Topic,Content অনুপস্থিতির কারণে ছুটির আবেদন,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। স্যার, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে আমি গত ১১/১০/২০২৪ থেকে ১৬/১০/২০২৪ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২" "অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। মহোদয়, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ২১/১০/২০২৪ থেকে ২৩/১০/২০২৪ তারিখ পর্যন্ত আমার বড় বোনের বিবাহ উপলক্ষে অগ্রিম ছুটির প্রয়োজন। উক্ত অনুষ্ঠানে আমাকে বড়দের কাজে সাহায্য করতে হবে তাই আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারব না। অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আপনাকে উল্লেখিত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২ " "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ‘ক’ উচ্চ বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা। বিষয়ঃ স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মনাপূর্বক নিবেদন এই যে, তথ্যসূত্রে গত ১৬/১০/২০২৪ তারিখ জানতে পারলাম যে, আপনার স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে সহকারী পদে লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, কভার লেটারসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ডকুমেন্টস দরখাস্তের সাথে সংযুক্ত করছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ দানে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক ‘খ’ ( আপনার নাম ) সংযুক্তিঃ ১। শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি। ২। জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি। ৩। পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি সত্যায়িত করা। ৪। চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রাপ্ত চারিত্রিক সনদপত্র। ৫। প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। ৬। আবেদন ফি পরিশোধের এর ব্যাংক ড্রাফট।" "মসজিদে অনুদানের জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি বিষয়ঃ মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আপনি জেনে খুশি হবেন আমরা মাদ্রাসার নতুন ভবনের দেয়াল, পিলার ও ফ্লোরের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। এখন মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাই দেয়ার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। আপনাদের সহযোগিতায় এই মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই আর্থিক সহায়তা করলে আমরা মাদ্রসার বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম হতাম। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন, মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদান প্রদান করে মাদ্রাসা নির্মানের কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ দান করলে আপনাদের নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক (আপনার নাম) ‘ক’ (নাম)" "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ‘ক’ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন এবং পরিবারে আমার বাবা একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের ভরণপোষণের খরচ চালানোর পাশাপাশি আমাদের পড়াশোনার খরচ চালাতে তাকে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। যার কারণে আমি গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উপরে বর্ণিত বিষয় বিবেচনা করে আমাকে জরিমানা মওকুফ করে শুধুমাত্র বেতন পরিশোধের অনুমতি দানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র ‘ক’ (নাম) রোলঃ ৯ শাখা-ক" শিক্ষা সফরের যাওয়ার অনুমতি চেয়ে অধ্যক্ষের নিকট একটি আবেদন পত্র লিখ,"১ জানুয়ারি, ২০১৯ বরাবর, অধ্যক্ষ ঢাকা আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা। বিষয়: শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা আপনার প্রতিষ্ঠানের মানবিক বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী। প্রতিবছর অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শিক্ষা সফর আয়োজনের জন্য আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনি অবগত আছেন, শিক্ষা সফর শিক্ষার্থীদের পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে প্রত্যক্ষ জ্ঞানের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। পাশাপাশি শিক্ষা সফর ছাত্রছাত্রীদের চিত্তবিনোদনেরও সুযোগ করে দেয়। আমাদের পরিকল্পিত শিক্ষা সফরের জন‌্য আপনার সদয় অনুমতি প্রার্থনা করছি। সেই সাথে শিক্ষা সফরের আনুসাঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য আপনার কাছ থেকে আর্থিক সহায়তারও অনুরোধ জানাচ্ছি। শিক্ষা সফরের মোট ব্যয়ের অর্ধেক আমরা নিজেরা চাঁদার মাধ্যমে বহন করব। অতএব, সবিনয় নিবেদন, আমাদের পরিকল্পিত শিক্ষা সফর সফল করে তোলার জন্য যাবতীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আপনার কৃপা হয়। নিবেদক, আপনার একান্ত অনুগত (আপনার নাম) রোল: ১ মানবিক বিভাগের সকল শিক্ষার্থীদের পক্ষে।" "উপবৃত্তির জন্য আবেদন ","২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক সদর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি রূপা আক্তার, আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের একজন নিয়মিত ছাত্রী। আমি ষষ্ঠ শ্রেণি হতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সন্তোষজনক ফলাফলের সাথে আপনার প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে আসছি। স্কুলের বিগত সকল পরীক্ষায় আমি সফলতার সাথে প্রথম স্থান অধিকার করেছি এবং অষ্টম শ্রেণিতেও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি। এখন আমি নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান শাখায় পড়াশোনা শুরু করতে ইচ্ছুক। কিন্তু আমার পিতা একজন ছোট মুদি দোকানদার হওয়ায় তার পক্ষে আমার নতুন শ্রেণির পড়াশোনায় অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে আমার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এমতাবস্থায় আমি আমার মেধানুসারে আর্থিক সহায়তা পেলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারব এবং এসএসসি পরীক্ষাতেও সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করতে পারব। অতএব, জনাবের কাছে আকুল প্রার্থনা, আমার বিগত বছরে সকল পরীক্ষার ফলাফল ও বর্তমান আর্থিক অসচ্ছলতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা প্রদানে আজ্ঞা হয়। বিনীত , আপনার একান্ত অনুগত রূপা আক্তার শ্রেণি: নবম, রোল: ১, বিভাগ: বিজ্ঞান। সদর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, বরিশাল।" "বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি চেয়ে আবেদন ","তারিখ, বরাবর প্রধান শিক্ষক দিনাজপুর জিলা স্কুল, দিনাজপুর। বিষয়: বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি চেয়ে আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী একটি ঐক্যমতে পৌঁছেছি। যেহেতু বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ, সেহেতু আমাদের বিজ্ঞানচর্চার জন্য একটি বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। বিজ্ঞান ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করে আমরা বিজ্ঞানচর্চার সুফল লাভ করতে পারব। তাছাড়া বিজ্ঞান বিষয়ে বিভিন্ন প্রবন্ধ-নিবন্ধ, পত্রিকাও ক্লাব থেকে প্রকাশ করা যাবে। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমাদের প্রস্তাবটি যথাযোগ্য বিবেচনা করে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি প্রদানে বাধিত করবেন। বিনীত, শিক্ষার্থীবৃন্দ দিনাজপুর জিলা স্কুল, দিনাজপুর।" "প্রশংসাপত্রের জন্য আবেদন ","১৯ আগস্ট, ২০১৯ বরাবর, অধ্যক্ষ নটর ডেম স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা। বিষয়: প্রশংসাপত্রের জন্য আবেদন পত্র জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার কলেজের একজন নিয়মিত প্রার্থী হিসেবে ২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে অংশগ্রহণ করে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হই। কলেজে আমার রোল নম্বর ছিল ১৭৫। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রোল: ৩২১৮০১৪, রেজিস্ট্রেশন: ৬৮৫০০১২, বিভাগ: মানবিক, শিক্ষাবর্ষ: ২০১৮-২০১৯, বোর্ড: ঢাকা। একটি চাকরির মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য আমার একটি প্রশংসাপত্র প্রয়োজন। অতএব, মহোদয় সমীপে আবেদন, ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল ও কলেজ জীবনের আচরণের ভিত্তিতে একটি প্রশংসাপত্র প্রদানপূর্বক উক্ত চাকরীর মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দানে আমাকে বাধিত করবেন। নিবেদক, আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র আউয়াল হোসেন। বিভাগ: মানবিক, শিক্ষাবর্ষ: ২০১৮-২০১৯।" "বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের আবেদন ","তারিখ বরাবর, জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বিষয়: বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের আবেদন জনাব, আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাস্থ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের অধিবাসী। এবারের বন্যার করাল গ্রাসে এ ইউনিয়নের যে অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে তা বর্ণনা করার মত না। এবারের বন্যা বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় শুধু নয়, বাংলাদেশের স্মরণকালেরর ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা। গত কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও উজানের পানির প্রবাহে গ্রামের কাঁচা ঘরবাড়ি, মাঠ ভরা পাকা ফসল, গবাদি পশু সবকিছু ভেসে গেছে। এর ফলে এলাকার মানুষ খুবই কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। বাসস্থানের অভাবে হাজার হাজার লোক খোলা আকাশের নিচে দিন যাপন করছে। বন্যার ফলে নিরাপদ পানীয় জলের দারুণ সংকট দেখা দিয়েছে। মানুষ খাদ্যভাবে অখাদ্য-কুখাদ্য খেয়ে ডায়রিয়া, আমাশয়সহ নানা প্রকার পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। বানভাসী মানুষের এ দুর্দিনে কোনরূপ ত্রাণ সাহায্য এখনো এলাকায় পৌছেনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা, সরেজমিনে তদন্ত করে অত্র অঞ্চলের জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ-সামগ্রী সরবারহ ও বিতরণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সুমর্জি হয়। নিবেদক শহীদুল ইসলাম চিনাডুলী ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে। " "দরিদ্র তহবিল থেকে সাহায্যের জন্য আবেদন ","তারিখ: ১১.২৫.২০২১ বরাবর, অধ্যক্ষ নূরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের, কুমিল্লা। বিষয়: দরিদ্র তহবিল থেকে সাহায্যের জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের একজন নিয়মিত ছাত্রী। আমি অত্র বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে লেখাপড়া করে আসছি এবং প্রত্যেক পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করে আপনাদের স্নেহাশীষ অর্জন করেছি। আমার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক। বর্তমানে আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়। আমার এক ভাই ও এক বোন যথাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। আমাদের সংসারে অন্য কোন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় বর্তমানে সংসার ও আমাদের লেখাপড়ার ব্যয় নির্বাহ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। তাই অত্র কলেজের দরিদ্র তহবিল হতে মাসিক কিংবা এককালীন ভিত্তিতে কিছু অর্থ সাহায্য আমার খুবই প্রয়োজন। অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমার ফলাফল ও বর্তমান আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে মেহেরবাণীপূর্বক কলেজের দরিদ্র তহবিল থেকে আমাকে কিছু আর্থিক সাহায্য প্রদান করে আমার লেখাপড়া সুষ্ঠুভাবে চালিয়ে যাওয়ায় সহযোগিতা করতে আপনার সুমর্জি হয়। নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত রুমি শ্রেণি: নবম, রোল: ৬, বিভাগ: মানবিক।" ছাড়পত্রের জন্য আবেদন,"তারিখ, বরাবর প্রধান শিক্ষক হেমনগর শশীমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব, যথবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি সুমন হোসেন আপনার বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র। আমার শ্রেণির রোল নং ১। আমার বাবা একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। সম্প্রতি আমার বাবা রাজশাহীতে বদলী হয়েছেন। আমাকেও তার সাথে রাজশাহীতে যেতে হবে। সঙ্গত কারণে আমার বাবা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমাকে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করবেন। অতএব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমাকে বিদ্যালয় ত্যাগের একটি ছাড়পত্র প্রদান করে আমার লেখাপড়ার পথ সুগম করতে জনাবের আজ্ঞা হোক। বিনীত, আপনার অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণি: অষ্টম, রোল নং ১, শাখা: ক।" "নৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন ","তারিখ বরাবর, জেলা প্রশাসক ফেনী বিষয়: নৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার আওতাধীন বলিয়াদহ একটি জনবহুল গ্রাম। এই গ্রামের লোকসংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। এদের অধিকাংশই নিরক্ষর। নিরক্ষরতার অভিশাপে এ গ্রামের লোকজন এখনো মধ্যযুগীয় পরিবেশেই দিন যাপন করছে। শিক্ষার অভাবে গ্রামবাসী আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। শুধু কৃষি ক্ষেত্রেই নয়, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা, খাদ্য-পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা, জন্ম নিয়ন্ত্রণ, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি সম্পর্কেও তারা খুবই অসচেতন। নিরক্ষরতার অভিশাপে গ্রামের জীবনের পদে পদে হোঁচট খাচ্ছে। কিন্তু বয়স্কদের শিক্ষাদানের জন্য এ গ্রামে কোন নৈশ বিদ্যালয় নেই। তাই অনতিবিলম্বে এখানে একটি নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করা প্রয়োজন। অতএব, অনুগ্রহপূর্বক আমাদের গ্রামে একটি নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করে নিরক্ষরতা দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সুমর্জি হয়। নিবেদক শহীদুল ইসলাম বুলিয়াদহ গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে।" তোমার বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উপলক্ষে রচিত আবেদন পত্র,"সুধী, আগামী ৫ জানুয়ারি, শুক্রবার অপরাহ্ন ৪ ঘটিকার সময় আমাদের স্কুল মিলনায়তনে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব ২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় পৌর প্রধান সম্মানিত সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করবেন। আমরা এ উপলক্ষে আপনার সানুগ্রহ ও সবান্ধব উপস্থিতি কামনা করি। তাং : ১.০২.২০১৮ বিনীত নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ" তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটি প্রার্থনা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট দরখাস্ত,"মাননীয় প্রধান শিক্ষক সমীপেষু— গৌহাটি ইংরাজি উচ্চবিদ্যালয় মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আজ স্কুলে উপস্থিত হবার কিছুক্ষণ পর থেকেই আমি দারুণ শিরঃপীড়ায় আক্রান্ত হয়ে ভীষণ অস্থিরতা বোধ করছি। অতএব, আমাকে তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটি প্রদান করলে বাধিত হব। তারিখ ১২.০৫.২০১৮ বিনীত নিবেদন ঋষি বোস ১০ম শ্রেণি ক্রমিক নং-১১" তোমার ছোটো বোনের বিবাহ উপলক্ষে একখানা আমন্ত্রণ পত্র,"মহাশয়, আগামী ২৭ পৌষ, রবিবার আমার ছোটো বোন অমিতার সঙ্গে হাটহাজারী গ্রাম নিবাসী মহাশয় সুনীল সেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র অলকের শুভ পরিণয় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে আপনি সবান্ধবে উপস্থিত হয়ে বর-কনেকে আশীর্বাদ করবেন। পত্র দ্বারা নিমন্ত্রণের ত্রুটি মার্জনীয়। নিবেদনে সঞ্জয় পাল স্থান : মোতি প্যালেস শিলচর, আসাম।" তোমার নিজ এলাকায় বন্যা কবলিত জনসাধারণের সাহায্যার্থে জেলা প্রশাসকের নিকট একখানা আবেদন পত্র,"করিমগঞ্জ জেলার মাননীয় জেলাশাসক মহোদয় সমীপেষু মহাশয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, করিমগঞ্জ জেলার অন্তর্গত অধিকাংশ গ্রাম আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামের দরিদ্র জনসাধারণের অধিকাংশ ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে ও বন্যার তোড়ে ভেসে গিয়েছে, বহু পশু মরে গেছে। বলতে গেলে অধিকাংশ গ্রামবাসী এখন আশ্রয়হীন অবস্থায় অনশন ও অর্ধাশনে কালযাপন করছে। ব্যাপকভাবে সংক্রামক রোগেরও প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। অতএব সবিনয় নিবেদন এই যে, এতদ্ অঞ্চলের দুঃস্থ মানুষের সাহায্যার্থে অবিলমে সরকারের তরফ হতে রিলিফের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করছি। করিমগঞ্জ ১১.০১.২০১৮ নিবেদনে অজয় বড়ুয়া" তোমার এলাকায় জলকষ্টের আশু প্রতিকারের জন্য পৌরসভার চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন পত্র,"মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় সমীপেষু শিলচর পৌরসভা মহাশয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমাদের ২০ নং ওয়ার্ডে পানীয় জলের অভাবে কয়েকশো পরিবার নিরতিশয় কষ্ট ভোগ করে আসছে। এখানে প্রায় দুই হাজার লোকের বাস। অথচ এখানে নলকূপের সংখ্যা মাত্র ৬টি। ভালো কোনো পুকুরও নেই। নলকূপগুলির জল আর্সেনিক যুক্ত হওয়ায় পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দরিদ্র মানুষ বিষাক্ত জল পান করে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় দিন গুনছে। জনগণের দুর্ভাগ্য যে, জনস্বাস্থ্য বিভাগের কৃপাদৃষ্টি আজ পর্যন্ত এই দুর্গত অঞ্চলের প্রতি নিবদ্ধ হয়নি। অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে পৌরসভার সর্বময় কর্তা হিসেবে মহোদয় এই দুঃস্থ মানুষদের সেবায় এগিয়ে এসে অচিরে আমাদের এলাকার জনগণের জলকষ্টের প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে আজ্ঞা করবেন। বিনীত নিবেদক প্রবীর চক্রবর্তী ২০নং ওয়ার্ড, শিলচর তারিখ : ১৯.১২.২০১৮" তোমার অঞ্চলের একটি রাস্তার সংস্কার সম্বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদপত্রে প্রকাশার্থে চিঠি লেখ,"মাননীয় সম্পাদক মহোদয় সমীপেষু দৈনিক অসম সেন্ট্রাল রোড, শিলচর, আসাম, মহাশয়, আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় এতদ্‌সঙ্গে প্রেরিত পত্রখানা প্রকাশ করলে এতদঞ্চলের প্রবঞ্চিত মানুষের অশেষ উপকার সাধন হবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। “রাস্তা-সংস্কার” আমরা শিলচর জেলার সেন্ট্রাল রোডের অধিবাসীরা বহুদিন হতে রাস্তাঘাটের অভাবে কল্পনাতীত অসুবিধার মধ্যে জীবন-যাপন করছি। আমরা বলতে গেলে বহির্জগত হতে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছি। সেন্ট্রাল রোড হতে রেলস্টেশন পর্যন্ত তিন মাইল যাতায়াতের জন্য কেবল একটি রাস্তা রয়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তায় বহু লোক চলাচল করে। অথচ দেশ স্বাধীন হবার পর হতে এই রাস্তার কোনো মেরামত আজ পর্যন্ত হয়নি। ফলে এই রাস্তা অনেক স্থানে ভেঙে গেছে। এতদঞ্চলের প্রায় অর্থলক্ষাধিক লোকের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির এই শোচনীয় অবস্থা কর্তৃপক্ষ নীরবে কয়েক বছর যাবৎ লক্ষ করে আসছেন বটে, কিন্তু প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থাই আজ পর্যন্ত গ্রহণ করেননি। এই জেলার একটি বিরাট অঞ্চলের সহিত বহিরাঞ্চলের সম্পর্ক স্থাপনকারী এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি অবিলম্বে পাকা করা দরকার। আমরা এই রাস্তাটির সংস্কার সম্পর্কে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করবার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সানুগ্রহ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ইতি— স্থানীয় জনগণের পক্ষে অতুল্য ঘোষ সেন্ট্রাল রোড, শিলচর তারিখ : ১ জুন, ২০১৮" "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ……………….. উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব যথাবিহীত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, গত ০১/০১/২০২১ খ্রিঃ তারিখে “দৈনিক যুগান্তর” পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, সহকারী শিক্ষক পদে আপনার প্রতিষ্ঠানে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত ও আনুষাঙ্গিক তথ্যাদি মহোদয়ের নিকট উপস্থাপন করছি। ১। নামঃ ২। পিতার নামঃ ৩। মাতার নামঃ ৪। বর্তমান ঠিকানাঃ ৫। স্থায়ী ঠিকানাঃ ৬। জন্ম তারিখঃ ৭। জাতীয়তাঃ ৮। জাতীয় পরিচয় পত্র নংঃ ৯। বৈবাহিক অবস্থাঃ ১০। ধর্মঃ ১১। মোবাইল নাম্বারঃ ১২। রক্তের গ্রুপঃ ১৩। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ পরীক্ষার নাম গ্রুপ/বিষয় বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় পাশের সন প্রাপ্ত গ্রেড এসএসসি বিজ্ঞান সিলেট ২০০৬ জিপিএ-৫ এইচএসসি বিজ্ঞান সিলেট ২০০৮ জিপিএ-৫ বিএসএস রাষ্ট্রবিজ্ঞান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০১২ প্রথম শ্রেণী এমএসএস রাষ্ট্রবিজ্ঞান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৩ প্রথম শ্রেণী ১০। অভিজ্ঞতাঃ অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনাপূর্বক উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়। বিনীত (জুয়েল আহমদ) মোবাঃ +৮৮ ০১৭১০-০০০০০০ সংযুক্তিঃ ১। পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি ২ কপি। ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। ৩। চারিত্রিক সনদপত্র। ৪। নাগরিকত্ব সনদপত্র। ৫। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। ৬। ১০০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট।" "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখ-০২/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর অধ্যক্ষ মহোদয় মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ। বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পিতার পারিবারিক আর্থিক অনটন ও অসুস্থতার কারনে নির্ধারিত সময়ে কলেজের সকল প্রকার ফী ও বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। উল্লেখ্য অবশ্যক যে, আমার পিতা আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি এবং পিতার আয়ের উপর পরিবারের সকল ভোরণপোষণ খরচ বহন করা হয়। অতএব, মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন যে, আমার পিতার অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জরিমানা ছাড়া সকল ফী ও বেতন প্রদানের অনুমতি প্রদানে আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-একাদশ বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-৯০৯" ছাড়পত্রের জন্য আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক (ক) উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভাবাজার। বিষয়ঃ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পিতা একজন সরকারী চাকরিজীবি। তাঁর বর্তমান কর্মস্থল কুলাউড়া উপজেলা হতে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বদলি হওয়ায় আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা সম্ভব হবে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা যে, আমার উপরোক্ত সমস্যার বিষয়টি বিবেচনা করতঃ সকল বকেয়া বেতন ও ফি পরিশোধ পূর্বক আমাকে ছাড়পত্র প্রদানের জন্য আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী- নবম বিভাগ- বিজ্ঞান রোল নং- ০১" অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ………… উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার শারিরীক অসুস্থতার কারনে গত ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৪/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৪ (চার) দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি মানবিক বিবেচনা করে আমাকে ০৪ (চার) দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০১" অফিসিয়াল ছুটির আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লি. কুলাউড়া শাখা, সিলেট। বিষয়ঃ নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার ছোট বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিনের ছুটি ভোগ করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়টি বিবেচনাক্রমে ০৩ (তিন) দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সবিনয়ে আবেদন পেশ করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) অফিসার পূবালী ব্যাংক ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার।" অগ্রিম ছুটির আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক (ক) উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার বড় বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারব না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়াদি বিবেচনাপূর্বক আমাকে ০৩ (তিন) দিনের অগ্রিম ছুটি প্রদান করতে আপনার মর্জি হয়। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০১" অফিসিয়াল ছুটির আবেদন (অনুপস্থিতির),"তারিখ-০৬/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লিঃ ………………… শাখা, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এর একজন অফিসার। আমার শারিরীক অসুস্থতার কারনে গত ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৫/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৫ (পাঁচ) দিন অফিসে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে অনুপস্থিতি কালের ৫ (পাঁচ) দিন ছুটি মঞ্জুর করতে আপনার সদয় মর্জি হয়। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (…………………) অফিসার পূবালী ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার।" জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জিডি লেখার নিয়ম,"তারিখ: (আবেদনের তারিখ লিখুন) বরাবর, অফিসার ইনচার্জ থানার নাম (আপনার থানার নাম লিখুন) উপজেলা, জেলা। (আপনার উপজেলা ও জেলার নাম লিখুন) বিষয়ঃ সাধারণ ডায়েরির জন্য আবেদন। যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার নাম (বয়স), পিতা/স্বামীঃ (পিতা বা স্বামীর নাম লিখুন) গ্রামঃ (গ্রামের নাম লিখুন), ডাকঘরঃ (আপনার ডাকঘরের নাম লিখুন), উপজেলাঃ (আপনার উপজেলার নাম লিখুন) জেলাঃ (জেলার নাম লিখুন)। আমি থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, গত (হারানোর তারিখ লিখুন) তারিখে আমার নিজ বাড়ি বা (যেকোন একটি স্থানের নাম লিখুন) আসার পথে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ডটি হারিয়ে ফেলি। জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড নম্বর- (আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখুন) সম্ভাব্য অনেক স্থানে খোঁজাখুজি করেও পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, উপরোক্ত বিষয়ে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে আপনার সদয় মর্জি হয়। নিবেদক এখানে আপনার স্বাক্ষর (এখানে আপনার নাম) মোবাইলঃ (এখানে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন) ঠিকানাঃ (এখানে আপনার ঠিকানা লিখুন)" চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম,"তারিখঃ বরাবর, মানব সম্পদ বিভাগ আনন্দ স্কুল (গণ-শিক্ষা প্রকল্প) হাউজ-৮৭, রোড-১৩/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯। বিষয়ঃ ‘উপজেলা শিক্ষা পরিদর্শক’ পদের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২০/০৫/২০২২ তারিখের দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, উপজেলা শিক্ষা পরিদর্শক পদে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের জন্য একজন প্রার্থী হিসাবে আমি আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্নাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত উপস্থাপন করছিঃ ক) প্রার্থীর নাম : খ) মাতার নাম : গ) পিতার নাম : ঘ) বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম- ………….., ডাকঃ ………….., উপজেলা-………….., জেলাঃ ………….. ঙ) স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম- ………….., ডাকঃ ………….., উপজেলা-………….., জেলাঃ ………….. চ) জন্ম তারিখ : ছ) ধর্ম : জ) বৈবাহিক অবস্থা : ঝ) রক্তের গ্রুপ : ঞ) জাতীয়তা : ট) জাতীয় পরিচয় পত্র নং : ঠ) মোবাইল নং : ড) শিক্ষাগত যোগ্যতা : ক্রমিক নং পরীক্ষার নাম গ্রুপ/বিষয় পাসের সন বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় জিপিএ/ সিজিপিএ/ বিভাগ ০১ এস.এস.সি বিজ্ঞান ২০১২ সিলেট ৪.৪৪ ০২ এইচ.এস.সি ব্যবসায় শিক্ষা ২০১৪ সিলেট ৪.২০ ০৩ অনার্স (বিবিএ) ব্যবস্থাপনা ২০১৮ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২.৯৪ অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা পূর্বক উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়। নিবেদক (আপনার নাম লিখুন) সংযুক্তি ১। পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি -০১ কপি। ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের অনুলিপি। ৩। জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি।" "চাকরির আবেদন পত্রের নমুনা ","তারিখঃ০৩-০৯-২০২৪ ইং বরাবর, অধক্ষ মহোদয় প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা। বিষয়ঃ যে বিষয়ের জন্য আবেদন করবেন তা। (যেমনঃ সরকারী প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক পদে চাকুরির জন্য আবেদন পত্র) জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, গত …………………… (তারিখ),............ (চাকরির খবরের সোর্সের নাম) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, আপনার অধীনে ............ পদে কিছু লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার জীবন বৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র আপনার সদয় বিবেচনার জন্য নিচে উপস্থাপন করছি। নামঃ আবির শেখ পিতার নামঃ জমির শেখ মাতার নামঃ ফাতেহি খাতুন বর্তমান ঠিকানাঃ গ্রাম, পোস্ট, উপজেলা, জেলা। স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম, পোস্ট, উপজেলা, জেলা। জন্ম তারিখঃ ১০-১০-১৯৯৫ জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থাঃ অবিবাহিত ধর্মঃ ইসলাম যোগাযোগের ঠিকানা মোবাইল নম্বরঃ019………356 টেলিফোন নম্বরঃ 2345… ই-মেইলঃ….@gmail.com শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ পরীক্ষা বিষয় / বিভাগ সাল গ্রেড পয়েন্ট বোর্ড / পতিষ্ঠান এস এস সি বিজ্ঞান ২০১০ ৫.০০ ঢাকা এইস এস সি মানবিক ২০১২ ৫.০০ ঢাকা স্নাতক ইতিহাস ২০১৭ ৩.৭৫ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় স্নানাকোত্তর ইতিহাস ২০১৯ ৩.৬৭ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অভিজ্ঞতাঃ দীর্ঘ ২ বছরের অধিক সময় বেসরকারী কলেজের ইংরেজী বিষয়ে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ আছি। ১ বছর একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি পড়িয়েছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোক্ত তথ্যাবলির প্রেক্ষিতে অনুগ্রহপূর্বক আমাকে ........... পদের জন্য বিবেচনা করলে বাধিত হবো। নিবেদক, একান্ত অনুগত নিয়োগ প্রার্থী আবির শেখ সংযুক্তি সকল পরিক্ষার সনদ সত্যাহিত ফটোকপি,প্রশংসাপত্রের সত্যহিত ফটোকপি ও অভিজ্ঞতা সনদের ফটোকপি। গেজেটের কর্মকর্তা (প্রথম শ্রেণীর) পদত্ত চারিত্রিক সনদ। সদ্যতোলা পাসপোর্ট আকারের দুই কপি ছবি। " বিদ্যালয়ে আরও একটি পানির কল বসানোর আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে আরও একটি পানির কল স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে মাত্র একটি পানির কল থাকায় সবাইকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পেতে অসুবিধা হয়। বিশেষ করে গরমের দিনে এই সমস্যা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। অতএব, মহোদয়ের নিকট অনুরোধ, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আরও একটি পানির কল স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই সংগ্রহের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই সংগ্রহের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা খুবই সীমিত এবং অনেক পুরনো বই এখন পড়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন বই পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, আপনার কাছে বিশেষ অনুরোধ, বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির জন্য নতুন কিছু শিক্ষামূলক ও সাহিত্যিক বই সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা আরও উৎসাহী হয়ে উঠবে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠটি বর্তমানে খুবই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। মাঠের বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও অসমান জায়গার কারণে খেলাধুলার সময় শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিশেষ অনুরোধ, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে খেলাধুলা করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা আসন্ন, তবে অনেক শিক্ষার্থী এখনও প্রস্তুতি নিতে পারেনি। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমের কারণে পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, পরীক্ষার তারিখ অন্তত এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির স্থাপনের আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ পায় না। অনেকের পরিবারের আর্থিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিতে পারে না। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী এবং নতুন নতুন গবেষণামূলক কাজ করতে চায়। যদি আমাদের বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা ও গবেষণার দক্ষতা উন্নত করতে পারবে। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে একদিনের শিক্ষাসফরের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষাসফর আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চাই একটি শিক্ষাসফরে যেতে, যা আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। শিক্ষাসফর আমাদের বইয়ের পাঠ্যবিষয়ের বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ করে দেবে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের জন্য একটি শিক্ষাসফর আয়োজন করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায়ই বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়, যার ফলে পাঠদান ব্যাহত হয়। যদি বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়, তবে বিদ্যুতের সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হবে এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার সম্ভব হবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিশেষ অনুরোধ, বিদ্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের ওয়াই-ফাই সংযোগের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে ওয়াই-ফাই সংযোগের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সুবিধা নেই, ফলে অনেক শিক্ষামূলক কাজ করা সম্ভব হয় না। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ছাড়া গবেষণা ও আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি উচ্চগতির ওয়াই-ফাই সংযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের গেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের গেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য আবেদন জনাব, সম্প্রতি আমাদের বিদ্যালয়ে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটছে, যা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ। বিদ্যালয়ের প্রধান গেটে নিরাপত্তা প্রহরী বা সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে এই সমস্যা সমাধান হতে পারে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর, কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো কম্পিউটার ল্যাব নেই। ফলে আমরা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছি না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে আমরা তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ হতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে খেলাধুলার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট, বল, ব্যাডমিন্টন র‍্যাকেট ইত্যাদির সংকট থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য ও মনোন্নয়নের স্বার্থে বিদ্যালয়ে নতুন খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যুক্তিবাদী আলোচনা ও চিন্তাশক্তির বিকাশে আগ্রহী। যদি সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা আরও উন্নত হবে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে একটি চিকিৎসা কক্ষ স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি চিকিৎসা কক্ষ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় সমস্যা গুরুতর হয়ে যায়। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে বিদ্যালয়ে একটি চিকিৎসা কক্ষ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" শ্রেণিকক্ষে পাখা লাগানোর আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: শ্রেণিকক্ষে পাখা স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের শ্রেণিকক্ষের বেশ কয়েকটি পাখা নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে গরমের সময় ক্লাস করা কষ্টকর হয়ে উঠছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের শ্রেণিকক্ষে নতুন পাখা স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে বিশেষ অতিথি বক্তা আমন্ত্রণের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিশেষ অতিথি বক্তা আমন্ত্রণের জন্য আবেদন জনাব, আমরা চাই যে আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো একজন বিশেষজ্ঞ (বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, প্রযুক্তিবিদ) এসে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগান এবং জ্ঞান বৃদ্ধি করেন। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একজন বিশেষ অতিথি বক্তাকে আমন্ত্রণ জানানোর ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর খাবারের অভাব রয়েছে। অনেক খাবার অনিরাপদ ও পুষ্টিহীন, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের আশপাশে ময়লা পরিষ্কারের আবেদন,"প্রাপক: স্থানীয় পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ের আশপাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের আশপাশে প্রচুর ময়লা জমে গেছে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের আশপাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের জন্য তেমন সুযোগ নেই। যদি প্রতি সপ্তাহে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের দেয়াল রঙ ও সংস্কারের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের দেয়াল রঙ ও সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের ভবনের দেয়ালগুলোর রঙ চটে গেছে এবং অনেক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। এটি বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য ও পরিবেশ নষ্ট করছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের ভবনের দেয়ালগুলো রঙ ও সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলে আরও বৈদ্যুতিক বাতি লাগানোর আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার হলে আরও বৈদ্যুতিক বাতি লাগানোর জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলে পর্যাপ্ত আলোর অভাব রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা পরিষ্কারভাবে লেখার সুযোগ পায় না, যা পরীক্ষার সময় সমস্যা সৃষ্টি করে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, পরীক্ষার হলে আরও বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠ, করিডোর ও শ্রেণিকক্ষে অনেক সময় ময়লা জমে থাকে, যা স্বাস্থ্যকর নয়। যদি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়, তাহলে বিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও সুন্দর হবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে ফটোকপি মেশিনের ব্যবস্থা করার আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে ফটোকপি মেশিনের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে নোট, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফটোকপি করার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে শিক্ষার্থীদের বাইরে গিয়ে কষ্ট করে ফটোকপি করাতে হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি ফটোকপি মেশিনের ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের গেট সংস্কারের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের গেট সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গেছে। এটি দুর্বল হয়ে পড়ায় অনেক সময় নিরাপত্তার সমস্যা তৈরি হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের প্রধান গেট সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শক নিয়োগের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শক নিয়োগের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বেড়ে চলেছে, যা তাদের পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবনে প্রভাব ফেলছে। বিদ্যালয়ে যদি একজন মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শক নিয়োগ করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে পারবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একজন মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" "বিদ্যালয়ে একজন অতিরিক্ত ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগের আবেদন ","প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: অতিরিক্ত ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে ইংরেজি শিক্ষকের সংখ্যা কম থাকায় সবার জন্য পর্যাপ্ত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত শেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, একজন অতিরিক্ত ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে পরিবহন সুবিধার জন্য আবেদন,"প্রাপক: বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে পরিবহন সুবিধা চালুর জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী দূর-দূরান্ত থেকে আসে। কিন্তু বিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় তাদের আসা-যাওয়া করতে অনেক কষ্ট হয়। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের জন্য একটি বাস বা মিনিবাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে দূরের শিক্ষার্থীরা সহজে বিদ্যালয়ে আসতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে না, যা স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত বই-পত্র নেই, ফলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের বাইরের জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে না। যদি একটি পাঠাগার স্থাপন করা হয়, তাহলে আমরা বিভিন্ন বিষয়ের বই পড়ে জ্ঞান বৃদ্ধি করতে পারব। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে একটি গণিত ক্লাব গঠনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি গণিত ক্লাব গঠনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের অনেক শিক্ষার্থী গণিত বিষয়ে আগ্রহী, কিন্তু অনুশীলনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ পাচ্ছে না। যদি একটি গণিত ক্লাব গঠন করা হয়, তাহলে আমরা নিয়মিত গণিত অনুশীলন করতে পারব এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাব। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি গণিত ক্লাব গঠনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের বাথরুম সংস্কারের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের বাথরুম সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বাথরুমগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হয়নি। এতে পানি সরবরাহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব দেখা দিয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য কষ্টকর। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের বাথরুম সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের মাঠ সমতলকরণের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠ সমতলকরণের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠ অনেক জায়গায় অসমতল হয়ে পড়েছে, ফলে খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের মাঠ সমতল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " সড়কে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: স্থানীয় পৌরসভা চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: সড়কে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় রাতে প্রচণ্ড অন্ধকার থাকে, ফলে পথচারীদের চলাচলে অনেক সমস্যা হয় এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, সড়কে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " গ্রামে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় সংসদ সদস্য/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: গ্রামে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের গ্রামে কোনো হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। ফলে সাধারণ মানুষ সহজে চিকিৎসা সেবা পেতে পারে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের গ্রামে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " গ্রামের রাস্তা সংস্কারের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় পৌরসভা চেয়ারম্যান/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: গ্রামের রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের গ্রামের প্রধান রাস্তা অনেক জায়গায় ভেঙে গেছে, ফলে চলাচলে প্রচণ্ড সমস্যা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের গ্রামের রাস্তা সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর আবেদন,"প্রাপক: শিক্ষা অফিসার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের সন্তান, যারা পুষ্টিকর খাবার পায় না। যদি বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে এবং শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ বাড়বে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তার আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তার আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে, ফলে অনেক মানুষ খাদ্য ও বাসস্থান সংকটে পড়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে একটি মানসম্পন্ন কম্পিউটার ল্যাব নেই, ফলে আমরা ডিজিটাল শিক্ষার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমরা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা নানারকম নতুন উদ্ভাবন করতে আগ্রহী। যদি বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণা ও উদ্ভাবন প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের খেলাধুলার সরঞ্জাম বৃদ্ধির আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম বৃদ্ধির জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত খেলাধুলার সরঞ্জাম নেই, যার কারণে শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে আরও খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" রাস্তা সংষ্কারের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: রাস্তা সংষ্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকার রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের প্রচুর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, অতি দ্রুত রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনের জন্য আবেদন ,"প্রাপক: বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যায়, ফলে শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণকে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ প্রশিক্ষণের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন জনাব, ভূমিকম্প, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ প্রশিক্ষণ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, [আপনার পৌরসভার নাম] বিষয়: পৌর এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা নেই, ফলে চারপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে কিছু দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের জন্য বিশেষ পাঠ্য সামগ্রী ও সহায়তা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " কলেজে উচ্চতর গণিত কোর্স চালুর আবেদন ,"প্রাপক: অধ্যক্ষ, [আপনার কলেজের নাম], [আপনার কলেজের ঠিকানা] বিষয়: উচ্চতর গণিত কোর্স চালুর জন্য আবেদন জনাব, আমাদের কলেজে উচ্চতর গণিত কোর্স চালু না থাকায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের কলেজে উচ্চতর গণিত কোর্স চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের জন্য একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নাচ, গান, আবৃত্তি ও নাটক পরিবেশনের সুযোগ পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রয়োজন। এটি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের ছাদ মেরামতের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদ মেরামতের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাদ দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় তা ফাঁটা ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে পানি পড়ে এবং শ্রেণিকক্ষ ভিজে যায়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের ছাদ মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন জনাব, শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমাদের বিদ্যালয়ে একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পের প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে পারে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " কমিউনিটিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: কমিউনিটিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকায় উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় বাড়ানোর আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় বাড়ানোর আবেদন জনাব, তীব্র গরমের কারণে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। তাই গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময়সীমা বাড়ানো প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন। এজন্য বিদ্যালয়ে একটি অভিভাবক সমাবেশ আয়োজন করা যেতে পারে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে নার্সিং কক্ষ স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে নার্সিং কক্ষ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, অনেক সময় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের তৎক্ষণাৎ চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। এজন্য বিদ্যালয়ে একটি নার্সিং কক্ষ থাকা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে নার্সিং কক্ষ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন ,"প্রাপক: জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন জনাব, আমি একজন দরিদ্র শিক্ষার্থী। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ, যার কারণে আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি অনুদান প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে পাঠাগার সমৃদ্ধ করার আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের পাঠাগার সমৃদ্ধ করার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগারে পর্যাপ্ত বই নেই, ফলে শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের পাঠাগারে নতুন ও মানসম্মত বই সংযোজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে Wi-Fi সংযোগের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে Wi-Fi সংযোগ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষামূলক তথ্য ও রিসোর্স জানা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য Wi-Fi সংযোগ স্থাপনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠ দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর জন্য আবেদন জনাব, অনেক শিক্ষার্থী দূরবর্তী এলাকা থেকে বিদ্যালয়ে আসে, ফলে তাদের আসা-যাওয়ায় প্রচুর সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়ে বাস সার্ভিস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সাহায্যের আবেদন ,"প্রাপক: জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সাহায্যের আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং খাদ্য সংকটে ভুগছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য ত্রাণ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ]" এলাকার পানির সমস্যার সমাধানের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: এলাকার পানির সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক জায়গায় নলকূপের পানি শুকিয়ে গেছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, এলাকাবাসীর জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " কলেজে সন্ধ্যা শাখা চালুর আবেদন ,"প্রাপক: অধ্যক্ষ, [আপনার কলেজের নাম], [আপনার কলেজের ঠিকানা] বিষয়: কলেজে সন্ধ্যা শাখা চালুর জন্য আবেদন জনাব, অনেক শিক্ষার্থী কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা করতে চায়, কিন্তু দিনে ক্লাস করার সুযোগ পায় না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, কলেজে সন্ধ্যা শাখা চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " সরকারি ছুটির সময় পরিবর্তনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: সরকারি ছুটির সময় পরিবর্তনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে ছুটির সময় শিক্ষার্থীদের সুবিধা অনুযায়ী পরিবর্তন করা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ছুটির সময় পরিবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " নিরাপদ সড়কের দাবিতে আবেদন ,"প্রাপক: জেলা প্রশাসক/ট্রাফিক বিভাগ, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: নিরাপদ সড়কের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় ট্রাফিক সংকট ও দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে চলেছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে নিরাপদ সড়কের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " এলাকার বখাটেদের উৎপাত বন্ধের আবেদন ,"প্রাপক: পুলিশ সুপার/স্থানীয় থানার ওসি, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: এলাকার বখাটেদের উৎপাত বন্ধের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় বখাটেদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " পরীক্ষার সময় বৃদ্ধি করার আবেদন ,"প্রাপক: পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, [আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বোর্ডের নাম] বিষয়: পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন জনাব, বিগত পরীক্ষাগুলোতে প্রশ্নের সংখ্যা ও সময়সীমার তুলনায় শিক্ষার্থীরা উত্তর লিখতে পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি/পরীক্ষার নাম] [তারিখ] " শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মনোরঞ্জনমূলক সফরের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য মনোরঞ্জনমূলক সফর আয়োজনের আবেদন জনাব, শিক্ষার পাশাপাশি মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষা সফরের প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শিক্ষা সফরের আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসার, [আপনার জেলার নাম] বিষয়: গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের গ্রামে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি, যার ফলে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের গ্রামে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার গ্রামের নাম] [তারিখ] " স্থানীয় খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: স্থানীয় খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকার একমাত্র খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত ও সংস্কারবিহীন রয়েছে। এতে শিশু ও তরুণরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত খেলার মাঠ সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলেও শিক্ষক স্বল্পতার কারণে পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " আবাসিক এলাকায় কাঁচা রাস্তা পাকা করার আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় মেম্বার/চেয়ারম্যান/পৌরসভা অফিসার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: আবাসিক এলাকায় কাঁচা রাস্তা পাকা করার আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় প্রধান সড়কটি এখনো কাঁচা রয়েছে, যার ফলে বর্ষাকালে যাতায়াতে অসুবিধা হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, রাস্তা পাকা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার আবেদন,"প্রাপক: পুলিশ সুপার/ওসি, [আপনার থানার নাম] বিষয়: এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় মাদকাসক্তদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সমাজে অপরাধমূলক কার্যকলাপ বাড়িয়ে তুলছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন ,"প্রাপক: পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক/শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, [আপনার শিক্ষা বোর্ডের নাম] বিষয়: পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন জনাব, আমি [পরীক্ষার নাম] পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল পাইনি। আমার বিশ্বাস, উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ভুল হয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার রোল নম্বর ও পরীক্ষার নাম] [তারিখ]" হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসার আবেদন ,"প্রাপক: পরিচালক, [আপনার হাসপাতালের নাম] বিষয়: হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান সংক্রান্ত আবেদন জনাব, আমি একজন দরিদ্র ব্যক্তি। বর্তমানে আমার চিকিৎসার প্রয়োজন, কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছি না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " ট্রাফিক সংকট নিরসনের আবেদন ,"প্রাপক: পুলিশ সুপার/ট্রাফিক বিভাগ, [আপনার জেলার নাম] বিষয়: ট্রাফিক সংকট নিরসনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় প্রতিদিন যানজটের কারণে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমানে প্রযুক্তিগত শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো কম্পিউটার ল্যাব নেই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের সামনে স্পিড ব্রেকার স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/স্থানীয় প্রশাসন, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ের সামনে স্পিড ব্রেকার স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের সামনে দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের সামনে স্পিড ব্রেকার স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ] " ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: মেয়র/সিটি করপোরেশন অফিসার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় প্রতিদিন প্রচুর পথচারী রাস্তা পারাপার করে, কিন্তু ফুটওভার ব্রিজ না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত একটি ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " সরকারি হাসপাতালের সেবা উন্নয়নের আবেদন ,"প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: সরকারি হাসপাতালের সেবা উন্নয়নের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকার সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা নেই, ফলে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত হাসপাতালের সেবা উন্নয়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের আবেদন ,"প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী রয়েছে, যারা নতুন পাঠ্যবই কিনতে সক্ষম নয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ] " নারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন ,"প্রাপক: পুলিশ কমিশনার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য আবেদন জনাব, সাম্প্রতিক সময়ে নারীদের উপর হয়রানি ও অপরাধের সংখ্যা বেড়ে চলেছে, যা আমাদের জন্য উদ্বেগজনক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ]" এলাকায় গণশৌচাগার স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: এলাকায় গণশৌচাগার স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত গণশৌচাগার নেই, যার ফলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত গণশৌচাগার স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " স্কুলের মাঠে পর্যাপ্ত আলো সংস্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠে পর্যাপ্ত আলো সংস্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও অন্যান্য কার্যক্রমে অসুবিধা হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, মাঠে পর্যাপ্ত আলো সংস্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " সড়কের ড্রেন পরিষ্কারের আবেদন,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: সড়কের ড্রেন পরিষ্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না হওয়ায় ময়লা জমে গেছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত ড্রেন পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " রাস্তায় স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: রাস্তায় স্ট্রিট লাইট স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় রাতে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বিদ্যালয়ের ভবন ও শ্রেণিকক্ষগুলোতে কোনো অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " কর্মস্থলে ছুটি প্রার্থনা করার আবেদন ,"প্রাপক: মাননীয় ব্যবস্থাপক, [আপনার প্রতিষ্ঠান বা অফিসের নাম] বিষয়: ছুটি প্রার্থনা জনাব, আমি [আপনার নাম] [আপনার পদবি] পদে কর্মরত আছি। ব্যক্তিগত কারণে আমি আগামী [তারিখ] ছুটি নিতে চাই। অতএব, আমার অনুরোধ, আপনার অনুমতির ভিত্তিতে আমাকে উক্ত দিনে ছুটি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার পদবি] [তারিখ] " গৃহনির্মাণের জন্য ঋণ গ্রহণের আবেদন ,"প্রাপক: বিভাগীয় প্রধান, [আপনার ব্যাংকের নাম] বিষয়: গৃহনির্মাণের জন্য ঋণ গ্রহণের আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার ঠিকানা], একটি গৃহনির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছি এবং তার জন্য ঋণ প্রার্থনা করছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে গৃহনির্মাণের জন্য ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " পাসপোর্টের জন্য আবেদন ,"প্রাপক: পাসপোর্ট অফিস, [আপনার জেলার নাম] বিষয়: পাসপোর্ট আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার পিতার নাম] এর পুত্র/কন্যা, পাসপোর্ট গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। আমার নিকটবর্তী বিদেশ ভ্রমণ পরিকল্পনা রয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার পাসপোর্ট প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় নদী উন্নয়ন কমিশন, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকার নদীটি অনেক দিন ধরে খনন না হওয়ার কারণে ঘন কাদা ও শাখাপ্রশাখা হয়ে গেছে, যার ফলে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, নদীটি খনন ও পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় অপরাধের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " সরকারি চাকরির জন্য আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান কর্মকর্তা, [প্রতিষ্ঠানের নাম] বিষয়: সরকারি চাকরির জন্য আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা] সহকারে সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করছি। আমি বিশ্বাস করি, আমার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আপনার প্রতিষ্ঠানে উপকারী হতে পারে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার যোগাযোগের তথ্য] [তারিখ] " টিউশন ফি মওকুফের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: টিউশন ফি মওকুফের জন্য আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], আপনার বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী, পরিবারিক কারণে বর্তমানে আর্থিকভাবে সংকটে আছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে টিউশন ফি মওকুফ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " স্থানান্তর বা বদলির আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিদ্যালয় বদলির জন্য আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর], একটি স্থানান্তরের জন্য আবেদন করছি। আমার পরিবারের কারণে আমি অন্য জায়গায় বাসস্থানে চলে যাচ্ছি এবং নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে বিদ্যালয় বদলির অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বৃক্ষরোপণের জন্য আবেদন,"প্রাপক: স্থানীয় চেয়ারম্যান/পৌরসভা অফিসার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় বর্তমানে বৃক্ষের সংখ্যা কম, যা পরিবেশ দূষণের জন্য ক্ষতিকর। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " ছাত্রাবাসে আসন প্রার্থনা ,"প্রাপক: হোস্টেল সুপার, [আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম] বিষয়: ছাত্রাবাসে আসন প্রার্থনা জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর], ছাত্রাবাসে আসন পাওয়ার জন্য আবেদন করছি। আমি শহরের বাইরে থেকে পড়াশুনা করতে এসেছি এবং একটি নির্দিষ্ট হোস্টেলে থাকার প্রয়োজন রয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে ছাত্রাবাসে আসন প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " শিক্ষক পদে আবেদন,"তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ঢাকা মডেল স্কুল, ঢাকা-১২০৫। বিষয়: শিক্ষক পদে আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার সম্মানিত বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে আবেদন করছি। আমার নাম রাকিব হাসান, এবং আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছি। আমার দুই বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং আমি ছাত্রদের পড়াতে অত্যন্ত আগ্রহী। আমার জীবনবৃত্তান্ত এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এই আবেদনের সাথে সংযুক্ত করা হলো। আমি আশা করি, আপনি আমাকে সাক্ষাৎকারের সুযোগ দিয়ে আমার যোগ্যতা যাচাই করবেন। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নিবেদক, রাকিব হাসান ইমেইল: rakib.hasan@example.com ফোন: ০১৭১২-৩৪৫৬৭৮ " ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর, ব্যবস্থাপক, এবিসি লিমিটেড, মিরপুর, ঢাকা। বিষয়: ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একজন কর্মচারী, নাম সুমাইয়া আক্তার, পদবি: সহকারী ব্যবস্থাপক। আমার পারিবারিক কারণে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল, ২০২৫ পর্যন্ত তিন দিনের ছুটির প্রয়োজন। আমার অনুপস্থিতিতে আমার কাজের দায়িত্ব সহকর্মী রহিম সাহেব পালন করতে সম্মত হয়েছেন। আমি অনুরোধ করছি, আপনি আমার এই ছুটির আবেদনটি অনুমোদন করুন। এই সহযোগিতার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। নিবেদক, সুমাইয়া আক্তার পদবি: সহকারী ব্যবস্থাপক ফোন: ০১৯১২-৩৪৫৬৭৮ " অসুস্থতার কারণে ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, উত্তরা মডেল কলেজ, উত্তরা, ঢাকা। বিষয়: অসুস্থতার কারণে ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক, নাম ফারজানা রহমান, পদবি: সহকারী শিক্ষক (গণিত বিভাগ)। গত কয়েকদিন ধরে আমি তীব্র জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছি। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমার বিশ্রামের প্রয়োজন। তাই আগামী ৩ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিল, ২০২৫ পর্যন্ত তিন দিনের ছুটির জন্য আবেদন করছি। আমার অনুপস্থিতিতে আমার ক্লাসের দায়িত্ব সহকর্মী শিক্ষক জনাব আলী হোসেন পালন করতে সম্মত হয়েছেন। আমি অনুরোধ করছি, আপনি আমার এই ছুটির আবেদনটি অনুমোদন করুন। এই সহযোগিতার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নিবেদক, ফারজানা রহমান পদবি: সহকারী শিক্ষক (গণিত) ফোন: ০১৮১২-৩৪৫৬৭৮ " বার্ষিক ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৪/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: বার্ষিক ছুটির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে (বিষয়: গণিত) দায়িত্ব পালন করছি। বার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১০/০৪/২০২৫ থেকে ২০/০৪/২০২৫ পর্যন্ত ব্যক্তিগত কারণে আমি ছুটিতে থাকতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ এই যে, আমার উল্লিখিত সময়ের ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সদয় দৃষ্টি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৫/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ইংরেজি)। সম্প্রতি আমার শারীরিক অবস্থা কিছুটা দুর্বল, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমাকে ৫ দিনের জন্য সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ এই যে, আগামী ১৬/০৫/২০২৫ থেকে ২০/০৫/২০২৫ পর্যন্ত আমাকে চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছুটি মঞ্জুর করার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৭/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য ছুটির আবেদন মাননীয় মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: বিজ্ঞান)। আগামী ২৭/০৭/২০২৫ থেকে ৩০/০৭/২০২৫ পর্যন্ত একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছি। উক্ত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করলে আমি বিদ্যালয়ে আরও আধুনিক শিক্ষাদান কৌশল প্রয়োগ করতে সক্ষম হবো। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমাকে উল্লিখিত সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সদয় দৃষ্টি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, বিজ্ঞান বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" অতিরিক্ত শ্রেণি নেওয়ার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/০৮/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অতিরিক্ত শ্রেণি নেওয়ার অনুমতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: গণিত)। সম্প্রতি নবম শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী তাদের কোর্সের কিছু অধ্যায় বুঝতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উন্নতির জন্য আমি প্রতিদিন একটি অতিরিক্ত শ্রেণি নিতে ইচ্ছুক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমাকে অতিরিক্ত শ্রেণি পরিচালনার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" পদোন্নতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৯/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: পদোন্নতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি ২০১৫ সাল থেকে আপনার বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। দীর্ঘ ১০ বছরের কর্মজীবনে আমি শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে আসছি। বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, পদোন্নতির সময়সীমা পূর্ণ হয়েছে, এবং আমি সিনিয়র শিক্ষকের পদে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমার পদোন্নতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৫/১১/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ভূগোল)। আমাদের নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে একটি শিক্ষাসফরে যেতে চায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১০/১১/২০২৫ তারিখে আমরা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করতে চাই, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমাদের উক্ত শিক্ষাসফরের অনুমতি প্রদান করার জন্য সদয় দৃষ্টি দেবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ভূগোল বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা ভঙ্গ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১২/১২/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা ভঙ্গ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল মাননীয় মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: বাংলা)। সম্প্রতি আমার শ্রেণিকক্ষে কিছু শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে, যার ফলে স্বাভাবিক শিক্ষাদান ব্যাহত হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, বাংলা বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" ব্যক্তিগত পারিবারিক সমস্যার জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন,"তারিখ: ২০/০১/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ব্যক্তিগত পারিবারিক সমস্যার জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: পদার্থবিদ্যা)। পারিবারিক জরুরি সমস্যার কারণে আমাকে আগামী ২২/০১/২০২৬ থেকে ২৫/০১/২০২৬ পর্যন্ত ছুটির প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমাকে উল্লিখিত সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, পদার্থবিদ্যা বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ " অতিরিক্ত পাঠ্যপুস্তক বা শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৩/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অতিরিক্ত পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন মাননীয় মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ইতিহাস)। বর্তমানে বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রীর অভাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় বাধা সৃষ্টি করছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, অতিরিক্ত পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী সংগ্রহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইতিহাস বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের বিষয়ে অভিভাবক সমাবেশের অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/০৫/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের বিষয়ে অভিভাবক সমাবেশের অনুমতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ইংরেজি)। সম্প্রতি আমাদের বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নতি ও সমস্যা নিয়ে অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করার জন্য একটি অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের প্রয়োজন মনে করছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, উক্ত সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" পদোন্নতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: পদোন্নতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক (বিষয়: গণিত)। আমি গত ১০ বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করছি এবং বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছি। বিদ্যালয়ে আমার অবদানের পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার আবেদনটি যথাযথ বিবেচনা করে আমাকে পদোন্নতি মঞ্জুর করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" ট্রেনিং/সেমিনারে অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/০৭/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ট্রেনিং/সেমিনারে অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: কম্পিউটার বিজ্ঞান)। আগামী ১৫/০৭/২০২৬ থেকে ১৭/০৭/২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অংশগ্রহণ করলে আমি আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে আরও দক্ষতা অর্জন করতে পারবো। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি, আমাকে উক্ত কর্মশালায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, কম্পিউটার বিজ্ঞান ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" কর্মস্থল পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৮/২০২৬ বরাবর শিক্ষা অফিসার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা-১২১২ বিষয়: কর্মস্থল পরিবর্তনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি বর্তমানে ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজে ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। পারিবারিক কারণে আমাকে অন্য জেলায় স্থানান্তরিত হতে হবে। তাই, অনুগ্রহ করে আমাকে ঢাকার যেকোনো বিদ্যালয়ে বদলি করার অনুমতি প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, আমার আবেদনটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে আমাকে কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৯/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: রসায়ন)। বর্তমানে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রসায়ন বিষয়ের পাঠ শেষ করার জন্য আরও কিছু অতিরিক্ত ক্লাসের প্রয়োজন। আমি এই অতিরিক্ত ক্লাস নিতে আগ্রহী। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, রসায়ন বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" স্বাস্থ্যগত কারণে দীর্ঘমেয়াদী ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১২/১০/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: স্বাস্থ্যগত কারণে দীর্ঘমেয়াদী ছুটির আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ইতিহাস)। সম্প্রতি আমার স্বাস্থ্যগত কিছু সমস্যার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমাকে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা নিতে হবে। এজন্য আমি আগামী এক মাসের ছুটি নিতে ইচ্ছুক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে ১৫/১০/২০২৬ থেকে ১৫/১১/২০২৬ পর্যন্ত এক মাসের ছুটি মঞ্জুর করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইতিহাস বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস চালুর অনুমতি চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ২০/১১/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস চালুর অনুমতি চেয়ে আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: পদার্থবিদ্যা)। আমাদের বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে ভালো ফলাফল করতে পারছে না। তাই আমি বিশেষ সহায়ক ক্লাস পরিচালনার উদ্যোগ নিতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস নেওয়ার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, পদার্থবিদ্যা বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শ্রেণী পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/১২/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শ্রেণী পরিবর্তনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন ছাত্র (নাম)। আমার পূর্ববর্তী শ্রেণীতে ভালো ফলাফল আসেনি, এবং আমি আমার ভবিষ্যতের জন্য নতুন শ্রেণী পরিবর্তন করতে চাচ্ছি। এজন্য আমি ১১তম শ্রেণীতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে ১১তম শ্রেণীতে স্থানান্তরের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) শ্রেণী-১০, রোল-১৫" ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক সভার জন্য আবেদন,"তারিখ: ০১/০২/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অভিভাবক সভার আয়োজনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক। আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক সভা আয়োজনের প্রয়োজন। এতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করতে পারবেন এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কার্যকর শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব হবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, অভিভাবক সভা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইতিহাস বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" নতুন পাঠ্যবইয়ের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/০৩/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: নতুন পাঠ্যবইয়ের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক। আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন পাঠ্যবইয়ের প্রয়োজন, কারণ বর্তমানে ব্যবহৃত বইগুলি কিছুটা পুরানো এবং আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা অনুযায়ী উপযুক্ত নয়। নতুন বইগুলির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও আধুনিক এবং সমৃদ্ধ জ্ঞান লাভ করতে পারবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য নতুন পাঠ্যবইয়ের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, পদার্থবিদ্যা বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" ছাত্রদের জন্য গ্রুপ স্টাডি পরিচালনার অনুমতি চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ১৮/০৫/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ছাত্রদের জন্য গ্রুপ স্টাডি পরিচালনার অনুমতি চেয়ে আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক। আমি লক্ষ্য করেছি, কিছু ছাত্ররা ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষার ক্ষেত্রে কষ্ট পাচ্ছে এবং তারা একে অপরের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডি করতে আগ্রহী। এজন্য আমি ছাত্রদের জন্য একটি গ্রুপ স্টাডি পরিচালনা করতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ছাত্রদের জন্য গ্রুপ স্টাডি পরিচালনার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৭/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক। আমাদের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে পাঠক্রমের পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারছে না। যেমন: বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি, রসায়ন পরীক্ষার জন্য বিশেষ উপকরণ ইত্যাদি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, রসায়ন বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ " ছুটির দিন পরিবর্তন করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১২/০৮/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ছুটির দিন পরিবর্তন করার জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষক। আমাদের বিদ্যালয়ের চলমান ছুটির দিন সোমবারের পরিবর্তে শুক্রবার নির্ধারণ করা হলে শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সুবিধাজনক হবে, কারণ অনেক শিক্ষার্থী অন্য শহরে থাকে এবং সপ্তাহের শেষে তারা বাড়িতে চলে যায়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ছুটির দিন শুক্রবার নির্ধারণ করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, (বিষয়) ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৯/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা বিভাগের শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উন্নতির জন্য একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষার্থীরা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকবে এবং তাদের মধ্যে সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) শরীরচর্চা শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" পঠনপাঠন কৌশল পরিবর্তন করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২০/১০/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: পঠনপাঠন কৌশল পরিবর্তন করার জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। বর্তমানে আমরা যে পঠনপাঠন কৌশল ব্যবহার করছি, তা কিছু ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যথেষ্ট কার্যকর হচ্ছে না। আমি মনে করি যদি আমরা আরও আধুনিক কৌশল যেমন প্রজেক্ট ওয়ার্ক, ভিডিও লেকচার ইত্যাদি ব্যবহার করি, তবে শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, পঠনপাঠন কৌশল পরিবর্তন করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/১১/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক। কিছু শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ফলাফল নিয়ে কিছু সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। আমি মনে করি, পুনঃমূল্যায়ন করলে ফলাফল আরও সঠিক হতে পারে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, উক্ত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়ন করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" অনুপস্থিতির কারণ জানানো,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অনুপস্থিতির কারণ জানানো মাননীয় মহোদয়, সম্মানপূর্বক জানাচ্ছি যে, আমি গত ৩ দিনের জন্য বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলাম। এর কারণ হল আমার ব্যক্তিগত অসুস্থতা, যা চিকিৎসকের পরামর্শে আমি বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। অতএব, মহোদয়ের কাছে অনুরোধ, আমার অনুপস্থিতি একান্তভাবে মেনে নেওয়া হবে। বিনীত, (আপনার নাম) শ্রেণী-১০, রোল-২০ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষক বাতিল ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১২/০৯/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষক বাতিল ছুটির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। গত ১৫ তারিখে আমি বাতিল ছুটি নিয়েছিলাম কিন্তু পরিস্থিতি পরিবর্তিত হওয়ায় আমি সেই ছুটিটি বাতিল করতে চাচ্ছি এবং পুনরায় ক্লাসে যোগদান করতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার বাতিল ছুটি মঞ্জুর করে আমাকে পাঠদানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থীদের জন্য বই উপহার প্রদানের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বই উপহার প্রদানের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক। আমি ইচ্ছা পোষণ করি যে, উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেককে বই উপহার দেওয়া হোক। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার এই প্রস্তাবটি বিবেচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইতিহাস বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" ক্লাসের সময়সূচী পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৩/১২/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ক্লাসের সময়সূচী পরিবর্তনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক। আমি লক্ষ্য করেছি, বর্তমানে আমাদের স্কুলের ক্লাসের সময়সূচী শিক্ষার্থীদের জন্য কিছুটা অসুবিধাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি প্রস্তাব করছি, যদি কিছুটা পরিবর্তন করে ক্লাসের সময়সূচী আরও সুবিধাজনক করা যায়, তবে শিক্ষার্থীরা বেশি সুবিধা পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার প্রস্তাবটি বিবেচনা করার জন্য। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" অনুপস্থিতির কারণ জানানো,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অনুপস্থিতির কারণ জানানো মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [ক্লাস/বিভাগ] এর একজন শিক্ষার্থী, [শিক্ষক/শিক্ষিকার নাম]-এর অধীনে পাঠগ্রহণ করছি। আমি দুঃখিত যে, [তারিখ/তারিখসমূহ] আমি শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত হতে পারিনি। এটি জানিয়ে আমি আপনাকে অবহিত করতে চাই যে, [অসংখ্য কারণে যেমন: আমার স্বাস্থ্য সমস্যা/পারিবারিক সমস্যা/যানবাহনের সমস্যা/প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি] কারণে আমি বিদ্যালয়ে আসতে সক্ষম হয়নি। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি না ঘটানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আপনার দয়া করে অনুপস্থিতি স্বীকার করার অনুরোধ রইল। বিনীত, (আপনার নাম) শ্রেণী-১০, রোল-২০ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" রাস্তাঘাট মেরামত ও পানির সরবরাহ সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন,"প্রাপক চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তাঘাট মেরামত ও পানির সরবরাহ সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সাধারণ বাসিন্দা। আমি আপনাকে জানাতে চাই যে, আমাদের এলাকায় কিছু গুরুতর নাগরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। প্রথমত, [রাস্তার নাম] রাস্তার অবস্থান খুবই খারাপ, এবং এতে অনেক বড় বড় গর্ত পড়ে গেছে, যার কারণে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই রাস্তার মেরামত প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, আমাদের এলাকায় পানির সরবরাহ অত্যন্ত অনিয়মিত এবং প্রায়ই পানি বন্ধ হয়ে যায়, যা আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে সমস্যা সৃষ্টি করছে। এতে বেশিরভাগ সময় খাবার পানি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যেন আপনি এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান করতে সহায়তা করেন। আপনার দয়া করে আমাদের এলাকার সড়ক মেরামত এবং পানি সরবরাহের ব্যবস্থা সুস্থ এবং নিয়মিত করার জন্য পদক্ষেপ নেবেন, এমন আশা রাখছি। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তার লাইট মেরামতের জন্য আবেদন,"প্রাপক চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তার লাইট মেরামতের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সাধারণ বাসিন্দা। আমাদের এলাকার অনেক রাস্তার বাতি নষ্ট হয়ে গেছে এবং অন্ধকারে পড়ে থাকার কারণে এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। আমি আপনার নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত আমাদের এলাকার রাস্তার বাতি মেরামত বা নতুন বাতি বসানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে এলাকাবাসীর চলাচল এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" অবৈধ নির্মাণ এবং অবৈধ দখল সম্পর্কে অভিযোগ,"প্রাপক চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: অবৈধ নির্মাণ এবং অবৈধ দখল সম্পর্কে অভিযোগ। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন বাসিন্দা। আমি দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় [নির্দিষ্ট ঠিকানা বা সড়ক] এলাকায় কিছু অবৈধ নির্মাণ কাজ চলছে, যা স্থানীয় নিয়মাবলী এবং আইন লঙ্ঘন করছে। এই নির্মাণ কাজটি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত এবং এর ফলে যে সমস্যাগুলি সৃষ্টি হচ্ছে, যেমন: যানজট, পরিবেশ দূষণ, এবং জনগণের চলাচলে বিঘ্ন, তা দ্রুত সমাধান করা দরকার। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যেন আপনি দ্রুত পদক্ষেপ নেন এবং এই অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেন। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশি সহায়তা প্রার্থনা,"প্রাপক থানার ওসি, [থানার নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশি সহায়তা প্রার্থনা। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে চুরি ও দুষ্কৃতিকারীদের চলাফেরা বেড়ে গেছে, যার কারণে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে, রাতের বেলা অনেক বাড়ির আশেপাশে অস্বাভাবিক আওয়াজ শোনা যাচ্ছে এবং এলাকায় কিছু সন্দেহজনক লোককে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে আমাদের এলাকায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আপনি এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আমাদের এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবেন। পুলিশি পেট্রলিং এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলি চালু করা অত্যন্ত জরুরি। আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" পানির সরবরাহ সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন,"প্রাপক চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: পানির সরবরাহ সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সাধারণ বাসিন্দা। আমি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে পানির সরবরাহে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাধারণ জীবনযাত্রায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এমনকি, অনেক বাড়িতে পানির অভাব হয়ে পড়েছে, এবং এলাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা বাড়ছে। আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত পানির সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার জন্য পদক্ষেপ নেবেন। আপনার সহানুভূতির জন্য ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তা মেরামত করার জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমি আপনাকে জানাতে চাই যে, আমাদের এলাকার [রাস্তার নাম] রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ এবং এতে অনেক বড় বড় গর্ত পড়ে গেছে, যার কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এই সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি। যদি এই রাস্তা মেরামত করা না হয়, তাহলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমি আশা করি আপনি দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" নিরাপত্তা সমস্যা সম্পর্কিত পুলিশি সহায়তার জন্য আবেদন,"প্রাপক: থানার ওসি, [থানার নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: এলাকায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যার জন্য পুলিশি সহায়তার আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় কিছু দিন ধরে রাতের বেলা চুরির ঘটনা বাড়ছে এবং সন্দেহজনক লোকজনের চলাফেরা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। আমি আপনার নিকট আবেদন জানাচ্ছি যে, পুলিশি পেট্রলিং বৃদ্ধি করা হোক এবং এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে আমাদের এলাকায় চুরি এবং অপরাধের হার কমবে এবং আমরা নিরাপদে বসবাস করতে পারব। আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" পানির সরবরাহ সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: পানির সরবরাহ সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে পানির সরবরাহ নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পানির অভাবে আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি, অনেকে সুপেয় পানির অভাবে বিপদগ্রস্ত হচ্ছেন। আমি অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক এবং আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" অবৈধ নির্মাণ বা দখল সম্পর্কিত আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: অবৈধ নির্মাণ বা দখল সম্পর্কিত অভিযোগ। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন বাসিন্দা। আমি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার [নির্দিষ্ট স্থানের নাম] এলাকায় কিছু লোক অবৈধভাবে জমি দখল করেছে এবং নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। এই কাজটি স্থানীয় আইন ও নিয়মের বিরোধী এবং এলাকাবাসীর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। আপনার নিকট আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হোক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় আবর্জনা পরিষ্কারের যথাযথ ব্যবস্থা নেই। রাস্তা, গলিতে এবং জনবহুল স্থানে জমে থাকা আবর্জনা পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করছে এবং বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক এবং আমাদের এলাকায় আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তার বাতি মেরামতের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তার বাতি মেরামতের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার রাস্তার বাতিগুলি বেশ কিছু দিন ধরে অযত্নে পড়ে আছে এবং কিছু বাতি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে সন্ধ্যার পর থেকে রাস্তায় চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে এবং নিরাপত্তা সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই রাস্তার বাতিগুলোর মেরামত করা হোক, যাতে এলাকাবাসী নিরাপদে চলাচল করতে পারে। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেটের অভাব রয়েছে, যার ফলে স্থানীয় লোকজন বিশেষ করে মহিলারা ও শিশুদের চলাচলে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। রাস্তার পাশে অবস্থিত বিভিন্ন দোকান এবং বাজারে এসব সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, শীঘ্রই আমাদের এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তার সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তার সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার কোনো সাইনবোর্ড নেই, যার কারণে নতুন মানুষ ও যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছাতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে, [রাস্তার নাম] এর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, যেখানে সঠিক নির্দেশনা না থাকায় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি অনুরোধ করছি যে, শীঘ্রই এই রাস্তার সাইনবোর্ড স্থাপনের ব্যবস্থা করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় প্রতিদিনই আবর্জনা জমে যায়, তবে পরিষ্কার করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়নি। এ কারণে রাস্তা ও গলিতে বিশাল আবর্জনার স্তূপ পড়ে থাকে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং এলাকাবাসীর জন্য অসুবিধাজনক। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে নিয়মিত পরিষ্কার করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার নর্দমা ব্যবস্থাপনা খুবই অপর্যাপ্ত, যার ফলে বৃষ্টি হলে রাস্তা এবং ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে যায়। এই সমস্যা এলাকাবাসীর জন্য খুবই বিরক্তিকর এবং স্বাস্থ্যজনিত ঝুঁকি তৈরি করছে। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, শীঘ্রই নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নত করা হোক এবং স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর] " রাস্তার পেভমেন্ট তৈরি করার জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তার পেভমেন্ট তৈরি করার জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার অনেক রাস্তা পেভমেন্ট বিহীন এবং খারাপ অবস্থায় রয়েছে, যা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য খুবই অসুবিধাজনক। বিশেষ করে, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা তৈরি হয় এবং মাটির রাস্তা হয়ে পড়ে খুবই কাদাযুক্ত। আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই রাস্তার পেভমেন্ট নির্মাণ করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" যান চলাচলের নিয়ন্ত্রণের জন্য আবেদন,"প্রাপক: থানার ওসি, [থানার নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় রাস্তার প্রশস্ততা কম এবং এখানে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করে, যার ফলে তীব্র ট্র্যাফিক jam তৈরি হয় এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ে। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এখানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে এলাকাবাসী নিরাপদভাবে চলাচল করতে পারে। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন নিয়মিত বাসিন্দা। আমাদের এলাকার [রাস্তার নাম] রাস্তা বেশ কিছুদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষাকালে পানি জমে এবং রাস্তায় চলাচল করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে, যার ফলে বাসিন্দাদের চলাচলে অসুবিধা হয় এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই রাস্তার মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে এলাকাবাসী সহজেই চলাচল করতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" রাস্তার বাতি স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার বাতি স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় রাস্তার কোনো বাতি নেই, যার কারণে সন্ধ্যার পর থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে মহিলাদের চলাচল অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত আমাদের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার জন্য বাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হোক। এতে করে এলাকাবাসী নিরাপদভাবে চলাচল করতে পারবে। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" শুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় পানির সংকট একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষাকালে জলজটের কারণে পানি পেতে অনেক সময় খোঁজাখুঁজি করতে হয় এবং অনেক সময় নোংরা পানি পান করতে হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, শুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে এলাকার বাসিন্দারা নিরাপদ পানি পান করতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় রাতের বেলা চুরি ও অন্যান্য অপরাধের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় নিরাপত্তার অভাব এবং পথচারীদের নিরাপত্তাহীনতা বিশেষভাবে মহিলাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এলাকায় নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হোক, যাতে অপরাধমূলক কার্যক্রম কমানো যায় এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় সঠিক সময়ে আবর্জনা পরিষ্কার করা হয় না, যার ফলে রাস্তার পাশে আবর্জনার স্তূপ জমে থাকে। এর কারণে এলাকা অপরিষ্কার ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়ে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং বাসিন্দাদের অসুবিধার কারণ। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হোক এবং নিয়মিত পরিষ্কার করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার নর্দমা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত, যার কারণে বর্ষাকালে পানি জমে রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং বাসিন্দাদের চলাচলে অসুবিধা হয়। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে এলাকাবাসী কোনো অসুবিধায় পড়ে না। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি সাহায্যের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি সাহায্যের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকায় বর্তমানে খরা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে আমার ফসলের আবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে, আমি কৃষি চাষাবাদ চালিয়ে যেতে পারছিনা এবং আমার জীবিকা বিপদগ্রস্ত। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য ও সার সরবরাহ করা হোক, যাতে আমি আমার কৃষিকাজ পুনরায় শুরু করতে পারি এবং এলাকার অন্যান্য কৃষকদের সহায়তা করা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি যন্ত্রপাতি সহায়তার জন্য আবেদন।,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি যন্ত্রপাতি সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা এখনো অত্যন্ত প্রাচীন যন্ত্রপাতি দিয়ে কৃষিকাজ করে থাকেন, যা সময়ের সাথে সাথে খুবই অপ্রতুল হয়ে পড়েছে। এ কারণে, উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে এবং কৃষকদের আর্থিক দুরবস্থা বেড়ে যাচ্ছে। অতএব, আমি আপনাকে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সহায়তা হিসেবে সরবরাহ করা হোক, যেন আমাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং আমাদের আর্থিক অবস্থা উন্নত হয়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" ব্যবসায়িক অনুমতি প্রাপ্তির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসায়িক অনুমতি প্রাপ্তির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমি একটি ছোট ব্যবসা শুরু করতে চাই যা আমাদের এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য সহায়ক হতে পারে। আমার ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও লাইসেন্স আমি চাচ্ছি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করা হোক যাতে আমি আমাদের এলাকার উন্নতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" দোকানের সামনে জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে সহায়তা প্রার্থনা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের সামনে জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন দোকান মালিক। আমার দোকানের সামনে বেশ কিছুদিন ধরে পানি জমে থাকে, যা বিশেষ করে বর্ষাকালে আরও সমস্যা সৃষ্টি করে। এর ফলে আমাদের ব্যবসা এবং এলাকাবাসীর চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই জলাবদ্ধতা সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হোক, যাতে ব্যবসা ও সাধারণ জনগণের চলাচল সহজ হয়। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কমিউনিটি প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটি প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমাদের এলাকার একটি কমিউনিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাই, যা এখানকার জনসাধারণের সুবিধা ও উন্নতির জন্য সহায়ক হবে। তবে, এই প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের কমিউনিটি প্রকল্পে সহায়তার জন্য যথাযথ আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " সাধারণ প্ল্যাটফর্ম বা পাবলিক টয়লেট মেরামতের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সাধারণ প্ল্যাটফর্ম বা পাবলিক টয়লেট মেরামতের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় অবস্থিত পাবলিক টয়লেটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং ব্যবহার উপযোগী নয়। এটির অবস্থা দিনদিন আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে এলাকাবাসীর জন্য অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই পাবলিক টয়লেটটি মেরামত বা পুনর্নির্মাণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" সার এবং সেচ সাহায্যের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সার এবং সেচ সাহায্যের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। এবছর আমাদের এলাকার চাষাবাদে ফলন কম হওয়ার কারণে কৃষি কাজে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। বিশেষ করে সারের অভাব এবং সেচের সংকট কৃষকরা চরমভাবে অনুভব করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য উপযুক্ত পরিমাণে সার এবং সেচ সুবিধা প্রদান করা হোক, যাতে আমরা আমাদের কৃষি কাজ পুনরায় চালিয়ে যেতে পারি এবং ফলন বৃদ্ধি পায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" বীজ সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বীজ সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। গত কয়েক মাসে আমাদের এলাকায় প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এবং এলাকার অন্যান্য কৃষকরা এখন নতুন ফসল চাষ করতে আগ্রহী, কিন্তু ভালো বীজের অভাব রয়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য ভালো মানের বীজ সরবরাহ করা হোক, যাতে আমরা নতুন চাষাবাদ শুরু করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি উন্নয়ন ঋণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি উন্নয়ন ঋণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা এখনো প্রচলিত পুরনো পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকে, যার ফলে উৎপাদনশীলতা খুবই কম। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার না করার কারণে আমরা পর্যাপ্ত ফসল পেতে পারছি না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষি উন্নয়নের জন্য একটি সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হোক, যাতে আমরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারি এবং আমাদের ফসলের উৎপাদন বাড়াতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষকদের জন্য সেচ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষকদের জন্য সেচ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় সেচ ব্যবস্থার অভাব রয়েছে, যার কারণে শুকনো মৌসুমে কৃষকরা ফসল উৎপাদন করতে পারেন না। এই সমস্যার কারণে কৃষকদের চরম আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য একটি আধুনিক সেচ ব্যবস্থা স্থাপন করা হোক, যাতে আমরা উৎপাদনক্ষম ফসলের আবাদ করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" ফসল বিমার ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ফসল বিমার ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। গত মৌসুমে আমাদের এলাকার বোরো ফসল অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অতিবৃষ্টির কারণে। আমি ফসল বিমার আওতায় আবেদন করেছিলাম, কিন্তু এখনো কোনো ক্ষতিপূরণ পাইনি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হোক, যাতে আমি পরবর্তী চাষের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যা সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় বেশ কিছু কৃষক আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে অজ্ঞ। কৃষি কাজে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ আমাদের এলাকায় খুবই জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হোক, যাতে আমরা আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারি এবং আমাদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা বর্তমানে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। এতে কৃষকদের আর্থিক দুরবস্থা দিন দিন বাড়ছে এবং তাদের পক্ষে ফসল চাষ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষি পণ্যের বাজার মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক, যাতে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পেতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি ঋণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি ঋণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় অধিকাংশ কৃষকরা কৃষি কাজে উন্নত প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে অক্ষম। তাদের অধিকাংশেরই ঋণের প্রয়োজন, কিন্তু ঋণের উচ্চ সুদের কারণে তারা তা গ্রহণ করতে পারছেন না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য স্বল্প সুদের ঋণ প্রদান করা হোক, যাতে তারা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারেন এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যা সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" সেচের জন্য পানি সরবরাহের আবেদন।,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সেচের জন্য পানি সরবরাহের আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকার কৃষকরা সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানি পাচ্ছেন না, যার কারণে আমাদের ফসলের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। খরা পরিস্থিতিতে আমাদের ফসল বাঁচানোর জন্য সেচ ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় সেচের জন্য পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আমরা ভালো ফসল ফলাতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" বন্যা ত্রাণ সহায়তার জন্য আবেদন,"৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বন্যা ত্রাণ সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। সম্প্রতি আমাদের এলাকায় প্রচন্ড বন্যা হয়েছে, যার কারণে আমাদের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের ফসল নষ্ট হওয়ায় আমাদের জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হোক, যাতে আমরা পুনরায় কৃষিকাজ শুরু করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যা সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" রাস্তার আলো স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার আলো স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার [রাস্তার নাম] রাস্তাটি রাতের বেলা অন্ধকারে থাকে, যার কারণে নিরাপত্তার অভাব সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলা পথচারী এবং যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, এবং কিছুদিন আগে এখানে একটি দুর্ঘটনাও ঘটে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই রাস্তার পর্যাপ্ত সংখ্যক আলো স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে করে এলাকাবাসী নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " নতুন ব্যবসায়ের জন্য কর অব্যাহতি প্রার্থনা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন ব্যবসায়ের জন্য কর অব্যাহতি প্রার্থনা। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমি সম্প্রতি একটি ছোট ব্যবসা শুরু করেছি, যা এলাকার মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সহায়ক হতে পারে। আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য কিছু কর অব্যাহতি প্রদান করা হোক, যাতে আমি ব্যবসার বিস্তার করতে পারি এবং এলাকাবাসীকে আরো সুযোগ দিতে পারি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, নতুন ব্যবসায়ীদের সহায়তা প্রদানের জন্য আমাকে কিছু কর অব্যাহতি প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" অপরাধ প্রবণ এলাকায় পুলিশ প্যাট্রোলিং এর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অপরাধ প্রবণ এলাকায় পুলিশ প্যাট্রোলিং এর জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে অপরাধ বাড়ছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাতের বেলা অপরাধীদের আক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় পুলিশের প্যাট্রোলিং বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে এলাকাবাসী নিরাপদে থাকতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই নিরাপত্তার সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার আবর্জনা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল, এবং এটি পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় সঠিক সময়ে আবর্জনা সংগ্রহ করা হয় না এবং এটি রাস্তার পাশে পড়ে থাকে, যা এলাকার সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই আবর্জনা ব্যবস্থাপনা সিস্টেমটি উন্নত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে আমাদের এলাকা পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যসম্মত থাকে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পের জন্য অর্থ সাহায্য প্রার্থনা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পের জন্য অর্থ সাহায্য প্রার্থনা। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সমাজসেবক। আমাদের এলাকায় অনেক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত, এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প চালু করার প্রয়োজন। এই ক্যাম্পটি এলাকার দরিদ্র জনগণের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" রাস্তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমাদের এলাকার প্রধান রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অনেক সময় বিপদজনক হয়ে পড়ে, কারণ রাস্তার কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই এবং সঠিক সংকেত বা সিগন্যালের অভাব রয়েছে। বিশেষ করে স্কুলের সময় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই রাস্তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পশু চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পশু চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমার খামারে কিছু পশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে এবং তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সাহায্য প্রাপ্তি হচ্ছে না। পশুর চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায়, আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার পশুদের জন্য একজন দক্ষ পশুচিকিৎসক নিয়োগ করা হোক, যাতে আমরা আমাদের পশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা পুরনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কাজ করছেন, যা তাদের কাজের গতি এবং ফলন উভয়ই কমিয়ে দিয়েছে। নতুন কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ না হওয়ায়, আমরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি থেকে পিছিয়ে পড়ছি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হোক, যাতে তারা তাদের কাজ দক্ষতার সাথে করতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" সেচ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সেচ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকায় কৃষি সেচের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের অভাব রয়েছে, যার কারণে ফসলের সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে পানির অভাবে কৃষকরা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, সেচ ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে কৃষকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে তাদের ফসলের সেচ ব্যবস্থা চালাতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" খরার কারণে সাহায্যের জন্য আবেদন।,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খরার কারণে সাহায্যের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় অত্যন্ত খরা চলছে, এবং জমিতে পানি না থাকায় ফসলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষকদের জন্য এ এক বিপর্যয়কর পরিস্থিতি, এবং আমাদের আর্থিক অবস্থাও খারাপ হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, খরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হোক, যাতে আমরা আমাদের ফসল পুনরায় চাষ করতে সক্ষম হই। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি পণ্যের পরিবহন জন্য রাস্তাঘাট নির্মাণের আবেদন,"৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি পণ্যের পরিবহন জন্য রাস্তাঘাট নির্মাণের আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় রয়েছে, যার কারণে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিয়ে যেতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বৃষ্টি বা শীতকালীন সময়ে এসব রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে, এবং এর ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার রাস্তা মেরামত এবং নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হোক, যাতে কৃষকরা তাদের ফসল সহজে বাজারে পৌঁছাতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" চারা বিতরণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: চারা বিতরণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। এবছর আমাদের এলাকায় ভাল মানের বীজ পাওয়া খুবই কঠিন। এর ফলে চাষাবাদে সমস্যা হচ্ছে এবং কৃষকদের অনেকেই সঠিক সময়ে চাষ শুরু করতে পারছেন না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য ভাল মানের বীজ বিতরণ করা হোক, যাতে আমরা নির্ধারিত সময়ে চাষ শুরু করতে পারি এবং উৎপাদন বাড়াতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" ড্রেনেজ সিস্টেম উন্নত করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ড্রেনেজ সিস্টেম উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার ড্রেনেজ সিস্টেম বেশ কিছুদিন ধরে অপ্রতুল এবং বৃষ্টির মৌসুমে জলজট সৃষ্টি হয়। এই কারণে এলাকার সড়ক ও বাসাবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে, যা বাসিন্দাদের জন্য ভীষণ সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার ড্রেনেজ সিস্টেমের উন্নতি করা হোক, যাতে বর্ষাকালে জলজট সৃষ্টি না হয় এবং বাসিন্দারা কোনো সমস্যা ছাড়াই চলাচল করতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" অবৈধ দোকানপাট সরানোর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অবৈধ দোকানপাট সরানোর জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি কিছুদিন ধরে অবৈধ দোকানপাট দ্বারা দখল হয়ে গেছে, যার কারণে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ জনগণের চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এই অবৈধ দোকানগুলি আমাদের এলাকার সৌন্দর্য এবং নিরাপত্তায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এসব অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে এলাকায় শান্তি এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ তহবিল আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ তহবিল আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। সম্প্রতি, আমাদের এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক মানুষ তাদের বাড়িঘর ও অন্যান্য সম্পত্তি হারিয়ে বসবাসের সমস্যায় পড়েছেন। তাদের পুনর্বাসন এবং জরুরি সহায়তার জন্য ত্রাণ তহবিল অত্যন্ত জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বন্যার্তদের সাহায্য করার জন্য ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ করা হোক, যাতে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " ট্রাফিক জ্যাম সমস্যা সমাধানে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রাফিক জ্যাম সমস্যা সমাধানে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং প্রতিদিন প্রচুর যানবাহন চলাচল করে, যার কারণে ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি হয় এবং এলাকাবাসী অসুবিধায় পড়ে। এই সমস্যাটি সঠিকভাবে সমাধান না হলে, ব্যবসায়ী এবং বাসিন্দাদের জন্য বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় রাস্তা সম্প্রসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে যানজট কমিয়ে আনা যায় এবং সড়ক নিরাপদ হয়। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় পাবলিক টয়লেটের অভাব রয়েছে, যা বিশেষ করে পথচারীদের এবং পর্যটকদের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ জনগণকে পরিবেশগতভাবে অস্বাস্থ্যকর স্থানে শৌচকর্ম করতে বাধ্য হতে হচ্ছে, যা এলাকার স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পাবলিক স্থানগুলোতে ফ্রি Wi-Fi সুবিধা প্রদান করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পাবলিক স্থানগুলোতে ফ্রি Wi-Fi সুবিধা প্রদান করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন শিক্ষার্থী। বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট একটি অপরিহার্য উপকরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম। আমাদের এলাকায় পাবলিক স্থানে Wi-Fi সুবিধার অভাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের এবং অন্যান্য নাগরিকদের জন্য একটি বড় অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার পাবলিক স্থানগুলোতে ফ্রি Wi-Fi সুবিধা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি ঋণ পাওয়ার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ম্যানেজার [ব্যাংকের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি ঋণ পাওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমার ফসল চাষের জন্য কিছু অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি এত টাকা জোগাড় করতে পারছি না। যদি আমি ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ পেয়ে যাই, তাহলে এটি আমার চাষাবাদে অত্যন্ত সহায়ক হবে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাকে সরকারি কৃষি ঋণ প্রদান করা হোক, যাতে আমি স্বল্পসুদে চাষাবাদ পরিচালনা করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" সার ও কীটনাশকের জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সার ও কীটনাশকের জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমাদের এলাকায় বর্তমানে উচ্চমূল্যের কারণে পর্যাপ্ত সার ও কীটনাশক পাওয়া যাচ্ছে না, যা আমাদের কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত সমস্যার সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য সরকারি সার ও কীটনাশকের বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে আমাদের সমস্যার সমাধান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" ফসলহানি ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়নের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ফসলহানির জন্য ক্ষতিপূরণের আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। সম্প্রতি অতিবৃষ্টি/বন্যা/খরা/ঝড়ের কারণে আমার ফসল সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি এবং পরবর্তী চাষের জন্য কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হোক, যাতে আমি পুনরায় চাষাবাদ শুরু করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, কৃষকদের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সীমিত, যার ফলে আমরা কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করতে পারছি না। যদি আমাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে আমরা উন্নত কৃষি প্রযুক্তি শিখতে পারব। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের জন্য একটি আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে আমাদের সহায়তা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" খাল/নালা খননের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়নের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খাল/নালা খননের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে ফসল নষ্ট হচ্ছে, এবং সেচের পানির অভাবও দেখা দিয়েছে। যদি এলাকায় একটি খাল/নালা খনন করা হয়, তাহলে জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং আমরা সহজেই সেচের পানি পেতে পারব। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের সুবিধার্থে একটি খাল/নালা খননের ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে এই বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়নের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার প্রধান পুকুরটি অনেকদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সেটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কৃষিকাজ এবং মৎস্য চাষের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বর্তমানে সেটি কচুরিপানায় ভরে গেছে এবং পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার প্রধান পুকুরটি সংস্কার করা হোক, যাতে আমরা তা কৃষিকাজ ও মৎস্য চাষে ব্যবহার করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করুন এবং পুকুরটি সংস্কারের ব্যবস্থা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" শিক্ষা সফরের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষা সফরের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণির নাম] শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফরের আয়োজন করতে চাই। শিক্ষা সফর আমাদের জ্ঞানার্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বইয়ের বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেয়। আমাদের ইচ্ছা রয়েছে [শিক্ষা সফরের স্থান] ভ্রমণ করার, যা আমাদের পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত। এমতাবস্থায়, আপনার অনুমতি প্রদান করলে আমরা আনন্দের সাথে এই শিক্ষা সফরে অংশগ্রহণ করতে পারব এবং আমাদের জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে পারব। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাদের এই শিক্ষা সফরের অনুমতি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম]" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আরও বই সংযোজনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আরও বই সংযোজনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত বই নেই, যার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনেক অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে উচ্চতর গণিত, বিজ্ঞান, সাহিত্য এবং সাধারণ জ্ঞানের বইয়ের অভাব রয়েছে। ভালো মানের বই থাকলে আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারব। এমতাবস্থায়, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আরও বই সংযোজন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। অতএব, মহোদয়ের কাছে অনুরোধ, আমাদের অনুরোধটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজনের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম]" পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের আসন্ন পরীক্ষার সময়সীমা অত্যন্ত কম, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। আমরা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর সম্পূর্ণভাবে লিখতে পারছি না, কারণ পরীক্ষার সময়সীমা কম থাকায় আমরা দ্রুততার সাথে লিখতে বাধ্য হচ্ছি। এতে আমাদের পরীক্ষার ফলাফল নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। এমতাবস্থায়, আমাদের পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য আপনার সদয় অনুমোদন কামনা করছি। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাদের পরীক্ষার সময়সীমা কিছুটা বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম]" দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণির নাম] শ্রেণির একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল। আমার বাবা একজন দিনমজুর, যার উপার্জন দিয়ে আমাদের পরিবারের খরচ চালানো খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমি সবসময় ভালো ফলাফল করে আসছি এবং আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছা রয়েছে। কিন্তু অর্থের অভাবে আমার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, আমি বিনীত অনুরোধ করছি, আমাকে একটি উপবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমি আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারব। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে আমাকে বৃত্তির সুযোগ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম] " বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। অনেক শিক্ষার্থীকে বাইরে থেকে পানি আনতে হয়, যা অনেক সময় স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এমতাবস্থায়, বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির একটি ভালো ব্যবস্থা করা হলে শিক্ষার্থীরা সুস্থভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে। অতএব, মহোদয়ের কাছে অনুরোধ, বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম]" কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ছাড়া চাষাবাদ করা খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, ধান কাটার মেশিন এবং বীজ রোপণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে সরকারি কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হোক, যাতে আমরা চাষাবাদে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" খামার উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খামার উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র কৃষক। আমি গবাদিপশু পালন করি এবং একটি ছোট খামার পরিচালনা করি। কিন্তু বর্তমানে খাদ্য সংকট, ওষুধের উচ্চমূল্য এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে খামার পরিচালনা করতে কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার খামার উন্নয়নের জন্য সরকারি সহায়তা প্রদান করা হোক, যাতে আমি আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকাজ ও পশুপালন চালিয়ে যেতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে উন্নত কৃষি গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের কৃষিক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। আমি কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী, যাতে আধুনিক চাষাবাদ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাকে ও আমার এলাকার কৃষকদের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সুযোগ প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের সহযোগিতা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পুকুরে মৎস্য চাষের জন্য সরকারি সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুকুরে মৎস্য চাষের জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমি আমার নিজস্ব পুকুরে মৎস্য চাষ করতে চাই, কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, সরকারি অনুদান বা সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে আমাকে মৎস্য চাষের জন্য সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি বীমার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ব্যাংক ম্যানেজার [ব্যাংকের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি বীমার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলহানির শিকার হন। এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য একটি কার্যকরী কৃষি বীমা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য একটি উপযুক্ত কৃষি বীমা সুবিধা চালু করা হোক, যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " সেচের পানির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সেচের পানির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় সেচের পানির অভাবে ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সেচের পানির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আমরা স্বাভাবিকভাবে চাষাবাদ করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: একজন শিক্ষকের অসদাচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের [শিক্ষকের নাম] স্যারের আচরণ শিক্ষার্থীদের প্রতি যথাযথ নয়। তিনি আমাদের সঙ্গে প্রায়ই রুঢ়ভাবে কথা বলেন এবং কখনো কখনো অন্যায়ভাবে শাস্তি প্রদান করেন, যা আমাদের মনোবলে প্রভাব ফেলছে। আমরা শ্রদ্ধার সাথে শিক্ষকতাকে দেখি এবং শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে আগ্রহী। তবে এমন ব্যবহারে অনেকেই ক্লাসে মনোযোগ হারাচ্ছে এবং আতঙ্কে থাকছে। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর]" বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব রয়েছে। ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট-বল, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদি সরঞ্জাম বহু পুরোনো এবং ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু সরঞ্জামের অভাবে আমরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট অনুরোধ, বিদ্যালয়ে নতুন খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর]" অসুস্থতার কারণে ছুটির আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: অসুস্থতার জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি কয়েকদিন যাবৎ জ্বরে ভুগছি এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামের প্রয়োজন। ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, আমি [তারিখ] থেকে [তারিখ] পর্যন্ত ছুটি অনুমোদনের জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর]" পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমার কিছু পারিবারিক সমস্যার কারণে আমি বিগত কয়েকদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারিনি এবং প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষার ফরম পূরণেও বিলম্ব হয়েছে। আমি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক এবং প্রস্তুতও রয়েছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন, আমাকে আসন্ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রদানের অনুরোধ করছি। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর]" নতুন শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: নতুন শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি অষ্টম শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলাম। সদ্যসমাপ্ত বার্ষিক পরীক্ষায় আমি উত্তীর্ণ হয়ে নবম শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছি। আমি বিজ্ঞান/মানবিক/বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হতে আগ্রহী এবং এই বিভাগের প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন, আমাকে নবম শ্রেণির [বিভাগের নাম] বিভাগে ভর্তি হওয়ার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] পূর্বতন শ্রেণি: অষ্টম, রোল: [রোল নম্বর]" এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কারের জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: এলাকার প্রধান সড়ক সংস্কারের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [তোমার নাম], [গ্রামের নাম], [ইউনিয়নের নাম] এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের গ্রাম সংলগ্ন প্রধান সড়কটি বর্তমানে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষার মৌসুমে রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে যায় এবং শুকনো মৌসুমে ধুলাবালিতে ভরে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত, কৃষকদের ফসল আনা-নেওয়া, রোগীদের হাসপাতালে যাওয়া – সবই চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আমরা কয়েকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এলাকাবাসীর পক্ষে আমি আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত আবেদন, গ্রামবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে ও জনস্বার্থে অতি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] গ্রাম: [নাম], ইউনিয়ন: [নাম], উপজেলা: [নাম] মোবাইল: [নম্বর]" এলাকায় মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) [থানার নাম] থানা [জেলা]। বিষয়: এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রয় বন্ধের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় মাদকের ভয়াবহ ছোবল দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে এবং রাতের বেলায় রাস্তার মোড়ে ও পাড়ায় পাড়ায় মাদক সেবন ও কেনাবেচা চলছে। এই অবস্থায় অভিভাবকরা আতঙ্কে আছেন, স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীরা বিপথগামী হচ্ছে। আমরা চাই না আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নষ্ট হোক। অতএব, আপনার কাছে বিনীত আবেদন, অবিলম্বে এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক চক্র নির্মূল ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] গ্রাম: [নাম], ইউনিয়ন: [নাম], জেলা: [নাম] মোবাইল: [নম্বর]" বিদ্যুৎ সমস্যার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ব্যবস্থাপক বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড [উপজেলা/জেলা]। বিষয়: বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমরা [গ্রামের নাম], [উপজেলা] এলাকার বাসিন্দা দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভুগছি। প্রায় প্রতিদিনই ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে এবং কম্পিউটার, টিভি, ফ্যানসহ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় ব্যাপক সমস্যা অনুভব করছে। কয়েকবার স্থানীয় অফিসে জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] গ্রাম: [নাম], উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]" এলাকার ড্রেনেজ সমস্যা নিরসনে পৌরসভার কাছে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [জেলা]। বিষয়: এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন। জনাব, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের [মহল্লা/ওয়ার্ড নাম] এলাকায় পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে যায়। দীর্ঘক্ষণ এই জলাবদ্ধতা থাকার ফলে দুর্গন্ধ, মশার উপদ্রব এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। স্থানীয়ভাবে চেষ্টা করেও স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হয়নি। এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং জনজীবনে বড় প্রভাব ফেলছে। অতএব, এলাকার জনস্বার্থে দ্রুত একটি কার্যকর ড্রেন নির্মাণ বা সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] ওয়ার্ড: [নম্বর], পৌরসভা: [নাম], জেলা: [নাম]" বিদ্যালয়ের পাঠাগার উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: বিদ্যালয়ের পাঠাগার উন্নয়নের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমরা আপনার প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রছাত্রী। আমরা লক্ষ্য করছি যে বিদ্যালয়ের পাঠাগারে পর্যাপ্ত বই ও বসার ব্যবস্থা নেই। অধিকাংশ বই পুরাতন ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন মেটাতে অক্ষম। বর্তমানে আমরা পাঠ্যবইয়ের বাইরে সাধারণ জ্ঞানের বই, সাহিত্যের বই ও কারিগরি বই পড়ার প্রতি আগ্রহী হচ্ছি। কিন্তু উপযুক্ত বই ও পরিবেশের অভাবে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। পাঠাগারকে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চার এক অনন্য কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ আরও আলোকিত হবে। অতএব, আমাদের এই চাহিদার গুরুত্ব বিবেচনা করে পাঠাগারে নতুন বই সংযোজন ও উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। বিনীত, [তোমার নাম ও শ্রেণি] [বিদ্যালয়ের নাম]" আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ছুটি চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ছুটি প্রার্থনা। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [তোমার নাম], দশম শ্রেণির একজন ছাত্র। আমি আগামী সপ্তাহে জেলা পর্যায়ে আয়োজিত আন্তঃস্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় আমাদের বিদ্যালয়ের ক্রিকেট দলের হয়ে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছি। এই প্রতিযোগিতা আগামী ২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিতে হলে আমাকে পাঁচ দিনের ছুটি প্রয়োজন। আমি আশ্বাস দিচ্ছি, খেলাধুলার পাশাপাশি আমি আমার পাঠ্যবিষয়ও নিয়মিতভাবে পড়াশোনা করে নিয়ন্ত্রণে রাখব। অতএব, জনাবের সদয় অনুমতি প্রার্থনা করছি, যাতে আমি নির্ধারিত তারিখে খেলায় অংশ নিতে পারি। বিনীত, [তোমার নাম, শ্রেণি, রোল]" কলেজে অতিরিক্ত কোচিং ক্লাস চালুর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রিন্সিপাল [কলেজের নাম] [জেলা]। বিষয়: গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য অতিরিক্ত কোচিং ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি আপনার কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির একজন ছাত্র। আমাদের ব্যাচে অনেকেই গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে দুর্বলতা অনুভব করছি। ফলে বোর্ড পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে আমরা কিছুটা আশঙ্কায় আছি। এই অবস্থায়, যদি প্রতি সপ্তাহে একদিন করে অতিরিক্ত কোচিং ক্লাস নেওয়া হয়, তাহলে আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারব। বিষয় দু’টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তুলনামূলকভাবে কঠিন হওয়ায় শিক্ষকগণের বিশেষ মনোযোগ আমাদের জন্য অপরিহার্য। অতএব, বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে উপকার করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: দ্বাদশ, রোল: [রোল নম্বর] [কলেজের নাম]" পরীক্ষায় অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিত থাকার ব্যাখ্যাসহ পুনঃপরীক্ষার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: পরীক্ষায় অনুপস্থিতির জন্য পুনঃপরীক্ষার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [তোমার নাম], নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। বিগত মাসে বিদ্যালয়ের মধ্যবর্তী পরীক্ষার সময় আমি হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম, যার প্রমাণ হিসেবে ডাক্তারি কাগজপত্র সংযুক্ত করলাম। এই কারণে আমি বাংলা দ্বিতীয় পত্র ও গণিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমার প্রস্তুতি যথেষ্ট ভালো ছিল এবং আমি এই দুটি বিষয়ে ভাল ফলাফল করার আশা করেছিলাম। অতএব, অনুপস্থিতির যথাযথ কারণ বিবেচনায় নিয়ে আমাকে পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দিয়ে উপকৃত করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: নবম, রোল: [রোল নম্বর]" মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে থানায় জিডি করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) [আপনার থানা নাম] থানা [জেলা]। বিষয়: মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [তোমার নাম], [ঠিকানা] এলাকার একজন সাধারণ নাগরিক। গতকাল সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফেরার পথে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি হারিয়ে ফেলি। মোবাইলটি [মডেল, কালার] এবং মোবাইল নম্বর ছিল [নম্বর]। আমি মোবাইলটি বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও পাইনি এবং সন্দেহ করছি কেউ এটি চুরি করেছে। মোবাইলটিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত ও শিক্ষাসংক্রান্ত ডেটা ছিল। অতএব, বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং একটি সাধারণ ডায়েরি করার সুযোগ দিয়ে বাধিত করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] ঠিকানা: [তোমার ঠিকানা] মোবাইল: [বর্তমান নম্বর]" স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমরা [গ্রামের নাম] গ্রামের কয়েকজন কিশোর ও যুবক। আমাদের এলাকায় একটি খেলার মাঠ আছে, যা দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে আছে। মাঠে গর্ত, ঝোপঝাড় ও জলাবদ্ধতা থাকায় আমরা সেখানে খেলাধুলা করতে পারি না। যদিও অনেক শিক্ষার্থী ও তরুণ খেলাধুলায় আগ্রহী, কিন্তু মাঠের অব্যবস্থা আমাদের নিরুৎসাহিত করছে। অতএব, জনাবের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, আপনি যদি এই মাঠটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন, তবে আমাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে তা সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম ও দলবদ্ধ স্বাক্ষর]" স্কুলে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: বিশুদ্ধ পানির জন্য পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। কিন্তু স্কুলে বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক সময় পানির জন্য আমাদের বাইরে যেতে হয়, যা স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে শিক্ষার্থীদের পানির চাহিদা বেড়ে যায়। এই অবস্থায় একটি বা একাধিক পানির ফিল্টার স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। অতএব, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আপনার সদয় উদ্যোগ কামনা করছি। বিনীত, [তোমার নাম, শ্রেণি, রোল]" এলাকার সড়ক বাতি মেরামতের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: সড়ক বাতি মেরামতের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমাদের [মহল্লা/গ্রাম] এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক বাতি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। এতে রাতে পথচারীরা সমস্যায় পড়ছেন এবং চুরি-ছিনতাইয়ের ঝুঁকিও বেড়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী ও শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিপদ ঘটে। অতএব, এলাকার নিরাপত্তা ও জনসাধারণের সুবিধার জন্য দ্রুত সড়ক বাতিগুলো মেরামতের অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম ও গ্রামবাসীর স্বাক্ষরসহ]" বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, সভাপতি, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা, [আপনার এলাকার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়ঃ বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় এখনো অনেক মানুষ আছেন যারা নিজেদের ব্লাড গ্রুপ জানেন না। রক্তদানের প্রয়োজন দেখা দিলে অথবা জরুরি চিকিৎসার সময় ব্লাড গ্রুপ না জানার কারণে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই, জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে প্রস্তুতি নেওয়ার লক্ষ্যে, আমাদের এলাকায় একটি বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প আয়োজনের জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। এই ক্যাম্পটি স্কুল মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার কিংবা স্থানীয় কোনো উপযুক্ত স্থানে আয়োজন করা যেতে পারে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণির মানুষ উপকৃত হবেন। আমরা আশা করছি, আপনার সদয় দৃষ্টিতে বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, দ্রুত ক্যাম্প আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের এলাকাবাসীকে উপকৃত করার সুযোগ প্রদান করবেন। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা/গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ সেবার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"বরাবর, সিভিল সার্জন, [জেলার নাম] জেলা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, [ঠিকানা]। বিষয়ঃ মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ সেবার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, বর্তমান সমাজে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, হতাশা, বিষণ্নতা ইত্যাদি মানসিক রোগ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এমনকি গৃহিণীদের মধ্যেও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার প্রকোপ বাড়ছে। অথচ, আমাদের এলাকায় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পরামর্শ সেবা বা কাউন্সেলিং সেন্টার নেই। এই অবস্থায়, আমাদের এলাকায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ সেবা চালু করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে করে সাধারণ মানুষ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পেতে পারবে এবং মানসিকভাবে সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবে। আপনার সদয় বিবেচনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা/গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " সরকারি হাসপাতালে শিশুদের জন্য আলাদা চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের আবেদন,"বরাবর, সিভিল সার্জন, [জেলার নাম] জেলা সদর হাসপাতাল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। বিষয়ঃ শিশুদের জন্য সরকারি হাসপাতালে আলাদা চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় বসবাসকারী শিশুদের জন্য কোনো আলাদা চিকিৎসা ইউনিট না থাকায় শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের সাথে একই ইউনিটে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছে। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। তাছাড়া, অনেক শিশুর রোগ দ্রুত সংক্রমণযোগ্য হওয়ায় অন্যান্য রোগীদের সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকে। এই পরিস্থিতিতে, শিশুদের উপযোগী চিকিৎসা পরিবেশ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আলাদা শিশু চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। এতে শিশুরা উন্নত ও নিরাপদ চিকিৎসা সেবা পাবে এবং মা-বাবারাও মানসিকভাবে আশ্বস্ত হবেন। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্থানীয় ফার্মেসিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রির তদন্ত চেয়ে আবেদন,"বরাবর, সিভিল সার্জন, [জেলার নাম] জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। বিষয়ঃ স্থানীয় ফার্মেসিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রির তদন্ত চেয়ে আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকার কিছু ফার্মেসিতে অবৈধ এবং ভেজাল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে, যা জনগণের স্বাস্থ্য ঝুঁকির সৃষ্টি করছে। বিশেষত, কিছু ফার্মেসি নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করে এবং সেইসব ওষুধের কার্যকারিতা অনেক কম, ফলে রোগীদের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এই ভেজাল ওষুধের বিক্রি বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। অতএব, আমি অনুরোধ করছি যে, আপনি আমাদের এলাকার ফার্মেসিগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে এদের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্কুলে প্রাথমিক চিকিৎসার ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালুর আবেদন,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [বিদ্যালয়ের ঠিকানা], [শিক্ষা বোর্ড বা প্রতিষ্ঠান নাম]। বিষয়ঃ স্কুলে প্রাথমিক চিকিৎসার ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালুর আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক ছাত্রছাত্রী প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে খুব কম জানে। বিদ্যালয়ের পরিবেশে মাঝে মধ্যে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে, যেমন—পিছলে পড়া, আঘাত পাওয়া, হালকা মাথা ঘোরা ইত্যাদি। সেক্ষেত্রে, সঠিক সময়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান না করলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে যেতে পারে। তাহলে, আমি প্রস্তাব করছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রাথমিক চিকিৎসার ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালু করা হোক। এতে তারা দুর্ঘটনা বা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সময় সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবে। অতএব, আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [শ্রেণি বা বিভাগ] [বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ]" দুর্যোগ পরবর্তী চিকিৎসা সহায়তার জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ দুর্যোগ পরবর্তী চিকিৎসা সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, সম্প্রতি আমাদের এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বন্যা/দুর্যোগ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এতে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চিকিৎসা সেবার অভাবে ভুগছে। অতএব, আমি অনুরোধ করছি, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য একটি বিশেষ টিম পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [বিদ্যালয়ের ঠিকানা]। বিষয়ঃ স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য একটি স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করছি। এতে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় যেমন: স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [শ্রেণি/বিভাগ] [বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ] " এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"বরাবর, প্রধান কর্মকর্তা, পৌরসভা, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়ঃ ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে এবং এতে এলাকার অনেক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। তাই, এই রোগ প্রতিরোধে একটি বিশেষ সচেতনতামূলক ক্যাম্প আয়োজন করার জন্য অনুরোধ করছি। এতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে নাগরিকদের সাহায্য করা হবে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের জন্য আবেদন,"বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, বর্তমানে আমাদের হাসপাতালের অক্সিজেন সরবরাহ অত্যন্ত কম এবং রোগীদের অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ছে। আপনি দয়া করে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যাতে রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেতে পারে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্বাস্থ্য মেলা আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক, [বিভাগ বা শহরের নাম]। বিষয়ঃ স্বাস্থ্য মেলা আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় জনসাধারণের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য একটি স্বাস্থ্য মেলা আয়োজনের প্রস্তাব করছি। এই মেলায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক সেবা, পরামর্শ ও চিকিত্সা প্রদান করা হবে। আপনার সম্মতির অপেক্ষায় রইলাম। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " এলাকায় শিশুদের জন্য ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ শিশুর ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় অনেক শিশু ভ্যাকসিন না পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আপনাদের অফিসের মাধ্যমে একটি ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন জানাচ্ছি, যাতে শিশুদের প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন প্রদান করা যায়। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " হাসপাতালে ডায়ালিসিস সুবিধা চালুর জন্য আবেদন,"বরাবর, হাসপাতাল ব্যবস্থাপক, [হাসপাতালের নাম], [জেলার নাম]। বিষয়ঃ হাসপাতালেও ডায়ালিসিস সুবিধা চালুর জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় অনেক রেনাল রোগী রয়েছেন যারা ডায়ালিসিস সেবা পান না। ফলে তাদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ছে। আপনাদের হাসপাতালের মাধ্যমে ডায়ালিসিস সুবিধা চালু করার জন্য আমি আবেদন জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" পর্যাপ্ত মেডিকেল স্টাফ নিয়োগের জন্য আবেদন,"বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ পর্যাপ্ত মেডিকেল স্টাফ নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও অন্যান্য মেডিকেল স্টাফের অভাব রয়েছে। তাই, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে পর্যাপ্ত স্টাফ নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা পুলিশ কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] পুলিশ স্টেশন, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় মাদকের ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে। এতে যুব সমাজ বিপথে যাচ্ছে এবং এলাকার শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক একটি ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্কুলে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [বিদ্যালয়ের ঠিকানা]। বিষয়ঃ স্কুলে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহের জন্য কিছু ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আমি অনুরোধ জানাচ্ছি, বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা সঠিক পুষ্টি পেতে পারে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [শ্রেণি/বিভাগ] [বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ]" স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, তবে স্বেচ্ছাসেবকের অভাব রয়েছে। তাই, এই কার্যক্রমগুলোর সফল বাস্তবায়নের জন্য কিছু স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের জন্য আপনার অনুমতি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়ঃ রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় কিছু দরিদ্র মানুষ রয়েছে, যারা ঔষধ কিনতে পারছে না। তাই, আমি আবেদন জানাচ্ছি একটি বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ ক্যাম্প আয়োজন করার জন্য, যাতে এসব মানুষ উপকার পেতে পারে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" ক্লিনিকের সেবা উন্নত করার জন্য আবেদন,"বরাবর, ক্লিনিক পরিচালক, [ক্লিনিকের নাম], [শহরের নাম]। বিষয়ঃ ক্লিনিকের সেবা উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকার ক্লিনিকে সেবা প্রদান কার্যক্রম কিছুটা স্লো হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগী অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। আমি আবেদন জানাচ্ছি, সেবা সময়সীমা ও মান উন্নত করার জন্য অতিরিক্ত চিকিৎসক ও সেবিকা নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " স্বাস্থ্য প্রকল্পের জন্য তহবিল সহায়তার আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ স্বাস্থ্য প্রকল্পের জন্য তহবিল সহায়তার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় শিশুদের জন্য একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ভ্যাকসিনেশন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম থাকবে। আমি তহবিল সহায়তার জন্য আবেদন জানাচ্ছি, যাতে প্রকল্পটি সফলভাবে পরিচালনা করা যায়। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " অগ্নিকাণ্ডে আহতদের চিকিৎসার জন্য তহবিল সহায়তার আবেদন,"বরাবর, জেলা প্রশাসক, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ অগ্নিকাণ্ডে আহতদের চিকিৎসার জন্য তহবিল সহায়তার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, সম্প্রতি আমাদের এলাকার একটি বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেক মানুষ আহত হয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য জরুরি সহায়তার প্রয়োজন। আমি আবেদনের মাধ্যমে তহবিল সহায়তার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মেডিকেল কনফারেন্স আয়োজনের আবেদন,"স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, [ঢাকা]। বিষয়ঃ মেডিকেল কনফারেন্স আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের অঞ্চলের চিকিৎসকদের উন্নয়ন ও নতুন চিকিৎসা প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য একটি মেডিকেল কনফারেন্স আয়োজন করা হবে। এর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" দুর্বৃত্তদের দ্বারা আক্রান্ত চিকিৎসককে সহায়তা প্রদান বিষয়ক আবেদন,"বরাবর, জেলা পুলিশ সুপার, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ চিকিৎসককে সহায়তা প্রদান বিষয়ক আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, সম্প্রতি একটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে কিছু দুর্বৃত্ত একটি চিকিৎসককে হামলা করেছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি, উক্ত চিকিৎসককে সুরক্ষা প্রদান এবং পরিস্থিতি তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" হাসপাতালের নতুন বিল্ডিং নির্মাণের জন্য আবেদন,"বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ হাসপাতালের নতুন বিল্ডিং নির্মাণের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমান অবকাঠামো অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত এবং রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এর ফলে রোগীরা সঠিকভাবে চিকিৎসা পেতে পারছেন না। সুতরাং, আমি হাসপাতালের নতুন বিল্ডিং নির্মাণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" বেসরকারি ক্লিনিকে মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আবেদন,"বরাবর, বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান, [প্রতিষ্ঠানের নাম], [শহরের নাম]। বিষয়ঃ বেসরকারি ক্লিনিকে মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বেসরকারি ক্লিনিকের উন্নয়নের জন্য কিছু অত্যাবশ্যক মেডিকেল সরঞ্জাম প্রয়োজন। তাই, আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আমি আবেদন জানাচ্ছি, যাতে সঠিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" অতি জরুরি চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করার আবেদন,"বরাবর, অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রধান, [অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রতিষ্ঠান], [শহরের নাম]। বিষয়ঃ অতি জরুরি চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকার কিছু দূরবর্তী গ্রামগুলোর মানুষের জন্য জরুরি চিকিৎসা সেবা যথাযথভাবে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। সুতরাং, আমি অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করার জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্থানীয় ফার্মেসিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রির তদন্ত চেয়ে আবেদন।,"তারিখ: ২৫ এপ্রিল, ২০২৫​ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার [উপজেলার নাম] [জেলার নাম] বিষয়: স্থানীয় ফার্মেসিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রির তদন্ত চেয়ে আবেদন।​ জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [আপনার গ্রামের নাম], [উপজেলার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। সম্প্রতি আমাদের এলাকায় কিছু ফার্মেসিতে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে, যা জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।​ অতএব, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট ফার্মেসিগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।​ বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" গর্ভবতী নারীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ [উপজেলা, জেলা] বিষয়: গর্ভবতী নারীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম], [ইউনিয়ন ও উপজেলা] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের এই অঞ্চলে অনেক গর্ভবতী নারী রয়েছেন, যারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার কারণে অনেক সময় মা ও শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। এমতাবস্থায়, আপনার সদয় দৃষ্টিপাত কামনা করে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই এলাকায় একদিনের জন্য একটি বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজন করা হোক। এই ক্যাম্পের মাধ্যমে গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা সম্ভব হবে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত অনুরোধ, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [গ্রামের নাম, ইউনিয়ন] [মোবাইল নম্বর]" মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ [উপজেলা, জেলা] বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম], [ইউনিয়ন ও উপজেলা]-এর একজন সচেতন নাগরিক। বর্তমানে আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী ও যুবসমাজের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব, এবং সামাজিক চাপজনিত নানা সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবেলায় মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। অথচ, অনেকেই এখনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাকে লজ্জার বিষয় মনে করেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণে সংকোচ বোধ করেন। এমতাবস্থায়, অনুরোধ করছি যে, আমাদের এলাকায় একটি মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রোগ্রাম আয়োজন করা হোক, যেখানে পেশাদার কাউন্সেলর বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দ্বারা সেশন পরিচালনা করা হবে। এতে শিক্ষার্থীরা, অভিভাবকরা এবং অন্যান্য সাধারণ মানুষ মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা ও সহায়তা পাবেন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [গ্রামের নাম, ইউনিয়ন] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ [উপজেলা, জেলা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [বিদ্যালয়ের নাম], [গ্রামের নাম], [উপজেলা]-এর একজন অভিভাবক/শিক্ষক/সচেতন নাগরিক। আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিশু প্রতিদিন পাঠ গ্রহণ করে, যাদের স্বাস্থ্যরক্ষায় টিকাদান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর উদ্যোগ। বর্তমানে নানা ধরনের সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে শিশুদের স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে। টিকাদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এসব রোগ থেকে সুরক্ষা প্রদান করা সম্ভব। এমতাবস্থায়, আমাদের বিদ্যালয়ে একদিনের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার জন্য আপনার সহায়তা কামনা করছি, যাতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় টিকা প্রদান করতে পারেন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [বিদ্যালয়ের নাম / গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর] " ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় কার্যক্রমের আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ [উপজেলা, জেলা] বিষয়: ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় কার্যক্রমের আয়োজনের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের গ্রামে অনেক মানুষ রয়েছেন যারা জানেন না তারা ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে (হাই প্রেশার) ভুগছেন। সচেতনতার অভাবে অনেকেই যথাযথ চিকিৎসার সুযোগ পান না। এমতাবস্থায়, আমাদের এলাকায় একটি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ শনাক্তকরণ ক্যাম্প আয়োজন করা অত্যন্ত জরুরি। একটি মোবাইল হেলথ ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রাথমিক পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রদান করা গেলে অনেক মানুষ উপকৃত হবেন। এতে যেমন রোগ প্রতিরোধ সম্ভব হবে, তেমনি স্বাস্থ্যসচেতনতাও বাড়বে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, উক্ত ক্যাম্পের আয়োজনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের এলাকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর]" পুরাতন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবর্তনের আবেদন।,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [স্বাস্থ্য কমিটি/হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি] [হাসপাতালের নাম, ঠিকানা] বিষয়: পুরাতন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবর্তনের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের হাসপাতালে বর্তমানে ব্যবহৃত অনেক চিকিৎসা সরঞ্জাম অত্যন্ত পুরাতন এবং অনেকগুলিই অকেজো হয়ে পড়েছে। এতে রোগীদের চিকিৎসা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে এবং জরুরি মুহূর্তে চিকিৎসা সেবা দিতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের চিকিৎসা যন্ত্রপাতিগুলো হালনাগাদ করা খুবই জরুরি। আধুনিক সরঞ্জাম রোগ নির্ণয়ে যেমন সহায়ক হবে, তেমনি দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, পুরাতন ও অকেজো চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরিয়ে দিয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা/গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর]" পুরাতন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবর্তনের আবেদন।,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [হাসপাতালের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুরাতন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবর্তনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের স্থানীয় হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে আজ পুরাতন ও অকেজো হয়ে পড়েছে। ফলে অনেকসময় রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা প্রদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, যা রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। একটি আধুনিক ও কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে এই সরঞ্জামগুলো হালনাগাদ করা জরুরি। বিশেষ করে এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ব্লাড প্রেসার মনিটর, গ্লুকোমিটার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি সময়োপযোগী নয় এবং সঠিকভাবে কাজ করছে না। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাদের হাসপাতালের চিকিৎসা যন্ত্রপাতিগুলো দ্রুত হালনাগাদ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্থানীয়ভাবে একটি রক্তদান কর্মসূচির আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয়ভাবে একটি রক্তদান কর্মসূচির আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় রক্তের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে দুর্ঘটনা, অপারেশন বা জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সময়মতো রক্ত সংগ্রহ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে একটি রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছি। আমরা চাই, আপনার অনুমতি ও সহযোগিতায় একটি একদিনব্যাপী রক্তদান ক্যাম্প আয়োজন করা হোক, যেখানে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় রক্তভান্ডার সমৃদ্ধ হবে এবং জরুরি সময়ে মানুষের জীবন রক্ষা করা সহজ হবে। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, রক্তদান ক্যাম্প আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় বসবাসরত অনেক বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধী নাগরিক বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তারা যখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, তখন সাধারণ লাইনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকাটা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। অনেক সময় তাদের সঠিকভাবে চিকিৎসাও পাওয়া সম্ভব হয় না। এই শ্রেণির মানুষের চিকিৎসা সহজতর ও সম্মানজনক করতে হাসপাতালের মধ্যে একটি বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে তারা আলাদা লাইনে অপেক্ষা না করে দ্রুত সেবা পেতে পারবেন, এবং চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও সুনির্দিষ্টভাবে তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সহজ হবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি পৃথক চিকিৎসা ইউনিট চালুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমাদের এই চরম সামাজিক সমস্যার সমাধান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " গ্রামীণ এলাকায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামীণ এলাকায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার অনেক বৃদ্ধ মানুষ চশমা কিনতে অক্ষম বা চোখের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে জানেন না। ফলে তারা চক্ষু সমস্যা নিয়ে অনেকদিন ধরে ভুগে আসছেন। বিশেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের এই সমস্যাগুলো সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং তাদের চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে, আমি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় একটি দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন করা হোক, যেখানে প্রত্যেককে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে। আশা করছি, আপনার সহযোগিতায় এটি বাস্তবায়িত হবে এবং এলাকার মানুষ উপকৃত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান চালুর আবেদন। জনাব, বর্ষাকালে ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা আমাদের এলাকাতেও সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এজন্য জনগণকে সচেতন করা এবং তাদের মধ্যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ডেঙ্গু সংক্রমণের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক একটি ক্যাম্পেইন চালানো হোক, যাতে সবাই সঠিক তথ্য পেতে পারে এবং নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারে। আশা করছি, আপনার সহায়তায় আমরা এই ক্যাম্পেইন সফলভাবে আয়োজন করতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" গ্রামে সাপ্তাহিক চিকিৎসক সফরের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্রত্যন্ত গ্রামে সাপ্তাহিকভাবে চিকিৎসক প্রেরণের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে স্থায়ী কোনো চিকিৎসক নেই এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ মানুষ তাদের সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় থাকেন, কারণ তারা নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না। অতএব, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অন্তত সাপ্তাহিকভাবে একজন সরকারি চিকিৎসক পাঠানো হোক, যাতে গ্রামবাসীরা তাদের স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করতে পারেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা পেতে পারেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বনজসম্পদ সংরক্ষণের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বনজসম্পদ সংরক্ষণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বাংলাদেশের বনভূমি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে আমাদের জীবনে অনেক উপকারে আসে। কিন্তু বর্তমানে অব্যাহত বনধ্বংস এবং অবৈধ কাঠচুরির কারণে আমাদের বনভূমি মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে রয়েছে। এই বনভূমি সংরক্ষণ করা, তার সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বনজসম্পদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং বনাঞ্চলগুলোকে রক্ষা করার জন্য আরও সচেতনতা তৈরি করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নদী পরিষ্কার করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নদী পরিষ্কারের জন্য কার্যক্রম পরিচালনার আবেদন। জনাব, আমাদের দেশের নদীগুলো জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, কিছু সময় থেকে এগুলোর পানির মান অনেক খারাপ হয়ে গেছে। শিল্পকারখানার বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনা এবং আবাসিক এলাকার পানি নদীতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে, যার কারণে নদীগুলো দূষিত হয়ে পড়েছে। এ জন্য, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের নদীগুলো পরিষ্কার করার জন্য একটি কার্যকরী পরিষ্করণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক এবং নদী দূষণ রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " প্লাস্টিক দূষণ রোধে পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্লাস্টিক দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, প্লাস্টিক সামগ্রী আমাদের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। প্লাস্টিকের ব্যাগ এবং বোতলগুলোর কারণে ভূমি, নদী এবং সমুদ্রের দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদকে চরমভাবে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। অতএব, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ কার্যক্রমের আবেদন। জনাব, বিশ্বব্যাপী পানি সংকট একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের দেশে বৃষ্টির পানি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয় না, যার ফলে আমাদের পানি সংকট আরও বাড়ছে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য সরকারীভাবে একটি কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক এবং বৃষ্টির পানি ব্যবহারের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমানে অধিকাংশ কৃষকরা কৃষির জন্য কেমিক্যাল সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন, যা মাটির গুণগত মান হ্রাস এবং পরিবেশ দূষণের কারণ হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশও সুরক্ষিত থাকবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে ভূমি সুরক্ষা কার্যক্রমের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমি সুরক্ষার জন্য কার্যক্রম চালু করার আবেদন। জনাব, বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে অব্যাহত ভূমি ভাঙন এবং বনভূমি ধ্বংস পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর সুরক্ষায় যদি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়, তবে ভূমি ক্ষয় এবং বনভূমির অভাব আরো বাড়বে। এ জন্য আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, পাহাড়ি অঞ্চলের ভূমি সুরক্ষা ও বনভূমি রক্ষা করার জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য কার্যক্রম চালানোর আবেদন। জনাব, বন্যপ্রাণী নিধন ও তাদের আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির পথে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব এবং এটি আমাদের প্রকৃতির বৈচিত্র্য রক্ষা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক এবং জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের দেশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ রয়েছে, কিন্তু এগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা না হওয়ার কারণে অনেক সময় এই সম্পদের অপচয় হচ্ছে। খনিজ সম্পদ সংরক্ষণ এবং এর সঠিক ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষণের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নদী পুনঃখনন করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নদী পুনঃখননের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের দেশের অনেক নদী বর্তমানে শুষ্ক এবং অধিকাংশ নদীর পলিমাটি জমে গিয়েছে। এই অবস্থায় নদী পুনঃখনন করা খুবই জরুরি, যাতে নদীগুলোর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হয় এবং এলাকাবাসীরা উপকৃত হয়। অতএব, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার নদীগুলোর পুনঃখনন করা হোক এবং তার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" জৈব পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: জৈব পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, বিভিন্ন পরিবেশগত সমস্যা যেমন বায়ু দূষণ, শব্দদূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের দেশের পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জৈব পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য একটি সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি চালু করা হোক, যাতে সাধারণ জনগণ এসব বিষয়ে সচেতন হয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বনাঞ্চল রক্ষায় সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বনাঞ্চল রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ক্যাম্পেইন আয়োজনের আবেদন। জনাব, বনভূমি আমাদের দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে থাকে। বর্তমানে অবৈধভাবে কাঠ পাচার, পাখি শিকার এবং বনাঞ্চল ধ্বংসের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার কারণে বনসম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় বনভূমি, যা জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে ব্যাপকভাবে বনজ সম্পদের অবৈধ ব্যবহার চলছে। এই অবস্থা পরিবর্তন করতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের উপজেলায় একটি বনসংরক্ষণ সচেতনতা ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হোক, যেখানে পরিবেশবিদরা, বন বিভাগের প্রতিনিধিরা এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারবে। এর মাধ্যমে আমরা বনভূমি রক্ষায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারব এবং বনধ্বংসের হার কমাতে সক্ষম হব। অতএব, এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" জলাশয়ের দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: জলাশয়ের দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন। জনাব, আমাদের উপজেলায় কয়েকটি বড় জলাশয় রয়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য পানীয় জল সরবরাহ, মাছ চাষ এবং কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু, গত কয়েক বছরে এই জলাশয়গুলোর অবস্থা মারাত্মকভাবে অবনতি হয়েছে। কিছু এলাকায় বর্জ্য ফেলা, কলকারখানার রাসায়নিক নিঃসরণ এবং অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে জলাশয়গুলোর পানি আক্ষরিকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে, শুধু পরিবেশগত বিপর্যয়ই ঘটছে না, বরং এটি মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে আমাদের জলাশয়গুলোতে দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, জলাশয়ের পানি পরিষ্কার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং জনসাধারণকে জলাশয় রক্ষা বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য একটি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। এছাড়া, জলাশয়ের পানি রক্ষায় এবং দুষণ কমাতে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম চালানো হোক। এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে আমাদের পরিবেশ আরও সুরক্ষিত হবে এবং জলাশয়গুলো সুস্থ থাকবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" প্লাস্টিক বর্জ্য নিরসনের জন্য সচেতনতা কর্মসূচির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্লাস্টিক বর্জ্য নিরসনের জন্য সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশের জন্য একটি মহা সংকটে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টন প্লাস্টিক বর্জ্য বিভিন্ন নদী, খাল-বিল, এবং সড়কগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে, যা দেশের পরিবেশ, জলাশয় এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য বিপজ্জনক। এই বর্জ্য দীর্ঘদিন পর্যন্ত পচে না গিয়ে পরিবেশে বিদ্যমান থাকে, যার ফলে বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য ছড়ায় এবং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের জন্য আমাদের জনগণকে সচেতন করতে হবে এবং তাদের প্লাস্টিক ব্যবহার কমানোর দিকে উৎসাহিত করতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আপনার প্রতিষ্ঠান একটি ব্যাপক সচেতনতা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করুক, যেখানে জনগণকে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং এর বিকল্প উপায় সম্পর্কে সচেতন করা হবে। এছাড়া, প্লাস্টিক বর্জ্য নিরসনের জন্য সঠিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ও ব্যবস্থাপনা চালু করা হোক। আমি বিশ্বাস করি যে, এই উদ্যোগ গ্রহণ করলে আমরা প্লাস্টিক বর্জ্য রোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হব এবং পরিবেশের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব কমাতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নদী দূষণ রোধে ক্যাম্পেইন আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নদী দূষণ রোধে সচেতনতা ক্যাম্পেইন আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমাদের অঞ্চলে প্রধান নদী দুটি রয়েছে, যা পরিবেশ, জীবনযাত্রা এবং কৃষির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই নদীগুলোর পানি ব্যাপকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। অব্যাহত শিল্প বর্জ্য, বস্ত্রশিল্পের অবশিষ্টাংশ এবং গৃহস্থালি বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে, যার ফলে নদীর জলধারা বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় একটি নদী দূষণ রোধে সচেতনতা ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হোক। এ ক্যাম্পেইনে পরিবেশবিদদের মাধ্যমে নদী দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ও সমাধান সম্পর্কে জনগণকে বিস্তারিত জানানো হোক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে, আমরা নদীর পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে পারব এবং ভবিষ্যতে নদীকে জীবিত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য প্রকল্প গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে প্রকল্প গ্রহণের আবেদন। জনাব, অতিবৃষ্টি বা বৃষ্টির সময় একদিকে যেমন পানি অপচয় হয়, তেমনি অন্যদিকে পানির অভাবেও আমরা ভোগান্তির শিকার হই। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্প আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই প্রকল্পটি কৃষি, পানীয় জল, এবং অন্যান্য ব্যবহারযোগ্য কাজে ব্যবহার করা যাবে, যা পরিবেশের সুরক্ষা ও পানির সংকট মোকাবিলা করতে সহায়ক হবে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার জন্য একটি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করা হোক। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা পানি অপচয় কমাতে এবং পানি সংরক্ষণে সক্ষম হব, যা আগামী দিনে আমাদের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি পদক্ষেপ। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নতুন শিক্ষকদের নিয়োগের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন লাইব্রেরি নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে যে লাইব্রেরি রয়েছে তা অত্যন্ত ছোট এবং অপ্রতুল। শিক্ষার্থীদের বইয়ের চাহিদা মেটাতে এটি অক্ষম। বিশেষ করে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য পরিপূর্ণ পাঠ্যসূচির বই এবং গবেষণামূলক বইয়ের অভাব রয়েছে। আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, একটি নতুন এবং আধুনিক লাইব্রেরি নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যেখানে শিক্ষার্থীরা বই পড়ার সুযোগ পাবে এবং তাদের পড়াশোনার মান আরও উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছাত্রদের জন্য স্কলারশিপ স্কিম চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য স্কলারশিপ স্কিম চালু করার আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আছেন যারা আর্থিকভাবে অভাবী হওয়ায় তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছেন না। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে তাদের জন্য একটি স্কলারশিপ স্কিম চালু করা প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, মেধাবী অথচ দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য একটি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালু করা হোক। এতে তারা তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হবে এবং ভবিষ্যতে দেশের সেবা করতে সক্ষম হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষার্থীদের জন্য কেরিয়ার কাউন্সেলিং সেবা চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য কেরিয়ার কাউন্সেলিং সেবা চালু করার আবেদন। জনাব, আজকাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেরিয়ার নির্বাচন বিষয়ে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী তাদের আগ্রহ ও দক্ষতার ভিত্তিতে উপযুক্ত পেশা নির্বাচন করতে পারে না। এর জন্য একটি কার্যকর কেরিয়ার কাউন্সেলিং সেবা প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে একজন অভিজ্ঞ কেরিয়ার কাউন্সেলর নিয়োগ দেওয়া হোক, যিনি শিক্ষার্থীদের কেরিয়ার গঠনে সহায়তা করবেন এবং তাদের জন্য উপযুক্ত পেশা বেছে নিতে সাহায্য করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোচিং সেন্টার চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোচিং সেন্টার চালু করার আবেদন। জনাব, বিভিন্ন বিষয়ের পড়াশোনায় শিক্ষার্থীদের আরও সহায়তা প্রয়োজন, বিশেষ করে যারা কম্পিটিটিভ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিদ্যালয়ে যদি সান্ধ্যকালীন কোচিং সেন্টার চালু করা যায়, তবে শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত সহায়তা পাবেন এবং তাদের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে। এই কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে একটি সান্ধ্যকালীন কোচিং সেন্টার চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে শিক্ষার্থীরা আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে এবং তাদের ফলাফল উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছাত্রদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার ব্যবহার শিখতে পারে এবং তাদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনা সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনা সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা আরো কার্যকরী করার জন্য সহায়ক উপকরণ যেমন ই-লেকচার, ভিডিও টিউটোরিয়াল, বই এবং অন্যান্য অনলাইন রিসোর্স প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য এসব সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে তারা আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারে এবং নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার আবেদন। জনাব, অনেক সময় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর মনে করে যে তাদের ফলাফল সঠিক হয়নি। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। এই সমস্যার সমাধানে পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত হতে পারবে যে তাদের প্রাপ্ত নম্বর সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আমি অনুরোধ করছি, পরীক্ষার পর পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছাত্রদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আবেদন। জনাব, আজকাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ অনেক বেড়ে গেছে। পরীক্ষা, পড়াশোনা এবং ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে তারা তাদের মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাবে এবং আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে সক্ষম হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদানের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদানের আবেদন। জনাব, অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক কারণে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে না। তাদেরকে সহায়তা করতে হলে বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদান করা উচিত। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদান করা হোক। এতে তারা তাদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে পারবে এবং আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগে গবেষণামূলক কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করার জন্য গবেষণা প্রকল্পে বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা প্রকল্পে অংশ নিয়ে তাদের বৈজ্ঞানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা এসব প্রকল্পে অংশ নিতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ের মধ্যে অ্যান্টিবুলিং কর্মসূচি চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের মধ্যে অ্যান্টিবুলিং কর্মসূচি চালু করার আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে হেনস্তা ও বুলিং অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। এই সমস্যা দূর করতে হলে বিদ্যালয়ে অ্যান্টিবুলিং কর্মসূচি চালু করা জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে এক্ষেত্রে একটি কার্যকরী কর্মসূচি চালু করা হোক, যাতে সকল শিক্ষার্থী সম্মানের সাথে পড়াশোনা করতে পারে এবং হেনস্তার শিকার না হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ছাত্রদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ছাত্রদের যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত পরিবহন নেই, ফলে অনেকেই স্কুলে আসতে এবং যেতে সমস্যায় পড়েন। এই কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, ছাত্রদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা হোক। এতে তারা সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারবে এবং বিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার সমস্যা সমাধান হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা নেই, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে তারা সুস্থ থাকতে পারবে এবং পাঠদান কার্যক্রমে তাদের মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের আরো প্রাকৃতিক ও বাস্তব জ্ঞান অর্জনের জন্য বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত। যেমন, বিভিন্ন মিউজিয়াম, ইতিহাসের স্থান, বা বিভিন্ন শিক্ষামূলক সফর। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিক্ষার্থীদের জন্য এসব শিক্ষামূলক সফরের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে তাদের শিক্ষা আরও প্রাণবন্ত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক পোর্টফোলিও তৈরি করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক পোর্টফোলিও তৈরি করার আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি পোর্টফোলিও তৈরি করা প্রয়োজন। এতে তাদের শিক্ষাগত অগ্রগতি এবং সফলতা দেখানো সম্ভব হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক পোর্টফোলিও তৈরি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নতুন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের আয়োজনের আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা আরও মজাদার এবং কার্যকরী করার জন্য নতুন ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম প্রয়োজন। যেমন, বিজ্ঞান মেলা, ভাষা প্রতিযোগিতা, বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, এই ধরনের নতুন শিক্ষামূলক কার্যক্রম আয়োজন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা আরও আগ্রহী হয়ে পড়াশোনা করে এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ছাত্রদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস বা পুনর্বিশ্লেষণ সেশন চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস বা পুনর্বিশ্লেষণ সেশন চালু করার আবেদন। জনাব, অনেক শিক্ষার্থী তাদের পাঠ্যক্রমে কিছু বিষয় বুঝতে পারছে না এবং তাদের আরও সহায়তার প্রয়োজন। অতিরিক্ত ক্লাস বা পুনর্বিশ্লেষণ সেশন চালু করলে তারা তাদের সমস্যাগুলি সমাধান করতে পারবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অতিরিক্ত ক্লাস বা পুনর্বিশ্লেষণ সেশন চালু করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পাঠ্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পাঠ্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন। জনাব, আজকাল শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষার মান অনেক বেড়েছে এবং শিক্ষার্থীরা এটি গ্রহণে আগ্রহী। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিদ্যালয়ে যা খাবার দেওয়া হচ্ছে তা অনেকসময় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকুক এবং ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পুলিশ স্টেশনে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা কক্ষের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান পুলিশ কমিশনার [পুলিশ স্টেশন নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুলিশ স্টেশনে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা কক্ষের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ স্টেশনে আলাদা কক্ষ থাকা প্রয়োজন। বর্তমানে, নারী ও শিশুদেরকে অপরাধী কিংবা সন্দেহভাজনদের সঙ্গে একই স্থানে রাখা হয়, যা তাদের মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে ফেলতে পারে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, নারী ও শিশুদের জন্য একটি আলাদা কক্ষ স্থাপন করা হোক, যাতে তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" এলাকার যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকার যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করার আবেদন। জনাব, এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, বিশেষ করে দুর্ঘটনা ও ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ঘটনা। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করলে অপরাধ দমন এবং ট্রাফিক আইন মানা সহজ হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " মাদক সেবন বন্ধে এলাকায় প্রচারণার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: মাদক সেবন বন্ধে এলাকায় প্রচারণার আবেদন। জনাব, এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা যুব সমাজকে বিপথগামী করছে এবং আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করছে। মাদক সেবন বন্ধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, মাদক সেবন প্রতিরোধে এলাকার মধ্যে প্রচারণা চালানো হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এলাকা ভিত্তিক রোড সেফটি ক্যাম্পের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এলাকা ভিত্তিক রোড সেফটি ক্যাম্পের আবেদন। জনাব, এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার জন্য রোড সেফটি ক্যাম্প প্রয়োজন, যেখানে গাড়ির চালকরা ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন হবে এবং গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, এলাকা ভিত্তিক রোড সেফটি ক্যাম্পের আয়োজন করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" এলাকাভিত্তিক সচেতনতা কর্মসূচি চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকাভিত্তিক সচেতনতা কর্মসূচি চালু করার আবেদন। জনাব, এলাকায় অপরাধ, বুলিং, মাদক সেবন, এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এই কারণে, এলাকার জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কর্মসূচি প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, এলাকার জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সচেতনতা কর্মসূচি চালু করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সমাজে বুলিং রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সমাজে বুলিং রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আবেদন। জনাব, বুলিং বা হেনস্তা সমাজে একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজগুলোতে এটি অনেক বেড়ে গেছে, যা শিক্ষার্থীদের মানসিক শান্তি এবং পড়াশোনার উন্নতি ব্যাহত করছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, সমাজে বুলিং রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নকল পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নকল পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, এলাকায় নকল পণ্যের বাজার প্রসারিত হচ্ছে, যা ভোক্তাদের ক্ষতি করছে এবং দেশের অর্থনীতি বিঘ্নিত হচ্ছে। নকল পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি রোধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, নকল পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" মানবপাচারের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আবেদন,"বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: মানবপাচারের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আবেদন। জনাব, এলাকায় মানবপাচারের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি বড় উদাহরণ। মানবপাচার রোধে পুলিশ বাহিনীকে আরও সজাগ ও কার্যকর হতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, মানবপাচারের বিরুদ্ধে পুলিশ আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব কার্যকলাপ সমাজে ভয় ও অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। এই কারণে, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে পুলিশকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শহরের পার্কে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর শহর প্রশাসক [শহরের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শহরের পার্কে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, শহরের পার্কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সমস্যা হচ্ছে। পার্কে অনেক সময় যুবকরা অশান্তি সৃষ্টি করছে, যা পরিবার বা শিশুদের জন্য অস্বস্তিকর। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শহরের পার্কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পুলিশের সাথে সমন্বয় করে মাদক সেবন বন্ধে স্থানীয় উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান পুলিশ কমিশনার [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুলিশের সাথে সমন্বয় করে মাদক সেবন বন্ধে স্থানীয় উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন। জনাব, মাদক সেবন সমাজে এক বিপজ্জনক সমস্যা সৃষ্টি করেছে। বিশেষত, আমাদের এলাকায় মাদক সেবনকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তা তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক পাচারের মাধ্যমে অপরাধমূলক কার্যকলাপও বাড়ছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করছে। এলাকার অধিকাংশ যুবক মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে এবং তাদের মধ্যে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও বেড়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন। কিন্তু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় মাদক সেবন বন্ধ করা সম্ভব নয়, তাই আমি আবেদন জানাচ্ছি, স্থানীয়ভাবে পুলিশ প্রশাসন এবং সমাজের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে মাদক সেবন বন্ধে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, মাদক সেবনকারীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন, মাদক বিরোধী প্রচারণা, এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে। এতে করে এই ভয়াবহ সমস্যা থেকে সমাজ মুক্তি পাবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার আবেদন। জনাব, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশুদের নিরাপত্তা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি শিশুদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে, যা তাদের ভবিষ্যতের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, সহপাঠী সহিংসতা, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আচরণ, এবং স্কুলের বাহিরে অবাধ চলাচল ইত্যাদি বিষয়গুলো শিশুর নিরাপত্তাকে হুমকির মধ্যে ফেলে। এক্ষেত্রে, স্কুলে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা অতীব জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পর্যাপ্ত নজরদারি এবং শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হোক। তাছাড়া, স্কুলের বাইরে এবং বাসায়ও শিশুদের নিরাপত্তা বিধানে অভিভাবকদের সচেতন করা প্রয়োজন। এছাড়া, স্কুলে সহিংসতা, বুলিং, এবং মানসিক নির্যাতন রোধে বিশেষ কর্মশালা ও প্রচারণা আয়োজন করা উচিত। এই উদ্যোগগুলো শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক হবে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" কিশোর গ্যাং এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালুর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কিশোর গ্যাং এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষত, কিছু যুবকরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই পরিবার থেকে দূরে গিয়ে নানা অপরাধে যুক্ত হচ্ছে। মাদক সেবন, চুরির ঘটনা, অশান্তি সৃষ্টি এবং স্কুল বা কলেজের বাইরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যার সমাধান করতে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, পুলিশের সহযোগিতায় এলাকায় কিশোর গ্যাং ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করার জন্য ক্যাম্পেইন চালানো হোক। এই ক্যাম্পেইনে পরিবারের ভূমিকা, স্কুল ও সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা থাকতে হবে। এছাড়া, কিছু সমাজসেবা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করা হলে এই যুবকদের জন্য ভালো ফলাফল আসবে এবং তারা পরবর্তীতে সমাজে ভালোভাবে মিশে যেতে পারবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর ট্রাফিক পুলিশ প্রধান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকাতে সড়ক দুর্ঘটনা ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, সিগন্যাল অতিক্রম করা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের গাড়ি চালানোও এই দুর্ঘটনাগুলোর অন্যতম কারণ। এই অবস্থায়, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইনগত পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। এলাকায় পুলিশের নজরদারি এবং সড়ক সেফটি আইন বাস্তবায়ন আরও কঠোর হতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হোক এবং পথচারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এছাড়া, এলাকার রাস্তা ও সিগন্যালের অবস্থাও আরও উন্নত করা প্রয়োজন। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনগণের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য আরও কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা কর্মসূচি চালুর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা কর্মসূচি চালুর আবেদন। জনাব, সমাজে ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তবে আজও অনেক ক্ষেত্রে মানুষ বৈষম্য এবং নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। বিদ্যালয় পর্যায়ে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক ন্যায়বিচারের ধারণা স্থাপন করা প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শিক্ষামূলক কর্মসূচি চালু করা হোক। এতে করে তারা সমাজে বৈষম্য, সহিংসতা, এবং অন্যান্য অঙ্গীকারবদ্ধ কর্মসূচির বিরুদ্ধে সচেতন হয়ে উঠবে। এছাড়া, বিদ্যালয়ে নিয়মিত বিতর্ক ও আলোচনা সেশনের আয়োজন করা উচিত, যেখানে শিক্ষার্থীরা সামাজিক সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারে এবং ন্যায়বিচারের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিশু শ্রম বন্ধে স্থানীয় কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় প্রশাসক [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিশু শ্রম বন্ধে স্থানীয় কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন। জনাব, এলাকায় অনেক শিশু শ্রমে নিযুক্ত রয়েছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করছে। শিশুদের কাজ করার পরিবর্তে তাদের শিক্ষা লাভের সুযোগ থাকা উচিত। বর্তমানে, আমাদের এলাকার শিশুদের অনেকেই বিদ্যালয়ে না গিয়ে বিভিন্ন দোকানপাট বা ব্যবসায় কাজ করছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিশু শ্রম বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করুক এবং এই বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হোক। এটি শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" অপরাধ প্রবণতা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অপরাধ প্রবণতা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে চুরির ঘটনা, ব্যাঙ ধরার কাজ, এবং সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে। এই অবস্থায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অপরাধ প্রবণতা রোধে এলাকায় একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। এতে, অপরাধের কুফল, আইন ভাঙার শাস্তি, এবং সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উপর গুরুত্ব দেয়া হোক। স্থানীয় স্কুল, কলেজ, এবং কমিউনিটি সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনটি আরও ফলপ্রসূ হতে পারে। এছাড়া, পুলিশের প্রচেষ্টা আরও শক্তিশালী করা উচিত, যাতে অপরাধীরা সহজে পার পেয়ে না যায়। নিরাপত্তার বিষয়েও কঠোর মনোভাব গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্কুলের আশেপাশে মাদক সেবন বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকা [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্কুলের আশেপাশে মাদক সেবন বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ের আশেপাশে কিছু যুবক এবং শিক্ষার্থীরা মাদক সেবন করছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এই সমস্যা বিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশকে প্রভাবিত করছে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলছে। এজন্য, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং স্কুলের আশেপাশে পুলিশ নজরদারি বাড়ানো হোক। তাছাড়া, মাদকবিরোধী কর্মসূচি চালিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা উচিত। বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা এবং কর্মশালা আয়োজন করলে মাদক সেবন রোধে সাহায্য পাওয়া যাবে। এছাড়া, এলাকার অভিভাবকদেরও সচেতন করা প্রয়োজন, যাতে তারা তাদের সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বাল্যবিবাহ রোধে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় প্রশাসক [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাল্যবিবাহ রোধে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার আবেদন। জনাব, বাল্যবিবাহ আজও আমাদের দেশে একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে, গ্রামীণ এলাকায় এখনো বহু শিশু কন্যা এবং ছেলে বাল্যবিবাহের শিকার হচ্ছে। এটি শুধু শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং তাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, এই সমস্যা রোধে স্থানীয় প্রশাসন একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করুক। এলাকার বিদ্যালয়, মসজিদ, এবং কমিউনিটি সেন্টারের মাধ্যমে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা হোক। তাছাড়া, সরকারি আইন এবং বিধি-নিষেধ সম্পর্কেও তথ্য প্রদান করা উচিত। এছাড়া, বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত যাতে এই সমস্যা রোধ করা যায়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, নারী নির্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে রাস্তা, পার্ক, শপিংমল ইত্যাদিতে নারীরা অনেক সময় অসুস্থ মানসিকতার ব্যক্তিদের শিকার হয়ে থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য, আমাদের সমাজে নারীদের নিরাপত্তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। বিশেষ করে শহরের সড়কগুলিতে, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে, এবং শপিংমল ও পার্কগুলিতে পুলিশি উপস্থিতি বৃদ্ধি করা উচিত। এছাড়া, পুলিশের সাহায্য কেন্দ্র এবং হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হোক, যাতে নারীরা সহজেই সাহায্য পেতে পারেন। এছাড়া, সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং নারীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণও আয়োজন করা যেতে পারে, যা তাদের আরও নিরাপদে রাখতে সাহায্য করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিশুদের জন্য সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় প্রশাসক [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিশুদের জন্য সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে, প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে। অনলাইনে যোগাযোগ, গেমিং, এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার শিশুদের জন্য অনেক সময় বিপজ্জনক হতে পারে। অনেক শিশু অনলাইনে প্রতারণার শিকার হচ্ছে, তাদের তথ্য চুরি হচ্ছে বা তারা অশ্লীল ও সহিংস কনটেন্টে আসক্ত হচ্ছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিশুদের সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য একটি বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন করা হোক। এটি তাদের নিরাপদ অনলাইন আচরণ, পরিচিতির সুরক্ষা, এবং সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিতে সহায়ক হবে। এছাড়া, অভিভাবকদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা সেশন আয়োজন করা উচিত, যাতে তারা তাদের সন্তানদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় প্রশাসক [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের শহরের বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি শুধু শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, বরং ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত ব্যক্তিরা সাধারণত নিজেদের সঠিক উন্নয়ন করতে পারে না। তাদের জন্য একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র তৈরি করা এবং সামাজিকভাবে তাদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করতে হলে, আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ডিজিটাল লিটারেসি বৃদ্ধি করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ডিজিটাল লিটারেসি বৃদ্ধি করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে ডিজিটাল প্রযুক্তি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তবে অনেকেই সঠিকভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে জানেন না। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে, মানুষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং টুলস সম্পর্কে কম জানে, যা তাদের সৃজনশীলতা এবং কর্মক্ষমতার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, ডিজিটাল লিটারেসি নিয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হোক। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে, সাধারণ মানুষ যেমন কম্পিউটার ব্যবহার, ইন্টারনেট নিরাপত্তা, এবং ডিজিটাল অর্থনীতি সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। এছাড়া, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থীদেরও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, যা তাদের কাজের পরিবেশে উন্নতি করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষাব্যবস্থায় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম চালুর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর শিক্ষা সচিব [শিক্ষা মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষাব্যবস্থায় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম চালুর আবেদন। জনাব, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, এবং স্কুল পর্যায়ে আধুনিক শিক্ষার জন্য ই-লার্নিং একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হয়ে উঠেছে। তবে, এখনও আমাদের দেশে এমন একটি প্ল্যাটফর্মের অভাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার ডিজিটাল উপকরণ এবং রিসোর্স সহজলভ্য করে দেবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম চালু করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা ভিডিও টিউটোরিয়াল, ই-বুকস, কুইজ এবং অনলাইন ডিবেটের মাধ্যমে শেখার সুযোগ পাবে। এই প্ল্যাটফর্মটি শিক্ষকদের জন্যও একটি মূল্যবান টুল হতে পারে, যা তাদের শ্রেণীকক্ষে আরও সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠদান করতে সহায়ক হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর গ্রামীন ফোন সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে, শহরের তুলনায় গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ অনেক দুর্বল এবং অপ্রতুল। এর ফলে, গ্রামীণ জনগণ ডিজিটাল প্রযুক্তি, অনলাইন শিক্ষা, এবং ই-গভর্নেন্স পরিষেবাগুলোর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগের সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। সেলুলার এবং ব্রডব্যান্ড সংযোগের মান উন্নত করা হলে, গ্রামাঞ্চলে প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়া সম্ভব হবে এবং এতে গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর টেকনোলজি ইনকিউবেটর প্রধান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করার আবেদন। জনাব, বর্তমানে বাংলাদেশে নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছে অনেক স্টার্টআপ। তবে, এই স্টার্টআপগুলো প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রোগ্রামিং কৌশল, এবং আইটি রিসোর্সের অভাবে অনেক সময় তাদের পণ্য বা সেবা উন্নত করতে পারছে না। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হোক। এতে তাদের প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা আরও কার্যকরীভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। এছাড়া, ইনকিউবেটর সুবিধাগুলোর মাধ্যমে তাদের পণ্যকে বাজারে প্রবেশ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করা হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর" ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালুর জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর বাংলাদেশ ব্যাংক [ঠিকানা] বিষয়: ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালুর জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবসা এবং লেনদেনের পদ্ধতি দ্রুত এবং নিরাপদ হয়ে উঠেছে। দেশের ব্যবসায়িক ব্যবস্থায় নিরাপদ, দ্রুত, এবং সহজ পেমেন্ট পদ্ধতির অভাব রয়েছে, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে কিছুটা বিলম্বিত করছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালুর জন্য দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে ব্যবসায়ীরা সহজে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে তাদের লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন। এই সিস্টেমটি গ্রামীণ এবং শহরাঞ্চল উভয়ের জন্য কার্যকরী হবে। এছাড়া, ছোট ব্যবসায়ী এবং গ্রাম্য উদ্যোক্তাদের জন্য এ-কমার্স এবং ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " আইওটি (IoT) ভিত্তিক শহর উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাব,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: আইওটি (IoT) ভিত্তিক শহর উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাব। জনাব, বর্তমানে প্রযুক্তির বিশ্বে ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শহরগুলোকে আরও উন্নত এবং স্মার্ট হিসেবে গড়ে তোলার জন্য IoT প্রযুক্তি ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, একটি ""স্মার্ট সিটি"" পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক, যেখানে IoT প্রযুক্তি ব্যবহার করে শহরের পরিবহন ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করা হবে। এতে শহরের নাগরিকদের জীবনযাত্রা সহজ ও নিরাপদ হবে। এই প্রকল্পটি প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হবে, যা দেশে স্মার্ট শহর গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর কৃষি মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আবেদন। জনাব, বর্তমানে কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। কিন্তু অনেক কৃষক আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত নন, যার ফলে তারা পুরনো পদ্ধতিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের জন্য আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি যেমন অটোমেটেড সেচ ব্যবস্থা, ড্রোন ব্যবহার, এবং সুরক্ষা প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হোক, যাতে তারা নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। এতে তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস তৈরি করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস তৈরি করার আবেদন। জনাব, বর্তমানে, অনলাইন ব্যবসা বা ই-কমার্স বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়িক মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু, অনেক স্থানীয় উদ্যোক্তা বা ছোট ব্যবসায়ী ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন নন, এবং তাদের পণ্য দেশের বাইরে বিক্রি করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বিশেষ অনলাইন মার্কেটপ্লেস তৈরি করা হোক, যেখানে তারা সহজেই তাদের পণ্য অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন। এতে উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) গবেষণাগারের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর গবেষণা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) গবেষণাগারের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন। জনাব, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) পৃথিবীজুড়ে প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাচ্ছে। আমাদের দেশের প্রতিভাবান গবেষকরা AI নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হলেও, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং গবেষণার সুযোগের অভাব রয়েছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, একটি আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গবেষণাগার তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন করা হোক, যেখানে দেশীয় গবেষকরা প্রযুক্তিগত উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে সক্ষম হবে। এতে আমাদের দেশে প্রযুক্তির উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে এবং আমরা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ভার্চুয়াল ক্লাসরুম সিস্টেম চালুর জন্য সাহায্য প্রদানকারী আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর শিক্ষা মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: ভার্চুয়াল ক্লাসরুম সিস্টেম চালুর জন্য সাহায্য প্রদানকারী আবেদন। জনাব, বিশ্বব্যাপী শিক্ষার পরিসর সম্প্রসারিত করতে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম সিস্টেম একটি কার্যকরী উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষত, আমাদের দেশে গ্রামীণ এলাকায় অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যেতে পারছে না, অথবা শিক্ষকের অভাব রয়েছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটি ভার্চুয়াল ক্লাসরুম সিস্টেম চালু করতে সাহায্য করা হোক। এটি শিক্ষার্থীদের যেকোনো জায়গা থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিবে এবং তাদের শিক্ষা সেবার মান উন্নত করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " কৃষকদের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর কৃষি মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: কৃষকদের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষি খাতে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকরা তাদের জমির সঠিক পরামর্শ, সেচ, ফসল চাষ, এবং বাজারমূল্য সংক্রান্ত তথ্য সহজেই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন থেকে পেতে পারেন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের দেশের কৃষকদের জন্য একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হোক, যাতে তারা তাঁদের কৃষিকাজ আরও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারে এবং এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা লাভ করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে সরকারি সেবা উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাব,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধানমন্ত্রী [ঠিকানা] বিষয়: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে সরকারি সেবা উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাব। জনাব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি সরকারি সেবার ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে। এটি বিভিন্ন সরকারি সেবা যেমন, নাগরিক সেবা, বিচার ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সেবা এবং শিক্ষা খাতে দ্রুত এবং দক্ষ সেবা প্রদান করতে সহায়ক হতে পারে। আমি প্রস্তাব করছি যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবার মান এবং পদ্ধতি উন্নত করা হোক। এতে জনগণ দ্রুত এবং সঠিক সেবা পাবে, এবং সরকারি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ এবং দক্ষ হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি জরিপ পরিচালনা করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর কৃষি অধিদপ্তর [ঠিকানা] বিষয়: তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি জরিপ পরিচালনা করার জন্য আবেদন। জনাব, কৃষির উন্নতি নিশ্চিত করতে কৃষি জরিপ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। তবে, বর্তমানে যে প্রচলিত পদ্ধতিতে কৃষি জরিপ পরিচালনা করা হয়, তা সময়সাপেক্ষ এবং অনেক ক্ষেত্রে ভুল তথ্যের সুযোগ থাকে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষি জরিপের কাজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালনা করা হোক। এতে কৃষকের তথ্য, জমির ধরন, ফসলের ধরন এবং অন্যান্য জরুরি তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করা সম্ভব হবে, যা কৃষি নীতির উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ভর্তির জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] " ফি মওকুফের আবেদনপত্র,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ফি মওকুফের আবেদন। জনাব, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন ছাত্র/ছাত্রী। আমার বাবা একজন দিনমজুর এবং আমাদের পরিবার আর্থিকভাবে খুব কষ্টে দিন যাপন করছে। এই কারণে আমার শিক্ষাবর্ষের ফি প্রদান করা আমার পক্ষে অসম্ভব। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, দয়া করে আমার ফি মওকুফ করে আমাকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিন। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল নম্বর] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" বৃত্তির আবেদনপত্র,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর অধ্যক্ষ [কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বৃত্তির জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন মেধাবী ছাত্র/ছাত্রী। আমি [বিষয়] বিষয়ে [সেমিস্টার/বছর] এ পড়ছি এবং সব পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করেছি। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়, তাই আমি বৃত্তির জন্য আবেদন জানাচ্ছি। আমার সমস্ত নম্বরপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করলাম। অনুগ্রহ করে আমাকে বৃত্তির জন্য বিবেচনা করলে আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বিভাগ] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রান্সফার সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী। আমার পিতার কর্মস্থল পরিবর্তনের কারণে আমাদের পরিবারকে অন্য জেলায় স্থানান্তরিত হতে হচ্ছে। এই কারণে আমি অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে বাধ্য হচ্ছি। অনুগ্রহ করে আমাকে একটি ট্রান্সফার সার্টিফিকেট প্রদান করার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর] [শ্রেণি] [তারিখ]" ট্রান্সফার সনদের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অন্য বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য ট্রান্সফার সনদের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী, আমি বিদ্যালয়টি থেকে [অন্য বিদ্যালয়ের নাম] এ স্থানান্তরের জন্য আবেদন করছি। আমার পরিবার [অথবা স্থানান্তরের কারণ] কারণে আমাদের স্থান পরিবর্তন করতে হচ্ছে এবং এজন্য আমাকে নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। আমি আন্তরিকভাবে আবেদন করছি যে, আমাকে একটি ট্রান্সফার সনদ প্রদান করা হোক যাতে আমি নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারি এবং আমার পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছুটির জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্র/শিক্ষকের জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শিক্ষকের নাম বা শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/শিক্ষক, আমি [আপনার ছুটির কারণ যেমন: অসুস্থতা, পারিবারিক জরুরি বিষয় ইত্যাদি] এর কারণে [ছুটির সময়কাল] পর্যন্ত ছুটি নিতে চাই। আমি আশা করি আপনি আমার ছুটি মঞ্জুর করবেন এবং আমি আমার পড়াশোনা বা শিক্ষকতার দায়িত্বে ফিরে আসতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " বিভাগ বা স্ট্রিম পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শ্রেণী বা স্ট্রিম পরিবর্তনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [বর্তমান শ্রেণী বা স্ট্রিমের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি [অন্য শ্রেণী বা স্ট্রিমের নাম] এ স্থানান্তরের জন্য আবেদন করছি। আমি প্রথমে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছিলাম, কিন্তু এখন আমি অনুভব করছি যে, আমার আগ্রহ এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনা আর্টস বা কমার্স বিভাগের দিকে। অতএব, আমি আপনার কাছে আবেদন করছি যাতে আমাকে [বিষয় বা স্ট্রিম পরিবর্তনের কারণ] এর ভিত্তিতে বিভাগ পরিবর্তন করার অনুমতি দেয়া হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষাগত সফরের জন্য অনুমতির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষাগত সফরের জন্য অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি আপনার কাছে শিক্ষাগত সফরের অনুমতি চাইছি। আমাদের বিদ্যালয়/কলেজ একটি [সফরের গন্তব্য, যেমন: বিজ্ঞান কেন্দ্র, ঐতিহাসিক স্থান, অথবা কারখানা] পরিদর্শন করার পরিকল্পনা করেছে। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করা এবং তাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করা। সফরটি [তারিখ] অনুষ্ঠিত হবে এবং এর সাথে সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " অতিরিক্ত পরীক্ষার সময়ের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি আপনার কাছে আবেদন করছি যে, আমাকে আমার পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত সময় দেয়া হোক। আমি [বিশেষ কারণ যেমন: শিক্ষাগত প্রতিবন্ধকতা, শারীরিক সমস্যা, ইত্যাদি] কারণে যথাযথভাবে পরীক্ষার সময় সবকিছু সম্পন্ন করতে পারি না। আপনার সহযোগিতার জন্য আমি কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি বিশেষ পরীক্ষা ব্যবস্থার জন্য আবেদন করছি। আমি [শারীরিক সমস্যা, মানসিক সমস্যা, ইত্যাদি] কারণে স্বাভাবিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছি না। অতএব, আমি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি, যেমন: পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত সময় বা অন্য কোন ব্যবস্থা। আপনার অনুমতির জন্য আমি অগ্রিম ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" উত্তীর্ণ পরীক্ষার পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি আমার [বিশেষ পরীক্ষা বা বিষয়] এর ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য আবেদন করছি। আমি মনে করি যে, আমার পরীক্ষায় কিছু ভুল অথবা অস্পষ্টতা থাকতে পারে যা সঠিকভাবে মূল্যায়ন হয়নি। আমি আশা করি, আপনি আমার পরীক্ষা পুনরায় মূল্যায়ন করবেন এবং ফলাফল সংশোধন করবেন যদি কোনো ত্রুটি থাকে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছুটির আবেদন (ছাত্র/শিক্ষকের জন্য),"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি/বিষয়]-এর একজন নিয়মিত ছাত্র/শিক্ষক। আমি [তারিখ থেকে তারিখ পর্যন্ত] ব্যক্তিগত/পারিবারিক/স্বাস্থ্যগত কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারব না। আমার এই অনুপস্থিতির জন্য আমাকে স্বাভাবিক ছুটি প্রদান করলে কৃতজ্ঞ থাকব। প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সনদপত্রও প্রদান করা যাবে। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি বা পদবি] [রোল নম্বর/আইডি] [মোবাইল নম্বর]" বিভাগ/স্ট্রিম পরিবর্তনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর অধ্যক্ষ [কলেজের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিভাগ/স্ট্রিম পরিবর্তনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার কলেজের [বর্তমান বিভাগ]-এর একজন ছাত্র/ছাত্রী। আমি আমার আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার লক্ষ্য অনুযায়ী [নতুন বিভাগ]-এ পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক। আমার বর্তমান বিভাগে পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অসুবিধা হচ্ছে এবং আমি অনুভব করছি যে, আমার নতুন বিভাগে অধিক আগ্রহ ও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অনুগ্রহ করে আমার বিভাগ পরিবর্তনের আবেদনটি গ্রহণ করে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বর্তমান বিভাগ] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষা সফরের অনুমতির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর অধ্যক্ষ [বিদ্যালয়/কলেজের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষা সফরের অনুমতি প্রার্থনা। জনাব, আমরা [শ্রেণি/বিভাগ]-এর ছাত্রছাত্রীরা আগামী [তারিখ]-এ [স্থান]-এ একটি শিক্ষা সফরে যেতে আগ্রহী। এই সফরের উদ্দেশ্য হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন ও পাঠ্যবিষয়ক ধারণা সমৃদ্ধ করা। আমাদের সফরে মোট [সংখ্যা] জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করবে এবং আমাদের সাথে শিক্ষক/শিক্ষিকাও থাকবেন। আমরা সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলব। অনুগ্রহ করে আমাদের শিক্ষা সফরের অনুমতি দিলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি/বিভাগ প্রতিনিধি] [মোবাইল নম্বর]" অতিরিক্ত পরীক্ষার সময় চাওয়ার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক [বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় চাওয়ার আবেদন। জনাব, আমি [বিভাগ]-এর একজন ছাত্র। আমি [অসুবিধার নাম যেমন Dyslexia/হাত ভাঙা ইত্যাদি] সমস্যায় ভুগছি, যার কারণে স্বাভাবিক সময়ের মধ্যে প্রশ্নপত্র সমাপ্ত করতে পারি না। আমার চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় প্রযোজ্য হতে পারে বলে জানা গেছে। প্রয়োজনীয় মেডিকেল রিপোর্ট সংযুক্ত করলাম। অতএব, পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বিভাগ] [মোবাইল নম্বর]" পরীক্ষায় বিশেষ সুবিধার আবেদন (দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা/স্ক্রাইব),"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক [বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থার আবেদন। জনাব, আমি [বিভাগ]-এর একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী/অন্য প্রতিবন্ধকতা আক্রান্ত ছাত্র/ছাত্রী। আমার পরীক্ষায় উত্তর লেখার জন্য একজন স্ক্রাইব প্রয়োজন। আমি নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করি এবং আমার প্রতিবন্ধকতা সংক্রান্ত মেডিকেল ডকুমেন্টস সংযুক্ত করলাম। অতএব, অনুগ্রহ করে আমাকে বিশেষ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বিভাগ] [মোবাইল নম্বর]" উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক [বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [বিষয়] বিষয়ে [পরীক্ষার নাম] পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। কিন্তু প্রকাশিত ফলাফলে প্রাপ্ত নম্বর আমার প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়ায় আমি সন্দিহান। আমি প্রশ্নের উত্তর যথাযথভাবে প্রদান করেছিলাম। তাই বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমার উত্তরপত্রটি পুনরায় মূল্যায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করলাম। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বিভাগ] [মোবাইল নম্বর]" বাৎসরিক মেলা আয়োজনের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাৎসরিক মেলা আয়োজনের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক। আমাদের এলাকায় প্রতি বছর একটি সাংস্কৃতিক মেলার আয়োজন করা হয় যা এলাকার মানুষকে আনন্দ দেয় এবং স্থানীয় শিল্পীদের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করে। এই বছরেও আমরা মেলাটি আয়োজন করতে আগ্রহী, তবে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতির প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, মেলাটি আয়োজনের প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, অনুগ্রহ করে আমাদের আবেদনটি বিবেচনা করে অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের এলাকা দিন দিন গরম এবং দূষণের শিকার হচ্ছে। এ অবস্থায় আমি এলাকার রাস্তার ধারে এবং খালি জায়গাগুলোতে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিতে চাই। তবে এই কর্মসূচি শুরু করার আগে আপনার দপ্তরের অনুমতি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, বৃক্ষরোপণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং সহযোগিতা প্রদানে সদয় দৃষ্টি দিবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" রাস্তার পাশে ক্ষুদ্র ফুড স্টল বসানোর অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার পাশে ক্ষুদ্র ফুড স্টল বসানোর অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে নিজে রান্না করে খাবার বিক্রি করার জন্য একটি ছোট ফুড স্টল চালু করতে চাই। আমি [স্থান/রাস্তার নাম] এলাকায় স্টলটি বসাতে চাই, যেখানে অনেক মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। তবে আমি পরিবেশ ও রাস্তার শৃঙ্খলা বজায় রেখে ব্যবসা চালাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমাকে স্টল স্থাপনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" প্রতি শুক্রবার ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্রতি শুক্রবার ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ওষুধ ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক। আমি চাই প্রতি শুক্রবার এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষদের জন্য একটি ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করতে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য আপনার প্রশাসনিক অনুমতি এবং স্থান ব্যবহারের অনুমতি প্রয়োজন। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই জনসেবামূলক কার্যক্রমের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" আমাদের এলাকায় সোলার স্ট্রিট লাইট বসানোর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আমাদের এলাকায় সোলার স্ট্রিট লাইট বসানোর জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের এলাকার বেশ কয়েকটি রাস্তায় বিদ্যুৎ সমস্যা থাকার কারণে রাতে অন্ধকারে ডুবে থাকে। এ কারণে চুরি ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সমস্যার টেকসই সমাধান হিসেবে সোলার স্ট্রিট লাইট বসানো যেতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকায় সোলার লাইট বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" এলাকার পার্কে একটি পাঠাগার কোণ নির্মাণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকার পার্কে একটি পাঠাগার কোণ নির্মাণের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন শিক্ষানুরাগী নাগরিক। আমি চাই আমাদের পার্কে একটি ছোট পাঠাগার কোণ বা 'Reading Corner' তৈরি করা হোক, যেখানে ছেলেমেয়েরা বই পড়তে পারে। এটি যুব সমাজকে জ্ঞানভিত্তিক হতে উৎসাহিত করবে এবং একটি সুন্দর পাঠাভ্যাস গড়ে তুলবে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহায়তা ও অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ছাড়া চাষাবাদ করা খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, ধান কাটার মেশিন এবং বীজ রোপণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে সরকারি কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হোক, যাতে আমরা চাষাবাদে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" খামার উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খামার উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র কৃষক। আমি গবাদিপশু পালন করি এবং একটি ছোট খামার পরিচালনা করি। কিন্তু বর্তমানে খাদ্য সংকট, ওষুধের উচ্চমূল্য এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে খামার পরিচালনা করতে কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার খামার উন্নয়নের জন্য সরকারি সহায়তা প্রদান করা হোক, যাতে আমি আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকাজ ও পশুপালন চালিয়ে যেতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে উন্নত কৃষি গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের কৃষিক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। আমি কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী, যাতে আধুনিক চাষাবাদ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাকে ও আমার এলাকার কৃষকদের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সুযোগ প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের সহযোগিতা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পুকুরে মৎস্য চাষের জন্য সরকারি সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুকুরে মৎস্য চাষের জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমি আমার নিজস্ব পুকুরে মৎস্য চাষ করতে চাই, কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, সরকারি অনুদান বা সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে আমাকে মৎস্য চাষের জন্য সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি বীমার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ব্যাংক ম্যানেজার [ব্যাংকের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি বীমার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলহানির শিকার হন। এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য একটি কার্যকরী কৃষি বীমা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য একটি উপযুক্ত কৃষি বীমা সুবিধা চালু করা হোক, যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " সেচের পানির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সেচের পানির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় সেচের পানির অভাবে ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সেচের পানির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আমরা স্বাভাবিকভাবে চাষাবাদ করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" স্কুলের প্রবেশদ্বারে নিরাপত্তা চৌকসতা বাড়ানোর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্কুলের প্রবেশদ্বারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত রয়েছে। সকাল–বিকেলের সময় অজ্ঞাত ব্যক্তির প্রবেশের সুযোগ থেকে যায়, ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে, একজন নিরাপত্তারক্ষী বরাদ্দ বা প্রবেশ–বিস্তার সংযোগে ডিজিটাল কার্ড স্ক্যানার ও লুনিSystem বসানো হলে স্কুল কমিউনিটির নিরাপত্তা বজায় থাকবে। অতএব, অনুগ্রহ করে প্রবেশদ্বারে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংযোজনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুন। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর] " ছাত্র সংসদ/ইউনিয়নের বৈশিষ্ট্যমূলক কার্যক্রম চালুর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্র সংসদ কার্যক্রম চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের কার্যকলাপ খুবই সীমিত। ছাত্রসংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও অংশগ্রহণ বেশি বাড়ানো সম্ভব। একটি স্বতন্ত্র ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা করে নির্বাচন ও দায়িত্ব প্রদান করলে ছাত্রদের মধ্যে দলবদ্ধভাবে কাজের প্রেরণা সৃষ্টি হবে। অতএব, আপনাকে অনুরোধ করছি, একটি কার্যকর ছাত্র সংসদ/ইউনিয়ন গঠন করে নিয়মিত সভা ও কর্মসূচি আয়োজন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষার্থীদের নিরাপদ অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার প্রসারিত করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নিরাপদ অনলাইন ব্যবহার বিষয়ে কর্মশালার আবেদন। জনাব, অনলাইনে শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যা হচ্ছে—যেমন সাইবারবুলিং, ফেক নিউজ, অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং। এটি তাদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং পড়াশোনায় প্রভাব ফেলছে। এই অবস্থার সমাধানে, একটি কর্মশালা উদ্যোগ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ অনলাইন ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করা উচিত। এতে তারা সোশ্যাল মিডিয়ার নিরাপদ ব্যবহার শিখবে ও ঝুঁকিহীনভাবে নিজের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবে। অতএব, কর্মশালা আয়োজনের ব্যবস্থা করে দয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর]" বন্ধুদেবদির জন্য স্কুলে ‘দয়াময় কর্নার’ স্থাপনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে “দয়াময় কর্নার” স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা স্কুলে নিয়মিত শিখি নৈতিকতা ও সহমর্মিতার ধারণা। তবে বাস্তব জীবনে প্রয়োগের সুযোগ কম। “দয়াময় কর্নার” নামে একটি স্থান গড়ে তুললে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনের সময় খাবার বা অন্যান্য সামগ্রী তাতে রেখে দিতে বা নিতে পারে। এটি স্কুলে উদারতা, সহানুভূতি ও সহায়ক মনোভাব গড়ে তুলবে। শিক্ষার্থীরা সামাজিকভাবে দায়বদ্ধতা অর্জন করতে পারবে। অতএব, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ে জল বটিকা (Water ATM) স্থাপনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপদ পানির জন্য “Water ATM” স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে থাকা পানির মান সমস্যায় রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য টং চাপাই, বোতলে পানি আনতে হয় যা ঝামেলাজনক বা ট্যাঙ্কের পানি পরিষ্কার নয়। যদি বিদ্যালয়ে একটি সাশ্রয়ী মূল্যের “Water ATM” (ফিল্টারধারী জল যন্ত্র) স্থাপন করা হয়, তাহলে ছাত্রছাত্রীরা নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সহজে পাবে। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমে যাবে। অতএব, Water ATM উদ্যানের জন্য দয়ার আবেদন করছি। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর]" নতুন দোকান খোলার জন্য লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন দোকান খোলার জন্য ব্যবসায়িক লাইসেন্সের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], [ঠিকানা]-এর একজন সাধারণ বাসিন্দা। আমি স্থানীয় বাজারে একটি ছোট মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর দোকান খোলার পরিকল্পনা করেছি, যার মাধ্যমে আমার পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতে পারব। তবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত লাইসেন্স প্রয়োজন। এই ব্যবসার মাধ্যমে এলাকার মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তি পণ্য সহজে পাওয়া যাবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে। অতএব, আমাকে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দিয়ে একটি বৈধ লাইসেন্স প্রদান করার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" দোকানের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], [সড়কের নাম]-এ একটি মুদি দোকান পরিচালনা করছি। বর্ষা মৌসুমে আমার দোকানের সামনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পানি জমে থাকে, ফলে ক্রেতারা দোকানে প্রবেশ করতে ভয় পান ও বেচাবিক্রি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই জলাবদ্ধতার কারণে এলাকায় দুর্গন্ধ এবং মশার উপদ্রবও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য এবং ব্যবসার জন্য হুমকি। অতএব, দোকানের সামনে ড্রেন সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" মেলার জন্য অস্থায়ী দোকান খোলার অনুমতির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: মেলার সময় অস্থায়ী দোকান স্থাপনের অনুমতির আবেদন। জনাব, আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য [মেলার নাম] উপলক্ষে আমি একটি অস্থায়ী খেলনা ও হস্তশিল্প সামগ্রীর দোকান স্থাপন করতে চাই। প্রতিবছর এই সময় আমি স্বল্প পরিসরে ব্যবসা করে থাকি এবং এতে কিছু মৌসুমি কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়। আপনার অনুমতি ব্যতীত দোকান স্থাপন করা সম্ভব নয়। অতএব, দয়া করে আমাকে অস্থায়ী দোকান খোলার অনুমতি দিয়ে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর] [মোবাইল নম্বর] " ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য পৌরসভার বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ঠিকানা]-তে একটি বেকারির দোকান চালাই। সম্প্রতি আমি দোকানটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে সম্প্রসারণ করেছি। কিন্তু পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় ওভেনসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারছি না। অতএব, আমার ব্যবসায়িক স্থাপনায় একটি নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য আপনার দপ্তরের সহায়তা কামনা করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্থানীয় বাজারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের অনুরোধ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাজারের নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের অনুরোধ। জনাব, আমরা বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী একমত যে, সম্প্রতি চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই সমস্যা সমাধানে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে চুরি রোধ করা সম্ভব হবে। অতএব, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ব্যবসায়িক এলাকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসা এলাকায় ট্রাফিক জ্যাম নিরসনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [ঠিকানা]-তে অবস্থিত [ব্যবসার নাম] এর মালিক। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি বাজার ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। ফলে দোকানে আসা-যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে ক্রেতাদের জন্য। এই সমস্যা সমাধানে কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়ি পার্কিং নিষিদ্ধ করে, ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন ও নির্দেশনা বোর্ড বসানো জরুরি। অতএব, জনস্বার্থে অনুগ্রহ করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সরকারি কর হ্রাস/ছাড়ের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কর ছাড়ের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। [এলাকার নাম] বাজারে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে একটি চা-দোকান পরিচালনা করছি। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিদ্যুৎ–জ্বালানি খরচের কারণে আমার পক্ষে নির্ধারিত ব্যবসায়িক কর পরিশোধ করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাছাড়া, আমি একজন একমাত্র উপার্জনকারী এবং আমার পরিবার এই আয়ের উপর নির্ভরশীল। তাই, আমার দোকানের কর বা ফি কিছুটা হ্রাস বা কিছু সময়ের জন্য ছাড় দিলে আমি নতুনভাবে ব্যবসা স্থিতিশীল করতে পারবো। অতএব, বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে আমাকে আংশিক কর মওকুফ বা ছাড় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ফুড স্টল পরিচালনার অনুমতির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার পাশে অস্থায়ী ফুড স্টল পরিচালনার অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি একজন তরুণ উদ্যোক্তা। কিছুদিন আগে আমি রোডের পাশে “ফুচকা ও চটপটি” বিক্রির একটি ছোট স্টল চালু করেছি। ব্যবসাটি এখন অনেকেই পছন্দ করছেন এবং কিছু কর্মসংস্থানের সুযোগও হয়েছে। কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছি যে এই ব্যবসা পরিচালনায় পৌরসভার অনুমতি প্রয়োজন। আমি স্বাস্থ্যবিধি মেনে, পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে ব্যবসাটি চালিয়ে যেতে চাই। অতএব, আমাকে বৈধভাবে রাস্তার নির্দিষ্ট জায়গায় অস্থায়ী ফুড স্টল পরিচালনার অনুমতি প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর] [মোবাইল নম্বর]" দোকানের পাশে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের পাশে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমার দোকানের পাশ দিয়ে বহু পথচারী যাতায়াত করেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সেখানে কোন নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় মানুষ রাস্তায় যত্রতত্র আবর্জনা ফেলছে। এতে দোকান এবং এলাকার পরিবেশ দুর্গন্ধযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে। এই সমস্যা দূর করার জন্য একটি বড়সড় ময়লার বিন বসানো প্রয়োজন। এতে এলাকার পরিবেশ সুন্দর থাকবে এবং রোগব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। অতএব, ডাস্টবিন বসানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ব্যবসা এলাকার রাস্তার লাইট স্থাপন/মেরামতের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাজার এলাকায় রাস্তার লাইট স্থাপন/মেরামতের আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] বাজারের প্রধান রাস্তার লাইটগুলি গত কয়েক মাস যাবৎ নষ্ট অবস্থায় রয়েছে। সন্ধ্যার পর রাস্তাটি একেবারে অন্ধকারে ঢেকে যায়, ফলে পথচারী ও ক্রেতারা চলাচলে ভয় পান এবং চুরির আশঙ্কা দেখা দেয়। এই সমস্যার কারণে বিকেল গড়াতেই দোকান বন্ধ করতে হচ্ছে, যার ফলে ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে। অতএব, দ্রুত রাস্তায় লাইট স্থাপন বা মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনার দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ব্যবসায়িক লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসায়িক লাইসেন্স প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা এবং একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি সম্প্রতি একটি মুদি দোকান চালু করেছি, যা এই এলাকায় বাসিন্দাদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজে পাওয়ার সুযোগ করে দেবে। তবে, ব্যবসাটি চালু রাখতে হলে মিউনিসিপ্যালিটির অনুমোদিত ব্যবসায়িক লাইসেন্স প্রয়োজন। আমি সকল নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাকে ব্যবসার লাইসেন্স প্রদান করে এই উদ্যোগে সহযোগিতা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] " দোকানের সামনে হকার দখলমুক্ত করার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: হকার দ্বারা দখলকৃত স্থান পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বৈধ দোকান মালিক। আমার দোকানের সামনে প্রতিদিন অস্থায়ী হকাররা পসরা বসিয়ে দেয়, যার ফলে ক্রেতারা দোকানে প্রবেশ করতে পারছে না এবং ব্যবসায়িকভাবে আমি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। এই সমস্যা নিরসনের জন্য বারবার মৌখিকভাবে অভিযোগ দিলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত অনুরোধ, হকারদের নিয়মিতভাবে উচ্ছেদ করার মাধ্যমে আমার দোকানের সামনে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" দোকান ঘিরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের আশেপাশে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমার দোকানের সামনে প্রায়ই আবর্জনা জমে থাকে এবং নির্দিষ্টভাবে ডাস্টবিন না থাকায় পথচারীরা রাস্তায় আবর্জনা ফেলছেন। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং দোকানের ক্রেতারা বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমার দোকানসংলগ্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা ও একটি ডাস্টবিন বসানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" রাতের বেলা নিরাপত্তা জোরদারের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানপট্টিতে রাতের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমাদের এলাকায় সম্প্রতি চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে এবং দোকানপট্টিতে নিরাপত্তার অভাব স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। রাতের বেলায় পুলিশ টহলও অনিয়মিত। এই পরিস্থিতিতে আমরা ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, রাতের বেলা দোকানপট্টিতে নিয়মিত নিরাপত্তা বাহিনীর টহল নিশ্চিত করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" করের হার কমানোর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর আরোপিত করের হার হ্রাসের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। করোনা পরবর্তী সময়ে ব্যবসা পুনরায় চালু করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়েছে। এর মাঝে করের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছি। এই অবস্থায় ব্যবসা পরিচালনা অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর আরোপিত করের হার সাময়িকভাবে হ্রাস করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] " ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকায় একটি ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ব্যবসার আইনি বৈধতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি অত্যন্ত জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট বিনীত আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার ব্যবসার জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার আবেদনটি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার নাম ও ঠিকানা]" দোকানের সামনে রাস্তার আলো স্থাপন চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের সামনে সড়ক বাতি স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [অবস্থানের নাম] এলাকায় একটি দোকান পরিচালনা করি। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর দোকানের আশপাশে অন্ধকার থাকে, যার কারণে ব্যবসা পরিচালনা ও ক্রেতাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার দোকানের সামনের সড়কে একটি বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার নাম ও ঠিকানা] " দোকানের জন্য সাইনবোর্ড অনুমতির আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: সাইনবোর্ড লাগানোর অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [ব্যবসার নাম] নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। দোকানের সামনে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করতে চাই, কিন্তু এর জন্য পৌরসভার অনুমতির প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার ব্যবসার সামনে সাইনবোর্ড লাগানোর অনুমতি প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রদান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" বাজার এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাজার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [বাজারের নাম] এলাকায় একটি দোকানের মালিক। সম্প্রতি এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। রাতে দোকান পাহারার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক ক্ষতি হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বাজার এলাকায় পুলিশের টহল বা নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার নাম ও ঠিকানা]" ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ভর্তুকি বা ঋণ সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ভর্তুকি বা সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। মহামারী/অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ব্যবসার অবস্থা খুবই দুর্বল। মূলধন সংকট ও ক্রেতা কমে যাওয়ায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সরকার ঘোষিত সহায়তা, অনুদান বা সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের সহযোগিতা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার নাম ও ঠিকানা] " ব্যবসার জন্য জায়গা বরাদ্দের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন ব্যবসার জন্য জায়গা বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ঠিকানা] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। সম্প্রতি একটি নতুন ব্যবসা শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করছি, তবে জায়গার অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, আমাকে ব্যবসা পরিচালনার জন্য একটি উপযুক্ত জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [মোবাইল নম্বর]" করের ছাড়ের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায় করের ছাড়ের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বর্তমানে অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং বাজারের অবনতি কারণে ব্যবসার টাকাপয়সা মেটানো কঠিন হচ্ছে। অতএব, আমার ব্যবসার জন্য করের কিছু অংশ ছাড় দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" দোকান মেরামতের জন্য সাহায্যের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: দোকান মেরামতের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন। জনাব, আমার দোকানটি প্রাচীন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই দোকান মেরামত করতে আর্থিক সাহায্য প্রয়োজন। অতএব, আমাকে এই বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" বাজারে অবৈধ দোকানপাট বন্ধের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: বাজারে অবৈধ দোকানপাট বন্ধের আবেদন। জনাব, আমাদের বাজারে বেশ কিছু অবৈধ দোকান রয়েছে যা অন্যদের ব্যবসায় সমস্যা সৃষ্টি করছে। অতএব, অবৈধ দোকানপাট বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসায়ী]" নতুন ব্যবসার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন ব্যবসার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন। জনাব, আমি সম্প্রতি নতুন একটি ব্যবসা শুরু করেছি। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় কাজ করতে পারছি না। অতএব, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] " দোকানের বর্ধিত কার্যক্রমের জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের ব্যবসার বর্ধিত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [দোকানের নাম] পরিচালনা করি। বর্তমানে আমার ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা আছে, যেমন নতুন পণ্য বিক্রয় ও দোকান সম্প্রসারণ। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া তা সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায়, আমি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, আমার ব্যবসার জন্য বর্ধিত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি বিবেচনা করে অনুমোদন প্রদান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" স্থানীয় কর বা ফি মওকুফের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসায়িক কর/ফি মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [দোকানের নাম] মালিক। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িক কর এবং ফি পরিশোধে কষ্ট হচ্ছে। এর ফলে ব্যবসার অবস্থা সংকটাপন্ন। সেজন্য, আমি আপনার নিকট বিনীত আবেদন করছি, এই বছরের কর বা ফি মওকুফ করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, আমার আবেদনটি সদয় বিবেচনা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [দোকানের ঠিকানা]" পরিবেশ দূষণ রোধে সহযোগিতার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসা থেকে পরিবেশ দূষণ রোধে সহযোগিতা কামনা। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ব্যবসার নাম] মালিক। ব্যবসার কারণে এলাকায় কিছু মাত্রায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে, যা স্থানীয়দের জন্য সমস্যার কারণ। আমি পরিবেশ রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" ব্যবসার জন্য জল সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন,"৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসার জন্য পর্যাপ্ত জল সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ব্যবসার নাম] পরিচালনা করি। আমাদের ব্যবসার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি সরবরাহ প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে পানির যোগান অপর্যাপ্ত। এতে ব্যবসার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আমি আপনার কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, ব্যবসার জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য কর্পোরেশন কর্তৃক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের আবেদন,"৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ব্যবসার নাম] মালিক। ব্যবসার উন্নতির জন্য আধুনিক ব্যবসায়িক কৌশল শিখতে আমরা প্রশিক্ষণের জন্য আগ্রহী। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের ব্যবস্থা করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" অফিসের সরঞ্জাম সংযোজনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগ/মন্ত্রণালয়/অফিসের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসের সরঞ্জামাদি সংযোজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের [অফিসের নাম] এ কর্মক্ষেত্রে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত কম্পিউটার, প্রিন্টার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংযোজনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। বর্তমান সরঞ্জামগুলি পুরাতন এবং পর্যাপ্ত নয়। অতএব, অফিসের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে উপযুক্ত সরঞ্জামাদি সংযোজনের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম] " অফিসে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বিষয়ে উচ্চ কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিদ্যুৎ বিভাগ/বিভাগীয় প্রধান] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে অবহিতকরণ। জনাব, সাম্প্রতিককালে আমাদের অফিসে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে, যার কারণে অফিসের কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনুগ্রহ করে এই সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আপনাকে অবহিত করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম] " কর্মচারী প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগীয় প্রধান/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: কর্মচারী প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের অফিসের কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও উন্নত ও দ্রুততর করা সম্ভব হবে। অতএব, অফিসের সকল কর্মচারীদের জন্য প্রশিক্ষণ সেশন আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিস ভবন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [মন্ত্রণালয়/বিভাগ] [ঠিকানা] বিষয়: অফিস ভবন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের অফিস ভবনটি অনেক বছর পুরনো হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ক্ষতি হয়েছে। যার ফলে অফিস পরিচালনায় অসুবিধা হচ্ছে এবং কর্মীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। অতএব, ভবনটি দ্রুত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" কর্মচারীর ছুটির জন্য উচ্চতর কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রার্থনা,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগ/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: ছুটির জন্য অনুমতি প্রার্থনা। জনাব, আমি [আপনার নাম], [পদবী], ব্যক্তিগত অসুস্থতার কারণে [তারিখ থেকে তারিখ পর্যন্ত] ছুটির জন্য অনুমতি প্রার্থনা করছি। প্রয়োজনীয় মেডিকেল সার্টিফিকেট সংযুক্ত করা হলো। অনুগ্রহ করে আমার ছুটির আবেদন মঞ্জুর করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [সড়ক ও জনপথ বিভাগ/বিভাগীয় প্রধান] [ঠিকানা] বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদন। জনাব, গত [তারিখ] আমাদের এলাকার [সড়কের নাম] এ একটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে [সংখ্যা] জন আহত এবং [সংখ্যা] জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ মূলত রাস্তার অব্যবস্থাপনা ও সিগন্যালের অভাব। এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সংযুক্ত করে দাখিল করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [মন্ত্রণালয়/বিভাগ] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে অভিযোগ। জনাব, আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের অফিসে কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারী অনিয়ম এবং দুর্নীতির সাথে জড়িত আছেন, যা অফিসের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। উপরোক্ত বিষয় দ্রুত অনুসন্ধান ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিসের নতুন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগ/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন প্রকল্প অনুমোদনের আবেদন। জনাব, আমাদের অফিস একটি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছি, যার মাধ্যমে [লক্ষ্য] অর্জন সম্ভব হবে। প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা সংযুক্ত করা হলো। অনুগ্রহ করে প্রকল্পটি অনুমোদন করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগ/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য আবেদন। জনাব, সাম্প্রতিক কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও নিরাপত্তা হুমকির কারণে অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষীদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা কাম্য। অতএব, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিসের কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [মন্ত্রণালয়/বিভাগ] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অফিসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সাবান, স্যানিটাইজার, মাস্কসহ অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অতএব, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ ও নির্দেশনা প্রদানের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম] " জরুরি সড়ক মেরামতের জন্য আবেদন (সরকারি কর্মকর্তা থেকে উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপমন্ত্রী সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: [এলাকার নাম] এলাকার প্রধান সড়কের জরুরি মেরামতের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [আপনার পদবী] হিসেবে [অফিস/বিভাগ] এ কর্মরত। আমি জানাতে চাই যে, [এলাকার নাম] এলাকার প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে, যা জনসাধারণের চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করছে। অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পাওয়া গেলে দ্রুত মেরামত কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সহায়তা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" কর্মীদের ছুটির অনুমোদনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর পরিচালক [মন্ত্রণালয়/দপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: কর্মীদের ছুটির অনুমোদনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী] হিসেবে [অফিসের নাম] এ কর্মরত। অফিসের কর্মচারী [কর্মচারীর নাম/পদবী] তার পারিবারিক জরুরি কাজে ছুটির আবেদন করেছে। তাদের আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, এ ছুটি অনুমোদন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবহিত করার জন্য। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম] " বার্ষিক কর্মপরিকল্পনার প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর সচিব [মন্ত্রণালয়/দপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: [বিভাগের নাম] এর বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রতিবেদন প্রেরণের আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিভাগের নির্ধারিত বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত হয়েছে এবং অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা প্রয়োজন। তথ্যাবলী ও পরিকল্পনা সংযুক্ত করা হলো। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, যথাসময়ে পরিকল্পনাটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন প্রদান ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করার জন্য। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য রিপোর্ট,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা [দপ্তর/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য প্রতিবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, সম্প্রতি অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে কর্মীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। অতএব, নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে: ১। নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি। ২। সিসি ক্যামেরার সংখ্যা বৃদ্ধি ও মান উন্নয়ন। ৩। প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ কঠোর করা। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম] " প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অনুমোদনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপ সচিব [মন্ত্রণালয়/দপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুমোদনের আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, আমাদের দপ্তরের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থায়ন প্রদান করার জন্য। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" এলাকার দুর্যোগ পরিস্থিতি জানিয়ে ত্রাণ সহায়তা চেয়ে আবেদন,"বরাবর জেলা প্রশাসক [জেলার নাম] বিষয়: দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে [এলাকার নাম] এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বহু পরিবার ঘরছাড়া হয়েছে এবং খাদ্য, পানীয় জল ও ওষুধের অভাবে রয়েছে। আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিয়নের পক্ষে আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত খাদ্য, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানির বোতল ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [নাম] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" সরকারি অফিসে জনবল স্বল্পতার প্রতিবেদন পাঠানো সংক্রান্ত আবেদন,"বরাবর সচিব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঢাকা বিষয়: অফিসে জনবল স্বল্পতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, [অফিসের নাম] বর্তমানে মারাত্মক জনবল সংকটে ভুগছে। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো যেমন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী এবং হিসাব রক্ষণকারীর পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। আপনার সদয় দৃষ্টিতে আনার জন্য এ প্রতিবেদন পাঠানো হলো এবং অনুরোধ জানানো যাচ্ছে, জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [নাম] উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাজেট সংক্রান্ত চাহিদা পাঠানো,"বরাবর প্রধান প্রকৌশলী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: রাস্তাঘাট সংস্কার প্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ চেয়ে আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, [এলাকার নাম] এলাকায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আওতায় রাস্তা সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। কিন্তু বর্তমান বাজেটে নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে প্রকল্প কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। এমতাবস্থায়, প্রকল্পটি সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন। এ বিষয়ে জরুরি বাজেট বরাদ্দের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম] উপজেলা প্রকৌশলী [উপজেলার নাম] " শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেরামতের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি,"বরাবর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ঢাকা বিষয়: বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কারের জন্য অনুরোধ। জনাব, নিবেদন এই যে, [বিদ্যালয়ের নাম], [উপজেলার নাম] এ অবস্থিত একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির পুরাতন ভবনটি বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে, যার ফলে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পড়ালেখা করছে। এমতাবস্থায়, বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ প্রদান ও কাজ শুরুর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" দুর্নীতি বা অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ প্রেরণ,"বরাবর মহাপরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকা বিষয়: প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এর [প্রকল্পের নাম] প্রকল্পের বাস্তবায়নকালে প্রকৌশল বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যেমন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, কাজ অসমাপ্ত রেখে বিল উত্তোলন ইত্যাদি। এমতাবস্থায়, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। বিনীত, [নাম] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" দুর্যোগকালীন ত্রাণ সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর জেলা প্রশাসক [জেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বন্যাকবলিত অঞ্চলের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, সদ্যসমাপ্ত বৃষ্টিপাতের ফলে আমাদের উপজেলার অনেক গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে। ঘরবাড়ি, ফসল ও পশুসম্পদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ঔষধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই মর্মে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, যেন আপনার মাধ্যমে সরকারের উচ্চমহলে বিষয়টি জানানো হয় এবং দ্রুত জরুরি ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বিনীত, [নাম ও পদবি] [অফিসের নাম]" বিদ্যালয়ের অবকাঠামো সংস্কারের জন্য উচ্চ কর্তৃপক্ষকে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, [বিদ্যালয়ের নাম]-এর মূল ভবনটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কারবিহীন অবস্থায় আছে। ছাদের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে, যা বর্ষাকালে পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে শিক্ষার্থীদের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। অতএব, এই বিষয়টি বিবেচনা করে উপরমহলে অবহিত করে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার মাধ্যমে আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম ও পদবি] [বিদ্যালয়ের নাম]" গ্রামে নতুন ডাকঘর স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ঢাকা বিষয়: [গ্রামের নাম] গ্রামে একটি নতুন ডাকঘর স্থাপনের আবেদন। জনাব, [গ্রামের নাম] একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও সেখানে কোনো ডাকঘর নেই। ফলে সাধারণ মানুষকে চিঠিপত্র গ্রহণ ও প্রেরণ, সরকারি ডকুমেন্ট গ্রহণ ইত্যাদি কাজে ১০-১৫ কিলোমিটার দূরের অফিসে যেতে হয়। এই বাস্তবতায় অনুরোধ, উক্ত গ্রামে একটি নতুন ডাকঘর স্থাপনের সুপারিশ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [নাম] [গ্রামের নাম ও পরিচয়]" সরকারি সেবাদান কর্মী নিয়োগের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর জেলা প্রশাসক [জেলার নাম] বিষয়: স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় জনগণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যমান স্বাস্থ্যকর্মী ও কৃষি কর্মকর্তাদের পক্ষে সবার সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, আপনার মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি জানিয়ে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের সুপারিশ করার জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [নাম ও পদবি] [অফিস/এলাকার নাম] " সরকারি যানবাহন সংযোজনের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মহাপরিচালক স্থানীয় সরকার বিভাগ ঢাকা বিষয়: অফিস কার্যক্রমে সরকারি যানবাহনের প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, [অফিসের নাম]-এ বহিরাগত পরিদর্শন, সাইট ভিজিট এবং জরুরি সেবা প্রদানের জন্য কোনো যানবাহন নেই। এতে প্রতিদিনকার অফিস কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অতএব, আপনার মাধ্যমে এই বিভাগে একটি সরকারি যানবাহন বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [নাম ও পদবি]" দুর্বল এলাকায় মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) ঢাকা বিষয়: দুর্বল সিগন্যালযুক্ত এলাকায় মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের আবেদন। জনাব, [অঞ্চলের নাম] এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল অত্যন্ত দুর্বল। এর ফলে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস ও ব্যবসায়িক কাজ ব্যর্থ হচ্ছে। এই বিষয়ে মোবাইল অপারেটরদের সহযোগিতায় একটি টাওয়ার স্থাপনের জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম ও পরিচয়]" মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর পুলিশ সুপার [জেলার নাম] বিষয়: এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করার আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকায় মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও এর ছোবলে আক্রান্ত। অতএব, মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য আপনার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। বিনীত, [নাম ও পরিচয়]" সরকারি অনুদান প্রদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রেরণ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান হিসাব নিয়ন্ত্রক ঢাকা বিষয়: সরকারি অনুদান ব্যবহারের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রেরণ। জনাব, [প্রকল্পের নাম] প্রকল্পে বরাদ্দকৃত সরকারি অনুদানের ব্যবহারের বিবরণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করা হলো। এতে ব্যয়, প্রকল্প অগ্রগতি ও উপকারভোগীদের তথ্য সংযুক্ত আছে। আপনার দপ্তরে সঠিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য অনুরোধসহ রিপোর্ট প্রেরণ করছি। বিনীত, [নাম ও পদবি] [প্রকল্প/অফিসের নাম]" দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানিয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকা বিষয়: [অফিসের নাম]-এ দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, [অফিসের নাম]-এ সরকারি বরাদ্দকৃত তহবিলের অনিয়মিত ব্যবহার ও আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এতে জনসাধারণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম ও পরিচয়]" গ্রামে ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: [গ্রামের নাম] গ্রামে ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, [গ্রামের নাম] একটি দূরবর্তী এলাকা হওয়ায় সাধারণ মানুষ ডিজিটাল সেবা যেমন জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট ফরম, ভূমি তথ্য ইত্যাদির জন্য শহরে যেতে বাধ্য হয়। অতএব, এলাকাবাসীর সেবার সুবিধার্থে একটি ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম ও পরিচয়]" অফিসে অতিরিক্ত জনবল চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর সচিব [মন্ত্রণালয়/দপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমি [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম]। বর্তমানে আমাদের অফিসে জনবল সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। নির্ধারিত কাজসমূহ সময়মতো সম্পন্ন করতে না পারায় প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ একান্ত প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের অফিসে অতিরিক্ত জনবল সরবরাহে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবাব সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর [ঠিকানা] বিষয়: এলাকার বিদ্যালয়ে আসবাব সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [উপজেলা/থানার নাম] শিক্ষা অফিসার। এলাকায় অবস্থিত বেশ কিছু বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত বেঞ্চ, চেয়ার এবং টেবিলের অভাব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাঠদানে এতে বিঘ্ন ঘটছে। অতএব, আসবাব সরবরাহের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" সরকারি ভবন সংস্কারের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান প্রকৌশলী গণপূর্ত অধিদপ্তর [ঠিকানা] বিষয়: [অফিসের নাম] ভবনের জরুরি সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, অফিস ভবনের ছাদ এবং জানালাগুলো অত্যন্ত জীর্ণ হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে পানি চুঁইয়ে পড়ে, ফলে অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার কাজের অনুমতি ও অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, ভবনের সংস্কার কাজ দ্রুত শুরু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" অফিসের ইন্টারনেট সংযোগ উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা [তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, বর্তমান অফিস কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পাদিত হয়। কিন্তু, আমাদের অফিসে বিদ্যমান ইন্টারনেট সংযোগ খুবই ধীর এবং প্রায়শই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে অফিসের দৈনন্দিন কার্যক্রমে অসুবিধা দেখা দিচ্ছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের অফিসে একটি উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান ও সার্বক্ষণিক মেইনটেন্যান্সের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন পেশ,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপসচিব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন পেশ। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, আমাদের বরাদ্দকৃত বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে [প্রকল্পের নাম] কাজের ৭৫% সম্পন্ন হয়েছে। সংযুক্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত ব্যয় ও কার্যক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, প্রতিবেদনের পর্যালোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" নতুন ভূমিহীনদের খতিয়ান প্রস্তুত করে জমি বরাদ্দের প্রস্তাব,"বরাবর জেলা প্রশাসক [জেলার নাম] বিষয়: নতুন ভূমিহীনদের জন্য খতিয়ান প্রস্তুত করে খাস জমি বরাদ্দের প্রস্তাব। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এর অন্তর্গত [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়নে সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী মোট ৩২টি ভূমিহীন পরিবার চিহ্নিত হয়েছে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য খাস জমি বরাদ্দ অত্যন্ত জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট প্রস্তাব করছি যে, ভূমিহীনদের তালিকাভুক্ত করে দ্রুত খতিয়ান প্রস্তুত করে খাস জমি বরাদ্দের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হোক। বিনীত, [নাম] সহকারী কমিশনার (ভূমি) [উপজেলার নাম] " গবাদিপশুর রোগব্যাধি সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট,"বরাবর মহাপরিচালক পশুপালন অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: গবাদিপশুর মধ্যে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়া সম্পর্কে প্রতিবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এ সম্প্রতি গবাদিপশুর মধ্যে ‘এনথ্রাক্স’ রোগ দেখা দিয়েছে, যা আশেপাশের ইউনিয়নেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১২টি পশু মারা গেছে এবং কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমতাবস্থায়, আমি জরুরি ভিত্তিতে মেডিকেল টিম, ওষুধ সরবরাহ এবং টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম] উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" নির্বাচনী এলাকায় ভোটকেন্দ্র সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব,"বরাবর চেয়ারম্যান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঢাকা বিষয়: ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এর [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং ভোটগ্রহণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এমতাবস্থায়, আমি প্রস্তাব করছি যে, ২টি নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব হবে। বিনীত, [নাম] উপজেলা নির্বাচন অফিসার [উপজেলার নাম]" গ্রামীণ সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদন প্রেরণ,"বরাবর চেয়ারম্যান সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: দুর্ঘটনাপ্রবণ গ্রামীণ সড়কের প্রতিবেদন ও সংস্কারের প্রস্তাব। জনাব, [এলাকার নাম] গ্রামের প্রধান সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে এবং সম্প্রতি সেখানে একটি ট্রাক উল্টে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে। সড়কে খানাখন্দ এবং অন্ধকারের কারণে এ ঘটনা ঘটে। সড়কটি সংস্কার ও পাশে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের জন্য আপনার দপ্তরের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। বিনীত, [নাম] উপজেলা প্রকৌশলী [উপজেলার নাম]" মাদকের বিস্তার রোধে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স চেয়ে আবেদন,"বরাবর পুলিশ সুপার [জেলার নাম] বিষয়: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স প্রেরণের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এর [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়নে সম্প্রতি মাদকদ্রব্যের বিস্তার বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশের একাধিক অভিযানের পরও চোরাকারবারীরা সক্রিয়। এমতাবস্থায়, আমি আবেদন করছি যে, অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [নাম] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" সন্তানকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [অভিভাবকের নাম], আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার উপযোগী হয়েছে। আপনার বিদ্যালয়টি এলাকার একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ায় আমি আমার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এখানে ভর্তি করাতে আগ্রহী। আমার সন্তান শৃঙ্খলাবদ্ধ, পড়াশোনায় আগ্রহী এবং সামাজিক আচরণে ভদ্র। সে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ভাল ফলাফল করেছে। অতএব, আমার সন্তানের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি নিশ্চিতকরণের জন্য আপনার সদয় অনুমোদন কামনা করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [আপনার ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন (অভিভাবক পক্ষে),"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমি [অভিভাবকের নাম], আমার কন্যা/পুত্র [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে প্রতিটি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করেছে এবং সহপাঠীদের মধ্যে মেধাবী হিসেবে পরিচিত। আমাদের পারিবারিক অবস্থা খুব একটা সচ্ছল নয়। আমি একজন দিনমজুর এবং পরিবারের খরচ চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। অতএব, আমার সন্তানের মেধা ও আর্থিক অসচ্ছলতা বিবেচনা করে তাকে শিক্ষাবৃত্তির আওতায় আনার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" ভর্তি ফি মওকুফের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ভর্তি ফি মওকুফের আবেদন। জনাব, সাধুবাদ জানিয়ে বলছি, আমি [অভিভাবকের নাম], আমার পুত্র/কন্যা [নাম] আপনার বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক। তবে আমাদের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় ভর্তি ফি প্রদান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমি একজন নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্য এবং সন্তানকে শিক্ষিত করার জন্য আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। অতএব, মানবিক বিবেচনায় ভর্তি ফি মওকুফ করে আমার সন্তানের ভর্তি নিশ্চিত করতে আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" সন্তানের অসুস্থতার কারণে ছুটির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তান অসুস্থ থাকায় ছুটির আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার পুত্র/কন্যা [নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী গত দুই দিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছে। ডাক্তার দেখিয়ে বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অতএব, তার অনুপস্থিতির দিনগুলোতে ছুটি মঞ্জুর করার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [ফোন নম্বর] " ফলাফল নিয়ে আপত্তির জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের পরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়নের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার কন্যা/পুত্র [নাম] [শ্রেণি] শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় একটি বিষয়ে আশানুরূপ ফলাফল পায়নি। আমরা প্রশ্ন ও উত্তরপত্র পর্যালোচনা করে বুঝেছি যে সম্ভবত যোগফলে ভুল হয়েছে। অতএব, পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [ফোন নম্বর]" ভর্তি আবেদনপত্র (Admission Request),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুত্র/কন্যার ভর্তি সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], একজন অভিভাবক। আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] গত বছর [পূর্বের বিদ্যালয়ের নাম] থেকে [পূর্ব শ্রেণি] শ্রেণি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। আমি চাই সে আপনার বিদ্যালয়ে [চাহিত শ্রেণি] শ্রেণিতে ভর্তি হোক। আমি বিশ্বাস করি, আপনার প্রতিষ্ঠানে সে একটি উন্নত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, আমার সন্তানের ভর্তি নিশ্চিত করতে সদয় দৃষ্টি দিবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতামাতা পরিচয়] [মোবাইল নম্বর]" বেতন মওকুফের আবেদন (Fee Waiver Request),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের শিক্ষাবর্ষের বেতন মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি একজন নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য এবং বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকটে আছি। আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। বর্তমানে মাসিক বেতন পরিশোধ করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। আমি চাই না, আর্থিক সমস্যার কারণে আমার সন্তানের শিক্ষা বন্ধ হয়ে যাক। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বেতন আংশিক বা সম্পূর্ণ মওকুফ করে আমার সন্তানকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিন। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতামাতা পরিচয়] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (T.C.) চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (T.C.) পাওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] এর পিতা/মাতা। সে বর্তমানে [শ্রেণি] শ্রেণিতে পড়ছে। আমার চাকরির কারণে আমাদের পরিবারকে অন্য জেলায় স্থানান্তরিত হতে হচ্ছে। তাই আমি তার ট্রান্সফার সার্টিফিকেট এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত আবেদন, অনুগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে সহযোগিতা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা] " সন্তানের অনুপস্থিতির জন্য মাফ চাইবার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের অনুপস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করে উপস্থিতির অনুমতি চেয়ে আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী, গত [তারিখ] থেকে [তারিখ] পর্যন্ত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারেনি। সে ওই সময়ে [রোগ/পারিবারিক সমস্যা] জনিত কারণে অসুস্থ ছিল। এমতাবস্থায়, অনুপস্থিত থাকার জন্য দয়া করে তার উপস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতা/মাতা পরিচয়]" পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিশেষ অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের বিশেষ কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ চেয়ে আবেদন। জনাব, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] সম্প্রতি [রোগ/পারিবারিক দুর্ঘটনা] এর কারণে স্কুলে উপস্থিত থাকতে পারেনি এবং বার্ষিক পরীক্ষার অংশগ্রহণে সমস্যা হচ্ছে। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, তাকে বিশেষ বিবেচনায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতা/মাতা পরিচয়]" সন্তানের স্কুলে ভর্তির জন্য আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আমার সন্তানের ভর্তির জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন অভিভাবক। আমার সন্তান [সন্তানের নাম] এর বয়স [বয়স] বছর এবং সে বর্তমানে [পূর্ববর্তী শিক্ষার অবস্থা/স্কুল] হতে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করেছে। আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও পরিবেশ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকায় আমি চাই যে আমার সন্তান এখানে লেখাপড়া করুক। সে একজন আগ্রহী ও শৃঙ্খলাবদ্ধ শিক্ষার্থী। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ করছি, দয়া করে আমার সন্তানের ভর্তির বিষয়ে সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" ফি মওকুফের আবেদনপত্র,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের বেতন মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি একজন নিম্নআয়ের অভিভাবক। আমার সন্তান [সন্তানের নাম] আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণির নাম] শ্রেণিতে পড়ে। সম্প্রতি আমাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, যার কারণে সন্তানের স্কুল ফি পরিশোধ করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায়, আমি বিনীত অনুরোধ করছি যে, মানবিক বিবেচনায় আমার সন্তানের বেতন সম্পূর্ণ অথবা আংশিক মওকুফ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ের ফলাফল যাচাইয়ের আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের পরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়নের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বার্ষিক পরীক্ষায় [বিষয়ের নাম] বিষয়ে তুলনামূলক কম নম্বর পেয়েছে। সে বিষয়টিতে সবসময় ভালো ফলাফল করত। আমি মনে করি ফলাফল যাচাই করলে ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে। এমতাবস্থায়, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দয়া করে ফলাফল পুনঃমূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " স্কুল ইউনিফর্ম বা বই কেনার জন্য সহায়তা চেয়ে আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: ইউনিফর্ম ও বই কেনার জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] আপনার বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল, যার ফলে তার ইউনিফর্ম ও বইপত্র কেনা সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দয়া করে স্কুল থেকে প্রাপ্ত অনুদান বা সাহায্যের মাধ্যমে আমার সন্তানকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" সন্তানকে এক সপ্তাহের ছুটি দেওয়ার জন্য আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানকে ছুটি প্রদানের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] বর্তমানে আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণির নাম] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এক সপ্তাহ বিশ্রাম প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, [তারিখ] থেকে [তারিখ] পর্যন্ত ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " বিদ্যালয়ে সহপাঠীর দ্বারা হেনস্তা হওয়ার অভিযোগপত্র,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সহপাঠীর দ্বারা হেনস্তা হওয়ার অভিযোগ। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসা-যাওয়ার সময় একজন সহপাঠীর দ্বারা মানসিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছে। এর ফলে সে ভীত এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। আমি চাই না যে, এমন আচরণে তার ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হোক। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" সন্তানের শিক্ষাগত পরিবেশ উন্নয়নের জন্য শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে নিবেদন এই যে, আমি [অভিভাবকের নাম], আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ের [বর্তমান শ্রেণি] শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি যে, তার বর্তমান শ্রেণির পরিবেশ তার মানসিক ও শিক্ষাগত বিকাশে সহায়ক নয়। সে কিছু সহপাঠীর দ্বারা নিয়মিত বিরক্ত ও মনঃকষ্টের শিকার হচ্ছে। এতে করে তার পড়ালেখায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে এবং মানসিকভাবে সে চাপে আছে। আমি চাই না সে বিদ্যালয় সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করুক। সে অত্যন্ত মেধাবী ও শৃঙ্খলাবান শিক্ষার্থী, এবং উপযুক্ত পরিবেশে পড়লে নিশ্চয়ই ভালো ফলাফল করতে পারবে। অতএব, আমি আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, তাকে অন্য কোনো অনুরূপ শ্রেণিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করে একটি শান্তিপূর্ণ ও সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করুন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] ফোন: [ফোন নম্বর]" আর্থিক সহায়তার জন্য বিনামূল্যে বই ও ইউনিফর্ম চেয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিনামূল্যে বই ও ইউনিফর্ম প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি একজন অভিভাবক হিসেবে দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] বর্তমানে আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। আমরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছি এবং আমার পক্ষে বই ও ইউনিফর্ম কিনে দেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমার স্বামী একজন রিকশাচালক এবং বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালানোই চ্যালেঞ্জ হয়ে গেছে। আমার সন্তান লেখাপড়ায় আগ্রহী এবং নিয়মিত উপস্থিত থেকে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। অতএব, আমি আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি, যেন আমার সন্তানের জন্য বিনামূল্যে বই ও ইউনিফর্মের ব্যবস্থা করে তার শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাওয়ায় সহায়তা করেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " সন্তানের রোল নম্বরে ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের রোল নম্বর সংশোধনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] বর্তমানে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে তার রোল নম্বর [ভুল রোল নম্বর] হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আসলে [সঠিক রোল নম্বর] হওয়া উচিত। এই ভুলের কারণে তার নাম অন্যান্য অফিসিয়াল কাগজপত্রে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং ভবিষ্যতে আরও সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। অতএব, এই ভুল সংশোধনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সঠিক রোল নম্বর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা করার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করার আবেদন। জনাব, আমাদের সন্তানরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসে এবং অনেক সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনায় আহত হয় বা অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু বিদ্যালয়ে কোনও চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা না থাকায় তাদের দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হয় না। এতে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের বাড়তি কষ্ট ভোগ করতে হয়। অতএব, আমি একজন অভিভাবক হিসেবে আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি যেন বিদ্যালয়ে একটি প্রাথমিক চিকিৎসা কিট, ব্যান্ডেজ, জীবাণুনাশক ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষিত কর্মী রাখার ব্যবস্থা করেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানের অনুপস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করে পুনঃপরীক্ষার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অসুস্থতার কারণে পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকার ব্যাখ্যাসহ পুনঃপরীক্ষার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী, সাম্প্রতিক [পরীক্ষার নাম] পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। সে ঐ সময় জ্বর ও ইনফেকশনে আক্রান্ত ছিল এবং ডাক্তার বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছিলেন। চিকিৎসকের সনদপত্র সংযুক্ত করা হলো। সে নিয়মিত পড়াশোনা করে এবং আগের পরীক্ষাগুলোতে ভাল ফলাফল করেছে। এই অনুপস্থিতি তার জন্য মানসিক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, অনুগ্রহ করে তাকে পুনঃপরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানের জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [ফোন নম্বর] " সন্তানের পুনঃভর্তির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের পুনঃভর্তির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযোগ্য সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [শিক্ষার্থীর নাম] এর পিতা/মাতা। আমার পুত্র/কন্যা পূর্বে আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়ন করত। দুঃখজনকভাবে, পারিবারিক কিছু জটিলতা ও আর্থিক সমস্যার কারণে গত বছর আমি তাকে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হই। বর্তমানে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, এবং আমি চাই আমার সন্তান পুনরায় এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাক। সে একজন আগ্রহী শিক্ষার্থী এবং পূর্বে পড়াশোনায় ভালো ফলাফল করেছে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত আবেদন, তার পুনঃভর্তির অনুমতি প্রদান করে আমাদের কৃতজ্ঞতার সুযোগ করে দিবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও ফোন নম্বর]" সন্তানের মানসিক সহায়তার জন্য আবেদন (Mental Support Request),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের জন্য মনো-পরামর্শ বা কাউন্সেলিং সহায়তার আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সম্প্রতি পারিবারিক কিছু সমস্যার কারণে সে অত্যন্ত মানসিক চাপে রয়েছে। আমি লক্ষ্য করছি, সে চুপচাপ হয়ে গেছে এবং পড়াশোনায় মনোযোগ কমে গেছে। আমি মনে করি, স্কুলের কাউন্সেলিং সার্ভিস বা শিক্ষকের সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি তার জন্য উপকারী হতে পারে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত অনুরোধ, আমার সন্তানের মানসিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেন প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহানুভূতির সাথে সহায়তা প্রদান করে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " পরীক্ষা পুনর্গণনার আবেদন (Re-evaluation Request),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] এর অভিভাবক। সে আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষার ফলে দেখা যাচ্ছে যে, সে [বিষয়] বিষয়ে আশানুরূপ নম্বর পায়নি। আমি তার প্রস্তুতি ও উত্তরপত্র দেখে মনে করছি যে, ফলাফলে কোন ভুল হতে পারে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত আবেদন, পরীক্ষার সেই বিষয়ের খাতা পুনঃমূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও ফোন নম্বর]" সন্তানের জন্য শিক্ষা উপকরণের আবেদন (For Free Books or Support Materials),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষা উপকরণ সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], একজন দরিদ্র অভিভাবক এবং আমার সন্তান [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণি] শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। আমার অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় পাঠ্যবই, খাতা, পেন, ইউনিফর্ম ইত্যাদি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় তার পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার সন্তানকে শিক্ষা উপকরণ প্রদানের মাধ্যমে পড়াশোনার সুবিধা করে দিন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও ফোন নম্বর] " বিদ্যালয়ের নিয়ম শিথিলের আবেদন (e.g. Late Admission or Age Relaxation),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীর বয়সসংক্রান্ত নিয়ম শিথিল করে ভর্তি দেওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শিক্ষার্থীর নাম] এর অভিভাবক। আমার সন্তান ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে বয়স সংক্রান্ত নিয়মে কিছুটা কম পড়ে যাচ্ছে। তবে সে শারীরিক ও মানসিকভাবে শিক্ষার উপযোগী এবং প্রাক-বিদ্যালয় পর্যায়ে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা আছে। আমি বিশ্বাস করি, সে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে তাল মিলিয়ে সহজেই অগ্রসর হতে পারবে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত অনুরোধ, তার বয়স সংক্রান্ত নিয়ম শিথিল করে এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " সন্তানকে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অনুমতির আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে সন্তানের অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম], আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র/ছাত্রী। সে লেখাপড়ার পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে (যেমন বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান) অংশগ্রহণে খুব আগ্রহী ও প্রতিভাবান। সম্প্রতি সে বিদ্যালয় থেকে আয়োজিত একটি আন্তঃবিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আমি চাই আমার সন্তান এ ধরনের কার্যক্রমে অংশ নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা আরও বাড়াক। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমার সন্তানের সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করার ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানকে স্কুল বাসে যাতায়াতের অনুমতির জন্য আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: স্কুল বাসে সন্তানের যাতায়াতের অনুমতির আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] বর্তমানে আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। আমাদের বাসস্থান বিদ্যালয় থেকে দূরে হওয়ায় প্রতিদিন নিজস্বভাবে যাতায়াত করাটা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি জানতে পেরেছি যে, বিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আমি আপনার নিকট বিনীত আবেদন করছি, আমার সন্তানকে বিদ্যালয়ের বাসে যাতায়াতের অনুমতি প্রদান করে তার জন্য একটি আসন বরাদ্দ করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] বর্তমানে আপনার বিদ্যালয়ের [বর্তমান শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। কিন্তু সে বিগত কিছু মাস ধরে মানসিক চাপে ভুগছে এবং তার পড়াশোনায় মনোযোগ কমে গেছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, শ্রেণির পরিবেশ পরিবর্তন এবং মানসিক চাপ কমানো জরুরি। অতএব, আমি আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি যে, মানবিক বিবেচনায় আমার সন্তানের শ্রেণি পরিবর্তনের অনুমতি দিন, যাতে সে সুস্থভাবে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানকে বিশেষ সহায়তার আবেদন (শ্রবণ/দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলে),"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর জন্য অতিরিক্ত সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম], আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে একজন শ্রবণ/দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। আমি কৃতজ্ঞ যে, আপনার বিদ্যালয়ে সে ভর্তি হতে পেরেছে। তবে শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণের সময় তার বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন হয়, যেমন শ্রবণ যন্ত্র ব্যবহার, বড় অক্ষরের পাঠ্যবই, সহকারী শিক্ষকের উপস্থিতি ইত্যাদি। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমার সন্তানের শিক্ষাজীবন সহজতর করতে বিদ্যালয় কর্তৃক বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" প্রাক-পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত ক্লাসের আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের জন্য প্রাক-পরীক্ষা প্রস্তুতি ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আসন্ন বোর্ড/বার্ষিক পরীক্ষাকে সামনে রেখে আমার সন্তান [সন্তানের নাম] এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপ ও প্রস্তুতির ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। আমরা অভিভাবকরা মনে করি, স্কুলে অতিরিক্ত প্রস্তুতিমূলক ক্লাস/রিভিশন ক্লাস চালু করলে ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবে। অতএব, আমি আপনার কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে সপ্তাহে অন্তত ২ দিন করে অতিরিক্ত ক্লাস চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [অভিভাবকের নাম], একজন অভিভাবক হিসেবে আপনাকে জানাচ্ছি যে, বর্তমান যুগে প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে এখনও পর্যাপ্ত কম্পিউটার সুবিধা নেই। এতে করে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাজীবন আরও সমৃদ্ধ হবে এবং তারা ভবিষ্যতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে দ্রুত একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন। জনাব, আমাদের সন্তানেরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করে। নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষালাভ করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সম্প্রতি বিদ্যালয় চত্ত্বরে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। আমি একজন অভিভাবক হিসেবে আপনাকে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত গেটম্যান নিয়োগ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এতে করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং অভিভাবকরা নিশ্চিন্ত থাকবেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে পরিবেশ উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের শিখন পরিবেশ সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর হওয়া উচিত। তবে বর্তমানে বিদ্যালয়ের উঠোনে প্রচুর আবর্জনা পড়ে থাকে এবং পরিচ্ছন্নতার অভাব দেখা যায়। এর ফলে স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমি অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হোক এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতনতা মূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হোক। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বিদ্যালয়ের টিফিন ও পানীয় জলের মান উন্নয়নের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে টিফিন ও পানীয় জলের মান উন্নত করার আবেদন। জনাব, আমাদের সন্তানেরা স্কুলে দিনের অধিকাংশ সময় কাটায়। বিদ্যালয়ে সরবরাহিত টিফিনের গুণগত মান ও পানীয় জলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কিছু সমস্যা লক্ষ্য করেছি। এর ফলে কিছু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছে। অতএব, আমি বিনীতভাবে আবেদন জানাচ্ছি, বিদ্যালয়ে টিফিনের গুণগত মান উন্নয়ন এবং পানীয় জলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে বইয়ের অভাব পূরণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বই ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যালয়ের পাঠাগারে প্রয়োজনীয় বই ও শিক্ষাসামগ্রী যথেষ্ট পরিমাণে নেই। এতে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও সহায়ক শিক্ষাসামগ্রী থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে আরও বই ও শিক্ষাসামগ্রী সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে শিক্ষার্থীরা উন্নত শিক্ষার সুযোগ পায়। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" ছেলের / মেয়ের হোমওয়ার্কে সহায়তার জন্য শিক্ষককে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের হোমওয়ার্কে সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সম্প্রতি সে তার হোমওয়ার্ক সম্পূর্ণ করতে পারছে না, যা তার শিক্ষাজীবনে প্রভাব ফেলছে। আমি বিশ্বাস করি, যদি তাকে বাড়িতে বা স্কুলে অতিরিক্ত নির্দেশনা দেওয়া হয় তাহলে সে ভালো ফলাফল করতে পারবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার সন্তানের হোমওয়ার্কে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব দেখা যাচ্ছে। আবর্জনা ও কুড়া-আঁশ সেখানে পড়ে থাকায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, একটি সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়াবে ও বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" বিদ্যালয়ে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, বর্তমান বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির কারণে স্কুলের শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি। বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য রক্ষায় মাস্ক পরিধান, স্যানিটাইজার ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ সমস্যা জানিয়ে দ্রুত সমাধানের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ সমস্যার দ্রুত সমাধানের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে সম্প্রতি বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহে দীর্ঘ সময় ধরে বিরক্তিকর সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সমস্যা হচ্ছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, এ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" সন্তানের স্কুল বাসের ভাড়া কমানোর আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্কুল বাস ভাড়া কমানোর জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার সন্তান [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। বর্তমানে স্কুল বাসের ভাড়া বাড়ায় পরিবারের আর্থিক চাপ বেড়ে গেছে। আমি অনুরোধ করছি, নিম্ন আয়ের অভিভাবকদের জন্য বাস ভাড়া কমিয়ে দেয়া হোক, যাতে আমার সন্তান ও অন্য দরিদ্র ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়ে নির্বিঘ্নে আসা-যাওয়া করতে পারে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার আবেদনটি বিবেচনা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" সন্তানের আগ্রাসী আচরণ সংশোধনে বিদ্যালয়ের সহায়তা চেয়ে আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের আচরণ সংশোধনে সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম], [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সম্প্রতি আমি লক্ষ্য করেছি, সে অত্যন্ত রাগান্বিত ও অসহিষ্ণু আচরণ করছে, যা তার পড়াশোনা ও সামাজিক জীবনে প্রভাব ফেলছে। আমি বিশ্বাস করি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলীর সহানুভূতি ও পরামর্শে তার আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমার সন্তানকে যথাযথ মানসিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দিতে বিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং বা শিক্ষকের বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানের পারফরম্যান্স উন্নয়নের লক্ষ্যে টিউটরের পরামর্শ চেয়ে আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের পড়াশোনার উন্নয়নে শিক্ষক পরামর্শ চেয়ে আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম] বর্তমানে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। বিগত পরীক্ষাগুলিতে তার ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। আমি চাই তার পড়াশোনার উন্নতির জন্য একজন যোগ্য টিউটরের পরামর্শ গ্রহণ করতে। আপনি যদি শ্রেণি শিক্ষকের মাধ্যমে আমার সন্তানের দুর্বল বিষয় চিহ্নিত করে দেন এবং উপযুক্ত শিক্ষক পরামর্শ দেন, তবে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। অতএব, অনুগ্রহ করে এই বিষয়ে সহায়তা প্রদানের অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " সন্তানের স্কুল ব্যাগ ও বইয়ের ওজন কমানোর অনুরোধপত্র,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: শিক্ষার্থীদের বই ও ব্যাগের ভার কমানোর অনুরোধ। জনাব, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম] সহ অন্যান্য শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন অনেক ভারী ব্যাগ বহন করতে হয়, যা তাদের স্বাস্থ্য ও মেরুদণ্ডের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আমি একজন অভিভাবক হিসেবে উদ্বিগ্ন এবং চাই বিদ্যালয় এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক—যেমন: বিষয়ভিত্তিক রুটিন, বই স্কুলে রেখে পড়ানো, বা ব্যাগ হালকা রাখার নির্দেশনা। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানের নিয়মিত উপস্থিতি সত্ত্বেও অনুপস্থিত দেখানোর বিষয়ে আপত্তি,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের অনুপস্থিতি সংক্রান্ত ভুল সংশোধনের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম] বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত থেকেও তার রিপোর্ট কার্ডে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে, যা আমাদের জন্য বিস্ময়কর ও দুঃখজনক। আমি শ্রদ্ধাভরে অনুরোধ করছি, বিষয়টি যাচাই করে সঠিক উপস্থিতি সংশোধনের ব্যবস্থা নেয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিশেষ শিক্ষানীতির আওতায় স্কলারশিপ চেয়ে আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিশেষ শিক্ষানীতির আওতায় স্কলারশিপ প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম] মেধাবী ও অধ্যবসায়ী শিক্ষার্থী। সে বিগত দুই বছরে শ্রেণিতে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেসব স্কলারশিপ দেওয়া হয়, তার জন্য আপনার সুপারিশ এবং স্কুলের পক্ষ থেকে আবেদন করলে সে উপকৃত হবে। অতএব, আমি অনুরোধ করছি, তাকে একটি উপযুক্ত স্কলারশিপের জন্য প্রস্তাবিত করে সহযোগিতা প্রদান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" রাস্তা মেরামতের জন্য তহবিল অনুরোধ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তা মেরামতের জন্য তহবিল অনুরোধ। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সমাজকর্মী ও জননেতা হিসেবে আপনাকে জানাই শ্রদ্ধা। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি বর্তমানে খুবই নষ্ট হয়ে গেছে, যার ফলে যানবাহন চলাচলে বড় ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া বৃষ্টি হলে রাস্তা সম্পূর্ণ বন্যা আর জলাবদ্ধতার শিকার হয়। এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য আমাদের এলাকায় রাস্তা মেরামত কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া আবশ্যক। তবে, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব রয়েছে। অতএব, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, এলাকায় রাস্তা মেরামত ও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদান করার জন্য। এতে করে আমাদের এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার পদবী, যেমনঃ সমাজকর্মী/কমিউনিটি লিডার] [যোগাযোগের ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" পাবলিক পার্ক নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটির জন্য পাবলিক পার্ক নির্মাণের জন্য তহবিলের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার হিসেবে আপনার প্রতি নিবেদন জানাচ্ছি। আমাদের এলাকায় শিশু ও বয়স্কদের জন্য একটিরকম খেলার বা বিশ্রামের স্থান নেই। যা কমিউনিটির স্বাস্থ্যকর ও সামাজিক উন্নয়নে বাঁধা সৃষ্টি করছে। এই সমস্যা দূর করতে একটি পাবলিক পার্ক নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। আমরা ইতোমধ্যে স্থান নির্ধারণ করেছি, তবে আর্থিক তহবিল না থাকায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। অতএব, আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানে আমাদের সহযোগিতা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের জন্য অনুদানের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকার জনসাধারণের নিত্যপ্রয়োজনীয় পানীয় জলের বড় সংকট চলছে। বেশিরভাগ পরিবার দূষিত জলের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান দরকার। আমরা একটি টিউবওয়েল স্থাপনের পরিকল্পনা করছি, তবে অর্থায়নের অভাবে প্রকল্প শুরু করতে পারছি না। অতএব, আপনার কাছে অনুরোধ, এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" স্থানীয় স্কুলে শিক্ষা উপকরণ ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির জন্য অনুদান আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ এবং দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির জন্য অর্থ সহায়তার আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় অবস্থিত [বিদ্যালয়ের নাম] এ শিশুদের শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ ও সহায়ক সামগ্রীর প্রয়োজন। তবে বিদ্যালয়ের আর্থিক অবস্থার কারণে এসব সুবিধা সীমিত। আমরা কমিউনিটি লিডারদের পক্ষ থেকে স্কুল পরিচালনায় সাহায্য করার চেষ্টা করছি, কিন্তু তহবিলের অভাবে কার্যকরভাবে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, আপনার কাছে আবেদন করছি, বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ কেনার এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" মহিলাদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার তহবিল চাওয়া,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: মহিলাদের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকার অনেক গৃহবধূ স্বাবলম্বী হতে চান কিন্তু উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না থাকায় তারা পেশাগত কাজের সুযোগ পাচ্ছেন না। তাদের ক্ষমতায়ন ও আর্থিক উন্নয়নের জন্য একটি সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন জরুরি। আমরা স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছি, কিন্তু আর্থিক তহবিলের অভাবে কাজ এগোয়নি। অতএব, আপনার কাছে অনুরোধ, মহিলাদের স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" গ্রামে রাস্তা নির্মাণের জন্য অর্থ অনুদানের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ/মেয়র অফিসের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামের প্রধান সড়ক নির্মাণের জন্য অনুদানের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রাম/এলাকা] এলাকার একজন সমাজ সেবক ও নেতা। আমাদের গ্রামে রাস্তার অভাব ও খারাপ অবস্থা জনজীবনে বিশাল সমস্যা সৃষ্টি করছে। বৃষ্টি মৌসুমে এই সড়ক ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, যার ফলে অতি দুর্ভোগে পড়তে হয় গ্রামবাসীদের। এই পরিস্থিতি উন্নত করতে এবং এলাকার জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যে সড়ক নির্মাণ জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী/কমিউনিটি লিডার] [গ্রাম/এলাকা] " স্থানীয় বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন/স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের শিক্ষাসামগ্রী ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য তহবিল অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার সরকারি বিদ্যালয়টি শিক্ষাসামগ্রী ও পরিকাঠামো দিক থেকে অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি লিডার] [ঠিকানা]" গ্রামে পানি সরবরাহ প্রকল্পের জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার জন্য অর্থ সহায়তা আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামে নিরাপদ পানীয় জলের খুব অভাব রয়েছে। যাতায়াত দুর্বল হওয়ায় মানুষ দূরদূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এ সমস্যা সমাধানে একটি সুস্থির পানি সরবরাহ প্রকল্প প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল এবং সহযোগিতা প্রদানে সহায়তা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [গ্রাম/এলাকা] " কমিউনিটি পার্ক বা খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য অনুদানের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটি পার্ক নির্মাণের জন্য তহবিলের আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় শিশু ও যুবকদের জন্য কোন খেলার মাঠ বা পার্ক নেই, যা তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। সুতরাং, এলাকার সুস্থ পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য একটি কমিউনিটি পার্ক নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, পার্ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি লিডার]" মহল্লার স্যানিটেশন প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা প্রকল্পের জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [মহল্লার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের মহল্লায় স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার অবস্থা অত্যন্ত দূর্বল। সঠিক ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, এই প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী]" কমিউনিটি লিডার হিসেবে রাস্তা মেরামতের জন্য অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয় রাস্তা মেরামতের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার হিসেবে নিবেদন করছি যে, আমাদের এলাকার প্রধান সংযোগ রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে রাস্তায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়, যা চলাচলে অতি কষ্টকর এবং দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমাদের এলাকাবাসী বহুবার আবেদন করেও রাস্তাটির মেরামত কাজ শুরু হয়নি। এজন্য স্থানীয় উন্নয়নের স্বার্থে, আমি আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, এই রাস্তার মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ ও দ্রুত কাজ শুরু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আপনার সদয় সহযোগিতা আমাদের এলাকায় জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অপরিসীম ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " পরিষ্কার পানির সরবরাহের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের জন্য তহবিল অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় বিশুদ্ধ পানির যোগান অত্যন্ত সীমিত, যার ফলে অনেক রোগ-ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। অতএব, আমি আপনার নিকট অনুরোধ করছি, এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি টিউবওয়েল স্থাপন ও পাইপলাইন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের ব্যবস্থা করুন। আপনার সহযোগিতা আমাদের সমাজে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" বিদ্যালয়ের জন্য বর্ধিত শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের তহবিল প্রার্থনা,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ের জন্য নতুন শ্রেণীকক্ষ নির্মাণে অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার সরকারি বিদ্যালয়টি দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু শ্রেণীকক্ষ সংখ্যা অপর্যাপ্ত হওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে ভর্তি হতে পারছে না। শিক্ষার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে, আমি আপনার নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি, বিদ্যালয়ের জন্য নতুন শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করার জন্য। আপনার সদয় পদক্ষেপ সমাজে শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামের স্যানিটেশন ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য তহবিল প্রার্থনা,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: স্যানিটেশন ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামে স্যানিটেশন ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। ড্রেনের আবর্জনা দূর করার জন্য ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। এই সমস্যা দূর করতে এবং গ্রামকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আপনার কাছ থেকে তহবিল ও সহযোগিতা প্রার্থনা করছি। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " স্থানীয় খেলাধুলার জন্য মাঠ ও সরঞ্জাম কেনার তহবিল চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য মাঠ নির্মাণ ও সরঞ্জাম কেনার অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার যুবকদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান সময়ে মাঠ ও খেলার উপকরণের অভাব দেখা দিয়েছে। এজন্য, আমি আপনার নিকট অনুরোধ করছি, এলাকার ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য একটি মাঠ নির্মাণ এবং খেলাধুলার সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করুন। আপনার সদয় উদ্যোগ এলাকার যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " গ্রামীণ সড়কের সংস্কারের জন্য অর্থ অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গাচোরা অবস্থায় আছে, যা গ্রামের মানুষের চলাচলে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। অতএব, আমি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, এই সড়ক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করার জন্য। আপনার সহযোগিতায় গ্রামের জীবনমান উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " গ্রাম এলাকায় শিশু শিক্ষা উন্নয়নের জন্য অনুদানের আবেদন," বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: শিশু শিক্ষা উন্নয়নের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় শিশুদের শিক্ষার সুযোগ খুবই সীমিত। অনেক শিশু এখনও বেসিক শিক্ষায়ও পৌঁছায়নি। এলাকায় একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অনুদান ও সহযোগিতা চাচ্ছি, যাতে শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ পায়। আপনার সদয় সহযোগিতায় এই উদ্যোগ এলাকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য অর্থায়নের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য তহবিল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার কৃষকরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পদ্ধতি সম্পর্কে অনেক কম জানেন। এজন্য, আধুনিক কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনার জন্য আপনার সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। এতে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রাম্য যুবসমাজের জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের তহবিল প্রার্থনা,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: যুব উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের জন্য তহবিল বরাদ্দ। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। বর্তমানে আমাদের এলাকার যুবসমাজ কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশাগ্রস্ত। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও স্বনির্ভর করে তোলার জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। এটি এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" স্থানীয় বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থায়নের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। প্রতি বছর বর্ষাকালে আমাদের এলাকা বন্যার ঝুঁকিতে পড়ে। এতে কৃষি জমি ধ্বংস হয় এবং বসবাসকারী মানুষের জীবন-জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এজন্য, নিরাপদ জীবন ও ফসলের সুরক্ষার জন্য একটি বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য জরুরি তহবিল বরাদ্দের আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সহায়তায় এলাকাবাসী বন্যা থেকে রক্ষা পাবে এবং স্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামীন অঞ্চলে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নেই। নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্র অনেক দূরে হওয়ায় তারা প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না। এজন্য, স্থানীয় পর্যায়ে একটি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের আবেদন করছি। এটি এলাকার মানুষের সুস্থ্য জীবনযাপন নিশ্চিত করবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" মাতৃসদন ও শিশু পরিচর্যার জন্য অর্থায়ন চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: মাতৃসদন ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় গর্ভবতী মা ও শিশুর সেবা নিয়ে সমস্যা বিরাজ করছে। মাতৃসদন ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র না থাকায় অনেক মা-শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে। এই সমস্যা দূর করতে ও মাতৃ-শিশুর সুরক্ষায় একটি মাতৃসদন ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আপনার কাছ থেকে অর্থায়নের আবেদন করছি। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামে বিদ্যুতের সমস্যার সমাধানের জন্য তহবিলের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ/মেয়র অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামের বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানের জন্য তহবিলের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [গ্রাম/এলাকা] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। এটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় সাইকেল চালানো ও কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের গ্রামের বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি লিডার]" নারীদের স্বনির্ভরতা প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: নারীদের স্বনির্ভরতা প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তার আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় অনেক নারী স্বাবলম্বী হতে চায়, কিন্তু উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও অর্থাভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছে। আমরা একটি নারী স্বনির্ভরতা প্রকল্প শুরু করতে চাই, যেখানে নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসায় প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন দেওয়া হবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] " শিশুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণের জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: শিশুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণের জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় অনেক দরিদ্র শিশু রয়েছে যারা পড়াশোনায় আগ্রহী, কিন্তু উপকরণের অভাবে তারা পড়াশোনা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, শিশুদের জন্য বই, খাতা ও পেন বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] " বয়স্কদের জন্য কমিউনিটি সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: বয়স্কদের জন্য কমিউনিটি সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকা] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় বৃদ্ধ বয়স্কদের জন্য উপযুক্ত সেবা কেন্দ্রের অভাব রয়েছে। তারা নানা সমস্যায় ভুগছেন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, বয়স্কদের জন্য একটি কমিউনিটি সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম]" মহামারীর সময় খাদ্য ও ওষুধ বিতরণের জন্য তহবিলের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: মহামারীর সময় দরিদ্রদের জন্য খাদ্য ও ওষুধ বিতরণের তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকা] এলাকার কমিউনিটি লিডার। চলমান মহামারীর কারণে এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের জীবন বাচাতে খাদ্য ও ওষুধের তীব্র প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, দরিদ্রদের জন্য খাদ্য ও ওষুধ বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম]" কমিউনিটির জন্য বাচ্চাদের পাঠশালা স্থাপনের জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাচ্চাদের জন্য পাঠশালা স্থাপনের জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার হিসেবে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় অনেক অনাথ ও দরিদ্র শিশুর জন্য শিক্ষার সুযোগ নেই। তারা বাড়ির কাজ বা পথে কাজ করতে বাধ্য হয়। শিক্ষার সুযোগ পেলে তাদের জীবন পরিবর্তন হতে পারে। এজন্য একটি পাঠশালা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি, যেখানে বিনামূল্যে শিক্ষাদান করা হবে। কিন্তু আর্থিক সমস্যা আমাদের কাজ বাধাগ্রস্ত করছে। অতএব, আমি বিনীতভাবে আবেদন করছি, পাঠশালা স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ] " এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকায় বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, আমাদের এলাকায় বিদ্যুতের স্বল্পতা ও অপ্রতুলতার কারণে সাধারণ জীবনযাত্রায় অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। রাতের বেলা অন্ধকারে চলাচল ও পড়াশোনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এলাকায় নতুন ট্রান্সফর্মার স্থাপন ও লাইন মেরামতের জন্য আর্থিক তহবিলের প্রয়োজন। অতএব, আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধানের জন্য যথাযথ তহবিল ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ] " গ্রামীণ এলাকার স্যানিটেশন উন্নয়নের জন্য অর্থ সহায়তা চাওয়া,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামীণ এলাকার স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য অর্থ সহায়তা আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা এখনো সঠিক স্যানিটেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে স্বাস্থ্য সমস্যা ও রোগের প্রকোপ বেড়ে গেছে। এলাকায় স্যানিটেশন উন্নয়নের জন্য টয়লেট নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করেছি। তবে অর্থায়নের অভাবে কাজ বাধাগ্রস্ত। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্বেচ্ছাসেবী স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য তহবিলের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় অনেক প্রবীণ নাগরিক রয়েছেন, যাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরিচর্যার জন্য সুবিধার অভাব রয়েছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করে তাদের সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি, কিন্তু অর্থায়নের জন্য তহবিলের প্রয়োজন। অতএব, আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ] " যুবকদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা চালুর তহবিল চাওয়া,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: যুবকদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা পরিচালনার জন্য তহবিল প্রার্থনা। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকায় অনেক যুবক বেকারত্বের শিকার। তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। এই উদ্দেশ্যে একটি দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছি, যেখানে সেলাই, কম্পিউটার, গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি শেখানো হবে। তবে অর্থায়নের অভাবে কাজ শুরু করতে পারছি না। অতএব, আপনার কাছে আবেদন, যুবকদের জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" প্রযুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রিয়াদ: হাই সাফিয়া, তুমি কী ভাবো, প্রযুক্তি আমাদের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে? সাফিয়া: হ্যালো রিয়াদ! আমি মনে করি প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। ইন্টারনেট, স্মার্টফোন সবকিছুতেই এখন আমরা খুব দ্রুত তথ্য পেতে পারি। কিন্তু এর কিছু নেতিবাচক দিকও আছে, যেমন মনোযোগের ঘাটতি। রিয়াদ: একদম ঠিক বলছো। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমের নেশায় পড়ে যাচ্ছে, যা পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। কিন্তু আমি ভাবি, সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা করলে প্রযুক্তি আমাদের জন্য অনেক উপকারী হতে পারে। সাফিয়া: অবশ্যই। যেমন অনলাইন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং সবই এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে প্রযুক্তির কারণে। রিয়াদ: আর আমি শুনেছি, প্রযুক্তির বেশি ব্যবহার থেকে শারীরিক সমস্যাও হয়—চোখের সমস্যা, ঘুমের সমস্যা। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমা থাকা জরুরি। সাফিয়া: তাই তো, আমাদের উচিত প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে সঠিক ব্যবহার শেখা। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ সবাইকে সচেতন হতে হবে। রিয়াদ: তোমার সঙ্গে একমত। প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করতেই হবে, কিন্তু যেন এটি আমাদের সময় ও মনোযোগকে দখল না করে। সাফিয়া: হ্যাঁ, আমাদের উচিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা, আর অবাঞ্ছিত সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকা।" সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ও ক্ষতি নিয়ে দুই বন্ধু মাধব ও নিপুনের সংলাপ,"মাধব: হ্যালো নিপুন! তুমি কী ভাবো, ফেসবুক আর অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে? নিপুন: হাই মাধব! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের অনেক কাছে নিয়ে এসেছে। দূরে থাকা বন্ধুর সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ রাখতে পারি। খবরাখবর দ্রুত জানতে পারি। কিন্তু এর কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। মাধব: যেমন? নিপুন: অনেক সময় আমরা অতিরিক্ত সময় এখানে ব্যয় করি, যা পড়াশোনা বা কাজের ক্ষতি করে। আরও একটা সমস্যা হচ্ছে গোপনীয়তা লঙ্ঘন। অনেকেই নিজের ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুকে অনেক খোলাখুলি ভাবে শেয়ার করে। মাধব: সত্যি, এতে অনেক ঝুঁকি থাকে। আর একটা কথা, এখানে ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতাও বেড়ে গেছে। ফেক নিউজ অনেক সমস্যা তৈরি করছে। নিপুন: তাই তো। আবার অনেক সময় মানুষ ভুল তথ্য বা অপমানজনক কথা দিয়ে মানসিক কষ্টে পড়ে। এটা সামাজিক সম্পর্কের জন্য ভালো নয়। মাধব: তাহলে আমরা কী করতে পারি? নিপুন: আমাদের উচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার শেখা। ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা, সময় নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ফেক নিউজ যাচাই করা। মাধব: একদম ঠিক। স্কুল, পরিবার ও সামাজিক সংস্থা সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে। নিপুন: আর যারা অসৎ উদ্দেশ্যে এসব ব্যবহার করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। মাধব: নিপুন, তোমার কথা শুনে মনে হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভালোমতো ব্যবহার করা গেলে সত্যিই অনেক উপকার আছে। নিপুন: হ্যাঁ, কিন্তু এর অপব্যবহার রোধ করাটা আমাদের সবার দায়িত্ব।" বাংলাদেশে বেকারত্ব সমস্যা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের সংলাপ,"ছাত্র: স্যার, বাংলাদেশে বেকারত্ব কেন এত বেশি? এর কোনো সমাধান আছে কি? শিক্ষক: ভালো প্রশ্ন করেছো। বেকারত্বের মূল কারণ হলো জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া। আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু শিল্প ও সেবাখাত যথেষ্ট কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারছে না। ছাত্র: স্যার, তাহলে কি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা সমস্যাটার অংশ? শিক্ষক: হ্যাঁ, অনেক সময় শিক্ষার মান এবং দক্ষতা কাজের বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না। ফলে শিক্ষিত বেকার থাকে। ছাত্র: আমরা কী করতে পারি? শিক্ষক: দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা প্রচার করতে হবে। এছাড়া নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সরকারকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। ছাত্র: তাহলে উদ্যোক্তা হওয়াও একটা সমাধান? শিক্ষক: ঠিক বলেছো। যুবসমাজকে নতুন ব্যবসা শুরু করতে উৎসাহিত করতে হবে। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা শেখানো এবং আর্থিক সহায়তা দেওয়া জরুরি। ছাত্র: স্যার, বেকারত্ব কমাতে সমাজের আরও কী ভূমিকা থাকতে পারে? শিক্ষক: সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো, শ্রমবাজারের তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং গৃহীত নীতিমালা কার্যকর করা দরকার। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি বেকারত্ব কমানোর জন্য নিজেদের উদ্যোগে কাজ করব। শিক্ষক: শুভ কামনা তোমার জন্য। " প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ,"অরিত্র: হ্যালো রাকিব! তুমি কি গতকাল টেলিভিশনে তুমুল বন্যার খবর দেখেছো? রাকিব: হ্যাঁ, অরিত্র। আমাদের দেশের কিছু অঞ্চল খুবই বিপদগ্রস্ত হয়েছে। এত বেশি জল জমে মানুষের জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হচ্ছে। অরিত্র: সত্যি বলছো। বন্যা শুধু মানুষের বাড়িঘরই নষ্ট করে না, ফসল-ফলনও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে কৃষকরা মারাত্মক সমস্যায় পড়ে। রাকিব: আরেকটি বড় সমস্যা হলো, বন্যার কারণে শুদ্ধ পানির অভাব হয়। ফলে জলজীবী রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। অরিত্র: তাই তো। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। তোমার কি মনে হয় আমরা কী ধরনের প্রস্তুতি নিতে পারি? রাকিব: প্রথমত, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ভালোভাবে শুনতে হবে। বন্যার আগাম সতর্কতা পেলে সেখানকার মানুষজন সময়মতো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। অরিত্র: ঠিকই বলেছো। তাছাড়া, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষদেরও সচেতন হতে হবে। নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধের ব্যবস্থা করতে হবে। রাকিব: আর আমাদের পরিবারগুলোকেও বন্যার সময় কীভাবে সুরক্ষা নিতে হয়, সেই বিষয়ে শিক্ষা দেয়া জরুরি। যেমন, বাড়ির নিচতলায় মূল্যবান জিনিস না রাখা, উচ্চতর জায়গায় সরিয়ে রাখা। অরিত্র: সঠিক কথা। এছাড়া, বন্যার পরপরই স্যানিটেশন বজায় রাখা এবং পানি বিশুদ্ধকরণের উপায় অনুসরণ করা উচিত, যাতে কোন রোগ না ছড়ায়। রাকিব: তুমি জানো, বন্যার জন্য বন উজাড় না করারও গুরুত্ব আছে। বনের গাছগুলো মাটি ধরে রাখে, যা বন্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। অরিত্র: হ্যাঁ, পরিবেশ রক্ষা করাও আমাদের দায়িত্ব। আর শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষভাবে যত্ন নিতে হবে। দুর্যোগের সময় তাদের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিলে অনেক প্রাণ রক্ষা সম্ভব। রাকিব: আমার মনে হয়, স্কুলগুলোতেও এই ধরনের দুর্যোগ প্রস্তুতি নিয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত, যাতে সবাই জানে কী করতে হবে। অরিত্র: একদম ঠিক। সমাজের সবাই মিলে যদি এই বিষয়গুলো মেনে চলে, তবে আমরা দুর্যোগের প্রভাব অনেক কমিয়ে আনতে পারবো। রাকিব: আশা করি, আমরা সবাই সচেতন হবো এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিবো। এতে আমাদের জীবন অনেক নিরাপদ হবে। অরিত্র: নিশ্চয়ই। তোমার সাথে কথা বলে ভালো লাগল রাকিব। চল, আমরা সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন করার চেষ্টা করি। রাকিব: ধন্যবাদ অরিত্র। তুমি ভালো থেকো। অরিত্র: তুমিও ভালো থেকো।" শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রাকিব: তুমি কি জানো, শিক্ষার গুরুত্ব কত বেশি? তুহিন: হ্যাঁ, রাকিব। শিক্ষা মানুষের জীবনের আলো। এর মাধ্যমে আমরা উন্নত জীবন যাপন করতে পারি। রাকিব: ঠিক বলেছো। আজকাল শিক্ষা ছাড়া কেউ ভালো চাকরি পায় না। তুহিন: আর শিক্ষার মাধ্যমে আমরা দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে পারি। রাকিব: তবে অনেকেই এখন শিক্ষাকে অবহেলা করছে, যা দুঃখজনক। তুহিন: তাই সবার উচিত পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া এবং নিজের দক্ষতা বাড়ানো। রাকিব: তোমার সঙ্গে একমত। আমাদের উচিত ভালো ছাত্র হওয়া এবং অন্যদেরকেও শিক্ষার গুরুত্ব বুঝানো।" পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে দুই বন্ধু আলোচনার সংলাপ,"মেহেদি: পরিবেশ রক্ষা করা কেন জরুরি? সুমন: পরিবেশ না থাকলে আমরা বাঁচতে পারব না। এ কারণেই আমাদের পরিবেশ সংরক্ষণ করতে হবে। মেহেদি: ঠিক বলেছো। কিন্তু আমরা পরিবেশ দূষণ করছি, যা ভয়ঙ্কর। সুমন: হাঁ, প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো, গাছ লাগানো ইত্যাদি করলে পরিবেশ বাঁচানো সম্ভব। মেহেদি: সরকারকেও কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে পরিবেশ রক্ষার জন্য। সুমন: আর আমাদের প্রতিজনক সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।" ইন্টারনেটের সুবিধা ও অপকারিতা নিয়ে সংলাপ,"সুমি: আজকাল ইন্টারনেট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তোমার কি মনে হয়? নাসির: হ্যাঁ, ইন্টারনেট আমাদের জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে। সুমি: তবুও এর অপকারিতা আছে, যেমন অতিরিক্ত সময় নষ্ট হওয়া। নাসির: আমি মনে করি সঠিক ব্যবহারে ইন্টারনেট অনেক উপকারে আসে। সুমি: অবশ্যই, কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন আমরা এতে আসক্ত না হই। নাসির: তাই, ইন্টারনেট ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।" স্বাস্থ্য ও ব্যায়ামের গুরুত্ব নিয়ে সংলাপ,"নূর: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ব্যায়াম খুব জরুরি, তাই না? রুমি: নিশ্চয়ই, ব্যায়াম আমাদের শরীর সুস্থ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নূর: আজকাল অনেকেই অলস হয়ে পড়েছে, যা বিপজ্জনক। রুমি: তাই প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা বা ব্যায়াম করা উচিত। নূর: আর সঠিক খাদ্যাভ্যাসও স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে। রুমি: তোমার সঙ্গে একমত, স্বাস্থ্যই সম্পদ।" অভিবাসনের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"আসিফ: তুমি কি জানো, অভিবাসন আমাদের দেশে কী প্রভাব ফেলছে? রহিম: হ্যাঁ, অনেক মানুষ উন্নত জীবনের জন্য বিদেশে যাচ্ছে। আসিফ: এতে দেশের অর্থনীতিতে প্রেরিত রেমিট্যান্স বাড়ছে, যা ভালো। রহিম: তবে পরিবার ভাঙনের সমস্যা হচ্ছে এবং অনেকেই বিদেশে বৈষম্যের শিকার হয়। আসিফ: তাই আমাদের দেশে ভালো কর্মসংস্থান তৈরি করা উচিত। রহিম: তাহলে মানুষ বিদেশে যেতে বাধ্য হবেনা এবং দেশের উন্নয়ন হবে।" দাম্পত্য জীবন ও পারস্পরিক বোঝাপড়া নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর সংলাপ,"রাশেদ: তুমি আজকে অনেক চিন্তিত দেখছো, শীলা। কিছু সমস্যা আছে কি? শীলা: হ্যাঁ, রাশেদ। মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা একে অপরের কথা ঠিকমতো বুঝি না। তোমার কাজের চাপ অনেক, আর আমার বাড়ির কাজ ও সন্তানদের দায়িত্বও বেশ। রাশেদ: আমি জানি, শীলা। তাই তো ভাবছিলাম আমাদের সময় একটু ভাগ করে নিয়েই একে অপরের সঙ্গে কথা বলা দরকার। বোঝাপড়া বাড়াতে। শীলা: হ্যাঁ, কথাবার্তায় যদি আমাদের আন্তরিকতা বেশি থাকে, তাহলে অনেক সমস্যা দূর হবে। রাশেদ: আমি চেষ্টা করব কাজের চাপ কমিয়ে তোমার জন্য সময় বের করতে। তুমি তোমার দিক থেকে আমাকে সহযোগিতা করবে? শীলা: অবশ্যই, রাশেদ। সংসার চলতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার দরকার। রাশেদ: তাই তো, যেকোনো সমস্যার সমাধান সহজ হয় যদি আমরা একসঙ্গে থাকি। শীলা: আমি আশা করি, আমরা একে অপরকে আরও ভালভাবে বুঝতে পারব। রাশেদ: চল, আজ থেকে নিয়মিত একটু সময় দেব আমরা একসঙ্গে কাটাতে।" স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"মিতু: সালাম, রিমা! তুমি দেখতে অনেক ভালো লাগছো, কী করছ? রিমা: সালাম মিতু! ধন্যবাদ, আমি এখন স্বাস্থ্য সচেতন হচ্ছি। প্রতিদিন হাঁটা, সঠিক খাবার খাওয়া আর পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করছি। মিতু: এটা খুব ভালো ব্যাপার। আমরা অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলা করি। তুমি কীভাবে শুরু করেছ? রিমা: প্রথমে আমি নিজেকে সামান্য নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাসে ফেলে দিয়েছি। পরে খাওয়ার প্রতি মনোযোগী হয়েছি। এখন খুব কম তেল-মশলা খাই। মিতু: সত্যি বলছো? আমি চাই, আমি তোমার থেকে শিখতে চাই। আমাদের অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবা হয় না। রিমা: তাই তো। ব্যস্ততা মানে স্বাস্থ্যকে অবহেলা করার কারণ হতে পারে না। ছোট ছোট অভ্যাস বদলানোই বড়ো পরিবর্তনের মূল। মিতু: ঠিক বলেছো। আমি আজ থেকেই চেষ্টা করব। আর তোমার মতো নিয়মিত হাঁটব। রিমা: চল, একসঙ্গে হাঁটার পরিকল্পনা করি। এতে মনও ভালো থাকবে। মিতু: খুব ভালো আইডিয়া! ধন্যবাদ, রিমা।" বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের সংলাপ,"অভিভাবক: স্যার, আমি চাই আমার ছেলে ভালো শিক্ষা পাবে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কিছু আশঙ্কা আছে। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি, শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছাত্রদের দক্ষ ও জ্ঞানের দ্বারা সমৃদ্ধ করা। অভিভাবক: অনেক সময় আমি দেখেছি, অনেক শিক্ষার্থী শুধু পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করে, বাস্তব জ্ঞানে দুর্বল থাকে। এর কারণ কী? শিক্ষক: এটা একটি বড় সমস্যা। যেটা কেবল আমাদের দেশে নয়, অনেক উন্নত দেশেও ঘটছে। শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত ব্যবহারিক ও চিন্তা-শীল শিক্ষার্থী গড়ে তোলা। অভিভাবক: তাহলে আমরা কী করতে পারি? শিক্ষক: আমাদের উচিত ছাত্রদের অনুপ্রেরণা দেয়া, তাদের সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তা বিকাশে উৎসাহিত করা। পরিবার ও স্কুল উভয়ের মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। অভিভাবক: শিক্ষকদের ভূমিকা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ বুঝতে পারছি। শিক্ষক: অবশ্যই, অভিভাবক এবং শিক্ষকরা মিলে কাজ করলে ছাত্রদের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। অভিভাবক: আশা করি, আমাদের সন্তানরা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করবে। শিক্ষক: এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ধন্যবাদ, আপনার সহযোগিতার জন্য।" পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধু রিমা ও সজলের সংলাপ,"রিমা: হ্যালো সজল! তুমি কি জানো পরিবেশ দূষণ কত বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে? সজল: হ্যাঁ, রিমা। আমাদের চারপাশে বায়ু, জল, ও মাটি সব দূষিত হচ্ছে। এটা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। রিমা: বিশেষ করে যানবাহনের ধোঁয়া আর কলকারখানার বর্জ্য জলদূষণের অন্যতম কারণ। এর ফলে জলজ প্রাণীর মৃত্যু হচ্ছে। সজল: আমি মনে করি আমাদের সচেতন হতে হবে। যেমন গাড়ি কম চালানো, গাছ লাগানো ও প্লাস্টিক ব্যবহারে কমতি আনা। রিমা: বর্জ্য যথাযথ স্থানে ফেলা এবং পরিবেশবান্ধব জিনিস ব্যবহার করাও জরুরি। সজল: হ্যাঁ, আর সরকারকেও কঠোর আইন করতে হবে যারা পরিবেশ দূষণ করে। রিমা: যদি আমরা সবাই মিলেই কাজ করি, পরিবেশ রক্ষা সম্ভব হবে। সজল: একদম ঠিক বলেছো, রিমা। " শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে দুই শিক্ষার্থী দীপক ও সালমার সংলাপ,"দীপক: সালমা, তুমি শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে কি ভাবো? সালমা: আমি মনে করি শিক্ষা মানুষকে সভ্য করে তোলে। ভালো জীবনযাত্রার সুযোগ দেয়। দীপক: সত্যি, শিক্ষা মানুষকে সমাজে সম্মান দেয় ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। সালমা: শিক্ষা ছাড়া উন্নতি করা যায় না। তাই পড়াশোনা নিয়মিত করতে হবে। দীপক: আমাদের দেশের উন্নতির জন্য শিক্ষার ব্যাপক প্রয়োজন। সালমা: হ্যাঁ, ভালো শিক্ষক ও সুযোগ পেলে সবাই সফল হতে পারে। দীপক: আমরা কষ্ট করে পড়াশোনা করলে সফলতা আসবেই। সালমা: একদম ঠিক।" প্রযুক্তির সুবিধা ও ক্ষতি নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রাহুল: প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। তোমার কি মনে হয়? সুমন: হ্যাঁ, অনেক সুবিধা আছে। দ্রুত যোগাযোগ, শিক্ষায় সুবিধা, ব্যবসা ইত্যাদি। রাহুল: তবে অনেক সময় অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারে মানুষ আলাদা হয়ে যায়। সামাজিক সম্পর্ক দুর্বল হয়। সুমন: তোমার কথা ঠিক। অনেকেই সময় অপচয় করে, অকারণ তথ্য দেখতে থাকে। রাহুল: তাই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে সচেতনভাবে। সুমন: হ্যাঁ, সময় নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।" পরিবারের গুরুত্ব নিয়ে দুই কিশোরীর সংলাপ,"সোহিনী: তোমার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন? মেঘলা: খুব ভালো। পরিবারই আমার প্রথম শিক্ষক ও বন্ধু। সোহিনী: পরিবারের সদস্যরা যখন পাশে থাকে, তখন সব সমস্যা সহজ হয়ে যায়। মেঘলা: তাই তো। ভালো পরিবার মানুষকে মোরাল শক্তি দেয়। সোহিনী: সংসারে সম্মান ও ভালোবাসা থাকা জরুরি। মেঘলা: পরিবার ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।" স্বাস্থ্য ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"জহির: তুমি কি নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন? সুমাইয়া: হ্যাঁ, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম আমার দৈনন্দিন জীবনেই আছে। জহির: ভালো কথা। স্বাস্থ্য ভালো থাকলে সব কাজ ঠিকঠাক হয়। সুমাইয়া: মিষ্টি ও ফাস্টফুড কম খেতে চেষ্টা করি। জহির: আমি ও বেশি করে শাকসবজি ও ফল খাই। সুমাইয়া: স্বাস্থ্যকর খাদ্য ছাড়া জীবনে উন্নতি করা যায় না। " ইন্টারনেট ব্যবহার ও এর নিরাপত্তা নিয়ে দুই শিক্ষার্থীর সংলাপ,"নাফিসা: তুমি ইন্টারনেট ব্যবহার করো কেমন করে? রনি: আমি পড়াশোনা, খোঁজখবর, আর মজার জন্য ব্যবহার করি। তুমি? নাফিসা: আমি চেষ্টা করি নিরাপদভাবে ব্যবহার করতে। কারণ অনলাইনে অনেক ঝুঁকি থাকে। রনি: হ্যাঁ, পাসওয়ার্ড গোপন রাখা ও সন্দেহজনক লিঙ্ক এড়ানো দরকার। নাফিসা: পরিবারকেও এ ব্যাপারে সচেতন করতে হবে। রনি: সঠিক ব্যবহার না করলে বড় ক্ষতি হতে পারে।" বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও আমাদের দায়িত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"তাহমিনা: তুমি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সম্পর্কে কী জানো? মারুফ: বন্যপ্রাণীর সংখ্যা দিন দিন কমছে, এটা খুব দুঃখজনক। তাহমিনা: আমাদের সবাইকে প্রাণীদের সুরক্ষায় সচেতন হতে হবে। মারুফ: বন উজাড় না করা, শিকার বন্ধ করা দরকার। তাহমিনা: সরকারকেও আইন কঠোর করতে হবে। মারুফ: বন্যপ্রাণী ছাড়া প্রকৃতি অসম্পূর্ণ হয়। " বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের সংলাপ,"অভিভাবক: স্যার, আমি চাই আমার ছেলে ভালো শিক্ষা পাবে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কিছু উদ্বেগ আছে আমার। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি আপনার চিন্তা। সত্যি কথা বলতে, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু সমস্যা আছে, তবে আমরা চেষ্টা করছি ছাত্রদের জন্য আরও কার্যকর ও উন্নত শিক্ষা নিশ্চিত করতে। অভিভাবক: অনেক সময় দেখা যায়, ছাত্ররা শুধু পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করে, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনে মনোযোগ দেয় না। এই সমস্যা কীভাবে কাটিয়ে উঠা যাবে? শিক্ষক: এটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের উচিত ছাত্রদের সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তা ও ব্যবহারিক দক্ষতা বিকাশে উৎসাহ দেওয়া। শুধু রুটিন মেমোরি নয়, জীবনমুখী শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। অভিভাবক: তাহলে আমরা অভিভাবকরা কী করতে পারি? শিক্ষক: পরিবার থেকে শিশুদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা খুব জরুরি। স্কুলের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও তাদের সন্তানদের পড়াশোনা এবং নৈতিক শিক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে। অভিভাবক: শিক্ষকদের ভূমিকা এখানে কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? শিক্ষক: অবশ্যই। শিক্ষকদের কেবল পাঠদান নয়, শিক্ষার্থীর মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিকাশেও সাহায্য করতে হবে। একটি সহানুভূতিশীল ও উদ্বুদ্ধ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অভিভাবক: স্যার, আমি দেখেছি অনেক শিক্ষার্থী অনেক চাপ নিয়ে পড়াশোনা করে, যার ফলে তারা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়ছে। এই সমস্যার সমাধান কী? শিক্ষক: শিক্ষাব্যবস্থায় চাপ কমিয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া স্কুলে কাউন্সেলিং সেবা চালু করা উচিত। অভিভাবক: এটা খুবই প্রয়োজনীয়। আমাদের সন্তানেরা যেন শুধু জ্ঞানই না, ভালো মানুষও হয়ে ওঠে। শিক্ষক: ঠিক বলেছেন। তাই পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলে কাজ করলে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। অভিভাবক: আশা করি, আমাদের সন্তানেরা দেশ ও সমাজের কল্যাণে অবদান রাখতে পারবে। শিক্ষক: এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ধন্যবাদ আপনার সহযোগিতার জন্য।" প্রযুক্তির অগ্রগতি ও মানব জীবনে তার প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"আফসার: হ্যালো সুমন, তুমি কী ভাবো প্রযুক্তির আধুনিক অগ্রগতি আমাদের জীবনে কতটা পরিবর্তন এনেছে? সুমন: ওহ, আফসার! প্রযুক্তি জীবনের সব ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে। যোগাযোগ থেকে শুরু করে চিকিৎসা, শিক্ষা, শিল্প—সবখানেই প্রযুক্তির অবদান অসাধারণ। আফসার: যেমন, আগে ডাকযোগে খবর পাঠাতে অনেক দিন লাগতো, এখন ই-মেইল বা সোশ্যাল মিডিয়া মুহূর্তেই খবর পৌঁছে দেয়। সুমন: আর ব্যবসা-বাণিজ্যে ই-কমার্স ও ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম জীবনকে সহজ করে দিয়েছে। মানুষ এখন হাতের মুঠোয় দোকান খুলতে পারছে। আফসার: কিন্তু প্রযুক্তির কারণে মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যেও সমস্যা বাড়ছে, যেমন চোখের সমস্যা, কম শারীরিক কর্মকাণ্ড, ঘুমের বিঘ্ন। সুমন: তাই আমাদের উচিত প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করা। প্রযুক্তিকে যেন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি এবং আমাদের জীবন ও সম্পর্ক যেন তা ক্ষতিগ্রস্ত না করে। আফসার: আমি মনে করি, প্রযুক্তি মানুষের সৃজনশীলতা বাড়ায়, তবে তার জন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। সুমন: একদম, প্রযুক্তি যদি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে তা আমাদের উন্নতির জন্য অসাধারণ শক্তি হয়ে দাঁড়াবে।" বেকারত্বের সমস্যা নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"রাশেদ: হ্যালো আমিন, তুমি কী জানো আমাদের দেশে বেকারত্ব কত বড় সমস্যা? আমিন: হ্যাঁ রাশেদ, বেকারত্বের কারণে অনেক তরুণ মানসিক চাপ ও হতাশায় ভুগছে। রাশেদ: এই সমস্যা কেবল শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে নয়, অবিকশিত শ্রমিকদের মধ্যেও ব্যাপক। আমিন: বেকারত্ব কমাতে শিল্প-কারখানা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা জরুরি। রাশেদ: অনেকেই বিদেশেও কাজ খুঁজতে যাচ্ছেন, যাতে বৈদেশিক মুদ্রা আসে। আমিন: তবে দেশের মধ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি না হলে সমস্যা কমবে না। রাশেদ: সরকারের উচিত নতুন ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া। আমিন: আর আমরা যুবকরা নিজেদের দক্ষতা উন্নত করে ভালো কাজে যোগ দিতে পারব।" স্বাস্থ্য ও সুস্থতার গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"নাজমুল: সুস্থ থাকা মানে সুখী জীবন। তোমার কি মনে হয়? রিফাত: হ্যাঁ, সুস্থ শরীরেই সুখী মন জন্মায়। তাই নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম আহার খুব জরুরি। নাজমুল: কিন্তু আজকাল আমরা সবাই অলস হয়ে পড়ছি, মোবাইল ও টিভির সামনে সময় কাটাচ্ছি। রিফাত: এটা খুব ক্ষতিকর। শরীর সচল না হলে নানা রোগের আশঙ্কা থাকে। নাজমুল: তাই প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা হাঁটাহাঁটি, খেলাধুলা করা উচিত। রিফাত: আর বিশ্রাম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক শান্তিও সুস্থতার অংশ। নাজমুল: জীবনে সুস্থতা বজায় রাখার জন্য সবদিক থেকে যত্ন নেওয়া দরকার।" সামাজিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব নিয়ে সংলাপ,"সাবিনা: আমাদের জীবনে সামাজিক যোগাযোগ কত গুরুত্বপূর্ণ, তোমার কি মনে হয়? মাহমুদ: বন্ধুত্ব ও সামাজিক সম্পর্ক আমাদের জীবনে সুখ ও শান্তি আনে। সাবিনা: কিন্তু আজকাল অনেকেই প্রযুক্তির কারণে বাস্তব জীবনের যোগাযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। মাহমুদ: তাই আমরা চেষ্টা করব সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে। সাবিনা: বন্ধুত্বে বিশ্বাস, সহানুভূতি ও সম্মান থাকা দরকার। মাহমুদ: সঠিক যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করে।" পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার নিয়ে আলোচনা,"তাহসিন: তুমি কি জানো, পরিবেশ দূষণ আমাদের জন্য কত বড় হুমকি? সোহেল: হ্যাঁ, দুষিত বাতাস, জল ও মাটি মানবজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাহসিন: শিল্প কারখানা, যানবাহন থেকে গ্যাস নির্গমন পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ। সোহেল: প্লাস্টিক দূষণ ও কাচের বোতল ফেলার বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। তাহসিন: আমাদের উচিত গাছ লাগানো, যানবাহন কম ব্যবহার ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী ব্যবহার। সোহেল: সরকারকেও কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে পরিবেশ রক্ষায়। তাহসিন: আর সাধারণ মানুষও সচেতন হয়ে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করবে, তবেই পরিবর্তন সম্ভব।" প্রযুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধু রিয়াদ ও সাফিয়ার সংলাপ,"রিয়াদ: হাই সাফিয়া, তুমি কী ভাবো, প্রযুক্তি আমাদের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে? সাফিয়া: হ্যালো রিয়াদ! আমি মনে করি প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। এখন ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের মাধ্যমে আমরা খুব দ্রুত তথ্য পেতে পারি, যা আগে ছিল কল্পনাও করা কঠিন। অনেক কাজ যেমন শিক্ষা, যোগাযোগ, ব্যাংকিং ইত্যাদি এখন অনেক দ্রুত এবং সুবিধাজনক হয়েছে। রিয়াদ: একদম ঠিক বলছো। বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে অনলাইন ক্লাসের সুবিধা আমাদের সময় ও স্থান বাঁচিয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তির কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে, যেমন আমাদের অনেকেই এখন সামাজিক মাধ্যমের নেশায় আটকা পড়ে যাচ্ছি, যা পড়াশোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। সাফিয়া: হ্যাঁ, মনোযোগের অভাব, ঘুমের সমস্যা, চোখে সমস্যা—এসবও প্রযুক্তির বেশি ব্যবহারের কারণে হয়ে থাকে। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারে সঠিক সময় ও সীমা নির্ধারণ খুব জরুরি। রিয়াদ: তোমার কথা একদম ঠিক। আমরা যদি প্রযুক্তিকে আমাদের দাস না বানাই, বরং উপকারী হিসেবে ব্যবহার করি, তবে এর অনেক সুফল পাওয়া যাবে। সাফিয়া: যেমন স্বাস্থ্যসেবা এখন অনেক সহজ হয়েছে, ডাক্তার দেখানো, ওষুধ কিনা, এমনকি জরুরি সেবা দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে। আর ব্যাংকিং ক্ষেত্রেও অনেক কাজ এখন অনলাইনে হয়, যা সময় বাঁচায়। রিয়াদ: আমি মনে করি, পরিবার ও স্কুলগুলোকে প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে হবে। এ ছাড়া সরকারকেও প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সাফিয়া: অবশ্যই। প্রযুক্তি আমাদের দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যম, কিন্তু আমাদের উচিত সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকা। প্রযুক্তি যেন আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ না করে, বরং আমরা প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করি। রিয়াদ: তোমার সঙ্গে একমত। আমাদের উচিত প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এর অপব্যবহার থেকে বাঁচতে সচেতন হতে হবে। সাফিয়া: সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণ থাকলে প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবে। রিয়াদ: আশা করি, আমরা সবাই প্রযুক্তির সুফল গ্রহণ করব এবং এর ক্ষতি থেকে বাঁচতে সচেতন হবো। সাফিয়া: ধন্যবাদ রিয়াদ, তোমার সঙ্গে এই আলোচনা আমার অনেক কিছু শেখালো। রিয়াদ: আমারও অনেক ভালো লাগল। ভালো থেকো, সাফিয়া। সাফিয়া: তুমি ও ভালো থেকো। " বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের সংলাপ,"অভিভাবক: স্যার, আমি চাই আমার ছেলে ভালো শিক্ষা পাবে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার কিছু বিষয় নিয়ে আমার কিছু আশঙ্কা আছে। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি আপনার ভাবনা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও জ্ঞানের দ্বারা সমৃদ্ধ করার। অভিভাবক: অনেক সময় আমি দেখেছি, অনেক শিক্ষার্থী শুধু পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করে, বাস্তব জ্ঞানে দুর্বল থাকে। এতে ভবিষ্যতে তাদের অনেক সমস্যা হবে, তাই না? শিক্ষক: হ্যাঁ, এটি একটি বড় সমস্যা। শুধু মাত্র মুখস্থ করা নয়, আমাদের শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত চিন্তা-শীল, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক শিক্ষার্থী গড়ে তোলা। অভিভাবক: তাহলে আমরা কী করতে পারি যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনাকে ভালোভাবে গ্রহণ করে? শিক্ষক: শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। ছাত্রদের উৎসাহিত করতে হবে, তাদের সমস্যাগুলো বুঝতে হবে এবং তাদের সৃজনশীল চিন্তা বিকাশে সাহায্য করতে হবে। অভিভাবক: কিন্তু অনেক সময় অনেক অভিভাবকই শুধু পরীক্ষার ফলাফলের দিকে নজর দেন, যা শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। শিক্ষক: হ্যাঁ, তাই সঠিক শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করা জরুরি, যেখানে শিক্ষার্থী স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করতে পারে ও বিভিন্ন দিক থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। অভিভাবক: স্কুল ও পরিবার দুটোই মিলে যদি এভাবে কাজ করতে পারে, তবে শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক ভালো হবে। শিক্ষক: অবশ্যই, শিক্ষক ও অভিভাবকরা যদি মিলিত প্রচেষ্টা চালায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভালো গুণাবলী তৈরি করা সম্ভব হবে। অভিভাবক: আশা করি, আমাদের সন্তানরা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করবে। শিক্ষক: এটাই আমাদের প্রত্যাশা। শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও প্রগতিশীল করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, আপনার সময় ও পরামর্শের জন্য। শিক্ষক: আপনাকেও ধন্যবাদ।" অনলাইন শিক্ষার সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে দুই ছাত্রের সংলাপ,"আদিত্য: তুমি কী ভাবো, অনলাইন শিক্ষা আমাদের জন্য কতটা উপকারী? রাকিব: আদিত্য, আমি মনে করি অনলাইন শিক্ষা অনেক সুবিধা নিয়ে এসেছে, বিশেষ করে দুরের শিক্ষার্থীদের জন্য। যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে পড়াশোনা করা যায়। আদিত্য: ঠিক বলছো, কিন্তু কখনও কখনও ইন্টারনেটের সমস্যার কারণে সমস্যা হয়। আর লাইভ ক্লাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সরাসরি যোগাযোগের অভাবও একটি বড়ো সমস্যা। রাকিব: হ্যাঁ, এটা সত্য। অনলাইন শিক্ষায় মনোযোগ কমে যেতে পারে। আর প্রযুক্তি চালাতে না পারা শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে পড়ে। আদিত্য: তবে কোভিডের সময় অনলাইন শিক্ষাই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা চালিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। রাকিব: অবশ্যই, কিন্তু ভবিষ্যতে এটা কতটা সফল হবে, সেটা শিক্ষকদের দক্ষতার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। আদিত্য: আর পরিবার ও শিক্ষার্থীদেরও প্রযুক্তি ব্যবহার শেখা প্রয়োজন। রাকিব: তাই না, প্রযুক্তি যেমন শিক্ষাকে সহজ করে তোলে, তেমনই দক্ষতা না থাকলে সমস্যাও তৈরি করে। " মোবাইল ফোনের প্রয়োজনীয়তা ও ক্ষতি নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"সুব্রত: মোবাইল ফোন এখন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে গেছে, তাই না? রুবিনা: হ্যাঁ, সুব্রত। কিন্তু অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে অনেক সময় নষ্ট হয়। সুব্রত: ঠিক বলেছো, অনেকেই মোবাইল নেশায় পড়ে, যা পড়াশোনা ও কাজের ক্ষতি করে। রুবিনা: এছাড়া অনেক সময় সামাজিক মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় সময় কাটানো হয়। সুব্রত: আবার মোবাইল ফোন যোগাযোগের জন্য অনেক দরকারি, বিশেষ করে জরুরি মুহূর্তে। রুবিনা: সুতরাং মোবাইলের সঠিক ব্যবহার শেখা খুব জরুরি। সুব্রত: হ্যাঁ, মোবাইল যেন আমাদের সময় এবং মনোযোগ চুরি না করে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। " শিক্ষার্থীদের চাপ ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রীর সংলাপ,"শিক্ষক: অর্পিতা, তুমি কিছুদিন ধরে চিন্তিত মনে হচ্ছো, কি হয়েছে? অর্পিতা: স্যার, পরীক্ষা, প্রেজেন্টেশন, প্রজেক্ট সব মিলিয়ে খুব চাপ লাগছে। কখনো ভালো ঘুম হয় না। শিক্ষক: এটা অনেক শিক্ষার্থীর সমস্যা। তোমার কি মনে হয়, চাপ কমাতে কী করা উচিত? অর্পিতা: আমি জানি না, স্যার। পড়াশোনার চাপ অনেক, আর পরিবার থেকেও প্রত্যাশা অনেক। শিক্ষক: চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য সময় ব্যবস্থাপনা খুব জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত বিশ্রাম ও মানসিক বিশ্রাম দরকার। অর্পিতা: স্যার, আমি কীভাবে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে পারি? শিক্ষক: বন্ধুদের সাথে কথা বলো, প্রয়োজনে পরামর্শদাতার সাহায্য নাও। নিয়মিত হাঁটা-দৌড়াও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। অর্পিতা: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব। শিক্ষক: তুমি পারবে, বিশ্বাস রেখো।" পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"জান্নাত: পরিবেশ দূষণ আমাদের জীবনের জন্য কত বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে! তাসনিম: একদম, শহরগুলো ধোঁয়া, প্লাস্টিক ও শব্দ দূষণে ভরে উঠেছে। জান্নাত: গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে, আর প্লাস্টিক ব্যবহার কমাতে হবে। তাসনিম: পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে হলে সবাইকে জাগ্রত হতে হবে, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রদের। জান্নাত: সরকারকে কঠোর আইন করতে হবে দূষণকারীদের বিরুদ্ধে। তাসনিম: আর আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নিজেরাও প্লাস্টিক বর্জন, গাছ লাগানো, সচেতন হওয়া উচিত। জান্নাত: পরিবেশ রক্ষা ছাড়া আমাদের অস্তিত্ব অসম্ভব।" সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তার প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"সুমি: তুমি কি ভাবো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবন কতটা বদলে দিয়েছে? আলিম: অনেক ভালো ও অনেক খারাপ। দূরবর্তী মানুষদের কাছে নিয়ে এসেছে, কিন্তু অনেক সময় সময় নষ্ট হয়। সুমি: ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতাও বেড়েছে। আলিম: তাই সতর্ক হতে হবে, তথ্য যাচাই করে গ্রহণ করা উচিত। সুমি: মানসিক চাপ ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কারণও হতে পারে। আলিম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার শেখানো প্রয়োজন।" স্বাস্থ্যকর খাবার ও ফাস্টফুড নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রোহান: ফাস্টফুড অনেক জনপ্রিয়, কিন্তু কি এটি আমাদের স্বাস্থ্য জন্য ভালো? জয়া: না, ফাস্টফুডে তেল, চিনি ও নুন বেশি থাকে, যা অসুস্থতার কারণ। রোহান: কিন্তু অনেক সময় কাজের ব্যস্ততায় স্বাস্থ্যকর খাবার সময় থাকে না। জয়া: তাই ছোট ছোট পরিবর্তন করতে হবে, যেমন বাড়িতে রান্না করা খাবার বেশি খাওয়া। রোহান: আর নিয়মিত ব্যায়াম করলে ভালো থাকবে। জয়া: হ্যাঁ, স্বাস্থ্যই সম্পদ।" যুবসমাজের অবাধ সময় ও সৃষ্টিশীলতা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"তুমি: তোমার মনে হয় কি যুবসমাজের অবাধ সময়ের সমস্যা আছে? সুমন: হ্যাঁ, অনেকেই সময় ব্যর্থ কাজে নষ্ট করে। তুমি: তারা যদি সৃষ্টিশীল কাজে সময় দেয়, তাহলে অনেক দূর যেতে পারবে। সুমন: তাই, বই পড়া, খেলাধুলা ও সঠিক পরামর্শ প্রয়োজন। তুমি: পরিবার ও স্কুলের সহযোগিতা জরুরি। সুমন: সবার উচিত যুবসমাজকে সঠিক পথে চালানো।" মহামারী মোকাবিলা ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে দুই ছাত্রের সংলাপ,"আলিম: করোনার সময় আমরা কত কিছু শিখলাম, তাই না? মাহমুদ: হ্যাঁ, হাত ধোয়া, মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্বের গুরুত্ব বুঝেছি। আলিম: তবে এখনো অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানে না। মাহমুদ: এজন্য সচেতনতা বাড়ানো দরকার। আলিম: সরকারকেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। মাহমুদ: সবাই মিলে মহামারি মোকাবিলা করতে হবে। " শিক্ষার গুরুত্ব ও অনুপ্রেরণা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রীর সংলাপ,"শিক্ষক: তুমি কী জানো শিক্ষার গুরুত্ব? মিনা: স্যার, শিক্ষা আমাদের জীবনের দিশা। ভালো শিক্ষা ছাড়া উন্নতি করা কঠিন। শিক্ষক: তাই তোমার পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে হবে। মিনা: আমি চেষ্টা করব স্যার। শিক্ষক: তোমার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।" দুই বন্ধুর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব নিয়ে আলোচনা,"সুমন: হ্যালো রাকিব! তুমি কি ভাবো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে? রাকিব: হ্যালো সুমন! আমার মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক সুবিধা নিয়ে এসেছে। দূরের বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ রাখা যায়। নতুন নতুন তথ্য ও জ্ঞান শেখার সুযোগও অনেক। সুমন: ঠিকই বলেছো। কিন্তু আমি মনে করি, অনেক সময় আমরা অতিরিক্ত সময় এখানে কাটাই। এতে পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যাঘাত ঘটে। রাকিব: হ্যাঁ, এটা সত্যি। আমি নিজেও মাঝে মাঝে ফেসবুকে অনেক সময় নষ্ট করে ফেলি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আমি চেষ্টা করছি সময় সীমাবদ্ধ রাখার। সুমন: তুমিই বলো, অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেশা হয়ে পড়ে, বিশেষ করে যুব সমাজ। এটা তাদের মনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাকিব: সত্যি, আর আরেকটি বড়ো সমস্যা হচ্ছে ভুল তথ্য বা গুজব ছড়ানো। অনেকেই যাচাই না করে খবর বিশ্বাস করে যা সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি করে। সুমন: আমি একবার দেখেছিলাম একজন বন্ধুকে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে। এটা মানসিক ভাবে খুব কষ্ট দেয়। তোমার কি এমন অভিজ্ঞতা আছে? রাকিব: হ্যাঁ, আমি নিজেও দেখেছি কিছু বন্ধুকে অপমানজনক মন্তব্যে আঘাত করতে। এজন্য সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহার সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। সুমন: অবশ্যই। আর আমাদের উচিত সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা করা। সবসময় ফোন হাতে রেখে সময় নষ্ট না করে গুরুত্বপূর্ণ কাজে মন দেওয়া দরকার। রাকিব: ঠিক বলেছো। এছাড়া, সামাজিক মাধ্যম আমাদের মতামত গড়ে তোলায় প্রভাব ফেলে। কখনও কখনও আমরা সেসব ট্রেন্ড বা ধারা অনুসরণ করতে বাধ্য হই, যা সবসময় সঠিক নাও হতে পারে। সুমন: তাই, নিজের চিন্তাভাবনা গড়ে তোলা জরুরি, যাতে অন্যের প্রভাব আমরা সহজে না গ্রহণ করি। রাকিব: একদম। আমি মনে করি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা নিতে হবে, কিন্তু ঝুঁকি ও ক্ষতির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। সুমন: আমারও মতামত তাই। আমরা সবাই সচেতন হলেই এই মাধ্যম থেকে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।" শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: রিমা, তুমি কী ভাবো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যুব সমাজের জন্য কতটা উপকারী বা ক্ষতিকর? রিমা: স্যার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক সুবিধা নিয়ে এসেছে। আমরা বাড়ি থেকে অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে পারি, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারি। শিক্ষক: এটা অবশ্যই ভালো দিক। তবে তোমার কি মনে হয়, এর কোনো নেতিবাচক প্রভাবও আছে? রিমা: হ্যাঁ স্যার, অনেক সময় অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের পড়াশোনা ও ঘুমের ক্ষতি করে। আর মাঝে মাঝে অনৈতিক বা মিথ্যা তথ্যের ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনাও থাকে। শিক্ষক: খুব ভালো পর্যবেক্ষণ। তুমি কী ভাবে নিজের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাটাও? রিমা: আমি চেষ্টা করি দিনের নির্দিষ্ট সময়েই ব্যবহার করতে। বেশি সময় না দিয়ে মূলত দরকারি কাজ করতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করি। শিক্ষক: এটা খুবই প্রশংসনীয়। তোমার মত এমন সচেতন ছাত্রদের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। রিমা: স্যার, আমি দেখেছি অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে। এটা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। শিক্ষক: হ্যাঁ, সাইবার বুলিং একটি গুরুতর সমস্যা। আমরা সবাইকে এর বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে এবং প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। রিমা: আর সাইবার নিরাপত্তার বিষয়েও সবাইকে শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। শিক্ষক: অবশ্যই, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ অনলাইন ব্যবহার শিখানো আমাদের কর্তব্য। রিমা: স্যার, আমার মনে হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন নতুন ধারণা, সংস্কৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গি শেখার সুযোগ থাকে। শিক্ষক: একদম ঠিক, তবে এর সঙ্গে যুক্ত ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে সচেতনতা না থাকলে সমস্যা বাড়ে। রিমা: তাই, পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উভয়ই ছাত্রদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়া উচিত। শিক্ষক: তোমার কথা খুব ভালো। তুমি তোমার বন্ধুদেরকেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার শিখিয়ে দাও। রিমা: নিশ্চয় স্যার। আমি চেষ্টা করব।" পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে চারজনের সংলাপ,"অমিত: হ্যালো শ্রীমা, তুমি কী ভাবো, আজকাল প্লাস্টিক দূষণ আমাদের পরিবেশের জন্য কত বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে? শ্রীমা: হাই অমিত! প্লাস্টিক তো আমাদের চারপাশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, কিন্তু এটি পরিবেশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। প্লাস্টিক পচতে অনেক বছর লাগে, আর নদী-সমুদ্রগুলোতে জমে প্রাণীদের জীবন বিপন্ন করে। তাই আমাদের প্রয়োজন প্লাস্টিকের বিকল্প ব্যবহার, যেমন পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ। রফিক (কমিউনিটি লিডার): আপনাদের কথায় আমি একদম সহমত। সম্প্রদায়ের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আমরা সম্প্রতি একটি বৃক্ষরোপণ অভিযান করেছি। গাছ লাগানো শুধু পরিবেশকে সুস্থ রাখে না, তা অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বায়ুর দূষণ কমায়। মেহেদী (স্থানীয় বাসিন্দা): সত্যিই, রফিক ভাই। আমি মনে করি শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, গাছের পরিচর্যাও জরুরি। আমাদের সবাইকে গাছের যত্ন নিতে হবে এবং বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। অমিত: আরেকটা বিষয় হলো, পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য ব্যক্তিগত দায়িত্ব ও সরকারী দায়িত্বের মধ্যে পার্থক্য কী? আমি মনে করি, ব্যক্তিরা যত সচেতন হবে, তত পরিবেশ ভালো থাকবে। রফিক: অবশ্যই, ব্যক্তিগত সচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বড় বড় প্রকল্প যেমন নদী পরিষ্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশবান্ধব নীতি প্রণয়ন, এসব সরকারই করতে পারে। সরকার যদি কঠোর আইন আর কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পরিবেশ রক্ষা সহজ হবে। শ্রীমা: আর আমরা নিজেরাও ছোট ছোট জিনিস থেকে শুরু করতে পারি। যেমন বাড়িতে এবং স্কুলে বর্জ্য কমানো, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, এবং পুনঃব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার। ছোট ছোট কাজগুলোর মিশ্রণে বড় পরিবর্তন আসে। মেহেদী: আমার তো মনে হয়, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব আমরা সবাই মিলে গ্রহণ করতে পারলে এই সমস্যা খুব দ্রুত কমে আসবে। শুধু নিজের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের পরিবেশ সুস্থ রাখতে হবে। অমিত: আমি নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আজ থেকে প্লাস্টিকের ব্যাগ বন্ধ করে দিয়ে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করবো। তোমারাও কি আমাকে সঙ্গ দিবে? শ্রীমা: অবশ্যই, আমি আগে থেকেই চেষ্টা করছি। স্কুলেও আমরা ‘প্লাস্টিক মুক্ত’ কার্যক্রম শুরু করেছি। রফিক: খুব ভালো সিদ্ধান্ত, অমিত। আমি কমিউনিটিতেও আরও বেশি করে পরিবেশ সচেতনতা প্রচার করবো। মেহেদী: আমি বাসায় বর্জ্য আলাদা করে ফেলছি, আর পরিবারকেও সচেতন করছি। পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য প্রতিদিন একটা ভালো কাজ করাই আমাদের কর্তব্য। অমিত: সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে পারব। শ্রীমা: একদম ঠিক। পরিবেশ আমাদের সম্পদ, যা আমরা সবাই মিলে রক্ষা করবো। রফিক: আমি আশা করি আমাদের ছোট ছোট উদ্যোগগুলো বৃহত্তর পরিবর্তনের সূচনা করবে। সবাইকে সচেতন করে পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের দিকে নিয়ে যাবে। মেহেদী: পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু একটি কাজ নয়, আমাদের জীবনযাত্রার এক অংশ হওয়া উচিত। সবাই: পরিবেশ রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব এবং কৃতজ্ঞতা। " দুই সহপাঠীর মধ্যে অনলাইন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষার তুলনা,"সারা: হেলো রিফাত, তোমার কী মনে হয়, অনলাইন ক্লাস আর ক্লাসরুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য কী? রিফাত: হাই সারা! আমি মনে করি, ক্লাসরুমে সরাসরি শিক্ষক থেকে শেখা অনেক বেশি কার্যকর। সেখানে প্রশ্ন করার সুযোগ বেশি। অনলাইন ক্লাসে মাঝে মাঝে ইন্টারনেট সমস্যা হয় আর মনোযোগও হারিয়ে যায়। সারা: ঠিক বলছো। আমি লক্ষ্য করেছি, ক্লাসরুমে বন্ধুদের সাথে কথা বলে ও একসাথে পড়াশোনা করলে বেশি শেখার ইচ্ছা হয়। অনলাইনে সেটা কম হয়। রিফাত: আরেকটি সমস্যা হলো, অনলাইনে অনেক সময় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়, কারণ ঘরেই তো অনেক বিকর্ষণ থাকে। সারা: হ্যাঁ, তবে অনলাইন শিক্ষার সুবিধাও আছে—যেমন সময় বাঁচে, বাসায় বসেই পড়াশোনা করা যায়। রিফাত: সঠিক। তবে আমি আশা করি, ভবিষ্যতে প্রযুক্তি আরও উন্নত হলে অনলাইন শিক্ষা আরও কার্যকর হবে।" শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা অনলাইন শিক্ষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে,"অভিভাবক: স্যার, আমি আমার মেয়ের অনলাইন শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে উদ্বিগ্ন। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি আপনার চিন্তা। অনলাইন শিক্ষায় কিছু বাধা রয়েছে যেমন ইন্টারনেটের সমস্যা, সরাসরি মনোযোগ কম পাওয়া ইত্যাদি। অভিভাবক: হ্যাঁ, কিছুদিন আগে ইন্টারনেট কম ছিল বলে মেয়ের ক্লাস অনেক ব্যাহত হয়েছে। এছাড়া সে মনোযোগ হারায়। শিক্ষক: এই সমস্যা সামাল দিতে শিক্ষক ও অভিভাবকের সহযোগিতা দরকার। যেমন, পড়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা এবং টেকনিক্যাল সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা। অভিভাবক: আর আমরা কীভাবে মেয়েকে অনুপ্রাণিত রাখতে পারি? শিক্ষক: অনুপ্রেরণার জন্য নিয়মিত শিক্ষার সাফল্য নিয়ে আলোচনা করা, বিরতি নিয়ে স্ট্রেস কমানো এবং প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন করা জরুরি। অভিভাবক: সত্যি কথা, এই সময় ছাত্রদের মানসিক সহায়তা দিতে হবে। শিক্ষক: একদম ঠিক, শিক্ষার পাশাপাশি ছাত্রদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশেও মনোযোগ দিতে হবে।" কাকা ও ভাগিনীর মধ্যে অনলাইন শিক্ষায় মনোযোগ ও সামাজিক দক্ষতার ওপর আলোচনা,"কাকা: কেমন আছো, মেয়ে? তোমার অনলাইন ক্লাস কেমন যাচ্ছে? ভাগিনী: কাকা, ভালোই চলছে, কিন্তু অনেক সময় মনোযোগ হারাই। বাসায় থাকার কারণে বন্ধুদের সাথে দেখা হয় না, তাই একটু একা লাগে। কাকা: হ্যাঁ, এটা অনেকের সমস্যা। অনলাইন শিক্ষায় সামাজিক যোগাযোগ কমে যায়, যা তোমার সামাজিক দক্ষতায় প্রভাব ফেলতে পারে। ভাগিনী: আমি কি এমন কিছু করতে পারি যাতে মনোযোগ বাড়ে? কাকা: অবশ্যই। তুমি পড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি তৈরি করো, মাঝে মাঝে বিরতি নাও এবং ঘর থেকে একটু বাইরে হাঁটাহাঁটি করো। ভাগিনী: আর বন্ধুদের সাথে অনলাইনে কথা বলি, কিন্তু সেটা আসল দেখা-সাক্ষাতের বিকল্প না। কাকা: সঠিক। চেষ্টা করো নিয়মমাফিক বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও কল বা অনলাইন গ্রুপ স্টাডি করতে। ভাগিনী: ধন্যবাদ কাকা, আমি চেষ্টা করব। আশা করি আগামী দিনগুলোতে সবকিছু আরও ভালো হবে।" বাবা ও ছেলে-মেয়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে আলোচনা,"বাবা: রাহুল, আমি দেখি তুমি আজকাল অনেক সময় ফেসবুক আর ইউটিউবে কাটাও। এটা কি তোমার পড়াশোনার ক্ষতি করছে? রাহুল: বাবা, আমি তো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও শিখি সেখানে। শিক্ষামূলক ভিডিও, নতুন তথ্য পাই। বাবা: এটা ভালো কথা, কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি তুমি সময় ঠিক মতো ব্যবহার করছো না। অতিরিক্ত সময় নষ্ট হলে পড়াশোনার ক্ষতি হয়। রাহুল: হ্যাঁ বাবা, মাঝে মাঝে সময় বের করতে কষ্ট হয়। কিন্তু আমি চেষ্টা করি সময়সীমা বজায় রাখতে। বাবা: আরেকটা কথা, তুমি কি কখনও সাইবার বুলিং বা অনলাইন হুমকির শিকার হয়েছো? রাহুল: না, বাবাহ। তবে আমার এক বন্ধুকে অনলাইনে ট্রোল করা হয়েছে, ওর মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। বাবা: তাই তোমাকে সতর্ক থাকতে হবে, যেন নিজের তথ্য গোপন রাখা হয়। রাহুল: বুঝেছি বাবা। আমি চেষ্টা করব সতর্ক থাকার। বাবা: ভালো, সময় মেপে ব্যবহার করো আর পড়াশোনায় মন দাও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভালো দিক নেওয়া দরকার, কিন্তু ক্ষতির বিষয়গুলো থেকেও সাবধান থাকতে হবে। রাহুল: অবশ্যই বাবা, আমি তোমার কথা মনে রাখব। " স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে বিতর্ক,"শিক্ষক: আজকের ক্লাসে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করব। তোমরা কী মনে করো, এটা যুবসমাজের জন্য ভালো না খারাপ? নাজমুল: স্যার, আমার মনে হয়, সামাজিক মাধ্যমের অনেক সুবিধা আছে, যেমন তথ্য বিনিময়, শিক্ষামূলক ভিডিও দেখা। রাশেদ: আমি বলব, অনেক ক্ষতিও হয়। কেউ কেউ নেশায় পরে পড়ে, যা পড়াশোনা ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শিক্ষক: তোমরা কি মনে করো সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা করলে সমস্যাগুলো এড়ানো সম্ভব? নাজমুল: হ্যাঁ স্যার, তবে সেটার জন্য কঠোর আত্মনিয়ন্ত্রণ দরকার। রাশেদ: আমার মতে, পরিবার ও স্কুলের নির্দেশনা ছাড়া অনেক সময় যুবসমাজ হারিয়ে যায়। শিক্ষক: তোমাদের মতামত ভালো। সামাজিক মাধ্যমের ভাল দিক কাজে লাগানো ও খারাপ দিক থেকে সাবধান হওয়া উচিত। নাজমুল: স্যার, আমি জানি কেউ কেউ সাইবার বুলিংয়ে শিকার হয়, এটা বন্ধ করতে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। শিক্ষক: একদম সঠিক। এটা বন্ধ করতে সচেতনতা ও আইনি ব্যবস্থা জরুরি। রাশেদ: তাহলে আমাদের দায়িত্বও অনেক বড়। শিক্ষক: তাই তো। তোমরা নিজেরাও নিজেরাই দায়িত্ব নিতে পারলে সমাজ ভালো হবে।" যুবসমাজের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব নিয়ে এক গ্রাম্য পরিবেশ থেকে দুজন বন্ধুর কথা,"ফরহাদ: তুমি শুনেছো, গ্রামের বাচ্চারা এখন মোবাইল আর ফেসবুক ছাড়া থাকে না? মোস্তাফিজ: হ্যাঁ, এটা একটা সমস্যা। পড়াশোনায় মন কমে যাচ্ছে। খেলাধুলা কম হচ্ছে। ফরহাদ: কিন্তু অনেক সময় তারা এখানে দেশ-বিদেশের খবরও জানতে পারে, নতুন কিছু শিখতে পারে। মোস্তাফিজ: ঠিকই বলেছো, কিন্তু আমাদের উচিত সময় সীমাবদ্ধ রাখা। ফরহাদ: বড়লোকরা বলছে, মোবাইল ছাড়া শিশুদের কিছু জানা সম্ভব নয়। মোস্তাফিজ: এটা ভুল নয়, তবে খারাপ দিকগুলো বেশি হলে বড়ো ক্ষতি হয়। ফরহাদ: তাহলে আমরা কি করব? মোস্তাফিজ: পরিবার ও স্কুলে সবাইকে মিলে সচেতন হতে হবে। মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার শেখাতে হবে সঠিকভাবে। ফরহাদ: একদম ঠিক। না হলে যুবসমাজ সময় নষ্ট করবে আর পিছিয়ে পড়বে। মোস্তাফিজ: তাই, আমরা নিজেদের দায়িত্ব বুঝে কাজ করবো।" প্লাস্টিক দূষণ ও বিকল্প নিয়ে দুই ছাত্র ও একজন অভিভাবকের সংলাপ,"রাহুল: হ্যালো সুমনা, তুমি কি জানো, আমাদের দেশে প্লাস্টিক দূষণ কত বড় সমস্যা? সুমনা: হ্যাঁ রাহুল, প্লাস্টিক আমাদের নদী, সড়ক, আর বাগান সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক প্রাণী এতে মারা যাচ্ছে। রাহুল: আমি ভাবছি, আমাদের কীভাবে প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো যায়? সুমনা: অনেক জায়গায় তো এখন ‘প্লাস্টিক ব্যাগ নিষেধ’ করা হয়েছে। আমাদের সবাইকে কাপড়ের ব্যাগ বা পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে। মায়েরাজ (অভিভাবক): তোমাদের কথা সঠিক। আমি দেখেছি, অনেক দোকানে এখন জৈব-বান্ধব প্যাকেট ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের উচিত এই পরিবর্তনকে উৎসাহ দেওয়া। রাহুল: আমি ভাবছি, আমাদের স্কুলেও প্লাস্টিক দূষণ রোধে একটি সচেতনতা ক্যাম্পেইন করা উচিত। সুমনা: একদম ঠিক! আমরা প্লাস্টিকের বদলে কাগজ বা অন্যান্য পরিবেশ বান্ধব সামগ্রী ব্যবহার বাড়াতে পারি। মায়েরাজ: অভিভাবকদেরও উচিত নিজেদের জীবনে পরিবর্তন আনা, যেন সন্তানদের জন্য একটা ভালো পরিবেশ তৈরি হয়। রাহুল: আমি প্লাস্টিক কমিয়ে পরিবেশ রক্ষা করতে চাই। তোমরা সবাই কি আমার সঙ্গে আছো? সুমনা ও মায়েরাজ: অবশ্যই, আমরা সবাই একসাথে থাকবো।" গাছ রোপণ ও তার সুফল নিয়ে কমিউনিটি লিডার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের আলোচনা,"রফিক (কমিউনিটি লিডার): আমাদের গ্রামে আমরা আগামী মাসে বৃহৎ গাছ রোপণ কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছি। তোমাদের মতামত কী? সাবিনা (স্থানীয় বাসিন্দা): রফিক ভাই, গাছ রোপণ খুবই প্রয়োজন। গাছ পরিবেশকে পরিষ্কার রাখে, বায়ু ভালো করে এবং জলাধার রক্ষা করে। আলম (স্থানীয় বাসিন্দা): এছাড়া গাছের ছায়ায় গ্রামের মানুষগণ আরাম পায়। গরম থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। রফিক: ঠিক তাই। আমাদের উচিত এই কাজকে সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া। স্কুল, কলেজ সবাইকে গাছ রোপণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সাবিনা: আর গাছ রোপণের পাশাপাশি তার সঠিক যত্ন নেওয়া দরকার। কিছু মানুষ গাছ লাগায় কিন্তু পরবর্তীতে যত্ন নেয় না। আলম: আমাদের এলাকায় যদি সবাই একসাথে গাছের যত্ন নেবে, তবে পরিবেশ সুন্দর হবে। রফিক: আমি আশা করি, এই গাছ রোপণ অভিযান আমাদের গ্রামকে সবুজ ও সুস্থ রাখবে। সাবিনা: সবাই যদি এই কাজে অংশ নেয়, আগামী প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ রেখে যেতে পারবো। " পরিবেশ রক্ষা নিয়ে ব্যক্তি ও সরকারের দায়িত্ব নিয়ে দুই শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এর সংলাপ,"মেহেদী: স্যার, পরিবেশ রক্ষা করার দায়িত্ব কি শুধুই সরকারের? শিক্ষক: না মেহেদী, পরিবেশ রক্ষা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। সরকার বড় বড় প্রকল্প ও আইন প্রণয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখে, তবে ব্যক্তিরাও সচেতন হতে হবে। মিথিলা: অর্থাৎ আমরা ব্যক্তিগতভাবে কী কী করতে পারি? শিক্ষক: ছোট ছোট কাজগুলো বড় ভূমিকা রাখে। যেমন বর্জ্য সঠিক জায়গায় ফেলা, গাছ লাগানো, প্লাস্টিক কম ব্যবহার করা, এবং শক্তি সাশ্রয় করা। মেহেদী: সরকার পরিবেশ রক্ষায় কি কি পদক্ষেপ নিচ্ছে? শিক্ষক: সরকার পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য নানা আইন করেছে, যেমন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কার্বন নির্গমন নিয়ন্ত্রণ, এবং শিল্পকারখানায় দূষণ কমানোর নিয়ম। মিথিলা: আমাদের কি সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত? শিক্ষক: অবশ্যই, সরকারের আইন মেনে চলা এবং পরিবেশ রক্ষায় অংশ নেওয়া নাগরিকদের কর্তব্য। মেহেদী: তাহলে সবাই যদি নিজ দায়িত্ব পালন করি, পরিবেশ রক্ষা করা সহজ হবে। শিক্ষক: হ্যাঁ, পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের পদক্ষেপ এবং ব্যক্তির সচেতনতা একসাথে গেলে সাফল্য নিশ্চিত।" দুই সহপাঠীর মধ্যে ইন্টারনেট সমস্যা ও মনোযোগের অভাব নিয়ে আলোচনা,"রিয়া: হাই আরিফ, আজকাল অনলাইন ক্লাসে তোমার কি অবস্থা? আরিফ: আসলে, রিয়া, ইন্টারনেট অনেক সময় দ্রুতগতির হয় না। মাঝে মাঝে ক্লাস বন্ধ হয়ে যায়, তাই মনোযোগ হারাই। রিয়া: আমারও তাই। কখনো কখনো বুঝতে পারি না শিক্ষক কী বলছেন। আর ঘরে থাকার কারণে আমারও মনোযোগ কমে। আরিফ: এসব কারণে আমি বাসায় পড়ার পরিবেশ ঠিক করার চেষ্টা করছি। একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বসে পড়াশোনা করছি যাতে মনোযোগ যায়। রিয়া: খুব ভালো। আমি মাঝে মাঝে ফোন অফ রাখি যাতে মনোযোগ হারাই না। আর ক্লাস চলাকালে অন্য কোনো কাজ না করি। আরিফ: তবে অনেক সময় বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ কমে যায়, যা এক ধরনের মানসিক চাপ দেয়। রিয়া: তাই তো, সময় পেলে বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও কল করি। এতে একটু ভালো লাগে। আরিফ: তোমার টিপসগুলো আমার জন্য অনেক সাহায্য করবে।" শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে অনলাইন শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও সমাধান নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: শুভ সকাল, আজ আমি অনলাইন শিক্ষায় তোমাদের যে সমস্যাগুলো হচ্ছে তা নিয়ে কথা বলব। ছাত্র: স্যার, অনেক সময় ইন্টারনেট নষ্ট হয়ে ক্লাসে যোগ দিতে পারি না। এছাড়া মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি। তাই আপনাদের জন্য কিছু পরামর্শ আছে—প্রথমত, একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি বানান। দ্বিতীয়ত, পড়ার জন্য শান্ত ও নিরিবিলি জায়গা বেছে নিন। ছাত্র: স্যার, আমরা কীভাবে নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখব? শিক্ষক: তোমাদের উচিত পড়াশোনার লক্ষ্য ঠিক করা এবং ছোট ছোট বিরতি নিয়ে পড়া যাতে ক্লান্তি কম হয়। এছাড়া পরিবার ও বন্ধুদের সাপোর্ট নিতে পারো। ছাত্র: স্যার, অনলাইন ক্লাসে অন্যদের সঙ্গে কম যোগাযোগের কারণে মন খারাপ হয়। শিক্ষক: সেটাও একটি বড় সমস্যা। তাই নিয়মিত বন্ধু ও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনার পরামর্শ খুব কাজে লাগবে।" বাবা-মেয়ের মধ্যে অনলাইন শিক্ষার সামাজিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা,"বাবা: বেটা, অনলাইন ক্লাসে পড়াশোনা কেমন চলছে? মেয়ে: বাবা, পড়াশোনা হচ্ছে, কিন্তু অনেক সময় বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয় না, তাই একা একা লাগছে। বাবা: বুঝতে পারছি। সামাজিক যোগাযোগ কমে গেলে মন খারাপ হতে পারে। মেয়ে: হ্যাঁ, আমি ক্লাসের পর বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও কল করি, তবে সেটা আসল সাক্ষাতের মতো না। বাবা: চেষ্টা করো মাঝে মাঝে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে। মেয়ে: ওটা আমি করি, আর মাঝে মাঝে বাইরে একটু হাঁটাহাঁটি করি, এতে ভালো লাগে। বাবা: খুব ভালো। সামাজিক দক্ষতা বজায় রাখতে তোমাকে সচেষ্ট থাকতে হবে। মেয়ে: বাবা, ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য। আমি চেষ্টা করব।" ছাত্র ও গ্রন্থাগারের কর্মচারীর মধ্যে বাংলা সাহিত্যের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: আপু, আমি বাংলা সাহিত্যে অনেক আগ্রহী, কিন্তু মাঝে মাঝে ভাবি, আজকের আধুনিক যুগে ক্লাসিক সাহিত্য কতটা প্রাসঙ্গিক? গ্রন্থাগারকর্মী: বাহ, খুব ভালো প্রশ্ন করেছো! বাংলা সাহিত্যের ক্লাসিকগুলো যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দিন প্রভৃতি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মূল স্তম্ভ। আধুনিক যুগে ও এদের সাহিত্য নতুন প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক। ছাত্র: কিন্তু তোরা সবাই আজকাল ইংরেজি বই পড়তেই বেশি আগ্রহী। বাংলা বই পড়াটা অনেকের কাছে পুরানো বলে মনে হয়। গ্রন্থাগারকর্মী: হ্যাঁ, এটা সত্যি যে অনেকেই দ্রুত নতুন বই বা প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু বাংলা সাহিত্য আমাদের ভাষা, ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। এ থেকে আমরা আমাদের শিকড় জানতে পারি। ছাত্র: আমি রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলি’ পড়েছি, সেটা খুব প্রভাব ফেলেছিল আমার উপর। সেখানে জীবনের গভীর দার্শনিকতা আছে। গ্রন্থাগারকর্মী: খুব ভালো! কাজী নজরুল ইসলাম এর কবিতায় যেমন বিপ্লবী চেতনা ও মানবিকতা ফুটে ওঠে, তেমনি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর উপন্যাসে বাংলার গ্রামীণ জীবন আর সমাজের বাস্তবতা পাওয়া যায়। ছাত্র: আমি সম্প্রতি ‘দুপুরের আলো’ পড়ছিলাম, সেটাও আমাদের সমাজের নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলে। গ্রন্থাগারকর্মী: বাংলা সাহিত্য শুধু বিনোদন নয়, এটা আমাদের চিন্তা ও মূল্যবোধকে গড়ে তোলে, সংস্কৃতির সাথে আমাদের সম্পর্ককে মজবুত করে। ছাত্র: তাহলে কি বলবে, আধুনিক জীবনে সাহিত্য পড়া কতটা জরুরি? গ্রন্থাগারকর্মী: অতি জরুরি! কারণ সাহিত্য আমাদের মানবিকতা, সহানুভূতি ও বোধশক্তিকে জাগ্রত করে। প্রযুক্তি যতই এগুক, সাহিত্য থাকবে মানুষের আত্মার খাদ্য হিসেবে। ছাত্র: আমি চেষ্টা করব আরও বেশি বাংলা সাহিত্য পড়তে এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করব। গ্রন্থাগারকর্মী: বাহ, এটাই কাম্য! বাংলা সাহিত্যের সৌন্দর্যকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।" দুই বন্ধুর মধ্যে বাংলা সাহিত্যের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে কথোপকথন,"রুমি: তুমি কি জানো, বাংলা সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে মূল্যবান অংশ? সুমন: অবশ্যই রুমি, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দদের লেখা আমাদের ভাবনার জগৎ বদলে দিয়েছে। রুমি: তুমি কোন লেখকের কবিতা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসো? সুমন: আমি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা খুব পছন্দ করি। তার ভাষায় শক্তি আর স্বাধীনতার স্পন্দন আছে। রুমি: আর আমি রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতা খুব ভালোবাসি। তার সাহিত্যে মানবতা আর প্রকৃতির মিলন ঘটেছে। সুমন: তুমি কি মনে করো, আজকের সময়েও আমরা ক্লাসিক সাহিত্য থেকে কিছু শিখতে পারি? রুমি: অবশ্যই! আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতির মূলধন, যা আমাদের চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ করে। সুমন: আমি একবার ‘আনন্দমঠ’ পড়েছিলাম, সেখানে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত হয়। রুমি: আমি ‘গীতাঞ্জলি’ পড়েছিলাম, সেটার ভাষা ও ভাব আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। সুমন: বাংলা সাহিত্যের কারণে আমাদের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতি বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছেছে। রুমি: তাই তো, আমরা সবাইকে বাংলা সাহিত্যকে ভালোবাসতে হবে, পড়তে হবে এবং প্রচার করতে হবে। সুমন: বাংলা সাহিত্য আমাদের পরিচয়, আমাদের আত্মা। এ ছাড়া জীবন অর্থহীন মনে হয়। রুমি: চল, এবার আমরা একসঙ্গে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনা শুরু করি। সুমন: খুব ভালো আইডিয়া! বাংলা সাহিত্যের মাধুর্য আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করে।" স্বাস্থ্য ও ফিটনেস: দুই সহকর্মীর সংলাপ,"রিয়াদ: হ্যালো শমীমা, তুমি কি জানো, সকালে ব্যায়াম করার কত বড় উপকার আছে? শমীমা: হাই রিয়াদ! হ্যাঁ, সকালে ব্যায়াম করলে শরীর সতেজ থাকে, মন ভালো থাকে এবং সারাদিন শক্তি লাগে। আমি কিছুদিন চেষ্টা করেছি যোগব্যায়াম করার, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে মাঝে মাঝে বাদ দিয়ে দিই। রিয়াদ: আমি তোমার কথা বুঝতে পারি। আমি ও ব্যস্ত থাকলেও প্রতিদিন সকালে হাঁটা বা স্কিপিং করার চেষ্টা করি। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শমীমা: সত্যি, কিন্তু আমার খাবার নিয়ন্ত্রণ করাই অনেক কঠিন। অফিসের কাছে অনেক ফাস্ট ফুড দোকান আছে, যেখানে কাজের সময় একটু তাড়াহুড়ো করে ফাস্ট ফুড খেতে হয়। এটা তো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো না, তাই না? রিয়াদ: ফাস্ট ফুডে বেশি চর্বি, লবণ ও ক্যালোরি থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, ও ওজন বাড়ানোর কারণ হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব বাড়ির খাবার খাওয়া উচিত। শমীমা: কিন্তু সময়ের অভাব ও কাজের চাপ অনেক সময় আমাদের স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তুমি কীভাবে এটা সামলাও? রিয়াদ: আমি আগে থেকে পরিকল্পনা করি। সপ্তাহের জন্য খাবার তৈরি করে রাখি, এবং অফিসে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স নিয়ে যাই। তুমি চাইলে আমি তোমাকে কিছু সহজ ও স্বাস্থ্যকর রেসিপি শিখিয়ে দিতে পারি। শমীমা: ধন্যবাদ, রিয়াদ! আমি খুব আগ্রহী। তাছাড়া আমরা যদি একটা ফিটনেস চ্যালেঞ্জ শুরু করি, তাহলে হয়তো একে অপরকে উৎসাহ দিতে পারবো। রিয়াদ: দারুণ আইডিয়া! আমরা প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত হাঁটা বা যোগব্যায়াম করবো। সপ্তাহে একবার ফলাফল শেয়ার করবো। এটা আমাদের ফিটনেস উন্নত করবে এবং মনেরও ভালো লাগবে। শমীমা: আমি রাজি! আর এই চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমি চেষ্টা করবো আমার ডায়েটে ফাস্ট ফুড কমানোর। রিয়াদ: একদম সঠিক। স্বাস্থ্যের জন্য ছোট ছোট পরিবর্তনই বড় ফল আনে। একসাথে শুরু করলে সফল হওয়া সহজ হবে। শমীমা: ধন্যবাদ রিয়াদ, তোমার উৎসাহ পেয়ে আমি অনেক বেশি প্রেরণা পাচ্ছি। আমাদের উচিত এই রকম স্বাস্থ্যকর অভ্যাস জীবনযাত্রায় অভ্যাস করা। রিয়াদ: হ্যাঁ, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও ফিটনেসকে গুরুত্ব দিতে হবে। ভালো থাকা মানেই ভালো কাজ করা। শমীমা: তাহলে চল, আগামীকাল থেকেই শুরু করি। রিয়াদ: ঠিক আছে, দেখা হবে সকালে। সুস্থ থেকো। শমীমা: তুমি ও সুস্থ থেকো।" দুই কৃষকের মধ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার ও সুবিধা নিয়ে আলোচনা,"আলমগীর: হেলো রফিক, তুমি কি জানো এখন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকরা আবহাওয়া ও বাজারের তথ্য পেতে পারছে? রফিক: হ্যাঁ আলমগীর, এটা সত্যিই বড় সুবিধা। আগে তো আমরা বাজারের দাম জানতাম না, কিন্তু এখন মোবাইল থেকে জানতে পারি কখন কোন পণ্যের দাম ভালো। আলমগীর: আর আবহাওয়ার খবর পেলে ফসলের যত্ন নিতে সুবিধা হয়। বৃষ্টি বা শৈত্যপ্রবাহের আগেই প্রস্তুতি নেওয়া যায়। রফিক: তবে প্রযুক্তি সব জায়গায় সমানভাবে পৌঁছায় না। আমাদের গ্রামের অনেক মানুষ এখনো মোবাইল বা ইন্টারনেটের সুবিধা পাচ্ছে না। আলমগীর: হ্যাঁ, সেটাই বড় সমস্যা। কিন্তু ধীরে ধীরে এই অবকাঠামো গড়ে উঠছে। আশা করি ভবিষ্যতে সবাই উপকৃত হবে। রফিক: আমিও আশা করি। প্রযুক্তি না হলে কৃষক জীবন অনেক কঠিন হত।" গ্রামীণ বয়স্ক ব্যক্তি ও তরুণের মধ্যে প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা,"বৃদ্ধ: তোমরা কি প্রযুক্তির এত আবিষ্কার নিয়ে উৎসাহী? আমার সময়ের মানুষ এসব দেখতাম না। তরুণ: বাবা, প্রযুক্তি এখন আমাদের কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করছে। মোবাইল ফোন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য পাওয়া সহজ। বৃদ্ধ: কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে গ্রামের মানুষ এসব ব্যবহার করতে পারে না কারণ প্রশিক্ষণের অভাব আছে। তরুণ: তাই আমরা গ্রামের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করছি, যাতে সবাই প্রযুক্তি শিখতে পারে। বৃদ্ধ: এটা ভালো উদ্যোগ। প্রযুক্তি ছাড়া আজকের গ্রামীণ উন্নয়ন অসম্ভব। তরুণ: হ্যাঁ বাবা, প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের কৃষকরা ফসলের ফলন বাড়াচ্ছে, নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করছে। বৃদ্ধ: আশা করি আগামী দিনে আরও বেশি মানুষ প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করবে।" শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে গ্রামীণ উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজ আমরা গ্রামীণ উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করব। তুমি কী মনে কর? ছাত্র: স্যার, আমি মনে করি প্রযুক্তি যেমন মোবাইল অ্যাপ, ইন্টারনেট গ্রামে কৃষকদের অনেক সাহায্য করছে। শিক্ষক: ঠিক। প্রযুক্তির সাহায্যে কৃষকরা আবহাওয়ার পূর্বাভাস পায়, বাজারে সঠিক দাম জানতে পারে। ছাত্র: কিন্তু গ্রামে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের সুবিধা নেই, তাই সমস্যা হয়। শিক্ষক: হ্যাঁ, এই অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরকার ও এনজিওগুলো কাজ করছে। আর শিক্ষার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। ছাত্র: আমি আমাদের গ্রামের অনেক কৃষককে প্রযুক্তি ব্যবহার শেখাতে চাই। শিক্ষক: খুব ভালো লক্ষ্য। প্রযুক্তি ছাড়া গ্রামের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তোমাদের মতো যুবকরা এই পরিবর্তনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব গ্রামীণ প্রযুক্তি সচেতনতা বাড়াতে।" কোচ ও শিক্ষার্থীর মধ্যে স্বাস্থ্য ও ফিটনেস নিয়ে সংলাপ,"কোচ রফিক: সালাম মেহেদী, তুমি কি জানো নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর কেমনভাবে উপকৃত হয়? মেহেদী: ওয়ালাইকুম সালাম কোচ। আমি জানি, ব্যায়াম আমাদের শরীরকে সুস্থ ও শক্তিশালী করে। কিন্তু সময় পাই না বলে নিয়মিত করতে পারি না। কোচ রফিক: সময় না পাওয়া কোনো অজুহাত হতে পারে না। প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলেই অনেক উপকার পাওয়া যায়। যেমন হৃদরোগের ঝুঁকি কমে, মেদ কমে এবং মন ভালো থাকে। মেহেদী: কোচ, আমি অনেক সময় ভোরবেলা যোগব্যায়াম করার কথা ভাবি, কিন্তু সকালে অনেক অলস লাগে। কোচ রফিক: শুরুতে একটু কঠিন মনে হতে পারে, কিন্তু একবার অভ্যাস হয়ে গেলে তোমার শরীর ও মন দুইই সজীব থাকবে। শারীরিক শক্তি ও মানসিক শান্তি পাওয়া যাবে। মেহেদী: আমি চেষ্টা করব। আর আমার ডায়েট নিয়েও সমস্যা হয়। ফাস্ট ফুড খুব প্রলুব্ধ করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কোচ রফিক: ফাস্ট ফুডে বেশি চর্বি ও ক্যালোরি থাকে, যা ওজন বাড়ায় এবং শরীরের নানা রোগ বাড়ায়। তোমার উচিত নিয়মিত ঘরোয়া পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। মেহেদী: আমি জানি, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে সময় না পেয়ে অনেক সময় বাইরে খাবার খেতে হয়। কোচ রফিক: তুমি চাইলে আমি তোমাকে কিছু দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর খাবার রেসিপি শিখিয়ে দিতে পারি। এছাড়া আমি আগামী মাস থেকে একটি ৩০ দিনের ফিটনেস চ্যালেঞ্জ শুরু করছি, এতে তুমি যোগ দিতে পারো। মেহেদী: ধন্যবাদ কোচ! আমি অবশ্যই চেষ্টা করব। চ্যালেঞ্জে যোগ দিতে আগ্রহী। একসাথে করলে অনুপ্রেরণা বেশি থাকবে। কোচ রফিক: ঠিক বলেছো, মেহেদী। নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম আহারই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। মেহেদী: আমিও বিশ্বাস করি, সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রমে আমি আমার স্বাস্থ্যের উন্নতি করবো।" পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা নিয়ে সংলাপ,"মা: রুমি, তুমি কি জানো, সকালের যোগব্যায়াম আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা জরুরি? রুমি: মা, আমি জানি, কিন্তু সকালে উঠতে খুব কষ্ট হয়। তাছাড়া পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সময় কম পাই। বাবা: রুমি, স্বাস্থ্য সবচেয়ে বড় সম্পদ। সকালে মাত্র ২০ মিনিট যোগ করলে মনোযোগ বাড়ে, স্মৃতিশক্তি ভালো হয়। পড়াশোনাতেও সুবিধা হয়। রুমি: মা, বাবা, আমি চেষ্টা করব। আর খাবার নিয়েও কথা বলতে চাই। অফিসের কাজের চাপ বেশি থাকায় ফাস্ট ফুড খেতে হয়। এটা তো স্বাস্থ্যকর না, তাই না? মা: ফাস্ট ফুডে বেশি তেল ও চিনি থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমরা যদি বাড়িতে সহজ ও পুষ্টিকর খাবার তৈরি করি, তবে তুমিও সুস্থ থাকবে। বাবা: আমরা সবাই মিলে একসাথে চেষ্টা করি। সপ্তাহে দু’দিন সকালের হাঁটা শুরু করি এবং ফাস্ট ফুড কমানোর পরিকল্পনা করি। রুমি: আমি রাজি। আমরা সবাই মিলে ফিটনেস চ্যালেঞ্জ শুরু করি। এতে আমার মনের উদ্দীপনা বাড়বে। মা: ঠিক আছে, সবাই মিলেই স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করব। সুস্থ জীবন মানেই সুখী জীবন। বাবা: আমি নিশ্চিত, আমাদের এই অভ্যাসগুলো দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের জীবন মান উন্নত করবে।" দুই বন্ধু অফিসের মধ্যে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নিয়ে আলোচনা,"সাব্বির: সালাম রাকিব, তুমি কি জানো, প্রতিদিন সকালে ৩০ মিনিট হাঁটা কতটা উপকারী? রাকিব: ওয়ালাইকুম সালাম সাব্বির। হ্যাঁ, শুনেছি হাঁটা শরীর ও মনের জন্য খুব ভালো। কিন্তু আমি সকালে উঠতে পছন্দ করি না। সাব্বির: আমি ও শুরুতে অলস থাকতাম, কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে গেছে। এখন সকালে হাঁটার ফলে সারাদিন কর্মক্ষমতা বাড়ে। রাকিব: সত্যি? আর তোমার খাদ্যাভাস কেমন? সাব্বির: আমি চেষ্টা করি ফাস্ট ফুড কম খেতে। বাড়ির তৈরি খাবার বেশি খাই। কিন্তু মাঝে মাঝে কাজের চাপ অনেক বেশি হয়, তখন ফাস্ট ফুডই খাবার হয়। রাকিব: আমি ও তাই। ফাস্ট ফুড স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু সময় না পাওয়ায় অনায়াসে তা খেতে হয়। সাব্বির: আমরা অফিসে একটা ফিটনেস চ্যালেঞ্জ শুরু করি? সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সকলে যোগ দিতে পারে। এতে সবাই স্বাস্থ্য সচেতন হবে। রাকিব: দারুণ ভাবনা! একসাথে করলে উৎসাহ বাড়ে। আমি এতে অবশ্যই অংশ নেব। সাব্বির: আমরা প্রতিদিন সকালে হাঁটা বা যোগব্যায়াম করতে পারি। সপ্তাহে একবার ফলাফল শেয়ার করবো। রাকিব: ঠিক আছে, আমি আজ থেকেই শুরু করছি। ধন্যবাদ, সাব্বির। সাব্বির: সুস্থ থেকো, রাকিব।" দাদী ও নাতনির মধ্যে বাংলা সাহিত্যের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে কথোপকথন,"নাতনী: দাদী, তুমি সবসময় আমাকে বাংলা কবিতা ও গল্প শোনাও। কেন বাংলা সাহিত্য এত গুরুত্বপূর্ণ? দাদি: আমার মেয়ে, বাংলা সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের অমূল্য ধন। কবি ও লেখকরা আমাদের ভাষা, ঐতিহ্য ও চেতনা রক্ষা করেছেন। নাতনী: কিন্তু দাদী, আজকাল সবাই ইংরেজি বই পড়তে চায়। বাংলা পড়া কমে যাচ্ছে কেন? দাদি: এটা সত্যি যে নতুন প্রজন্ম প্রযুক্তির দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু বাংলা সাহিত্য ছাড়া আমাদের শিকড় হারিয়ে যাবে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জসীম উদ্দিনের মতো লেখকদের কথা কখনো ভুলতে পারবে না। নাতনী: তুমি কি আমাকে রবীন্দ্রনাথের কবিতা পড়িয়ে দেবে? দাদি: অবশ্যই, “আমার সোনার বাংলা” গানটা জানো তো? এটা আমাদের জাতীয় পরিচয় বহন করে। বাংলা সাহিত্য আমাদের ভালোবাসা, দার্শনিকতা আর স্বাধীনতার প্রতীক। নাতনী: দাদী, আমি তোমার মতো বাংলা সাহিত্যে আগ্রহী হব। দাদি: ভালো কথা! তুমি যত বেশি বাংলা সাহিত্য পড়বে, ততই বুঝতে পারবে আমাদের সংস্কৃতির গভীরতা। " দুই কলেজছাত্রের মধ্যে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা,"আরিফ: সাগর, তুমি কি মনে করো আজকের দিনে রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলের সাহিত্য পড়া দরকার? সাগর: আমি বলব অবশ্যই দরকার, কারণ তাদের লেখা শুধু অতীতের গল্প নয়, বরং আজকের সমাজেও প্রাসঙ্গিক। আরিফ: তবে অনেকেই বলে আধুনিক জীবনে ইংরেজি সাহিত্য বেশি উপযোগী। সাগর: সেটা ঠিক নয়। বাংলা সাহিত্য আমাদের চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলে, যা আমাদের ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়তা করে। আরিফ: তুমি কি কবিতা পড়ো? সাগর: হ্যাঁ, নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা আমার খুব ভালো লাগে। সেটা আমাদের সাহস আর স্বাধীনচেতা বানায়। আরিফ: আমি সম্প্রতি ‘পথের পাঁচালী’ পড়লাম, সেখানে গ্রামের জীবন ও সংস্কৃতি খুব ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। সাগর: বাংলা সাহিত্য আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহী করে তোলে। আরিফ: তাই তো, আমি মনে করি বাংলা সাহিত্যকে জীবনের অংশ করে নিতে হবে। সাগর: একদম ঠিক, বাংলা সাহিত্য আমাদের আত্মার খোরাক। " শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজকের পাঠে আমরা বাংলা সাহিত্যের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করব। তুমি কি মনে করো, বাংলা সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতির কতটা অংশ? ছাত্রী: স্যার, বাংলা সাহিত্য আমাদের ভাষা ও ঐতিহ্যের ধারক। এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজের চিত্রায়ন করে। শিক্ষক: খুব ভালো! তুমি কোন বাংলা লেখক সবচেয়ে বেশি পছন্দ কর? ছাত্রী: আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা খুব ভালোবাসি। তার রচনায় মানবতা ও প্রকৃতির মিল খুব সুন্দর। শিক্ষক: আর কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার কি ভাব? ছাত্রী: নজরুলের কবিতা বিপ্লবী চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধে ভরপুর। শিক্ষক: বাংলা সাহিত্য শুধু বিনোদন নয়, এটি আমাদের চিন্তা-চেতনা ও মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায়। ছাত্রী: তাই তো স্যার, সাহিত্য আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও আত্মসত্ত্বা গড়ে তোলে। শিক্ষক: বাংলা সাহিত্য না থাকলে আমাদের সংস্কৃতি অসম্পূর্ণ থেকে যেত। ছাত্রী: আমি চেষ্টা করব আরও বেশি বাংলা সাহিত্য পড়তে এবং অন্যদের উৎসাহিত করতে। শিক্ষক: এটাই কাম্য। বাংলা সাহিত্যকে রক্ষা ও প্রচারে তোমাদের মতো তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা অপরিহার্য।" "ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি উৎসব উদযাপন নিয়ে দুই প্রতিবেশীর সংলাপ ","আনোয়ারা: আসসালামু আলাইকুম, হোসেন ভাই! আজকে আপনারা কেমন উদযাপন করলেন পহেলা বৈশাখ? হোসেন: ওয়ালাইকুম আসসালাম আনোয়ারা আপা! আলহামদুলিল্লাহ, ভালোই কাটলো। সকাল থেকে নতুন পোশাক পরলাম, পান্তা ইলিশ খেয়ে পরিবারের সবাই মিলে মঙ্গল শোভাযাত্রায় গেলাম। আপনারা কেমন করলেন? আনোয়ারা: আমরাও ভালো কাটালাম। আমাদের গ্রামে পহেলা বৈশাখে ঢাক আর ধোল বাজিয়ে সবাই মিলে আনন্দে মেতে ওঠে। বিশেষ করে মাটির হাঁড়িতে পিঠা-পায়েস রান্না করে সবাই মিলে খাওয়া হয়। ঐতিহ্যটাকে আমরা অনেক সম্মান করি। হোসেন: ঠিক বলেছো। পিঠা আসলেই উৎসবের প্রাণ। আমার ছোটবেলায় গ্রামের বাড়িতে পিঠার ঘ্রাণ সবসময় মনে পড়ে। শহরে অনেক সুবিধা থাকলেও ঐ রকম অনুভূতি হয় না। আনোয়ারা: সত্যি, শহরে অনেকগুলো আধুনিক উৎসব হয়, কিন্তু গ্রামের উৎসবের মাধুর্য আলাদা। সেখানে সবাই একসাথে ঘরে বসে গল্প করে, উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে। হোসেন: আর দূর্গা পূজার সময় তো তোমাদের গ্রামে আলাদা রং, আলাদা সাজ। কী সুন্দর একটা মিলনমেলা হয়। আমি শহরে থাকলেও একবার গ্রামের পূজায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছি। ওখানে সবাই মিলে একে অপরের সঙ্গে উৎসব ভাগাভাগি করে। আনোয়ারা: দূর্গা পূজা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অঙ্গ। সেখানেও পিঠা-পায়েস থাকে, আর বিভিন্ন মিষ্টান্ন রান্না হয়। এটা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং সমাজের ঐক্যের প্রতীক। হোসেন: ঠিকই বলেছো। উৎসব গুলো আমাদের মানুষকে একত্রিত করে। সামাজিক দূরত্ব ভুলে সবাই মিলেমিশে উৎসব উদযাপন করে। এটাই আমাদের সংস্কৃতির সৌন্দর্য। আনোয়ারা: তুমি কি জানো, আমাদের গ্রামের অনেক মানুষ শহরে এসেছে কিন্তু তারা গ্রামীণ উৎসবের রীতি ধরে রাখে। এতে আমাদের ঐতিহ্য টিকে থাকে। হোসেন: আর আমরা শহরের মানুষদের উচিত ঐতিহ্য রক্ষা করা এবং নতুন প্রজন্মকে উৎসবের গুরুত্ব বুঝানো। আনোয়ারা: একদম। ঐতিহ্য আমাদের পরিচয়। আমরা যদি এগুলো ধরে রাখি, তবে আমাদের সংস্কৃতি জীবিত থাকবে। হোসেন: আগামী পহেলা বৈশাখে আমরা একসাথে বসে ঐতিহ্যবাহী খাবার খেতে পারি। তোমার বাড়িতে আসবো। আনোয়ারা: অবশ্যই, হোসেন ভাই। তোমাকে স্বাগত জানাই। উৎসবের আনন্দ সবাই মিলে ভাগাভাগি করাই ভালো। হোসেন: ধন্যবাদ, আনোয়ারা আপা। তোমার সাথে কথা বলে মন ভালো লাগলো। আনোয়ারা: আমিও। ঈদ-উৎসব যেমন ধর্মীয় উৎসব, তেমনি পহেলা বৈশাখ ও দূর্গা পূজা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উৎসব। এগুলো আমাদেরকে এক করে।" দুই কৃষকের মধ্যে প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা,"আবুল: হেলো জামাল ভাই, তোমার মনে হয় প্রযুক্তি আমাদের গ্রামে কতটা পৌঁছেছে? জামাল: আসলে আবুল ভাই, অনেক জায়গায় এখনও ইন্টারনেট নেই। অনেক মানুষ মোবাইল ব্যবহার করতে পারে না। আবুল: তাই তো, অথচ প্রযুক্তি যদি সবার কাছে পৌঁছাতো, তাহলে আমাদের ফসলের উৎপাদন আরও বাড়ত। জামাল: একদম ঠিক। তবে এখনো কিছু যুবক কম্পিউটার ও স্মার্টফোন ব্যবহার শেখে, যারা পরবর্তীতে অন্যদের সাহায্য করবে। আবুল: আমি শুনেছি সরকারি কিছু প্রকল্প চলছে গ্রামে ডিজিটাল শিক্ষা দেওয়ার জন্য। জামাল: হ্যাঁ, গ্রামীণ অবকাঠামো ভালো হলে প্রযুক্তির সুবিধা আরও বেশি মানুষ পাবে। আবুল: আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে অবশ্যই প্রযুক্তির সুফল পেতে পারব।" গ্রাম্য প্রবীণ ও যুবকের মধ্যে প্রযুক্তির ইতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা,"বাবুল পিসি: আমার সময়ে এসব মোবাইল, ইন্টারনেট ছিল না। এখন কেমন যেন সব সহজ হয়ে গেছে। রাজু: ঠিক বলেছেন পিসি, এখন কৃষকরা মোবাইল থেকে আবহাওয়া খবর, বাজার দর, কীটনাশক ব্যবহারের উপায় জানেন। বাবুল পিসি: এটা সত্যি অনেক বড় পরিবর্তন। কিন্তু সবাই কি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে? রাজু: অনেকেই পারেনা, কারণ শিক্ষার অভাব এবং অবকাঠামো দুর্বল। বাবুল পিসি: তবে তোমাদের মতো তরুণরা প্রযুক্তি শেখানোয় এগিয়ে আসলে ভাল হবে। রাজু: আমরা চেষ্টা করছি, গ্রামের লোকজনকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে নিয়ে আসছি। বাবুল পিসি: এতে গ্রাম উন্নত হবে এবং জীবনযাত্রা সহজ হবে।" শিক্ষক ও ছাত্রীর মধ্যে প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজ আমরা কথা বলব কিভাবে প্রযুক্তি গ্রামীণ শিক্ষাকে উন্নত করছে। ছাত্রী: স্যার, অনেক গ্রামে অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে। শিক্ষক: সত্যি, এটা অনেক বড় সুযোগ। কিন্তু কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সমস্যা রয়েছে। ছাত্রী: স্যার, আমাদের স্কুলেও ইন্টারনেট আসে কম। তবে শিক্ষকরা মোবাইল দিয়ে পড়ান। শিক্ষক: তাই শিক্ষকদের প্রযুক্তি ব্যবহার শেখানো জরুরি। আর শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। ছাত্রী: আমি চাই আমার গ্রামের অন্যদের জন্যও প্রযুক্তি শিক্ষা নিয়ে আসতে। শিক্ষক: এটাই সঠিক মনোভাব। প্রযুক্তি ছাড়া গ্রামীণ উন্নয়ন অসম্ভব। " শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে সাহিত্য প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে আলোচনা,"শিক্ষক: শুভ সকাল সবাইকে। আগামী সপ্তাহে আমাদের বিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তোমরা কে কে অংশ নিতে চাও? সাবিনা: স্যার, আমি অংশ নিতে চাই। আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা আবৃত্তি করব। মাহমুদ: স্যার, আমি “বিদ্রোহী” কবিতাটি আবৃত্তি করতে চাই। নজরুলের ভাষা অনেক শক্তিশালী। শিক্ষক: খুব ভালো! বাংলা সাহিত্যের শক্তি এখানেই—এটি একই সঙ্গে কোমলতা আর সংগ্রামের ভাষা। সাবিনা: স্যার, অনেকে বলে সাহিত্য পড়লে সময় নষ্ট হয়। আপনি কী বলেন? শিক্ষক: সাহিত্য পড়া কখনো সময়ের অপচয় নয়। এটা আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ও মানবিক গুণাবলিকে বিকশিত করে। মাহমুদ: স্যার, আমাদের সংস্কৃতির অনেক কিছুই সাহিত্যের মধ্য দিয়ে সংরক্ষিত হয়েছে, তাই না? শিক্ষক: একদম ঠিক! যদি আমরা বাংলা সাহিত্যকে ভালো নাবাসি, তাহলে আমাদের পরিচয় হারিয়ে যাবে। সাবিনা: তাহলে আমরা কি সাহিত্যের মধ্য দিয়ে আমাদের সংস্কৃতিকে বিশ্বে পরিচিত করতে পারি? শিক্ষক: অবশ্যই! সাহিত্যের কোনো সীমানা নেই। ভালো সাহিত্য সবার হৃদয় স্পর্শ করে। মাহমুদ: স্যার, আমি আরও বাংলা কবিতা পড়ব। সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা যেন আমার জীবনের অংশ হয়ে যায়। শিক্ষক: এই কথাটাই আমি চেয়েছিলাম শুনতে। বাংলা সাহিত্য বাঁচলে, আমাদের আত্মাও বেঁচে থাকবে।" দুই বন্ধুর মধ্যে আধুনিক ও প্রাচীন সাহিত্য নিয়ে বিতর্ক,"সানজিদা: হেই রাহাত! আজকালকার বইগুলো অনেক মজার, কিন্তু তুমি তো দেখি সবসময় রবীন্দ্রনাথ-নজরুল নিয়েই থাকো! রাহাত: হা হা, কারণ আমি মনে করি ক্লাসিক সাহিত্য মানেই আসল সাহিত্য। এটা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। সানজিদা: কিন্তু আধুনিক লেখকরাও তো দারুণ সব বিষয় নিয়ে লেখেন—প্রযুক্তি, রাজনীতি, সাসপেন্স! রাহাত: ঠিক, তবে তুমি কি জানো আমাদের আধুনিক সাহিত্যের শিকড়ও রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, জসীম উদ্দিনদের মধ্যেই নিহিত? সানজিদা: হুম, আমি একমত। তবে কি আমাদের শুধু পুরোনো বইই পড়া উচিত? রাহাত: না, দুটোরই প্রয়োজন আছে। তবে পুরোনো সাহিত্য আমাদের শেকড় চেনে দেয়, আর নতুন সাহিত্য আমাদের সমসাময়িক জগৎ বোঝায়। সানজিদা: তাহলে তুমি বলছো, দুটো মিলেই আসল সাহিত্য অনুশীলন? রাহাত: ঠিক তাই। ক্লাসিক বাংলা সাহিত্য না পড়লে আমাদের সংস্কৃতি ও পরিচয়ের অনেক কিছুই বাদ পড়ে যায়। সানজিদা: তুমি আমাকে ‘চোখের বালি’ ধার দেবে? আমি শরৎচন্দ্রকে আগে পড়িনি। রাহাত: অবশ্যই! তুমি পড়লে বুঝবে সাহিত্য কতটা শক্তিশালী এক মাধ্যম। " দাদা ও নাতির মধ্যে গ্রামীণ সাহিত্য ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা,"নাতি: দাদা, তুমি সবসময় গ্রামীণ কাহিনি বলো। তোমার সময়ের সাহিত্য কি খুব আলাদা ছিল? দাদা: একদম আলাদা ছিল না, তবে এখনকার মতো প্রযুক্তির ভিড়ে সাহিত্য হারিয়ে যাচ্ছিল না। আমরা গ্রামের পাঠাগারে গিয়ে “নকশিকাঁথার মাঠ” কিংবা “বিষাদসিন্ধু” পড়তাম। নাতি: দাদা, আমি তো এসব বইয়ের নামই ঠিকমতো শুনিনি! দাদা: এসব বইয়ে আছে বাংলার সংস্কৃতি, আবেগ, পারিবারিক বন্ধন। তুমি এসব না পড়লে জানতে পারবে না আমরা কীভাবে ভাবতাম, বাঁচতাম। নাতি: কিন্তু আজকাল সবাই তো শুধু ফোনে গল্প পড়ে! দাদা: ঠিক আছে, প্রযুক্তি ব্যবহার করো, কিন্তু শিকড়টা ভুলে যেয়ো না। বাংলা সাহিত্য পড়ো, কাব্য অনুভব করো। নাতি: তাহলে তুমি একটা কবিতা বলো না? দাদা: শুনো — ""আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি..."" এটুকুই যদি হৃদয়ে গেঁথে রাখতে পারো, তবে সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে। নাতি: আমি কথা দিচ্ছি, দাদা। আমি বাংলা সাহিত্যকে আবার জানতে শুরু করব।" "মা ও ছেলের মধ্যে — পিঠা, ঐতিহ্য ও নতুন প্রজন্ম","রিয়াদ: মা, পহেলা পৌষ চলে এল। তুমি এবার কী কী পিঠা বানাবে? মা: হা রে বাবা, এবার ভাবছি পাটিসাপটা, ভাপা পিঠা আর চিতই বানাব। তোর দাদীর সময় এসব পিঠা না হলে পৌষ পার্বণই যেন জমত না। রিয়াদ: মা, আমি দেখেছি এখনকার অনেক ছেলেমেয়ে এসব ঐতিহ্য ভুলে যাচ্ছে। পিঠার জায়গায় কেক আর পিজ্জা চলে এসেছে। মা: ঠিক বলেছ। সময়ের সঙ্গে বদল আসে, কিন্তু ঐতিহ্য ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব। তুই তো ছবি তোলায় আগ্রহী — এই পিঠা বানানোর কাজটা ভিডিও করে তোর বন্ধুবান্ধবদের দেখাতে পারিস। রিয়াদ: দারুণ আইডিয়া মা! আমি চাই আমার বন্ধুরাও জানুক, কত বৈচিত্র্যময় আমাদের সংস্কৃতি। তুমি কি জানো, আমাদের স্কুলে অনেকেই জানে না পিঠা কিভাবে বানানো হয়! মা: খুব কষ্টের কথা সেটা। আমি তো চাই, তুই যখন বড় হবি, তখনও এসব রীতি ধরে রাখবি — যেন পরবর্তী প্রজন্ম জানে আমাদের শিকড় কোথায়। রিয়াদ: আমি অবশ্যই করব মা। চল, এবার তোমার সঙ্গে পিঠা বানাতে সাহায্য করি।" " দুই বন্ধু — শহর বনাম গ্রামের উৎসব, পূজা ও মিলন","তুহিন: শুভ নববর্ষ, সাব্বির! আজকের দিনটা কেমন কাটলে? সাব্বির: শুভ নববর্ষ, ভাই! আজ ভোরে রমনা বটমূলে গিয়েছিলাম। মঙ্গল শোভাযাত্রা, গান, আর রঙিন মুখোশে শহরটা একেবারে অন্যরকম লাগছিল। তুহিন: বাহ! শহরের নববর্ষ উদযাপন বেশ জমজমাট হয়। তবে আমি গ্রামের নববর্ষকে বেশি পছন্দ করি। সাব্বির: কেন? গ্রামের কেমন হয়? তুহিন: ওখানে সবাই খুব আন্তরিক। ভোরে পান্তা-ইলিশ খেয়ে, গ্রামের মাঠে হালখাতা, পালাগান, আর মেলা হয়। সব বয়সের মানুষ একসাথে আনন্দে মেতে ওঠে। সাব্বির: শুনে খুব ভালো লাগল। আমি কখনো এভাবে গ্রামে নববর্ষ উদযাপন করিনি। তুহিন: তুই চাইলে পরের বছর আমার সঙ্গে যেতে পারিস। আর দূর্গা পূজার সময়ও আমাদের গ্রামে অনেক আয়োজন হয় — ঢাকের বাজনা, প্রতিমা বিসর্জন, আর সকলে মিলে প্রসাদ খাওয়া। সাব্বির: দারুণ লাগছে শুনে! উৎসব মানুষকে এক করে — শহর বা গ্রাম যেখানেই হোক, ঐতিহ্যই আসল।" দুই অঞ্চল থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুর মধ্যে — একতা ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য,"নিশাত: হ্যালো মারুফা, তুমি কোথা থেকে এসেছো? মারুফা: আমি কুষ্টিয়া থেকে এসেছি। ওখানে লালন সাঁইজির মেলা খুব জনপ্রিয়। নিশাত: বাহ! আমি চট্টগ্রাম থেকে এসেছি। এখানে বৌদ্ধদের বৌদ্ধ পূর্ণিমা, বৈসাবি, আর চাঁদের উৎসবগুলো অনেক জাঁকজমক করে পালিত হয়। মারুফা: বাংলাদেশ কত বৈচিত্র্যময়, তাই না? ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই উৎসবে শামিল হই। নিশাত: হ্যাঁ, আমি তো অনেকবার দুর্গাপূজায় গেছি বন্ধুর সাথে। সিঁদুর খেলা, প্রতিমা বিসর্জন — অসাধারণ অভিজ্ঞতা। মারুফা: আর আমি ঈদে আমার মুসলিম বন্ধুদের বাড়িতে গিয়েছি, সেমাই-হালুয়া খেয়েছি। ওরাও আমাকে পিঠা খাওয়াতে আসতো পৌষ সংক্রান্তিতে। নিশাত: এসবই তো আমাদের একতা, সংস্কৃতি আর বন্ধুত্বের ভিত্তি। মারুফা: ঠিক বলেছো। আসলে বাংলাদেশের উৎসবগুলো শুধু আনন্দ নয়, এগুলো আমাদের পরিচয় — আমাদের হৃদয়ের অংশ।" দুই কৃষকের মধ্যে প্রযুক্তি ও আধুনিক কৃষিপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা,"রহিম: আরে করিম ভাই, আজকাল তো আপনার ফসল অনেক ভালো হয়। কী রহস্য? করিম: রহস্য না ভাই, এখন আমি প্রযুক্তির সাহায্য নিই। একখান মোবাইল অ্যাপে প্রতিদিনের আবহাওয়ার খবর পাই, কখন বৃষ্টি হবে, কখন কীটনাশক দিতে হবে সব জানা যায়। রহিম: তাই নাকি! আমি তো ভাবতাম এসব প্রযুক্তি শহরের লোকদের জন্য। করিম: এই ধারনাটা ভুল, এখন সরকারী অনেক প্রকল্প আছে, যা গ্রামাঞ্চলে প্রযুক্তি পৌঁছে দিচ্ছে। শুধু জানতে হবে কোনটা কিভাবে ব্যবহার করব। রহিম: তুমি কি সার বা বীজের দামও আগে থেকেই জানতে পারো? করিম: হ্যাঁ ভাই! ‘Krishoker Janala’ নামের একটা অ্যাপ আছে, ওখানে বাজারদর, কৃষি পরামর্শ সবকিছু পাওয়া যায়। রহিম: দারুণ! কিন্তু এইসব শেখার সময় কোথায় পাব? করিম: চিন্তা কইরেন না, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলো এখন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। রহিম: তাহলে বলতে পারো প্রযুক্তি এখন গ্রামের মানুষের জন্য আশীর্বাদ? করিম: একদম! তবে সচেতনতা ও ইচ্ছাশক্তি না থাকলে কোনো কিছুই কাজে আসে না।" একজন বয়োজ্যেষ্ঠ গ্রাম্য মানুষ ও যুবকের মধ্যে প্রযুক্তির উন্নয়ন নিয়ে কথোপকথন,"মোতালেব চাচা: জাকির, আজকাল দেখি মোবাইল হাতে সারাদিন কাটাও, কোনো কাজের কাজ করো না! জাকির: চাচা, আমি মোবাইলে শুধু গান শুনি না, কৃষি বিষয়ক অনলাইন প্রশিক্ষণ নিচ্ছি, ইউটিউবেও ভিডিও দেখি। মোতালেব চাচা: সত্যিই? আমি তো ভাবতাম এই মোবাইল শুধু সময় নষ্ট করে! জাকির: না চাচা, এখন মোবাইল দিয়ে আমরাও আধুনিক হতে পারি। গ্রামের ছেলেমেয়েরা অনলাইনে পড়াশোনা করছে, কৃষকেরা পণ্য বিক্রি করছে সরাসরি শহরের বাজারে। মোতালেব চাচা: তা তো ভালো কথা! কিন্তু আমাদের বয়সী লোকজন এসব শিখবে কেমনে? জাকির: আপনি চাইলে আমি শেখাতে পারি, বা ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে শেখা যায়। মোতালেব চাচা: আমাদের সময়তো এসব ছিল না। এখন বুঝি, প্রযুক্তি সত্যিই গ্রামের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে। জাকির: একদম চাচা! প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করলে গ্রামের ভবিষ্যৎ বদলে যাবে। মোতালেব চাচা: হ, তুমি শেখাও, আমি শিখি। গ্রাম তো আমাদেরই, উন্নত করতেও হবে আমাদের।" শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে গ্রামীণ উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, শহরে তো প্রযুক্তি খুব সহজলভ্য, কিন্তু গ্রামে সেটা এখনো অনেক পিছিয়ে। কীভাবে প্রযুক্তি গ্রামের উন্নয়নে কার্যকর হতে পারে? শিক্ষক: খুব ভালো প্রশ্ন! প্রযুক্তি শুধু শহরের জন্য নয়, গ্রামেও এখন কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং ব্যবসায়িক উন্নয়নের জন্য বড় ভূমিকা রাখছে। ছাত্র: উদাহরণ দিলে বুঝতে পারতাম স্যার। শিক্ষক: ধরো, এখন অনেক কৃষক মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে আবহাওয়া, সার বা বীজের তথ্য জানছে। অনেকে ফেসবুক মার্কেটিং করে নিজস্ব পণ্য বিক্রি করছে। ছাত্র: স্যার, আমাদের স্কুলে ইন্টারনেট নেই, আমরা কীভাবে প্রযুক্তির সুবিধা পাবো? শিক্ষক: এজন্য সরকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' প্রকল্প চালু করেছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, সেখান থেকে অনলাইন শিক্ষা, চাকরির আবেদনসহ অনেক কিছু করা যায়। ছাত্র: কিন্তু অনেক সময় বিদ্যুৎ বা নেটওয়ার্ক সমস্যা হয়, তখন কী করব? শিক্ষক: এগুলোই এখন চ্যালেঞ্জ। এজন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, আর সচেতনতা দরকার। ছাত্র: স্যার, তাহলে প্রযুক্তি গ্রামের উন্নয়নে বিপ্লব আনতে পারে? শিক্ষক: একদম! প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারই হবে ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক।" দুই সহপাঠীর মধ্যে অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার তুলনা,"সাদিয়া: আরে রাফি, তোমার আজকের অনলাইন ক্লাস কেমন হলো? রাফি: ও বলো না! হঠাৎ করে ইন্টারনেট চলে গেল, আবার আসতে আসতে অনেক কিছু মিস হয়ে গেল। সাদিয়া: হ্যাঁ, আমিও মনোযোগ রাখতে পারি না। মাঝে মাঝে ভাইয়া গান শুনে, কেউ টিভি দেখে, ঘরে বসে ক্লাস করতে গেলে ডিসট্র্যাকশন হয়। রাফি: ঠিক বলেছো। আগে স্কুলে গেলে পরিবেশটাই পড়ার মতো ছিল। এখন তো ঘরে বসেই ক্লাস, আর মনে হয় মনটাই বসে না। সাদিয়া: তবে একটা ভালো দিক হচ্ছে, এখন ইউটিউব বা গুগলে টপিক সার্চ করলে বাড়তি তথ্য পাওয়া যায়। রাফি: হ্যাঁ, কিন্তু সব ছাত্র তো স্মার্টফোন বা ভালো ইন্টারনেট পায় না। গ্রামের অনেক বন্ধু ক্লাসেই ঢুকতে পারে না। সাদিয়া: অনলাইন ক্লাসে সামাজিক যোগাযোগও অনেক কমে গেছে। আগে বন্ধুরা একসাথে ক্লাস করত, আলোচনা করতাম। এখন শুধু স্ক্রিনের সামনে একা বসে থাকতে হয়। রাফি: ঠিক বলেছো। তাই সময় ম্যানেজমেন্ট আর নিজে নিজে শেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সাদিয়া: হুম। আমি এক টা টু-ডু লিস্ট বানিয়ে প্রতিদিনের ক্লাস আর রিভিশন করি। রাফি: দারুণ আইডিয়া! আমি চেষ্টা করব আমিও নিয়মিত রুটিন মেনে পড়তে। সাদিয়া: এখন আর কিছু করার নেই, অনলাইন শিক্ষাকেই কাজে লাগাতে হবে। রাফি: একদম! সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটাও অনেক কার্যকর হতে পারে।" দুই সহপাঠীর মধ্যে – অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার তুলনা এবং মনোযোগের অভাব,"রাহুল: হেই মাহি, তুই কি অনলাইন ক্লাস পছন্দ করিস? আমার তো মনোযোগ ধরে রাখতে অনেক কষ্ট হয়। মাহী: আমিও ঠিক তোর মতো। প্রথমদিকে মনে হয়েছিল বাসায় বসে ক্লাস করার মজাই আলাদা। কিন্তু কিছুদিন পর বুঝলাম, অফলাইনের মতো নিয়মিত রুটিন না থাকলে পড়াশোনায় ফোকাস করাই কঠিন। রাহুল: আমারও ক্লাসের মাঝখানে ইন্টারনেট চলে গেলে সব ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়। আবার কখনো বিদ্যুৎ চলে গেলে পুরো ক্লাস মিস করি। মাহী: হ্যাঁ, ইন্টারনেট সমস্যা তো আছেই। তাছাড়া, বাড়িতে এত ডিস্ট্রাকশন — ফোন, টিভি, সাউন্ড — সব মিলে মন বসে না। রাহুল: ক্লাসরুমের মতো পরিবেশ না থাকায় বন্ধুদের সাথেও ঠিকঠাক আলোচনা করা যায় না। ফলে অনেক কিছু বুঝতে সমস্যা হয়। মাহী: একমত। তবে আমি একটা কাজ করি — ক্লাস চলাকালীন মোবাইল সাইলেন্ট করে দেই, আর পাশে নোট খাতা রাখি যেন ক্লাস মিস হলেও পরে দেখে নিতে পারি। রাহুল: ভালো আইডিয়া! আমি চেষ্টা করব। কিন্তু অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংযোগটা ঠিকভাবে হয় না, তাই না? মাহী: অফলাইনে যেভাবে প্রশ্ন করলে সঙ্গে সঙ্গে বুঝিয়ে দেয়, অনলাইনে তা হয় না। আবার অনেকে ক্যামেরা বন্ধ রাখে — এতে পরিবেশটা একদম অন্যমনস্ক হয়। রাহুল: আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় যদি মিক্সড মডেলে কিছু ক্লাস অফলাইনে আর কিছু অনলাইনে করত, তাহলে ভালো হতো। মাহী: হ্যাঁ, ভবিষ্যতের শিক্ষায় এই হাইব্রিড মডেলটাই বোধহয় কার্যকর হবে।" শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে অনলাইন শিক্ষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা,"অভিভাবক: স্যার, আমার ছেলে এখন পুরোপুরি অনলাইন ক্লাস করছে, কিন্তু ওর মনোযোগ খুব কম। আমি খুব চিন্তায় আছি। শিক্ষক: বুঝতে পারছি। অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই এমন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনলাইন ক্লাসে সরাসরি মনিটর করা যায় না, তাই তারা সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। অভিভাবক: আগের মতো ক্লাসে স্যারদের সামনে বসলে পড়াশোনার প্রতি গুরুত্ব বাড়ত। এখন তো ফোন বা ল্যাপটপে অনেক সময় অন্য অ্যাপে চলে যায়। শিক্ষক: একদম ঠিক। আরেকটা বড় সমস্যা হলো ইন্টারনেট সংযোগ। মাঝে মাঝে ক্লাসের মাঝখানে ইন্টারনেট চলে গেলে পাঠদান বিঘ্নিত হয়। অভিভাবক: স্যার, ছোট ঘরে সবাই একসাথে থাকলে বাচ্চারা ক্লাসে মনোযোগ রাখতে পারে না। শিক্ষক: আপনি ঠিক বলেছেন। তাই অভিভাবকদের সহযোগিতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি চেষ্টা করুন ওর জন্য নিরিবিলি একটা পরিবেশ তৈরি করতে। অভিভাবক: স্যার, অনলাইন শিক্ষায় কি বাচ্চারা সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে? শিক্ষক: অনেকাংশে হ্যাঁ। সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ, গ্রুপ ওয়ার্ক, ও সহানুভূতির চর্চা—এসব কিছুই কমে যাচ্ছে। অভিভাবক: তাহলে স্যার, এর সমাধান কী? শিক্ষক: আমাদের দরকার ভারসাম্য। অনলাইন শিক্ষা চালু থাকবে, তবে মাঝে মাঝে অফলাইন কার্যক্রম, ভিডিও ক্লাসে ইন্টার‍্যাকশন বাড়ানো এবং গেমিফায়েড লার্নিং ব্যবহার করলে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ে। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার। আপনি গাইডলাইন দিলে আমি বাসায় ওর শেখার পরিবেশ আরও ভালোভাবে গড়ে তুলতে পারব।" "শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে – অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও সামাজিক দক্ষতা","অভিভাবক: স্যার, আমার মেয়ে আগে ক্লাসে অনেক উৎসাহী ছিল, এখন অনলাইন ক্লাসে আর মন বসে না। ওর পড়াশোনা নিয়ে আমি খুব চিন্তিত। শিক্ষক: আপনি একদম ঠিক বলেছেন। অনেক শিক্ষার্থী এই অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ হারাচ্ছে। স্কুলের পরিবেশ, বন্ধুদের সাথে শিখন, এসব জিনিস ওদের খুব দরকার। অভিভাবক: আমি লক্ষ্য করেছি ওর সামাজিক দক্ষতাও কমে গেছে। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ কম, আত্মবিশ্বাস কমে যাচ্ছে। শিক্ষক: হ্যাঁ, সামাজিক মেলামেশা শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধু বই পড়ে নয়, একে অপরের সঙ্গে মিশেই শেখা হয়। অভিভাবক: আরেকটি বড় সমস্যা — ইন্টারনেট। কখনো কানেকশন থাকে না, কখনো ক্লাসের মাঝখানে থেমে যায়। অনেক বিষয় বুঝতেই পারে না। শিক্ষক: আমরা অনেক সময় ক্লাস রেকর্ড করে দিই যাতে পরে দেখতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন করার সুযোগ, তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যা — এসব মিস হয়ে যায়। অভিভাবক: স্যার, অনলাইন ক্লাসে কীভাবে ওদের অনুপ্রাণিত রাখা যায়? শিক্ষক: কিছু পদ্ধতি কাজে দেয় — যেমন ছোট ছোট কুইজ, ভিডিও উপস্থাপন, আলোচনার মাধ্যমে শেখানো। আর পরিবার থেকেও সময় নির্ধারণ করে পড়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, আমি ঘরে ওর জন্য আলাদা একটি কোণ তৈরি করব পড়ার জন্য। শিক্ষক: খুব ভালো সিদ্ধান্ত। আমাদের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মিলে কাজ করলে এই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠা সম্ভব।" দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে অনলাইন শিক্ষা নিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সমাধান,"তামীম: ভাইয়া, তোমার অনলাইন ক্লাস কেমন চলছে? আমি তো প্রায়ই মিস করে ফেলি। রাশেদ: ঠিকঠাকই চলছে, তবে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। তুমি কী সমস্যা ফেস করছো? তামীম: আমি যে এলাকায় থাকি সেখানে নেটওয়ার্ক ভালো না। মাঝে মাঝেই ভিডিও ল্যাগ করে, কিছুই বুঝতে পারি না। রাশেদ: হ্যাঁ, এটা একটা সাধারণ সমস্যা। আমি ক্লাসের পর রেকর্ডেড ভিডিও আবার দেখে নিই। তামীম: ভাইয়া, আমি তো একা পড়তে পারি না। বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপে বসলে আগ্রহ বেশি লাগত। রাশেদ: আমিও একা পড়তে কষ্ট পাই, তাই কিছু ক্লাসমেটকে নিয়ে একসাথে গুগল মিটে পড়ি। তুমি চাইলে আমরাও গ্রুপ স্টাডি করতে পারি। তামীম: ভালো আইডিয়া! আর মনোযোগ ধরে রাখার জন্য তুমি কী করো? রাশেদ: আমি একটা রুটিন বানিয়ে ফেলেছি—ক্লাসের আগে নোটস তৈরি করি, ক্লাস চলাকালে ডিস্টার্বিং অ্যাপ বন্ধ রাখি। তামীম: আমি তো মাঝে মাঝে ক্লাসের সময় ফেসবুকে ঢুকে পড়ি। এখন থেকে এসব বন্ধ করব। রাশেদ: খুব ভালো। আর মনে রাখো, অনলাইন শিক্ষা সহজ নয়, তবে নিজের ইচ্ছাশক্তি থাকলে এটা থেকেও অনেক কিছু শেখা যায়।" দুই কাজিনের মধ্যে – অনলাইন শিক্ষার বাস্তব সমস্যা ও সমাধানের খোঁজ,"তাহসিন: ভাইয়া, তোমার ভার্সিটিতে কি এখনো অনলাইন ক্লাস চলছে? রিফাত: হ্যাঁ, চলছে। অনলাইন ক্লাস মানেই এখন শুধু ফর্মালিটি। আমরা মনোযোগ দিয়ে শিখতে পারি না। তাহসিন: আমাদের স্কুলে ওর থেকেও খারাপ অবস্থা। নেট না থাকলে ক্লাসে ঢুকতেই পারি না। আর ঢুকলেও বারবার ডিসকানেক্ট হয়ে যাই। রিফাত: ঠিক তাই। সবচেয়ে বড় বিষয় — নিজের ইচ্ছা না থাকলে অনলাইন ক্লাসে কিছুই শেখা যায় না। বাসায় কেউ না থাকলে চোখের সামনে মোবাইল বা ল্যাপটপ থাকলেও মন কোথায় যেন উড়ে যায়! তাহসিন: আমি পড়া বুঝি না, আবার জিজ্ঞেস করতেও ভয় লাগে — সবাই তো মাইক অফ করে থাকে। রিফাত: আমি এক কাজ করি — আমাদের কয়েকজন বন্ধুর একটা স্টাডি গ্রুপ আছে। ক্লাস শেষে আমরা একসাথে Google Meet-এ বসে আলোচনা করি। তাহসিন: বাহ! আমি চাইলেই কি তোমাদের মতো এমন একটা গ্রুপ করতে পারি? রিফাত: অবশ্যই! এমন আলোচনা না করলে অনলাইন ক্লাস মানে হবে শুধু বসে বসে ঘুমানো। তাহসিন: ভাইয়া, তুমি অনেক আইডিয়া দিলে। আমি আমার বন্ধুরা মিলে একটা Zoom group তৈরি করব।" দুই কৃষকের মধ্যে – প্রযুক্তি ও আধুনিক কৃষিচর্চা,"রফিক: সেলিম ভাই, গতবার আপনি যেসব আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষ করেছিলেন, ফলন তো বেশ ভালো হয়েছিল, না? সেলিম: হ্যাঁ রফিক ভাই, এবার আমি ‘কৃষি বাতায়ন’ অ্যাপ থেকে আবহাওয়ার আপডেট, সার ও বীজের তথ্য পেয়েছি। তাই বৃষ্টি আগে থেকেই জানতাম, আর ঠিক সময়েই জমি প্রস্তুত করেছি। রফিক: আমি তো এসব কিছুই জানি না। এখনো পুরানো অভ্যাসে চাষ করি। কিন্তু আপনার ফলন দেখে মনে হচ্ছে প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া পিছিয়ে থাকব। সেলিম: একদম ঠিক বলছেন। এখন সরকার ও অনেক এনজিও থেকেও কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মোবাইলেই জমির মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট, বীজের ধরন, এমনকি বাজারদর জানা যায়। রফিক: আমাদের এলাকায় ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ভালো না। তাই অনেক সময় এসব অ্যাপ ব্যবহার করা কঠিন হয়ে যায়। সেলিম: আমরাও আগে সেই সমস্যায় পড়তাম। তবে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গেলেই তথ্য পাওয়া যায়। এখন তো অনলাইন কৃষি চ্যানেলও আছে। রফিক: প্রযুক্তি ব্যবহার করলে খরচও কমে, আর লাভও বাড়ে বুঝি? সেলিম: অবশ্যই। জলসেচ ব্যবস্থাপনা, কীটনাশক প্রয়োগ — সবকিছুই প্রযুক্তিনির্ভর করলে কৃষকরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। রফিক: তাহলে আমাকেও শিখতে হবে। আপনি একদিন আমাকে সময় দেবেন? সেলিম: অবশ্যই, ভাই! প্রযুক্তির জ্ঞান ছড়িয়ে দিলেই গ্রামের উন্নয়ন হবে।" গ্রাম্য প্রবীণ ও তরুণের মধ্যে – প্রযুক্তি ও নতুন প্রজন্মের উদ্যোগ,"প্রবীণ মাস্টার: আরে জামান, শুনলাম তুমি এখন অনলাইনে কিছু করছো গ্রামের জন্য? জামান: হ্যাঁ কাকা, আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে একটা ফেসবুক পেজ খুলেছি। সেখানে কৃষকদের জন্য নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস, স্বাস্থ্য টিপস, এমনকি স্থানীয় বাজারের দর দিই। প্রবীণ মাস্টার: বাহ! আমাদের সময়ে এসব কল্পনাও করা যেত না। তখন চিঠি আসতে ৭ দিন লাগত, আর এখন… সব মোবাইলেই! জামান: আসলে প্রযুক্তি আমাদের হাতে ক্ষমতা এনে দিয়েছে। শুধু জানতে ও শিখতে ইচ্ছা থাকতে হয়। প্রবীণ মাস্টার: তুমি ঠিক বলেছো, কিন্তু অনেক বয়স্ক মানুষ এখনো ভয় পায় ফোন ধরতেও। জামান: এজন্য আমরা সপ্তাহে একদিন গ্রামের মাঠে খোলা প্রশিক্ষণ দেই। মোবাইল চালানো, ছবি তোলা, অনলাইনে ফর্ম পূরণ — সব শেখাই। প্রবীণ মাস্টার: দারুণ কাজ করছো। তুমি যদি গ্রামের ছেলেমেয়েদের এমনভাবে উৎসাহ দাও, তাহলে আমাদের গ্রাম একদিন শহরের চেয়ে পিছিয়ে থাকবে না। জামান: আমাদের স্বপ্ন – প্রযুক্তি দিয়ে শিক্ষিত, স্বাস্থ্যসচেতন ও স্বাবলম্বী গ্রাম গড়ে তোলা।" "শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে – শিক্ষা, ইন্টারনেট, ও প্রযুক্তি-চ্যালেঞ্জ","ছাত্র: স্যার, আপনি বলেছিলেন প্রযুক্তি দিয়ে গ্রামেও ভালো শিক্ষা সম্ভব। কিন্তু আমাদের এলাকায় তো এখনো ভালো নেটওয়ার্ক নেই। শিক্ষক: একদম ঠিক বলেছো। তবে এখন সরকার ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’ প্রকল্প চালু করেছে অনেক গ্রামে। সেখান থেকে ট্যাব, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। ছাত্র: আমি ইউটিউবে কিছু ভিডিও দেখি — গণিত আর ইংরেজি শেখার জন্য। তবে অনেক সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে পড়াটা থেমে যায়। শিক্ষক: হ্যাঁ, অবকাঠামো এখনো চ্যালেঞ্জ। তবে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়লে প্রশাসনও উদ্যোগী হয়। আমরা চাই ছাত্ররা নিজের মতো করে প্রযুক্তি ব্যবহার করুক। ছাত্র: স্যার, আমি যদি গ্রামে evening tuition চালু করি — মোবাইলে শিক্ষামূলক ভিডিও চালিয়ে — তাহলে কি অন্যদেরও সাহায্য হবে? শিক্ষক: খুব ভালো উদ্যোগ! আমি তোমাকে কনটেন্ট সাজাতে সাহায্য করব। তুমি হয়ে উঠবে গ্রামের অন্যদের অনুপ্রেরণা। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার! আমি চাই, গ্রামের সবাই বুঝুক — প্রযুক্তি মানে শুধু ফেসবুক নয়, এটি শিক্ষার শক্তি। শিক্ষক: একদম তাই। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা একদিন প্রযুক্তিনির্ভর গ্রাম গড়তে পারব — যেখানে থাকবে জ্ঞান, উদ্যোগ আর উন্নয়ন।" দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে আলোচনা,"মালেকা: আরে সালেহা আপা, পহেলা বৈশাখে আপনারা বাড়িতে কী কী আয়োজন করেছিলেন বলুন তো! সালেহা: ও মা, অনেক কিছু! সকালে সবাইকে নিয়ে পান্তা-ইলিশ খেলাম। তারপর রমনার শাড়ি পরে আমি আর মেয়েরা আমাদের স্থানীয় মঙ্গল শোভাযাত্রায় গিয়েছিলাম। মালেকা: বাহ! আমাদের গ্রামেও চমৎকার অনুষ্ঠান হয়েছিল। যদিও শহরের মতো এত আয়োজন ছিল না, তবুও সকলে মিলে পিঠা তৈরি করেছিলাম, বাউল গান হয়েছিল সন্ধ্যায়। সালেহা: গ্রামের বৈশাখ তো আসল বৈশাখ। খোলা মাঠে, লোকগানের আসর, আর হালখাতার আমেজ—সব মিলিয়ে আলাদা আবেগ। মালেকা: তাই তো, এই সব উৎসব আমাদের সংস্কৃতির সাথে হৃদয়ের বন্ধন গড়ে তোলে। সালেহা: হ্যাঁ, শহরে কিছুটা যান্ত্রিকতা চলে এসেছে, তবে চেষ্টার কমতি নেই। বাচ্চাদের মাঝে বৈশাখের ইতিহাস শেখাতে অনেক আয়োজন করা হয়। মালেকা: জানেন আপা, এই উৎসবগুলো না থাকলে আমরা নিজেদের শিকড় ভুলে যেতাম। সালেহা: একদম ঠিক। তাই তো বলি, আমাদের সবাই মিলে ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।" মা ও ছেলের মধ্যে উৎসবের ঐতিহ্য ও খাবার নিয়ে আলোচনা,"তানভীর: মা, তোমার হাতের পাটিসাপটা পিঠা খেতে খেতে মনে পড়ছে ছোটবেলার কথা! মা: হা হা, পিঠা তো শুধু খাবার না বাবা, এটা আমাদের সংস্কৃতির অংশ। তানভীর: মা, তুমি তো বলো, শীত এলেই আগে গ্রামে পিঠা উৎসব হতো। এখন তো শহরে সবাই এত ব্যস্ত, এসব কিছু আর হয় না। মা: এখনো অনেকে করে বাবা। তবে আগের মতো সেই পারিবারিক পরিবেশ, একসাথে সবাই মিলে ধূপ ধূপে পিঠা বানানো, হাসি-ঠাট্টা, গান—সেসব কমে যাচ্ছে। তানভীর: তোমার বানানো দুধ চিতই পিঠা তো এখনও আমার প্রিয়! মা: শুধু তোমার না, তোমার নানু যেভাবে শিখিয়েছিলেন, আমিও তাই তোমাদের শেখাতে চাই। তানভীর: মা, এই পিঠা তো শুধু খাবার না, মনে হয় আমাদের ইতিহাস ধরে রাখে। মা: ঠিক বলেছ। পিঠা, নবান্ন, বৈশাখ—এই সব মিলেই তো বাঙালি সংস্কৃতি। তানভীর: মা, আমি ভাবছি, এই শীতে আমরাও একটা ছোট পিঠা উৎসব করব বন্ধুদের নিয়ে। মা: খুব ভালো ভাবনা! নতুন প্রজন্মকে এই ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেই হবে।" "দুই বন্ধু—একজন শহরের, একজন গ্রামের, উৎসবের পার্থক্য নিয়ে আলোচনা","ইশতিয়াক: আরে মামুন, দুর্গা পূজার ছুটিতে বাড়ি গেলে কেমন লাগলো? মামুন: ভাই, বলতেই পারো, মনটা ভরে গেল। গ্রামে পূজার আমেজই আলাদা। প্রতিটা বাড়িতে আলোকসজ্জা, প্রতিমা স্থাপন, ধুনুচি নাচ, আর সবার মাঝে এক ধরনের আত্মীয়তা! ইশতিয়াক: আমাদের শহরেও পূজা হয়, কিন্তু এখানে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ভিড়, আর অনেকটা সীমিত আনন্দ। মামুন: গ্রামের সবচেয়ে ভালো দিক হলো—সব ধর্ম, সব বয়সের মানুষ একসাথে মিলেমিশে উৎসব পালন করে। মুসলমান প্রতিবেশীরাও ভোগ খায়, প্রতিমা দর্শনে আসে। ইশতিয়াক: সত্যি, উৎসব তখনই পূর্ণ হয়, যখন সেটা সমাজকে একত্রিত করে। মামুন: আমি মনে করি, এসব উৎসব আমাদের মধ্যে সহনশীলতা, ভালোবাসা আর পারস্পরিক শ্রদ্ধা তৈরি করে। ইশতিয়াক: তুমি একদম ঠিক বলেছো। আমাদের শুধু পালন নয়, অন্যদের উৎসবে অংশগ্রহণ করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। মামুন: হ্যাঁ, আর এই ঐতিহ্য আমাদের বাঙালিয়ানার পরিচয় বহন করে।" দুই বোনের মধ্যে ঈদ উৎসবের স্মৃতি ও প্রথা নিয়ে আলাপ,"সুমনা: মম, এই ঈদে বাড়ি যাওয়ার জন্য তুমি কি নতুন পাঞ্জাবি নিয়েছ? মম: হ্যাঁ, বড় খুশি হয়েছি। আমাদের গ্রামে ঈদ মানেই নতুন পোশাক, সবাই একসঙ্গে জামায়াতের আয়োজন, আর বাড়ির মাটির সুগন্ধে ঈদের আনন্দ বাড়ে। সুমনা: শহরে ঈদ উৎসব বেশ জমজমাট হলেও গ্রামের ঐ প্রাচীন ভাবনা কোথায় পাওয়া যায়? মম: গ্রামের ঈদে সবাই মিলে পশুর কোরবানি, একসঙ্গে জামায়াত, ভিড়ে মেতে ওঠা, এসব অনুভূতি শহরে মেলা খুব কম। সুমনা: আর সবচেয়ে ভালো লাগে পিঠা, মিষ্টান্ন আর নানা ধরনের খাবার। আমাদের এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। মম: হ্যাঁ, আর তোমাদের মতো নতুন প্রজন্মকেও এগুলো জানতে ও পালন করতে উৎসাহিত করতে হবে। সুমনা: ঠিক বলেছ মা, ঐতিহ্য বাঁচানো আমাদের দায়িত্ব।" দুই বন্ধু বৈশাখী মেলা ও পুরান ঢাকার উৎসব নিয়ে আলোচনা,"ফাহিম: সাকিব, তোমার দেখা হয়েছে বৈশাখী মেলার আয়োজন? সাকিব: হ্যাঁ, ভাই! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় মেলা খুব সুন্দর হয়। রঙিন পট, লোকসঙ্গীত, হস্তশিল্প—সব কিছু চোখ জুড়ানো। ফাহিম: গ্রামে যদিও বড় মেলা হয় না, কিন্তু পাটুয়ার শিল্প, বাউল সংগীত আর পিঠার স্বাদে বৈশাখ আলাদা একটা রং পায়। সাকিব: শহরে উৎসব বড় হলেও গ্রামের সরলতা, মানুষের আন্তরিকতা মেলা তো কোথাও নেই। ফাহিম: তাই তো, এসব মিলেই বাংলার সংস্কৃতি হয়ে ওঠে সমৃদ্ধ। সাকিব: আমাদের উচিত এই ঐতিহ্যকে লালন করা ও পরবর্তী প্রজন্মকে শেখানো।" গ্রামীণ এবং শহুরে দুর্গাপূজা উদযাপন নিয়ে দুই প্রতিবেশীর আলোচনা,"রুবিনা: সালাহ উদ্দিন ভাই, আপনারা গ্রামে দুর্গাপূজা কেমন উদযাপন করেন? সালাহ উদ্দিন: রুবিনা আপা, গ্রামের পূজা একটু ভিন্ন। প্রতিদিন ধুনুচি নাচ, মন্দির সাজসজ্জা, আর প্রতিবেশীদের সাথে মিলেমিশে আনন্দ। রুবিনা: শহরে আমরা অনেকটাই সংগঠিত ও আধুনিক। কিছুটা ভিড় আর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা থাকে। সালাহ উদ্দিন: গ্রামের উৎসবে সবার অংশগ্রহণ থাকে, ধর্ম নির্বিশেষে সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করে। রুবিনা: সত্যিই, উৎসব আমাদের একত্রিত করে, বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। সালাহ উদ্দিন: তাই তো, আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মূল কথা একতা আর ভালোবাসা।" দুই সহকর্মীর মধ্যে সকালের ব্যায়াম ও স্বাস্থ্য সচেতনার আলোচনা,"রিয়া: আরিফ, তোমার দেখা যায় সকাল সকাল অফিসে আসার আগে জিমে গিয়ে আসো! কীভাবে সময় পেয়ে যাও? আরিফ: হা, রিয়া! সকালে ব্যায়াম করাটা আমার দিনের শুরুটা ভালো করে দেয়। এতে শরীর সতেজ থাকে, মন ভালো থাকে আর কাজের ফোকাস বাড়ে। রিয়া: আমি তো চেষ্টা করি, কিন্তু সকালে উঠতে খুব কষ্ট হয়। আর সময়ও কম পাই। আরিফ: সময় বের করতে হয়, রিয়া। ব্যায়াম মানেই জিম নয়, ঘরে হাঁটা, স্ট্রেচিং, কিংবা ইউটাও করতে পারো। রিয়া: কিন্তু আমি অনেক ক্লান্ত লাগে সারাদিনের কাজ শেষে, তাই ফিটনেসে মনোযোগ কম। আরিফ: সেটা বুঝি, তাই তো আমি প্রথমেই সকাল বেলায় সময় নিই। আর তুমি চাও তো একসাথে ফিটনেস চ্যালেঞ্জ করতে? রিয়া: দারুণ আইডিয়া! একসাথে করলে উৎসাহ পাওয়া যায়। আর তোমার মতো সকালের ব্যায়াম শুরু করতে পারলে ভালো হয়। " কোচ ও শিক্ষার্থীর মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাবার এবং ফাস্ট ফুড নিয়ে আলোচনা,"কোচ সুমন: রাজীব, তোমার ডায়েটে এখন কি কি খাবার থাকে? রাজীব: স্যার, বেশিরভাগ সময়ই অফিসে ফাস্ট ফুড খাই, কারণ সময় কম। কোচ সুমন: এটা খুবই সমস্যা। ফাস্ট ফুডে অনেক তেল, লবণ ও কেমিক্যাল থাকে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। রাজীব: কিন্তু অফিসে সময় না পেলে অন্য পথ থাকে না। কোচ সুমন: চেষ্টা কর একটু বেশি সময় দিয়ে সুষম খাবার খেতে, যেমন তাজা সবজি, ফল, বাদাম, আর প্রচুর পানি। রাজীব: স্যার, আমি চেষ্টা করব, কিন্তু মাঝে মাঝে ভোজনের অভ্যাস বদলানো কঠিন হয়। কোচ সুমন: শুরুটা কঠিন হলেও, অভ্যাস হয়ে গেলে শরীর নিজেই চায় ভালো খাবার। তুমি নিয়মিত ব্যায়ামও করো তো? রাজীব: না স্যার, ওটা একটু কঠিন মনে হয়। কোচ সুমন: ঠিক আছে, আসো আমি তোমার জন্য হালকা ওয়ার্কআউট প্ল্যান বানাবো, আর খাদ্য তালিকা দেবো। ধীরে ধীরে সব ঠিক হয়ে যাবে।" পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও ফিটনেস চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা,"বাবা: রাকিব, তুমি তো আরাম করে বসে থাকো, তোমার শরীরের চিন্তা কি? রাকিব: বাবা, সময় পাই না। অফিসে কাজ আর বাসায় ক্লান্তি। মা: তবু তোমাকে নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করতে হবে। শরীর সুস্থ না হলে সবকিছু অকার্যকর হয়ে যায়। বাবা: আমি ভাবছি, আমরা সবাই মিলে এক সপ্তাহের ফিটনেস চ্যালেঞ্জ করি। প্রতিদিন একসঙ্গে হাঁটব, ব্যায়াম করব। কী বলো? রাকিব: এ রকম হলে অনেক ভালো হবে। একসঙ্গে করলে ভালো লাগবে। মা: আর খাবারের বিষয়েও একটু নজর দিতে হবে। ফাস্ট ফুড কমিয়ে দই, ফল, সবজি বাড়াতে হবে। রাকিব: ঠিক আছে মা, আমি চেষ্টা করব। বাবা: দেখো, সুস্থ জীবনধারা ছাড়া কোনো সাফল্য বড় হয় না। সবাইকে ভালো রাখতে হবে। মা: আমরা একে অন্যকে উৎসাহ দিবো, আর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করব।" দুই সহকর্মীর মধ্যে ফাস্ট ফুড ও স্বাস্থ্য সমস্যার আলোচনা,"জয়: হেলো সায়ম, শুনেছি তোমার ওজন একটু বেড়ে গেছে? সায়ম: হ্যাঁ, জয়। অফিসে বারবার ফাস্ট ফুড খাওয়ার কারণে হয়তো। সময় কম, তাই সহজ খাবার খেতে হয়। জয়: সেটা অবশ্যই সমস্যা। ফাস্ট ফুডে বেশি চর্বি ও লবণ থাকে, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগের কারণ হতে পারে। সায়ম: আমি জানি, কিন্তু মাঝেমধ্যে ইচ্ছে করেই খাই। জয়: ইচ্ছে হওয়ার কথা বুঝি, তবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। চেষ্টা কর প্রাতঃরাশে ফল আর দই যোগ করো, দুপুরে হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাও। সায়ম: হুম, চেষ্টা করব। আর তোমার কী ফিটনেস রুটিন? জয়: আমি প্রতিদিন সকালে হাঁটা এবং সপ্তাহে তিন দিন যোগা করি। এতে শরীর ও মন দুই ভালো থাকে। সায়ম: ওহ! আমি ওটা শুরু করতে চাই। তুমি আমাকে কিছু গাইড করো। জয়: অবশ্যই। প্রথমে ছোট ছোট সময় দিয়ে শুরু করো, ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে উঠবে।" একজন কোচ ও ছাত্রীর মধ্যে ফিটনেস চ্যালেঞ্জ নিয়ে উৎসাহ,"কোচ রিনা: সুমি, তুমি নিয়মিত ব্যায়াম করছো? সুমি: স্যার, মাঝে মাঝে মনোযোগ কমে যায়, ক্লান্তিও হয়। কোচ রিনা: ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে ফিটনেস চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করো। একসাথে করলে উৎসাহ বেশি পাওয়া যায়। সুমি: সেটা দারুণ হবে। কিন্তু আমি কি শুরু থেকে বেশি সময় ব্যায়াম করতে পারব? কোচ রিনা: না, প্রথমে হালকা ওয়ার্কআউট করো, ধীরে ধীরে সময় বাড়াও। আমি তোমার জন্য প্ল্যান বানিয়ে দেবো। সুমি: স্যার, আমি চাই আমার স্বাস্থ্য ভালো হোক আর ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকুক। কোচ রিনা: সেটা সম্ভব, যদি তুমি ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে চলো। আর খাবারেও সতর্ক থাকতে হবে। সুমি: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব।" পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"দাদু: স্বাস্থ্যই আসল সম্পদ, জানো তো? নাতনী: দাদু, কিন্তু আমি সময় পাই না নিয়মিত ব্যায়াম করার। মা: সময় বের করাই উচিত, আর শরীর সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াও জরুরি। বাবা: আমরা সবাই মিলে সপ্তাহে তিনদিন সকালের হাঁটা করব। নাতনী: আমি চাই একসাথে করলে মজা হবে। দাদু: একসাথে করলে উৎসাহ বাড়ে, আর সুস্থ থাকাও সহজ হয়। মা: ফাস্ট ফুড কমিয়ে তাজা ফল, সবজি বাড়াতে হবে। বাবা: তোমাদের সবাইকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। নাতনী: ঠিক আছে, আমি শুরু করব আজ থেকেই।" দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"রিমা: রাজীব, তুমি কি জানো, আমাদের আশেপাশের প্লাস্টিক বর্জ্য কতটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর? রাজীব: হ্যাঁ, রিমা। প্লাস্টিক পচনে হাজার বছর সময় নেয়, আর সেটার কারণে নদী, সমুদ্র দূষিত হয়। জীবজন্তুর জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। রিমা: তাই তো, আমরা প্লাস্টিকের বদলে রিইউজেবল ব্যাগ ব্যবহার করা শুরু করেছি। স্কুলেও আমরা প্লাস্টিক কমানোর প্রচারণা চালাচ্ছি। রাজীব: খুব ভালো কাজ। আর ট্রি প্ল্যান্টেশনও জরুরি। বেশি গাছ লাগালে বাতাস পরিষ্কার হয়, তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। রিমা: তবে তুমি কি মনে করো, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধুমাত্র সরকারের? না আমাদের ব্যক্তিগতভাবেও সচেতন হতে হবে? রাজীব: আমি মনে করি উভয়েরই অবদান দরকার। সরকার যদি কঠোর আইন করে আর আমরা নিজেদের দায়িত্ব বুঝে কাজ করি, তাহলে ফলাফল ভালো হবে। রিমা: সঠিক বলছো। বাড়িতে আমরা আলাদা আলাদা কাবারে বর্জ্য সংগ্রহ করছি, প্লাস্টিক আর বায়োমেডিকেল বর্জ্য আলাদা করছি। রাজীব: স্কুলেও আমরা রিসাইক্লিং প্রোগ্রাম চালাচ্ছি, এটা পরিবেশ বান্ধব কাজ।" কমিউনিটি লিডার ও বাসিন্দার মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও গাছ লাগানোর গুরুত্ব,"লিডার মিজান: ভাই, আমাদের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। বাসিন্দা রফিক: মিজান ভাই, আমি রাজি। কিন্তু এখন সবাই এত ব্যস্ত, প্লাস্টিক ব্যাগ ছাড়া বিকল্প নেই মনে হয়। লিডার মিজান: বিকল্প আছে, reusable ব্যাগ বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে। ছোট ছোট পদক্ষেপই বড় পরিবর্তন আনে। বাসিন্দা রফিক: আর গাছ লাগানোই সবচেয়ে ভালো উপায়। গ্রীন জোন বাড়ালে আমাদের এলাকায় তাপমাত্রা কমবে, বাতাস পরিষ্কার থাকবে। লিডার মিজান: অবশ্যই। আগামী সপ্তাহে গাছ লাগানোর কর্মসূচি আয়োজন করছি, সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাবো। বাসিন্দা রফিক: সরকারের দায়িত্ব কী হবে? তারা কি পরিবেশ রক্ষা নিয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে? লিডার মিজান: সরকার আইন প্রণয়ন করে, তদারকি করে, কিন্তু বাস্তবায়ন আমাদের সবাইকে করতে হবে। সবাই সচেতন হলে প্রকৃত পরিবর্তন আসবে। বাসিন্দা রফিক: বাসায়ও আমরা বর্জ্য কমানোর চেষ্টা করছি, জৈব বর্জ্য কম্পোস্ট করি। লিডার মিজান: অসাধারণ। ছোট ছোট অভ্যাস আমাদের পরিবেশকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।" ভাইবোনের মধ্যে পরিবেশ রক্ষা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা,"সাবিনা: রাফি, তুমি তো প্লাস্টিক ব্যাগ বেশিই ব্যবহার করছ, এটা বন্ধ করো না কেন? রাফি: আমি কি করব, যখন বাজারে সবাই প্লাস্টিক ব্যবহার করে? সাবিনা: আমরা প্রথমেই আমাদের থেকে শুরু করতে পারি। কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করো, প্লাস্টিক কমাবে। রাফি: তুমিই ভালো বলছো। আর গাছ লাগানো ও বড় কথা। তুমি জানো, এক গাছ কত অক্সিজেন দেয়? সাবিনা: হ্যাঁ, আর গাছ ছাড়া পৃথিবী তীব্র গরম হবে। আমরাও প্রতি বছর স্কুলে গাছ লাগানোর দিনে অংশ নিই। রাফি: বাড়িতে বর্জ্যও আলাদা করলে পরিবেশ ভালো থাকে। সাবিনা: আমিও তাই ভাবছি, আমরা বাড়ির সবাইকে সচেতন করব বর্জ্য কমাতে। রাফি: পরিবেশ রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমি চেষ্টা করব। সাবিনা: ঠিক বলছো, যদি সবাই সামান্য একটু সচেতন হয়, পৃথিবী অনেক সুন্দর থাকবে।" দুই বন্ধুর মধ্যে প্লাস্টিক দূষণ ও বিকল্প নিয়ে আলোচনা,"আদিত্য: তুমি কি জানো, আমাদের শহরে প্লাস্টিক দূষণ দিন দিন বেড়ে চলেছে? মিনহাজ: হ্যাঁ, সত্যি। প্লাস্টিক ফেলা হচ্ছে সব জায়গায়—রাস্তা, নদী, পার্ক। আদিত্য: প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাপড় বা জুটের ব্যাগ ব্যবহার করলে অনেক কমে যাবে। মিনহাজ: তবে মানুষ সচেতন না হলে সেটা সম্ভব হবে না। শিক্ষার খুব দরকার। আদিত্য: আমরা স্কুলে ‘No Plastic’ ক্যাম্পেইন চালাচ্ছি। সেখানে সবাইকে reusable ব্যাগ ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছি। মিনহাজ: চমৎকার উদ্যোগ! আর বর্জ্য কমানোর জন্য আলাদা বর্জ্য পাত্র রাখতে হবে। আদিত্য: একদম। প্রত্যেকের দায়িত্ব হলে পরিবেশ বাঁচানো সহজ হবে। " কমিউনিটি লিডার ও শিক্ষার্থীর মধ্যে গাছ লাগানো ও পরিবেশের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা,"লিডার শরিফ: আমরা গ্রামের পরিবেশ ভালো রাখতে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। ছাত্র হাসান: ঠিক আছে, আপা। গাছ লাগালে কি কী সুবিধা হয়? লিডার শরিফ: গাছ অক্সিজেন দেয়, বাতাস পরিষ্কার করে, গরম কমায় এবং বন্যপ্রাণীকে আশ্রয় দেয়। ছাত্র হাসান: স্কুলেও আমরা গাছ লাগানোর দিন পালন করি, আমি খুব ভালো লাগে। লিডার শরিফ: বাড়িতে ও আশেপাশেও গাছ লাগাতে পারো। ছোট ছোট কাজ পরিবেশকে ভালো রাখে। ছাত্র হাসান: আমি বন্ধুদেরও বলবো, সবাই মিলে পরিবেশ রক্ষা করব। লিডার শরিফ: পরিবেশ রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব, সরকারও সহযোগিতা করে।" দুই ভাইবোনের মধ্যে বর্জ্য কমানোর উপায় নিয়ে কথা,"নিলা: রাশিদ, তুমি বাড়িতে প্লাস্টিক কমানোর জন্য কী করছো? রাশিদ: আমি প্লাস্টিক ব্যাগের বদলে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করছি। আর প্লাস্টিক বোতল কম ব্যবহার করি। নিলা: ভালো কাজ! আর বর্জ্য আলাদা করার কথা কী মনে রেখেছো? রাশিদ: হ্যাঁ, আমরা আলাদা বর্জ্য পাত্র রাখছি। প্লাস্টিক আর বায়ো বর্জ্য আলাদা করছি। নিলা: এটা করলে পরিবেশ ভালো থাকে, আর বর্জ্য কম হয়। রাশিদ: আমাদের সবাইকে এই অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিলা: একদম ঠিক। পরিবেশ রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব।" দুই যাত্রীর মধ্যে দৈনিক ট্রাফিক জ্যামের সমস্যা নিয়ে আলোচনা,"নাহিদ: আহা, আজ আবারও দুই ঘণ্টা লেগে কাজের অফিসে এলাম! এই ট্রাফিক জ্যাম শেষই হচ্ছে না। সাবিনা: আমারও একই অবস্থা। অফিসে যেতে সময়মতো পৌঁছানো এখন দুঃস্বপ্নের মতো হয়ে গেছে। গাড়ির আওয়াজ, হর্ন, ধোঁয়া – সবকিছু মাথায় ব্যাথা দিয়ে যাচ্ছে। নাহিদ: এরকম জ্যাম থাকলে কাজের চাপ বাড়ে, মন খারাপ হয়, এবং স্বাস্থ্যও খারাপ হয়। তোমার কি মনে হয় এর কোনো সমাধান আছে? সাবিনা: আমার মনে হয় আমাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও উন্নত করতে হবে। সঠিক সময়মতো বাস বা মেট্রো ট্রেন থাকলে অনেক সুবিধা হয়। নাহিদ: হ্যাঁ, আর গাড়ি শেয়ারিং বা কারপুলিং সিস্টেম চালু করলে গাড়ির সংখ্যা কমে যাবে। সাবিনা: কিন্তু এই সবের জন্য সরকারের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন খুব দরকার। নাহিদ: সত্যিই। অন্যথায় এই শহরগুলো আরও খারাপ হবে।" একজন ছাত্র ও একজন গাড়িচালকের মধ্যে ট্রাফিক জ্যাম নিয়ে মতবিনিময়,"ছাত্র রাকিব: স্যার, আজকেও কি এতক্ষণ ট্রাফিক জ্যামে পড়লেন? ড্রাইভার কামরুল: হ্যাঁ রাকিব, প্রতিদিন এটা ঘটে। শহরের রাস্তাগুলো অপর্যাপ্ত আর গাড়ির চাপ বেশি। রাকিব: তাই তো, বাসা থেকে কলেজ আসতে আমারও অনেক সময় লেগে যায়। অনেক সময় পড়াশোনা বাদ দিতে হয় সময়ের অভাবে। কামরুল: আমি বলব, শহরের সড়ক উন্নত করতে হবে, আর ট্রাফিক নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। রাকিব: স্যার, আমি ভাবছি আমরা যদি সবাই বাইসাইকেল বা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করি, তাহলে কি হবে? কামরুল: খুব ভালো ধারণা! এতে গাড়ির চাপ কমে যাবে। আর ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা আরও সক্রিয় হওয়া দরকার। রাকিব: আমিও চাই শহর যেন জ্যামমুক্ত হয়, সবাই সময় মতো কাজ করতে পারে।" দুই সহকর্মীর মধ্যে ট্রাফিক জ্যাম ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"সুমন: আজকের সকাল ট্রাফিক জ্যাম কি অসহনীয় ছিল? মিতা: একদম, সুমন। গাড়ি আরোহনে হর্ন বাজানো, ধোঁয়া, ধৈর্যের পরীক্ষার মতো লাগছিল। সুমন: আমি মনে করি আমাদের সরকারকে আরও বেশি করে দক্ষ গণপরিবহন চালু করতে হবে। মিতা: ঠিক বলেছো। মেট্রো, বাস ও ট্রাম ব্যবস্থা ভালো হলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমে যাবে। সুমন: আর শহরের যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কারপুলিং বা রাইড শেয়ারিং প্রচলন জরুরি। মিতা: সরকারের উচিত সড়ক পরিবহন আইন কঠোর করা এবং চালকদের সচেতনতা বাড়ানো। সুমন: তবে সাধারণ মানুষেরও সচেতন হতে হবে, যেমন নিয়ম মানা, গাড়ি ঠিক রাখা। মিতা: আমরা যদি সবাই দায়িত্বশীল হই, শহরগুলো অনেক বেশি উন্নত হবে।" দুই যাত্রীর মধ্যে ট্রাফিক জ্যামের অপ্রিয় অভিজ্ঞতা এবং সময় নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে কথা,"তাহসিন: আজকেও অফিস যেতে গিয়ে পুরো পথেই ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়লাম। জাহিদ: ওহ, আমি বুঝতে পারছি! আমি তো প্রায়ই বিকেলেও অফিস থেকে ফিরে আসতে ঘণ্টা খানেক বা তার বেশি সময় নষ্ট করি। তাহসিন: এর ফলে কাজের চাপ বেড়ে যায়, মনও খারাপ থাকে। মনে হয় যেন সময়ের অপচয় হচ্ছে। জাহিদ: সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে, যখন জরুরি কাজে কাউকে দেখা বা সময়মতো যাওয়া হয় না। ট্রাফিক জ্যাম জীবনের মান কমিয়ে দেয়। তাহসিন: তোমার কি মনে হয়, এই সমস্যা দূর করার জন্য আমরা কি করতে পারি? জাহিদ: আমার মতে, লোকজনকে বেশি করে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করতে উৎসাহিত করতে হবে। আর একসঙ্গে গাড়ি চালানো অর্থাৎ কারপুলিং প্রচলন জরুরি। তাহসিন: হ্যাঁ, এবং সরকারের উচিত দ্রুত ও সুষ্ঠু সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া।" শিক্ষার্থী ও বাস চালকের মধ্যে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষার্থী সোহেল: ভাই, আজকেও ট্রাফিক এত জ্যামে! বাসের গতি একেবারেই কম। বাস চালক করিম: হ্যাঁ সোহেল ভাই, শহরে গাড়ির চাপ এত বেশি যে নিয়ম মানা কঠিন হয়ে পড়ে। সোহেল: আমাদের কি করণীয়? এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় আছে? করিম: আমি বলব, সবাই ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলবে, গাড়ি ঠিকঠাক রাখবে। আর সরকারি আধিকারিকদের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে হবে। সোহেল: আর নতুন সড়ক ও গণপরিবহন ব্যবস্থা দ্রুত চালু করতে হবে। করিম: হ্যাঁ, এছাড়া আমরা চালকদেরও সচেতন হতে হবে যেন তারা দায়িত্বশীল হয়। সোহেল: একমত, সবার সহযোগিতা ছাড়া এই সমস্যা কখনো সমাধান হবে না।" দুই সহকর্মীর মধ্যে শহরের যানজট ও প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"রিফাত: আজ সকাল থেকে ট্রাফিক জ্যাম দেখে মনে হয় শহর আরও অচল হয়ে যাচ্ছে। মাহমুদা: তাই তো, যানজট অনেক সময় নষ্ট করে দেয় আর মানুষকে মানসিকভাবেও অবসাদগ্রস্ত করে। রিফাত: তুমি কি মনে করো, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যানজট কমানো সম্ভব? মাহমুদা: অবশ্যই! ট্রাফিক সিগন্যাল স্বয়ংক্রিয় করার পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপ দিয়ে সড়কের ট্রাফিক পরিস্থিতি জানানো যেতে পারে। রিফাত: এছাড়া গাড়ি শেয়ারিং, রাইড হেলিং সার্ভিসের মাধ্যমে গাড়ির সংখ্যা কমানো সম্ভব। মাহমুদা: সরকারকে এমন উদ্যোগে প্রণোদনা দিতে হবে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। রিফাত: আর আমরা ব্যক্তিগতভাবে সময়ানুবর্তিতা ও ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা শুরু করলে পরিবহন ব্যবস্থায় উন্নতি আসবে।" দুই বোনের মধ্যে নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"সাবিনা: তুমি জানো, এখন অনেক নারী শিক্ষায় ও কর্মসংস্থানে এগিয়ে এসেছে আমাদের দেশে। রোজিনা: হ্যাঁ, আমি এটা দেখে খুব খুশি হয়। আমার স্কুলের কয়েকজন সহপাঠিনী এখন বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। সাবিনা: মেয়েদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ায় অনেক কিছুই বদলে গেছে। আর যেসব নারী সমাজে এগিয়ে আসছে, তারা অনেকে মডেল হিসেবেও কাজ করছে। রোজিনা: তবুও কিছু কিছু জায়গায় লিঙ্গ বৈষম্য থেকে যায়। বিশেষ করে গ্রামে অনেকেই এখনো মেয়েদের পড়াশোনা ও কাজকে বাধা দেয়। সাবিনা: সত্যি। তাই আমাদের দরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি সচেতনতা বাড়ানো, যেন সমাজের পুরুষরাও নারীদের পাশে দাঁড়ায়। রোজিনা: আর মেয়েরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে আরও সচেতন হবে। আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। সাবিনা: ঠিক বলছো, নারীর ক্ষমতায়ন মানে পুরো সমাজের উন্নতি।" শিক্ষিকা ও ছাত্রীর মধ্যে নারীর কর্মসংস্থান ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষিকা: রাহিনা, তুমি কি মনে করো আমাদের দেশে নারীরা এখন কতটা এগিয়েছে? রাহিনা: স্যার, অনেক নারীর উচ্চশিক্ষা ও চাকরিতে যোগদান বেড়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অনেক নারী কাজ করছে। শিক্ষিকা: এটা খুব ভালো কথা। তবে তুমি কী মনে করো, কোন সমস্যাগুলো এখনো রয়ে গেছে? রাহিনা: আমি মনে করি, পারিবারিক বাধা, লিঙ্গ বৈষম্য এবং নিরাপত্তার অভাব কিছু বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষিকা: একদম সঠিক। সমাজের মানসিকতা বদলানো জরুরি। নারীদের কাজের জায়গায় সুরক্ষা ও সমান সুযোগ দিতে হবে। রাহিনা: স্যার, আমি মনে করি আমাদের স্কুলে ও সমাজে নারীর প্রতি সম্মান বাড়ানো হলে উন্নতি হবে। শিক্ষিকা: নিশ্চয়ই। আমরা সবাই মিলে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করলে দেশ এগিয়ে যাবে।" দুই কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্টের মধ্যে নারীর অধিকার ও সমর্থন নিয়ে আলোচনা,"নাসরিন: সম্প্রতি আমরা একটি কর্মশালা চালিয়েছি নারীর অধিকার নিয়ে। তোমার মতামত কী? সুমাইয়া: খুব ভালো উদ্যোগ। অনেক নারী জানেনা তাদের আইনি অধিকার সম্পর্কে। সচেতনতা বাড়ালে তারা নিজেরাই সুরক্ষিত হতে পারবে। নাসরিন: লিঙ্গ বৈষম্য এখনও অনেক ক্ষেত্রেই রয়েছে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়। আমাদের কাজ হলো সেই মনোভাব বদলানো। সুমাইয়া: আর নারীর জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। নাসরিন: হ্যাঁ, আমরা স্থানীয় পর্যায়ে নারী সমিতি গঠন করে সাহায্য করতে পারি। সুমাইয়া: পাশাপাশি পুরুষদেরও অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে, যাতে নারীর উন্নয়নে সবাই সহযোগিতা করে। নাসরিন: একসাথে কাজ করলে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে, আর সমাজ হবে শক্তিশালী।" কারিগর ও গ্রাহকের মধ্যে নকশীকাঁথা ও জামদানি শাড়ির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"গ্রাহক: ভাই, তোমার তৈরি এই নকশীকাঁথা দেখতে সত্যিই অসাধারণ লাগছে! কারিগর: ধন্যবাদ আপা। আমাদের নকশীকাঁথা হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করে। প্রত্যেকটি শেলাইয়ে আমাদের সংস্কৃতির গল্প লুকানো থাকে। গ্রাহক: আর জামদানি শাড়ির কথা কী বলব! তার সূক্ষ্মতা ও নকশা সত্যিই বিরল। তবে আজকাল কম মানুষ এগুলো কিনছে, তাই না? কারিগর: ঠিক বলেছেন, আধুনিক বাজারে সস্তা মেশিনজাত পণ্য বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে, আমাদের কারিগরদের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ। গ্রাহক: তবে কি করা যেতে পারে যাতে এই শিল্প টিকে থাকে? কারিগর: আমি মনে করি আমাদের সবার উচিত ঐতিহ্যকে সম্মান করা ও এই পণ্যের মূল্যায়ন করা। গ্রাহক: আমি চেষ্টা করব আমার পরিচিতদেরও এগুলো প্রচার করতে। কারিগর: সেটাই প্রয়োজন। বিশ্বব্যাপী যদি প্রচারণা হয়, তাহলে আমাদের শিল্পীরা ভালো করতে পারবে।" দুই বন্ধুর মধ্যে বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা,"মিতু: তুমি জানো, নকশীকাঁথা এবং জামদানি বাংলাদেশের সংস্কৃতির অহংকার। রাকিব: হ্যাঁ, তবে আজকাল তরুণরা এসব শিখতে আগ্রহ কম দেখায় আমি উদ্বিগ্ন। মিতু: বড় সমস্যা হচ্ছে, আধুনিক জীবনযাত্রায় দ্রুততার চাহিদা বাড়ায় হাতের কাজের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। রাকিব: আমাদের উচিত এসব শিল্পকে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা। মিতু: আর প্রযুক্তির সাহায্যে অনলাইনে বিক্রি ও প্রচার করলে বিশ্বজুড়ে পৌঁছানো সম্ভব। রাকিব: এই শিল্প রক্ষায় সরকারেরও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মিতু: সঠিক কথা। ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান ও সচেতনতা তৈরি করাই ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।" শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজ আমরা আলোচনা করবো বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের বিষয়ে। তোমরা কি জানো জামদানি শাড়ি বা নকশীকাঁথার গুরুত্ব? ছাত্র: স্যার, জামদানি শাড়ি বিশ্বখ্যাত এবং ইউনেস্কো-এর অমূলোয়ন তালিকায় রয়েছে। নকশীকাঁথা বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের সৃষ্টিশীলতার পরিচায়ক। শিক্ষক: খুব ভালো। এই কারুশিল্প আমাদের সংস্কৃতির ইতিহাস ও জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। ছাত্র: তবে আধুনিক জীবনে এসব শিল্প চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। শিক্ষক: তাই আমাদের দায়িত্ব এই শিল্প রক্ষা ও প্রসারে কাজ করা। তুমি কি ভাবছ, কীভাবে? ছাত্র: অনলাইন মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করে বিক্রি বাড়ানো, আর টুরিস্টদের জন্য প্রচারণা করা যেতে পারে। শিক্ষক: চমৎকার ভাবনা। আমরা শিক্ষাঙ্গলেও ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে গুরুত্ব দিতে পারি। ছাত্র: আমি শিখতে চাই, যেন ভবিষ্যতে এই শিল্প টিকে রাখতে সাহায্য করতে পারি" "মনে করো, তোমার নাম তিতাস। ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও, এ নিয়ে তুমি ও তোমার বন্ধু নিশাতের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো। ","নিশাত: ভালো আছ, তিতাস? তোমার পরীক্ষার ফলাফল কী হলো? তিতাস: বন্ধু, তুমি শুনে খুশি হবে। এবারও আমি প্রথম হয়েছি। নিশাত: খুব ভালো, তা ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও? তিতাস: ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো শিক্ষক হতে চাই। নিশাত: ভালো কথা, কিন্তু অন্য পেশা থাকতে তুমি কেন শিক্ষক হতে চাও? তিতাস: আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষিত জাতি গড়তে দরকার একজন আদর্শ শিক্ষক যিনি দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর। একটি শিক্ষিত জাতি দেশ ও জাতির উন্নতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমার শিক্ষকতা পেশা ভালো লাগে। নিশাত: তোমার পছন্দকে আমি সমর্থন করি। তবে মনে রেখো, এ পেশায় কিন্তু অনেক ধৈর্য ও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তিতাস: হ্যাঁ বন্ধু, আমি জানি। তোমার দোয়া ও সবার সহযোগিতা পেলে আমি আমার চেষ্টা এবং সাধনা দিয়ে জয়ী হতে পারব।" এলাকার যুবকদের খেলাধুলার জন্য মাঠ সংস্কারের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকার খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকার যুবকরা নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা করে থাকে, যা তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের এলাকার একমাত্র খেলার মাঠটি বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাঠে বড় বড় গর্ত, বর্জ্য এবং অসমান জমি থাকায় খেলাধুলা বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। যদি দ্রুত মাঠ সংস্কার করা যায়, তবে যুবসমাজ খেলাধুলায় মনোযোগী থাকবে এবং মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার, [এলাকার নাম] [মোবাইল নম্বর]" কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প পরিচালনার জন্য অনুদানের আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] অঞ্চলের অনেক বাসিন্দা দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে, যারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারেন না। তাই আমরা একটি কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছি, যেখানে বিনামূল্যে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, চোখ ও সাধারণ রোগের পরীক্ষা করা হবে। এই ক্যাম্প পরিচালনার জন্য চিকিৎসক, ওষুধ, প্রাথমিক যন্ত্রপাতি ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তা প্রয়োজন। কিন্তু অর্থের অভাবে ক্যাম্প বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে। অতএব, বিনীত অনুরোধ করছি, আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অনুদান ও সহযোগিতা প্রদান করে আমাদের এই মানবিক উদ্যোগকে সফল করুন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার, [এলাকার নাম] [যোগাযোগ]" কমিউনিটি সেন্টারে বয়স্কদের জন্য ডে-কেয়ার সেবা চালুর আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা বা পৌরসভা অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটি সেন্টারে বয়স্কদের ডে-কেয়ার চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় অনেক প্রবীণ ব্যক্তি রয়েছেন যারা দিনের বেলা একা থাকেন। তাদের মানসিক ও শারীরিক যত্ন নেওয়ার কেউ থাকে না। এই অবস্থার উন্নয়নের জন্য আমরা একটি ডে-কেয়ার সেন্টার চালুর পরিকল্পনা করছি যেখানে তারা বিশ্রাম, চিকিৎসা ও সামাজিক মেলামেশার সুযোগ পাবেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থ ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন। অতএব, অনুরোধ করছি, সমাজের এই শ্রেণির মানুষদের জন্য মানবিক সহায়তা স্বরূপ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [মোবাইল/ঠিকানা]" দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেন সংস্কারের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকায় খোলা ড্রেন সংস্কার ও পরিষ্কারের আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। ড্রেনের পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, ফলে শিশু ও বৃদ্ধরা নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে পানি উপচে রাস্তায় এসে পড়ে, ফলে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ সমস্যা সমাধানের জন্য তীব্র দাবি জানাচ্ছি। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টিতে ড্রেন সংস্কার ও নিয়মিত পরিষ্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নির্দেশ প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি প্রতিনিধি [যোগাযোগ]" নারী নিরাপত্তা জোরদারে সিসিটিভি স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: জনবহুল এলাকায় নারী নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপন সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, সম্প্রতি আমাদের এলাকায় কিছু উত্যক্তকারী ও অপরাধমূলক ঘটনার অভিযোগ এসেছে। বিশেষ করে নারীরা দিনের বেলাতেও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে প্রধান প্রধান সড়ক, স্কুল ও বাজার এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা জরুরি। এজন্য আর্থিক সহায়তা ও প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [মোবাইল নম্বর]" স্থানীয় যুবকদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: যুব সমাজের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় বহু শিক্ষিত বেকার যুবক রয়েছে যারা প্রযুক্তিগত শিক্ষার অভাবে চাকরি পাচ্ছে না। যদি একটি বিনামূল্যের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা যায়, তাহলে তারা নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, এই উদ্যোগের জন্য প্রয়োজনীয় অনুদান ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি প্রতিনিধি]" আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থ সহায়তা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় বহু দরিদ্র পরিবার রয়েছে যাদের নিজের বাড়ি বা জমি নেই। বর্ষাকালে তারা চরম দুর্ভোগে পড়ে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য আশ্রয় প্রকল্প চালু করা জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় তহবিল ও ভূমি বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি লিডার]" গ্রামে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় সম্প্রতি কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু নিকটবর্তী কোনো ফায়ার সার্ভিস নেই। তাই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও একটি ক্ষুদ্র ফায়ার রেসপন্স ইউনিট স্থাপন জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, নিরাপত্তা ও জানমালের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম]" নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: নদীভাঙন কবলিত পরিবারের জন্য পুনর্বাসনের আবেদন। জনাব, [নদীর নাম] নদীর ভাঙনের কারণে আমাদের এলাকার বহু পরিবার জমি, ঘর ও জীবিকা হারিয়েছে। তারা বর্তমানে আশ্রয়হীন অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য ঘর, খাদ্য, ও চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসন প্রকল্প হাতে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করুন। বিনীত, [আপনার নাম] " মহল্লায় মোবাইল ক্লিনিক সেবা চালুর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে মোবাইল ক্লিনিক চালুর জন্য আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হলেও এখানে কোনো হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। রোগীদের নিকটবর্তী হাসপাতালে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, একটি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি প্রতিনিধি] " গ্রামের পুরনো স্কুল ভবন সংস্কারের জন্য অর্থ অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: পুরনো স্কুল ভবন সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [নাম], [গ্রামের নাম] গ্রামের একজন কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়টির ভবন দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষাকালে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে এবং ক্লাস নিতে অসুবিধা হয়। এমতাবস্থায়, বিদ্যালয় ভবনটি সংস্কার না করা হলে শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, ভবনটি সংস্কারের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ করা হোক। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামে মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: নারীদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমি [নাম], [এলাকার নাম] এর পক্ষ থেকে বলছি যে, আমাদের গ্রামের বহু নারী গৃহিণী হলেও তারা কাজ শিখে আয় করতে আগ্রহী। এজন্য সেলাই, হস্তশিল্প, পাটজাত দ্রব্য তৈরি ইত্যাদি প্রশিক্ষণের জন্য একটি মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আপনার দপ্তর থেকে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করুন। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" গ্রামীন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার জন্য আর্থিক অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: গ্রামীণ পাঠাগার প্রতিষ্ঠায় সহায়তার আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার বাইরে বই পড়ার সুযোগ পায় না। একটি পাঠাগার থাকলে তারা জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী হবে এবং মাদক ও প্রযুক্তি আসক্তি থেকেও দূরে থাকবে। আমি আপনাকে অনুরোধ করছি, একটি গ্রামীণ পাঠাগার প্রতিষ্ঠার জন্য আর্থিক অনুদান ও বই সংগ্রহে সহায়তা দিন। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার " সড়কে আলোর ব্যবস্থার জন্য আবেদন (স্ট্রিট লাইট বসানোর আবেদন),"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: রাস্তায় স্ট্রিট লাইট বসানোর জন্য অর্থ বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের প্রধান রাস্তায় রাতে কোনো আলোর ব্যবস্থা নেই। এতে চলাচলে ঝুঁকি থাকে এবং চুরি/ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও বাড়ে। অতএব, আপনার সদয় উদ্যোগে রাস্তায় স্ট্রিট লাইট বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" দুর্যোগকালীন আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য অনুরোধ,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবহারের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রাম নদী ও খালঘেঁষা হওয়ায় প্রায়ই বন্যা, ঝড় ও জলাবদ্ধতার শিকার হয়। বিপদের সময় এলাকাবাসীর জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র থাকাটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে আপনাকে অনুরোধ করছি প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের জন্য। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" গ্রামে একটি প্রতিবন্ধী সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় অনেক প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তি রয়েছেন যাদের জন্য কোনও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নেই। তাদের বিশেষ চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে একটি প্রতিবন্ধী সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন এখন সময়ের দাবি। আপনার সহানুভূতিশীল সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" স্থানীয় বাজারে সৌচাগার স্থাপন ও পরিচ্ছন্নতার জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বাজারে শৌচাগার ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের বাজারে শৌচাগার নেই এবং আবর্জনার উপযুক্ত ডাস্টবিনের অভাব রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। এমতাবস্থায়, বাজারে পাবলিক টয়লেট, ডাস্টবিন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগে অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" গ্রামের মসজিদ/মন্দির সংস্কারের জন্য কমিউনিটির পক্ষ থেকে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কারে অনুদানের আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকার প্রাচীন [মসজিদ/মন্দির]টির অবস্থা বর্তমানে খুবই খারাপ। ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে, দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। অতএব, আমি সমাজের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি সংস্কারে সরকারি সহযোগিতা দিন। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরুর জন্য সরকারি ঋণ চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা পরিষদ/স্থানীয় সরকার অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার জন্য সরকারি ঋণ প্রাপ্তির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি একটি ক্ষুদ্র বুটিক ব্যবসা শুরু করতে চাই, যাতে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতে পারি এবং আরো দু-একজনকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে পারি। এ লক্ষ্যে আমি সরকার ঘোষিত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ কর্মসূচির আওতায় একটি সহজ শর্তে ঋণ পেতে চাই। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে ঋণ প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" হাটে দোকান বসানোর অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: সাপ্তাহিক হাটে দোকান বসানোর জন্য অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], একজন ছোট ব্যবসায়ী। আমি স্থানীয় সাপ্তাহিক হাটে ছোট একটি কাপড়ের দোকান বসাতে চাই। এ জন্য একটি নির্ধারিত জায়গা এবং প্রশাসনিক অনুমতি প্রয়োজন, যাতে আমি নিয়মিত ও আইনানুগভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, দোকান বসানোর জন্য একটি অনুমতি প্রদান করে সহযোগিতা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুর জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকায় একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক্স দোকান পরিচালনা করি। আমি নিয়ম অনুযায়ী একটি ট্রেড লাইসেন্স পেতে চাই। এই ব্যবসাটি আমার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস, তাই লাইসেন্স প্রাপ্তি আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, আমাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে দেবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে আরও দক্ষ ও সক্ষম করে তুলতে চাই। সম্প্রতি আপনার অফিস থেকে একটি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আমি সেখানে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী, যাতে ব্যবসা পরিচালনার নিয়ম-কানুন, হিসাবরক্ষণ, ও গ্রাহক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেতে পারি। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত আবেদন, আমাকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " বাজারে অতিরিক্ত ভাড়া হ্রাসের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা/উপজেলা পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: বাজারে দোকান ভাড়া হ্রাসের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [বাজারের নাম] এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করছি। বর্তমানে বাজারের দোকান ভাড়া অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, যা আমাদের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত আবেদন, বাজার ভাড়া কিছুটা কমিয়ে আমাদের স্বাভাবিক ব্যবসায় সহায়তা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] " ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ঋণ পাওয়ার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক ঋণের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম]-এর একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। বর্তমানে আমি একটি ছোট দোকান পরিচালনা করছি, যার মাধ্যমে আমার পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করছি। কিন্তু বর্তমানে ব্যবসায়িক মূলধনের অভাবে আমার দোকানে প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী আনতে পারছি না। ফলে বিক্রি কমে গেছে এবং আর্থিকভাবে চাপে পড়েছি। আমি যদি একটি স্বল্পসুদে ক্ষুদ্র ঋণ পাই, তবে ব্যবসাটি টিকিয়ে রাখতে এবং সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হব। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আমাকে একটি সরকারি ব্যবসায়িক ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" হাটে একটি স্টল বরাদ্দ চেয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা হাট কমিটি] [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয় হাটে স্টল বরাদ্দের জন্য আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে আমি হাটে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করে আসছি। কিন্তু নির্দিষ্ট স্টল না থাকার কারণে নিয়মিত স্থান নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় আমাকে অন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে স্থান ভাগাভাগি করে বসতে হয়, যা গ্রাহকদের জন্যও সমস্যাজনক। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাকে স্থানীয় হাটে একটি নির্দিষ্ট স্টল বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করলে আমি সহজে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুর জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি একটি কসমেটিকসের দোকান চালু করেছি। এখন ব্যবসাটি বৈধভাবে পরিচালনার জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। আমি সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেছি এবং পৌরসভার নির্ধারিত ফিও প্রদান করতে ইচ্ছুক। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টিতে আমাকে একটি ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করার অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান উপজেলা মহিলা উন্নয়ন অধিদপ্তর [ঠিকানা] বিষয়: নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন। জনাব, আমরা কয়েকজন নারী উদ্যোক্তা মিলে একটি ক্ষুদ্র হস্তশিল্প প্রকল্প চালু করতে চাচ্ছি। কিন্তু আমাদের দক্ষতার অভাবে এবং সঠিক দিকনির্দেশনা না থাকায় ব্যবসাটি শুরু করতে সমস্যায় পড়ছি। অতএব, আমরা আপনার দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজনের অনুরোধ করছি, যাতে আমরা সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার কৌশল, বাজারায়ন, ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা শিখতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] নারী উদ্যোক্তা দলনেত্রী [ঠিকানা] [যোগাযোগ]" হাটের প্রবেশপথে রাস্তার উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: হাটের প্রবেশপথের রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] হাটে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতিদিন ব্যবসা করেন। কিন্তু হাটে যাওয়ার প্রবেশপথের রাস্তাটি কাঁচা এবং বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত হয়ে যায়। ফলে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের যাতায়াতে সমস্যা হয় এবং বিক্রি কমে যায়। এই রাস্তার উন্নয়ন হলে ব্যবসা সচল হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি লাভবান হবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত রাস্তা উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের সমস্যার সমাধান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী [ঠিকানা] [যোগাযোগ] " উদ্যোক্তা ঋণের জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য উদ্যোক্তা ঋণের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি নিজ উদ্যোগে একটি ক্ষুদ্র হস্তশিল্পের ব্যবসা শুরু করেছি। বর্তমানে ব্যবসার পরিধি বাড়াতে ও আরও কর্মসংস্থান তৈরি করতে কিছু মূলধনের প্রয়োজন। সরকারি উদ্যোগে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য যে ঋণ বা অর্থায়নের ব্যবস্থা আছে, আমি সেই সুযোগের আওতায় আসতে আগ্রহী। অতএব, আমি আপনার দপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ঋণ বা অর্থনৈতিক সহায়তার আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " স্থানীয় হাটে একটি স্টল বসানোর অনুমতির জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: হাটে ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য একটি দোকানের জায়গা বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমার ইচ্ছা [বাজার/হাটের নাম] হাটে একটি ক্ষুদ্র দোকান (যেমন ফলমূল/পোশাক/জুতা) স্থাপন করার। বর্তমানে আমার নিজস্ব দোকান বা স্থায়ী জায়গা নেই। আপনার সদয় দৃষ্টিতে আমার আবেদন বিবেচনা করে একটি দোকানের জন্য স্টল বরাদ্দ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স পাওয়ার আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রদান প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি [ব্যবসার ধরন যেমন—চায়ের দোকান/হস্তশিল্প/ইলেকট্রিক পণ্য] নিয়ে ব্যবসা করি। ব্যবসা চালাতে এখন একটি বৈধ ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। অতএব, আমি আপনার দপ্তরের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র প্রদান করতেও আমি প্রস্তুত। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" মেয়র বরাবর রাস্তার পাশের ভ্রাম্যমাণ দোকানের অনুমতি চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ দোকান স্থাপনের অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি নিজ উদ্যোগে একটি মোবাইল (ভ্রাম্যমাণ) চা-পানের দোকান চালু করতে চাই। এর মাধ্যমে আমি নিজের জীবিকা চালাতে পারব এবং অন্য কাউকে কাজে লাগানোর সুযোগও সৃষ্টি হবে। এজন্য আমি রাস্তার এক পাশে (বিশেষ এলাকায়) একটি ছোট ট্রলিতে দোকান চালাতে চাই। আমি অনুরোধ করছি, সমাজে বাধা সৃষ্টি না করে যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারি, সেই অনুমতি ও সহানুভূতিশীল সহযোগিতা দিন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" ব্যবসায়ীদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার অনুরোধ। জনাব, আমাদের এলাকার অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছেন যারা সঠিক ব্যবসা পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। তাদের জন্য আপনার দপ্তরের উদ্যোগে একটি ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসার পরিসর ও মান উন্নত হবে এবং বেকারত্ব কমবে। বিনীত, [আপনার নাম] ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক" কর মওকুফের জন্য আবেদন (যদি ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়),"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর ধার্য করা কর/ফি মওকুফের আবেদন। জনাব, সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ/অগ্নিকাণ্ড/বাজার ধসের কারণে আমার ক্ষুদ্র ব্যবসায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অবস্থায় নিয়মিত কর ও লাইসেন্স ফি প্রদান আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমি অনুরোধ করছি, মানবিক বিবেচনায় কিছু সময়ের জন্য কর ও ফি মওকুফ/স্থগিত করার ব্যবস্থা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারি ভর্তুকি সহায়তার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সরকারি ভর্তুকি সহায়তা প্রদানের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। করোনাকালীন সময়ে ব্যবসায়িকভাবে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। বর্তমানে নতুনভাবে ব্যবসা গুছিয়ে তোলার জন্য সরকারি ভর্তুকি বা অনুদান পাওয়া জরুরি। সরকার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ভর্তুকি বা প্রণোদনা ঘোষণা করেছে বলে জানি। আমি যদি এ ধরনের সাহায্য পেতে পারি, তাহলে আমার ব্যবসা আবার সচল করা সম্ভব হবে। অতএব, আমি আপনার কাছে অনুরোধ করছি, আমাকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দিয়ে সরকারি ভর্তুকির আওতাভুক্ত করার ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ক্ষুদ্র ব্যবসা পুনরায় চালু করার জন্য সহযোগিতা প্রার্থনা,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসা পুনরায় চালুর জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], এক সময় [ব্যবসার নাম] নামে একটি দোকান চালাতাম। কিন্তু করোনা এবং বাজারে মন্দার কারণে ব্যবসাটি বন্ধ হয়ে যায়। এখন আবার ব্যবসা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিন্তু মূলধন না থাকায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না। আপনাকে অনুরোধ করছি, সরকারিভাবে কোনো প্রণোদনা বা ঋণ থাকলে সেটার ব্যবস্থা করে দিন। আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, এই সাহায্যের মাধ্যমে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আবার সমাজে অবদান রাখব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নতুন দোকান চালুর অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন দোকান খোলার জন্য অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে [ব্যবসার নাম] নামে একটি দোকান চালু করতে চাই [সুনির্দিষ্ট স্থানের নাম]-এ। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি না পাওয়ায় আমি কাজ শুরু করতে পারছি না। অতএব, আমি আপনার কাছে বিনীতভাবে আবেদন করছি, আমার ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করবেন এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ট্রেড লাইসেন্স বা নথিপত্র ইস্যু করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বাজারে ন্যায্য মূল্যে পণ্যের বিক্রি নিশ্চিত করতে সহায়তা চেয়ে আবেদন,"৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাজারে পণ্যের ন্যায্য দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণে সহায়তার আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বাজারে পাইকারি দামে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে আমার মতো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, অথচ মূল সমস্যা পাইকারি পর্যায়ে। অতএব, বাজার মনিটরিং টিম সক্রিয় করে যেন ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [যোগাযোগ]" অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অনলাইন ব্যবসার জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তার আবেদন। জনাব, বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা পরিচালনা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চাই, কিন্তু সঠিক প্রশিক্ষণ বা প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকায় শুরু করতে পারছি না। অতএব, অনুরোধ করছি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করবেন, যাতে আমরা ই-কমার্সের মাধ্যমে আমাদের পণ্য বিক্রি করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নারীদের জন্য হস্তশিল্প বিক্রির স্টল বরাদ্দের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: হস্তশিল্প পণ্যের স্টল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি একজন ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা। আমি নিজ হাতে তৈরি নকশিকাঁথা, শোপিস, হাতে আঁকা কাপড় ইত্যাদি বিক্রি করি। এই পণ্যের চাহিদা থাকলেও বিক্রির জন্য একটি নির্ধারিত স্থান নেই, তাই নিয়মিত আয়-রোজগার করতে পারছি না। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাকে স্থানীয় হাট/মেলার একটি স্টল বরাদ্দ করে পণ্য বিক্রির সুযোগ দেওয়া হোক। এতে আমি স্বনির্ভর হতে পারব এবং অন্য নারীদেরও উৎসাহ দিতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ব্যবসার জন্য সরকারি প্রশিক্ষণ গ্রহণের অনুমতির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ গ্রহণের অনুমতি ও সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং [ব্যবসার নাম] নিয়ে কাজ করি। বর্তমানে আমি ব্যবসার উন্নয়নের জন্য সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে আগ্রহী। অতএব, আমি আপনার সদয় অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ পত্র প্রার্থনা করছি, যাতে আমি সরকারি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারি এবং ভবিষ্যতে নিজের ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নারী উদ্যোক্তা মেলা আয়োজনে সহায়তার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: নারী উদ্যোক্তাদের জন্য মেলা আয়োজনে আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় অনেক নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আছেন যারা বাড়িতে হস্তশিল্প ও খাবার তৈরি করেন। কিন্তু তারা নিজেদের পণ্য প্রচার বা বিক্রি করার সুযোগ পান না। এজন্য আমি আপনার দপ্তরের মাধ্যমে একটি নারী উদ্যোক্তা মেলা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার আবেদন করছি। এতে নারী ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য একটি ভ্যান গাড়ির অনুদান চেয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ভ্রাম্যমাণ ব্যবসার জন্য একটি ভ্যান প্রদান প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি রাস্তার পাশে ভ্যানে করে ফলমূল/সবজি/চা-পান বিক্রি করি। কিন্তু বর্তমানে নিজস্ব কোনো ভ্যান না থাকায় প্রতিদিন খরচ করে ভাড়া নিতে হয়। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, সরকারি সহায়তা থেকে একটি ভ্যান বরাদ্দ করলে আমি সহজে ব্যবসা চালাতে পারব ও জীবিকা নির্বাহ করতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " বেকার যুবকদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সহায়তার অনুরোধপত্র,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: বেকার যুবকদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সহযোগিতার জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [এলাকার নাম] এলাকার একজন যুব সমাজের প্রতিনিধি। আমাদের এলাকায় অনেক শিক্ষিত যুবক রয়েছেন যারা চাকরি না পেয়ে হতাশাগ্রস্ত। তারা ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করতে চাইলেও মূলধনের অভাবে এগিয়ে যেতে পারছেন না। অতএব, আমি আপনার দপ্তর থেকে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ঋণ, ট্রেনিং ও স্টল বরাদ্দের মতো সহযোগিতা প্রার্থনা করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ঋণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ঋণের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি একটি ক্ষুদ্র মুদি দোকান পরিচালনা করি। বর্তমানে ব্যবসার পরিধি সম্প্রসারণ করতে অতিরিক্ত মূলধনের প্রয়োজন। সরকারি উদ্যোগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ সুবিধা থাকায় আমি সেই সুযোগ নিতে আগ্রহী। অতএব, আপনার সদয় অনুমতি ও সহযোগিতায় ঋণ প্রদানের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ঋণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায় ঋণ প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমার ব্যবসার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা ছাড়া আমি উন্নতি করতে পারছি না। অতএব, সরকারি ঋণ সুবিধা গ্রহণের জন্য আপনার সুপারিশ ও সহায়তা কামনা করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" স্টল বা দোকান বসানোর অনুমতি,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: হাটে দোকান বা স্টল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি হাটে একটি দোকান স্থাপন করে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই। অতএব, অনুগ্রহ করে আমাকে একটি দোকানের স্থান বরাদ্দের অনুমতি প্রদান করুন। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" স্টল বা দোকান বসানোর অনুমতি,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য স্টল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমার ব্যবসা চালানোর জন্য স্থানীয় বাজারে একটি স্থায়ী স্টল প্রয়োজন। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাকে একটি স্টল বরাদ্দ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ব্যবসা পরিচালনার জন্য আমাকে ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। অতএব, আপনার সহায়তায় ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করার জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার আবেদন। জনাব, আমি একটি ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করছি। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" ভ্রাম্যমাণ দোকান/ফুড কার্টের জন্য অনুমতি আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ভ্রাম্যমাণ দোকান পরিচালনার জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি একটি ভ্রাম্যমাণ দোকান চালানোর ইচ্ছা পোষণ করি। অতএব, আমি আবেদন করছি, রাস্তার পাশে ভ্রাম্যমাণ দোকান চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করার জন্য। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" ভ্রাম্যমাণ দোকান/ফুড কার্টের জন্য অনুমতি আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার পাশে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা করার অনুমতি প্রার্থনা। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। মোবাইল ভ্যানে করে চা-বিক্রয় করার জন্য আপনার অফিস থেকে অনুমতি প্রয়োজন। অতএব, আমার আবেদন গ্রহণ করে অনুমতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" "মনে করো, তোমার নাম তিতাস। ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও, এ নিয়ে তুমি ও তোমার বন্ধু নিশাতের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো। ","নিশাত: ভালো আছ, তিতাস? তোমার পরীক্ষার ফলাফল কী হলো? তিতাস: বন্ধু, তুমি শুনে খুশি হবে। এবারও আমি প্রথম হয়েছি। নিশাত: খুব ভালো, তা ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও? তিতাস: ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো শিক্ষক হতে চাই। নিশাত: ভালো কথা, কিন্তু অন্য পেশা থাকতে তুমি কেন শিক্ষক হতে চাও? তিতাস: আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষিত জাতি গড়তে দরকার একজন আদর্শ শিক্ষক যিনি দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর। একটি শিক্ষিত জাতি দেশ ও জাতির উন্নতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমার শিক্ষকতা পেশা ভালো লাগে। নিশাত: তোমার পছন্দকে আমি সমর্থন করি। তবে মনে রেখো, এ পেশায় কিন্তু অনেক ধৈর্য ও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তিতাস: হ্যাঁ বন্ধু, আমি জানি। তোমার দোয়া ও সবার সহযোগিতা পেলে আমি আমার চেষ্টা এবং সাধনা দিয়ে জয়ী হতে পারব।" "মনে করো, তোমার নাম পাভেল। তোমার দাদা একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তুমি ও তোমার দাদার মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো। ","পাভেল: আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন দাদাজান? দাদা: ওয়ালাইকুমুসসালাম। খুব ভালো আছি, দাদুভাই। তুমি কেমন আছ? পাভেল: বেশ ভালো। দাদাজান, আপনার কাছ থেকে আজ আমি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে চাই। দাদা: খুব ভালো। অবশ্যই তোমাকে বলব। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ঠিক ইতিহাস তোমাদের জানতে হবে। পাভেল: জি দাদাজান, বলুন। আমি মন দিয়ে শুনছি। দাদা: ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবে ভর্তি হয়েছি। পাভেল: দাদাজান, কেন মুক্তিযুদ্ধ হয়? দাদা: খুব ভালো প্রশ্ন করেছ। আমরা আজ যে স্বাধীন দেশে বাস করছি, আমাদের এই দেশ অর্থাৎ পূর্ব বাংলার পশ্চিম পাকিস্তানিরা শাসন করত। কিন্তু তারা শাসনের নামে শোষণ করত। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকভাবে তারা আমাদের দুর্বল করে রাখত। শুধু তা-ই নয়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তারা নিরীহ বাঙালির ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হত্যা করে। তাদের এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এবং বাঙালির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাঙালিরা স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশকে স্বাধীন বা মুক্ত করতে আমিও ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করি। পাভেল: দাদাজান, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ অনেক বেদনার, না? দাদা: তা তো বটেই। কারণ দেশ স্বাধীন করতে দেশপ্রেমিকরা অকাতরে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। হাজার হাজার মা হারিয়েছেন  বুকের ধন, অসহায় মানুষ দেশ ছেড়েছে। মা-বোনেরা হারিয়েছেন তাদের সম্ভ্রম, মৃতের গলিত লাশে এ দেশ শ্মশানভূমি হয়েছিল। এই দেখো, এসব কথা বলতে গিয়ে আমার গা শিউরে উঠছে। পাভেল: দাদাজান, থাক আর বলতে হবে না। দাদা: সত্যি সে সময় পাক বাহিনীর যাবতীয় কর্মকাণ্ড ছিল ঘৃণ্য ও জঘন্য। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের অন্যায়ের সমুচিত জবাব দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি।  পাভেল: আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগল দাদা ভাই। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। দাদা: বড় হও দাদু। আরও অনেক কিছু জানতে পারবে।" সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো।,"জুয়েল: শুভ সকাল, নাদিম। কলেজে কখন এলে? নাদিম: শুভ সকাল তোমাকেও। এই তো কিছুক্ষণ আগে এলাম। জুয়েল: কী ব্যাপার, তোমাকে খুব খুশি খুশি লাগছে। কারণটা জানতে পারি? নাদিম: হ্যাঁ, আজ আমি অনেক খুশি। গত রাতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস পড়লাম। বইটি আমার অনেক ভালো লেগেছে। জুয়েল: রবীন্দ্রনাথের তো বিখ্যাত অনেক উপন্যাস রয়েছে। তার মধ্যে তুমি কোনটি পড়েছ? নাদিম: ‘চোখের বালি’ উপন্যাসটি। এটি একটি রোমান্টিক উপন্যাস। জুয়েল: হ্যাঁ, আমিও পড়েছি। উপন্যাসের নায়িকা ‘বিনোদিনী’ বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই বিধবা হয়ে যায়। ঔপন্যাসিক ‘বিনোদিনী’ চরিত্রটি মনের মাধুরি মিশিয়ে উপস্থাপন করেছেন। " বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো,"তন্ময়: শুভ সকাল, পিয়াল। কখন এসেছ? পিয়াল: শুভ সকাল তোমাকেও। আজ ভোর ৫টায় এসেছি। তা, তুমি কেমন কাটালে নববর্ষের দিন। তন্ময়: খুব ভালো কেটেছে। বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিল। তাদের সঙ্গে বেশ মজারই সময় কেটেছে। তা তুমি ঢাকায় কেমন নববর্ষ উদযাপন করলে? পিয়াল: আমারও বেশ আনন্দে কেটেছে। ভোর ৬টায় ছোট খালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে পান্তা ইলিশ খেলাম। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে আমি, খালা, খালু, খালাতো বোন রাইসা বেরিয়ে পড়লাম রমনা বটমূলের উদ্দেশে। তন্ময়: কয়টায়  সেখানে পৌঁছালে? তারপর কোথায় গেলে? পিয়াল: রাস্তায় যানজট না থাকায় সকাল সোয়া ৮টায় সেখানে পৌঁছালাম। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনকেন্দ্রে গেলাম। সেখানে থেকে পৌঁছালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তন্ময়: এখান থেকেই তো মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তাই না? পিয়াল: হ্যাঁ, আমরা সকাল ১০টায় বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিই। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দিক নানা প্রতীকে উঠে এসেছিল। আমি খালুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন। তন্ময়: আর কোথাও যাওনি? পিয়াল: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত বাউলসংগীত শুনলাম। তারপর কিছুক্ষণ বেড়িয়ে মাটির হাঁড়ি, পুতুলসহ দেশীয় ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু পণ্য কিনলাম এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরলাম। তন্ময়: আমি তোমার মতো অত কিছু দেখতে পাইনি, তবে দাদুর মুখে নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস জানতে পেরেছি। যেমন- সম্রাট আকবরের নববর্ষের নামকরণ, পালন করা, তারপর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস সম্পর্কেও জানতে পারি। তারপর এ দিনটির সঙ্গে বাঙালি জাতির সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা লাভ করি। পিয়াল: সত্যিই অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় চৈতন্যের ধারক। তাই মহাসমারোহে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদিন পালন করুক, এটাই প্রত্যাশা রাখি। তন্ময়: পিয়াল আজ তবে চলি। এই নিয়ে পরে আরও কথা হবে। আমরা ইতিহাস পড়ে আরও জানতে পারব। ভালো থাকো। পিয়াল: তুমিও ভালো থাকো। ধন্যবাদ। " খেলাধুলা জীবনের একটি অংশ। এ নিয়ে রাকিব ও তুহিন দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"রাকিব: শুভ অপরাহ্ন। কোথায় যাচ্ছ তুহিন? তুহিন: খেলাধুলা করতে স্কুল মাঠে। রাকিব: সে কী! পরশু দিন অঙ্ক পরীক্ষা অথচ এখন খেলতে যাচ্ছ। তুহিন: কেন? খেলাধুলা তো জীবনেরই একটা অংশ। আর খেলাধুলা করলে পড়াশোনার কোনো ক্ষতি হয় না। রাকিব: কিন্তু মা তো আমাকে একদিনও খেলতে যেতে দেন না। তুহিন: খেলাধুলা করলে শরীরচর্চা হয়। আমরা সুস্থ থাকি। মনও সজীব হয়। আর সুস্থ দেহে সুস্থ মনে লেখাপড়াও ভালো হয়। তাই খেলাধুলার বিকল্প নেই। রাকিব: তুমি ঠিক বলেছ। আমি মাকে এ কথাগুলো বুঝিয়ে বলব। কাল থেকে আমিও তোমার সঙ্গে খেলতে যাব। তুহিন: খুব ভালো কথা। আমি আজ চলি। রাকিব: খেলাধুলার গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। ভালো থেকো। তুহিন: তুমিও ভালো থেকো। বিদায়।" মনে করো তোমার নাম নাহিয়ান। তোমার বন্ধুর নাম সাজ্জাদ। গ্রিনহাউস গ্যাস প্রতিক্রিয়া বর্তমানে একটি গুরুতর সমস্যা। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"নাহিয়ান: শুভ সন্ধ্যা। কেমন আছ সাজ্জাদ? সাজ্জাদ: তোমাকেও শুভ সন্ধ্যা। আমি ভালো আছি। তুমি কেমন আছ? নাহিয়ান: আমিও ভালো আছি। তবে আমি একটি বিষয় নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। আর তা হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রতিক্রিয়া। তুমি কী এ নিয়ে কিছু ভেবেছ? সাজ্জাদ: অবশ্যই। ইদানীং এটি একটি বৈশ্বিক আতঙ্কের বিষয়। এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মরুকরণ, নিম্নভূমিতে প্লাবন, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, সামুদ্রিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি বৃদ্ধি পায়। নাহিয়ান: বাংলাদেশেও তো এর প্রভাব মারাত্মক। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে বাংলাদেশের উচ্চতা কম থাকার কারণে এটির প্রভাব আরও ভয়াবহ। সাজ্জাদ: ঠিক বলেছ। আমরা খুব ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছি। তবে এর জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। কারণ আমরা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করছি। ওজোনস্তরের জন্য ক্ষতিকারক গ্যাস ব্যবহার করছি। শিল্প-কারখানার বর্জ্য পদার্থ, কালো ধোঁয়া ক্রমান্বয়ে আমাদের পরিবেশকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। নাহিয়ান: হ্যাঁ, তাই এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। সর্বোপরি জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে। " "সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুবন্ধুর কথােপকথন রচনা কর। ","লিসা : দীর্ঘ একটা বন্ধ পেলাম । ভাবতেই মনটা ফুরফুরে লাগছে ।  লিটন : কিন্তু গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানাের তাে কোনাে সুযােগ নেই। পাঠ্যবইয়ের বাইরে তাে যাওয়া যাচ্ছে না। পড়াশুনার যা চাপ।  লিসা : পাঠ্যবইয়ের পড়া হজম করার জন্য মাঝে মাঝে পাঠ্যবই বহির্ভূত পুস্তকও পাঠ করা প্রয়ােজন। জানিস তাে?  লিটন : কেন, তুই আবার নতুন কোনাে বই পড়লি নাকি?  লিসা : হ্যাঁ, অসাধারণ একটি বই পড়েছি । লাল নীল দীপাবলি ।  লিটন : হুমম, হুমায়ুন আজাদ স্যারের লেখা বই। আমার পড়া হয়নি। অসাধারণ কেন?  লিসা : এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। অসাধারণ এর ভাষা। মানুষ মানুষকে ভালােবাসতে পারে এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ তার মাতৃভাষাকে এত গভীরভাবে ভালােবাসতে পারে! মাতৃভাষায় রচিত সাহিত্যকে ভালােবাসতে পারে প্রিয়জনের মতাে! আমি মুগ্ধ হয়েছি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি দেখে । অবাক ব্যাপার কি জানিস? তিনি তাঁর ভালােবাসা আমাদের মধ্যে সঞ্চারিত করেছেন। এটা তার বিরাট কৃতিত্ব। অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন লিটন : আমি তাে ইতিহাসকে ভয় পাই । আমার কি ভালাে লাগবে?  লিসা : অবশ্যই। বইটির ভাষাই তােকে আকৃষ্ট করবে। তুই স্বেচ্ছায় আগ্রহ নিয়ে বইটি পড়বি বলে আমার বিশ্বাস।  লিটন : তাের বইটা কি আমাকে দিতে পারিস?  লিসা : অবশ্যই। লিটন : তােকে ধন্যবাদ এমন ভালাে একটি বইয়ের খোজ দেওয়ার জন্য।  লিসা : তােকেও ধন্যবাদ। " "বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","আরমান : এসাে মনির, ভেতরে এসাে। কেমন আছ?  মনির : ভালাে। তুমি কেমন আছ?  আরমান : আমিও ভালাে। তবে দেখতেই পাচ্ছ, বিদ্যুৎবিহীন ঘরে মােমবাতি জ্বেলে বসে আছি।  মনির : হ্যা, তা তাে দেখতেই পাচ্ছি। আমাদের এলাকাতেও এখন বিদ্যুৎ নেই। ভাবলাম, তােমার বাসায় বিদ্যুৎ থাকতে পারে তাই এদিকে চলে এলাম।  আরমান : দুর্ভাগ্য দুজনেরই। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। লেখাপড়া শিকেয় উঠতে চলেছে।  মনির : আর বলাে না। পরীক্ষার্থীদের এখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।  আরমান : পরীক্ষার্থী হিসেবে আমার একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শুনবে?  মনির : হ্যা, বলল, শুনি। আরমান : গত মাসে আমাদের কলেজে নির্বাচনী পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে পরীক্ষা দিচ্ছিলাম। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল অঝাের ধারায়। হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেল। আমরা হতভম্ব হয়ে গেলাম।  মনির : তারপর?  আরমান : তারপর আর কী? ‘হল’ ঘর অন্ধকার হয়ে গেল। বন্ধ হয়ে গেল লেখা।  মনির : কোনাে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয় নি?  আরমান : বিকল্প ব্যবস্থা বলতে কর্তৃপক্ষ মােমবাতি সংগ্রহ করে জ্বালিয়ে দেয়। দইয়ের স্বাদ কি ঘােলে মেটে! পরীক্ষার ফল ভালাে হয়নি।  মমির : আসলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট জীবনের সকল কাজকেই বিপর্যস্ত করে।  আরমান : বিশেষ করে হাসপাতালে রােগীদের দুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে।  মনির : আমাদের মতাে দরিদ্র দেশে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিকার করা কঠিন।  আরমান : সরকারের উচিত নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে এবং অবৈধ সংযােগ বিচ্ছিন্ন করে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা।  মনির : আমিও মনে করি, এ ব্যাপারে সরকারের আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু। তােমাকে ধন্যবাদ। মনির : তােমাকেও ধন্যবাদ। " "গ্রীষ্মের ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","সুজন : আমাদের আকাঙ্ক্ষিত গ্রীষ্মের ছুটি অবশেষে পাওয়া গেল । ছুটিতে কোথায় বেড়াতে যাবে ঠিক করেছ?  সুমন : আমি কক্সবাজারে যাব ঠিক করেছি । তুমি কোথায় যাবে? সুজন : আমি আমার গ্রামের বাড়ি যাব ঠিক করেছি । বাবা-মাও যাবেন । সুমন : গ্রামের বাড়ি! গ্রামে তো এ সময় অনেক গরম থাকবে । তাই না? সুজন : অনেক গরম তা ঠিক । তবে এটিতো বাংলার প্রকৃতির রূপ । এটাকে আমি পছন্দ করি । প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে ছেলে-বুড়ো যখন বাড়ির পশ্চিম পাশে বাঁশের মাচায় বসে থাকে এবং খোলা মাঠের হাওয়া শরীরে লাগে তখন শরীর ও মন প্রশান্তিতে ভরে যায় । সকালে-বিকালে নদীর পারে ঘুরতে গেলে নদীর ঠান্ডা বাতাস শরীর জুড়িয়ে দেয় । নদীর দুপাড়ের মনোরম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায় । সুমন : তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে গ্রামের প্রকৃতি সত্যিই খুব আকর্ষণীয় । সুজন : হ্যাঁ বন্ধু, তুমি গ্রামে না গেলে প্রকৃতিকে এত কাছ থেকে দেখতে পাবে না । সুমন : আমি কখনো গ্রামে যাইনি । অবসরে শুধু দেশের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে যাই । সুজন : বন্ধু, আমার দেশের প্রতিটি গ্রামই দর্শনীয় ও উপভোগ্য । গ্রীষ্মের দুপুরে নিস্তব্ধ পুকুর পাড়ে বসে থাকার যে কী মজা! গাছ থেকে পাকা আম পেরে খাওয়া, কাঁচা আমের ভর্তা খাওয়া, পাকা জাম ঝেঁকে খাওয়া, আনারস, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে মেখে খাওয়ার যে কী মজা! সুমন : তোমার কথা শুনে কিন্তু আমার লোভ হচ্ছে । সুজন : লোভ দেখানোর জন্যই তো বলছি । চলো না বন্ধু এক সাথে গ্রামের বাড়ি যাই । সুমন : মা রাজি হবেন কি না জানি না! সুজন : খালাম্মাকে রাজি করানোর দায়িত্ব আমার । চলো তার কাছে যাই ।  সুমন : চলো যাই । " "উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে দুই পরীক্ষার্থী বন্ধুর সংলাপ। ","মিঠু : মিলা, তুমি তো দেখছি সারাক্ষণই পড়ছ, এত পড়ে লাভ কী বলো তো? মিলা : বলছ কি মিঠু। সামনে পরীক্ষা; না পড়লে চলবে কেন? আমি তো বলি, তোমার আরো পড়াশোনা করা উচিত। মিঠু : আমি যে তা ভাবি না, তা নয়, তবে কি জান বিশেষ উৎসাহ পাই না। বাবা মায়ের ইচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি। আমার কিন্তু একটুও ইচ্ছে হয় না ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার। মিলা : আসলে কী জান, আমাদের নিজেদের ইচ্ছেমতো আমরা ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি না। আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে অভিভাবকদের ইচ্ছেয়। একটু মেধাবী হলে তো কথাই নেই, হয় ডাক্তারি পড়, নয়তো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়। যেন এছাড়া আর কিছু পড়ার নেই, করার নেই। আসলে আমাদের অভিভাবক খোঁজেন নিশ্চিত টাকা রোজগারের একটা পেশা। মিঠু : তুমি ঠিক বলেছ মিলা। সেই সঙ্গে বেশির ভাগ ছেলেমেয়ের জীবনে কী নিদারুণ আশাভঙ্গের ইতিহাস জড়িয়ে থাকে ভেবে দেখেছ। উচ্চ-মাধ্যমিক পাশের পর কতজন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তির সূযোগ পায় বলো তো। ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবার আশা নিয়ে যারা ভর্তির সুযোগ পেল না তাদের কথা ভেবে দেখেছ কি?  মিলা : লেখাপড়ার সঙ্গে জীবিকার প্রশ্ন চিরকালই জড়িয়ে থাকবে; কিন্তু সেই সঙ্গে কার কোনদিকে প্রবণতা সেটাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন । মিঠু : নিশ্চয়। ধর কসাইয়ের মতো স্বভাবের একটা লোক ডাক্তার হয়ে গেল; কিংবা একজন কবি হলো ইঞ্জিনিয়ার। আচ্ছা মিলা, তুমি ভবিষ্যৎ জীবনের কথা কিছু ভেবেছ? মিলা : এসএসসি পাশের পরেই আমি আমার জীবনের একটা লক্ষ্য স্থির করেছি। তুমি তো জান আমার মাধ্যমিকের ফল ভালোই হয়েছে। ইচ্ছে করলে বিজ্ঞান পড়তে পারতাম। কিন্তু আমি মানবিক বিভাগই বেছে নিয়েছি। আমার ইচ্ছে ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো সাংবাদিক হব। সেটা আমার পেশাও হবে, আর হবে আমার সামাজিক দায়িত্ব পালনের নেশা। মিঠু : বাড়ি থেকে কোনো বাধা পাওনি। মিলা : আমার বাড়ির সবাই আমার ইচ্ছাকে মেনে নিয়েছেন। মা যেহেতু শিক্ষিকা, তাঁর ইচ্ছে ছিল শিক্ষাজীবী হই। মাকে বোঝালাম সাংবাদিকতাও তো কলম-পেশাই। মা সহাস্যে মেনে নিলেন। আচ্ছা মিঠু, তুমি ভবিষ্যৎ জীবন কেমন করে গড়ে তুলতে চাও? মিঠু : আমি একজন অর্থনীতিবিদ হতে চাই। সত্যি মিলা, মাঝে মাঝে মনে হয়, এদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে কোনো গোলমাল আছে। নইলে এত দারিদ্র্য, এত অপচয়, এত বৈষম্য কেন? এসব সমস্যার কি কোনো সমাধান নেই? অন্তর থেকে আমি একজন অর্থনীতির ছাত্র হতে চাই। মিলা : তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা খুব ভালো মিঠু। আর একজন ভালো অর্থনীতিবিদ হতে হলে যে বেশি করে পড়াশোনা করা দরকার সেটা নিশ্চয় জানো। নতুন উদ্যমে এবার পড়া শুরু করে দাও। মিঠু : তোমার সঙ্গে কথা বলে আমার উৎসাহ আরো বেড়ে গেল, মিলা। আমিও তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। " "নিরাপদ সড়ক চাই বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর। অথবা, সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে সচেতনতা এই শিরোনামে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। অথবা, সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","সাকিব: গতদিন কলেজে আসনি কেনো লিমন ? লিমন: সড়কে মৃত্যুর মিছিল! সাকিব: তার মানে! লিমন: বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়ে- বাসে ওঠতে যাব এমন সময় পেছন থেকে একটা বাস এসে ধাক্কা দিল আমাদের বাসটাকে; যেন ব্রেক ফেল করেছে— নিয়ন্ত্রণহীন গতি। তক্ষুনি আমরা চার-পাঁচ বন্ধু ছিটকে পড়ে কমবেশি আহত হয়েছি—মৃত্যু যেন আমাদের বাঁচিয়ে দিল। সাকিব: বলিস কী! আমাকে জানালেনা কেনো ? লিমন: সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কী আর বলব! সড়কে মৃত্যুর মিছিলে নিহতদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে সমগ্র দেশ যখন প্রতিবাদ মুখর, তখনও গাড়ি চালকদের অসচেতন অবৈধ আচরণ; এ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই, সচেতনতা নেই। সাকিব: হ্যাঁ, তাইতো মনে হচ্ছে। মাত্র কদিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে ‘নিরাপদ সড়ক চাই' সংগঠন তার প্রতিবেদনে জানাল—সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা ২৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬ সালে সারা দেশে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল ৪ হাজার ১৪৪ জন। ২০১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৪৫ জন। লিমন: সাকিব, প্রকৃত পরিসংখ্যান কিন্তু তার চেয়েও অনেক বেশি বলে আমি মনে করি। দৈনিক প্রথম আলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য হলো— ২০১৮ সালে ৫৫১৪ সড়ক দুর্ঘটনায় ৭২২১ জন নিহত। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় পরিবহন খাতে জবাবদিহি নিশ্চিত না করতে পারায় সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাচ্ছেনা। সাকিব: লিমন, তুমি কি 'বাংলাদেশ হেলথ ইনজুরি সার্ভে-২০১৬' প্রতিবেদন পড়েছ। প্রকল্পের পরিচালক বলেন 'প্রতি বছর বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ হাজার ১৬৬ জন নিহত হন। তাতে প্রতিদিন নিহতের সংখ্যা ৬৪ জন।' লিমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর বাংলাদেশের জিডিপির ২ শতাংশ ক্ষতি হয়। বাংলাদেশের জিডিপি ১৭ লাখ কোটি টাকা। তার ২ শতাংশের পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকা। তবে এই ক্ষতি বাস্তবে আরো বেশি। সাকিব: একথা সত্য লিমন—সড়কের সব ব্যাধি একদিনে তৈরি হয়নি, রাতারাতি তা নিরাময়ও হবেনা। কিন্তু গণপরিবহনখাতে যে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা চলে আসছে, সেটি দূর করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ন্যূনতম উদ্যোগ না থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। লিমন: তুই ঠিক বলেছিস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কোম্পানিভিত্তিক বাস সার্ভিস চালু এবং চালকদের লাইসেন্স দিতে নজরদারি বাড়ানোর বিকল্প নেই। সাকিব: এ-কথা ঠিক যে চালকরাই পরিবহন সেক্টরে চালিকাশক্তি। শতকরা ৮০ ভাগ দুর্ঘটনা ঘটে চালকের কারণে। বেপরোয়া ও গতিসীমার অধিক ধ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো, ওভারটেক, অবৈধ যানবাহন দায়িত্বজ্ঞান ও পেশাগত জ্ঞানের অভাব, ট্রাফিক নিয়মকানুন মেনে না চলা, যাত্রী ও নিজের নিরাপত্তার প্রতি উদাসীন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া, সচেতনতা ও নিরাপত্তা বোধের অভাব, শিক্ষার অভাব, ভুয়া লাইসেন্সের কারণে চালকদের মধ্যে পেশাদারিত্ব সৃষ্টি হচ্ছেনা। লিমন: আমিও তোর সঙ্গে একমত – যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রথমেই নজর দেওয়া প্রয়োজন গাড়ি চালকদের প্রতি। দক্ষ, সচেতন, দায়িত্ববান ও পেশাদার চালক তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার। সাকিব: সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করার ব্যাপারে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। এছাড়া সড়ক ও মহাসড়কের নির্মাণে ত্রুটি ও দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনাও সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।  লিমন: সাকিব, যাত্রী ও পথচারীদের ব্যক্তি নিরাপত্তা ও বিধি-বিধান প্রতিপালনে সচেতন হতে হবে। নাগরিকদের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা মানার সংস্কৃতি সৃষ্টি করতে হবে। সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, সুধীসমাজের মনতা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যথাযথ আইন প্রয়োগে সহায়তা প্রদান করলে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করা সম্ভব। সাকিব: প্রশাসন, পুলিশ, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ, মালিক, চালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। লিমন: সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। সাকিব, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই। সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হোক, আর যেন কেউ স্বামীহারা বিধবা বা পত্নীহারা, সন্তানহারা, পিতাহারা বা মাতাহারা এতিম কিংবা স্বজনহারা নাহয় এ আমার প্রত্যাশা। সাকিব: নিশ্চয়ই, সড়ক হবে নিরাপদ, শান্তির। জীবনের নিরাপত্তা দান করা বা বিধান করা বা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। নিরাপদ সড়কের জন্য পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সচেতন হওয়া অপরিহার্য। সড়ক পথ কখনো মৃত্যুর পথ হতে পারেনা, আমরা নিরাপদ নির্বিঘ্নে পথ চলতে চাই, নিরাপদ সড়ক চাই। লিমন: ধন্যবাদ সাকিব । সাকিব: তোমাকেও ধন্যবাদ। " "বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর। ","তাসিন : কীরে তুই এখনো রেডি হসনি? আমাদের তো দশটায় যাওয়ার কথা, এখন এগারোটা বেজে গেছে ।  ইনসাদ : তুই তো ঘেমে চুপসে গেছিস । কথা পরে শুনব। এদিকে আস, পাখার নিচে বস । তাসিন : আর বলিস না। রাস্তায় জ্যাম, হেঁটে আসতে হয়েছে । তার ওপর গরম তো আছেই । বাইরে আগুন জ্বলছে, মনে হয় আগুনের তাপ নিতে নিতে হেঁটে এসেছি । ইনসাদ : এ-কারণেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ আর বাইরে বের হব না । তুই লক্ষ করেছিস— গত কয়েক বছর ধরে গরমকালে যেমন অস্বাভাবিক গরম, তেমনি শীতকালেও শীতের তীব্রতা । কোনো ঋতুই ঠিক সময়ে আসছে না । যখন বৃষ্টি হওয়ার প্রয়োজন তখন বৃষ্টি নেই, যখন ঘূর্ণিঝড় হওয়ার কথা নয় তখন ঝড়- বৃষ্টি। আজকাল ভূমিকম্পেরও প্রকোপ দেখা দিয়েছে । তাসিন : প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণ কেন বলতে পারিস? ইনসাদ : তুই বল। তাসিন : তুই যা যা বলেছিস সেগুলোর কারণ হলো— বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন। দেখছিস না অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, সাইক্লোন, বন্যা, সুনামি, ভূমিকম্প- প্রায় সারা বছরই কোনো-না-কোনো দুর্যোগ লেগেই থাকে। ইনসাদ : কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী কে বা কী বলতে পারিস? তাসিন : হ্যাঁ, বিভিন্ন কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন হতে পারে। যেমন— বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পোন্নত দেশগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসারণ, গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া, নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস প্রভৃতি কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। ইনসাদ : এভাবে চলতে থাকলে তো পৃথিবী একসময় প্রাগৈতিহাসিক কালের মতো ধ্বংস হয়ে যাবে। বিপন্ন হবে সকল সৃষ্টিকুল। তাসিন : একদম ঠিক বলেছিস। পরিবেশ মানব সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মানুষের রচিত পরিবেশ তারই সভ্যতার বিবর্তন ফসল। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিজ্ঞানের বিজয় গৌরবে মোহান্ধ মানুষ পৃথিবীর পরিবেশকে বিষাক্ত করছে। ছড়িয়ে দিয়েছে ক্ষতিকর সব আবর্জনা ও বিষাক্ত গ্যাস। তার ফল হয়েছে  বিষময়। দূষিত পরিবেশ প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। তাই গোটা জীবজগতের অস্তিত্বই আজ বিপন্ন। ইনসাদ : আমি এখন বুঝতে পেরেছি। প্রতিনিয়ত পৃথিবীর তাপমাত্রা অধিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ুর  স্বাভাবিক চরিত্রে পরিবর্তন ঘটছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত বিষয়টি ‘বিশ্ব বা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন' অভিধায় ভূষিত । তাসিন : জলবায়ু পরিবর্তন তথা বিশ্ব উষ্ণায়নের একটি সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। উপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উত্তাপ বৃদ্ধি পাবে এবং পানি সম্প্রসারিত হয়ে সমুদ্রের আয়তন ও পরিধিকে বাড়িয়ে তুলবে। উষ্ণায়নের ফলে পর্বতচূড়ায় জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রের পানির পরিমাণ বাড়াবে। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাবিত এলাকার পরিমাণ যেমন বাড়বে তেমনি পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে বড়ো বড়ো শহর। ইনসাদ : জলবায়ুর পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বন্যা, খরা, নদীপ্রবাহের ক্ষীণতা, পানিতে লবণাক্ততা, সাইক্লোন, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙনসহ নানান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জনবিপর্যয় ঘটবে।  তাসিন : আমি পত্রিকায় পড়েছি— বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই এশিয়াসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এশিয়া মহাদেশের ১৩০ কোটি অধিবাসী হিমালয় পর্বতমালার হিমবাহগুলো থেকে সৃষ্ট পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল। ইনসাদ : বিশ্বব্যাপী যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে অন্যতম স্থানে। কোপেনহেগেন সম্মেলন ২০০১-এ বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মসূচি বাবদ ৭০,০০০ কোটি টাকার সহযোগিতা চেয়ে প্রকল্প বা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। বর্তমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের মোট জনসংখ্যার ৬৫ ভাগ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বা হবে। তাসিন : জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে জটিল সমস্যা যা সকল গরিব দেশকে প্রভাবিত করছে ব্যাপকভাবে। তাই এবিষয়ে এখনই নানা ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। ইনসাদ : একদম ঠিক বলেছিস। মানুষের আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের জন্য পৃথিবী আজ ধ্বংসের মুখে। এখন থেকে মানুষ যদি সচেতন না হয় তবে পতন অনিবার্য। তাসিন : আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হলেও আমাদের সতর্ক হতে হবে। ইনসাদ : হ্যাঁ মানুষই শুধু পারে এ পৃথিবীটাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে। এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আমাদের পৃথিবী আবার সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা হয়ে উঠবে।  তাসিন : আমাদের পৃথিবীকে আমাদেরই বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে " "নিরাপদ সড়ক চাই বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর। অথবা, সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে সচেতনতা এই শিরোনামে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। অথবা, সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যথাযথ আইন প্রয়োগে সহায়তা প্রদান করলে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করা সম্ভব। সাকিব: প্রশাসন, পুলিশ, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ, মালিক, চালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। লিমন: সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। সাকিব, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই। সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হোক, আর যেন কেউ স্বামীহারা বিধবা বা পত্নীহারা, সন্তানহারা, পিতাহারা বা মাতাহারা এতিম কিংবা স্বজনহারা নাহয় এ আমার প্রত্যাশা। সাকিব: নিশ্চয়ই, সড়ক হবে নিরাপদ, শান্তির। জীবনের নিরাপত্তা দান করা বা বিধান করা বা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। নিরাপদ সড়কের জন্য পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সচেতন হওয়া অপরিহার্য। সড়ক পথ কখনো মৃত্যুর পথ হতে পারেনা, আমরা নিরাপদ নির্বিঘ্নে পথ চলতে চাই, নিরাপদ সড়ক চাই। লিমন: ধন্যবাদ সাকিব । সাকিব: তোমাকেও ধন্যবাদ। " "বৃক্ষরোপণ-উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর  ","অনল  : দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনে এত বড়ো একটা বকুল গাছ কেটে ফেলা হল । শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে । কমল  : আর বলিস না ! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না । সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা । মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি । অনল : সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান । নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন— সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ । কমল : কেউ একবার অন্তত এটাও ভেবে দেখবে যে, এতে ক্ষতি আখেরে নিজেদেরই । এই ভয়ানক লোভে তো মানুষের নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে । পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জল স্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য— গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও নির্বিরোধে প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে । সব মিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে । অনল : শুধু তাই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে । ভারত-সহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন । কমল :  আসলে কী বল তো, 'একটি গাছ একটি প্রাণ'— এই বাক্যটিকে নিছক স্লোগান নয়, জীবনযাপনের অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে । না ইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না । " নারী-স্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা কর ,"ললিতা  : মাধ্যমিক পাশ করার পর তুই তো উচ্চমাধ্যমিক পড়বি ? আমার ভাই এই মাধ্যমিকেই পড়াশুনো থমকে যাবে । বিশাখা  : দুঃখ করার কিছু নেই । আমারও তো এখন সেই একই অবস্থা । মা-বাবা এখন থেকেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন । ললিতা  : স্বাধীনতা শব্দের অর্থ শুধুমাত্র আকারেই বেড়েছে । নারীর ক্ষেত্রে তা বেশির ভাগ সময় সে সবের কোনো অর্থই নেই । বিশাখা  : বলতো ! এই পড়াশুনা নিয়ে কতটা এগুতে পারি আমরা । ললিতা  : আমাদের বাবা-মাদের বোঝাতেই হবে । আর তাদের মাথা থেকে সরাতে হবে তাড়াতাড়ি মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা । বিশাখা  : মনে আছে যখন আমরা নবম শ্রেণীতে শারদীয় উৎসবে ""স্ত্রীর পত্র"" অভিনয় করেছিলাম । ললিতা  : মনে নেই আবার, সে সব কথা মনের মধ্যে গেঁথে আছে । সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার হদিস তো ওখানেই পেয়েছিলাম । বিশাখা  : আর্থিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী স্বাধীনতার কোনো অর্থই হয় না । অতএব এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, যেমন করেই হোক পড়াশুনোটা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে  " "শব্দ দূষণের কুফল সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","রিপন ও মিশু স্কুল থেকে ফিরে রাস্তায় হাটছে। রিপন: আরে মিশু, আজকাল রাস্তায় এতো শব্দ কেন?  মিশু: তুই কি বোকা? এখন তো সবজায়গায়ই গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল। এসবের শব্দে তো কান ঝনঝন করে।  রিপন: শুধু গাড়ি-বাসই না, আরও অনেক কিছু। ফ্যাক্টরি, মাইক, স্পিকার, সব মিলিয়ে এক অসহ্য পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে।  মিশু: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। এই শব্দ দুষণের কারণে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।  রিপন: কীভাবে?  মিশু: শব্দ দূষণের কারণে আমাদের কানে ব্যথা হতে পারে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, মনোযোগের অভাবও দেখা দিতে পারে।  রিপন: তাহলে আমাদের কী করতে হবে?  মিশু: আমাদের সকলেরই সচেতন হতে হবে। যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো, উচ্চ শব্দে গান শোনা, এবং মাইকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে।  রিপন: সরকারেরও উচিত কঠোর আইন প্রণয়ন করা এবং শব্দ দুষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া।  মিশু: হ্যাঁ, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে।  রিপন: ঠিক বলেছিস। আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে শব্দ দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।  মিশু: আশা করি আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে একটি সুন্দর ও শব্দমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবো। " "নৈতিকতার গুরুত্ব"" নিয়ে দুই সহপাঠীর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","রিফাত: হ্যালো, শারমিন! কেমন আছো? আজকের ক্লাসটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই না? শারমিন: হ্যাঁ, রিফাত! বিশেষ করে নৈতিকতার গুরুত্ব নিয়ে স্যারের আলোচনা আমার মন ছুঁয়ে গেছে। আসলে আমরা দৈনন্দিন জীবনে নৈতিকতার ভূমিকা কতটুকু পালন করি, সেটা অনেক সময় উপলব্ধি করি না। রিফাত: একদম ঠিক বলেছো। নৈতিকতা মানুষকে সঠিক এবং ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে শেখায়। তুমি কী মনে করো, আমাদের চারপাশে নৈতিকতার অভাবের কারণ কী? শারমিন: আমি মনে করি, সমাজে নৈতিকতার অভাবের মূল কারণগুলোর মধ্যে শিক্ষার অভাব অন্যতম। অনেক সময় আমরা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করলেও নৈতিক শিক্ষা পেতে ব্যর্থ হই। রিফাত: আমি একমত। আরেকটি বিষয় হলো, প্রযুক্তির প্রভাবে অনেক মানুষ এখন স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে। তারা শুধু নিজের সুবিধা খোঁজে, যার ফলে নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে যেতে বসেছে। শারমিন: হ্যাঁ, আমাদের উচিত প্রযুক্তিকে ব্যবহার করা, কিন্তু সেই সাথে নৈতিকতার প্রতি দায়বদ্ধ থাকা। কারণ নৈতিকতা ছাড়া মানুষ কখনোই প্রকৃত সুখ এবং শান্তি খুঁজে পায় না। রিফাত: ঠিক বলেছো। আমি মনে করি, স্কুল এবং পরিবারের উচিত নৈতিকতার চর্চা আরও বেশি করে প্রচার করা, যাতে ছোটবেলা থেকেই আমরা সঠিক পথ অনুসরণ করতে পারি। শারমিন: হ্যাঁ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও যদি নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে আমরা সবাই আরো নৈতিক মানুষ হতে পারবো। নৈতিকতা ছাড়া সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব। রিফাত: একদম! নৈতিকতা ছাড়া সুশৃঙ্খল সমাজ গড়া সম্ভব নয়। আমাদের উচিত নৈতিক শিক্ষা অর্জন করে তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করা। শারমিন: নিশ্চয়ই! ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক, পেশাগত প্রতিটি ক্ষেত্রে নৈতিকতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমেই আমরা প্রকৃত অর্থে একজন ভালো মানুষ হতে পারবো। রিফাত: ঠিক বলেছো। আমরা যদি নৈতিকতার মূলমন্ত্রকে ধরে রাখি, তাহলে অবশ্যই একদিন একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তুলতে পারবো। শারমিন: অবশ্যই। চলো, আমরা নিজেও নৈতিকতার চর্চা করি এবং অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করি! রিফাত: চল, শুরুটা আমাদের থেকেই হোক! " "সাম্প্রদায়িক হানাহানি বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন। ","অমিত – কিরে কাল আমাদের পাড়ার দুর্গাপুজো কেমন লাগল? সুজয় – খুব ভালো, সবথেকে অবাক লাগল কত ভিন্নধর্মের মানুষও পুজো প্যান্ডেলে এসেছিলেন। অমিত – সারা পৃথিবীজুড়ে যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়েছে, তার বিরুদ্ধেই শান্তির বার্তা দিতেই ওরা এসেছিলেন। প্রত্যেকেই সেজন্য সাদা পোশাক পরে এসেছিলেন। সুজয় – বা! দারুণ ব্যাপার তো! এরকম চেষ্টাই তো পৃথিবীতে শান্তি আনবে। দ্যাখ, প্রত্যেক ধর্মই তো আসলে মানবতার কথা বলে। খুব সাধু উদ্যোগ। সত্যি বলতে কী, আমার বেশ গর্ববোধ হচ্ছে এই ভেবে যে, পুজো কমিটির মধ্যে না থাকলেও আমিও এই পাড়ার একজন সদস্য। অমিত – ঠিক বলেছিস। আমাদের পাড়া বলেই কিন্তু এই সংহতি সম্ভব হল। কারণ, সত্যি এমন বহু ঘটনা আজও ধর্মের নামে ঘটে চলেছে যা ভাবলে সত্য মানুষ হিসেবে লজ্জাই হয়।। সুজয় – কিন্তু তারই মধ্যে আমাদের পাড়ার মতো জায়গাও তো রয়েছে, যেখানে এই অকারণ হানাহানির ছবিটা সরিয়ে দিয়ে আমরা একজোট হয়ে দাঁড়াতে পারি। এইটুকু দিয়েই শুরু, এই এক পা, এক পা করেই আমরা ঠিক লক্ষ্যে পৌঁছে যাব। ধর্ম যার যার নিজের, কিন্তু উৎসব তো সবার, তাই না? " "ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ। ","দীপংকর – খেয়াল করেছিস, আমাদের স্কুলের পাশে একটা শপিং মল তৈরি হচ্ছে? জয় – বাবা! সে আবার দেখিনি? লোকজনের ভিড়ের ঠেলায় তো সবাই অস্থির হয়ে যাচ্ছে! দীপংকর – সে তো হবেই। আসল ব্যাপারটা হল, মানুষ এখন বিলাস-আবাসে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। কিছু মানুষের হাতে টাকাও আছে প্রচুর। এ এক অদ্ভুত সময়-তুই একইসঙ্গে খবরের কাগজে কৃষকের আত্মহত্যার খবরও শুনবি, আবার নামিদামি জায়গায় একটু মজা করার সুখ কেনার জন্য তিনগুণ বেশি খরচা করার মতো লোকেরও অভাব দেখতে পাবি না। জয় – হ্যাঁ। এই কারণেই আমাদের সমাজে গরিব-বড়োলোকের তফাৎটা এত বেশি। দীপংকর – এদিকে দ্যাখ, বেকারত্বের হার বাড়ছে, বাড়ছে মানুষের দারিদ্র্য। সমাজে অপরাধও বাড়ছে। জয় – আর একটা কথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি, যতদিন না অর্থনৈতিক অবস্থা পাল্টাচ্ছে, ততদিন এই ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে আমাদের রক্ষা পাওয়ার উপায় নেই। দীপংকর – এ অবস্থা থেকে মুক্তির আশা আদৌ আছে কি না সেটাই তো এখন বিশাল বড়ো প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড়িয়ে। কারণ, স্বাধীনতার পর থেকে এই সামাজিক রীতিটি একই রয়ে গেছে। গরিব আরও গরিব হয়েছে, বড়োলোক হয়েছে আরও বড়োলোক। " "বাংলা ভাষার স্বার্থে নতুন বাংলা বানানবিধির প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের সংলাপ। ","অমল – স্যার, আপনি আমাদের খাতায় ‘বন্দী’ বানানটা কেটে ‘বন্দি’ করে দিয়েছেন। কিন্তু ‘বন্দী’ বানানটায় কী ভুল আছে? শিক্ষক – হ্যাঁ, অমল। এই বানানটা ভুল। একসময়ে অবশ্য তোমার লেখা ওই বানানটাই ঠিক বলে মানা হত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির প্রচলিত বানানবিধি অনুযায়ী, ‘বন্দি’ বানানটাই ঠিক। ‘বন্দী’ বলতে বোঝানো হয় বন্দনাকারীকে। যেমন ধরো ওই কবিতার লাইনটা অমনি বন্দিল বন্দী, করি বীণাধ্বনি। অমল – কিন্তু স্যার, এই বানানবিধিই বা কেন আমাদের মেনে চলতে হবে? শিক্ষক – এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আসলে, প্রতিটি ভাষার ক্ষেত্রেই একটা উপভাষাকে মান্য ভাষা বলে মেনে চলতে হয়। নইলে বিশৃঙ্খলা হবে, যে যার ইচ্ছামতো ভাষার প্রয়োগ করবে। ফলে নিজেদের মধ্যে কথা বলার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা না হলেও বৃহত্তর ক্ষেত্রে তা হতে পারে। সাহিত্য, প্রতিবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভাষার একটি নমুনাকে যদি সকলের সামনে তুলে ধরতে হয়, তখন তো একটা সর্বজনগ্রাহ্য চেহারা প্রয়োজন। নইলে প্রত্যেকে যে যার নিজের মতো করে আলাদা আলাদা রকমে তার মানে বুঝবে অথবা বুঝবে না। বানানের ক্ষেত্রেও তাই একইরকমভাবে একটা সমতা রাখা প্রয়োজন। তাই এই বানানবিধি গড়ে তোলা হয়েছে। অমল – হ্যাঁ, একটি বানানবিধি যে বানান ব্যবহারে সমতা আনে, তা সত্যি। তা ছাড়া, বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে একটি আদর্শ চেহারা দিতে হলে এই বানানবিধি খুবই জরুরি, তা আমিও স্বীকার করছি। " "সাহিত্যপাঠের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","সুরেশ – কী এত পড়িস বল তো? যখনই তোর বাড়িতে আসি, কিছু না কিছু পড়তেই থাকিস। স্কুলের বইও তো সেগুলো নয়, তাহলে? বিজয় – আচ্ছা, তোর কি মনে হয়, পাঠ্যবই ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো কিছুই পড়ার নেই? সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন সুরেশ – না, ঠিক তা বলিনি। তবে স্কুলের পড়াতে সাহায্য করে, এমন কিছু পড়লেই তো পারিস। বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী পড়ে তোর কী হবে? এ তো পরীক্ষাতেও আসবে না। বিজয় – এ বিষয়ে তোর সঙ্গে আমার মতের মিল না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবু বলি, পড়াশোনার জন্য নির্দিষ্ট বইপত্রও তো মাঝে মাঝে ক্লান্তি আনতে পারে, কিন্তু নিজের পছন্দের বই পড়লে এক অনাবিল আনন্দ পাওয়া যায়। সুরেশ – কিন্তু এ তো নেহাতই বিনোদন! এ থেকে তো তোকে জীবনে কেউ কোনোদিন কোনো প্রশ্ন করবে না! বিজয় – সেটাই তো মজা! অবসর পেলেই গল্পের বই পড়া আসলে এক মানসিক তৃপ্তি এনে দেয়। কারণ, এই ধরনের পড়ার পিছনে কোনো চাপ কাজ করে না! সেই পড়া থেকে কেউ প্রশ্ন করবেন না, কোনো উত্তর বলতে বা লিখতে হবে না, তাই ভুল হওয়ার অথবা নম্বর না পাওয়ার কোনো ব্যাপারই নেই। সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন সুরেশ – কিন্তু এতে তোর আসল লাভের লাভ কিছু হচ্ছে কি? বিজয় – এই লাভের ধারণাটা এক-একজনের কাছে এক-একরকম। আমার ধারণা, এই সিলেবাসের বাইরে পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠার মাধ্যমে ধৈর্য আর সাহিত্যবোধ দুটোই গড়ে ওঠে। এমনকি মৌলিক গল্পরচনার প্রতিভার প্রকাশও ঘটতে পারে। বানান, বাক্যগঠন ইত্যাদি দেখতে দেখতে সামগ্রিকভাবে ভাষার ওপরে দখল তৈরি হয়ে যায় অজান্তেই। তাই না? সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন সুরেশ – হ্যাঁ, সেটা অবশ্য তুই ঠিকই বলেছিস। আর প্রচুর অজানা তথ্য যে জানা যায়, সেটাও ঠিক। সাহিত্য পড়ার যে এতরকম উপযোগিতা থাকতে পারে, তুই না বললে আমার কাছে তা স্পষ্ট হত না। " "সমাজগঠনে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা প্রসঙ্গে দুই শিক্ষকের মধ্যে কথোপকথন। ","প্রথম শিক্ষক – শুনেছেন, আমাদের স্কুলের চার ছাত্র মিলে পথশিশুদের সাক্ষরতা প্রকল্পে একটি ছোট্ট স্কুল তৈরি করেছে? দ্বিতীয় শিক্ষক – শুনেছি তো বটেই, গতকাল নিজের চোখে দেখতেও গিয়েছিলাম। সন্ধ্যাবেলায় যখন জানবাজারের লোহাপট্টির দোকানগুলো বন্ধ হয়ে যায়, তখন সেই বন্ধ দোকানের ফাঁকা চাতালে বসে ওদের ক্লাস। আমাদেরই ছাত্র, এত ভালো কাজ করছে, দেখলেও ভালো লাগে! প্রথম শিক্ষক – সত্যি! ওরাই তো আমাদের ভবিষ্যৎ! দেশের উন্নয়নের কাজও শুরু করতে হবে ওদেরকেই। শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে নয়, কৃষি, বাসস্থান, কর্মসংস্থান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার প্রয়োগ, ভূমিবন্টন, স্বাস্থ্য, প্রাকৃতিক সম্পদ, মানবিক অধিকারের ব্যবস্থা, সমবায় নীতি, সংস্কৃতি, খেলা, চিকিৎসা, সামাজিক স্বাস্থ্য, রাজনৈতিক সংস্কারসাধন-সব তো ওদেরই হাতে। দ্বিতীয় শিক্ষক – আরে দাঁড়ান, দাঁড়ান! আপনি তো বিশাল লম্বা ফর্দ ধরিয়ে দিলেন। কিন্তু ওরা তো একেবারেই শিক্ষানবিশ। তাই ওরা শুধু গোড়াপত্তনটুকুই করবে। কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা, গাছ কাটা, পশুপাখি হত্যা করা, পুকুর বোজানো ইত্যাদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা যেমন জনসাধারণকে বোঝাতে পারে, তেমনই উপযুক্ত শিক্ষাগ্রহণ করে দেশের বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা ইত্যাদি কাজেও আত্মনিয়োগ করতে পারে। তবে এ বিষয়ে তাদের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রাথমিক সাহায্যটুকু করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। প্রথম শিক্ষক – সে তো বটেই! ওদেরকে শিক্ষিত করে তোলার মাধ্যমেই তো বাকিদের শিক্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে এগোনো সম্ভব! দ্বিতীয় শিক্ষক – হ্যাঁ! আর এ কথা মানতেই হবে, যে, দেশের ছাত্রসমাজ দেশ সম্পর্কে যত সচেতন, সেই দেশের উন্নতিও সেই পরিমাণে হয়ে থাকে। দ্যাখো, আমরা ভাগ্যবান ও যে এই ছাত্রদের গড়ে তোলায় আমাদেরও একটা ভূমিকা আছে। " প্রতিযোগিতার ভালোমন্দ নিয়ে দুই ব্যক্তির মধ্যে সংলাপ।,"প্রথম ব্যক্তি – কাল শুনলাম আমাদের পাড়ার একটি ছেলে মাধ্যমিকে খুব ভালো ফল না করতে পেরে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল। তুমি কিছু শুনেছ? দ্বিতীয় ব্যক্তি – হ্যাঁ, কথাটা সত্যি। এত খারাপ লাগছে ঘটনাটা শুনে! এই বাচ্চাগুলোর কথা ভেবে সিত্যই কষ্ট হয়! ছোট্ট থেকেই ওদের মাথায় একেবারে গেঁথে দেওয়া হয়েছে যে, সবাইকে টপকে প্রথম হতে হবে। এই প্রচণ্ড মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। যার ফলেই ঘটছে এইসব ঘটনা। প্রথম ব্যক্তি – কিন্তু দেখুন প্রতিযোগিতা বিষয়টা তো সবক্ষেত্রেই খারাপ এমন নয়। তাকে ভুল ক্ষেত্রে এবং ভুল উপায়ে চাপিয়ে দেওয়ার ফলেই সমস্যা বাধে। ভেবে দ্যাখো, ডারউইনের ‘যোগ্যতমের উদবর্তন তত্ত্ব’-এর কথা। প্রতিযোগিতা যখন বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় অঙ্গ তখন তা বাধ্যতামূলক। কারণ, প্রতিযোগিতাই ব্যক্তির ভিতরের প্রতিভাকে বের করে আনে। মানুষকে সচেতন এবং দায়িত্বশীল করে তোলে। দ্বিতীয় ব্যক্তি – হ্যাঁ, কিন্তু বর্তমান সমাজব্যবস্থায় এই চরম প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে গিয়ে মানুষ ভয়ংকর চাপের মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই জেতার জন্য তাড়না ও চাপ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। তখন ব্যর্থতার হতাশা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার অজস্র নজিরও দেখা যায়। প্রথম ব্যক্তি – আসলে আধুনিক ভোগবাদী সমাজে মানুষের এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা, সাধ আর সাধ্যের মধ্যে বিশাল ফারাক তৈরি করে দেয়। তীব্র হতাশা নিয়ে আসে সামাজিক মর্যাদারক্ষার এই প্রতিযোগিতা, তার ফলে এই সব দুর্ঘটনা ঘটে যায়। দ্বিতীয় ব্যক্তি – প্রতিযোগিতার প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে না পেরে এরকম ঘটনা হয়তো আরও ঘটবে, কিন্তু আমাদের কিছুই করার থাকবে না। " "ডেঙ্গুর বাহক মশার বিনাশের উপায় সম্বন্ধে একজন শহরবাসী ও একজন গ্রামবাসী বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","দেবব্রতবাবু – আরে! কেমন আছেন প্রকাশবাবু? প্রকাশবাবু – আর থাকা! ডেঙ্গু যেভাবে ছড়াচ্ছে তাতে আর ক-দিন বেঁচে থাকব কে জানে? দেবব্রতবাবু – সে কী! আপনাদের শহরেও ডেঙ্গু! ডেঙ্গুর ভয়ে আমাদের তো গ্রামছাড়া হওয়ার জোগাড়। আমার ছোটো ছেলেটারও আজ কয়েকদিন হল ডেঙ্গু হয়েছে, চিকিৎসা চলছে। প্রকাশবাবু – অ্যাঁ, বলেন কী! এখানেও! দেবব্রতবাবু – হ্যাঁ, গ্রামে তো ডেঙ্গু হবেই। জলনিকাশের ভালো ব্যবস্থা নেই, যেখানে-সেখানে পচা ডোবা, বড়ো বড়ো পুকুরগুলো সংস্কারের অভাবে কচুরিপানায় ভরতি, রাস্তা আর বাড়ির আশেপাশেও খানাখন্দে জল জমে থাকে। এসব থেকেই তো মশা হয়। প্রকাশবাবু – তবে মশা মানেই ডেঙ্গু, এ কথা বলা বোধহয় ঠিক হবে না দেবব্রতবাবু। কিউলেক্স নামে এক ধরনের স্ত্রী মশা হল এই রোগের জীবাণুর বাহক। মজার ব্যাপার কী জানেন, এই কিউলেক্স মশার বাড়বাড়ন্তের জন্য নোংরা জল বা আবর্জনা যতটা দায়ী, তার থেকেও বেশি দায়ী কোথাও অনেকদিন ধরে জমে থাকা স্থির স্বচ্ছ জল। ডেঙ্গুর মশারা জমে থাকা পরিষ্কার জলেই ডিম পাড়তে ভালোবাসে। দেবব্রতবাবু – এই মশার হাত থেকে বাঁচতে গেলে কী করা যায় বলুন তো? প্রকাশবাবু – প্রাথমিকভাবে, জনগণের মধ্যে সচেতনতা জাগিয়ে তোলা দরকার। যদি অন্যরা কথাটা কানেই না-তোলে, শুধু আমি আপনি মিলে উদ্যোগ নিয়ে তো কিছুই করে উঠতে পারব না। পরিস্থিতি যেমনকে তেমনই থাকবে। তবে আমাদের দিক থেকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। জল একেবারেই জমিয়ে রাখা চলবে না। দেবব্রতবাবু – হ্যাঁ, পাশাপাশি দরকার সরকারি স্তরে বৃহত্তর কর্মসূচি। সরকারি ভাবে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করা যাবে, তা নিয়ে প্রচার চালাতে হবে। আর এই মশাদের আক্রমণ মূলত সকালে। তাই সেই বুঝেই চলাফেরাটা করা উচিত। প্রকাশবাবু – হ্যাঁ, ডেঙ্গুর মোকাবিলা করতে হলে কিউলেক্স মশার ধ্বংসই সবার আগে প্রয়োজন। " "প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ছাত্রসমাজের ভূমিকা সম্পর্কে শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ। ","শিক্ষক – অজিতেশ, ভূমিকম্পের জন্য নেপালে স্কুলের তরফ থেকে যে ত্রাণ পাঠানো হবে, তার তালিকা তৈরি হয়েছে? ছাত্র – হ্যাঁ স্যার, শুকনো খাবার আর জামাকাপড় কালকেই পাঠানো হবে। এ ছাড়া জলের প্যাকেট আর কম্বলও পাঠানো হচ্ছে। শিক্ষক – আর-একটা কথা মনে রেখো অজিতেশ, এই যে কাজটা করছ, এটা কিন্তু শুধু স্কুলের উদ্যোগে বা আমাদের নির্দেশে করছ না। করছ, তার কারণ তোমরা ছাত্র। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ, তোমরাই ভাবী নাগরিক। তাই, দেশের ও দশের যে-কোনো সমস্যার সমাধানে কিংবা উন্নয়নমূলক কাজে তোমাদের একটা বড়ো দায়িত্ব থেকে যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগও তার মধ্যে অন্যতম। ছাত্র – সে তো নিশ্চয়ই। আর আমরা যাতে দক্ষতার সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করতে পারি, সেজন্য তো আমাদেরকে স্কুলের তরফ থেকে যথাযথ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক – তোমাদের পাশে থেকে তোমাদের ঠিক পথে এগিয়ে দেওয়াই আমাদের কাজ। নিছক প্রশিক্ষণ নিয়েই মাঠে নেমে পড়া যায় না। ছাত্র হাতেকলমে করলে তবেই কাজ শিখতে পারা যায়। সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন ছাত্র – তা ছাড়া, পড়ে পড়ে মার খাওয়াটা তো মানুষের ধর্মও নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষকে সাময়িকভাবে বিধ্বস্ত, বিপর্যস্ত করে তোলে ঠিকই, কিন্তু শেষপর্যন্ত সে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে থেকে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টাও করে। আমাদের উচিত ওদের পাশে থাকা। শিক্ষক – হ্যাঁ, বিধ্বস্ত মানুষরা চেষ্টা তো করবেই। মানুষের ধর্মই। কিন্তু এই উঠে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে দেশের তরুণরাই অন্যতম সহায়, সে-কথা ভুলে যেও না। " "অরণ্যসংরক্ষণের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ ","কৌশিক – দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনের এত বড়ো বকুল গাছটা কেটে ফেলা হল! শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। অভীক – আর বলিস না! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন্ ছোট্টবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। কৌশিক – আধুনিক আর উন্নত হতে হতে মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। সবদিকে উন্নয়নের নামে নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে, প্রকৃতির সাথে আমাদের যোগাযোগ ক্রমশই কমে আসছে। অভীক – কেউ একবার অন্তত এটাও তো ভেবে দেখুক যে, এতে ক্ষতি শেষপর্যন্ত নিজেদেরই হয় বা হচ্ছে। এই ভয়ানক লোভে মানুষ নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে! পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জলস্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য-গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সবমিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। কৌশিক – শুধু তা-ই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় অরণ্যের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। ভারত-সহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। অভীক – আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’-এই বাক্যটিকে নিছক স্লোগান নয়, জীবনযাপনের এক অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। নইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে কোনোক্রমেই মুক্তি পাওয়া যাবে না। " "ভবিষ্যতে কী নিয়ে পড়া যায়-সেই আলোচনা প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর কাল্পনিক কথোপকথন। ","মিত্রা – আচ্ছা, মাধ্যমিকের পর কী নিয়ে পড়বি ভেবে রেখেছিস কিছু? বৃন্দা – আমার বাবা-মায়ের ইচ্ছা আমি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করি। ফলে আমাকে সায়েন্স নিয়েই পড়তে হবে। মিত্রা – ‘পড়তে হবে’-এভাবে বলছিস কেন? তুইও কি তাই চাস না? বৃন্দা – না রে, আমার বরাবরের শখ সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করার। যদি আমাকে আমার ইচ্ছেমতো পড়তে দেওয়া হত, তাহলে আমি নিশ্চয়ই সাহিত্য বিভাগের কোনো একটা বিষয়ই বেছে নিতাম। মিত্রা – সে কী! তুই তোর নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনুযায়ী পড়তে পারবি না কেন? দ্যাখ বৃন্দা, এই সিদ্ধান্তটা কিন্তু জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সিদ্ধান্ত। এর ওপরেই নির্ভর করছে তুই ভবিষ্যতে কী নিয়ে পড়াশোনা করবি, কোন্ দিকে এগোবি, এমনকি তোর পেশা কী হতে চলেছে-সব। বৃন্দা – বুঝতে পারছি। কিন্তু বিজ্ঞান শাখায় আমার পরীক্ষার ফলাফল বরাবরই বেশ ভালো হয়। তাই বাবা-মাও আর ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। মিত্রা – কিন্তু এটা তো ঝুঁকিই নেওয়া হয়ে যাচ্ছে, তাই না? তুই পড়তে ভালোবাসিস একটা বিষয়, তোকে পড়তে হবে অন্য আর-একটা বিষয়-এটা কি ঝুঁকি নয়? বৃন্দা – হ্যাঁ, কিন্তু ওঁদের মতে, চাকরির বাজারে যে পরিমাণ মন্দা, তাতে নাকি সায়েন্স পড়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। মিত্রা – এখন আর চাকরি সম্পর্কে সেই পুরোনো ধারণা নিয়ে পড়ে থাকার কোনো অর্থ হয় না। বিভিন্ন বিষয়ের সংখ্যা বেড়েছে, বেড়ে গেছে বিবিধ গবেষণার সুযোগও। তাই এই ভয়টা অমূলক। কিন্তু নিজের পড়ার বিষয়টার প্রতি যদি তোর ভালোবাসাই না থাকে, তবে সেটা নিয়ে এগোবি কী করে? সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন বৃন্দা – দেখি, বাবা-মাকে এটাই বোঝাতে হবে যে, শুধু চাকরি পাওয়ার জন্যই নয়, ভালোবেসেও বিষয়টি পড়তে হয়। নইলে সায়েন্স নিয়ে পড়ে ফল খারাপ হলে চাকরি পেতেও সমস্যাই হবে। " "সর্বজনীন দুর্গাপুজোর ব্যয়বহুল আড়ম্বরের পক্ষে ও বিপক্ষে দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ। ","সুদীপ – কোথায় যাচ্ছিস সুশান্ত? সুশান্ত – আজ থেকে আমাদের সর্বজনীন দুর্গাপুজোর চাঁদা তোলা শুরু হবে। মান্তুদার বাড়ির সামনে তাই হাজির হতে হবে দশটার মধ্যে। গতবারে বাজেট ছিল দেড় লাখ, এবারে মিটিংয়ে ঠিক হয়েছে দু-লাখ খরচ হবে। সুদীপ – কিন্তু এত আড়ম্বর করে পুজো করার কোনো মানে হয় না। এই খরচের টাকাটা তো তুলবি আমাদেরই মতো সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। সুশান্ত – পাড়ায় আড়ম্বর করে পুজো হবে, প্যান্ডেলে বাহার থাকবে, আলোকসজ্জার চমক থাকবে তার আর্থিক চাপ তো পাড়ার লোককে সহ্য করতেই হবে। সুদীপ – লোকে কষ্ট স্বীকার করে আড়ম্বর চায় না। শুধু উৎসবের জন্য, আমোদের জন্য এই খরচ অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। সুশান্ত – কিন্তু মানুষের জীবনে উৎসবের প্রয়োজনীয়তা কি তুই অস্বীকার করতে পারবি? সুদীপ – উৎসবের প্রয়োজন তো অবশ্যই আছে, কিন্তু উৎসবকে যে ব্যয়বহুল হতে হবে, তার তো কোনো যুক্তি নেই। দুর্গাপুজো ব্যাপারটাই মানুষের কাছে একটা বিশেষ আনন্দ-উৎসবের প্রতীক। সেখানে আড়ম্বর না থাকলেও মানুষ প্রাণের আবেগে মেতে উঠবে। সুশান্ত – আড়ম্বর থাকলে আরও বেশি করে মাততে পারবে। সুদীপ – সত্যিই কি পারবে? এই ধর তোদের চাপে পড়ে সাধ্যের বাইরে চাঁদা দিতে বাধ্য হয় যারা, তারা কি কখনও মনেপ্রাণে এই উৎসবকে উৎসব বলে মানতে পারবে? সুশান্ত – লোকে এত খরচ করে ভালো ভালো মন্দির বানায় কেন তবে? সুদীপ – হ্যাঁ, ওইসব মন্দিরে মানুষের টাকার অহংকার যতটা প্রকাশ পায়, ভক্তির প্রকাশ ততটা থাকে না। বরং এসবে রেষারেষি আরও বেড়ে যায় " "সমাজসেবায় ছাত্র সমাজের ভূমিকা – দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ। ","অরূপ – হ্যালো রাহুল! কেমন আছো? রাহুল – হাই অরূপ! ভালো আছি, তুই কেমন আছিস? অরূপ – ভালো আছি। আসলে একটা বিষয় নিয়ে ভাবছিলাম, আমাদের ছাত্র সমাজের কি কোনো দায়িত্ব নেই সমাজসেবায়? রাহুল – অবশ্যই! ছাত্ররা সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমাদের শুধু পড়াশোনা করাই নয়, সমাজের উন্নতিতেও ভূমিকা রাখতে হবে। ছাত্ররা যদি চাই, তাহলে সমাজে অনেক কিছু পরিবর্তন আনা সম্ভব। অরূপ – বাহ, সেটাতো ঠিক বলেছিস। কিন্তু আমাদের তো এত ব্যস্ততা থাকে—পড়াশোনার চাপ, পরীক্ষা—এর মাঝে কোথায় সময় পাবো? রাহুল – ঠিক বলেছিস, কিন্তু তুমি কি মনে করো না, ছাত্র সমাজের হাতে অনেক শক্তি আছে? আমাদের অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। যদি আমরা ছোট ছোট উদ্যোগ নিই, তাও কিন্তু সমাজে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। যেমন, স্কুলের আশপাশের এলাকার গরিবদের সাহায্য করা বা পরিবেশ রক্ষায় কাজ করা। অরূপ – হ্যাঁ, আমি তো অনেক দিন ধরেই ভাবছি যে, স্কুলের পড়াশোনা করার পাশাপাশি যদি কিছু সামাজিক কাজ করা যায়, তাহলে অনেক ভালো হবে। আমরা কি কোনো প্রকল্প শুরু করতে পারি? রাহুল – হ্যাঁ, বেশ কিছু আইডিয়া আছে। যেমন, আমাদের স্কুলের আশেপাশে অনেক শিশুর পড়াশোনার সুযোগ নেই। আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে তাদের পড়ানোর ব্যবস্থা করতে পারি। আরেকটা কাজ হতে পারে, স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে ক্যাম্পেইন চালানো—যেমন, স্যানিটেশন বা স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। অরূপ – ঠিক বলেছিস। ছোট ছোট কাজের মাধ্যমেই বড় পরিবর্তন সম্ভব। আর আমরা যদি সকলে মিলে একত্রিত হয়ে কাজ করি, তাহলে আমাদের প্রচেষ্টার অনেক ভালো ফল হবে। তাহলে আমাদের কি স্কুলের সাহায্য পাওয়া যাবে? রাহুল – হ্যাঁ, অনেক সময়েই স্কুল বা কলেজ এমন কাজের জন্য ছাত্রদের উৎসাহিত করে। যদি আমরা তাদের কাছে আমাদের পরিকল্পনা জমা দিই, তারা হয়তো আমাদের সাহায্য করবে। অনেক স্কুলে এমন উদ্যোগের জন্য বিশেষ অনুমতি বা উৎসাহ দেওয়া হয়। অরূপ – তাহলে আমাদের প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে। এমন কিছু কাজ শুরু করতে হবে, যা আমাদের জন্য সহজ হলেও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। শুরুটা ছোট হলেও, যদি আমরা মনোযোগ দিয়ে কাজ করি, একসময় বড় পরিবর্তন আসবে। রাহুল – ঠিক বলেছিস। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমাদের ইচ্ছাশক্তি। ছাত্র সমাজের মধ্যে যদি একতা এবং উদ্যম থাকে, তাহলে আমরা সমাজে ভালো কিছু এনে দিতে পারবো। চল, আজ থেকেই একটা পরিকল্পনা শুরু করি! অরূপ – চল, শুরু করি। একসঙ্গে কাজ করলে আমরা সত্যিই সমাজে পরিবর্তন আনতে পারবো। " "পরিবেশদূষণ ও সভ্যতার সংকট বিষয়ে দুই ছাত্রবন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ। ","সুভাষ – ভাইকে সঙ্গে নিয়ে কোথায় গিয়েছিলি রাতুল? বেড়াতে? রাতুল – না, না, বেড়াতে নয়, ডাক্তারবাবুর কাছে। আজ ক-দিন ধরে ও কানে ভালো শুনতে পাচ্ছে না। সুভাষ – কানের আর কী দোষ? দিনরাত কানের ওপর শব্দের যে অত্যাচার চলছে, তাতে সকলেরই এই সমস্যা হতে পারে। কিন্তু আমরা এই শব্দদূষণ কিছুতেই বন্ধ করতে পারছি না। রাতুল – শুধু শব্দদূষণের কথাই বা বলছিস কেন? প্রতি মুহূর্তে আরও কত রকমের দূষণ ঘটে চলেছে, ভেবে দ্যাখ। সুভাষ – ঠিকই, বায়ুদূষণ, জলদূষণ , ভূমিদূষণ, সর্বত্রই তো দূষণ। রাতুল – যানবাহন, কলকারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে বাতাস, পানীয় জলের উৎসগুলিতে মিশছে কলকারখানা থেকে নির্গত দূষিত বর্জ্য পদার্থ কিংবা বিভিন্ন কীটনাশক রাসায়নিক পদার্থ। সুভাষ – এই কীটনাশক রাসায়নিকের ব্যবহার মাটিকেও তো দূষিত করছে। রাতুল – নিশ্চয়ই। কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ কিংবা দুষিত আবর্জনাও মাটির স্বাভাবিক উর্বরতাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। সবচেয়ে ক্ষতি করছে বোধহয় প্লাস্টিকজাত আবর্জনা। সুভাষ – মানুষ নিজেই তো এর জন্য অনেকটা দায়ী। রাতুল – একেবারে খাঁটি কথা, একদিকে সে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে চরম উন্নতি ঘটিয়ে চলেছে, আর-এক দিকে সে ডেকে আনছে নিজের সর্বনাশ। সুভাষ – দূষণরোধের ক্ষেত্রে গাছপালার একটা বড়ো ভূমিকা আছে। অথচ গাছপালা কেটে, বড়ো বড়ো অরণ্য ধ্বংস করে মানুষ বোধহয় পৃথিবীকে মরুভূমি বানিয়ে ফেলতে চায়। তবে আশার কথা, পৃথিবীজুড়ে পরিবেশ নিয়ে চিন্তাভাবনাও শুরু হয়েছে। এমনকি পরিবেশবিদ্যাকে এখন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবশ্যিক পাঠ্য বিষয় করে তোলা হচ্ছে। রাতুল – কিন্তু শুধু আলোচনা বা পাঠ্যস্তরে কোনো বিষয়কে রেখে দিলেই চলবে না। চাই পরিবেশ ও পরিবেশদূষণ সম্পর্কে যথার্থ চেতনা, পরিবেশকে রক্ষা করার আন্তরিক উদ্যোগ। " "নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি-এ বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ। ","শুভ – কীরে সপ্তর্ষি, তোর বাজারের ব্যাগটা এত ফাঁকা ফাঁকা লাগছে কেন? সপ্তর্ষি – ফাঁকা ফাঁকা লাগবে না? বাজারে সব জিনিসের দর এত বেশি যে, ব্যাগভরতি বাজার করা আর হবে না। দিনকে দিন দাম যেন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। মাছ-মাংসের দিকে তাকাতে তো রীতিমতো ভয় করে। সবজি-বাজারে ঢুকেও স্বস্তি নেই। শুভ – কিন্তু এভাবে যদি জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকে, তাহলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকাটাই তো সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। সপ্তর্ষি – বিলাসদ্রব্যের দাম বাড়ুক ক্ষতি নেই। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র-চাল, ডাল, আটা, তেল, নুনের দাম যদি নাগালের বাইরে চলে যায় তাহলে তো আর কোনো পথ নেই। জামাকাপড়ের দাম কেমন বেড়েছে দেখেছিস? শুভ – জামাকাপড়, জুতো, ওষুধ-কোনটা বাড়েনি বল? সপ্তর্ষি – প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যেভাবে বাড়ছে, সেইভাবে তো মানুষের উপার্জন বাড়ছে না। মুশকিলটা এখানেই বেশি। অথচ সরকার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টাকে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না। শুভ – কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও অনেক সময় বাজারে কৃত্রিম অভাব সৃষ্টি করে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেয়। সপ্তর্ষি – হ্যাঁ, সে তো আছেই। লাভের জন্য এ কায়দা তো চলেই আসছে। শুভ – আমাদের কি কিছুই করার নেই? সপ্তর্ষি – নিশ্চয়ই আছে। নানাভাবে মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে। সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। যাই হোক, এখন আসি রে। আমি বাজার নিয়ে না ফিরলে মা রান্না বসাতে পারবে না। " "সমাজে এখনও নারী দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক-এই বিতর্কিত বিষয় নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ। তাপস – কী এত ","তাপস – কী এত মন দিয়ে পড়ছিস শুভম? শুভম – আরে! তাপস যে! আয় আয়। এই একটা প্রবন্ধ পড়ছিলাম, ‘নারীমুক্তি ও আধুনিক সমাজ’। তাপস – ওঃ, এই এক হয়েছে আজকাল! নারী-মুক্তি, নারী-স্বাধীনতা, নারীর মর্যাদা, নারীর অধিকার-নারীবাদী চিন্তাভাবনা যেন একটা ফ্যাশনে দাঁড়িয়ে গেছে। শুভম – কেন এ কথা বলছিস? তাপস – বলছি এ কারণে যে, পুরুষের মতোই সমাজে আজ নারীর সমান অধিকার, সমান মর্যাদা। শুভম – সত্যিই কি তাই? তাপস – নিশ্চয়ই। সাধারণ চাকরিবাকরির কথা না হয় বাদই দিলাম; শিল্পে, সাহিত্যে, দর্শনে, বিজ্ঞানে, রাজনীতিতে সর্বত্রই তো নারীবাহিনীর জয়যাত্রা রে! আমাদের এক বঙ্গললনা তো অ্যান্টার্কটিকা অভিযানেও অংশ নিয়েছে। কাজেই এ যুগে নারীর মর্যাদা, মুক্তি-এসব নিয়ে আন্দোলন ফ্যাশন নয় তো কী? শুভম – আসলে তুই তেমন করে ভাবছিসই না। একেবারে জন্মের সময় থেকেই মেয়েরা এই সমাজে অবহেলিত, অবাঞ্ছিতও। হিসাব কষলেই দেখা যায় আজও বেশিরভাগ বাবা-মা কন্যাসন্তান চায় না, পুত্রসন্তান চায়। পাত্রীর রূপ-গুণ-চাকরি-সবকিছু না হলে চলে না কিন্তু পাত্রের শুধু আর্থিক সংগতি থাকলেই হল। একজন বিপত্নীক পুরুষ যত সহজে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিয়ে করে, আইন থাকা সত্ত্বেও একজন বিধবার পক্ষে কাজটা তত সহজ হয় না। তাপস – তুই তাহলে বলতে চাস আমাদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এখনও অনেকটাই পুরুষ-প্রভাবিত? শুভম – আশ্চর্য হলেও এটাই বাস্তব তাপস। খেয়াল করে দ্যাখ, এখনও বহু আবেদনপত্রে বাবার নাম, স্বামীর নাম উল্লেখ করতেই হবে। ছেলেকে স্কুলে ভরতি করতে গেলে পিতৃপরিচয়কেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাপস – তোর সঙ্গে কথা বলে এখন আমার মনে হচ্ছে, সত্যিই এ বিষয়ে ভাবতে হবে। " "নতুন পাঠ্যসূচির উপযোগিতা নিয়ে দুই অভিভাবকের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ","১ম অভিভাবক – কী সমরেশবাবু, সাতসকালে হন্তদন্ত হয়ে চললেন কোথায়? ২য় অভিভাবক – আর বলবেন না, যাচ্ছি ছেলের বাংলা প্রজেক্টের জন্য খাতা কিনতে। সত্যি বুঝি না বাপু, এইসব করে ভাষাশিক্ষায় কীসের যে উন্নতি হবে। ১ম অভিভাবক – না সমরেশবাবু, আমার মনে হয় আপনার কোথাও একটু ভুল হচ্ছে। আপনি কি এই প্রজেক্টের বিষয়গুলো দেখেছেন? ২য় অভিভাবক – হ্যাঁ, দেখলাম তো! মডেল নির্মাণ, সমীক্ষা, প্রকৃতিপাঠ, সমীক্ষণ, সৃষ্টিশীল রচনা, শিখন সামগ্রীর সহায়তায় মূল্যায়ন। কিন্তু এসব কী কাজে যে লাগবে! ১ম অভিভাবক – বুঝতে পারছেন না? ধরুন, ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটা; সৈয়দ আলাওলের পদ্মাবতী কাব্য থেকে নেওয়া। মধ্যযুগের রচনা, ভাষার সঙ্গে এখনকার বাংলা ভাষার দুস্তর ফারাক। তা ‘সমীক্ষা’ অংশে যদি ছাত্ররা অপ্রচলিত শব্দগুলো চিহ্নিত করে উৎস নির্দেশ করতে শেখে, প্রসঙ্গ উল্লেখ করতে পারে-তবে আদতে ভাষা সম্পর্কে তাদের পড়াশুনোর উপায়টা অনেক বেশি বৈজ্ঞানিক হয় না কি? ২য় অভিভাবক – এটা অবশ্য ঠিকই বলেছেন অনিলবাবু। আমিও দেখছিলাম বটে, ‘অসুখী একজন’ নামে একটা কবিতা আছে ওদের পাঠ্য-চিলির কবি পাবলো নেরুদার লেখা। গুজরাতি লেখক পান্নালাল প্যাটেলের ছোটোগল্প ‘অদল বদল’-ও রয়েছে। সত্যিই এর মাধ্যমে তো ওদের সর্বভারতীয় সাহিত্য এবং বিদেশি সাহিত্য সম্পর্কেও একটা ধারণা গড়ে উঠছে। ১ম অভিভাবক – তাহলেই বুঝুন! আসলে নতুন মানেই তাকে সন্দেহের চোখে দেখার ধারণাটা আমাদেরই আগে বদলে ফেলতে হবে। নইলে আমাদের ছেলেমেয়েদের মধ্যেও সংশয় থেকে যাবে। " "রক্তদান শিবিরের আয়োজন উপলক্ষ্যে দুই নাগরিকের মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সমীরবাবু – কী ব্যাপার মুক্তিবাবু? কাল তো রবিবার! ছুটির দিন! তাহলে আজও এত ব্যস্ত হয়ে ছুটোছুটি করছেন যে! মুক্তিপদবাবু – সে কী সমীরবাবু! আপনি তো দেখছি কিছুই জানেন না! কাল তো এখানে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে! আপনি আসবেন কিন্তু! সমীরবাবু – না বাপু, আমি ওসবের মধ্যে নেই। এমনিতে টাকাপয়সা দিয়ে কোনো সাহায্য লাগলে বলুন, কিন্তু রক্ত দিতে পারব না। মুক্তিপদবাবু – সমীরবাবু, আপনি নিশ্চয় জানেন যে, রক্তদান অমূল্য। টাকাপয়সা দিয়ে এর বিকল্প হয় না। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, আপনি একজন সুস্থ, সবল, শিক্ষিত মানুষ। রক্ত দিলে শরীরের ক্ষতি হয়-এই ভুল ধারণা থেকে মানুষকে বের করে আনার জন্য কোথায় আপনি চেষ্টা চালাবেন, তা না, উলটে আপনি নিজে এ কথা বলছেন? সমীরবাবু – আমি তো তা-ই জানতাম। মুক্তিপদবাবু – ভুল জানতেন। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে, রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ঠিক থাকলে, নিয়মিত কোনো ওষুধ খেতে না হলে এবং কোনো রক্তবাহিত অসুখ না থাকলে যে কেউ রক্ত দিতে পারেন। সেই রক্তের ঘাটতি মিটিয়ে নতুন রক্ত তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া আমাদের দেহে সঙ্গে সঙ্গেই চালু হয়ে যায়। সমীরবাবু – কিন্তু কার রক্তচাপ কত, তা বোঝা যাবে কীভাবে? মুক্তিপদবাবু – আমরা এই শিবিরে একটি মেডিকেল টিম রাখছি, যেখানে পাঁচ জন ডাক্তার থাকবেন। তাঁরাই রক্তদাতাকে পরীক্ষা করবেন এবং সংগৃহীত রক্ত যথাযথ সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না তা-ও দেখবেন। তাহলে আর কোনো ভয় নেই তো? সমীরবাবু – নাঃ। আপনার কথায় আমার ভুল ধারণাটা কেটে গেল। কাল আমি ঠিক আসব রক্ত দিতে। " "গণতন্ত্রী ভারত বনাম সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ","নিখিল – মনে আছে, আজ কত তারিখ? দেবাশিস – হ্যাঁ, ২৬ নভেম্বর-সেই মুম্বই হানার দুঃস্বপ্ন আরও একটা বছর পুরোনো হয়ে গেল। নিখিল – কিন্তু আমরা যারা সন্ত্রাসবাদ থেকে মুক্ত একটা দুনিয়ার স্বপ্ন দেখি, তাদের কাছে এই দিনগুলো আলাদা তাৎপর্য নিয়ে আসে। শান্তিপ্রিয় সমস্ত ভারতবাসীর কাছে শপথ নেওয়ার দিন হয়ে দাঁড়ায়। দেবাশিস – সত্যি, আমি বুঝি না, সারা পৃথিবীতে ধর্মের নামে যে ধ্বংসলীলা, এতে কার, কী উদ্দেশ্য সফল হতে পারে? নিখিল – বিষয়টা আসলে শুধু ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত গোঁড়ামির সংকীর্ণতায় আর আটকে নেই। পারস্পরিক অসহনশীলতা ক্রমশ একটা সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। বাবরি মসজিদ ধ্বংস, গুজরাত দাঙ্গা থেকে শুরু করে মুম্বই হামলা প্রত্যেকটা ঘটনা লক্ষ করলেই কথাটা বুঝবি। দেবাশিস – কিন্তু, ভারতের ইতিহাস তো কখনোই ধর্মান্ধতাকে সমর্থন করে না। নিখিল – নিশ্চয়ই আমাদের দেশ সর্ব ধর্মকে গ্রহণ করেছে। ধর্মাচরণে অধিকার দিয়েছে। দেবাশিস – ঠিক। আমাদের দেশ সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক একটি দেশ। একে রক্ষা করতে গেলে ধর্মীয় উগ্রতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই হবে। " "মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদানের উপযোগিতা বিষয়ে দুই শিক্ষকের সংলাপ। ","কৌশিকবাবু – অভিরূপবাবু, আজ তো ক্লাস ইলেভেনে বাংলা খাতা দেখালেন; কেমন ফল করেছে ছেলেরা? অভিরূপবাবু – একেবারেই ভালো না। দু-তিন জন বাদে বাকিদের অবস্থা ভয়াবহ। আসলে শুধু বিষয় নয়, ভাষা হিসেবেও এখনকার প্রজন্ম বাংলাকে গুরুত্বই দেয় না। কৌশিকবাবু – ঠিকই বলেছেন। আমাদের স্কুলের কথাই ধরুন। বাংলা বাদ দিয়ে বাদবাকি সমস্ত বিষয়ই প্রত্যেকে ইংরেজিতে পড়ে, ভবিষ্যতেও পড়বে। তাই খামোখা বাংলা পড়ে বা বাংলায় কোনো বিষয় পড়ে কী লাভ-শুধু এই চিন্তাই তারা করে। অভিরূপবাবু – শুধু পরীক্ষাব্যবস্থা নয়, গোটা শিক্ষাব্যবস্থাই এর জন্য দায়ী। উচ্চতর ক্ষেত্রে গবেষণা কিংবা পঠনপাঠন বাংলা মাধ্যমে করলে প্রভূত সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, সেটা ইংরেজিতে করলে সুফল মেলে-এই ধারণা যত দিন যাচ্ছে তত বদ্ধমূল হচ্ছে। কৌশিকবাবু – বিজ্ঞানের ছাত্র এবং শিক্ষক হিসেবে আমারও একই অভিজ্ঞতা। লেখাপড়ার উপকরণ, বইপত্র-সবকিছুই ইংরেজিনির্ভর। তাই বিজ্ঞানে আগ্রহী, এমন মেধাবী ছেলেমেয়েরা শুধু ইংরেজি ভাষায় দুর্বল বলে গবেষণা থেকে পিছিয়ে আসে। অভিরূপবাবু – এই ধারণা ভাঙতে আমাদেরই এগিয়ে আসা উচিত। মাতৃভাষায় পাঠ্যবই, গবেষণামূলক নিবন্ধ লিখতে হবে, আরও বেশি করে বিদেশি রচয়িতাদের রচনা অনুবাদ করতে হবে। তাতে করে ভাষা-সাহিত্য-বিজ্ঞান-সব কিছুই উপকৃত হবে। " "বাংলা শিশু ও কিশোর সাহিত্যের বিভিন্ন চরিত্র নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ","অজন্তা – আচ্ছা অরুন্ধতী, এবারের শুকতারাটা পড়লি? অরুন্ধতী – হ্যাঁ, এবারের বাঁটুল আর বাহাদুর বেড়ালের কারসাজি একেবারে মনমাতানো। পত্রিকাটা হাতে পেলেই মেজাজ ভালো হয়ে যায়। আর কিশোর ভারতী? সেটা পড়েছিলি? অজন্তা – পড়ব না আবার? বই খুলেই আগে দেখেছি নন্টে-ফন্টে বনাম কেল্টুদার সেই চিরকালীন ধুমধাড়াক্কা লড়াই। অন্যদিকে হাঁদা-ভোঁদাও অবশ্য এবারে পিসেমশাইকে ভালোই নাকানিচোবানি খাইয়েছে। অরুন্ধতী – সত্যি, এখনকার কথা যদি ছেড়েও দিই, তবুও বাংলা সাহিত্য এর আগেও একাধিক অসামান্য চরিত্র পেয়েছে, যাদের উপস্থিতিতে কিশোর সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে। অজন্তা – সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা যেমন, তেমনই প্রেমেন্দ্র মিত্রের ঘনাদা। কল্পবিজ্ঞানের জগতে কিন্তু ঘনাদা এক অন্য দিগন্ত খুলে দিয়েছে। অরুন্ধতী – আর টেনিদা? টেনিদাকে ভুললে চলবে? প্যালা, ক্যাবলা আর হাবুলকে ঘিরে টেনিদার অসামান্য সব কাণ্ডকারখানা, তেমনই অসাধারণ সংলাপ। অজন্তা – আর-একটা কথা, ফেলুদার কথা বললেই সার দিয়ে আরও যে কত গোয়েন্দা চরিত্রের গল্প মনে পড়ে যায়! শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যোমকেশ, নলিনী দাশের গোয়েন্দা গন্ডালু, নীহাররঞ্জন গুপ্তর কিরীটী, সমরেশ মজুমদারের অর্জুন, ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের পাণ্ডব গোয়েন্দা, লীলা মজুমদারের গুপি-পানু-ছোটোমামা—সবমিলিয়ে কিশোর সাহিত্য একেবারে জমজমাট। অরুন্ধতী – সেইজন্যই তো, এসব চরিত্র বাংলার চিরকালীন সৃষ্টি। " "ছাত্রজীবন থেকেই গ্রন্থাগার ব্যবহার অভ্যেস করা উচিত-এ-বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো। ","পিয়ালী – জানিস, গতকাল মালদহের জেলা লাইব্রেরিতে কার্ড করিয়ে এলাম। তোর সেখানে মেম্বারশিপ কার্ড করানো আছে? তনুজা – অবশ্যই। স্কুলের লাইব্রেরিতে তো আর সব ধরনের বই পাওয়া যায় না। বিশেষ করে পড়ার বাইরের বইগুলি পেতে হলে তো পাড়ার লাইব্রেরিই ভরসা। সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন পিয়ালী – আসলে আমার মনে হয়, ছাত্রজীবন থেকেই সিলেবাসের বাইরের পড়াগুলির একটা অভ্যেস শুরু করা প্রয়োজন। নিয়মিত লাইব্রেরি গেলে এর পাশাপাশি দেশ-বিদেশের কত জার্নাল, একাধিক খবরের কাগজের সুলুকসন্ধানও মিলবে। তনুজা – চিন্তাভাবনাকে পাঠক্রমে আটকে রাখা ঠিক নয়। বিশেষত, আমরা যারা উঠতি প্রজন্ম তাদের সাম্প্রতিক জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্যের পরীক্ষানিরীক্ষা, নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কার বিষয়ে ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। পিয়ালী – স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিটিও নতুন করে সাজানো প্রয়োজন। নতুন যেসমস্ত বই প্রকাশিত হচ্ছে সেগুলি যাতে এখানে রাখা হয়, তার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তনুজা – লেখাপড়া মানে তো শুধুই নম্বর পাওয়া নয়, চেষ্টা করতে হবে ধারণা ও জ্ঞানকে যতদূর সম্ভব বিস্তৃত করার। গ্রন্থাগার আমাদের সেই সুযোগ দেয়। অজস্র বই সেখানে। নিজেদের পছন্দমতো আমরা বেছে নিয়ে পড়তে পারি। মানুষের অন্যতম বন্ধু যে বই, তাকে আরও বেশি করে, নিজের করে পেতে পারি। " "দুঃস্থ, মেধাবী ছাত্রদের বিনামূল্যে পুস্তক বিতরণ উপলক্ষ্যে দুই নাগরিকের মধ্যে কথোপকথন লেখো। ","অভ্রনীল – সুমনবাবু, আপনাদের পাড়ার ক্লাব নেতাজি সংঘ আগামীকাল সন্ধেবেলা বিচিত্রানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে না? আপনি থাকছেন তো সেখানে? সুমন – অবশ্যই। অনুষ্ঠানের শেষে ক্লাবের তরফ থেকে মালদহ জেলার দুঃস্থ, মেধাবী মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে। আমিই এই আয়োজনের মুখ্য উদ্যোক্তা বলতে পারেন। শেষপর্যন্ত থাকবেন কিন্তু। অভ্রনীল – সে তো বটেই। এত মহৎ উদ্দেশ্যর কথা ভেবেছেন ভেবেই ভীষণ ভালো লাগছে। ভাবুন তো, জেলারই কত ছেলেমেয়ে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও আর্থিক দুরবস্থার কারণে মাঝপথে লেখাপড়া বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। টাকাপয়সা না থাকায় বই কিনতে পারছে না এমন ছেলেমেয়ে এখনও দেখতে পাওয়া যায়। সুমন – সে-সমস্ত কথা ভেবেই তো এই আয়োজন। এ-ব্যাপারে আর্থিক সাহায্য করেছেন মালদহ রামকৃষ্ণ মিশনের সেক্রেটারি মহারাজ, জেলাশাসক, মালদহ কলেজের অধ্যক্ষ প্রমুখ। তাঁরা না থাকলে আমাদের এই প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হত। অভ্রনীল – ছাত্রছাত্রীদের থেকে সাড়া কেমন পাচ্ছেন? সুমন – ইতিমধ্যে প্রায় দু-শোর বেশি ছাত্রছাত্রী নাম লিখিয়ে গেছে। আজ শেষ দিন। আশা করছি, এই সংখ্যাটি আরও বাড়বে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রকাশনালয়ও আমাদের সাহায্য করেছে বিনামূল্যে বই দিয়ে। আজও আমরা বইপত্র সংগ্রহ করব। আশা করছি আমাদের এই আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। অভ্রনীল – অবশ্যই হবে। দরকার পড়লে আমিও যথাসম্ভব সাহায্য করব। আমাদের সকলের উদ্যোগ ছাড়া এ-ধরনের পদক্ষেপ কখনোই সম্পূর্ণ হতে পারে না। সুমন – ধন্যবাদ দাদা। আগামীকাল সন্ধেবেলা দেখা হচ্ছে তাহলে। " "দেশভ্রমণের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন লেখো। ","দিওতিমা – কী রে, রাজস্থান থেকে কবে ফিরলি? শৌভিক – গতকাল রাতে। উফ্, যা ঘুরলাম না! হাওয়ামহল, পুষ্কর লেক, মাউন্ট আবু-প্রায় গোটা রাজস্থানের উল্লেখযোগ্য জায়গাগুলি দিন পনেরো ধরে চষে বেড়িয়েছি। দিওতিমা – সত্যিই, আমাদের ব্যক্তিত্ব ও মনের বিকাশে দেশভ্রমণ অপরিহার্য। এখন পড়াশোনা, সিলেবাস আর পরীক্ষার চাপে অবসর খুঁজে পাওয়াই ভার। শৌভিক – তবে আমার মনে হয় বছরে অন্তত একবার কি দু-বার একটু দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া উচিত। যাত্রাপথ, বেড়ানোর স্থানের সৌন্দর্য দেখে আমাদের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার বিকশিত হয়। লেখাপড়ার চাপ থেকেও সাময়িক মুক্তি পাওয়া যায়। দিওতিমা – কত বিচিত্র মানুষ, তাদের জীবন-জীবিকা, পোশাক-আশাক, খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ধারণা অর্জন করি আমরা। মোটকথা আমাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ে। বাস্তব জগৎ থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি, আর ক্লান্ডি, একঘেয়েমিও কাটিয়ে উঠতে পারি। শৌভিক – শেকসপিয়র বলেছিলেন না, Home keeping youths ever having homely withs, কথাটা একেবারে সত্যি। সাধারণত বই পড়ে আমরা যে ধারণা অর্জন করি সেসব পরোক্ষ জ্ঞান; দেশভ্রমণের মাধ্যমেই আমরা প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ করি। ভ্রমণের ফলেই কোনো জিনিস আমাদের মনে স্থায়ীভাবে স্মৃতির আকারে জমা হয়ে থাকে। এর ফলেই আমাদের মন প্রসারিত হয়, চিন্তা-চেতনা বিকাশ লাভ করে। দিওতিমা – ঠিকই বলেছিস। মাধ্যমিক দেওয়ার পর আমি ভেবেই রেখেছি কাশ্মীর বেড়াতে যাব। তুইও ফের তখন নতুন কোনো জায়গা থেকে ঘুরে আসতে পারিস। শৌভিক – আমরাও কাশ্মীর যাব ঠিক করেছি। ভালোই হল, একসঙ্গে যাওয়া যাবে। " "ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটা কাল্পনিক সংলাপ রচনা। ","শুভদীপ – সায়ন, আনন্দপুরী স্কুলের ঘটনাটা শুনলি? সায়ন – কোন্ ঘটনাটা বলত? ওই অলোক স্যারের ঘটনাটা। শুভদীপ – হ্যাঁ। সায়ন – সত্যি রে, ছাত্র হিসেবে মুখ কালো হয়ে গেল আমাদের। পরীক্ষায় নকল করতে বাধা দিয়েছেন বলে ছাত্রদের হাতে এই অপমান! শুভদীপ – দ্যাখ, এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, কাগজ খুললেই দেখবি – সায়ন – শিক্ষকদের সাথে ছাত্রদের সম্পর্কটা যেন কীরকম হয়ে গিয়েছে। শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান দেখানো-বিষয়গুলো ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। শুভদীপ – বাবার কাছে শুনছিলাম, ওনাদের সময়ে সবাই শিক্ষকদের কীরকম ভয় করতেন, মেনে চলতেন। সায়ন – হ্যাঁ, আমার বাবাও বলতেন যে, বাবা-মায়ের পরেই ওঁদের জীবনে ছিল শিক্ষকের স্থান। শুভদীপ – তবে আমার কী মনে হয় জানিস তো, গোটা সমাজেই কেমন একটা অসহিষ্নুতা, বিশৃঙ্খলা এসে গিয়েছে। ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কেও সেটাই প্রভাব ফেলছে। সায়ন – হয়তো। তবে এই অবস্থা না পালটালে খুবই শিগগিরি গোটা শিক্ষাব্যবস্থাটাই নষ্ট হয়ে যাবে। শুভদীপ – একদম ঠিক বলেছিস। " "ফুটপাথ আর পায়ে চলার পথ নয়-এ বিষয়ে দুই সহযাত্রীর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা। ","প্রদীপবাবু – কী হল দীনেশবাবু, হাতে ব্যান্ডেজ কেন? দীনেশবাবু – আর দাদা, কপালে থাকলে যা হয়! গড়িয়াহাটে অটোর ধাক্কা, হুমড়ি খেয়ে পড়লাম। প্রদীপবাবু – নিশ্চয়ই রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন। দীনেশবাবু – হাঁটছিলাম না, দাদা হাঁটতে বাধ্য হয়েছিলাম। গড়িয়াহাটে ফুটপাথ বলে কিছু আছে? সবই তো হকারদের দখলে। প্রদীপবাবু – ঠিক ঠিক। এ এক সমস্যা। গড়িয়াহাট কেন যাদবপুর, শিয়ালদহ, হাতিবাগান-এ গোটা কলকাতার সমস্যা। দীনেশবাবু – প্রশাসনও এ ব্যাপারে চূড়ান্ত নির্বিকার। অথচ আমরা পড়ি আছাড় খেয়ে। প্রদীপবাবু – একেবারেই করছে না তা ঠিক না, কয়েক বছর আগে আপনার মনে আছে কিনা জানি না, কলকাতা পুরসভা গড়িয়াহাটে হকার উচ্ছেদের চেষ্টা করেছিল। তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হয়। দীনেশবাবু – হ্যাঁ, হ্যাঁ, মনে আছে। কিন্তু লাভজনক হবে না বলে অনেকেই নতুন জায়গায় যায়নি। কিছুদিন পরেই আবার ফিরে আসে। প্রদীপবাবু – প্রশাসনও বেশি কিছু বলে না, অনেক লোকের রুটি রুজির ব্যাপার তো! দীনেশবাবু – এই হল আমাদের সমস্যা। জনগণের স্বার্থে যে ঠিক কোনটা-হকারের না পথচারীর-কে ঠিক করবে? প্রদীপবাবু – হাঃ হাঃ! চলুন না রেগে ফুটপাথের এক কাপ চা হয়ে যাক। " "নিরাপত্তা প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ","বৃষ্টি – কাল স্কুলের সামনে অ্যাকসিডেন্টটা দেখলি। প্রতাপ – ইশ! কী ভয়ানক! বাচ্চাটাকে একেবারে পিষে দিয়ে গেল! বৃষ্টি – বেপরোয়া গাড়ি চালানো যে আরও কত প্রাণ কেড়ে নেবে। প্রতাপ – আমি সেদিন কাগজে দেখছিলাম। বছরে প্রায় দেড় লক্ষের কাছাকাছি লোক ভারতে পথ দুর্ঘটনায় মারা যায়। বৃষ্টি – কত পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ, কত প্রচার হল-কিছুতেই তো কিছু হয় না। প্রতাপ – মানুষের সচেতনতাটা খুব দরকার। নিয়ম মেনে রাস্তা পারাপার, গাড়ি বেপরোয়াভাবে না চালানো, সিগন্যাল মেনে চলা-এসব খুব দরকার। বৃষ্টি – অনেক ড্রাইভারই অ্যালকোহলিক থাকে। তাছাড়া খেয়াল কর আমাদের দেশে গাড়ি কেনার সময় সবাই তেল সাশ্রয়ী গাড়ির দিকে ঝোঁকে, কম দামের এইসব গাড়িতে সেফটি ফিচার্স কিন্তু অনেক কম থাকে। ছোটোখাটো দুর্ঘটনাও বড়ো হয়ে দেখা দেয়। প্রতাপ – সবসময় গাড়ি বা ড্রাইভার নয়, রাস্তাঘাটও দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফুটপাথ ক্রমশ দখল হয়ে যাওয়াটাও দুর্ঘটনার একটা কারণ। বৃষ্টি – সকলে মিলে সচেতন হলেই একমাত্র এই বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। " "চলভাষের ভালোমন্দ নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সুযশ – কী রে আবির, নতুন ফোন পেলি নাকি? আবির – নারে ভাই, আজ গানের ক্লাস থেকে ফিরতে দেরি হবে বলে মা নিজের ফোনটা আমাকে দিয়েছে। সুযশ – তাই বল। তুই তো এতদিন মোবাইল-বিরোধী ছিলিস। আবির – না, মোবাইল-বিরোধী ঠিক না, মোবাইলে অতিরিক্ত নির্ভরতার বিরোধী আমি। সুযশ – কিন্তু দ্যাখ, এই যে কাকিমা তোর হাতে মোবাইল দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকছেন যে তোর খবরাখবর ঠিকঠাক পাবেন। এ তো মোবাইলের জন্য। তারপর ধর ভিডিয়ো গেমস, গান শোনা, সিনেমা-বিনোদনের কত ব্যবস্থা। আবির – ওটাই তো সর্বনাশ করল রে! অ্যাডিকশন তৈরি করে দিচ্ছে। পড়াশোনা ফেলে বন্ধুগুলো মোবাইল ঘেঁটে যাচ্ছে দিনরাত-দেখছিস তো চারপাশে। সুযশ – ভালো দিকটাও দ্যাখ। যেখানে খুশি নেট দুনিয়ায় চল-সব তথ্য যখন তখন হাতের মুঠোয়। এমনকি আস্ত একটা ডিকসশনারিও রাখা যায় ফোনে। কত সময় বাঁচে বল তো। আবির – আমি তো ভালোটাকে অস্বীকার করছি না, কিন্তু মোবাইলের নেশায় কত দুর্ঘটনা, কত মৃত্যু ঘটছে। তা ছাড়া আমার তো মনে হয় ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা তৈরি করে মোবাইল। আমার কথা বলা অন্যের অসুবিধা করছে কি না অনেক সময়েই খেয়াল থাকে না। সুযশ – আসলে কে কীভাবে মোবাইল ব্যবহার করবে, সেটাই আসল। ওখানেই যত সমস্যা। আবির – আমিও তাই মনে করি। " "বৃক্ষরোপণের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","কৌশিক – দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনের এত বড়ো বকুল গাছটা কেটে ফেলা হল! শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। অভীক – আর বলিস না! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন্ ছোট্টবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। কৌশিক – সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন-সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ। সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন অভীক – কেউ একবার অন্তত এটাও তো ভেবে দেখুক যে, এতে ক্ষতি শেষপর্যন্ত নিজেদেরই হয় বা হচ্ছে। এই ভয়ানক লোভে মানুষ নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে! পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জলস্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য-গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সবমিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। কৌশিক – শুধু তা-ই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় অরণ্যের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। ভারত-সহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। অভীক – আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’-এই বাক্যটিকে নিছক স্লোগান নয়, জীবনযাপনের এক অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। নইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে কোনোক্রমেই মুক্তি পাওয়া যাবে না। " "নারীস্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সুমিতা – আজ নাকি বিশ্ব নারী দিবস? দীপা – মনে হয়, তাই-ই। সেইজন্য আমাদের পাড়ার ক্লাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে। সুমিতা – কী হয় বল তো নারী দিবস পালন করে? নারীরা তো গৃহকোণে বন্দি। কবে তারা সংসারের জেলখানা থেকে মুক্তি পাবে? দীপা – মুক্তির পথ হল লেখাপড়া শেখা। আজও মেয়েদের চলাফেরার রাস্তা মসৃণ নয়। অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ-সব জায়গায় তারা পুরুষের অধীন। সুমিতা – কিন্তু নারীকে স্বাধীনতা না-দিলে তো সমাজ কখনও এগোবে না। কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন – এই বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, / অর্ধেক তার সৃজিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। দীপা – সে-কথা আর কে মানে বল! স্বামী বিবেকানন্দও তো বলেছেন – ভারতের দুর্দশার অন্যতম কারণ হল নারীজাতির প্রতি অবহেলা। সুমিতা – তবে আমার মতে, নারীকেই বেরিয়ে আসতে হবে পুরুষের কারাগার থেকে। শিক্ষা ও সাহসে পুরুষের সমকক্ষ হতে হবে। অংশগ্রহণ করতে হবে বিভিন্ন সামাজিক কাজে। দীপা – তবে বর্তমানে দেশের প্রশাসনে নারীদের অংশগ্রহণ আবশ্যিক হয়েছে। বিশেষ সংরক্ষণব্যবস্থা নারীকে অনেক সুযোগ করে দিয়েছে। সুমিতা – তবুও নারী দুর্বল। একজন পুরুষ ট্রেনে-বাসে নির্ভয়ে একা একা যাতায়াত করতে পারে। কিন্তু নারীর পক্ষে তা সম্ভব নয়। খবরের কাগজ খুললেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। দীপা – আমার মনে হয়, পাড়ায় পাড়ায় নারীবাহিনী গড়ে তুলে এসবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পণপ্রথা যে আজও বেঁচে আছে, তার কারণ নারীর দুর্বলতা। নারী বিদ্রোহিনী হয়ে উঠলে এই প্রথারও অবলুপ্তি ঘটবে। সুমিতা – তাহলে চল, আমরা স্কুলজীবন থেকেই শপথ নিই, দেশ ও দশের কাজে পুরুষের মতো আমরাও অংশগ্রহণ করব। পুরুষতন্ত্র বলে কিছু মানব না। আমাদের একটাই ‘তন্ত্র’ হবে-সেটি হল ‘মানবতন্ত্র’। দীপা – চল, তাহলে আজ থেকেই এই ভাবনা নিয়ে জীবনযাত্রা শুরু করি। " "কুসংস্কার প্রতিরোধে বিজ্ঞান মনস্কাতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","বৃষ্টি – কিরে মেঘা, হাসপাতালের সামনে আজ খুব ভিড় দেখলাম। মেঘা – আরে একজন লোককে সাপে কামড়ে ছিল-লোকটি মারা গিয়েছে বলে হাসপাতালে ভাঙচুড় হল। বৃষ্টি – কেন চিকিৎসা কি ঠিকঠাক হয়নি! মেঘা – আরে চিকিৎসা হবে কি! শুনলাম তো লোকটাকে যখন আনা হয়েছে তখনই তার মরোমরো অবস্থা। ওঝার কাছে একদিন ফেলে রেখেছিল। বৃষ্টি – তাহলে আর রুগি বাঁচবে কী করে। মেঘা – আমাদের দেশের এই হল মুশকিল। মানুষ এখনও সচেতন হল না। কুসংস্কার একেবারে মনে বাসা বেঁধে আছে। বৃষ্টি – সর্বত্র। নাহলে চ্যানেলে চ্যানেলে জ্যোতিষীর ছয়লাপ হয়। মেঘা – কত সর্বস্বান্ত হওয়া, কত মৃত্যু আরও যে অপেক্ষা করে আছে! মানুষ আর কবে বুঝবে! " করোনাভাইরাস সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা, তোমাকে খুবই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত দেখাচ্ছে। কিন্তু কেন? মীনা : আমি খুবই চিন্তিত, কারণ আমার এক আত্মীয় স¤প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং সে এখনো সুস্থ হয়ে ওঠেনি। রাজু : এটা সত্যিকার অর্থেই খারাপ লাগার মত একটি সংবাদ। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে করোনাভাইরাস যেভাবে খারাপ প্রভাব ফেলেছে, তা অস্বীকার করার মত নয়। মীনা : হ্যাঁ, তুমি ঠিক বলেছো। আমাদের চারিপাশে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। আর এই মৃত্যু মিছিল যেন থামছেই না। রাজু : হ্যাঁ, করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের প্রত্যাহিক জীবন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা বাইরে বের হতে পারছি না। এমনকি বিদ্যালয়েও যেতে পারছি না। আমাদের প্রায় সারাদিনই বাসায় বদ্ধ থাকতে হয়। মীনা : শুধু তাই নয়, চারিদিকে এই রোগের প্রচুর বিস্তারের ফলে মানুষ প্রায় কর্মহীন হয়ে পরেছে। অনেকেই চাকরী হারিয়েছে এবং না খেতে পেয়ে কষ্ট করছে। রাজু : সত্যিই তাই। এই মহামারী ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় কি তোমার জানা আছে? মীনা : আপাতদৃষ্টিতে করোনাভাইরাস স্থায়ীভাবে দূর করার কোন চিকিৎসা এখনো আবিস্কৃত হয়নি। তবে কিছু সুরক্ষা নিয়ম মেনে এই রোগের বিস্তার কিছুটা কমানো সম্ভব। রাজু : কি সেই নিয়মগুলো। দয়া করে বলবে কি? মীনা : অবশ্যই। আমাদের সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। অবশ্যই বাইরে বের হলে মাস্ক পড়তে হবে। রাজু : তুমি ঠিক বলেছো। সুরক্ষার জন্য আমাদের এই স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানা উচিত। এর বাইরে কি আর কোন নিয়ম আছে যা আমাদের অনুসরণ করা উচিত? মীনা : হ্যাঁ, আমাদের অবশ্যই আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি যাওয়া উচিত নয়। আমাদের জনবহুল জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে এবং একজনের থেকে আরেকজনের অন্তত ৩ ফুট সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। রাজু : আমি অবশ্যই তোমার দেয়া নির্দেশনাগুলো মেনে চলার চেষ্টা করবো এবং আমার পরিচিত সকলকে এ সম্পর্কে সচেতন করবো। তোমার আত্মীয়র জন্য শুভকামনা। আশা করা তিনি খুব শীঘ্রই সুস্থ্য হয়ে উঠবেন। আজ তাহলে বিদায় নিচ্ছি। মীনা : বিদায়। ভালো থেকো এবং নিজের খেয়াল রেখো। " ধুমপানের ক্ষতিকরণ দিক নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা, তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে? মীনা : যথারীতি। তোমার পরীক্ষা কবে শুরু হবে? রাজু : আমাদের পরীক্ষা দরজায় কড়া নাড়ছে (আসন্ন/খুব কাছেই)। কিন্তু পড়াশোনায় মন দিতে পারছি না। যাই হোক, গতকাল পত্রিকায় ধূমপানের বিপদ নিয়ে একটি ফিচার পড়েছিলাম। তুমি কি এটা নিয়ে সচেতন? পড়া মীনা : অবশ্যই, আমিও ধূমপানের বিরুদ্ধে ভাবছি। ধূমপানের ফলে অনেক রোগ হয়। তুমি এটি সম্পর্কে কি মনে কর? রাজু : আমি মনে করি ধূমপান এক ধরনের নেশা। তাছাড়া অন্য সব মারাত্মক আসক্তি শুরু হয় ধূমপানের মাধ্যমে। মীনা : তোমার যুক্তি ঠিক। ধূমপান আমাদের জীবনকে ছোট করে ছাড়া কিছুই দেয় না। ধূমপানে অন্য কোন অপব্যবহার আছে বলে তুমি মনে করেন? রাজু : ধূমপানে অনেক খরচ হয়। এছাড়া ধূমপায়ীর নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তোমার কি তাই মনে হয় না? মীনা : অবশ্যই। যখন কেউ তার সামনে ধূমপান করে তখন এটি অধূমপায়ীদের জন্য খুব বিরক্তিকর। ধূমপানের ধোঁয়া শিশুদের চোখে আঘাত করে। আমি কি ভুল? রাজু : অবশ্যই না। প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে। মীনা : হ্যাঁ, এ ব্যাপারে প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে। রাজু : তোমার মূল্যবান যুক্তির জন্য ধন্যবাদ। মীনা : ধন্যবাদ। " একটি উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা! তুমি কেমন আছো? মীনা : আমি ভালো আছি আর তোমার কি খবর? রাজু : আমিও বেশ ভালো আছি। তুমি কি গতকাল বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ক্রিকেট ম্যাচটি উপভোগ করেছ? মীনা : অবশ্যই! এই প্রথম নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আমি খুব খুশি যে আমি স্টেডিয়ামে ম্যাচ উপভোগ করেছি। রাজু : ম্যাচটি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? মীনা : ওহ, হ্যাঁ! দুই দলের পারফরম্যান্স দেখে আমি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছিলাম, বিশেষ করে বাংলাদেশ দলের। রাজু : হ্যাঁ, এটি একটি দুর্দান্ত বিস্ময় ছিল যে বাংলাদেশ প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন- নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। মীনা : ঠিক! তুমি জান যে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরিচিত দল এবং এটা খুবই মজার যে তারা আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছে। রাজু : হ্যাঁ। তবে এটা সত্যি যে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ফিল্ডিং ছিল চমৎকার। তারা শীর্ষস্থানীয় দলের মতো মাঠে নেমেছিল। মীনা : অবশ্যই! এবং এটি নিউজিল্যান্ড দল উচ্চ স্কোর পেতে ব্যর্থ হযতে আরেকটি কারণ ছিল। রাজু : শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ টার্গেট ছিল। কিন্তু আমাদের দল এতটাই অপ্রত্যাশিত ছিল যে তারা সেটা অর্জন করতে না পারলে তুমি অবাক না হয়ে পারতেন না। মীনা : অবশ্যই। তবে বোলারদের পাশাপাশি আমাদের ব্যাটসম্যানরাও পারফর্ম করেছে। রাজু : ঠিক বলেছ। আমি মনে করি পরের ম্যাচে বাংলাদেশ আরও উজ্জ্বল হবে এবং দেশের জন্য সুনাম ও সুনাম বয়ে আনবে। মীনা : অবশ্যই! আমাদের আশা অযৌক্তিক নয়। রাজু : হ্যাঁ, সত্যিই! তোমাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আমাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে দাও। মীনা : তোমাবে স্বাগতম। বিদায়, আবার দেখা হবে। " এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ।,"সোহেল : কেমন আছ? আরমান : ভালো বন্ধু। তুমি কেমন আছ? সোহেল : ভালো আছি। তবে পরীক্ষা নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। আরমান : তুমি তোমার রসায়ন বিষয়টি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে পারনি? সোহেল : রসায়নে আমি সব পড়ে ফেলেছি। বুঝেও পড়েছি কিন্তু তবুও মনে হচ্ছে সবই ভুলে যাচ্ছি। আরমান : চিন্তা করো না বন্ধু, পরীক্ষার আগে এমনই হয়। আমারও মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি। দেখবে পরীক্ষায় ঠিকই সব লিখতে পারবে। শ্রেণি পরীক্ষার সময়ও এমনই হয়েছিল, না? সোহেল : হ্যা, কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষাটি মনে একটি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তোমার রসায়নে প্রস্তুতি কেমন? আরমান : ভালো। আমি ভয় পাচ্ছি বাংলা প্রথম পত্র নিয়ে। সৃজনশীল বিষয়ে কেমন উদ্দীপক হয়, তাই নিয়ে। সোহেল : উদ্দীপক যেমনই হোক, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল বইয়ের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পড়া। এমন উদ্দীপকই দেবে, যেটা পাঠ্যবইয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অথবা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অথবা পাঠ্যবিষয়ের খÐাংশের চিত্র। এই সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও খÐাংশকে তুমি তখনই যথার্থভাবে চিত্রিত করতে পারবে, যখন তুমি মূল বই ভালোভাবে পড়বে। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু, আর চিন্তা করব না। আমি এভাবেই পড়ব। সোহেল : আমিও রসায়ন নিয়ে আর ভাববাে না। শুধু পড়ব আর লিখব। তাহলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরমান : পড়ার মাঝখানে বিশ্রাম নেবে। এতে পড়াটা ভালোভাবে মনে থাকবে। সোহেল : ধন্যবাদ বন্ধু। আরমান : তোমাকেও ধন্যবাদ। " "নারী স্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","অঙ্কিতা : মাধ্যমিক পাশ করার পর তুই তো উচ্চমাধ্যমিক পড়বি ? আমার ভাই এই মাধ্যমিকেই পড়াশুনো থমকে যাবে। নন্দিতা : দুঃখ করার কিছু নেই। আমারও তো এখন সেই একই অবস্থা। মা-বাবা এখন থেকেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন। অঙ্কিতা : স্বাধীনতা শব্দের অর্থ শুধুমাত্র আকারেই বেড়েছে। নারীর ক্ষেত্রে তা বেশির ভাগ সময় সে সবের কোনো অর্থই নেই। নন্দিতা : বলতো! এই পড়াশুনা নিয়ে কতটা এগুতে পারি আমরা। অঙ্কিতা : আমাদের বাবা-মাদের বোঝাতেই হবে। আর তাদের মাথা থেকে সরাতে হবে তাড়াতাড়ি মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা। নন্দিতা : মনে নেই আবার, সে সব কথা মনের মধ্যে গেঁথে আছে। সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার হদিস তো ওখানেই পেয়েছিলাম। অঙ্কিতা : আর্থিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী স্বাধীনতার কোনো অর্থই হয় না। অতএব এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, যেমন করেই হোক পড়াশুনোটা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে। " বৃক্ষরোপণ-উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"প্রিয়ম : দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনে এত বড়ো একটা বকুল গাছ কেটে ফেলা হল। শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। সায়ন : আর বলিস না ! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। প্রিয়ম : সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ। সায়ন : কেউ একবার অন্তত এটাও ভেবে দেখবে যে, এতে ক্ষতি আখেরে নিজেদেরই। এই ভয়ানক লোভে তো মানুষের নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জল স্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য- গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও নির্বিরোধে প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সব মিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। প্রিয়ম : শুধু তাই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। বাংলাাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। সায়ন : আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ এই বাক্যটিকে নিছক ¯েøাগান নয়, জীবনযাপনের অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। না ইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। " মাধ্যমিকের পর কী বিষয় নিয়ে পড়বে এ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বিভাস : কী রে পরেশ, এইতো মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলি, বই-খাতা নিয়ে কোথায় চললি? পরেশ : টিউশনে যাচ্ছি। অঙ্কটা পড়তে শুরু করলাম। বিভাস : ও, তার মানে তুই সাইন্স নিয়ে পড়বি ? পরেশ : হ্যাঁ, আমি যেহেতু ডাক্তার হতে চাই তাই সায়েন্স নিয়েই পড়তে হবে। তুই কী নিয়ে পড়তে চাস? বিভাস : আমি আর্টস নিয়ে পড়বো। তুই তো জানিস আমার ইতিহাস পড়তে খুব ভালো লাগে। পরেশ : তাছাড়া তুই তো শিক্ষকতা করতে চাস? স্কুল টিচার না কলেজের অধ্যাপক কী হতে চাস? বিভাস : ইতিহাস অনার্স এবং মাস্টার ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে। তারপর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেব। যেকোনো একটা পেলেই হবে। পরেশ : ঠিক আছে ,এই নিয়ে পরে কথা হবে এখন পড়ে আসি। বিভাস : হ্যাঁ, আয়।পরে কথা হবে। " বইমেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বাপ্পা : কী খবর রাহুল , কেমন আছিস? রাহুল : এই তো ভালো, তোর খবর কী? কাল নাকি বইমেলায় গিয়েছিলি? বাপ্পা : হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমি তো সারা বছরই এই মেলার অপেক্ষায় থাকি। রাহুল : হস্তশিল্প মেলায় যেতে বললাম গেলি না। এখন একা একাই বইমেলায় চলে গেলি। বাপ্পা : তুই তো জানিস, আমি শৈশব থেকেই বইপাগল, বইয়ে ডুব দিয়ে আমি পার করতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রাহুল : বর্তমানে দেশের এরূপ অসহিষ্ণু ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের যৌক্তিকতা কতটুকু? বাপ্পা : আসলে আমাদের এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণে একমাত্র সহায়ক হতে পারে বই। কারণ বই মানুষকে সুপথে চালিত করে, মানুষের চিন্তার প্রসার ঘটায়। রাহুল : বইমেলায় বই বিক্রি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কী? বাপ্পা : মেলায় বই বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, ক্যুইজ,বক্তৃতা, নতুন বই প্রকাশ প্রভৃতি। রাহুল : মেলা থেকে কী কী বই কিনলি? বাপ্পা : জয় গোস্বামী, হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকটি বই কিনেছি। রাহুল : এরপর গেলে আমাকেও নিয়ে যাস। বাপ্পা : নিশ্চয়ই যাবি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে বইমেলায় গেলে অনেক মজা হবে। " শিক্ষাঙ্গনে অসন্তোষ ও অস্থিরতা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এ সম্পর্কে দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"সাইদ : পরীক্ষাতো আর বেশিদিন বাকী নেই। প্রস্তুতি কেমন বন্ধু? মোস্তাক : আর বলিস না। প্রস্তুতি নেব কিভাবে। ঠিকমতো ক্লাস হলো না। সিলেবাস শেষ হলো না। এখন কী পরীক্ষা দেবো বুঝতে পারছি না। সাইদ : আমারো একই অবস্থা। এ বছর কলেজে তেমন ক্লাসই হলো না। ক্যাম্পাস খুললেই মারপিট আর দাঙ্গা হাঙ্গামা। এরপর কলেজ বন্ধ। এভাবে কী লেখাপড়া হয়। মোস্তাক : সবচেয়ে দুঃখজনক হলো আমরা শিক্ষাঙ্গনে যে মূল্যবোধ ও আদর্শ শিখতে এসেছি তা থেকে বঞ্চিত হয়েছি। শিক্ষক ও ছাত্রের যে সম্পর্ক থাকার কথা ছিল সেটাও পাইনি। সাইদ : হ্যাঁ, তুমি সত্য কথাই বলেছ। এইতো সেদিন কলেজে এক সিনিয়র ভাই একজন শিক্ষককে ক্ষমতার দাপটে একটি কক্ষে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখেছিল। এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কী হতে পারে। মোস্তাক : কেন তুমি কী ভুলে গেছ সাঈদ, গত বছর দুই দল ছাত্রের মধ্যে তুমুল মারামারি হয়েছিল। শিক্ষকরা মিমাংসা করতে গেলে দুই জন শিক্ষকের মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়। এরপর প্রায় একমাস কলেজ বন্ধ থাকে। সাইদ : এভাবে অস্থিরতা ও অসন্তোষ চলতে থাকলে শিক্ষাঙ্গন থেকে সুনাগরিক বের হওয়ার পরিবর্তে দুর্নীতিপরায়ণ নাগরিক বের হবে। মোস্তাক : আমারো তাই মনে হচ্ছে। এসব বন্ধে সবার আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সাইদ : কিছু অসাধু ব্যক্তি ছাত্রদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। মোস্তাক : শুধু কি তাই? নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে ছাত্ররা খুনোখুনিতে জড়াচ্ছে। সাইদ : আমার মনে হয় পরিবার থেকেই ছাত্রদের মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। মোস্তাক : আমারও তাই ধারণা, পরিবার থেকেই তার সূচনা করতে হবে। ১০. ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের সংলাপ " ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের সংলাপ,"ছাত্র : জনসংখ্যা সমস্যা কী স্যার? শিক্ষক : তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা করেছ। জনসংখ্যা বদ্ধির ফলে আমাদের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব প্রতিটি মানুষের উপর পড়ে। ছাত্র : সেটা কীভাবে স্যার? শিক্ষক : এই মনে করো, আমাদের দেশের আয়তন যা আছে তা কিন্তু বাড়ছে না। কিন্তু জনসংখ্যা কিন্তু বেড়েই যাচ্ছে। তাহলে এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন বাসস্থানের বা বাড়ি-ঘরের। আর বাড়িঘর তৈরির ফলে-ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন কমছে। খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ছাত্র : স্যার, সত্যিইতো। এভাবেতো কখনো ভাবিনি। এটা তো বিরাট বড় সমস্যা। শিক্ষক : শুধু এখানেই শেষ নয়। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে বেকারত্ব দেখা দিচ্ছে। নাগরিক জীবনের সুযোগ-সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। ছাত্র : এর কী কোনো সমাধান নেই স্যার? শিক্ষক : হ্যা অবশ্যই আছে, এ জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের দেশের জন্যেই কল্যাণ হতে পারে। ছাত্র : কীভাবে কাজে লাগানো যায় স্যার? শিক্ষক : বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে খুব দ্রæত এ দেশ উন্নত হবে। বিশেষ করে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণ ও জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পারলে প্রচুর বৈদিশিক মুদ্রা আয় সম্ভব। শিল্প কারখানা স্থাপন করে তাতে এই জনবলকে কাজে লাগাতে হবে। " "স্কুলে অনুপস্থিতির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। আমি গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অসুস্থতার কারণে স্কুলে অনুপস্থিত ছিলাম। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন ছিল। তাই আমার অনুপস্থিতি ক্ষমা করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। অতএব, আমার অনুপস্থিতি যেন ক্ষমা করা হয়, সে বিষয়ে আপনার সদয় অনুমোদনের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই। " "জরিমানা মওকুফের জন্য দরখাস্ত নমুনা ","বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: জরিমানা মওকুফের আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির একজন ছাত্র। পারিবারিক সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে আমার বেতন জমা দিতে পারিনি। এর ফলে আমার উপর জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত এবং আমার পরিবার বর্তমানে আর্থিক সমস্যায় আছে। অতএব, জরিমানা মওকুফ করে আমাকে সহযোগিতা করার জন্য আপনার প্রতি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই। " "উপবৃত্তির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। পড়াশোনার খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর। অতএব, আমি যাতে আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি, সেই জন্য উপবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই। " "অধ্যক্ষ বরাবর দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","বরাবর, অধ্যক্ষ, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: [বিশেষ কারণ উল্লেখ করে দরখাস্ত] মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। [কারণ উল্লেখ করুন]। অতএব, আমি আপনার সদয় অনুমোদন কামনা করছি, যেন [বিশেষ কারণ] এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ " "ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত ","বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। ব্যক্তিগত কারণে আমাকে স্কুল পরিবর্তন করতে হচ্ছে। অতএব, আমার ছাড়পত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই " "উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দরখাস্ত ","বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [ঠিকানা]। বিষয়: [বিশেষ কারণ উল্লেখ করে দরখাস্ত] মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [নাম], [ঠিকানা] এর একজন বাসিন্দা। [বিশেষ কারণ] এর জন্য আপনার কাছে এই আবেদন জানাচ্ছি। অতএব, আমার আবেদনটি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। বিনীত, নিবেদক, [আপনার নাম][ঠিকানা] " "চাকরির জন্য দরখাস্ত ","বরাবর, ব্যবস্থাপক, [কোম্পানির নাম], [ঠিকানা]। বিষয়: চাকরির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে [পদের নাম] পদে চাকরির জন্য আবেদন করছি। আমি [শিক্ষাগত যোগ্যতা] এবং [কর্মদক্ষতা] সহ প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। অতএব, আমার আবেদনটি বিবেচনা করে আমাকে উপযুক্ত পদে নিয়োগ দেওয়ার অনুরোধ করছি। বিনীত, নিবেদক, [আপনার নাম][ঠিকানা][মোবাইল নম্বর] " "অনুপস্থিতির কারণে ছুটির আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। স্যার, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র।  ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে আমি গত ১১/১০/২০২৪ থেকে ১৬/১০/২০২৪ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি।  অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র ‘ক’ (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২ " "অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। মহোদয়, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ২১/১০/২০২৪ থেকে ২৩/১০/২০২৪ তারিখ পর্যন্ত আমার বড় বোনের বিবাহ উপলক্ষে অগ্রিম ছুটির প্রয়োজন। উক্ত অনুষ্ঠানে আমাকে বড়দের কাজে সাহায্য করতে হবে তাই আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারব না। অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আপনাকে উল্লেখিত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র ‘ক’ (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২ " "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ‘ক’ উচ্চ বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা। বিষয়ঃ স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মনাপূর্বক নিবেদন এই যে, তথ্যসূত্রে গত ১৬/১০/২০২৪ তারিখ জানতে পারলাম যে, আপনার স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে সহকারী পদে লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, কভার লেটারসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ডকুমেন্টস দরখাস্তের সাথে সংযুক্ত করছি।  অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ দানে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক ‘খ’ ( আপনার নাম ) সংযুক্তিঃ ১। শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি। ২। জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি। ৩। পাসপোর্ট সাইজের  ২ কপি ছবি সত্যায়িত করা। ৪। চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রাপ্ত চারিত্রিক সনদপত্র। ৫। প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। ৬। আবেদন ফি পরিশোধের এর ব্যাংক ড্রাফট " "মসজিদে অনুদানের জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি  বিষয়ঃ মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আপনি জেনে খুশি হবেন  আমরা মাদ্রাসার নতুন ভবনের দেয়াল, পিলার ও ফ্লোরের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। এখন মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাই দেয়ার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। আপনাদের সহযোগিতায় এই মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই আর্থিক সহায়তা করলে আমরা মাদ্রসার বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম হতাম। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন, মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদান প্রদান করে মাদ্রাসা নির্মানের কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ দান করলে আপনাদের নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক মাদানি কমিটির পক্ষে ‘ক’ (নাম) " "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ‘ক’ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন এবং পরিবারে আমার বাবা একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের ভরণপোষণের খরচ চালানোর পাশাপাশি আমাদের পড়াশোনার খরচ চালাতে তাকে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। যার কারণে আমি গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি।  অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উপরে বর্ণিত বিষয় বিবেচনা করে আমাকে জরিমানা মওকুফ করে শুধুমাত্র বেতন পরিশোধের অনুমতি দানে বাধিত করবেন।  বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র ‘ক’ (নাম) রোলঃ ৯ শাখা-ক উপরে আপনাদের সুবিধার্থে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ আবেদন পত্র লেখার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করি এরপর থেকে আবেদন পত্র লেখা নিয়ে কোন বিভ্রান্তিতে পড়তে হবে না। " "স্কুলে অগ্রিম ছুটির দরখাস্ত লেখার নিয়ম  ","তারিখ: ০৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, প্রধান শিক্ষক টেন মিনিট স্কুল (…আপনার স্কুলের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অগ্রিম ছুটির জন্য  আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মাহির মাহফুজ (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আগামী ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং রোজ শুক্রবার আমার বড় ভাইয়ের বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ১৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং থেকে ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং পর্যন্ত মোট ৪ দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারবো না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার বিনীত নিবেদন এই যে, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে ৪ দিনের অগ্রিম ছুটি প্রদানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থী মাহির মাহফুজ (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১০ম (বিজ্ঞান শাখা) রোল: ০৮ " "অফিসে ছুটির দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, প্রধান কর্মকর্তা, মানব সম্পদ বিভাগ (…যার অধিনস্থ আছেন, তার পদবি) টেন মিনিট স্কুল (…প্রতিষ্ঠানের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, সম্মানের সাথে জানাই যে, আমি আপনার অধীনস্থ একজন হিসাবরক্ষক (…আপনার পদবি)। আমি গত ২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং থেকে ২৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং পর্যন্ত পারিবারিক সমস্যার কারণে অফিসে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৫ দিনের ছুটি দিয়ে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক মাহমুদুর আহমেদ (…আপনার নাম লিখুন) হিসাবরক্ষক (…আপনার পদবির নাম লিখুন) টেন মিনিট স্কুল (…প্রতিষ্ঠানের নাম লিখুন) (…আপনার স্বাক্ষর) " "স্কুলে অনুপস্থিতির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম  ","তারিখ: ০৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, প্রধান শিক্ষক টেন মিনিট স্কুল (…আপনার স্কুলের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি কাসিরাহ সুলতানা (…শিক্ষার্থীর নাম), আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমি গত ০২ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং থেকে ০৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং পর্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। (…স্কুলে অনুপস্থিতির কারণ লিখবেন) অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৩ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক কাসিরাহ সুলতানা (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১০ম (বিজ্ঞান শাখা) রোল: ০৫ " "জরিমানা মওকুফের জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, অধ্যক্ষ টেন মিনিট স্কুল ও কলেজ (…আপনার স্কুল/কলেজের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আনিকা রহমান (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণির ব্যবসা শিক্ষা শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমি কলেজের বেতন ও অন্যান্য সকল খরচ যথাসময়ে পরিশোধ করে আসছি। কিন্তু, আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অর্থাৎ আমার বাবা গত ২ মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই বাবার অসুস্থতা ও পারিবারিক আর্থিক অনটনের কারনে নির্ধারিত সময়ে কলেজের সকল ফি ও বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। উল্লেখ্য যে, আমার বাবা আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি এবং বাবার আয়ের উপর আমাদের পরিবারের সকল ভরণপোষণের ব্যয় বহন করা হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার নিকট আকুল আবেদন, আমার আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জরিমানা ছাড়া বেতন প্রদানের অনুমতি দিয়ে বাধিত করবেন। নিবেদক আনিকা রহমান (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১১শ (ব্যবসা শিক্ষা শাখা) রোল: ০৪ " "উপবৃত্তির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","বরাবর, অধ্যক্ষ টেন মিনিট স্কুল ও কলেজ (…আপনার স্কুল/কলেজের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি শতাব্দী রায় (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্রী। আমার বাবা একজন গরিব কৃষক এবং তিনিই আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত কয়েক মাস যাবৎ তিনি শারিরীকভাবে অসুস্থ। এমতাবস্থায় আমার বাবার পক্ষে পরিবারের খরচ বহনের পর, আমাদের ৩ ভাই-বোনের পড়ালেখার খরচ বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উপবৃত্তি প্রদান করে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দান করে বাধিত করবেন। নিবেদক শতাব্দী রায় (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ৮ম রোল: ০৩ " "অধ্যক্ষ বরাবর দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ১২ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, অধ্যক্ষ টেন মিনিট স্কুল ও কলেজ (…আপনার কলেজের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটি চেয়ে আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি রেদওয়ান আহমেদ (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমি গত ০৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং তারিখ হতে ০৯ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং এই তারিখ পর্যন্ত আমার মায়ের অসুস্থতার কারণে আমি অত্র কলেজে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার বিনীত আবেদন উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে, আমাকে অনুগ্রহপূর্বকউক্ত ৫ দিনের ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। নিবেদক রেদওয়ান আহমেদ (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১১শ (মানবিক শাখা) রোল: ০৯ " "ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, অধ্যক্ষ টেন মিনিট স্কুল ও কলেজ (…আপনার কলেজের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আফিয়া ফারজানা (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমার বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি তার কর্মস্থল মিরপুর, ঢাকা থেকে আগ্রাবাদ, চট্টগ্রামে বদলি হয়েছেন। আমি ও আমার পরিবার আগামী মাসেই স্থায়ীভাবে সেখানে চলে যাবো। পরিবারসহ অন্য শহরে বদলি হওয়ায় আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা সম্ভব হবে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার বিনীত আবেদন উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে, আমাকে প্রয়োজনীয় ফী ও বকেয়া পরিশোধ পুর্বক ছাড়পত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। নিবেদক আফিয়া ফারজানা (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ৯ম (বিজ্ঞান শাখা) রোল: ০২ " "উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ০৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লোহাগাড়া উপজেলা, চট্টগ্রাম (…নিজের উপজেলার নাম) বিষয়: রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি লোহাগাড়া উপজেলার হরিণা গ্রামের (…নিজের গ্রামের নাম) বাসিন্দা। আপনার এলাকায় নিম্নে উল্লিখিত রাস্তাগুলো সাম্প্রতিক বন্যার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই রাস্তাগুলোতে পায়ে হাঁটা লোকজন এবং মালপত্র বহনকারী যানবাহন উভয়ের জন্য অনুপযুক্ত এবং মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। (…আপনি যে বিষয় নিয়ে লিখতে চান, তার বিবরণ লিখতে হবে) ১. নুরপুর স্টেশন রোড, ২. আফতাবনগর, কুমারখালী রোড, ৩. হরিণা, রাণীরপুকুর রোড ইত্যাদি। অতএব, আপনার কাছে নিবেদন এই যে, এই রাস্তাগুলো যথাশীঘ্রই মেরামত করার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। নিবেদক, আমিনুর রহমান (…আবেদনকারীর নাম) লোহাগাড়া উপজেলা, চট্টগ্রাম (…যে বা যারা লিখছেন তাদের ঠিকানা) লোহাগাড়া উপজেলাবাসীর পক্ষে " "ছুটির জন্য আবেদন ","তারিখ: ২৬ নভেম্বর ২০২৪ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, কোলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ। বিষয়: ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর একজন ছাত্র। আগামী ২৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে আমার মা-বাবার বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আমাকে ১ দিনের ছুটি প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের কাছে আমার বিনীত আবেদন এই যে, আমাকে ২৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে ছুটি প্রদান করলে আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত নিবেদক, আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র, [আপনার নাম] শ্রেণি: দশম রোল নম্বর: ৭ " "ফি মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখ: ২৬ নভেম্বর ২০২৪ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, একতা স্কুল, মুম্বাই, মহারাষ্ট্র। বিষয়: ফি মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি একতা স্কুলের একাদশ শ্রেণীর একজন ছাত্র। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থার কারণে, আমার শিক্ষাবর্ষের ফি পরিশোধে সমস্যা হচ্ছে। অতএব, আমি আবেদন করছি যে, আমার ফি মওকুফের ব্যবস্থা করা হোক। " "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ……………….. উচ্চ বিদ্যালয় সেরা অনলাইন কোর্স কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব যথাবিহীত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, গত ০১/০১/২০২১ খ্রিঃ তারিখে “দৈনিক যুগান্তর” পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, সহকারী শিক্ষক পদে আপনার প্রতিষ্ঠানে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত ও আনুষাঙ্গিক তথ্যাদি মহোদয়ের নিকট উপস্থাপন করছি। ১। নামঃ ২। পিতার নামঃ ৩। মাতার নামঃ ৪। বর্তমান ঠিকানাঃ ৫। স্থায়ী ঠিকানাঃ ৬। জন্ম তারিখঃ ৭। জাতীয়তাঃ ৮। জাতীয় পরিচয় পত্র নংঃ ৯। বৈবাহিক অবস্থাঃ ১০। ধর্মঃ ১১। মোবাইল নাম্বারঃ ১২। রক্তের গ্রুপঃ ১৩। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ পরীক্ষার নামগ্রুপ/বিষয়বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়পাশের সনপ্রাপ্ত গ্রেডএসএসসিবিজ্ঞানসিলেট২০০৬জিপিএ-৫এইচএসসিবিজ্ঞানসিলেট২০০৮জিপিএ-৫বিএসএসরাষ্ট্রবিজ্ঞানজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২০১২প্রথম শ্রেণীএমএসএসরাষ্ট্রবিজ্ঞানজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২০১৩প্রথম শ্রেণী ১০। অভিজ্ঞতাঃ অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনাপূর্বক উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়। বিনীত (জুয়েল আহমদ) মোবাঃ +৮৮ ০১৭১০-০০০০০০ সংযুক্তিঃ ১। পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি ২ কপি। ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। ৩। চারিত্রিক সনদপত্র। ৪। নাগরিকত্ব সনদপত্র। ৫। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। ৬। ১০০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট। " "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখ-০২/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর অধ্যক্ষ মহোদয় মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ। বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পিতার পারিবারিক আর্থিক অনটন ও অসুস্থতার কারনে নির্ধারিত সময়ে কলেজের সকল প্রকার ফী ও বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। উল্লেখ্য অবশ্যক যে, আমার পিতা আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি এবং পিতার আয়ের উপর পরিবারের সকল ভোরণপোষণ খরচ বহন করা হয়। অতএব, মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন যে, আমার পিতার অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জরিমানা ছাড়া সকল ফী ও বেতন প্রদানের অনুমতি প্রদানে আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-একাদশ বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-৯০৯ " "ছাড়পত্রের জন্য আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক (ক) উচ্চ বিদ্যালয় সেরা অনলাইন কোর্স কুলাউড়া, মৌলভাবাজার। বিষয়ঃ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পিতা একজন সরকারী চাকরিজীবি। তাঁর বর্তমান কর্মস্থল কুলাউড়া উপজেলা হতে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বদলি হওয়ায় আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা সম্ভব হবে না। সেরা অনলাইন কোর্স অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা যে, আমার উপরোক্ত সমস্যার বিষয়টি বিবেচনা করতঃ সকল বকেয়া বেতন ও ফি পরিশোধ পূর্বক আমাকে ছাড়পত্র প্রদানের জন্য আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী- নবম বিভাগ- বিজ্ঞান রোল নং- ০১ " "অফিসিয়াল ছুটির আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লি. কুলাউড়া শাখা, সিলেট। বিষয়ঃ নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার ছোট বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিনের ছুটি ভোগ করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়টি বিবেচনাক্রমে ০৩ (তিন) দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সবিনয়ে আবেদন পেশ করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) অফিসার পূবালী ব্যাংক ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার। " "অগ্রিম ছুটির আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক (ক) উচ্চ বিদ্যালয় সেরা অনলাইন কোর্স কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার বড় বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারব না। সেরা অনলাইন কোর্স অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়াদি বিবেচনাপূর্বক আমাকে ০৩ (তিন) দিনের অগ্রিম ছুটি প্রদান করতে আপনার মর্জি হয়। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০১ " "অফিসিয়াল ছুটির আবেদন (অনুপস্থিতির) ","তারিখ-০৬/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লিঃ ………………… শাখা, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এর একজন অফিসার। আমার শারিরীক অসুস্থতার কারনে গত ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৫/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৫ (পাঁচ) দিন অফিসে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে অনুপস্থিতি কালের ৫ (পাঁচ) দিন ছুটি মঞ্জুর করতে আপনার সদয় মর্জি হয়। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (…………………) অফিসার পূবালী ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার। " "জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জিডি লেখার নিয়ম ","তারিখ: (আবেদনের তারিখ লিখুন) বরাবর, অফিসার ইনচার্জ থানার নাম (আপনার থানার নাম লিখুন) উপজেলা, জেলা। (আপনার উপজেলা ও জেলার নাম লিখুন) বিষয়ঃ সাধারণ ডায়েরির জন্য আবেদন। যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার নাম (বয়স), পিতা/স্বামীঃ (পিতা বা স্বামীর নাম লিখুন) গ্রামঃ (গ্রামের নাম লিখুন), ডাকঘরঃ (আপনার ডাকঘরের নাম লিখুন), উপজেলাঃ (আপনার উপজেলার নাম লিখুন) জেলাঃ (জেলার নাম লিখুন)। আমি থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, গত (হারানোর তারিখ লিখুন) তারিখে আমার নিজ বাড়ি বা (যেকোন একটি স্থানের নাম লিখুন) আসার পথে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ডটি হারিয়ে ফেলি। জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড নম্বর- (আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখুন) সম্ভাব্য অনেক স্থানে খোঁজাখুজি করেও পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, উপরোক্ত বিষয়ে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে আপনার সদয় মর্জি হয়। নিবেদক এখানে আপনার স্বাক্ষর (এখানে আপনার নাম) মোবাইলঃ (এখানে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন) ঠিকানাঃ (এখানে আপনার ঠিকানা লিখুন) " "চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ","ছাত্র জীবন শেষ করতে না করতেই শুরু হয়ে যায় চাকরির তথ্য খোজে আবেদন করা। তখনই প্রয়োজন হয় চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম। চাকরির আবেদন লেখার নিয়ম সম্পর্কে আজকে দরখাস্ত লেখার নিয়ম আর্টিকেলের এ অংশে আমার শিখে নিবো কিভাবে চাকরির আবেদন পত্র লেখতে হয়। চাকরির আবেদন পত্র নমুনা তারিখঃ বরাবর, মানব সম্পদ বিভাগ আনন্দ স্কুল (গণ-শিক্ষা প্রকল্প) সেরা অনলাইন কোর্স হাউজ-৮৭, রোড-১৩/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯। বিষয়ঃ ‘উপজেলা শিক্ষা পরিদর্শক’ পদের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২০/০৫/২০২২ তারিখের দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, উপজেলা শিক্ষা পরিদর্শক পদে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের জন্য একজন প্রার্থী হিসাবে আমি আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্নাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত উপস্থাপন করছিঃ ক) প্রার্থীর নাম : খ) মাতার নাম : গ) পিতার নাম : ঘ) বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম- ………….., ডাকঃ ………….., উপজেলা-………….., জেলাঃ ………….. ঙ) স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম- ………….., ডাকঃ ………….., উপজেলা-………….., জেলাঃ ………….. চ) জন্ম তারিখ : ছ) ধর্ম : জ) বৈবাহিক অবস্থা : ঝ) রক্তের গ্রুপ : ঞ) জাতীয়তা : ট) জাতীয় পরিচয় পত্র নং : ঠ) মোবাইল নং : ড) শিক্ষাগত যোগ্যতা : ক্রমিক নংপরীক্ষার নামগ্রুপ/বিষয়পাসের সনবোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় জিপিএ/ সিজিপিএ/ বিভাগ০১এস.