছে, কেউ প্রেমিকের সোনা হাতিয়ে দিচ্ছে।
জঙ্গলে এক জুটির দৃশ্য দেখেতো ও আমাকে জড়িয়ে বলল, সত্যই তো অনেক সুখের হাওয়া। ওরা জঙ্গলে চোদাচুদি শুরু করেছে। আপনি কি নুলা নাকি? আপনার কোন আগ্রহ নেই না আমি দেখতে খারাপ? আমাকে আদর করতে ইচ্ছে করছে না আপনার?
এ দেখি মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি।
ও বললো চলুন কোথাও বসি।
নির্জন জায়গায় আমরা বসলাম। বসা মাত্র ও আমাকে কিস করতে শুরু করল। আমিও বসে থাকার পাত্র নই। আমিও জড়িয়ে ধরে কিস করতে ওর সর্ট কামিজের ব্রা কাছে হাত নিতেই ও কিছুটা লজ্জা পেয়ে বলল দুষ্টু। বলেই কিস বসালো গালে। আমিও ব্রা নিচে হাত দিয়ে ওর সুডৌল শক্ত দুধ টিপতে টিপতে এক পর্যায়ে ওর জিন্সের প্যান্টের নিচে প্যান্টির নিচ দিয়ে ওর কচি গুদে আঙ্গুল বসিয়ে দিয়ে ওর কমলার কোয়ার মত ঠোঁট চোসতেছি। দুজনেই কামের তাড়নায় অস্থির। এরই মধ্য দালালটা পিছন থেকে কাশি দিল। আমরা স্বাভাবিক হলাম।
দালাল বললো স্যার এখানে এই ভাবে কাম করন রিস্কের, আসুন একটা রুম দিয়া দেই।
আমাদের একটি বিল্ডিং রুমে কাছে নিয়ে গেল। এখানে সব ব্যবস্থা আছে। নিরাপদে চোদাচুদি করার জায়গা। দালাল আমাদের এখানে দিয়ে চলে গেল। দরজা আটকিয়ে আমি আর দেরী করলাম না, জারাকে জাপটে ধরে বিছানায় নিয়ে গেলাম ও উলঙ্গ করে ফেললাম। ওর সৌন্দর্যময় স্তন ও কচি পরিস্কার ভোদা আমাকে পাগল করে ফেললো। প্রথম দুধ ও ভোদা একসাথে দেখছি তাও আবার বিদেশে বড় হওয়া এ যুগের আধুনিক মেয়ের। আমি লোভ সইতে না পেরে ওর কচি গুদের লাল জায়গাটায় আমার মুখ বসিয়ে চোষতে লাগলাম। আমি চুষতেছি, ও মোচড়িয়ে উঠছে। কখনো ঠোঁট চুষতেছি, কখনো আবার দুধের খয়েরী বোঁটা।
এভাবে মিনিট কয়েক চুসতেছি, ও সুখে কাতরাচ্ছে, মোচড়িয়ে কোঁকড়িয়ে উঠছে। ওহ ওহ আং আঃ গড গড প্লিজ ফক মি ফক মি বলে অনুরোধ করতে লাগলো। আমি বসে ওকে চিত করে শোয়ালাম। দু পা দুই দিকে কেলিয়ে ওর থাই ফাঁক করলাম। আমার সোনা বাবা রেগে ফুলে টনটন করছে।
আমি ওর কচি গুদে মুখে সোনার মুন্ডিটা সেট করলাম। কচি টাইট গুদ, কিছুতেই ঢুকতে চাইছে না ধোন। অনেক কষ্টে আস্তে আস্তে ধোনের মুন্ডি ওর টাইট ভোদায় ঢুকাতেই জারা ওঃ আঃ আঃ ইসঃ ওস গড এসব বলে চিত্কার শুরু করল। কিছু ঠাপ দিতে দিতে পুরো ধোনটা ওর যোনি পর্দা ফাটিয়ে ভোদায় ঢুকালাম। ও লাফিয়ে উঠছে, আমি ঠাপ দিতে লাগলাম। জারা ওঃ আঃ ইস ইস এ্যাঃ ওঃ ইস গড মাম এসব বলে চিত্কার করছে। আমি ক্রমশই ঠাপের গতি বাড়াতে থাকলাম। ও শুধু কোঁকড়াচ্ছে মোচড়াচ্ছে। ওর কচি গুদের যোনী পর্দা ফেটে রক্ত বের হচ্ছিল। রক্তে আমার ধোন লাল হয়ে গেছে। ওর ব্যাগ থেকে টিস্যু পেপার বের করে রক্ত মুছে দিচ্ছি। সাথে ওর কচি দুধে কখনো মুখ লাগাচ্ছি, কখনো টিপতে টিপতে ঠাপাচ্ছি। ও আমার মাথা টেনে নিয়ে আমার ঠোঁট কামড়ে ধরছে। আমাকে বুকের সাথে পিষে ফেলতে চাইছে জড়িয়ে ধরে। আমিও প্রথম কোন মেয়েকে চুদছি আর ও কোন ছেলের সাথে প্রথম চোদা দিচ্ছে।ব্লু ফিল্মে দেখেছি নায়ক নায়িকাকে কোলে উঠিয়ে চোদছে। আমি এখন কোলে তুলে চুদবো ঠিক করলাম। সোনাটা গুদ থেকে খুললাম। ও এতক্ষনে দুইবার মাল ছেড়েছে। টিস্যু পেপার দিয়ে ভোদার রক্ত ও মাল মুছতেছি। মনটা চাইছে ওর গুদটা আরেকটু চুষতে। এত সুন্দর গুদ না চুষে কোন পুরুষ ঠিক থাকতে পারবে না। কিন্তু ধোন বাবাজী লাফাচ্ছে অন্দরমহলে প্রবেশ করার জন্য। আমার গলাটা ধরে ওকে পা দুটো আমার মাজার সাথে আটকে ওকে ঠাপাতে লাগলাম। আঃ ইঃ উস ইস আঃ আঃ আঃ আঃ ইঃ ইঃ ইঃ ইঃ ইঃ এ্যাঃ এ্যাঃ এ্যাঃ এ্যাঃ এসব আওয়াজ করছে। ওহ জ্বলে যাচ্ছে, আস্তে সোনা আস্তে, সুখ এইতো সুখ, আস্তে দাও! ওর পুরো ঝোঁক আমার শরীরে। আমি আমার দেহের সাথে ওকে মিশিয়ে রেখে চুদন সুখে বিভোর।
আহঃ, তুমি আমার বাংলাদেশে আসা সার্থক করে দিয়েছো। চোদনে এত সুখ আগে জানতাম না। তোমাকে এই বুক থেকে কখনো যেতে দিবো না। তুমি আমার, তুমি খুব ভাল চুদতে পারো। তুমি খুব ভাল চোদন মাষ্টার। চোদার তালে তালে এসব বলছে ও। আরো বললো, লাভার তুমি আমাকে এভাবে চোদার জন্য আমাকে ধরে রাখো তোমার বুকে। আমি শুধু চোদন পেতে চাই প্রতিদিন। চোদনে এত সুখ আগে জানলে এই ভোদা কখনো পতিত রাখতাম না। দাও আরো দাও, আরো আরো সুখ, এ্যাঃ ওঃ সুখ। ইউ আর রিয়েল ফাকার বয়। আই নীড এভরিডে ইউর ফকিং।
এসব বলার পর এখন আমার মাল ফেলার সময় হয়েছে। ওকে বললাম, ও বলল দাও আমি খেঁচে দিচ্ছি। খেঁচে ওর বলিউড মার্কা নাভীর উপর সব মাল ঢাললাম। এবার পরিস্কার হয়ে দুজনে ঘর থেকে বেরিয়ে বাহিরে অপেক্ষারত দালালকে পাঁচশত টাকা ধরিয়ে দিয়ে গাড়ীতে উঠলাম।
জারা প্রথমে লজ্জায় কথা না বললেও পরে অবশ্য বলল আগামীকাল নববর্ষের দিনে কোথায় বের হবো না!
আমি বললাম কেন?
ও বলল আমি আপা দুলাভাইকে কৌশলে সারাদিনের জন্য বাসা থেকে তাড়াবো। আর তুমি আমাকে সারাদিন চুদবে আর আমার নববর্ষ উদযাপন হয়ে যাবে। কি চুদবে না আমাকে, মাই লাভার ফকিং বয়!
|
<urn:uuid:5d885947-5e85-4899-87d0-2d7b56c523dd>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://sexybanglachoti.blogspot.com/2011/07/blog-post_5786.html
|
2014-08-23T13:22:50Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1408500826025.8/warc/CC-MAIN-20140820021346-00058-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999683
|
Beng
| 131
|
{"ben_Beng_score": 0.9996832609176636}
|
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরী এই পদে দায়িত্ব গ্রহনের পর বিদেশে তাঁর প্রথম সফর শুরু করেছেন । এ মাসে আগের দিকে হিলারী ক্লিনটনের অবসর গ্রহনের পর তিনি ঐ শীর্ষ কুটনৈতিক দায়িত্ব গ্রহন করেন । আগামী ১১ দিনে তিনি নয়টি দেশ সফর করবেন । এর অংশ হিসেবে তিনি রবিবার ওয়াশিংটন থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হয়ে যান । যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর বলছে , তিনি আন্তর্জাতিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যেসব বিষয় নিয়ে কথা বলবেন তার মধ্যে সিরিয়া একটি প্রধান বিষয় । এই সফরকালে মি:কেরীর , সিরিয়ার বিরোধী কোয়ালিশন নেতাদের সঙ্গে মিলিত হবার পরিকল্পনা রয়েছে । লন্ডন থেকে বার্লিন হয়ে তিনি প্যারিস যাচ্ছেন ।
|
<urn:uuid:c1c67ef9-f6b6-4c1c-a365-5df01dd3fd39>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://www.voabangla.com/content/kerry-diplomacy-/1609929.html
|
2014-08-31T10:32:40Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1408500959239.73/warc/CC-MAIN-20140820021559-00358-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999801
|
Beng
| 37
|
{"ben_Beng_score": 0.9998007416725159}
|
শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে স্বাগত। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী, শিল্পোদ্যোক্তা এবং এ মন্ত্রণালয়ের স্টেকহোল্ডারদেরকে শিল্প সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য অনলাইনে প্রদানই এ ওয়েবসাইট তৈরির মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে এ মন্ত্রণালয়ের সেবা ও কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণের জানার এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত/পরামর্শ প্রদান করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশের শিল্প খাতের সম্প্রসারণ এবং যুগোপযোগী নীতিমালা এবং কৌশল নির্ধারণের মূল দায়িত্ব প্রধানতঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যাস্ত। দেশের শিল্পায়নে বেসরকারি খাত হচ্ছে মূল চালিকা শক্তি। ক্রমবর্ধমান বিশ্বায়নের গুরুত্ব অনুধাবন করে দেশের বেসরকারি খাতে ব্যাপক শিল্প কর্মকান্ডে সমর্থন যোগাতে শিল্প মন্ত্রণালয় সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করে চলছে।
এ ওয়েবসাইটে মন্ত্রণালয়ের কাঠামো, সার্বিক কার্যক্রম, অনলাইন সার্ভিস, নীতিমালা, বিধি-বিধান, প্রকাশনা এবং উদ্যোক্তা সহায়তা সম্পর্কিত তথ্যাদি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। জাতীয় অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অবদান সম্পর্কে জনগণ অবহিত হতে পারছেন।
আশা করি এ ওয়েবসাইট মন্ত্রণালয়ের সাথে সুবিধাভোগীদের যোগাযোগ সুবিধাই সৃষ্টি করবে না বরং সরকারি ও বেসরকারি খাতের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় দেশের শিল্পায়নের পথ সুগম করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আপনার মূল্যবান মতামত এবং সুচিন্তিত পরামর্শ আমাদের ওয়েবসাইটকে সমৃদ্ধ করতে সহায়ক হবে।
আলহাজ আমির হোসেন আমু ১৯৪০ সালের ১লা জানুয়ারি তদানীন্তন বরিশাল জেলার ঝালকাঠী মহকুমায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন এবং মাতা আকলিমা খাতুন। বিস্তারিত
সচিব
জনাব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে যোগদান করে...
|
<urn:uuid:bb003c5d-5492-4903-a314-5dee735c10f0>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://www.moind.gov.bd/index.php?option=com_content&task=view&id=489&Itemid=524
|
2014-09-03T02:02:17Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1409535924131.19/warc/CC-MAIN-20140901014524-00092-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999831
|
Beng
| 245
|
{"ben_Beng_score": 0.9998311400413513}
|
অবশেষে জটিলতা কাটল আইএফএ শিল্ড নিয়ে। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধার পরিবর্তে শিল্ডে খেলছে ওএনজিসি। মোহনবাগানের দাবি মেনে সোমবার বিকেলে লটারিও হল আইএফএ অফিসে। লটারিতে অবশ্য পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। সাপ্রিসা থাকছে মোহনবাগানের গ্রুপেই। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের গ্রুপে থাকছে ওএনজিসি। স্বচ্ছতা রাখতেই লটারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইএফএ সচিব। লটারি করে গ্রুপের দল নির্ধারণ হওয়ায় খুশি মোহনবাগান কর্তারাও।
এদিকে কলকাতায় আইএফএ শিল্ড খেলতে এসে বাঙালি খাবারে মজেছেন কোস্টারিকার সাপ্রিসা দলের ফুটবলাররা। মাঠ আর মাঠের বাইরে বিদেশি দলটির নিয়মানুবর্তিতা আর শৃঙ্খলা নজর কেড়েছে সবার। তবে খাবার টেবিলে বাঙালি খাবারের মোহ কিছুতেই ছাড়তে পারছেন না সাপ্রিসা দলের ফুটবলাররা। সবচেয়ে বেশি তাদের মন টেনেছে মাছের পদগুলো।
আইএফএ শিল্ডের প্রথম ম্যাচ কোস্টারিকাকে খেলতে হবে যুবভারতীর ফিল্ডটার্ফে। তা নিয়ে অবশ্য কোনও অসন্তোষ নেই তাদের। কেননা কোস্টারিকাতেও অধিকাংশ মাঠই ফিল্ডটার্ফের। তবে যুবভারতীতে একদিনও অনুশীলন করতে না পেরে কিছুটা অসন্তুষ্ট বিদেশি দলটি।
|
<urn:uuid:e50472d8-7d1a-4d5a-b793-453bb7205a04>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://zeenews.india.com/bengali/sports/ongc-will-play-in-place-of-syprass-club_11842.html
|
2014-09-03T02:08:34Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1409535924131.19/warc/CC-MAIN-20140901014524-00092-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999826
|
Beng
| 14
|
{"ben_Beng_score": 0.9998261332511902}
|
হলিউডের এ অভিনেত্রী এবার সেসব ছবি নিয়ে নিজের একটি ফটো প্রদর্শনী করতে যাচ্ছেন তিনি। মূলত তার বন্ধুরাই আয়োজন করছে এ প্রদর্শনীটি। নিউ ইয়র্কের একটি ফাইভ স্টার হোটেলের বলরুমে হবে এ প্রদর্শনী। এ প্রদর্শনীর জন্য নতুন কোন সেশন করছেন না পামেলা। আগের প্রায় ৫০০০ ছবি নিয়ে প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হবে। এটি হবে জুলাইয়ের শেষের দিকে। বর্তমানে এ প্রদর্শনীর জন্য ছবি নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এর নাম হতে পারে হট গার্ল ওন দ্য ফ্লোর, পামেলা এন্ডারসন। তবে নামটি এখনও পাকাপাকি হয়নি।
ভিন্নধর্মী এ ছবি প্রদর্শনীর বিষয়ে পামেলা বলেন, এরকম কোন পরিকল্পনাই আসলে ছিল না। আমার কাছের সব বন্ধুরা হঠাৎ করে এ রকম একটি আয়োজনের কথা বললো। সঙ্গে সঙ্গে তারা আমার ছবির কালেকশন নিয়েও হাজির হলো একদিন। তো এ রকম হঠাৎ করেই নিজের ছবি প্রদর্শনীর পরিকল্পনাটা করে ফেললাম তাদের সঙ্গে বসে। তিনি বলেন, এ রকম প্রদর্শনী আমার মনে হয় আগে তেমন একটা হয়নি। আমার কয়েক হাজার ছবির কালেকশন রয়েছে। সেখান থেকে ৫০০০ ছবি প্রদর্শনীতে স্থান পাবে। ছবি ছাড়াও সেখানে আমার পরা কিছু এক্সক্লুসিভ পোশাকও থাকবে। আমি বিষয়টি নিয়ে খুব এক্সাইটেড।
এবিএন/মঙ্গল-১ম/সেক্স এন্ড গসিপ/আন্তর্জাতিক/ডেস্ক/ডিবি/মুস্তাফিজ/এমআর
|
<urn:uuid:e54b4a65-4d4f-46ba-bb45-9112fa70cd31>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://abnews24.com/article.php?details=5257
|
2014-09-01T11:10:47Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1409535917663.12/warc/CC-MAIN-20140901014517-00410-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999885
|
Beng
| 14
|
{"ben_Beng_score": 0.9998847246170044}
|
সাংবাদিক সিকদার মনজিলুর রহমানের এক সময়ের সহকর্মী জর্জিয়া প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রকিব মাহমুদ ফিরোজ আজ বেলা পৌনে দুইটায় মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহে ...।। রাজেউন) । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর । জর্জিয়ার শ্যাম্বলির বাসিন্দা রকিবের শরীরে মাত্র কয়েক মাস আগে ক্যানসারের জীবাণু ধরা পড়ে। এর পর পরই তিনি স্থানীয় গ্রেডি মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ছুটে যান। সেখানে কিছুদিন চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকগণ তার প্রাণের আশা ছেড়ে দিলে শ্যাম্বলিতে তার নিজ বাসা বাড়িতে নিয়ে আসা হয় । আজ ২৫ আগষ্ট বেলা বেলা পৌনে দু'টোয় সেখানেই শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন । মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলেসহ বহুগুণগ্রাহী রেখে গেছেন । মরহুমের অন্তিম ইচ্ছানুযায়ী তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হবে এবং মায়ের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে বলে পারিবারিকসূত্রে জানা গেছে। তার পৈতৃক নিবাস নোয়াখালির চাটখিল উপজেলায় । মরহুমের মরদেহ আটলান্টাস্থ নক্স মরচুয়ারীতে রাখা হয়েছে। আগামিকাল ২৬ আগষ্ট স্থানীয় আত্তাকোয়া মসজিদে যোহরের নামাজের পর তার নামাযে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে । জর্জিয়াবাসী সকল বাংলাদেশিকে নামাযে জানাযায় অংশ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। মরহুমের মৃত্যুতে মানচিত্র নিউজ ডট কমের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ এবং শোক সন্ত্রপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। এছাড়াও অন্যন্য যারা সমবেদনা জানিয়েছেন, জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির কার্যকরী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ আলী হোসেন, জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আহমাদুর রহমান পারভেজ,সাবেক সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দিদারুল আলম গাজী, সাংবাদিক রুমী কবির, সাংবাদিক এ এইচ রাসেল, সাংবাদিক সিকদার মনজিলুর রহমান প্রমুখ।
আটলান্টা বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিচিত মুখ রাকিব মাহমুদ (ফিরোজ) আজ সোমবার দুপুরে নিজ বাস ভবনে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন । ইন্না লিল্লাহে.......রাজিউন । মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর । গত কয়েক মাস যাবত তিনি দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ভুগছিলেন । আটলান্টা গ্রেডী মেমোরিয়াল হাসপাতালে তিনি চিকিত্সারত ছিলেন তবে তার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় নার্সিং হোমে পাঠানো হয় সেখান থেকে তাকে বাসায় আনা হয় । আটলান্টায় তার স্ত্রী, এক কন্যা (১২) দুই পুত্র (১০, ৪ ) রয়েছেন । রাকিব মাহমুদ বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার চাটখিলের বাসিন্দা । জানা গেছে তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি সকলের ছোট ছিলেন । ১৯৯৬ সালে তিনি আটলান্টায় আসেন এরপর পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি শ্যামলি সিটির নর্থ শ্যালোফোর্ড রোডস্থ এপার্টমেনটে বসবাস করতেন ।
উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গত ১৭ আগস্ট রোববার বাংলাদেশ স্পোর্টস ফেডারেশন অব জর্জিয়ার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল প্রেসিডেন্ট কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০১৪। আর এটির মূল স্পনসর হিসেবে সম্পৃক্ত হয়ে সারাদিনব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের প্রাণশক্তি জুগিয়েছে আটলান্টার পরিচিত নব প্রতিষ্ঠিত রেসিডেনশিয়াল ও কমার্শিয়াল মর্টগেজ প্রতিষ্ঠান ও লোন অরিজিনেটর একুরিয়ান এজেন্সী এলএলসি। টান টান উত্তেজনা আর ক্রিকেট প্রেমিক সমর্থকদের মুহুর্মুহ করতালি ও হৈ চৈ মুখর পরিবেশে আটলান্টার লাকী সলস পার্কের ক্রিকেট মাঠে মোট আটটি দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দিনব্যাপী ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করার পর দিনের শেষে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি দলে নয় জন করে খেলোয়াড় ও নয় ওভারের এই খেলায় নক আউট সিস্টেমে বাছাইয়ের পর দিনের শেষে সেরা দুই দল বেঙ্গলী বয়েজ ও প্যান্থারসের মধ্যে উত্তেজনাকর ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে শক্তিশালী বেঙ্গলী বয়েজ দল চ্যাম্পিয়ন ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্যান্থারস দল রানার আপ হবার গৌরব অর্জন করে। টুর্নামেন্টে যে আটটি দল অংশ নেয়, সেগুলি হলঃ বি ডি ইয়ং স্টারস, বি ডি ব্লুজ, জাগরণ, ইউনাইটেড টাইগার্স, প্যান্থারস, টীম সিলেট, বেঙ্গলী বয়েজ ও আটলান্টা কাশ্মীর। এছাড়া টুর্নামেন্টে বিশেষ দক্ষতার ক্যাটাগরিতে এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জন করেছেন ম্যান অব ফাইনাল টি মরগান (বেঙ্গলী বয়েজ), সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারী পলাশ (প্যান্থারস), সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী টি মরগান (বেঙ্গলী বয়েজ) ও ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট টি মরগান (বেঙ্গলী বয়েজ)। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ স্পোর্টস ফেডারেশন অব জর্জিয়ার সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আগা জামিল এবং পরবর্তী দুই মেয়াদের দুই সভাপতি যথাক্রমে হালিম ইউসুফ ও খন্দকার আসাদুর রহমান ও বর্তমান মেয়াদের সভাপতি গাইডেন হকিন্স এই চার সভাপতির সম্মানে আটলান্টায় এটি ছিল দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট কাপ টুর্নামেন্ট। এদিকে ঐদিন ফাইনাল খেলাটি সম্পন্ন করার পর সূর্যাস্তের কারণে আর সময় সংকুলান না হওয়ায় এ্যাওয়ার্ড প্রদানের আনুষ্ঠানিক পর্বটি আর সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলে সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উক্ত অনুষ্ঠানটি আগামী ২৪ আগস্ট রোববার সকাল এগারটায় একই পার্কে অনুষ্ঠিত হবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সভাপতি গাইডেন হকিন্স, সহ সভাপতি মাসুদ রানা ও সাধারন সম্পাদক মামুনুর রশীদ বিজয়ীদেরকে উৎসাহিত করার জন্যে সকল ক্রিকেট প্রেমিকদের অংশগ্রহণের আহবান জানিয়েছেন।
প্রতি যাত্রীর জন্যে টিকেটে দুইটি করে লাগেজ নেয়ার বিধিবিধান উল্লেখ করে দেয়ার পরও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে একটি লাগেজের নিয়ম দেখিয়ে কুয়েত এয়ারওয়েজ কর্মীদের বাড়তি ক্যাশ অর্থ আদায়ের অভিযোগ এসেছে সম্প্রতি।ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে যাওয়া বাংলাদেশি আমেরিকান নাগরিক রাসেল ভুঁইয়া পরিবারের ক্ষেত্রে ঢাকা এয়ারপোর্টের টিকেট কাউণ্টারে। আটলান্টার টাকার অটো বডি শপ এর স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী রাসেল ভুঁইয়া গত সামারে ঈদের আনন্দ স্বজনদের সাথে উপভোগ করতে স্ত্রী সন্তান ও এক বন্ধুসহ পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশে। নিউ ইয়র্ক থেকে নামীদামী প্রতিষ্ঠিত ট্র্যাভেল এজেন্সী এয়ার সেভিংসএর কাছ থেকে ই টিকেট ক্রয় করে বহাল তবিয়তেই আটলান্টা থেকে কানেটিং ফ্লাইট হয়ে পরে নিউইয়র্ক থেকে কুয়েত এয়ারওয়েজ যোগে ঢাকা পৌঁছেছিলেন তিনি। সামারের ছুটি ও ঈদের আনন্দ স্বদেশের সকল আত্মীয় স্বজনদের সাথে উপভোগ করার পর বিধি বাম হল যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে গত ৩ আগস্ট ঢাকা এয়ারপোর্টে। রাসেল ভুঁইয়া তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে আটলান্টায় প্রত্যাবর্তনের পর তীব্র হতাশা ও ক্ষুব্ধ চিত্তে এই প্রতিবেদককে জানান, ই টিকেটে পরিস্কার ইংরেজী হরফে প্রতি যাত্রীর জন্যে দুইটি করে লাগেজ বহনের উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও ঢাকা এয়ারপোর্টের টিকেট কাউণ্টারের কর্তব্যরত কুয়েত এয়ারওয়েজের বাংলাদেশী কর্মচারী প্রতি যাত্রীর জন্যে মাত্র একটি করে লাগেজ বহনের বিধানের উল্লেখ করে বাড়তি দ্বিতীয় কাগেজের জন্যে একশত চল্লিশ ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় এগার হাজার তিন শত টাকা হিসেবে পাঁচজনের পাঁচটি লাগেজের জন্যে মোট ছাপ্পান্ন হাজার পাঁচশত টাকা অর্থাৎ সাত শত ডলার ক্যাশ মুদ্রা পরিশোধের জন্যে চাপ দিয়েছিলেন। রাসেল ভুঁইয়া আকস্মিকভাবে এধরনের আচরণের হতবাক ও একটি লাগেজের বিধানটি সম্পূর্ণ অবৈধ বলে চ্যালেঞ্জ করলেও জনৈক কুয়েত বিমানের ঐ কর্মচারী উক্ত অর্থ আদায়ের ব্যাপারে অটল থাকেন এবং ক্যাশ অর্থ পরিশোধ না করলে একটি করেই লাগেজ নিয়ে যেতে হবে বলে পরিস্কার ভাষায় জানিয়ে দেন।রাসেল বলেন, সে সময় ভাগ্য কিছুটা আমার পক্ষে ছিল বলে প্লেনটা ছাড়তে প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছিল। ফলে আমি ওদের সিনিয়র কর্মকর্তা ও সুপারভাইজারের সাথে কথা বলার জন্যে অনুরোধ জানালাম। কিন্তু তাতেও কাজ হল না, কাউন্টারের কর্মচারীটি বললেন, সুপারভাইজার এখন অফ ডিউটিতে আছেন, কারো সাথেই কথা হবেনা। এরপর রাসেল তাঁর স্মার্ট ফোন থেকে ই-টিকেটের কপিতে যে দুইটি করে লাগেজ নেয়ার নির্দেশনা দেয়া আছে এবং আটলান্টা থেকে তাঁরা দুইটি করেই লাগেজ নিয়ে এসেছেন, সেটি সচক্ষে দেখানোর প্রাণপন চেষ্টা চালালেন। কিন্তু তাতেও কাজ হল না। উত্তরে কর্মচারী জানালেন, আপনার টিকেটে কি লেখা আছে, সেটা আমার জানার জানার বিষয় না, আমার কম্পিউটারে যা লেখা আছে, সেইটাই আমি ফলো করবো।রাসেল ছেড়ে দেবার পাত্র নন। তিনি এবারে সরাসরি কুয়েত এয়ার ওয়েজের হেড অফিসে ফোন লাগালেন, কিন্তু দুভাগ্য, কেউ ফোন ধরছিল না। পরে তিনি কুয়েত এয়ারওয়েজের নিজস্ব ওয়েব সাইট থেকে তাঁদের পুরো টিকেটের সমস্ত তথ্যাবলি বের করে সেখান থেকে আবারও দুইটি লাগেজ বহনের নির্দেশনাটি কর্মচারীর চোখের সামনে তুলে ধরলেন। রাসেল বললেন, আল্লাহর অশেষ রহমত নাজিল হল মনে হয় শেষ মেশ, কিন্তু কর্মচারীটির ক্যাশ অর্থ আদায়ের আকাংখাটি সফল না হাওয়ায় তার ক্ষমতাকে কিছুটা ঘুরিয়ে নিম রাজী হলেন এই সর্তে যে, আটলান্টা পর্যন্ত দেয়া যাবেনা, নিউ ইয়র্ক পর্যন্ত দেয়া যাবে। রাসেল বললেন, শেষে মন্দের ভালো হিসেবে নিউ ইয়র্ক পর্যন্তই দুইটি করে লাগেজ নিয়ে এলাম । তাঁর ভাষায়, ছেড়ে দ্যা মা কেঁদে বাঁচি। ফলে সেই যাত্রায় রাসেল ভুঁইয়া নিউ ইয়র্ক থেকে বাকী পাঁচটি লাগেজ বিধি থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত ফী পরিশোধ করে আটলান্টায় ফিরে এসেছেন।রাসেলের মতে, কুয়েত এয়ারওয়েজের ঢাকা এয়ারপোর্টের কাউণ্টারে এভাবেই অসংখ্য প্রবাসীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে বাড়তি অর্থ কামিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশি কুয়েত এয়ারওয়েজ কর্মচারীরা। আর রাসেলের মত যারা এইভাবে প্রতিবাদী হয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হচ্ছেন, শুধুমাত্র তাঁরাই কোনরকমে পরিত্রান পেয়ে যাচ্ছেন।রাসেল ভুঁইয়া এই প্রতিবেদকে পরে জানালেন যে, তিনি আটলান্টা ফিরেই কুয়েত এয়ারওয়েজ প্রধান অফিসে অভিযোগ দাখিল করেছেন এবং কর্তৃপক্ষ রাসেলকে এই ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে তাঁর প্রতিকার করবে বলে আশ্বাস দিলেও আজ পর্যন্ত কোন আপ ডেট পান নি বলে জানান। পরিশেষে রাসেল এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সকল প্রবাসীদেরকে কুয়েত এয়ারওয়েজে ভ্রমণের ব্যাপারে বিশেষ করে ঢাকা এয়ারপোর্টের সেইসব কর্মচারীদের হয়রানি থেকে নিরাপদ থাকতে সতর্কতা অবলম্বনের আহবান জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, রাসেল ভুঁইয়া ফেরার পথের এই তিক্ত অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে ৩ আগস্ট তারিখেও ইমিগ্রেশন পার হবার পর পরই তাঁর ফেস বুক স্ট্যাটাসে পোস্টিং দিয়েছিলেন।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও এর আশপাশের এলাকার বিভিন্ন থানায় দুই শতাধিক বাংলাদেশি আটক আছেন। এসব বাংলাদেশিদের অনেকেই চলমান অভিবাসীবিরোধী অভিযানে সৌদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন বলে জানা গেছে।বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া অভিযানের অংশ হিসেবে রিয়াদের মানফুহা, হারা (হাই আল ওজারাত), বাথা, গেদিম সানাইয়াসহ (পুরাতন ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা) বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছয় শতাধিক অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের মধ্যে ২৩ জন বাংলাদেশি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা জানান, অবৈধ অভিবাসী হিসেবে আটককৃতদের কফিল (স্পন্সর) চাইলে জেল থেকে বের করে আনতে পারবেন। এছাড়া অতিবাহিত হওয়া সময়ের জরিমানা দিয়ে নতুন করে ইকামা বানিয়ে তারা বৈধ হতে পারবেন বলেও জানান তিনি।তিনি আরও জানান, বর্তমানে রিয়াদ এবং এর আশপাশের বিভিন্ন থানায় প্রায় দুইশতাধিক বাংলাদেশি আটক আছেন। এর মধ্যে শুধু রিয়াদেই আছেন ১২০ জন বাংলাদেশি। এদের মধ্যে অবৈধ অভিবাসী ছাড়াও বিভিন্ন অপরাধে আটক হওয়া ব্যক্তিরাও রয়েছেন। রিয়াদের গভর্নর যুবরাজ তুর্কি বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজের তত্ত্বাবধানে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে সাম্প্রতিক অভিযান। আটক অবৈধ অভিবাসীদের অধিকাংশই ইথিওপিয়া সহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক বলে জানা গেছে। এছাড়া আটকের তালিকায় ভারত,পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলংকার নাগরিকও রয়েছেন। অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় এ অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে রিয়াদ পুলিশ বিভাগ।এর আগে গত নভেম্বরে সৌদি বাদশা আব্দুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল সৌদি আরবে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সময়ের মধ্যে বৈধ না হওয়া শ্রমিকদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলো সৌদি সরকার। এ সময়ের মধ্যে যে সকল প্রবাসী শ্রমিক বৈধ হননি বা সৌদি আরব ছেড়ে যাননি ওই সকল শ্রমিককে আইনের আওতায় আনতেই এ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল ছড়াকার, দৈনিক মানব কণ্ঠের সাংবাদিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ওবায়দুল গনি চন্দন আর নেই (ইন্নালিল্লাহে… রাজেউন)। আকস্মিকভাবে সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন জীবন উত্তরণের মাঝ পথে ছন্দ পতন ঘটিয়ে। মাত্র বেয়াল্লিশ বছরের এই সম্ভাবনাময়ী ছড়াকার-সাংবাদিককে শনিবার সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, তিনি মারা গেছেন। প্রয়াত ওবায়দুল গণি চন্দন দৈনিক মানবকণ্ঠের ফিচার এডিটর ছিলেন । ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় বড় হয়ে উঠা চন্দনের পৈত্রিক বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইলে। জানা যায়, সকালে এক বন্ধুর বাসায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। তিনি চলে গেলেন সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে।জানা গেছে, তিনি হৃদযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছিলেন, সম্প্রতি ফুসফুসে পানি জমার পর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। জোহরের নামাজের পর চন্দনের জানাজা হয় পর্যায়ক্রমে তাঁর কর্মস্থল মানব কণ্ঠ অফিসে এবং প্রেস ক্লাবে। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে দাফন করা হয়।ওবায়দুল গণি একাধারে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন, বাংলাভিশন, বৈশাখী টেলিভিশনে কাজ করেছেন। এছাড়া কিশোর তারকা লোক ও রম্য সাময়িকী কার্টুনেও কাজ করতেন।