এস.সি বিজ্ঞান ২০১২সিলেট ৪.৪৪০২ এইচ.এস.সি ব্যবসায় শিক্ষা ২০১৪ সিলেট৪.২০০৩অনার্স (বিবিএ) ব্যবস্থাপনা ২০১৮জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২.৯৪ অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা পূর্বক উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়। নিবেদক (আপনার নাম লিখুন) সংযুক্তি ১। পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি -০১ কপি। ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের অনুলিপি। ৩। জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি। " "চাকরির দরখাস্ত লেখার নিয়ম | চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম  ","তারিখ: ১৫/১১/২০১৯ ইং বরাবর, পরিচালক, এন.এস. আমিন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল উলিপুর, কুড়িগ্রাম। বিষয়: সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, গত ২৪ নভেম্বর ’হিজিবিজি’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে ৪ জন “সহকারী শিক্ষক” পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের “সহকারী শিক্ষক” পদের একজন প্রার্থী হিসেবে চাকরির জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক। নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী আপনার সদয় বিবেচনার জন্য পেশ করলাম। প্রার্থীর নাম: পিতার নাম: মাতার নাম: বর্তমান ঠিকানা: স্থায়ী ঠিকানা: মোবাইল নাম্বার: ই-মেইল: জন্ম তারিখ: জাতীয়তা: ধর্ম: ব্লাড গ্রুপ: শিক্ষাগত যোগ্যতা: পরীক্ষার নামগ্রুপ/বিষয়বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়পাশের সনপ্রাপ্ত গ্রেডএসএসসিবিজ্ঞানদিনাজপুর২০১২জিপিএ-৫এইচএসসিবিজ্ঞানদিনাজপুর২০১৪জিপিএ-৫বিএসএসরাষ্ট্রবিজ্ঞানজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২০১৮প্রথম শ্রেণীএমএসএসরাষ্ট্রবিজ্ঞানজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২০১৯প্রথম শ্রেণী অভিজ্ঞতা: ১। ……………………… ২। …………………….. অতএব, মহোদয় সমীপে বিনীত প্রার্থনা আমার উল্লেখিত তথ্যাবলী বিবেচনা পূর্বক আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ দানে আপনার মর্জি হয়। সংযুক্তি: ছবি ২ কপি একডেমিক সকল সনদপত্রের সত্যায়ি কপি চারিত্রিক সনদপত্র নাগরিকত্ব সনদপত্র " "ছুটির জন্য আবেদন পত্র : অসুস্থতার জন্য ছুটির আবেদন পত্র ","তারিখ-০৪/০২/২০২৪ বরাবর প্রধান শিক্ষক রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রংপুর। বিষয়: অসুস্থতার জন্য ছুটি চেয়ে আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আফিয়া আঞ্জুম, আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্রী। স্কুলে আসার পরে আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ অনুভব করছি। আমার পক্ষে আজকের ক্লাসগুলো করা আর সম্ভব না। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত নিবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে ছুটি প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক আফিয়া আঞ্জুম শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০৫ " "পুলিশের কাছে জিডি বা সাধারণ ডায়েরী করার জন্য আবেদন পত্র ","তারিখ: ……./……./……… বরাবর অফিস ইনচার্জ লালমনিরহাট সদর থানা (থানার নাম), লালমনিরহাট সদর (উপজেলার নাম), লালমনিরহাট (জেলার নাম) বিষয়: সাধারণ ডায়েরীর জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ/মোছাঃ ………………………. (আপনার নাম লিখুন), পিতা/স্বামী: মোঃ ………………….. (আপনার পিতা অথবা স্বামীর নাম লিখবেন), গ্রাম: ………….(আপনার গ্রামের নাম লিখুন), ডাকঘর:……………, উপজেলা:………………., জেলা:……………..। আমি শারীরিকভাবে থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, গত ……/……/২০২৩ ইং তারিখে আমার দোকান হতে বাড়িতে আসার পথে আমার ন্যাশনাল আইডি কার্ডটি হারিয়ে ফেলেছি। আমার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার ৮২৫……………..। সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করার পরও না পেয়ে আমি চিন্তিত হয়ে পরেছি। এমতাবস্থায় বিষয়টি সাধারণ ডায়েরীর অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। অতএব, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে সাধারণ ডায়েরীভুক্ত করে কৃতজ্ঞতায় বাধিত করবেন। নিবেদক (স্বাক্ষর) (আপনার পূর্ণ নাম) মোবাইল নাম্বার: +৮৮০১৭………… ঠিকানা: ………………. " "চাকরির আবেদন পত্রের নমুনা ","চলুন তাহলে নমুনার মাধ্যমে দেখে নিই চাকরির জন্য আবেদন পত্রটি কেমন হতে পারে। তারিখঃ০৩-০৯-২০২৪ ইং বরাবর, অধক্ষ মহোদয় প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা। বিষয়ঃ যে বিষয়ের জন্য আবেদন করবেন তা। (যেমনঃ সরকারী প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক পদে চাকুরির জন্য আবেদন পত্র) জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, গত …………………… (তারিখ),............ (চাকরির খবরের সোর্সের নাম) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, আপনার অধীনে ............ পদে কিছু লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার জীবন বৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র আপনার সদয় বিবেচনার জন্য নিচে উপস্থাপন করছি। নামঃ আবির শেখ পিতার নামঃ জমির শেখ মাতার নামঃ ফাতেহি খাতুন বর্তমান ঠিকানাঃ গ্রাম, পোস্ট, উপজেলা, জেলা। স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম, পোস্ট, উপজেলা, জেলা। জন্ম তারিখঃ ১০-১০-১৯৯৫ জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থাঃ অবিবাহিত ধর্মঃ ইসলাম যোগাযোগের ঠিকানা মোবাইল নম্বরঃ019………356 টেলিফোন নম্বরঃ 2345… " কোনাে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী পদে চাকরির জন্য একটি দরখাস্ত লেখ।,"২ মার্চ ২০১৭  বরাবর  ব্যবস্থাপক  পুথিনিলয় ৩৮/২-ক, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।  বিষয় : অফিস সহকারী পদের জন্য আবেদন।  জনাব,   যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২৮.০২.২০১৭ তারিখে “দৈনিক ইত্তেফাক’-এ বিজ্ঞপ্তির সুবাদে অবগত হয়েছি যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে কয়েকজন অফিস সহকারী নিয়ােগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার যােগ্যতা ও অভিজ্ঞতা আপনার সুবিবেচনার জন্য নিচে উপস্থাপন করছি一  ব্যক্তিগত তথ্য নাম                              : মাে. আব্দুস সালাম।  পিতার নাম                  : মাে. সুলাইমান।  মাতার নাম                  : রেবেকা আক্তার।  জন্ম তারিখ                  : ২২.০২.১৯৯১।  জাতীয়তা                     : বাংলাদেশি। ধর্ম                               : ইসলাম।  বৈবাহিক অবস্থা          : অবিবাহিত।  বর্তমান ঠিকানা           : ৩৮/১, চ, বংশাল, ঢাকা-১১০০।  স্থায়ী ঠিকানা                : গ্রাম : নিজমেহের, পাে : কালিবাড়ি, উপজেলা : শাহরাস্তি, জেলা : চাঁদপুর।  যােগাযােগ  মােবাইল/ফোন নম্বর : +৮৮০১......  ই-মেইল : .................@.......com  " "চাকরির আবেদন পত্র লেখার নমুনা  "," তাং বরাবর, ..................................... ..................................... ..................................... বিষয়: ‘‘....................... ’’ পদে চাকুরীর জন্য আবেদন জনাব, যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শন পূবক সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি গত ইং........................... তারিখ রোজ................. ‘‘.............................’’’ পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি মারফত জানিতে পারিলাম যে, আপনার অধীনে কিছু সংখ্যাক ‘‘.......................’’ পদে লোক নিয়োগ করা হইবে। আমি উক্ত পদে একজন আগ্রহী প্রার্থী হিসেবে আমার জীবন বৃত্তান্ত ও প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী আপনার সদয় বিবেচনার জন্য নিম্নে উপস্থাপন করিলাম। ০১। প্রার্থীর নাম                        :............................................... ০২। পিতার নাম                       :............................................... ০৩। মাতার নাম                       : ............................................... ০৪। স্থায়ী ঠিকানা                     : গ্রাম................ডাকঘর.............উপজেলা.............জেলা............... ০৫। বর্তমান ঠিকানা                : গ্রাম.......... .....ডাকঘর.............উপজেলা.............জেলা............... ০৬। জন্ম তারিখ                      : ............................................... ০৭। বৈবাহিক অবস্থা                :............................................... ০৮। জাতীয়তা                         : ............................................... ০৯। ধর্ম                                  :............................................... ১০। লিঙ্গ                                 :............................................... ১১। জাতীয় পরিচয় পত্র নং : ............................................... ১২। মোবাইল নং                     : ............................................... ১৩। শিক্ষাগত যোগত্যা             : ............................................... ক্রঃনং    পরীক্ষার নাম  গ্রুপ/বিষয়  পাশের সন  বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়  জিপিএ/সিজিপিএ/বিভাগ                                                  ১৪। অভিজ্ঞতা                    :  অতএব, জনাব সমীপে আকুল প্রার্থনা আমি যাহাতে উক্ত পদে নিয়োগ পাইতে  পারি তাহার বিহিত ব্যবস্থা করিতে আপনার  একান্ত মর্জি হয়। বিনীত নিবেদক (..........................) সংযুক্তি : ০১। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ পত্রের ফটোকপি সত্যায়িত। ০২। ০৩(তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত ।  ০৩। জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি সত্যায়িত। ০৫। নাগরিক সনদপত্র ।  ০৬। চারিত্রিক সনদপত্র সত্যায়িত।  " ভবিষ্যতে কী হতে চাও তা নিয়ে পিতা-পুত্রের সংলাপ,"বাবা : অতনু, কেমন আছ ? তোমার এইচএসসির ভালো ফলাফলে আমি খুবই খুশি। এখন ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও ? ছেলে : আপনিই তো সব নির্দেশ দেন আমাকে। আপনি যা চাইবেন সেটাই করার চেষ্টা করবো। বাবা : আমি প্রথমে তোমার পছন্দকে গুরুত্ব দিতে চাই। ছেলে : আপনি যদি আপত্তি না করেন তবে আমি ডাক্তার হতে চাই। বাবা : কেন তুমি ডাক্তারি পেশাকে পছন্দ করলে ? ছেলে : ডাক্তারি একটি মহান পেশা। সমাজের সবশ্রেণির মানুষকে সেবা দেয়া যায়। ঊাবা : তোমার পছন্দকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু মনে রাখবে এ পেশায় পরিশ্রম, ধৈর্য ও মানবিক গুণের ভীষণ দরকার। ছেলে : হ্যাঁ বাবা, আমি তা জানি। আমাদের মতো গরিব দেশে অনেক লোক চিকিৎসা পায় না, অবহেলায় অনাদরে মারা যায়। বিশেষ করে গ্রাাঞ্চলে। আমার খুব ইচ্ছা ডাক্তার হয়ে পল্লি অঞ্চলে গরিব মানুষদের চিকিৎসা দেব। বাবা : গ্রামের দরিদ্র মানুষদের সেবা করতে চাও জেনে খুব খুশি হলাম। তোমার প্রতি অনেক আশির্বাদ রইল। ছেলে : আশির্বাদ করো বাবা, আমি যেন আমার স্বপ্ন পূরণ করতে পারি।" ফুল ক্রেতা ও ফুল বালিকার মধ্যে সংলাপ নিচে দেয়া হলো :,"বালিকা : স্যার, ফুল লইবেন, ফুল ? লন না স্যার একটা ? ক্রেতা : কী ফুল দেখি ? বালিকা : স্যার, গোলাপ আর বকুল আছে। কুনটা লইবেন স্যার ? ক্রেতা : কত দাম ? টাটকা তো ? বালিকা : হ স্যার, এক্কেবারে টাটকা। গোলাপ ১৫ ট্যাকা, আর বকুল এক স্টিক ১০ ট্যাকা স্যার। দেই স্যার ? ক্রেতা : গোলাপ ৫ টা দাও আর বকুল ৪ স্টিক। তোমার নাম কী ? বালিকা : ময়না স্যার। নীলক্ষেত বস্তিতে থাকি। ক্রেতা : কয় টাকা পাও ফুল বিক্রি করে ? বালিকা : হের কুনো ঠিক নাই স্যার । যেমুন বিক্রি তেমুন ট্যাকা। ক্রেতা : স্কুলে যাও না কেন ? বালিকা : স্কুল গ্যালে খামু কী স্যার ? বাপ তো কামকাইজ করতে পারে না। ক্রেতা : কেন কী হয়েছে তোমার বাবার ? বালিকা : রিক্সা চালাইতে গিয়া এক্সিডেন্ট কইরা পাও ভাইঙা ফালাইছে। হেইর লাই¹াইতো ফুল বিক্রি করি আমি। ক্রেতা : বড় ভাই নাই তোমার ময়না ? বালিকা : বড় ভাইয়ে বিয়া কইরা আলেদা থাহে। আমগো দ্যাহে না। ক্রেতা : ও তাহলে তো তোমার অনেক কষ্ট । তোমার মা কী করে ? বালিকা : মায়ে পরের বাড়ি কাম করে। ছুট ভাই আছে একটা। তিন জনের খাওন হয় না ঐ দিয়া। ক্রেতা : শোন ময়না, তুমি লেখাপড়া করতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু আমি খুব খুশি হয়েছি যে, তুমি নিজে কাজ " আমি ও আমার বন্ধু বকুলের মধ্যে ইংরেজি শেখার গুরুত্ব নিয়ে সংলাপ ,"আমি : কেমন আছে বকুল ? বকুল : হ্যাঁ আমি ভালো আছি। তুমি ? আমি : ভালো। তুমি কি ইংরেজির ব্যবহার সম্পর্কে কোনো কিছু জানো ? বকুল : হ্যাঁ। ইংরেজির গুরুত্ব সম্পর্কে আমি জানি। এটি আন্তর্জাতিক ভাষা এবং সারা পৃথিবীতে এটি ব্যবহার করা হয়। বর্তমান যুগকে ইংরেজির যুগ বলা হয়। আমি : কেন এটি আমাদের শেখা উচিত ? বকুল : যদি তুমি ভালো চাকরি পেতে চাও অথবা পৃথিবীর অন্য দেশ ভ্রমণ করতে চাও তোমার অবশ্যই ইংরেজি জানা দরকার। এটি একজন পর্যটক, পাইলট, প্রকৌশলী এবং যে কারও জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি : আর কিছু ? বকুল : ইংরেজি ছাড়া তুমি বর্তমান সময়ের সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবে না। তোমার জ্ঞান সীমিত থাকবে এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিদ্যা থেকে তুমি বঞ্চিত হবে। আমি : অবশ্যই। তুমি কি ইংরেজিতে ভালো কথা বলতে পার ? বকুল : অবশ্যই। আমি ইংরেজিতে দ্রæত কথা বলতে ও লিখতে পারি। ইংরেজিতে ভালো দক্ষতার জন্য তোমাকে অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে। আমি : আমিও তাই আশা করি। আমি এখন আধুনিকতার বাইরে। সত্যি বলতে কি আমি এতোদিন ইংরেজির গুরুত্ব বুঝতেই পারিনি। বকুল : তুমি এক্ষেত্রে আমার কাছে যেকোন সাহায্য পেতে পার। আমি : তোমার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ বকুল : তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ।" কাজল ও বন্ধু চপলের মধ্যে ফেসবুক সম্পর্কে সংলাপ নিচে দেওয়া হলো :,"কাজল : সবকিছু কেমন ? চপল : সব ভালো, ধন্যবাদ। তুমি কি ভালো ? কাজল : আজ অনেক ভালো। এখন তুমি কি ব্যস্ত ? চপল : না। কোন প্রশ্ন আছে কি ? কাজল : অবশ্যই। ফেসবুক সম্পর্কে আমার কিছু তথ্য প্রয়োজন। চপল : ওহ্ ! ফেসবুক ! এখন আমি ফেসবুকের একজন সদস্য। তুমি এটির ব্যাপারে কিছু তথ্য পেতে পার। কাজল : যে কেউ এটিতে প্রবেশ করতে পারে কি ? চপল : অবশ্যই। যে কেউ ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে এটি ব্যবহার করতে পারে। প্রথমে তোমার এটির সদস্য হতে হবে। তারপর তোমার সাইন আপ করতে হবে। কাজল : কথার প্রসঙ্গে, এটি কি আমাদের জন্য প্রােজনীয় ? কীভাবে ? চপল : প্রয়োজন। এটি কাছে ও দূরে বসবাসকারী লোকের মধ্যে সামাজিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করে। অনেকে বন্ধু হতে পারে ও অনেক তথ্য ধারণ করতে পারে। কাজল : আর কিছু আছে ? চপল : হ্যাঁ, তুমি খোশগল্প করার সুযোগ পাবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সদস্য হয়ে যাও। অন্যদের সাথে বন্ধুত্ব তৈরি কর। নাহলে তুমি অনেক আনন্দ উপভোগে ব্যর্থ হবে। কাজল : সম্পূর্ণ ঠিক বলেছ। আমি অবশ্যই তা করবো। চপল : অনেক ধন্যবাদ। বিদায়" যৌতুক প্রথা নিয়ে দুই বান্ধবী কানিজ ও কেয়ার মধ্যে সংলাপ রচনা করা হলো :,"কানিজ : আমি কিন্তু হেলেনার বিয়েতে যাচ্ছি না। কেয়া : আমাদের বান্ধবীর বিয়েতে আমরা সবাই একসাথে আনন্দ করতে যাবো,তুমি শুধু বাধ সাধছো কেন ? কানিজ : হেলেনার বাবা এই বিয়েতে যৌতুক দিচ্ছেন। আর বরপক্ষও বড় অংকের যৌতুক নিয়েই হেলেনাকে বিয়ে করছে। এই কারণে আমার আপত্তি। কেয়া : এতে আপত্তির কী আছে ? আমাদের দেশের অধিকাংশ বিয়ে তো এভাবেই হয়ে থাকে। তাছাড়া হেলেনাদের তো টাকা-পয়সার অভাব নেই। কানিজ : বিয়েতে টাকা-পয়সা লেনদেনের পরিণতি ভালো হয় না। কেননা এতে অর্থের লোভ থাকে। এ অর্থের লোভ থেকেই স্ত্রী নির্যাতন, স্ত্রী হত্যার মতো ঘটনাও ঘটে থাকে। এসব তো যৌতুকেরই ফল। কেয়া : বিয়ের সময় টাকা পয়সার লেনদেন কি আইন করে বন্ধ করা যায় না ? কানিজ : আইন তো রয়েছে। শুধু আইন দিয়েই কি যৌতুক দেয়া-নেয়া বন্ধ করা যায় ? ঐঝঈ-২৮৫১ নির্মিতিÑ৩০১ কেয়া : তাহলে কীভাবে যৌতুক প্রথা বন্ধ করা যায় ? কানিজ : এ বিষয়ে আমাদের সচেতন হতে হবে। সামাজিকভাবে এ কুপ্রথাকে বয়কট করতে হবে। মেয়েদেরকেও যৌতুকের বিনিময়ে বিয়ে নয়, এই শিক্ষা নিতে হবে।" বইয়ের গুণগত মান নিয়ে বইমেলায় লেখক ও পাঠকের মধ্যে সংলাপ।,"বইয়ের গুণগত মান নিয়ে বইমেলায় লেখক ও পাঠকের মধ্যে সংলাপ। স্থান: বইমেলা। সময়: সন্ধ্যা ৭টা। [লেখকের অটোগ্রাফ নেওয়ার পর পাঠক ও লেখকের মধ্যে কথোপকথন শুরু হলো।] পাঠক: (খুশি খুশি গলায়) আপনার অটোগ্রাফ পেয়ে আমার কী যে ভালো লাগছে, বলে বোঝাতে পারব না। লেখক: (গম্ভীর স্বরে) হুম্। পাঠক: গতবছর বইমেলাতে এসে আপনার নতুন বইয়ের খোঁজ করেছিলাম। কিন্তু আপনি মনে হয়, গতবছর কোনো নতুন বই লেখেননি। লেখক: শুধু গত বছর না, গত দু-তিন বছর আমার কোনো নতুন বই বের হয়নি। পাঠক: (অবাক হয়ে) মানে! লেখক: একটি বই চাইলেই তো বের করা যায় না। আমি যে ধরনের বই লিখি, তাতে আমাকে অনেক পড়তে হয়। তারপর চিন্তা করে বিষয়টিকে আমি আমার মতো উপস্থাপন করি। পাঠক: বুঝেছি। এই জন্যই অনেকে যেখানে বছরে দু-চারটা বই বের করে, আপনার সেখানে দু-চার বছরে একটা বই বের হয়। লেখক: আমি মনে করি না, সংখ্যা দিয়ে লেখকের মান বিচার হয়। পাঠক: (হাসতে হাসতে) অথচ আমরা মনে করি, যার যত বই, সে তত বড়ো লেখক। [আরেকজন পাঠক অটোগ্রাফ নিতে লেখকের দিকে এগিয়ে এলেন।] পাঠক-২: আমার এই বইয়ে একটা অটোগ্রাফ দিন না! [লেখক দ্বিতীয় পাঠকের বইয়ে নাম স্বাক্ষর করে দিলেন। দ্বিতীয় পাঠক খুশি মনে চলে গেল।] লেখক: এই যে একজন অটোগ্রাফ নিল, দেখলেন তো! [প্রথম পাঠক লেখকের দিকে তাকিয়ে রইলেন।] লেখক: যে বইয়ে আমি স্বাক্ষর দিলাম, সেটির গুণগত মান নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়। এর কাগজ, ছাপা, মেকাপ কোনোটাই ভালো না। তার ওপর বইয়ের যে নাম আর প্রচ্ছদের যে ধরন, তাতে মনে হয় না লেখক-প্রকাশক এসব ব্যাপারে সচেতন ছিলেন। পাঠক: একটু আগে বইমেলায় ঘোষণা শুনছিলাম, মাইকে বলছিল, আজ মেলায় সাড়ে তিনশো নতুন বই এসেছে। এর মানে এক মাসে দশ-বারো হাজার নতুন বই বের হবে। আমার তো মনে হয়, এর শতকরা আশি ভাগ বইই মানসম্পন্ন নয়। গল্প-উপন্যাস-নাটক-কবিতার বইয়ের খুব অল্প সংখ্যকই মানসম্পন্ন। তাছাড়া শিশুদের বইয়ের মান নিয়েও প্রশ্ন আছে। এগুলো দেখার কি কেউ নেই? লেখক: (স্বগতোক্তি) লেখক-প্রকাশক সচেতন না হলে, বাইরের কে এগুলোর মান নির্ধারণ করবে! পাঠক: আপনি কিছু ভাবছেন? লেখক: (অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে) না, আপনি ঠিকই বলেছেন। [লেখক মেলার এদিক-ওদিক তাকাতে থাকলেন।] পাঠক: (ইতস্তত করে) আমি মনে হয়, আপনার অনেকখানি সময় নিয়ে ফেললাম। ... আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার অটোগ্রাফের জন্য। লেখক: আপনাকেও ধন্যবাদ। [পাঠক চলে গেল।] " মাতার কাছে পুত্রের চিঠি,"সেপ্টেম্বর ২০১৯ মতিঝিল, ঢাকা শ্রদ্ধেয় মা আমার সালাম নিয়ো। আশা করি ভালো আছ। আমি নিরাপদে ছাত্রাবাসে পৌঁছেছি। যদিও আসার পথে বাড়ির কথা ভেবে আমার মন খারাপ লাগছিল। প্রতিবারই বাড়ি থেকে আসার সময়ে আমার এ রকম হয়। এসেই জানতে পারলাম আগামী ১০ই নভেম্বর থেকে আমাদের প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা শুরু হবে। তাই পড়াশোনা নিয়ে খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমার জন্য আশীর্বাদ কোরো। ছুটিতে বাড়ি গিয়ে লেখাপড়ায় খানিকটা ছেদ পড়েছিল। তাই এখন বেশি পরিশ্রম করে লেখাপড়ার সাময়িক ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছি। মা, আমি তোমাকে আমার জীবনের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছি। আমি সেই লক্ষ্য পূরণে যথাসাধ্য চেষ্টা করব, তোমাদের মুখ উজ্জ্বল করার চেষ্টা করব। আসার সময়ে মেহরাবকে কিছুটা অসুস্থ দেখে এসেছি। এখন ও কেমন আছে, জানিয়ো। বাবাকে শরীরের প্রতি যত্ন নিতে বোলো। আমার জন্য চিন্তা কোরো না। আমি এখন ভালো আছি। ইতি   তোমার স্নেহের  মাহের Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com" "কন্যার কাছে পিতার চিঠি Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com","নভেম্বর ২০১৯  তেজগাঁও, ঢাকা স্নেহের প্রাপ্তি  আমার আশীর্বাদ নিয়ো। আশা করি ভালো আছ। গত চিঠিতে তোমার প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল জেনেছি। প্রায় সবগুলো বিষয়ে ভালো করেছ। গণিতে খানিকটা কম নম্বর পেয়েছ। এতে ঘাবড়ে যাবার কিছু নেই। গণিতের কোন বিষয়গুলো বুঝতে এখনও সমস্যা হচ্ছে, তা আগে শনাক্ত করো। প্রয়োজনে তোমার ক্লাসের গণিত শিক্ষকের সহযোগিতা নাও। মুখস্থ না করে বুঝে পড়ার চেষ্টা কোরো। সামনে তোমার নির্বাচনী পরীক্ষা এবং এসএসসি পরীক্ষারও খুব বেশি দেরি নেই। তাই এই সময়টা খুব ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে। জীবনে প্রতিটি মুহূর্তকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে। পরীক্ষা শিক্ষাজীবনের একটি অংশ। তাই পরীক্ষাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই সময়ে কীভাবে সুস্থ থেকে নিয়মানুযায়ী পড়াশোনা করা যায়, সেদিকে খেয়াল রেখো। বেশি রাত জেগো না, যথাসময়ে খাবার খেয়ো। আমরা বাসার সবাই ভালো আছি। ইতি তোমার বাবা  অনিরুদ্ধ Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com" "ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বন্ধুকে চিঠি Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com","ফেব্রুয়ারি ২০১৯  সোবহানবাগ, ঢাকা প্রিয় মতি  আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করিস। অনেকদিন হলো তোর কোনো চিঠি পাচ্ছি না। ক্যাডেট কলেজের বন্ধুদের পেয়ে আমার কথা কি ভুলে গেছিস? আজ তোকে লিখতে বসেছি এক ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা জানাতে। গত মাঘী পূর্ণিমার ছুটিতে আমি আর সীমান্ত গিয়েছিলাম ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন লালবাগ কেল্লা দেখতে। ইতিহাসের বইয়ে শায়েস্তা খাঁর কথা পড়েছি। সেই শায়েস্তা খাঁর আমলে নির্মিত ঢাকার প্রায় চারশো বছরের পুরানো স্থাপনা এই লালবাগ কেল্লা। এর প্রাকৃতিক শোভা, প্রাচীন স্থাপত্য-সৌন্দর্যের কথা চিঠিতে লিখে পুরোপুরি তোকে বোঝাতে পারব না। আমরা সেদিন সকালেই লালবাগের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলাম। পুরান ঢাকার লালবাগে এর অবস্থান। দর্শনার্থীদের জন্য ঢোকার প্রবেশ পথে টিকিট কাউন্টার। সেখানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটলাম। ভিতরে প্রবেশ করার পর কয়েকজন বিদেশি দর্শনার্থীকে দেখলাম। ফটকের ভিতরে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিল এক নয়নাভিরাম সৌন্দর্য। মুঘল স্থাপত্য, মসজিদ, উন্মুক্ত মাঠ, সুসজ্জিত ফুলের বাগান দেখে চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছিল। লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু ১৬৭৮ সালে। তৎকালীন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র সুবেদার আজম শাহ এই কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন। সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে এর মূল নির্মাণ সম্পন্ন হয়। লালবাগ কেল্লা মোঘল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি তৈরিতে একই সাথে ব্যবহার করা হয়েছে কষ্টি পাথর, মার্বেল পাথর এবং রং-বেরঙের টালি। লালবাগ কেল্লার তিনটি বিশাল দরজার মধ্যে যে দরজাটি বর্তমানে জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া আছে, সেই দরজা দিয়ে ঢুকলে বরাবর সোজা চোখে পড়ে পরি বিবির সমাধি। পরি বিবি ছিলেন শায়েস্তা খাঁর অকালপ্রয়াত কন্যা। কেল্লার চত্বরে আরো রয়েছে কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মামখানা, উত্তর-পশ্চিমাংশের তিন গম্বুজ বিশিষ্ট শাহি মসজিদ ও একটি জাদুঘর। দর্শনার্থীদের জন্য বসার জায়গা আছে। স্থাপনাগুলো ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের খুব ভালো লেগেছে। সময় পেলে তুইও একবার দেখে আসিস বাংলার ইতিহাস-প্রসিদ্ধ লালবাগ কেল্লা। ভালো থাকিস। ইতি তোর বন্ধু  দীপ্র Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com" "লেখকের কাছে পাঠকের চিঠি Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com","ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মিরাবাজার, সিলেট জনাব আহমদ সাদিক আমার শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন। আমি আপনার পূর্বপরিচিত নই। আমি আপনার বইয়ের একজন পাঠক। এবারের একুশের বইমেলায় প্রকাশিত আপনার 'বাংলাদেশের প্রান্তিক-উৎসব' বইটি আমি পড়েছি। বইটি বইমেলা থেকেই সংগ্রহ করেছি। প্রত্যাশা ছিল আপনার সঙ্গে দেখা হবে, আপনার স্বাক্ষর সংবলিত বইটি পাব। কিন্তু সেদিন আপনি স্টলে আসেননি। আমাকেও পরদিন সিলেটে ফিরতে হয়েছে। 'বাংলাদেশের প্রান্তিক-উৎসব' বইটি পড়ে আমি খুব উপকৃত হয়েছি। মূলধারার উৎসবের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রান্তিক অঞ্চলে যে কত উৎসব আছে, তা আপনার বই পড়ার আগে জানতে পারিনি। আপনি একজন নিষ্ঠাবান গবেষক হিসেবে অনেক আগে থেকেই পরিচিত। এই বই রচনায় আপনার সেই যোগ্যতার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেছে। আমি বেশি খুশি হয়েছি এই জন্য যে, সিলেট অঞ্চলের মণিপুরি, খাসিয়া ও চা শ্রমিকদের উৎসবের কথা আপনার বইয়ে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেছেন। বইটির ভাষা ও অধ্যায়-বিভাজন আমার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। ৩১২ পৃষ্ঠার বইটি আমি দুই দিনে পড়ে শেষ করেছি। আপনার সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশা রইল। যদি কখনও সিলেটে আসেন, আমাকে জানালে ও আমাদের বাসায় আতিথ্য গ্রহণ করলে খুশি হব। আপনার জন্য শুভ কামনা। ইতি আতিকুল Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com" পরীক্ষার ফলাফলের সংবাদ জানিয়ে বাবার কাছে একখানা পত্র লেখ।,"ঢাকা জানুয়ারী ১৫, ২০১৩ শ্রদ্ধেয় বাবা, সালাম নিন। আশা করি ভালো আছেন। গতকাল আপনার চিঠি পেলাম। আপনার আসতে দেরি হবে জেনে মনটা বেশ খারাপ হলো। আজ আমার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। আমার ফল জেনে আশা করি আপনি খুশি হবেন। এবারও আমি আমার জায়গাটি ধরে রাখতে পেরেছি। আমি A+ পেয়েছি। দোয়া করবেন, আমি যেন আপনার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি। আপনাকে অনেক দিন দেখিনি। আপনাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে। ছুটি নিয়ে একদিনের জন্য হলেও আমাদের সঙ্গে দেখা করে যান। আমরা আপনার আগমনের অপেক্ষায় রইলাম। বাড়ির সবাই ভালো আছেন। আপনি শরীরের প্রতি যত্ন নেবেন। ভালো থাকবেন। ইতি আপনার স্নেহের অর্ক। প্রেরক অর্ক হাসান ২/৩ ইকবাল রোড মোহাম্মদপুর ঢাকা ১২০৭। ডাকটিকেট   প্রাপক মোঃ মাহফুজ হাসান থানা পাড়া, আগৈলঝাড়া " তোমার বোনের বিয়ে উপলক্ষে বন্ধুর কাছে আবেদনপত্র লেখ।,"রাজশাহী ডিসেম্বর ১৫, ২০১২ প্রিয় অরিক, আমার ভালোবাসা নিও। আশা করি তোমরা সবাই ভালো আছ। শুনে খুশি হবে, আগামী ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ আমার বড় বোনের বিয়ে। বিয়েতে অনেক ধুমধাম হবে। তোমার কথা বার বার মনে পড়ছে। তুমি এলে খুব মজা হবে। বাবা-মাসহ বাড়ির সবাই তোমাকে ভীষণভাবে মনে করেন। বিয়ের অন্তত এক সপ্তাহ আগে তুমি আমাদের বাড়ি চলে আসবে। তুমি না এলে বিয়ের মজাই পাওয়া যাবে না। শুধু তুমি নও, তোমাদের বাড়ির সবাইকে নিয়ে চলে আসবে। এতে কোনো ভুল যেন না হয়। বড়দের আমার সালাম দিও, ছোটদের দিও আদর। ভালো থেকো।   ইতি তোমার বন্ধু শুভ। " বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটির দরখাস্ত।,"ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৩ প্রধান শিক্ষক তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ঢাকা।   বিষয়: অনুপস্থিতি জনিত ছুটি মুঞ্জুরের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় গত ২৯/০১/২০১৩ থেকে ৩১/০১/২০১৩ পর্যন্ত তিন দিন আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারিনি। অতেএব, আমাকে উক্ত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করার জন্য আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, আপনার একান্ত অনুগত ছাত্রী অনন্যা সরকার ষষ্ঠ শ্রেণি, ক শাখা রোল নম্বর ৫ " বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষে প্রধান শিক্ষকের কাছে অগ্রিম ছুটির আবেদন।,"জানুয়ারি ২৫, ২০১৩ প্রধান শিক্ষক ডা. খাস্তগীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চট্টগ্রাম। বিষয়: বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষে অগ্রিম ছুটি মঞ্জুরের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আগামী ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ আমার বড় বোনের বিয়ে। উক্ত অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। এ-কারণে আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে ০৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমার পক্ষে বিদ্যালয়ে আসা অসম্ভব অতএব, আমাকে উক্ত পাঁচ দিনের ছুটি দেওয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, রুবি আক্তার শ্রেণি: ষষ্ঠ রোল নম্বর: ১১ " শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনা সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনা সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা আরো কার্যকরী করার জন্য সহায়ক উপকরণ যেমন ই-লেকচার, ভিডিও টিউটোরিয়াল, বই এবং অন্যান্য অনলাইন রিসোর্স প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য এসব সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে তারা আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারে এবং নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার আবেদন। জনাব, অনেক সময় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর মনে করে যে তাদের ফলাফল সঠিক হয়নি। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। এই সমস্যার সমাধানে পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত হতে পারবে যে তাদের প্রাপ্ত নম্বর সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আমি অনুরোধ করছি, পরীক্ষার পর পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছাত্রদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আবেদন। জনাব, আজকাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ অনেক বেড়ে গেছে। পরীক্ষা, পড়াশোনা এবং ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে তারা তাদের মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাবে এবং আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে সক্ষম হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদানের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদানের আবেদন। জনাব, অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক কারণে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে না। তাদেরকে সহায়তা করতে হলে বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদান করা উচিত। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদান করা হোক। এতে তারা তাদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে পারবে এবং আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগে গবেষণামূলক কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করার জন্য গবেষণা প্রকল্পে বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা প্রকল্পে অংশ নিয়ে তাদের বৈজ্ঞানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা এসব প্রকল্পে অংশ নিতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, সবুজ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী। বিষয়: বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালন সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, আমরা সবাই জানি যে পরিবেশ দূষণ দিন দিন বেড়ে চলেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে পারলে তারা ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল হতে পারবে। এজন্য আমরা “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের প্রস্তাব করছি। এই সপ্তাহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পোস্টার প্রতিযোগিতা, দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা যেতে পারে। এতে করে আমরা নিজেরা যেমন শিখব, তেমনি অন্যদেরও সচেতন করতে পারব। অতএব, অনুরোধ করছি, আগামী মাসের মধ্যে বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সবুজ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী" ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক সামগ্রী ও গোপনীয়তার ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবপ্রভা বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা। বিষয়: ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, বিদ্যালয়ে অনেক ছাত্রী রয়েছে যারা মাসিক চলাকালে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ায় কষ্ট পায়, এমনকি অনুপস্থিতও থাকতে বাধ্য হয়। এতে তাদের পড়াশোনায় ক্ষতি হয় এবং মানসিকভাবেও সংকোচ তৈরি হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “হেলথ কর্নার” স্থাপন করা হোক, যেখানে প্যাড, সাবান, টিস্যু এবং প্রয়োজনীয় তথ্যচিত্র সংরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্যবিষয়ক সেশনের আয়োজন করা হলে ছাত্রীদের সচেতনতা বাড়বে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সহায়তা করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবপ্রভা বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা" বিদ্যালয়ে নিয়মিত সাংস্কৃতিক ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ বিদ্যাপীঠ, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক ক্লাস (আবৃত্তি, গান, নৃত্য) চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশের সুযোগ থাকলেও নিয়মিত সাংস্কৃতিক ক্লাসের কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেক ছাত্রছাত্রী আবৃত্তি, গান, নাটক কিংবা নৃত্যে দক্ষতা রাখলেও চর্চার সুযোগের অভাবে সেই প্রতিভা বিকশিত হয় না। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন আলাদা সাংস্কৃতিক ক্লাস চালু করা হোক, যেখানে প্রশিক্ষক বা অভিজ্ঞ শিক্ষকের মাধ্যমে চর্চা করা যাবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে একটি নির্দিষ্ট ক্লাস বরাদ্দ এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ ও প্রশিক্ষকের ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আদর্শ বিদ্যাপীঠ, কুমিল্লা" বিদ্যালয়ের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছবি ও নাম সংরক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা নিকেতন, মাদারীপুর। বিষয়: পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ও ছবি প্রদর্শনের আবেদন। মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিভাগে ভালো ফলাফল অর্জন করে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পায়। কিন্তু বিদ্যালয়ের কোথাও তাদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি দৃশ্যমান নয়। আমরা মনে করি, বিদ্যালয়ের একটি করিডোরে বা দেয়ালে একটি “অর্জনের দেয়াল” তৈরি করে সেখানকার পুরস্কারপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের নাম, ছবি ও সফলতা তুলে ধরা হলে অন্য শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, একটি বিশেষ কর্নার বা বোর্ড স্থাপন করে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শ্রেষ্ঠ শিক্ষা নিকেতন, মাদারীপুর " শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের মধ্যে সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধ গঠনে আলোচনা ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, সন্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। বিষয়: সহপাঠীদের মধ্যে শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা বিষয়ক ক্লাস চালুর আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমানে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে একে অপরের মতামতকে সহ্য না করা, বন্ধুকে অপমান করা বা ঠাট্টা করা একটি সাধারণ প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হয় এবং শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। আমরা চাই, মাসে অন্তত একদিন “মানবিকতা ও সহনশীলতা” নিয়ে ক্লাস নেওয়া হোক। যেখানে শিক্ষকরা মূল্যবোধ, সম্মান, ভিন্নমত গ্রহণ, বন্ধুত্ব ও শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব আলোচনা করবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষে একটি নিয়মিত মানবিক আলোচনা ক্লাস চালুর অনুমতি ও নির্দেশনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সন্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর " বিদ্যালয়ের জন্য আলাদা “সায়েন্স ক্লাব” গঠনের আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, জ্ঞানচর্চা উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান চর্চার জন্য সায়েন্স ক্লাব গঠনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অনেক ছাত্রছাত্রী রয়েছে যারা বিভিন্ন প্রকল্প, ছোট গবেষণা কিংবা বিজ্ঞান বিষয়ক নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে চায়। কিন্তু বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানচর্চার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংগঠন বা ক্লাব নেই। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “সায়েন্স ক্লাব” গঠন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে অন্তত একদিন একত্র হয়ে আলোচনা, প্রকল্প উপস্থাপন, ওয়ার্কশপ আয়োজন এবং সায়েন্স ফেয়ারে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে পারবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জ্ঞানচর্চা উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর " শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে ইনসেনটিভ প্রণোদনার আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সমরূপ বালিকা বিদ্যালয়, মেহেরপুর। বিষয়: উপস্থিতি শতভাগ রাখায় পুরস্কার প্রদানের আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে না। অনেক সময় তুচ্ছ কারণে ছুটি নেয়, যা তার ফলাফল এবং শ্রেণিকক্ষের পরিবেশে প্রভাব ফেলে। যদি শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো উৎসাহমূলক পুরস্কার রাখা হয়, তাহলে সবাই আগ্রহী হয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসবে। এই পুরস্কার হতে পারে — একটি প্রশংসাপত্র, ছোটখাটো উপহার, নাম নোটিশ বোর্ডে দেওয়া ইত্যাদি। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে বা সেমিস্টারে শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একটি ইনসেনটিভ স্কিম চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সমরূপ বালিকা বিদ্যালয়, মেহেরপুর" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আইনি সচেতনতা কর্মশালার আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, বিচারবোধ উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: শিক্ষার্থীদের আইনি সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমান সময়ে কিশোর-কিশোরীরা অনেক সামাজিক ও ডিজিটাল সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। কখন কী কাজ অপরাধের পর্যায়ে পড়ে, কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হয়, কোথায় অভিযোগ জানাতে হয় — এসব বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থীই জানে না। আমরা প্রস্তাব করছি, স্থানীয় কোনো আইনজীবী, শিক্ষক বা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ে একটি আইনি সচেতনতামূলক কর্মশালার আয়োজন করা হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, আমাদের শিক্ষার্থীদের সচেতন, আত্মবিশ্বাসী ও সচল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে একটি প্রাথমিক আইনি সচেতনতা বিষয়ক কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিচারবোধ উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর " বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: বিশুদ্ধ পানির জন্য ফিল্টার মেশিন স্থাপনের আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, বিদ্যালয়ের পানির উৎসে মাঝে মাঝে ময়লা বা দুর্গন্ধযুক্ত পানি আসে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই পানি না খেয়ে সময় পার করে এবং এতে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি আধুনিক পানি ফিল্টার মেশিন স্থাপন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, আমাদের সুস্বাস্থ্য ও সচেতনতার স্বার্থে বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির জন্য একটি ফিল্টার মেশিন স্থাপনের অনুমতি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" বিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষ চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, রূপসী বাংলা বিদ্যালয়, ঝালকাঠি। বিষয়: পাঠচক্র, প্রেজেন্টেশন ও ওয়ার্কশপের জন্য সেমিনার কক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, আমরা অনেক সময় আলোচনা সভা, ভিডিও প্রেজেন্টেশন, অতিথি বক্তৃতা বা বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে চাই, কিন্তু বিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট কোনো সেমিনার কক্ষ না থাকায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়। আমরা মনে করি, একটি মাল্টিমিডিয়া সংযুক্ত সেমিনার কক্ষ থাকলে শিক্ষার্থীদের উপস্থাপন দক্ষতা, আলোচনায় অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব গঠন ও সৃজনশীলতা উন্নয়নে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষকে সেমিনার/ওয়ার্কশপ উপযোগী করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রূপসী বাংলা বিদ্যালয়, ঝালকাঠি" একটি উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা! তুমি কেমন আছো? মীনা : আমি ভালো আছি আর তোমার কি খবর? রাজু : আমিও বেশ ভালো আছি। তুমি কি গতকাল বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ক্রিকেট ম্যাচটি উপভোগ করেছ? মীনা : অবশ্যই! এই প্রথম নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আমি খুব খুশি যে আমি স্টেডিয়ামে ম্যাচ উপভোগ করেছি। রাজু : ম্যাচটি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? মীনা : ওহ, হ্যাঁ! দুই দলের পারফরম্যান্স দেখে আমি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছিলাম, বিশেষ করে বাংলাদেশ দলের। রাজু : হ্যাঁ, এটি একটি দুর্দান্ত বিস্ময় ছিল যে বাংলাদেশ প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন- নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। মীনা : ঠিক! তুমি জান যে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরিচিত দল এবং এটা খুবই মজার যে তারা আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছে। রাজু : হ্যাঁ। তবে এটা সত্যি যে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ফিল্ডিং ছিল চমৎকার। তারা শীর্ষস্থানীয় দলের মতো মাঠে নেমেছিল। মীনা : অবশ্যই! এবং এটি নিউজিল্যান্ড দল উচ্চ স্কোর পেতে ব্যর্থ হযতে আরেকটি কারণ ছিল। রাজু : শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ টার্গেট ছিল। কিন্তু আমাদের দল এতটাই অপ্রত্যাশিত ছিল যে তারা সেটা অর্জন করতে না পারলে তুমি অবাক না হয়ে পারতেন না। মীনা : অবশ্যই। তবে বোলারদের পাশাপাশি আমাদের ব্যাটসম্যানরাও পারফর্ম করেছে। রাজু : ঠিক বলেছ। আমি মনে করি পরের ম্যাচে বাংলাদেশ আরও উজ্জ্বল হবে এবং দেশের জন্য সুনাম ও সুনাম বয়ে আনবে। মীনা : অবশ্যই! আমাদের আশা অযৌক্তিক নয়। রাজু : হ্যাঁ, সত্যিই! তোমাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আমাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে দাও। মীনা : তোমাবে স্বাগতম। বিদায়, আবার দেখা হবে। " এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ।,"সোহেল : কেমন আছ? আরমান : ভালো বন্ধু। তুমি কেমন আছ? সোহেল : ভালো আছি। তবে পরীক্ষা নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। আরমান : তুমি তোমার রসায়ন বিষয়টি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে পারনি? সোহেল : রসায়নে আমি সব পড়ে ফেলেছি। বুঝেও পড়েছি কিন্তু তবুও মনে হচ্ছে সবই ভুলে যাচ্ছি। আরমান : চিন্তা করো না বন্ধু, পরীক্ষার আগে এমনই হয়। আমারও মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি। দেখবে পরীক্ষায় ঠিকই সব লিখতে পারবে। শ্রেণি পরীক্ষার সময়ও এমনই হয়েছিল, না? সোহেল : হ্যা, কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষাটি মনে একটি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তোমার রসায়নে প্রস্তুতি কেমন? আরমান : ভালো। আমি ভয় পাচ্ছি বাংলা প্রথম পত্র নিয়ে। সৃজনশীল বিষয়ে কেমন উদ্দীপক হয়, তাই নিয়ে। সোহেল : উদ্দীপক যেমনই হোক, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল বইয়ের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পড়া। এমন উদ্দীপকই দেবে, যেটা পাঠ্যবইয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অথবা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অথবা পাঠ্যবিষয়ের খÐাংশের চিত্র। এই সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও খÐাংশকে তুমি তখনই যথার্থভাবে চিত্রিত করতে পারবে, যখন তুমি মূল বই ভালোভাবে পড়বে। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু, আর চিন্তা করব না। আমি এভাবেই পড়ব। সোহেল : আমিও রসায়ন নিয়ে আর ভাববাে না। শুধু পড়ব আর লিখব। তাহলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরমান : পড়ার মাঝখানে বিশ্রাম নেবে। এতে পড়াটা ভালোভাবে মনে থাকবে। সোহেল : ধন্যবাদ বন্ধু। আরমান : তোমাকেও ধন্যবাদ। " "নারী স্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","অঙ্কিতা : মাধ্যমিক পাশ করার পর তুই তো উচ্চমাধ্যমিক পড়বি ? আমার ভাই এই মাধ্যমিকেই পড়াশুনো থমকে যাবে। নন্দিতা : দুঃখ করার কিছু নেই। আমারও তো এখন সেই একই অবস্থা। মা-বাবা এখন থেকেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন। অঙ্কিতা : স্বাধীনতা শব্দের অর্থ শুধুমাত্র আকারেই বেড়েছে। নারীর ক্ষেত্রে তা বেশির ভাগ সময় সে সবের কোনো অর্থই নেই। নন্দিতা : বলতো! এই পড়াশুনা নিয়ে কতটা এগুতে পারি আমরা। অঙ্কিতা : আমাদের বাবা-মাদের বোঝাতেই হবে। আর তাদের মাথা থেকে সরাতে হবে তাড়াতাড়ি মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা। নন্দিতা : মনে নেই আবার, সে সব কথা মনের মধ্যে গেঁথে আছে। সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার হদিস তো ওখানেই পেয়েছিলাম। অঙ্কিতা : আর্থিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী স্বাধীনতার কোনো অর্থই হয় না। অতএব এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, যেমন করেই হোক পড়াশুনোটা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে। " বৃক্ষরোপণ-উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"প্রিয়ম : দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনে এত বড়ো একটা বকুল গাছ কেটে ফেলা হল। শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। সায়ন : আর বলিস না ! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। প্রিয়ম : সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ। সায়ন : কেউ একবার অন্তত এটাও ভেবে দেখবে যে, এতে ক্ষতি আখেরে নিজেদেরই। এই ভয়ানক লোভে তো মানুষের নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জল স্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য- গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও নির্বিরোধে প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সব মিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। প্রিয়ম : শুধু তাই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। বাংলাাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। সায়ন : আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ এই বাক্যটিকে নিছক ¯েøাগান নয়, জীবনযাপনের অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। না ইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। " মাধ্যমিকের পর কী বিষয় নিয়ে পড়বে এ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বিভাস : কী রে পরেশ, এইতো মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলি, বই-খাতা নিয়ে কোথায় চললি? পরেশ : টিউশনে যাচ্ছি। অঙ্কটা পড়তে শুরু করলাম। বিভাস : ও, তার মানে তুই সাইন্স নিয়ে পড়বি ? পরেশ : হ্যাঁ, আমি যেহেতু ডাক্তার হতে চাই তাই সায়েন্স নিয়েই পড়তে হবে। তুই কী নিয়ে পড়তে চাস? বিভাস : আমি আর্টস নিয়ে পড়বো। তুই তো জানিস আমার ইতিহাস পড়তে খুব ভালো লাগে। পরেশ : তাছাড়া তুই তো শিক্ষকতা করতে চাস? স্কুল টিচার না কলেজের অধ্যাপক কী হতে চাস? বিভাস : ইতিহাস অনার্স এবং মাস্টার ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে। তারপর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেব। যেকোনো একটা পেলেই হবে। পরেশ : ঠিক আছে ,এই নিয়ে পরে কথা হবে এখন পড়ে আসি। বিভাস : হ্যাঁ, আয়।পরে কথা হবে। " বইমেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বাপ্পা : কী খবর রাহুল , কেমন আছিস? রাহুল : এই তো ভালো, তোর খবর কী? কাল নাকি বইমেলায় গিয়েছিলি? বাপ্পা : হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমি তো সারা বছরই এই মেলার অপেক্ষায় থাকি। রাহুল : হস্তশিল্প মেলায় যেতে বললাম গেলি না। এখন একা একাই বইমেলায় চলে গেলি। বাপ্পা : তুই তো জানিস, আমি শৈশব থেকেই বইপাগল, বইয়ে ডুব দিয়ে আমি পার করতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রাহুল : বর্তমানে দেশের এরূপ অসহিষ্ণু ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের যৌক্তিকতা কতটুকু? বাপ্পা : আসলে আমাদের এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণে একমাত্র সহায়ক হতে পারে বই। কারণ বই মানুষকে সুপথে চালিত করে, মানুষের চিন্তার প্রসার ঘটায়। রাহুল : বইমেলায় বই বিক্রি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কী? বাপ্পা : মেলায় বই বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, ক্যুইজ,বক্তৃতা, নতুন বই প্রকাশ প্রভৃতি। রাহুল : মেলা থেকে কী কী বই কিনলি? বাপ্পা : জয় গোস্বামী, হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকটি বই কিনেছি। রাহুল : এরপর গেলে আমাকেও নিয়ে যাস। বাপ্পা : নিশ্চয়ই যাবি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে বইমেলায় গেলে অনেক মজা হবে। " সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"সীমা : জানিস, মা-বাবার সঙ্গে এখন আর টিভি দেখা যায় না। শান্ত : কেন, কী হয়েছে? সীমা : আর বলিস না, যা সব দেখায় টিভিতে একবারে সেন্সর নেই। শান্ত : বুঝেছি, তুই বাইরের চ্যানেলগুলোর কথা বলছিস; তো সেগুলো না দেখলেই তো পারিস। সীমা : ধ্যাত, কী যে বলিস না, কত সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান হয় চ্যানেলগুলোতে। শান্ত : তোর কথা একেবারে ফেলে দেয়া যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের চ্যানেলগুলোতেও কিন্তু অনেক ভালো অনুষ্ঠান হয়। সীমা : দূর, এখানকার আর্টিস্টরা সব সেকেলে পোশাক আর মেকআপে অভিনয় করে। শান্ত : বিষয়টা তা নয়, ওগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ; তাছাড়া সেগুলো দেখতেও বেশ ভালো । সীমা : তা ঠিক, কিন্তু আমাদের বয়সি ছেলেমেয়েরা ওগুলো ফলো করে না। তুই আমি কি করেছি, বল? শান্ত : আমরাও আসলে পারিনি, কিন্তু আমাদের দেশের শিল্প-সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, গান সত্যিই খুব ভালো রে। সীমা : মাও তাই বলে, কিন্তু আমরা চাইলেই কি আমাদের মধ্য থেকে অপসংস্কৃতি দূর করতে পারব বল? শান্ত : হয়তো পুরোটা পারব না, কিন্তু চেষ্টা করতে হবে দেশের সংস্কৃতিকে সব জায়গায় রিপ্রেজেন্ট করতে। সীমা : হ্যা, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সংগঠন এ কাজের চেষ্টা করছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি ভালো কিছু পাওয়া যাবে। শান্ত : এভাবে চেষ্টা করতে করতেই একদিন সফল হবে তারা, হাত বন্ধ করে তো বসে থাকা যাবে না। সীমা : এই রে ক্লাসের সময় হয়ে গেল, চল এখন ক্লাসে যাই। শান্ত : হ্যা, চল।" ইন্টারনেটের সুফল ও কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন রচনা করো,"অয়ন : তোর বাসায় ব্রডব্যান্ডের স্পিড কেমন? অমি : ৫১২এম.বি.পি.এস. রেগুলার; মাঝে মাঝে বাড়ে। আমি খুব একটা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি না। আমার ওয়াইম্যাক্স আছে। অয়ন : তাহলে ভালো স্পিড পাস? অমি : হ্যা দোস্ত; মাঝে মাঝে সারারাতই ফেসবুক ইউটিউব চলতে থাকে। অয়ন : যদিও তোর ব্যক্তিগত ব্যাপার; তারপরও আমার কাছে বিষয়টা ভালো লাগল না। এভাবে ইন্টারনেটের ব্যবহার মোটেও ভালো না। অমি : কেন, এভাবে ব্যবহার করলে সমস্যা কী? অয়ন : সমস্যা আছে। তুই অনেক বেশি সময় ওখানে দিয়ে ফেলছিস। তাছাড়া তুই শিক্ষামূলক তেমন কিছুও করছিস না। অমি : শিক্ষামূলক কাজ পরেও করা যাবে; কিন্তু এখন তো মজা করতে হবে। অয়ন : না রে, ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না হলে সেটা ক্ষতির কারণই হয়। তোর চোখের দিকে তাকিয়ে দেখেছিস? কালো দাগ পড়ে গেছে। অমি : তাহলে কি ব্যবহার বন্ধ করে দেব? অয়ন : তা তো বলিনি; গঠনমূলক কাজে বেশি ব্যবহার করবি। অমি : বুঝিনি; একটু সহজ করে বল। অয়ন : যেমন ধর সমস্ত বিশ্বের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে; তুই এটা নিয়ে পড়তে পারিস। অথবা ভূমিকম্প নিয়ে পড়তে পারিস; যেহেতু আমরা এখন ভূমিকম্পের আতঙ্কের মধ্যে আছি। অমি : এগুলো তো সারাদিনই টিভিতে দেখায়। এগুলো নিয়ে আবার পড়ার কী আছে? অয়ন : আচ্ছা তোর যা জানতে ইচ্ছা করে তাই নিয়েই পড়িস। মোটকথা ভালো কিছু জানার জন্যে, শেখার জন্যে ইন্টারনেট ব্যবহার কর। অমি : আর আনন্দের জন্যে কিছুই করবো না? অয়ন : আনন্দের জন্যেও ব্যবহার করবি; তবে সেটা নিজের ক্ষতি না করে। অমি : গলা তো শুকিয়ে গেল; চল একটু চা খাই। অয়ন : চল, রফিক ভাইয়ের চা-টা ফাটাফাটি। ওখানে গিয়েই খাই। " শব্দ দূষণের কুফল সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"রিপন ও মিশু স্কুল থেকে ফিরে রাস্তায় হাটছে। রিপন: আরে মিশু, আজকাল রাস্তায় এতো শব্দ কেন? মিশু: তুই কি বোকা? এখন তো সবজায়গায়ই গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল। এসবের শব্দে তো কান ঝনঝন করে। রিপন: শুধু গাড়ি-বাসই না, আরও অনেক কিছু। ফ্যাক্টরি, মাইক, স্পিকার, সব মিলিয়ে এক অসহ্য পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। মিশু: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। এই শব্দ দূষণের কারণে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। রিপন: কীভাবে? মিশু: শব্দ দূষণের কারণে আমাদের কানে ব্যথা হতে পারে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, মনোযোগের অভাবও দেখা দিতে পারে। রিপন: তাহলে আমাদের কী করতে হবে? মিশু: আমাদের সকলেরই সচেতন হতে হবে। যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো, উচ্চ শব্দে গান শোনা, এবং মাইকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। রিপন: সরকারেরও উচিত কঠোর আইন প্রণয়ন করা এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া। মিশু: হ্যাঁ, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে। রিপন: ঠিক বলেছিস। আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে শব্দ দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। মিশু: আশা করি আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে একটি সুন্দর ও শব্দমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবো। " "শান্তিনিকেতনে বেড়াতে যাওয়া নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ ","পল্টু: কীরে এবার তোদের স্কুলে থেকে কোথায় বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছে? রাজু: শান্তিনিকেতন। জানো মনে মনে ভাবলে এত আনন্দ হচ্ছে যে তোমাকে আর কী বলব। কত দিনের ইচ্ছা শান্তিনিকেতন দেখার। পল্টু: বুঝতে পারছি সব বুঝতে পারছি, আমিও সেবার প্রথম শান্তিনিকেতন যাই আমারও তোর মতোই আনন্দ হয়েছিল। রাজু: এখন হয় না। পল্টু: হয়তো, কিন্তু প্রথম শান্তিনিকেতন দেখার আনন্দটাই আলাদা, দুচোখ ভরে শুধু দেখে যাবি। চারিদিকে কেবলই সবুজের খেলা। রাজু: তাই, তুমি কোথায় উঠেছিলে? পল্টু: শান্তিনিকেতনের অতিথি শালায়। রাজু: এতদিন শান্তিনিকেতন সম্পর্কে কাগজে পড়েছি, টিভিতে দেখেছি, বই-এ পড়েছি, এবার চাক্ষুষ দেখব। ভাবলেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাচ্ছি। পল্টু: উপাসনা গৃহ, ছাতিম তলা, আম্রকুঞ্জ, উত্তরায়ণ দেখলে মণ ভরে যায়। আয় দোলের সময় শান্তিনিকেতন দেখার যে সুখ তার আর অন্য কোথাও গেলে মেলা ভার। অন্যরূপে সেদিন শান্তিনিকেতন সেজে ওঠে। রাজু: আচ্ছা ছাতিমতলাতেই লেখা আছে না, তিনি আমার প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ, আত্মার শান্তি? পল্টু: হ্যাঁ রে শান্তিনিকেতন ঘুরে বেড়ালেই সেই শান্তির খোঁজ তুই পেয়ে যাবি। রাজু: আচ্ছা আমাদের স্কুল থেকে মাত্র দু-রাত থাকবে, তাতে সব ঘোরা হবে? তোমার কাছে শুনে তো মনে হচ্ছে হবে না তাহলে? পল্টু : শান্তিনিকেতন একবার যাবার নয়, বারবার যাবার জায়গা। যেদিক দিয়েই হাঁটবি না কেন তোর মনে হবে হয়তো এদিক দিয়েই রবীন্দ্রনাথ হেঁটে গিয়েছিলেন। আবার যখন তুই উত্তরায়ণ যাবি তখন তোর মনে হবে, এই তো বইতে যে পড়েছি এখানে বসেই তো রবীন্দ্রনাথ কত গান, কত কবিতা লিখেছেন, সবথেকে বড়ো কথা কী জানিস ছাতিমতলায় দাড়িয়ে যখন আম্রকুঞ্জের দিকে তাকিয়ে থাকি তখন রবীন্দ্রনাথের সেই পিছনে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ছবিটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে।" "স্কুলস্তরে পাশ-ফেল প্রথা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সৈকত: আচ্ছা, সবাই একসঙ্গে একটি নতুন ক্লাসে উঠে যাওয়ার মজাটাই বেশ তাই না? অসীম : ঠিক বলেছিস। কিন্তু যারা সারাবছর লেখাপড়া না-করে এই ব্যবস্থার সুবিধা নিচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎটা ভাবো একবার। সৈকত : সত্যি, অদ্ভুত একটা নিয়ম। শুধুমাত্র পড়াশোনার ভয় থেকে ছাত্রছাত্রীদের দূরে রাখার জন্য এবং স্কুলছুটের সংখ্যা কমানোর জন্য এই ব্যবস্থা। অসীম : কিন্তু যে ছেলে-মেয়ের বাবা-মা লেখাপড়াই জানে না সে অকৃতকার্য হলেই তাকে টি.সি দেওয়া হবে এটাও তো কাম্য নয়। সৈকত : কিন্তু কিছুই না শিখে একজন পরপর ক্লাসে উঠে যাবে, প্রায় জোর করে শিক্ষার মূলস্রোতে আটকে রাখা হবে এ কেমন নিয়ম। অসীম : আসলে এ সমস্যার বীজ লুকিয়ে অনেক গভীরে। পরিকাঠামো উন্নয়ন করে, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতার মাধ্যমে এবং আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমেই জাগরণ ঘটবে সবার। সৈকত : কিন্তু ফেলের জুজুটাকে সরিয়ে, ভয় না দেখিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ঘটানোই সারা বিশ্বে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতি। অসীম : ঠিকই, কিন্তু পরিসংখ্যান তো উল্টো কথাই বলছে। পাশ-ফেল না থাকায় বেশ কয়েক বছরে স্কুলছুটের সংখ্যা কমে তো নি বরং মান একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সৈকত : তাই তো সরকার পাস-ফেল ফিরিয়ে আনতে চলেছে। তবে এর সঙ্গে লক্ষ রাখতে হবে যাতে ফেল করা শিশুরা একেবারে স্কুলছুট না হয়ে যায়।  অসীম : ঠিকই। তাদের অন্তত একটি সুযোগ দিয়ে কিছুটা তৈরি হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। সৈকত : সবদিক খতিয়ে দেখেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে তবেই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সঠিক পথে এগোবে। " "মোবাইল ফোনের অত্যধিক ব্যবহার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সাবির: গতকাল কি হয়েছে শুনেছিস? ফারহান : না। কি হয়েছে বলতো? সাবির: আরে, আমাদের স্কুলের ইলেভেনের জুনেইদ কাল মোবাইল কানে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিল। এমন সময় একটি অটো তাকে ধাক্কা মারে। বেঁচে গেছে কোনোক্রমে। তবে পায়ে গুরুতর চোট লেগেছে। বোধ হয় অপারেশন করতে হবে। ফারহান: সে কি রে! সব জেনে শুনে আমরাই যদি এমন অসতর্কের মতো কাজ করি তাহলে তো বিপদ হবেই। সাবির: সত্যি স্মার্টফোন আসায় যে-কোনো বয়সের মানুষই ফোনে যেন প্রচণ্ড আসক্ত হয়ে পড়েছে। লাগামছাড়া ব্যবহার হচ্ছে। ফারহান : প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র একটা নেশার বস্তুতে যেন পরিণত হয়েছে এটি। সাবির : অথচ শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ বা কথার মধ্যেই যদি এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে এটিই হতে পারত খুব উপকারী বন্ধু। ফারহান : ঠিকই। কিন্তু মানুষের বিশ্রাম, একাগ্রতা, নিষ্ঠা সবই কমছে। উল্টে বাড়ছে অস্থিরতা। সাবির : অনেক শিক্ষামূলক, গঠনমূলক ও প্রয়োজনীয় কাজে এর ব্যবহার হলেও অনেকক্ষেত্রেই এর কুপ্রভাব সমাজের অল্পবয়সিদের ক্ষতি করছে। ফারহান : ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনারও যথেষ্ট ক্ষতি করছে। সাবির : অপ্রয়োজনে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, গেম ইত্যাদিতে সময় নষ্ট করে কাজের সময় কমে যাচ্ছে। ফারহান : সত্যি, এখন মনে হচ্ছে এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে না আসলে ভবিষ্যতে আমাদের যুবসমাজের মধ্যে খুব খারাপ প্রভাব পড়তে চলেছে। সাবির : এ ব্যাপারে নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে এবং বন্ধুদেরও সতর্ক করতে হবে।" "বিশেষ প্রয়োজনে ছুটি ও কর্মস্থলে ত্যাগের আবেদন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি পত্র লিখ ৷ অথবা, পরিবারের কেউ অসুস্থ হওয়ার জন্য বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজনে কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি চেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বরাবরে একটি আবেদনপত্র লিখ  ","০৬ জুলাই, ২০২৪ বরাবর সহপরিচালক (প্রশাসন) পরমাণু শক্তি কমিশন, গণকবাড়ী, সাভার, ঢাকা । বিষয় : কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি প্রসঙ্গে। মহাত্মন, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষকারী পরামাণু শক্তি কমিশন, গণকবাড়ী শাখার প্রকৌশল দপ্তরের একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। কিছুক্ষণ পূর্বে মোবাইল মারফত জানতে পারলাম যে, আমার মায়ের শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ হবার দরুন শের- ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং ছোট ছেলে হিসেবে আমাকে তিনি দেখতে চেয়েছেন। তাই অসুস্থ মায়ের শয্যাপাশে অবস্থান করা আমার একান্ত প্রয়োজন । অতএব, জনাব সমীপে সবিনয় আরজ, আমার বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় আজ ০৮.০৬.২৪ থেকে ১০.০৬.২৪ তারিখ পর্যন্ত মোট তিন দিনের ছুটি মঞ্জুরসহ কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি দানে জনাবের একান্ত মর্জি কামনা করছি । নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম ছুটিকালীন অবস্থানের ঠিকানা মোঃ আমিনুল ইসলাম C/o ডা. মোঃ সিরাজুম মুনির ১৩নং সদর রোড, নিউমার্কেটের ২য় তলা, বরিশাল " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের স্বল্পতার বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত কিছু জরুরি ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে। এতে রোগীরা নানা সমস্যায় পড়ছে এবং অন্যত্র ওষুধ খুঁজতে হচ্ছে। আমাদের বিনীত অনুরোধ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা দ্রুত করুন যেন রোগীরা সঠিক সময়ে সেবা পায়। আপনার সদয় সহায়তার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদকগণ, উপজেলা বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভায় আবর্জনা ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম]। বিষয়: শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় আবর্জনা নিক্ষেপের কারণে পরিবেশ দূষণ ও দুর্গন্ধ বিরাজ করছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। দয়া করে পৌরসভায় আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও আবর্জনা নিষ্পত্তির সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করুন। আমরা আপনার দ্রুত পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, পৌরসভা এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা শিক্ষা অফিসে নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম]। বিষয়: উপজেলার একটি দূরবর্তী এলাকায় নতুন সরকারী বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলার [গ্রামের নাম] এলাকাটি শিক্ষা সুবিধা থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিয়ে স্কুলে আসতে হয়, যা শিশুদের জন্য খুবই কষ্টকর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যে এই এলাকায় একটি নতুন সরকারী বিদ্যালয় স্থাপন করা হোক, যাতে এলাকার সকল শিশুর নিকটবর্তী এবং সহজে শিক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, [গ্রামের নাম] এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষকগণ প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লাইব্রেরির বই সংখ্যা বৃদ্ধি করার আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: কলেজ লাইব্রেরিতে বই সংযোজনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের কলেজের লাইব্রেরাটি শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানার্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে বইয়ের সংখ্যা খুবই সীমিত এবং বিভিন্ন বিষয়ের বই সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা ও পড়াশোনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা অনুরোধ করছি, আপনার সদয় বিবেচনায় লাইব্রেরির জন্য বিভিন্ন বিষয়ের নতুন ও আধুনিক বই সংগ্রহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম ও অতিরিক্ত গবেষণায় সহায়তা লাভ করবে এবং শিক্ষার মান উন্নত হবে। আমরা আপনার সহযোগিতার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদক, [আপনার নাম] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর] " স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [স্কুলের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের বিদ্যালয়ে এখনও কম্পিউটার ল্যাব নেই, যার ফলে শিক্ষার্থীরা এই আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। সুতরাং, আমরা সম্মানিত স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে আধুনিক মানের একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের ডিজিটাল শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনে সাহায্য হবে এবং তাদের ভবিষ্যত গড়তে বড় ভূমিকা রাখবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, [আপনার নাম] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর] " স্থানীয় খেলাধুলার জন্য মাঠ ও সরঞ্জাম কেনার তহবিল চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য মাঠ নির্মাণ ও সরঞ্জাম কেনার অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার যুবকদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান সময়ে মাঠ ও খেলার উপকরণের অভাব দেখা দিয়েছে। এজন্য, আমি আপনার নিকট অনুরোধ করছি, এলাকার ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য একটি মাঠ নির্মাণ এবং খেলাধুলার সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করুন। আপনার সদয় উদ্যোগ এলাকার যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " গ্রামীণ সড়কের সংস্কারের জন্য অর্থ অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গাচোরা অবস্থায় আছে, যা গ্রামের মানুষের চলাচলে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। অতএব, আমি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, এই সড়ক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করার জন্য। আপনার সহযোগিতায় গ্রামের জীবনমান উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " গ্রাম এলাকায় শিশু শিক্ষা উন্নয়নের জন্য অনুদানের আবেদন," বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: শিশু শিক্ষা উন্নয়নের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় শিশুদের শিক্ষার সুযোগ খুবই সীমিত। অনেক শিশু এখনও বেসিক শিক্ষায়ও পৌঁছায়নি। এলাকায় একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অনুদান ও সহযোগিতা চাচ্ছি, যাতে শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ পায়। আপনার সদয় সহযোগিতায় এই উদ্যোগ এলাকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য অর্থায়নের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য তহবিল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার কৃষকরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পদ্ধতি সম্পর্কে অনেক কম জানেন। এজন্য, আধুনিক কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনার জন্য আপনার সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। এতে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রাম্য যুবসমাজের জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের তহবিল প্রার্থনা,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: যুব উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের জন্য তহবিল বরাদ্দ। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। বর্তমানে আমাদের এলাকার যুবসমাজ কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশাগ্রস্ত। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও স্বনির্ভর করে তোলার জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। এটি এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" স্থানীয় বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থায়নের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। প্রতি বছর বর্ষাকালে আমাদের এলাকা বন্যার ঝুঁকিতে পড়ে। এতে কৃষি জমি ধ্বংস হয় এবং বসবাসকারী মানুষের জীবন-জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এজন্য, নিরাপদ জীবন ও ফসলের সুরক্ষার জন্য একটি বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য জরুরি তহবিল বরাদ্দের আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সহায়তায় এলাকাবাসী বন্যা থেকে রক্ষা পাবে এবং স্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামীন অঞ্চলে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নেই। নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্র অনেক দূরে হওয়ায় তারা প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না। এজন্য, স্থানীয় পর্যায়ে একটি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের আবেদন করছি। এটি এলাকার মানুষের সুস্থ্য জীবনযাপন নিশ্চিত করবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" , এলাকার সড়কের দুরবস্থা সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিবেদন,"এলাকার সড়কের দুরবস্থা সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিবেদন হাসিবুল আলম, চাটখিল (নোয়াখালী), ২২ জুলাই ২০২১ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার জয়াগ বাজার থেকে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ পর্যন্ত শহিদ মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রায় এক যুগ ধরে সড়কটির কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। ফলে সড়কের বেহাল অবস্থায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির প্রায় পুরো অংশই বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দে ভরা। জয়াগ বাজার থেকে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের নগরপাড়া সেতু পর্যন্ত ২ কিলোমিটার অংশের দুপাশের মাটি সরে গেছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ি, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ও লাকসাম এবং চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পথে যাতায়াত করে। এলাকাবাসীর মতে, সড়কটির ৩ কিলোমিটার অংশ সোনাইমুড়ি ও ৯ কিলোমিটার অংশ চাটখিল উপজেলায় পড়েছে। ২০১৯ সালের বন্যায় সড়কটির সুরকির স্তর নষ্ট হয়ে বালু বেরিয়ে আসে এবং সৃষ্টি হয় বড় গর্ত। এরপর প্রতিবছর বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে সড়কটি একেবারে কাদায় পরিণত হয়, যা বর্তমানে চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য। গত বুধবার এক পিকআপ ভ্যান ভাওরকোট গ্রামের কাছে রাস্তার গর্তে পড়ে গেলে চালকসহ তিনজন আহত হন। এলাকাবাসী মনে করে, এই সড়কের দুরবস্থা দীর্ঘদিনের, অথচ কর্তৃপক্ষের নজর নেই। স্থানীয়রা একাধিকবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে আবেদন করলেও কোনো প্রতিকার পায়নি। এলাকাবাসীর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।" সহকারী বাংলা শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন,"১০ অক্টোবর ২০২১ প্রধান শিক্ষক কুলকান্দি শামসুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয় কুলকান্দি, ইসলামপুর, জামালপুর বিষয়: বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানতে পারলাম, আপনার বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। আমি উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী। আমার ব্যক্তিগত তথ্য ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিম্নরূপ: ব্যক্তিগত তথ্য: ১. নাম: রেখা আক্তার ২. পিতার নাম: একরামুল হক ৩. মাতার নাম: খোদেজা বেগম ৪. জন্ম তারিখ: ২৫ জুন ১৯৯৪ ৫. জাতীয়তা: বাংলাদেশি ৬. ধর্ম: ইসলাম ৭. বর্তমান ঠিকানা: ৩৩, পশ্চিম নয়াপাড়া, জামালপুর সদর উপজেলা, জেলা: জামালপুর ৮. স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: হরিণধরা, ডাকঘর: কুলকান্দি, ইসলামপুর, জামালপুর শিক্ষাগত যোগ্যতা: পরীক্ষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় পাশের বছর বিভাগ ফলাফল এসএসসি শহিদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় ঢাকা ২০১১ মানবিক জিপিএ ৪.০০ আমি উক্ত পদে নিয়োগ পেলে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। তাই, আমাকে বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আপনার সদয় বিবেচনা কামনা করছি। বিনীত, রেখা আক্তার " লেখকের কাছে পাঠকের চিঠি,"বিষয়ঃ শুভেচ্ছা বার্তা জনাব আহমদ সাদিক, আমার শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন। আমি আপনার পূর্বপরিচিত নই, তবে আমি আপনার বইয়ের একজন পাঠক। এবারের একুশের বইমেলায় প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের প্রান্তিক-উৎসব’ বইটি পড়েছি। বইমেলা থেকেই এটি সংগ্রহ করেছি। প্রত্যাশা ছিল আপনার সঙ্গে দেখা হবে এবং আপনার স্বাক্ষরসংবলিত কপি পাব, কিন্তু সেদিন আপনি স্টলে আসেননি। আমাকেও পরদিন সিলেট ফিরে যেতে হয়েছে। ‘বাংলাদেশের প্রান্তিক-উৎসব’ বইটি পড়ে আমি খুব উপকৃত হয়েছি। মূলধারার উৎসবের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রান্তিক অঞ্চলের নানা উৎসব সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছি, যা আপনার বই পড়ার আগে জানতাম না। আপনি একজন নিষ্ঠাবান গবেষক হিসেবে অনেক আগে থেকেই পরিচিত, আর এই বইয়ে আপনার সেই যোগ্যতার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেছে। বিশেষভাবে খুশি হয়েছি যে, সিলেট অঞ্চলের মণিপুরি, খাসিয়া ও চা শ্রমিকদের উৎসবের কথা আপনি বইয়ে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন। বইটির ভাষা ও অধ্যায়-বিভাজন আমার কাছে বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। ৩১২ পৃষ্ঠার বইটি মাত্র দুই দিনেই পড়ে শেষ করেছি। আপনার সঙ্গে সরাসরি দেখা করার প্রত্যাশা রইল। যদি কখনো সিলেটে আসেন, অনুগ্রহ করে আমাকে জানান। আমাদের বাসায় আতিথ্য গ্রহণ করলে আমি খুব আনন্দিত হব। আপনার জন্য শুভ কামনা। ইতি, আতিকুল ইসলাম মিরাবাজার, সিলেট " ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বন্ধুকে চিঠি,"তারিখ: ১২ জুলাই ২০২৫ প্রিয় বন্ধু সুমন, অনেক দিন ধরে তোমার কোনো খবর পাচ্ছি না। আশা করি ভালো আছ। আমি ভালো আছি। আজ তোমাকে আমার একটি সুন্দর অভিজ্ঞতার কথা জানাতে চাই। কিছুদিন আগে আমি আমাদের দেশের একটি ঐতিহাসিক স্থান মহাস্থানগড় ভ্রমণ করতে গিয়েছিলাম। বাবার সঙ্গে আমরা সকালে রওনা দিয়েছিলাম। মহাস্থানগড়ে পৌঁছে দেখলাম, জায়গাটি প্রাচীন ইটের প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। প্রতিটি স্থাপনায় ইতিহাসের ছাপ স্পষ্ট। গাইড আমাদের অনেক তথ্য জানাল—মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী ছিল। সেখানে গোকুল মেধ, পরশুরাম প্যালেস, আর নানা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। জায়গাটা খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং চারপাশে সবুজে ঘেরা। ইতিহাস বইয়ে যা পড়েছি, বাস্তবে তা চোখের সামনে দেখতে পেয়ে ভীষণ ভালো লেগেছে। অনেক ছবি তুলেছি। তোমাকে একদিন নিয়ে যেতে চাই মহাস্থানগড়ে। এই ছিল আমার ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। তোমার কোনো নতুন খবর থাকলে লিখে জানিও। ভালো থেকো। ইতি, তোমার বন্ধু রাহাত" কন্যার কাছে পিতার চিঠি,"স্নেহের প্রাপ্তি, আমার আশীর্বাদ নিও। আশা করি ভালো আছ। গত চিঠিতে তোমার প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল জেনেছি। প্রায় সব বিষয়েই ভালো করেছ, তবে গণিতে খানিকটা কম নম্বর পেয়েছ। এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। গণিতের কোন কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হচ্ছে, তা আগে শনাক্ত করো। প্রয়োজনে তোমার ক্লাসের গণিত শিক্ষকের সহযোগিতা নাও। মুখস্থ না করে বুঝে পড়ার চেষ্টা করো। সামনে নির্বাচনী পরীক্ষা এবং এসএসসি পরীক্ষাও বেশি দূরে নয়। তাই এই সময়টা খুব ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো জরুরি। পরীক্ষা শিক্ষাজীবনের একটি অংশ মাত্র, তাই এটি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই সময় কীভাবে সুস্থ থেকে নিয়মিত পড়াশোনা করা যায়, সেদিকে খেয়াল রেখো। বেশি রাত জেগো না। যথাসময়ে খাবার খাও। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নাও। আমরা সবাই বাসায় ভালো আছি। তোমার সফলতা ও মঙ্গল কামনা করি। ইতি, [আপনার নাম] ২৩ নভেম্বর" মাতার কাছে পুত্রের চিঠি,"তারিখ: ১২ জুলাই ২০২৫ প্রিয় মা, তোমার পায়ে হাত রেখে প্রণাম ও ভালোবাসা জানাচ্ছি। আশা করি তুমি ভালো আছ। আমি ভালো আছি, তোমার আশীর্বাদে। মা, তোমাকে খুব মনে পড়ছে। এখানকার পড়াশোনা, হলের ব্যস্ততা—সব কিছুতেই সময় চলে যায়, কিন্তু মনের মধ্যে সারাক্ষণ তোমাদের কথা ভেসে ওঠে। তোমার হাতের রান্না, তোমার স্নেহমাখা কথা—সব কিছু খুব মিস করছি। পড়াশোনা নিয়মিত করছি। আগামী মাসে পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ হবে। আমি ভালো ফলাফলের চেষ্টা করছি। তুমি দোয়া কোরো, যেন মন দিয়ে পড়তে পারি। তুমি নিজের শরীরের খেয়াল রাখো। বেশি কাজ করো না। আমার কোনো প্রয়োজন বা কিছু লাগলে অবশ্যই আমাকে জানিও। ছুটি পেলে শিগগিরই বাড়ি আসব। তখন অনেক গল্প করব তোমার সঙ্গে। ভালো থেকো, মা। তোমার জন্য রইল অনেক অনেক ভালোবাসা। ইতি, তোমার পুত্র রাকিব " বৃক্ষরোপনের প্রয়োজনীয়তা,"প্রিয় রাহুল, আমার শুভেচ্ছা নিও। অনেক দিন হলো তোমার কোনো খবর পাই না। আশা করি ভালো আছ। গতদিন আমাদের স্কুলে 'বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা' বিষয়ে একটি সেমিনার হয়ে গেল। সেই সেমিনারেই বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে অনেক ভালো ভালো কথা শুনলাম। তোমাকে সেগুলো জানাতেই এ চিঠি লিখতে বসেছি। তুমি তো জানো, গাছ আমাদের পরম বন্ধু। আমরা শ্বাস-প্রশ্বাসে অক্সিজেন গ্রহণ করি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করি। আর গাছ আমাদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বর্জিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে নেয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। কিন্তু মানুষ তার প্রয়োজনের জন্য প্রচুর গাছ কাটছে। বন উজাড় হচ্ছে। তাতে প্রকৃতি ও পরিবেশের ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে। তুমি হয়তো জানো, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি দেশের মূল ভূ-খণ্ডের কমপক্ষে পঁচিশ ভাগ বন থাকা দরকার। আমাদের দেশে তা নেই। বরং যা আছে, তা-ও নির্বিচারে ধ্বংস করা হচ্ছে। সভ্যতা ও উন্নয়নের ফলে সৃষ্টি হচ্ছে কলকারখানা। রাস্তায় যানবাহনের চলাচল বাড়ছে। কলকারখানা ও গাড়ির ধোঁয়ায় বাতাসে বাড়ছে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ। ক্ষয় হচ্ছে বাতাসের ওজোন স্তর। সৃষ্টি হচ্ছে গ্রিনহাউজ এফেক্ট। ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে। দেখা দিচ্ছে নানা রোগ-ব্যাধি। এসবই ঘটছে বাতাসে অক্সিজেনের অভাবের কারণে। তাই বেশি বেশি গাছ লাগালে বাতাসে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ হবে। প্রকৃতির ভারসাম্য ফিরে আসবে। পরিবেশ দূষণমুক্ত হবে। তা ছাড়া আমাদের জ্বালানির চাহিদার বেশির ভাগ পূরণ হয় বৃক্ষের মাধ্যমে। কাঠ থেকে আমরা বাড়িঘর এবং আমাদের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র প্রস্তুত করে থাকি। সুতরাং ভবিষ্যতের কথা ভেবে এখনই আমাদের অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন। বাড়ির চারপাশে, রাস্তার দুপাশে, পতিত জমিতে প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগাতে হবে। বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনগণকে আরও সচেতন করে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, বৃক্ষ বাঁচলে আমরা বাঁচব। আজ এই পর্যন্তই। তোমার মা-বাবাকে আমার শ্রদ্ধা জানিও। চিঠি দিও। ইতি, তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী " তোমার বন্ধু মোহনার মা হঠাৎ মারা গেছেন। তাকে সান্ত্বনা জানিয়ে একটি চিঠি লেখ।,"**প্রিয় মোহনা,** কিছুক্ষণ আগে তোমার চিঠি পেয়েছি। চিঠি পড়ে আমি স্তম্ভিত। তুমি লিখেছ তোমার মায়ের আকস্মিক মৃত্যুর কথা। আমার কাছে এখনো সব অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। এ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো! আমি খুবই মর্মাহত। তোমাকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষা আমার নেই। শুধু জানো, তোমার এ মর্মবেদনায় আমিও সমান অংশীদার। ছোটবেলায় আমি মাকে হারিয়েছি। মায়ের আদর-ভালোবাসা কাকে বলে জানতাম না। তোমার মা আমার সেই অনুভূতি জাগিয়েছিলেন। তাই তাঁকে আমি মা বলে ডেকেছি। আজ আমি আবার মা-হারা হলাম। মানুষ মরণশীল – এই নির্মম সত্যটা আমাদের জন্য বড়ই বেদনাদায়ক। কাজেই দুঃখ না করে মায়ের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করো। তিনি যেমনটি ভেবেছিলেন, ভবিষ্যতে আমাদের সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে। পড়াশোনায় আত্মনিয়োগ করো। বাবা ও ছোট ভাইয়ের প্রতি খেয়াল রেখো। কয়েক দিন পরে তোমার দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা। নিজের পড়ার কাজে মনোযোগী হলে এই বেদনা হয়তো ধীরে ধীরে প্রশমিত হবে। পরীক্ষার কারণে তোমার এই দুঃসময়ে কাছে থাকতে পারলাম না, এটাও আমার জন্য খুব কষ্টকর। কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করি, তুমি যেন এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পারো। আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। আল্লাহ তোমার সহায় হোন। তোমার বাবাকে সালাম জানিও। ছোট ভাই সিয়ামের প্রতি রইল আমার অসীম স্নেহ। **ইতি, তোমার বন্ধু সুমনা।** --- **ডাকটিকিট** **প্রেরক:** সুমনা ৮০ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা। **প্রাপক:** মোহনা প্রযত্নে: মো. ফিরদাউস তারাবনিয়াছড়া, কক্সবাজার।" পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ব্যক্তিগত তথা জাতির জন্য হানিকর' — এই মর্যাদায় একটি চিঠি পাঠাও।,"**স্নেহের হাসান,** আমার আদর নিও। গতকাল তোমার চিঠি পেয়েছি। তুমি ও বাড়ির সবাই ভালো আছো জেনে খুশি হয়েছি। চিঠিতে জানতে পারলাম, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে তোমার পরীক্ষা শুরু হবে। তোমার পড়াশোনা নিশ্চয়ই ভালোভাবে চলছে? মনোযোগ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো পড়ো এবং বারবার লেখো। নিজের ভুলগুলো নিজেই সংশোধন করো। এতে তোমার হাতের লেখা যেমন সুন্দর হবে, তেমনি লেখায় বানান ভুলও কমে যাবে। ফলে পরীক্ষার খাতায় বেশি নম্বর পাবে। আজকাল অনেক শিক্ষার্থীই ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে শিক্ষকদের কথা শোনে না। বাড়িতেও ঠিকমতো পড়ালেখা করে না। তারা পরীক্ষার হলে গিয়ে নকল করে। কেউ কেউ নকল করে ভালোভাবে পাসও করে যায়। কিন্তু প্রকৃত শিক্ষা তাদের হয় না। ছাত্ররা দেশের ভবিষ্যৎ। আগামিতে তারাই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। তাই পরিশ্রম ও সাধনার মাধ্যমে তাদের নিজেকে সব দিক দিয়ে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। পরীক্ষায় নকল করা একটি সামাজিক ব্যাধি। এই ব্যাধি জাতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। নকলের মতো দুর্নীতি বা পাপের ওপর ভিত্তি করে জীবনে কখনোই সাফল্য লাভ করা যায় না। আশা করি, তুমি শিক্ষকদের উপদেশ মতো পড়াশোনার প্রতি গভীর মনোযোগ দেবে। মানুষের মতো মানুষ হয়ে আমাদের পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। তোমার কৃতিত্ব ও গৌরব কামনা করি। ভালো থেকো। বাবা ও মাকে আমার সালাম জানিও। **ইতি, তোমার বন্ধু বাঁধন।** --- **ডাকটিকিট** **প্রেরক:** বাঁধন ২১২, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। **প্রাপক:** হাসান ডাকঘর: কুলিয়ারচর জেলা: সুনামগঞ্জ।" কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত ্ ব বর্ণনা কর ে তোমার ছোট বোন বনানীক ে একট ি চিঠ ি লেখ।,"**প্রিয় বনানী,** আমার স্নেহাশিস নিও। অনেক দিন পর তোমার চিঠি পেলাম। তুমি ক্লাসে প্রথম হয়েছো জেনে খুব আনন্দিত হয়েছি। আমি আরও খুশি হয়েছি, যখন জানতে পারলাম তুমি ক্লাসের পড়াশোনার বাইরে কম্পিউটার শিখছো। বর্তমান যুগ হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। আর প্রযুক্তির এ যুগে সর্বোচ্চ স্থান দখল করে আছে কম্পিউটার। কম্পিউটার ছাড়া আধুনিক জীবন-যাপন কল্পনা করা যায় না। শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত, চিকিৎসা, বিনোদন—সব ক্ষেত্রেই কম্পিউটারের ব্যবহার আজ অপরিহার্য। তাই কর্মক্ষেত্রেও এখন কম্পিউটার জানা ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কম্পিউটার-অভিজ্ঞ কেউ বেকার বসে থাকে না। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। তুমি ক্লাসের পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার ভালোভাবে আয়ত্ত করবে—এটাই আমার শুভকামনা। আজ এ পর্যন্তই। মা ও বাবাকে আমার সালাম দিও। তুমি ভালো থেকো। **ইতি, তোমার ভাইয়া রনি।** --- **ডাকটিকিট** **প্রেরক:** রনি ১০৪, আহসান রোড, বগুড়া। **প্রাপক:** ব্রততী বনানী গ্রাম: বাগুডাঙ্গা ডাকঘর: মূলশ্রী উপজেলা: কালিয়া জেলা: নড়াইল।" স্কুল ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্ য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন।,"**তারিখ:** ৩রা আগস্ট ২০২২ **বরাবর,** প্রধান শিক্ষক জামালপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় জামালপুর। **বিষয়:** সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। **মহোদয়,** বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি আর্সেনিকমুক্ত না হওয়ায় আমরা খাওয়ার পানির বিশেষ সংকটে আছি। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের সুস্বাস্থ্যে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে নানা রোগের শিকার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায়, আমাদের স্কুলে দ্রুত একটি আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, জরুরি ভিত্তিতে একটি আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপনের ব্যবস্থা করে বাধিত করবেন। **বিনীত নিবেদক,** জামালপুর স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে **অনিন্দ্য সোম** শ্রেণি: ৭ম রোল: ০৫" তোমার ছাত্রাবাস জীবনের অভিজ্ঞতা জানিয় ে তোমার মাক ে পত ্ র ল,"**পূজনীয় মা,** আমার প্রণাম নিও। বাবাকে আমার প্রণাম দিও। তুমি ও বাবা কেমন আছ? তোমাদের জন্য আমার সব সময়ই চিন্তা হয়। নিজেদের শরীরের প্রতি যত্ন নিও। আমি এক সপ্তাহ আগে আমার স্কুলের ছাত্রীনিবাসে উঠেছি। ছাত্রীনিবাসের পরিবেশ খুবই ভালো। বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্রীরা এখানে থাকে। সবাই পরস্পরের প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতিশীল, যার ফলে কারও কোনো সমস্যা হয় না। অবসর সময়ে আমরা একসঙ্গে গল্প করি। আমাদের বাড়িতে সন্ধ্যায় যেমন সবাই একত্রে আড্ডা দিই, অনেকটা সেই রকম। ছাত্রীনিবাসের মধ্যেই একটি ছোট পাঠাগার আছে। এখানে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানের বই রয়েছে। লাইব্রেরিতে বসে বই পড়া যায়, আবার তিন দিনের জন্য কক্ষেও নিয়ে আসা যায়। আমার কক্ষে যে মেয়েটি আছে, সেও ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। ওর নাম মণি। ও খুলনার মেয়ে। মণি খুবই সুন্দর রবীন্দ্রসংগীত গায়। তোমাদের জন্য মন খারাপ হলে মণি আমাকে গান শোনায়। আমার কক্ষটা চারতলায়। জানালার পাশে দাঁড়ালে সবুজ গাছের ওপর দিয়ে সুন্দর আকাশ দেখা যায়। ছাত্রীনিবাসে একটি মিলনায়তন আছে, যেখানে ক্যারম ও টেবিল টেনিস খেলা যায়। শীতের সময় ব্যাডমিন্টন খেলারও ব্যবস্থা করা হয়। প্রথম প্রথম ছাত্রীনিবাসের খাবার খুব ভালো লাগত না, তখন তোমার রান্নার কথা খুব মনে হতো। কিন্তু এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছি। প্রতি মাসে দু'বার বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, তখন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকে, যা অনেকটা উৎসবের মতো। আমাকে নিয়ে চিন্তা কোরো না। আশা করি, আমি ভালোই থাকব। স্বচ্ছ কেমন আছে? ওর লেখাপড়ার প্রতি নজর রেখো। পূজার ছুটি হলেই আমি বাড়ি চলে আসব। আমার জন্য আশীর্বাদ করো। **ইতি, তোমাদের আদরের শুভ্রা গোস্বামী।**" তোমার জীবনের লক্ষ্ য কী জানিয় ে বড় ভাইক ে চিঠ ি লেখ।,"**শ্রদ্ধেয় বড় ভাই,** আমার সালাম নেবেন। বাড়ির সবাই ভালো আছে। আমার স্কুলের ক্লাস ভালোভাবে শুরু হয়েছে, আমিও পড়াশোনা শুরু করেছি। আদরের ছোট বোন অত্রিকে ভর্তি করানো হয়েছে। আপনার কথামতো আমরা দু'জন একসঙ্গে স্কুলে যাই। আপনি চিন্তা করবেন না। আপনি জানতে চেয়েছিলেন, আমি বড় হয়ে কী হতে চাই। আমাদের জলীল স্যারকে তো আপনি চেনেন। আমি স্যারকে খুব পছন্দ করি। স্যার আমাদের খুব ভালোভাবে পড়ান। পড়ানোর সময় তিনি বলেন, আমরা কীভাবে বড় হয়ে দেশের মানুষের সেবা করতে পারব, পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারব—এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। আমার মনে হয়, আমাদের দেশের জন্য এখনো আদর্শ শিক্ষক অনেক বেশি প্রয়োজন। তাই আমি ঠিক করেছি, ভালোভাবে পড়ালেখা শেষ করে শিক্ষক হব। আপনি আমার জন্য দোয়া করবেন। আমাদের এলাকার সবাই ভালো আছেন। দাদা-দাদি এখন বেশ সুস্থ। আপনি বাড়ি আসার সময় আমার জন্য বিজ্ঞানবিষয়ক মাসিক পত্রিকা নিয়ে আসবেন। ভালো থাকবেন। **ইতি, আপনার আদরের সুমন রহমান অর্ক।**" একট ি লোকজ উৎসবের বর্ণনা দিয় ে প্রবাসী বন্ধুক ে পত ্ র লিখ।,"**প্রিয় পুতুল,** আমার প্রীতি ও ভালোবাসা নাও। আজ প্রায় দুই বছর হতে চলল, তুমি রাশিয়া চলে গেছ। আমাদের দুজনের যে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর জীবন ছিল, তা কিছুতেই ভুলতে পারি না। তুমি তোমার বাবা-মার সঙ্গে রাশিয়া চলে যাওয়ার পরও আমাদের এলাকার নানা অনুষ্ঠান সেই আগের মতোই উপভোগ করি। তবে তোমার অভাব আমরা খুব অনুভব করি। এবার আমাদের এলাকায় বেশ বড় আয়োজনের বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ আমি সেই উৎসবের কথা বলতেই তোমাকে চিঠি লিখছি। তুমি তো জানো, আমাদের সারা বাংলাদেশেই পহেলা বৈশাখ নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। এখন আমাদের রাঙ্গুনিয়াতেও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ব্যাপক আয়োজনের নানা অনুষ্ঠান হয়। রাজানগরে এবারই প্রথম বৈশাখী উৎসবের অনুষ্ঠান হয়। স্বপন, পুলক, হ্যাপী, চৈতালী, অনিক, দীপা, কুমকুম, নাহার, রাজু, সজল এবং আমি সবাই মিলে সকাল সকাল আমাদের বিদ্যাময়ী স্কুলের মাঠে চলে যাই। প্রথমে ওখান থেকে সকাল সাতটায় শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। নানা রঙের ব্যানার-ফেস্টুন হাতে আমরা র‍্যালিতে অংশ নিই। র‍্যালি শেষ করে স্কুলের মাঠে চলে আসি। ওখানেই বিশাল আকারে মেলা বসেছে। মাঠের উত্তর দিকে চড়কগাছের আয়োজন ছিল, তার পাশে বসেছে চুড়ির দোকান। ছোট ছোট বাক্সে নানা ধরনের চুড়ির পসরা সাজিয়ে বসেছেন মহিলারা। তার পাশেই চানাচুর ও নিমকিভাজা বিক্রি চলছে। আমি গরম নিমকিভাজা আধা কেজি কিনে সবাই মিলে খেয়েছি আর ঘুরে ঘুরে মেলাটা দেখেছি। মাঠের পূর্ব কোণে বাঁশ-বেতের নানা গৃহস্থালি দ্রব্য নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ওখানেও বেশ ভিড় ছিল। তার পাশেই নানা ধরনের বেলুন ও বাঁশির পসরা বসেছে। আমি আমার ছোট বোন প্রিয়ন্তির জন্য বেলুন ও বাঁশি কিনেছি। ওর জন্য রঙিন ফিতাও নিয়েছি। দীপা তো যেটা দেখে সেটাই কেনার জন্য ব্যস্ত! হাতে যে কয়টা টাকা ছিল, সব দিয়েই ও ভাই-বোনের জন্য নানা জিনিসপত্র কিনেছে। রাজু, সজল, হ্যাপী, অনিক, স্বপন বাঁশের তৈরি কলমদানি কিনেছে। আমরা সবাই মিলে চড়কগাছেও উঠলাম। ওখানে উঠে চৈতালী ভীষণ ভয় পেয়ে গেল। কিন্তু কী আর করা! দশ পাক না খেয়ে তো আর নামা যাবে না! চৈতালী বলেছে, ও আর কখনো চড়কগাছে উঠবে না! এত সুন্দর একটা উৎসব, তুমিও থাকলে কত মজা হতো! তোমার কথা খুব মনে পড়েছে। কবে ফিরে আসবে? ফিরে এলে তোমাকে অনেক গল্প শুনাব। চিঠির উত্তর দিও। **ইতি, তোমার প্রিয় বন্ধু।**" জনজীবনের উপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর ্ ক ে দু'বন্ধুর মধ্ য ে সংলাপ রচনা কর।,"রাহাত: কী রে, একা একা এখানে বসে কী ভাবছিস? অনিক: তেমন কিছু না। ভাবছি আমরা যে প্রতিদিন টেলিভিশনে, রাস্তাঘাটে এত এত বিজ্ঞাপন দেখি, এতে কতটুকু লাভবান হই। রাহাত: কখনো কখনো লাভবান হই, আবার কখনো তা ক্ষতির শিকারও হই। তবে সবকিছুরই তো খারাপ-ভালো দুটোই দিক থাকে। অনিক: হুম, তা থাকে। কিন্তু তোর কি মনে হয় না বিজ্ঞাপনে কিছু অবান্তর জিনিস দেখানোর কারণে মানুষ বিভ্রান্তির শিকার হয়? বিজ্ঞাপনের কথা বিশ্বাস করে পণ্য কিনে ঠকে যায়? এমনকি ক্ষতিগ্রস্তও হয়। রাহাত: তোর এ কথা নির্দ্বিধায় মেনে নিলাম। কিন্তু বাজারে নতুন কোনো পণ্য এলে বিজ্ঞাপন ছাড়া তুই জানবি কীভাবে? দোকানে গিয়ে জানতে পারার আগেই তুই বিজ্ঞাপন থেকে পণ্যের কথা জানতে পারবি। আর এখন তো ইন্টারনেটে সব ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। চাইলে সেখান থেকে সন্দেহ দূরও করে নেওয়া যেতে পারে। অনিক: এটা মেনে নিচ্ছি। তবে দ্রব্যের গুণগত মানের তুলনায় বিজ্ঞাপনে অধিক প্রচার মানুষকে বিভ্রান্ত করে। রাহাত: এই কথার সঙ্গে আমি একমত। আবার কিছু কিছু পণ্য আছে যেগুলোর গুণগত মানের তুলনায় বিজ্ঞাপন তেমন নেই। কিন্তু পণ্য ব্যবহার করে সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। অনিক: ঠিক বলেছিস। এমনও অনেক পণ্য আছে। যাই হোক, ভালো থাক। এখন একটু কাজ আছে। কাল আবার দেখা হবে। রাহাত: ঠিক আছে। তুইও ভালো থাকিস। আমিও বাসায় দিকে যাব।" শিশ ু ও নারীর প্রত ি সহিংসতা বিষয় ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংলাপ রচনা কর।,"**অদিতি:** স্যার, সামাজিকভাবে আমরা ক্রমশ হীনম্মন্যতার পরিচয় দিচ্ছি। **রাজীব স্যার:** সেটা কী রকম? **অদিতি:** আমরা দিন দিন নৈতিকতা হারিয়ে সভ্য থেকে ক্রমশ অসভ্য হয়ে যাচ্ছি। পত্র-পত্রিকায়, টেলিভিশনে দেখেন না স্যার, প্রতিদিনই শিশু-হত্যা, অপহরণ, নারী নির্যাতনের ভয়াবহ ঘটনার খবর? **রাজীব স্যার:** তা তো দেখিই। সাধারণ মানুষ যেন গুটি কয়েক অমানুষের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। **অদিতি:** স্যার, এসব দেখে আমার প্রচণ্ড ভয় হয়, কবে কখন কার যে কী হয়! সবসময় কেমন একটা উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হয়। **রাজীব স্যার:** সবাই ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেলে সমাজ পরিবর্তন করবে কে? ঐ যে গুটি কয়েক অমানুষ, যাদের শতকরা হিসাবে এক ভাগও ধরা যাবে না। অথচ তারাই সমাজকে অস্থির করে তুলছে। **অদিতি:** তাহলে আমরা কী করতে পারি, স্যার? **রাজীব স্যার:** এদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। এদের অমানবিক আচরণ ও জঘন্য কাজকে প্রতিহত করতে হবে। তুমি একজন অদিতি সাহস করে সামনে দাঁড়াও। দেখবে তোমার পেছনে হাজারো অদিতি এসে দাঁড়িয়েছে। তখন ঐসব অপরাধী তোমাদের ভয় পেয়ে পালাতে থাকবে। **অদিতি:** স্যার, ইদানিং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা আগের তুলনায় অনেকগুণ বেড়ে গেছে। এর কারণ কী? **রাজীব স্যার:** এক শ্রেণির হীন প্রকৃতির মানুষের লোভ ও হিংস্রতা। এদের অপতৎপরতার কারণেই নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বেড়ে গেছে। **অদিতি:** তাদের এরকম বেপরোয়া হয়ে ওঠার কারণ কী স্যার? আগে তো এমন ছিল না। **রাজীব স্যার:** তুমি ঠিকই বলেছ। আগে এমন ছিল না। এখন কেন হচ্ছে? এমন হচ্ছে মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে, প্রকৃত শিক্ষার অভাবে। **অদিতি:** স্যার, আমারও তাই মনে হয়। এ থেকে উত্তরণের উপায় কী? **রাজীব স্যার:** নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। মানববোধের শিক্ষা দিতে হবে। আইনের শাসন ও শাস্তির বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। **অদিতি:** আমার মনে হয়, স্যার, অপরাধীকে যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া যায়, তাহলে এ অপরাধ অনেকটাই কমে যাবে। **রাজীব স্যার:** তোমার ধারণা একদম ঠিক। সমাজের সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। সমাজের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইন প্রশাসন এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে 'শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা' বন্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। **অদিতি:** আমি আপনার কথা শুনে অনুপ্রাণিত হলাম, স্যার। আমি বাসার কাছে এসে পড়েছি। বিদায় নেব। আসি, স্যার। আদাব। **রাজীব স্যার:** শোনো, আগামীকাল আমাদের কলেজে এ বিষয়ে সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে, এসো। **অদিতি:** আসব, স্যার।" বই পড়ার গুরুত ্ ব সম্পর ্ ক ে দুই বন্ধুর মধ ্ য ে সংলাপ রচনা কর।," কালাম: কেমন আছিস, দোস্ত? তোর হাতে ওটা কী বই?  জালাল: ভালো। তুই? এটা কবি আল মাহমুদের শ্রেষ্ঠ কবিতা।  কালাম: হ্যাঁ, ভালো। এক কবি বলেছেন, *""পড়িলে বই আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রই।""*  জালাল: কবি ঠিক কথাই বলেছেন। পড়ে পড়েই মানুষ জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়।  কালাম: আসলেই, বই না পড়লে মানুষের দৃষ্টি খোলে না, মনের চোখ ফোটে না।  জালাল: মনের চোখ না ফুটলে, মনের দরজা না খুললে তো সবই অন্ধকার।  কালাম: বই পড়েই মানুষ তার হৃদয়কে আলোকিত করতে পারে, দূর করতে পারে সব সংকীর্ণতা।  জালাল: সংকীর্ণতামুক্ত আলোকিত মানুষই প্রশংসিত হয় পৃথিবীর বুকে।  কালাম: মানুষের সম্মান ও মর্যাদা বাড়ে জ্ঞানচর্চার মধ্য দিয়ে।  জালাল: সর্বোপরি, মানুষ খুঁজে পায় মুক্তির পথ, কল্যাণের পথ।  কালাম: দেশপ্রেম, মানবপ্রেম এবং স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসা জন্মে বই পড়ার মধ্য দিয়ে জানতে জানতে।  জালাল: বই পড়েই আমরা জানতে পারি আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে, যা আমাদের জীবনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় বিষয়।  কালাম: শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আরও অনেক বিষয়ে আমাদের পড়া উচিত।  জালাল: জানার জন্য বিষয়বৈচিত্র্যের অভাব নেই। আমি আমার প্রয়োজনকে সামনে রেখে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারি বই পড়ার মাধ্যমে।  কালাম: সাহিত্য-সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, ধর্ম ও নৈতিকতা—সব বিষয়েই বই রয়েছে।  জালাল: তবে বই পড়ার ব্যাপারে সবাইকে আগ্রহী করে তোলার জন্য কিছু কার্যকর পদক্ষেপ থাকা উচিত বলে আমি মনে করি।  কালাম: হ্যাঁ, এক্ষেত্রে সরকার এবং বেসরকারি সামাজিক সংগঠন গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে।  জালাল: মিডিয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।  কালাম: আসলে আমাদের সবাইকেই সচেতন হতে হবে বই পড়ার ক্ষেত্রে।  জালাল: আমরা সবাই সচেতন হলে একদিন যেমন বই পড়ে আনন্দ পাব, তেমনই জাতি হিসেবে আমরা হতে পারব মর্যাদাবান, আলোকিত মানুষ। চল, সবাইকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে নেমে পড়ি। " সড়ক দুর্ঘটনা বিষয় ে সচেতনতা তৈরিত ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"রাকিব: কেমন আছিস, বন্ধু? অনেক দিন তোর কোনো খোঁজখবর পাচ্ছি না। রাজিব: আর ভালো থাকা! সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মামাকে নিয়ে খুবই ঝামেলায় ছিলাম। রাকিব: কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল? কই, কিছুই তো জানি না। রাজিব: কেন? পত্র-পত্রিকা এবং মিডিয়ায় তো ফলাও করে প্রচার করছে ঢাকা-মাওয়া রুটের দুর্ঘটনার কথা। রাকিব: তা তো প্রতিদিনই দেখি। দেশে প্রতিদিন গড়ে তিনজন করে বছরে এক হাজারের বেশি লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। পঙ্গু হয়ে বছরে ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ। রাজিব: সেদিন দেখলাম সড়ক দুর্ঘটনার এক মর্মান্তিক দৃশ্য। রাকিব: কিন্তু এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে কোনো ধরনের সচেতনতা বোধ আছে বলে মনে হয় না। রাজিব: কেন? 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলন তো তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। রাকিব: তা যাচ্ছে, কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ ড্রাইভারদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো তো থামছে না। রাজিব: এমনকি ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এবং নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া যেখান-সেখান থেকে যাত্রী তোলাও বন্ধ হচ্ছে না। রাকিব: দক্ষতাহীন, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের লাইসেন্স প্রদান ও ট্রাফিক আইন অমান্য করাও তো চলছেই। রাজিব: এজন্য স্কুল-কলেজের ছাত্র-শিক্ষকসহ সবাইকেই সচেতন হতে হবে। রাকিব: এক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং মিডিয়া সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড, বিজ্ঞাপন, ডকুমেন্টারি ফিল্ম ইত্যাদি তৈরি করে প্রচারাভিযান চালাতে পারে। রাজিব: তবে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে, যাতে সবাই ট্রাফিক আইন মেনে চলতে বাধ্য হয়। রাকিব: প্রশাসন এবং জনগণের মিলিত শক্তিই সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সফল হতে পারে বলে আমি মনে করি। রাজিব: এজন্য আমাদের সবাইকেই এগিয়ে আসা উচিত। রাকিব: হ্যাঁ, যদি আমরা নিজেরা সচেতন হই এবং অন্যকে সচেতন করতে পারি, তবে সড়ক দুর্ঘটনা নির্মূল করা সম্ভব হতে পারে। রাজিব: আমাদের সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে জনমনে সচেতনতা সৃষ্টি হবে, এবং আমরা মুক্তি পাব মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার কবল থেকে। রাকিব: ভালো থাকিস। এখন আমাকে আবার হাসপাতালে যেতে হবে। " বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয় দুই বন্ধুর মধ ্ য ে সংলাপ রচনা কর।,"আরিফ: হারিছ মিয়া তার বাড়ির পেছনের বাগানের সব গাছ কেটে ফেলল, এটা কি ঠিক করেছে? জারিফ: সব গাছ কেটে ফেলল মানে! মগের মুল্লুক পেয়েছে নাকি! আরিফ: আমাদের 'বৃক্ষবান্ধব' কমিটি কী করল? তারা এটাকে ঠেকাতে পারল না? জারিফ: আমিই তো জানি না। আমরা কমিটির লোকজন পাঁচ গ্রামে ঘুরে মানুষকে বুঝিয়ে প্রতিটি বাড়িতে অন্তত একশ’ করে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। পাঁচ বছর পরেই তার এই হাল! আরিফ: এখন দেখাদেখি সবাই যদি গাছ কেটে ফেলে, তাহলে পরিবেশের কী অবস্থা হবে! আহা রে... এই যে দুই পারে গাছ লাগিয়েছি, এখন কি পাড় ভাঙে? ভাঙে না। ২০টা পুকুর পাড়ে, রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো হয়েছে। এতে যে ভালো হয়েছে, লোকজন কি তা দেখে না, বোঝে না? জারিফ: এলাকার রাস্তা-ঘাটে ধুলো উড়ত, চলাফেরা করা যেত না। এখন সবুজ ঘাসে ছেয়ে গেছে। অনেক গাছে ফল ধরছে, পাখির আনাগোনা বেড়েছে। গরু-ছাগল এখন ঘাস খেতে পারছে। স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। আরিফ: মানুষের মন-মেজাজও এখন ভালো হয়ে উঠেছে। রুক্ষতা নেই। রাগারাগি, মারামারি, খুনোখুনি নেই। সবুজ পরিবেশ বদলে দিয়েছে সবকিছু। জারিফ: জ্বালানির অভাব অনেকটা কমে গেছে। মানুষ শুকনো পাতা, ডাল ব্যবহার করতে পারছে। জরুরি প্রয়োজনে দু-চারটা গাছ বিক্রি করে অভাব মেটাতে পারছে। ভয়াবহ দারিদ্র্য এখন আর নেই। আরিফ: তুমি কমিটির মিটিং ডাক। হারিছ মিয়াকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। কিছুতেই স্বাভাবিক পরিবেশ আর নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না। জারিফ: ঠিক বলেছ। আমি কালই সব ব্যবস্থা করছি। " একট ি পূর্ণিমা রাতের সৌন্দর ্ য প্রসঙ ্ গ ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"আলাল: কেমন আছিস দোস্ত? দেখ, এত সুন্দর পূর্ণিমাকে কেন যে সুকান্ত ঝলসানো রুটি বলেছেন, বুঝতে পারছি না। দুলাল: কারণ তো কবি বলেই দিয়েছেন। আর আমিও ভালো আছি। আলাল: তা বলেছেন, কিন্তু আমার মনে হয় পূর্ণিমা চাঁদ যেন রসমালাইয়ের রসে ভেজা মিষ্টি। দুলাল: তা হতেই পারে। কারণ তুই তো আর কবির মতো ক্ষুধার্ত না। তোর তো পেট ভরা এখন নানান পিঠা-পায়েসে। আলাল: ক্ষুধার্ত নই, কিন্তু চোখ তো সৌন্দর্যের ক্ষুধায় কাতর। দুলাল: হ্যাঁ, পেটের ক্ষুধা মিটলেই মনের ক্ষুধার কথা ভেসে ওঠে, মনে তখন পূর্ণিমা রাতকে অপরূপ মায়াবী বলে মনে হয়। আলাল: দেখ না, নদীর ঢেউয়ের উপর কেমন আলোর নাচন চলছে। দুলাল: সবই পূর্ণিমার খেলা। মনে হয় পূর্ণিমা তার মায়াবী আলো ঢেলে দিয়েছে নদীর জলে। আলাল: তুই ঠিকই বলেছিস। দেখ, গাছের পাতাগুলো পর্যন্ত ঝকমক করে উঠছে। দুলাল: প্রকৃতির এই খেলা সত্যিই অপূর্ব। আলাল: শুন, যেন কাশবনের আগা দুলে দুলে আমাদের ডাকছে। দুলাল: ডাকছেই তো অবশ্যই, পূর্ণিমায় ওরা তো মাতোয়ারা আজ, তাই তো নেচে নেচে সবাইকে ডাকছে। আলাল: চল, কাশবনের সঙ্গে আমরা সাদায় মিশে যাই। দুলাল: না, তার চেয়ে চল কলাবাগানের দিকে যাই। ওদিকে আলো-আঁধারির খেলা দেখি। আলাল: আসলে পূর্ণিমা রাতের লুকোচুরি যেন প্রকৃতির এক অনন্য দান। দুলাল: মানুষকে প্রেমিক বানায়, কবি বানায় এই পূর্ণিমা চাঁদ। আলাল: আমারও কবিতা লিখতে ইচ্ছে করছে। দুলাল: তবে লেখ না একটা, পূর্ণিমার মতো ঝলমলে কবিতা। আলাল: আরে বাপরে, বলা সোজা কিন্তু করা কঠিন দোস্ত। দুলাল: পূর্ণিমা রাত সব কঠিনকেই সহজ এবং আনন্দে ভরিয়ে দেবে আজ। চল, বাসায় যাই। " ফেসবুকের সুফল ও কুফল বিষয় ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর,"জামাল: আরে দোস্ত, কেমন আছিস? তোকে তো আজকাল দেখাই যায় না। কামাল: আছি ভালো। ঢাকায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। তোর খবর কী? জামাল: ভালো। তবে ফেসবুকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। কামাল: আমারও তো একই অবস্থা, যদিও ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। জামাল: কিন্তু এখন তো এটা অসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কামাল: তা উঠেছে, কিন্তু এজন্য তো আর ফেসবুককেই দায়ী করা যায় না। জামাল: দায়ী করছি না, তবে অপব্যবহারের কুফল নিয়ে খুবই চিন্তার মধ্যে আছি। কামাল: আসলে সব প্রযুক্তিরই ভালো-মন্দ দুইটি দিক রয়েছে, যা ব্যবহারকারীর ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। জামাল: ফেসবুককে অনেকেই এখন রাজনীতি চর্চার ক্ষেত্র বানিয়ে একে বিষিয়ে তুলেছে। কামাল: অথচ সামাজিক কল্যাণে ও জনমত গঠনে ফেসবুক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জামাল: শিক্ষা-সংস্কৃতি চর্চায় এর গুরুত্বকে আমি খাটো করে দেখছি না, তবে বিনোদনের নামে যে অপসংস্কৃতি ও অশালীন পরিবেশ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাতে তো তরুণ প্রজন্ম বিপথগামী হচ্ছে। কামাল: তা হচ্ছে, কিন্তু সে ব্যাপারে ফেসবুক কর্তৃপক্ষও সজাগ রয়েছে। তারা কিছু কিছু কঠোর পদক্ষেপও নিচ্ছে। জামাল: পদক্ষেপ যদিও নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু প্রতিরোধ পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে বলে মনে হয় না। কামাল: আসলে এক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহারকারীদেরও সচেতন হতে হবে। জামাল: সেটা অবশ্যই সত্য। সবাই সচেতন হলে দুষ্টরা আর পাত্তা পাবে না। কামাল: আসলে ফেসবুকের কল্যাণকর ভূমিকাকেই কিছু খারাপ মানুষ প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। জামাল: আর এজন্য অভিভাবকগণ আজ চরমভাবে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কামাল: শিক্ষকরাও নিরুৎসাহিত করছেন ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে। জামাল: আসলে সময়ের সদ্ব্যবহার করে যদি প্রয়োজনীয় কাজে ফেসবুক ব্যবহার করা হয়, তবে তো সবার জন্যই মঙ্গল। কামাল: হ্যাঁ, ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তা হলেই কুফলের চেয়ে সুফল পাওয়া যাবে। চল, এখন যাওয়া যাক। " বাল্যবিবাহ নিরোধের গুরুত্ব' সম্পর ্ ক ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্ য ে সংলাপ রচনা কর।,"শিক্ষার্থী: আস্সালামু আলাইকুম, স্যার। শিক্ষক: ওয়ালাইকুম আস্সালাম। সবাই ভালো আছ তো? শিক্ষার্থী: জি স্যার, আপনি গত ক্লাসে বলেছিলেন আজকে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে আলাপ করবেন। শিক্ষক: হ্যাঁ। আজকে আমি তোমাদের সঙ্গে বাল্যবিবাহ নিয়ে কথা বলব। তোমরা কি কেউ জানো, বাল্যবিবাহ কী? শিক্ষার্থী: পরিণত বয়সের আগে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়াকেই বাল্যবিবাহ বলে। শিক্ষক: খুব সুন্দর! এই বাল্যবিবাহ আমাদের সমাজে এখনও প্রচলিত আছে, যা সমাজে খুব নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিক্ষার্থী: কীভাবে, স্যার? আমাদের আশপাশের অনেকেরই অনেক কম বয়সে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। তাহলে আমাদের উচিত তাদের বাঁচানো। শিক্ষক: অবশ্যই বাঁচানো উচিত। ধরো, কোনো মেয়ে নির্দিষ্ট বয়সের আগে বিয়ে হয়ে গেলে তার ওপর অনেক অপ্রত্যাশিত দায়িত্ব এসে পড়ে, যেগুলোর জন্য সে প্রস্তুত থাকে না। ফলে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। আবার, সে দ্রুত মা হয়ে যাওয়ার ফলে যেমন শারীরিক ক্ষতি হয়, তেমনি সে অপরিণত শিশু জন্ম দিচ্ছে। শিক্ষার্থী: জি স্যার, আমাদের পাশের বাড়ির রাবেয়া বেশিরভাগ সময়ই অসুস্থ থাকে। আমি এতদিন পরে বুঝলাম। শিক্ষক: আর বেশিরভাগ সময়ই এসব মেয়ে গর্ভবতী ও মাতৃত্বকালীন সঠিক পরিচর্যা পায় না, যার ফলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। শিক্ষার্থী: তাহলে এটা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী, স্যার? শিক্ষক: সচেতনতা বৃদ্ধি করা, শিক্ষার প্রসার এবং প্রয়োজন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। শিক্ষার্থী: জি স্যার। আমরা এখন থেকে আমাদের আশপাশে এমন ঘটনা ঘটতে দেখলে তা রোধ করতে সচেষ্ট হব। শিক্ষক: অবশ্যই। আচ্ছা, ঠিক আছে, সবাই ভালো থেকো তাহলে। শিক্ষার্থী: জি স্যার, আস্সালামু আলাইকুম। " নিরাপদ সড়ক চাই' বিষয় ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।,"সুমন: কী রে বন্ধু, কেমন আছিস? 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলন কি থেমে গেল নাকি? সুজন: আছি ভালোই। না রে দোস্ত, থামেনি, তবে গতি একটু কমে এসেছে আর কি! তোর খবর কী? সুমন: আমার খবর ভালো। কিন্তু পত্রিকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পড়ে মনটা ভালো নেই। সুজন: আটজন নিহত! ভাবা যায়? প্রতিদিনই বাড়ছে এই দুর্ঘটনা। সুমন: হ্যাঁ, এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশে প্রতিদিন গড়ে তিনজন করে বছরে এক হাজারের বেশি লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় এবং পঙ্গু হয় বছরে ৫ থেকে ১০ হাজার লোক। সুজন: সড়ক দুর্ঘটনা যে কত হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক, তা কল্পনাও করা যায় না। সুমন: ঠিকই বলেছিস। সেদিন নিজের চোখে দেখেছি এক ভয়াবহ দৃশ্য। আমি আর রাজু তো একজনকে টেনে বের করলাম খাদে পড়া বাস থেকে। দেখলাম, লোকটার একটা হাত কেটে আলাদা হয়ে গেছে। সুজন: এমন ভয়াবহ দৃশ্য প্রতিদিন কাউকে না কাউকে দেখতে হচ্ছে। সুমন: হ্যাঁ। এর ফলে আমরা হারাচ্ছি আত্মীয়স্বজন, মেধাবী মুখ, প্রিয় মানুষকে। কিন্তু আমরা এই দুর্ঘটনা রোধে সচেষ্ট নই। সুজন: সড়ক দুর্ঘটনায় অকাল মৃত্যু বড় অস্বাভাবিক এবং খুবই বেদনাদায়ক। অথচ আমরা এ ব্যাপারে উদাসীন বলেই মনে হয়। সুমন: এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিরুদ্ধে আমাদের গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। সুজন: বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্র-শিক্ষকসহ সকলকেই সচেতন করে তুলতে হবে। সুমন: হ্যাঁ, তা ঠিক। তবে সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ ড্রাইভারদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও অতিরিক্ত যাত্রী বহন প্রতিরোধে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে। সুজন: শুধু তাই নয়, দক্ষতাহীন অপ্রাপ্তবয়স্কদের লাইসেন্স প্রদান, শ্রমিক দৌরাত্ম্য কমাতে এবং ট্রাফিক আইন কার্যকর করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সুমন: প্রশাসন ও জনগণের মিলিত শক্তিই ‘নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলনকে সফল করতে পারে। সুজন: এজন্য আমাদের সকলেরই উচিত নিজে সচেতন হওয়া এবং অন্যকেও সচেতন করা। সুমন: এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং মিডিয়া গণসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড, বিজ্ঞাপন, ডকুমেন্টারি ফিল্ম ইত্যাদি তৈরি করে প্রচারাভিযান চালাতে পারে। সুজন: আমারও মনে হয়, সবাই সচেতনভাবে এগিয়ে এলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। সুমন: তুই ঠিকই বলেছিস। চল, সবাই মিলে সচেতনভাবে 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ি। " কৃষকদের অবস্থা সংলাপ," রমিজ: আরে বশির না; কেমন আছ?  বশির: ভালো আছি রমিজ ভাই। আপনি কেমন আছেন?  রমিজ: কেমন আর থাকব, এবার ফসল ভালো হয়নি। তুমি তো চাল কলে কাজ করো। তোমাদের অনেক কষ্ট করতে হয় তাই না?  বশির: ভাই, আপনাদের কষ্টের কাছে আমাদের কষ্ট তো কিছুই না। আপনারা একটা রোদে পুড়ে কাজ করেন। এছাড়া সেচ দেওয়া, সার দেওয়া, যন্ত্র করে বড় করে তোলা, ধান কাটা, মাড়াই করা—এত কিছুর পরেও ফসলের ন্যায্য মূল্য পান না। আবার ফলন খারাপ হওয়ার আশঙ্কা তো আছেই।  রমিজ: ঠিকই বলছ বশির। কিন্তু তোমাদের পরিশ্রমও তো কম নয়। ভারি ভারি বস্তা মাথায় চাপিয়ে কল নিয়ে যাওয়া, শুকানো, মাড়াই করে চালে পরিণত করে আবার তা দোকানে পাঠানো কম কষ্টের নয়।  বশির: হ্যাঁ ভাই, আমাদেরও অনেক কষ্ট করতে হয়। কিন্তু কষ্ট হলেও দিন শেষে আমাদের পরিশ্রমের নিঃশেষতা আছে। বশির আপানারা তো অনিশ্চয়তায় ভোগেন।  রমিজ: দেখো বশির, বেশি কিছু পাওয়ার আশায় আমরা ফসল ফলাই না। ফসল ফলাই ভালোবাসায়।  বশির: আপনাদের কষ্টের ফসল সবাই ভোগ করছে কিন্তু আপনাদের প্রতি সবাই উদাসীন।  রমিজ: সবার দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে এমন হচ্ছে।  বশির: সরকার এ বিষয়ে কঠোর হচ্ছে। আপনাদের সমস্যা নিয়ে ভাবছে। একদিন এ সমস্যা কেটে যাবে ভাই।  রমিজ: তাই যেন হয় বশির, তা ছাড়া তো আমাদের বাঁচার উপায় নেই।  বশির: ভালো থাকবেন রমিজ ভাই।  রমিজ: তুমিও ভালো থেকো বশির।  " টর্নেডো এর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রান এর জন্য আবেদন,ভয়াবহ টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্ত সাটুরিয়ার জনসাধারণের জন্য ত্রাণসামগ্রীর আবেদন। প্রসংসা পত্রের জন্য আবেদন,"তারিখ : ২৫/০৮/২০১৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল বেইলি রোড, ঢাকা। বিষয়: প্রশংসা পত্রের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি এই বিদ্যালয়ে গত ছবছর নিয়মিত ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা করেছি। ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষাআমি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ হই। বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে আমি বিদ্যালয়ের নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম। বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে আমার সক্রিঅংশগ্রহণ ছিল। অল্পকিছু দিনের ভেতরেই একাদশ শ্রেণির ভর্তির কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। তাই আমার একটি প্রশংসাপত্র প্রয়োজন। অতএব, অনুগ্রহপূর্বক আমাকে আমার চারিত্রিক ও শিক্ষাবিষয়ক প্রশংসাপত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত লিজা জাফরিন নাহার দশম শ্রেণি " নলকূপ স্থাপনের জন্য আবেদন,"তারিখ : ১৪/০৬/২০১৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক আলমনগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় আলমনগর, নাটোর। বিষয়: নলক‚প স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রা৩০০ জন ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করে। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে ছাত্রছাত্রীরা এখানে লেখাপড়া করতে আসে। তাই পানীয়জলের বিষয়টি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানীয়জলের কোনো ব্যবস্থা নেই। একমাত্র নলক‚পটিও অনেক দিন থেকে নষ্ট। দোকান থেকে বোতলজাত পানীয়জল কেনার মতো সামর্থ্য সবার নেই। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে কলের অনিরাপদ জল পান করছে। এর ফলে তারা ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েডসহ নানা রকম অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে ক্লাসে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে। পড়াশোনাসহ শিক্ষা সহায়ক কর্মকাণ্ডে ছাত্র-ছাত্রীরা পিছিয়ে পড়ছে। তাই বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। অতএব, বিনীত নিবেদন, বিদ্যালয়ে শিগগিরই অন্তত একটি নলক‚প স্থাপনের ব্যবস্থা করে আমাদের বাধিত করবেন। নিবেদক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে আবীর রায়হান নবম শ্রেণি রোল নম্বর ৭ " সাময়িক ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ : ১২ই মার্চ, ২০১৬ বরাবর, প্রধান শিক্ষক ব্রাইট কিডস্ একাডেমি লালবাগ, ঢাকা। বিষ: ফুটবল খেলা দেখতে যাওয়ার জন্য সাময়িক ছুটির আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আগামীকাল সুজানগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবস ফুটবল কাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। খেলাটিতে আমাদের স্কুল সুজানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের মুখোমুখি হবে। মাঠে আমাদের উপস্থিতি আমাদের খেলোয়াড়দের মনোবল বাড়াবে। তাই তাদের অনুপ্রেরণা জোগাতে আমরা সবাই খেলাটি দেখতে অত্যন্ত আগ্রহী। অতএব, বিনীত প্রার্থনা, আগামীকাল দ্বিতীথেকে চতুর্থ পিরিয়ড পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ রেখে আমাদের খেলাটি দেখার সুযোগ দিয়ে বাধিত করবেন। নিবেদক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে ইকবাল হাসান শ্রেণি : ৯ম; শাখা- বিজ্ঞান রোল নং ০২। " তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটির জন্য আবেদন,"১৭/০৫/২০১৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক মুহম্মদনগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মুহম্মদনগর, সিলেট। বিষয়: তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আজ বিদ্যালয়ে আসার পর থেকে আমার পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভ‚ত হচ্ছে। এ কারণে আমি ক্লাসগুলোতে মনোযোগ দিতে পারছি না। অতএব, দয়া করে আমাকে তৃতীঘণ্টার পর ছুটি দিয়ে বাধিত করবেন। বিনীত মো. হাসান ৯ম শ্রেণি, শাখা বিজ্ঞান রোল ১০ " অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন,"০২/ ০৩/২০১৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক গাজীরখামার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় গাজীরখামার, শেরপুর। বিষয়: বিনা বেতনে অধ্যয়নের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। প্রথম শ্রেণি হতেই আমি আপনার বিদ্যালয়ে পড়ছি এবং বরাবরই প্রথম হয়ে আসছি। আমার ছোট বোনও এই বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। আমার মা দীর্ঘদিন থেকে শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসেই বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন হয়। আমার বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বাবার সামান্য আয়ে আমাদের যাবতীখরচ চালানো খুবই কষ্টকর। এ অবস্থাতাঁর পক্ষে আমাদের দুই ভাইবোনের লেখাপড়ার ব্যয়ভার বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার ভবিষ্যতের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে আমাকে আপনার বিদ্যালয়ে বিনা বেতনে অধ্যয়ন করার সুযোগ দিয়ে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক সিরাজ আহমেদ ৯ম শ্রেণি, শাখাবিজ্ঞান রোল ০১ " শিক্ষাসফরে প্রেরণের জন্য আবেদন।,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরারচর শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ। বিষয়: শিক্ষাসফরে প্রেরণের জন্য আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রতিবছর এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাসফরে গিয়ে থাকে। কিন্তু এ বছর এখনো এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ গৃহীত হয়নি। আমরা শিক্ষাসফরে যেতে চাই। ছাত্রজীবনে শিক্ষাসফরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। যেকোনো ভ্রমণেই দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোভাবে জানার সুযোগ হয়। শিক্ষাসফরের ফলে ব্যবহারিক শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আরো সমৃদ্ধ হয়। আমরা এবার শিক্ষাসফরে ময়মনসিংহে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছি। ময়মনসিংহ একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শহর। এর মুক্তাগাছা থানা শিক্ষা-সংস্কৃতিতে খুব অগ্রগামী ছিল। সেখানে প্রাচীন জমিদারবাড়ি আছে। ময়মনসিংহ শহরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এসেছিলেন। সে স্মৃতিচিহ্নও দেখা যাবে। তাছাড়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আনন্দমোহন কলেজ, জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ইত্যাদিও আমাদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে। এসব স্থান ও স্থাপনা দর্শন করে আমরা বিশেষ জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হব। একদিনের এই সফরের সম্পূর্ণ ব্যয়ভার আমরা বহন করব। আমাদের সঙ্গে দুজন সিনিয়র শিক্ষক যেতে রাজি হয়েছেন। আপনার সম্মতি পেলে শিক্ষাসফরে যাওয়ার দিন ধার্য করে আমরা আমাদের অভিভাবকদের অনুমতি গ্রহণ করব। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত আবেদন, আমাদের শিক্ষাসফরে যাওয়ার সদঅনুমতি দিয়ে এবং ময়মনসিংহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা লাভের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে বাধিত করবেন। বিনীত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষে দ্বীন ইসলাম তারিখ : ১১. ০৮. ২০১৬ " অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাশ-ফেল প্রথা চালু করা নিয়ে দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ,"আকাশ - শুভ সন্ধ্যা, প্রবীর। প্রবীর - শুভ সন্ধ্যা। আকাশ - তোকে এতো চিন্তিত মনে হচ্ছে কেন? প্রবীর - আমি এখন অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাশ-ফেল প্রথা বিষয়ে একটু ভাবছি। আকাশ - হ্যাঁ। আমিও শুনেছি। তবে ভাবনার কী আছে? প্রবীর - এক ছাত্র যদি পরের ক্লাসে সহজে উঠতে না পারে, তবে সে পড়াশোনা করতে চাইবে কেন? আকাশ - ভেবে দেখ যে, সে যদি পড়াশোনা না করে, সে কোনোরকম শিক্ষা অর্জন করতে সমর্থ হ'বেনা। শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় পাশ করা কিন্তু নয়। কোনো বিষয়ে, সে পাঠ্যবই হোক বা তার বাইরের কোনো বিষয় হোক, তার যতোটা সম্ভব ধারণা নেওয়া যায়, তা নিতে হ'বে। প্রবীর - হুঁ। একদম ঠিক কথা। ধন্যবাদ, আকাশ। আকাশ - চল। আজ বাড়ি যাই।" "ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও, এ নিয়ে তুমি ও তোমার বন্ধু নিশাতের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।"," উত্তর: নিশাত: ভালো আছ, তিতাস? তোমার পরীক্ষার ফলাফল কী হলো? তিতাস: বন্ধু, তুমি শুনে খুশি হবে। এবারও আমি প্রথম হয়েছি। নিশাত: খুব ভালো, তা ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও? তিতাস: ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো শিক্ষক হতে চাই। নিশাত: ভালো কথা, কিন্তু অন্য পেশা থাকতে তুমি কেন শিক্ষক হতে চাও? তিতাস: আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষিত জাতি গড়তে দরকার একজন আদর্শ শিক্ষক যিনি দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর। একটি শিক্ষিত জাতি দেশ ও জাতির উন্নতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমার শিক্ষকতা পেশা ভালো লাগে। নিশাত: তোমার পছন্দকে আমি সমর্থন করি। তবে মনে রেখো, এ পেশায় কিন্তু অনেক ধৈর্য ও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তিতাস: হ্যাঁ বন্ধু, আমি জানি। তোমার দোয়া ও সবার সহযোগিতা পেলে আমি আমার চেষ্টা এবং সাধনা দিয়ে জয়ী হতে পারব।" ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তুমি ও তোমার দাদার মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"পাভেল: আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন দাদাজান? দাদা: ওয়ালাইকুমুসসালাম। খুব ভালো আছি, দাদুভাই। তুমি কেমন আছ? পাভেল: বেশ ভালো। দাদাজান, আপনার কাছ থেকে আজ আমি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে চাই। দাদা: খুব ভালো। অবশ্যই তোমাকে বলব। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ঠিক ইতিহাস তোমাদের জানতে হবে। পাভেল: জি দাদাজান, বলুন। আমি মন দিয়ে শুনছি। দাদা: ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবে ভর্তি হয়েছি। পাভেল: দাদাজান, কেন মুক্তিযুদ্ধ হয়? দাদা: খুব ভালো প্রশ্ন করেছ। আমরা আজ যে স্বাধীন দেশে বাস করছি, আমাদের এই দেশ অর্থাৎ পূর্ব বাংলার পশ্চিম পাকিস্তানিরা শাসন করত। কিন্তু তারা শাসনের নামে শোষণ করত। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকভাবে তারা আমাদের দুর্বল করে রাখত। শুধু তা-ই নয়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তারা নিরীহ বাঙালির ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হত্যা করে। তাদের এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এবং বাঙালির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাঙালিরা স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশকে স্বাধীন বা মুক্ত করতে আমিও ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করি। পাভেল: দাদাজান, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ অনেক বেদনার, না? দাদা: তা তো বটেই। কারণ দেশ স্বাধীন করতে দেশপ্রেমিকরা অকাতরে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। হাজার হাজার মা হারিয়েছেন  বুকের ধন, অসহায় মানুষ দেশ ছেড়েছে। মা-বোনেরা হারিয়েছেন তাদের সম্ভ্রম, মৃতের গলিত লাশে এ দেশ শ্মশানভূমি হয়েছিল। এই দেখো, এসব কথা বলতে গিয়ে আমার গা শিউরে উঠছে। পাভেল: দাদাজান, থাক আর বলতে হবে না। দাদা: সত্যি সে সময় পাক বাহিনীর যাবতীয় কর্মকাণ্ড ছিল ঘৃণ্য ও জঘন্য। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের অন্যায়ের সমুচিত জবাব দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি।  পাভেল: আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগল দাদা ভাই। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। দাদা: বড় হও দাদু।" সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো।,"জুয়েল: শুভ সকাল, নাদিম। কলেজে কখন এলে? নাদিম: শুভ সকাল তোমাকেও। এই তো কিছুক্ষণ আগে এলাম। জুয়েল: কী ব্যাপার, তোমাকে খুব খুশি খুশি লাগছে। কারণটা জানতে পারি? নাদিম: হ্যাঁ, আজ আমি অনেক খুশি। গত রাতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস পড়লাম। বইটি আমার অনেক ভালো লেগেছে। জুয়েল: রবীন্দ্রনাথের তো বিখ্যাত অনেক উপন্যাস রয়েছে। তার মধ্যে তুমি কোনটি পড়েছ? নাদিম: ‘চোখের বালি’ উপন্যাসটি। এটি একটি রোমান্টিক উপন্যাস। জুয়েল: হ্যাঁ, আমিও পড়েছি। উপন্যাসের নায়িকা ‘বিনোদিনী’ বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই বিধবা হয়ে যায়। ঔপন্যাসিক ‘বিনোদিনী’ চরিত্রটি মনের মাধুরি মিশিয়ে উপস্থাপন করেছেন।নাদিম: আমিও তাই মনে করি। কেননা বিনোদিনী বুদ্ধিমতী। প্রভুত্ব যেন তার স্বভাবসিদ্ধ। তার কাছে উপন্যাসের নায়ক মহেন্দ্রের বালিকাবধূ আশালতা নিতান্তই অপরিণত ও ম্লান। জুয়েল: উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্রের মনোজগৎ ক্রমাগত ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে নানা বাঁকে। নাদিম: যা-ই হোক, ঘটনা পরম্পরা নয় হৃদয়ের ঘাত-প্রতিঘাতই সবকিছুর নিয়ামক, উপন্যাসটিতে তা-ই বিধৃত হয়েছে। জুয়েল: তুমি মনে হয় জানো, ‘চোখের বালি’ উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি নতুন ধারার সৃষ্টি করেছিল। নাদিম: হ্যাঁ। শুধু তাই নয়, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এর চেয়ে পূর্ণতর সৃষ্টি আর কিছুই হতে পারে না।’ জুয়েল: এটি আমার পড়া অন্যতম একটি উপন্যাস; যা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। নাদিম: আচ্ছা, এ বিষয়ে অন্য একদিন আলোচনা করো। এখন ক্লাস শুরু হয়ে যাবে।" বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো,"তন্ময়: শুভ সকাল, পিয়াল। কখন এসেছ? পিয়াল: শুভ সকাল তোমাকেও। আজ ভোর ৫টায় এসেছি। তা, তুমি কেমন কাটালে নববর্ষের দিন। তন্ময়: খুব ভালো কেটেছে। বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিল। তাদের সঙ্গে বেশ মজারই সময় কেটেছে। তা তুমি ঢাকায় কেমন নববর্ষ উদযাপন করলে? পিয়াল: আমারও বেশ আনন্দে কেটেছে। ভোর ৬টায় ছোট খালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে পান্তা ইলিশ খেলাম। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে আমি, খালা, খালু, খালাতো বোন রাইসা বেরিয়ে পড়লাম রমনা বটমূলের উদ্দেশে। তন্ময়: কয়টায়  সেখানে পৌঁছালে? তারপর কোথায় গেলে? পিয়াল: রাস্তায় যানজট না থাকায় সকাল সোয়া ৮টায় সেখানে পৌঁছালাম। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনকেন্দ্রে গেলাম। সেখানে থেকে পৌঁছালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তন্ময়: এখান থেকেই তো মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তাই না? পিয়াল: হ্যাঁ, আমরা সকাল ১০টায় বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিই। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দিক নানা প্রতীকে উঠে এসেছিল। আমি খালুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন। তন্ময়: আর কোথাও যাওনি? পিয়াল: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত বাউলসংগীত শুনলাম। তারপর কিছুক্ষণ বেড়িয়ে মাটির হাঁড়ি, পুতুলসহ দেশীয় ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু পণ্য কিনলাম এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরলাম। তন্ময়: আমি তোমার মতো অত কিছু দেখতে পাইনি, তবে দাদুর মুখে নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস জানতে পেরেছি। যেমন- সম্রাট আকবরের নববর্ষের নামকরণ, পালন করা, তারপর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস সম্পর্কেও জানতে পারি। তারপর এ দিনটির সঙ্গে বাঙালি জাতির সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা লাভ করি। পিয়াল: সত্যিই অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় চৈতন্যের ধারক। তাই মহাসমারোহে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদিন পালন করুক, এটাই প্রত্যাশা রাখি। তন্ময়: পিয়াল আজ তবে চলি। এই নিয়ে পরে আরও কথা হবে। আমরা ইতিহাস পড়ে আরও জানতে পারব। ভালো থাকো।" খেলাধুলা জীবনের একটি অংশ। এ নিয়ে রাকিব ও তুহিন দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"তন্ময়: শুভ সকাল, পিয়াল। কখন এসেছ? পিয়াল: শুভ সকাল তোমাকেও। আজ ভোর ৫টায় এসেছি। তা, তুমি কেমন কাটালে নববর্ষের দিন। তন্ময়: খুব ভালো কেটেছে। বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিল। তাদের সঙ্গে বেশ মজারই সময় কেটেছে। তা তুমি ঢাকায় কেমন নববর্ষ উদযাপন করলে? পিয়াল: আমারও বেশ আনন্দে কেটেছে। ভোর ৬টায় ছোট খালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে পান্তা ইলিশ খেলাম। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে আমি, খালা, খালু, খালাতো বোন রাইসা বেরিয়ে পড়লাম রমনা বটমূলের উদ্দেশে। তন্ময়: কয়টায়  সেখানে পৌঁছালে? তারপর কোথায় গেলে? পিয়াল: রাস্তায় যানজট না থাকায় সকাল সোয়া ৮টায় সেখানে পৌঁছালাম। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনকেন্দ্রে গেলাম। সেখানে থেকে পৌঁছালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তন্ময়: এখান থেকেই তো মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তাই না? পিয়াল: হ্যাঁ, আমরা সকাল ১০টায় বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিই। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দিক নানা প্রতীকে উঠে এসেছিল। আমি খালুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন। তন্ময়: আর কোথাও যাওনি? পিয়াল: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত বাউলসংগীত শুনলাম। তারপর কিছুক্ষণ বেড়িয়ে মাটির হাঁড়ি, পুতুলসহ দেশীয় ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু পণ্য কিনলাম এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরলাম। তন্ময়: আমি তোমার মতো অত কিছু দেখতে পাইনি, তবে দাদুর মুখে নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস জানতে পেরেছি। যেমন- সম্রাট আকবরের নববর্ষের নামকরণ, পালন করা, তারপর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস সম্পর্কেও জানতে পারি। তারপর এ দিনটির সঙ্গে বাঙালি জাতির সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা লাভ করি। পিয়াল: সত্যিই অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় চৈতন্যের ধারক। তাই মহাসমারোহে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদিন পালন করুক, এটাই প্রত্যাশা রাখি। তন্ময়: পিয়াল আজ তবে চলি। এই নিয়ে পরে আরও কথা হবে। আমরা ইতিহাস পড়ে আরও জানতে পারব। ভালো থাকো। পিয়াল: তুমিও ভালো থাকো। ধন্যবাদ" খেলাধুলা জীবনের একটি অংশ। এ নিয়ে রাকিব ও তুহিন দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"রাকিব: শুভ অপরাহ্ন। কোথায় যাচ্ছ তুহিন? তুহিন: খেলাধুলা করতে স্কুল মাঠে। রাকিব: সে কী! পরশু দিন অঙ্ক পরীক্ষা অথচ এখন খেলতে যাচ্ছ। তুহিন: কেন? খেলাধুলা তো জীবনেরই একটা অংশ। আর খেলাধুলা করলে পড়াশোনার কোনো ক্ষতি হয় না। রাকিব: কিন্তু মা তো আমাকে একদিনও খেলতে যেতে দেন না। তুহিন: খেলাধুলা করলে শরীরচর্চা হয়। আমরা সুস্থ থাকি। মনও সজীব হয়। আর সুস্থ দেহে সুস্থ মনে লেখাপড়াও ভালো হয়। তাই খেলাধুলার বিকল্প নেই। রাকিব: তুমি ঠিক বলেছ। আমি মাকে এ কথাগুলো বুঝিয়ে বলব। কাল থেকে আমিও তোমার সঙ্গে খেলতে যাব। তুহিন: খুব ভালো কথা। আমি আজ চলি। রাকিব: খেলাধুলার গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। ভালো থেকো। তুহিন: তুমিও ভালো থেকো। বিদায়।" গ্রিনহাউস গ্যাস প্রতিক্রিয়া বর্তমানে একটি গুরুতর সমস্যা। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"নাহিয়ান: শুভ সন্ধ্যা। কেমন আছ সাজ্জাদ? সাজ্জাদ: তোমাকেও শুভ সন্ধ্যা। আমি ভালো আছি। তুমি কেমন আছ? নাহিয়ান: আমিও ভালো আছি। তবে আমি একটি বিষয় নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। আর তা হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রতিক্রিয়া। তুমি কী এ নিয়ে কিছু ভেবেছ? সাজ্জাদ: অবশ্যই। ইদানীং এটি একটি বৈশ্বিক আতঙ্কের বিষয়। এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মরুকরণ, নিম্নভূমিতে প্লাবন, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, সামুদ্রিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি বৃদ্ধি পায়। নাহিয়ান: বাংলাদেশেও তো এর প্রভাব মারাত্মক। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে বাংলাদেশের উচ্চতা কম থাকার কারণে এটির প্রভাব আরও ভয়াবহ। সাজ্জাদ: ঠিক বলেছ। আমরা খুব ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছি। তবে এর জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। কারণ আমরা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করছি। ওজোনস্তরের জন্য ক্ষতিকারক গ্যাস ব্যবহার করছি। শিল্প-কারখানার বর্জ্য পদার্থ, কালো ধোঁয়া ক্রমান্বয়ে আমাদের পরিবেশকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। নাহিয়ান: হ্যাঁ, তাই এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। সর্বোপরি জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।" করোনাভাইরাস সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা, তোমাকে খুবই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত দেখাচ্ছে। কিন্তু কেন? মীনা : আমি খুবই চিন্তিত, কারণ আমার এক আত্মীয় স¤প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং সে এখনো সুস্থ হয়ে ওঠেনি। রাজু : এটা সত্যিকার অর্থেই খারাপ লাগার মত একটি সংবাদ। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে করোনাভাইরাস যেভাবে খারাপ প্রভাব ফেলেছে, তা অস্বীকার করার মত নয়। মীনা : হ্যাঁ, তুমি ঠিক বলেছো। আমাদের চারিপাশে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। আর এই মৃত্যু মিছিল যেন থামছেই না। রাজু : হ্যাঁ, করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের প্রত্যাহিক জীবন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা বাইরে বের হতে পারছি না। এমনকি বিদ্যালয়েও যেতে পারছি না। আমাদের প্রায় সারাদিনই বাসায় বদ্ধ থাকতে হয়। মীনা : শুধু তাই নয়, চারিদিকে এই রোগের প্রচুর বিস্তারের ফলে মানুষ প্রায় কর্মহীন হয়ে পরেছে। অনেকেই চাকরী হারিয়েছে এবং না খেতে পেয়ে কষ্ট করছে। রাজু : সত্যিই তাই। এই মহামারী ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় কি তোমার জানা আছে? মীনা : আপাতদৃষ্টিতে করোনাভাইরাস স্থায়ীভাবে দূর করার কোন চিকিৎসা এখনো আবিস্কৃত হয়নি। তবে কিছু সুরক্ষা নিয়ম মেনে এই রোগের বিস্তার কিছুটা কমানো সম্ভব। রাজু : কি সেই নিয়মগুলো। দয়া করে বলবে কি? মীনা : অবশ্যই। আমাদের সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। অবশ্যই বাইরে বের হলে মাস্ক পড়তে হবে। রাজু : তুমি ঠিক বলেছো। সুরক্ষার জন্য আমাদের এই স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানা উচিত। এর বাইরে কি আর কোন নিয়ম আছে যা আমাদের অনুসরণ করা উচিত? মীনা : হ্যাঁ, আমাদের অবশ্যই আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি যাওয়া উচিত নয়। আমাদের জনবহুল জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে এবং একজনের থেকে আরেকজনের অন্তত ৩ ফুট সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। রাজু : আমি অবশ্যই তোমার দেয়া নির্দেশনাগুলো মেনে চলার চেষ্টা করবো এবং আমার পরিচিত সকলকে এ সম্পর্কে সচেতন করবো। তোমার আত্মীয়র জন্য শুভকামনা। আশা করা তিনি খুব শীঘ্রই সুস্থ্য হয়ে উঠবেন। আজ তাহলে বিদায় নিচ্ছি। মীনা : বিদায়। ভালো থেকো এবং নিজের খেয়াল  " ধুমপানের ক্ষতিকরণ দিক নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা, তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে? মীনা : যথারীতি। তোমার পরীক্ষা কবে শুরু হবে? রাজু : আমাদের পরীক্ষা দরজায় কড়া নাড়ছে (আসন্ন/খুব কাছেই)। কিন্তু পড়াশোনায় মন দিতে পারছি না। যাই হোক, গতকাল পত্রিকায় ধূমপানের বিপদ নিয়ে একটি ফিচার পড়েছিলাম। তুমি কি এটা নিয়ে সচেতন? পড়া মীনা : অবশ্যই, আমিও ধূমপানের বিরুদ্ধে ভাবছি। ধূমপানের ফলে অনেক রোগ হয়। তুমি এটি সম্পর্কে কি মনে কর? রাজু : আমি মনে করি ধূমপান এক ধরনের নেশা। তাছাড়া অন্য সব মারাত্মক আসক্তি শুরু হয় ধূমপানের মাধ্যমে। মীনা : তোমার যুক্তি ঠিক। ধূমপান আমাদের জীবনকে ছোট করে ছাড়া কিছুই দেয় না। ধূমপানে অন্য কোন অপব্যবহার আছে বলে তুমি মনে করেন? রাজু : ধূমপানে অনেক খরচ হয়। এছাড়া ধূমপায়ীর নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তোমার কি তাই মনে হয় না? মীনা : অবশ্যই। যখন কেউ তার সামনে ধূমপান করে তখন এটি অধূমপায়ীদের জন্য খুব বিরক্তিকর। ধূমপানের ধোঁয়া শিশুদের চোখে আঘাত করে। আমি কি ভুল? রাজু : অবশ্যই না। প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে। মীনা : হ্যাঁ, এ ব্যাপারে প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে। রাজু : তোমার মূল্যবান যুক্তির জন্য ধন্যবাদ। মীনা : ধন্যবাদ। " একটি উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা! তুমি কেমন আছো? মীনা : আমি ভালো আছি আর তোমার কি খবর? রাজু : আমিও বেশ ভালো আছি। তুমি কি গতকাল বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ক্রিকেট ম্যাচটি উপভোগ করেছ? মীনা : অবশ্যই! এই প্রথম নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আমি খুব খুশি যে আমি স্টেডিয়ামে ম্যাচ উপভোগ করেছি। রাজু : ম্যাচটি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? মীনা : ওহ, হ্যাঁ! দুই দলের পারফরম্যান্স দেখে আমি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছিলাম, বিশেষ করে বাংলাদেশ দলের। রাজু : হ্যাঁ, এটি একটি দুর্দান্ত বিস্ময় ছিল যে বাংলাদেশ প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন- নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। মীনা : ঠিক! তুমি জান যে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরিচিত দল এবং এটা খুবই মজার যে তারা আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছে। রাজু : হ্যাঁ। তবে এটা সত্যি যে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ফিল্ডিং ছিল চমৎকার। তারা শীর্ষস্থানীয় দলের মতো মাঠে নেমেছিল। মীনা : অবশ্যই! এবং এটি নিউজিল্যান্ড দল উচ্চ স্কোর পেতে ব্যর্থ হযতে আরেকটি কারণ ছিল। রাজু : শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ টার্গেট ছিল। কিন্তু আমাদের দল এতটাই অপ্রত্যাশিত ছিল যে তারা সেটা অর্জন করতে না পারলে তুমি অবাক না হয়ে পারতেন না। মীনা : অবশ্যই। তবে বোলারদের পাশাপাশি আমাদের ব্যাটসম্যানরাও পারফর্ম করেছে। রাজু : ঠিক বলেছ। আমি মনে করি পরের ম্যাচে বাংলাদেশ আরও উজ্জ্বল হবে এবং দেশের জন্য সুনাম ও সুনাম বয়ে আনবে। মীনা : অবশ্যই! আমাদের আশা অযৌক্তিক নয়। রাজু : হ্যাঁ, সত্যিই! তোমাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আমাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে দাও। মীনা : তোমাবে স্বাগতম। বিদায়, আবার দেখা হবে।" এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ।,"সোহেল : কেমন আছ? আরমান : ভালো বন্ধু। তুমি কেমন আছ? সোহেল : ভালো আছি। তবে পরীক্ষা নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। আরমান : তুমি তোমার রসায়ন বিষয়টি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে পারনি? সোহেল : রসায়নে আমি সব পড়ে ফেলেছি। বুঝেও পড়েছি কিন্তু তবুও মনে হচ্ছে সবই ভুলে যাচ্ছি। আরমান : চিন্তা করো না বন্ধু, পরীক্ষার আগে এমনই হয়। আমারও মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি। দেখবে পরীক্ষায় ঠিকই সব লিখতে পারবে। শ্রেণি পরীক্ষার সময়ও এমনই হয়েছিল, না? সোহেল : হ্যা, কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষাটি মনে একটি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তোমার রসায়নে প্রস্তুতি কেমন? আরমান : ভালো। আমি ভয় পাচ্ছি বাংলা প্রথম পত্র নিয়ে। সৃজনশীল বিষয়ে কেমন উদ্দীপক হয়, তাই নিয়ে। সোহেল : উদ্দীপক যেমনই হোক, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল বইয়ের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পড়া। এমন উদ্দীপকই দেবে, যেটা পাঠ্যবইয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অথবা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অথবা পাঠ্যবিষয়ের খÐাংশের চিত্র। এই সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও খÐাংশকে তুমি তখনই যথার্থভাবে চিত্রিত করতে পারবে, যখন তুমি মূল বই ভালোভাবে পড়বে। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু, আর চিন্তা করব না। আমি এভাবেই পড়ব। সোহেল : আমিও রসায়ন নিয়ে আর ভাববাে না। শুধু পড়ব আর লিখব। তাহলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরমান : পড়ার মাঝখানে বিশ্রাম নেবে। এতে পড়াটা ভালোভাবে মনে থাকবে। সোহেল : ধন্যবাদ বন্ধু। আরমান : তোমাকেও ধন্যবাদ। " "নারী স্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ","অঙ্কিতা : মাধ্যমিক পাশ করার পর তুই তো উচ্চমাধ্যমিক পড়বি ? আমার ভাই এই মাধ্যমিকেই পড়াশুনো থমকে যাবে। নন্দিতা : দুঃখ করার কিছু নেই। আমারও তো এখন সেই একই অবস্থা। মা-বাবা এখন থেকেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন। অঙ্কিতা : স্বাধীনতা শব্দের অর্থ শুধুমাত্র আকারেই বেড়েছে। নারীর ক্ষেত্রে তা বেশির ভাগ সময় সে সবের কোনো অর্থই নেই। নন্দিতা : বলতো! এই পড়াশুনা নিয়ে কতটা এগুতে পারি আমরা। অঙ্কিতা : আমাদের বাবা-মাদের বোঝাতেই হবে। আর তাদের মাথা থেকে সরাতে হবে তাড়াতাড়ি মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা। নন্দিতা : মনে নেই আবার, সে সব কথা মনের মধ্যে গেঁথে আছে। সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার হদিস তো ওখানেই পেয়েছিলাম। অঙ্কিতা : আর্থিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী স্বাধীনতার কোনো অর্থই হয় না। অতএব এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, যেমন করেই হোক পড়াশুনোটা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে।" বৃক্ষরোপণ-উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"প্রিয়ম : দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনে এত বড়ো একটা বকুল গাছ কেটে ফেলা হল। শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। সায়ন : আর বলিস না ! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। প্রিয়ম : সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ। সায়ন : কেউ একবার অন্তত এটাও ভেবে দেখবে যে, এতে ক্ষতি আখেরে নিজেদেরই। এই ভয়ানক লোভে তো মানুষের নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জল স্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য- গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও নির্বিরোধে প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সব মিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। প্রিয়ম : শুধু তাই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। বাংলাাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। সায়ন : আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ এই বাক্যটিকে নিছক ¯েøাগান নয়, জীবনযাপনের অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। না ইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।" মাধ্যমিকের পর কী বিষয় নিয়ে পড়বে এ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বিভাস : কী রে পরেশ, এইতো মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলি, বই-খাতা নিয়ে কোথায় চললি? পরেশ : টিউশনে যাচ্ছি। অঙ্কটা পড়তে শুরু করলাম। বিভাস : ও, তার মানে তুই সাইন্স নিয়ে পড়বি ? পরেশ : হ্যাঁ, আমি যেহেতু ডাক্তার হতে চাই তাই সায়েন্স নিয়েই পড়তে হবে। তুই কী নিয়ে পড়তে চাস? বিভাস : আমি আর্টস নিয়ে পড়বো। তুই তো জানিস আমার ইতিহাস পড়তে খুব ভালো লাগে। পরেশ : তাছাড়া তুই তো শিক্ষকতা করতে চাস? স্কুল টিচার না কলেজের অধ্যাপক কী হতে চাস? বিভাস : ইতিহাস অনার্স এবং মাস্টার ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে। তারপর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেব। যেকোনো একটা পেলেই হবে। পরেশ : ঠিক আছে ,এই নিয়ে পরে কথা হবে এখন পড়ে আসি। বিভাস : হ্যাঁ, আয়।পরে কথা হবে। " বইমেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বাপ্পা : কী খবর রাহুল , কেমন আছিস? রাহুল : এই তো ভালো, তোর খবর কী? কাল নাকি বইমেলায় গিয়েছিলি? বাপ্পা : হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমি তো সারা বছরই এই মেলার অপেক্ষায় থাকি। রাহুল : হস্তশিল্প মেলায় যেতে বললাম গেলি না। এখন একা একাই বইমেলায় চলে গেলি। বাপ্পা : তুই তো জানিস, আমি শৈশব থেকেই বইপাগল, বইয়ে ডুব দিয়ে আমি পার করতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রাহুল : বর্তমানে দেশের এরূপ অসহিষ্ণু ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের যৌক্তিকতা কতটুকু? বাপ্পা : আসলে আমাদের এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণে একমাত্র সহায়ক হতে পারে বই। কারণ বই মানুষকে সুপথে চালিত করে, মানুষের চিন্তার প্রসার ঘটায়। রাহুল : বইমেলায় বই বিক্রি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কী? বাপ্পা : মেলায় বই বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, ক্যুইজ,বক্তৃতা, নতুন বই প্রকাশ প্রভৃতি। রাহুল : মেলা থেকে কী কী বই কিনলি? বাপ্পা : জয় গোস্বামী, হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকটি বই কিনেছি। রাহুল : এরপর গেলে আমাকেও নিয়ে যাস। বাপ্পা : নিশ্চয়ই যাবি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে বইমেলায় গেলে অনেক মজা হবে। " শিক্ষাঙ্গনে অসন্তোষ ও অস্থিরতা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এ সম্পর্কে দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো,"সাইদ : পরীক্ষাতো আর বেশিদিন বাকী নেই। প্রস্তুতি কেমন বন্ধু? মোস্তাক : আর বলিস না। প্রস্তুতি নেব কিভাবে। ঠিকমতো ক্লাস হলো না। সিলেবাস শেষ হলো না। এখন কী পরীক্ষা দেবো বুঝতে পারছি না। সাইদ : আমারো একই অবস্থা। এ বছর কলেজে তেমন ক্লাসই হলো না। ক্যাম্পাস খুললেই মারপিট আর দাঙ্গা হাঙ্গামা। এরপর কলেজ বন্ধ। এভাবে কী লেখাপড়া হয়। মোস্তাক : সবচেয়ে দুঃখজনক হলো আমরা শিক্ষাঙ্গনে যে মূল্যবোধ ও আদর্শ শিখতে এসেছি তা থেকে বঞ্চিত হয়েছি। শিক্ষক ও ছাত্রের যে সম্পর্ক থাকার কথা ছিল সেটাও পাইনি। সাইদ : হ্যাঁ, তুমি সত্য কথাই বলেছ। এইতো সেদিন কলেজে এক সিনিয়র ভাই একজন শিক্ষককে ক্ষমতার দাপটে একটি কক্ষে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখেছিল। এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কী হতে পারে। মোস্তাক : কেন তুমি কী ভুলে গেছ সাঈদ, গত বছর দুই দল ছাত্রের মধ্যে তুমুল মারামারি হয়েছিল। শিক্ষকরা মিমাংসা করতে গেলে দুই জন শিক্ষকের মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়। এরপর প্রায় একমাস কলেজ বন্ধ থাকে। সাইদ : এভাবে অস্থিরতা ও অসন্তোষ চলতে থাকলে শিক্ষাঙ্গন থেকে সুনাগরিক বের হওয়ার পরিবর্তে দুর্নীতিপরায়ণ নাগরিক বের হবে। মোস্তাক : আমারো তাই মনে হচ্ছে। এসব বন্ধে সবার আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সাইদ : কিছু অসাধু ব্যক্তি ছাত্রদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। মোস্তাক : শুধু কি তাই? নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে ছাত্ররা খুনোখুনিতে জড়াচ্ছে। সাইদ : আমার মনে হয় পরিবার থেকেই ছাত্রদের মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। মোস্তাক : আমারও তাই ধারণা, পরিবার থেকেই তার সূচনা করতে হবে। " ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের সংলাপ,"ছাত্র : জনসংখ্যা সমস্যা কী স্যার? শিক্ষক : তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা করেছ। জনসংখ্যা বদ্ধির ফলে আমাদের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব প্রতিটি মানুষের উপর পড়ে। ছাত্র : সেটা কীভাবে স্যার? শিক্ষক : এই মনে করো, আমাদের দেশের আয়তন যা আছে তা কিন্তু বাড়ছে না। কিন্তু জনসংখ্যা কিন্তু বেড়েই যাচ্ছে। তাহলে এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন বাসস্থানের বা বাড়ি-ঘরের। আর বাড়িঘর তৈরির ফলে-ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন কমছে। খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ছাত্র : স্যার, সত্যিইতো। এভাবেতো কখনো ভাবিনি। এটা তো বিরাট বড় সমস্যা। শিক্ষক : শুধু এখানেই শেষ নয়। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে বেকারত্ব দেখা দিচ্ছে। নাগরিক জীবনের সুযোগ-সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। ছাত্র : এর কী কোনো সমাধান নেই স্যার? শিক্ষক : হ্যা অবশ্যই আছে, এ জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের দেশের জন্যেই কল্যাণ হতে পারে। ছাত্র : কীভাবে কাজে লাগানো যায় স্যার? শিক্ষক : বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে খুব দ্রæত এ দেশ উন্নত হবে। বিশেষ করে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণ ও জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পারলে প্রচুর বৈদিশিক মুদ্রা আয় সম্ভব। শিল্প কারখানা স্থাপন করে তাতে এই জনবলকে কাজে লাগাতে হবে। " "গ্রাম ও শহর জীবনের সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ। ","মিঠু : শাহিন আচ্ছা শাহিন, তোমার কোথায় থাকতে বেশি ভালো লাগে, গ্রামে নাকি শহরে? শাহিন : শহর আমার বেশি পছন্দ। এখানে সব আছে। মিঠু : আমার কিন্তু গ্রাম বেশ পছন্দ। সেখানে যেসব সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা শহরে নেই। শাহিন : যেমন? মিঠু : গ্রামে আছে সবুজ গাছপালা, পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ আলো বাতাস, টাটকা ফলমূল-শাকসবজি, মাছ মাংস ইত্যাদি। তাছাড়া গ্রামের মানুষগুলো খুবই আন্তরিক ও পারস্পরিক সহযোগী। শাহিন : মিঠু, এটা ঠিক গ্রামে এসব আছে। কিন্তু শহরে যেসব সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় সেটা গ্রামে নেই। এই ধরো লেখাপড়ার কথাই বলি। শহরে উন্নত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ভালো শিক্ষক রয়েছে। প্রচুর রাস্তাঘাট ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবা পেতে সাবইকে শহরে আসতে হয়। তাছাড়া শিল্প-কারখানা, ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য শহর যতটা সুবিধাজনক গ্রাম তেমন নয়। মিঠু : তুমি শুধু সুযোগ সুবিধার কথাই চিন্তা করছ কিন্তু সমস্যার তো শেষ নেই। শাহিন : হ্যাঁ, শহরের যানজট সমস্যা, বায়ু, পানি, শব্দ দূষণ আমাদের স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্থ করছে। মিঠু : শুধু কী তাই, প্রতিদিন বাসা থেকে বের হয়ে ভাবি সুস্থমতো ফিরতে পারব কিনা। চারিদিকে ছিনতাইকারী, পকেটমার, মাস্তানে পূর্ণ। শাহিন : এক্ষেত্রে তোমার সাথে আমি একমত। কিন্তু শহর ছাড়া যে আমাদের উপায় নেই।" খাদ্যে ভেজাল এবং তার বিষক্রিয়া সম্পর্কে দুই বন্ধুর সংলাপ,"উৎপল : কিছু খেলেই মনে হয় বিষ খাচ্ছি। নাজিম : এতো ভয় কেন বন্ধু? উৎপল : ভয় হবে না, সব কিছুতে ভেজাল আর ভেজাল। নাজিম : ও এই কথা। সেটা আর বলে কোনো লাভ নেই। তবে এটুকু বলতে পারি আমরা যা খাচ্ছি তার অধিকাংশই বিষাক্ত উপাদানে মিশ্রিত। উৎপল : বাজারে এতো সুন্দর সুন্দর ফল সাজিয়ে রাখে। কিন্তু যখনি মনে পড়ে এসবে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো হয়েছে তখনই কেনার আগ্রহে ভাটা পড়ে। নাজিম : উৎপল, তুমিতো শুধু ফলের কথা বলেছো। খাদ্যদ্রব্য না হয় বাদই দিলাম, রোগ বালাই থেকে সুরক্ষার জন্য যে ঔষধ সেবন করি সেটা কী নিরাপদ? সেখানেও ভেজাল। এছাড়াও ভোজ্যতেলে ভেজাল মেশানো হয়, যা দিয়ে আমরা প্রতিদিন কত খাবার তৈরি করি। উৎপল : এই ভেজাল খাদ্যের বিষক্রিয়ার ফলেই আমাদের শরীরে দুরারোগ্য বিভিন্ন ব্যাধি ভর করছে। অকালে হারাতে হচ্ছে অনেক জীবন। ভেজাল প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে এখনই সোচ্চার হতে হবে। নইলে এ বিষক্রিয়া সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। নাজিম : উৎপল সরকাকে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। উৎপল : শুধু সরকারের পক্ষে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বন্ধু। যতদিন আমাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ না হবে ততদিন এই সমস্যার সমাধান হবে না। নাজিম : ঠিকই বলেছ বন্ধু আমাদেরই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।" "জনজীবনে বিজ্ঞানের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","পিয়াস : পৃথিবী খুব দ্রæত এগিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীটা যেন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। বুঝলে রবিন? রবিন : বুঝলাম না। কীভাবে সম্ভব? পৃথিবী হাতের মুঠোয় চলে আসা বলতে কী বুঝাতে চাও? পিয়াস : কেন, তুমি কী দেখতে পাচ্ছ না, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে যে উত্তরোত্তর উন্নতি হচ্ছে এবং সহজ হচ্ছে তা কীসের কারণে? রবিন : এটাতো সহজ কথা। বিজ্ঞান এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। পিয়াস : আমি সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। বিজ্ঞান আমাদের চলার পথ সহজ করে দিয়েছে। মুহূর্তেই পৃথিবীর এই প্রান্ত থেকে অন্য আরেক প্রান্তের খবর সরবরাহ করছে, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ফলে জটিল ও কঠিন রোগ নির্ণয় সম্ভব হচ্ছে। রবিন : বিজ্ঞানের উৎকর্ষ গোটা বিশ্বটাকেই পাল্টে দিয়েছে। বিশেষ করে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের আবির্ভাব বিজ্ঞানের উৎকর্ষের ফসল একটি ছোট্ট ডিভাইসের মধ্যে মনে হয় জগৎটাকে আবদ্ধ করে ফেলেছে। পিয়াস : রবিন তুমি সম্ভবত মোবাইল ফোনের প্রতি ইঙ্গিত করছ। রবিন : হ্যা, মোবাইল ফোনের কথাই বলছি। ছোট একটি মোবাইলে কী নেই, সবই আছে। পিয়াসা : এজন্যেই তোমাকে বলেছিলাম পৃথিবীটা হাতের মুঠোয় চলে এসেছে বিজ্ঞানের কল্যাণে। রবিন : দেখবে ভবিষ্যতে এটি আরো উন্নত ও সহজ হবে। পিয়াস : আমারও তাই মনে হয় রবিন। " প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষা বা শিক্ষা সম্পর্কে দুই বান্ধবীর সংলাপ।,"নাদিয়া : তুমি জানো মুনিরা আমরা মাতৃভাষা প্রথম কোথায় শিখেছিলাম? মুনিয়া : কেন, এটাতো সবারই জানা। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাই মাতৃভাষা শিক্ষায় সবচেয়ে কার্যকরী ছিল। নাদিয়া : তুমি ঠিকই ধরেছ। মায়ের কাছে থেকে মুখে মুখে জন্মের প্রথমই আমরা ভাষা শিখেছি। সে শিক্ষাই ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করেছে। মুনিরা : তবে একটা বিষয় স্বীকার করতেই হবে। জীবনের প্রথম যে প্রাথমিক শিক্ষা স্কুলে দেয়া হয় সেটা ভাষা শিক্ষার মূল ভিত্তি। নাদিয়া : হ্যা, ঠিক বলেছ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অ আ ক খ শেখার মধ্য দিয়ে মাতৃভাষা শেখার হাতেড়ি হয়। মুনিরা : শব্দগঠন, বাক্যগঠন, ধ্বনি এ বিষয়গুলে সেখান থেকেই আমাদের শেখা। ভাষার সেই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আজ আমরা নাদিয়া মনের ভাষা সাবলীলভাবে বলতে লিখতে ও প্রকাশ করতে পারি। নাদিয়া : মুনিরা তুমি খুব ভালো একটি স্মৃতি মনে করিয়ে দিলে। সেই ছোট বেলার শিক্ষা পদ্ধতি সত্যিই খুব তাৎপর্যপূর্ণ। মুনিরা : তোমাকে ধন্যবাদ নাদিয়া। " "সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে সংলাপ। ","বিজয় : প্রতিদিন কতজন লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় তুমি জানো মুহিন? মুহিন : আমার মনে হয় এর সঠিক হিসেব নেই, কারণ সব খবর তো পত্রিকা আর টিভিতে আসে না। বিজয় : আমাদেরে দেশের কত মূল্যবান জীবন এভাবে শেষ হয়ে যায়। সতিই ভাবতে অবাক লাগে। এ নিয়ে কারো যেন কোনো মাথা ব্যথা নেই। মুহিন : বিজয়, তুমি ঠিকই বলেছ। এর একটা প্রতিকার হওয়া দরকার। আচ্ছা এসব দুর্ঘটনার পেছনে মূল কারণ কী তুমি বলতে পার? বিজয় : আমার মনে হয়, সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ প্রতিযোগিতার মনোভাব। মুহিন : সেটা কেমন? কিসের প্রতিযোগিতা? বিজয় : গাড়ি চালকরা কার আগে কে যাবে এই প্রতিযোগিতায় বেপরোয়াভাবে দ্রæত গাড়ি চালায়। এছাড়াও অনভিজ্ঞ চালক সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দায়ী। মুহিন : হ্যা, লাইসেন্স নেই এমন অসংখ্য চালক রয়েছে যারা প্রশিক্ষণ না নিয়েই বড় গাড়ির চালক হয়ে যায়। ট্রাফিক পুলিশ এদের ব্যাপারে কঠোর হলে এমনটা হতো না। বিজয় : আইনের প্রয়োগ যেমন এক্ষেত্রে জরুরী তেমনি জনসচেতনতারও প্রয়োজন রয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে গাড়িতে না উঠলেও আমরা পারি। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা সেই কাজটি করি। মুহিন : আমরা একটা কাজ করতে পারি। আমাদের ক্লাসের সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার বিষয়ে একটি স্মারকলিপি তৈরি করে জেলা প্রশাসকের নিকট জমা দিতে পারি। বিজয় : ভালো চিন্তা করেছ। চলো আগে সবার সাথে এ বিষয়ে কথা বলি। " মোবাইল ফোনের অপব্যবহার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ।,"আনোয়ার : মাজিদ, তুমি নাকি মোবাইল কিনেছো? মাজিদ : তোমাকে কে বলেছে? আনোয়ার : ক্লাসের সবাইতো জানে। অথচ তুমি আমাকে বলোনি। মাজিদ : বন্ধু, মন খারাপ করো না। আসলে এ যুগে মোবাইল না হলে চলা যায় না। কতো প্রয়োজন যে এ যন্ত্রটা পূরণ করে। তাই সুযোগ এল ঝটপট কিনে ফেললাম। আনোয়ার : দেখো মাজিদ, মোবাইল নিয়েছ ভালো কথা। কিন্তু মনে রেখো এটা দিয়ে যাতে তোমার এবং অন্যের ক্ষতি না হয়। মাজিদ এটা কি বলছ! মোবাইল দিয়ে আবার ক্ষতি কিভাবে হয়? আনোয়ার : প্রতিটা জিনিসের ভালো এবং খারাপ দুটো দিক আছে। তোমার হাতে একটি ছুরি থাকলে তা দিয়ে আপেল কেটেও খেতে পারো, আবার কাউকে হত্যাও করতে পারো। মোবাইলটাও তেমনি। মাজিদ : হেয়ালি না করে খুলে বলো আনোয়ার। আনোয়ার : এটা ব্যবহার করে তুমি যেমন কম সময়ে তোমার প্রয়োজন পূরণ করতে পারো, আবার অযথা ব্যবহার করে তোমার সময় নষ্ট যেমন হতে পারে, তেমনি অপরকে অযথা ফোন করে বিরক্ত করা, কাউকে হুমকি দেয়া, অশ্লীল ছবি বা ভিডিও করা ইত্যাদির মাধ্যমে অপরের ক্ষতি সাধনও করতে পার। মাজিদ : আমিতো এভাবে কখনো ভাবিনি। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। তুমি আমাকে সচেতন করে দিলে। " "জ্ঞানচর্চায় বিজ্ঞানের ভূমিকা দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","হাদী : দোস্ত, শুনলাম তুই নাকি নেট কানেকশন নিয়েছিস? সাদী : হ্যাঁ, নিলাম তো। হাদী : ভালো হলো, স্যারের অ্যাসাইনমেন্ট করতে সুবিধা হবে। সাদী : হ্যা, স্যার যে কোথা থেকে সব লেটেস্ট বিষয় ধরে নিয়ে আসেন, বই খুঁজে কিছুই পাই না। হাদী : তোর এখন সারা দুনিয়া খোলা। সাদী : মানে কী? হাদী : মানে খুব সোজা। যে বিষয়টি তোর জানা দরকার সে বিষয়টি টাইপ করে তুই গুগলে সার্চ দিবি। তারপর দেখবি তোর সামনে একাধিক অপশন এসে হাজির। তারপর তুই তোর পছন্দমতো সাইটটি ওপেন করে জেনে নে তোর প্রয়োজনীয় তথ্য। সাদী : খুব ভালো তো। দোস্ত, আমি কিন্তু আগে নেট ব্যবহার করি নাই, তুই কিন্তু আমাকে একটু শিখিয়ে দিবি। হাদী : কী যে বলিস না। আমি শিখাব না? তুই হলি আমার জানের দোস্ত। সাদী : আচ্ছা হাদী, নেট কী সারাদিনই সার্চ করা যায়? হাদী : আরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা। সাদী : তাই নাকি? ওদের কোনো অফিস আওয়ার নেই। হাদী : না দোস্ত, তোমার জন্য সারাদিন খোলা। সাদী : যাক, তাহলে ভালোই হলো, ক্লাস শেষে রাতে বাসায় ফিরে অ্যাসাইনমেন্টের কাজ করা যাবে। " সংবাদপত্র পাঠের উপকারিতা সম্পর্কে দুই সহপাঠীর মধ্যে সংলাপ।,"পিনু : সকালে বাসা থেকে বেরোতে দেরি করিস কেন? নীলু : আসলে বন্ধু সকালে একটু পত্রিকাটা না পড়ে বেরোলে কেমন যেন খালি খালি লাগে। পিনু : তুই বুদ্ধিজীবী হবি নাকি? নীলু : এ কথা বলিস কেন? এখন দৈনিক পত্রিকায় এমন কিছু বিষয় থাকে যা আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপকারী। পিনু : পত্রিকায় তো বড়দের দরকারি খবর থাকে। নীলু : না না, তোর ধারণাটা ঠিক নয়। পত্রিকায় এখন ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তকের পড়াশোনার বিষয় এবং প্রশ্নের উত্তরও দেওয়া হয়। পিনু : তাই নাকি? দেখিনি তো। নীলু : তুই কালকেই আমার বাসার আয়। স্কুলে যাওয়ার আগে দেখে যাবি। পড়াশোনা ছাড়াও খেলার খবর, দেশ বিদেশের মজার মজার খবর, বিভিন্ন বড় বড় মানুষের খবর, গল্প ইত্যাদি থাকে। তুই পড়ে খুব আনন্দ পাবি। পিনু : তুই তো ভালো কথা বললি দোস্ত। ঠিক আছে, কাল থেকে আমিও পত্রিকা পড়ব। নীলু : পত্রিকা আসলে আমাদের জ্ঞানকে হালনাগাদ করে দেয়। " বৈশ্বিক উষ্ণতার ভয়াবহতা নিয়ে পরিবেশবিদ ও ছাত্রের মধ্যে সংলাপ,"পরিবেশবিদ : তুমি বৈশ্বিক উষ্ণতা সম্পর্কে কী জানো? ছাত্র : দিনে দিনে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশবিদ : এর কারণ বলতে পারো? ছাত্র : পরিবেশের প্রতি আমাদের অবহেলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা। পরিবেশবিদ : আর এর ফলে আমাদের কী ক্ষতি হচ্ছে? ছাত্র : এটা বলতে পারব না স্যার। পরিবেশবিদ : বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে দিন দিন পৃথিবী আমাদের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এর মধ্যেই অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আর পরিবেশ দিন দিন আমাদের জন্য বৈরী হয়ে আসছে। ছাত্র : তাহলে এ থেকে রক্ষা পাবার উপায় কী স্যার? পরিবেশবিদ : আমাদের পরিবেশের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এমন কিছু করা যাবে না যার ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। ছাত্র বুঝতে পেরেছি স্যার। আমাদের সচেতনতাই পারে এ বিপদ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে। " নারী শিক্ষার গুরুত্ব বিষয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ।,"সীমা : বাবা শুনেছ, মা বলল আমাকে নাকি আর কলেজে যেতে হবে না। বাবা : কেন রে মা? সীমা : প্রথমত, আমাদের অভাবের সংসার। পড়ার খরচ জোগাতে কষ্ট হবে। দ্বিতীয়ত, একটা মেয়ের যতটুকু পড়াশোনা জানা দরকার, আমার নাকি তা হয়ে গেছে। বাবা : তোর মা বললেই তো আর হবে না। অর্থের অভাবে তোর পড়ালেখা আমি বন্ধ করব না। সীমা : কষ্ট হবে না? বাবা : না রে মা, আমার যত কষ্টই হোক, আমি তোকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করব। কোনো জাতিকে শিক্ষিত করে তুলতে হলে, নারীকে আগে শিক্ষিত করা উচিত। সীমা : তোমার সাথে আমি একমত বাবা। প্রত্যেক মানুষই তার জীবনের প্রথম শিক্ষাটা পায় মায়ের কাছ থেকে। বাবা : সে জন্যেইতো বললাম, মা শিক্ষিত হলে জাতিও শিক্ষিত হবে। সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য, এমনকি পৃথিবীর জন্য যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলে নারী শিক্ষা। সীমা : কিন্তু আমাদের দেশের অবস্থা তো বেহাল। স্কুলের গÐি পেরোবার আগেই অনেক মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। পড়ালেখার বদলে ওদের ঘর সংসার করতে হয়। বাবা : আমাদের পিছিয়ে পড়ার মূল কারণগুলোর মধ্যে এটিও একটি। তবে এখন কিন্তু মানুষ সচেতন হচ্ছে। সরকারও নারী শিক্ষার প্রতি জোর দিচ্ছে। সীমা : শুধু সরকার জোর দিলেই তো হবে না বাবা। সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে বাবা-মাকে। বাবা : হ্যা রে মা, এখন বাবা-মায়েরাও সচেতন হচ্ছে। তারাও বুঝতে পারছে, তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শিক্ষিত করে তুলতে হলে নারী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তুই কলেজে যা মা। আমি কাল-পরশুর মধ্যে তোর সমস্ত বেতন পরিশোধ করে দেব। সীমা : ধন্যবাদ বাবা। তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা। " মেট্রোরেল ভ্রমণের আনন্দকে কেন্দ্র করে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর,"সবুজ : কী যে ভালো লাগছে নীল। মেট্রোরেলে চড়ে মুহূর্তেই আগারগাঁও চলে আসতে পারলাম তোমার সাথে দেখা করতে। নীল : ঠিক বলেছ বন্ধু। মেট্রোরেল না থাকলে বাসে করে আসতে তোমার কয়েক ঘণ্টা লেগে যেত। ঢাকাবাসীর জন্য মেট্রোরেল যেন আশীর্বাদ। সবুজ : আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মেট্রোরেল ব্যবহার করে আসছে। আমরাও পিছিয়ে রইলাম না। দ্রুততর যোগাযোগের জন্য এটি আমাদের খুব প্রয়োজন ছিল। নীল : উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হয়েছে এতেই আমরা এর সুফল ভোগ করছি। এটা যখন কমলাপুর পর্যন্ত চালু হবে তখন জ্যামের অভিশাপ থেকে আমরা বহুলাংশে মুক্তি পাব। ভেবেই আনন্দ লাগছে। আহা! সবুজ : পুরো ঢাকার জন্যই সরকার মেট্রোরেল তৈরির পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখন শুধু সেই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের প্রতীক্ষা। নীল : ঠিক বলেছ। আধুনিক বিজ্ঞানের চমকপ্রদ এই আবিষ্কার যেন মানুষের চলার গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘন জনবসতির শহরে মেট্রোরেল স্বস্তির বাতাসের মতোই সুন্দর। " সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আবহমান বাংলাদেশ' বিষয়ে পিতা ও কন্যার সংলাপ রচনা কর।,"বাবা : কোথায় যাচ্ছিলে মা? তানিয়া : চন্দনাদের বাড়িতে বাবা। বাবা : হঠাৎ ওদের বাড়িতে কেন? তানিয়া : না, মানে, ওদের বাড়িতে আজ পূজা তো.., আমাকে দাওয়াত করেছে? বাবা : কী বললি? তুই পূজার দাওয়াতে যাচ্ছিস? মুসলমানের মেয়ে হয়ে হিন্দুদের পূজাতে যাচ্ছিস তুই? তানিয়া : তাতে তো কোনো সমস্যা থাকার কথা নয় বাবা। এক ধর্মের মানুষের সঙ্গে কি অন্য ধর্মের মানুষের বন্ধুত্ব হতে পারে না? বাবা : তা পারে। তানিয়া : তাহলে কি একজন বন্ধু তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অন্য বন্ধুকে নিমন্ত্রণ করতে পারে না? বাবা : পারে। কিন্তু মুসলমান হয়ে হিন্দুদের পূজাতে যাওয়া হারাম। তুই ওখানে যেতে পারবি না। তানিয়া : কেন বাবা? এই দেশে আমরা যারা বাস করছি, তাদের সবাই বাঙালি । একের উৎসব মানে সবার উৎসব। এই উৎসবকে তুমি কেন সম্প্রদায়ের সাথে মিলিয়ে নিচ্ছ? আমাদের ঈদের দিনে কি ওরা আসে না? বাবা : তা আসে। তানিয়া : তাহলে আমি গেলে সমস্যা কোথায়? আমাদের সমস্যাটা এখানেই। আমরা জাতি-ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠতে পারি না। এই সাম্প্রদায়িক গণ্ডি অতিক্রম করতে না পারা পর্যন্ত আমাদের অধঃপতন হতেই থাকবে। আর আমি হিন্দু ধর্ম পালন করার জন্য যাচ্ছি না, ওদের ধর্ম ওরা পালন করবে, আমি যাচ্ছি শুধু সামাজিক দায়িত্ব ও বন্ধুত্বের সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য। বাবা : তুই কি আমাকে জ্ঞান দিচ্ছিস? তানিয়া : না বাবা। তোমাকে জ্ঞান দেয়ার মতো জ্ঞান আমার হয়নি। আমি শুধু বোঝাতে চাচ্ছি, ধর্ম হলো মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের এক গোপন অনুভূতি। কিন্তু সমাজ অন্য জিনিস। সমাজে চলতে গেলে নানা ধর্মের মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকতে হয়। একের উৎসবে অপরকে যেতে হয়। আমি এখন যাই বাবা। তোমার সাথে পরে এসে কথা বলব।" সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"সীমা : জানিস, মা-বাবার সঙ্গে এখন আর টিভি দেখা যায় না। শান্ত : কেন, কী হয়েছে? সীমা : আর বলিস না, যা সব দেখায় টিভিতে একবারে সেন্সর নেই। শান্ত : বুঝেছি, তুই বাইরের চ্যানেলগুলোর কথা বলছিস; তো সেগুলো না দেখলেই তো পারিস। সীমা : ধ্যাত, কী যে বলিস না, কত সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান হয় চ্যানেলগুলোতে। শান্ত : তোর কথা একেবারে ফেলে দেয়া যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের চ্যানেলগুলোতেও কিন্তু অনেক ভালো অনুষ্ঠান হয়। সীমা : দূর, এখানকার আর্টিস্টরা সব সেকেলে পোশাক আর মেকআপে অভিনয় করে। শান্ত : বিষয়টা তা নয়, ওগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ; তাছাড়া সেগুলো দেখতেও বেশ ভালো । সীমা : তা ঠিক, কিন্তু আমাদের বয়সি ছেলেমেয়েরা ওগুলো ফলো করে না। তুই আমি কি করেছি, বল? শান্ত : আমরাও আসলে পারিনি, কিন্তু আমাদের দেশের শিল্প-সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, গান সত্যিই খুব ভালো রে। সীমা : মাও তাই বলে, কিন্তু আমরা চাইলেই কি আমাদের মধ্য থেকে অপসংস্কৃতি দূর করতে পারব বল? শান্ত : হয়তো পুরোটা পারব না, কিন্তু চেষ্টা করতে হবে দেশের সংস্কৃতিকে সব জায়গায় রিপ্রেজেন্ট করতে। সীমা : হ্যা, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সংগঠন এ কাজের চেষ্টা করছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি ভালো কিছু পাওয়া যাবে। শান্ত : এভাবে চেষ্টা করতে করতেই একদিন সফল হবে তারা, হাত বন্ধ করে তো বসে থাকা যাবে না। সীমা : এই রে ক্লাসের সময় হয়ে গেল, চল এখন ক্লাসে যাই। শান্ত : হ্যা, চল।" ইন্টারনেটের সুফল ও কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন রচনা করো,"অয়ন : তোর বাসায় ব্রডব্যান্ডের স্পিড কেমন? অমি : ৫১২এম.বি.পি.এস. রেগুলার; মাঝে মাঝে বাড়ে। আমি খুব একটা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি না। আমার ওয়াইম্যাক্স আছে। অয়ন : তাহলে ভালো স্পিড পাস? অমি : হ্যা দোস্ত; মাঝে মাঝে সারারাতই ফেসবুক ইউটিউব চলতে থাকে। অয়ন : যদিও তোর ব্যক্তিগত ব্যাপার; তারপরও আমার কাছে বিষয়টা ভালো লাগল না। এভাবে ইন্টারনেটের ব্যবহার মোটেও ভালো না। অমি : কেন, এভাবে ব্যবহার করলে সমস্যা কী? অয়ন : সমস্যা আছে। তুই অনেক বেশি সময় ওখানে দিয়ে ফেলছিস। তাছাড়া তুই শিক্ষামূলক তেমন কিছুও করছিস না। অমি : শিক্ষামূলক কাজ পরেও করা যাবে; কিন্তু এখন তো মজা করতে হবে। অয়ন : না রে, ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না হলে সেটা ক্ষতির কারণই হয়। তোর চোখের দিকে তাকিয়ে দেখেছিস? কালো দাগ পড়ে গেছে। অমি : তাহলে কি ব্যবহার বন্ধ করে দেব? অয়ন : তা তো বলিনি; গঠনমূলক কাজে বেশি ব্যবহার করবি। অমি : বুঝিনি; একটু সহজ করে বল। অয়ন : যেমন ধর সমস্ত বিশ্বের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে; তুই এটা নিয়ে পড়তে পারিস। অথবা ভূমিকম্প নিয়ে পড়তে পারিস; যেহেতু আমরা এখন ভূমিকম্পের আতঙ্কের মধ্যে আছি। অমি : এগুলো তো সারাদিনই টিভিতে দেখায়। এগুলো নিয়ে আবার পড়ার কী আছে? অয়ন : আচ্ছা তোর যা জানতে ইচ্ছা করে তাই নিয়েই পড়িস। মোটকথা ভালো কিছু জানার জন্যে, শেখার জন্যে ইন্টারনেট ব্যবহার কর। অমি : আর আনন্দের জন্যে কিছুই করবো না? অয়ন : আনন্দের জন্যেও ব্যবহার করবি; তবে সেটা নিজের ক্ষতি না করে। অমি : গলা তো শুকিয়ে গেল; চল একটু চা খাই। অয়ন : চল, রফিক ভাইয়ের চা-টা ফাটাফাটি। ওখানে গিয়েই খাই। " শব্দ দূষণের কুফল সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"রিপন ও মিশু স্কুল থেকে ফিরে রাস্তায় হাটছে। রিপন: আরে মিশু, আজকাল রাস্তায় এতো শব্দ কেন? মিশু: তুই কি বোকা? এখন তো সবজায়গায়ই গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল। এসবের শব্দে তো কান ঝনঝন করে। রিপন: শুধু গাড়ি-বাসই না, আরও অনেক কিছু। ফ্যাক্টরি, মাইক, স্পিকার, সব মিলিয়ে এক অসহ্য পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। মিশু: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। এই শব্দ দূষণের কারণে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। রিপন: কীভাবে? মিশু: শব্দ দূষণের কারণে আমাদের কানে ব্যথা হতে পারে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, মনোযোগের অভাবও দেখা দিতে পারে। রিপন: তাহলে আমাদের কী করতে হবে? মিশু: আমাদের সকলেরই সচেতন হতে হবে। যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো, উচ্চ শব্দে গান শোনা, এবং মাইকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। রিপন: সরকারেরও উচিত কঠোর আইন প্রণয়ন করা এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া। মিশু: হ্যাঁ, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে। রিপন: ঠিক বলেছিস। আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে শব্দ দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। মিশু: আশা করি আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে একটি সুন্দর ও শব্দমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবো। " "শান্তিনিকেতনে বেড়াতে যাওয়া নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ ","পল্টু: কীরে এবার তোদের স্কুলে থেকে কোথায় বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছে? রাজু: শান্তিনিকেতন। জানো মনে মনে ভাবলে এত আনন্দ হচ্ছে যে তোমাকে আর কী বলব। কত দিনের ইচ্ছা শান্তিনিকেতন দেখার। পল্টু: বুঝতে পারছি সব বুঝতে পারছি, আমিও সেবার প্রথম শান্তিনিকেতন যাই আমারও তোর মতোই আনন্দ হয়েছিল। রাজু: এখন হয় না। পল্টু: হয়তো, কিন্তু প্রথম শান্তিনিকেতন দেখার আনন্দটাই আলাদা, দুচোখ ভরে শুধু দেখে যাবি। চারিদিকে কেবলই সবুজের খেলা। রাজু: তাই, তুমি কোথায় উঠেছিলে? পল্টু: শান্তিনিকেতনের অতিথি শালায়। রাজু: এতদিন শান্তিনিকেতন সম্পর্কে কাগজে পড়েছি, টিভিতে দেখেছি, বই-এ পড়েছি, এবার চাক্ষুষ দেখব। ভাবলেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাচ্ছি। পল্টু: উপাসনা গৃহ, ছাতিম তলা, আম্রকুঞ্জ, উত্তরায়ণ দেখলে মণ ভরে যায়। আয় দোলের সময় শান্তিনিকেতন দেখার যে সুখ তার আর অন্য কোথাও গেলে মেলা ভার। অন্যরূপে সেদিন শান্তিনিকেতন সেজে ওঠে। রাজু: আচ্ছা ছাতিমতলাতেই লেখা আছে না, তিনি আমার প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ, আত্মার শান্তি? পল্টু: হ্যাঁ রে শান্তিনিকেতন ঘুরে বেড়ালেই সেই শান্তির খোঁজ তুই পেয়ে যাবি। রাজু: আচ্ছা আমাদের স্কুল থেকে মাত্র দু-রাত থাকবে, তাতে সব ঘোরা হবে? তোমার কাছে শুনে তো মনে হচ্ছে হবে না তাহলে? পল্টু : শান্তিনিকেতন একবার যাবার নয়, বারবার যাবার জায়গা। যেদিক দিয়েই হাঁটবি না কেন তোর মনে হবে হয়তো এদিক দিয়েই রবীন্দ্রনাথ হেঁটে গিয়েছিলেন। আবার যখন তুই উত্তরায়ণ যাবি তখন তোর মনে হবে, এই তো বইতে যে পড়েছি এখানে বসেই তো রবীন্দ্রনাথ কত গান, কত কবিতা লিখেছেন, সবথেকে বড়ো কথা কী জানিস ছাতিমতলায় দাড়িয়ে যখন আম্রকুঞ্জের দিকে তাকিয়ে থাকি তখন রবীন্দ্রনাথের সেই পিছনে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ছবিটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে।" "স্কুলস্তরে পাশ-ফেল প্রথা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সৈকত: আচ্ছা, সবাই একসঙ্গে একটি নতুন ক্লাসে উঠে যাওয়ার মজাটাই বেশ তাই না? অসীম : ঠিক বলেছিস। কিন্তু যারা সারাবছর লেখাপড়া না-করে এই ব্যবস্থার সুবিধা নিচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎটা ভাবো একবার। সৈকত : সত্যি, অদ্ভুত একটা নিয়ম। শুধুমাত্র পড়াশোনার ভয় থেকে ছাত্রছাত্রীদের দূরে রাখার জন্য এবং স্কুলছুটের সংখ্যা কমানোর জন্য এই ব্যবস্থা। অসীম : কিন্তু যে ছেলে-মেয়ের বাবা-মা লেখাপড়াই জানে না সে অকৃতকার্য হলেই তাকে টি.সি দেওয়া হবে এটাও তো কাম্য নয়। সৈকত : কিন্তু কিছুই না শিখে একজন পরপর ক্লাসে উঠে যাবে, প্রায় জোর করে শিক্ষার মূলস্রোতে আটকে রাখা হবে এ কেমন নিয়ম। অসীম : আসলে এ সমস্যার বীজ লুকিয়ে অনেক গভীরে। পরিকাঠামো উন্নয়ন করে, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতার মাধ্যমে এবং আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমেই জাগরণ ঘটবে সবার। সৈকত : কিন্তু ফেলের জুজুটাকে সরিয়ে, ভয় না দেখিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ঘটানোই সারা বিশ্বে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতি। অসীম : ঠিকই, কিন্তু পরিসংখ্যান তো উল্টো কথাই বলছে। পাশ-ফেল না থাকায় বেশ কয়েক বছরে স্কুলছুটের সংখ্যা কমে তো নি বরং মান একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সৈকত : তাই তো সরকার পাস-ফেল ফিরিয়ে আনতে চলেছে। তবে এর সঙ্গে লক্ষ রাখতে হবে যাতে ফেল করা শিশুরা একেবারে স্কুলছুট না হয়ে যায়।  অসীম : ঠিকই। তাদের অন্তত একটি সুযোগ দিয়ে কিছুটা তৈরি হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। সৈকত : সবদিক খতিয়ে দেখেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে তবেই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সঠিক পথে এগোবে। " "মোবাইল ফোনের অত্যধিক ব্যবহার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সাবির: গতকাল কি হয়েছে শুনেছিস? ফারহান : না। কি হয়েছে বলতো? সাবির: আরে, আমাদের স্কুলের ইলেভেনের জুনেইদ কাল মোবাইল কানে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিল। এমন সময় একটি অটো তাকে ধাক্কা মারে। বেঁচে গেছে কোনোক্রমে। তবে পায়ে গুরুতর চোট লেগেছে। বোধ হয় অপারেশন করতে হবে। ফারহান: সে কি রে! সব জেনে শুনে আমরাই যদি এমন অসতর্কের মতো কাজ করি তাহলে তো বিপদ হবেই। সাবির: সত্যি স্মার্টফোন আসায় যে-কোনো বয়সের মানুষই ফোনে যেন প্রচণ্ড আসক্ত হয়ে পড়েছে। লাগামছাড়া ব্যবহার হচ্ছে। ফারহান : প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র একটা নেশার বস্তুতে যেন পরিণত হয়েছে এটি। সাবির : অথচ শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ বা কথার মধ্যেই যদি এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে এটিই হতে পারত খুব উপকারী বন্ধু। ফারহান : ঠিকই। কিন্তু মানুষের বিশ্রাম, একাগ্রতা, নিষ্ঠা সবই কমছে। উল্টে বাড়ছে অস্থিরতা। সাবির : অনেক শিক্ষামূলক, গঠনমূলক ও প্রয়োজনীয় কাজে এর ব্যবহার হলেও অনেকক্ষেত্রেই এর কুপ্রভাব সমাজের অল্পবয়সিদের ক্ষতি করছে। ফারহান : ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনারও যথেষ্ট ক্ষতি করছে। সাবির : অপ্রয়োজনে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, গেম ইত্যাদিতে সময় নষ্ট করে কাজের সময় কমে যাচ্ছে। ফারহান : সত্যি, এখন মনে হচ্ছে এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে না আসলে ভবিষ্যতে আমাদের যুবসমাজের মধ্যে খুব খারাপ প্রভাব পড়তে চলেছে। সাবির : এ ব্যাপারে নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে এবং বন্ধুদেরও সতর্ক করতে হবে।" "বিশেষ প্রয়োজনে ছুটি ও কর্মস্থলে ত্যাগের আবেদন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি পত্র লিখ ৷ অথবা, পরিবারের কেউ অসুস্থ হওয়ার জন্য বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজনে কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি চেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বরাবরে একটি আবেদনপত্র লিখ  ","০৬ জুলাই, ২০২৪ বরাবর সহপরিচালক (প্রশাসন) পরমাণু শক্তি কমিশন, গণকবাড়ী, সাভার, ঢাকা । বিষয় : কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি প্রসঙ্গে। মহাত্মন, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষকারী পরামাণু শক্তি কমিশন, গণকবাড়ী শাখার প্রকৌশল দপ্তরের একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। কিছুক্ষণ পূর্বে মোবাইল মারফত জানতে পারলাম যে, আমার মায়ের শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ হবার দরুন শের- ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং ছোট ছেলে হিসেবে আমাকে তিনি দেখতে চেয়েছেন। তাই অসুস্থ মায়ের শয্যাপাশে অবস্থান করা আমার একান্ত প্রয়োজন । অতএব, জনাব সমীপে সবিনয় আরজ, আমার বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় আজ ০৮.০৬.২৪ থেকে ১০.০৬.২৪ তারিখ পর্যন্ত মোট তিন দিনের ছুটি মঞ্জুরসহ কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি দানে জনাবের একান্ত মর্জি কামনা করছি । নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম ছুটিকালীন অবস্থানের ঠিকানা মোঃ আমিনুল ইসলাম C/o ডা. মোঃ সিরাজুম মুনির ১৩নং সদর রোড, নিউমার্কেটের ২য় তলা, বরিশাল " "যৌতুক প্রথা নিয়ে দুই বান্ধবীর মধ্যে একটি সংলাপ তৈরি কর ","পারুল : শুনেছ সুলতানা, নাসিমাকে নাকি স্বামীর বাড়িতে নিচ্ছে না। সুলতানা : নিচ্ছে না মানে কী?   পারুল : মনে হলাে শ্বশুরবাড়িতে নাসিমার প্রবেশের অধিকার নেই। সে বাবার বাড়িতেই থাকবে।   সুলতানা : কেন?   পারুল : বিয়ের সময় নাসিমার শ্বশুরবাড়ির লােকজন বরের জন্য একটি মােটরসাইকেল দাবি করেছিল। নাসিমার পরিবার রাজি হয়েছিল এবং পরে দেবে বলে কথা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর দিতে পারেনি।   সুলতানা : নাসিমার এ অবস্থার জন্য ওর বাবাই দায়ী। ছেলে সরকারি চাকরি করে বলে ওর বাবা তাড়াহুড়া করে কিছু না ভেবেই মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিলেন। এখন দেখ কী বিড়ম্বনা!   পারুল : হ্যাঁ, চাচা নাসিমার পড়াটাও বন্ধ করে দিলেন ।  সুলতানা : অভিভাবকরা মেয়ের বিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চান। পারুল : নিশ্চিন্ত তাে হতে পারলেন না। বরং দুশ্চিন্তার বােঝা আরও বাড়ালেন। সুলতানা : আমার মনে হয় কী জান ? মেয়েরা যদি তাদের মেধা ও যােগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারে, তারা যদি আত্মশক্তিতে। বলীয়ান হয়, তবে কেউ মেয়েদের অবজ্ঞা করার সুযােগ পাবে না। বিয়েতে বরপক্ষের যৌতুক দাবি করা মানুষ। হিসেবে মেয়েদের ছােটো করারই নামান্তর।  পারুল : আমিও তাই মনে করি। এজন্য মেয়েদের পরিবারকেই প্রথমে সচেতন হতে হবে। তারা তাদের ছেলে সন্তানের লেখাপড়া ও চাকরির ব্যাপারে যতটা সজাগ, মেয়ের ব্যাপারেও অনুরূপ সজাগ থাকতে হবে। সুলতানা : আর ছেলেদের পরিবারকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে আমরা ছেলের বিয়েতে যৌতক নেব না।  পারুল : সামাজিক সচেতনতা তৈরি হলে এবং আইনের কঠোর বাস্তবায়ন থাকলে এ ভয়াবহ ব্যাধি নির্মল হবে।" "মাদকাসক্তির কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","রফিক: বন্ধু কেমন আছ তুমি ? মামুন: ভালো, তুমি নিশ্চয়ই ভালো আছ। একটি দুঃখজনক সংবাদ আছে। দীর্ঘদিন ধরে তৌফিক কলেজে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল। আজই শুনলাম ওর বাবার কাছ থেকে— সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিল। সে এখন মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছে। রফিক: বলো কী! মামুন: বখাটে বন্ধুদের খপ্পরে পড়েছিল। রফিক: ও এখন কেমন আছে ? মামুন: জানো তো, মরণ-নেশা মাদকাসক্তি—মৃত্যুই যার পরিণতি। রফিক: তৌফিক বাঁচবে তো? মামুন:  প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়েছে বলে হয়তো কিছুটা রেহাই পাবে। তবে ভোগান্তি কম হবে না। মৃত্যু পর্যন্তও নিয়ে যেতে পারে। রফিক:  আমি জানি, আমাকে তুমি সংবাদটি কেন দিতে এসেছ। আমি এক-দুবার একটু নেশা করেছি ঠিকই কিন্তু এখন ওসব বাদ দিয়েছি। মামুন: আসলে তা নয় বন্ধু, তোমাকে আমি খুবই ভালোবাসি। তোমাকে সচেতন হওয়ার জন্যেই সংবাদটা দেওয়া ৷ রফিক: ঠিক আছে, তুমি বলো। মামুন: রফিক তুমি আমার কাছে লুকাবে না। মাদকের মতো একটা নিষ্প্রাণ তুচ্ছ বস্তু শুধু খেয়ালের ভুলে একটা সজীব প্রাণবন্ত অসীম সম্ভাবনাময় জীবনকে নিষ্প্রাণ করে দিতে পারে না, এই সুন্দর পৃথিবী থেকে বিদায় দিতে পারে না। রফিক: আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে বলে নানা টানাপোড়েনে অনেক সময় দুঃখ-কষ্টে মাথা ঠিক থাকে না।  মামুন: জীবনে দুঃখ আছে, গ্লানি আছে, পরাজয় আছে, ব্যর্থতা আছে, কিন্তু সেটাই শেষ কথা নয়। জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার মাঝেই জীবনের সার্থকতা নিহিত। জীবনকে যতভাবে সুখী, সমৃদ্ধ ও পরিপূর্ণ করে তোলা যায় সে চেষ্টাই আজ পৃথিবীর মানুষের লক্ষ্য। জীবনকে ঋদ্ধ ও পরিপূর্ণ কর। রফিক: আজই তোমার কাছে প্রতিজ্ঞা করলাম। কোনো মাদকদ্রব্যই আমি আর ছুঁয়েও দেখব না। মামুন: ধন্যবাদ বন্ধু। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি বন্ধু। তুমি ছাড়া আমার আর কোনো সুহৃদ বন্ধু নেই। আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। রফিক: বন্ধু তোমাকে কথা দিলাম। আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমাদের এই বন্ধন আরো দৃঢ় হবে। " "গ্রীষ্মের ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","সুজন : আমাদের আকাঙ্ক্ষিত গ্রীষ্মের ছুটি অবশেষে পাওয়া গেল । ছুটিতে কোথায় বেড়াতে যাবে ঠিক করেছ?  সুমন : আমি কক্সবাজারে যাব ঠিক করেছি । তুমি কোথায় যাবে? সুজন : আমি আমার গ্রামের বাড়ি যাব ঠিক করেছি । বাবা-মাও যাবেন । সুমন : গ্রামের বাড়ি! গ্রামে তো এ সময় অনেক গরম থাকবে । তাই না? সুজন : অনেক গরম তা ঠিক । তবে এটিতো বাংলার প্রকৃতির রূপ । এটাকে আমি পছন্দ করি । প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে ছেলে-বুড়ো যখন বাড়ির পশ্চিম পাশে বাঁশের মাচায় বসে থাকে এবং খোলা মাঠের হাওয়া শরীরে লাগে তখন শরীর ও মন প্রশান্তিতে ভরে যায় । সকালে-বিকালে নদীর পারে ঘুরতে গেলে নদীর ঠান্ডা বাতাস শরীর জুড়িয়ে দেয় । নদীর দুপাড়ের মনোরম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায় । সুমন : আমি কখনো গ্রামে যাইনি । অবসরে শুধু দেশের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে যাই । সুজন : বন্ধু, আমার দেশের প্রতিটি গ্রামই দর্শনীয় ও উপভোগ্য । গ্রীষ্মের দুপুরে নিস্তব্ধ পুকুর পাড়ে বসে থাকার যে কী মজা! গাছ থেকে পাকা আম পেরে খাওয়া, কাঁচা আমের ভর্তা খাওয়া, পাকা জাম ঝেঁকে খাওয়া, আনারস, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে মেখে খাওয়ার যে কী মজা! সুমন : তোমার কথা শুনে কিন্তু আমার লোভ হচ্ছে । সুজন : লোভ দেখানোর জন্যই তো বলছি । চলো না বন্ধু এক সাথে গ্রামের বাড়ি যাই । সুমন : মা রাজি হবেন কি না জানি না! সুজন : খালাম্মাকে রাজি করানোর দায়িত্ব আমার । চলো তার কাছে যাই ।  সুমন : চলো যাই । " "বহিরাগত (প্রাইভেট) পরীক্ষার্থী হিসেবে ডিগ্রি (পাস কোর্স) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রার্থনা করে একখানা দরখাস্ত লেখ । ","০১ এপ্রিল, ২০২৪ বরাবর অধ্যক্ষ, শহীদ বুলবুল সরকারি কলেজ, পাবনা । বিষয় : প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে ডিগ্রি (পাস কোর্সে) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে । জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২৬/০৩/২৪ তারিখে 'দৈনিক ইত্তেফাক' পত্রিকায় প্রকাশিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত এক বিজ্ঞপ্তি মারফরত জানতে পারলাম যে, ২০২৪ সালে ডিগ্রি পাস কোর্সের বহিরাগত আগ্রহী পরীক্ষার্থীদের সরকার অনুমোদিত যে-কোন ডিগ্রি অফিসে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ফরমপূরণ করতে বলা হয়েছে। আমি উক্ত বিজ্ঞপ্তির আলোকে আপনার কলেজের মাধ্যমে ডিগ্রি পাস কোর্সের বহিরাগত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক। অতএব, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমিত দানে জনাবের একান্ত সদয় সৃষ্টি কামনা করছি। " "গ্যাসের প্রিপেইড মিটার স্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি লিখুন ","তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ বরাবর প্রকল্প পরিচালক প্রিপেইড গ্যাস মিটার স্থাপন প্রকল্প তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিঃ তিতাস গ্যাস ভবন (১২তম তলা) ১০৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা-১২১৫ বিষয় : গ্যাসের প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জন্য আবেদন । জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিঃ-এর একজন পোস্টপেইড গ্রাহক। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি প্রাথমিক জ্বালানি। চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি সরবরাহের পাশাপাশি সরকার জ্বালানির সাশ্রয়, দক্ষ, নিরাপদ ও টেকসই ব্যবহার এবং এর গ্রাহকবান্ধব আধুনিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বরোপ করছে। এ লক্ষ্যে বহুমুখী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গ্যাসের সিস্টেম লস হ্রাসকরণ, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি সর্বোপরি গ্যাস সাশ্রয়ের পাশাপাশি গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের মনোভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশব্যপী আবাসিক প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে। প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হলে গ্যাসের অপচয় রোধে গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গ্যাস সাশ্রয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া প্রিপেইড মিটার ব্যাপকভিত্তিতে চালু হলে সিস্টেমে গ্যাসের সঠিক হিসাব রাখা এবং গ্রাহক পর্যায়ে প্রকৃত ব্যবহার অনুযায়ী বিল আদায় করা সম্ভব। বর্তমানে আমার এলাকা রাজধানীর কল্যাণপুরে প্রতি দুই চুলা ব্যবহারের জন্য ৯৭৫ টাকা প্রতি মাসে বিল পেমেন্ট করতে হয়। অথচ আশেপাশে যারা প্রিপেইড গ্রাহক তাদের এই টাকায় প্রায় তিন মাস চলে যায় । তাই যত দ্রুত সম্ভব আমার পোস্টপেইড মিটারের পরিবর্তে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জোর দাবি জানাচ্ছি ।  অতএব, জনাবের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপর্যুক্ত বিষয়ের ওপর বিবেচনা করে একজন নিয়মিত ও দীর্ঘদিনের গ্রাহক হিসেবে আমার বাসায় প্রিপেইড মিটার স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদন মোঃ মোক্তার হোসেন ২১, ছায়ানীড়, রোড নং- ৩ কল্যাণপুর, ঢাকা । ১. পাসপোর্ট সাইজের ২ (দুই) কপি সত্যায়িত ছবি  ২. জমির মালিকানার দালিলিক প্রমাণ ৩. প্রস্তাবিত অভ্যন্তরীণ পাইপলাইনের ৪(চার) কপি নকশা ৪. বর্তমান গ্যাস সংযোগের বিপরীতে বিল পরিশোধের প্রত্যয়ন পত্ৰ  ৫. রুট ম্যাপ । " "সাম্প্রতিক বন্যায় আপনার এলাকার গ্যাস লাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি লিখুন  ","২২.১২.২০২৪ ব্যবস্থাপনা পরিচালক জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লি. গ্যাস ভবন, মেন্দিবাগ, সিলেট-৩১০০ বিষয় : গ্যাস লাইন মেরামতের জন্য আবেদন । জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজার ইউনিয়নের পূর্ব রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা। এটি একটি জনবহুল ও বৃহৎ এলাকা। এখানে প্রায় আট হাজার লোকের বসবাস । শহরের পাশে হওয়ায় এ এলাকায় বিভিন্ন শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেছে। তাই সবকিছু মিলিয়ে এ এলাকায় গ্যাসের চাহিদা অনেক । কিন্তু সম্প্রতি আকস্মিক বন্যায় এলাকার রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয় । বন্যার পানিতে রাস্তাঘাট ডুবে থাকায় অনেক জায়গায় গ্যাস লাইনের ক্ষতি হয়েছে। আবার কোনো কোনো স্থানে গ্যাস লাইন লিকেজেরও খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এ গ্যাস লাইন থেকে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে । এ আশঙ্কার মধ্যেই এলাকার লোকজন গ্যাস লাইন ব্যবহার করছে । অতএব, আপনার নিকট আকুল আবেদন এই যে, অনতিবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস লাইনটি মেরামত করে নিরাপদ গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থা করে এলাকার জনগণের উৎকণ্ঠা লাঘবে বাধিত করবেন। নিবেদক পূর্ব রাজাপুর এলাকাবাসীর পক্ষে আকরাম আহমেদ টুকেরবাজার, সিলেট।" "তোমার এলাকায় পাবলিক লাইব্রেরি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবরে একটি স্মারকলিপি রচনা কর ","বরাবর সচিব মহোদয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার  ঢাকা, বাংলাদেশ। বিষয় : পাবলিক লাইব্রেরী স্থাপনের জন্য স্মারকলিপি । মহোদয়, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা ঢাকা জেলার নব্য নগরায়ন-সমৃদ্ধ শিল্পাঞ্চল তথা ঢাকার প্রবেশদ্বার সাভার উপজেলার সর্বস্তরের জনতা। আমরা এক মহোত্তম আবেদন নিয়ে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, চাকরিজীবী, সাংবাদিক, এলাকার জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ একত্রিত হয়েছি। আমাদের মুক্তভাবে জ্ঞানচর্চার জন্য একটি গণগ্রন্থাগার বা পাবলিক লাইব্রেরী প্রয়োজন । একথা আপনাদের অবিদিত নয় যে, সাভার একটি সমৃদ্ধ উন্নয়নশীল এলাকা। এখানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, অন্তত ১৩টি কলেজ, প্রায় ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৬টি কিন্ডারগার্টেন, ৮টি মাদ্রাসাসহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিস তথা বি.পি.এ.টি.সি, পরমাণু শক্তি কমিশন, বিকেএসপি. যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বি.এল. আর.আই, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা, রেডিও সম্প্রচার কেন্দ্র, ব্যাংক টাউন ও কলোনী, সি.আর.পি, বেসরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ও শিল্প এবং বাণিজ্য কেন্দ্র রয়েছে। আপনি অবশ্যই জানেন, সাভার একটি আবাসিক সমৃদ্ধ এরিয়া। ঢাকা শহরের অনেক চাকরিজীবী সাভার থেকেই অফিসে যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এত বিশাল জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকায় মুক্তভাবে জ্ঞানচর্চার সুযোগ সংবলিত একটি গণগ্রন্থাগার নেই । স্বশিক্ষার কোন আয়োজন নেই। একটি সমৃদ্ধ পাঠাগারের অভাবে শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দ্রুতগতিতে অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ভিসিআর, ভিসিপি, সিনেমা, বাজে আড্ডা, তাস, জুয়া প্রভৃতি অনৈতিক খেলায় তারা মত্ত হচ্ছে। যার দরুন এলাকায় ইতোমধ্যেই এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বখাটে ছাত্রদের উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, অনৈতিক কর্মকাণ্ড। অন্যান্য পেশায় ভিন্নধারার মানুষেরা অযথা ঘুরে-ফিরে অলস সময় কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে তাদের দ্বারা উন্নয়নধর্মী কোন কর্মতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা । আশা করছি গণমানুষের হৃদয়বৃত্তির মানসিক ক্ষুধা মেটাতে একটি সৃজনশীল ও গঠনমূলক এলাকা গড়তে যুব শক্তিকে নৈতিক চরিত্রে উজ্জীবিত করতে, আশু একটি গণগ্রন্থাগার স্থাপনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। আপনার উদ্যোগে সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে, দূর হবে যুগের আঁধার । আপনার কর্মমুখর দিনগুলো হোক কল্যাণময়, সত্যনিষ্ঠ। সুদীর্ঘ জীবনে আপনি সুস্থ থাকুন পরম করুণাময়ের দরবারে এ মিনতি জানাই । বিনীত                           সাভার উপজেলায় সর্বস্তরের জনগণ । তারিখ : ২৫/০৫/২৫" হারানো মালের ক্ষতিপূরণ দাবি করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট একটি পত্র লেখ। ,"২২ জুলাই ২০২৩ বরাবর স্টেশন ম্যানেজার বাংলাদেশ রেলওয়ে পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম । বিষয় : হারানো মালের ক্ষতিপূরণের আবেদন । জনাব সবিনয় নিবেদন এই যে, গত ১৮ জুলাই ২০১৭, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী বাংলাদেশ রেলওয়ের ‘মহানগর এক্সপ্রেস'-এর একজন যাত্রী হিসাবে আমি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করি । আমার টিকিট নং বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢ–২১২ (শোভন শ্রেণি) । আমি আমার একটি বড়ো চামড়ার ব্যাগ লাগেজ হিসাবে বুকিং দিয়েছি, যার নং বি.আর. ৩১০১ । চট্টগ্রাম পৌঁছার পর কর্তৃপক্ষ আমার ব্যাগটি দিতে পারেনি । উক্ত ব্যাগে আমার প্রয়োজনীয় জিনিস ও কাগজপত্র ছিল । লাগেজ হারানোর দায়ভার আইনত রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে । কাগজপত্রের ক্ষতি অপূরণীয় হলেও অন্যান্য জিনিসের মূল্য আনুমানিক ১০ হাজার টাকা । আমি উক্ত হারানো মালের ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। অতএব জনাব, উপরিউক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি ।  নিবেদক আপনার বিশ্বস্ত ইমদাদুল হক রনি ২/১-ক, রিয়াজুদ্দিন বাজার নিউমার্কেট, চট্টগ্রাম।" "কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী পদে চাকরির জন্য একটি দরখাস্ত লেখ ","২ মার্চ ২০২২  বরাবর  ব্যবস্থাপক  পুথিনিলয় ৩৮/২-ক, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।  বিষয় : অফিস সহকারী পদের জন্য আবেদন।  জনাব, যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২৮.০২.২০২২ তারিখে 'দৈনিক ইত্তেফাক'- এ বিজ্ঞপ্তির সুবাদে অবগত হয়েছি যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে কয়েকজন অফিস সহকারী নিয়ােগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার যােগ্যতা ও অভিজ্ঞতা আপনার সুবিবেচনার জন্য নিচে উপস্থাপন করছি一  ব্যক্তিগত তথ্য নাম                              : মাে. আব্দুস সালাম।  পিতার নাম                  : মাে. সুলাইমান।  মাতার নাম                  : রেবেকা আক্তার।  জন্ম তারিখ                  : ২২.০২.১৯৯১।  জাতীয়তা                     : বাংলাদেশি। ধর্ম                               : ইসলাম।  বৈবাহিক অবস্থা          : অবিবাহিত।  বর্তমান ঠিকানা           : ৩৮/১, চ, বংশাল, ঢাকা-১১০০।  স্থায়ী ঠিকানা                : গ্রাম : নিজমেহের, পাে : কালিবাড়ি, উপজেলা : শাহরাস্তি, জেলা : চাঁদপুর।  যােগাযােগ  মােবাইল/ফোন নম্বর : +৮৮০১......  ই-মেইল : .................@.......com  শিক্ষাগত যােগ্যতা   অভিজ্ঞতা ১. একটি সুপার শপে হিসাব সহকারী হিসেবে ৩ বছর দায়িত্ব পালন।  ২. একটি বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে হিসাব সহকারী হিসেবে ২ বছর যাবৎ কর্মরত। অতএব মহােদয়ের সমীপে নিবেদন এই যে, উপরিউক্ত যােগ্যতার বিবেচনায় আমাকে উক্ত পদে নিয়ােগ দেওয়ার জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি ।  নিবেদক  মাে. আব্দুস সালাম।  শাহরাস্তি, চাঁদপুর। সংযুক্তি  ১. সকল পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।  ২. প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।  ৩. অভিজ্ঞতার সনদের ফটোকপি।  ৪. প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা প্রদত্ত চারিত্রিক সনদ।  " "তোমার কলেজের ভেতরে ক্যানটিন স্থাপনের ব্যবস্থা করার জন্য অধ্যক্ষের নিকট একটি আবেদনপত্র লেখ। ","১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ মাননীয় অধ্যক্ষ আইডিয়াল কলেজ,  ধানমন্ডি, ঢাকা।   বিষয় : কলেজের ভেতরে ক্যানটিন স্থাপনের আবেদন।  মহাত্মন  সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার কলেজের অনাবাসিক ছাত্রছাত্রী। প্রতিদিন আমরা অনেক দূরদূরান্ত থেকে কলেজে আসি। নানা কারণে অনেকের পক্ষে প্রতিদিন টিফিন আনা সম্ভব হয় না। কলেজের টিফিন পিরিয়ডের স্বল্পতম সময়ে ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে টিফিন কিনে আনা বা টিফিন করে আসা ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে একটা ক্যান্টিন স্থাপন করা হলে ছাত্রছাত্রীদের এ সমস্যা নিরসন হতে পারে।  অতএব মহােদয় সমীপে বিনীত প্রার্থনা, শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর প্রয়ােজনের কথা বিবেচনা করে, কলেজ ক্যাম্পাসে একটি ক্যান্টিন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমরা কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ হব।  বিনীত  অনাবাসিক শিক্ষার্থীবৃন্দ  আইডিয়াল কলেজ  ধানমন্ডি, ঢাকা। " "তােমাদের ক্লাবের সমাজ উন্নয়নমূলক কাজের জন্য অর্থ সাহায্য চেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে একটি আবেদন লেখ। ","১০ আগস্ট ২০২১ মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য  গােপালগঞ্জ-৩  কোটালীপাড়া, গােপালগঞ্জ ।  বিষয় : সমাজ উন্নয়নমূলক কাজের নিমিত্তে ক্লাবের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন। মহাত্মন আমরা গােপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার অধীন রামশীল ইউনিয়নের অন্তর্গত রাজাপুর গ্রামের অধিবাসী জাভ গ্রামকে নির্জন পল্লি বললেও চলে। অথচ স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের গ্রামে ‘সােনার বাংলা যুব সংঘ’ নামক একটি কাজ আমরা পরিচালনা করে আসছি। প্রথম দিকে আমাদের গ্রামের শিক্ষিত যুবক ছেলেরা ক্লাবটি বেশ জাকজমক করে - তুলেছিলেন। কিন্তু তারা লেখাপড়া শিখে চাকরির তাগিদে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার ফলে ক্লাবটির অবস্থা শােচনীয়ত পড়ে। পরে বহু চেষ্টা করে আমরা ধীরে ধীরে ক্লাবটির সংস্কার সাধন করি এবং একটি পাঠাগার ও একটি নৈশ বিদ স্থাপনসহ ক্লাবটির আওতায় বিভিন্ন সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছি। এর মধ্যে গ্রামের রাস্তা-ঘাট মেরামত শীতার্তদের শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায়দের সহায়তা প্রদান, হতদরিদ্র কন্যা দায়গ্রস্ত পিতার কন্যা সম্প্রদানে আর্থিক সাহা প্রদান, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষার উপকরণ প্রদানসহ বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজ ক্লাবের পক্ষ থেকে যথাসম্ভব সম্পাদন করা হয়। এছাড়াও ক্লাবের উদ্যোগে বাল্যবিবাহ রােধ, যৌতুককে না বলা, জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি গণসচেতনতামূলক নাটক-নাটিকা প্রদর্শন করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি এক ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ক্লাব ঘরটি মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং এর চালা ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় । এরপর থেকে অদ্যাবধি ক্লাব ঘরটি যেমন আমরা ভালাে করে দাঁড় করাতে পারিনি, তেমনি সমাজ উন্নয়নমূলক কাজও থমকে আছে। একমাত্র কারণ আর্থিক সংকট।  অতএব প্রার্থনা এই যে, অনুগ্রহপূর্বক আমাদের ক্লাবটি পরিদর্শন করে ক্লাব কর্তক সমাজ উন্নয়নকল্পে প্রয়ােজনীয় আর্থিক সাহায্য নিবেদক  রাজাপুর গ্রামবাসীর পক্ষে সমীর বাগচী  রাজাপুর, রামশীল, কোটালীপাড়া । " "তোমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ/সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট একখানা আবেদনপত্র লেখ। ","১০ অক্টোবর ২০২১ বরাবর সভাপতি  নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩  ডােমার, নীলফামারী। বিষয় : নূরপুর গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহের আবেদন।  জনাব  সবিনয় নিবেদন এই যে, নীলফামারী জেলাধীন ডােমার উপজেলার নূরপুর একটি জনবহুল গ্রাম। এ গ্রামে শিক্ষার হার আশানুরূপ। গ্রামের জনগণ নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের গ্রামটি বিদ্যুৎ-সংযােগ হতে আজও বঞ্চিত রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহােদয় বারবার আমাদের আশা দিলেও তা আলাের মুখ দেখেনি। গ্রামটির আশপাশের সব গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ আছে। শুধু এ গ্রামই আধুনিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ-সংযােগ থাকলে গ্রামের মানুষের ভাগ্যের চাকা দ্রুত বদলে যেত। এরই সঙ্গে এখানকার স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজে পাঠদান কার্যক্রম সহজতর হতাে।  অতএব, মহােদয় সমীপে আকুল আবেদন অনতিবিলম্বে উক্ত গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে গ্রামবাসীর জীবনমানের উন্নতি সাধনের সুযােগ করে দিতে আপনার মর্জি হয় " "তােমাদের গ্রামে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপনের প্রয়ােজনীয়তা উল্লেখ করে জেলাপ্রশাসকের নিকট একটি আবেদনপত্র লেখ। ","৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ বরাবর মাননীয় জেলাপ্রশাসক  ঝালকাঠি, বরিশাল।  বিষয় : দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপনের জন্য আবেদন।  জনাব  যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, ঝালকাঠি জেলার অন্তর্গত নলছিটি উপজেলার শান্তিপুর একটি জনবহুল গ্রাম। আয়তনেও গ্রামটি কয়েকটি গ্রামের সমান। গ্রামটির চারদিকে আরও কয়েকটি গ্রাম রয়েছে। শান্তিপুর গ্রামে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি আলিম মাদ্রাসা ও একটি মহাবিদ্যালয় আছে। অনেক শিক্ষক এ গ্রামে বা পাশের কোনাে গ্রামেই বসবাস করছেন। ইদানীং গ্রামটিতে একটি ব্যাংকের শাখা খােলা হয়েছে । কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলাে এখানে। উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্র নেই। এমনকি আশেপাশে ৫/৬ কিলােমিটারের মধ্যেও কোনাে উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্র নেই। শান্তিপুর গ্রামে বহুকাল পুরানাে নামেমাত্র একটি দাতব্য চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে। এটিতে কোনাে ভালাে ডাক্তার বা ওষুধপত্রের ব্যবস্থা নেই । এলাকার কেউ অসুস্থ হলে তাকে অনেক দূরে শহরের হাসপাতালে নিতে হয়। মুমূর্ষ বা ডেলিভারির রােগী হলে তাে কষ্টের আর সীমা থাকে না। অনেক রােগী পথেই মৃত্যুবরণ করে। আধুনিক যুগে এসেও আমরা আধুনিকতা বঞ্চিত । তাই মানবতার বিচারে খুব শীঘ্রই এ এলাকায় একটি উন্নতমানের দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন বা আগেরটির আধুনিক সংস্করণের জন্য বিনীত অনুরােধ করছি।  অতএব মহােদয় সমীপে আকুল আরজি, উপরিউক্ত পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে শান্তিপুর এলাকায় একটি দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করতে আপনার সদয় মর্জি হয় ।  " মজাপুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন জানিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে দরখাস্ত।,"তারিখ :১২ই মার্চ ২০২১  চেয়ারম্যান  ধানগড়া ইউনিয়ন পরিষদ  সিরাজগঞ্জ।  বিষয় : ধানগড়া রামেন্দ্র পুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন।  জনাব,  সবিনয়ে নিবেদন এই যে, ধানগড়া গ্রামের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সরকারি রামেন্দ্র পুকুরটি দীর্ঘদিন যাবৎ হাজামজা হয়ে পড়ে আছে। বহুদিন অব্যবহৃত থাকায় পুকুরটিতে ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানার জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। ফলে এটি যেমন মশামাছি, সাপখােপের আখড়ায় পরিণত হয়েছে, তেমনি এলাকায় বাতাসে দুর্গন্ধও ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ এ পুকুরটি সংস্কার করে সেখানে মৎস্য চাষ করা হলে সরকার যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে, তেমনি এলাকার পরিবেশও নির্মল হবে। অতএব জনস্বার্থ বিবেচনা করে ধানগড়া রামেন্দ্র পুকুরটি আশু সংস্কারের প্রয়ােজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিনীত অনুরােধ জানাচ্ছি। বিনীতー এলাকাবাসীর পক্ষে,  আপনার বিশ্বস্ত  মাে. শাহাজাহান চৌধুরী  ধানগড়া, সিরাজগঞ্জ। " "আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন। ","তারিখ :১১.০১.২০২৩ মাননীয়   পৌরসভা চেয়ারম্যান  ফুলবাড়িয়া পৌরসভা  ময়মনসিংহ।  বিষয় : আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের আবেদন। জনাব,  সবিনয়ে নিবেদন এই যে, আমরা ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের অধিবাসী। এই এলাকা খুবই ঘনবসতিপূর্ণ। কয়েকটি গার্মেন্টস, পৌর-বাণিজ্যবিতানসহ বেশ কয়েকটি কারখানা থাকায় এই এলাকা ফুলবাড়িয়া পৌরসভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ জরিপ চালিয়ে এলাকার অধিকাংশ চাপাকলের পানিতে ভয়াবহ আর্সেনিকের দূষণ আছে বলে প্রমাণ পেয়েছেন। আর্সেনিকযুক্ত চাপাকলগুলােতে লাল রং দিয়ে শনাক্ত করে এগুলাের পানি পান না করার জন্য এলাকার মানুষদের সতর্ক করে দিয়েছেন। তবু অজ্ঞতাবশত অনেক মানুষ আর্সেনিকযুক্ত পানি ব্যবহার করে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। এলাকায় বর্তমানে বিশুদ্ধ পানীয় জলের তীব্র অভাব বিরাজ করছে। তাই অতিসত্বর আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহ করা দরকার।  অতএব মহােদয়ের সমীপে বিনীত আবেদন, আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করবেন। এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ জরুরি বিষয়। তাই জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়ােজন।  বিনীতㅡ ফুলবাড়িয়া পৌরবাসীর পক্ষে,  মাে. সােহরাব পাশা  ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ।" "ডাকযােগে পুস্তক পাঠানাের আবেদন ","৭ জানুয়ারি ২০২১ বিক্রয় কর্মকর্তা  অজন্তা প্রকাশনী  বাংলাবাজার, ঢাকা ১০০০ বিষয়: ভিপি হিসেবে ডাকযােগে পুস্তক পাঠানাের আবেদন। প্রিয় মহােদয়  আপনাদের প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত নিচের তালিকাভুক্ত বইগুলাের একটি করে কপি নিচের ঠিকানায় পাঠানাের জন্য অনুরােধ করছি। ভিপি হিসেবে ডাকযােগে পাঠানাের ব্যবস্থা করা হলে বইগুলাে গ্রহণের সময়ে আমি যাবতীয় অর্থ পরিশােধ করতে পারব। এ ব্যাপারে সহযােগিতা করার জন্য আপনাকে অগ্রিম ধন্যবাদ জানাই।  আপনার বিশ্বস্ত (স্বাক্ষর)  মকবুল হােসেন  ৪৯ পাঁচুড়িয়া, গােপালগঞ্জ বইয়ের তালিকা:  ১. ইকবাল সিরাজ, প্রাচীন বাংলার ইতিহাস  ২. নাজমুল হক, সঠিক নিয়মে লেখাপড়া  ৩. মাহফুজা আক্তার, ঘুরে এলাম বাগেরহাট " "ব্যাংক ঋণের জন্যে আবেদন ","৩০ আগস্ট ২০২১ ব্যবস্থাপক  সােনালী ব্যাংক লি.  কালীগঞ্জ শাখা, ঝিনাইদহ বিষয়: ব্যবসায়িক ঋণ গ্রহণের জন্য আবেদন। প্রিয় মহােদয় আপনার ব্যাংকে আমাদের সঞ্চয়ী ও চলতি উভয় প্রকার হিসাব খােলা আছে। আপনি হয়তাে অবগত যে, আমাদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জননী ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের ব্যাংকে সুনামের সাথে লেনদেন পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি আমরা আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য একটি নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ লক্ষ্যে আমাদের প্রতিষ্ঠানের নামে আনুমানিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা ব্যবসায়িক ঋণ গ্রহণ করা প্রয়ােজন। উক্ত ঋণের মূলধন এবং সুদের অর্থ আমরা মােট ৩৬ কিস্তিতে ৩ বছরে পরিশােধ করতে চাই। ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা আপনাদের ব্যাংকের সকল শর্ত মেনে চলব। উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে আমরা আপনাদের ব্যাংক থেকে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা ঋণ নিই এবং তা যথাসময়ে পরিশােধ করি। আমাদের চাহিদা মাফিক ঋণ প্রদানের জন্য প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরােধ করছি। আপনার বিশ্বম্ভ (স্বাক্ষর)  অনীক রহমান  স্বত্বাধিকারী, মেসার্স জননী ট্রেডার্স  কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ  সােনালী ব্যাংকের সঞ্চয়ী হিসাব নং: ১১৭৭১৮  চলতি হিসাব নং: ১২৫২০১ সংযুক্তি:  ১. ব্যবসা সম্প্রসারণের কর্মপরিকল্পনা  ২. পূর্বের ঋণ পরিশােধের প্রমাণপত্র" "কম্পিউটার শিক্ষা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি কর ","রিয়াজ : তুমি কেমন আছ?   শাকিল : ভালাে। তুমি কেমন আছ?   রিয়াজ : ভালাে। তুমি কী করছ?  শাকিল : আমি কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ পড়ছি।   রিয়াজ : কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব পড়ছ? তুমি যে বইটা পড়ছ সেটা ছাপিয়েছে কম্পিউটার । আগে যে বই ছাপতে ছাপাখানায় এক বছর লাগত, সেটা কম্পিউটার করে দিচ্ছে ১০/১২ দিনে। শাকিল : চমৎকার একটি পয়েন্ট বলেছ । তুমি আরও কিছু বলতে পারবে?  রিয়াজ : কেন নয়? কম্পিউটার সাক্ষর, নিরক্ষর যেকোনাে লােক শিখতে পারে। চালনা করতে পারে। ইন্টারনেট চালনা শিখলে বিশ্বের তথ্যভান্ডার থেকে যেকোনাে তথ্য সংগ্রহ করতে পারা যায়। শুধু তােমাকে খুঁজে বের করতে হবে, তুমি কী চাও? তুমি যা চাইবে, কম্পিউটার তাই তােমাকে দেবে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে।  শাকিল : অর্থাৎ আমি যদি কম্পিউটার শিক্ষা লাভ করি, তবে আমি বিশ্বায়নের একজন সক্রিয় আধুনিক সদস্য হতে পারব। বিশ্বের সর্বশেষ তথ্যটি এক মুহূর্তে জানতে পারব। রিয়াজ : কম্পিউটারে ই-মেইল সারা বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিশীলতা এনেছে। ই-মেইল ব্যবসা-বাণিজ্যে বহুমুখিতা আনয়ন করছে।  শাকিল : আজকাল ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালতের হিসাব-নিকাশ, রােগ নির্ণয়, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্যসেবা, কৃষিশিক্ষা, কৃষিসেবা সবই প্রদান করা হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে।  রিয়াজ : কম্পিউটারের মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে, লেখাপড়া করছে। ডিগ্রি অর্জন করছে চাকরির জন্য আবেদনপত্র জমা দিচ্ছে। ঘরে বসে কাজ করে অর্থ উপার্জন করছে। শাকিল : অর্থাৎ আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা লাভের জন্য কম্পিউটার শিক্ষা অপরিহার্য। রিয়াজ : ঠিক বলেছ বন্ধু। তােমাকে ধন্যবাদ। শাকিল : তােমাকেও ধন্যবাদ " বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য আবেদন,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। স্যার, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে আমি গত ১১/১০/২০২৪ থেকে ১৬/১০/২০২৪ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২" শারীরিক অসুস্থতার জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখঃ ২০/০৮/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ম্যানেজার বিডি টেক লিমিটেড গুলশান, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ মেডিকেল ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত কর্মচারী এবং আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, গত কয়েকদিন ধরে আমি প্রচণ্ড জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছি। ডাক্তার আমাকে পূর্ণ বিশ্রাম নিতে বলেছেন এবং তিন দিনের চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। এমতাবস্থায়, আমি ২১/০৮/২০২৪ থেকে ২৩/০৮/২০২৪ পর্যন্ত তিন দিনের মেডিকেল ছুটির অনুমতি প্রার্থনা করছি। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আমার উল্লিখিত সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করলে কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, আপনার বিশ্বস্ত কর্মচারী (আপনার নাম) পদবি: একাউন্ট অফিসার" বিশেষ পারিবারিক কারণে ছুটির আবেদন,"তারিখঃ ১০/১১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক গ্লোবাল আইটি ফার্ম মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ বিষয়ঃ বিশেষ পারিবারিক কারণে ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত কর্মচারী। আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ের কারণে পারিবারিকভাবে আমাকে খুব ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে এবং আমি কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিত হতে পারছি না। পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় আমাকে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করতে হবে। অতএব, আমি ১১/১১/২০২৪ থেকে ১৪/১১/২০২৪ পর্যন্ত চার দিনের ছুটির অনুমতি প্রার্থনা করছি। দয়া করে আমার অনুরোধ গ্রহণ করে আমাকে ছুটি প্রদান করবেন। বিনীত, আপনার বিশ্বস্ত কর্মচারী (আপনার নাম) পদবি: সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার" বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন।,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। স্যার, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে আমি গত ১১/১০/২০২৪ থেকে ১৬/১০/২০২৪ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২" মেডিকেল ছুটির জন্য আবেদন ,"তারিখঃ ২০/০৮/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ম্যানেজার বিডি টেক লিমিটেড গুলশান, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ মেডিকেল ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত কর্মচারী এবং আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, গত কয়েকদিন ধরে আমি প্রচণ্ড জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছি। ডাক্তার আমাকে পূর্ণ বিশ্রাম নিতে বলেছেন এবং তিন দিনের চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। এমতাবস্থায়, আমি ২১/০৮/২০২৪ থেকে ২৩/০৮/২০২৪ পর্যন্ত তিন দিনের মেডিকেল ছুটির অনুমতি প্রার্থনা করছি। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আমার উল্লিখিত সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করলে কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, আপনার বিশ্বস্ত কর্মচারী (আপনার নাম) পদবি: একাউন্ট অফিসার" চাকরির জন্য আবেদন ,"তারিখ: ২০/০৮/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর, মাননীয় পরিচালক, [আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম], [প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা] বিষয়: জুনিয়র সফটওয়্যার ডেভেলপার পদে আবেদন। মাননীয়, আমি জন, কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক এবং গত দুই বছর ধরে ওয়েব ডেভেলপমেন্টে কাজ করছি। আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে জুনিয়র সফটওয়্যার ডেভেলপার পদে আবেদন করতে চাই। আপনার কোম্পানির প্রযুক্তিগত ব্যবহার এবং কাজের ধরন আমার আগ্রহের বিষয়। আমি আমার সিভি সংযুক্ত করেছি। আমার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে আমাকে সাক্ষাৎকারের সুযোগ দিলে কৃতজ্ঞ থাকব। অপেক্ষায় রইলাম আপনার সদয় প্রতিক্রিয়ার। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [আপনার মোবাইল নম্বর] [আপনার ইমেইল]" "মোবাইল ফোনের অত্যধিক ব্যবহার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সাবির: গতকাল কি হয়েছে শুনেছিস? ফারহান : না। কি হয়েছে বলতো? সাবির: আরে, আমাদের স্কুলের ইলেভেনের জুনেইদ কাল মোবাইল কানে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিল। এমন সময় একটি অটো তাকে ধাক্কা মারে। বেঁচে গেছে কোনোক্রমে। তবে পায়ে গুরুতর চোট লেগেছে। বোধ হয় অপারেশন করতে হবে। ফারহান: সে কি রে! সব জেনে শুনে আমরাই যদি এমন অসতর্কের মতো কাজ করি তাহলে তো বিপদ হবেই। সাবির: সত্যি স্মার্টফোন আসায় যে-কোনো বয়সের মানুষই ফোনে যেন প্রচণ্ড আসক্ত হয়ে পড়েছে। লাগামছাড়া ব্যবহার হচ্ছে। ফারহান : প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র একটা নেশার বস্তুতে যেন পরিণত হয়েছে এটি। সাবির : অথচ শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ বা কথার মধ্যেই যদি এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে এটিই হতে পারত খুব উপকারী বন্ধু। ফারহান : ঠিকই। কিন্তু মানুষের বিশ্রাম, একাগ্রতা, নিষ্ঠা সবই কমছে। উল্টে বাড়ছে অস্থিরতা। সাবির : অনেক শিক্ষামূলক, গঠনমূলক ও প্রয়োজনীয় কাজে এর ব্যবহার হলেও অনেকক্ষেত্রেই এর কুপ্রভাব সমাজের অল্পবয়সিদের ক্ষতি করছে। ফারহান : ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনারও যথেষ্ট ক্ষতি করছে। সাবির : অপ্রয়োজনে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, গেম ইত্যাদিতে সময় নষ্ট করে কাজের সময় কমে যাচ্ছে। ফারহান : সত্যি, এখন মনে হচ্ছে এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে না আসলে ভবিষ্যতে আমাদের যুবসমাজের মধ্যে খুব খারাপ প্রভাব পড়তে চলেছে। সাবির : এ ব্যাপারে নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে এবং বন্ধুদেরও সতর্ক করতে হবে।" বইমেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বাপ্পা : কী খবর রাহুল , কেমন আছিস? রাহুল : এই তো ভালো, তোর খবর কী? কাল নাকি বইমেলায় গিয়েছিলি? বাপ্পা : হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমি তো সারা বছরই এই মেলার অপেক্ষায় থাকি। রাহুল : হস্তশিল্প মেলায় যেতে বললাম গেলি না। এখন একা একাই বইমেলায় চলে গেলি। বাপ্পা : তুই তো জানিস, আমি শৈশব থেকেই বইপাগল, বইয়ে ডুব দিয়ে আমি পার করতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রাহুল : বর্তমানে দেশের এরূপ অসহিষ্ণু ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের যৌক্তিকতা কতটুকু? বাপ্পা : আসলে আমাদের এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণে একমাত্র সহায়ক হতে পারে বই। কারণ বই মানুষকে সুপথে চালিত করে, মানুষের চিন্তার প্রসার ঘটায়। রাহুল : বইমেলায় বই বিক্রি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কী? বাপ্পা : মেলায় বই বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, ক্যুইজ,বক্তৃতা, নতুন বই প্রকাশ প্রভৃতি। রাহুল : মেলা থেকে কী কী বই কিনলি? বাপ্পা : জয় গোস্বামী, হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকটি বই কিনেছি। রাহুল : এরপর গেলে আমাকেও নিয়ে যাস। বাপ্পা : নিশ্চয়ই যাবি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে বইমেলায় গেলে অনেক মজা হবে। " সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"সীমা : জানিস, মা-বাবার সঙ্গে এখন আর টিভি দেখা যায় না। শান্ত : কেন, কী হয়েছে? সীমা : আর বলিস না, যা সব দেখায় টিভিতে একবারে সেন্সর নেই। শান্ত : বুঝেছি, তুই বাইরের চ্যানেলগুলোর কথা বলছিস; তো সেগুলো না দেখলেই তো পারিস। সীমা : ধ্যাত, কী যে বলিস না, কত সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান হয় চ্যানেলগুলোতে। শান্ত : তোর কথা একেবারে ফেলে দেয়া যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের চ্যানেলগুলোতেও কিন্তু অনেক ভালো অনুষ্ঠান হয়। সীমা : দূর, এখানকার আর্টিস্টরা সব সেকেলে পোশাক আর মেকআপে অভিনয় করে। শান্ত : বিষয়টা তা নয়, ওগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ; তাছাড়া সেগুলো দেখতেও বেশ ভালো । সীমা : তা ঠিক, কিন্তু আমাদের বয়সি ছেলেমেয়েরা ওগুলো ফলো করে না। তুই আমি কি করেছি, বল? শান্ত : আমরাও আসলে পারিনি, কিন্তু আমাদের দেশের শিল্প-সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, গান সত্যিই খুব ভালো রে। সীমা : মাও তাই বলে, কিন্তু আমরা চাইলেই কি আমাদের মধ্য থেকে অপসংস্কৃতি দূর করতে পারব বল? শান্ত : হয়তো পুরোটা পারব না, কিন্তু চেষ্টা করতে হবে দেশের সংস্কৃতিকে সব জায়গায় রিপ্রেজেন্ট করতে। সীমা : হ্যা, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সংগঠন এ কাজের চেষ্টা করছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি ভালো কিছু পাওয়া যাবে। শান্ত : এভাবে চেষ্টা করতে করতেই একদিন সফল হবে তারা, হাত বন্ধ করে তো বসে থাকা যাবে না। সীমা : এই রে ক্লাসের সময় হয়ে গেল, চল এখন ক্লাসে যাই। শান্ত : হ্যা, চল।" ইন্টারনেটের সুফল ও কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন রচনা করো,"অয়ন : তোর বাসায় ব্রডব্যান্ডের স্পিড কেমন? অমি : ৫১২এম.বি.পি.এস. রেগুলার; মাঝে মাঝে বাড়ে। আমি খুব একটা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি না। আমার ওয়াইম্যাক্স আছে। অয়ন : তাহলে ভালো স্পিড পাস? অমি : হ্যা দোস্ত; মাঝে মাঝে সারারাতই ফেসবুক ইউটিউব চলতে থাকে। অয়ন : যদিও তোর ব্যক্তিগত ব্যাপার; তারপরও আমার কাছে বিষয়টা ভালো লাগল না। এভাবে ইন্টারনেটের ব্যবহার মোটেও ভালো না। অমি : কেন, এভাবে ব্যবহার করলে সমস্যা কী? অয়ন : সমস্যা আছে। তুই অনেক বেশি সময় ওখানে দিয়ে ফেলছিস। তাছাড়া তুই শিক্ষামূলক তেমন কিছুও করছিস না। অমি : শিক্ষামূলক কাজ পরেও করা যাবে; কিন্তু এখন তো মজা করতে হবে। অয়ন : না রে, ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না হলে সেটা ক্ষতির কারণই হয়। তোর চোখের দিকে তাকিয়ে দেখেছিস? কালো দাগ পড়ে গেছে। অমি : তাহলে কি ব্যবহার বন্ধ করে দেব? অয়ন : তা তো বলিনি; গঠনমূলক কাজে বেশি ব্যবহার করবি। অমি : বুঝিনি; একটু সহজ করে বল। অয়ন : যেমন ধর সমস্ত বিশ্বের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে; তুই এটা নিয়ে পড়তে পারিস। অথবা ভূমিকম্প নিয়ে পড়তে পারিস; যেহেতু আমরা এখন ভূমিকম্পের আতঙ্কের মধ্যে আছি। অমি : এগুলো তো সারাদিনই টিভিতে দেখায়। এগুলো নিয়ে আবার পড়ার কী আছে? অয়ন : আচ্ছা তোর যা জানতে ইচ্ছা করে তাই নিয়েই পড়িস। মোটকথা ভালো কিছু জানার জন্যে, শেখার জন্যে ইন্টারনেট ব্যবহার কর। অমি : আর আনন্দের জন্যে কিছুই করবো না? অয়ন : আনন্দের জন্যেও ব্যবহার করবি; তবে সেটা নিজের ক্ষতি না করে। অমি : গলা তো শুকিয়ে গেল; চল একটু চা খাই। অয়ন : চল, রফিক ভাইয়ের চা-টা ফাটাফাটি। ওখানে গিয়েই খাই। " বিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। বিষয়: কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমান যুগে কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সফল হতে হলে কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা অর্জন জরুরি। বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ক্লাস রয়েছে, তবে প্রশিক্ষণ কোর্স হিসেবে এটি চালু করা হয় না। আমরা চাই, বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করে ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক থেকে উন্নত পর্যায়ের কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান করা হোক। এতে তারা প্রযুক্তির সঙ্গে যুগানুযায়ী মানিয়ে নিতে পারবে। অতএব, বিনীত আবেদন কোর্স চালুর অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর।" অপরাধ প্রবণতা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অপরাধ প্রবণতা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে চুরির ঘটনা, ব্যাঙ ধরার কাজ, এবং সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে। এই অবস্থায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অপরাধ প্রবণতা রোধে এলাকায় একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। এতে, অপরাধের কুফল, আইন ভাঙার শাস্তি, এবং সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উপর গুরুত্ব দেয়া হোক। স্থানীয় স্কুল, কলেজ, এবং কমিউনিটি সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনটি আরও ফলপ্রসূ হতে পারে। এছাড়া, পুলিশের প্রচেষ্টা আরও শক্তিশালী করা উচিত, যাতে অপরাধীরা সহজে পার পেয়ে না যায়। নিরাপত্তার বিষয়েও কঠোর মনোভাব গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটি প্রার্থনা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট দরখাস্ত।,"মাননীয় প্রধান শিক্ষক সমীপেষু— গৌহাটি ইংরাজি উচ্চবিদ্যালয় মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আজ স্কুলে উপস্থিত হবার কিছুক্ষণ পর থেকেই আমি দারুণ শিরঃপীড়ায় আক্রান্ত হয়ে ভীষণ অস্থিরতা বোধ করছি। অতএব, আমাকে তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটি প্রদান করলে বাধিত হব। তারিখ ১২.০৫.২০১৮ বিনীত নিবেদন ঋষি বোস ১০ম শ্রেণি ক্রমিক নং-১১" তোমার বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উপলক্ষে রচিত আবেদন পত্র।,"সুধী, আগামী ৫ জানুয়ারি, শুক্রবার অপরাহ্ন ৪ ঘটিকার সময় আমাদের স্কুল মিলনায়তনে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব ২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় পৌর প্রধান সম্মানিত সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করবেন। আমরা এ উপলক্ষে আপনার সানুগ্রহ ও সবান্ধব উপস্থিতি কামনা করি। তাং : ১.০২.২০১৮ বিনীত নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ" তোমার ছোটো বোনের বিবাহ উপলক্ষে একখানা আমন্ত্রণ পত্র।,"মহাশয়, আগামী ২৭ পৌষ, রবিবার আমার ছোটো বোন অমিতার সঙ্গে হাটহাজারী গ্রাম নিবাসী মহাশয় সুনীল সেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র অলকের শুভ পরিণয় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে আপনি সবান্ধবে উপস্থিত হয়ে বর-কনেকে আশীর্বাদ করবেন। পত্র দ্বারা নিমন্ত্রণের ত্রুটি মার্জনীয়। নিবেদনে সঞ্জয় পাল স্থান : মোতি প্যালেস শিলচর, আসাম।" তোমার নিজ এলাকায় বন্যা কবলিত জনসাধারণের সাহায্যার্থে জেলা প্রশাসকের নিকট একখানা আবেদন পত্র ।,"মহাশয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, করিমগঞ্জ জেলার অন্তর্গত অধিকাংশ গ্রাম আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামের দরিদ্র জনসাধারণের অধিকাংশ ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে ও বন্যার তোড়ে ভেসে গিয়েছে, বহু পশু মরে গেছে। বলতে গেলে অধিকাংশ গ্রামবাসী এখন আশ্রয়হীন অবস্থায় অনশন ও অর্ধাশনে কালযাপন করছে। ব্যাপকভাবে সংক্রামক রোগেরও প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। অতএব সবিনয় নিবেদন এই যে, এতদ্ অঞ্চলের দুঃস্থ মানুষের সাহায্যার্থে অবিলমে সরকারের তরফ হতে রিলিফের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করছি। করিমগঞ্জ ১১.০১.২০১৮ নিবেদনে অজয় বড়ুয়া" তোমার এলাকায় জলকষ্টের আশু প্রতিকারের জন্য পৌরসভার চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন পত্র।,"মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় সমীপেষু শিলচর পৌরসভা মহাশয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমাদের ২০ নং ওয়ার্ডে পানীয় জলের অভাবে কয়েকশো পরিবার নিরতিশয় কষ্ট ভোগ করে আসছে। এখানে প্রায় দুই হাজার লোকের বাস। অথচ এখানে নলকূপের সংখ্যা মাত্র ৬টি। ভালো কোনো পুকুরও নেই। নলকূপগুলির জল আর্সেনিক যুক্ত হওয়ায় পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দরিদ্র মানুষ বিষাক্ত জল পান করে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় দিন গুনছে। জনগণের দুর্ভাগ্য যে, জনস্বাস্থ্য বিভাগের কৃপাদৃষ্টি আজ পর্যন্ত এই দুর্গত অঞ্চলের প্রতি নিবদ্ধ হয়নি। অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে পৌরসভার সর্বময় কর্তা হিসেবে মহোদয় এই দুঃস্থ মানুষদের সেবায় এগিয়ে এসে অচিরে আমাদের এলাকার জনগণের জলকষ্টের প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে আজ্ঞা করবেন। বিনীত নিবেদক প্রবীর চক্রবর্তী ২০নং ওয়ার্ড, শিলচর তারিখ : ১৯.১২.২০১৮" তোমার অঞ্চলের একটি রাস্তার সংস্কার সম্বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদপত্রে প্রকাশার্থে চিঠি লেখ।,"মাননীয় সম্পাদক মহোদয় সমীপেষু দৈনিক অসম সেন্ট্রাল রোড, শিলচর, আসাম, মহাশয়, আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় এতদ্‌সঙ্গে প্রেরিত পত্রখানা প্রকাশ করলে এতদঞ্চলের প্রবঞ্চিত মানুষের অশেষ উপকার সাধন হবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। “রাস্তা-সংস্কার” আমরা শিলচর জেলার সেন্ট্রাল রোডের অধিবাসীরা বহুদিন হতে রাস্তাঘাটের অভাবে কল্পনাতীত অসুবিধার মধ্যে জীবন-যাপন করছি। আমরা বলতে গেলে বহির্জগত হতে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছি। সেন্ট্রাল রোড হতে রেলস্টেশন পর্যন্ত তিন মাইল যাতায়াতের জন্য কেবল একটি রাস্তা রয়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তায় বহু লোক চলাচল করে। অথচ দেশ স্বাধীন হবার পর হতে এই রাস্তার কোনো মেরামত আজ পর্যন্ত হয়নি। ফলে এই রাস্তা অনেক স্থানে ভেঙে গেছে। এতদঞ্চলের প্রায় অর্থলক্ষাধিক লোকের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির এই শোচনীয় অবস্থা কর্তৃপক্ষ নীরবে কয়েক বছর যাবৎ লক্ষ করে আসছেন বটে, কিন্তু প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থাই আজ পর্যন্ত গ্রহণ করেননি। এই জেলার একটি বিরাট অঞ্চলের সহিত বহিরাঞ্চলের সম্পর্ক স্থাপনকারী এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি অবিলম্বে পাকা করা দরকার। আমরা এই রাস্তাটির সংস্কার সম্পর্কে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করবার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সানুগ্রহ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ইতি— স্থানীয় জনগণের পক্ষে অতুল্য ঘোষ সেন্ট্রাল রোড, শিলচর তারিখ : ১ জুন, ২০১৮" অনুপস্থিত থাকার জন্য আবেদন পত্র,"তারিখঃ ১০/১০/১৯ ইং প্রধান শিক্ষক বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয় হাওড়া কলকাতা বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া , সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমি গত ০৭/১০/১৯ ইং থেকে ০৯/১০/১৯ ইং পর্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৩ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক জীবন মণ্ডল শ্রেণিঃ ১০ম রোলঃ ০২" ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে ঋণ চেয়ে আবেদন,"তারিখ ১০/১২/২০২০ মাননীয় ম্যানেজার স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া বর্ধমান প্রিয় মহাশয়, আমরা আমাদের বর্ধমানের জেলার “বাংলা সাংস্কৃতিক ভবনের” আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা নিয়েছি। এই পরিকল্পনায় ভবনটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত হবে এবং দর্শকের জন্য আরামপ্রদ আসনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৫,০০,০০০ টাকা। আমরা আমাদের নিজস্ব তহবিল থেকে মাত্র ৩,০০,০০০ টাকা সংগ্রহ করতে পারব, অবশিষ্ট ২,০০,০০০ টাকা ঋণ গ্রহণ করতে হবে। এজন্য আমাদের অনুরােধ,পরিকল্পনাটি রূপায়ণ করতে, আসবাব পত্র ও অন্যান্য জিনিস যন্ত্রাদির জামিনের বিনিময়ে আপনি আমাদের ২,০০,০০০ টাকা ঋণদানের ব্যবস্থা করে সহায়তা করুন। আপনার সম্মতিসূচক চিঠি পেলে আমরা আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি পাকা করতে ইচ্ছুক। ধন্যবাদান্তে, আপনাদের বিশ্বস্ত ইন্দ্রানী রিয়েল এস্টেটর পক্ষে শর্মিষ্ঠ ব্যানার্জি ম্যানেজিং ডিরেক্টর" বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার জন্য আবেদন পত্র,"তারিখঃ ১০/১০/১৯ ইং প্রধান শিক্ষক বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয় হাওড়া কলকাতা বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া , সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমি গত ০৭/১০/১৯ ইং থেকে ০৯/১০/১৯ ইং পর্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৩ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক জীবন মণ্ডল শ্রেণিঃ ১০ম রোলঃ ০২" প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটির জন্য আবেদন পত্র,"তারিখঃ ১০/১০/১৯ ইং প্রধান শিক্ষক বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয় হাওড়া কলকাতা বিষয়:দুই দিনের ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া , সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র।আগামী ১২/১০/২০১৯ থেকে ১৪/১০/২০১৯৪ইং পর্যন্ত আমার বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষে দুই দিন বিদ্যালয়ে উপস্তিত হতে পারবনা। অতএব,আমাকে দুই দিনের ছুটি মঞ্জুর করলে আমি আপনার প্রতি বাধিত থাকব। আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র জীবন মণ্ডল শ্রেণিঃ ১০ম রোলঃ ০২ " প্রধান শিক্ষকের কাছে অনুপস্থিত থাকার জন্য আবেদন পত্র,"তারিখঃ ১০/১০/১৯ ইং প্রধান শিক্ষক বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয় হাওড়া কলকাতা বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া , সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমি গত ০৭/১০/১৯ ইং থেকে ০৯/১০/১৯ ইং পর্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৩ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক জীবন মণ্ডল শ্রেণিঃ ১০ম রোলঃ ০২" জরিমানা মওকুফের জন্য দরখাস্ত নমুনা,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: জরিমানা মওকুফের আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির একজন ছাত্র। পারিবারিক সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে আমার বেতন জমা দিতে পারিনি। এর ফলে আমার উপর জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত এবং আমার পরিবার বর্তমানে আর্থিক সমস্যায় আছে। অতএব, জরিমানা মওকুফ করে আমাকে সহযোগিতা করার জন্য আপনার প্রতি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই।" উপবৃত্তির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। পড়াশোনার খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর। অতএব, আমি যাতে আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি, সেই জন্য উপবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই।" ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। ব্যক্তিগত কারণে আমাকে স্কুল পরিবর্তন করতে হচ্ছে। অতএব, আমার ছাড়পত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই। " জরিমানা মওকুফের জন্য অধ্যক্ষ বরাবর দরখাস্ত,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য দরখাস্ত জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ‘ক’ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন এবং পরিবারে আমার বাবা একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের ভরণপোষণের খরচ চালানোর পাশাপাশি আমাদের পড়াশোনার খরচ চালাতে তাকে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। যার কারণে আমি গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উপরে বর্ণিত বিষয় বিবেচনা করে আমাকে জরিমানা মওকুফ করে শুধুমাত্র বেতন পরিশোধের অনুমতি দানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র ‘ক’ (নাম) রোলঃ ৯ শাখা-ক" অফিসে অনুপস্থিতির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লিমিটেড উত্তরা শাখা হাউজ নং-৭, রোড-৭/ডি, সেক্টর-৯, ঢাকা-১২৩০ বিষয়ঃ অফিসে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক উত্তরা শাখার একজন জুনিয়র অফিসার। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ (জ্বর, সর্দি) থাকার কারণে গত ১৫/১০/২০২৪ থেকে ১৭/১০/২০২৪ পর্যন্ত অফিসে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত তিন দিনের ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। নিবেদক আপনার একান্ত বাধ্যগত (……………) অফিসার পূবালী ব্যাংক উত্তরা শাখা, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।" অগ্রিম ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র,"তারিখ: ১২/১২/২০২৩ বরাবর, প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন হাই স্কুল মহাদেবপুর, নওগাঁ। বিষয়: অগ্রিম ছুটির জন্য দরখাস্ত । জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোহাম্মদ শাকিল হোসাইন, আপনার স্কুলের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার রোল নং এক। আগামী ১৫/১২/২০২৩ তারিখে আমার ছোট বোনের শুভ বিবাহ। এজন্য ১৪/১২/২০২৩ হতে ১৬/১২/২০২৩ তারিখ পর্যন্ত মোট তিন দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকবো। অতএব, জনাবের নিকট আকুল নিবেদন এই যে, উপরোক্ত বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে সর্বমোট তিন দিনের ছুটি প্রদানে বাধিত হবেন। বিনীত নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত মোহাম্মদ শাকিল হোসাইন কাঞ্চন হাই স্কুল শ্রেণী: ৯ম রোল নং : ১ শাখা : ক" ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত,"তারিখ:১২/১২/২০২৩ বরাবর, প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন হাই স্কুল মহাদেবপুর, নওগাঁ। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত । জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত এবং মেধাবী ছাত্র। আমার রোল নাম্বার এক । আমার বাবা সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার কারণে সম্প্রতি তিনি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা হতে নিয়ামতপুর উপজেলায় বদলি হয়েছেন। এমতাবস্থায় আমার পক্ষে আপনার স্কুলে অধ্যয়ন করা সম্ভবপর হচ্ছে না । তাই জরুরী ভিত্তিক আমার ছাড়পত্র আবশ্যক। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল নিবেদন এই যে , উক্ত সমস্যার কথা বিবেচনা করে ছাড়পত্র প্রদান করিতে আপনার মর্জি কামনা করছি। বিনীত নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত মেহমাদ কাঞ্চন হাই স্কুল শ্রেণী: ৯ম রোল নং : ৩ শাখা : ক" "ম্যানেজার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। ","তারিখ: ৫ই জুন, ২০২৩ বরাবর ব্যবস্থাপক সূর্যমুখী পাবলিকেশন্স লিঃ, বগুড়া বিষয়: ম্যানেজার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, গত ৪ই মে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে আপনার প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার বিভাগের জন্য কিছু লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আপনার নিকট আমার জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরলাম। নাম পিতার নাম মাতার নাম বর্তমান ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা জাতীয়তা ধর্ম বৈবাহিক অবস্থা ইমেইল এড্রেস শিক্ষাগত যোগ্যতা দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা: কম্পিউটার কোর্স করা আছে এবং কম্পিউটার এর বেসিক দক্ষতা রয়েছে রায়ারস লিমিটেড এ গত দুই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতএব, জনাবের নিকট সাবিনার প্রার্থনা এই যে, উক্ত পদের জন্য আমাকে বিবেচনা করে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বাধিত করবেন। নিবেদক জহির সুলতান মহাদেবপুর,নওগাঁ " ছাত্র কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্যের আবেদন। ,"তারিখ: ৫ই জুন, ২০২৩ বরাবর প্রধান শিক্ষক বামইন স্কুল এন্ড কলেজ, বামইন। বিষয়: ছাত্র কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্যের আবেদন। জনাব, যথা সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত এবং একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার রোল নাম্বার এক। আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছি এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কাজেও অংশগ্রহণ করে থাকি। আমার বাবা একজন ভ্যানচালক। আমাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা মোট ছয় জন। আমরা মোট তিন ভাই-বোন পড়াশোনা করি। আমার বাবা সামান্য ভ্যান চালক যার কারনে আমাদের তিনজনের পড়াশোনার খরচ চালানো সম্ভব হয়ে উঠছে না। ফলে আমাদের পড়াশোনা অনেকটাই বন্ধ হওয়ার মত। এমতাবস্থায়, আপনার সাহায্য আমার খুবই প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা এই যে, আমাকে ছাত্র কল্যাণ তহবিল হতে আর্থিক সাহায্যের মাধ্যমে আমাকে পড়াশুনায় নিয়মিত হতে সহায়তা করবেন। নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র খালিদ ওয়াহিদ শ্রেণী: নবম শাখা-ক রোল নং: ১" ব্রীজ নির্মাণের জন্য আবেদন। ,"তারিখ: ৫ই জুন, ২০২৩ বরাবর চেয়ারম্যান চন্দননগর ইউনিয়ন, নিয়ামতপুর বিষয়: ব্রীজ নির্মাণের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার দায়িত্বগত চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্ভুক্ত দুই নং ওয়ার্ডের তালপুকুর গ্রামের কবরস্থান পাড়ার একজন বাসিন্দা। আমাদের এই গ্রামে আসতে হলে রাস্তা থেকে নেমেই একটি ব্রিজের ওপর দিয়ে আসতে হয়। কিন্তু উক্ত ব্রিজটি অনেকটাই ভেঙে পড়েছে। যার কারনে আমাদের গ্রামের মানুষজনের যাতায়াতে অনেক কষ্টকর হয়ে পড়েছে, বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়া আসা কষ্টকর হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব, উক্ত ব্রিজটি নতুনভাবে নির্মাণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা এই যে, আমাদের গ্রামে যত দ্রুত সম্ভব হয় উক্ত ব্রিজ টি নির্মাণের ব্যবস্থা করলে আমরা পুরো গ্রামবাসী আপনার নিকট সারা জীবন চির কৃতজ্ঞ থাকবো। নিবেদক আব্দুল হালিম ( সকল গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে আবেদন করছি) গ্রাম: তালপুকুর ওয়ার্ড নং: দুই" "মনে করো, তোমার নাম তিতাস। ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও, এ নিয়ে তুমি ও তোমার বন্ধু নিশাতের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।","নিশাত: ভালো আছ, তিতাস? তোমার পরীক্ষার ফলাফল কী হলো? তিতাস: বন্ধু, তুমি শুনে খুশি হবে। এবারও আমি প্রথম হয়েছি। নিশাত: খুব ভালো, তা ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও? তিতাস: ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো শিক্ষক হতে চাই। নিশাত: ভালো কথা, কিন্তু অন্য পেশা থাকতে তুমি কেন শিক্ষক হতে চাও? তিতাস: আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষিত জাতি গড়তে দরকার একজন আদর্শ শিক্ষক যিনি দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর। একটি শিক্ষিত জাতি দেশ ও জাতির উন্নতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমার শিক্ষকতা পেশা ভালো লাগে। নিশাত: তোমার পছন্দকে আমি সমর্থন করি। তবে মনে রেখো, এ পেশায় কিন্তু অনেক ধৈর্য ও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তিতাস: হ্যাঁ বন্ধু, আমি জানি। তোমার দোয়া ও সবার সহযোগিতা পেলে আমি আমার চেষ্টা এবং সাধনা দিয়ে জয়ী হতে পারব।" "মনে করো, তোমার নাম পাভেল। তোমার দাদা একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তুমি ও তোমার দাদার মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।","পাভেল: আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন দাদাজান? দাদা: ওয়ালাইকুমুসসালাম। খুব ভালো আছি, দাদুভাই। তুমি কেমন আছ? পাভেল: বেশ ভালো। দাদাজান, আপনার কাছ থেকে আজ আমি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে চাই। দাদা: খুব ভালো। অবশ্যই তোমাকে বলব। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ঠিক ইতিহাস তোমাদের জানতে হবে। পাভেল: জি দাদাজান, বলুন। আমি মন দিয়ে শুনছি। দাদা: ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবে ভর্তি হয়েছি। পাভেল: দাদাজান, কেন মুক্তিযুদ্ধ হয়? দাদা: খুব ভালো প্রশ্ন করেছ। আমরা আজ যে স্বাধীন দেশে বাস করছি, আমাদের এই দেশ অর্থাৎ পূর্ব বাংলার পশ্চিম পাকিস্তানিরা শাসন করত। কিন্তু তারা শাসনের নামে শোষণ করত। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকভাবে তারা আমাদের দুর্বল করে রাখত। শুধু তা-ই নয়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তারা নিরীহ বাঙালির ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হত্যা করে। তাদের এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এবং বাঙালির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাঙালিরা স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশকে স্বাধীন বা মুক্ত করতে আমিও ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করি। পাভেল: দাদাজান, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ অনেক বেদনার, না? দাদা: তা তো বটেই। কারণ দেশ স্বাধীন করতে দেশপ্রেমিকরা অকাতরে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। হাজার হাজার মা হারিয়েছেন বুকের ধন, অসহায় মানুষ দেশ ছেড়েছে। মা-বোনেরা হারিয়েছেন তাদের সম্ভ্রম, মৃতের গলিত লাশে এ দেশ শ্মশানভূমি হয়েছিল। এই দেখো, এসব কথা বলতে গিয়ে আমার গা শিউরে উঠছে। পাভেল: দাদাজান, থাক আর বলতে হবে না। দাদা: সত্যি সে সময় পাক বাহিনীর যাবতীয় কর্মকাণ্ড ছিল ঘৃণ্য ও জঘন্য। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের অন্যায়ের সমুচিত জবাব দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি। পাভেল: আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগল দাদা ভাই। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। দাদা: বড় হও দাদু। আরও অনেক কিছু জানতে পারবে।" বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো।,"তন্ময়: শুভ সকাল, পিয়াল। কখন এসেছ? পিয়াল: শুভ সকাল তোমাকেও। আজ ভোর ৫টায় এসেছি। তা, তুমি কেমন কাটালে নববর্ষের দিন। তন্ময়: খুব ভালো কেটেছে। বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিল। তাদের সঙ্গে বেশ মজারই সময় কেটেছে। তা তুমি ঢাকায় কেমন নববর্ষ উদযাপন করলে? পিয়াল: আমারও বেশ আনন্দে কেটেছে। ভোর ৬টায় ছোট খালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে পান্তা ইলিশ খেলাম। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে আমি, খালা, খালু, খালাতো বোন রাইসা বেরিয়ে পড়লাম রমনা বটমূলের উদ্দেশে। তন্ময়: কয়টায় সেখানে পৌঁছালে? তারপর কোথায় গেলে? পিয়াল: রাস্তায় যানজট না থাকায় সকাল সোয়া ৮টায় সেখানে পৌঁছালাম। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনকেন্দ্রে গেলাম। সেখানে থেকে পৌঁছালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তন্ময়: এখান থেকেই তো মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তাই না? পিয়াল: হ্যাঁ, আমরা সকাল ১০টায় বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিই। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দিক নানা প্রতীকে উঠে এসেছিল। আমি খালুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন। তন্ময়: আর কোথাও যাওনি? পিয়াল: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত বাউলসংগীত শুনলাম। তারপর কিছুক্ষণ বেড়িয়ে মাটির হাঁড়ি, পুতুলসহ দেশীয় ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু পণ্য কিনলাম এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরলাম। তন্ময়: আমি তোমার মতো অত কিছু দেখতে পাইনি, তবে দাদুর মুখে নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস জানতে পেরেছি। যেমন- সম্রাট আকবরের নববর্ষের নামকরণ, পালন করা, তারপর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস সম্পর্কেও জানতে পারি। তারপর এ দিনটির সঙ্গে বাঙালি জাতির সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা লাভ করি। পিয়াল: সত্যিই অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় চৈতন্যের ধারক। তাই মহাসমারোহে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদিন পালন করুক, এটাই প্রত্যাশা রাখি। তন্ময়: পিয়াল আজ তবে চলি। এই নিয়ে পরে আরও কথা হবে। আমরা ইতিহাস পড়ে আরও জানতে পারব। ভালো থাকো। পিয়াল: তুমিও ভালো থাকো। ধন্যবাদ।" মনে করো তোমার নাম নাহিয়ান। তোমার বন্ধুর নাম সাজ্জাদ। গ্রিনহাউস গ্যাস প্রতিক্রিয়া বর্তমানে একটি গুরুতর সমস্যা। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"নাহিয়ান: শুভ সন্ধ্যা। কেমন আছ সাজ্জাদ? সাজ্জাদ: তোমাকেও শুভ সন্ধ্যা। আমি ভালো আছি। তুমি কেমন আছ? নাহিয়ান: আমিও ভালো আছি। তবে আমি একটি বিষয় নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। আর তা হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রতিক্রিয়া। তুমি কী এ নিয়ে কিছু ভেবেছ? সাজ্জাদ: অবশ্যই। ইদানীং এটি একটি বৈশ্বিক আতঙ্কের বিষয়। এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মরুকরণ, নিম্নভূমিতে প্লাবন, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, সামুদ্রিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি বৃদ্ধি পায়। নাহিয়ান: বাংলাদেশেও তো এর প্রভাব মারাত্মক। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে বাংলাদেশের উচ্চতা কম থাকার কারণে এটির প্রভাব আরও ভয়াবহ। সাজ্জাদ: ঠিক বলেছ। আমরা খুব ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছি। তবে এর জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। কারণ আমরা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করছি। ওজোনস্তরের জন্য ক্ষতিকারক গ্যাস ব্যবহার করছি। শিল্প-কারখানার বর্জ্য পদার্থ, কালো ধোঁয়া ক্রমান্বয়ে আমাদের পরিবেশকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। নাহিয়ান: হ্যাঁ, তাই এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। সর্বোপরি জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।" সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুবন্ধুর কথােপকথন রচনা কর।,"লিসা : দীর্ঘ একটা বন্ধ পেলাম । ভাবতেই মনটা ফুরফুরে লাগছে । লিটন : কিন্তু গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানাের তাে কোনাে সুযােগ নেই। পাঠ্যবইয়ের বাইরে তাে যাওয়া যাচ্ছে না। পড়াশুনার যা চাপ। লিসা : পাঠ্যবইয়ের পড়া হজম করার জন্য মাঝে মাঝে পাঠ্যবই বহির্ভূত পুস্তকও পাঠ করা প্রয়ােজন। জানিস তাে? লিটন : কেন, তুই আবার নতুন কোনাে বই পড়লি নাকি? লিসা : হ্যাঁ, অসাধারণ একটি বই পড়েছি । লাল নীল দীপাবলি । লিটন : হুমম, হুমায়ুন আজাদ স্যারের লেখা বই। আমার পড়া হয়নি। অসাধারণ কেন? লিসা : এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। অসাধারণ এর ভাষা। মানুষ মানুষকে ভালােবাসতে পারে এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ তার মাতৃভাষাকে এত গভীরভাবে ভালােবাসতে পারে! মাতৃভাষায় রচিত সাহিত্যকে ভালােবাসতে পারে প্রিয়জনের মতাে! আমি মুগ্ধ হয়েছি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি দেখে । অবাক ব্যাপার কি জানিস? তিনি তাঁর ভালােবাসা আমাদের মধ্যে সঞ্চারিত করেছেন। এটা তার বিরাট কৃতিত্ব। লিটন : আমি তাে ইতিহাসকে ভয় পাই । আমার কি ভালাে লাগবে? লিসা : অবশ্যই। বইটির ভাষাই তােকে আকৃষ্ট করবে। তুই স্বেচ্ছায় আগ্রহ নিয়ে বইটি পড়বি বলে আমার বিশ্বাস। লিটন : তাের বইটা কি আমাকে দিতে পারিস? লিসা : অবশ্যই। লিটন : তােকে ধন্যবাদ এমন ভালাে একটি বইয়ের খোজ দেওয়ার জন্য। লিসা : তােকেও ধন্যবাদ।" বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"রহিম : করিম, তুমি কেমন আছ? করিম: ভালাে আছি। তুমি কেমন আছ? রহিম : ভালাে আছি । তবে বৃক্ষরােপণ সপ্তাহ নিয়ে প্রচার-প্রচারণা, মাইকিং, উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত আছি । করিম : বিষয়টি নিয়ে আমিও সচেতন। ২৫টি মেহগনি গাছ কিনে বাড়ির চারপাশে লাগিয়েছি। কেননা আমাদের বেঁচে থাকার পিছনে বৃক্ষের অবদান সম্পর্কে আমি অবগত আছি। বন্যা, ঝড়-ঝঞা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বৃক্ষই আমাদের রক্ষা করে থাকে। তাই আমি অন্যদেরও বৃক্ষরােপণে উৎসাহিত করে থাকি। রহিম : বেশ বন্ধু! আমাদের দেশের যা অবস্থা নিজেও পরিবেশ সচেতন হতে হবে এবং অন্যকেও সচেতন করতে হবে। করিম : আমাদের দেশের মােট ভূমির মাত্র ১৭% বনভূমি। কিন্তু প্রয়ােজন ২৫% বনভূমি। দিনের পর দিন নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন করছি। এর ফলে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে। রহিম : এসব কারণে বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এগুলােই প্রকৃতির প্রতিশােধ । বৃক্ষনিধনের কারণেই এগুলাে দেখা দিচ্ছে। করিম : আর বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব তাে বাংলাদেশেই বেশি পড়বে। রহিম : হ্যাঁ, এই ক্ষতিকর হুমকি থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেকের ১টি করে হলেও গাছ লাগানাে উচিত। করিম: হ্যাঁ, বন্ধু সবাই যদি ১টি করেও গাছ লাগায় তাহলেও কোটি কোটি নতুন গাছ লাগানাে হবে। এর মাধ্যমেই আমাদের বৃক্ষরােপণ কর্মসূচি সফল হবে। রহিম : চলাে বন্ধু আমরা গাছ লাগাই এবং পাশাপাশি অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করি । করিম : হ্যাঁ, চলাে। তােমার সাথে আমিও বৃক্ষরােপণ সপ্তাহ পালনের কার্যক্রমে অংশ নেব এবং সকলকে বৃক্ষরােপণের প্রয়ােজনীয়তা সম্পর্কে অবগত করব। " বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।,"তাসিন : কীরে তুই এখনো রেডি হসনি? আমাদের তো দশটায় যাওয়ার কথা, এখন এগারোটা বেজে গেছে । ইনসাদ : তুই তো ঘেমে চুপসে গেছিস । কথা পরে শুনব। এদিকে আস, পাখার নিচে বস । তাসিন : আর বলিস না। রাস্তায় জ্যাম, হেঁটে আসতে হয়েছে । তার ওপর গরম তো আছেই । বাইরে আগুন জ্বলছে, মনে হয় আগুনের তাপ নিতে নিতে হেঁটে এসেছি । ইনসাদ : এ-কারণেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ আর বাইরে বের হব না । তুই লক্ষ করেছিস— গত কয়েক বছর ধরে গরমকালে যেমন অস্বাভাবিক গরম, তেমনি শীতকালেও শীতের তীব্রতা । কোনো ঋতুই ঠিক সময়ে আসছে না । যখন বৃষ্টি হওয়ার প্রয়োজন তখন বৃষ্টি নেই, যখন ঘূর্ণিঝড় হওয়ার কথা নয় তখন ঝড়- বৃষ্টি। আজকাল ভূমিকম্পেরও প্রকোপ দেখা দিয়েছে । তাসিন : প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণ কেন বলতে পারিস? ইনসাদ : তুই বল। তাসিন : তুই যা যা বলেছিস সেগুলোর কারণ হলো— বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন। দেখছিস না অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, সাইক্লোন, বন্যা, সুনামি, ভূমিকম্প- প্রায় সারা বছরই কোনো-না-কোনো দুর্যোগ লেগেই থাকে। ইনসাদ : কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী কে বা কী বলতে পারিস? তাসিন : হ্যাঁ, বিভিন্ন কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন হতে পারে। যেমন— বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পোন্নত দেশগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসারণ, গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া, নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস প্রভৃতি কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। ইনসাদ : এভাবে চলতে থাকলে তো পৃথিবী একসময় প্রাগৈতিহাসিক কালের মতো ধ্বংস হয়ে যাবে। বিপন্ন হবে সকল সৃষ্টিকুল। তাসিন : একদম ঠিক বলেছিস। পরিবেশ মানব সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মানুষের রচিত পরিবেশ তারই সভ্যতার বিবর্তন ফসল। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিজ্ঞানের বিজয় গৌরবে মোহান্ধ মানুষ পৃথিবীর পরিবেশকে বিষাক্ত করছে। ছড়িয়ে দিয়েছে ক্ষতিকর সব আবর্জনা ও বিষাক্ত গ্যাস। তার ফল হয়েছে বিষময়। দূষিত পরিবেশ প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। তাই গোটা জীবজগতের অস্তিত্বই আজ বিপন্ন। ইনসাদ : আমি এখন বুঝতে পেরেছি। প্রতিনিয়ত পৃথিবীর তাপমাত্রা অধিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ুর স্বাভাবিক চরিত্রে পরিবর্তন ঘটছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত বিষয়টি ‘বিশ্ব বা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন' অভিধায় ভূষিত । তাসিন : জলবায়ু পরিবর্তন তথা বিশ্ব উষ্ণায়নের একটি সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। উপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উত্তাপ বৃদ্ধি পাবে এবং পানি সম্প্রসারিত হয়ে সমুদ্রের আয়তন ও পরিধিকে বাড়িয়ে তুলবে। উষ্ণায়নের ফলে পর্বতচূড়ায় জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রের পানির পরিমাণ বাড়াবে। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাবিত এলাকার পরিমাণ যেমন বাড়বে তেমনি পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে বড়ো বড়ো শহর। ইনসাদ : জলবায়ুর পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বন্যা, খরা, নদীপ্রবাহের ক্ষীণতা, পানিতে লবণাক্ততা, সাইক্লোন, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙনসহ নানান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জনবিপর্যয় ঘটবে। তাসিন : আমি পত্রিকায় পড়েছি— বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই এশিয়াসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এশিয়া মহাদেশের ১৩০ কোটি অধিবাসী হিমালয় পর্বতমালার হিমবাহগুলো থেকে সৃষ্ট পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল। ইনসাদ : বিশ্বব্যাপী যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে অন্যতম স্থানে। কোপেনহেগেন সম্মেলন ২০০১-এ বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মসূচি বাবদ ৭০,০০০ কোটি টাকার সহযোগিতা চেয়ে প্রকল্প বা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। বর্তমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের মোট জনসংখ্যার ৬৫ ভাগ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বা হবে। তাসিন : জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে জটিল সমস্যা যা সকল গরিব দেশকে প্রভাবিত করছে ব্যাপকভাবে। তাই এবিষয়ে এখনই নানা ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। ইনসাদ : একদম ঠিক বলেছিস। মানুষের আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের জন্য পৃথিবী আজ ধ্বংসের মুখে। এখন থেকে মানুষ যদি সচেতন না হয় তবে পতন অনিবার্য। তাসিন : আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হলেও আমাদের সতর্ক হতে হবে। ইনসাদ : হ্যাঁ মানুষই শুধু পারে এ পৃথিবীটাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে। এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আমাদের পৃথিবী আবার সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা হয়ে উঠবে। তাসিন : আমাদের পৃথিবীকে আমাদেরই বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। জানো তো- ' মানবের পৃথিবী দ্বিতীয়টি নেই, মানুষের চেয়ে সুন্দর আর কিছু নেই। ' ইনসাদ : বাহ্! বেশ সুন্দর কথা তো। তোমার সঙ্গে সুর মিলিয়ে আমিও বলতে চাই- " সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"সাকিব: গতদিন কলেজে আসনি কেনো লিমন ? লিমন: সড়কে মৃত্যুর মিছিল! সাকিব: তার মানে! লিমন: বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়ে- বাসে ওঠতে যাব এমন সময় পেছন থেকে একটা বাস এসে ধাক্কা দিল আমাদের বাসটাকে; যেন ব্রেক ফেল করেছে— নিয়ন্ত্রণহীন গতি। তক্ষুনি আমরা চার-পাঁচ বন্ধু ছিটকে পড়ে কমবেশি আহত হয়েছি—মৃত্যু যেন আমাদের বাঁচিয়ে দিল। সাকিব: বলিস কী! আমাকে জানালেনা কেনো ? লিমন: সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কী আর বলব! সড়কে মৃত্যুর মিছিলে নিহতদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে সমগ্র দেশ যখন প্রতিবাদ মুখর, তখনও গাড়ি চালকদের অসচেতন অবৈধ আচরণ; এ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই, সচেতনতা নেই। সাকিব: হ্যাঁ, তাইতো মনে হচ্ছে। মাত্র কদিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে ‘নিরাপদ সড়ক চাই' সংগঠন তার প্রতিবেদনে জানাল—সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা ২৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬ সালে সারা দেশে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল ৪ হাজার ১৪৪ জন। ২০১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৪৫ জন। লিমন: সাকিব, প্রকৃত পরিসংখ্যান কিন্তু তার চেয়েও অনেক বেশি বলে আমি মনে করি। দৈনিক প্রথম আলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য হলো— ২০১৮ সালে ৫৫১৪ সড়ক দুর্ঘটনায় ৭২২১ জন নিহত। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় পরিবহন খাতে জবাবদিহি নিশ্চিত না করতে পারায় সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাচ্ছেনা। সাকিব: লিমন, তুমি কি 'বাংলাদেশ হেলথ ইনজুরি সার্ভে-২০১৬' প্রতিবেদন পড়েছ। প্রকল্পের পরিচালক বলেন 'প্রতি বছর বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ হাজার ১৬৬ জন নিহত হন। তাতে প্রতিদিন নিহতের সংখ্যা ৬৪ জন।' লিমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর বাংলাদেশের জিডিপির ২ শতাংশ ক্ষতি হয়। বাংলাদেশের জিডিপি ১৭ লাখ কোটি টাকা। তার ২ শতাংশের পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকা। তবে এই ক্ষতি বাস্তবে আরো বেশি। সাকিব: একথা সত্য লিমন—সড়কের সব ব্যাধি একদিনে তৈরি হয়নি, রাতারাতি তা নিরাময়ও হবেনা। কিন্তু গণপরিবহনখাতে যে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা চলে আসছে, সেটি দূর করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ন্যূনতম উদ্যোগ না থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। লিমন: তুই ঠিক বলেছিস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কোম্পানিভিত্তিক বাস সার্ভিস চালু এবং চালকদের লাইসেন্স দিতে নজরদারি বাড়ানোর বিকল্প নেই। সাকিব: এ-কথা ঠিক যে চালকরাই পরিবহন সেক্টরে চালিকাশক্তি। শতকরা ৮০ ভাগ দুর্ঘটনা ঘটে চালকের কারণে। বেপরোয়া ও গতিসীমার অধিক ধ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো, ওভারটেক, অবৈধ যানবাহন দায়িত্বজ্ঞান ও পেশাগত জ্ঞানের অভাব, ট্রাফিক নিয়মকানুন মেনে না চলা, যাত্রী ও নিজের নিরাপত্তার প্রতি উদাসীন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া, সচেতনতা ও নিরাপত্তা বোধের অভাব, শিক্ষার অভাব, ভুয়া লাইসেন্সের কারণে চালকদের মধ্যে পেশাদারিত্ব সৃষ্টি হচ্ছেনা। লিমন: আমিও তোর সঙ্গে একমত – যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রথমেই নজর দেওয়া প্রয়োজন গাড়ি চালকদের প্রতি। দক্ষ, সচেতন, দায়িত্ববান ও পেশাদার চালক তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার। সাকিব: সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করার ব্যাপারে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। এছাড়া সড়ক ও মহাসড়কের নির্মাণে ত্রুটি ও দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনাও সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। লিমন: সাকিব, যাত্রী ও পথচারীদের ব্যক্তি নিরাপত্তা ও বিধি-বিধান প্রতিপালনে সচেতন হতে হবে। নাগরিকদের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা মানার সংস্কৃতি সৃষ্টি করতে হবে। সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, সুধীসমাজের মনতা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যথাযথ আইন প্রয়োগে সহায়তা প্রদান করলে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করা সম্ভব। সাকিব: প্রশাসন, পুলিশ, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ, মালিক, চালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। লিমন: সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। সাকিব, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই। সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হোক, আর যেন কেউ স্বামীহারা বিধবা বা পত্নীহারা, সন্তানহারা, পিতাহারা বা মাতাহারা এতিম কিংবা স্বজনহারা নাহয় এ আমার প্রত্যাশা। সাকিব: নিশ্চয়ই, সড়ক হবে নিরাপদ, শান্তির। জীবনের নিরাপত্তা দান করা বা বিধান করা বা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। নিরাপদ সড়কের জন্য পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সচেতন হওয়া অপরিহার্য। সড়ক পথ কখনো মৃত্যুর পথ হতে পারেনা, আমরা নিরাপদ নির্বিঘ্নে পথ চলতে চাই, নিরাপদ সড়ক চাই। লিমন: ধন্যবাদ সাকিব । সাকিব: তোমাকেও ধন্যবাদ।" উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে দুই পরীক্ষার্থী বন্ধুর সংলাপ,"মিঠু : মিলা, তুমি তো দেখছি সারাক্ষণই পড়ছ, এত পড়ে লাভ কী বলো তো? মিলা : বলছ কি মিঠু। সামনে পরীক্ষা; না পড়লে চলবে কেন? আমি তো বলি, তোমার আরো পড়াশোনা করা উচিত। মিঠু : আমি যে তা ভাবি না, তা নয়, তবে কি জান বিশেষ উৎসাহ পাই না। বাবা মায়ের ইচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি। আমার কিন্তু একটুও ইচ্ছে হয় না ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার। মিলা : আসলে কী জান, আমাদের নিজেদের ইচ্ছেমতো আমরা ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি না। আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে অভিভাবকদের ইচ্ছেয়। একটু মেধাবী হলে তো কথাই নেই, হয় ডাক্তারি পড়, নয়তো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়। যেন এছাড়া আর কিছু পড়ার নেই, করার নেই। আসলে আমাদের অভিভাবক খোঁজেন নিশ্চিত টাকা রোজগারের একটা পেশা। মিঠু : তুমি ঠিক বলেছ মিলা। সেই সঙ্গে বেশির ভাগ ছেলেমেয়ের জীবনে কী নিদারুণ আশাভঙ্গের ইতিহাস জড়িয়ে থাকে ভেবে দেখেছ। উচ্চ-মাধ্যমিক পাশের পর কতজন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তির সূযোগ পায় বলো তো। ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবার আশা নিয়ে যারা ভর্তির সুযোগ পেল না তাদের কথা ভেবে দেখেছ কি? মিলা : লেখাপড়ার সঙ্গে জীবিকার প্রশ্ন চিরকালই জড়িয়ে থাকবে; কিন্তু সেই সঙ্গে কার কোনদিকে প্রবণতা সেটাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন । মিঠু : নিশ্চয়। ধর কসাইয়ের মতো স্বভাবের একটা লোক ডাক্তার হয়ে গেল; কিংবা একজন কবি হলো ইঞ্জিনিয়ার। আচ্ছা মিলা, তুমি ভবিষ্যৎ জীবনের কথা কিছু ভেবেছ? মিলা : এসএসসি পাশের পরেই আমি আমার জীবনের একটা লক্ষ্য স্থির করেছি। তুমি তো জান আমার মাধ্যমিকের ফল ভালোই হয়েছে। ইচ্ছে করলে বিজ্ঞান পড়তে পারতাম। কিন্তু আমি মানবিক বিভাগই বেছে নিয়েছি। আমার ইচ্ছে ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো সাংবাদিক হব। সেটা আমার পেশাও হবে, আর হবে আমার সামাজিক দায়িত্ব পালনের নেশা। মিঠু : বাড়ি থেকে কোনো বাধা পাওনি। মিলা : আমার বাড়ির সবাই আমার ইচ্ছাকে মেনে নিয়েছেন। মা যেহেতু শিক্ষিকা, তাঁর ইচ্ছে ছিল শিক্ষাজীবী হই। মাকে বোঝালাম সাংবাদিকতাও তো কলম-পেশাই। মা সহাস্যে মেনে নিলেন। আচ্ছা মিঠু, তুমি ভবিষ্যৎ জীবন কেমন করে গড়ে তুলতে চাও? মিঠু : আমি একজন অর্থনীতিবিদ হতে চাই। সত্যি মিলা, মাঝে মাঝে মনে হয়, এদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে কোনো গোলমাল আছে। নইলে এত দারিদ্র্য, এত অপচয়, এত বৈষম্য কেন? এসব সমস্যার কি কোনো সমাধান নেই? অন্তর থেকে আমি একজন অর্থনীতির ছাত্র হতে চাই। মিলা : তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা খুব ভালো মিঠু। আর একজন ভালো অর্থনীতিবিদ হতে হলে যে বেশি করে পড়াশোনা করা দরকার সেটা নিশ্চয় জানো। নতুন উদ্যমে এবার পড়া শুরু করে দাও। মিঠু : তোমার সঙ্গে কথা বলে আমার উৎসাহ আরো বেড়ে গেল, মিলা। আমিও তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।" গ্রাম্যমেলা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"শিমুল : কেমন আছ পলাশ? পলাশ : ভালো । তুমি কেমন আছ? শিমুল : ভালো । তবে খুব ক্লান্ত । পলাশ : ক্লান্ত কেন? তোমাকে কদিন দেখিনি কেন? শিমুল : আমি নানু বাড়ি গিয়েছিলাম । মেলা দেখতে । পলাশ : তোমার নানু বাড়ি দুবলিয়ায় না? ওখানকার গ্রাম্যমেলা তো বিখ্যাত 1 শিমুল : হ্যাঁ । পাবনার দুবলিয়ার মেলাটি দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জনের পরেই জমে উঠত । এখন পূজার আগ থেকে প্রায় এক মাসব্যাপী এ মেলা চলে । পলাশ : এত দীর্ঘ সময় ধরে চলে মেলা? শিমুল : শুধু দীর্ঘ সময় ধরে চলে তা-ই নয়, বিশাল অঞ্চল জুড়ে চলে এ মেলা ! পলাশ : এখানে কী কী পাওয়া যায়? শিমুল : বাচ্চাদের খেলনা, নাগরদোলা, শিশুদের জন্য ট্রেন, গৃহস্থালির আসবাবপত্র, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি । মিষ্টিদ্রব্য, পোশাক, আরও কত কী! পলাশ : তোমার সবচেয়ে কী ভালো লেগেছে? শিমুল : দল বেঁধে নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর-কিশোরী মেলায় ঘুরছে । শিশুরা বাঁশি বাজাচ্ছে । গৃহবধূ মেলায় এসেছে বাচ্চাদের হাত ধরে । হিন্দু-মুসলমান কোনো ভেদাভেদ নেই । পলাশ : সবাই আনন্দের সাথে মেলায় ঘুরতে আসে তাই না? শিমুল : হ্যাঁ, স্বতঃস্ফূর্ততাই আমাকে খুব আনন্দ দেয় । আমি মেলা থেকে তিলের মোয়া, বাতাসা, কদমা, খুরমা, ছোটো বোনটির জন্য ফিতা, ক্লিপ ইত্যাদি কিনলাম । পলাশ : আর কী দেখলে মেলায়? শিমুল : নৌকা বাইচ দেখলাম । নৌকা বাইচের জন্য তিন দিন অপেক্ষা করলাম । আগে মেলাই হতো নৌকাবাইচ কেন্দ্রিক । এখন অবশ্য জলাশয় কমে যাওয়ায় সীমিত পরিসরে বিলের মতো জায়গায় নৌকাবাইচ হয় । পলাশ : মজা তো । আমি কখনো নৌকা বাইচ দেখিনি । তুমি দারুণ এক অভিজ্ঞতা অর্জন করলে । শিমুল : হ্যাঁ, আমি দেখলাম গ্রামের মানুষের যেন নব উদ্যমে নতুন কর্মশক্তিতে জেগে উঠছে, জেগে উঠছে আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি । পলাশ : তোমাকে ধন্যবাদ বন্ধু । এত সুন্দর বিবরণ দেওয়ার জন্য । শিমুল : তোমাকেও ধন্যবাদ । আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য ।" দুর্নীতির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"বাদল : কেমন আছ বন্ধু ? নির্ঝর : ভালো । তুমি কেমন আছ? বাদল : ভালো আছি । নির্ঝর : তুমি কী পড়ছিলে? বাদল : আমি একটি প্রতিবেদন পড়ছিলাম, ‘তারুণ্য রুখবে দুর্নীতি' । নির্ঝর : কোন কাজগুলো দুর্নীতির আওতায় পড়ে বলতে পারবে? বাদল : ঘুষ, অবৈধ উপায়ে সুবিধা লাভ, চাঁদাবাজি, সরকারি কোষাগারে চুরি-ডাকাতি, অবৈধ পৃষ্ঠপোষকতা, স্বজনপ্রীতি, অবৈধভাবে চাকরি প্রদান, অর্থ আত্মসাৎ, কাউকে সুবিধা দেওয়ায় সুবিধা গ্রহণ, অবৈধভাবে কোনো কিছু ভোগ করা, এমনকি ঠিক সময়ে দায়িত্ব পালন না করাও দুর্নীতি । নির্ঝর : দুর্নীতির কারণগুলো কী? বাদল : দলবাজি, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অকার্যকারিতা, শাস্তি না হওয়া, ভোগবাদী প্রবণতা, বিকৃত ভোগবাদী অর্থনীতি, মূল্যবোধের অবক্ষয়, প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব ইত্যাদি কারণে দুর্নীতি বেড়েছে । নির্ঝর : আমরা তো দুর্নীতিতে ৫ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান হয়েছি তাই না? ভালো কাজে আমাদের এমন ধারাবাহিক রেকর্ড নেই । খারাপ কাজে বিরাট অর্জন! আচ্ছা বন্ধু বলতো এই সর্বগ্রাসী বিপদ থেকে আমরা কীভাবে রক্ষা পেতে পারি? বাদল : স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করতে হবে । দোষী ব্যক্তি যেই হোক তাকে শাস্তি দিতে হবে । সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে । দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় কমিটি গঠন করতে হবে । টিআইবিকে জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে । সর্বোপরি দুর্নীতিবাজকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে । নির্ঝর : অর্থাৎ সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে । গণমাধ্যমেরও এক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখতে হবে । বাদল : ঠিক তাই । নির্ঝর : তোমার মূল্যবান বক্তব্যের জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ । বাদল : ধন্যবাদ তোমাকেও ।" সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"অমিত : কেমন আছ অমিত? নির্ঝর : ভালো আছি । তুমি কেমন আছ? অমিত : ভালো আছি । তবে মনটা খুব খারাপ । নির্ঝর : কেন কী হয়েছে? অমিত : চোখের সামনে ছোট্ট একটি ছেলেকে গাড়ি চাপা পড়তে দেখলাম । ছেলেটি শুধু একটিবার মা বলে ডাকতে পেরেছিল । নির্ঝর : দুর্ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে? অমিত : ফার্মগেটে । নির্ঝর : ব্যস্ত রাস্তা, তারপরও এমন বেপরোয়া গাড়ি চালনা! অমিত : বলতে পার, কবে আমাদের দেশে এরকম বেপরোয়া গাড়ি চালনা বন্ধ হবে? নির্ঝর : যতদিন চালকরা শিক্ষিত না হবে, প্রশিক্ষিত না হবে, লাইসেন্সবিহীন চালকরা যতদিন রাস্তায় গাড়ি চালাবে, ততদিন এই বেপরোয়া গাড়ি চালানো বন্ধ হবে না । অমিত : আরও একটি সমস্যা আছে, সেটা হলো চালকদের মাদকাসক্তি । নির্ঝর : ঠিক বলেছ। এ কারণে অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটছে । অমিত : সরকার দুর্ঘটনা রোধের জন্য কী করতে পারে? নির্ঝর : অপ্রশস্ত রাস্তা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ । সরকারকে অবশ্যই রাস্তাঘাটগুলো প্রশস্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে । বিআরটিএ-এর কাজে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা আনতে হবে । অমিত : বিআরটিএ-এর গতিশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বলতে তুমি কী বোঝাচ্ছ? নির্ঝর : গাড়ি ও চালককে সঠিকভাবে লাইসেন্স দিতে হবে এবং গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেটও সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে দিতে হবে । এক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে। অমিত : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা কী হবে? নির্ঝর : ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে । ফিটনেসবিহীন, লাইসেন্সবিহীন গাড়ি যাতে রাস্তায় চলতে না পারে, সে ব্যাপারে কঠোর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে । অমিত : একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না । তাই আমাদের সমাজের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। নির্ঝর : পত্র-পত্রিকা এবং গণমাধ্যমগুলোর দৃঢ় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে । অমিত : আমিও তাই মনে করি, তোমাকে ধন্যবাদ । নির্ঝর : তোমাকেও ধন্যবাদ ।" শব্দদূষণ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"সেতু : জানাে, কাল রাতে একদম ঘুমাতে পারিনি। মিতু : কেন? কী হয়েছে? সেতু : মাইকের প্রচণ্ড শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গিয়েছিল । কানে বালিশ চাপা দিয়েছিলাম, তবুও ঘুমাতে পারিনি। মিতু : আসলেই মানুষের এ ধরনের অসচেতনতা দেখলে খুব অবাক হতে হয়। কারও কোনাে অধিকার নেই অন্যকে এভাবে ব্রিত করার । এভাবে শব্দদূষণের ফলে কত মানুষ যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার হিসাব কেউ রাখছে না। সেতু : হ্যা, সেদিন একটি ফিচার পড়লাম। শব্দদূষণ একটি নীরব ঘাতক। এর থেকে মাথা ব্যথা, বধিরতা, অনিদ্রা, পেপটিক আলসার, হৃদরােগ ইত্যাদি হতে পারে। মিতু : তুমি কি জানাে, সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে ব্যস্ত বিমানবন্দরের আশেপাশে সন্তানসম্ভবা অধিকাংশ মায়েরা বিকলাঙ্গ ও অপুষ্ট সন্তান জন্ম দিয়েছে । এর কারণ কি জান? সেতু : না, জানি না তাে। মিতু : এর কারণ হলাে শব্দদূষণ। সেতু : কী কী কারণে শব্দদূষণ হতে পারে? মিতু : যানবাহনের আওয়াজ, হাইড্রোলিক হর্নের শব্দ, কল কারখানার শব্দ, বিমান, হেলিকপ্টারের শব্দ, মানুষের কোলাহল, উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার, মাইকের শব্দ ইত্যাদি শব্দদূষণ সৃষ্টি করে। সেতু : এর প্রতিকার কী? মিতু : পরিবেশ আইনজীবী সংগঠন বেশ কয়েক বছর আগে (২০০২) জনস্বার্থে রিট পিটিশন করেছিল । উচ্চ আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল শব্দদূষণকারী হাইড্রোলিক হর্নের ব্যাপারে। কিন্তু কেউ তা মানছে না। সেতু : তাহলে উপায়? মিতু : ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। শব্দদূষণ কী এটি যেমন জনগণকে বােঝাতে হবে তেমনি এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সকলকে অবগত করতে হবে। হাইড্রোলিক হর্ন আমদানি বন্ধ করতে হবে। শব্দদূষণ সম্পর্কে যে আইন আছে তার কঠোর বাস্তবায়ন করতে হবে। সেতু: আমার মনে হয় সরকার ও জনগণ উভয়ে একসাথে কাজ করলে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। মিতু : একদম ঠিক বলেছ। ধন্যবাদ। সেতু : তােমাকেও ধন্যবাদ।" বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"আরমান : এসাে মনির, ভেতরে এসাে। কেমন আছ? মনির : ভালাে। তুমি কেমন আছ? আরমান : আমিও ভালাে। তবে দেখতেই পাচ্ছ, বিদ্যুৎবিহীন ঘরে মােমবাতি জ্বেলে বসে আছি। মনির : হ্যা, তা তাে দেখতেই পাচ্ছি। আমাদের এলাকাতেও এখন বিদ্যুৎ নেই। ভাবলাম, তােমার বাসায় বিদ্যুৎ থাকতে পারে তাই এদিকে চলে এলাম। আরমান : দুর্ভাগ্য দুজনেরই। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। লেখাপড়া শিকেয় উঠতে চলেছে। মনির : আর বলাে না। পরীক্ষার্থীদের এখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। আরমান : পরীক্ষার্থী হিসেবে আমার একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শুনবে? মনির : হ্যা, বলল, শুনি। আরমান : গত মাসে আমাদের কলেজে নির্বাচনী পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে পরীক্ষা দিচ্ছিলাম। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল অঝাের ধারায়। হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেল। আমরা হতভম্ব হয়ে গেলাম। মনির : তারপর? আরমান : তারপর আর কী? ‘হল’ ঘর অন্ধকার হয়ে গেল। বন্ধ হয়ে গেল লেখা। মনির : কোনাে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয় নি? আরমান : বিকল্প ব্যবস্থা বলতে কর্তৃপক্ষ মােমবাতি সংগ্রহ করে জ্বালিয়ে দেয়। দইয়ের স্বাদ কি ঘােলে মেটে! পরীক্ষার ফল ভালাে হয়নি। মমির : আসলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট জীবনের সকল কাজকেই বিপর্যস্ত করে। আরমান : বিশেষ করে হাসপাতালে রােগীদের দুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে। মনির : আমাদের মতাে দরিদ্র দেশে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিকার করা কঠিন। আরমান : সরকারের উচিত নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে এবং অবৈধ সংযােগ বিচ্ছিন্ন করে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা। মনির : আমিও মনে করি, এ ব্যাপারে সরকারের আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু। তােমাকে ধন্যবাদ। মনির : তােমাকেও ধন্যবাদ।" বই পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"অরিন : কেমন আছ বন্ধু? অমিয় : ভালাে। তুমি কেমন আছ? অরিন : ভালাে আছি। আমি একটি বই পড়ছি। অমিয় : কী বই? অরিন : চরমপত্র। অমিয় : কে লিখেছেন? অরিন : এম আর আখতার মুকুল। অমিয় : যিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে চরমপত্র কথিকা পাঠ করেছিলেন তিনি? অরিন : হ্যা। অমিয় হঠাৎ বইটি পড়ার ইচ্ছা হলাে কেন? অরিন : হঠাৎ ইচ্ছে হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বইটি খুঁজছিলাম। আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে শহিদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা 'একাত্তরের দিনগুলি' পড়ে। অমিয় : অর্থাৎ একটি বই পড়ে তােমার আরেকটি বই পড়ার ইচ্ছে হলাে? অরিন ঠিক তাই। আমি যখন চরমপত্র পড়ছি তখন আরাে কিছু বই পড়ার আগ্রহ জন্মালাে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা পৃথিবীর রাজনীতিক পরিস্থিতি, পরাশক্তিগুলাের রাজনীতিক অবস্থান এ সম্পর্কে আরাে জানতে ইচ্ছে করছে। অমিয় : অর্থাৎ একটি বই তােমার সামনে জ্ঞানের নতুন নতুন দিগন্ত উন্মােচন করছে। অরিন : হ্যা বন্ধু। বইয়ের মতাে ভালাে বন্ধু আর নেই। কোনাে বই তােমাকে হাসাবে, কোনাে বই তােমাকে কাদাবে, কোনাে বই তােমাকে সঙ্গ দেবে প্রিয় সঙ্গীর মতাে। সবাই তােমাকে ঠকাতে পারে কিন্তু বই তােমাকে কখনাে ঠকাবে না। অমিয় : আমিও তাই বিশ্বাস করি এবং আরও জানি বই কখনাে পুরাতন হয় না। বই সবসময় অনন্ত যৌবনা। অরিন : একজন পুস্তক প্রেমিক বলেছিলেন যে, তিনি যদি বেহেশতে জায়গা পান, তবে বেহেশতের কিশতি সাজাবার একটি উপকরণ হিসেবে বইকে নেবেন। অমিয় : বাহ! খুব সুন্দর কথা বলেছেন তাে তিনি। অরিন : ব্যাবহারিক দিক থেকেও যদি বিবেচনা কর তবে দেখতে পারবে বিশ্বায়নের এই যুগে বই না পড়ে তুমি থাকতে পারবে না। বিশ্বের তথ্যভান্ডারে প্রতি মুহূর্তে তথ্য যােগ হচ্ছে। তােমাকে সর্বশেষ তথ্যটা জানার জন্য প্রতি মুহূর্তে বই পড়তেই হবে। অমিয় : আমাদের বই পড়তে হবে নিজেকে পরিপূর্ণ ও যুগােপযােগী মানুষ হিসেবে গড়ে তােলার জন্য। অরিন : ঠিক তাই। তােমার পরামর্শের জন্য তােমাকে ধন্যবাদ বন্ধু। অমিয় : তােমাকেও ধন্যবাদ।" নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর,"ইমন : কেমন আছ, বন্ধু? নিলয় : ভালাে, তুমি কেমন আছ? ইমন : ভালাে, তােমার ছােটো বােনের তাে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ। এবার কী করবে? নিলয় : ইমন, আমার ছােটো বােন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ে অংশ নিচ্ছে। ইমন : এটাতাে খুব ভালাে কথা। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিলয় : যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য শিক্ষাই এখন বড়াে হাতিয়ার। আজকাল ছেলেদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মেয়েরাও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। তুমি কি বিষয়টা উপলব্ধি করতে পার? নিলয় : হ্যা ইমন, আমিও এ বিষয়ে অনেক সচেতন। তাই আমি স্বপ্ন দেখি আমার বােন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজের পরিচয় নিজে গড়ে তুলুক। ইমন : একটা কথা সবসময় মনে রেখাে, তােমার বােন যতদূর পর্যন্ত লেখাপড়া করতে চায় করাবে। তাকে সবসময় উৎসাহ দেবে। কারণ এটা কেবল নাম, যশ, প্রতিপত্তির জন্যই নয়, সমাজে পরিচিতি গড়ে তােলার জন্যও জরুরি। নিলয় : আমি জানি ইমন। শিক্ষা না থাকলে মেয়েদের সবাই হেয় প্রতিপন্ন করে। তাই আমিও চাই যেন আমার বােন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে চলাফেরা করতে পারে। ইমন : অবশ্যই, নিলয়। বর্তমানে নারীশিক্ষার ব্যাপারে আমাদের দেশে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যে দেশের প্রধান প্রধান পদ অলংকৃত করে আছেন নারীরা, সে দেশের নারীরা পিছিয়ে থাকবে এটা ভাবাই যায় না। তুমি তােমার বােনকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য অগ্রসর হতে বলল । এর জন্য সকল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা দেব। নিলয় : ধন্যবাদ ইমন। আমি উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য আমার বােনের পাশাপাশি অন্যান্য নারীকেও শিক্ষিত হয়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করব।" বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা কর,"সায়েম : সেদিন পত্রিকায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন পড়লাম। তুমি কি খেয়াল করেছিলে? শুভ : না, তবে বাংলাদেশে যে এর যথেষ্ট নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। সায়েম : তুমি জাননা, সাম্প্রতিক বছরগুলােতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বেড়েই চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান গবেষণার মাধ্যমে এ তথ্য বের করেছে। শুভ : আমিও সেদিন একটি প্রতিবেদন পড়েছি যে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে বেশি বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়াচ্ছে। এ কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাচ্ছে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর অনিশ্চিত পরিণামের ব্যাপারেও সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এর কীরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে তুমি মনে কর? সায়েম : আমি মনে করি, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল রয়েছে। অনেক এলাকাতেই মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। শুভ : শুধু তাই নয়, সম্প্রতি বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের এক জরিপ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশের ৮৪ শতাংশ মানুষ। জানিয়েছে তাদের উপার্জন ক্ষমতার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে। পৃথিবীর উত্তাপ বাড়ার কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে বাংলাদেশের মতাে নিমভূমির এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। সায়েম : বিষয়টি আসলেই দুশ্চিন্তার। আমাদের এখন থেকেই এ ঝুঁকি প্রশমনের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। এ উদ্দেশ্যে আমাদের বায়ুতে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমাতে হবে। আর এর একমাত্র উপায় হলাে বৃক্ষরােপণ করা। শুভ : হ্যা, তুমি ঠিক বলেছ। আমিও তােমার সাথে একমত। তােমার বক্তব্যের জন্য তােমাকে ধন্যবাদ। সায়েম : তােমাকেও ধন্যবাদ। " বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে দুই বান্ধবীর একটি সংলাপ রচনা কর,"শিলা : আগামীকাল বাংলা বছরের প্রথম দিন। ভাবতেই ভালাে লাগছে। মিলা : হ্যা, দিনটি সরকারি ছুটির দিন। কিন্তু স্কুলে অনুষ্ঠান আছে। শিলা : তােমার স্কুলে কী ধরনের উৎসব হবে? মিলা : আমাদের স্কুলে নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়ােজন করা হয়েছে। কবিতা পাঠের আসর বসবে। গান হবে, নাচ হবে। এসবের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠবে আবহমান বাংলার চিরায়ত রূপ। স্কুলের পাশে মেলা হবে। যার। মধ্য দিয়ে আমরা গ্রামীণ স্বাদ ও সৌন্দর্যকে একত্রে উপভােগ করব। এসবের পাশাপাশি নববর্ষ উপলক্ষ্যে আমাদের। স্কুলে খাওয়া-দাওয়ারও আয়ােজন করা হবে। তুমি কোথাও যাবে না? শিলা : আমি সকালে মা-বাবার সাথে চারুকলায় যাব, মঙ্গল শােভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করব। এরপর রমনার বটমূলে। কিছুক্ষণ গান শুনে তারপর যাব টিএসসিতে। মিলা : আমিও দুপুরে টিএসসিতে যাব । আচ্ছা নববর্ষের অনুষ্ঠানে তােমার কোন বিষয়টি সবচেয়ে ভালাে লাগে? শিলা নববর্ষের অনুষ্ঠানে সকল ধর্মের, সকল বর্ণের, সকল পেশার, সকল বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই আমার ভালাে লাগে । মিলা : হ্যা, এর পাশাপাশি বাঙালির গান, বাঙালির কবিতা, বাঙালির খাবার, বাঙালির পােশাক, বাঙালির সাজসজ্জা, রুচিবােধ ইত্যাদিও আমাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করে। শিলা : দিনটি উপলক্ষ্যে কতদূর থেকে যে বিক্রেতারা পণ্য নিয়ে আসে । সর্বত্র একটি উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। এটি আমার খুব ভালাে লাগে। মিলা : বাংলা নববর্ষের মূলকথাই হলাে সম্প্রদায় নিরপেক্ষতা ও সমতার চেতনা লালন । শিলা : হ্যা, তুমি ঠিক বলেছ। তােমার বক্তব্যের জন্য তােমাকে ধন্যবাদ। মিলা : তােমাকেও ধন্যবাদ । " আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব বিষয়ে একটি সংলাপ লেখ,"লতিফা : আপু, আমি তাে অনেকদিন পর বিদেশ থেকে ফিরলাম । আমি তােমার কাছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে জানতে চাই। তুমি কি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে কিছু জান? সেলিনা : হ্যা, একুশে ফেব্রুয়ারি হলাে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিনটি আমাদের দেশে উদ্যাপিত হয় শহিদ দিবস হিসেবে। লতিফা : দিবসটির ইতিহাস কী? সেলিনা : এদিন ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জনের মুখের ভাষা ছিল বাংলা। বাঙালিরা চেয়েছিল উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করা হােক। কিন্তু পাকিস্তানিরা তা মেনে না নেওয়ায় বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন করে । লতিফা : ভাষা আন্দোলনে কারা শহিদ হন? কীভাবে শহিদ হন? সেলিনা : সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার শফিউর, আউয়াল, অহিদুল্লাসহ অনেকেই ভাষা আন্দোলনে শহিদ হন। ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করলে পুলিশ মিছিলে গুলি চালায়। লতিফা : এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেল কেন? সেলিনা : বাঙালিরা তাদের মাতৃভাষার জন্য যে অতুলনীয় আত্মত্যাগ করেছে তা বিশ্ব ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। তাই জাতিসংঘের ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘােষণা করে। লতিফা : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস গােটা বিশ্ব কীভাবে পালন করে ? সেলিনা : এ দিনে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলাে তাদের নিজ নিজ মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানায়। আমাদের মহান ভাষা শহিদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানায়। লতিফা : তুমি কীভাবে দিনটি উদ্যাপন কর ? সেলিনা : আমি একুশের প্রতিটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি এবং মনে মনে দৃঢ় শপথ নেই যে, আমি আমার মাতৃভাষাকে সবসময় ভালােবাসব। মাতৃভাষায় রচিত সাহিত্যকে ভালােবাসব। লতিফা : তােমার সাথে কথা বলে আমি অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ। সেলিনা : তােমার জানার আগ্রহের জন্য তােমাকেও ধন্যবাদ। " নারীশিক্ষার গুরুত্ব বিষয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"বাবা : সুরভী, মা তােমার তাে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ। এবার তুমি কী করবে? মেয়ে: বাবা, আমার বান্ধবীরা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ে অংশ নিচ্ছে। আমিও ভর্তি হতে চাই। বাবা : এটাতাে খুব ভালাে কথা। আমি চাই আমার মেয়ে অনেক দূর পর্যন্ত লেখাপড়া করবে । বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য শিক্ষাই এখন বড়াে হাতিয়ার। আজকাল ছেলেদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মেয়েরাও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। তুমি কি এ বিষয়টা উপলব্ধি করতে পার? মেয়ে : হ্যা বাবা, আমাদের কলেজের ইংরেজির শিক্ষকও এ বিষয়ে আমাদের সচেতন করতেন । আমিও স্বপ্ন দেখি বড়াে কিছু হওয়ার। আমি নিজের একটা পরিচিতি গড়ে তুলতে চাই। বাবা : একটা কথা সবসময় মনে রেখাে, তুমি যতদূর পর্যন্ত লেখাপড়া করতে চাও করবে। আমি ও তােমার মা সবসময় তােমার পাশে থাকব। আমি চাই তুমি আইন বিষয়ে পড়। আমার স্বপ্ন তুমি আইনজীবী হবে । রাষ্ট্রের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে সাহসিকতার প্রমাণ রাখবে । সারা দেশে তােমার সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। এটা কেবল নাম, যশ, প্রতিপত্তির জন্যই নয়, বরং সমাজে তােমার পরিচিতি গড়ে তােলার জন্যও জরুরি। মেয়ে : আমিও এমন কিছু করতে চাই, যেন সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারি । শিক্ষা না থাকলে সভা প্রতিপন্ন করে। আমি পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চাই। বাবা : অবশ্যই মা। বর্তমানে নারীশিক্ষার ব্যাপারে আমাদের দেশে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যে দেশের প্রধান প্রধান পদ অলংকার করে আছেন নারীরা, সে দেশে নারীরা পিছিয়ে থাকবে এটা ভাবাই যায় না। তুমি তােমার স্বপ্ন পরণের পথে অগ্রসর হও। এর জন্য সকল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা তোমাকে দেবো। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা তােমরা আমার সাথে থাকলে আমি সবকিছু জয় করতে পারব। আমি উচ্চশিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য নারীকেও শিক্ষিত হয়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করব।" বইমেলা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন কর,"মিজান : বইমেলায় কি তুমি প্রথম এসেছ? জামান : না, প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য অপেক্ষা করি, বইমেলা শুরু হলে প্রায় প্রতি শুক্রবার এবং ছুটির দিনে বইমেলায় আসি। এ মেলা আমার প্রাণের মেলা। মিজান : আমিও তিন-চার বছর ধরে ঢাকায়। তিন-চার বছর ধরে নিয়মিতই বইমেলায় যাই। এছাড়া অন্য কোথাও বইমেলা হলে সেখানেও যাই। জামান : আমিও তােমার মতাে বইমেলা খুব পছন্দ করি। বইমেলার জন্য আমিও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকি। মিজান : কেমন লাগছে এবারের বইমেলা? জামান : এবার বইমেলাটা বাংলা একাডেমি ও সােহরাওয়ার্দী উদ্যানের কিছু অংশ জুড়ে হওয়ায় জায়গাটা সুপরিসর হয়েছে। ফলে, ঘুরতে বেশ ভালাে লাগছে। মিজান : কী কী বই কিনলে? জামান : এখনাে পর্যন্ত বই কিনিনি। শুধু ক্যাটালগ সংগ্রহ করেছি। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে সমন্বয় করে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেব। তুমি কী বই কিনলে? মিজান : তুমি তাে জানাে আমার বিজ্ঞানের প্রতি দুর্বলতা আছে। আমি মূলত বিজ্ঞানভিত্তিক কতকগুলাে বই কিনেছি। ছােটো ভাগ্নেটা পছন্দ করে ডাইনােসর, বড়ােটি পছন্দ করে কমিকস । ওদের জন্য পুথিনিলয়-এর কার্টুন সিরিজের বইগুলাে কিনলাম । ডাইনােসরের কয়েকটি বই কিনলাম ছােটোটির জন্য। জামান : বাচ্চারা মেলায় আসে, বই দেখে, বাবা মায়ের কাছে বায়না করে, বইয়ের পাতা উল্টায় এগুলাে আমার খুব ভালাে লাগে। মিজান : আমারও বইপ্রেমী মানুষদের একত্রে দেখে মনটা আনন্দে ভরে ওঠে। আমিও আশাবাদী হয়ে উঠি। জামান : আমিও আশা করি, বই সকল অজ্ঞানতা দূর করতে সমর্থ হবে। আগামী দিনে বই-ই শিক্ষিত জাতি ও সমাজ বিনির্মাণ করবে।" সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সম্পর্কে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"বাবা : মুনিয়া, নতুন কলেজে ভর্তি হয়ে কেমন লাগছে? শ্রেণিতে কারও সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে? মুনিয়া : হ্যাঁ, বাবা। আমার দীপান্বিতা নামের একটা মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে। ওর সাথে আমার অনেক কিছুই মিলে যায় । তবে ওর ধর্ম আলাদা। বাবা : বেশ ভালাে কথা। ধর্ম আলাদা হলেও সকল মানুষ সমান। আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনেক নজির রয়েছে। বাংলাদেশে আবহমানকাল ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে ধারা বয়ে চলেছে, বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে তার বহিঃপ্রকাশ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে লক্ষ করা যায়। তুমি কি এ বিষয় উপলব্ধি করতে পার? মনিয়া : হ্যাঁ, আমাদের শ্রেণি শিক্ষকও বলেছেন, বিদ্যালয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে। বাবা : তােমাদের শিক্ষক একদম ঠিক কথা বলেছেন। সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবােধ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। সামনে তাে ইদ। তুমি কি তােমার বান্ধবীকে আমাদের বাসায় নিমন্ত্রণ করতে চাও? মনিয়া : হ্যাঁ বাবা, অবশ্যই। কলেজের প্রথম দিনেই ও আমাকে নানাভাবে সাহায্য করেছে। আগামীকাল ও আমাকে ওদের বাসায় নিয়ে যাবে বলেছে। বাবা : ভালাে। তােমরা একে অপরের সাথে মিলেমিশে থাকবে। তােমাদের দেখে সকলে যেন ধর্মীয় ব্যবধানের উর্ধ্বে গিয়ে মানবতার কথা ভাবতে অনুপ্রাণিত হয়। তােমরা অন্যদেরও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে উদ্বুদ্ধ করবে। আমার কথা মনে থাকবে তাে? মুনিয়া : হ্যাঁ বাবা । তােমার পরামর্শের জন্য অনেক ধন্যবাদ। বাবা : তােমাকেও ধন্যবাদ মা, আমার কথা মনােযােগ দিয়ে শােনার জন্য।" ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে বন্ধুর সাথে তােমার একটি সংলাপ তৈরি কর,"সােহেল : কেমন আছ তুমি? আমি : ভালাে আছি সােহেল। তুমি কেমন আছ? সােহেল : ভালাে। তবে খুব ব্যস্ত আছি। ১ মাস হলাে আমি একটি ইংরেজি শেখার কোর্সে ভর্তি হয়েছি। আমি: হঠাৎ ইংরেজি শেখার কোর্সে ভর্তি হলে কেন? সােহেল : ইংরেজি হলাে আন্তর্জাতিক ভাষা। সারা পৃথিবীতে যােগাযােগের অন্যতম মাধ্যম হলাে ইংরেজি। বর্তমান যুগ ইংরেজির যুগ। তাই এ ভাষায় নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতেই আমি একটি কোর্সে ভর্তি হয়েছি। আমি: বেশ ভালাে একটা উদ্যোগ নিয়েছ। সব জায়গাতেই এমন ইংরেজি ভাষা দরকার হয়। সােহেল : হ্যা, বন্ধু । তুমি যদি কোনাে বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করতে চাও, তবে তােমার প্রথমেই প্রয়ােজন হবে ইংরেজি পড়া, লেখা, শােনা, ও বলার যােগ্যতা। এছাড়া দেশভ্রমণ, পর্যটক, পর্যটকদের পথ প্রদর্শনকারী, ' বৈমানিক, প্রকৌশলী, ডাক্তার সবারই ইংরেজি জানা প্রয়ােজন। আমি: এছাড়াও তাে ইংরেজি আরও অনেক কাজে লাগে। সােহেল : অবশ্যই। আমাদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের যে বই তাও কমিউনিকেটিভ এপ্রােচ (Communicative Approach) পদ্ধতিতে তৈরি। এখানে আগের মতাে গ্রামার-ট্রান্সলেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে মুখস্ত বিদ্যা জাহির করে পরীক্ষায় ভালাে নম্বর পাওয়ার সুযােগ সীমিত। আমি : অর্থাৎ তুমি বলতে চাচ্ছ, যারা ভাষা শিখনের ক্ষেত্রে চারটি দক্ষতা সমানভাবে রপ্ত করবে তারাই ভালাে করবে। সােহেল : ঠিক তাই। এছাড়া ইংরেজি না জানলে তথ্য ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তুমি পিছিয়ে থাকবে। আমি : সেটা কী রকম? সােহেল : বিশ্বের তথ্য ভান্ডার হলাে ইন্টারনেট। ইন্টারনেটের প্রায় সব তথ্যই ইংরেজিতে। সারা বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, আবিষ্কারের সর্বশেষ তথ্য হতেও বঞ্চিত হবে। আমি: তুমি কি ইংরেজি বলতে পার? সােহেল : আমি খুব ভালােভাবে ইংরেজি বলতে পারি। বলতে পার নিজের চেষ্টায় বার বার অনুশীলন করে শিখেছি। আমি : তােমার কথা শুনে মনে হচ্ছে আমাকেও ইংরেজি শিখতে হবে । সােহেল : হ্যাঁ। সবাইকে শিখতে হবে । আমি : যৌক্তিক পরামর্শের জন্য তােমাকে ধন্যবাদ। সােহেল : তােমাকেও ধন্যবাদ। " দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি কর,"মিজান : কেমন আছ বন্ধু? জামান : ভালাে। কোথায় যাচ্ছ? মিজান : আমি বাজারে যাচ্ছিলাম, মাছ কিনতে। তােমার সাথে দেখা হয়ে ভালােই হলাে। চলাে এক সাথে যাওয়া যাক। জামান : চলাে যাই। কী মাছ কিনবে? মিজান : ইলিশ মাছ। মা বললেন যে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে কয়েকটি মাছ কিনে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। জামান : হ্যাঁ, পহেলা বৈশাখ আসতে তাে আর বেশি দিন বাকি নেই। মিজান : সেজন্য ইলিশের দামও বেড়েছে কয়েক গুণ। এক হালি ইলিশের দাম চার হাজার টাকা। জামান : মায়ের কাছে শুনেছি, তার ছেলেবেলায় সবচেয়ে বড়াে আকারের পদ্মার ইলিশের দামই ছিল মাত্র ২০০ টাকা। কোনাে বাড়িতে ইলিশ রান্না হলে নাকি অনেক দূর হতে ঘ্রাণ পাওয়া যেত। মিজান : আর এখন, মাঝারি আকারের একটি ইলিশের দাম ১০০০ টাকা। ভাবা যায়! জামান : আমরা হয়তাে কিনছি। কিন্তু স্বল্প আয়ের মানুষদের কথা চিন্তা কর। ওদের জন্য এটা কতটা কষ্টের ব্যাপার! মিজান : শুনেছি, অন্যান্য দেশে জিনিসের দাম সরকার ঠিক করে দেয়। অন্যান্য জিনিসের দাম বাড়লেও খাবার জিনিসের দাম বাড়ে না। জামান : আমাদের দেশেও কিছুদিন আগে সরকার নিত্য প্রয়ােজনীয় দ্রব্যের খুচরা ও পাইকারি মূল্য নির্ধারণ করে বাজারে মূল্য তালিকা টাঙানাের নির্দেশ দিয়েছিল। মিজান : সঠিক তদারকির অভাবে সেটাও ভেস্তে গেছে। জামান : জিনিসের দাম এভাবে বাড়ছে কেন? মিজান : চাহিদার চেয়ে জোগান কম হওয়া, চাঁদাবাজি, আড়তদার ও মজুতদারদের কারসাজির কারণেই দ্রব্যের দাম হুড়মুড় করে বাড়ছে। জামান : সরকারের কঠোর আইনি পদক্ষেপই এগুলাে দূর করতে পারে। মিজান : তা পারে। তবে উৎপাদন বাড়াতে হবে। জামান : উৎপাদন যদি বাড়ানাে যায়, সরকারের কঠিন তৎপরতায় যদি নির্বিঘ্নে পণ্য সারা দেশে সরবরাহ করা যায়, তবে পরিস্থিতি আরও উন্নতি হবে। মিজান : হ্যাঁ, আমিও মনে করি সরকার ও জনগণের মিলিত প্রচেষ্টায়ই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।" এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ,"সােহেল : কেমন আছ? আরমান : ভালাে বন্ধু । তুমি কেমন আছ? সােহেল : ভালাে আছি। তবে পরীক্ষা নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। আরমান : তুমি তােমার রসায়ন বিষয়টি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে পারনি? সােহেল : রসায়নে আমি সব পড়ে ফেলেছি। বুঝেও পড়েছি কিন্তু তবুও মনে হচ্ছে সবই ভুলে যাচ্ছি। আরমান : চিন্তা করাে না বন্ধু, পরীক্ষার আগে এমনই হয়। আমারও মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি। দেখবে পরীক্ষায় ঠিকই সব লিখতে পারবে। শ্রেণি পরীক্ষার সময়ও এমনই হয়েছিল, না? ? সােহেল : হ্যা, কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষাটি মনে একটি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তােমার রসায়নে প্রস্তুতি কেমন? আরমান : ভালাে। আমি ভয় পাচ্ছি বাংলা প্রথম পত্র নিয়ে । সৃজনশীল বিষয়ে কেমন উদ্দীপক হয়, তাই নিয়ে । সােহেল : উদ্দীপক যেমনই হােক, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলাে মূল বইয়ের প্রতিটি অংশ ভালােভাবে পড়া । এমন উদ্দীপকই দেবে, যেটা পাঠ্যবইয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অথবা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অথবা পাঠ্যবিষয়ের খণ্ডাংশের চিত্র। এই সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও খণ্ডাংশকে তুমি তখনই যথার্থভাবে চিত্রিত করতে পারবে, যখন তুমি মূল বই ভালােভাবে পড়বে। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু, আর চিন্তা করব না। আমি এভাবেই পড়ব। সােহেল : আমিও রসায়ন নিয়ে আর ভাববাে না। শুধু পড়ব আর লিখব। তাহলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরমান : পড়ার মাঝখানে বিশ্রাম নেবে। এতে পড়াটা ভালােভাবে মনে থাকবে। সােহেল : ধন্যবাদ বন্ধু। আরমান : তােমাকেও ধন্যবাদ।" ধূমপানের ক্ষতিকর দিক নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি কর,"তপন : এই যে শৌখিন, কেমন আছ? শৌখিন : ভালাে, তুমি কেমন আছ? তপন : ভালাে। আজকাল তােমার দেখাই পাওয়া যায় না। কোথায় থাকো বলত? তােমাকে দেখতে বেশ রােগা মনে হচ্ছে। শরীর খারাপ করেনি তাে? শৌখিন : হ্যাঁ, শরীর একটু খারাপ। খুসখুসে কাশি। তপন : কাশি তাে হবেই। যে হারে ধূমপান কর! ডাক্তার দেখিয়েছ? শৌখিন : ডাক্তার দেখিয়েছি। কিন্তু কোনাে লাভ নেই। ডাক্তার বলেছেন ধূমপান ছাড়তে হবে। তপন : ডাক্তার তাে ঠিকই বলেছেন বন্ধু। ধূমপান ছাড়ছ না কেন? শৌখিন : ছাড়তে তাে চাচ্ছি, পারছি না তাে। তপন : মানুষ চাইলে সব পারে শৌখিন। আর তুমি সিগারেট ছাড়তে পারছ না? শৌখিন : ধূমপান ছাড়া পাঠেও মনােযােগ দিতে পারি না? তপন : ধূমপান যে বিষপান তা কি তুমি জানাে না? শৌখিন: বিষপান কেন? তপন : এই যে তুমি কাশিতে ভুগছ, এটি শ্বাসতন্ত্রের একটি উপসর্গ। এছাড়া ক্যান্সার, হৃদরােগ ইত্যাদিও ধুমপানের। এ কারণে হয় এসব রােগের ভয়াবহ পরিণতি, চিকিৎসার ব্যয়ভার সম্পর্কে জানাে? শৌখিন : না, জানি না। তপন : একবার আমার সাথে ঢাকা মেডিকেলে বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবে । তােমাকে হৃদরােগ বিভাগ বা ক্যান্সার বিভাগ ঘুরে দেখাব । ভিটেমাটি বিক্রি করে সর্বস্ব হারানাে লােকগুলাের কষ্ট নিজের চোখে দেখবে। শৌখিন : তুমি এত রাগ করছ কেন বন্ধু? তপন : আমার বন্ধুর এত বড়াে ক্ষতি হয়ে যাবে? আর আমি তাকিয়ে দেখব? শৌখিন : ধূমপান যদি এতই ক্ষতিকর হয়ে থাকে, তবে আমি অবশ্যই ধূমপান ত্যাগ করব । তপন : ধন্যবাদ বন্ধু। শৌখিন : তােমাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।" ছুটির দিনে বিদ্যালয়ের মাঠ খেলার জন্য উন্মুক্ত রাখার আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকছায়া উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: ছুটির দিনে বিদ্যালয়ের মাঠ খেলার জন্য উন্মুক্ত রাখার আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্র। আমাদের এলাকায় খেলার পর্যাপ্ত জায়গার অভাব রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠটিই একমাত্র উপযুক্ত স্থান যেখানে খেলাধুলা করা যায়। কিন্তু ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মাঠটিও তালাবদ্ধ থাকে। এতে আমরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হই। অতএব, আপনার সদয় বিবেচনায় ছুটির দিনে বিদ্যালয়ের মাঠ খোলার অনুমতি প্রদানের জন্য আমরা বিনীতভাবে আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদকগণ বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র শ্রেণি: নবম" মাধ্যমিক পরীক্ষা উপলক্ষে অতিরিক্ত ক্লাস চালুর জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নবদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমরা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। সামনের বোর্ড পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য আমাদের পাঠ্যসূচির আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন। অনেক বিষয় বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই আমরা চাই, প্রতি সপ্তাহে দু’দিন করে অতিরিক্ত ক্লাসের আয়োজন করা হোক। অতএব, পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে অতিরিক্ত ক্লাস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদক সুমাইয়া রহমান শ্রেণি: দশম, রোল: ৫" ভর্তি ফি মওকুফের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বর্ণমালা উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয়: ভর্তি ফি মওকুফের আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে আগ্রহী। কিন্তু পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ভর্তি ফি প্রদান করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্র। অতএব, মানবিক বিবেচনায় আমার ভর্তি ফি মওকুফ করে ভর্তি সুযোগ প্রদান করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক আবু বকর সিদ্দিক শ্রেণি: নবম (ভর্তি প্রত্যাশী)" স্কুল ফি জমা দিতে বিলম্বের কারণে আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সারথী উচ্চ বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। বিষয়: ফি জমা দিতে বিলম্বজনিত কারণে অনুরোধ। মান্যবর, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে চলতি মাসের ফি নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে পারিনি। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ফি পরিশোধ করব। অতএব, বিলম্বের বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে আমার নামে কোনো জরিমানা আরোপ না করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক রফিকুল ইসলাম শ্রেণি: দশম, রোল: ১৭" অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে মোবাইল ডেটা সহায়তার আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আধুনিক বিদ্যাপীঠ, রংপুর। বিষয়: অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণে মোবাইল ডেটা সহায়তা সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, করোনা পরবর্তী সময়েও আমাদের বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস চালু রয়েছে। কিন্তু আমি মোবাইল ডেটার খরচ বহন করতে পারছি না। ফলে অনেক ক্লাস মিস হয়ে যাচ্ছে। অতএব, আমাকে অনলাইনে সংযুক্ত রাখার স্বার্থে কিছু আর্থিক সহায়তা বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক আয়েশা খাতুন শ্রেণি: নবম, রোল: ৯" ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নওগাঁ মডেল হাই স্কুল, নওগাঁ। বিষয়: এক দিনের ছুটির আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, আগামী ১৬ই এপ্রিল আমার পারিবারিক একটি অনুষ্ঠান রয়েছে। সেজন্য উক্ত তারিখে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারব না। অতএব, আমাকে এক দিনের ছুটি মঞ্জুর করার জন্য আপনার সদয় অনুমতির আবেদন করছি। নিবেদক ইমরান হোসেন শ্রেণি: দশম, রোল: ৩ " বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান পরীক্ষাগারে যন্ত্রপাতি চাহিদার আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, মুজিব আদর্শ স্কুল, সিলেট। বিষয়: বিজ্ঞান পরীক্ষাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির চাহিদা। মান্যবর, আমরা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। পরীক্ষাগারে প্রয়োজনীয় উপকরণ (বীকার, টেস্ট টিউব, মাপজোকের যন্ত্রপাতি) না থাকায় নিয়মিত ক্লাস কার্যকর হচ্ছে না। অতএব, পরীক্ষা ও অনুশীলনের স্বার্থে দ্রুত এই যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আপনার সদয় বিবেচনা প্রার্থনা করছি। নিবেদক সায়েম হাসান শ্রেণি: দশম, রোল: ৬" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির বই ফেরতের সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ক্যামব্রিয়ান স্কুল, চট্টগ্রাম। বিষয়: লাইব্রেরি বই ফেরতের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, বর্তমানে লাইব্রেরি বই ৭ দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। পাঠ্য চাপে অনেকেই বই শেষ করতে পারি না। অতএব, বই ফেরতের সময়সীমা ৭ দিনের পরিবর্তে ১৪ দিন করার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক রুমানা জাহান শ্রেণি: নবম, রোল: ৮" অনুপস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশপূর্বক ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: পূর্বের অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। মান্যবর, গত ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত আমি জ্বরে আক্রান্ত থাকায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, অনুপস্থিতির কারণে দয়া করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মঞ্জুর করলে কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক ফারিহা ইসলাম শ্রেণি: দশম, রোল: ১০" বিদ্যালয়ে সংস্কৃতি চর্চার ক্লাব গঠনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সৃজনশীল বিদ্যালয়, মাদারীপুর। বিষয়: সংস্কৃতি চর্চার ক্লাব গঠনের আবেদন। মান্যবর, নবম ও দশম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা নাটক, গান ও আবৃত্তির প্রতি আগ্রহী। এসব চর্চার জন্য একটি সাংস্কৃতিক ক্লাব গঠন জরুরি। অতএব, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি সাংস্কৃতিক ক্লাব চালুর ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সদয় অনুমতি কামনা করছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ" শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান বসানোর জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ বিদ্যানিকেতন, মেহেরপুর। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান বসানোর আবেদন। মান্যবর, আমরা দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী। আমাদের শ্রেণিকক্ষে তীব্র গরম ও বদ্ধ বাতাসের কারণে পাঠে মনোযোগ দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শ্রেণিকক্ষে কোনো সিলিং ফ্যান নেই, যা আমাদের ভোগান্তির অন্যতম কারণ। অতএব, ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক স্বস্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধির স্বার্থে শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান স্থাপনের জন্য আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রোল: যথাক্রমে ১–১৫" পরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বর্ণালী বালিকা বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল। বিষয়: গণিত বিষয়ের ফল পুনঃমূল্যায়নের আবেদন। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, সাম্প্রতিক পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে আমার সন্দেহ রয়েছে। আমি প্রশ্নের সব উত্তর দিয়েছিলাম, অথচ অপ্রত্যাশিতভাবে খুব কম নম্বর পেয়েছি। অতএব, নম্বর পুনঃমূল্যায়নের জন্য আপনার সদয় অনুমতির আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক সাবিনা ইয়াসমিন শ্রেণি: নবম, রোল: ১২" বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বেলতলী উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বিষয়: বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ছুটির আবেদন। মান্যবর, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ১৭ই এপ্রিল আমার বড় বোনের বিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ওই সময়টায় আমি পারিবারিক কাজে ব্যস্ত থাকবো। অতএব, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল দুই দিনের ছুটি প্রদানের জন্য আপনার অনুমতি কামনা করছি। নিবেদক মাহিনুর রহমান শ্রেণি: দশম, রোল: ১৪" শীতের পোশাক সহায়তার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নবজাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও। বিষয়: শীতবস্ত্র সহায়তা প্রদানের আবেদন। মান্যবর, আমরা কয়েকজন দরিদ্র ছাত্রছাত্রী। আমাদের পরিবারের পক্ষে শীতের উপযুক্ত পোশাক সংগ্রহ করা কষ্টকর। অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কারণে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ছি এবং স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারছি না। অতএব, শীতবস্ত্র সহায়তা প্রদানের জন্য আপনার সহানুভূতিশীল বিবেচনা কামনা করছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির দরিদ্র ছাত্রছাত্রী" অফিসে ছুটি মঞ্জুরের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, ব্যবস্থাপক, অভিযান সফটওয়্যার সল্যুশন, মিরপুর, ঢাকা। বিষয়: তিন দিনের ছুটি মঞ্জুরের আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। পারিবারিক জরুরি কাজে আমাকে আগামী ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত গ্রামের বাড়ি যেতে হবে। অতএব, উক্ত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করলে আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক আতিকুজ্জামান পদবি: সহকারী কর্মকর্তা" অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সোনালী শিক্ষা নিকেতন, মানিকগঞ্জ। বিষয়: অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমরা নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মনে করি অভিভাবকদের অংশগ্রহণে একটি সমাবেশ আয়োজন অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে শিক্ষক-অভিভাবক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং শিক্ষার্থীদের আচরণ ও ফলাফলের উন্নতি ঘটবে। অতএব, আগামী মাসের দ্বিতীয় শনিবার অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সোনালী শিক্ষা নিকেতন" বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, গ্রামীণ উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারগঞ্জ, জামালপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে এবং রাতে কেউ দায়িত্বে থাকেন না। এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ খুবই প্রয়োজন। অতএব, বিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে একজন প্রহরী নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মাহবুব হোসেন দশম শ্রেণি, রোল: ১৫" বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, ৩নং ওয়ার্ড, কাওরানবাজার ইউনিয়ন পরিষদ, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তা সংস্কারের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার অবস্থা খুবই করুণ। বৃষ্টির সময় হাটু পানি জমে থাকে এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ে। অতএব, দ্রুত রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদকগণ স্থানীয় ছাত্র ও অভিভাবকবৃন্দ" শিক্ষক বদলির কারণে নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত বিদ্যাপীঠ, নেত্রকোনা। বিষয়: গনিত বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক সদ্য বদলি হয়েছেন। ফলে শ্রেণিকক্ষে গণিত পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বোর্ড পরীক্ষার আগে এ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। অতএব, জরুরিভাবে গণিত বিষয়ের নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ রোল: ১–২০" ছাড়পত্র চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, গ্রীন ফিল্ড স্কুল, বরগুনা। বিষয়: ছাড়পত্র প্রদানের আবেদন। মান্যবর, আমার পরিবার সম্প্রতি অন্য জেলায় চলে গেছে। ফলে আমার পক্ষে এই বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা আর সম্ভব নয়। আমি অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আগ্রহী। অতএব, আমাকে ছাড়পত্র প্রদান করে কৃতজ্ঞ করার অনুরোধ করছি। নিবেদক সাকিফ হোসেন শ্রেণি: নবম, রোল: ৭" দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা সহ আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, উত্তরা মডেল স্কুল, ঢাকা। বিষয়: দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, পারিবারিক একাধিক সমস্যা ও দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে আমি গত এক মাস বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। এই অনুপস্থিতির জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। অতএব, আমার পরিস্থিতি বিবেচনায় অনুপস্থিতির বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে বিদ্যালয়ে পুনঃভর্তির সুযোগ দিলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক রাফি আনোয়ার শ্রেণি: দশম, রোল: ১৬" অসুস্থতার কারণে ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সুরভি উচ্চ বিদ্যালয়, নরসিংদী। বিষয়: অসুস্থতার কারণে তিন দিনের ছুটির আবেদন। মান্যবর, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্রী। গতকাল হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় ডাক্তারের পরামর্শে বিশ্রামে আছি। অতএব, আগামী তিন দিন (১৫–১৭ এপ্রিল) ছুটি মঞ্জুর করলে বাধিত থাকব। নিবেদক সারমিন আক্তার শ্রেণি: নবম, রোল: ০৯ " আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রূপনগর মডেল হাই স্কুল, ঢাকা। বিষয়: আর্থিক সহায়তার আবেদন। মান্যবর, আমার পিতা একজন দিনমজুর। আমাদের পরিবারের অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। পড়াশোনার খরচ চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। অতএব, আমার শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে কিছু আর্থিক সহায়তা প্রদান করলে আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক নাজমুল হাসান শ্রেণি: নবম, রোল: ৪ " জরুরি প্রয়োজনে আগাম ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয়: জরুরি পারিবারিক প্রয়োজনে ছুটির আবেদন। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, আগামীকাল আমাদের গ্রামে একটি জরুরি পারিবারিক অনুষ্ঠান রয়েছে। আমাকে পূর্বেই সেখানে যেতে হবে। অতএব, আগামী ১৬ এপ্রিল তারিখে আমাকে এক দিনের ছুটি দিলে বাধিত থাকব। নিবেদক রুমেল শেখ শ্রেণি: দশম, রোল: ১১" বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘষে রং করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, মহেশখালী উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার। বিষয়: বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘষে নতুন রং করার আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষগুলোর দেয়ালে বহু স্থানে চিহ্ন, দাগ ও পলেস্তারা উঠে গেছে। এতে শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ অস্বস্তিকর হয়ে পড়েছে। অতএব, দেয়ালগুলো ঘষে রং করার ব্যবস্থা নিলে ছাত্রছাত্রীরা আরও উৎসাহ নিয়ে পাঠ গ্রহণ করবে। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" নতুন পাঠ্যবই সরবরাহ না পাওয়ার বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, গোয়ালন্দ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী। বিষয়: কিছু পাঠ্যবই এখনও হাতে না পাওয়ার বিষয়ে আবেদন। মান্যবর, নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও আমি এখনো বাংলা ও গণিত বিষয়ের নতুন পাঠ্যবই পাইনি। এতে পাঠ্যক্রমে অনেক অসুবিধা হচ্ছে। অতএব, আপনার সদয় উদ্যোগে দ্রুত পাঠ্যবই সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক রায়হান কবির শ্রেণি: অষ্টম, রোল: ৬" বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবের উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নতুনতরঙ্গ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চট্টগ্রাম। বিষয়: কম্পিউটার ল্যাবের যন্ত্রপাতি ও ইন্টারনেট সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে অল্পসংখ্যক পুরোনো কম্পিউটার রয়েছে এবং কোনো ইন্টারনেট সংযোগ নেই। এতে করে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, দ্রুত ল্যাব আধুনিকায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীবৃন্দ" জরিমানা মওকুফের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রাজারহাট উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম। বিষয়: বিলম্ব ফি সংক্রান্ত জরিমানা মওকুফের আবেদন। মান্যবর, পিতার অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফি জমা দিতে পারিনি। ইতোমধ্যে আমি মূল ফি জমা দিয়েছি। অতএব, বিলম্বজনিত জরিমানা মওকুফ করে আমাকে সহযোগিতা করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক মোঃ রাকিবুল ইসলাম শ্রেণি: নবম, রোল: ১৩ " বিদ্যালয়ের খেলাধুলার সামগ্রী উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত ভবিষ্যৎ বিদ্যানিকেতন, রাজশাহী। বিষয়: খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে নিয়মিত খেলাধুলায় অংশ নেই। কিন্তু বল, ব্যাট, জার্সি প্রভৃতি প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব রয়েছে। অতএব, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের স্বার্থে নতুন খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদকগণ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া অনুরাগী ছাত্রছাত্রী " পুস্তক ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আশার আলো উচ্চ বিদ্যালয়, গাইবান্ধা। বিষয়: পুস্তক ভাতা পাওয়ার আবেদন। মান্যবর, আমি একজন দরিদ্র পরিবারের সন্তান। আমার পিতা একজন ভ্যানচালক। লেখাপড়ার খরচ বহন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অতএব, পুস্তক ভাতার জন্য আমার নাম তালিকাভুক্ত করলে আমি নিয়মিতভাবে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে পারব। নিবেদক জয়ন্ত দাস শ্রেণি: নবম, রোল: ০৩" একটি শিক্ষা সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে সংলাপ,"রায়হান: বন্ধু, শুনেছিস? আমাদের স্কুল থেকে কুমিল্লার ময়নামতিতে শিক্ষা সফরের পরিকল্পনা হয়েছে। তুহিন: হ্যাঁ, শুনেছি। আমি তো খুবই উত্তেজিত! কবে যাওয়ার কথা? রায়হান: আগামী শুক্রবার। সবাই মিলেই যাচ্ছি। ইতিহাস বিভাগের উদ্যোগে আয়োজন। তুহিন: দারুন! আমরা কিভাবে যাবো? রায়হান: স্কুল থেকে বাসে করে। সকাল ৮টায় রওনা দিব। তুহিন: তাহলে আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি মায়ের কাছে অনুমতি চাইব। রায়হান: আমি ওদের বলে দিয়েছি, তোর নাম যেন লিস্টে থাকে। তুহিন: অসংখ্য ধন্যবাদ বন্ধু! " পাঠ্যপুস্তক ছাড়া গল্পের বই পড়ার উপকারিতা নিয়ে সংলাপ,"সুমনা: জানিস, আমি সম্প্রতি হুমায়ূন আহমেদের ‘নন্দিত নরকে’ পড়েছি। অসাধারণ লেগেছে। সায়মা: তাই? পাঠ্যবই ছাড়া গল্পের বই পড়া কি সময়ের অপচয় নয়? সুমনা: একেবারেই না। বরং এতে চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তি বাড়ে। ভাষা শেখাতেও সাহায্য করে। সায়মা: তাই নাকি? আমি তো শুধু পাঠ্যবই নিয়েই থাকি। সুমনা: মাঝে মাঝে ভিন্ন কিছু পড়লে মন ভালো থাকে। তুই একবার চেষ্টা কর! সায়মা: ঠিক বলেছিস। আজই একটা গল্পের বই খুঁজে পড়বো।" স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"আনিকা: আজকাল তুমি দুপুরে ভাত খাচ্ছো না কেন? তন্ময়: ডাক্তার বলেছে হালকা খাবার খেতে। তেল-মশলার খাবার এখন এড়িয়ে চলছি। আনিকা: বুঝেছি। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হলে খাবারের দিকেও নজর দেওয়া দরকার। তন্ময়: হ্যাঁ। তাই এখন ফল, শাকসবজি, ডাল এসবই খাই। আনিকা: দারুন! আমিও চেষ্টা করব নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার। তন্ময়: তাহলেই তো জীবনটা হবে আরও সুন্দর।" ভবিষ্যতে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে সংলাপ,"জিয়াদ: আমি ভাবছি, বড় হয়ে নিজেই একটা স্কুল প্রতিষ্ঠা করব। রফিক: বাহ! বেশ মহৎ ইচ্ছা। কোথায় করতে চাস? জিয়াদ: আমার গ্রামের বাড়িতে। ওখানে এখনও ভালো স্কুল নেই। রফিক: তুই কি বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা দিতে চাইবি? জিয়াদ: হ্যাঁ। বইয়ের পাশাপাশি বাস্তবজ্ঞান, প্রযুক্তি, এবং নৈতিকতাও শেখানো হবে। রফিক: দারুন ভাবনা। আমি তোর পাশে থাকব বন্ধু।" বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"মাহিন: আজ স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিস? জিহাদ: হ্যাঁ, তিনটি গাছ লাগিয়েছি আমি নিজে হাতে। মাহিন: গাছ লাগানো তো পরিবেশের জন্য কত উপকারী! জিহাদ: একদম ঠিক বলেছিস। এতে বায়ু বিশুদ্ধ হয়, ছায়াও মেলে। মাহিন: আমাদের উচিত প্রতিবছর গাছ লাগানোর প্রতিজ্ঞা করা। জিহাদ: চল, আগামী মাসে নিজেরাও উদ্যোগ নিই।" ভবিষ্যতের পেশা নিয়ে আলোচনা,"রুমেল: তোদের ক্লাসে অনেকেই নাকি ডাক্তার হতে চায়? সোহেল: হ্যাঁ। আমি নিজেও ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। রুমেল: আমার ইচ্ছা, আমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হই। সোহেল: বাহ! তোর তো প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ অনেক। রুমেল: হ্যাঁ। আমরা যার যার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলি বন্ধু। সোহেল: একদিন ঠিকই সফল হবো ইনশাআল্লাহ।" একটি নাটক মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"তৌফিক: চলতি বছরে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমরা একটা নাটক মঞ্চস্থ করি কেমন? রায়হান: দারুন আইডিয়া! কোন নাটকটা করব? তৌফিক: ‘শূন্যপদ’ নাটকটা কেমন হবে? চরিত্রও বেশি নয়। রায়হান: ভালোই হবে। আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে মহড়া শুরু করব? তৌফিক: হ্যাঁ। আজই সবাইকে জানিয়ে দিই।" নতুন ক্লাস টিচার সম্পর্কে মতবিনিময়,"নাওয়াল: নতুন ক্লাস টিচারকে কেমন লাগছে তোমার? রিজভী: খুবই ভালো। উনি ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে পড়ান। নাওয়াল: হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হয়েছে। উনার কণ্ঠও অনেক মিষ্টি। রিজভী: আর উনার আচরণ এত বিনয়ী! নাওয়াল: এমন শিক্ষক থাকলে পড়ালেখায় আগ্রহ দ্বিগুণ হয়ে যায়। রিজভী: একদম ঠিক।" জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা,"সাজিদ: গরমটা এবার কি একটু বেশি না? নবীন: হ্যাঁ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন বেশ স্পষ্ট। সাজিদ: বর্ষাকালে বৃষ্টি হয় না, আবার শীতকালে বৃষ্টি নামে! নবীন: গাছ কাটার কারণেই এসব হচ্ছে। সাজিদ: তাই আমরা সচেতন না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। নবীন: চল, সবাইকে পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিই।" পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সংলাপ,"সোহান: আমি লক্ষ্য করছি তুই সব সময় শুধু বই নিয়েই থাকিস। রিদয়: হ্যাঁ, পড়া তো জরুরি। সোহান: কিন্তু খেলাধুলাও ততটাই দরকার। এতে শরীর সুস্থ থাকে, মন ফ্রেশ হয়। রিদয়: ঠিক বলছিস। আমি সময় বের করে খেলব। সোহান: চল, আজ বিকেলেই ক্রিকেট খেলতে যাই।" দুই বন্ধুর মধ্যে দূরত্ব ও মিলিয়ে ফেলা প্রসঙ্গে আলোচনা,"সাজিদ: তুই কি এখনও আমার উপর রাগ করে আছিস? গতকাল তো আমার সঙ্গে কথাই বললি না! রিজভী: না রে, রাগ করে ছিলাম ঠিকই। তবে এখন আর রাগ নেই। তোর ব্যবহারে একটু কষ্ট পেয়েছিলাম। সাজিদ: বুঝতে পারছি রে, ভুলটা আমারই ছিল। তোকে না জানিয়ে ওদের সঙ্গে বেড়াতে চলে গিয়েছিলাম। ভাবিনি তুই কষ্ট পাবি। রিজভী: বন্ধুত্বে বুঝি ভুল হতে নেই? তুই বললি না বললি, সেটা বড় বিষয় নয়। আমি শুধু একটু গুরুত্ব আশা করেছিলাম। সাজিদ: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। বন্ধুত্বে ছোট ছোট ব্যাপারগুলোই তো বড় হয়ে ওঠে। আমি তোকে ছাড়া একঘেয়ে লাগে রে। রিজভী: আমিও তোর অভাব টের পাচ্ছিলাম। আমাদের ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে এত কিছু — হঠাৎ দুরত্ব ভালো লাগছিল না। সাজিদ: চল, পুরোনো দিনের মত আবার শুরু করি। তুই আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। রিজভী: হ্যাঁ রে ভাই, একসাথে থাকব, সব ভুলে। সাজিদ: আজ স্কুলের পর চল মাঠে খেলতে যাই। অনেকদিন পর ভালো সময় কাটাব। রিজভী: ঠিক আছে, তোর সঙ্গে সময় কাটানো মানেই হাসিখুশি থাকা। " ভবিষ্যতে লেখক হতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সংলাপ,"সুমন: জানিস রাহুল, আমি বড় হয়ে একজন লেখক হতে চাই। রাহুল: বাহ! দারুণ স্বপ্ন তো! লেখালেখির প্রতি এত আগ্রহ কবে থেকে? সুমন: ক্লাস ফাইভে থাকতে একটা ছোট গল্প লিখেছিলাম। শিক্ষক বলেছিলেন খুব ভালো হয়েছে। তখন থেকেই ইচ্ছে জন্ম নেয়। রাহুল: এখন কী ধরনের লেখা লেখিস? সুমন: গল্প, কবিতা, মাঝে মাঝে প্রবন্ধও। কিন্তু বেশি ভালো লাগে কল্পনার জগতে ঘোরাঘুরি করতে। রাহুল: দারুণ। লেখালেখি মনকে প্রসারিত করে। তোর লেখা আমি পড়তে চাই। সুমন: ইনশাআল্লাহ একদিন তুই দেখবি, আমার বই বইমেলায় বিক্রি হচ্ছে! রাহুল: আমি তোর প্রথম পাঠক হব। তবে একজন লেখকের মন বিশাল হতে হয়, সহানুভূতি থাকতে হয়। সুমন: আমি চেষ্টা করছি সব দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে শেখার। তোর মতো বন্ধু পাশে থাকলে হয়তো সত্যিই পারব। রাহুল: তুই একদিন দেশের গর্ব হব — আমি বিশ্বাস করি।" নববর্ষ উদযাপন নিয়ে সংলাপ,"রুহি: তোর নববর্ষটা কেমন কাটল? শ্রেয়া: অসাধারণ! সকালে মা আর ভাইকে নিয়ে রমনায় গিয়েছিলাম। তোদের পরিবার কোথায় গিয়েছিল? রুহি: আমরা কলেজের মাঠে মেলা দেখতে গিয়েছিলাম। পান্তা-ইলিশ খেলাম, তারপর নাচ-গানও দেখলাম। শ্রেয়া: পান্তা-ইলিশ তো আমাদের বর্ষবরণে আবশ্যক হয়ে গেছে! রুহি: হ্যাঁ, আর সবার মুখে হাসি, চারপাশে আলপনা — সব মিলিয়ে অন্যরকম একটা আনন্দ। শ্রেয়া: এ বছর আমি একটা লাল-সাদা শাড়ি পরে গিয়েছিলাম, সবাই খুব প্রশংসা করেছে। রুহি: লাল-সাদা তো পহেলা বৈশাখের প্রাণ! আর হ্যাঁ, নতুন বছরের শুভকামনা তোকে। শ্রেয়া: তোকে-ও রে। চল, আগামী বছর আরও বড় পরিকল্পনা করব। " মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে দাদার সঙ্গে সংলাপ,"নাফিস: দাদা, তুমি তো মুক্তিযুদ্ধ দেখেছো। একটু বলো না, তখন কেমন ছিল সবকিছু? দাদা: আহা রে, সেই দিনগুলোর কথা ভাবলেই গা শিউরে ওঠে। আমরা স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখেছিলাম। নাফিস: তোমার বয়স কত ছিল তখন? দাদা: আমি তখন ১৯ বছরের তরুণ। বাড়ি ছেড়ে যুদ্ধে যোগ দিই, কুমিল্লা সীমান্তে। নাফিস: ভয় লাগত না? দাদা: ভয় ছিল, কিন্তু দেশের প্রতি ভালোবাসা ভয়কে জয় করেছিল। নাফিস: তোমরা কীভাবে যোগাযোগ রাখতেন? দাদা: তখন মোবাইল ছিল না। দূত পাঠিয়ে খবর পাঠাতাম। অনেকেই শহীদ হয়েছে। এখন তাদের কথা মনে পড়লে চোখ ভিজে যায়। নাফিস: দাদা, তোমরা না হলে আজকে আমরা স্বাধীনতা পেতাম না। দাদা: আমরা শুধু দায়িত্ব পালন করেছি। স্বাধীনতা রক্ষা এখন তোমাদের কাজ। " শীতকালীন ছুটি কাটানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"সাদিয়া: তোর ছুটিটা কেমন কাটল? মারিয়া: একদম জমে গেল। আমরা সিলেট গিয়েছিলাম — চা বাগান, জাফলং, লালাখাল ঘুরেছি। সাদিয়া: বাহ! আমি শুধু নানাবাড়ি গিয়েছিলাম। কিন্তু সবার সঙ্গে দেখা হওয়ায় খুব ভালো লেগেছে। মারিয়া: ছুটিতে পরিবার, আত্মীয়দের সঙ্গে সময় কাটানোই তো আনন্দ। সাদিয়া: আর শীতে চা আর পিঠার স্বাদই আলাদা। মারিয়া: হা হা, আমি তো ১০ রকম পিঠা খেয়েছি এই ছুটিতে। সাদিয়া: আমাদের স্কুল খুললেই আবার রুটিনে ফেরা। কিন্তু এই স্মৃতিগুলো মনে থাকবে। মারিয়া: হ্যাঁ, চল, পরবর্তী ছুটির জন্য আগেই প্ল্যান করে ফেলি! " পরিবেশ দূষণ রোধে করণীয় নিয়ে সংলাপ,"মোহিন: শহরের বাতাস দিন দিন কেমন যেন বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে। শামীম: একদম ঠিক। গাড়ির ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য — সব মিলিয়ে শ্বাস নেওয়াও কষ্টকর। মোহিন: প্লাস্টিক দূষণও একটা বড় সমস্যা। নদীতে, রাস্তায় — সবখানে প্লাস্টিক! শামীম: অথচ আমরা যদি প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে সচেতন হই, অনেক পরিবর্তন সম্ভব। মোহিন: স্কুলে একটা পরিবেশ ক্লাব করলে কেমন হয়? শামীম: দারুণ হবে! গাছ লাগানো, পোস্টার বানানো, ক্যাম্পেইন — সব করব। মোহিন: পরিবেশ বাঁচাতে হলে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে।" সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে সংলাপ,"আফরিন: আজ সকালে স্কুলে আসার সময় একটা দুর্ঘটনা দেখলাম, খুব ভয়ংকর! লাবিবা: সত্যি? কি হয়েছিল? আফরিন: এক মোটরসাইকেল আর সিএনজি মুখোমুখি ধাক্কা খায়। এক ভাইয়ের পা ভেঙে যায়। লাবিবা: আল্লাহ রক্ষা করেছেন। এখন তো দুর্ঘটনা হরহামেশাই হচ্ছে। আফরিন: হ্যাঁ। সবাই যদি ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলত, তাহলে অনেকটা কমতো। লাবিবা: চালকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা দরকার। আমাদেরও সতর্ক হতে হবে।" পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"সোহেল: কেমন চলছে পরীক্ষার প্রস্তুতি? রায়হান: মোটামুটি। গাণিতিক অংশ একটু দুর্বল, তাই সেটা বেশি সময় দিচ্ছি। সোহেল: আমি সাহিত্যে পিছিয়ে। বিশ্লেষণ অংশটা বুঝতে কষ্ট হয়। রায়হান: চল, একসঙ্গে রিভিশন দেই। তুই সাহিত্যে সাহায্য কর, আমি তোকে অঙ্ক বুঝিয়ে দিই। সোহেল: দারুণ প্ল্যান! এভাবেই তো আসল বন্ধুত্ব। রায়হান: একসাথে পড়লে ভয় অনেকটাই কমে যায়।" বড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন নিয়ে আলোচনা,"রিশাদ: এখনকার ছেলেমেয়েদের মধ্যে বড়দের প্রতি সম্মান কমে যাচ্ছে না? ফারিয়া: হ্যাঁ, অনেকেই ভালো ব্যবহার জানে না। বাবা-মাকে দাম দেয় না। রিশাদ: কিন্তু পরিবারে ভালো শিক্ষা দিলে তো এমন হতো না। ফারিয়া: আমরা যদি ছোটবেলা থেকেই শ্রদ্ধা করতে শিখি, সমাজটাই বদলাবে। রিশাদ: স্কুলেও এসব বিষয়ে পাঠ থাকা দরকার। ফারিয়া: হ্যাঁ, মূল্যবোধ গঠনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বড় ভূমিকা রাখতে পারে।" অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"জান্নাত: জানিস, আমার মা আমাকে সব সময় পাশে থেকে পড়ায়। তামান্না: সত্যি? আমার মা-বাবাও আমার রুটিন ঠিক করে দেন। জান্নাত: অভিভাবকদের এই দায়িত্বশীল আচরণেই তো সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তামান্না: হ্যাঁ, কিন্তু সব বাবা-মা তা করে না। অনেকেই ব্যস্ততায় সময়ই দিতে পারে না। জান্নাত: তাই আমাদের উচিত তাদেরকে সচেতন করা। তামান্না: আমরাও ভবিষ্যতে এমন অভিভাবক হব — সময় দিতাম, বোঝাতাম, পাশে থাকতাম। " বিদ্যালয়ে একটি সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, উদয়ন মডেল স্কুল, ঢাকা। বিষয়: সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন প্রসঙ্গে আবেদন। মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চাই প্রতি সপ্তাহে একটি করে আন্তঃশ্রেণি বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হোক। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক। এতে যেমন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়বে, তেমনি সহশিক্ষা কার্যক্রমও সমৃদ্ধ হবে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে বিতর্ক চর্চার পরিবেশ থাকলেও তা অনিয়মিত। আমাদের এই আবেদন বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত প্রস্তুতি নেবে এবং জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতেও সক্ষম হবে। অতএব, প্রতি বৃহস্পতিবার স্কুল শেষে একটি নির্দিষ্ট সময় বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির বিতর্কপ্রিয় ছাত্রছাত্রী" বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য আলাদা বিশ্রাম কক্ষের ব্যবস্থা প্রসঙ্গে আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, বিজ্ঞান অন্বেষণ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিলেট। বিষয়: ছাত্রীদের জন্য আলাদা বিশ্রাম কক্ষের ব্যবস্থা সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়া, আমরা এই বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রী। বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০% শিক্ষার্থী ছাত্রী হলেও আমাদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বিশ্রাম কক্ষ নেই। অসুস্থ হলে বা কোনো ব্যক্তিগত সমস্যায় পড়লে বসে থাকার মতো নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জায়গার অভাব রয়েছে। বিশেষ করে কিছু দিন এমন হয়, যখন কয়েকজন ছাত্রী একসাথে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে একটি আলাদা রুম থাকলে সেখানেই অস্থায়ী বিশ্রামের ব্যবস্থা করা যেত। অতএব, ছাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত একটি বিশ্রাম কক্ষ নির্ধারণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ বিজ্ঞান অন্বেষণ স্কুল" বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, বসুন্ধরা হাই স্কুল, ময়মনসিংহ। বিষয়: বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ সাধারণ নলকূপের পানি পান করে থাকেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শিক্ষার্থী পেটের সমস্যায় ভুগছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর একটি বড় কারণ হতে পারে অশোধিত পানি। পানির ফিল্টার থাকলে সবাই পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি গ্রহণ করতে পারবে। এছাড়া অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘসময় বিদ্যালয়ে অবস্থান করে, ফলে সুপেয় পানির প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, বিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়নের লক্ষ্যে অন্তত একটি উন্নতমানের পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক সাবরিন রহমান শ্রেণি: দশম, রোল: ০৮" শিক্ষা সফরে শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়, বাগেরহাট। বিষয়: শিক্ষা সফরের জন্য অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, আগামী সপ্তাহে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ঢাকার বিভিন্ন জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের একটি শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়েছে। এতে নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ২টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে যা এই সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য যথেষ্ট নয়। অতিরিক্ত একটি বাসের ব্যবস্থা না হলে ভীষণ ভিড় হবে, যা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে বিরক্ত করবে। অতএব, শিক্ষা সফরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অন্তত আরও একটি অতিরিক্ত বাস সংযুক্ত করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ শিক্ষাসফরে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীবৃন্দ" বিদ্যালয়ের পুরনো বেঞ্চ প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, রৌপ্যরেখা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: পুরনো ও ভাঙা বেঞ্চ প্রতিস্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। মহোদয়, আমরা নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী। আমাদের শ্রেণিকক্ষে ব্যবহৃত বেশিরভাগ বেঞ্চ পুরনো এবং কিছু বেঞ্চে পা নেই, আবার কিছু ভাঙা। এতে বসতে ও লেখাপড়া করতে প্রচণ্ড অসুবিধা হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে। গত সপ্তাহে এক সহপাঠী ভাঙা বেঞ্চ থেকে পড়ে গিয়ে হাত মচকে ফেলে। এমন ঘটনায় পড়াশোনার প্রতি ভয় বা অনীহা তৈরি হতে পারে। অতএব, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার জন্য পুরনো বেঞ্চসমূহ দ্রুত প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রোল: ১–১৫" মোবাইল আসক্তি নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"রাফি: ইশ, আর পারছি না! মোবাইল ছাড়া এক মিনিটও থাকতে মন চায় না। সাজেদ: হা হা! তুই তো দেখি মোবাইলের প্রেমে পড়ে গেছিস! রাফি: সিরিয়াসলি বলছি, আগে যেটুকু সময় পড়াশোনায় দিতাম, এখন সবটাই চলে যাচ্ছে ইউটিউব আর ইনস্টাগ্রামে। সাজেদ: জানিস, আমি আগে তোর মতোই ছিলাম। কিন্তু এখন আমি নিজের জন্য সময় নির্ধারণ করে ফেলেছি। রাফি: কেমন? সাজেদ: আমি দিনে নির্দিষ্ট সময় মোবাইল চালাই, বাকি সময় বই পড়ি, হাঁটতে বের হই, মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটাই। রাফি: কিন্তু তোর মনে হয় না কিছু মিস করছিস? সাজেদ: না রে। আসলে, মোবাইলের বাইরে যে একটা সুন্দর জগৎ আছে, সেটা বুঝতে পারলেই সব ঠিক হয়ে যায়। রাফি: তাহলে চল, আজ থেকে আমি-ও একটা রুটিন করি। পড়ার সময় মোবাইল বন্ধ রাখব। সাজেদ: দারুণ! আর তুই চাইলে আমি তোর সঙ্গে গ্রুপ স্টাডিও করতে পারি। রাফি: হ্যাঁ, তাহলে ফোকাস থাকবে। তোকে ধন্যবাদ রে, তুই না থাকলে নিজেকে বুঝতেই পারতাম না।" একজন প্রতিবেশীর অসুস্থতা নিয়ে দুই বন্ধুর সহানুভূতিশীল আলোচনা,"নাবিলা: তুই জানিস? আমাদের পাশের বাসার আন্টি অনেক অসুস্থ। মিতু: ও মা! কি হয়েছে ওনার? নাবিলা: ডায়াবেটিস আর উচ্চ রক্তচাপ — অনেক জটিল অবস্থা। গতকাল হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল। মিতু: খুব খারাপ লাগছে। উনি তো অনেক ভালো মানুষ। সবসময় হাসিমুখে কথা বলতেন। নাবিলা: হ্যাঁ, আমার আম্মু বলেছে, আমরা সবাই মিলে কিছু ফল ও প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে ওদের বাসায় যেতে পারি। মিতু: খুব ভালো আইডিয়া! আর ওনার ছেলেমেয়েরাও তো বাইরে থাকে। নাবিলা: আমরা প্রতিবেশী হিসেবে পাশে না দাঁড়ালে কে দাঁড়াবে বল? মিতু: চল, আজ বিকেলেই ওদের বাসায় যাই। আমরা যদি একটু সাহায্য করতে পারি, ওনার মন ভালো হবে। নাবিলা: মানুষ মানুষের জন্য — এখনই সময় সেটা প্রমাণ করার। " ভালো বন্ধু নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়ে দুই সহপাঠীর আলাপ,"রিদয়: জানিস, আমি এখন বুঝতে শিখেছি কার সঙ্গে মেশা উচিত আর কার সঙ্গে না। তামীম: হঠাৎ এমন চিন্তা কেন? রিদয়: আমার আগের কিছু বন্ধুর সঙ্গে চলাফেরা করে সময় নষ্ট হতো, রেজাল্টও খারাপ হয়েছিল। তামীম: আমি তোকে আগেই বলেছিলাম। বন্ধুরা যদি খারাপ পথে নিয়ে যায়, তাহলে সেটা বন্ধুত্ব না, ক্ষতি। রিদয়: হ্যাঁ রে, এখন আমি এমন বন্ধুদের সঙ্গে থাকি, যারা পড়াশোনায় সিরিয়াস, সময়মতো দায়িত্ব নেয়। তামীম: সত্যিকারের বন্ধু তো সেই, যে খারাপ সময়েও পাশে থাকে। রিদয়: তুই যেমন। আমি তোকে সব বলতে পারি, কারণ আমি জানি, তুই ঠকাবি না। তামীম: আর তুইও আমার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বন্ধু। একসাথে সামনে এগিয়ে যাব রে। রিদয়: হ্যাঁ, বন্ধু নির্বাচন জীবনে অনেক বড় ব্যাপার — এটা বুঝতে পারা অনেক জরুরি।" পিঠা উৎসব আয়োজন নিয়ে বন্ধুবান্ধবদের উচ্ছ্বাসপূর্ণ আলোচনা,"রিফাত: এই শোন! স্কুলে আগামী সপ্তাহে পিঠা উৎসব হতে যাচ্ছে! নাজিয়া: সত্যি! দারুণ খবর! তুই কোন পিঠা বানাবি? রিফাত: আমি আর আম্মু ‘চিতই পিঠা’ বানানোর প্ল্যান করছি। তুই? নাজিয়া: আমি 'পাটিসাপটা' বানাব। আম্মুর রেসিপি দুর্দান্ত। রিফাত: ভাবছিস না, প্রতিযোগিতাও হবে! নাজিয়া: আমি তো রীতিমতো জেতার প্রস্তুতি নিচ্ছি! সাজসজ্জাও করব। রিফাত: চল, আমরা একটা টিম বানাই — একসঙ্গে স্টল সাজাবো, পিঠা পরিবেশন করব। নাজিয়া: হ্যাঁ! আর প্ল্যাকার্ডও বানাব। “গ্রামের ঐতিহ্য শহরের প্রাণে” — এই থিমটা কেমন? রিফাত: অসাধারণ! এই উৎসবে শুধু খাবার নয়, ঐতিহ্য তুলে ধরাটাও গুরুত্বপূর্ণ। নাজিয়া: পিঠা আর প্রাণ মিলিয়ে উৎসব জমে উঠুক!" জাতীয় সংগীতের সঠিক মর্যাদা নিয়ে দুই ছাত্রের সচেতন আলোচনা,"মুন্না: আজ সকালে অ্যাসেম্বলিতে কিছু ছেলে জাতীয় সংগীত চলাকালীন ফিসফিস করছিল! রাহুল: দুঃখজনক ব্যাপার! জাতীয় সংগীত তো আমাদের সম্মানের প্রতীক। মুন্না: ঠিক বলেছিস। অনেকেই বোঝে না — এটি শুধু গান নয়, এটি দেশের প্রতি শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ। রাহুল: আমার মনে হয়, স্কুলে এ বিষয়ে আলাদা সচেতনতামূলক আলোচনা হওয়া উচিত। মুন্না: হ্যাঁ, শিক্ষকরা যদি এই বিষয়ে বারবার বলেন, তাহলে অনেকেই বুঝবে। রাহুল: আর আমাদের মতো শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্ব আছে, অন্যদের সচেতন করা। মুন্না: আজ থেকে সিদ্ধান্ত — জাতীয় সংগীতের সময় মন দিয়ে গাইব, আর কেউ দুষ্টুমি করলে বলব। রাহুল: এভাবেই শুরু হবে পরিবর্তন — ছোট জায়গা থেকেই বড় শিক্ষা।" অনলাইনে শিক্ষা ও অফলাইনের পার্থক্য নিয়ে দুই বন্ধুর বিশ্লেষণমূলক আলোচনা,"রাহাত: তুই কি অনলাইনে ক্লাস করতে পছন্দ করিস? আবরার: বলতে পারি না, কিছু কিছু ভালো লাগে, কিছু একদমই না। রাহাত: কেন? আমার তো মনে হয় অনলাইন ক্লাসে সময় বাঁচে। আবরার: সেটা ঠিক। কিন্তু অনেক সময় ইন্টারনেট সমস্যা হয়, আর শিক্ষককে প্রশ্ন করাও কঠিন। রাহাত: হ্যাঁ, মুখোমুখি ক্লাসে প্রশ্ন করলে সাথে সাথে উত্তর পাওয়া যায়। আবরার: আর সবচেয়ে বড় কথা, অফলাইন ক্লাসে একটা বন্ধন থাকে — বন্ধু, শিক্ষক, পরিবেশ — সব মিলিয়ে উৎসাহ বাড়ে। রাহাত: ঠিক বলেছিস। তবে কোভিডের সময় অনলাইন ক্লাসই আমাদের রক্ষা করেছিল। আবরার: হ্যাঁ, পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে সব। কিন্তু এখন মনে হয়, অফলাইনেই ফেরা উচিত। রাহাত: আমাদের স্কুলে তো মিশ্র পদ্ধতি চালু হয়েছে — কিছু অনলাইন, কিছু অফলাইন। আবরার: এটাও ভালো। আসলে প্রযুক্তি আর বাস্তবের সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর। রাহাত: একমত। চল, আমরা নিজেরাও ক্লাসে বেশি মনোযোগ দিই, অনলাইন হোক বা অফলাইন।" "শহরের চেয়ে গ্রামের পরিবেশ ভালো কি না, তা নিয়ে মতবিরোধপূর্ণ সংলাপ","সায়েম: আমি ভাবছি গ্রামে গিয়ে থেকে লেখাপড়া করব, শান্তি লাগে। তৌহিদ: গ্রামে? শহরের সব সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে যাবি? সায়েম: শহরে শুধু কোলাহল আর চাপ। গ্রামে সকালের পাখির ডাক, বিশুদ্ধ বাতাস — এটা অনেক কিছু। তৌহিদ: কিন্তু গ্রামে তো ভালো ইন্টারনেট নেই, কোচিংয়ের ব্যবস্থা নেই, লাইব্রেরিও দুর্বল। সায়েম: ঠিক বলছিস, কিন্তু গ্রামে একাগ্রতা থাকে। distractions কম। তৌহিদ: আর শহরে এক্সপোজার বেশি — ভাষা শেখা, প্রতিযোগিতা, প্রযুক্তির ব্যবহার — এগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। সায়েম: আমি বলি, গ্রামের শান্তির সঙ্গে যদি শহরের সুযোগ মেলে, সেটাই স্বপ্নের পরিবেশ। তৌহিদ: হা হা! তাহলে চল, আমরা গ্রামে একটা মডেল স্কুল খুলি! সায়েম: দারুণ! বই আর প্রকৃতি — দুটোই একসাথে।" প্রিয় শিক্ষক বিদায় নিচ্ছেন — ছাত্রদের আবেগঘন আলোচনা,"ইশরাত: শুনেছিস? আমাদের প্রিয় হাসান স্যার এই মাসেই বিদায় নিচ্ছেন! রুকাইয়া: হ্যাঁ, খবরটা শুনে আমি ভীষণ মন খারাপ করেছি। উনি না থাকলে তো ক্লাসই কল্পনা করা যায় না। ইশরাত: উনার প্রতিটি ক্লাসে আলাদা একটা ছন্দ ছিল। ইতিহাস পড়ানো উনার মতো করে কেউ পারে না। রুকাইয়া: শুধু শিক্ষক নন, তিনি আমাদের অভিভাবকও ছিলেন। যখন আমার বাবা হাসপাতালে ছিল, উনিই প্রতিদিন ফোন করে খোঁজ নিতেন। ইশরাত: আমি একবার ক্লাস টেস্টে খারাপ করেছিলাম, স্যার নিজে ডেকে নিয়ে বুঝিয়েছিলেন। কোনো রাগ, কটু কথা নয় — শুধু উৎসাহ। রুকাইয়া: তোর মনে আছে, গত বছরের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আমরা যে জিতেছিলাম, স্যার-ই পুরো প্রস্তুতি করিয়ে দিয়েছিলেন। ইশরাত: স্যারের বিদায়ে আমরা কিছু বিশেষ করতে পারি না? রুকাইয়া: হ্যাঁ! একটা বিদায় অনুষ্ঠান, আমাদের হাতে লেখা চিঠি, কিছু উপহার — এগুলো স্যারের প্রাপ্য। ইশরাত: চল, আজই সবার সঙ্গে কথা বলি। স্যার যেন জানেন, আমরা উনাকে কখনো ভুলব না।" নিজে কিছু করে উপার্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বন্ধুর উৎসাহজনক আলোচনা,"রাশেদ: জানিস তানভীর, আমি ভাবছি, স্কুলের পাশাপাশিভাবে ছোটখাটো অনলাইন কাজ শুরু করব। তানভীর: বাহ! দারুণ তো! তুই কি ধরণের কাজ করবি? রাশেদ: গ্রাফিক ডিজাইন কিছুটা শিখেছি ইউটিউব দেখে। Fiverr বা Upwork-এ একাউন্ট করব। তানভীর: একদম ঠিক পথে যাচ্ছিস! এখনকার সময়ে নিজের স্কিল থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাশেদ: আমার বাসায় আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো না, তাই পড়ালেখার খরচে নিজের একটা অংশ দিতে চাই। তানভীর: তুই শুধু উপার্জনের কথা ভাবছিস না, নিজের ভবিষ্যতও গড়ে নিচ্ছিস — এটা প্রশংসার যোগ্য। রাশেদ: শুধু চিন্তায় আছি সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে। তানভীর: আমি তোকে হেল্প করব। চল, আমরা একটা টাইম-টেবিল বানাই। তুই যেমন আমার অঙ্ক বুঝিয়ে দিস, আমি তোর সময় সাজাতে সাহায্য করব। রাশেদ: হা হা! পারফেক্ট টিম ওয়ার্ক। তুই না থাকলে এতটা সাহস হতো না।" বইমেলা ঘুরে এসে দুই বন্ধুর বইপ্রীতি নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা,"শুভ: আরে, তোকে না পেয়ে আজ বইমেলাটা একাই ঘুরলাম! আফনান: হায়রে! আমি যে বিকেলে গিয়েছিলাম! এবার মেলাটা অনেক জমজমাট, না? শুভ: দারুণ! নতুন লেখকদের অনেক বই এসেছে, আর হুমায়ূন আহমেদের একটা সংকলন কিনেছি। আফনান: আমি কিনেছি জাফর ইকবালের ""তুমি থাকো ছায়াতে"" — অসাধারণ! শুভ: স্টলের সাজসজ্জাও চোখে পড়ার মতো। এই বইয়ের ঘ্রাণটা যেন একেকটা গল্পের গন্ধ! আফনান: হা হা! কবিতা লিখিস নাকি? এত সুন্দর কথা! শুভ: কাগজে না হোক, মনে মনে তো লেখিই! বই পড়লেই তো ভাষা সুন্দর হয়। আফনান: আমাদের উচিত একসাথে একটা পাঠচক্র তৈরি করা। সপ্তাহে একটা বই পড়ে আলোচনা করব। শুভ: দারুণ আইডিয়া! পড়া মানেই পরীক্ষা নয়, ভালো লাগা, শোনা, বোঝাও তো একধরনের শিক্ষা। আফনান: হ্যাঁ, বই আমাদের সময়কে সুন্দর করে তোলে। জীবনকে গভীর করে।" বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতির আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতির আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আগামী মাসে জেলা পর্যায়ে একটি বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আমরা তিনজন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিলে একটি প্রজেক্ট তৈরি করেছি—""সোলার পাওয়ারড স্মার্ট হোম""। মেলায় অংশগ্রহণের জন্য বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অনুমতি এবং আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রয়োজন। অতএব, আমাদের দলকে অংশগ্রহণের সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ রিফাত, সাবিকুন, মারিয়া শ্রেণি: দশম" লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, গ্রন্থাগারিক, স্মার্ট মডেল হাই স্কুল, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে নতুন বই সংযোজনের আবেদন। মহাশয়, নিবেদন করছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে এখনও অনেক প্রয়োজনীয় বই অনুপস্থিত। বিশেষ করে বাংলা সাহিত্য, ইতিহাস এবং বিজ্ঞান বিষয়ের আপডেটেড বই নেই। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য বাইরে থেকে বই সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়। অতএব, দ্রুত নতুন বই সংযোজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রোল: ১–১৫ " বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নেট বসানোর জন্য আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নবপ্রভা উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: খেলার মাঠে নেট বসানোর আবেদন। জনাব, আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। আমাদের বিদ্যালয়ে একটি বড় খেলার মাঠ রয়েছে, কিন্তু সেখানে ক্রিকেট ও ভলিবলের জন্য নেট নেই। এতে খেলাধুলায় আগ্রহ থাকলেও নিয়মমাফিক খেলা সম্ভব হয় না। অতএব, মাঠে স্থায়ীভাবে নেট বসানোর জন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদকগণ ক্রীড়াবিষয়ক ছাত্রছাত্রী প্রতিনিধি দল" এক মাসের টিউশন ফি জমা দেওয়ার সময় বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোর সন্ধান স্কুল, খুলনা। বিষয়: টিউশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন। মান্যবর, আমার পরিবার বর্তমানে আর্থিক সমস্যায় রয়েছে। এই মাসের ফি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে পারব বলে আশা করছি। অতএব, এই মাসের ফি জমা দেওয়ার জন্য ১০ দিন সময় বাড়িয়ে দিলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক নওরীন ফারজানা শ্রেণি: নবম, রোল: ০৪ " ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উজ্জ্বল পথ বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হলেও তা বুঝে উঠতে পারে না। বারবার অসুস্থ হওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে। তাই আমাদের বিদ্যালয়ে একটি ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করছি। অতএব, বিদ্যালয় চত্বরে আগামী মাসে একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ রইল। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" বিদ্যালয়ের ছাদে বৃষ্টির পানি জমা হওয়া প্রসঙ্গে আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, মহেশখালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার। বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদে পানি জমে থাকার সমস্যা সমাধানের আবেদন। মহাশয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, বর্ষাকালে আমাদের বিদ্যালয়ের ছাদে পানি জমে থাকে। এতে ছাদ চুয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে এবং পাঠদান ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চললে স্থাপনার ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। অতএব, ছাদে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ" বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থার আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, প্রগতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নরসিংদী। বিষয়: বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থার আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যায়। বিশেষ করে গরমের সময় শ্রেণিকক্ষে বসে থাকা যায় না। পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকলে ছাত্রছাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। অতএব, একটি জেনারেটর ব্যবস্থা করলে এই সমস্যা দূর হবে — বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার অনুরোধ করছি। নিবেদক শাহেদুর রহমান শ্রেণি: দশম, রোল: ১১" বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রদের জন্য সাহায্যের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সন্ধ্যা মডেল হাই স্কুল, সুনামগঞ্জ। বিষয়: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের সাহায্যের আবেদন। মহোদয়, সম্প্রতি সুনামগঞ্জে ভয়াবহ বন্যায় অনেক ছাত্রছাত্রী বই, পোশাক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী হারিয়েছে। কিছু পরিবার এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে আছে। অতএব, বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কিছু ত্রাণ ও সহায়তা প্রদান করা গেলে ক্ষতিগ্রস্তরা নতুন করে শুরু করতে পারবে। নিবেদকগণ বিদ্যালয়ের মানবিক শাখার ছাত্রছাত্রী " ক্যানটিনে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত সমাজ বিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ। বিষয়: ক্যানটিনে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহ সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, বর্তমানে বিদ্যালয়ের ক্যানটিনে যে খাবার বিক্রি হচ্ছে তা অনেক সময় পুরোনো ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের পেটের অসুখ, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ইত্যাদি দেখা দিচ্ছে। অতএব, ক্যানটিনে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিতকরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" সাপ্তাহিক প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট চালুর আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকচিত্র উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। বিষয়: সাপ্তাহিক প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট চালুর আবেদন। জনাব, আমরা বোর্ড পরীক্ষার্থী। আমাদের পাঠ্যসূচি যত দ্রুত এগোচ্ছে, ততটাই বেশি প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন। কিন্তু শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের পরীক্ষার উপর নির্ভর করে বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিশ্চিত করা কঠিন। তাই আমরা অনুরোধ করছি, প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক সাপ্তাহিক প্রশ্নব্যাংক প্রদান এবং মাসে অন্তত একবার মডেল টেস্ট নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, আমাদের প্রস্তুতিকে আরও দৃঢ় করার জন্য অনুরোধপূর্বক এই কার্যক্রম চালুর অনুমতি দান করবেন। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীবৃন্দ " বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নবসোপান উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়নি। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের দেহ ও মনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আমরা চাই, আগামী মাসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হোক। অতএব, উক্ত আয়োজনে সম্মতি প্রদান করে আমাদের উৎসাহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" মিড-টার্ম পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, পল্লী বিকাশ হাই স্কুল, ঝিনাইদহ। বিষয়: মিড-টার্ম পরীক্ষার সময়সূচি সংশোধনের আবেদন। মহোদয়, সদ্য প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী কিছু বিষয় একদিন পরপর পরীক্ষা হওয়ার ফলে পড়ার যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে গণিত ও পদার্থবিদ্যা একদিন ব্যবধানে হওয়ায় আমরা বেশ চাপে পড়েছি। অতএব, সময়সূচির কিছু বিষয় পুনর্বিন্যাস করলে শিক্ষার্থীরা ভালো প্রস্তুতি নিতে পারবে — এ বিষয়ে দয়া করে বিবেচনা করার অনুরোধ করছি। নিবেদক আব্দুল্লাহ আল মোমিন শ্রেণি: দশম, রোল: ০৫" শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, তরুণ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল। বিষয়: প্রজেক্টরের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া পাঠদান চালুর আবেদন। মহাশয়, বর্তমানে আধুনিক শিক্ষার অন্যতম মাধ্যম হলো মাল্টিমিডিয়া। চিত্র, ভিডিও ও স্লাইড উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠ বিষয়বস্তু আরও আকর্ষণীয় ও বোধগম্য হয়ে ওঠে। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রজেক্টর থাকলেও সেটি শ্রেণিকক্ষে খুব কম ব্যবহৃত হয়। অতএব, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি ক্লাস মাল্টিমিডিয়া-ভিত্তিক করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা" বিদ্যালয়ে নারীদের জন্য স্যানিটারি প্যাড ডিসপেনসার বসানোর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, আলোকছায়া বালিকা বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। বিষয়: স্যানিটারি প্যাড সরবরাহ ও ডিসপেনসার স্থাপন সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি। কিন্তু মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোনো নির্ধারিত সহায়তা নেই। এতে অনেকে মানসিকভাবে অস্বস্তিতে পড়ে এবং ক্লাস মিস করতে বাধ্য হয়। অতএব, বিদ্যালয়ে একটি স্যানিটারি প্যাড ডিসপেনসার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ" বিদ্যালয়ের দেয়ালে শিক্ষামূলক চিত্র আঁকার অনুমতির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, বর্ণালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: শিক্ষামূলক দেয়ালচিত্র আঁকার অনুমতির আবেদন। জনাব, আমরা নবম শ্রেণির কিছু ছাত্রছাত্রী মিলে বিদ্যালয়ের দেয়ালে শিক্ষামূলক দেয়ালচিত্র আঁকতে চাই। যেমন: বাংলা বর্ণমালা, গণিত সূত্র, পরিবেশ সচেতনতা, ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত তথ্য ইত্যাদি। অতএব, বিদ্যালয়ের একটি নির্দিষ্ট দেয়াল বরাদ্দ করে দেয়ালচিত্র আঁকার অনুমতি দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কাজটি করতে আগ্রহী। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির চিত্রপ্রিয় ছাত্রছাত্রী" স্কুল ইউনিফর্মের কাপড় পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, চেতনা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ের ইউনিফর্মে ব্যবহৃত কাপড় পরিবর্তনের আবেদন। মান্যবর, বর্তমানে বিদ্যালয়ের ইউনিফর্মে ব্যবহৃত কাপড় গরমে বেশ অস্বস্তিকর। ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই ঘামে ভিজে যায় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমে এই কাপড় অতিরিক্ত ভারী ও রুক্ষ মনে হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, তুলনামূলক হালকা, শ্বাসপ্রশ্বাস-যোগ্য এবং সহজে শুকায় এমন কাপড় ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় আনা হোক। অতএব, ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে ইউনিফর্মের কাপড় পরিবর্তন বিষয়ক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী " রমজান মাসে বিদ্যালয়ের সময়সূচি পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নূরানী একাডেমি, নরসিংদী। বিষয়: রমজান উপলক্ষে সময়সূচি হ্রাসের আবেদন। মহোদয়, রমজান মাসে রোজা রেখে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্লাস করা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য শারীরিকভাবে কষ্টকর হয়ে পড়ে। গরম ও ক্লান্তির কারণে মনোযোগও কমে যায়। অতএব, ক্লাসের সময় সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নির্ধারণ করলে ছাত্রছাত্রীদের সুবিধা হবে — এ বিষয়ে অনুরোধ করছি। নিবেদক মাহমুদুল হাসান শ্রেণি: দশম, রোল: ০৭ " বৃষ্টির দিনে শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে পড়ার বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, শান্তিপথ উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়া। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে পানি প্রবেশ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত আবেদন। মহাশয়, আমাদের শ্রেণিকক্ষের এক পাশে জানালা ও দরজার ফাঁক দিয়ে বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়ে। এতে বই-খাতা ভিজে যায়, অনেক সময় ক্লাস স্থগিতও করতে হয়। অতএব, জানালায় কাচ লাগানো বা দরজার নিচে বাঁধ দেওয়ার মতো ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী " পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়া সহপাঠীদের জন্য রিভিশন ক্লাসের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, শিখনদীপ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। বিষয়: অতিরিক্ত রিভিশন ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের শ্রেণিতে কিছু শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে পারেনি। ফলে তারা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে পিছিয়ে রয়েছে। আমরা চাই, শিক্ষকগণ সপ্তাহে একদিন রিভিশন ক্লাস নিয়ে এদের প্রস্তুতি বাড়াতে সহায়তা করুন। অতএব, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে প্রতি শুক্রবার একটি অতিরিক্ত রিভিশন ক্লাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ" বিদ্যালয়ের গেটের সামনে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ের গেট এলাকায় নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের আবেদন। মান্যবর, বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তাটি ব্যস্ত এবং প্রতিদিন স্কুল ছুটির সময় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। দ্রুতগামী যানবাহনের কারণে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। অতএব, স্কুল শুরুর ও ছুটির সময় অন্তত একজন স্বেচ্ছাসেবক বা ট্রাফিক সদস্য রাখার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী " শ্রেণিকক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্যান দ্রুত মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকছায়া উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে ফ্যান মেরামতের আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের শ্রেণিকক্ষের একমাত্র ফ্যানটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠ গ্রহণ করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার্থীদের মনোযোগও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, অনুগ্রহ করে দ্রুত ফ্যানটি মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের সহানুভূতির সঙ্গে পাঠগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। নিবেদক রিমা আক্তার শ্রেণি: নবম, রোল: ০৭" সহপাঠীর দীর্ঘ অনুপস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, নবদিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল। বিষয়: সহপাঠীর অনুপস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার আবেদন। মহাশয়, আমাদের শ্রেণির ছাত্র মোহাম্মদ তাহসিন গত দুই সপ্তাহ ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। আমরা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। সে অত্যন্ত মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্র ছিল। অতএব, আপনার সদয় অনুমতি ও সহায়তায় তাহসিনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার খোঁজ নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ রোল: ১–২০" বিদ্যালয়ের পাশে উচ্চ শব্দ নিয়ন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, বিজ্ঞান আলো বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ের পাশে উচ্চ শব্দ নিয়ন্ত্রণের অনুরোধ। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের বিদ্যালয়ের পাশেই একটি দোকানে প্রতিনিয়ত উচ্চ শব্দে সাউন্ডবক্স বাজানো হয়, যা পাঠদানে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং শ্রেণিকক্ষে শব্দ প্রবেশ করছে। অতএব, অনুগ্রহ করে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টির দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" শ্রেণিতে চুরি রোধে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, আশার আলো বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন। মহোদয়, সম্প্রতি আমাদের শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে কলম ও টাকা হারিয়ে গেছে। কেউ দায় স্বীকার না করায় সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়নি। অতএব, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে শ্রেণিকক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী " পরীক্ষার হলে পর্যাপ্ত প্রশ্নপত্র সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, রূপান্তর বালিকা বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: পরীক্ষার হলে পর্যাপ্ত প্রশ্নপত্র সরবরাহের আবেদন। মহোদয়া, বিনীত নিবেদন এই যে, গত কয়েকটি অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় পর্যাপ্ত প্রশ্নপত্র না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্র ভাগ করে নিতে হয়েছে। এতে সময় অপচয় ও উত্তরের গুণমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতএব, আগামী পরীক্ষাগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশ্নপত্র সরবরাহ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ" লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত চেয়ার ও বসার জায়গার আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, গ্রন্থাগারিক, আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পাঠযোগ্য পরিবেশ প্রদান করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, সেখানে বসার জন্য পর্যাপ্ত চেয়ার ও ডেস্ক নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয় বা সুযোগের অভাবে বাইরে ফিরে যায়। বিশেষ করে পরীক্ষার মৌসুমে লাইব্রেরিতে উপচে পড়া ভিড় থাকে। চেয়ারের অভাবে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা অসন্তুষ্ট হয়ে যায়, যা তাদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়। লাইব্রেরির পরিবেশ শিক্ষার্থীদের আত্মগঠনে বড় ভূমিকা রাখে। অতএব, অনুরোধ করছি বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আরও চেয়ার ও সুষম বসার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে আমরা সবাই পড়াশোনায় আরও মনোযোগ দিতে পারি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয় " শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টরের ব্যবহার নিয়মিত করার আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নিউ ভিশন হাই স্কুল, কুমিল্লা। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের ব্যবহার নিশ্চিত করার আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আমাদের বিদ্যালয়ে একাধিক মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর থাকলেও সেগুলোর ব্যবহার নিয়মিত হয় না। অধিকাংশ শিক্ষকই ব্ল্যাকবোর্ড ব্যবহার করেন, যা অনেক ক্ষেত্রে সময়সাপেক্ষ ও জটিল মনে হয়। আমরা বিশ্বাস করি যে, চিত্র, অ্যানিমেশন এবং ভিডিও উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠ্যবিষয় আরও সহজে ও দ্রুত শেখা যায়। গণিত, জীববিজ্ঞান, ভূগোল ও পদার্থবিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোতে প্রজেক্টরের সাহায্যে শেখা হলে আমরা আরও আগ্রহী হয়ে উঠি। অতএব, অনুরোধ করছি, সপ্তাহে অন্তত একবার প্রতিটি শ্রেণিতে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্য একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রী নিউ ভিশন হাই স্কুল, কুমিল্লা " বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর। বিষয়: বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কার ও উন্নয়নের আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠটি এক সময় খেলার জন্য উপযুক্ত ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেখানে ঘাস নেই, গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এবং চারপাশে ছোট ছোট খোয়া ছড়িয়ে আছে, যা খেলোয়াড়দের জন্য বিপজ্জনক। ফলে আমাদের নিয়মিত খেলাধুলা যেমন ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল আয়োজন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক বিকাশ এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য খেলাধুলা অপরিহার্য। অতএব, আমরা আপনার নিকট অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার ও সমতল করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর" টিফিন ক্যানটিনে স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সততা বালিকা বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। বিষয়: বিদ্যালয়ের ক্যানটিনে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ের ক্যানটিনে প্রতিদিন টিফিন সময় অসংখ্য ছাত্রী ভিড় করে। কিন্তু ক্যানটিনে যেসব খাবার সরবরাহ করা হয়, সেগুলোর মান অনেক সময় সন্তোষজনক নয়। পচা শামুকি, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার এবং ফ্রিজে রাখা পুরোনো খাবারের কারণে কয়েকজন ছাত্রী ইতোমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা বুঝি, বিদ্যালয়ে টিফিন সময়ই একমাত্র সুযোগ যখন শিক্ষার্থীরা কিছু খেতে পারে। তাই সেখানে যদি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর এবং পরিমাণমতো খাবার নিশ্চিত করা না যায়, তবে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, ক্যানটিনের খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে মাসে অন্তত একবার পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করা হোক এবং নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা নির্ধারণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সততা বালিকা বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ" ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাউন্সেলিং ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, প্রজ্ঞা মডেল স্কুল, গাজীপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাউন্সেলিং ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমানে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও হতাশার মাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেশি। পরীক্ষার চাপ, পারিবারিক সমস্যা, সামাজিক চাহিদা — সব মিলিয়ে অনেক শিক্ষার্থী একা বোধ করে, যার প্রভাব পড়ে তাদের পড়াশোনার ওপর। বিশেষত কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব, বিষণ্ণতা, আত্মঘাতী চিন্তা ইত্যাদি সমস্যা বাড়ছে। অথচ এ বিষয়ে তারা খোলামেলা কথা বলার সুযোগ পায় না। অতএব, আমরা আপনার নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে অন্তত একবার পেশাদার কাউন্সেলর দ্বারা মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেশনের আয়োজন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা সুস্থভাবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রজ্ঞা মডেল স্কুল, গাজীপুর" বিদ্যালয়ের পাঠাগারে নতুন বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়া। বিষয়: পাঠাগারে নতুন পাঠ্য ও সাহিত্যমূলক বই সংযোজনের আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগারটি অনেকদিন যাবৎ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে বর্তমান পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক বই ছাড়া তেমন কোনো সাহিত্যিক বা সাধারণ জ্ঞানের বই নেই। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও চেতনার বিকাশে সাহিত্যমূলক এবং তথ্যভিত্তিক বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে, বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্য, বিজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস এবং জীবনীভিত্তিক বইয়ের অভাব খুব বেশি। আমরা বিশ্বাস করি, বই আমাদের নীরব শিক্ষক, এবং পাঠাগারে বইয়ের বৈচিত্র্য থাকলে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি সময় সেখানে কাটাবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের পাঠাগারে বিভিন্ন বিভাগভিত্তিক নতুন বই সংযোজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার সুযোগ দেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়া" বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব আধুনিকীকরণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নতুন দিগন্ত বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: কম্পিউটার ল্যাবের যন্ত্রপাতি আধুনিকীকরণের আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে, তবে এর যন্ত্রপাতি অনেক পুরোনো এবং বেশিরভাগ সময় কাজ করে না। প্রায়ই কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়, কী-বোর্ড কাজ করে না, এবং সফটওয়্যারও আপডেট নেই। ফলে আমরা কম্পিউটার ক্লাসে অংশ নিয়ে প্রায় কিছুই শিখতে পারি না। বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। আমরা যদি বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই এর উপযুক্ত ব্যবহার না শিখি, তবে ভবিষ্যতে চাকরি ও উচ্চ শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ব। অতএব, কম্পিউটার ল্যাবের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার আপডেট করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের ডিজিটাল শিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রী নতুন দিগন্ত বিদ্যালয়, ফরিদপুর " বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নবপথ উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। বিষয়: বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অতিরিক্ত ক্লাসের আবেদন। জনাব, আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষাকে সামনে রেখে আমরা সকলেই উদ্বিগ্ন। বিশেষত গণিত, পদার্থ ও রসায়ন বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থীর প্রস্তুতি এখনও দুর্বল। বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক ক্লাস রুটিনে পরীক্ষার আগেই সিলেবাস শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা মনে করি, প্রতি সপ্তাহে একটি অতিরিক্ত ক্লাস চালু করলে শিক্ষার্থীরা দুর্বল বিষয়গুলোতে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে এবং ফলাফলে উন্নতি ঘটবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, আগামী এক মাসের জন্য প্রতি শুক্রবার অথবা শনিবার অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়তা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবপথ উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর" বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সমর্পণ বালিকা বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। বিষয়: বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর সংস্কারের আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরটি দীর্ঘদিন যাবৎ ভেঙে রয়েছে। ফলে বহিরাগত ব্যক্তি ও পশুপাখি বিদ্যালয়ের চত্বরে প্রবেশ করে এবং শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ নষ্ট করে। কখনো কখনো ছেলেরা এসে খেলাধুলা করতেও দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ছাত্রীদেরও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হচ্ছে। এছাড়াও বিদ্যালয়ের সম্মান এবং পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, সীমানা প্রাচীরটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সমর্পণ বালিকা বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া" জাতীয় দিবসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ। বিষয়: শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রার আয়োজন সংক্রান্ত আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, ২৬শে মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। অন্যান্য বিদ্যালয়ের মতো আমাদের বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও একটি শোভাযাত্রা বের করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা ও ঐক্যবোধ গড়ে উঠবে। আমরা চাই, বিদ্যালয়ের পতাকা, ব্যানার, ড্রাম বাজনা এবং জাতীয় সংগীতসহ একটি সম্মানজনক শোভাযাত্রা আয়োজন করা হোক, যাতে সকল শ্রেণির ছাত্রছাত্রী অংশ নিতে পারে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, জাতীয় দিবসে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে একটি শোভাযাত্রার আয়োজনের অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ " বিদ্যালয়ের মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ প্রদানের আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ সহায়তা প্রদানের আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের শ্রেণিতে কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে যারা অত্যন্ত মেধাবী হলেও আর্থিক অনটনের কারণে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ কিনতে পারছে না। অনেকেই বই, খাতা, পেন-পেন্সিল, জ্যামিতি বক্স বা স্কুল ব্যাগ সংগ্রহ করতে অক্ষম। এমন শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে চায়, কিন্তু উপকরণের অভাবে পিছিয়ে পড়ে। আমরা বিশ্বাস করি, একটু সহানুভূতি ও সহায়তা তাদের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ" বিদ্যালয়ের গেট সংলগ্ন ড্রেন পরিষ্কারের জন্য পৌরসভায় চিঠি পাঠানোর আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নবসোপান হাই স্কুল, মুন্সীগঞ্জ। বিষয়: বিদ্যালয়ের গেটের পাশে ড্রেন পরিষ্কারে পৌরসভায় চিঠি পাঠানোর অনুরোধ। মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ের প্রবেশপথের পাশে একটি উন্মুক্ত ড্রেন রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনায় ভরপুর। এতে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং বর্ষাকালে পানি উপচে রাস্তায় চলে আসে। শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিপত্তি ঘটে, অনেকে পা পিছলে পড়ে যায়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় পৌরসভার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তবে তা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে অফিসিয়ালভাবে একটি চিঠি পাঠানো প্রয়োজন বলে আমরা মনে করছি। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, পৌরসভায় বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে একটি চিঠি প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবসোপান হাই স্কুল, মুন্সীগঞ্জ " বিদ্যালয়ে নিয়মিত প্রথম ঘণ্টায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, স্বপ্নপূরণ বালিকা বিদ্যালয়, নরসিংদী। বিষয়: বিদ্যালয়ের প্রতিদিন প্রথম ঘণ্টায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার আবেদন। মহোদয়া, বিনীত নিবেদন এই যে, বিদ্যালয়ে জাতীয় সংগীত আমাদের জাতীয় চেতনাকে জাগ্রত করে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে জাতীয় সংগীত শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট দিবসে গাওয়া হয়, প্রতিদিন নিয়মিত হয় না। আমরা মনে করি, প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে জাতীয় সংগীত গাওয়া হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ, শৃঙ্খলা ও ঐক্যবোধ আরও দৃঢ় হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতিদিন প্রথম ঘণ্টার আগে জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ স্বপ্নপূরণ বালিকা বিদ্যালয়, নরসিংদী" বিদ্যালয়ের টয়লেটে পর্যাপ্ত পানি ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, জ্ঞানদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা। বিষয়: বিদ্যালয়ের টয়লেটে পানি সরবরাহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী সংখ্যা অনেক। কিন্তু টয়লেটগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না হওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং মাঝে মাঝে পানি না থাকায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ছাত্রীদের জন্য এটি অত্যন্ত বিব্রতকর। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে এবং অনেকেই বাধ্য হয়ে পুরো সময় কোনো টয়লেট ব্যবহার না করেই দিন পার করে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের টয়লেটগুলোতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ জ্ঞানদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা" বিদ্যালয়ে “শিক্ষার্থী প্রতিনিধি পরিষদ” গঠনের আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, উদ্ভাস উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: শিক্ষার্থী প্রতিনিধি পরিষদ গঠনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও পরামর্শ প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত পৌঁছাতে সময় লাগে এবং কখনো কখনো তা উপেক্ষিতও হয়। আমরা মনে করি, বিদ্যালয়ে যদি একটি “শিক্ষার্থী প্রতিনিধি পরিষদ” গঠন করা হয়, যারা সকল শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের মতামত নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরবে, তাহলে প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও কার্যকর হবে। এই পরিষদটি বিভিন্ন শিক্ষাবিষয়ক কর্মসূচি পরিচালনা, কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন, রুটিনভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও সহপাঠীদের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি প্রতিনিধি পরিষদ গঠনের অনুমতি ও সহায়তা দেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উদ্ভাস উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল" বিদ্যালয়ের দেয়ালচিত্র ও নোটিশ বোর্ড সংরক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সমর গোপাল উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার। বিষয়: বিদ্যালয়ের দেয়ালচিত্র ও নোটিশ বোর্ড সংরক্ষণে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমাদের বিদ্যালয়ের দেয়ালে আঁকা দেয়ালচিত্রগুলো বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার প্রতীক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, অনেক দেয়ালচিত্রে অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপন, পেন দিয়ে দাগ এবং ধুলা জমে রং বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি নোটিশ বোর্ডেও সময়মতো পুরনো নোটিশ অপসারণ না করায় সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নতুন শিক্ষার্থীদের কাছে একটি নেতিবাচক বার্তা পৌঁছায়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, দেয়ালচিত্র ও নোটিশ বোর্ডের রক্ষণাবেক্ষণে আলাদা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হোক এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সমর গোপাল উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার" শিক্ষার্থীদের মধ্যে “ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং” সেশন চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, বিজ্ঞান আলো মডেল স্কুল, রাজশাহী। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ক্লাস চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিকের পর কী বিষয়ে পড়বে, কোন পেশা গ্রহণ করবে, কোন বিষয়ের চাহিদা বেশি — এসব বিষয়ে যথাযথ দিকনির্দেশনার অভাবে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। অনেকেই শুধুমাত্র অভিভাবকদের মত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে পরবর্তীতে হতাশা দেখা দেয়। আমরা বিশ্বাস করি, একজন অভিজ্ঞ ক্যারিয়ার কাউন্সেলরের কাছ থেকে নিয়মিত বা মাসিকভাবে দিকনির্দেশনা পেলে আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও পরিকল্পনা গড়ে উঠবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে একবার বা অন্তত সেমিস্টারভিত্তিক ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিজ্ঞান আলো মডেল স্কুল, রাজশাহী" শ্রেণিকক্ষে মাইক্রোফোন ও সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে শব্দযন্ত্র (মাইক্রোফোন) ব্যবহারের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। পিছনের সারিতে বসা শিক্ষার্থীরা অনেক সময় শিক্ষকের কথা ঠিকমতো শুনতে পারে না। বিশেষত বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের মতো বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যার সময় শব্দপ্রযুক্তির ঘাটতি শিক্ষার মানে প্রভাব ফেলে। শ্রেণিকক্ষে একটি সহজ মাইক্রোফোন ব্যবস্থা থাকলে শিক্ষকরা স্বাভাবিক কণ্ঠে পাঠদান করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরাও মনোযোগী হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষে সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা গ্রহণ করে পাঠদান সহজ ও কার্যকর করার সুযোগ প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল " বিদ্যালয়ে শিক্ষক-অভিভাবক মিটিং নিয়মিত করার আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবদিগন্ত বালিকা বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বিষয়: মাসিক শিক্ষক-অভিভাবক সভা আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক সময় অভিভাবকরা সন্তানদের ফলাফল, আচরণ বা সমস্যার বিষয়ে তথ্য জানেন না। অপরদিকে শিক্ষকরাও অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ পান না। নিয়মিত শিক্ষক-অভিভাবক সভা আয়োজনের মাধ্যমে বিদ্যালয়, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা তৈরি হবে। এতে শিক্ষার্থীদের উন্নতি সহজ হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে একবার শিক্ষক-অভিভাবক সভার আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবদিগন্ত বালিকা বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ " বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুনরায় চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নতুন প্রভাত বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুনরায় চালুর আবেদন। জনাব, বিগত কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে হতাশায় ভুগছে। আগে ক্রীড়ানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে সবাই আনন্দ পেত এবং বিদ্যালয়ের প্রতি আরও ভালোবাসা জন্মাত। শুধু পড়ালেখা নয়, খেলাধুলাও শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি নেতৃত্ব, সহযোগিতা ও শৃঙ্খলা শেখায়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, আগের মতো বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নতুন প্রভাত বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ " বিদ্যালয়ের পাঠাগারে ডিজিটাল ক্যাটালগ সিস্টেম চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, প্রজ্ঞা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: পাঠাগারে ডিজিটাল ক্যাটালগ ব্যবস্থা চালুর আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগারে অনেক বই থাকলেও বই খোঁজার জন্য কোনো নির্দিষ্ট তালিকা বা ক্যাটালগ নেই। শিক্ষার্থীদের বহু সময় ব্যয় করতে হয় প্রয়োজনীয় বই খুঁজে বের করতে, অনেক সময় তারা না পেয়েই ফিরে আসে। ডিজিটাল ক্যাটালগ ব্যবস্থা চালু হলে প্রতিটি বই একটি নির্দিষ্ট কোডে লিপিবদ্ধ থাকবে এবং কম্পিউটারের মাধ্যমে সহজেই অনুসন্ধান করা যাবে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠাগারে সময়ের সদ্ব্যবহার এবং বইয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, একটি কম্পিউটার ও ডেটাবেইস ভিত্তিক বই ক্যাটালগ সিস্টেম চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রজ্ঞা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম" বিদ্যালয়ের সাইকেল স্ট্যান্ড আধুনিকীকরণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকবিন্দু উচ্চ বিদ্যালয়, পাবনা। বিষয়: সাইকেল স্ট্যান্ডের আধুনিকীকরণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী সাইকেল ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে আসে। কিন্তু বর্তমান সাইকেল স্ট্যান্ডটি যথেষ্ট জায়গাবদ্ধ এবং সঠিকভাবে ছাউনি না থাকায় বৃষ্টির দিনে সাইকেল ভিজে যায়। তাছাড়া নির্দিষ্ট নিরাপত্তার অভাবে মাঝে মাঝে চুরি বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটে। একটি আধুনিক সাইকেল শেড যেখানে ছাউনি থাকবে, নিরাপত্তাকর্মী থাকবে, এবং সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থাও থাকবে — এমন ব্যবস্থা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তা প্রদান করবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের বর্তমান সাইকেল স্ট্যান্ড উন্নত ও নিরাপদভাবে পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকবিন্দু উচ্চ বিদ্যালয়, পাবনা" শিক্ষার্থীদের নিজস্ব শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, দিগন্ত শিক্ষা নিকেতন, রাঙামাটি। বিষয়: শিক্ষার্থীদের নিজস্ব আঁকা ছবি, কবিতা, গল্প প্রদর্শনীর আয়োজনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা চমৎকার কবিতা লেখে, ছবি আঁকে কিংবা ছোটগল্প লিখতে পারে। কিন্তু তাদের শিল্প প্রতিভা প্রকাশ করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম নেই। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি বার্ষিক বা সেমিস্টারভিত্তিক শিল্প প্রদর্শনী আয়োজন করা হলে তারা উৎসাহ পাবে এবং অন্য শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে, শিল্পচর্চা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা তৈরি হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন, কবিতা, গল্প, হাতের কাজ ইত্যাদির একটি বার্ষিক প্রদর্শনী আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী দিগন্ত শিক্ষা নিকেতন, রাঙামাটি " শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য ফার্স্ট এইড ট্রেনিংয়ের আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বালিকা বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ। বিষয়: ফার্স্ট এইড বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের আবেদন। মহোদয়া, প্রতিদিনই কোনো না কোনো সহপাঠী হঠাৎ মাথা ঘোরা, কেটে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় ভোগে। অনেক সময় শিক্ষকদের উপস্থিতি না থাকায় সহপাঠীরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যদি আমাদের একটি প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তাহলে আমরা নিজেরা এমন সময়ে প্রাথমিক সহায়তা দিতে পারি এবং বড় দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে পারি। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে অন্তত বছরে একবার ফার্স্ট এইড বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করা হোক এবং ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের একটি ফার্স্ট এইড টিম গঠনের অনুমতি প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বালিকা বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ " বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নবজাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমানে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন কিন্তু সময় ও সুযোগের অভাবে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারেন না। ছোট সমস্যা অনেক সময় বড় রোগে রূপ নেয়। বিদ্যালয় যদি একটি মাসিক বা ত্রৈমাসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালু করে, তবে সবাই নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। চোখ, দাঁত, রক্তচাপ, ওজন, উচ্চতা পরিমাপ এবং মৌলিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত হলে এটি ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি স্থানীয় হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবজাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষালোক উচ্চ বিদ্যালয়, নাটোর। বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য সীমিত ওয়াই-ফাই সংযোগ চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় অনলাইন রিসোর্স যেমন — ভিডিও টিউটোরিয়াল, ই-বুক, গুগল ডক, ও অনলাইন অ্যাসাইনমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় এসবের ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী স্মার্টফোন ব্যবহার করেও তথ্য খুঁজে বের করতে পারছে না। আমরা প্রস্তাব করছি যে, একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অথবা নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিয়ন্ত্রিত ওয়াই-ফাই সংযোগ চালু করা হোক, যাতে তারা শুধু শিক্ষাগত সাইট ব্যবহার করতে পারে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে Wi-Fi সংযোগ চালুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং একে শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে সীমিত রাখার জন্য একটি গাইডলাইন নির্ধারণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ শিক্ষালোক উচ্চ বিদ্যালয়, নাটোর" বার্ষিক শিক্ষা সফরের গন্তব্য পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, জ্ঞানতাপস বালিকা বিদ্যালয়, ফেনী। বিষয়: বার্ষিক শিক্ষা সফরের গন্তব্য পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ঘোষিত বার্ষিক শিক্ষা সফরের গন্তব্য ছিল একটি স্থানীয় ঐতিহাসিক স্থান। তবে পূর্ব অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আমরা জানতে পেরেছি, উক্ত স্থানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও বিশ্রামের জায়গা নেই। তাছাড়া সেখানে যাওয়ার রাস্তাও বর্তমানে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বিকল্প হিসেবে আমরা “শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ” এবং “জাতীয় জাদুঘর” সফরের প্রস্তাব করছি, যা শিক্ষার্থীদের ইতিহাসচেতনা, সংস্কৃতি ও অনুপ্রেরণায় সহায়তা করবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, এই বছরের শিক্ষা সফরের গন্তব্য পুনর্বিবেচনা করে নিরাপদ ও শিক্ষামূলক স্থান নির্ধারণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ জ্ঞানতাপস বালিকা বিদ্যালয়, ফেনী" শিক্ষার্থীদের জন্য “দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সচেতনতা” বিষয়ক ওয়ার্কশপ আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, আস্থা উচ্চ বিদ্যালয়, বান্দরবান। বিষয়: বিদ্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সচেতনতামূলক ওয়ার্কশপ আয়োজনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ দেখা দেয়। কিন্তু আমাদের অনেক শিক্ষার্থীই জানে না দুর্যোগকালে কীভাবে নিজের ও অন্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়। তাই আমরা মনে করি, “দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সচেতনতা” বিষয়ক একটি দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনে দক্ষ করে তুলবে। এই ওয়ার্কশপে প্রথমিক সাড়া, নিরাপদ স্থান নির্ধারণ, ও দুর্যোগকালীন করণীয় বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, উপজেলা প্রশাসন অথবা স্থানীয় এনজিও’র সহায়তায় একটি সচেতনতামূলক ওয়ার্কশপ আয়োজনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আস্থা উচ্চ বিদ্যালয়, বান্দরবান" শ্রেণিকক্ষে “নীরবতা ঘণ্টা” চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, শান্তি উচ্চ বিদ্যালয়, গাইবান্ধা। বিষয়: প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট ঘণ্টাকে “নীরবতা ঘণ্টা” হিসেবে নির্ধারণের আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করেছি, শ্রেণিকক্ষে অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, ফিসফাস বা মনোযোগের ঘাটতির কারণে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে। শিক্ষকেরাও অনেক সময় বিরক্ত হন, এবং আমাদের মধ্যেও মনোযোগের ঘাটতি দেখা দেয়। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতিদিনের যে কোনো একটি নির্দিষ্ট ক্লাসকে “নীরবতা ঘণ্টা” হিসেবে নির্ধারণ করা হোক, যেখানে কেউ কোনো অপ্রয়োজনীয় কথা বলবে না, কেউ উঠবে না — সবাই শুধু মনোযোগ দিয়ে পাঠগ্রহণে অংশ নেবে। এটি ধীরে ধীরে আমাদের মনোসংযোগের ক্ষমতা বাড়াবে এবং শ্রেণিকক্ষে শৃঙ্খলা উন্নত হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতি দিন একটি নির্দিষ্ট ক্লাসকে “নীরবতা ঘণ্টা” হিসেবে চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শান্তি উচ্চ বিদ্যালয়, গাইবান্ধা " বিদ্যালয়ের দেয়ালে “মোতিভেশনাল কোট” ও শিক্ষামূলক চার্ট লাগানোর আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, উদ্দীপন বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয়: বিদ্যালয়ের দেয়ালে উৎসাহব্যঞ্জক উক্তি ও শিক্ষামূলক চার্ট লাগানোর আবেদন। জনাব, আমরা বিশ্বাস করি, চারপাশের পরিবেশ আমাদের মানসিকতা ও চিন্তাভাবনায় প্রভাব ফেলে। যদি বিদ্যালয়ের দেয়ালে বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর উক্তি, শিক্ষামূলক তথ্যচিত্র, গণিতের সূত্র বা ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রদর্শিত হয় — তাহলে আমাদের জ্ঞান এবং উৎসাহ দুইই বাড়বে। এই কাজের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই পোস্টার বা ডিজাইন তৈরি করতে পারে। এটি তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশে সহায়ক হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের ভেতরের দেয়ালগুলিতে উৎসাহব্যঞ্জক উক্তি ও শিক্ষামূলক চার্ট টাঙানোর অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উদ্দীপন বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা " বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, সবুজ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী। বিষয়: বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালন সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, আমরা সবাই জানি যে পরিবেশ দূষণ দিন দিন বেড়ে চলেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে পারলে তারা ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল হতে পারবে। এজন্য আমরা “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের প্রস্তাব করছি। এই সপ্তাহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পোস্টার প্রতিযোগিতা, দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা যেতে পারে। এতে করে আমরা নিজেরা যেমন শিখব, তেমনি অন্যদেরও সচেতন করতে পারব। অতএব, অনুরোধ করছি, আগামী মাসের মধ্যে বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সবুজ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী" ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক সামগ্রী ও গোপনীয়তার ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবপ্রভা বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা। বিষয়: ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, বিদ্যালয়ে অনেক ছাত্রী রয়েছে যারা মাসিক চলাকালে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ায় কষ্ট পায়, এমনকি অনুপস্থিতও থাকতে বাধ্য হয়। এতে তাদের পড়াশোনায় ক্ষতি হয় এবং মানসিকভাবেও সংকোচ তৈরি হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “হেলথ কর্নার” স্থাপন করা হোক, যেখানে প্যাড, সাবান, টিস্যু এবং প্রয়োজনীয় তথ্যচিত্র সংরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্যবিষয়ক সেশনের আয়োজন করা হলে ছাত্রীদের সচেতনতা বাড়বে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সহায়তা করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবপ্রভা বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা" বিদ্যালয়ে নিয়মিত সাংস্কৃতিক ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ বিদ্যাপীঠ, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক ক্লাস (আবৃত্তি, গান, নৃত্য) চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশের সুযোগ থাকলেও নিয়মিত সাংস্কৃতিক ক্লাসের কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেক ছাত্রছাত্রী আবৃত্তি, গান, নাটক কিংবা নৃত্যে দক্ষতা রাখলেও চর্চার সুযোগের অভাবে সেই প্রতিভা বিকশিত হয় না। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন আলাদা সাংস্কৃতিক ক্লাস চালু করা হোক, যেখানে প্রশিক্ষক বা অভিজ্ঞ শিক্ষকের মাধ্যমে চর্চা করা যাবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে একটি নির্দিষ্ট ক্লাস বরাদ্দ এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ ও প্রশিক্ষকের ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আদর্শ বিদ্যাপীঠ, কুমিল্লা" বিদ্যালয়ের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছবি ও নাম সংরক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা নিকেতন, মাদারীপুর। বিষয়: পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ও ছবি প্রদর্শনের আবেদন। মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিভাগে ভালো ফলাফল অর্জন করে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পায়। কিন্তু বিদ্যালয়ের কোথাও তাদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি দৃশ্যমান নয়। আমরা মনে করি, বিদ্যালয়ের একটি করিডোরে বা দেয়ালে একটি “অর্জনের দেয়াল” তৈরি করে সেখানকার পুরস্কারপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের নাম, ছবি ও সফলতা তুলে ধরা হলে অন্য শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, একটি বিশেষ কর্নার বা বোর্ড স্থাপন করে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শ্রেষ্ঠ শিক্ষা নিকেতন, মাদারীপুর " শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের মধ্যে সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধ গঠনে আলোচনা ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, সন্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। বিষয়: সহপাঠীদের মধ্যে শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা বিষয়ক ক্লাস চালুর আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমানে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে একে অপরের মতামতকে সহ্য না করা, বন্ধুকে অপমান করা বা ঠাট্টা করা একটি সাধারণ প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হয় এবং শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। আমরা চাই, মাসে অন্তত একদিন “মানবিকতা ও সহনশীলতা” নিয়ে ক্লাস নেওয়া হোক। যেখানে শিক্ষকরা মূল্যবোধ, সম্মান, ভিন্নমত গ্রহণ, বন্ধুত্ব ও শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব আলোচনা করবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষে একটি নিয়মিত মানবিক আলোচনা ক্লাস চালুর অনুমতি ও নির্দেশনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সন্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর " বিদ্যালয়ের জন্য আলাদা “সায়েন্স ক্লাব” গঠনের আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, জ্ঞানচর্চা উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান চর্চার জন্য সায়েন্স ক্লাব গঠনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অনেক ছাত্রছাত্রী রয়েছে যারা বিভিন্ন প্রকল্প, ছোট গবেষণা কিংবা বিজ্ঞান বিষয়ক নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে চায়। কিন্তু বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানচর্চার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংগঠন বা ক্লাব নেই। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “সায়েন্স ক্লাব” গঠন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে অন্তত একদিন একত্র হয়ে আলোচনা, প্রকল্প উপস্থাপন, ওয়ার্কশপ আয়োজন এবং সায়েন্স ফেয়ারে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে পারবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জ্ঞানচর্চা উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর " শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে ইনসেনটিভ প্রণোদনার আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সমরূপ বালিকা বিদ্যালয়, মেহেরপুর। বিষয়: উপস্থিতি শতভাগ রাখায় পুরস্কার প্রদানের আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে না। অনেক সময় তুচ্ছ কারণে ছুটি নেয়, যা তার ফলাফল এবং শ্রেণিকক্ষের পরিবেশে প্রভাব ফেলে। যদি শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো উৎসাহমূলক পুরস্কার রাখা হয়, তাহলে সবাই আগ্রহী হয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসবে। এই পুরস্কার হতে পারে — একটি প্রশংসাপত্র, ছোটখাটো উপহার, নাম নোটিশ বোর্ডে দেওয়া ইত্যাদি। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে বা সেমিস্টারে শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একটি ইনসেনটিভ স্কিম চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সমরূপ বালিকা বিদ্যালয়, মেহেরপুর" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আইনি সচেতনতা কর্মশালার আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, বিচারবোধ উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: শিক্ষার্থীদের আইনি সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমান সময়ে কিশোর-কিশোরীরা অনেক সামাজিক ও ডিজিটাল সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। কখন কী কাজ অপরাধের পর্যায়ে পড়ে, কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হয়, কোথায় অভিযোগ জানাতে হয় — এসব বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থীই জানে না। আমরা প্রস্তাব করছি, স্থানীয় কোনো আইনজীবী, শিক্ষক বা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ে একটি আইনি সচেতনতামূলক কর্মশালার আয়োজন করা হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, আমাদের শিক্ষার্থীদের সচেতন, আত্মবিশ্বাসী ও সচল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে একটি প্রাথমিক আইনি সচেতনতা বিষয়ক কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিচারবোধ উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর " বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: বিশুদ্ধ পানির জন্য ফিল্টার মেশিন স্থাপনের আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, বিদ্যালয়ের পানির উৎসে মাঝে মাঝে ময়লা বা দুর্গন্ধযুক্ত পানি আসে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই পানি না খেয়ে সময় পার করে এবং এতে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি আধুনিক পানি ফিল্টার মেশিন স্থাপন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, আমাদের সুস্বাস্থ্য ও সচেতনতার স্বার্থে বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির জন্য একটি ফিল্টার মেশিন স্থাপনের অনুমতি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" বিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষ চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, রূপসী বাংলা বিদ্যালয়, ঝালকাঠি। বিষয়: পাঠচক্র, প্রেজেন্টেশন ও ওয়ার্কশপের জন্য সেমিনার কক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, আমরা অনেক সময় আলোচনা সভা, ভিডিও প্রেজেন্টেশন, অতিথি বক্তৃতা বা বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে চাই, কিন্তু বিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট কোনো সেমিনার কক্ষ না থাকায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়। আমরা মনে করি, একটি মাল্টিমিডিয়া সংযুক্ত সেমিনার কক্ষ থাকলে শিক্ষার্থীদের উপস্থাপন দক্ষতা, আলোচনায় অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব গঠন ও সৃজনশীলতা উন্নয়নে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষকে সেমিনার/ওয়ার্কশপ উপযোগী করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রূপসী বাংলা বিদ্যালয়, ঝালকাঠি" শ্রেণিভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ প্রতিবেদন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, নবদিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, শেরপুর। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণিভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ প্রতিবেদন প্রদানের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় শুধুমাত্র প্রাপ্ত নাম্বার জানানো হয়। তবে যদি প্রতিটি শিক্ষার্থী তার দুর্বল ও শক্তিশালী বিষয়ের তথ্যসহ একটি বিশ্লেষণ প্রতিবেদন পায়, তাহলে সে নিজেই বুঝতে পারবে কোথায় উন্নতির প্রয়োজন। এমন প্রতিবেদন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উভয়ের জন্যই সহায়ক। এতে করে শিক্ষার প্রতি দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্লেষণ বাড়বে। অতএব, অনুরোধ করছি, শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথকভাবে ফলাফল বিশ্লেষণ (subject-wise, comparative) প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা বিতরণ করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবদিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, শেরপুর " বিদ্যালয়ের পুরোনো আসবাবপত্র মেরামত/পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, আলোছায়া উচ্চ বিদ্যালয়, বরগুনা। বিষয়: শ্রেণিকক্ষের পুরোনো বেঞ্চ-টেবিল মেরামতের আবেদন। মহোদয়, আমাদের শ্রেণিকক্ষের অনেক বেঞ্চ, টেবিল এবং চেয়ার দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছুতে পোকা ধরেছে, কিছু ভেঙে গেছে — যেগুলোর কারণে অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট পায়, এমনকি মাঝে মাঝে দুর্ঘটনাও ঘটে। এসব আসবাবপত্র মেরামত বা প্রয়োজনে নতুন সরবরাহ করা হলে পাঠদানের পরিবেশ উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ আসবাবপত্র মেরামত অথবা প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোছায়া উচ্চ বিদ্যালয়, বরগুনা " বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সাপ্তাহিক মেডিটেশন ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আত্মবিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বিষয়: মানসিক চাপ কমাতে সাপ্তাহিক মেডিটেশন ক্লাসের আবেদন। জনাব, বর্তমান সময়ে আমরা শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা, সামাজিক চাপে প্রায়ই মানসিকভাবে ক্লান্ত ও উদ্বিগ্ন থাকি। বিশেষ করে পরীক্ষা বা উপস্থাপনার সময় ভয় ও আতঙ্ক বেড়ে যায়। আমরা বিশ্বাস করি, সপ্তাহে একদিন সকালে মাত্র ১৫ মিনিটের মেডিটেশন বা শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ ক্লাস মন শান্ত রাখার অনুশীলন হিসেবে কার্যকর হতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, একজন প্রশিক্ষকের সহায়তায় সাপ্তাহিক মেডিটেশন ক্লাস চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আত্মবিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ" বিদ্যালয়ে অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উজ্জীবন বালিকা বিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ে বা আশেপাশে কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে যারা অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত হতে পারে। আমরা সকলেই চেষ্টার পরেও তাদের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করা উচিত, তা জানি না। ফলে অনেক সময় তারা অপ্রত্যাশিত আচরণের শিকার হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি সচেতনতামূলক সেশনের আয়োজন করা হোক, যেখানে পেশাদার কাউন্সেলর বা বিশেষজ্ঞ শিক্ষক অটিজম সম্পর্কে ধারণা দেবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের উদ্যোগে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর আলোকপাত করতে একটি কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ উজ্জীবন বালিকা বিদ্যালয়, গাজীপুর" বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে ট্রাফিক সহায়ক চিহ্ন ও দিকনির্দেশনার আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকবর্তিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ের গেটে ট্রাফিক সংকেত ও দিকনির্দেশনা স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের প্রবেশপথটি ব্যস্ত একটি সড়কের পাশে। প্রতিদিন সকালে ও ছুটির সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চলাচলে ভীষণ ভিড় ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অনেক সময় অল্পের জন্য দুর্ঘটনাও ঘটে। আমরা চাই, বিদ্যালয়ের গেটে “ব্রেক করুন”, “শিক্ষার্থী পার হচ্ছে”, “নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন” — এমন কিছু সাইনবোর্ড এবং ট্রাফিক নির্দেশনা স্থাপন করা হোক। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক সহায়ক চিহ্ন ও দিকনির্দেশনা স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকবর্তিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট" বিদ্যালয়ে “বই বিনিময় কর্মসূচি” চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, দিশারী উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে বই বিনিময় কার্যক্রম চালুর আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী নতুন বই কিনতে পারে না বা সময়মতো সংগ্রহ করতে পারে না। আবার অনেকে পুরনো বইগুলো রেখে দেয় যা আর প্রয়োজন হয় না। এই সমস্যা সমাধানে আমরা প্রস্তাব করছি, “বই বিনিময় কর্মসূচি” চালু করা হোক। যেখানে পূর্ববর্ষের শিক্ষার্থীরা তাদের ব্যবহারযোগ্য বই বিনামূল্যে বা কম দামে পরবর্তী বর্ষের শিক্ষার্থীদের দিতে পারবে। এতে সহানুভূতি, সচেতনতা ও পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে উঠবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে একটি মাসিক বা সেমিস্টারভিত্তিক বই বিনিময় কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী দিশারী উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম" পরীক্ষার দিন সিট প্ল্যান পূর্বেই জানানো প্রসঙ্গে আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকছায়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গোপালগঞ্জ। বিষয়: পরীক্ষা শুরুর আগেই সিট প্ল্যান প্রকাশের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, পরীক্ষার দিন সিট প্ল্যান না জানার কারণে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং সময় নষ্ট হয়। আবার কেউ কেউ ভুল রুমে গিয়ে বসে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতিটি পরীক্ষার কমপক্ষে একদিন আগে নোটিশ বোর্ডে ও শ্রেণিকক্ষে সিট প্ল্যান ঝুলিয়ে দেওয়া হোক। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, পরবর্তী সব পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সিট প্ল্যান আগেভাগে জানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকছায়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গোপালগঞ্জ" সহপাঠীদের আত্মহত্যা প্রবণতা রোধে সচেতনতা সেশন চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সমতা বালিকা বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ। বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্যে সহায়তা ও আত্মহত্যা রোধে আলোচনা সেশনের আবেদন। মহোদয়া, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে ও আমাদের আশেপাশেও কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যার মতো ভয়ানক সিদ্ধান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে মানসিক চাপ, অভিভাবকদের সঙ্গে দুরত্ব, আত্মমর্যাদার সংকট, প্রেমঘটিত সমস্যা প্রভৃতি। আমরা মনে করি, বিদ্যালয়ে মাসে অন্তত একবার আত্মবিশ্বাস, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা ও জীবনকে ভালোবাসা শেখানো নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা ক্লাস হলে শিক্ষার্থীরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে একজন পরামর্শক বা কাউন্সেলরকে এনে আলোচনা ও সহানুভূতিমূলক সেশন আয়োজন করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সমতা বালিকা বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ " বিদ্যালয়ের পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য রিমেডিয়াল ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, লালমনিরহাট। বিষয়: দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত রিমেডিয়াল ক্লাস চালুর আবেদন। মান্যবর, শ্রেণিতে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, কিছু শিক্ষার্থী বিশেষ কিছু বিষয়ে নিয়মিত পিছিয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে অনেকেই সাহস না পেয়ে প্রশ্ন করতে চায় না, আবার কেউ বুঝেও ভুল করে বসে। এই সমস্যার সমাধানে আমরা প্রস্তাব করছি, সপ্তাহে অন্তত একদিন একটি রিমেডিয়াল ক্লাস চালু করা হোক, যেখানে শিক্ষকরা ধীরগতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পুনরায় ব্যাখ্যা করবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, দুর্বল শিক্ষার্থীদের সহায়তায় একটি নির্দিষ্ট রুটিনে রিমেডিয়াল ক্লাস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, লালমনিরহাট " বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে লেখা পত্রিকা প্রকাশের আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, নবপ্রয়াস উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বিষয়: শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে হাতে লেখা দেয়াল পত্রিকা প্রকাশের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমরা শিক্ষার্থীরা নানারকম লেখালেখির চর্চা করি — কেউ কবিতা লেখে, কেউ রচনা, কেউ ইতিহাসনির্ভর ঘটনা। কিন্তু আমাদের লেখা প্রকাশের সুযোগ খুবই সীমিত। আমরা চাই, প্রতি মাসে একটি দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ লেখা জমা দিতে পারে এবং শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি কমিটি তা বাছাই ও সম্পাদনা করবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, একটি “হাতে লেখা দেয়াল পত্রিকা” প্রকাশের সুযোগ ও পরিকাঠামো তৈরি করে শিক্ষার্থীদের সাহিত্য ও সৃজনশীলতা চর্চার পথ সুগম করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবপ্রয়াস উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া" বিদ্যালয়ে রক্তদাতা ছাত্রছাত্রীদের তথ্য সংরক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, প্রতিধ্বনি উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ। বিষয়: বিদ্যালয়ে রক্তদাতা শিক্ষার্থীদের তথ্যভাণ্ডার তৈরি সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়, আমরা জানি, যে কোনো জরুরি মুহূর্তে রক্তের প্রয়োজন হতে পারে — পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী বা শিক্ষক-সহপাঠীর জন্যও। কিন্তু অনেক সময় আমরা জানি না কে কোন গ্রুপের রক্ত দিতে পারে বা প্রস্তুত। এই চিন্তা থেকে আমরা প্রস্তাব করছি, স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ, বয়স, এবং অভিভাবকের সম্মতিসহ একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হোক। এতে বিদ্যালয়ের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধও শিক্ষার্থীদের মাঝে গড়ে উঠবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে একটি “রক্তদাতা তথ্য রেজিস্টার” চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রতিধ্বনি উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ" নতুন শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, জ্যোতিষ্ক উচ্চ বিদ্যালয়, ভোলা। বিষয়: নবনির্মিত শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের বিদ্যালয়ের সম্প্রতি নির্মিত নতুন ভবনের একটি কক্ষে আমাদের ক্লাস শুরু হয়েছে। কিন্তু সেখানে এখনও কোনো বৈদ্যুতিক আলো নেই, যার ফলে মেঘলা দিনে ও বিকেলের শেষ ক্লাসগুলোতে আলো স্বল্পতা সৃষ্টি হয়। এই কক্ষে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু থাকায় বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন এখন অতি জরুরি। অতএব, অনুরোধ করছি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও আলোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জ্যোতিষ্ক উচ্চ বিদ্যালয়, ভোলা" ক্লাস পরীক্ষার ফলাফল অনলাইন নোটিস বোর্ডে প্রকাশের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, রেইনবো মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাগেরহাট। বিষয়: ক্লাস পরীক্ষার ফলাফল অনলাইন নোটিস বোর্ডে প্রকাশের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করেছি, পরীক্ষার ফলাফল অনেক সময় হাতে হাতে বা বোর্ডে এক কপি করে প্রকাশ করা হয়। এতে সবাই সঠিকভাবে দেখতে পারে না, অনেক সময় ভুল হয় বা হারিয়ে যায়। আমরা চাই, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা একটি নির্দিষ্ট গুগল ড্রাইভে আমাদের রোল অনুযায়ী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হোক। এতে অভিভাবকরাও সহজে জানতে পারবেন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, ক্লাস ভিত্তিক পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে প্রকাশের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রেইনবো মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাগেরহাট " বিদ্যালয়ের করিডোরে সময়সূচি ও পরীক্ষার দিনসূচি টাঙানোর আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোর সন্ধান উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। বিষয়: বিদ্যালয়ের করিডোরে রুটিন ও পরীক্ষা সময়সূচি ঝুলিয়ে দেওয়ার আবেদন। মান্যবর, আমরা লক্ষ্য করেছি, পরীক্ষার বা ক্লাসের রুটিন জানার জন্য অনেক সময় অফিস কক্ষ বা শ্রেণিকক্ষে গিয়ে খোঁজ নিতে হয়। এতে সময় নষ্ট হয় ও অনেকেই ভুল তথ্য পায়। আমরা প্রস্তাব করছি, করিডোরে দৃশ্যমান জায়গায় একটি নির্ধারিত বোর্ডে সাপ্তাহিক ক্লাস রুটিন ও পরীক্ষার সময়সূচি ঝুলিয়ে দেওয়া হোক। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, রুটিন ও সময়সূচি প্রকাশের একটি কেন্দ্রীয় স্থানে নিয়মিত হালনাগাদকরণ নিশ্চিত করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোর সন্ধান উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ" বিদ্যালয়ে মাসিক পঠন উৎসব (Reading Festival) চালুর আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবআলো বালিকা বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে মাসিক পাঠোৎসব আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, পাঠাভ্যাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানের দরজা খুলে দেয়। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থী পাঠ্যবই ছাড়া অন্য কিছু পড়ে না। আমরা চাই, প্রতি মাসে একদিন বিদ্যালয়ে “পাঠোৎসব” আয়োজন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দের বই পড়বে, পড়া শেয়ার করবে, এবং অংশগ্রহণমূলক গেমে অংশ নেবে। এটি আমাদের ভাষা, ভাবনা ও জ্ঞানের প্রসারে সাহায্য করবে। অতএব, অনুরোধ করছি, পাঠোৎসব আয়োজনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবআলো বালিকা বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম" বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিকেল চেকআপ ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, উন্মেষ উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ। বিষয়: শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিকেল চেকআপ ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনেকেই অনিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন না, ফলে অনেক অসুখ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে না। দীর্ঘমেয়াদে এটি সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। আমরা প্রস্তাব করছি, স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সহায়তায় একদিনব্যাপী একটি মেডিকেল চেকআপ ক্যাম্প আয়োজন করা হোক। এতে উচ্চ রক্তচাপ, চোখ, দাঁত, ওজন, ডায়াবেটিস প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করা যেতে পারে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে মাসে বা বছরে অন্তত একবার এ ধরনের ক্যাম্প আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উন্মেষ উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ " বিদ্যালয়ের “বিতর্ক ক্লাব” পুনরায় সক্রিয় করার আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, দীপতরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: বিতর্ক ক্লাব পুনরায় কার্যকর করার আবেদন। মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ে একসময় একটি বিতর্ক ক্লাব ছিল, কিন্তু বিগত দুই বছর ধরে সেটি কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, বক্তব্য উপস্থাপন ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। আমরা চাই, ক্লাবটিকে পুনরায় সক্রিয় করা হোক এবং প্রতি মাসে অন্তত একটি আন্তঃশ্রেণি বিতর্ক আয়োজন করা হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, বিতর্ক ক্লাব পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক এবং এক বা একাধিক শিক্ষককে এর দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী দীপতরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" শ্রেণিকক্ষে শব্দ দূষণ কমাতে জানালায় গ্লাস বসানোর আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উজ্জ্বল নিকেতন, বগুড়া। বিষয়: শ্রেণিকক্ষের জানালায় গ্লাস বসানোর আবেদন। মান্যবর, আমাদের শ্রেণিকক্ষটি প্রধান সড়কের পাশেই। বাইরে যানবাহনের শব্দ, মাইক, ভ্যানের ঘোষণা ইত্যাদি শ্রবণে ব্যাঘাত ঘটায়। এমনকি শিক্ষককে অনেক সময় উচ্চস্বরে ক্লাস নিতে হয়, ফলে পাঠদানে মনোযোগ ব্যাহত হয়। আমরা চাই, জানালাগুলোয় শব্দরোধক গ্লাস বা জানালার প্যানেল বসানো হোক, যাতে ক্লাসের পরিবেশ শান্ত থাকে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষের জানালায় প্রয়োজনীয় গ্লাস বসিয়ে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উজ্জ্বল নিকেতন, বগুড়া" বিদ্যালয়ে “সহপাঠী সহায়তা প্রোগ্রাম” চালুর আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, আলোকধারা বালিকা বিদ্যালয়, নড়াইল। বিষয়: শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহায়তায় একটি সহপাঠী প্রোগ্রাম চালুর আবেদন। মহোদয়া, আমরা বিশ্বাস করি, একজন শিক্ষার্থী অন্য শিক্ষার্থীকে সহজভাবে অনেক বিষয় বুঝাতে পারে। অনেক সময় দুর্বল শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সামনে প্রশ্ন করতে সংকোচ বোধ করে। আমরা চাই, শ্রেণির মধ্যে মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে “সহপাঠী সহায়তা প্রোগ্রাম” চালু করা হোক, যেখানে তারা সহকর্মীদের প্রশ্নের উত্তর দেবে, গ্রুপ স্টাডিতে অংশ নেবে এবং শিক্ষকের নির্দেশনা মেনে সাহায্য করবে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতিটি শ্রেণিতে এই উদ্যোগ চালু করতে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ আলোকধারা বালিকা বিদ্যালয়, নড়াইল " বিদ্যালয়ে “পরিবেশবান্ধব সপ্তাহ” পালনের আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, প্রবাহ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বিষয়: পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতায় একটি সাপ্তাহিক কার্যক্রম পরিচালনার আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমরা প্রস্তাব করছি, “পরিবেশবান্ধব সপ্তাহ” পালন করা হোক। এতে করে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষা, প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতনতা, গাছ লাগানো, পানির অপচয় রোধ — এসব বিষয়ে বাস্তব ধারণা লাভ করবে। এই সপ্তাহে পরিবেশবিষয়ক পোস্টার, বক্তৃতা, দেয়াল পত্রিকা, বৃক্ষরোপণ ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা যেতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, পরিবেশ সপ্তাহ পালনের জন্য অনুমতি ও নির্দেশনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রবাহ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ" বিদ্যালয়ে “সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী” কার্যক্রম চালুর আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচনের আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মপ্রত্যয়, প্রতিযোগিতাবোধ ও মনোযোগ বাড়াতে “সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী” কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে। এতে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, আচরণ, ফলাফল, সহপাঠী সহায়তা, দায়িত্বশীলতা প্রভৃতি বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচন করা যাবে। এই কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং প্রতিদিনের ক্লাসে আরও মনোযোগী করে তুলবে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতি সপ্তাহে শ্রেণিভিত্তিক এই স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী" বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে সরঞ্জামের ঘাটতি পূরণের আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা। বিষয়: বিজ্ঞানাগারে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে প্রয়োজনীয় অনেক সরঞ্জাম নেই। বিশেষ করে কাচের টিউব, স্পিরিট ল্যাম্প, থার্মোমিটার, মডেল ও কেমিক্যালের অভাবে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে আমরা ঠিকমতো শিখতে পারি না। এই সরঞ্জামগুলো না থাকলে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত প্রস্তুতির অভাবে ভালো ফল করতে ব্যর্থ হয়। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিজ্ঞানাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ সরবরাহের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রী নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা " বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষকের অভাব পূরণের আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উন্মেষ উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমরা জানি, বর্তমান সময় তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিষয়ে কোনো প্রশিক্ষিত শিক্ষক নেই। ফলে আমাদের ক্লাসগুলো কেবল বই নির্ভর হয়ে পড়ে। কম্পিউটার ল্যাব থাকলেও অভিজ্ঞ শিক্ষক না থাকায় আমরা এর পূর্ণ সুবিধা পাচ্ছি না। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, কম্পিউটার বিষয়ে একজন প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ করে দিন। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উন্মেষ উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর" বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ধূমপান নিষিদ্ধ করার জন্য সচেতনতামূলক প্রচারণার আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, বর্ণালী বালিকা বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল। বিষয়: বিদ্যালয়ে ধূমপানবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আবেদন। মহোদয়া, কিছু অভিভাবক ও বহিরাগত ব্যক্তি বিদ্যালয় চত্বরে আসার সময় ধূমপান করেন, যা শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ধূমপানের কুপ্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জরুরি। আমরা চাই, বিদ্যালয়ে ধূমপানবিরোধী পোস্টার, দেয়ালিকা ও স্লোগান ব্যবহার করে একটি সচেতনতা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, ধূমপান রোধে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে একটি সচেতনতামূলক সপ্তাহ আয়োজনের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ বর্ণালী বালিকা বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল " বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। বিষয়: সৌর শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে আমাদের শ্রেণিকক্ষে ফ্যান, লাইট, এমনকি কম্পিউটার ক্লাসও বন্ধ হয়ে যায়। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল বসানো হলে অন্তত জরুরি আলো ও ফ্যান চালু রাখা যাবে। এটি পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ বিলও সাশ্রয় হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের ছাদে একটি ছোট আকারের সৌর শক্তি প্রকল্প গ্রহণ করে এই সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ " বিদ্যালয়ের জন্য আলাদা “ক্যারিয়ার গাইডলাইন কর্নার” স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড়। বিষয়: বিদ্যালয়ে “ক্যারিয়ার গাইডলাইন কর্নার” স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, শিক্ষার্থীরা অনেক সময় উচ্চ মাধ্যমিকের পর কী বিষয়ে ভর্তি হবে, কোন পেশা বেছে নেবে — তা বুঝতে পারে না। এই সংকট কাটাতে আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী “ক্যারিয়ার গাইডলাইন কর্নার” স্থাপন করা হোক। এই কর্নারে তথ্যচিত্র, পুস্তিকা, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য, বিভিন্ন স্কলারশিপের বিজ্ঞপ্তি ও পেশাভিত্তিক গাইডলাইন সংরক্ষিত থাকবে। চাইলে শিক্ষার্থীরা এসব পড়ে নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে এই ক্যারিয়ার সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড় " শিক্ষার্থীদের “নেতৃত্ব বিকাশ কর্মশালা” আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, ভবিষ্যত উচ্চ বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা। বিষয়: নেতৃত্ব গঠনে কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। জনাব, নেতৃত্ব গুণ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও শিক্ষাগত দক্ষতা। আমাদের মধ্যে অনেকেই শ্রেণি প্রতিনিধি, বিতর্ক ক্লাব সদস্য বা খেলাধুলায় নেতৃত্ব দেয় — কিন্তু সঠিকভাবে কীভাবে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত তা শিখিনি। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একজন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে “লিডারশিপ ট্রেনিং ওয়ার্কশপ” আয়োজন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বের নৈতিকতা, সংগঠন, সমন্বয় ও সংকট ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, মাসে বা সেমিস্টারে একবার এই বিষয়ক কর্মশালা আয়োজনের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ভবিষ্যত উচ্চ বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা " বিদ্যালয়ে সহপাঠীদের জন্য “ইংরেজি স্পোকেন ক্লাব” চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উদীয়মান বালিকা বিদ্যালয়, নরসিংদী। বিষয়: ইংরেজি কথোপকথনের দক্ষতা বাড়াতে স্পোকেন ক্লাব চালুর আবেদন। মহোদয়া, বর্তমানে ইংরেজিতে কথা বলার দক্ষতা শিক্ষার পাশাপাশি চাকরি ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থী শুধুমাত্র বই পড়ে, ব্যবহারিক ইংরেজিতে দুর্বল থেকে যায়। আমরা চাই, প্রতি সপ্তাহে একদিন একটি নির্দিষ্ট ক্লাসে ইংরেজিতে ছোট আলোচনাসভা, ভূমিকা পালন, প্রশ্ন-উত্তর সেশন আয়োজন করা হোক। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি ইংরেজি স্পোকেন ক্লাব চালুর অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ উদীয়মান বালিকা বিদ্যালয়, নরসিংদী " বিদ্যালয়ের মূল ফটকে পরিচয়পত্রবিহীন প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, বিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: পরিচয়পত্র ছাড়া বিদ্যালয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমানে বিদ্যালয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ না থাকায় মাঝে মাঝে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। কোনো কোনো সময় অজানা ব্যক্তিরা শ্রেণির আশপাশে ঘোরাঘুরি করে যা ছাত্রীদের জন্যও নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ের মূল ফটকে পরিচয়পত্র দেখিয়ে প্রবেশের বাধ্যবাধকতা রাখা হোক এবং প্রবেশপথে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী নিয়োগ দেওয়া হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে এই ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট" বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের আমন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নবআলো উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ। বিষয়: পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অভিভাবক আমন্ত্রণ সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়, আমরা শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও পরীক্ষায় পুরস্কার পেলেও তা বিদ্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। অভিভাবকেরা অনেক সময় জানতে পারেন না এবং তাদের সন্তানের কৃতিত্ব সরাসরি দেখতে পারেন না। আমরা চাই, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্তত পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর একজন অভিভাবককে আমন্ত্রণ জানানো হোক। এতে পরিবারও সন্তানের প্রতি গর্ব অনুভব করবে, যা ভবিষ্যতের জন্য আরও উৎসাহের কারণ হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, ভবিষ্যতের অনুষ্ঠানগুলোতে অভিভাবক উপস্থিতির সুযোগ নিশ্চিত করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবআলো উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ " বিদ্যালয়ে বার্ষিক “শিক্ষক সম্মাননা অনুষ্ঠান” চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী। বিষয়: শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, শিক্ষকের অবদান একজন শিক্ষার্থীর জীবনে চিরস্মরণীয়। আমরা মনে করি, বছরে অন্তত একবার শিক্ষক দিবস বা বার্ষিক দিবসে শিক্ষক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হবে। এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারবে এবং শিক্ষকও তাদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি পাবেন। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে শিক্ষক সম্মাননা অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত করে তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী " বিদ্যালয়ের পাঠাগারে অডিও বুক ও ব্রেইল বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকদিশা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: পাঠাগারে অডিও বুক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল বই সংযোজনের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে যারা দৃষ্টিশক্তিতে দুর্বল বা বই পড়তে সমস্যা অনুভব করে। এছাড়াও অনেকে দীর্ঘসময় পড়তে না পারলেও শুনে শিখতে আগ্রহী। তাদের জন্য পাঠাগারে কিছু অডিও বুক এবং ব্রেইল বই সংযোজন করা হলে তাদের শিক্ষার পথ আরও মসৃণ হবে এবং অন্য শিক্ষার্থীদেরও প্রযুক্তিনির্ভর পড়ার আগ্রহ বাড়বে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের পাঠাগারে অন্তত অল্প পরিসরে হলেও এই ধরনের বই সংযোজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকদিশা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম " বিদ্যালয়ের “স্মৃতি কর্নার” স্থাপন করে সাবেক শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব প্রদর্শনের আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সম্ভাবনা উচ্চ বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। বিষয়: বিদ্যালয়ে স্মৃতি কর্নার স্থাপন সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়, অনেক সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের অর্জন বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। আমরা চাই, বিদ্যালয়ে একটি “স্মৃতি কর্নার” স্থাপন করা হোক, যেখানে পুরোনো শিক্ষার্থীদের ছবি, সফলতার বিবরণ, কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও পেশা উল্লেখ থাকবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের একটি নির্দিষ্ট স্থান স্মৃতি কর্নার হিসেবে বরাদ্দ দিয়ে এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সম্ভাবনা উচ্চ বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ" বিদ্যালয়ের মাঠে নাইট গার্ড নিয়োগের আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, সত্যান্বেষণ উচ্চ বিদ্যালয়, ফেনী। বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠ ও সম্পত্তি রক্ষায় রাত্রিকালীন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ের মাঠে রাতের বেলায় বহিরাগতরা খেলাধুলা ও আড্ডা দেয়, এমনকি কিছু জায়গায় ক্ষতিসাধনও হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের সম্পত্তির ক্ষতি করছে এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। আমরা চাই, একজন নাইট গার্ড নিয়োগ দেওয়া হোক, যিনি রাতে বিদ্যালয়ের মাঠ ও সম্পত্তি দেখভাল করবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের সম্পদ ও নিরাপত্তা রক্ষায় একটি নাইট গার্ড নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সত্যান্বেষণ উচ্চ বিদ্যালয়, ফেনী " বিদ্যালয়ের ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উৎকর্ষ বালিকা বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মহোদয়া, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় ভাষা শেখার জন্য ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব একটি কার্যকর উপায়। সেখানে অডিও-ভিজ্যুয়াল পদ্ধতিতে ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষা শেখা সহজ হয়। আমাদের বিদ্যালয়ে এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেই। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি ছোট পরিসরের ভাষা ল্যাব স্থাপন করা হোক, যেখানে প্রজেক্টর, হেডফোন ও ইংরেজি অডিও কোর্স রাখা যাবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পথ তৈরি করে দেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ উৎকর্ষ বালিকা বিদ্যালয়, কুমিল্লা" বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ডিজিটাল টাইম ডিসপ্লে বসানোর আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকছবি উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে সময় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ডিজিটাল ঘড়ি স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমরা লক্ষ্য করেছি, শ্রেণিকক্ষে কোনো ঘড়ি না থাকায় শিক্ষার্থীরা সময় সম্পর্কে সচেতন না থেকে মাঝে মাঝে বিলম্বে ক্লাসে প্রবেশ করে, পরীক্ষার সময়েও বিভ্রান্তি দেখা দেয়। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে বা অন্তত প্রতিটি ভবনে একটি ডিজিটাল টাইম ডিসপ্লে ঘড়ি বসানো হোক যাতে সবাই সময়মতো শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হতে অভ্যস্ত হয়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি শ্রেণিকক্ষে অথবা করিডোরে ডিজিটাল ঘড়ি বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকছবি উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল" বিদ্যালয়ের মাঠে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক খেলার সময়সূচি নির্ধারণের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবউদয় বালিকা বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। বিষয়: খেলার সময় ছাত্র ও ছাত্রীদের পৃথক ব্যবস্থার আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, খেলাধুলার সময় ছেলেদের সঙ্গে একসাথে মাঠে থাকা আমাদের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হয়ে পড়ে, বিশেষত যখন স্থান সংকট হয়। এতে আমরা অনেকেই খেলাধুলায় অংশ নিতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলি। আমরা প্রস্তাব করছি, সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে অথবা প্রতিদিন নির্ধারিত সময় ছাত্রীদের খেলার জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের মাঠ ব্যবহারে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবউদয় বালিকা বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া" পাঠ্যপুস্তক বিতরণে স্বচ্ছতা আনয়নে ডিজিটাল রেকর্ড চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, শিখনপথ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী। বিষয়: পাঠ্যপুস্তক বিতরণে ডিজিটাল রেজিস্ট্রার চালুর আবেদন। জনাব, পাঠ্যবই বিতরণের সময় অনেক সময় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়— কেউ বই কম পায়, কেউ পায় না, আবার কেউ একই বই দুইবার পায়। এতে বইয়ের ঘাটতি ও অপচয় হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, এক্সেল বা গুগল ফর্মের মাধ্যমে একটি অনলাইন রেকর্ড রাখা হোক যেখানে কার কোন বই নেওয়া হয়েছে তা লিপিবদ্ধ থাকবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, পাঠ্যপুস্তক বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল রেজিস্ট্রার চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শিখনপথ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী" বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের আমন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, রবিরশ্মি উচ্চ বিদ্যালয়, জামালপুর। বিষয়: বার্ষিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় গুণীজনদের আমন্ত্রণ সংক্রান্ত আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আসন্ন। আমরা চাই, এতে স্থানীয় একজন কবি, শিল্পী বা নাট্যব্যক্তিত্বকে আমন্ত্রণ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হোক। তাঁদের উপস্থিতি আমাদের জন্য প্রেরণাদায়ক হবে এবং অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত ও স্মরণীয় হয়ে উঠবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, স্থানীয় গুণী ব্যক্তিদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রবিরশ্মি উচ্চ বিদ্যালয়, জামালপুর " পরীক্ষার সময় বিদ্যালয়ের আশেপাশে শব্দ নিয়ন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, প্রবাহ উচ্চ বিদ্যালয়, নরায়ণগঞ্জ। বিষয়: পরীক্ষা চলাকালীন বিদ্যালয়ের চারপাশে শব্দ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মহোদয়, পরীক্ষার সময় অনেক সময় বিদ্যালয়ের পাশে মাইকিং, যানবাহনের হর্ন, দোকানের উচ্চ শব্দ ইত্যাদি পরিবেশকে বিরক্তিকর করে তোলে। এতে আমাদের মনোযোগ বিঘ্নিত হয় ও উত্তর লিখতে সমস্যা হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, পরীক্ষার সময় আশেপাশে মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং অভিভাবকদেরও নীরবতা বজায় রাখতে অনুরোধ জানানো হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, পরীক্ষার সময় বিদ্যালয়ের আশপাশে শব্দ নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রবাহ উচ্চ বিদ্যালয়, নরায়ণগঞ্জ" বিদ্যালয়ে “টেকনোলজি ক্লাব” গঠনের আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, প্রযুক্তি আলোক বিদ্যালয়, যশোর। বিষয়: বিদ্যালয়ে প্রযুক্তি ক্লাব গঠনের আবেদন। মহোদয়, বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর। আমরা অনেকেই প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল ডিজাইন, রোবটিকস, বা মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে আগ্রহী, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সে অনুযায়ী কোনও চর্চার পরিবেশ নেই। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “টেকনোলজি ক্লাব” গঠন করা হোক, যেখানে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে এবং মাসে একদিন করে ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি প্রযুক্তি ক্লাব গঠনের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রযুক্তি আলোক বিদ্যালয়, যশোর " বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড ডিজিটালাইজেশনের আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, স্মার্টল্যাব স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনা। বিষয়: বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড ডিজিটাল করার আবেদন। জনাব, বর্তমানে সব তথ্য কাগজে ছাপিয়ে নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়। এতে কাগজ নষ্ট হয়, কিছু শিক্ষার্থী সময়মতো জানতেও পারে না। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি টিভি বা মনিটর বোর্ড ব্যবহার করে ডিজিটাল নোটিশ বোর্ড চালু করা হোক যেখানে নিয়মিত প্রয়োজনীয় তথ্য আপডেট করা যাবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের তথ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনতে একটি ডিজিটাল নোটিশ বোর্ড স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী স্মার্টল্যাব স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনা" বিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলে পানি সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, আলোকবর্তিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: পরীক্ষার হলে পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন। প্রিয় মহাশয়, পরীক্ষার সময় আমাদের অনেকেই দীর্ঘ সময় বসে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু কিছু পরীক্ষার কক্ষে পানি সরবরাহ না থাকায় আমরা চাহিদামতো পানি পান করতে পারি না। আমরা প্রস্তাব করছি, পরীক্ষার হলে মাটির কলস বা বোতলযুক্ত পানি রাখা হোক এবং প্রয়োজনে ছাত্রসদস্যরা দায়িত্বপালনে সহায়তা করবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, পরীক্ষার সময় প্রতিটি হল বা কক্ষে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকবর্তিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলা আয়োজনে সহযোগিতার আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, জ্ঞানজ্যোতি বালিকা বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের জন্য অনুমতি ও সহায়তা চেয়ে আবেদন। মহোদয়া, আমরা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন ধারণা ও প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসি। আমরা চাই, বিদ্যালয়ে একটি দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি করা প্রজেক্ট প্রদর্শন করতে পারবে। এই মেলায় অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে, যা আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবনের অনুপ্রেরণা জোগাবে। অতএব, অনুরোধ করছি, একটি বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ জ্ঞানজ্যোতি বালিকা বিদ্যালয়, দিনাজপুর " বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠ প্রতিযোগিতা চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উদ্ভাস উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: সাপ্তাহিক পাঠ প্রতিযোগিতা চালুর আবেদন। মান্যবর, পাঠাভ্যাস শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও উচ্চারণ দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতি সপ্তাহে শ্রেণিভিত্তিক পাঠ প্রতিযোগিতা চালু করা হোক যেখানে শিক্ষার্থীরা কবিতা, গল্প বা গদ্য পাঠ করবে। এই প্রতিযোগিতা আমাদের ভাষাজ্ঞান, শব্দ উচ্চারণ এবং আত্মপ্রকাশের সাহস বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, পাঠ প্রতিযোগিতাকে নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উদ্ভাস উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর" বিদ্যালয়ে “মহান স্বাধীনতা দিবস স্মরণ উৎসব” পালনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর। বিষয়: মহান স্বাধীনতা দিবস স্মরণে অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন। মহোদয়, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিনে শহীদদের স্মরণ করে আমরা যদি একটি অনাড়ম্বর কিন্তু গভীর অনুভূতিপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করি, তাহলে আমাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান এবং মুক্তিযোদ্ধা/তাঁর পরিবারের সদস্যদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে একটি স্মরণীয় আয়োজন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর " বিদ্যালয়ে “নিত্যদিনের গণনা দক্ষতা” চর্চার জন্য কার্যক্রম চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সংখ্যাপাঠ উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ। বিষয়: গণিত চর্চায় দৈনন্দিন গণনা (ডেইলি ম্যাথ ড্রিল) চালুর আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করেছি, আমাদের অনেক সহপাঠী মৌলিক গাণিতিক দক্ষতায় পিছিয়ে পড়ে — যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ বা ভাগ করতে সময় নেয়। অথচ এই দক্ষতা প্রতিদিনের শিক্ষাজীবনে প্রয়োজন। আমরা চাই, প্রতিদিন ক্লাসের শুরুতে ৫ মিনিটের একটি ""ডেইলি ম্যাথ ড্রিল"" চালু করা হোক, যাতে সবাই কিছু ছোট সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে গণনায় সাবলীল হয়ে উঠতে পারে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, এই কার্যক্রম চালু করে আমাদের গাণিতিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সংখ্যাপাঠ উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ " বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্ট্যান্ড স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, নরসিংদী। বিষয়: বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্ট্যান্ড বসানোর আবেদন। প্রিয় মহাশয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা আমাদের সকলের দায়িত্ব। করোনা পরবর্তী সময়েও আমরা সচেতন থাকতে চাই এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী। আমরা চাই, বিদ্যালয়ের মূল গেট এবং কমন রুমের সামনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্ট্যান্ড বসানো হোক, যাতে প্রত্যেকেই বিদ্যালয়ে প্রবেশের আগে হাত পরিষ্কার করতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, এই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, নরসিংদী" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে “স্টাডি জোন” চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, পাঠচক্র বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয়: পাঠাগারে নিরব অধ্যয়ন কর্নার (স্টাডি জোন) চালুর আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, পাঠাগারে বই সংগ্রহ থাকলেও সেখানে নীরবভাবে বসে পড়ার কোনো পরিবেশ নেই। অনেকেই পড়ে বিদ্যালয় শেষে কিছু সময় একা বা গ্রুপে বসে পড়াশোনা করতে চায়। আমরা প্রস্তাব করছি, পাঠাগারের এক পাশে একটি ""স্টাডি জোন"" চালু করা হোক, যেখানে ৮–১০ জন শিক্ষার্থী একসঙ্গে নীরবে বসে বই পড়তে বা অনুশীলন করতে পারবে। অতএব, অনুরোধ করছি, পাঠাগারে নির্ধারিত স্থানে একটি স্টাডি কর্নার চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ পাঠচক্র বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা " "বিদ্যালয়ে “জীবন দক্ষতা” প্রশিক্ষণ ক্লাস চালুর আবেদন তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫","তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, জীবনদৃষ্টি উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: জীবন দক্ষতা বিষয়ক সাপ্তাহিক ক্লাস চালুর আবেদন। মান্যবর, শুধু পাঠ্যপুস্তকই নয়, জীবনের নানা বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবেলা করতেও আমাদের দক্ষতা প্রয়োজন। যেমন: সংকটে করণীয়, অর্থের সঠিক ব্যবহার, প্রথম চিকিৎসা, যোগাযোগ দক্ষতা, মানসিক চাপ মোকাবেলা প্রভৃতি। আমরা চাই, সপ্তাহে একদিন একটি “লাইফ স্কিলস ক্লাস” নেওয়া হোক, যেখানে এইসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখানো হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, জীবন দক্ষতা বিষয়ক একটি আলাদা সেশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন বিকাশে সহায়তা করুন। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জীবনদৃষ্টি উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট" বিদ্যালয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, স্মার্ট অ্যাকাডেমি, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমরা একটি আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষার্থীরা দলগত কাজ, নেতৃত্বগুণ এবং শরীরচর্চার সুফল পাবে। অতএব, অনুরোধ করছি দ্রুত উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করার অনুমতি ও সহযোগিতা প্রদানে। নিবেদক, ৫ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীগণ স্মার্ট অ্যাকাডেমি, ঢাকা।" বিদ্যালয়ের ছুটির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন,"তারিখ: ০১/০৫/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সুন্দরপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: ছুটির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন। জনাব, বর্তমান ছুটির সময়টি অত্যন্ত কম হওয়ায় আমরা ছুটির সময়ের মধ্যে পড়াশোনা এবং বিশ্রামের জন্য যথেষ্ট সময় পাচ্ছি না। তাই আমাদের সকল ছাত্রছাত্রীদের সুস্থ ও ভালো পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর জন্য ছুটির সময় বৃদ্ধি করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। অতএব, বিনীত আবেদন করছি, বিদ্যালয়ের ছুটির সময় কমপক্ষে ৩০ মিনিট বৃদ্ধি করার অনুগ্রহ করুন। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সুন্দরপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা।" বিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন পাঠদান বন্ধ রাখার আবেদন,"তারিখ: ১০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নদীপাড়া মডেল স্কুল, রাজশাহী। বিষয়: গ্রীষ্মকালীন পাঠদান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার আবেদন। মহোদয়, গরমকালে তীব্র উত্তাপে স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে। এজন্য গ্রীষ্মকালীন মাসগুলোতে সাময়িকভাবে ক্লাস বন্ধ রাখার প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষার্থীরা বিশ্রাম নিয়ে স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই মাসগুলোতে গ্রীষ্মকালীন পাঠদান বন্ধ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নদীপাড়া মডেল স্কুল, রাজশাহী।" বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠার আবেদন,"তারিখ: ১২/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর। বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠার আবেদন। মান্যবর, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ ও জ্ঞান বৃদ্ধি করতে হলে পাঠ্যপুস্তকের বাইরে একটি বিজ্ঞান ক্লাব থাকা প্রয়োজন। যেখানে তাঁরা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মডেল প্রদর্শনী, ও প্রকল্প উপস্থাপনা করতে পারবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র পাঠ্যবিষয়ের জ্ঞানই বৃদ্ধি পাবে না, বরং সৃজনশীলতা, দলবদ্ধ কাজের দক্ষতা ও সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতাও অর্জন করবে। স্কুলের সহায়ক পঠন-পাঠনের অংশ হিসেবে বিজ্ঞান ক্লাব চালু করলে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষাগত মান উন্নত হবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই ক্লাব স্থাপনের অনুমোদন প্রদান ও প্রয়োজনীয় সাহায্যের জন্য। নিবেদক, দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকিত উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর।" বিদ্যালয়ের ক্যান্টিন উন্নত করার আবেদন,"তারিখ: ০১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সুরভি বিদ্যাপীঠ, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ের ক্যান্টিন উন্নত করার আবেদন। মহোদয়, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের জন্য বিদ্যালয়ের ক্যান্টিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ক্যান্টিনের পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের মান অনেক সময় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা আশা করি, ক্যান্টিনের মান উন্নত করা হলে শিক্ষার্থীরা সুস্থ ও সতেজ থাকবেন এবং মনোযোগসহকারে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন। পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নতুন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অতএব, অনুরোধ করছি, ক্যান্টিনের উন্নয়নের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সুরভি বিদ্যাপীঠ, ঢাকা। " বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৫/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, শান্তি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে। বর্তমানে স্কুলের চারপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই বলে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। এতে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। নিরাপত্তা গার্ড, সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য ব্যবস্থা বাড়ানো প্রয়োজন। আমরা মনে করি, নিরাপত্তা জোরদার করলে শিক্ষার্থীরা আরও স্বচ্ছন্দ ও মনোযোগী হয়ে পড়বে। এছাড়া অভিভাবকরাও আশ্বস্ত হবেন। অতএব, বিনীত অনুরোধ, দ্রুত বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শান্তি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। " বিদ্যালয়ে পাঠ্যক্রমের বাইরের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশে পাঠ্যক্রমের বাইরের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম যেমন নাটক, গীত, নৃত্য ও আলোচনা সভা খুবই প্রয়োজন। এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাদের সৃজনশীলতা বিকাশে সাহায্য করে। আমাদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত এসব কার্যক্রমের আয়োজন হলে শিক্ষার্থীরা আরো মনোযোগী ও মেধাবী হয়ে উঠবে। বিশেষ করে উৎসব ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন দরকার। অতএব, বিনীত আবেদন এই ধরনের কার্যক্রম চালু করার অনুমোদন ও সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, রাজশাহী। " বিদ্যালয়ে সাইকেল পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: সাইকেল পার্কিংয়ের জন্য স্থান বরাদ্দের আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন সাইকেল ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে আসে। কিন্তু বর্তমানে সাইকেল রাখার কোনো নিরাপদ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেই। এতে সাইকেলগুলো নিরাপত্তাহীনতায় থাকে এবং অনেক সময় ক্ষতি হয়। আমরা বিশ্বাস করি, একটি নির্ধারিত নিরাপদ সাইকেল পার্কিং ব্যবস্থা হলে শিক্ষার্থীরা অনেক সহজে ও নিশ্চিন্তে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে পারবে। এটি বিদ্যালয়ের পরিবেশকেও সুন্দর রাখবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই সাইকেল পার্কিংয়ের জন্য যথাযথ স্থান নির্ধারণ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। নিবেদক, ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল।" বিদ্যালয়ের পাঠাগার সম্প্রসারণের আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আনন্দ উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয়: বিদ্যালয়ের পাঠাগার সম্প্রসারণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে বিদ্যালয়ের পাঠাগারটি খুব ছোট এবং পর্যাপ্ত বই নেই। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য এটি যথেষ্ট নয়। নতুন বই ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী সংগ্রহের জন্য পাঠাগার সম্প্রসারণ জরুরি। পাঠাগার সম্প্রসারণ হলে শিক্ষার্থীরা বইয়ের চাহিদা মিটিয়ে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারবে। এ কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানও উন্নত হবে। অতএব, বিনীত আবেদন পাঠাগার সম্প্রসারণ ও নতুন বই সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আনন্দ উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। " বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১০/০৫/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সূর্যকান্ত বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। বিষয়: বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। মহোদয়, শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য বিষয়ে সঠিক তথ্য নেই এবং চিকিৎসার সুযোগও সীমিত। অতএব, বিদ্যালয়ে একদিনের মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা করার জন্য অনুরোধ করছি। এতে শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকবেন এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও নিরাপদ হবে। অতএব, বিনীত অনুরোধ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সূর্যকান্ত বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। বিষয়: কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমান যুগে কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সফল হতে হলে কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা অর্জন জরুরি। বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ক্লাস রয়েছে, তবে প্রশিক্ষণ কোর্স হিসেবে এটি চালু করা হয় না। আমরা চাই, বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করে ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক থেকে উন্নত পর্যায়ের কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান করা হোক। এতে তারা প্রযুক্তির সঙ্গে যুগানুযায়ী মানিয়ে নিতে পারবে। অতএব, বিনীত আবেদন কোর্স চালুর অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর।" বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য আলাদা বিশ্রামকক্ষ তৈরির আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সুপ্রভাত বালিকা বিদ্যালয়, বরগুনা। বিষয়: ছাত্রীদের জন্য আলাদা বিশ্রামকক্ষ তৈরির আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে অনেক সময় ছাত্রীদের বিশেষ করে ক্লাসের বিরতির সময় বিশ্রাম নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো কক্ষ নেই। এতে তারা অনেক অসুবিধায় পড়েন এবং ক্লাসে মনোযোগ কমে যায়। আমরা অনুরোধ করছি, ছাত্রীদের জন্য একটি আলাদা, সুষ্ঠু এবং নিরাপদ বিশ্রামকক্ষ তৈরি করার জন্য ব্যবস্থা নিন। এতে তারা আরামে বিশ্রাম নিতে পারবে এবং মনোযোগী হয়ে ক্লাসে ফিরে আসবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই সুযোগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সুপ্রভাত বালিকা বিদ্যালয়, বরগুনা।" বিদ্যালয়ে মাসিক পরীক্ষার সময়সূচী পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নন্দন উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর। বিষয়: মাসিক পরীক্ষার সময়সূচী পরিবর্তনের আবেদন। মান্যবর, বর্তমান মাসিক পরীক্ষার সময়সূচী অনেকসময় ক্লাশের অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে শিক্ষার্থীরা চাপের মুখে পড়ে। এতে পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায়। আমরা চাই, পরীক্ষার সময়সূচী পুনর্বিন্যাস করে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত বিরতির সময় রাখা হোক, যাতে তারা সুষ্ঠুভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে। অতএব, বিনীত আবেদন সময়সূচী পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নন্দন উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর।" বিদ্যালয়ের মাঠ উন্নত করার আবেদন,"তারিখ: ১০/০৮/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নবোদয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠ উন্নত করার আবেদন। মান্যবর, বিদ্যালয়ের মাঠ শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও শারীরিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য স্থান। বর্তমানে মাঠের মাটি খারাপ ও অনিয়মিত ব্যবহারের কারণে এটি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে ছাত্রছাত্রীরা সঠিকভাবে খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না। আমরা আশা করি, মাঠটি সমতল করা, ঘাস লাগানো এবং প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম যোগানের মাধ্যমে এটি উন্নত করা হলে ছাত্রছাত্রীরা আরও উৎসাহের সঙ্গে খেলা ও শারীরিক অনুশীলন করবে। এতে বিদ্যালয়ের খেলা প্রতিযোগিতায় পারফরম্যান্সও বৃদ্ধি পাবে। অতএব, বিনীত আবেদন মাঠের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র নবোদয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সিলেট। " বিদ্যালয়ে রোদনিরোধক ছাউনি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৮/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, প্রগতি বালিকা বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যালয়ে রোদনিরোধক ছাউনি স্থাপনের আবেদন। জনাব, গ্রীষ্মকালে বিদ্যালয়ের উঠোনে পড়ার সময় ছাত্রছাত্রীদের সরাসরি রোদে বসতে হয়। এতে অসুবিধা ও শারীরিক কষ্ট হয়। অনেক সময় ছাত্রছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের উঠোনে একটি রোদনিরোধক ছাউনি নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও আরামে ক্লাসের বিরতিতে বসতে পারে। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রী প্রগতি বালিকা বিদ্যালয়, কুমিল্লা।" বিদ্যালয়ে পানীয় জল সরবরাহের উন্নতির আবেদন,"তারিখ: ২০/০৮/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সোনালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: বিদ্যালয়ে পানীয় জল সরবরাহের উন্নতির আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ সময় ক্লাস করে। কিন্তু বিদ্যালয়ের পানীয় জলের ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত ও অনিয়মিত হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী জল পান করতে সমস্যায় পড়ে। আমরা মনে করি, পর্যাপ্ত এবং পরিষ্কার পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করলে শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকবে ও মনোযোগী হয়ে পড়াশোনা করবে। বিশেষ করে গরমকালে এটি অত্যন্ত জরুরি। অতএব, বিনীত আবেদন, বিদ্যালয়ে পানীয় জল সরবরাহের উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্র সোনালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল।" বিদ্যালয়ে অভিভাবক সভার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৮/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে অভিভাবক সভার আয়োজনের আবেদন। মাননীয়, শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা ও মানসিক বিকাশে অভিভাবকদের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। অনেক সময় অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে যোগাযোগের অভাব থাকে, যার কারণে শিক্ষার্থীদের উন্নতি সঠিকভাবে পর্যালোচনা করা সম্ভব হয় না। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আগামী মাসে একটি অভিভাবক সভার আয়োজন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ও সমস্যাগুলো আলোচনা করা যাবে। এতে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের কাজ সম্পর্কে অবগত হবেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সহায়ক হবেন। অতএব, এই আবেদন মঞ্জুর করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। " বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৯/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সবুজ উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের আবেদন। জনাব, পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বৃক্ষরোপণ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। গাছপালা বাতাস শুদ্ধ করে ও পরিবেশকে শান্ত ও মনোরম করে তোলে। আমরা বিশ্বাস করি, বিদ্যালয়ে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ করলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশও আরও সুষ্ঠু হবে। অতএব, বিনীত আবেদন, বিদ্যালয়ের মাঠ ও আশপাশে বৃক্ষরোপণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্র সবুজ উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। " বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ১০/০৯/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয়: বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা করার আবেদন। মাননীয়, বর্তমান শিক্ষায় প্রযুক্তির ভূমিকা অপরিসীম। বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করতে পারছে না। এতে তাদের আধুনিক শিক্ষার সুযোগ সীমিত হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, দ্রুত বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবস্থা চালু করলে শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার সুযোগ পাবে ও শিক্ষার মান উন্নত হবে। অতএব, বিনীত আবেদন, বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা।" বিদ্যালয়ে স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নতির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৯/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ। বিষয়: বিদ্যালয়ে স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নতির আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা অনেকদিন ধরে অপর্যাপ্ত ও অপ্রতুল। এতে অনেক শিক্ষার্থী অসুবিধায় পড়ে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ে। আমরা আশা করি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করলে শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকবে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর হবে। অতএব, বিনীত আবেদন, শৌচাগার সংস্কার ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ।" বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবস উদযাপনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৯/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: শিক্ষক দিবস উদযাপনের আবেদন। মাননীয়, শিক্ষক দিবস আমাদের বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয় না। শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও শিক্ষার গুরুত্ব শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চার করতে শিক্ষক দিবস উদযাপন জরুরি। আমরা অনুরোধ করছি, আগামী শিক্ষক দিবসে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হোক, যেখানে শিক্ষকদের সম্মান জানানো হবে ও শিক্ষার্থীরা তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই আয়োজনের অনুমোদন ও সহযোগিতা জন্য। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী।" বিদ্যালয়ে টিচার রুম উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৯/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকধারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে টিচার রুম উন্নয়নের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য একটি সুষ্ঠু ও আরামদায়ক টিচার রুমের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বর্তমানে টিচার রুমটি ছোট, অপর্যাপ্ত আসবাবপত্র ও অস্বস্তিকর পরিবেশে রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, টিচার রুম উন্নত হলে শিক্ষকরা বিশ্রাম ও পরিকল্পনা করতে পারবেন, যা শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করবে। অতএব, বিনীত আবেদন, টিচার রুম উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র আলোকধারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ে নতুন পাঠ্যপুস্তক সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৯/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, অগ্রণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ে নতুন পাঠ্যপুস্তক সংযোজনের আবেদন। মাননীয়, বর্তমান ব্যবহৃত পাঠ্যপুস্তকগুলি অনেকাংশে পুরনো ও আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষার্থীদের আরও ভালো শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনের জন্য আধুনিক ও সংশোধিত পাঠ্যপুস্তক প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে আধুনিক পাঠ্যপুস্তক সংযোজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নতুন ধারায় শিক্ষালাভ করতে পারে। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র অগ্রণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী।" বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৫/১০/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, জয়বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিক বিকাশ ও মেধার উন্নতির জন্য নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা দলের সাথে কাজ শিখবে ও সুস্থ থাকবে। আমরা আশা করি, আগামী মাসে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, যাতে সব বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারে। অতএব, বিনীত আবেদন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র জয়বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সম্প্রসারণের আবেদন,"তারিখ: ১০/১০/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, বিজয় বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সম্প্রসারণের আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারটি বর্তমানে ছোট ও পাঠ্যপুস্তকসহ অন্যান্য বইয়ের সংখ্যা সীমিত। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তার জন্য গ্রন্থাগার সম্প্রসারণ জরুরি। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, নতুন বই ও জায়গার ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আরও শিক্ষার্থী গ্রন্থাগার ব্যবহার করতে পারে। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র বিজয় বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।" বিদ্যালয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য ট্যাংক স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/১০/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য ট্যাংক স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের পানি সমস্যা সমাধানের জন্য বৃষ্টির পানি সংগ্রহ একটি কার্যকর পদ্ধতি। এতে জল সাশ্রয় হবে এবং পরিবেশ সংরক্ষিত হবে। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের ছাদের ওপর বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য একটি বড় ট্যাংক স্থাপন করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্র নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। " বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নতির আবেদন,"তারিখ: ২০/১০/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নতির আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত হওয়ায় অনাকাঙ্খিত ব্যক্তির প্রবেশ ও অনিয়ম বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট।" বিদ্যালয়ে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৫/১০/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য নবীন বরণ অনুষ্ঠান একটি প্রয়োজনীয় কর্মসূচি। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করে। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আগামী মাসে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা।" বিদ্যালয়ে বিদ্যুতের বিল মওকুফের আবেদন,"তারিখ: ৩০/১০/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সোনালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: বিদ্যালয়ের বিদ্যুতের বিল মওকুফের আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে বিদ্যালয়ের আর্থিক অবস্থার কারণে বিদ্যুতের বিল পরিশোধে কষ্ট হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কোনও ব্যাঘাত না ঘটানোর জন্য বিল মওকুফের প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে আবেদন করছি, বিদ্যালয়ের বিদ্যুতের বিল কিছুদিনের জন্য মওকুফ করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র সোনালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল।" বিদ্যালয়ে ক্লাসরুমে ভেন্টিলেশন উন্নতির আবেদন,"তারিখ: ০৫/১১/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষা নিকেতন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: ক্লাসরুমে ভেন্টিলেশন উন্নতির আবেদন। জনাব, বর্তমানে অনেক ক্লাসরুমে ভেন্টিলেশন অপর্যাপ্ত থাকায় গরম ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ শিক্ষার্থীদের জন্য অসুবিধাজনক। ভাল বাতাস ও আলো নিশ্চিত করতে ভেন্টিলেশন উন্নত করা প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত ক্লাসরুমের জানালা ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা উন্নত করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র শিক্ষা নিকেতন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১০/১১/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, আগ্রসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মাননীয়, বর্তমান শিক্ষায় কম্পিউটার ও প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার সুযোগ দিতে বিদ্যালয়ে একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার ল্যাবের প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে দ্রুত কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র আগ্রসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। " বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য চিকিৎসা সেবা প্রদানের আবেদন,"তারিখ: ১৫/১১/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সুশিক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য চিকিৎসা সেবা প্রদানের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের হঠাৎ অসুস্থতা ঘটে, কিন্তু দ্রুত চিকিৎসা সেবা না থাকায় সমস্যা দেখা দেয়। একটি চিকিৎসা কক্ষ ও ডাক্তারের ব্যবস্থা জরুরি। আমরা বিনীতভাবে আবেদন করছি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র চালু করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্র সুশিক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।" বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২০/১১/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক সংকট রয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষক যথেষ্ট নেই, ফলে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় ক্লাস পরিচালনা দুর্বল হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদে নতুন যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। এতে শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও গুণগত শিক্ষা গ্রহণে সক্ষম হবে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। আমরা বিনীতভাবে আবেদন করছি, প্রয়োজনীয় পদগুলো শীঘ্রই শূন্য ঘোষণা করে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আমরা আশাবাদী, আপনার নেতৃত্বে দ্রুত এই সমস্যা সমাধান হবে। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, বিদ্যালয়ের কর্মচারী নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদানের আবেদন,"তারিখ: ২৫/১১/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদানের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বর্তমান ভবন অত্যন্ত পুরনো এবং অনেকাংশে ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ক্লাসরুমগুলো সম্পূর্ণ অপর্যাপ্ত। নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারি সহায়তা পেলে আমরা একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ করতে পারবো যা অন্তত ১০০০ শিক্ষার্থীকে একযোগে পাঠদানে সক্ষম হবে। ভবনটি শ্রেণিকক্ষে ছাড়াও একটি বড় হলরুম, আধুনিক লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব এবং গবেষণার জন্য পৃথক কক্ষ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন আরও সমৃদ্ধ হবে। আমরা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন করব। এজন্য আপনার সদয় অনুমোদন ও সহযোগিতা কামনা করছি। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। " বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ৩০/১১/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, জয়বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে বিদ্যালয়ের স্যানিটেশন ব্যবস্থা অত্যন্ত অপর্যাপ্ত ও অস্বাস্থ্যকর। টয়লেটগুলো অপরিষ্কার, পানীয় জল সংরক্ষণ ও ধোয়ার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই, যার ফলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন সময়ে দুর্গন্ধ ও পোকামাকড়ের প্রকোপ বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্থাপন করা প্রয়োজন। আমরা প্রস্তাব করছি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পর্যাপ্ত সংখ্যক টয়লেট, হাত ধোয়ার স্টেশন, বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা রক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, স্যানিটেশন ব্যবস্থার সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কিত শিক্ষামূলক কর্মশালা আয়োজন করা জরুরি। আমরা বিনীতভাবে আশা করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এতে শিক্ষার্থীরা সুস্থ, নিরাপদ এবং মনোবল সম্পন্ন থাকবে, যা শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। অতএব, এই আবেদনটি মঞ্জুর করার জন্য সদয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র জয়বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই ক্রয়ের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৫/১২/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, বিজয় বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই ক্রয়ের জন্য আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ের লাইব্রেরাটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ভান্ডার, কিন্তু বর্তমানে এতে অনেক বই পুরনো ও ক্ষয়প্রাপ্ত। নতুন বইয়ের অভাবে শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্য ও গবেষণার সাথে পরিচিত হতে পারছে না। আমরা প্রস্তাব করছি, বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল, প্রযুক্তি ও সাহিত্য বিষয়ক নতুন ও আধুনিক বই ক্রয় করা হোক। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবহির্ভূত জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে এবং তারা সৃজনশীল ও বিচক্ষণ হতে পারবে। আমরা আশা করি, বিদ্যালয়ের অর্থায়ন থেকে বা দাতা সংস্থার সহযোগিতায় দ্রুত নতুন বই সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অতএব, এই আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বিজয় বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। " বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ১০/১২/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে ক্লাস চলাকালীন নানা অসুবিধা সৃষ্টি হয়। বিদ্যুতের অভাবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিঘ্নিত হয় এবং প্রযুক্তি ব্যবহার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে বিদ্যালয়ে স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যুৎ সংযোগের উন্নয়ন ছাড়াও বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থা রাখা হোক যাতে জরুরি সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকে। আমরা আশা করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করবেন এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা।" বিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ১৫/১২/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণের আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়েই চলেছে। আমাদের বিদ্যালয়টি সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে বন্যা, পাহাড় ধসসহ নানা দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ে জরুরি প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন। যেমন: শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি পরিচ্ছন্ন পানীয় জল, সুরক্ষিত আশ্রয়স্থল, জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী, দুর্যোগকালীন সিগন্যাল ব্যবস্থা এবং নিরাপদ ও দ্রুত ইভাকুয়েশন পদ্ধতি স্থাপন। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী ও শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক এবং নিয়মিতভাবে মহড়া চালানো হোক। এতে দুর্যোগের সময় দ্রুত সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। আমরা বিশ্বাস করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অতএব, এই আবেদনটি মঞ্জুর করার জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট।" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসব উদযাপনের অনুমতি আবেদন,"তারিখ: ২০/১২/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নবজ্যোতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: বিদ্যালয়ে উৎসব উদযাপনের অনুমতি আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব উদযাপনের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎসবগুলি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সহায়ক এবং সংস্কৃতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমরা আবেদন করছি, আগামী মাসে জাতীয় দিবস বা ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলা-কুদির আয়োজনের অনুমতি প্রদান করা হোক। এতে শিক্ষার্থীরা আনন্দ ও ঐক্যবদ্ধতার শিক্ষা পাবে। আমরা আশাবাদী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদানের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, বিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নবজ্যোতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল।" বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৫/১২/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, আগ্রসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয়, বর্তমান ডিজিটাল যুগে কম্পিউটারের জ্ঞান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী এই বিষয়ে পর্যাপ্ত দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হোক যেখানে প্রাথমিক থেকে উন্নত পর্যায়ের কম্পিউটার শিক্ষা দেওয়া হবে। এতে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হবে এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে পারবে। আমরা আশা করি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত এই কর্মশালা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র আগ্রসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। " বিদ্যালয়ে পানি সরবরাহের সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন,"তারিখ: ৩০/১২/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সুশিক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে পানি সরবরাহের সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমানে বিদ্যালয়ে পানি সরবরাহ অপর্যাপ্ত ও অনিয়মিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা পানীয় জল পান করতে সমস্যায় পড়ে। এতে তাদের স্বাস্থ্য ও পড়াশোনায় প্রভাব পড়ছে। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী পানির ট্যাংক ও পাম্প স্থাপন করা হোক যা শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে। এছাড়া নিয়মিত পানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমস্যা সমাধান করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র সুশিক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। " বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহন সুবিধা প্রদানের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০১/২০২৬ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহন সুবিধা প্রদানের আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরা অনেক দূর থেকে এসে পড়াশোনা করে। কিন্তু তাদের জন্য সাশ্রয়ী ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই শিক্ষায় অনিয়মিত হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। আমরা প্রস্তাব করছি, নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ বাস সার্ভিস চালু করা হোক যাতে তারা নিয়মিত ও নিরাপদে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে পারে। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগও বাড়বে। আমরা আশা করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পরিবহন সুবিধার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, কর্মপরিচালক, ছাত্রকল্যাণ দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা, উচ্চশিক্ষা ও চাকরির জগতে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে। তবে আমাদের অনেকেই নিজের পছন্দ ও সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক ক্যারিয়ার নির্বাচন করতে দ্বিধায় রয়েছি। তাই অনুরোধ করছি, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং বিষয়ক একটি সেশন আয়োজন করা হোক, যেখানে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক আমাদের পেশা নির্বাচনের কৌশল, সিভি প্রস্তুতি, ইন্টারভিউ টিপস, এবং বিদেশে পড়াশোনার পথনির্দেশনা দেবেন। আশা করি, আমাদের এই অনুরোধ বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদকগণ স্নাতক শেষ বর্ষের ছাত্রছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় " গ্রন্থাগারের সময়সীমা বৃদ্ধি সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, গ্রন্থাগারিক, শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ, যশোর। বিষয়: গ্রন্থাগারের সময়সীমা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করার আবেদন। মহোদয়, বর্তমানে আমাদের কলেজ গ্রন্থাগার প্রতিদিন বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে। অনেক ছাত্রছাত্রী ক্লাস শেষে লাইব্রেরিতে বসে পড়তে চায়, কিন্তু সময় কম থাকায় সমস্যায় পড়ে। আমরা অনুরোধ করছি, লাইব্রেরির সময়সীমা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হোক। এতে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি সময় পড়াশোনার সুযোগ পাবে এবং প্রস্তুতিতে সহায়তা পাবে। আপনার সদয় বিবেচনায় আশাবাদী। নিবেদকগণ স্নাতক প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রী শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ, যশোর" স্কুলে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, হলিডে হাই স্কুল, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বিজ্ঞানের জগতে আগ্রহী অনেক শিক্ষার্থী আমাদের স্কুলে রয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত কোন ক্লাব বা সংগঠিত কার্যক্রম নেই। আমরা চাই একটি বিজ্ঞান ক্লাব গড়ে তোলা হোক, যেখানে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, মডেল তৈরি, এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এই ক্লাব আমাদের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে। তাই অনুরোধ করছি, আমাদের স্কুলে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি প্রদান করুন। নিবেদকগণ অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী হলিডে হাই স্কুল, চট্টগ্রাম" হোস্টেলের ওয়াই-ফাই সেবা উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রভোস্ট, আবু নাসের ছাত্রাবাস, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বিষয়: হোস্টেলের ওয়াই-ফাই সংযোগের গতি বৃদ্ধি ও উন্নয়নের আবেদন। জনাব, আমরা হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট সংযোগে চরম সমস্যায় ভুগছি। অনলাইন ক্লাস, রিসার্চ, প্রজেক্ট, ও এসাইনমেন্টের জন্য দ্রুতগতির ইন্টারনেট অপরিহার্য, কিন্তু বিদ্যমান সেবা ধীরগতির ও প্রায়ই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আমরা অনুরোধ করছি, হোস্টেলে নিরবিচ্ছিন্ন ও দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই সংযোগের ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদকগণ আবাসিক শিক্ষার্থী, আবু নাসের ছাত্রাবাস খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়" কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, অধ্যক্ষ, বীরশ্রেষ্ঠ মিরাজ কলেজ, দিনাজপুর। বিষয়: বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের কলেজে দীর্ঘদিন ধরে কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়নি। এই রকম আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ দেয়। আমরা চাই, আগামী মাসে একটি বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হোক। এতে গান, নাটক, কবিতা আবৃত্তি, এবং নৃত্য পরিবেশনের ব্যবস্থা থাকবে। আপনার সম্মতি পেলে আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে প্রস্তুত। নিবেদকগণ স্নাতক ও এইচএসসি শিক্ষার্থীবৃন্দ বীরশ্রেষ্ঠ মিরাজ কলেজ, দিনাজপুর" সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নারীদের জন্য আলাদা টয়লেট স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, পরিচালক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বিষয়: নারীদের জন্য আলাদা শৌচাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বর্তমানে নারীদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। এতে আমরা নানা সমস্যায় পড়ি এবং দীর্ঘ সময় অবস্থান করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি, নারী প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, পরিষ্কার ও আলাদা টয়লেট স্থাপন করা হোক। নিবেদকগণ নারী প্রশিক্ষণার্থী চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র" গ্রামে একটি কমিউনিটি পাঠাগার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, চেয়ারম্যান, চরসোনারচর ইউনিয়ন পরিষদ, কুড়িগ্রাম। বিষয়: গ্রামে কমিউনিটি পাঠাগার স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামে শিক্ষার পরিবেশ থাকলেও বইয়ের অভাব প্রকট। ছাত্রছাত্রীরা বাড়তি বই সংগ্রহ করতে পারে না। আমরা চাই, ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে একটি ছোট কমিউনিটি পাঠাগার স্থাপন হোক, যেখানে স্থানীয়রা বই পড়ার সুযোগ পাবে। আপনার সহযোগিতার জন্য আমরা প্রত্যাশী। নিবেদকগণ গ্রামের শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ চরসোনারচর, কুড়িগ্রাম " কলেজ ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়ন সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, অধ্যক্ষ, সোনার বাংলা কলেজ, নারায়ণগঞ্জ। বিষয়: কলেজ ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়ন সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়া, আমাদের কলেজ ক্যান্টিনের খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। আমরা চাই, খাবারের গুণগত মান, হাইজিন, মূল্য নির্ধারণ ও পরিবেশ উন্নয়নে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আপনার তত্ত্বাবধানে বিষয়টি দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা রাখি। নিবেদকগণ স্নাতক শিক্ষার্থীরা সোনার বাংলা কলেজ, নারায়ণগঞ্জ " বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ক্লাব গঠনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, ক্লাব সমন্বয় কর্মকর্তা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বিষয়: “নেচার ক্লাব” গঠনের আবেদন। জনাব, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ সচেতনতা অর্জন করছে। আমরা চাই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি “নেচার ক্লাব” গঠন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, এবং পাখি পরিচিতির মতো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। নিবেদকগণ জীববিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় " টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে মেয়েদের জন্য আলাদা ক্লাসরুমের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কক্সবাজার। বিষয়: মেয়েদের জন্য আলাদা ক্লাসরুম নির্ধারণের আবেদন। মান্যবর, বর্তমানে মেয়েরা ছেলেদের সাথে একই ক্লাসরুমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। যদিও এটি মিশ্র পরিবেশ, তবে অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণে সমস্যার সৃষ্টি হয়। আমরা অনুরোধ করছি, মেয়েদের জন্য একটি আলাদা প্রশিক্ষণ কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হোক। এতে অংশগ্রহণ ও শেখার মান উন্নত হবে। নিবেদকগণ মহিলা প্রশিক্ষণার্থী বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কক্সবাজার" হাসপাতালের অপেক্ষাকৃত সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের জন্য ওষুধ সহায়তা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, পরিচালক, মহানগর মেডিকেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম। বিষয়: সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের ওষুধ সহায়তা চালুর জন্য আবেদন। মহোদয়, অনেক রোগী অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে অক্ষম হন, ফলে তাদের চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আমরা প্রত্যক্ষ করেছি যে এমন অনেক রোগী নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। অতএব, অনুরোধ করছি, হাসপাতালে একটি “ফার্মাসিউটিক্যাল সহায়তা বিভাগ” চালু করা হোক, যেখানে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ওষুধ বিতরণ করা হবে। এতে মানবিক সহায়তার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে। নিবেদক স্থানীয় সেবামূলক সংগঠন “আলোর পথ” চট্টগ্রাম " বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতে পড়ার জন্য পাঠাগারের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, লাইব্রেরিয়ান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: পাঠাগারের সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানোর আবেদন। জনাব, আমরা অনেক শিক্ষার্থী খণ্ডকালীন চাকরি করি বা দিনব্যাপী ক্লাসে অংশগ্রহণ করি, ফলে নিরবচ্ছিন্ন পাঠের সুযোগ সন্ধ্যার পরই হয়। বর্তমান লাইব্রেরির সময়সীমা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হওয়ায় পর্যাপ্ত অধ্যয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অতএব, অনুরোধ করছি, লাইব্রেরির সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বর্ধিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যাতে আরও বেশি শিক্ষার্থী এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। নিবেদক মাস্টার্স শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর" পল্লী অঞ্চলে স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, চেয়ারম্যান, “স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন”, ঢাকা। বিষয়: স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজনের প্রস্তাবনা। প্রিয় মহাশয়, পল্লী অঞ্চলের সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন না থাকায় নানা রোগে আক্রান্ত হন। বিশেষ করে শিশু ও নারী স্বাস্থ্য বিষয়ে অজ্ঞতা লক্ষ্য করা যায়। সেই লক্ষ্যে, আমাদের অনুরোধ, এক মাস অন্তর অন্তর পল্লী অঞ্চলে একদিনব্যাপী স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজন করুন, যেখানে চিকিৎসা, পরামর্শ এবং ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম থাকবে। নিবেদক স্থানীয় উন্নয়নকর্মীরা সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলা " জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে নাট্যকর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, নরসিংদী। বিষয়: নাট্যকর্মশালা আয়োজনের জন্য আবেদন। মান্যবর, নাটক আমাদের সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। কিন্তু আমাদের জেলার তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ নেই। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, ১৫ দিনের একটি নাট্যকর্মশালার আয়োজন করা হোক, যেখানে অভিনয়, নির্দেশনা, মঞ্চায়ন, এবং আলোকসজ্জা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। নিবেদক “মঞ্চসাথী” নাট্যসংগঠনের সদস্যবৃন্দ নরসিংদী" তথ্যপ্রযুক্তি ক্লাব প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ। বিষয়: তথ্যপ্রযুক্তি ক্লাব প্রতিষ্ঠার আবেদন। মহোদয়, বর্তমান যুগে তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষতা শিক্ষার্থীদের জন্য অপরিহার্য। অথচ আমাদের বিদ্যালয়ে আইসিটি ক্লাসের বাইরেও চর্চার সুযোগ সীমিত। তাই, অনুরোধ করছি, একটি আইটি ক্লাব গঠনের অনুমতি প্রদান করুন, যেখানে আমরা নিয়মিত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে পারব। নিবেদক অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ" পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, মেয়র, নাটোর পৌরসভা। বিষয়: সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অনুরোধ। মান্যবর, বর্তমানে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় বাসাবাড়ির বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতিটি মহল্লায় নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করুন। নিবেদক স্থানীয় নাগরিকবৃন্দ নাটোর পৌরসভা" কলেজে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, অধ্যক্ষ, সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল। বিষয়: নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্তির আবেদন। জনাব, গণমাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক অনেক শিক্ষার্থী কলেজ পর্যায়ে থেকেই প্রাথমিক শিক্ষা নিতে চায়। কিন্তু আমাদের কলেজে সাংবাদিকতা বা গণযোগাযোগ বিষয়ে কোনো কোর্স চালু নেই। অতএব, অনুরোধ করছি, অনার্স পর্যায়ে “গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা” বিভাগ চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদক এইচএসসি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল" বন্যা দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, ডেপুটি কমিশনার, গাইবান্ধা জেলা। বিষয়: বন্যা দুর্গত এলাকায় জরুরি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহের অনুরোধ। মহোদয়, বর্তমানে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলায় বন্যায় কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি। তাদের খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির মারাত্মক সংকট চলছে। অনুরোধ করছি, দ্রুত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ, এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদক সচেতন নাগরিকবৃন্দ গাইবান্ধা জেলা" শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বিষয়: শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, বর্তমান সময়ে শিক্ষাব্যবস্থায় নানা পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শিক্ষকদের অনেকেই সেই পরিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে পারছেন না। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বছরে অন্তত দুইবার প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করুন, যাতে শিক্ষকগণ নতুন পদ্ধতি আয়ত্ত করতে পারেন। নিবেদক “শিক্ষা উন্নয়ন সংস্থা”-এর পক্ষ থেকে ঢাকা" বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, তালা উপজেলা, সাতক্ষীরা। বিষয়: যাত্রী ছাউনি নির্মাণের অনুরোধ। মান্যবর, স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার সময় যাত্রীদের রোদ, বৃষ্টি, ধুলাবালির মুখোমুখি হতে হয়। কোনো ছাউনি না থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনুরোধ করছি, বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যা যাত্রীদের জন্য নিরাপদ ও আরামদায়ক অপেক্ষার স্থান হবে। নিবেদক স্থানীয় জনসাধারণ তালা উপজেলা, সাতক্ষীরা" বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বিতর্ক ক্লাব গঠনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নরাইল। বিষয়: সাপ্তাহিক বিতর্ক ক্লাব গঠনের আবেদন। মহাশয়, শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও যুক্তির চর্চার জন্য বিতর্ক একটি চমৎকার মাধ্যম। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত বিতর্ক চর্চার কোনো সুযোগ নেই। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতি শনিবারে এক ঘণ্টা বিতর্ক ক্লাবের জন্য বরাদ্দ রাখার অনুমতি দিন এবং একজন শিক্ষককে দায়িত্বপ্রাপ্ত করুন। এতে ছাত্রছাত্রীরা আত্মবিশ্বাসী ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তাশীল হয়ে উঠবে। নিবেদক নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নরাইল " শহরের পানীয় জলের লাইনে লিকেজ মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রকৌশলী, পানি সরবরাহ বিভাগ, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। বিষয়: জল সরবরাহ লাইনের লিকেজ মেরামতের আবেদন। জনাব, আমাদের মহল্লার ৩নং গলিতে পানির লাইনে দীর্ঘদিন ধরে লিকেজ রয়েছে, ফলে পানি অপচয় হচ্ছে এবং রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। অতএব, অনুরোধ করছি, দ্রুত একটি টেকনিক্যাল টিম পাঠিয়ে সমস্যাটি সমাধান করা হোক। নিবেদক স্থানীয় বাসিন্দাগণ ৩নং গলি, রাজশাহী " কলেজে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর। বিষয়: ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আবেদন। অধ্যক্ষ মহোদয়, অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা শেষে কীভাবে ক্যারিয়ার গড়বে, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা রাখে না। ফলে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে একজন অতিথি পেশাজীবীকে দিয়ে এক ঘণ্টার “ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন” চালুর ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদক অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ" শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, সভাপতি, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিষয়: রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, পানির অপচয় রোধে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ একটি কার্যকরী পদ্ধতি। আমাদের বিদ্যালয়ে এই প্রযুক্তি স্থাপন করলে তা শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতনতা বাড়াবে এবং জলের ঘাটতি রোধে সহায়ক হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, একটি রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। নিবেদক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ক্লাব জামালপুর" অফিসে কর্মচারীদের জন্য একটি বিশ্রামাগার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (BTCL), ঢাকা। বিষয়: কর্মচারীদের বিশ্রামের জন্য একটি নির্দিষ্ট কক্ষের আবেদন। মহাশয়, আমাদের বিভাগে কর্মরত কর্মচারীরা নিরবচ্ছিন্ন ৮-৯ ঘণ্টা কাজ করেন। কিন্তু বিশ্রামের কোনো নির্ধারিত জায়গা না থাকায় তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েন। অতএব, অনুরোধ করছি, একটি ছোট কক্ষকে বিশ্রামাগার হিসেবে বরাদ্দ দিন, যাতে কর্মচারীরা নির্দিষ্ট সময়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারেন। নিবেদক বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা BTCL, ঢাকা সদর দপ্তর" স্থানীয় বাজারে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, সভাপতি, হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, মৌলভীবাজার। বিষয়: অগ্নি নিরাপত্তা যন্ত্র স্থাপনের অনুরোধ। মহাশয়, বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। কিন্তু আগুন নেভানোর কোনো প্রস্তুতি না থাকায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি, বাজারের প্রধান তিনটি পয়েন্টে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপন করুন এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুন। নিবেদক স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি মৌলভীবাজার" পরীক্ষার সময় বিদ্যালয়ে জেনারেটর চালু রাখার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত আবেদন। মহাশয়, পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরম ও অন্ধকার কক্ষে বসে লেখা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে ওঠে। অতএব, অনুরোধ করছি, পরীক্ষার সময় জেনারেটর চালু রাখা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা স্বস্তিতে পরীক্ষা দিতে পারে। নিবেদক অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্ররা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর " স্থানীয় লাইব্রেরিতে আরও বাংলা সাহিত্য সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, লাইব্রেরিয়ান, কেশবপুর পাবলিক লাইব্রেরি, যশোর। বিষয়: বাংলা সাহিত্যের বই সংযোজনের আবেদন। জনাব, আমাদের লাইব্রেরিতে বাংলা সাহিত্যের বইয়ের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। বিশেষ করে হুমায়ুন আজাদ, সেলিনা হোসেন, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বই অনুপস্থিত। অতএব, অনুরোধ করছি, বাংলা সাহিত্যের আধুনিক লেখকদের গ্রন্থ সংগ্রহ করে পাঠকদের মাঝে বিতরণে সহায়তা করুন। নিবেদক নিয়মিত পাঠকগণ কেশবপুর পাবলিক লাইব্রেরি" ছাত্রীদের জন্য পৃথক ক্রীড়া প্রশিক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক, সরকারি মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ। বিষয়: ছাত্রীদের জন্য ক্রীড়া প্রশিক্ষণ চালুর আবেদন। মহোদয়, কলেজে খেলাধুলা হয় মূলত ছেলেদের জন্যই উপযোগী করে। ছাত্রীদের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। ফলে তারা পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, অনুরোধ করছি, সপ্তাহে অন্তত দুদিন ছাত্রীদের জন্য পৃথক ক্রীড়া প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হোক। নিবেদক কলেজের ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্রীরা সরকারি মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ" স্কুলের দেয়ালে শিক্ষামূলক চিত্র অঙ্কনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। বিষয়: শিক্ষামূলক চিত্রাঙ্কন প্রকল্প অনুমোদনের আবেদন। মহাশয়, শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্কুলের খালি দেয়ালে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষামূলক চিত্র (পরিবেশ, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান) আঁকার একটি প্রস্তাবনা আমরা দিয়েছি। অনুরোধ করছি, এই উদ্যোগ অনুমোদন দিন এবং দেয়ালের রং ও উপকরণ ব্যবস্থায় সহায়তা করুন। এতে বিদ্যালয় আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। নিবেদক অঙ্কন ও বিজ্ঞান ক্লাবের সদস্যরা হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া" শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত ফ্যান সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত ফ্যান সংযোজনের আবেদন। মহাশয়, আমাদের শ্রেণিকক্ষে প্রচণ্ড গরম পড়ে, কিন্তু মাত্র একটি ফ্যান থাকায় তা সকলের জন্য পর্যাপ্ত নয়। ফলে পড়ালেখায় মনোযোগ ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষে আরও একটি বা দুটি ফ্যান সংযোজন করে শিক্ষার্থীদের স্বস্তির সাথে পাঠগ্রহণের সুযোগ দিন। নিবেদক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর" মহল্লায় নোংরা ড্রেন পরিষ্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম। বিষয়: নোংরা ড্রেন পরিষ্কারের আবেদন। মহাশয়, আমাদের গলির ড্রেন অনেকদিন যাবৎ পরিষ্কার না করায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং মশার উপদ্রব বাড়ছে। অতএব, দ্রুত পরিচ্ছন্নতা কর্মী পাঠিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক স্থানীয় বাসিন্দাবৃন্দ ৩৪নং ওয়ার্ড, চট্টগ্রাম" বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, ম্যানেজার, বিদ্যুৎ অফিস, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের আবেদন। জনাব, গত মাসে আমাদের বাসার বিদ্যুৎ বিল ৪,৮৫০ টাকা এসেছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। অথচ বিদ্যুৎ খরচ ছিল পূর্বের মতোই। অতএব, অনুরোধ করছি, বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক বিল প্রদান ও পূর্বের বিল সংশোধনের ব্যবস্থা নিন। নিবেদক মো. জহিরুল ইসলাম ৬৫/বি শহীদ নগর, কুমিল্লা" কলেজে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা। বিষয়: ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন। মহাশয়, বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ইংরেজি ভাষায় দুর্বল। চাকরি, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও বিদেশে পড়াশোনার জন্য ইংরেজি দক্ষতা জরুরি। অতএব, একটি স্বল্পমেয়াদি ইংরেজি প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা সরকারি তিতুমীর কলেজ" আন্তঃবিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রার্থনা,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয়: আন্তঃবিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুমতি। মহাশয়, আগামী মাসে জেলা পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের বিদ্যালয় থেকেও একটি দল প্রস্তুত রয়েছে। অতএব, আমাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়ে একজন শিক্ষককে দায়িত্ব প্রদান ও প্রয়োজনে ছুটি মঞ্জুরের অনুরোধ করছি। নিবেদক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া দল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা" গ্রন্থাগারে নতুন সংবাদপত্র চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, লাইব্রেরিয়ান, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পাবনা। বিষয়: নতুন সংবাদপত্র চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের লাইব্রেরিতে কেবল একটি বাংলা সংবাদপত্র রাখা হয়। শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ও অন্য বাংলা পত্রিকাও পড়তে আগ্রহী। অতএব, অনুরোধ করছি, “The Daily Star”, “বাংলাদেশ প্রতিদিন” ও “প্রথম আলো” যুক্ত করা হোক। নিবেদক নিয়মিত পাঠকবৃন্দ সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পাবনা" রাস্তার পাশে গণশৌচাগার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, সাভার পৌরসভা, ঢাকা। বিষয়: গণশৌচাগার স্থাপনের আবেদন। মহাশয়, সাভার বাজারের আশেপাশে কোনো গণশৌচাগার নেই, ফলে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অতএব, জনস্বার্থে একটি গণশৌচাগার স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক স্থানীয় বাসিন্দাগণ সাভার, ঢাকা" শিক্ষার্থী বাস সার্ভিস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, মাদারীপুর সরকারি কলেজ। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর আবেদন। মহাশয়, আমাদের অনেক শিক্ষার্থী দূরদূরান্ত থেকে কলেজে আসে। কিন্তু নির্ভরযোগ্য পরিবহনের অভাবে তারা দুর্ভোগে পড়ে। অতএব, অনুরোধ করছি, কলেজ থেকে অন্তত একটি বাস সার্ভিস চালু করার ব্যবস্থা করুন। নিবেদক শিক্ষার্থীবৃন্দ মাদারীপুর সরকারি কলেজ" পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, পঞ্চগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। বিষয়: পরীক্ষার রুটিন পুনর্বিন্যাসের আবেদন। মহাশয়, বর্তমান পরীক্ষার রুটিনে দুটি জটিল বিষয় (গণিত ও পদার্থ) পরপর দিন রাখা হয়েছে, ফলে প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে না। অতএব, রুটিন পুনর্বিন্যাস করে একদিন বিরতি রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পঞ্চগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় " মোবাইল ফোনে গুজব ছড়ানো বন্ধে প্রচারণার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, ইউএনও, উপজেলা প্রশাসন, ঝিনাইদহ। বিষয়: গুজব প্রতিরোধে প্রচারণা চালানোর আবেদন। জনাব, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু লোক সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা খবর ছড়িয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করছে। অতএব, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক লিফলেট, মাইকিং ও সেমিনার আয়োজন করার অনুরোধ করছি। নিবেদক উদ্বিগ্ন নাগরিকবৃন্দ ঝিনাইদহ সদর " গ্রামে একটি স্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ঢাকা। বিষয়: গ্রামে একটি স্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। মহাশয়, আমরা মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার চর বাউলিয়া গ্রামের অধিবাসী। আমাদের গ্রামে প্রায় দশ হাজার লোক বসবাস করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, এখানে কোনো স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতাল নেই। সামান্য অসুস্থতা হলেও আমাদের ১০–১৫ কিলোমিটার দূরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। অনেক সময় জরুরি অবস্থায় রোগীর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে প্রসূতি মা, শিশু ও বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হন। সম্প্রতি আমাদের গ্রামে একটি পরিত্যক্ত সরকারি জমি চিহ্নিত হয়েছে, যেখানে একটি স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব। স্থানীয়ভাবে জনসাধারণের সমর্থনও রয়েছে। আমরা গ্রামের তরুণরা নিয়মিতভাবে স্বেচ্ছাসেবামূলক চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করি, কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী সমাধান নয়। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, আমাদের গ্রামে একটি সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করে হাজারো মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদকগণ, চর বাউলিয়া গ্রামের সচেতন নাগরিকবৃন্দ সিঙ্গাইর, মানিকগঞ্জ " কলেজে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম। বিষয়: কলেজ প্রাঙ্গণে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার আবেদন। মাননীয় অধ্যক্ষ, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের কলেজে নিরাপদ পানির কোনো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে যে পানির ফিল্টারটি আছে তা পুরাতন ও অকার্যকর। অনেক সময় পানি দুর্গন্ধযুক্ত ও অনিরাপদ মনে হয়। ফলে ছাত্রছাত্রীদের একাংশ বাইরের দোকান থেকে পানির বোতল কিনে খেতে বাধ্য হয়, যা সবার জন্য আর্থিকভাবে সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, গ্রীষ্মকালীন সময়ে প্রচণ্ড গরম পড়ে এবং একটানা ক্লাস চলার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রায়শই বিশুদ্ধ পানি প্রয়োজন হয়। তবে সুপেয় পানির অভাবে অনেকেই পানিশূন্যতায় ভোগে এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, অনতিবিলম্বে কলেজ প্রাঙ্গণে নতুন ও কার্যকর নিরাপদ পানির সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করুন। নিবেদকগণ, কলেজের সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম" বন্যার্তদের সহায়তার জন্য ত্রাণ শিবির স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, জেলা প্রশাসক, গাইবান্ধা জেলা। বিষয়: বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণ শিবির স্থাপনের আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা ফুলছড়ি উপজেলার বন্যাদুর্গত অঞ্চলের বাসিন্দা। গত কয়েক সপ্তাহের টানা বর্ষণে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় আমাদের এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে, কৃষিপণ্য ও গবাদিপশু ভেসে গেছে। বর্তমানে আমরা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছি। খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নারী ও শিশুরা বিশেষভাবে কষ্টে আছে। এখনও পর্যন্ত কোনো ত্রাণ বা সাহায্য না পৌঁছানোয় জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাদের এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ শিবির স্থাপন করে খাদ্য, পানি, ওষুধ ও আশ্রয় প্রদান করুন। নিবেদকগণ, ফুলছড়ি উপজেলার বন্যাকবলিত জনগণ গাইবান্ধা" মসজিদের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান প্রকৌশলী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা। বিষয়: মসজিদের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের ‘নুরানী জামে মসজিদ’-এর সামনে সামান্য বৃষ্টিতেই প্রচণ্ড জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি জমে গিয়ে পথচারী ও মুসল্লিদের চলাচল ব্যাহত হয়। বিশেষ করে জুমার দিনে নামাজের সময় প্রবেশপথে পানি জমে থাকে, যা অতি কষ্টদায়ক। স্থানীয়ভাবে আমরা একাধিকবার পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের জন্য পাকা ড্রেনেজ নির্মাণ ও সড়ক উঁচু করা জরুরি। এটি একটি জনসাধারণের উপাসনালয় হওয়ায় প্রতিদিন শত শত লোক এখানে আসেন। অতএব, অনুরোধ করছি, দ্রুত প্রকৌশলী পাঠিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় মুসল্লিবৃন্দ মিরপুর ১০, ঢাকা " স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নতুন খেলার সামগ্রী কেনার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় খেলার সরঞ্জাম কেনার আবেদন। জনাব, সস্নেহ নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতিবছরের মতো এবারও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলার প্রতি খুবই আগ্রহী এবং এতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকে। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, বর্তমানে বিদ্যালয়ের খেলার সামগ্রীর অবস্থা একেবারেই দুর্বল। অনেক ফুটবল ছেঁড়া, ক্রিকেট ব্যাট ও বল পুরনো ও ভাঙা, দড়ি লাফের দড়ি ছিঁড়ে গেছে। ফলে নতুন খেলোয়াড়দের ঠিকভাবে অনুশীলন করানো সম্ভব হচ্ছে না। আমরা মনে করি, এই প্রতিযোগিতাকে সফলভাবে আয়োজন করতে হলে নতুন ও পর্যাপ্ত খেলার সামগ্রী যেমন—ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট ও বল, দড়ি, ডিসকাস, স্পাইক জুতা, জার্সি ইত্যাদি কেনা জরুরি। অতএব, আমাদের অনুরোধ—আপনি যেন বরাদ্দ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যাতে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয় এবং ছাত্রছাত্রীরা উৎসাহিত হয়। নিবেদকগণ, বিদ্যালয়ের ক্রীড়া অনুরাগী ছাত্রছাত্রীবৃন্দ আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী।" প্রযুক্তি ক্লাব গঠনের অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, ডিজিটাল হাই স্কুল, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে ‘প্রযুক্তি ক্লাব’ গঠনের অনুমতি চেয়ে আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব থাকলেও শিক্ষার্থীদের নিজ উদ্যোগে প্রযুক্তি বিষয়ে জানার এবং কাজ করার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। তাই আমরা কিছু আগ্রহী শিক্ষার্থী মিলে একটি “প্রযুক্তি ক্লাব” গঠনের পরিকল্পনা করেছি। এই ক্লাবের অধীনে আমরা সপ্তাহে একদিন আধুনিক প্রযুক্তির ওপর আলোচনা সভা, ছোট প্রজেক্ট তৈরির চেষ্টা, প্রোগ্রামিং শেখা, প্রযুক্তি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ইত্যাদি করতে চাই। এই ক্লাব গঠিত হলে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে পড়াশোনার বাইরে থেকেও অনেক কিছু শিখতে পারবে। আমাদের বিশ্বাস, এটি আমাদের বিদ্যালয়ের সম্মান বৃদ্ধি করবে এবং প্রযুক্তি জগতে নতুন উদ্ভাবনে উৎসাহ যোগাবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আপনি আমাদের এই ক্লাব গঠনের প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করবেন এবং একটি রুম বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। নিবেদকগণ, উৎসাহী ছাত্রছাত্রীগণ ডিজিটাল হাই স্কুল, চট্টগ্রাম। " কলেজের গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, অধ্যক্ষ, সানরাইজ কলেজ, বরিশাল। বিষয়: কলেজ পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি, গণিত একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং আনন্দদায়ক বিষয়। তবে অনেক শিক্ষার্থী গণিতভীতি নিয়ে বেড়ে ওঠে, যার কারণে তারা এই বিষয়ে অনীহা অনুভব করে। এই সমস্যার সমাধানে এবং গণিতের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে আমরা কলেজ পর্যায়ে একটি “গণিত অলিম্পিয়াড” আয়োজন করতে চাই। এতে ১১ ও ১২ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে এবং পুরস্কারের মাধ্যমে উৎসাহিত হবে। আমরা এই প্রতিযোগিতায় প্রশ্ন তৈরি, পরীক্ষার আয়োজন, মূল্যায়ন এবং পুরস্কার বিতরণ—সব আয়োজন নিজেরাই করব, শুধু আপনাদের অনুমতি এবং সহযোগিতা প্রয়োজন। অতএব, অনুরোধ করছি, আপনি যেন আমাদের গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজনের অনুমতি দেন এবং একটি দিন ও কক্ষ বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। নিবেদকগণ, ১১ ও ১২ শ্রেণির গণিতপ্রেমী শিক্ষার্থীরা সানরাইজ কলেজ, বরিশাল। " মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে গরম পানির ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, সুপার, নূরানী কামিল মাদ্রাসা, কুষ্টিয়া। বিষয়: ছাত্রাবাসে গরম পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, আমরা ছাত্রাবাসে থাকা ছাত্ররা আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাতে চাই যে, বর্তমানে আবহাওয়া প্রচণ্ড শীতল। প্রতিদিন সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করতে গিয়ে অনেকেই সর্দি-কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। আমাদের আবাসন সুবিধা উন্নত হলেও গরম পানির ব্যবস্থা না থাকায় শীতকালে প্রতিদিন সকালে গা ধোয়া বা ওজু করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে। অতএব, আপনার কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ, আপনি যেন ছাত্রাবাসে অন্তত একটি গিজার বা গরম পানির হিটার সংযোগ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এতে করে আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা হবে এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। নিবেদকগণ, ছাত্রাবাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীবৃন্দ নূরানী কামিল মাদ্রাসা, কুষ্টিয়া। " বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চব্বিশ ঘণ্টা ডাক্তার রাখার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। বিষয়: মেডিকেল সেন্টারে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মেডিকেল সেন্টার থাকলেও তা দিনে মাত্র ৫ ঘণ্টা খোলা থাকে এবং একমাত্র চিকিৎসক সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টাই ক্যাম্পাসে অবস্থান করে। অনেক সময় রাতে হঠাৎ অসুস্থ হলে জরুরি চিকিৎসা পাওয়া যায় না, এমনকি হাসপাতালে নেওয়ার আগেই জটিলতা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে, আমরা অনুরোধ করছি, মেডিকেল সেন্টারকে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হোক এবং সেখানে ডাক্তার ও নার্সসহ পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ রাখা হোক। নিবেদকগণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীবৃন্দ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। " পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে টুলস ও সরঞ্জামের ঘাটতি পূরণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, অধ্যক্ষ, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রংপুর। বিষয়: ল্যাবের জন্য প্রয়োজনীয় টুলস ও যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধাসহ জানানো যাচ্ছে, আমাদের ইনস্টিটিউটের মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল ল্যাবে প্রয়োজনীয় টুলস ও সরঞ্জামের মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। ফলে হাতে-কলমে কাজ শেখা যাচ্ছে না, যা পলিটেকনিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী। আমাদের হাতে পুরনো টেস্টার, হ্যাকসো, মাল্টিমিটারসহ কিছু যন্ত্রপাতি থাকলেও তা ছাত্রসংখ্যার তুলনায় খুবই অপ্রতুল এবং অনেকটাই অকেজো। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, ল্যাবগুলোতে নতুন টুলস, মেশিন, ওয়ার্কবেঞ্চ, সোল্ডারিং কিট ইত্যাদি সরবরাহ করা হোক যাতে করে দক্ষতার সঙ্গে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেওয়া সম্ভব হয়। নিবেদকগণ, মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রংপুর। " শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রায়পুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, বর্তমান যুগে কম্পিউটার শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব থাকলেও সেখানে কোনো প্রশিক্ষণ কোর্স এখনো চালু হয়নি। আমরা মনে করি, একটি প্রাথমিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা হলে শিক্ষার্থীরা মাইক্রোসফট অফিস, ই-মেইল ব্যবহারের নিয়ম, প্রোগ্রামিংয়ের প্রাথমিক ধারণা ইত্যাদি শিখে বাস্তব জীবনের জন্য দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আপনি যেন অতি দ্রুত একটি সপ্তাহব্যাপী বা মাসব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ রায়পুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর।" জাতীয় বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, পাবনা বিজ্ঞান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনা। বিষয়: জাতীয় বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতির আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধাসহ জানানো যাচ্ছে যে, আগামী মাসে রাজধানী ঢাকায় জাতীয় বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে আমাদের বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। আমরা দুইজন শিক্ষার্থী একটি প্রজেক্ট তৈরি করেছি যার শিরোনাম “স্মার্ট কৃষি যন্ত্র”। আমরা এই প্রজেক্টটি মেলায় প্রদর্শন করতে আগ্রহী এবং আমাদের বিশ্বাস এটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যবহারিক। অতএব, আমাদের প্রজেক্টসহ ঢাকায় গিয়ে অংশগ্রহণের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ, সায়েন্স ক্লাবের সদস্যবৃন্দ পাবনা বিজ্ঞান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনা। " কলেজে পাঠাগার সম্প্রসারণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, রাজশাহী সরকারি কলেজ, রাজশাহী। বিষয়: পাঠাগারের পরিসর ও বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, আমাদের কলেজে একটি পাঠাগার থাকলেও তা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে এবং বইয়ের সংখ্যা খুবই কম। বেশির ভাগ পাঠ্যবই পুরনো এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বই নেই। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার জন্য প্রয়োজন অধিক বই, রেফারেন্স ম্যাটেরিয়াল, জার্নাল ও গবেষণাপত্র। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, পাঠাগারের স্থান ও বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করুন এবং একটি অনলাইন ক্যাটালগ ব্যবস্থাও চালু করার চিন্তা করুন। নিবেদকগণ, কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ রাজশাহী সরকারি কলেজ, রাজশাহী।" কলেজের ছাত্রীদের জন্য পৃথক সাধারণ কক্ষের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, ময়মনসিংহ মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ। বিষয়: ছাত্রীদের জন্য পৃথক সাধারণ কক্ষ (Common Room) স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে, আমাদের কলেজে এখনো পর্যন্ত ছাত্রীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট “কমন রুম” নেই। ফলে ক্লাসের ফাঁকে বিশ্রামের জন্য বা জরুরি প্রয়োজনে একান্তে কোথাও বসার সুযোগ পাওয়া যায় না। আমাদের কলেজে ছাত্রীসংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই অবস্থায় একটি ছাত্রী সাধারণ কক্ষ, যেখানে চেয়ার-টেবিল, আয়না, পানি ও জরুরি ফার্স্টএইড থাকবে, অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। অতএব, আমাদের অনুরোধ, আপনি যেন দ্রুত ছাত্রীদের জন্য একটি আলাদা সাধারণ কক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, কলেজের ছাত্রীবৃন্দ ময়মনসিংহ মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ। " বিদ্যালয়ের ছুটির সময় পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ের ছুটির সময় আধা ঘণ্টা এগিয়ে আনার আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধাসহ নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বর্তমান ছুটির সময় বিকেল ৪টা। কিন্তু সাম্প্রতিক গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহ ও দুর্বল পরিবহন ব্যবস্থার কারণে বাড়ি পৌঁছাতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। বিশেষ করে যারা দূর এলাকা থেকে আসে, তারা সন্ধ্যা ঘনিয়ে গেলে নিরাপত্তার সমস্যায় পড়ে। অতএব, আমাদের অনুরোধ, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে বিদ্যালয়ের ছুটির সময় বিকেল ৩টা করা হোক। নিবেদকগণ, ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর।" ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা। বিষয়: কলেজ ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করার আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধাসহ জানাচ্ছি যে, আমাদের কলেজের ক্যান্টিনে বর্তমানে যেসব খাবার সরবরাহ করা হয় তা অধিকাংশ সময়ই বাসি, অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের হয়ে থাকে। ফলে অনেক সময় আমরা পেটের সমস্যায় আক্রান্ত হই। এছাড়া, পানীয় পানির ব্যবস্থাও নেই। অতএব, আমাদের অনুরোধ, আপনি যেন দ্রুত ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যসম্মত ও তাজা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করেন এবং একটি পানির ফিল্টার স্থাপন করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা। " শ্রেণিকক্ষে ফ্যান মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, কক্সবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার। বিষয়: শ্রেণিকক্ষের ফ্যানগুলো মেরামতের আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধার সঙ্গে জানানো যাচ্ছে, গ্রীষ্মকালীন প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষে বসে ক্লাস করাটা খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। আমাদের শ্রেণিকক্ষে মোট তিনটি ফ্যান থাকলেও একটিও কার্যকর নয়। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। অতএব, অনুরোধ করছি, ফ্যানগুলো অতি দ্রুত মেরামত বা নতুন ফ্যান স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদকগণ, ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ কক্সবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার।" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা সফরের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, খুলনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয়: শিক্ষা সফরের অনুমতির আবেদন। জনাব, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের ক্লাসরুম ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য একটি শিক্ষা সফরের প্রয়োজন রয়েছে। আমরা খুলনার ‘সুন্দরবন’, ‘ফুলতলা শিববাড়ি’ ও ‘ডাকবাংলো জাদুঘর’ পরিদর্শনে যেতে চাই। এতে শিক্ষার্থীরা ইতিহাস, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ে বাস্তব ধারণা লাভ করবে। অতএব, আমাদের অনুরোধ, শিক্ষা সফরের অনুমতি দিন এবং একটি শিক্ষক প্রতিনিধি নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করুন। নিবেদকগণ, ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ খুলনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। " সন্ধ্যায় পাঠদান চালুর আবেদন (বিশেষ ক্লাস),"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, গাইবান্ধা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গাইবান্ধা। বিষয়: সন্ধ্যা ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমাদের অনেক শিক্ষার্থী বিশেষত ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সময়মতো পাঠ শেষ করতে পারছে না। তাই আমরা সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পাঠদানের জন্য বিশেষ ক্লাস চালুর অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে করে পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবে নেওয়া যাবে এবং ফলাফল উন্নত হবে। নিবেদকগণ, ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ গাইবান্ধা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। " লাইব্রেরিতে অনলাইন রিসোর্স ও ই-বুকের ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা। বিষয়: লাইব্রেরিতে ই-বুক ও অনলাইন রিসোর্স সংযুক্তির আবেদন। মান্যবর, শ্রদ্ধাসহ জানানো যাচ্ছে, বর্তমানে বই পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন গবেষণা, ই-বুক রিডিং এবং জার্নাল পড়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। কিন্তু আমাদের কলেজের লাইব্রেরিতে এখনো ডিজিটাল রিসোর্সের ব্যবস্থা নেই। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, লাইব্রেরিতে কম্পিউটারসহ অনলাইন সংযোগ ও কিছু নির্ধারিত ই-বুক ও জার্নাল অ্যাকসেসের ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ঢাকা কলেজ, ঢাকা।" লাইব্রেরিতে ইন্টারনেট সংযোগ ও কম্পিউটার বসানোর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম। বিষয়: কলেজ লাইব্রেরিতে ইন্টারনেট সংযোগ ও কম্পিউটার বসানোর আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধাসহ জানাচ্ছি, আমাদের কলেজ লাইব্রেরিতে এখনও কোনো ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেই। অথচ বর্তমান যুগে গবেষণার কাজে অনলাইন রিসোর্স ও ই-বুক ব্যবহার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক জার্নাল, অনলাইন কোর্স বা সরকারি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়, কিন্তু এসবের জন্য বাইরে যেতে হয়। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন অতি দ্রুত লাইব্রেরিতে একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম। " স্কুলে পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ পালনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বরিশাল সরকারি বালক বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ পালনের জন্য অনুমতির আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে, আমাদের চারপাশের পরিবেশ দিন দিন দূষিত হয়ে পড়ছে। আমরা চাই আমাদের বিদ্যালয়ে একটি “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালন করতে, যাতে করে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি হয়। এই সপ্তাহে গাছ লাগানো, দেয়াল পত্রিকা, আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রদর্শনীর আয়োজন করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। অতএব, আমাদের বিনীত অনুরোধ, আপনি আমাদের এই আয়োজনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দান করবেন। নিবেদকগণ, পরিবেশ ক্লাবের সদস্যবৃন্দ বরিশাল সরকারি বালক বিদ্যালয়, বরিশাল।" শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর বসানোর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধার সাথে জানাচ্ছি যে, পাঠদানকে আরও কার্যকর ও আকর্ষণীয় করতে শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের ব্যবহার সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। শিক্ষকেরা যদি প্রজেক্টরের মাধ্যমে ভিডিও, স্লাইড ও অ্যানিমেশন দেখিয়ে পাঠদান করেন তবে তা শিক্ষার্থীদের বোধগম্যতা অনেক বৃদ্ধি পাবে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে পর্যায়ক্রমে প্রজেক্টর স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট।" ক্লাসে আসন সংকট নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, মাগুরা উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অতিরিক্ত হলেও বসার বেঞ্চের সংখ্যা যথেষ্ট নয়। ফলে অনেক সময় দুইজনের জন্য নির্ধারিত বেঞ্চে তিনজন করে বসতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। এতে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে এবং ক্লাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি আপনি যেন দ্রুত নতুন বেঞ্চ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ মাগুরা উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা।" বিদ্যালয়ে রাত্রিকালীন নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, টাঙ্গাইল আদর্শ স্কুল, টাঙ্গাইল। বিষয়: বিদ্যালয়ের রাত্রিকালীন নিরাপত্তা জোরদার করার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, সম্প্রতি আমাদের বিদ্যালয়ের কিছু জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেছে এবং রাতের বেলা বিদ্যালয় চত্বরে অসাধু লোকজনের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে কোন প্রহরী বা সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে অন্তত একজন প্রহরী নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। নিবেদকগণ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ টাঙ্গাইল আদর্শ স্কুল, টাঙ্গাইল। " বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে যন্ত্রপাতি সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল। বিষয়: বিজ্ঞানাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধার সাথে জানাতে চাই, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে বর্তমানে অনেক যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। বিশেষ করে, পদার্থ ও জীববিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো যথাযথভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনে এই সরঞ্জামগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা অনুরোধ করছি, আপনি যেন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দ্রুত সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।" শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে একদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা। বিষয়: স্বাস্থ্যপরীক্ষা সপ্তাহ চালুর আবেদন। জনাব, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে অনুরোধ করছি, আমাদের কলেজের অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন অসুস্থতা নিয়ে নিয়মিত ক্লাস করছে, যাদের অনেকেই তা জানতেও পারে না। এমন পরিস্থিতিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ সপ্তাহে একদিন ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মী দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে সকলের উপকার হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি আপনি যেন সপ্তাহে একদিন স্বাস্থ্যপরীক্ষা চালুর ব্যবস্থা করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ।" স্কুল মাঠ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রংপুর জিলা স্কুল, রংপুর। বিষয়: বিদ্যালয় মাঠ সংস্কারের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধাভরে জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি বর্তমানে বড় গর্ত ও আগাছায় ভরে আছে। এতে খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনেও সমস্যা হচ্ছে। ছাত্রদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। অতএব, মাঠটি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদকগণ, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ রংপুর জিলা স্কুল। " কলেজ ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, রাজশাহী। বিষয়: ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়নের আবেদন। মান্যবর, আমরা দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, কলেজ ক্যান্টিনের খাবারের মান খুবই নিম্নমানের এবং অনেক সময় খাবার থেকে দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। এতে আমাদের স্বাস্থ্যহানি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার খেতে যায়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি আপনি যেন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষকে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহে নির্দেশ দেন। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ।" কলেজে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা। বিষয়: সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমরা কলেজের শিক্ষার্থীরা চাই, আমাদের কলেজে একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজন করা হোক, যাতে আমাদের সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকশিত হয়। এই সপ্তাহে বিতর্ক, আবৃত্তি, নাটক, সংগীত, চিত্রাঙ্কনসহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন এ উদ্যোগ গ্রহণে সম্মতি প্রদান করেন। নিবেদকগণ, কলেজ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ঢাকা কলেজ। " বিদ্যালয়ে বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাতে চাই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনো বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করা হয়নি। অথচ, বিজ্ঞানচর্চা শিক্ষার্থীদের কল্পনাশক্তি ও উদ্ভাবনী শক্তিকে উৎসাহিত করে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি বিজ্ঞান মেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে বিভিন্ন ধারণা তুলে ধরতে পারবে এবং নিজেদের জ্ঞানকে প্রয়োগ করতে শিখবে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন আসন্ন মাসে একটি বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজনের অনুমতি দেন। নিবেদকগণ, নবম ও দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর। " কলেজে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা। বিষয়: নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করছি, কলেজ লাইব্রেরি এবং ক্লাসরুমে ইন্টারনেট সংযোগ অপ্রতুল ও মাঝে মধ্যেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে গবেষণা, ক্লাসের প্রস্তুতি এবং অনলাইন লার্নিং বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ইন্টারনেট একটি অপরিহার্য উপাদান। তাই আমাদের অনুরোধ, আপনি যেন দ্রুত ইন্টারনেট অবকাঠামো উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ।" বিদ্যালয়ের টয়লেটের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতকরণে আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: টয়লেটের স্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য আবেদন। মহোদয়া, দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ের টয়লেটগুলো দীর্ঘদিন যাবৎ পরিষ্কার করা হচ্ছে না। ফলে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এটি একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন নিয়মিত টয়লেট পরিষ্কারের ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত স্যানিটারি সামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।" কলেজের রেফারেন্স লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, বরিশাল সরকারি কলেজ, বরিশাল। বিষয়: রেফারেন্স লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজনের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করছি, রেফারেন্স লাইব্রেরিতে সাম্প্রতিক পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পর্যাপ্ত বই নেই। এতে আমাদের উচ্চশিক্ষা প্রস্তুতিতে অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে ইংরেজি, গণিত, আইসিটি এবং সাহিত্য বিষয়ক বইয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি, লাইব্রেরিতে নতুন এবং প্রয়োজনীয় রেফারেন্স বই দ্রুত সংগ্রহের উদ্যোগ নিন। নিবেদকগণ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ বরিশাল সরকারি কলেজ। " ছাত্রদের জন্য কমনরুমে খেলাধুলার উপকরণ সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, পঞ্চগড় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড়। বিষয়: কমনরুমে খেলাধুলার উপকরণ চেয়ে আবেদন। মান্যবর, আমরা ছাত্ররা অবসরের সময় কমনরুমে সময় কাটালেও তেমন কোনো খেলার উপকরণ নেই। এতে মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক যোগাযোগের সুযোগ হারাচ্ছি। টেবিল টেনিস, ক্যারম বোর্ড, দাবা ইত্যাদি থাকলে শিক্ষার্থীরা গঠনমূলকভাবে সময় কাটাতে পারবে। অতএব, অনুরোধ করছি, আপনি যেন প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে আমাদের সহায়তা করেন। নিবেদকগণ, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রবৃন্দ পঞ্চগড় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। " কলেজ বাসে আসন সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, নরসিংদী মহিলা কলেজ, নরসিংদী। বিষয়: কলেজ বাসে আসন সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন। মান্যবর, আমাদের কলেজ বাসে আসন সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় প্রতিদিন দাঁড়িয়ে যেতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ক্লান্তিকর। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বাসেই উঠতে পারে না। তাই, অতিরিক্ত বাস অথবা বড় বাসের ব্যবস্থা করলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে অনেক সুবিধা হবে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন কলেজ বাসে আসন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ ছাত্রীবৃন্দ নরসিংদী মহিলা কলেজ।" বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ময়মনসিংহ মডেল স্কুল, ময়মনসিংহ। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শিক্ষার্থীরা ক্রীড়াচর্চায় মনোযোগী হলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়নি। এতে আমাদের প্রতিভা বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা চাই, শিগগির একটি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হোক, যাতে আমরা আমাদের পারদর্শিতা তুলে ধরতে পারি। অতএব, আপনার সদয় বিবেচনায় আমরা এই আয়োজনের অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ ময়মনসিংহ মডেল স্কুল।" কলেজে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর। বিষয়: ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আয়োজন সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, আমরা শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও পেশাজীবনের নানা দিক নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছি। যদি ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের দ্বারা কাউন্সেলিং সেশন হয়, তাহলে আমরা সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারবো। অতএব, অনুরোধ করছি, আপনি যেন প্রতি মাসে একটি করে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন আয়োজনের নির্দেশ প্রদান করেন। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ দিনাজপুর সরকারি কলেজ। " বিদ্যালয়ের পুরাতন বেঞ্চ ও চেয়ার মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সুনামগঞ্জ আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। বিষয়: পুরাতন বেঞ্চ ও চেয়ার মেরামতের আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করছি, বেশিরভাগ শ্রেণিকক্ষে চেয়ার ও বেঞ্চ ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। এতে শ্রেণিকক্ষে বসা ও লেখার সময় অসুবিধা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কাও আছে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেন। নিবেদকগণ, সাধারণ ছাত্রীরা সুনামগঞ্জ আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়। " লাইব্রেরিতে পাঠ উপযোগী পরিবেশ তৈরির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: পাঠাগারে নিরব ও মনোযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার আবেদন। মান্যবর, আমরা লক্ষ্য করছি, লাইব্রেরিতে অনেক সময় অনেকে উচ্চস্বরে কথা বলে, মোবাইল ব্যবহার করে কিংবা হাসাহাসি করে, যা পাঠে মনোযোগ ব্যাহত করে। এটি নিয়মিত পাঠকদের জন্য ভীষণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন লাইব্রেরির পরিবেশ মনোযোগী পাঠের উপযোগী করে তোলার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, লাইব্রেরি ব্যবহারকারী ছাত্রছাত্রীবৃন্দ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ।" বিদ্যালয়ে একটি ভাষা ক্লাব গঠনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, শান্তিবাগ উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি ভাষা ক্লাব গঠনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা শান্তিবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী আন্তরিকভাবে একটি ভাষা ক্লাব গঠনের উদ্যোগ নিতে আগ্রহী। বর্তমান যুগে ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি বাংলা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ভাষার জ্ঞান শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ভাষা ক্লাব থাকলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ইংরেজি, বাংলা ও অন্য ভাষায় বাক্পটুতা, লিখনশৈলী ও অনুবাদ দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। এছাড়া কবিতা আবৃত্তি, বক্তৃতা, রচনা প্রতিযোগিতা, ডিবেট ক্লাবের সাথেও এই ক্লাবটি যৌথভাবে কাজ করতে পারবে। আমরা চাই ক্লাবটি প্রতি সপ্তাহে একদিন সক্রিয় থাকবে এবং শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ক্লাবের জন্য একটি নির্দিষ্ট কক্ষ, কিছু বই, ডিকশনারি, ও একটি বোর্ড সরবরাহ করা হলে ক্লাবটি কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে। অতএব, আপনাকে বিনীত অনুরোধ করা যাচ্ছে, আপনি যেন ভাষা ক্লাব গঠনের অনুমতি প্রদান করেন এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহে সহায়তা করেন। নিবেদকগণ, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ শান্তিবাগ উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। " কলেজে দুপুরের খাবারের ক্যানটিন চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, রংপুর সরকারি মহিলা কলেজ, রংপুর। বিষয়: কলেজে খাবারের ক্যানটিন চালু করার আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের কলেজে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্লাস চলে। এত দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাস করায় আমরা অনেক সময় ক্ষুধার্ত থাকি এবং পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। বর্তমানে কলেজে খাবারের কোনো ক্যানটিন নেই। ফলে আমাদের বাইরে গিয়ে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হয়, যা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই কলেজে একটি পরিপাটি ও স্বাস্থ্যসম্মত ক্যানটিন স্থাপন হোক যেখানে কমমূল্যে স্বাস্থ্যকর খাবার, পানি ও হালকা নাস্তা পাওয়া যাবে। যদি ক্যানটিনটি কলেজের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় এবং সময়মতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের সুবিধা হবে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা এড়ানো সম্ভব হবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আপনি যেন একটি কলেজ ক্যানটিন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ ছাত্রীবৃন্দ রংপুর সরকারি মহিলা কলেজ। " শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, মাদারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধভাবে নিবেদন করছি যে, বর্তমানে শিক্ষাদান পদ্ধতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং অডিও-ভিজুয়াল উপস্থাপনায় শিক্ষার্থীরা বিষয়বস্তু আরও সহজে বুঝতে পারছে। আমাদের বিদ্যালয়ের অধিকাংশ ক্লাসে এখনও শুধুমাত্র ব্ল্যাকবোর্ড ও চক ব্যবহার করা হয়। এতে কঠিন বিষয় যেমন বিজ্ঞান, গণিত ও ভূগোল ভালোভাবে বোঝা যায় না। যদি শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সংযুক্ত করা হয়, তাহলে শিক্ষকরা ভিডিও, স্লাইড ও এনিমেশন দেখিয়ে সহজেই বিষয় বোঝাতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরাও আগ্রহসহকারে শিখবে। বিশেষ করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, পদার্থ ও রসায়নের ক্ষেত্রে চিত্র এবং চলমান ভিডিও ক্লাস অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি আপনি যেন শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর স্থাপন করেন। নিবেদকগণ, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ মাদারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। " কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া। বিষয়: বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের কলেজে দীর্ঘদিন ধরে কোনো সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়নি। অথচ এমন একটি আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গান, নৃত্য, নাটক, আবৃত্তি, একক অভিনয়, চিত্রাঙ্কন প্রভৃতি শিল্পকলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এতে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন দক্ষতা ও মঞ্চভীতি দূর হবে। আমরা প্রস্তাব করছি আগামী মাসে এক সপ্তাহব্যাপী একটি সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজন করা হোক। এতে সকল বিভাগ ও শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। অনুগ্রহ করে বিচারক, পুরস্কার, সাউন্ড সিস্টেম ইত্যাদির জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান করার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ। " বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব আধুনিকায়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, লালমনিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়, লালমনিরহাট। বিষয়: কম্পিউটার ল্যাব আধুনিকায়নের আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব থাকলেও সেটির অধিকাংশ যন্ত্রপাতি পুরনো এবং অকার্যকর। কম্পিউটার চালু হতে অনেক সময় নেয়, ইন্টারনেট ধীরগতির এবং কিছু কম্পিউটারে সফটওয়্যার ইনস্টলই নেই। বর্তমান যুগে ডিজিটাল শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। তাই আমরা চাই কম্পিউটার ল্যাবটি নতুন কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেটসহ আধুনিকায়ন করা হোক। যদি আধুনিক ল্যাব হয়, তাহলে আমাদের আইসিটি ক্লাস আরও কার্যকর হবে এবং অনলাইনে প্রজেক্ট জমা, কোডিং শেখা, ডকুমেন্ট তৈরি প্রভৃতি কাজ শেখা সহজ হবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আপনি যেন ল্যাব আধুনিকায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ লালমনিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়। " পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, সম্প্রতি প্রকাশিত বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে কোনো বিরতি রাখা হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার মাঝে কোনো প্রস্তুতির সময় নেই। এই পরিস্থিতিতে আমরা বিষয়গুলো ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছি না, ফলে ফলাফলের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। আমরা চাই অন্তত একদিন করে বিরতি রাখা হোক যাতে প্রতিটি বিষয়ের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ থাকে। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, আপনি যেন পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করে আমাদের পড়াশোনার পরিবেশকে সহায়তা করেন। নিবেদকগণ, দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়। " বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নওগাঁ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন করছি যে, গত এক বছর ধরে আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়নি। অথচ খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই চলতি শিক্ষাবর্ষে একটি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন হোক। এতে দৌড়, লং জাম্প, বল নিক্ষেপ, ক্রিকেট, ফুটবল ও ভলিবল ইত্যাদি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত করা হোক। ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হবে। অতএব, আপনার সদয় অনুমতির জন্য আবেদন জানাচ্ছি যাতে আমরা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নিতে পারি। নিবেদকগণ, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ নওগাঁ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। " বিদ্যালয়ে প্রথমসারির শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহী। বিষয়: মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি ক্লাস চালুর আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে যারা পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ–৫ অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা চাই প্রত্যেক বিষয়ের জন্য সাপ্তাহিক বিশেষ প্রস্তুতি ক্লাস চালু করা হোক যাতে শিক্ষকগণ কঠিন টপিক বুঝিয়ে দেন এবং মডেল টেস্ট নিয়ে ফলাফল বিশ্লেষণ করেন। এতে করে ফলাফল আরও উন্নত হবে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ আপনি যেন মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রছাত্রী রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল।" কলেজ লাইব্রেরিতে আরও নতুন বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল। বিষয়: কলেজ লাইব্রেরিতে পাঠ্য ও সহ-পাঠ্য নতুন বই সংযোজনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমাদের কলেজ লাইব্রেরিতে অনেক বই পুরনো ও অপর্যাপ্ত। নতুন পাঠ্যসূচি অনুযায়ী কিছু গুরুত্বপূর্ণ বই ও গাইডলাইনেরও ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে গণিত, জীববিজ্ঞান, ইংরেজি সাহিত্য ও ইতিহাস বিষয়ে নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স বই নেই। এছাড়াও, বাংলা ও ইংরেজি উপন্যাস, আত্মজীবনী, অনুপ্রেরণামূলক বই থাকলে ছাত্রছাত্রীরা সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, আপনি যেন লাইব্রেরির জন্য নতুন বই সংগ্রহে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং বাজেট বরাদ্দের অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ। " বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞান প্রদর্শনী আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্কুল, কুমিল্লা। বিষয়: বিজ্ঞান প্রদর্শনী আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, আমরা নবম ও দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা একটি বিজ্ঞান প্রদর্শনী আয়োজন করতে আগ্রহী। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বানানো মডেল, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং প্রজেক্ট উপস্থাপন করতে পারবে। বিষয় যেমন: পানি বিশুদ্ধকরণ, সোলার এনার্জি, অটোমেশন, রোবোটিক্স ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে করে বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং শিখন কার্যক্রম প্রাণবন্ত হবে। অতএব, আপনি যেন আমাদের এই উদ্যোগে অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন, এই অনুরোধ রইল। নিবেদকগণ, বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্কুল। " পৌর এলাকায় রাস্তার বাতি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় মেয়র, [আপনার শহরের নাম] পৌরসভা, [জেলার নাম]। বিষয়: আমাদের এলাকায় রাস্তায় বাতি স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের পৌর এলাকার [এলাকার নাম, যেমন “পুরাতন কাচারি রোড”]–এ কোনো রাস্তার বাতি নেই। ফলে সন্ধ্যার পর চলাচল করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। চুরি-ছিনতাইয়ের আশঙ্কা যেমন বাড়ে, তেমনি দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও তৈরি হয়। এছাড়াও, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচ্য। জনগণের নিরাপদ চলাচলের জন্য রাস্তার আলো অত্যন্ত জরুরি। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, যেন দ্রুততম সময়ে উক্ত স্থানে রাস্তার বাতি স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদক, [নাম] পক্ষে: এলাকাবাসী ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিশ্চিত করার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম] উপজেলা, [জেলার নাম]। বিষয়: ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর আবেদন। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, [উপজেলার নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও তা সব সময় কার্যকর থাকে না। অনেক সময় রুগীকে বহন করার জন্য রাতে বা ছুটির দিনে অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না। ফলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিকটস্থ সদর হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় দেরি হয় এবং প্রাণহানির আশঙ্কাও থেকে যায়। অতএব, আপনি যেন এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আমলে নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, এই অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [আপনার নাম] নাগরিক, [ইউনিয়ন/গ্রাম/ওয়ার্ডের নাম] [মোবাইল নম্বর] " স্থানীয় খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ, [উপজেলার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় একমাত্র খেলার মাঠটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাঠের মধ্যে বড় বড় গর্ত, আগাছা ও ময়লা-আবর্জনার কারণে খেলাধুলা করা সম্ভব হচ্ছে না। যুবসমাজ যাতে খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় মনোযোগী হতে পারে, তার জন্য মাঠটি সংস্কার করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এছাড়াও, ভবিষ্যতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা সম্ভব হবে। অতএব, আপনি যেন মাঠটি সংস্কার ও পরিস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, এই প্রার্থনা করছি। নিবেদক, [নাম] পক্ষে: যুব সমাজ ঠিকানা: [গ্রাম/পাড়া/ওয়ার্ড] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বাজারে ময়লা পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, [বাজারের নাম], [উপজেলার নাম]। বিষয়: বাজারে নিয়মিত ময়লা পরিষ্কারের জন্য আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকার প্রধান বাজার [বাজারের নাম]–এ প্রতিদিন প্রচুর ময়লা-আবর্জনা জমে থাকে। কিন্তু তা পরিষ্কারের জন্য কোনো নির্ধারিত কর্মী নিয়োজিত নেই বা পরিচ্ছন্নতাও নিয়মিত হয় না। ফলে দুর্গন্ধ ছড়ায়, মাছ-মাংসের দোকানের আশেপাশে মশা-মাছি জন্মায় এবং বাজারে যাতায়াত দুঃসহ হয়ে পড়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। অতএব, আপনি যেন বাজারে নিয়মিত পরিষ্কারকর্মী নিয়োগ এবং ডাস্টবিন স্থাপন করেন, এই প্রার্থনা করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] স্থানীয় ক্রেতা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি [মোবাইল নম্বর] " ইউনিয়নে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় বিভাগীয় প্রকৌশলী, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC), [বিভাগের নাম]। বিষয়: ইউনিয়নে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট নিরসনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় মোবাইল ফোনে নেটওয়ার্কের সংকট চরমে। বিশেষ করে [গ্রামের নাম] ও আশপাশের এলাকায় কোনো মোবাইল অপারেটরের সিগনাল ঠিকমতো পাওয়া যায় না। ফলে জরুরি ফোনকল, অনলাইন ক্লাস, মোবাইল ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যবহার করাও দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, আপনি যেন আমাদের ইউনিয়নে মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের বা নেটওয়ার্ক উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদক, [নাম] গ্রামবাসীর পক্ষে [গ্রামের নাম, ইউনিয়ন, উপজেলা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" খতিয়ান উত্তোলনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়ন ভূমি অফিস, [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: খতিয়ানের অনুলিপি (Porcha) পাওয়ার জন্য আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার পুরো নাম], পিতা: [পিতার নাম], সাং: [গ্রামের নাম]। আমাদের পৈত্রিক জমি সংক্রান্ত একটি বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। কিন্তু উক্ত জমির হাল খতিয়ানের অনুলিপি আমার সংগ্রহে নেই। জমি: [দাগ নম্বর ও মৌজার নাম] জমির পরিমাণ: [উল্লেখ করুন] অতএব, আপনি আমাকে উক্ত জমির হাল খতিয়ানের একটি অনুলিপি সরবরাহ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, এই আবেদন করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] ঠিকানা: [গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্বাক্ষর: ___________ " নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্তির আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: মহিলা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আবেদন। মান্যবর, আমি একজন স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা। আমি সেলাই, হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসা চালানোর ইচ্ছা পোষণ করি, তবে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ না থাকায় পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ করতে পারছি না। শুনেছি মহিলা বিষয়ক দপ্তর থেকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। আমি এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আগ্রহী এবং আমার মত আরও ৫–৬ জন নারীও এই প্রশিক্ষণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অতএব, আমাদেরকে আসন্ন প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম] ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম], উপজেলা: [উপজেলার নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " কৃষি উপকরণ ভর্তুকির আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি অফিস, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: কৃষি উপকরণে ভর্তুকির জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি একজন ক্ষুদ্র কৃষক। বর্তমানে চাষাবাদের জন্য সার, বীজ, ওষুধসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। সরকার কৃষকদের জন্য বিভিন্ন ভর্তুকি দিয়ে সহায়তা করে থাকে—এটি আমরা জেনেছি। অতএব, আমি যেন সরকার প্রদত্ত ভর্তুকির আওতায় সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ পেতে পারি, এই আবেদন করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [NID] গ্রাম: [গ্রামের নাম], ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান প্রকৌশলী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), [জোনাল অফিস/উপজেলা শাখা], [জেলা]। বিষয়: বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও কিছু জায়গায় তার ঝুলে আছে এবং কোথাও কোথাও খুঁটি না থাকায় তা গাছ বা বাঁশের সাহায্যে টিকে আছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। অতএব, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আপনার দপ্তরে খুঁটি স্থাপনের জন্য আবেদন করছি, যেন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাটি নিরাপদ এবং টেকসই হয়। নিবেদক, [আপনার নাম] পক্ষে: এলাকাবাসী গ্রাম: [গ্রামের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" শিশুদের খেলাধুলার জন্য পার্ক নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, [পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ নাম], [উপজেলা, জেলা]। বিষয়: শিশুদের খেলার জন্য একটি পার্ক নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় শিশুদের খেলার জন্য কোনো পার্ক বা উন্মুক্ত স্থান নেই। বর্তমান প্রজন্ম দিনদিন মোবাইল ও টিভির প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। শিশুদের সুস্থ ও মানসিক বিকাশের জন্য একটি পার্ক অত্যন্ত প্রয়োজন। যদি একটি পার্ক নির্মাণ করা হয়, তবে শিশু ও কিশোরেরা শারীরিক চর্চা, খেলাধুলা ও সামাজিকতা চর্চা করতে পারবে। অতএব, অত্র এলাকায় একটি শিশু পার্ক নির্মাণের জন্য সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক, [নাম] পক্ষে: অভিভাবকবৃন্দ ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, জেলা নির্বাচন অফিসার, [জেলা নাম]। বিষয়: জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের আবেদন। মান্যবর, আমি [আপনার নাম], পিতা: [পিতার নাম], মাতা: [মাতার নাম]। আমার জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের বানান ও জন্ম তারিখে ভুল রয়েছে। সঠিক তথ্য অনুযায়ীঃ নাম: [সঠিক নাম] জন্ম তারিখ: [সঠিক জন্ম তারিখ] অতএব, অনুগ্রহ করে প্রয়োজনীয় যাচাই–বাছাই শেষে আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] এনআইডি নম্বর: [XXXXXXXXXXXXXX] ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্তির আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], বয়স [XX] বছর, পিতা: [নাম]। আমি শারীরিকভাবে [অসুস্থতার ধরন] প্রতিবন্ধী এবং কর্মক্ষম নই। আমার কোনো নির্দিষ্ট আয় নেই এবং পরিবারের ওপর নির্ভরশীল। অতএব, সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্তির জন্য আমাকে তালিকাভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] ঠিকানা: [গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভায় রাস্তা মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা, [উপজেলা, জেলা]। বিষয়: ভাঙা রাস্তা মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমাদের ওয়ার্ডের [রাস্তার নাম/স্থান] রাস্তা দীর্ঘদিন যাবৎ ভেঙে পড়ে আছে। বর্ষাকালে কাদা-পানিতে চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ে। স্কুলগামী শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচলে চরম সমস্যা হচ্ছে। অতএব, অত্র এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উক্ত রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] পক্ষে: এলাকাবাসী ঠিকানা: [ওয়ার্ড/মহল্লা নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা অপর্যাপ্ত। এতে একাধিক শ্রেণি একসাথে বসে পাঠগ্রহণ করতে হয়, যা শিক্ষার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে। অতএব, বিদ্যালয়ে আরও এক বা একাধিক শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [নাম] অভিভাবক/স্থানীয় বাসিন্দা ঠিকানা: [গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: ইউনিয়ন পর্যায়ে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের ইউনিয়নের মানুষজন অনেক দূরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে পারে না, বিশেষ করে বৃদ্ধ ও নারীরা। তাই অন্তত প্রতি মাসে একবার অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প বসানো হলে জনগণ উপকৃত হবে। অতএব, প্রতি মাসে ইউনিয়ন পর্যায়ে একদিনের স্বাস্থ্যসেবা শিবির আয়োজনের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " খতিয়ান সংশোধনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, সহকারী কমিশনার (ভূমি), [উপজেলা নাম], [জেলা নাম]। বিষয়: খতিয়ানে ভুল সংশোধনের আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], পিতা: [পিতার নাম]। আমাদের জমির খতিয়ানে নামের বানান ও জমির পরিমাণ ভুলভাবে উল্লেখ আছে। আমার সঠিক নাম: [সঠিক নাম], এবং জমির পরিমাণ: [সঠিক তথ্য]। অতএব, প্রয়োজনীয় যাচাই–বাছাই করে খতিয়ানে সঠিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] মৌজা: [মৌজার নাম], দাগ নম্বর: [XXXX] ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" পঞ্চবার্ষিকি উন্নয়ন প্রকল্পে রাস্তা সংযুক্তির আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, জেলা প্রশাসক, [জেলা নাম]। বিষয়: উন্নয়ন প্রকল্পে আমাদের গ্রামের রাস্তাটি অন্তর্ভুক্তির আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রাম [গ্রামের নাম] দীর্ঘদিন ধরে মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন। সাম্প্রতিক পঞ্চবার্ষিকি উন্নয়ন পরিকল্পনায় আমাদের রাস্তাটি অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় আমরা খুবই অসুবিধায় পড়েছি। অতএব, এলাকার উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে উক্ত রাস্তাটি উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [নাম] পক্ষে: এলাকাবাসী গ্রাম: [গ্রামের নাম], ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" পৌরসভার বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা। বিষয়: নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করার আবেদন। মান্যবর, আমাদের ওয়ার্ডে পৌরসভার বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত। ফলে দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতএব, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, ডাস্টবিন স্থাপন এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] ওয়ার্ড: [ওয়ার্ড নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব দূরীকরণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম]। বিষয়: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী নেই। এতে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। অতএব, দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বিদ্যালয়ে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম], [উপজেলা, জেলা]। বিষয়: নিরাপদ পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পানির জন্য কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস নেই। বর্তমানে ব্যবহৃত পানির উৎস অনিরাপদ ও অপ্রতুল। অতএব, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] অভিভাবক/স্থানীয় বাসিন্দা মোবাইল: [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [উপজেলা, জেলা]। বিষয়: অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা অপর্যাপ্ত। একাধিক শ্রেণি একই কক্ষে পাঠ গ্রহণ করায় শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, প্রয়োজনীয় নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] অভিভাবক/স্থানীয় বাসিন্দা গ্রাম: [গ্রামের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " থানায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে সহযোগিতার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), [থানা নাম] থানা, [জেলা]। বিষয়: এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মান্যবর, সম্প্রতি আমাদের এলাকায় কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত। অতএব, জননিরাপত্তা রক্ষায় এলাকায় নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" কৃষি অফিসে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম], [জেলা নাম]। বিষয়: কৃষি উপকরণ (বীজ ও সার) সহায়তার আবেদন। মান্যবর, আমি একজন ক্ষুদ্র কৃষক। এবারের প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমার চাষাবাদের ক্ষতি হয়েছে। কৃষিকাজ পুনরায় শুরু করতে বীজ ও সারের প্রয়োজন। অতএব, আমাকে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তা প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] পিতা: [পিতার নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম], দাগ নং: [XXXX] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌর এলাকায় স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা। বিষয়: আমাদের ওয়ার্ডে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় রাত্রিকালীন চলাচলের জন্য কোনো আলোর ব্যবস্থা নেই। এতে দুর্ঘটনা ও অপরাধের ঝুঁকি বাড়ছে। অতএব, সড়কে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] ওয়ার্ড নং: [ওয়ার্ড নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " জেলা পরিষদের রাস্তাটি সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, [জেলা নাম] জেলা পরিষদ। বিষয়: ইউনিয়নের রাস্তাটি মেরামতের আবেদন। মান্যবর, [গ্রাম–ইউনিয়ন] সংযোগকারী রাস্তাটি বহুদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে কাদায় মিশে গিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। অতএব, জনগণের সুবিধার্থে উক্ত রাস্তাটি সংস্কার করে চলাচলযোগ্য করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম], ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সনদপত্র প্রদানের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, [ইউনিয়ন পরিষদের নাম], উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]। বিষয়: নাগরিক সনদপত্র প্রদানের জন্য আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [নাম], পিতা: [পিতার নাম], মাতা: [মাতার নাম], গ্রাম: [গ্রামের নাম], ওয়ার্ড নং: [নম্বর], পোস্ট: [পোস্ট অফিস], উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]—এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা। বর্তমানে আমি উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি আবেদন করতে যাচ্ছি এবং আবেদনপত্রের সঙ্গে নাগরিক সনদপত্র সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে আমার স্থায়ী ঠিকানা ও পরিচয় সম্বলিত একটি নাগরিক সনদপত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। নিবেদক, [নাম] জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [xxxxxxxxxxxx] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্বাক্ষর: _______________" উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি সম্পর্কে অভিযোগপত্র,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলা নাম], [জেলা নাম]। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের নিয়মিত অনুপস্থিতির বিষয়ে অভিযোগপত্র। মান্যবর, আমাদের উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেশ কিছুদিন যাবৎ নিয়মিত চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না। সাধারণ রোগীদের বহু সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং অনেকসময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ছাড়া ফিরে যেতে হয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও বয়স্করা এই অনুপস্থিতির ফলে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এই অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোরালোভাবে অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম] পোস্ট: [পোস্ট অফিস], উপজেলা: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্থানীয় নাগরিকদের স্বাক্ষর: ১। _______________ ২। _______________ ৩। _______________" পৌরসভায় ময়লা পরিষ্কার ও ডাস্টবিন বসানোর আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা, [জেলা]। বিষয়: আবর্জনা পরিষ্কার ও ডাস্টবিন স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌর এলাকার [মোহল্লার নাম] মহল্লায় নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয় না। ফলে দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে গেছে এবং নানা রোগবালাই ছড়াচ্ছে। এছাড়া কোথাও ডাস্টবিন না থাকায় সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে রাস্তায় ময়লা ফেলছে। অতএব, আপনাকে বিনীত অনুরোধ করছি, আমাদের এলাকায় একটি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন স্থাপন এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক, [নাম] বাসিন্দা, ওয়ার্ড নং: [নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " জেলা প্রশাসকের নিকট নদীভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, জেলা প্রশাসক, [জেলার নাম]। বিষয়: নদীভাঙন রোধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের [উপজেলা] উপজেলার [নদীর নাম] নদীর পাশবর্তী গ্রামসমূহে প্রতি বছর বর্ষায় নদীভাঙনে বহু ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও বিদ্যালয় বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এবছরও ভাঙন শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিন তা ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। অতএব, স্থানীয় জনগণের জানমাল রক্ষার্থে নদী তীর সংরক্ষণ প্রকল্প হাতে নেওয়া ও জরুরি প্রতিরক্ষামূলক কাজ (বালির ব্যাগ, বাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি) শুরু করার জন্য আপনার দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম], ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম] জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [xxxx xxxx xxxx] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য খেলার মাঠের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, [বিদ্যালয়ের নাম] সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনো খেলার মাঠ নেই। শিক্ষার্থীরা ছুটির সময় খেলাধুলা করতে পারে না, যার ফলে মানসিক বিকাশ ও শারীরিক সুস্থতা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের পাশেই কিছু খালি জমি রয়েছে, যা খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আপনাকে বিনীত অনুরোধ করছি, মাঠটি উন্নয়ন করে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী খেলার পরিবেশ নিশ্চিত করুন। নিবেদক, [নাম] স্থানীয় অভিভাবক গ্রাম: [গ্রামের নাম], ওয়ার্ড: [ওয়ার্ড নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খতিয়ান/পর্চা সরবরাহের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]। বিষয়: জমির খতিয়ান (CS/RS/BS) সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমি [আপনার নাম], পিতা: [পিতার নাম], মাতা: [মাতার নাম], গ্রাম: [গ্রামের নাম], ওয়ার্ড নং: [নম্বর], পোস্ট: [পোস্ট অফিস], উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]—এই মর্মে আপনার দপ্তরের নিকট বিনীত আবেদন করছি যে, আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি সংক্রান্ত কিছু জমির মালিকানা সংক্রান্ত খতিয়ান প্রয়োজন। আমি উক্ত জমির একজন উত্তরাধিকার ও ভূমির আইনি কাগজপত্র হালনাগাদ করার জন্য খতিয়ান সংগ্রহ করতে ইচ্ছুক। আমার জমির বিবরণ নিচে প্রদান করা হলো: মৌজা: [নাম] দাগ নম্বর: [xxx] খতিয়ান নম্বর: [xxx] জমির পরিমাণ: [xxx] শতক/একর অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে উক্ত জমির নির্ভুল খতিয়ান সরবরাহ করে বাধিত করবেন। নিবেদক, [নাম] জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [xxxxxxxxxxxx] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্বাক্ষর: _______________ " পৌরসভায় রাস্তার বাতি মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা, [জেলার নাম]। বিষয়: রাস্তার বৈদ্যুতিক বাতি মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমাদের ওয়ার্ড নং [নম্বর], [মহল্লা/পাড়া/গ্রাম] এলাকায় বেশ কয়েকটি রাস্তার বৈদ্যুতিক বাতি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ফলে রাতে চলাচলকারীদের চরম সমস্যা হচ্ছে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ করছি, দ্রুত এসব বাতি মেরামতের ব্যবস্থা করে যেন স্বাভাবিক আলো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নিবেদক, [নাম] বাসিন্দা – ওয়ার্ড নং [নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্থানীয় ৫ জন নাগরিকের সম্মিলিত স্বাক্ষর সংযুক্ত রয়েছে।" উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর চলাচলের রাস্তায় ইট সলিংয়ের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), [উপজেলার নাম], জেলা: [জেলার নাম]। বিষয়: কাঁচা রাস্তায় ইট সলিংয়ের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামের [রাস্তাটির নাম বা অবস্থান] একটি গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের রাস্তা, যা বাজার, মসজিদ ও স্কুলের সঙ্গে সংযুক্ত। তবে রাস্তাটি এখনো কাঁচা এবং বর্ষাকালে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়ে। আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা বহুবার ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাটি ফেললেও টেকসই কোনো সমাধান হয়নি। অতএব, বিনীত অনুরোধ, রাস্তাটিতে জরুরি ভিত্তিতে ইট সলিং করে এলাকাবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদক, [নাম] বাসিন্দা, গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্থানীয় বাসিন্দাদের ১০০ জনের স্বাক্ষরসহ তালিকা সংযুক্ত। " মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর পরীক্ষায় বিশেষ বিবেচনার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম] মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]। বিষয়: অসুস্থতার কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে বিশেষ বিবেচনার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [নাম], শ্রেণি: নবম, রোল: ১৪, আপনার বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। সম্প্রতি আমি হঠাৎ জ্বর ও পেটের সমস্যায় ভুগছি এবং চিকিৎসকের পরামর্শে সম্পূর্ণ বিশ্রামে আছি। আগামী সপ্তাহে আমার বার্ষিক পরীক্ষার প্রথম তিনটি বিষয়ের সময়সূচি রয়েছে, কিন্তু আমি নির্ধারিত সময়ে অংশগ্রহণ করতে পারছি না। অতএব, বিষয়গুলোতে বিশেষ বিবেচনায় পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দিলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সনদ সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] শ্রেণি: নবম রোল: ১৪ মোবাইল: [অভিভাবকের নম্বর] " উপজেলা কৃষি অফিসার বরাবর বিনামূল্যে সার ও বীজ সহায়তার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা কৃষি অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সার ও বীজ সহায়তার আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], একজন ক্ষুদ্র কৃষক। প্রতিবছরের মতো এবারও আমি আমার একমাত্র জমিতে ধান চাষ করতে চাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে সার ও বীজের মূল্য অনেক বেশি হওয়ায় আমি অর্থনৈতিকভাবে চরম সংকটে রয়েছি। আমি সরকারের প্রণোদনা প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্যতা থাকলে কিছু সার ও বীজ সহায়তা পেলে কৃষিকাজ চালিয়ে যেতে পারব। প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ও খতিয়ান সংযুক্ত করা হলো। অতএব, আমাকে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম], ইউনিয়ন: [নাম], জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [xxxxxxxxxxxx] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভা স্যানিটেশন বিভাগে কোরবানি পশুর আবর্জনা অপসারণের আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, স্যানিটেশন অফিসার, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা, [জেলার নাম]। বিষয়: কোরবানি পশুর আবর্জনা দ্রুত অপসারণের জন্য আবেদন। মান্যবর, গত ঈদুল আযহায় আমাদের ওয়ার্ড নং [নম্বর] এলাকার বিভিন্ন জায়গায় কোরবানি পশুর আবর্জনা পড়ে আছে, যা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। এই কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এসব আবর্জনা পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদক, [নাম] বাসিন্দা, ওয়ার্ড নং [নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা শিক্ষা অফিসে বিদ্যালয়ের পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, [উপজেলার নাম], জেলা: [নামের]। বিষয়: শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদানের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের [বিদ্যালয়ের নাম] শ্রেণি দশের শিক্ষার্থীরা সাম্প্রতিকবার জাতীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে। তাদের উৎসাহব্যঞ্জক মনোবল বৃদ্ধির জন্য বিনীত অনুরোধ, তাদের মাঝে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। শিক্ষার্থীদের তালিকা ও প্রতিযোগিতার কপি সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টিকা গ্রহণের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিষয়: করোনা টিকা গ্রহণের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], আমার বয়স [xx] বছর, এবং সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির খবর পেয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা প্রতিরোধে টিকা নেওয়ার জন্য আমার আবেদন গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা ভূমি অফিসে খাস জমি ব্যবহার অনুমোদনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম]। বিষয়: খাস জমি ব্যবহার ও সীমানা পিলার স্থাপনের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], আমার পরিবার বর্তমানে স্থানীয় একটি খাস জমির পাশে বসবাস করছি। দীর্ঘদিন ধরে খাস জমির একটি অংশে আমরা শস্যের চাষাবাদ করছি। আমি বিনীত অনুরোধ করছি, উক্ত খাস জমি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং সীমানা পিলার স্থাপনের ব্যবস্থা করার জন্য। আবেদন সংক্রান্ত সকল প্রয়োজনীয় দলিল সংযুক্ত রয়েছে। নিবেদক, [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর পুকুরের বাঁধ মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), [উপজেলার নাম]। বিষয়: পুকুরের বাঁধ মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামের [পুকুরের নাম] পুকুরের বাঁধটি বর্ষাকালে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পানি ধারণ ও সেচ ব্যবস্থার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, বিনীত অনুরোধ, বাঁধটি মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় তদারকি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা সমাজ কল্যাণ অফিসে প্রবীণদের জন্য ভাতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], জেলা: [নামের]। বিষয়: প্রবীণ ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], একজন প্রবীণ নাগরিক। বর্তমান সময়ে জীবিকার খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় মাসিক ভাতা দিয়ে আমার প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের এলাকার অনেক প্রবীণ নাগরিকই এই ভাতার ওপর নির্ভরশীল। অতএব, বিনীত অনুরোধ, প্রবীণদের মাসিক ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদয় বিবেচনা করবেন। আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভা শিক্ষা বিভাগে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা শিক্ষা অফিসার, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন। মান্যবর, বর্তমান যুগে তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা অর্জন সকলের জন্য অপরিহার্য। আমাদের এলাকার অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নেই। সেজন্য অনুরোধ, [পৌরসভার নাম] এলাকায় একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করুন, যাতে দরিদ্র ও শিক্ষানবিশ তরুণরা আধুনিক প্রযুক্তি শেখার সুযোগ পায়। আমি ও অন্যান্য শিক্ষার্থী এই উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, [নাম] ছাত্র/ছাত্রী, [বিদ্যালয়ের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা কৃষি অফিসে বোরো ধান চাষের জন্য সার ও বীজ সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] কৃষি অফিস। বিষয়: বোরো ধানের জন্য সার ও বীজ সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], একজন কৃষক। এই মৌসুমে বোরো ধান চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সার ও বীজের যোগান পাচ্ছি না, যার কারণে ফসলের উৎপাদন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য দ্রুত সার ও বীজ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমাদের পরিবারের সদস্য এবং কৃষকদের তালিকা সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর সড়কের বেহাল দশা মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), [উপজেলার নাম]। বিষয়: সড়কের বেহাল দশা ও মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামের [সড়কের নাম] সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় আছে। বর্ষাকালে সড়কটির ক্ষতি বেড়ে যায় এবং চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। আমরা স্থানীয় জনগণ ও স্কুলছাত্রছাত্রীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য অনুরোধ করছি, দ্রুত সড়কটি মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদকগণ, গ্রামবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ [গ্রাম ও বিদ্যালয়ের নাম] " উপজেলা অফিসে ব্যক্তিগত সনদপত্রের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা অফিসার, [উপজেলার নাম] উপজেলা প্রশাসন। বিষয়: ব্যক্তিগত সনদপত্র জারির জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], বর্তমান আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয়তার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া অন্য কোনো সনদপত্র প্রয়োজন। তাই বিনীত অনুরোধ, আমার নাম দিয়ে একটি ব্যক্তিগত সনদপত্র জারি করার ব্যবস্থা করবেন। আমি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন করলাম। নিবেদক, [নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" পৌরসভা বরাবর পানি সরবরাহের উন্নতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: পৌর এলাকায় পানি সরবরাহের মানোন্নয়নের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমরা [পৌরসভার নাম] এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সুষ্ঠু ও নিয়মিত পানি সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে পানির চাপ অত্যন্ত কমে যায় এবং অনেক সময় সম্পূর্ণ জলবাধিত হয়। এতে আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও স্বাস্থ্য খুবই বিপর্যস্ত হচ্ছে। অবশ্যই, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে দূর থেকে পানি আনতে হচ্ছে, যা সময় ও অর্থের অপচয় ঘটায়। তাছাড়া শিশুসহ বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। অতএব, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যে: ১. পৌর এলাকায় পানির পাইপলাইন সিস্টেমের ব্যাপক সংস্কার এবং সম্প্রসারণ করা হোক। ২. নতুন জল সংরক্ষণ ও বিতরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হোক। ৩. নিয়মিত পানির চাপ পর্যালোচনা ও মান নিয়ন্ত্রণ করা হোক। ৪. জরুরি পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত পানি সরবরাহের জন্য একটি কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আমাদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগ গ্রামবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে এবং পৌরসভার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। আমরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন এবং সহযোগিতা জানাচ্ছি। অতএব, দয়া করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমাদের আবেদনটি মঞ্জুর করবেন। নিবেদকগণ, [পৌরসভার নাম] এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা শিক্ষা অফিসে সরকারি বৃত্তির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] শিক্ষা অফিস। বিষয়: সরকারি বৃত্তির জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], [বিদ্যালয়ের নাম]-এর এক ছাত্র/ছাত্রী। বর্তমানে আমার পারিবারিক আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত কঠিন হওয়ায় শিক্ষা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আমার বাবা/মা (অথবা অভিভাবক) কোন স্থায়ী আয় করেন না এবং পরিবারে আমি একমাত্র ভরণপোষণকারী। শিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি বৃত্তির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহায়তা প্রয়োজন। আমি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ভালো ফলাফল অর্জন করেছি এবং ভবিষ্যতে আরও ভাল ফলাফল করার দৃঢ় প্রত্যয়ী। সেজন্য অনুরোধ করছি, আমাকে সরকারি বৃত্তি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আমার শিক্ষাগত সার্টিফিকেট ও আর্থিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করা হলো। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, প্রদত্ত সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেকে একজন আদর্শ ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব এবং দেশ ও সমাজের সেবায় নিয়োজিত হব। নিবেদক, [নাম] শ্রেণী: [শ্রেণীর নাম] রোল: [রোল নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল সরঞ্জামের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি মেডিকেল সরঞ্জামের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বর্তমানে রোগীদের সেবা দিতে যথেষ্ট পরিমাণ ও মানসম্পন্ন মেডিকেল সরঞ্জামাদি পাচ্ছে না। অনেক রোগীর জরুরি চিকিৎসায় সরঞ্জামের অভাবে সমস্যা হচ্ছে এবং তারা অন্যত্র যেতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষতঃ জরুরি বিভাগে অক্সিজেন সিলিন্ডার, পর্যাপ্ত ইনজেকশন ওষুধ, মেডিকেল মাস্ক এবং হাইজিন সামগ্রীর খুব অভাব রয়েছে। এই কারণে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে গেছে এবং সেবা প্রদানকারীরাও কাজ করতে সংকোচ বোধ করছেন। অতএব, দয়া করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যেন আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুষ্ঠুভাবে কার্যকরী হতে পারে এবং রোগীরা সুবিধা পায়। আমরা আপনার সদয় সহায়তার অপেক্ষায় থাকলাম। নিবেদকগণ, স্থানীয় জনসাধারণ প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" উপজেলা সমাজসেবা অফিসে বিধবা মায়ের জন্য আর্থিক সহায়তা আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, [উপজেলার নাম]। বিষয়: বিধবা মায়ের আর্থিক সহায়তার আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], আমার স্ত্রীর মৃত্যু হওয়ায় এককভাবে সন্তানদের লালন-পালন করছি। পারিবারিক আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল হওয়ায় প্রয়োজনীয় খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের এলাকার অনেক বিধবা মায়ের মতো আমরাও সমাজের অবহেলা ও অনাহারের মুখোমুখি হচ্ছি। তাই বিনীত অনুরোধ, আমাকে এবং আমার পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। আমি নিয়মিতভাবে সমাজসেবা অফিসের শর্ত পূরণে সচেষ্ট থাকব। আমার আর্থিক ও পারিবারিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভা পরিষদে শহরের স্যানিটেশন উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: শহরের স্যানিটেশন সুবিধা উন্নয়নের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় স্যানিটেশন ব্যবস্থা খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। নালা-নর্দমার অবস্থা বাজে, দুর্গন্ধ ও মশার উৎপাত বেড়ে গেছে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। অনেক শিশু ও বয়স্ক নাগরিকের শারীরিক অসুস্থতার কারণ হচ্ছে স্যানিটেশন সমস্যার কারণে। আমরা পৌরসভার পরিষদের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, শহরের স্যানিটেশন ব্যবস্থা দ্রুত উন্নত করার জন্য যথাযথ অর্থ বরাদ্দ ও কার্যক্রম হাতে নিন। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি এবং মশক নিধন কার্যক্রম চালু করা অত্যন্ত জরুরি। শহরের বাসিন্দারা এ বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে প্রস্তুত। আশা করি আপনারা আমাদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবেন। নিবেদকগণ, শহরের বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে রাস্তা সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম]। বিষয়: গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমরা [গ্রামের নাম] গ্রামের বাসিন্দারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট এই আবেদন করছি আমাদের গ্রামে রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। বৃষ্টি হলে রাস্তা কাদা-গাদা হয়ে যায় এবং যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। স্কুলগামী শিশু ও রোগীদের হাসপাতালে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে। অতএব, বিনীত অনুরোধ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে পাকা করায় সহায়তা করবেন। এতে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা দৃঢ় হবে। আপনার সদয় বিবেচনার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদকগণ, [গ্রামের নাম] গ্রামের বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভা পরিষদে রাস্তার বাতি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম]। বিষয়: সড়কে রাস্তার বাতি স্থাপনের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো অন্ধকার এবং রাতে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতএব, আপনারা জরুরিভাবে প্রধান সড়কগুলোতে সড়ক বাতি স্থাপন করে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। সবার নিরাপত্তার জন্য আমরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদকগণ, [পৌরসভার নাম] এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের স্বল্পতার বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত কিছু জরুরি ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে। এতে রোগীরা নানা সমস্যায় পড়ছে এবং অন্যত্র ওষুধ খুঁজতে হচ্ছে। আমাদের বিনীত অনুরোধ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা দ্রুত করুন যেন রোগীরা সঠিক সময়ে সেবা পায়। আপনার সদয় সহায়তার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদকগণ, উপজেলা বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভায় আবর্জনা ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম]। বিষয়: শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় আবর্জনা নিক্ষেপের কারণে পরিবেশ দূষণ ও দুর্গন্ধ বিরাজ করছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। দয়া করে পৌরসভায় আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও আবর্জনা নিষ্পত্তির সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করুন। আমরা আপনার দ্রুত পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, পৌরসভা এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা শিক্ষা অফিসে নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম]। বিষয়: উপজেলার একটি দূরবর্তী এলাকায় নতুন সরকারী বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলার [গ্রামের নাম] এলাকাটি শিক্ষা সুবিধা থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিয়ে স্কুলে আসতে হয়, যা শিশুদের জন্য খুবই কষ্টকর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যে এই এলাকায় একটি নতুন সরকারী বিদ্যালয় স্থাপন করা হোক, যাতে এলাকার সকল শিশুর নিকটবর্তী এবং সহজে শিক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, [গ্রামের নাম] এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষকগণ প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লাইব্রেরির বই সংখ্যা বৃদ্ধি করার আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: কলেজ লাইব্রেরিতে বই সংযোজনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের কলেজের লাইব্রেরাটি শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানার্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে বইয়ের সংখ্যা খুবই সীমিত এবং বিভিন্ন বিষয়ের বই সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা ও পড়াশোনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা অনুরোধ করছি, আপনার সদয় বিবেচনায় লাইব্রেরির জন্য বিভিন্ন বিষয়ের নতুন ও আধুনিক বই সংগ্রহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম ও অতিরিক্ত গবেষণায় সহায়তা লাভ করবে এবং শিক্ষার মান উন্নত হবে। আমরা আপনার সহযোগিতার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদক, [আপনার নাম] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর] " স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [স্কুলের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের বিদ্যালয়ে এখনও কম্পিউটার ল্যাব নেই, যার ফলে শিক্ষার্থীরা এই আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। সুতরাং, আমরা সম্মানিত স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে আধুনিক মানের একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের ডিজিটাল শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনে সাহায্য হবে এবং তাদের ভবিষ্যত গড়তে বড় ভূমিকা রাখবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, [আপনার নাম] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর] " বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বৃদ্ধি সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় রেজিস্ট্রার, [বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম], [শহর]। বিষয়: পরীক্ষা শেষে ছুটির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমরা [বিভাগের নাম] বিভাগের শিক্ষার্থীরা, পরীক্ষা শেষে নির্দিষ্ট ছুটির সময় খুবই স্বল্প মনে করছি। পরীক্ষার ক্লান্তি কাটিয়ে পুনরায় নতুন সেমিস্টারে মনযোগী হওয়ার জন্য দীর্ঘ সময়ের বিশ্রাম প্রয়োজন। অতএব, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যে, পরীক্ষার পরবর্তীতে ছুটির সময় অন্তত ১৫ দিন বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে আমরা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত হয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে ভালো ফলাফল করতে পারব। আপনার সদয় বিবেচনার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদকগণ, [আপনার নাম] [বিভাগ] [রোল নম্বর]" স্কুলে শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [স্কুলের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শিক্ষা ক্ষেত্রের নতুন নতুন প্রযুক্তি ও শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষকদের আপডেট রাখা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের অনেকেই প্রশিক্ষণের অভাবে আধুনিক শিক্ষাদানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সমস্যায় পড়ছেন। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, বিদ্যালয়ে নিয়মিতভাবে শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হোক, যেখানে তারা নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণের কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষিত হতে পারবেন। এতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সাহায্য হবে। আপনার সদয় সহযোগিতার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, [শিক্ষার্থী প্রতিনিধি] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর]" কলেজে পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কলেজে একটি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। আমাদের কলেজে পরিবেশ দূষণ ও বৃক্ষসংরক্ষণ বিষয়ে অনেক অজ্ঞতা এবং সচেতনতার অভাব রয়েছে। আমরা আশা করি, কলেজ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং পরিবেশ বিষয়ক সেমিনার আয়োজন করা হলে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এছাড়া এই ধরনের কার্যক্রম তাদের ব্যক্তিত্ব উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অতএব, আমরা বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কলেজে উপযুক্ত কার্যক্রম শুরু করার ব্যবস্থা করবেন। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, [শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ] [কলেজের নাম] " পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে সড়ক ব্রীজ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: গ্রাম সংযোগ সড়কে ব্রীজ নির্মাণের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের গ্রামটি শহরের সাথে সংযুক্ত সড়কে একটি বড় পানি খাল রয়েছে, যার উপর এখন পর্যন্ত কোনো ব্রীজ নির্মাণ হয়নি। বর্ষাকালে সেখান দিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, বিশেষ করে বাচ্চা ও বৃদ্ধদের জন্য। ফলে বহুবার দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে গ্রামবাসীদের। আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত কষ্টে রয়েছি এবং আপনাদের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, দ্রুত ওই স্থানে একটি শক্তপোক্ত ও টেকসই ব্রীজ নির্মাণের ব্যবস্থা করার জন্য। এটি গ্রাম ও শহরের মধ্যে চলাচল সহজ করবে এবং জনজীবন নিরাপদ করবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, গ্রামবাসী, [গ্রামের নাম], [জেলা] " উপজেলা অফিসে প্রবীণ নাগরিক ভাতা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: প্রবীণ নাগরিকদের ভাতা বৃদ্ধি করার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির কারণে প্রবীণ নাগরিকদের মাসিক ভাতা তাদের দৈনন্দিন খরচ চালানো যথেষ্ট কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসা ও খাদ্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য এই ভাতা প্রায় অপ্রতুল। আমরা উপজেলার প্রবীণ নাগরিক ও তাদের পরিবারদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি, প্রবীণ ভাতা পরিমাণ বৃদ্ধি করে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করা হোক। এই সহায়তা প্রবীণদের জন্য বিশেষ আশার আলো হিসেবে কাজ করবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, প্রবীণ নাগরিক প্রতিনিধি, [উপজেলার নাম] " হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি বিভাগ সম্প্রসারণের আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় হাসপাতাল পরিচালক, [হাসপাতালের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: জরুরি বিভাগ সম্প্রসারণের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের এলাকায় সম্প্রতি জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চাপও অনেক বেড়েছে। কিন্তু বর্তমানে জরুরি বিভাগে পর্যাপ্ত শয্যা এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই, যার কারণে জরুরি রোগীদের সেবা দেওয়া দেরি হয়। অতএব, আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি, জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত শয্যা, আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এতে রোগীদের দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা যাবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, [আপনার নাম], [শহরের বাসিন্দা]" শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাসের সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আমরা অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু অনেক ছাত্র-ছাত্রী কম ইন্টারনেট স্পিড এবং প্রযুক্তি সঙ্কটের কারণে ক্লাসে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে পারছে না। এতে তাদের শিক্ষার ক্ষতি হচ্ছে। অতএব, আমরা সম্মানিত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি, দরিদ্র ও প্রযুক্তি বিহীন শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট স্পিড উন্নতকরণ ও ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহের ব্যবস্থা করুন। এতে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে শিক্ষার সুযোগ পাবে এবং পিছিয়ে পড়বে না। আপনার সদয় সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, [শ্রেণি ও রোল নম্বর সহ শিক্ষার্থীবৃন্দ]" ইউনিয়ন পরিষদে রাস্তা সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [ইউনিয়নের নাম], [জেলা]। বিষয়: গ্রাম সড়ক সংস্কারের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভেঙে গেছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক ও কঠিন হয়ে পড়ে। জরুরি প্রয়োজনে দ্রুততম সময়ে মানুষ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বাজার ও স্কুলে যাতায়াত করতে পারে না। অতএব, আমরা সম্মানিত ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, অবিলম্বে ওই সড়কগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। এটি এলাকার জনসাধারণের স্বস্তি ও নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ, স্থানীয় বাসিন্দা, [গ্রাম/ইউনিয়নের নাম]" শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির জন্য পৌরসভায় আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: শহরের পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য নিষ্পত্তি ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের শহরের বিভিন্ন স্থান, বিশেষ করে বাজার এলাকা ও পার্কগুলোতে বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থা নেই। এর ফলে পরিবেশ দূষণ বেড়েছে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। আমরা এলাকার নাগরিকরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, শহরের পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বর্জ্য অপসারণের জন্য নিয়মিত পরিষেবা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করলে সবাই উপকৃত হবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, স্থানীয় নাগরিক, [শহরের নাম] " বিদ্যালয়ে নতুন বিজ্ঞান ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [জেলা]। বিষয়: নতুন বিজ্ঞান ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় বিজ্ঞান বিষয়গুলোর প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত বিজ্ঞান ল্যাব না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা পাচ্ছে না। আমরা শ্রেণিকক্ষে শুধুমাত্র পাঠ্যবই থেকে পড়ার পরিবর্তে একটি আধুনিক ও সুসজ্জিত বিজ্ঞান ল্যাব প্রতিষ্ঠার আবেদন জানাচ্ছি, যাতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষামূলক কাজগুলো আরও ভালোভাবে করতে পারে এবং তাদের বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা, [শ্রেণি ও রোল নম্বর সহ] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন ওষুধের সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের স্টক পুনরায় পূরণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ শেষ হয়ে গেছে। এই কারণে রোগীরা ভুগছে এবং অনেককে দূরবর্তী শহরে চিকিৎসার জন্য যেতে হচ্ছে। অতএব, আমরা আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি দ্রুত এই ওষুধের স্টক পূরণ করার জন্য। এতে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা দ্রুত এবং সহজ হবে। আপনার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, স্থানীয় বাসিন্দা, [গ্রাম/উপজেলার নাম]" কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষাবর্ষ শুরু বিলম্বিত করার আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর]। বিষয়: শিক্ষাবর্ষ শুরু বিলম্বিত করার জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পুনরাবৃত্তি হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাসে অংশ নিতে পারছে না। বিশেষ করে, কম প্রযুক্তি সুবিধা থাকা ছাত্রছাত্রীরা অনেক পিছিয়ে পড়েছে। আমরা সকল শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আগামী শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু কিছুদিন বিলম্বিত করার জন্য যাতে আমরা সকলেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে পারি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, [আপনার নাম], [শ্রেণি ও রোল] " পৌরসভায় শিশুর খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: শিশুর খেলার জন্য নতুন মাঠ নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শিশুরা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলার মাঠ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই, ফলে শিশুরা বাইরে খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। আমরা এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে আবেদন জানাচ্ছি, একটি সুসজ্জিত ও নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণের ব্যবস্থা করার জন্য। এতে শিশুরা স্বাস্থ্যকরভাবে বেড়ে উঠবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থী, [শহরের নাম] " উপজেলা পরিষদে রাস্তা সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দ্রুত সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের প্রধান রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির সময় রাস্তার গর্তগুলোতে পানি জমে চলাচলে বড় ধরনের অসুবিধা হয়। স্কুলে যাতায়াত, বাজারে যাতায়াতসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। আমরা এলাকার জনগণ আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত এই রাস্তার মেরামত এবং পাকা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। এতে এলাকার পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদক, স্থানীয় বাসিন্দা, [গ্রাম/মহল্লার নাম] " বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবরে ছুটির আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর]। বিষয়: পারিবারিক সমস্যার জন্য ছুটির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী। পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থতার কারণে আমার উপস্থিতি আবশ্যক। এজন্য আমি অনুগ্রহ করে আগামী এক সপ্তাহের জন্য ছুটি প্রার্থনা করছি। আপনার সদয় অনুমতি পেলে আমি অনুপস্থিত থাকা সময়ে পড়াশোনা সমাপ্ত করার চেষ্টা করব। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, [আপনার নাম], [শ্রেণি], রোল নম্বর: [রোল নম্বর] " পৌরসভার কাছে পানীয় জল সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: এলাকায় পানীয় জলের স্বচ্ছ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের এলাকায় পানীয় জলের সরবরাহ খুবই অপ্রতুল এবং অনিয়মিত। অনেকদিন ধরে পানি কম থাকার কারণে জনসাধারণের ভোগান্তি বেড়েছে। বিশেষত গ্রীষ্মকালে এই সমস্যা আরও তীব্র হয়। সেই কারণে আমরা এলাকাবাসী আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত পানীয় জলের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। এতে এলাকার মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। আপনার সহযোগিতার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী [শহরের নাম] " কলেজে অতিরিক্ত পরীক্ষার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর]। বিষয়: পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেতে অতিরিক্ত পরীক্ষার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র। আমার অসুস্থতার কারণে সাম্প্রতিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাকে অতিরিক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হোক। আমি এই সুযোগ পেলে পরবর্তীতে ভাল ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হবো। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, [আপনার নাম], [শ্রেণি], রোল নম্বর: [রোল নম্বর] " উপজেলা অফিসে জন্ম নিবন্ধন সেবা দ্রুত করার আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের উপজেলার জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া অনেক ধীর গতিতে চলছে, যার ফলে নাগরিকদের অনেক সময় ও শ্রমের অপচয় হচ্ছে। বিশেষত, জরুরি কাগজপত্র তৈরি ও স্কুলে ভর্তি হতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন পরিবারগুলো। এই কারণে আমরা স্থানীয় নাগরিকদের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানাচ্ছি, জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আপনার সদয় সহায়তার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকগণ, [উপজেলার নাম] " কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর]। বিষয়: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতির জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমরা, [কলেজের সাংস্কৃতিক ক্লাবের নাম] সদস্যরা, আগামী [তারিখ] একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করছি। এই অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেমন নৃত্য, গীতি ও নাটক অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কলেজ জীবনের আনন্দময় স্মৃতি তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। অতএব, বিনীত অনুরোধ এই অনুষ্ঠানটি কলেজের প্রাঙ্গণে সফলভাবে আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার জন্য। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, [সাংস্কৃতিক ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক], [কলেজের নাম] " পৌরসভার কাছে সড়ক পিচিং করার আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, জনাব পৌরসভা সভাপতি, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: প্রধান সড়কের পিচিং কাজ দ্রুত করার জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙ্গে গেছে এবং বৃষ্টির সময় চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। যাত্রী ও যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যানজট কমাতে অনুরোধ করছি, দ্রুত সড়কটির পিচিং কাজ শুরু করে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আপনার দ্রুত পদক্ষেপের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দা [পৌরসভার নাম] " স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নতুন ওষুধের সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, স্বাস্থ্য কেন্দ্র ইনচার্জ, [গ্রাম/উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কেন্দ্র, [জেলা]। বিষয়: স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ওষুধের জোগান বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষত, সাধারণ সর্দি, জ্বর ও পেটের ব্যথার ওষুধ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। রোগীরা অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। অতএব, স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি এবং রোগীদের সুষ্ঠু চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ওষুধের পরিমাণ দ্রুত বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, স্থানীয় জনতা, [গ্রাম/উপজেলা] " স্কুলে শীতকালীন ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর]। বিষয়: শীতকালীন ছুটির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র। বর্তমান শীতকালীন ঋতুতে পরিবেশগত কারণে স্কুলে আসা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। রাস্তা বরফে ঢাকা থাকায় যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে। অতএব, আমি বিনীতভাবে আগামী [দিন/সপ্তাহ] ছুটির জন্য আবেদন জানাচ্ছি যাতে আমি স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে বিশ্রাম নিতে পারি এবং পড়াশোনায় আরও মনোযোগ দিতে পারি। আপনার সদয় অনুমতির অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদক, [আপনার নাম], [শ্রেণি], রোল নম্বর: [রোল নম্বর] " উপজেলা স্কুলে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের উপজেলার [স্কুলের নাম] স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমবর্ধমান হওয়ায় শিক্ষকরা খুব চাপের মধ্যে পড়েছেন। বিশেষত গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের জন্য অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জরুরি প্রয়োজন। শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য এবং শিক্ষার্থীদের যথাযথ শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সহযোগিতার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সদস্যরা, [উপজেলা নাম] " বাজার কমিটির কাছে রাস্তার বেহাল দশা মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় চেয়ারম্যান, [বাজার কমিটির নাম], [শহর/গ্রাম]। বিষয়: বাজার সংলগ্ন রাস্তার দ্রুত সংস্কারের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের বাজার সংলগ্ন প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির সময় পথে হাঁটা ও যানবাহন চলাচল খুবই বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি দ্রুত রাস্তার সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। আপনার সহায়তার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির সদস্যগণ " মহিলা উন্নয়ন সংস্থায় প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, সভাপতি, [মহিলা উন্নয়ন সংস্থা], [শহর/উপজেলা]। বিষয়: নারী শিক্ষার উন্নয়নে কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়/মহোদয়া, আমাদের এলাকার নারীরা বিভিন্ন হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোগে দক্ষতা অর্জন করতে আগ্রহী। তাই, কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। অনুগ্রহ করে সংস্থার পক্ষ থেকে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য অনুমতি এবং সহযোগিতা দেওয়ার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদকগণ, স্থানীয় মহিলা সদস্যবৃন্দ" হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, অধিদপ্তর পরিচালক, [জেলা হাসপাতাল], [জেলা]। বিষয়: হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমানে আমাদের জেলা হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতার মান খুবই নিন্ম। এটি রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে এবং হাসপাতালের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। অতএব, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ ও উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। আপনার সহযোগিতার প্রত্যাশায়, নিবেদক, স্থানীয় সচেতন নাগরিক " উপজেলা অফিসে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, প্রতিবছর আমাদের উপজেলার কিছু এলাকা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমানে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় বিপদগ্রস্ত মানুষজনের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ে। এজন্য, নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও জনতা" পৌরসভার কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: নতুন আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন। মান্যবর, আমাদের নতুন আবাসিক এলাকায় এখনও সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান হয়নি। এ কারণে বাসিন্দারা প্রচুর কষ্টে পড়ছেন। বিদ্যুতের অভাবে নিরাপত্তা এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, দ্রুত এই এলাকার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সাহায্যের জন্য অগ্রীম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, নতুন আবাসিক এলাকা বাসিন্দা " বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ল্যাব উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/গ্রাম]। বিষয়: বিজ্ঞান ল্যাবের আধুনিকায়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ল্যাবটি অনেকদিন আগের স্থাপনা এবং এতে নতুন যন্ত্রপাতি নেই। আধুনিক পরীক্ষণ এবং শিক্ষার জন্য আধুনিক ল্যাবের প্রয়োজন অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জনে এবং পরীক্ষামূলক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ল্যাবটি উন্নত করার অনুরোধ করছি। আশা করছি, আপনার সদয় নজর এই বিষয়ে দেওয়া হবে। নিবেদক, (শিক্ষার্থী প্রতিনিধি) [ক্লাস], [রোল নম্বর] " পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/উপজেলা]। বিষয়: বিদ্যালয়ে পাঠাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাঠাগার না থাকায় বই পড়াশোনা এবং গবেষণায় অসুবিধা হচ্ছে। পাঠাগার থাকলে শিক্ষার্থীরা সহজে বিভিন্ন বই ও রেফারেন্স ম্যাটেরিয়াল থেকে শিক্ষালাভ করতে পারবে। অতএব, বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক পাঠাগার স্থাপনের জন্য আপনার সদয় অনুমতি ও সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক, [শিক্ষার্থীর নাম] [ক্লাস ও রোল] " শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [জেলা]। বিষয়: শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন প্রযুক্তি ও শিক্ষণ পদ্ধতি অবলম্বনের জন্য আমাদের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের খুব প্রয়োজন। সুতরাং, বিদ্যালয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। এই কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নত হবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, [শিক্ষক প্রতিনিধি] [বিদ্যালয়ের নাম]" বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর]। বিষয়: বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শারীরিক সুস্থতার জন্য খেলাধুলা অপরিহার্য। আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ ও সরঞ্জাম নেই। শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি করা আবশ্যক। অতএব, নতুন মাঠ তৈরি এবং খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংগ্রহের জন্য আবেদন করছি। আপনার সহযোগিতার জন্য অগ্রীম ধন্যবাদ। নিবেদক, [ছাত্র সংসদের সভাপতি] [ক্লাস ও রোল]" বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/উপজেলা]। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, প্রতিবছর বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার চেতনা জাগ্রত হয়। গত বছর প্রতিযোগিতা না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা দুঃখিত। সুতরাং, এবছর সময় মতো এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক, [ছাত্র প্রতিনিধি] [ক্লাস ও রোল]" শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনার সদয় অনুমতির অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদক, [শিক্ষার্থী প্রতিনিধি] [ক্লাস ও রোল] " শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: রাফি, পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে তোমার? রাফি: স্যার, মোটামুটি চলছে। গণিতে একটু সমস্যা হচ্ছে। শিক্ষক: কোন অধ্যায়গুলোতে সমস্যা বেশি? রাফি: তৃতীয় অধ্যায়ের জ্যামিতির প্রশ্নগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারছি না। শিক্ষক: তুমি কি স্যারের দেয়া নোটগুলো ব্যবহার করছো? রাফি: হ্যাঁ স্যার, কিন্তু কিছু প্রশ্নে ব্যাখ্যা ঠিকমতো বুঝিনি। শিক্ষক: আচ্ছা, কাল স্কুল শেষে আমি তোমাদের জন্য একটি আলাদা ক্লাস রাখবো। রাফি: সত্যি স্যার? খুব উপকার হবে। শিক্ষক: অবশ্যই। তবে তুমি আগে থেকে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আনবে। রাফি: ঠিক আছে স্যার। আমি লিস্ট তৈরি করে নিয়ে আসবো। শিক্ষক: ভালো। আর বাংলা ও ইংরেজির প্রস্তুতি কেমন? রাফি: বাংলা মোটামুটি ভালো, তবে ইংরেজির গ্রামারে ভুল হচ্ছে অনেক। শিক্ষক: আগামী সপ্তাহে একদিন ইংরেজির জন্যও ক্লাস রাখবো। রাফি: ধন্যবাদ স্যার, আপনি অনেক সাহায্য করছেন।" দোকানদার ও গ্রাহকের মধ্যে জামা কেনাকাটা নিয়ে কথা,"গ্রাহক: ভাই, এই নীল রঙের শার্টটা কত দাম? দোকানদার: এটা ৭৫০ টাকা। ভালো কাপড়, কটন ফেব্রিক। গ্রাহক: একটু কম হবে না? দোকানদার: না ভাই, আগে ছিল ৯০০ টাকা, এখন ছাড়ে দিচ্ছি। গ্রাহক: আমি ৬৫০ বলছি, যদি দেন তো নেই। দোকানদার: একদম শেষ দাম ৭০০। আপনার জন্য স্পেশাল। গ্রাহক: আচ্ছা, একটা ট্রায় করতে পারি? দোকানদার: অবশ্যই, ভিতরে চেঞ্জ রুম আছে, যান। (গ্রাহক চেঞ্জ রুমে গিয়ে জামা পরে এসে) গ্রাহক: ফিটিং ভালো, তবে হাতা একটু লম্বা। দোকানদার: সেটা সহজেই টেইলার দিয়ে কেটে নেওয়া যাবে। গ্রাহক: ঠিক আছে, তাহলে ৭০০ দিয়ে নিচ্ছি। দোকানদার: ধন্যবাদ ভাই, আমি প্যাক করে দিচ্ছি।" মা ও মেয়ের মধ্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলাপ,"মা: মা, তোমার কলেজের ফর্ম ফিলাপ হয়ে গেছে তো? মেয়ে: হ্যাঁ মা, কালই জমা দিয়েছি। মা: কোন বিভাগ নিয়েছো? মেয়ে: সায়েন্সই রেখেছি মা, আমি মেডিক্যালে চেষ্টা করবো। মা: বেশ ভালো করেছো। তবে জানো তো, পড়াশোনার চাপ একটু বেশি হবে। মেয়ে: জানি মা, তাই আগে থেকেই রুটিন তৈরি করছি। মা: গুছিয়ে চলতে পারলে কোনো সমস্যা হবে না। মেয়ে: আমি চাই তোমার স্বপ্ন পূরণ করতে। মা: আমার স্বপ্ন তখনই পূরণ হবে যখন তুমি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। মেয়ে: মা, আমি তোমার মতো শক্ত হতে চাই। মা: তুমি পারবে মা, আমি সবসময় পাশে আছি।" বন্ধুদের মধ্যে পিকনিক নিয়ে পরিকল্পনা,"সোহেল: দোস্ত, এই শুক্রবারে কোথাও ঘুরতে যাই কেমন? রাকিব: দারুণ আইডিয়া! কোথায় যাবো? তানভীর: শহরের বাইরে একটা রিসোর্ট আছে, “নীলপরি”। সোহেল: হ্যাঁ, ওখানে পুকুর, খেলার মাঠ, আর বারবিকিউ-এর জায়গা আছে। রাকিব: বাজেট কেমন লাগবে বলো তো? তানভীর: মাথাপিছু ৬০০–৭০০ টাকা। সোহেল: তাহলে আমাদের ৮ জনের দলের জন্য প্রায় ৫০০০ টাকার মতো হবে। রাকিব: খাওয়া, যাতায়াত, সব ইনক্লুডেড? তানভীর: হ্যাঁ। ওরা প্যাকেজ দেয়। সোহেল: তাহলে কালই কনফার্ম করি, টাকাগুলো কাল জমা নেই। রাকিব: ঠিক আছে, আমি নাম লিস্ট তৈরি করি। তানভীর: আর হ্যাঁ, একটা স্পিকার আনতে হবে, গানের জন্য। সোহেল: আমি আনবো, নিশ্চিত থাক।