তার প্রকাশিত ছড়ার বইয়ের সংখ্যা ২২টি। এর মধ্যে রয়েছে ‘কান নিয়েছে চিলে’, ‘আমার মানুষ গান করে’, ‘থাকছি ঢাকায় সবাই ফাইন চারশো বছর চারশো’, ‘আঙুল ফুটে বটগাছ’, ‘লেবেন ডিশের লেবেনচুষ’, ‘ভ্যাবলা ছেলে ক্যাবলাকান্ত’, ‘সবুজ সবুজ মনটা অবুঝ’। ছড়ার পাশাপাশি তিনি ছোটগল্প, গান ও টিভি নাটকও লিখতেন। ছড়া সাহিত্যে ২০০০ সালে অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার পান ওবায়দুল গনি চন্দন।ওবায়দুল গণি চন্দনের স্ত্রী রুবিনা মোস্তফা এসএ টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক। তাদের একটি ছেলে রয়েছে। মৃত্যুর তিন দিন আগে তিনি তাঁর ফেস বুকের নিজের প্রোফাইল ছবি সরিয়ে শিশু সন্তানের ছবি স্থাপন করে দিয়েছিলেন। তাঁর কানাডা প্রবাসী অপর ছড়াকার বন্ধুর প্রদত্ত পাঞ্জাবী উপহার সম্পর্কে ফেস বুকের এক স্ট্যাটাসে লিখেছিলেন, ‘পাঞ্জাবী জিনিসটা পরলে কেমন যেনো লাগে আমার। নিচে ল্যার ল্যার করে। আলমারিতে ১১টা পাঞ্জাবী আছে পরা হয়না। আজ হঠাৎ পাঞ্জাবী পরে অফিস করলাম। এই পাঞ্জাবীটা দিয়েছেন কানাডা প্রবাসী প্রখ্যাত ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন’।প্রয়াত চন্দনকে নিয়ে লিখতে গিয়ে ছড়াকার লুতফর রহমান রিটনের লেখা থেকে এই তথ্য জানা যায়। চন্দনের মৃত্যুর খবরে তাঁকে নিয়ে কবি ও সাংবাদিক কানাডা প্রবাসী অপর বন্ধু সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল লিখেছেন, চন্দনের বাড়ি নান্দাইল আর আমার হচ্ছে- নান্দিনা। আমরা মৈমন্সিঙ্গ্যা। মানে বৃহত্তর ময়মনসিংহ। এলাকা নিয়ে কথা হচ্ছে। বললাম, ময়মনসিংহের অনুবাদ করলে কি হয়, জানো। চন্দন দ্রুত বল্ল, ‘My men sing, আমার মানুষ গান করে’। উত্তরটা তার জানাই ছিলো। বলল, আমার একটা ছড়ার বইয়ের নাম রাখবো- ‘আমার মানুষ গান করে। হা হা হা… তার এই হাসি এখনো কানে বাজে! চন্দনের অগ্রজ বন্ধু বৈশাখী টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও বার্তা প্রধান মনজুরুল আহসান বুলবুল মৃত্যুর খবর পেয়ে ফেস বুকের স্ট্যাটাসে লিখেছেন, আমার জন্মদিনের তারিখ ৫। সেই তারিখে সন্ধ্যায় চন্দন, ওবায়দুল গণি চন্দন- ফুলের পাঁচটি স্টিক নিয়ে হাজির। ময়মনসিংহের ভাষার টানে বলছে:,’বুলবুল ভাই, জন্মদিনডা যদি ১৫২০//৩০ তারিখ হইত, তাইলে এই স্টিক দিতে পারতাম না। কারণ এগুলার যা দাম, তাতে আমি পাঁচটার বেশি কিনবারই পাইতাম না , হা হা হা । আমিতো গুলশান থাইক্যা হাইট্টাই আসি, কিন্তু এই দামি ফুল নিয়া হাইট্টা আসার সাহস পাই নাই, যদি ছিনতাই হয়– হা হা হা। আইছি সিএনজি-তে , সিএনজি’র ভাড়াডা দেওন লাগবো- হা হা হা । ’ ওকে শেষ বিদায় জানিয়ে আজ জলভরা চোখে তাকিয়ে দেখি সেই স্টিকগুলো আমার রূম জুড়ে চন্দনের সুবাস ছড়াচ্ছে। বিদায় চন্দন। ভালো থাকো।এদিকে ঢাকায় ওবায়দুল গনি চন্দনের মৃত্যুতে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু শোক প্রকাশ করেছেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনও শোক জানিয়েছে ইতোমধ্যে। অন্যদিকে এই তরুণ ছড়াকার ও প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিকের অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের খবর ডট কমের সম্পাদক সম্পাদক শিব্বির আহমেদ, সহযোগী সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, নিউ ইয়র্কের সাংবাদিক ও লেখক আকবর হায়দার কিরণ, কবি ও সাংবাদিক ফকির ইলিয়াস, সাংবাদিক তৈয়বুর রহমান টনি, মুক্তধারার প্রধান বিশ্বজিত সাহা, জর্জিয়া রাজ্যের আটলান্টার প্রবীন কবি গোলাম রহমান, কবি, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক রুমী কবির, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও বাংলাধারার নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুর রহমান ভুঁইয়া, কবি, লেখক ও বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন অব জর্জিয়ার সভাপতি ডাঃ মুহাম্মদ আলী মানিক, সাংবাদিক শামসুল আলম, সাংবাদিক এ এইচ রাসেল, সাংবাদিক মনজিলুর রহমান, আটলান্টা কালচারাল সোসাইটির সভাপতি এম মওলা দিলু, জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক যথাক্রমে জাহাঙ্গীর হোসেন ও আহমাদুর রহমান পারভেজ, সাংস্কৃতিক সংগঠক মাইসুন মালিহা, সেবা লাইব্রেরীর পক্ষে হারুন রশীদ প্রমুখ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মওলানা শফি বলেন, হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক ও আত্মশুদ্ধিমূলক আধ্যাত্মিক সংগঠন। তিনি মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যাকারীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, এই সংগঠন দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের তৌহিদি জনতাকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা হত্যা-সন্ত্রাস-খুন-রাহাজানি-জুলুম-নির্যাতনে বিশ্বাস করি না। এটা ইসলামের মৌলিক আদশের্র পরিপন্থি। হেফাজতে ইসলাম মহানবী (স.)-এর সুন্নাহ প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এদেশের আলেম-ওলামা কোনো অন্যায় কিংবা সামাজিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার মতো আইন বিরোধী কাজে জড়িত নয়। তাই মাওলানা ফারুকী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামকে জড়ানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ধর্মপ্রাণ জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে দেশে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি করার একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আল্লামা শফী বলেন, একজন আলেম হত্যার ঘটনায় দেশের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত। সুতরাং এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বের করে আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে দায়ী করে প্রকৃত খুনিদের আড়াল করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘আমার বাবা একজন চিকিৎসক ছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রেও চিকিৎসকেরা বিশেষ সুবিধা পান। কিন্তু আমার বাবাকে হাত-পা বেঁধে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এটা তো কোনো যুদ্ধক্ষেত্র ছিল না। তার পরও কেন এ ঘটনা ঘটল।’ দেশের মানুষের কাছে এ প্রশ্ন রেখেছেন লক্ষ্মীপুরে র্যাবের হাতে নিহত চিকিৎসক ফয়েজ আহমেদের মেয়ে উজমা কাওসার। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরে র্যাবের হাতে নিহত হন জামায়াতের জেলা নায়েবে আমির ফয়েজ আহমেদ। তাঁকে হাত-পা বেঁধে বাসার ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে নিচে এসে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। ওই ঘটনার দুদিন পর পরিবারের সব সদস্য লক্ষ্মীপুর ছেড়ে যান। এরপর এক রকম আত্মগোপনে ছিল পরিবারটি। এই প্রথম গণমাধ্যম ও অন্যদের সামনে এসেছেন পরিবারের একজন সদস্য। উজমা বলেন, লে. কর্নেল তারেক সাঈদের নেতৃত্বে র্যাব সদস্যরা তাঁদের বাসায় হামলা চালান। র্যাব আসার পর ফয়েজ আহমদ তাঁর ছেলেকে ছাদে পালিয়ে যেতে বলেন। তাঁর ধারণা ছিল, ছেলের ওপর আক্রমণ হতে পারে। তিনি ভেবেছিলেন, র্যাব তাঁকে কিছুই করবে না। কিন্তু র্যাব সদস্যরা ভেতরে ঢুকে ফয়েজ আহমেদকে টেনেহিঁচড়ে ছাদে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়। আগে থেকেই ছাদের কার্নিশে লুকিয়ে থাকা ছেলে বাবার ওপর নির্যাতনের দৃশ্য দেখতে বাধ্য হয়েছেন। উজমা বলেন, ‘আমরা জানি না বাবার অপরাধ কী ছিল। আমাদের কী অপরাধ ছিল? শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্যই একটি পরিবারকে এত বড় মাশুল দিতে হচ্ছে!’ তিনি জানান, নিরাপত্তাহীনতার কারণে তাঁরা এখনো লক্ষ্মীপুরে থাকতে পারছেন না। বাবার মরদেহ পাওয়ার বিষয়টিকে সৌভাগ্য হিসেবে মন্তব্য করে উজমা বলেন, ‘দেশে অনেকের স্বজনেরা এখনো গুম হয়ে আছেন। অনেকেই জানেন না তাঁদের স্বজনেরা কী অবস্থায় আছেন, কোথায় আছেন। সে হিসেবে তাঁদের চেয়ে আমরা ভাগ্যবান, অন্তত আমরা আমাদের বাবার মরদেহটা পেয়েছি।’ উজমা বলেন, আর কোনো সন্তানকে যেন চোখের পানি ফেলতে না হয়, কোনো স্ত্রীকে যেন স্বজন হারিয়ে অনিশ্চিত জীবনে যেতে না হয়। নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের মামলায় কারাবন্দী লে. কর্নেল সাঈদ সে সময় র্যাব-১১-এর অধিনায়ক ছিলেন। তাঁর কর্ম এলাকা ছিল লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ। সুত্রঃ প্রথম আলো।
মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদন্ডাদেশ প্রাপ্ত আব্দুল আলীম ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। বিএনপি’র সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমকে গত বছরের ৯ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদন্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-২। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলী জানান, অসুস্থ আলীম বিএসএমএমইউ হাসপাতালে কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রিজন সেলে ছিলেন। গত মঙ্গলবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আলীম ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগছিলেন।
|
<urn:uuid:6d4710c3-4f95-4cf1-a5c9-aacb4f8c5e8e>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://www.manchitronews.com/
|
2014-09-01T11:14:58Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1409535917663.12/warc/CC-MAIN-20140901014517-00410-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.99964
|
Beng
| 1
|
{"ben_Beng_score": 0.9996403455734253}
|
প্রথমে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই বেঙ্গলি টাইমসে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ সেন্টার’ নিয়ে অনেক তথ্যবহুল খবর প্রকাশের জন্য, যা নিঃসন্দেহে সাহসিকতা এবং মেধার পরিচয় দেয়। তবে খুব অবাক হবার বিষয় যে, কানাডা থেকে প্রকাশিত আর কোনও বাংলা পত্রিকা ঝুঁকি নিয়ে এরকম স্পর্শকাতর একটি ব্যাপারে কোন তথ্যই প্রকাশ করেনি। সব দায়িত্ব যেন আপনাদের। আমার মতে, বেঙ্গলি টাইমস ই একমাত্র পত্রিকা যেটি নিরপেক্ষভাবে সঠিক তথ্য প্রকাশে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে, যা সবারই কাম্য। আর এজন্য বাঙালী কমিউনিটির সকলের সহযোগিতা করা দরকার। আবারও ধন্যবাদ বেঙ্গলি টাইমসকে।
|
<urn:uuid:acf33f4b-d263-402d-819b-df51d52d599f>
|
CC-MAIN-2014-35
|
http://www.thebengalitimes.com/details.php?val=873&pub_no=0&menu_id=16
|
2014-09-03T06:56:20Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-35/segments/1409535925433.20/warc/CC-MAIN-20140901014525-00117-ip-10-180-136-8.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998475
|
Beng
| 8
|
{"ben_Beng_score": 0.9984753131866455}
|
শঙ্করের কথা
বছর দেড়েক হল কলকাতা ফিরে এসেছি। এসেই যা চাপ, কী-বোর্ডে আঙুল বসানোর সময়ই পাই না। অনেক কষ্টে পুজোর ছুটির মধ্যে এটা নামালাম। ভালো লাগ্লে বলবেন কিন্তু।
দিয়ার কথা
ঠিক দুপ্পুরবেলা ছাদে বসে আমের আচার চুরি করে খাওয়ার থেকে আনন্দের আর কিছু আছে নাকি? কিন্তু আমার মাকে সে কথা বোঝাবে কে? আচ্ছা, মা কি কোনদিন ছোট ছিল না? যেই না আচারে হাত দিয়েছি ওমনি নিচের থেকে হাঁক, “দিয়া, দিয়া কোথায় গেলি?” সেকী ডাক। পাশের বাড়ীর দত্তকাকুর ছাদ থেকে কয়েকটা কাক উড়ে গিয়ে ওই দূরের গাছের ডালে বসে কা-কা করে তারস্বরে প্রতিবাদ করতে লাগলো। এ পাশের মুখুজ্যেদাদুর বাড়ীতে জলের পাম্পটা ঘাবড়ে গিয়ে বন্ধ হয়ে গেল। ট্যাঁপা পেয়ারা গাছে উঠেছিল পেয়ারা পাড়তে, ধপ করে পড়ে গেল। আমিতো এক ছুট্টে নীচে। তাড়াতাড়িতে আচারের শিশিটাও ভালো করে বন্ধ করতে পারিনি।
নীচে নামামাত্রই বিস্ফোরণের ধারাপ্রপাত শুরু। মনে হল এক কানে হিরোসিমা, এক কানে নাগাসাকি আর মাথার ওপর ভিসুভিয়াসের বন্যা। আচ্ছা আমার কি দোষ বল তো? গরমের ছুটি, সকাল বেলা দই-মুড়ি খেয়ে, কয়েক পাতা ছুটির হাতের লেখা শেষ করে মনে হল কালকের টিভিতে দেখা করিনা কাপুরের মতো সাজবো। তা মায়ের লিপিস্টিকটা যে অতো ঠুনকো সে আমি কি করে জানবো? একটু লম্বা করে যেই ঠোঁটে ঠেকিয়েছি, ওমনি দু-টুকরো। তারপর ক্লিপগুলো কি পাতলা, কি পাতলা। দু-তিনটে ক্লিপ খুলতে গেলাম সব গুলোই এদিক ওদিক দু-দিকই খুলে গেলো। বাবাকে বলতে হবে এরকম হাল্কা জিনিস মাকে যেন আর না দেয়। একটা ঝুটো মুক্তোর নেকলেস পরতে গিয়ে যখন সবকটা মুক্তো খুলে গিয়ে মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ল, মনে হল এই গয়নাগুলো পরার কোন মানেই হয়না। করিনা কাপুর নিশ্চয়ই এরকম হাল্কা-পুল্কা গয়না পরেনা। সব টুকরো-টাকরা গুলো বেশ করে গুছিয়ে রেখে দিয়ে পাড়া বেড়াতে বেরোলাম। মা রান্না করে, চান করে খেয়ে এতক্ষণে নিশ্চয়ই খেয়াল করেছে, গয়নার বাক্সটা ঠিক মত লাগছে না। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে মনে পড়ল মায়ের হাতের পাখার বাড়ি থেকে বাচাঁর একটাই জায়গা আছে। আমি এক এক লাফে দু-তিনটে সিঁড়ি পেরিয়ে গ্যারেজে ঢুকে সোজা গাড়ীর ডিকির ভেতরে। মা এখানে আমাকে খুঁজেই পাবে না।
পানুর কথা
নাঃ, বেশ বেলা হয়ে গেছে। অন্যদিন দুটো বাজার আগেই ক্লাব থেকে ফিরে আসি। কিন্তু আজ ১-১ হয়ে যাওয়ার পর শেষ গেমটা অনেকগুলো বোর্ড ঘুরলো। শেষ বোর্ডে গুপী একটা মুন্নাভাই মার্কা ফিনিশ না দিলে আরো কতো দেরী হত কে জানে। পিসি নিশ্চয়ই খচে বোম হয়ে গেছে। দু-জনা পা টিপে টিপে ঘরে ঢুকছি, হঠাত শুনি পিসেমশায়ের গলা। এইমাটি করেছে। ভরদুপুরে হঠাত পিসেমশাই বাড়ীতে কেন? দরজার পাশে আরী পেতে শুনি, পিসেমশাই পিসিকে বলছেন , “ভারী ঝামেলায় পড়া গেল। এরপর তো যখন-তখন বাড়ীতে পুলিশ আসতে পারে। তুমি একটু সাবধানে থেক। এসব কথা তো আর টেলিফোনে বলা যায়না, তাই বাড়ী এসে বলে গেলাম।” এই বলে দড়াম করে দরজা খুলে গটগট করে বেড়িয়ে গেলেন। ভাগ্যিস আমরা বুদ্ধি করে পাশের দিকে সরে গেছিলাম, তাই আমাদের দেখতে পাননি। হুঁ হুঁ বাব্বা, আমরা কি অতোই বোকা। ধরা পড়লে এখনই এতো দেরী কেন, কোথায় ছিলাম, ছুটির পড়া কদ্দুর হল, কত কৈফিয়ত। তার ওপর পুলিশ। তখনই গুপীকে বলেছিলাম, “আরেকবার ভেবে দেখ, গড়বড় হলে কিন্তু মুশকিলে পড়ে যাবো। “ তা গরীবের কথা বাসি হলে মিষ্টি হয়। এবার বোঝ বড়মামার গুঁতো। দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে একটা ঝাপট দিতে গিয়ে দেখি গুপী হাত-পা এলিয়ে পড়ে আছে। নির্ঘাত পুলিশের নামে ভির্মি খেয়েছে। কল থেকে জল নিয়ে মুখে-মাথায় ছিটিয়ে দিতেই চোখ খুললো, “পানুরে, পুলিশ।”
- তা এখন কি করবো? তখন মনে পড়েনি। কতোবার বললাম, গুপী আরেকবার ভেবে দেখ। ‘না কিছু হবে না। হলে আমি সামলে নেব। ম্যায় হুঁ না।’ এবার কোথায় যাবি শাহরুখ খান?
- গুপীরে, ব্যাপারটা এতদূর যাবে ভাবিনি। এখন কি করবো। আমাকে বাঁচা।
খুব তাড়াতাড়ি চিন্তা করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হয়। আমি চটপট ভেবে নিলাম। পানুকে এই বিপদের সময় একা ছাড়া যায়না। তার ওপর বাড়িতে পুলিশ আসবে, ফ্যামিলি প্রেস্টিজ। ওয়ারেণ্ট বেরোবার আগেই গুপীকে নিয়ে পালিয়ে যেতে হবে। হাওড়া- শেয়ালদা থেকে ট্রেন ধরা যাবেনা, ধর্মতলা থেকে বাস ধরাও রিস্কি। ওসব জায়গায় পুলিশ পাহারা বসানো আছে। এ সব ক্ষেত্রে এরকমই থাকে, আমি টিভিতে দেখেছি। একমাত্র উপায় গাড়ীটা । গুপীর হাত ধরে আস্তে আস্তে গ্যারেজের দরজা খুলে গাড়ীটা বের করলাম। গিয়ার নিউট্রালে দিয়ে ধীরে ধীরে গাড়ী রাস্তায় নামালাম। দুপ্পুরবেলা। রাস্তা শুনশান। চারিদিকে কোন লোক নেই। গাড়ী ঠেলতে ঠেলতে রাস্তার মোড়ে এনে স্টার্ট দিয়েই চোঁ পোঁ ধাঁ।
(চলবে)
|
<urn:uuid:704964d2-7b9d-46fb-8c26-6b882064b1e2>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://www.sachalayatan.com/shankar/46586
|
2014-09-16T02:55:51Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657111354.41/warc/CC-MAIN-20140914011151-00052-ip-10-196-40-205.us-west-1.compute.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999435
|
Beng
| 38
|
{"ben_Beng_score": 0.9994349479675293}
|
রাজ্যপালের কাছে অসম-বাংলা সীমানায় সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল পাঠানোর আর্জি জানালেন রাজ্যের বাম নেতারা। শুক্রবার বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রর নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিরা রাজভবনে রাজ্যপাল এম কে নারায়ণের সঙ্গে দেখা করেন। তখনই তাঁরা অসমের অশান্তির জেরে অসম-বাংলা সীমানার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল পাঠানোর অনুরোধ করেন। অসমে গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে উত্তরবঙ্গে তৈরি হওয়া অশান্ত পরিস্থিতি এবং মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে উদ্বেগ জানালেন বাম প্রতিনিধি দল।
এদিন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবস্থান জানানোর জন্য রাজ্যপালের সঙ্গে করে বাম প্রতিনিধি দল। বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের নেতৃত্বে দুপুরে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রাজভবনে পৌঁছন। রাজ্যপালের কাছে, অসম-বাংলা সীমানায় সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল পাঠানোর আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে অনাবৃষ্টির ফলে রাজ্যে কৃষির ভবিষ্যত্ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাম প্রতিনিধি দল। বৃষ্টির অভাবে এ বছর চাষ ভালো না হওয়া সত্বেও রাজ্য সরকার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ বামেদের।
সে ব্যাপারেও রাজ্যপালকে জানানো হয়েছে। রাজ্যে অনাবৃষ্টির জেরে খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের খরা কবলিত রাজ্যের তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের নাম নেই। আজ বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, খরা মোকাবিলায় অবিলম্বে কেন্দ্রের কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত রাজ্য সরকারের। আজ রাজ্যপালকেও একই অনুরোধ করেছেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
রাজ্যের কৃষি পরিস্থিতির পাশাপাশি এদিন সিটুর পরিবহণ ধর্মঘট নিয়ে বামেদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন নারায়ণগড়ের সিপিআইএম বিধায়ক। তিনি বলেন, বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সবচেয়ে বেশি বনধ ডেকেছেন। ক্ষমতায় আসার পর এখন অন্য কথা বলছেন তিনি। সেই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার ট্রাইডেন্ট আলোর দরপত্র নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তও দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র।
|
<urn:uuid:86109eae-3d6c-4e93-a32c-548ab7a4e513>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://zeenews.india.com/bengali/kolkata/left-leaders-meet-governor_6946.html
|
2014-09-16T03:45:23Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657111354.41/warc/CC-MAIN-20140914011151-00052-ip-10-196-40-205.us-west-1.compute.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999792
|
Beng
| 7
|
{"ben_Beng_score": 0.9997918009757996}
|
আজভ সাগর
|এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। (মার্চ ২০১০)|
আজভ সাগর (ইংরেজি: Sea of Azov; রুশ ভাষায়: Азо́вское мо́ре আযোভ়্স্কোয়ে মোরে; ইউক্রেনীয় ভাষায়: Азо́вське мо́ре আযোভ়্স্ক্যে মোরে; ক্রিমীয় তাতার ভাষায়: Azaq deñizi) ইউক্রেন ও রাশিয়ার দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত একটি প্রায়-স্থলবেষ্টিত সাগর। এটি দক্ষিণে কের্চ প্রণালীর মাধ্যমে কৃষ্ণ সাগরের সাথে সংযুক্ত। আজভ সাগর উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৩৪০ কিমি দীর্ঘ এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১৩৫ কিমি প্রশস্ত। এর আয়তন প্রায় ৩৭,৬০০ বর্গকিমি। দোন ও কুবান নামের বড় দুইটি নদী আজভ সাগরে পতিত হয়েছে। এছাড়াও মিউস, বের্দা, ওবিতোচনায়া এবং ইয়েয়া নদীগুলিও এখানে পতিত হয়েছে। আজভ সাগরের পশ্চিম প্রান্তে আরাবাত নামের একটি ৭০ মাইল দীর্ঘ প্রাকৃতিক বালুবাঁধ সাগরটিকে সিভাশ নামের জলা এলাকা থেকে পৃথক করেছে। সিভাশ ইউক্রেনীয় মূল ভূখণ্ড থেকে ক্রিমেয়া উপদ্বীপকে আলাদা করেছে। আজভ সাগরের গড় গভীরতা মাত্র ১৩ মিটার (৪৩ ফুট)। এটি তাই বিশ্বের সবচেয়ে অগভীর সাগর। দোন ও কুবান নদীর বয়ে আনা পলি নদীগুলির মোহনায় তাগানরোগ উপসাগরে জমা হওয়ায় সেখানে আজভ সাগরের গভীরতা মাত্র তিন ফুট বা তারও কম।
আজভ সাগরের উত্তর, পশ্চিম ও পূর্ব উপকূল পলিমাটিসমৃদ্ধ নিম্নভূমি। এগুলিতে বহু অগভীর উপসাগর ও লেগুন ও দীর্ঘ বালিয়াড়ি দেখতে পাওয়া যায়। সাগরের দক্ষিণ উপকূল তুলনামূলকভাবে উচ্চ এবং অমসৃণ। সমুদ্রের তলদেশ মূলত সমতল। আজভ সাগরের জলবায়ু মহাদেশীয় ও মৃদু প্রকৃতির। ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে বরফ পড়ে এবং গভীরতা ও লবনাক্ততা কম বলে সাগরের উত্তরাংশ মাঝে মাঝে জমে যায়। সাগরের পানি উপকূল ধরে ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘোরে। জোয়ারের উচ্চতা ১৮ ফুট পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। বড় নদীগুলির মোহনায় পানি মিষ্টি। নদীর বয়ে আনা পুষ্টিকর জলজ খাদ্য সাগরটিকে জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদের এক বিরাট সমারোহে পরিণত করেছে। এখানে ৩০০রও বেশি জাতের অমেরুদণ্ডী প্রাণী এবং ৮০রও বেশি প্রজাতির মাছ বাস করে।
মারিওপোল, ইয়েইস্ক ও বের্দিয়ান্স্ক এখানকার প্রধান বন্দর।
|
<urn:uuid:187c12ed-1648-436d-aaf7-2529f7978714>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%AD_%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0
|
2014-09-19T21:53:24Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657132025.91/warc/CC-MAIN-20140914011212-00347-ip-10-196-40-205.us-west-1.compute.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998694
|
Beng
| 41
|
{"ben_Beng_score": 0.9986942410469055}
|
মাত্র ১০ মিনিটে কম্পিউটারে বাংলা লিখা ও বাংলায় সরাসরি ই-মেইল করার এক বিস্ময়কর বাংলা সফ্টওয়্যার “ভাষা সৈনিক”
“ভাষা সৈনিক” সফট্ওয়্যার-এ দ্রুত বাংলা লিখার জন্য এক সহজতম কীবোর্ড লেআউট যুক্ত করা হয়েছে যা মুখস্ত রাখার কোন প্রয়োজন নেই। এ সফট্ওয়্যারের মাধ্যমে মাউস ও কিবোর্ড উভয় দ্বারা বাংলা লিখা যায়। এতে মাউসের মাধ্যমে বাংলা লিখা শিখতে যে কোন ব্যক্তির মাত্র ১ মিনিট আর কীবোর্ড এর মাধ্যমে বাংলা লিখা শিখতে যে কোন ব্যক্তির মাত্র ১০ মিনিট সময় এর প্রয়োজন হয়।
কম্পিউটারে বাংলা লিখতে বিমুখ যে কোন ব্যক্তি এখন ভাষা সৈনিক সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে অনায়াসে বাংলা লিখতে পারবে। এখন আর কারো ঐ বেদনা দায়ক উক্তিটি উচ্চারণ করতে হবে না যে, “আমার কম্পিউটারে বাংলা আছে কিন্তু আমি বাংলা লিখতে পারিনা”।
আমরা পেরেছি সামর্থ দিতে অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন ১০০ ভাগ বাঙ্গালীকে, কম্পিউটারে বাংলা লিখতে।
সুবিধা সমূহঃ
- কীবোর্ড লেআউট মুখস্ত করার প্রয়োজন নেই। অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তিই মাউস বা কীবোর্ড দ্বারা তাৎক্ষনিক ভাবে দ্রত বাংলা লিখতে পারবেন।
- এতে আছে বাংলায় সরাসরি ই-মেইল করার বিশেষ প্রযুক্তি। ইমেইল গ্রাহকের বাংলা Font না থাকলেও গ্রাহক বাংলায় ইমেইল পড়তে পারবেন।
- বাংলা জটিল শব্দ লিখতে ভাষা সৈনিকে Built-in MicroTech Corporation এর উদ্ভাবিত Intelegince Word Maker সয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাবহার হয়। এই Intelligent Word Maker Engine প্রায় ১ লক্ষেরও অধিক বিল্ট-ইন বাংলা শব্দ ভান্ডার নিয়ে গাঠিত। যার ফলে বাংলা লেখার speed বাড়বে এবং বানান ভূল থাকবে না।
- ভাষা সৈনিক-এ লিখে যেকোন সফট্ওয়্যারে যেমন Page Maker, Photoshop, CorelDraw, Illustrator, Maya, Flash, CAD, GIS ইত্যাদিতে Copy/Paste করে সহজেই কাজ করা যায়। তাই বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন কীবোর্ড লেআউট কষ্ট করে মুখস্ত করার প্রয়োজন পড়ে না।
- MS Word এর অনেক feature এই সফ্টওয়্যারে বিদ্যমান আছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল insert and editing Table & Images, Print preview, Paper settings, Header & Footer, Ruler, Page by page document view, Paragraph Formatting, Indenting, Save as HTML, AutoSave ইত্যাদি।
- MS Word Document(.doc) ও Adobe Acrobat Reader(.pdf) ইত্যাদি Format এ ফাইল save এর সুবিধা রয়েছে।
- বিশেষ করে ছোট্ট সোনামনিরাও “ভাষা সৈনিক” সফট্ওয়্যারের মাধ্যমে সহজেই বাংলা বর্ণমালার সঙ্গে পরিচিতি ও শুদ্ধ বানান শিখতে পারবে যা তাদের বাংলা শেখার জন্য অপরিহার্য্য।
- ভাষা সৈনিক Font Converter tools দিয়ে; ‘ভাষা সৈনিক Font’ এর লেখা ডকুমেন্ট বাজারে প্রচলিত Font এ এবং বাজারে প্রচলিত Font এ লেখা ডকুমেন্ট ‘ভাষা সৈনিক Font’(BS font) এ Convert করা যায়। যেমন: ভাষা সৈনিক থেকে বিজয়/সুলেখা আবার বিজয়/সুলেখা থেকে ভাষা সৈনিক ফন্টে রূপান্তর করা সম্ভব।
|
<urn:uuid:b44779c0-efa1-485c-a331-e19c888e3ac7>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://www.microtechna.com/bangla-software-tutorial/features-of-bangla-software/
|
2014-10-01T08:09:56Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1412037663372.35/warc/CC-MAIN-20140930004103-00195-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998118
|
Beng
| 27
|
{"ben_Beng_score": 0.9981176853179932}
|
চেনা পথে আবার৷ কিন্তু অকারণ দায় আর যে তাঁকে পীড়া দিচ্ছে না, বোঝা গেল৷ লিখছেন সুমন রায়
সময় পাল্টে গিয়েছে৷ সত্যিই অনেকখানি পাল্টে গিয়েছে৷ তবে 'শেষ বলে কিছু নেই'-এর স্রষ্টা অঞ্জন দত্ত সেই পাল্টে যাওয়ার আগের সময়কে নিয়ে মেদুর, নাকি বর্তমানকে নিয়ে উদ্বিগ্ন কিংবা আশাবাদী, এই জাতীয় কোনও বীপরিত মেরুভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর ছবিতে নেই৷ বরং তাঁর ছবি অনেক বেশি করে পাল্টে যাওয়া সময়ের সঙ্গে পাল্টে যাওয়া সঙ্গীতের অনুসন্ধান নিয়ে৷ 'দশ বছর আগে সিগারেট খাওয়ার মধ্যে একটা পৌরুষ ছিল৷ আজ কি আছে? কলকাতা অনেক পাল্টে গিয়েছে!' এমনতর সংলাপ ছবিতে ভেসে বেড়ায় হালকা পালকের মতো৷ তীরের মতো এসে সে সংলাপ বেধে না৷ আর সেটা তার ব্যর্থতাও নয়৷ সেটাকেই পরিচালক করে তুলতে চেয়েছেন ছবির স্টাইল৷
কী আছে গল্পে?
ব্যর্থ পিতা৷ স্ত্রীর মৃত্যুর পর যে যিনি সন্তানকে শ্বশুরের কাছে রেখে পালিয়েছিলেন৷ বছর তিরিশ বাদে সন্তানের কাছ থেকে পাওয়া ই-মেলের সূত্র ধরে আবার তিনি ফিরেছেন দেশে৷ কলকাতায়৷ এসে আবিষ্কার করেছেন তিন মাসেই আগেই, তাঁকে ই-মেল করার দিনেই মারা গিয়েছে সন্তান৷ পিছনে ফেলে গিয়েছে নিজের কিছু গান৷ যার কোনও রেকর্ডিং নেই৷ যে সব গান থেকে গিয়েছে শুধু সন্তানের এক বন্ধুর মনে, স্মৃতিতে৷ একমাত্র সে-ই পারে সেই সব গানকে ফিরেয়ে আনতে৷ কিন্তু সে তো নেশাগ্রস্থ! ব্যর্থ পিতা কি পারবেন নিজের ছেলেকে আবার গানের মাধ্যমে বাঁচিয়ে তুলতে? পারবেন কি এক নেশাগ্রস্থের নেশা ছাড়িয়ে তাকে দিয়ে গান রেকর্ড করাতে? ছেলের বন্ধুর কাছে কি তিনি হয়ে উঠতে পারবেন 'বাবার মতো' কিংবা 'বন্ধুর মতো' কেউ একজন?
কী নেই গল্পে?
২০০০ সালে পরিচালক ক্যামেরন ক্রো 'অলমোস্ট ফেমাস' বলে একটি ছবি বানিয়েছিলেন৷ সত্তরের দশকে 'রোলিং স্টোন' পত্রিকায় সাংবাদিক হিসাবে যুক্ত থাকাকালীন 'অলম্যান ব্রাদারস ব্যান্ড' কিংবা 'লেড জেপেলিন'-এর মতো দলকে তিনি যেভাবে দেখেছিলেন, সেটাই ফিরিয়ে এনেছিলেন, সেই সিনেমায়৷ ব্যক্তি অঞ্জন দত্ত সম্পর্কে যাঁরা জানেন, তাঁদেরও নিশ্চয়ই মনে থাকবে, সত্তরের উত্তাল সময়ে হিপি আন্দোলন, রক 'এন রোল মিউজিক, প্রতিরোধের রাজনীতির প্রভাব অঞ্জন বারবার নিজের সৃষ্টির মধ্যে বলার চেষ্টা করেছেন৷ এক্ষেত্রেও তার বত্যয় হয়নি৷ শুধু সত্তরকে তিনি সত্তরে ধরতে যাননি, ধরতে গিয়েছেন বর্তমানে৷ 'এটা আমাদের কলেজ লাইফে গাঁজা খেতে খেতে শোনা পিংক ফ্লয়েড নয় বস!' ব্রাত্য বসুর বলা সংলাপ দিয়ে সময়ের সংঘাতকে বারবার ধরতে চেয়েছেন৷
কখনও তা সফলভাবে ধরা গিয়েছে৷ কখনও পুরোটা ধরা যায়নি৷ রক 'এন রোল আন্দোলনের সঙ্গে মারিজুয়ানা, কোকেন কিংবা হেরোইনের ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যাওয়ার পিছনে কাজ করত গতানুগতিককে ভাঙার এক চেষ্টা৷ কালে কালে গতানুগতিকের সংজ্ঞা পাল্টেছে৷ ২০১৪-তে অঞ্জন সেই নিয়ম ভাঙার মূল্যায়ন যে দাঁড়িপাল্লায় মাপতে বসেছেন, তা কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিয়ে হালকা হলেও একটা খুঁতখুতানি থেকেই যায়৷
দেখবেন কেন?
দোষে-গুণে মানুষ৷ সবার আলাদা আলাদা জীবন দর্শন৷ প্রত্যেকেই নিজের কাজের স্বপক্ষে যুক্তি দেন৷ দত্তবাবুরও নিশ্চয়ই তেমনই কিছু যুক্তি আছে৷ তাঁর জীবনদর্শনও একান্তভাবে তাঁর মৌলিক৷ গানে কিংবা সিনেমায় তিনি বারবার নিজের অতীত, নিজের অস্তিত্ব, নিজের সৃষ্টিকে প্রশ্ন করেছেন৷ তা সে আমেরিকায় বসে স্ত্রী ছন্দাকে লেখা চিঠি যখন গান হয়ে যায়, তখনই হোক, কিংবা 'শেষ বলে কিছু নেই'-তে নিজের চর্চা করা গান আজ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে, তার অন্বেষণেই হোক, প্রশ্ন তাঁর আছেই৷ যাঁরা তাঁর এই অন্বেষণের সঙ্গে একাত্ম হতে পারেন, তাঁরা এই ছবি দেখতে পারেন৷ যাঁদের 'অঞ্জনের স্ব-ইতিহাস' চর্চায় আগ্রহ নেই, তাঁদের ভালোলাগানোর দায় অঞ্জনেরও নেই, এটাও বেশ স্পষ্ট বোঝা যায় ছবিতে৷ গানের সন্ধান তো অনেকেই করেন৷ কিন্তু সমসাময়ীক গান, অতীতের গানই তাতে গুরুত্ব পায় বেশি৷ আমার ভবিষ্যতের গান কী, আমার পরের প্রজন্ম কোন গানকে আঁকড়ে ধরে বাঁচবে, তা খোঁজার দায় কতজনেরই বা আছে? অঞ্জনের আছে৷ খোঁজার রাস্তা ঠিক না ভুল, সে উত্তর পাওয়ার জন্য অবশ্য ছবিটা দেখা ছাড়া জো নেই!
দেখবেন না কেন?
সম্প্রতি এক লেখাতে পরিচালক জানিয়েছেন, এরপর বাংলা নয় হিন্দি বা ইংরাজি ভাষায় ছবি করতেই তিনি বেশি আগ্রহী৷ তাহলে কি এটাই তাঁর শেষ বাংলা ছবি? অন্তত আপাততভাবে? তাই কি একটু বেশিই আবেগতাড়িত তিনি? তাই বোধহয় একটু বেশিই ভালোবেসে ফেলেছেন ছবিকে৷ নিজের সৃষ্টির ওপর নির্মম হতে পারেননি৷ বেশি কিছু ক্ষেত্রেই সহজ অনুমেয় মেদকেও তিনি ছেড়ে দিয়েছেন ছবির গায়ে৷ যা ছবিকে বহরে বাড়িয়ে দেয়৷ ওই মেদটুকু না থাকলে হয়তো ভালোই হত ছবিটার জন্য৷
আপনার সিদ্ধান্ত
আপনি যদি সত্তরকে নিজের শরীরে মাখিয়ে থাকেন, সেই সময়কে প্রতিস্থাপিত করে দেখতে চান এখনকার সময়ে, তাহলে হয়তো এ ছবি আপনার জন্য৷ যাঁরা তা চান না, তাঁদের জন্য 'শেষ বলে কিছু নেই' দিতে পারে আরও কয়েকটা জিনিস৷ প্রথমত, যিশু সেনগুপ্তর অভিনয়৷ ভালো অভিনেতা তাঁর পক্ষে যুক্তি৷ বক্সঅফিসে হিট দিতে না-পারা, তাঁর বিরুদ্ধে যুক্তি৷ প্রথমটি তিনি এখানেও ধরে রাখেন৷ দ্বিতীয়টিকে খারিজ করেন কি না, তা নির্ভর করছে দর্শকের সিদ্ধান্তের ওপর৷ পাশাপাশি শুভশ্রীও বুঝিয়ে দিয়েছেন শুধু নায়ক-কেন্দ্রিক ছবির নায়িকা হওয়ার জন্যই তিনি অভিনয়ে আসেননি৷ দ্বিতীয়ত, নীল দত্তর সঙ্গীত৷ অঞ্জনের নিজের গান 'শেষ বলে কিছু নেই'-এর রিমাসটার্ড অ্যাকোয়াসটিক ভার্সন যখন ছবিতে বাজে, পর্দা কালো করে দিলেও দর্শকের অসুবিধা হত না বসে থাকতে৷
শেষ বলে কিছু নেই
টেলিভিশনের জন্য অঞ্জন অনেকদিন আগে একটি ছবি বানিয়েছিলেন৷ 'আমার বাবা'৷ তিন প্রজন্মের দূরত্ব, নিজেদের বুঝতে না পারার সংকট নিয়ে সেই ছবির অনেক কিছুর মিল পাওয়া যায় এবার বড় পর্দায়৷ প্রসঙ্গত, সেই ছবিতেও ছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, এখানেও তিনি আছেন৷ সত্যজিত্ রায়ের মানসপুত্রের সঙ্গে যখন মৃণাল সেনের ভাবশিষ্য স্ক্রিন শেয়ার করেন, বোঝা যায়, দুই শিল্পী যখন পরস্পরকে যোগ্য সম্মান দিতে চান, তখন একটা দৃশ্য কোন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে৷ সৌমিত্রবাবুর নীরবে থাকা, আর নিজের সংলাপ বলার দৃশ্যেও নিজেকে অফ-ফোকাসে রেখে জ্যেষ্ঠকে ফোকাসে রাখেন অঞ্জন৷ 'আমার বাবা'-তেও এমনটাই চেয়েছিলেন৷ তবে 'বাবা' এখানে হয়েছেন শ্বশুরমশাই৷ 'ছেলে' হয়ে গিয়েছে ছেলের বন্ধু৷ একান্তভাবেই তিন 'পুরুষ'-এর সম্পর্কের রসায়ন যে পরিচালককে দীর্ঘ দিন ধরে আকর্ষণ করে, তা টের পাওয়া যায়৷ 'দত্ত ভার্সেস দত্ত'-ও তো তাই ছিল৷ বিদেশে যখন 'ব্রোমান্স' কিংবা 'স্টোনার কমেডি' এত জনপ্রিয়, এদেশে তিন প্রজন্মের তিন পুরুষের সম্পর্ক নিয়ে যদি একজন বারবার কাটাছেঁড়া করেন, তাতে দোষই বা কোথায়! তা স্লথই হোক, কিংবা পুরনো কাসুন্দিই হোক, তাতে কিছুই যায় আসে না৷ এটা একান্তভাবেই তাঁর একার৷ যাঁরা তাঁকে পছন্দ করেন, তাঁরা দেখবেন৷ পছন্দ না হলে গালি দেবেন৷ স্বাধীকার ভঙ্গের গ্যারান্টি গণতন্ত্র দেয়৷ কারণ স্রষ্টা তো দুনিয়ার সেরা কিছু বানাতে চাননি৷ বানাতে চেয়েছেন নিজের প্রতি নিজের হোমেজ-টা৷
|
<urn:uuid:3670e85f-0ad9-40bb-9c76-ec3e4117dd3f>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://eisamay.indiatimes.com/SESH%20BOLE%20KICHU%20NEI-review/moviereview/37757450.cms
|
2014-10-02T16:28:20Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1412037663762.45/warc/CC-MAIN-20140930004103-00179-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999881
|
Beng
| 32
|
{"ben_Beng_score": 0.9998806715011597}
|
নিজেকে ভীষন অপরাধী মনে হচ্ছে রাতুলের। এতটা বাড়াবাড়ি করা বোধহয় ঠিক হয়নি। অবশ্য সে সময় পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিচ্ছিল, তখন আর নিজেকে ধরে রাখা সম্ভবপর হয়নি ওর পক্ষে। ফলে অনেকটা ইচ্ছের বিরুদ্ধেই তাকে রূঢ় হতে হয়েছিল।
সন্ধ্যা থেকেই আকাশটা গুমোট হয়ে ছিল। অফিস থেকে যখন বাসায় ফিরছিল, তখনি থেমে থেমে মেঘ ডাকছিল। পুরোটা রাস্তা আল্লাহ আল্লাহ করে এসেছে, যেন ও বাসায় না পৌঁছা পর্যন্ত বৃষ্টিটা না নামে। বাস্তবিক হয়েছেও তাই। তাকে রাস্তায় ভিজতে হয়নি। কিন্তু যেই না বাসায় পা দিয়েছে, অমনি ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। কিš‘ তখনো কি রাতুল জানতো, তাকে ভিজতে হবে তার নিজের চোখের জলে।
আসলে ঘটনা তেমন কিছুই নয়। সকাল বেলা অফিসে যাবার সময় তমা মনে করিয়ে দিয়েছিল, বাসায় ফেরার সময় ও যেন নতুন একটা ছাতা কিনে নিয়ে আসে। আগের ছাতাটা ডাঁট ভেঙ্গে পরে আছে অনেকদিন। সময়ের অভাবে ঠিক করা হচ্ছেনা। এদিকে যা দিন-কাল পরেছে, বলা নেই, কওয়া নেই, কখন যে হুঁট করে বৃষ্টি নামবে আগে থেকে কি”ছু বলা যায় না। এমতাব¯’ায় বাসায় একটা ছাতা না থাকলেই নয়। মাঝে মাঝে ভাবে রাতুল, এখনকার বা”চারা নিশ্চয়ই বই পড়তে গিয়ে কবি-লেখকদের পাগল ছাড়া কিছুই ভাবে না। ষঢ় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ, এ কথা বইয়ে পুস্তকে যতই লিখা থাক, বাস্তবে তা বিশ্বাস করার কোনই হেতু নেই। কেননা এখন তো ঋতু বলতে স্রেফ তিনটে; গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত। যদিও এ মুহুর্তে ওর জীবনে স্রেফ বর্ষা ছাড়া আর কোনোটারই অস্তিত্ব নেই। সামান্য একটা ছাতার জন্য ঘটনা এতোদূর গড়াবে, তা সে ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি। বিকেলে অফিস থেকে বের“বার সময়ও ছাতা কেনার ব্যপারটা মাথায় ছিল। কিন্তু বাইরে বেরিয়ে আকাশের পরিস্থিতি দেখে বাধ্য হয়েই বিষয়টা মাথা থেকে তাড়িয়ে দিতে হলো। কেননা, তখন শুধু একটা ভাবনাই মাথায় খেলে ছিল, যে কোনো মূল্যেই হোক বৃষ্টি নামার আগেই বাসায় ফিরতে হবে। বাস্তবিক সে ফিরেছিলও তাই।
কিন্তু, দরজা খুলে ওর হাত খালী দেখেই খেকিয়ে উঠলো তমা, কী ব্যাপার, তোমায় না ছাতা আনতে বলেছিলাম?
রাতুল ব্যাপারটাকে যতই স্বাভাবিক হিসেবে তুলে ধরতে চাইলো, তমা ততই কথার মার-প্যাচে জটিল করে তুলল। ঘটনাটা ঝগড়ায় টার্ণ করতে সময় লাগলো না। আর রেগে গেলে মানুষ যা করে, হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে বাস্তবের সাথে সামঞ্জস্য নয় এমন সব কথা বলা শুরু করে। এক্ষেত্রেও তাই হলো।
যেমন শুরুটা তমাই করলো, আসলে তুমি আমায় সন্দেহ কর। তাই অফিস ছুটির পরপরই বাসায় চলে আসো দেখতে, আমি বাসায় আছি কিনা।
রাতুলও সমান তেজে উত্তর দিল, যাক স্বীকার করলে তাহলে। আমি তো জানিই তোমার একা একা বাসায় থাকতে ইচ্ছে করে না। তাই আমি বেরিয়ে গেলেই তুমিও বেরিয়ে যাও। এখন বুঝতে পারছি, কেন তোমায় মাঝে মাঝে টি এন্ড টি তে ফোন করেও পাই না। তা বেরিয়ে যাও, ঠিক আছে। একটা ছাতা তো তুমিও কিনে আনতে পারো।
কি বললে, আমি বাসায় থাকি না! তুমি আমায় ল্যান্ড ফোনে পাওনা!! আ”ছা বুঝলাম পাওনা, কিš‘ মোবাইলে তো করে দেখতে পারো। নাকি মোবাইলে বান্ধবীদের সাথে কথা বলে বলে আমায় কল করার সময়ই পাওনা। আরে আমার যদি ছাতা কেনার সময় হতোই, তাহলে কি আর তোমায় বলতাম। সারাদিন তো বাসায় থাকোনা, পুরো সংসারটা যে আমায় একা সামলাতে হয়, তা তো তোমার চোখে পরে না। তবে এখন থেকে আর বলবো না। যখন যা দরকার হবে নিজেই কিনে আনবো। আমার যেদিকে খুশী সেদিকে যাবো। তোমায় কিসসু বলতে যাব না।
তা যাওনা, তোমায় মানা করেছে কে। পারো তো একেবারেই চলে যাও। তুমি গেলে আমিও বেঁচে যাই। অযথা এসব ফালতু কথা শুনতে হবে না।
ও! এই তাহলে ব্যাপার। আমায় তাড়িয়ে দেবার জন্যই এত্তো সব ফন্দি-ফিকির। ওয়েল এখন তো বৃষ্টি..এদিকে রাতও হয়ে গেছে। সকালটা হোক তখন মজা বুঝবে। আমি সত্যিই চলে যাবো। আমি গেলে তখন বুঝবে আমি কি ছিলাম।
তুমি যে কি, আমার আর তা জানতে বাকি নেই। এদ্দিন আমি জেনেছি। এবার সবাই জানবে। ভালোই হবে, কেউ আর আমার দোষ দিতে পারবে না।
এবার আরো রেগে গেল রাতুল। দু’হাত বাড়িয়ে তমাকে চেপে ধরলো। শক্ত হাতে একটা ঝটকা দিয়ে বললো, “তুমি আমার কি ব্যবস্থা করবে শুনি ! আমায় তুমি ভয় দেখাচ্ছো ? আমায় বলে লাভ নেই। কথাটা বলে আস্তে করে তমাকে ছেড়ে দিল। ফোঁস ফোঁস করে নিঃশ্বাস পড়ছে ওর। রাতুলের চোখে কি দেখলো তমা কে জানে। সেই থেকে আর একটাও কথা হয়নি ওদের মাঝে। দুজনেই বিছানায় গিয়ে ঝিম মেরে শুয়ে থাকে। একসময় না খেয়েই ঘুমিয়ে যায় রাতুল।
সকালে ঘুম ভেঙ্গে যাবার পর তমাকে বিছানায় না দেখে একটু অবাকই হয়। কারণ, প্রতিদিনই ওই আগে ঘুম থেকে উঠে, যেহেতু তাকে অফিসে যেতে হয়। তারপর ফ্রেশ হয়ে ড্রেস-আপ করে রেডি হতে হতে তমার ঘুম ভাংগে এবং চোখ খুলেই অনুযোগ করে, এই আমায় ডাকোনি কেন? কিš‘ আজ তার ব্যতিক্রম দেখে প্রথমটায় বুঝতে না পারলেও পরক্ষণেই গত রাতের সব কিছু মনে পড়ে যায় তার। সাথেসাথেই লাফিয়ে বিছানা ছাড়ে ও। ড্রয়িং র“ম, টয়লেট এমন কি বারান্দায়, কোথায় খোঁজে না পেয়ে চিন্তায় পড়ে যায়। কিন্তু, এই সকাল বেলা ও গেলই বা কোথায় ? মোবাইলে ফোন দিল। না যা”েছ না তো। ও দেখি মোবাইলই বন্ধ করে রেখেছে।
রাতুলের মাথার ভেতরটা এলোমেলো হয়ে যেতে লাগলো। উফ্ খোদা, কি যে হবে এখন। মফস্বলের মেয়ে তমা। এখন পর্যন্ত একা একা কোথাও যায়নি। আসলে রাতুলকে ছাড়া একা কোথাও যাবার চিন্তাও কখনো করেনি ও। আতœীয়-স্বজনের কারো বাসাও তো চেনে না। অথচ সেই তমাই কিনা .. ! এও কি সম্ভব !! তমা যা বলেছে, তা কি সে সত্যিই করে দেখালো ? না আর ভাবতে পারছে না। বুকের ভেতরটা তার কেবলি শূন্য হয়ে উঠছে। এরকম ঝগড়া তো তাদের মাঝে প্রায়ই হয়। অবশ্য কাল একটু বাড়াবাড়িই হয়ে গেছে। তাই বলে, তমা নেই, অথবা তাকে ছেড়ে চলে গেছে, এটা সে ভাবতেই পারছে না। গতকাল তমা রাগের মাথায় যা বলেছে তার একবিন্দুও সত্য নয়, সেটা তমাও ভালো করেই জানে। ওর মত মেয়েকে সন্দেহ করার প্রশ্নই আসে না। আসলে তমা একা একা সারাটা দিন বাসায় থাকে, এটা ও সহ্য করতে পারেনা বলেই না অফিস ছুটির পর সোজা বাসায় চলে আসে। আর গতকালের ব্যপারটা তো সম্পূর্ণ ভিন্ন। স্রেফ বৃষ্টিকে এড়িয়ে যাবার জন্যই ওকে চলে আসতে হয়েছিল। এজন্য এত কিছু ঘটবে তা যদি আগেই ঠাহর করতে পারতো, তবে সে ছাতা নিয়ে তবেই বাসায় ফিরতো। সমস্যা হলো তমা কখন কি ভেবে বসে আগে থেকে কিছুই বুঝা যায় না।
এদিকে ওদের দু’জনের আবার রাগটাই একটু বেশি। যদিও তার নিজের রাগ ক্ষাণীক বাদেই পরে যায়, কিš‘ তমার রাগটা সহজে যায় না। পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে জানে, এক-দু’দিন না গেলে তার রাগ কখনো স্তিমিত হয় না। কিš‘, এমন করে চলে যাবার কথা তো আগে কখনো বলেনি। অথচ, সেই কিনা আজ সত্যিই চলে গেল। আ”ছা এমনো তো হতে পারে, ও কিছুক্ষণ বাদেই চলে আসবে। জানি আমাকে ছাড়া ও থাকতেই পারবে না। তাছাড়া যাবেই বা কোথায় ? এই শহরে আমি ছাড়া ওর আছেই বা কে ? কিš‘, পরক্ষণেই আর একটা ভাবনা খেলে গেল মাথায়। দেশের বাড়ি চলে যায়নি তো ? চিন্তাটা ওর মাঝে কিছুটা স্বস্তি এনে দিল । এদিক-ওদিক না ঘুরে সোজা বাড়ি চলে যেতে পারলেও মন্দ হয় না। কিš‘, এভাবে একা একা গেলে আবার আমার শশুর-শাশুরী কি ভাববে। না বাবা, দরকার নেই ওদিকে যাবার। তার চেয়ে ফিরে আসুক, সেই ভালো।
যেন ওর ইচ্ছেকে সম্মতি দিতেই কলিং বেল বেজে উঠলো। রাতুলের মনে হলো, ওর বুকের ভেতর কোথাও জোরসে একটা আনন্দ ঘণ্টা বেজে উঠলো। প্রায় দৌড়ে দরজার কাছে ছুটে গেল ও। তড়িৎ দরজা খুলেই চুপসে গেল। বগলের তলায় একরাশ পত্রিকা নিয়ে হকার ছেলেটা দাঁড়িয়ে। ওর দিকে বাড়ানো পত্রিকাটা হাতে নিয়ে আস্তে করে দরজাটা বন্ধ করে দিল। বুকের ভেতর তার একটা চাপা অভিমান ক্রমশঃ ফুঁসে উঠতে চাইছে।
না আর ভাববো না। ওর কথা আর একটুও ভাববো না। যে আমাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে, তাকে আমি চাইনা। ও যেন আর ফিরে না আসে। আসলেও ওকে আমি আর বাসায় ঢুকতে দেব না। মোটেও না। ফাজলামি পেয়েছে ! ইচ্ছে হলো তো চলে গেলাম। আবার ইচ্ছে হলেই ফিরে এলাম। এটা কি মগের মুল্লুক নাকি ?
মনটাকে অন্য দিকে ডাইভার্ট করতেই হাতে পত্রিকা তুলে নিল। প্রথম পাতায় একটা শিরোনামে ওর চোখ আটকে গেল। “স্বামীর হাতে ভার্সিটি শিক্ষিকা নির্যাতিত”। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা র“মানাকে তার স্বামী সাইদ সন্দেহবশতঃ ্অমানুষিক নির্যাতন করেছে। তার দুটো চোখই অন্ধ হবার পথে। বর্তমানে .......। ঘটনাটা পড়ে ওর বুকের ভেতরটা শক্ত হয়ে গেল। তবে কি ও নিজেও তমাকে। না না, ও তো আর তমাকে এমন কোন সন্দেহ করেনি। আর সন্দেহ করার উপযুক্ত কারণ থাকলেও এমন নিষ্ঠুর সে কখনোই হতে পারবে না। অবশ্য পরিস্থিতি মানুষকে অনেক বদলে দেয়। আর ও রেগে গেলে যা করে, তাতে তমা যদি এমনটি ভেবেই থাকে তাহলে তাকে খুব একটা দোষও দেওয়া যায় না।
চিন্তাটা মাথায় আসতেই ওর হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেল। তবে কি তমাও ওকে ভয় পেয়েছে। না, এ হতেই পারে না। আরে আমি রাগের মাথায় কি বলেছি না বলেছি, তা ধরে নিতে হয় বুঝি। নিজেকে ভীষন অপরাধী মনে হলো ওর। মুহুর্তেই ইতিকর্তব্য ¯ি’র করে ফেললো রাতুল। তমাকে খুঁজতে যেতে হবে। যে কোন মূল্যেই হোক ওকে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিš‘ কোথায় খুঁজবে। এট্লিষ্ট বাস ষ্টেশনে যেয়ে তো দেখা যেতে পারে। হয়তো বাড়িতেই যাবে ও, যেহেতু এ ছাড়া যাবার আর কোন পথও খোলা নেই ওর কাছে।
তড়িৎ তৈরি হয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়ল রাতুল। কিš‘ বাইরে পা রাখতেই, মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল ওর। রাস্তায় একটিও রিকশা নেই। পুরো আকাশটা কালো হয়ে আছে। যে কোন সময় বৃষ্টি নামবে মনে হ”েছ। কিš‘, এখনতো রিকশার আশায় বসে থাকবার জো নেই। যেতেই যখন হবে, তো হেঁটেই সই। গলির মাথায় পৌঁছবার আগেই ঝপাত করে বৃষ্টি নামলো। ভিজে যাচ্ছে বুঝতে পারার পরেও আশে-পাশে কোথাও সরে যেতে ইচ্ছে করলো না। তাই বৃষ্টি মাথায় করেই হাঁটতে থাকলো । বুকের ভেতরে যে রকম বৃষ্টি হচ্ছে, তার তুলনায় এ তো কিছুই না।
বড় রাস্তায় যেয়ে দু-একটা রিকশা চোখে পড়লেও তার মাঝে একটাও খালি পেল না। অগত্যা হাঁটতে থাকলো। তার হাঁটার ভঙ্গীতে মনে হচ্ছে এমুহুর্তে এ ছাড়া আর কোন কাজই নেই। সে কারণেই বোধকরি তার ভেজা মাথার ওপর কখন যে একটা ছাতা চলে এলো, তা সে বুঝতেই পারলো না। তবে সে ভীষন আশ্চর্য হলো, যখন আবিস্কার করলো পাশ থেকে তার ভেজা শরীরের সাথে আচমকা একটা কোমল দেহ লেপটে গেল।
“কি, এই বৃষ্টির মধ্যে একা একা কোথায় যাওয়া হ”েছ শুনি?” ওর কাঁধের ওপর দিয়ে হাত রেখে শরীরটাকে শক্ত করে নিজের সাথে চেপে ধরে হাসি মুখে বললো তমা।
“তমা আমি... আমি ....!” তমাকে দেখে খেই হারিয়ে ফেললো রাতুল। কিছুই বলতে পারলো না। তার কথাগুলো মুখের ভেতরেই আটকে গেল।
“আমি জানি, আমি সব জানি;” যেন রাতুলের মুখের কথাগুলো কেড়ে নিয়ে বলছে তমা, “সেই কারণেই তো আমি নিজেই বেরিয়ে গেছি। জানি তোমার আশায় থাকলে কোনদিনও ছাতা কেনা হবে না। তুমি প্রতিদিন ভিজে ভিজে অফিস থেকে বাসায় আসো, এটা ভালো লাগেনা বলেই তো ছাতার কথা বলেছিলাম।” বলতে বলতে চোখ জলে ভিজে উঠলো ওর।
পরক্ষণেই দু’চোখ বেয়ে নতুন করে কান্নার বৃষ্টি নামলো। কি মনে করে তমার হাত থেকে ছাতাটা টেনে নিয়ে বন্ধ করে ফেললো। বাইরের ঝরে পরা বৃষ্টির জলের সাথে মিশে একাকার হয়ে গেল তাদের চোখের জল।
|
<urn:uuid:c701be92-d2ae-42b8-9ebf-8443485062e4>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://www.banglanews24.com/LifeStyle/detailsnews.php?nssl=3335
|
2014-09-17T07:31:42Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657121798.11/warc/CC-MAIN-20140914011201-00166-ip-10-196-40-205.us-west-1.compute.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999801
|
Beng
| 18
|
{"ben_Beng_score": 0.9998008608818054}
|
Please provide search keyword(s)
আইপিএলে যেখানে শেষ করেছিলেন সেখান থেকেই যেন শুরু করেছেন এই মারকুটে ব্যাটসম্যান।
দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটম্যানদের স্লেজিং করায় মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ব্যাটসম্যান।
বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডারকে সরিয়ে শীর্ষে উঠেছেন ভারতের রবিচন্দ্রন অশ্বিন।
আর একটু হলেই কাউন্টি ক্রিকেটে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেয়ার গল্পটা লিখতে পারতেন ক্রিস রাসওয়ার্থ।
অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধনী ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচের বাংলাদেশ ‘এ’ দলে ডাক পেয়েছেন ব্যাটসম্যান শাহরিয়ার নাফীস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়া একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ছাড়া আর সব ম্যাচেই হেরেছে মুশফিকুর রহিমের দল।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জিতে সাজঘরের পথে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জয়ের উচ্ছ্বাস ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
কেমার রোচের পেস গোলায় উড়ে গেল শফিউলের স্টাম্প। লেখা হয়ে গেল বাংলাদেশের দ্বিতীয় টেস্টের হারও। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
রবিউল ইসলামকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলার পর সতীর্থদের সঙ্গে জেরোমে টেইলরের উদযাপন। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
সেন্ট লুসিয়ার উইকেটে আবারও ব্যর্থ হলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও বোল্ড হয়েছেন টেইলরের বলে। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশতক তুলে নেয়ার পথে মুমিনুল হকের একটি পুল শট। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
সিরিজজুড়ে ব্যাটিং ব্যর্থতার বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি নাসির হোসেন। দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে সুলেমান বেনের বলে এলবিডব্লিউ হলেন মাত্র ২ রান তুলে। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
ক্রেইগ ব্রেথওয়েইটকে প্যাভিলিয়নে পাঠানো মাহমুমদুল্লাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এবং অন্যান্য সতীর্থরা। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
শফিউল ইসলামকে আউট করার পর বোলার শ্যানন গ্যাব্রিয়েলকে ঘিরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদযাপন। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
স্লিপে ক্রেইগ ব্রেথওয়েইটের ক্যাচ ধরলেন বাংলাদেশের শামসুর রহমান। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
সেন্ট লুসিয়ায়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে উইকেট শিকারের এমন উৎসব দ্বিতীয় দিনেই পাঁচবার মেতেছেন কেমার রোচ। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
ব্যক্তিগত রানের খাতা খোলার পরপরই রোচের বলে উইকেটের পেছনে দিনেশ রামদিনের তালুবন্দি নাসির হোসেন। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
রোচকে বিদায় করার আনন্দ বাংলাদেশের শফিউল ইসলামের। ছবি: ডব্লিউআইসিবি
|
<urn:uuid:0eb29af4-a684-4190-807f-e2902f0e9b9d>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://bangla.bdnews24.com/cricket/
|
2014-09-19T06:01:58Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657130272.73/warc/CC-MAIN-20140914011210-00139-ip-10-196-40-205.us-west-1.compute.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999907
|
Beng
| 75
|
{"ben_Beng_score": 0.9999072551727295}
|
Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
ঢাকায় বড় মাপের জমায়েত করে শাহবাগের অবস্থানকারীদের উপরে হামলা চালাল মৌলবাদীরা। তবে আন্দোলনকারীদের পাল্টা প্রতিরোধে তারা পিছু হটে যায়। জামাতে ইসলামির ছাত্র কর্মীদের ছোড়া ইটে অন্তত তিন জন অবস্থানকারী রক্তাক্ত হয়েছে। এ দিকে ধর্মনিরপেক্ষ কয়েকটি সংগঠনের ডাকা হরতালে এ দিন গোটা বাংলাদেশ ছিল স্তব্ধ। দোকানপাট খোলেনি, বাস ও অন্য যানবাহন রাস্তায় দেখা যায়নি, স্কুল-কলেজও ছিল বন্ধ। বিভিন্ন শহরে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মিছিল বার করেন হরতালের সমর্থকরা। রাতে মশাল-মিছিলও হয়।
শাহবাগের আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার ও দেশে ইসলামি শাসন কায়েমের দাবিতে এ দিন বাংলাদেশের নানা জায়গা থেকে ঢাকায় লং-মার্চের ডাক দিয়েছিল হেফাজতে ইসলামি নামে একটি মৌলবাদী সংগঠন। জামাতে ইসলামি ও বিএনপি তাদের সমর্থন জানায়। তাদের এই কর্মসূচির প্রতিবাদে এ দিন হরতালের ডাক দিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন সেক্টর কম্যান্ডারস ফোরাম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও সম্মিলিত সাস্কৃতিক জোট। শাহবাগের আন্দোলনকারীরাও প্রতিরোধের ডাক দিয়েছিলেন। আজ সকাল থেকেই ঢাকায় ভিড় জমায় বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্ররা। ১০টায় সভা শুরুর কথা থাকলেও সকাল ৭টাতেই বক্তৃতা শুরু করে দেন মৌলবিরা। কিন্তু কর্মীরা সভায় আসার পথে বিভিন্ন জয়গায় ভাঙচুর করতে থাকে। পুলিশের সামনেই মহাখালিতে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির একটি সভাস্থলে হামলা চালায় উন্মত্ত মৌলবাদীরা। কমিটির নেতা শাহরিয়ার কবীর দাবি করেছেন, তিনি ও সংগঠনের নেতারাই ছিলেন হামলার লক্ষ্য। কয়েকটি জায়গায় গণজাগরণ মঞ্চেও ভাঙচুর করা হয়। পুলিশের হিসেবে অন্তত দু’লক্ষ মানুষ এ দিন মৌলবাদীদের সভায় ছিলেন। সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘নাস্তিকদের নেত্রী’ ও খালেদা জিয়াকে ‘ধর্মানুরাগী’ বলে বর্ণনা করা হয়। স্বাধীনতা-বিরোধী রাজাকারদের বিচারেরও বিরোধিতা করা হয়। চলে নানা ধরনের উস্কানি। এই সভায় যোগ দেন বিএনপি-র স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ঢাকার প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকা।
বিকেলে সবার শেষে এক দল মৌলবাদী স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগ চত্বরে গণজাগরণ মঞ্চের দিকে এগোতে শুরু করলে পুলিশ গাড়ি দাঁড় করিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে। কিন্তু তা অমান্য করে জামাতে ইসলামির সংগঠন ছাত্র শিবিরের ওই কর্মীরা এগিয়ে গিয়ে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। অবস্থানকারীরা তাদের পাল্টা তাড়া করলে তারা পাশের সোহরাবর্দি উদ্যানে ঢুকে পড়ে দেদার ইট ছুড়তে থাকে। তিন জন আন্দোলনকারী তাতে মারাত্মক ভাবে আহত হন। আন্দোলনকারীরাও সোহরাবর্দি উদ্যানে ঢুকে পড়লে শিবির-কর্মীরা পালাতে থাকে। পাঁচ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে শাহবাগ। তাদের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগ করে হরতাল ডেকেছে হেফাজতে ইসলামও।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
|
<urn:uuid:c4bb46c9-566c-4c57-a004-633fa1d742b2>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://bangla.bdnews.com/news/29241
|
2014-09-23T02:18:08Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657137906.42/warc/CC-MAIN-20140914011217-00073-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999742
|
Beng
| 35
|
{"ben_Beng_score": 0.9997417330741882}
|
আমদানি কমায় সার্বিক বাণিজ্য ঘাটতি আগের তুলনায় কমে এলেও সেবা খাতে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) সেবা বাণিজ্যে আয় কমে আসায় ১৮০ কোটি ডলারের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
গত বছরের একই সময়ে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১৩২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের দেশে পণ্য ও সেবা বাণিজ্যে ঘাটতি প্রতি বছরই বাড়ে। এবার আমদানি খাতে ব্যয় কমায় পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি গতবারের চেয়ে কম দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেবা খাতের বাণিজ্যে ঘাটতি বেড়েই চলেছে।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের লেনদেন ভারসাম্য সারণির হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে সেবা খাতের মাধ্যমে ৭৮ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বিদেশি মুদ্রা আয় হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩১ শতাংশ কম।
এর বিপরীতে সেবা খাতের ব্যয় বাবদ ২৫৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার দেশের বাইরে চলে গেছে। এই পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশে সেবা খাতের আয় বলতে মূলত পর্যটন, ভ্রমণ, বীমা, আর্থিক লেনদেনের মতো বিষয়কেই বোঝানো হয়। আর বাংলাদেশিরা যখন ভারতে বা থাইল্যান্ডে গিয়ে চিকিৎসার জন্য অর্থ ব্যয় করেন, বা ভ্রমণে যান, তখন তা সেবা খাতে ব্যয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, ২০১১-১২ অর্থবছরে সেবা খাতের বাণিজ্যে ঘাটতি ছিল ২৫৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
জায়েদ বখত বলেন, “পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি কমলে অনেক সময় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যেমন-মূলধনী যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমলে- শিল্প উৎপাদন কমে যায়। তবে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতি কমা ভাল।”
চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে পণ্য-বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল ৪৪৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থাৎ পণ্য-বাণিজ্যে ঘাটতি কমেছে ২২ শতাংশ।
পণ্য রপ্তানি থেকে আয়ের তুলনায় পণ্য আমদানির জন্য ব্যয় বেশি হলে এই ঘাটতি তৈরি হয়।
অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে ৯৯৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। আবার ২০১১-১২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময় আমদানি ব্যয় সাড়ে ৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৪৭ কোটি ৪০ লাখ ডলারে।
অবশ্য লেনদেনের ভারসাম্য সারণিতে এফওবি (ফ্রেইট অন বোর্ড) বা জাহাজীকৃত পণ্যের মূল্য ধরে আমদানি-রপ্তানির হিসাব নির্ণয় করা হয়। এর ফলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) রপ্তানি পরিসংখ্যান ও আমদানির সিঅ্যান্ডএফ (বিমা ও পণ্য খালাস ব্যয়) পরিসংখ্যানের তুলনায় এফওবির মূল্য কিছুটা কম হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, অর্থবছরের পাঁচ মাসে চলতি হিসাবে চার কোটি ৩০ লাখ ডলারের উদ্বৃত্ত রয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময় ১৩৫ কোটি ডলারের ঘাটতি ছিল। অর্থাৎ, চলতি হিসাবের ভারসাম্য পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
চলতি হিসাবে মূলত কোনো দেশের নিয়মিত বৈদেশিক লেনদেনের হিসাব প্রতিফলিত হয়। অর্থাৎ, নিয়মিত আমদানি-রপ্তানিসহ অন্যান্য আয়-ব্যয় এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার মানে হচ্ছে, নিয়মিত লেনদেনের ক্ষেত্রে দেশকে কোনো ঋণ নিতে হয়নি। আর ঘাটতির অর্থ হলো, আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় ঘাটতি পূরণে সরকারকে ঋণ নিতে হচ্ছে।
চলতি হিসাবের পাশাপাশি আর্থিক হিসাব পরিস্থিতিরও বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে যেখানে ৭৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার উদ্বৃত্ত ছিল, সেখানে চলতি বছরের একই সময় তা বেড়ে ১৫০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদেশি বিনিয়োগ ও বিদেশি সাহায্যপ্রবাহ বাড়ায় এই উন্নতি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৬৫ কোটি ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ দেশে এসেছে, যেখানে গত বছরের একই সময় এসেছিল ৫৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
আবার মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদী ঋণের প্রবাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ কোটি ২০ লাখ ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের আড়াই গুণ বেশি।
এ সব কিছুর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে লেনদেনের সার্বিক ভারসাম্যে। গত বছর জুলাই-নভেম্বর সময়ে লেনদেনের সার্বিক ভারসাম্যে ১৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার উদ্বৃত্ত রয়েছে। আর গত বছরের একই সময় ৯১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ঘাটতি ছিল।
|
<urn:uuid:28a9b905-e598-43f3-a8bd-6a1c40001276>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://bangla.bdnews24.com/economy/article578258.bdnews
|
2014-10-02T04:21:55Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1412037663711.39/warc/CC-MAIN-20140930004103-00185-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999761
|
Beng
| 39
|
{"ben_Beng_score": 0.9997610449790955}
|
কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়োজনীয় সংখ্যা জোগাড় করতে বিজেপি থেকে চরম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআইএম, কারোর কাছে সাহায্য চাইতেই পিছপা হচ্ছেন না তিনি। কিন্তু, মনমোহন সিং সরকারকে ফেলতে কেন এত মরিয়া চেষ্টা তৃণমূল নেত্রীর। প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে উঠে পড়ে লেগেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কখনও ফোন করছেন বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজকে কখনও আবার বামেদের কাছে সাহায্য চেয়ে হাত বাড়াচ্ছেন। যদিও, কয়েকমাস আগেও একাধিক ইস্যুতে মনমোহন সিং সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে উঠলেও, সেই সময় সরকারের পাশেই থেকেছেন তৃণমূল নেত্রী। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে ইউপিএ টু সরকারকে ফেলতে কেন তৃণমূল নেত্রীর এই তাড়াহুড়ো।
সিপিআইএম বিরোধিতার মধ্যে দিয়েই নিজের রাজনৈতিক অস্বিস্ত তৈরি করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সিপিআইএমের বিরোধিতা করতেই কংগ্রেস ছেড়ে গড়ে তুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বার বার সিপিএমের নৈকট্যের অভিযোগ এনে তাদের সিপিআইএমের বি টিম বলতেও দ্বিধা করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে সিপিআইএমকে পাশে পেতে চাইছেন। যদিও ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পাড়ায়, পাড়ায়, চায়ের দোকানে সবর্ত্র সিপিআইএমকে সামাজিকভাবে বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। সিপিআইএমের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে সবরকম সামাজিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন্ সমস্যার সমাধানে সর্বদলীয় বৈঠকেও ব্রাত্যই রাখা হয়েছে সিপিআইএমকে। তাই প্রশ্ন হঠাৎ করে কিসের তাগিদে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর সাহায্য চাইলেন তৃণমূল নেত্রী। এমনকি, খোদ আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে বিরোধী দলের সদর দফতরে যেতেও তাঁর যে দ্বিধা নেই তাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
ইউপিএ-টু সরকারকে ফেলতে তাঁর বিজেপি-র সাহায্য চাওয়ার পিছনের যুক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। এরাজ্যে গত কয়েকটি নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের সাফল্যের পিছনে রয়েছে সংখ্যালঘুদের একটা বড় অংশের ভোট। বিজেপি-র সঙ্গে রাজনৈতিক নৈকট্য এই ২৭ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ভাঙন ধরাতে পারে জেনেও, কেন তৃণমূল নেত্রী বিজেপিকে সঙ্গে চাইছেন তাও বিশেষজ্ঞদের কাছে লাখ টাকার প্রশ্ন।
তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা উনিশ। লোকসভায় সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে গেলে কমপক্ষে পঞ্চাশজন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। গোটা বিষয়টি জানা সত্ত্বেও কেন মনমোহন সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলে উঠছে সেই প্রশ্নও।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার টিঁকে থাকলে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যত বড়সড় চ্যালেজ্ঞের মুখে পড়বে বুঝেই মনমোহন সরকারকে ফেলতে সব সম্ভাবনাই ঝালিয়ে দেখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাংশের মতে, এফডিআই ইস্যুতে তিনিই একমাত্র লড়াই চালাচ্ছেন এই বার্তাই রাজ্যবাসীর কাছে পৌঁছে দিতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে তাঁকে রাজনৈতিক ফায়দা দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
|
<urn:uuid:c8b1ff02-f5d3-4687-a40f-bf18876429e6>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://zeenews.india.com/bengali/nation/mamata-banerjee-on-no-confidence-motion_9448.html
|
2014-09-22T03:39:02Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657136523.61/warc/CC-MAIN-20140914011216-00267-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999835
|
Beng
| 16
|
{"ben_Beng_score": 0.9998348355293274}
|
আসসালামুআলাইকুম। কেমন লাগছে আমাদের প্রিয় টিটির আকর্ষনীয় সব টিউন ?? আশা করছি কেউ নিরাশ হচ্ছেন না। আমি কিন্তু নিরাশ না হয়ে পারছি না । টেকটিউন্স জরিপে মোবাইল প্লাটফর্মে সবচেয়ে জনপ্রিয় নির্বাচিত হয়েছে “সিম্বিয়ান অস”। অথচ এই প্লাটফর্ম নিয়ে ভালো টিউন তেমন একটা চোখে পড়ে না। যদিও বর্তমানে অ্যান্ড্রয়ডের জয়জয়কার, তবুও আমাদের দেশে সিম্বিয়ানের একটা বিশাল ভোক্তা আছে তা নিঃসন্দেহে বলাই যায়।
এবার আসি কাজের কথায়। আজ আপনাদের সাথে আমি একটি সিম্বিয়ান মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন শেয়ার করবো। যা আমি s60 v3 & v5 এ টেষ্ট করে দেখেছি। জানিনা আগে কেউ শেয়ার করেছে কিনা। করলে দয়া করে নতুনদের জানার সুযোগ করে দিবেন।
I-sms
না, এটা কোন ফ্রী এস এম এস পাঠাবার অ্যাপ্লিকেশন না। তবে এটি দিবে আপনাকে এস এম এস কাষ্টমাইজেশন এর অপার সুবিধা। যারা বিভিন্ন প্রয়োজনে (কাজে বা বেকাজে) প্রচুর এস এম এস করেন তাদের জন্য এটি হতে পারে এক মোক্ষম হাতিয়ার। প্রিয়জনকে ভড়কে দিতে এই অ্যাপ্লিকেশনের কোন বিকল্প নেই। যদি বলেন কি আছে এতে?? তাহলে আমি বলবো কি নেই এতে? ??চলুন একে একে দেখে নিই এর আকর্ষনীয় কিছু ফিচার।
* flash sms: এই এস এম এস এর বৈশিষ্ট হলো এটি প্রাপক কেবলমাত্র একবারই পড়তে পারবেন। পড়া শেষে back দিলে তা মোবাইল থেকে নিজেই মুছে যাবে!!!!!! যার ফলে এর কোন clue থাকে না। মনের অব্যক্ত কথা, রাগ, ঝাড়ি ইত্যাদি প্রকাশে এর কোন জুড়ী নেই ;)।
* scheduled sms: এই ফিচারটা অনেকের কাছেই হয়ত পরিচিত। নিজে নাক ডেকে ঘুমিয়েও বিশেষ দিন-ক্ষণ আপনি সহজেই উদযাপন করতে পারেন। তার জন্য আপনাকে পূর্বে (এক বছর আগেও হতে পারে) দিনক্ষণ সেট করে রাখতে হবে। এখন আপনিও মনে রাখতে পারবেন “বিশ্ব শাড়ী দিবস” (তথ্যসূত্রঃ বাংলালিঙ্ক এর বিজ্ঞাপন)
* fake sms: এটির ব্যাপারে বলতে আমি একটা ছোট্ট গল্প বলব। দুই বন্ধুর কথোপকথনঃ
“১ম বন্ধু “দেখ দোস্ত তোর জি এফ আমারে এই এস এম এস পাঠাইছে। পইড়া দেখ”
২য় বন্ধুঃ “ও তোরে পছন্দ করে???!!!???? আমি বিশ্বাস করি না” ।
১ম বন্ধুঃ “ওর নাম্বার থেইকা এস এম এস আসার পর ও তুই এ কথা বললি????”
তখনই আবার ঐ মোবাইলে এস এম এস আসলো।
এইবার ২য় বন্ধু জ্ঞান হারালো। কারণ ওর জি এফ এবার লিখছে ............”
আর নাই বা বললাম। এই সব কাজ করেছে ১ম বন্ধু, ফেইক এস এম এস এবং শিডিউলারের মাধ্যমে ;)। অর্থাৎ এর মাধ্যমে যে কারো নাম্বার থেকে যে কোন ধরনের এস এম এস আপনার ইনবক্সে ফ্রী তে নিয়ে আসতে পারবেন(আসলে তা দেখাবে মাত্র) এবং শিডিওলারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে তা মোবাইলে নতুন ম্যাসেজ আকারে জমা করতে পারবেন।
পরের ফিচারগুলি এর অভ্যন্তরীনঃ
*export sms: এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোন নাম্বার কিংবা সকল নাম্বারের এস এম এস (যেগুলো ইনবক্সে আছে ) টেক্সট আকারে সংরক্ষণ করা যাবে।
*sms back up & restore: এর মাধ্যমে সব এস এম এস সহজেই মোবাইলের ফোন কিংবা মেমরী কার্ডে ব্যাকআপ এবং রিস্টোর করা যায়।
*network back up & restore: এর মাধ্যমে আপনি আপনার সব এস এম এস এর অনলাইন ফ্রী ব্যাক অ্যাপ রাখতে পারবেন, যেখানে যে কোন মোবাইল কোম্পানির মাধ্যমে ব্যাক আপ রাখতে আপনার মাসে ২০-৩০ টাকা গচ্চা দিতে হয়।
*festival sms: এই অপশনে আপনি পাবেন birthday, anniverssary, mother’s day, father’s day প্রভৃতি উপলক্ষে বিভিন্ন এস এম এস।
এছাড়াও আরো রয়েছে sms search, Msg advance search, set contact as favourite/private, password protection সহ এমনও আরো অনেক সুবিধা।
একটা কথা বলে রাখি। আপনি ফ্রী তে অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন করে এর সমস্ত সুবিধাদি উপভোগ করতে পারেন। শুধু আপনার মেইল আইডি আর যে কোন পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে নিন ।
ও হ্যা, এটি ক্র্যাক এবং ফুল ভার্সন। তবুও কি ফাইল খুজলে ১২৩৪৫ দিয়ে রেজিষ্টার করে নিন।
তো এখনই ১.৩৭ মেগাবাইটের এই ফাইলটি ডাউনলোড ও মোবাইলে ইন্সটল করে নিন। ডাউনলোড লিঙ্ক http://www.mediafire.com/?in7gv92e3b226kf
সিম্বিয়ান এইচ ডি গেইম ও আরো কিছু এক্সক্লুসিভ অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে টিউন করার ইচ্ছা আছে। আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।
সবাই ভালো থাকবেন। ভালো লাগলে জানাতে ভুলবেন না। যতটুকু পারি সহজ করে লিখার চেষ্টা করেছি তবুও কিছু না বুঝলে জানাবেন। সাধ্যমত সাহায্য করার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।
আমার পূর্বের দুটি টিউন দেখতে পারেনঃ
|
<urn:uuid:ff76752c-8517-4a1e-a40d-8501758967ab>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://www.techtunes.com.bd/mobileo/tune-id/91276
|
2014-09-24T00:22:10Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657140890.97/warc/CC-MAIN-20140914011220-00248-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999731
|
Beng
| 50
|
{"ben_Beng_score": 0.9997312426567078}
|
বাংলা ভাষা সংরক্ষণের ৫টি software তৈরি করছে Core software ।
আসুন এবার জানি ভাষা সংরক্ষণ বলতে কি বুঝি?মানুষের মনের ভাব প্রকাশের জন্য যে উক্তি বা সংকেত ব্যবহার করে তাকে ভাষা বলে।একজন মানুষের জীবন ধারণের জন্য খুব অল্প সংখ্যক শব্দ,সংকেত বা উক্তি প্রয়োজন হতে পারে তাতে ব্যক্তির চাহিদা পূরণ হতে পারে কিন্ত কোন ভাষার তাতে পোষায় না। প্রতিটি ভাষার আছে আপেক্ষিক রূপ ও স্বয়ংসম্পূর্নতা। ভাষা টিকে থাকে তার ব্যবহারে। ভাষার ব্যবহার-ই ভাষার জীবন।
ভাষার আছে আঞ্চলিকতা আছে সাধুতা,ভাষার আছে গতি আছে পরিবর্তন। ভাষা সংরক্ষণ করতে হয় মানুষের মনে।আর সে কাজ যদি জটিল বা দূরহ হয় তাহলে ভাষার বিলুপ্তি অবশাম্ভি।
আমাদের মাতৃ ভাষা বাংলা আর বাংলা ভাষার প্রাণ ভাষা শিক্ষার মধ্যে।সংস্কৃত বঙ্কিম রবীন্দ্রনাথ পেরিয়ে বাংলা ভাষা দাড়িয়ে আছে এক নতুন পরিবর্তনের দিকে আর তা হল প্রযুক্তির ভাষা বা যান্ত্রিক ভাষা।
একুশ শতক,বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির সহজলভ্যতায় বাংলা সাহিত্য ও সাহিত্যের শব্দ ভান্ডার, ঐতিহ্য হারিয়ে যাবে অচিরেই.....
সময় পরিবর্তনে ভাষা যে রূপ পরিবর্তন হয় ঠিক তেমনি স্হানের পরিবর্তনেও ভাষার পরিবর্তন হয় যা আমাদের কাছে চলিত বা আঞ্চলিক ভাষা নামে পরিচিত। সুতরাং একই ভাষার অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন রূপ থাকতে পারে তাই কোন ভাষার জন্য চাই নির্দিষ্ট সুলিখিত রূপ যা কোন জাতি চর্চা বা ব্যবহারের মাধ্যমে ধারণ করবে।
ভাষার সুলিখিত উক্তি, সংকেত বা শব্দ হল অভিধান। যদি এমন হত আপনি আপনার প্রিয় মাতৃ ভাষা বাংলা অভিধানের সমস্ত শব্দের অর্থ জানতেন!
তা কি কখনও সম্ভব? যদি সম্ভব হত তাহলে ভাষা সংরক্ষণের প্রশ্ন আসত না।
ভাষা টিকে থাকার উপর অর্থনীতি ও প্রতক্ষ ভাবে জড়িত... কথাটা আপাত দৃষ্টিতে অপ্রাসঙ্গিক মনে হলেও উন্নত বিশ্বের দিকে তাকালে আমাদের উপর আরও কিছুর দায়িত্ব এসে পড়ে।
ইউরোপ, আমেরিকা,চীন,জাপান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোর অর্থনীতি স্বস্ব ভাষার উপর প্রতিষ্ঠিত।কিন্ত আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশ গুলোর অর্থনীতি স্বস্ব ভাষার উপর প্রতিষ্ঠিত নয় যে কারণে আমাদের অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে উন্নত দেশ গুলোর একটি ভাষা সমান গুরুত্ব বহন করে।তাই বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইংরেজী ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
এ সব বিষয় মাথায় রেখে core software ৫টি software তৈরি করছে যা বাংলা ভাষাভাষীদের ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে ।
software ৫টি হল:
১.English to Bangla Voice Script:
ইংরেজী ভাষার শব্দ(word)কে বাংলা অর্থ (voice)
এ রুপান্তর করার প্রক্রিয়া।৫mb এর software টি আপনার কম্পিউটারে install থাকলে webpage থেকে শুরু করে আপনার কম্পিউটারের যাবতীয় text file এর ইংরেজী থেকে বাংলা ভয়েসে রুপান্তর করবেন মাত্র দুটি click -এ। ফলে কম ইংরেজী জানা ব্যক্তিও ইংরেজী পত্রিকা থেকে শুরু করে ইংরেজী সাহিত্য,উপন্যাস,গল্প,কবিতা ইত্যাদি পড়ে বংলার মত বুঝতে পারবেন।
ভিডিও দেখতে sound /volume on রাখুন
Picture:
এমন যদি হত..! আপনার সামনে হাজার হাজার পৃষ্ঠার ইংরেজী গল্প,উপন্যাস, কবিতা,ইংরেজী পত্রিকা...
ইত্যাদি আছে সে গুলোর ইংরেজী শব্দের যে কোন দিকে চোখ বুলানোর সাথে সাথে বাংলা ভয়েসে অর্থ শুনতে পারলেন....! এ যেন স্বপ্ন নয় কল্পনা। ঠিক তাই English to Bangla Voice Script বাঙ্গালীর জন্য প্রথম ইংরেজী শব্দ থেকে বাংলা ভয়েসে
রুপান্তর করার প্রক্রিয়া(software) এটি শুধু আপনার ইংরেজী ভীতি-ই দূর করবে না ইংরেজী শিক্ষায় আপনকে এগিয়ে নিবে কমপক্ষে ১৫ বছর।তাই অতি সত্বর যোগাযোগ করুন।
২.English to Bangla Voice Dictionary.
ইংলিশ টু বাংলা ভয়েস ডিকশনারী বাংলা ভাষা ভাষী জন্য এক অনন্য পাওয়া।এটি শধু বাংলা ভাষাতেই নয় ইংরেজী ভাষাতেও বিরল।
Picture:
আমরা গতানুগতিক ধারায় যে সব voice dictionary use করি সে গুলো শুধু মূল শব্দ voice এ উচ্চারণ করে যেমন: eat,do,come ইত্যাদি শব্দে click করলে eat ,do,come ই উচ্চারণ করে। কিন্ত আমাদের English to Bangla Voice Script আরও এক ধাপ এগিয়ে যেমন:eat এ click করলে উচ্চারণ করবে “খাওয়া”, do এ click করলে উচ্চারণ করবে “করা” come এ click করলে উচ্চারণ করবে “আসা”।এটি শুধু আপনার ইংরেজী শব্দ দ্রুত অনুসন্ধাই করে দিবে না ইংরেজী শব্দ (word) দ্রুত শেখার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।এছাড়াও advanced ইংরেজী বানান শেখার প্রযুক্তি যুক্ত হয়েছে।
English to Bangla Voice Dictionary পেতে অতি সত্বর যোগাযোগ করুন।
৩.Bangla Vasha 1.
আমি প্রথমে বলেছি ভাষা সংরক্ষণ করতে হয় মানুষের মনে।আর ভাষা অর্থ সেই ভাষার শব্দাবলী। Bangla Vasha 1 হল সেই software যা বাংলা ভাষার শব্দাবলী একজন ভাষা প্রেমী বা student অতি দ্রুত শিক্ষা দিবে। একজন student এর বাংলা অভিধানের সমস্ত শব্দাবলী মুখস্ত বা মনে রাখা প্রায় অসম্ভব কিন্ত bangla Vasha 1 ব্যবহারে একজন student প্রতি ঘন্টায় কমপক্ষে ৫০০ শব্দাবলী অর্থ সহ শিখতে পারবে।এভাবে প্রতি দিন ১ ঘন্টা করে এক মাসে যে কেহ প্রায় ১৫ হাজার বাংলা শব্দাবলী অর্থ সহ শিখতে পারবে।
Picture:
bangla Vasha 1 যে ভাবে কাজ করবে:শিক্ষার্থী software টির বাংলা শব্দ ভান্ডারের list থেকে mouse বা keyboard এর মাধ্যমে শুধু click করবে, software টি স্বয়ংক্রিয় ভাবে তার অর্থ বলে দিবে।কোন text পড়ে মুখস্ত করার চেয়ে স্বয়ংক্রিয় voice এ অর্থ শুনে ভাষার শব্দাবলী আয়ত্ব দ্রুততর ও ফলপ্রসূ।তাই ভাষা সংরক্ষণে ভাষা শিক্ষা করার বিকল্প কিছু থাকতে পারে না।Bangla Vasha1 software টি বাংলা ভাষা সংরক্ষণে কতটুকু সহায়ক হবে তা নির্ভর করে software টির ব্যবহারের উপর
৪. Bangla Vasha 2:
Bangla Vasha 2 বাংলা শব্দাবলী থেকে ইংরেজী শব্দ শেখার software .অর্থাৎ software টির বাংলা শব্দাবলীর list এ click করলে ইংরেজী শব্দার্থ দেখতে ও শুনতে পারবে। ইংরেজী সংস্কৃতের কবল থেকে বাংলা সংস্কৃত কে রক্ষা করতে Bangla Vasha 2 software টি সহায়ক।
Picture:
৫.Bangla to English Voice Script:
Unicode ভিত্তক বাংলা লেখাকে ইংরেজী voice ও text এ রুপান্তর করার software । বাংলা ওয়েব পেজ,পত্রিকা, ব্লগের বাংলা শব্দাবলী তাৎক্ষনাত ইংরেজী voice ও text এ রুপান্তর করে দিবে। ইংরেজী থেকে বাংলা অনুবাদকদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি সফট্ওয়্যার। অতি সত্বর যোগাযোগ করুন।
Picture:
যে কোন ভাষা সংরক্ষণের জন্য যোগাযোগ করুন।
Core Software
Aklasur Rahman sajib.
Mobile: 01720 41 05 92
|
<urn:uuid:8f944ad6-498e-4cf7-85b8-0b939a388b81>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://banglavasha24.blogspot.com/2011/07/normal-0-microsoftinternetexplorer4.html
|
2014-10-01T12:12:37Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1412037663417.16/warc/CC-MAIN-20140930004103-00193-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.998036
|
Beng
| 37
|
{"ben_Beng_score": 0.9980364441871643}
|
কাদুনা (নাইজেরিয়া): একটি অনলাইন মেসেজে নাইজেরিয়ার এক কট্টরপন্থী ইসলামিক সংগঠন স্বীকার করে নিল যে তারা ৭ জন বিদেশী হস্টেজকে শনিবার মেরে ফেলেছে। এই সাত জনকে ফেব্রুয়ারি মাসে এক কনস্ট্রাকশন কম্পানির চত্ত্বর থেকে তাদের দলের লোকেরা অপহরণ করেছিল।
অপহৃতদের মধ্যে ছিলেন ৪ জন লেবানিজ, একজন ব্রিটিশ, একজন গ্রিক এবং একজন ইতালীয় ব্যক্তি। এঁরা সবাই লেবানিজ কনস্ট্রাকশন কম্পানি সেত্রাকোর কর্মী ছিলেন।
অনলাইন মেসেজটি আনসারু-র থেকে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এই বার্তায় তারা লিখেছে যে উত্তর নাইজেরিয়ার বাউচির আকাশপথে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান দেখা যাওয়ার খবর স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান। সেই খবর পড়েই এই সাত জনকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত তারা নেয়। তারা এও বলেছে যে, খুনের ভিডিও অনলাইনে পোস্ট করবে। যে সব যুদ্ধ বিমনানের কথা তারা বলেছে আদতে সেই বিমানগুলি দেখা গিয়েছিল নাইজেরিয়ার রাজধানী আবুজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছিল।
|
<urn:uuid:1b5eea81-1d0f-4149-8265-09e4f3825bbb>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://eisamay.indiatimes.com/We-have-killed-7-foreign-hostages-Nigerian-Islamists/articleshow/18894118.cms
|
2014-09-17T13:32:51Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1410657123617.30/warc/CC-MAIN-20140914011203-00119-ip-10-196-40-205.us-west-1.compute.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999807
|
Beng
| 32
|
{"ben_Beng_score": 0.999806821346283}
|
আশ্রয়শিবিরে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লংঘন: জাতিসংঘ
জাতিসংঘ মহাসচিব রোববার রাতে রাফায় জাতিসংঘের একটি আশ্রয় শিবিরে হামলায় দশজন ফিলিস্তিনী বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনার দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়ে এই হামলাকে একটি নৈতিক ও ফৌজদারি অপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আরেকটি লংঘন বলে অভিহিত করেছেন।
ফিলিস্তিনীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও উন্নয়ন সংস্থা, ইউএনআরডাব্লুএ রাফা শহরে নব্বুইটি আশ্রয় শিবির পরিচালনা করে যেগুলোতে কমপক্ষে দুই লাখ চুয়ান্ন হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ বসবাস করেন।
জাতিসংঘের শিবিরগুলোকে যুদ্ধক্ষেত্র বিবেচনা না করে অবশ্যই নিরাপদ অঞ্চল হিসাবে গণ্য করতে হবে বলেও তিনি তাঁর বিবৃতিতে হুঁশিয়ারী দেন। ১ লা অগাষ্ট মানবিক যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে পড়ার পর থেকে সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ায় শত শত ফিলিস্তিনী বেসামরিক জীবনহানির ঘটনায় মহাসচিব ক্ষোভ প্রকাশ করেন।তিনি বলেন যে যুদ্ধবিরতি কার্য্যকর করা এবং কায়রোতে আলোচনা শুরু করাই হচ্ছে পরিস্থিতি শান্ত করার একমাত্র পথ।
এর আগে, গত বুধবার রাতে জাবালিয়া এলিমেন্টারি র্গালস স্কুলে গোলাবর্ষণে কয়েকজনের মৃত্যু হওয়ার পর ফিলিস্তিনীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও উন্নয়ন সংস্থা, ইউএনআরডাব্লুএর কমিশনার পিয়ের ক্রাহনবুল বলেন যে জাতিসংঘ স্কুলের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লংঘন।
মি ক্রাহনবুল বলছিলেন যে আমরা ইজরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনীকে বারবার এই স্কুলটি সম্পর্কে জানিয়েছি। আমরা জানিয়েছি একারণে যে এটির সুরক্ষা খুবই গুরুত্বর্পূণ।এর আরও একটি কারণ হচ্ছে ইজরায়েলী বাহিনীগুলো বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজনকে সরে যেতে বলায় সেসব লোকজন এই স্কুলে আশ্রয় নিয়েছিলো।তারা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলো এই আশায় যে তারা সেখানে নিরাপদ থাকবে এবং সুরক্ষা পাবে। তারা যে সেটা পেলো না সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। মি ক্রাহনবুল বলছিলেন যে আমি কঠোরতম ভাষায় এর নিনদা জানিয়ে বলছি যে স্কুলের ওপর ইজরায়েলী গোলাবর্ষণের বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লংঘন।
ইউনানে ভূমিকম্পের পর চীনকে জাতিসংঘের সাহায্য প্রস্তাব
চীনের ইউনান প্রদেশের ওয়েনপিং শহরে ভূমিকম্প-পরবর্তী ত্রাণ কার্য্যক্রমে সহায়তা দিতে জাতিসংঘ প্রস্তুত রয়েছে বলে রোববার জাতিসংঘ মহাসচিবের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ৬ দশমিক এক মাত্রার এই ভূমিকম্পে শত শত লোক নিহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার ভবন ধসে পড়েছে। সেখানে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।
মি বান দেশটির চাহিদা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক সহায়তা সংগঠিত করার কাজেও সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন।
স্বাস্থ্যবান শিশু গড়ে তোলায় বুকের দুধ অপরিহার্য্য
১ লা অগাষ্ট আন্তর্জাতিক বুকের দুধ খাওয়ানো সপ্তাহের শুরুতে এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের শিশু তহবিল, ইউনিসেফ এর নির্বাহী পরিচালক, অ্যান্থনি লেক একথা বলেন।
বুকের দুধ খাওয়ানোর পদ্ধতি শিশুদের জীবন ও স্বাস্থ্যের ওপর কিধরণের প্রভাব ফেলে তা বিশেষভাবে তুলে ধরাই হচ্ছে এই সপ্তাহ পালনের লক্ষ্য।
এবছর এই সপ্তাহ পালনে জাতিসংঘ ঘোষিত দারিদ্রবিরোধী কার্য্যক্রম সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজির বিভিন্ন অগ্রগতির সাথে বুকের দুধ খাওয়ানোর গুরুত্বর্পূণ যোগসূত্রের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
ইউনিসেফ বলছে যে জন্মের প্রথম ঘন্টায় বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো হলে তা প্রতি পাঁচটির মধ্যে একটি শিশুকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করে থাকে।
এটি শিশুকালের শুরুতে পুষ্টিহীনতা এবং পরবর্তীজীবনে মোটা হওয়ার ঝুঁকি কমায়।বুকের দুধ খর্বকায় হয়ে যাওয়া প্রতিকার করে এবং মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশকে সাহায্য করে থাকে।
ইউনিসেফ বলছে যে বিশ্বের প্রায় অর্ধেকের মতো নবজাতক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং তার চেয়েও কমসংখ্যক শিশু জন্মের পর প্রথম ছয়মাস বুকের দুধ পেয়ে থাকে।
সংস্থা বলছে যে বুকের দুধ খাওয়াতে মায়েদেরকে উত্সাহিত করার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র স্থানীয়ভাবে সামাজিক পর্য্যায়ে নয়, বৈশ্বিক পরিসরেও উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।
জলবায়ু পরিবর্তনসম্পর্কিত মৃত্যুর শিকার বেশি হচ্ছে শিশুরা
বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন কারণে যেসব মৃত্যু ঘটছে তার নব্বুই শতাংশই ঘটছে উন্নয়নশীল দেশে এবং এসব মৃত্যুর আশি শতাংশই শিশু বলে বলছেন জাতিসংঘ শিশু তহবিল, ইউনিসেফ এর নির্বাহী পরিচালক, অ্যান্থনি লেক।
জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জসমূহ: সম্মুখসারিতে শিশু বা দ্য চ্যালেঞ্জেস অব ক্লাইমেট চেঞ্জ: চিল্ড্রেন অন দ্য ফ্রন্টলাইন র্শীষক ইউনিসেফ এর এক নতুন প্রকাশনায় মি লেক একথা বলেন।
তিনি বলেন যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যতোই চরম রুপ লাভ করছে এবং দৃশ্যমান হচ্ছে ততোই তার বিরুপ প্রভাবে বিশ্বের শিশু এবং কিশোরদের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
পর্যটনশিল্পে শিশুশোষণ অগ্রহণযোগ্য: ইউএনডাব্লুটিও
জাতিসংঘের বিশ্ব পর্য্টন সংস্থা , ইউ এন ডাব্লু টি ও বলছে যে বিশ্বব্যাপী পর্যটনশিল্পে শিশুদের ব্যবহার বা শোষণ কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
দক্ষিণ র্পূব এশিয়া – যেখানে পর্যটনশিল্প অব্যাহতভাবে বিকশিত হচ্ছে সেখানে শিশু পাচার, শোষণ এবং নির্যাতন বন্ধের জন্য সংস্থা কাজ করে চলেছে।
সংস্থা এক্ষেত্রে সব দেশ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতি পর্য্টনের বৈশ্বিক নীতিমালা বা গ্লোবাল কোড অব ইথিকস অনুসরণে দায়িত্বশীল নীতি অনুসরণ ও তার প্রসারে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।
|
<urn:uuid:0103b326-4987-4369-a2ef-358f224a5c1a>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://www.unmultimedia.org/radio/bangla/archives/2558/
|
2014-10-01T01:26:57Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1412037663218.28/warc/CC-MAIN-20140930004103-00199-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999819
|
Beng
| 41
|
{"ben_Beng_score": 0.9998194575309753}
|
দলদ্রোহী সৈন্যরা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবন এবং প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখলে নেয়ার পর ঘোষনা করে যে তারা মালির ক্ষমতা দখল করছে।
তারা বলেছে প্রেসিডেন্ট আমাদু তুমানি তুরে’র সরকার মালি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার হুমকি দেয়া দেশটির উত্তরের তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ক্রমেই সহিংস হয়ে উঠা সংগ্রামে তাদের সেনাদলগুলোকে পর্যাপ্ত সমর্থন দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
অনেক নাগরিক ইতোমধ্যে নির্ধারিত ২৯ এপ্রিল, ২০১২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের এতো কাছাকাছি সময়ে সংঘটিত অভ্যুত্থানে কিংকর্তব্যবিমূঢ় এবং এ সম্পর্কে অনেক তত্ত্ব শোনা যাচ্ছে।
নবগঠিত গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র পুনরুদ্ধার জাতীয় কমিটি (সিএনআরডিআর)-এর নেতা ক্যাপ্টেন সানোগো বলেছেন তারা এপ্রিলের নির্বাচন পর্যন্ত এই পরিবর্তন পরিচালনা করবেন।
কমিটির একজন মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কানোরে বলেছেন তারা বর্তমান প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙ্গে দিলেও তাদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার কোনো ইচ্ছে নেই। অভ্যুত্থান সমর্থনকারী এবং প্রেসিডেন্ট তুরে’র অনুগত সেনাদের মধ্যে এখনো সংঘর্ষ চলছে।
রাজধানী বামাকোতে কিছু কিছু রাজনীতিবিদ এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।
ঘটনার মোড় পরিবর্তনে মালির জনগণ কিছুটা হতবাক। এখানে সশস্ত্র বিদ্রোহে [ফরাসী এবং ইংরেজী] ক্ষমতা দখলের সংবাদ শোনার পর কিছু প্রতিক্রিয়া:
@TheSalifou: J'ai peur pour mon pays…#Mali
@Anniepayep: vraiment! La honte! RT @juliusessoka En Afrique, sortir de l'auberge donne sur les caniveaux. #Mali #PauvrePays
@Abdou_Diarra: Le président malien Amadou Toumani Touré, irait bien et serait « en lieu sûr », selon un militaire loyaliste #Mali
@Youngmalian: #ATT a été élu démocratiquement par le peuple et son mandat se termine en Juin. de quel droit les militaires agissent au nom du peuple #Mali
@ইবিরিতি: গণতন্ত্র শুধু নিয়মিত নির্বাচনের মাধ্যমে একটি অথর্ব দলকে পালটে আরেকটিকে বদলানো নয়। একে পণ্য (সেবা) দিতে হবে
@ফিলিনদি: ব্যাংক + তেলের পাম্প বন্ধ #বামাকো #মালি-তে। ট্যাক্সি চালকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা দ্বিগুণ ভাড়া চাচ্ছে। সোতরামা এখনো ১০০ থেকে ১৫০ সিএফএ
@তেমাইত: যাই হোক না কেন, অবশ্যম্ভাবীভাবেই একতা এবং জনগণ ও সংস্কৃতির মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন পরাজিত হবে #মালি
নির্ধারিত নির্বাচন অনুষ্ঠানের কয়েক সপ্তাহ আগে অভ্যূত্থানের কারণ নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্বের উদ্ভব হচ্ছে [ফরাসী]:
@diatus2: le coup d'état était prévisible au #mali car ATT laissant durer la rebellion touareg pour avoir un 3e mandat
@Giovannidjossou: #ATT ne faisait rien contre les #terroristes au nord #Mali car ces troubles lui permettaient de repousser les #élections de juin prochain !
@Joe_1789: JE DENONCE: Le coup d'Etat ourdi par des bandits armés, à la solde de la Françafrique, contre le Mali et son président démocratiquement élu.
২১শে মার্চ অভিযুক্ত ক্ষমতা দখলটি অনুমোদন না করার পর থেকে মালির প্রেসিডেন্টের টুইটার একাউন্টটি আর আপডেট হয়নি [ফরাসী]:
@PresidenceMali: Démenti formel : Le Ministre de la Défense n'est ni blessé ni arrêté. Il est à son bureau où il poursuit calmement sa journée de travail
|
<urn:uuid:55985679-f300-442d-ae5f-092d8e64cb1e>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://bn.globalvoicesonline.org/2012/03/24/23843/
|
2014-10-02T08:26:10Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1412037663739.33/warc/CC-MAIN-20140930004103-00183-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.995395
|
Beng
| 43
|
{"ben_Beng_score": 0.9953952431678772}
|
নয়াদিল্লি: বাধা সেই লালকৃষ্ণ আদবানি৷ অবিলম্বে নরেন্দ্র মোদীকে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করার যে সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) এবং রাজনাথ সিং-রা নিয়েছেন, তাতে কিছুতেই সম্মতি দিচ্ছেন না দলের এই প্রবীণ নেতা৷ মঙ্গলবার রাতে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি নীতিন গড়করি দেড় ঘণ্টা ধরে আদবানিকে বুঝিয়েছেন৷ বুধবার সকালে বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি রাজনাথ সিং গিয়ে আবার প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে কথা বলেছেন৷ কিন্তু আদবানির একই গোঁ, ওই সিদ্ধান্ত পাঁচ রাজ্যের (মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিসগড়, মিজোরাম ও দিল্লি) বিধানসভা নির্বাচনের পরেই নেওয়া হোক৷ এখন নৈব নৈব চ৷ কিন্ত্ত আরএসএস নেতারা চাইছেন, আদবানির আপত্তি সত্ত্বেও মোদীর নাম ঘোষণা হয়ে যাক৷ বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর অর্থাত্ শুক্রবারে দলের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক ডেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মোদীকে তুলে ধরা হবে৷
আদবানির যুক্তি, মোদীর নাম এখনই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হলে, মধ্যপ্রদেশের ২৯টি মুসলিম প্রধান আসনে প্রভাব পড়বে৷ মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ শিং চৌহানের দাবি, ওই আসনগুলিতে বিজেপি মুসলিম ভোটের একটা অংশ পায়৷ কিন্ত্ত মোদীর নাম ঘোষণা হলে ওই ভোট কংগ্রেসের দিকে চলে যেতে পারে৷ সে রকমটা ঘটলে ওই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতা হারাতে পারে৷ শিবরাজের কথাকে সমর্থন করে আদবানি বলছেন, 'লোকসভা নির্বাচনের আরও মাস আটেক বাকি আছে৷ ফলে দু'মাস পরে মোদীর নাম ঘোষণা করা হলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না৷ তাঁকে তো ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনে দলের প্রচার কমিটির প্রধান করা হয়েছে৷'
তবে মোদীর স্বপক্ষে ইতিমধ্যেই জোর গলায় প্রচার শুরু করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই৷ বুধবার বিজেপি মুখপাত্র মুখতার আব্বাস নকভি বলেন,'প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে দলের মধ্যে কোনও সংশয় নেই৷ ঠিক সময়ে রাজনাথ সিং সেই নাম ঘোষণা করবেন৷' অপর বিজেপি নেতা সি পি ঠাকুরের সুর আর একটু চড়া৷ তাঁর কথায়,'আদবানির বোঝা উচিত, মোদীর নাম ঘোষণাটা এখন সময়ের দাবি৷ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীপদে মোদীর নাম ঘোষণা করা দরকার৷ দেরি করলে দলের পক্ষে তা ভালো হবে না৷ ১৩ সেপ্টেম্বর দলের সংসদীয় বোর্ডের মিটিংয়ের পরই নাম ঘোষণা গেলে ভালো৷'
বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ এদিন বলেন,'আদবানি দলের সবথেকে উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে অন্যতম৷ তবে বর্তমানের নেতা হিসেবে মোদী উচ্চ মানের এবং তাঁর জনপ্রিয়তাও আকাশছোঁয়া৷ আমরা তাঁকে চাই৷ তবে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নাম ঠিক করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দলের সংসদীয় বোর্ডেরই রয়েছে৷' সূত্রের খবর আরএসএস-ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতা রামলালকে ১৯ সেপ্টেম্বরের আগে সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷
তবে এই প্রসঙ্গে বিজেপি-কে এদিন তীব্র কটাক্ষে বিঁধেছেন কংগ্রেস নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীলকুমার শিন্ডে৷ তাঁর মন্তব্য,'যে কেউ রাম, শ্যাম বা যদুর নাম ঘোষণা করতে পারে৷ আমরা আগেই জানিয়ে দিয়েছি যে রাহুল গান্ধীই আমাদের নেতা৷'
বর্তমানে মোদীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার সিদ্ধান্তের প্রবল বিরোধী বিজেপির চার জন প্রধান নেতা৷ আদবানি ছাড়া বাকি তিনটি নাম হল সুষমা স্বরাজ, মুরলী মনোহর জোশী এবং শিবরাজ সিং চহ্বাণ৷ অনন্তকুমার এখন দলবদল করে মোদীর দিকে ঝুঁকেছেন৷ দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটি সংসদীয় বোডের্র বারো জন সদস্যের ন-জনই মোদীর পক্ষে৷ এই অবস্থায় মোদীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করতে অসুবিধা নেই রাজনাথের৷
কিন্ত্ত মুশকিলটা অন্য জায়গায়৷ মোদীকে দলের প্রচার কমিটির প্রধান করার পর আডবানি বিজেপির সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন৷ এ বারও তিনি যদি আবার সেই পথ নিলে কি হবে? সেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়ানোর জন্যই আদবানিকে এত করে বোঝাচ্ছে বিজেপি এবং আরএসএস৷ আর একটা বিতর্কও আছে৷ সঙ্ঘ পরিবারের নিয়ম হল, সরসঙ্ঘচালক বা আরএসএস প্রধানের নির্দেশই হল শেষ কথা৷ এই ক্ষেত্রে মোহনরাও ভাগবত 'শেষ কথা' বলার পরও আদবানি মানতে চাইছেন না৷ আরএসএসের দুই শীর্ষ নেতা ভাইয়াজি জোশী ও মোহন ভাগবতও আদবানির সঙ্গে কথা বলেছেন তারপরেও অনড় তিনি৷ এটা সঙ্ঘ পরিবারের নিয়মের বিরুদ্ধে৷ এরপর দলের অন্দরে এমন দাবিও উঠেছে যে আগামী লোকসভা ভোটে আডবাণীকে যেন কোনও রাজ্য থেকেই প্রার্থী না করা হয়৷
এ বার রাজনাথের সামনে দু'টি বিকল্প৷ প্রথমটা, আদবানির কথা মেনে ঘোষণা পিছিয়ে দেওয়া৷ কিন্ত্ত আরএসএস এবং নরেন্দ্র মোদীর শিবির তাতে একেবারেই রাজি নয়৷ দ্বিতীয়টা হল,যাবতীয় আপত্তি খারিজ করে দিয়ে নাম ঘোষণা৷ দ্বিতীয় পথেই হাঁটছেন রাজনাথ৷ তিনি এখন সংসদীয় বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা সেরে রাখছেন৷ তারপর বোর্ডের বৈঠক ডেকে মোদীর নাম ঘোষণা শুধু সময়ের অপেক্ষা৷
|
<urn:uuid:82dd5514-c906-40b1-9eca-59291511f9ae>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://eisamay.indiatimes.com/nation/lk-advani-in-not-flexible-on-modi-issue/articleshow/22506321.cms
|
2014-09-30T05:55:53Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1412037662880.10/warc/CC-MAIN-20140930004102-00207-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999768
|
Beng
| 40
|
{"ben_Beng_score": 0.9997678399085999}
|
অনন্ত জলিল প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত ‘মোস্ট ওয়েলকাম ২’ ছবিটি জাপানে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে। ছবিটি প্রদর্শনের ব্যাপারে জাপানের ‘নিকাতসু’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অনন্ত।
অনন্ত বলেন, নিকাতসু জাপানের একটি প্রতিষ্ঠান, যা এতদিন নিজস্ব চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বলিউড ও হলিউডের ছবি প্রদর্শন করে আসছিল। ‘‘মোস্ট ওয়েলকাম ২’’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আমাদের বাংলা চলচ্চিত্র প্রদর্শনের যাত্রা শুরু করছে।
অনন্ত জানিয়েছেন, নিকাতসু প্রতিষ্ঠানটির আওতাধীন বেশ কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে ‘মোস্ট ওয়েলকাম ২’ ছবিটি প্রদর্শিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে নিচিগেকি পেঙ, নিউ তোহো সিনেমা, সিনে লা সেপ্ট, গিঞ্জা সিনে পাথোস, টগেকি, সিনেমা লিবার ইকেবুকারো এবং হিউম্যাঙ সিনেমাস ফোর।
|
<urn:uuid:9e62e985-03ca-478f-be25-335c2f9713f8>
|
CC-MAIN-2014-41
|
http://gonomot.com/blog/2014/08/24/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%95/
|
2014-10-01T16:15:21Z
|
s3://commoncrawl/crawl-data/CC-MAIN-2014-41/segments/1412037663467.44/warc/CC-MAIN-20140930004103-00191-ip-10-234-18-248.ec2.internal.warc.gz
|
ben
| 0.999907
|
Beng
| 9
|
{"ben_Beng_score": 0.9999071359634399}
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.