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শিশুকে নিয়ে কথা,"পথচারী: দারোগা সাহেব, এখানে একটা বাচ্চা ছেলে একা ঘুরছে। পুলিশ: কোথায়? দেখান আমাকে। পথচারী: দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলো। বয়স প্রায় পাঁচ বছর। পুলিশ: তার সাথে কেউ নেই? পথচারী: না, আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে শুধু বলল ""মা""। পুলিশ: ওর নাম জানে? পথচারী: বলেছে “সাইমন”। পুলিশ: ঠিক আছে, আমি বাচ্চাটিকে থানায় নিয়ে যাচ্ছি। আপনি কি কিছুক্ষণ থাকবেন, যদি মা আসে? পথচারী: অবশ্যই থাকবো। পুলিশ: ধন্যবাদ। আমরা সামাজিক মাধ্যমে ছবিও পোস্ট করবো। পথচারী: ভালো কাজ করছেন দারোগা সাহেব। " ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে সাধারণ চেকআপ নিয়ে কথা,"ডাক্তার: আসুন, বসুন। কী সমস্যা নিয়ে এসেছেন? রোগী: স্যার, গত কয়েকদিন ধরে মাথাব্যথা আর ক্লান্তি লাগছে। ডাক্তার: প্রতিদিন কত ঘণ্টা ঘুমান? রোগী: প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা। ডাক্তার: আপনি কি কোনো মানসিক চাপের মধ্যে আছেন? রোগী: অফিসের কাজের চাপ অনেক বেশি। ডাক্তার: আপনি কী নিয়মিত খাবার খান? রোগী: মাঝে মাঝে দুপুরের খাবার বাদ পড়ে যায়। ডাক্তার: এটা ঠিক নয়। শরীরের প্রতি যত্ন না নিলে সমস্যা বাড়বে। রোগী: জানি স্যার, কিন্তু সময় মেলাতে পারি না। ডাক্তার: আমি কিছু টেস্ট দিতে বলবো। এবং ওষুধ দেবো, তবে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনতেই হবে। রোগী: ঠিক আছে স্যার, আপনি টেস্ট লিখে দিন। ডাক্তার: এক সপ্তাহ পর রিপোর্টসহ আবার দেখা করুন। রোগী: ধন্যবাদ স্যার, আমি অবশ্যই আবার আসব।" সহপাঠী ও সহপাঠিনীর মধ্যে গ্রুপ স্টাডি নিয়ে আলোচনা,"নিশাত: ইমন, আগামী সপ্তাহে আমাদের গণিত পরীক্ষা না? ইমন: হ্যাঁ, ১০ তারিখে। তুমি কতদূর পড়েছো? নিশাত: দ্বিতীয় অধ্যায়টা ঠিকমতো বুঝিনি, গাণিতিক যুক্তি। ইমন: আমিও সেখানেই আটকে আছি। একসাথে পড়লে ভালো হবে। নিশাত: তাহলে কাল লাইব্রেরিতে দেখা হবে? ইমন: সকাল ১০টায় আসতে পারবে? নিশাত: পারবো। আমরা দুজনে সমাধান করে নিলে বাকি বন্ধুদেরও সাহায্য করতে পারবো। ইমন: হ্যাঁ, আমি কিছু প্রশ্ন প্রিন্ট করে নিয়ে আসবো। নিশাত: আমি টিউটরের নোট নিয়ে আসবো। ইমন: চমৎকার। দেখে নিই কে কার আগে বোঝে! নিশাত: চ্যালেঞ্জ নেওয়া হলো তাহলে! " মা ও ছেলের মধ্যে মোবাইল ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে কথা,"মা: শুভ, আজ সারাদিন ফোনে কি করছিলে? শুভ: মা, ইউটিউবে কিছু পড়াশোনার ভিডিও দেখছিলাম। মা: কিন্তু মাঝে মাঝে তোমাকে গেম খেলতেও দেখি। শুভ: হ্যাঁ, একটু খেলেছি, কিন্তু খুব বেশি না। মা: মোবাইল ভালো কাজে ব্যবহার করলে আমি কিছু বলবো না। শুভ: ঠিক বলেছো মা, আমি সময় বেঁধে নিয়ে চলবো। মা: পড়াশোনার সময় মোবাইল দূরে রাখতে পারবে তো? শুভ: পারবো মা, তুমি যদি রিমাইন্ডার দিয়ে দাও। মা: ঠিক আছে, আমরা একটা সময়সূচি তৈরি করি। শুভ: দারুণ হবে! তুমি চাইলে একসাথে ভিডিও দেখে পড়তে পারি। মা: অবশ্যই, আমি খুশি হবো।" বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও অফিস কর্মীর মধ্যে ভবিষ্যত চাকরি নিয়ে আলোচনা,"তামীম: ভাইয়া, আপনি কোথায় চাকরি করেন? রাফি: আমি একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে সিনিয়র ডেভেলপার। তামীম: দারুণ! আমি এখন তৃতীয় বর্ষে পড়ছি, কম্পিউটার সায়েন্স। রাফি: তাহলে তো তুমি আমার ফিল্ডেই আসছো। তামীম: কিন্তু বুঝতে পারছি না, কীভাবে প্রস্তুতি নেবো? রাফি: প্রথমে প্রজেক্ট তৈরি করো, GitHub অ্যাকাউন্ট চালু করো। তামীম: আর কি কি দরকার? রাফি: কিছু স্টার্টআপে ইন্টার্ন করো, চেনাশোনা তৈরি করো। তামীম: প্রোগ্রামিং কনটেস্টে অংশ নিচ্ছি। সেটাও সাহায্য করবে তো? রাফি: অবশ্যই। লজিক শক্তিশালী হলে ইন্টারভিউতে অনেক এগিয়ে থাকবে। তামীম: ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনার পরামর্শ অনেক কাজে আসবে।" বাসার গৃহকর্মী ও গৃহিণীর মধ্যে ছুটি চাওয়া নিয়ে কথা,"গৃহকর্মী: আপা, কালকে আমি আসতে পারবো না। গৃহিণী: কী হয়েছে রিনা? গৃহকর্মী: ছেলের স্কুলে গার্ডিয়ান মিটিং আছে। গৃহিণী: আচ্ছা, তুমি সময় মতো বলেছো, তাই কোনো সমস্যা নেই। গৃহকর্মী: ধন্যবাদ আপা। পরদিন সকালে কাজটা আগে করে দেবো। গৃহিণী: ভালো, কিন্তু দয়া করে কালকের কাপড়গুলো আজই ভিজিয়ে রেখো। গৃহকর্মী: অবশ্যই আপা, আমি এখনই করে দিচ্ছি। গৃহিণী: তুমি ছেলের স্কুলে গিয়ে ভালোভাবে কথা বলো। গৃহকর্মী: হ্যাঁ আপা, এই প্রথমবার সে ক্লাসে প্রথম হয়েছে। গৃহিণী: বাহ! অভিনন্দন। গৃহকর্মী: ধন্যবাদ আপা, আপনিও অনেক সাহায্য করেছেন। " তিন বন্ধুর মধ্যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা,"নাহিদ: রেজাল্ট তো প্রায় বেরিয়ে আসছে। এখন কী করবি রে সজীব? সজীব: আমি বুয়েটেই চেষ্টা করবো ভাই। তোদের কী প্ল্যান? রিফাত: আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটি, আইবিএ টার্গেট করছি। নাহিদ: আমি এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। বিজ্ঞানেই আছি, কিন্তু কনফিউশনে ভুগছি। সজীব: তুই মেডিক্যালে চেষ্টা করবি না? নাহিদ: ইচ্ছা ছিল, কিন্তু প্রস্তুতিটা দুর্বল। রিফাত: আর যাই কর, এখন থেকেই ফোকাস করতে হবে। সজীব: ঠিক বলেছিস। আর প্রস্তুতির সময়টাও খুব মূল্যবান। নাহিদ: হুম। চল, একসাথে একটা স্টাডি গ্রুপ করি। সজীব: দারুণ আইডিয়া! নিয়মিত মিট করলে সবাই উপকার পাবে। রিফাত: কাল থেকেই শুরু করি, কে কবে কোথায় পড়ছে সেসব শেয়ার করবো।" "শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকের মধ্যে উপস্থিতি ও মনোযোগ নিয়ে আলোচনা (৩ জন)","শিক্ষক: মিসেস হাসান, আপনার ছেলে সামির ক্লাসে নিয়মিত অনুপস্থিত। মা: তাই বুঝি? সে তো বলে প্রতিদিনই স্কুলে যায়! সামির: মা, আমি গিয়েছিলাম, কিন্তু মাঝে মাঝে শরীর খারাপ লাগতো। শিক্ষক: সামির, পড়াশোনার ফাঁকে বিশ্রাম দরকার ঠিক আছে, কিন্তু একদিনও না জানিয়ে অনুপস্থিত থাকা ঠিক নয়। মা: স্যার, আমি ওকে বোঝাবো। ওর প্রাইভেট পড়াও কি ঠিকভাবে হচ্ছে? শিক্ষক: ওর অংকে অগ্রগতি নেই বললেই চলে। সামির: স্যার, আমি চেষ্টা করবো। শিক্ষক: চেষ্টা না, নিয়মিত প্রস্তুতি দরকার। আগামী সপ্তাহে একটা ক্লাস টেস্ট আছে, ভালো করতে হবে। মা: আমি বাসায় সময়মতো খেয়াল রাখবো। শিক্ষক: ধন্যবাদ, দুজনের সহযোগিতাতেই উন্নতি সম্ভব। " রেস্টুরেন্টে তিনজন কাস্টমার ও ওয়েটারের মধ্যে খাবার অর্ডার নিয়ে কথা,"ওয়েটার: স্বাগতম স্যার, কী অর্ডার দেবেন? রুবেল: ভাই, মেনুটা একবার দাও তো। আসিফ: আমি চিকেন বিরিয়ানি নেবো, আর এক গ্লাস ঠাণ্ডা লেমনেড। সুমন: আমি ভেজ খাবো, ফ্রাইড রাইস আর ভেজিটেবল কারি আছে? ওয়েটার: আছে স্যার, স্পেশাল ভেজ কারি আছে আজ। রুবেল: আমি একটু হালকা খাবো, একটা চিকেন স্যুপ আর স্যালাড দাও। ওয়েটার: নোট করে নিচ্ছি স্যার। আর কিছু? আসিফ: হ্যাঁ, খাবার যেন কম তেল দিয়ে হয়। সুমন: আর ভাই, একটু আগে আনো, আমরা তাড়ায় আছি। ওয়েটার: নিশ্চিন্ত থাকুন স্যার, ১৫ মিনিটের মধ্যে খাবার হাজির। রুবেল: ধন্যবাদ, ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটা কী? ওয়েটার: বিলের নিচে লেখা আছে স্যার। আপনারা বসুন, আমি আসছি।" ভাই-বোনের মধ্যে বই নিয়ে দ্বন্দ্ব ও মিলমিশ,"সীমা: রাহুল, তুমি আমার বাংলা গল্পের বইটা কোথায় রেখেছো? রাহুল: আমি রেখেছি? তুমি নিজেই হারিয়ে ফেলেছো না তো? সীমা: না! আমি কাল রাতে পড়েছিলাম, সকালে ছিল টেবিলের উপর। রাহুল: ওটা আমি স্কুলে নিয়েছিলাম, ক্লাসে ম্যাম গল্প পড়তে বলেছিলেন। সীমা: কিছু না বলে নিয়ে গেলে কেন? রাহুল: ভুলে গেছি বলেছিলাম। সীমা: বইটা আনছো তো ঠিকমতো? রাহুল: হ্যাঁ, ব্যাগে আছে। একটু ময়লা হয়ে গেছে। সীমা: তুমি না বলেছিলে, বইয়ের যত্ন নিতে হবে! রাহুল: ঠিক বলেছো দিদি, আমি পরিষ্কার করে দিচ্ছি। সীমা: ঠিক আছে, তবে পরেরবার জিজ্ঞেস করে নিও। রাহুল: প্রমিজ! আর কক্ষণো না বলে কিছু নেবো না।" অফিস সহকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রজেক্ট নিয়ে পরিকল্পনা,"সালমা: সবাই একটু শুনুন, নতুন প্রজেক্টের ব্রিফ এসেছে। রিজভী: ক্লায়েন্ট কারা? সালমা: “গ্রীন টেক” নামের একটি পরিবেশবান্ধব স্টার্টআপ। সাব্বির: তারা কী চাইছে? সালমা: তারা একটা ওয়েব প্ল্যাটফর্ম চায় যেখানে ইউজাররা গাছ কেনা, রোপণ ট্র্যাকিং করতে পারবে। রিজভী: দারুণ! আমি ডেটাবেইজ ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে পারি। সাব্বির: আমি UI ডেভেলপমেন্টে কাজ করবো। সালমা: ঠিক আছে, আমি ক্লায়েন্ট কমিউনিকেশন ও কনটেন্ট নিয়ে থাকি। রিজভী: ডেলিভারি টাইমলাইন কেমন? সালমা: দুই সপ্তাহের প্রোটোটাইপ, এক মাসে ফাইনাল ডেলিভারি। সাব্বির: তাহলে কাল থেকেই মিটিং করে ডেভ প্ল্যান করি। সালমা: ঠিক আছে, আমি মিটিং ইনভাইট পাঠিয়ে দিচ্ছি।" "শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকের মধ্যে শিক্ষার্থীর আচরণগত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা","শিক্ষক: জনাবা, আপনাকে আজকে ডাকা হয়েছে কারণ আপনার ছেলে সামীর আচরণগত কিছু পরিবর্তন আমরা লক্ষ্য করেছি। মা: কী ধরনের পরিবর্তন স্যার? শিক্ষক: সে ক্লাসে মনোযোগ দেয় না, বন্ধুদের সঙ্গে প্রায়ই উচ্চস্বরে কথা বলে। মাঝে মাঝে শিক্ষকের কথাও অগ্রাহ্য করে। সামীর: স্যার, আমি শুধু মজা করছিলাম। মা: সামীর, এটা কী শুনছি? সামীর: মা, আমি ভুল করেছি, কিন্তু আমি ইচ্ছে করে করিনি। শিক্ষক: আমরা জানি সে ভালো ছেলে, কিন্তু এটা নিয়মিত হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মা: সামীর, তুমি কি বাসায় কিছু বলোনি? কোনো চাপ আছে? সামীর: না মা, কিন্তু কয়েকজন বন্ধু আমাকে এসব করতে বলে। মা: তুমি তাদের কথায় চলে যাও কেন? শিক্ষক: আমরা চাই, সে যেন নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে শেখে। সামীর: আমি ঠিক হয়ে যাবো স্যার। মা: আমি বাসায় ওর সাথে বসে কথা বলবো। শিক্ষক: আমরা চাই সে আবার আগের মতো মনোযোগী হয়ে উঠুক। মা: আপনি চিন্তা করবেন না স্যার। সামীর: আমি কাল থেকেই ঠিকভাবে ক্লাস করবো। শিক্ষক: আমরা তোমাকে বিশ্বাস করি সামীর, তবে প্রমাণ করতে হবে। মা: ধন্যবাদ স্যার, আপনি যে সময় দিলেন তাতে আমি কৃতজ্ঞ। শিক্ষক: আমরাও চাই সব ছাত্র ভালো পথে থাকুক। " তিন বন্ধুর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে নতুন রুমমেট নিয়ে কথোপকথন,"রায়হান: ভাই, আমাদের রুমে কাল নতুন রুমমেট আসছে। সাজিদ: সিরিয়াসলি? আগে তো বলোনি! রায়হান: আজই অফিসে কনফার্ম হলো, নাম সাকিব। সোহেল: সে কোন বিভাগে? রায়হান: কম্পিউটার সায়েন্স, ফার্স্ট ইয়ার। সাজিদ: তাহলে আমাদের থেকে দুই ব্যাচ জুনিয়র। সোহেল: এক রুমে তিনজন মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে না তো? রায়হান: আমি তো বলেছি, আমরা শান্ত ছেলে, কেউ ঝামেলা করি না। সাজিদ: আমি শুধু চাই ও রাত জেগে গেম না খেলুক। সোহেল: আর রুম পরিষ্কার রাখলে সমস্যা নেই। রায়হান: আমি ওকে বারবার বলেছি নিয়ম মেনে চলতে। সাজিদ: আমাদের কি নিয়ম আবার লিখে রাখতে হবে দরজায়? সোহেল: হা হা, দরজার ওপরে “Room Constitution” লিখে ঝুলিয়ে দেই! রায়হান: কাল আসবে, আমরা সবাই মিলে পরিচয় করিয়ে দেই। সাজিদ: আর হ্যাঁ, তাকে হল লাইফের নিয়ম-কানুনও বুঝিয়ে দিতে হবে। সোহেল: প্রথম দিন যদি ভালোভাবে গ্রহণ করি, ও নিজে থেকেই খাপ খাইয়ে নেবে। " দুই বন্ধুর মধ্যে পারিবারিক সমস্যা ও মানসিক চাপ নিয়ে আন্তরিক আলোচনা,"সজীব: দোস্ত, তুই আজকাল খুব চুপচাপ হয়ে গেছিস। সব ঠিক তো? আকাশ: কিছুই ঠিক নেই রে ভাই। বাসায় টেনশন চলছে। সজীব: কী হয়েছে বল তো? যদি কিছু করতে পারি... আকাশ: বাবা চাকরি হারিয়েছেন, মা অসুস্থ। আর টিউশনির টাকাও অনিয়মিত। সজীব: কবে থেকে এসব? তোকে তো কিছু বুঝতেই দেইনি। আকাশ: ভেবেছিলাম নিজের মতো সামলে নেবো, কিন্তু পারছি না। সজীব: তোকে একা ভাবার দরকার নেই। আমরা আছি তো! আকাশ: জানি রে, তুই সবসময় পাশে থাকিস। সজীব: টাকা লাগে? আমি কিছু ম্যানেজ করতে পারি। আকাশ: না ভাই, টাকা না, শুধু মাঝে মাঝে কথা বললে মনটা হালকা হয়। সজীব: যেকোনো সময়। ফোন দিলেই চলে আসবো। আকাশ: আর একটা কথা — পরীক্ষার সময় মন বসাতে পারছি না। সজীব: আমি তোর সঙ্গে পড়বো। তোকে ফোকাসে রাখতে হবে। আকাশ: সত্যি তুই অনেকটা হালকা করে দিলি। সজীব: বন্ধু মানেই এই তো। আমরা একসঙ্গে পার করবো এই সময়টা। " "মা, বাবা ও ছেলে—একসাথে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত","মা: শুভ, তোমার ইমেইলটা পড়েছি। স্কলারশিপ পেয়েছো? শুভ: হ্যাঁ মা, ইউনিভার্সিটি অফ টরন্টো থেকে অফার এসেছে। বাবা: খুব ভালো সংবাদ! আমরা তো গর্বিত। মা: কিন্তু একা এত দূরে পাঠাতে মন সায় দিচ্ছে না। শুভ: মা, আমার স্বপ্ন ছিল বিদেশে গিয়ে পড়া। এখন সুযোগ এসেছে। বাবা: বিদেশে একা থাকা সহজ না, জানো তো? শুভ: জানি বাবা, কিন্তু আমি নিজেকে তৈরি করেছি। মা: খাওয়া, থাকা, শীত — সবকিছু তো আলাদা। শুভ: বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডর্ম, খাবার সব ব্যবস্থা করে দেবে। বাবা: আমরা চাই তুমি যাও, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের সাথে। মা: প্রতিদিন ভিডিও কলে কথা হবে, দেরি করলে রাগ করবো! শুভ: প্রমিজ মা, প্রতিদিন কথা বলবো। বাবা: যাওয়ার আগে ভালো করে সব গুছিয়ে নিও। মা: আমরা তোমার জন্য দোয়া করবো সবসময়। শুভ: ধন্যবাদ মা-বাবা, তোমাদের সমর্থন না পেলে আজ এটা হতো না।" "শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রধান শিক্ষক—স্কুল ম্যাগাজিন প্রকাশ নিয়ে পরিকল্পনা","শিক্ষক: স্যার, আমরা চাই এবার স্কুল ম্যাগাজিনটা নতুনভাবে করা হোক। প্রধান শিক্ষক: খুব ভালো। গতবার তো অনেক ভালো রেসপন্স পেয়েছিলাম। শিক্ষার্থী: স্যার, এবার আমরা একটা ডিজিটাল ম্যাগাজিন সংস্করণও করতে চাই। প্রধান শিক্ষক: দারুণ আইডিয়া! পত্রিকার পাশাপাশি অনলাইন সংস্করণ হলে আরও বেশি পাঠক পাবে। শিক্ষক: এবার শিক্ষার্থীদের থেকে কবিতা, রচনা, আর সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করছি। শিক্ষার্থী: স্যার, আমি প্রুফরিডিং ও ডিজাইন টিমে কাজ করতে আগ্রহী। প্রধান শিক্ষক: শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা থাকলে ম্যাগাজিন প্রাণ পায়। শিক্ষক: আমরা চাই শিক্ষার্থীদের বিভাগভিত্তিক প্রতিনিধি থাকুক। শিক্ষার্থী: আমি বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে থাকব। ইংরেজির জন্য রিমা ম্যামকে অনুরোধ করবো। প্রধান শিক্ষক: ভালো, আমি একটা নোটিশ দিয়ে দিচ্ছি প্রতিনিধি সংগ্রহের জন্য। শিক্ষক: আমাদের সময়সূচি মার্চের প্রথম সপ্তাহে প্রুফ, মার্চের শেষ সপ্তাহে ছাপা। প্রধান শিক্ষক: সময়মতো কাজ শুরু করলে কোনো সমস্যা হবে না। শিক্ষার্থী: আমাদের আলোকচিত্র দলও কাজ করবে কভার ডিজাইনে। শিক্ষক: ঠিক আছে, পরের সপ্তাহেই প্রথম মিটিং। প্রধান শিক্ষক: আমি স্কুল তহবিল থেকে আলাদা বরাদ্দ দেবো ম্যাগাজিনের জন্য। শিক্ষার্থী: ধন্যবাদ স্যার, এটা আমাদের জন্য বিশাল অনুপ্রেরণা।" "বাবা, মা ও মেয়ের মধ্যে কলেজে ভর্তির বিষয়ে মতবিনিময়","মা: তুমি কি ভাবছো কোন কলেজে ভর্তি হবে? মেয়ে: মা, আমি সিটি কলেজে ভর্তি হতে চাই। বাবা: সিটি কলেজ তো অনেক দূরে, প্রতিদিন যাওয়া-আসা কঠিন হবে না? মেয়ে: আমি গনপরিবহন ব্যবহার করবো, ঠিকমতো সময় বের করতে পারবো। মা: ওর এক বান্ধবীও ওখানে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাবা: বিষয়টা শুধু বান্ধবীর জন্য হলে ঠিক নয়। মেয়ে: না বাবা, ওদের বিজ্ঞান বিভাগের রেজাল্ট অনেক ভালো। মা: আর নিরাপত্তার দিকটা? মেয়েদের যাতায়াত ঠিক থাকবে তো? মেয়ে: কলেজে গার্ড আছে, এবং আমি দল বেঁধেই যাতায়াত করবো। বাবা: টিউশন ফি কেমন ওখানে? মেয়ে: মোটামুটি, কিন্তু সরকারি সাবসিডি পাওয়া যাবে। মা: তুমি পুরোপুরি নিশ্চিন্ত? মেয়ে: হ্যাঁ মা, আমি প্ল্যান করে নিয়েছি। বাবা: তাহলে কালই ফর্ম তুলো, আমরা একসাথে গিয়ে দেখে আসবো। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা-মা, তোমরা পাশে থাকলে সব সহজ লাগে।" শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে শিক্ষা সফরের প্রস্তুতি বিষয়ক আলোচনা (৪ জন),"শিক্ষক: তোমরা শিক্ষা সফরের বিষয়ে ভাবছো? নাঈম: হ্যাঁ স্যার, আমরা সবাই রাজশাহীর ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে যেতে চাই। শিক্ষক: বেশ, তবে প্ল্যানটা আগে পরিষ্কার করতে হবে। রাফি: স্যার, আমরা ট্রেন বা মাইক্রোবাস কোনটি ভালো হবে ভেবে দেখছিলাম। মাহি: আমার মনে হয় ট্রেন হবে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী। শিক্ষক: যেতে কতজন ছাত্র-ছাত্রী হবে? নাঈম: প্রায় ৪০ জন তো নিশ্চিত। শিক্ষক: শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে অন্তত ২ জন থাকতে হবে। রাফি: আমরা স্যারদের তালিকা তৈরি করেছি। মাহি: এছাড়া খাবারের ব্যবস্থাও ঠিক করতে হবে। শিক্ষক: শিক্ষার্থীদের বাজেট কত? নাঈম: মাথাপিছু ৮০০–৯০০ টাকা ধরেছি। শিক্ষক: তাতে যাতায়াত, খাওয়া, প্রবেশ ফি — সব ধরা যাচ্ছে? রাফি: হ্যাঁ স্যার, আমরা স্পন্সর খুঁজতেও চেষ্টা করছি। শিক্ষক: ভালো, আগামী সপ্তাহে অভিভাবকদের অনুমতি নিয়েই শুরু করা হবে। মাহি: আমরা নোটিশ তৈরি করবো। শিক্ষক: পরিপূর্ণ পরিকল্পনা তৈরি হলে আমি প্রধান শিক্ষককে জানাবো।" "দুই বন্ধুর মধ্যে প্রেম, সম্পর্ক ও ব্রেকআপ নিয়ে আবেগঘন আলাপ","সায়েম: তোদের সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলো? আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না। আলভি: হ্যাঁ ভাই, অনেক চেষ্টার পরেও আর টিকলো না। সায়েম: এত বছর তোরা একসাথে ছিলি! হঠাৎ কী হলো? আলভি: ছোটখাটো বিষয়গুলো একসময় বড় হয়ে যায়। বিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সায়েম: তুই কি এখনো ভালোবাসিস ওকে? আলভি: ভালোবাসা কমে যায়নি, কিন্তু দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে। সায়েম: কেউই চেষ্টা করিসনি ঠিক করার? আলভি: আমি করেছি, ওরও চেষ্টা ছিল, কিন্তু বুঝতে পারিনি কবে ফাঁকা হয়ে গেছি। সায়েম: কষ্ট পাচ্ছিস? আলভি: খুব। রাত জেগে ভাবি, কিন্তু বাস্তবতা কঠিন। সায়েম: সময়ই সব ঠিক করে দেবে ভাই। আলভি: হ্যাঁ, হয়তো একদিন মেনে নিতে পারবো। সায়েম: আমরা সবসময় তোর পাশে আছি, মনে রাখিস। আলভি: ধন্যবাদ ভাই, এতটা হালকা লাগছে কথা বলে। " শিক্ষার্থী ও লাইব্রেরিয়ান-এর মধ্যে বই খুঁজে পাওয়ার নিয়ে কথা,"শিক্ষার্থী: স্যার, ‘রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পসমগ্র’ বইটা খুঁজছি, কিন্তু পাচ্ছি না। লাইব্রেরিয়ান: দেখো, সেটা আমাদের A-3 র‍্যাকে থাকার কথা। শিক্ষার্থী: আমি ওখানে খুঁজেছি, কিন্তু ৫ নম্বর খণ্ডটা নেই। লাইব্রেরিয়ান: হতে পারে কেউ রিজার্ভ করে রেখেছে। শিক্ষার্থী: সেটা কি আমি চেক করতে পারি? লাইব্রেরিয়ান: অবশ্যই, তোমার আইডি নম্বরটা দাও। শিক্ষার্থী: ১৯০৪২৩ লাইব্রেরিয়ান: ঠিক আছে, আমি সার্চ করছি... হ্যাঁ, এটা আগামীকাল ফেরত দেওয়ার কথা। শিক্ষার্থী: আমি কি সেটা রিজার্ভ করতে পারি? লাইব্রেরিয়ান: হ্যাঁ, আমি নাম নোট করে রাখছি। বই এলেই জানিয়ে দেবো। শিক্ষার্থী: ধন্যবাদ স্যার। আমি খুব প্রয়োজনীয় রেফারেন্সের জন্য খুঁজছিলাম। লাইব্রেরিয়ান: তুমি চাইলে বইয়ের স্ক্যান কপি ইমেইলে পেতে পারো। শিক্ষার্থী: দারুণ! আমি সেটাও চাই। " চাকরিপ্রার্থী ও ইন্টারভিউ বোর্ডের মধ্যকার প্রশ্নোত্তর,"বোর্ড সদস্য ১: আপনাকে স্বাগতম। একটু নিজের সম্পর্কে বলুন। প্রার্থী: ধন্যবাদ স্যার। আমি জাকির হোসেন, ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বোর্ড সদস্য ২: কেন এই পদে আবেদন করলেন? প্রার্থী: আমি শিক্ষার প্রতি নিবেদিত, এবং এই স্কুলের সঙ্গে কাজ করা আমার স্বপ্ন। বোর্ড সদস্য ৩: আপনার কি আগে শিক্ষাদান অভিজ্ঞতা আছে? প্রার্থী: হ্যাঁ, আমি গত দুই বছর একটি কোচিং সেন্টারে পড়িয়েছি। বোর্ড সদস্য ১: ইংরেজি ভাষায় আপনার দক্ষতা কেমন? প্রার্থী: IELTS-এ ৮ পেয়েছি স্যার। স্পোকেন ও একাডেমিক উভয়ই ঠিক আছে। বোর্ড সদস্য ২: আপনাকে যদি দুর্বল ছাত্রদের ক্লাস নিতে বলা হয়, কীভাবে পরিচালনা করবেন? প্রার্থী: আমি ধাপে ধাপে তাদের সঙ্গে রিলেট করে পড়াবো, ক্লাসে উদাহরণ দিয়ে আগ্রহ বাড়াবো। বোর্ড সদস্য ৩: সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ কেমন রাখেন? প্রার্থী: আমি টিমওয়ার্কে বিশ্বাস করি। একে অপরকে সম্মান করা জরুরি। বোর্ড সদস্য ১: খুব ভালো। আপনাকে পরে জানানো হবে। প্রার্থী: ধন্যবাদ স্যার। এই সুযোগের জন্য কৃতজ্ঞ। " "বড় ভাই, ছোট ভাই ও মা — বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা","বড় ভাই, ছোট ভাই ও মা — বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা" চার বন্ধুর মধ্যে গ্রুপ প্রজেক্ট নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সমাধান,"রাফি: ভাই, এইভাবে যদি কেউ দায়িত্ব না নেয়, তাহলে প্রজেক্ট জমা দেবো কীভাবে? নিশাত: আমি তো শুরু করেছিলাম, কিন্তু আমার ল্যাপটপে সমস্যা হচ্ছিল। সামিয়া: রাফি, তুমি সব সময় রাগ করো। আমাদেরও সমস্যা হতে পারে। তামান্না: কিন্তু প্রজেক্টের কাজ কেউ সময়মতো না করলে সমস্যা হতেই থাকবে। রাফি: আমি শুধু চাই সবাই নিজের দায়িত্ব বুঝে কাজ করুক। নিশাত: ঠিক আছে, আমি আজ রাতেই ডকুমেন্ট ফাইনাল করবো। সামিয়া: আমি গ্রাফ ও চার্টগুলো কাল তৈরি করে দিচ্ছি। তামান্না: আমি তো উপস্থাপনা বানাচ্ছি, তার স্ক্রিপ্টও বানাবো। রাফি: তাহলে প্ল্যান এমন — আজ নিশাত ডক, কাল সামিয়া গ্রাফ, আমি পরশু ডেমো প্রেজেন্ট করবো। সামিয়া: রিহার্সাল করবো কবে? তামান্না: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সবাই একসাথে গুগল মিটে রিহার্সাল দিই। রাফি: হ্যাঁ, স্লাইড শেয়ার করে অনুশীলন করবো। নিশাত: একটা অনলাইন টাইমলাইন চার্ট বানাই, কে কখন কী করছে — সেটা সেখানে লিখবো। তামান্না: আমি সে দায়িত্ব নিচ্ছি। রাফি: এখন ঠিক লাগছে। কাজ শুরু করলে তর্ক হয় না।" ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিন অফিসার—ছাত্রবৃত্তির আবেদন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা,"ছাত্র: সালাম স্যার, আমি ছাত্রবৃত্তির বিষয়ে জানতে এসেছি। অফিসার: ওয়ালাইকুম সালাম। কোন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে চাচ্ছো? ছাত্র: “মেধা ও আর্থিক সহায়তা” এই ক্যাটাগরির জন্য। অফিসার: ভালো, তোমার ফলাফল কেমন? ছাত্র: আমার GPA ৩.৯২, এবং বাবা একজন দিনমজুর। অফিসার: তুমি কি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিয়েছো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, রেজাল্ট কপি, আয়ের প্রমাণ, পরিচয়পত্র সব দিয়েছি। অফিসার: ফর্মের কোথাও ভুল ছিল কি? ছাত্র: না স্যার, ফর্মটা ছাত্র উপদেষ্টা দেখেছেন, তিনি ঠিক বলেছেন। অফিসার: তাহলে তোমার নাম হয়তো স্ক্যানিং তালিকায় আছে। ছাত্র: কখন জানতে পারবো নির্বাচিত হয়েছি কি না? অফিসার: আগামী সপ্তাহে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তালিকা দেওয়া হবে। ছাত্র: যদি আমি নির্বাচিত হই, টাকা কবে পাবো? অফিসার: ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে একাউন্টে চলে যাবে। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনি অনেক সাহায্য করলেন।" দোকানদার ও দুজন কাস্টমারের মধ্যে দামাদামি ও পণ্যের মান নিয়ে আলোচনা,"গ্রাহক ১: ভাই, এই কুর্তাটা কত দাম? দোকানদার: এটা ১২০০ টাকা। খুবই ভালো ফ্যাব্রিক। গ্রাহক ২: একটু ছাড় নেই? দোকানদার: আপনি দুইটা নিলে কিছু ছাড় দিতে পারি। গ্রাহক ১: কাপড়টা একটু পাতলা মনে হচ্ছে। দোকানদার: না ভাই, এটা সফট কটন। গরমে পরার জন্য উপযুক্ত। গ্রাহক ২: আমরা আগে কিনেছিলাম, তখন ১০০০ টাকায় পেয়েছিলাম। দোকানদার: তখন অফার চলছিল। এখন দাম বাড়ছে। গ্রাহক ১: যদি দুইটা নেই, কত কমিয়ে দেবেন? দোকানদার: দুইটার জন্য ১১০০ করে দেবো, ফাইনাল। গ্রাহক ২: আরেকটা স্কার্ফ দিলে ১০৫০ করে নেবো। দোকানদার: আচ্ছা, স্কার্ফটা ফ্রি দিলাম, নিন। গ্রাহক ১: ভালো সার্ভিস দিলেন ভাই, আবার আসবো। দোকানদার: ধন্যবাদ ভাই, আপনারা খুশি থাকলেই আমরা খুশি।" চিকিৎসক ও অভিভাবকের মধ্যে অটিজম সচেতনতা বিষয়ক পরামর্শমূলক আলোচনা,"মা: স্যার, আমার ছেলের আচরণ একটু আলাদা। কথা বলে কম, চোখে চোখ রাখে না। চিকিৎসক: ওর বয়স কত? মা: চার বছর। চিকিৎসক: ও কি শব্দ বা স্পর্শে অস্বস্তি বোধ করে? মা: হ্যাঁ স্যার, হঠাৎ শব্দে ভয় পায়। চিকিৎসক: এটা অটিজমের লক্ষণ হতে পারে। তবে নিশ্চিত হতে পরীক্ষা দরকার। মা: কী ধরনের পরীক্ষা করাতে হবে? চিকিৎসক: শিশু মনোবিজ্ঞানী দ্বারা মূল্যায়ন, এবং স্পিচ থেরাপিস্টের মতামত। মা: ভয় লাগছে স্যার। চিকিৎসক: ভয়ের কিছু নেই। অটিজম মানেই পিছিয়ে পড়া নয়। ঠিক সহযোগিতা পেলে শিশুরা অনেক কিছু শিখে নিতে পারে। মা: আমি কি দেরি করে ফেলেছি? চিকিৎসক: না, এই বয়সেই সচেতন হওয়া খুব ভালো লক্ষণ। মা: আমি কী করতে পারি স্যার? চিকিৎসক: ওর প্রতি ধৈর্য ধরতে হবে, আগ্রহের জায়গাগুলোতে উৎসাহ দিতে হবে। মা: আমি সব কিছু করবো স্যার, শুধু ওর ভালো চাই। চিকিৎসক: আমরাও পাশে আছি, আপনি নিয়মিত থেরাপি চালিয়ে যান।" ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে পরীক্ষায় খারাপ ফলাফলের পর খোলামেলা আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমি ইংরেজিতে ফেল করেছি। খুব খারাপ লাগছে। শিক্ষক: আমি ফলাফল দেখেছি আর বুঝেছি তুমি চেষ্টা করেছো, কিন্তু কোথাও ঘাটতি ছিল। ছাত্র: স্যার, আমি গ্রামারে বেশি ভুল করেছি। শিক্ষক: তুমি কি রেগুলার ক্লাসে প্রশ্ন করো? ছাত্র: না স্যার, ভয় পাই সবাই কি ভাববে। শিক্ষক: এটা একটা বড় সমস্যা। প্রশ্ন না করলে শেখা সম্ভব নয়। ছাত্র: আমি বাসায় গ্রামার বই পড়ি, কিন্তু ঠিক বুঝি না। শিক্ষক: বইয়ের বাইরে থেকে ব্যাকরণ শেখা কঠিন। তোমাকে গাইড করতে হবে। ছাত্র: আপনি যদি একটু আলাদা করে দেখিয়ে দেন... শিক্ষক: অবশ্যই। প্রতিদিন ১৫ মিনিট থাকো, আমি বোঝাবো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার। শিক্ষক: আর রিডিং, স্পোকেন — এগুলোয় মনোযোগ বাড়াও। ছাত্র: আমি কি অডিও ক্লাস শুনে উপকার পাবো? শিক্ষক: অবশ্যই। ইংরেজি শোনার মাধ্যমে ভাষা ধরা সহজ হয়। ছাত্র: আমি চাই সামনের পরীক্ষায় ভালো করতে। শিক্ষক: আমি চাই তুমি নিজের উন্নতি দেখাও। তুমি পারবে। ছাত্র: আমি চেষ্টা করবো স্যার। প্রতিদিন। শিক্ষক: সেটাই চাই। ব্যর্থতা মানে শেষ না — নতুন শুরু।" তিনজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী—বাসায় থাকা নাকি মেসে ওঠা নিয়ে সিদ্ধান্ত,"রুমান: আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না, বাসায় থাকবো নাকি মেসে উঠবো। তানিম: আমি তো মেসে থাকি, একরকম স্বাধীনতা আছে। রিশাদ: আর আমি এখনো বাসায় থাকি, খাওয়া-দাওয়া নিয়মিত, মা–বাবার সঙ্গ... রুমান: মেসে কি পড়াশোনায় মন বসে? তানিম: শুরুতে একটু সমস্যা হয়, কিন্তু পরে অভ্যস্ত হয়ে যাস। রিশাদ: বাসায় সময়মতো খাবার, ঘুম — এসব পাওয়া যায়। তানিম: মেসে দায়িত্ব নিতে শেখা যায়, নিজের জিনিস নিজে করা লাগে। রুমান: খরচ কেমন হয় মাসে? তানিম: প্রায় ৪৫০০ টাকার মতো। রিশাদ: বাসায় থাকলে ২০০০ টাকাতেও চলা যায়। রুমান: পড়াশোনার জন্য কোনটা ভালো? তানিম: নির্ভর করে কেমন পরিবেশ তুমি তৈরি করো। রিশাদ: আমি এক বছর পর মেসে উঠবো ভাবছি। ধাপে ধাপে বদলটা ভালো। রুমান: তুমি কি কখনো মেসে গিয়ে দেখেছো? রিশাদ: একবার গিয়েছিলাম, একটু বিশৃঙ্খলা লেগেছে। তানিম: সব মেস একরকম না। ভালো মেস খুঁজলে পাওয়া যায়।" "কলেজছাত্র, তার বড় ভাই ও বাবার মধ্যে বাইক কেনা নিয়ে যুক্তিপূর্ণ আলোচনা","ছাত্র: বাবা, আমি একটা বাইক কিনতে চাই। কলেজে যাওয়া-আসা সহজ হবে। বাবা: বাইক চালানো মজা নয়, দায়িত্বের ব্যাপার। ভাই: তুই কি চালাতে পারিস? ছাত্র: পারি ভাইয়া, বন্ধুদের সঙ্গে শিখেছি। বাবা: রাস্তায় অনেক দুর্ঘটনা ঘটে, জানিস তো? ছাত্র: আমি সাবধানে চালাবো বাবা, হেলমেট সবসময় পরবো। ভাই: বাইক কিনলে মেইনটেনেন্স, ফুয়েল এসব চালাতে পারবি? ছাত্র: আমি টিউশন করছি, মাসে কিছু ইনকাম হয়। বাবা: তোর এখন প্রধান কাজ হলো পড়াশোনা। ভাই: আমি বলি, প্রথমে একটা সাইকেল বা ই-বাইক দিয়ে শুরু কর। ছাত্র: কলেজে পৌঁছাতে অনেকটা পথ, সাইকেলে সময় লাগে। বাবা: বাইক কিনলে আমি চাই তুমি আগে ট্রাফিক নিয়ম সম্পর্কে জানো। ভাই: একটা ট্রেনিং কোর্স কর, তারপর আমরা ভাববো। ছাত্র: আচ্ছা, আমি প্রশিক্ষণ নেবো আগে। বাবা: তখন যদি দেখি তুই দায়িত্বশীল, আমরা বাইকের কথা চিন্তা করবো।" "ডাক্তার, রোগী ও রোগীর মেয়ে — ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা","ডাক্তার: চাচা, রিপোর্ট দেখে মনে হচ্ছে রক্তে চিনি অনেক বেশি। রোগী: স্যার, আমি চেষ্টা করি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, কিন্তু কিছুতেই পারি না। মেয়ে: স্যার, ও অনেক সময় ঠিকমতো ওষুধও খায় না। ডাক্তার: চাচা, নিয়ম মেনে না চললে ওষুধও কাজে দেয় না। রোগী: কিন্তু আমার কাজ ফেলে নিয়ম মেনে খাওয়া হয় না। মেয়ে: আমি বলি, আপনি সময়মতো খাওয়ার রিমাইন্ডার সেট করেন। ডাক্তার: আর হাঁটা ও ব্যায়াম? রোগী: হাঁটাহাঁটি করি, তবে নিয়মিত না। ডাক্তার: আপনাকে সকালে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। মেয়ে: আমি ওকে নিয়ে হাঁটতে বের হবো রোজ। ডাক্তার: খাদ্যতালিকাও পরিবর্তন করতে হবে — মিষ্টি বন্ধ, ভাত কম। রোগী: তাহলে আমি কী খাবো স্যার? ডাক্তার: শাকসবজি, ডাল, ছোলা, করলা — এইসব খাবার। মেয়ে: আমি বাসায় খাদ্যতালিকা লিখে টানিয়ে দেবো। ডাক্তার: ভালো, আর ১ মাস পর আবার চেকআপে আসবেন।" বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে গবেষণা বিষয়ে পরামর্শ,"শিক্ষার্থী: স্যার, আমি অনার্স শেষ বর্ষের থিসিস নিয়ে কিছু পরামর্শ নিতে চাচ্ছিলাম। শিক্ষক: অবশ্যই, তুমি কী বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাও? শিক্ষার্থী: আমি “বাংলাদেশে ডিজিটাল শিক্ষার চ্যালেঞ্জ” নিয়ে ভাবছি। শিক্ষক: দারুণ বিষয়। তবে তুমি কি প্রাথমিক কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছো? শিক্ষার্থী: কিছু পত্রিকা ও সরকারি রিপোর্ট পড়েছি। শিক্ষক: তাহলে প্রথমে সমস্যাগুলো আলাদা করে নাও — যেমন ইন্টারনেট সংযোগ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি। শিক্ষার্থী: আর আমি কি ফিল্ড সার্ভে করতে পারি? শিক্ষক: অবশ্যই পারো। ২০–৩০ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক নিয়ে প্রশ্নোত্তর করো। শিক্ষার্থী: আমি কি ডেটা বিশ্লেষণে গুগল ফর্ম ব্যবহার করতে পারি? শিক্ষক: পারো, কিন্তু ফর্মের প্রশ্ন সুনির্দিষ্ট হওয়া দরকার। শিক্ষার্থী: থিসিস লেখার কাঠামো কীভাবে করবো? শিক্ষক: ভূমিকা, গবেষণার সমস্যা, উদ্দেশ্য, পদ্ধতি, বিশ্লেষণ, ফলাফল, সুপারিশ — এই ফ্লো ধরো। শিক্ষার্থী: ধন্যবাদ স্যার, আপনি গাইড না করলে আমি এত পরিষ্কার বুঝতাম না। শিক্ষক: তুমি পরিশ্রম করো, আমি পাশে আছি।" "অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও প্রাইভেট শিক্ষক – প্রাইভেট টিউশন নিয়ে দ্বিধা ও পরিকল্পনা","মা: রাহুল, তোমার গণিতে আবার খারাপ ফল কেন? রাহুল: মা, বুঝতে পারি না। টিচার খুব দ্রুত পড়ান। মা: আমি তো বলেছিলাম, প্রয়োজন হলে প্রাইভেট টিচারের কাছে যেও। রাহুল: হ্যাঁ মা, আমি মনে করেছিলাম নিজে বুঝে নেব। মা: এখন কী করা যায়? সময় খুব কম। রাহুল: যদি একজন ভালো প্রাইভেট টিচার পাই... শিক্ষক: আপনি চিন্তা করবেন না। আমি গণিত পড়াই দশম শ্রেণি পর্যন্ত। মা: আপনি কীভাবে পড়ান? একা একা নাকি গ্রুপে? শিক্ষক: আমি দুইভাবে পড়াই। রাহুলের জন্য একা একা পড়ানোই ভালো হবে। রাহুল: আপনি কি উদাহরণ দিয়ে বুঝান? শিক্ষক: অবশ্যই, আমি বাস্তব উদাহরণ ব্যবহার করি। মা: আপনি কবে থেকে আসতে পারবেন? শিক্ষক: প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সময় দিতে পারবো। রাহুল: আমি কি আজই শুরু করতে পারি? মা: হ্যাঁ, আজই শুরু হোক। শিক্ষক: ঠিক আছে, তাহলে আজ বেসিক থেকে শুরু করি। রাহুল: ধন্যবাদ মা, আপনি থাকলে সব সহজ হয়। " "দুজন প্রবাসীর মধ্যে বিদেশে চাকরি জীবন, পরিবার ও একাকিত্ব নিয়ে হৃদয়ছোঁয়া আলাপ","আজিম: সালাম ভাই, অনেকদিন পর দেখা। কেমন আছেন? সাকিব: ভালোই ভাই, তবে মনের মধ্যে সবসময় একধরনের শূন্যতা কাজ করে। আজিম: বুঝতে পারছি। আমিও ৮ বছর ধরে পরিবার ছাড়া আছি। সাকিব: সন্তানদের বড় হতে দেখি না, মা-বাবার খবর ফোনেই শুনি। আজিম: টাকা উপার্জন হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু শান্তি কোথায়? সাকিব: এই দেশে কেউ নেই, ভাষা-সংস্কৃতি সব ভিন্ন। আজিম: কখনো দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবেন? সাকিব: ভাবি, কিন্তু বাস্তবতা খুব কঠিন। আজিম: সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য এই ত্যাগ করছি। সাকিব: হ্যাঁ ভাই, কিন্তু মাঝে মাঝে মন বলে—থেমে যাই। আজিম: আপনি কতদিন পর দেশে যান? সাকিব: দুই বছর পর একবার, সেটাও কাজের ছুটিতে। আজিম: আমারো তাই। মা-বাবা কেবল অপেক্ষা করে। সাকিব: এই পথ সহজ নয় ভাই, কিন্তু সাহস রাখতে হয়। আজিম: আমরা যেন সুস্থ থেকে আবার পরিবারকে সময় দিতে পারি—এই দোয়া করি। " "ছাত্র, ছাত্রীর মা ও শিক্ষক—স্কুলে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা","মা: স্যার, আমি আমার মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে কিছু কথা বলতে চাচ্ছিলাম। শিক্ষক: অবশ্যই বলুন। কী সমস্যা হচ্ছে? মা: স্কুল ছুটির পর বাইরে কিছু ছেলেরা দাঁড়িয়ে থাকে, বাজে মন্তব্য করে। শিক্ষক: এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা এমনটি বরদাস্ত করি না। ছাত্রী: স্যার, মাঝে মাঝে ভয় লাগে, একা ফিরতে ইচ্ছে হয় না। শিক্ষক: আপনি কি কোনো শিক্ষককে জানিয়েছিলেন? ছাত্রী: না স্যার, ভয় পেয়েছিলাম। মা: আমি চাই, স্কুলের সামনে কেউ যেন দাঁড়িয়ে না থাকে। শিক্ষক: আমরা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানাবো। মা: আর স্কুল থেকে ছাত্রীদের দলবদ্ধভাবে বের করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। শিক্ষক: আমরা একাধিক নারী শিক্ষিকা দিয়ে মনিটরিং করবো। ছাত্রী: তাতে আমরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবো স্যার। শিক্ষক: ধন্যবাদ, আপনি বিষয়টা বললেন—এটা সব অভিভাবকের দায়িত্ব। " সহকর্মী দুজন—অফিসে প্রমোশন নিয়ে হতাশা ও উৎসাহ,"রুবাইয়া: কেমন আছো তানভীর? মনটা খারাপ দেখাচ্ছে। তানভীর: বললে কি হবে! এবারও প্রমোশন পেলাম না। রুবাইয়া: সেটা শুনে খারাপ লাগছে। তুমি তো কাজ খুব ভালো করো। তানভীর: অফিস পলিটিক্স বুঝি না, তাই হয়তো পিছিয়ে পড়ি। রুবাইয়া: তুমি মন খারাপ কোরো না, সবার সময় আসে। তানভীর: এই অফিসে কৃতিত্বের চেয়ে সম্পর্ক বেশি কাজ করে মনে হয়। রুবাইয়া: হয়তো, কিন্তু তোমার দক্ষতা নিয়ে কেউ সন্দেহ করে না। তানভীর: আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিন্তু কখনো মনে হয় ছেড়ে দিই। রুবাইয়া: না, তুমি হাল ছেড়ো না। আমি চাই তুমি আরও বড় পদে যাও। তানভীর: তোমার কথা শুনে সাহস পাচ্ছি। রুবাইয়া: পাশে আছি, প্রয়োজনে আমি সুপারিশ করবো। তানভীর: ধন্যবাদ। সত্যি, এমন সহকর্মী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। " দুই বন্ধু ও তাদের শিক্ষক — বিতর্ক প্রতিযোগিতা প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"রফিক: স্যার, এবার আমরা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চাই। শিক্ষক: খুব ভালো সিদ্ধান্ত। তোমরা কোন পক্ষ বেছে নিচ্ছো? তানিয়া: আমরা “সোশ্যাল মিডিয়া শিক্ষার পক্ষে না বিপক্ষে” — এই বিষয়ে পক্ষে যাবো। শিক্ষক: চমৎকার। যুক্তি এবং তথ্য দিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। রফিক: স্যার, আমি গবেষণামূলক তথ্য খুঁজছি, কিন্তু সবখানে বিভ্রান্তি। শিক্ষক: বিশ্বস্ত সাইট থেকে তথ্য নাও, এবং শিক্ষায় সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো দিকগুলো লিখো। তানিয়া: আমি প্রেজেন্টেশন অংশে কাজ করতে চাই। শিক্ষক: তুমি চমৎকার উপস্থাপন করো, দায়িত্ব পেলে ভালো করবে। রফিক: স্যার, সময় কত মিনিট? শিক্ষক: প্রতিটি দলের জন্য ৮ মিনিট। এরপর প্রশ্নোত্তর পর্ব। তানিয়া: প্রশ্নোত্তরে ভয় লাগে স্যার। শিক্ষক: ভয় নয়, প্রস্তুতি। তোমরা চাইলে সিমুলেশন করতে পারো। রফিক: আমরা কাল একটা মক বিতর্ক করবো স্যার, আপনি থাকবেন? শিক্ষক: অবশ্যই। আমি প্রশ্ন করবো, যেন বাস্তব অভিজ্ঞতা হয়। " শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: তুমি আগামী পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন চলছে? ছাত্র: স্যার, একটু ভালো, কিন্তু মেট্রিক্স নিয়ে একটু সমস্যায় আছি। শিক্ষক: মেট্রিক্স বুঝতে সমস্যা হলে তোমাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি? ছাত্র: আমি চাই, স্যার, ক্লাস শেষে একটু একান্তে বেসিকগুলো ব্যাখ্যা করবেন। শিক্ষক: অবশ্যই, আজ দুপুরে রুম ১০৫-এ আসো। ছাত্র: ধন্যবাদ, স্যার। আর ইংরেজি গ্রামারে কীভাবে উন্নতি করবো? শিক্ষক: প্রতিদিন এক বা দুইটি প্যারা পড়ে, তা রপ্ত করার চেষ্টা করো। ছাত্র: আমি কি স্যার, পরীক্ষার আগের রাতে একবারে পড়া ঠিক? শিক্ষক: না, নিয়মিত পড়াই ভালো ফল দেয়। রাতের বেলা পড়লে মন ঠিক থাকে না। ছাত্র: আমি সময়টাকে কীভাবে ভাগ করবো? শিক্ষক: প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় আলাদা আলাদা বিষয় পড়ো। ছাত্র: স্যার, আমি অনেক সময় অলস হয়ে যাই, কী করবো? শিক্ষক: নিজেকে উদ্দীপিত রাখো, ছোট ছোট বিরতি দাও পড়ার মাঝে। ছাত্র: কিছু অনলাইন রিসোর্স আছে কি, স্যার? শিক্ষক: হ্যাঁ, “Robi Education” ও “Shikkhok Batayon” বেশ ভালো। ছাত্র: আমি গ্রুপ স্টাডিও শুরু করেছি, সেটাও কি ভালো? শিক্ষক: অবশ্যই, আলোচনা করলে বোঝাপড়া ভালো হয়। ছাত্র: পরীক্ষায় আমার মেধা বের হতে কী করবো? শিক্ষক: ধৈর্য্য ধরে কাজ করলে সব কিছুই সম্ভব। ছাত্র: স্যার, আপনি আমাদের পরীক্ষা সম্পর্কে আরও কিছু টিপস দিতে পারবেন? শিক্ষক: সময়মতো প্রশ্ন পড়া, উত্তর সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট লেখা। ছাত্র: আমি আগামীকালই আসব, স্যার। শিক্ষক: ঠিক আছে, তোমার জন্য অপেক্ষা থাকবে। ছাত্র: ধন্যবাদ, স্যার।" মা ও মেয়ের মধ্যে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা,"মা: তুমি তোমার পড়াশোনা শেষ করে কী করতে চাও? মেয়ে: মা, আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাই। মা: ভালো, কিন্তু কি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং? মেয়ে: কম্পিউটার সায়েন্স আমার পছন্দ। মা: সেটা তো অনেক প্রতিযোগিতামূলক, তুমি কেমন প্রস্তুতি নিচ্ছ? মেয়ে: প্রতিদিন কমপক্ষে চার ঘণ্টা কোডিং এবং ম্যাথ পড়ছি। মা: তোমার বাবাও বলছে তোমার জন্য ভালো শিক্ষক খুঁজে দিতে। মেয়ে: মা, আমি নিজের মতো শিখতে চাই। মা: নিজে শেখাটা ভালো, তবে একজন গাইড থাকলেই সুবিধা। মেয়ে: মা, তুমি চিন্তা করো না, আমি সফল হবেই। মা: আমরা তোমার পাশে আছি, কিন্তু চাপ কমাতে হবে। মেয়ে: হ্যাঁ মা, আমি জানি, আর আমি চেষ্টা করব। মা: তুমি নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখছো তো? মেয়ে: হ্যাঁ, মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করি, খাবার ঠিকমতো খাই। মা: বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাও, একটানা পড়া ভালো না। মেয়ে: বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো আমি খুবই উপভোগ করি। মা: ভালো, সঠিক পরিকল্পনা করে চললে তোমার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। মেয়ে: মা, তোমার আশীর্বাদ চাই সবসময়। মা: সবসময় থাকবে, আমার মেয়ে।" দোকানদার ও গ্রাহকের মধ্যে কেনাকাটার সময় আলোচনা,"দোকানদার: আসসালামু আলাইকুম, কিভাবে সাহায্য করতে পারি? গ্রাহক: ওয়ালাইকুম আসসালাম, কিছু তাজা সবজি কিনতে এসেছি। দোকানদার: আজকের টমেটো, আলু এবং ঢেঁড়স খুব ভালো এসেছে। গ্রাহক: টমেটোর দাম কত? দোকানদার: প্রতি কেজি ৫০ টাকা। গ্রাহক: এক কেজি টমেটো আর দুই কেজি আলু দিন। দোকানদার: আর কিছু লাগবে? গ্রাহক: একটু পেঁয়াজ আর মরিচও চাই। দোকানদার: পেঁয়াজ আছে ভালো মানের, প্রতি কেজি ৬০ টাকা। গ্রাহক: ঠিক আছে, এক কেজি পেঁয়াজ আর ৫০০ গ্রাম মরিচ দিন। দোকানদার: মরিচ একটু তাজা, আজকের কালকের তুলনায় অনেক ভালো। গ্রাহক: তো দাম কত হলো সবজির? দোকানদার: মোট ৩০০ টাকা হবে। গ্রাহক: ক্যাশ নেবেন না? দোকানদার: মোবাইল ব্যাংকিং চালু আছে, বিকাশ ও নগদ চলবে। গ্রাহক: বিকাশে পাঠাচ্ছি। দোকানদার: ঠিক আছে, ট্রানজেকশন দেখিয়ে দিন। গ্রাহক: এই লেনদেনের স্ক্রিনশট দেখাচ্ছি। দোকানদার: ধন্যবাদ, আপনার সবজি প্যাক করে দিলাম। গ্রাহক: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন। দোকানদার: আপনিও ভালো থাকুন, আবার আসবেন। " বন্ধুদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও জীবনের লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা,"রাকিব: তোমার জীবনের লক্ষ্য কি? শুভ্র: আমি একজন সফল ব্যবসায়ী হতে চাই। রাকিব: দারুণ, তুমি কি ধরণের ব্যবসা শুরু করতে চাও? শুভ্র: প্রযুক্তি ভিত্তিক কোনো স্টার্টআপ করতে চাই। রাকিব: তোমার কি পরিকল্পনা আছে? শুভ্র: হ্যাঁ, আমি কিছু আইডিয়া নিয়ে কাজ করছি। রাকিব: আইডিয়া ভালো হলে সফল হওয়া সহজ। শুভ্র: আমি ভয় পাচ্ছি ব্যর্থতার জন্য। রাকিব: ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক, তবে সাহস হারাবেন না। শুভ্র: তোমার জীবনে কোন সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এসেছিল? রাকিব: যখন চাকরি হারিয়েছিলাম, তখন ভীষণ কঠিন সময় ছিল। শুভ্র: তুমি কীভাবে সেই সময় পার করেছ? রাকিব: নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেছি আর ধৈর্য্য ধরেছি। শুভ্র: তোমার বন্ধুদের সাপোর্ট কি ছিল? রাকিব: তারা আমাকে উৎসাহ দিয়েছিল, সেটা খুব বড় ব্যাপার। শুভ্র: আমিও চাই ভালো বন্ধুদের সাথেই থাকতে। রাকিব: বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলা, সমস্যা ভাগ করে নেওয়া জরুরি। শুভ্র: সত্যি বলছো, আমি এখন অনেক কিছু শিখছি তোমার কাছ থেকে। রাকিব: আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাবো, তোমার স্বপ্ন পূরণ হবে। " ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ,"ডাক্তার: আপনি কী সমস্যা নিয়ে আসছেন? রোগী: ডাক্তারে, গত কয়েকদিন ধরে মাথা ঘোরায় এবং দুর্বল লাগছে। ডাক্তার: আপনার বয়স কত? রোগী: আমি ৪৫ বছর বয়সী। ডাক্তার: রক্তচাপ মেপেছি, একটু বেশি আছে। রোগী: ওষুধ নিতে হবে? ডাক্তার: হ্যাঁ, আমি ওষুধ দেবো আর কিছু জীবনযাত্রার পরিবর্তন দরকার। রোগী: কি ধরনের পরিবর্তন? ডাক্তার: বেশি তেলমশলা পরিহার করুন, নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করুন। রোগী: কি পরিমাণ হাঁটাহাঁটি? ডাক্তার: প্রতিদিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা। রোগী: ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি? ডাক্তার: সাধারনত কম, তবে মাথা দিকচক্র অথবা দুর্বলতা হতে পারে। রোগী: কি খাবার খাব? ডাক্তার: শাকসবজি বেশি, চিনিযুক্ত খাবার কম। রোগী: আমি কবে আবার আসবো? ডাক্তার: দুই সপ্তাহ পরে আবার চেকআপ করবেন। রোগী: ধন্যবাদ, ডাক্তার সাহেব। ডাক্তার: নিজের যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন। " বাবা ও ছেলের মধ্যে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: তুমি এবার স্নাতক শেষ করছো, এখন কী পরিকল্পনা? ছেলে: আমি মাস্টার্স করতে চাই, বাবাঃ বিদেশে সুযোগ খুঁজছি। বাবা: বিদেশে যেতে চাও! পড়াশোনার খরচ অনেক বেশি হবে না? ছেলে: আমি স্কলারশিপের জন্য আবেদন করছি। কিছু বৃত্তি পেলে চাপ কমবে। বাবা: তুমিও জানো, পরিবার থেকে সীমিত সাহায্য করতে পারবো। ছেলে: আমি পার্ট-টাইম কাজ করতে চাই, যাতে নিজের খরচ মেটাতে পারি। বাবা: তুমি আগে কোথায় আবেদন করছো? ছেলে: কানাডা আর নেদারল্যান্ডস — দুই জায়গার বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাবা: ওখানকার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে তো? ছেলে: চেষ্টা করব বাবা, নতুন পরিবেশ শেখার সুযোগ। বাবা: তুমি দেশে পড়লে কি খারাপ হতো? ছেলে: না, তবে বিদেশি ডিগ্রি ভবিষ্যতে অনেক দরজা খুলে দিতে পারে। বাবা: তুমি ইংরেজিতে কেমন পারো? ছেলে: IELTS-এ ৭.৫ পেয়েছি, এখন SOP লিখছি। বাবা: SOP মানে কি? ছেলে: Statement of Purpose – কেন আমি ওই কোর্স করতে চাই, সেটার ব্যাখ্যা। বাবা: ঠিক আছে, দরকার হলে আমি তোমার মামার সঙ্গে কথা বলবো, সে বিদেশে থাকে। ছেলে: ভালো হয় বাবা, কিছু গাইডলাইন পেলে উপকার হবে। বাবা: কিন্তু যদি না পারো যাওয়ার সুযোগ, দেশের চাকরির দিকেও ভাবতে হবে। ছেলে: হ্যাঁ, বিকল্প ভাবনা মাথায় রেখেই এগোচ্ছি। বাবা: আমার দোয়া রইল, মন দিয়ে এগিয়ে যাও। ছেলে: ধন্যবাদ বাবা, আমি চেষ্টা করব, যেন তোমার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে হারানো ব্যাগের বিষয়ে আলোচনা,"পথচারী: অফিসার, আমি আমার ব্যাগ হারিয়ে ফেলেছি। পুলিশ: কোথায় হারিয়েছেন? সময় এবং জায়গা বলুন। পথচারী: আজ দুপুর ১টার দিকে গুলিস্তানে, বাস থেকে নামার সময়। পুলিশ: ব্যাগে কী কী ছিল? পথচারী: মোবাইল ফোন, কিছু টাকা, গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল। পুলিশ: আপনি কি থানায় জিডি করেছেন? পথচারী: না স্যার, এখানেই প্রথম জানালাম। পুলিশ: ঠিক আছে, আপনাকে জিডি করতে হবে আগে। পথচারী: জিডি করার জন্য কী কী লাগবে? পুলিশ: জাতীয় পরিচয়পত্র, হারানোর বিবরণ — তারিখ, সময়, বস্তু। পথচারী: আমি সঙ্গে এনআইডি এনেছি, এখন করাই। পুলিশ: আপনি চাইলে এখনি ফর্ম পূরণ করে দিন। পথচারী: ব্যাগ যদি না পাই, কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করব? পুলিশ: আপনি যদি ফোনে ট্র্যাকিং চালু করে থাকেন, সেটা সাহায্য করতে পারে। পথচারী: আমার ফোনে ফাইন্ড-মাই-ডিভাইস ছিল অন। পুলিশ: তাহলে আমরা সেটা দিয়েই ট্র্যাক করার চেষ্টা করতে পারি। পথচারী: স্যার, এটা কি খুব কমন সমস্যা? পুলিশ: হ্যাঁ, বিশেষ করে বাস-স্ট্যান্ড ও মার্কেটে বেশি ঘটে। পথচারী: আমি খুব চিন্তিত, কারণ অফিসের কাগজপত্রও ছিল। পুলিশ: আপনি চিন্তা করবেন না, আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব। পথচারী: ধন্যবাদ, স্যার। পুলিশ: আপনিও সাবধান থাকবেন, ভবিষ্যতে বেশি খেয়াল রাখবেন।" মা ও মেয়ের মধ্যে পাত্র দেখার আগে কথোপকথন,"মা: আগামী শুক্রবার পাত্রপক্ষ আসবে, তুমি জানো তো? মেয়ে: জানি মা, কিন্তু আমি এখনই বিয়ে করতে চাই না। মা: তারা শুধু দেখতে আসবে, সিদ্ধান্ত পরে হবে। মেয়ে: মা, আমি এখনও পড়াশোনা শেষ করিনি। মা: ওরা জেনেই আসছে, তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু হবে না। মেয়ে: কিন্তু আমার চাকরিরও ইচ্ছে আছে। মা: অবশ্যই, তোমার জীবন তুমি ঠিক করবে। মেয়ে: তাহলে কেন এই তাড়াহুড়া? মা: সমাজের চাপ, সবাই প্রশ্ন করে — “বড় মেয়ে এখনও বিয়ে হয়নি?” মেয়ে: সমাজের চেয়ে আমার ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ, তাই না? মা: তাই তো বলছি, দেখা তো করাই যায়। পছন্দ না হলে বলবে না। মেয়ে: ওরা কেমন? মা, তুমি জেনেছো তো সব? মা: ছেলেটি ইঞ্জিনিয়ার, ভালো পরিবার, কেউ জোর দিচ্ছে না। মেয়ে: দেখা করব, তবে আমার শর্ত আছে। মা: বলো, কী শর্ত? মেয়ে: আমি পড়া শেষ করে, চাকরি শুরু করে তবেই বিয়ে করব। মা: ঠিক আছে, আমি ওদের বলব। মেয়ে: মা, আমি চাই তুমি সবসময় আমার পাশে থাকো। মা: আমি আছি, থাকব। তুমি তোমার সিদ্ধান্ত নাও সাহসের সঙ্গে।" গ্রাহক ও কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধির মধ্যে ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে কথা,"গ্রাহক: হ্যালো, আমি গত দুই দিন ধরে ইন্টারনেট পাচ্ছি না। প্রতিনিধি: দুঃখিত, আপনার নাম ও আইডি নম্বর বলবেন? গ্রাহক: আমার নাম নাজমুল হোসেন, আইডি ৫০৩০১২। প্রতিনিধি: ঠিক আছে, একটু চেক করে দিচ্ছি... হ্যাঁ, আপনার এলাকায় লাইনে সমস্যা ছিল। গ্রাহক: কবে ঠিক হবে? আমার অফিসের কাজ আটকে গেছে। প্রতিনিধি: আজ বিকেল পর্যন্ত ঠিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি। গ্রাহক: আপনি নিশ্চিত? গতকালও এমন বলেছিলেন। প্রতিনিধি: আমি এখনই টেকনিক্যাল টিমকে আবার জানাচ্ছি। গ্রাহক: আমি কন্ট্রাক্ট বাতিল করে দিতে পারি, যদি আজও না হয়। প্রতিনিধি: আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত, অনুগ্রহ করে একটু সময় দিন। গ্রাহক: আপনি অন্তত আজ সন্ধ্যায় কনফার্ম করবেন, ঠিক হয়েছে কিনা? প্রতিনিধি: অবশ্যই, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনিটর করব এবং ফোন করব। গ্রাহক: আমার বিল কি পুরো কাটবে, না ডিসকাউন্ট পাবো? প্রতিনিধি: যদি তিনদিনের বেশি সমস্যা থাকে, বিল অ্যাডজাস্ট করা হয়। গ্রাহক: তাহলে আমি তিনদিন হিসাব রাখতে পারি? প্রতিনিধি: অবশ্যই, আপনার অভিযোগ নথিভুক্ত করা হলো। গ্রাহক: ধন্যবাদ, আমি আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। প্রতিনিধি: আমাদের ধন্যবাদ গ্রহণ করুন, এবং ধৈর্য্য রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা।" বন্ধুদের মধ্যে প্রেম ও সম্পর্ক নিয়ে মন খারাপের আলোচনা,"রাফি: তুই আজকাল খুব চুপচাপ, কী হয়েছে? নবীন: মন খারাপ রে, সাদিয়া আর কথা বলছে না। রাফি: কেন, কী এমন হলো? নবীন: ও বলল আমি ওর প্রতি সিরিয়াস না। রাফি: তুই কি সত্যিই সিরিয়াস ছিলি না? নবীন: ছিলাম, কিন্তু আমি নিজের ভয় আর দ্বিধায় কিছু বলতে পারিনি। রাফি: তো এখন কি ওর সঙ্গে কথা বলেছিস? নবীন: না, ও কল ধরছে না, মেসেজের উত্তরও দেয় না। রাফি: তুই একবার সামনাসামনি কথা বল। নবীন: ভয় পাচ্ছি রে, যদি ও একেবারে চলে যায়? রাফি: যদি তুই চেষ্টা না করিস, তাও চলে যাবে। নবীন: ঠিক বলিস, আমি কাল ওর কলেজে যাবো। রাফি: স্মার্টভাবে কথা বলিস, আবেগে ভেসে যাস না। নবীন: হ্যাঁ, আমি বলতে চাই ও আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। রাফি: ভালোবাসা প্রকাশ না করলে কেউ বুঝবে না। নবীন: তোকে ধন্যবাদ, রাফি — তুই না থাকলে মাথা কাজ করতো না। রাফি: থাকি সবসময় তোর পাশে, যা ভালো লাগে তা কর। নবীন: দোয়া কর, যেন ও অন্তত একবার শোনে। রাফি: করব ভাই, ভাগ্য তোদের ভালো হোক।" ছাত্র ও শিক্ষক মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয় পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমি আমার মেজর সাবজেক্টটা পরিবর্তন করতে চাই। শিক্ষক: কেন এই সিদ্ধান্ত? এখন তো দ্বিতীয় বর্ষে আছো। ছাত্র: আমি কম্পিউটার সায়েন্সে ছিলাম, কিন্তু ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ আগ্রহ বেশি। শিক্ষক: কি কারণে আগ্রহ হলো হঠাৎ? ছাত্র: আমি সাম্প্রতিক কিছু প্রজেক্টে কাজ করেছি, মনে হয়েছে ওটাতেই বেশি আগ্রহ। শিক্ষক: একে তো অনেক বিষয় নতুন করে পড়তে হবে, পারবে? ছাত্র: আমি জানি স্যার, কিন্তু আমি প্রস্তুত। শিক্ষক: পরিবার জানে তোমার সিদ্ধান্তের কথা? ছাত্র: হ্যাঁ, শুরুতে ওরা দ্বিধায় ছিল, এখন রাজি হয়েছে। শিক্ষক: তোমাকে ডিপার্টমেন্টের অনুমতি নিতে হবে। ছাত্র: স্যার, আপনি কি আমাকে রেফার করতে পারবেন? শিক্ষক: আমি পারি, তবে আগে কিছু কাজ তোমাকে করতে হবে। ছাত্র: কী ধরনের কাজ স্যার? শিক্ষক: তোমাকে একটা ছোট প্রজেক্ট করতে হবে ইইই নিয়ে। ছাত্র: ঠিক আছে স্যার, সময় দিলে আমি করব। শিক্ষক: এক সপ্তাহ সময় পাচ্ছো, পরে প্রেজেন্ট করো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি পরিশ্রম করব। শিক্ষক: মনে রেখো, শুধু আগ্রহ না, কমিটমেন্টও দরকার। ছাত্র: আমি নিজের মধ্যে সেই মানসিকতা এনেছি, স্যার। শিক্ষক: তাহলে প্রমাণ দাও, আমি তোমাকে সাহায্য করব। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, অনেক ভরসা পেলাম। " বৃদ্ধ বাবা ও ছেলে—যত্ন ও সময় না দেওয়ার অভিযোগ,"বাবা: তুই আজকাল বাড়িতেই থাকিস না রে বাবা। ছেলে: অফিসের কাজই এত বেশি, সময় বের করতে পারি না। বাবা: আগে তো সন্ধ্যায় অন্তত এসে বসতি, এখন সেটাও নেই। ছেলে: বাবা, সময় পেলেই আসি, তবে তুমি বুঝো না। বাবা: আমি বুঝি না? আমি শুধু একটু কথা বলতে চাই। ছেলে: চেষ্টা করি বাবা, কিন্তু কাজের চাপ থাকলে কী করব? বাবা: তোর মা থাকলে হয়তো এমন হত না। ছেলে: মা'কে আমিও মিস করি, কিন্তু জীবন থেমে থাকে না। বাবা: তুই বুঝিস না, বয়স বাড়লে সময়টাই হয়ে ওঠে উপহার। ছেলে: আমি চেষ্টা করব, প্রতিদিন অন্তত আধাঘণ্টা সময় দেব। বাবা: শুধু সময় দিলেই হবে না, মনোযোগও দিতে হবে। ছেলে: ঠিক বলেছো বাবা, আমি ফোন ছেড়ে তোমার সঙ্গে সময় কাটাবো। বাবা: আমি তো চাই না বেশি কিছু, শুধু তোর পাশে একটু সময়। ছেলে: আমি বুঝি বাবা, তোমার অভিমানও বোঝি। বাবা: তুই আমার একমাত্র ভরসা রে। ছেলে: আমি কখনো তোমাকে একা রাখব না, কথা দিচ্ছি। বাবা: কথা রাখিস বাবা, তোর মুখেই আমার শান্তি।" হাসপাতালের রিসেপশন ও রোগীর আত্মীয়ের মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা,"আত্মীয়: আমার ভাই গতকাল ভর্তি হয়েছে, ওর রিপোর্ট এসেছে কি? রিসেপশন: রোগীর নাম বলবেন? আত্মীয়: মো. আমিনুল ইসলাম, ৪০৩ নম্বর কেবিনে আছেন। রিসেপশন: রিপোর্ট আজ দুপুরে ডেলিভারি হয়েছে। ডাক্তার দেখে দিয়েছেন? আত্মীয়: আমরা এখনও কাউকে পাইনি। রিপোর্টটা কীভাবে পাব? রিসেপশন: আপনি ল্যাব কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। আত্মীয়: আর ডাক্তার কখন রাউন্ডে আসবেন? রিসেপশন: বিকেল ৫টা নাগাদ সাধারণত আসেন। আত্মীয়: আরেকটা প্রশ্ন, ওর জন্য নিউট্রিশন প্ল্যান কোথা থেকে পাব? রিসেপশন: ডায়েটিশিয়ান রুম ১০৫-এ বসেন, আপনি ওখানে যান। আত্মীয়: বিলিং এর আপডেট কিভাবে পাব? রিসেপশন: ক্যাশ কাউন্টারে গিয়ে রুম নম্বর বললেই দেবে। আত্মীয়: সিসিইউ-তে গেলে কি সবার প্রবেশ নিষেধ? রিসেপশন: হ্যাঁ, শুধু নির্ধারিত সময় ও অনুমতি নিয়ে ঢোকা যায়। আত্মীয়: আমি কি রোগীর সঙ্গে একবার দেখা করতে পারি? রিসেপশন: এখন না, বিকেলে ৪টা থেকে ৫টার সময় আছে। আত্মীয়: ঠিক আছে, ধন্যবাদ। রিসেপশন: আপনাকে সাহায্য করতে পেরে আমরা আনন্দিত।" দুই পুরনো সহপাঠীর মধ্যে হঠাৎ দেখা ও স্মৃতিচারণা,"ফারহানা: এই তুমি না রুবেল? স্কুলের রুবেল? রুবেল: ফারহানা! এত বছর পর! কী খবর? ফারহানা: ভালো আছি, তুমি বলো — কোথায় কী করছো? রুবেল: এখন ঢাকায় একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে আছি। ফারহানা: বাহ! চমৎকার! তোমাকে একদম চিনতে পারিনি শুরুতে। রুবেল: তুমি তো অনেক বদলে গেছো! এখন কী করো? ফারহানা: আমি শিক্ষকতা করছি একটা কলেজে। রুবেল: খুব ভালো করেছো! মনে আছে, আমরা ক্লাস টেনে একসঙ্গে প্রজেক্ট করেছিলাম? ফারহানা: হ্যাঁ! বিজ্ঞান মেলায় 'জল বিশুদ্ধকরণ' প্রজেক্ট! রুবেল: এখনো সেই পুরনো ছবি আমার কাছে আছে। ফারহানা: আমিও কিছু রেখেছি, একদিন দেখা করে দেখাবো। রুবেল: অবশ্যই, কোথায় থাকো এখন? ফারহানা: মোহাম্মদপুরে, তুমি? রুবেল: উত্তরাতে। তবে প্রায়ই ধানমন্ডিতে আসি। ফারহানা: তাহলে কফির প্ল্যান হতেই পারে। রুবেল: অবশ্যই, আগামী শুক্রবার কেমন? ফারহানা: শুক্রবার বিকেলেই পারফেক্ট। রুবেল: তাহলে দেখা হবে, পুরনো দিনের অনেক গল্প আছে বলার। ফারহানা: একদম! মনে হচ্ছে স্কুলে ফিরে গেছি।" বাসা ভাড়া নেওয়া নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে আলোচনা,"ভাড়াটিয়া: সালাম ভাই, এই বাসাটা এখনো ফাঁকা আছে? বাড়িওয়ালা: জি, এই মাসের শুরুতে আগের ভাড়াটিয়া ছেড়ে গেছে। ভাড়াটিয়া: ভাড়া কত? আর কী কী সুবিধা আছে? বাড়িওয়ালা: ভাড়া ১৫ হাজার, ২ বেড, ১ ড্রইং, ২ বাথ, গ্যাস-ওয়াটার ইনক্লুডেড। ভাড়াটিয়া: বিদ্যুৎ বিল আলাদা? বাড়িওয়ালা: হ্যাঁ, প্রিপেইড মিটার আছে। ভাড়াটিয়া: ডিপোজিট কত দিতে হবে? বাড়িওয়ালা: দুই মাসের ভাড়া অগ্রিম। ভাড়াটিয়া: একটু কমানো যাবে না? বাড়িওয়ালা: আপনি পরিবারসহ থাকবেন তো? ভাড়াটিয়া: হ্যাঁ, স্ত্রী আর এক মেয়ে। বাড়িওয়ালা: তাহলে কথা বলা যেতে পারে, আপনি কবে থেকে উঠতে চান? ভাড়াটিয়া: আগামী মাসের ১ তারিখ ভালো হয়। বাড়িওয়ালা: ঠিক আছে, আপনি চাইলে আগেই চুক্তি করে রাখতে পারেন। ভাড়াটিয়া: আমি কাল আসবো চুক্তিপত্র নিয়ে। বাড়িওয়ালা: আমি থাকবো, আপনি আইডি কার্ডের কপি সঙ্গে আনবেন। ভাড়াটিয়া: অবশ্যই, ধন্যবাদ ভাই, বাসাটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। বাড়িওয়ালা: ধন্যবাদ, আপনার সঙ্গে সুন্দর বোঝাপড়া হবে আশা করি।" স্কুলছাত্র ও প্রধান শিক্ষকের মধ্যে ইউনিফর্ম সংক্রান্ত অভিযোগ,"প্রধান শিক্ষক: শুভ, তোমার ইউনিফর্মটা ঠিকমতো পরোনি কেন আজ? ছাত্র: স্যার, আজ সকালে আমার শার্ট ভিজে ছিল, তাই অন্যটা পরেছি। প্রধান শিক্ষক: কিন্তু স্কুলে নির্দিষ্ট ড্রেস কোড আছে, সেটা জানো তো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, কিন্তু আমার মা অসুস্থ, তাই সকালে সময় হয়নি। প্রধান শিক্ষক: তোমার মা অসুস্থ? আগে বলেনি তো তুমি। ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, দুই দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন। প্রধান শিক্ষক: তাহলে বুঝলাম, তবে নিয়ম অমান্য করলে শাস্তি তো থাকবেই। ছাত্র: আমি বুঝি স্যার, কিন্তু আজ একটু ছাড় পাব কি? প্রধান শিক্ষক: ঠিক আছে, আজ মাফ করে দিচ্ছি। তবে আর যেন না হয়। ছাত্র: না স্যার, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। প্রধান শিক্ষক: তুমি চাইলে স্কুল কাউন্সিলর ম্যামের সঙ্গে মায়ের বিষয়ে কথা বলতে পারো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি ওনার সঙ্গে কথা বলব। প্রধান শিক্ষক: বাড়িতে কী করছো এখন? মায়ের দেখাশোনা করছো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, ওষুধ আর খাবার আমি দিই। প্রধান শিক্ষক: তুমি ভালো ছেলে, শুধু নিয়মে থাকতে শিখো। ছাত্র: চেষ্টা করব স্যার, আপনাদের সম্মান রাখতে চাই। প্রধান শিক্ষক: আর পড়ালেখা কেমন চলছে? ছাত্র: ভালোই স্যার, ম্যাথসে একটু কষ্ট হয়। প্রধান শিক্ষক: হোমওয়ার্ক ঠিকমতো করো? ছাত্র: হ্যাঁ, তবে সময় কম পাই। প্রধান শিক্ষক: সময় ম্যানেজমেন্ট শেখো, জীবনের জন্য দরকার। ছাত্র: ঠিক বলছেন স্যার, আমি চেষ্টা করব। প্রধান শিক্ষক: যাও এখন ক্লাসে যাও, মায়ের জন্য শুভকামনা রইল। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার। " ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্য বিষয়ে পরামর্শ,"রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমি কিছুদিন ধরে খুব ক্লান্তি অনুভব করছি। ডাক্তার: আপনি প্রতিদিন ঠিকমতো খাচ্ছেন তো? রোগী: একটু অনিয়ম হচ্ছে, কাজের চাপ বেশি। ডাক্তার: দিনের কোন সময় বেশি ক্লান্ত লাগে? রোগী: দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। ডাক্তার: রক্তের রিপোর্ট করেছি? রোগী: না, এখনো করিনি। ডাক্তার: তাহলে CBC ও আয়রন টেস্ট করে আনুন আগে। রোগী: খাবারের বিষয়ে কিছু বলবেন? ডাক্তার: অবশ্যই। সকালে নাস্তা মিস করা যাবে না। রোগী: আমি শুধু কফি খেয়ে যাই। ডাক্তার: খুব খারাপ অভ্যাস। ওটায় শরীরে কিছুই যায় না। রোগী: তাহলে কী খাবো? ডাক্তার: ডিম, দুধ, ফল বা চিড়ার মত হালকা কিন্তু পুষ্টিকর কিছু। রোগী: দুপুরে বাইরের খাবার খাই, সেটা ঠিক না? ডাক্তার: নাহ, সপ্তাহে এক–দুবার চলতে পারে, প্রতিদিন নয়। রোগী: পানি খাওয়া কম হয়ে গেছে। ডাক্তার: দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়া আবশ্যক। রোগী: আমি এখন থেকে নিয়ম মেনে চলব। ডাক্তার: রিপোর্ট আনুন, দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা বলব। রোগী: ঠিক আছে, ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব। ডাক্তার: সুস্থ থাকুন, নিয়ম মানলে আপনি দ্রুত ভালো থাকবেন।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে পার্কে সন্দেহজনক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন,"পুলিশ: আপনি এই এলাকায় প্রতিদিন আসেন? পথচারী: হ্যাঁ, আমি নিয়মিত সকালে হাঁটতে আসি। পুলিশ: আপনি একটু আগে ঐ বেঞ্চের পাশে কিছু রেখে গেছেন, কী ছিল? পথচারী: ওটা আমার পানির বোতল ছিল, ভুলে রেখে গেছি। পুলিশ: আপনার পরিচয়পত্র দেখাতে পারবেন? পথচারী: অবশ্যই, এটাছে আমার আইডি কার্ড। পুলিশ: আপনার পরিচয় মিলছে, তবে আমরা একটু সতর্ক অবস্থায় আছি। পথচারী: বুঝতে পারছি, সম্প্রতি কী কিছু ঘটেছে এখানে? পুলিশ: হ্যাঁ, কয়েকটি চুরি ও সন্দেহজনক চলাচল হয়েছে। পথচারী: আমি যদি কিছু সন্দেহজনক দেখি তাহলে জানাবো। পুলিশ: সেটাই প্রত্যাশা, নিরাপত্তা সবার দায়িত্ব। পথচারী: এই এলাকায় সিসি ক্যামেরা আছে তো? পুলিশ: আছে, তবে সব জায়গা কাভার করে না। পথচারী: আমি এখানে ২ বছর ধরে হাঁটছি, আগে কখনও এমন হয়নি। পুলিশ: আমরাও চাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকুক। পথচারী: আপনি কি এখানে সবসময় থাকেন? পুলিশ: সকালে ও বিকেলে টহল দিই আমরা। পথচারী: তাহলে নিশ্চিন্ত হওয়া যায় কিছুটা। পুলিশ: হ্যাঁ, তবে সতর্ক থাকাই ভালো। পথচারী: ধন্যবাদ অফিসার, আপনার কাজের জন্য শ্রদ্ধা। পুলিশ: ধন্যবাদ, আপনি ভালো থাকুন।" দুই বান্ধবীর মধ্যে নতুন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা,"সাবিহা: তানিয়া, আমি একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম কয়েকদিন ধরে। তানিয়া: বল না, এত গম্ভীর কেন? সাবিহা: আমি কারো সঙ্গে সিরিয়াসলি মিশছি এখন। তানিয়া: সত্যি? কে সেই ভাগ্যবান? সাবিহা: নাম তৌহিদ, এক অফিসে কাজ করে। তানিয়া: কবে থেকে চেনা? সাবিহা: তিন মাস হলো, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে গভীর হয়ে গেছে। তানিয়া: সে কেমন? আচরণে, চিন্তায়? সাবিহা: ভদ্র, রেস্পেক্টফুল, আর খুব কেয়ারিং। তানিয়া: পরিবার জানে? সাবিহা: মা জানে, বাবা এখনো জানে না। তানিয়া: তুই কি বিয়ের কথা ভাবছিস? সাবিহা: ভেবেছি, কিন্তু সময় দরকার। তানিয়া: সাবধানে এগোতে হবে, জানিস তো? সাবিহা: হ্যাঁ, তাই তোর মতামত চাই। তানিয়া: আমি তোকে জানি, তুই খুব রিজার্ভড, তাই ভেবেই অবাক হচ্ছি। সাবিহা: আমিও ভাবিনি এমন কিছু ঘটবে। তানিয়া: যাক, ভালো কথা। তৌহিদের সঙ্গে একদিন দেখা করাতে হবে। সাবিহা: অবশ্যই, তুই না দেখলে ব্যাপারটা পূর্ণ হবে না। তানিয়া: ঠিক আছে, আমি ওকে যাচাই করব! সাবিহা: হাহা! ভয় পাচ্ছে বোধহয় এখনই! তানিয়া: না, আমি শুধু আমার বান্ধবীর জন্য সেরা চাই। " বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীর সঙ্গে কন্ডাক্টরের টিকিট ও রুট নিয়ে বাকবিতণ্ডা,"যাত্রী: ভাই, এই বাস কি গাবতলী যাবে? কন্ডাক্টর: হ্যাঁ ভাই, উঠেন। যাত্রী: ঠিক কোথায় নামাবে গাবতলীতে? কন্ডাক্টর: শেষ স্টপেই নামাবে। যাত্রী: টিকিট কত? কন্ডাক্টর: ৪০ টাকা ভাই। যাত্রী: এত নিলেন কেন? কাল তো ৩০ টাকা ছিল। কন্ডাক্টর: নতুন ভাড়া হয়েছে ভাই, জ্বালানির দাম বাড়ছে। যাত্রী: কই, অন্য বাস তো এখনো ৩০ নিচ্ছে? কন্ডাক্টর: ওরা সরকার নির্ধারিত ভাড়া মানে না। যাত্রী: আপনার বাস মানে? কন্ডাক্টর: আমরা অফিসিয়ালি চলে ভাই, চাইলে না উঠলেও পারেন। যাত্রী: ঠিক আছে, ভাড়া দিলাম। তবে ভাড়া তালিকা দেখাতে পারবেন? কন্ডাক্টর: বাসের সামনে ঝুলছে, দেখে নেন। যাত্রী: হ্যাঁ দেখলাম, লেখা আছে, কিন্তু স্পষ্ট না। কন্ডাক্টর: ভাই, চালক উঠে গেছে, বসেন প্লিজ। যাত্রী: ঠিক আছে, কিন্তু এসব নিয়ে জবাবদিহিতা থাকা দরকার। কন্ডাক্টর: একমত ভাই, আমরাও বিরক্ত হই এসব নিয়ে। যাত্রী: নিয়ম থাকলে সবাইকে মানা উচিত। কন্ডাক্টর: তাই তো বলছি, সবাই মানে না বলেই সমস্যা হয়।" হাসপাতালের নার্স ও রোগীর আত্মীয়ের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা,"আত্মীয়: নার্স আপা, আমার ভাইয়ের অবস্থা কেমন এখন? নার্স: উনার অবস্থা আগের চেয়ে ভালো, আজ জ্বর কমেছে। আত্মীয়: অক্সিজেনের প্রয়োজন হচ্ছে কি এখনো? নার্স: না, এখন উনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছেন। আত্মীয়: ওষুধগুলো কি নিয়মমতো দেওয়া হয়েছে? নার্স: হ্যাঁ, সকালে অ্যান্টিবায়োটিক আর এখন স্যালাইন চলছে। আত্মীয়: খাওয়া-দাওয়ার কী অবস্থা? নার্স: দুপুরে হালকা ভাত আর ডাল খেয়েছেন। আত্মীয়: উনি বারবার পানি চাইছেন, সেটা ঠিক আছে তো? নার্স: সেটা ভালো লক্ষণ, শরীর থেকে টক্সিন বের হচ্ছে। আত্মীয়: ডাক্তারের সঙ্গে দেখা হবে কখন? নার্স: উনি বিকেলে রাউন্ডে আসবেন, তখন কথা বলতে পারবেন। আত্মীয়: রাতের জন্য কাউকে থাকতে দেওয়া যাবে? নার্স: একজন থাকতে পারবেন, কিন্তু চুপচাপ থাকতে হবে। আত্মীয়: বাথরুমে যেতে ওনাকে সাহায্য কে করছে? নার্স: আমরাই করছি, কিন্তু উনি নিজেও এখন একটু হাঁটছেন। আত্মীয়: কবে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা? নার্স: ডাক্তার বলবেন, তবে দু-একদিন লাগবে হয়ত। আত্মীয়: হসপিটাল বিল কোথায় জমা দিতে হয়? নার্স: নিচতলায় বিলিং কাউন্টারে গিয়ে জমা দিন। আত্মীয়: আরেকটা অনুরোধ ছিল, ওনাকে একটু স্যুপ দিতে পারবেন? নার্স: অবশ্যই, ক্যান্টিন থেকে এনে দিচ্ছি। আত্মীয়: ধন্যবাদ আপা, আপনারা খুব ভালো খেয়াল রাখছেন। নার্স: আমাদের কাজই তো রোগীকে ভালো রাখা। আত্মীয়: আমি পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞ। নার্স: চিন্তা করবেন না, উনি দ্রুত সেরে উঠবেন ইনশাআল্লাহ।" অফিস সহকর্মীর সঙ্গে ওভারটাইম ও মানসিক চাপ নিয়ে আলোচনা,"রাশেদ: আরে জামান ভাই, এত রাত পর্যন্ত অফিসে? জামান: কী করব বলো, প্রজেক্টের ডেডলাইন খুব কাছেই। রাশেদ: ক’দিন ধরেই দেখছি, আপনি অফিস থেকে শেষ যান। জামান: বাসায় গেলেও শান্তি নেই, মেইল আর কল আসে। রাশেদ: পরিবার কিছু বলে না? জামান: বলেই তো, কিন্তু কর্পোরেট চাপে কী করা যায়! রাশেদ: আপনি একটু রেস্ট নেন, না হলে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। জামান: হ্যাঁ, পিঠে ব্যথাও শুরু হয়েছে। রাশেদ: আমাদের এই লাইফস্টাইল অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। জামান: আমি ভাবছি কিছুদিন ছুটি নেব। রাশেদ: ভালো চিন্তা, মন ও শরীর দুটোকেই দরকার বিশ্রাম। জামান: তুই কীভাবে সামলাচ্ছিস সবকিছু? রাশেদ: আমি রাত ৯টার পর অফিসের কাজ দেখি না। জামান: বটে! টিম লিডার কিছু বলে না? রাশেদ: আমি ওনাকে বলে দিয়েছি আমার সীমানা। জামান: সাহসের কাজ! রাশেদ: নিজের সীমা না জানালে কেউ সম্মান করবে না। জামান: তুমি ঠিকই বলো, আমিও একটু চেষ্টা করব। রাশেদ: আর হ্যাঁ, স্বাস্থ্য চেকআপ করাও। জামান: করাব অবশ্যই। রাশেদ: চল, আজ একটু আগেই বের হই দুজনেই। জামান: ঠিক আছে, ধন্যবাদ রাশেদ ভাই। " ফোন সার্ভিস কাস্টমার কেয়ার ও গ্রাহকের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ,"গ্রাহক: হ্যালো, আমি আমার ফোনে কল পাচ্ছি না ঠিকমতো। কাস্টমার কেয়ার: স্যার, আপনি কোন অপারেটর ব্যবহার করছেন? গ্রাহক: আমি আপনার 4G সিম ব্যবহার করছি। কাস্টমার কেয়ার: ঠিক আছে, সমস্যাটা কখন থেকে হচ্ছে? গ্রাহক: গতকাল রাত থেকে কল ঢুকছে না। কাস্টমার কেয়ার: সিম কি অন্য ফোনে ট্রাই করেছেন? গ্রাহক: হ্যাঁ, সেখানেও একই সমস্যা। কাস্টমার কেয়ার: আমরা আপনার নম্বর চেক করছি... গ্রাহক: আমি জরুরি কাজে ফোন ব্যবহার করি, এটা খুব সমস্যার। কাস্টমার কেয়ার: বুঝতে পারছি স্যার, আমাদের নেটওয়ার্কে কিছুক্ষণ আগে আপডেট হয়েছিল। গ্রাহক: তাহলে সেটা কবে ঠিক হবে? কাস্টমার কেয়ার: আগামী ৩ ঘণ্টার মধ্যে পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়ার কথা। গ্রাহক: আপনি নিশ্চিত? কাস্টমার কেয়ার: আমরা চেষ্টা করছি স্যার, আমাদের টিম কাজ করছে। গ্রাহক: আমি কি কিছু ক্ষতিপূরণ পাব না? কাস্টমার কেয়ার: স্যার, আপনি চাইলে অভিযোগ রেজিস্টার করতে পারি। গ্রাহক: হ্যাঁ, রেজিস্টার করুন। কাস্টমার কেয়ার: আপনার নাম, ঠিকানা বলবেন? গ্রাহক: মোঃ রিয়াদ হোসেন, উত্তরা, ঢাকা। কাস্টমার কেয়ার: ধন্যবাদ স্যার, আপনার অভিযোগ নম্বর 782345। গ্রাহক: ভালো, আমি অপেক্ষা করব। কাস্টমার কেয়ার: দয়া করে আমাদের ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আপডেট চেক করবেন। গ্রাহক: ঠিক আছে, ধন্যবাদ। কাস্টমার কেয়ার: ধন্যবাদ স্যার, আমাদের সঙ্গেই থাকুন।" বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রীর মধ্যে থিসিস নির্বাচন নিয়ে আলোচনা,"ছাত্রী: স্যার, আমি থিসিস নিয়ে কিছু পরামর্শ চাই। শিক্ষক: হ্যাঁ, তুমি কোন বিষয়ে আগ্রহী? ছাত্রী: আমি AI ও স্বাস্থ্যসেবার সংযোগ নিয়ে ভাবছি। শিক্ষক: ভালো দিক, তবে বিষয়টি সংকুচিত করতে হবে। ছাত্রী: তাহলে কি “ফল ডিটেকশন ফর এল্ডারলি ইউজিং YOLO” ঠিক হবে? শিক্ষক: হ্যাঁ, সেটা একটি সম্ভাবনাময় থিম। ছাত্রী: স্যার, আমি কোডিং পারি, তবে মেডিকেল পার্টে ভয় লাগছে। শিক্ষক: তুমি একটি মেডিকেল পরামর্শক খুঁজে নিতে পারো। ছাত্রী: স্যার, আপনার গাইডেন্স পেলে কাজ সহজ হবে। শিক্ষক: আমি থাকব, তবে নিজে ইনিশিয়েটিভ নিতে হবে। ছাত্রী: আমি কি রোবোফ্লো বা ওপেনডেটা ইউজ করতে পারি? শিক্ষক: হ্যাঁ, তবে প্রক্রিয়া ও এথিকস ফলো করো। ছাত্রী: আমি কি শুরু করতে পারি প্রপোজাল লিখে? শিক্ষক: হ্যাঁ, এক পেজের একটা কনসেপ্ট নাও। ছাত্রী: কতদিনে সাবমিট করব? শিক্ষক: ৫ দিনের মধ্যে পাঠিয়ে দাও। ছাত্রী: ধন্যবাদ স্যার, আমি কাজ শুরু করছি। শিক্ষক: সাফল্য কামনা করি, যেকোন প্রশ্নে এসো।" প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে আলোচনা,"আদিত্য: রিয়া, আমরা কি একটু কথা বলতে পারি? রিয়া: হ্যাঁ, কী হয়েছে বলো। আদিত্য: তুমি গত কয়েকদিন খুব দূরে দূরে আচরণ করছো। রিয়া: কারণ আছে, তুমি বুঝতে চাও না। আদিত্য: বলো, আমি শোনার জন্য প্রস্তুত। রিয়া: তুমি সবসময় নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকো। আদিত্য: আমি চেষ্টা করি সময় দিতে, কিন্তু কাজ তো ফেলে রাখা যায় না। রিয়া: কিন্তু সম্পর্কেও সময় লাগে, সেটা ভুলে যেও না। আদিত্য: তুমি কি মনে করো আমি গুরুত্ব দিই না? রিয়া: কখনো কখনো তাই মনে হয়। আদিত্য: আমি যদি আজ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সময় রাখি, সেটা চলবে? রিয়া: সেটা ভালো শুরু হতে পারে। আদিত্য: আমি চাই না আমাদের দূরত্ব বাড়ুক। রিয়া: আমিও না, কিন্তু আমাদের মধ্যে কথা বলা দরকার। আদিত্য: আজ থেকে প্রতিদিন একবার ভিডিও কল করব। রিয়া: তাহলে আমি মনে করব তুমি গুরুত্ব দিচ্ছো। আদিত্য: আমি দেই, শুধু ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারি না। রিয়া: আমি চাই তুমি শুধু বলো না, কাজেও দেখাও। আদিত্য: আমি প্রতিজ্ঞা করছি। রিয়া: আমি বিশ্বাস করতে চাই। আদিত্য: ধন্যবাদ রিয়া, তুমি আমায় বোঝো। রিয়া: তুমি যদি চাও, আমি তোমার পাশে থাকব সবসময়। " আইনজীবী ও ক্লায়েন্টের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা,"ক্লায়েন্ট: সালাম, স্যার। আমি ডিভোর্স প্রসঙ্গে কিছু জানতে চাচ্ছিলাম। আইনজীবী: ওয়ালাইকুম সালাম। নিশ্চয়ই, আপনি কি বিবাহ রেজিস্ট্রার কপি নিয়ে এসেছেন? ক্লায়েন্ট: হ্যাঁ স্যার, এখানে আছে। আইনজীবী: ঠিক আছে। আপনার স্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল কবে? ক্লায়েন্ট: প্রায় তিন মাস আগে, তারপর থেকে কোনো যোগাযোগ নেই। আইনজীবী: তিন মাস হলে আপনি নোটিশ পাঠাতে পারেন। ক্লায়েন্ট: কোন প্রক্রিয়ায় সেটা করতে হবে? আইনজীবী: প্রথমে একটি লিখিত ডিভোর্স নোটিশ পাঠাতে হবে তার ঠিকানায়। ক্লায়েন্ট: সেটা আপনি তৈরি করে দেবেন? আইনজীবী: অবশ্যই, আপনি কিছু তথ্য দিয়ে যান। ক্লায়েন্ট: ঠিক আছে, ওনার ঠিকানা এবং বাবার নাম এখানে লিখে দিলাম। আইনজীবী: ধন্যবাদ। আপনি তিন মাস ধরে খরচ পাঠিয়েছেন? ক্লায়েন্ট: না, কোনো যোগাযোগ হয়নি, ওনার পরিবার থেকেও না। আইনজীবী: নোটিশ পাঠানোর পর তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে। ক্লায়েন্ট: এরপর কি সরাসরি তালাক কার্যকর হবে? আইনজীবী: হ্যাঁ, যদি আপত্তি না আসে। ক্লায়েন্ট: আমার সন্তানের কাস্টডির ব্যাপারেও কিছু করতে পারি? আইনজীবী: আপনি চাইলে আলাদা কাস্টডি কেস করতে পারেন। ক্লায়েন্ট: সে ক্ষেত্রে খরচ কেমন হতে পারে? আইনজীবী: কেসের জটিলতা অনুসারে ভ্যারিয়েশন হয়। ক্লায়েন্ট: আমি কি আদালতে না গিয়েও কাজটা করতে পারব? আইনজীবী: কিছু অংশ অনলাইনে হয়, তবে শুনানিতে আপনাকে যেতে হবে। ক্লায়েন্ট: ঠিক আছে স্যার, আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আইনজীবী: দেরি করবেন না, আজই নোটিশ রেডি করে দিই। ক্লায়েন্ট: ধন্যবাদ স্যার। " মোবাইল দোকানে গ্রাহক ও বিক্রেতার মধ্যে নতুন ফোন কেনা নিয়ে আলোচনা,"গ্রাহক: ভাই, আমি একটা নতুন ফোন কিনতে চাই। বিক্রেতা: বাজেট কত ভাই? গ্রাহক: ২৫ হাজার টাকার মধ্যে কিছু ভালো ফোন আছে? বিক্রেতা: অবশ্যই, রিয়েলমি, ইনফিনিক্স আর শাওমির মডেল আছে। গ্রাহক: ক্যামেরা ভালো এমন কিছু দেখান। বিক্রেতা: এই নিন, ইনফিনিক্স জিরো ৩০ – ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। গ্রাহক: ব্যাটারি ব্যাকআপ কেমন? বিক্রেতা: ৫০০০ mAh, ফুল চার্জে একদিন চলে যাবে। গ্রাহক: গেম খেললে হ্যাং করে কি? বিক্রেতা: না ভাই, ৮ জিবি র‍্যাম, হ্যাং করবে না। গ্রাহক: ফোন কি ফ্যাক্টরি সিল? বিক্রেতা: হ্যাঁ, একদম নতুন, সঙ্গে ওয়ারেন্টি আছে। গ্রাহক: চার্জার, কেস, গ্লাস পাবো কি? বিক্রেতা: কেস আর গ্লাস ফ্রি দিব, চার্জার বক্সে আছে। গ্রাহক: দাম কত হবে সব মিলে? বিক্রেতা: অফারে দিচ্ছি ২৩ হাজার টাকায়। গ্রাহক: অনলাইনের চেয়ে বেশি মনে হচ্ছে। বিক্রেতা: অনলাইনে সার্ভিস পাবেন না ভাই, এখানে যেকোন সমস্যা হলে সাহায্য করব। গ্রাহক: পেমেন্ট বিকাশে করতে পারি? বিক্রেতা: হ্যাঁ, আমাদের মার্চেন্ট নম্বরে পাঠাতে হবে। গ্রাহক: এক্সচেঞ্জ অফার আছে? বিক্রেতা: পুরাতন ফোন দিলে ২-৩ হাজার কমে যেতে পারে। গ্রাহক: ঠিক আছে, ফোনটা প্যাক করে দিন। বিক্রেতা: অবশ্যই ভাই, রিসিট নিয়ে যান।" ফুড ডেলিভারি নিয়ে ডেলিভারি ম্যান ও গ্রাহকের মধ্যে বিতর্ক,"গ্রাহক: ভাই, আমি ঘণ্টাখানেক আগে অর্ডার করেছিলাম, এখনো আসেনি কেন? ডেলিভারি ম্যান: স্যার, আমি দুঃখিত, রাস্তার জ্যামে পড়েছিলাম। গ্রাহক: খাবার ঠান্ডা হয়ে গেছে, এখন আর খাবার ইচ্ছা নেই। ডেলিভারি ম্যান: স্যার, একটু বুঝেন, অনেক চেষ্টা করেও টাইমে পৌঁছাতে পারিনি। গ্রাহক: অ্যাপে তো দেখাচ্ছিল ""আউট ফর ডেলিভারি"" ৪৫ মিনিট আগে। ডেলিভারি ম্যান: সেটা অ্যাপ অটো আপডেট করে, কিন্তু রাস্তায় পরিস্থিতি অন্যরকম। গ্রাহক: আমি কিন্তু পেমেন্ট অনলাইনেই দিয়েছি। ডেলিভারি ম্যান: ঠিক আছে স্যার, আপনি চাইলে রিপোর্ট করতে পারেন। গ্রাহক: খাবার নষ্ট হয়ে গেছে, রিফান্ড চাই। ডেলিভারি ম্যান: আমি রিপোর্ট ফাইল করে দিচ্ছি স্যার, কাস্টমার কেয়ার আপনাকে কল করবে। গ্রাহক: আপনি কীভাবে প্যাকেট বহন করেছেন? ডেলিভারি ম্যান: ইনসুলেটেড ব্যাগে ছিল, কিন্তু সময় বেশি লাগায় ঠান্ডা হয়ে গেছে হয়ত। গ্রাহক: আমি যদি খাবার না নেই, আপনি কী করবেন? ডেলিভারি ম্যান: তাহলে কোম্পানি আমাকে পেনাল্টি দেবে। গ্রাহক: ঠিক আছে, আমি খাবো, কিন্তু অভিযোগ করব। ডেলিভারি ম্যান: স্যার, অভিযোগ অবশ্যই করতে পারেন, আমি বুঝি আপনার কষ্ট। গ্রাহক: ধন্যবাদ, আপনার চালানোর গতি একটু বাড়ান পরেরবার। ডেলিভারি ম্যান: চেষ্টা করব স্যার।" মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা ও রোগীর মধ্যে উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা,"রোগী: ডাক্তার, আমার ঘুম হচ্ছে না অনেকদিন ধরে। ডাক্তার: আপনি দিনে কেমন থাকেন? রোগী: সারাদিন মাথা ভার লাগে, টেনশন কাজ করে। ডাক্তার: কোন বিষয়ে বেশি চিন্তা করেন? রোগী: অফিসের চাপ, আর পারিবারিক টানাপোড়েন। ডাক্তার: আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন? রোগী: না, সময়ই পাই না। ডাক্তার: ব্যায়াম করলে ঘুম ভালো হবে, দুশ্চিন্তাও কমবে। রোগী: আমার মাঝে মাঝে বুক ধড়ফড় করে। ডাক্তার: সেটা প্যানিক অ্যাটাক হতে পারে, ভয় পাবেন না। রোগী: আমি কি ওষুধ ছাড়া সুস্থ হতে পারি? ডাক্তার: সম্ভব, যদি নিয়মিত থেরাপি করেন। রোগী: থেরাপি মানে কি আপনাকে সপ্তাহে দেখা করা? ডাক্তার: হ্যাঁ, ১ ঘণ্টা সেশন, আমরা ধাপে ধাপে আলোচনা করব। রোগী: আমি কি অফিসে কাউকে বলতে পারব না এটা? ডাক্তার: না বললেই ভালো, আপনার গোপনীয়তা থাকবে। রোগী: আমার তো মনে হয় আমি কিছুতেই ভালো হব না। ডাক্তার: এটা মনোবিকার, সময় নিয়ে ধৈর্য ধরে চললে হবেন নিশ্চয়ই। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তার, আজ কথা বলে হালকা লাগছে। ডাক্তার: আপনি সাহসী যে সাহায্য চাইতে এসেছেন।" বাস যাত্রী ও কন্ডাক্টরের মধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বচসা,"যাত্রী: ভাই, আজ আবার ২০ টাকা বেশি নিচ্ছেন কেন? কন্ডাক্টর: সরকার নতুন ভাড়া নির্ধারণ করেছে ভাই। যাত্রী: কোথায় সেটা লেখা আছে? আগের সপ্তাহেও তো কম ছিল। কন্ডাক্টর: গাড়ির গায়ে স্টিকার লাগানো আছে, দেখে নেন। যাত্রী: আমি যাত্রাবাড়ী থেকে মিরপুর যাচ্ছি, আগেও ৫০ টাকাই ছিল। কন্ডাক্টর: এখন ৭০ টাকা নির্ধারণ হয়েছে ভাই। যাত্রী: আমি অভিযোগ করব, অতিরিক্ত নিচ্ছেন। কন্ডাক্টর: ভাই, চাইলে কন্ট্রোল রুমে ফোন দিন। যাত্রী: আপনি রিসিট দেন, আমি ছবি তুলে রাখছি। কন্ডাক্টর: রিসিট আমাদের কাছে থাকে না সবসময়। যাত্রী: তাহলে আপনি অবৈধভাবে টাকা নিচ্ছেন। কন্ডাক্টর: ভাই, মালিক বলে দিয়েছে এই রেট, আমরা কী করব? যাত্রী: মালিকের নিয়ম মানে এই না যে আইন ভাঙবেন। কন্ডাক্টর: ভাই, আমাদের অবস্থাও বুঝেন। যাত্রী: বুঝি, কিন্তু আমি অন্যায় মেনে নেব না। কন্ডাক্টর: ঠিক আছে, আপনার জায়গায় ৫০ টাকাই নেব। যাত্রী: ধন্যবাদ, কিন্তু বাকিদের কাছেও যেন এমন না হয়। কন্ডাক্টর: চেষ্টা করব ভাই, কষ্ট দিয়ে থাকলে দুঃখিত। " শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ছাত্রের আচরণ নিয়ে আলোচনা,"অভিভাবক: স্যার, আমি আজ আমার ছেলের ব্যাপারে কিছু জানতে এসেছি। শিক্ষক: অবশ্যই, আপনার ছেলের নাম কী? অভিভাবক: রিয়াদ হাসান, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। শিক্ষক: ও তো খুব ভালো ছাত্র ছিল, হঠাৎ কী হয়েছে? অভিভাবক: ঘরে এসে কিছুই পড়ে না, মনোযোগ দেয় না। শিক্ষক: হ্যাঁ, ক্লাসেও মনোযোগ কম, কখনো ফোনে ব্যস্ত থাকে। অভিভাবক: স্কুলে কি ফোন আনে? শিক্ষক: মাঝে মাঝে দেখে নিয়েছি, চুপচাপ থাকে। অভিভাবক: ও বাসায়ও গেম খেলে সারাক্ষণ। শিক্ষক: আপনি কি সময় বেঁধে দেন পড়ার জন্য? অভিভাবক: দিই, কিন্তু শোনে না। শিক্ষক: আমরা স্কুল থেকে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা রেখেছি। অভিভাবক: ও কি এতে রাজি হবে? শিক্ষক: প্রথমে না করলেও ধীরে ধীরে মানিয়ে নেবে। অভিভাবক: আপনি ওর সঙ্গে একটু কথা বলবেন? শিক্ষক: অবশ্যই, কালই কথা বলব। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, আমি খুব চিন্তায় আছি। শিক্ষক: দুশ্চিন্তা করবেন না, আমরা একসাথে চেষ্টা করব। অভিভাবক: পড়ালেখার প্রতি ওর আগ্রহ ফেরাতে চাই। শিক্ষক: ধাপে ধাপে কাজ করলে সম্ভব হবে। অভিভাবক: ওর বন্ধুরাও কি খারাপ প্রভাব ফেলছে? শিক্ষক: কিছুটা, আমরা নজর রাখছি। অভিভাবক: আমি আজ থেকেই ওর ফোন নিয়ন্ত্রণ করব। শিক্ষক: সেটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। আমরা যোগাযোগ রাখব।" হোস্টেলের ছাত্র ও কেয়ারটেকারের মধ্যে খাবার নিয়ে অভিযোগ,"ছাত্র: কাকু, আজ দুপুরের খাবার খাওয়া যায়নি। কেয়ারটেকার: কেন বাবা, কী সমস্যা হয়েছিল? ছাত্র: ভাত কাঁচা ছিল, ডালেও পোকা ছিল। কেয়ারটেকার: আরে বাবা, আমি তো সবসময় নজর রাখি। ছাত্র: আজ মেস রাঁধুনিকে দেখাই যায়নি। কেয়ারটেকার: উনি অসুস্থ, তাই নতুন কেউ এসেছিল। ছাত্র: কিন্তু মান ঠিক রাখা দরকার। কেয়ারটেকার: ঠিক বলেছো, আমি সুপার ভাইজারকে জানাচ্ছি। ছাত্র: আর মাছটাও নোনা বেশি ছিল। কেয়ারটেকার: আমি কাল থেকে নিজে যাচাই করব। ছাত্র: অনেকেই আজ বাইরের খাবার খেয়েছে। কেয়ারটেকার: তা হলে বিষয়টা গুরুতর। ছাত্র: খাবার খারাপ থাকলে তো রোগ হতে পারে। কেয়ারটেকার: ঠিক বলেছো, আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। ছাত্র: আগেও কয়েকবার বলেছি, কিন্তু পরিবর্তন হয়নি। কেয়ারটেকার: এবার সিরিয়াসলি ব্যবস্থা নেব। ছাত্র: আর চায়ের কাপগুলোও নোংরা ছিল। কেয়ারটেকার: আমি আজই ওগুলো ধোয়ার ব্যবস্থা করব। ছাত্র: আমরা সবাই চাই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। কেয়ারটেকার: আমি প্রতিদিনের খাবার তালিকা দেখে অনুমোদন দেব। ছাত্র: ধন্যবাদ কাকু, আপনার সহানুভূতি পাই সবসময়।" ব্যাংক কর্মকর্তা ও গ্রাহকের মধ্যে চেক বাউন্স সংক্রান্ত আলোচনা,"গ্রাহক: ভাই, আমার চেক বাউন্স হয়েছে কেন? কর্মকর্তা: একটু অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন, আমি দেখে নিই। গ্রাহক: এই নিন, ৬৭৮৯২৩৪৫। কর্মকর্তা: দেখছি... হ্যাঁ, আপনার অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। গ্রাহক: আমি তো আগেই জমা দিয়েছিলাম। কর্মকর্তা: সেটা সম্ভবত প্রসেস হয়নি সময়মতো। গ্রাহক: তাহলে আমার সুনাম নষ্ট হলো! কর্মকর্তা: আমরা একটি “চেক রিটার্ন মেমো” দিয়েছি, সেটা পেয়েছেন? গ্রাহক: হ্যাঁ, কিন্তু কারণ বুঝিনি। কর্মকর্তা: ব্যালান্স ছিল ৪০০০, কিন্তু চেকটি ছিল ৫০০০ টাকার। গ্রাহক: আমি বিকাশ থেকে টাকা পাঠিয়েছিলাম সকালে। কর্মকর্তা: সেটা দুপুরে অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে, কিন্তু চেক ক্লিয়ার হয় সকালেই। গ্রাহক: এখন আমি কী করব? কর্মকর্তা: নতুন করে চেক দিন এবং ক্লিয়ার হওয়ার সময় দেখুন। গ্রাহক: রিটার্ন ফি কাটা হয়েছে? কর্মকর্তা: হ্যাঁ, ৫০০ টাকা চার্জ হয়েছে। গ্রাহক: এটা কি রিফান্ড হয়? কর্মকর্তা: না, রিটার্ন ফি রিফান্ডযোগ্য না। গ্রাহক: ঠিক আছে, সাবধানে চলব সামনে থেকে। কর্মকর্তা: আপনার মতো সচেতন গ্রাহক হলে সমস্যা হতো না। গ্রাহক: ধন্যবাদ, আপনার ব্যাখ্যা কাজে লাগলো।" ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে আলোচনা,"রোগী: স্যার, আমার প্রেসার সবসময় বেশি থাকে। ডাক্তার: আপনি শেষবার কখন মেপেছিলেন? রোগী: আজ সকালে, ছিল ১৫০/৯৫। ডাক্তার: আপনার বয়স কত? রোগী: ৪৭ বছর। ডাক্তার: পরিবারে কারো হাই ব্লাড প্রেসার আছে? রোগী: আমার মা ও বড় ভাইয়ের আছে। ডাক্তার: আপনি দিনে কতটা লবণ খান বলতে পারবেন? রোগী: ভাজাভুজি আর ঝাল খাই বেশি। ডাক্তার: সেগুলো কমাতে হবে। রোগী: হাঁটাহাঁটি করি না বললেই চলে। ডাক্তার: অন্তত দিনে ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। রোগী: কোনো ওষুধ খাবো কি? ডাক্তার: প্রেশার নিয়মিত থাকলে দরকার হবে না। রোগী: আমি কি ফলমূল বেশি খাব? ডাক্তার: হ্যাঁ, কলা, আপেল ভালো। রোগী: ঘুম কম হলে কি প্রভাব পড়ে? ডাক্তার: হ্যাঁ, ঘুম কম হলেও প্রেসার বাড়ে। রোগী: ধন্যবাদ স্যার, আমি অভ্যাস পরিবর্তন করব। ডাক্তার: ভালো, দুই সপ্তাহ পর আবার দেখে যাব। " বাস কাউন্টারে যাত্রী ও টিকিট কর্মীর মধ্যে রাত্রিকালীন ভ্রমণ সংক্রান্ত কথা,"যাত্রী: ভাই, আগামীকাল রাতে চট্টগ্রামের টিকিট আছে? কর্মী: কয়টার বাস চান ভাই? যাত্রী: রাত ১১টার বাস হলে ভালো হয়। কর্মী: আছে, এসি ও নন-এসি দুইটাই আছে। যাত্রী: এসি কত টাকা? কর্মী: ১০৫০ টাকা ভাই। যাত্রী: সিট কোন কোনটা ফাঁকা আছে? কর্মী: ডান দিকে ৮ নম্বর আর বাঁদিকে ১১ নম্বর। যাত্রী: জানালার পাশে কোনটা? কর্মী: ১১ নম্বর জানালার পাশে। যাত্রী: তাহলে ১১ নম্বর রাখেন। কর্মী: নাম আর ফোন নাম্বার দিন ভাই। যাত্রী: মো. রাজিব হাসান, ০১৭১১২২৩৩৪৪। কর্মী: ঠিক আছে, বিকাশে টাকা পাঠাবেন? যাত্রী: হ্যাঁ, নম্বরটা দিন। কর্মী: এই নিন, মার্চেন্ট নম্বর ০১৩০০৯৯৮৮৭৭। যাত্রী: কত সময়ের মধ্যে কনফার্ম হবে? কর্মী: পেমেন্ট করলেই এসএমএস পাবেন। যাত্রী: খাবার কি বাসে দেয়া হয়? কর্মী: পানি আর টিস্যু দেয়া হয়, খাবার স্টপেজে কিনতে হয়। যাত্রী: ঠিক আছে ভাই, আমি এখনই পেমেন্ট করছি। কর্মী: কনফার্ম হলে কল করে জানাবেন। যাত্রী: ধন্যবাদ ভাই, দেখা হবে কাল।" বাবা ও মেয়ের মধ্যে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: স্নেহা, তোমার অনার্স শেষ হয়ে গেল, এখন কী ভাবছো? মেয়ে: ভাবছি বিদেশে মাস্টার্স করার চেষ্টা করব। বাবা: খুব ভালো কথা। কোন দেশে যেতে চাও? মেয়ে: কানাডা অথবা নেদারল্যান্ডস ভাবছি। বাবা: কোর্স কি নির্ধারণ করেছো? মেয়ে: হ্যাঁ, Data Science বা AI নিয়ে কিছু একটা। বাবা: তুমি কি IELTS দিয়েছো? মেয়ে: এখনো না, প্রস্তুতি নিচ্ছি। বাবা: তুমি জানো তো IELTS-এর স্কোর দরকার ৬.৫ বা তার বেশি। মেয়ে: জানি, আমার টার্গেট ৭। বাবা: খরচের চিন্তা করেছো? মেয়ে: স্কলারশিপের জন্যও আবেদন করব। বাবা: আমি তোমাকে যতটা সম্ভব সাহায্য করব। মেয়ে: তুমি সবসময় পাশে থাকো বলেই সাহস পাই। বাবা: তোমার মা-ও খুশি হবে শুনে। মেয়ে: কিন্তু ভয় লাগে, একা থাকতে পারব তো? বাবা: একা গেলে আত্মনির্ভর হতে শেখা যায়। মেয়ে: অনলাইনে অনেক ভিডিও দেখছি অভিজ্ঞদের। বাবা: ভালো করছো। SOP লেখাও গুরুত্বপূর্ণ। মেয়ে: হ্যাঁ, আমার ফ্রেন্ড রুবা সাহায্য করছে। বাবা: তুমি ঠিকঠাক প্রস্তুতি নাও, আমি ফাইন্যান্সের ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছি। মেয়ে: ধন্যবাদ আব্বু, আমি চেষ্টা করে যাব। বাবা: ঠিক আছে, সময়মতো সব ডকুমেন্ট প্রস্তুত করো।" দোকানদার ও ক্রেতার মধ্যে ইলেকট্রনিক পণ্যের ওয়ারেন্টি নিয়ে আলোচনা,"ক্রেতা: ভাই, আমি মাসখানেক আগে এখান থেকে একটি রাইস কুকার কিনেছিলাম। দোকানদার: হ্যাঁ ভাই, মনে আছে। কী সমস্যা হচ্ছে? ক্রেতা: এখন আর গরম হয় না। চাল দিয়ে রাখলে কাঁচাই থেকে যায়। দোকানদার: ওয়ারেন্টি কার্ড এনেছেন? ক্রেতা: এনেছি, এই নিন। দোকানদার: দেখে নিই... হ্যাঁ, এখনো ওয়ারেন্টির মধ্যে। ক্রেতা: এটা আপনি ঠিক করে দেবেন? দোকানদার: আমাদের টেকনিশিয়ান দেখবে, যদি দরকার হয় রিপ্লেসমেন্ট দেব। ক্রেতা: কত দিন লাগবে? দোকানদার: সর্বোচ্চ ৩ দিন। ক্রেতা: আর যদি ঠিক না হয়? দোকানদার: তাহলে নতুন একটা কুকার দেব। ক্রেতা: আমি অফিসে থাকি, কে আনবে? দোকানদার: আপনি চাইলে বাসায় ডেলিভারি দিয়ে দেব। ক্রেতা: তাহলে ঠিক আছে, এই নম্বরে কল করুন — ০১৭********। দোকানদার: ঠিক আছে ভাই, কাল সকালে ফোন করব। ক্রেতা: অনেক দোকানে তো এসব ঝামেলা করে। দোকানদার: আমরা কাস্টমারের সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দিই। ক্রেতা: আপনাদের সার্ভিস ভালো বলেই আবার এসেছি। দোকানদার: ধন্যবাদ ভাই, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।" পুলিশ ও মোটরসাইকেল চালকের মধ্যে ট্রাফিক আইন নিয়ে কথা,"পুলিশ: ভাই, আপনার হেলমেট কোথায়? চালক: একটু দূরে যাচ্ছিলাম ভাই, মাথা ব্যথা করছিল। পুলিশ: আইন সবার জন্য সমান। হেলমেট ছাড়া চালানো যাবে না। চালক: ক্ষমা চান ভাই, আর হবে না। পুলিশ: আপনার লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন দেখান। চালক: এই নিন ভাই, সব আপডেটেড। পুলিশ: কাগজ ঠিক আছে, তবে আপনি নিয়ম ভেঙেছেন। চালক: একটু ছাড় দিন ভাই, জরিমানা না কেটে একটা ওয়ার্নিং দিন। পুলিশ: হেলমেট ছাড়া দুর্ঘটনা হলে কী হতে পারে ভেবেছেন? চালক: সত্যি বলছি, বুঝে গেছি। পুলিশ: এই জায়গাটা স্কুলের কাছাকাছি, আরো সাবধান থাকা দরকার। চালক: ঠিক বলছেন, আমি ভবিষ্যতে খেয়াল রাখব। পুলিশ: আজকে কাগজ রাখছি না, কিন্তু পরের বার হলে মামলা করব। চালক: ধন্যবাদ ভাই, সচেতন করায় কৃতজ্ঞ। পুলিশ: ভালোভাবে চলাচল করলেই সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। চালক: ঠিক কথা, আমি বন্ধুদেরও বলব নিয়ম মানতে। " বন্ধুরা একসঙ্গে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছে,"তুহিন: সবাই কবে ফাঁকা থাকবে বলো তো? রাফি: শুক্রবার থেকে রবি পর্যন্ত আমি ফ্রি। নিশাত: আমি তো টিউশনি করি, শুক্রবার বিকেল ছাড়া সময় নেই। সাদিয়া: তাহলে শুক্রবার সকালেই বের হওয়া যায় না? তুহিন: কোথায় যাবো এবার? রাফি: সিলেট ঘুরতে চল, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার মতো জায়গা। নিশাত: আমি আগে যাইনি, সিলেট চল। সাদিয়া: বাজেট ঠিক করতে হবে। তুহিন: যদি ৩৫০০–৪০০০ টাকার মধ্যে রাখি? রাফি: ট্রেন ধরলে খরচ কম হবে। নিশাত: হোটেলের বুকিং কে করবে? সাদিয়া: আমি অনলাইনে দেখে বুক করতে পারি। তুহিন: টিফিন-পানির ব্যবস্থা করব নিজে থেকে। রাফি: গাইড দরকার হবে? সাদিয়া: না, গুগল ম্যাপেই চলে যাবে। নিশাত: ছবি তুলতে দেরি করো না কিন্তু! রাফি: আমি ক্যামেরা নিয়ে আসব। তুহিন: তাহলে শুক্রবার সকাল ৬টায় স্টেশনে দেখা? সবাই: ঠিক আছে! ঘুরতে চল এবার! " ছাত্র ও ক্যারিয়ার পরামর্শদাতার মধ্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা,"ছাত্র: স্যার, আমি ভবিষ্যতে কী করব বুঝতে পারছি না। পরামর্শদাতা: কোন বিষয়ে অনার্স করছো? ছাত্র: ইংরেজি সাহিত্যে। পরামর্শদাতা: পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কেমন? ছাত্র: সাহিত্য ভালো লাগে, কিন্তু চাকরির চিন্তাও করি। পরামর্শদাতা: শিক্ষকতা কি ভাবছো? ছাত্র: ভাবি, কিন্তু কম্পিটিশন অনেক বেশি। পরামর্শদাতা: অনুবাদ বা কনটেন্ট রাইটিং ট্রাই করেছো? ছাত্র: একটু-আধটু ব্লগ লিখি। পরামর্শদাতা: তাহলে সেটাকেই পেশা বানাতে পারো। ছাত্র: আয় কি হয় এসব থেকে? পরামর্শদাতা: ফ্রিল্যান্সিং বা রিমোট জব করে মাসে ৩০–৪০ হাজার সম্ভব। ছাত্র: কীভাবে শুরু করব? পরামর্শদাতা: ভালো প্রোফাইল তৈরি করো, কিছু কাজ ফ্রি করেও পোর্টফোলিও বানাও। ছাত্র: তাহলে অনার্সের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি? পরামর্শদাতা: একদম ঠিক পথ। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, মনে হচ্ছে একটা দিশা পেলাম। পরামর্শদাতা: আর যদি লেখালেখিতে আগ্রহ থাকে, বই লিখতেও পারো। ছাত্র: আমি চেষ্টা করব নিয়মিত লেখার। পরামর্শদাতা: সাহস রাখো, নিজের শক্তি খুঁজে বের করো।" মা ও ছেলের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহারের অতিরিক্ততা নিয়ে কথা,"মা: রাহুল, সারাদিন মোবাইল নিয়ে বসে থাকো কেন? ছেলে: না মা, শুধু ইউটিউব দেখছিলাম একটু। মা: একটু নয়, সকাল থেকে দুপুর পেরিয়ে গেছে। ছেলে: কী করব বলো, বাইরে যাওয়ার মত কিছু নেই। মা: বই পড়া, আঁকা, এমনকি একটু হেঁটে আসতেও পারো। ছেলে: আজকে একটু মাথা ধরেছিল, তাই বসে ছিলাম। মা: আমি বুঝি না নাকি, মোবাইলেই খেলছিলে। ছেলে: আচ্ছা মা, ঠিক আছে, এখন রাখছি। মা: তুমি তো আগে খুব গল্পের বই পড়তে, এখন সব ভুলে গেছো। ছেলে: এখনকার বইগুলো ভালো লাগে না আর। মা: তাহলে লাইব্রেরি থেকে নতুন বই নিয়ে আসো। ছেলে: লাইব্রেরি এখন খোলা তো? মা: হ্যাঁ, আমি গত সপ্তাহেই গিয়েছিলাম। ছেলে: ঠিক আছে, আগামীকাল যাই। মা: মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার তোমার ঘুমেও প্রভাব ফেলছে। ছেলে: হ্যাঁ মা, আমিও টের পাচ্ছি। মা: রাতে একঘণ্টা আগে মোবাইল বন্ধ করে দেবে। ছেলে: ঠিক আছে, তুমি আমার জন্য একটা নতুন বই দিও। মা: আমি “পথের পাঁচালী” আনব, পড়েছো? ছেলে: না মা, শুনেছি কিন্তু পড়া হয়নি। মা: তাহলে এটা দিয়েই শুরু করো। " বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: রাশেদ, তোমার গ্রুপ প্রজেক্টের আপডেট কোথায়? শিক্ষার্থী: স্যার, আমরা ডেটা কালেকশন শেষ করেছি। শিক্ষক: ভালো, এনালাইসিস শুরু করেছো? শিক্ষার্থী: স্যার, সেটা নিয়েই একটু দ্বিধায় আছি। শিক্ষক: কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করছো? শিক্ষার্থী: SPSS ভাবছিলাম, কিন্তু Excel দিয়েই শুরু করেছি। শিক্ষক: SPSS শেখা থাকলে ওটাই ভালো। শিক্ষার্থী: আমি চেষ্টা করছি YouTube দেখে শেখার। শিক্ষক: প্রয়োজনে ল্যাবে এসে হেল্প নাও। শিক্ষার্থী: স্যার, আমরা কি মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লাই করতে পারি? শিক্ষক: বিষয়টা যদি প্রাসঙ্গিক হয়, অবশ্যই। শিক্ষার্থী: তাহলে Random Forest বা Decision Tree চেষ্টা করব। শিক্ষক: তুমিই কি কোডিং করছো? শিক্ষার্থী: না স্যার, আমাদের দলে ফারহান ওটা দেখছে। শিক্ষক: গ্রুপ ওয়ার্কে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করো। শিক্ষার্থী: স্যার, রিপোর্টের ফরম্যাটটা দিতে পারবেন? শিক্ষক: হ্যাঁ, আমি আজ ক্লাসে আপলোড করব। শিক্ষার্থী: স্যার, Viva কবে হতে পারে? শিক্ষক: আগামী সপ্তাহে। প্রস্তুত থাকো। শিক্ষার্থী: ধন্যবাদ স্যার, আমরা সিরিয়াসলি নিচ্ছি। শিক্ষক: ভালো, সৎভাবে কাজ করো, ফলাফল আসবেই।" বন্ধুদের মধ্যে নতুন সিনেমা নিয়ে আলোচনা,"সুমন: দোস্ত, “জয়া” সিনেমাটা দেখেছিস? রিজভী: না ভাই, সবাই বলতেছে অনেক ভালো। সুমন: আমি গতকাল দেখলাম, অসাধারণ কাহিনি। রিজভী: অ্যাকশন নাকি ইমোশনধর্মী? সুমন: মিশ্র, কিন্তু অভিনয়টাই সবকিছু ছাপিয়ে গেছে। রিজভী: হিরো কে? সুমন: তানভীর রফিক। এবার একদম অন্যরকম লুকে। রিজভী: টিকিট পাওয়া যায়? সুমন: অনলাইনে আগে বুক করেই নিস। রিজভী: তোরা সবাই গিয়েছিলি? সুমন: আমি, রাজু, শাওন — আমরা তিনজন। রিজভী: আমাকে ডাকলি না কেন? সুমন: হঠাৎ প্ল্যান করছিলাম, তোর মনে ছিল না মনে হয়। রিজভী: ঠিক আছে, চল এই শুক্রবার একসাথে যাই। সুমন: ঠিক আছে, আমি ৩টা শো দেখি। রিজভী: সিনেমার গান কেমন? সুমন: দারুণ, একটা গান এখনই ট্রেন্ডিংয়ে। রিজভী: আমি ইউটিউবে শুনি এখনই। সুমন: শোন, আর এরপর তোকে ট্রিট দিতে হবে!" ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে নিয়মিত ওষুধ না খাওয়ার কারণে সমস্যা,"ডাক্তার: আপনি গতবারের রিপোর্টগুলো নিয়ে এসেছেন তো? রোগী: হ্যাঁ ডাক্তার সাহেব, এই নিন। ডাক্তার: প্রেসার একটু বেশি দেখা যাচ্ছে। রোগী: হ্যাঁ, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরে। ডাক্তার: আপনি কি নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন? রোগী: আসলে... মাঝে মাঝে বাদ পড়ে যায়। ডাক্তার: এটা তো ঠিক না। নিয়ম না মানলে প্রেসার কন্ট্রোল হবে না। রোগী: আমি চেষ্টা করি, কিন্তু ভুলে যাই। ডাক্তার: মোবাইলে রিমাইন্ডার সেট করে নিন। রোগী: ভালো পরামর্শ, করব এখন থেকেই। ডাক্তার: ডায়েটও ঠিক রাখছেন তো? রোগী: হ্যাঁ, লবণ কম খাচ্ছি। ডাক্তার: হাঁটা হচ্ছে প্রতিদিন? রোগী: সকালে ২০ মিনিট হাঁটি। ডাক্তার: খুব ভালো। পানিও পর্যাপ্ত খাবেন। রোগী: রাতে একটু ঘুম কম হয়। ডাক্তার: ওষুধে পরিবর্তন আনব, এতে ঘুম আসবে। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব, আমি এবার থেকে নিয়ম মেনে চলব। ডাক্তার: ভালো থাকবেন, ১ মাস পর আবার দেখা করুন।" চাকরিপ্রার্থীর ইন্টারভিউ প্রস্তুতি নিয়ে পরামর্শ চাচ্ছে বড় ভাইয়ের কাছে,"সোহান: ভাইয়া, আগামী সপ্তাহে একটা ইন্টারভিউ আছে। ভাই: বাহ, খুব ভালো খবর! কোন কোম্পানি? সোহান: ব্র্যাক ব্যাংক, জুনিয়র অফিসার পজিশন। ভাই: তুমি কি প্রস্তুতি নিচ্ছো? সোহান: নিচ্ছি, কিন্তু নার্ভাস লাগছে। ভাই: প্রথমেই আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। সোহান: ভাইয়া, কী ধরণের প্রশ্ন করতে পারে? ভাই: তোমার CV ভালোভাবে জানো তো? সোহান: হ্যাঁ, সব ফরম্যাট রেডি আছে। ভাই: ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে কিছু রিসার্চ করো। সোহান: হ্যাঁ, ওদের ওয়েবসাইট দেখেছি। ভাই: সময় নিয়ে ইংরেজি প্রশ্নোত্তর প্র্যাকটিস করো। সোহান: ভাইয়া, গ্রুপ ডিসকাশনও নাকি হয়? ভাই: হয় অনেক সময়, সেখানে যুক্তিপূর্ণ কথা বলতে হয়। সোহান: জামাকাপড় কেমন পরা উচিত? ভাই: ফরমাল শার্ট, কালো প্যান্ট, ক্লিন শু। সোহান: ধন্যবাদ ভাইয়া, এখন অনেক আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। ভাই: তুমি পারবে ভাই, শুধু নিজেকে শান্ত রাখো। সোহান: ভাইয়া, তুমি যদি সময় পাও, একদিন আমাকে রিহার্সাল নাও। ভাই: নিশ্চয়ই, আগামী শুক্রবার প্র্যাকটিস করব আমরা।" বাবা ও মেয়ের মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা,"বাবা: অনু, তুমি কী ভাবছো মাস্টার্স করবে নাকি চাকরি শুরু করবে? মেয়ে: বাবা, আমি আসলে মাস্টার্স করতে চাই। বাবা: দেশেই করবে, না বিদেশে যেতে চাও? মেয়ে: বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা আছে, কিন্তু স্কলারশিপ ছাড়া কঠিন। বাবা: স্কলারশিপের জন্য পরীক্ষা দিয়েছো কিছু? মেয়ে: হ্যাঁ, GRE ও IELTS এর প্রস্তুতি নিচ্ছি। বাবা: ভালো কথা, কোচিং নিচ্ছো কোথাও? মেয়ে: না, ইউটিউব আর অনলাইন ম্যাটেরিয়ালেই চালাচ্ছি। বাবা: যতটুকু দরকার হয়, বলো আমাকে, আমি সাহায্য করব। মেয়ে: তোমার সাপোর্ট পেলে আমি অনেক কনফিডেন্ট ফিল করি। বাবা: আমার মেয়েকে আমি সেরা জায়গায় দেখতে চাই। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা। তুমি কি কোনো দেশে পাঠাতে চাও? বাবা: কানাডা বা নেদারল্যান্ডস — সেফ আর কোয়ালিটি এডুকেশন। মেয়ে: আমি ওসব দেশেই অ্যাপ্লাই করার কথা ভাবছি। বাবা: খরচাপাতির হিসেব করে রেখেছো? মেয়ে: মোটামুটি। স্কলারশিপ পেলে manageable হবে। বাবা: তুমি এখনো সময় পাও, SOP এর উপর মনোযোগ দাও। মেয়ে: হ্যাঁ, আমি খসড়া রেডি করেছি, তুমি পড়ে দেখতে পারো? বাবা: অবশ্যই, আজ রাতেই পড়ে মন্তব্য দেব। মেয়ে: বাবা, আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। বাবা: তুই আমার মেয়ে, এগিয়ে যাও — পাশে সবসময় আছি।" রেস্টুরেন্টে গ্রাহক ও ওয়েটারের মধ্যে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ,"গ্রাহক: ভাই, একটু আসবেন? ওয়েটার: জী স্যার, বলুন। গ্রাহক: আমার অর্ডার করা চিকেন ফ্রাইটা ঠান্ডা। ওয়েটার: সরি স্যার, আমি চেক করে নিয়ে আসি। গ্রাহক: এটা কি মাইক্রোওয়েভ করা? টেস্টটা কেমন যেন। ওয়েটার: আমি কিচেনে বলে দিচ্ছি, চাইলে নতুনটা দিতে পারি। গ্রাহক: হ্যাঁ, দয়া করে একটা ফ্রেশ অর্ডার দিন। ওয়েটার: ঠিক আছে স্যার, পাঁচ মিনিট সময় লাগবে। গ্রাহক: আমার সাথে ছোট বাচ্চা আছে, একটু তাড়াতাড়ি দিলে ভালো হয়। ওয়েটার: বুঝতে পারছি স্যার, আমি দ্রুত পাঠিয়ে দিচ্ছি। গ্রাহক: আর, কোল্ড ড্রিংকস তো দিয়েছিলেন না। ওয়েটার: ওহ, ভুল হয়ে গেছে, এখনই এনে দিচ্ছি। গ্রাহক: ঠিক আছে, কিন্তু সার্ভিসে মনোযোগ দিন। ওয়েটার: ক্ষমা চাচ্ছি স্যার, পরবর্তীতে এমন হবে না। গ্রাহক: ধন্যবাদ, খাবার ভালো হলে রিভিউ ভালোই দেব। ওয়েটার: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা করছি সন্তুষ্ট রাখতে। " মা ও মেয়ের মধ্যে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা,"মা: নিশা, তোমার জন্য একটা প্রস্তাব এসেছে। মেয়ে: আবার মা? আমি এখনই কিছু ভাবছি না তো। মা: আমি জোর করছি না, শুধু জানাতে বললাম। মেয়ে: ছেলেটা কী করে? মা: আইটি কোম্পানিতে চাকরি করে, ধানমণ্ডিতে থাকে। মেয়ে: সে কি দেশের ভেতরেই থাকবে? মা: এখন আছে, তবে কোম্পানি বিদেশেও প্রজেক্ট পাঠায়। মেয়ে: মা, তুমি কি ব্যক্তিগতভাবে ওকে পছন্দ করো? মা: ছেলে ভদ্র, শিক্ষিত — আরেকটু কথা বলে দেখতে পারো। মেয়ে: আমি যদি না রাজি হই? মা: সেটা তোর সিদ্ধান্ত, আমি চাপ দিব না। মেয়ে: তাহলে ওর সাথে একবার কথা বললেও চলবে? মা: হ্যাঁ, চাইলেই ভিডিও কলে পরিচয় করিয়ে দেব। মেয়ে: এখনো সিদ্ধান্ত না নিলেও কথা বলা যায়। মা: আমি তো সেটাই বলছি, তোর ইচ্ছেটাই মুখ্য। মেয়ে: আচ্ছা মা, আগামী সপ্তাহে একদিন সময় দাও, দেখি। মা: ঠিক আছে মা, ধীরে ধীরে সব ঠিক হবে।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে রাস্তা পারাপারের নিয়ম নিয়ে কথা,"পুলিশ: ভাই, আপনি রাস্তার মাঝে দিয়ে পার হচ্ছেন কেন? পথচারী: ও পাশেই তো যেতে ছিলাম ভাই, ফুটওভার ব্রিজটা অনেক দূর। পুলিশ: কিন্তু নিয়ম ভাঙছেন আপনি। এটা ঝুঁকিপূর্ণ। পথচারী: সময় বাঁচাতেই shortcut নিচ্ছিলাম। পুলিশ: shortcut নিতে গিয়ে দুর্ঘটনা হলে কার দোষ বলবেন? পথচারী: বুঝলাম ভাই, ভুল হয়েছে। পুলিশ: এবার সতর্ক করে দিচ্ছি, কিন্তু ভবিষ্যতে যেন না হয়। পথচারী: আপনি ঠিকই বলেছেন, আমি নজর রাখব। পুলিশ: আরেকটা বিষয়, অনেক শিশু-কিশোর আপনাকে দেখে শেখে। পথচারী: হ্যাঁ ভাই, আমি নিজেই আমার ছেলেকে নিয়ম শেখাই। পুলিশ: তাহলে নিজেও মানতে হবে না? পথচারী: একদম ঠিক, ধন্যবাদ সচেতন করার জন্য। পুলিশ: নাগরিক হিসেবে আমাদের সবার দায়িত্ব। পথচারী: আগামীবার ফুটওভার ব্রিজই ব্যবহার করব। পুলিশ: ভালো থাকেন ভাই, নিরাপদে চলাফেরা করুন।" দুই সহকর্মীর মধ্যে অফিস পলিটিক্স ও টিমওয়ার্ক নিয়ে আলোচনা,"সুমাইয়া: শামীম ভাই, আপনার সঙ্গে একটু কথা বলতে পারি? শামীম: হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। কী হয়েছে? সুমাইয়া: টিমে কিছু বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। শামীম: কেমন সমস্যা? বলো খোলাখুলি। সুমাইয়া: মেহেদী ভাই আমার আইডিয়াগুলো পাশ কাটিয়ে নিজের নামে দিচ্ছেন। শামীম: তুমি ম্যানেজারকে জানাওনি? সুমাইয়া: ভেবেছিলাম অভ্যন্তরীণভাবে ম্যানেজ করব। শামীম: এটা কিন্তু ধারাবাহিক হলে সমস্যার। সুমাইয়া: আমার মনোবলও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শামীম: তুমি সৎভাবে কাজ করো, আমি তোমার পাশে থাকব। সুমাইয়া: আপনার কথা শুনে সাহস পাচ্ছি। শামীম: টিমওয়ার্ক মানে একে অপরকে সাপোর্ট করা। সুমাইয়া: আপনিও কি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন? শামীম: হ্যাঁ, কিন্তু আমি সরাসরি কথাবার্তা বলে সমাধান করেছিলাম। সুমাইয়া: তাহলে কি আমি সরাসরি মেহেদী ভাইকে বলি? শামীম: আগে একবার শান্তভাবে কথা বলো, তারপর দেখো। সুমাইয়া: আচ্ছা ভাই, আমি চেষ্টা করব। শামীম: মনে রেখো, যোগ্যতাই সব সময় স্বীকৃতি পায়।" ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা নিয়ে আলোচনা,"রোগী: ডক্টর সাহেব, আমি নিয়মিত চেকআপ করাই কেন জরুরি? ডাক্তার: ভাই, সুস্থ থাকার জন্য প্রিভেনশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রোগী: বুঝলাম, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে সময় পাই না। ডাক্তার: সময় বের করাই সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট। রোগী: কি ধরনের পরীক্ষা করানো উচিত? ডাক্তার: বয়সের ওপর নির্ভর করে, রক্তচাপ, ব্লাড সুগার, কোলেস্টেরল পরীক্ষা জরুরি। রোগী: এসব পরীক্ষা কত সময় অন্তর করাব? ডাক্তার: কমপক্ষে বছরে একবার। রিস্ক ফ্যাক্টর থাকলে আরও ঘন ঘন। রোগী: আমি তো ধূমপান করি, তাহলে? ডাক্তার: আপনার জন্য তো ডায়াবেটিস, হার্টের ঝুঁকি বেশি। তাই সাবধান। রোগী: ওষুধের পাশাপাশি জীবনযাত্রা পরিবর্তন দরকার? ডাক্তার: একদম ঠিক। ব্যায়াম, সঠিক খাদ্য আর স্ট্রেস কমাতে হবে। রোগী: আমি চেষ্টা করব, আপনি একটু ডায়েট প্ল্যান দেন। ডাক্তার: অবশ্যই, আমি পরে পাঠিয়ে দেব। রোগী: আপনার পরামর্শ খুব কাজে লাগবে। ডাক্তার: সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত চেকআপ এবং সচেতনতা দরকার। রোগী: আজ থেকে আমি সচেতন হব। ধন্যবাদ, ডক্টর সাহেব।" দুই বন্ধুর মধ্যে টেকনোলজি ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে মতবিনিময়,"রাহুল: আরিফ, আজকাল তুমি অনেক সময় ফোনে কাটাও, সোশ্যাল মিডিয়ায়? আরিফ: হ্যাঁ, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ আর নেটফ্লিক্স দেখার জন্য। রাহুল: কিন্তু অতিরিক্ত সময় নষ্ট হয়, কাজ কম হয়। আরিফ: হ্যা, কিন্তু একটু স্ট্রেস রিলিফের জন্য দরকার। রাহুল: আমি চেষ্টা করি সময় ভাগ করে নিতে, বেশি ফোন ব্যবহার না করতে। আরিফ: এটা ভালো অভ্যাস। রাহুল: তুমি কি জানো, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ফেক নিউজও ছড়ায়? আরিফ: তাই তো, আমি সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। রাহুল: ভালো তথ্য পেতে অফিসিয়াল সোর্স দেখতে হয়। আরিফ: তুমি কোন প্ল্যাটফর্ম বেশি ব্যবহার করো? রাহুল: ফেসবুক আর লিংকডইন বেশি, কাজের জন্য। আরিফ: আমি ইনস্টাগ্রাম বেশি, ছবি ও মজার ভিডিও দেখার জন্য। রাহুল: সময় নিয়ন্ত্রণ করলেই ভালো। আরিফ: ঠিক বলেছো, আমি আজ থেকে একটু কমাব। রাহুল: চলো, আগামী সপ্তাহে একটা ডিজিটাল ডিটক্স করি। আরিফ: চমৎকার আইডিয়া, আমার সঙ্গে থেকো।" স্কুল শিক্ষকের সঙ্গে অভিভাবকের কনফারেন্স — ছাত্রের আচরণ নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: স্বাগতম, আম্মু ভাই, আজকের কনফারেন্সে। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, কী ব্যাপারে কথা বলবেন? শিক্ষক: আপনার ছেলে রিয়াজের আচরণ নিয়ে কিছু আলোচনা দরকার। অভিভাবক: কী সমস্যা? আমি বুঝতে চাই। শিক্ষক: ক্লাসে অনেক সময় মনোযোগ কম দেয়, গেমের কথায় বেশি মনোযোগী। অভিভাবক: ওকে আমি সতর্ক করব। শিক্ষক: কিছু সময় হুমকি দেয়, যা অন্যদের জন্য খারাপ উদাহরণ। অভিভাবক: আমি ওর সাথে আলোচনা করব, বুঝিয়ে বলব। শিক্ষক: ওর মেধা ভালো, একটু মনোযোগ দিলে ভালো ফলাফল করবে। অভিভাবক: স্যার, বাড়িতে আমি সময় দিয়ে পড়াশোনা করানোর চেষ্টা করি। শিক্ষক: এটা চালিয়ে যান, কিন্তু স্কুলেও মনোযোগ দিতে হবে। অভিভাবক: আপনার কোনো পরামর্শ? শিক্ষক: নিয়মিত হোমওয়ার্ক চেক করুন, ওকে উৎসাহ দিন। অভিভাবক: আমি করব, স্যার। ধন্যবাদ আপনার যত্নের জন্য। শিক্ষক: আমরা মিলেই ওর উন্নতি নিশ্চিত করব।" দোকানদার ও ক্রেতার মধ্যে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের গুণগত মান নিয়ে আলোচনা,"ক্রেতা: ভাই, এই মোবাইল ফোনের গ্যারান্টি কতদিনের? দোকানদার: স্যার, এক বছর। আর ওয়ারেন্টি সার্ভিস আমাদের শোরুমে পাবেন। ক্রেতা: আমি শুনেছি কিছু ব্র্যান্ডের ফোন গ্যারান্টি সত্ত্বেও সমস্যা হয়। দোকানদার: সেটা সবার ক্ষেত্রে হয় না, কিন্তু যত্ন নিতে হয়। ক্রেতা: ফোনের ক্যামেরার মান কেমন? দোকানদার: এই মডেলটির ক্যামেরা বেশ ভালো, রাতের ফটোও পরিষ্কার হয়। ক্রেতা: ব্যাটারি কতদিন চলে? দোকানদার: এক চার্জে গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ। ক্রেতা: ফোনের স্পীড কেমন? গেম খেলতে পারবে? দোকানদার: হ্যাঁ, র‍্যাম ৮ গিগাবাইট, হাইএন্ড গেমসও ভালো চলে। ক্রেতা: দামটা একটু কমানো যায়? দোকানদার: আজকাল অফার চলছে, ডিসকাউন্ট দেবো। ক্রেতা: তো একদম ঠিকঠাক লাগলে কিনবো। দোকানদার: নিশ্চয়, আপনার সাড়ায় অপেক্ষা করছি। ক্রেতা: ধন্যবাদ, একটু সময় দিয়ে ভাবছি। দোকানদার: ভালো সিদ্ধান্ত, যখন চান আসবেন।" দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পার্শ্ববর্তী পরিবেশ সমস্যা নিয়ে কথা,"আনোয়ার: মোশাররফ ভাই, গতকাল রাতের আওয়াজ দেখে ঘুম হল না। মোশাররফ: হ্যা, আমারো সমস্যা, পাশের বাসা থেকে প্রচণ্ড গান বাজছিল। আনোয়ার: কখনো পুলিশকে জানাবেন? মোশাররফ: ভেবেছি, আগে কথা বলে দেখব। আনোয়ার: ভালো হয়, সমঝোতা করলে ঝামেলা কমে। মোশাররফ: গতবার বললাম, অল্প সময়ের জন্য বাজাবেন বলে। আনোয়ার: কিন্তু সময়মতো তারা মানেনি? মোশাররফ: তাই তো সমস্যা বাড়ছে। আনোয়ার: আমাদের অবশ্যই পরিবেশের কথা ভাবতে হবে। মোশাররফ: ঠিক বলেছো, ছোট ছোট শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা জরুরি। আনোয়ার: পরেরবার সবাই মিলে মিটিং করি। মোশাররফ: দারুণ আইডিয়া, সবাইকে বোঝানো সহজ হবে। আনোয়ার: ধন্যবাদ ভাই, শান্তি বজায় রাখতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। মোশাররফ: একদম সঠিক, চল এই বিষয়টায় মনোযোগ দিই। " অফিস কলিগদের মধ্যে টিমওয়ার্ক ও কাজের চাপ নিয়ে আলোচনা,"সোহেল: আজকের কাজের চাপ বেশ বেশি, তাই না? মাহমুদ: হ্যাঁ, প্রকল্পের ডেডলাইন খুব কাছাকাছি। সোহেল: টিমের সবাই কি ঠিকঠাক কাজ করছে? মাহমুদ: কিছু কর্মী সময়মতো কাজ করছে না বলে সমস্যা হচ্ছে। সোহেল: ওদের সাথে কথা বলা দরকার, টিমওয়ার্ক ভালো করতে হবে। মাহমুদ: আমি আজকে মিটিং ঠিক করেছি, সবাইকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেব। সোহেল: চাপ কমাতে পারলে কাজের গুণগত মানও বাড়বে। মাহমুদ: একদম ঠিক, সবাই মিলে কাজ করলে সাফল্য নিশ্চিত। সোহেল: তোমার জন্য কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হলে জানিও। মাহমুদ: ধন্যবাদ, সোহেল, তোমার সহায়তা খুব প্রয়োজন। সোহেল: একসাথে কাজ করলে সমস্যা সহজে সমাধান হয়। মাহমুদ: আজকের মিটিংয়ে সবাইকে উৎসাহিত করব। সোহেল: ভালো হবে, কাজের পরিবেশও উন্নত হবে। মাহমুদ: কাজের চাপ কমাতে বিরতি নেওয়াও জরুরি। সোহেল: হ্যাঁ, শরীর আর মন ভালো রাখতে সেটাও দরকার। মাহমুদ: চল, আজকের কাজ শেষ করে একটু বিশ্রাম নেই। " একজন বাবা ও কন্যার মধ্যে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা,"বাবা: কন্যা, তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? কন্যা: বাবা, আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাই। বাবা: খুব ভালো, কোন শাখা তুমি পছন্দ করো? কন্যা: কম্পিউটার সায়েন্সে আমার আগ্রহ বেশি। বাবা: তোমার মায়ের সাথে আলোচনা করে আমরা ব্যবস্থা নেব। কন্যা: ধন্যবাদ বাবা, আপনার সমর্থন পেলে সাহস পাই। বাবা: অবশ্যই, আমরা সবসময় তোমার পাশে আছি। কন্যা: আমি চাই দেশের উন্নয়নে কিছু করব। বাবা: সেই মনোভাব খুবই প্রশংসনীয়। কন্যা: পড়াশোনায় ভালো ফলাফল করার চেষ্টা করব। বাবা: পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য দক্ষতাও অর্জন করো। কন্যা: আমি কোডিং, ইংরেজি ও সফট স্কিল শেখার চেষ্টা করব। বাবা: সত্যিই, এসব তোমার ক্যারিয়ারে বড় সাহায্য করবে। কন্যা: বাবা, আমি আপনার কাছে ভালো পরামর্শ চাই। বাবা: সময় মতো তোমাকে গাইড করব, চিন্তা করো না। কন্যা: আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ চাই। বাবা: তোমার সফলতা আমাদের আনন্দ।" দুই বন্ধুর মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আলোচনা,"মাহিদ: বন্ধু, তুমি কি এখন আর বেশি ফাস্ট ফুড খাও না? সুমন: হ্যাঁ, এখন চেস্টা করি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে। মাহিদ: সেটাই ভালো, সুস্থ থাকার জন্য দরকার। সুমন: আমি এখন বেশি শাক-সবজি আর ফল খাই। মাহিদ: এবং পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়াও। সুমন: সে ব্যাপারেও সচেতন হয়েছি। মাহিদ: জাংক ফুড কম খাও, সেটা শরীরের জন্য খারাপ। সুমন: তোমার কথা একদম সত্যি। মাহিদ: সকালের নাস্তা ঠিকমতো করো। সুমন: হ্যাঁ, সেটাই আমি চেষ্টা করছি। মাহিদ: খাবারে বেশি লবণ আর তেল এড়িয়ে চলো। সুমন: সেক্ষেত্রে আমার ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মাহিদ: বন্ধু, নিয়মিত ব্যায়াম করো, সেটা খুব জরুরি। সুমন: ব্যায়াম আর খাদ্য, দুটোই সুস্থ থাকার মূল। মাহিদ: একসঙ্গে করলে জীবনযাত্রা ভালো হবে। সুমন: ধন্যবাদ বন্ধু, তোমার পরামর্শ খুব কাজে লাগল। " গৃহিণী ও দোকানদারের মধ্যে বাজার করার সময় দাম নিয়ে কথা,"গৃহিণী: ভাই, এই টমেটোর দাম কত? দোকানদার: আজ টমেটোর দাম ৪০ টাকা কেজি। গৃহিণী: একটু কমানো যায়? দোকানদার: সেজন্য একটু দাম বাড়ছে, কিন্তু আপনি বেশি নিলে কমাই। গৃহিণী: আমি ২ কেজি নেবো, কম করে দেন তো? দোকানদার: ৭৫ টাকা করে দুই কেজি দিবো। গৃহিণী: ঠিক আছে, এই দাম নেয়া যাক। দোকানদার: আর কি লাগবে? গৃহিণী: আলু ও পেঁয়াজ কত? দোকানদার: আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজি। গৃহিণী: ১ কেজি আলু আর ১ কেজি পেঁয়াজ দিলেন। দোকানদার: দিচ্ছি, অন্যদিন এসে নেবেন বেশি। গৃহিণী: অবশ্যই, ভালো দাম দিলে আবার আসব। দোকানদার: ধন্যবাদ আপু, ভালো থাকবেন। গৃহিণী: আপনাকেও ভালো থাকুন।" কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রকল্প নিয়ে মতবিনিময়,"রিমা: তোমাদের প্রকল্পের জন্য কোন টপিক পছন্দ করেছো? সোহান: আমি পরিবেশ দূষণ নিয়ে কাজ করতে চাই। রিমা: ভালো, আমি চাই পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর ওপর। সোহান: তাহলে আমাদের প্রকল্পে পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতার উপায় থাকবে। রিমা: হ্যাঁ, আমরা গবেষণা করে তথ্য সংগ্রহ করব। সোহান: আমি কিছু ভিডিও ও প্রেজেন্টেশন তৈরি করব। রিমা: আমি আর্টিকেল লিখব আর প্রশ্নমালা বানাব। সোহান: এই কাজ ভাগাভাগি করলে ভালো হবে। রিমা: ঠিক বলেছো, সময়মতো মিটিং করতে হবে। সোহান: আমি কাল থেকে শুরু করব ডেটা সংগ্রহ। রিমা: আমি গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদেরও জানাব। সোহান: আমাদের প্রকল্প ভালো হলে অনেক নম্বর পাবো। রিমা: একদম, এবং সমাজেও একটা বার্তা যাবে। সোহান: চল, আমরা একসাথে কাজ শুরু করি। রিমা: হ্যাঁ, সফল হবো ইনশাল্লাহ।" মা ও মেয়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা,"মা: তুমি কি প্রতিদিন অনেকক্ষণ ফোনে থাকো? মেয়ে: মা, এটা আমার বন্ধুদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। মা: ঠিক আছে, কিন্তু বেশি সময় ফোনে থাকলে চোখে সমস্যা হতে পারে। মেয়ে: হ্যাঁ, মা, আমি সচেতন হয়েছি, একটু করে সময় কমানোর চেষ্টা করছি। মা: ফোন ছাড়া অন্য কাজে তোমার সময় কেমন যাচ্ছে? মেয়ে: পড়াশোনা আর খেলার জন্যও সময় দিই। মা: খুব ভালো, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগে সাবধান হও। মেয়ে: হ্যাঁ মা, আমি প্রাইভেসি সেটিংস ঠিক রাখি। মা: অপরিচিত কারো সাথে খুব বেশি কথা বলবে না। মেয়ে: বুঝেছি, মা, সতর্ক থাকব। মা: পরিবারের সবার সঙ্গে বেশি সময় কাটাও। মেয়ে: হ্যাঁ মা, সেটা আমার ও ভালো লাগে। মা: তোমার বন্ধুরাও ভালো? মেয়ে: বেশিরভাগই, কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু ঝগড়াও হয়। মা: সম্পর্ক ভালো রাখতে চেষ্টা করো। মেয়ে: আমি চেষ্টা করি, মা। মা: সামাজিক মাধ্যম ভালো কাজে ব্যবহার করো। মেয়ে: অবশ্যই মা, ভালো কিছু শিখার জন্যও ব্যবহার করি। মা: আল্লাহ তোমাকে ভালো রাখুক, বউড়া। " দুই শিক্ষক শিক্ষার্থী পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজকের ক্লাসে তোমার পারফরম্যান্স কেমন ছিল? ছাত্র: স্যার, চেষ্টা করেছিলাম, তবে কিছু সমস্যা হলো। শিক্ষক: কোন বিষয়গুলোতে সমস্যা হয়েছে? ছাত্র: গণিতে কিছু জটিলতা ছিল। শিক্ষক: তোমার কি অতিরিক্ত সাহায্যের প্রয়োজন? ছাত্র: হ্যাঁ, আমি রিভিশন ক্লাস নিতে চাই। শিক্ষক: অবশ্যই, আমি সপ্তাহে দু’দিন অতিরিক্ত ক্লাস নেব। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, এতে অনেক সাহায্য হবে। শিক্ষক: নিয়মিত পড়াশোনা করো, অসুবিধা দূর হবে। ছাত্র: আমি প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা পড়ার চেষ্টা করব। শিক্ষক: ভালো, তুমি কি গোষ্ঠী শিক্ষায় অংশ নাও? ছাত্র: হ্যাঁ, কিছু বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডি করি। শিক্ষক: সেটা খুব ভালো, সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করো। ছাত্র: স্যার, আপনি কি কোন অতিরিক্ত রিসোর্স দেবেন? শিক্ষক: আমি কিছু নোট ও ভিডিও লিঙ্ক শেয়ার করব। ছাত্র: দারুণ, স্যার, আমি প্রস্তুতি নেব। শিক্ষক: তোমার সফলতা আমাদের গর্বের বিষয়। ছাত্র: আমি চেষ্টা করব স্যার।" দোকানদার ও ক্রেতার মধ্যে নতুন মোবাইল ফোন কেনা নিয়ে আলোচনা,"ক্রেতা: ভাই, এই মোবাইল ফোনটির দাম কত? দোকানদার: সেটির দাম ১৫ হাজার টাকা। ক্রেতা: ক্যামেরার মান কেমন? দোকানদার: ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা আছে, ভালো ছবি তোলে। ক্রেতা: ব্যাটারি কতক্ষণ চলে? দোকানদার: ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, পুরো দিন চলবে। ক্রেতা: ফোনের মেমরি কত? দোকানদার: ৬৪ গিগাবাইট স্টোরেজ আর ৪ গিগাবাইট র‌্যাম। ক্রেতা: রঙের অপশন কি কি? দোকানদার: কালো, সাদা, আর নীল রঙে পাওয়া যায়। ক্রেতা: ওয়্যারেন্টি কতদিনের? দোকানদার: এক বছর অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি। ক্রেতা: আমি কালো রঙের চাই, দাম কমানো সম্ভব? দোকানদার: দাম তো ফিক্সড, তবে ফ্রি কেস আর স্ক্রিন গার্ড দিব। ক্রেতা: ঠিক আছে, তাই নেবো। দোকানদার: ভালো সিদ্ধান্ত, এখানে বিল ও গিফট প্যাকেজ। ক্রেতা: ধন্যবাদ ভাই, ভাল সার্ভিসের জন্য। দোকানদার: আপনাকে ধন্যবাদ, ফিরে আসবেন আবার।" বাবা ও ছেলের মধ্যে পড়াশোনা ও সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: ছেলে, তুমি কি পড়াশোনায় মনোযোগ দিচ্ছো? ছেলে: বাবা, চেষ্টা করি তবে মাঝে মাঝে সময় কম হয়। বাবা: সময় ঠিকমতো ভাগ করে নিতে হবে। ছেলে: আমি এখন স্কুলের পরে একটু ফ্রি সময় পাই। বাবা: ফ্রি সময়টাও পড়াশোনায় ব্যয় করো। ছেলে: আমি চেষ্টা করব, বাবা। বাবা: স্মার্ট ফোন আর গেমিংয়ে বেশি সময় নিও না। ছেলে: হ্যাঁ বাবা, আমি বুঝেছি। বাবা: তোমার কি কোন নির্দিষ্ট বিষয় কঠিন লাগে? ছেলে: গণিত একটু কঠিন মনে হয়। বাবা: ভালো, তাহলে বাড়িতে তোমাকে সাহায্য করব। ছেলে: ধন্যবাদ বাবা, আপনি থাকলে সাহস পাই। বাবা: নিয়মিত পড়াশোনা করলে সব ঠিক হয়ে যাবে। ছেলে: আমি সময়মতো পড়ার চেষ্টা করব। বাবা: তোমার ভবিষ্যৎ তোমার হাতে, ভালোভাবে কাজ করো। ছেলে: বুঝেছি বাবা, আমি লেগে থাকব। বাবা: আল্লাহ তোমাকে সফল করুক।" দুই শিক্ষার্থী ক্লাস প্রোজেক্টের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"আলিম: তোমাদের প্রোজেক্টের অগ্রগতি কেমন? নীল: বেশ ভালো চলছে, আমরা ডেটা সংগ্রহ করছি। আলিম: তোমরা কোন অংশের দায়িত্ব নিয়েছো? নীল: আমি রিপোর্ট লেখার দায়িত্ব নিয়েছি। আলিম: আর আমি প্রেজেন্টেশনের দায়িত্ব নিয়েছি। নীল: সুতরাং, সময়মতো কাজ শেষ করতে হবে। আলিম: অবশ্যই, এই সপ্তাহেই প্র্যাকটিস শুরু করব। নীল: তোমার কি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে? আলিম: না, শুধু সময়মতো সমন্বয় করা একটু চ্যালেঞ্জিং। নীল: আমরা নিয়মিত মিটিং করে নিলেই সমস্যা হবে না। আলিম: ঠিক বলেছো, আমি আগামীকাল তোমার সাথে দেখা করব। নীল: ভালো, আমি তোমার জন্য কিছু রিসোর্স দিয়ে রাখব। আলিম: খুব ভালো, একসাথে কাজ করলে ভালো ফলাফল আসবে। নীল: ইনশাল্লাহ, সফল হবো আমরা। আলিম: আল্লাহ আমাদের সাহায্য করুক। " বাবা-মা ও সন্তানদের স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: শুনেছো, আগামী মাসে স্কুলে বার্ষিক অনুষ্ঠান হবে। মা: হ্যাঁ, আমাকে শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। ছেলে: আমি অনুষ্ঠানে পারফরম্যান্স করব, বাবা। বাবা: বাহ, কী ধরনের পারফরম্যান্স? ছেলে: আমি নাটকে অভিনয় করব। মা: তুমি প্রস্তুতি শুরু করেছো? ছেলে: হ্যাঁ, ক্লাসের পরে রিহার্সাল করি। বাবা: তোমাদের জন্য পোশাকের ব্যবস্থা হবে? মা: আমি পোশাকের দোকানে আজই যাবো। ছেলে: অনুষ্ঠান দেখতে বাবা-মাও আসবে? বাবা: নিশ্চয়ই, আমরা সবাই যাবো। মা: তুমি অনেক ভালো কাজ করবে, আমি বিশ্বাস করি। ছেলে: ধন্যবাদ মা, আমি পরিশ্রম করছি। বাবা: পরিশ্রম করো, ভালো ফলাফল আসবে। মা: অনুষ্ঠান শেষে আমরা একসাথে বাইরে যাবো। ছেলে: দারুণ, আমি খুব উত্তেজিত! বাবা: তোমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে জানিও। ছেলে: হ্যাঁ বাবা, আমি তোমাদের সাহায্য চাইবো। মা: ভালো, সবাই মিলে সুন্দর অনুষ্ঠান করবো। " চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ,"ডাক্তার: আপনি কী ধরনের সমস্যা নিয়ে এসেছেন? রোগী: গত সপ্তাহ থেকে মাথাব্যথা ও জ্বর আছে। ডাক্তার: আপনার অন্যান্য কোনো সমস্যা আছে কি? রোগী: না, শুধু মাঝে মাঝে গলাব্যথাও হয়। ডাক্তার: আমরা কিছু পরীক্ষা করব, তারপর ওষুধ দেব। রোগী: কতদিন ওষুধ খেতে হবে? ডাক্তার: সাত দিন নিয়মিত খেতে হবে। রোগী: ডায়েট নিয়ে কি কিছু বিশেষ নির্দেশনা? ডাক্তার: বেশি তেল-মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। রোগী: পর্যাপ্ত বিশ্রাম কতটা জরুরি? ডাক্তার: খুব জরুরি, প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুম নিন। রোগী: ব্যায়াম করা যাবে? ডাক্তার: না, এই সময়ে বিশ্রাম করাই ভালো। রোগী: আমি যদি খারাপ অনুভব করি, কী করব? ডাক্তার: অবিলম্বে আবার আসবেন। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তর, আমি আপনার কথা মনে রাখব। ডাক্তার: সুস্থ থাকুন, আমি সাহায্য করব। " দুই বন্ধুর মধ্যে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা,"রিফাত: তুমি কি ভাবছো চাকরি নেবে নাকি পড়াশোনা করবে? সুমন: আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই, মাস্টার্স করব। রিফাত: কোন বিষয়ে? সুমন: কম্পিউটার সায়েন্সে। রিফাত: ভালো আইডিয়া, তাতে ভবিষ্যত নিশ্চিত। সুমন: তুমি কী করছো? রিফাত: আমি এখন একটা কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ করছি। সুমন: সেটাও দারুণ, অভিজ্ঞতা হবে। রিফাত: হ্যাঁ, কাজে পারদর্শী হতে পারব। সুমন: তোমার পরিকল্পনা কী? রিফাত: শেষ হলে ফুল-টাইম চাকরি নেব। সুমন: তোমার ইন্টার্নশিপ কেমন চলছে? রিফাত: ভালো, অনেক কিছু শিখছি। সুমন: তোমাদের টিম কেমন? রিফাত: ভালো, সবাই সহযোগী। সুমন: ক্যারিয়ার নিয়ে আমরা দুইজনই এগিয়ে যাচ্ছি। রিফাত: ইনশাল্লাহ, সফল হবো আমরা। " মা ও মায়ের সঙ্গে আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে আলোচনা,"মা: বিয়ের তারিখ ঠিক করেছো? আত্মীয়: হ্যাঁ, আগামী মাসের ২০ তারিখ। মা: অতিথিদের তালিকা তৈরী করেছো? আত্মীয়: প্রাথমিক তালিকা হয়েছে, কিছু বাড়াব। মা: ভেন্যু সম্পর্কে কী ভাবছো? আত্মীয়: পার্কে আয়োজন করার পরিকল্পনা করছি। মা: ডেকোরেশন কেমন হবে? আত্মীয়: ফুল ও লাইটিং দিয়ে সাজাবো। মা: খাবারের ব্যবস্থা? আত্মীয়: ক্যাটারিং সার্ভিস বুকে করেছি। মা: অতিথিদের সুবিধা কীভাবে নিশ্চিত করবে? আত্মীয়: পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মা: অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়সূচী? আত্মীয়: গান, নাচ, ভোজ—সব ঠিক আছে। মা: পরিবারের সবাই সহায়তা করবে? আত্মীয়: হ্যাঁ, সবাই আন্তরিক। মা: ভালো, তুমি দারুণ পরিকল্পনা করেছো। আত্মীয়: ধন্যবাদ, মা, আপনার আশীর্বাদ দরকার।" দোকানদার ও গ্রাহকের মধ্যে ঔষধ কেনার সময় কথা,"গ্রাহক: ভাই, মাথাব্যথার জন্য কী ওষুধ আছে? দোকানদার: প্যারাসিটামল ট্যাবলেট আছে, খুবই কার্যকর। গ্রাহক: কতটুকু নিতে হবে? দোকানদার: দুই ঘণ্টা পর পর একটি। গ্রাহক: ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি কিছু? দোকানদার: সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না। গ্রাহক: জ্বরের জন্য আর কি আছে? দোকানদার: আইবুপ্রোফেন ওষুধ ভালো। গ্রাহক: আমার পেটে সমস্যা, তা কি খেতে পারব? দোকানদার: না, তাহলে প্যারাসিটামল ভালো হবে। গ্রাহক: ওষুধের দাম কত? দোকানদার: ৫০ টাকার প্যাকেট। গ্রাহক: আমি সেটাই নেবো। দোকানদার: প্যাকেট নিচে, কাচ্চা টাকা নিয়ে যাবেন না। গ্রাহক: ধন্যবাদ ভাই, ভালো থাকুন। দোকানদার: আপনার জন্য শুভকামনা। " দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"রহিম: আজকের লেকচার কেমন ছিল? সুমাইয়া: বেশ ভালো, অধ্যাপক অনেক উদাহরণ দিলেন। রহিম: পরীক্ষার জন্য কী প্রস্তুতি নিচ্ছো? সুমাইয়া: আমি রিভিশন শুরু করেছি, তুমি? রহিম: আমি গ্রুপ স্টাডি করছি, অনেক উপকার হচ্ছে। সুমাইয়া: গ্রুপে কি সবাই মনোযোগী? রহিম: বেশিরভাগ, কেউ কেউ একটু অলস। সুমাইয়া: সময়মতো সব পড়াশোনা শেষ করতে পারছো? রহিম: চেষ্টা করছি, কিন্তু মাঝে মাঝে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। সুমাইয়া: রেফারেন্স বইগুলো দেখে নাও, খুব সাহায্য করবে। রহিম: ঠিক বলেছো, আমি কাল লাইব্রেরি যাবো। সুমাইয়া: পরীক্ষার প্রশ্নগুলো কেমন হয় তোমার মতে? রহিম: গঠনমূলক, তাই ভালো প্রস্তুতি দরকার। সুমাইয়া: একসাথে পড়লে সুবিধা হবে। রহিম: হ্যাঁ, আগামীকাল তোমার বাসায় পড়াশোনা করব? সুমাইয়া: অবশ্যই, তোমার জন্য চা থাকবে! রহিম: দারুণ, কাল দেখা হবে। " এক শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ছাত্রের পড়াশোনা ও আচরণ নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আপনার ছেলে ভালো করছে, তবে সময়মতো ক্লাসে আসছে না। অভিভাবক: আমি জানি, সেটা নিয়ে আমি কথা বলব। শিক্ষক: হোমওয়ার্ক প্রায়শই মিস করছে। অভিভাবক: আমি তাকে উদ্বুদ্ধ করব, পড়াশোনায় মনোযোগ দেবে। শিক্ষক: সে ক্লাসে খুব চুপচাপ থাকে, কথাবার্তা কম করে। অভিভাবক: আমি তাকে বলব, যাতে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়। শিক্ষক: পরীক্ষায় তার গ্রেড উন্নত হয়েছে, ভালো দিক। অভিভাবক: এটা শুনে খুশি হলাম, আরও ভালো করার জন্য উৎসাহ দিব। শিক্ষক: নিয়মিত আসা ও মনোযোগ প্রয়োজন। অভিভাবক: নিশ্চয়ই, আমি তার জন্য সময় দেব। শিক্ষক: যদি আরও কোনো সমস্যা হয়, আমাকে জানাবেন। অভিভাবক: অবশ্যই, ধন্যবাদ। শিক্ষক: আপনার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ। অভিভাবক: আমরা সবসময় শিক্ষকদের সাথে রয়েছি। " দুই সহকর্মীর মধ্যে অফিসে কাজ ও ছুটির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা,"জসিম: চলতি প্রকল্পের আপডেট কী? নূর: আমরা শিডিউল অনুযায়ী এগুচ্ছি। জসিম: তোমার কাজের চাপ কেমন? নূর: একটু বেশি, তবে সামলাচ্ছি। জসিম: আগামী সপ্তাহে তুমি কি ছুটি নেবে? নূর: হ্যাঁ, পরিবারসহ ছোট ভ্রমণে যাচ্ছি। জসিম: কোথায়? নূর: কক্সবাজারে। জসিম: দারুণ, তোমার পরিবারের জন্য ভালো সময় হবে। নূর: আশা করছি, তোমার কোনো ছুটির পরিকল্পনা আছে? জসিম: না, এইবার অফিসের কাজে ব্যস্ত। নূর: তোমারও একটু বিশ্রাম দরকার। জসিম: বুঝতে পারছি, পরের মাসে পরিকল্পনা করব। নূর: কাজ শেষে পরিবার ও নিজের জন্য সময় বের করতে হবে। জসিম: একদম ঠিক, সেটাই প্রয়োজন।" বিক্রেতা ও গ্রাহকের মধ্যে মোবাইল ফোন কেনার সময় কথা,"গ্রাহক: এই ফোনটির দাম কত? বিক্রেতা: এই মডেলটির দাম ১৫,০০০ টাকা। গ্রাহক: ব্যাটারি লাইফ কেমন? বিক্রেতা: প্রায় ১০ ঘণ্টা কথা বলার সময়। গ্রাহক: ক্যামেরার স্পেসিফিকেশন কী? বিক্রেতা: ১৩ মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা। গ্রাহক: হ্যা, আমি ফটো ভালো করতে চাই। বিক্রেতা: এই ফোন ফটো তুলতে বেশ ভালো। গ্রাহক: ওয়্যারেন্টি কতদিন? বিক্রেতা: এক বছর। গ্রাহক: রঙের অপশন আছে? বিক্রেতা: কালো, সাদা ও নীল রঙে পাওয়া যায়। গ্রাহক: আমি কালো চাই, প্যাকেজিং দেখতে পারি? বিক্রেতা: অবশ্যই, এখানে আছেন। গ্রাহক: বিকাশে পেমেন্ট করতে পারব? বিক্রেতা: হ্যাঁ, বিকাশ ও নগদ দুটোই পাওয়া যায়। গ্রাহক: ধন্যবাদ, আমি এখনই নেবো।" মা ও সন্তানদের মধ্যে করণীয় ও দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা,"মা: তোমরা কি নিজেরাই নিজের কাজগুলো করো? বাবা: হ্যাঁ মা, আমরা চেষ্টা করি। মা: ঘর পরিষ্কার রাখা জরুরি। ছেলে: আমরা নিয়মিত করি, মা। মা: পড়াশোনার সময় নির্ধারণ করো। মেয়ে: আমরা সময়মতো বই খুলে বসি। মা: খাবারের সময় খেয়াল রাখো, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। ছেলে: আমরা ফাস্ট ফুড কম খাই। মা: প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত করো। মেয়ে: এটা কঠিন, কিন্তু চেষ্টা করছি। মা: একসাথে সময় কাটানোও প্রয়োজন। ছেলে: আমরা পরিবারকে সময় দিই। মা: তোমাদের আচরণে আমি খুশি। মেয়ে: তোমার নির্দেশনায় আমরা ভালো করছি। মা: আল্লাহ তোমাদের ভালো রাখুক।" দুই বন্ধু নতুন হবি নিয়ে আলোচনা,"রফিক: শুনেছো, তুমি নতুন কোনো শখ শুরু করছ? শুভ: হ্যাঁ, আমি এখন গার্ডেনিং শিখছি। রফিক: বাহ, সেটা দারুণ! কী লাগবে? শুভ: কিছু বীজ, মাটি আর একটা ছোট বাগান দরকার। রফিক: বাড়ির ছাদে করছ? শুভ: হ্যাঁ, একটু জায়গা তৈরি করেছি। রফিক: ফুল বা সবজি? শুভ: শুরু করছি ফুল দিয়ে, তারপর শাকসবজি। রফিক: সময় দিয়ে শিখতে হবে, না? শুভ: অবশ্যই, ধৈর্য দরকার। রফিক: আমি তোমার কাছে পরামর্শ নিতে আসব। শুভ: স্বাগতম, একসাথে করতে পারি। রফিক: বাড়ির পরিবেশ ভালো হবে। শুভ: আর মনও শান্ত থাকবে। রফিক: তোমার এই শখে আমাকে উৎসাহ দিতে পারবে? শুভ: নিশ্চয়, আমরা নিয়মিত আলোচনা করব। রফিক: ভালো লাগছে শুনে, আমি ভাবছি বই পড়া শুরু করব। শুভ: সেটাও ভালো শখ, তোমাকে সাহায্য করব।" একজন ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ,"রোগী: ডাক্তর, আমার মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা লাগে। ডাক্তার: এটা কতোদিন ধরে হচ্ছে? রোগী: প্রায় দুই সপ্তাহ। ডাক্তার: কি ধরনের মাথাব্যথা হয়? রোগী: হালকা মাথা ঘোরা আর মাঝে মাঝে বমি ভাব। ডাক্তার: ডায়েট ও ঘুম কেমন? রোগী: ঘুম ঠিকমত হয় না, খাওয়া-দাওয়া অনিয়মিত। ডাক্তার: এটা কারণ হতে পারে। বেশি পানি খান ও সময়মতো ঘুমান। রোগী: ওষুধ আছে? ডাক্তার: হ্যাঁ, আমি কিছু ওষুধ লিখে দিচ্ছি। রোগী: অন্য কোনো পরীক্ষা দরকার? ডাক্তার: যদি অবস্থা খারাপ হয়, এমআরআই করাতে হবে। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তর, আমি সতর্ক থাকব। ডাক্তার: নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রাম খুব জরুরি। রোগী: বুঝেছি, আমি চেষ্টা করব। ডাক্তার: কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন।" বাবা ও ছেলে কলেজে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলছে,"বাবা: কলেজ শেষে কী করতে চাও? ছেলে: আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাই। বাবা: ভালো সিদ্ধান্ত, তবে প্রস্তুতি নিতে হবে। ছেলে: আমি কোচিং করতে যাচ্ছি। বাবা: সময় ভালোভাবে ব্যবহার করো। ছেলে: বাবা, তোমার কোনো পরামর্শ আছে? বাবা: অধ্যবসায় আর ধৈর্য দরকার। ছেলে: ঠিক আছে, আমি সবসময় চেষ্টা করব। বাবা: পড়াশোনার পাশাপাশি শরীরচর্চা করো। ছেলে: হ্যাঁ, আমি ফুটবল খেলি। বাবা: সেটা ভালো, শরীর ও মনের জন্য দরকার। ছেলে: ভবিষ্যতে ভালো চাকরি পাবো আশা করি। বাবা: আমি তোমার জন্য প্রার্থনা করি, তুমি সফল হবে। ছেলে: ধন্যবাদ বাবা, তোমার আশীর্বাদ আমার জন্য বড়। " দুই সহপাঠীর মধ্যে নববর্ষ উদযাপন নিয়ে আলোচনা,"আলিম: তোমরা নববর্ষ কোথায় উদযাপন করবে? রিনা: আমরা পরিবারসহ বাড়িতে থাকব। আলিম: আমার বন্ধুরা প্ল্যান করেছে আউটিং। রিনা: সেটা মজা হবে, কিন্তু আমি বাড়িতেই শান্তি পছন্দ করি। আলিম: কি ধরনের আয়োজন করছো? রিনা: রান্না ও গান, ছোট ভাই-বোনের জন্য গেমস। আলিম: আমি মনে করি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোই সেরা। রিনা: একদম ঠিক, নববর্ষ মানেই নতুন সূচনা। আলিম: তুমি কি নতুন রেজোলিউশন নিয়েছ? রিনা: হ্যাঁ, স্বাস্থ্য ভালো রাখার চেষ্টা করব। আলিম: আমি পড়াশোনায় আরও মনোযোগ দেবো। রিনা: খুব ভালো, নতুন বছর নতুন উদ্দীপনা নিয়ে আসবে। আলিম: আশা করি আমরা সবাই সফল হবো। " দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আলোচনা,"সাবিনা: আপনারা কি জানেন, আমাদের এলাকায় আবর্জনা ফেলা কমাতে হবে। জাহিদ: হ্যাঁ, আমি কিছু পরিকল্পনা করেছিলাম। সাবিনা: শোনাচ্ছে ভালো, বলুন তো কী? জাহিদ: আমরা রিসাইক্লিং সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াবো। সাবিনা: স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে সচেতনতা কর্মশালা করা যেতে পারে। জাহিদ: ঠিক বলেছেন, এতে নতুন প্রজন্ম সচেতন হবে। সাবিনা: পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সবাইকে অংশ নিতে হবে। জাহিদ: আমি সপ্তাহে একবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান করব। সাবিনা: আমরা সবাই মিলে কাজ করলে পারব। জাহিদ: পরিবেশ ভালো থাকলে জীবন মান উন্নত হবে। সাবিনা: একেবারে ঠিক, আমাদের দায়িত্ব। জাহিদ: চলুন, আগামী শনিবার শুরু করি। সাবিনা: আমি সবাইকে জানান দিবো।" মা ও মেয়ে নতুন পোশাক কেনাকাটা নিয়ে আলোচনা,"মা: তুই তো কলেজে যাচ্ছিস, কিছু নতুন জামা দরকার। মেয়ে: হ্যাঁ মা, আমি কয়েকটা ড্রেস পছন্দ করেছি অনলাইনে। মা: অনলাইনে কিনলে সাইজ মেলাবে তো? মেয়ে: আমি আগেও নিয়েছি, রিভিউ দেখে নিচ্ছি। মা: কিন্তু একবার দোকান ঘুরে দেখলে ভালো হতো। মেয়ে: ঠিক বলছো, আমরা দুজনেই যাই চল। মা: কবে যাওয়া যাবে? আমি কাল দুপুরে ফ্রি। মেয়ে: কালই পারফেক্ট, আমার ক্লাসও নেই। মা: তোদের এখনকার ফ্যাশনের ধারা একটু অদ্ভুত! মেয়ে: (হেসে) মা, তুমি বলো পুরনো ডিজাইন, কিন্তু আমরা বলি ক্লাসিক। মা: যত কিছু হোক, পর্দা যেন ঠিক থাকে। মেয়ে: অবশ্যই মা, আমি খেয়াল রাখি। মা: ঠিক আছে, কাল দেখা হবে নতুন স্টাইলের সাথে। মেয়ে: চল এবার একসাথে সেলফিও তুলবো নতুন জামায়!" অফিস সহকর্মীর মধ্যে প্রজেক্টের সময়সীমা নিয়ে আলোচনা,"সুমন: নীলা, তুমি প্রজেক্ট রিপোর্ট কবে সাবমিট করছো? নীলা: আমি চেষ্টা করছি আগামী শুক্রবারের মধ্যে শেষ করতে। সুমন: ম্যানেজার বলছিলেন ডেডলাইন এগিয়ে আনা হতে পারে। নীলা: তাই? তাহলে আমাদের কাজের গতি বাড়াতে হবে। সুমন: আমি চাইলে কিছু ডাটা কালেকশন অংশে সাহায্য করতে পারি। নীলা: সেটা দারুণ হবে। তাহলে আমি বিশ্লেষণ অংশে মনোযোগ দিতে পারি। সুমন: গ্রাফগুলো তৈরি করে নাও, আমি এক্সেল ফাইল শেয়ার করছি। নীলা: ঠিক আছে, আমরা কি কাল মিটিং করবো ফাইনাল প্ল্যানে? সুমন: হ্যাঁ, দুপুর ২টা নাগাদ ঠিক করো। নীলা: ধন্যবাদ সুমন, তোমার সাহায্য ছাড়া পারতাম না। সুমন: আমরা একটা দল, একসাথে কাজ করাই সেরা পন্থা। " ছাত্র ও অভিভাবকের মধ্যে পেশা নির্বাচন নিয়ে কথোপকথন,"ছেলে: বাবা, আমি ভবিষ্যতে ফটোগ্রাফার হতে চাই। বাবা: তুমি কি নিশ্চিত? এটা কিন্তু কঠিন পেশা। ছেলে: আমি ছোটবেলা থেকেই ছবি তুলতে পছন্দ করি। বাবা: প্যাশন থাকা ভালো, কিন্তু ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাও ভাবতে হবে। ছেলে: আমি প্রশিক্ষণ নিতে চাই, আর ফ্রিল্যান্স কাজও শিখছি। বাবা: তুমি যদি সত্যিই উৎসাহী হও, আমি তোমার পাশে আছি। ছেলে: ধন্যবাদ বাবা, আমি চেষ্টা করব তোমার ভরসা রাখতে। বাবা: সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে শিখতে হবে। ছেলে: হ্যাঁ, আমি পরিকল্পনা করে এগোবো। বাবা: ভালো, তাহলে তোমাকে একটা ভালো ক্যামেরা কিনে দেব। ছেলে: সত্যি বাবা? আমি অনেক কৃতজ্ঞ! " বিক্রেতা ও গ্রাহকের মধ্যে ইলেকট্রনিক্স পণ্য নিয়ে আলোচনা,"গ্রাহক: ভাই, এই মোবাইলটার দাম কত? বিক্রেতা: এটা স্যামসাং-এর নতুন মডেল, দাম ২৫ হাজার টাকা। গ্রাহক: কী কী ফিচার আছে? বিক্রেতা: ৬৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ৫০০০ mAh ব্যাটারি, ৬ GB RAM। গ্রাহক: ওয়ারেন্টি আছে? বিক্রেতা: হ্যাঁ, এক বছরের ওয়ারেন্টি। গ্রাহক: দাম একটু কম করা যাবে না? বিক্রেতা: আপনি প্রথমবার আসছেন তাই ১ হাজার টাকা কম করে দিতে পারি। গ্রাহক: সঙ্গে কি কোনো গিফট পাবো? বিক্রেতা: হ্যাঁ, একটি ব্যাক কভার ও স্ক্রিন প্রটেক্টর ফ্রি। গ্রাহক: আচ্ছা, আমি নিচ্ছি। পেমেন্ট কার্ডে করা যাবে? বিক্রেতা: অবশ্যই, বিকাশ বা কার্ড দুইটাই চলবে। গ্রাহক: তাহলে প্যাকেট করে দিন ভাই। " বন্ধুদের মধ্যে বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"তানভীর: আরে, তুই তো বিয়ে করছিস! সব ঠিকঠাক? রাহুল: হ্যাঁ ভাই, খুব টেনশনে আছি! তানভীর: কেন? তোদের তো অনেকদিন প্রেম! রাহুল: প্রেম ঠিক আছে, কিন্তু আত্মীয়স্বজন, অনুষ্ঠান সব মিলে বিশাল চাপ। তানভীর: অনুষ্ঠান কোথায়? রাহুল: ঢাকার একটা কমিউনিটি সেন্টারে। তানভীর: কবে? রাহুল: ১৫ জুলাই। তানভীর: মেন্যু কী কী রাখছো? রাহুল: বিরিয়ানি, রোস্ট, কাবাব, জর্দা — ফুল প্যাকেজ। তানভীর: বাহ! আমি কিন্তু সময়মতো আসব। রাহুল: আসতেই হবে, তুই না এলে চলবে না। তানভীর: দোস্ত, তোর নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা!" শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে গভীর আলোচনা,"শিক্ষক: রাহুল, তুমি এইবারের পরীক্ষায় ভালো ফল করেছো, অভিনন্দন। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার। আপনার সহায়তা ছাড়া সম্ভব হতো না। শিক্ষক: তুমি এখন কোন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে চাও? ছাত্র: আমি এখনো দ্বিধায় আছি, স্যার। ইঞ্জিনিয়ারিং নাকি অর্থনীতি, বুঝতে পারছি না। শিক্ষক: Hmm, দুটোই ভালো ক্ষেত্র। তবে তোমার আগ্রহটা কোনদিকে? ছাত্র: প্রযুক্তির প্রতি ঝোঁক আছে, কিন্তু ফাইনান্স বিষয়েও আগ্রহ জন্মেছে। শিক্ষক: তখন তোমাকে ভালোভাবে দুটো ক্ষেত্র সম্পর্কে গবেষণা করতে হবে। ছাত্র: আপনি কি ইঞ্জিনিয়ারিংকে বেশি সাপোর্ট করেন? শিক্ষক: না, আমি তোমার স্বার্থ আর শক্তির উপর ভিত্তি করে বলতে চাই। ছাত্র: আমার অঙ্ক আর লজিক ভালো। শিক্ষক: তাহলে কম্পিউটার সায়েন্স বা ডেটা সায়েন্সও হতে পারে। ছাত্র: আমি তো ভেবেছিলাম সেগুলো অনেক কঠিন! শিক্ষক: কঠিন ঠিকই, কিন্তু তুমিই বলছো অঙ্কে ভালো — এটা তোমার প্লাস পয়েন্ট। ছাত্র: স্যার, অনেকে বলে অর্থনীতি পড়লে সরকারি চাকরির সুযোগ বেশি থাকে। শিক্ষক: কথাটা একদিক থেকে ঠিক, তবে আগ্রহ না থাকলে কোনো ফিল্ডেই এগিয়ে যাওয়া কঠিন। ছাত্র: আমি কীভাবে বুঝব কোনটা আমার জন্য উপযুক্ত? শিক্ষক: তুমি ছোট ছোট অনলাইন কোর্স করতে পারো, বা কারো সাথে কথা বলো যারা ওই পেশায় আছে। ছাত্র: আপনি কি কাউকে জানেন, যিনি ডেটা সায়েন্সে কাজ করছেন? শিক্ষক: হ্যাঁ, আমার এক সাবেক ছাত্র এখন একটি আন্তর্জাতিক কোম্পানিতে ডেটা অ্যানালিস্ট। ছাত্র: আমি কি তার সাথে দেখা করতে পারি? শিক্ষক: নিশ্চয়ই। আমি তার সাথে কথা বলব তোমার জন্য। ছাত্র: স্যার, আপনি সবসময় আমাকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। শিক্ষক: তুমি নিজেই পথ খুঁজে নিচ্ছো, আমি কেবল আলো দেখাচ্ছি। ছাত্র: আমি আগামীকাল থেকে রিসার্চ শুরু করব। শিক্ষক: এবং মনে রেখো, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি আর দেরি করব না সিদ্ধান্ত নিতে।" মা ও ছেলের মধ্যে শহরে থাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সমঝোতা,"মা: তুই শহরে থাকতে চাস, কিন্তু আমি তো একা পড়ে যাচ্ছি গ্রামে। ছেলে: মা, চাকরিটা ভালো, আর সুযোগও অনেক বেশি শহরে। মা: আমি বোঝি, কিন্তু তুই তো একমাত্র ছেলে। আমার তো মন মানে না। ছেলে: মা, আমি তো প্রতি মাসে আসব, ভিডিও কল করব প্রতিদিন। মা: সেই তো, স্ক্রিনের ভেতরে মুখ দেখলেই কি মন ভরে? ছেলে: মা, এই চাকরিটা আমার স্বপ্ন। মা: আমি তোদের স্বপ্ন ভাঙতে চাই না, কিন্তু মা হিসেবে চিন্তাটাও তো করি। ছেলে: আমি এখানে থাকলে অনেক সুযোগ মিস করব। মা: শহরে জীবন কঠিন, তুই পারবি তো সামলাতে? ছেলে: অবশ্যই পারব। আপনি যদি পাশে থাকেন, কিছুই কঠিন না। মা: আমি যদি তোর সাথে শহরে যাই? ছেলে: তাই তো! আপনি আসলে আমি নিশ্চিন্ত থাকব। মা: কিন্তু গ্রামে বাড়ি, জমিজমা, প্রতিবেশীরা? ছেলে: আমরা দুমাস অন্তর আসব গ্রামে। চাষাবাদে লোক লাগিয়ে দিব। মা: hmm, তুই সব ভেবে রেখেছিস? ছেলে: হ্যাঁ মা, আমি চাচার সাথেও কথা বলেছি। মা: তাহলে এক কাজ কর, অফিস শুরু হবার এক সপ্তাহ আগে আমাকে নিয়ে যাস। ছেলে: পাকা কথা? আপনি আসবেন? মা: মা তো কখনো দূরে থাকতে পারে না, ছেলে যেখানে সেখানেই তার জায়গা। ছেলে: মা, তুমি না থাকলে এই শহরও মরুভূমি মনে হবে। মা: এবার তো দেখছি, আমার নতুন জীবনের শুরু হচ্ছে শহরে!" হাসপাতালের ডাক্তার ও রোগীর স্বজনের মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত আলোচনা,"স্বজন: ডাক্তারবাবু, আমার ভাইয়ের কী অবস্থা? ডাক্তার: উনার হার্টে একটু সমস্যা ধরা পড়েছে, তবে ভয়ের কিছু নেই। স্বজন: আপনাদের রিপোর্টে ""মাইনর ব্লকেজ"" বলা হয়েছে। সেটা কি খুব সিরিয়াস? ডাক্তার: না, সঠিক ওষুধ ও ডায়েট মেনে চললে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বজন: অপারেশন লাগবে না তো? ডাক্তার: এখনই না, তবে ভবিষ্যতে হলে আশ্চর্য হবেন না। স্বজন: আমরা বাসায় নিতে পারি কবে? ডাক্তার: আর দুইদিন অবজারভেশনে রাখব, তারপর ছেড়ে দিতে পারি। স্বজন: উনার খাবার-দাবারে কী নিষেধ আছে? ডাক্তার: কম তেল, কম লবণ, চর্বিহীন খাবার দিতে হবে। স্বজন: এক্সারসাইজ করতে বলবেন? ডাক্তার: হাঁটাহাঁটি শুরু করতে বলব এক সপ্তাহ পর থেকে। স্বজন: ডাক্তারবাবু, এই রোগ কি পুরোপুরি সেরে যাবে? ডাক্তার: এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য, তবে নিয়ম না মানলে সমস্যা বাড়বে। স্বজন: প্রতিদিন ওষুধ খেতে হবে? ডাক্তার: হ্যাঁ, নির্ধারিত সময়ে। স্বজন: প্রেসক্রিপশনটা আপনি দিন, আমি এখনই ওষুধ কিনে ফেলি। ডাক্তার: অবশ্যই। আর কোনো প্রশ্ন থাকলে জিজ্ঞাসা করুন। স্বজন: উনার মানসিক অবস্থা একটু ভেঙে পড়েছে। ডাক্তার: আমরা মনোবিদের সাথে আলাপ করানোর কথা ভাবছি। স্বজন: দয়া করে দ্রুত করান, আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করব। ডাক্তার: চিন্তা করবেন না, আমরা উনার ভালো দিকেই কাজ করছি। স্বজন: ধন্যবাদ ডাক্তারবাবু, আপনি আমাদের আশা দিয়েছেন। ডাক্তার: আপনাদের সাথে যোগাযোগ রাখতে বলুন, প্রয়োজনে যেকোনো সময় আসুন।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শিশুকে নিয়ে কথোপকথন,"পুলিশ: আপনি বলছিলেন আপনার বাচ্চা হারিয়ে গেছে? পথচারী: হ্যাঁ স্যার, বেলা ১২টার দিকে হাত ছুটে যায়। পুলিশ: কোথায় শেষবার দেখেছিলেন? পথচারী: নিউমার্কেটের ভেতরে, খেলনার দোকানের সামনে। পুলিশ: নাম, বয়স, গায়ের রঙ, পোশাক বলুন। পথচারী: নাম সোহান, বয়স ৫ বছর, ফর্সা গায়ের রঙ, হলুদ টি-শার্ট। পুলিশ: বাচ্চার ছবি আছে? পথচারী: এই নিন, মোবাইলে ছবি আছে। পুলিশ: ঠিক আছে, আমরা অ্যালার্ট জারি করছি। পথচারী: আমি ওদিকে খুঁজছি, কেউ কিছু বলেনি। পুলিশ: ক্যামেরা ফুটেজ চেক করব আমরা, চিন্তা করবেন না। পথচারী: স্যার, খুব ভয় লাগছে। পুলিশ: আমরা একঘণ্টার মধ্যে আপডেট দেব আপনাকে। পথচারী: আমি কোথায় থাকব? পুলিশ: আপনার নাম্বার দিন, আমরাই ফোন করব। পথচারী: এই নিন স্যার। পুলিশ: আশেপাশে কেউ শিশুটিকে নিয়ে যেতে দেখেছে কি না জিজ্ঞাসা করছি। পথচারী: স্যার, আমি কি মাইকিং করাতে পারি? পুলিশ: হ্যাঁ, মার্কেট কর্তৃপক্ষকে বলছি। পথচারী: প্লিজ স্যার, ও খুব ছোট। খেতে চায়। পুলিশ: চিন্তা করবেন না, আমাদের টিম বের হয়েছে। পথচারী: আপনারা না থাকলে আমি তো একেবারে ভেঙে পড়তাম। পুলিশ: আপনি নিজেকে সামলে রাখুন, আমরা শিশুটিকে খুঁজে আনবই।" বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের মধ্যে একটি পুনর্মিলন অনুষ্ঠান পরিকল্পনা,"রুবেল: দোস্তরা, আবার কবে একসাথে বসা যাবে বলতো? সাবিনা: হ্যাঁ রে, গ্র্যাজুয়েশনের পর সবাই একেবারে হারিয়ে গেছি। মুহিত: চল সবাই মিলে একটা রিইউনিয়ন করি। রুবেল: ভালো কথা! কোথায় করব? সাবিনা: ইউনিভার্সিটির হলে পারমিশন নেওয়া যায়। মুহিত: অথবা বাইরে কোনো রেস্টুরেন্টে — খোলা জায়গা হলে ভালো হয়। রুবেল: বাজেট কত হবে? সাবিনা: যদি ৩০ জন আসি, মাথাপিছু ৫০০ ধরলে মোটামুটি হবে। মুহিত: ফান্ড তোলার জন্য বিকাশ নাম্বার ঠিক করতে হবে। রুবেল: আমি ম্যানেজ করব। সময় কবে ঠিক করব? সাবিনা: পরের শুক্রবার? সবাই ছুটিতে থাকবে। মুহিত: দারুণ, দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলুক। রুবেল: কেক থাকবে, পুরনো স্মৃতির ভিডিও থাকবে? সাবিনা: আমি একটা ছোট ভিডিও বানাচ্ছি, সবাই ছবি পাঠাও। মুহিত: আমরা কি প্রাক্তন শিক্ষকদের আমন্ত্রণ করব? রুবেল: অবশ্যই, আমাদের প্রিয় স্যারেরা না থাকলে রিইউনিয়ন অপূর্ণ। সাবিনা: দোস্তরা, আবার একবার যেন আগের মতো হাসতে পারি সবাই মিলে। মুহিত: হ্যাঁ, আবার সেই চায়ের দোকান, সেই গল্প — একদিনের জন্য হলেও ফিরিয়ে আনি। " বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের মধ্যে একটি পুনর্মিলন অনুষ্ঠান পরিকল্পনা,"সাবিনা: আমি একটা ছোট ভিডিও বানাচ্ছি ক্লাসের ছবি আর মেমোরি দিয়ে। মুহিত: অসাধারণ! আমি গিটার নিয়ে আসব, একটু গানবাজনাও হবে। রুবেল: কে কে কনফার্ম করল এখন পর্যন্ত? সাবিনা: তানিয়া, আশিক, রুমি, নাফিস—সবাই রাজি। মুহিত: আর আমাদের প্রিয় শিক্ষক স্যারদের আমন্ত্রণ জানাব? রুবেল: অবশ্যই! রহমান স্যার না থাকলে তো রিইউনিয়ন অসম্পূর্ণ। সাবিনা: আমি ওনাকে ফোন করব। মুহিত: খাবারের মেনু কী হবে? রুবেল: বিরিয়ানি, কাবাব, সফট ড্রিংক আর একটা মিষ্টির আইটেম? সাবিনা: ভালো। আর একটা স্মৃতিচারণ পর্ব রাখলে কেমন হয়? মুহিত: হ্যাঁ, সবাই যার যার প্রিয় স্মৃতি শেয়ার করবে। রুবেল: একটা স্মারক বানানো যায়—ছোট ক্যালেন্ডার বা টি-শার্ট? সাবিনা: টি-শার্ট! ব্যাচের নাম আর স্লোগান লেখা থাকবে! মুহিত: ""Once a UIUian, always a UIUian""! রুবেল: দারুণ! ডিজাইন আমি করে দিচ্ছি। সাবিনা: তাহলে আজকেই ইভেন্টের WhatsApp গ্রুপ খুলে ফেলি? মুহিত: খোল! আমি বাকিদের ইনভাইট করব। রুবেল: ঠিক আছে, সবাই একটু করে দায়িত্ব নাও। সাবিনা: আমরা আবার একসাথে হব—পুরোনো হাসি, পুরোনো গল্প নিয়ে! মুহিত: এই দিনটা সবার মনে থাকবে অনেকদিন! " চাকরির ইন্টারভিউ নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"তানভীর: শুনলাম তোর একটা বড় কোম্পানিতে ইন্টারভিউ আছে কাল? জুবায়ের: হ্যাঁ রে ভাই, অনেক নার্ভাস লাগছে। এটাই আমার প্রথম বড় ইন্টারভিউ। তানভীর: কী পদের জন্য ইন্টারভিউ দিচ্ছিস? জুবায়ের: জুনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তানভীর: রেজুমেটা বানিয়ে ফেলেছিস? জুবায়ের: হ্যাঁ, বানিয়েছি। তবে বুঝতে পারছি না ঠিকঠাক হয়েছে কি না। তানভীর: দে তো দেখি একবার, আমি একটু দেখে দেই। জুবায়ের: (রেজুমে বাড়িয়ে দিয়ে) এই যে, এটা। তানভীর: (রেজুমে দেখে) hmm... প্রজেক্টগুলোর বর্ণনা ভালো দিয়েছিস। তবে কিছু টেকনিক্যাল শব্দ একটু সহজ করে লিখলে ভালো হয়। জুবায়ের: ঠিক বলছিস। ইন্টারভিউতে কী ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে বলতো? তানভীর: টেকনিক্যাল প্রশ্ন তো থাকবেই। তার পাশাপাশি HR-র কিছু প্রশ্নও থাকবে। জুবায়ের: যেমন? তানভীর: ধর, “নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন”, “আপনার দুর্বলতা কী?”, “আমাদের কোম্পানিতে কেন যোগ দিতে চান” — এরকম প্রশ্ন। জুবায়ের: আমি কি ইংরেজিতে উত্তর দেব, নাকি বাংলায়? তানভীর: যদি কোম্পানি বাংলাভাষার হয়, তবে বাংলায় দিতে পারিস। তবে ইংরেজিতে প্রস্তুতি থাকলে ভালো। জুবায়ের: আমি ভয় পাই ভাই, কখন কী বলব ভুলে যাই। তানভীর: সবচেয়ে বড় কথা, আত্মবিশ্বাস। তুই যা জানিস, সেটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেই চলবে। জুবায়ের: “আপনার দুর্বলতা কী?”—এই প্রশ্নে কী বলব? তানভীর: বলবি, “আমি অনেক সময়ে খুব ডিটেইলে ঢুকে পড়ি, ফলে সময় একটু বেশি লাগে। তবে এখন টাইম ম্যানেজমেন্ট শিখে ফেলেছি।” জুবায়ের: ভালো বলেছিস। আর যদি জিজ্ঞাসা করে, “নিজেকে ৫ বছর পর কোথায় দেখছেন?” তানভীর: বলবি, “আমি নিজেকে এমন একটি দলে দেখতে চাই, যেখানে আমি টেকনিক্যাল দক্ষতা দিয়ে বড় কিছু অর্জন করতে পারি এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি।” জুবায়ের: ভাই, তুই কি আমার সাথে একটা মক ইন্টারভিউ করতে পারিস? তানভীর: একদম পারি। চল, এখনই করি। জুবায়ের: ঠিক আছে, শুরু কর। তানভীর: ঠিক আছে। বল, “আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন।” জুবায়ের: আমি একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েশন করেছি। প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এবং টিমওয়ার্কে আমার দক্ষতা রয়েছে। আমি নতুন জিনিস শিখতে খুব আগ্রহী। তানভীর: খুব ভালো। এইভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দিলেই হবে। জুবায়ের: ভাই, তুই না থাকলে আমি এতটা গুছিয়ে ভাবতেই পারতাম না। তানভীর: আরে পাগল! তুইই তো আমাদের ব্যাচের সবচেয়ে পরিশ্রমী ছেলে। শুধু নিজেকে বিশ্বাস কর। জুবায়ের: আচ্ছা, তোকে একটা অনুরোধ করব—কাল সকাল ১০টায় ইন্টারভিউ, একটু দোয়া করিস। তানভীর: নিশ্চয়ই করব। তোকে একটা শুভকামনার মেসেজও পাঠাব সকালে। জুবায়ের: ধন্যবাদ ভাই। তোকে পেয়ে আমি সত্যিই ভাগ্যবান। তানভীর: আর আমি তোকে সফল দেখতে চাই, সামনে অনেক দূর যাস। আজ আর পড়ালেখা না করে, একটু রেস্ট নে। জুবায়ের: ঠিক বলেছিস। তাহলে ঘুমোতে যাই। কাল দেখা হবে ইন্টারভিউর পর। তানভীর: ইনশাআল্লাহ্‌! শুভকামনা রইল। " মা ও ছেলের মধ্যে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলাপ,"মা: আজকাল তোর পড়াশোনা নিয়ে কোনো কথাই শুনি না। কী ভাবছিস? ছেলে: ভাবছি তো মা। MSC করব কি চাকরির খোঁজে নামব, সেটা বুঝতে পারছি না। মা: চাকরির চিন্তা তো অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু শিক্ষার দামও কম না। ছেলে: আমার অনেক বন্ধুই তো পাশ করেই চাকরিতে ঢুকে গেছে। ওরা বোধহয় ঠিকই করেছে। মা: কিন্তু তুই তো সবসময় বলতিস রিসার্চ করতে চাস, নিজের কিছু করতে চাস। ছেলে: হ্যাঁ, চাই এখনো। তবে টাকার চিন্তাটা বারবার মাথায় চলে আসে। মা: বাবা বেঁচে থাকতে সব দায়িত্ব নিয়ে গেছেন। এখন আমি চাচ্ছি তুই নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি কর। ছেলে: বিদেশে আবেদন করার কথাও ভাবছি, স্কলারশিপ পেলে হয়ত সহজ হবে। মা: দরকার হলে আমি গয়না বেচে দেব, তবু তোর স্বপ্ন থামাব না। ছেলে: না মা, তুই কেন তোর গয়না বেচবি! আমি স্কলারশিপই খুঁজছি। মা: ঠিক আছে। তবে যেটা করবি, মন দিয়ে করিস। দুইদিকে ঝুলে থাকলে চলবে না। ছেলে: ঠিক বলেছিস মা। আমি কালই SOP লিখে ফেলব। মা: ভালো। আর খাওয়ার টেবিলে বসে তোকে একবার ভালোমতো দৃষ্টিপাতে করতে হবে। চোখে মুখে ক্লান্তি জমেছে। ছেলে: আসলে প্রচুর পড়ছি আর খাচ্ছিও কম। মা: সব স্বপ্ন তখনই সফল হয়, যখন শরীরটা ঠিক থাকে। এই নিয়ে মা তোকে প্রতিদিন বুঝিয়ে যাবে। ছেলে: তুই না থাকলে আমি কিছুই পারতাম না। মা: আর আমি তোকে না পেলে জীবনের মানেই থাকত না। ছেলে: আচ্ছা, এখন একটু ঘুমাই, ভোরে উঠে আবার পড়ব। মা: ঘুমো আগে, তারপর সব কিছু হবে। আমার দোয়া তো তোর সঙ্গে আছেই। " গ্রাহক ও মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির মধ্যে সমস্যা সমাধান,"গ্রাহক: হ্যালো, আমি গত তিন দিন ধরে নেটওয়ার্ক পাচ্ছি না ঠিকমতো। প্রতিনিধি: স্যার, দুঃখিত, আপনার সমস্যার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। গ্রাহক: শুধু আমার না, আমার পুরো এলাকায়ই একই সমস্যা। প্রতিনিধি: আপনার এলাকা কোথায়, স্যার? গ্রাহক: উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর। প্রতিনিধি: আমি চেক করছি... হ্যাঁ স্যার, এখানে টাওয়ার আপগ্রেডের কাজ চলছে। গ্রাহক: তাহলে সেটা কি আপনারা আগে জানাতে পারতেন না? প্রতিনিধি: সাধারণত আমরা এসএমএস পাঠাই, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে সেটি পৌঁছাতে দেরি হয়। গ্রাহক: আমার কাজ ইন্টারনেট নির্ভর। আমি ক্ষতিপূরণ চাই। প্রতিনিধি: স্যার, আমরা আপনাকে আগামী তিন দিনের জন্য ৩ জিবি ফ্রি ডাটা দিচ্ছি। গ্রাহক: সেটা তো কাজে আসবে না যদি সিগন্যালই না পাই! প্রতিনিধি: আপনার অভিযোগ রেকর্ড করছি এবং টেকনিক্যাল টিমকে দ্রুত পাঠাচ্ছি। গ্রাহক: আশা করি কালকের মধ্যে ঠিক হবে। প্রতিনিধি: ইনশাআল্লাহ, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। গ্রাহক: ঠিক আছে, তাহলে অপেক্ষা করছি। প্রতিনিধি: ধন্যবাদ স্যার, আমাদের সাথে থাকার জন্য। গ্রাহক: দয়া করে ভবিষ্যতে আগেই জানাবেন। প্রতিনিধি: নিশ্চয়ই স্যার, আপনার মতামত আমরা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।" ছাত্র ও অভিভাবকের মধ্যে পড়াশোনা ও মানসিক চাপ নিয়ে কথা,"বাবা: তুই সারাক্ষণ এমন বিষণ্ন থাকিস কেন রে? ছেলে: কিছু না বাবা, শুধু পড়াশোনার চাপ একটু বেশি। বাবা: আমি তো বুঝি, কিন্তু তুই তো এমন ছিলি না। কী হচ্ছে বল? ছেলে: পরীক্ষার সময় সব কিছু মাথায় ঢুকছে না। ভুলে যাচ্ছি বারবার। বাবা: তোর কি ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে? ছেলে: না, একদম না। ঘুম আসেই না। বাবা: তুই মন খুলে কারো সাথে কথা বলিস না। বন্ধুরা কি বলছে? ছেলে: ওরাও তো নিজের চিন্তায় ব্যস্ত। কেউই আসলে সময় দিতে চায় না। বাবা: তাহলে আমিই তোর বন্ধু হয়ে যাচ্ছি আজ থেকে। ছেলে: (হেসে) ঠিক আছে বাবা, বলো কী করব? বাবা: প্রতিদিন একটু হেঁটে আয়, গান শুন, বই পড়—শুধু পড়াশোনার বাইরে একটু বের হ। ছেলে: কিন্তু সিলেবাস তো এখনও শেষ হয়নি। বাবা: সিলেবাস তো শেষ হবেই, কিন্তু যদি তুই নিজেই শেষ হয়ে যাস, সেটা তো চলবে না। ছেলে: ঠিক বলছো বাবা। আজ থেকে চেষ্টা করব। বাবা: প্রতিদিন তোর পাশে বসে এক কাপ চা খাব, আর একটু গল্প করব। ছেলে: আমি সত্যিই ভাগ্যবান যে তুমি আমার বাবা।" দোকানদার ও ক্রেতার মধ্যে দাম ও গুণগত মান নিয়ে দর কষাকষি,"ক্রেতা: ভাই, এই শাড়িটার দাম কত? দোকানদার: ২৮০০ টাকা ম্যাডাম। ক্রেতা: খুব বেশি দাম চাচ্ছেন তো। দোকানদার: ম্যাডাম, এটা সিল্কের শাড়ি। হাতের কাজ করা। ক্রেতা: আমি তো দার্জিলিং থেকে এরকম শাড়ি ১৮০০ টাকায় কিনেছি। দোকানদার: ওখানে তো সরাসরি ফ্যাক্টরি থেকে দেয়। আমরা তো খুচরা বিক্রি করি। ক্রেতা: তাহলে ২০০০ টাকা দেন, এখনই নিয়ে যাব। দোকানদার: ম্যাডাম, শেষ দাম ২৫০০ টাকা। ক্রেতা: ২২০০! একদম শেষ দাম। দোকানদার: আচ্ছা, আপনি তো নিয়মিত আসেন, ২৩৫০ দিয়ে দেন। ক্রেতা: চলো, হয়ে যাক। প্যাক করে দিন। দোকানদার: এই যে ম্যাডাম, প্যাক করছি। ধন্যবাদ। ক্রেতা: আচ্ছা ভাই, পরে আবার আসব। দোকানদার: অবশ্যই ম্যাডাম, আপনাদের জন্যই আমরা আছি। " দুই বন্ধুর মধ্যে ভালোবাসা নিয়ে দ্বিধা ও পরামর্শ,"রায়হান: তোকে একটা কথা বলব, কিন্তু হাসবি না যেন। তামিম: হাহা! বল আগে, হাসব কিনা পরে দেখা যাবে। রায়হান: আমি লাবণীকে খুব পছন্দ করি। তামিম: ও! তাহলে বলেছিস ওকে? রায়হান: না রে, ভয় লাগে। যদি না মেনে নেয়? তামিম: ভাই, ভয় পেলে তো হবে না। বলেই ফেল। রায়হান: ও অনেক স্মার্ট, আমি তো সাধারণ একটা ছেলে। তামিম: ভালোবাসায় এই হিসাব চলে না। সাহস করে বলতে হয়। রায়হান: ধর যদি ও মিটতেই না চায়? বন্ধুত্বটাও শেষ হয়ে যাবে। তামিম: হ্যাঁ, এটা একটা ঝুঁকি। কিন্তু না বললে তো জানতেই পারবি না। রায়হান: তুই থাকলে মনে হয় বলতেই পারব। তামিম: আমি তোর সঙ্গে থাকবই। চল, কাল ওর ফেভারিট কফিশপে যাই। রায়হান: যদি “না” করে, তাহলে? তামিম: তাহলে তোর জীবনে আরও ভালো কেউ আসবে। এখন অন্তত জানবি, সে কী ভাবে। রায়হান: আচ্ছা, কাল সকাল ১০টায় রওনা হব। তামিম: ভাই, একটুও ভয় পাবি না। তুই যা, মনের কথা জানাস।" শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্যারিয়ার গাইডেন্স,"শিক্ষক: আজকাল তোকে খুব চুপচাপ দেখছি রিয়াজ। সব ঠিক আছে তো? রিয়াজ: স্যার, কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। কোন দিকে ক্যারিয়ার গড়ব, কিছুই স্পষ্ট না। শিক্ষক: তোকে আমি সবসময় ডেডিকেটেড মনে করতাম। হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তহীনতা কেন? রিয়াজ: স্যার, সবাই বলে চাকরি কর, কেউ বলে বিদেশে যাও, আবার কেউ ব্যবসা করতে বলে। শিক্ষক: আর তুই নিজের মন কী বলে? রিয়াজ: আমি ইচ্ছে করলে গবেষণা করতে চাই, নতুন কিছু তৈরি করতে চাই। শিক্ষক: সেটাই তো হওয়া উচিত। নিজের ভেতরের কণ্ঠ শুনতে শিখতে হবে। রিয়াজ: কিন্তু সমাজের চাপ আর পরিবারের চিন্তায় সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। শিক্ষক: পরিবারকে বোঝাতে হবে। সময় লাগবে, কিন্তু একসময় ওরাও বুঝবে। রিয়াজ: স্যার, আপনি যদি মা-বাবার সঙ্গে একদিন কথা বলতেন... শিক্ষক: নিশ্চয়ই। আমি ওনাদের ডেকে আনব স্কুলে একদিন। রিয়াজ: সত্যি বলছি স্যার, আপনার মতো একজন গাইড না থাকলে হয়ত হারিয়ে যেতাম। শিক্ষক: আমরা শিক্ষকেরা তো তাই-ই চাই, যাতে তোমরা তোমাদের পথ খুঁজে পাও। রিয়াজ: আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি—MSC করব AI নিয়ে। শিক্ষক: খুব ভালো! দরকার হলে স্কলারশিপের লিংকগুলো দিচ্ছি। কাজ শুরু কর এখনই। রিয়াজ: ধন্যবাদ স্যার। এখন একটু হালকা লাগছে মনের ভেতর। " বোন ও ভাইয়ের মধ্যে ঈদ শপিং নিয়ে মজার ঝগড়া,"বোন: দাদা! তুমি আবার নিজের শার্ট কিনে ফেললে? আমার তো কিছুই এখনও হয়নি! ভাই: আমি কি দোষ করেছি? তুমি তো প্রতিদিন শুধু ভাবো, কিনো না! বোন: আরে ভাই, মেয়েদের শপিং তো একটু সময় নেয়! ভাই: তুমি তো গত সপ্তাহেও বলেছিলে—“কাল যাই”, “পরশু যাই”! বোন: আর তুমি তো দেখি নিজেরটা আগেভাগেই ম্যানেজ করে ফেলেছো। ভাই: আমি প্ল্যান করে কাজ করি, বুঝেছো? বোন: তোমার এই “প্ল্যান” শব্দটা শুনলেই আমার রাগ ওঠে। ভাই: (হেসে) ভালো, এবার বলো কোথায় যাব? নিউমার্কেট না বসুন্ধরা? বোন: বসুন্ধরা। ওখানে সব ব্র্যান্ড এক জায়গায় পাওয়া যায়। ভাই: বুঝেছি, পছন্দ ‘Aarong’ বা ‘Yellow’ না হলে তুমি হাঁটতেই পারো না। বোন: আর তুমি না হলে ‘জিন্স প্যান্ট’ ছাড়া কিছুই বোঝো না! ভাই: আচ্ছা চল, আজকে শুধু তোমার জন্য সময় দিব। বোন: সত্যি বলছো? তাহলে আইসক্রিম খাওয়াও আজ! ভাই: শপিং শেষ হলে খাই। এখন চলো, নয়তো আবার সন্ধ্যা হয়ে যাবে। বোন: এই জন্যেই তো তুমিই আমার প্রিয় ভাই!" অফিস কলিগদের মধ্যে ওভারটাইম ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা,"রুবেল: তানভির ভাই, আপনি তো প্রতিদিন অফিসে রাত আটটা পর্যন্ত থাকেন। তানভির: আর বলো না রুবেল, কাজের চাপ আর শেষ হয় না। রুবেল: কিন্তু এতে তো আপনার পরিবার সময় পায় না! তানভির: হ্যাঁ, মেয়েটা রোজ জিজ্ঞেস করে, “বাবা কখন আসবে?” রুবেল: আপনি বসকে বলেন না ওভারটাইম কমাতে? তানভির: বলেছিলাম। তিনি বলেন, “দায়িত্বে থাকলে সময় দিতে হবে।” রুবেল: কিন্তু দায়িত্বের মানে তো নিজের জীবনকে শেষ করে ফেলা নয়। তানভির: একদম ঠিক বলেছো। এখন মনে হচ্ছে চাকরির সাথে পরিবার ব্যালান্স করা আরও জরুরি। রুবেল: আপনি চাইলে আমি কিছু দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারি। তানভির: ধন্যবাদ রুবেল, তোমার মতো সহকর্মী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। রুবেল: আর আপনি আমাদের অভিভাবকই তো। আপনি না থাকলে আমরা তো হা করে থাকি। তানভির: এবার চেষ্টা করব, সপ্তাহে অন্তত দুদিন সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতে। রুবেল: একদম ঠিক করছেন। অফিস আছে, কিন্তু জীবনটা যে আরও বড়! " ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের মধ্যে টিউশন ফি সংক্রান্ত কথা,"ছাত্র: স্যার, আমি মেহেদী হাসান। আজকে টিউশন ফি জমা দিতে এসেছি। অফিসার: ভালো। আপনার আইডি কার্ড দিন দেখি। ছাত্র: এই নিন স্যার। অফিসার: আপনি তো স্কলারশিপের আবেদন করেছিলেন। সেটা কি অপ্রুভ হয়েছে? ছাত্র: জি স্যার, অ্যাকাডেমিক অফিস বলেছে ৫০% ছাড় হয়েছে। অফিসার: তাহলে আজকের বিল হবে ২৮ হাজার টাকা। ছাত্র: স্যার, আমি ২৫ হাজার এখন দিতে পারি। বাকি ৩ হাজারের সময় চাই। অফিসার: আপনাকে একটা আবেদনপত্র লিখে জমা দিতে হবে। ছাত্র: আমি কি এখনই লিখে দিতে পারি? অফিসার: হ্যাঁ, আমাদের নির্দিষ্ট ফরমে লিখুন। ছাত্র: (আবেদন লিখে) এই নিন স্যার। অফিসার: ঠিক আছে। আপনাকে ৭ দিনের সময় দেওয়া হচ্ছে। ছাত্র: অনেক ধন্যবাদ স্যার। আমি আগামী সপ্তাহেই বাকি টাকা পরিশোধ করব। অফিসার: আপনার শিক্ষাজীবন যেন কোনো আর্থিক সমস্যায় না থেমে যায়, সেটাই চাই। ছাত্র: এই সহযোগিতা না পেলে হয়তো সেমিস্টারটাই বাদ দিতে হতো। অফিসার: চেষ্টা করি সবাইকে সহায়তা করতে। পড়াশোনায় মন দাও।" মা ও মেয়ের মধ্যে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা,"মা: তানিয়া, আজকে আবার একটা প্রস্তাব এসেছে। খুব ভালো পরিবার। তানিয়া: মা, তুমি তো জানো এখনই বিয়ে করতে চাই না। মা: হ্যাঁ, জানি মা। কিন্তু বয়সটা তো চলেই যাচ্ছে। তানিয়া: আমি তো মাস্টার্স শেষ করতে চাই আগে। মা: ছেলেটা কিন্তু মাস্টার্স করা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করে। তানিয়া: তাতে কী? আমার স্বপ্ন আমি নিজেই দাঁড়াবো, নিজের পরিচয় গড়ব। মা: মা হিসাবে তো চাই তোমার ভালো হোক। দুঃখ পেতে দেখলে সহ্য হয় না। তানিয়া: তোমার কথায় ভুল নেই, মা। কিন্তু আমি কি একটু সময় পেতে পারি? মা: তুমি কখনোই কিছু জোর করে করো না, আমি সেটা চাই না। তানিয়া: তুমি পাশে থাকলে, আমি নিশ্চয়ই ঠিক সময়েই সিদ্ধান্ত নিতে পারব। মা: ঠিক আছে, এই প্রস্তাবটাকে শুধু “অস্থায়ী” বলে রেখে দিচ্ছি। চাইলে একবার দেখতেও পারো। তানিয়া: দেখা যাক, কিন্তু সিদ্ধান্ত এখনই নয়। মা: আমি তোমার স্বাধীনতাকে সম্মান করি মা। তানিয়া: ধন্যবাদ মা। আমি জানি তুমি সবসময় বুঝতে পারো। " গ্রাহক ও ব্যাংক কর্মকর্তার মধ্যে লোন প্রসঙ্গে আলোচনা,"গ্রাহক: সালাম ভাই, আমি একটা পার্সোনাল লোন নিতে চাই। ব্যাংক কর্মকর্তা: ঠিক আছে ভাই, আপনি কী উদ্দেশ্যে লোন নিচ্ছেন? গ্রাহক: ছোট একটা ব্যবসা শুরু করতে চাই। ব্যাংক কর্মকর্তা: আপনার কোনো ইনকাম সোর্স বা গ্যারান্টি আছে? গ্রাহক: আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করি, গত ৪ বছর ধরে। ব্যাংক কর্মকর্তা: ভালো, তাহলে আপনার স্যালারি স্লিপ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও এনআইডি লাগবে। গ্রাহক: এনআইডি আর স্টেটমেন্ট এনেছি, স্যালারি স্লিপ কাল এনে দেব। ব্যাংক কর্মকর্তা: মোট কত টাকা লোন চাচ্ছেন? গ্রাহক: দুই লাখ। ব্যাংক কর্মকর্তা: আপনি চাইলে SME লোনেও যেতে পারেন, সুদের হার কম। গ্রাহক: সেটা হলে তো ভালোই। ব্যাংক কর্মকর্তা: আমি ফর্মটা দিয়ে দিচ্ছি, পুরন করে দিন। গ্রাহক: এক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যাবে? ব্যাংক কর্মকর্তা: সব কাগজ ঠিক থাকলে তিন দিনের মধ্যেই মিলবে ইনশাআল্লাহ। গ্রাহক: অনেক ধন্যবাদ ভাই। ব্যাংক কর্মকর্তা: শুভকামনা রইলো আপনার ব্যবসার জন্য।" বন্ধুদের মধ্যে বিদেশে পাড়ি দেওয়ার আগে শেষ আড্ডা,"জহির: আরে রনি, শুনলাম তুই কানাডা চলে যাচ্ছিস? রনি: হ্যাঁ ভাই, মাসখানেক পর রওনা দিবো ইনশাআল্লাহ। মাহি: কবে যাচ্ছিস? আর আমরা তোকে মিস করবো রে। রনি: ২৫ তারিখ ফ্লাইট। আমারও খুব মন খারাপ লাগছে। জহির: এত বছর একসাথে কাটালাম, তোর চা-টা না থাকলে তো আড্ডাই জমবে না। রনি: ওখানে গিয়ে ভিডিও কল দেব রোজ রাতে, চলো ভার্চুয়াল আড্ডা হবে! মাহি: কিন্তু তোর গিটার বাজানো তো শুনা যাবে না আর লাইভে। রনি: আবার দেখা হবে ভাই। সময় থাকলে তোমরাও আসো ঘুরতে। জহির: তোকে স্কাইপে একদিন রান্না শেখাতে হবে! রনি: হাহা, আগে তো ওভেন চালাতে শিখি! মাহি: একটা ফেয়ারওয়েল পার্টি চাই কিন্তু। রনি: দিতেই হবে। চল আগামী শুক্রবার একটা ছোট আড্ডা দেই, খিচুড়ি পার্টি। জহির: আরেকবার বলছি—বিদেশ গেলে কিন্তু বাংলাদেশ ভুলে যাস না। রনি: মাথায় তুলে রাখলাম ভাই। দেশ, বন্ধুবান্ধব, চা, ফুটবল—সব কিছু রক্তে মিশে আছে। " হাসপাতালের রোগী ও নার্সের মধ্যে ব্যথা ও ঔষধ নিয়ে কথা,"নার্স: কেমন লাগছে আজ শরীরটা, খালাম্মা? রোগী: মাথাটা ভার লাগছে, আর ডান পায়ের ব্যথা কমেনি। নার্স: আমি আপনার প্রেসক্রিপশন দেখে ইনজেকশন দিচ্ছি। রোগী: ইনজেকশনটা খুব ব্যথা করে রে মা! নার্স: একটু কষ্ট হবে, কিন্তু এতে ব্যথা অনেক কমবে। রোগী: কাল রাতে ঘুম আসেনি ঠিকমতো। নার্স: তাহলে আজ রাতে একটা ঘুমের ওষুধ দিয়ে দেব ডাক্তারের অনুমতিতে। রোগী: পানি খেলে বমি বমি লাগে। নার্স: সেটা ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে দেখতে হবে। রোগী: তুমি খুব ভালো মেয়ে মা, সবসময় খোঁজ রাখো। নার্স: আপনাকে নিজের মায়ের মতোই দেখি খালাম্মা। রোগী: আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুক মা। নার্স: ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে উঠবেন। সাহস রাখুন।" কাস্টমার ও অনলাইন ডেলিভারি প্রতিনিধির মধ্যে পণ্যের বিলম্ব নিয়ে অভিযোগ,"কাস্টমার: হ্যালো, আমি গত ৩ দিন আগে অর্ডার দিয়েছিলাম, এখনও পাইনি কেন? ডেলিভারি প্রতিনিধি: দুঃখিত স্যার, আপনার অর্ডার নম্বরটা বলবেন? কাস্টমার: #45261, একটি হেডফোন অর্ডার করেছিলাম। ডেলিভারি প্রতিনিধি: স্যার, আমাদের সিস্টেমে দেখাচ্ছে যে আজ সন্ধ্যায় ডেলিভারি হওয়ার কথা। কাস্টমার: আজও না আসলে আমি ক্যানসেল করব। ডেলিভারি প্রতিনিধি: বুঝতে পারছি স্যার। দেরির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কাস্টমার: এটা তো আমার জরুরি প্রয়োজনের জন্য অর্ডার করা ছিল। ডেলিভারি প্রতিনিধি: আমরা প্রাধান্য দিয়ে এখনই ডেলিভারি টিমে জানাচ্ছি। কাস্টমার: আমি চাই ৭টার মধ্যে হাতে আসুক, নয়তো দরকার নেই। ডেলিভারি প্রতিনিধি: ঠিক আছে স্যার, ৬টার মধ্যেই পৌঁছানো হবে। কাস্টমার: আশা করছি কথা রাখবেন। ডেলিভারি প্রতিনিধি: ইনশাআল্লাহ স্যার, নিশ্চিন্ত থাকুন।" বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যে ইন্ডাস্ট্রি ইন্টার্নশিপ নিয়ে আলোচনা,"সিনিয়র: কিরে, তোর ইন্টার্নশিপ প্লেসমেন্ট হলো কোথায়? জুনিয়র: ভাইয়া, এখনো পাইনি। কয়েকটা জায়গায় সিভি জমা দিয়েছি। সিনিয়র: কোথায় কোথায় দিয়েছিস? জুনিয়র: ব্র্যাক আইটি, বিটকয়েন বিডি আর একটায় রবি। সিনিয়র: ভালো চয়েস। কিন্তু শুধুই সিভি জমা দিলে হবে না, ফলো আপ করতে হয়। জুনিয়র: ভাইয়া ভয় লাগে ফোন করে কথা বলতে। যদি খারাপ নেয়? সিনিয়র: না রে, এটা তো পেশাগত যোগাযোগ। সাহস রাখতে হবে। জুনিয়র: ইন্টারভিউতে কী কী প্রশ্ন করে ওরা? সিনিয়র: প্রজেক্ট নিয়ে জিজ্ঞেস করে, গ্রুপ ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স জানতে চায়। জুনিয়র: ভাইয়া, একটা মক ইন্টারভিউ করে দিতেন? সিনিয়র: অবশ্যই। আগামী শুক্রবার বিকালে সময় রাখ, আমরা একটা প্র্যাকটিস সেশন করব। জুনিয়র: ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনি না থাকলে এতদূর আসতাম না। সিনিয়র: নিজের দায়িত্ব মনে করি তোকে গাইড করা। জুনিয়র: দোয়া করবেন ভাইয়া, যেন একটা ভালো জায়গায় সুযোগ পাই। সিনিয়র: নিশ্চয়ই। চেষ্টার কোন বিকল্প নেই রে। " গ্রাহক ও মোবাইল অপারেটর কাস্টমার কেয়ারের মধ্যে প্যাকেজ সমস্যার সমাধান,"গ্রাহক: হ্যালো, আমার মোবাইল ডেটা প্যাক কেনার পরও ইন্টারনেট চলছে না। কাস্টমার কেয়ার: দয়া করে আপনার মোবাইল নম্বরটি বলবেন? গ্রাহক: ০১৭******** কাস্টমার কেয়ার: ধন্যবাদ। একটু চেক করছি... আপনার প্যাকটি অ্যাকটিভ হয়েছে। গ্রাহক: তাহলে ইন্টারনেট চলছে না কেন? কাস্টমার কেয়ার: মোবাইলে APN সেটিং ঠিক আছে কি না দেখেছেন? গ্রাহক: সেটিংস বুঝি না। কাস্টমার কেয়ার: আমি এসএমএসে নতুন সেটিং পাঠাচ্ছি, আপনি সেটি ইনস্টল করে রিস্টার্ট দিন। গ্রাহক: ঠিক আছে, একটা মিনিট দিন। [কিছুক্ষণ পর] গ্রাহক: ইনস্টল করে রিস্টার্ট দিলাম। কাস্টমার কেয়ার: এখন চেষ্টা করে দেখুন ব্রাউজ করতে পারছেন কি না। গ্রাহক: হ্যাঁ, এখন চলছে। কাস্টমার কেয়ার: অসুবিধার জন্য দুঃখিত। কিছু সাহায্য লাগলে কল দিন। গ্রাহক: অনেক ধন্যবাদ। " বেকার এক তরুণ ও তার বড় ভাইয়ের মধ্যে চাকরির হতাশা নিয়ে আলোচনা,"তরুণ: ভাইয়া, আর ভালো লাগছে না। একটার পর একটা রিজেকশন পাচ্ছি। বড় ভাই: হতাশ হলে চলবে না। চাকরি না পেলে, স্কিল বাড়াতে হবে। তরুণ: প্রতিদিন সিভি পাঠাচ্ছি, কোন উত্তর আসে না। বড় ভাই: সিভি-টা দেখিয়েছিস কোনো অভিজ্ঞ কাউকে? তরুণ: না, নিজেই বানিয়েছি। বড় ভাই: চল, আমি রিভিউ করে দেই। তুই একটা প্রফেশনাল টেমপ্লেটে সাজা। তরুণ: ভাইয়া, মনে হয় আমি কিছুই পারি না। বড় ভাই: এটা শুধু নিজের ওপর সন্দেহ। তুই যে জাভা, পাইথন শিখেছিস, সেটা তো অনেক বড়। তরুণ: রিক্রুটাররা সব এক্সপেরিয়েন্স চায়। বড় ভাই: ঠিক বলেছিস, তাই পার্ট-টাইম ইন্টার্নশিপ কর। ওখান থেকে এক্সপেরিয়েন্স তৈরি হবে। তরুণ: ভালো কথা, কোথায় খোঁজা শুরু করব? বড় ভাই: LinkedIn, BDJobs, আর সরাসরি কোম্পানির সাইট চেক কর। তরুণ: ভাইয়া, তুমি পাশে আছো বলেই সাহস পাই। বড় ভাই: সবসময় তোদের জন্যই আছি রে। " স্কুল শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ছাত্রের পড়ালেখা নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আপনি আসার জন্য ধন্যবাদ। আপনার ছেলে রাফি কিছুদিন ধরে ক্লাসে মনোযোগী নয়। অভিভাবক: ও কি কোনো খারাপ ব্যবহার করেছে? শিক্ষক: খারাপ ব্যবহার নয়, কিন্তু প্রতিদিন হোমওয়ার্ক অসম্পূর্ণ থাকে। অভিভাবক: বাসায় বললে বলে সময় পাই না। শিক্ষক: ওর মধ্যে আগ্রহ আছে, কিন্তু একটু গাইডেন্স দরকার। অভিভাবক: আমি তো অফিসের পর ক্লান্ত হয়ে যাই, সময় দিতে পারি না ঠিকমতো। শিক্ষক: আপনি ১৫ মিনিটও যদি ওর পাশে বসেন, তাতে অনেক পরিবর্তন আসবে। অভিভাবক: বুঝতে পারছি। আপনি কিছু পড়ার কৌশল সাজিয়ে দিতে পারবেন? শিক্ষক: অবশ্যই, আমি ওর জন্য এক সপ্তাহের পড়াশোনার শিডিউল তৈরি করে দেব। অভিভাবক: অনেক উপকার হবে। শিক্ষক: আপনার ছেলে অনেক সম্ভাবনাময়। শুধু একটু উৎসাহ দরকার। অভিভাবক: আমি এখন থেকে সময় বের করব। ধন্যবাদ স্যার।" তরুণী ও তার বান্ধবীর মধ্যে ক্যারিয়ার বনাম সংসার নিয়ে দ্বিধা,"সাবিনা: ভাবছি, এই বছরেই হয়তো বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রুমানা: হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত? তুই তো বলতি, আগে চাকরি করবি! সাবিনা: বাড়ির চাপে পড়ে যাচ্ছি। বিয়ের পর হয়তো চাকরি করা কঠিন হবে। রুমানা: কিন্তু তুই তো গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছিস, তোকে থেমে যেতে হবে কেন? সাবিনা: জানি না, দ্বিধায় আছি। রুমানা: তোর হবু বর কী ভাবে এই বিষয়ে? সাবিনা: সে চায় আমি সংসার দেখি আগে। পরে চাকরির কথা ভাববে। রুমানা: এটা কি তোর স্বপ্নের সঙ্গে মানায়? সাবিনা: না রে। কিন্তু পরিবার খুশি, ওর পরিবারও। রুমানা: আমি বলি, আগে একটা চাকরি ধর। নিজেকে প্রমাণ কর, তারপর বিয়ে। সাবিনা: সত্যি বলছি, তোর কথা ভাবায় ফেললো। রুমানা: সিদ্ধান্ত তোর, কিন্তু নিজের স্বপ্ন ছাড়িস না। সাবিনা: ধন্যবাদ রে রুমানা, তোকে না বললে এত খোলামেলা ভাবতেই পারতাম না। " চাকরি খুঁজছেন এমন একজন তরুণ এবং একটি চাকরি মেলার আয়োজকের মধ্যে কথোপকথন,"তরুণ: ভাই, এই চাকরি মেলাটায় আইটি সম্পর্কিত কোনো পদ আছে? আয়োজক: হ্যাঁ ভাই, স্টল নম্বর ৫ আর ৮—দুটো সফটওয়্যার কোম্পানি আছে। তরুণ: ওরা কি এক্সপেরিয়েন্স চায় নাকি ফ্রেশারও চলবে? আয়োজক: একজন ফ্রেশারকে নিয়ে ট্রেনিং দিয়ে কাজে লাগাবে বলে জানিয়েছে। তরুণ: দারুণ! সিভি জমা দিতে পারি এখান থেকেই? আয়োজক: হ্যাঁ, ওখানেই ওরা ল্যাপটপে বা প্রিন্টে সিভি নিচ্ছে। তরুণ: ভাই, আমার সিভিটা মোবাইলে পিডিএফ ফরম্যাটে আছে, ওটা কি চলবে? আয়োজক: অবশ্যই চলবে। ওরা QR কোড স্ক্যান করেও নিচ্ছে। তরুণ: ভাই, আমি প্রথমবার চাকরি মেলায় এলাম। একটু নার্ভাস লাগছে। আয়োজক: টেনশন না নিয়ে হাসিমুখে কথা বলো। নিজেকে আত্মবিশ্বাসীভাবে উপস্থাপন করো। তরুণ: ধন্যবাদ ভাই, আপনি না থাকলে বুঝতেই পারতাম না। আয়োজক: চাকরি মেলায় এসে কথা বলাই তো যোগাযোগের শুরু। তরুণ: ভাই, আপনি নিজে চাকরি করছেন? আয়োজক: হ্যাঁ, আমি একটি ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। তরুণ: আপনার নামটা জানতে পারি? পরে যোগাযোগের দরকার হতে পারে। আয়োজক: অবশ্যই, আমি রাকিবুল ইসলাম। তোমাকে শুভকামনা! তরুণ: অনেক ধন্যবাদ রাকিব ভাই! আমি এখনই স্টল ৫-এ যাই।" পাড়ার দুই প্রতিবেশীর মধ্যে রাস্তায় ময়লা ফেলার সমস্যা নিয়ে আলোচনা,"প্রতিবেশী ১: ভাই, সকালে দেখলাম আপনার বাড়ির সামনের রাস্তায় আবার ময়লা! প্রতিবেশী ২: আমি তো ফেলিনি ভাই। কিন্তু দেখি কে বা কারা এসে রেখে যাচ্ছে। প্রতিবেশী ১: প্রতিদিনই কারো না কারো পলিথিন পড়ে থাকে। দুর্গন্ধ ছড়ায়। প্রতিবেশী ২: ঠিক বলেছেন। আমি একবার দেখেছি একজন বাইরের লোক প্যাকেট ফেলে চলে গেল। প্রতিবেশী ১: তাহলে কি একটা সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া যায় না? প্রতিবেশী ২: ভালো আইডিয়া। লিখে দেওয়া যাক: “এখানে ময়লা ফেললে জরিমানা”। প্রতিবেশী ১: বা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করাও যেতে পারে। প্রতিবেশী ২: হ্যাঁ, স্থানীয় কাউন্সিলরের কাছে একটা লিখিত অভিযোগ দেব? প্রতিবেশী ১: চলুন, আমি আপনার সঙ্গে যাবো। প্রতিবেশী ২: আমাদের নিজেদের এলাকা, আমাদেরই তো যত্ন নিতে হবে। প্রতিবেশী ১: ঠিকই বলেছেন। আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে আর কে হবে? প্রতিবেশী ২: আমি আজ বিকেলেই দোকান থেকে একটা বোর্ড নিয়ে আসবো। প্রতিবেশী ১: আর আমি সাইনটা প্রিন্ট করে এনে দিবো। প্রতিবেশী ২: আশেপাশের দু’জনকে বললে, সবাই মিলে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। প্রতিবেশী ১: ধন্যবাদ ভাই, আপনার এই উদ্যোগ দেখে ভালো লাগছে। প্রতিবেশী ২: একসাথে থাকলেই তো সমাজ বদলায়। " রেস্টুরেন্টে গ্রাহক ও ওয়েটারের মধ্যে খাবার নিয়ে অভিযোগ ও সমাধান,"গ্রাহক: ভাই, একটু আসবেন? ওয়েটার: জি স্যার, বলুন। গ্রাহক: আমি চিকেন বিরিয়ানি অর্ডার করেছিলাম, কিন্তু এটা তো গরুর মাংস! ওয়েটার: ওহ স্যার, দুঃখিত। এটা সম্ভবত ভুলে গেছে কিচেন। গ্রাহক: আরেকটা ব্যাপার, খাবারটা ঠান্ডাও। ওয়েটার: খুবই দুঃখিত স্যার। এখনই আমি রি-প্লেস করে দিচ্ছি। গ্রাহক: আমি প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করেছি। ওয়েটার: বুঝতে পারছি স্যার। দয়া করে আর ১০ মিনিট সময় দিন, গরম ও ঠিক অর্ডার দেব। গ্রাহক: ঠিক আছে, কিন্তু দ্রুত দিন। আমি লাঞ্চ ব্রেকে এসেছি। ওয়েটার: অবশ্যই। আপনি চাইলে সাথে একটু ফ্রি স্যালাড দিয়ে দেব। গ্রাহক: তা হলে দিন, ধন্যবাদ। [কিছুক্ষণ পর] ওয়েটার: স্যার, আপনার চিকেন বিরিয়ানি, গরম ও টেস্টি করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাহক: এবার ঠিক আছে, ধন্যবাদ। ওয়েটার: আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহক: সার্ভিস ভালো থাকলে আবার আসব।" কলেজছাত্র ও তার মা’র মধ্যে উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে আলোচনা,"ছেলে: মা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফর্ম তুলতে প্রায় ২০০০ টাকা লাগবে। মা: এত টাকা? তুমি তো আগে বলো নি। ছেলে: এখন সবকিছু অনলাইনে করতে হয়, ফর্ম, ফি, ট্রান্সক্রিপ্ট ফি সব মিলে এটাই হয়। মা: আমাদের হাতে এখন অত টাকা নেই। তোর বাবার বেতন পেতেই দেরি হচ্ছে। ছেলে: আমি যদি সময় মতো না দিই, রেজিস্ট্রেশন মিস হয়ে যাবে। মা: একটু অপেক্ষা কর। তোর বাবার কাছে কথা বলি। ছেলে: আমি চাই না আপনাদের কষ্ট হোক। চাইলে একটা পার্ট-টাইম টিউশনি নিতে পারি। মা: ঠিক আছে, তোর বাবা আসলে কথা বলব। তবে তুই ফোকাস হারাস না। ছেলে: না মা, আমি প্রতিদিন পড়াশোনা করি। মা: তুই যদি মন দিয়ে পড়িস, আমি সব করব তোকে পড়ানোর জন্য। ছেলে: তোমরা অনেক কষ্ট করো মা। আমি চেষ্টা করব কিছু করতে। মা: তোর স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন। সাহস হারাস না বাবা।" পুলিশ ও নাগরিকের মধ্যে হারানো ব্যাগ নিয়ে অভিযোগ,"নাগরিক: স্যার, আমি একটু আগে বাসায় যাওয়ার পথে ব্যাগটা হারিয়ে ফেলেছি। পুলিশ: কোথায় হারিয়েছেন? স্থানটা বলুন। নাগরিক: শাহবাগ মোড়ে নেমে ট্যাক্সি নিচ্ছিলাম, তখনই বুঝি খেয়াল করিনি। পুলিশ: ব্যাগে কী কী ছিল? নাগরিক: জাতীয় পরিচয়পত্র, কিছু অফিসের কাগজ, একটা ছোট্ট ল্যাপটপ, আর কিছু টাকা। পুলিশ: আপনার মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা দিন। নাগরিক: ০১৮********, ধানমন্ডি ৭ নম্বর। পুলিশ: আমরা সাধারণত হারানো জিনিসের রেজিস্টারে এন্ট্রি রাখি। এক কপি জিডি আবেদন লিখে দিন। নাগরিক: আমি এখনই লিখছি। আর কিছু লাগবে কি? পুলিশ: সম্ভব হলে ব্যাগের ছবি থাকলে দিন। না থাকলে রঙ ও ব্র্যান্ড লিখে দিন। নাগরিক: ঠিক আছে, কালো রঙের ব্যাগ, HP লোগো আছে। পুলিশ: আমরা চেষ্টা করব। যদি কেউ জমা দেয়, আপনাকে জানানো হবে। নাগরিক: ধন্যবাদ স্যার। আশা করি ফিরে পাব। পুলিশ: আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। " বৃদ্ধ বাবা ও প্রবাসী ছেলের মধ্যে ফোনে আবেগঘন আলাপ,"বাবা: হ্যালো, কেমন আছিস বাবা? ছেলে: ভালো আছি আব্বা। আপনি কেমন আছেন? বাবা: শরীরটা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। হাঁটাচলা কমে গেছে। ছেলে: আব্বা, আপনি নিয়মিত ওষুধ খান তো? বাবা: খাই রে। কিন্তু তোকে খুব মনে পড়ে। ছেলে: আমি জানি, আমিও আপনাদের ভীষণ মিস করি। বাবা: এত দূরে থাকিস, দেখা হয় না। ছেলে: আমি ছুটি পেলেই দেশে আসব, কথা দিচ্ছি। বাবা: তোকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে। ছেলে: আমিও আব্বা, ছোটবেলার সেই উঠোনটা এখনো মনে পড়ে। বাবা: বাড়ির সবাই তোকে খুঁজে। তোর আম্মু তোর রুমটা এখনো গুছিয়ে রাখে। ছেলে: আপনারা ভালো থাকলেই আমার শান্তি। বাবা: ভালো থাকিস বাবা। সময় হলে দেশে ফিরে আয়। " শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে থিসিস নির্বাচন নিয়ে পরামর্শ,"ছাত্র: স্যার, আমি থিসিসের বিষয় নিয়ে খুবই কনফিউজড। শিক্ষক: কিসে আগ্রহ বেশি? সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, না ডেটা অ্যানালিটিক্স? ছাত্র: আমি চাই কিছু বাস্তব সমস্যার সমাধান দিতে পারি এমন কিছু নিয়ে কাজ করতে। শিক্ষক: ভালো কথা। তাহলে তুমি চাইলে ""রোড ট্র্যাফিক অ্যানালাইসিস"" নিয়ে কাজ করতে পারো। ছাত্র: স্যার, এতে কী কী টেকনোলজি লাগবে? শিক্ষক: Python, কিছু OpenCV, আর Machine Learning মডেল। ছাত্র: আমি পিথন জানি, তবে OpenCV তেমন কাজ করিনি। শিক্ষক: চিন্তা করো না, আমরা গাইড করব। সময় থাকলে ভালো প্রজেক্ট দাঁড় করানো যাবে। ছাত্র: থ্যাংক ইউ স্যার। আপনি গাইড হলে আমি আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। শিক্ষক: মনে রাখো, নিজের আগ্রহ না থাকলে থিসিস করা কঠিন হয়। ছাত্র: ঠিক বলেছেন স্যার। আমি এই বিষয়েই কাজ করব।" ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে পরীক্ষা প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমি আগামী সপ্তাহের পরীক্ষা নিয়ে একটু উদ্বিগ্ন। শিক্ষক: কেন? কোন বিষয় নিয়ে সমস্যা হচ্ছে? ছাত্র: গাণিতিক সমাধানগুলো বুঝতে একটু কষ্ট হয়। শিক্ষক: তুমি নিয়মিত ক্লাসে আসছো তো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, তবে বাসার পড়াশোনা একটু কম হয়। শিক্ষক: বাসায় নিয়মিত সময় দিয়ে অনুশীলন করো। প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে হবে। ছাত্র: আর কি করব স্যার? শিক্ষক: তোমার ছোট ছোট নোট তৈরি করো, যে কোন সমস্যায় কিভাবে ধাপে ধাপে সমাধান করতে হয়। ছাত্র: এটা করলে মনে থাকবে তো? শিক্ষক: অবশ্যই। রিভিশন করলে মস্তিষ্কে ভালোভাবে গেঁথে যায়। ছাত্র: স্যার, প্রশ্নপত্রের ধরন কি এবার পরিবর্তন হয়েছে? শিক্ষক: না, আগের মতোই MCQ আর সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন থাকবে। ছাত্র: তাহলে কি বইয়ের বাইরে বেশি পড়াশোনা করা লাগবে? শিক্ষক: যদি সময় থাকে তাহলে অতিরিক্ত বই পড়তে পারো, তবে প্রথমে বইয়ের বিষয়বস্তু ভালোভাবে বুঝতে হবে। ছাত্র: স্যার, টিউটোরিয়াল ক্লাসগুলো কি সাহায্য করবে? শিক্ষক: অবশ্যই, সেখানে তোমরা মিস করা অংশগুলো কভার করতে পারো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি এখন থেকে বেশি মনযোগ দিব। শিক্ষক: ভালো, আমি তোমার উন্নতি আশা করছি। " শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকা’র মধ্যে প্রকল্প নির্ধারণের আলোচনা,"ছাত্রী: ম্যাডাম, আমাদের সায়েন্স প্রজেক্টের জন্য বিষয় নির্বাচন করতে হবে। শিক্ষিকা: তুমি কী ধরনের বিষয় পছন্দ কর? ছাত্রী: আমি পরিবেশ নিয়ে কিছু করতে চাই। শিক্ষিকা: পরিবেশের মধ্যে কী? প্লাস্টিক দূষণ, গাছ লাগানো, না জলবায়ু পরিবর্তন? ছাত্রী: প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে গবেষণা করতে চাই। শিক্ষিকা: খুব ভালো বিষয়। তোমার কি ধারণা কীভাবে শুরু করবে? ছাত্রী: একটু তথ্য সংগ্রহ করব এবং তারপর একটা প্রতিবেদন লিখব। শিক্ষিকা: চেষ্টা কর ছবি, ডাটা চার্ট ব্যবহার করতে, যাতে প্রেজেন্টেশন আকর্ষণীয় হয়। ছাত্রী: ম্যাডাম, যদি হাতে সময় কম থাকে? শিক্ষিকা: তাহলে প্রধান তথ্যগুলো তুলে ধরো, বেশি তথ্যের চাইতে স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত হওয়াই ভালো। ছাত্রী: বুঝেছি। আমি বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে কাজ করব। শিক্ষিকা: দলবদ্ধ কাজ ভালো ফল দেয়, তবে প্রত্যেকের অবদান নিশ্চিত করো। ছাত্রী: ধন্যবাদ ম্যাডাম, আমি আজই কাজ শুরু করব। " কলেজছাত্র ও সিনিয়র শিক্ষকের মধ্যে ক্যারিয়ার পরামর্শ,"ছাত্র: স্যার, আমি পড়াশোনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। শিক্ষক: কোন বিষয় নিয়ে ভাবছো? ছাত্র: ইঞ্জিনিয়ারিং না বিজ্ঞান, কোথায় বেশি সুযোগ? শিক্ষক: তোমার আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নাও। ছাত্র: ইঞ্জিনিয়ারিং একটু কঠিন মনে হয়। শিক্ষক: কঠিন তো সব ক্ষেত্রেই থাকে, তবে আগ্রহ থাকলে সহজ হয়। ছাত্র: আমি জানতে চাই, কোন ক্ষেত্রের চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি? শিক্ষক: বর্তমানে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্সের চাহিদা বেড়ে গেছে। ছাত্র: আমি কি ওইসব বিষয় শিখতে পারি? শিক্ষক: অবশ্যই, তোমার যদি ইচ্ছা থাকে, তবে অনলাইন কোর্স করতে পারো। ছাত্র: স্যার, ক্যারিয়ার গাইডেন্স ক্লাস হয় এখানে? শিক্ষক: হয়, সপ্তাহে একদিন, তুমি অবশ্যই অংশগ্রহণ করো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি আপনার পরামর্শ মেনে চলব। " শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা,"অভিভাবক: স্যার, আমার ছেলে ক্লাসে মন দেয় না বলে আমি চিন্তিত। শিক্ষক: আপনার ছেলে গড় মেধার ছাত্র, তবে মনোযোগ কম থাকে। অভিভাবক: বাসায় পড়াশোনা করানোর চেষ্টা করি, কিন্তু বেশি মনোযোগ দেয় না। শিক্ষক: সে হয়ত অন্য কোনো বিষয়ে বেশি আগ্রহী। আমরা ক্লাসে কিছু বাড়তি সহযোগিতা করছি। অভিভাবক: তার মোবাইল ব্যবহার সীমিত করছি, কিন্তু ফল বেশি আসে না। শিক্ষক: এটা ভালো, তবে তার আগ্রহের বিষয়গুলোও দেখুন। ক্লাসের বাইরে ও কিছু শিখতে উৎসাহিত করুন। অভিভাবক: আমি চেষ্টা করব, আর কি করতে পারি? শিক্ষক: নিয়মিত ক্লাসে আসা এবং সময়মতো হোমওয়ার্ক করা খুব জরুরি। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, আমি তার সঙ্গে কথা বলব। শিক্ষক: যেকোনো সমস্যা হলে আমাদের জানাবেন।" শিক্ষার্থী ও বই বিক্রেতার মধ্যে বই কেনার আলোচনা,"ছাত্রী: ভাইয়া, বইয়ের দাম কেমন? বিক্রেতা: কোন বই চাই? রসায়ন, পদার্থ, না জীববিজ্ঞান? ছাত্রী: পদার্থবিজ্ঞানের বই চাই, নতুন এডিশন হলে ভালো হয়। বিক্রেতা: এখানে একটা নতুন এডিশনের বই আছে, দাম ৫০০ টাকা। ছাত্রী: কি বিষয়গুলো আছে? বিক্রেতা: সব পাঠ্যক্রম কভার করে, প্রশ্ন-উত্তর অংশেও ভালো ব্যাখ্যা আছে। ছাত্রী: আমি পছন্দ করি সহজ ভাষায় লেখা বই। বিক্রেতা: এই বইটা তেমনই, শিক্ষকদের রিভিউও ভালো। ছাত্রী: আমি কি পুরানো বই কিনতে পারি? বিক্রেতা: পুরানো বই কিছু কম দামে পাবেন, তবে নতুন বইয়ের থেকে ব্যাখ্যা কিছুটা কম। ছাত্রী: আমি নতুনটা নিব, ভাইয়া। বিক্রেতা: নেও, প্যাকেট দিয়ে দিচ্ছি। ছাত্রী: ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনার সাহায্যের জন্য।" শিক্ষিকা ও ছাত্রীর মধ্যে সেমিস্টার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"ছাত্রী: ম্যাডাম, আমি সেমিস্টার পরীক্ষার জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নেব বুঝতে পারছি না। সময় যেন কম লাগে। শিক্ষিকা: সময়ের অভাব সব সময় থাকে, তবে পরিকল্পনা করলে অনেক সহজ হয়। তুমি প্রতিদিন কত সময় পড়াশোনা করো? ছাত্রী: ওমা, পড়াশোনার জন্য বরাবরই সময় কম পাই। বাড়ির কাজ ও বাইরের ঝামেলা থাকে। শিক্ষিকা: ঠিক আছে, তাহলে ছোট ছোট সময় ভাগ করে পড়ো। যেমন, সকালবেলা আধা ঘণ্টা, বিকেলে আরেকবার আধা ঘণ্টা। ছাত্রী: হুম, কিন্তু কোন বিষয় আগে পড়ব? শিক্ষিকা: সবচেয়ে দুর্বল বিষয় আগে পড়ো, তারপর ভালো বিষয়গুলোর দিকে আসো। ছাত্রী: আমি ইংরেজি এবং পদার্থবিজ্ঞানে একটু পিছিয়ে আছি। শিক্ষিকা: তাহলে ইংরেজি ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বই থেকে শুরু করো। পদার্থবিজ্ঞানে ফর্মুলাগুলো নিয়মিত মুখস্ত করো। ছাত্রী: ম্যাডাম, ফর্মুলা মুখস্ত করতে গেলে ভুতুড়ে মনে হয়, মনে হয় পড়াশোনা বোরিং হয়ে যাবে। শিক্ষিকা: ভয় পেও না, ফর্মুলা শিখতে চাইলে রোজ একটু সময় দাও, আর সমস্যা হলে আমার কাছে আসো। ছাত্রী: আর যদি কোন প্রশ্ন বোঝা না যায়? শিক্ষিকা: তুমি টিউটোরিয়াল ক্লাসে আসো, সেখানে সব জটিলতা পরিষ্কার হয়। ছাত্রী: আমি মনে করি, গ্রুপ স্টাডি করলে ভালো হয়। শিক্ষিকা: একদম সঠিক। বন্ধুদের সঙ্গে পড়াশোনা করলে মন ভালো থাকে এবং একে অন্যের সাহায্য পাওয়া যায়। ছাত্রী: ম্যাডাম, পরীক্ষার আগে একটু ভয় লাগে, কিভাবে নিজের মনোবল বাড়াব? শিক্ষিকা: আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। চেষ্টা কর তুমি ভালো প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছো। ছাত্রী: ধন্যবাদ ম্যাডাম, আমি এখন থেকে পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়াশোনা করব। " কলেজ শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস কাউন্সেলরের মধ্যে ক্যারিয়ার বিষয়ক পরামর্শ,"ছাত্র: কনস্যেলর স্যার, আমি আমার ভবিষ্যত নিয়ে খুব চিন্তিত। কোন ক্যারিয়ার পথ বেছে নেব বুঝতে পারছি না। কাউন্সেলর: কোন বিষয়গুলো তোমার পছন্দ? বিজ্ঞান, ব্যবসা, মানবিক অথবা প্রযুক্তি? ছাত্র: প্রযুক্তি আর বিজ্ঞান দুইটাই ভালো লাগে। কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। কাউন্সেলর: প্রথমে নিজের শক্তি ও দুর্বলতা যাচাই করো। তুমি কোন বিষয়ে বেশি ভালো? ছাত্র: গণিত ও প্রোগ্রামিং ভালো হয়। কাউন্সেলর: তাহলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডেটা সায়েন্সে যাওয়ার চিন্তা করো। ছাত্র: শুনেছি সেগুলোতে অনেক প্রতিযোগিতা থাকে। আমি পারব তো? কাউন্সেলর: প্রতিযোগিতা সব ক্ষেত্রেই থাকে, তবে ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রম করলে পারা যায়। ছাত্র: আমি কি অনলাইন কোর্স করতে পারি? কাউন্সেলর: অবশ্যই, অনেক ভালো প্ল্যাটফর্ম আছে যেমন কোর্সেরা, উদেমি। ছাত্র: আর ক্যাম্পাসে কি কোনো ওয়ার্কশপ হয়? কাউন্সেলর: প্রতি মাসে হয়, তুমি সেগুলোতে অংশ নাও। ছাত্র: আমি কি ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাব? কাউন্সেলর: আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ইন্টার্নশিপের তথ্য দিয়ে থাকি। আমি তোমাকে তথ্য দিবো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনার সাহায্যে আমার দিশা পেতে শুরু করলাম। " শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও পেশার আলোচনা,"অভিভাবক: আমার সন্তান, তুমি কলেজ শেষ করে কী করবা? ছাত্র: বাবা, আমি উচ্চশিক্ষা করতে চাই, তবে কোন বিষয়ে তা ঠিক করতে পারছি না। অভিভাবক: কোন বিষয়ে আগ্রহ বেশি? ছাত্র: আমি ইঞ্জিনিয়ারিং বা ব্যবসায় পড়াশোনা করতে চাই। অভিভাবক: ইঞ্জিনিয়ারিং করলে সময় ও খরচ বেশি লাগবে। ব্যবসায় কম সময় লাগলেও পরিশ্রম কম নয়। ছাত্র: আমি ওটা চাই যা ভবিষ্যতে ভালো ক্যারিয়ার দেবে। অভিভাবক: এখনকার চাকরির বাজার দ্রুত পরিবর্তন হয়, তাই তোমার আগ্রহের সঙ্গে সুযোগের সমন্বয় করো। ছাত্র: আমি প্রযুক্তি খাতে যেতে চাই, কারণ তা খুব দ্রুত উন্নয়নশীল। অভিভাবক: খুব ভালো, তবে শুধু পড়াশোনা নয়, অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হবে। ছাত্র: আমি চেষ্টা করব বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করতে। অভিভাবক: তোমাকে আমরা সবসময় সাহায্য করব, তবে তোমার নিজস্ব উদ্যোগ দরকার। ছাত্র: বাবা, আমি ভালো কিছু করতে চাই, নিজের পা নিজেরেই টেকাতে চাই। অভিভাবক: আমরা তোমার পাশে আছি, মন থেকে চেষ্টা করো। " শিক্ষিকা ও ছাত্রীর মধ্যে অনলাইন ক্লাসের সুবিধা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা,"ছাত্রী: ম্যাডাম, অনলাইন ক্লাস খুব সুবিধাজনক হলেও মাঝে মাঝে সমস্যা হয়। শিক্ষিকা: কী ধরনের সমস্যা হয়? ছাত্রী: কখনো ইন্টারনেট সংযোগ খারাপ হয়, কখনো ভিডিও বা অডিও স্পষ্ট হয় না। শিক্ষিকা: সেজন্য আমি ক্লাস রেকর্ড করে রাখি, তুমি পরে দেখতে পারো। ছাত্রী: এটা ভালো, কিন্তু লাইভ ক্লাসের মতো প্রশ্ন করার সুযোগ কম হয়। শিক্ষিকা: তুমি যেকোনো সময় মেসেজ বা ইমেইল করতে পারো, আমি উত্তর দেবো। ছাত্রী: তবে কখনো কখনো মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়। শিক্ষিকা: সেজন্য আমি চেষ্টা করি ক্লাসে বিভিন্ন কার্যক্রম করানোর, যাতে মনোযোগ থাকে। ছাত্রী: অনলাইন ক্লাসে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ কম হয়, তাই ভালো লাগে না। শিক্ষিকা: তুমি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কথা বলতে পারো। ছাত্রী: ভবিষ্যতে অনলাইন ক্লাস আর অফলাইন ক্লাস একসঙ্গে থাকবে তো? শিক্ষিকা: হয়তো, দুই পদ্ধতির মেলবন্ধন হবে, যাতে সুবিধা ও কার্যকারিতা দুটোই পাওয়া যায়। ছাত্রী: ধন্যবাদ ম্যাডাম, আপনি সবসময় সাহায্য করেন। " শিক্ষার্থী ও গাইড টিচারের মধ্যে গবেষণা পত্রের পরিকল্পনা,"ছাত্রী: স্যার, আমার গবেষণা পত্রের জন্য বিষয় নির্ধারণ করতে পারছি না। গাইড: তোমার কোন বিষয়গুলো বেশি আগ্রহের? ছাত্রী: পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ নিয়ে কিছু করতে চাই। গাইড: ভালো, তুমি কি কোন নির্দিষ্ট সমস্যা নিয়ে কাজ করতে চাও? ছাত্রী: প্লাস্টিক দূষণ এবং এর সমাধান নিয়ে। গাইড: এটা খুব সময়োপযোগী বিষয়, গবেষণার সুযোগও আছে। ছাত্রী: আমি কীভাবে শুরু করব? গাইড: প্রথমে বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ো, ডাটা সংগ্রহের উপায় ভাবো। ছাত্রী: মাঠে গিয়ে জরিপ করাও করতে চাই। গাইড: সেটাও ভালো হবে। তুমি স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলতে পারো। ছাত্রী: তথ্য বিশ্লেষণ কিভাবে করব? গাইড: আমি তোমাকে বিভিন্ন সফটওয়্যারের ব্যবহার শিখিয়ে দেবো। ছাত্রী: স্যার, সময় নিয়ে চিন্তা হয়, সব কাজ কী সময়মতো শেষ হবে? গাইড: পরিকল্পনা করে ধাপে ধাপে কাজ করো, আমি নিয়মিত তোমার অগ্রগতি দেখব। ছাত্রী: ধন্যবাদ স্যার, আপনার গাইডেন্সে কাজ শুরু করব। " দুই বন্ধুর মধ্যে ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"সোহেল: তানিয়া, তুমি কবে থেকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছো? তানিয়া: আমি মার্চ থেকে কোচিং শুরু করেছি। কিন্তু বাসার পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছি। সোহেল: বাহ! আমি একটু দেরি করে ফেলেছি মনে হয়। তানিয়া: সমস্যা নেই, এখনো সময় আছে। তবে প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট রুটিনে পড়তে হবে। সোহেল: তুমি কোন ইউনিটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছো? তানিয়া: আমি বিজ্ঞান ইউনিটে যাচ্ছি, তোমার তো ব্যবসায় শিক্ষা, তাই তোমার প্রশ্নগুলো একটু ভিন্ন। সোহেল: হ্যাঁ, তবে আমার গণিতে একটু সমস্যা হয়। তানিয়া: কোচিংয়ের টিচারকে বলেছো? সোহেল: উনি বুঝিয়ে দেন, কিন্তু ভুলে যাই। তানিয়া: প্রতিদিন যা শিখো, রাতে রিভিশন দাও। সোহেল: তুমি কীভাবে স্মার্টলি সময় ভাগ করো? তানিয়া: আমি ৫০ মিনিট পড়ি, তারপর ১০ মিনিট বিরতি। দিনে তিনটা বিষয় ঘুরিয়ে পড়ি। সোহেল: ভালো আইডিয়া! তুমি কি প্রতিদিন মডেল টেস্ট দাও? তানিয়া: হ্যাঁ, সপ্তাহে অন্তত ২টা। সোহেল: আর কনফিডেন্স বাড়ানোর জন্য কিছু করো? তানিয়া: হ্যাঁ, সফল হওয়ার কল্পনা করি আর নিজের লক্ষ্য মনে রাখি। সোহেল: ধন্যবাদ তানিয়া, আমি আজ থেকেই রুটিন করব। " "এক ছাত্র ও লাইব্রেরিয়ান এর মধ্যে বই সংগ্রহ নিয়ে আলোচনা ","ছাত্র: সালাম স্যার, আমি গণিত অলিম্পিয়াডের প্রস্তুতি নিতে চাই। কোন বইগুলো আপনার মতে ভালো হবে? লাইব্রেরিয়ান: ওয়ালেকুম সালাম। তুমি কোন ক্লাসে? ছাত্র: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি। লাইব্রেরিয়ান: তাহলে ""Challenging Problems in Algebra"" এবং ""Number Theory Through Problems"" বই দুটি কাজে লাগবে। ছাত্র: এগুলো লাইব্রেরিতে আছে তো? লাইব্রেরিয়ান: হ্যাঁ, আছে। তবে তুমি চাইলে ৭ দিনের জন্য নিতে পারো। ছাত্র: যদি ৭ দিনের মধ্যে শেষ না হয়? লাইব্রেরিয়ান: তুমি আবার রিনিউ করতে পারো। ছাত্র: স্যার, আমি কি অনলাইন লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারি? লাইব্রেরিয়ান: হ্যাঁ, আমাদের ওয়েবসাইটে ই-বুক সংগ্রহ আছে, তোমার আইডি দিয়ে লগ ইন করলেই পাবে। ছাত্র: ওয়াও! ধন্যবাদ স্যার। লাইব্রেরিয়ান: নিয়মিত বই পড়ো, এতে শব্দভাণ্ডার বাড়ে এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়ে। ছাত্র: অবশ্যই স্যার। আপনি সবসময় সাহায্য করেন।" শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ফলাফল ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আসসালামু আলাইকুম, আপনি কাওসারের অভিভাবক? অভিভাবক: জী স্যার, আমি তার বাবা। শিক্ষক: কাওসার মেধাবী, তবে গত মাসে তার পারফরম্যান্স একটু কমেছে। অভিভাবক: স্যার, আমরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। শিক্ষক: সে ক্লাসে মনোযোগ দেয়, তবে বাড়ির কাজগুলো ঠিকমতো করে না। অভিভাবক: আমরা বাসায় নজর দেব, তবে কাওসার মাঝে মাঝে মোবাইলে বেশি সময় দেয়। শিক্ষক: প্রযুক্তি ভালো, কিন্তু সীমার মধ্যে। আপনি সময় ঠিক করে দিন – কখন পড়বে, কখন বিশ্রাম। অভিভাবক: আপনি কি কোনো বাড়তি সহায়তা দিতে পারেন? শিক্ষক: অবশ্যই। আমি প্রতি শনিবার বিকালে অতিরিক্ত ক্লাস নেই, কাওসার আসতে পারে। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার। আপনি না থাকলে বুঝতাম না। শিক্ষক: আমরা একসঙ্গে চেষ্টা করলে সে অবশ্যই উন্নতি করবে।" শিক্ষার্থী ও সিনিয়রের মধ্যে স্কলারশিপ বিষয়ে পরামর্শ,"ছাত্র: ভাইয়া, আপনি বিদেশে পড়তে গেছেন, আমি জানতে চাই কীভাবে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করব। সিনিয়র: স্কলারশিপ পেতে হলে প্রথমে ভালো একাডেমিক রেজাল্ট দরকার, তারপর IELTS বা TOEFL দিতে হবে। ছাত্র: IELTS কি বাধ্যতামূলক? সিনিয়র: হ্যাঁ, বেশিরভাগ স্কলারশিপে ইংরেজি দক্ষতা প্রমাণ দরকার। ছাত্র: SOP কীভাবে লিখব? সিনিয়র: SOP মানে Statement of Purpose — তোমার লক্ষ্য, কেন সেই কোর্স, কেন ঐ বিশ্ববিদ্যালয় — এগুলো বুঝিয়ে লেখো। ছাত্র: স্কলারশিপের ওয়েবসাইট কোথা থেকে পাব? সিনিয়র: তুমি DAAD (Germany), Fulbright (USA), এবং Commonwealth (UK) এগুলোর ওয়েবসাইটে চেক করো। ছাত্র: ভাইয়া, আপনারা পড়তে গিয়েই চাকরি পান? সিনিয়র: অনেকেই পায়। তবে পড়ার সময় ইন্টার্নশিপ করতে হয়। ছাত্র: আমি আপনার অভিজ্ঞতা অনুসরণ করতে চাই। সিনিয়র: নিশ্চয়ই। যেকোনো দরকার হলে বলবে।" ইউনিভার্সিটিতে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কথোপকথন,"আফসান: হেই! তুমি কি নতুন? মাহি: হ্যাঁ, আজই ক্লাস শুরু। আমি মাহি। আফসান: আমি আফসান, তৃতীয় বর্ষে পড়ি। তোমাদের জন্য আজ নবীনবরণ অনুষ্ঠান আছে। মাহি: আমি তো একটু নার্ভাস, সবাই নতুন! আফসান: ভয় পেও না, সবাই বন্ধুবান্ধবের মতো। মাহি: এই ক্যাম্পাসটা অনেক বড়। ক্লাসরুম খুঁজে পেতে সময় লাগছে। আফসান: চিন্তা কোরো না, আমি তোমাকে ঘুরিয়ে দেখাব। মাহি: এখানে কি ক্লাব-আক্টিভিটিজ হয়? আফসান: অবশ্যই! ডিবেট ক্লাব, ড্রামা ক্লাব, আইটি ক্লাব — অনেক কিছু। মাহি: আমি সাংস্কৃতিক দলে অংশ নিতে চাই। আফসান: তাহলে আজকের অনুষ্ঠানে এনাউন্সমেন্ট শুনো, তারপর ফর্ম ফিল আপ করো। মাহি: ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনি অনেক হেল্পফুল। আফসান: শুভকামনা মাহি, ইউনিভার্সিটি লাইফ উপভোগ করো! " শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে প্রকল্প জমা দেওয়ার সময় নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: শুভ, তুমি এখনো তোমার বিজ্ঞান প্রকল্প জমা করোনি কেন? শুভ: স্যার, আমি আসলে ডেটা কালেকশনে একটু সময় নিচ্ছি। শিক্ষক: বুঝলাম, কিন্তু ডেডলাইন তো গতকাল ছিল। শুভ: স্যার, আমি একটু দয়া চাইছি। দুই দিন সময় দিলে আমি ভালোভাবে শেষ করতে পারব। শিক্ষক: ভালোভাবে করতে চাও এটা ভালো, কিন্তু সবার জন্য নিয়ম এক। শুভ: আমি জানি স্যার, তবে আমার মা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, তাই সময় দিতে পারিনি। শিক্ষক: ও, তাহলে ঠিক আছে। তবে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে জমা দাও। আর দেরি চলবে না। শুভ: ধন্যবাদ স্যার। আমি চেষ্টা করব আরও ভালো করতে। শিক্ষক: তুমি কী থিম নির্বাচন করেছো? শুভ: আমি “প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে পুনঃব্যবহারযোগ্য বস্তু তৈরি” বিষয় নিয়েছি। শিক্ষক: চমৎকার! তবে প্রেজেন্টেশনও তৈরি রাখবে। শুভ: জ্বি স্যার, PowerPoint ও হাতে তৈরি মডেল দুটোই করব। শিক্ষক: তাহলে আশা করছি তোমার প্রজেক্ট ক্লাসের সেরা হবে। শুভ: আপনার আশীর্বাদ থাকলে নিশ্চয়ই হবে স্যার। শিক্ষক: সবসময়, শুভ! এক্সেলেন্ট কাজ করো।" মেয়ে ও তার মায়ের মধ্যে পড়ালেখা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলাপ,"মা: মীম, তোমার রেজাল্ট তো ভালো হয়েছে, তুমি কী ভাবছো ভবিষ্যৎ নিয়ে? মীম: মা, আমি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে চাই। মা: খুব ভালো। তবে মেডিকেল চ্যালেঞ্জিং — তুমি কি মানসিকভাবে প্রস্তুত? মীম: হ্যাঁ মা, আমি মানুষের সেবা করতে চাই। মা: তোমার বাবা বলছিলেন, তোমার কম্পিউটারেও আগ্রহ আছে। মীম: হ্যাঁ, আগ্রহ আছে। তবে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নটা অনেক দিনের। মা: তোমার ইচ্ছাই বড়। কিন্তু পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা রাখতে হবে। মীম: আমি কোচিং-এ ভর্তি হব ভাবছি। মা: কবে থেকে শুরু করবে? মীম: আগামী মাস থেকে। এর মধ্যে নিজে প্রাথমিক বইগুলো শেষ করব। মা: মেডিকেলের প্রশ্নে সময় ব্যবস্থাপনাও জরুরি। মীম: আমি তাই এখন থেকেই টাইম ম্যানেজমেন্ট প্র্যাকটিস করছি। মা: আমার মেয়ে একদিন ভালো ডাক্তার হবে — এই বিশ্বাস আমার আছে। মীম: তোমার এই কথাই আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা মা।" , , চিড়িয়াখানায় বেড়াতে যাবার আবদার নিয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"মেয়ে: বাবা, আমি আজকে বেড়াতে যেতে চাই। বাবা: তাই নাকি? কোথায় যাবে? মেয়ে: চিড়িয়াখানাতে। বাবা: কে তোমাকে নিয়ে যাবে? মেয়ে: আমি একাই যাব। তোমরা তো সবাই অনেক ব্যস্ত থাকো। কেউ কখনো আমাকে বেড়াতে নিয়ে যাও না। তাই আমি একাই যাব। বাবা: আহারে! আমার মেয়েটাকে কেউ নিয়ে যায় না। মেয়ে: না। বাবা: তাই বুঝি আমার মেয়েটা রাগ করেছে? মেয়ে: তা জেনে তোমাদের কী লাভ! তোমাদের সাথে আমার আর কোনো কথা নেই। তোমরা তোমাদের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকো। বাবা: রাগ করে না মামণি। চলো আজই আমি তোমাকে চিড়িয়াখানায় বেড়াতে নিয়ে যাব। মেয়ে: আমাদের সাথে আম্মু যাবে না? বাবা: হ্যা। আমরা সবাই চিড়িয়াখানাতে গিয়ে খুব মজা করব।" বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের সংলাপ রচনা করো। ,"ছাত্র: জনসংখ্যা সমস্যা কী স্যার? শিক্ষক: তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা করেছ। জনসংখ্যা বদ্ধির ফলে আমাদের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব প্রতিটি মানুষের উপর পড়ে। ছাত্র: সেটা কীভাবে স্যার? শিক্ষক: এই মনে করো, আমাদের দেশের আয়তন যা আছে তা কিন্তু বাড়ছে না। কিন্তু জনসংখ্যা কিন্তু বেড়েই যাচ্ছে। তাহলে এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন বাসস্থানের বা বাড়ি-ঘরের। আর বাড়িঘর তৈরির ফলে-ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন কমছে। খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ছাত্র: স্যার, সত্যিইতো। এভাবেতো কখনো ভাবিনি। এটা তো বিরাট বড় সমস্যা। শিক্ষক: শুধু এখানেই শেষ নয়। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে বেকারত্ব দেখা দিচ্ছে। নাগরিক জীবনের সুযোগ-সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। ছাত্র: এর কী কোনো সমাধান নেই স্যার? শিক্ষক: হ্যা অবশ্যই আছে, এ জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের দেশের জন্যেই কল্যাণ হতে পারে। ছাত্র: কীভাবে কাজে লাগানো যায় স্যার? শিক্ষক: বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে খুব দ্রুত এ দেশ উন্নত হবে। বিশেষ করে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণ ও জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পারলে প্রচুর বৈদিশিক মুদ্রা আয় সম্ভব। শিল্প কারখানা স্থাপন করে তাতে এই জনবলকে কাজে লাগাতে হবে।" নিজ নিজ পেশার বৈশিষ্ট্য নিয়ে কৃষক ও শ্রমিকের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"রমিজ: আরে বশির না; কেমন আছ? বশির: ভালো আছি রমিজ ভাই। আপনি কেমন আছেন? রমিজ: কেমন আর থাকব, এবার ফসল ভালো হয়নি। তুমি তো চাল কলে কাজ করো। তোমাদের অনেক কষ্ট করতে হয় তাই না? বশির: ভাই, আপনাদের কষ্টের কাছে আমাদের কষ্ট তো কিছুই না। আপনারা একটানা রোদে পুড়ে কাজ করেন। এছাড়া সেচ দেওয়া, সার দেওয়া, যত্ন করে বড় করে তোলা, ধান কাটা, মাড়াই করা- এত কিছুর পরেও ফসলের ন্যায্য মূল্য পান না আবার ফলন খারাপ হওয়ার আশঙ্কা তো আছেই। রমিজ: ঠিকই বলেছ বশির। কিন্তু তোমাদের পরিশ্রম তো কম নয়। ভারি ভারি বস্তা মাথায় চাপিয়ে কলে নিয়ে যাওয়া, শুকানো, মাড়াই করে চালে পরিণত করে আবার তা দোকানে পাঠানো কম কষ্টের নয়। বশির: হ্যা ভাই, আমাদেরও অনেক কষ্ট করতে হয়। কিন্তু কষ্ট হলেও দিন শেষে আমাদের পারিশ্রমিকের নিশ্চয়তা আছে। বশির আপনারা তো অনিশ্চয়তায় ভোগেন। রমিজ: দেখো বশির, বেশি কিছু পাবার আশায় আমরা ফসল ফলাই না। ফসল ফলাই ভালোবাসায়। বশির: আপনাদের কষ্টের ফসল সবাই ভোগ করছে কিন্তু আপনাদের প্রতি সবাই উদাসীন। রমিজ: সবার দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে এমন হচ্ছে। বশির: সরকার এ বিষয়ে কঠোর হচ্ছে। আপনাদের সমস্যা নিয়ে ভাবছে। একদিন এ সমস্যা কেটে যাবে ভাই। রমিজ: তাই যেন হয় বশির, তাছাড়া তো আমাদের বাঁচার উপায় নেই। বশির: ভালো থাকবেন রমিজ ভাই। রমিজ: তুমিও ভালো থেকো বশির।" নাগরিক জীবনের আবাসন সমস্যা নিয়ে দুই নগরবাসীর সংলাপ রচনা করো। ,"আদিল সাহেব: দিন দিন যেভাবে বাড়ি ভাড়া বাড়ছে তাতে এই শহরে থাকাটাই দায় হবে। রশিদ সাহেব: কী আর করা আদিল সাহেব, যাদের বাড়ি আছে তারাতো আর আমাদের কথা ভাবে না। তারা সহজেই ভাড়াটিয়া পায় বলেই ভাড়া বাড়াতে দ্বিধাবোধ করে না। আদিল সাহেব: আমার মনে হয় নগর জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আবাসন সমস্যা। প্রতিদিন যে হারে গ্রাম থেকে লোকজন শহরমুখী হচ্ছে তাতে এ সমস্যা হবে নাইবা কেন? রশিদ সাহেব: আর এই শহরমুখো মানুষের কারণেই বাসা ভাড়া বাড়ছে। দেখা দিচ্ছে আবাসন সমস্যা। আমারতো মনে হয় কদিন পর আর থাকার জন্য বাসা বাড়ি খুঁজেও পাওয়া যাবে না। আদিল সাহেব: পাওয়া যাবে। তবে সেটা হয়তো শহরের বাইরে। রশিদ সাহেব: হ্যা ঠিক বলেছেন। যখন শহরে নতুন বাড়ি করার যায়গা আর খুঁজে পাওয়া যাবে না তখন কাছাকাছি জায়গাগুলোতে লোকজন বসবাস শুরু করবে। আদিল সাহেব: তবে আবাসন সমস্যা দূরীকরণে এটা কোন সমাধান হতে পারে না। বরং আরো বড় সমস্যা দেখা দিবে। রশিদ সাহেব: তাহলে করণীয় কী? আদিল সাহেব: আবাসন সমস্যা দূর করতে হলে প্রথমে শহরমুখো মানুষের স্রোত কমাতে হবে। এজন্যে শিল্প-কারখানা শহরগুলো থেকে স্থানান্তর করতে হবে। তাহলে মূল শহরে লোকসংখ্যা কমবে এবং আবাসন সংকট তৈরি হবে না। রশিদ সাহেব: আপনি চমংকার কথা বলেছেন। এটা একটা ভাল সমাধান হতে পারে।" "খাদ্যদ্রব্যে, ওষুধপত্রে, ভোজ্যতেলে ভেজাল এবং তার বিষক্রিয়া সম্পর্কে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা করো। ","উৎপল: কিছু খেলেই মনে হয় বিষ খাচ্ছি। নাজিম: এতো ভয় কেন বন্ধু? উৎপল: ভয় হবে না, সব কিছুতে ভেজাল আর ভেজাল। নাজিম: ও এই কথা। সেটা আর বলে কোনো লাভ নেই। তবে এটুকু বলতে পারি আমরা যা খাচ্ছি তার অধিকাংশই বিষাক্ত উপাদানে মিশ্রিত। উৎপল: বাজারে এতো সুন্দর সুন্দর ফল সাজিয়ে রাখে। কিন্তু যখনি মনে পড়ে এসবে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো হয়েছে তখনই কেনার আগ্রহে ভাটা পড়ে। নাজিম: উৎপল, তুমিতো শুধু ফলের কথা বলেছো। খাদ্যদ্রব্য না হয় বাদই দিলাম, রোগ বালাই থেকে সুরক্ষার জন্য যে ঔষধ সেবন করি সেটা কী নিরাপদ? সেখানেও ভেজাল। এছাড়াও ভোজ্যতেলে ভেজাল মেশানো হয়, যা দিয়ে আমরা প্রতিদিন কত খাবার তৈরি করি। উৎপল: এই ভেজাল খাদ্যের বিষক্রিয়ার ফলেই আমাদের শরীরে দুরারোগ্য বিভিন্ন ব্যাধি ভর করছে। অকালে হারাতে হচ্ছে অনেক জীবন। ভেজাল প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে এখনই সোচ্চার হতে হবে। নইলে এ বিষক্রিয়া সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। নাজিম : উৎপল সরকাকে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। উৎপল: শুধু সরকারের পক্ষে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বন্ধু। যতদিন আমাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ না হবে ততদিন এই সমস্যার সমাধান হবে না। নাজিম: ঠিকই বলেছ বন্ধু আমাদেরই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।" চাকরি প্রার্থী ও নিয়োগকর্তার মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"আদনান: আসতে পারি স্যার? নিয়োগকর্তা: হ্যা আসুন, বসুন। আপনার নাম কী? আপনার পরিচয় দিন? আদনান (চাকরি প্রার্থী): আমি আদনান শাহরিয়ার। আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স করেছি। নিয়োগকর্তা: কোন বিষয়ে পড়েছেন? আদনান: সরকার ও রাজনীতি বিষয়ে পড়েছি স্যার। নিয়োগকর্তা: আপনি এর আগে কোথাও চাকরি করেছেন? কোনো অভিজ্ঞতা আছে কি? আদনান: জ্বি না স্যার, আমি কোথাও চাকরি করিনি। তবে আমি ট্রেনিং নিয়েছি এবং শিক্ষানবিশ হিসেবে কিছুদিন কাজ করেছি। নিয়োগকর্তা: খুবই ভালো, তা কোন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন? সেখান থেকে কী কী বিষয় শিখেছেন? আদনান: 'অফিস ব্যবস্থাপনা ও কর্পোরেট কালচার' বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। সেখান থেকে আমি শিখেছি একটি অফিস কীভাবে পরিচালিত হয় এবং কর্পোরেট অফিসে কী কী বিষয়ে লক্ষ রেখে কাজ করতে হয়। নিয়োগকর্তা: আপনি আমাদের এখানে এক্সিকিউটিভ পদে আবেদন করেছেন। নিয়োগ পেলে কিভাবে কাজ করবেন? আদনান: আমাকে এ পদে নিয়োগ দিলে আমি আমার যোগ্যতা, সততা ও আন্তরিকতা দিয়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনের সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। নিয়োগকর্তা: আপনি এখন আসতে পারেন। আমরা আপনাকে পরে মোবাইল ফোনে অথবা চিঠিতে জানিয়ে দেবো। আদনান: ধন্যবাদ স্যার। আসসালামু আলাইকুম।" এশিয়ার বৃহত্তর পাটকল আদমজী বন্ধ ঘোষণার প্রেক্ষিতে দু'জন শ্রমিকের কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ,"ছলেমন: এখন কী করবে কিছু কি ভেবে দেখেছ? মোহন লাল: কিছুই ভাবতে পারছিনা। হঠাৎ এমন একটা ঘোষণা আসবে ভাবতেই পারছিনা। ছলেমন: আমার স্বামী রিক্সা চালাতো। একটা দুর্ঘটনায় তার ডান পা কেটে ফেলতে হয়। এই কলে কাজ করে কোনোমতে সংসারটা চালাতাম। এখন কোথায় যাব কী করব বুঝতে পারছি না। মোহন লাল: আমার বৃদ্ধ বাবা-মা এবং নিজের সংসার এই আদমজী কলের আয়ের উপর চলতো। আমি ছাড়া আর কেউ কামাই করার নেই। এভাবে এতবড় পাটকলটি বন্ধ ঘোষণা করবে কখনো কল্পনাতেই আনিনি ছলেমন: আমাদের মতো হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পথে বসতে হবে। কোথায় কাজ পাবো, কে দিবে কাজ? কতো স্বপ্ন ছিল এই আদমজী পাটকল ঘিরে। সব শেষ হয়ে গেল। মোহন লাল: শুনেছি এই পাটকল এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাটকল। অথচ এমন একটি কল এক ঘোষাণায় বন্ধ হয়ে যাবে? আমাদের খেটে খাওয়া শ্রমিকদের কথা কেউ ভাবলো না। ছলেমন: আদমজী পাটকল বন্ধ ঘোষণার সাথে আমার নিশ্বাসও যেন বন্ধ হয়ে আসছে। এতটা বছর যার সাথে ছিলাম, তার প্রতি বড় মায়া জন্মে গেছে। মোহন লাল: তারা বলছে, এখানে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ছলেমন: বন্ধ করলে করুক কিন্তু আমাদের একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিক। আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে যেন বেঁচে থাকতে পারি। মোহন লাল: এতদিন এই প্রতিষ্ঠানের হয়ে শ্রম দিলাম। আমাদের প্রতি কি তাদের কোনো দায়িত্ব নেই?" কুরুচিপূর্ণ চলচ্চিত্র সম্পর্কে মাতা পুত্রের সংলাপ রচনা করো। ,"মা: ইদানিং কী সব চলচ্চিত্র হচ্ছে পরিবারের সবার সাথে একসাথে বসে দেখা না। ছেলে: মা, কী হয়েছে? হঠাৎ সিনেমার প্রতি তুমি ক্ষেপে গেলে যে? মা: না ক্ষেপে কী আর উপায় আছে। আগেকার দিনে বাবা-মা, ভাই-বোন, ছেলে-মেয়ে সকলে একসাথে বসে সিনেমা উপভোগ করা যেত। আর এখানকার দিনে কী সব নোংরামি শুরু হয়েছে। ছেলে: ঠিকই বলেছ মা, কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে এমন হচ্ছে। মা: আমাদের সময়ে যেসব সামাজিক ও পরিবার নির্ভর ছবি হতো সেগুলো কী ব্যবসা সফল হয়নি? সেগুলোতে কোনো অশ্লীলতা ছিল না। আর এখন কী সব সিনেমা বানাচ্ছে পরিবারের লোকদের সাথে বসে দেখাটাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। ছেলে: সত্যি কথা বলতে কী মা, আমি নিজেও মাঝে মাঝে খুব লজ্জাবোধ করি। যখন সবাই মিলে একসাথে সিনেমা দেখব ভাবি তখন এসব অশ্লীল ছবির ভয়ে আর সাহস করি না। মা: এ কারণে এ যুগের ছেলে মেয়েরা সুস্থ বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ছেলে: এখানো কিছু ভালো ভালো চলচ্চিত্র হচ্ছে। যেগুলো যেমন ব্যবসা সফল হয় তেমনি মার্জিত ও গঠনমুলক হয়। মা: অশ্লীল ছবিকে নিষিদ্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এ সমস্যার সমাধান হবে। ছেলে: হ্যা মা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ ছবির বিকল্প নেই।" জনজীবনে বিজ্ঞানের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ,"পিয়াস: পৃথিবী খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীটা যেন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। বুঝলে রবিন? রবিন: বুঝলাম না। কীভাবে সম্ভব? পৃথিবী হাতের মুঠোয় চলে আসা বলতে কী বুঝাতে চাও? পিয়াস: কেন, তুমি কী দেখতে পাচ্ছ না, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে যে উত্তরোত্তর উন্নতি হচ্ছে এবং সহজ হচ্ছে তা কীসের কারণে? রবিন: এটাতো সহজ কথা। বিজ্ঞান এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। পিয়াস: আমি সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। বিজ্ঞান আমাদের চলার পথ সহজ করে দিয়েছে। মুহূর্তেই পৃথিবীর এই প্রান্ত থেকে অন্য আরেক প্রান্তের খবর সরবরাহ করছে, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ফলে জটিল ও কঠিন রোগ নির্ণয় সম্ভব হচ্ছে। রবিন: বিজ্ঞানের উৎকর্ষ গোটা বিশ্বটাকেই পাল্টে দিয়েছে। বিশেষ করে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের আবির্ভাব বিজ্ঞানের উৎকর্ষের ফসল একটি ছোট্ট ডিভাইসের মধ্যে মনে হয় জগৎটাকে আবদ্ধ করে ফেলেছে। পিয়াস: রবিন তুমি সম্ভবত মোবাইল ফোনের প্রতি ইঙ্গিত করছ। রবিন: হ্যা, মোবাইল ফোনের কথাই বলছি। ছোট একটি মোবাইলে কী নেই, সবই আছে। পিয়াসা: এজন্যেই তোমাকে বলেছিলাম পৃথিবীটা হাতের মুঠোয় চলে এসেছে বিজ্ঞানের কল্যাণে। রবিন: দেখবে ভবিষ্যতে এটি আরো উন্নত ও সহজ হবে। পিয়াস: আমারও তাই মনে হয় রবিন।" মুক্তিযোদ্ধা ও সংবাদপ্রতিবেদকের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"সাংবাদিক: আপনিতো একজন মুক্তিযোদ্ধা। সেই পরিচয়ে আপনার অনুভূতি কেমন? মুক্তিযোদ্ধা: আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, এ পরিচয়ে আমি খুবই গর্ববোধ করি। দেশের জন্যে কিছু করতে পেরেছি এবং তার স্বীকৃতিও পেয়েছি এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু নেই। সাংবাদিক: কোন বিষয়টি আপনাকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছিল? মুক্তিযোদ্ধা: পাকিস্তানি শাসকরা আমাদের পূর্ব পাকিস্তানের লোকদের খুব অবমূল্যায়ণ করত। তাদের আচার আচরণে মনে হতো আমরা সংখ্যালঘু। পশ্চিম পাকিস্তানিরা সকল অধিকার ও সুযোগ সুবিধা ভোগ করত আমরা তার কিছুই পেতাম না। মূলত অধিকার আদায়ের এ চেতনাই আমাকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্‌বুদ্ধ করেছিল। সাংবাদিক: মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদাররা কেমন তাণ্ডব চালিয়েছে? মুক্তিযোদ্ধা: সে কথা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। যা দেখেছি তা বলতে গেলে এখনো বুকের ভেতরটা ডুকরে কেঁদে ওঠে। ওরা আমাদের ঘর-বাড়ি নির্দয়ভাবে জ্বালিয়েছে, মা-বোনদের চোখের সামনে অপমান করেছে, সারি সারি লোকদের দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করেছে। সাংবাদিক: আপনিতো সরাসরি মাঠের যোদ্ধা ছিলেন। আপনাদের প্রতিরোধে কৌশল কী ছিল? মুক্তিযোদ্ধা: আমরা সব সময় গুপ্তচর নিয়োগ রাখতাম। তাদের ক্যাম্পের ভেতরের খবরগুলো খুব দ্রুতই পেয়ে যেতাম। পাক সেনারা কোথায় কখন অপারেশনে যাবে সে খবর পাওয়ামাত্র সেই স্থানের আশে পাশে আমরা অবস্থান নিতাম। আমাদের আয়ত্তের মধ্যে আসা মাত্র একযোগে তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়তাম। তারা দিগ্বিদিক ছুটে পালানো ছাড়া পথ পেত না। এভাবেই তাদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়তাম। সাংবাদিক: মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আপনার এখন প্রত্যাশা কী? মুক্তিযোদ্ধা: আমরা যে শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যে যুদ্ধ করেছি। সেটি এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তেমন আমাদের বাংলাদেশ একটি সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠুক এটাই আমার প্রত্যাশা। সাংবাদিক: আপনাকে স্বাসংখ্য ধন্যবাদ।" পরমতসহিষ্ণুতার গুরুত্ব প্রসঙ্গে শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"শিক্ষক: তুমি পিয়াসকে মেরেছ কেন? ছাত্র: স্যার আমি আগে মারিনি। ঝগড়া করতে করতে ওই আগে আমাকে মেরেছে। শিক্ষক: কী নিয়ে ঝগড়া করছিলে তোমরা? ছাত্র: স্যার, আমি বলেছিলাম মেসি বিশ্বসেরা ফুটবলার। আর ও কিনা বলে মেসি না, রোনালদো পৃথিবীর সেরা ফুটবলার আপনিই বলেন স্যার, মেসির চেয়ে ভালো কেউ কি ফুটবল খেলতে পারে? শিক্ষক: এই ব্যাপারটা নিয়ে তোমরা ঝগড়া মারামারি করেছ? ছাত্র: মেসির বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে আমার সহ্য হয় না স্যার। শিক্ষক: দেখো অপু, পছন্দ-অপছন্দ ব্যক্তিবিশেষে আলাদা হয়ে থাকে। তোমার অভিরুচির সঙ্গে অন্যের অভিরুচি না-ই মিলতে পারে। তোমার কাছে যেমন তোমার সিদ্ধান্তটা মূল্যবান, তেমনি অন্যের কাছেও তার সিদ্ধান্তটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সামাজিক জীব হিসেবে সমাজে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে হলে অন্যের মতামতকে উড়িয়ে দিলে চলবে না। ছাত্র: আমি বুঝতে পেরেছি স্যার। আমার ভুল হয়ে গেছে। শিক্ষক: মনে রেখো, তোমার কাছে হয়তো তোমার পছন্দটাই চূড়ান্ত কিন্তু অন্যেরও যে ভিন্ন পছন্দ থাকতে। পারে সেটা মেনে নেওয়ার মানসিকতা তোমার থাকতে হবে।" ইন্টারনেটের সুফল-কুফল বিষয়ে পিতা ও পুত্রের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"বাবা: কিরে মিলু, ঘুমাস নাই? তোর রুমে এখনো লাইট জ্বলছে? মিলু: না বাবা, ঘুমাই নাই। একটু নেট ব্রাউজ করছি। বাবা: রাত ১২টা বাজে। এখন শুয়ে পড়। সকালে উঠতে হবে। মিলু: শুয়ে পড়ব। একটা অ্যাসাইনমেন্টের কাজ করছি। আধ ঘণ্টা পরে শুয়ে পড়ব। বাবা: কেন, বইপত্র নাই? মিলু: না বাবা, স্যারের দেওয়া অ্যাসাইমন্টটি বইয়ে পাচ্ছি না। নেটে দেখছি পাওয়া যায় কি-না। বাবা : ঠিক আছে, খুঁজে দেখ। তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়িস। মিলু: ঠিক আছে বাবা, তুমি আর মা শুয়ে পড়ো। বাবা: (মায়ের সাথে) আজকাল ছেলেমেয়েরা কী যে সারাদিন নেট ঘাটাঘাটি করে দেখো। মাঝে মাঝে এটা ঠিক আছে। কিন্তু প্রতিদিন রাত-বিরাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কী করে বোঝা মুশকিল। বুঝেছ মিলু কিছু বুঝি না। বইও কেনে আবার নেট ঘাটাঘাটি করে, নেটের সুবিধা যেমন- আছে অসুবিধাও আছে। ছেলের দিকে একটু খেয়াল রেখো।" দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ওপর ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"করিম: মুগ ডাইল আছে মনির ভাই? মনির: আছে। ১৪০ টাকা কেজি। করিম: গত সপ্তাহে নিলাম ১৩০ টাকা কইরা আর আজ ১৪০ টাকা কেন? মনির: পাইকারি দাম বাড়ছে। আমরা কী করুম? করিম: তোমরা কিছু করবা না, আমরা সীমিত আয়ের মানুষরা বাঁচুম কেমনে? মনির: এর মধ্যেই বাঁচতে অইব। গাড়ি ভাড়া যেইভাবে বাড়ছে, মাল আনতেই অনেক ভাড়া খরচ অইয়া যায়। করিম: জ্বালানি তেলের দাম তো বাড়ে নাই; গাড়ি ভাড়া বাড়ল কেন? মনির: এইডাই তো বাঙালির স্বভাব। অবরোধের কথা কইয়া একবার গাড়ি ভাড়া বাড়ছে, হেইডা আর কমনের নাম নাই। করিম: দেহেন ১৩০ টাকা কইরা রাখন যায়নি। এই দেশে আর বাঁচা যাইব না। জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে। না খাইয়া থাকতে অইব। মনির : কী করবেন, দুর্নীতিবাজদের কাছে তো পয়সার অভাব নাই। হেরাই বাজার চালায়।" প্রাচীন মতাবলম্বী শ্বশুর ও আধুনিক জামাতার মধ্যে স্যাটেলাইট চ্যানেল সম্পর্কে আলোচনার সংলাপ বর্ণনা করো। ,"শ্বশুর : আজকাল যে টেলিভিশনে কী সিরিয়াল-টিরিয়াল দেখায়, সংসারের মধ্যে শুধু মানসিক সংঘর্ষ। জামাতা: এটাই তো বর্তমান বাস্তবতা বাবা। শ্বশুর: কী যে বলো জামিল? সময় কী এতটাই পাল্টে গেছে? জামাতা: হুঁ বাবা। আপনাদের সময়ের সেই যৌথ পরিবারের ধারণাটি এখন ভেঙে পড়েছে। শ্বশুর: কী বলো? এখনো তো বাঙালি পরিবারের একজনের আয়ে দশজনের সংসার চলছে জামাতা: না বাবা, এখন ছোট পরিবারের ধারণাটি খুব জনপ্রিয়। শ্বশুর: যতই জনপ্রিয় বলো না কেন, আখেরে কিন্তু সুখে-দুঃখে সব একসাথেই গলা জড়িয়ে কাঁদে। জামাতা: সেইদিন আর থাকবে না বাবা, প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েরাই তখন আলাদা হয়ে যাবে, কী পছন্দে, কী সিদ্ধান্ত গ্রহণে। শ্বশুর: কী যে বলো? বাঙালির ছেলেমেয়েরা বাপ-মা ছাড়া চলে নাকি? জামাতা: চলবে বাবা, বর্তমানে তাই চলছে।" গত রাতের বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠান সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"জনি: এই অভি, কাল কামালের বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে তোকে দেখলাম না যে? অভি: আমি তো গিয়েছিলাম। আমিও তো তোকে দেখিনি। জনি: তুই কয়টায় গিয়েছিলি? অভি: আমি তো সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে গিয়েছিলাম। জনি: দোস্ত তুই তো অনেক আগে গিয়েছিলি। অভি: কী করব দোস্ত। আমার বাবাকে তো চিনিস; সব কিছুতেই নিষ্ঠাবান। দাওয়াত কার্ডে যা লেখা উনি ওই সময়ই আমাদের সবাইকে নিয়ে হাজির হলেন। জনি: কিন্তু তাড়াতাড়ি চলে এলি কেন? অভি: ওই বাবার কারণে, খাওয়া শেষ, এবার বাড়ি চলো। জনি: জানিস, রাত ১০টার পর ব্যান্ডের গান হলো। আর সেই সাথে নাচ। অভি: তাই নাকি! বলিস কী! জনি: তুই দোস্ত মিস করলি। অভি: আসলেই দোস্ত? ঠিক আছে, নেক্সট টাইম আর বাবার সাথে যাব না। জনি: বাবাকে বুঝিয়ে ম্যানেজ করবি। অভি: তোর পরামর্শ মনে থাকবে।" ইভটিজিং সম্পর্কে বাবা ও ছেলের মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"বাবা: কমল, তোমার ক্লাস কটায়? কমল: প্রথম ক্লাসটি সকাল ৯টায়। বাবা : ঠিক আছে, তাহলে তুমি আমার সাথেই যেতে পারবে। আমি তোমাকে কলেজে নামিয়ে দিয়ে যাব। কমল: দরকার নেই বাবা, আমি কলেজ বাসে চলে যাব। বাবা: রোজই তো যাও। আজ না হয় আমার সাথে গেলে। কমল: ঠিক আছে চলো (দুজন গাড়িতে উঠল)। বাবা: আচ্ছা কমল, ক্লাসের পরে কি বাসায় ফিরে যাবে? কমল: কিছু সময় বন্ধুরা মিলে আড্ডা দেব। তারপর বাসায় যাব। বাবা: কিছু মনে করো না, কোনো রাস্তার মোড়ে আড্ডা দাও না তো! কমল: কেন বাবা, হঠাৎ এ প্রশ্ন করছ? বাবা : না, আজকাল ইভটিজিংয়ের মাত্রা বেড়ে গেছে তো তাই জিজ্ঞেস করলাম? কমল: ইভটিজিং- এটা কী বাবা? বাবা: মেয়েদের উত্ত্যক্তকরণের কাজটিকে ইভটিজিং বলে। যা রাস্তাঘাটে তোমাদের বয়সী তরুণরা করে থাকে। কমল: আমরা বন্ধুরা মাঠে বসে গল্প করি। বাবা: তবুও তোমার জেনে রাখা উচিত- মানবাধিকার কমিশনের মতে এটি ফৌজদারি অপরাধ। কমল: তাই নাকি বাবা? বাবা: হ্যা, তাই। আশা করি তুমি ও তোমার বন্ধুরা এ কাজ থেকে দূরে থাকবে। কমল: অবশ্যই বাবা।" কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত বন্ধুকে সাহায্যের বিষয়ে দু'বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"শ্রেয়া : মনটা খুব খারাপ রে। কাজলের কিডনি দুটি নষ্ট হয়ে গেছে। বোধ হয় বাঁচবে না। শরীফ: ডাক্তার কী বলেছে? শ্রেয়া: ডায়ালাইসিস করাতে প্রায় ৫ লাখ টাকা লাগবে। সেজান: আমরা থাকতে টাকার অভাবে ওকে মরতে দেব না। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করব। শরীফ: হ্যা, আমরা সবাই ক্যাম্পাসে যাব। ওর জন্য সবাইকে সাহায্য করতে বলব। স্যারদের কাছে গিয়ে সব খুলে বলব। শ্রেয়া: তা হয়। আমাদের অনেকের সাহায্য লাগবে। আমরা শুরুতে কলেজের বন্ধুদের জানাব। সেজান: ভয় নেই, সবাই জানলে অনেকেই এগিয়ে আসবে একসাথে কাজ করতে। শরীফ: সব বিভাগে যাব। আমরা প্রয়োজনে স্কুল-কলেজেও প্রচার করব। শ্রেয়া: আমি ফেসবুকে একটা পেজ তৈরি করে পোস্ট করব রাতে। সেজান: আমি বাবাকে বলব। তাঁর অফিসের কলিগদের যেন বলেন। তোরা সবাই সবাইকে নক করতে বলবি। শরীফ: দ্রুত চল কাজলের বাসায় যাই। কী অবস্থা দেখতে হবে। এ সময় ওর পাশে থেকে ওকে সাহস দিতে হবে।" বন্ধুর জন্মদিন পালনের পরিকল্পনা নিয়ে তিন বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"সোহেল: ১৩ তারিখ হেমন্তের জন্মদিন, কী করা যায় বল তো? দিঘি: কী করব মানে। কেক কাটব। অনেক বড় একটা কেক। সোহেল: না, এর বাইরে আরো কিছু। প্রমি: করা যায়। আমরা ওই দিন সকালে সবাই ওর বাসায় গিয়ে হাজির হব। দিঘি: খুব মজা হবে। কিন্তু আমি তো আসতে পারব না এত সকালে। সোহেল: ঠিক আছে, আমরা বাসায় বলব রাতে হেমন্তের বাসায় দাওয়াত আছে। আর এর মাঝে আমরা সব কিছু রেডি করতে পারব। তুই প্রমির বাসায় থাকবি। দিঘি: বুঝলাম না। সোহেল: আমরা হেমন্তের জন্য কেক নিয়ে রাখব। সাথে কিছু গিফট। রাত ১২টার সময় হেমন্তের বাসায় নক করব। প্রমি বাবা কিন্তু অত রাতে বের হতে দিতে রাজি হবেন না। সোহেল: আমরা চাচ্চুকে বুঝিয়ে বলব। তোর বাসা থেকে মাত্র এক মিনিটের পথ। ওকে সারপ্রাইজ দিয়েই চলে আসব। প্রমি: চল বাসায় বলে দেখি। আর দিঘি, তুই এক্ষুনি গিয়ে বাসায় বলে আয়।" ভ্রমণের স্থান নির্বাচনের জন্য তিন বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"আবির: আমরা এবার কক্সবাজার যাব। খালেক: না, আমরা পাহাড় দেখতে যাব। আবির: কেন, পাহাড় দেখতে পরেও যাওয়া যাবে। খালেক: না, এখন সাগর উত্তাল। যেকোনো সময় বিপদ হতে পারে। তার চেয়ে পাহাড়ে যাওয়া ভালো। তরু: বর্ষার সময়ে পাহাড়ও বিপজ্জনক। এসময় পাহাড়ে ধস হয়। অনেক ট্যুরিস্ট হারিয়ে যায় এ সময়। তার থেকে আমরা সিলেটের চা বাগানে যেতে পারি। আবির: না বাবা। এই সময় চা বাগানে অনেক বড় বড় জোঁক থাকে। গত বছর বাবা অফিস থেকে ট্যুরে গিয়েছিলেন সিলেটে। সব নাকি একবারে ছেঁকে ধরে। তরু: এখন তাহলে কী করা যায়? খালেক: আমার কাছে একটা ট্যুরিস্ট বই আছে। ওখান থেকে দেখে বলতে পারি। আবির: তাহলে এ দায়িত্ব তোর কাঁধে থাকল। দুই দিনের মধ্যে জানাতে হবে। তরু : আজ তাহলে উঠিও আমি আবার পড়াতে যাব। আগামীকাল কলেজে দেখা হবে। খালেক: ঠিক আছে। যাই।" বাসার সমস্যা নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"বাড়িওয়ালা: এভাবে ভাড়া দিতে দেরি করলে বাসায় থাকতে পারবেন না। বাসায় আরো অনেক ভাড়াটিয়া তো থাকে। সবাই নিয়ম মেনে চলে। ভাড়াটিয়া: আমি কোনো অনিয়ম করিনি। আপনাকে আগেই বলেছি মাসের দশ তারিখে আপনাকে ভাড়া দেব। বাড়িওয়ালা: সবাই তো সাত তারিখের মধ্যে ভাড়া দেয়। ভাড়াটিয়া: সবার মতো আমার অফিস না। আমি প্রতি মাসের ৯ তারিখের পর বেতন পাই। বাড়িওয়ালা: ঠিক আছে। কিন্তু আপনার ফ্ল্যাটে সব সময় লোক আসে। ফ্ল্যাটের ভেতর শব্দ হয়। আপনার জন্য আমাকে রাত ১১টার পর দরজা খুলে দিতে হয়। ভাড়াটিয়া: আমার কাছে প্রয়োজনীয় লোক আসে। আর বাসায় লোক আসতেই পারে। এটা কোন কথা? আর বাসায় ছোট বাচ্চা খেলাধুলা করে। শব্দ হতেই পারে। ও হ্যা, বাসায় ওঠার সময়ই তো আপনাকে বলেছি আমার অফিস ছুটি হয় রাত ১০টায়। আসতে দেরি হয়। বাড়িওয়ালা: এভাবে রাত ১১টার পর বাসার দরজা খোলা রাখা যাবে না। না হলে আপনাদের অন্য ব্যবস্থা করতে হবে। ভাড়াটিয়া: ঠিক আছে, আমরা অন্য বাসা দেখি। বাড়িওয়ালা: কিন্তু দুই মাসের আগে বাসা ছাড়তে পারবেন না। আপনার সাথে আগেই কথা বলা ছিল। ভাড়াটিয়া: আমি কোনো চুক্তি করিনি আপনার সাথে আমরা সামনের মাসে বাসা ছাড়ব। বাড়িওয়ালা: দেখব কেমন করে ছাড়েন। কোনো মালপত্র বের হতে দেব না। ভাড়াটিয়া: সময় হলে দেখা যাবে।" ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়- এ বিষয়ে ডাক্তার ও রোগীর সংলাপ তৈরি করো। ,"রোগী : শরীরে অনেক জ্বর, কোনো কিছু ঠিক মতো করতে পারি না। ডাক্তার: কত দিন হলো এরকম হয়? রোগী: অনেক দিন। প্রথমে নিজে নিজে বাজার থেকে ওষুধ কিনে খেতাম। কিন্তু কোনো উপকার পাইনি। ডাক্তার: আপনার এই জ্বর সম্পর্কে কি আপনার কোনো ধারণা আছে? জ্বর কেন হয় বলতে পারেন? রোগী: না। ডাক্তার: তাহলে নিজে নিজে ওষুধ খেলেন কেন? শরীরে জ্বর বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তবে জ্বর কোনো নির্দিষ্ট অসুখ নয়। এর আলাদা উৎস আছে। রোগী: তবে সবাই যে নিজে নিজেই ওষুধ কেনে? ডাক্তার: তাহলে তো ডাক্তারের কোনো প্রয়োজন ছিল না। কখনো এমন ভুল করবেন না। কারণ সামান্য ভুল চিকিৎসার কারণে আপনার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই সবার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। নিজে নিজে ডাক্তারি করবেন না। রোগী: ঠিক আছে। এখন থেকে ডাক্তার দেখিয়েই ঔষধ খাব।" ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"ডাক্তার: আপনার সমস্যা কী? ডাক্তার: আপনার সমস্যা কী? রোগী: বুক ব্যথা করে। ডাক্তার: কত দিন থেকে? রোগী: বেশ কিছুদিন থেকে। ডাক্তার: আপনি কি ধূমপান করেন? রোগী: জি। ডাক্তার: কত বছর? রোগী: অনেক বছর। ডাক্তার: আপনার কিছু পরীক্ষা করতে হবে। আমার ধারণা আপনার হার্টে বড় রকমের সমস্যা হয়েছে। আর এটার একমাত্র কারণ হলো ধূমপান। আপনাকে ধূমপান ছাড়তে হবে। রোগী: কীভাবে ছাড়তে পারি স্যার? ডাক্তার: মানুষ পারে না এমন কাজ পৃথিবীতে খুব কম আছে। আর এটা একটা অভ্যাসমাত্র, যা আপনার নিজের তৈরি করা। রোগী: আমি চেষ্টা করব। ডাক্তার: আপনি কি জানেন, প্রতিবছর গড়ে কত লোক ধূমপানের কারণে মারা যাচ্ছে? এটা শুধু হার্টের সমস্যাই করে না, এর ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকিও অনেক বেশি। রোগী: তাই নাকি স্যার? তাহলে আজকেই ছেড়ে দেব।" সময়ের মূল্য সম্পর্কে সচেতন করার জন্য ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে সংলাপ লেখো। ,"স্যার: জাহিদ, তোমার দেরি হলো কেন? জাহিদ: জ্যামে আটকা পড়েছিলাম স্যার। স্যার: আসার কথা ছিল ক'টায়? জাহিদ: স্যার ৬ টায়। স্যার: তুমি কয় মিনিট লেট করেছ? জাহিদ: ২২ মিনিট। স্যার: তুমি কী জানো এই ২২ মিনিটের মূল্য কত? উন্নত বিশ্বে প্রতি মূহূর্তের দাম দেওয়া হয়। কারণ ওরা জানে, সময় একবার চলে গেলে তা আর ফিরে আসবে না এবং যে যত বেশি সময়ের মূল্য দেবে সে তত বেশি উন্নত হবে। জাহিদ: আমাদের তো এরকম ব্যাপারে অভ্যেস হয়ে গেছে স্যার। স্যার: অভ্যেস পরিবর্তন করতে হবে। আর আমরা নিজেরা নিজেদের তাড়না থেকে যদি সচেতন না হই তাহলে দেশের উন্নয়ন হবে কী করে বলো? জাহিদ: আমি। বুঝতে পেরেছি স্যার। এখন থেকে আমি সময় সচেতন হওয়ার চেষ্টা করব।" বন্ধু নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"শিক্ষক: বুঝলে বাবা, চরিত্র হলো মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। যা মানুষকে সম্মান নিয়ে বাঁচতে সাহায্য করে। ছাত্র: জি স্যার। কিন্তু মানুষের চরিত্র গঠনের কাল কখন স্যার? শিক্ষক: তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছ। চরিত্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হলো তার স্কুলজীবন। কারণ স্কুলজীবনে মানুষ একবার যা আয়ত্ত করে তা আর কখনো ভুলতে পারে না। ছাত্র: চরিত্র গঠনে পরিবারের কি কোনো অবদান থাকে? শিক্ষক: একটা গাছের বেঁচে থাকার জন্য পাতার অবদান যত, চরিত্র গঠনের জন্য পরিবারের অবদান ঠিক ততটাই। ছাত্র: আর বন্ধুদের অবদান? শিক্ষক: বাবা একটা প্রবাদ আছে, 'সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। সেটা নির্ভর করবে তোমার বন্ধু নির্বাচনের ওপর। কারণ বন্ধুরা জীবনকে অনেক দিক থেকেই প্রভাবিত করে। অতএব বন্ধু নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে। ছাত্র: আপনার এ কথা আমার সারাজীবন মনে থাকবে স্যার।" কবিতা অনুরাগীর সঙ্গে কবির সংলাপ রচনা করো। ,"ভক্ত: আপনার কবিতা আমার অনেক ভালো লাগে। কবি: অনেক ধন্যবাদ আপনি কবিতা পড়েন। ভক্ত: আমি শুধু কবিতা পড়িই না, আমি আপনার সবগুলো বই পড়েছি। বিশেষ করে আপনার গত বইমেলার বইটা। কবি: ও আচ্ছা। কেমন লেগেছে কবিতাগুলো? ভক্ত: অনেক ভালো। আপনার কাছে আমার একটা অনুরোধ আছে। কবি: কী অনুরোধ বলুন। ভক্ত : আমি আপনার কবিতার ভাব নিয়ে কিছু লিখতে চাই, যদি আপনি অনুমতি দেন! কবি: অবশ্যই, কেন নয়। তবে আমি চাই আপনি আমার কবিতার ভুলগুলো বেশি করে দেখাবেন। কারণ আপনারা ভুলগুলো ধরিয়ে দিলে আমি পরবর্তীতে শুধরে নিতে পারব। ভক্ত: অবশ্যই। যা সত্য আমি তাই লিখব। কবি : আমিও তাই চাই। কারণ শিল্পে মিথ্যা চলে না। মিথ্যা কখনো শিল্প হতে পারে না।" বৈশ্বিক উষ্ণতার ভয়াবহতা নিয়ে পরিবেশবিদ ও একজন ছাত্রের মধ্যে সংলাপ তৈরি করো ,"শিক্ষক: তোমরা কি জানো পরিবেশ কী? ছাত্র-১: জি স্যার। আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই নিয়ে আমাদের পরিবেশ। শিক্ষক: তাহলে নিশ্চয় আমরাও পরিবেশের একটা অংশ? সকল ছাত্র: অবশ্যই স্যার। শিক্ষক: তাহলে পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলে আমরাও আর বাঁচতে পারব না। সকল ছাত্র: জি স্যার। শিক্ষক: আর তাই আমাদের পরিবেশকে আমাদেরই ভালো রাখতে হবে। তোমরা কি জানো, কীভাবে আমরা আমাদের পরিবেশ ভালো রাখব? সকল ছাত্র: না স্যার। আমরা জানতে চাই। শিক্ষক: অবশ্যই তোমরা জানবে। কারণ আমরা সবাই পরিবেশের অন্তর্ভুক্ত। পরিবেশের সবকিছু আমাদের বেঁচে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সময়ে অবহেলায় আমরা আমাদের অজান্তেই পরিবেশ দূষণ করছি। তাই পরিবেশ বাঁচাতে সবাইকে কাজ করতে হবে।" যানজট নিয়ে দু'জন পথচারীর মধ্যে সংলাপ লেখো। ,"পথচারী ১: আজকে রাস্তায় এত যানজট কেন ভাই? পথচারী ২ : জানি না। সমস্যা তো শুধু আজকের নয়। পথচারী ১: প্রতিদিন এরকম দুর্ভোগে পড়তে হয় মানুষকে? পথচারী ২: আসলে এসব হচ্ছে অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফসল। পথচারী ১: আর ট্রাফিক পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে কী বলবেন? তারা কী করছে? পথচারী ২ : ভাই, আমরা আমাদের শহরকে ঠিক রাখছি না। এখানে গুটি কয়েক ট্রাফিক পুলিশদের দোষ কেন দেবেন বলুন? ওই যে দেখেন রাস্তার পাশে অপরিকল্পিতভাবে এবং আইন অমান্য করে গাড়ি পার্কিং করেছে পড়ালেখা জানা ধনী মানুষরা। তারা যদি এমন করে তখন আমরা কী করতে পারি? পথচারী ১ : তবে কি এ দুর্ভোগ সারাজীবনই থাকবে? পথচারী ২: আমরা যদি না বদলাই তবে সারাজীবন থাকবে। তবে পরিবর্তনের সময় এসেছে। আশা করি আমরা মুক্তি পাব। আমাদের শহরে ট্রাফিক লোড কমাতে হবে, আর রাস্তার পরিমাণ বাড়াতে হবে দ্রুত।" গাছেরও প্রাণ আছে- একথা জানিয়ে রাশেদ ও সাজু দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"রাশেদ: বল তো সাজু পৃথিবীতে আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু কে? সাজু: কে? বলতে পারছি না, তুই বল। রাশেদ: গাছ। কারণ গাছের কারণেই আমরা বেঁচেথাকতে পারছি। সাজু: কীভাবে গাছ আমাদের ভালো বন্ধু? রাশেদ: গাছ অক্সিজেন ছাড়ে আর আমরা তা গ্রহণ করে বেঁচে থাকি। আর আমরা যে কার্বন ডাইঅক্সাইড ছাড়ি তা গাছ গ্রহণ করে। সাজু: হ্যা, এমনই কিছু একটা বইতে পড়েছিলাম আমি। রাশেদ: তুই কি জানিস গাছের প্রাণ আছে? সাজু: না তো, কীভাবে? রাশেদ: গাছ আমাদের মতো নিঃশ্বাস গ্রহণ করতে এবং ছাড়তে পারে। তা ছাড়া গাছ খাদ্য গ্রহণ করতে পারে। এবার বল তো গাছের জীবন আছে এটা প্রথম কে আবিষ্কার করেছিলেন? সাজু: কে আবিষ্কার করেছিলেন? রাশেদ: তিনি হলেন জগদীশ চন্দ্র বসু। আমাদের বাঙালি বিজ্ঞানী। সাজু: তোর সাথে কথা বলে ভালো লাগল। অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ বন্ধু।" চিড়িয়াখানায় বেড়াতে যাবার আবদার নিয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"মেয়ে: বাবা, আমি আজকে বেড়াতে যেতে চাই। বাবা: তাই নাকি? কোথায় যাবে? মেয়ে: চিড়িয়াখানাতে। বাবা: কে তোমাকে নিয়ে যাবে? মেয়ে: আমি একাই যাব। তোমরা তো সবাই অনেক ব্যস্ত থাকো। কেউ কখনো আমাকে বেড়াতে নিয়ে যাও না। তাই আমি একাই যাব। বাবা: আহারে! আমার মেয়েটাকে কেউ নিয়ে যায় না। মেয়ে: না। বাবা: তাই বুঝি আমার মেয়েটা রাগ করেছে? মেয়ে: তা জেনে তোমাদের কী লাভ! তোমাদের সাথে আমার আর কোনো কথা নেই। তোমরা তোমাদের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকো। বাবা: রাগ করে না মামণি। চলো আজই আমি তোমাকে চিড়িয়াখানায় বেড়াতে নিয়ে যাব। মেয়ে: আমাদের সাথে আম্মু যাবে না? বাবা: হ্যা। আমরা সবাই চিড়িয়াখানাতে গিয়ে খুব মজা করব।" বাবাকে টেলিভিশন কিনতে রাজি করাতে বাবা ও ছেলের মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"ছেলে: বাবা, আমাদের একটা টেলিভিশন দরকার, সবার বাড়িতেই আছে। আমাদের কেন থাকবে না? বাবা: আমরাও কিনব। তোমার কলেজটা শেষ হোক তারপর। ছেলে: কেন? কলেজে থাকতে কেউ কি টেলিভিশন দেখে না? আমি কিছু জানি না। তুমি টেলিভিশন কিনবে বলো। বাবা: টেলিভিশন কিনলে সারাক্ষণ ওটা নিয়েই পড়ে থাকবে। পড়ালেখা শিকেয় উঠবে। ছেলে: না বাবা। আমি মাঝে মাঝে দেখব। আরিফদের বাড়িতে গিয়ে টেলিভিশন দেখতে ভালো লাগে না। ওরা অনেক বিরক্ত হয়। তা ছাড়া আমি তো সারাক্ষণ টেলিভিশন নিয়ে পড়ে থাকব না। বাবা: তা ঠিক। তবে বেশি বেশি টিভি দেখায় পড়ালেখার ক্ষতি হবে। ছেলে: না বাবা! এখন অনেক শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান টিভিতে দেখায়। আমি ওগুলো দেখব। বাবা: ঠিক আছে, তোমার প্রথম বর্ষের পরীক্ষাটা শেষ হোক। তারপর আমরা টিভি কিনব। তোমার মাকে এখন কিছু বলো না। ছেলে: " আদর্শভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো। ,"শিক্ষক: এই ছেলেরা, তোমরা ক্লাসের বাইরে কী করছ? আবির: স্যার, আমরা ব্যস্ত আছি আপনি জানেন তো। শিক্ষক: এই 'তোমরা' কারা? আবির: আমরা রাজনৈতিক দলের ছেলে। শিক্ষক: তাতে কী? তোমাদের লেখাপড়া নেই? তোমরা ক্লাসের বাইরে বসে আড্ডা দেবে কেন? ভেতরে যাও। রকি: স্যার, আমরা রাজনীতি না করলে কে করবে বলেন? সুমন: আমাদের নিয়ে আপনাদের গর্ব করা উচিত। শিক্ষক: আচ্ছা, তোমরা কি জানো তোমরা কী করছ? তোমরা তোমাদের শিক্ষকের সাথে তর্ক করছ। তোমাদের রাজনৈতিক দল নিশ্চয় তোমাদের এটা শিক্ষা দেয় না। স্কুলের নিয়ম ভঙ্গ করতে তো শেখায় না, তাই না? রকি: তাহলে কি আমরা রাজনীতি করব না, স্যার? শিক্ষক: অবশ্যই তোমরা রাজনীতি করবে। তোমাদের মধ্য থেকেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের নেতা। তবে অবশ্যই তোমাদের সৎ এবং নিষ্ঠাবান হতে হবে। আর এটাই তৈরি হওয়ার সময়। এখন তোমরা যা শিখবে পরবর্তীতে তোমরা তাই করবে। তোমরা যদি ভালো না হও তবে দেশের ভালো করবে কী করে?" "মনে কর, তুমি তারিন। তুমি পটুয়াখালীর বাউফল গ্রামের বাসিন্দা। তোমার এলাকায় মজাপুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন জানিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে দরখাস্ত লেখ। ","২৭ জানুয়ারি, ২০২১ চেয়ারম্যান বাউফল ইউনিয়ন পরিষদ, পটুয়াখালী। বিষয়: মজাপুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা আপনার ইউনিয়নের অধীন বাউফল গ্রামের বাসিন্দা। এ গ্রামে দুটো মজাপুকুর আছে, যা ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। গ্রামের মানুষ পুকুরের অভাবে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর জন্য পাশের গ্রামের পুকুর ব্যবহার করতে যায়। গোসল করা, কাপড় ধোয়ার জন্য তাদেরকে অনেক কষ্ট করতে হয়। অথচ পুকুর দুটোকে সংস্কার করে ব্যবহারের উপযোগী করতে পারলে গ্রামের মানুষের শ্রম ও সময় দুটোই বাঁচে। আবার মাছের চাষ করে গ্রামের উন্নয়মূলক কাজও করা যায়। এজন্য আপনার সদয় অনুমতি ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দরকার। অতএব আপনার কাছে একান্ত প্রার্থনা, উল্লেখ্য পুকুর দুটোর সংস্কারের জন্য আপনার সদয় অনুমতি প্রদান ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করে বাধিত করবেন। নিবেদক, বাউফল গ্রামবাসীর পক্ষে ১. তারিন হক ২. আবুবকর সিদ্দিক ও ৩. অনুপম রায়।" মনে কর তুমি দিনাজপুর জেলার বালুবাড়ী মহল্লার বাসিন্দা স্বপন। আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৌরসভা মেয়রের কাছে একখানা আবেদন পত্র লেখ। ,"১৪ জানুয়ারি ২০২১ মেয়র দিনাজপুর পৌরসভা। বিষয়: আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা আপনার পৌরসভার বালুবাড়ী মহল্লার বাসিন্দা। প্রায় দু'বছর আগে থেকে আমাদের এলাকায় খাওয়ার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। বলা হয়েছিল এ পানি আর্সেনিকমুক্ত ও বিশুদ্ধ। কিন্তু প্রায় বছর খানেক আগে থেকে দেখা যাচ্ছে, যারা বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও শিশু তাদের হাত-পায়ে একধরনের ঘা হয়ে হাত-পায়ে সাদা ছোপ পড়েছে। কারও কারও শরীরে চুলকানি জাতীয় ঘা দেখা দিয়েছে। কয়েকজন জেলা হাসপাতালের চর্ম বিভাগে দেখানোর পর চিকিসকরা বলেছেন, আর্সেনিকযুক্ত পানি পানের কারণে এ ধরনের ঘা হয়। এরপর স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন এসে পানি পরীক্ষা করে জানান যে ব্যবহৃত পানিতে আর্সেনিক রয়েছে, যা মাত্রাতিরিক্ত ও অত্যন্ত ক্ষতিকর। উল্লেখ্য যে, আমাদের পার্শ্ববর্তী মহল্লায়ও এ ধরনের রোগের বিস্তার ঘটছে। এমতাবস্থায় আপনার কাছে আমাদের আকুল আবেদন, যত দ্রুত সম্ভব আমাদের এলাকায় আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। নিবেদক রুহুল আমীন স্বপন বালুবাড়ী মহল্লার বাসিন্দাদের পক্ষে, বালুবাড়ী, দিনাজপুর।" টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদনপত্র ,"বরাবর, জেলা প্রশাসক বরগুনা। বিষয়: টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণের জন্য সাহায্য প্রসঙ্গে। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা বরগুনা জেলার অধিবাসী। সাম্প্রতিক টর্নেডোতে বরগুনা জেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টর্নেডোর ফলে গ্রামের সাধারণ ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। ফলে প্রচুর মানুষ গ্রহহীন হয়ে পড়েছে। কৃষকের ফসলের মাঠ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অঞ্চলের মানুষের বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অতি দ্রুত টর্নেডো কবলিত মানুষের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করলে তাদের পরিণতি করুণ হবে। অতএব, জনাব, যত দ্রুত সম্ভব খাদ্য, ত্রাণসামগ্রী, পানীয়, ঔষধ প্রভৃতি নিয়ে টর্নেডো-আক্রান্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক- বরগুনা জেলাবাসীর পক্ষে, রোমানা" প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলার অনুমতি চেয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদনপত্র ,"১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক খুলনা জিলা স্কুল খুলনা বিষয়: প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলার অনুমতি প্রধান প্রসঙ্গে। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আমরা নবম শ্রেণির ছাত্ররা দশম শ্রেণির ছাত্রদের সাথে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে আগ্রহী। দশম শ্রেণির ছাত্রদের সাথে আলোচনা করে এর সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা যেতে পারে। ম্যাচটি খেলোয়াড়দের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত নিবেদন এই যে, প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি খেলার অনুমতি প্রদান করলে বিশেষভাবে বাধিত থাকব। নিবেদক- নবম শ্রেণির ছাত্রদের পক্ষে, রেজাউল করিম রোল: ০৮ শাখা: ক" বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনপত্র,"১৬ই অক্টোবর, ২০২০ বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী পল্লিবিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিষয়: এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য আবেদন। জনাব, আমরা যশোর জেলার শার্শা উপজেলার নিমতলা গ্রামের অধিবাসী। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হয়ে গেলেও আমাদের এ গ্রামগুলো বেশ কয়েক বছর হলো পল্লিবিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। তাই সন্ধ্যা হলে বিদ্যুতের অভাবে কেবল জীবনই থমকে যায় না- শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য তথা উন্নয়নও থমকে যায়। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এ গ্রামে পল্লিবিদ্যুতের সংযোগ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে দেশের উন্নয়নে আমাদের ভূমিকা রাখার সুযোগ দিন। নিবেদক- নিমতলা গ্রামবাসীর পক্ষে, মফিজুর রহমান" বিনা বেতনে অধ্যয়নের জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র ,"২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক ঘোড়াশাল এ কে বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মুরাদনগর, কুমিল্লা বিষয়: বিনা বেতনে অধ্যয়ন প্রসঙ্গে। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্রী। গত বার্ষিক পরীক্ষায় আমি প্রথম স্থান অধিকার করে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছি। আপনার সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আমি অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। আমাদের ছয় সদস্যের পরিবারে বাবাই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তিনি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামান্য বেতনভোগী কেরানি। আমার বড় তিন ভাইবোন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। কিন্তু বাবার স্বল্প আয়ে সংসার চালানোই যেখানে অত্যন্ত কষ্টকর সেখানে চার ভাইবোনের লেখাপড়ার খরচ বহন করা তাঁর পক্ষে কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে পড়েছে। অতএব, আমাকে বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ দিলে আপনার নিকট কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত সাদিয়া জেসমিন দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান বিভাগ রোল নম্বর: ১" পাঠাগার স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে দরখাস্ত ,"১১ই জানুয়ারি, ২০২১ বরাবর জেলা প্রশাসক মাগুরা বিষয়: পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার আউনাড়া একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। এ গ্রামে অনেক শিক্ষিত মানুষের বসবাস। এখানে ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষার জন্য পৃথক দুটো উচ্চবিদ্যালয় আছে। প্রতি বছরই এ বিদ্যালয় দুটো থেকে বহু ছেলেমেয়ে পাস করে বের হচ্ছে। একটা মাদ্রাসা এবং তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ এলাকায় শিক্ষার আলো বিতরণ করছে বলে এলাকার মানুষের সাংস্কৃতিক উন্নয়নও ঘটছে। তবে এ এলাকাটিতে বর্তমানে একটা সাধারণ পাঠাগারের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। কিন্তু এলাকাবাসীর পক্ষে অর্থ খরচ করে পাঠাগার স্থাপন করা সম্ভব নয়। অতএব, আপনার কাছে আকুল আবেদন এই যে, আমাদের গ্রামের জনসাধারণের স্বার্থে একটা সাধারণ পাঠাগার স্থাপনের ব্যবস্থা করে একটা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার সুযোগ দান করে বাধিত করবেন। নিবেদক আউনাড়া গ্রামবাসীর পক্ষে ১. মাহবুবুল ইসলাম ২. সামিউল ইসলাম ৩. আসাদউল্লাহ" বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্রের (টিসি-TC) জন্য আবেদন - PDF ,"২৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ বরাবর প্রধান শিক্ষক রংপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার আব্বা একজন সরকারি চাকরিজীবি। বদলিজনিত কারণে তাঁর কর্মস্থল পরিবর্তন হওয়ায় আমাকেও বিদ্যালয় পরিত্যাগ করে আমার আব্বার নতুন কর্মস্থল বগুড়ায় চলে যেতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ছাড়পত্র প্রয়োজন। অতএব, বিনীত নিবেদন, আমাকে বিদ্যালয় পরিত্যাগের ছাড়পত্র প্রদান করলে আপনার নিকট কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র শফিকুল ইসলাম রোল নং: ২১ বিজ্ঞান বিভাগ নবম শ্রেণি" "জেলা প্রাশাসকের কাছে পাঠাগার স্থাপনের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন ","১১ই জানুয়ারি ২০১৮ বরাবর জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ। বিষয়: পাঠাগার স্থাপনের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার আছিমপুর একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। এ গ্রামে অনেক শিক্ষিত মানুষের বসবাস। এখানে ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষার জন্যে পৃথক দুটি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতি বছরই এ বিদ্যালয় দুটো থেকে বহু ছেলেমেয়ে পাশ করে বেরুচ্ছে। একটি নৈশ বিদ্যালয় ও তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ এলাকায় শিক্ষার আলো বিতরণ করছে বলে এলাকায় মানুষের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ঘটেছে। তবে এলাকাটিতে বর্তমানে একটি সাধারণ পাঠাগারের অভাব প্রবল হয়ে উঠেছে। কিন্তু এলাকাবাসীর পক্ষে অর্থ খরচ করে পাঠাগার স্থাপন করা সম্ভন হচ্ছে না। অতএব, আপনার কাছে আবেদন এই যে, আমাদের গ্রামের জনসাধারণের স্বার্থে একটি সাধারণ পাঠাগার স্থাপনের ব্যবস্থা করে একটি উচ্চশিক্ষিত সমাজ গড়ার সুযোগদানে সচেষ্ট থাকবেন। নিবেদক আছিমপুর গ্রামবাসীর পক্ষে, ১. মাহবুবুল ইসলাম ২. সামিউল ইসলাম ৩. আসাদ উল্লাহ" বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষ্যে সাত দিনের ছুটি চেয়ে আবেদনপত্র ,"তারিখ: ৫ মে, ২০২২ মাননীয় প্রধান শিক্ষক সাহেব সমীপেষু, ব্‌লু বার্জ হাই স্কুল, সিলেট। বিষয়: বোনের বিয়ে উপলক্ষ্যে অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আগামী ১০-৫-২০২২ তারিখে আমার বড় বোনের শুভ বিবাহের দিন ধার্য করা হয়েছে। বিবাহ উপলক্ষে শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয় স্বজন ও কন্ধু-বান্ধবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমার বড় ভাই দেশের বাইরে থাকেন। এমতবস্থায় বিবাহ উপলক্ষ্যে যাবতীয় কাজ-কর্ম আমাকেই দেখতে হবে। সে কারণে আগামী ৭-৫-২০২২ তারিখ হতে ১৩-৫-২০২২ পর্যন্ত মোট ৭ দিন আমার পক্ষে স্কুলে আসা সম্ভব নয়। অতএব, মহোদয় সমীপে আমার বিনীত প্রার্থনা, উরু ৭ দিনের ছুটি মঞ্জুজুর করে বাধিত করতে মর্জি হয়। বিনীত নিবেদক, আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র আনোয়ার হোসেন ৮ম শ্রেণি, শাখা-খ, রোল-৩" অর্ধ দিবসের ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র ,"তারিখ: ২০ জুলাই, ২০২২ মাননীয় প্রধান শিক্ষক সাহের সমীপেষু এ.কে. উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা বিষয়: অর্ধ দিবস ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের ছাত্রগণ বিনয়পূর্বক নিবেদন করছি যে, আজ প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত খেলা বিষ্ণুণ ভিনটা থেকে ঢাকা স্টেডিয়ামে শুরু হবে। আমরা এই খেলা টেলিভিশনের পর্দায় দেখার জন্য ইচ্ছা পোষণ করছি। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, চতুর্থ ঘন্টার পর স্কুল ছুটি মঞ্জুজুরীপূর্বক আমাদেরকে খেলা দেখার সুযোগ দানে বাধিত করবেন। আপনার একান্ত অনুগত, ইসলামপুর এ.কে.আর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ" বিদ্যালয়ে উপস্থিত হবার পর হঠাৎ অসুস্থতাবোধ করায় ছুটির আবেদন ,"তারিখ: ৩০ মে, ২০২২ বরাবর প্রধান শিক্ষক উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মুন্সিগঞ্জ। বিষয়: চতুর্থ ঘন্টার পর ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহীত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, দ্বিতীয় ঘণ্টার পর থেকে আমি ভীষণভাবে পেটের ব্যথা অনুভব করছি। এমনিতে সেরে যাবে এই আশায় তৃতীয় ঘণ্টার ক্লাস অনেক কষ্টে করেছি। কিন্তু বর্তমানে ব্যথা বেড়ে যাওয়ায় কোনো মতেই ক্লাস করা আর সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, অনুগ্রহপূর্বক আমাকে চতুর্থ ঘণ্টার পর ছুটি মঞ্জুজুর করে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক, নাগউন্সিন আহমেল অষ্টম শ্রেণি, রোল-৬" পানির বিল বাড়ার বিষয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সংলাপ,"বাড়িওয়ালা: গত মাসে আপনার পানির ব্যবহার অনেক বেশি, এর বাড়তি বিল আপনারই নিতে হবে। ভাড়াটিয়া: আমার তো খেয়াল ছিল না, তবে যতটা ব্যবহার করেছি, তার হিসেব করব। বাড়িওয়ালা: অন্যরা সচেতনভাবে পানি ব্যবহার করে, কিন্তু আপনার ফ্ল্যাটে অনেকক্ষন পানি খোলা থাকে। ভাড়াটিয়া: ওটা ওয়ার্কিং ট্যাঁকের কারণে লাগানো আছে, নিজে পানি ব্যবহার সীমিত রাখি। বাড়িওয়ালা: ভবিষ্যতে সতর্ক থাকবেন, নয় তোলাবাজি করে রিচার্জ কাটবে। ভাড়াটিয়া: ঠিক আছে, মাসের শেষে আমি বিলে দেখতে চাইব আর ভয়েস করবেন না। " সিগারেটের গন্ধ নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সংলাপ,"বাড়িওয়ালা: গতকাল থেকে আপনার ফ্ল্যাট থেকে ধোঁয়ার গন্ধ নিচে উঠছে। ভাড়াটিয়া: আমি জানিনা, আমি ধূমপান করি না। বাড়িওয়ালা: তবে জানালা দিয়ে ধোঁয়া বের হয়, কমন হল হয়ে গন্ধ আসে। ভাড়াটিয়া: আমি নিশ্চিত থাকুন, উন্মুক্ত জায়গায় ধূমপান করি, ঘরের ভিতরে না। বাড়িওয়ালা: ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবেন তো, সিগারেট হলে জরিমানা হতে পারে। ভাড়াটিয়া: অবশ্যই করব। ভবিষ্যতে সতর্ক থাকব।" বেডরুমে রিফ্রিজারেটর রাখার বিষয় নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সংলাপ,"বাড়িওয়ালা: আপনার রুমে ফ্রিজার রাখলে বৈদ্যুতিক লাইন ওভারলোড হতে পারে। ভাড়াটিয়া: আমি আগে অনুমতি নিয়েছি, আপনারা বলেছিলেন সমস্যা হবে না। বাড়িওয়ালা: কিন্তু গত সপ্তাহে ডিসি ট্রিপ করে, চার্জমেন্টও বাড়ছে। ভাড়াটিয়া: তাহলে আমি পুরো ফ্ল্যাটের সাপ্লাই চেক করাবো, প্রতিবেদন দিয়ে দেব। বাড়িওয়ালা: দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, না হলে বন্ধ করে দিতে হতে পারে। ভাড়াটিয়া: বুঝে নিয়েছি, ফ্যাক্স কিংবা মেকানিক আনা হবে দ্রুত।" পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বাবা ও ছেলের মধ্যে সংলাপ,"বাবা: এবারও তোমার রেজাল্ট ভালো হয়নি। কি করছ সারাদিন? ছেলে: আমি চেষ্টা করেছি বাবা, কিন্তু কিছু বিষয় খুব কঠিন ছিল। বাবা: চেষ্টা করলে এমন হয় না। তুমি সবসময় মোবাইলে থাকো। ছেলে: না বাবা, আমি গেম খেলি না, ইউটিউবে পড়াশোনা করি। বাবা: তাহলে ফল কেন খারাপ হলো? ছেলে: বুঝিনি কোথায় ভুল করলাম। আমি কোচিংয়ে যেতে চাই। বাবা: ঠিক আছে, এই শেষ সুযোগ, এরপর আর অভিযোগ শুনবো না। ছেলে: কথা দিচ্ছি, পরেরবার ভালো করবো।" বিয়েতে না যাওয়ার কারণ নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রাহুল: তোর জন্যই খারাপ লাগলো। বিয়েতে তুই এলি না কেন? সোহেল: ভাই, হুট করে জরুরি অফিসের মিটিং পড়ে গেল। রাহুল: একবার বললেও পারতি। সবাই তোকে খুঁজেছে। সোহেল: ফোন করতে চেয়েছিলাম, সময় পাইনি। রাহুল: আমি রাগ করিনি, কিন্তু দুঃখ পেয়েছি। সোহেল: সত্যি ভাই, মন খারাপ আমারও। রাহুল: ঠিক আছে, একটা ট্রিট চাই পরে। সোহেল: কথা দিলাম, উইকেন্ডে দেখা হবে। " দোকানের পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার সংলাপ,"ক্রেতা: ভাই, আপনি যে জুতা দিলেন, দুদিনেই ছিঁড়ে গেছে! বিক্রেতা: এটা তো কোম্পানির পণ্য, আপনি কেমন ব্যবহার করেছেন? ক্রেতা: আমি তো শুধু অফিসে পরেছি। রাস্তায় হেঁটেছি শুধু। বিক্রেতা: ওটা তখন সম্ভবত ডিফেক্টিভ ছিল। ক্রেতা: তাহলে আপনি চেঞ্জ করে দিন। বিক্রেতা: আপনি রিসিপ্ট আনলে আমি রিটার্ন দিতে পারবো। ক্রেতা: রিসিপ্ট তো বাসায়, কিন্তু আমি আপনাকে দেখিয়েছি আগেও। বিক্রেতা: ঠিক আছে, আপনি রিসিপ্ট নিয়ে আসুন, আমি ব্যবস্থা নেব।" রুমমেটের অগোছালো আচরণ নিয়ে সংলাপ,"রাকিব: ভাই, তোমার জিনিসপত্র একটু গুছিয়ে রাখলে ভালো হয়। সজিব: কেন? আমি তো আমার জায়গায় রাখি। রাকিব: কিন্তু তুমি ওয়াশরুমে তোয়ালে ফেলে রাখো। সজিব: ওটা ভুলে গেছি। কাল থেকে খেয়াল রাখবো। রাকিব: আর প্লেট ধুয়ে রাখো না, দুর্গন্ধ হয়। সজিব: ঠিক আছে, আমি নিয়ম মেনে চলবো। রাকিব: আমরা সবাই তো রুল ফলো করি। সজিব: হ্যাঁ ভাই, আমার দোষ। এবার থেকে আর হবে না।" অফিসে দেরিতে এসে সতর্কতা,"ম্যাডাম: এভাবে দেরি করলে কাজ নষ্ট হবে। সময় মেনে আসতে হবে। কর্মচারী: স্যার, মেট্রোর সমস্যার কারণে দেরি হয়। ম্যাডাম: তবে পরের বার যেন সময় মতো পৌঁছাও, না হলে ব্যবস্থা নিতে হবে। " বিদ্যালয়ে হোমওয়ার্ক না করা,"শিক্ষক: অর্ণব, আজকেও হোমওয়ার্ক করো নাই? এটা কি তোমার অভ্যাস হয়ে গেল? ছাত্র: স্যার, গতকাল বাসায় লোডশেডিং ছিল, পড়তে পারিনি। শিক্ষক: তুমি তো প্রায়ই অজুহাত দাও। ছাত্র: না স্যার, সত্যি বলছি। আজ রাতেই কাজটা শেষ করব। শিক্ষক: ঠিক আছে, কালকের মধ্যে জমা দেবে। তারপর আর কোনো অজুহাত নয়।" বাজারে দাম নিয়ে তর্ক,"ক্রেতা: ভাই, আলু ৬০ টাকা কেজি বলছেন? এটা তো গতকালও ৪৫ ছিল! দোকানি: আপা, পাইকারি বাজার থেকেই দামে উঠানামা হচ্ছে। ক্রেতা: সবসময় তো পাইকারি দাম বাড়ার অজুহাত দেন। দোকানি: আমি তো লাভে বিক্রি করি না, শুধু সারভাইভ করছি। ক্রেতা: ঠিক আছে, এক কেজি দেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এমন হলে অন্য দোকানে যাব।" লাইব্রেরিতে উচ্চস্বরে কথা বলা,"লাইব্রেরিয়ান: দয়া করে নিচু স্বরে কথা বলুন, অন্যরা পড়তে পারছে না। ছাত্র: দুঃখিত স্যার, আমরা একটু আলোচনায় মেতে উঠেছিলাম। লাইব্রেরিয়ান: লাইব্রেরিতে আলোচনা নয়, নীরবতা রক্ষা করতে হবে। ছাত্র: ঠিক বলেছেন, আমরা আর এমন করব না। লাইব্রেরিয়ান: ভালো, এখন থেকে একটু সচেতন থাকো।" অনলাইনে পণ্য ভুল ডেলিভারি,"ক্রেতা: ভাই, আমি কালো ব্যাকপ্যাক অর্ডার করেছিলাম। আপনারা লাল ব্যাগ পাঠিয়েছেন কেন? ডেলিভারি ম্যান: দুঃখিত ভাই, সম্ভবত প্যাকিংয়ের সময় ভুল হয়েছে। ক্রেতা: আমি স্পষ্টভাবে কালো ব্যাগ অর্ডারে উল্লেখ করেছি। ডেলিভারি ম্যান: ঠিক আছে, কালকের মধ্যে সঠিক ব্যাগটি পৌঁছে দেব। ক্রেতা: দয়া করে সময়মতো ঠিক জিনিসটা দিয়ে যাবেন। আমার ভ্রমণের পরিকল্পনা আছে।" প্রাইভেট টিউটরের বিল পরিশোধ,"টিচার: খালেদ সাহেব, আমি গত দুই মাসের বেতন এখনো পাইনি। অভিভাবক: ওহ! দুঃখিত, অফিসের ব্যস্ততায় মিস হয়ে গেছে। টিচার: আমি তো বেশ কয়েকবার ইঙ্গিত দিয়েছি। অভিভাবক: চিন্তা করবেন না, আজ রাতেই বিকাশ করে দেব। টিচার: ঠিক আছে, নিয়মিত হলে ভালো হতো। এতে আমারও পরিকল্পনা করা সহজ হয়। " গরমে বাসার ফ্যান কাজ না করা,"ভাড়াটিয়া: ভাই, ফ্যানটা ঠিকমতো ঘোরে না, শব্দও করে। বাড়িওয়ালা: আগে তো এমন অভিযোগ পাইনি। ভাড়াটিয়া: কয়েকদিন ধরেই এমন হচ্ছে। গরমে থাকা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। বাড়িওয়ালা: ঠিক আছে, ইলেকট্রিশিয়ান ডেকে দেখিয়ে নেব। ভাড়াটিয়া: দয়া করে কালকের মধ্যেই ব্যবস্থা নিন, প্লিজ।" রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ে আলোচনা,"তুমি: আজকে রাস্তায় বের হয়েই আটকে পড়লাম, ঘণ্টাখানেক দাঁড়িয়ে ছিলাম! বন্ধু: হ্যাঁ, মেইন রোডে কাজ চলছে, তাই এই অবস্থা। তুমি: কিন্তু অফিসের সময় এমন জ্যাম খুবই বিরক্তিকর। বন্ধু: আমি এখন অলটারনেট রোডে চলি, একটু ঘুরে হলেও সময় বাঁচে। তুমি: ভালো আইডিয়া! আমি কাল থেকে ওইদিক দিয়েই যাব। " পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা,"ছাত্র: স্যার, আমি অনেক কষ্ট করে পড়েছিলাম, তবুও নম্বর কম এসেছে। শিক্ষক: তুমি হয়তো প্রশ্ন বুঝে ভুল উত্তর দিয়েছো। ছাত্র: আপনি একটু খাতা দেখে বলবেন? শিক্ষক: অবশ্যই, আসো বিকেলে আমার কক্ষে। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি বুঝতে চাই কোথায় ভুল করেছি।" মোবাইল চার্জার নষ্ট হওয়া,"তুমি: ভাই, চার্জারটা গতকাল কিনেছি, কিন্তু কাজ করছে না। দোকানি: রশিদ আনছেন তো? তুমি: হ্যাঁ, এটা দেখুন। দোকানি: ঠিক আছে, আরেকটা দিয়ে দিচ্ছি। তুমি: ধন্যবাদ ভাই, তবে এটা যেন ভালোভাবে চেক করা থাকে।" বন্ধুর কাছ থেকে বই ধার নেওয়া,"রাফি: ভাই, তোমার ঐ ইতিহাস বইটা কয়েকদিনের জন্য দিবি? আমার আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা। তানভীর: অবশ্যই দিবো, কিন্তু খেয়াল রাখিস যেন পাতাগুলো ছিঁড়ে না যায়। রাফি: নিশ্চিন্ত থাক, আমি পড়া শেষ করেই ফেরত দিবো। তানভীর: তুই তো জানিস, আমি বই নিয়ে খুব কেয়ারফুল। তুইই শুধু পাইতে পারিস। রাফি: ধন্যবাদ ভাই, তুই না থাকলে এত অল্প সময়ে বই পেতাম না।" বন্ধুর জন্মদিনে উপহার নিয়ে বিতর্ক,"সুমি: দোস্ত, তোর জন্মদিনে তো সুন্দর একটা উপহার এনেছিলাম। কিন্তু তুই কিছু বললি না! রুমানা: আরে, আমি তো চমকে গিয়েছিলাম! ওটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। সুমি: তোর এক্সপ্রেশন দেখে মনে হলো মন খারাপ। রুমানা: না রে! আসলে ওইদিন আমার মাথায় অন্য চিন্তা ছিল, মনোযোগ দিতে পারিনি। সুমি: ওহ, বুঝেছি। তবে এমন দিনে একটু খুশি দেখাতে পারিস। রুমানা: হ্যাঁ, দোষ হলো আমারই। পরে অনেক আফসোস করেছি।" সহপাঠীর পরীক্ষার খাতা চাওয়া,"তানিয়া: ফারহানা, তোর গণিত খাতাটা একটু দিবি? কিছু প্রশ্নে সমস্যা হচ্ছে। ফারহানা: বই খুঁজে দেখেছিস? তানিয়া: দেখেছি, কিন্তু তোর ক্লাসের নোট বেশি ভালো। ফারহানা: ঠিক আছে, কিন্তু তাড়াতাড়ি ফিরিয়ে দিস। পরশু আমারও টেস্ট আছে। তানিয়া: চিন্তা করিস না, আজ রাতেই দেখে দিচ্ছি। ফারহানা: তাহলে নিয়ে যা, সাবধানে রাখিস। " অফিসে কাজ ভাগ নিয়ে মতভেদ,"নাসির: ভাই, শুধু আমি একাই কেন রিপোর্ট বানাবো? টিমে তো সবাই আছে! জুবায়ের: আমি অন্য ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। নাসির: আমি শুধু কাজ করে যাব আর কেউ সহযোগিতা করবে না, এটা ঠিক নয়। জুবায়ের: ঠিক বলেছো। চল কাজ ভাগ করে নিই, আমি আগামী দুদিনের ডাটা এনালাইসিস করবো। নাসির: তাহলেই তো সবার কাজ সহজ হয়। ধন্যবাদ বুঝে কাজ নেয়ার জন্য।" ছোট ভাইয়ের মোবাইল নিয়ে অভিমান,"নাঈম: ভাইয়া, আপনি আমার মোবাইল ছাড়া আমার কাছেই কিছু রাখেন না! রায়হান: আরে! তোর মোবাইলটা চেক করতে গিয়ে একটু গেম খেলেছি শুধু। নাঈম: কিন্তু আপনি না বলে নিয়ে যান সবসময়। সেটা তো ঠিক না। রায়হান: ঠিক বলেছিস, পরের বার বলেই নিবো। দুষ্টু ভাইয়ের একটু খেলাই তো। নাঈম: তাহলে ঠিক আছে, মাফ করলাম। তবে সময়মতো ফেরত দিবেন! " শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে সন্তানের পড়া নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আপনার ছেলে ক্লাসে মনোযোগ ঠিকভাবে দিচ্ছে না। প্রায়ই অনুপস্থিত থাকে। অভিভাবক: আমি খেয়াল করিনি স্যার। ও তো বলে নিয়মিত যাচ্ছে। শিক্ষক: আপনারা যদি বাসায়ও একটু নজর দেন, তাহলে সে আরও ভালো করবে। অভিভাবক: নিশ্চয়ই স্যার, এখন থেকে আমরা সময় নিয়ে পড়াশোনার দিকে নজর দেবো। শিক্ষক: তাহলেই ভালো হবে, সময় মতো গাইড পেলে ওর ভালো রেজাল্ট হবে।" চিকিৎসকের কাছে পেটের ব্যথার জন্য পরামর্শ,"রোগী: ডাক্তার সাহেব, কয়েকদিন ধরে পেটে ব্যথা হচ্ছে। ডাক্তার: কোথায় ব্যথা অনুভব করছেন? খাওয়ার পরে না আগে? রোগী: খাওয়ার পরে বেশি হয়। মাঝে মাঝে গ্যাসও হয়। ডাক্তার: তাহলে কিছু টেস্ট করে নিতে হবে। আপাতত ওষুধ দিচ্ছি। রোগী: ঠিক আছে ডাক্তার সাহেব, রিপোর্ট নিয়ে আবার আসবো।" ব্যাংকে লোন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা,"গ্রাহক: আমি একটা ব্যক্তিগত লোন নিতে চাই, কী কী কাগজপত্র লাগবে? ব্যাংক কর্মকর্তা: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র, ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট আর চাকরির প্রমাণপত্র। গ্রাহক: আর কত দিনের মধ্যে লোন অনুমোদন হবে? ব্যাংক কর্মকর্তা: সব কাগজ ঠিক থাকলে ৭ কার্যদিবসের মধ্যেই হয়ে যাবে। গ্রাহক: ধন্যবাদ, তাহলে কাল সব ডকুমেন্ট জমা দিয়ে দিব।" স্কুলে ইউনিফর্ম না পরায় সতর্কতা,"শিক্ষক: তাসফিয়া, আজ ইউনিফর্ম পরো নাই কেন? এটা নিয়মের বাইরে। ছাত্রী: স্যার, আমার ইউনিফর্মটা শুকায়নি, তাই অন্য জামা পরেছি। শিক্ষক: বুঝলাম, তবে পরের বার যেন এরকম না হয়। ছাত্রী: ঠিক আছে স্যার, আমি চেষ্টা করবো নিয়ম মেনে চলতে।" প্রতিবেশীর বাসায় বারবার অতিথি আসা নিয়ে অভিযোগ,"প্রতিবেশী: ভাই, আপনার বাসায় রোজ বিকেলে এত লোকজন আসে কেন? আপনি: ওরা আমার অফিসের কলিগ, দুই দিন ধরে একটা মিটিং চলছে বাসা থেকেই। প্রতিবেশী: কিন্তু শব্দে পাশের ফ্ল্যাটে পড়াশোনা করতে কষ্ট হয়। আপনি: দুঃখিত ভাই, আজ শেষ দিন। কাল থেকে শান্ত থাকবে। প্রতিবেশী: ঠিক আছে, আশা করছি শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।" কোচিং ক্লাসে আসন সংখ্যা নিয়ে সমস্যা,"ছাত্র: ভাইয়া, আজকে ক্লাসে জায়গাই পেলাম না বসার। কোচিং শিক্ষক: হ্যাঁ, আজ একটু ভিড় বেশি হয়েছে। নতুন কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। ছাত্র: আমরা পুরাতন ছাত্র, তাও দাঁড়িয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে? কোচিং শিক্ষক: ঠিক বলেছো। আমরা নতুন একটা ব্যাচ আলাদা করে দিচ্ছি আগামী সপ্তাহ থেকে। ছাত্র: তাহলে ভালো হয়, নয়তো ক্লাসে মনোযোগ নষ্ট হয়।" বাসার ইন্টারনেট ধীরগতির অভিযোগ,"ভাড়াটিয়া: ভাই, ইন্টারনেটের গতি গত কয়েকদিন খুব খারাপ। বাড়িওয়ালা: আমি কেবল কোম্পানিকে জানিয়েছি, ওরা বলেছে ওয়ার্ক চলছে। ভাড়াটিয়া: কিন্তু আমি অনলাইন অফিস করি, কাজ আটকে যায়। বাড়িওয়ালা: আপনি চাইলে আলাদা সংযোগ নিতে পারেন, আমি অনুমতি দিব। ভাড়াটিয়া: তাহলে কালই নতুন লাইন সম্পর্কে খোঁজ নিই।" সিটি কর্পোরেশনের ময়লা না তোলার অভিযোগ,"বাসিন্দা: ভাই, তিনদিন ধরে ময়লার গাড়ি আসছে না। গন্ধে থাকা যাচ্ছে না। কর্মচারী: স্যার, গাড়ি নষ্ট ছিল। আজ বিকেলেই ময়লা তোলা হবে। বাসিন্দা: নিয়মিত না হলে এলাকায় রোগবালাই ছড়াতে পারে। কর্মচারী: ঠিক বলেছেন, আমি এখনই সুপারভাইজারকে ফোন দিচ্ছি। বাসিন্দা: ভালো হয়, যেন আগামীতে এমন না হয়।" মার্কেটে পোশাকের দাম নিয়ে দর কষাকষি,"ক্রেতা: ভাই, এই ড্রেসটার দাম ১৫০০! একটু কমাবেন না? দোকানি: আপা, এটা নতুন কালেকশন, ছাড় দেয়া যাচ্ছে না। ক্রেতা: পাশের দোকানে একইটা দেখলাম ১২০০। দোকানি: আচ্ছা, আপনি পুরান কাস্টমার। ১৩৫০ দিন। ক্রেতা: ঠিক আছে, পছন্দ হয়েছে তো নিচ্ছি।" স্কুলে টিফিন হারিয়ে যাওয়া নিয়ে অভিযোগ,"ছাত্র: ম্যাডাম, আমার টিফিনটা টেবিলে রেখেছিলাম, এখন নেই। শিক্ষক: তুমি কোথায় গিয়েছিলে তখন? ছাত্র: আমি টয়লেটে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি খালি। শিক্ষক: কেও হয়তো মজা করতে নিয়েছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, চিন্তা করো না। ছাত্র: ঠিক আছে ম্যাডাম, কিন্তু এমন বারবার হচ্ছে। " চিকিৎসার বিল নিয়ে রোগীর অভিভাবকের প্রশ্ন,"অভিভাবক: ডাক্তার সাহেব, রিপোর্টের চার্জ এত বেশি কেন? ডাক্তার: কিছু টেস্ট স্পেশালিস্ট দিয়ে করাতে হয়েছে। তাই বিল একটু বেশি। অভিভাবক: বুঝলাম, তবে একটু ছাড়ের ব্যবস্থা করা যায় না? ডাক্তার: আপনি যদি ইনসুরেন্স কভার দেখাতে পারেন, ডিসকাউন্ট পাবেন। অভিভাবক: ঠিক আছে, আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।" কোচিং সেন্টারে পড়া বুঝতে সমস্যা হওয়া,"ছাত্রী: ম্যাডাম, আমি এই চ্যাপ্টারটা কিছুই বুঝতে পারছি না। শিক্ষিকা: কোন অংশটা বেশি কঠিন লাগছে? ছাত্রী: এই ফাংশনের নিয়ম আর সূত্রগুলো। শিক্ষিকা: ঠিক আছে, ক্লাসের পরে ১৫ মিনিট একা পড়াবো তোমাকে। ছাত্রী: ধন্যবাদ ম্যাডাম, তাহলে আমি থেকে যাবো।" অফিসে নতুন বস আসায় টেনশন,"কর্মচারী: শুনলেন, নতুন বস নাকি অনেক কঠোর? সহকর্মী: হ্যাঁ, আগে যে অফিসে ছিলেন, ওখানেও সবাই খুব নিয়ম মেনে চলতো। কর্মচারী: তাহলে তো এখন সময় মতো আসা, কাজ জমিয়ে রাখা চলবে না! সহকর্মী: সেটা ভালোই, অফিসে ডিসিপ্লিন আসবে। কর্মচারী: ঠিক বলেছেন, আমরাও পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।" রেস্টুরেন্টে খাবার নিয়ে অভিযোগ,"ক্রেতা: ভাই, আমি ফ্রায়েড রাইস অর্ডার করেছিলাম, এটা তো নরমাল রাইস! ওয়েটার: দুঃখিত স্যার, সম্ভবত ভুল হয়েছে। আমি চেক করে দিচ্ছি। ক্রেতা: সময় নষ্ট হচ্ছে, আমার মিটিং আছে। ওয়েটার: আমি এখনই রিসিপশন থেকে ঠিক খাবার পাঠাচ্ছি। ক্রেতা: পরবর্তীতে একটু সতর্ক থাকবেন আশা করি।" প্রতিবেশীর গান বাজানো নিয়ে সমস্যা,"তুমি: ভাই, রাত ১১টার পর এত জোরে গান বাজালে সমস্যা হয়। প্রতিবেশী: দুঃখিত ভাই, বন্ধুর জন্মদিন ছিল বলে একটু আনন্দ করছিলাম। তুমি: বুঝি, কিন্তু বাসায় ছোট বাচ্চা ও বয়স্ক মানুষ আছে। প্রতিবেশী: ঠিক বলেছেন। পরের বার সময়ের দিকে খেয়াল রাখব। তুমি: ধন্যবাদ ভাই, বোঝাপড়া থাকলেই চলে।" টিউশনের সময় পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা,"টিচার: রিয়াজ, তুমি কি প্রতিদিন ৫টার সময় টিউশনে আসতে পারো না? রিয়াজ: স্যার, ওই সময় আমার স্কুল থেকে ফেরত আসতেই সাড়ে পাঁচটা বাজে। টিচার: তাহলে কখন আসা তোমার জন্য সুবিধাজনক? রিয়াজ: আমি সন্ধ্যা ৭টায় আসতে পারি। টিচার: আমি তখন অন্য স্টুডেন্ট পড়াই। রিয়াজ: তাহলে ছুটির দিনগুলোতে কি একটু বেশি সময় পড়ানো যাবে? টিচার: সেটা সম্ভব, তবে তোমাকে নিয়মিত হতে হবে। রিয়াজ: অবশ্যই স্যার, আমি সিরিয়াসলি নিতে চাই পড়াটা। টিচার: তাহলে এই শনিবার থেকে শুরু করি? রিয়াজ: ঠিক আছে স্যার, ধন্যবাদ" কলেজ প্রজেক্ট নিয়ে সহপাঠীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব,"রাকিব: আরে সুমন, তুমি প্রজেক্টের তোমার কাজটা এখনো জমা দাওনি কেন? সুমন: আমি তো ভেবেছিলাম আগামীকাল জমা দিতে হবে। রাকিব: না ভাই, স্যার আজই চেয়েছেন সব রিপোর্ট কমপাইল করে দিতে। সুমন: ওহ, তাহলে দোষ আমারই। একটু সময় দিলে করে ফেলি। রাকিব: এখন দিলে আর হবে না। আমি তো নিজেরটা শেষ করে বসে আছি। সুমন: আমি দুঃখিত, এমন হবে বুঝিনি। প্লিজ একটু হেল্প করো। রাকিব: হেল্প করবো, তবে এবারই শেষ। সবাইকে নিয়ে টিমে কাজ মানে সবার দায়িত্ব থাকা দরকার। সুমন: ঠিক বলেছিস, আমি সিরিয়াসলি নেইনি, এটা আমার ভুল। রাকিব: এখন থেকে সময় বুঝে কাজ করবি, তাহলেই আর সমস্যা হবে না। সুমন: ধন্যবাদ রে, আজকের জন্য আমাকে একটু কভার কর।" নতুন বাসায় উঠতে গিয়ে পুরনো বাড়িওয়ালার সঙ্গে সমস্যা,"বাড়িওয়ালা: কই যাচ্ছেন? এখনো এক মাস বাকি চুক্তি শেষ হতে। ভাড়াটিয়া: আমরা নতুন বাসা পেয়ে গেছি, সেজন্য আগেই যাচ্ছি। বাড়িওয়ালা: কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী এক মাস আগে জানানো লাগতো। ভাড়াটিয়া: আপনাকে ফোনে বলেছিলাম কিন্তু আপনি রিসিভ করেননি। বাড়িওয়ালা: এসব অজুহাত দিয়ে চলবে না। আমি ডিপোজিট ফেরত দেব না। ভাড়াটিয়া: সেটা তো অন্যায়। আমরা তিন বছর ধরে নিয়ম মেনে ভাড়া দিয়েছি। বাড়িওয়ালা: তাও নিয়ম তো নিয়ম। সবাই মানে, আপনাদেরও মানতে হবে। ভাড়াটিয়া: নিয়ম মানি বলেই এতদিন এক টাকাও বাকি রাখিনি। বাড়িওয়ালা: তাহলে যান, তবে আমি পরে চিন্তা করবো ডিপোজিট নিয়ে। ভাড়াটিয়া: আশা করি বিবেচনা করবেন। কারণ সম্পর্কটাও একটা বিষয়।" বন্ধুর কাছ থেকে টাকা ধার চাওয়া,"রিজভী: দোস্ত, কিছুদিনের জন্য ৫ হাজার টাকা ধার দিতে পারবি? তুহিন: হঠাৎ কি হলো? কোনো বিপদে পড়েছিস? রিজভী: বাসায় কিছু প্রয়োজন পড়েছে, আর আমি হাতে এখন টানাটানিতে আছি। তুহিন: ঠিক আছে, টাকা আছে, তবে কবে ফেরত দিবি? রিজভী: ইনশাআল্লাহ আগামী মাসের ৭ তারিখের মধ্যে ফেরত দিয়ে দেব। তুহিন: আমি বিশ্বাস করি তুই ফেরত দিবি, তবে সময় মত করিস। রিজভী: নিশ্চিন্ত থাক, প্রয়োজন না হলে চাইতাম না। তুহিন: সমস্যা নাই, আমি বিকাশ করে দিচ্ছি। রিজভী: দোস্ত, তোকে পেয়ে আমি ভাগ্যবান। তুহিন: বন্ধুত্ব তো এমনই হওয়া উচিত। " বাসার ওয়াইফাই কাজ না করা নিয়ে অভিযোগ,"তামান্না: ভাইয়া, তিন দিন ধরে ওয়াইফাই কাজ করছে না। বাড়িওয়ালা: হ্যাঁ, আমি খেয়াল করেছি। সম্ভবত রাউটার বা লাইন সমস্যার কারণে। তামান্না: কিন্তু আমাদের অনলাইন ক্লাস চলছে, এটা খুব জরুরি। বাড়িওয়ালা: আজই টেকনিশিয়ানকে বলছি দেখে যেতে। তামান্না: দয়া করে একটু তাড়াতাড়ি দেখান, আমাদের কাল পরীক্ষা। বাড়িওয়ালা: ঠিক আছে, ওকে ফোন করে এখনই আসতে বলছি। তামান্না: ধন্যবাদ, একটু সময়মতো ঠিক হয়ে গেলে খুব উপকার হবে। বাড়িওয়ালা: আপনি চিন্তা করবেন না, আমি গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছি। তামান্না: ধন্যবাদ ভাইয়া, এতদিনে আপনার এমন সহানুভূতি পেলাম। বাড়িওয়ালা: মানুষের সমস্যাটা বুঝতে হয়, আমি চেষ্টা করবো দ্রুত সমাধান দিতে। " চাকরি না পেয়ে হতাশ বন্ধুকে সাহস দেয়া,"রফিক: জানিস, তিনটা ইন্টারভিউ দিয়েও কোনো চাকরি পেলাম না। নাবিল: মন খারাপ করিস না, সময়টা কঠিন ঠিকই, তবে তোর স্কিল ভালো। রফিক: মনে হয় আমি কিছুই পারি না। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছি। নাবিল: তুই কি ভুলে গেছিস, কিভাবে পুরো ব্যাচে ফার্স্ট হয়েছিলি? রফিক: হ্যাঁ, তখন তো অনেক আত্মবিশ্বাস ছিল। নাবিল: তাহলে এখনো আছে, শুধু খুঁজে বের করতে হবে। রফিক: তুই ঠিক বলছিস, হয়তো আমি হাল ছেড়ে দিচ্ছিলাম। নাবিল: কোনো কিছু একবারে আসে না, চেষ্টা করেই যেতে হয়। রফিক: ঠিক আছে, কালই নতুনভাবে আবার আবেদন শুরু করবো। নাবিল: একদিন তুই বড় জায়গায় যাবি, দেখিস আমি ঠিকই বলেছিলাম।" স্কুলে অন্য ছাত্রকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ,"শিক্ষক: রাকিব, তুমি রাহুলের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করেছো, প্রমাণ আছে? রাকিব: স্যার, আমি ওকে পেছনে ব্যাগে হাত দিতে দেখেছি। শিক্ষক: কিন্তু রাহুল বলছে, সে শুধু বই খুঁজছিল। রাহুল: স্যার, আমি চুরি করিনি, ও মিথ্যা বলছে। শিক্ষক: এমন গুরুতর অভিযোগ হালকাভাবে নেয়া যায় না। রাকিব: স্যার, আমার ভুলও হতে পারে, আমি পুরোটা দেখিনি। শিক্ষক: মিথ্যা অভিযোগ করলে শাস্তি পেতে হবে, বুঝেছো? রাকিব: আমি দুঃখিত স্যার, আমি না বুঝেই বলেছিলাম। রাহুল: আমি চাই, আমাকে কেউ ভুল বুঝবে না। শিক্ষক: ভবিষ্যতে কেউ কিছু বলার আগে ভেবে বলবে।" দোকানে ফেরত না নেওয়া পণ্য নিয়ে বিতর্ক,"ক্রেতা: ভাই, এই হেডফোনটা কাজ করছে না। আমি মাত্র গতকাল কিনেছি। দোকানি: আপনি প্যাকেট খুলেছেন তো? ক্রেতা: হ্যাঁ, খুলে চার্জ দিয়ে কানেক্ট করেও দেখেছি। দোকানি: ওয়ারেন্টি আছে কি? ক্রেতা: আছে, রশিদসহ এনেছি। দোকানি: তাহলে তো সমস্যা নেই, আমি রিপ্লেস করে দিব। ক্রেতা: ধন্যবাদ ভাই, অনেকে তো ফেরতই নিতে চায় না। দোকানি: কাস্টমার সন্তুষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেতা: এমন সেবা সব দোকানে থাকলে ভালো হতো। দোকানি: চেষ্টা করি, ভালো ব্যবহারই ব্যবসার মূল।" অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক অনুপস্থিত,"ছাত্র: স্যার, আজ ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল ১০টায়। শিক্ষক: হ্যাঁ, দুঃখিত। হঠাৎ ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ছাত্রী: আমরা সবাই ৩০ মিনিট অপেক্ষা করেছি। শিক্ষক: আমি বুঝি তোমাদের কষ্ট হয়েছে। ছাত্র: তাহলে কি আজ ক্লাস হবে না? শিক্ষক: হবে, তবে একটু সংক্ষেপে নিতে হবে। ছাত্রী: ঠিক আছে স্যার, শুধু গুরুত্বপূর্ণ অংশটা দিন। শিক্ষক: চল, তাহলে আজকের পাঠ শুরু করি। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনি সময় দিয়েই আমাদের পাশে আছেন। শিক্ষক: এটা আমার দায়িত্ব, তোমাদের শিক্ষাই আমার কর্তব্য। " রুমমেটের প্রতি অভিযোগ নিয়ে বোঝাপড়া,"আসিফ: শামীম, তুই বারবার রাত করে ঘুমাস, কিন্তু শব্দ করে মুভি দেখা ঠিক না। শামীম: আমি আসলে হেডফোন খুঁজে পাইনি কাল। আসিফ: আমি অনেকবার বলেছি, আমার সকালে ক্লাস থাকে। শামীম: ঠিক বলেছিস, আমি একটু অসতর্ক ছিলাম। আসিফ: শুধু তোশক নাড়লেও আমার ঘুম ভেঙে যায়। শামীম: এবার থেকে চেষ্টা করবো নীরবে থাকতে। আসিফ: তাহলেই দুজনের সমস্যাই কমবে। শামীম: আমি হেডফোন কিনে ফেলবো আজই। আসিফ: ধন্যবাদ ভাই, আমি একটু শান্তিতে পড়তে চাই। শামীম: হয়ে যাবে ভাই, আর কোনো ঝামেলা হবে না।" আত্মীয়ের বাসায় দাওয়াত প্রত্যাখ্যান,"খালা: রুবাইয়া, এই শুক্রবার কিন্তু আমাদের বাসায় আসবি। রুবাইয়া: খালা, খুব ইচ্ছে থাকলেও এই শুক্রবার আমার অফিস আছে। খালা: আরে মা, একদিনের ছুটি তো নেয়া যায়! রুবাইয়া: অফিসে জরুরি মিটিং আছে, না গেলে সমস্যা হবে। খালা: তা হলেও পরে তো আসা যায়। রুবাইয়া: অবশ্যই, আগামী সপ্তাহে আমি একদিন ছুটি নিয়ে আসবো। খালা: ঠিক আছে, তবে খালি হাতে আসবি না। রুবাইয়া: হাহা, আপনার জন্য মিষ্টি নিয়ে আসবো। খালা: মিষ্টি না, সময় নিয়ে আয়। রুবাইয়া: অবশ্যই খালা, সময়টা আপনার জন্যই হবে।" ফোনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় নিয়ে ভাইয়ের সাথে কথা,"ভাই: তুই সারাক্ষণ ফোনেই মুখ গুঁজে থাকিস। এমন হলে পড়াশোনা হবে কিভাবে? বোন: আমি শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকি না ভাইয়া, পড়াশোনাও করি অনলাইনে। ভাই: ঠিক আছে, তবে সময় বন্টনটা বুঝে করতে হবে। বোন: হ্যাঁ ভাইয়া, আমি আসলে মাঝে মাঝে সময় হারিয়ে ফেলি। ভাই: বুঝি, তবে এক ঘণ্টা সময় বেশি গেলে দিন শেষে চার ঘণ্টা নষ্ট হয়। বোন: আমি একটা টাইম টেবিল বানিয়ে নেব। ভাই: দারুণ হবে, আমি চাই তুই সবদিকেই ভারসাম্য রাখিস। বোন: তুমি সাপোর্ট দাও, তাহলেই পারবো। ভাই: আমি সবসময় আছি তোর পাশে। বোন: ধন্যবাদ ভাইয়া, তুমি না থাকলে আমি এত দূর আসতে পারতাম না।" স্কুলে নতুন ছাত্রকে বুলিং করা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের কথা,"শিক্ষক: রায়হান, শুনেছি তুমি নতুন ছেলেটাকে টিজ করো। এটা ঠিক? রায়হান: না স্যার, আমরা শুধু মজা করছিলাম। শিক্ষক: অন্য কারো জন্য যেটা মজা, তার কাছে অপমান হতে পারে। রায়হান: স্যার, আমি বুঝিনি ও কষ্ট পাচ্ছে। শিক্ষক: ও আজ স্কুলেও আসেনি, তুমিই বলো এটা কেমন আচরণ? রায়হান: আমি দুঃখিত স্যার, এখনই ওর বাসায় গিয়ে ক্ষমা চাইবো। শিক্ষক: ভালো, কিন্তু মনে রেখো, কাউকে ছোট করা নিজেকে ছোট করার মতো। রায়হান: আমি শিখলাম স্যার, ভবিষ্যতে খুব সতর্ক থাকবো। শিক্ষক: বন্ধু হও, শত্রু নয়—এটাই স্কুলের শিক্ষা। রায়হান: ঠিক বলছেন স্যার, আমি বন্ধু হিসেবেই ওকে গ্রহণ করবো।" অনলাইন অর্ডার দেরিতে আসায় কাস্টমার কেয়ারে অভিযোগ,"ক্রেতা: ভাই, আমি ৫ দিন আগে অর্ডার করেছি, এখনো ডেলিভারি পাইনি। কাস্টমার কেয়ার: দুঃখিত স্যার, আমাদের লজিস্টিক সমস্যার কারণে দেরি হচ্ছে। ক্রেতা: কিন্তু ওয়েবসাইটে লেখা ছিল ৩ দিনের মধ্যে ডেলিভারি হবে। কাস্টমার কেয়ার: আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত পৌঁছে দিতে। ক্রেতা: কালকের মধ্যে না পেলে আমাকে ক্যানসেল করতে হবে। কাস্টমার কেয়ার: আপনার অর্ডার আজ রাত্রেই শিপ হবে, ট্র্যাকিং নাম্বার পাঠানো হবে। ক্রেতা: ধন্যবাদ, প্লিজ নিশ্চিত করেন যেন আর দেরি না হয়। কাস্টমার কেয়ার: নিশ্চিন্ত থাকুন স্যার, আজ রাতেই প্যাক হবে। ক্রেতা: ঠিক আছে, আমি অপেক্ষা করবো। কাস্টমার কেয়ার: ধন্যবাদ স্যার, আপনার ধৈর্যের জন্য কৃতজ্ঞ।" ল্যাব রিপোর্ট নিয়ে রোগী ও ডাক্তারের সংলাপ,"রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার রিপোর্টটা একটু দেখে বলবেন কী অবস্থা? ডাক্তার: হ্যাঁ, রিপোর্ট বলছে আপনার সুগার লেভেল অনেক বেড়ে গেছে। রোগী: আমি তো নিয়মিত ওষুধ খাই, তাও এমন হলো কেন? ডাক্তার: ডায়েট কি মেনে চলেন? শারীরিক পরিশ্রম করেন? রোগী: একটু ব্যস্ত থাকি, তাই ঠিকভাবে করা হয় না। ডাক্তার: আপনি ওষুধের পাশাপাশি লাইফস্টাইলও ঠিক রাখতে হবে। রোগী: তাহলে কি আমাকে ইনসুলিন নিতে হবে? ডাক্তার: এখনই না, তবে সাবধান না হলে ভবিষ্যতে লাগবে। রোগী: আমি প্রতিদিন হাঁটা শুরু করবো। ডাক্তার: খুব ভালো সিদ্ধান্ত। সময়মতো ফলোআপ আসতে ভুলবেন না। " বাসায় পানি না থাকায় প্রতিবেশীর সাহায্য নেয়া,"আপনি: ভাই, আজ সকাল থেকে আমাদের বাসায় পানি আসছে না। প্রতিবেশী: হ্যাঁ, পানির মোটরটা মনে হয় নষ্ট হয়ে গেছে। আপনি: আজ অফিসে যেতে হবে, একটু পানি দিতে পারবেন? প্রতিবেশী: অবশ্যই, আপনি চাইলে বাথরুমও ব্যবহার করতে পারেন। আপনি: ধন্যবাদ ভাই, এমন সহানুভূতি সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রতিবেশী: পাশের বাসা বলে কথা, আমরা তো একে অন্যের জন্য। আপনি: মোটরের মিস্ত্রি ডাকিয়েছেন? প্রতিবেশী: হ্যাঁ, দুপুরে আসবে বলে জানিয়েছে। আপনি: তাহলে মোটর ঠিক হলে আমাদের জানাবেন প্লিজ। প্রতিবেশী: নিশ্চয়ই ভাই, একসাথেই তো সবাই থাকি।" ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে প্রেম নিয়ে অভিভাবকের প্রশ্ন,"মা: তুমি আর সিয়াম কি একে অপরকে পছন্দ করো? মেয়ে: মা, আমরা ভালো বন্ধু, তবে আমি বুঝি না আপনি এমন ভাবছেন কেন? মা: তোমাদের ফোনে কথা হয়, রাতে মেসেজ দেখা যায়। মেয়ে: মা, সে আমাকে পড়ায় মাঝে মাঝে, শুধু তাই। মা: আমি তোমার মা, তুমি যদি কিছু বলো, আমি বুঝতে পারি। মেয়ে: ঠিক আছে মা, আমি সত্য বলছি, কিছু লুকাইনি। মা: আমি চাই তুমি নিজের ভবিষ্যৎকে আগে ভাবো। মেয়ে: আমিও সেটাই ভাবি, মা। মা: তাহলে ঠিক আছে, বন্ধু হতেই পারো, কিন্তু সীমা যেন না পার হয়। মেয়ে: নিশ্চিন্ত থাকো মা, আমি সবসময় তোমার বিশ্বাস রাখবো। " বাসায় দেরিতে ফেরার কারণে বাবার জিজ্ঞাসা,"বাবা: আজ এত রাতে ফিরলি কেন? ছেলে: আব্বা, কোচিংয়ে একটু বেশি সময় লেগেছে। বাবা: তোর তো কোচিং ৮টায় শেষ হয়, এখন বাজে ৯:৩০। ছেলে: বন্ধুর বাসায় একটু গ্রুপ স্টাডি করছিলাম। বাবা: বললে ভালো হতো, আমরা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। ছেলে: আমি ফোন দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু চার্জ শেষ হয়ে গিয়েছিল। বাবা: সময় মতো যোগাযোগ করা খুব জরুরি। ছেলে: আমি বুঝেছি আব্বা, পরের বার এমন হবে না। বাবা: ঠিক আছে, এবার খেয়ে নে। কিন্তু ভবিষ্যতে সতর্ক থাকিস। ছেলে: অবশ্যই আব্বা, আপনার চিন্তা আর করাতে চাই না।" স্কুল টিফিন নিয়ে মা ও সন্তানের আলোচনা,"মা: আজ তোর টিফিন বক্স ভরা ছিল, তবুও তুই বাসায় খালি নিয়ে এলি কেন? ছেলে: মা, আমি কিছুই খেতে পারিনি, পেটে ব্যথা হচ্ছিল। মা: তাহলে সকালেই বললি না কেন? ছেলে: আমি ভেবেছিলাম ঠিক হয়ে যাবে। মা: এখন কেমন লাগছে? জ্বর আছে? ছেলে: না, এখন একটু ভালো লাগছে। মা: কালকে স্কুলে যাওয়ার দরকার নেই। বিশ্রাম নে। ছেলে: ঠিক আছে মা, তুমি পাশে থাকলে ভয় লাগে না। মা: সবসময় পাশে থাকবো মা। তুই শুধু নিজের খেয়াল রাখ। ছেলে: তোমাকে অনেক ভালোবাসি মা। " বাসের ভাড়া নিয়ে কন্ডাক্টরের সাথে যাত্রীর ঝামেলা,"যাত্রী: ভাই, গুলিস্তান থেকে কল্যাণপুর ৪০ টাকা হয়, আপনি ৫০ চাচ্ছেন কেন? কন্ডাক্টর: ভাই, জ্যামের কারণে গাড়ি বেশি সময় লাগছে। যাত্রী: তা হলেও সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেয়া যায় না। কন্ডাক্টর: ঠিক বলছেন, কিন্তু সবকিছুর দাম বেড়েছে। যাত্রী: আপনারা যাত্রীদের ঠকাচ্ছেন নিয়মিতভাবে। কন্ডাক্টর: ওকে ভাই, আপনি ৪০ টাকা দেন। যাত্রী: ধন্যবাদ, আমি অন্যদেরও সচেতন করবো। কন্ডাক্টর: ভাই, আমরাও বাধ্য, মালিকরা আমাদেরও চাপ দেয়। যাত্রী: বুঝতে পারি, কিন্তু নিয়ম না মানলে বিশৃঙ্খলা বাড়বে। কন্ডাক্টর: ঠিক বলেছেন ভাই, আমি কথা দিলাম অন্যদেরও বুঝাবো। " কলেজে গ্রুপ স্টাডি করতে গিয়ে বন্ধুর সাথে দ্বন্দ্ব,"সামিয়া: তুই শুধু তোর কাজটা করলি, বাকি টিমের কথা ভাবলি না। নাজমা: আমি তো বলেছিলাম সবাই একসাথে বসে কাজ করি। সামিয়া: কিন্তু তুই নিজেরটাই জমা দিয়ে দিলি, বাকি অংশ বাদ পড়ল। নাজমা: আমি সময় পাইনি, তাই নিজের অংশ শেষ করেই জমা দিলাম। সামিয়া: এটা টিমওয়ার্ক না, তুই শুধু নিজেকে বাঁচালি। নাজমা: আমি দুঃখিত, এরপর থেকে আমরা একসাথেই জমা দিবো। সামিয়া: ঠিক আছে, একবারের জন্য মাফ করলাম। নাজমা: ধন্যবাদ বন্ধু, আমি সত্যিই বুঝতে পারছি ভুলটা কোথায় হয়েছিল। সামিয়া: আমাদের বন্ধুত্বের চেয়ে বড় কিছু না। নাজমা: একসাথে থেকেই সামনে এগোবো। " অফিসে প্রকল্প নিয়ে টিম মিটিং,"ম্যানেজার: সবাই কেমন আছো? আজকের মিটিংয়ে আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো নতুন প্রকল্পের পরিকল্পনা করা। সুমন: স্যার, নতুন প্রজেক্টের জন্য আমাদের সময়সীমা কত দিন? ম্যানেজার: আমাদের লক্ষ্য এক মাসের মধ্যে প্রজেক্ট শেষ করা। রুমানা: টিমে কাদের দায়িত্ব কী হবে? ম্যানেজার: সুমন তুমি ডেভেলপমেন্ট হ্যান্ডল করবে, রুমানা তুমি মার্কেট রিসার্চ করবে। জুবায়ের: আমি কোড রিভিউ এবং টেস্টিং করবো স্যার। ম্যানেজার: খুব ভালো। আমরা প্রত্যেক সপ্তাহে আপডেট দেব। সুমন: স্যার, আমাদের কি প্রয়োজনীয় রিসোর্স সব মিলেছে? ম্যানেজার: বেশিরভাগই আছে, তবে আরো কিছু হার্ডওয়্যার দরকার। রুমানা: সেটা কোথা থেকে সংগ্রহ করবো? ম্যানেজার: আইটি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি, আগামী সপ্তাহে পাওয়া যাবে। জুবায়ের: আমরা কি ক্লায়েন্টের সঙ্গে রেগুলার যোগাযোগ রাখবো? ম্যানেজার: অবশ্যই, রুমানা তুমি প্রধান যোগাযোগ করবে। সুমন: আমাদের কি কোনো বেকআপ প্ল্যান আছে? ম্যানেজার: হ্যাঁ, কিছু ঝামেলা হলে আমরা পরিকল্পনা বদলাতে পারবো। রুমানা: প্রজেক্ট ডকুমেন্টেশন কে করবে? জুবায়ের: আমি ডকুমেন্টস তৈরিতে সাহায্য করবো। ম্যানেজার: প্রত্যেকেই নিজেদের দায়িত্ব নিয়ে মনোযোগ দিবে। সুমন: স্যার, আমরা কি বাইরের কোন কনসালটেন্ট নিয়োগ করবো? ম্যানেজার: প্রাথমিক ভাবে নয়, তবে প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত নিব। রুমানা: কি ধরনের রিপোর্ট দিতে হবে? ম্যানেজার: সপ্তাহে একবার ডিটেইল রিপোর্ট। জুবায়ের: বুঝেছি স্যার, আমরা প্রস্তুত। ম্যানেজার: সবাইকে ধন্যবাদ, কাজ শুরু করি। " কলেজে ছুটির আবেদন নিয়ে অধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীর আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমি আগামী সপ্তাহে আমার মামার বাড়ি যেতে চাই, ছুটি চাই। অধ্যক্ষ: কেনো? কোনো জরুরি কারণ? ছাত্র: স্যার, পরিবারের সঙ্গে একটু সময় কাটানো দরকার। অধ্যক্ষ: ঠিক আছে, ছুটির আবেদন লিখে দাও। ছাত্র: কতদিন ছুটি নিতে পারবো? অধ্যক্ষ: সর্বোচ্চ সাত দিন, তবে সময়মত ক্লাস মিস যেন না হয়। ছাত্র: স্যার, আমি অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করবো। অধ্যক্ষ: সেটা অবশ্যই করতে হবে, রেজিস্টার নিয়ম মেনে রাখতে হবে। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার। অধ্যক্ষ: বাড়িতে গিয়ে সুস্থভাবে থেকো। ছাত্র: অবশ্যই স্যার। অধ্যক্ষ: ছুটির আগে টিউটরদের জানিয়ে দাও। ছাত্র: স্যার, আমি জানিয়ে দেব। অধ্যক্ষ: প্রয়োজন হলে আমাকে কল করতে পারো। ছাত্র: স্যার, আমার কোর্স ওয়ার্কও সময়মতো জমা দিবো। অধ্যক্ষ: ভালো, তোর দায়িত্ব নিয়ে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: চেষ্টা করবো স্যার। অধ্যক্ষ: ছুটি শেষে সময়মতো ফিরে এসে ক্লাসে যোগ দিও। ছাত্র: ইনশাআল্লাহ স্যার। অধ্যক্ষ: সবসময় নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল রেখো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি সতর্ক থাকবো। অধ্যক্ষ: যাত্রা শুভ হোক।" দোকানে পণ্য ক্রয়ে মিথ্যা বিজ্ঞাপনের অভিযোগ,"ক্রেতা: ভাই, আপনি এই ফ্রিজটা বিজ্ঞাপনে ২০% ছাড় দেখিয়েছেন, কেন আমি পুরো দামই দিলাম? দোকানি: সেটা তো গত সপ্তাহের অফার ছিল। ক্রেতা: কিন্তু বিজ্ঞাপন এখনও পোস্টে আছে। দোকানি: ওটা সরানোর কথা ছিল, কিন্তু ভুলে গেছি। ক্রেতা: আপনি আমাকে একটু সাহায্য করতে পারেন? দোকানি: আমি সামান্য ছাড় দিতে পারি। ক্রেতা: একটু কম দামে দিলেও আমি খুশি হই। দোকানি: ঠিক আছে, আমি ৫% ছাড় করে দিব। ক্রেতা: দয়া করে দ্রুত বলুন, আমি সিদ্ধান্ত নিতে চাই। দোকানি: আপনি রশিদ দিন, আমি ডিসকাউন্ট কেটে রিফান্ড করবো। ক্রেতা: আপনার কাজের প্রতি আমার বিশ্বাস থাকবে। দোকানি: আমাদের ব্যবসার সুনামই বড় জিনিস। ক্রেতা: আমি আমার বন্ধুদেরও এখানে কিনতে বলবো। দোকানি: ধন্যবাদ ভাই, আপনার সন্তুষ্টিই আমাদের লক্ষ্য। ক্রেতা: ভবিষ্যতে বিজ্ঞাপন সঠিক রাখুন। দোকানি: অবশ্যই, এই ভুল আর হবে না। ক্রেতা: আমার আবার প্রয়োজন হলে আসবো। দোকানি: স্বাগত ভাই, যেকোনো সাহায্য লাগলে বলবেন। ক্রেতা: ভালো লাগল আজ কথা বলে। দোকানি: আমাকেও ভালো লাগল। ক্রেতা: ভালো থাকবেন। " বাসায় সেল ফোন নেটওয়ার্ক সমস্যা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: আজকাল ফোন নেটওয়ার্ক খুব খারাপ, বারবার কল কেটে যাচ্ছে। স্বামী: হ্যাঁ, আমি লক্ষ্য করছি অফিসেও কল করতে সমস্যা হচ্ছে। স্ত্রী: আমি তো ভাবলাম নতুন সিম নিতে হবে। স্বামী: আগে অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারকে ফোন দেই। স্ত্রী: চেষ্টা করো, যদি তারা সমস্যার সমাধান না দেয়, নতুন সিম ভাবি। স্বামী: ওরা বলছে এলাকায় টাওয়ারের সমস্যার জন্য একটু সময় লাগবে। স্ত্রী: কবে ঠিক হবে? স্বামী: তিন থেকে পাঁচ দিন, আশা করছি এর মধ্যে ভালো হবে। স্ত্রী: এই দেরি নিয়ে আমি অসন্তুষ্ট। স্বামী: আমি আপনার অসুবিধা বুঝি, তবে আমরা ধৈর্য ধরব। স্ত্রী: তোমার কথা ঠিক, তবে এটা খুবই জরুরি। স্বামী: আমি ওদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবো। স্ত্রী: যেকোনো আপডেট আমাকে জানিও। স্বামী: নিশ্চয়ই। স্ত্রী: আজ থেকে একটু কম ফোন করবো, যেন সমস্যা না বাড়ে। স্বামী: ভাল আইডিয়া, সময়মতো কল করো। স্ত্রী: ধন্যবাদ, তোমার সঙ্গে কথা বলে ভালো লাগলো। স্বামী: আমি সর্বদা তোমার পাশে আছি। স্ত্রী: ভালোবাসি তোমাকে। স্বামী: আমিও তোমাকে।" ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে গ্রুপ প্রজেক্ট নিয়ে দ্বন্দ্ব,"রুবেল: তুমিই পুরো প্রজেক্টটা করছ, আমরা কিছু করিনি। সাবিনা: আমি তো সময় দিয়েছি, শুধু তোমাদের কাজ শেষ হয়নি। রুবেল: তোমার কাজটাই কম, আমাদের কাজ বেশি। সাবিনা: আমরা সবাই মিলে ভাগ করে কাজ করতে পারি। রাকিব: হ্যাঁ, আসলে সময় সামঞ্জস্য করতে পারিনি। সুমন: তবে আমরা এখন থেকে নিয়ম করে কাজ করবো। সাবিনা: আজ থেকে প্রতিদিন মিটিং করবো। রুবেল: ঠিক আছে, তবে সবার পরিশ্রম চাই। সুমন: একসাথে কাজ করলে ফলও ভালো হবে। রাকিব: আগামী সপ্তাহে জমা দিতে হবে, তাই সময় বাঁচাতে হবে। সাবিনা: কেউ পিছিয়ে পড়বে না, সবাই অংশ নেবে। রুবেল: আমি দুঃখিত, আগের আচরণ ঠিক ছিল না। সুমন: আমরা সবাই মিলে সফল হবো। রাকিব: টিমওয়ার্কে জিতব আমরা। সাবিনা: একসাথে থেকে শিখতে পারবো অনেক কিছু। রুবেল: ধন্যবাদ সবাইকে, আমি চেষ্টা করবো। সুমন: এইবার কাজে মন দেই। রাকিব: প্রজেক্ট শুরু করি। সাবিনা: সফলতার জন্য সবাই একসাথে থাকি।" গরমের কারণে বিদ্যুতের সমস্যায় বাসাবাড়ির আলোচনা,"মোশাররফ: গতকাল থেকে বিদ্যুৎ প্রায়ই চলে যাচ্ছে, খুব কষ্ট হচ্ছে। নাহিদা: হ্যাঁ, গরম বেড়েছে বলে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে। মোশাররফ: ছোট বাচ্চারা অসুবিধায় পড়ে। নাহিদা: তোমার অফিসের কাজ কেমন চলছে? মোশাররফ: অফিস থেকে অনেক চাপ, কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় কাজ ব্যাহত হয়। নাহিদা: আমরা তো বিকল্প ব্যাটারি লাগানোর কথা ভাবছিলাম। মোশাররফ: সেটা দরকারই। রাতে তো ঘুমও লাগে না বিদ্যুৎ না থাকলে। নাহিদা: পাশের বাড়িতেও একই সমস্যা, সবাই ঝামেলায়। মোশাররফ: কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা দরকার। নাহিদা: তবে এখন পর্যন্ত কেউ কিছু করে না। মোশাররফ: আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার। নাহিদা: প্রতিবেশীদের একত্রিত করে পিটিশন দিই। মোশাররফ: খুব ভালো আইডিয়া, সবাইকে জানাবো। নাহিদা: এই গরমে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। মোশাররফ: তোমার জন্য একটু আইস কুলার নেওয়া যায়। নাহিদা: ভালো হবে, তবে বিদ্যুৎ না থাকলে কাজ করবে না। মোশাররফ: আমি আজই বাজারে যাই। নাহিদা: ধন্যবাদ, পরিবারের খেয়াল রাখো। মোশাররফ: তোমার কথাও ঠিক, আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। নাহিদা: ইনশাআল্লাহ, মিলেমিশে সমস্যা সমাধান করব।" গাড়ি চালানোর নিয়ম নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্বামী: গাড়ি চালানোর সময় অবশ্যই নিরাপত্তা মেনে চলতে হবে। স্ত্রী: হ্যাঁ, গতকালও দেখি কেউ সিগন্যাল না দিয়ে মোড় নিল। স্বামী: এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। স্ত্রী: আমি বলি, আমরা দুজনেই দায়িত্ব নিয়ে গাড়ি চালাই। স্বামী: একদম ঠিক, নিয়ম মানার অভ্যাস তৈরি করা উচিত। স্ত্রী: গতকাল আমি গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ব্যবহার করছিলাম, পরে বুঝলাম ভুল। স্বামী: সেটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। স্ত্রী: থেকে গেলাম, আর করব না। স্বামী: গাড়ি চালানোর আগে সবসময় মনোযোগী হতে হবে। স্ত্রী: আমরা পার্কিং করার সময়ও সতর্ক থাকব। স্বামী: আমাদের সন্তানদেরও এই সব শেখানো দরকার। স্ত্রী: ঠিক আছে, আমি ওদের সঙ্গে কথা বলবো। স্বামী: রাস্তার নিয়ম মানলে সবার সুরক্ষা হয়। স্ত্রী: এবং ট্রাফিক পুলিশের কথাও শুনতে হবে। স্বামী: সময়মতো গতি কমানো প্রয়োজন। স্ত্রী: গাড়ি ঠিকমতো সার্ভিস করানোও জরুরি। স্বামী: হ্যাঁ, এটি নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। স্ত্রী: আমরা দুজনে মিলেই ভালো চালক হবো। স্বামী: এতে পরিবার নিরাপদ থাকবে। স্ত্রী: আর সবাই যদি সচেতন হয়, রাস্তায় দুর্ঘটনা কমবে। স্বামী: একদম সঠিক কথা।" স্কুলে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রীর আলাপ,"শিক্ষক: তুমি কেমন প্রস্তুতি নিয়েছো আগামী পরীক্ষার জন্য? ছাত্রী: স্যার, আমি প্রতিদিন দুই ঘণ্টা পড়াশোনা করছি। শিক্ষক: ভালো কথা, তবে কোন বিষয়গুলোতে দুর্বলতা আছে? ছাত্রী: ইংরেজি আর গণিত একটু কষ্ট হয়। শিক্ষক: তাদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। ছাত্রী: সেটা চাই, যাতে ভালো ফলাফল হয়। শিক্ষক: তোমার ধৈর্য খুবই প্রশংসনীয়। ছাত্রী: ধন্যবাদ স্যার, আপনি যে আমাকে সাহায্য করছেন তার জন্য। শিক্ষক: পরীক্ষার আগে সবকিছু ঠিকঠাক হলে ভালো হয়। ছাত্রী: আমি বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডিও করছি। শিক্ষক: সেটা খুবই ভালো, একে অন্যকে সাহায্য করলে ভাল হয়। ছাত্রী: মাঝে মাঝে প্রশ্ন নিয়ে সমস্যা হয়, তখন আপনাকে জিজ্ঞাসা করি। শিক্ষক: তোমাদের জন্য আমি সবসময় প্রস্তুত। ছাত্রী: স্যার, আপনার উপদেশ আমাদের জন্য গাইডলাইন। শিক্ষক: পরীক্ষার সময় রাগ বা চাপ নিবে না। ছাত্রী: চেষ্টা করবো মনোবল ধরে রাখতে। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস সব সময় রাখতে হবে। ছাত্রী: হ্যাঁ, তা না হলে ভালো ফল পাওয়া কঠিন। শিক্ষক: তাই আমি তোমার উপর বিশ্বাস রাখি। ছাত্রী: ইনশাআল্লাহ স্যার, ভালো করবো। শিক্ষক: পরীক্ষার জন্য শুভকামনা। ছাত্রী: ধন্যবাদ স্যার।" বাজার থেকে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে দরকষাকষি,"ক্রেতা: এই মাছটা কত টাকা? বিক্রেতা: ২০০ টাকা কেজি। ক্রেতা: একটু কম করলে? বিক্রেতা: ১৮০ টাকা দিতে পারি। ক্রেতা: ১৫০ টাকা হলে নিবো। বিক্রেতা: এই মাছ ভাল, ১৫০ হলে আমি লোকসানে যাবো। ক্রেতা: একটু মানিয়ে নাও, ১৭০ টাকা। বিক্রেতা: তোমার জন্য ১৭০ টাকা চলবে। ক্রেতা: আমি বেশি কেজি নেব, ডিসকাউন্ট দিবো? বিক্রেতা: হ্যাঁ, পাঁচ কেজি নিলে দশ টাকা কম দেব। ক্রেতা: ঠিক আছে, প্যাক করে দাও। বিক্রেতা: আর কি নেবো? ক্রেতা: সবজি দেখি একটু। বিক্রেতা: সবজির দামও কমানো যাবে। ক্রেতা: আমার সঙ্গে তো বোন আসবে, ওর জন্য আলাদা কিছু নেবো। বিক্রেতা: ঠিক আছে, ওর জন্য ভালো কিছু সাজিয়ে দেব। ক্রেতা: গুণগত মান ভালো হবে তো? বিক্রেতা: নিশ্চিন্ত থাকো, সব তাজা। ক্রেতা: দয়া করে দ্রুত প্যাক করে দিতে হবে। বিক্রেতা: আচ্ছা ভাই, তাড়াতাড়ি দিচ্ছি। ক্রেতা: ধন্যবাদ, আবার আসব।" বাসায় নতুন অতিথি আসায় স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: আজ সন্ধ্যায় তোমার চাচাতো ভাই এসে যাচ্ছেন জানালেই বলেছি তো? স্বামী: হ্যাঁ, জানি। বাড়ি সাজিয়ে রাখলাম। স্ত্রী: খাবারের জন্য কি কি তৈরী করবো? স্বামী: ওর পছন্দের মুরগির মাংস ও ভাত থাকলে ভালো হয়। স্ত্রী: ঠিক আছে, আমি সকালে বাজারে যাবো। স্বামী: অতিথিদের জন্য ফ্রেশ ফলও রাখা দরকার। স্ত্রী: হ্যাঁ, আমি আম আর কলা কিনবো। স্বামী: রাতের জন্য কি চা বা কফি চাই? স্ত্রী: দুটোই রাখা ভালো, সবাই পছন্দ করে। স্বামী: অতিথিদের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে আমরা কি করবো? স্ত্রী: ঘর পরিষ্কার করে রাখব, আর প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বালিশ রাখব। স্বামী: ওদের রুমে ওয়াইফাই চালু রাখব? স্ত্রী: অবশ্যই, যাতে তারা আরাম করে সময় কাটাতে পারে। স্বামী: অতিথিদের জন্য খেয়াল রাখতে কেউ থাকলে ভালো হয়। স্ত্রী: আমি থাকবো, তোমার কাজ থাকলে আমাকে জানিও। স্বামী: ধন্যবাদ, তোমার সহযোগিতা অনেক বড় ব্যাপার। স্ত্রী: সবাই ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকবো। স্বামী: অতিথি আসলে ঘরের আনন্দ বেড়ে যায়। স্ত্রী: হ্যাঁ, সবাই মিলেই ভালো সময় কাটাবো। স্বামী: আমি রান্নায় সাহায্য করবো। স্ত্রী: আমরা মিলেমিশে কাজ করলে ভালো হয়।" সায় পানি সরবরাহ বন্ধ নিয়ে পরিবারের আলোচনা,"পিতা: আজ পানি আবার বন্ধ, তোমরা সবাই কেমন আছো? মা: আমরা ঠিক আছি, কিন্তু পানি না থাকায় কাজ অনেক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ছেলে: আমার হাত ধোয়া, গোসল করার সময় পানি লাগে। মেয়ে: রান্না করতেও পানি দরকার। পিতা: এই সমস্যা কতদিন চলবে বলে মনে হচ্ছে? মা: হয়তো আজ সার্ভিস ঠিক হবে। ছেলে: আমরা কী করব, বাইরে থেকে পানি আনতে হবে? মেয়ে: বাইরে থেকে পানি আনতে গেলে খরচও বেশি। পিতা: স্থানীয় সরকারকে জানাবো, যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। মা: ভালো হবে, সবাই একসাথে চেষ্টা করলেই ফল পাওয়া যায়। ছেলে: আমরা বাড়ির ছোট ছোট ট্যাংকি ভরে রাখবো। মেয়ে: সেটা করতে হবে, যেন জরুরি সময় পানি থাকে। পিতা: সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে, সমস্যা অল্পদিনের। মা: বাচ্চাদেরও বুঝাতে হবে পানি সংরক্ষণের গুরুত্ব। ছেলে: আমি স্কুল থেকে ফিরে পানি নিয়ে আসবো। মেয়ে: আমি রান্না করতে সাহায্য করব। পিতা: সবাই মিলেই সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। মা: প্রয়োজন হলে প্রতিবেশীদেরও সাহায্য চাইতে পারি। ছেলে: আমি আজই আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ফোন দেবো। মেয়ে: আশা করি তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিবে।" অফিসে ড্রেস কোড নিয়ে ম্যানেজার ও কর্মচারীর আলোচনা,"ম্যানেজার: সবাইকে জানাচ্ছি, অফিসে ড্রেস কোড কঠোর করা হয়েছে। কর্মচারী: স্যার, নতুন ড্রেস কোড কি ধরনের হবে? ম্যানেজার: অফিসিয়াল এবং পরিপাটি পোশাক বাধ্যতামূলক। কর্মচারী: আমরা কি জিন্স আর টি-শার্ট পরতে পারব? ম্যানেজার: না, জিন্স এবং টি-শার্ট পরা নিষেধ। কর্মচারী: বিকল্প পোশাক কী কী হতে পারে? ম্যানেজার: শার্ট, প্যান্ট, এবং অফিসিয়াল স্যুট হতে পারে। কর্মচারী: মহিলাদের জন্য কি আলাদা নিয়ম আছে? ম্যানেজার: হ্যাঁ, মহিলাদের সালোয়ার কামিজ বা অফিসিয়াল ড্রেস পরতে হবে। কর্মচারী: যদি কেউ নিয়ম না মানে তাহলে কি হবে? ম্যানেজার: সতর্কবার্তা দেয়া হবে, বার বার হলে শাস্তি হতে পারে। কর্মচারী: এটা কি কাজে প্রভাব ফেলবে? ম্যানেজার: হ্যাঁ, ভাল ড্রেস কোড অফিসে পেশাদারিত্ব বাড়ায়। কর্মচারী: সবাই কি এটা মেনে নিবে? ম্যানেজার: আশা করি, এতে অফিসের পরিবেশ উন্নত হবে। কর্মচারী: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা করবো নিয়ম মানার। ম্যানেজার: সবার সহযোগিতা দরকার। কর্মচারী: আমরা প্রস্তুত। ম্যানেজার: নতুন নিয়ম আগামী সোমবার থেকে কার্যকর হবে। কর্মচারী: সময়মতো জানিয়ে দিলেন, ধন্যবাদ। ম্যানেজার: চলুন, সবাই কাজ শুরু করি। " গ্রামের রাস্তার সমস্যা নিয়ে গ্রামবাসীর বৈঠক,"গ্রামপ্রধান: ভাইরা, আমাদের গ্রামে রাস্তার সমস্যা দিন দিন বেড়ে চলছে। গ্রামবাসী ১: হ্যাঁ, বর্ষাকালে রাস্তা অনেক কাদার হচ্ছে। গ্রামবাসী ২: ছোট ছোট গর্তে গাড়ি চলাচল কঠিন। গ্রামপ্রধান: আমরা কি সরকারি অফিসে অভিযোগ করবো? গ্রামবাসী ৩: অবশ্যই, তাদের সহযোগিতা দরকার। গ্রামবাসী ৪: তবে আমাদের একত্রিত হয়ে লিখিতভাবে জানানো উচিত। গ্রামপ্রধান: আমি আগামি সপ্তাহে ইউনিয়ন পরিষদে যাবো। গ্রামবাসী ৫: আমরা সবাই একযোগে অভিযোগ জমা দিবো। গ্রামবাসী ৬: রাস্তা নির্মাণ হলে স্কুল, হাসপাতাল যাওয়া সহজ হবে। গ্রামপ্রধান: আমাদের গ্রাম উন্নয়নে রাস্তার গুরুত্ব অনেক। গ্রামবাসী ৭: এছাড়া গাড়ি ভাড়া কমবে। গ্রামবাসী ৮: বাজারে যাওয়াও সুবিধাজনক হবে। গ্রামপ্রধান: আমরা স্থানীয় কাউন্সিলরকে আমন্ত্রণ করবো। গ্রামবাসী ৯: সবাইকে সচেতন হতে হবে। গ্রামবাসী ১০: ছোট ছোট সমস্যা নিয়ে ঝামেলা বাড়ানো উচিত নয়। গ্রামপ্রধান: সবাই মিলেমিশে কাজ করলে ফল পাওয়া যায়। গ্রামবাসী ১১: আমাদের সন্তানদের জন্য উন্নত পরিবেশ প্রয়োজন। গ্রামবাসী ১২: আশা করি এবার রাস্তা হবে। গ্রামপ্রধান: সবাইকে ধন্যবাদ, মিলেমিশে সমস্যা সমাধান করবো। " স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ডাক্তারের সাথে রোগীর আলোচনা,"রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার বার বার মাথা ব্যথা হয়। ডাক্তার: গতকাল কি কোনো অস্বস্তি হয়েছিল? রোগী: না, হঠাৎ করেই ব্যথা শুরু হয়। ডাক্তার: রক্তচাপ পরীক্ষা করেছি, কিছুটা বেশি। রোগী: কি করলে ভালো হবে? ডাক্তার: ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি বিশ্রাম নিতে হবে। রোগী: কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবো? ডাক্তার: তেল-মশলাযুক্ত খাবার কম খেতে হবে। রোগী: ব্যায়াম করা যাবে? ডাক্তার: হ্যাঁ, নিয়মিত হাঁটা করা ভালো। রোগী: আমাকে কি কোনো বিশেষ পরীক্ষা করাতে হবে? ডাক্তার: যদি ব্যথা বেশি হয়, এমআরআই করানো উচিত। রোগী: ওষুধ কখন ও কীভাবে খাবো? ডাক্তার: প্রতিদিন সকালে খাবার সাথে এক ট্যাবলেট। রোগী: পারিবারিক কোনো সমস্যা আছে? ডাক্তার: না, তবে নিজের যত্ন নিতে হবে। রোগী: আমি কি মানসিক চাপ কমাবো? ডাক্তার: অবশ্যই, স্ট্রেস মাথা ব্যথার বড় কারণ। রোগী: আমি চেষ্টা করবো। ডাক্তার: নিয়মিত ফলোআপ করাও জরুরি। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব। " বাড়ির গৃহকর্মী নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: আমাদের গৃহকর্মী আজকাল সময় মতো আসে না। স্বামী: হ্যাঁ, তার এই অবহেলা বাড়তি চাপ দেয়। স্ত্রী: আমি তাকে বারবার সতর্ক করেছি। স্বামী: তুমি কি কথা বলেছো তার সঙ্গে? স্ত্রী: হ্যাঁ, কিন্তু ও এখনো ভুল করছে। স্বামী: আমরা কি অন্য কাউকে নিয়োগ করবো? স্ত্রী: চিন্তা করছি, তবে আগে একবার শেষ সুযোগ দিই। স্বামী: ঠিক আছে, দেখা যাক সে কি পরিবর্তন আনে। স্ত্রী: বাড়ি পরিষ্কার রাখা দরকার, তা ছাড়া সমস্যা বাড়বে। স্বামী: ছেলেমেয়েদের জন্যও সুষ্ঠু পরিবেশ প্রয়োজন। স্ত্রী: ওর সঙ্গে একটু কঠোর হতে হবে। স্বামী: তুমি প্রয়োজন হলে আমারও কথা বলো। স্ত্রী: আমি চাই সবাই দায়িত্বশীল হোক। স্বামী: আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। স্ত্রী: আমরা মিলেমিশে কাজ করব। স্বামী: গৃহকর্মীকে সঠিকভাবে প্রশিক্ষণও দিতে হবে। স্ত্রী: তোমার কথা ঠিক, আমি সেটা করবো। স্বামী: এই বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করবো। স্ত্রী: তুমি পাশে থাকলে সব কিছু সহজ হবে। স্বামী: আমি সবসময় তোমার পাশে আছি। স্ত্রী: ধন্যবাদ, তুমি আমাকে সাহস দাও। " অফিসে নতুন প্রকল্প নিয়ে কর্মীদের আলোচনা,"ম্যানেজার: আমাদের নতুন প্রকল্প শুরু হচ্ছে আগামী সপ্তাহে। কর্মচারী ১: স্যার, এই প্রকল্পের লক্ষ্য কী? ম্যানেজার: নতুন সফটওয়্যার ডেভেলপ করা হবে। কর্মচারী ২: আমরা কি সবাই এতে অংশ নিব? ম্যানেজার: না, টিম ভাগ করে কাজ দেওয়া হবে। কর্মচারী ৩: সময়সীমা কত? ম্যানেজার: তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। কর্মচারী ১: রিসোর্স কেমন আছে? ম্যানেজার: বেশিরভাগ সরঞ্জাম আগেই মিলেছে। কর্মচারী ২: আমরা কি রিমোটলি কাজ করতে পারবো? ম্যানেজার: হ্যাঁ, প্রয়োজনমতো কাজ করা যাবে। কর্মচারী ৩: কোডিং ও টেস্টিং কাদের দায়িত্ব? ম্যানেজার: কোডিং সুমনের, টেস্টিং জুবায়েরের। কর্মচারী ১: ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগ? ম্যানেজার: রুমানা দায়িত্বে থাকবে। কর্মচারী ২: সমস্যা হলে কি করবো? ম্যানেজার: সময়মতো আমাকে জানাতে হবে। কর্মচারী ৩: আমরা কি ওভারটাইম করবো? ম্যানেজার: প্রয়োজন হলে অবশ্যই। কর্মচারী ১: আশা করি সফল হবে। ম্যানেজার: সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই সফলতা আসবে। কর্মচারী ২: আমরা প্রস্তুত স্যার। ম্যানেজার: ধন্যবাদ, কাজ শুরু করো।" বাসায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: এই মাসের বিদ্যুৎ বিল অনেক বেশি এসেছে। স্বামী: হ্যাঁ, গরমের সময় বেশি চালানো হয় এয়ারকন্ডিশনার। স্ত্রী: তোমার মনে হয় কি অন্য কোনো সমস্যা আছে? স্বামী: আমরা কি লাইট, ফ্যান ও অন্যান্য জিনিস অপ্রয়োজনীয় সময় চালাই? স্ত্রী: সত্যি বলতে, আমি মাঝে মাঝে ভুলেও ফ্যান চালু রেখেছি। স্বামী: আমি বলব, আমরা সবাই একটু সতর্ক হই। স্ত্রী: লাইটও অপ্রয়োজনীয় জায়গায় চালু থাকে অনেক সময়। স্বামী: আমাদের এলইডি বাতি ব্যবহার করা উচিত। স্ত্রী: তাই, এতে অনেক বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। স্বামী: বিল কমাতে ছোট ছোট অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। স্ত্রী: আমরা সবাইকে এটা বোঝাবো। স্বামী: খাবারের সময়ও যন্ত্রপাতি কম চালাতে হবে। স্ত্রী: বাসার বড়দেরও এই ব্যাপারে সচেতন করতে হবে। স্বামী: আমি আগামী মাসে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর চেষ্টা করবো। স্ত্রী: আমি তোমার পাশে আছি, একসাথে কাজ করবো। স্বামী: সময়মতো বিল পরিশোধ করাও জরুরি। স্ত্রী: ঠিক আছে, আমি আজই বিল পরিশোধ করবো। স্বামী: এতে কোনো জরিমানা হবে না। স্ত্রী: আমাদের আর্থিক পরিকল্পনাও করতে হবে। স্বামী: আমি মাসিক বাজেট তৈরি করছি। স্ত্রী: খুব ভালো, এতে আমাদের সাশ্রয় হবে।" গ্রামের স্কুলের উন্নয়ন নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা,"শিক্ষক: আমাদের স্কুলে নতুন শিক্ষাকক্ষ দরকার। অভিভাবক: সেটা অবশ্যই প্রয়োজন, কারণ ছাত্রসংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষক: অনেক বই ও যন্ত্রপাতিও অনুপস্থিত। অভিভাবক: আমরা পিতামাতারা মিলেমিশে সাহায্য করতে পারি। শিক্ষক: স্কুলের মাঠও উন্নত করতে হবে। অভিভাবক: শিশুরা খেলাধুলায় অংশ নিলে তাদের মনোযোগ বাড়ে। শিক্ষক: আমরা শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। অভিভাবক: শিক্ষকরা ভালো হলে ছাত্রদের ফলাফলও ভালো হয়। শিক্ষক: আমরা নতুন বই ও টেবিল চেয়ারের ব্যবস্থা করব। অভিভাবক: সবার সহযোগিতা দরকার। শিক্ষক: স্কুলের পরিবেশ যত্নসহকারে রক্ষা করতে হবে। অভিভাবক: আমরা বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য নিয়মিত বৈঠক করবো। শিক্ষক: স্কুলের জন্য কিছু অনুদান সংগ্রহের পরিকল্পনা আছে। অভিভাবক: স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীদের সাহায্য চাইতে পারি। শিক্ষক: আশা করি সবাই একসাথে কাজ করবে। অভিভাবক: শিক্ষা উন্নয়নে আমরা সর্বদা পাশে আছি। শিক্ষক: শিশুদের জন্য নতুন পাঠ্যক্রমও আনা হবে। অভিভাবক: এটা খুবই ভালো খবর। শিক্ষক: ধন্যবাদ সবাইকে, মিলেমিশে স্কুল গড়ে তুলি।" বাসায় আগুন সুরক্ষা নিয়ে পরিবারের আলোচনা,"পিতা: আমাদের বাড়িতে আগুন লাগার কোনো ঝুঁকি আছে কি? মা: আমি মনে করি, সঠিক সাবধানতা নেওয়া দরকার। ছেলে: রান্নাঘরে আগুন লাগলে কি করব? মেয়ে: আগুন নেভানোর যন্ত্রপাতি কোথায় রাখব? পিতা: আমি আগুন নেভানোর যন্ত্র কেনার ব্যবস্থা করবো। মা: বৈদ্যুতিক তারগুলোও পরীক্ষা করবো। ছেলে: প্লাগগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে তো? মেয়ে: ওভেন ও অন্যান্য যন্ত্র চালু রেখে আমরা সতর্ক থাকব। পিতা: গ্যাসের নল লিক না করছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। মা: আমি এখন থেকেই সতর্কতা নিতে শুরু করবো। ছেলে: আমি জানালার দিকে যেতে সাহায্য করবো, যদি জরুরি হয়। মেয়ে: জরুরি নম্বর ফোনে রাখবো। পিতা: সবাইকে আগুন লাগলে কী করণীয় জানাতে হবে। মা: আমরা আগুনের সুরক্ষা প্রশিক্ষণ নেবো। ছেলে: দুর্ঘটনা হলে শান্ত থাকাও জরুরি। মেয়ে: বাড়ির সব লোকের জন্য নিয়মিত সচেতনতা দরকার। পিতা: আমরা নিরাপত্তায় কোনো ছাড় দিবো না। মা: সবাই সতর্ক থাকলে দুর্ঘটনা কম হবে। ছেলে: আমি স্কুলে সবাইকে আগুন সুরক্ষা শেখাবো। মেয়ে: নিরাপদ বাসা মানেই শান্ত জীবন।" নতুন মোবাইল কেনার জন্য বাবা-মেয়ের আলোচনা,"মেয়ে: বাবা, আমি নতুন মোবাইল চাই, আমার পুরানোটা অনেক দিন হয়ে গেছে। বাবা: কেনো, তোমার পুরানোটা কি সমস্যা করছে? মেয়ে: অনেক ধীরে চলে আর অনেক অ্যাপ খোলা যায় না। বাবা: তুমি কি জানো মোবাইল কেনার জন্য কত বাজেট আছে? মেয়ে: আমি সাশ্রয়ী কিছু চাই, বেশি দাম হলে পারবো না। বাবা: আমরা বাজার থেকে ভালো ব্র্যান্ডের ফোন খুঁজি। মেয়ে: আমি চাই ক্যামেরা ভালো হোক। বাবা: ক্যামেরার পাশাপাশি ব্যাটারি লাইফ ও প্রোসেসরও দেখতে হবে। মেয়ে: আমি তোমার সঙ্গে বাজারে যেতে চাই। বাবা: চল ঠিক আছে, আগামী শনিবার যাই। মেয়ে: আমি কিছু ফোন অনলাইনে দেখেছি, তুমি কি সেগুলো দেখতে চাও? বাবা: অবশ্যই, আমি ফোনগুলো যাচাই করে নেব। মেয়ে: তুমি আমাকে শেখাবে কিভাবে ভালো ফোন নির্বাচন করতে হয়? বাবা: নিশ্চয়ই, আমি তোমাকে সাহায্য করব। মেয়ে: আমি চাই ফোনের গ্যারান্টি থাকা উচিত। বাবা: এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, গ্যারান্টি ছাড়া ফোন কেনা ঠিক হবে না। মেয়ে: আমি বাজারে নতুন অফারও দেখব। বাবা: অবশ্যই, অফার থাকলে ভালো দাম পাওয়া যায়। মেয়ে: বাবা, তোমার সাহায্যে আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারব। বাবা: আমি সবসময় তোমার পাশে আছি। " নতুন মোবাইল কেনার জন্য বাবা-মেয়ের আলোচনা,"মেয়ে: বাবা, আমি নতুন মোবাইল চাই, আমার পুরানোটা অনেক ধীরে চলে। বাবা: কেনো? তুমি কি মোবাইলের কাজগুলো ঠিকমতো করতে পারছো না? মেয়ে: না, অনেক অ্যাপস খুলতে সমস্যা হয়। বাবা: তুমি কি বাজেট জানো? মেয়ে: সাশ্রয়ী ফোন চাই, বেশি দাম হবে না। বাবা: ক্যামেরা ভালো হওয়া দরকার? মেয়ে: হ্যাঁ, কারণ আমি ছবি তুলতে পছন্দ করি। বাবা: আমি তোমার সঙ্গে বাজারে যাবো। মেয়ে: আমি অনলাইনে কিছু ফোন দেখেছি, সেটা দেখবেন? বাবা: অবশ্যই, ভালো ব্র্যান্ডের ফোন নিতে হবে। মেয়ে: গ্যারান্টিও থাকা উচিত। বাবা: গ্যারান্টি ছাড়া ফোন কেনা ঠিক হবে না। মেয়ে: ব্যাটারি লাইট আর প্রোসেসর ভালো হওয়া দরকার। বাবা: হ্যাঁ, ব্যাটারি ভালো হলে আর বার বার চার্জ দিতে হয় না। মেয়ে: আমি শনিবার বাজারে যেতে পারি? বাবা: ঠিক আছে, শনিবার যাওয়া হবে। মেয়ে: আমি অফার খুঁজি। বাবা: অফার থাকলে ভালো দাম পাওয়া যায়। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা, তোমার সাহায্যে সঠিক ফোন পাবো। বাবা: সবসময় পাশে আছি তোমার। মেয়ে: আমি চেষ্টা করবো ফোন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে। বাবা: সেটা করো, মোবাইল ব্যবহারে সচেতন হও। মেয়ে: ইনশাআল্লাহ। " বাসায় ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: গতকাল থেকে ইন্টারনেট কাজ করছে না, খুব সমস্যা হচ্ছে। স্বামী: ওটা ঠিক আছে, আমি কাল টেকনিশিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। স্ত্রী: কতক্ষণ লাগবে ঠিক হতে? স্বামী: হয়তো আজকের মধ্যেই। স্ত্রী: অফিসের কাজ কি হচ্ছে? স্বামী: একটু ধীর গতিতে হলেও চলছে। স্ত্রী: বাসায় শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পড়াশোনা করে, এটা বড় সমস্যা। স্বামী: তাই, আমি অস্থায়ী ব্যাকআপ ব্যান্ডউইথ কিনেছি। স্ত্রী: খরচ বেশি হবে তো? স্বামী: একটু হলেও সমস্যা মিটবে। স্ত্রী: তোমার অফিসে কাজ কেমন চলছে? স্বামী: ভালো, তবে ইন্টারনেট না থাকলে সমস্যা হয়। স্ত্রী: আমি চাই তোমার কাজ যেন কোনোভাবে ব্যাহত না হয়। স্বামী: আমি চেষ্টা করছি। স্ত্রী: বাসার ছোট ছেলেমেয়েরা অনলাইন ক্লাসে অংশ নিচ্ছে? স্বামী: হ্যাঁ, তাদেরও ইন্টারনেট দরকার। স্ত্রী: সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। স্বামী: হ্যাঁ, আশা করি দ্রুত সব ঠিক হয়ে যাবে। স্ত্রী: পরের বার সমস্যা হলে আগে জানিও। স্বামী: নিশ্চয়ই, তোমার সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখবো। স্ত্রী: ভালো, বাসায় সবাই সুস্থ থাকুক। স্বামী: আমিও চাই। স্ত্রী: ধন্যবাদ, তুমি যত্ন নাও।" ছাত্র ও শিক্ষকের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমার পরীক্ষার ফলাফল কেমন হয়েছে? শিক্ষক: মোটামুটি ভালো হয়েছে, কিছু বিষয়ে উন্নতি দরকার। ছাত্র: কোন বিষয়গুলোতে? শিক্ষক: গণিত আর ইংরেজি আরও ভালো করার চেষ্টা করো। ছাত্র: আমি ওই বিষয়গুলোর জন্য অতিরিক্ত ক্লাস নিতে পারি? শিক্ষক: অবশ্যই, স্কুলে অতিরিক্ত ক্লাস আছে। ছাত্র: আমি সময় বের করে পড়াশোনা করব। শিক্ষক: ধারাবাহিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: আমি বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডিও করব। শিক্ষক: সেটাও ভাল একটি পদ্ধতি। ছাত্র: কেমন সময় দিতে হবে? শিক্ষক: প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা। ছাত্র: পরীক্ষা নিয়ে চাপ খুব থাকে। শিক্ষক: চাপ কমাতে বিশ্রাম নিতে হবে। ছাত্র: আমি নিজেকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করব। শিক্ষক: তুমি ভালো ফল দেবে, আমি বিশ্বাস করি। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনার সাহায্যের জন্য। শিক্ষক: তুমি নিয়মিত ক্লাসে যোগ দাও। ছাত্র: ইনশাআল্লাহ। শিক্ষক: অন্য কোনো প্রশ্ন থাকলে জানিও। ছাত্র: এখন না, পরে। শিক্ষক: ভালো, পরবর্তী পরীক্ষার জন্য শুভকামনা। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার।" দোকানে পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মতবিনিময়,"ক্রেতা: ভাই, এই চালটা মান ভাল মনে হচ্ছে না। বিক্রেতা: চালটা নতুন সংগ্রহ, মান ভালই। ক্রেতা: গতবারের চালের মতো মসৃণ নয়। বিক্রেতা: অনেক ক্ষেত্রেই চালের রঙে ভিন্নতা থাকে। ক্রেতা: আমার বাড়ির লোকেরা এ নিয়ে অসন্তুষ্ট। বিক্রেতা: আপনার জন্য আমি অন্য চাল পরীক্ষা করে দেব। ক্রেতা: কি দাম বলবেন? বিক্রেতা: দাম ঠিকই, কিন্তু মান নিশ্চিত। ক্রেতা: একটু কম করে দিলে কিনতে আগ্রহী। বিক্রেতা: দুঃখিত, দাম কমানো সম্ভব নয়। ক্রেতা: তাহলে আমার জন্য ভালো চাল আলাদা করে রাখবেন? বিক্রেতা: হ্যাঁ, অবশ্যই। ক্রেতা: পরের বার ভালো চাল আনবেন যেন। বিক্রেতা: আপনাদের মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান। ক্রেতা: বাজারে ভালো মানের পণ্য পাওয়াটা খুব জরুরি। বিক্রেতা: আমরা চেষ্টা করব মান বজায় রাখতে। ক্রেতা: অন্য দোকানে গেলে মানের পার্থক্য বুঝতে পারি। বিক্রেতা: তাই আমাদেরও সতর্ক থাকতে হয়। ক্রেতা: আপনাদের ভালো সার্ভিসের জন্য ধন্যবাদ। বিক্রেতা: আপনাকে ধন্যবাদ, আবার আসবেন। ক্রেতা: অবশ্যই আসব। ৭৪. বিষয়: পরিবারের সঙ্গে ঈদের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা সংলাপ: বাবা: এবার ঈদে কোথায় যাবো ভাবছি। মা: তুমি যেখানেই যাও, আমরা তোমার সঙ্গে যাবো। ছেলে: আমি শহরের বাড়িতে যেতে চাই। মেয়ে: আমি গ্রামের বাড়ি দেখতে চাই। বাবা: সবাই মিলে কোথাও গেলে ভালো হয়। মা: গ্রামের বাড়িতে ঈদের আনন্দ আলাদা। ছেলে: আমি বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটাতে চাই। মেয়ে: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাবা: আমরা দুই জায়গাই ঘুরে আসতে পারি। মা: সেই পরিকল্পনা ভালো হবে। ছেলে: আমি গাড়ি চালাতে পারি। মেয়ে: আমি রান্নায় সাহায্য করব। বাবা: আমরা আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করে নিই। মা: ঈদের জন্য নতুন জামা কিনব। ছেলে: নতুন জামা আমি নিজেও চাই। মেয়ে: সবাই নতুন জামা পরে ছবি তুলব। বাবা: ঈদের নামাজে সবাই সময়মতো যাই। মা: তারপর সবাই মিলে খাবার খেতে বসবো। ছেলে: আমি মিষ্টি কিনব। মেয়ে: আমিও। বাবা: ঈদ আনন্দ সবাই মিলে করবো। ৭৫. বিষয়: অফিসে কর্মঘন্টা পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা সংলাপ: ম্যানেজার: অফিসের কাজের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। কর্মচারী ১: নতুন সময় কেমন হবে? ম্যানেজার: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা। কর্মচারী ২: কি কারণে পরিবর্তন? ম্যানেজার: কাজের চাপ বেড়ে গেছে। কর্মচারী ৩: অতিরিক্ত সময় কাজ করতে কি হবে? ম্যানেজার: প্রয়োজন হলে ওভারটাইম দিতে হতে পারে। কর্মচারী ১: কি সুবিধা পাবো? ম্যানেজার: ওভারটাইমের জন্য অতিরিক্ত বেতন দেয়া হবে। কর্মচারী ২: এই সময় কি আমরা বিরতি পাবো? ম্যানেজার: দুপুর ১টা থেকে ২টা বিরতি থাকবে। কর্মচারী ৩: কি দিন পরিবর্তন হয়েছে? ম্যানেজার: সপ্তাহে ছুটি শুক্রবারই থাকবে। কর্মচারী ১: নতুন সময় শুরু কবে থেকে? ম্যানেজার: আগামী সোমবার থেকে। কর্মচারী ২: কি করলে কাজ আরো ভালো হবে? ম্যানেজার: সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। কর্মচারী ৩: কারো সমস্যা হলে কি করবো? ম্যানেজার: আমাকে আগে জানাতে হবে। কর্মচারী ১: সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। ম্যানেজার: সেটাই প্রত্যাশা। কর্মচারী ২: ধন্যবাদ স্যার। ম্যানেজার: কাজের জন্য সবাইকে শুভকামনা। ৭৬. বিষয়: পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের আলোচনা সংলাপ: শিক্ষক: তুমি পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে কি করছ? ছাত্র: আমি সময়ের পরিকল্পনা করছি। শিক্ষক: খুব ভালো, সময় ম্যানেজমেন্ট খুব জরুরি। ছাত্র: মাঝে মাঝে মনোযোগ কমে যায়। শিক্ষক: একটু বিরতি নিতে পারো, তারপর আবার শুরু করো। ছাত্র: হ্যাঁ, মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করি। শিক্ষক: গ্রুপ স্টাডিও সাহায্য করে। ছাত্র: আমি বন্ধুদের সঙ্গে পড়াশোনা করি। শিক্ষক: নির্দিষ্ট সময় পড়ো, অনাবশ্যক বিরতি নাও না। ছাত্র: আমি মোবাইল কম ব্যবহার করার চেষ্টা করছি। শিক্ষক: সেটা খুবই প্রয়োজন। ছাত্র: আমি বইয়ের নোটস তৈরি করি। শিক্ষক: নোটস তৈরি করলে মনে থাকে। ছাত্র: পড়ার পরিবেশ শান্ত রাখা দরকার। শিক্ষক: তাই, পরিচ্ছন্ন ও শান্ত জায়গায় পড়ো। ছাত্র: তুমি কি অতিরিক্ত ক্লাস দাও? শিক্ষক: হ্যাঁ, চাইলে যোগ দিতে পারো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনা করো। ছাত্র: ইনশাআল্লাহ ভালো ফল দেব। ৭৭. বিষয়: নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা সংলাপ: স্বামী: আমরা নতুন গাড়ি কেনার কথা ভাবছি। স্ত্রী: ঠিক আছে, তুমি কি ধরনের গাড়ি দেখতে চাও? স্বামী: আমি সেডান গাড়ি চাই, যা পরিবারে সবাই আরামদায়ক। স্ত্রী: গাড়ির দাম কত বাজেটের মধ্যে হবে? স্বামী: আমরা আধুনিক ও সাশ্রয়ী গাড়ি চাই। স্ত্রী: আমি চাই গাড়িতে সেফটি ফিচার ভালো থাকুক। স্বামী: সেফটি সবচেয়ে জরুরি বিষয়। স্ত্রী: গাড়ির রং ও ডিজাইনও দেখতে চাই। স্বামী: বাজার থেকে কয়েকটা মডেল দেখে আসি। স্ত্রী: আমি অনলাইনে রিভিউ দেখেছি। স্বামী: আমি ডিলারশিপে গিয়ে গাড়ি পরীক্ষা করবো। স্ত্রী: তুমি কি ফাইন্যান্স নিয়ে ভাবছো? স্বামী: হ্যাঁ, লোনের বিষয়ও ভাবছি। স্ত্রী: গাড়ির সার্ভিস ও রক্ষণাবেক্ষণ কেমন হবে? স্বামী: ভালো সার্ভিস সেন্টার থাকা প্রয়োজন। স্ত্রী: গাড়ি কেনার পরে আমি ড্রাইভিং শিখব। স্বামী: অবশ্যই, নিরাপদে চালানো শিখতে হবে। স্ত্রী: গাড়ি কেনার সময় সব নথি ভালো করে দেখতে হবে। স্বামী: আমি ডিলার থেকে সব তথ্য নেবো। স্ত্রী: আশা করি আমরা ভালো সিদ্ধান্ত নেবো। স্বামী: ইনশাআল্লাহ, সবাই মিলে। ৭৮. বিষয়: স্কুলে পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে অভিভাবক ও প্রধান শিক্ষকের আলোচনা সংলাপ: অভিভাবক: প্রধান শিক্ষক, স্কুলে পরিবহণের সুবিধা কেমন আছে? প্রধান শিক্ষক: বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী বাসে করে আসে। অভিভাবক: কিন্তু অনেক সময় বাসির দেরি হয়। প্রধান শিক্ষক: আমরা বাস মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। অভিভাবক: শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে কী ব্যবস্থা? প্রধান শিক্ষক: প্রত্যেক বাসে দায়িত্বশীল সহকারী থাকে। অভিভাবক: কি ধরনের বাস ব্যবহার হয়? প্রধান শিক্ষক: আধুনিক ও নিয়ম মেনে চলার বাস। অভিভাবক: বাসের ভাড়া কি অনেক বেশি? প্রধান শিক্ষক: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারন। অভিভাবক: আমি চাই, সময়মতো পরিবহন সেবা নিশ্চিত হোক। প্রধান শিক্ষক: আমরা চেষ্টা করবো সেটা নিশ্চিত করতে। অভিভাবক: পরিবহণে সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন। প্রধান শিক্ষক: অবশ্যই, আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। অভিভাবক: ধন্যবাদ, আমি সন্তুষ্ট। প্রধান শিক্ষক: আপনাদের সহযোগিতায় স্কুল উন্নত হবে। অভিভাবক: একসাথে কাজ করলে ফল ভালো হবে। প্রধান শিক্ষক: চলুন, স্কুলের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। ৭৯. বিষয়: পারিবারিক বিতর্ক নিয়ে বড় ভাই ও ছোট ভাইয়ের আলোচনা সংলাপ: বড় ভাই: ভাই, আমাদের মধ্যে যেই সমস্যাটা হয়েছে, সেটা মিটিয়ে ফেলি। ছোট ভাই: আমি ওর জন্য দুঃখিত, ভুল হলে ক্ষমা চাই। বড় ভাই: আমরা একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করবো। ছোট ভাই: হ্যাঁ, পারিবারিক সম্পর্ক ভালো থাকা দরকার। বড় ভাই: সবাই মিলে মিলেমিশে থাকতে হবে। ছোট ভাই: কথা কাটাকাটি কমিয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা দরকার। বড় ভাই: আমি চাই সবাই একসঙ্গে খুশি থাকুক। ছোট ভাই: আমি চেষ্টা করবো আর ভুল করব না। বড় ভাই: পরিবারের জন্য নিজেদের আগ্রহ কমিয়ে ভাবতে হবে। ছোট ভাই: আমরা মিলে সব সমস্যা সমাধান করতে পারি। বড় ভাই: তোমার ইচ্ছাটা খুব ভালো। ছোট ভাই: ধন্যবাদ ভাই, তুমি আমাকে সহযোগিতা করবে তো? বড় ভাই: সবসময় পাশে আছি তোমার। ছোট ভাই: ভালো লাগলো ভাইয়ের মতো কথা শুনে। বড় ভাই: এখন থেকে আমরা পারস্পরিক সম্মান রাখবো। ছোট ভাই: ঠিক আছে, পরিবারের জন্য সেটা জরুরি। বড় ভাই: ছোট ভাইকে পাশে পেয়ে ভালো লাগছে। ছোট ভাই: আমি ভালো ভাই পেয়ে ধন্য। বড় ভাই: চল এই ঝগড়া ভুলে যাই। ছোট ভাই: হ্যাঁ, আগামিতে শান্তি থাকুক। ৮০. বিষয়: কর্মক্ষেত্রে স্ট্রেস কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা সংলাপ: কর্মচারী ১: আজকাল অফিসে কাজের চাপ বেড়ে গেছে, স্ট্রেস বেশি। কর্মচারী ২: আমি নিজেও একই অনুভব করছি। কর্মচারী ৩: স্ট্রেস কমানোর জন্য কি করবো? কর্মচারী ১: মাঝে মাঝে একটু বিরতি নিতে পারি। কর্মচারী ২: অফিসের বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে ভালো হয়। কর্মচারী ৩: মেডিটেশন করাও সাহায্য করে। কর্মচারী ১: আমি রাতে ভালো ঘুমের চেষ্টা করছি। কর্মচারী ২: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক শান্তি দেয়। কর্মচারী ৩: কাজ ভাগাভাগি করলে চাপ কমে। কর্মচারী ১: আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করতে পারি। কর্মচারী ২: অফিসে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা দরকার। কর্মচারী ৩: প্রয়োজন হলে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলা উচিত। কর্মচারী ১: আমি শখের কাজে বেশি সময় দিচ্ছি। কর্মচারী ২: হ্যাঁ, এটা ভালো একটি পথ। কর্মচারী ৩: খোলা বাতাসে সময় কাটানো জরুরি। কর্মচারী ১: স্ট্রেস কমাতে হালকা ব্যায়াম করা ভালো। কর্মচারী ২: অফিসের কাজের সময়সূচি ঠিক রাখা দরকার। কর্মচারী ৩: আমি নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখার চেষ্টা করি। কর্মচারী ১: সবাই মিলে স্ট্রেস মোকাবিলা করবো। ৮১. বিষয়: শিক্ষার্থীদের ছুটির পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীর আলোচনা সংলাপ: শিক্ষিকা: তোমরা কি ভাবছো ছুটিতে কী করব? ছাত্র: আমি বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করব। ছাত্রী: আমি বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাবো। শিক্ষিকা: সময় মেনে কাজ করলে ভালো হয়। ছাত্র: আমি খেলাধুলায় বেশি সময় দেবো। ছাত্রী: পড়াশোনাও বাদ দেবো না। শিক্ষিকা: ছুটির সময় বই পড়ার সুযোগ বেশি পাওয়া যায়। ছাত্র: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো জরুরি " পরিবারের সঙ্গে ঈদের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: এবার ঈদে কোথায় যাবো ভাবছি। মা: তুমি যেখানেই যাও, আমরা তোমার সঙ্গে যাবো। ছেলে: আমি শহরের বাড়িতে যেতে চাই। মেয়ে: আমি গ্রামের বাড়ি দেখতে চাই। বাবা: সবাই মিলে কোথাও গেলে ভালো হয়। মা: গ্রামের বাড়িতে ঈদের আনন্দ আলাদা। ছেলে: আমি বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটাতে চাই। মেয়ে: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাবা: আমরা দুই জায়গাই ঘুরে আসতে পারি। মা: সেই পরিকল্পনা ভালো হবে। ছেলে: আমি গাড়ি চালাতে পারি। মেয়ে: আমি রান্নায় সাহায্য করব। বাবা: আমরা আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করে নিই। মা: ঈদের জন্য নতুন জামা কিনব। ছেলে: নতুন জামা আমি নিজেও চাই। মেয়ে: সবাই নতুন জামা পরে ছবি তুলব। বাবা: ঈদের নামাজে সবাই সময়মতো যাই। মা: তারপর সবাই মিলে খাবার খেতে বসবো। ছেলে: আমি মিষ্টি কিনব। মেয়ে: আমিও। বাবা: ঈদ আনন্দ সবাই মিলে করবো। " অফিসে কর্মঘন্টা পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসের কাজের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। কর্মচারী ১: নতুন সময় কেমন হবে? ম্যানেজার: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা। কর্মচারী ২: কি কারণে পরিবর্তন? ম্যানেজার: কাজের চাপ বেড়ে গেছে। কর্মচারী ৩: অতিরিক্ত সময় কাজ করতে কি হবে? ম্যানেজার: প্রয়োজন হলে ওভারটাইম দিতে হতে পারে। কর্মচারী ১: কি সুবিধা পাবো? ম্যানেজার: ওভারটাইমের জন্য অতিরিক্ত বেতন দেয়া হবে। কর্মচারী ২: এই সময় কি আমরা বিরতি পাবো? ম্যানেজার: দুপুর ১টা থেকে ২টা বিরতি থাকবে। কর্মচারী ৩: কি দিন পরিবর্তন হয়েছে? ম্যানেজার: সপ্তাহে ছুটি শুক্রবারই থাকবে। কর্মচারী ১: নতুন সময় শুরু কবে থেকে? ম্যানেজার: আগামী সোমবার থেকে। কর্মচারী ২: কি করলে কাজ আরো ভালো হবে? ম্যানেজার: সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। কর্মচারী ৩: কারো সমস্যা হলে কি করবো? ম্যানেজার: আমাকে আগে জানাতে হবে। কর্মচারী ১: সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। ম্যানেজার: সেটাই প্রত্যাশা। কর্মচারী ২: ধন্যবাদ স্যার। ম্যানেজার: কাজের জন্য সবাইকে শুভকামনা।" পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের আলোচনা,"শিক্ষক: তুমি পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে কি করছ? ছাত্র: আমি সময়ের পরিকল্পনা করছি। শিক্ষক: খুব ভালো, সময় ম্যানেজমেন্ট খুব জরুরি। ছাত্র: মাঝে মাঝে মনোযোগ কমে যায়। শিক্ষক: একটু বিরতি নিতে পারো, তারপর আবার শুরু করো। ছাত্র: হ্যাঁ, মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করি। শিক্ষক: গ্রুপ স্টাডিও সাহায্য করে। ছাত্র: আমি বন্ধুদের সঙ্গে পড়াশোনা করি। শিক্ষক: নির্দিষ্ট সময় পড়ো, অনাবশ্যক বিরতি নাও না। ছাত্র: আমি মোবাইল কম ব্যবহার করার চেষ্টা করছি। শিক্ষক: সেটা খুবই প্রয়োজন। ছাত্র: আমি বইয়ের নোটস তৈরি করি। শিক্ষক: নোটস তৈরি করলে মনে থাকে। ছাত্র: পড়ার পরিবেশ শান্ত রাখা দরকার। শিক্ষক: তাই, পরিচ্ছন্ন ও শান্ত জায়গায় পড়ো। ছাত্র: তুমি কি অতিরিক্ত ক্লাস দাও? শিক্ষক: হ্যাঁ, চাইলে যোগ দিতে পারো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনা করো। ছাত্র: ইনশাআল্লাহ ভালো ফল দেব।" নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্বামী: আমরা নতুন গাড়ি কেনার কথা ভাবছি। স্ত্রী: ঠিক আছে, তুমি কি ধরনের গাড়ি দেখতে চাও? স্বামী: আমি সেডান গাড়ি চাই, যা পরিবারে সবাই আরামদায়ক। স্ত্রী: গাড়ির দাম কত বাজেটের মধ্যে হবে? স্বামী: আমরা আধুনিক ও সাশ্রয়ী গাড়ি চাই। স্ত্রী: আমি চাই গাড়িতে সেফটি ফিচার ভালো থাকুক। স্বামী: সেফটি সবচেয়ে জরুরি বিষয়। স্ত্রী: গাড়ির রং ও ডিজাইনও দেখতে চাই। স্বামী: বাজার থেকে কয়েকটা মডেল দেখে আসি। স্ত্রী: আমি অনলাইনে রিভিউ দেখেছি। স্বামী: আমি ডিলারশিপে গিয়ে গাড়ি পরীক্ষা করবো। স্ত্রী: তুমি কি ফাইন্যান্স নিয়ে ভাবছো? স্বামী: হ্যাঁ, লোনের বিষয়ও ভাবছি। স্ত্রী: গাড়ির সার্ভিস ও রক্ষণাবেক্ষণ কেমন হবে? স্বামী: ভালো সার্ভিস সেন্টার থাকা প্রয়োজন। স্ত্রী: গাড়ি কেনার পরে আমি ড্রাইভিং শিখব। স্বামী: অবশ্যই, নিরাপদে চালানো শিখতে হবে। স্ত্রী: গাড়ি কেনার সময় সব নথি ভালো করে দেখতে হবে। স্বামী: আমি ডিলার থেকে সব তথ্য নেবো। স্ত্রী: আশা করি আমরা ভালো সিদ্ধান্ত নেবো। স্বামী: ইনশাআল্লাহ, সবাই মিলে।" স্কুলে পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে অভিভাবক ও প্রধান শিক্ষকের আলোচনা,"অভিভাবক: প্রধান শিক্ষক, স্কুলে পরিবহণের সুবিধা কেমন আছে? প্রধান শিক্ষক: বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী বাসে করে আসে। অভিভাবক: কিন্তু অনেক সময় বাসির দেরি হয়। প্রধান শিক্ষক: আমরা বাস মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। অভিভাবক: শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে কী ব্যবস্থা? প্রধান শিক্ষক: প্রত্যেক বাসে দায়িত্বশীল সহকারী থাকে। অভিভাবক: কি ধরনের বাস ব্যবহার হয়? প্রধান শিক্ষক: আধুনিক ও নিয়ম মেনে চলার বাস। অভিভাবক: বাসের ভাড়া কি অনেক বেশি? প্রধান শিক্ষক: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারন। অভিভাবক: আমি চাই, সময়মতো পরিবহন সেবা নিশ্চিত হোক। প্রধান শিক্ষক: আমরা চেষ্টা করবো সেটা নিশ্চিত করতে। অভিভাবক: পরিবহণে সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন। প্রধান শিক্ষক: অবশ্যই, আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। অভিভাবক: ধন্যবাদ, আমি সন্তুষ্ট। প্রধান শিক্ষক: আপনাদের সহযোগিতায় স্কুল উন্নত হবে। অভিভাবক: একসাথে কাজ করলে ফল ভালো হবে। প্রধান শিক্ষক: চলুন, স্কুলের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। " পারিবারিক বিতর্ক নিয়ে বড় ভাই ও ছোট ভাইয়ের আলোচনা,"বড় ভাই: ভাই, আমাদের মধ্যে যেই সমস্যাটা হয়েছে, সেটা মিটিয়ে ফেলি। ছোট ভাই: আমি ওর জন্য দুঃখিত, ভুল হলে ক্ষমা চাই। বড় ভাই: আমরা একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করবো। ছোট ভাই: হ্যাঁ, পারিবারিক সম্পর্ক ভালো থাকা দরকার। বড় ভাই: সবাই মিলে মিলেমিশে থাকতে হবে। ছোট ভাই: কথা কাটাকাটি কমিয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা দরকার। বড় ভাই: আমি চাই সবাই একসঙ্গে খুশি থাকুক। ছোট ভাই: আমি চেষ্টা করবো আর ভুল করব না। বড় ভাই: পরিবারের জন্য নিজেদের আগ্রহ কমিয়ে ভাবতে হবে। ছোট ভাই: আমরা মিলে সব সমস্যা সমাধান করতে পারি। বড় ভাই: তোমার ইচ্ছাটা খুব ভালো। ছোট ভাই: ধন্যবাদ ভাই, তুমি আমাকে সহযোগিতা করবে তো? বড় ভাই: সবসময় পাশে আছি তোমার। ছোট ভাই: ভালো লাগলো ভাইয়ের মতো কথা শুনে। বড় ভাই: এখন থেকে আমরা পারস্পরিক সম্মান রাখবো। ছোট ভাই: ঠিক আছে, পরিবারের জন্য সেটা জরুরি। বড় ভাই: ছোট ভাইকে পাশে পেয়ে ভালো লাগছে। ছোট ভাই: আমি ভালো ভাই পেয়ে ধন্য। বড় ভাই: চল এই ঝগড়া ভুলে যাই। ছোট ভাই: হ্যাঁ, আগামিতে শান্তি থাকুক।" কর্মক্ষেত্রে স্ট্রেস কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা,"কর্মচারী ১: আজকাল অফিসে কাজের চাপ বেড়ে গেছে, স্ট্রেস বেশি। কর্মচারী ২: আমি নিজেও একই অনুভব করছি। কর্মচারী ৩: স্ট্রেস কমানোর জন্য কি করবো? কর্মচারী ১: মাঝে মাঝে একটু বিরতি নিতে পারি। কর্মচারী ২: অফিসের বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে ভালো হয়। কর্মচারী ৩: মেডিটেশন করাও সাহায্য করে। কর্মচারী ১: আমি রাতে ভালো ঘুমের চেষ্টা করছি। কর্মচারী ২: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক শান্তি দেয়। কর্মচারী ৩: কাজ ভাগাভাগি করলে চাপ কমে। কর্মচারী ১: আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করতে পারি। কর্মচারী ২: অফিসে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা দরকার। কর্মচারী ৩: প্রয়োজন হলে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলা উচিত। কর্মচারী ১: আমি শখের কাজে বেশি সময় দিচ্ছি। কর্মচারী ২: হ্যাঁ, এটা ভালো একটি পথ। কর্মচারী ৩: খোলা বাতাসে সময় কাটানো জরুরি। কর্মচারী ১: স্ট্রেস কমাতে হালকা ব্যায়াম করা ভালো। কর্মচারী ২: অফিসের কাজের সময়সূচি ঠিক রাখা দরকার। কর্মচারী ৩: আমি নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখার চেষ্টা করি। কর্মচারী ১: সবাই মিলে স্ট্রেস মোকাবিলা করবো। " শিক্ষার্থীদের ছুটির পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীর আলোচনা,"শিক্ষিকা: তোমরা কি ভাবছো ছুটিতে কী করব? ছাত্র: আমি বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করব। ছাত্রী: আমি বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাবো। শিক্ষিকা: সময় মেনে কাজ করলে ভালো হয়। ছাত্র: আমি খেলাধুলায় বেশি সময় দেবো। ছাত্রী: পড়াশোনাও বাদ দেবো না। শিক্ষিকা: ছুটির সময় বই পড়ার সুযোগ বেশি পাওয়া যায়। ছাত্র: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো জরুরি। ছাত্রী: আমি নতুন হবি শিখব। শিক্ষিকা: শখের কাজ মানসিক শান্তি দেয়। ছাত্র: আমি নিয়মিত ব্যায়াম করব। ছাত্রী: তুমি কি ছুটিতে পড়াশোনার জন্য প্রস্তুত? শিক্ষিকা: অবশ্যই, পরিকল্পনা থাকলে সফলতা আসবে। ছাত্র: আমরা তোমার পরামর্শ মেনে চলব। ছাত্রী: ছুটিতে বিনোদনের সুযোগও নিতে চাই। শিক্ষিকা: সেটাও প্রয়োজন, কিন্তু সময় ঠিক রাখতে হবে। ছাত্র: আমি সবাইকে ভালোর জন্য উৎসাহিত করব। শিক্ষিকা: তোমাদের ছুটির পরিকল্পনা ভালো লাগলো।" অফিসে নিরাপত্তা নিয়মাবলী নিয়ে ব্যবস্থাপকের ও কর্মচারীদের আলোচনা,"ব্যবস্থাপক: সবাইকে জানানো যাচ্ছে, অফিসে নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। কর্মচারী ১: স্যার, কোন কোন নিয়ম নতুন যুক্ত হয়েছে? ব্যবস্থাপক: ফায়ার এক্সটিংগুইশার কোথায় তা জানা জরুরি। কর্মচারী ২: নিরাপত্তা নির্দেশনা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ কবে হবে? ব্যবস্থাপক: আগামী শুক্রবার একটি সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। কর্মচারী ৩: অফিসে কার্ড ছাড়া প্রবেশ নিষেধ কি কার্যকর হচ্ছে? ব্যবস্থাপক: হ্যাঁ, প্রত্যেককেই আইডি কার্ড ধারন করতে হবে। কর্মচারী ১: জরুরি অবস্থায় নিরাপদে বের হওয়ার পথ কি জানি? ব্যবস্থাপক: তা না হলে আজকের প্রশিক্ষণে শিখবে সবাই। কর্মচারী ২: আমরা কি কোনো নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করব? ব্যবস্থাপক: হ্যাঁ, প্রয়োজন অনুযায়ী হেলমেট, গ্লাভস দেয়া হবে। কর্মচারী ৩: আমরা যদি কোনো নিরাপত্তা লঙ্ঘন দেখি তাহলে কি করবো? ব্যবস্থাপক: সঙ্গে সঙ্গে আমাকে বা নিরাপত্তা অফিসারকে জানান। কর্মচারী ১: কীভাবে আগুন লাগলে প্রতিক্রিয়া দেখাবো? ব্যবস্থাপক: প্রথমে শান্ত থাকা, তারপর নিরাপদ স্থানে যাওয়া। কর্মচারী ২: অফিসে ভিডিও ক্যামেরার ব্যবস্থা কেমন? ব্যবস্থাপক: সব প্রবেশ পথ ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছে সিসি ক্যামেরা। কর্মচারী ৩: গেস্টদের নিয়ে কেমন নিয়ম? ব্যবস্থাপক: গেস্টদের আগেই জানাতে হবে এবং তাদের প্রবেশ অনুমতি নিতে হবে। কর্মচারী ১: আমরা কি নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়মিত আপডেট পাবো? ব্যবস্থাপক: হ্যাঁ, সময় সময় মেইল ও মিটিংয়ে জানানো হবে। কর্মচারী ২: সবাই মিলে নিরাপত্তা বিধি মানলে অফিস নিরাপদ থাকবে। ব্যবস্থাপক: তাই প্রত্যেককে দায়িত্বশীল হতে হবে। কর্মচারী ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা সচেতন থাকবো।" স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার গুরুত্ব নিয়ে মা ও সন্তানদের আলোচনা,"মা: তোমরা কি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে ভালোবাসো? সন্তান ১: আমি সবজি আর ফল ভালোবাসি। সন্তান ২: আমি মিষ্টি বেশি পছন্দ করি, তবে স্বাস্থ্যকর খাবারও খাই। মা: মিষ্টি কম খাওয়ার চেষ্টা করো, কারণ বেশি খেলে ক্ষতি হয়। সন্তান ১: কেন মা, কী ধরনের ক্ষতি হয়? মা: শরীরে ওজন বেড়ে যায়, আর ডায়াবেটিস হতে পারে। সন্তান ২: আমি কি ক্রীড়ায় অংশ নিয়ে ওজন কমাতে পারি? মা: অবশ্যই, ব্যায়াম শরীর সুস্থ রাখে। সন্তান ১: স্বাস্থ্যকর খাবারে কি কি থাকে? মা: প্রোটিন, ভিটামিন আর মিনারেলস ভালো থাকতে হয়। সন্তান ২: আমি কি স্কুলে স্যান্ডউইচ নিতে পারি? মা: হ্যাঁ, যদি তা স্বাস্থ্যকর হয়। সন্তান ১: আমরা কি মাংস কম খাওয়া উচিত? মা: সামঞ্জস্য রেখে খেতে হবে। সন্তান ২: স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে আমরা কেমন থাকবো? মা: শক্তিশালী, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। সন্তান ১: আমি সব সময় সুস্থ থাকতে চাই। মা: তাই তোমাদের খাবারে যত্ন নিতে হবে। সন্তান ২: ধন্যবাদ মা, আমরা মন দিয়ে খাবো। মা: ভালো, আমি তোমাদের জন্য সুস্থ থাকার কামনা করি।" নতুন ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা নিয়ে বন্ধুদের আলোচনা,"বন্ধু ১: আমি একটা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাই। বন্ধু ২: কি ধরনের ব্যবসা? বন্ধু ১: অনলাইন শপিংয়ের মতো কিছু। বন্ধু ৩: বাজার কেমন, চাহিদা আছে? বন্ধু ১: বেশ কিছু প্রোডাক্টের চাহিদা বাড়ছে। বন্ধু ২: তোমার কাছে পুঁজি আছে? বন্ধু ১: একটু আছে, কিছু লোন নিবো। বন্ধু ৩: লোন নেওয়ার আগে ভালো পরিকল্পনা করো। বন্ধু ১: আমি একটি বিজনেস প্ল্যান তৈরি করছি। বন্ধু ২: তোমাকে আমার কোনো সাহায্য লাগলে বলবে? বন্ধু ১: অবশ্যই, তোমাদের পরামর্শ দরকার। বন্ধু ৩: মার্কেটিং কেমন করবা? বন্ধু ১: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবো। বন্ধু ২: অনলাইন ব্যবসায় কাস্টমার সার্ভিস খুব গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু ১: তাই, সেটাও নজরে রাখছি। বন্ধু ৩: তোমার টার্গেট কাস্টমার কারা? বন্ধু ১: তরুণ প্রজন্ম, যারা অনলাইনে শপিং করে। বন্ধু ২: ধৈর্য ধরে কাজ করলে সফলতা আসবে। বন্ধু ১: আশা করি, তোমাদের দোয়া চাই। বন্ধু ৩: অবশ্যই, আমরা পাশে আছি।" পারিবারিক আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্বামী: আমাদের পারিবারিক বাজেট নিয়ে কথা বলি। স্ত্রী: ঠিক আছে, খরচ কোথায় বেশি হচ্ছে? স্বামী: মাসিক খাবার আর বিদ্যুতের খরচ বেশি। স্ত্রী: আমি মনে করি বিনিয়োগের বিষয়ে ভাবা উচিত। স্বামী: আমরা কি নতুন কোনো ব্যবসায় অংশ নেবো? স্ত্রী: হ্যাঁ, যদি ভালো সুযোগ পাই। স্বামী: ধার-দেনা থেকে দূরে থাকতে হবে। স্ত্রী: সঞ্চয়ের বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। স্বামী: বাচ্চাদের শিক্ষায় খরচ বাড়ছে। স্ত্রী: শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ, এতে বিনিয়োগ করতে হবে। স্বামী: অবসর জীবনের জন্য আলাদা পুঁজি রাখতে হবে। স্ত্রী: আমি ব্যাংকে সঞ্চয় শুরু করেছি। স্বামী: আমরা একটা বাজেট তালিকা তৈরি করি। স্ত্রী: ঠিক আছে, খরচ ও আয় লিখে রাখবো। স্বামী: অন্য কোনো উপায় খুঁজে বের করি আয় বাড়ানোর। স্ত্রী: সময়মতো খরচ নিয়ন্ত্রণ করলে সমস্যা কমবে। স্বামী: একসঙ্গে বসে মাস শেষে আলোচনা করবো। স্ত্রী: আমি তোমার সঙ্গে আছি। স্বামী: ধন্যবাদ, আমরা সফল হবো।" "গ্রামের পানির সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকেদের আলোচনা সংলাপ:","গ্রামবাসী ১: আমাদের গ্রামে পানির সংকট খুব বেশি। গ্রামবাসী ২: বৃষ্টি কম হওয়ায় সমস্যাটা বাড়ছে। গ্রামবাসী ৩: আমরা কি কোন পাম্প লাগাতে পারি? গ্রামবাসী ১: তহবিল যোগাড় করা দরকার। গ্রামবাসী ২: স্থানীয় সরকারের কাছে আবেদন করবো। গ্রামবাসী ৩: সবাই মিলে সাহায্য করলে সফলতা আসবে। গ্রামবাসী ১: বাসার মধ্যে পাইপলাইনের সমস্যা আছে কি? গ্রামবাসী ২: বেশ কিছু জায়গায় লিকেজ আছে। গ্রামবাসী ৩: পানির সাশ্রয় করা জরুরি। গ্রামবাসী ১: আমরা সচেতনতা বাড়াবো। গ্রামবাসী ২: গবাদিপশুর জন্য আলাদা পানি বন্দোবস্ত দরকার। গ্রামবাসী ৩: স্কুলেও শিশুদের পানি সাশ্রয়ের শিক্ষা দেয়া উচিত। গ্রামবাসী ১: সবাই মিলে কাজ করলে ফল পাওয়া যায়। গ্রামবাসী ২: পানি সংরক্ষণে ছোট ছোট উদ্যোগ নেয়া যাবে। গ্রামবাসী ৩: আশা করি, আগামীতে পানি সমস্যা কমে যাবে।" স্কুলে নতুন শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা,"প্রধান শিক্ষক: আমরা নতুন শিক্ষকের নিয়োগ দিচ্ছি। অভিভাবক: কোন বিষয়ে শিক্ষক দরকার? প্রধান শিক্ষক: ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে। অভিভাবক: শিক্ষকের যোগ্যতা কেমন হবে? প্রধান শিক্ষক: কমপক্ষে স্নাতক পাশ। অভিভাবক: শিক্ষার মান উন্নয়নে এটা ভালো হবে। প্রধান শিক্ষক: অভিজ্ঞতাও দেখতে হবে। অভিভাবক: শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দাও। প্রধান শিক্ষক: আমি নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে মনোযোগ দেবো। অভিভাবক: ছাত্রদের জন্য ভাল হবে। প্রধান শিক্ষক: আশা করি ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফল বাড়বে। অভিভাবক: শিক্ষকদের সহযোগিতা দরকার। প্রধান শিক্ষক: আমরা সবাই মিলে স্কুল গড়বো। অভিভাবক: ধন্যবাদ প্রধান শিক্ষক, ভালো কাজের জন্য। " বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে পরিবারের আলোচনা,"পিতা: নতুন বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ কবে পাবো? মা: আমি ইলেকট্রিশিয়ানকে কল করেছি, সে আগামীকাল আসবে। ছেলে: আমি কি বিদ্যুৎ যন্ত্রপাতি ইনস্টল করতে সাহায্য করতে পারি? মেয়ে: আমার ল্যাম্প ও পাখা লাগাতে হবে। পিতা: সবাই সাবধান থাকবে, যেন কারো আঘাত না লাগে। মা: বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিরাপত্তার বিষয়গুলো জানাবো। ছেলে: ফিউজ ও সুইচ ঠিকমতো লাগাতে হবে। মেয়ে: আমি দরজা ও জানালা ঠিক করছি। পিতা: বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার পর আমরা ফাংশন করব। মা: সবাই মিলে প্রস্তুতি নেবো। ছেলে: আমি লাইট চালু করব প্রথমে। মেয়ে: আমি বাসার সব জায়গা ঝাড়ু দেবো। পিতা: নতুন বাড়ির জন্য সবাই উৎসাহিত। মা: আশা করি সবকিছু ঠিকঠাক হবে।" অফিসে ছুটির অনুমতি নিয়ে কর্মচারী ও ব্যবস্থাপকের আলোচনা,"কর্মচারী: স্যার, আমি আগামী সপ্তাহে ছুটি নিতে চাই। ব্যবস্থাপক: কি কারণে? কর্মচারী: পরিবারের কোনো জরুরি কাজ আছে। ব্যবস্থাপক: তুমি কতো দিন ছুটি চাও? কর্মচারী: পাঁচ দিন। ব্যবস্থাপক: অফিসের কাজের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব। কর্মচারী: আমি সব কাজ আগে শেষ করার চেষ্টা করব। ব্যবস্থাপক: তা হলে ছুটি দেয়ার চেষ্টা করব। কর্মচারী: আমি অন্যদের সঙ্গে কাজ ভাগাভাগি করব। ব্যবস্থাপক: সতর্কতা নিয়ে কাজ করো। কর্মচারী: ধন্যবাদ স্যার। ব্যবস্থাপক: তোমার প্রয়োজন মেটাতে চেষ্টা করব।" বন্ধুত্ব ও মনোমালিন্য নিয়ে দুই বন্ধু’র আলোচনা,"বন্ধু ১: তুমি কেন এতদিন কথা বলোনি? বন্ধু ২: কিছু ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। বন্ধু ১: আমি দুঃখিত যদি কষ্ট দিয়ে থাকি। বন্ধু ২: আমিও দুঃখিত। বন্ধু ১: আমরা বন্ধু, ভুল মাফ করে এগিয়ে যাই। বন্ধু ২: হ্যাঁ, বন্ধুত্বের জন্য তা জরুরি। বন্ধু ১: আমরা আবার পুরনো মত বন্ধু হব। বন্ধু ২: অবশ্যই, বন্ধুত্ব অমূল্য। বন্ধু ১: পরস্পরের পাশে থাকবো সবসময়। বন্ধু ২: এটাই ভালো।" স্কুলের পাঠ্যবই নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা,"শিক্ষক: এই বছর নতুন পাঠ্যবই এসেছে, তোমরা কি সেটা পেয়েছো? অভিভাবক: হ্যাঁ স্যার, কিন্তু কিছু বই সময়মতো আসেনি। শিক্ষক: বই না আসার জন্য স্কুল প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। অভিভাবক: বই ভালো মানের হবে তো? শিক্ষক: হ্যাঁ, সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী মান নিশ্চিত করা হয়। অভিভাবক: শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত বই প্রয়োজন হলে কী করবেন? শিক্ষক: আমরা স্কুল লাইব্রেরি থেকে বই ধার নিতে পারি। অভিভাবক: অনেকে অনলাইনে পড়াশোনা করছে, সেটা কেমন? শিক্ষক: অনলাইন পড়াশোনাও গুরুত্বপূর্ণ, তবে বইয়ের গুরুত্ব কমেনি। অভিভাবক: শিশুদের জন্য সহজ ভাষায় লেখা বই দরকার। শিক্ষক: নতুন বইগুলো সেটাই লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে। অভিভাবক: বইয়ের দাম কেমন? শিক্ষক: সরকার নির্ধারিত দামে পাওয়া যায়। অভিভাবক: শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বইয়ের ভূমিকা কতটা? শিক্ষক: বই ছাড়া ভালো শিক্ষা সম্ভব নয়। অভিভাবক: আমরা চাই সব শিশুকে বই সহজলভ্য হোক। শিক্ষক: এজন্য আমরা বই বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছি। অভিভাবক: আপনাদের প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ।" রাস্তার বেহাল অবস্থা নিয়ে প্রতিবেশী ও পৌরসভার কর্মকর্তার আলোচনা,"প্রতিবেশী: আমাদের রাস্তাটা অনেক বেহাল, গাড়ি চলাচল কঠিন। কর্মকর্তা: আমি বিষয়টি জানি, কাজ শুরু করতে হবে। প্রতিবেশী: কতদিন লাগবে মেরামত করতে? কর্মকর্তা: বাজেট পাওয়া গেলে দ্রুত করা হবে। প্রতিবেশী: পানি নিষ্কাশনেরও সমস্যা রয়েছে। কর্মকর্তা: সেটা আগে ঠিক করতে হবে। প্রতিবেশী: শিশু ও বয়স্করা ভীষণ সমস্যায় পড়ে। কর্মকর্তা: আমরা স্থানীয় সরকারের কাছে অনুরোধ করবো। প্রতিবেশী: রাস্তায় আলোকসজ্জাও দরকার। কর্মকর্তা: আলোর ব্যবস্থা চালু করবো। প্রতিবেশী: আমরা চাই নিরাপদ ও সুন্দর রাস্তা। কর্মকর্তা: আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। প্রতিবেশী: কাজের অগ্রগতি জানাতে নিয়মিত আসবো। কর্মকর্তা: আপনারা সহযোগিতা করবেন আশা করি।" স্কুলের প্রকল্প নিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের আলোচনা,"শিক্ষার্থী: স্যার, আমাদের প্রকল্পের বিষয় কী হবে? শিক্ষক: তোমরা পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে কাজ করবে। শিক্ষার্থী: আমরা কি প্লাস্টিক ব্যবহার কমানোর ওপর বলব? শিক্ষক: হ্যাঁ, সেটাই ভালো। শিক্ষার্থী: প্রেজেন্টেশনের জন্য কি প্রস্তুতি নিতে হবে? শিক্ষক: তথ্য সংগ্রহ ও প্রাকটিস করতে হবে। শিক্ষার্থী: দলবদ্ধ কাজ করতে হবে তো? শিক্ষক: হ্যাঁ, সবাই মিলে কাজ ভাগ করে নিবে। শিক্ষার্থী: সময়সীমা কত দিন? শিক্ষক: দুই সপ্তাহ। শিক্ষার্থী: আমি চিত্রাংকন করবো। শিক্ষক: তুমি দারুণ কাজ করবে। শিক্ষার্থী: স্যার, আমরা সাহায্য চাই। শিক্ষক: আমি তোমাদের পাশে আছি। " অফিসে নতুন প্রজেক্ট নিয়ে মিটিং,"ম্যানেজার: সবাইকে নতুন প্রজেক্ট সম্পর্কে জানাচ্ছি। কর্মচারী ১: প্রজেক্টের সময়সীমা কত? ম্যানেজার: ছয় মাস। কর্মচারী ২: টিম কেমন হবে? ম্যানেজার: আমরা দশ জনের দল গঠন করেছি। কর্মচারী ৩: বাজেট কত? ম্যানেজার: মোট বাজেট দশ লক্ষ টাকা। কর্মচারী ১: কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার হবে? ম্যানেজার: আধুনিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার। কর্মচারী ২: আমরা কি প্রশিক্ষণ পাবো? ম্যানেজার: হ্যাঁ, প্রজেক্ট শুরু আগে। কর্মচারী ৩: কাজের অংশ ভাগ হবে কীভাবে? ম্যানেজার: দক্ষতার উপর ভিত্তি করে ভাগ করা হবে। কর্মচারী ১: কোনো সমস্যা হলে কোথায় জানাবো? ম্যানেজার: সরাসরি আমার কাছে। কর্মচারী ২: সফলতার জন্য সবাই মিলে কাজ করবো।" বন্ধুত্ব ও পরস্পরের সাহায্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"বন্ধু ১: বন্ধুত্ব মানে শুধু আনন্দ ভাগাভাগি নয়। বন্ধু ২: হ্যাঁ, কঠিন সময়ে সঙ্গ দেয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু ১: আমি তোমার জন্য সবসময় আছি। বন্ধু ২: আমিও তোমার পাশে আছি। বন্ধু ১: আমরা একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করব। বন্ধু ২: ভুল হলে ক্ষমা চাইব। বন্ধু ১: বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করার জন্য সময় দিতে হবে। বন্ধু ২: সময় থাকলে আমরা মিটিং করব। বন্ধু ১: একে অপরের সুখ-দুঃখে সঙ্গী হব। বন্ধু ২: এটাই সঠিক বন্ধুত্ব।" আবহাওয়া পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বাবা-মেয়ের আলোচনা,"বাবা: আবহাওয়া অনেক পরিবর্তন হচ্ছে, সাবধান থাকতে হবে। মেয়ে: ঠাণ্ডা লাগছে অনেক। বাবা: সুতির জামা পরো, ঠাণ্ডা লেগে অসুস্থ হয়ে যাবে। মেয়ে: আমি গরম চা খাবো। বাবা: বাইরে বের হওয়ার আগে সঠিক পোশাক নেবে। মেয়ে: বৃষ্টিরও সম্ভাবনা আছে? বাবা: হ্যাঁ, ছাতা সঙ্গে রাখো। মেয়ে: আমি হাত-মুখ ধুয়ে পরিচ্ছন্ন থাকবো। বাবা: হাত ধোয়া খুব জরুরি, বিশেষ করে বাইরে থেকে আসার পর। মেয়ে: আমি খাবারের যত্ন নেবো। বাবা: সুস্থ থাকতে হলে ভালো খাবার খেতে হবে। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা, আমি সতর্ক থাকবো।" ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ে ছাত্র ও শিক্ষককের আলোচনা,"শিক্ষক: তোমরা কি জানো ইন্টারনেটে নিরাপত্তা কী? ছাত্র: কিছুটা জানি স্যার। শিক্ষক: পাসওয়ার্ড কখনো কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না। ছাত্র: আমি আমার পাসওয়ার্ড গোপন রাখি। শিক্ষক: ফিশিং ওয়েবসাইট থেকে সাবধান থাকতে হবে। ছাত্র: অচেনা লিংকে ক্লিক করব না। শিক্ষক: সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য না দেয়া ভালো। ছাত্র: আমি শুধু পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। শিক্ষক: ভাইরাস থেকে কম্পিউটার রক্ষা করো। ছাত্র: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। শিক্ষক: এভাবে সতর্ক হলে নিরাপদ থাকো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি আরো সচেতন হবো।" গ্রামের পানি সংরক্ষণ নিয়ে গ্রামের প্রধান ও বাসিন্দাদের আলোচনা,"গ্রামের প্রধান: আমাদের পানির ব্যবহার সাশ্রয়ী করতে হবে। বাসিন্দা ১: কিভাবে করবেন? গ্রামের প্রধান: পানি অপচয় রোধ করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। বাসিন্দা ২: ট্যাংকগুলো ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। গ্রামের প্রধান: বৃষ্টির পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা করা উচিত। বাসিন্দা ১: আমরা সবার মধ্যে বিষয়টা বুঝিয়ে বলবো। গ্রামের প্রধান: গবাদিপশুর জন্য আলাদা জলাশয় তৈরি করা হবে। বাসিন্দা ২: সবাই মিলে কাজ করলে পানি সংকট কমবে। গ্রামের প্রধান: পানি নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে জানান। বাসিন্দা ১: আমরা সহযোগিতা করবো।" পরিবারের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা নিয়ে আলোচনা,"পিতা: পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে বসে কথা বলা দরকার। মাতা: সমস্যা গুলো আলোচনা করে সমাধান করা যাবে। সন্তান ১: কখনো কখনো আমরা মতপার্থক্যের কারণেই ঝগড়া করি। সন্তান ২: আমরা সবাই একে অপরকে শ্রদ্ধা করবো। পিতা: পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে হবে। মাতা: সবাইকে সময় দিতে হবে এবং শুনতে হবে। সন্তান ১: আমার থেকে শুরু করি, আমি বেশি বুঝতে চেষ্টা করবো। সন্তান ২: আমি আমার কাজ ঠিকমতো করবো। পিতা: শান্তি বজায় রাখলে সংসার সুখী হয়। মাতা: আমরা সবাই মিলে মিলেমিশে থাকবো।" শীতকালে শরীরের যত্ন নিয়ে মা ও মেয়ের আলোচনা,"মা: শীতকালে তোমার ত্বকের যত্ন নিতে হবে। মেয়ে: আমি ক্রিম ব্যবহার করি। মা: হ্যাঁ, ঠান্ডায় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। মেয়ে: আমি গরম জামা পরে থাকি। মা: বাইরে গেলে হাত-মুখ ঢাকা রাখো। মেয়ে: ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে গরম খাবার খাই। মা: পর্যাপ্ত পানি পান করো। মেয়ে: আমি চেষ্টা করি বেশি বের হই না। মা: সুস্থ থাকতে গরম চা বা হালকা ব্যায়াম করো। মেয়ে: ধন্যবাদ মা, আমি ভালো থাকবো।" অফিসে সময়মত কাজ শেষ না হওয়ার জন্য কর্মচারী ও ম্যানেজারের আলোচনা,"ম্যানেজার: কেন সময়মত কাজ শেষ করতে পারছো না? কর্মচারী ১: স্যার, কাজের পরিমাণ অনেক বেশি। ম্যানেজার: কাজ ভাগাভাগি করো, চাপ কমাবে। কর্মচারী ২: অনেক প্রজেক্ট একসঙ্গে চলছে। ম্যানেজার: প্রত্যেকে তার দায়িত্ব পালন করবে। কর্মচারী ১: নতুন সফটওয়্যার শেখার সময় নিচ্ছি। ম্যানেজার: সেটা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সময় ঠিক রাখো। কর্মচারী ২: সহকর্মীদের সহযোগিতা চাই। ম্যানেজার: টিমওয়ার্ক উন্নত করতে হবে। কর্মচারী ১: আমি অতিরিক্ত সময় কাজ করতে প্রস্তুত। ম্যানেজার: তবে স্বাস্থ্য রক্ষা করাও জরুরি। কর্মচারী ২: সময় ব্যবস্থাপনায় সাহায্য দরকার। ম্যানেজার: আমি সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওয়ার্কশপ আয়োজন করব। কর্মচারী ১: স্যার, মিটিংগুলো কমানো যায়? ম্যানেজার: শুধু প্রয়োজনীয় মিটিং হবে। কর্মচারী ২: আমি আগ্রহী দ্রুত কাজ শেষ করতে। ম্যানেজার: ভালো, তোমাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার আস্থা আছে। কর্মচারী ১: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা চালাবো।" পারিবারিক বিবাদ ও সমাধান নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্বামী: গতকাল যে বিতর্ক হলো, সেটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল। স্ত্রী: আমি চাই, আর কখনো এমন ঘটনা না ঘটে। স্বামী: একে অপরকে শ্রদ্ধা করতে হবে। স্ত্রী: আমরা একসঙ্গে বসে সমস্যা নিয়ে কথা বলব। স্বামী: পারস্পরিক বুঝাপড়া জরুরি। স্ত্রী: আমি তোমার মতামত শুনতে আগ্রহী। স্বামী: আমিও তোমার কথায় মন দেবো। স্ত্রী: ছোট ছোট ভুল মাফ করে এগিয়ে যেতে হবে। স্বামী: পারিবারিক শান্তি বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। স্ত্রী: আমি সংসারে ভালো পরিবেশ চাই। স্বামী: বাচ্চাদের জন্য ভালো উদাহরণ হব। স্ত্রী: একসঙ্গে সময় কাটানো দরকার। স্বামী: আমি ভবিষ্যতে মনোযোগী হব। স্ত্রী: আমি তোমার পাশে আছি সব সময়। স্বামী: ধন্যবাদ, আমরা আবার সুখে থাকব।" স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা,"শিক্ষক: সবাই প্রস্তুতি কেমন চলছে? ছাত্র ১: আমি প্রতিদিন পড়াশোনা করছি। ছাত্র ২: আমি কিছু বিষয় বুঝতে কষ্ট পাচ্ছি। শিক্ষক: তোমাদের জন্য টিউটোরিয়াল ক্লাস থাকবে। ছাত্র ৩: পরীক্ষার দিনক্ষণ কী? শিক্ষক: আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে। ছাত্র ১: পরীক্ষার সিলেবাস কি সম্পূর্ণ পড়েছি? শিক্ষক: বেশির ভাগ হয়ে গেছে, অবশিষ্ট দ্রুত শেষ করো। ছাত্র ২: আমরা পরীক্ষায় সফল হতে চাই। শিক্ষক: নিয়মিত পড়াশোনা ও অনুশীলন জরুরি। ছাত্র ৩: কি ধরনের প্রশ্ন থাকবে? শিক্ষক: লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক। ছাত্র ১: আমি ভয় পাচ্ছি, কিভাবে কাটাব? শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস রেখে পড়াশোনা করো। ছাত্র ২: তুমি আমাদের সাহায্য করবে? শিক্ষক: অবশ্যই, তোমাদের পাশে আছি। ছাত্র ৩: আমরা একসঙ্গে পরামর্শ করে পড়ব। শিক্ষক: ভালো, সবার শুভকামনা রইল।" কৃষকদের বৃষ্টির অভাব ও ফসলের ক্ষতির বিষয়ে গ্রাম প্রধান ও কৃষকদের আলোচনা,"গ্রাম প্রধান: এই বছর বৃষ্টি অনেক কম হয়েছে। কৃষক ১: ফসল ভালো হয়নি, আমরা চিন্তিত। কৃষক ২: পানি সঙ্কট খুব বেশি। গ্রাম প্রধান: সরকারকে অনুরোধ পাঠাচ্ছি। কৃষক ৩: কিভাবে সমস্যার সমাধান করা যাবে? গ্রাম প্রধান: বৃষ্টির পানি সঞ্চয়ের ব্যবস্থা করবো। কৃষক ১: ড্রিপ ইরিগেশন সুবিধা কি পাবো? গ্রাম প্রধান: হ্যাঁ, চেষ্টা করবো। কৃষক ২: আমরা কি অন্য ফসল চাষ করতে পারি? গ্রাম প্রধান: হ্যাঁ, যা কম পানি চাইবে। কৃষক ৩: ক্ষেতে কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা দরকার। গ্রাম প্রধান: আমাদের মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। কৃষক ১: আমরা পরিবেশ রক্ষা করব। গ্রাম প্রধান: আশা করি ভবিষ্যতে ভালো হবে। কৃষক ২: আপনাদের সঙ্গে থাকবো আমরা। গ্রাম প্রধান: সবাই একসঙ্গে কাজ করলে সফলতা আসবে। " অফিসে বসার শিষ্টাচার নিয়ে কর্মচারী ও ম্যানেজারের আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে সবাইকে একে অপরের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। কর্মচারী ১: স্যার, আমরা কি বেশি সময় মিটিং করবো? ম্যানেজার: মিটিং হবে, কিন্তু সংক্ষিপ্ত ও প্রয়োজনীয়। কর্মচারী ২: অফিসে ফোনে কথা বলার নিয়ম কী? ম্যানেজার: ব্যক্তিগত ফোন কাজের সময় কম ব্যবহার করতে হবে। কর্মচারী ৩: সময়মত অফিসে এসে সময়মত যাওয়ার গুরুত্ব কী? ম্যানেজার: সময়ানুবর্তিতা আমাদের দায়িত্ব। কর্মচারী ১: কাজের মাঝে বিরতি নেওয়া যাবে? ম্যানেজার: হ্যাঁ, তবে সীমাবদ্ধ সময়ের মধ্যে। কর্মচারী ২: সহকর্মীদের সাথে কিভাবে ব্যবহার করব? ম্যানেজার: ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে। কর্মচারী ৩: অফিসে পোশাকের কি নিয়ম আছে? ম্যানেজার: অফিসিয়াল ড্রেস কোড অনুসরণ করবে সবাই। কর্মচারী ১: মিটিংয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করব? ম্যানেজার: অবশ্যই, কাজের উন্নয়নে তা জরুরি। কর্মচারী ২: সবাই মিলে ভালো পরিবেশ গড়ব। ম্যানেজার: শিষ্টাচার মেনে চললে কাজ সহজ হয়। কর্মচারী ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা মনোযোগী থাকব। " স্বাস্থ্য সচেতনতা ও ব্যায়াম নিয়ে বাবা ও ছেলের আলোচনা,"বাবা: প্রতিদিন ব্যায়াম করাটা খুব প্রয়োজন। ছেলে: কিন্তু সময় হয় না বাবা। বাবা: সময় বের করো, শরীর সুস্থ থাকলে সব কাজ ভালো হয়। ছেলে: ব্যায়াম করলে কি কি সুবিধা হয়? বাবা: শরীর শক্তিশালী হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ছেলে: আমি কি সকালে দৌড়াতে পারি? বাবা: অবশ্যই, সকালে তাজা বাতাসে দৌড়ানো ভালো। ছেলে: আমি ওজন কমাতে চাই। বাবা: ব্যায়াম আর সুষম খাবার খুব দরকার। ছেলে: ব্যায়াম ছাড়া কি ওজন কমানো সম্ভব? বাবা: ব্যায়াম ছাড়া ওজন নিয়ন্ত্রণ কঠিন। ছেলে: আমি কি ব্যায়ামের জন্য জিমে যেতে পারি? বাবা: যদি সময় থাকে তাহলে যেতে পারো। ছেলে: ঘরে কিছু সহজ ব্যায়াম করতেও পারি? বাবা: হ্যাঁ, স্কোয়াট, পুশআপ ভালো। ছেলে: আমি আমার বন্ধুদের সাথে ব্যায়াম করব। বাবা: সেটাও ভালো, এতে উৎসাহ থাকে। ছেলে: ব্যায়াম শুরু করতে আমি প্রস্তুত। বাবা: খুব ভালো, নিয়মিত করলে ফল পাবো।" স্কুলে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ছাত্র ও শিক্ষককের আলোচনা,"শিক্ষক: আমাদের স্কুলের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। ছাত্র ১: আমরা কি নিয়মিত ক্লাসরুম পরিষ্কার করবো? শিক্ষক: অবশ্যই, প্রতিদিন পরিষ্কার রাখা উচিত। ছাত্র ২: প্লাস্টিক বর্জ্য কমানোর জন্য কি করা যায়? শিক্ষক: রি-সাইক্লিং করা প্রয়োজন। ছাত্র ৩: আমরা কি বাগান পরিষ্কার করব? শিক্ষক: হ্যাঁ, সব জায়গা পরিষ্কার রাখা দায়িত্ব। ছাত্র ১: আমরা কি সচেতনতা ক্যাম্পেইন চালাতে পারি? শিক্ষক: এটা খুব ভালো ধারণা। ছাত্র ২: শিক্ষকদের সাথে মিলেমিশে কাজ করবো। শিক্ষক: পরিবেশ রক্ষা আমাদের সকলের দায়িত্ব। ছাত্র ৩: আমরা কি প্রতিবেশী গ্রামেও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে যাব? শিক্ষক: প্রয়োজনে যেতে পারো। ছাত্র ১: আমরা প্লাস্টিকের ব্যাগ বন্ধ করব। শিক্ষক: সবাইকে সচেতন করতে হবে। ছাত্র ২: স্কুলে ঝাড়ু দেওয়া ও গাছ লাগানো উচিত। শিক্ষক: পরিবেশ সুন্দর হলে মন ভালো থাকে। ছাত্র ৩: আমরা পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ নেবো। শিক্ষক: খুব ভালো, তোমাদের পরিশ্রম প্রশংসনীয়। " অফিসে ইন্টারনেট ব্যবহারে নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে ইন্টারনেট ব্যবহারে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে। কর্মচারী ১: কি ধরনের সাইট ব্যবহার করা যাবে? ম্যানেজার: শুধু কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সাইট ব্যবহার করো। কর্মচারী ২: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে? ম্যানেজার: বিরতির সময় কম। অফিস সময়ে এড়িয়ে চলা উচিত। কর্মচারী ৩: ফাইল ডাউনলোড করার নিয়ম কী? ম্যানেজার: অফিস অনুমোদিত ফাইলই ডাউনলোড করতে হবে। কর্মচারী ১: ভাইরাস থেকে রক্ষা কীভাবে পাবো? ম্যানেজার: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সবসময় চালু রাখবে। কর্মচারী ২: পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যাবে? ম্যানেজার: কখনোই নয়, নিরাপত্তার জন্য। কর্মচারী ৩: যদি কোন সাইবার আক্রমণের শিকার হই? ম্যানেজার: সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাতে হবে। কর্মচারী ১: ইন্টারনেট স্পিড কম হলে কী করবো? ম্যানেজার: আইটি ডিপার্টমেন্টকে জানান। কর্মচারী ২: অফিসে ওয়াই-ফাই শেয়ারিং করা যাবে? ম্যানেজার: ব্যক্তিগত ডিভাইসের জন্য নিষেধ। কর্মচারী ৩: কাজের জন্য ওয়েবিনার করা যাবে? ম্যানেজার: অবশ্যই, অফিস অনুমোদিত হলে। কর্মচারী ১: নিয়ম মেনে চললে সমস্যা কমবে। ম্যানেজার: তোমাদের সহযোগিতা আশা করছি।" শিশুদের শিক্ষায় পিতামাতার দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা,"পিতা: তোমাদের শিক্ষায় আমাদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মাতা: পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। সন্তান ১: আমরা যত্ন নিয়ে পড়াশোনা করব। পিতা: স্কুলের কাজ সময়মতো শেষ করতে হবে। মাতা: বইগুলো ভালোভাবে পড়ো, প্রয়োজনে সাহায্য করব। সন্তান ২: আমরা কি বাড়িতে শান্ত পরিবেশ পাবো? মাতা: অবশ্যই, যেন পড়াশোনা করতে সুবিধা হয়। পিতা: সময়মতো খাওয়া-দাওয়া করো। সন্তান ১: আমরা অবসরেও পড়াশোনা করব। মাতা: খেলাধুলা করতে হবে, তবে পড়াশোনার সময় ঠিক রাখতে হবে। সন্তান ২: আমরা তোমাদের গাইডলাইন মেনে চলব। পিতা: তোমাদের স্বপ্ন পূরণে আমরা পাশে আছি। মাতা: পরীক্ষার আগে রুটিন বানাতে হবে। সন্তান ১: আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করব। মাতা: সবসময় তোমাদের প্রেরণা দেবো। পিতা: ভালো ফলাফল আশা করছি। " পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার নিয়ে বন্ধুদের আলোচনা,"বন্ধু ১: পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, এটা খুব উদ্বেগজনক। বন্ধু ২: আমরা কি কিছু করতে পারি? বন্ধু ১: প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো উচিত। বন্ধু ৩: গাছ লাগানো জরুরি। বন্ধু ২: গাড়ি কম চালানো প্রয়োজন। বন্ধু ১: জৈবপদার্থ ব্যবহার বাড়াতে হবে। বন্ধু ৩: পানি ও বায়ু দূষণ রোধ করতেও সচেতনতা দরকার। বন্ধু ২: আমরা স্কুলে ক্যাম্পেইন চালাতে পারি। বন্ধু ১: সবাই মিলে কাজ করলে সফলতা আসবে। বন্ধু ৩: সরকারকেও দায়িত্ব নিতে হবে। বন্ধু ২: বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উন্নতি দরকার। বন্ধু ১: আমাদের উদ্যোগ থেকে শুরু হওয়া উচিত। বন্ধু ৩: পরিবেশ ভালো থাকলে জীবন সুন্দর হয়। বন্ধু ২: আমি বাড়িতেও পরিবেশ রক্ষা করব। বন্ধু ১: আমি প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার বন্ধ করবো।" অফিসে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ার জন্য কর্মচারী ও ম্যানেজারের আলোচনা,অফিসে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ার জন্য কর্মচারী ও ম্যানেজারের আলোচনা পরিবারে পারস্পরিক সম্মান ও সমঝোতা নিয়ে বাবা-মায়ের আলোচনা,"বাবা: পরিবারের সবাইকে সম্মান করতে হবে। মা: সম্মানের মাধ্যমে সম্পর্ক মজবুত হয়। সন্তান ১: আমি বাবা-মায়ের কথা শুনব। সন্তান ২: আমরা একে অপরকে শ্রদ্ধা করব। বাবা: ভুল হলে ক্ষমা চাইতে হবে। মা: সবাইকে একসঙ্গে বসে কথা বলতে হবে। সন্তান ১: আমি আমার ভুল স্বীকার করব। সন্তান ২: আমিও মাফ চাইতে পারি। বাবা: শান্তিপূর্ণ পরিবেশ খুব জরুরি। মা: একসঙ্গে কাজ করলে সমস্যা কমে। সন্তান ১: পরিবারের জন্য ভালো সিদ্ধান্ত নিব। সন্তান ২: পরিবারে সবাই সুখী থাকবে। বাবা: সময় কাটানোর চেষ্টা করো। মা: ভালোবাসা দিয়ে সম্পর্ক গড়ো। সন্তান ১: আমরা সবাই মিলেমিশে থাকব।" স্কুলে পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের আলোচনা,"শিক্ষক: স্কুল পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের দায়িত্ব। ছাত্র ১: আমরা নিয়মিত ক্লাসরুম পরিষ্কার করব। ছাত্র ২: প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে চাই। শিক্ষক: রিসাইক্লিং গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র ৩: বাগান পরিষ্কার রাখব। শিক্ষক: পরিবেশ রক্ষা করা প্রয়োজন। ছাত্র ১: সচেতনতা ক্যাম্পেইন চালাব। ছাত্র ২: সবাইকে জানাবো পরিবেশের গুরুত্ব। ছাত্র ৩: স্কুলের চারপাশ পরিষ্কার রাখব। শিক্ষক: ঝাড়ু দেওয়া ও গাছ লাগানো জরুরি। ছাত্র ১: পরিবেশ সুন্দর হলে মন ভালো থাকে। ছাত্র ২: আমরা পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ নেবো। ছাত্র ৩: শিক্ষক দের সাহায্য নেব। শিক্ষক: তোমাদের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। ছাত্র ১: পরিবেশ রক্ষা আমাদের দায়িত্ব।" ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও ব্যবহার নিয়ে অফিসে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্কতা জরুরি। কর্মচারী ১: কি ধরনের সাইট ব্যবহার করব? ম্যানেজার: কাজের প্রয়োজনীয় সাইট। কর্মচারী ২: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম? ম্যানেজার: অফিস সময় কম ব্যবহার করো। কর্মচারী ৩: ভাইরাস থেকে রক্ষা? ম্যানেজার: অ্যান্টিভাইরাস সবসময় চালু থাকবে। কর্মচারী ১: পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যাবে? ম্যানেজার: কখনো নয়। কর্মচারী ২: সাইবার আক্রমণের শিকার হলে? ম্যানেজার: সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। কর্মচারী ৩: ইন্টারনেট স্পিড কম হলে? ম্যানেজার: আইটি ডিপার্টমেন্ট জানাবে। কর্মচারী ১: ওয়াই-ফাই শেয়ারিং? ম্যানেজার: নিষেধ। কর্মচারী ২: ওয়েবিনারে অংশ নিতে পারি? ম্যানেজার: অফিস অনুমোদিত হলে। কর্মচারী ৩: নিয়ম মেনে চলব। ম্যানেজার: সহযোগিতা আশা করছি।" শীতকালে স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা নিয়ে মা ও ছেলের আলোচনা,"মা: শীতকালে গরম পোশাক পরো। ছেলে: ঠাণ্ডা লাগছে মা। মা: গরম চা খাও। ছেলে: হাতে মোজা দিন। মা: হাত-মুখ ধুয়ে ভালো রাখো। ছেলে: ঠাণ্ডা লাগলে কী করব? মা: গরম জায়গায় থাকবে। ছেলে: আমি সর্দি-কাশি পেলে বলব। মা: সময়মতো ডাক্তারের কাছে যাবে। ছেলে: গরম খাবার খেতে চাই। মা: ভালো খাবার দিচ্ছি। ছেলে: বাইরে বেশি যাব না। মা: স্কুলেও সাবধান থাকতে হবে। ছেলে: আমি সতর্ক থাকবো। মা: ভালো থাকলে সবাই খুশি হবে।" স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আলোচনা,"শিক্ষক: পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন? ছাত্র ১: প্রতিদিন পড়াশোনা করছি। ছাত্র ২: কিছু বিষয় বুঝতে কষ্ট। শিক্ষক: টিউটোরিয়াল ক্লাস হবে। ছাত্র ৩: পরীক্ষার দিন কী? শিক্ষক: আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে। ছাত্র ১: সিলেবাস শেষ করেছি? শিক্ষক: বেশিরভাগ। ছাত্র ২: সফল হতে চাই। শিক্ষক: নিয়মিত অনুশীলন দরকার। ছাত্র ৩: প্রশ্ন কেমন হবে? শিক্ষক: লিখিত ও মৌখিক। ছাত্র ১: ভয় পাচ্ছি। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস রাখো। ছাত্র ২: সাহায্য করবেন? শিক্ষক: অবশ্যই। ছাত্র ৩: একসঙ্গে পড়ব। শিক্ষক: শুভকামনা।" গ্রামের পানি সঙ্কট ও সমাধান নিয়ে গ্রাম প্রধান ও কৃষকদের আলোচনা,"গ্রাম প্রধান: বৃষ্টি কম হয়েছে। কৃষক ১: ফসল ক্ষতিগ্রস্ত। কৃষক ২: পানি কম। গ্রাম প্রধান: সরকারকে জানাচ্ছি। কৃষক ৩: কীভাবে সমাধান? গ্রাম প্রধান: বৃষ্টির পানি সঞ্চয়। কৃষক ১: ড্রিপ ইরিগেশন? গ্রাম প্রধান: চেষ্টা করব। কৃষক ২: অন্য ফসল? গ্রাম প্রধান: কম পানি লাগে। কৃষক ৩: কীটনাশক সতর্কতা? গ্রাম প্রধান: সবাই সচেতন হবে। কৃষক ১: পরিবেশ রক্ষা করব। গ্রাম প্রধান: একসঙ্গে কাজ করব। কৃষক ২: সহযোগিতা থাকব।" অফিসে শিষ্টাচার ও আচরণ নিয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে সবাইকে সম্মান করতে হবে। কর্মচারী ১: মিটিং কম হবে? ম্যানেজার: প্রয়োজন মতো। কর্মচারী ২: ফোন কম ব্যবহার করব? ম্যানেজার: অবশ্যই। কর্মচারী ৩: সময়মতো আসা জরুরি? ম্যানেজার: হ্যাঁ। কর্মচারী ১: বিরতি সীমিত? ম্যানেজার: প্রয়োজনীয়। কর্মচারী ২: সহকর্মীর সাথে ভদ্রতা? ম্যানেজার: অপরিহার্য। কর্মচারী ৩: পোশাক নিয়ম মানব? ম্যানেজার: অফিসিয়াল। কর্মচারী ১: সক্রিয় অংশগ্রহণ করব? ম্যানেজার: অবশ্যই। কর্মচারী ২: ভালো পরিবেশ গড়ব। ম্যানেজার: ধন্যবাদ।" কৃষকের ফসল রক্ষা ও সঠিক পরিচর্যা নিয়ে আলোচনা,"কৃষক ১: ফসল ভালো করতে কী করব? কৃষক ২: নিয়মিত পানি দেব। কৃষক ৩: কীটনাশক সময়মতো ব্যবহার করব। কৃষক ১: সার প্রয়োগ ঠিকমতো করব। কৃষক ২: বৃষ্টির পানি সঞ্চয় করব। কৃষক ৩: গাছপালা পরিচ্ছন্ন রাখব। কৃষক ১: জমির যত্ন নেব। কৃষক ২: ভালো ফলনের আশা। কৃষক ৩: একসঙ্গে কাজ করব। কৃষক ১: পরামর্শ নেব। কৃষক ২: রোগ প্রতিরোধ করব। কৃষক ৩: শুদ্ধ বীজ ব্যবহার করব। কৃষক ১: সময়মতো ফসল তুলব। কৃষক ২: পরিবেশ রক্ষা করব। কৃষক ৩: সফল হব।" সামাজিক দায়িত্ব ও একতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"ব্যক্তি ১: সমাজের উন্নয়নে সবাইকে একত্রিত হতে হবে। ব্যক্তি ২: একতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান হয়। ব্যক্তি ৩: আমাদের দায়িত্ব সচেতন থাকা। ব্যক্তি ১: দারিদ্র্য দূর করতে সবাই কাজ করবে। ব্যক্তি ২: শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যক্তি ৩: স্বাস্থ্য সেবা উন্নত করতে চাই। ব্যক্তি ১: পরিবেশ রক্ষা সকলের কাজ। ব্যক্তি ২: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এক হবে। ব্যক্তি ৩: সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। ব্যক্তি ১: সহমর্মিতা বাড়াতে হবে। ব্যক্তি ২: সমাজে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনব। ব্যক্তি ৩: আমরা একসঙ্গে অগ্রসর হব। ব্যক্তি ১: শান্তিপূর্ণ জীবন চাই। ব্যক্তি ২: একতাই আমাদের শক্তি। ব্যক্তি ৩: আমরা সফল হব।" রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ও সংস্কার নিয়ে জনতা ও কর্তৃপক্ষের আলোচনা,"জনতা: রাস্তাগুলো খুব বেহাল। কর্তৃপক্ষ: আমরা সংস্কারের চেষ্টা করছি। জনতা: কতদিন লাগবে কাজ শেষ করতে? কর্তৃপক্ষ: বাজেটের উপর নির্ভর করে। জনতা: বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের সমস্যা আছে। কর্তৃপক্ষ: সেটা আগে সমাধান করব। জনতা: রাতের আলোর ব্যবস্থা চাই। কর্তৃপক্ষ: দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। জনতা: যানজট কমানোর জন্য পরিকল্পনা? কর্তৃপক্ষ: নতুন সড়ক নির্মাণ চলছে। জনতা: শিশুরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবে? কর্তৃপক্ষ: সড়ক চিহ্ন ও ফিটপাত তৈরী হবে। জনতা: আমাদের পাশে থাকুন। কর্তৃপক্ষ: আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। জনতা: ধন্যবাদ সহযোগিতার জন্য।" কর্মস্থলে মানসিক চাপ কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা,"কর্মচারী ১: কাজের চাপ অনেক। কর্মচারী ২: মানসিক চাপ কমাতে কী করব? ম্যানেজার: নিয়মিত বিরতি নিতে হবে। কর্মচারী ৩: যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করতে পারি? ম্যানেজার: সেটা ভালো উপায়। কর্মচারী ১: কাজ ভাগাভাগি করলে চাপ কমে। ম্যানেজার: টিমওয়ার্কে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। কর্মচারী ২: কাজের সময় সঠিক পরিকল্পনা দরকার। ম্যানেজার: সময় ব্যবস্থাপনা শিখতে হবে। কর্মচারী ৩: কাজের বাইরে শখ পালন করবো। ম্যানেজার: তা মন ভালো রাখে। কর্মচারী ১: সহকর্মীর সঙ্গে কথা বললে মন শান্ত হয়। ম্যানেজার: যোগাযোগ জরুরি। কর্মচারী ২: চাপ কমাতে হালকা মিউজিক শুনবো। ম্যানেজার: চেষ্টা করো। কর্মচারী ৩: ভালো ঘুম নেব। ম্যানেজার: তা অত্যন্ত জরুরি।" শিক্ষার্থীদের সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের আলোচনা,"শিক্ষক: সময় ব্যবস্থাপনা কি জানো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করা। শিক্ষক: প্রতিদিন একটি রুটিন তৈরি করো। ছাত্র: আমি পড়াশোনা, খেলাধুলার সময় ভাগ করব। শিক্ষক: সময় অনুযায়ী কাজ করলে ফল ভালো হয়। ছাত্র: অলসতা এড়িয়ে চলবো। শিক্ষক: বিরতি নিয়েও কাজ করো। ছাত্র: আমি মোবাইল কম ব্যবহার করব। শিক্ষক: সময় নষ্ট হলে কাজের চাপ বাড়ে। ছাত্র: বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাবো, তবে সিমিত। শিক্ষক: পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়বে। ছাত্র: আমি সময়মতো স্কুলে যাবো। শিক্ষক: নিয়মিত ঘুম ও খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব। শিক্ষক: তোমার সফলতা কামনা করছি।" পরিবারের আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে বাবা-মায়ের আলোচনা,"বাবা: আমাদের পরিবারে আর্থিক পরিকল্পনা দরকার। মা: খরচ ও সঞ্চয় ঠিক রাখতে হবে। বাবা: মাসিক বাজেট বানাবো। মা: প্রয়োজনীয় জিনিস আগে কেনাবো। বাবা: অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো যাবে। মা: সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে টাকা জমাবো। বাবা: ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ পরিকল্পনা দরকার। মা: স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বিনিয়োগ করব। বাবা: জরুরি সময়ের জন্য একটা ফান্ড থাকবে। মা: সন্তানদের জন্য সঞ্চয় বাড়াবো। বাবা: আমরা খরচের তালিকা তৈরি করব। মা: প্রয়োজন অনুসারে সিদ্ধান্ত নেব। বাবা: পরিবারের সবাইকে সচেতন করব। মা: আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। বাবা: একসঙ্গে কাজ করলে সফল হব।" স্কুলে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের আলোচনা,"শিক্ষক: স্কুলে আমরা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছি। ছাত্র: আমি ল্যাপটপে কাজ করতে পারি। শিক্ষক: অনলাইন ক্লাস ও ই-লার্নিং গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: আমি গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করি। শিক্ষক: ডিজিটাল লার্নিং দক্ষতা বাড়ায়। ছাত্র: প্রেজেন্টেশন তৈরি করা সহজ হয়েছে। শিক্ষক: অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করো। ছাত্র: আমি ভিডিও দেখে শেখার চেষ্টা করি। শিক্ষক: প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা আরো আকর্ষণীয়। ছাত্র: আমি ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করি। শিক্ষক: প্রযুক্তি ব্যবহার সচেতনভাবে করো। ছাত্র: সাইবার নিরাপত্তা জানতে চাই। শিক্ষক: আমরা নিরাপত্তা নিয়ম শিখাবো। ছাত্র: আমি নিয়ম মেনে চলব। শিক্ষক: তোমাদের ভবিষ্যত উন্নত হবে। " স্বাস্থ্যকর খাবার ও সুষম আহারের গুরুত্ব নিয়ে মা ও মেয়ের আলোচনা,"মা: সুস্থ থাকতে সুষম আহার প্রয়োজন। মেয়ে: আমি কি ধরনের খাবার খাবো? মা: শাকসবজি, ফলমূল বেশি খেতে হবে। মেয়ে: মিষ্টি কম খাওয়ার চেষ্টা করবো। মা: তাজা ও স্বাস্থ্যকর খাবার দরকার। মেয়ে: ফাস্ট ফুড কম খাওয়ার চেষ্টা করব। মা: পানি বেশি পান করো। মেয়ে: জলপান ভালো লাগে। মা: খাবারের সময় ঠিক রাখতে হবে। মেয়ে: খাবার ভালো করে চিবাবো। মা: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত খাবার দরকার। মেয়ে: আমি ব্যায়াম করব। মা: ব্যায়ামের সাথে সুষম খাবার দরকার। মেয়ে: ধন্যবাদ মা, আমি খেয়াল রাখব। মা: সুস্থ থাকো, সেটাই আমাদের কামনা।" বিষয়: বসত বাড়ির নিরাপত্তা ও সতর্কতা নিয়ে বাড়িওয়ালা ও বাসিন্দার আলোচনা,"বাড়িওয়ালা: আমাদের বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। বাসিন্দা ১: ঠিক বলছেন, অনেক সময় চুরি বা দুর্ঘটনা হয়। বাড়িওয়ালা: তাই আমি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করছি। বাসিন্দা ২: এটা খুব ভালো হবে, সিসিটিভি থাকলে অনেক নিরাপদ লাগবে। বাসিন্দা ৩: রাতে পাহারা বাড়ানো দরকার। বাড়িওয়ালা: আমি নিরাপত্তা গার্ড রাখার কথাও ভাবছি। বাসিন্দা ১: সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, দরজা ও জানালা ঠিকমতো বন্ধ রাখবেন। বাসিন্দা ২: এলার্ম সিস্টেম থাকলে ভালো হয়। বাড়িওয়ালা: আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে বাড়ি নিরাপদ হবে। বাসিন্দা ৩: অচেনা লোককে ঢুকতে দেব না। বাড়িওয়ালা: প্রতিদিন পার্কিং এর দায়িত্ব কার কাছে থাকবে ঠিক করতে হবে। বাসিন্দা ১: আমাদের পারিবারিক নিরাপত্তার জন্য এটা জরুরি। বাসিন্দা ২: আলো জ্বালিয়ে রাখা দরকার রাতের বেলা। বাড়িওয়ালা: প্রত্যেক বাসিন্দার সচেতনতা বাড়াতে হবে। বাসিন্দা ৩: আমি চাই আমাদের বাসা নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ থাকুক। বাড়িওয়ালা: সবাই সহযোগিতা করলে সমস্যা কম হবে।" গ্রামে পানি সঙ্কট ও কৃষকদের সমস্যা নিয়ে চেয়ারম্যান ও কৃষকের আলোচনা,"চেয়ারম্যান: এবার বৃষ্টির পরিমাণ খুবই কম হয়েছে, সমস্যা হচ্ছে। কৃষক ১: ফসলের জন্য পানি মিলছে না, অনেক ক্ষতি হবে। চেয়ারম্যান: আমরা ট্যাংকারের মাধ্যমে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করছি। কৃষক ২: দীর্ঘ সময় ধরে পানি সরবরাহ দরকার। চেয়ারম্যান: সরকার থেকে অনুদান নিয়ে ড্রিপ ইরিগেশন চালু করব। কৃষক ৩: জমিতে পানি সঞ্চয়ের জন্য ট্যাঙ্ক বানাতে চাই। চেয়ারম্যান: আমরা গ্রামে জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করব। কৃষক ১: কীটনাশক ব্যবহারও সঠিক সময়ে করতে হবে। কৃষক ২: বৃষ্টির পানি সঠিকভাবে সঞ্চয় করতে হবে। চেয়ারম্যান: সবার সচেতনতা জরুরি। কৃষক ৩: আমরা পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করব। কৃষক ১: জমি ভালো রাখতে নিয়ম মেনে কাজ করব। চেয়ারম্যান: একসঙ্গে কাজ করলে ফলাফল ভালো হবে। কৃষক ২: আশা করি আগামি বছর ভালো ফসল হবে। চেয়ারম্যান: আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব, তোমাদের পাশে আছি।" স্কুলে অনলাইন ক্লাস ও প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা,"শিক্ষক: করোনার কারণে অনলাইন ক্লাস চালু হয়েছে। ছাত্র ১: অনলাইনে পড়া অনেক সুবিধাজনক। ছাত্র ২: তবে মাঝে মাঝে ইন্টারনেট সমস্যা হয়। শিক্ষক: ইন্টারনেটের সমস্যা হলে আমাকে জানাতে হবে। ছাত্র ৩: আমরা গুগল ক্লাসরুম ও জুম ব্যবহার করি। শিক্ষক: তোমরা প্রযুক্তি ভালোভাবে ব্যবহার করো। ছাত্র ১: প্রেজেন্টেশন ও ভিডিও তৈরি করতে পারছি। ছাত্র ২: অনেক নতুন নতুন বিষয় শিখছি। শিক্ষক: নিয়ম মেনে অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে হবে। ছাত্র ৩: আমরা মনোযোগ দিয়ে শুনি। শিক্ষক: পরীক্ষাও অনলাইনে নেওয়া হবে। ছাত্র ১: আমি প্রস্তুত হচ্ছি। ছাত্র ২: আমি ডিভাইসগুলো ঠিক রাখতে শিখেছি। শিক্ষক: সাইবার নিরাপত্তা মেনে চলতে হবে। ছাত্র ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা করব।" রিবারে প্রযুক্তির ব্যবহার ও যোগাযোগ বাড়ানোর আলোচনা,"বাবা: এখন প্রযুক্তি আমাদের জীবন অনেক সহজ করেছে। মা: তবে ফোন ও কম্পিউটার ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। ছেলে: আমি ভিডিও কল করে দাদার সাথে কথা বলি। মেয়ে: আমি অনলাইনে আমার বন্ধুর সাথে যোগাযোগ করি। বাবা: পরিবারের সবাই একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য প্রযুক্তি কম ব্যবহার করো। মা: মুখোমুখি কথা বলাটা গুরুত্বপূর্ণ। ছেলে: আমি সময় ভাগ করে ব্যবহার করি। মেয়ে: পড়াশোনার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করি। বাবা: পরিবারের খবরাখবর রাখতে প্রযুক্তি কাজে লাগে। মা: তবে একে অপরের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে। ছেলে: আমি বাবা-মার কথা শুনি প্রযুক্তি ব্যবহারে। মেয়ে: আমি ভিডিও দেখে শিখি অনেক নতুন বিষয়। বাবা: প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জীবন উন্নত করে। মা: আমরা সবাই সচেতন থাকব। সন্তানরা: হ্যাঁ, আমরা চেষ্টা করব। " বিষয়: স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিয়মিত চিকিৎসা নিয়োগ নিয়ে মা ও সন্তানের আলোচনা,"মা: নিয়মিত চিকিৎসক দেখানো জরুরি। সন্তান: আমি কি প্রতি ছয় মাসে পরীক্ষা করাব? মা: অবশ্যই, যাতে রোগের আগে শনাক্ত করা যায়। সন্তান: স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে চাই। মা: ভালো খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম দরকার। সন্তান: আমি জিমে যাওয়ার চিন্তা করছি। মা: সেটা ভালো, কিন্তু নিয়মিত ও সতর্কতার সঙ্গে করো। সন্তান: ধূমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকব। মা: সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছো। সন্তান: নিয়মিত বিশ্রাম নেব। মা: মানসিক চাপ কমানোও জরুরি। সন্তান: মেডিটেশন শিখছি। মা: ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলো। সন্তান: আমি সবসময় সতর্ক থাকব। মা: সুস্থ থাকো, সেটাই আমার কামনা।" অফিসে দলবদ্ধ কাজ ও সহযোগিতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে কাজ ভাগাভাগি করে করাটা জরুরি। কর্মচারী ১: আমরা একে অপরের সাহায্য করব। কর্মচারী ২: সমস্যা হলে আলোচনা করব। ম্যানেজার: দলবদ্ধ কাজ সফলতার চাবিকাঠি। কর্মচারী ৩: সময়মতো রিপোর্ট জমা দিবো। কর্মচারী ১: কাজের মান বজায় রাখব। কর্মচারী ২: সহযোগিতায় মনোযোগ দেব। ম্যানেজার: টিমের সদস্যদের মধ্যে বিশ্বাস থাকতে হবে। কর্মচারী ৩: আমি সহকর্মীদের কাজ বুঝতে চাই। কর্মচারী ১: সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করব। কর্মচারী ২: মিটিংয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করব। ম্যানেজার: ভালো কাজের প্রশংসা করা হবে। কর্মচারী ৩: আমরা সবাই একসঙ্গে সফল হব। কর্মচারী ১: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা চালাবো। ম্যানেজার: তোমাদের ওপর আস্থা রাখি।" গ্রামে শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আমাদের গ্রামের শিক্ষার মান উন্নত করতে হবে। গ্রামবাসী ১: আমরা কি করব? শিক্ষক: নিয়মিত ক্লাস ও পাঠ্যক্রম মানার চেষ্টা করব। গ্রামবাসী ২: কি করে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াবো? শিক্ষক: শিক্ষাদানের পদ্ধতি আধুনিক করব। গ্রামবাসী ৩: অভিভাবকদেরও শিক্ষায় অংশ নিতে হবে। শিক্ষক: শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। গ্রামবাসী ১: স্কুলের অবকাঠামো উন্নত করতে হবে। শিক্ষক: আমরা বই ও সরঞ্জাম যোগাড় করব। গ্রামবাসী ২: শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেয়া জরুরি। শিক্ষক: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা আয়োজন করব। গ্রামবাসী ৩: আমরা সবসময় সহযোগিতা করব। শিক্ষক: শিশুদের ভালো ভবিষ্যতের জন্য কাজ করব। গ্রামবাসী ১: আমরা শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেব। শিক্ষক: একসাথে আমরা সফল হব।" ছাত্র-ছাত্রীদের অনৈতিক কাজ প্রতিরোধে শিক্ষকের বক্তব্য,"শিক্ষক: আপনাদের সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ছাত্র ১: আমরা প্রতারণা করব না। ছাত্র ২: নকল করলে ক্ষতি হবে নিজেকে। শিক্ষক: পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবে। ছাত্র ৩: আমরা নিয়ম মেনে পড়াশোনা করব। শিক্ষক: অন্যদের সঠিক পথ দেখাতে হবে। ছাত্র ১: আমরা সতর্ক থাকব। ছাত্র ২: ভালোমন্দের পার্থক্য বুঝব। শিক্ষক: ভালো কাজ করলে সবাই প্রশংসা করবে। ছাত্র ৩: সৎ পথে চলাই ভালো। ছাত্র ১: শিক্ষকদের কথা শুনব। শিক্ষক: আত্মমর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ছাত্র ২: আমরা নিজের ওপর বিশ্বাস রাখব। ছাত্র ৩: সততা জীবনকে সুন্দর করে। শিক্ষক: তোমাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হোক।" বিষয়: বসতবাড়িতে পারস্পরিক সাহায্য ও সমন্বয় নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার আলোচনা,"বাড়িওয়ালা: বাড়ির সকলের মধ্যে সহযোগিতা দরকার। ভাড়াটিয়া ১: আমরা একে অপরের সাহায্য করব। ভাড়াটিয়া ২: সমস্যা হলে দ্রুত জানাবো। বাড়িওয়ালা: পারস্পরিক শ্রদ্ধা বাড়াতে হবে। ভাড়াটিয়া ৩: আমরা নিয়ম মেনে চলব। বাড়িওয়ালা: বাড়ির নিয়ম সবাই মেনে চলুক। ভাড়াটিয়া ১: আবর্জনা সঠিক জায়গায় ফেলবো। ভাড়াটিয়া ২: শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখবো। বাড়িওয়ালা: সন্ধ্যার পর শব্দ কমাবে। ভাড়াটিয়া ৩: দরজা-জানালা ঠিকঠাক রাখবো। বাড়িওয়ালা: সবাই মিলে পরিচ্ছন্নতা করব। ভাড়াটিয়া ১: সমস্যা সমাধানে আলোচনা করব। ভাড়াটিয়া ২: আমি গেস্টের জন্য অনুমতি নেবো। বাড়িওয়ালা: বাসা নিরাপদ রাখতে সবাই সচেতন হবে। ভাড়াটিয়া ৩: একসঙ্গে থাকলে বাড়ি সুন্দর হবে।" বিষয়: অফিসে প্রযুক্তির ব্যবহার ও দক্ষতা বাড়ানোর আলোচনা,"ম্যানেজার: আমাদের অফিসে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কর্মচারী ১: নতুন সফটওয়্যার শিখতে চাই। কর্মচারী ২: অনলাইন টুলস ভালো ব্যবহার করব। ম্যানেজার: প্রশিক্ষণ সেশন আয়োজন করব। কর্মচারী ৩: ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। কর্মচারী ১: দ্রুত কাজ করার জন্য প্রযুক্তি প্রয়োজন। কর্মচারী ২: অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয় হবে। ম্যানেজার: তথ্য নিরাপত্তায় খেয়াল রাখতে হবে। কর্মচারী ৩: আমি নিয়ম মেনে প্রযুক্তি ব্যবহার করব। কর্মচারী ১: সহযোগী সফটওয়্যার শিখতে চাই। ম্যানেজার: উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগান। কর্মচারী ২: সময় বাঁচাতে প্রযুক্তি জরুরি। কর্মচারী ৩: সমস্যা হলে আইটি ডিপার্টমেন্টে জানাবো। ম্যানেজার: প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্মক্ষমতা বাড়বে। কর্মচারী ১: আমি সবার সাথে শেয়ার করব। " গ্রামের নারীশিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে গ্রাম প্রধান ও মাদ্রাসার শিক্ষকের আলোচনা,"গ্রাম প্রধান: নারীদের শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। মাদ্রাসার শিক্ষক: শিক্ষিত নারীই সমাজ উন্নত করে। গ্রাম প্রধান: আমরা মেয়েদের স্কুলে পাঠাবো। মাদ্রাসার শিক্ষক: শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে কাজ করব। গ্রাম প্রধান: পিতা-মাতারও সচেতনতা দরকার। মাদ্রাসার শিক্ষক: মেয়েদের জন্য বিশেষ কোর্স চালু করব। গ্রাম প্রধান: বয়স্কদের শিক্ষায়ও উদ্যোগ নিতে হবে। মাদ্রাসার শিক্ষক: নারী শিক্ষিত হলে পরিবার শক্তিশালী হয়। গ্রাম প্রধান: মেয়েরা পড়াশোনা করে আত্মনির্ভরশীল হবে। মাদ্রাসার শিক্ষক: আমরা উৎসাহ দেবো সবাইকে। গ্রাম প্রধান: সমাজে নারীদের মর্যাদা বাড়বে। মাদ্রাসার শিক্ষক: শিক্ষা সমাজ পরিবর্তনের মাধ্যম। গ্রাম প্রধান: আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব। মাদ্রাসার শিক্ষক: মেয়েদের জন্য আলাদা শিক্ষাকেন্দ্র চাই। গ্রাম প্রধান: আমরা উদ্যোগ নেবো দ্রুত।" পরিবেশ সংরক্ষণ ও গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তরুণদের আলোচনা,"তরুণ ১: গাছ লাগানো জরুরি পরিবেশের জন্য। তরুণ ২: গাছ বাতাস পরিষ্কার করে। তরুণ ৩: গ্রীষ্মকাল কম কষ্টকর হয় গাছ থাকলে। তরুণ ১: আমরা একটি গাছ লাগানোর অভিযান চালাব। তরুণ ২: সবাইকে সচেতন করতে হবে। তরুণ ৩: স্কুল, কলেজে প্রচার করব। তরুণ ১: বৃক্ষরোপণ উৎসব আয়োজন করব। তরুণ ২: স্থানীয় সরকারকে অনুরোধ জানাবো। তরুণ ৩: বর্জ্য সঠিক জায়গায় ফেলব। তরুণ ১: জল সংরক্ষণও জরুরি। তরুণ ২: পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতনতা বাড়াবে। তরুণ ৩: গাছ আমাদের প্রাকৃতিক বন্ধু। তরুণ ১: একসঙ্গে কাজ করলে পরিবেশ সুন্দর হবে। তরুণ ২: আমরা উদ্যোগ নেবো দ্রুত। তরুণ ৩: ভবিষ্যতের জন্য ভালো কাজ করব।" স্বাস্থ্য সেবা ও ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে চিকিৎসক ও রোগীর আলোচনা,"চিকিৎসক: ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। রোগী: আমি নিয়ম মেনে ওষুধ নেব। চিকিৎসক: ডোজ ঠিক মতো নিতে হবে। রোগী: পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে জানাব। চিকিৎসক: সময়মতো চিকিৎসককে দেখতে হবে। রোগী: খাবারের সঙ্গে ওষুধ খাওয়ার নিয়ম শিখেছি। চিকিৎসক: সুস্থ থাকতে সঠিক জীবনযাপন দরকার। রোগী: ব্যায়াম করব নিয়মিত। চিকিৎসক: বিশ্রামও প্রয়োজন। রোগী: আমি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলব। চিকিৎসক: পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাও জরুরি। রোগী: আমি রোগ প্রতিরোধ করব সতর্কতার মাধ্যমে। চিকিৎসক: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো ভালো। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তার, আমি সতর্ক থাকব। চিকিৎসক: সুস্থ জীবন কামনা করি। ১৩৯. বিষয়: কর্মস্থলে সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মকানুন নিয়ে অফিস প্রধান ও কর্মচারীদের আলোচনা সংলাপ: অফিস প্রধান: অফিসে সময়মতো আসা জরুরি। কর্মচারী ১: আমরা চেষ্টা করব দেরি না করতে। কর্মচারী ২: সময়ানুবর্তিতা কাজের উন্নতির জন্য দরকার। অফিস প্রধান: বিরতিও সঠিক সময়ে নিতে হবে। কর্মচারী ৩: কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে হবে। কর্মচারী ১: অফিসের নিয়মকানুন মানব। অফিস প্রধান: সকলকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কর্মচারী ২: প্রয়োজনে সময়মতো অফিস ছাড়ব। কর্মচারী ৩: অফিসের কাজে নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করব। অফিস প্রধান: কাজের মান উন্নত করার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছি। কর্মচারী ১: আমি দায়িত্বশীল থাকবো। কর্মচারী ২: আমরা অফিসকে সুন্দর রাখব। অফিস প্রধান: সবাই মিলে ভালো পরিবেশ গড়তে হবে। কর্মচারী ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অফিস প্রধান: তোমাদের ওপর আস্থা রাখি। ১৪০. বিষয়: শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার গুরুত্ব ও শৃঙ্খলা বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা সংলাপ: শিক্ষক: খেলাধুলা শরীর সুস্থ রাখে। ছাত্র ১: আমরা প্রতিদিন খেলতে চাই। ছাত্র ২: খেলাধুলার মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে। শিক্ষক: তবে শৃঙ্খলা মেনে খেলতে হবে। ছাত্র ৩: সময়মতো মাঠে উপস্থিত থাকব। ছাত্র ১: খেলার সময় নিয়ম মানব। ছাত্র ২: অমার্জিত আচরণ করব না। শিক্ষক: " কর্মস্থলে সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মকানুন নিয়ে অফিস প্রধান ও কর্মচারীদের আলোচনা,"অফিস প্রধান: অফিসে সময়মতো আসা জরুরি। কর্মচারী ১: আমরা চেষ্টা করব দেরি না করতে। কর্মচারী ২: সময়ানুবর্তিতা কাজের উন্নতির জন্য দরকার। অফিস প্রধান: বিরতিও সঠিক সময়ে নিতে হবে। কর্মচারী ৩: কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে হবে। কর্মচারী ১: অফিসের নিয়মকানুন মানব। অফিস প্রধান: সকলকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কর্মচারী ২: প্রয়োজনে সময়মতো অফিস ছাড়ব। কর্মচারী ৩: অফিসের কাজে নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করব। অফিস প্রধান: কাজের মান উন্নত করার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছি। কর্মচারী ১: আমি দায়িত্বশীল থাকবো। কর্মচারী ২: আমরা অফিসকে সুন্দর রাখব। অফিস প্রধান: সবাই মিলে ভালো পরিবেশ গড়তে হবে। কর্মচারী ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অফিস প্রধান: তোমাদের ওপর আস্থা রাখি।" শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার গুরুত্ব ও শৃঙ্খলা বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা,"শিক্ষক: খেলাধুলা শরীর সুস্থ রাখে। ছাত্র ১: আমরা প্রতিদিন খেলতে চাই। ছাত্র ২: খেলাধুলার মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে। শিক্ষক: তবে শৃঙ্খলা মেনে খেলতে হবে। ছাত্র ৩: সময়মতো মাঠে উপস্থিত থাকব। ছাত্র ১: খেলার সময় নিয়ম মানব। ছাত্র ২: অমার্জিত আচরণ করব না। শিক্ষক: সততা ও ঐক্য বজায় রাখতে হবে। ছাত্র ৩: দলের সবাইকে সম্মান করব। ছাত্র ১: খেলাধুলা শিক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র ২: নিয়মিত অনুশীলন করব। শিক্ষক: তোমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। ছাত্র ৩: খেলাধুলা আমাদের মনোবল বাড়ায়। ছাত্র ১: ধন্যবাদ স্যার, আমরা শৃঙ্খলা মেনে খেলব। শিক্ষক: তোমাদের সাফল্য কামনা করি।" পাড়ায় আবর্জনা ফেলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আলোচনা,"পাড়া প্রধান: আমাদের পাড়া পরিষ্কার রাখতে সবাইকে সাহায্য করতে হবে। বাসিন্দা ১: আমরা আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলব। বাসিন্দা ২: রাস্তায় কাগজপত্র ফেলা বন্ধ করব। পাড়া প্রধান: গর্ত বা জলাবদ্ধ জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে। বাসিন্দা ৩: সবাই ময়লা-আবর্জনা ভাগাভাগি করে ফেলা উচিত। বাসিন্দা ১: সপ্তাহে একবার পরিষ্কার অভিযান চালাবো। বাসিন্দা ২: বয়স্কদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। পাড়া প্রধান: শিশুরাও পরিচ্ছন্নতায় সচেতন হবে। বাসিন্দা ৩: বর্জ্য সঠিকভাবে বাছাই করে ফেলব। বাসিন্দা ১: প্লাস্টিক কম ব্যবহার করব। পাড়া প্রধান: জলাশয় ও নদীর পাড় পরিষ্কার রাখতে হবে। বাসিন্দা ২: কভারড বস্তা ব্যবহার করব। বাসিন্দা ৩: প্রতিবেশীদের উৎসাহ দিয়ে পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি করব। পাড়া প্রধান: সবাই মিলে পরিশ্রম করলে পাড়া সুন্দর থাকবে।" গ্রামে বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে কৃষকদের কষ্ট নিয়ে আলোচনা,"কৃষক ১: বিদ্যুৎ চলে গেলে পাম্প কাজ করে না। কৃষক ২: পানি দিতে সমস্যা হয় ফসলের। গ্রাম প্রধান: আমি বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে যোগাযোগ করছি। কৃষক ৩: সময় মতো বিদ্যুৎ না পেলে ক্ষতি হয়। গ্রাম প্রধান: সোলার প্যানেল ব্যবহারের কথা ভাবছি। কৃষক ১: বিকল্প শক্তি ব্যবহার করা জরুরি। কৃষক ২: আমাদের ফসল বাঁচাতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্রাম প্রধান: একসাথে দাবী করলে দ্রুত কাজ হবে। কৃষক ৩: সবাই মিলে বিদ্যুৎ সচল রাখতে সাহায্য করব। গ্রাম প্রধান: আমি সরকারের কাছে আবেদন করব। কৃষক ১: বিদ্যুতের গুণগত মানও বাড়াতে হবে। কৃষক ২: আমরা যতটা সম্ভব সঞ্চয় করব। গ্রাম প্রধান: নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করব। কৃষক ৩: সবাই একসঙ্গে থাকলে সমস্যা সমাধান হবে।" স্কুলে ছাত্রীদের পোশাক ও শৃঙ্খলা বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা,"শিক্ষক: স্কুলের পোশাক নিয়ম মেনে পরতে হবে। অভিভাবক ১: আমি মেয়ের পোশাক নিয়ে সতর্ক থাকব। শিক্ষক: ছাত্রীদের আচরণও শালীন হতে হবে। অভিভাবক ২: আমরা সন্তানদের শৃঙ্খলা শেখাবো। শিক্ষক: সময়মতো স্কুলে আসতে হবে। অভিভাবক ৩: শিক্ষকদের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। শিক্ষক: গুজব ও ভুল তথ্য থেকে বিরত থাকতে হবে। অভিভাবক ১: পড়াশোনা ও আচরণে মনোযোগ দিব। শিক্ষক: ক্লাসের পরিবেশ সুস্থ রাখতে সহযোগিতা দরকার। অভিভাবক ২: আমি স্কুলের নিয়মাবলী সম্পর্কে জানব। শিক্ষক: ছাত্রীরা নিরাপদে স্কুলে আসা-যাওয়া করবে। অভিভাবক ৩: শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করব। শিক্ষক: পরস্পরের সম্মান বজায় রাখতে হবে। অভিভাবক ১: শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়াতে কাজ করব।" বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী কেনাকাটা নিয়ে পরিবারে আলোচনা,"বাবা: বাজারের দাম অনেক বেড়ে গেছে। মা: তাই আমাদের সাশ্রয়ী হওয়া দরকার। ছেলে: আমরা প্রয়োজনীয় জিনিস আগে চিন্তা করব। মেয়ে: অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা বন্ধ করব। বাবা: বাজারে গেলে তুলনা করে কিনতে হবে। মা: বিক্রেতার সাথে দর কষাকষি করব। ছেলে: অফার ও ডিসকাউন্ট খুঁজে দেখব। মেয়ে: পণ্য ভালোভাবে পরীক্ষা করব। বাবা: মজুত জিনিস আগে ব্যবহার করব। মা: পরিবারের সবাই মিলেমিশে বাজেট ঠিক করব। ছেলে: বেশি ব্যয় এড়াবো। মেয়ে: প্রয়োজন মতোই খাবার নেবো। বাবা: বাজারে সময় বাঁচিয়ে দ্রুত কেনাকাটা করব। মা: আমাদের অর্থ সংরক্ষণ হবে। সবাই: আমরা সাশ্রয়ী জীবন যাপন করব। " ছুটির দিনে নিরাপদ ভ্রমণ ও প্রস্তুতি নিয়ে বন্ধুরা আলোচনা,"বন্ধু ১: ছুটির দিনে কোথায় যাবো? বন্ধু ২: পার্কে যাওয়া ভালো হবে। বন্ধু ৩: আমরা গাড়ি নিয়ে যাবো। বন্ধু ১: আগে সব ব্যবস্থা দেখে নেবো। বন্ধু ২: নিরাপত্তার জন্য সিটবেল্ট পরব। বন্ধু ৩: সময়মতো সব ঠিকঠাক করে চলব। বন্ধু ১: খাবার ও পানীয় সাথে রাখব। বন্ধু ২: প্রয়োজনীয় ঔষধও নিয়ে যাবো। বন্ধু ৩: মোবাইল ফোন চার্জ পূর্ণ রাখব। বন্ধু ১: সবাই একসঙ্গে চলবে। বন্ধু ২: পথের মানচিত্র দেখে নেবো। বন্ধু ৩: দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্ক থাকব। বন্ধু ১: সময়মতো ফিরবো। বন্ধু ২: পরিবেশ রক্ষা করব। বন্ধু ৩: আনন্দে ভ্রমণ করব।" পরিবারে শিশুদের পড়াশোনা ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাবা-মার আলোচনা,"বাবা: শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ দিক। মা: সময়মতো ঘুমানো ও উঠানো জরুরি। বাবা: টিভি ও মোবাইল কম ব্যবহার করুক। মা: খেলার সময় ঠিকঠাক দিতে হবে। বাবা: পড়ার জন্য শান্ত পরিবেশ চাই। মা: হোমওয়ার্ক নিয়মিত করতে হবে। বাবা: আমরা সঠিক পরামর্শ দিব। মা: ভালো আচরণের জন্য উদাহরণ তৈরি করব। বাবা: বিদ্যালয়ের নিয়ম মেনে চলবে। মা: বন্ধুদের ভালো বাছাই করবে। বাবা: মা-বাবার কথা শোনার অভ্যাস গড়ে তুলবে। মা: শিশুদের সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দিব। বাবা: তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। মা: সময়মতো খাওয়া-দাওয়ার খেয়াল রাখবে। বাবা: আমরা সর্বদা পাশে থাকব।" শহরে ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার গুরুত্ব নিয়ে পুলিশের আলোচনা,"পুলিশ ১: ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা জরুরি। পুলিশ ২: দুর্ঘটনা রোধ করতে সচেতন হতে হবে। পুলিশ ৩: হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। পুলিশ ১: গাড়ির গতি সীমা বজায় রাখতে হবে। পুলিশ ২: মোবাইল ফোন চালানোর সময় ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। পুলিশ ৩: পথচারীদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ ১: ড্রাইভারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। পুলিশ ২: সিগন্যাল ও লাইট মেনে চলা জরুরি। পুলিশ ৩: গাড়ি চালানোর সময় মদ্যপান নিষেধ। পুলিশ ১: সবাইকে সচেতন করতে প্রচার চালাবো। পুলিশ ২: জরুরী অবস্থায় পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। পুলিশ ৩: নিয়ম না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ ১: শহরের পথ নিরাপদ রাখতে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। পুলিশ ২: ধৈর্য্য ও শিষ্টাচার বজায় রাখতে হবে। পুলিশ ৩: সবাই মিলে শহরটাকে সুন্দর ও নিরাপদ করে তুলি।" গ্রামে পানি সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার আলোচনা,"গ্রাম প্রধান: পানির সঠিক ব্যবহার দরকার। কৃষক ১: ফসলের জন্য পানি বাঁচাতে হবে। গ্রাম প্রধান: সেচ ব্যবস্থা উন্নত করব। কৃষক ২: পানির অপচয় রোধ করতে হবে। গ্রাম প্রধান: বাড়ি বাড়ি বৃষ্টি জল সংগ্রহের পদ্ধতি চালু করব। কৃষক ৩: গ্রামবাসীদের সচেতন করব। গ্রাম প্রধান: নদীর পানির দূষণ কমাতে হবে। কৃষক ১: প্লাস্টিক ব্যবহার কমাবো। গ্রাম প্রধান: সবাই মিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাবো। কৃষক ২: জলাশয় পরিষ্কার রাখবো। গ্রাম প্রধান: শিশুদেরও পরিবেশ সচেতনতা শিখাবো। কৃষক ৩: আমরা গ্রামটাকে সুন্দর ও সবুজ রাখব। গ্রাম প্রধান: পানি বাঁচানো মানেই জীবন বাঁচানো। কৃষক ১: আমরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করব। গ্রাম প্রধান: সবাইকে ধন্যবাদ সহযোগিতার জন্য।" শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণ বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা,"শিক্ষক: তোমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবো। ছাত্র ১: আমি ডাক্তার হতে চাই। ছাত্র ২: আমি ইঞ্জিনিয়ার হব। শিক্ষক: লক্ষ্য ঠিক করে পরিশ্রম করো। ছাত্র ৩: আমি ভালো রেজাল্ট করার চেষ্টা করব। শিক্ষক: সময়মতো পড়াশোনা করো। ছাত্র ১: আমি পরীক্ষা প্রস্তুতি শুরু করব। ছাত্র ২: পরীক্ষার চাপ সামলাতে শিখব। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস রাখো। ছাত্র ৩: শিক্ষক ও অভিভাবকদের কথা শুনব। শিক্ষক: লক্ষ্য অর্জনে ধৈর্য্য দরকার। ছাত্র ১: আমি মনোযোগ দিয়ে পড়ব। ছাত্র ২: ভুল থেকে শিক্ষা নেব। শিক্ষক: তোমাদের সাফল্য আমাদের আনন্দ। ছাত্র ৩: আমি দায়িত্বশীল হব। শিক্ষক: ভালো ভবিষ্যৎ গড়তে সবাই মিলে কাজ করো।" অফিসে স্বাস্থ্যবিধি ও করোনা প্রতিরোধে সতর্কতা বিষয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। কর্মচারী ১: মাস্ক পরব নিয়মিত। কর্মচারী ২: হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করব। ম্যানেজার: সবার টেম্পারেচার নিয়মিত মাপা হবে। কর্মচারী ৩: সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখব। কর্মচারী ১: অফিসে আসার আগে সতর্ক থাকব। কর্মচারী ২: অসুস্থ হলে অফিস আসব না। ম্যানেজার: পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত স্যানিটাইজ করব। কর্মচারী ৩: স্বাস্থ্য সমস্যা হলে দ্রুত জানাবো। কর্মচারী ১: অফিসের নিয়ম মানব। ম্যানেজার: সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতন হতে হবে। কর্মচারী ২: আমরা সবাই একসঙ্গে থাকব নিরাপদে। কর্মচারী ৩: মাস্ক ছাড়াও হাত ধোয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। ম্যানেজার: প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কর্মচারী ১: অফিস পরিবেশ নিরাপদ রাখতে চেষ্টা করব। ম্যানেজার: সবাই সুস্থ থাকুক, এটাই কামনা। " এলাকায় রাস্তার বাতি মেরামতের আবেদন।,"তারিখ: ২০ জানুয়ারি ২০২৫ প্রেরক: জাহিদুল ইসলাম, উত্তর কোটবাড়ি, কুমিল্লা সদর। প্রাপক: মেয়র, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত উত্তর কোটবাড়ি এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কের প্রায় সব রাস্তার বাতি গত এক মাস ধরে নষ্ট হয়ে আছে। এতে করে সন্ধ্যার পর এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকে এবং পথচারীরা নানা সমস্যায় পড়েন। বিশেষ করে নারীরা ও শিশুদের চলাফেরায় ভীতি তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায় আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি যেন অতি দ্রুত রাস্তার বাতিগুলো মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এতে করে জনসাধারণ স্বস্তির সঙ্গে চলাচল করতে পারবে। নিবেদক জাহিদুল ইসলাম উত্তর কোটবাড়ি, কুমিল্লা সদর।" খাল পরিষ্কার ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: নির্বাহী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলা বিষয়: খাল পরিষ্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমরা চাঁদপুর জেলার পুরানবাজার এলাকার বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় যে খালটি আছে, সেটি দীর্ঘদিন যাবৎ পরিস্কার না করায় পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই খালের পানি রাস্তা ও বাড়িঘরে প্রবেশ করে এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতা শুধু জনদুর্ভোগ নয়, এর ফলে ডায়রিয়া, চর্মরোগ, মশাবাহিত রোগও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবী মানুষের চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। অতএব, আমাদের এলাকার খালটি নিয়মিত পরিষ্কার এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আপনার দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম পুরানবাজার, চাঁদপুর" বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফুলবাড়ী, দিনাজপুর বিষয়: বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, ফুলবাড়ী উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে এই আবেদন পত্র দাখিল করছি। বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে মোট ৫টি শ্রেণিকক্ষ রয়েছে, অথচ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৫০ জনের বেশি। ফলে একেকটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮০–১০০ পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায়, যা একটি শ্রেণিকক্ষের ধারণক্ষমতার বাইরে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে, শিক্ষকদের পক্ষে মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলস্বরূপ শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। অতএব, বিদ্যালয়ের মানোন্নয়নের স্বার্থে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ হাফিজুর রহমান সহকারী শিক্ষক, ফুলবাড়ী বালিকা বিদ্যালয় ফুলবাড়ী, দিনাজপুর" এলাকায় ডাস্টবিন স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাভার পৌরসভা, ঢাকা বিষয়: এলাকায় ডাস্টবিন স্থাপন করে পরিচ্ছন্নতা রক্ষার আবেদন। জনাব, আমরা সাভার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় এখনও নির্দিষ্ট কোনো ডাস্টবিন নেই। ফলে লোকজন রাস্তার পাশে কিংবা খোলা জায়গায় আবর্জনা ফেলতে বাধ্য হন। এতে শুধু পরিবেশ দূষিত হচ্ছে না, আশপাশে বসবাসকারী মানুষের স্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়ছে। বৃষ্টির সময় এসব আবর্জনা মিশে পানি জমে যায়, যা দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং মশা-মাছি বংশবৃদ্ধি করে নানা রোগের সৃষ্টি করছে। অতএব, আমাদের এলাকায় অন্তত দুটি স্থানে বড় ডাস্টবিন স্থাপন এবং নিয়মিত ময়লা অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোছা. রোকেয়া বেগম ৭নং ওয়ার্ড, সাভার পৌরসভা" শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সুবিধা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (BRTC) বিষয়: শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বাস সার্ভিস চালুর আবেদন। জনাব, আমরা রংপুর শহরের আশেপাশের গ্রামের শিক্ষার্থীরা রংপুর সরকারি কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন যাতায়াত করি। কিন্তু সকাল ও বিকেলের সময় পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় ভীষণ ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেক সময় দাঁড়িয়ে, এমনকি ঝুলে ঝুলে বাসে উঠতে হয়। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আরও কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক সময় ভাড়া নিয়েও সমস্যার সৃষ্টি হয়। অতএব, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে রংপুর শহর অভিমুখী একটি নির্দিষ্ট BRTC শিক্ষার্থী বাস সার্ভিস চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক সালমা আক্তার রোকেয়া নগর, রংপুর" এলাকায় নিয়মিত ময়লা পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন বিষয়: এলাকায় নিয়মিত ময়লা পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের দেওভোগ এলাকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা। বিগত কয়েক মাস ধরে লক্ষ্য করছি, আমাদের এলাকায় নিয়মিত ময়লা পরিষ্কার করা হচ্ছে না। ফলে রাস্তার ধারে, খোলা জায়গায় এবং ড্রেনের পাশে আবর্জনার স্তূপ জমে গেছে। এতে করে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং চারপাশে মশা-মাছির উৎপাত বেড়ে গেছে। বিশেষ করে শিশু এবং বৃদ্ধরা এতে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। আশেপাশের এলাকায় ডেঙ্গু ও অন্যান্য জলবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। অতএব, অবিলম্বে আমাদের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ করে নিয়মিত ময়লা অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আপনার দপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ ফিরোজ আহমেদ দেওভোগ, নারায়ণগঞ্জ " এলাকায় সড়কের খানাখন্দ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: নির্বাহী প্রকৌশলী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) রাজশাহী জেলা অফিস বিষয়: সড়কে খানাখন্দ সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার প্রধান সড়কটি বর্তমানে খানাখন্দে ভরা। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে ছোট ছোট গর্তগুলো ভয়াবহ রূপ ধারণ করে, যা থেকে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অনেক বাইক, রিকশা ও সিএনজি উল্টে গিয়ে যাত্রী আহত হয়েছেন। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচল রীতিমতো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী, অফিসগামী কর্মজীবীসহ শত শত মানুষ যাতায়াত করে। তাই দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক আসিফ মাহমুদ চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী" এলাকায় একটি সরকারিভাবে পরিচালিত চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: সিভিল সার্জন চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়: এলাকায় একটি সরকারিভাবে পরিচালিত চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কেশবপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামে প্রায় ৫ হাজারের বেশি মানুষ বসবাস করলেও কোনো সরকারিভাবে পরিচালিত স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। সাধারণ সর্দি-জ্বর থেকে শুরু করে জটিল অসুখে আক্রান্ত রোগীদের ১০–১৫ কিলোমিটার দূরে গিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে হয়, যা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ ও শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক। অতএব, মানবিক দিক বিবেচনা করে আমাদের গ্রামে একটি কমিউনিটি ক্লিনিক বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক রফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, কেশবপুর, দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা" এলাকায় বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকূপ স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশাশুনি উপজেলা, সাতক্ষীরা বিষয়: এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ধানগড়া গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় খাওয়ার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ টিউবওয়েলের পানি লবণাক্ত এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে দূরের বাজার বা অন্য গ্রাম থেকে পানি সংগ্রহ করে, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সময়ের অপচয় রোধে আমাদের এলাকায় ২–৩টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। অতএব, মানবিক বিবেচনায় দ্রুত গভীর নলকূপ স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আবদুল করিম ধানগড়া, আশাশুনি, সাতক্ষীরা " স্কুলে নিরাপদ বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার লক্ষ্মীপুর জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে সুরক্ষিত বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ‘আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা। বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে বাউন্ডারি ওয়াল ছাড়া চালু আছে। ফলে বহিরাগত ব্যক্তি ও গবাদিপশুর অবাধ চলাচল ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান ব্যাহত করে। বহুবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শিশুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং অনেক সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতএব, শিশুদের নিরাপত্তা ও মনোযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে জরুরিভাবে একটি বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শাহীন মিয়া অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর" শিশুদের জন্য খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিষয়: শিশুদের জন্য খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা ও এলাকার এক কন্যা শিশুদের অভিভাবক। আমাদের এলাকায় শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। অনেক শিশু বাড়ির বাইরের খোলা জায়গায় খেলাধুলা করে, যা নিরাপদ নয় এবং সচরাচর দুর্ঘটনার শিকার হয়। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য খেলার মাঠের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এটি শিশুদের মধ্যে সামাজিকতা ও দলগত কাজ শেখার সুযোগ করে দেয়। বর্তমানে আমাদের এলাকার শিশুদের খেলাধুলার জন্য কোনো সুষ্ঠু জায়গা না থাকার কারণে তাদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। অতএব, এলাকার শিশুদের স্বাস্থ্যসম্মত ও সুরক্ষিত খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে একটি খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, সিরাজগঞ্জ সদর" সড়কে চলাচলের জন্য সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বিষয়: ব্যস্ত সড়কে সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমি ঢাকার উত্তরায় বাস করি। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কে প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে প্রচণ্ড যানজট এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। যানবাহন ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য একটি সিগন্যাল স্থাপনের প্রয়োজন। বর্তমানে সড়কে যানজট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যা সময়ের অপচয় এবং মানুষের নিরাপত্তা হুমকির কারণ। বিশেষ করে বাচ্চা ও প্রবীণ ব্যক্তিদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ। অতএব, এলাকায় দ্রুত একটি ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করে নিরাপদ ও সুষ্ঠু চলাচলের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক আলিম হোসেন উত্তরা, ঢাকা" গৃহহীনদের জন্য আবাসন প্রকল্প গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাগেরহাট সদর উপজেলা বিষয়: গৃহহীনদের জন্য আবাসন প্রকল্প গ্রহণের আবেদন। জনাব, বাগেরহাট সদর উপজেলার অসংখ্য গৃহহীন পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন বা খোলা আকাশের নিচে দিনাতিপাত করছেন। তাদের নিরাপদ, স্থায়ী ও সাশ্রয়ী মূল্যের বাসস্থানের অভাব রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থাকলেও যথাযথ তথ্য ও সহযোগিতার অভাবে অনেক গৃহহীন প্রকৃত সুবিধাভোগী থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমরা মনে করি, গৃহহীনদের জন্য বিশেষ আবাসন প্রকল্প হাতে নেওয়া প্রয়োজন। অতএব, দয়া করে গৃহহীনদের জীবনমান উন্নয়নে একটি পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প গ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছা. রোকসানা পারভীন বাসিন্দা, বাগেরহাট সদর" স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট সমাধানের আবেদন,"তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার নোয়াখালী জেলা বিষয়: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট সমাধানের আবেদন। জনাব, নোয়াখালী জেলার হাসনাবাদ এলাকার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট বিরাজ করছে। বর্তমানে মোট ৬টি শ্রেণিতে মাত্র ৩ জন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন, যার ফলে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও মনোযোগ কমে গেছে এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক ফলাফল নেতিবাচক প্রভাবিত হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে অতিরিক্ত শিক্ষকের নিয়োগের জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ সাদিকুর রহমান বাসিন্দা, হাসনাবাদ, নোয়াখালী" এলাকার খেলার মাঠে বেল্ট ও স্লাইড স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ৫ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোবিন্দগঞ্জ, দিনাজপুর বিষয়: এলাকার খেলার মাঠে শিশুদের জন্য বেল্ট ও স্লাইড স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা গোরিন বাজার এলাকার অভিভাবকরা, যারা চাই যে আমাদের এলাকার শিশুদের নিরাপদ এবং আধুনিক খেলার সুযোগ নিশ্চিত হোক। বর্তমানে আমাদের এলাকার খেলার মাঠে খেলাধুলার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য আধুনিক ও সুরক্ষিত বেল্ট, স্লাইড ইত্যাদি খেলনার অভাব রয়েছে। এগুলো শিশুদের শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি মনোরঞ্জনেও সাহায্য করবে। তাই আপনাকে অনুরোধ করছি যেন দ্রুত খেলার মাঠে এসব যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদক মোছা. সেলিনা পারভীন বাসিন্দা, গোরিন বাজার, দিনাজপুর" জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১০ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচালক পলাশবাড়ী, নীলফামারি বিষয়: জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমাদের পলাশবাড়ী উপজেলার বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সীমিত। দরিদ্র ও অসহায় জনগণ প্রাথমিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আমরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সহজতর হবে। নিবেদক মোঃ আনিসুর রহমান বাসিন্দা, পলাশবাড়ী, নীলফামারি" এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পুলিস টহল বৃদ্ধি করার আবেদন,"তারিখ: ১৫ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: পুলিশ সুপার কুমিল্লা জেলা বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পুলিশ টহল বৃদ্ধি করার আবেদন। জনাব, কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কে সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যানজট ও অসতর্কতার কারণে বেশ কিছু মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটছে। আমাদের এলাকার বাসিন্দারা সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন হলেও, পুলিশের উপস্থিতি না থাকার কারণে যানবাহন চালকদের অযথা নিয়ম ভঙ্গের প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে। অতএব, অনুরোধ করছি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পুলিশ টহল বৃদ্ধি ও কঠোর আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণের জন্য। নিবেদক মোঃ নুরুল ইসলাম বাসিন্দা, কুমিল্লা সদর" বাচ্চাদের জন্য শহরের নতুন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার আবেদন,"তারিখ: ২০ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: সংস্কৃতি অধিদপ্তর ঢাকা জেলা অফিস বিষয়: শিশু ও কিশোরদের জন্য নতুন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার আবেদন। জনাব, ঢাকার একটি বড় সমস্যা হলো শিশু ও কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত পাঠাগার ও অধ্যয়নকেন্দ্রের অভাব। তারা বিদ্যালয়ের বাইরে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে না। একটি নতুন পাঠাগার শিশুদের জ্ঞানার্জন ও মননশীলতার বিকাশে ভূমিকা রাখবে। আমাদের এলাকার অনেক অভিভাবকই চান, যাতে শিশুরা সুন্দর পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। তাই অনুরোধ করছি দ্রুত নতুন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। নিবেদক মোঃ জাকির হোসেন বাসিন্দা, মোহাম্মদপুর, ঢাকা" গ্রামের শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল বই বিতরণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার গোপালগঞ্জ জেলা বিষয়: গ্রামের দরিদ্র শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল বই বিতরণের আবেদন। জনাব, গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন দরিদ্র এলাকার শিশুদের বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় বই কেনার সামর্থ্য নেই। এতে তাদের শিক্ষাজীবনে ব্যাঘাত ঘটছে। আমরা বিশ্বাস করি, শিশুদের শিক্ষার সমতা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা খুব জরুরি। অতএব, দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতায় স্কুল বই বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম বাসিন্দা, গোপালগঞ্জ সদর" শহরের সড়কে পথচারীদের জন্য ফুটপাথ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ৩০ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বিষয়: শহরের সড়কে পথচারীদের জন্য ফুটপাথ নির্মাণের আবেদন। জনাব, চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কে পথচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ফুটপাথ নেই। ফলে তাঁরা গাড়ি চলাচলের সড়কে নামতে বাধ্য হন, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে বাচ্চা ও বৃদ্ধদের চলাচলে এটি সমস্যা সৃষ্টি করে। সুন্দর ও সুরক্ষিত ফুটপাথ নির্মাণে দ্রুত উদ্যোগ নিলে পথচারীদের চলাচল সহজতর হবে এবং দুর্ঘটনা কমবে। অতএব, দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কে পথচারীদের জন্য ফুটপাথ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, চট্টগ্রাম" বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সড়ক সুবিধার আবেদন,"তারিখ: ৫ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক সিলেট জেলা বিষয়: বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সড়ক সুবিধা প্রদান। জনাব, সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকায় বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের চলাচলের জন্য যথাযথ সড়ক সুবিধা নেই। ফুটপাত খুবই সংকীর্ণ এবং উঠানামা পূর্ণ হওয়ায় তাঁদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। সরকারি আইন অনুযায়ী প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের জন্য বিশেষ সড়ক ও র‍্যাম্প নির্মাণের প্রয়োজন। এটি তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে। অতএব, দ্রুত এই সুবিধাগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রফিকুজ্জামান বাসিন্দা, সিলেট সদর " গ্রাম অঞ্চলে উন্নত বিদ্যুত সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ৮ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: এলইডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী রাজশাহী জেলা বিষয়: গ্রাম অঞ্চলে উন্নত বিদ্যুত সরবরাহের আবেদন। জনাব, রাজশাহী জেলার পাশাপাশা গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত দুর্বল ও অনিয়মিত। প্রায় প্রতিদিনই বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন থাকে, যার কারণে কৃষক ও ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। উন্নত বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি যন্ত্রপাতি ও স্থানীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। অতএব, গ্রামাঞ্চলে উন্নত ও অবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাসিন্দা, পাশাপাশা গ্রাম, রাজশাহী" গ্রামের স্কুলের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১০ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিষয়: গ্রামের স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঠাকুরগাঁওয়ের আমার গ্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে কম্পিউটার ল্যাব নেই। বর্তমান যুগে প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার বিষয়ে কোনো শিক্ষা না পাওয়ায় তারা পিছিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। অতএব, বিদ্যালয়ে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাসান আলী বাসিন্দা, ঠাকুরগাঁও সদর" এলাকার বাসস্ট্যান্ড সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ১২ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: পৌর মেয়র ঝিনাইদহ পৌরসভা বিষয়: এলাকার বাসস্ট্যান্ড সংস্কারের আবেদন। জনাব, ঝিনাইদহ পৌরসভার চাঁদপুর এলাকায় অবস্থিত বাসস্ট্যান্ডটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার না হওয়ায় খুবই অপরিষ্কার ও অস্বস্তিকর অবস্থায় রয়েছে। বাসযাত্রীদের জন্য বসার ব্যবস্থা নেই, আশ্রয়ের অভাব রয়েছে এবং আবর্জনা স্তূপিত রয়েছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি হয়। অতএব, বাসস্ট্যান্ডটি সংস্কার করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুষ্ঠু পরিবেশে যাত্রীদের সেবা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রবিউল ইসলাম বাসিন্দা, চাঁদপুর, ঝিনাইদহ" শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ঝালকাঠি জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঝালকাঠির আমাদের সরকারি বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি বিষয়ে পিছিয়ে পড়ছে। আধুনিক শিক্ষার জন্য কম্পিউটার ল্যাব অত্যন্ত জরুরি। অতএব, ল্যাব স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদুল ইসলাম বাসিন্দা, ঝালকাঠি সদর" লাকার পানিতে দূষণ নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিভাগ বরিশাল জেলা বিষয়: এলাকার পানিতে দূষণ নিরসনের আবেদন। জনাব, বরিশালের আমাদের গ্রামে পানির উৎস দূষিত হওয়ায় শুদ্ধ পানি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে অসুস্থতার সংখ্যা বাড়ছে। অতএব, পানির উৎস পরিষ্কার ও দূষণ মুক্ত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন বাসিন্দা, বরিশাল সদর" শহরের প্রবেশপথে গেট নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ৫ মে ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র ফেনী পৌরসভা বিষয়: শহরের প্রবেশপথে গেট নির্মাণের আবেদন। জনাব, ফেনী শহরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার জন্য গেট নির্মাণ প্রয়োজন। এতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ কমবে। অতএব, গেট নির্মাণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শহীদুল ইসলাম বাসিন্দা, ফেনী পৌরসভা" এলাকায় বাস ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আবেদন,"তারিখ: ১০ মে ২০২৫ প্রাপক: জেলা ট্রাফিক কর্মকর্তা সিলেট জেলা বিষয়: এলাকায় বাস ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আবেদন। জনাব, সিলেটের আমাদের এলাকায় বাস চলাচলের সময় অসংগতি ও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় যাত্রীদের সমস্যা হচ্ছে। অতএব, বাস ট্রাফিকের কার্যকর ব্যবস্থাপনা করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আতিকুর রহমান বাসিন্দা, সিলেট সদর " সরকারি খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ১৫ মে ২০২৫ প্রাপক: জেলা ক্রীড়া সংস্থা ময়মনসিংহ জেলা বিষয়: সরকারি খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহের সরকারি খেলার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। এতে ক্রীড়াবিদ ও যুব সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, দ্রুত সংস্কারের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শাহজাহান আলী বাসিন্দা, ময়মনসিংহ সদর" এলাকার বিদ্যুতের সমস্যার দ্রুত সমাধানের আবেদন,"তারিখ: ২০ মে ২০২৫ প্রাপক: উপ-অধিনায়ক বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজার বিষয়: এলাকায় বিদ্যুতের সমস্যার দ্রুত সমাধানের আবেদন। জনাব, কক্সবাজারের আমাদের এলাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও লোডশেডিং সমস্যা সৃষ্টি হয়। এতে লোকজনের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, দ্রুত বিদ্যুতের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ মাহফুজুর রহমান বাসিন্দা, কক্সবাজার সদর " গ্রাম এলাকায় উন্নত সড়ক নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ মে ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বান্দরবান সদর উপজেলা বিষয়: গ্রাম এলাকায় উন্নত সড়ক নির্মাণের আবেদন। জনাব, বান্দরবান জেলার আমাদের গ্রামের সড়কগুলো দুর্বল ও মাটির কারণে বর্ষায় চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে কৃষিজীবীরা পণ্য বাজারে নিয়ে যাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। উন্নত সড়ক নির্মাণ না হলে এই দুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে। অতএব, অবিলম্বে উন্নত সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আবুল কাশেম বাসিন্দা, বান্দরবান সদর" স্কুলে নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা গড়ার আবেদন,"তারিখ: ৩০ মে ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার রংপুর জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা গড়ার আবেদন। জনাব, রংপুর জেলার সরকারি বিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশে নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই। এতে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের অসুস্থতার ঝুঁকি রয়েছে। অতএব, বিদ্যালয়ে পানীয় জল সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম বাসিন্দা, রংপুর সদর" শহরে শিশু পার্ক নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ৫ জুন ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান ময়মনসিংহ পৌরসভা বিষয়: শহরে শিশু পার্ক নির্মাণের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ শহরের শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল খেলার জায়গার অভাব রয়েছে। একটি আধুনিক শিশু পার্ক শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে। অতএব, দ্রুত একটি শিশু পার্ক নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছা. রুমানা আক্তার বাসিন্দা, ময়মনসিংহ পৌরসভা " বন্যা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সহায়তার আবেদন,"তারিখ: ১০ জুন ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক সিলেট জেলা বিষয়: বন্যা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সহায়তার আবেদন। জনাব, সিলেট জেলার অনেক এলাকা সাম্প্রতিক বন্যায় বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখানে খাদ্য, পানি ও ঔষধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দুর্ভিক্ষ ও রোগ বিস্তার রোধে দ্রুত ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন। অতএব, বন্যা দুর্গত এলাকায় জরুরি ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ কামরুল হাসান বাসিন্দা, সিলেট সদর" গ্রামে স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১৫ জুন ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কক্সবাজার উপজেলা বিষয়: স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। জনাব, কক্সবাজারের গ্রামীণ এলাকাগুলোতে স্যানিটেশন ব্যবস্থা দুর্বল এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কম। ফলে রোগব্যাধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য কর্মশালা আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। অতএব, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালা আয়োজনের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ আজিজুর রহমান বাসিন্দা, কক্সবাজার" শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আবেদন,"তারিখ: ২০ জুন ২০২৫ প্রাপক: মেয়র ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বিষয়: শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক না হওয়ায় পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে চাই। অতএব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন" এলাকায় নিরাপদ শিশু পরিবহনের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা চেয়ারম্যান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবহনের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শিশু শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় নিরাপত্তাহীনতার কারণে বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। অতএব, শিশু পরিবহনের জন্য বিশেষ বাস/রিকশা ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছা. লিলি আক্তার বাসিন্দা, গোবিন্দগঞ্জ" স্কুলে পরিবেশ বান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ৩০ জুন ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার বগুড়া জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে পরিবেশ বান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বগুড়া জেলার একটি সরকারি বিদ্যালয়ে পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ ও প্লাস্টিক ব্যবহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। অতএব, বিদ্যালয়ে পরিবেশ বান্ধব কার্যক্রম গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন বাসিন্দা, বগুড়া সদর" সড়কে ট্রাফিক সাইন ও গতি নিয়ন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ৫ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: জেলা ট্রাফিক কর্মকর্তা ঝালকাঠি জেলা বিষয়: সড়কে ট্রাফিক সাইন ও গতি নিয়ন্ত্রণের আবেদন। জনাব, ঝালকাঠির ব্যস্ত সড়কে ট্রাফিক সাইন ও গতি নিয়ন্ত্রণের অভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে। পথচারী ও যানজট নিয়ন্ত্রণে এই ব্যবস্থা জরুরি। অতএব, দ্রুত ট্রাফিক সাইন স্থাপন ও গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাসিন্দা, ঝালকাঠি সদর" এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ১০ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: প্রধান প্রকৌশলী স্থানীয় সরকার বিভাগ বিষয়: এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত হওয়ায় পরিবেশ দূষণ এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার প্রয়োজন। অতএব, আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাসান আলী বাসিন্দা, ঢাকা" বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রমের আবেদন,"তারিখ: ১৫ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নরসিংদী উপজেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রমের আবেদন। জনাব, নরসিংদীর একটি সরকারি বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না হওয়ায় বিভিন্ন রোগ সনাক্তকরণ বিলম্বিত হচ্ছে। অতএব, বিদ্যালয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ তরিকুল ইসলাম বাসিন্দা, নরসিংদী সদর" এলাকায় বিদ্যুতের লাইন স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২০ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা বিদ্যুৎ প্রকৌশলী নওগাঁ সদর উপজেলা বিষয়: গ্রামের দূর্গম এলাকায় বিদ্যুতের লাইন স্থাপনের আবেদন। জনাব, নওগাঁ জেলার দূর্গম এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামে বিদ্যুতের লাইন না থাকার কারণে এলাকার মানুষ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিদ্যুতের প্রবেশ জরুরি। অতএব, দ্রুত বিদ্যুতের লাইন স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রিয়াদ হাসান বাসিন্দা, নওগাঁ সদর" শহরের আবর্জনা নিক্ষেপ স্থানের উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র যশোর পৌরসভা বিষয়: শহরের আবর্জনা নিক্ষেপ স্থানের উন্নয়নের আবেদন। জনাব, যশোর শহরের আবর্জনা নিক্ষেপ স্থান অপরিষ্কার ও দূষিত হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়নের প্রয়োজন। অতএব, আবর্জনা নিক্ষেপ স্থানের উন্নয়নের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুর রহমান বাসিন্দা, যশোর পৌরসভা" স্কুলে শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ৩০ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার কুমিল্লা জেলা বিষয়: শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। জনাব, কুমিল্লার সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষাদানের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার মান উন্নত হবে। অতএব, দ্রুত প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আজিজুল হক বাসিন্দা, কুমিল্লা সদর" এলাকার রাস্তার নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ৫ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা প্রকৌশলী কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিষয়: রাস্তার নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণের আবেদন। জনাব, কুষ্টিয়ার একটি ব্যস্ত সড়কে নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেষ্টনী নির্মাণ জরুরি। অতএব, দ্রুত বেষ্টনী নির্মাণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাজমুল হোসেন বাসিন্দা, কুষ্টিয়া সদর " বিদ্যালয়ে আগুন নির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১০ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার সুনামগঞ্জ জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে আগুন নির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন। জনাব, সুনামগঞ্জের একটি সরকারি বিদ্যালয়ে আগুন নির্বাপক যন্ত্রপাতি না থাকার কারণে স্কুলের শিশু ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। অতএব, আগুন নির্বাপক ব্যবস্থা দ্রুত স্থাপনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, সুনামগঞ্জ সদর" গ্রামে বিদ্যুতের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন,"তারিখ: ১৫ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝিনাইদহ সদর উপজেলা বিষয়: গ্রামের বিদ্যুতের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। জনাব, ঝিনাইদহ জেলার আমাদের গ্রামের বিদ্যুতের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়ছেন। অতএব, স্থায়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আনিসুর রহমান বাসিন্দা, ঝিনাইদহ সদর" শহরে যানজট কমানোর জন্য পার্কিং ব্যবস্থা নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র রাজশাহী পৌরসভা বিষয়: যানজট কমানোর জন্য পার্কিং ব্যবস্থা নির্মাণের আবেদন। জনাব, রাজশাহী শহরে যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে যার বড় কারণ পার্কিংয়ের অভাব। অযত্নে থাকা যানবাহন চলাচল ব্যাহত করছে। অতএব, শহরে আধুনিক পার্কিং ব্যবস্থা নির্মাণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ কামাল হোসেন বাসিন্দা, রাজশাহী পৌরসভা" স্কুলে ছাত্রদের জন্য সাইকেল পার্কিং স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার চাঁদপুর জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে সাইকেল পার্কিং স্থাপনের আবেদন। জনাব, চাঁদপুরের একটি সরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্রদের জন্য সাইকেল পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক সাইকেল খোলা জায়গায় রাখা হয় যা নিরাপত্তাহীন। অতএব, বিদ্যালয়ে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত সাইকেল পার্কিং স্থাপনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদুল ইসলাম বাসিন্দা, চাঁদপুর সদর" এলাকার খাল পরিষ্কার ও গভীর করার আবেদন,"তারিখ: ৩০ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা প্রকৌশলী বাগেরহাট জেলা বিষয়: এলাকার খাল পরিষ্কার ও গভীর করার আবেদন। জনাব, বাগেরহাট জেলার আমাদের এলাকার খালগুলো ময়লা ও পলিময় হওয়ায় বর্ষায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে বন্যার ঝুঁকি বাড়ে। খাল পরিষ্কার ও গভীর করার প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত খাল পরিষ্কার ও গভীর করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নূরুল ইসলাম বাসিন্দা, বাগেরহাট সদর" গ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: বিটিআরসি চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বিষয়: মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট নিরসনের আবেদন। জনাব, আমি বগুড়া জেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক খুবই দুর্বল, ফলে জরুরি সময়ে যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে। শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে পারে না এবং কৃষকরা বাজার সংক্রান্ত তথ্য পায় না। অতএব, আমাদের এলাকায় একটি মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করে নেটওয়ার্ক সমস্যা নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম বাসিন্দা, শেরপুর, বগুড়া" শহরের খোলা নালাগুলোর ঢাকনা দেওয়ার আবেদন," তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র বরিশাল পৌরসভা বিষয়: খোলা ড্রেন বা নালায় ঢাকনা দেওয়ার আবেদন। জনাব, বরিশাল শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় খোলা নালা বা ড্রেন থাকায় দুর্ঘটনা, দুর্গন্ধ ও রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। শিশু ও বৃদ্ধরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকিতে রয়েছেন। অতএব, খোলা নালাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকনা স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শামীম হোসেন বাসিন্দা, বরিশাল সদর " শহরের পুকুর সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতার আবেদন," তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা নির্বাহী কর্মকর্তা নরাইল পৌরসভা বিষয়: পৌর পুকুর সংস্কার ও পরিষ্কারের আবেদন। জনাব, নরাইল শহরের একটি সরকারি পুকুর বহুদিন ধরে অব্যবহৃত ও অপরিষ্কার অবস্থায় আছে। পুকুরের পানি এখন ব্যবহারের অযোগ্য ও মশা উৎপত্তির কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। অতএব, দ্রুত পুকুরটি পরিষ্কার করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আনোয়ার হোসেন বাসিন্দা, নরাইল পৌরসভা" স্কুলে ছাত্রীদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাদারীপুর জেলা বিষয়: ছাত্রীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণের আবেদন। জনাব, মাদারীপুরের একটি বিদ্যালয়ে এখনো ছাত্রীদের জন্য পৃথক ও নিরাপদ টয়লেট নেই। এতে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও অসুবিধা দেখা দিচ্ছে। অতএব, ছাত্রীদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে টয়লেট নির্মাণের আবেদন করছি। নিবেদক মোছা. সালমা আক্তার বাসিন্দা, মাদারীপুর সদর" সরকারি হাসপাতালের ঔষধ ঘাটতি পূরণের আবেদন," তারিখ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: সিভিল সার্জন রাঙ্গামাটি জেলা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহের আবেদন। জনাব, রাঙ্গামাটির সদর হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ঔষধ পাওয়া যাচ্ছে না। দরিদ্র রোগীরা প্রাইভেট ফার্মেসি থেকে কিনতে পারছে না। এতে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, হাসপাতালে পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রাজু আহমেদ বাসিন্দা, রাঙ্গামাটি সদর" এলাকায় ফায়ার স্টেশন স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মহাপরিচালক ঢাকা বিষয়: অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এলাকায় ফায়ার স্টেশন স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় নিকটস্থ কোনো ফায়ার স্টেশন নেই। ফলে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়। অতএব, আমাদের এলাকায় একটি ফায়ার স্টেশন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সোহেল রানা বাসিন্দা, গাইবান্ধা সদর" শহরে মহিলা নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৫ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র টাঙ্গাইল পৌরসভা বিষয়: রাতে চলাচলের জন্য শহরে স্ট্রিট লাইট বসানোর আবেদন। জনাব, টাঙ্গাইল শহরের অনেক জায়গায় রাতে আলো না থাকায় নারী ও পথচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। অপরাধের আশঙ্কাও বাড়ছে। অতএব, শহরের অন্ধকার এলাকাগুলোতে দ্রুত স্ট্রিট লাইট বসানোর আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছা. রাবেয়া সুলতানা বাসিন্দা, টাঙ্গাইল" বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিরাজগঞ্জ জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, সিরাজগঞ্জের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানাগার না থাকায় শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে তারা পরীক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞানাগার স্থাপনের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হানিফুল ইসলাম বাসিন্দা, সিরাজগঞ্জ সদর" শহরে ব্যায়ামাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা বিষয়: পৌর এলাকায় একটি গণ ব্যায়ামাগার নির্মাণের আবেদন। জনাব, মুন্সিগঞ্জ শহরে স্বাস্থ্যসচেতন নাগরিকদের জন্য কোনো ব্যায়ামাগার নেই। এতে যুবসমাজ শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখতে পারছে না। অতএব, একটি আধুনিক ও উন্মুক্ত ব্যায়ামাগার নির্মাণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফারুক হোসেন বাসিন্দা, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা " গ্রামের পঞ্চায়েত অফিসে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২০ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাটোর সদর ইউনিয়ন বিষয়: পঞ্চায়েত অফিসে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের আবেদন। জনাব, নাটোর সদর ইউনিয়নের পঞ্চায়েত অফিসে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় অনলাইন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি তথ্য ও সেবা পেতে সমস্যা হচ্ছে। অতএব, দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করে জনগণকে ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ মাহমুদুল হাসান বাসিন্দা, নাটোর সদর " মসজিদের পাশে যাত্রী ছাউনির ব্যবস্থা করার আবেদন," তারিখ: ২৫ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র সাতক্ষীরা পৌরসভা বিষয়: মসজিদের পাশে যাত্রী ছাউনির ব্যবস্থা করার আবেদন। জনাব, সাতক্ষীরা পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ মসজিদের পাশে বাস স্টপ থাকলেও কোনো যাত্রী ছাউনি নেই। ফলে মুসল্লি ও পথচারীরা রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ে কষ্ট ভোগ করেন। অতএব, মানবিক দিক বিবেচনায় মসজিদের পাশে একটি যাত্রী ছাউনির ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুজ্জামান বাসিন্দা, সাতক্ষীরা পৌরসভা" মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৮ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক পাবনা জেলা বিষয়: মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কারের আবেদন। জনাব, পাবনা জেলার ঐতিহাসিক মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভটির অবস্থার অবনতি ঘটেছে। এটি অযত্নে পড়ে থাকায় নতুন প্রজন্ম তেমন উৎসাহ পাচ্ছে না ইতিহাস জানার। অতএব, স্মৃতিস্তম্ভটি দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মাসুদ রানা বাসিন্দা, পাবনা সদর" রেলস্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আবেদন," তারিখ: ৩০ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক ঢাকা বিষয়: রেলস্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আবেদন। জনাব, আমার এলাকা সংলগ্ন রেলস্টেশনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় চুরি, ছিনতাই ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে নারী ও শিশু যাত্রীদের নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে হয়। অতএব, নিরাপত্তা বাহিনী বাড়ানোসহ স্টেশন এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও নিরাপত্তা জোরদার করার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সায়েম হাসান বাসিন্দা, নাটোর" শহরের বিভিন্ন স্থানে গণপাঠাগার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার ফরিদপুর জেলা বিষয়: শহরের বিভিন্ন স্থানে গণপাঠাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে গণপাঠাগার স্থাপন অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে সাধারণ মানুষও জ্ঞানচর্চায় অংশ নিতে পারবে। অতএব, শহরের প্রধান এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত গণপাঠাগার স্থাপন করে পড়ুয়াদের জন্য জ্ঞান আহরণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাফিজুল ইসলাম বাসিন্দা, ফরিদপুর " নদীতে নৌকাঘাট স্থাপন ও সেতু নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৫ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী ঢাকা বিষয়: নদীপথে যাতায়াতের জন্য নৌকাঘাট ও সেতু নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকা দুই ভাগে বিভক্ত নদীর কারণে। প্রতিদিন শত শত মানুষ নৌকা দিয়ে পারাপার হয়। কিন্তু কোনো ঘাট বা সেতু না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে। অতএব, দ্রুত একটি ঘাট ও একটি সংযোগ সেতু নির্মাণ করে জনগণের যাতায়াত সহজ করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম বাসিন্দা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ " বিদ্যালয়ে মিডডে মিল কার্যক্রম চালুর আবেদন," রিখ: ৮ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝিনাইগাতী, শেরপুর বিষয়: বিদ্যালয়ে মিডডে মিল কার্যক্রম চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুলে অনেক গরিব শিক্ষার্থী রয়েছে যারা ক্ষুধার কারণে শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দিতে পারে না। মিডডে মিল চালু হলে তাদের উপস্থিতি ও শিক্ষার মান উভয়ই বৃদ্ধি পাবে। অতএব, মিডডে মিল কার্যক্রম চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সেলিম মিয়া বাসিন্দা, ঝিনাইগাতী" বয়স্ক ভাতার কার্ড নবায়নের আবেদন," তারিখ: ১০ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিকগঞ্জ জেলা বিষয়: বয়স্ক ভাতার কার্ড নবায়নের আবেদন। জনাব, আমার বাবা একজন বৃদ্ধ। তাঁর বয়স্ক ভাতার কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে, এখন পর্যন্ত নবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এতে তিনি মাসিক ভাতাও পাচ্ছেন না। অতএব, দ্রুত কার্ডটি নবায়ন করে নিয়মিত ভাতা পাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ কামরুজ্জামান বাসিন্দা, সিঙ্গাইর, মানিকগঞ্জ" গ্রামে কৃষি উপকরণ বিতরণের আবেদন," তারিখ: ১২ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: কৃষি অফিসার জয়পুরহাট জেলা বিষয়: গরিব কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণের আবেদন। জনাব, জয়পুরহাট জেলার গরিব কৃষকরা উচ্চমূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক কিনতে পারছে না। ফলে উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। অতএব, সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বা ভর্তুকিমূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মিজানুর রহমান বাসিন্দা, জয়পুরহাট" প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের," তারিখ: ১৫ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকা বিষয়: প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপযোগী বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে কয়েকজন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রয়েছে যারা সাধারণ পদ্ধতিতে পড়ালেখা করতে পারে না। তাদের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত একজন বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক নাটোর" বাজার এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৮ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা চেয়ারম্যান ঠাকুরগাঁও বিষয়: বাজারে চুরি ও অপরাধ রোধে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঠাকুরগাঁওয়ের প্রধান বাজারে প্রায়ই চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। সিসি ক্যামেরা না থাকায় অপরাধীদের শনাক্ত করা কঠিন। অতএব, বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রেজাউল করিম বাসিন্দা, ঠাকুরগাঁও " স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে শৌচাগারের ব্যবস্থা করার আবেদন," তারিখ: ২০ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র নরসিংদী পৌরসভা বিষয়: স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের আবেদন। জনাব, নরসিংদী বাসস্ট্যান্ডে প্রতিদিন বহু যাত্রী যাতায়াত করেন, কিন্তু কোনো পাবলিক টয়লেট না থাকায় তারা চরম অসুবিধার সম্মুখীন হন। নারী যাত্রীদের জন্য এটি আরও দুর্ভোগজনক। অতএব, অবিলম্বে বাসস্ট্যান্ডে নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগার স্থাপনের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মনিরুজ্জামান বাসিন্দা, নরসিংদী" শহরে ডাস্টবিন সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ২২ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: মেয়র রাজবাড়ী পৌরসভা বিষয়: শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন স্থাপনের আবেদন। জনাব, রাজবাড়ী শহরে ডাস্টবিনের সংখ্যা কম হওয়ায় অনেকেই আবর্জনা রাস্তায় ফেলে দেন, ফলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। অতএব, শহরের প্রতিটি মোড়ে ও জনবহুল এলাকায় ডাস্টবিন স্থাপনের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বাসিন্দা, রাজবাড়ী" র্ভবতী মায়েদের জন্য স্বাস্থ্য শিবির পরিচালনার আবেদন," তারিখ: ২৫ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লালমনিরহাট বিষয়: গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য শিবির পরিচালনার আবেদন। জনাব, লালমনিরহাটে অনেক গর্ভবতী নারী রয়েছেন যারা নিয়মিত চিকিৎসা পান না। ফলে মা ও শিশুর মৃত্যুহার বেড়ে যাচ্ছে। অতএব, গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্য শিবির আয়োজনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আলমগীর হোসেন বাসিন্দা, লালমনিরহাট " শহরের পার্কগুলোতে ওয়াইফাই সেবা চালুর আবেদন," তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ঢাকা বিষয়: শহরের পাবলিক পার্কে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সংযোগের আবেদন। জনাব, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পাবলিক পার্কে ওয়াইফাই থাকলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্য সামগ্রী পড়তে পারবে এবং কর্মজীবী মানুষ দ্রুত তথ্য পাবে। অতএব, বিনামূল্যে ওয়াইফাই সংযোগ স্থাপন করে সকলের জন্য ডিজিটাল সুবিধা নিশ্চিত করার আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ ইমরান হোসেন বাসিন্দা, ঢাকা উত্তর" শহরে বয়স্কদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান কিশোরগঞ্জ বিষয়: বয়স্ক নাগরিকদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, শহরের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বসার বা সামাজিক মেলামেশার সুযোগ নেই। এতে তারা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন। অতএব, একটি প্রবীণ নিবাস বা বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আজহারুল ইসলাম বাসিন্দা, কিশোরগঞ্জ " স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গাইবান্ধা বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুলে কোনো কম্পিউটার ল্যাব নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা আইসিটি বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না। অতএব, আধুনিক একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক, গাইবান্ধা" গ্রামের রাস্তায় সৌরবাতি স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বিষয়: গ্রামের রাস্তায় সৌরবাতি স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নারী ও বৃদ্ধদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। অতএব, সৌরবিদ্যুৎচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শাহীন মিয়া বাসিন্দা, বগুড়া" শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনের আবেদন," তারিখ: ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক ঢাকা বিষয়: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনার আবেদন। জনাব, বর্তমানে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার লক্ষণীয়। এটি রোধে নিয়মিত ক্যাম্পেইনের প্রয়োজন। অতএব, প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগে মাদকবিরোধী কর্মসূচি পরিচালনার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাজমুল হাসান বাসিন্দা, ঢাকা" শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করার আবেদন," তারিখ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র চট্টগ্রাম বিষয়: ফুটপাত হকারমুক্ত করার আবেদন। জনাব, চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ ফুটপাতগুলো হকারদের দখলে থাকায় পথচারীরা বাধাপ্রাপ্ত হন। দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বেড়ে যাচ্ছে। অতএব, ফুটপাতগুলো হকারমুক্ত করে জনগণের চলাচলের উপযোগী করে তোলার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাকিব হোসেন বাসিন্দা, চট্টগ্রাম" শহরে খেলার মাঠ রক্ষা ও আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ঢাকা বিষয়: খেলার মাঠ রক্ষা ও আধুনিকায়নের আবেদন। জনাব, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জন্য মাঠের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কিন্তু অনেক মাঠ দখল বা বেহাল অবস্থায় আছে। অতএব, মাঠগুলো সংস্কার ও আধুনিকায়নের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রাসেল আহমেদ বাসিন্দা, সিলেট " গ্রামে চিকিৎসকের জন্য একটি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: সিভিল সার্জন নেত্রকোনা জেলা বিষয়: গ্রামে চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, নেত্রকোনার প্রত্যন্ত গ্রামে কোনো হাসপাতাল বা চিকিৎসাকেন্দ্র নেই। রোগীদের অনেক দূর যেতে হয়, ফলে অনেকেই চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করে। অতএব, একটি প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করে এলাকাবাসীর চিকিৎসা নিশ্চিত করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাবিবুর রহমান বাসিন্দা, নেত্রকোনা" শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুদ্ধ বানান ও ভাষাচর্চা প্রতিযোগিতার আবেদন," তারিখ: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার মেহেরপুর জেলা বিষয়: ভাষাচর্চা ও বানান প্রতিযোগিতা চালুর আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের মাঝে শুদ্ধ বাংলা ভাষা ও বানানচর্চার মান নিম্নমুখী। ভাষার প্রতি ভালোবাসা বাড়াতে প্রতিযোগিতা প্রয়োজন। অতএব, প্রতিটি স্কুলে শুদ্ধ ভাষাচর্চা বিষয়ক নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রাকিবুল হাসান বাসিন্দা, মেহেরপুর" বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং চালুর আবেদন," তারিখ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকা বিষয়: বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমান শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপে ভুগছে। বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে। মানসিক সহায়তার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কাউন্সেলরের প্রয়োজন। অতএব, প্রতিটি বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কাউন্সেলিং ব্যবস্থা চালুর জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আশিকুর রহমান বাসিন্দা, নরায়ণগঞ্জ" শহরের পানির পাইপলাইন সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: ওয়াসা ব্যবস্থাপক ময়মনসিংহ বিষয়: পুরনো ও লিক হওয়া পানির পাইপলাইনের সংস্কারের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন স্থানে পানি সরবরাহ পাইপ পুরনো ও লিক হওয়ায় পানি অপচয় হচ্ছে এবং অনেক সময় ময়লা পানিও আসছে। অতএব, অবিলম্বে পাইপলাইন মেরামত ও আধুনিকায়নের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ শামীম আহমেদ বাসিন্দা, ময়মনসিংহ" শহরে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আবেদন," তারিখ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র ফেনী পৌরসভা বিষয়: টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আবেদন। জনাব, শহরে প্রতিদিন প্রচুর বর্জ্য সৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু সঠিকভাবে নিষ্পত্তি না হওয়ায় তা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিকল্পিত পদ্ধতির ব্যবহার নিশ্চিত করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফারহানুল ইসলাম বাসিন্দা, ফেনী " রাস্তায় গর্ত সংস্কারের জরুরি আবেদন," তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী কুড়িগ্রাম বিষয়: শহরের রাস্তায় গর্ত সংস্কারের আবেদন। জনাব, কুড়িগ্রামের বেশ কিছু প্রধান সড়কে বড় বড় গর্ত হয়েছে, ফলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। অতএব, দ্রুত রাস্তাগুলোর মেরামত করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মাসুম বিল্লাহ বাসিন্দা, কুড়িগ্রাম " গ্রামে স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরগুনা বিষয়: গ্রামে স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপনের আবেদন। জনাব, গ্রামের অনেক পরিবার এখনও খোলা জায়গায় প্রাকৃতিক কর্ম সম্পাদন করে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। অতএব, পরিবারগুলোর জন্য সরকারি সহযোগিতায় স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শাহাবুদ্দিন বাসিন্দা, বরগুনা " নদীভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড ঢাকা বিষয়: নদীভাঙন রোধে প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে প্রতি বর্ষায় নদীভাঙনে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হয়। প্রতি বছর শত শত মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। অতএব, নদীর পাড়ে একটি শক্ত বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের এলাকা রক্ষা করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ মতিয়ার রহমান বাসিন্দা, লালপুর, নাটোর" শিশুশ্রম নিরসনে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক জামালপুর বিষয়: শিশুশ্রম নিরসনে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, জামালপুর শহরে অনেক শিশু শিক্ষার বয়সে শ্রমে নিযুক্ত হচ্ছে। এটা শিশু অধিকার ও ভবিষ্যতের জন্য হুমকি। অতএব, শিশুশ্রম বন্ধে কঠোর তদারকি ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাঈম হাসান বাসিন্দা, জামালপুর" পাহাড়ি এলাকায় স্কুলে যাতায়াতে বাসের আবেদন," তারিখ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার বান্দরবান বিষয়: পাহাড়ি এলাকায় স্কুলে যাতায়াতের জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য বাসের আবেদন। জনাব, পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন বহু দূর পাহাড় পেরিয়ে স্কুলে যেতে হয়। এতে তাদের ক্লাসে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়। অতএব, তাদের যাতায়াত সহজ করতে সরকারি বাস সুবিধা প্রদানের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ তানভীর আহমেদ বাসিন্দা, বান্দরবান" ল্লী এলাকায় নারীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা বিষয়: গ্রামীণ নারীদের জন্য হস্তশিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে হস্তশিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। এতে পরিবার ও সমাজ উপকৃত হবে। অতএব, একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ নূরজাহান বেগম বাসিন্দা, চুয়াডাঙ্গা " শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ট্রাফিক সংকেত বসানোর আবেদন," তারিখ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: ট্রাফিক বিভাগ রংপুর বিষয়: দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক সিগনাল বসানোর আবেদন। জনাব, রংপুর শহরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ট্রাফিক লাইট না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অতএব, প্রয়োজনীয় স্থানে ট্রাফিক সিগনাল বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ জিয়াউল হক বাসিন্দা, রংপুর" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বই সরবরাহের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে বহু পুরনো ও অপর্যাপ্ত বই রয়েছে। শিক্ষার্থীরা নতুন জ্ঞানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, লাইব্রেরিতে নতুন ও আধুনিক পাঠ্য ও সহপাঠ্য বই সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ শওকত আলী প্রধান শিক্ষক " বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং সুবিধা চালুর আবেদন," তারিখ: ৮ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার পটুয়াখালী বিষয়: ই-লার্নিং কার্যক্রম চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা আবশ্যক। আমাদের বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া না থাকায় শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, ই-লার্নিং চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ প্রদান করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হোসেন আলী প্রধান শিক্ষক, পটুয়াখালী " শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদানের আবেদন," তারিখ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আর্থিক অক্ষমতায় পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়। অতএব, তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে শিক্ষা উপবৃত্তির ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আবু তাহের বাসিন্দা, শরীয়তপুর" নদী দূষণ রোধে কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আবেদন," তারিখ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: শিল্পকারখানার বর্জ্য নদীতে ফেলার প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন। জনাব, নদীতে ফেলা কারখানার বর্জ্যে পানি দূষিত হচ্ছে এবং জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে। অতএব, এ ধরনের বর্জ্য নদীতে নিষ্কাশন বন্ধে কড়া নজরদারি ও জরিমানার ব্যবস্থা করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হুমায়ুন কবির বাসিন্দা, নারায়ণগঞ্জ" বন্যা দুর্গতদের পুনর্বাসনের আবেদন," তারিখ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বিষয়: বন্যা দুর্গতদের জন্য পুনর্বাসন কার্যক্রম গ্রহণের আবেদন। জনাব, গত বর্ষায় ভয়াবহ বন্যায় শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। এখনও তারা আশ্রয়হীন। অতএব, তাদের জন্য বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে পুনর্বাসনের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রবিউল ইসলাম বাসিন্দা, সুনামগঞ্জ" শহরে গণশৌচাগারের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র বাগেরহাট বিষয়: শহরের ব্যস্ত এলাকায় গণশৌচাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, বাগেরহাট শহরের ব্যস্ত বাজার এলাকায় কোনো পাবলিক টয়লেট নেই। এতে জনসাধারণ, বিশেষত নারীরা, চরম অসুবিধায় পড়েন। অতএব, জরুরি ভিত্তিতে গণশৌচাগার নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ কাওসার আলম বাসিন্দা, বাগেরহাট" বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের," তারিখ: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বিষয়: বিদ্যালয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। জনাব, ছাত্রছাত্রীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। অতএব, বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য বাজেট বরাদ্দ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক" শহরের উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করার আবেদন," তারিখ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক ঢাকা বিষয়: উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধকরণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, উন্মুক্ত স্থানে ধূমপানে শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে হয়। অতএব, আইন প্রয়োগ করে জনসমক্ষে ধূমপান নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সালাউদ্দিন আহমেদ বাসিন্দা, ঢাকা" গ্রামে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করার আবেদন,"তারিখ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: সিভিল সার্জন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, বরিশাল বিষয়: গ্রামে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার অন্তর্গত খাজুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামে প্রায় পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ বসবাস করে, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এখানে কোনো পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাকেন্দ্র বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র নেই। ছোটখাটো অসুখ-বিসুখের চিকিৎসার জন্য এলাকার মানুষজনকে অন্তত ১৫ কিলোমিটার দূরে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়, যা বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। বিভিন্ন সময়ে আমাদের গ্রামে ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি-কাশির মতো মৌসুমি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে মানুষ চিকিৎসার অভাবে ভুগে থাকে। এছাড়াও গর্ভবতী নারীদের নিয়মিত চেকআপের কোনো সুযোগ নেই, যার ফলে মাতৃমৃত্যুর হার দিন দিন বাড়ছে। একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও সেটি প্রায় অকার্যকর। প্রয়োজনীয় ওষুধ, প্রশিক্ষিত ডাক্তার বা নার্স নেই বললেই চলে। অতএব, উল্লিখিত সমস্যাগুলো বিবেচনা করে আমাদের এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এতে শুধু এই গ্রাম নয়, পার্শ্ববর্তী আরও কয়েকটি গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে। নিবেদক মোঃ আসিফ জামান সাধারণ প্রতিনিধি গ্রামবাসীর পক্ষে খাজুরিয়া, গৌরনদী, বরিশাল" প্রত্যন্ত গ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) ঢাকা বিষয়: মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধানে টাওয়ার স্থাপনের আবেদন। জনাব, নিবেদনপত্রের মাধ্যমে আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম “বড়বাড়ি” বর্তমানে চরম মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যার মধ্যে রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ৪জি/৫জি প্রযুক্তির ব্যবহার যেখানে স্বাভাবিক, সেখানে আমাদের এলাকায় ২জি সংযোগও মাঝে মাঝে পাওয়া যায় না। এতে করে শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাস, পরীক্ষার ফর্ম পূরণ কিংবা ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যান্য সুবিধা থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত। এই এলাকায় অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চাইলেও নেটওয়ার্ক সংকটের কারণে পিছিয়ে পড়ছেন। ছাত্রছাত্রীরা দিনের পর দিন শহরে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া, জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ডাকার জন্য ফোন করাও কঠিন হয়ে পড়ে, যা প্রাণঘাতী পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অতএব, আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ—আমাদের এই এলাকার জন্য একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার দ্রুত স্থাপন করে যোগাযোগব্যবস্থাকে উন্নত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। নিবেদক মোঃ রাজীব হোসেন সাধারণ শিক্ষার্থী বড়বাড়ি, বিরল, দিনাজপুর" খেলার মাঠ দখলমুক্ত করে সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লোহাগড়া, নড়াইল বিষয়: এলাকার একমাত্র খেলার মাঠ সংস্কার ও দখলমুক্ত করার আবেদন। জনাব, আমাদের লোহাগড়া উপজেলার ‘সাদুল্লাপুর’ গ্রামে একমাত্র খেলার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ক্রীড়ামোদী যুবকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ ছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বর্তমানে সেই মাঠটি কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির দখলে চলে গেছে। তাঁরা সেখানে খড়ের গাদা রেখেছে এবং মাঝে মধ্যে পশু বেঁধে রাখে। এর ফলে গ্রামের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যুবসমাজে অবক্ষয় সৃষ্টি হচ্ছে, বাড়ছে মাদকাসক্তি ও অন্য অপরাধ। এছাড়া, প্রতিবছর গ্রামে ‘ঈদ আনন্দ মেলা’, বিজয় দিবসের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সহ নানা অনুষ্ঠান এই মাঠে আয়োজন করা হতো। এখন মাঠটি দখলে থাকায় এসব আয়োজনও বন্ধ হয়ে গেছে। অতএব, আপনার সদয় হস্তক্ষেপে অনুরোধ করছি, উক্ত খেলার মাঠটি দ্রুত দখলমুক্ত করে সংস্কার ও ঘাস রোপণের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যাতে করে শিশু-কিশোরেরা সুস্থ বিনোদন পেতে পারে এবং সমাজে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়। নিবেদক মোঃ জুবায়ের রহমান সাধারণ নাগরিক সাদুল্লাপুর, লোহাগড়া, নড়াইল" শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: প্রধান প্রকৌশলী সিটি কর্পোরেশন, খুলনা বিষয়: জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও উন্নয়নের আবেদন। জনাব, আমরা খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বিগত কয়েক বছর ধরে একটু বৃষ্টিতেই আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট ও বাসাবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে হাজী মোড় থেকে উত্তর রোড পর্যন্ত যে ড্রেনগুলো রয়েছে, সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে সড়কে চলাচল অস্বাভাবিকভাবে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, বৃষ্টির সময় শিশুরা স্কুলে যেতে পারে না, রোগীরা হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি করে, এমনকি ঘরের ভেতরে পর্যন্ত পানি ঢুকে পড়ে। এতে মানুষ আর্থিক ক্ষতিসহ মানসিক দুর্ভোগেও পড়ে। স্থানীয়ভাবে অনেকবার ম্যানহোল পরিষ্কার করার আবেদন করা হলেও তা কোনো স্থায়ী সমাধান দেয়নি। অতএব, আমাদের এলাকার স্থায়ী জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রশস্ত ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আশা করি, দ্রুত ব্যবস্থা নিলে আগামী বর্ষা মৌসুমে মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম সাধারণ নাগরিক ২২নং ওয়ার্ড, খুলনা সিটি কর্পোরেশন" প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা শ্রেণিকক্ষ ও সহায়ক শিক্ষকের আবেদন," তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিষয়: প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষকের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে সারাদেশের ন্যায় আমাদের চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্কুলে প্রতিবন্ধী শিশুর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু আমাদের এলাকায় এখনো উপযুক্ত শ্রেণিকক্ষ কিংবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হয়নি। ফলে শ্রবণ, দৃষ্টি বা মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা অন্যদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে না। এই অসহায় শিশুদের অনেকেই মাঝপথে বিদ্যালয় ত্যাগ করছে। অথচ তাদের জন্য আলাদা শ্রেণিকক্ষ, ব্রেইল বই, শ্রবণযন্ত্র বা সহকারী শিক্ষক থাকলে তারা সহজেই শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারতো। অতএব, এ বিষয়ে আপনার দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকায় আমাদের জেলার সকল বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা শ্রেণিকক্ষ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মাইনুল হাসান শিক্ষক, সরকারিভাবে স্বীকৃত বিদ্যালয় চাপাইনবাবগঞ্জ সদর" শহরে নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ বাসস্টপ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: নগর পরিকল্পনাবিদ সিলেট সিটি কর্পোরেশন বিষয়: নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে আধুনিক ও নিরাপদ বাসস্টপ স্থাপনের আবেদন। জনাব, সিলেট শহরের বিভিন্ন স্থানে যাত্রী পরিবহনের জন্য নির্দিষ্ট বাসস্টপ না থাকায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বাসস্ট্যান্ডের অভাব এবং অগোছালো যাত্রী ওঠানামার পরিবেশের কারণে নারীরা কর্মস্থল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না। অধিকাংশ স্থানে ছায়া, বসার জায়গা বা নিরাপত্তা ক্যামেরার কোনো ব্যবস্থা নেই। একইভাবে, স্কুলগামী ছোট শিশুদের জন্য নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। অতএব, নগরবাসীর কল্যাণে ও নারী-শিশুদের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আধুনিক বাসস্টপ নির্মাণ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, ছায়া ও বসার স্থানসহ নিরাপদ অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদক মোঃ কামরুল হাসান সাধারণ যাত্রী সিলেট নগরী" সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর আবেদন," তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল চালুর আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ করছি যে, দেশের বিভিন্ন গ্রামীণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পুষ্টিহীনতা ও অনিয়মিত উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক দরিদ্র পরিবারের শিশুরা সকালবেলা খালি পেটে স্কুলে আসে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। অপরদিকে, আমরা ভারতের মতো দেশেও সফলভাবে মিড-ডে মিল চালুর পর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পুষ্টিমান উভয়ই বেড়েছে। অতএব, আমাদের দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও প্রতিদিন একটি পুষ্টিকর মিড-ডে মিল সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার দপ্তরের আশু পদক্ষেপ কামনা করছি। এর মাধ্যমে শিশুরা যেমন শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হবে, তেমনি অপুষ্টি সমস্যাও কমে আসবে। নিবেদক মোঃ জহিরুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাইবান্ধা" শহরের খোলা তার ও বৈদ্যুতিক ঝুঁকি দূর করার আবেদন," তারিখ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: প্রকৌশলী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, নরসিংদী বিষয়: শহরের বিভিন্ন স্থানে খোলা বৈদ্যুতিক তার অপসারণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে নরসিংদী শহরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়কে এবং বাসাবাড়ির আশপাশে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে খোলা তার ঝুলে আছে। বিশেষ করে পুরাতন বাজার মোড়, কলেজ রোড, হাসপাতাল গলি—এইসব স্থানে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। মাঝে মাঝে খোলা তারে আগুন ধরে, দুর্ঘটনাও ঘটে, যা মানুষের জান-মালের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং বিশেষ করে বৃষ্টির সময় চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়। ইতোমধ্যে একটি শিশুর মৃত্যুর ঘটনা আমাদের এলাকায় ঘটেছে। অতএব, এই গুরুতর জননিরাপত্তাজনিত সমস্যার সমাধানে অবিলম্বে ঝুলন্ত ও খোলা তার অপসারণ ও পুনঃনির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সাইদুর রহমান বাসিন্দা, কলেজ রোড, নরসিংদী" শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পথচারী ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: পথচারী পারাপারে ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরের যেসব গুরুত্বপূর্ণ মোড় রয়েছে যেমন—মালিবাগ মোড়, বিজয় সরণি, খিলগাঁও চৌরাস্তায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ রাস্তা পার হয়। কিন্তু অধিকাংশ স্থানে ফুটওভার ব্রিজ না থাকায় মানুষ রাস্তায় ঝুঁকি নিয়ে দৌঁড়ে পার হতে বাধ্য হয়। ফলে সড়ক দুর্ঘটনার হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ে। নাগরিকদের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে ফুটওভার ব্রিজ একটি অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামো। অতএব, উল্লিখিত মোড়সহ অন্যান্য জনবহুল স্থানে অবিলম্বে আধুনিক ডিজাইনের ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আফজাল হোসেন নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা মহানগর" গ্রামে চাষযোগ্য জমির উন্নয়নে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঝিনাইদহ সদর বিষয়: কৃষককে সহায়তার লক্ষ্যে আধুনিক কৃষিযন্ত্র সরবরাহের আবেদন। জনাব, আমরা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার কৃষক। আমাদের প্রধান জীবিকা কৃষিকাজ হলেও অধিকাংশ কৃষক এখনও হাতে ধান কাটা, মই দিয়ে জমি চাষ, ও গরু দিয়ে হালচাষে নির্ভরশীল। আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে আমরা উৎপাদনে পিছিয়ে পড়ছি, সময় ও শ্রম বেশি লাগছে এবং উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে পাওয়ার টিলার, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, হারভেস্টার ইত্যাদি যন্ত্র অত্যন্ত প্রয়োজন হলেও সেগুলোর দাম আমাদের সাধ্যের বাইরে। সরকারি সহায়তা ছাড়া আমরা এগুলো কিনতে পারি না। অতএব, সরকারি অনুদানে আমাদের অঞ্চলের কৃষকদের জন্য কৃষিযন্ত্র সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম চাষি ও কৃষক প্রতিনিধি ঝিনাইদহ সদর" গ্রামে সরকারি খাদ্য গুদাম স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পাবনা বিষয়: ধান ও গম সংরক্ষণের জন্য সরকারি খাদ্য গুদাম স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার চরমধুপুর গ্রামের কৃষক। আমাদের গ্রামে বছরে দু’বার ধান ও একবার গম উৎপাদিত হয়। তবে দুঃখজনকভাবে সরকারি কোনো খাদ্য গুদাম এখানে নেই। ফলে উৎপাদনের পরপরই বাধ্য হয়ে কম দামে মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে আমাদের ফসল বিক্রি করে দিতে হয়। ফসল রাখার জায়গা না থাকায় ন্যায্য মূল্য থেকে আমরা বঞ্চিত হই। প্রায় ৮০% মানুষ কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকদের বড় ক্ষতি হচ্ছে এবং উৎপাদনের উৎসাহ কমে যাচ্ছে। পাশের উপজেলার খাদ্য গুদামে পাঠাতে অনেক খরচ পড়ে, যা আমাদের জন্য আর্থিকভাবে চাপ সৃষ্টি করে। অতএব, আমাদের গ্রামে বা নিকটবর্তী অঞ্চলে একটি সরকারি খাদ্য গুদাম নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদক মোঃ আবদুল মালেক গ্রামবাসীর পক্ষে চরমধুপুর, সাথিয়া, পাবনা" স্কুলে বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রাঙ্গামাটি সদর বিষয়: বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়নে স্কুলে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুল “নানিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়” একটি প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের মধ্যে শতাধিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, বিদ্যালয়ে কোনো বিজ্ঞানাগার নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র বই পড়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, কিন্তু হাতে-কলমে কোনো প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা পাচ্ছে না। এতে তারা উচ্চশিক্ষায় গিয়ে চরম বেকায়দায় পড়ে। এমনকি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণ করতে পারে না। শিক্ষকগণ চাইলেও সঠিকভাবে বিজ্ঞানের ধারণা দিতে পারছেন না যেহেতু প্রজেক্ট বোর্ড, মডেল কিংবা কেমিকেলস-এর ব্যবস্থা নেই। অতএব, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে আমাদের বিদ্যালয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানাগার স্থাপন ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মাহবুবুল হক প্রধান শিক্ষক নানিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি" এলাকায় একটি সরকারি লাইব্রেরি স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক নরসিংদী বিষয়: সাধারণ পাঠকের জন্য সরকারি গণগ্রন্থাগার স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বারৈচা ইউনিয়নে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের বাস। এখানে উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থাকলেও কোনো সরকারি পাঠাগার নেই। পাঠ্যবই ছাড়াও জীবনঘনিষ্ঠ জ্ঞানসম্পন্ন বই, সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ের চাহিদা রয়েছে। তরুণরা সময় কাটায় মোবাইলে কিংবা অসামাজিক কাজকর্মে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি গণগ্রন্থাগার স্থাপন হলে তাদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়বে, পাঠাভ্যাস গড়ে উঠবে এবং মাদক থেকে দূরে থাকবে। এছাড়া, চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জায়গা হবে এটি। অতএব, আমাদের এলাকায় একটি আধুনিক গণগ্রন্থাগার স্থাপন করার জন্য বিশেষভাবে আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাহিদ হাসান ছাত্র প্রতিনিধি বারৈচা, শিবপুর, নরসিংদী" পল্লী এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: সামাজিক অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রাম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার “গোলকগঞ্জ” ইউনিয়নের অন্তর্গত। এখানে প্রায় প্রতিদিনই বিয়ের অনুষ্ঠান, দোয়া মাহফিল, ইফতার মাহফিল বা সামাজিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু খোলা মাঠ বা অস্থায়ী টিনের ঘর ছাড়া এসব অনুষ্ঠান করার কোনো সুনির্দিষ্ট জায়গা নেই। অনেক সময় বর্ষায় অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে যায়, আবার রোদে বয়স্করা কষ্ট পান। তাই এলাকার মানুষ একটি কমিউনিটি সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছে। অতএব, জনগণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে এখানে একটি সরকারি কমিউনিটি সেন্টার স্থাপনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ হাফিজুর রহমান সাধারণ নাগরিক গোলকগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা" বাজারে নারী ও শিশুদের জন্য বিশ্রামাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র লক্ষ্মীপুর পৌরসভা বিষয়: বাজারে নারী ও শিশুদের বিশ্রামের জন্য আলাদা স্থানের আবেদন। জনাব, লক্ষ্মীপুর শহরের বড়বাজার এলাকাটি অত্যন্ত ব্যস্ত ও জনবহুল। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে কেনাকাটা করতে আসেন। কিন্তু এখানে নারীদের জন্য কোনো বিশ্রামের জায়গা নেই। বয়স্ক নারী বা শিশুদের নিয়ে যারা আসেন, তারা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন। এই সমস্যা দিনে দিনে প্রকট হচ্ছে। গর্ভবতী নারী, শিশু কিংবা অসুস্থদের জন্য বসার ব্যবস্থা না থাকায় তাদের দুর্ভোগ হয়। অতএব, নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও শীতল বিশ্রামাগার নির্মাণ করে সবার জন্য একটি সম্মানজনক বাজার পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ ইয়াসিন হোসেন সাধারণ ব্যবসায়ী বড়বাজার, লক্ষ্মীপুর " পল্লী এলাকায় নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর আবেদন," তারিখ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বগুড়া জেলা বিষয়: নারীদের আর্থিক স্বনির্ভরতায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, আমরা বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার বাসিন্দা। এখানে অনেক নারী রয়েছে যারা সেলাই, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য তৈরি, বুটিক কাজ শিখতে আগ্রহী। কিন্তু প্রশিক্ষণ কেন্দ্র না থাকায় তারা কোনোভাবে এগিয়ে যেতে পারছে না। একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হলে তারা উদ্যোক্তা হতে পারবে, সংসারে আর্থিক সহযোগিতা দিতে পারবে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং বাল্যবিবাহ বা নির্ভরশীলতা কমবে। অতএব, ধুনট উপজেলায় একটি সরকারি নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ রাবিয়া খাতুন স্থানীয় নারী প্রতিনিধি ধুনট, বগুড়া" শহরে কুকুরের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের আবেদন," তারিখ: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর প্রশাসক রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন বিষয়: শহরে বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে গেছে। এরা রাস্তায় হুট করে দৌড়ানোর ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে, রাতের বেলায় মানুষের চলাচলে ভয় সৃষ্টি করছে এবং মাঝে মাঝে শিশুদের কামড়ে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। অতএব, কুকুরগুলোকে সঠিকভাবে ধরা, টিকা দেওয়া ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যবিভাগের সহায়তায় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুল ইসলাম সাধারণ নাগরিক মতিহার, রাজশাহী" জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে খোলা নর্দমা ঢেকে ফেলার আবেদন," তারিখ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজীপুর সদর বিষয়: খোলা নর্দমা ঢেকে জনস্বাস্থ্য রক্ষার আবেদন। জনাব, গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌর এলাকায় বিভিন্ন রাস্তায় খোলা নর্দমা রয়েছে, যা দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে এবং মশা-মাছির আধার হয়ে উঠেছে। অনেক সময় পথচারী পড়ে গিয়ে আহত হয়। জনস্বার্থে এগুলো ঢেকে ফেলা অত্যন্ত জরুরি। নিবেদক মোঃ মাহবুব আলম বাসিন্দা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর" গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপন করার আবেদন," তারিখ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তালা, সাতক্ষীরা বিষয়: পানির সমস্যা নিরসনে গভীর নলকূপ স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে, ফলে সাধারণ নলকূপ দিয়ে পানি পাওয়া যায় না। মানুষের দৈনন্দিন পানির চাহিদা পূরণে গভীর নলকূপ প্রয়োজন। অতএব, সরকারি তহবিল থেকে অন্তত একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মুনিরুজ্জামান বাসিন্দা, তালা, সাতক্ষীরা" স্কুলে বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: প্রধান শিক্ষক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর বিষয়: বিজ্ঞানমেলা আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, বিজ্ঞানের চর্চা বাড়াতে বিদ্যালয়ে বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজন প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায়। অতএব, বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল চিন্তা চর্চার সুযোগ করে দেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাজমুল ইসলাম সহকারী শিক্ষক, বিজ্ঞান বিভাগ দিনাজপুর" গ্রামের রাস্তাগুলোর ইটসোলিং ও সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা প্রকৌশলী নবীনগর উপজেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিষয়: গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ইটসোলিং ও সংস্কার কাজের জন্য আবেদন। জনাব, আমরা নবীনগর উপজেলার অন্তর্গত চরলাপাং গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের গ্রাম সংলগ্ন রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন যাবৎ কাঁচা ও বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাগুলো কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী, রোগী এবং সাধারণ মানুষজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে চরলাপাং বাজার থেকে দক্ষিণপাড়া মসজিদ পর্যন্ত রাস্তাটির অবস্থা ভয়াবহ। বর্ষাকালে স্কুলগামী ছাত্রীরা পড়নে কাদা লেগে যেতে অনীহা প্রকাশ করে, এমনকি অনেকেই স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। অনেকবার স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অতএব, অত্র এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ, দ্রুত রাস্তাগুলোর ইটসোলিং ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য আপনার সদয় উদ্যোগ কামনা করছি। এতে জনগণের দুর্ভোগ কমবে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমেও গতি আসবে। নিবেদক মোঃ ফিরোজ মিয়া চরলাপাং গ্রামের পক্ষে নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া" নদী ভাঙনরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: নির্বাহী প্রকৌশলী বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) বগুড়া বিষয়: করতোয়া নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, বগুড়া সদর উপজেলার কাতলামারা ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী করতোয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় বসবাসরত মানুষজন বর্তমানে ভয়াবহ নদী ভাঙনের সম্মুখীন। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনে অনেক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মসজিদ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত দুই বছরে অন্তত ৩৫টি পরিবার ঘর হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও হুমকির মুখে। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন প্রতিরোধে মজবুত ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিকল্প নেই। অতএব, নদীভাঙনের হাত থেকে জনগণকে রক্ষার স্বার্থে অবিলম্বে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ হাবিবুর রহমান কাতলামারা ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বগুড়া সদর " ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পরিচালক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর (ICT Division) ঢাকা বিষয়: ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের ইন্টারনেট সংযোগের গতি বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, আমরা সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। এখানে দৈনন্দিন নানা সরকারি সেবা যেমন জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট ফর্ম পূরণ, কলেজ ভর্তি, আবেদন ফরম ইত্যাদি সম্পাদন করতে প্রচুর মানুষ আসে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, অত্যন্ত ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে সেবা পেতে জনগণকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে সাধারণ মানুষ বিরক্ত হন, মাঝেমধ্যে ঝগড়া বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং ডিজিটাল সেবার উপর আস্থা কমে যায়। অতএব, কাঠইর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম ডিজিটাল সেন্টার সেবাগ্রহীতা জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ" পার্ক ও খেলার মাঠে বাতি স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র কুমিল্লা পৌরসভা বিষয়: শিশু পার্ক ও মাঠে নিরাপদ আলো ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন। জনাব, কুমিল্লা শহরের সদর দক্ষিণে অবস্থিত ‘নিশ্চিন্তপুর শিশু পার্ক’ এবং সংলগ্ন খেলার মাঠটিতে সন্ধ্যার পর কোনও ধরনের আলো না থাকায় জনসাধারণের জন্য এটি অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। সন্ধ্যার পর ছেলেমেয়েরা খেলতে পারছে না এবং অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়ে গেছে। অতএব, আপনার দপ্তরের সহযোগিতায় অবিলম্বে সোলার বা বৈদ্যুতিক আলো স্থাপন করে পার্ক ও মাঠটিকে নিরাপদ এবং পরিবারবান্ধব করে গড়ে তোলার জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ ইয়ামিন সুলতান বাসিন্দা, নিশ্চিন্তপুর, কুমিল্লা" বিদ্যালয়ে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর বিষয়: শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আবেদন। জনাব, আমাদের “সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়”-এর ছাত্রছাত্রীদের সৃজনশীল দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়নের জন্য একটি সুপরিকল্পিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু সম্প্রতি করোনাকালীন কারণেও এবং বাজেট সংকটের কারণে বার্ষিক অনুষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এতে তারা মঞ্চে আবেগ প্রকাশের চ্যালেঞ্জ হারিয়ে ফেলছে। গান, নৃত্য, নাট্য ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের সুযোগের অভাবে অনেক প্রতিভা সুরক্ষিত থাকছে না। তাই, দয়া করে আগামী শিক্ষা বর্ষে পাঁচদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক মঞ্চায়ন এবং পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মনজুরুর রহমান সহকারী শিক্ষক, সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ " ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে রোড ওয়েকিং ও কাঠামোর উন্নয়ন," তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ডাবরিনগর, লক্ষ্মীপুর বিষয়: ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্ত রোড ও বেহাল কাঠামোর সংস্কার। জনাব, ডাবরিনগর ইউনিয়নের বর্তমান পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ও দারোয়ান বাড়ির রাস্তাগুলো বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় বড়–ছোট সড়কভাঙ্গার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাগুলোর অধিকাংশ অংশ ভেঙে যাওয়ার ফলে, জনগণের চলাচলের ব্যাপক দুর্ভোগ হচ্ছে। বাড়ছে গাড়ি ও নন-মোটরযানের দুর্ঘটনা। অধিকাংশ ভোটের আগে promises জমা দিলেও বাস্তবায়ন হয়নি। তাই, ওপরোক্ত এলাকার রাস্তা দ্রুত সংস্কার ও ফুটপাত নির্মাণ করে সুন্দর ও জনবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য আবেদন রইল। নিবেদক মোঃ টিপু হোসেন জন প্রতিনিধি, ডাবরিনগর ইউনিয়ন, লক্ষ্মীপুর" শহরের পানি সরবরাহের স্থায়ী ব্যবস্থা প্রয়োগের আবেদন," তারিখ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: ব্যবস্থাপক, ওয়াসা, যশোর বিষয়: শহরের অন্ধকারাঞ্চলে পানিশূন্যতার স্থায়ী সমাধান। জনাব, যশোর শহরের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল পয়েন্ট থেকে জল সরবরাহ আরও সুগঠিত ও সমতান না হওয়ায় ইংলিশ বাজার, বাহদুরপুর রোড ও চিত্রা মোড়ের নাগরিকরা প্রায় সময় পানি সংযোগ বিচ্ছিন্নতার সম্মুখীন। প্রান্তিক ভোক্তা পানি পাইপ লাগিয়ে বাড়ন্ত খরচের সম্মুখীন। আবার ট্যাংকার ভাড়া দিয়ে জীবনের মান নষ্ট করছে। অবিলম্বে স্থানীয় ট্যাঙ্কার/জল ফুটো দমন এবং রাস্তা মেরামতের মাধ্যমে পানি সরবরাহ প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে স্থাপন করার জন্য আবেদন করে রইলাম। নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম বাসিন্দা, ইংরেজবাজার, যশোর" গ্রামের শিশুদের জন্য কমিউনিটি সুস্থতা ক্যাম্প আয়োজন," তারিখ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কল্যাণ কর্মকর্তা, ডুমুরিয়া, খুলনা বিষয়: বিনামূল্যে শিশু স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা কার্যক্রম আয়োজন। জনাব, ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার অভাবে অপুষ্টি, হাঁপানি, চোখামুখের সমস্যা ও ডায়রিয়াসহ নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ১–৫ বছর বয়সী শিশুরা খাদ্যাভাবে দুর্বল। আমরা একজন স্কুল প্রতিনিধির পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি যে এই বছরের মধ্যে কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প চালু করা হোক। যেখানে পেডিয়াট্রিশিয়ান, পুষ্টিবিদ, ডায়াগনস্টিক সেবা ও ওষুধ বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে। এতে স্থানীয় জনগণ নিরাপদ, দ্রুত ও বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবে। নিবেদক মোঃ ফারুক মোহাম্মদ বিদ্যালয় প্রতিনিধি, ডুমুরিয়া, খুলনা" শহরের ফুটপাথে রাস্তার বাঁধ নির্মাণ ও ফুট ব্রিজ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মহানগর সড়ক প্রকৌশলী ঢাকা মহানগর উত্তর বিষয়: অসাধু দোকানি দ্বারা দখল হওয়া ফুটপাথ মুক্ত ও নাগরিক সুরক্ষিত পারাপার নিশ্চিতকরণ। জনাব, রাজউক পূর্বে নির্ধারিত উত্তর–দক্ষিণ ধাপে ফুটপাথ গুলোতে বর্তমানে হয়ে হয়েছে ছোট হামদার দোকান। হকার ও রাস্তার পাশের দোকানি ক্রমে পদে পদে দখল করছে নাগরিক চলাচল স্থান। এছাড়া রাস্তা পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় ফুট ব্রিজ না থাকায় মানুষের চলাচল রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ। অনুরোধ থাকবে—সেই হাঁটার-ফুটপাথ গুলো পরিষ্কার ও উদ্ধার করে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আধুনিক ফুট ব্রিজ স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া। নিবেদক মোঃ ফজলুল হক নাগরিক সচেতনতা ফোরাম ঢাকা মহানগর উত্তর " সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদ রক্ষণাবেক্ষণের আবেদন," তারিখ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সিলেট জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদ ফাটল ও পানি পড়ায় সারাদেশে ক্লাস ভাঙার আশঙ্কা। জনাব, সিলেট জেলার “নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”-এর পুরাতন ছাদে দীর্ঘদিন ধরে ফাটল এবং জলস্রোতের চিহ্ন দেখা যায়। অনবরত পানি পড়ায় দেয়াল গিলে যাচ্ছে, ছাদ ডাকা আওয়াজ হচ্ছে ক্লাস চলাকালীন। ছেলেমেয়েদের জীবন নিরাপদ না। আবেদন জানাচ্ছি—দ্রুত ছাদ মেরামতসহ শক্তিশালী ও পানরোধী ছাদ নির্মাণ করে স্কুলের পরিবেশকে নিরাপদ ও সচেতনকারী করার ব্যবস্থা করার জন্য। নিবেদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ছাত্র-অভিভাবক প্রতিনিধি নবাবগঞ্জ, সিলেট" গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, পঞ্চগড় বিষয়: গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের পঞ্চগড় জেলার মান্দারবাড়ী গ্রামের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ওষুধের অভাব রয়েছে। এতে রোগীরা প্রাথমিক চিকিৎসাও পাচ্ছেন না। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ শাহিনুর রহমান গ্রামবাসী প্রতিনিধি মান্দারবাড়ী, পঞ্চগড়" শহরের রাস্তা নিরাপত্তার জন্য সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, পঞ্চগড় বিষয়: গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের পঞ্চগড় জেলার মান্দারবাড়ী গ্রামের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ওষুধের অভাব রয়েছে। এতে রোগীরা প্রাথমিক চিকিৎসাও পাচ্ছেন না। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ শাহিনুর রহমান গ্রামবাসী প্রতিনিধি মান্দারবাড়ী, পঞ্চগড়" শহরের রাস্তা নিরাপত্তার জন্য সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: যাত্রাবাড়ী মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন। জনাব, যাত্রাবাড়ী মোড়ের সড়কে প্রতিদিন বহু দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সিগন্যাল না থাকায় গাড়ি ও পথচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মানুষের প্রাণহানি ঘটে। অতএব, নিরাপদ চলাচলের জন্য মোড়টিতে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আরিফুল ইসলাম নাগরিক সচেতনতা গ্রুপ ঢাকা" স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে বই বিতরণের আবেদন," তারিখ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, বাগেরহাট বিষয়: দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে বই বিতরণের আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুলের অনেক দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রী বই কিনতে পারছে না। এর ফলে তারা পিছিয়ে যাচ্ছে। অতএব, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্য বই বিতরণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ শীলা খাতুন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বাগেরহাট" পৌর শহরে শৌচাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, কিশোরগঞ্জ বিষয়: পৌর শহরে পর্যাপ্ত শৌচাগার নির্মাণের আবেদন। জনাব, কিশোরগঞ্জ পৌর শহরে শৌচাগার খুবই কম। সবার জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগার নির্মাণ করুন। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ " গ্রামের নারীদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, যশোর বিষয়: নারীদের জন্য সেলাই ও বুটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে নারীরা সেলাই শিখতে চায়। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র না থাকায় সমস্যায় পড়ছে। অতএব, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ রুমি আক্তার গ্রামীণ নারী প্রতিনিধি যশোর" পৌর শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতির আবেদন," তারিখ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, রাজশাহী বিষয়: পৌর শহরে বর্জ্য নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, রাজশাহী শহরে আবর্জনা সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হচ্ছে না। রাস্তা-ঘাটে ময়লা ফেলা হচ্ছে। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম নাগরিক সচেতনতা গ্রুপ রাজশাহী" স্কুলের ছাদের লিকেজ মেরামতের আবেদন," তারিখ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বরিশাল বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদের লিকেজ দ্রুত মেরামতের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাদে গরম ও বর্ষায় পানি পড়ে ক্লাসে সমস্যা হয়। দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করুন। নিবেদক মোঃ সাজিদুল ইসলাম বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক বরিশাল" শহরে নিরাপদ শিশু পার্ক নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ ও আধুনিক পার্ক নির্মাণের আবেদন। জনাব, চট্টগ্রাম শহরে শিশুদের জন্য নিরাপদ পার্কের অভাব। নিরাপদ পার্ক নির্মাণের ব্যবস্থা নিন। নিবেদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম শহরবাসী প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় দ্রুত পদক্ষেপের আবেদন," তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: ব্যবস্থাপক, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি, ঢাকা বিষয়: বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা কমানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ বারবার চলে যায়। জনজীবন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক মোঃ আনোয়ার হোসেন বাসিন্দা, ঢাকা" শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধার আবেদন," তারিখ: ১ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধার আবেদন। জনাব, আমাদের শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতের জন্য পরিবহন খরচ অনেক। বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধা চালু করুন। নিবেদক মোঃ সেলিম রেজা শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ" এলাকার অস্থায়ী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা বিষয়: বন্যার সময় ব্যবহারের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় প্রতি বছর বন্যা হয়। নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রের অভাবে বিপদ বাড়ে। অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবস্থা নিন। নিবেদক মোঃ আলমগীর হোসেন স্থানীয় বাসিন্দা সাতক্ষীরা" গ্রামের পথ দুর্গম এলাকা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৩ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা প্রকৌশলী, গোপালগঞ্জ বিষয়: দুর্গম গ্রামীণ রাস্তার উন্নয়ন ও ব্রীজ নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের সড়ক ও ছোট ব্রীজ বেহাল। চলাচল কষ্টকর। দ্রুত সংস্কার করুন। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম গ্রামবাসী গোপালগঞ্জ " স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণ আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ৪ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, কুমিল্লা বিষয়: স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীরা আধুনিক চিকিৎসা ও প্রযুক্তি জানেন না। প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করুন। নিবেদক মোঃ আশরাফুল হক স্বাস্থ্য কর্মী কুমিল্লা" শহরের ট্রাফিক সমস্যা সমাধানে জরুরি পদক্ষেপের আবেদন," তারিখ: ৫ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, ঢাকায় ট্রাফিক জ্যাম বেড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। দ্রুত পদক্ষেপ দরকার। অনুগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" লাকার পানির দূষণ দূর করার আবেদন," তারিখ: ৬ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পরিবেশ সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: গ্রামের পানির দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার পানির উৎস দূষিত হয়েছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর দ্রুত পদক্ষেপ নিক। নিবেদক মোঃ নাজিম উদ্দিন গ্রামবাসী ঢাকা" স্কুলের জন্য নতুন পাঠাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৭ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, ময়মনসিংহ বিষয়: বিদ্যালয়ের জন্য আধুনিক পাঠাগার নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগার অতি পুরাতন এবং অপ্রয়োজনীয় বই রয়েছে। আধুনিক পাঠাগার প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে নতুন পাঠাগার নির্মাণের ব্যবস্থা করুন। নিবেদক মোঃ শওকত আলী শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ময়মনসিংহ" গ্রামের স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৮ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ফরিদপুর বিষয়: গ্রামের স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব নেই। আধুনিক শিক্ষার জন্য এটি জরুরি। দ্রুত ব্যবস্থা নিন। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম শিক্ষক ফরিদপুর " পল্লী অঞ্চলে বিদ্যুতের স্থায়ী সংযোগের আবেদন," তারিখ: ৯ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড, ঢাকা বিষয়: পল্লী অঞ্চলে স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ অস্থায়ী ও ঝুঁকিপূর্ণ। জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করুন। নিবেদক মোঃ আমিনুল হক গ্রামবাসী ঢাকা" সড়ক দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত পদক্ষেপের আবেদন," তারিখ: ১০ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: সড়ক পরিবহন অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, চট্টগ্রাম জেলার সড়কে দুর্ঘটনা বেড়ে মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। দ্রুত ব্যবস্থা দরকার। দয়া করে কার্যকর পদক্ষেপ নিন। নিবেদক মোঃ হাসান আজাদ নাগরিক চট্টগ্রাম" সরকারি হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজনের আবেদন," তারিখ: ১১ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, রাজশাহী বিষয়: সরকারি হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজনের আবেদন। জনাব, রাজশাহী জেলা হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সজীব খান রোগী প্রতিনিধি রাজশাহী" গ্রামের স্যানিটেশন সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১২ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কিশোরগঞ্জ বিষয়: পল্লী অঞ্চলে স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলার নিম্নচাপড়া গ্রামে বহু বছর যাবৎ স্যানিটেশন ব্যবস্থা যথাযথ নয়। দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা শৌচাগারের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। ফলে স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। অতএব, গ্রামীণ জনসাধারণের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য নিম্নচাপড়া গ্রামে নিরাপদ ও আধুনিক শৌচাগার নির্মাণ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম নিম্নচাপড়া গ্রামবাসী পক্ষে কিশোরগঞ্জ" এলাকার শিশুদের জন্য বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার প্রদান সংক্রান্ত আবেদন," তারিখ: ১৩ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা, জামালপুর বিষয়: গ্রামীণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণের আবেদন। জনাব, জামালপুর জেলার সাতুরিয়া গ্রামের শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে গরীব ও অসহায় পরিবারের শিশুদের পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য না পাওয়ার ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা গ্রামীণ জনগণের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুষ্টিকর খাবার বিতরণের একটি কর্মসূচি চালু করুন। এতে শিশুদের স্বাস্থ্য উন্নত হবে এবং তারা সুস্থভাবে বড় হতে পারবে। আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ রুমানা বেগম সাতুরিয়া গ্রামের প্রতিনিধিত্বে জামালপুর" সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষকদের নিয়োগের আবেদন," তারিখ: ১৪ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, চাঁদপুর বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষক ঘাটতি পূরণের জন্য নবীন শিক্ষকদের নিয়োগের আবেদন। জনাব, চাঁদপুর জেলার মেঘনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা অত্যন্ত কম। এক শিক্ষক একাধিক শ্রেণিতে পড়ানোর কারণে শিক্ষার মান হ্রাস পাচ্ছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তার সঠিক শিক্ষাগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, বিদ্যালয়ের পাঠদানের মান উন্নয়নে দ্রুত নবীন শিক্ষকদের নিয়োগ প্রদান এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ হাসিবুর রহমান বিদ্যালয় সভাপতি মেঘনা, চাঁদপুর " শহরের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৫ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, রাজশাহী বিষয়: প্রবীণ নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, রাজশাহীর পৌরশহরে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অনেক প্রবীণ নাগরিক আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারেন না। ফলে তাদের মধ্যে নানা রোগের বিস্তার ঘটছে এবং জীবনযাত্রার মান খারাপ হচ্ছে। সুতরাং, আপনার দপ্তর থেকে বিনামূল্যে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ প্রদান করার একটি কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রবীণ নাগরিক সংগঠন সভাপতি রাজশাহী" লাকার খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন," তারিখ: ১৬ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা ক্রীড়া অফিসার, সুনামগঞ্জ বিষয়: এলাকার প্রধান খেলার মাঠের উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার প্রধান খেলার মাঠটি অনেকদিন যাবৎ বেহাল অবস্থায় রয়েছে। খেলার জন্য প্রয়োজনীয় বেসবল, ফুটবল ও ক্রিকেট মাঠের মাটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় খেলাধুলায় শিক্ষার্থীরা অনেকে অংশগ্রহণ করতে পারে না। এছাড়াও মাঠের চারপাশে বেঞ্চ, লাইট এবং স্যানিটেশন সুবিধাও নেই। অতএব, এলাকার ক্রীড়া উন্নয়নে মাঠের সার্বিক সংস্কার ও আধুনিকায়নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি শাল্লা, সুনামগঞ্জ" ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের অফিস কক্ষ সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ১৭ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভোলা বিষয়: ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের অফিস কক্ষ সম্প্রসারণের আবেদন। জনাব, ভোলা জেলার মনপুরা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ের অফিস কক্ষ সংকীর্ণ ও অপ্রতুল হওয়ায় অফিস কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকার ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জনগণের মাঝে ঝামেলা হচ্ছে। অতএব, অফিসের কার্যক্রম স্বচ্ছন্দ ও কার্যকর করার জন্য ইউপির অফিস কক্ষ সম্প্রসারণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদুল ইসলাম ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মনপুরা, ভোলা" নগরীতে রাস্তার দুর্গন্ধ ও পানি নিষ্কাশনের সমস্যা সমাধানের আবেদন," তারিখ: ১৮ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, বরিশাল বিষয়: শহরের সড়কে দুর্গন্ধ ও পানিবাহী নালার সমস্যা সমাধানের আবেদন। জনাব, বরিশাল পৌর শহরের অনেক সড়ক এবং গলি-নালায় পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে জমে থাকা গন্ধযুক্ত পানি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে যানজট সৃষ্টি হয় এবং অসুবিধা হয়। অতএব, সড়ক ও গলির পানিনিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও দুর্গন্ধ দূরীকরণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ কামাল হোসেন নাগরিক প্রতিনিধি বরিশাল" বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ১৯ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। জনাব, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রয়োজন। এতে শিক্ষকগণ আধুনিক শিক্ষাদানের পদ্ধতি জানতে পারবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার মান উন্নত হবে। অতএব, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আপনার সদয় উদ্যোগ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ মাহফুজুর রহমান শিক্ষক প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ" গ্রামীণ এলাকায় স্বচ্ছ পানির জন্য টিউবওয়েল স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২০ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, যশোর বিষয়: গ্রামে আর্সেনিকমুক্ত ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য টিউবওয়েল স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের যশোর জেলার চালিতবাড়ী গ্রামের নলকূপগুলি অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং বেশিরভাগ এলাকায় পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বেশি। এতে এলাকাবাসীর শারীরিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে। অতএব, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য নতুন টিউবওয়েল স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম গ্রামবাসী যশোর" শহরের স্কুলে সাইকেল পার্কিং ব্যবস্থা তৈরির আবেদন," তারিখ: ২১ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, সিলেট বিষয়: স্কুলে সাইকেল পার্কিংয়ের জন্য নিরাপদ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, সিলেট শহরের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য সাইকেল পার্কিংয়ের অভাব রয়েছে। ফলে গাড়ি ও সাইকেলগুলো এলোমেলো ভাবে রাখা হয়, যা সড়ক ব্যবস্থায় অসুবিধা সৃষ্টি করে। অতএব, স্কুলের আশেপাশে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত সাইকেল পার্কিং ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাজেদুল ইসলাম শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সিলেট" উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ঔষধ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ২২ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, নরসিংদী বিষয়: জরুরি ঔষধ সরবরাহের অব্যাহত ও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, নরসিংদীর আড়াইহাজার উপজেলার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মাঝে মাঝে জরুরি ওষুধের অভাব দেখা দেয়। এতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যাহত হয়। অতএব, সকল প্রকার জরুরি ঔষধের যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ ফজলুল হক গ্রামবাসী নরসিংদী" শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের আবেদন," তারিখ: ২৩ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, কুমিল্লা বিষয়: স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের আবেদন। জনাব, কুমিল্লার বিভিন্ন স্কুলে পড়ুয়া দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ওষুধ বিতরণ প্রয়োজন। এতে তাদের শারীরিক সমস্যা দ্রুত নিরাময় সম্ভব হবে। অতএব, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ রুনু আক্তার শিক্ষার্থী প্রতিনিধি কুমিল্লা" নগরীর ফুটপাতে বেঞ্চ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৪ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, রাজশাহী বিষয়: নগরীর বিভিন্ন ফুটপাতে বেঞ্চ স্থাপনের আবেদন। জনাব, রাজশাহী শহরের বিভিন্ন ফুটপাথে বৃদ্ধ, মহিলাসহ সাধারণ মানুষের বসার স্থান কম। এতে দুর্বল ও অসুস্থরা বিশ্রাম নিতে পারে না। অতএব, জনসাধারণের সুবিধার্থে ফুটপাতে বেঞ্চ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আবু তাহের নাগরিক প্রতিনিধি রাজশাহী" শহরে দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বৃক্ষরোপণের আবেদন," তারিখ: ২৫ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: শহরের পরিবেশ দূষণ রোধ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরে গাছপালা কমে যাওয়ায় পরিবেশ ভারী দূষিত হচ্ছে। জনগণের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা বাড়ছে। অতএব, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দ্রুত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আসাদুল্লাহ পরিবেশ সচেতন নাগরিক ঢাকা" গ্রামের বিদ্যুৎ লাইনের উন্নয়নের জন্য আবেদন," তারিখ: ২৬ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ময়মনসিংহ বিষয়: গ্রামের বিদ্যুৎ লাইনের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার অনেক গ্রামের বিদ্যুৎ লাইন পুরাতন ও ঝুঁকিপূর্ণ। এটি নিয়মিত সমস্যা সৃষ্টি করে। অতএব, দ্রুত বিদ্যুৎ লাইনের আধুনিকীকরণ এবং সম্প্রসারণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রিয়াজ" স্কুলের লাইব্রেরি বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ২৭ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, ঢাকা বিষয়: স্কুল লাইব্রেরিতে নতুন বই ক্রয়ের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুল লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় ও আধুনিক বইয়ের সংখ্যা সীমিত। শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। অতএব, লাইব্রেরির বই সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ঢাকা" পৌর শহরে ফুটবল গ্রাউন্ড সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৮ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, বরিশাল বিষয়: পৌর শহরের ফুটবল গ্রাউন্ডের মেরামত ও আধুনিকায়নের আবেদন। জনাব, বরিশাল পৌর শহরের ফুটবল গ্রাউন্ডটি দীর্ঘদিন বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এতে খেলোয়াড়রা দুঃখ পাচ্ছেন। অতএব, দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদ উদ্দিন ক্রীড়া সংগঠক বরিশাল" স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসক নিয়োগের আবেদন," তারিখ: ২৯ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, খুলনা বিষয়: স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসক নিয়োগের আবেদন। জনাব, খুলনা জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক সংখ্যা কম। রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। অতএব, দ্রুত আধুনিক চিকিৎসক নিয়োগের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান গ্রামবাসী খুলনা" শহরের সড়কে রাস্তার চিহ্ন ও সাইনবোর্ড স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩০ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: শহরের সড়কে রাস্তার চিহ্ন ও সাইনবোর্ড স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সঠিক রাস্তা চিহ্ন ও সাইনবোর্ডের অভাব রয়েছে। এতে পথচারী ও চালক উভয়ের সমস্যা হয়। অতএব, সঠিক চিহ্ন ও সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রিয়াজ আহমেদ নাগরিক ঢাকা" বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ৩১ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, ময়মনসিংহ বিষয়: বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা কম। এ বিষয়ে ক্যাম্প আয়োজন প্রয়োজন। অতএব, বিদ্যালয় পর্যায়ে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ সুমাইয়া খাতুন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ময়মনসিংহ " উপজেলার মসজিদ ও মন্দিরে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, গাইবান্ধা বিষয়: ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের গাইবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় রাতে নামাজ, প্রার্থনা বা ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ অন্ধকারে নামাজ আদায় করছেন অথবা বাতাসে প্রদীপ জ্বালিয়ে পূজা করছেন, যা আধুনিক যুগে বেমানান এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এই অবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সমাধান হতে পারে। অতএব, মসজিদ ও মন্দিরে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করে এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আজিজুর রহমান স্থানীয় সমাজকর্মী গাইবান্ধা উপজেলা" গ্রামে প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: সমাজসেবা কর্মকর্তা, ঝিনাইদহ বিষয়: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অনেক প্রতিবন্ধী মানুষ বসবাস করছেন। তারা কর্মহীন ও অসহায় অবস্থায় জীবনযাপন করছেন। তাদের জীবনে পরিবর্তন আনতে হলে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও আত্মনির্ভরতা অর্জনের সুযোগ প্রয়োজন। এই উদ্দেশ্যে, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে একটি প্রতিবন্ধীবান্ধব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়, যেখানে তারা সেলাই, কারুশিল্প, আইটি ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারে। নিবেদক মোছাঃ সালেহা বেগম সমাজসেবা সংগঠনের সদস্য ঝিনাইদহ সদর" বয়স্ক ভাতা প্রদানে নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন," তারিখ: ৩ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: ইউনিয়ন সমাজসেবা কর্মকর্তা, কুড়িগ্রাম বিষয়: বয়স্ক ভাতা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন। জনাব, আমি একজন দরিদ্র বৃদ্ধ, বয়স প্রায় ৭২ বছর। পরিবারে উপার্জনের কেউ নেই। বর্তমানে আমি অক্ষম অবস্থায় আছি এবং কোনো সরকারি ভাতা পাচ্ছি না। অতএব, মানবিক বিবেচনায় আমাকে সরকারি বয়স্ক ভাতা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে জীবনধারণে সহায়তা করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক আব্দুল হালিম গ্রামঃ বড়বাড়ি উপজেলাঃ উলিপুর, কুড়িগ্রাম" নারীদের জন্য নিরাপদ গণপরিবহন চালুর আবেদন," তারিখ: ৪ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: বিআরটিএ চেয়ারম্যান, ঢাকা বিষয়: নারীদের জন্য নিরাপদ ও স্বতন্ত্র গণপরিবহন চালুর আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরের গণপরিবহনে নারী যাত্রীরা প্রতিনিয়ত হয়রানি ও অসদাচরণের শিকার হচ্ছেন। কর্মজীবী নারী, ছাত্রী ও গৃহিণীরা গণপরিবহনে চলাচলের সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সেই কারণে আমরা নারীদের জন্য নির্দিষ্ট আসনবিশিষ্ট অথবা স্বতন্ত্র পরিবহন চালুর জন্য অনুরোধ করছি, যেন তারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলাফেরা করতে পারেন। নিবেদক মোছাঃ আফরোজা ইয়াসমিন নারী উন্নয়ন সংগঠক মিরপুর, ঢাকা " ইউনিয়নে খেলার সামগ্রী সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা ক্রীড়া অফিসার, লক্ষ্মীপুর বিষয়: গ্রামীণ ক্রীড়া উন্নয়নে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন। জনাব, লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের যুব সমাজ খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিকভাবে সচল থাকতে চায়। কিন্তু খেলার প্রয়োজনীয় সামগ্রী না থাকায় তারা হতাশ হচ্ছে এবং বিপথে যাচ্ছে। অতএব, যুব সমাজকে খেলা ও সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে গড়ে তুলতে খেলার সামগ্রী সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মনির হোসেন যুব সমাজ প্রতিনি" গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা, সিলেট বিষয়: সুরমা নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের আবেদন। জনাব, সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার কুশিয়ারা ও সুরমা নদী সংলগ্ন গ্রামগুলোতে বর্ষা মৌসুম এলেই বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। এতে কৃষি জমি ডুবে যায়, ঘরবাড়ি ভেসে যায়, এবং জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে আসে। প্রতিবছর আমাদের অনেক পরিবার গৃহহীন হয় ও মৌসুমি রোগে আক্রান্ত হয়। বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন নদীর পাশে একটি টেকসই বাঁধ। বাঁধ থাকলে শুধু জমির ফসলই রক্ষা পাবে না, গ্রামবাসীর জীবন ও সম্পদও নিরাপদ থাকবে। অতএব, মানবিক ও বাস্তবিক কারণে দ্রুত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ নজরুল ইসলাম গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বিনাইকুলি, বিশ্বনাথ, সিলেট" উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বিভাগের উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৭ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: সিভিল সার্জন, বরগুনা বিষয়: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নের আবেদন। জনাব, আমাদের পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বিভাগের পরিসেবা অত্যন্ত সীমিত ও অপ্রতুল। শিশু রোগীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড নেই, চিকিৎসক সংখ্যা কম এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ-পথ্য মজুত নেই। ফলে শিশুরা দুর্ভোগে পড়ে এবং শহরের বেসরকারি ক্লিনিকের উপর নির্ভর করতে হয়, যা ব্যয়বহুল। অতএব, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত শিশু বিভাগে চিকিৎসক নিয়োগ, ওষুধ সরবরাহ এবং আলাদা ওয়ার্ড নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ রহিমা খাতুন স্থানীয় অভিভাবক পাথরঘাটা, বরগুনা" শহরের যানজট নিরসনে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৮ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, ময়মনসিংহ বিষয়: প্রধান সড়কে ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর জন্য আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ শহরের নতুন বাজার থেকে টাউন হল পর্যন্ত প্রধান সড়কে প্রতিদিন প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়ে এই সমস্যা প্রকট হয়। এই সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন উপযুক্ত ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন এবং প্রশিক্ষিত ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ। এতে যান চলাচলে শৃঙ্খলা আসবে এবং জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘব হবে। অতএব, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শাহরিয়ার রাহমান নাগরিক প্রতিনিধি ময়মনসিংহ" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৯ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, চুয়াডাঙ্গা বিষয়: আধুনিক শিক্ষায় সহায়তা করতে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন। জনাব, বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর। অথচ আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো কম্পিউটার ল্যাব নেই। ফলে ছাত্রছাত্রীরা প্রযুক্তি জ্ঞান থেকে পিছিয়ে পড়ছে এবং উচ্চশিক্ষায় দুর্বলতা অনুভব করছে। অতএব, বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ এবং আইটি শিক্ষকসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ল্যাব স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মাহমুদুল হাসান শিক্ষার্থী প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়" বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনার আবেদন," তারিখ: ১০ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা বিষয়: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি অভিযান। জনাব, কুমিল্লা শহরের বাজারগুলোতে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে। ব্যবসায়ীরা মজুতদারি ও সিন্ডিকেট তৈরি করে মূল্যবৃদ্ধি করছে। এই অবস্থায় দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। অতএব, বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে অসাধু ব্যবসায়ীদের শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শহিদুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি কুমিল্লা" "গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের আবেদন তারিখ: ১১ এপ্রিল ২০২৬"," প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ঠাকুরগাঁও বিষয়: গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার দূরবর্তী গ্রাম মালঞ্চায় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নেই। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও মানুষকে ৮–১০ কিমি পথ অতিক্রম করতে হয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য এটি খুবই কষ্টসাধ্য। স্বাস্থ্যকর্মী থাকলে তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা, টিকাদান ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কাজ করতে পারবেন। অতএব, এই গ্রামে অন্তত একজন স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোছাঃ হাসিনা খাতুন গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মালঞ্চা, ঠাকুরগাঁও" রেলস্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১২ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: মহাব্যবস্থাপক, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে, রাজশাহী বিষয়: দিনাজপুর রেলস্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগার নির্মাণের আবেদন। জনাব, দিনাজপুর রেলস্টেশনে প্রতিদিন শত শত যাত্রী যাতায়াত করেন। কিন্তু সেখানে বসার জায়গা নেই, কোনো বিশ্রামাগার নেই, এমনকি নারীদের জন্য আলাদা সুবিধাও নেই। বৃষ্টি বা রোদে তারা ভীষণ কষ্ট পান। এই প্রেক্ষিতে, যাত্রীদের সুবিধার্থে একটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বিশ্রামাগার নির্মাণ ও নারী-পুরুষ আলাদা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি দিনাজপুর" ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেবা চালুর আবেদন," তারিখ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিরাজগঞ্জ বিষয়: ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ভাতা আবেদন ইত্যাদি কাজ করতে গেলে সাধারণ মানুষ দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং কাগজপত্র হারিয়ে ফেলার ঝুঁকিতে থাকেন। ডিজিটাল কেন্দ্র থাকলে মানুষ ঘরে বসে আবেদন করতে পারবেন এবং দ্রুত সেবা পাবেন। অতএব, ডিজিটাল ইউনিয়ন সেন্টার স্থাপন করে জনগণকে আধুনিক সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ হেলাল উদ্দিন ইউপি সদস্য সিরাজগঞ্জ সদর " শহরে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, গোপালগঞ্জ বিষয়: গোপালগঞ্জ শহরে পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট নির্মাণের আবেদন। জনাব, গোপালগঞ্জ শহরে বিশেষ করে বাস স্ট্যান্ড, হাসপাতাল ও বাজার এলাকায় কোনো পাবলিক টয়লেট নেই। এতে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়ে। তাই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা রক্ষার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোছাঃ রিনা আক্তার নাগরিক প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ" মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা সুবিধা বাস্তবায়নের আবেদন," তারিখ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, নোয়াখালী বিষয়: চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটার বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করার আবেদন। জনাব, বর্তমানে অনেক জায়গায় মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা তাঁদের প্রাপ্য কোটা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে স্থানীয় নিয়োগ ও ভর্তি প্রক্রিয়ায় এই কোটা মানা হচ্ছে না। তাদের প্রতি জাতির ঋণ রয়েছে। অতএব, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করতে কোটা নীতিমালা কঠোরভাবে প্রয়োগ করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মাইনুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নোয়াখালী" বাজারে মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: বাজারে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে মজুতদারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। জনাব, অনেক অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে চাল, তেল, ডাল ইত্যাদি পণ্য মজুত রেখে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণি চরম কষ্টে পড়ছে। এই অবস্থায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ রেজাউল করিম সাধারণ ভোক্তা মতিঝিল, ঢাকা" বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর আবেদন," তারিখ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: নির্বাহী প্রকৌশলী, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, রাজবাড়ী বিষয়: ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনের আবেদন। জনাব, রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি এলাকায় প্রতিদিন বহুবার বিদ্যুৎ যায়। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে নতুন ট্রান্সফরমার বসানো ও লাইন সংস্কারের প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শামীম আহমেদ বাসিন্দা বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী " স্কুলে সাইকেল বিতরণের আবেদন," তারিখ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, রংপুর বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল বিতরণের আবেদন। জনাব, রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলায় অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন ৪-৫ কিমি হেঁটে স্কুলে আসে। এতে তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে, অনেকে ঝরে পড়ে। এই অবস্থায় স্কুলগামী গরিব শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে সাইকেল বিতরণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন শিক্ষক প্রতিনিধি গঙ্গাচড়া, রংপুর" জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন," তারিখ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: শহরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণ। জনাব, নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। নর্দমা ব্লক হয়ে থাকায় পানি বের হতে পারে না। অতএব, নর্দমা পরিষ্কার, ড্রেন নির্মাণ ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করার আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমিন নাগরিক প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ" শহরের পার্কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন," তারিখ: ২০ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর প্রশাসক, সাভার বিষয়: শহরের পার্কগুলোতে সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আবেদন। জনাব, সাভারের পার্কগুলোতে সন্ধ্যার পর অনেকে মাদক সেবন, চুরি ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন। এতে পরিবারসহ ঘোরাফেরা নিরাপদ নয়। অতএব, পার্কে সিসিটিভি, নিরাপত্তা কর্মী ও নিয়মিত পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শাহীনুর ইসলাম স্থানীয় নাগরিক সাভার, ঢাকা" সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ২১ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের আবেদন। জনাব, সরকারি হাসপাতালে গেলে বেশিরভাগ রোগীকেই বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। এতে দরিদ্র রোগীরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। অতএব, হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মনোয়ার হোসেন রোগী প্রতিনিধি ঢাকা মেডিকেল এলাকা" গ্রামীণ এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২২ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: বিটিআরসি চেয়ারম্যান, ঢাকা বিষয়: গ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বলতার সমস্যা নিরসনের আবেদন। জনাব, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার কিছু এলাকায় মোবাইল ফোনে কল করা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা খুবই কষ্টকর। শিক্ষার্থী ও কৃষকেরা বিশেষভাবে সমস্যায় পড়েন। অতএব, মোবাইল টাওয়ার বসিয়ে নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাফিজুল ইসলাম গ্রামবাসী আগৈলঝাড়া, বরিশাল" কন্যাশিশুর বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য প্রণোদনার আবেদন," তারিখ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: কন্যাশিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রণোদনা চালুর আবেদন। জনাব, অর্থনৈতিক কারণে অনেক পরিবার কন্যাশিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে চায় না। তাই তাদের জন্য উপবৃত্তি, পোশাক ও খাবারের ব্যবস্থা করলে উপস্থিতি বাড়বে। অতএব, গ্রামে কন্যাশিশুদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা চালুর অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ পারভীন আক্তার শিক্ষিকা লালপুর, নাটোর" নদীভাঙন রোধে পাড় বাঁধ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, খুলনা বিষয়: নদী ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণের আবেদন। জনাব, ভৈরব নদীর তীরে বসবাসরত মানুষ প্রতি বছর নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারান। অতএব, নদী তীরে মাটি সিমেন্ট দিয়ে বাঁধ তৈরি করে বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আলমগীর হোসেন গ্রামবাসী রূপসা, খুলনা" সরকারি স্কুলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য পুরস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, ফরিদপুর বিষয়: মেধাবীদের উৎসাহ দিতে পুরস্কার প্রদান। জনাব, ফরিদপুরের সরকারি স্কুলগুলোতে মেধাবীদের উৎসাহ দিতে পুরস্কার বা সম্মাননা দেওয়া হলে তাদের আগ্রহ বাড়বে। অতএব, প্রতি ক্লাসের সেরা শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ লুৎফর রহমান শিক্ষক প্রতিনিধি ফরিদপুর" বিদ্যালয়ে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগের আবেদন," তারিখ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বরগুনা বিষয়: বিদ্যালয়ের পাঠাগারে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ। জনাব, আমাদের স্কুলে পাঠাগার থাকলেও লাইব্রেরিয়ান না থাকায় কার্যক্রম থেমে আছে। অতএব, লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দিয়ে পাঠাগার সচল করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আজিজুর রহমান প্রধান শিক্ষক তালতলী, বরগুনা" মাদ্রাসায় বিজ্ঞান ল্যাব প্রতিষ্ঠার আবেদন," তারিখ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ঢাকা বিষয়: মাদ্রাসায় বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ল্যাব না থাকায় তারা ব্যবহারিক শিক্ষা নিতে পারছে না। অতএব, বিজ্ঞান ল্যাব প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মাওলানা আব্দুল হাই প্রিন্সিপাল আল ফালাহ মাদ্রাসা, কিশোরগঞ্জ" বাস স্ট্যান্ডে নারীদের জন্য পৃথক বসার ব্যবস্থা তৈরির আবেদন," তারিখ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, রংপুর বিষয়: বাস স্ট্যান্ডে নারী যাত্রীদের জন্য নিরাপদ বসার ব্যবস্থা। জনাব, রংপুর শহরের বাস স্ট্যান্ডে নারীদের জন্য পৃথক ও নিরাপদ বসার ব্যবস্থা নেই। তারা লজ্জায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন। অতএব, নিরাপদ বসার ঘর ও নারীবান্ধব টয়লেট স্থাপনের আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ লিপি আক্তার নাগরিক প্রতিনিধি রংপুর" শহরের কুকুর নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, বগুড়া বিষয়: শহরের রাস্তায় কুকুর নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা। জনাব, বগুড়ার বিভিন্ন সড়কে কুকুরের উৎপাত দিন দিন বাড়ছে। পথচারীদের কামড়ে দিচ্ছে। অতএব, পৌরসভা থেকে এসব নিয়ন্ত্রণে টিকা, আশ্রয় ও সুরক্ষা কর্মসূচি নেওয়ার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ কামরুজ্জামান নাগরিক বগুড়া" উপজেলা শহরে নার্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়: নার্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের উপজেলায় নার্সিং প্রশিক্ষণের সুযোগ নেই। মেয়েরা শহরে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারে না। অতএব, একটি সরকারি নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুজ্জামান নাগরিক প্রতিনিধি মাধবদী, নরসিংদী" উপজেলার দুর্গম এলাকায় মোবাইল চিকিৎসা ইউনিট চালুর আবেদন," তারিখ: ১ মে ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: দুর্গম এলাকায় মোবাইল চিকিৎসা ইউনিট চালুর আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চরাঞ্চলের একজন বাসিন্দা। আমাদের গ্রামটি নদীবেষ্টিত হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রায় ২০ কিমি দূরে অবস্থিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় সামান্য অসুস্থতাতেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ এখানে ছোটখাটো জ্বর-সর্দি থেকে শুরু করে গর্ভাবস্থা, ডায়াবেটিস, রক্তচাপের মতো জটিল সমস্যায় ভুগলেও সময়মতো চিকিৎসা পান না। অনেক গর্ভবতী নারী সন্তান প্রসবের সময় অভাবনীয় কষ্টের সম্মুখীন হন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অনেক সময় মা ও নবজাতকের মৃত্যুও ঘটে। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে, আমাদের এলাকার মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে একটি মোবাইল মেডিকেল ইউনিট চালু করলে উপকারে আসবে। এতে প্রতি সপ্তাহে বা মাসে নির্দিষ্ট দিনে চিকিৎসকের দল এসে স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারবেন এবং জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়বে। অতএব, চরাঞ্চলের মানুষের জীবন বাঁচাতে ও স্বাস্থ্যসেবার অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মোবাইল চিকিৎসা ইউনিট চালুর জন্য আপনার দপ্তরের আশু পদক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, চরকাজীরচর রৌমারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম" গ্রামে নারী-কিশোরীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা শিবির আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ২ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, বরিশাল সদর বিষয়: গ্রামীণ নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে শিবির আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করছি যে, বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক নারী ও কিশোরী ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য বিষয়ে যথাযথ ধারণা না থাকায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে প্রজনন স্বাস্থ্য, মাসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা, অ্যানিমিয়া, পুষ্টির অভাব ইত্যাদি ব্যাপারে তারা সচেতন না থাকায় ছোট অসুস্থতাও বড় রোগে পরিণত হচ্ছে। গ্রামীণ সমাজে এই বিষয়ে কথা বলাও একধরনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে, ফলে মেয়েরা সমস্যা গোপন রাখে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও নিতে পারে না। এই প্রেক্ষাপটে, যদি সরকারি উদ্যোগে কিশোরী ও নারীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক শিবিরের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রশিক্ষিত নারী চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাহলে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। অতএব, অনুরোধ, বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতা শিবির আয়োজন করে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। নিবেদক মোছাঃ তাহমিনা আক্তার সমাজকর্মী, নারী উন্নয়ন সংগঠন বরিশাল সদর" বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন," তারিখ: ৩ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, গাইবান্ধা বিষয়: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রাম সদ্যসমাপ্ত বন্যায় ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে, কৃষিজমি বিনষ্ট হয়েছে এবং গবাদিপশুও ভেসে গেছে। এমনকি অনেক পরিবার এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে দুর্গত মানুষগুলো ঘরবাড়ি, খাদ্য, পোশাক, ওষুধ— সব কিছু হারিয়ে চরম দুরবস্থায় রয়েছে। শিশুরা না পারছে পড়তে, না পাচ্ছে পুষ্টিকর খাবার। অতএব, এই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক অনুদান, খাদ্য ও পুনর্নির্মাণ সামগ্রী বিতরণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদক মোঃ আলতাফ হোসেন সাধারণ নাগরিক, দুর্গত এলাকা সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা " শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণের আবেদন," তারিখ: ৪ মে ২০২৬ প্রাপক: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম বিষয়: ছাত্রছাত্রীদের সাইবার অপরাধ থেকে সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজনের আবেদন। জনাব, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীরা মোবাইল, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে। তবে অনেক শিক্ষার্থী জানে না কোন ব্যবহার নিরাপদ আর কোনটা বিপজ্জনক। ফলে তারা ফিশিং, হ্যাকিং, ব্ল্যাকমেইলিং ও অনলাইন প্রতারণার শিকার হচ্ছে। সাইবার অপরাধ থেকে ছাত্রছাত্রীদের রক্ষা করার জন্য, যদি তাদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ চালু করা হয়, তাহলে তারা অধিক সতর্ক হবে এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান অর্জন করবে। অতএব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ চালুর জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সামিউল ইসলাম শিক্ষার্থী প্রতিনিধি চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ" পৌর এলাকার নালাগুলো নিয়মিত পরিস্কারের আবেদন," তারিখ: ৫ মে ২০২৬ প্রাপক: মেয়র, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন বিষয়: পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নালা পরিষ্কারের আবেদন। জনাব, রাজশাহী শহরের লক্ষ্মীপুর, সাগরপাড়া ও তালাইমারী এলাকায় নিয়মিত নালা পরিষ্কার না হওয়ায় পানি জমে থাকে এবং দুর্গন্ধ ছড়ায়। বৃষ্টির সময় এই জল জমে রাস্তা দিয়ে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। এতে পরিবেশ দূষিত হয় এবং মশাবাহিত রোগের বিস্তার ঘটে। অতএব, পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিতভাবে নালা পরিষ্কারের জন্য পৌর কর্মচারী নিয়োগ ও তদারকির ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ তানজিলা রহমান বাসিন্দা, তালাইমারী রাজশাহী সিটি" সরকারি অফিসে জনসাধারণের জন্য বিশ্রামাগার ও পানি সরবরাহের ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন," তারিখ: ৬ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, বাগেরহাট বিষয়: সেবা প্রত্যাশীদের জন্য অফিস প্রাঙ্গণে বিশ্রামাগার ও পানীয় জলের ব্যবস্থা। জনাব, বাগেরহাট জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে জমি সংক্রান্ত কাগজ, সার্টিফিকেট ও অন্যান্য পরিষেবার জন্য। তবে সেখানে বসার স্থান, বিশ্রামের ব্যবস্থা ও পানীয় জলের সুব্যবস্থা নেই। প্রতীক্ষায় থাকা বয়স্ক, নারী ও শিশুরা কষ্ট পান। এমনকি গ্রীষ্মকালে হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যাও হয়। অতএব, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে অফিসে একটি আধুনিক বিশ্রামাগার ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ জুবায়ের হোসেন সেবা প্রত্যাশী নাগরিক বাগেরহাট" শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালুর আবেদন," তারিখ: ৩ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, চট্টগ্রাম বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন। জনাব, সৌজন্য বিনীত নিবেদন এই যে, আমি চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার একজন শিক্ষক। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় সাত শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। এদের অধিকাংশই দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি, চোখের সমস্যা, দাঁতের অসুখ, চর্মরোগ, হাঁপানি ইত্যাদি নানা স্বাস্থ্য সমস্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় এসব রোগ প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে না এবং পরবর্তীতে তা জটিল আকার ধারণ করে। এই পরিস্থিতির উন্নয়নে বিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও কাউন্সেলিং ক্যাম্প চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে করে শিক্ষার্থীরা নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুস্থভাবে গড়ে উঠবে। অতএব, প্রতি ছয় মাস অন্তর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় স্কুলভিত্তিক স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন সহকারী শিক্ষক শাহ মোহছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় পটিয়া, চট্টগ্রাম" শহরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালুর আবেদন," তারিখ: ৪ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, মাগুরা বিষয়: পরিবেশ রক্ষার্থে শহরে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, আমাদের মাগুরা শহর দ্রুত নগরায়নের কারণে ধুলাবালু, শব্দদূষণ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সমস্যায় ভুগছে। খোলা জায়গা ও গাছপালার সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে, যার ফলে বায়ুদূষণ বেড়ে যাচ্ছে এবং নাগরিকরা নানা ধরনের শ্বাসকষ্ট ও এলার্জিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই অবস্থার পরিবর্তনে বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত কার্যকর ও টেকসই একটি পদক্ষেপ। শহরের রাস্তাঘাট, স্কুল, খেলার মাঠ, সরকারি ভবনের আঙিনা—এ সব জায়গায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করলে পরিবেশ সুন্দর, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। অতএব, মাগুরা পৌরসভা থেকে একটি ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করে সাধারণ মানুষকে এতে সম্পৃক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আমজাদ হোসেন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি মাগুরা পৌরসভা" শহরের ডাস্টবিন নিয়মিত পরিষ্কারের আবেদন," তারিখ: ৫ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, গাইবান্ধা বিষয়: গাইবান্ধা পৌর এলাকার ডাস্টবিন নিয়মিত পরিষ্কারের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, গাইবান্ধা শহরের অধিকাংশ এলাকায় যত্রতত্র ডাস্টবিন বসানো হলেও সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় সেগুলো থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়, মশা-মাছির উৎপাত বৃদ্ধি পায় এবং জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ে। বিশেষ করে হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থা আরও ভয়াবহ। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে যদি নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ডাস্টবিন পরিষ্কার করা হয় এবং জনসচেতনতা বাড়ানো হয়, তাহলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। অতএব, পৌরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের মাধ্যমে ডাস্টবিন নিয়মিত পরিষ্কার ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুজ্জামান নাগরিক প্রতিনিধি গাইবান্ধা পৌরসভা" শহরের খেলার মাঠ সংরক্ষণ ও আধুনিকায়নের আবেদন,"তারিখ: ৬ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা, পাবনা বিষয়: পাবনা শহরের প্রধান খেলার মাঠ আধুনিকায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ বিনীত নিবেদন এই যে, আমি পাবনা শহরের একজন ক্রীড়ামোদী নাগরিক। আমাদের শহরের একমাত্র খেলার মাঠটি বর্তমানে অনুন্নত ও অব্যবস্থাপনার শিকার। মাঠের ঘাস নেই, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই, ওয়াশরুম নেই এবং সন্ধ্যায় আলোর কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে ক্রীড়াচর্চা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং তরুণদের মধ্যে আগ্রহ কমে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি যুব সমাজকে মাদক ও কুপ্রবৃত্তি থেকে দূরে রাখতে কার্যকর একটি মাধ্যম। খেলার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করলে তরুণ সমাজ সঠিক পথে থাকবে, শহরের গৌরবও বাড়বে। অতএব, পাবনার প্রধান খেলার মাঠে মাটি ভরাট, ঘাস রোপণ, আলোর ব্যবস্থা, গ্যালারি নির্মাণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম ক্রীড়াবিদ প্রতিনিধি পাবনা পৌরসভা " বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য পৃথক স্বাস্থ্যসুরক্ষা কক্ষ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৭ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিষয়: মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্যসুরক্ষা রুম স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কন্যাশিক্ষার্থীদের জন্য মাসিককালীন সময়ে প্রয়োজনীয় বিশ্রামের ব্যবস্থা নেই। অনেক ছাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কোথাও বসার সুযোগ পায় না এবং চরম অস্বস্তির মধ্যে দিন পার করে। এছাড়া, এই সময়টিতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী যেমন প্যাড, ওষুধ এবং বিশ্রামের জন্য একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন কক্ষ অত্যন্ত জরুরি। এতে তারা শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন ছাড়াই নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারবে। অতএব, প্রত্যেক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি ‘হেলথ অ্যান্ড হাইজিন রুম’ চালু করে নারীবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আপনার কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ সালমা আক্তার সহকারী শিক্ষিকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়" ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ৮ মে ২০২৬ প্রাপক: পুলিশ সুপার, সিরাজগঞ্জ বিষয়: সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আবেদন। জনাব, সিরাজগঞ্জ শহরে প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে, অনেক মোটরসাইকেল আরোহী হেলমেট ছাড়াই চলাচল করছে, শিশুদের সামনে বসিয়ে দ্রুতগতিতে বাইক চালাচ্ছে এবং ট্রাফিক সিগন্যাল মানছে না। এই অবহেলার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এবং পথচারী ও যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিশু-কিশোরদের কাছেও এটি নেতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করছে। অতএব, ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আইন অমান্যকারীদের জরিমানা ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ রিয়াজুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ" গ্রামীণ এলাকায় ক্যান্সার সচেতনতা কর্মসূচির আবেদন," তারিখ: ৯ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, সুনামগঞ্জ বিষয়: সুনামগঞ্জের গ্রামের মানুষের জন্য ক্যান্সার সচেতনতা ও প্রতিরোধ কর্মসূচি চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের সুনামগঞ্জ জেলার গ্রামীণ অঞ্চলে ক্যান্সার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত কম। অনেকেই এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ বুঝতে পারে না এবং সময়মতো চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে স্তনক্যান্সার ও গলার ক্যান্সারের মতো রোগ বাড়ছে। এই রোগের প্রাথমিক প্রতিরোধ ও সচেতনতার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বিশেষ ক্যাম্প আয়োজন ও জনসচেতনতা কর্মসূচি প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রামীণ এলাকায় ক্যান্সার সচেতনতা এবং প্রাথমিক পরীক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ রাবেয়া খাতুন গ্রামবাসী প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ" সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১০ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, নরসিংদী বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন। জনাব, নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলেছে, যার অনেক কারণ হচ্ছে সড়কচলাচল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অবহেলা ও অবজ্ঞা। তারা ট্রাফিক নিয়ম মানেনা এবং অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি নেয়। শিক্ষার্থীদের জীবন রক্ষার জন্য বিদ্যালয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষ সচেতনতামূলক ক্লাস ও ক্যাম্প পরিচালনা প্রয়োজন। এতে তাদের মধ্যে সঠিক সড়ক ব্যবহার শেখানো যাবে এবং দুর্ঘটনা কমবে। অতএব, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে দ্রুত বিদ্যালয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চালুর জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আরমান হোসেন বিদ্যালয় শিক্ষক নরসিংদী" পৌর এলাকার রাস্তার দৃষ্টিনন্দন ও দীর্ঘস্থায়ী সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ১১ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, বগুড়া বিষয়: শহরের প্রধান সড়ক ও গলিপথের সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের আবেদন। জনাব, বগুড়া পৌরসভার প্রধান সড়ক ও গলিপথগুলো বহুদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ভঙ্গুর, দুর্গন্ধযুক্ত ও অপরিষ্কার অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে পানির জল জমে চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং যানবাহন ও পথচারীরা দুর্ভোগ পায়। রাস্তা ও ফুটপাতের নিয়মিত সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা সুরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং সড়ক পেইন্টিং ও লাইটিংয়ের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ তৈরির ব্যবস্থা প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব কাজ সম্পন্ন করার জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ তরিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি বগুড়া " শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে কোচিং সেন্টার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১২ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার, নেত্রকোনা বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে কোচিং সেন্টার চালুর আবেদন। জনাব, নেত্রকোনা উপজেলার গ্রামীণ এলাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী পারিবারিক কারণে প্রাইভেট কোচিং নিতে পারে না। এতে অনেক মেধাবী ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারি অথবা স্থানীয় সমাজসেবী সংস্থার সহযোগিতায় বিনামূল্যে কোচিং সেন্টার চালু করলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং তারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে। অতএব, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নেত্রকোনা" গ্রামের অসচ্ছল কৃষকদের জন্য ঋণ সহায়তা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১৩ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা কৃষি অফিসার, কিশোরগঞ্জ বিষয়: অসচ্ছল কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, আমাদের কিশোরগঞ্জের গ্রামের কৃষকগণ চারা রোপণ, সার ও কীটনাশক কেনার জন্য ঋণের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু বর্তমানে ঋণের হার বেশি ও শর্ত কঠোর হওয়ায় অনেকেই ঋণ নিতে পারছেন না। ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সরকারি প্রণোদিত সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে কৃষকেরা উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারবেন এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখতে পারবেন। অতএব, অসচ্ছল কৃষকদের জন্য ঋণ সহায়তা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম কৃষক প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ" শহরের বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার ও পরিচ্ছন্ন টয়লেট নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১৪ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, রাজশাহী বিষয়: রাজশাহী বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য উন্নত বিশ্রামাগার ও পরিচ্ছন্ন টয়লেট নির্মাণ। জনাব, রাজশাহী শহরের বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীদের বিশ্রামের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। বাসের জন্য অপেক্ষাকালীন যাত্রীদের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় এবং টয়লেটের অভাব ও অপরিষ্কার অবস্থার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। তাই বাস স্ট্যান্ডে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন বিশ্রামাগার ও টয়লেট নির্মাণের জন্য আপনার তৎপর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ শহীদুল ইসলাম যাত্রী প্রতিনিধি রাজশাহী" প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১৫ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, বরিশাল বিষয়: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাড়ানোর আবেদন। জনাব, বরিশাল জেলার অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সময়োপযোগী ও পর্যাপ্ত নয়। ফলে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান কঠিন হয়ে পড়ে। সুতরাং শিক্ষকদের নিয়মিত আধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের পঠন-পাঠন ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ দক্ষতা বৃদ্ধি করা জরুরি। অতএব, জেলা শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আজাদুল হক বিদ্যালয় প্রধান বরিশাল" উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন," তারিখ: ১৬ মে ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনার আবেদন। জনাব, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল থেকে সৃষ্ট বর্জ্য যথাযথভাবে নিষ্কাশিত না হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে প্লাস্টিক ও মেডিকেল বর্জ্য রাস্তায় পড়ে থাকে, যা রোগ সংক্রমণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অতএব, হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণ, বর্জ্য সংগ্রহ ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম স্বাস্থ্যকর্মী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স " শিশুদের জন্য পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার আবেদন," তারিখ: ১৭ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, খুলনা বিষয়: শিশুদের পড়াশোনার জন্য পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার আবেদন। জনাব, খুলনা জেলায় শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধি ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য শিশুদের জন্য একটি আধুনিক ও সুসজ্জিত পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। লাইব্রেরিতে শিক্ষামূলক বই, গল্পকাহিনী, বিজ্ঞান বিষয়ক বই ও কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ থাকলে শিশুদের সৃজনশীলতা ও জ্ঞানবৃদ্ধি ঘটবে। অতএব, শিশুদের জন্য জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে একটি পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছাঃ রোকসানা আক্তার শিক্ষিকা খুলনা" প্রান্তিক শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা সুবিধা চালুর আবেদন," তারিখ: ১৮ মে ২০২৬ প্রাপক: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: প্রান্তিক শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা সুবিধা চালুর আবেদন। জনাব, দেশের হাজারো প্রান্তিক শ্রমিক যেমন রিকশাচালক, দিনমজুর, গার্মেন্টস শ্রমিক ইত্যাদি নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য টাকা যোগাড় করতে হয়, যা অনেক সময় দায়ের বাইরে। সরকারি উদ্যোগে এই শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা সুবিধা চালু করলে তাদের চিকিৎসা সহজ হবে এবং পরিবারগুলো আর্থিকভাবে সুরক্ষিত থাকবে। অতএব, শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা কর্মসূচি গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম শ্রমিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামে কন্যাশিশুদের শিক্ষার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ২০ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, মেহেরপুর বিষয়: গ্রামীণ কন্যাশিশুদের জন্য বিশেষ শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচির প্রস্তাব। জনাব, মেহেরপুর জেলার গ্রামাঞ্চলে এখনো অনেক কন্যাশিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। সামাজিক কুসংস্কার, দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ এসব তাদের পড়াশোনার পথ রোধ করে। সরকারি বৃত্তি, পোশাক সহায়তা, গার্জিয়ান কাউন্সেলিং ও বাসস্থানে গিয়ে শিক্ষাদান কর্মসূচি নিলে কন্যাশিক্ষা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। অতএব, এই ধরনের কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করে শিক্ষার হার বাড়ানোর অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন গ্রামীণ সমাজসেবিকা মেহেরপুর" গ্রামীণ এলাকায় নারীদের জন্য সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্রীমঙ্গল বিষয়: গ্রামীণ নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভানুগাছ ইউনিয়নের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের সমস্যা তুলে ধরতে চাই। আমাদের এলাকার অধিকাংশ নারী গৃহস্থালির কাজের বাইরে কোনো আয়ের সুযোগ পান না। অনেকেই স্বামীহারা, আবার কেউ সংসারে বহু সদস্য নিয়ে বেকার স্বামীর ওপর নির্ভর করে থাকেন। অথচ এদের অনেকের মধ্যেই সেলাই, বুনন, হস্তশিল্প কিংবা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বিষয়ে আগ্রহ ও সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু প্রশিক্ষণের অভাব এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অপ্রতুলতা তাদের সে সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাধা দিচ্ছে। সারা দেশে ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে একে বাস্তবায়নের জন্য শুধুমাত্র বক্তৃতা নয়, প্রয়োজন বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। আপনার সহযোগিতায় যদি আমাদের ইউনিয়নে একটি আধুনিক সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়, তাহলে এই নারীরা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারবে এবং পরিবারে আর্থিক সহায়তাও দিতে পারবে। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি স্থানীয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কিংবা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহায়তায় পরিচালিত হলে কার্যক্রমটি টেকসই হবে। পাশাপাশি প্রতি ব্যাচে ২৫ জন করে নারীকে তিন মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে বছরে প্রায় ১০০ জন নারী আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারবে। অতএব, আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে এলাকার নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করুন। নিবেদক মোছাঃ শারমিন আক্তার সচেতন নারী প্রতিনিধি ভানুগাছ ইউনিয়ন, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার " সরকারি বিদ্যালয়ে দারিদ্র্যপীড়িত ছাত্রছাত্রীদের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা চালুর আবেদন," তারিখ: ২২ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, কুড়িগ্রাম বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পুষ্টির উন্নয়নে বিদ্যালয়ে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা চালুর আবেদন। মান্যবর, আশা করি আপনি ভালো আছেন। আমি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আপনাকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানাতে চাই। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ দরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারের সন্তান। এদের অনেকেই প্রতিদিন না খেয়ে স্কুলে আসে অথবা অর্ধভুক্ত অবস্থায় ক্লাস করে। যার কারণে তাদের একাগ্রতা, শারীরিক সক্ষমতা ও পরীক্ষার ফলাফল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা দেখেছি, যারা সকালের নাশতা কিংবা দুপুরে পুষ্টিকর খাবার না পায়, তারা ক্লাসে ঘুমিয়ে পড়ে, অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির হারও বেশি হয়। অথচ প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে ‘স্কুল মিল’ প্রকল্প চালু থাকায় সেখানে উপকার মিলেছে। এই কার্যক্রমটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও চালু করা হলে শিক্ষার্থীরা আরও উপকৃত হবে। আমরা মনে করি, স্থানীয় কৃষিপণ্য ও সামাজিক উদ্যোগের সমন্বয়ে খুব সহজেই স্কুল ভিত্তিক মধ্যাহ্নভোজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিদিন একজন শিক্ষার্থীর জন্য যদি ২০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহলে স্বল্প খরচে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহ সম্ভব। অতএব, বিদ্যালয়ভিত্তিক দুপুরের খাবার বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণ করে কুড়িগ্রামের দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও পুষ্টির উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আপনার সদয় উদ্যোগ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ নুরুল আমিন সহকারী শিক্ষক ফুলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম " বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণসামগ্রী ও চিকিৎসাসেবার জন্য জরুরি আবেদন," তারিখ: ২৩ মে ২০২৬ প্রাপক: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বন্যা দুর্গতদের জন্য জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তার আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এক ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের পক্ষ থেকে আপনার দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গত এক সপ্তাহ ধরে টানা বর্ষণ ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আমাদের পুরো ইউনিয়ন পানিতে তলিয়ে গেছে। শত শত ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও দোকানপাট পানির নিচে। মানুষজন ঘরের চালে, বাঁশের মাচা কিংবা স্কুল ভবনে আশ্রয় নিয়েছে। অথচ এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছায়নি। শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানীয় জল, ঔষধ ও চিকিৎসকের অভাবে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা চরম মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে ডায়রিয়া, পানিবাহিত রোগ এবং চর্মরোগ ছড়িয়ে পড়ছে। অধিকাংশ মানুষ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাচ্ছে। এই অবস্থায় যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে। অতএব, আপনার দপ্তর থেকে দ্রুত জরুরি ত্রাণ সামগ্রী প্রেরণ ও মেডিকেল টিম পাঠিয়ে মানুষের জান-মাল রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আব্দুল খালেক গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা" "গ্রামে পাঠাগার ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন তারিখ: ২৪ মে ২০২৬"," প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চুয়াডাঙ্গা সদর বিষয়: গ্রামাঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারের জন্য পাঠাগার ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমরা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কয়েকজন তরুণ শিক্ষার্থী ও সমাজকর্মী আপনাকে একটি আন্তরিক ও সময়োপযোগী প্রস্তাব জানাতে চাই। আমাদের গ্রামে উচ্চশিক্ষা লাভের আগ্রহ থাকলেও শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় বই, ইন্টারনেট, অনলাইন ক্লাস কিংবা ডিভাইসের সুবিধা পায় না। যার ফলে তারা শহরের ছাত্রদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে পড়ে। এই অসমতা দূর করতে হলে আমাদের গ্রামে একটি পাবলিক লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন খুবই জরুরি। সেখানে শিক্ষামূলক বই, দৈনিক পত্রিকা, সরকারি ফরম পূরণের সহযোগিতা এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ও জ্ঞানে সমৃদ্ধ হবে। এই উদ্যোগে আপনার প্রশাসনিক সহায়তা এবং স্থানীয় সমাজের অংশগ্রহণে একটি বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি। অতএব, আমাদের গ্রামে একটি আধুনিক পাঠাগার ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা সদর, চুয়াডাঙ্গা" নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের আবেদন," তারিখ: ২৫ মে ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, রাজবাড়ী বিষয়: নদী ভাঙনের ফলে ঘরহারা পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার একজন সামাজিক প্রতিনিধি হিসেবে পদ্মা নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষদের হয়ে আপনার দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গত কয়েক বছর ধরে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কারণে আমাদের এলাকায় শত শত পরিবার বসতভিটা, কৃষিজমি ও সহায়-সম্পদ হারিয়েছে। অনেকেই বর্তমানে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে অস্থায়ীভাবে থাকছেন, কেউ কেউ সরকারি রাস্তার পাশে কিংবা বাঁধের ধারে খুপরি ঘর তুলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অথচ দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও কোনো স্থায়ী পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর ফলে অসহায় পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছে। শিশুরা শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ছে, নারীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে এবং পরিবারে কর্মসংস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য নদী ভাঙন এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসন প্রকল্প চালু, খাসজমি বরাদ্দ, পুনর্গঠিত আবাসন এলাকা তৈরি ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অতএব, রাজবাড়ী জেলার নদী ভাঙনপ্রবণ অঞ্চলের দুর্গত পরিবারগুলোর জন্য পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কর্মসূচি গ্রহণ করে তাদের নিরাপদ আশ্রয় ও জীবনের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ ফরহাদ হোসেন নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির পক্ষে গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী" পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স নবায়নের আবেদন," তারিখ: ২৬ মে ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও সনদ নবায়নের আবেদন। মান্যবর, আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত পল্লী চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে আপনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করতে চাই। গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতাল বা এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সুযোগ সীমিত। এই পরিস্থিতিতে আমরা বহু বছর ধরে মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আসছি। তবে, অনেক ক্ষেত্রেই আমরা নতুন রোগের চিকিৎসা বা ওষুধ সম্পর্কে অবগত নই। আবার অনেক পল্লী চিকিৎসকের লাইসেন্স নবায়ন হয়নি বহু বছর ধরে। আমরা চাই, সরকার আমাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুক এবং প্রতি ৫ বছর অন্তর লাইসেন্স নবায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করুক। এতে চিকিৎসাসেবার মান উন্নত হবে এবং সরকারও আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। অতএব, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক চিকিৎসায় নিয়োজিত পল্লী চিকিৎসকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও লাইসেন্স ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে আপনার কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি। নিবেদক ডাঃ শাহীন মিয়া পল্লী চিকিৎসক প্রতিনিধি নেত্রকোনা জেলা " শহরের রিকশা চালকদের জন্য বিশ্রাম কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৭ মে ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: রিকশাচালকদের জন্য আধুনিক বিশ্রামাগার ও পানীয় জল সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমি নারায়ণগঞ্জ শহরের একজন নাগরিক হিসেবে শহরের রিকশা চালকদের দুর্দশা সম্পর্কে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রতিদিন হাজার হাজার রিকশাচালক শহরের বিভিন্ন রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে কাজ করে যাচ্ছেন। রোদ, বৃষ্টি কিংবা শীতে তারা কোনো প্রকার বিশ্রামের সুযোগ পান না। অনেক চালক রাস্তার ধারে বসে খায়, ঘুমায়, এমনকি রোগ হলে চিকিৎসা ছাড়াই কষ্ট করে। এই শহরের পরিবহন ব্যবস্থায় রিকশাচালকদের অবদান অনেক, কিন্তু তাদের জন্য নেই কোনো আধুনিক বিশ্রাম কেন্দ্র, নিরাপদ পানীয় জল কিংবা টয়লেটের ব্যবস্থা। আমরা প্রস্তাব করছি, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কিছু ছোটো ‘রিকশাচালক বিশ্রাম কেন্দ্র’ নির্মাণ করা হোক, যেখানে তারা একটু বিশ্রাম নিতে পারবে, হাত-মুখ ধুতে পারবে এবং জরুরি প্রয়োজনে ওষুধও পাবে। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ রিকশাচালকদের মনোবল বাড়াবে এবং শহরের পরিবেশও হবে পরিচ্ছন্ন। অতএব, রিকশাচালকদের জন্য আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত বিশ্রামাগার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ আলমগীর হোসেন রিকশাচালক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ" গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণের আবেদন," তারিখ: ২৮ মে ২০২৬ প্রাপক: প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, ঠাকুরগাঁও বিষয়: হরিপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমি ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের শিক্ষানুরাগী একজন অভিভাবক। আমাদের গ্রামের “চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”-এ গত প্রায় এক বছর ধরে একজন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে মোট ৪টি ক্লাস (১ম-৪র্থ শ্রেণি) চালু রয়েছে এবং ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১৮০ জন। অথচ বর্তমানে মাত্র ২ জন শিক্ষক আছেন। ফলে একজন শিক্ষককে একাধিক শ্রেণি একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে, যা শিক্ষার মান ও গতি উভয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই বিদ্যালয়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাদের মা-বাবারা স্বল্পশিক্ষিত এবং শিক্ষা সম্পর্কে সচেতন নন। তাই বিদ্যালয়ের উপরই নির্ভর করে তাদের ভবিষ্যৎ। বর্তমানে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে, তাদের শেখার আগ্রহও হ্রাস পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণ না হলে বিদ্যালয়টির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে। অতএব, আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করুন। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম অভিভাবক প্রতিনিধি চন্ডিপুর গ্রাম, হরিপুর, ঠাকুরগাঁও" শহরের প্রধান ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৯ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, কুমিল্লা বিষয়: কুমিল্লা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন সংস্কারের আবেদন। মান্যবর, আমি কুমিল্লা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বিগত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুম এলেই আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। প্রধান ড্রেনটি বহু বছর ধরে পরিষ্কার হয়নি। অনেক স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে ড্রেনের পানি উপচে রাস্তায় উঠে যায়। ফলে স্কুল, অফিস, দোকান এবং বাসায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। পানি জমে থাকায় মশা, মাছি ও দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং কলেরা, ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগ বেড়ে যায়। বিশেষ করে আমাদের ওয়ার্ডের স্কুলপড়ুয়া শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং গর্ভবতী নারীরা এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা চাই, নিয়মিত ড্রেন পরিস্কার এবং নতুনভাবে পাকা ড্রেন নির্মাণের মাধ্যমে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হোক। পৌরসভার বাজেট থেকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। অতএব, ড্রেন সংস্কারের মাধ্যমে শহরের নাগরিকদের জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ হাসানুজ্জামান বাসিন্দা, ৯নং ওয়ার্ড কুমিল্লা পৌরসভা" বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৩০ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার, বগুড়া সদর বিষয়: বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনের স্থলে নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমি বগুড়া সদরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের বিদ্যালয়টি প্রায় ৫০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ভবনটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে ছাদের ফাটল দিয়ে পানি পড়ে এবং দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি ইদানীং একটি ক্লাসরুমের ছাদের প্লাস্টার খসে পড়েছে, সৌভাগ্যক্রমে কেউ আহত হয়নি। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে থাকে, অনেক অভিভাবক সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পান। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৪৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, কিন্তু বসার জন্য পর্যাপ্ত কক্ষ নেই। শিক্ষার পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে। আমরা চাই, নতুনভাবে একটি তিনকক্ষ বিশিষ্ট দোতলা ভবন নির্মাণ করা হোক, যাতে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয় এবং শিক্ষার্থীরা নিরাপদে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। অতএব, পরিত্যক্ত ভবনের স্থলে একটি নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি ও ত্বরিত পদক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান শিক্ষক নন্দীগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বগুড়া সদর" শহরে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩১ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান, ফরিদপুর বিষয়: শহরের জনবহুল এলাকায় পাবলিক টয়লেট স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমি ফরিদপুর পৌরসভার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে শহরের নাগরিকদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা তুলে ধরতে চাই। শহরের বাসস্ট্যান্ড, বাজার, পার্ক ও ওভারব্রিজ এলাকায় কোনো পাবলিক টয়লেট নেই। ফলে সাধারণ পথচারী, রিকশাচালক, শিশু ও নারী যাত্রীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হন। নারীদের জন্য বিশেষ করে এটি অত্যন্ত অপমানজনক ও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। অনেক সময় শিশুদের হঠাৎ প্রাকৃতিক ডাক এলে উপযুক্ত জায়গা পাওয়া যায় না। অথচ অল্প খরচেই আধুনিক ও হাইজেনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা সম্ভব। উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদের শহরেও এটি একটি অপরিহার্য নাগরিক সুবিধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, জরুরি ভিত্তিতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও মর্যাদা রক্ষার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন সচেতন নাগরিক প্রতিনিধি ফরিদপুর পৌরসভা" স্কুলে বিজ্ঞানাগার ও বিজ্ঞান উপকরণ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ১ জুন ২০২৬ প্রাপক: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানাগার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমি ময়মনসিংহ জেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আমাদের বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থাকলেও বিজ্ঞানাগার নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু বই পড়ে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করছে, কিন্তু কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতা নিতে পারছে না। শুধুমাত্র বোর্ড পরীক্ষায় পাস করার জন্য বিজ্ঞান পড়া উচিত নয়। বাস্তব উদাহরণ ও প্র্যাকটিক্যাল ছাড়া একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত বিজ্ঞানী হতে পারে না। আমরা চাই, সরকারের পক্ষ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানাগার নির্মাণ করে, তার মধ্যে মডেল, সরঞ্জাম ও কেমিকেল সরবরাহ করা হোক। অতএব, বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শিক্ষার মান উন্নয়নে বিজ্ঞানাগার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক শহীদ নাজিমউদ্দিন স্কুল, ময়মনসিংহ" টেলিমেডিসিন সেবা চালুর আবেদন," তারিখ: ২ জুন ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের জন্য টেলিমেডিসিন সেবা চালুর আবেদন। মান্যবর, আমরা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দা। আমাদের এলাকার হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাওয়া যায় না। জরুরি সময়ে রোগীরা শহরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সময় ও অর্থের অপচয় হয়, যা অনেক সময় মৃত্যুর কারণও হয়। সরকার যদি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অনলাইন চিকিৎসাসেবা বা ‘টেলিমেডিসিন সেবা’ চালু করে, তাহলে প্রান্তিক জনগণও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পাবে ঘরে বসেই। এছাড়া স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও কিছু ডিভাইস সরবরাহ করলেই এটি সফলভাবে চালু করা সম্ভব। অতএব, টেলিমেডিসিন সেবা চালুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ সজল হোসেন গ্রামবাসীর পক্ষে কানাইঘাট, সিলেট" কলেজে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ জুন ২০২৬ প্রাপক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিষয়: গ্রামীণ কলেজে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমি কিশোরগঞ্জ জেলার একটি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ। বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। অথচ আমাদের কলেজে কম্পিউটার ল্যাব নেই। আইসিটি, হিসাববিজ্ঞান এমনকি প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশনেও ছাত্রছাত্রীরা পিছিয়ে পড়ছে। শুধু কিছু পুরনো কম্পিউটার থাকলেই হবে না— প্রয়োজন যথাযথ ল্যাব, ইন্টারনেট সংযোগ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক। আমরা চাই, কলেজে একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হোক। অতএব, কম্পিউটার শিক্ষার প্রসারে ল্যাব স্থাপনে সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক প্রফেসর মোঃ আবুল কালাম অধ্যক্ষ হোসেনপুর ডিগ্রি কলেজ, কিশোরগঞ্জ" সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন," তারিখ: ৪ জুন ২০২৬ প্রাপক: সিভিল সার্জন, রাজশাহী বিষয়: সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, রাজশাহীর সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে ওষুধ দেয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে রোগীরা বাইরে থেকে কিনতে বাধ্য হচ্ছে। দরিদ্র জনগণ যখন সরকারি সেবার ওপর নির্ভর করে, তখন এমন পরিস্থিতি তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলে। আমরা চাই, হাসপাতালের ফার্মাসিতে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ, মনিটরিং এবং অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা থাকুক। অতএব, জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আপনার উদ্যোগ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ আবদুর রহিম সাধারণ নাগরিক রাজশাহী" শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন স্কুল পরিবেশ তৈরির আবেদন," তারিখ: ৫ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, যশোর বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার আবেদন। মান্যবর, আমাদের যশোর জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেশ কিছু সমস্যা বিদ্যমান, বিশেষ করে নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত। স্কুল প্রাঙ্গণ ও কক্ষগুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ বস্তু রয়েছে, যেমন খোলা বৈদ্যুতিক তার, ছিঁড়ে যাওয়া মেঝে ও ভাঙা বেঞ্চ। এছাড়া শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিষ্কার পানি ও সাবান নেই। শিশুরা স্কুলে আসার সময় শারীরিক আঘাতের শঙ্কায় থাকে, আর স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক বেশি। স্কুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকায় বিভিন্ন রোগের বিস্তার হচ্ছে। আমরা বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার, পরিচ্ছন্ন পানি ও স্যানিটারি ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আপনার সহায়তা কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ সুমাইয়া রহমান অভিভাবক প্রতিনিধি সদর ইউনিয়ন প্রাথমিক বিদ্যালয়, যশোর" গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন," তারিখ: ৬ জুন ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, হবিগঞ্জ বিষয়: বগলাপাড়া গ্রামের রাস্তার দুরবস্থা দ্রুত মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমি হবিগঞ্জ জেলার বগলাপাড়া গ্রামের একজন গরীব কৃষক। আমাদের গ্রামের প্রধান সড়কটি অনেকদিন ধরে ভেঙে গেছে। বৃষ্টির দিনে পানি জমে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। যানবাহন ও মানুষ চলাচলে বড় সমস্যা হয়। রোগীদের হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া, শিশুর স্কুল যাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই রাস্তার মেরামত করা হলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। অতএব, দ্রুত রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম গরীব কৃষক বগলাপাড়া, হবিগঞ্জ" শহরে পর্যাপ্ত পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৭ জুন ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন কমিশনার, খুলনা বিষয়: খুলনা শহরে যানজট নিরসনে পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন। মান্যবর, খুলনা শহরে প্রতিদিন যানজট চরম আকার ধারণ করে। যাতায়াতের সময় দীর্ঘ হয়, জীবনের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিটি কর্পোরেশন যদি বেশি বাস ও মিনি বাস চালু করে, সড়ক সম্প্রসারণ করে, ট্রাফিক নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করে, তাহলে যানজট কমানো সম্ভব। অতএব, দ্রুত কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ জামাল উদ্দিন নাগরিক প্রতিনিধি খুলনা" গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৮ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য অফিসার, নোয়াখালী বিষয়: স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অনেক সরঞ্জাম নেই। যন্ত্রপাতি না থাকার কারণে রোগীদের চিকিৎসা যথাযথ হয় না। সরকার যদি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করে, তাহলে গ্রামাঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবা উন্নত হবে। অতএব, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মেডিকেল সরঞ্জাম দ্রুত সরবরাহের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদ উদ্দিন গ্রামবাসী নোয়াখালী" শিশুদের জন্য খেলাধুলার মাঠ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৯ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, রাজবাড়ী বিষয়: শিশুদের জন্য খেলাধুলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় শিশুদের খেলাধুলার জন্য কোনো উপযুক্ত জায়গা নেই। ফলে তারা গলিতে বা রাস্তার ধারে খেলে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সরকার বা স্থানীয় সরকার যদি একটি ছোট মাঠ নির্মাণ করে দেয়, তাহলে শিশুরা নিরাপদে খেলাধুলা করতে পারবে এবং তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক হবে। অতএব, শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ রুমানা বেগম অভিভাবক প্রতিনিধি রাজবাড়ী" বিদ্যালয়ে মেয়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ১০ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, নেত্রকোনা বিষয়: বিদ্যালয়ে মেয়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মান্যবর, নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে মেয়েরা মাসিক আবর্তনে অনেক কষ্ট পাচ্ছে। স্যানিটারি ন্যাপকিনের অভাবে অনেকেই স্কুল থেকে অনুপস্থিত থাকে। যদি বিদ্যালয়ে মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন প্রদান এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে তাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। অতএব, বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ ফাতেমা খাতুন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নেত্রকোনা" শহরের রাস্তাঘাট দ্রুত সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ১৪ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: শহরের পরিচ্ছন্নতার জন্য কঠোর আইন প্রয়োগের আবেদন। মান্যবর, চট্টগ্রাম শহরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে অনেক জায়গায় আবর্জনা ফেলা হয়, রাস্তা ও নালা বন্ধ হয়। এতে রোগব্যাধি ছড়ায়। সরকার যদি কঠোর আইন প্রয়োগ করে নিয়ম না মানলে জরিমানা আরোপ করে, তাহলে শহর পরিচ্ছন্ন থাকবে। অতএব, পরিচ্ছন্নতার জন্য কঠোর আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারি বিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা সামগ্রীর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন," তারিখ: ১৫ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, ঢাকা সদর বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিতকরণের আবেদন। মাননীয় জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়, আশা করি আপনি সুস্থ ও সচ্ছল আছেন। আমি ঢাকা সদর উপজেলার চরনবাবগঞ্জ এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে এই আবেদনপত্রের মাধ্যমে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ৫০০ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে, যাদের অধিকাংশই দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবার থেকে আসে। সরকারি প্রণোদনায় বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে এ বছর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রয়োজনীয় বই পায়নি। বিশেষ করে বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে বই ও আনুষঙ্গিক শিক্ষা সামগ্রীর অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বইয়ের অভাবে পড়াশোনায় পেছনে পড়ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অভিভাবকগণও শিক্ষাসামগ্রী কেনার সামর্থ্য রাখেন না। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বই ছাড়া ক্লাসে অংশ নিচ্ছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক মান হ্রাস করছে। অধিকন্তু, পর্যাপ্ত শিক্ষা সামগ্রী না থাকায় শিক্ষকদের ক্লাস পাঠদানেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। কারণ তারা পর্যাপ্ত পাঠদানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ও শিক্ষণ সরঞ্জাম থেকে বঞ্চিত। এই পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন করার জন্য আমরা জেলা শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, ১. সরকারি বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ে যথাযথ ও পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। ২. শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা সামগ্রী, যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ৩. ছাত্রছাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত পাঠ্যসহায়ক বই, ডিজিটাল লার্নিং উপকরণ ও অনলাইন শিক্ষাসুবিধা চালু করা হোক। আমাদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত অর্জন ও জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত মান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। আপনার সদয় হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক চরনবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঢাকা সদর" গ্রামীণ এলাকায় সুরক্ষিত ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন," তারিখ: ১৬ জুন ২০২৬ প্রাপক: পানি সরবরাহ ও পানিসম্পদ বিভাগ, রাজশাহী বিষয়: গ্রামাঞ্চলে সুরক্ষিত ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমি রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার বড়ইল গ্রাম থেকে আপনার নিকট এই আবেদন পেশ করছি। আমাদের গ্রামবাসীর প্রধান সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে নিরাপদ পানির অভাব। অধিকাংশ পরিবার বিশুদ্ধ পানি না থাকার কারণে বার বার জলবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা, বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা ও গর্ভবতী নারীরা মারাত্মক বিপদে পড়ছেন। এখনকার ব্যবহৃত পানি প্রায়শই আর্সেনিক ও অন্যান্য দূষিত উপাদানে পরিপূর্ণ, যার প্রমাণ সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক করা পরীক্ষায় পাওয়া গেছে। এমন পানি পান করা একদিকে যেমন দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন রোগের কারণ, অন্যদিকে তা প্রভাবিত করছে আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও কৃষির উৎপাদনশীলতাও। গ্রামবাসীর দাবি, ১. দ্রুত সময়ের মধ্যে গভীর নলকূপ খনন ও পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ২. প্রয়োজনে উন্নত মানের ওয়াটার ফিল্টার স্থাপন করা হোক। ৩. পানির উৎসগুলোর নিয়মিত পরীক্ষা ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হোক। ৪. জনগণকে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পানি সংরক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হোক। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। আপনার সদয় সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আনিসুর রহমান বড়ইল গ্রামের পক্ষে পবা, রাজশাহী " সরকারি হাসপাতালে অত্যাধুনিক মেডিকেল যন্ত্রপাতি সংযোজনের আবেদন," তারিখ: ১৭ জুন ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালের আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে আপনার সরকার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তা আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করি। তবে, রাজশাহীর মহানগরীর প্রধান সরকারি হাসপাতালে এখনও আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল এক্সরে, MRI, আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রায়ই অকেজো বা অনুপস্থিত থাকে। এর ফলে রোগীদের ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং অনেক সময় রোগীরা ঢাকাসহ অন্যত্র চিকিৎসার জন্য যেতে বাধ্য হন। আমরা, রাজশাহী জেলার সাধারণ জনগণ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি যে— ১. সরকারি হাসপাতালগুলোতে আধুনিক ও কার্যকর চিকিৎসা যন্ত্রপাতি দ্রুত সরবরাহ ও সংস্কার করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণসহ চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানের দক্ষতা বৃদ্ধি কার্যক্রম গ্রহণ করা হোক। ৩. সেবা গ্রহণের সময় সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও মনিটরিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হোক, যাতে রোগীরা সুষ্ঠু চিকিৎসা পায়। আমাদের আশা, আপনি এই আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবেন। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাধারণ নাগরিক রাজশাহী " গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ১৮ জুন ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষামন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামীণ বিদ্যালয়ে ডিজিটাল শিক্ষা ও ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিতকরণের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শিক্ষার ক্ষেত্রে ডিজিটাল লার্নিং একটি অপরিহার্য মাধ্যম। তবে, দেশের প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এলাকার অনেক বিদ্যালয়ে এখনও ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ, ইন্টারনেট সংযোগ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই। আমাদের গ্রামে, বরিশাল জেলার হাজিগঞ্জে, শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত। বিদ্যমান শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অভাবে শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে। আমরা আবেদন জানাচ্ছি যে, ১. প্রতিটি সরকারি বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব ও ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা হোক। ২. শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হোক। ৩. অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী শিক্ষামূলক সামগ্রী তৈরি ও সহজলভ্য করা হোক। এভাবেই আমরা দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারব। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রিতা বিশ্বাস শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হাজিগঞ্জ, বরিশাল" শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য আবেদন," তারিখ: ১৯ জুন ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, ঢাকা বিষয়: রাজধানীর যানজট কমাতে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, ঢাকা শহর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হলেও ভয়াবহ যানজট শহরবাসীর জন্য একটি নিত্য দিনের সমস্যা। প্রতিদিন গড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ির সারি এবং দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা মোকাবেলায় সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় পরিবহন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা, পার্কিং সমস্যা, ফুটপাত দখল এবং অযত্ন জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। আমরা আবেদন করছি— ১. আধুনিক ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম বসানো হোক। ২. ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, পরিবহন সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পার্কিং ব্যবস্থা উন্নত করা হোক। ৩. যানজট প্রশমন ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালানো হোক। আপনার দ্রুত হস্তক্ষেপে শহরের যানজট কমিয়ে ঢাকা শহরকে পরিবেশবান্ধব ও মানুষের চলাচলের অনুকূল জায়গায় পরিণত করার প্রত্যাশা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামীণ অঞ্চলে সড়কপথ উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২০ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, গোপালগঞ্জ বিষয়: গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন গ্রামে সড়কপথ উন্নয়ন ও মেরামতের আবেদন। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, আমাদের গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামে সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অসমাপ্ত রয়েছে। বৃষ্টি মৌসুমে এসব সড়ক দিয়ে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের স্কুল যাতায়াত বিঘ্নিত হওয়া, পণ্য পরিবহনে বাধা এইসব সমস্যা সড়ক খারাপ থাকার কারণে সৃষ্ট। আমরা অনুরোধ করছি— ১. প্রাধান্যক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ ও ভাঙাচোরা সড়কগুলো মেরামত ও পাকা করা হোক। ২. সড়ক নির্মাণের সময় স্থানীয়দের মতামত ও পরিবেশগত দিক বিবেচনায় নেওয়া হোক। ৩. নিয়মিত সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হোক। আপনার সহানুভূতিশীল দৃষ্টি ও দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আজিজুল হক গ্রামবাসী পক্ষে গোপালগঞ্জ" পৌর শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহারের জন্য আবেদন," তারিখ: ২১ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ বিষয়: পৌর শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়, ময়মনসিংহ পৌর শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল। যেখানে রাস্তার ধারে ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করে। পৌরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাশাপাশি শহরের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরে বর্জ্য সংগ্রহ, সঠিকভাবে পৃথকরণ ও পুনর্ব্যবহারের কার্যকর ব্যবস্থা করা হোক। ২. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হোক এবং অপরিকল্পিত আবর্জনা ফেলায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আপনার সহায়তায় শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করা সম্ভব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ তানিয়া আক্তার নাগরিক প্রতিনিধি ময়মনসিংহ " গ্রামীণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ২২ জুন ২০২৬ প্রাপক: বিদ্যুৎ বিভাগ, কুমিল্লা বিষয়: কুমিল্লা জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের কুমিল্লা জেলার নিম্নমান্দিয়া গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রায় বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা রাতে পড়াশোনা করতে পারে না, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি সেবা দেয়াও সম্ভব হচ্ছে না। আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি— ১. গ্রামের প্রতিটি ঘরে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হোক। ২. বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও লাইন সম্প্রসারণ করা হোক। ৩. গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। আপনার সহযোগিতা আমাদের জীবনে আশার আলো জ্বালাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শহিদুল ইসলাম গ্রামবাসী কুমিল্লা" শহরে জনসাধারণের জন্য সাইকেল লেন নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৩ জুন ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, সিলেট বিষয়: সিলেট শহরে সাইকেল লেন নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, সাইকেল শহরে যাতায়াতের একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর মাধ্যম। কিন্তু সিলেট শহরে সাইকেল চালানোর উপযুক্ত রাস্তা বা লেন না থাকার কারণে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। সাইকেল লেন থাকলে যাতায়াত নিরাপদ হবে, যানজট কমবে এবং পরিবেশ দূষণও হ্রাস পাবে। আমরা আবেদন জানাচ্ছি— ১. সিলেট শহরের প্রধান সড়কে সাইকেল চালানোর জন্য পৃথক লেন নির্মাণ করা হোক। ২. জনসাধারণের মধ্যে সাইকেল ব্যবহারের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. সড়ক নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রাশেদ আহমদ নাগরিক প্রতিনিধি সিলেট " বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন," তারিখ: ২৪ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, নড়াইল বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ খুবই জরুরি। নড়াইল জেলার সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না থাকায় শিক্ষার মান হ্রাস পাচ্ছে। আমরা আবেদন জানাচ্ছি— ১. সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য সাপ্তাহিক বা মাসিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হোক। ২. আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার শেখানো হোক। ৩. প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ ও মনিটরিং ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হোক। আপনার সদয় সহায়তা কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আজম আলী অধ্যক্ষ নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়" শহরের গলিতে ফুটপাত নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৫ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান, বরিশাল বিষয়: শহরের রাস্তার গলিতে ফুটপাত নির্মাণের আবেদন। মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়, বরিশাল শহরের বিভিন্ন গলিতে ফুটপাত না থাকার কারণে পথচারীরা সড়কের মাঝখানে চলাচল করতে বাধ্য হন, যা দুর্ঘটনার কারণ হয়। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এটি একটি গুরুতর সমস্যা। আমরা অনুরোধ করছি— ১. শহরের প্রতিটি প্রধান গলিতে পর্যাপ্ত ও নিরাপদ ফুটপাত নির্মাণ করা হোক। ২. ফুটপাত দখলমুক্তকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। ৩. জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হোক। আপনার সহযোগিতা ও দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রুবিনা আক্তার নাগরিক প্রতিনিধি বরিশাল" গ্রামীণ এলাকার স্যানিটেশন সুবিধা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৬ জুন ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য বিভাগ, পাবনা বিষয়: পাবনার প্রত্যন্ত গ্রামে স্যানিটেশন সুবিধা উন্নয়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বেশির ভাগ গ্রামে শৌচালয় নির্মাণের অভাব এবং পরিচ্ছন্নতার অনুপস্থিতি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশুদের মধ্যে পায়খানা-জনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. প্রত্যেক গ্রামের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ শৌচালয় নির্মাণ করা হোক। ২. স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্পেইন চালানো হোক। ৩. স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আপনার সদয় সহযোগিতা আমাদের গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়নে অপরিসীম সহায়তা করবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম গ্রামবাসী পক্ষে পাবনা" সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ডিউটি শিফট উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৭ জুন ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডাক্তার নিয়োগ ও ডিউটি শিফট ঠিকমতো চালুর আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে ডাক্তার সংখ্যা অপর্যাপ্ত। অধিকাংশ সময় রোগীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা আবেদন করছি— ১. সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার নিয়োগ করা হোক। ২. ডিউটি শিফট সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত ও রোগীদের জন্য প্রাপ্য চিকিৎসা নিশ্চিত করা হোক। ৩. জরুরি বিভাগে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ ও সেবা উন্নত করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আরিফুল ইসলাম সাধারণ নাগরিক ঢাকা" শহরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ২৮ জুন ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, কক্সবাজার বিষয়: শহরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, কক্সবাজার শহরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বন্যার প্রকোপ বেড়ে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে জনজীবনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও নালা নির্মাণ করা হোক। ২. নিয়মিত নালা পরিস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে বন্যা সচেতনতা ও প্রস্তুতি কার্যক্রম চালানো হোক। আপনার হস্তক্ষেপে শহর নিরাপদ ও বাসযোগ্য হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি কক্সবাজার" শহরে পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৯ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, খুলনা বিষয়: শহরে নতুন পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, খুলনা শহরে জনসাধারণের বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত পার্ক ও খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। এই কারণে শিশুরা বাইরে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না এবং তরুণ সমাজের মানসিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের বিভিন্ন এলাকায় আধুনিক পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ করা হোক। ২. সেখানে শিশু ও তরুণদের জন্য নিরাপদ খেলার ব্যবস্থা রাখা হোক। ৩. পার্ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট ও কর্মী নিয়োগ করা হোক। আপনার সদয় সহযোগিতায় আমাদের শহর আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ মাসুদ রানা নাগরিক প্রতিনিধি খুলনা" নারীদের জন্য নিরাপদ গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন," তারিখ: ৩০ জুন ২০২৬ প্রাপক: পরিবহন মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: নারীদের জন্য নিরাপদ ও সুবিধাজনক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিদিন নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অল্পবয়সী মেয়েরা ভয়ে গণপরিবহন ব্যবহার কমাচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. নারীদের জন্য পৃথক সিট ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা হোক। ২. মহিলাদের প্রতি নির্যাতন ও হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। ৩. সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক। আপনার দৃষ্টি ও দ্রুত ব্যবস্থা কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রেহানা সুলতানা নারী অধিকার কর্মী ঢাকা " বিদ্যালয়ে শীতকালে ছাত্রছাত্রীদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের আবেদন," তারিখ: ১ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, যশোর বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, যশোর জেলার গ্রামীণ এলাকার অনেক দরিদ্র ছাত্রছাত্রী শীতে যথাযথ পোশাক না থাকার কারণে নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছে। পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের জন্য শীতকালীন জামাকাপড় ও কম্বল সরবরাহ করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হোক। ৩. স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। আপনার সহায়তা অনেক শিক্ষার্থীর জীবন বদলে দিতে সক্ষম হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামাল উদ্দিন অভিভাবক প্রতিনিধি যশোর" শহরে যানজট কমানোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের আবেদন," তারিখ: ২ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: চট্টগ্রাম শহরে যানজট নিরসনে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, চট্টগ্রাম শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অভাব রয়েছে। ফলে ট্রাফিক পরিচালনায় দুর্বলতা থেকে থাকে এবং যানজট দীর্ঘায়িত হয়। আমরা আবেদন করছি— ১. সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে স্মার্ট ট্রাফিক লাইট ব্যবস্থা স্থাপন করা হোক। ২. রিয়েল টাইম ট্রাফিক মনিটরিং ও জরুরি যান চলাচলের জন্য আলাদা লেন তৈরি করা হোক। ৩. যানজট কমানোর জন্য পর্যাপ্ত পার্কিং জোন ও সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক। আপনার হস্তক্ষেপে যানজট সমস্যা দ্রুত প্রশমন হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ হাসান মিয়া নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" সরকারি কলেজে ক্যাম্পাস নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ৩ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, সরকারি কলেজগুলোর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ছাত্র রাজনীতি ও অশান্তির কারণে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রক্ষী ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পড়াশোনা নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত নজরদারি করা হোক। ৩. কলেজ প্রশাসন ও ছাত্র সংসদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজন করা হোক। আপনার সদয় পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ তাজুল ইসলাম ছাত্র প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা আলোকসজ্জার জন্য আবেদন," তারিখ: ৪ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সুনামগঞ্জ বিষয়: গ্রামীণ এলাকার সড়কে রাস্তাঘাট আলোকসজ্জার জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের সুনামগঞ্জ জেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে রাতে আলো না থাকার কারণে পথচারী ও যান চলাচলে ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে নারীরা অন্ধকারে চলাচলে ভয় পায়। আমরা আবেদন করছি— ১. গ্রামীণ সড়কে পর্যাপ্ত রাস্তাঘাট আলোকসজ্জা প্রদান করা হোক। ২. বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলে সোলার লাইট বসানো হোক। ৩. নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আপনার সহায়তায় গ্রামীণ জীবন নিরাপদ হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আব্দুল জলিল গ্রামবাসী পক্ষে সুনামগঞ্জ" শহরে শিশুদের জন্য নিরাপদ খেলার স্থান নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৫ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, রাজশাহী বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, রাজশাহী শহরে শিশুদের খেলার জন্য নিরাপদ ও পর্যাপ্ত স্থান নেই। শহরের ফুটপাত ও রাস্তার পাশে খেলাধুলা করতে গিয়ে শিশুদের দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের জন্য বিশেষ নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণ করা হোক। ২. মাঠের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রচারণা চালানো হোক। আপনার সহযোগিতায় শিশুরা সুরক্ষিত ও আনন্দময় জীবনে বড় হতে পারবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ সুলতানা পারভীন অভিভাবক প্রতিনিধি রাজশাহী " গ্রামীণ এলাকার বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ৬ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, রংপুর বিষয়: রংপুর জেলার গ্রামীণ অঞ্চলে বেকারত্ব কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, আমাদের রংপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে বর্তমানে বেকারত্ব একটি জ্বলন্ত সমস্যা। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় হতাশা ও হতাশ্রয়তার মাত্রা বাড়ছে। অনেকেই সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতার দিকে ঝুঁকছে। গ্রামীণ এলাকার প্রধান সমস্যাগুলো হলো: প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগের অভাব। প্রযুক্তিগত ও আধুনিক প্রশিক্ষণের অভাব। উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সহায়তার অনুপস্থিতি। স্থানীয় শিল্প ও কৃষি খাতের উন্নয়ন না হওয়া। আমরা এই সমস্যাগুলো সমাধানে আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি— ১. বেকার যুবকদের জন্য কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হোক। ২. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে সরকারি প্রণোদনা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও পরামর্শ সেবা প্রদান নিশ্চিত করা হোক। ৪. কৃষি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি প্রবর্তন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। ৫. যুবসমাজের মানসিক সুস্থতা ও ইতিবাচক মনোভাব গঠনের জন্য নিয়মিত সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হোক। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নে বিপুল ভূমিকা রাখবে। আপনার সহযোগিতা ও দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ নূরুল ইসলাম গ্রামীণ যুব প্রতিনিধি রংপুর " পৌর শহরে রাস্তার গর্ত মেরামত ও সড়ক উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৭ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ বিষয়: ময়মনসিংহ শহরের রাস্তার গর্ত সংস্কার ও সড়ক উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়, ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন সড়কে ব্যাপক গর্ত ও ধূলাবালির কারণে যানবাহন চলাচল ও পথচারীদের চলাফেরায় ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে বৃষ্টি মৌসুমে এসব গর্ত জলমগ্ন হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। গর্তের কারণে যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে, জরুরি সেবা ও স্কুল-কলেজে যাতায়াত বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আমাদের শহরের সম্মানজনক চেহারা এই সড়কগুলোয় যথাযথ সংস্কার না হওয়ায় ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমরা আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি— ১. শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও গলির দ্রুত গর্ত সংস্কার ও পাকা নির্মাণ নিশ্চিত করা হোক। ২. সড়ক নির্মাণের জন্য মানসম্মত উপকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হোক। ৩. সড়ক ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নজরদারি নিশ্চিত করা হোক। ৪. জনসাধারণের মতামত গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। আপনার সদয় পদক্ষেপে ময়মনসিংহ শহর বাসযোগ্য ও নিরাপদ হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ জামাল উদ্দিন নাগরিক প্রতিনিধি ময়মনসিংহ" সরকারি হাসপাতালের ওষুধের সংকট নিরসনের আবেদন," তারিখ: ৮ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে জরুরি ওষুধের সরবরাহ অব্যাহত ও সংকট নিরসনের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, দেশের সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে ওষুধের অভাব একটি বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে জরুরি ওষুধের ঘাটতি রোগীদের জীবন বিপন্ন করছে। আমাদের এলাকার জেলা সদর হাসপাতালে জরুরি ওষুধ যেমন ইনজেকশন, ব্যান্ডেজ, অ্যান্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য ওষুধের অভাব নিয়মিত দেখা যায়। এতে রোগীরা বেসরকারি ফার্মেসি থেকে অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, যা অনেকের পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা এই অবস্থা দ্রুত পরিবর্তনের জন্য আবেদন করছি— ১. সরকারি হাসপাতালগুলোতে ওষুধের যথাযথ মজুদ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ ও জনগণের কাছে জানানো হোক। ৩. ওষুধের ক্রয় প্রক্রিয়া ও বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হোক। ৪. দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে মনিটরিং ও নিয়মিত তদারকি চালানো হোক। আপনার সদয় মনোযোগে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান উন্নত হবে ও রোগীর বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন জেলা বাসিন্দা ঢাকা" শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ৯ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: নারায়ণগঞ্জ শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, নারায়ণগঞ্জ শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা এতটাই দুর্বল যে, রাস্তাঘাটে ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে দুর্গন্ধ, পোকামাকড় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষ করে বাজার, রাস্তার মোড় ও আবাসিক এলাকার আশপাশে আবর্জনা অপসারণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। আমরা আবেদন জানাচ্ছি— ১. শহরে আবর্জনা সংগ্রহের আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ২. বর্জ্য পৃথকরণ ও পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক। ৩. জনসাধারণের মাঝে পরিচ্ছন্নতা সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগ জোরদার করা হোক। ৪. নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মনিটরিং চালানো হোক। আপনার আন্তরিক সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জ শহর পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রিয়া রহমান নাগরিক প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ" গ্রামীণ এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ১০ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, খুলনা বিষয়: খুলনার গ্রামীণ বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের খুলনা জেলার অনেক গ্রামীণ বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকুলান, টয়লেট ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে। অনেক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে রয়েছে যা শিশুদের জন্য নিরাপদ নয়। শিক্ষার মান উন্নয়নে অবকাঠামো উন্নয়ন একান্ত প্রয়োজন। বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত না হলে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যায় এবং মনোযোগ কম থাকে। আমরা আবেদন করছি— ১. বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও অন্যান্য ভবন মেরামত ও নবায়ন করা হোক। ২. স্বাস্থ্যকর টয়লেট, পানির ব্যবস্থা ও খেলার মাঠ নির্মাণ করা হোক। ৩. শিক্ষকদের জন্য আধুনিক শিক্ষা সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হোক। ৪. বিদ্যালয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আপনার সহযোগিতায় বিদ্যালয়গুলো উন্নত ও শিশুদের জন্য আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শাহিনুর ইসলাম বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি খুলনা" শহরে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ১১ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ কমানোর জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া, শিল্পকলা থেকে বায়ুদূষণ এবং নির্মাণ কাজের ধূলা শহরবাসীর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতা, এলার্জি ও নানা রোগের প্রকোপ বেড়ে গেছে। শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. যানবাহনের ধোঁয়া নির্গমন কমাতে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। ২. শিল্প কারখানায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা হোক। ৩. শহরের সড়কে নিয়মিত গাছ লাগানো ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হোক। ৪. জনসাধারণের মধ্যে বায়ুদূষণ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালানো হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে শহরবাসীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষা হবে বলে আমরা আশাবাদী। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামের নারীদের জন্য সৃজনশীল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১২ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামের নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের গ্রামে অনেক নারী স্বনির্ভর হতে চায় কিন্তু প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সুযোগ না থাকার কারণে তারা পিছিয়ে রয়েছে। নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আবেদন জানাচ্ছি— ১. গ্রামে নারীদের জন্য বোনা, সেলাই, কম্পিউটার, কৃষি ও অন্যান্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হোক। ২. প্রশিক্ষণের জন্য অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক নিয়োগ ও আধুনিক সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হোক। ৩. প্রশিক্ষণ শেষে উদ্যোক্তা হিসেবে নারীদের ঋণ ও মার্কেটিং সেবা প্রদান করা হোক। ৪. নারীদের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম চালানো হোক। আপনার সহযোগিতায় আমাদের গ্রামের নারীরা আত্মসম্মান ও আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ শারমিন আক্তার গ্রামীণ নারী প্রতিনিধি বগুড়া" স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পুস্তক ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ১৩ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, বরিশাল বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বরিশাল জেলার অনেক সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণের অভাব রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণির জন্য যথাযথ ও সময়মত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হোক। ২. অতিরিক্ত শিক্ষাসাহায্যের জন্য বই ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হোক। ৩. বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ মনিটরিং করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৪. শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। আপনার সহায়তায় শিক্ষার্থীরা তাদের স্বপ্ন পূরণে আরো এগিয়ে যাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আনোয়ার হোসেন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বরিশাল" পৌর শহরে বিশুদ্ধ পানির ক্রমবর্ধমান সংকট নিরসনের আবেদন," তারিখ: ১৪ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিভাগ, ঢাকা বিষয়: পৌর শহরে বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির সংকট নিরসনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের শহরে বিশুদ্ধ পানির অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। অপরিকল্পিত পানির নলকূপ ও দূষিত পানি সরবরাহের কারণে মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে পানির চাহিদা অনেক বেশি বেড়ে যায়। আমরা আবেদন করছি— ১. পৌর এলাকায় নতুন পানির উৎস খোঁজা ও উন্নত পানির সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ২. বিদ্যমান পাইপলাইন ও নলকূপ নিয়মিত পরীক্ষা ও পরিস্কার করা হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে পানির সঠিক ব্যবহার ও সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৪. দূষিত পানির ব্যবহার বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে শহরবাসীর জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শহীদুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" শহরের স্কুলে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন," তারিখ: ১৫ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: শহরের স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের শহরের বিভিন্ন স্কুলে অনেক শিক্ষার্থী দূরবর্তী এলাকা থেকে আসার কারণে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অনিয়ন্ত্রিত পরিবহন ও সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। আমরা আবেদন করছি— ১. স্কুল পরিবহনে বিশেষ নজর দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নিয়মাবলী প্রণয়ন করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের পরিবহনে নিয়োজিত গাড়িগুলোতে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে চলা হোক। ৩. সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য নির্দিষ্ট লেন ও নিরাপদ পথ স্থাপন করা হোক। ৪. অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের মাঝে পরিবহন নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। আপনার সহায়তায় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ ও সুশিক্ষিত হয়ে বেড়ে উঠবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রাকিবুল ইসলাম অভিভাবক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামের কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের আবেদন," তারিখ: ১৬ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: কৃষি বিভাগ, রাজশাহী বিষয়: গ্রামের কৃষকদের জন্য আধুনিক ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, রাজশাহী জেলার গ্রামীণ এলাকার কৃষকেরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির অভাবে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। পুরাতন পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় জমির উর্বরতা কমছে এবং ফসলের গুণগত মানে প্রভাব পড়ছে। এতে তাদের আয়ও সীমিত হচ্ছে, যা সামগ্রিক গ্রামীণ অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আমরা আবেদন করছি— ১. গ্রামের কৃষকদের জন্য আধুনিক চাষাবাদের পদ্ধতি ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজন করা হোক। ২. কৃষকদের সঠিক সার ও বীজ ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. উন্নত প্রযুক্তির কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও সহায়তা প্রদান করা হোক। ৪. কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গ্রামীণ কৃষকদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হোক। আপনার দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রামীণ কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম গ্রামীণ কৃষক প্রতিনিধি রাজশাহী" শহরের আবাসিক এলাকায় নিরাপদ পথচারী ফাটকের জন্য আবেদন," তারিখ: ১৭ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: চট্টগ্রাম শহরের আবাসিক এলাকায় নিরাপদ পথচারী ফাটক নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, আমাদের চট্টগ্রাম শহরের আবাসিক এলাকায় যানবাহনের চাপের কারণে পথচারীদের চলাচল নিরাপদ নয়। অনেকে রাস্তার মাঝখানে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন, যা দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক, নারী ও শিশুদের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা আন্তরিক অনুরোধ করছি— ১. প্রধান ও পার্শ্ববর্তী রাস্তার ওপর পর্যাপ্ত ও সুসংগঠিত পথচারী ফাটক নির্মাণ করা হোক। ২. ফাটকগুলোর পাশে সিগন্যাল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন করা হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে পথচারী সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৪. ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে পথচারীদের জীবন নিরাপদ হবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আশরাফাত হোসেন নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" সরকারি কলেজে শিক্ষকদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের আবেদন," তারিখ: ১৮ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি কলেজে শিক্ষকদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদানের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের জেলা সরকারি কলেজে শিক্ষকদের সংখ্যা অপ্রতুল থাকার ফলে শিক্ষার মান হ্রাস পাচ্ছে। অধিকাংশ ক্লাসে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় মনোযোগ দেয়া যাচ্ছে না। এছাড়া শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত আধুনিক প্রশিক্ষণও দেওয়া হয় না। আমরা আবেদন করছি— ১. কলেজে পর্যাপ্ত ও যোগ্য শিক্ষকদের নিয়োগ করা হোক। ২. শিক্ষকদের জন্য আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। ৩. শিক্ষকদের কর্মপরিবেশ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। ৪. শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত সাফল্যের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা হোক। আপনার সদয় পদক্ষেপে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম সঠিক পথে এগিয়ে যাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম ছাত্র প্রতিনিধি ঢাকা" শহরের সড়কে যানবাহন পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বৃদ্ধি," তারিখ: ১৯ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, সিলেট বিষয়: সিলেট শহরের সড়কে যানবাহনের পার্কিং ব্যবস্থা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, সিলেট শহরের প্রধান সড়কে যানবাহনের পার্কিংয়ের জন্য যথেষ্ট স্থান না থাকার কারণে যানজট সৃষ্টি হয় এবং চলাচলে ভোগান্তি হয়। অবৈধ পার্কিং রাস্তা সংকীর্ণ করে তোলে, যা দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের বিভিন্ন জায়গায় আধুনিক ও সুরক্ষিত পার্কিং জোন নির্মাণ করা হোক। ২. রাস্তার পাশে অবৈধ পার্কিং প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। ৩. পার্কিং ব্যবস্থার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও টোকেন সিস্টেম চালু করা হোক। ৪. জনসাধারণের জন্য পার্কিং ব্যবস্থার সুবিধা ও নিয়মাবলী সম্পর্কে প্রচারণা চালানো হোক। আপনার সহায়তায় সিলেট শহর আরো সুগম ও নিরাপদ পরিবেশে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আশরাফাত হোসেন নাগরিক প্রতিনিধি সিলেট " স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আবেদন," তারিখ: ২০ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, যশোর বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, যশোর জেলার সরকারি বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর মাঝে পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সচেতনতা কম। ফলে নানা পুষ্টিহীনতা ও স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যা তাদের পড়াশোনায় প্রভাব ফেলছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. বিদ্যালয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক ক্লাস ও কর্মশালা আয়োজন করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ৩. প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ ও স্কুলে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৪. অভিভাবকদের জন্য পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। আপনার সদয় উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা সুস্থ ও সজীব থাকবে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির গর্ব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামরুল হাসান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি যশোর " পৌর এলাকায় শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন খেলাধুলার মাঠ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২১ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, রাজশাহী বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন খেলাধুলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, রাজশাহী পৌর এলাকার শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপদ খেলার মাঠ না থাকার কারণে তারা অধিকাংশ সময় বাইরে রাস্তায় বা অনিরাপদ জায়গায় খেলাধুলা করে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. শহরের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের জন্য আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণ করা হোক। ২. মাঠগুলোর নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হোক। ৩. শিশুদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ মাঠে পর্যাপ্ত খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহ করা হোক। ৪. অভিভাবক ও শিক্ষকসহ জনসাধারণের মধ্যে নিরাপদ খেলাধুলার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। আপনার সহযোগিতায় শিশুদের সুস্থ ও আনন্দময় বেড়ে ওঠা নিশ্চিত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শাহীন আলম নাগরিক প্রতিনিধি রাজশাহী" গ্রামীণ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সচেতনতা কর্মসূচির আবেদন," তারিখ: ২২ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা সড়ক পরিবহন অফিসার, নওগাঁ বিষয়: গ্রামীণ সড়কে দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, নওগাঁ জেলার গ্রামীণ সড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অধিকাংশ দুর্ঘটনা ট্রাফিক আইন অমান্য, নিরাপত্তা বেষ্টন ব্যবহার না করা ও দ্রুতগতির কারণে ঘটে। আমরা আবেদন করছি— ১. গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ট্রাফিক শিক্ষা ও ক্যাম্পেইন চালানো হোক। ২. সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনের তদারকি ও আইন প্রয়োগ জোরদার করা হোক। ৩. মোটা যানবাহন ও দু-চাকার চালকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও নির্দেশিকা প্রদান করা হোক। ৪. দুর্ঘটনাকবলিতদের জন্য জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তার ব্যবস্থা উন্নত করা হোক। আপনার হস্তক্ষেপে গ্রামীণ সড়ক নিরাপদ হবে ও প্রাণহানি কমে আসবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামাল উদ্দিন গ্রামীণ প্রতিনিধি নওগাঁ" সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যন্ত্রপাতির আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ২৩ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের জেলার সরকারি হাসপাতালে জরুরি বিভাগের যন্ত্রপাতি অত্যন্ত পুরাতন এবং অনেকগুলোই কাজ করছে না। এতে রোগীদের জরুরি সেবা দিতে দেরি হচ্ছে ও জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. জরুরি বিভাগের জন্য উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ক্রয় ও সরবরাহ করা হোক। ২. ডাক্তার ও নার্সদের যন্ত্রপাতি ব্যবহারে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৩. যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল বরাদ্দ করা হোক। ৪. সেবার মান উন্নয়নের জন্য মনিটরিং ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা হোক। আপনার সহযোগিতায় রোগীদের জীবন রক্ষা ও সেবা মানোন্নয়ন সম্ভব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সুমন হোসেন জেলা বাসিন্দা ঢাকা " শহরে পর্যাপ্ত টয়লেট ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনার আবেদন," তারিখ: ২৪ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, বরিশাল বিষয়: বরিশাল শহরে পর্যাপ্ত জনস্বাস্থ্য ও টয়লেট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, বরিশাল শহরের বিভিন্ন স্থানে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত ও পরিচ্ছন্ন টয়লেট নেই। এছাড়া আবর্জনা ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের জনবহুল এলাকায় পর্যাপ্ত ও পরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হোক। ২. আবর্জনা সংগ্রহ, পৃথকরণ ও নিষ্পত্তির আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ৩. পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৪. নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত কর্মী ও বাজেট বরাদ্দ করা হোক। আপনার উদ্যোগে বরিশাল শহর পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রাকিবুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি বরিশাল" সরকারি বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৫ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, কুমিল্লা বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, কুমিল্লার সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় শিক্ষার গুণগত মান হ্রাস পাচ্ছে। অনেক শ্রেণি বড় হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ কমে যাচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. বিদ্যালয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ করা হোক। ২. শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হোক। ৩. শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষা সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হোক। ৪. বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষার্থীবান্ধব ও নিরাপদ রাখা হোক। আপনার পদক্ষেপে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিভাবক প্রতিনিধি কুমিল্লা" গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৬ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: বিদ্যুৎ বিভাগ, ঢাকা বিষয়: গ্রামের মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের এলাকার অনেক গ্রামের বাড়িতে এখনো বৈদ্যুতিক সংযোগ পৌঁছায়নি বা অব্যবস্থাপনার কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। এতে করে গ্রামের মানুষ দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এবং শিক্ষা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. গ্রামীণ এলাকার সকল উপযুক্ত স্থানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হোক। ২. বিদ্যুৎ সরবরাহের মান উন্নত করতে অবকাঠামো আধুনিকায়ন করা হোক। ৩. বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হোক। ৪. গ্রামীণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য মূল্যসাশ্রয়ী ও সহজলভ্য ট্যারিফ প্রণয়ন করা হোক। আপনার সহযোগিতায় গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ হারুন অর রশীদ গ্রামীণ বাসিন্দা ঢাকা" শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ২৭ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, রাজশাহী বিষয়: শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, রাজশাহী শহরের নিম্নাঞ্চলগুলোতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা দীর্ঘ সময় ধরে থাকে, যা জনজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়ে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. শহরের জল নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ করা হোক। ২. জলাবদ্ধ এলাকা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানমূলক কাজ গ্রহণ করা হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নর্দমা রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৪. নগর পরিকল্পনায় পরিবেশ বান্ধব ও টেকসই জল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে রাজশাহী শহরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমবে ও পরিবেশ উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ তানভীর হাসান নাগরিক প্রতিনিধি রাজশাহী " সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ২৮ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদফতর, ঢাকা বিষয়: সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের এলাকার সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা সেবার মান অনেকটাই কম। ডাক্তারের ঘাটতি, ঔষধের অভাব ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব রোগীদের অসুবিধার কারণ হচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. পর্যাপ্ত ও যোগ্য ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদির যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। ৩. স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়মিত করা হোক। ৪. রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। আপনার সদয় মনোযোগে স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি পাবে ও রোগীরা সুস্থ জীবন লাভ করবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম গ্রামীণ বাসিন্দা ঢাকা" শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন," তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, সিলেট বিষয়: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, সিলেট জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অশুভ ঘটনা ঘটে যা শিক্ষার পরিবেশকে নেতিবাচক প্রভাবিত করছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৩. অভিভাবক ও শিক্ষক পর্যবেক্ষণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার করা হোক। ৪. অশুভ কর্মকাণ্ড রোধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আপনার সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা নিরাপদে শিক্ষা লাভ করতে পারবে এবং মনোবল বৃদ্ধি পাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শহীদুল ইসলাম অভিভাবক প্রতিনিধি সিলেট" গ্রামীণ এলাকায় সড়কপথ উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৩০ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়া বিষয়: গ্রামীণ সড়কপথের উন্নয়ন ও পাকা রাস্তা নির্মাণের আবেদন। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, কুষ্টিয়ার গ্রামীণ এলাকা বহু বছর যাবৎ কাঁচা রাস্তার অভাবে যোগাযোগে অপ্রতুলতা ও ভোগান্তিতে ভুগছে। বৃষ্টির মৌসুমে সড়কগুলো প্রায় ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ে, ফলে জনজীবনে বড় বাধা সৃষ্টি হয়। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. গ্রামীণ এলাকায় পাকা সড়ক নির্মাণের জন্য দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণ করা হোক। ২. বিদ্যমান সড়কগুলো নিয়মিত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হোক। ৩. সড়ক নির্মাণে মানসম্পন্ন উপকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেয়া হোক। ৪. স্থানীয় জনগণের মতামত গ্রহণ করে সড়ক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন করা হোক। আপনার পদক্ষেপে গ্রামীণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সুগম ও বিকাশশীল হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম গ্রামীণ বাসিন্দা কুষ্টিয়া " শহরের ফুটপাথ দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখার আবেদন," তারিখ: ৩১ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, ঢাকা বিষয়: ঢাকা শহরের ফুটপাথ দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, ঢাকা শহরের ফুটপাথগুলো অবৈধ দখল ও আবর্জনার কারণে পথচারীদের জন্য চলাচল অনিরাপদ ও কঠিন হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা বিশেষ করে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ভয়ঙ্কর। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. ফুটপাথগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ২. ফুটপাথগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা হোক। ৩. পথচারীদের জন্য নির্দিষ্ট নিরাপদ জায়গা নিশ্চিত করা হোক। ৪. জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগ জোরদার করা হোক। আপনার সহযোগিতায় পথচারীদের চলাচল সহজ ও নিরাপদ হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ হাসান মাহমুদ নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামীণ এলাকার মহিলা শিক্ষার প্রসারের জন্য আবেদনের পত্র," তারিখ: ১ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামীণ এলাকার মহিলা শিক্ষার প্রসারের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের গ্রামে এখনও অনেক মেয়ে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। পারিবারিক ও সামাজিক বাধার কারণে মেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য সংকট সৃষ্টি করছে। আমরা আবেদন করছি— ১. গ্রামীণ এলাকায় মেয়েদের জন্য বিশেষ স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হোক। ২. পরিবারগুলোর মধ্যে মেয়েদের শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. ছাত্রীদের জন্য শিক্ষার জন্য বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হোক। ৪. শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবহন ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। আপনার সহায়তায় গ্রামের মেয়েরা শিক্ষিত ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রিতা খাতুন গ্রামীণ নারী প্রতিনিধি রাজশাহী" শহরে পানীয় জলের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ২ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিভাগ, ঢাকা বিষয়: শহরের পানীয় জলের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত সরবরাহ নিশ্চিতকরণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের শহরে পানীয় জলের মান নিম্নমানের হওয়ায় অনেক রোগব্যাধির সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক এলাকা সময়মত পরিষ্কার পানির যোগান পাচ্ছে না। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হোক। ২. দূষিত পানির উৎস সনাক্ত করে বন্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৩. পানীয় জলের নলকূপ ও পাইপলাইন নিয়মিত পরীক্ষা ও পরিস্কার করা হোক। ৪. জনসাধারণের মধ্যে পানি সংরক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। আপনার উদ্যোগে শহরের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনেক উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আনিসুর রহমান নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" সরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ড ও বেডের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে রোগী আসন ও বেডের সংখ্যা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের জেলার সরকারি হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে, কিন্তু ওয়ার্ড ও বেডের সংখ্যা যথেষ্ট নয়। এর ফলে রোগীরা অনেক সময় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. হাসপাতালের ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়ানো ও বেডের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি করা হোক। ৩. রোগীদের জন্য আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৪. স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। আপনার উদ্যোগে রোগীদের সেবা সহজ ও সুচারুভাবে প্রদান সম্ভব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম জেলা বাসিন্দা ঢাকা" শহরে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও পরিচর্যার আবেদন," তারিখ: ৪ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: সমাজকল্যাণ বিভাগ, ঢাকা বিষয়: বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও পরিচর্যার ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শহরের বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা দৈনন্দিন জীবনে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। তাদের জন্য যথাযথ চিকিৎসা, চলাফেরা ও সামাজিক সহায়তা অপরিহার্য। আমরা আবেদন করছি— ১. বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ২. চলাফেরা ও যোগাযোগ সহজ করার জন্য র্যাম্প, হুইলচেয়ার ইত্যাদি সরবরাহ করা হোক। ৩. তাদের জন্য সামাজিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হোক। ৪. সমাজে তাদের অধিকার ও মর্যাদা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। আপনার সদয় মনোযোগে তারা সম্মানজনক জীবনযাপন করতে পারবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামীণ এলাকায় শিশুদের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য স্কুল ভবন ও উপকরণ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৫ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামীণ এলাকায় শিশু শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য স্কুল ভবন ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের গ্রামের বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো অত্যন্ত দুর্বল। অনেক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও ভগ্নাংশ অবস্থায় রয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বই, টেবিল-চেয়ার ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রীও নেই। এর ফলে শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের আগ্রহ হারাচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যালয় ভবন মেরামত ও উন্নয়ন করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পাঠ্যবই ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা হোক। ৩. শিক্ষকদের জন্য আধুনিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি প্রদান করা হোক। ৪. শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। আপনার সাহায্যে গ্রামীণ এলাকার শিশুদের শিক্ষার মান ব্যাপকভাবে উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ হারুনুর রশীদ গ্রামীণ শিক্ষক প্রতিনিধি ঢাকা " শহরের বাস টার্মিনালে পর্যাপ্ত ছায়া ও বসার ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৬ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম বিষয়: বাস টার্মিনালে যাত্রীদের জন্য ছায়া ও বসার সুবিধা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, চট্টগ্রাম শহরের বাস টার্মিনালে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত ছায়া ও বসার ব্যবস্থা না থাকার কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের জন্য এটি খুবই কষ্টকর। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. বাস টার্মিনালে পর্যাপ্ত ছায়া ও বসার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ২. স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা হোক। ৩. যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য নজরদারি ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করা হোক। ৪. জনসাধারণের সুবিধার্থে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা চালানো হোক। আপনার উদ্যোগে যাত্রীদের যাতায়াত অনেক সহজ ও আরামদায়ক হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আরিফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম " সরকারি হাসপাতালের জরুরি ও আইসিইউ বিভাগে আরও ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের আবেদন," তারিখ: ৭ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালের জরুরি ও আইসিইউ বিভাগে ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের জেলার সরকারি হাসপাতালে জরুরি ও আইসিইউ বিভাগের ডাক্তার ও নার্সের অভাব রোগীদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা সৃষ্টি করছে। অনেক সময় পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. জরুরি ও আইসিইউ বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত ও দক্ষ ডাক্তার ও নার্স দ্রুত নিয়োগ করা হোক। ২. তাদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৩. রোগীর সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি ও ঔষধ সরবরাহ করা হোক। ৪. নিয়মিত কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। আপনার সহযোগিতায় রোগীদের জীবন বাঁচাতে এবং সেবা মান উন্নত করতে পারব। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম জেলা বাসিন্দা ঢাকা" শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৮ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান যুগে শিক্ষার মান উন্নয়নে ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রীর ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু আমাদের শহরের অনেক স্কুল-কলেজে এই সুবিধা নেই, যার কারণে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. স্কুল-কলেজে কম্পিউটার, প্রজেক্টর ও ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা হোক। ২. শিক্ষকদের ডিজিটাল শিক্ষণ পদ্ধতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক। ৩. শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা হোক। ৪. ডিজিটাল শিক্ষাকে সকলের কাছে সহজলভ্য করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হোক। আপনার সহযোগিতায় শিক্ষার গুণগত মান অনেক উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ ফারুক হাসান শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ঢাকা" পৌর এলাকায় সরকারি বাসসেবা সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ৯ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: পরিবহন মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: পৌর এলাকায় সরকারি বাসসেবা সম্প্রসারণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের পৌর এলাকায় বর্তমানে সরকারি বাসের সংখ্যা খুবই সীমিত হওয়ায় যাতায়াতে অনেক অসুবিধা হয়। বিশেষ করে অফিসগামী, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. পৌর এলাকায় বাস সেবার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হোক। ২. বাস চলাচলের সময়সূচি ও রুট উন্নত করা হোক। ৩. যাত্রীদের সুরক্ষা ও সেবার মান উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ৪. বাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সময়মত চালনার জন্য নজরদারি জোরদার করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে নাগরিকদের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামের নারীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচির ব্যাপক বাস্তবায়নের আবেদন," তারিখ: ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামীণ নারীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি ব্যাপকভাবে বাস্তবায়নের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের গ্রামীণ এলাকায় নারীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা অপ্রতুল থাকায় নানা রোগ ও স্বাস্থ্যগত সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু এবং গর্ভকালীন জটিলতা বেড়ে যাচ্ছে। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. গ্রামীণ নারীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য শিক্ষামূলক কর্মসূচি ও সচেতনতা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। ২. প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ও মাতৃত্বকালীন সেবা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য সরবরাহ করা হোক। ৩. স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নারীদের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা হোক। ৪. নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিকাশে সরকারি সহায়তা বাড়ানো হোক। আপনার উদ্যোগে গ্রামীণ নারীরা সুস্থ ও শক্তিশালী হবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ হাসিনা বেগম গ্রামীণ নারী প্রতিনিধি ঢাকা" শহরের শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র ও পাঠাগারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: শিশুদের বিনোদন ও শিক্ষার জন্য কেন্দ্র এবং পাঠাগার প্রতিষ্ঠার আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, চট্টগ্রাম শহরের শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত বিনোদন ও শিক্ষার সুযোগ নেই। স্কুলের বাইরে তাদের সময় কাটানোর জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সৃজনশীল বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ করা হোক। ২. বিনামূল্যে পাঠাগার স্থাপন করে বই পড়ার সুযোগ বৃদ্ধি করা হোক। ৩. শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ৪. অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালানো হোক। আপনার সহযোগিতায় শিশুদের সার্বিক বিকাশ সম্ভব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ নুরুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" সরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা চালুর আবেদন," তারিখ: ১২ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, রাজশাহী বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা চালুর আবেদন। মাননীয় মহোদয়, রাজশাহীর বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই। অপ্রতুল পরিবহন ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হোক। ২. পরিবহনে সিসিটিভি ও নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ করা হোক। ৩. অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ বজায় রেখে পরিবহন ব্যবস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হোক। ৪. বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থার মনিটরিং নিশ্চিত করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে ছাত্রীদের নিরাপদ ও সুষ্ঠু শিক্ষা নিশ্চিতে সহায়ক হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম অভিভাবক প্রতিনিধি রাজশাহী" শহরের পার্ক ও বাগানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন," তারিখ: ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, সিলেট বিষয়: পার্ক ও বাগানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, সিলেট শহরের পার্ক ও বাগানগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় ও পরিচ্ছন্নতার অভাবে মানুষের আগমন কমে যাচ্ছে। শিশু ও বয়স্কদের নিরাপত্তা সংকটে পড়েছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. পার্ক ও বাগানে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হোক। ২. নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হোক। ৩. জনগণকে সচেতন করে বিনোদনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৪. পার্ক ব্যবহারের নিয়মকানুন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হোক। আপনার উদ্যোগে পার্ক ও বাগানগুলো শিশু-বৃদ্ধ সকলের জন্য নিরাপদ স্থানে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আজিজুর রহমান নাগরিক প্রতিনিধি সিলেট" গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা বিষয়: গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের জন্য আবেদন। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, কুমিল্লার গ্রামীণ অঞ্চলে সড়ক অবকাঠামোর অভাবে জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বৃষ্টিকালে সড়ক ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ছে, ব্যবসা ও শিক্ষায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. কাঁচা সড়কগুলো পাকা সড়কে রূপান্তর করা হোক। ২. সড়ক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল বরাদ্দ করা হোক। ৩. সড়ক উন্নয়নে স্থানীয় জনসাধারণের মতামত গ্রহণ করা হোক। ৪. যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হোক। আপনার হস্তক্ষেপে গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রুহুল আমিন গ্রামীণ বাসিন্দা কুমিল্লা" "অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। মহোদয়, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ২১/১০/২০২৪ থেকে ২৩/১০/২০২৪ তারিখ পর্যন্ত আমার বড় বোনের বিবাহ উপলক্ষে অগ্রিম ছুটির প্রয়োজন। উক্ত অনুষ্ঠানে আমাকে বড়দের কাজে সাহায্য করতে হবে তাই আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারব না। অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আপনাকে উল্লেখিত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২ " "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ‘ক’ উচ্চ বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা। বিষয়ঃ স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মনাপূর্বক নিবেদন এই যে, তথ্যসূত্রে গত ১৬/১০/২০২৪ তারিখ জানতে পারলাম যে, আপনার স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে সহকারী পদে লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, কভার লেটারসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ডকুমেন্টস দরখাস্তের সাথে সংযুক্ত করছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ দানে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক ‘খ’ ( আপনার নাম ) সংযুক্তিঃ ১। শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি। ২। জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি। ৩। পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি সত্যায়িত করা। ৪। চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রাপ্ত চারিত্রিক সনদপত্র। ৫। প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। ৬। আবেদন ফি পরিশোধের এর ব্যাংক ড্রাফট।" "মসজিদে অনুদানের জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি বিষয়ঃ মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আপনি জেনে খুশি হবেন আমরা মাদ্রাসার নতুন ভবনের দেয়াল, পিলার ও ফ্লোরের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। এখন মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাই দেয়ার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। আপনাদের সহযোগিতায় এই মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই আর্থিক সহায়তা করলে আমরা মাদ্রসার বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম হতাম। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন, মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদান প্রদান করে মাদ্রাসা নির্মানের কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ দান করলে আপনাদের নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক (আপনার নাম) ‘ক’ (নাম)" "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ‘ক’ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন এবং পরিবারে আমার বাবা একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের ভরণপোষণের খরচ চালানোর পাশাপাশি আমাদের পড়াশোনার খরচ চালাতে তাকে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। যার কারণে আমি গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উপরে বর্ণিত বিষয় বিবেচনা করে আমাকে জরিমানা মওকুফ করে শুধুমাত্র বেতন পরিশোধের অনুমতি দানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র ‘ক’ (নাম) রোলঃ ৯ শাখা-ক" শিক্ষা সফরের যাওয়ার অনুমতি চেয়ে অধ্যক্ষের নিকট একটি আবেদন পত্র লিখ,"১ জানুয়ারি, ২০১৯ বরাবর, অধ্যক্ষ ঢাকা আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা। বিষয়: শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা আপনার প্রতিষ্ঠানের মানবিক বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী। প্রতিবছর অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শিক্ষা সফর আয়োজনের জন্য আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনি অবগত আছেন, শিক্ষা সফর শিক্ষার্থীদের পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে প্রত্যক্ষ জ্ঞানের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। পাশাপাশি শিক্ষা সফর ছাত্রছাত্রীদের চিত্তবিনোদনেরও সুযোগ করে দেয়। আমাদের পরিকল্পিত শিক্ষা সফরের জন‌্য আপনার সদয় অনুমতি প্রার্থনা করছি। সেই সাথে শিক্ষা সফরের আনুসাঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য আপনার কাছ থেকে আর্থিক সহায়তারও অনুরোধ জানাচ্ছি। শিক্ষা সফরের মোট ব্যয়ের অর্ধেক আমরা নিজেরা চাঁদার মাধ্যমে বহন করব। অতএব, সবিনয় নিবেদন, আমাদের পরিকল্পিত শিক্ষা সফর সফল করে তোলার জন্য যাবতীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আপনার কৃপা হয়। নিবেদক, আপনার একান্ত অনুগত (আপনার নাম) রোল: ১ মানবিক বিভাগের সকল শিক্ষার্থীদের পক্ষে।" "উপবৃত্তির জন্য আবেদন ","২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক সদর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি রূপা আক্তার, আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের একজন নিয়মিত ছাত্রী। আমি ষষ্ঠ শ্রেণি হতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সন্তোষজনক ফলাফলের সাথে আপনার প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে আসছি। স্কুলের বিগত সকল পরীক্ষায় আমি সফলতার সাথে প্রথম স্থান অধিকার করেছি এবং অষ্টম শ্রেণিতেও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি। এখন আমি নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান শাখায় পড়াশোনা শুরু করতে ইচ্ছুক। কিন্তু আমার পিতা একজন ছোট মুদি দোকানদার হওয়ায় তার পক্ষে আমার নতুন শ্রেণির পড়াশোনায় অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে আমার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এমতাবস্থায় আমি আমার মেধানুসারে আর্থিক সহায়তা পেলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারব এবং এসএসসি পরীক্ষাতেও সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করে বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করতে পারব। অতএব, জনাবের কাছে আকুল প্রার্থনা, আমার বিগত বছরে সকল পরীক্ষার ফলাফল ও বর্তমান আর্থিক অসচ্ছলতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা প্রদানে আজ্ঞা হয়। বিনীত , আপনার একান্ত অনুগত রূপা আক্তার শ্রেণি: নবম, রোল: ১, বিভাগ: বিজ্ঞান। সদর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, বরিশাল।" "বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি চেয়ে আবেদন ","তারিখ, বরাবর প্রধান শিক্ষক দিনাজপুর জিলা স্কুল, দিনাজপুর। বিষয়: বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি চেয়ে আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী একটি ঐক্যমতে পৌঁছেছি। যেহেতু বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ, সেহেতু আমাদের বিজ্ঞানচর্চার জন্য একটি বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। বিজ্ঞান ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করে আমরা বিজ্ঞানচর্চার সুফল লাভ করতে পারব। তাছাড়া বিজ্ঞান বিষয়ে বিভিন্ন প্রবন্ধ-নিবন্ধ, পত্রিকাও ক্লাব থেকে প্রকাশ করা যাবে। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমাদের প্রস্তাবটি যথাযোগ্য বিবেচনা করে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি প্রদানে বাধিত করবেন। বিনীত, শিক্ষার্থীবৃন্দ দিনাজপুর জিলা স্কুল, দিনাজপুর।" "প্রশংসাপত্রের জন্য আবেদন ","১৯ আগস্ট, ২০১৯ বরাবর, অধ্যক্ষ নটর ডেম স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা। বিষয়: প্রশংসাপত্রের জন্য আবেদন পত্র জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার কলেজের একজন নিয়মিত প্রার্থী হিসেবে ২০১৯ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে অংশগ্রহণ করে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হই। কলেজে আমার রোল নম্বর ছিল ১৭৫। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রোল: ৩২১৮০১৪, রেজিস্ট্রেশন: ৬৮৫০০১২, বিভাগ: মানবিক, শিক্ষাবর্ষ: ২০১৮-২০১৯, বোর্ড: ঢাকা। একটি চাকরির মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য আমার একটি প্রশংসাপত্র প্রয়োজন। অতএব, মহোদয় সমীপে আবেদন, ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল ও কলেজ জীবনের আচরণের ভিত্তিতে একটি প্রশংসাপত্র প্রদানপূর্বক উক্ত চাকরীর মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দানে আমাকে বাধিত করবেন। নিবেদক, আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র আউয়াল হোসেন। বিভাগ: মানবিক, শিক্ষাবর্ষ: ২০১৮-২০১৯।" "বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের আবেদন ","তারিখ বরাবর, জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বিষয়: বন্যার্তদের জন্য সাহায্যের আবেদন জনাব, আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাস্থ বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের অধিবাসী। এবারের বন্যার করাল গ্রাসে এ ইউনিয়নের যে অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে তা বর্ণনা করার মত না। এবারের বন্যা বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় শুধু নয়, বাংলাদেশের স্মরণকালেরর ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা। গত কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও উজানের পানির প্রবাহে গ্রামের কাঁচা ঘরবাড়ি, মাঠ ভরা পাকা ফসল, গবাদি পশু সবকিছু ভেসে গেছে। এর ফলে এলাকার মানুষ খুবই কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। বাসস্থানের অভাবে হাজার হাজার লোক খোলা আকাশের নিচে দিন যাপন করছে। বন্যার ফলে নিরাপদ পানীয় জলের দারুণ সংকট দেখা দিয়েছে। মানুষ খাদ্যভাবে অখাদ্য-কুখাদ্য খেয়ে ডায়রিয়া, আমাশয়সহ নানা প্রকার পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। বানভাসী মানুষের এ দুর্দিনে কোনরূপ ত্রাণ সাহায্য এখনো এলাকায় পৌছেনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা, সরেজমিনে তদন্ত করে অত্র অঞ্চলের জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ-সামগ্রী সরবারহ ও বিতরণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সুমর্জি হয়। নিবেদক শহীদুল ইসলাম চিনাডুলী ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে। " "দরিদ্র তহবিল থেকে সাহায্যের জন্য আবেদন ","তারিখ: ১১.২৫.২০২১ বরাবর, অধ্যক্ষ নূরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের, কুমিল্লা। বিষয়: দরিদ্র তহবিল থেকে সাহায্যের জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের একজন নিয়মিত ছাত্রী। আমি অত্র বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে লেখাপড়া করে আসছি এবং প্রত্যেক পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করে আপনাদের স্নেহাশীষ অর্জন করেছি। আমার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক। বর্তমানে আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়। আমার এক ভাই ও এক বোন যথাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। আমাদের সংসারে অন্য কোন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় বর্তমানে সংসার ও আমাদের লেখাপড়ার ব্যয় নির্বাহ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। তাই অত্র কলেজের দরিদ্র তহবিল হতে মাসিক কিংবা এককালীন ভিত্তিতে কিছু অর্থ সাহায্য আমার খুবই প্রয়োজন। অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমার ফলাফল ও বর্তমান আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে মেহেরবাণীপূর্বক কলেজের দরিদ্র তহবিল থেকে আমাকে কিছু আর্থিক সাহায্য প্রদান করে আমার লেখাপড়া সুষ্ঠুভাবে চালিয়ে যাওয়ায় সহযোগিতা করতে আপনার সুমর্জি হয়। নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত রুমি শ্রেণি: নবম, রোল: ৬, বিভাগ: মানবিক।" ছাড়পত্রের জন্য আবেদন,"তারিখ, বরাবর প্রধান শিক্ষক হেমনগর শশীমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব, যথবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি সুমন হোসেন আপনার বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র। আমার শ্রেণির রোল নং ১। আমার বাবা একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। সম্প্রতি আমার বাবা রাজশাহীতে বদলী হয়েছেন। আমাকেও তার সাথে রাজশাহীতে যেতে হবে। সঙ্গত কারণে আমার বাবা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমাকে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করবেন। অতএব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমাকে বিদ্যালয় ত্যাগের একটি ছাড়পত্র প্রদান করে আমার লেখাপড়ার পথ সুগম করতে জনাবের আজ্ঞা হোক। বিনীত, আপনার অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণি: অষ্টম, রোল নং ১, শাখা: ক।" "নৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন ","তারিখ বরাবর, জেলা প্রশাসক ফেনী বিষয়: নৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার আওতাধীন বলিয়াদহ একটি জনবহুল গ্রাম। এই গ্রামের লোকসংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। এদের অধিকাংশই নিরক্ষর। নিরক্ষরতার অভিশাপে এ গ্রামের লোকজন এখনো মধ্যযুগীয় পরিবেশেই দিন যাপন করছে। শিক্ষার অভাবে গ্রামবাসী আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। শুধু কৃষি ক্ষেত্রেই নয়, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা, খাদ্য-পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা, জন্ম নিয়ন্ত্রণ, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি সম্পর্কেও তারা খুবই অসচেতন। নিরক্ষরতার অভিশাপে গ্রামের জীবনের পদে পদে হোঁচট খাচ্ছে। কিন্তু বয়স্কদের শিক্ষাদানের জন্য এ গ্রামে কোন নৈশ বিদ্যালয় নেই। তাই অনতিবিলম্বে এখানে একটি নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করা প্রয়োজন। অতএব, অনুগ্রহপূর্বক আমাদের গ্রামে একটি নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করে নিরক্ষরতা দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সুমর্জি হয়। নিবেদক শহীদুল ইসলাম বুলিয়াদহ গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে।" তোমার বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উপলক্ষে রচিত আবেদন পত্র,"সুধী, আগামী ৫ জানুয়ারি, শুক্রবার অপরাহ্ন ৪ ঘটিকার সময় আমাদের স্কুল মিলনায়তনে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব ২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় পৌর প্রধান সম্মানিত সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করবেন। আমরা এ উপলক্ষে আপনার সানুগ্রহ ও সবান্ধব উপস্থিতি কামনা করি। তাং : ১.০২.২০১৮ বিনীত নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ" তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটি প্রার্থনা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট দরখাস্ত,"মাননীয় প্রধান শিক্ষক সমীপেষু— গৌহাটি ইংরাজি উচ্চবিদ্যালয় মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আজ স্কুলে উপস্থিত হবার কিছুক্ষণ পর থেকেই আমি দারুণ শিরঃপীড়ায় আক্রান্ত হয়ে ভীষণ অস্থিরতা বোধ করছি। অতএব, আমাকে তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটি প্রদান করলে বাধিত হব। তারিখ ১২.০৫.২০১৮ বিনীত নিবেদন ঋষি বোস ১০ম শ্রেণি ক্রমিক নং-১১" তোমার ছোটো বোনের বিবাহ উপলক্ষে একখানা আমন্ত্রণ পত্র,"মহাশয়, আগামী ২৭ পৌষ, রবিবার আমার ছোটো বোন অমিতার সঙ্গে হাটহাজারী গ্রাম নিবাসী মহাশয় সুনীল সেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র অলকের শুভ পরিণয় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে আপনি সবান্ধবে উপস্থিত হয়ে বর-কনেকে আশীর্বাদ করবেন। পত্র দ্বারা নিমন্ত্রণের ত্রুটি মার্জনীয়। নিবেদনে সঞ্জয় পাল স্থান : মোতি প্যালেস শিলচর, আসাম।" তোমার নিজ এলাকায় বন্যা কবলিত জনসাধারণের সাহায্যার্থে জেলা প্রশাসকের নিকট একখানা আবেদন পত্র,"করিমগঞ্জ জেলার মাননীয় জেলাশাসক মহোদয় সমীপেষু মহাশয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, করিমগঞ্জ জেলার অন্তর্গত অধিকাংশ গ্রাম আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামের দরিদ্র জনসাধারণের অধিকাংশ ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে ও বন্যার তোড়ে ভেসে গিয়েছে, বহু পশু মরে গেছে। বলতে গেলে অধিকাংশ গ্রামবাসী এখন আশ্রয়হীন অবস্থায় অনশন ও অর্ধাশনে কালযাপন করছে। ব্যাপকভাবে সংক্রামক রোগেরও প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। অতএব সবিনয় নিবেদন এই যে, এতদ্ অঞ্চলের দুঃস্থ মানুষের সাহায্যার্থে অবিলমে সরকারের তরফ হতে রিলিফের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করছি। করিমগঞ্জ ১১.০১.২০১৮ নিবেদনে অজয় বড়ুয়া" তোমার এলাকায় জলকষ্টের আশু প্রতিকারের জন্য পৌরসভার চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন পত্র,"মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় সমীপেষু শিলচর পৌরসভা মহাশয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমাদের ২০ নং ওয়ার্ডে পানীয় জলের অভাবে কয়েকশো পরিবার নিরতিশয় কষ্ট ভোগ করে আসছে। এখানে প্রায় দুই হাজার লোকের বাস। অথচ এখানে নলকূপের সংখ্যা মাত্র ৬টি। ভালো কোনো পুকুরও নেই। নলকূপগুলির জল আর্সেনিক যুক্ত হওয়ায় পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দরিদ্র মানুষ বিষাক্ত জল পান করে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় দিন গুনছে। জনগণের দুর্ভাগ্য যে, জনস্বাস্থ্য বিভাগের কৃপাদৃষ্টি আজ পর্যন্ত এই দুর্গত অঞ্চলের প্রতি নিবদ্ধ হয়নি। অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে পৌরসভার সর্বময় কর্তা হিসেবে মহোদয় এই দুঃস্থ মানুষদের সেবায় এগিয়ে এসে অচিরে আমাদের এলাকার জনগণের জলকষ্টের প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে আজ্ঞা করবেন। বিনীত নিবেদক প্রবীর চক্রবর্তী ২০নং ওয়ার্ড, শিলচর তারিখ : ১৯.১২.২০১৮" তোমার অঞ্চলের একটি রাস্তার সংস্কার সম্বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদপত্রে প্রকাশার্থে চিঠি লেখ,"মাননীয় সম্পাদক মহোদয় সমীপেষু দৈনিক অসম সেন্ট্রাল রোড, শিলচর, আসাম, মহাশয়, আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় এতদ্‌সঙ্গে প্রেরিত পত্রখানা প্রকাশ করলে এতদঞ্চলের প্রবঞ্চিত মানুষের অশেষ উপকার সাধন হবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। “রাস্তা-সংস্কার” আমরা শিলচর জেলার সেন্ট্রাল রোডের অধিবাসীরা বহুদিন হতে রাস্তাঘাটের অভাবে কল্পনাতীত অসুবিধার মধ্যে জীবন-যাপন করছি। আমরা বলতে গেলে বহির্জগত হতে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছি। সেন্ট্রাল রোড হতে রেলস্টেশন পর্যন্ত তিন মাইল যাতায়াতের জন্য কেবল একটি রাস্তা রয়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তায় বহু লোক চলাচল করে। অথচ দেশ স্বাধীন হবার পর হতে এই রাস্তার কোনো মেরামত আজ পর্যন্ত হয়নি। ফলে এই রাস্তা অনেক স্থানে ভেঙে গেছে। এতদঞ্চলের প্রায় অর্থলক্ষাধিক লোকের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির এই শোচনীয় অবস্থা কর্তৃপক্ষ নীরবে কয়েক বছর যাবৎ লক্ষ করে আসছেন বটে, কিন্তু প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থাই আজ পর্যন্ত গ্রহণ করেননি। এই জেলার একটি বিরাট অঞ্চলের সহিত বহিরাঞ্চলের সম্পর্ক স্থাপনকারী এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি অবিলম্বে পাকা করা দরকার। আমরা এই রাস্তাটির সংস্কার সম্পর্কে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করবার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সানুগ্রহ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ইতি— স্থানীয় জনগণের পক্ষে অতুল্য ঘোষ সেন্ট্রাল রোড, শিলচর তারিখ : ১ জুন, ২০১৮" "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ……………….. উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব যথাবিহীত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, গত ০১/০১/২০২১ খ্রিঃ তারিখে “দৈনিক যুগান্তর” পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, সহকারী শিক্ষক পদে আপনার প্রতিষ্ঠানে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত ও আনুষাঙ্গিক তথ্যাদি মহোদয়ের নিকট উপস্থাপন করছি। ১। নামঃ ২। পিতার নামঃ ৩। মাতার নামঃ ৪। বর্তমান ঠিকানাঃ ৫। স্থায়ী ঠিকানাঃ ৬। জন্ম তারিখঃ ৭। জাতীয়তাঃ ৮। জাতীয় পরিচয় পত্র নংঃ ৯। বৈবাহিক অবস্থাঃ ১০। ধর্মঃ ১১। মোবাইল নাম্বারঃ ১২। রক্তের গ্রুপঃ ১৩। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ পরীক্ষার নাম গ্রুপ/বিষয় বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় পাশের সন প্রাপ্ত গ্রেড এসএসসি বিজ্ঞান সিলেট ২০০৬ জিপিএ-৫ এইচএসসি বিজ্ঞান সিলেট ২০০৮ জিপিএ-৫ বিএসএস রাষ্ট্রবিজ্ঞান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০১২ প্রথম শ্রেণী এমএসএস রাষ্ট্রবিজ্ঞান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৩ প্রথম শ্রেণী ১০। অভিজ্ঞতাঃ অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনাপূর্বক উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়। বিনীত (জুয়েল আহমদ) মোবাঃ +৮৮ ০১৭১০-০০০০০০ সংযুক্তিঃ ১। পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি ২ কপি। ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। ৩। চারিত্রিক সনদপত্র। ৪। নাগরিকত্ব সনদপত্র। ৫। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। ৬। ১০০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট।" "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখ-০২/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর অধ্যক্ষ মহোদয় মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ। বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পিতার পারিবারিক আর্থিক অনটন ও অসুস্থতার কারনে নির্ধারিত সময়ে কলেজের সকল প্রকার ফী ও বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। উল্লেখ্য অবশ্যক যে, আমার পিতা আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি এবং পিতার আয়ের উপর পরিবারের সকল ভোরণপোষণ খরচ বহন করা হয়। অতএব, মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন যে, আমার পিতার অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জরিমানা ছাড়া সকল ফী ও বেতন প্রদানের অনুমতি প্রদানে আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-একাদশ বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-৯০৯" ছাড়পত্রের জন্য আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক (ক) উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভাবাজার। বিষয়ঃ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পিতা একজন সরকারী চাকরিজীবি। তাঁর বর্তমান কর্মস্থল কুলাউড়া উপজেলা হতে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বদলি হওয়ায় আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা সম্ভব হবে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা যে, আমার উপরোক্ত সমস্যার বিষয়টি বিবেচনা করতঃ সকল বকেয়া বেতন ও ফি পরিশোধ পূর্বক আমাকে ছাড়পত্র প্রদানের জন্য আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী- নবম বিভাগ- বিজ্ঞান রোল নং- ০১" অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ………… উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার শারিরীক অসুস্থতার কারনে গত ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৪/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৪ (চার) দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি মানবিক বিবেচনা করে আমাকে ০৪ (চার) দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০১" অফিসিয়াল ছুটির আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লি. কুলাউড়া শাখা, সিলেট। বিষয়ঃ নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার ছোট বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিনের ছুটি ভোগ করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়টি বিবেচনাক্রমে ০৩ (তিন) দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সবিনয়ে আবেদন পেশ করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) অফিসার পূবালী ব্যাংক ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার।" অগ্রিম ছুটির আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক (ক) উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার বড় বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারব না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়াদি বিবেচনাপূর্বক আমাকে ০৩ (তিন) দিনের অগ্রিম ছুটি প্রদান করতে আপনার মর্জি হয়। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০১" অফিসিয়াল ছুটির আবেদন (অনুপস্থিতির),"তারিখ-০৬/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লিঃ ………………… শাখা, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এর একজন অফিসার। আমার শারিরীক অসুস্থতার কারনে গত ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৫/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৫ (পাঁচ) দিন অফিসে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে অনুপস্থিতি কালের ৫ (পাঁচ) দিন ছুটি মঞ্জুর করতে আপনার সদয় মর্জি হয়। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (…………………) অফিসার পূবালী ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার।" জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জিডি লেখার নিয়ম,"তারিখ: (আবেদনের তারিখ লিখুন) বরাবর, অফিসার ইনচার্জ থানার নাম (আপনার থানার নাম লিখুন) উপজেলা, জেলা। (আপনার উপজেলা ও জেলার নাম লিখুন) বিষয়ঃ সাধারণ ডায়েরির জন্য আবেদন। যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার নাম (বয়স), পিতা/স্বামীঃ (পিতা বা স্বামীর নাম লিখুন) গ্রামঃ (গ্রামের নাম লিখুন), ডাকঘরঃ (আপনার ডাকঘরের নাম লিখুন), উপজেলাঃ (আপনার উপজেলার নাম লিখুন) জেলাঃ (জেলার নাম লিখুন)। আমি থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, গত (হারানোর তারিখ লিখুন) তারিখে আমার নিজ বাড়ি বা (যেকোন একটি স্থানের নাম লিখুন) আসার পথে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ডটি হারিয়ে ফেলি। জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড নম্বর- (আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখুন) সম্ভাব্য অনেক স্থানে খোঁজাখুজি করেও পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, উপরোক্ত বিষয়ে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে আপনার সদয় মর্জি হয়। নিবেদক এখানে আপনার স্বাক্ষর (এখানে আপনার নাম) মোবাইলঃ (এখানে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন) ঠিকানাঃ (এখানে আপনার ঠিকানা লিখুন)" চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম,"তারিখঃ বরাবর, মানব সম্পদ বিভাগ আনন্দ স্কুল (গণ-শিক্ষা প্রকল্প) হাউজ-৮৭, রোড-১৩/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯। বিষয়ঃ ‘উপজেলা শিক্ষা পরিদর্শক’ পদের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২০/০৫/২০২২ তারিখের দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, উপজেলা শিক্ষা পরিদর্শক পদে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের জন্য একজন প্রার্থী হিসাবে আমি আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্নাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত উপস্থাপন করছিঃ ক) প্রার্থীর নাম : খ) মাতার নাম : গ) পিতার নাম : ঘ) বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম- ………….., ডাকঃ ………….., উপজেলা-………….., জেলাঃ ………….. ঙ) স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম- ………….., ডাকঃ ………….., উপজেলা-………….., জেলাঃ ………….. চ) জন্ম তারিখ : ছ) ধর্ম : জ) বৈবাহিক অবস্থা : ঝ) রক্তের গ্রুপ : ঞ) জাতীয়তা : ট) জাতীয় পরিচয় পত্র নং : ঠ) মোবাইল নং : ড) শিক্ষাগত যোগ্যতা : ক্রমিক নং পরীক্ষার নাম গ্রুপ/বিষয় পাসের সন বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় জিপিএ/ সিজিপিএ/ বিভাগ ০১ এস.এস.সি বিজ্ঞান ২০১২ সিলেট ৪.৪৪ ০২ এইচ.এস.সি ব্যবসায় শিক্ষা ২০১৪ সিলেট ৪.২০ ০৩ অনার্স (বিবিএ) ব্যবস্থাপনা ২০১৮ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২.৯৪ অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা পূর্বক উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়। নিবেদক (আপনার নাম লিখুন) সংযুক্তি ১। পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি -০১ কপি। ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের অনুলিপি। ৩। জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি।" "চাকরির আবেদন পত্রের নমুনা ","তারিখঃ০৩-০৯-২০২৪ ইং বরাবর, অধক্ষ মহোদয় প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা। বিষয়ঃ যে বিষয়ের জন্য আবেদন করবেন তা। (যেমনঃ সরকারী প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক পদে চাকুরির জন্য আবেদন পত্র) জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, গত …………………… (তারিখ),............ (চাকরির খবরের সোর্সের নাম) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, আপনার অধীনে ............ পদে কিছু লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার জীবন বৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র আপনার সদয় বিবেচনার জন্য নিচে উপস্থাপন করছি। নামঃ আবির শেখ পিতার নামঃ জমির শেখ মাতার নামঃ ফাতেহি খাতুন বর্তমান ঠিকানাঃ গ্রাম, পোস্ট, উপজেলা, জেলা। স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম, পোস্ট, উপজেলা, জেলা। জন্ম তারিখঃ ১০-১০-১৯৯৫ জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থাঃ অবিবাহিত ধর্মঃ ইসলাম যোগাযোগের ঠিকানা মোবাইল নম্বরঃ019………356 টেলিফোন নম্বরঃ 2345… ই-মেইলঃ….@gmail.com শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ পরীক্ষা বিষয় / বিভাগ সাল গ্রেড পয়েন্ট বোর্ড / পতিষ্ঠান এস এস সি বিজ্ঞান ২০১০ ৫.০০ ঢাকা এইস এস সি মানবিক ২০১২ ৫.০০ ঢাকা স্নাতক ইতিহাস ২০১৭ ৩.৭৫ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় স্নানাকোত্তর ইতিহাস ২০১৯ ৩.৬৭ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অভিজ্ঞতাঃ দীর্ঘ ২ বছরের অধিক সময় বেসরকারী কলেজের ইংরেজী বিষয়ে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ আছি। ১ বছর একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি পড়িয়েছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোক্ত তথ্যাবলির প্রেক্ষিতে অনুগ্রহপূর্বক আমাকে ........... পদের জন্য বিবেচনা করলে বাধিত হবো। নিবেদক, একান্ত অনুগত নিয়োগ প্রার্থী আবির শেখ সংযুক্তি সকল পরিক্ষার সনদ সত্যাহিত ফটোকপি,প্রশংসাপত্রের সত্যহিত ফটোকপি ও অভিজ্ঞতা সনদের ফটোকপি। গেজেটের কর্মকর্তা (প্রথম শ্রেণীর) পদত্ত চারিত্রিক সনদ। সদ্যতোলা পাসপোর্ট আকারের দুই কপি ছবি। " বিদ্যালয়ে আরও একটি পানির কল বসানোর আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে আরও একটি পানির কল স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে মাত্র একটি পানির কল থাকায় সবাইকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পেতে অসুবিধা হয়। বিশেষ করে গরমের দিনে এই সমস্যা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। অতএব, মহোদয়ের নিকট অনুরোধ, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আরও একটি পানির কল স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই সংগ্রহের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই সংগ্রহের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা খুবই সীমিত এবং অনেক পুরনো বই এখন পড়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন বই পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, আপনার কাছে বিশেষ অনুরোধ, বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির জন্য নতুন কিছু শিক্ষামূলক ও সাহিত্যিক বই সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা আরও উৎসাহী হয়ে উঠবে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠটি বর্তমানে খুবই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। মাঠের বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও অসমান জায়গার কারণে খেলাধুলার সময় শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিশেষ অনুরোধ, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে খেলাধুলা করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা আসন্ন, তবে অনেক শিক্ষার্থী এখনও প্রস্তুতি নিতে পারেনি। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমের কারণে পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, পরীক্ষার তারিখ অন্তত এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির স্থাপনের আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ পায় না। অনেকের পরিবারের আর্থিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিতে পারে না। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী এবং নতুন নতুন গবেষণামূলক কাজ করতে চায়। যদি আমাদের বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা ও গবেষণার দক্ষতা উন্নত করতে পারবে। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে একদিনের শিক্ষাসফরের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষাসফর আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চাই একটি শিক্ষাসফরে যেতে, যা আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। শিক্ষাসফর আমাদের বইয়ের পাঠ্যবিষয়ের বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ করে দেবে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের জন্য একটি শিক্ষাসফর আয়োজন করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায়ই বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়, যার ফলে পাঠদান ব্যাহত হয়। যদি বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়, তবে বিদ্যুতের সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হবে এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার সম্ভব হবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিশেষ অনুরোধ, বিদ্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের ওয়াই-ফাই সংযোগের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে ওয়াই-ফাই সংযোগের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সুবিধা নেই, ফলে অনেক শিক্ষামূলক কাজ করা সম্ভব হয় না। বর্তমান যুগে ইন্টারনেট ছাড়া গবেষণা ও আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি উচ্চগতির ওয়াই-ফাই সংযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের গেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের গেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য আবেদন জনাব, সম্প্রতি আমাদের বিদ্যালয়ে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটছে, যা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ। বিদ্যালয়ের প্রধান গেটে নিরাপত্তা প্রহরী বা সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে এই সমস্যা সমাধান হতে পারে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর, কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো কম্পিউটার ল্যাব নেই। ফলে আমরা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছি না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে আমরা তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ হতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে খেলাধুলার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট, বল, ব্যাডমিন্টন র‍্যাকেট ইত্যাদির সংকট থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য ও মনোন্নয়নের স্বার্থে বিদ্যালয়ে নতুন খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যুক্তিবাদী আলোচনা ও চিন্তাশক্তির বিকাশে আগ্রহী। যদি সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা আরও উন্নত হবে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে একটি চিকিৎসা কক্ষ স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি চিকিৎসা কক্ষ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় সমস্যা গুরুতর হয়ে যায়। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে বিদ্যালয়ে একটি চিকিৎসা কক্ষ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" শ্রেণিকক্ষে পাখা লাগানোর আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: শ্রেণিকক্ষে পাখা স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের শ্রেণিকক্ষের বেশ কয়েকটি পাখা নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে গরমের সময় ক্লাস করা কষ্টকর হয়ে উঠছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের শ্রেণিকক্ষে নতুন পাখা স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে বিশেষ অতিথি বক্তা আমন্ত্রণের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিশেষ অতিথি বক্তা আমন্ত্রণের জন্য আবেদন জনাব, আমরা চাই যে আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো একজন বিশেষজ্ঞ (বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, প্রযুক্তিবিদ) এসে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগান এবং জ্ঞান বৃদ্ধি করেন। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একজন বিশেষ অতিথি বক্তাকে আমন্ত্রণ জানানোর ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর খাবারের অভাব রয়েছে। অনেক খাবার অনিরাপদ ও পুষ্টিহীন, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের আশপাশে ময়লা পরিষ্কারের আবেদন,"প্রাপক: স্থানীয় পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ের আশপাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের আশপাশে প্রচুর ময়লা জমে গেছে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের আশপাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের জন্য তেমন সুযোগ নেই। যদি প্রতি সপ্তাহে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের দেয়াল রঙ ও সংস্কারের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের দেয়াল রঙ ও সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের ভবনের দেয়ালগুলোর রঙ চটে গেছে এবং অনেক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। এটি বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য ও পরিবেশ নষ্ট করছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের ভবনের দেয়ালগুলো রঙ ও সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলে আরও বৈদ্যুতিক বাতি লাগানোর আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার হলে আরও বৈদ্যুতিক বাতি লাগানোর জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলে পর্যাপ্ত আলোর অভাব রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা পরিষ্কারভাবে লেখার সুযোগ পায় না, যা পরীক্ষার সময় সমস্যা সৃষ্টি করে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, পরীক্ষার হলে আরও বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠ, করিডোর ও শ্রেণিকক্ষে অনেক সময় ময়লা জমে থাকে, যা স্বাস্থ্যকর নয়। যদি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়, তাহলে বিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও সুন্দর হবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে ফটোকপি মেশিনের ব্যবস্থা করার আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে ফটোকপি মেশিনের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে নোট, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফটোকপি করার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে শিক্ষার্থীদের বাইরে গিয়ে কষ্ট করে ফটোকপি করাতে হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি ফটোকপি মেশিনের ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের গেট সংস্কারের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের গেট সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গেছে। এটি দুর্বল হয়ে পড়ায় অনেক সময় নিরাপত্তার সমস্যা তৈরি হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের প্রধান গেট সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শক নিয়োগের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শক নিয়োগের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বেড়ে চলেছে, যা তাদের পড়াশোনা ও স্বাভাবিক জীবনে প্রভাব ফেলছে। বিদ্যালয়ে যদি একজন মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শক নিয়োগ করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে পারবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একজন মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" "বিদ্যালয়ে একজন অতিরিক্ত ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগের আবেদন ","প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: অতিরিক্ত ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে ইংরেজি শিক্ষকের সংখ্যা কম থাকায় সবার জন্য পর্যাপ্ত ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত শেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, একজন অতিরিক্ত ইংরেজি শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ে পরিবহন সুবিধার জন্য আবেদন,"প্রাপক: বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে পরিবহন সুবিধা চালুর জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী দূর-দূরান্ত থেকে আসে। কিন্তু বিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় তাদের আসা-যাওয়া করতে অনেক কষ্ট হয়। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের জন্য একটি বাস বা মিনিবাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে দূরের শিক্ষার্থীরা সহজে বিদ্যালয়ে আসতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে না, যা স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত বই-পত্র নেই, ফলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্য বইয়ের বাইরের জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে না। যদি একটি পাঠাগার স্থাপন করা হয়, তাহলে আমরা বিভিন্ন বিষয়ের বই পড়ে জ্ঞান বৃদ্ধি করতে পারব। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে একটি গণিত ক্লাব গঠনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি গণিত ক্লাব গঠনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের অনেক শিক্ষার্থী গণিত বিষয়ে আগ্রহী, কিন্তু অনুশীলনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ পাচ্ছে না। যদি একটি গণিত ক্লাব গঠন করা হয়, তাহলে আমরা নিয়মিত গণিত অনুশীলন করতে পারব এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাব। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি গণিত ক্লাব গঠনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের বাথরুম সংস্কারের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের বাথরুম সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বাথরুমগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হয়নি। এতে পানি সরবরাহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব দেখা দিয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য কষ্টকর। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের বাথরুম সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের মাঠ সমতলকরণের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠ সমতলকরণের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠ অনেক জায়গায় অসমতল হয়ে পড়েছে, ফলে খেলাধুলা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের মাঠ সমতল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " সড়কে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: স্থানীয় পৌরসভা চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: সড়কে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় রাতে প্রচণ্ড অন্ধকার থাকে, ফলে পথচারীদের চলাচলে অনেক সমস্যা হয় এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, সড়কে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " গ্রামে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় সংসদ সদস্য/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: গ্রামে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের গ্রামে কোনো হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। ফলে সাধারণ মানুষ সহজে চিকিৎসা সেবা পেতে পারে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের গ্রামে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " গ্রামের রাস্তা সংস্কারের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় পৌরসভা চেয়ারম্যান/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: গ্রামের রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের গ্রামের প্রধান রাস্তা অনেক জায়গায় ভেঙে গেছে, ফলে চলাচলে প্রচণ্ড সমস্যা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের গ্রামের রাস্তা সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর আবেদন,"প্রাপক: শিক্ষা অফিসার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের সন্তান, যারা পুষ্টিকর খাবার পায় না। যদি বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে এবং শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ বাড়বে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তার আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তার আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে, ফলে অনেক মানুষ খাদ্য ও বাসস্থান সংকটে পড়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ সহায়তা পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে একটি মানসম্পন্ন কম্পিউটার ল্যাব নেই, ফলে আমরা ডিজিটাল শিক্ষার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমরা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা নানারকম নতুন উদ্ভাবন করতে আগ্রহী। যদি বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণা ও উদ্ভাবন প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের খেলাধুলার সরঞ্জাম বৃদ্ধির আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম বৃদ্ধির জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত খেলাধুলার সরঞ্জাম নেই, যার কারণে শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে আরও খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" রাস্তা সংষ্কারের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: রাস্তা সংষ্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকার রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের প্রচুর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, অতি দ্রুত রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনের জন্য আবেদন ,"প্রাপক: বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যায়, ফলে শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণকে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ প্রশিক্ষণের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন জনাব, ভূমিকম্প, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ প্রশিক্ষণ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, [আপনার পৌরসভার নাম] বিষয়: পৌর এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা নেই, ফলে চারপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে কিছু দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের জন্য বিশেষ পাঠ্য সামগ্রী ও সহায়তা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " কলেজে উচ্চতর গণিত কোর্স চালুর আবেদন ,"প্রাপক: অধ্যক্ষ, [আপনার কলেজের নাম], [আপনার কলেজের ঠিকানা] বিষয়: উচ্চতর গণিত কোর্স চালুর জন্য আবেদন জনাব, আমাদের কলেজে উচ্চতর গণিত কোর্স চালু না থাকায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের কলেজে উচ্চতর গণিত কোর্স চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের জন্য একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নাচ, গান, আবৃত্তি ও নাটক পরিবেশনের সুযোগ পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রয়োজন। এটি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ]" বিদ্যালয়ের ছাদ মেরামতের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদ মেরামতের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাদ দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় তা ফাঁটা ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে পানি পড়ে এবং শ্রেণিকক্ষ ভিজে যায়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের ছাদ মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন জনাব, শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমাদের বিদ্যালয়ে একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পের প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে পারে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " কমিউনিটিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: কমিউনিটিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকায় উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় বাড়ানোর আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় বাড়ানোর আবেদন জনাব, তীব্র গরমের কারণে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। তাই গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময়সীমা বাড়ানো প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের জন্য আবেদন জনাব, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন। এজন্য বিদ্যালয়ে একটি অভিভাবক সমাবেশ আয়োজন করা যেতে পারে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে নার্সিং কক্ষ স্থাপনের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে নার্সিং কক্ষ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, অনেক সময় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের তৎক্ষণাৎ চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। এজন্য বিদ্যালয়ে একটি নার্সিং কক্ষ থাকা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে নার্সিং কক্ষ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন ,"প্রাপক: জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন জনাব, আমি একজন দরিদ্র শিক্ষার্থী। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ, যার কারণে আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি অনুদান প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে পাঠাগার সমৃদ্ধ করার আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের পাঠাগার সমৃদ্ধ করার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগারে পর্যাপ্ত বই নেই, ফলে শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের পাঠাগারে নতুন ও মানসম্মত বই সংযোজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে Wi-Fi সংযোগের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে Wi-Fi সংযোগ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষামূলক তথ্য ও রিসোর্স জানা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য Wi-Fi সংযোগ স্থাপনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠ দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর জন্য আবেদন জনাব, অনেক শিক্ষার্থী দূরবর্তী এলাকা থেকে বিদ্যালয়ে আসে, ফলে তাদের আসা-যাওয়ায় প্রচুর সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়ে বাস সার্ভিস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সাহায্যের আবেদন ,"প্রাপক: জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সাহায্যের আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং খাদ্য সংকটে ভুগছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য ত্রাণ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ]" এলাকার পানির সমস্যার সমাধানের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: এলাকার পানির সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক জায়গায় নলকূপের পানি শুকিয়ে গেছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, এলাকাবাসীর জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " কলেজে সন্ধ্যা শাখা চালুর আবেদন ,"প্রাপক: অধ্যক্ষ, [আপনার কলেজের নাম], [আপনার কলেজের ঠিকানা] বিষয়: কলেজে সন্ধ্যা শাখা চালুর জন্য আবেদন জনাব, অনেক শিক্ষার্থী কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা করতে চায়, কিন্তু দিনে ক্লাস করার সুযোগ পায় না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, কলেজে সন্ধ্যা শাখা চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " সরকারি ছুটির সময় পরিবর্তনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম], [আপনার বিদ্যালয়ের ঠিকানা] বিষয়: সরকারি ছুটির সময় পরিবর্তনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে ছুটির সময় শিক্ষার্থীদের সুবিধা অনুযায়ী পরিবর্তন করা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ছুটির সময় পরিবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " নিরাপদ সড়কের দাবিতে আবেদন ,"প্রাপক: জেলা প্রশাসক/ট্রাফিক বিভাগ, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: নিরাপদ সড়কের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় ট্রাফিক সংকট ও দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে চলেছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে নিরাপদ সড়কের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " এলাকার বখাটেদের উৎপাত বন্ধের আবেদন ,"প্রাপক: পুলিশ সুপার/স্থানীয় থানার ওসি, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: এলাকার বখাটেদের উৎপাত বন্ধের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় বখাটেদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " পরীক্ষার সময় বৃদ্ধি করার আবেদন ,"প্রাপক: পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, [আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বোর্ডের নাম] বিষয়: পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন জনাব, বিগত পরীক্ষাগুলোতে প্রশ্নের সংখ্যা ও সময়সীমার তুলনায় শিক্ষার্থীরা উত্তর লিখতে পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি/পরীক্ষার নাম] [তারিখ] " শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মনোরঞ্জনমূলক সফরের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য মনোরঞ্জনমূলক সফর আয়োজনের আবেদন জনাব, শিক্ষার পাশাপাশি মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষা সফরের প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শিক্ষা সফরের আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসার, [আপনার জেলার নাম] বিষয়: গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের গ্রামে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি, যার ফলে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের গ্রামে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার গ্রামের নাম] [তারিখ] " স্থানীয় খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: স্থানীয় খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকার একমাত্র খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত ও সংস্কারবিহীন রয়েছে। এতে শিশু ও তরুণরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত খেলার মাঠ সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলেও শিক্ষক স্বল্পতার কারণে পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " আবাসিক এলাকায় কাঁচা রাস্তা পাকা করার আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় মেম্বার/চেয়ারম্যান/পৌরসভা অফিসার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: আবাসিক এলাকায় কাঁচা রাস্তা পাকা করার আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় প্রধান সড়কটি এখনো কাঁচা রয়েছে, যার ফলে বর্ষাকালে যাতায়াতে অসুবিধা হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, রাস্তা পাকা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার আবেদন,"প্রাপক: পুলিশ সুপার/ওসি, [আপনার থানার নাম] বিষয়: এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় মাদকাসক্তদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সমাজে অপরাধমূলক কার্যকলাপ বাড়িয়ে তুলছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন ,"প্রাপক: পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক/শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, [আপনার শিক্ষা বোর্ডের নাম] বিষয়: পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন জনাব, আমি [পরীক্ষার নাম] পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল পাইনি। আমার বিশ্বাস, উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ভুল হয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার রোল নম্বর ও পরীক্ষার নাম] [তারিখ]" হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসার আবেদন ,"প্রাপক: পরিচালক, [আপনার হাসপাতালের নাম] বিষয়: হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান সংক্রান্ত আবেদন জনাব, আমি একজন দরিদ্র ব্যক্তি। বর্তমানে আমার চিকিৎসার প্রয়োজন, কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছি না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " ট্রাফিক সংকট নিরসনের আবেদন ,"প্রাপক: পুলিশ সুপার/ট্রাফিক বিভাগ, [আপনার জেলার নাম] বিষয়: ট্রাফিক সংকট নিরসনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় প্রতিদিন যানজটের কারণে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বর্তমানে প্রযুক্তিগত শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো কম্পিউটার ল্যাব নেই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বিদ্যালয়ের সামনে স্পিড ব্রেকার স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/স্থানীয় প্রশাসন, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ের সামনে স্পিড ব্রেকার স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের সামনে দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের সামনে স্পিড ব্রেকার স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ] " ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: মেয়র/সিটি করপোরেশন অফিসার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় প্রতিদিন প্রচুর পথচারী রাস্তা পারাপার করে, কিন্তু ফুটওভার ব্রিজ না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত একটি ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " সরকারি হাসপাতালের সেবা উন্নয়নের আবেদন ,"প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: সরকারি হাসপাতালের সেবা উন্নয়নের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকার সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা নেই, ফলে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত হাসপাতালের সেবা উন্নয়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের আবেদন ,"প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী রয়েছে, যারা নতুন পাঠ্যবই কিনতে সক্ষম নয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ] " নারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন ,"প্রাপক: পুলিশ কমিশনার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য আবেদন জনাব, সাম্প্রতিক সময়ে নারীদের উপর হয়রানি ও অপরাধের সংখ্যা বেড়ে চলেছে, যা আমাদের জন্য উদ্বেগজনক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ]" এলাকায় গণশৌচাগার স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: এলাকায় গণশৌচাগার স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত গণশৌচাগার নেই, যার ফলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত গণশৌচাগার স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " স্কুলের মাঠে পর্যাপ্ত আলো সংস্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠে পর্যাপ্ত আলো সংস্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও অন্যান্য কার্যক্রমে অসুবিধা হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, মাঠে পর্যাপ্ত আলো সংস্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " সড়কের ড্রেন পরিষ্কারের আবেদন,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: সড়কের ড্রেন পরিষ্কারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না হওয়ায় ময়লা জমে গেছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত ড্রেন পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " রাস্তায় স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান/সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: রাস্তায় স্ট্রিট লাইট স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় রাতে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " বিদ্যালয়ে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আবেদন জনাব, বিদ্যালয়ের ভবন ও শ্রেণিকক্ষগুলোতে কোনো অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " কর্মস্থলে ছুটি প্রার্থনা করার আবেদন ,"প্রাপক: মাননীয় ব্যবস্থাপক, [আপনার প্রতিষ্ঠান বা অফিসের নাম] বিষয়: ছুটি প্রার্থনা জনাব, আমি [আপনার নাম] [আপনার পদবি] পদে কর্মরত আছি। ব্যক্তিগত কারণে আমি আগামী [তারিখ] ছুটি নিতে চাই। অতএব, আমার অনুরোধ, আপনার অনুমতির ভিত্তিতে আমাকে উক্ত দিনে ছুটি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার পদবি] [তারিখ] " গৃহনির্মাণের জন্য ঋণ গ্রহণের আবেদন ,"প্রাপক: বিভাগীয় প্রধান, [আপনার ব্যাংকের নাম] বিষয়: গৃহনির্মাণের জন্য ঋণ গ্রহণের আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার ঠিকানা], একটি গৃহনির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছি এবং তার জন্য ঋণ প্রার্থনা করছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে গৃহনির্মাণের জন্য ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " পাসপোর্টের জন্য আবেদন ,"প্রাপক: পাসপোর্ট অফিস, [আপনার জেলার নাম] বিষয়: পাসপোর্ট আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার পিতার নাম] এর পুত্র/কন্যা, পাসপোর্ট গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। আমার নিকটবর্তী বিদেশ ভ্রমণ পরিকল্পনা রয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার পাসপোর্ট প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় নদী উন্নয়ন কমিশন, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকার নদীটি অনেক দিন ধরে খনন না হওয়ার কারণে ঘন কাদা ও শাখাপ্রশাখা হয়ে গেছে, যার ফলে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, নদীটি খনন ও পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন ,"প্রাপক: স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মকর্তা, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় অপরাধের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " সরকারি চাকরির জন্য আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান কর্মকর্তা, [প্রতিষ্ঠানের নাম] বিষয়: সরকারি চাকরির জন্য আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা] সহকারে সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করছি। আমি বিশ্বাস করি, আমার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আপনার প্রতিষ্ঠানে উপকারী হতে পারে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার যোগাযোগের তথ্য] [তারিখ] " টিউশন ফি মওকুফের আবেদন,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: টিউশন ফি মওকুফের জন্য আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], আপনার বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী, পরিবারিক কারণে বর্তমানে আর্থিকভাবে সংকটে আছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে টিউশন ফি মওকুফ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " স্থানান্তর বা বদলির আবেদন ,"প্রাপক: প্রধান শিক্ষক, [আপনার বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিদ্যালয় বদলির জন্য আবেদন জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর], একটি স্থানান্তরের জন্য আবেদন করছি। আমার পরিবারের কারণে আমি অন্য জায়গায় বাসস্থানে চলে যাচ্ছি এবং নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে বিদ্যালয় বদলির অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " বৃক্ষরোপণের জন্য আবেদন,"প্রাপক: স্থানীয় চেয়ারম্যান/পৌরসভা অফিসার, [আপনার এলাকার নাম] বিষয়: বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জন্য আবেদন জনাব, আমাদের এলাকায় বর্তমানে বৃক্ষের সংখ্যা কম, যা পরিবেশ দূষণের জন্য ক্ষতিকর। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [তারিখ] " ছাত্রাবাসে আসন প্রার্থনা ,"প্রাপক: হোস্টেল সুপার, [আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম] বিষয়: ছাত্রাবাসে আসন প্রার্থনা জনাব, আমি [আপনার নাম], [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর], ছাত্রাবাসে আসন পাওয়ার জন্য আবেদন করছি। আমি শহরের বাইরে থেকে পড়াশুনা করতে এসেছি এবং একটি নির্দিষ্ট হোস্টেলে থাকার প্রয়োজন রয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে ছাত্রাবাসে আসন প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার শ্রেণি ও রোল নম্বর] [তারিখ] " শিক্ষক পদে আবেদন,"তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ঢাকা মডেল স্কুল, ঢাকা-১২০৫। বিষয়: শিক্ষক পদে আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার সম্মানিত বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে আবেদন করছি। আমার নাম রাকিব হাসান, এবং আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছি। আমার দুই বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং আমি ছাত্রদের পড়াতে অত্যন্ত আগ্রহী। আমার জীবনবৃত্তান্ত এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এই আবেদনের সাথে সংযুক্ত করা হলো। আমি আশা করি, আপনি আমাকে সাক্ষাৎকারের সুযোগ দিয়ে আমার যোগ্যতা যাচাই করবেন। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নিবেদক, রাকিব হাসান ইমেইল: rakib.hasan@example.com ফোন: ০১৭১২-৩৪৫৬৭৮ " ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর, ব্যবস্থাপক, এবিসি লিমিটেড, মিরপুর, ঢাকা। বিষয়: ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একজন কর্মচারী, নাম সুমাইয়া আক্তার, পদবি: সহকারী ব্যবস্থাপক। আমার পারিবারিক কারণে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল, ২০২৫ পর্যন্ত তিন দিনের ছুটির প্রয়োজন। আমার অনুপস্থিতিতে আমার কাজের দায়িত্ব সহকর্মী রহিম সাহেব পালন করতে সম্মত হয়েছেন। আমি অনুরোধ করছি, আপনি আমার এই ছুটির আবেদনটি অনুমোদন করুন। এই সহযোগিতার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। নিবেদক, সুমাইয়া আক্তার পদবি: সহকারী ব্যবস্থাপক ফোন: ০১৯১২-৩৪৫৬৭৮ " অসুস্থতার কারণে ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, উত্তরা মডেল কলেজ, উত্তরা, ঢাকা। বিষয়: অসুস্থতার কারণে ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক, নাম ফারজানা রহমান, পদবি: সহকারী শিক্ষক (গণিত বিভাগ)। গত কয়েকদিন ধরে আমি তীব্র জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছি। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমার বিশ্রামের প্রয়োজন। তাই আগামী ৩ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিল, ২০২৫ পর্যন্ত তিন দিনের ছুটির জন্য আবেদন করছি। আমার অনুপস্থিতিতে আমার ক্লাসের দায়িত্ব সহকর্মী শিক্ষক জনাব আলী হোসেন পালন করতে সম্মত হয়েছেন। আমি অনুরোধ করছি, আপনি আমার এই ছুটির আবেদনটি অনুমোদন করুন। এই সহযোগিতার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নিবেদক, ফারজানা রহমান পদবি: সহকারী শিক্ষক (গণিত) ফোন: ০১৮১২-৩৪৫৬৭৮ " বার্ষিক ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৪/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: বার্ষিক ছুটির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে (বিষয়: গণিত) দায়িত্ব পালন করছি। বার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১০/০৪/২০২৫ থেকে ২০/০৪/২০২৫ পর্যন্ত ব্যক্তিগত কারণে আমি ছুটিতে থাকতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ এই যে, আমার উল্লিখিত সময়ের ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সদয় দৃষ্টি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৫/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ইংরেজি)। সম্প্রতি আমার শারীরিক অবস্থা কিছুটা দুর্বল, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমাকে ৫ দিনের জন্য সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ এই যে, আগামী ১৬/০৫/২০২৫ থেকে ২০/০৫/২০২৫ পর্যন্ত আমাকে চিকিৎসার জন্য বিশেষ ছুটি মঞ্জুর করার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৭/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য ছুটির আবেদন মাননীয় মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: বিজ্ঞান)। আগামী ২৭/০৭/২০২৫ থেকে ৩০/০৭/২০২৫ পর্যন্ত একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছি। উক্ত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করলে আমি বিদ্যালয়ে আরও আধুনিক শিক্ষাদান কৌশল প্রয়োগ করতে সক্ষম হবো। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমাকে উল্লিখিত সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সদয় দৃষ্টি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, বিজ্ঞান বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" অতিরিক্ত শ্রেণি নেওয়ার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/০৮/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অতিরিক্ত শ্রেণি নেওয়ার অনুমতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: গণিত)। সম্প্রতি নবম শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী তাদের কোর্সের কিছু অধ্যায় বুঝতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উন্নতির জন্য আমি প্রতিদিন একটি অতিরিক্ত শ্রেণি নিতে ইচ্ছুক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমাকে অতিরিক্ত শ্রেণি পরিচালনার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" পদোন্নতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৯/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: পদোন্নতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি ২০১৫ সাল থেকে আপনার বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। দীর্ঘ ১০ বছরের কর্মজীবনে আমি শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে আসছি। বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, পদোন্নতির সময়সীমা পূর্ণ হয়েছে, এবং আমি সিনিয়র শিক্ষকের পদে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমার পদোন্নতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৫/১১/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষাসফরে যাওয়ার অনুমতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ভূগোল)। আমাদের নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে একটি শিক্ষাসফরে যেতে চায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১০/১১/২০২৫ তারিখে আমরা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করতে চাই, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমাদের উক্ত শিক্ষাসফরের অনুমতি প্রদান করার জন্য সদয় দৃষ্টি দেবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ভূগোল বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা ভঙ্গ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১২/১২/২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা ভঙ্গ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল মাননীয় মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: বাংলা)। সম্প্রতি আমার শ্রেণিকক্ষে কিছু শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে, যার ফলে স্বাভাবিক শিক্ষাদান ব্যাহত হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, বাংলা বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" ব্যক্তিগত পারিবারিক সমস্যার জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন,"তারিখ: ২০/০১/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ব্যক্তিগত পারিবারিক সমস্যার জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: পদার্থবিদ্যা)। পারিবারিক জরুরি সমস্যার কারণে আমাকে আগামী ২২/০১/২০২৬ থেকে ২৫/০১/২০২৬ পর্যন্ত ছুটির প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, আমাকে উল্লিখিত সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, পদার্থবিদ্যা বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ " অতিরিক্ত পাঠ্যপুস্তক বা শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৩/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অতিরিক্ত পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন মাননীয় মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ইতিহাস)। বর্তমানে বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রীর অভাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় বাধা সৃষ্টি করছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, অতিরিক্ত পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী সংগ্রহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইতিহাস বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের বিষয়ে অভিভাবক সমাবেশের অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/০৫/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের বিষয়ে অভিভাবক সমাবেশের অনুমতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ইংরেজি)। সম্প্রতি আমাদের বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নতি ও সমস্যা নিয়ে অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করার জন্য একটি অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের প্রয়োজন মনে করছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, উক্ত সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" পদোন্নতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: পদোন্নতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক (বিষয়: গণিত)। আমি গত ১০ বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করছি এবং বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছি। বিদ্যালয়ে আমার অবদানের পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার আবেদনটি যথাযথ বিবেচনা করে আমাকে পদোন্নতি মঞ্জুর করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" ট্রেনিং/সেমিনারে অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/০৭/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ট্রেনিং/সেমিনারে অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: কম্পিউটার বিজ্ঞান)। আগামী ১৫/০৭/২০২৬ থেকে ১৭/০৭/২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অংশগ্রহণ করলে আমি আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে আরও দক্ষতা অর্জন করতে পারবো। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ করছি, আমাকে উক্ত কর্মশালায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, কম্পিউটার বিজ্ঞান ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" কর্মস্থল পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৮/২০২৬ বরাবর শিক্ষা অফিসার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা-১২১২ বিষয়: কর্মস্থল পরিবর্তনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি বর্তমানে ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজে ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। পারিবারিক কারণে আমাকে অন্য জেলায় স্থানান্তরিত হতে হবে। তাই, অনুগ্রহ করে আমাকে ঢাকার যেকোনো বিদ্যালয়ে বদলি করার অনুমতি প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, আমার আবেদনটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে আমাকে কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৯/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: রসায়ন)। বর্তমানে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রসায়ন বিষয়ের পাঠ শেষ করার জন্য আরও কিছু অতিরিক্ত ক্লাসের প্রয়োজন। আমি এই অতিরিক্ত ক্লাস নিতে আগ্রহী। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, রসায়ন বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" স্বাস্থ্যগত কারণে দীর্ঘমেয়াদী ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১২/১০/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: স্বাস্থ্যগত কারণে দীর্ঘমেয়াদী ছুটির আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: ইতিহাস)। সম্প্রতি আমার স্বাস্থ্যগত কিছু সমস্যার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমাকে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা নিতে হবে। এজন্য আমি আগামী এক মাসের ছুটি নিতে ইচ্ছুক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে ১৫/১০/২০২৬ থেকে ১৫/১১/২০২৬ পর্যন্ত এক মাসের ছুটি মঞ্জুর করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইতিহাস বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস চালুর অনুমতি চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ২০/১১/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস চালুর অনুমতি চেয়ে আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (বিষয়: পদার্থবিদ্যা)। আমাদের বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে ভালো ফলাফল করতে পারছে না। তাই আমি বিশেষ সহায়ক ক্লাস পরিচালনার উদ্যোগ নিতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস নেওয়ার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, পদার্থবিদ্যা বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শ্রেণী পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/১২/২০২৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শ্রেণী পরিবর্তনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন ছাত্র (নাম)। আমার পূর্ববর্তী শ্রেণীতে ভালো ফলাফল আসেনি, এবং আমি আমার ভবিষ্যতের জন্য নতুন শ্রেণী পরিবর্তন করতে চাচ্ছি। এজন্য আমি ১১তম শ্রেণীতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে ১১তম শ্রেণীতে স্থানান্তরের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) শ্রেণী-১০, রোল-১৫" ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক সভার জন্য আবেদন,"তারিখ: ০১/০২/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অভিভাবক সভার আয়োজনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক। আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক সভা আয়োজনের প্রয়োজন। এতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করতে পারবেন এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কার্যকর শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব হবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, অভিভাবক সভা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইতিহাস বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" নতুন পাঠ্যবইয়ের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/০৩/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: নতুন পাঠ্যবইয়ের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক। আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন পাঠ্যবইয়ের প্রয়োজন, কারণ বর্তমানে ব্যবহৃত বইগুলি কিছুটা পুরানো এবং আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা অনুযায়ী উপযুক্ত নয়। নতুন বইগুলির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও আধুনিক এবং সমৃদ্ধ জ্ঞান লাভ করতে পারবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য নতুন পাঠ্যবইয়ের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, পদার্থবিদ্যা বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" ছাত্রদের জন্য গ্রুপ স্টাডি পরিচালনার অনুমতি চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ১৮/০৫/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ছাত্রদের জন্য গ্রুপ স্টাডি পরিচালনার অনুমতি চেয়ে আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক। আমি লক্ষ্য করেছি, কিছু ছাত্ররা ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষার ক্ষেত্রে কষ্ট পাচ্ছে এবং তারা একে অপরের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডি করতে আগ্রহী। এজন্য আমি ছাত্রদের জন্য একটি গ্রুপ স্টাডি পরিচালনা করতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ছাত্রদের জন্য গ্রুপ স্টাডি পরিচালনার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৭/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক। আমাদের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে পাঠক্রমের পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারছে না। যেমন: বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি, রসায়ন পরীক্ষার জন্য বিশেষ উপকরণ ইত্যাদি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, রসায়ন বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ " ছুটির দিন পরিবর্তন করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১২/০৮/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ছুটির দিন পরিবর্তন করার জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষক। আমাদের বিদ্যালয়ের চলমান ছুটির দিন সোমবারের পরিবর্তে শুক্রবার নির্ধারণ করা হলে শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সুবিধাজনক হবে, কারণ অনেক শিক্ষার্থী অন্য শহরে থাকে এবং সপ্তাহের শেষে তারা বাড়িতে চলে যায়। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, ছুটির দিন শুক্রবার নির্ধারণ করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, (বিষয়) ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৯/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা বিভাগের শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উন্নতির জন্য একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষার্থীরা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকবে এবং তাদের মধ্যে সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের বিদ্যালয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) শরীরচর্চা শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" পঠনপাঠন কৌশল পরিবর্তন করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২০/১০/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: পঠনপাঠন কৌশল পরিবর্তন করার জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। বর্তমানে আমরা যে পঠনপাঠন কৌশল ব্যবহার করছি, তা কিছু ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যথেষ্ট কার্যকর হচ্ছে না। আমি মনে করি যদি আমরা আরও আধুনিক কৌশল যেমন প্রজেক্ট ওয়ার্ক, ভিডিও লেকচার ইত্যাদি ব্যবহার করি, তবে শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, পঠনপাঠন কৌশল পরিবর্তন করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১০/১১/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক। কিছু শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ফলাফল নিয়ে কিছু সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। আমি মনে করি, পুনঃমূল্যায়ন করলে ফলাফল আরও সঠিক হতে পারে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, উক্ত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়ন করার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" অনুপস্থিতির কারণ জানানো,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অনুপস্থিতির কারণ জানানো মাননীয় মহোদয়, সম্মানপূর্বক জানাচ্ছি যে, আমি গত ৩ দিনের জন্য বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলাম। এর কারণ হল আমার ব্যক্তিগত অসুস্থতা, যা চিকিৎসকের পরামর্শে আমি বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। অতএব, মহোদয়ের কাছে অনুরোধ, আমার অনুপস্থিতি একান্তভাবে মেনে নেওয়া হবে। বিনীত, (আপনার নাম) শ্রেণী-১০, রোল-২০ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষক বাতিল ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১২/০৯/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষক বাতিল ছুটির জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। গত ১৫ তারিখে আমি বাতিল ছুটি নিয়েছিলাম কিন্তু পরিস্থিতি পরিবর্তিত হওয়ায় আমি সেই ছুটিটি বাতিল করতে চাচ্ছি এবং পুনরায় ক্লাসে যোগদান করতে চাই। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার বাতিল ছুটি মঞ্জুর করে আমাকে পাঠদানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" শিক্ষার্থীদের জন্য বই উপহার প্রদানের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বই উপহার প্রদানের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক। আমি ইচ্ছা পোষণ করি যে, উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেককে বই উপহার দেওয়া হোক। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার এই প্রস্তাবটি বিবেচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, ইতিহাস বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" ক্লাসের সময়সূচী পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৩/১২/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: ক্লাসের সময়সূচী পরিবর্তনের জন্য আবেদন মাননীয় মহোদয়, আমি আপনার বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক। আমি লক্ষ্য করেছি, বর্তমানে আমাদের স্কুলের ক্লাসের সময়সূচী শিক্ষার্থীদের জন্য কিছুটা অসুবিধাজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি প্রস্তাব করছি, যদি কিছুটা পরিবর্তন করে ক্লাসের সময়সূচী আরও সুবিধাজনক করা যায়, তবে শিক্ষার্থীরা বেশি সুবিধা পাবে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার প্রস্তাবটি বিবেচনা করার জন্য। বিনীত, (আপনার নাম) সহকারী শিক্ষক, গণিত বিভাগ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" অনুপস্থিতির কারণ জানানো,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৭ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়: অনুপস্থিতির কারণ জানানো মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [ক্লাস/বিভাগ] এর একজন শিক্ষার্থী, [শিক্ষক/শিক্ষিকার নাম]-এর অধীনে পাঠগ্রহণ করছি। আমি দুঃখিত যে, [তারিখ/তারিখসমূহ] আমি শ্রেণীকক্ষে উপস্থিত হতে পারিনি। এটি জানিয়ে আমি আপনাকে অবহিত করতে চাই যে, [অসংখ্য কারণে যেমন: আমার স্বাস্থ্য সমস্যা/পারিবারিক সমস্যা/যানবাহনের সমস্যা/প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি] কারণে আমি বিদ্যালয়ে আসতে সক্ষম হয়নি। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি না ঘটানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আপনার দয়া করে অনুপস্থিতি স্বীকার করার অনুরোধ রইল। বিনীত, (আপনার নাম) শ্রেণী-১০, রোল-২০ ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ" রাস্তাঘাট মেরামত ও পানির সরবরাহ সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন,"প্রাপক চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তাঘাট মেরামত ও পানির সরবরাহ সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সাধারণ বাসিন্দা। আমি আপনাকে জানাতে চাই যে, আমাদের এলাকায় কিছু গুরুতর নাগরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। প্রথমত, [রাস্তার নাম] রাস্তার অবস্থান খুবই খারাপ, এবং এতে অনেক বড় বড় গর্ত পড়ে গেছে, যার কারণে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই রাস্তার মেরামত প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, আমাদের এলাকায় পানির সরবরাহ অত্যন্ত অনিয়মিত এবং প্রায়ই পানি বন্ধ হয়ে যায়, যা আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে সমস্যা সৃষ্টি করছে। এতে বেশিরভাগ সময় খাবার পানি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যেন আপনি এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান করতে সহায়তা করেন। আপনার দয়া করে আমাদের এলাকার সড়ক মেরামত এবং পানি সরবরাহের ব্যবস্থা সুস্থ এবং নিয়মিত করার জন্য পদক্ষেপ নেবেন, এমন আশা রাখছি। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তার লাইট মেরামতের জন্য আবেদন,"প্রাপক চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তার লাইট মেরামতের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সাধারণ বাসিন্দা। আমাদের এলাকার অনেক রাস্তার বাতি নষ্ট হয়ে গেছে এবং অন্ধকারে পড়ে থাকার কারণে এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। আমি আপনার নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত আমাদের এলাকার রাস্তার বাতি মেরামত বা নতুন বাতি বসানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে এলাকাবাসীর চলাচল এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" অবৈধ নির্মাণ এবং অবৈধ দখল সম্পর্কে অভিযোগ,"প্রাপক চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: অবৈধ নির্মাণ এবং অবৈধ দখল সম্পর্কে অভিযোগ। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন বাসিন্দা। আমি দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় [নির্দিষ্ট ঠিকানা বা সড়ক] এলাকায় কিছু অবৈধ নির্মাণ কাজ চলছে, যা স্থানীয় নিয়মাবলী এবং আইন লঙ্ঘন করছে। এই নির্মাণ কাজটি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত এবং এর ফলে যে সমস্যাগুলি সৃষ্টি হচ্ছে, যেমন: যানজট, পরিবেশ দূষণ, এবং জনগণের চলাচলে বিঘ্ন, তা দ্রুত সমাধান করা দরকার। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যেন আপনি দ্রুত পদক্ষেপ নেন এবং এই অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেন। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশি সহায়তা প্রার্থনা,"প্রাপক থানার ওসি, [থানার নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: এলাকায় নিরাপত্তার জন্য পুলিশি সহায়তা প্রার্থনা। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে চুরি ও দুষ্কৃতিকারীদের চলাফেরা বেড়ে গেছে, যার কারণে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে, রাতের বেলা অনেক বাড়ির আশেপাশে অস্বাভাবিক আওয়াজ শোনা যাচ্ছে এবং এলাকায় কিছু সন্দেহজনক লোককে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে আমাদের এলাকায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আপনি এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আমাদের এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবেন। পুলিশি পেট্রলিং এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলি চালু করা অত্যন্ত জরুরি। আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" পানির সরবরাহ সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন,"প্রাপক চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: পানির সরবরাহ সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সাধারণ বাসিন্দা। আমি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে পানির সরবরাহে ব্যাপক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাধারণ জীবনযাত্রায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এমনকি, অনেক বাড়িতে পানির অভাব হয়ে পড়েছে, এবং এলাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা বাড়ছে। আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত পানির সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার জন্য পদক্ষেপ নেবেন। আপনার সহানুভূতির জন্য ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তা মেরামত করার জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমি আপনাকে জানাতে চাই যে, আমাদের এলাকার [রাস্তার নাম] রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ এবং এতে অনেক বড় বড় গর্ত পড়ে গেছে, যার কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এই সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি। যদি এই রাস্তা মেরামত করা না হয়, তাহলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমি আশা করি আপনি দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" নিরাপত্তা সমস্যা সম্পর্কিত পুলিশি সহায়তার জন্য আবেদন,"প্রাপক: থানার ওসি, [থানার নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: এলাকায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যার জন্য পুলিশি সহায়তার আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় কিছু দিন ধরে রাতের বেলা চুরির ঘটনা বাড়ছে এবং সন্দেহজনক লোকজনের চলাফেরা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। আমি আপনার নিকট আবেদন জানাচ্ছি যে, পুলিশি পেট্রলিং বৃদ্ধি করা হোক এবং এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে আমাদের এলাকায় চুরি এবং অপরাধের হার কমবে এবং আমরা নিরাপদে বসবাস করতে পারব। আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" পানির সরবরাহ সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: পানির সরবরাহ সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে পানির সরবরাহ নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পানির অভাবে আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি, অনেকে সুপেয় পানির অভাবে বিপদগ্রস্ত হচ্ছেন। আমি অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক এবং আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" অবৈধ নির্মাণ বা দখল সম্পর্কিত আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: অবৈধ নির্মাণ বা দখল সম্পর্কিত অভিযোগ। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন বাসিন্দা। আমি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার [নির্দিষ্ট স্থানের নাম] এলাকায় কিছু লোক অবৈধভাবে জমি দখল করেছে এবং নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। এই কাজটি স্থানীয় আইন ও নিয়মের বিরোধী এবং এলাকাবাসীর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। আপনার নিকট আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই অবৈধ নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হোক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় আবর্জনা পরিষ্কারের যথাযথ ব্যবস্থা নেই। রাস্তা, গলিতে এবং জনবহুল স্থানে জমে থাকা আবর্জনা পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করছে এবং বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক এবং আমাদের এলাকায় আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তার বাতি মেরামতের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তার বাতি মেরামতের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার রাস্তার বাতিগুলি বেশ কিছু দিন ধরে অযত্নে পড়ে আছে এবং কিছু বাতি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে সন্ধ্যার পর থেকে রাস্তায় চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে এবং নিরাপত্তা সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই রাস্তার বাতিগুলোর মেরামত করা হোক, যাতে এলাকাবাসী নিরাপদে চলাচল করতে পারে। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেটের অভাব রয়েছে, যার ফলে স্থানীয় লোকজন বিশেষ করে মহিলারা ও শিশুদের চলাচলে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। রাস্তার পাশে অবস্থিত বিভিন্ন দোকান এবং বাজারে এসব সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, শীঘ্রই আমাদের এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তার সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তার সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার কোনো সাইনবোর্ড নেই, যার কারণে নতুন মানুষ ও যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছাতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে, [রাস্তার নাম] এর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, যেখানে সঠিক নির্দেশনা না থাকায় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি অনুরোধ করছি যে, শীঘ্রই এই রাস্তার সাইনবোর্ড স্থাপনের ব্যবস্থা করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় প্রতিদিনই আবর্জনা জমে যায়, তবে পরিষ্কার করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়নি। এ কারণে রাস্তা ও গলিতে বিশাল আবর্জনার স্তূপ পড়ে থাকে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং এলাকাবাসীর জন্য অসুবিধাজনক। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে নিয়মিত পরিষ্কার করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার নর্দমা ব্যবস্থাপনা খুবই অপর্যাপ্ত, যার ফলে বৃষ্টি হলে রাস্তা এবং ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে যায়। এই সমস্যা এলাকাবাসীর জন্য খুবই বিরক্তিকর এবং স্বাস্থ্যজনিত ঝুঁকি তৈরি করছে। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, শীঘ্রই নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নত করা হোক এবং স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর] " রাস্তার পেভমেন্ট তৈরি করার জন্য আবেদন,"প্রাপক: চেয়ারম্যান, [স্থানীয় পরিষদের নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: রাস্তার পেভমেন্ট তৈরি করার জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার অনেক রাস্তা পেভমেন্ট বিহীন এবং খারাপ অবস্থায় রয়েছে, যা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য খুবই অসুবিধাজনক। বিশেষ করে, বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা তৈরি হয় এবং মাটির রাস্তা হয়ে পড়ে খুবই কাদাযুক্ত। আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই রাস্তার পেভমেন্ট নির্মাণ করা হোক। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" যান চলাচলের নিয়ন্ত্রণের জন্য আবেদন,"প্রাপক: থানার ওসি, [থানার নাম] [ঠিকানা] তারিখ: [আজকের তারিখ] বিষয়: যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া, শুভেচ্ছা নিবেদন করছি। আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় রাস্তার প্রশস্ততা কম এবং এখানে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করে, যার ফলে তীব্র ট্র্যাফিক jam তৈরি হয় এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ে। আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এখানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে এলাকাবাসী নিরাপদভাবে চলাচল করতে পারে। ধন্যবাদ। ইতি, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] [যোগাযোগের নম্বর]" রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন নিয়মিত বাসিন্দা। আমাদের এলাকার [রাস্তার নাম] রাস্তা বেশ কিছুদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষাকালে পানি জমে এবং রাস্তায় চলাচল করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে, যার ফলে বাসিন্দাদের চলাচলে অসুবিধা হয় এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই রাস্তার মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে এলাকাবাসী সহজেই চলাচল করতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" রাস্তার বাতি স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার বাতি স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় রাস্তার কোনো বাতি নেই, যার কারণে সন্ধ্যার পর থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে মহিলাদের চলাচল অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত আমাদের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার জন্য বাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হোক। এতে করে এলাকাবাসী নিরাপদভাবে চলাচল করতে পারবে। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" শুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় পানির সংকট একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষাকালে জলজটের কারণে পানি পেতে অনেক সময় খোঁজাখুঁজি করতে হয় এবং অনেক সময় নোংরা পানি পান করতে হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, শুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে এলাকার বাসিন্দারা নিরাপদ পানি পান করতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় রাতের বেলা চুরি ও অন্যান্য অপরাধের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় নিরাপত্তার অভাব এবং পথচারীদের নিরাপত্তাহীনতা বিশেষভাবে মহিলাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এলাকায় নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হোক, যাতে অপরাধমূলক কার্যক্রম কমানো যায় এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় সঠিক সময়ে আবর্জনা পরিষ্কার করা হয় না, যার ফলে রাস্তার পাশে আবর্জনার স্তূপ জমে থাকে। এর কারণে এলাকা অপরিষ্কার ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়ে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং বাসিন্দাদের অসুবিধার কারণ। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হোক এবং নিয়মিত পরিষ্কার করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার নর্দমা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত, যার কারণে বর্ষাকালে পানি জমে রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং বাসিন্দাদের চলাচলে অসুবিধা হয়। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত নর্দমা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে এলাকাবাসী কোনো অসুবিধায় পড়ে না। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি সাহায্যের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি সাহায্যের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকায় বর্তমানে খরা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে আমার ফসলের আবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে, আমি কৃষি চাষাবাদ চালিয়ে যেতে পারছিনা এবং আমার জীবিকা বিপদগ্রস্ত। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য ও সার সরবরাহ করা হোক, যাতে আমি আমার কৃষিকাজ পুনরায় শুরু করতে পারি এবং এলাকার অন্যান্য কৃষকদের সহায়তা করা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি যন্ত্রপাতি সহায়তার জন্য আবেদন।,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি যন্ত্রপাতি সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা এখনো অত্যন্ত প্রাচীন যন্ত্রপাতি দিয়ে কৃষিকাজ করে থাকেন, যা সময়ের সাথে সাথে খুবই অপ্রতুল হয়ে পড়েছে। এ কারণে, উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে এবং কৃষকদের আর্থিক দুরবস্থা বেড়ে যাচ্ছে। অতএব, আমি আপনাকে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সহায়তা হিসেবে সরবরাহ করা হোক, যেন আমাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং আমাদের আর্থিক অবস্থা উন্নত হয়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" ব্যবসায়িক অনুমতি প্রাপ্তির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসায়িক অনুমতি প্রাপ্তির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমি একটি ছোট ব্যবসা শুরু করতে চাই যা আমাদের এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য সহায়ক হতে পারে। আমার ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও লাইসেন্স আমি চাচ্ছি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করা হোক যাতে আমি আমাদের এলাকার উন্নতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" দোকানের সামনে জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে সহায়তা প্রার্থনা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের সামনে জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন দোকান মালিক। আমার দোকানের সামনে বেশ কিছুদিন ধরে পানি জমে থাকে, যা বিশেষ করে বর্ষাকালে আরও সমস্যা সৃষ্টি করে। এর ফলে আমাদের ব্যবসা এবং এলাকাবাসীর চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই জলাবদ্ধতা সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হোক, যাতে ব্যবসা ও সাধারণ জনগণের চলাচল সহজ হয়। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কমিউনিটি প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটি প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমাদের এলাকার একটি কমিউনিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাই, যা এখানকার জনসাধারণের সুবিধা ও উন্নতির জন্য সহায়ক হবে। তবে, এই প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের কমিউনিটি প্রকল্পে সহায়তার জন্য যথাযথ আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " সাধারণ প্ল্যাটফর্ম বা পাবলিক টয়লেট মেরামতের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সাধারণ প্ল্যাটফর্ম বা পাবলিক টয়লেট মেরামতের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় অবস্থিত পাবলিক টয়লেটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং ব্যবহার উপযোগী নয়। এটির অবস্থা দিনদিন আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে এলাকাবাসীর জন্য অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, দ্রুত এই পাবলিক টয়লেটটি মেরামত বা পুনর্নির্মাণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" সার এবং সেচ সাহায্যের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সার এবং সেচ সাহায্যের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। এবছর আমাদের এলাকার চাষাবাদে ফলন কম হওয়ার কারণে কৃষি কাজে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। বিশেষ করে সারের অভাব এবং সেচের সংকট কৃষকরা চরমভাবে অনুভব করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য উপযুক্ত পরিমাণে সার এবং সেচ সুবিধা প্রদান করা হোক, যাতে আমরা আমাদের কৃষি কাজ পুনরায় চালিয়ে যেতে পারি এবং ফলন বৃদ্ধি পায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" বীজ সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বীজ সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। গত কয়েক মাসে আমাদের এলাকায় প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এবং এলাকার অন্যান্য কৃষকরা এখন নতুন ফসল চাষ করতে আগ্রহী, কিন্তু ভালো বীজের অভাব রয়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য ভালো মানের বীজ সরবরাহ করা হোক, যাতে আমরা নতুন চাষাবাদ শুরু করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি উন্নয়ন ঋণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি উন্নয়ন ঋণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা এখনো প্রচলিত পুরনো পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে থাকে, যার ফলে উৎপাদনশীলতা খুবই কম। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার না করার কারণে আমরা পর্যাপ্ত ফসল পেতে পারছি না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষি উন্নয়নের জন্য একটি সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হোক, যাতে আমরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারি এবং আমাদের ফসলের উৎপাদন বাড়াতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষকদের জন্য সেচ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষকদের জন্য সেচ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় সেচ ব্যবস্থার অভাব রয়েছে, যার কারণে শুকনো মৌসুমে কৃষকরা ফসল উৎপাদন করতে পারেন না। এই সমস্যার কারণে কৃষকদের চরম আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য একটি আধুনিক সেচ ব্যবস্থা স্থাপন করা হোক, যাতে আমরা উৎপাদনক্ষম ফসলের আবাদ করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" ফসল বিমার ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ফসল বিমার ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। গত মৌসুমে আমাদের এলাকার বোরো ফসল অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অতিবৃষ্টির কারণে। আমি ফসল বিমার আওতায় আবেদন করেছিলাম, কিন্তু এখনো কোনো ক্ষতিপূরণ পাইনি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হোক, যাতে আমি পরবর্তী চাষের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যা সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় বেশ কিছু কৃষক আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে অজ্ঞ। কৃষি কাজে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ আমাদের এলাকায় খুবই জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হোক, যাতে আমরা আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারি এবং আমাদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা বর্তমানে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। এতে কৃষকদের আর্থিক দুরবস্থা দিন দিন বাড়ছে এবং তাদের পক্ষে ফসল চাষ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষি পণ্যের বাজার মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক, যাতে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পেতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি ঋণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি ঋণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় অধিকাংশ কৃষকরা কৃষি কাজে উন্নত প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে অক্ষম। তাদের অধিকাংশেরই ঋণের প্রয়োজন, কিন্তু ঋণের উচ্চ সুদের কারণে তারা তা গ্রহণ করতে পারছেন না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য স্বল্প সুদের ঋণ প্রদান করা হোক, যাতে তারা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারেন এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যা সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" সেচের জন্য পানি সরবরাহের আবেদন।,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সেচের জন্য পানি সরবরাহের আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকার কৃষকরা সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানি পাচ্ছেন না, যার কারণে আমাদের ফসলের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। খরা পরিস্থিতিতে আমাদের ফসল বাঁচানোর জন্য সেচ ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় সেচের জন্য পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আমরা ভালো ফসল ফলাতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" বন্যা ত্রাণ সহায়তার জন্য আবেদন,"৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বন্যা ত্রাণ সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। সম্প্রতি আমাদের এলাকায় প্রচন্ড বন্যা হয়েছে, যার কারণে আমাদের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের ফসল নষ্ট হওয়ায় আমাদের জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হোক, যাতে আমরা পুনরায় কৃষিকাজ শুরু করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যা সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" রাস্তার আলো স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার আলো স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার [রাস্তার নাম] রাস্তাটি রাতের বেলা অন্ধকারে থাকে, যার কারণে নিরাপত্তার অভাব সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলা পথচারী এবং যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, এবং কিছুদিন আগে এখানে একটি দুর্ঘটনাও ঘটে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই রাস্তার পর্যাপ্ত সংখ্যক আলো স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে করে এলাকাবাসী নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " নতুন ব্যবসায়ের জন্য কর অব্যাহতি প্রার্থনা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন ব্যবসায়ের জন্য কর অব্যাহতি প্রার্থনা। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমি সম্প্রতি একটি ছোট ব্যবসা শুরু করেছি, যা এলাকার মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সহায়ক হতে পারে। আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য কিছু কর অব্যাহতি প্রদান করা হোক, যাতে আমি ব্যবসার বিস্তার করতে পারি এবং এলাকাবাসীকে আরো সুযোগ দিতে পারি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, নতুন ব্যবসায়ীদের সহায়তা প্রদানের জন্য আমাকে কিছু কর অব্যাহতি প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" অপরাধ প্রবণ এলাকায় পুলিশ প্যাট্রোলিং এর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অপরাধ প্রবণ এলাকায় পুলিশ প্যাট্রোলিং এর জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে অপরাধ বাড়ছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাতের বেলা অপরাধীদের আক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় পুলিশের প্যাট্রোলিং বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে এলাকাবাসী নিরাপদে থাকতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই নিরাপত্তার সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার আবর্জনা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল, এবং এটি পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় সঠিক সময়ে আবর্জনা সংগ্রহ করা হয় না এবং এটি রাস্তার পাশে পড়ে থাকে, যা এলাকার সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই আবর্জনা ব্যবস্থাপনা সিস্টেমটি উন্নত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে আমাদের এলাকা পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যসম্মত থাকে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পের জন্য অর্থ সাহায্য প্রার্থনা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্পের জন্য অর্থ সাহায্য প্রার্থনা। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সমাজসেবক। আমাদের এলাকায় অনেক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত, এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য একটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প চালু করার প্রয়োজন। এই ক্যাম্পটি এলাকার দরিদ্র জনগণের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" রাস্তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমাদের এলাকার প্রধান রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অনেক সময় বিপদজনক হয়ে পড়ে, কারণ রাস্তার কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই এবং সঠিক সংকেত বা সিগন্যালের অভাব রয়েছে। বিশেষ করে স্কুলের সময় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই রাস্তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পশু চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পশু চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমার খামারে কিছু পশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে এবং তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সাহায্য প্রাপ্তি হচ্ছে না। পশুর চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায়, আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার পশুদের জন্য একজন দক্ষ পশুচিকিৎসক নিয়োগ করা হোক, যাতে আমরা আমাদের পশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা পুরনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কাজ করছেন, যা তাদের কাজের গতি এবং ফলন উভয়ই কমিয়ে দিয়েছে। নতুন কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ না হওয়ায়, আমরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি থেকে পিছিয়ে পড়ছি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হোক, যাতে তারা তাদের কাজ দক্ষতার সাথে করতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" সেচ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সেচ ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকায় কৃষি সেচের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের অভাব রয়েছে, যার কারণে ফসলের সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে পানির অভাবে কৃষকরা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, সেচ ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে কৃষকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে তাদের ফসলের সেচ ব্যবস্থা চালাতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" খরার কারণে সাহায্যের জন্য আবেদন।,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খরার কারণে সাহায্যের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় অত্যন্ত খরা চলছে, এবং জমিতে পানি না থাকায় ফসলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষকদের জন্য এ এক বিপর্যয়কর পরিস্থিতি, এবং আমাদের আর্থিক অবস্থাও খারাপ হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, খরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হোক, যাতে আমরা আমাদের ফসল পুনরায় চাষ করতে সক্ষম হই। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি পণ্যের পরিবহন জন্য রাস্তাঘাট নির্মাণের আবেদন,"৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি পণ্যের পরিবহন জন্য রাস্তাঘাট নির্মাণের আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় রয়েছে, যার কারণে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিয়ে যেতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বৃষ্টি বা শীতকালীন সময়ে এসব রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে, এবং এর ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার রাস্তা মেরামত এবং নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হোক, যাতে কৃষকরা তাদের ফসল সহজে বাজারে পৌঁছাতে পারেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" চারা বিতরণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: চারা বিতরণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাপযুক্ত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। এবছর আমাদের এলাকায় ভাল মানের বীজ পাওয়া খুবই কঠিন। এর ফলে চাষাবাদে সমস্যা হচ্ছে এবং কৃষকদের অনেকেই সঠিক সময়ে চাষ শুরু করতে পারছেন না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য ভাল মানের বীজ বিতরণ করা হোক, যাতে আমরা নির্ধারিত সময়ে চাষ শুরু করতে পারি এবং উৎপাদন বাড়াতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" ড্রেনেজ সিস্টেম উন্নত করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ড্রেনেজ সিস্টেম উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার ড্রেনেজ সিস্টেম বেশ কিছুদিন ধরে অপ্রতুল এবং বৃষ্টির মৌসুমে জলজট সৃষ্টি হয়। এই কারণে এলাকার সড়ক ও বাসাবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে, যা বাসিন্দাদের জন্য ভীষণ সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার ড্রেনেজ সিস্টেমের উন্নতি করা হোক, যাতে বর্ষাকালে জলজট সৃষ্টি না হয় এবং বাসিন্দারা কোনো সমস্যা ছাড়াই চলাচল করতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" অবৈধ দোকানপাট সরানোর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অবৈধ দোকানপাট সরানোর জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি কিছুদিন ধরে অবৈধ দোকানপাট দ্বারা দখল হয়ে গেছে, যার কারণে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ জনগণের চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এই অবৈধ দোকানগুলি আমাদের এলাকার সৌন্দর্য এবং নিরাপত্তায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এসব অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে এলাকায় শান্তি এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ তহবিল আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ তহবিল আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। সম্প্রতি, আমাদের এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক মানুষ তাদের বাড়িঘর ও অন্যান্য সম্পত্তি হারিয়ে বসবাসের সমস্যায় পড়েছেন। তাদের পুনর্বাসন এবং জরুরি সহায়তার জন্য ত্রাণ তহবিল অত্যন্ত জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বন্যার্তদের সাহায্য করার জন্য ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ করা হোক, যাতে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " ট্রাফিক জ্যাম সমস্যা সমাধানে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রাফিক জ্যাম সমস্যা সমাধানে রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং প্রতিদিন প্রচুর যানবাহন চলাচল করে, যার কারণে ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি হয় এবং এলাকাবাসী অসুবিধায় পড়ে। এই সমস্যাটি সঠিকভাবে সমাধান না হলে, ব্যবসায়ী এবং বাসিন্দাদের জন্য বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় রাস্তা সম্প্রসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে যানজট কমিয়ে আনা যায় এবং সড়ক নিরাপদ হয়। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পাবলিক টয়লেট নির্মাণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় পাবলিক টয়লেটের অভাব রয়েছে, যা বিশেষ করে পথচারীদের এবং পর্যটকদের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ জনগণকে পরিবেশগতভাবে অস্বাস্থ্যকর স্থানে শৌচকর্ম করতে বাধ্য হতে হচ্ছে, যা এলাকার স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পাবলিক স্থানগুলোতে ফ্রি Wi-Fi সুবিধা প্রদান করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পাবলিক স্থানগুলোতে ফ্রি Wi-Fi সুবিধা প্রদান করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন শিক্ষার্থী। বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট একটি অপরিহার্য উপকরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম। আমাদের এলাকায় পাবলিক স্থানে Wi-Fi সুবিধার অভাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের এবং অন্যান্য নাগরিকদের জন্য একটি বড় অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার পাবলিক স্থানগুলোতে ফ্রি Wi-Fi সুবিধা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি ঋণ পাওয়ার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ম্যানেজার [ব্যাংকের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি ঋণ পাওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আমার ফসল চাষের জন্য কিছু অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি এত টাকা জোগাড় করতে পারছি না। যদি আমি ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ পেয়ে যাই, তাহলে এটি আমার চাষাবাদে অত্যন্ত সহায়ক হবে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাকে সরকারি কৃষি ঋণ প্রদান করা হোক, যাতে আমি স্বল্পসুদে চাষাবাদ পরিচালনা করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" সার ও কীটনাশকের জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সার ও কীটনাশকের জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমাদের এলাকায় বর্তমানে উচ্চমূল্যের কারণে পর্যাপ্ত সার ও কীটনাশক পাওয়া যাচ্ছে না, যা আমাদের কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত সমস্যার সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য সরকারি সার ও কীটনাশকের বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে আমাদের সমস্যার সমাধান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" ফসলহানি ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়নের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ফসলহানির জন্য ক্ষতিপূরণের আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। সম্প্রতি অতিবৃষ্টি/বন্যা/খরা/ঝড়ের কারণে আমার ফসল সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি এবং পরবর্তী চাষের জন্য কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হোক, যাতে আমি পুনরায় চাষাবাদ শুরু করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, কৃষকদের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। বর্তমানে আধুনিক কৃষি পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সীমিত, যার ফলে আমরা কৃষিতে নতুন প্রযুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করতে পারছি না। যদি আমাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে আমরা উন্নত কৃষি প্রযুক্তি শিখতে পারব। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের জন্য একটি আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে আমাদের সহায়তা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" খাল/নালা খননের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়নের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খাল/নালা খননের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে ফসল নষ্ট হচ্ছে, এবং সেচের পানির অভাবও দেখা দিয়েছে। যদি এলাকায় একটি খাল/নালা খনন করা হয়, তাহলে জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং আমরা সহজেই সেচের পানি পেতে পারব। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের সুবিধার্থে একটি খাল/নালা খননের ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে এই বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়নের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন কৃষক। আমাদের এলাকার প্রধান পুকুরটি অনেকদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সেটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কৃষিকাজ এবং মৎস্য চাষের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বর্তমানে সেটি কচুরিপানায় ভরে গেছে এবং পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার প্রধান পুকুরটি সংস্কার করা হোক, যাতে আমরা তা কৃষিকাজ ও মৎস্য চাষে ব্যবহার করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, দয়া করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করুন এবং পুকুরটি সংস্কারের ব্যবস্থা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" শিক্ষা সফরের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষা সফরের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণির নাম] শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফরের আয়োজন করতে চাই। শিক্ষা সফর আমাদের জ্ঞানার্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা বইয়ের বাইরে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেয়। আমাদের ইচ্ছা রয়েছে [শিক্ষা সফরের স্থান] ভ্রমণ করার, যা আমাদের পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত। এমতাবস্থায়, আপনার অনুমতি প্রদান করলে আমরা আনন্দের সাথে এই শিক্ষা সফরে অংশগ্রহণ করতে পারব এবং আমাদের জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে পারব। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাদের এই শিক্ষা সফরের অনুমতি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম]" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আরও বই সংযোজনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আরও বই সংযোজনের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত বই নেই, যার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনেক অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে উচ্চতর গণিত, বিজ্ঞান, সাহিত্য এবং সাধারণ জ্ঞানের বইয়ের অভাব রয়েছে। ভালো মানের বই থাকলে আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারব। এমতাবস্থায়, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আরও বই সংযোজন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। অতএব, মহোদয়ের কাছে অনুরোধ, আমাদের অনুরোধটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজনের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম]" পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের আসন্ন পরীক্ষার সময়সীমা অত্যন্ত কম, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে। আমরা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর সম্পূর্ণভাবে লিখতে পারছি না, কারণ পরীক্ষার সময়সীমা কম থাকায় আমরা দ্রুততার সাথে লিখতে বাধ্য হচ্ছি। এতে আমাদের পরীক্ষার ফলাফল নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। এমতাবস্থায়, আমাদের পরীক্ষার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য আপনার সদয় অনুমোদন কামনা করছি। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাদের পরীক্ষার সময়সীমা কিছুটা বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম]" দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণির নাম] শ্রেণির একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল। আমার বাবা একজন দিনমজুর, যার উপার্জন দিয়ে আমাদের পরিবারের খরচ চালানো খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমি সবসময় ভালো ফলাফল করে আসছি এবং আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছা রয়েছে। কিন্তু অর্থের অভাবে আমার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, আমি বিনীত অনুরোধ করছি, আমাকে একটি উপবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমি আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারব। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে আমাকে বৃত্তির সুযোগ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম] " বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। অনেক শিক্ষার্থীকে বাইরে থেকে পানি আনতে হয়, যা অনেক সময় স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এমতাবস্থায়, বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির একটি ভালো ব্যবস্থা করা হলে শিক্ষার্থীরা সুস্থভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে। অতএব, মহোদয়ের কাছে অনুরোধ, বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর] [বিদ্যালয়ের নাম]" কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ছাড়া চাষাবাদ করা খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, ধান কাটার মেশিন এবং বীজ রোপণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে সরকারি কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হোক, যাতে আমরা চাষাবাদে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" খামার উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খামার উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র কৃষক। আমি গবাদিপশু পালন করি এবং একটি ছোট খামার পরিচালনা করি। কিন্তু বর্তমানে খাদ্য সংকট, ওষুধের উচ্চমূল্য এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে খামার পরিচালনা করতে কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার খামার উন্নয়নের জন্য সরকারি সহায়তা প্রদান করা হোক, যাতে আমি আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকাজ ও পশুপালন চালিয়ে যেতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে উন্নত কৃষি গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের কৃষিক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। আমি কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী, যাতে আধুনিক চাষাবাদ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাকে ও আমার এলাকার কৃষকদের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সুযোগ প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের সহযোগিতা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পুকুরে মৎস্য চাষের জন্য সরকারি সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুকুরে মৎস্য চাষের জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমি আমার নিজস্ব পুকুরে মৎস্য চাষ করতে চাই, কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, সরকারি অনুদান বা সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে আমাকে মৎস্য চাষের জন্য সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি বীমার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ব্যাংক ম্যানেজার [ব্যাংকের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি বীমার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলহানির শিকার হন। এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য একটি কার্যকরী কৃষি বীমা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য একটি উপযুক্ত কৃষি বীমা সুবিধা চালু করা হোক, যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " সেচের পানির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সেচের পানির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় সেচের পানির অভাবে ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সেচের পানির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আমরা স্বাভাবিকভাবে চাষাবাদ করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: একজন শিক্ষকের অসদাচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের [শিক্ষকের নাম] স্যারের আচরণ শিক্ষার্থীদের প্রতি যথাযথ নয়। তিনি আমাদের সঙ্গে প্রায়ই রুঢ়ভাবে কথা বলেন এবং কখনো কখনো অন্যায়ভাবে শাস্তি প্রদান করেন, যা আমাদের মনোবলে প্রভাব ফেলছে। আমরা শ্রদ্ধার সাথে শিক্ষকতাকে দেখি এবং শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে আগ্রহী। তবে এমন ব্যবহারে অনেকেই ক্লাসে মনোযোগ হারাচ্ছে এবং আতঙ্কে থাকছে। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর]" বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সরঞ্জাম চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব রয়েছে। ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট-বল, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদি সরঞ্জাম বহু পুরোনো এবং ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু সরঞ্জামের অভাবে আমরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট অনুরোধ, বিদ্যালয়ে নতুন খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর]" অসুস্থতার কারণে ছুটির আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: অসুস্থতার জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি কয়েকদিন যাবৎ জ্বরে ভুগছি এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামের প্রয়োজন। ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, আমি [তারিখ] থেকে [তারিখ] পর্যন্ত ছুটি অনুমোদনের জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর]" পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমার কিছু পারিবারিক সমস্যার কারণে আমি বিগত কয়েকদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারিনি এবং প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষার ফরম পূরণেও বিলম্ব হয়েছে। আমি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক এবং প্রস্তুতও রয়েছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন, আমাকে আসন্ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রদানের অনুরোধ করছি। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: [শ্রেণির নাম], রোল: [রোল নম্বর]" নতুন শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: নতুন শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি অষ্টম শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলাম। সদ্যসমাপ্ত বার্ষিক পরীক্ষায় আমি উত্তীর্ণ হয়ে নবম শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছি। আমি বিজ্ঞান/মানবিক/বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হতে আগ্রহী এবং এই বিভাগের প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন, আমাকে নবম শ্রেণির [বিভাগের নাম] বিভাগে ভর্তি হওয়ার অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] পূর্বতন শ্রেণি: অষ্টম, রোল: [রোল নম্বর]" এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কারের জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: এলাকার প্রধান সড়ক সংস্কারের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [তোমার নাম], [গ্রামের নাম], [ইউনিয়নের নাম] এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের গ্রাম সংলগ্ন প্রধান সড়কটি বর্তমানে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষার মৌসুমে রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে যায় এবং শুকনো মৌসুমে ধুলাবালিতে ভরে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত, কৃষকদের ফসল আনা-নেওয়া, রোগীদের হাসপাতালে যাওয়া – সবই চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আমরা কয়েকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এলাকাবাসীর পক্ষে আমি আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত আবেদন, গ্রামবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে ও জনস্বার্থে অতি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] গ্রাম: [নাম], ইউনিয়ন: [নাম], উপজেলা: [নাম] মোবাইল: [নম্বর]" এলাকায় মাদক ও অপরাধ দমনে পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) [থানার নাম] থানা [জেলা]। বিষয়: এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রয় বন্ধের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় মাদকের ভয়াবহ ছোবল দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে এবং রাতের বেলায় রাস্তার মোড়ে ও পাড়ায় পাড়ায় মাদক সেবন ও কেনাবেচা চলছে। এই অবস্থায় অভিভাবকরা আতঙ্কে আছেন, স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীরা বিপথগামী হচ্ছে। আমরা চাই না আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নষ্ট হোক। অতএব, আপনার কাছে বিনীত আবেদন, অবিলম্বে এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক চক্র নির্মূল ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] গ্রাম: [নাম], ইউনিয়ন: [নাম], জেলা: [নাম] মোবাইল: [নম্বর]" বিদ্যুৎ সমস্যার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ব্যবস্থাপক বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড [উপজেলা/জেলা]। বিষয়: বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমরা [গ্রামের নাম], [উপজেলা] এলাকার বাসিন্দা দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভুগছি। প্রায় প্রতিদিনই ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে এবং কম্পিউটার, টিভি, ফ্যানসহ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় ব্যাপক সমস্যা অনুভব করছে। কয়েকবার স্থানীয় অফিসে জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] গ্রাম: [নাম], উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]" এলাকার ড্রেনেজ সমস্যা নিরসনে পৌরসভার কাছে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [জেলা]। বিষয়: এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন। জনাব, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমাদের [মহল্লা/ওয়ার্ড নাম] এলাকায় পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে যায়। দীর্ঘক্ষণ এই জলাবদ্ধতা থাকার ফলে দুর্গন্ধ, মশার উপদ্রব এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। স্থানীয়ভাবে চেষ্টা করেও স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হয়নি। এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং জনজীবনে বড় প্রভাব ফেলছে। অতএব, এলাকার জনস্বার্থে দ্রুত একটি কার্যকর ড্রেন নির্মাণ বা সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] ওয়ার্ড: [নম্বর], পৌরসভা: [নাম], জেলা: [নাম]" বিদ্যালয়ের পাঠাগার উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: বিদ্যালয়ের পাঠাগার উন্নয়নের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমরা আপনার প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রছাত্রী। আমরা লক্ষ্য করছি যে বিদ্যালয়ের পাঠাগারে পর্যাপ্ত বই ও বসার ব্যবস্থা নেই। অধিকাংশ বই পুরাতন ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন মেটাতে অক্ষম। বর্তমানে আমরা পাঠ্যবইয়ের বাইরে সাধারণ জ্ঞানের বই, সাহিত্যের বই ও কারিগরি বই পড়ার প্রতি আগ্রহী হচ্ছি। কিন্তু উপযুক্ত বই ও পরিবেশের অভাবে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। পাঠাগারকে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চার এক অনন্য কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ আরও আলোকিত হবে। অতএব, আমাদের এই চাহিদার গুরুত্ব বিবেচনা করে পাঠাগারে নতুন বই সংযোজন ও উন্নত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। বিনীত, [তোমার নাম ও শ্রেণি] [বিদ্যালয়ের নাম]" আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ছুটি চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: আন্তঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ছুটি প্রার্থনা। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [তোমার নাম], দশম শ্রেণির একজন ছাত্র। আমি আগামী সপ্তাহে জেলা পর্যায়ে আয়োজিত আন্তঃস্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় আমাদের বিদ্যালয়ের ক্রিকেট দলের হয়ে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছি। এই প্রতিযোগিতা আগামী ২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিতে হলে আমাকে পাঁচ দিনের ছুটি প্রয়োজন। আমি আশ্বাস দিচ্ছি, খেলাধুলার পাশাপাশি আমি আমার পাঠ্যবিষয়ও নিয়মিতভাবে পড়াশোনা করে নিয়ন্ত্রণে রাখব। অতএব, জনাবের সদয় অনুমতি প্রার্থনা করছি, যাতে আমি নির্ধারিত তারিখে খেলায় অংশ নিতে পারি। বিনীত, [তোমার নাম, শ্রেণি, রোল]" কলেজে অতিরিক্ত কোচিং ক্লাস চালুর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রিন্সিপাল [কলেজের নাম] [জেলা]। বিষয়: গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য অতিরিক্ত কোচিং ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি আপনার কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির একজন ছাত্র। আমাদের ব্যাচে অনেকেই গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে দুর্বলতা অনুভব করছি। ফলে বোর্ড পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে আমরা কিছুটা আশঙ্কায় আছি। এই অবস্থায়, যদি প্রতি সপ্তাহে একদিন করে অতিরিক্ত কোচিং ক্লাস নেওয়া হয়, তাহলে আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারব। বিষয় দু’টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তুলনামূলকভাবে কঠিন হওয়ায় শিক্ষকগণের বিশেষ মনোযোগ আমাদের জন্য অপরিহার্য। অতএব, বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে উপকার করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: দ্বাদশ, রোল: [রোল নম্বর] [কলেজের নাম]" পরীক্ষায় অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিত থাকার ব্যাখ্যাসহ পুনঃপরীক্ষার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: পরীক্ষায় অনুপস্থিতির জন্য পুনঃপরীক্ষার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [তোমার নাম], নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। বিগত মাসে বিদ্যালয়ের মধ্যবর্তী পরীক্ষার সময় আমি হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম, যার প্রমাণ হিসেবে ডাক্তারি কাগজপত্র সংযুক্ত করলাম। এই কারণে আমি বাংলা দ্বিতীয় পত্র ও গণিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমার প্রস্তুতি যথেষ্ট ভালো ছিল এবং আমি এই দুটি বিষয়ে ভাল ফলাফল করার আশা করেছিলাম। অতএব, অনুপস্থিতির যথাযথ কারণ বিবেচনায় নিয়ে আমাকে পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দিয়ে উপকৃত করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] শ্রেণি: নবম, রোল: [রোল নম্বর]" মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে থানায় জিডি করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) [আপনার থানা নাম] থানা [জেলা]। বিষয়: মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [তোমার নাম], [ঠিকানা] এলাকার একজন সাধারণ নাগরিক। গতকাল সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফেরার পথে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি হারিয়ে ফেলি। মোবাইলটি [মডেল, কালার] এবং মোবাইল নম্বর ছিল [নম্বর]। আমি মোবাইলটি বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও পাইনি এবং সন্দেহ করছি কেউ এটি চুরি করেছে। মোবাইলটিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত ও শিক্ষাসংক্রান্ত ডেটা ছিল। অতএব, বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং একটি সাধারণ ডায়েরি করার সুযোগ দিয়ে বাধিত করবেন। বিনীত, [তোমার নাম] ঠিকানা: [তোমার ঠিকানা] মোবাইল: [বর্তমান নম্বর]" স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমরা [গ্রামের নাম] গ্রামের কয়েকজন কিশোর ও যুবক। আমাদের এলাকায় একটি খেলার মাঠ আছে, যা দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে আছে। মাঠে গর্ত, ঝোপঝাড় ও জলাবদ্ধতা থাকায় আমরা সেখানে খেলাধুলা করতে পারি না। যদিও অনেক শিক্ষার্থী ও তরুণ খেলাধুলায় আগ্রহী, কিন্তু মাঠের অব্যবস্থা আমাদের নিরুৎসাহিত করছে। অতএব, জনাবের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, আপনি যদি এই মাঠটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন, তবে আমাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে তা সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম ও দলবদ্ধ স্বাক্ষর]" স্কুলে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: বিশুদ্ধ পানির জন্য পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। কিন্তু স্কুলে বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক সময় পানির জন্য আমাদের বাইরে যেতে হয়, যা স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে শিক্ষার্থীদের পানির চাহিদা বেড়ে যায়। এই অবস্থায় একটি বা একাধিক পানির ফিল্টার স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। অতএব, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আপনার সদয় উদ্যোগ কামনা করছি। বিনীত, [তোমার নাম, শ্রেণি, রোল]" এলাকার সড়ক বাতি মেরামতের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: সড়ক বাতি মেরামতের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমাদের [মহল্লা/গ্রাম] এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক বাতি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। এতে রাতে পথচারীরা সমস্যায় পড়ছেন এবং চুরি-ছিনতাইয়ের ঝুঁকিও বেড়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী ও শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিপদ ঘটে। অতএব, এলাকার নিরাপত্তা ও জনসাধারণের সুবিধার জন্য দ্রুত সড়ক বাতিগুলো মেরামতের অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম ও গ্রামবাসীর স্বাক্ষরসহ]" বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, সভাপতি, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা, [আপনার এলাকার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়ঃ বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় এখনো অনেক মানুষ আছেন যারা নিজেদের ব্লাড গ্রুপ জানেন না। রক্তদানের প্রয়োজন দেখা দিলে অথবা জরুরি চিকিৎসার সময় ব্লাড গ্রুপ না জানার কারণে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই, জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে প্রস্তুতি নেওয়ার লক্ষ্যে, আমাদের এলাকায় একটি বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ক্যাম্প আয়োজনের জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। এই ক্যাম্পটি স্কুল মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার কিংবা স্থানীয় কোনো উপযুক্ত স্থানে আয়োজন করা যেতে পারে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণির মানুষ উপকৃত হবেন। আমরা আশা করছি, আপনার সদয় দৃষ্টিতে বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, দ্রুত ক্যাম্প আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের এলাকাবাসীকে উপকৃত করার সুযোগ প্রদান করবেন। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা/গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ সেবার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"বরাবর, সিভিল সার্জন, [জেলার নাম] জেলা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, [ঠিকানা]। বিষয়ঃ মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ সেবার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, বর্তমান সমাজে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, হতাশা, বিষণ্নতা ইত্যাদি মানসিক রোগ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এমনকি গৃহিণীদের মধ্যেও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার প্রকোপ বাড়ছে। অথচ, আমাদের এলাকায় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পরামর্শ সেবা বা কাউন্সেলিং সেন্টার নেই। এই অবস্থায়, আমাদের এলাকায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ সেবা চালু করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে করে সাধারণ মানুষ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পেতে পারবে এবং মানসিকভাবে সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবে। আপনার সদয় বিবেচনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা/গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " সরকারি হাসপাতালে শিশুদের জন্য আলাদা চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের আবেদন,"বরাবর, সিভিল সার্জন, [জেলার নাম] জেলা সদর হাসপাতাল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। বিষয়ঃ শিশুদের জন্য সরকারি হাসপাতালে আলাদা চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় বসবাসকারী শিশুদের জন্য কোনো আলাদা চিকিৎসা ইউনিট না থাকায় শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের সাথে একই ইউনিটে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছে। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। তাছাড়া, অনেক শিশুর রোগ দ্রুত সংক্রমণযোগ্য হওয়ায় অন্যান্য রোগীদের সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকে। এই পরিস্থিতিতে, শিশুদের উপযোগী চিকিৎসা পরিবেশ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আলাদা শিশু চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। এতে শিশুরা উন্নত ও নিরাপদ চিকিৎসা সেবা পাবে এবং মা-বাবারাও মানসিকভাবে আশ্বস্ত হবেন। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্থানীয় ফার্মেসিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রির তদন্ত চেয়ে আবেদন,"বরাবর, সিভিল সার্জন, [জেলার নাম] জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। বিষয়ঃ স্থানীয় ফার্মেসিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রির তদন্ত চেয়ে আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকার কিছু ফার্মেসিতে অবৈধ এবং ভেজাল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে, যা জনগণের স্বাস্থ্য ঝুঁকির সৃষ্টি করছে। বিশেষত, কিছু ফার্মেসি নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি করে এবং সেইসব ওষুধের কার্যকারিতা অনেক কম, ফলে রোগীদের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এই ভেজাল ওষুধের বিক্রি বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। অতএব, আমি অনুরোধ করছি যে, আপনি আমাদের এলাকার ফার্মেসিগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে এদের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্কুলে প্রাথমিক চিকিৎসার ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালুর আবেদন,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [বিদ্যালয়ের ঠিকানা], [শিক্ষা বোর্ড বা প্রতিষ্ঠান নাম]। বিষয়ঃ স্কুলে প্রাথমিক চিকিৎসার ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালুর আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক ছাত্রছাত্রী প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে খুব কম জানে। বিদ্যালয়ের পরিবেশে মাঝে মধ্যে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে, যেমন—পিছলে পড়া, আঘাত পাওয়া, হালকা মাথা ঘোরা ইত্যাদি। সেক্ষেত্রে, সঠিক সময়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান না করলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে যেতে পারে। তাহলে, আমি প্রস্তাব করছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রাথমিক চিকিৎসার ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালু করা হোক। এতে তারা দুর্ঘটনা বা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সময় সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবে। অতএব, আমি আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [শ্রেণি বা বিভাগ] [বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ]" দুর্যোগ পরবর্তী চিকিৎসা সহায়তার জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ দুর্যোগ পরবর্তী চিকিৎসা সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, সম্প্রতি আমাদের এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বন্যা/দুর্যোগ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এতে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চিকিৎসা সেবার অভাবে ভুগছে। অতএব, আমি অনুরোধ করছি, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য একটি বিশেষ টিম পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [বিদ্যালয়ের ঠিকানা]। বিষয়ঃ স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য একটি স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করছি। এতে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় যেমন: স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [শ্রেণি/বিভাগ] [বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ] " এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"বরাবর, প্রধান কর্মকর্তা, পৌরসভা, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়ঃ ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে এবং এতে এলাকার অনেক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। তাই, এই রোগ প্রতিরোধে একটি বিশেষ সচেতনতামূলক ক্যাম্প আয়োজন করার জন্য অনুরোধ করছি। এতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে নাগরিকদের সাহায্য করা হবে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের জন্য আবেদন,"বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, বর্তমানে আমাদের হাসপাতালের অক্সিজেন সরবরাহ অত্যন্ত কম এবং রোগীদের অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ছে। আপনি দয়া করে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যাতে রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেতে পারে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্বাস্থ্য মেলা আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক, [বিভাগ বা শহরের নাম]। বিষয়ঃ স্বাস্থ্য মেলা আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় জনসাধারণের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য একটি স্বাস্থ্য মেলা আয়োজনের প্রস্তাব করছি। এই মেলায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক সেবা, পরামর্শ ও চিকিত্সা প্রদান করা হবে। আপনার সম্মতির অপেক্ষায় রইলাম। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " এলাকায় শিশুদের জন্য ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ শিশুর ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় অনেক শিশু ভ্যাকসিন না পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আপনাদের অফিসের মাধ্যমে একটি ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন জানাচ্ছি, যাতে শিশুদের প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন প্রদান করা যায়। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " হাসপাতালে ডায়ালিসিস সুবিধা চালুর জন্য আবেদন,"বরাবর, হাসপাতাল ব্যবস্থাপক, [হাসপাতালের নাম], [জেলার নাম]। বিষয়ঃ হাসপাতালেও ডায়ালিসিস সুবিধা চালুর জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় অনেক রেনাল রোগী রয়েছেন যারা ডায়ালিসিস সেবা পান না। ফলে তাদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ছে। আপনাদের হাসপাতালের মাধ্যমে ডায়ালিসিস সুবিধা চালু করার জন্য আমি আবেদন জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" পর্যাপ্ত মেডিকেল স্টাফ নিয়োগের জন্য আবেদন,"বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ পর্যাপ্ত মেডিকেল স্টাফ নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও অন্যান্য মেডিকেল স্টাফের অভাব রয়েছে। তাই, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে পর্যাপ্ত স্টাফ নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা পুলিশ কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] পুলিশ স্টেশন, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় মাদকের ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে। এতে যুব সমাজ বিপথে যাচ্ছে এবং এলাকার শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক একটি ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্কুলে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [বিদ্যালয়ের ঠিকানা]। বিষয়ঃ স্কুলে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহের জন্য কিছু ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আমি অনুরোধ জানাচ্ছি, বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা সঠিক পুষ্টি পেতে পারে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [শ্রেণি/বিভাগ] [বিদ্যালয়ের নাম] [তারিখ]" স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, তবে স্বেচ্ছাসেবকের অভাব রয়েছে। তাই, এই কার্যক্রমগুলোর সফল বাস্তবায়নের জন্য কিছু স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের জন্য আপনার অনুমতি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়ঃ রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় কিছু দরিদ্র মানুষ রয়েছে, যারা ঔষধ কিনতে পারছে না। তাই, আমি আবেদন জানাচ্ছি একটি বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ ক্যাম্প আয়োজন করার জন্য, যাতে এসব মানুষ উপকার পেতে পারে। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" ক্লিনিকের সেবা উন্নত করার জন্য আবেদন,"বরাবর, ক্লিনিক পরিচালক, [ক্লিনিকের নাম], [শহরের নাম]। বিষয়ঃ ক্লিনিকের সেবা উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকার ক্লিনিকে সেবা প্রদান কার্যক্রম কিছুটা স্লো হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগী অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। আমি আবেদন জানাচ্ছি, সেবা সময়সীমা ও মান উন্নত করার জন্য অতিরিক্ত চিকিৎসক ও সেবিকা নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " স্বাস্থ্য প্রকল্পের জন্য তহবিল সহায়তার আবেদন,"বরাবর, প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ স্বাস্থ্য প্রকল্পের জন্য তহবিল সহায়তার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় শিশুদের জন্য একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ভ্যাকসিনেশন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম থাকবে। আমি তহবিল সহায়তার জন্য আবেদন জানাচ্ছি, যাতে প্রকল্পটি সফলভাবে পরিচালনা করা যায়। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ] " অগ্নিকাণ্ডে আহতদের চিকিৎসার জন্য তহবিল সহায়তার আবেদন,"বরাবর, জেলা প্রশাসক, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ অগ্নিকাণ্ডে আহতদের চিকিৎসার জন্য তহবিল সহায়তার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, সম্প্রতি আমাদের এলাকার একটি বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেক মানুষ আহত হয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য জরুরি সহায়তার প্রয়োজন। আমি আবেদনের মাধ্যমে তহবিল সহায়তার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মেডিকেল কনফারেন্স আয়োজনের আবেদন,"স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, [ঢাকা]। বিষয়ঃ মেডিকেল কনফারেন্স আয়োজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের অঞ্চলের চিকিৎসকদের উন্নয়ন ও নতুন চিকিৎসা প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য একটি মেডিকেল কনফারেন্স আয়োজন করা হবে। এর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" দুর্বৃত্তদের দ্বারা আক্রান্ত চিকিৎসককে সহায়তা প্রদান বিষয়ক আবেদন,"বরাবর, জেলা পুলিশ সুপার, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ চিকিৎসককে সহায়তা প্রদান বিষয়ক আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, সম্প্রতি একটি ঘটনা ঘটেছে যেখানে কিছু দুর্বৃত্ত একটি চিকিৎসককে হামলা করেছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি, উক্ত চিকিৎসককে সুরক্ষা প্রদান এবং পরিস্থিতি তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" হাসপাতালের নতুন বিল্ডিং নির্মাণের জন্য আবেদন,"বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, [জেলার নাম]। বিষয়ঃ হাসপাতালের নতুন বিল্ডিং নির্মাণের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমান অবকাঠামো অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত এবং রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এর ফলে রোগীরা সঠিকভাবে চিকিৎসা পেতে পারছেন না। সুতরাং, আমি হাসপাতালের নতুন বিল্ডিং নির্মাণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" বেসরকারি ক্লিনিকে মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আবেদন,"বরাবর, বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান, [প্রতিষ্ঠানের নাম], [শহরের নাম]। বিষয়ঃ বেসরকারি ক্লিনিকে মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বেসরকারি ক্লিনিকের উন্নয়নের জন্য কিছু অত্যাবশ্যক মেডিকেল সরঞ্জাম প্রয়োজন। তাই, আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আমি আবেদন জানাচ্ছি, যাতে সঠিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" অতি জরুরি চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করার আবেদন,"বরাবর, অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রধান, [অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রতিষ্ঠান], [শহরের নাম]। বিষয়ঃ অতি জরুরি চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকার কিছু দূরবর্তী গ্রামগুলোর মানুষের জন্য জরুরি চিকিৎসা সেবা যথাযথভাবে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। সুতরাং, আমি অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করার জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। ইতি, আপনার বিশ্বস্ত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" স্থানীয় ফার্মেসিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রির তদন্ত চেয়ে আবেদন।,"তারিখ: ২৫ এপ্রিল, ২০২৫​ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার [উপজেলার নাম] [জেলার নাম] বিষয়: স্থানীয় ফার্মেসিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রির তদন্ত চেয়ে আবেদন।​ জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [আপনার গ্রামের নাম], [উপজেলার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। সম্প্রতি আমাদের এলাকায় কিছু ফার্মেসিতে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে, যা জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।​ অতএব, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট ফার্মেসিগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।​ বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" গর্ভবতী নারীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ [উপজেলা, জেলা] বিষয়: গর্ভবতী নারীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম], [ইউনিয়ন ও উপজেলা] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের এই অঞ্চলে অনেক গর্ভবতী নারী রয়েছেন, যারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার কারণে অনেক সময় মা ও শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। এমতাবস্থায়, আপনার সদয় দৃষ্টিপাত কামনা করে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই এলাকায় একদিনের জন্য একটি বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজন করা হোক। এই ক্যাম্পের মাধ্যমে গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা সম্ভব হবে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত অনুরোধ, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [গ্রামের নাম, ইউনিয়ন] [মোবাইল নম্বর]" মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ [উপজেলা, জেলা] বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম], [ইউনিয়ন ও উপজেলা]-এর একজন সচেতন নাগরিক। বর্তমানে আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে কিশোর-কিশোরী ও যুবসমাজের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব, এবং সামাজিক চাপজনিত নানা সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবেলায় মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। অথচ, অনেকেই এখনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাকে লজ্জার বিষয় মনে করেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণে সংকোচ বোধ করেন। এমতাবস্থায়, অনুরোধ করছি যে, আমাদের এলাকায় একটি মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রোগ্রাম আয়োজন করা হোক, যেখানে পেশাদার কাউন্সেলর বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দ্বারা সেশন পরিচালনা করা হবে। এতে শিক্ষার্থীরা, অভিভাবকরা এবং অন্যান্য সাধারণ মানুষ মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা ও সহায়তা পাবেন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [গ্রামের নাম, ইউনিয়ন] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ [উপজেলা, জেলা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [বিদ্যালয়ের নাম], [গ্রামের নাম], [উপজেলা]-এর একজন অভিভাবক/শিক্ষক/সচেতন নাগরিক। আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিশু প্রতিদিন পাঠ গ্রহণ করে, যাদের স্বাস্থ্যরক্ষায় টিকাদান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর উদ্যোগ। বর্তমানে নানা ধরনের সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে শিশুদের স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে। টিকাদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এসব রোগ থেকে সুরক্ষা প্রদান করা সম্ভব। এমতাবস্থায়, আমাদের বিদ্যালয়ে একদিনের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার জন্য আপনার সহায়তা কামনা করছি, যাতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় টিকা প্রদান করতে পারেন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [বিদ্যালয়ের নাম / গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর] " ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় কার্যক্রমের আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ [উপজেলা, জেলা] বিষয়: ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় কার্যক্রমের আয়োজনের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের গ্রামে অনেক মানুষ রয়েছেন যারা জানেন না তারা ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে (হাই প্রেশার) ভুগছেন। সচেতনতার অভাবে অনেকেই যথাযথ চিকিৎসার সুযোগ পান না। এমতাবস্থায়, আমাদের এলাকায় একটি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ শনাক্তকরণ ক্যাম্প আয়োজন করা অত্যন্ত জরুরি। একটি মোবাইল হেলথ ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রাথমিক পরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রদান করা গেলে অনেক মানুষ উপকৃত হবেন। এতে যেমন রোগ প্রতিরোধ সম্ভব হবে, তেমনি স্বাস্থ্যসচেতনতাও বাড়বে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, উক্ত ক্যাম্পের আয়োজনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের এলাকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর]" পুরাতন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবর্তনের আবেদন।,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [স্বাস্থ্য কমিটি/হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি] [হাসপাতালের নাম, ঠিকানা] বিষয়: পুরাতন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবর্তনের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের হাসপাতালে বর্তমানে ব্যবহৃত অনেক চিকিৎসা সরঞ্জাম অত্যন্ত পুরাতন এবং অনেকগুলিই অকেজো হয়ে পড়েছে। এতে রোগীদের চিকিৎসা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে এবং জরুরি মুহূর্তে চিকিৎসা সেবা দিতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের চিকিৎসা যন্ত্রপাতিগুলো হালনাগাদ করা খুবই জরুরি। আধুনিক সরঞ্জাম রোগ নির্ণয়ে যেমন সহায়ক হবে, তেমনি দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, পুরাতন ও অকেজো চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরিয়ে দিয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা/গ্রামের নাম] [মোবাইল নম্বর]" পুরাতন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবর্তনের আবেদন।,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [হাসপাতালের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুরাতন চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবর্তনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের স্থানীয় হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে আজ পুরাতন ও অকেজো হয়ে পড়েছে। ফলে অনেকসময় রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা প্রদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, যা রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। একটি আধুনিক ও কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে এই সরঞ্জামগুলো হালনাগাদ করা জরুরি। বিশেষ করে এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ব্লাড প্রেসার মনিটর, গ্লুকোমিটার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি সময়োপযোগী নয় এবং সঠিকভাবে কাজ করছে না। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাদের হাসপাতালের চিকিৎসা যন্ত্রপাতিগুলো দ্রুত হালনাগাদ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্থানীয়ভাবে একটি রক্তদান কর্মসূচির আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয়ভাবে একটি রক্তদান কর্মসূচির আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় রক্তের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে দুর্ঘটনা, অপারেশন বা জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সময়মতো রক্ত সংগ্রহ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে একটি রক্তদান কর্মসূচি আয়োজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছি। আমরা চাই, আপনার অনুমতি ও সহযোগিতায় একটি একদিনব্যাপী রক্তদান ক্যাম্প আয়োজন করা হোক, যেখানে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় রক্তভান্ডার সমৃদ্ধ হবে এবং জরুরি সময়ে মানুষের জীবন রক্ষা করা সহজ হবে। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, রক্তদান ক্যাম্প আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় বসবাসরত অনেক বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধী নাগরিক বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তারা যখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, তখন সাধারণ লাইনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকাটা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। অনেক সময় তাদের সঠিকভাবে চিকিৎসাও পাওয়া সম্ভব হয় না। এই শ্রেণির মানুষের চিকিৎসা সহজতর ও সম্মানজনক করতে হাসপাতালের মধ্যে একটি বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে তারা আলাদা লাইনে অপেক্ষা না করে দ্রুত সেবা পেতে পারবেন, এবং চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও সুনির্দিষ্টভাবে তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সহজ হবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য একটি পৃথক চিকিৎসা ইউনিট চালুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমাদের এই চরম সামাজিক সমস্যার সমাধান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " গ্রামীণ এলাকায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামীণ এলাকায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার অনেক বৃদ্ধ মানুষ চশমা কিনতে অক্ষম বা চোখের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে জানেন না। ফলে তারা চক্ষু সমস্যা নিয়ে অনেকদিন ধরে ভুগে আসছেন। বিশেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের এই সমস্যাগুলো সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং তাদের চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে, আমি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় একটি দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন করা হোক, যেখানে প্রত্যেককে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা বিতরণ এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে। আশা করছি, আপনার সহযোগিতায় এটি বাস্তবায়িত হবে এবং এলাকার মানুষ উপকৃত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান চালুর আবেদন। জনাব, বর্ষাকালে ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা আমাদের এলাকাতেও সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এজন্য জনগণকে সচেতন করা এবং তাদের মধ্যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ডেঙ্গু সংক্রমণের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক একটি ক্যাম্পেইন চালানো হোক, যাতে সবাই সঠিক তথ্য পেতে পারে এবং নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারে। আশা করছি, আপনার সহায়তায় আমরা এই ক্যাম্পেইন সফলভাবে আয়োজন করতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" গ্রামে সাপ্তাহিক চিকিৎসক সফরের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্রত্যন্ত গ্রামে সাপ্তাহিকভাবে চিকিৎসক প্রেরণের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে স্থায়ী কোনো চিকিৎসক নেই এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ মানুষ তাদের সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় থাকেন, কারণ তারা নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না। অতএব, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অন্তত সাপ্তাহিকভাবে একজন সরকারি চিকিৎসক পাঠানো হোক, যাতে গ্রামবাসীরা তাদের স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করতে পারেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা পেতে পারেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বনজসম্পদ সংরক্ষণের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বনজসম্পদ সংরক্ষণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বাংলাদেশের বনভূমি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে আমাদের জীবনে অনেক উপকারে আসে। কিন্তু বর্তমানে অব্যাহত বনধ্বংস এবং অবৈধ কাঠচুরির কারণে আমাদের বনভূমি মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে রয়েছে। এই বনভূমি সংরক্ষণ করা, তার সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বনজসম্পদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং বনাঞ্চলগুলোকে রক্ষা করার জন্য আরও সচেতনতা তৈরি করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নদী পরিষ্কার করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নদী পরিষ্কারের জন্য কার্যক্রম পরিচালনার আবেদন। জনাব, আমাদের দেশের নদীগুলো জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, কিছু সময় থেকে এগুলোর পানির মান অনেক খারাপ হয়ে গেছে। শিল্পকারখানার বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনা এবং আবাসিক এলাকার পানি নদীতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে, যার কারণে নদীগুলো দূষিত হয়ে পড়েছে। এ জন্য, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের নদীগুলো পরিষ্কার করার জন্য একটি কার্যকরী পরিষ্করণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক এবং নদী দূষণ রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " প্লাস্টিক দূষণ রোধে পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্লাস্টিক দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, প্লাস্টিক সামগ্রী আমাদের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। প্লাস্টিকের ব্যাগ এবং বোতলগুলোর কারণে ভূমি, নদী এবং সমুদ্রের দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদকে চরমভাবে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। অতএব, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ কার্যক্রমের আবেদন। জনাব, বিশ্বব্যাপী পানি সংকট একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের দেশে বৃষ্টির পানি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয় না, যার ফলে আমাদের পানি সংকট আরও বাড়ছে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য সরকারীভাবে একটি কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক এবং বৃষ্টির পানি ব্যবহারের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমানে অধিকাংশ কৃষকরা কৃষির জন্য কেমিক্যাল সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন, যা মাটির গুণগত মান হ্রাস এবং পরিবেশ দূষণের কারণ হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশও সুরক্ষিত থাকবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে ভূমি সুরক্ষা কার্যক্রমের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমি সুরক্ষার জন্য কার্যক্রম চালু করার আবেদন। জনাব, বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে অব্যাহত ভূমি ভাঙন এবং বনভূমি ধ্বংস পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর সুরক্ষায় যদি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়, তবে ভূমি ক্ষয় এবং বনভূমির অভাব আরো বাড়বে। এ জন্য আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, পাহাড়ি অঞ্চলের ভূমি সুরক্ষা ও বনভূমি রক্ষা করার জন্য একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য কার্যক্রম চালানোর আবেদন। জনাব, বন্যপ্রাণী নিধন ও তাদের আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির পথে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব এবং এটি আমাদের প্রকৃতির বৈচিত্র্য রক্ষা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক এবং জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের দেশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ রয়েছে, কিন্তু এগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা না হওয়ার কারণে অনেক সময় এই সম্পদের অপচয় হচ্ছে। খনিজ সম্পদ সংরক্ষণ এবং এর সঠিক ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, খনিজ সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষণের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নদী পুনঃখনন করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নদী পুনঃখননের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের দেশের অনেক নদী বর্তমানে শুষ্ক এবং অধিকাংশ নদীর পলিমাটি জমে গিয়েছে। এই অবস্থায় নদী পুনঃখনন করা খুবই জরুরি, যাতে নদীগুলোর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হয় এবং এলাকাবাসীরা উপকৃত হয়। অতএব, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার নদীগুলোর পুনঃখনন করা হোক এবং তার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" জৈব পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স/স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: জৈব পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, বিভিন্ন পরিবেশগত সমস্যা যেমন বায়ু দূষণ, শব্দদূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের দেশের পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জৈব পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য একটি সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি চালু করা হোক, যাতে সাধারণ জনগণ এসব বিষয়ে সচেতন হয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বনাঞ্চল রক্ষায় সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বনাঞ্চল রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ক্যাম্পেইন আয়োজনের আবেদন। জনাব, বনভূমি আমাদের দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে থাকে। বর্তমানে অবৈধভাবে কাঠ পাচার, পাখি শিকার এবং বনাঞ্চল ধ্বংসের প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার কারণে বনসম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় বনভূমি, যা জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে ব্যাপকভাবে বনজ সম্পদের অবৈধ ব্যবহার চলছে। এই অবস্থা পরিবর্তন করতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের উপজেলায় একটি বনসংরক্ষণ সচেতনতা ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হোক, যেখানে পরিবেশবিদরা, বন বিভাগের প্রতিনিধিরা এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারবে। এর মাধ্যমে আমরা বনভূমি রক্ষায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারব এবং বনধ্বংসের হার কমাতে সক্ষম হব। অতএব, এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" জলাশয়ের দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: জলাশয়ের দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন। জনাব, আমাদের উপজেলায় কয়েকটি বড় জলাশয় রয়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য পানীয় জল সরবরাহ, মাছ চাষ এবং কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু, গত কয়েক বছরে এই জলাশয়গুলোর অবস্থা মারাত্মকভাবে অবনতি হয়েছে। কিছু এলাকায় বর্জ্য ফেলা, কলকারখানার রাসায়নিক নিঃসরণ এবং অবৈধ ড্রেজিংয়ের কারণে জলাশয়গুলোর পানি আক্ষরিকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে, শুধু পরিবেশগত বিপর্যয়ই ঘটছে না, বরং এটি মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে আমাদের জলাশয়গুলোতে দূষণ রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, জলাশয়ের পানি পরিষ্কার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং জনসাধারণকে জলাশয় রক্ষা বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য একটি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। এছাড়া, জলাশয়ের পানি রক্ষায় এবং দুষণ কমাতে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম চালানো হোক। এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে আমাদের পরিবেশ আরও সুরক্ষিত হবে এবং জলাশয়গুলো সুস্থ থাকবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" প্লাস্টিক বর্জ্য নিরসনের জন্য সচেতনতা কর্মসূচির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্লাস্টিক বর্জ্য নিরসনের জন্য সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশের জন্য একটি মহা সংকটে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টন প্লাস্টিক বর্জ্য বিভিন্ন নদী, খাল-বিল, এবং সড়কগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে, যা দেশের পরিবেশ, জলাশয় এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য বিপজ্জনক। এই বর্জ্য দীর্ঘদিন পর্যন্ত পচে না গিয়ে পরিবেশে বিদ্যমান থাকে, যার ফলে বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য ছড়ায় এবং এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের জন্য আমাদের জনগণকে সচেতন করতে হবে এবং তাদের প্লাস্টিক ব্যবহার কমানোর দিকে উৎসাহিত করতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আপনার প্রতিষ্ঠান একটি ব্যাপক সচেতনতা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করুক, যেখানে জনগণকে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং এর বিকল্প উপায় সম্পর্কে সচেতন করা হবে। এছাড়া, প্লাস্টিক বর্জ্য নিরসনের জন্য সঠিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ও ব্যবস্থাপনা চালু করা হোক। আমি বিশ্বাস করি যে, এই উদ্যোগ গ্রহণ করলে আমরা প্লাস্টিক বর্জ্য রোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হব এবং পরিবেশের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব কমাতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নদী দূষণ রোধে ক্যাম্পেইন আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নদী দূষণ রোধে সচেতনতা ক্যাম্পেইন আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমাদের অঞ্চলে প্রধান নদী দুটি রয়েছে, যা পরিবেশ, জীবনযাত্রা এবং কৃষির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই নদীগুলোর পানি ব্যাপকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। অব্যাহত শিল্প বর্জ্য, বস্ত্রশিল্পের অবশিষ্টাংশ এবং গৃহস্থালি বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে, যার ফলে নদীর জলধারা বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় একটি নদী দূষণ রোধে সচেতনতা ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হোক। এ ক্যাম্পেইনে পরিবেশবিদদের মাধ্যমে নদী দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ও সমাধান সম্পর্কে জনগণকে বিস্তারিত জানানো হোক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে, আমরা নদীর পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে পারব এবং ভবিষ্যতে নদীকে জীবিত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য প্রকল্প গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে প্রকল্প গ্রহণের আবেদন। জনাব, অতিবৃষ্টি বা বৃষ্টির সময় একদিকে যেমন পানি অপচয় হয়, তেমনি অন্যদিকে পানির অভাবেও আমরা ভোগান্তির শিকার হই। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্প আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই প্রকল্পটি কৃষি, পানীয় জল, এবং অন্যান্য ব্যবহারযোগ্য কাজে ব্যবহার করা যাবে, যা পরিবেশের সুরক্ষা ও পানির সংকট মোকাবিলা করতে সহায়ক হবে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার জন্য একটি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করা হোক। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা পানি অপচয় কমাতে এবং পানি সংরক্ষণে সক্ষম হব, যা আগামী দিনে আমাদের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি পদক্ষেপ। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নতুন শিক্ষকদের নিয়োগের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন লাইব্রেরি নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে যে লাইব্রেরি রয়েছে তা অত্যন্ত ছোট এবং অপ্রতুল। শিক্ষার্থীদের বইয়ের চাহিদা মেটাতে এটি অক্ষম। বিশেষ করে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য পরিপূর্ণ পাঠ্যসূচির বই এবং গবেষণামূলক বইয়ের অভাব রয়েছে। আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, একটি নতুন এবং আধুনিক লাইব্রেরি নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যেখানে শিক্ষার্থীরা বই পড়ার সুযোগ পাবে এবং তাদের পড়াশোনার মান আরও উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছাত্রদের জন্য স্কলারশিপ স্কিম চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য স্কলারশিপ স্কিম চালু করার আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আছেন যারা আর্থিকভাবে অভাবী হওয়ায় তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছেন না। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে তাদের জন্য একটি স্কলারশিপ স্কিম চালু করা প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, মেধাবী অথচ দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা করার জন্য একটি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালু করা হোক। এতে তারা তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হবে এবং ভবিষ্যতে দেশের সেবা করতে সক্ষম হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষার্থীদের জন্য কেরিয়ার কাউন্সেলিং সেবা চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য কেরিয়ার কাউন্সেলিং সেবা চালু করার আবেদন। জনাব, আজকাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেরিয়ার নির্বাচন বিষয়ে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী তাদের আগ্রহ ও দক্ষতার ভিত্তিতে উপযুক্ত পেশা নির্বাচন করতে পারে না। এর জন্য একটি কার্যকর কেরিয়ার কাউন্সেলিং সেবা প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে একজন অভিজ্ঞ কেরিয়ার কাউন্সেলর নিয়োগ দেওয়া হোক, যিনি শিক্ষার্থীদের কেরিয়ার গঠনে সহায়তা করবেন এবং তাদের জন্য উপযুক্ত পেশা বেছে নিতে সাহায্য করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোচিং সেন্টার চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোচিং সেন্টার চালু করার আবেদন। জনাব, বিভিন্ন বিষয়ের পড়াশোনায় শিক্ষার্থীদের আরও সহায়তা প্রয়োজন, বিশেষ করে যারা কম্পিটিটিভ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিদ্যালয়ে যদি সান্ধ্যকালীন কোচিং সেন্টার চালু করা যায়, তবে শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত সহায়তা পাবেন এবং তাদের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে। এই কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে একটি সান্ধ্যকালীন কোচিং সেন্টার চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে শিক্ষার্থীরা আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে এবং তাদের ফলাফল উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছাত্রদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার ব্যবহার শিখতে পারে এবং তাদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনা সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনা সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা আরো কার্যকরী করার জন্য সহায়ক উপকরণ যেমন ই-লেকচার, ভিডিও টিউটোরিয়াল, বই এবং অন্যান্য অনলাইন রিসোর্স প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য এসব সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে তারা আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারে এবং নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার আবেদন। জনাব, অনেক সময় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর মনে করে যে তাদের ফলাফল সঠিক হয়নি। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। এই সমস্যার সমাধানে পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত হতে পারবে যে তাদের প্রাপ্ত নম্বর সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আমি অনুরোধ করছি, পরীক্ষার পর পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছাত্রদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আবেদন। জনাব, আজকাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ অনেক বেড়ে গেছে। পরীক্ষা, পড়াশোনা এবং ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে তারা তাদের মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাবে এবং আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে সক্ষম হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদানের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদানের আবেদন। জনাব, অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক কারণে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে না। তাদেরকে সহায়তা করতে হলে বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদান করা উচিত। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদান করা হোক। এতে তারা তাদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে পারবে এবং আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগে গবেষণামূলক কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করার জন্য গবেষণা প্রকল্পে বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা প্রকল্পে অংশ নিয়ে তাদের বৈজ্ঞানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা এসব প্রকল্পে অংশ নিতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ের মধ্যে অ্যান্টিবুলিং কর্মসূচি চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের মধ্যে অ্যান্টিবুলিং কর্মসূচি চালু করার আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে হেনস্তা ও বুলিং অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। এই সমস্যা দূর করতে হলে বিদ্যালয়ে অ্যান্টিবুলিং কর্মসূচি চালু করা জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে এক্ষেত্রে একটি কার্যকরী কর্মসূচি চালু করা হোক, যাতে সকল শিক্ষার্থী সম্মানের সাথে পড়াশোনা করতে পারে এবং হেনস্তার শিকার না হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ছাত্রদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ছাত্রদের যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত পরিবহন নেই, ফলে অনেকেই স্কুলে আসতে এবং যেতে সমস্যায় পড়েন। এই কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, ছাত্রদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা হোক। এতে তারা সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারবে এবং বিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার সমস্যা সমাধান হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা নেই, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে তারা সুস্থ থাকতে পারবে এবং পাঠদান কার্যক্রমে তাদের মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের আরো প্রাকৃতিক ও বাস্তব জ্ঞান অর্জনের জন্য বিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত। যেমন, বিভিন্ন মিউজিয়াম, ইতিহাসের স্থান, বা বিভিন্ন শিক্ষামূলক সফর। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিক্ষার্থীদের জন্য এসব শিক্ষামূলক সফরের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে তাদের শিক্ষা আরও প্রাণবন্ত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক পোর্টফোলিও তৈরি করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক পোর্টফোলিও তৈরি করার আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি পোর্টফোলিও তৈরি করা প্রয়োজন। এতে তাদের শিক্ষাগত অগ্রগতি এবং সফলতা দেখানো সম্ভব হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক পোর্টফোলিও তৈরি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নতুন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের আয়োজনের আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা আরও মজাদার এবং কার্যকরী করার জন্য নতুন ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম প্রয়োজন। যেমন, বিজ্ঞান মেলা, ভাষা প্রতিযোগিতা, বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, এই ধরনের নতুন শিক্ষামূলক কার্যক্রম আয়োজন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা আরও আগ্রহী হয়ে পড়াশোনা করে এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ছাত্রদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস বা পুনর্বিশ্লেষণ সেশন চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস বা পুনর্বিশ্লেষণ সেশন চালু করার আবেদন। জনাব, অনেক শিক্ষার্থী তাদের পাঠ্যক্রমে কিছু বিষয় বুঝতে পারছে না এবং তাদের আরও সহায়তার প্রয়োজন। অতিরিক্ত ক্লাস বা পুনর্বিশ্লেষণ সেশন চালু করলে তারা তাদের সমস্যাগুলি সমাধান করতে পারবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অতিরিক্ত ক্লাস বা পুনর্বিশ্লেষণ সেশন চালু করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পাঠ্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পাঠ্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন। জনাব, আজকাল শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষার মান অনেক বেড়েছে এবং শিক্ষার্থীরা এটি গ্রহণে আগ্রহী। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিদ্যালয়ে যা খাবার দেওয়া হচ্ছে তা অনেকসময় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকুক এবং ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পুলিশ স্টেশনে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা কক্ষের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান পুলিশ কমিশনার [পুলিশ স্টেশন নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুলিশ স্টেশনে নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা কক্ষের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ স্টেশনে আলাদা কক্ষ থাকা প্রয়োজন। বর্তমানে, নারী ও শিশুদেরকে অপরাধী কিংবা সন্দেহভাজনদের সঙ্গে একই স্থানে রাখা হয়, যা তাদের মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে ফেলতে পারে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, নারী ও শিশুদের জন্য একটি আলাদা কক্ষ স্থাপন করা হোক, যাতে তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" এলাকার যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকার যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করার আবেদন। জনাব, এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে, বিশেষ করে দুর্ঘটনা ও ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ঘটনা। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করলে অপরাধ দমন এবং ট্রাফিক আইন মানা সহজ হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " মাদক সেবন বন্ধে এলাকায় প্রচারণার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: মাদক সেবন বন্ধে এলাকায় প্রচারণার আবেদন। জনাব, এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা যুব সমাজকে বিপথগামী করছে এবং আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করছে। মাদক সেবন বন্ধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, মাদক সেবন প্রতিরোধে এলাকার মধ্যে প্রচারণা চালানো হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এলাকা ভিত্তিক রোড সেফটি ক্যাম্পের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এলাকা ভিত্তিক রোড সেফটি ক্যাম্পের আবেদন। জনাব, এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার জন্য রোড সেফটি ক্যাম্প প্রয়োজন, যেখানে গাড়ির চালকরা ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন হবে এবং গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, এলাকা ভিত্তিক রোড সেফটি ক্যাম্পের আয়োজন করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" এলাকাভিত্তিক সচেতনতা কর্মসূচি চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকাভিত্তিক সচেতনতা কর্মসূচি চালু করার আবেদন। জনাব, এলাকায় অপরাধ, বুলিং, মাদক সেবন, এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এই কারণে, এলাকার জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কর্মসূচি প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, এলাকার জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সচেতনতা কর্মসূচি চালু করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সমাজে বুলিং রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সমাজে বুলিং রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আবেদন। জনাব, বুলিং বা হেনস্তা সমাজে একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে স্কুল ও কলেজগুলোতে এটি অনেক বেড়ে গেছে, যা শিক্ষার্থীদের মানসিক শান্তি এবং পড়াশোনার উন্নতি ব্যাহত করছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, সমাজে বুলিং রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নকল পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নকল পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, এলাকায় নকল পণ্যের বাজার প্রসারিত হচ্ছে, যা ভোক্তাদের ক্ষতি করছে এবং দেশের অর্থনীতি বিঘ্নিত হচ্ছে। নকল পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি রোধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, নকল পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" মানবপাচারের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আবেদন,"বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: মানবপাচারের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আবেদন। জনাব, এলাকায় মানবপাচারের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি বড় উদাহরণ। মানবপাচার রোধে পুলিশ বাহিনীকে আরও সজাগ ও কার্যকর হতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, মানবপাচারের বিরুদ্ধে পুলিশ আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব কার্যকলাপ সমাজে ভয় ও অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। এই কারণে, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে পুলিশকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শহরের পার্কে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর শহর প্রশাসক [শহরের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শহরের পার্কে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, শহরের পার্কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সমস্যা হচ্ছে। পার্কে অনেক সময় যুবকরা অশান্তি সৃষ্টি করছে, যা পরিবার বা শিশুদের জন্য অস্বস্তিকর। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শহরের পার্কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" পুলিশের সাথে সমন্বয় করে মাদক সেবন বন্ধে স্থানীয় উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান পুলিশ কমিশনার [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুলিশের সাথে সমন্বয় করে মাদক সেবন বন্ধে স্থানীয় উদ্যোগ নেওয়ার আবেদন। জনাব, মাদক সেবন সমাজে এক বিপজ্জনক সমস্যা সৃষ্টি করেছে। বিশেষত, আমাদের এলাকায় মাদক সেবনকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তা তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক পাচারের মাধ্যমে অপরাধমূলক কার্যকলাপও বাড়ছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করছে। এলাকার অধিকাংশ যুবক মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে এবং তাদের মধ্যে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও বেড়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন। কিন্তু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় মাদক সেবন বন্ধ করা সম্ভব নয়, তাই আমি আবেদন জানাচ্ছি, স্থানীয়ভাবে পুলিশ প্রশাসন এবং সমাজের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে মাদক সেবন বন্ধে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, মাদক সেবনকারীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন, মাদক বিরোধী প্রচারণা, এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে। এতে করে এই ভয়াবহ সমস্যা থেকে সমাজ মুক্তি পাবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করার আবেদন। জনাব, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশুদের নিরাপত্তা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি শিশুদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে, যা তাদের ভবিষ্যতের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, সহপাঠী সহিংসতা, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আচরণ, এবং স্কুলের বাহিরে অবাধ চলাচল ইত্যাদি বিষয়গুলো শিশুর নিরাপত্তাকে হুমকির মধ্যে ফেলে। এক্ষেত্রে, স্কুলে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা অতীব জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পর্যাপ্ত নজরদারি এবং শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হোক। তাছাড়া, স্কুলের বাইরে এবং বাসায়ও শিশুদের নিরাপত্তা বিধানে অভিভাবকদের সচেতন করা প্রয়োজন। এছাড়া, স্কুলে সহিংসতা, বুলিং, এবং মানসিক নির্যাতন রোধে বিশেষ কর্মশালা ও প্রচারণা আয়োজন করা উচিত। এই উদ্যোগগুলো শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক হবে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" কিশোর গ্যাং এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালুর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কিশোর গ্যাং এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষত, কিছু যুবকরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই পরিবার থেকে দূরে গিয়ে নানা অপরাধে যুক্ত হচ্ছে। মাদক সেবন, চুরির ঘটনা, অশান্তি সৃষ্টি এবং স্কুল বা কলেজের বাইরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যার সমাধান করতে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, পুলিশের সহযোগিতায় এলাকায় কিশোর গ্যাং ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করার জন্য ক্যাম্পেইন চালানো হোক। এই ক্যাম্পেইনে পরিবারের ভূমিকা, স্কুল ও সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা থাকতে হবে। এছাড়া, কিছু সমাজসেবা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করা হলে এই যুবকদের জন্য ভালো ফলাফল আসবে এবং তারা পরবর্তীতে সমাজে ভালোভাবে মিশে যেতে পারবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর ট্রাফিক পুলিশ প্রধান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকাতে সড়ক দুর্ঘটনা ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, সিগন্যাল অতিক্রম করা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের গাড়ি চালানোও এই দুর্ঘটনাগুলোর অন্যতম কারণ। এই অবস্থায়, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইনগত পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি। এলাকায় পুলিশের নজরদারি এবং সড়ক সেফটি আইন বাস্তবায়ন আরও কঠোর হতে হবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হোক এবং পথচারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এছাড়া, এলাকার রাস্তা ও সিগন্যালের অবস্থাও আরও উন্নত করা প্রয়োজন। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনগণের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য আরও কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা কর্মসূচি চালুর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠায় শিক্ষা কর্মসূচি চালুর আবেদন। জনাব, সমাজে ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তবে আজও অনেক ক্ষেত্রে মানুষ বৈষম্য এবং নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। বিদ্যালয় পর্যায়ে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক ন্যায়বিচারের ধারণা স্থাপন করা প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শিক্ষামূলক কর্মসূচি চালু করা হোক। এতে করে তারা সমাজে বৈষম্য, সহিংসতা, এবং অন্যান্য অঙ্গীকারবদ্ধ কর্মসূচির বিরুদ্ধে সচেতন হয়ে উঠবে। এছাড়া, বিদ্যালয়ে নিয়মিত বিতর্ক ও আলোচনা সেশনের আয়োজন করা উচিত, যেখানে শিক্ষার্থীরা সামাজিক সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারে এবং ন্যায়বিচারের গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিশু শ্রম বন্ধে স্থানীয় কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় প্রশাসক [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিশু শ্রম বন্ধে স্থানীয় কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন। জনাব, এলাকায় অনেক শিশু শ্রমে নিযুক্ত রয়েছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করছে। শিশুদের কাজ করার পরিবর্তে তাদের শিক্ষা লাভের সুযোগ থাকা উচিত। বর্তমানে, আমাদের এলাকার শিশুদের অনেকেই বিদ্যালয়ে না গিয়ে বিভিন্ন দোকানপাট বা ব্যবসায় কাজ করছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিশু শ্রম বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করুক এবং এই বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হোক। এটি শিশুদের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" অপরাধ প্রবণতা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অপরাধ প্রবণতা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে চুরির ঘটনা, ব্যাঙ ধরার কাজ, এবং সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে। এই অবস্থায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অপরাধ প্রবণতা রোধে এলাকায় একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। এতে, অপরাধের কুফল, আইন ভাঙার শাস্তি, এবং সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উপর গুরুত্ব দেয়া হোক। স্থানীয় স্কুল, কলেজ, এবং কমিউনিটি সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনটি আরও ফলপ্রসূ হতে পারে। এছাড়া, পুলিশের প্রচেষ্টা আরও শক্তিশালী করা উচিত, যাতে অপরাধীরা সহজে পার পেয়ে না যায়। নিরাপত্তার বিষয়েও কঠোর মনোভাব গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্কুলের আশেপাশে মাদক সেবন বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকা [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্কুলের আশেপাশে মাদক সেবন বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ের আশেপাশে কিছু যুবক এবং শিক্ষার্থীরা মাদক সেবন করছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। এই সমস্যা বিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশকে প্রভাবিত করছে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলছে। এজন্য, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং স্কুলের আশেপাশে পুলিশ নজরদারি বাড়ানো হোক। তাছাড়া, মাদকবিরোধী কর্মসূচি চালিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা উচিত। বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা এবং কর্মশালা আয়োজন করলে মাদক সেবন রোধে সাহায্য পাওয়া যাবে। এছাড়া, এলাকার অভিভাবকদেরও সচেতন করা প্রয়োজন, যাতে তারা তাদের সন্তানদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বাল্যবিবাহ রোধে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় প্রশাসক [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাল্যবিবাহ রোধে স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার আবেদন। জনাব, বাল্যবিবাহ আজও আমাদের দেশে একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে, গ্রামীণ এলাকায় এখনো বহু শিশু কন্যা এবং ছেলে বাল্যবিবাহের শিকার হচ্ছে। এটি শুধু শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং তাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, এই সমস্যা রোধে স্থানীয় প্রশাসন একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করুক। এলাকার বিদ্যালয়, মসজিদ, এবং কমিউনিটি সেন্টারের মাধ্যমে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা হোক। তাছাড়া, সরকারি আইন এবং বিধি-নিষেধ সম্পর্কেও তথ্য প্রদান করা উচিত। এছাড়া, বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত যাতে এই সমস্যা রোধ করা যায়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পুলিশ কমিশনার [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, নারী নির্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলেছে। বিশেষ করে শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে রাস্তা, পার্ক, শপিংমল ইত্যাদিতে নারীরা অনেক সময় অসুস্থ মানসিকতার ব্যক্তিদের শিকার হয়ে থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য, আমাদের সমাজে নারীদের নিরাপত্তা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। বিশেষ করে শহরের সড়কগুলিতে, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে, এবং শপিংমল ও পার্কগুলিতে পুলিশি উপস্থিতি বৃদ্ধি করা উচিত। এছাড়া, পুলিশের সাহায্য কেন্দ্র এবং হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হোক, যাতে নারীরা সহজেই সাহায্য পেতে পারেন। এছাড়া, সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং নারীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণও আয়োজন করা যেতে পারে, যা তাদের আরও নিরাপদে রাখতে সাহায্য করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিশুদের জন্য সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় প্রশাসক [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিশুদের জন্য সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে, প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে। অনলাইনে যোগাযোগ, গেমিং, এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার শিশুদের জন্য অনেক সময় বিপজ্জনক হতে পারে। অনেক শিশু অনলাইনে প্রতারণার শিকার হচ্ছে, তাদের তথ্য চুরি হচ্ছে বা তারা অশ্লীল ও সহিংস কনটেন্টে আসক্ত হচ্ছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিশুদের সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য একটি বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন করা হোক। এটি তাদের নিরাপদ অনলাইন আচরণ, পরিচিতির সুরক্ষা, এবং সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিতে সহায়ক হবে। এছাড়া, অভিভাবকদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা সেশন আয়োজন করা উচিত, যাতে তারা তাদের সন্তানদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় প্রশাসক [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের শহরের বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি শুধু শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, বরং ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত ব্যক্তিরা সাধারণত নিজেদের সঠিক উন্নয়ন করতে পারে না। তাদের জন্য একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র তৈরি করা এবং সামাজিকভাবে তাদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করতে হলে, আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ডিজিটাল লিটারেসি বৃদ্ধি করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ডিজিটাল লিটারেসি বৃদ্ধি করার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে ডিজিটাল প্রযুক্তি জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তবে অনেকেই সঠিকভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে জানেন না। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে, মানুষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং টুলস সম্পর্কে কম জানে, যা তাদের সৃজনশীলতা এবং কর্মক্ষমতার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, ডিজিটাল লিটারেসি নিয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হোক। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে, সাধারণ মানুষ যেমন কম্পিউটার ব্যবহার, ইন্টারনেট নিরাপত্তা, এবং ডিজিটাল অর্থনীতি সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। এছাড়া, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থীদেরও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, যা তাদের কাজের পরিবেশে উন্নতি করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষাব্যবস্থায় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম চালুর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর শিক্ষা সচিব [শিক্ষা মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষাব্যবস্থায় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম চালুর আবেদন। জনাব, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, এবং স্কুল পর্যায়ে আধুনিক শিক্ষার জন্য ই-লার্নিং একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হয়ে উঠেছে। তবে, এখনও আমাদের দেশে এমন একটি প্ল্যাটফর্মের অভাব রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার ডিজিটাল উপকরণ এবং রিসোর্স সহজলভ্য করে দেবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম চালু করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা ভিডিও টিউটোরিয়াল, ই-বুকস, কুইজ এবং অনলাইন ডিবেটের মাধ্যমে শেখার সুযোগ পাবে। এই প্ল্যাটফর্মটি শিক্ষকদের জন্যও একটি মূল্যবান টুল হতে পারে, যা তাদের শ্রেণীকক্ষে আরও সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠদান করতে সহায়ক হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর গ্রামীন ফোন সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে, শহরের তুলনায় গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগ অনেক দুর্বল এবং অপ্রতুল। এর ফলে, গ্রামীণ জনগণ ডিজিটাল প্রযুক্তি, অনলাইন শিক্ষা, এবং ই-গভর্নেন্স পরিষেবাগুলোর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগের সুবিধা বৃদ্ধি করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। সেলুলার এবং ব্রডব্যান্ড সংযোগের মান উন্নত করা হলে, গ্রামাঞ্চলে প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়া সম্ভব হবে এবং এতে গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর টেকনোলজি ইনকিউবেটর প্রধান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করার আবেদন। জনাব, বর্তমানে বাংলাদেশে নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছে অনেক স্টার্টআপ। তবে, এই স্টার্টআপগুলো প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রোগ্রামিং কৌশল, এবং আইটি রিসোর্সের অভাবে অনেক সময় তাদের পণ্য বা সেবা উন্নত করতে পারছে না। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হোক। এতে তাদের প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা আরও কার্যকরীভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। এছাড়া, ইনকিউবেটর সুবিধাগুলোর মাধ্যমে তাদের পণ্যকে বাজারে প্রবেশ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করা হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর" ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালুর জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর বাংলাদেশ ব্যাংক [ঠিকানা] বিষয়: ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালুর জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যবসা এবং লেনদেনের পদ্ধতি দ্রুত এবং নিরাপদ হয়ে উঠেছে। দেশের ব্যবসায়িক ব্যবস্থায় নিরাপদ, দ্রুত, এবং সহজ পেমেন্ট পদ্ধতির অভাব রয়েছে, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে কিছুটা বিলম্বিত করছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালুর জন্য দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে ব্যবসায়ীরা সহজে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে তাদের লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন। এই সিস্টেমটি গ্রামীণ এবং শহরাঞ্চল উভয়ের জন্য কার্যকরী হবে। এছাড়া, ছোট ব্যবসায়ী এবং গ্রাম্য উদ্যোক্তাদের জন্য এ-কমার্স এবং ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " আইওটি (IoT) ভিত্তিক শহর উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাব,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: আইওটি (IoT) ভিত্তিক শহর উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাব। জনাব, বর্তমানে প্রযুক্তির বিশ্বে ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শহরগুলোকে আরও উন্নত এবং স্মার্ট হিসেবে গড়ে তোলার জন্য IoT প্রযুক্তি ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, একটি ""স্মার্ট সিটি"" পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক, যেখানে IoT প্রযুক্তি ব্যবহার করে শহরের পরিবহন ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করা হবে। এতে শহরের নাগরিকদের জীবনযাত্রা সহজ ও নিরাপদ হবে। এই প্রকল্পটি প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হবে, যা দেশে স্মার্ট শহর গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর কৃষি মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আবেদন। জনাব, বর্তমানে কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। কিন্তু অনেক কৃষক আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত নন, যার ফলে তারা পুরনো পদ্ধতিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের জন্য আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি যেমন অটোমেটেড সেচ ব্যবস্থা, ড্রোন ব্যবহার, এবং সুরক্ষা প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষকদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হোক, যাতে তারা নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। এতে তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস তৈরি করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস তৈরি করার আবেদন। জনাব, বর্তমানে, অনলাইন ব্যবসা বা ই-কমার্স বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়িক মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু, অনেক স্থানীয় উদ্যোক্তা বা ছোট ব্যবসায়ী ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন নন, এবং তাদের পণ্য দেশের বাইরে বিক্রি করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বিশেষ অনলাইন মার্কেটপ্লেস তৈরি করা হোক, যেখানে তারা সহজেই তাদের পণ্য অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন। এতে উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) গবেষণাগারের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর গবেষণা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) গবেষণাগারের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন। জনাব, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) পৃথিবীজুড়ে প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাচ্ছে। আমাদের দেশের প্রতিভাবান গবেষকরা AI নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হলেও, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং গবেষণার সুযোগের অভাব রয়েছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, একটি আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গবেষণাগার তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন করা হোক, যেখানে দেশীয় গবেষকরা প্রযুক্তিগত উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে সক্ষম হবে। এতে আমাদের দেশে প্রযুক্তির উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে এবং আমরা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ভার্চুয়াল ক্লাসরুম সিস্টেম চালুর জন্য সাহায্য প্রদানকারী আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর শিক্ষা মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: ভার্চুয়াল ক্লাসরুম সিস্টেম চালুর জন্য সাহায্য প্রদানকারী আবেদন। জনাব, বিশ্বব্যাপী শিক্ষার পরিসর সম্প্রসারিত করতে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম সিস্টেম একটি কার্যকরী উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষত, আমাদের দেশে গ্রামীণ এলাকায় অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে যেতে পারছে না, অথবা শিক্ষকের অভাব রয়েছে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটি ভার্চুয়াল ক্লাসরুম সিস্টেম চালু করতে সাহায্য করা হোক। এটি শিক্ষার্থীদের যেকোনো জায়গা থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিবে এবং তাদের শিক্ষা সেবার মান উন্নত করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " কৃষকদের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর কৃষি মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: কৃষকদের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষি খাতে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকরা তাদের জমির সঠিক পরামর্শ, সেচ, ফসল চাষ, এবং বাজারমূল্য সংক্রান্ত তথ্য সহজেই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন থেকে পেতে পারেন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের দেশের কৃষকদের জন্য একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হোক, যাতে তারা তাঁদের কৃষিকাজ আরও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারে এবং এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সুবিধা লাভ করতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে সরকারি সেবা উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাব,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধানমন্ত্রী [ঠিকানা] বিষয়: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে সরকারি সেবা উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রস্তাব। জনাব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি সরকারি সেবার ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাতে পারে। এটি বিভিন্ন সরকারি সেবা যেমন, নাগরিক সেবা, বিচার ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সেবা এবং শিক্ষা খাতে দ্রুত এবং দক্ষ সেবা প্রদান করতে সহায়ক হতে পারে। আমি প্রস্তাব করছি যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবার মান এবং পদ্ধতি উন্নত করা হোক। এতে জনগণ দ্রুত এবং সঠিক সেবা পাবে, এবং সরকারি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ এবং দক্ষ হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি জরিপ পরিচালনা করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর কৃষি অধিদপ্তর [ঠিকানা] বিষয়: তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি জরিপ পরিচালনা করার জন্য আবেদন। জনাব, কৃষির উন্নতি নিশ্চিত করতে কৃষি জরিপ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। তবে, বর্তমানে যে প্রচলিত পদ্ধতিতে কৃষি জরিপ পরিচালনা করা হয়, তা সময়সাপেক্ষ এবং অনেক ক্ষেত্রে ভুল তথ্যের সুযোগ থাকে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, কৃষি জরিপের কাজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালনা করা হোক। এতে কৃষকের তথ্য, জমির ধরন, ফসলের ধরন এবং অন্যান্য জরুরি তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করা সম্ভব হবে, যা কৃষি নীতির উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ভর্তির জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] " ফি মওকুফের আবেদনপত্র,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ফি মওকুফের আবেদন। জনাব, আমি আপনার বিদ্যালয়ের একজন ছাত্র/ছাত্রী। আমার বাবা একজন দিনমজুর এবং আমাদের পরিবার আর্থিকভাবে খুব কষ্টে দিন যাপন করছে। এই কারণে আমার শিক্ষাবর্ষের ফি প্রদান করা আমার পক্ষে অসম্ভব। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, দয়া করে আমার ফি মওকুফ করে আমাকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিন। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল নম্বর] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" বৃত্তির আবেদনপত্র,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর অধ্যক্ষ [কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বৃত্তির জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন মেধাবী ছাত্র/ছাত্রী। আমি [বিষয়] বিষয়ে [সেমিস্টার/বছর] এ পড়ছি এবং সব পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করেছি। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়, তাই আমি বৃত্তির জন্য আবেদন জানাচ্ছি। আমার সমস্ত নম্বরপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করলাম। অনুগ্রহ করে আমাকে বৃত্তির জন্য বিবেচনা করলে আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বিভাগ] [মোবাইল নম্বর] [তারিখ]" ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রান্সফার সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী। আমার পিতার কর্মস্থল পরিবর্তনের কারণে আমাদের পরিবারকে অন্য জেলায় স্থানান্তরিত হতে হচ্ছে। এই কারণে আমি অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে বাধ্য হচ্ছি। অনুগ্রহ করে আমাকে একটি ট্রান্সফার সার্টিফিকেট প্রদান করার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর] [শ্রেণি] [তারিখ]" ট্রান্সফার সনদের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অন্য বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য ট্রান্সফার সনদের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী, আমি বিদ্যালয়টি থেকে [অন্য বিদ্যালয়ের নাম] এ স্থানান্তরের জন্য আবেদন করছি। আমার পরিবার [অথবা স্থানান্তরের কারণ] কারণে আমাদের স্থান পরিবর্তন করতে হচ্ছে এবং এজন্য আমাকে নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। আমি আন্তরিকভাবে আবেদন করছি যে, আমাকে একটি ট্রান্সফার সনদ প্রদান করা হোক যাতে আমি নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারি এবং আমার পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছুটির জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্র/শিক্ষকের জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শিক্ষকের নাম বা শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/শিক্ষক, আমি [আপনার ছুটির কারণ যেমন: অসুস্থতা, পারিবারিক জরুরি বিষয় ইত্যাদি] এর কারণে [ছুটির সময়কাল] পর্যন্ত ছুটি নিতে চাই। আমি আশা করি আপনি আমার ছুটি মঞ্জুর করবেন এবং আমি আমার পড়াশোনা বা শিক্ষকতার দায়িত্বে ফিরে আসতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " বিভাগ বা স্ট্রিম পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শ্রেণী বা স্ট্রিম পরিবর্তনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [বর্তমান শ্রেণী বা স্ট্রিমের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি [অন্য শ্রেণী বা স্ট্রিমের নাম] এ স্থানান্তরের জন্য আবেদন করছি। আমি প্রথমে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছিলাম, কিন্তু এখন আমি অনুভব করছি যে, আমার আগ্রহ এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনা আর্টস বা কমার্স বিভাগের দিকে। অতএব, আমি আপনার কাছে আবেদন করছি যাতে আমাকে [বিষয় বা স্ট্রিম পরিবর্তনের কারণ] এর ভিত্তিতে বিভাগ পরিবর্তন করার অনুমতি দেয়া হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষাগত সফরের জন্য অনুমতির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষাগত সফরের জন্য অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি আপনার কাছে শিক্ষাগত সফরের অনুমতি চাইছি। আমাদের বিদ্যালয়/কলেজ একটি [সফরের গন্তব্য, যেমন: বিজ্ঞান কেন্দ্র, ঐতিহাসিক স্থান, অথবা কারখানা] পরিদর্শন করার পরিকল্পনা করেছে। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করা এবং তাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করা। সফরটি [তারিখ] অনুষ্ঠিত হবে এবং এর সাথে সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " অতিরিক্ত পরীক্ষার সময়ের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি আপনার কাছে আবেদন করছি যে, আমাকে আমার পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত সময় দেয়া হোক। আমি [বিশেষ কারণ যেমন: শিক্ষাগত প্রতিবন্ধকতা, শারীরিক সমস্যা, ইত্যাদি] কারণে যথাযথভাবে পরীক্ষার সময় সবকিছু সম্পন্ন করতে পারি না। আপনার সহযোগিতার জন্য আমি কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি বিশেষ পরীক্ষা ব্যবস্থার জন্য আবেদন করছি। আমি [শারীরিক সমস্যা, মানসিক সমস্যা, ইত্যাদি] কারণে স্বাভাবিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছি না। অতএব, আমি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি, যেমন: পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত সময় বা অন্য কোন ব্যবস্থা। আপনার অনুমতির জন্য আমি অগ্রিম ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" উত্তীর্ণ পরীক্ষার পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণী বা কোর্সের নাম] এর ছাত্র/ছাত্রী, আমি আমার [বিশেষ পরীক্ষা বা বিষয়] এর ফলাফল পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য আবেদন করছি। আমি মনে করি যে, আমার পরীক্ষায় কিছু ভুল অথবা অস্পষ্টতা থাকতে পারে যা সঠিকভাবে মূল্যায়ন হয়নি। আমি আশা করি, আপনি আমার পরীক্ষা পুনরায় মূল্যায়ন করবেন এবং ফলাফল সংশোধন করবেন যদি কোনো ত্রুটি থাকে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছুটির আবেদন (ছাত্র/শিক্ষকের জন্য),"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি/বিষয়]-এর একজন নিয়মিত ছাত্র/শিক্ষক। আমি [তারিখ থেকে তারিখ পর্যন্ত] ব্যক্তিগত/পারিবারিক/স্বাস্থ্যগত কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারব না। আমার এই অনুপস্থিতির জন্য আমাকে স্বাভাবিক ছুটি প্রদান করলে কৃতজ্ঞ থাকব। প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সনদপত্রও প্রদান করা যাবে। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি বা পদবি] [রোল নম্বর/আইডি] [মোবাইল নম্বর]" বিভাগ/স্ট্রিম পরিবর্তনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর অধ্যক্ষ [কলেজের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিভাগ/স্ট্রিম পরিবর্তনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার কলেজের [বর্তমান বিভাগ]-এর একজন ছাত্র/ছাত্রী। আমি আমার আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার লক্ষ্য অনুযায়ী [নতুন বিভাগ]-এ পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক। আমার বর্তমান বিভাগে পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অসুবিধা হচ্ছে এবং আমি অনুভব করছি যে, আমার নতুন বিভাগে অধিক আগ্রহ ও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অনুগ্রহ করে আমার বিভাগ পরিবর্তনের আবেদনটি গ্রহণ করে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বর্তমান বিভাগ] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষা সফরের অনুমতির আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর অধ্যক্ষ [বিদ্যালয়/কলেজের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষা সফরের অনুমতি প্রার্থনা। জনাব, আমরা [শ্রেণি/বিভাগ]-এর ছাত্রছাত্রীরা আগামী [তারিখ]-এ [স্থান]-এ একটি শিক্ষা সফরে যেতে আগ্রহী। এই সফরের উদ্দেশ্য হলো বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন ও পাঠ্যবিষয়ক ধারণা সমৃদ্ধ করা। আমাদের সফরে মোট [সংখ্যা] জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করবে এবং আমাদের সাথে শিক্ষক/শিক্ষিকাও থাকবেন। আমরা সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলব। অনুগ্রহ করে আমাদের শিক্ষা সফরের অনুমতি দিলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি/বিভাগ প্রতিনিধি] [মোবাইল নম্বর]" অতিরিক্ত পরীক্ষার সময় চাওয়ার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক [বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় চাওয়ার আবেদন। জনাব, আমি [বিভাগ]-এর একজন ছাত্র। আমি [অসুবিধার নাম যেমন Dyslexia/হাত ভাঙা ইত্যাদি] সমস্যায় ভুগছি, যার কারণে স্বাভাবিক সময়ের মধ্যে প্রশ্নপত্র সমাপ্ত করতে পারি না। আমার চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় প্রযোজ্য হতে পারে বলে জানা গেছে। প্রয়োজনীয় মেডিকেল রিপোর্ট সংযুক্ত করলাম। অতএব, পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বিভাগ] [মোবাইল নম্বর]" পরীক্ষায় বিশেষ সুবিধার আবেদন (দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা/স্ক্রাইব),"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক [বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থার আবেদন। জনাব, আমি [বিভাগ]-এর একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী/অন্য প্রতিবন্ধকতা আক্রান্ত ছাত্র/ছাত্রী। আমার পরীক্ষায় উত্তর লেখার জন্য একজন স্ক্রাইব প্রয়োজন। আমি নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করি এবং আমার প্রতিবন্ধকতা সংক্রান্ত মেডিকেল ডকুমেন্টস সংযুক্ত করলাম। অতএব, অনুগ্রহ করে আমাকে বিশেষ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বিভাগ] [মোবাইল নম্বর]" উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক [বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [বিষয়] বিষয়ে [পরীক্ষার নাম] পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। কিন্তু প্রকাশিত ফলাফলে প্রাপ্ত নম্বর আমার প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়ায় আমি সন্দিহান। আমি প্রশ্নের উত্তর যথাযথভাবে প্রদান করেছিলাম। তাই বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমার উত্তরপত্রটি পুনরায় মূল্যায়ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করলাম। বিনীত, [নাম] [রোল নম্বর/আইডি] [বিভাগ] [মোবাইল নম্বর]" বাৎসরিক মেলা আয়োজনের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাৎসরিক মেলা আয়োজনের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক। আমাদের এলাকায় প্রতি বছর একটি সাংস্কৃতিক মেলার আয়োজন করা হয় যা এলাকার মানুষকে আনন্দ দেয় এবং স্থানীয় শিল্পীদের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করে। এই বছরেও আমরা মেলাটি আয়োজন করতে আগ্রহী, তবে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতির প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, মেলাটি আয়োজনের প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, অনুগ্রহ করে আমাদের আবেদনটি বিবেচনা করে অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের এলাকা দিন দিন গরম এবং দূষণের শিকার হচ্ছে। এ অবস্থায় আমি এলাকার রাস্তার ধারে এবং খালি জায়গাগুলোতে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিতে চাই। তবে এই কর্মসূচি শুরু করার আগে আপনার দপ্তরের অনুমতি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, বৃক্ষরোপণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং সহযোগিতা প্রদানে সদয় দৃষ্টি দিবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" রাস্তার পাশে ক্ষুদ্র ফুড স্টল বসানোর অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার পাশে ক্ষুদ্র ফুড স্টল বসানোর অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে নিজে রান্না করে খাবার বিক্রি করার জন্য একটি ছোট ফুড স্টল চালু করতে চাই। আমি [স্থান/রাস্তার নাম] এলাকায় স্টলটি বসাতে চাই, যেখানে অনেক মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। তবে আমি পরিবেশ ও রাস্তার শৃঙ্খলা বজায় রেখে ব্যবসা চালাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমাকে স্টল স্থাপনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" প্রতি শুক্রবার ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্রতি শুক্রবার ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ওষুধ ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক। আমি চাই প্রতি শুক্রবার এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষদের জন্য একটি ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করতে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য আপনার প্রশাসনিক অনুমতি এবং স্থান ব্যবহারের অনুমতি প্রয়োজন। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই জনসেবামূলক কার্যক্রমের অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" আমাদের এলাকায় সোলার স্ট্রিট লাইট বসানোর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আমাদের এলাকায় সোলার স্ট্রিট লাইট বসানোর জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সচেতন নাগরিক। আমাদের এলাকার বেশ কয়েকটি রাস্তায় বিদ্যুৎ সমস্যা থাকার কারণে রাতে অন্ধকারে ডুবে থাকে। এ কারণে চুরি ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সমস্যার টেকসই সমাধান হিসেবে সোলার স্ট্রিট লাইট বসানো যেতে পারে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকায় সোলার লাইট বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" এলাকার পার্কে একটি পাঠাগার কোণ নির্মাণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকার পার্কে একটি পাঠাগার কোণ নির্মাণের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন শিক্ষানুরাগী নাগরিক। আমি চাই আমাদের পার্কে একটি ছোট পাঠাগার কোণ বা 'Reading Corner' তৈরি করা হোক, যেখানে ছেলেমেয়েরা বই পড়তে পারে। এটি যুব সমাজকে জ্ঞানভিত্তিক হতে উৎসাহিত করবে এবং একটি সুন্দর পাঠাভ্যাস গড়ে তুলবে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহায়তা ও অনুমতি প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ছাড়া চাষাবাদ করা খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে, ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, ধান কাটার মেশিন এবং বীজ রোপণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে সরকারি কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হোক, যাতে আমরা চাষাবাদে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" খামার উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: খামার উন্নয়নের জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র কৃষক। আমি গবাদিপশু পালন করি এবং একটি ছোট খামার পরিচালনা করি। কিন্তু বর্তমানে খাদ্য সংকট, ওষুধের উচ্চমূল্য এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে খামার পরিচালনা করতে কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার খামার উন্নয়নের জন্য সরকারি সহায়তা প্রদান করা হোক, যাতে আমি আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকাজ ও পশুপালন চালিয়ে যেতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে উন্নত কৃষি গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের কৃষিক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। আমি কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী, যাতে আধুনিক চাষাবাদ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাকে ও আমার এলাকার কৃষকদের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সুযোগ প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের সহযোগিতা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" পুকুরে মৎস্য চাষের জন্য সরকারি সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুকুরে মৎস্য চাষের জন্য সরকারি সহায়তার আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমি আমার নিজস্ব পুকুরে মৎস্য চাষ করতে চাই, কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, সরকারি অনুদান বা সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে আমাকে মৎস্য চাষের জন্য সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" কৃষি বীমার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর ব্যাংক ম্যানেজার [ব্যাংকের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কৃষি বীমার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। আমাদের এলাকার কৃষকরা প্রায়ই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলহানির শিকার হন। এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য একটি কার্যকরী কৃষি বীমা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য একটি উপযুক্ত কৃষি বীমা সুবিধা চালু করা হোক, যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা যায়। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম] " সেচের পানির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সেচের পানির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন কৃষক। বর্তমানে আমাদের এলাকায় সেচের পানির অভাবে ফসলের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত সেচের পানির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আমরা স্বাভাবিকভাবে চাষাবাদ করতে পারি। অতএব, জনাবের কাছে আমার অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [এলাকার নাম]" স্কুলের প্রবেশদ্বারে নিরাপত্তা চৌকসতা বাড়ানোর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্কুলের প্রবেশদ্বারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত রয়েছে। সকাল–বিকেলের সময় অজ্ঞাত ব্যক্তির প্রবেশের সুযোগ থেকে যায়, ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে, একজন নিরাপত্তারক্ষী বরাদ্দ বা প্রবেশ–বিস্তার সংযোগে ডিজিটাল কার্ড স্ক্যানার ও লুনিSystem বসানো হলে স্কুল কমিউনিটির নিরাপত্তা বজায় থাকবে। অতএব, অনুগ্রহ করে প্রবেশদ্বারে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংযোজনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুন। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর] " ছাত্র সংসদ/ইউনিয়নের বৈশিষ্ট্যমূলক কার্যক্রম চালুর আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্র সংসদ কার্যক্রম চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের কার্যকলাপ খুবই সীমিত। ছাত্রসংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও অংশগ্রহণ বেশি বাড়ানো সম্ভব। একটি স্বতন্ত্র ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা করে নির্বাচন ও দায়িত্ব প্রদান করলে ছাত্রদের মধ্যে দলবদ্ধভাবে কাজের প্রেরণা সৃষ্টি হবে। অতএব, আপনাকে অনুরোধ করছি, একটি কার্যকর ছাত্র সংসদ/ইউনিয়ন গঠন করে নিয়মিত সভা ও কর্মসূচি আয়োজন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর]" শিক্ষার্থীদের নিরাপদ অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার প্রসারিত করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: নিরাপদ অনলাইন ব্যবহার বিষয়ে কর্মশালার আবেদন। জনাব, অনলাইনে শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যা হচ্ছে—যেমন সাইবারবুলিং, ফেক নিউজ, অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং। এটি তাদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং পড়াশোনায় প্রভাব ফেলছে। এই অবস্থার সমাধানে, একটি কর্মশালা উদ্যোগ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ অনলাইন ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করা উচিত। এতে তারা সোশ্যাল মিডিয়ার নিরাপদ ব্যবহার শিখবে ও ঝুঁকিহীনভাবে নিজের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবে। অতএব, কর্মশালা আয়োজনের ব্যবস্থা করে দয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর]" বন্ধুদেবদির জন্য স্কুলে ‘দয়াময় কর্নার’ স্থাপনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে “দয়াময় কর্নার” স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা স্কুলে নিয়মিত শিখি নৈতিকতা ও সহমর্মিতার ধারণা। তবে বাস্তব জীবনে প্রয়োগের সুযোগ কম। “দয়াময় কর্নার” নামে একটি স্থান গড়ে তুললে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনের সময় খাবার বা অন্যান্য সামগ্রী তাতে রেখে দিতে বা নিতে পারে। এটি স্কুলে উদারতা, সহানুভূতি ও সহায়ক মনোভাব গড়ে তুলবে। শিক্ষার্থীরা সামাজিকভাবে দায়বদ্ধতা অর্জন করতে পারবে। অতএব, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ে জল বটিকা (Water ATM) স্থাপনের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপদ পানির জন্য “Water ATM” স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে থাকা পানির মান সমস্যায় রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য টং চাপাই, বোতলে পানি আনতে হয় যা ঝামেলাজনক বা ট্যাঙ্কের পানি পরিষ্কার নয়। যদি বিদ্যালয়ে একটি সাশ্রয়ী মূল্যের “Water ATM” (ফিল্টারধারী জল যন্ত্র) স্থাপন করা হয়, তাহলে ছাত্রছাত্রীরা নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সহজে পাবে। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমে যাবে। অতএব, Water ATM উদ্যানের জন্য দয়ার আবেদন করছি। বিনীত, [নাম] [শ্রেণি, রোল] [মোবাইল নম্বর]" নতুন দোকান খোলার জন্য লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন দোকান খোলার জন্য ব্যবসায়িক লাইসেন্সের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], [ঠিকানা]-এর একজন সাধারণ বাসিন্দা। আমি স্থানীয় বাজারে একটি ছোট মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর দোকান খোলার পরিকল্পনা করেছি, যার মাধ্যমে আমার পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতে পারব। তবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত লাইসেন্স প্রয়োজন। এই ব্যবসার মাধ্যমে এলাকার মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তি পণ্য সহজে পাওয়া যাবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে। অতএব, আমাকে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দিয়ে একটি বৈধ লাইসেন্স প্রদান করার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" দোকানের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], [সড়কের নাম]-এ একটি মুদি দোকান পরিচালনা করছি। বর্ষা মৌসুমে আমার দোকানের সামনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় পানি জমে থাকে, ফলে ক্রেতারা দোকানে প্রবেশ করতে ভয় পান ও বেচাবিক্রি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই জলাবদ্ধতার কারণে এলাকায় দুর্গন্ধ এবং মশার উপদ্রবও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য এবং ব্যবসার জন্য হুমকি। অতএব, দোকানের সামনে ড্রেন সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" মেলার জন্য অস্থায়ী দোকান খোলার অনুমতির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: মেলার সময় অস্থায়ী দোকান স্থাপনের অনুমতির আবেদন। জনাব, আগামী মাসে অনুষ্ঠিতব্য [মেলার নাম] উপলক্ষে আমি একটি অস্থায়ী খেলনা ও হস্তশিল্প সামগ্রীর দোকান স্থাপন করতে চাই। প্রতিবছর এই সময় আমি স্বল্প পরিসরে ব্যবসা করে থাকি এবং এতে কিছু মৌসুমি কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়। আপনার অনুমতি ব্যতীত দোকান স্থাপন করা সম্ভব নয়। অতএব, দয়া করে আমাকে অস্থায়ী দোকান খোলার অনুমতি দিয়ে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর] [মোবাইল নম্বর] " ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য পৌরসভার বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ঠিকানা]-তে একটি বেকারির দোকান চালাই। সম্প্রতি আমি দোকানটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে সম্প্রসারণ করেছি। কিন্তু পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় ওভেনসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারছি না। অতএব, আমার ব্যবসায়িক স্থাপনায় একটি নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য আপনার দপ্তরের সহায়তা কামনা করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" স্থানীয় বাজারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের অনুরোধ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাজারের নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের অনুরোধ। জনাব, আমরা বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী একমত যে, সম্প্রতি চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই সমস্যা সমাধানে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে চুরি রোধ করা সম্ভব হবে। অতএব, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ব্যবসায়িক এলাকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসা এলাকায় ট্রাফিক জ্যাম নিরসনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [ঠিকানা]-তে অবস্থিত [ব্যবসার নাম] এর মালিক। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি বাজার ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। ফলে দোকানে আসা-যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে, বিশেষ করে ক্রেতাদের জন্য। এই সমস্যা সমাধানে কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়ি পার্কিং নিষিদ্ধ করে, ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন ও নির্দেশনা বোর্ড বসানো জরুরি। অতএব, জনস্বার্থে অনুগ্রহ করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সরকারি কর হ্রাস/ছাড়ের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য কর ছাড়ের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। [এলাকার নাম] বাজারে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে একটি চা-দোকান পরিচালনা করছি। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিদ্যুৎ–জ্বালানি খরচের কারণে আমার পক্ষে নির্ধারিত ব্যবসায়িক কর পরিশোধ করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাছাড়া, আমি একজন একমাত্র উপার্জনকারী এবং আমার পরিবার এই আয়ের উপর নির্ভরশীল। তাই, আমার দোকানের কর বা ফি কিছুটা হ্রাস বা কিছু সময়ের জন্য ছাড় দিলে আমি নতুনভাবে ব্যবসা স্থিতিশীল করতে পারবো। অতএব, বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে আমাকে আংশিক কর মওকুফ বা ছাড় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ফুড স্টল পরিচালনার অনুমতির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার পাশে অস্থায়ী ফুড স্টল পরিচালনার অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি একজন তরুণ উদ্যোক্তা। কিছুদিন আগে আমি রোডের পাশে “ফুচকা ও চটপটি” বিক্রির একটি ছোট স্টল চালু করেছি। ব্যবসাটি এখন অনেকেই পছন্দ করছেন এবং কিছু কর্মসংস্থানের সুযোগও হয়েছে। কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছি যে এই ব্যবসা পরিচালনায় পৌরসভার অনুমতি প্রয়োজন। আমি স্বাস্থ্যবিধি মেনে, পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে ব্যবসাটি চালিয়ে যেতে চাই। অতএব, আমাকে বৈধভাবে রাস্তার নির্দিষ্ট জায়গায় অস্থায়ী ফুড স্টল পরিচালনার অনুমতি প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর] [মোবাইল নম্বর]" দোকানের পাশে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের পাশে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমার দোকানের পাশ দিয়ে বহু পথচারী যাতায়াত করেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সেখানে কোন নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় মানুষ রাস্তায় যত্রতত্র আবর্জনা ফেলছে। এতে দোকান এবং এলাকার পরিবেশ দুর্গন্ধযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে। এই সমস্যা দূর করার জন্য একটি বড়সড় ময়লার বিন বসানো প্রয়োজন। এতে এলাকার পরিবেশ সুন্দর থাকবে এবং রোগব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। অতএব, ডাস্টবিন বসানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ব্যবসা এলাকার রাস্তার লাইট স্থাপন/মেরামতের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাজার এলাকায় রাস্তার লাইট স্থাপন/মেরামতের আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] বাজারের প্রধান রাস্তার লাইটগুলি গত কয়েক মাস যাবৎ নষ্ট অবস্থায় রয়েছে। সন্ধ্যার পর রাস্তাটি একেবারে অন্ধকারে ঢেকে যায়, ফলে পথচারী ও ক্রেতারা চলাচলে ভয় পান এবং চুরির আশঙ্কা দেখা দেয়। এই সমস্যার কারণে বিকেল গড়াতেই দোকান বন্ধ করতে হচ্ছে, যার ফলে ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে। অতএব, দ্রুত রাস্তায় লাইট স্থাপন বা মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনার দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ব্যবসায়িক লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসায়িক লাইসেন্স প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বাসিন্দা এবং একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি সম্প্রতি একটি মুদি দোকান চালু করেছি, যা এই এলাকায় বাসিন্দাদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সহজে পাওয়ার সুযোগ করে দেবে। তবে, ব্যবসাটি চালু রাখতে হলে মিউনিসিপ্যালিটির অনুমোদিত ব্যবসায়িক লাইসেন্স প্রয়োজন। আমি সকল নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমাকে ব্যবসার লাইসেন্স প্রদান করে এই উদ্যোগে সহযোগিতা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] " দোকানের সামনে হকার দখলমুক্ত করার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: হকার দ্বারা দখলকৃত স্থান পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন বৈধ দোকান মালিক। আমার দোকানের সামনে প্রতিদিন অস্থায়ী হকাররা পসরা বসিয়ে দেয়, যার ফলে ক্রেতারা দোকানে প্রবেশ করতে পারছে না এবং ব্যবসায়িকভাবে আমি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। এই সমস্যা নিরসনের জন্য বারবার মৌখিকভাবে অভিযোগ দিলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত অনুরোধ, হকারদের নিয়মিতভাবে উচ্ছেদ করার মাধ্যমে আমার দোকানের সামনে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" দোকান ঘিরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের আশেপাশে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। আমার দোকানের সামনে প্রায়ই আবর্জনা জমে থাকে এবং নির্দিষ্টভাবে ডাস্টবিন না থাকায় পথচারীরা রাস্তায় আবর্জনা ফেলছেন। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং দোকানের ক্রেতারা বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আমার দোকানসংলগ্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা ও একটি ডাস্টবিন বসানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" রাতের বেলা নিরাপত্তা জোরদারের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানপট্টিতে রাতের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমাদের এলাকায় সম্প্রতি চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে এবং দোকানপট্টিতে নিরাপত্তার অভাব স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। রাতের বেলায় পুলিশ টহলও অনিয়মিত। এই পরিস্থিতিতে আমরা ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, রাতের বেলা দোকানপট্টিতে নিয়মিত নিরাপত্তা বাহিনীর টহল নিশ্চিত করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" করের হার কমানোর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশনের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর আরোপিত করের হার হ্রাসের জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। করোনা পরবর্তী সময়ে ব্যবসা পুনরায় চালু করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়েছে। এর মাঝে করের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছি। এই অবস্থায় ব্যবসা পরিচালনা অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর আরোপিত করের হার সাময়িকভাবে হ্রাস করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] " ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকায় একটি ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ব্যবসার আইনি বৈধতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি অত্যন্ত জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট বিনীত আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার ব্যবসার জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার আবেদনটি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার নাম ও ঠিকানা]" দোকানের সামনে রাস্তার আলো স্থাপন চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের সামনে সড়ক বাতি স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [অবস্থানের নাম] এলাকায় একটি দোকান পরিচালনা করি। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর দোকানের আশপাশে অন্ধকার থাকে, যার কারণে ব্যবসা পরিচালনা ও ক্রেতাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার দোকানের সামনের সড়কে একটি বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার নাম ও ঠিকানা] " দোকানের জন্য সাইনবোর্ড অনুমতির আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: সাইনবোর্ড লাগানোর অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [ব্যবসার নাম] নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। দোকানের সামনে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করতে চাই, কিন্তু এর জন্য পৌরসভার অনুমতির প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আমার ব্যবসার সামনে সাইনবোর্ড লাগানোর অনুমতি প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রদান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" বাজার এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাজার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [বাজারের নাম] এলাকায় একটি দোকানের মালিক। সম্প্রতি এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। রাতে দোকান পাহারার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক ক্ষতি হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, বাজার এলাকায় পুলিশের টহল বা নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার নাম ও ঠিকানা]" ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ভর্তুকি বা ঋণ সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ভর্তুকি বা সহজ শর্তে ঋণ সহায়তার আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। মহামারী/অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ব্যবসার অবস্থা খুবই দুর্বল। মূলধন সংকট ও ক্রেতা কমে যাওয়ায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ করছি যে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সরকার ঘোষিত সহায়তা, অনুদান বা সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আমাদের সহযোগিতা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার নাম ও ঠিকানা] " ব্যবসার জন্য জায়গা বরাদ্দের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন ব্যবসার জন্য জায়গা বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ঠিকানা] এলাকার একজন ব্যবসায়ী। সম্প্রতি একটি নতুন ব্যবসা শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করছি, তবে জায়গার অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, আমাকে ব্যবসা পরিচালনার জন্য একটি উপযুক্ত জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [মোবাইল নম্বর]" করের ছাড়ের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায় করের ছাড়ের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বর্তমানে অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং বাজারের অবনতি কারণে ব্যবসার টাকাপয়সা মেটানো কঠিন হচ্ছে। অতএব, আমার ব্যবসার জন্য করের কিছু অংশ ছাড় দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" দোকান মেরামতের জন্য সাহায্যের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: দোকান মেরামতের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন। জনাব, আমার দোকানটি প্রাচীন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই দোকান মেরামত করতে আর্থিক সাহায্য প্রয়োজন। অতএব, আমাকে এই বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" বাজারে অবৈধ দোকানপাট বন্ধের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: বাজারে অবৈধ দোকানপাট বন্ধের আবেদন। জনাব, আমাদের বাজারে বেশ কিছু অবৈধ দোকান রয়েছে যা অন্যদের ব্যবসায় সমস্যা সৃষ্টি করছে। অতএব, অবৈধ দোকানপাট বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসায়ী]" নতুন ব্যবসার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন ব্যবসার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন। জনাব, আমি সম্প্রতি নতুন একটি ব্যবসা শুরু করেছি। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় কাজ করতে পারছি না। অতএব, দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] " দোকানের বর্ধিত কার্যক্রমের জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: দোকানের ব্যবসার বর্ধিত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [দোকানের নাম] পরিচালনা করি। বর্তমানে আমার ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা আছে, যেমন নতুন পণ্য বিক্রয় ও দোকান সম্প্রসারণ। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া তা সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায়, আমি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, আমার ব্যবসার জন্য বর্ধিত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি বিবেচনা করে অনুমোদন প্রদান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" স্থানীয় কর বা ফি মওকুফের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসায়িক কর/ফি মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [দোকানের নাম] মালিক। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িক কর এবং ফি পরিশোধে কষ্ট হচ্ছে। এর ফলে ব্যবসার অবস্থা সংকটাপন্ন। সেজন্য, আমি আপনার নিকট বিনীত আবেদন করছি, এই বছরের কর বা ফি মওকুফ করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, আমার আবেদনটি সদয় বিবেচনা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [দোকানের ঠিকানা]" পরিবেশ দূষণ রোধে সহযোগিতার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসা থেকে পরিবেশ দূষণ রোধে সহযোগিতা কামনা। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ব্যবসার নাম] মালিক। ব্যবসার কারণে এলাকায় কিছু মাত্রায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে, যা স্থানীয়দের জন্য সমস্যার কারণ। আমি পরিবেশ রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" ব্যবসার জন্য জল সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন,"৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [পৌরসভার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসার জন্য পর্যাপ্ত জল সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ব্যবসার নাম] পরিচালনা করি। আমাদের ব্যবসার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি সরবরাহ প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে পানির যোগান অপর্যাপ্ত। এতে ব্যবসার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আমি আপনার কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, ব্যবসার জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য কর্পোরেশন কর্তৃক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের আবেদন,"৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [ব্যবসার নাম] মালিক। ব্যবসার উন্নতির জন্য আধুনিক ব্যবসায়িক কৌশল শিখতে আমরা প্রশিক্ষণের জন্য আগ্রহী। এমতাবস্থায়, আমি আপনার কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের ব্যবস্থা করার জন্য। অতএব, জনাবের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ব্যবসার ঠিকানা]" অফিসের সরঞ্জাম সংযোজনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগ/মন্ত্রণালয়/অফিসের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসের সরঞ্জামাদি সংযোজনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের [অফিসের নাম] এ কর্মক্ষেত্রে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত কম্পিউটার, প্রিন্টার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংযোজনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। বর্তমান সরঞ্জামগুলি পুরাতন এবং পর্যাপ্ত নয়। অতএব, অফিসের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে উপযুক্ত সরঞ্জামাদি সংযোজনের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম] " অফিসে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বিষয়ে উচ্চ কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিদ্যুৎ বিভাগ/বিভাগীয় প্রধান] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে অবহিতকরণ। জনাব, সাম্প্রতিককালে আমাদের অফিসে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে, যার কারণে অফিসের কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনুগ্রহ করে এই সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আপনাকে অবহিত করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম] " কর্মচারী প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগীয় প্রধান/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: কর্মচারী প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের অফিসের কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও উন্নত ও দ্রুততর করা সম্ভব হবে। অতএব, অফিসের সকল কর্মচারীদের জন্য প্রশিক্ষণ সেশন আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিস ভবন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [মন্ত্রণালয়/বিভাগ] [ঠিকানা] বিষয়: অফিস ভবন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের অফিস ভবনটি অনেক বছর পুরনো হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও ক্ষতি হয়েছে। যার ফলে অফিস পরিচালনায় অসুবিধা হচ্ছে এবং কর্মীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। অতএব, ভবনটি দ্রুত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" কর্মচারীর ছুটির জন্য উচ্চতর কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রার্থনা,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগ/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: ছুটির জন্য অনুমতি প্রার্থনা। জনাব, আমি [আপনার নাম], [পদবী], ব্যক্তিগত অসুস্থতার কারণে [তারিখ থেকে তারিখ পর্যন্ত] ছুটির জন্য অনুমতি প্রার্থনা করছি। প্রয়োজনীয় মেডিকেল সার্টিফিকেট সংযুক্ত করা হলো। অনুগ্রহ করে আমার ছুটির আবেদন মঞ্জুর করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [সড়ক ও জনপথ বিভাগ/বিভাগীয় প্রধান] [ঠিকানা] বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদন। জনাব, গত [তারিখ] আমাদের এলাকার [সড়কের নাম] এ একটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে [সংখ্যা] জন আহত এবং [সংখ্যা] জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ মূলত রাস্তার অব্যবস্থাপনা ও সিগন্যালের অভাব। এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সংযুক্ত করে দাখিল করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [মন্ত্রণালয়/বিভাগ] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে অভিযোগ। জনাব, আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের অফিসে কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারী অনিয়ম এবং দুর্নীতির সাথে জড়িত আছেন, যা অফিসের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। উপরোক্ত বিষয় দ্রুত অনুসন্ধান ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিসের নতুন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগ/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন প্রকল্প অনুমোদনের আবেদন। জনাব, আমাদের অফিস একটি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছি, যার মাধ্যমে [লক্ষ্য] অর্জন সম্ভব হবে। প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা সংযুক্ত করা হলো। অনুগ্রহ করে প্রকল্পটি অনুমোদন করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [বিভাগ/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য আবেদন। জনাব, সাম্প্রতিক কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও নিরাপত্তা হুমকির কারণে অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষীদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা কাম্য। অতএব, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম]" অফিসের কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উচ্চতর কর্মকর্তা [মন্ত্রণালয়/বিভাগ] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অফিসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সাবান, স্যানিটাইজার, মাস্কসহ অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অতএব, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ ও নির্দেশনা প্রদানের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী ও অফিসের নাম] " জরুরি সড়ক মেরামতের জন্য আবেদন (সরকারি কর্মকর্তা থেকে উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপমন্ত্রী সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: [এলাকার নাম] এলাকার প্রধান সড়কের জরুরি মেরামতের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [আপনার পদবী] হিসেবে [অফিস/বিভাগ] এ কর্মরত। আমি জানাতে চাই যে, [এলাকার নাম] এলাকার প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে, যা জনসাধারণের চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করছে। অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পাওয়া গেলে দ্রুত মেরামত কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সহায়তা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" কর্মীদের ছুটির অনুমোদনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর পরিচালক [মন্ত্রণালয়/দপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: কর্মীদের ছুটির অনুমোদনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী] হিসেবে [অফিসের নাম] এ কর্মরত। অফিসের কর্মচারী [কর্মচারীর নাম/পদবী] তার পারিবারিক জরুরি কাজে ছুটির আবেদন করেছে। তাদের আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, এ ছুটি অনুমোদন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবহিত করার জন্য। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম] " বার্ষিক কর্মপরিকল্পনার প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর সচিব [মন্ত্রণালয়/দপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: [বিভাগের নাম] এর বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রতিবেদন প্রেরণের আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিভাগের নির্ধারিত বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত হয়েছে এবং অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা প্রয়োজন। তথ্যাবলী ও পরিকল্পনা সংযুক্ত করা হলো। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, যথাসময়ে পরিকল্পনাটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন প্রদান ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করার জন্য। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য রিপোর্ট,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা [দপ্তর/মন্ত্রণালয়] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য প্রতিবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, সম্প্রতি অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে কর্মীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। অতএব, নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে: ১। নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি। ২। সিসি ক্যামেরার সংখ্যা বৃদ্ধি ও মান উন্নয়ন। ৩। প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ কঠোর করা। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম] " প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অনুমোদনের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপ সচিব [মন্ত্রণালয়/দপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুমোদনের আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, আমাদের দপ্তরের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থায়ন প্রদান করার জন্য। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" এলাকার দুর্যোগ পরিস্থিতি জানিয়ে ত্রাণ সহায়তা চেয়ে আবেদন,"বরাবর জেলা প্রশাসক [জেলার নাম] বিষয়: দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে [এলাকার নাম] এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বহু পরিবার ঘরছাড়া হয়েছে এবং খাদ্য, পানীয় জল ও ওষুধের অভাবে রয়েছে। আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিয়নের পক্ষে আমি আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত খাদ্য, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানির বোতল ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হোক। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [নাম] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" সরকারি অফিসে জনবল স্বল্পতার প্রতিবেদন পাঠানো সংক্রান্ত আবেদন,"বরাবর সচিব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঢাকা বিষয়: অফিসে জনবল স্বল্পতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, [অফিসের নাম] বর্তমানে মারাত্মক জনবল সংকটে ভুগছে। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো যেমন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী এবং হিসাব রক্ষণকারীর পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। আপনার সদয় দৃষ্টিতে আনার জন্য এ প্রতিবেদন পাঠানো হলো এবং অনুরোধ জানানো যাচ্ছে, জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [নাম] উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাজেট সংক্রান্ত চাহিদা পাঠানো,"বরাবর প্রধান প্রকৌশলী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: রাস্তাঘাট সংস্কার প্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ চেয়ে আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, [এলাকার নাম] এলাকায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আওতায় রাস্তা সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। কিন্তু বর্তমান বাজেটে নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে প্রকল্প কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। এমতাবস্থায়, প্রকল্পটি সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন। এ বিষয়ে জরুরি বাজেট বরাদ্দের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম] উপজেলা প্রকৌশলী [উপজেলার নাম] " শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেরামতের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি,"বরাবর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ঢাকা বিষয়: বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কারের জন্য অনুরোধ। জনাব, নিবেদন এই যে, [বিদ্যালয়ের নাম], [উপজেলার নাম] এ অবস্থিত একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টির পুরাতন ভবনটি বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে, যার ফলে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পড়ালেখা করছে। এমতাবস্থায়, বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ প্রদান ও কাজ শুরুর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" দুর্নীতি বা অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ প্রেরণ,"বরাবর মহাপরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকা বিষয়: প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এর [প্রকল্পের নাম] প্রকল্পের বাস্তবায়নকালে প্রকৌশল বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যেমন, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, কাজ অসমাপ্ত রেখে বিল উত্তোলন ইত্যাদি। এমতাবস্থায়, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। বিনীত, [নাম] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" দুর্যোগকালীন ত্রাণ সহায়তা চেয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর জেলা প্রশাসক [জেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বন্যাকবলিত অঞ্চলের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, সদ্যসমাপ্ত বৃষ্টিপাতের ফলে আমাদের উপজেলার অনেক গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে। ঘরবাড়ি, ফসল ও পশুসম্পদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ঔষধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই মর্মে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, যেন আপনার মাধ্যমে সরকারের উচ্চমহলে বিষয়টি জানানো হয় এবং দ্রুত জরুরি ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বিনীত, [নাম ও পদবি] [অফিসের নাম]" বিদ্যালয়ের অবকাঠামো সংস্কারের জন্য উচ্চ কর্তৃপক্ষকে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, [বিদ্যালয়ের নাম]-এর মূল ভবনটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কারবিহীন অবস্থায় আছে। ছাদের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে, যা বর্ষাকালে পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে শিক্ষার্থীদের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। অতএব, এই বিষয়টি বিবেচনা করে উপরমহলে অবহিত করে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার মাধ্যমে আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম ও পদবি] [বিদ্যালয়ের নাম]" গ্রামে নতুন ডাকঘর স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ঢাকা বিষয়: [গ্রামের নাম] গ্রামে একটি নতুন ডাকঘর স্থাপনের আবেদন। জনাব, [গ্রামের নাম] একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও সেখানে কোনো ডাকঘর নেই। ফলে সাধারণ মানুষকে চিঠিপত্র গ্রহণ ও প্রেরণ, সরকারি ডকুমেন্ট গ্রহণ ইত্যাদি কাজে ১০-১৫ কিলোমিটার দূরের অফিসে যেতে হয়। এই বাস্তবতায় অনুরোধ, উক্ত গ্রামে একটি নতুন ডাকঘর স্থাপনের সুপারিশ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [নাম] [গ্রামের নাম ও পরিচয়]" সরকারি সেবাদান কর্মী নিয়োগের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর জেলা প্রশাসক [জেলার নাম] বিষয়: স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় জনগণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যমান স্বাস্থ্যকর্মী ও কৃষি কর্মকর্তাদের পক্ষে সবার সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, আপনার মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি জানিয়ে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের সুপারিশ করার জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [নাম ও পদবি] [অফিস/এলাকার নাম] " সরকারি যানবাহন সংযোজনের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মহাপরিচালক স্থানীয় সরকার বিভাগ ঢাকা বিষয়: অফিস কার্যক্রমে সরকারি যানবাহনের প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, [অফিসের নাম]-এ বহিরাগত পরিদর্শন, সাইট ভিজিট এবং জরুরি সেবা প্রদানের জন্য কোনো যানবাহন নেই। এতে প্রতিদিনকার অফিস কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অতএব, আপনার মাধ্যমে এই বিভাগে একটি সরকারি যানবাহন বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [নাম ও পদবি]" দুর্বল এলাকায় মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) ঢাকা বিষয়: দুর্বল সিগন্যালযুক্ত এলাকায় মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের আবেদন। জনাব, [অঞ্চলের নাম] এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল অত্যন্ত দুর্বল। এর ফলে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস ও ব্যবসায়িক কাজ ব্যর্থ হচ্ছে। এই বিষয়ে মোবাইল অপারেটরদের সহযোগিতায় একটি টাওয়ার স্থাপনের জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম ও পরিচয়]" মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর পুলিশ সুপার [জেলার নাম] বিষয়: এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করার আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকায় মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও এর ছোবলে আক্রান্ত। অতএব, মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য আপনার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। বিনীত, [নাম ও পরিচয়]" সরকারি অনুদান প্রদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রেরণ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান হিসাব নিয়ন্ত্রক ঢাকা বিষয়: সরকারি অনুদান ব্যবহারের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রেরণ। জনাব, [প্রকল্পের নাম] প্রকল্পে বরাদ্দকৃত সরকারি অনুদানের ব্যবহারের বিবরণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করা হলো। এতে ব্যয়, প্রকল্প অগ্রগতি ও উপকারভোগীদের তথ্য সংযুক্ত আছে। আপনার দপ্তরে সঠিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য অনুরোধসহ রিপোর্ট প্রেরণ করছি। বিনীত, [নাম ও পদবি] [প্রকল্প/অফিসের নাম]" দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানিয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর দুর্নীতি দমন কমিশন ঢাকা বিষয়: [অফিসের নাম]-এ দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, [অফিসের নাম]-এ সরকারি বরাদ্দকৃত তহবিলের অনিয়মিত ব্যবহার ও আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এতে জনসাধারণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম ও পরিচয়]" গ্রামে ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: [গ্রামের নাম] গ্রামে ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, [গ্রামের নাম] একটি দূরবর্তী এলাকা হওয়ায় সাধারণ মানুষ ডিজিটাল সেবা যেমন জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট ফরম, ভূমি তথ্য ইত্যাদির জন্য শহরে যেতে বাধ্য হয়। অতএব, এলাকাবাসীর সেবার সুবিধার্থে একটি ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম ও পরিচয়]" অফিসে অতিরিক্ত জনবল চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর সচিব [মন্ত্রণালয়/দপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমি [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম]। বর্তমানে আমাদের অফিসে জনবল সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। নির্ধারিত কাজসমূহ সময়মতো সম্পন্ন করতে না পারায় প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ একান্ত প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের অফিসে অতিরিক্ত জনবল সরবরাহে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবাব সরবরাহের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর [ঠিকানা] বিষয়: এলাকার বিদ্যালয়ে আসবাব সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [উপজেলা/থানার নাম] শিক্ষা অফিসার। এলাকায় অবস্থিত বেশ কিছু বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত বেঞ্চ, চেয়ার এবং টেবিলের অভাব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাঠদানে এতে বিঘ্ন ঘটছে। অতএব, আসবাব সরবরাহের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" সরকারি ভবন সংস্কারের অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান প্রকৌশলী গণপূর্ত অধিদপ্তর [ঠিকানা] বিষয়: [অফিসের নাম] ভবনের জরুরি সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, অফিস ভবনের ছাদ এবং জানালাগুলো অত্যন্ত জীর্ণ হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে পানি চুঁইয়ে পড়ে, ফলে অফিসের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার কাজের অনুমতি ও অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, ভবনের সংস্কার কাজ দ্রুত শুরু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" অফিসের ইন্টারনেট সংযোগ উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা [তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর] [ঠিকানা] বিষয়: অফিসে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, বর্তমান অফিস কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পাদিত হয়। কিন্তু, আমাদের অফিসে বিদ্যমান ইন্টারনেট সংযোগ খুবই ধীর এবং প্রায়শই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে অফিসের দৈনন্দিন কার্যক্রমে অসুবিধা দেখা দিচ্ছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের অফিসে একটি উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান ও সার্বক্ষণিক মেইনটেন্যান্সের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন পেশ,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর উপসচিব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় [ঠিকানা] বিষয়: বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন পেশ। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [পদবী], [অফিসের নাম] থেকে জানাচ্ছি যে, আমাদের বরাদ্দকৃত বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে [প্রকল্পের নাম] কাজের ৭৫% সম্পন্ন হয়েছে। সংযুক্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত ব্যয় ও কার্যক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, প্রতিবেদনের পর্যালোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [অফিসের নাম]" নতুন ভূমিহীনদের খতিয়ান প্রস্তুত করে জমি বরাদ্দের প্রস্তাব,"বরাবর জেলা প্রশাসক [জেলার নাম] বিষয়: নতুন ভূমিহীনদের জন্য খতিয়ান প্রস্তুত করে খাস জমি বরাদ্দের প্রস্তাব। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এর অন্তর্গত [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়নে সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী মোট ৩২টি ভূমিহীন পরিবার চিহ্নিত হয়েছে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য খাস জমি বরাদ্দ অত্যন্ত জরুরি। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট প্রস্তাব করছি যে, ভূমিহীনদের তালিকাভুক্ত করে দ্রুত খতিয়ান প্রস্তুত করে খাস জমি বরাদ্দের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হোক। বিনীত, [নাম] সহকারী কমিশনার (ভূমি) [উপজেলার নাম] " গবাদিপশুর রোগব্যাধি সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট,"বরাবর মহাপরিচালক পশুপালন অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: গবাদিপশুর মধ্যে সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়া সম্পর্কে প্রতিবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এ সম্প্রতি গবাদিপশুর মধ্যে ‘এনথ্রাক্স’ রোগ দেখা দিয়েছে, যা আশেপাশের ইউনিয়নেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১২টি পশু মারা গেছে এবং কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমতাবস্থায়, আমি জরুরি ভিত্তিতে মেডিকেল টিম, ওষুধ সরবরাহ এবং টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [নাম] উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" নির্বাচনী এলাকায় ভোটকেন্দ্র সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব,"বরাবর চেয়ারম্যান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঢাকা বিষয়: ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এর [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান ভোটকেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং ভোটগ্রহণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এমতাবস্থায়, আমি প্রস্তাব করছি যে, ২টি নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব হবে। বিনীত, [নাম] উপজেলা নির্বাচন অফিসার [উপজেলার নাম]" গ্রামীণ সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদন প্রেরণ,"বরাবর চেয়ারম্যান সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: দুর্ঘটনাপ্রবণ গ্রামীণ সড়কের প্রতিবেদন ও সংস্কারের প্রস্তাব। জনাব, [এলাকার নাম] গ্রামের প্রধান সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে এবং সম্প্রতি সেখানে একটি ট্রাক উল্টে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে। সড়কে খানাখন্দ এবং অন্ধকারের কারণে এ ঘটনা ঘটে। সড়কটি সংস্কার ও পাশে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের জন্য আপনার দপ্তরের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। বিনীত, [নাম] উপজেলা প্রকৌশলী [উপজেলার নাম]" মাদকের বিস্তার রোধে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স চেয়ে আবেদন,"বরাবর পুলিশ সুপার [জেলার নাম] বিষয়: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স প্রেরণের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, [উপজেলার নাম] এর [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়নে সম্প্রতি মাদকদ্রব্যের বিস্তার বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশের একাধিক অভিযানের পরও চোরাকারবারীরা সক্রিয়। এমতাবস্থায়, আমি আবেদন করছি যে, অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [নাম] উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [উপজেলার নাম]" সন্তানকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [অভিভাবকের নাম], আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার উপযোগী হয়েছে। আপনার বিদ্যালয়টি এলাকার একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ায় আমি আমার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এখানে ভর্তি করাতে আগ্রহী। আমার সন্তান শৃঙ্খলাবদ্ধ, পড়াশোনায় আগ্রহী এবং সামাজিক আচরণে ভদ্র। সে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ভাল ফলাফল করেছে। অতএব, আমার সন্তানের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি নিশ্চিতকরণের জন্য আপনার সদয় অনুমোদন কামনা করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [আপনার ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন (অভিভাবক পক্ষে),"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমি [অভিভাবকের নাম], আমার কন্যা/পুত্র [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে প্রতিটি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করেছে এবং সহপাঠীদের মধ্যে মেধাবী হিসেবে পরিচিত। আমাদের পারিবারিক অবস্থা খুব একটা সচ্ছল নয়। আমি একজন দিনমজুর এবং পরিবারের খরচ চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। অতএব, আমার সন্তানের মেধা ও আর্থিক অসচ্ছলতা বিবেচনা করে তাকে শিক্ষাবৃত্তির আওতায় আনার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" ভর্তি ফি মওকুফের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ভর্তি ফি মওকুফের আবেদন। জনাব, সাধুবাদ জানিয়ে বলছি, আমি [অভিভাবকের নাম], আমার পুত্র/কন্যা [নাম] আপনার বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক। তবে আমাদের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় ভর্তি ফি প্রদান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমি একজন নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্য এবং সন্তানকে শিক্ষিত করার জন্য আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। অতএব, মানবিক বিবেচনায় ভর্তি ফি মওকুফ করে আমার সন্তানের ভর্তি নিশ্চিত করতে আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" সন্তানের অসুস্থতার কারণে ছুটির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তান অসুস্থ থাকায় ছুটির আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার পুত্র/কন্যা [নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী গত দুই দিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছে। ডাক্তার দেখিয়ে বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অতএব, তার অনুপস্থিতির দিনগুলোতে ছুটি মঞ্জুর করার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [ফোন নম্বর] " ফলাফল নিয়ে আপত্তির জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের পরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়নের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার কন্যা/পুত্র [নাম] [শ্রেণি] শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় একটি বিষয়ে আশানুরূপ ফলাফল পায়নি। আমরা প্রশ্ন ও উত্তরপত্র পর্যালোচনা করে বুঝেছি যে সম্ভবত যোগফলে ভুল হয়েছে। অতএব, পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [ফোন নম্বর]" ভর্তি আবেদনপত্র (Admission Request),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পুত্র/কন্যার ভর্তি সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], একজন অভিভাবক। আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] গত বছর [পূর্বের বিদ্যালয়ের নাম] থেকে [পূর্ব শ্রেণি] শ্রেণি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। আমি চাই সে আপনার বিদ্যালয়ে [চাহিত শ্রেণি] শ্রেণিতে ভর্তি হোক। আমি বিশ্বাস করি, আপনার প্রতিষ্ঠানে সে একটি উন্নত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, আমার সন্তানের ভর্তি নিশ্চিত করতে সদয় দৃষ্টি দিবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতামাতা পরিচয়] [মোবাইল নম্বর]" বেতন মওকুফের আবেদন (Fee Waiver Request),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের শিক্ষাবর্ষের বেতন মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি একজন নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য এবং বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকটে আছি। আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। বর্তমানে মাসিক বেতন পরিশোধ করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। আমি চাই না, আর্থিক সমস্যার কারণে আমার সন্তানের শিক্ষা বন্ধ হয়ে যাক। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বেতন আংশিক বা সম্পূর্ণ মওকুফ করে আমার সন্তানকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিন। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতামাতা পরিচয়] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (T.C.) চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (T.C.) পাওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] এর পিতা/মাতা। সে বর্তমানে [শ্রেণি] শ্রেণিতে পড়ছে। আমার চাকরির কারণে আমাদের পরিবারকে অন্য জেলায় স্থানান্তরিত হতে হচ্ছে। তাই আমি তার ট্রান্সফার সার্টিফিকেট এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত আবেদন, অনুগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে সহযোগিতা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা] " সন্তানের অনুপস্থিতির জন্য মাফ চাইবার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের অনুপস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করে উপস্থিতির অনুমতি চেয়ে আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী, গত [তারিখ] থেকে [তারিখ] পর্যন্ত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারেনি। সে ওই সময়ে [রোগ/পারিবারিক সমস্যা] জনিত কারণে অসুস্থ ছিল। এমতাবস্থায়, অনুপস্থিত থাকার জন্য দয়া করে তার উপস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতা/মাতা পরিচয়]" পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিশেষ অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের বিশেষ কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ চেয়ে আবেদন। জনাব, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] সম্প্রতি [রোগ/পারিবারিক দুর্ঘটনা] এর কারণে স্কুলে উপস্থিত থাকতে পারেনি এবং বার্ষিক পরীক্ষার অংশগ্রহণে সমস্যা হচ্ছে। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, তাকে বিশেষ বিবেচনায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতা/মাতা পরিচয়]" সন্তানের স্কুলে ভর্তির জন্য আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: আমার সন্তানের ভর্তির জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন অভিভাবক। আমার সন্তান [সন্তানের নাম] এর বয়স [বয়স] বছর এবং সে বর্তমানে [পূর্ববর্তী শিক্ষার অবস্থা/স্কুল] হতে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করেছে। আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও পরিবেশ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকায় আমি চাই যে আমার সন্তান এখানে লেখাপড়া করুক। সে একজন আগ্রহী ও শৃঙ্খলাবদ্ধ শিক্ষার্থী। এমতাবস্থায়, আমি আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ করছি, দয়া করে আমার সন্তানের ভর্তির বিষয়ে সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" ফি মওকুফের আবেদনপত্র,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের বেতন মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি একজন নিম্নআয়ের অভিভাবক। আমার সন্তান [সন্তানের নাম] আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণির নাম] শ্রেণিতে পড়ে। সম্প্রতি আমাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ, যার কারণে সন্তানের স্কুল ফি পরিশোধ করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায়, আমি বিনীত অনুরোধ করছি যে, মানবিক বিবেচনায় আমার সন্তানের বেতন সম্পূর্ণ অথবা আংশিক মওকুফ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ের ফলাফল যাচাইয়ের আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের পরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়নের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বার্ষিক পরীক্ষায় [বিষয়ের নাম] বিষয়ে তুলনামূলক কম নম্বর পেয়েছে। সে বিষয়টিতে সবসময় ভালো ফলাফল করত। আমি মনে করি ফলাফল যাচাই করলে ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে। এমতাবস্থায়, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দয়া করে ফলাফল পুনঃমূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " স্কুল ইউনিফর্ম বা বই কেনার জন্য সহায়তা চেয়ে আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: ইউনিফর্ম ও বই কেনার জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] আপনার বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল, যার ফলে তার ইউনিফর্ম ও বইপত্র কেনা সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দয়া করে স্কুল থেকে প্রাপ্ত অনুদান বা সাহায্যের মাধ্যমে আমার সন্তানকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" সন্তানকে এক সপ্তাহের ছুটি দেওয়ার জন্য আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানকে ছুটি প্রদানের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] বর্তমানে আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণির নাম] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এক সপ্তাহ বিশ্রাম প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, [তারিখ] থেকে [তারিখ] পর্যন্ত ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " বিদ্যালয়ে সহপাঠীর দ্বারা হেনস্তা হওয়ার অভিযোগপত্র,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সহপাঠীর দ্বারা হেনস্তা হওয়ার অভিযোগ। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসা-যাওয়ার সময় একজন সহপাঠীর দ্বারা মানসিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছে। এর ফলে সে ভীত এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। আমি চাই না যে, এমন আচরণে তার ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হোক। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" সন্তানের শিক্ষাগত পরিবেশ উন্নয়নের জন্য শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে নিবেদন এই যে, আমি [অভিভাবকের নাম], আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ের [বর্তমান শ্রেণি] শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি যে, তার বর্তমান শ্রেণির পরিবেশ তার মানসিক ও শিক্ষাগত বিকাশে সহায়ক নয়। সে কিছু সহপাঠীর দ্বারা নিয়মিত বিরক্ত ও মনঃকষ্টের শিকার হচ্ছে। এতে করে তার পড়ালেখায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে এবং মানসিকভাবে সে চাপে আছে। আমি চাই না সে বিদ্যালয় সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করুক। সে অত্যন্ত মেধাবী ও শৃঙ্খলাবান শিক্ষার্থী, এবং উপযুক্ত পরিবেশে পড়লে নিশ্চয়ই ভালো ফলাফল করতে পারবে। অতএব, আমি আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি, তাকে অন্য কোনো অনুরূপ শ্রেণিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করে একটি শান্তিপূর্ণ ও সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করুন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] ফোন: [ফোন নম্বর]" আর্থিক সহায়তার জন্য বিনামূল্যে বই ও ইউনিফর্ম চেয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিনামূল্যে বই ও ইউনিফর্ম প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি একজন অভিভাবক হিসেবে দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] বর্তমানে আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। আমরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছি এবং আমার পক্ষে বই ও ইউনিফর্ম কিনে দেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমার স্বামী একজন রিকশাচালক এবং বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালানোই চ্যালেঞ্জ হয়ে গেছে। আমার সন্তান লেখাপড়ায় আগ্রহী এবং নিয়মিত উপস্থিত থেকে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। অতএব, আমি আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি, যেন আমার সন্তানের জন্য বিনামূল্যে বই ও ইউনিফর্মের ব্যবস্থা করে তার শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাওয়ায় সহায়তা করেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " সন্তানের রোল নম্বরে ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের রোল নম্বর সংশোধনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] বর্তমানে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে তার রোল নম্বর [ভুল রোল নম্বর] হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আসলে [সঠিক রোল নম্বর] হওয়া উচিত। এই ভুলের কারণে তার নাম অন্যান্য অফিসিয়াল কাগজপত্রে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং ভবিষ্যতে আরও সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। অতএব, এই ভুল সংশোধনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সঠিক রোল নম্বর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা করার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করার আবেদন। জনাব, আমাদের সন্তানরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসে এবং অনেক সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনায় আহত হয় বা অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু বিদ্যালয়ে কোনও চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা না থাকায় তাদের দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হয় না। এতে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের বাড়তি কষ্ট ভোগ করতে হয়। অতএব, আমি একজন অভিভাবক হিসেবে আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি যেন বিদ্যালয়ে একটি প্রাথমিক চিকিৎসা কিট, ব্যান্ডেজ, জীবাণুনাশক ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষিত কর্মী রাখার ব্যবস্থা করেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানের অনুপস্থিতির কারণ ব্যাখ্যা করে পুনঃপরীক্ষার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অসুস্থতার কারণে পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকার ব্যাখ্যাসহ পুনঃপরীক্ষার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী, সাম্প্রতিক [পরীক্ষার নাম] পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। সে ঐ সময় জ্বর ও ইনফেকশনে আক্রান্ত ছিল এবং ডাক্তার বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছিলেন। চিকিৎসকের সনদপত্র সংযুক্ত করা হলো। সে নিয়মিত পড়াশোনা করে এবং আগের পরীক্ষাগুলোতে ভাল ফলাফল করেছে। এই অনুপস্থিতি তার জন্য মানসিক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, অনুগ্রহ করে তাকে পুনঃপরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানের জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] [ফোন নম্বর] " সন্তানের পুনঃভর্তির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের পুনঃভর্তির জন্য আবেদন। জনাব, যথাযোগ্য সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], [শিক্ষার্থীর নাম] এর পিতা/মাতা। আমার পুত্র/কন্যা পূর্বে আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়ন করত। দুঃখজনকভাবে, পারিবারিক কিছু জটিলতা ও আর্থিক সমস্যার কারণে গত বছর আমি তাকে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হই। বর্তমানে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, এবং আমি চাই আমার সন্তান পুনরায় এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাক। সে একজন আগ্রহী শিক্ষার্থী এবং পূর্বে পড়াশোনায় ভালো ফলাফল করেছে। অতএব, জনাবের কাছে আমার বিনীত আবেদন, তার পুনঃভর্তির অনুমতি প্রদান করে আমাদের কৃতজ্ঞতার সুযোগ করে দিবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও ফোন নম্বর]" সন্তানের মানসিক সহায়তার জন্য আবেদন (Mental Support Request),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের জন্য মনো-পরামর্শ বা কাউন্সেলিং সহায়তার আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সম্প্রতি পারিবারিক কিছু সমস্যার কারণে সে অত্যন্ত মানসিক চাপে রয়েছে। আমি লক্ষ্য করছি, সে চুপচাপ হয়ে গেছে এবং পড়াশোনায় মনোযোগ কমে গেছে। আমি মনে করি, স্কুলের কাউন্সেলিং সার্ভিস বা শিক্ষকের সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি তার জন্য উপকারী হতে পারে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত অনুরোধ, আমার সন্তানের মানসিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেন প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহানুভূতির সাথে সহায়তা প্রদান করে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " পরীক্ষা পুনর্গণনার আবেদন (Re-evaluation Request),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম] এর অভিভাবক। সে আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষার ফলে দেখা যাচ্ছে যে, সে [বিষয়] বিষয়ে আশানুরূপ নম্বর পায়নি। আমি তার প্রস্তুতি ও উত্তরপত্র দেখে মনে করছি যে, ফলাফলে কোন ভুল হতে পারে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত আবেদন, পরীক্ষার সেই বিষয়ের খাতা পুনঃমূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও ফোন নম্বর]" সন্তানের জন্য শিক্ষা উপকরণের আবেদন (For Free Books or Support Materials),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষা উপকরণ সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], একজন দরিদ্র অভিভাবক এবং আমার সন্তান [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ে [শ্রেণি] শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। আমার অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় পাঠ্যবই, খাতা, পেন, ইউনিফর্ম ইত্যাদি কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় তার পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার সন্তানকে শিক্ষা উপকরণ প্রদানের মাধ্যমে পড়াশোনার সুবিধা করে দিন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও ফোন নম্বর] " বিদ্যালয়ের নিয়ম শিথিলের আবেদন (e.g. Late Admission or Age Relaxation),"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীর বয়সসংক্রান্ত নিয়ম শিথিল করে ভর্তি দেওয়ার জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [শিক্ষার্থীর নাম] এর অভিভাবক। আমার সন্তান ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে বয়স সংক্রান্ত নিয়মে কিছুটা কম পড়ে যাচ্ছে। তবে সে শারীরিক ও মানসিকভাবে শিক্ষার উপযোগী এবং প্রাক-বিদ্যালয় পর্যায়ে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা আছে। আমি বিশ্বাস করি, সে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে তাল মিলিয়ে সহজেই অগ্রসর হতে পারবে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত অনুরোধ, তার বয়স সংক্রান্ত নিয়ম শিথিল করে এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " সন্তানকে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অনুমতির আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে সন্তানের অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম], আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র/ছাত্রী। সে লেখাপড়ার পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে (যেমন বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান) অংশগ্রহণে খুব আগ্রহী ও প্রতিভাবান। সম্প্রতি সে বিদ্যালয় থেকে আয়োজিত একটি আন্তঃবিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আমি চাই আমার সন্তান এ ধরনের কার্যক্রমে অংশ নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা আরও বাড়াক। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমার সন্তানের সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করার ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানকে স্কুল বাসে যাতায়াতের অনুমতির জন্য আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: স্কুল বাসে সন্তানের যাতায়াতের অনুমতির আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] বর্তমানে আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। আমাদের বাসস্থান বিদ্যালয় থেকে দূরে হওয়ায় প্রতিদিন নিজস্বভাবে যাতায়াত করাটা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি জানতে পেরেছি যে, বিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। তাই আমি আপনার নিকট বিনীত আবেদন করছি, আমার সন্তানকে বিদ্যালয়ের বাসে যাতায়াতের অনুমতি প্রদান করে তার জন্য একটি আসন বরাদ্দ করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম] বর্তমানে আপনার বিদ্যালয়ের [বর্তমান শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। কিন্তু সে বিগত কিছু মাস ধরে মানসিক চাপে ভুগছে এবং তার পড়াশোনায় মনোযোগ কমে গেছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, শ্রেণির পরিবেশ পরিবর্তন এবং মানসিক চাপ কমানো জরুরি। অতএব, আমি আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ করছি যে, মানবিক বিবেচনায় আমার সন্তানের শ্রেণি পরিবর্তনের অনুমতি দিন, যাতে সে সুস্থভাবে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানকে বিশেষ সহায়তার আবেদন (শ্রবণ/দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলে),"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর জন্য অতিরিক্ত সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম], আপনার বিদ্যালয়ের [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সে একজন শ্রবণ/দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। আমি কৃতজ্ঞ যে, আপনার বিদ্যালয়ে সে ভর্তি হতে পেরেছে। তবে শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণের সময় তার বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন হয়, যেমন শ্রবণ যন্ত্র ব্যবহার, বড় অক্ষরের পাঠ্যবই, সহকারী শিক্ষকের উপস্থিতি ইত্যাদি। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমার সন্তানের শিক্ষাজীবন সহজতর করতে বিদ্যালয় কর্তৃক বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" প্রাক-পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত ক্লাসের আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের জন্য প্রাক-পরীক্ষা প্রস্তুতি ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আসন্ন বোর্ড/বার্ষিক পরীক্ষাকে সামনে রেখে আমার সন্তান [সন্তানের নাম] এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপ ও প্রস্তুতির ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। আমরা অভিভাবকরা মনে করি, স্কুলে অতিরিক্ত প্রস্তুতিমূলক ক্লাস/রিভিশন ক্লাস চালু করলে ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবে। অতএব, আমি আপনার কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে সপ্তাহে অন্তত ২ দিন করে অতিরিক্ত ক্লাস চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [অভিভাবকের নাম], একজন অভিভাবক হিসেবে আপনাকে জানাচ্ছি যে, বর্তমান যুগে প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে এখনও পর্যাপ্ত কম্পিউটার সুবিধা নেই। এতে করে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাজীবন আরও সমৃদ্ধ হবে এবং তারা ভবিষ্যতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে দ্রুত একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন। জনাব, আমাদের সন্তানেরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করে। নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষালাভ করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সম্প্রতি বিদ্যালয় চত্ত্বরে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। আমি একজন অভিভাবক হিসেবে আপনাকে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত গেটম্যান নিয়োগ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এতে করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং অভিভাবকরা নিশ্চিন্ত থাকবেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে পরিবেশ উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নত করার জন্য আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের শিখন পরিবেশ সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর হওয়া উচিত। তবে বর্তমানে বিদ্যালয়ের উঠোনে প্রচুর আবর্জনা পড়ে থাকে এবং পরিচ্ছন্নতার অভাব দেখা যায়। এর ফলে স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমি অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হোক এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতনতা মূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হোক। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বিদ্যালয়ের টিফিন ও পানীয় জলের মান উন্নয়নের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে টিফিন ও পানীয় জলের মান উন্নত করার আবেদন। জনাব, আমাদের সন্তানেরা স্কুলে দিনের অধিকাংশ সময় কাটায়। বিদ্যালয়ে সরবরাহিত টিফিনের গুণগত মান ও পানীয় জলের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কিছু সমস্যা লক্ষ্য করেছি। এর ফলে কিছু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছে। অতএব, আমি বিনীতভাবে আবেদন জানাচ্ছি, বিদ্যালয়ে টিফিনের গুণগত মান উন্নয়ন এবং পানীয় জলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে বইয়ের অভাব পূরণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বই ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যালয়ের পাঠাগারে প্রয়োজনীয় বই ও শিক্ষাসামগ্রী যথেষ্ট পরিমাণে নেই। এতে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও সহায়ক শিক্ষাসামগ্রী থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে আরও বই ও শিক্ষাসামগ্রী সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে শিক্ষার্থীরা উন্নত শিক্ষার সুযোগ পায়। বিনীত, [অভিভাবকের নাম] [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" ছেলের / মেয়ের হোমওয়ার্কে সহায়তার জন্য শিক্ষককে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: সন্তানের হোমওয়ার্কে সহায়তার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার পুত্র/কন্যা [শিক্ষার্থীর নাম], [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সম্প্রতি সে তার হোমওয়ার্ক সম্পূর্ণ করতে পারছে না, যা তার শিক্ষাজীবনে প্রভাব ফেলছে। আমি বিশ্বাস করি, যদি তাকে বাড়িতে বা স্কুলে অতিরিক্ত নির্দেশনা দেওয়া হয় তাহলে সে ভালো ফলাফল করতে পারবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার সন্তানের হোমওয়ার্কে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব দেখা যাচ্ছে। আবর্জনা ও কুড়া-আঁশ সেখানে পড়ে থাকায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, একটি সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়াবে ও বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, বিদ্যালয়ের চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" বিদ্যালয়ে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, বর্তমান বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির কারণে স্কুলের শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি। বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য রক্ষায় মাস্ক পরিধান, স্যানিটাইজার ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ সমস্যা জানিয়ে দ্রুত সমাধানের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ সমস্যার দ্রুত সমাধানের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে সম্প্রতি বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহে দীর্ঘ সময় ধরে বিরক্তিকর সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সমস্যা হচ্ছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, এ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" সন্তানের স্কুল বাসের ভাড়া কমানোর আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্কুল বাস ভাড়া কমানোর জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার সন্তান [শিক্ষার্থীর নাম] আপনার বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। বর্তমানে স্কুল বাসের ভাড়া বাড়ায় পরিবারের আর্থিক চাপ বেড়ে গেছে। আমি অনুরোধ করছি, নিম্ন আয়ের অভিভাবকদের জন্য বাস ভাড়া কমিয়ে দেয়া হোক, যাতে আমার সন্তান ও অন্য দরিদ্র ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়ে নির্বিঘ্নে আসা-যাওয়া করতে পারে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমার আবেদনটি বিবেচনা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" সন্তানের আগ্রাসী আচরণ সংশোধনে বিদ্যালয়ের সহায়তা চেয়ে আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের আচরণ সংশোধনে সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার সন্তান [সন্তানের নাম], [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। সম্প্রতি আমি লক্ষ্য করেছি, সে অত্যন্ত রাগান্বিত ও অসহিষ্ণু আচরণ করছে, যা তার পড়াশোনা ও সামাজিক জীবনে প্রভাব ফেলছে। আমি বিশ্বাস করি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলীর সহানুভূতি ও পরামর্শে তার আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমার সন্তানকে যথাযথ মানসিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দিতে বিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং বা শিক্ষকের বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানের পারফরম্যান্স উন্নয়নের লক্ষ্যে টিউটরের পরামর্শ চেয়ে আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের পড়াশোনার উন্নয়নে শিক্ষক পরামর্শ চেয়ে আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম] বর্তমানে [শ্রেণি] শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। বিগত পরীক্ষাগুলিতে তার ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। আমি চাই তার পড়াশোনার উন্নতির জন্য একজন যোগ্য টিউটরের পরামর্শ গ্রহণ করতে। আপনি যদি শ্রেণি শিক্ষকের মাধ্যমে আমার সন্তানের দুর্বল বিষয় চিহ্নিত করে দেন এবং উপযুক্ত শিক্ষক পরামর্শ দেন, তবে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। অতএব, অনুগ্রহ করে এই বিষয়ে সহায়তা প্রদানের অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " সন্তানের স্কুল ব্যাগ ও বইয়ের ওজন কমানোর অনুরোধপত্র,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: শিক্ষার্থীদের বই ও ব্যাগের ভার কমানোর অনুরোধ। জনাব, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম] সহ অন্যান্য শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন অনেক ভারী ব্যাগ বহন করতে হয়, যা তাদের স্বাস্থ্য ও মেরুদণ্ডের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আমি একজন অভিভাবক হিসেবে উদ্বিগ্ন এবং চাই বিদ্যালয় এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক—যেমন: বিষয়ভিত্তিক রুটিন, বই স্কুলে রেখে পড়ানো, বা ব্যাগ হালকা রাখার নির্দেশনা। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" সন্তানের নিয়মিত উপস্থিতি সত্ত্বেও অনুপস্থিত দেখানোর বিষয়ে আপত্তি,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: সন্তানের অনুপস্থিতি সংক্রান্ত ভুল সংশোধনের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম] বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত থেকেও তার রিপোর্ট কার্ডে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে, যা আমাদের জন্য বিস্ময়কর ও দুঃখজনক। আমি শ্রদ্ধাভরে অনুরোধ করছি, বিষয়টি যাচাই করে সঠিক উপস্থিতি সংশোধনের ব্যবস্থা নেয়া হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিশেষ শিক্ষানীতির আওতায় স্কলারশিপ চেয়ে আবেদন,"বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] বিষয়: বিশেষ শিক্ষানীতির আওতায় স্কলারশিপ প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমার ছেলে/মেয়ে [সন্তানের নাম] মেধাবী ও অধ্যবসায়ী শিক্ষার্থী। সে বিগত দুই বছরে শ্রেণিতে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেসব স্কলারশিপ দেওয়া হয়, তার জন্য আপনার সুপারিশ এবং স্কুলের পক্ষ থেকে আবেদন করলে সে উপকৃত হবে। অতএব, আমি অনুরোধ করছি, তাকে একটি উপযুক্ত স্কলারশিপের জন্য প্রস্তাবিত করে সহযোগিতা প্রদান করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" রাস্তা মেরামতের জন্য তহবিল অনুরোধ,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তা মেরামতের জন্য তহবিল অনুরোধ। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন সমাজকর্মী ও জননেতা হিসেবে আপনাকে জানাই শ্রদ্ধা। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি বর্তমানে খুবই নষ্ট হয়ে গেছে, যার ফলে যানবাহন চলাচলে বড় ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া বৃষ্টি হলে রাস্তা সম্পূর্ণ বন্যা আর জলাবদ্ধতার শিকার হয়। এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য আমাদের এলাকায় রাস্তা মেরামত কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া আবশ্যক। তবে, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব রয়েছে। অতএব, আমি আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, এলাকায় রাস্তা মেরামত ও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদান করার জন্য। এতে করে আমাদের এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার পদবী, যেমনঃ সমাজকর্মী/কমিউনিটি লিডার] [যোগাযোগের ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" পাবলিক পার্ক নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটির জন্য পাবলিক পার্ক নির্মাণের জন্য তহবিলের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার হিসেবে আপনার প্রতি নিবেদন জানাচ্ছি। আমাদের এলাকায় শিশু ও বয়স্কদের জন্য একটিরকম খেলার বা বিশ্রামের স্থান নেই। যা কমিউনিটির স্বাস্থ্যকর ও সামাজিক উন্নয়নে বাঁধা সৃষ্টি করছে। এই সমস্যা দূর করতে একটি পাবলিক পার্ক নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। আমরা ইতোমধ্যে স্থান নির্ধারণ করেছি, তবে আর্থিক তহবিল না থাকায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। অতএব, আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানে আমাদের সহযোগিতা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের জন্য অনুদানের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকার জনসাধারণের নিত্যপ্রয়োজনীয় পানীয় জলের বড় সংকট চলছে। বেশিরভাগ পরিবার দূষিত জলের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান দরকার। আমরা একটি টিউবওয়েল স্থাপনের পরিকল্পনা করছি, তবে অর্থায়নের অভাবে প্রকল্প শুরু করতে পারছি না। অতএব, আপনার কাছে অনুরোধ, এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" স্থানীয় স্কুলে শিক্ষা উপকরণ ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির জন্য অনুদান আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ এবং দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির জন্য অর্থ সহায়তার আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় অবস্থিত [বিদ্যালয়ের নাম] এ শিশুদের শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ ও সহায়ক সামগ্রীর প্রয়োজন। তবে বিদ্যালয়ের আর্থিক অবস্থার কারণে এসব সুবিধা সীমিত। আমরা কমিউনিটি লিডারদের পক্ষ থেকে স্কুল পরিচালনায় সাহায্য করার চেষ্টা করছি, কিন্তু তহবিলের অভাবে কার্যকরভাবে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, আপনার কাছে আবেদন করছি, বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ কেনার এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" মহিলাদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার তহবিল চাওয়া,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: মহিলাদের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকার অনেক গৃহবধূ স্বাবলম্বী হতে চান কিন্তু উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না থাকায় তারা পেশাগত কাজের সুযোগ পাচ্ছেন না। তাদের ক্ষমতায়ন ও আর্থিক উন্নয়নের জন্য একটি সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন জরুরি। আমরা স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছি, কিন্তু আর্থিক তহবিলের অভাবে কাজ এগোয়নি। অতএব, আপনার কাছে অনুরোধ, মহিলাদের স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" গ্রামে রাস্তা নির্মাণের জন্য অর্থ অনুদানের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ/মেয়র অফিসের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামের প্রধান সড়ক নির্মাণের জন্য অনুদানের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রাম/এলাকা] এলাকার একজন সমাজ সেবক ও নেতা। আমাদের গ্রামে রাস্তার অভাব ও খারাপ অবস্থা জনজীবনে বিশাল সমস্যা সৃষ্টি করছে। বৃষ্টি মৌসুমে এই সড়ক ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, যার ফলে অতি দুর্ভোগে পড়তে হয় গ্রামবাসীদের। এই পরিস্থিতি উন্নত করতে এবং এলাকার জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যে সড়ক নির্মাণ জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী/কমিউনিটি লিডার] [গ্রাম/এলাকা] " স্থানীয় বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন/স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: বিদ্যালয়ের শিক্ষাসামগ্রী ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য তহবিল অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার সরকারি বিদ্যালয়টি শিক্ষাসামগ্রী ও পরিকাঠামো দিক থেকে অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট অনুরোধ, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি লিডার] [ঠিকানা]" গ্রামে পানি সরবরাহ প্রকল্পের জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার জন্য অর্থ সহায়তা আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমি [আপনার নাম], [গ্রামের নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামে নিরাপদ পানীয় জলের খুব অভাব রয়েছে। যাতায়াত দুর্বল হওয়ায় মানুষ দূরদূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এ সমস্যা সমাধানে একটি সুস্থির পানি সরবরাহ প্রকল্প প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল এবং সহযোগিতা প্রদানে সহায়তা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী] [গ্রাম/এলাকা] " কমিউনিটি পার্ক বা খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য অনুদানের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটি পার্ক নির্মাণের জন্য তহবিলের আবেদন। জনাব, আমি, [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় শিশু ও যুবকদের জন্য কোন খেলার মাঠ বা পার্ক নেই, যা তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। সুতরাং, এলাকার সুস্থ পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য একটি কমিউনিটি পার্ক নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, পার্ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি লিডার]" মহল্লার স্যানিটেশন প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা প্রকল্পের জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [মহল্লার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের মহল্লায় স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার অবস্থা অত্যন্ত দূর্বল। সঠিক ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, এই প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [পদবী]" কমিউনিটি লিডার হিসেবে রাস্তা মেরামতের জন্য অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয় রাস্তা মেরামতের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার হিসেবে নিবেদন করছি যে, আমাদের এলাকার প্রধান সংযোগ রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে রাস্তায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়, যা চলাচলে অতি কষ্টকর এবং দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমাদের এলাকাবাসী বহুবার আবেদন করেও রাস্তাটির মেরামত কাজ শুরু হয়নি। এজন্য স্থানীয় উন্নয়নের স্বার্থে, আমি আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, এই রাস্তার মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ ও দ্রুত কাজ শুরু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আপনার সদয় সহযোগিতা আমাদের এলাকায় জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অপরিসীম ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " পরিষ্কার পানির সরবরাহের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পের জন্য তহবিল অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় বিশুদ্ধ পানির যোগান অত্যন্ত সীমিত, যার ফলে অনেক রোগ-ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। অতএব, আমি আপনার নিকট অনুরোধ করছি, এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি টিউবওয়েল স্থাপন ও পাইপলাইন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের ব্যবস্থা করুন। আপনার সহযোগিতা আমাদের সমাজে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" বিদ্যালয়ের জন্য বর্ধিত শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের তহবিল প্রার্থনা,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বিদ্যালয়ের জন্য নতুন শ্রেণীকক্ষ নির্মাণে অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার সরকারি বিদ্যালয়টি দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু শ্রেণীকক্ষ সংখ্যা অপর্যাপ্ত হওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে ভর্তি হতে পারছে না। শিক্ষার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে, আমি আপনার নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি, বিদ্যালয়ের জন্য নতুন শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করার জন্য। আপনার সদয় পদক্ষেপ সমাজে শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামের স্যানিটেশন ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য তহবিল প্রার্থনা,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: স্যানিটেশন ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামে স্যানিটেশন ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। ড্রেনের আবর্জনা দূর করার জন্য ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। এই সমস্যা দূর করতে এবং গ্রামকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আপনার কাছ থেকে তহবিল ও সহযোগিতা প্রার্থনা করছি। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " স্থানীয় খেলাধুলার জন্য মাঠ ও সরঞ্জাম কেনার তহবিল চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য মাঠ নির্মাণ ও সরঞ্জাম কেনার অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার যুবকদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান সময়ে মাঠ ও খেলার উপকরণের অভাব দেখা দিয়েছে। এজন্য, আমি আপনার নিকট অনুরোধ করছি, এলাকার ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য একটি মাঠ নির্মাণ এবং খেলাধুলার সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করুন। আপনার সদয় উদ্যোগ এলাকার যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " গ্রামীণ সড়কের সংস্কারের জন্য অর্থ অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গাচোরা অবস্থায় আছে, যা গ্রামের মানুষের চলাচলে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। অতএব, আমি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, এই সড়ক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করার জন্য। আপনার সহযোগিতায় গ্রামের জীবনমান উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " গ্রাম এলাকায় শিশু শিক্ষা উন্নয়নের জন্য অনুদানের আবেদন," বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: শিশু শিক্ষা উন্নয়নের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় শিশুদের শিক্ষার সুযোগ খুবই সীমিত। অনেক শিশু এখনও বেসিক শিক্ষায়ও পৌঁছায়নি। এলাকায় একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অনুদান ও সহযোগিতা চাচ্ছি, যাতে শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ পায়। আপনার সদয় সহযোগিতায় এই উদ্যোগ এলাকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য অর্থায়নের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য তহবিল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার কৃষকরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পদ্ধতি সম্পর্কে অনেক কম জানেন। এজন্য, আধুনিক কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনার জন্য আপনার সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। এতে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রাম্য যুবসমাজের জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের তহবিল প্রার্থনা,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: যুব উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের জন্য তহবিল বরাদ্দ। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। বর্তমানে আমাদের এলাকার যুবসমাজ কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশাগ্রস্ত। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও স্বনির্ভর করে তোলার জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। এটি এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" স্থানীয় বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থায়নের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। প্রতি বছর বর্ষাকালে আমাদের এলাকা বন্যার ঝুঁকিতে পড়ে। এতে কৃষি জমি ধ্বংস হয় এবং বসবাসকারী মানুষের জীবন-জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এজন্য, নিরাপদ জীবন ও ফসলের সুরক্ষার জন্য একটি বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য জরুরি তহবিল বরাদ্দের আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সহায়তায় এলাকাবাসী বন্যা থেকে রক্ষা পাবে এবং স্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামীন অঞ্চলে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নেই। নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্র অনেক দূরে হওয়ায় তারা প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না। এজন্য, স্থানীয় পর্যায়ে একটি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের আবেদন করছি। এটি এলাকার মানুষের সুস্থ্য জীবনযাপন নিশ্চিত করবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" মাতৃসদন ও শিশু পরিচর্যার জন্য অর্থায়ন চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: মাতৃসদন ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় গর্ভবতী মা ও শিশুর সেবা নিয়ে সমস্যা বিরাজ করছে। মাতৃসদন ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র না থাকায় অনেক মা-শিশু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে। এই সমস্যা দূর করতে ও মাতৃ-শিশুর সুরক্ষায় একটি মাতৃসদন ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আপনার কাছ থেকে অর্থায়নের আবেদন করছি। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামে বিদ্যুতের সমস্যার সমাধানের জন্য তহবিলের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ/মেয়র অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামের বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানের জন্য তহবিলের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [গ্রাম/এলাকা] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। এটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় সাইকেল চালানো ও কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাদের গ্রামের বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি লিডার]" নারীদের স্বনির্ভরতা প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তার আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: নারীদের স্বনির্ভরতা প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তার আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় অনেক নারী স্বাবলম্বী হতে চায়, কিন্তু উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও অর্থাভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছে। আমরা একটি নারী স্বনির্ভরতা প্রকল্প শুরু করতে চাই, যেখানে নারীদের ক্ষুদ্র ব্যবসায় প্রশিক্ষণ ও অর্থায়ন দেওয়া হবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] " শিশুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণের জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: শিশুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণের জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় অনেক দরিদ্র শিশু রয়েছে যারা পড়াশোনায় আগ্রহী, কিন্তু উপকরণের অভাবে তারা পড়াশোনা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, শিশুদের জন্য বই, খাতা ও পেন বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] " বয়স্কদের জন্য কমিউনিটি সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: বয়স্কদের জন্য কমিউনিটি সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকা] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় বৃদ্ধ বয়স্কদের জন্য উপযুক্ত সেবা কেন্দ্রের অভাব রয়েছে। তারা নানা সমস্যায় ভুগছেন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, বয়স্কদের জন্য একটি কমিউনিটি সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম]" মহামারীর সময় খাদ্য ও ওষুধ বিতরণের জন্য তহবিলের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [স্থানীয় পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: মহামারীর সময় দরিদ্রদের জন্য খাদ্য ও ওষুধ বিতরণের তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকা] এলাকার কমিউনিটি লিডার। চলমান মহামারীর কারণে এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের জীবন বাচাতে খাদ্য ও ওষুধের তীব্র প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, দরিদ্রদের জন্য খাদ্য ও ওষুধ বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম]" কমিউনিটির জন্য বাচ্চাদের পাঠশালা স্থাপনের জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাচ্চাদের জন্য পাঠশালা স্থাপনের জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার হিসেবে জানাচ্ছি যে, আমাদের এলাকায় অনেক অনাথ ও দরিদ্র শিশুর জন্য শিক্ষার সুযোগ নেই। তারা বাড়ির কাজ বা পথে কাজ করতে বাধ্য হয়। শিক্ষার সুযোগ পেলে তাদের জীবন পরিবর্তন হতে পারে। এজন্য একটি পাঠশালা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি, যেখানে বিনামূল্যে শিক্ষাদান করা হবে। কিন্তু আর্থিক সমস্যা আমাদের কাজ বাধাগ্রস্ত করছে। অতএব, আমি বিনীতভাবে আবেদন করছি, পাঠশালা স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ] " এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকায় বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা। জনাব, আমাদের এলাকায় বিদ্যুতের স্বল্পতা ও অপ্রতুলতার কারণে সাধারণ জীবনযাত্রায় অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। রাতের বেলা অন্ধকারে চলাচল ও পড়াশোনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এলাকায় নতুন ট্রান্সফর্মার স্থাপন ও লাইন মেরামতের জন্য আর্থিক তহবিলের প্রয়োজন। অতএব, আপনার কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধানের জন্য যথাযথ তহবিল ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ] " গ্রামীণ এলাকার স্যানিটেশন উন্নয়নের জন্য অর্থ সহায়তা চাওয়া,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামীণ এলাকার স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য অর্থ সহায়তা আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা এখনো সঠিক স্যানিটেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে স্বাস্থ্য সমস্যা ও রোগের প্রকোপ বেড়ে গেছে। এলাকায় স্যানিটেশন উন্নয়নের জন্য টয়লেট নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করেছি। তবে অর্থায়নের অভাবে কাজ বাধাগ্রস্ত। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্বেচ্ছাসেবী স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য তহবিল আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য তহবিলের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় অনেক প্রবীণ নাগরিক রয়েছেন, যাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরিচর্যার জন্য সুবিধার অভাব রয়েছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করে তাদের সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি, কিন্তু অর্থায়নের জন্য তহবিলের প্রয়োজন। অতএব, আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ] " যুবকদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা চালুর তহবিল চাওয়া,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: যুবকদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা পরিচালনার জন্য তহবিল প্রার্থনা। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকায় অনেক যুবক বেকারত্বের শিকার। তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। এই উদ্দেশ্যে একটি দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছি, যেখানে সেলাই, কম্পিউটার, গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি শেখানো হবে। তবে অর্থায়নের অভাবে কাজ শুরু করতে পারছি না। অতএব, আপনার কাছে আবেদন, যুবকদের জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [যোগাযোগ]" প্রযুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রিয়াদ: হাই সাফিয়া, তুমি কী ভাবো, প্রযুক্তি আমাদের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে? সাফিয়া: হ্যালো রিয়াদ! আমি মনে করি প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। ইন্টারনেট, স্মার্টফোন সবকিছুতেই এখন আমরা খুব দ্রুত তথ্য পেতে পারি। কিন্তু এর কিছু নেতিবাচক দিকও আছে, যেমন মনোযোগের ঘাটতি। রিয়াদ: একদম ঠিক বলছো। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমের নেশায় পড়ে যাচ্ছে, যা পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। কিন্তু আমি ভাবি, সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা করলে প্রযুক্তি আমাদের জন্য অনেক উপকারী হতে পারে। সাফিয়া: অবশ্যই। যেমন অনলাইন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং সবই এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে প্রযুক্তির কারণে। রিয়াদ: আর আমি শুনেছি, প্রযুক্তির বেশি ব্যবহার থেকে শারীরিক সমস্যাও হয়—চোখের সমস্যা, ঘুমের সমস্যা। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারে সীমা থাকা জরুরি। সাফিয়া: তাই তো, আমাদের উচিত প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণে রেখে সঠিক ব্যবহার শেখা। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ সবাইকে সচেতন হতে হবে। রিয়াদ: তোমার সঙ্গে একমত। প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করতেই হবে, কিন্তু যেন এটি আমাদের সময় ও মনোযোগকে দখল না করে। সাফিয়া: হ্যাঁ, আমাদের উচিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা, আর অবাঞ্ছিত সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকা।" সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা ও ক্ষতি নিয়ে দুই বন্ধু মাধব ও নিপুনের সংলাপ,"মাধব: হ্যালো নিপুন! তুমি কী ভাবো, ফেসবুক আর অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে? নিপুন: হাই মাধব! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের অনেক কাছে নিয়ে এসেছে। দূরে থাকা বন্ধুর সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ রাখতে পারি। খবরাখবর দ্রুত জানতে পারি। কিন্তু এর কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। মাধব: যেমন? নিপুন: অনেক সময় আমরা অতিরিক্ত সময় এখানে ব্যয় করি, যা পড়াশোনা বা কাজের ক্ষতি করে। আরও একটা সমস্যা হচ্ছে গোপনীয়তা লঙ্ঘন। অনেকেই নিজের ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুকে অনেক খোলাখুলি ভাবে শেয়ার করে। মাধব: সত্যি, এতে অনেক ঝুঁকি থাকে। আর একটা কথা, এখানে ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতাও বেড়ে গেছে। ফেক নিউজ অনেক সমস্যা তৈরি করছে। নিপুন: তাই তো। আবার অনেক সময় মানুষ ভুল তথ্য বা অপমানজনক কথা দিয়ে মানসিক কষ্টে পড়ে। এটা সামাজিক সম্পর্কের জন্য ভালো নয়। মাধব: তাহলে আমরা কী করতে পারি? নিপুন: আমাদের উচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার শেখা। ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা, সময় নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ফেক নিউজ যাচাই করা। মাধব: একদম ঠিক। স্কুল, পরিবার ও সামাজিক সংস্থা সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে। নিপুন: আর যারা অসৎ উদ্দেশ্যে এসব ব্যবহার করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। মাধব: নিপুন, তোমার কথা শুনে মনে হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভালোমতো ব্যবহার করা গেলে সত্যিই অনেক উপকার আছে। নিপুন: হ্যাঁ, কিন্তু এর অপব্যবহার রোধ করাটা আমাদের সবার দায়িত্ব।" বাংলাদেশে বেকারত্ব সমস্যা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের সংলাপ,"ছাত্র: স্যার, বাংলাদেশে বেকারত্ব কেন এত বেশি? এর কোনো সমাধান আছে কি? শিক্ষক: ভালো প্রশ্ন করেছো। বেকারত্বের মূল কারণ হলো জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া। আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু শিল্প ও সেবাখাত যথেষ্ট কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারছে না। ছাত্র: স্যার, তাহলে কি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা সমস্যাটার অংশ? শিক্ষক: হ্যাঁ, অনেক সময় শিক্ষার মান এবং দক্ষতা কাজের বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না। ফলে শিক্ষিত বেকার থাকে। ছাত্র: আমরা কী করতে পারি? শিক্ষক: দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা প্রচার করতে হবে। এছাড়া নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সরকারকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। ছাত্র: তাহলে উদ্যোক্তা হওয়াও একটা সমাধান? শিক্ষক: ঠিক বলেছো। যুবসমাজকে নতুন ব্যবসা শুরু করতে উৎসাহিত করতে হবে। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা শেখানো এবং আর্থিক সহায়তা দেওয়া জরুরি। ছাত্র: স্যার, বেকারত্ব কমাতে সমাজের আরও কী ভূমিকা থাকতে পারে? শিক্ষক: সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো, শ্রমবাজারের তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং গৃহীত নীতিমালা কার্যকর করা দরকার। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি বেকারত্ব কমানোর জন্য নিজেদের উদ্যোগে কাজ করব। শিক্ষক: শুভ কামনা তোমার জন্য। " প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ,"অরিত্র: হ্যালো রাকিব! তুমি কি গতকাল টেলিভিশনে তুমুল বন্যার খবর দেখেছো? রাকিব: হ্যাঁ, অরিত্র। আমাদের দেশের কিছু অঞ্চল খুবই বিপদগ্রস্ত হয়েছে। এত বেশি জল জমে মানুষের জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হচ্ছে। অরিত্র: সত্যি বলছো। বন্যা শুধু মানুষের বাড়িঘরই নষ্ট করে না, ফসল-ফলনও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে কৃষকরা মারাত্মক সমস্যায় পড়ে। রাকিব: আরেকটি বড় সমস্যা হলো, বন্যার কারণে শুদ্ধ পানির অভাব হয়। ফলে জলজীবী রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। অরিত্র: তাই তো। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। তোমার কি মনে হয় আমরা কী ধরনের প্রস্তুতি নিতে পারি? রাকিব: প্রথমত, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ভালোভাবে শুনতে হবে। বন্যার আগাম সতর্কতা পেলে সেখানকার মানুষজন সময়মতো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। অরিত্র: ঠিকই বলেছো। তাছাড়া, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষদেরও সচেতন হতে হবে। নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধের ব্যবস্থা করতে হবে। রাকিব: আর আমাদের পরিবারগুলোকেও বন্যার সময় কীভাবে সুরক্ষা নিতে হয়, সেই বিষয়ে শিক্ষা দেয়া জরুরি। যেমন, বাড়ির নিচতলায় মূল্যবান জিনিস না রাখা, উচ্চতর জায়গায় সরিয়ে রাখা। অরিত্র: সঠিক কথা। এছাড়া, বন্যার পরপরই স্যানিটেশন বজায় রাখা এবং পানি বিশুদ্ধকরণের উপায় অনুসরণ করা উচিত, যাতে কোন রোগ না ছড়ায়। রাকিব: তুমি জানো, বন্যার জন্য বন উজাড় না করারও গুরুত্ব আছে। বনের গাছগুলো মাটি ধরে রাখে, যা বন্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। অরিত্র: হ্যাঁ, পরিবেশ রক্ষা করাও আমাদের দায়িত্ব। আর শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষভাবে যত্ন নিতে হবে। দুর্যোগের সময় তাদের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিলে অনেক প্রাণ রক্ষা সম্ভব। রাকিব: আমার মনে হয়, স্কুলগুলোতেও এই ধরনের দুর্যোগ প্রস্তুতি নিয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত, যাতে সবাই জানে কী করতে হবে। অরিত্র: একদম ঠিক। সমাজের সবাই মিলে যদি এই বিষয়গুলো মেনে চলে, তবে আমরা দুর্যোগের প্রভাব অনেক কমিয়ে আনতে পারবো। রাকিব: আশা করি, আমরা সবাই সচেতন হবো এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিবো। এতে আমাদের জীবন অনেক নিরাপদ হবে। অরিত্র: নিশ্চয়ই। তোমার সাথে কথা বলে ভালো লাগল রাকিব। চল, আমরা সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন করার চেষ্টা করি। রাকিব: ধন্যবাদ অরিত্র। তুমি ভালো থেকো। অরিত্র: তুমিও ভালো থেকো।" শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রাকিব: তুমি কি জানো, শিক্ষার গুরুত্ব কত বেশি? তুহিন: হ্যাঁ, রাকিব। শিক্ষা মানুষের জীবনের আলো। এর মাধ্যমে আমরা উন্নত জীবন যাপন করতে পারি। রাকিব: ঠিক বলেছো। আজকাল শিক্ষা ছাড়া কেউ ভালো চাকরি পায় না। তুহিন: আর শিক্ষার মাধ্যমে আমরা দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে পারি। রাকিব: তবে অনেকেই এখন শিক্ষাকে অবহেলা করছে, যা দুঃখজনক। তুহিন: তাই সবার উচিত পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া এবং নিজের দক্ষতা বাড়ানো। রাকিব: তোমার সঙ্গে একমত। আমাদের উচিত ভালো ছাত্র হওয়া এবং অন্যদেরকেও শিক্ষার গুরুত্ব বুঝানো।" পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে দুই বন্ধু আলোচনার সংলাপ,"মেহেদি: পরিবেশ রক্ষা করা কেন জরুরি? সুমন: পরিবেশ না থাকলে আমরা বাঁচতে পারব না। এ কারণেই আমাদের পরিবেশ সংরক্ষণ করতে হবে। মেহেদি: ঠিক বলেছো। কিন্তু আমরা পরিবেশ দূষণ করছি, যা ভয়ঙ্কর। সুমন: হাঁ, প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো, গাছ লাগানো ইত্যাদি করলে পরিবেশ বাঁচানো সম্ভব। মেহেদি: সরকারকেও কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে পরিবেশ রক্ষার জন্য। সুমন: আর আমাদের প্রতিজনক সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।" ইন্টারনেটের সুবিধা ও অপকারিতা নিয়ে সংলাপ,"সুমি: আজকাল ইন্টারনেট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তোমার কি মনে হয়? নাসির: হ্যাঁ, ইন্টারনেট আমাদের জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে। সুমি: তবুও এর অপকারিতা আছে, যেমন অতিরিক্ত সময় নষ্ট হওয়া। নাসির: আমি মনে করি সঠিক ব্যবহারে ইন্টারনেট অনেক উপকারে আসে। সুমি: অবশ্যই, কিন্তু আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন আমরা এতে আসক্ত না হই। নাসির: তাই, ইন্টারনেট ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।" স্বাস্থ্য ও ব্যায়ামের গুরুত্ব নিয়ে সংলাপ,"নূর: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ব্যায়াম খুব জরুরি, তাই না? রুমি: নিশ্চয়ই, ব্যায়াম আমাদের শরীর সুস্থ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নূর: আজকাল অনেকেই অলস হয়ে পড়েছে, যা বিপজ্জনক। রুমি: তাই প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা বা ব্যায়াম করা উচিত। নূর: আর সঠিক খাদ্যাভ্যাসও স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে। রুমি: তোমার সঙ্গে একমত, স্বাস্থ্যই সম্পদ।" অভিবাসনের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"আসিফ: তুমি কি জানো, অভিবাসন আমাদের দেশে কী প্রভাব ফেলছে? রহিম: হ্যাঁ, অনেক মানুষ উন্নত জীবনের জন্য বিদেশে যাচ্ছে। আসিফ: এতে দেশের অর্থনীতিতে প্রেরিত রেমিট্যান্স বাড়ছে, যা ভালো। রহিম: তবে পরিবার ভাঙনের সমস্যা হচ্ছে এবং অনেকেই বিদেশে বৈষম্যের শিকার হয়। আসিফ: তাই আমাদের দেশে ভালো কর্মসংস্থান তৈরি করা উচিত। রহিম: তাহলে মানুষ বিদেশে যেতে বাধ্য হবেনা এবং দেশের উন্নয়ন হবে।" দাম্পত্য জীবন ও পারস্পরিক বোঝাপড়া নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর সংলাপ,"রাশেদ: তুমি আজকে অনেক চিন্তিত দেখছো, শীলা। কিছু সমস্যা আছে কি? শীলা: হ্যাঁ, রাশেদ। মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা একে অপরের কথা ঠিকমতো বুঝি না। তোমার কাজের চাপ অনেক, আর আমার বাড়ির কাজ ও সন্তানদের দায়িত্বও বেশ। রাশেদ: আমি জানি, শীলা। তাই তো ভাবছিলাম আমাদের সময় একটু ভাগ করে নিয়েই একে অপরের সঙ্গে কথা বলা দরকার। বোঝাপড়া বাড়াতে। শীলা: হ্যাঁ, কথাবার্তায় যদি আমাদের আন্তরিকতা বেশি থাকে, তাহলে অনেক সমস্যা দূর হবে। রাশেদ: আমি চেষ্টা করব কাজের চাপ কমিয়ে তোমার জন্য সময় বের করতে। তুমি তোমার দিক থেকে আমাকে সহযোগিতা করবে? শীলা: অবশ্যই, রাশেদ। সংসার চলতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার দরকার। রাশেদ: তাই তো, যেকোনো সমস্যার সমাধান সহজ হয় যদি আমরা একসঙ্গে থাকি। শীলা: আমি আশা করি, আমরা একে অপরকে আরও ভালভাবে বুঝতে পারব। রাশেদ: চল, আজ থেকে নিয়মিত একটু সময় দেব আমরা একসঙ্গে কাটাতে।" স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"মিতু: সালাম, রিমা! তুমি দেখতে অনেক ভালো লাগছো, কী করছ? রিমা: সালাম মিতু! ধন্যবাদ, আমি এখন স্বাস্থ্য সচেতন হচ্ছি। প্রতিদিন হাঁটা, সঠিক খাবার খাওয়া আর পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করছি। মিতু: এটা খুব ভালো ব্যাপার। আমরা অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলা করি। তুমি কীভাবে শুরু করেছ? রিমা: প্রথমে আমি নিজেকে সামান্য নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাসে ফেলে দিয়েছি। পরে খাওয়ার প্রতি মনোযোগী হয়েছি। এখন খুব কম তেল-মশলা খাই। মিতু: সত্যি বলছো? আমি চাই, আমি তোমার থেকে শিখতে চাই। আমাদের অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবা হয় না। রিমা: তাই তো। ব্যস্ততা মানে স্বাস্থ্যকে অবহেলা করার কারণ হতে পারে না। ছোট ছোট অভ্যাস বদলানোই বড়ো পরিবর্তনের মূল। মিতু: ঠিক বলেছো। আমি আজ থেকেই চেষ্টা করব। আর তোমার মতো নিয়মিত হাঁটব। রিমা: চল, একসঙ্গে হাঁটার পরিকল্পনা করি। এতে মনও ভালো থাকবে। মিতু: খুব ভালো আইডিয়া! ধন্যবাদ, রিমা।" বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের সংলাপ,"অভিভাবক: স্যার, আমি চাই আমার ছেলে ভালো শিক্ষা পাবে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কিছু আশঙ্কা আছে। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি, শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছাত্রদের দক্ষ ও জ্ঞানের দ্বারা সমৃদ্ধ করা। অভিভাবক: অনেক সময় আমি দেখেছি, অনেক শিক্ষার্থী শুধু পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করে, বাস্তব জ্ঞানে দুর্বল থাকে। এর কারণ কী? শিক্ষক: এটা একটি বড় সমস্যা। যেটা কেবল আমাদের দেশে নয়, অনেক উন্নত দেশেও ঘটছে। শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত ব্যবহারিক ও চিন্তা-শীল শিক্ষার্থী গড়ে তোলা। অভিভাবক: তাহলে আমরা কী করতে পারি? শিক্ষক: আমাদের উচিত ছাত্রদের অনুপ্রেরণা দেয়া, তাদের সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তা বিকাশে উৎসাহিত করা। পরিবার ও স্কুল উভয়ের মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। অভিভাবক: শিক্ষকদের ভূমিকা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ বুঝতে পারছি। শিক্ষক: অবশ্যই, অভিভাবক এবং শিক্ষকরা মিলে কাজ করলে ছাত্রদের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। অভিভাবক: আশা করি, আমাদের সন্তানরা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করবে। শিক্ষক: এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ধন্যবাদ, আপনার সহযোগিতার জন্য।" পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধু রিমা ও সজলের সংলাপ,"রিমা: হ্যালো সজল! তুমি কি জানো পরিবেশ দূষণ কত বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে? সজল: হ্যাঁ, রিমা। আমাদের চারপাশে বায়ু, জল, ও মাটি সব দূষিত হচ্ছে। এটা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। রিমা: বিশেষ করে যানবাহনের ধোঁয়া আর কলকারখানার বর্জ্য জলদূষণের অন্যতম কারণ। এর ফলে জলজ প্রাণীর মৃত্যু হচ্ছে। সজল: আমি মনে করি আমাদের সচেতন হতে হবে। যেমন গাড়ি কম চালানো, গাছ লাগানো ও প্লাস্টিক ব্যবহারে কমতি আনা। রিমা: বর্জ্য যথাযথ স্থানে ফেলা এবং পরিবেশবান্ধব জিনিস ব্যবহার করাও জরুরি। সজল: হ্যাঁ, আর সরকারকেও কঠোর আইন করতে হবে যারা পরিবেশ দূষণ করে। রিমা: যদি আমরা সবাই মিলেই কাজ করি, পরিবেশ রক্ষা সম্ভব হবে। সজল: একদম ঠিক বলেছো, রিমা। " শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে দুই শিক্ষার্থী দীপক ও সালমার সংলাপ,"দীপক: সালমা, তুমি শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে কি ভাবো? সালমা: আমি মনে করি শিক্ষা মানুষকে সভ্য করে তোলে। ভালো জীবনযাত্রার সুযোগ দেয়। দীপক: সত্যি, শিক্ষা মানুষকে সমাজে সম্মান দেয় ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। সালমা: শিক্ষা ছাড়া উন্নতি করা যায় না। তাই পড়াশোনা নিয়মিত করতে হবে। দীপক: আমাদের দেশের উন্নতির জন্য শিক্ষার ব্যাপক প্রয়োজন। সালমা: হ্যাঁ, ভালো শিক্ষক ও সুযোগ পেলে সবাই সফল হতে পারে। দীপক: আমরা কষ্ট করে পড়াশোনা করলে সফলতা আসবেই। সালমা: একদম ঠিক।" প্রযুক্তির সুবিধা ও ক্ষতি নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রাহুল: প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। তোমার কি মনে হয়? সুমন: হ্যাঁ, অনেক সুবিধা আছে। দ্রুত যোগাযোগ, শিক্ষায় সুবিধা, ব্যবসা ইত্যাদি। রাহুল: তবে অনেক সময় অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারে মানুষ আলাদা হয়ে যায়। সামাজিক সম্পর্ক দুর্বল হয়। সুমন: তোমার কথা ঠিক। অনেকেই সময় অপচয় করে, অকারণ তথ্য দেখতে থাকে। রাহুল: তাই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে সচেতনভাবে। সুমন: হ্যাঁ, সময় নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।" পরিবারের গুরুত্ব নিয়ে দুই কিশোরীর সংলাপ,"সোহিনী: তোমার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন? মেঘলা: খুব ভালো। পরিবারই আমার প্রথম শিক্ষক ও বন্ধু। সোহিনী: পরিবারের সদস্যরা যখন পাশে থাকে, তখন সব সমস্যা সহজ হয়ে যায়। মেঘলা: তাই তো। ভালো পরিবার মানুষকে মোরাল শক্তি দেয়। সোহিনী: সংসারে সম্মান ও ভালোবাসা থাকা জরুরি। মেঘলা: পরিবার ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।" স্বাস্থ্য ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"জহির: তুমি কি নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন? সুমাইয়া: হ্যাঁ, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম আমার দৈনন্দিন জীবনেই আছে। জহির: ভালো কথা। স্বাস্থ্য ভালো থাকলে সব কাজ ঠিকঠাক হয়। সুমাইয়া: মিষ্টি ও ফাস্টফুড কম খেতে চেষ্টা করি। জহির: আমি ও বেশি করে শাকসবজি ও ফল খাই। সুমাইয়া: স্বাস্থ্যকর খাদ্য ছাড়া জীবনে উন্নতি করা যায় না। " ইন্টারনেট ব্যবহার ও এর নিরাপত্তা নিয়ে দুই শিক্ষার্থীর সংলাপ,"নাফিসা: তুমি ইন্টারনেট ব্যবহার করো কেমন করে? রনি: আমি পড়াশোনা, খোঁজখবর, আর মজার জন্য ব্যবহার করি। তুমি? নাফিসা: আমি চেষ্টা করি নিরাপদভাবে ব্যবহার করতে। কারণ অনলাইনে অনেক ঝুঁকি থাকে। রনি: হ্যাঁ, পাসওয়ার্ড গোপন রাখা ও সন্দেহজনক লিঙ্ক এড়ানো দরকার। নাফিসা: পরিবারকেও এ ব্যাপারে সচেতন করতে হবে। রনি: সঠিক ব্যবহার না করলে বড় ক্ষতি হতে পারে।" বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও আমাদের দায়িত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"তাহমিনা: তুমি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সম্পর্কে কী জানো? মারুফ: বন্যপ্রাণীর সংখ্যা দিন দিন কমছে, এটা খুব দুঃখজনক। তাহমিনা: আমাদের সবাইকে প্রাণীদের সুরক্ষায় সচেতন হতে হবে। মারুফ: বন উজাড় না করা, শিকার বন্ধ করা দরকার। তাহমিনা: সরকারকেও আইন কঠোর করতে হবে। মারুফ: বন্যপ্রাণী ছাড়া প্রকৃতি অসম্পূর্ণ হয়। " বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের সংলাপ,"অভিভাবক: স্যার, আমি চাই আমার ছেলে ভালো শিক্ষা পাবে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কিছু উদ্বেগ আছে আমার। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি আপনার চিন্তা। সত্যি কথা বলতে, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু সমস্যা আছে, তবে আমরা চেষ্টা করছি ছাত্রদের জন্য আরও কার্যকর ও উন্নত শিক্ষা নিশ্চিত করতে। অভিভাবক: অনেক সময় দেখা যায়, ছাত্ররা শুধু পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করে, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনে মনোযোগ দেয় না। এই সমস্যা কীভাবে কাটিয়ে উঠা যাবে? শিক্ষক: এটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের উচিত ছাত্রদের সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তা ও ব্যবহারিক দক্ষতা বিকাশে উৎসাহ দেওয়া। শুধু রুটিন মেমোরি নয়, জীবনমুখী শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। অভিভাবক: তাহলে আমরা অভিভাবকরা কী করতে পারি? শিক্ষক: পরিবার থেকে শিশুদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা খুব জরুরি। স্কুলের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও তাদের সন্তানদের পড়াশোনা এবং নৈতিক শিক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে। অভিভাবক: শিক্ষকদের ভূমিকা এখানে কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? শিক্ষক: অবশ্যই। শিক্ষকদের কেবল পাঠদান নয়, শিক্ষার্থীর মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক বিকাশেও সাহায্য করতে হবে। একটি সহানুভূতিশীল ও উদ্বুদ্ধ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অভিভাবক: স্যার, আমি দেখেছি অনেক শিক্ষার্থী অনেক চাপ নিয়ে পড়াশোনা করে, যার ফলে তারা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়ছে। এই সমস্যার সমাধান কী? শিক্ষক: শিক্ষাব্যবস্থায় চাপ কমিয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া স্কুলে কাউন্সেলিং সেবা চালু করা উচিত। অভিভাবক: এটা খুবই প্রয়োজনীয়। আমাদের সন্তানেরা যেন শুধু জ্ঞানই না, ভালো মানুষও হয়ে ওঠে। শিক্ষক: ঠিক বলেছেন। তাই পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিলে কাজ করলে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। অভিভাবক: আশা করি, আমাদের সন্তানেরা দেশ ও সমাজের কল্যাণে অবদান রাখতে পারবে। শিক্ষক: এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ধন্যবাদ আপনার সহযোগিতার জন্য।" প্রযুক্তির অগ্রগতি ও মানব জীবনে তার প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"আফসার: হ্যালো সুমন, তুমি কী ভাবো প্রযুক্তির আধুনিক অগ্রগতি আমাদের জীবনে কতটা পরিবর্তন এনেছে? সুমন: ওহ, আফসার! প্রযুক্তি জীবনের সব ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে। যোগাযোগ থেকে শুরু করে চিকিৎসা, শিক্ষা, শিল্প—সবখানেই প্রযুক্তির অবদান অসাধারণ। আফসার: যেমন, আগে ডাকযোগে খবর পাঠাতে অনেক দিন লাগতো, এখন ই-মেইল বা সোশ্যাল মিডিয়া মুহূর্তেই খবর পৌঁছে দেয়। সুমন: আর ব্যবসা-বাণিজ্যে ই-কমার্স ও ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম জীবনকে সহজ করে দিয়েছে। মানুষ এখন হাতের মুঠোয় দোকান খুলতে পারছে। আফসার: কিন্তু প্রযুক্তির কারণে মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যেও সমস্যা বাড়ছে, যেমন চোখের সমস্যা, কম শারীরিক কর্মকাণ্ড, ঘুমের বিঘ্ন। সুমন: তাই আমাদের উচিত প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করা। প্রযুক্তিকে যেন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি এবং আমাদের জীবন ও সম্পর্ক যেন তা ক্ষতিগ্রস্ত না করে। আফসার: আমি মনে করি, প্রযুক্তি মানুষের সৃজনশীলতা বাড়ায়, তবে তার জন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। সুমন: একদম, প্রযুক্তি যদি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে তা আমাদের উন্নতির জন্য অসাধারণ শক্তি হয়ে দাঁড়াবে।" বেকারত্বের সমস্যা নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"রাশেদ: হ্যালো আমিন, তুমি কী জানো আমাদের দেশে বেকারত্ব কত বড় সমস্যা? আমিন: হ্যাঁ রাশেদ, বেকারত্বের কারণে অনেক তরুণ মানসিক চাপ ও হতাশায় ভুগছে। রাশেদ: এই সমস্যা কেবল শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে নয়, অবিকশিত শ্রমিকদের মধ্যেও ব্যাপক। আমিন: বেকারত্ব কমাতে শিল্প-কারখানা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা জরুরি। রাশেদ: অনেকেই বিদেশেও কাজ খুঁজতে যাচ্ছেন, যাতে বৈদেশিক মুদ্রা আসে। আমিন: তবে দেশের মধ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি না হলে সমস্যা কমবে না। রাশেদ: সরকারের উচিত নতুন ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া। আমিন: আর আমরা যুবকরা নিজেদের দক্ষতা উন্নত করে ভালো কাজে যোগ দিতে পারব।" স্বাস্থ্য ও সুস্থতার গুরুত্ব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"নাজমুল: সুস্থ থাকা মানে সুখী জীবন। তোমার কি মনে হয়? রিফাত: হ্যাঁ, সুস্থ শরীরেই সুখী মন জন্মায়। তাই নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম আহার খুব জরুরি। নাজমুল: কিন্তু আজকাল আমরা সবাই অলস হয়ে পড়ছি, মোবাইল ও টিভির সামনে সময় কাটাচ্ছি। রিফাত: এটা খুব ক্ষতিকর। শরীর সচল না হলে নানা রোগের আশঙ্কা থাকে। নাজমুল: তাই প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা হাঁটাহাঁটি, খেলাধুলা করা উচিত। রিফাত: আর বিশ্রাম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক শান্তিও সুস্থতার অংশ। নাজমুল: জীবনে সুস্থতা বজায় রাখার জন্য সবদিক থেকে যত্ন নেওয়া দরকার।" সামাজিক যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব নিয়ে সংলাপ,"সাবিনা: আমাদের জীবনে সামাজিক যোগাযোগ কত গুরুত্বপূর্ণ, তোমার কি মনে হয়? মাহমুদ: বন্ধুত্ব ও সামাজিক সম্পর্ক আমাদের জীবনে সুখ ও শান্তি আনে। সাবিনা: কিন্তু আজকাল অনেকেই প্রযুক্তির কারণে বাস্তব জীবনের যোগাযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। মাহমুদ: তাই আমরা চেষ্টা করব সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে। সাবিনা: বন্ধুত্বে বিশ্বাস, সহানুভূতি ও সম্মান থাকা দরকার। মাহমুদ: সঠিক যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করে।" পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার নিয়ে আলোচনা,"তাহসিন: তুমি কি জানো, পরিবেশ দূষণ আমাদের জন্য কত বড় হুমকি? সোহেল: হ্যাঁ, দুষিত বাতাস, জল ও মাটি মানবজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাহসিন: শিল্প কারখানা, যানবাহন থেকে গ্যাস নির্গমন পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ। সোহেল: প্লাস্টিক দূষণ ও কাচের বোতল ফেলার বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। তাহসিন: আমাদের উচিত গাছ লাগানো, যানবাহন কম ব্যবহার ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী ব্যবহার। সোহেল: সরকারকেও কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে পরিবেশ রক্ষায়। তাহসিন: আর সাধারণ মানুষও সচেতন হয়ে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করবে, তবেই পরিবর্তন সম্ভব।" প্রযুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধু রিয়াদ ও সাফিয়ার সংলাপ,"রিয়াদ: হাই সাফিয়া, তুমি কী ভাবো, প্রযুক্তি আমাদের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে? সাফিয়া: হ্যালো রিয়াদ! আমি মনে করি প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। এখন ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের মাধ্যমে আমরা খুব দ্রুত তথ্য পেতে পারি, যা আগে ছিল কল্পনাও করা কঠিন। অনেক কাজ যেমন শিক্ষা, যোগাযোগ, ব্যাংকিং ইত্যাদি এখন অনেক দ্রুত এবং সুবিধাজনক হয়েছে। রিয়াদ: একদম ঠিক বলছো। বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে অনলাইন ক্লাসের সুবিধা আমাদের সময় ও স্থান বাঁচিয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তির কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে, যেমন আমাদের অনেকেই এখন সামাজিক মাধ্যমের নেশায় আটকা পড়ে যাচ্ছি, যা পড়াশোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। সাফিয়া: হ্যাঁ, মনোযোগের অভাব, ঘুমের সমস্যা, চোখে সমস্যা—এসবও প্রযুক্তির বেশি ব্যবহারের কারণে হয়ে থাকে। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারে সঠিক সময় ও সীমা নির্ধারণ খুব জরুরি। রিয়াদ: তোমার কথা একদম ঠিক। আমরা যদি প্রযুক্তিকে আমাদের দাস না বানাই, বরং উপকারী হিসেবে ব্যবহার করি, তবে এর অনেক সুফল পাওয়া যাবে। সাফিয়া: যেমন স্বাস্থ্যসেবা এখন অনেক সহজ হয়েছে, ডাক্তার দেখানো, ওষুধ কিনা, এমনকি জরুরি সেবা দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে। আর ব্যাংকিং ক্ষেত্রেও অনেক কাজ এখন অনলাইনে হয়, যা সময় বাঁচায়। রিয়াদ: আমি মনে করি, পরিবার ও স্কুলগুলোকে প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে হবে। এ ছাড়া সরকারকেও প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সাফিয়া: অবশ্যই। প্রযুক্তি আমাদের দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যম, কিন্তু আমাদের উচিত সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকা। প্রযুক্তি যেন আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ না করে, বরং আমরা প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করি। রিয়াদ: তোমার সঙ্গে একমত। আমাদের উচিত প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এর অপব্যবহার থেকে বাঁচতে সচেতন হতে হবে। সাফিয়া: সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়ন্ত্রণ থাকলে প্রযুক্তি আমাদের জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবে। রিয়াদ: আশা করি, আমরা সবাই প্রযুক্তির সুফল গ্রহণ করব এবং এর ক্ষতি থেকে বাঁচতে সচেতন হবো। সাফিয়া: ধন্যবাদ রিয়াদ, তোমার সঙ্গে এই আলোচনা আমার অনেক কিছু শেখালো। রিয়াদ: আমারও অনেক ভালো লাগল। ভালো থেকো, সাফিয়া। সাফিয়া: তুমি ও ভালো থেকো। " বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের সংলাপ,"অভিভাবক: স্যার, আমি চাই আমার ছেলে ভালো শিক্ষা পাবে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার কিছু বিষয় নিয়ে আমার কিছু আশঙ্কা আছে। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি আপনার ভাবনা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় কিছু চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও জ্ঞানের দ্বারা সমৃদ্ধ করার। অভিভাবক: অনেক সময় আমি দেখেছি, অনেক শিক্ষার্থী শুধু পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করে, বাস্তব জ্ঞানে দুর্বল থাকে। এতে ভবিষ্যতে তাদের অনেক সমস্যা হবে, তাই না? শিক্ষক: হ্যাঁ, এটি একটি বড় সমস্যা। শুধু মাত্র মুখস্থ করা নয়, আমাদের শিক্ষার লক্ষ্য হওয়া উচিত চিন্তা-শীল, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক শিক্ষার্থী গড়ে তোলা। অভিভাবক: তাহলে আমরা কী করতে পারি যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনাকে ভালোভাবে গ্রহণ করে? শিক্ষক: শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। ছাত্রদের উৎসাহিত করতে হবে, তাদের সমস্যাগুলো বুঝতে হবে এবং তাদের সৃজনশীল চিন্তা বিকাশে সাহায্য করতে হবে। অভিভাবক: কিন্তু অনেক সময় অনেক অভিভাবকই শুধু পরীক্ষার ফলাফলের দিকে নজর দেন, যা শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। শিক্ষক: হ্যাঁ, তাই সঠিক শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করা জরুরি, যেখানে শিক্ষার্থী স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করতে পারে ও বিভিন্ন দিক থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। অভিভাবক: স্কুল ও পরিবার দুটোই মিলে যদি এভাবে কাজ করতে পারে, তবে শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক ভালো হবে। শিক্ষক: অবশ্যই, শিক্ষক ও অভিভাবকরা যদি মিলিত প্রচেষ্টা চালায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভালো গুণাবলী তৈরি করা সম্ভব হবে। অভিভাবক: আশা করি, আমাদের সন্তানরা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করবে। শিক্ষক: এটাই আমাদের প্রত্যাশা। শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও প্রগতিশীল করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, আপনার সময় ও পরামর্শের জন্য। শিক্ষক: আপনাকেও ধন্যবাদ।" অনলাইন শিক্ষার সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে দুই ছাত্রের সংলাপ,"আদিত্য: তুমি কী ভাবো, অনলাইন শিক্ষা আমাদের জন্য কতটা উপকারী? রাকিব: আদিত্য, আমি মনে করি অনলাইন শিক্ষা অনেক সুবিধা নিয়ে এসেছে, বিশেষ করে দুরের শিক্ষার্থীদের জন্য। যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে পড়াশোনা করা যায়। আদিত্য: ঠিক বলছো, কিন্তু কখনও কখনও ইন্টারনেটের সমস্যার কারণে সমস্যা হয়। আর লাইভ ক্লাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সরাসরি যোগাযোগের অভাবও একটি বড়ো সমস্যা। রাকিব: হ্যাঁ, এটা সত্য। অনলাইন শিক্ষায় মনোযোগ কমে যেতে পারে। আর প্রযুক্তি চালাতে না পারা শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে পড়ে। আদিত্য: তবে কোভিডের সময় অনলাইন শিক্ষাই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা চালিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। রাকিব: অবশ্যই, কিন্তু ভবিষ্যতে এটা কতটা সফল হবে, সেটা শিক্ষকদের দক্ষতার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। আদিত্য: আর পরিবার ও শিক্ষার্থীদেরও প্রযুক্তি ব্যবহার শেখা প্রয়োজন। রাকিব: তাই না, প্রযুক্তি যেমন শিক্ষাকে সহজ করে তোলে, তেমনই দক্ষতা না থাকলে সমস্যাও তৈরি করে। " মোবাইল ফোনের প্রয়োজনীয়তা ও ক্ষতি নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"সুব্রত: মোবাইল ফোন এখন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে গেছে, তাই না? রুবিনা: হ্যাঁ, সুব্রত। কিন্তু অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে অনেক সময় নষ্ট হয়। সুব্রত: ঠিক বলেছো, অনেকেই মোবাইল নেশায় পড়ে, যা পড়াশোনা ও কাজের ক্ষতি করে। রুবিনা: এছাড়া অনেক সময় সামাজিক মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় সময় কাটানো হয়। সুব্রত: আবার মোবাইল ফোন যোগাযোগের জন্য অনেক দরকারি, বিশেষ করে জরুরি মুহূর্তে। রুবিনা: সুতরাং মোবাইলের সঠিক ব্যবহার শেখা খুব জরুরি। সুব্রত: হ্যাঁ, মোবাইল যেন আমাদের সময় এবং মনোযোগ চুরি না করে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। " শিক্ষার্থীদের চাপ ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রীর সংলাপ,"শিক্ষক: অর্পিতা, তুমি কিছুদিন ধরে চিন্তিত মনে হচ্ছো, কি হয়েছে? অর্পিতা: স্যার, পরীক্ষা, প্রেজেন্টেশন, প্রজেক্ট সব মিলিয়ে খুব চাপ লাগছে। কখনো ভালো ঘুম হয় না। শিক্ষক: এটা অনেক শিক্ষার্থীর সমস্যা। তোমার কি মনে হয়, চাপ কমাতে কী করা উচিত? অর্পিতা: আমি জানি না, স্যার। পড়াশোনার চাপ অনেক, আর পরিবার থেকেও প্রত্যাশা অনেক। শিক্ষক: চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য সময় ব্যবস্থাপনা খুব জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত বিশ্রাম ও মানসিক বিশ্রাম দরকার। অর্পিতা: স্যার, আমি কীভাবে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে পারি? শিক্ষক: বন্ধুদের সাথে কথা বলো, প্রয়োজনে পরামর্শদাতার সাহায্য নাও। নিয়মিত হাঁটা-দৌড়াও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। অর্পিতা: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব। শিক্ষক: তুমি পারবে, বিশ্বাস রেখো।" পরিবেশ দূষণ ও এর প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"জান্নাত: পরিবেশ দূষণ আমাদের জীবনের জন্য কত বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে! তাসনিম: একদম, শহরগুলো ধোঁয়া, প্লাস্টিক ও শব্দ দূষণে ভরে উঠেছে। জান্নাত: গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে, আর প্লাস্টিক ব্যবহার কমাতে হবে। তাসনিম: পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে হলে সবাইকে জাগ্রত হতে হবে, বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্রদের। জান্নাত: সরকারকে কঠোর আইন করতে হবে দূষণকারীদের বিরুদ্ধে। তাসনিম: আর আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নিজেরাও প্লাস্টিক বর্জন, গাছ লাগানো, সচেতন হওয়া উচিত। জান্নাত: পরিবেশ রক্ষা ছাড়া আমাদের অস্তিত্ব অসম্ভব।" সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তার প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"সুমি: তুমি কি ভাবো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবন কতটা বদলে দিয়েছে? আলিম: অনেক ভালো ও অনেক খারাপ। দূরবর্তী মানুষদের কাছে নিয়ে এসেছে, কিন্তু অনেক সময় সময় নষ্ট হয়। সুমি: ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতাও বেড়েছে। আলিম: তাই সতর্ক হতে হবে, তথ্য যাচাই করে গ্রহণ করা উচিত। সুমি: মানসিক চাপ ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার কারণও হতে পারে। আলিম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার শেখানো প্রয়োজন।" স্বাস্থ্যকর খাবার ও ফাস্টফুড নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রোহান: ফাস্টফুড অনেক জনপ্রিয়, কিন্তু কি এটি আমাদের স্বাস্থ্য জন্য ভালো? জয়া: না, ফাস্টফুডে তেল, চিনি ও নুন বেশি থাকে, যা অসুস্থতার কারণ। রোহান: কিন্তু অনেক সময় কাজের ব্যস্ততায় স্বাস্থ্যকর খাবার সময় থাকে না। জয়া: তাই ছোট ছোট পরিবর্তন করতে হবে, যেমন বাড়িতে রান্না করা খাবার বেশি খাওয়া। রোহান: আর নিয়মিত ব্যায়াম করলে ভালো থাকবে। জয়া: হ্যাঁ, স্বাস্থ্যই সম্পদ।" যুবসমাজের অবাধ সময় ও সৃষ্টিশীলতা নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"তুমি: তোমার মনে হয় কি যুবসমাজের অবাধ সময়ের সমস্যা আছে? সুমন: হ্যাঁ, অনেকেই সময় ব্যর্থ কাজে নষ্ট করে। তুমি: তারা যদি সৃষ্টিশীল কাজে সময় দেয়, তাহলে অনেক দূর যেতে পারবে। সুমন: তাই, বই পড়া, খেলাধুলা ও সঠিক পরামর্শ প্রয়োজন। তুমি: পরিবার ও স্কুলের সহযোগিতা জরুরি। সুমন: সবার উচিত যুবসমাজকে সঠিক পথে চালানো।" মহামারী মোকাবিলা ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে দুই ছাত্রের সংলাপ,"আলিম: করোনার সময় আমরা কত কিছু শিখলাম, তাই না? মাহমুদ: হ্যাঁ, হাত ধোয়া, মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্বের গুরুত্ব বুঝেছি। আলিম: তবে এখনো অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানে না। মাহমুদ: এজন্য সচেতনতা বাড়ানো দরকার। আলিম: সরকারকেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। মাহমুদ: সবাই মিলে মহামারি মোকাবিলা করতে হবে। " শিক্ষার গুরুত্ব ও অনুপ্রেরণা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রীর সংলাপ,"শিক্ষক: তুমি কী জানো শিক্ষার গুরুত্ব? মিনা: স্যার, শিক্ষা আমাদের জীবনের দিশা। ভালো শিক্ষা ছাড়া উন্নতি করা কঠিন। শিক্ষক: তাই তোমার পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে হবে। মিনা: আমি চেষ্টা করব স্যার। শিক্ষক: তোমার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।" দুই বন্ধুর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব নিয়ে আলোচনা,"সুমন: হ্যালো রাকিব! তুমি কি ভাবো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে? রাকিব: হ্যালো সুমন! আমার মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক সুবিধা নিয়ে এসেছে। দূরের বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ রাখা যায়। নতুন নতুন তথ্য ও জ্ঞান শেখার সুযোগও অনেক। সুমন: ঠিকই বলেছো। কিন্তু আমি মনে করি, অনেক সময় আমরা অতিরিক্ত সময় এখানে কাটাই। এতে পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যাঘাত ঘটে। রাকিব: হ্যাঁ, এটা সত্যি। আমি নিজেও মাঝে মাঝে ফেসবুকে অনেক সময় নষ্ট করে ফেলি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আমি চেষ্টা করছি সময় সীমাবদ্ধ রাখার। সুমন: তুমিই বলো, অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেশা হয়ে পড়ে, বিশেষ করে যুব সমাজ। এটা তাদের মনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাকিব: সত্যি, আর আরেকটি বড়ো সমস্যা হচ্ছে ভুল তথ্য বা গুজব ছড়ানো। অনেকেই যাচাই না করে খবর বিশ্বাস করে যা সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি করে। সুমন: আমি একবার দেখেছিলাম একজন বন্ধুকে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে। এটা মানসিক ভাবে খুব কষ্ট দেয়। তোমার কি এমন অভিজ্ঞতা আছে? রাকিব: হ্যাঁ, আমি নিজেও দেখেছি কিছু বন্ধুকে অপমানজনক মন্তব্যে আঘাত করতে। এজন্য সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহার সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। সুমন: অবশ্যই। আর আমাদের উচিত সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা করা। সবসময় ফোন হাতে রেখে সময় নষ্ট না করে গুরুত্বপূর্ণ কাজে মন দেওয়া দরকার। রাকিব: ঠিক বলেছো। এছাড়া, সামাজিক মাধ্যম আমাদের মতামত গড়ে তোলায় প্রভাব ফেলে। কখনও কখনও আমরা সেসব ট্রেন্ড বা ধারা অনুসরণ করতে বাধ্য হই, যা সবসময় সঠিক নাও হতে পারে। সুমন: তাই, নিজের চিন্তাভাবনা গড়ে তোলা জরুরি, যাতে অন্যের প্রভাব আমরা সহজে না গ্রহণ করি। রাকিব: একদম। আমি মনে করি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবিধা নিতে হবে, কিন্তু ঝুঁকি ও ক্ষতির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। সুমন: আমারও মতামত তাই। আমরা সবাই সচেতন হলেই এই মাধ্যম থেকে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।" শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: রিমা, তুমি কী ভাবো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যুব সমাজের জন্য কতটা উপকারী বা ক্ষতিকর? রিমা: স্যার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক সুবিধা নিয়ে এসেছে। আমরা বাড়ি থেকে অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে পারি, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারি। শিক্ষক: এটা অবশ্যই ভালো দিক। তবে তোমার কি মনে হয়, এর কোনো নেতিবাচক প্রভাবও আছে? রিমা: হ্যাঁ স্যার, অনেক সময় অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের পড়াশোনা ও ঘুমের ক্ষতি করে। আর মাঝে মাঝে অনৈতিক বা মিথ্যা তথ্যের ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনাও থাকে। শিক্ষক: খুব ভালো পর্যবেক্ষণ। তুমি কী ভাবে নিজের সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাটাও? রিমা: আমি চেষ্টা করি দিনের নির্দিষ্ট সময়েই ব্যবহার করতে। বেশি সময় না দিয়ে মূলত দরকারি কাজ করতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করি। শিক্ষক: এটা খুবই প্রশংসনীয়। তোমার মত এমন সচেতন ছাত্রদের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। রিমা: স্যার, আমি দেখেছি অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে। এটা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। শিক্ষক: হ্যাঁ, সাইবার বুলিং একটি গুরুতর সমস্যা। আমরা সবাইকে এর বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে এবং প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। রিমা: আর সাইবার নিরাপত্তার বিষয়েও সবাইকে শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। শিক্ষক: অবশ্যই, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ অনলাইন ব্যবহার শিখানো আমাদের কর্তব্য। রিমা: স্যার, আমার মনে হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন নতুন ধারণা, সংস্কৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গি শেখার সুযোগ থাকে। শিক্ষক: একদম ঠিক, তবে এর সঙ্গে যুক্ত ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে সচেতনতা না থাকলে সমস্যা বাড়ে। রিমা: তাই, পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উভয়ই ছাত্রদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়া উচিত। শিক্ষক: তোমার কথা খুব ভালো। তুমি তোমার বন্ধুদেরকেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার শিখিয়ে দাও। রিমা: নিশ্চয় স্যার। আমি চেষ্টা করব।" পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে চারজনের সংলাপ,"অমিত: হ্যালো শ্রীমা, তুমি কী ভাবো, আজকাল প্লাস্টিক দূষণ আমাদের পরিবেশের জন্য কত বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে? শ্রীমা: হাই অমিত! প্লাস্টিক তো আমাদের চারপাশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, কিন্তু এটি পরিবেশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। প্লাস্টিক পচতে অনেক বছর লাগে, আর নদী-সমুদ্রগুলোতে জমে প্রাণীদের জীবন বিপন্ন করে। তাই আমাদের প্রয়োজন প্লাস্টিকের বিকল্প ব্যবহার, যেমন পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ। রফিক (কমিউনিটি লিডার): আপনাদের কথায় আমি একদম সহমত। সম্প্রদায়ের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আমরা সম্প্রতি একটি বৃক্ষরোপণ অভিযান করেছি। গাছ লাগানো শুধু পরিবেশকে সুস্থ রাখে না, তা অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বায়ুর দূষণ কমায়। মেহেদী (স্থানীয় বাসিন্দা): সত্যিই, রফিক ভাই। আমি মনে করি শুধু গাছ লাগানোই যথেষ্ট নয়, গাছের পরিচর্যাও জরুরি। আমাদের সবাইকে গাছের যত্ন নিতে হবে এবং বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। অমিত: আরেকটা বিষয় হলো, পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য ব্যক্তিগত দায়িত্ব ও সরকারী দায়িত্বের মধ্যে পার্থক্য কী? আমি মনে করি, ব্যক্তিরা যত সচেতন হবে, তত পরিবেশ ভালো থাকবে। রফিক: অবশ্যই, ব্যক্তিগত সচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বড় বড় প্রকল্প যেমন নদী পরিষ্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশবান্ধব নীতি প্রণয়ন, এসব সরকারই করতে পারে। সরকার যদি কঠোর আইন আর কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তাহলে পরিবেশ রক্ষা সহজ হবে। শ্রীমা: আর আমরা নিজেরাও ছোট ছোট জিনিস থেকে শুরু করতে পারি। যেমন বাড়িতে এবং স্কুলে বর্জ্য কমানো, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, এবং পুনঃব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার। ছোট ছোট কাজগুলোর মিশ্রণে বড় পরিবর্তন আসে। মেহেদী: আমার তো মনে হয়, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব আমরা সবাই মিলে গ্রহণ করতে পারলে এই সমস্যা খুব দ্রুত কমে আসবে। শুধু নিজের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের পরিবেশ সুস্থ রাখতে হবে। অমিত: আমি নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আজ থেকে প্লাস্টিকের ব্যাগ বন্ধ করে দিয়ে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করবো। তোমারাও কি আমাকে সঙ্গ দিবে? শ্রীমা: অবশ্যই, আমি আগে থেকেই চেষ্টা করছি। স্কুলেও আমরা ‘প্লাস্টিক মুক্ত’ কার্যক্রম শুরু করেছি। রফিক: খুব ভালো সিদ্ধান্ত, অমিত। আমি কমিউনিটিতেও আরও বেশি করে পরিবেশ সচেতনতা প্রচার করবো। মেহেদী: আমি বাসায় বর্জ্য আলাদা করে ফেলছি, আর পরিবারকেও সচেতন করছি। পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য প্রতিদিন একটা ভালো কাজ করাই আমাদের কর্তব্য। অমিত: সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে পারব। শ্রীমা: একদম ঠিক। পরিবেশ আমাদের সম্পদ, যা আমরা সবাই মিলে রক্ষা করবো। রফিক: আমি আশা করি আমাদের ছোট ছোট উদ্যোগগুলো বৃহত্তর পরিবর্তনের সূচনা করবে। সবাইকে সচেতন করে পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের দিকে নিয়ে যাবে। মেহেদী: পরিবেশ সংরক্ষণ শুধু একটি কাজ নয়, আমাদের জীবনযাত্রার এক অংশ হওয়া উচিত। সবাই: পরিবেশ রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব এবং কৃতজ্ঞতা। " দুই সহপাঠীর মধ্যে অনলাইন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষার তুলনা,"সারা: হেলো রিফাত, তোমার কী মনে হয়, অনলাইন ক্লাস আর ক্লাসরুমের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য কী? রিফাত: হাই সারা! আমি মনে করি, ক্লাসরুমে সরাসরি শিক্ষক থেকে শেখা অনেক বেশি কার্যকর। সেখানে প্রশ্ন করার সুযোগ বেশি। অনলাইন ক্লাসে মাঝে মাঝে ইন্টারনেট সমস্যা হয় আর মনোযোগও হারিয়ে যায়। সারা: ঠিক বলছো। আমি লক্ষ্য করেছি, ক্লাসরুমে বন্ধুদের সাথে কথা বলে ও একসাথে পড়াশোনা করলে বেশি শেখার ইচ্ছা হয়। অনলাইনে সেটা কম হয়। রিফাত: আরেকটি সমস্যা হলো, অনলাইনে অনেক সময় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়, কারণ ঘরেই তো অনেক বিকর্ষণ থাকে। সারা: হ্যাঁ, তবে অনলাইন শিক্ষার সুবিধাও আছে—যেমন সময় বাঁচে, বাসায় বসেই পড়াশোনা করা যায়। রিফাত: সঠিক। তবে আমি আশা করি, ভবিষ্যতে প্রযুক্তি আরও উন্নত হলে অনলাইন শিক্ষা আরও কার্যকর হবে।" শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা অনলাইন শিক্ষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে,"অভিভাবক: স্যার, আমি আমার মেয়ের অনলাইন শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে উদ্বিগ্ন। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি আপনার চিন্তা। অনলাইন শিক্ষায় কিছু বাধা রয়েছে যেমন ইন্টারনেটের সমস্যা, সরাসরি মনোযোগ কম পাওয়া ইত্যাদি। অভিভাবক: হ্যাঁ, কিছুদিন আগে ইন্টারনেট কম ছিল বলে মেয়ের ক্লাস অনেক ব্যাহত হয়েছে। এছাড়া সে মনোযোগ হারায়। শিক্ষক: এই সমস্যা সামাল দিতে শিক্ষক ও অভিভাবকের সহযোগিতা দরকার। যেমন, পড়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা এবং টেকনিক্যাল সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা। অভিভাবক: আর আমরা কীভাবে মেয়েকে অনুপ্রাণিত রাখতে পারি? শিক্ষক: অনুপ্রেরণার জন্য নিয়মিত শিক্ষার সাফল্য নিয়ে আলোচনা করা, বিরতি নিয়ে স্ট্রেস কমানো এবং প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন করা জরুরি। অভিভাবক: সত্যি কথা, এই সময় ছাত্রদের মানসিক সহায়তা দিতে হবে। শিক্ষক: একদম ঠিক, শিক্ষার পাশাপাশি ছাত্রদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশেও মনোযোগ দিতে হবে।" কাকা ও ভাগিনীর মধ্যে অনলাইন শিক্ষায় মনোযোগ ও সামাজিক দক্ষতার ওপর আলোচনা,"কাকা: কেমন আছো, মেয়ে? তোমার অনলাইন ক্লাস কেমন যাচ্ছে? ভাগিনী: কাকা, ভালোই চলছে, কিন্তু অনেক সময় মনোযোগ হারাই। বাসায় থাকার কারণে বন্ধুদের সাথে দেখা হয় না, তাই একটু একা লাগে। কাকা: হ্যাঁ, এটা অনেকের সমস্যা। অনলাইন শিক্ষায় সামাজিক যোগাযোগ কমে যায়, যা তোমার সামাজিক দক্ষতায় প্রভাব ফেলতে পারে। ভাগিনী: আমি কি এমন কিছু করতে পারি যাতে মনোযোগ বাড়ে? কাকা: অবশ্যই। তুমি পড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি তৈরি করো, মাঝে মাঝে বিরতি নাও এবং ঘর থেকে একটু বাইরে হাঁটাহাঁটি করো। ভাগিনী: আর বন্ধুদের সাথে অনলাইনে কথা বলি, কিন্তু সেটা আসল দেখা-সাক্ষাতের বিকল্প না। কাকা: সঠিক। চেষ্টা করো নিয়মমাফিক বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও কল বা অনলাইন গ্রুপ স্টাডি করতে। ভাগিনী: ধন্যবাদ কাকা, আমি চেষ্টা করব। আশা করি আগামী দিনগুলোতে সবকিছু আরও ভালো হবে।" বাবা ও ছেলে-মেয়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে আলোচনা,"বাবা: রাহুল, আমি দেখি তুমি আজকাল অনেক সময় ফেসবুক আর ইউটিউবে কাটাও। এটা কি তোমার পড়াশোনার ক্ষতি করছে? রাহুল: বাবা, আমি তো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও শিখি সেখানে। শিক্ষামূলক ভিডিও, নতুন তথ্য পাই। বাবা: এটা ভালো কথা, কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি তুমি সময় ঠিক মতো ব্যবহার করছো না। অতিরিক্ত সময় নষ্ট হলে পড়াশোনার ক্ষতি হয়। রাহুল: হ্যাঁ বাবা, মাঝে মাঝে সময় বের করতে কষ্ট হয়। কিন্তু আমি চেষ্টা করি সময়সীমা বজায় রাখতে। বাবা: আরেকটা কথা, তুমি কি কখনও সাইবার বুলিং বা অনলাইন হুমকির শিকার হয়েছো? রাহুল: না, বাবাহ। তবে আমার এক বন্ধুকে অনলাইনে ট্রোল করা হয়েছে, ওর মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। বাবা: তাই তোমাকে সতর্ক থাকতে হবে, যেন নিজের তথ্য গোপন রাখা হয়। রাহুল: বুঝেছি বাবা। আমি চেষ্টা করব সতর্ক থাকার। বাবা: ভালো, সময় মেপে ব্যবহার করো আর পড়াশোনায় মন দাও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভালো দিক নেওয়া দরকার, কিন্তু ক্ষতির বিষয়গুলো থেকেও সাবধান থাকতে হবে। রাহুল: অবশ্যই বাবা, আমি তোমার কথা মনে রাখব। " স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে বিতর্ক,"শিক্ষক: আজকের ক্লাসে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করব। তোমরা কী মনে করো, এটা যুবসমাজের জন্য ভালো না খারাপ? নাজমুল: স্যার, আমার মনে হয়, সামাজিক মাধ্যমের অনেক সুবিধা আছে, যেমন তথ্য বিনিময়, শিক্ষামূলক ভিডিও দেখা। রাশেদ: আমি বলব, অনেক ক্ষতিও হয়। কেউ কেউ নেশায় পরে পড়ে, যা পড়াশোনা ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শিক্ষক: তোমরা কি মনে করো সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা করলে সমস্যাগুলো এড়ানো সম্ভব? নাজমুল: হ্যাঁ স্যার, তবে সেটার জন্য কঠোর আত্মনিয়ন্ত্রণ দরকার। রাশেদ: আমার মতে, পরিবার ও স্কুলের নির্দেশনা ছাড়া অনেক সময় যুবসমাজ হারিয়ে যায়। শিক্ষক: তোমাদের মতামত ভালো। সামাজিক মাধ্যমের ভাল দিক কাজে লাগানো ও খারাপ দিক থেকে সাবধান হওয়া উচিত। নাজমুল: স্যার, আমি জানি কেউ কেউ সাইবার বুলিংয়ে শিকার হয়, এটা বন্ধ করতে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। শিক্ষক: একদম সঠিক। এটা বন্ধ করতে সচেতনতা ও আইনি ব্যবস্থা জরুরি। রাশেদ: তাহলে আমাদের দায়িত্বও অনেক বড়। শিক্ষক: তাই তো। তোমরা নিজেরাও নিজেরাই দায়িত্ব নিতে পারলে সমাজ ভালো হবে।" যুবসমাজের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব নিয়ে এক গ্রাম্য পরিবেশ থেকে দুজন বন্ধুর কথা,"ফরহাদ: তুমি শুনেছো, গ্রামের বাচ্চারা এখন মোবাইল আর ফেসবুক ছাড়া থাকে না? মোস্তাফিজ: হ্যাঁ, এটা একটা সমস্যা। পড়াশোনায় মন কমে যাচ্ছে। খেলাধুলা কম হচ্ছে। ফরহাদ: কিন্তু অনেক সময় তারা এখানে দেশ-বিদেশের খবরও জানতে পারে, নতুন কিছু শিখতে পারে। মোস্তাফিজ: ঠিকই বলেছো, কিন্তু আমাদের উচিত সময় সীমাবদ্ধ রাখা। ফরহাদ: বড়লোকরা বলছে, মোবাইল ছাড়া শিশুদের কিছু জানা সম্ভব নয়। মোস্তাফিজ: এটা ভুল নয়, তবে খারাপ দিকগুলো বেশি হলে বড়ো ক্ষতি হয়। ফরহাদ: তাহলে আমরা কি করব? মোস্তাফিজ: পরিবার ও স্কুলে সবাইকে মিলে সচেতন হতে হবে। মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার শেখাতে হবে সঠিকভাবে। ফরহাদ: একদম ঠিক। না হলে যুবসমাজ সময় নষ্ট করবে আর পিছিয়ে পড়বে। মোস্তাফিজ: তাই, আমরা নিজেদের দায়িত্ব বুঝে কাজ করবো।" প্লাস্টিক দূষণ ও বিকল্প নিয়ে দুই ছাত্র ও একজন অভিভাবকের সংলাপ,"রাহুল: হ্যালো সুমনা, তুমি কি জানো, আমাদের দেশে প্লাস্টিক দূষণ কত বড় সমস্যা? সুমনা: হ্যাঁ রাহুল, প্লাস্টিক আমাদের নদী, সড়ক, আর বাগান সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক প্রাণী এতে মারা যাচ্ছে। রাহুল: আমি ভাবছি, আমাদের কীভাবে প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো যায়? সুমনা: অনেক জায়গায় তো এখন ‘প্লাস্টিক ব্যাগ নিষেধ’ করা হয়েছে। আমাদের সবাইকে কাপড়ের ব্যাগ বা পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে। মায়েরাজ (অভিভাবক): তোমাদের কথা সঠিক। আমি দেখেছি, অনেক দোকানে এখন জৈব-বান্ধব প্যাকেট ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের উচিত এই পরিবর্তনকে উৎসাহ দেওয়া। রাহুল: আমি ভাবছি, আমাদের স্কুলেও প্লাস্টিক দূষণ রোধে একটি সচেতনতা ক্যাম্পেইন করা উচিত। সুমনা: একদম ঠিক! আমরা প্লাস্টিকের বদলে কাগজ বা অন্যান্য পরিবেশ বান্ধব সামগ্রী ব্যবহার বাড়াতে পারি। মায়েরাজ: অভিভাবকদেরও উচিত নিজেদের জীবনে পরিবর্তন আনা, যেন সন্তানদের জন্য একটা ভালো পরিবেশ তৈরি হয়। রাহুল: আমি প্লাস্টিক কমিয়ে পরিবেশ রক্ষা করতে চাই। তোমরা সবাই কি আমার সঙ্গে আছো? সুমনা ও মায়েরাজ: অবশ্যই, আমরা সবাই একসাথে থাকবো।" গাছ রোপণ ও তার সুফল নিয়ে কমিউনিটি লিডার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের আলোচনা,"রফিক (কমিউনিটি লিডার): আমাদের গ্রামে আমরা আগামী মাসে বৃহৎ গাছ রোপণ কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছি। তোমাদের মতামত কী? সাবিনা (স্থানীয় বাসিন্দা): রফিক ভাই, গাছ রোপণ খুবই প্রয়োজন। গাছ পরিবেশকে পরিষ্কার রাখে, বায়ু ভালো করে এবং জলাধার রক্ষা করে। আলম (স্থানীয় বাসিন্দা): এছাড়া গাছের ছায়ায় গ্রামের মানুষগণ আরাম পায়। গরম থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। রফিক: ঠিক তাই। আমাদের উচিত এই কাজকে সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া। স্কুল, কলেজ সবাইকে গাছ রোপণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সাবিনা: আর গাছ রোপণের পাশাপাশি তার সঠিক যত্ন নেওয়া দরকার। কিছু মানুষ গাছ লাগায় কিন্তু পরবর্তীতে যত্ন নেয় না। আলম: আমাদের এলাকায় যদি সবাই একসাথে গাছের যত্ন নেবে, তবে পরিবেশ সুন্দর হবে। রফিক: আমি আশা করি, এই গাছ রোপণ অভিযান আমাদের গ্রামকে সবুজ ও সুস্থ রাখবে। সাবিনা: সবাই যদি এই কাজে অংশ নেয়, আগামী প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ রেখে যেতে পারবো। " পরিবেশ রক্ষা নিয়ে ব্যক্তি ও সরকারের দায়িত্ব নিয়ে দুই শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এর সংলাপ,"মেহেদী: স্যার, পরিবেশ রক্ষা করার দায়িত্ব কি শুধুই সরকারের? শিক্ষক: না মেহেদী, পরিবেশ রক্ষা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। সরকার বড় বড় প্রকল্প ও আইন প্রণয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখে, তবে ব্যক্তিরাও সচেতন হতে হবে। মিথিলা: অর্থাৎ আমরা ব্যক্তিগতভাবে কী কী করতে পারি? শিক্ষক: ছোট ছোট কাজগুলো বড় ভূমিকা রাখে। যেমন বর্জ্য সঠিক জায়গায় ফেলা, গাছ লাগানো, প্লাস্টিক কম ব্যবহার করা, এবং শক্তি সাশ্রয় করা। মেহেদী: সরকার পরিবেশ রক্ষায় কি কি পদক্ষেপ নিচ্ছে? শিক্ষক: সরকার পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য নানা আইন করেছে, যেমন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কার্বন নির্গমন নিয়ন্ত্রণ, এবং শিল্পকারখানায় দূষণ কমানোর নিয়ম। মিথিলা: আমাদের কি সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত? শিক্ষক: অবশ্যই, সরকারের আইন মেনে চলা এবং পরিবেশ রক্ষায় অংশ নেওয়া নাগরিকদের কর্তব্য। মেহেদী: তাহলে সবাই যদি নিজ দায়িত্ব পালন করি, পরিবেশ রক্ষা করা সহজ হবে। শিক্ষক: হ্যাঁ, পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের পদক্ষেপ এবং ব্যক্তির সচেতনতা একসাথে গেলে সাফল্য নিশ্চিত।" দুই সহপাঠীর মধ্যে ইন্টারনেট সমস্যা ও মনোযোগের অভাব নিয়ে আলোচনা,"রিয়া: হাই আরিফ, আজকাল অনলাইন ক্লাসে তোমার কি অবস্থা? আরিফ: আসলে, রিয়া, ইন্টারনেট অনেক সময় দ্রুতগতির হয় না। মাঝে মাঝে ক্লাস বন্ধ হয়ে যায়, তাই মনোযোগ হারাই। রিয়া: আমারও তাই। কখনো কখনো বুঝতে পারি না শিক্ষক কী বলছেন। আর ঘরে থাকার কারণে আমারও মনোযোগ কমে। আরিফ: এসব কারণে আমি বাসায় পড়ার পরিবেশ ঠিক করার চেষ্টা করছি। একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বসে পড়াশোনা করছি যাতে মনোযোগ যায়। রিয়া: খুব ভালো। আমি মাঝে মাঝে ফোন অফ রাখি যাতে মনোযোগ হারাই না। আর ক্লাস চলাকালে অন্য কোনো কাজ না করি। আরিফ: তবে অনেক সময় বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ কমে যায়, যা এক ধরনের মানসিক চাপ দেয়। রিয়া: তাই তো, সময় পেলে বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও কল করি। এতে একটু ভালো লাগে। আরিফ: তোমার টিপসগুলো আমার জন্য অনেক সাহায্য করবে।" শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে অনলাইন শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও সমাধান নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: শুভ সকাল, আজ আমি অনলাইন শিক্ষায় তোমাদের যে সমস্যাগুলো হচ্ছে তা নিয়ে কথা বলব। ছাত্র: স্যার, অনেক সময় ইন্টারনেট নষ্ট হয়ে ক্লাসে যোগ দিতে পারি না। এছাড়া মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন। শিক্ষক: আমি বুঝতে পারছি। তাই আপনাদের জন্য কিছু পরামর্শ আছে—প্রথমত, একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি বানান। দ্বিতীয়ত, পড়ার জন্য শান্ত ও নিরিবিলি জায়গা বেছে নিন। ছাত্র: স্যার, আমরা কীভাবে নিজেকে অনুপ্রাণিত রাখব? শিক্ষক: তোমাদের উচিত পড়াশোনার লক্ষ্য ঠিক করা এবং ছোট ছোট বিরতি নিয়ে পড়া যাতে ক্লান্তি কম হয়। এছাড়া পরিবার ও বন্ধুদের সাপোর্ট নিতে পারো। ছাত্র: স্যার, অনলাইন ক্লাসে অন্যদের সঙ্গে কম যোগাযোগের কারণে মন খারাপ হয়। শিক্ষক: সেটাও একটি বড় সমস্যা। তাই নিয়মিত বন্ধু ও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনার পরামর্শ খুব কাজে লাগবে।" বাবা-মেয়ের মধ্যে অনলাইন শিক্ষার সামাজিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা,"বাবা: বেটা, অনলাইন ক্লাসে পড়াশোনা কেমন চলছে? মেয়ে: বাবা, পড়াশোনা হচ্ছে, কিন্তু অনেক সময় বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয় না, তাই একা একা লাগছে। বাবা: বুঝতে পারছি। সামাজিক যোগাযোগ কমে গেলে মন খারাপ হতে পারে। মেয়ে: হ্যাঁ, আমি ক্লাসের পর বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও কল করি, তবে সেটা আসল সাক্ষাতের মতো না। বাবা: চেষ্টা করো মাঝে মাঝে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে। মেয়ে: ওটা আমি করি, আর মাঝে মাঝে বাইরে একটু হাঁটাহাঁটি করি, এতে ভালো লাগে। বাবা: খুব ভালো। সামাজিক দক্ষতা বজায় রাখতে তোমাকে সচেষ্ট থাকতে হবে। মেয়ে: বাবা, ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য। আমি চেষ্টা করব।" ছাত্র ও গ্রন্থাগারের কর্মচারীর মধ্যে বাংলা সাহিত্যের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: আপু, আমি বাংলা সাহিত্যে অনেক আগ্রহী, কিন্তু মাঝে মাঝে ভাবি, আজকের আধুনিক যুগে ক্লাসিক সাহিত্য কতটা প্রাসঙ্গিক? গ্রন্থাগারকর্মী: বাহ, খুব ভালো প্রশ্ন করেছো! বাংলা সাহিত্যের ক্লাসিকগুলো যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দিন প্রভৃতি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মূল স্তম্ভ। আধুনিক যুগে ও এদের সাহিত্য নতুন প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক। ছাত্র: কিন্তু তোরা সবাই আজকাল ইংরেজি বই পড়তেই বেশি আগ্রহী। বাংলা বই পড়াটা অনেকের কাছে পুরানো বলে মনে হয়। গ্রন্থাগারকর্মী: হ্যাঁ, এটা সত্যি যে অনেকেই দ্রুত নতুন বই বা প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু বাংলা সাহিত্য আমাদের ভাষা, ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। এ থেকে আমরা আমাদের শিকড় জানতে পারি। ছাত্র: আমি রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলি’ পড়েছি, সেটা খুব প্রভাব ফেলেছিল আমার উপর। সেখানে জীবনের গভীর দার্শনিকতা আছে। গ্রন্থাগারকর্মী: খুব ভালো! কাজী নজরুল ইসলাম এর কবিতায় যেমন বিপ্লবী চেতনা ও মানবিকতা ফুটে ওঠে, তেমনি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর উপন্যাসে বাংলার গ্রামীণ জীবন আর সমাজের বাস্তবতা পাওয়া যায়। ছাত্র: আমি সম্প্রতি ‘দুপুরের আলো’ পড়ছিলাম, সেটাও আমাদের সমাজের নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলে। গ্রন্থাগারকর্মী: বাংলা সাহিত্য শুধু বিনোদন নয়, এটা আমাদের চিন্তা ও মূল্যবোধকে গড়ে তোলে, সংস্কৃতির সাথে আমাদের সম্পর্ককে মজবুত করে। ছাত্র: তাহলে কি বলবে, আধুনিক জীবনে সাহিত্য পড়া কতটা জরুরি? গ্রন্থাগারকর্মী: অতি জরুরি! কারণ সাহিত্য আমাদের মানবিকতা, সহানুভূতি ও বোধশক্তিকে জাগ্রত করে। প্রযুক্তি যতই এগুক, সাহিত্য থাকবে মানুষের আত্মার খাদ্য হিসেবে। ছাত্র: আমি চেষ্টা করব আরও বেশি বাংলা সাহিত্য পড়তে এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করব। গ্রন্থাগারকর্মী: বাহ, এটাই কাম্য! বাংলা সাহিত্যের সৌন্দর্যকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন।" দুই বন্ধুর মধ্যে বাংলা সাহিত্যের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে কথোপকথন,"রুমি: তুমি কি জানো, বাংলা সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে মূল্যবান অংশ? সুমন: অবশ্যই রুমি, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দদের লেখা আমাদের ভাবনার জগৎ বদলে দিয়েছে। রুমি: তুমি কোন লেখকের কবিতা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসো? সুমন: আমি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা খুব পছন্দ করি। তার ভাষায় শক্তি আর স্বাধীনতার স্পন্দন আছে। রুমি: আর আমি রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতা খুব ভালোবাসি। তার সাহিত্যে মানবতা আর প্রকৃতির মিলন ঘটেছে। সুমন: তুমি কি মনে করো, আজকের সময়েও আমরা ক্লাসিক সাহিত্য থেকে কিছু শিখতে পারি? রুমি: অবশ্যই! আধুনিক প্রযুক্তির যুগেও সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতির মূলধন, যা আমাদের চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধকে সমৃদ্ধ করে। সুমন: আমি একবার ‘আনন্দমঠ’ পড়েছিলাম, সেখানে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত হয়। রুমি: আমি ‘গীতাঞ্জলি’ পড়েছিলাম, সেটার ভাষা ও ভাব আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। সুমন: বাংলা সাহিত্যের কারণে আমাদের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতি বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছেছে। রুমি: তাই তো, আমরা সবাইকে বাংলা সাহিত্যকে ভালোবাসতে হবে, পড়তে হবে এবং প্রচার করতে হবে। সুমন: বাংলা সাহিত্য আমাদের পরিচয়, আমাদের আত্মা। এ ছাড়া জীবন অর্থহীন মনে হয়। রুমি: চল, এবার আমরা একসঙ্গে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনা শুরু করি। সুমন: খুব ভালো আইডিয়া! বাংলা সাহিত্যের মাধুর্য আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করে।" স্বাস্থ্য ও ফিটনেস: দুই সহকর্মীর সংলাপ,"রিয়াদ: হ্যালো শমীমা, তুমি কি জানো, সকালে ব্যায়াম করার কত বড় উপকার আছে? শমীমা: হাই রিয়াদ! হ্যাঁ, সকালে ব্যায়াম করলে শরীর সতেজ থাকে, মন ভালো থাকে এবং সারাদিন শক্তি লাগে। আমি কিছুদিন চেষ্টা করেছি যোগব্যায়াম করার, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে মাঝে মাঝে বাদ দিয়ে দিই। রিয়াদ: আমি তোমার কথা বুঝতে পারি। আমি ও ব্যস্ত থাকলেও প্রতিদিন সকালে হাঁটা বা স্কিপিং করার চেষ্টা করি। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শমীমা: সত্যি, কিন্তু আমার খাবার নিয়ন্ত্রণ করাই অনেক কঠিন। অফিসের কাছে অনেক ফাস্ট ফুড দোকান আছে, যেখানে কাজের সময় একটু তাড়াহুড়ো করে ফাস্ট ফুড খেতে হয়। এটা তো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো না, তাই না? রিয়াদ: ফাস্ট ফুডে বেশি চর্বি, লবণ ও ক্যালোরি থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, ও ওজন বাড়ানোর কারণ হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব বাড়ির খাবার খাওয়া উচিত। শমীমা: কিন্তু সময়ের অভাব ও কাজের চাপ অনেক সময় আমাদের স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তুমি কীভাবে এটা সামলাও? রিয়াদ: আমি আগে থেকে পরিকল্পনা করি। সপ্তাহের জন্য খাবার তৈরি করে রাখি, এবং অফিসে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স নিয়ে যাই। তুমি চাইলে আমি তোমাকে কিছু সহজ ও স্বাস্থ্যকর রেসিপি শিখিয়ে দিতে পারি। শমীমা: ধন্যবাদ, রিয়াদ! আমি খুব আগ্রহী। তাছাড়া আমরা যদি একটা ফিটনেস চ্যালেঞ্জ শুরু করি, তাহলে হয়তো একে অপরকে উৎসাহ দিতে পারবো। রিয়াদ: দারুণ আইডিয়া! আমরা প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত হাঁটা বা যোগব্যায়াম করবো। সপ্তাহে একবার ফলাফল শেয়ার করবো। এটা আমাদের ফিটনেস উন্নত করবে এবং মনেরও ভালো লাগবে। শমীমা: আমি রাজি! আর এই চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমি চেষ্টা করবো আমার ডায়েটে ফাস্ট ফুড কমানোর। রিয়াদ: একদম সঠিক। স্বাস্থ্যের জন্য ছোট ছোট পরিবর্তনই বড় ফল আনে। একসাথে শুরু করলে সফল হওয়া সহজ হবে। শমীমা: ধন্যবাদ রিয়াদ, তোমার উৎসাহ পেয়ে আমি অনেক বেশি প্রেরণা পাচ্ছি। আমাদের উচিত এই রকম স্বাস্থ্যকর অভ্যাস জীবনযাত্রায় অভ্যাস করা। রিয়াদ: হ্যাঁ, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও ফিটনেসকে গুরুত্ব দিতে হবে। ভালো থাকা মানেই ভালো কাজ করা। শমীমা: তাহলে চল, আগামীকাল থেকেই শুরু করি। রিয়াদ: ঠিক আছে, দেখা হবে সকালে। সুস্থ থেকো। শমীমা: তুমি ও সুস্থ থেকো।" দুই কৃষকের মধ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার ও সুবিধা নিয়ে আলোচনা,"আলমগীর: হেলো রফিক, তুমি কি জানো এখন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকরা আবহাওয়া ও বাজারের তথ্য পেতে পারছে? রফিক: হ্যাঁ আলমগীর, এটা সত্যিই বড় সুবিধা। আগে তো আমরা বাজারের দাম জানতাম না, কিন্তু এখন মোবাইল থেকে জানতে পারি কখন কোন পণ্যের দাম ভালো। আলমগীর: আর আবহাওয়ার খবর পেলে ফসলের যত্ন নিতে সুবিধা হয়। বৃষ্টি বা শৈত্যপ্রবাহের আগেই প্রস্তুতি নেওয়া যায়। রফিক: তবে প্রযুক্তি সব জায়গায় সমানভাবে পৌঁছায় না। আমাদের গ্রামের অনেক মানুষ এখনো মোবাইল বা ইন্টারনেটের সুবিধা পাচ্ছে না। আলমগীর: হ্যাঁ, সেটাই বড় সমস্যা। কিন্তু ধীরে ধীরে এই অবকাঠামো গড়ে উঠছে। আশা করি ভবিষ্যতে সবাই উপকৃত হবে। রফিক: আমিও আশা করি। প্রযুক্তি না হলে কৃষক জীবন অনেক কঠিন হত।" গ্রামীণ বয়স্ক ব্যক্তি ও তরুণের মধ্যে প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা,"বৃদ্ধ: তোমরা কি প্রযুক্তির এত আবিষ্কার নিয়ে উৎসাহী? আমার সময়ের মানুষ এসব দেখতাম না। তরুণ: বাবা, প্রযুক্তি এখন আমাদের কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করছে। মোবাইল ফোন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য পাওয়া সহজ। বৃদ্ধ: কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে গ্রামের মানুষ এসব ব্যবহার করতে পারে না কারণ প্রশিক্ষণের অভাব আছে। তরুণ: তাই আমরা গ্রামের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করছি, যাতে সবাই প্রযুক্তি শিখতে পারে। বৃদ্ধ: এটা ভালো উদ্যোগ। প্রযুক্তি ছাড়া আজকের গ্রামীণ উন্নয়ন অসম্ভব। তরুণ: হ্যাঁ বাবা, প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের কৃষকরা ফসলের ফলন বাড়াচ্ছে, নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করছে। বৃদ্ধ: আশা করি আগামী দিনে আরও বেশি মানুষ প্রযুক্তির সুবিধা ভোগ করবে।" শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে গ্রামীণ উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজ আমরা গ্রামীণ উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করব। তুমি কী মনে কর? ছাত্র: স্যার, আমি মনে করি প্রযুক্তি যেমন মোবাইল অ্যাপ, ইন্টারনেট গ্রামে কৃষকদের অনেক সাহায্য করছে। শিক্ষক: ঠিক। প্রযুক্তির সাহায্যে কৃষকরা আবহাওয়ার পূর্বাভাস পায়, বাজারে সঠিক দাম জানতে পারে। ছাত্র: কিন্তু গ্রামে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের সুবিধা নেই, তাই সমস্যা হয়। শিক্ষক: হ্যাঁ, এই অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরকার ও এনজিওগুলো কাজ করছে। আর শিক্ষার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। ছাত্র: আমি আমাদের গ্রামের অনেক কৃষককে প্রযুক্তি ব্যবহার শেখাতে চাই। শিক্ষক: খুব ভালো লক্ষ্য। প্রযুক্তি ছাড়া গ্রামের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তোমাদের মতো যুবকরা এই পরিবর্তনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব গ্রামীণ প্রযুক্তি সচেতনতা বাড়াতে।" কোচ ও শিক্ষার্থীর মধ্যে স্বাস্থ্য ও ফিটনেস নিয়ে সংলাপ,"কোচ রফিক: সালাম মেহেদী, তুমি কি জানো নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর কেমনভাবে উপকৃত হয়? মেহেদী: ওয়ালাইকুম সালাম কোচ। আমি জানি, ব্যায়াম আমাদের শরীরকে সুস্থ ও শক্তিশালী করে। কিন্তু সময় পাই না বলে নিয়মিত করতে পারি না। কোচ রফিক: সময় না পাওয়া কোনো অজুহাত হতে পারে না। প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলেই অনেক উপকার পাওয়া যায়। যেমন হৃদরোগের ঝুঁকি কমে, মেদ কমে এবং মন ভালো থাকে। মেহেদী: কোচ, আমি অনেক সময় ভোরবেলা যোগব্যায়াম করার কথা ভাবি, কিন্তু সকালে অনেক অলস লাগে। কোচ রফিক: শুরুতে একটু কঠিন মনে হতে পারে, কিন্তু একবার অভ্যাস হয়ে গেলে তোমার শরীর ও মন দুইই সজীব থাকবে। শারীরিক শক্তি ও মানসিক শান্তি পাওয়া যাবে। মেহেদী: আমি চেষ্টা করব। আর আমার ডায়েট নিয়েও সমস্যা হয়। ফাস্ট ফুড খুব প্রলুব্ধ করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কোচ রফিক: ফাস্ট ফুডে বেশি চর্বি ও ক্যালোরি থাকে, যা ওজন বাড়ায় এবং শরীরের নানা রোগ বাড়ায়। তোমার উচিত নিয়মিত ঘরোয়া পুষ্টিকর খাবার খাওয়া। মেহেদী: আমি জানি, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে সময় না পেয়ে অনেক সময় বাইরে খাবার খেতে হয়। কোচ রফিক: তুমি চাইলে আমি তোমাকে কিছু দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর খাবার রেসিপি শিখিয়ে দিতে পারি। এছাড়া আমি আগামী মাস থেকে একটি ৩০ দিনের ফিটনেস চ্যালেঞ্জ শুরু করছি, এতে তুমি যোগ দিতে পারো। মেহেদী: ধন্যবাদ কোচ! আমি অবশ্যই চেষ্টা করব। চ্যালেঞ্জে যোগ দিতে আগ্রহী। একসাথে করলে অনুপ্রেরণা বেশি থাকবে। কোচ রফিক: ঠিক বলেছো, মেহেদী। নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম আহারই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। মেহেদী: আমিও বিশ্বাস করি, সঠিক পরিকল্পনা ও পরিশ্রমে আমি আমার স্বাস্থ্যের উন্নতি করবো।" পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা নিয়ে সংলাপ,"মা: রুমি, তুমি কি জানো, সকালের যোগব্যায়াম আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা জরুরি? রুমি: মা, আমি জানি, কিন্তু সকালে উঠতে খুব কষ্ট হয়। তাছাড়া পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সময় কম পাই। বাবা: রুমি, স্বাস্থ্য সবচেয়ে বড় সম্পদ। সকালে মাত্র ২০ মিনিট যোগ করলে মনোযোগ বাড়ে, স্মৃতিশক্তি ভালো হয়। পড়াশোনাতেও সুবিধা হয়। রুমি: মা, বাবা, আমি চেষ্টা করব। আর খাবার নিয়েও কথা বলতে চাই। অফিসের কাজের চাপ বেশি থাকায় ফাস্ট ফুড খেতে হয়। এটা তো স্বাস্থ্যকর না, তাই না? মা: ফাস্ট ফুডে বেশি তেল ও চিনি থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমরা যদি বাড়িতে সহজ ও পুষ্টিকর খাবার তৈরি করি, তবে তুমিও সুস্থ থাকবে। বাবা: আমরা সবাই মিলে একসাথে চেষ্টা করি। সপ্তাহে দু’দিন সকালের হাঁটা শুরু করি এবং ফাস্ট ফুড কমানোর পরিকল্পনা করি। রুমি: আমি রাজি। আমরা সবাই মিলে ফিটনেস চ্যালেঞ্জ শুরু করি। এতে আমার মনের উদ্দীপনা বাড়বে। মা: ঠিক আছে, সবাই মিলেই স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করব। সুস্থ জীবন মানেই সুখী জীবন। বাবা: আমি নিশ্চিত, আমাদের এই অভ্যাসগুলো দীর্ঘ মেয়াদে আমাদের জীবন মান উন্নত করবে।" দুই বন্ধু অফিসের মধ্যে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নিয়ে আলোচনা,"সাব্বির: সালাম রাকিব, তুমি কি জানো, প্রতিদিন সকালে ৩০ মিনিট হাঁটা কতটা উপকারী? রাকিব: ওয়ালাইকুম সালাম সাব্বির। হ্যাঁ, শুনেছি হাঁটা শরীর ও মনের জন্য খুব ভালো। কিন্তু আমি সকালে উঠতে পছন্দ করি না। সাব্বির: আমি ও শুরুতে অলস থাকতাম, কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে গেছে। এখন সকালে হাঁটার ফলে সারাদিন কর্মক্ষমতা বাড়ে। রাকিব: সত্যি? আর তোমার খাদ্যাভাস কেমন? সাব্বির: আমি চেষ্টা করি ফাস্ট ফুড কম খেতে। বাড়ির তৈরি খাবার বেশি খাই। কিন্তু মাঝে মাঝে কাজের চাপ অনেক বেশি হয়, তখন ফাস্ট ফুডই খাবার হয়। রাকিব: আমি ও তাই। ফাস্ট ফুড স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু সময় না পাওয়ায় অনায়াসে তা খেতে হয়। সাব্বির: আমরা অফিসে একটা ফিটনেস চ্যালেঞ্জ শুরু করি? সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সকলে যোগ দিতে পারে। এতে সবাই স্বাস্থ্য সচেতন হবে। রাকিব: দারুণ ভাবনা! একসাথে করলে উৎসাহ বাড়ে। আমি এতে অবশ্যই অংশ নেব। সাব্বির: আমরা প্রতিদিন সকালে হাঁটা বা যোগব্যায়াম করতে পারি। সপ্তাহে একবার ফলাফল শেয়ার করবো। রাকিব: ঠিক আছে, আমি আজ থেকেই শুরু করছি। ধন্যবাদ, সাব্বির। সাব্বির: সুস্থ থেকো, রাকিব।" দাদী ও নাতনির মধ্যে বাংলা সাহিত্যের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে কথোপকথন,"নাতনী: দাদী, তুমি সবসময় আমাকে বাংলা কবিতা ও গল্প শোনাও। কেন বাংলা সাহিত্য এত গুরুত্বপূর্ণ? দাদি: আমার মেয়ে, বাংলা সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের অমূল্য ধন। কবি ও লেখকরা আমাদের ভাষা, ঐতিহ্য ও চেতনা রক্ষা করেছেন। নাতনী: কিন্তু দাদী, আজকাল সবাই ইংরেজি বই পড়তে চায়। বাংলা পড়া কমে যাচ্ছে কেন? দাদি: এটা সত্যি যে নতুন প্রজন্ম প্রযুক্তির দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে, কিন্তু বাংলা সাহিত্য ছাড়া আমাদের শিকড় হারিয়ে যাবে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জসীম উদ্দিনের মতো লেখকদের কথা কখনো ভুলতে পারবে না। নাতনী: তুমি কি আমাকে রবীন্দ্রনাথের কবিতা পড়িয়ে দেবে? দাদি: অবশ্যই, “আমার সোনার বাংলা” গানটা জানো তো? এটা আমাদের জাতীয় পরিচয় বহন করে। বাংলা সাহিত্য আমাদের ভালোবাসা, দার্শনিকতা আর স্বাধীনতার প্রতীক। নাতনী: দাদী, আমি তোমার মতো বাংলা সাহিত্যে আগ্রহী হব। দাদি: ভালো কথা! তুমি যত বেশি বাংলা সাহিত্য পড়বে, ততই বুঝতে পারবে আমাদের সংস্কৃতির গভীরতা। " দুই কলেজছাত্রের মধ্যে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা,"আরিফ: সাগর, তুমি কি মনে করো আজকের দিনে রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলের সাহিত্য পড়া দরকার? সাগর: আমি বলব অবশ্যই দরকার, কারণ তাদের লেখা শুধু অতীতের গল্প নয়, বরং আজকের সমাজেও প্রাসঙ্গিক। আরিফ: তবে অনেকেই বলে আধুনিক জীবনে ইংরেজি সাহিত্য বেশি উপযোগী। সাগর: সেটা ঠিক নয়। বাংলা সাহিত্য আমাদের চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলে, যা আমাদের ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়তা করে। আরিফ: তুমি কি কবিতা পড়ো? সাগর: হ্যাঁ, নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা আমার খুব ভালো লাগে। সেটা আমাদের সাহস আর স্বাধীনচেতা বানায়। আরিফ: আমি সম্প্রতি ‘পথের পাঁচালী’ পড়লাম, সেখানে গ্রামের জীবন ও সংস্কৃতি খুব ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। সাগর: বাংলা সাহিত্য আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহী করে তোলে। আরিফ: তাই তো, আমি মনে করি বাংলা সাহিত্যকে জীবনের অংশ করে নিতে হবে। সাগর: একদম ঠিক, বাংলা সাহিত্য আমাদের আত্মার খোরাক। " শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজকের পাঠে আমরা বাংলা সাহিত্যের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করব। তুমি কি মনে করো, বাংলা সাহিত্য আমাদের সংস্কৃতির কতটা অংশ? ছাত্রী: স্যার, বাংলা সাহিত্য আমাদের ভাষা ও ঐতিহ্যের ধারক। এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজের চিত্রায়ন করে। শিক্ষক: খুব ভালো! তুমি কোন বাংলা লেখক সবচেয়ে বেশি পছন্দ কর? ছাত্রী: আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা খুব ভালোবাসি। তার রচনায় মানবতা ও প্রকৃতির মিল খুব সুন্দর। শিক্ষক: আর কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার কি ভাব? ছাত্রী: নজরুলের কবিতা বিপ্লবী চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধে ভরপুর। শিক্ষক: বাংলা সাহিত্য শুধু বিনোদন নয়, এটি আমাদের চিন্তা-চেতনা ও মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায়। ছাত্রী: তাই তো স্যার, সাহিত্য আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও আত্মসত্ত্বা গড়ে তোলে। শিক্ষক: বাংলা সাহিত্য না থাকলে আমাদের সংস্কৃতি অসম্পূর্ণ থেকে যেত। ছাত্রী: আমি চেষ্টা করব আরও বেশি বাংলা সাহিত্য পড়তে এবং অন্যদের উৎসাহিত করতে। শিক্ষক: এটাই কাম্য। বাংলা সাহিত্যকে রক্ষা ও প্রচারে তোমাদের মতো তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা অপরিহার্য।" "ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি উৎসব উদযাপন নিয়ে দুই প্রতিবেশীর সংলাপ ","আনোয়ারা: আসসালামু আলাইকুম, হোসেন ভাই! আজকে আপনারা কেমন উদযাপন করলেন পহেলা বৈশাখ? হোসেন: ওয়ালাইকুম আসসালাম আনোয়ারা আপা! আলহামদুলিল্লাহ, ভালোই কাটলো। সকাল থেকে নতুন পোশাক পরলাম, পান্তা ইলিশ খেয়ে পরিবারের সবাই মিলে মঙ্গল শোভাযাত্রায় গেলাম। আপনারা কেমন করলেন? আনোয়ারা: আমরাও ভালো কাটালাম। আমাদের গ্রামে পহেলা বৈশাখে ঢাক আর ধোল বাজিয়ে সবাই মিলে আনন্দে মেতে ওঠে। বিশেষ করে মাটির হাঁড়িতে পিঠা-পায়েস রান্না করে সবাই মিলে খাওয়া হয়। ঐতিহ্যটাকে আমরা অনেক সম্মান করি। হোসেন: ঠিক বলেছো। পিঠা আসলেই উৎসবের প্রাণ। আমার ছোটবেলায় গ্রামের বাড়িতে পিঠার ঘ্রাণ সবসময় মনে পড়ে। শহরে অনেক সুবিধা থাকলেও ঐ রকম অনুভূতি হয় না। আনোয়ারা: সত্যি, শহরে অনেকগুলো আধুনিক উৎসব হয়, কিন্তু গ্রামের উৎসবের মাধুর্য আলাদা। সেখানে সবাই একসাথে ঘরে বসে গল্প করে, উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে। হোসেন: আর দূর্গা পূজার সময় তো তোমাদের গ্রামে আলাদা রং, আলাদা সাজ। কী সুন্দর একটা মিলনমেলা হয়। আমি শহরে থাকলেও একবার গ্রামের পূজায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছি। ওখানে সবাই মিলে একে অপরের সঙ্গে উৎসব ভাগাভাগি করে। আনোয়ারা: দূর্গা পূজা আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অঙ্গ। সেখানেও পিঠা-পায়েস থাকে, আর বিভিন্ন মিষ্টান্ন রান্না হয়। এটা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং সমাজের ঐক্যের প্রতীক। হোসেন: ঠিকই বলেছো। উৎসব গুলো আমাদের মানুষকে একত্রিত করে। সামাজিক দূরত্ব ভুলে সবাই মিলেমিশে উৎসব উদযাপন করে। এটাই আমাদের সংস্কৃতির সৌন্দর্য। আনোয়ারা: তুমি কি জানো, আমাদের গ্রামের অনেক মানুষ শহরে এসেছে কিন্তু তারা গ্রামীণ উৎসবের রীতি ধরে রাখে। এতে আমাদের ঐতিহ্য টিকে থাকে। হোসেন: আর আমরা শহরের মানুষদের উচিত ঐতিহ্য রক্ষা করা এবং নতুন প্রজন্মকে উৎসবের গুরুত্ব বুঝানো। আনোয়ারা: একদম। ঐতিহ্য আমাদের পরিচয়। আমরা যদি এগুলো ধরে রাখি, তবে আমাদের সংস্কৃতি জীবিত থাকবে। হোসেন: আগামী পহেলা বৈশাখে আমরা একসাথে বসে ঐতিহ্যবাহী খাবার খেতে পারি। তোমার বাড়িতে আসবো। আনোয়ারা: অবশ্যই, হোসেন ভাই। তোমাকে স্বাগত জানাই। উৎসবের আনন্দ সবাই মিলে ভাগাভাগি করাই ভালো। হোসেন: ধন্যবাদ, আনোয়ারা আপা। তোমার সাথে কথা বলে মন ভালো লাগলো। আনোয়ারা: আমিও। ঈদ-উৎসব যেমন ধর্মীয় উৎসব, তেমনি পহেলা বৈশাখ ও দূর্গা পূজা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উৎসব। এগুলো আমাদেরকে এক করে।" দুই কৃষকের মধ্যে প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা,"আবুল: হেলো জামাল ভাই, তোমার মনে হয় প্রযুক্তি আমাদের গ্রামে কতটা পৌঁছেছে? জামাল: আসলে আবুল ভাই, অনেক জায়গায় এখনও ইন্টারনেট নেই। অনেক মানুষ মোবাইল ব্যবহার করতে পারে না। আবুল: তাই তো, অথচ প্রযুক্তি যদি সবার কাছে পৌঁছাতো, তাহলে আমাদের ফসলের উৎপাদন আরও বাড়ত। জামাল: একদম ঠিক। তবে এখনো কিছু যুবক কম্পিউটার ও স্মার্টফোন ব্যবহার শেখে, যারা পরবর্তীতে অন্যদের সাহায্য করবে। আবুল: আমি শুনেছি সরকারি কিছু প্রকল্প চলছে গ্রামে ডিজিটাল শিক্ষা দেওয়ার জন্য। জামাল: হ্যাঁ, গ্রামীণ অবকাঠামো ভালো হলে প্রযুক্তির সুবিধা আরও বেশি মানুষ পাবে। আবুল: আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে অবশ্যই প্রযুক্তির সুফল পেতে পারব।" গ্রাম্য প্রবীণ ও যুবকের মধ্যে প্রযুক্তির ইতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা,"বাবুল পিসি: আমার সময়ে এসব মোবাইল, ইন্টারনেট ছিল না। এখন কেমন যেন সব সহজ হয়ে গেছে। রাজু: ঠিক বলেছেন পিসি, এখন কৃষকরা মোবাইল থেকে আবহাওয়া খবর, বাজার দর, কীটনাশক ব্যবহারের উপায় জানেন। বাবুল পিসি: এটা সত্যি অনেক বড় পরিবর্তন। কিন্তু সবাই কি প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে? রাজু: অনেকেই পারেনা, কারণ শিক্ষার অভাব এবং অবকাঠামো দুর্বল। বাবুল পিসি: তবে তোমাদের মতো তরুণরা প্রযুক্তি শেখানোয় এগিয়ে আসলে ভাল হবে। রাজু: আমরা চেষ্টা করছি, গ্রামের লোকজনকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে নিয়ে আসছি। বাবুল পিসি: এতে গ্রাম উন্নত হবে এবং জীবনযাত্রা সহজ হবে।" শিক্ষক ও ছাত্রীর মধ্যে প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজ আমরা কথা বলব কিভাবে প্রযুক্তি গ্রামীণ শিক্ষাকে উন্নত করছে। ছাত্রী: স্যার, অনেক গ্রামে অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে। শিক্ষক: সত্যি, এটা অনেক বড় সুযোগ। কিন্তু কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সমস্যা রয়েছে। ছাত্রী: স্যার, আমাদের স্কুলেও ইন্টারনেট আসে কম। তবে শিক্ষকরা মোবাইল দিয়ে পড়ান। শিক্ষক: তাই শিক্ষকদের প্রযুক্তি ব্যবহার শেখানো জরুরি। আর শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। ছাত্রী: আমি চাই আমার গ্রামের অন্যদের জন্যও প্রযুক্তি শিক্ষা নিয়ে আসতে। শিক্ষক: এটাই সঠিক মনোভাব। প্রযুক্তি ছাড়া গ্রামীণ উন্নয়ন অসম্ভব। " শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে সাহিত্য প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে আলোচনা,"শিক্ষক: শুভ সকাল সবাইকে। আগামী সপ্তাহে আমাদের বিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তোমরা কে কে অংশ নিতে চাও? সাবিনা: স্যার, আমি অংশ নিতে চাই। আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা আবৃত্তি করব। মাহমুদ: স্যার, আমি “বিদ্রোহী” কবিতাটি আবৃত্তি করতে চাই। নজরুলের ভাষা অনেক শক্তিশালী। শিক্ষক: খুব ভালো! বাংলা সাহিত্যের শক্তি এখানেই—এটি একই সঙ্গে কোমলতা আর সংগ্রামের ভাষা। সাবিনা: স্যার, অনেকে বলে সাহিত্য পড়লে সময় নষ্ট হয়। আপনি কী বলেন? শিক্ষক: সাহিত্য পড়া কখনো সময়ের অপচয় নয়। এটা আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ও মানবিক গুণাবলিকে বিকশিত করে। মাহমুদ: স্যার, আমাদের সংস্কৃতির অনেক কিছুই সাহিত্যের মধ্য দিয়ে সংরক্ষিত হয়েছে, তাই না? শিক্ষক: একদম ঠিক! যদি আমরা বাংলা সাহিত্যকে ভালো নাবাসি, তাহলে আমাদের পরিচয় হারিয়ে যাবে। সাবিনা: তাহলে আমরা কি সাহিত্যের মধ্য দিয়ে আমাদের সংস্কৃতিকে বিশ্বে পরিচিত করতে পারি? শিক্ষক: অবশ্যই! সাহিত্যের কোনো সীমানা নেই। ভালো সাহিত্য সবার হৃদয় স্পর্শ করে। মাহমুদ: স্যার, আমি আরও বাংলা কবিতা পড়ব। সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা যেন আমার জীবনের অংশ হয়ে যায়। শিক্ষক: এই কথাটাই আমি চেয়েছিলাম শুনতে। বাংলা সাহিত্য বাঁচলে, আমাদের আত্মাও বেঁচে থাকবে।" দুই বন্ধুর মধ্যে আধুনিক ও প্রাচীন সাহিত্য নিয়ে বিতর্ক,"সানজিদা: হেই রাহাত! আজকালকার বইগুলো অনেক মজার, কিন্তু তুমি তো দেখি সবসময় রবীন্দ্রনাথ-নজরুল নিয়েই থাকো! রাহাত: হা হা, কারণ আমি মনে করি ক্লাসিক সাহিত্য মানেই আসল সাহিত্য। এটা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। সানজিদা: কিন্তু আধুনিক লেখকরাও তো দারুণ সব বিষয় নিয়ে লেখেন—প্রযুক্তি, রাজনীতি, সাসপেন্স! রাহাত: ঠিক, তবে তুমি কি জানো আমাদের আধুনিক সাহিত্যের শিকড়ও রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, জসীম উদ্দিনদের মধ্যেই নিহিত? সানজিদা: হুম, আমি একমত। তবে কি আমাদের শুধু পুরোনো বইই পড়া উচিত? রাহাত: না, দুটোরই প্রয়োজন আছে। তবে পুরোনো সাহিত্য আমাদের শেকড় চেনে দেয়, আর নতুন সাহিত্য আমাদের সমসাময়িক জগৎ বোঝায়। সানজিদা: তাহলে তুমি বলছো, দুটো মিলেই আসল সাহিত্য অনুশীলন? রাহাত: ঠিক তাই। ক্লাসিক বাংলা সাহিত্য না পড়লে আমাদের সংস্কৃতি ও পরিচয়ের অনেক কিছুই বাদ পড়ে যায়। সানজিদা: তুমি আমাকে ‘চোখের বালি’ ধার দেবে? আমি শরৎচন্দ্রকে আগে পড়িনি। রাহাত: অবশ্যই! তুমি পড়লে বুঝবে সাহিত্য কতটা শক্তিশালী এক মাধ্যম। " দাদা ও নাতির মধ্যে গ্রামীণ সাহিত্য ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা,"নাতি: দাদা, তুমি সবসময় গ্রামীণ কাহিনি বলো। তোমার সময়ের সাহিত্য কি খুব আলাদা ছিল? দাদা: একদম আলাদা ছিল না, তবে এখনকার মতো প্রযুক্তির ভিড়ে সাহিত্য হারিয়ে যাচ্ছিল না। আমরা গ্রামের পাঠাগারে গিয়ে “নকশিকাঁথার মাঠ” কিংবা “বিষাদসিন্ধু” পড়তাম। নাতি: দাদা, আমি তো এসব বইয়ের নামই ঠিকমতো শুনিনি! দাদা: এসব বইয়ে আছে বাংলার সংস্কৃতি, আবেগ, পারিবারিক বন্ধন। তুমি এসব না পড়লে জানতে পারবে না আমরা কীভাবে ভাবতাম, বাঁচতাম। নাতি: কিন্তু আজকাল সবাই তো শুধু ফোনে গল্প পড়ে! দাদা: ঠিক আছে, প্রযুক্তি ব্যবহার করো, কিন্তু শিকড়টা ভুলে যেয়ো না। বাংলা সাহিত্য পড়ো, কাব্য অনুভব করো। নাতি: তাহলে তুমি একটা কবিতা বলো না? দাদা: শুনো — ""আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি..."" এটুকুই যদি হৃদয়ে গেঁথে রাখতে পারো, তবে সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবে। নাতি: আমি কথা দিচ্ছি, দাদা। আমি বাংলা সাহিত্যকে আবার জানতে শুরু করব।" "মা ও ছেলের মধ্যে — পিঠা, ঐতিহ্য ও নতুন প্রজন্ম","রিয়াদ: মা, পহেলা পৌষ চলে এল। তুমি এবার কী কী পিঠা বানাবে? মা: হা রে বাবা, এবার ভাবছি পাটিসাপটা, ভাপা পিঠা আর চিতই বানাব। তোর দাদীর সময় এসব পিঠা না হলে পৌষ পার্বণই যেন জমত না। রিয়াদ: মা, আমি দেখেছি এখনকার অনেক ছেলেমেয়ে এসব ঐতিহ্য ভুলে যাচ্ছে। পিঠার জায়গায় কেক আর পিজ্জা চলে এসেছে। মা: ঠিক বলেছ। সময়ের সঙ্গে বদল আসে, কিন্তু ঐতিহ্য ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব। তুই তো ছবি তোলায় আগ্রহী — এই পিঠা বানানোর কাজটা ভিডিও করে তোর বন্ধুবান্ধবদের দেখাতে পারিস। রিয়াদ: দারুণ আইডিয়া মা! আমি চাই আমার বন্ধুরাও জানুক, কত বৈচিত্র্যময় আমাদের সংস্কৃতি। তুমি কি জানো, আমাদের স্কুলে অনেকেই জানে না পিঠা কিভাবে বানানো হয়! মা: খুব কষ্টের কথা সেটা। আমি তো চাই, তুই যখন বড় হবি, তখনও এসব রীতি ধরে রাখবি — যেন পরবর্তী প্রজন্ম জানে আমাদের শিকড় কোথায়। রিয়াদ: আমি অবশ্যই করব মা। চল, এবার তোমার সঙ্গে পিঠা বানাতে সাহায্য করি।" " দুই বন্ধু — শহর বনাম গ্রামের উৎসব, পূজা ও মিলন","তুহিন: শুভ নববর্ষ, সাব্বির! আজকের দিনটা কেমন কাটলে? সাব্বির: শুভ নববর্ষ, ভাই! আজ ভোরে রমনা বটমূলে গিয়েছিলাম। মঙ্গল শোভাযাত্রা, গান, আর রঙিন মুখোশে শহরটা একেবারে অন্যরকম লাগছিল। তুহিন: বাহ! শহরের নববর্ষ উদযাপন বেশ জমজমাট হয়। তবে আমি গ্রামের নববর্ষকে বেশি পছন্দ করি। সাব্বির: কেন? গ্রামের কেমন হয়? তুহিন: ওখানে সবাই খুব আন্তরিক। ভোরে পান্তা-ইলিশ খেয়ে, গ্রামের মাঠে হালখাতা, পালাগান, আর মেলা হয়। সব বয়সের মানুষ একসাথে আনন্দে মেতে ওঠে। সাব্বির: শুনে খুব ভালো লাগল। আমি কখনো এভাবে গ্রামে নববর্ষ উদযাপন করিনি। তুহিন: তুই চাইলে পরের বছর আমার সঙ্গে যেতে পারিস। আর দূর্গা পূজার সময়ও আমাদের গ্রামে অনেক আয়োজন হয় — ঢাকের বাজনা, প্রতিমা বিসর্জন, আর সকলে মিলে প্রসাদ খাওয়া। সাব্বির: দারুণ লাগছে শুনে! উৎসব মানুষকে এক করে — শহর বা গ্রাম যেখানেই হোক, ঐতিহ্যই আসল।" দুই অঞ্চল থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুর মধ্যে — একতা ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য,"নিশাত: হ্যালো মারুফা, তুমি কোথা থেকে এসেছো? মারুফা: আমি কুষ্টিয়া থেকে এসেছি। ওখানে লালন সাঁইজির মেলা খুব জনপ্রিয়। নিশাত: বাহ! আমি চট্টগ্রাম থেকে এসেছি। এখানে বৌদ্ধদের বৌদ্ধ পূর্ণিমা, বৈসাবি, আর চাঁদের উৎসবগুলো অনেক জাঁকজমক করে পালিত হয়। মারুফা: বাংলাদেশ কত বৈচিত্র্যময়, তাই না? ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই উৎসবে শামিল হই। নিশাত: হ্যাঁ, আমি তো অনেকবার দুর্গাপূজায় গেছি বন্ধুর সাথে। সিঁদুর খেলা, প্রতিমা বিসর্জন — অসাধারণ অভিজ্ঞতা। মারুফা: আর আমি ঈদে আমার মুসলিম বন্ধুদের বাড়িতে গিয়েছি, সেমাই-হালুয়া খেয়েছি। ওরাও আমাকে পিঠা খাওয়াতে আসতো পৌষ সংক্রান্তিতে। নিশাত: এসবই তো আমাদের একতা, সংস্কৃতি আর বন্ধুত্বের ভিত্তি। মারুফা: ঠিক বলেছো। আসলে বাংলাদেশের উৎসবগুলো শুধু আনন্দ নয়, এগুলো আমাদের পরিচয় — আমাদের হৃদয়ের অংশ।" দুই কৃষকের মধ্যে প্রযুক্তি ও আধুনিক কৃষিপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা,"রহিম: আরে করিম ভাই, আজকাল তো আপনার ফসল অনেক ভালো হয়। কী রহস্য? করিম: রহস্য না ভাই, এখন আমি প্রযুক্তির সাহায্য নিই। একখান মোবাইল অ্যাপে প্রতিদিনের আবহাওয়ার খবর পাই, কখন বৃষ্টি হবে, কখন কীটনাশক দিতে হবে সব জানা যায়। রহিম: তাই নাকি! আমি তো ভাবতাম এসব প্রযুক্তি শহরের লোকদের জন্য। করিম: এই ধারনাটা ভুল, এখন সরকারী অনেক প্রকল্প আছে, যা গ্রামাঞ্চলে প্রযুক্তি পৌঁছে দিচ্ছে। শুধু জানতে হবে কোনটা কিভাবে ব্যবহার করব। রহিম: তুমি কি সার বা বীজের দামও আগে থেকেই জানতে পারো? করিম: হ্যাঁ ভাই! ‘Krishoker Janala’ নামের একটা অ্যাপ আছে, ওখানে বাজারদর, কৃষি পরামর্শ সবকিছু পাওয়া যায়। রহিম: দারুণ! কিন্তু এইসব শেখার সময় কোথায় পাব? করিম: চিন্তা কইরেন না, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলো এখন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। রহিম: তাহলে বলতে পারো প্রযুক্তি এখন গ্রামের মানুষের জন্য আশীর্বাদ? করিম: একদম! তবে সচেতনতা ও ইচ্ছাশক্তি না থাকলে কোনো কিছুই কাজে আসে না।" একজন বয়োজ্যেষ্ঠ গ্রাম্য মানুষ ও যুবকের মধ্যে প্রযুক্তির উন্নয়ন নিয়ে কথোপকথন,"মোতালেব চাচা: জাকির, আজকাল দেখি মোবাইল হাতে সারাদিন কাটাও, কোনো কাজের কাজ করো না! জাকির: চাচা, আমি মোবাইলে শুধু গান শুনি না, কৃষি বিষয়ক অনলাইন প্রশিক্ষণ নিচ্ছি, ইউটিউবেও ভিডিও দেখি। মোতালেব চাচা: সত্যিই? আমি তো ভাবতাম এই মোবাইল শুধু সময় নষ্ট করে! জাকির: না চাচা, এখন মোবাইল দিয়ে আমরাও আধুনিক হতে পারি। গ্রামের ছেলেমেয়েরা অনলাইনে পড়াশোনা করছে, কৃষকেরা পণ্য বিক্রি করছে সরাসরি শহরের বাজারে। মোতালেব চাচা: তা তো ভালো কথা! কিন্তু আমাদের বয়সী লোকজন এসব শিখবে কেমনে? জাকির: আপনি চাইলে আমি শেখাতে পারি, বা ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে শেখা যায়। মোতালেব চাচা: আমাদের সময়তো এসব ছিল না। এখন বুঝি, প্রযুক্তি সত্যিই গ্রামের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে। জাকির: একদম চাচা! প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করলে গ্রামের ভবিষ্যৎ বদলে যাবে। মোতালেব চাচা: হ, তুমি শেখাও, আমি শিখি। গ্রাম তো আমাদেরই, উন্নত করতেও হবে আমাদের।" শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে গ্রামীণ উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, শহরে তো প্রযুক্তি খুব সহজলভ্য, কিন্তু গ্রামে সেটা এখনো অনেক পিছিয়ে। কীভাবে প্রযুক্তি গ্রামের উন্নয়নে কার্যকর হতে পারে? শিক্ষক: খুব ভালো প্রশ্ন! প্রযুক্তি শুধু শহরের জন্য নয়, গ্রামেও এখন কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং ব্যবসায়িক উন্নয়নের জন্য বড় ভূমিকা রাখছে। ছাত্র: উদাহরণ দিলে বুঝতে পারতাম স্যার। শিক্ষক: ধরো, এখন অনেক কৃষক মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে আবহাওয়া, সার বা বীজের তথ্য জানছে। অনেকে ফেসবুক মার্কেটিং করে নিজস্ব পণ্য বিক্রি করছে। ছাত্র: স্যার, আমাদের স্কুলে ইন্টারনেট নেই, আমরা কীভাবে প্রযুক্তির সুবিধা পাবো? শিক্ষক: এজন্য সরকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' প্রকল্প চালু করেছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, সেখান থেকে অনলাইন শিক্ষা, চাকরির আবেদনসহ অনেক কিছু করা যায়। ছাত্র: কিন্তু অনেক সময় বিদ্যুৎ বা নেটওয়ার্ক সমস্যা হয়, তখন কী করব? শিক্ষক: এগুলোই এখন চ্যালেঞ্জ। এজন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, আর সচেতনতা দরকার। ছাত্র: স্যার, তাহলে প্রযুক্তি গ্রামের উন্নয়নে বিপ্লব আনতে পারে? শিক্ষক: একদম! প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারই হবে ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক।" দুই সহপাঠীর মধ্যে অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার তুলনা,"সাদিয়া: আরে রাফি, তোমার আজকের অনলাইন ক্লাস কেমন হলো? রাফি: ও বলো না! হঠাৎ করে ইন্টারনেট চলে গেল, আবার আসতে আসতে অনেক কিছু মিস হয়ে গেল। সাদিয়া: হ্যাঁ, আমিও মনোযোগ রাখতে পারি না। মাঝে মাঝে ভাইয়া গান শুনে, কেউ টিভি দেখে, ঘরে বসে ক্লাস করতে গেলে ডিসট্র্যাকশন হয়। রাফি: ঠিক বলেছো। আগে স্কুলে গেলে পরিবেশটাই পড়ার মতো ছিল। এখন তো ঘরে বসেই ক্লাস, আর মনে হয় মনটাই বসে না। সাদিয়া: তবে একটা ভালো দিক হচ্ছে, এখন ইউটিউব বা গুগলে টপিক সার্চ করলে বাড়তি তথ্য পাওয়া যায়। রাফি: হ্যাঁ, কিন্তু সব ছাত্র তো স্মার্টফোন বা ভালো ইন্টারনেট পায় না। গ্রামের অনেক বন্ধু ক্লাসেই ঢুকতে পারে না। সাদিয়া: অনলাইন ক্লাসে সামাজিক যোগাযোগও অনেক কমে গেছে। আগে বন্ধুরা একসাথে ক্লাস করত, আলোচনা করতাম। এখন শুধু স্ক্রিনের সামনে একা বসে থাকতে হয়। রাফি: ঠিক বলেছো। তাই সময় ম্যানেজমেন্ট আর নিজে নিজে শেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সাদিয়া: হুম। আমি এক টা টু-ডু লিস্ট বানিয়ে প্রতিদিনের ক্লাস আর রিভিশন করি। রাফি: দারুণ আইডিয়া! আমি চেষ্টা করব আমিও নিয়মিত রুটিন মেনে পড়তে। সাদিয়া: এখন আর কিছু করার নেই, অনলাইন শিক্ষাকেই কাজে লাগাতে হবে। রাফি: একদম! সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটাও অনেক কার্যকর হতে পারে।" দুই সহপাঠীর মধ্যে – অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার তুলনা এবং মনোযোগের অভাব,"রাহুল: হেই মাহি, তুই কি অনলাইন ক্লাস পছন্দ করিস? আমার তো মনোযোগ ধরে রাখতে অনেক কষ্ট হয়। মাহী: আমিও ঠিক তোর মতো। প্রথমদিকে মনে হয়েছিল বাসায় বসে ক্লাস করার মজাই আলাদা। কিন্তু কিছুদিন পর বুঝলাম, অফলাইনের মতো নিয়মিত রুটিন না থাকলে পড়াশোনায় ফোকাস করাই কঠিন। রাহুল: আমারও ক্লাসের মাঝখানে ইন্টারনেট চলে গেলে সব ছন্দ নষ্ট হয়ে যায়। আবার কখনো বিদ্যুৎ চলে গেলে পুরো ক্লাস মিস করি। মাহী: হ্যাঁ, ইন্টারনেট সমস্যা তো আছেই। তাছাড়া, বাড়িতে এত ডিস্ট্রাকশন — ফোন, টিভি, সাউন্ড — সব মিলে মন বসে না। রাহুল: ক্লাসরুমের মতো পরিবেশ না থাকায় বন্ধুদের সাথেও ঠিকঠাক আলোচনা করা যায় না। ফলে অনেক কিছু বুঝতে সমস্যা হয়। মাহী: একমত। তবে আমি একটা কাজ করি — ক্লাস চলাকালীন মোবাইল সাইলেন্ট করে দেই, আর পাশে নোট খাতা রাখি যেন ক্লাস মিস হলেও পরে দেখে নিতে পারি। রাহুল: ভালো আইডিয়া! আমি চেষ্টা করব। কিন্তু অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংযোগটা ঠিকভাবে হয় না, তাই না? মাহী: অফলাইনে যেভাবে প্রশ্ন করলে সঙ্গে সঙ্গে বুঝিয়ে দেয়, অনলাইনে তা হয় না। আবার অনেকে ক্যামেরা বন্ধ রাখে — এতে পরিবেশটা একদম অন্যমনস্ক হয়। রাহুল: আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় যদি মিক্সড মডেলে কিছু ক্লাস অফলাইনে আর কিছু অনলাইনে করত, তাহলে ভালো হতো। মাহী: হ্যাঁ, ভবিষ্যতের শিক্ষায় এই হাইব্রিড মডেলটাই বোধহয় কার্যকর হবে।" শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে অনলাইন শিক্ষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা,"অভিভাবক: স্যার, আমার ছেলে এখন পুরোপুরি অনলাইন ক্লাস করছে, কিন্তু ওর মনোযোগ খুব কম। আমি খুব চিন্তায় আছি। শিক্ষক: বুঝতে পারছি। অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই এমন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনলাইন ক্লাসে সরাসরি মনিটর করা যায় না, তাই তারা সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। অভিভাবক: আগের মতো ক্লাসে স্যারদের সামনে বসলে পড়াশোনার প্রতি গুরুত্ব বাড়ত। এখন তো ফোন বা ল্যাপটপে অনেক সময় অন্য অ্যাপে চলে যায়। শিক্ষক: একদম ঠিক। আরেকটা বড় সমস্যা হলো ইন্টারনেট সংযোগ। মাঝে মাঝে ক্লাসের মাঝখানে ইন্টারনেট চলে গেলে পাঠদান বিঘ্নিত হয়। অভিভাবক: স্যার, ছোট ঘরে সবাই একসাথে থাকলে বাচ্চারা ক্লাসে মনোযোগ রাখতে পারে না। শিক্ষক: আপনি ঠিক বলেছেন। তাই অভিভাবকদের সহযোগিতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি চেষ্টা করুন ওর জন্য নিরিবিলি একটা পরিবেশ তৈরি করতে। অভিভাবক: স্যার, অনলাইন শিক্ষায় কি বাচ্চারা সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে? শিক্ষক: অনেকাংশে হ্যাঁ। সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ, গ্রুপ ওয়ার্ক, ও সহানুভূতির চর্চা—এসব কিছুই কমে যাচ্ছে। অভিভাবক: তাহলে স্যার, এর সমাধান কী? শিক্ষক: আমাদের দরকার ভারসাম্য। অনলাইন শিক্ষা চালু থাকবে, তবে মাঝে মাঝে অফলাইন কার্যক্রম, ভিডিও ক্লাসে ইন্টার‍্যাকশন বাড়ানো এবং গেমিফায়েড লার্নিং ব্যবহার করলে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ে। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার। আপনি গাইডলাইন দিলে আমি বাসায় ওর শেখার পরিবেশ আরও ভালোভাবে গড়ে তুলতে পারব।" "শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে – অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও সামাজিক দক্ষতা","অভিভাবক: স্যার, আমার মেয়ে আগে ক্লাসে অনেক উৎসাহী ছিল, এখন অনলাইন ক্লাসে আর মন বসে না। ওর পড়াশোনা নিয়ে আমি খুব চিন্তিত। শিক্ষক: আপনি একদম ঠিক বলেছেন। অনেক শিক্ষার্থী এই অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ হারাচ্ছে। স্কুলের পরিবেশ, বন্ধুদের সাথে শিখন, এসব জিনিস ওদের খুব দরকার। অভিভাবক: আমি লক্ষ্য করেছি ওর সামাজিক দক্ষতাও কমে গেছে। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ কম, আত্মবিশ্বাস কমে যাচ্ছে। শিক্ষক: হ্যাঁ, সামাজিক মেলামেশা শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধু বই পড়ে নয়, একে অপরের সঙ্গে মিশেই শেখা হয়। অভিভাবক: আরেকটি বড় সমস্যা — ইন্টারনেট। কখনো কানেকশন থাকে না, কখনো ক্লাসের মাঝখানে থেমে যায়। অনেক বিষয় বুঝতেই পারে না। শিক্ষক: আমরা অনেক সময় ক্লাস রেকর্ড করে দিই যাতে পরে দেখতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন করার সুযোগ, তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যা — এসব মিস হয়ে যায়। অভিভাবক: স্যার, অনলাইন ক্লাসে কীভাবে ওদের অনুপ্রাণিত রাখা যায়? শিক্ষক: কিছু পদ্ধতি কাজে দেয় — যেমন ছোট ছোট কুইজ, ভিডিও উপস্থাপন, আলোচনার মাধ্যমে শেখানো। আর পরিবার থেকেও সময় নির্ধারণ করে পড়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, আমি ঘরে ওর জন্য আলাদা একটি কোণ তৈরি করব পড়ার জন্য। শিক্ষক: খুব ভালো সিদ্ধান্ত। আমাদের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মিলে কাজ করলে এই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠা সম্ভব।" দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে অনলাইন শিক্ষা নিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সমাধান,"তামীম: ভাইয়া, তোমার অনলাইন ক্লাস কেমন চলছে? আমি তো প্রায়ই মিস করে ফেলি। রাশেদ: ঠিকঠাকই চলছে, তবে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। তুমি কী সমস্যা ফেস করছো? তামীম: আমি যে এলাকায় থাকি সেখানে নেটওয়ার্ক ভালো না। মাঝে মাঝেই ভিডিও ল্যাগ করে, কিছুই বুঝতে পারি না। রাশেদ: হ্যাঁ, এটা একটা সাধারণ সমস্যা। আমি ক্লাসের পর রেকর্ডেড ভিডিও আবার দেখে নিই। তামীম: ভাইয়া, আমি তো একা পড়তে পারি না। বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপে বসলে আগ্রহ বেশি লাগত। রাশেদ: আমিও একা পড়তে কষ্ট পাই, তাই কিছু ক্লাসমেটকে নিয়ে একসাথে গুগল মিটে পড়ি। তুমি চাইলে আমরাও গ্রুপ স্টাডি করতে পারি। তামীম: ভালো আইডিয়া! আর মনোযোগ ধরে রাখার জন্য তুমি কী করো? রাশেদ: আমি একটা রুটিন বানিয়ে ফেলেছি—ক্লাসের আগে নোটস তৈরি করি, ক্লাস চলাকালে ডিস্টার্বিং অ্যাপ বন্ধ রাখি। তামীম: আমি তো মাঝে মাঝে ক্লাসের সময় ফেসবুকে ঢুকে পড়ি। এখন থেকে এসব বন্ধ করব। রাশেদ: খুব ভালো। আর মনে রাখো, অনলাইন শিক্ষা সহজ নয়, তবে নিজের ইচ্ছাশক্তি থাকলে এটা থেকেও অনেক কিছু শেখা যায়।" দুই কাজিনের মধ্যে – অনলাইন শিক্ষার বাস্তব সমস্যা ও সমাধানের খোঁজ,"তাহসিন: ভাইয়া, তোমার ভার্সিটিতে কি এখনো অনলাইন ক্লাস চলছে? রিফাত: হ্যাঁ, চলছে। অনলাইন ক্লাস মানেই এখন শুধু ফর্মালিটি। আমরা মনোযোগ দিয়ে শিখতে পারি না। তাহসিন: আমাদের স্কুলে ওর থেকেও খারাপ অবস্থা। নেট না থাকলে ক্লাসে ঢুকতেই পারি না। আর ঢুকলেও বারবার ডিসকানেক্ট হয়ে যাই। রিফাত: ঠিক তাই। সবচেয়ে বড় বিষয় — নিজের ইচ্ছা না থাকলে অনলাইন ক্লাসে কিছুই শেখা যায় না। বাসায় কেউ না থাকলে চোখের সামনে মোবাইল বা ল্যাপটপ থাকলেও মন কোথায় যেন উড়ে যায়! তাহসিন: আমি পড়া বুঝি না, আবার জিজ্ঞেস করতেও ভয় লাগে — সবাই তো মাইক অফ করে থাকে। রিফাত: আমি এক কাজ করি — আমাদের কয়েকজন বন্ধুর একটা স্টাডি গ্রুপ আছে। ক্লাস শেষে আমরা একসাথে Google Meet-এ বসে আলোচনা করি। তাহসিন: বাহ! আমি চাইলেই কি তোমাদের মতো এমন একটা গ্রুপ করতে পারি? রিফাত: অবশ্যই! এমন আলোচনা না করলে অনলাইন ক্লাস মানে হবে শুধু বসে বসে ঘুমানো। তাহসিন: ভাইয়া, তুমি অনেক আইডিয়া দিলে। আমি আমার বন্ধুরা মিলে একটা Zoom group তৈরি করব।" দুই কৃষকের মধ্যে – প্রযুক্তি ও আধুনিক কৃষিচর্চা,"রফিক: সেলিম ভাই, গতবার আপনি যেসব আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষ করেছিলেন, ফলন তো বেশ ভালো হয়েছিল, না? সেলিম: হ্যাঁ রফিক ভাই, এবার আমি ‘কৃষি বাতায়ন’ অ্যাপ থেকে আবহাওয়ার আপডেট, সার ও বীজের তথ্য পেয়েছি। তাই বৃষ্টি আগে থেকেই জানতাম, আর ঠিক সময়েই জমি প্রস্তুত করেছি। রফিক: আমি তো এসব কিছুই জানি না। এখনো পুরানো অভ্যাসে চাষ করি। কিন্তু আপনার ফলন দেখে মনে হচ্ছে প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া পিছিয়ে থাকব। সেলিম: একদম ঠিক বলছেন। এখন সরকার ও অনেক এনজিও থেকেও কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মোবাইলেই জমির মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট, বীজের ধরন, এমনকি বাজারদর জানা যায়। রফিক: আমাদের এলাকায় ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ভালো না। তাই অনেক সময় এসব অ্যাপ ব্যবহার করা কঠিন হয়ে যায়। সেলিম: আমরাও আগে সেই সমস্যায় পড়তাম। তবে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গেলেই তথ্য পাওয়া যায়। এখন তো অনলাইন কৃষি চ্যানেলও আছে। রফিক: প্রযুক্তি ব্যবহার করলে খরচও কমে, আর লাভও বাড়ে বুঝি? সেলিম: অবশ্যই। জলসেচ ব্যবস্থাপনা, কীটনাশক প্রয়োগ — সবকিছুই প্রযুক্তিনির্ভর করলে কৃষকরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। রফিক: তাহলে আমাকেও শিখতে হবে। আপনি একদিন আমাকে সময় দেবেন? সেলিম: অবশ্যই, ভাই! প্রযুক্তির জ্ঞান ছড়িয়ে দিলেই গ্রামের উন্নয়ন হবে।" গ্রাম্য প্রবীণ ও তরুণের মধ্যে – প্রযুক্তি ও নতুন প্রজন্মের উদ্যোগ,"প্রবীণ মাস্টার: আরে জামান, শুনলাম তুমি এখন অনলাইনে কিছু করছো গ্রামের জন্য? জামান: হ্যাঁ কাকা, আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে একটা ফেসবুক পেজ খুলেছি। সেখানে কৃষকদের জন্য নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস, স্বাস্থ্য টিপস, এমনকি স্থানীয় বাজারের দর দিই। প্রবীণ মাস্টার: বাহ! আমাদের সময়ে এসব কল্পনাও করা যেত না। তখন চিঠি আসতে ৭ দিন লাগত, আর এখন… সব মোবাইলেই! জামান: আসলে প্রযুক্তি আমাদের হাতে ক্ষমতা এনে দিয়েছে। শুধু জানতে ও শিখতে ইচ্ছা থাকতে হয়। প্রবীণ মাস্টার: তুমি ঠিক বলেছো, কিন্তু অনেক বয়স্ক মানুষ এখনো ভয় পায় ফোন ধরতেও। জামান: এজন্য আমরা সপ্তাহে একদিন গ্রামের মাঠে খোলা প্রশিক্ষণ দেই। মোবাইল চালানো, ছবি তোলা, অনলাইনে ফর্ম পূরণ — সব শেখাই। প্রবীণ মাস্টার: দারুণ কাজ করছো। তুমি যদি গ্রামের ছেলেমেয়েদের এমনভাবে উৎসাহ দাও, তাহলে আমাদের গ্রাম একদিন শহরের চেয়ে পিছিয়ে থাকবে না। জামান: আমাদের স্বপ্ন – প্রযুক্তি দিয়ে শিক্ষিত, স্বাস্থ্যসচেতন ও স্বাবলম্বী গ্রাম গড়ে তোলা।" "শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে – শিক্ষা, ইন্টারনেট, ও প্রযুক্তি-চ্যালেঞ্জ","ছাত্র: স্যার, আপনি বলেছিলেন প্রযুক্তি দিয়ে গ্রামেও ভালো শিক্ষা সম্ভব। কিন্তু আমাদের এলাকায় তো এখনো ভালো নেটওয়ার্ক নেই। শিক্ষক: একদম ঠিক বলেছো। তবে এখন সরকার ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’ প্রকল্প চালু করেছে অনেক গ্রামে। সেখান থেকে ট্যাব, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। ছাত্র: আমি ইউটিউবে কিছু ভিডিও দেখি — গণিত আর ইংরেজি শেখার জন্য। তবে অনেক সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে পড়াটা থেমে যায়। শিক্ষক: হ্যাঁ, অবকাঠামো এখনো চ্যালেঞ্জ। তবে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়লে প্রশাসনও উদ্যোগী হয়। আমরা চাই ছাত্ররা নিজের মতো করে প্রযুক্তি ব্যবহার করুক। ছাত্র: স্যার, আমি যদি গ্রামে evening tuition চালু করি — মোবাইলে শিক্ষামূলক ভিডিও চালিয়ে — তাহলে কি অন্যদেরও সাহায্য হবে? শিক্ষক: খুব ভালো উদ্যোগ! আমি তোমাকে কনটেন্ট সাজাতে সাহায্য করব। তুমি হয়ে উঠবে গ্রামের অন্যদের অনুপ্রেরণা। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার! আমি চাই, গ্রামের সবাই বুঝুক — প্রযুক্তি মানে শুধু ফেসবুক নয়, এটি শিক্ষার শক্তি। শিক্ষক: একদম তাই। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা একদিন প্রযুক্তিনির্ভর গ্রাম গড়তে পারব — যেখানে থাকবে জ্ঞান, উদ্যোগ আর উন্নয়ন।" দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে আলোচনা,"মালেকা: আরে সালেহা আপা, পহেলা বৈশাখে আপনারা বাড়িতে কী কী আয়োজন করেছিলেন বলুন তো! সালেহা: ও মা, অনেক কিছু! সকালে সবাইকে নিয়ে পান্তা-ইলিশ খেলাম। তারপর রমনার শাড়ি পরে আমি আর মেয়েরা আমাদের স্থানীয় মঙ্গল শোভাযাত্রায় গিয়েছিলাম। মালেকা: বাহ! আমাদের গ্রামেও চমৎকার অনুষ্ঠান হয়েছিল। যদিও শহরের মতো এত আয়োজন ছিল না, তবুও সকলে মিলে পিঠা তৈরি করেছিলাম, বাউল গান হয়েছিল সন্ধ্যায়। সালেহা: গ্রামের বৈশাখ তো আসল বৈশাখ। খোলা মাঠে, লোকগানের আসর, আর হালখাতার আমেজ—সব মিলিয়ে আলাদা আবেগ। মালেকা: তাই তো, এই সব উৎসব আমাদের সংস্কৃতির সাথে হৃদয়ের বন্ধন গড়ে তোলে। সালেহা: হ্যাঁ, শহরে কিছুটা যান্ত্রিকতা চলে এসেছে, তবে চেষ্টার কমতি নেই। বাচ্চাদের মাঝে বৈশাখের ইতিহাস শেখাতে অনেক আয়োজন করা হয়। মালেকা: জানেন আপা, এই উৎসবগুলো না থাকলে আমরা নিজেদের শিকড় ভুলে যেতাম। সালেহা: একদম ঠিক। তাই তো বলি, আমাদের সবাই মিলে ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।" মা ও ছেলের মধ্যে উৎসবের ঐতিহ্য ও খাবার নিয়ে আলোচনা,"তানভীর: মা, তোমার হাতের পাটিসাপটা পিঠা খেতে খেতে মনে পড়ছে ছোটবেলার কথা! মা: হা হা, পিঠা তো শুধু খাবার না বাবা, এটা আমাদের সংস্কৃতির অংশ। তানভীর: মা, তুমি তো বলো, শীত এলেই আগে গ্রামে পিঠা উৎসব হতো। এখন তো শহরে সবাই এত ব্যস্ত, এসব কিছু আর হয় না। মা: এখনো অনেকে করে বাবা। তবে আগের মতো সেই পারিবারিক পরিবেশ, একসাথে সবাই মিলে ধূপ ধূপে পিঠা বানানো, হাসি-ঠাট্টা, গান—সেসব কমে যাচ্ছে। তানভীর: তোমার বানানো দুধ চিতই পিঠা তো এখনও আমার প্রিয়! মা: শুধু তোমার না, তোমার নানু যেভাবে শিখিয়েছিলেন, আমিও তাই তোমাদের শেখাতে চাই। তানভীর: মা, এই পিঠা তো শুধু খাবার না, মনে হয় আমাদের ইতিহাস ধরে রাখে। মা: ঠিক বলেছ। পিঠা, নবান্ন, বৈশাখ—এই সব মিলেই তো বাঙালি সংস্কৃতি। তানভীর: মা, আমি ভাবছি, এই শীতে আমরাও একটা ছোট পিঠা উৎসব করব বন্ধুদের নিয়ে। মা: খুব ভালো ভাবনা! নতুন প্রজন্মকে এই ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেই হবে।" "দুই বন্ধু—একজন শহরের, একজন গ্রামের, উৎসবের পার্থক্য নিয়ে আলোচনা","ইশতিয়াক: আরে মামুন, দুর্গা পূজার ছুটিতে বাড়ি গেলে কেমন লাগলো? মামুন: ভাই, বলতেই পারো, মনটা ভরে গেল। গ্রামে পূজার আমেজই আলাদা। প্রতিটা বাড়িতে আলোকসজ্জা, প্রতিমা স্থাপন, ধুনুচি নাচ, আর সবার মাঝে এক ধরনের আত্মীয়তা! ইশতিয়াক: আমাদের শহরেও পূজা হয়, কিন্তু এখানে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ভিড়, আর অনেকটা সীমিত আনন্দ। মামুন: গ্রামের সবচেয়ে ভালো দিক হলো—সব ধর্ম, সব বয়সের মানুষ একসাথে মিলেমিশে উৎসব পালন করে। মুসলমান প্রতিবেশীরাও ভোগ খায়, প্রতিমা দর্শনে আসে। ইশতিয়াক: সত্যি, উৎসব তখনই পূর্ণ হয়, যখন সেটা সমাজকে একত্রিত করে। মামুন: আমি মনে করি, এসব উৎসব আমাদের মধ্যে সহনশীলতা, ভালোবাসা আর পারস্পরিক শ্রদ্ধা তৈরি করে। ইশতিয়াক: তুমি একদম ঠিক বলেছো। আমাদের শুধু পালন নয়, অন্যদের উৎসবে অংশগ্রহণ করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। মামুন: হ্যাঁ, আর এই ঐতিহ্য আমাদের বাঙালিয়ানার পরিচয় বহন করে।" দুই বোনের মধ্যে ঈদ উৎসবের স্মৃতি ও প্রথা নিয়ে আলাপ,"সুমনা: মম, এই ঈদে বাড়ি যাওয়ার জন্য তুমি কি নতুন পাঞ্জাবি নিয়েছ? মম: হ্যাঁ, বড় খুশি হয়েছি। আমাদের গ্রামে ঈদ মানেই নতুন পোশাক, সবাই একসঙ্গে জামায়াতের আয়োজন, আর বাড়ির মাটির সুগন্ধে ঈদের আনন্দ বাড়ে। সুমনা: শহরে ঈদ উৎসব বেশ জমজমাট হলেও গ্রামের ঐ প্রাচীন ভাবনা কোথায় পাওয়া যায়? মম: গ্রামের ঈদে সবাই মিলে পশুর কোরবানি, একসঙ্গে জামায়াত, ভিড়ে মেতে ওঠা, এসব অনুভূতি শহরে মেলা খুব কম। সুমনা: আর সবচেয়ে ভালো লাগে পিঠা, মিষ্টান্ন আর নানা ধরনের খাবার। আমাদের এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। মম: হ্যাঁ, আর তোমাদের মতো নতুন প্রজন্মকেও এগুলো জানতে ও পালন করতে উৎসাহিত করতে হবে। সুমনা: ঠিক বলেছ মা, ঐতিহ্য বাঁচানো আমাদের দায়িত্ব।" দুই বন্ধু বৈশাখী মেলা ও পুরান ঢাকার উৎসব নিয়ে আলোচনা,"ফাহিম: সাকিব, তোমার দেখা হয়েছে বৈশাখী মেলার আয়োজন? সাকিব: হ্যাঁ, ভাই! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় মেলা খুব সুন্দর হয়। রঙিন পট, লোকসঙ্গীত, হস্তশিল্প—সব কিছু চোখ জুড়ানো। ফাহিম: গ্রামে যদিও বড় মেলা হয় না, কিন্তু পাটুয়ার শিল্প, বাউল সংগীত আর পিঠার স্বাদে বৈশাখ আলাদা একটা রং পায়। সাকিব: শহরে উৎসব বড় হলেও গ্রামের সরলতা, মানুষের আন্তরিকতা মেলা তো কোথাও নেই। ফাহিম: তাই তো, এসব মিলেই বাংলার সংস্কৃতি হয়ে ওঠে সমৃদ্ধ। সাকিব: আমাদের উচিত এই ঐতিহ্যকে লালন করা ও পরবর্তী প্রজন্মকে শেখানো।" গ্রামীণ এবং শহুরে দুর্গাপূজা উদযাপন নিয়ে দুই প্রতিবেশীর আলোচনা,"রুবিনা: সালাহ উদ্দিন ভাই, আপনারা গ্রামে দুর্গাপূজা কেমন উদযাপন করেন? সালাহ উদ্দিন: রুবিনা আপা, গ্রামের পূজা একটু ভিন্ন। প্রতিদিন ধুনুচি নাচ, মন্দির সাজসজ্জা, আর প্রতিবেশীদের সাথে মিলেমিশে আনন্দ। রুবিনা: শহরে আমরা অনেকটাই সংগঠিত ও আধুনিক। কিছুটা ভিড় আর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা থাকে। সালাহ উদ্দিন: গ্রামের উৎসবে সবার অংশগ্রহণ থাকে, ধর্ম নির্বিশেষে সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করে। রুবিনা: সত্যিই, উৎসব আমাদের একত্রিত করে, বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। সালাহ উদ্দিন: তাই তো, আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মূল কথা একতা আর ভালোবাসা।" দুই সহকর্মীর মধ্যে সকালের ব্যায়াম ও স্বাস্থ্য সচেতনার আলোচনা,"রিয়া: আরিফ, তোমার দেখা যায় সকাল সকাল অফিসে আসার আগে জিমে গিয়ে আসো! কীভাবে সময় পেয়ে যাও? আরিফ: হা, রিয়া! সকালে ব্যায়াম করাটা আমার দিনের শুরুটা ভালো করে দেয়। এতে শরীর সতেজ থাকে, মন ভালো থাকে আর কাজের ফোকাস বাড়ে। রিয়া: আমি তো চেষ্টা করি, কিন্তু সকালে উঠতে খুব কষ্ট হয়। আর সময়ও কম পাই। আরিফ: সময় বের করতে হয়, রিয়া। ব্যায়াম মানেই জিম নয়, ঘরে হাঁটা, স্ট্রেচিং, কিংবা ইউটাও করতে পারো। রিয়া: কিন্তু আমি অনেক ক্লান্ত লাগে সারাদিনের কাজ শেষে, তাই ফিটনেসে মনোযোগ কম। আরিফ: সেটা বুঝি, তাই তো আমি প্রথমেই সকাল বেলায় সময় নিই। আর তুমি চাও তো একসাথে ফিটনেস চ্যালেঞ্জ করতে? রিয়া: দারুণ আইডিয়া! একসাথে করলে উৎসাহ পাওয়া যায়। আর তোমার মতো সকালের ব্যায়াম শুরু করতে পারলে ভালো হয়। " কোচ ও শিক্ষার্থীর মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাবার এবং ফাস্ট ফুড নিয়ে আলোচনা,"কোচ সুমন: রাজীব, তোমার ডায়েটে এখন কি কি খাবার থাকে? রাজীব: স্যার, বেশিরভাগ সময়ই অফিসে ফাস্ট ফুড খাই, কারণ সময় কম। কোচ সুমন: এটা খুবই সমস্যা। ফাস্ট ফুডে অনেক তেল, লবণ ও কেমিক্যাল থাকে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। রাজীব: কিন্তু অফিসে সময় না পেলে অন্য পথ থাকে না। কোচ সুমন: চেষ্টা কর একটু বেশি সময় দিয়ে সুষম খাবার খেতে, যেমন তাজা সবজি, ফল, বাদাম, আর প্রচুর পানি। রাজীব: স্যার, আমি চেষ্টা করব, কিন্তু মাঝে মাঝে ভোজনের অভ্যাস বদলানো কঠিন হয়। কোচ সুমন: শুরুটা কঠিন হলেও, অভ্যাস হয়ে গেলে শরীর নিজেই চায় ভালো খাবার। তুমি নিয়মিত ব্যায়ামও করো তো? রাজীব: না স্যার, ওটা একটু কঠিন মনে হয়। কোচ সুমন: ঠিক আছে, আসো আমি তোমার জন্য হালকা ওয়ার্কআউট প্ল্যান বানাবো, আর খাদ্য তালিকা দেবো। ধীরে ধীরে সব ঠিক হয়ে যাবে।" পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও ফিটনেস চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা,"বাবা: রাকিব, তুমি তো আরাম করে বসে থাকো, তোমার শরীরের চিন্তা কি? রাকিব: বাবা, সময় পাই না। অফিসে কাজ আর বাসায় ক্লান্তি। মা: তবু তোমাকে নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করতে হবে। শরীর সুস্থ না হলে সবকিছু অকার্যকর হয়ে যায়। বাবা: আমি ভাবছি, আমরা সবাই মিলে এক সপ্তাহের ফিটনেস চ্যালেঞ্জ করি। প্রতিদিন একসঙ্গে হাঁটব, ব্যায়াম করব। কী বলো? রাকিব: এ রকম হলে অনেক ভালো হবে। একসঙ্গে করলে ভালো লাগবে। মা: আর খাবারের বিষয়েও একটু নজর দিতে হবে। ফাস্ট ফুড কমিয়ে দই, ফল, সবজি বাড়াতে হবে। রাকিব: ঠিক আছে মা, আমি চেষ্টা করব। বাবা: দেখো, সুস্থ জীবনধারা ছাড়া কোনো সাফল্য বড় হয় না। সবাইকে ভালো রাখতে হবে। মা: আমরা একে অন্যকে উৎসাহ দিবো, আর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করব।" দুই সহকর্মীর মধ্যে ফাস্ট ফুড ও স্বাস্থ্য সমস্যার আলোচনা,"জয়: হেলো সায়ম, শুনেছি তোমার ওজন একটু বেড়ে গেছে? সায়ম: হ্যাঁ, জয়। অফিসে বারবার ফাস্ট ফুড খাওয়ার কারণে হয়তো। সময় কম, তাই সহজ খাবার খেতে হয়। জয়: সেটা অবশ্যই সমস্যা। ফাস্ট ফুডে বেশি চর্বি ও লবণ থাকে, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগের কারণ হতে পারে। সায়ম: আমি জানি, কিন্তু মাঝেমধ্যে ইচ্ছে করেই খাই। জয়: ইচ্ছে হওয়ার কথা বুঝি, তবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। চেষ্টা কর প্রাতঃরাশে ফল আর দই যোগ করো, দুপুরে হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাও। সায়ম: হুম, চেষ্টা করব। আর তোমার কী ফিটনেস রুটিন? জয়: আমি প্রতিদিন সকালে হাঁটা এবং সপ্তাহে তিন দিন যোগা করি। এতে শরীর ও মন দুই ভালো থাকে। সায়ম: ওহ! আমি ওটা শুরু করতে চাই। তুমি আমাকে কিছু গাইড করো। জয়: অবশ্যই। প্রথমে ছোট ছোট সময় দিয়ে শুরু করো, ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে উঠবে।" একজন কোচ ও ছাত্রীর মধ্যে ফিটনেস চ্যালেঞ্জ নিয়ে উৎসাহ,"কোচ রিনা: সুমি, তুমি নিয়মিত ব্যায়াম করছো? সুমি: স্যার, মাঝে মাঝে মনোযোগ কমে যায়, ক্লান্তিও হয়। কোচ রিনা: ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে ফিটনেস চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করো। একসাথে করলে উৎসাহ বেশি পাওয়া যায়। সুমি: সেটা দারুণ হবে। কিন্তু আমি কি শুরু থেকে বেশি সময় ব্যায়াম করতে পারব? কোচ রিনা: না, প্রথমে হালকা ওয়ার্কআউট করো, ধীরে ধীরে সময় বাড়াও। আমি তোমার জন্য প্ল্যান বানিয়ে দেবো। সুমি: স্যার, আমি চাই আমার স্বাস্থ্য ভালো হোক আর ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকুক। কোচ রিনা: সেটা সম্ভব, যদি তুমি ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে চলো। আর খাবারেও সতর্ক থাকতে হবে। সুমি: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব।" পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"দাদু: স্বাস্থ্যই আসল সম্পদ, জানো তো? নাতনী: দাদু, কিন্তু আমি সময় পাই না নিয়মিত ব্যায়াম করার। মা: সময় বের করাই উচিত, আর শরীর সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াও জরুরি। বাবা: আমরা সবাই মিলে সপ্তাহে তিনদিন সকালের হাঁটা করব। নাতনী: আমি চাই একসাথে করলে মজা হবে। দাদু: একসাথে করলে উৎসাহ বাড়ে, আর সুস্থ থাকাও সহজ হয়। মা: ফাস্ট ফুড কমিয়ে তাজা ফল, সবজি বাড়াতে হবে। বাবা: তোমাদের সবাইকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। নাতনী: ঠিক আছে, আমি শুরু করব আজ থেকেই।" দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"রিমা: রাজীব, তুমি কি জানো, আমাদের আশেপাশের প্লাস্টিক বর্জ্য কতটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর? রাজীব: হ্যাঁ, রিমা। প্লাস্টিক পচনে হাজার বছর সময় নেয়, আর সেটার কারণে নদী, সমুদ্র দূষিত হয়। জীবজন্তুর জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। রিমা: তাই তো, আমরা প্লাস্টিকের বদলে রিইউজেবল ব্যাগ ব্যবহার করা শুরু করেছি। স্কুলেও আমরা প্লাস্টিক কমানোর প্রচারণা চালাচ্ছি। রাজীব: খুব ভালো কাজ। আর ট্রি প্ল্যান্টেশনও জরুরি। বেশি গাছ লাগালে বাতাস পরিষ্কার হয়, তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। রিমা: তবে তুমি কি মনে করো, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধুমাত্র সরকারের? না আমাদের ব্যক্তিগতভাবেও সচেতন হতে হবে? রাজীব: আমি মনে করি উভয়েরই অবদান দরকার। সরকার যদি কঠোর আইন করে আর আমরা নিজেদের দায়িত্ব বুঝে কাজ করি, তাহলে ফলাফল ভালো হবে। রিমা: সঠিক বলছো। বাড়িতে আমরা আলাদা আলাদা কাবারে বর্জ্য সংগ্রহ করছি, প্লাস্টিক আর বায়োমেডিকেল বর্জ্য আলাদা করছি। রাজীব: স্কুলেও আমরা রিসাইক্লিং প্রোগ্রাম চালাচ্ছি, এটা পরিবেশ বান্ধব কাজ।" কমিউনিটি লিডার ও বাসিন্দার মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও গাছ লাগানোর গুরুত্ব,"লিডার মিজান: ভাই, আমাদের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। বাসিন্দা রফিক: মিজান ভাই, আমি রাজি। কিন্তু এখন সবাই এত ব্যস্ত, প্লাস্টিক ব্যাগ ছাড়া বিকল্প নেই মনে হয়। লিডার মিজান: বিকল্প আছে, reusable ব্যাগ বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে। ছোট ছোট পদক্ষেপই বড় পরিবর্তন আনে। বাসিন্দা রফিক: আর গাছ লাগানোই সবচেয়ে ভালো উপায়। গ্রীন জোন বাড়ালে আমাদের এলাকায় তাপমাত্রা কমবে, বাতাস পরিষ্কার থাকবে। লিডার মিজান: অবশ্যই। আগামী সপ্তাহে গাছ লাগানোর কর্মসূচি আয়োজন করছি, সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাবো। বাসিন্দা রফিক: সরকারের দায়িত্ব কী হবে? তারা কি পরিবেশ রক্ষা নিয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে? লিডার মিজান: সরকার আইন প্রণয়ন করে, তদারকি করে, কিন্তু বাস্তবায়ন আমাদের সবাইকে করতে হবে। সবাই সচেতন হলে প্রকৃত পরিবর্তন আসবে। বাসিন্দা রফিক: বাসায়ও আমরা বর্জ্য কমানোর চেষ্টা করছি, জৈব বর্জ্য কম্পোস্ট করি। লিডার মিজান: অসাধারণ। ছোট ছোট অভ্যাস আমাদের পরিবেশকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।" ভাইবোনের মধ্যে পরিবেশ রক্ষা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা,"সাবিনা: রাফি, তুমি তো প্লাস্টিক ব্যাগ বেশিই ব্যবহার করছ, এটা বন্ধ করো না কেন? রাফি: আমি কি করব, যখন বাজারে সবাই প্লাস্টিক ব্যবহার করে? সাবিনা: আমরা প্রথমেই আমাদের থেকে শুরু করতে পারি। কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করো, প্লাস্টিক কমাবে। রাফি: তুমিই ভালো বলছো। আর গাছ লাগানো ও বড় কথা। তুমি জানো, এক গাছ কত অক্সিজেন দেয়? সাবিনা: হ্যাঁ, আর গাছ ছাড়া পৃথিবী তীব্র গরম হবে। আমরাও প্রতি বছর স্কুলে গাছ লাগানোর দিনে অংশ নিই। রাফি: বাড়িতে বর্জ্যও আলাদা করলে পরিবেশ ভালো থাকে। সাবিনা: আমিও তাই ভাবছি, আমরা বাড়ির সবাইকে সচেতন করব বর্জ্য কমাতে। রাফি: পরিবেশ রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমি চেষ্টা করব। সাবিনা: ঠিক বলছো, যদি সবাই সামান্য একটু সচেতন হয়, পৃথিবী অনেক সুন্দর থাকবে।" দুই বন্ধুর মধ্যে প্লাস্টিক দূষণ ও বিকল্প নিয়ে আলোচনা,"আদিত্য: তুমি কি জানো, আমাদের শহরে প্লাস্টিক দূষণ দিন দিন বেড়ে চলেছে? মিনহাজ: হ্যাঁ, সত্যি। প্লাস্টিক ফেলা হচ্ছে সব জায়গায়—রাস্তা, নদী, পার্ক। আদিত্য: প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাপড় বা জুটের ব্যাগ ব্যবহার করলে অনেক কমে যাবে। মিনহাজ: তবে মানুষ সচেতন না হলে সেটা সম্ভব হবে না। শিক্ষার খুব দরকার। আদিত্য: আমরা স্কুলে ‘No Plastic’ ক্যাম্পেইন চালাচ্ছি। সেখানে সবাইকে reusable ব্যাগ ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছি। মিনহাজ: চমৎকার উদ্যোগ! আর বর্জ্য কমানোর জন্য আলাদা বর্জ্য পাত্র রাখতে হবে। আদিত্য: একদম। প্রত্যেকের দায়িত্ব হলে পরিবেশ বাঁচানো সহজ হবে। " কমিউনিটি লিডার ও শিক্ষার্থীর মধ্যে গাছ লাগানো ও পরিবেশের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা,"লিডার শরিফ: আমরা গ্রামের পরিবেশ ভালো রাখতে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। ছাত্র হাসান: ঠিক আছে, আপা। গাছ লাগালে কি কী সুবিধা হয়? লিডার শরিফ: গাছ অক্সিজেন দেয়, বাতাস পরিষ্কার করে, গরম কমায় এবং বন্যপ্রাণীকে আশ্রয় দেয়। ছাত্র হাসান: স্কুলেও আমরা গাছ লাগানোর দিন পালন করি, আমি খুব ভালো লাগে। লিডার শরিফ: বাড়িতে ও আশেপাশেও গাছ লাগাতে পারো। ছোট ছোট কাজ পরিবেশকে ভালো রাখে। ছাত্র হাসান: আমি বন্ধুদেরও বলবো, সবাই মিলে পরিবেশ রক্ষা করব। লিডার শরিফ: পরিবেশ রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব, সরকারও সহযোগিতা করে।" দুই ভাইবোনের মধ্যে বর্জ্য কমানোর উপায় নিয়ে কথা,"নিলা: রাশিদ, তুমি বাড়িতে প্লাস্টিক কমানোর জন্য কী করছো? রাশিদ: আমি প্লাস্টিক ব্যাগের বদলে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করছি। আর প্লাস্টিক বোতল কম ব্যবহার করি। নিলা: ভালো কাজ! আর বর্জ্য আলাদা করার কথা কী মনে রেখেছো? রাশিদ: হ্যাঁ, আমরা আলাদা বর্জ্য পাত্র রাখছি। প্লাস্টিক আর বায়ো বর্জ্য আলাদা করছি। নিলা: এটা করলে পরিবেশ ভালো থাকে, আর বর্জ্য কম হয়। রাশিদ: আমাদের সবাইকে এই অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিলা: একদম ঠিক। পরিবেশ রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব।" দুই যাত্রীর মধ্যে দৈনিক ট্রাফিক জ্যামের সমস্যা নিয়ে আলোচনা,"নাহিদ: আহা, আজ আবারও দুই ঘণ্টা লেগে কাজের অফিসে এলাম! এই ট্রাফিক জ্যাম শেষই হচ্ছে না। সাবিনা: আমারও একই অবস্থা। অফিসে যেতে সময়মতো পৌঁছানো এখন দুঃস্বপ্নের মতো হয়ে গেছে। গাড়ির আওয়াজ, হর্ন, ধোঁয়া – সবকিছু মাথায় ব্যাথা দিয়ে যাচ্ছে। নাহিদ: এরকম জ্যাম থাকলে কাজের চাপ বাড়ে, মন খারাপ হয়, এবং স্বাস্থ্যও খারাপ হয়। তোমার কি মনে হয় এর কোনো সমাধান আছে? সাবিনা: আমার মনে হয় আমাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও উন্নত করতে হবে। সঠিক সময়মতো বাস বা মেট্রো ট্রেন থাকলে অনেক সুবিধা হয়। নাহিদ: হ্যাঁ, আর গাড়ি শেয়ারিং বা কারপুলিং সিস্টেম চালু করলে গাড়ির সংখ্যা কমে যাবে। সাবিনা: কিন্তু এই সবের জন্য সরকারের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন খুব দরকার। নাহিদ: সত্যিই। অন্যথায় এই শহরগুলো আরও খারাপ হবে।" একজন ছাত্র ও একজন গাড়িচালকের মধ্যে ট্রাফিক জ্যাম নিয়ে মতবিনিময়,"ছাত্র রাকিব: স্যার, আজকেও কি এতক্ষণ ট্রাফিক জ্যামে পড়লেন? ড্রাইভার কামরুল: হ্যাঁ রাকিব, প্রতিদিন এটা ঘটে। শহরের রাস্তাগুলো অপর্যাপ্ত আর গাড়ির চাপ বেশি। রাকিব: তাই তো, বাসা থেকে কলেজ আসতে আমারও অনেক সময় লেগে যায়। অনেক সময় পড়াশোনা বাদ দিতে হয় সময়ের অভাবে। কামরুল: আমি বলব, শহরের সড়ক উন্নত করতে হবে, আর ট্রাফিক নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। রাকিব: স্যার, আমি ভাবছি আমরা যদি সবাই বাইসাইকেল বা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করি, তাহলে কি হবে? কামরুল: খুব ভালো ধারণা! এতে গাড়ির চাপ কমে যাবে। আর ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা আরও সক্রিয় হওয়া দরকার। রাকিব: আমিও চাই শহর যেন জ্যামমুক্ত হয়, সবাই সময় মতো কাজ করতে পারে।" দুই সহকর্মীর মধ্যে ট্রাফিক জ্যাম ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"সুমন: আজকের সকাল ট্রাফিক জ্যাম কি অসহনীয় ছিল? মিতা: একদম, সুমন। গাড়ি আরোহনে হর্ন বাজানো, ধোঁয়া, ধৈর্যের পরীক্ষার মতো লাগছিল। সুমন: আমি মনে করি আমাদের সরকারকে আরও বেশি করে দক্ষ গণপরিবহন চালু করতে হবে। মিতা: ঠিক বলেছো। মেট্রো, বাস ও ট্রাম ব্যবস্থা ভালো হলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমে যাবে। সুমন: আর শহরের যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কারপুলিং বা রাইড শেয়ারিং প্রচলন জরুরি। মিতা: সরকারের উচিত সড়ক পরিবহন আইন কঠোর করা এবং চালকদের সচেতনতা বাড়ানো। সুমন: তবে সাধারণ মানুষেরও সচেতন হতে হবে, যেমন নিয়ম মানা, গাড়ি ঠিক রাখা। মিতা: আমরা যদি সবাই দায়িত্বশীল হই, শহরগুলো অনেক বেশি উন্নত হবে।" দুই যাত্রীর মধ্যে ট্রাফিক জ্যামের অপ্রিয় অভিজ্ঞতা এবং সময় নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে কথা,"তাহসিন: আজকেও অফিস যেতে গিয়ে পুরো পথেই ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়লাম। জাহিদ: ওহ, আমি বুঝতে পারছি! আমি তো প্রায়ই বিকেলেও অফিস থেকে ফিরে আসতে ঘণ্টা খানেক বা তার বেশি সময় নষ্ট করি। তাহসিন: এর ফলে কাজের চাপ বেড়ে যায়, মনও খারাপ থাকে। মনে হয় যেন সময়ের অপচয় হচ্ছে। জাহিদ: সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে, যখন জরুরি কাজে কাউকে দেখা বা সময়মতো যাওয়া হয় না। ট্রাফিক জ্যাম জীবনের মান কমিয়ে দেয়। তাহসিন: তোমার কি মনে হয়, এই সমস্যা দূর করার জন্য আমরা কি করতে পারি? জাহিদ: আমার মতে, লোকজনকে বেশি করে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করতে উৎসাহিত করতে হবে। আর একসঙ্গে গাড়ি চালানো অর্থাৎ কারপুলিং প্রচলন জরুরি। তাহসিন: হ্যাঁ, এবং সরকারের উচিত দ্রুত ও সুষ্ঠু সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া।" শিক্ষার্থী ও বাস চালকের মধ্যে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষার্থী সোহেল: ভাই, আজকেও ট্রাফিক এত জ্যামে! বাসের গতি একেবারেই কম। বাস চালক করিম: হ্যাঁ সোহেল ভাই, শহরে গাড়ির চাপ এত বেশি যে নিয়ম মানা কঠিন হয়ে পড়ে। সোহেল: আমাদের কি করণীয়? এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় আছে? করিম: আমি বলব, সবাই ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলবে, গাড়ি ঠিকঠাক রাখবে। আর সরকারি আধিকারিকদের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে হবে। সোহেল: আর নতুন সড়ক ও গণপরিবহন ব্যবস্থা দ্রুত চালু করতে হবে। করিম: হ্যাঁ, এছাড়া আমরা চালকদেরও সচেতন হতে হবে যেন তারা দায়িত্বশীল হয়। সোহেল: একমত, সবার সহযোগিতা ছাড়া এই সমস্যা কখনো সমাধান হবে না।" দুই সহকর্মীর মধ্যে শহরের যানজট ও প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"রিফাত: আজ সকাল থেকে ট্রাফিক জ্যাম দেখে মনে হয় শহর আরও অচল হয়ে যাচ্ছে। মাহমুদা: তাই তো, যানজট অনেক সময় নষ্ট করে দেয় আর মানুষকে মানসিকভাবেও অবসাদগ্রস্ত করে। রিফাত: তুমি কি মনে করো, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যানজট কমানো সম্ভব? মাহমুদা: অবশ্যই! ট্রাফিক সিগন্যাল স্বয়ংক্রিয় করার পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপ দিয়ে সড়কের ট্রাফিক পরিস্থিতি জানানো যেতে পারে। রিফাত: এছাড়া গাড়ি শেয়ারিং, রাইড হেলিং সার্ভিসের মাধ্যমে গাড়ির সংখ্যা কমানো সম্ভব। মাহমুদা: সরকারকে এমন উদ্যোগে প্রণোদনা দিতে হবে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। রিফাত: আর আমরা ব্যক্তিগতভাবে সময়ানুবর্তিতা ও ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা শুরু করলে পরিবহন ব্যবস্থায় উন্নতি আসবে।" দুই বোনের মধ্যে নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"সাবিনা: তুমি জানো, এখন অনেক নারী শিক্ষায় ও কর্মসংস্থানে এগিয়ে এসেছে আমাদের দেশে। রোজিনা: হ্যাঁ, আমি এটা দেখে খুব খুশি হয়। আমার স্কুলের কয়েকজন সহপাঠিনী এখন বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। সাবিনা: মেয়েদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ায় অনেক কিছুই বদলে গেছে। আর যেসব নারী সমাজে এগিয়ে আসছে, তারা অনেকে মডেল হিসেবেও কাজ করছে। রোজিনা: তবুও কিছু কিছু জায়গায় লিঙ্গ বৈষম্য থেকে যায়। বিশেষ করে গ্রামে অনেকেই এখনো মেয়েদের পড়াশোনা ও কাজকে বাধা দেয়। সাবিনা: সত্যি। তাই আমাদের দরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি সচেতনতা বাড়ানো, যেন সমাজের পুরুষরাও নারীদের পাশে দাঁড়ায়। রোজিনা: আর মেয়েরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে আরও সচেতন হবে। আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। সাবিনা: ঠিক বলছো, নারীর ক্ষমতায়ন মানে পুরো সমাজের উন্নতি।" শিক্ষিকা ও ছাত্রীর মধ্যে নারীর কর্মসংস্থান ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষিকা: রাহিনা, তুমি কি মনে করো আমাদের দেশে নারীরা এখন কতটা এগিয়েছে? রাহিনা: স্যার, অনেক নারীর উচ্চশিক্ষা ও চাকরিতে যোগদান বেড়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অনেক নারী কাজ করছে। শিক্ষিকা: এটা খুব ভালো কথা। তবে তুমি কী মনে করো, কোন সমস্যাগুলো এখনো রয়ে গেছে? রাহিনা: আমি মনে করি, পারিবারিক বাধা, লিঙ্গ বৈষম্য এবং নিরাপত্তার অভাব কিছু বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষিকা: একদম সঠিক। সমাজের মানসিকতা বদলানো জরুরি। নারীদের কাজের জায়গায় সুরক্ষা ও সমান সুযোগ দিতে হবে। রাহিনা: স্যার, আমি মনে করি আমাদের স্কুলে ও সমাজে নারীর প্রতি সম্মান বাড়ানো হলে উন্নতি হবে। শিক্ষিকা: নিশ্চয়ই। আমরা সবাই মিলে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করলে দেশ এগিয়ে যাবে।" দুই কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্টের মধ্যে নারীর অধিকার ও সমর্থন নিয়ে আলোচনা,"নাসরিন: সম্প্রতি আমরা একটি কর্মশালা চালিয়েছি নারীর অধিকার নিয়ে। তোমার মতামত কী? সুমাইয়া: খুব ভালো উদ্যোগ। অনেক নারী জানেনা তাদের আইনি অধিকার সম্পর্কে। সচেতনতা বাড়ালে তারা নিজেরাই সুরক্ষিত হতে পারবে। নাসরিন: লিঙ্গ বৈষম্য এখনও অনেক ক্ষেত্রেই রয়েছে, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়। আমাদের কাজ হলো সেই মনোভাব বদলানো। সুমাইয়া: আর নারীর জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। নাসরিন: হ্যাঁ, আমরা স্থানীয় পর্যায়ে নারী সমিতি গঠন করে সাহায্য করতে পারি। সুমাইয়া: পাশাপাশি পুরুষদেরও অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে, যাতে নারীর উন্নয়নে সবাই সহযোগিতা করে। নাসরিন: একসাথে কাজ করলে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে, আর সমাজ হবে শক্তিশালী।" কারিগর ও গ্রাহকের মধ্যে নকশীকাঁথা ও জামদানি শাড়ির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"গ্রাহক: ভাই, তোমার তৈরি এই নকশীকাঁথা দেখতে সত্যিই অসাধারণ লাগছে! কারিগর: ধন্যবাদ আপা। আমাদের নকশীকাঁথা হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করে। প্রত্যেকটি শেলাইয়ে আমাদের সংস্কৃতির গল্প লুকানো থাকে। গ্রাহক: আর জামদানি শাড়ির কথা কী বলব! তার সূক্ষ্মতা ও নকশা সত্যিই বিরল। তবে আজকাল কম মানুষ এগুলো কিনছে, তাই না? কারিগর: ঠিক বলেছেন, আধুনিক বাজারে সস্তা মেশিনজাত পণ্য বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে, আমাদের কারিগরদের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ। গ্রাহক: তবে কি করা যেতে পারে যাতে এই শিল্প টিকে থাকে? কারিগর: আমি মনে করি আমাদের সবার উচিত ঐতিহ্যকে সম্মান করা ও এই পণ্যের মূল্যায়ন করা। গ্রাহক: আমি চেষ্টা করব আমার পরিচিতদেরও এগুলো প্রচার করতে। কারিগর: সেটাই প্রয়োজন। বিশ্বব্যাপী যদি প্রচারণা হয়, তাহলে আমাদের শিল্পীরা ভালো করতে পারবে।" দুই বন্ধুর মধ্যে বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা,"মিতু: তুমি জানো, নকশীকাঁথা এবং জামদানি বাংলাদেশের সংস্কৃতির অহংকার। রাকিব: হ্যাঁ, তবে আজকাল তরুণরা এসব শিখতে আগ্রহ কম দেখায় আমি উদ্বিগ্ন। মিতু: বড় সমস্যা হচ্ছে, আধুনিক জীবনযাত্রায় দ্রুততার চাহিদা বাড়ায় হাতের কাজের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। রাকিব: আমাদের উচিত এসব শিল্পকে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা। মিতু: আর প্রযুক্তির সাহায্যে অনলাইনে বিক্রি ও প্রচার করলে বিশ্বজুড়ে পৌঁছানো সম্ভব। রাকিব: এই শিল্প রক্ষায় সরকারেরও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মিতু: সঠিক কথা। ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান ও সচেতনতা তৈরি করাই ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।" শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজ আমরা আলোচনা করবো বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের বিষয়ে। তোমরা কি জানো জামদানি শাড়ি বা নকশীকাঁথার গুরুত্ব? ছাত্র: স্যার, জামদানি শাড়ি বিশ্বখ্যাত এবং ইউনেস্কো-এর অমূলোয়ন তালিকায় রয়েছে। নকশীকাঁথা বাংলাদেশের গ্রামীণ নারীদের সৃষ্টিশীলতার পরিচায়ক। শিক্ষক: খুব ভালো। এই কারুশিল্প আমাদের সংস্কৃতির ইতিহাস ও জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। ছাত্র: তবে আধুনিক জীবনে এসব শিল্প চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। শিক্ষক: তাই আমাদের দায়িত্ব এই শিল্প রক্ষা ও প্রসারে কাজ করা। তুমি কি ভাবছ, কীভাবে? ছাত্র: অনলাইন মার্কেটপ্লেস ব্যবহার করে বিক্রি বাড়ানো, আর টুরিস্টদের জন্য প্রচারণা করা যেতে পারে। শিক্ষক: চমৎকার ভাবনা। আমরা শিক্ষাঙ্গলেও ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে গুরুত্ব দিতে পারি। ছাত্র: আমি শিখতে চাই, যেন ভবিষ্যতে এই শিল্প টিকে রাখতে সাহায্য করতে পারি" "মনে করো, তোমার নাম তিতাস। ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও, এ নিয়ে তুমি ও তোমার বন্ধু নিশাতের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো। ","নিশাত: ভালো আছ, তিতাস? তোমার পরীক্ষার ফলাফল কী হলো? তিতাস: বন্ধু, তুমি শুনে খুশি হবে। এবারও আমি প্রথম হয়েছি। নিশাত: খুব ভালো, তা ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও? তিতাস: ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো শিক্ষক হতে চাই। নিশাত: ভালো কথা, কিন্তু অন্য পেশা থাকতে তুমি কেন শিক্ষক হতে চাও? তিতাস: আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষিত জাতি গড়তে দরকার একজন আদর্শ শিক্ষক যিনি দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর। একটি শিক্ষিত জাতি দেশ ও জাতির উন্নতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমার শিক্ষকতা পেশা ভালো লাগে। নিশাত: তোমার পছন্দকে আমি সমর্থন করি। তবে মনে রেখো, এ পেশায় কিন্তু অনেক ধৈর্য ও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তিতাস: হ্যাঁ বন্ধু, আমি জানি। তোমার দোয়া ও সবার সহযোগিতা পেলে আমি আমার চেষ্টা এবং সাধনা দিয়ে জয়ী হতে পারব।" এলাকার যুবকদের খেলাধুলার জন্য মাঠ সংস্কারের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকার খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য তহবিল আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকার যুবকরা নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা করে থাকে, যা তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের এলাকার একমাত্র খেলার মাঠটি বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাঠে বড় বড় গর্ত, বর্জ্য এবং অসমান জমি থাকায় খেলাধুলা বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। যদি দ্রুত মাঠ সংস্কার করা যায়, তবে যুবসমাজ খেলাধুলায় মনোযোগী থাকবে এবং মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার, [এলাকার নাম] [মোবাইল নম্বর]" কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প পরিচালনার জন্য অনুদানের আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] অঞ্চলের অনেক বাসিন্দা দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে, যারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারেন না। তাই আমরা একটি কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছি, যেখানে বিনামূল্যে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, চোখ ও সাধারণ রোগের পরীক্ষা করা হবে। এই ক্যাম্প পরিচালনার জন্য চিকিৎসক, ওষুধ, প্রাথমিক যন্ত্রপাতি ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তা প্রয়োজন। কিন্তু অর্থের অভাবে ক্যাম্প বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে। অতএব, বিনীত অনুরোধ করছি, আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অনুদান ও সহযোগিতা প্রদান করে আমাদের এই মানবিক উদ্যোগকে সফল করুন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার, [এলাকার নাম] [যোগাযোগ]" কমিউনিটি সেন্টারে বয়স্কদের জন্য ডে-কেয়ার সেবা চালুর আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা বা পৌরসভা অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: কমিউনিটি সেন্টারে বয়স্কদের ডে-কেয়ার চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় অনেক প্রবীণ ব্যক্তি রয়েছেন যারা দিনের বেলা একা থাকেন। তাদের মানসিক ও শারীরিক যত্ন নেওয়ার কেউ থাকে না। এই অবস্থার উন্নয়নের জন্য আমরা একটি ডে-কেয়ার সেন্টার চালুর পরিকল্পনা করছি যেখানে তারা বিশ্রাম, চিকিৎসা ও সামাজিক মেলামেশার সুযোগ পাবেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থ ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন। অতএব, অনুরোধ করছি, সমাজের এই শ্রেণির মানুষদের জন্য মানবিক সহায়তা স্বরূপ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [মোবাইল/ঠিকানা]" দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেন সংস্কারের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: এলাকায় খোলা ড্রেন সংস্কার ও পরিষ্কারের আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। ড্রেনের পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, ফলে শিশু ও বৃদ্ধরা নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে পানি উপচে রাস্তায় এসে পড়ে, ফলে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ সমস্যা সমাধানের জন্য তীব্র দাবি জানাচ্ছি। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টিতে ড্রেন সংস্কার ও নিয়মিত পরিষ্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নির্দেশ প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি প্রতিনিধি [যোগাযোগ]" নারী নিরাপত্তা জোরদারে সিসিটিভি স্থাপনের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: জনবহুল এলাকায় নারী নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি স্থাপন সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, সম্প্রতি আমাদের এলাকায় কিছু উত্যক্তকারী ও অপরাধমূলক ঘটনার অভিযোগ এসেছে। বিশেষ করে নারীরা দিনের বেলাতেও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে প্রধান প্রধান সড়ক, স্কুল ও বাজার এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা জরুরি। এজন্য আর্থিক সহায়তা ও প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [মোবাইল নম্বর]" স্থানীয় যুবকদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: যুব সমাজের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় বহু শিক্ষিত বেকার যুবক রয়েছে যারা প্রযুক্তিগত শিক্ষার অভাবে চাকরি পাচ্ছে না। যদি একটি বিনামূল্যের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা যায়, তাহলে তারা নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, এই উদ্যোগের জন্য প্রয়োজনীয় অনুদান ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি প্রতিনিধি]" আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অর্থ সহায়তা,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় বহু দরিদ্র পরিবার রয়েছে যাদের নিজের বাড়ি বা জমি নেই। বর্ষাকালে তারা চরম দুর্ভোগে পড়ে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য আশ্রয় প্রকল্প চালু করা জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় তহবিল ও ভূমি বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি লিডার]" গ্রামে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: গ্রামে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় সম্প্রতি কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু নিকটবর্তী কোনো ফায়ার সার্ভিস নেই। তাই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও একটি ক্ষুদ্র ফায়ার রেসপন্স ইউনিট স্থাপন জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, নিরাপত্তা ও জানমালের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম]" নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: নদীভাঙন কবলিত পরিবারের জন্য পুনর্বাসনের আবেদন। জনাব, [নদীর নাম] নদীর ভাঙনের কারণে আমাদের এলাকার বহু পরিবার জমি, ঘর ও জীবিকা হারিয়েছে। তারা বর্তমানে আশ্রয়হীন অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য ঘর, খাদ্য, ও চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসন প্রকল্প হাতে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করুন। বিনীত, [আপনার নাম] " মহল্লায় মোবাইল ক্লিনিক সেবা চালুর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে মোবাইল ক্লিনিক চালুর জন্য আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হলেও এখানে কোনো হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। রোগীদের নিকটবর্তী হাসপাতালে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, একটি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [কমিউনিটি প্রতিনিধি] " গ্রামের পুরনো স্কুল ভবন সংস্কারের জন্য অর্থ অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: পুরনো স্কুল ভবন সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [নাম], [গ্রামের নাম] গ্রামের একজন কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়টির ভবন দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষাকালে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে এবং ক্লাস নিতে অসুবিধা হয়। এমতাবস্থায়, বিদ্যালয় ভবনটি সংস্কার না করা হলে শিক্ষার্থীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, ভবনটি সংস্কারের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ করা হোক। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামে মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: নারীদের স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমি [নাম], [এলাকার নাম] এর পক্ষ থেকে বলছি যে, আমাদের গ্রামের বহু নারী গৃহিণী হলেও তারা কাজ শিখে আয় করতে আগ্রহী। এজন্য সেলাই, হস্তশিল্প, পাটজাত দ্রব্য তৈরি ইত্যাদি প্রশিক্ষণের জন্য একটি মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আপনার দপ্তর থেকে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করুন। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" গ্রামীন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার জন্য আর্থিক অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: গ্রামীণ পাঠাগার প্রতিষ্ঠায় সহায়তার আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার বাইরে বই পড়ার সুযোগ পায় না। একটি পাঠাগার থাকলে তারা জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী হবে এবং মাদক ও প্রযুক্তি আসক্তি থেকেও দূরে থাকবে। আমি আপনাকে অনুরোধ করছি, একটি গ্রামীণ পাঠাগার প্রতিষ্ঠার জন্য আর্থিক অনুদান ও বই সংগ্রহে সহায়তা দিন। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার " সড়কে আলোর ব্যবস্থার জন্য আবেদন (স্ট্রিট লাইট বসানোর আবেদন),"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: রাস্তায় স্ট্রিট লাইট বসানোর জন্য অর্থ বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের প্রধান রাস্তায় রাতে কোনো আলোর ব্যবস্থা নেই। এতে চলাচলে ঝুঁকি থাকে এবং চুরি/ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও বাড়ে। অতএব, আপনার সদয় উদ্যোগে রাস্তায় স্ট্রিট লাইট বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ করছি। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" দুর্যোগকালীন আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য অনুরোধ,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবহারের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রাম নদী ও খালঘেঁষা হওয়ায় প্রায়ই বন্যা, ঝড় ও জলাবদ্ধতার শিকার হয়। বিপদের সময় এলাকাবাসীর জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র থাকাটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে আপনাকে অনুরোধ করছি প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের জন্য। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" গ্রামে একটি প্রতিবন্ধী সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় অনেক প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তি রয়েছেন যাদের জন্য কোনও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নেই। তাদের বিশেষ চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে একটি প্রতিবন্ধী সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন এখন সময়ের দাবি। আপনার সহানুভূতিশীল সহযোগিতা কামনা করছি। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" স্থানীয় বাজারে সৌচাগার স্থাপন ও পরিচ্ছন্নতার জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বাজারে শৌচাগার ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের বাজারে শৌচাগার নেই এবং আবর্জনার উপযুক্ত ডাস্টবিনের অভাব রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। এমতাবস্থায়, বাজারে পাবলিক টয়লেট, ডাস্টবিন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগে অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" গ্রামের মসজিদ/মন্দির সংস্কারের জন্য কমিউনিটির পক্ষ থেকে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কারে অনুদানের আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] এলাকার প্রাচীন [মসজিদ/মন্দির]টির অবস্থা বর্তমানে খুবই খারাপ। ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে, দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। অতএব, আমি সমাজের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি সংস্কারে সরকারি সহযোগিতা দিন। বিনীত, [নাম] কমিউনিটি লিডার" ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরুর জন্য সরকারি ঋণ চেয়ে আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা পরিষদ/স্থানীয় সরকার অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার জন্য সরকারি ঋণ প্রাপ্তির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি একটি ক্ষুদ্র বুটিক ব্যবসা শুরু করতে চাই, যাতে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতে পারি এবং আরো দু-একজনকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে পারি। এ লক্ষ্যে আমি সরকার ঘোষিত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ কর্মসূচির আওতায় একটি সহজ শর্তে ঋণ পেতে চাই। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে ঋণ প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" হাটে দোকান বসানোর অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: সাপ্তাহিক হাটে দোকান বসানোর জন্য অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], একজন ছোট ব্যবসায়ী। আমি স্থানীয় সাপ্তাহিক হাটে ছোট একটি কাপড়ের দোকান বসাতে চাই। এ জন্য একটি নির্ধারিত জায়গা এবং প্রশাসনিক অনুমতি প্রয়োজন, যাতে আমি নিয়মিত ও আইনানুগভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত অনুরোধ, দোকান বসানোর জন্য একটি অনুমতি প্রদান করে সহযোগিতা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর]" ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুর জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন অফিস] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুর জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকায় একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক্স দোকান পরিচালনা করি। আমি নিয়ম অনুযায়ী একটি ট্রেড লাইসেন্স পেতে চাই। এই ব্যবসাটি আমার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস, তাই লাইসেন্স প্রাপ্তি আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, আমাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে দেবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর মেয়র [সিটি কর্পোরেশন] [ঠিকানা] বিষয়: উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে আরও দক্ষ ও সক্ষম করে তুলতে চাই। সম্প্রতি আপনার অফিস থেকে একটি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আমি সেখানে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী, যাতে ব্যবসা পরিচালনার নিয়ম-কানুন, হিসাবরক্ষণ, ও গ্রাহক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ পেতে পারি। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত আবেদন, আমাকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হোক। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর] " বাজারে অতিরিক্ত ভাড়া হ্রাসের জন্য আবেদন,"২৫ নভেম্বর, ২০১৮ বরাবর চেয়ারম্যান [পৌরসভা/উপজেলা পরিষদ] [ঠিকানা] বিষয়: বাজারে দোকান ভাড়া হ্রাসের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [বাজারের নাম] এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করছি। বর্তমানে বাজারের দোকান ভাড়া অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, যা আমাদের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত আবেদন, বাজার ভাড়া কিছুটা কমিয়ে আমাদের স্বাভাবিক ব্যবসায় সহায়তা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] " ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ঋণ পাওয়ার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক ঋণের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম]-এর একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। বর্তমানে আমি একটি ছোট দোকান পরিচালনা করছি, যার মাধ্যমে আমার পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করছি। কিন্তু বর্তমানে ব্যবসায়িক মূলধনের অভাবে আমার দোকানে প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী আনতে পারছি না। ফলে বিক্রি কমে গেছে এবং আর্থিকভাবে চাপে পড়েছি। আমি যদি একটি স্বল্পসুদে ক্ষুদ্র ঋণ পাই, তবে ব্যবসাটি টিকিয়ে রাখতে এবং সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হব। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আমাকে একটি সরকারি ব্যবসায়িক ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" হাটে একটি স্টল বরাদ্দ চেয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [উপজেলা হাট কমিটি] [ঠিকানা] বিষয়: স্থানীয় হাটে স্টল বরাদ্দের জন্য আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে আমি হাটে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করে আসছি। কিন্তু নির্দিষ্ট স্টল না থাকার কারণে নিয়মিত স্থান নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় আমাকে অন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে স্থান ভাগাভাগি করে বসতে হয়, যা গ্রাহকদের জন্যও সমস্যাজনক। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাকে স্থানীয় হাটে একটি নির্দিষ্ট স্টল বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করলে আমি সহজে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [পিতার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুর জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি একটি কসমেটিকসের দোকান চালু করেছি। এখন ব্যবসাটি বৈধভাবে পরিচালনার জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। আমি সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেছি এবং পৌরসভার নির্ধারিত ফিও প্রদান করতে ইচ্ছুক। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টিতে আমাকে একটি ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করার অনুরোধ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান উপজেলা মহিলা উন্নয়ন অধিদপ্তর [ঠিকানা] বিষয়: নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন। জনাব, আমরা কয়েকজন নারী উদ্যোক্তা মিলে একটি ক্ষুদ্র হস্তশিল্প প্রকল্প চালু করতে চাচ্ছি। কিন্তু আমাদের দক্ষতার অভাবে এবং সঠিক দিকনির্দেশনা না থাকায় ব্যবসাটি শুরু করতে সমস্যায় পড়ছি। অতএব, আমরা আপনার দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজনের অনুরোধ করছি, যাতে আমরা সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার কৌশল, বাজারায়ন, ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা শিখতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] নারী উদ্যোক্তা দলনেত্রী [ঠিকানা] [যোগাযোগ]" হাটের প্রবেশপথে রাস্তার উন্নয়নের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: হাটের প্রবেশপথের রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন। জনাব, [এলাকার নাম] হাটে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতিদিন ব্যবসা করেন। কিন্তু হাটে যাওয়ার প্রবেশপথের রাস্তাটি কাঁচা এবং বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত হয়ে যায়। ফলে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের যাতায়াতে সমস্যা হয় এবং বিক্রি কমে যায়। এই রাস্তার উন্নয়ন হলে ব্যবসা সচল হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি লাভবান হবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত রাস্তা উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের সমস্যার সমাধান করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী [ঠিকানা] [যোগাযোগ] " উদ্যোক্তা ঋণের জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য উদ্যোক্তা ঋণের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি নিজ উদ্যোগে একটি ক্ষুদ্র হস্তশিল্পের ব্যবসা শুরু করেছি। বর্তমানে ব্যবসার পরিধি বাড়াতে ও আরও কর্মসংস্থান তৈরি করতে কিছু মূলধনের প্রয়োজন। সরকারি উদ্যোগে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য যে ঋণ বা অর্থায়নের ব্যবস্থা আছে, আমি সেই সুযোগের আওতায় আসতে আগ্রহী। অতএব, আমি আপনার দপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ঋণ বা অর্থনৈতিক সহায়তার আবেদন করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " স্থানীয় হাটে একটি স্টল বসানোর অনুমতির জন্য আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: হাটে ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য একটি দোকানের জায়গা বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমার ইচ্ছা [বাজার/হাটের নাম] হাটে একটি ক্ষুদ্র দোকান (যেমন ফলমূল/পোশাক/জুতা) স্থাপন করার। বর্তমানে আমার নিজস্ব দোকান বা স্থায়ী জায়গা নেই। আপনার সদয় দৃষ্টিতে আমার আবেদন বিবেচনা করে একটি দোকানের জন্য স্টল বরাদ্দ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স পাওয়ার আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রদান প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [আপনার নাম], একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি [ব্যবসার ধরন যেমন—চায়ের দোকান/হস্তশিল্প/ইলেকট্রিক পণ্য] নিয়ে ব্যবসা করি। ব্যবসা চালাতে এখন একটি বৈধ ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। অতএব, আমি আপনার দপ্তরের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র প্রদান করতেও আমি প্রস্তুত। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" মেয়র বরাবর রাস্তার পাশের ভ্রাম্যমাণ দোকানের অনুমতি চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ দোকান স্থাপনের অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি নিজ উদ্যোগে একটি মোবাইল (ভ্রাম্যমাণ) চা-পানের দোকান চালু করতে চাই। এর মাধ্যমে আমি নিজের জীবিকা চালাতে পারব এবং অন্য কাউকে কাজে লাগানোর সুযোগও সৃষ্টি হবে। এজন্য আমি রাস্তার এক পাশে (বিশেষ এলাকায়) একটি ছোট ট্রলিতে দোকান চালাতে চাই। আমি অনুরোধ করছি, সমাজে বাধা সৃষ্টি না করে যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারি, সেই অনুমতি ও সহানুভূতিশীল সহযোগিতা দিন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" ব্যবসায়ীদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার অনুরোধ। জনাব, আমাদের এলাকার অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছেন যারা সঠিক ব্যবসা পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। তাদের জন্য আপনার দপ্তরের উদ্যোগে একটি ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসার পরিসর ও মান উন্নত হবে এবং বেকারত্ব কমবে। বিনীত, [আপনার নাম] ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক" কর মওকুফের জন্য আবেদন (যদি ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়),"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর ধার্য করা কর/ফি মওকুফের আবেদন। জনাব, সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ/অগ্নিকাণ্ড/বাজার ধসের কারণে আমার ক্ষুদ্র ব্যবসায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই অবস্থায় নিয়মিত কর ও লাইসেন্স ফি প্রদান আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমি অনুরোধ করছি, মানবিক বিবেচনায় কিছু সময়ের জন্য কর ও ফি মওকুফ/স্থগিত করার ব্যবস্থা করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা]" ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারি ভর্তুকি সহায়তার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সরকারি ভর্তুকি সহায়তা প্রদানের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। করোনাকালীন সময়ে ব্যবসায়িকভাবে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। বর্তমানে নতুনভাবে ব্যবসা গুছিয়ে তোলার জন্য সরকারি ভর্তুকি বা অনুদান পাওয়া জরুরি। সরকার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ভর্তুকি বা প্রণোদনা ঘোষণা করেছে বলে জানি। আমি যদি এ ধরনের সাহায্য পেতে পারি, তাহলে আমার ব্যবসা আবার সচল করা সম্ভব হবে। অতএব, আমি আপনার কাছে অনুরোধ করছি, আমাকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দিয়ে সরকারি ভর্তুকির আওতাভুক্ত করার ব্যবস্থা করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ক্ষুদ্র ব্যবসা পুনরায় চালু করার জন্য সহযোগিতা প্রার্থনা,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসা পুনরায় চালুর জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], এক সময় [ব্যবসার নাম] নামে একটি দোকান চালাতাম। কিন্তু করোনা এবং বাজারে মন্দার কারণে ব্যবসাটি বন্ধ হয়ে যায়। এখন আবার ব্যবসা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিন্তু মূলধন না থাকায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না। আপনাকে অনুরোধ করছি, সরকারিভাবে কোনো প্রণোদনা বা ঋণ থাকলে সেটার ব্যবস্থা করে দিন। আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, এই সাহায্যের মাধ্যমে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আবার সমাজে অবদান রাখব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নতুন দোকান চালুর অনুমতির জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: নতুন দোকান খোলার জন্য অনুমতির আবেদন। জনাব, আমি একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে [ব্যবসার নাম] নামে একটি দোকান চালু করতে চাই [সুনির্দিষ্ট স্থানের নাম]-এ। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি না পাওয়ায় আমি কাজ শুরু করতে পারছি না। অতএব, আমি আপনার কাছে বিনীতভাবে আবেদন করছি, আমার ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করবেন এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ট্রেড লাইসেন্স বা নথিপত্র ইস্যু করবেন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বাজারে ন্যায্য মূল্যে পণ্যের বিক্রি নিশ্চিত করতে সহায়তা চেয়ে আবেদন,"৫ জুন, ২০২৫ বরাবর মেয়র [পৌরসভা নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বাজারে পণ্যের ন্যায্য দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণে সহায়তার আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বাজারে পাইকারি দামে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে আমার মতো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, অথচ মূল সমস্যা পাইকারি পর্যায়ে। অতএব, বাজার মনিটরিং টিম সক্রিয় করে যেন ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [যোগাযোগ]" অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অনলাইন ব্যবসার জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তার আবেদন। জনাব, বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা পরিচালনা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চাই, কিন্তু সঠিক প্রশিক্ষণ বা প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকায় শুরু করতে পারছি না। অতএব, অনুরোধ করছি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করবেন, যাতে আমরা ই-কমার্সের মাধ্যমে আমাদের পণ্য বিক্রি করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " নারীদের জন্য হস্তশিল্প বিক্রির স্টল বরাদ্দের আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: হস্তশিল্প পণ্যের স্টল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি একজন ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা। আমি নিজ হাতে তৈরি নকশিকাঁথা, শোপিস, হাতে আঁকা কাপড় ইত্যাদি বিক্রি করি। এই পণ্যের চাহিদা থাকলেও বিক্রির জন্য একটি নির্ধারিত স্থান নেই, তাই নিয়মিত আয়-রোজগার করতে পারছি না। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাকে স্থানীয় হাট/মেলার একটি স্টল বরাদ্দ করে পণ্য বিক্রির সুযোগ দেওয়া হোক। এতে আমি স্বনির্ভর হতে পারব এবং অন্য নারীদেরও উৎসাহ দিতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ব্যবসার জন্য সরকারি প্রশিক্ষণ গ্রহণের অনুমতির আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ গ্রহণের অনুমতি ও সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং [ব্যবসার নাম] নিয়ে কাজ করি। বর্তমানে আমি ব্যবসার উন্নয়নের জন্য সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে আগ্রহী। অতএব, আমি আপনার সদয় অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ পত্র প্রার্থনা করছি, যাতে আমি সরকারি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারি এবং ভবিষ্যতে নিজের ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে পারি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" নারী উদ্যোক্তা মেলা আয়োজনে সহায়তার আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: নারী উদ্যোক্তাদের জন্য মেলা আয়োজনে আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকায় অনেক নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আছেন যারা বাড়িতে হস্তশিল্প ও খাবার তৈরি করেন। কিন্তু তারা নিজেদের পণ্য প্রচার বা বিক্রি করার সুযোগ পান না। এজন্য আমি আপনার দপ্তরের মাধ্যমে একটি নারী উদ্যোক্তা মেলা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার আবেদন করছি। এতে নারী ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য একটি ভ্যান গাড়ির অনুদান চেয়ে আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ভ্রাম্যমাণ ব্যবসার জন্য একটি ভ্যান প্রদান প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি রাস্তার পাশে ভ্যানে করে ফলমূল/সবজি/চা-পান বিক্রি করি। কিন্তু বর্তমানে নিজস্ব কোনো ভ্যান না থাকায় প্রতিদিন খরচ করে ভাড়া নিতে হয়। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, সরকারি সহায়তা থেকে একটি ভ্যান বরাদ্দ করলে আমি সহজে ব্যবসা চালাতে পারব ও জীবিকা নির্বাহ করতে পারব। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " বেকার যুবকদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সহায়তার অনুরোধপত্র,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: বেকার যুবকদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সহযোগিতার জন্য আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমি [এলাকার নাম] এলাকার একজন যুব সমাজের প্রতিনিধি। আমাদের এলাকায় অনেক শিক্ষিত যুবক রয়েছেন যারা চাকরি না পেয়ে হতাশাগ্রস্ত। তারা ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করতে চাইলেও মূলধনের অভাবে এগিয়ে যেতে পারছেন না। অতএব, আমি আপনার দপ্তর থেকে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ঋণ, ট্রেনিং ও স্টল বরাদ্দের মতো সহযোগিতা প্রার্থনা করছি। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ঋণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ঋণের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। আমি একটি ক্ষুদ্র মুদি দোকান পরিচালনা করি। বর্তমানে ব্যবসার পরিধি সম্প্রসারণ করতে অতিরিক্ত মূলধনের প্রয়োজন। সরকারি উদ্যোগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ সুবিধা থাকায় আমি সেই সুযোগ নিতে আগ্রহী। অতএব, আপনার সদয় অনুমতি ও সহযোগিতায় ঋণ প্রদানের জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ঋণের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসায় ঋণ প্রদানের জন্য আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমার ব্যবসার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা ছাড়া আমি উন্নতি করতে পারছি না। অতএব, সরকারি ঋণ সুবিধা গ্রহণের জন্য আপনার সুপারিশ ও সহায়তা কামনা করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" স্টল বা দোকান বসানোর অনুমতি,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: হাটে দোকান বা স্টল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি হাটে একটি দোকান স্থাপন করে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই। অতএব, অনুগ্রহ করে আমাকে একটি দোকানের স্থান বরাদ্দের অনুমতি প্রদান করুন। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" স্টল বা দোকান বসানোর অনুমতি,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য স্টল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমার ব্যবসা চালানোর জন্য স্থানীয় বাজারে একটি স্থায়ী স্টল প্রয়োজন। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাকে একটি স্টল বরাদ্দ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ব্যবসা পরিচালনার জন্য আমাকে ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। অতএব, আপনার সহায়তায় ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করার জন্য আবেদন করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার আবেদন। জনাব, আমি একটি ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করছি। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" ভ্রাম্যমাণ দোকান/ফুড কার্টের জন্য অনুমতি আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: ভ্রাম্যমাণ দোকান পরিচালনার জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি একটি ভ্রাম্যমাণ দোকান চালানোর ইচ্ছা পোষণ করি। অতএব, আমি আবেদন করছি, রাস্তার পাশে ভ্রাম্যমাণ দোকান চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করার জন্য। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" ভ্রাম্যমাণ দোকান/ফুড কার্টের জন্য অনুমতি আবেদন,"২৫ জুন, ২০২৫ বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা] [ঠিকানা] বিষয়: রাস্তার পাশে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা করার অনুমতি প্রার্থনা। জনাব, আমি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। মোবাইল ভ্যানে করে চা-বিক্রয় করার জন্য আপনার অফিস থেকে অনুমতি প্রয়োজন। অতএব, আমার আবেদন গ্রহণ করে অনুমতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিনীত, [তোমার নাম] [ঠিকানা]" "মনে করো, তোমার নাম তিতাস। ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও, এ নিয়ে তুমি ও তোমার বন্ধু নিশাতের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো। ","নিশাত: ভালো আছ, তিতাস? তোমার পরীক্ষার ফলাফল কী হলো? তিতাস: বন্ধু, তুমি শুনে খুশি হবে। এবারও আমি প্রথম হয়েছি। নিশাত: খুব ভালো, তা ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও? তিতাস: ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো শিক্ষক হতে চাই। নিশাত: ভালো কথা, কিন্তু অন্য পেশা থাকতে তুমি কেন শিক্ষক হতে চাও? তিতাস: আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষিত জাতি গড়তে দরকার একজন আদর্শ শিক্ষক যিনি দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর। একটি শিক্ষিত জাতি দেশ ও জাতির উন্নতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমার শিক্ষকতা পেশা ভালো লাগে। নিশাত: তোমার পছন্দকে আমি সমর্থন করি। তবে মনে রেখো, এ পেশায় কিন্তু অনেক ধৈর্য ও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তিতাস: হ্যাঁ বন্ধু, আমি জানি। তোমার দোয়া ও সবার সহযোগিতা পেলে আমি আমার চেষ্টা এবং সাধনা দিয়ে জয়ী হতে পারব।" "মনে করো, তোমার নাম পাভেল। তোমার দাদা একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তুমি ও তোমার দাদার মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো। ","পাভেল: আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন দাদাজান? দাদা: ওয়ালাইকুমুসসালাম। খুব ভালো আছি, দাদুভাই। তুমি কেমন আছ? পাভেল: বেশ ভালো। দাদাজান, আপনার কাছ থেকে আজ আমি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে চাই। দাদা: খুব ভালো। অবশ্যই তোমাকে বলব। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ঠিক ইতিহাস তোমাদের জানতে হবে। পাভেল: জি দাদাজান, বলুন। আমি মন দিয়ে শুনছি। দাদা: ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবে ভর্তি হয়েছি। পাভেল: দাদাজান, কেন মুক্তিযুদ্ধ হয়? দাদা: খুব ভালো প্রশ্ন করেছ। আমরা আজ যে স্বাধীন দেশে বাস করছি, আমাদের এই দেশ অর্থাৎ পূর্ব বাংলার পশ্চিম পাকিস্তানিরা শাসন করত। কিন্তু তারা শাসনের নামে শোষণ করত। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকভাবে তারা আমাদের দুর্বল করে রাখত। শুধু তা-ই নয়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তারা নিরীহ বাঙালির ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হত্যা করে। তাদের এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এবং বাঙালির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাঙালিরা স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশকে স্বাধীন বা মুক্ত করতে আমিও ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করি। পাভেল: দাদাজান, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ অনেক বেদনার, না? দাদা: তা তো বটেই। কারণ দেশ স্বাধীন করতে দেশপ্রেমিকরা অকাতরে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। হাজার হাজার মা হারিয়েছেন  বুকের ধন, অসহায় মানুষ দেশ ছেড়েছে। মা-বোনেরা হারিয়েছেন তাদের সম্ভ্রম, মৃতের গলিত লাশে এ দেশ শ্মশানভূমি হয়েছিল। এই দেখো, এসব কথা বলতে গিয়ে আমার গা শিউরে উঠছে। পাভেল: দাদাজান, থাক আর বলতে হবে না। দাদা: সত্যি সে সময় পাক বাহিনীর যাবতীয় কর্মকাণ্ড ছিল ঘৃণ্য ও জঘন্য। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের অন্যায়ের সমুচিত জবাব দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি।  পাভেল: আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগল দাদা ভাই। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। দাদা: বড় হও দাদু। আরও অনেক কিছু জানতে পারবে।" সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো।,"জুয়েল: শুভ সকাল, নাদিম। কলেজে কখন এলে? নাদিম: শুভ সকাল তোমাকেও। এই তো কিছুক্ষণ আগে এলাম। জুয়েল: কী ব্যাপার, তোমাকে খুব খুশি খুশি লাগছে। কারণটা জানতে পারি? নাদিম: হ্যাঁ, আজ আমি অনেক খুশি। গত রাতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস পড়লাম। বইটি আমার অনেক ভালো লেগেছে। জুয়েল: রবীন্দ্রনাথের তো বিখ্যাত অনেক উপন্যাস রয়েছে। তার মধ্যে তুমি কোনটি পড়েছ? নাদিম: ‘চোখের বালি’ উপন্যাসটি। এটি একটি রোমান্টিক উপন্যাস। জুয়েল: হ্যাঁ, আমিও পড়েছি। উপন্যাসের নায়িকা ‘বিনোদিনী’ বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই বিধবা হয়ে যায়। ঔপন্যাসিক ‘বিনোদিনী’ চরিত্রটি মনের মাধুরি মিশিয়ে উপস্থাপন করেছেন। " বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো,"তন্ময়: শুভ সকাল, পিয়াল। কখন এসেছ? পিয়াল: শুভ সকাল তোমাকেও। আজ ভোর ৫টায় এসেছি। তা, তুমি কেমন কাটালে নববর্ষের দিন। তন্ময়: খুব ভালো কেটেছে। বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিল। তাদের সঙ্গে বেশ মজারই সময় কেটেছে। তা তুমি ঢাকায় কেমন নববর্ষ উদযাপন করলে? পিয়াল: আমারও বেশ আনন্দে কেটেছে। ভোর ৬টায় ছোট খালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে পান্তা ইলিশ খেলাম। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে আমি, খালা, খালু, খালাতো বোন রাইসা বেরিয়ে পড়লাম রমনা বটমূলের উদ্দেশে। তন্ময়: কয়টায়  সেখানে পৌঁছালে? তারপর কোথায় গেলে? পিয়াল: রাস্তায় যানজট না থাকায় সকাল সোয়া ৮টায় সেখানে পৌঁছালাম। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনকেন্দ্রে গেলাম। সেখানে থেকে পৌঁছালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তন্ময়: এখান থেকেই তো মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তাই না? পিয়াল: হ্যাঁ, আমরা সকাল ১০টায় বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিই। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দিক নানা প্রতীকে উঠে এসেছিল। আমি খালুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন। তন্ময়: আর কোথাও যাওনি? পিয়াল: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত বাউলসংগীত শুনলাম। তারপর কিছুক্ষণ বেড়িয়ে মাটির হাঁড়ি, পুতুলসহ দেশীয় ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু পণ্য কিনলাম এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরলাম। তন্ময়: আমি তোমার মতো অত কিছু দেখতে পাইনি, তবে দাদুর মুখে নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস জানতে পেরেছি। যেমন- সম্রাট আকবরের নববর্ষের নামকরণ, পালন করা, তারপর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস সম্পর্কেও জানতে পারি। তারপর এ দিনটির সঙ্গে বাঙালি জাতির সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা লাভ করি। পিয়াল: সত্যিই অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় চৈতন্যের ধারক। তাই মহাসমারোহে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদিন পালন করুক, এটাই প্রত্যাশা রাখি। তন্ময়: পিয়াল আজ তবে চলি। এই নিয়ে পরে আরও কথা হবে। আমরা ইতিহাস পড়ে আরও জানতে পারব। ভালো থাকো। পিয়াল: তুমিও ভালো থাকো। ধন্যবাদ। " খেলাধুলা জীবনের একটি অংশ। এ নিয়ে রাকিব ও তুহিন দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"রাকিব: শুভ অপরাহ্ন। কোথায় যাচ্ছ তুহিন? তুহিন: খেলাধুলা করতে স্কুল মাঠে। রাকিব: সে কী! পরশু দিন অঙ্ক পরীক্ষা অথচ এখন খেলতে যাচ্ছ। তুহিন: কেন? খেলাধুলা তো জীবনেরই একটা অংশ। আর খেলাধুলা করলে পড়াশোনার কোনো ক্ষতি হয় না। রাকিব: কিন্তু মা তো আমাকে একদিনও খেলতে যেতে দেন না। তুহিন: খেলাধুলা করলে শরীরচর্চা হয়। আমরা সুস্থ থাকি। মনও সজীব হয়। আর সুস্থ দেহে সুস্থ মনে লেখাপড়াও ভালো হয়। তাই খেলাধুলার বিকল্প নেই। রাকিব: তুমি ঠিক বলেছ। আমি মাকে এ কথাগুলো বুঝিয়ে বলব। কাল থেকে আমিও তোমার সঙ্গে খেলতে যাব। তুহিন: খুব ভালো কথা। আমি আজ চলি। রাকিব: খেলাধুলার গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। ভালো থেকো। তুহিন: তুমিও ভালো থেকো। বিদায়।" মনে করো তোমার নাম নাহিয়ান। তোমার বন্ধুর নাম সাজ্জাদ। গ্রিনহাউস গ্যাস প্রতিক্রিয়া বর্তমানে একটি গুরুতর সমস্যা। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"নাহিয়ান: শুভ সন্ধ্যা। কেমন আছ সাজ্জাদ? সাজ্জাদ: তোমাকেও শুভ সন্ধ্যা। আমি ভালো আছি। তুমি কেমন আছ? নাহিয়ান: আমিও ভালো আছি। তবে আমি একটি বিষয় নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। আর তা হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রতিক্রিয়া। তুমি কী এ নিয়ে কিছু ভেবেছ? সাজ্জাদ: অবশ্যই। ইদানীং এটি একটি বৈশ্বিক আতঙ্কের বিষয়। এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মরুকরণ, নিম্নভূমিতে প্লাবন, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, সামুদ্রিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি বৃদ্ধি পায়। নাহিয়ান: বাংলাদেশেও তো এর প্রভাব মারাত্মক। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে বাংলাদেশের উচ্চতা কম থাকার কারণে এটির প্রভাব আরও ভয়াবহ। সাজ্জাদ: ঠিক বলেছ। আমরা খুব ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছি। তবে এর জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। কারণ আমরা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করছি। ওজোনস্তরের জন্য ক্ষতিকারক গ্যাস ব্যবহার করছি। শিল্প-কারখানার বর্জ্য পদার্থ, কালো ধোঁয়া ক্রমান্বয়ে আমাদের পরিবেশকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। নাহিয়ান: হ্যাঁ, তাই এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। সর্বোপরি জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে। " "সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুবন্ধুর কথােপকথন রচনা কর। ","লিসা : দীর্ঘ একটা বন্ধ পেলাম । ভাবতেই মনটা ফুরফুরে লাগছে ।  লিটন : কিন্তু গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানাের তাে কোনাে সুযােগ নেই। পাঠ্যবইয়ের বাইরে তাে যাওয়া যাচ্ছে না। পড়াশুনার যা চাপ।  লিসা : পাঠ্যবইয়ের পড়া হজম করার জন্য মাঝে মাঝে পাঠ্যবই বহির্ভূত পুস্তকও পাঠ করা প্রয়ােজন। জানিস তাে?  লিটন : কেন, তুই আবার নতুন কোনাে বই পড়লি নাকি?  লিসা : হ্যাঁ, অসাধারণ একটি বই পড়েছি । লাল নীল দীপাবলি ।  লিটন : হুমম, হুমায়ুন আজাদ স্যারের লেখা বই। আমার পড়া হয়নি। অসাধারণ কেন?  লিসা : এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। অসাধারণ এর ভাষা। মানুষ মানুষকে ভালােবাসতে পারে এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ তার মাতৃভাষাকে এত গভীরভাবে ভালােবাসতে পারে! মাতৃভাষায় রচিত সাহিত্যকে ভালােবাসতে পারে প্রিয়জনের মতাে! আমি মুগ্ধ হয়েছি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি দেখে । অবাক ব্যাপার কি জানিস? তিনি তাঁর ভালােবাসা আমাদের মধ্যে সঞ্চারিত করেছেন। এটা তার বিরাট কৃতিত্ব। অনলাইনে বেস্টসেলিং বই কিনুন লিটন : আমি তাে ইতিহাসকে ভয় পাই । আমার কি ভালাে লাগবে?  লিসা : অবশ্যই। বইটির ভাষাই তােকে আকৃষ্ট করবে। তুই স্বেচ্ছায় আগ্রহ নিয়ে বইটি পড়বি বলে আমার বিশ্বাস।  লিটন : তাের বইটা কি আমাকে দিতে পারিস?  লিসা : অবশ্যই। লিটন : তােকে ধন্যবাদ এমন ভালাে একটি বইয়ের খোজ দেওয়ার জন্য।  লিসা : তােকেও ধন্যবাদ। " "বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","আরমান : এসাে মনির, ভেতরে এসাে। কেমন আছ?  মনির : ভালাে। তুমি কেমন আছ?  আরমান : আমিও ভালাে। তবে দেখতেই পাচ্ছ, বিদ্যুৎবিহীন ঘরে মােমবাতি জ্বেলে বসে আছি।  মনির : হ্যা, তা তাে দেখতেই পাচ্ছি। আমাদের এলাকাতেও এখন বিদ্যুৎ নেই। ভাবলাম, তােমার বাসায় বিদ্যুৎ থাকতে পারে তাই এদিকে চলে এলাম।  আরমান : দুর্ভাগ্য দুজনেরই। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। লেখাপড়া শিকেয় উঠতে চলেছে।  মনির : আর বলাে না। পরীক্ষার্থীদের এখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।  আরমান : পরীক্ষার্থী হিসেবে আমার একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শুনবে?  মনির : হ্যা, বলল, শুনি। আরমান : গত মাসে আমাদের কলেজে নির্বাচনী পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে পরীক্ষা দিচ্ছিলাম। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল অঝাের ধারায়। হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেল। আমরা হতভম্ব হয়ে গেলাম।  মনির : তারপর?  আরমান : তারপর আর কী? ‘হল’ ঘর অন্ধকার হয়ে গেল। বন্ধ হয়ে গেল লেখা।  মনির : কোনাে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয় নি?  আরমান : বিকল্প ব্যবস্থা বলতে কর্তৃপক্ষ মােমবাতি সংগ্রহ করে জ্বালিয়ে দেয়। দইয়ের স্বাদ কি ঘােলে মেটে! পরীক্ষার ফল ভালাে হয়নি।  মমির : আসলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট জীবনের সকল কাজকেই বিপর্যস্ত করে।  আরমান : বিশেষ করে হাসপাতালে রােগীদের দুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে।  মনির : আমাদের মতাে দরিদ্র দেশে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিকার করা কঠিন।  আরমান : সরকারের উচিত নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে এবং অবৈধ সংযােগ বিচ্ছিন্ন করে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা।  মনির : আমিও মনে করি, এ ব্যাপারে সরকারের আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু। তােমাকে ধন্যবাদ। মনির : তােমাকেও ধন্যবাদ। " "গ্রীষ্মের ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","সুজন : আমাদের আকাঙ্ক্ষিত গ্রীষ্মের ছুটি অবশেষে পাওয়া গেল । ছুটিতে কোথায় বেড়াতে যাবে ঠিক করেছ?  সুমন : আমি কক্সবাজারে যাব ঠিক করেছি । তুমি কোথায় যাবে? সুজন : আমি আমার গ্রামের বাড়ি যাব ঠিক করেছি । বাবা-মাও যাবেন । সুমন : গ্রামের বাড়ি! গ্রামে তো এ সময় অনেক গরম থাকবে । তাই না? সুজন : অনেক গরম তা ঠিক । তবে এটিতো বাংলার প্রকৃতির রূপ । এটাকে আমি পছন্দ করি । প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে ছেলে-বুড়ো যখন বাড়ির পশ্চিম পাশে বাঁশের মাচায় বসে থাকে এবং খোলা মাঠের হাওয়া শরীরে লাগে তখন শরীর ও মন প্রশান্তিতে ভরে যায় । সকালে-বিকালে নদীর পারে ঘুরতে গেলে নদীর ঠান্ডা বাতাস শরীর জুড়িয়ে দেয় । নদীর দুপাড়ের মনোরম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায় । সুমন : তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে গ্রামের প্রকৃতি সত্যিই খুব আকর্ষণীয় । সুজন : হ্যাঁ বন্ধু, তুমি গ্রামে না গেলে প্রকৃতিকে এত কাছ থেকে দেখতে পাবে না । সুমন : আমি কখনো গ্রামে যাইনি । অবসরে শুধু দেশের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে যাই । সুজন : বন্ধু, আমার দেশের প্রতিটি গ্রামই দর্শনীয় ও উপভোগ্য । গ্রীষ্মের দুপুরে নিস্তব্ধ পুকুর পাড়ে বসে থাকার যে কী মজা! গাছ থেকে পাকা আম পেরে খাওয়া, কাঁচা আমের ভর্তা খাওয়া, পাকা জাম ঝেঁকে খাওয়া, আনারস, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে মেখে খাওয়ার যে কী মজা! সুমন : তোমার কথা শুনে কিন্তু আমার লোভ হচ্ছে । সুজন : লোভ দেখানোর জন্যই তো বলছি । চলো না বন্ধু এক সাথে গ্রামের বাড়ি যাই । সুমন : মা রাজি হবেন কি না জানি না! সুজন : খালাম্মাকে রাজি করানোর দায়িত্ব আমার । চলো তার কাছে যাই ।  সুমন : চলো যাই । " "উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে দুই পরীক্ষার্থী বন্ধুর সংলাপ। ","মিঠু : মিলা, তুমি তো দেখছি সারাক্ষণই পড়ছ, এত পড়ে লাভ কী বলো তো? মিলা : বলছ কি মিঠু। সামনে পরীক্ষা; না পড়লে চলবে কেন? আমি তো বলি, তোমার আরো পড়াশোনা করা উচিত। মিঠু : আমি যে তা ভাবি না, তা নয়, তবে কি জান বিশেষ উৎসাহ পাই না। বাবা মায়ের ইচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি। আমার কিন্তু একটুও ইচ্ছে হয় না ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার। মিলা : আসলে কী জান, আমাদের নিজেদের ইচ্ছেমতো আমরা ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি না। আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে অভিভাবকদের ইচ্ছেয়। একটু মেধাবী হলে তো কথাই নেই, হয় ডাক্তারি পড়, নয়তো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়। যেন এছাড়া আর কিছু পড়ার নেই, করার নেই। আসলে আমাদের অভিভাবক খোঁজেন নিশ্চিত টাকা রোজগারের একটা পেশা। মিঠু : তুমি ঠিক বলেছ মিলা। সেই সঙ্গে বেশির ভাগ ছেলেমেয়ের জীবনে কী নিদারুণ আশাভঙ্গের ইতিহাস জড়িয়ে থাকে ভেবে দেখেছ। উচ্চ-মাধ্যমিক পাশের পর কতজন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তির সূযোগ পায় বলো তো। ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবার আশা নিয়ে যারা ভর্তির সুযোগ পেল না তাদের কথা ভেবে দেখেছ কি?  মিলা : লেখাপড়ার সঙ্গে জীবিকার প্রশ্ন চিরকালই জড়িয়ে থাকবে; কিন্তু সেই সঙ্গে কার কোনদিকে প্রবণতা সেটাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন । মিঠু : নিশ্চয়। ধর কসাইয়ের মতো স্বভাবের একটা লোক ডাক্তার হয়ে গেল; কিংবা একজন কবি হলো ইঞ্জিনিয়ার। আচ্ছা মিলা, তুমি ভবিষ্যৎ জীবনের কথা কিছু ভেবেছ? মিলা : এসএসসি পাশের পরেই আমি আমার জীবনের একটা লক্ষ্য স্থির করেছি। তুমি তো জান আমার মাধ্যমিকের ফল ভালোই হয়েছে। ইচ্ছে করলে বিজ্ঞান পড়তে পারতাম। কিন্তু আমি মানবিক বিভাগই বেছে নিয়েছি। আমার ইচ্ছে ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো সাংবাদিক হব। সেটা আমার পেশাও হবে, আর হবে আমার সামাজিক দায়িত্ব পালনের নেশা। মিঠু : বাড়ি থেকে কোনো বাধা পাওনি। মিলা : আমার বাড়ির সবাই আমার ইচ্ছাকে মেনে নিয়েছেন। মা যেহেতু শিক্ষিকা, তাঁর ইচ্ছে ছিল শিক্ষাজীবী হই। মাকে বোঝালাম সাংবাদিকতাও তো কলম-পেশাই। মা সহাস্যে মেনে নিলেন। আচ্ছা মিঠু, তুমি ভবিষ্যৎ জীবন কেমন করে গড়ে তুলতে চাও? মিঠু : আমি একজন অর্থনীতিবিদ হতে চাই। সত্যি মিলা, মাঝে মাঝে মনে হয়, এদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে কোনো গোলমাল আছে। নইলে এত দারিদ্র্য, এত অপচয়, এত বৈষম্য কেন? এসব সমস্যার কি কোনো সমাধান নেই? অন্তর থেকে আমি একজন অর্থনীতির ছাত্র হতে চাই। মিলা : তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা খুব ভালো মিঠু। আর একজন ভালো অর্থনীতিবিদ হতে হলে যে বেশি করে পড়াশোনা করা দরকার সেটা নিশ্চয় জানো। নতুন উদ্যমে এবার পড়া শুরু করে দাও। মিঠু : তোমার সঙ্গে কথা বলে আমার উৎসাহ আরো বেড়ে গেল, মিলা। আমিও তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। " "নিরাপদ সড়ক চাই বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর। অথবা, সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে সচেতনতা এই শিরোনামে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। অথবা, সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","সাকিব: গতদিন কলেজে আসনি কেনো লিমন ? লিমন: সড়কে মৃত্যুর মিছিল! সাকিব: তার মানে! লিমন: বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়ে- বাসে ওঠতে যাব এমন সময় পেছন থেকে একটা বাস এসে ধাক্কা দিল আমাদের বাসটাকে; যেন ব্রেক ফেল করেছে— নিয়ন্ত্রণহীন গতি। তক্ষুনি আমরা চার-পাঁচ বন্ধু ছিটকে পড়ে কমবেশি আহত হয়েছি—মৃত্যু যেন আমাদের বাঁচিয়ে দিল। সাকিব: বলিস কী! আমাকে জানালেনা কেনো ? লিমন: সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কী আর বলব! সড়কে মৃত্যুর মিছিলে নিহতদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে সমগ্র দেশ যখন প্রতিবাদ মুখর, তখনও গাড়ি চালকদের অসচেতন অবৈধ আচরণ; এ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই, সচেতনতা নেই। সাকিব: হ্যাঁ, তাইতো মনে হচ্ছে। মাত্র কদিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে ‘নিরাপদ সড়ক চাই' সংগঠন তার প্রতিবেদনে জানাল—সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা ২৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬ সালে সারা দেশে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল ৪ হাজার ১৪৪ জন। ২০১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৪৫ জন। লিমন: সাকিব, প্রকৃত পরিসংখ্যান কিন্তু তার চেয়েও অনেক বেশি বলে আমি মনে করি। দৈনিক প্রথম আলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য হলো— ২০১৮ সালে ৫৫১৪ সড়ক দুর্ঘটনায় ৭২২১ জন নিহত। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় পরিবহন খাতে জবাবদিহি নিশ্চিত না করতে পারায় সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাচ্ছেনা। সাকিব: লিমন, তুমি কি 'বাংলাদেশ হেলথ ইনজুরি সার্ভে-২০১৬' প্রতিবেদন পড়েছ। প্রকল্পের পরিচালক বলেন 'প্রতি বছর বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ হাজার ১৬৬ জন নিহত হন। তাতে প্রতিদিন নিহতের সংখ্যা ৬৪ জন।' লিমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর বাংলাদেশের জিডিপির ২ শতাংশ ক্ষতি হয়। বাংলাদেশের জিডিপি ১৭ লাখ কোটি টাকা। তার ২ শতাংশের পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকা। তবে এই ক্ষতি বাস্তবে আরো বেশি। সাকিব: একথা সত্য লিমন—সড়কের সব ব্যাধি একদিনে তৈরি হয়নি, রাতারাতি তা নিরাময়ও হবেনা। কিন্তু গণপরিবহনখাতে যে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা চলে আসছে, সেটি দূর করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ন্যূনতম উদ্যোগ না থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। লিমন: তুই ঠিক বলেছিস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কোম্পানিভিত্তিক বাস সার্ভিস চালু এবং চালকদের লাইসেন্স দিতে নজরদারি বাড়ানোর বিকল্প নেই। সাকিব: এ-কথা ঠিক যে চালকরাই পরিবহন সেক্টরে চালিকাশক্তি। শতকরা ৮০ ভাগ দুর্ঘটনা ঘটে চালকের কারণে। বেপরোয়া ও গতিসীমার অধিক ধ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো, ওভারটেক, অবৈধ যানবাহন দায়িত্বজ্ঞান ও পেশাগত জ্ঞানের অভাব, ট্রাফিক নিয়মকানুন মেনে না চলা, যাত্রী ও নিজের নিরাপত্তার প্রতি উদাসীন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া, সচেতনতা ও নিরাপত্তা বোধের অভাব, শিক্ষার অভাব, ভুয়া লাইসেন্সের কারণে চালকদের মধ্যে পেশাদারিত্ব সৃষ্টি হচ্ছেনা। লিমন: আমিও তোর সঙ্গে একমত – যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রথমেই নজর দেওয়া প্রয়োজন গাড়ি চালকদের প্রতি। দক্ষ, সচেতন, দায়িত্ববান ও পেশাদার চালক তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার। সাকিব: সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করার ব্যাপারে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। এছাড়া সড়ক ও মহাসড়কের নির্মাণে ত্রুটি ও দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনাও সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।  লিমন: সাকিব, যাত্রী ও পথচারীদের ব্যক্তি নিরাপত্তা ও বিধি-বিধান প্রতিপালনে সচেতন হতে হবে। নাগরিকদের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা মানার সংস্কৃতি সৃষ্টি করতে হবে। সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, সুধীসমাজের মনতা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যথাযথ আইন প্রয়োগে সহায়তা প্রদান করলে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করা সম্ভব। সাকিব: প্রশাসন, পুলিশ, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ, মালিক, চালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। লিমন: সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। সাকিব, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই। সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হোক, আর যেন কেউ স্বামীহারা বিধবা বা পত্নীহারা, সন্তানহারা, পিতাহারা বা মাতাহারা এতিম কিংবা স্বজনহারা নাহয় এ আমার প্রত্যাশা। সাকিব: নিশ্চয়ই, সড়ক হবে নিরাপদ, শান্তির। জীবনের নিরাপত্তা দান করা বা বিধান করা বা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। নিরাপদ সড়কের জন্য পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সচেতন হওয়া অপরিহার্য। সড়ক পথ কখনো মৃত্যুর পথ হতে পারেনা, আমরা নিরাপদ নির্বিঘ্নে পথ চলতে চাই, নিরাপদ সড়ক চাই। লিমন: ধন্যবাদ সাকিব । সাকিব: তোমাকেও ধন্যবাদ। " "বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর। ","তাসিন : কীরে তুই এখনো রেডি হসনি? আমাদের তো দশটায় যাওয়ার কথা, এখন এগারোটা বেজে গেছে ।  ইনসাদ : তুই তো ঘেমে চুপসে গেছিস । কথা পরে শুনব। এদিকে আস, পাখার নিচে বস । তাসিন : আর বলিস না। রাস্তায় জ্যাম, হেঁটে আসতে হয়েছে । তার ওপর গরম তো আছেই । বাইরে আগুন জ্বলছে, মনে হয় আগুনের তাপ নিতে নিতে হেঁটে এসেছি । ইনসাদ : এ-কারণেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ আর বাইরে বের হব না । তুই লক্ষ করেছিস— গত কয়েক বছর ধরে গরমকালে যেমন অস্বাভাবিক গরম, তেমনি শীতকালেও শীতের তীব্রতা । কোনো ঋতুই ঠিক সময়ে আসছে না । যখন বৃষ্টি হওয়ার প্রয়োজন তখন বৃষ্টি নেই, যখন ঘূর্ণিঝড় হওয়ার কথা নয় তখন ঝড়- বৃষ্টি। আজকাল ভূমিকম্পেরও প্রকোপ দেখা দিয়েছে । তাসিন : প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণ কেন বলতে পারিস? ইনসাদ : তুই বল। তাসিন : তুই যা যা বলেছিস সেগুলোর কারণ হলো— বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন। দেখছিস না অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, সাইক্লোন, বন্যা, সুনামি, ভূমিকম্প- প্রায় সারা বছরই কোনো-না-কোনো দুর্যোগ লেগেই থাকে। ইনসাদ : কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী কে বা কী বলতে পারিস? তাসিন : হ্যাঁ, বিভিন্ন কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন হতে পারে। যেমন— বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পোন্নত দেশগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসারণ, গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া, নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস প্রভৃতি কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। ইনসাদ : এভাবে চলতে থাকলে তো পৃথিবী একসময় প্রাগৈতিহাসিক কালের মতো ধ্বংস হয়ে যাবে। বিপন্ন হবে সকল সৃষ্টিকুল। তাসিন : একদম ঠিক বলেছিস। পরিবেশ মানব সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মানুষের রচিত পরিবেশ তারই সভ্যতার বিবর্তন ফসল। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিজ্ঞানের বিজয় গৌরবে মোহান্ধ মানুষ পৃথিবীর পরিবেশকে বিষাক্ত করছে। ছড়িয়ে দিয়েছে ক্ষতিকর সব আবর্জনা ও বিষাক্ত গ্যাস। তার ফল হয়েছে  বিষময়। দূষিত পরিবেশ প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। তাই গোটা জীবজগতের অস্তিত্বই আজ বিপন্ন। ইনসাদ : আমি এখন বুঝতে পেরেছি। প্রতিনিয়ত পৃথিবীর তাপমাত্রা অধিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ুর  স্বাভাবিক চরিত্রে পরিবর্তন ঘটছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত বিষয়টি ‘বিশ্ব বা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন' অভিধায় ভূষিত । তাসিন : জলবায়ু পরিবর্তন তথা বিশ্ব উষ্ণায়নের একটি সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। উপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উত্তাপ বৃদ্ধি পাবে এবং পানি সম্প্রসারিত হয়ে সমুদ্রের আয়তন ও পরিধিকে বাড়িয়ে তুলবে। উষ্ণায়নের ফলে পর্বতচূড়ায় জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রের পানির পরিমাণ বাড়াবে। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাবিত এলাকার পরিমাণ যেমন বাড়বে তেমনি পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে বড়ো বড়ো শহর। ইনসাদ : জলবায়ুর পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বন্যা, খরা, নদীপ্রবাহের ক্ষীণতা, পানিতে লবণাক্ততা, সাইক্লোন, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙনসহ নানান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জনবিপর্যয় ঘটবে।  তাসিন : আমি পত্রিকায় পড়েছি— বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই এশিয়াসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এশিয়া মহাদেশের ১৩০ কোটি অধিবাসী হিমালয় পর্বতমালার হিমবাহগুলো থেকে সৃষ্ট পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল। ইনসাদ : বিশ্বব্যাপী যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে অন্যতম স্থানে। কোপেনহেগেন সম্মেলন ২০০১-এ বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মসূচি বাবদ ৭০,০০০ কোটি টাকার সহযোগিতা চেয়ে প্রকল্প বা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। বর্তমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের মোট জনসংখ্যার ৬৫ ভাগ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বা হবে। তাসিন : জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে জটিল সমস্যা যা সকল গরিব দেশকে প্রভাবিত করছে ব্যাপকভাবে। তাই এবিষয়ে এখনই নানা ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। ইনসাদ : একদম ঠিক বলেছিস। মানুষের আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের জন্য পৃথিবী আজ ধ্বংসের মুখে। এখন থেকে মানুষ যদি সচেতন না হয় তবে পতন অনিবার্য। তাসিন : আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হলেও আমাদের সতর্ক হতে হবে। ইনসাদ : হ্যাঁ মানুষই শুধু পারে এ পৃথিবীটাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে। এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আমাদের পৃথিবী আবার সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা হয়ে উঠবে।  তাসিন : আমাদের পৃথিবীকে আমাদেরই বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে " "নিরাপদ সড়ক চাই বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর। অথবা, সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে সচেতনতা এই শিরোনামে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। অথবা, সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যথাযথ আইন প্রয়োগে সহায়তা প্রদান করলে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করা সম্ভব। সাকিব: প্রশাসন, পুলিশ, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ, মালিক, চালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। লিমন: সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। সাকিব, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই। সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হোক, আর যেন কেউ স্বামীহারা বিধবা বা পত্নীহারা, সন্তানহারা, পিতাহারা বা মাতাহারা এতিম কিংবা স্বজনহারা নাহয় এ আমার প্রত্যাশা। সাকিব: নিশ্চয়ই, সড়ক হবে নিরাপদ, শান্তির। জীবনের নিরাপত্তা দান করা বা বিধান করা বা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। নিরাপদ সড়কের জন্য পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সচেতন হওয়া অপরিহার্য। সড়ক পথ কখনো মৃত্যুর পথ হতে পারেনা, আমরা নিরাপদ নির্বিঘ্নে পথ চলতে চাই, নিরাপদ সড়ক চাই। লিমন: ধন্যবাদ সাকিব । সাকিব: তোমাকেও ধন্যবাদ। " "বৃক্ষরোপণ-উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর  ","অনল  : দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনে এত বড়ো একটা বকুল গাছ কেটে ফেলা হল । শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে । কমল  : আর বলিস না ! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না । সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা । মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি । অনল : সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান । নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন— সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ । কমল : কেউ একবার অন্তত এটাও ভেবে দেখবে যে, এতে ক্ষতি আখেরে নিজেদেরই । এই ভয়ানক লোভে তো মানুষের নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে । পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জল স্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য— গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও নির্বিরোধে প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে । সব মিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে । অনল : শুধু তাই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে । ভারত-সহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন । কমল :  আসলে কী বল তো, 'একটি গাছ একটি প্রাণ'— এই বাক্যটিকে নিছক স্লোগান নয়, জীবনযাপনের অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে । না ইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না । " নারী-স্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা কর ,"ললিতা  : মাধ্যমিক পাশ করার পর তুই তো উচ্চমাধ্যমিক পড়বি ? আমার ভাই এই মাধ্যমিকেই পড়াশুনো থমকে যাবে । বিশাখা  : দুঃখ করার কিছু নেই । আমারও তো এখন সেই একই অবস্থা । মা-বাবা এখন থেকেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন । ললিতা  : স্বাধীনতা শব্দের অর্থ শুধুমাত্র আকারেই বেড়েছে । নারীর ক্ষেত্রে তা বেশির ভাগ সময় সে সবের কোনো অর্থই নেই । বিশাখা  : বলতো ! এই পড়াশুনা নিয়ে কতটা এগুতে পারি আমরা । ললিতা  : আমাদের বাবা-মাদের বোঝাতেই হবে । আর তাদের মাথা থেকে সরাতে হবে তাড়াতাড়ি মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা । বিশাখা  : মনে আছে যখন আমরা নবম শ্রেণীতে শারদীয় উৎসবে ""স্ত্রীর পত্র"" অভিনয় করেছিলাম । ললিতা  : মনে নেই আবার, সে সব কথা মনের মধ্যে গেঁথে আছে । সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার হদিস তো ওখানেই পেয়েছিলাম । বিশাখা  : আর্থিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী স্বাধীনতার কোনো অর্থই হয় না । অতএব এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, যেমন করেই হোক পড়াশুনোটা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে  " "শব্দ দূষণের কুফল সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","রিপন ও মিশু স্কুল থেকে ফিরে রাস্তায় হাটছে। রিপন: আরে মিশু, আজকাল রাস্তায় এতো শব্দ কেন?  মিশু: তুই কি বোকা? এখন তো সবজায়গায়ই গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল। এসবের শব্দে তো কান ঝনঝন করে।  রিপন: শুধু গাড়ি-বাসই না, আরও অনেক কিছু। ফ্যাক্টরি, মাইক, স্পিকার, সব মিলিয়ে এক অসহ্য পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে।  মিশু: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। এই শব্দ দুষণের কারণে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।  রিপন: কীভাবে?  মিশু: শব্দ দূষণের কারণে আমাদের কানে ব্যথা হতে পারে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, মনোযোগের অভাবও দেখা দিতে পারে।  রিপন: তাহলে আমাদের কী করতে হবে?  মিশু: আমাদের সকলেরই সচেতন হতে হবে। যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো, উচ্চ শব্দে গান শোনা, এবং মাইকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে।  রিপন: সরকারেরও উচিত কঠোর আইন প্রণয়ন করা এবং শব্দ দুষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া।  মিশু: হ্যাঁ, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে।  রিপন: ঠিক বলেছিস। আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে শব্দ দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।  মিশু: আশা করি আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে একটি সুন্দর ও শব্দমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবো। " "নৈতিকতার গুরুত্ব"" নিয়ে দুই সহপাঠীর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","রিফাত: হ্যালো, শারমিন! কেমন আছো? আজকের ক্লাসটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই না? শারমিন: হ্যাঁ, রিফাত! বিশেষ করে নৈতিকতার গুরুত্ব নিয়ে স্যারের আলোচনা আমার মন ছুঁয়ে গেছে। আসলে আমরা দৈনন্দিন জীবনে নৈতিকতার ভূমিকা কতটুকু পালন করি, সেটা অনেক সময় উপলব্ধি করি না। রিফাত: একদম ঠিক বলেছো। নৈতিকতা মানুষকে সঠিক এবং ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে শেখায়। তুমি কী মনে করো, আমাদের চারপাশে নৈতিকতার অভাবের কারণ কী? শারমিন: আমি মনে করি, সমাজে নৈতিকতার অভাবের মূল কারণগুলোর মধ্যে শিক্ষার অভাব অন্যতম। অনেক সময় আমরা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করলেও নৈতিক শিক্ষা পেতে ব্যর্থ হই। রিফাত: আমি একমত। আরেকটি বিষয় হলো, প্রযুক্তির প্রভাবে অনেক মানুষ এখন স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে। তারা শুধু নিজের সুবিধা খোঁজে, যার ফলে নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে যেতে বসেছে। শারমিন: হ্যাঁ, আমাদের উচিত প্রযুক্তিকে ব্যবহার করা, কিন্তু সেই সাথে নৈতিকতার প্রতি দায়বদ্ধ থাকা। কারণ নৈতিকতা ছাড়া মানুষ কখনোই প্রকৃত সুখ এবং শান্তি খুঁজে পায় না। রিফাত: ঠিক বলেছো। আমি মনে করি, স্কুল এবং পরিবারের উচিত নৈতিকতার চর্চা আরও বেশি করে প্রচার করা, যাতে ছোটবেলা থেকেই আমরা সঠিক পথ অনুসরণ করতে পারি। শারমিন: হ্যাঁ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও যদি নৈতিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করে, তাহলে আমরা সবাই আরো নৈতিক মানুষ হতে পারবো। নৈতিকতা ছাড়া সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব। রিফাত: একদম! নৈতিকতা ছাড়া সুশৃঙ্খল সমাজ গড়া সম্ভব নয়। আমাদের উচিত নৈতিক শিক্ষা অর্জন করে তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করা। শারমিন: নিশ্চয়ই! ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সামাজিক, পেশাগত প্রতিটি ক্ষেত্রে নৈতিকতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমেই আমরা প্রকৃত অর্থে একজন ভালো মানুষ হতে পারবো। রিফাত: ঠিক বলেছো। আমরা যদি নৈতিকতার মূলমন্ত্রকে ধরে রাখি, তাহলে অবশ্যই একদিন একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তুলতে পারবো। শারমিন: অবশ্যই। চলো, আমরা নিজেও নৈতিকতার চর্চা করি এবং অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করি! রিফাত: চল, শুরুটা আমাদের থেকেই হোক! " "সাম্প্রদায়িক হানাহানি বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন। ","অমিত – কিরে কাল আমাদের পাড়ার দুর্গাপুজো কেমন লাগল? সুজয় – খুব ভালো, সবথেকে অবাক লাগল কত ভিন্নধর্মের মানুষও পুজো প্যান্ডেলে এসেছিলেন। অমিত – সারা পৃথিবীজুড়ে যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়েছে, তার বিরুদ্ধেই শান্তির বার্তা দিতেই ওরা এসেছিলেন। প্রত্যেকেই সেজন্য সাদা পোশাক পরে এসেছিলেন। সুজয় – বা! দারুণ ব্যাপার তো! এরকম চেষ্টাই তো পৃথিবীতে শান্তি আনবে। দ্যাখ, প্রত্যেক ধর্মই তো আসলে মানবতার কথা বলে। খুব সাধু উদ্যোগ। সত্যি বলতে কী, আমার বেশ গর্ববোধ হচ্ছে এই ভেবে যে, পুজো কমিটির মধ্যে না থাকলেও আমিও এই পাড়ার একজন সদস্য। অমিত – ঠিক বলেছিস। আমাদের পাড়া বলেই কিন্তু এই সংহতি সম্ভব হল। কারণ, সত্যি এমন বহু ঘটনা আজও ধর্মের নামে ঘটে চলেছে যা ভাবলে সত্য মানুষ হিসেবে লজ্জাই হয়।। সুজয় – কিন্তু তারই মধ্যে আমাদের পাড়ার মতো জায়গাও তো রয়েছে, যেখানে এই অকারণ হানাহানির ছবিটা সরিয়ে দিয়ে আমরা একজোট হয়ে দাঁড়াতে পারি। এইটুকু দিয়েই শুরু, এই এক পা, এক পা করেই আমরা ঠিক লক্ষ্যে পৌঁছে যাব। ধর্ম যার যার নিজের, কিন্তু উৎসব তো সবার, তাই না? " "ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ। ","দীপংকর – খেয়াল করেছিস, আমাদের স্কুলের পাশে একটা শপিং মল তৈরি হচ্ছে? জয় – বাবা! সে আবার দেখিনি? লোকজনের ভিড়ের ঠেলায় তো সবাই অস্থির হয়ে যাচ্ছে! দীপংকর – সে তো হবেই। আসল ব্যাপারটা হল, মানুষ এখন বিলাস-আবাসে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। কিছু মানুষের হাতে টাকাও আছে প্রচুর। এ এক অদ্ভুত সময়-তুই একইসঙ্গে খবরের কাগজে কৃষকের আত্মহত্যার খবরও শুনবি, আবার নামিদামি জায়গায় একটু মজা করার সুখ কেনার জন্য তিনগুণ বেশি খরচা করার মতো লোকেরও অভাব দেখতে পাবি না। জয় – হ্যাঁ। এই কারণেই আমাদের সমাজে গরিব-বড়োলোকের তফাৎটা এত বেশি। দীপংকর – এদিকে দ্যাখ, বেকারত্বের হার বাড়ছে, বাড়ছে মানুষের দারিদ্র্য। সমাজে অপরাধও বাড়ছে। জয় – আর একটা কথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি, যতদিন না অর্থনৈতিক অবস্থা পাল্টাচ্ছে, ততদিন এই ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে আমাদের রক্ষা পাওয়ার উপায় নেই। দীপংকর – এ অবস্থা থেকে মুক্তির আশা আদৌ আছে কি না সেটাই তো এখন বিশাল বড়ো প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড়িয়ে। কারণ, স্বাধীনতার পর থেকে এই সামাজিক রীতিটি একই রয়ে গেছে। গরিব আরও গরিব হয়েছে, বড়োলোক হয়েছে আরও বড়োলোক। " "বাংলা ভাষার স্বার্থে নতুন বাংলা বানানবিধির প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের সংলাপ। ","অমল – স্যার, আপনি আমাদের খাতায় ‘বন্দী’ বানানটা কেটে ‘বন্দি’ করে দিয়েছেন। কিন্তু ‘বন্দী’ বানানটায় কী ভুল আছে? শিক্ষক – হ্যাঁ, অমল। এই বানানটা ভুল। একসময়ে অবশ্য তোমার লেখা ওই বানানটাই ঠিক বলে মানা হত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির প্রচলিত বানানবিধি অনুযায়ী, ‘বন্দি’ বানানটাই ঠিক। ‘বন্দী’ বলতে বোঝানো হয় বন্দনাকারীকে। যেমন ধরো ওই কবিতার লাইনটা অমনি বন্দিল বন্দী, করি বীণাধ্বনি। অমল – কিন্তু স্যার, এই বানানবিধিই বা কেন আমাদের মেনে চলতে হবে? শিক্ষক – এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আসলে, প্রতিটি ভাষার ক্ষেত্রেই একটা উপভাষাকে মান্য ভাষা বলে মেনে চলতে হয়। নইলে বিশৃঙ্খলা হবে, যে যার ইচ্ছামতো ভাষার প্রয়োগ করবে। ফলে নিজেদের মধ্যে কথা বলার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা না হলেও বৃহত্তর ক্ষেত্রে তা হতে পারে। সাহিত্য, প্রতিবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে ভাষার একটি নমুনাকে যদি সকলের সামনে তুলে ধরতে হয়, তখন তো একটা সর্বজনগ্রাহ্য চেহারা প্রয়োজন। নইলে প্রত্যেকে যে যার নিজের মতো করে আলাদা আলাদা রকমে তার মানে বুঝবে অথবা বুঝবে না। বানানের ক্ষেত্রেও তাই একইরকমভাবে একটা সমতা রাখা প্রয়োজন। তাই এই বানানবিধি গড়ে তোলা হয়েছে। অমল – হ্যাঁ, একটি বানানবিধি যে বানান ব্যবহারে সমতা আনে, তা সত্যি। তা ছাড়া, বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে একটি আদর্শ চেহারা দিতে হলে এই বানানবিধি খুবই জরুরি, তা আমিও স্বীকার করছি। " "সাহিত্যপাঠের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","সুরেশ – কী এত পড়িস বল তো? যখনই তোর বাড়িতে আসি, কিছু না কিছু পড়তেই থাকিস। স্কুলের বইও তো সেগুলো নয়, তাহলে? বিজয় – আচ্ছা, তোর কি মনে হয়, পাঠ্যবই ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো কিছুই পড়ার নেই? সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন সুরেশ – না, ঠিক তা বলিনি। তবে স্কুলের পড়াতে সাহায্য করে, এমন কিছু পড়লেই তো পারিস। বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালী পড়ে তোর কী হবে? এ তো পরীক্ষাতেও আসবে না। বিজয় – এ বিষয়ে তোর সঙ্গে আমার মতের মিল না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবু বলি, পড়াশোনার জন্য নির্দিষ্ট বইপত্রও তো মাঝে মাঝে ক্লান্তি আনতে পারে, কিন্তু নিজের পছন্দের বই পড়লে এক অনাবিল আনন্দ পাওয়া যায়। সুরেশ – কিন্তু এ তো নেহাতই বিনোদন! এ থেকে তো তোকে জীবনে কেউ কোনোদিন কোনো প্রশ্ন করবে না! বিজয় – সেটাই তো মজা! অবসর পেলেই গল্পের বই পড়া আসলে এক মানসিক তৃপ্তি এনে দেয়। কারণ, এই ধরনের পড়ার পিছনে কোনো চাপ কাজ করে না! সেই পড়া থেকে কেউ প্রশ্ন করবেন না, কোনো উত্তর বলতে বা লিখতে হবে না, তাই ভুল হওয়ার অথবা নম্বর না পাওয়ার কোনো ব্যাপারই নেই। সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন সুরেশ – কিন্তু এতে তোর আসল লাভের লাভ কিছু হচ্ছে কি? বিজয় – এই লাভের ধারণাটা এক-একজনের কাছে এক-একরকম। আমার ধারণা, এই সিলেবাসের বাইরে পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠার মাধ্যমে ধৈর্য আর সাহিত্যবোধ দুটোই গড়ে ওঠে। এমনকি মৌলিক গল্পরচনার প্রতিভার প্রকাশও ঘটতে পারে। বানান, বাক্যগঠন ইত্যাদি দেখতে দেখতে সামগ্রিকভাবে ভাষার ওপরে দখল তৈরি হয়ে যায় অজান্তেই। তাই না? সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন সুরেশ – হ্যাঁ, সেটা অবশ্য তুই ঠিকই বলেছিস। আর প্রচুর অজানা তথ্য যে জানা যায়, সেটাও ঠিক। সাহিত্য পড়ার যে এতরকম উপযোগিতা থাকতে পারে, তুই না বললে আমার কাছে তা স্পষ্ট হত না। " "সমাজগঠনে ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা প্রসঙ্গে দুই শিক্ষকের মধ্যে কথোপকথন। ","প্রথম শিক্ষক – শুনেছেন, আমাদের স্কুলের চার ছাত্র মিলে পথশিশুদের সাক্ষরতা প্রকল্পে একটি ছোট্ট স্কুল তৈরি করেছে? দ্বিতীয় শিক্ষক – শুনেছি তো বটেই, গতকাল নিজের চোখে দেখতেও গিয়েছিলাম। সন্ধ্যাবেলায় যখন জানবাজারের লোহাপট্টির দোকানগুলো বন্ধ হয়ে যায়, তখন সেই বন্ধ দোকানের ফাঁকা চাতালে বসে ওদের ক্লাস। আমাদেরই ছাত্র, এত ভালো কাজ করছে, দেখলেও ভালো লাগে! প্রথম শিক্ষক – সত্যি! ওরাই তো আমাদের ভবিষ্যৎ! দেশের উন্নয়নের কাজও শুরু করতে হবে ওদেরকেই। শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে নয়, কৃষি, বাসস্থান, কর্মসংস্থান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যার প্রয়োগ, ভূমিবন্টন, স্বাস্থ্য, প্রাকৃতিক সম্পদ, মানবিক অধিকারের ব্যবস্থা, সমবায় নীতি, সংস্কৃতি, খেলা, চিকিৎসা, সামাজিক স্বাস্থ্য, রাজনৈতিক সংস্কারসাধন-সব তো ওদেরই হাতে। দ্বিতীয় শিক্ষক – আরে দাঁড়ান, দাঁড়ান! আপনি তো বিশাল লম্বা ফর্দ ধরিয়ে দিলেন। কিন্তু ওরা তো একেবারেই শিক্ষানবিশ। তাই ওরা শুধু গোড়াপত্তনটুকুই করবে। কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা, গাছ কাটা, পশুপাখি হত্যা করা, পুকুর বোজানো ইত্যাদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা যেমন জনসাধারণকে বোঝাতে পারে, তেমনই উপযুক্ত শিক্ষাগ্রহণ করে দেশের বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা ইত্যাদি কাজেও আত্মনিয়োগ করতে পারে। তবে এ বিষয়ে তাদের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রাথমিক সাহায্যটুকু করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। প্রথম শিক্ষক – সে তো বটেই! ওদেরকে শিক্ষিত করে তোলার মাধ্যমেই তো বাকিদের শিক্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে এগোনো সম্ভব! দ্বিতীয় শিক্ষক – হ্যাঁ! আর এ কথা মানতেই হবে, যে, দেশের ছাত্রসমাজ দেশ সম্পর্কে যত সচেতন, সেই দেশের উন্নতিও সেই পরিমাণে হয়ে থাকে। দ্যাখো, আমরা ভাগ্যবান ও যে এই ছাত্রদের গড়ে তোলায় আমাদেরও একটা ভূমিকা আছে। " প্রতিযোগিতার ভালোমন্দ নিয়ে দুই ব্যক্তির মধ্যে সংলাপ।,"প্রথম ব্যক্তি – কাল শুনলাম আমাদের পাড়ার একটি ছেলে মাধ্যমিকে খুব ভালো ফল না করতে পেরে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল। তুমি কিছু শুনেছ? দ্বিতীয় ব্যক্তি – হ্যাঁ, কথাটা সত্যি। এত খারাপ লাগছে ঘটনাটা শুনে! এই বাচ্চাগুলোর কথা ভেবে সিত্যই কষ্ট হয়! ছোট্ট থেকেই ওদের মাথায় একেবারে গেঁথে দেওয়া হয়েছে যে, সবাইকে টপকে প্রথম হতে হবে। এই প্রচণ্ড মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। যার ফলেই ঘটছে এইসব ঘটনা। প্রথম ব্যক্তি – কিন্তু দেখুন প্রতিযোগিতা বিষয়টা তো সবক্ষেত্রেই খারাপ এমন নয়। তাকে ভুল ক্ষেত্রে এবং ভুল উপায়ে চাপিয়ে দেওয়ার ফলেই সমস্যা বাধে। ভেবে দ্যাখো, ডারউইনের ‘যোগ্যতমের উদবর্তন তত্ত্ব’-এর কথা। প্রতিযোগিতা যখন বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় অঙ্গ তখন তা বাধ্যতামূলক। কারণ, প্রতিযোগিতাই ব্যক্তির ভিতরের প্রতিভাকে বের করে আনে। মানুষকে সচেতন এবং দায়িত্বশীল করে তোলে। দ্বিতীয় ব্যক্তি – হ্যাঁ, কিন্তু বর্তমান সমাজব্যবস্থায় এই চরম প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করতে গিয়ে মানুষ ভয়ংকর চাপের মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই জেতার জন্য তাড়না ও চাপ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। তখন ব্যর্থতার হতাশা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার অজস্র নজিরও দেখা যায়। প্রথম ব্যক্তি – আসলে আধুনিক ভোগবাদী সমাজে মানুষের এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা, সাধ আর সাধ্যের মধ্যে বিশাল ফারাক তৈরি করে দেয়। তীব্র হতাশা নিয়ে আসে সামাজিক মর্যাদারক্ষার এই প্রতিযোগিতা, তার ফলে এই সব দুর্ঘটনা ঘটে যায়। দ্বিতীয় ব্যক্তি – প্রতিযোগিতার প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে না পেরে এরকম ঘটনা হয়তো আরও ঘটবে, কিন্তু আমাদের কিছুই করার থাকবে না। " "ডেঙ্গুর বাহক মশার বিনাশের উপায় সম্বন্ধে একজন শহরবাসী ও একজন গ্রামবাসী বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","দেবব্রতবাবু – আরে! কেমন আছেন প্রকাশবাবু? প্রকাশবাবু – আর থাকা! ডেঙ্গু যেভাবে ছড়াচ্ছে তাতে আর ক-দিন বেঁচে থাকব কে জানে? দেবব্রতবাবু – সে কী! আপনাদের শহরেও ডেঙ্গু! ডেঙ্গুর ভয়ে আমাদের তো গ্রামছাড়া হওয়ার জোগাড়। আমার ছোটো ছেলেটারও আজ কয়েকদিন হল ডেঙ্গু হয়েছে, চিকিৎসা চলছে। প্রকাশবাবু – অ্যাঁ, বলেন কী! এখানেও! দেবব্রতবাবু – হ্যাঁ, গ্রামে তো ডেঙ্গু হবেই। জলনিকাশের ভালো ব্যবস্থা নেই, যেখানে-সেখানে পচা ডোবা, বড়ো বড়ো পুকুরগুলো সংস্কারের অভাবে কচুরিপানায় ভরতি, রাস্তা আর বাড়ির আশেপাশেও খানাখন্দে জল জমে থাকে। এসব থেকেই তো মশা হয়। প্রকাশবাবু – তবে মশা মানেই ডেঙ্গু, এ কথা বলা বোধহয় ঠিক হবে না দেবব্রতবাবু। কিউলেক্স নামে এক ধরনের স্ত্রী মশা হল এই রোগের জীবাণুর বাহক। মজার ব্যাপার কী জানেন, এই কিউলেক্স মশার বাড়বাড়ন্তের জন্য নোংরা জল বা আবর্জনা যতটা দায়ী, তার থেকেও বেশি দায়ী কোথাও অনেকদিন ধরে জমে থাকা স্থির স্বচ্ছ জল। ডেঙ্গুর মশারা জমে থাকা পরিষ্কার জলেই ডিম পাড়তে ভালোবাসে। দেবব্রতবাবু – এই মশার হাত থেকে বাঁচতে গেলে কী করা যায় বলুন তো? প্রকাশবাবু – প্রাথমিকভাবে, জনগণের মধ্যে সচেতনতা জাগিয়ে তোলা দরকার। যদি অন্যরা কথাটা কানেই না-তোলে, শুধু আমি আপনি মিলে উদ্যোগ নিয়ে তো কিছুই করে উঠতে পারব না। পরিস্থিতি যেমনকে তেমনই থাকবে। তবে আমাদের দিক থেকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। জল একেবারেই জমিয়ে রাখা চলবে না। দেবব্রতবাবু – হ্যাঁ, পাশাপাশি দরকার সরকারি স্তরে বৃহত্তর কর্মসূচি। সরকারি ভাবে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করা যাবে, তা নিয়ে প্রচার চালাতে হবে। আর এই মশাদের আক্রমণ মূলত সকালে। তাই সেই বুঝেই চলাফেরাটা করা উচিত। প্রকাশবাবু – হ্যাঁ, ডেঙ্গুর মোকাবিলা করতে হলে কিউলেক্স মশার ধ্বংসই সবার আগে প্রয়োজন। " "প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ছাত্রসমাজের ভূমিকা সম্পর্কে শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ। ","শিক্ষক – অজিতেশ, ভূমিকম্পের জন্য নেপালে স্কুলের তরফ থেকে যে ত্রাণ পাঠানো হবে, তার তালিকা তৈরি হয়েছে? ছাত্র – হ্যাঁ স্যার, শুকনো খাবার আর জামাকাপড় কালকেই পাঠানো হবে। এ ছাড়া জলের প্যাকেট আর কম্বলও পাঠানো হচ্ছে। শিক্ষক – আর-একটা কথা মনে রেখো অজিতেশ, এই যে কাজটা করছ, এটা কিন্তু শুধু স্কুলের উদ্যোগে বা আমাদের নির্দেশে করছ না। করছ, তার কারণ তোমরা ছাত্র। তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ, তোমরাই ভাবী নাগরিক। তাই, দেশের ও দশের যে-কোনো সমস্যার সমাধানে কিংবা উন্নয়নমূলক কাজে তোমাদের একটা বড়ো দায়িত্ব থেকে যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগও তার মধ্যে অন্যতম। ছাত্র – সে তো নিশ্চয়ই। আর আমরা যাতে দক্ষতার সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করতে পারি, সেজন্য তো আমাদেরকে স্কুলের তরফ থেকে যথাযথ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক – তোমাদের পাশে থেকে তোমাদের ঠিক পথে এগিয়ে দেওয়াই আমাদের কাজ। নিছক প্রশিক্ষণ নিয়েই মাঠে নেমে পড়া যায় না। ছাত্র হাতেকলমে করলে তবেই কাজ শিখতে পারা যায়। সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন ছাত্র – তা ছাড়া, পড়ে পড়ে মার খাওয়াটা তো মানুষের ধর্মও নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষকে সাময়িকভাবে বিধ্বস্ত, বিপর্যস্ত করে তোলে ঠিকই, কিন্তু শেষপর্যন্ত সে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে থেকে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টাও করে। আমাদের উচিত ওদের পাশে থাকা। শিক্ষক – হ্যাঁ, বিধ্বস্ত মানুষরা চেষ্টা তো করবেই। মানুষের ধর্মই। কিন্তু এই উঠে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে দেশের তরুণরাই অন্যতম সহায়, সে-কথা ভুলে যেও না। " "অরণ্যসংরক্ষণের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ ","কৌশিক – দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনের এত বড়ো বকুল গাছটা কেটে ফেলা হল! শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। অভীক – আর বলিস না! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন্ ছোট্টবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। কৌশিক – আধুনিক আর উন্নত হতে হতে মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। সবদিকে উন্নয়নের নামে নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে, প্রকৃতির সাথে আমাদের যোগাযোগ ক্রমশই কমে আসছে। অভীক – কেউ একবার অন্তত এটাও তো ভেবে দেখুক যে, এতে ক্ষতি শেষপর্যন্ত নিজেদেরই হয় বা হচ্ছে। এই ভয়ানক লোভে মানুষ নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে! পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জলস্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য-গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সবমিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। কৌশিক – শুধু তা-ই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় অরণ্যের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। ভারত-সহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। অভীক – আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’-এই বাক্যটিকে নিছক স্লোগান নয়, জীবনযাপনের এক অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। নইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে কোনোক্রমেই মুক্তি পাওয়া যাবে না। " "ভবিষ্যতে কী নিয়ে পড়া যায়-সেই আলোচনা প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর কাল্পনিক কথোপকথন। ","মিত্রা – আচ্ছা, মাধ্যমিকের পর কী নিয়ে পড়বি ভেবে রেখেছিস কিছু? বৃন্দা – আমার বাবা-মায়ের ইচ্ছা আমি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করি। ফলে আমাকে সায়েন্স নিয়েই পড়তে হবে। মিত্রা – ‘পড়তে হবে’-এভাবে বলছিস কেন? তুইও কি তাই চাস না? বৃন্দা – না রে, আমার বরাবরের শখ সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করার। যদি আমাকে আমার ইচ্ছেমতো পড়তে দেওয়া হত, তাহলে আমি নিশ্চয়ই সাহিত্য বিভাগের কোনো একটা বিষয়ই বেছে নিতাম। মিত্রা – সে কী! তুই তোর নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনুযায়ী পড়তে পারবি না কেন? দ্যাখ বৃন্দা, এই সিদ্ধান্তটা কিন্তু জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা সিদ্ধান্ত। এর ওপরেই নির্ভর করছে তুই ভবিষ্যতে কী নিয়ে পড়াশোনা করবি, কোন্ দিকে এগোবি, এমনকি তোর পেশা কী হতে চলেছে-সব। বৃন্দা – বুঝতে পারছি। কিন্তু বিজ্ঞান শাখায় আমার পরীক্ষার ফলাফল বরাবরই বেশ ভালো হয়। তাই বাবা-মাও আর ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। মিত্রা – কিন্তু এটা তো ঝুঁকিই নেওয়া হয়ে যাচ্ছে, তাই না? তুই পড়তে ভালোবাসিস একটা বিষয়, তোকে পড়তে হবে অন্য আর-একটা বিষয়-এটা কি ঝুঁকি নয়? বৃন্দা – হ্যাঁ, কিন্তু ওঁদের মতে, চাকরির বাজারে যে পরিমাণ মন্দা, তাতে নাকি সায়েন্স পড়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। মিত্রা – এখন আর চাকরি সম্পর্কে সেই পুরোনো ধারণা নিয়ে পড়ে থাকার কোনো অর্থ হয় না। বিভিন্ন বিষয়ের সংখ্যা বেড়েছে, বেড়ে গেছে বিবিধ গবেষণার সুযোগও। তাই এই ভয়টা অমূলক। কিন্তু নিজের পড়ার বিষয়টার প্রতি যদি তোর ভালোবাসাই না থাকে, তবে সেটা নিয়ে এগোবি কী করে? সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন বৃন্দা – দেখি, বাবা-মাকে এটাই বোঝাতে হবে যে, শুধু চাকরি পাওয়ার জন্যই নয়, ভালোবেসেও বিষয়টি পড়তে হয়। নইলে সায়েন্স নিয়ে পড়ে ফল খারাপ হলে চাকরি পেতেও সমস্যাই হবে। " "সর্বজনীন দুর্গাপুজোর ব্যয়বহুল আড়ম্বরের পক্ষে ও বিপক্ষে দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ। ","সুদীপ – কোথায় যাচ্ছিস সুশান্ত? সুশান্ত – আজ থেকে আমাদের সর্বজনীন দুর্গাপুজোর চাঁদা তোলা শুরু হবে। মান্তুদার বাড়ির সামনে তাই হাজির হতে হবে দশটার মধ্যে। গতবারে বাজেট ছিল দেড় লাখ, এবারে মিটিংয়ে ঠিক হয়েছে দু-লাখ খরচ হবে। সুদীপ – কিন্তু এত আড়ম্বর করে পুজো করার কোনো মানে হয় না। এই খরচের টাকাটা তো তুলবি আমাদেরই মতো সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। সুশান্ত – পাড়ায় আড়ম্বর করে পুজো হবে, প্যান্ডেলে বাহার থাকবে, আলোকসজ্জার চমক থাকবে তার আর্থিক চাপ তো পাড়ার লোককে সহ্য করতেই হবে। সুদীপ – লোকে কষ্ট স্বীকার করে আড়ম্বর চায় না। শুধু উৎসবের জন্য, আমোদের জন্য এই খরচ অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। সুশান্ত – কিন্তু মানুষের জীবনে উৎসবের প্রয়োজনীয়তা কি তুই অস্বীকার করতে পারবি? সুদীপ – উৎসবের প্রয়োজন তো অবশ্যই আছে, কিন্তু উৎসবকে যে ব্যয়বহুল হতে হবে, তার তো কোনো যুক্তি নেই। দুর্গাপুজো ব্যাপারটাই মানুষের কাছে একটা বিশেষ আনন্দ-উৎসবের প্রতীক। সেখানে আড়ম্বর না থাকলেও মানুষ প্রাণের আবেগে মেতে উঠবে। সুশান্ত – আড়ম্বর থাকলে আরও বেশি করে মাততে পারবে। সুদীপ – সত্যিই কি পারবে? এই ধর তোদের চাপে পড়ে সাধ্যের বাইরে চাঁদা দিতে বাধ্য হয় যারা, তারা কি কখনও মনেপ্রাণে এই উৎসবকে উৎসব বলে মানতে পারবে? সুশান্ত – লোকে এত খরচ করে ভালো ভালো মন্দির বানায় কেন তবে? সুদীপ – হ্যাঁ, ওইসব মন্দিরে মানুষের টাকার অহংকার যতটা প্রকাশ পায়, ভক্তির প্রকাশ ততটা থাকে না। বরং এসবে রেষারেষি আরও বেড়ে যায় " "সমাজসেবায় ছাত্র সমাজের ভূমিকা – দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ। ","অরূপ – হ্যালো রাহুল! কেমন আছো? রাহুল – হাই অরূপ! ভালো আছি, তুই কেমন আছিস? অরূপ – ভালো আছি। আসলে একটা বিষয় নিয়ে ভাবছিলাম, আমাদের ছাত্র সমাজের কি কোনো দায়িত্ব নেই সমাজসেবায়? রাহুল – অবশ্যই! ছাত্ররা সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমাদের শুধু পড়াশোনা করাই নয়, সমাজের উন্নতিতেও ভূমিকা রাখতে হবে। ছাত্ররা যদি চাই, তাহলে সমাজে অনেক কিছু পরিবর্তন আনা সম্ভব। অরূপ – বাহ, সেটাতো ঠিক বলেছিস। কিন্তু আমাদের তো এত ব্যস্ততা থাকে—পড়াশোনার চাপ, পরীক্ষা—এর মাঝে কোথায় সময় পাবো? রাহুল – ঠিক বলেছিস, কিন্তু তুমি কি মনে করো না, ছাত্র সমাজের হাতে অনেক শক্তি আছে? আমাদের অনেক কিছু করার সুযোগ আছে। যদি আমরা ছোট ছোট উদ্যোগ নিই, তাও কিন্তু সমাজে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। যেমন, স্কুলের আশপাশের এলাকার গরিবদের সাহায্য করা বা পরিবেশ রক্ষায় কাজ করা। অরূপ – হ্যাঁ, আমি তো অনেক দিন ধরেই ভাবছি যে, স্কুলের পড়াশোনা করার পাশাপাশি যদি কিছু সামাজিক কাজ করা যায়, তাহলে অনেক ভালো হবে। আমরা কি কোনো প্রকল্প শুরু করতে পারি? রাহুল – হ্যাঁ, বেশ কিছু আইডিয়া আছে। যেমন, আমাদের স্কুলের আশেপাশে অনেক শিশুর পড়াশোনার সুযোগ নেই। আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে তাদের পড়ানোর ব্যবস্থা করতে পারি। আরেকটা কাজ হতে পারে, স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে ক্যাম্পেইন চালানো—যেমন, স্যানিটেশন বা স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। অরূপ – ঠিক বলেছিস। ছোট ছোট কাজের মাধ্যমেই বড় পরিবর্তন সম্ভব। আর আমরা যদি সকলে মিলে একত্রিত হয়ে কাজ করি, তাহলে আমাদের প্রচেষ্টার অনেক ভালো ফল হবে। তাহলে আমাদের কি স্কুলের সাহায্য পাওয়া যাবে? রাহুল – হ্যাঁ, অনেক সময়েই স্কুল বা কলেজ এমন কাজের জন্য ছাত্রদের উৎসাহিত করে। যদি আমরা তাদের কাছে আমাদের পরিকল্পনা জমা দিই, তারা হয়তো আমাদের সাহায্য করবে। অনেক স্কুলে এমন উদ্যোগের জন্য বিশেষ অনুমতি বা উৎসাহ দেওয়া হয়। অরূপ – তাহলে আমাদের প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে। এমন কিছু কাজ শুরু করতে হবে, যা আমাদের জন্য সহজ হলেও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। শুরুটা ছোট হলেও, যদি আমরা মনোযোগ দিয়ে কাজ করি, একসময় বড় পরিবর্তন আসবে। রাহুল – ঠিক বলেছিস। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমাদের ইচ্ছাশক্তি। ছাত্র সমাজের মধ্যে যদি একতা এবং উদ্যম থাকে, তাহলে আমরা সমাজে ভালো কিছু এনে দিতে পারবো। চল, আজ থেকেই একটা পরিকল্পনা শুরু করি! অরূপ – চল, শুরু করি। একসঙ্গে কাজ করলে আমরা সত্যিই সমাজে পরিবর্তন আনতে পারবো। " "পরিবেশদূষণ ও সভ্যতার সংকট বিষয়ে দুই ছাত্রবন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ। ","সুভাষ – ভাইকে সঙ্গে নিয়ে কোথায় গিয়েছিলি রাতুল? বেড়াতে? রাতুল – না, না, বেড়াতে নয়, ডাক্তারবাবুর কাছে। আজ ক-দিন ধরে ও কানে ভালো শুনতে পাচ্ছে না। সুভাষ – কানের আর কী দোষ? দিনরাত কানের ওপর শব্দের যে অত্যাচার চলছে, তাতে সকলেরই এই সমস্যা হতে পারে। কিন্তু আমরা এই শব্দদূষণ কিছুতেই বন্ধ করতে পারছি না। রাতুল – শুধু শব্দদূষণের কথাই বা বলছিস কেন? প্রতি মুহূর্তে আরও কত রকমের দূষণ ঘটে চলেছে, ভেবে দ্যাখ। সুভাষ – ঠিকই, বায়ুদূষণ, জলদূষণ , ভূমিদূষণ, সর্বত্রই তো দূষণ। রাতুল – যানবাহন, কলকারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে বাতাস, পানীয় জলের উৎসগুলিতে মিশছে কলকারখানা থেকে নির্গত দূষিত বর্জ্য পদার্থ কিংবা বিভিন্ন কীটনাশক রাসায়নিক পদার্থ। সুভাষ – এই কীটনাশক রাসায়নিকের ব্যবহার মাটিকেও তো দূষিত করছে। রাতুল – নিশ্চয়ই। কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ কিংবা দুষিত আবর্জনাও মাটির স্বাভাবিক উর্বরতাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। সবচেয়ে ক্ষতি করছে বোধহয় প্লাস্টিকজাত আবর্জনা। সুভাষ – মানুষ নিজেই তো এর জন্য অনেকটা দায়ী। রাতুল – একেবারে খাঁটি কথা, একদিকে সে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে চরম উন্নতি ঘটিয়ে চলেছে, আর-এক দিকে সে ডেকে আনছে নিজের সর্বনাশ। সুভাষ – দূষণরোধের ক্ষেত্রে গাছপালার একটা বড়ো ভূমিকা আছে। অথচ গাছপালা কেটে, বড়ো বড়ো অরণ্য ধ্বংস করে মানুষ বোধহয় পৃথিবীকে মরুভূমি বানিয়ে ফেলতে চায়। তবে আশার কথা, পৃথিবীজুড়ে পরিবেশ নিয়ে চিন্তাভাবনাও শুরু হয়েছে। এমনকি পরিবেশবিদ্যাকে এখন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবশ্যিক পাঠ্য বিষয় করে তোলা হচ্ছে। রাতুল – কিন্তু শুধু আলোচনা বা পাঠ্যস্তরে কোনো বিষয়কে রেখে দিলেই চলবে না। চাই পরিবেশ ও পরিবেশদূষণ সম্পর্কে যথার্থ চেতনা, পরিবেশকে রক্ষা করার আন্তরিক উদ্যোগ। " "নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি-এ বিষয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ। ","শুভ – কীরে সপ্তর্ষি, তোর বাজারের ব্যাগটা এত ফাঁকা ফাঁকা লাগছে কেন? সপ্তর্ষি – ফাঁকা ফাঁকা লাগবে না? বাজারে সব জিনিসের দর এত বেশি যে, ব্যাগভরতি বাজার করা আর হবে না। দিনকে দিন দাম যেন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। মাছ-মাংসের দিকে তাকাতে তো রীতিমতো ভয় করে। সবজি-বাজারে ঢুকেও স্বস্তি নেই। শুভ – কিন্তু এভাবে যদি জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকে, তাহলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকাটাই তো সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। সপ্তর্ষি – বিলাসদ্রব্যের দাম বাড়ুক ক্ষতি নেই। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র-চাল, ডাল, আটা, তেল, নুনের দাম যদি নাগালের বাইরে চলে যায় তাহলে তো আর কোনো পথ নেই। জামাকাপড়ের দাম কেমন বেড়েছে দেখেছিস? শুভ – জামাকাপড়, জুতো, ওষুধ-কোনটা বাড়েনি বল? সপ্তর্ষি – প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যেভাবে বাড়ছে, সেইভাবে তো মানুষের উপার্জন বাড়ছে না। মুশকিলটা এখানেই বেশি। অথচ সরকার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টাকে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না। শুভ – কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও অনেক সময় বাজারে কৃত্রিম অভাব সৃষ্টি করে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেয়। সপ্তর্ষি – হ্যাঁ, সে তো আছেই। লাভের জন্য এ কায়দা তো চলেই আসছে। শুভ – আমাদের কি কিছুই করার নেই? সপ্তর্ষি – নিশ্চয়ই আছে। নানাভাবে মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে। সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। যাই হোক, এখন আসি রে। আমি বাজার নিয়ে না ফিরলে মা রান্না বসাতে পারবে না। " "সমাজে এখনও নারী দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক-এই বিতর্কিত বিষয় নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ। তাপস – কী এত ","তাপস – কী এত মন দিয়ে পড়ছিস শুভম? শুভম – আরে! তাপস যে! আয় আয়। এই একটা প্রবন্ধ পড়ছিলাম, ‘নারীমুক্তি ও আধুনিক সমাজ’। তাপস – ওঃ, এই এক হয়েছে আজকাল! নারী-মুক্তি, নারী-স্বাধীনতা, নারীর মর্যাদা, নারীর অধিকার-নারীবাদী চিন্তাভাবনা যেন একটা ফ্যাশনে দাঁড়িয়ে গেছে। শুভম – কেন এ কথা বলছিস? তাপস – বলছি এ কারণে যে, পুরুষের মতোই সমাজে আজ নারীর সমান অধিকার, সমান মর্যাদা। শুভম – সত্যিই কি তাই? তাপস – নিশ্চয়ই। সাধারণ চাকরিবাকরির কথা না হয় বাদই দিলাম; শিল্পে, সাহিত্যে, দর্শনে, বিজ্ঞানে, রাজনীতিতে সর্বত্রই তো নারীবাহিনীর জয়যাত্রা রে! আমাদের এক বঙ্গললনা তো অ্যান্টার্কটিকা অভিযানেও অংশ নিয়েছে। কাজেই এ যুগে নারীর মর্যাদা, মুক্তি-এসব নিয়ে আন্দোলন ফ্যাশন নয় তো কী? শুভম – আসলে তুই তেমন করে ভাবছিসই না। একেবারে জন্মের সময় থেকেই মেয়েরা এই সমাজে অবহেলিত, অবাঞ্ছিতও। হিসাব কষলেই দেখা যায় আজও বেশিরভাগ বাবা-মা কন্যাসন্তান চায় না, পুত্রসন্তান চায়। পাত্রীর রূপ-গুণ-চাকরি-সবকিছু না হলে চলে না কিন্তু পাত্রের শুধু আর্থিক সংগতি থাকলেই হল। একজন বিপত্নীক পুরুষ যত সহজে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিয়ে করে, আইন থাকা সত্ত্বেও একজন বিধবার পক্ষে কাজটা তত সহজ হয় না। তাপস – তুই তাহলে বলতে চাস আমাদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এখনও অনেকটাই পুরুষ-প্রভাবিত? শুভম – আশ্চর্য হলেও এটাই বাস্তব তাপস। খেয়াল করে দ্যাখ, এখনও বহু আবেদনপত্রে বাবার নাম, স্বামীর নাম উল্লেখ করতেই হবে। ছেলেকে স্কুলে ভরতি করতে গেলে পিতৃপরিচয়কেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাপস – তোর সঙ্গে কথা বলে এখন আমার মনে হচ্ছে, সত্যিই এ বিষয়ে ভাবতে হবে। " "নতুন পাঠ্যসূচির উপযোগিতা নিয়ে দুই অভিভাবকের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ","১ম অভিভাবক – কী সমরেশবাবু, সাতসকালে হন্তদন্ত হয়ে চললেন কোথায়? ২য় অভিভাবক – আর বলবেন না, যাচ্ছি ছেলের বাংলা প্রজেক্টের জন্য খাতা কিনতে। সত্যি বুঝি না বাপু, এইসব করে ভাষাশিক্ষায় কীসের যে উন্নতি হবে। ১ম অভিভাবক – না সমরেশবাবু, আমার মনে হয় আপনার কোথাও একটু ভুল হচ্ছে। আপনি কি এই প্রজেক্টের বিষয়গুলো দেখেছেন? ২য় অভিভাবক – হ্যাঁ, দেখলাম তো! মডেল নির্মাণ, সমীক্ষা, প্রকৃতিপাঠ, সমীক্ষণ, সৃষ্টিশীল রচনা, শিখন সামগ্রীর সহায়তায় মূল্যায়ন। কিন্তু এসব কী কাজে যে লাগবে! ১ম অভিভাবক – বুঝতে পারছেন না? ধরুন, ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটা; সৈয়দ আলাওলের পদ্মাবতী কাব্য থেকে নেওয়া। মধ্যযুগের রচনা, ভাষার সঙ্গে এখনকার বাংলা ভাষার দুস্তর ফারাক। তা ‘সমীক্ষা’ অংশে যদি ছাত্ররা অপ্রচলিত শব্দগুলো চিহ্নিত করে উৎস নির্দেশ করতে শেখে, প্রসঙ্গ উল্লেখ করতে পারে-তবে আদতে ভাষা সম্পর্কে তাদের পড়াশুনোর উপায়টা অনেক বেশি বৈজ্ঞানিক হয় না কি? ২য় অভিভাবক – এটা অবশ্য ঠিকই বলেছেন অনিলবাবু। আমিও দেখছিলাম বটে, ‘অসুখী একজন’ নামে একটা কবিতা আছে ওদের পাঠ্য-চিলির কবি পাবলো নেরুদার লেখা। গুজরাতি লেখক পান্নালাল প্যাটেলের ছোটোগল্প ‘অদল বদল’-ও রয়েছে। সত্যিই এর মাধ্যমে তো ওদের সর্বভারতীয় সাহিত্য এবং বিদেশি সাহিত্য সম্পর্কেও একটা ধারণা গড়ে উঠছে। ১ম অভিভাবক – তাহলেই বুঝুন! আসলে নতুন মানেই তাকে সন্দেহের চোখে দেখার ধারণাটা আমাদেরই আগে বদলে ফেলতে হবে। নইলে আমাদের ছেলেমেয়েদের মধ্যেও সংশয় থেকে যাবে। " "রক্তদান শিবিরের আয়োজন উপলক্ষ্যে দুই নাগরিকের মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সমীরবাবু – কী ব্যাপার মুক্তিবাবু? কাল তো রবিবার! ছুটির দিন! তাহলে আজও এত ব্যস্ত হয়ে ছুটোছুটি করছেন যে! মুক্তিপদবাবু – সে কী সমীরবাবু! আপনি তো দেখছি কিছুই জানেন না! কাল তো এখানে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে! আপনি আসবেন কিন্তু! সমীরবাবু – না বাপু, আমি ওসবের মধ্যে নেই। এমনিতে টাকাপয়সা দিয়ে কোনো সাহায্য লাগলে বলুন, কিন্তু রক্ত দিতে পারব না। মুক্তিপদবাবু – সমীরবাবু, আপনি নিশ্চয় জানেন যে, রক্তদান অমূল্য। টাকাপয়সা দিয়ে এর বিকল্প হয় না। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, আপনি একজন সুস্থ, সবল, শিক্ষিত মানুষ। রক্ত দিলে শরীরের ক্ষতি হয়-এই ভুল ধারণা থেকে মানুষকে বের করে আনার জন্য কোথায় আপনি চেষ্টা চালাবেন, তা না, উলটে আপনি নিজে এ কথা বলছেন? সমীরবাবু – আমি তো তা-ই জানতাম। মুক্তিপদবাবু – ভুল জানতেন। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে, রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ঠিক থাকলে, নিয়মিত কোনো ওষুধ খেতে না হলে এবং কোনো রক্তবাহিত অসুখ না থাকলে যে কেউ রক্ত দিতে পারেন। সেই রক্তের ঘাটতি মিটিয়ে নতুন রক্ত তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া আমাদের দেহে সঙ্গে সঙ্গেই চালু হয়ে যায়। সমীরবাবু – কিন্তু কার রক্তচাপ কত, তা বোঝা যাবে কীভাবে? মুক্তিপদবাবু – আমরা এই শিবিরে একটি মেডিকেল টিম রাখছি, যেখানে পাঁচ জন ডাক্তার থাকবেন। তাঁরাই রক্তদাতাকে পরীক্ষা করবেন এবং সংগৃহীত রক্ত যথাযথ সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না তা-ও দেখবেন। তাহলে আর কোনো ভয় নেই তো? সমীরবাবু – নাঃ। আপনার কথায় আমার ভুল ধারণাটা কেটে গেল। কাল আমি ঠিক আসব রক্ত দিতে। " "গণতন্ত্রী ভারত বনাম সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ","নিখিল – মনে আছে, আজ কত তারিখ? দেবাশিস – হ্যাঁ, ২৬ নভেম্বর-সেই মুম্বই হানার দুঃস্বপ্ন আরও একটা বছর পুরোনো হয়ে গেল। নিখিল – কিন্তু আমরা যারা সন্ত্রাসবাদ থেকে মুক্ত একটা দুনিয়ার স্বপ্ন দেখি, তাদের কাছে এই দিনগুলো আলাদা তাৎপর্য নিয়ে আসে। শান্তিপ্রিয় সমস্ত ভারতবাসীর কাছে শপথ নেওয়ার দিন হয়ে দাঁড়ায়। দেবাশিস – সত্যি, আমি বুঝি না, সারা পৃথিবীতে ধর্মের নামে যে ধ্বংসলীলা, এতে কার, কী উদ্দেশ্য সফল হতে পারে? নিখিল – বিষয়টা আসলে শুধু ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত গোঁড়ামির সংকীর্ণতায় আর আটকে নেই। পারস্পরিক অসহনশীলতা ক্রমশ একটা সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। বাবরি মসজিদ ধ্বংস, গুজরাত দাঙ্গা থেকে শুরু করে মুম্বই হামলা প্রত্যেকটা ঘটনা লক্ষ করলেই কথাটা বুঝবি। দেবাশিস – কিন্তু, ভারতের ইতিহাস তো কখনোই ধর্মান্ধতাকে সমর্থন করে না। নিখিল – নিশ্চয়ই আমাদের দেশ সর্ব ধর্মকে গ্রহণ করেছে। ধর্মাচরণে অধিকার দিয়েছে। দেবাশিস – ঠিক। আমাদের দেশ সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক একটি দেশ। একে রক্ষা করতে গেলে ধর্মীয় উগ্রতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই হবে। " "মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদানের উপযোগিতা বিষয়ে দুই শিক্ষকের সংলাপ। ","কৌশিকবাবু – অভিরূপবাবু, আজ তো ক্লাস ইলেভেনে বাংলা খাতা দেখালেন; কেমন ফল করেছে ছেলেরা? অভিরূপবাবু – একেবারেই ভালো না। দু-তিন জন বাদে বাকিদের অবস্থা ভয়াবহ। আসলে শুধু বিষয় নয়, ভাষা হিসেবেও এখনকার প্রজন্ম বাংলাকে গুরুত্বই দেয় না। কৌশিকবাবু – ঠিকই বলেছেন। আমাদের স্কুলের কথাই ধরুন। বাংলা বাদ দিয়ে বাদবাকি সমস্ত বিষয়ই প্রত্যেকে ইংরেজিতে পড়ে, ভবিষ্যতেও পড়বে। তাই খামোখা বাংলা পড়ে বা বাংলায় কোনো বিষয় পড়ে কী লাভ-শুধু এই চিন্তাই তারা করে। অভিরূপবাবু – শুধু পরীক্ষাব্যবস্থা নয়, গোটা শিক্ষাব্যবস্থাই এর জন্য দায়ী। উচ্চতর ক্ষেত্রে গবেষণা কিংবা পঠনপাঠন বাংলা মাধ্যমে করলে প্রভূত সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, সেটা ইংরেজিতে করলে সুফল মেলে-এই ধারণা যত দিন যাচ্ছে তত বদ্ধমূল হচ্ছে। কৌশিকবাবু – বিজ্ঞানের ছাত্র এবং শিক্ষক হিসেবে আমারও একই অভিজ্ঞতা। লেখাপড়ার উপকরণ, বইপত্র-সবকিছুই ইংরেজিনির্ভর। তাই বিজ্ঞানে আগ্রহী, এমন মেধাবী ছেলেমেয়েরা শুধু ইংরেজি ভাষায় দুর্বল বলে গবেষণা থেকে পিছিয়ে আসে। অভিরূপবাবু – এই ধারণা ভাঙতে আমাদেরই এগিয়ে আসা উচিত। মাতৃভাষায় পাঠ্যবই, গবেষণামূলক নিবন্ধ লিখতে হবে, আরও বেশি করে বিদেশি রচয়িতাদের রচনা অনুবাদ করতে হবে। তাতে করে ভাষা-সাহিত্য-বিজ্ঞান-সব কিছুই উপকৃত হবে। " "বাংলা শিশু ও কিশোর সাহিত্যের বিভিন্ন চরিত্র নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ","অজন্তা – আচ্ছা অরুন্ধতী, এবারের শুকতারাটা পড়লি? অরুন্ধতী – হ্যাঁ, এবারের বাঁটুল আর বাহাদুর বেড়ালের কারসাজি একেবারে মনমাতানো। পত্রিকাটা হাতে পেলেই মেজাজ ভালো হয়ে যায়। আর কিশোর ভারতী? সেটা পড়েছিলি? অজন্তা – পড়ব না আবার? বই খুলেই আগে দেখেছি নন্টে-ফন্টে বনাম কেল্টুদার সেই চিরকালীন ধুমধাড়াক্কা লড়াই। অন্যদিকে হাঁদা-ভোঁদাও অবশ্য এবারে পিসেমশাইকে ভালোই নাকানিচোবানি খাইয়েছে। অরুন্ধতী – সত্যি, এখনকার কথা যদি ছেড়েও দিই, তবুও বাংলা সাহিত্য এর আগেও একাধিক অসামান্য চরিত্র পেয়েছে, যাদের উপস্থিতিতে কিশোর সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে। অজন্তা – সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা যেমন, তেমনই প্রেমেন্দ্র মিত্রের ঘনাদা। কল্পবিজ্ঞানের জগতে কিন্তু ঘনাদা এক অন্য দিগন্ত খুলে দিয়েছে। অরুন্ধতী – আর টেনিদা? টেনিদাকে ভুললে চলবে? প্যালা, ক্যাবলা আর হাবুলকে ঘিরে টেনিদার অসামান্য সব কাণ্ডকারখানা, তেমনই অসাধারণ সংলাপ। অজন্তা – আর-একটা কথা, ফেলুদার কথা বললেই সার দিয়ে আরও যে কত গোয়েন্দা চরিত্রের গল্প মনে পড়ে যায়! শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যোমকেশ, নলিনী দাশের গোয়েন্দা গন্ডালু, নীহাররঞ্জন গুপ্তর কিরীটী, সমরেশ মজুমদারের অর্জুন, ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের পাণ্ডব গোয়েন্দা, লীলা মজুমদারের গুপি-পানু-ছোটোমামা—সবমিলিয়ে কিশোর সাহিত্য একেবারে জমজমাট। অরুন্ধতী – সেইজন্যই তো, এসব চরিত্র বাংলার চিরকালীন সৃষ্টি। " "ছাত্রজীবন থেকেই গ্রন্থাগার ব্যবহার অভ্যেস করা উচিত-এ-বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো। ","পিয়ালী – জানিস, গতকাল মালদহের জেলা লাইব্রেরিতে কার্ড করিয়ে এলাম। তোর সেখানে মেম্বারশিপ কার্ড করানো আছে? তনুজা – অবশ্যই। স্কুলের লাইব্রেরিতে তো আর সব ধরনের বই পাওয়া যায় না। বিশেষ করে পড়ার বাইরের বইগুলি পেতে হলে তো পাড়ার লাইব্রেরিই ভরসা। সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন পিয়ালী – আসলে আমার মনে হয়, ছাত্রজীবন থেকেই সিলেবাসের বাইরের পড়াগুলির একটা অভ্যেস শুরু করা প্রয়োজন। নিয়মিত লাইব্রেরি গেলে এর পাশাপাশি দেশ-বিদেশের কত জার্নাল, একাধিক খবরের কাগজের সুলুকসন্ধানও মিলবে। তনুজা – চিন্তাভাবনাকে পাঠক্রমে আটকে রাখা ঠিক নয়। বিশেষত, আমরা যারা উঠতি প্রজন্ম তাদের সাম্প্রতিক জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্যের পরীক্ষানিরীক্ষা, নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কার বিষয়ে ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। পিয়ালী – স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিটিও নতুন করে সাজানো প্রয়োজন। নতুন যেসমস্ত বই প্রকাশিত হচ্ছে সেগুলি যাতে এখানে রাখা হয়, তার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তনুজা – লেখাপড়া মানে তো শুধুই নম্বর পাওয়া নয়, চেষ্টা করতে হবে ধারণা ও জ্ঞানকে যতদূর সম্ভব বিস্তৃত করার। গ্রন্থাগার আমাদের সেই সুযোগ দেয়। অজস্র বই সেখানে। নিজেদের পছন্দমতো আমরা বেছে নিয়ে পড়তে পারি। মানুষের অন্যতম বন্ধু যে বই, তাকে আরও বেশি করে, নিজের করে পেতে পারি। " "দুঃস্থ, মেধাবী ছাত্রদের বিনামূল্যে পুস্তক বিতরণ উপলক্ষ্যে দুই নাগরিকের মধ্যে কথোপকথন লেখো। ","অভ্রনীল – সুমনবাবু, আপনাদের পাড়ার ক্লাব নেতাজি সংঘ আগামীকাল সন্ধেবেলা বিচিত্রানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে না? আপনি থাকছেন তো সেখানে? সুমন – অবশ্যই। অনুষ্ঠানের শেষে ক্লাবের তরফ থেকে মালদহ জেলার দুঃস্থ, মেধাবী মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে। আমিই এই আয়োজনের মুখ্য উদ্যোক্তা বলতে পারেন। শেষপর্যন্ত থাকবেন কিন্তু। অভ্রনীল – সে তো বটেই। এত মহৎ উদ্দেশ্যর কথা ভেবেছেন ভেবেই ভীষণ ভালো লাগছে। ভাবুন তো, জেলারই কত ছেলেমেয়ে প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও আর্থিক দুরবস্থার কারণে মাঝপথে লেখাপড়া বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। টাকাপয়সা না থাকায় বই কিনতে পারছে না এমন ছেলেমেয়ে এখনও দেখতে পাওয়া যায়। সুমন – সে-সমস্ত কথা ভেবেই তো এই আয়োজন। এ-ব্যাপারে আর্থিক সাহায্য করেছেন মালদহ রামকৃষ্ণ মিশনের সেক্রেটারি মহারাজ, জেলাশাসক, মালদহ কলেজের অধ্যক্ষ প্রমুখ। তাঁরা না থাকলে আমাদের এই প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হত। অভ্রনীল – ছাত্রছাত্রীদের থেকে সাড়া কেমন পাচ্ছেন? সুমন – ইতিমধ্যে প্রায় দু-শোর বেশি ছাত্রছাত্রী নাম লিখিয়ে গেছে। আজ শেষ দিন। আশা করছি, এই সংখ্যাটি আরও বাড়বে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, প্রকাশনালয়ও আমাদের সাহায্য করেছে বিনামূল্যে বই দিয়ে। আজও আমরা বইপত্র সংগ্রহ করব। আশা করছি আমাদের এই আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। অভ্রনীল – অবশ্যই হবে। দরকার পড়লে আমিও যথাসম্ভব সাহায্য করব। আমাদের সকলের উদ্যোগ ছাড়া এ-ধরনের পদক্ষেপ কখনোই সম্পূর্ণ হতে পারে না। সুমন – ধন্যবাদ দাদা। আগামীকাল সন্ধেবেলা দেখা হচ্ছে তাহলে। " "দেশভ্রমণের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন লেখো। ","দিওতিমা – কী রে, রাজস্থান থেকে কবে ফিরলি? শৌভিক – গতকাল রাতে। উফ্, যা ঘুরলাম না! হাওয়ামহল, পুষ্কর লেক, মাউন্ট আবু-প্রায় গোটা রাজস্থানের উল্লেখযোগ্য জায়গাগুলি দিন পনেরো ধরে চষে বেড়িয়েছি। দিওতিমা – সত্যিই, আমাদের ব্যক্তিত্ব ও মনের বিকাশে দেশভ্রমণ অপরিহার্য। এখন পড়াশোনা, সিলেবাস আর পরীক্ষার চাপে অবসর খুঁজে পাওয়াই ভার। শৌভিক – তবে আমার মনে হয় বছরে অন্তত একবার কি দু-বার একটু দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া উচিত। যাত্রাপথ, বেড়ানোর স্থানের সৌন্দর্য দেখে আমাদের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার বিকশিত হয়। লেখাপড়ার চাপ থেকেও সাময়িক মুক্তি পাওয়া যায়। দিওতিমা – কত বিচিত্র মানুষ, তাদের জীবন-জীবিকা, পোশাক-আশাক, খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ধারণা অর্জন করি আমরা। মোটকথা আমাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ে। বাস্তব জগৎ থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি, আর ক্লান্ডি, একঘেয়েমিও কাটিয়ে উঠতে পারি। শৌভিক – শেকসপিয়র বলেছিলেন না, Home keeping youths ever having homely withs, কথাটা একেবারে সত্যি। সাধারণত বই পড়ে আমরা যে ধারণা অর্জন করি সেসব পরোক্ষ জ্ঞান; দেশভ্রমণের মাধ্যমেই আমরা প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ করি। ভ্রমণের ফলেই কোনো জিনিস আমাদের মনে স্থায়ীভাবে স্মৃতির আকারে জমা হয়ে থাকে। এর ফলেই আমাদের মন প্রসারিত হয়, চিন্তা-চেতনা বিকাশ লাভ করে। দিওতিমা – ঠিকই বলেছিস। মাধ্যমিক দেওয়ার পর আমি ভেবেই রেখেছি কাশ্মীর বেড়াতে যাব। তুইও ফের তখন নতুন কোনো জায়গা থেকে ঘুরে আসতে পারিস। শৌভিক – আমরাও কাশ্মীর যাব ঠিক করেছি। ভালোই হল, একসঙ্গে যাওয়া যাবে। " "ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটা কাল্পনিক সংলাপ রচনা। ","শুভদীপ – সায়ন, আনন্দপুরী স্কুলের ঘটনাটা শুনলি? সায়ন – কোন্ ঘটনাটা বলত? ওই অলোক স্যারের ঘটনাটা। শুভদীপ – হ্যাঁ। সায়ন – সত্যি রে, ছাত্র হিসেবে মুখ কালো হয়ে গেল আমাদের। পরীক্ষায় নকল করতে বাধা দিয়েছেন বলে ছাত্রদের হাতে এই অপমান! শুভদীপ – দ্যাখ, এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, কাগজ খুললেই দেখবি – সায়ন – শিক্ষকদের সাথে ছাত্রদের সম্পর্কটা যেন কীরকম হয়ে গিয়েছে। শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান দেখানো-বিষয়গুলো ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। শুভদীপ – বাবার কাছে শুনছিলাম, ওনাদের সময়ে সবাই শিক্ষকদের কীরকম ভয় করতেন, মেনে চলতেন। সায়ন – হ্যাঁ, আমার বাবাও বলতেন যে, বাবা-মায়ের পরেই ওঁদের জীবনে ছিল শিক্ষকের স্থান। শুভদীপ – তবে আমার কী মনে হয় জানিস তো, গোটা সমাজেই কেমন একটা অসহিষ্নুতা, বিশৃঙ্খলা এসে গিয়েছে। ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কেও সেটাই প্রভাব ফেলছে। সায়ন – হয়তো। তবে এই অবস্থা না পালটালে খুবই শিগগিরি গোটা শিক্ষাব্যবস্থাটাই নষ্ট হয়ে যাবে। শুভদীপ – একদম ঠিক বলেছিস। " "ফুটপাথ আর পায়ে চলার পথ নয়-এ বিষয়ে দুই সহযাত্রীর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা। ","প্রদীপবাবু – কী হল দীনেশবাবু, হাতে ব্যান্ডেজ কেন? দীনেশবাবু – আর দাদা, কপালে থাকলে যা হয়! গড়িয়াহাটে অটোর ধাক্কা, হুমড়ি খেয়ে পড়লাম। প্রদীপবাবু – নিশ্চয়ই রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন। দীনেশবাবু – হাঁটছিলাম না, দাদা হাঁটতে বাধ্য হয়েছিলাম। গড়িয়াহাটে ফুটপাথ বলে কিছু আছে? সবই তো হকারদের দখলে। প্রদীপবাবু – ঠিক ঠিক। এ এক সমস্যা। গড়িয়াহাট কেন যাদবপুর, শিয়ালদহ, হাতিবাগান-এ গোটা কলকাতার সমস্যা। দীনেশবাবু – প্রশাসনও এ ব্যাপারে চূড়ান্ত নির্বিকার। অথচ আমরা পড়ি আছাড় খেয়ে। প্রদীপবাবু – একেবারেই করছে না তা ঠিক না, কয়েক বছর আগে আপনার মনে আছে কিনা জানি না, কলকাতা পুরসভা গড়িয়াহাটে হকার উচ্ছেদের চেষ্টা করেছিল। তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হয়। দীনেশবাবু – হ্যাঁ, হ্যাঁ, মনে আছে। কিন্তু লাভজনক হবে না বলে অনেকেই নতুন জায়গায় যায়নি। কিছুদিন পরেই আবার ফিরে আসে। প্রদীপবাবু – প্রশাসনও বেশি কিছু বলে না, অনেক লোকের রুটি রুজির ব্যাপার তো! দীনেশবাবু – এই হল আমাদের সমস্যা। জনগণের স্বার্থে যে ঠিক কোনটা-হকারের না পথচারীর-কে ঠিক করবে? প্রদীপবাবু – হাঃ হাঃ! চলুন না রেগে ফুটপাথের এক কাপ চা হয়ে যাক। " "নিরাপত্তা প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ","বৃষ্টি – কাল স্কুলের সামনে অ্যাকসিডেন্টটা দেখলি। প্রতাপ – ইশ! কী ভয়ানক! বাচ্চাটাকে একেবারে পিষে দিয়ে গেল! বৃষ্টি – বেপরোয়া গাড়ি চালানো যে আরও কত প্রাণ কেড়ে নেবে। প্রতাপ – আমি সেদিন কাগজে দেখছিলাম। বছরে প্রায় দেড় লক্ষের কাছাকাছি লোক ভারতে পথ দুর্ঘটনায় মারা যায়। বৃষ্টি – কত পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ, কত প্রচার হল-কিছুতেই তো কিছু হয় না। প্রতাপ – মানুষের সচেতনতাটা খুব দরকার। নিয়ম মেনে রাস্তা পারাপার, গাড়ি বেপরোয়াভাবে না চালানো, সিগন্যাল মেনে চলা-এসব খুব দরকার। বৃষ্টি – অনেক ড্রাইভারই অ্যালকোহলিক থাকে। তাছাড়া খেয়াল কর আমাদের দেশে গাড়ি কেনার সময় সবাই তেল সাশ্রয়ী গাড়ির দিকে ঝোঁকে, কম দামের এইসব গাড়িতে সেফটি ফিচার্স কিন্তু অনেক কম থাকে। ছোটোখাটো দুর্ঘটনাও বড়ো হয়ে দেখা দেয়। প্রতাপ – সবসময় গাড়ি বা ড্রাইভার নয়, রাস্তাঘাটও দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফুটপাথ ক্রমশ দখল হয়ে যাওয়াটাও দুর্ঘটনার একটা কারণ। বৃষ্টি – সকলে মিলে সচেতন হলেই একমাত্র এই বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। " "চলভাষের ভালোমন্দ নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সুযশ – কী রে আবির, নতুন ফোন পেলি নাকি? আবির – নারে ভাই, আজ গানের ক্লাস থেকে ফিরতে দেরি হবে বলে মা নিজের ফোনটা আমাকে দিয়েছে। সুযশ – তাই বল। তুই তো এতদিন মোবাইল-বিরোধী ছিলিস। আবির – না, মোবাইল-বিরোধী ঠিক না, মোবাইলে অতিরিক্ত নির্ভরতার বিরোধী আমি। সুযশ – কিন্তু দ্যাখ, এই যে কাকিমা তোর হাতে মোবাইল দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকছেন যে তোর খবরাখবর ঠিকঠাক পাবেন। এ তো মোবাইলের জন্য। তারপর ধর ভিডিয়ো গেমস, গান শোনা, সিনেমা-বিনোদনের কত ব্যবস্থা। আবির – ওটাই তো সর্বনাশ করল রে! অ্যাডিকশন তৈরি করে দিচ্ছে। পড়াশোনা ফেলে বন্ধুগুলো মোবাইল ঘেঁটে যাচ্ছে দিনরাত-দেখছিস তো চারপাশে। সুযশ – ভালো দিকটাও দ্যাখ। যেখানে খুশি নেট দুনিয়ায় চল-সব তথ্য যখন তখন হাতের মুঠোয়। এমনকি আস্ত একটা ডিকসশনারিও রাখা যায় ফোনে। কত সময় বাঁচে বল তো। আবির – আমি তো ভালোটাকে অস্বীকার করছি না, কিন্তু মোবাইলের নেশায় কত দুর্ঘটনা, কত মৃত্যু ঘটছে। তা ছাড়া আমার তো মনে হয় ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা তৈরি করে মোবাইল। আমার কথা বলা অন্যের অসুবিধা করছে কি না অনেক সময়েই খেয়াল থাকে না। সুযশ – আসলে কে কীভাবে মোবাইল ব্যবহার করবে, সেটাই আসল। ওখানেই যত সমস্যা। আবির – আমিও তাই মনে করি। " "বৃক্ষরোপণের উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","কৌশিক – দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনের এত বড়ো বকুল গাছটা কেটে ফেলা হল! শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। অভীক – আর বলিস না! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন্ ছোট্টবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। কৌশিক – সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন-সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ। সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই অনলাইনে কিনুন অভীক – কেউ একবার অন্তত এটাও তো ভেবে দেখুক যে, এতে ক্ষতি শেষপর্যন্ত নিজেদেরই হয় বা হচ্ছে। এই ভয়ানক লোভে মানুষ নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে! পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জলস্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য-গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সবমিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। কৌশিক – শুধু তা-ই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় অরণ্যের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। ভারত-সহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। অভীক – আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’-এই বাক্যটিকে নিছক স্লোগান নয়, জীবনযাপনের এক অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। নইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে কোনোক্রমেই মুক্তি পাওয়া যাবে না। " "নারীস্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সুমিতা – আজ নাকি বিশ্ব নারী দিবস? দীপা – মনে হয়, তাই-ই। সেইজন্য আমাদের পাড়ার ক্লাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে। সুমিতা – কী হয় বল তো নারী দিবস পালন করে? নারীরা তো গৃহকোণে বন্দি। কবে তারা সংসারের জেলখানা থেকে মুক্তি পাবে? দীপা – মুক্তির পথ হল লেখাপড়া শেখা। আজও মেয়েদের চলাফেরার রাস্তা মসৃণ নয়। অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ-সব জায়গায় তারা পুরুষের অধীন। সুমিতা – কিন্তু নারীকে স্বাধীনতা না-দিলে তো সমাজ কখনও এগোবে না। কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন – এই বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, / অর্ধেক তার সৃজিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। দীপা – সে-কথা আর কে মানে বল! স্বামী বিবেকানন্দও তো বলেছেন – ভারতের দুর্দশার অন্যতম কারণ হল নারীজাতির প্রতি অবহেলা। সুমিতা – তবে আমার মতে, নারীকেই বেরিয়ে আসতে হবে পুরুষের কারাগার থেকে। শিক্ষা ও সাহসে পুরুষের সমকক্ষ হতে হবে। অংশগ্রহণ করতে হবে বিভিন্ন সামাজিক কাজে। দীপা – তবে বর্তমানে দেশের প্রশাসনে নারীদের অংশগ্রহণ আবশ্যিক হয়েছে। বিশেষ সংরক্ষণব্যবস্থা নারীকে অনেক সুযোগ করে দিয়েছে। সুমিতা – তবুও নারী দুর্বল। একজন পুরুষ ট্রেনে-বাসে নির্ভয়ে একা একা যাতায়াত করতে পারে। কিন্তু নারীর পক্ষে তা সম্ভব নয়। খবরের কাগজ খুললেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। দীপা – আমার মনে হয়, পাড়ায় পাড়ায় নারীবাহিনী গড়ে তুলে এসবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পণপ্রথা যে আজও বেঁচে আছে, তার কারণ নারীর দুর্বলতা। নারী বিদ্রোহিনী হয়ে উঠলে এই প্রথারও অবলুপ্তি ঘটবে। সুমিতা – তাহলে চল, আমরা স্কুলজীবন থেকেই শপথ নিই, দেশ ও দশের কাজে পুরুষের মতো আমরাও অংশগ্রহণ করব। পুরুষতন্ত্র বলে কিছু মানব না। আমাদের একটাই ‘তন্ত্র’ হবে-সেটি হল ‘মানবতন্ত্র’। দীপা – চল, তাহলে আজ থেকেই এই ভাবনা নিয়ে জীবনযাত্রা শুরু করি। " "কুসংস্কার প্রতিরোধে বিজ্ঞান মনস্কাতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","বৃষ্টি – কিরে মেঘা, হাসপাতালের সামনে আজ খুব ভিড় দেখলাম। মেঘা – আরে একজন লোককে সাপে কামড়ে ছিল-লোকটি মারা গিয়েছে বলে হাসপাতালে ভাঙচুড় হল। বৃষ্টি – কেন চিকিৎসা কি ঠিকঠাক হয়নি! মেঘা – আরে চিকিৎসা হবে কি! শুনলাম তো লোকটাকে যখন আনা হয়েছে তখনই তার মরোমরো অবস্থা। ওঝার কাছে একদিন ফেলে রেখেছিল। বৃষ্টি – তাহলে আর রুগি বাঁচবে কী করে। মেঘা – আমাদের দেশের এই হল মুশকিল। মানুষ এখনও সচেতন হল না। কুসংস্কার একেবারে মনে বাসা বেঁধে আছে। বৃষ্টি – সর্বত্র। নাহলে চ্যানেলে চ্যানেলে জ্যোতিষীর ছয়লাপ হয়। মেঘা – কত সর্বস্বান্ত হওয়া, কত মৃত্যু আরও যে অপেক্ষা করে আছে! মানুষ আর কবে বুঝবে! " করোনাভাইরাস সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা, তোমাকে খুবই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত দেখাচ্ছে। কিন্তু কেন? মীনা : আমি খুবই চিন্তিত, কারণ আমার এক আত্মীয় স¤প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং সে এখনো সুস্থ হয়ে ওঠেনি। রাজু : এটা সত্যিকার অর্থেই খারাপ লাগার মত একটি সংবাদ। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে করোনাভাইরাস যেভাবে খারাপ প্রভাব ফেলেছে, তা অস্বীকার করার মত নয়। মীনা : হ্যাঁ, তুমি ঠিক বলেছো। আমাদের চারিপাশে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। আর এই মৃত্যু মিছিল যেন থামছেই না। রাজু : হ্যাঁ, করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের প্রত্যাহিক জীবন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা বাইরে বের হতে পারছি না। এমনকি বিদ্যালয়েও যেতে পারছি না। আমাদের প্রায় সারাদিনই বাসায় বদ্ধ থাকতে হয়। মীনা : শুধু তাই নয়, চারিদিকে এই রোগের প্রচুর বিস্তারের ফলে মানুষ প্রায় কর্মহীন হয়ে পরেছে। অনেকেই চাকরী হারিয়েছে এবং না খেতে পেয়ে কষ্ট করছে। রাজু : সত্যিই তাই। এই মহামারী ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় কি তোমার জানা আছে? মীনা : আপাতদৃষ্টিতে করোনাভাইরাস স্থায়ীভাবে দূর করার কোন চিকিৎসা এখনো আবিস্কৃত হয়নি। তবে কিছু সুরক্ষা নিয়ম মেনে এই রোগের বিস্তার কিছুটা কমানো সম্ভব। রাজু : কি সেই নিয়মগুলো। দয়া করে বলবে কি? মীনা : অবশ্যই। আমাদের সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। অবশ্যই বাইরে বের হলে মাস্ক পড়তে হবে। রাজু : তুমি ঠিক বলেছো। সুরক্ষার জন্য আমাদের এই স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানা উচিত। এর বাইরে কি আর কোন নিয়ম আছে যা আমাদের অনুসরণ করা উচিত? মীনা : হ্যাঁ, আমাদের অবশ্যই আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি যাওয়া উচিত নয়। আমাদের জনবহুল জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে এবং একজনের থেকে আরেকজনের অন্তত ৩ ফুট সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। রাজু : আমি অবশ্যই তোমার দেয়া নির্দেশনাগুলো মেনে চলার চেষ্টা করবো এবং আমার পরিচিত সকলকে এ সম্পর্কে সচেতন করবো। তোমার আত্মীয়র জন্য শুভকামনা। আশা করা তিনি খুব শীঘ্রই সুস্থ্য হয়ে উঠবেন। আজ তাহলে বিদায় নিচ্ছি। মীনা : বিদায়। ভালো থেকো এবং নিজের খেয়াল রেখো। " ধুমপানের ক্ষতিকরণ দিক নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা, তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে? মীনা : যথারীতি। তোমার পরীক্ষা কবে শুরু হবে? রাজু : আমাদের পরীক্ষা দরজায় কড়া নাড়ছে (আসন্ন/খুব কাছেই)। কিন্তু পড়াশোনায় মন দিতে পারছি না। যাই হোক, গতকাল পত্রিকায় ধূমপানের বিপদ নিয়ে একটি ফিচার পড়েছিলাম। তুমি কি এটা নিয়ে সচেতন? পড়া মীনা : অবশ্যই, আমিও ধূমপানের বিরুদ্ধে ভাবছি। ধূমপানের ফলে অনেক রোগ হয়। তুমি এটি সম্পর্কে কি মনে কর? রাজু : আমি মনে করি ধূমপান এক ধরনের নেশা। তাছাড়া অন্য সব মারাত্মক আসক্তি শুরু হয় ধূমপানের মাধ্যমে। মীনা : তোমার যুক্তি ঠিক। ধূমপান আমাদের জীবনকে ছোট করে ছাড়া কিছুই দেয় না। ধূমপানে অন্য কোন অপব্যবহার আছে বলে তুমি মনে করেন? রাজু : ধূমপানে অনেক খরচ হয়। এছাড়া ধূমপায়ীর নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তোমার কি তাই মনে হয় না? মীনা : অবশ্যই। যখন কেউ তার সামনে ধূমপান করে তখন এটি অধূমপায়ীদের জন্য খুব বিরক্তিকর। ধূমপানের ধোঁয়া শিশুদের চোখে আঘাত করে। আমি কি ভুল? রাজু : অবশ্যই না। প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে। মীনা : হ্যাঁ, এ ব্যাপারে প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে। রাজু : তোমার মূল্যবান যুক্তির জন্য ধন্যবাদ। মীনা : ধন্যবাদ। " একটি উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা! তুমি কেমন আছো? মীনা : আমি ভালো আছি আর তোমার কি খবর? রাজু : আমিও বেশ ভালো আছি। তুমি কি গতকাল বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ক্রিকেট ম্যাচটি উপভোগ করেছ? মীনা : অবশ্যই! এই প্রথম নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আমি খুব খুশি যে আমি স্টেডিয়ামে ম্যাচ উপভোগ করেছি। রাজু : ম্যাচটি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? মীনা : ওহ, হ্যাঁ! দুই দলের পারফরম্যান্স দেখে আমি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছিলাম, বিশেষ করে বাংলাদেশ দলের। রাজু : হ্যাঁ, এটি একটি দুর্দান্ত বিস্ময় ছিল যে বাংলাদেশ প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন- নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। মীনা : ঠিক! তুমি জান যে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরিচিত দল এবং এটা খুবই মজার যে তারা আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছে। রাজু : হ্যাঁ। তবে এটা সত্যি যে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ফিল্ডিং ছিল চমৎকার। তারা শীর্ষস্থানীয় দলের মতো মাঠে নেমেছিল। মীনা : অবশ্যই! এবং এটি নিউজিল্যান্ড দল উচ্চ স্কোর পেতে ব্যর্থ হযতে আরেকটি কারণ ছিল। রাজু : শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ টার্গেট ছিল। কিন্তু আমাদের দল এতটাই অপ্রত্যাশিত ছিল যে তারা সেটা অর্জন করতে না পারলে তুমি অবাক না হয়ে পারতেন না। মীনা : অবশ্যই। তবে বোলারদের পাশাপাশি আমাদের ব্যাটসম্যানরাও পারফর্ম করেছে। রাজু : ঠিক বলেছ। আমি মনে করি পরের ম্যাচে বাংলাদেশ আরও উজ্জ্বল হবে এবং দেশের জন্য সুনাম ও সুনাম বয়ে আনবে। মীনা : অবশ্যই! আমাদের আশা অযৌক্তিক নয়। রাজু : হ্যাঁ, সত্যিই! তোমাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আমাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে দাও। মীনা : তোমাবে স্বাগতম। বিদায়, আবার দেখা হবে। " এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ।,"সোহেল : কেমন আছ? আরমান : ভালো বন্ধু। তুমি কেমন আছ? সোহেল : ভালো আছি। তবে পরীক্ষা নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। আরমান : তুমি তোমার রসায়ন বিষয়টি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে পারনি? সোহেল : রসায়নে আমি সব পড়ে ফেলেছি। বুঝেও পড়েছি কিন্তু তবুও মনে হচ্ছে সবই ভুলে যাচ্ছি। আরমান : চিন্তা করো না বন্ধু, পরীক্ষার আগে এমনই হয়। আমারও মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি। দেখবে পরীক্ষায় ঠিকই সব লিখতে পারবে। শ্রেণি পরীক্ষার সময়ও এমনই হয়েছিল, না? সোহেল : হ্যা, কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষাটি মনে একটি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তোমার রসায়নে প্রস্তুতি কেমন? আরমান : ভালো। আমি ভয় পাচ্ছি বাংলা প্রথম পত্র নিয়ে। সৃজনশীল বিষয়ে কেমন উদ্দীপক হয়, তাই নিয়ে। সোহেল : উদ্দীপক যেমনই হোক, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল বইয়ের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পড়া। এমন উদ্দীপকই দেবে, যেটা পাঠ্যবইয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অথবা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অথবা পাঠ্যবিষয়ের খÐাংশের চিত্র। এই সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও খÐাংশকে তুমি তখনই যথার্থভাবে চিত্রিত করতে পারবে, যখন তুমি মূল বই ভালোভাবে পড়বে। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু, আর চিন্তা করব না। আমি এভাবেই পড়ব। সোহেল : আমিও রসায়ন নিয়ে আর ভাববাে না। শুধু পড়ব আর লিখব। তাহলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরমান : পড়ার মাঝখানে বিশ্রাম নেবে। এতে পড়াটা ভালোভাবে মনে থাকবে। সোহেল : ধন্যবাদ বন্ধু। আরমান : তোমাকেও ধন্যবাদ। " "নারী স্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","অঙ্কিতা : মাধ্যমিক পাশ করার পর তুই তো উচ্চমাধ্যমিক পড়বি ? আমার ভাই এই মাধ্যমিকেই পড়াশুনো থমকে যাবে। নন্দিতা : দুঃখ করার কিছু নেই। আমারও তো এখন সেই একই অবস্থা। মা-বাবা এখন থেকেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন। অঙ্কিতা : স্বাধীনতা শব্দের অর্থ শুধুমাত্র আকারেই বেড়েছে। নারীর ক্ষেত্রে তা বেশির ভাগ সময় সে সবের কোনো অর্থই নেই। নন্দিতা : বলতো! এই পড়াশুনা নিয়ে কতটা এগুতে পারি আমরা। অঙ্কিতা : আমাদের বাবা-মাদের বোঝাতেই হবে। আর তাদের মাথা থেকে সরাতে হবে তাড়াতাড়ি মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা। নন্দিতা : মনে নেই আবার, সে সব কথা মনের মধ্যে গেঁথে আছে। সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার হদিস তো ওখানেই পেয়েছিলাম। অঙ্কিতা : আর্থিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী স্বাধীনতার কোনো অর্থই হয় না। অতএব এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, যেমন করেই হোক পড়াশুনোটা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে। " বৃক্ষরোপণ-উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"প্রিয়ম : দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনে এত বড়ো একটা বকুল গাছ কেটে ফেলা হল। শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। সায়ন : আর বলিস না ! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। প্রিয়ম : সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ। সায়ন : কেউ একবার অন্তত এটাও ভেবে দেখবে যে, এতে ক্ষতি আখেরে নিজেদেরই। এই ভয়ানক লোভে তো মানুষের নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জল স্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য- গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও নির্বিরোধে প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সব মিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। প্রিয়ম : শুধু তাই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। বাংলাাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। সায়ন : আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ এই বাক্যটিকে নিছক ¯েøাগান নয়, জীবনযাপনের অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। না ইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। " মাধ্যমিকের পর কী বিষয় নিয়ে পড়বে এ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বিভাস : কী রে পরেশ, এইতো মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলি, বই-খাতা নিয়ে কোথায় চললি? পরেশ : টিউশনে যাচ্ছি। অঙ্কটা পড়তে শুরু করলাম। বিভাস : ও, তার মানে তুই সাইন্স নিয়ে পড়বি ? পরেশ : হ্যাঁ, আমি যেহেতু ডাক্তার হতে চাই তাই সায়েন্স নিয়েই পড়তে হবে। তুই কী নিয়ে পড়তে চাস? বিভাস : আমি আর্টস নিয়ে পড়বো। তুই তো জানিস আমার ইতিহাস পড়তে খুব ভালো লাগে। পরেশ : তাছাড়া তুই তো শিক্ষকতা করতে চাস? স্কুল টিচার না কলেজের অধ্যাপক কী হতে চাস? বিভাস : ইতিহাস অনার্স এবং মাস্টার ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে। তারপর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেব। যেকোনো একটা পেলেই হবে। পরেশ : ঠিক আছে ,এই নিয়ে পরে কথা হবে এখন পড়ে আসি। বিভাস : হ্যাঁ, আয়।পরে কথা হবে। " বইমেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বাপ্পা : কী খবর রাহুল , কেমন আছিস? রাহুল : এই তো ভালো, তোর খবর কী? কাল নাকি বইমেলায় গিয়েছিলি? বাপ্পা : হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমি তো সারা বছরই এই মেলার অপেক্ষায় থাকি। রাহুল : হস্তশিল্প মেলায় যেতে বললাম গেলি না। এখন একা একাই বইমেলায় চলে গেলি। বাপ্পা : তুই তো জানিস, আমি শৈশব থেকেই বইপাগল, বইয়ে ডুব দিয়ে আমি পার করতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রাহুল : বর্তমানে দেশের এরূপ অসহিষ্ণু ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের যৌক্তিকতা কতটুকু? বাপ্পা : আসলে আমাদের এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণে একমাত্র সহায়ক হতে পারে বই। কারণ বই মানুষকে সুপথে চালিত করে, মানুষের চিন্তার প্রসার ঘটায়। রাহুল : বইমেলায় বই বিক্রি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কী? বাপ্পা : মেলায় বই বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, ক্যুইজ,বক্তৃতা, নতুন বই প্রকাশ প্রভৃতি। রাহুল : মেলা থেকে কী কী বই কিনলি? বাপ্পা : জয় গোস্বামী, হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকটি বই কিনেছি। রাহুল : এরপর গেলে আমাকেও নিয়ে যাস। বাপ্পা : নিশ্চয়ই যাবি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে বইমেলায় গেলে অনেক মজা হবে। " শিক্ষাঙ্গনে অসন্তোষ ও অস্থিরতা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এ সম্পর্কে দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"সাইদ : পরীক্ষাতো আর বেশিদিন বাকী নেই। প্রস্তুতি কেমন বন্ধু? মোস্তাক : আর বলিস না। প্রস্তুতি নেব কিভাবে। ঠিকমতো ক্লাস হলো না। সিলেবাস শেষ হলো না। এখন কী পরীক্ষা দেবো বুঝতে পারছি না। সাইদ : আমারো একই অবস্থা। এ বছর কলেজে তেমন ক্লাসই হলো না। ক্যাম্পাস খুললেই মারপিট আর দাঙ্গা হাঙ্গামা। এরপর কলেজ বন্ধ। এভাবে কী লেখাপড়া হয়। মোস্তাক : সবচেয়ে দুঃখজনক হলো আমরা শিক্ষাঙ্গনে যে মূল্যবোধ ও আদর্শ শিখতে এসেছি তা থেকে বঞ্চিত হয়েছি। শিক্ষক ও ছাত্রের যে সম্পর্ক থাকার কথা ছিল সেটাও পাইনি। সাইদ : হ্যাঁ, তুমি সত্য কথাই বলেছ। এইতো সেদিন কলেজে এক সিনিয়র ভাই একজন শিক্ষককে ক্ষমতার দাপটে একটি কক্ষে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখেছিল। এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কী হতে পারে। মোস্তাক : কেন তুমি কী ভুলে গেছ সাঈদ, গত বছর দুই দল ছাত্রের মধ্যে তুমুল মারামারি হয়েছিল। শিক্ষকরা মিমাংসা করতে গেলে দুই জন শিক্ষকের মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়। এরপর প্রায় একমাস কলেজ বন্ধ থাকে। সাইদ : এভাবে অস্থিরতা ও অসন্তোষ চলতে থাকলে শিক্ষাঙ্গন থেকে সুনাগরিক বের হওয়ার পরিবর্তে দুর্নীতিপরায়ণ নাগরিক বের হবে। মোস্তাক : আমারো তাই মনে হচ্ছে। এসব বন্ধে সবার আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সাইদ : কিছু অসাধু ব্যক্তি ছাত্রদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। মোস্তাক : শুধু কি তাই? নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে ছাত্ররা খুনোখুনিতে জড়াচ্ছে। সাইদ : আমার মনে হয় পরিবার থেকেই ছাত্রদের মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। মোস্তাক : আমারও তাই ধারণা, পরিবার থেকেই তার সূচনা করতে হবে। ১০. ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের সংলাপ " ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের সংলাপ,"ছাত্র : জনসংখ্যা সমস্যা কী স্যার? শিক্ষক : তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা করেছ। জনসংখ্যা বদ্ধির ফলে আমাদের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব প্রতিটি মানুষের উপর পড়ে। ছাত্র : সেটা কীভাবে স্যার? শিক্ষক : এই মনে করো, আমাদের দেশের আয়তন যা আছে তা কিন্তু বাড়ছে না। কিন্তু জনসংখ্যা কিন্তু বেড়েই যাচ্ছে। তাহলে এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন বাসস্থানের বা বাড়ি-ঘরের। আর বাড়িঘর তৈরির ফলে-ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন কমছে। খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ছাত্র : স্যার, সত্যিইতো। এভাবেতো কখনো ভাবিনি। এটা তো বিরাট বড় সমস্যা। শিক্ষক : শুধু এখানেই শেষ নয়। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে বেকারত্ব দেখা দিচ্ছে। নাগরিক জীবনের সুযোগ-সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। ছাত্র : এর কী কোনো সমাধান নেই স্যার? শিক্ষক : হ্যা অবশ্যই আছে, এ জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের দেশের জন্যেই কল্যাণ হতে পারে। ছাত্র : কীভাবে কাজে লাগানো যায় স্যার? শিক্ষক : বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে খুব দ্রæত এ দেশ উন্নত হবে। বিশেষ করে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণ ও জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পারলে প্রচুর বৈদিশিক মুদ্রা আয় সম্ভব। শিল্প কারখানা স্থাপন করে তাতে এই জনবলকে কাজে লাগাতে হবে। " "স্কুলে অনুপস্থিতির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। আমি গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অসুস্থতার কারণে স্কুলে অনুপস্থিত ছিলাম। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন ছিল। তাই আমার অনুপস্থিতি ক্ষমা করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। অতএব, আমার অনুপস্থিতি যেন ক্ষমা করা হয়, সে বিষয়ে আপনার সদয় অনুমোদনের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই। " "জরিমানা মওকুফের জন্য দরখাস্ত নমুনা ","বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: জরিমানা মওকুফের আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির একজন ছাত্র। পারিবারিক সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে আমার বেতন জমা দিতে পারিনি। এর ফলে আমার উপর জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত এবং আমার পরিবার বর্তমানে আর্থিক সমস্যায় আছে। অতএব, জরিমানা মওকুফ করে আমাকে সহযোগিতা করার জন্য আপনার প্রতি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই। " "উপবৃত্তির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। পড়াশোনার খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর। অতএব, আমি যাতে আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি, সেই জন্য উপবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই। " "অধ্যক্ষ বরাবর দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","বরাবর, অধ্যক্ষ, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: [বিশেষ কারণ উল্লেখ করে দরখাস্ত] মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। [কারণ উল্লেখ করুন]। অতএব, আমি আপনার সদয় অনুমোদন কামনা করছি, যেন [বিশেষ কারণ] এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ " "ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত ","বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। ব্যক্তিগত কারণে আমাকে স্কুল পরিবর্তন করতে হচ্ছে। অতএব, আমার ছাড়পত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই " "উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দরখাস্ত ","বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [ঠিকানা]। বিষয়: [বিশেষ কারণ উল্লেখ করে দরখাস্ত] মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [নাম], [ঠিকানা] এর একজন বাসিন্দা। [বিশেষ কারণ] এর জন্য আপনার কাছে এই আবেদন জানাচ্ছি। অতএব, আমার আবেদনটি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। বিনীত, নিবেদক, [আপনার নাম][ঠিকানা] " "চাকরির জন্য দরখাস্ত ","বরাবর, ব্যবস্থাপক, [কোম্পানির নাম], [ঠিকানা]। বিষয়: চাকরির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে [পদের নাম] পদে চাকরির জন্য আবেদন করছি। আমি [শিক্ষাগত যোগ্যতা] এবং [কর্মদক্ষতা] সহ প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। অতএব, আমার আবেদনটি বিবেচনা করে আমাকে উপযুক্ত পদে নিয়োগ দেওয়ার অনুরোধ করছি। বিনীত, নিবেদক, [আপনার নাম][ঠিকানা][মোবাইল নম্বর] " "অনুপস্থিতির কারণে ছুটির আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। স্যার, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র।  ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে আমি গত ১১/১০/২০২৪ থেকে ১৬/১০/২০২৪ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি।  অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র ‘ক’ (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২ " "অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। মহোদয়, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ২১/১০/২০২৪ থেকে ২৩/১০/২০২৪ তারিখ পর্যন্ত আমার বড় বোনের বিবাহ উপলক্ষে অগ্রিম ছুটির প্রয়োজন। উক্ত অনুষ্ঠানে আমাকে বড়দের কাজে সাহায্য করতে হবে তাই আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারব না। অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আপনাকে উল্লেখিত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র ‘ক’ (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২ " "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ‘ক’ উচ্চ বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা। বিষয়ঃ স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মনাপূর্বক নিবেদন এই যে, তথ্যসূত্রে গত ১৬/১০/২০২৪ তারিখ জানতে পারলাম যে, আপনার স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে সহকারী পদে লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, কভার লেটারসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ডকুমেন্টস দরখাস্তের সাথে সংযুক্ত করছি।  অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ দানে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক ‘খ’ ( আপনার নাম ) সংযুক্তিঃ ১। শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি। ২। জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি। ৩। পাসপোর্ট সাইজের  ২ কপি ছবি সত্যায়িত করা। ৪। চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রাপ্ত চারিত্রিক সনদপত্র। ৫। প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। ৬। আবেদন ফি পরিশোধের এর ব্যাংক ড্রাফট " "মসজিদে অনুদানের জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি  বিষয়ঃ মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আপনি জেনে খুশি হবেন  আমরা মাদ্রাসার নতুন ভবনের দেয়াল, পিলার ও ফ্লোরের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। এখন মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাই দেয়ার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। আপনাদের সহযোগিতায় এই মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই আর্থিক সহায়তা করলে আমরা মাদ্রসার বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম হতাম। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন, মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদান প্রদান করে মাদ্রাসা নির্মানের কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ দান করলে আপনাদের নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক মাদানি কমিটির পক্ষে ‘ক’ (নাম) " "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ‘ক’ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন এবং পরিবারে আমার বাবা একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের ভরণপোষণের খরচ চালানোর পাশাপাশি আমাদের পড়াশোনার খরচ চালাতে তাকে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। যার কারণে আমি গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি।  অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উপরে বর্ণিত বিষয় বিবেচনা করে আমাকে জরিমানা মওকুফ করে শুধুমাত্র বেতন পরিশোধের অনুমতি দানে বাধিত করবেন।  বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র ‘ক’ (নাম) রোলঃ ৯ শাখা-ক উপরে আপনাদের সুবিধার্থে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ আবেদন পত্র লেখার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করি এরপর থেকে আবেদন পত্র লেখা নিয়ে কোন বিভ্রান্তিতে পড়তে হবে না। " "স্কুলে অগ্রিম ছুটির দরখাস্ত লেখার নিয়ম  ","তারিখ: ০৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, প্রধান শিক্ষক টেন মিনিট স্কুল (…আপনার স্কুলের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অগ্রিম ছুটির জন্য  আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মাহির মাহফুজ (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আগামী ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং রোজ শুক্রবার আমার বড় ভাইয়ের বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ১৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং থেকে ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং পর্যন্ত মোট ৪ দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারবো না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার বিনীত নিবেদন এই যে, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে ৪ দিনের অগ্রিম ছুটি প্রদানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থী মাহির মাহফুজ (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১০ম (বিজ্ঞান শাখা) রোল: ০৮ " "অফিসে ছুটির দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, প্রধান কর্মকর্তা, মানব সম্পদ বিভাগ (…যার অধিনস্থ আছেন, তার পদবি) টেন মিনিট স্কুল (…প্রতিষ্ঠানের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, সম্মানের সাথে জানাই যে, আমি আপনার অধীনস্থ একজন হিসাবরক্ষক (…আপনার পদবি)। আমি গত ২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং থেকে ২৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং পর্যন্ত পারিবারিক সমস্যার কারণে অফিসে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৫ দিনের ছুটি দিয়ে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক মাহমুদুর আহমেদ (…আপনার নাম লিখুন) হিসাবরক্ষক (…আপনার পদবির নাম লিখুন) টেন মিনিট স্কুল (…প্রতিষ্ঠানের নাম লিখুন) (…আপনার স্বাক্ষর) " "স্কুলে অনুপস্থিতির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম  ","তারিখ: ০৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, প্রধান শিক্ষক টেন মিনিট স্কুল (…আপনার স্কুলের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি কাসিরাহ সুলতানা (…শিক্ষার্থীর নাম), আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমি গত ০২ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং থেকে ০৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং পর্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। (…স্কুলে অনুপস্থিতির কারণ লিখবেন) অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৩ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক কাসিরাহ সুলতানা (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১০ম (বিজ্ঞান শাখা) রোল: ০৫ " "জরিমানা মওকুফের জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, অধ্যক্ষ টেন মিনিট স্কুল ও কলেজ (…আপনার স্কুল/কলেজের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আনিকা রহমান (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণির ব্যবসা শিক্ষা শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমি কলেজের বেতন ও অন্যান্য সকল খরচ যথাসময়ে পরিশোধ করে আসছি। কিন্তু, আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অর্থাৎ আমার বাবা গত ২ মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই বাবার অসুস্থতা ও পারিবারিক আর্থিক অনটনের কারনে নির্ধারিত সময়ে কলেজের সকল ফি ও বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। উল্লেখ্য যে, আমার বাবা আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি এবং বাবার আয়ের উপর আমাদের পরিবারের সকল ভরণপোষণের ব্যয় বহন করা হয়। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার নিকট আকুল আবেদন, আমার আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জরিমানা ছাড়া বেতন প্রদানের অনুমতি দিয়ে বাধিত করবেন। নিবেদক আনিকা রহমান (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১১শ (ব্যবসা শিক্ষা শাখা) রোল: ০৪ " "উপবৃত্তির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","বরাবর, অধ্যক্ষ টেন মিনিট স্কুল ও কলেজ (…আপনার স্কুল/কলেজের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি শতাব্দী রায় (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্রী। আমার বাবা একজন গরিব কৃষক এবং তিনিই আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত কয়েক মাস যাবৎ তিনি শারিরীকভাবে অসুস্থ। এমতাবস্থায় আমার বাবার পক্ষে পরিবারের খরচ বহনের পর, আমাদের ৩ ভাই-বোনের পড়ালেখার খরচ বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উপবৃত্তি প্রদান করে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দান করে বাধিত করবেন। নিবেদক শতাব্দী রায় (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ৮ম রোল: ০৩ " "অধ্যক্ষ বরাবর দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ১২ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, অধ্যক্ষ টেন মিনিট স্কুল ও কলেজ (…আপনার কলেজের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটি চেয়ে আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি রেদওয়ান আহমেদ (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমি গত ০৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং তারিখ হতে ০৯ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং এই তারিখ পর্যন্ত আমার মায়ের অসুস্থতার কারণে আমি অত্র কলেজে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার বিনীত আবেদন উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে, আমাকে অনুগ্রহপূর্বকউক্ত ৫ দিনের ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। নিবেদক রেদওয়ান আহমেদ (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১১শ (মানবিক শাখা) রোল: ০৯ " "ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, অধ্যক্ষ টেন মিনিট স্কুল ও কলেজ (…আপনার কলেজের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আফিয়া ফারজানা (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমার বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি তার কর্মস্থল মিরপুর, ঢাকা থেকে আগ্রাবাদ, চট্টগ্রামে বদলি হয়েছেন। আমি ও আমার পরিবার আগামী মাসেই স্থায়ীভাবে সেখানে চলে যাবো। পরিবারসহ অন্য শহরে বদলি হওয়ায় আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা সম্ভব হবে না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার বিনীত আবেদন উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে, আমাকে প্রয়োজনীয় ফী ও বকেয়া পরিশোধ পুর্বক ছাড়পত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। নিবেদক আফিয়া ফারজানা (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ৯ম (বিজ্ঞান শাখা) রোল: ০২ " "উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দরখাস্ত লেখার নিয়ম ","তারিখ: ০৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লোহাগাড়া উপজেলা, চট্টগ্রাম (…নিজের উপজেলার নাম) বিষয়: রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি লোহাগাড়া উপজেলার হরিণা গ্রামের (…নিজের গ্রামের নাম) বাসিন্দা। আপনার এলাকায় নিম্নে উল্লিখিত রাস্তাগুলো সাম্প্রতিক বন্যার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই রাস্তাগুলোতে পায়ে হাঁটা লোকজন এবং মালপত্র বহনকারী যানবাহন উভয়ের জন্য অনুপযুক্ত এবং মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। (…আপনি যে বিষয় নিয়ে লিখতে চান, তার বিবরণ লিখতে হবে) ১. নুরপুর স্টেশন রোড, ২. আফতাবনগর, কুমারখালী রোড, ৩. হরিণা, রাণীরপুকুর রোড ইত্যাদি। অতএব, আপনার কাছে নিবেদন এই যে, এই রাস্তাগুলো যথাশীঘ্রই মেরামত করার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। নিবেদক, আমিনুর রহমান (…আবেদনকারীর নাম) লোহাগাড়া উপজেলা, চট্টগ্রাম (…যে বা যারা লিখছেন তাদের ঠিকানা) লোহাগাড়া উপজেলাবাসীর পক্ষে " "ছুটির জন্য আবেদন ","তারিখ: ২৬ নভেম্বর ২০২৪ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, কোলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ। বিষয়: ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর একজন ছাত্র। আগামী ২৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে আমার মা-বাবার বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আমাকে ১ দিনের ছুটি প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের কাছে আমার বিনীত আবেদন এই যে, আমাকে ২৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে ছুটি প্রদান করলে আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত নিবেদক, আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র, [আপনার নাম] শ্রেণি: দশম রোল নম্বর: ৭ " "ফি মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখ: ২৬ নভেম্বর ২০২৪ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, একতা স্কুল, মুম্বাই, মহারাষ্ট্র। বিষয়: ফি মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি একতা স্কুলের একাদশ শ্রেণীর একজন ছাত্র। আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থার কারণে, আমার শিক্ষাবর্ষের ফি পরিশোধে সমস্যা হচ্ছে। অতএব, আমি আবেদন করছি যে, আমার ফি মওকুফের ব্যবস্থা করা হোক। " "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ……………….. উচ্চ বিদ্যালয় সেরা অনলাইন কোর্স কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব যথাবিহীত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, গত ০১/০১/২০২১ খ্রিঃ তারিখে “দৈনিক যুগান্তর” পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, সহকারী শিক্ষক পদে আপনার প্রতিষ্ঠানে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত ও আনুষাঙ্গিক তথ্যাদি মহোদয়ের নিকট উপস্থাপন করছি। ১। নামঃ ২। পিতার নামঃ ৩। মাতার নামঃ ৪। বর্তমান ঠিকানাঃ ৫। স্থায়ী ঠিকানাঃ ৬। জন্ম তারিখঃ ৭। জাতীয়তাঃ ৮। জাতীয় পরিচয় পত্র নংঃ ৯। বৈবাহিক অবস্থাঃ ১০। ধর্মঃ ১১। মোবাইল নাম্বারঃ ১২। রক্তের গ্রুপঃ ১৩। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ পরীক্ষার নামগ্রুপ/বিষয়বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়পাশের সনপ্রাপ্ত গ্রেডএসএসসিবিজ্ঞানসিলেট২০০৬জিপিএ-৫এইচএসসিবিজ্ঞানসিলেট২০০৮জিপিএ-৫বিএসএসরাষ্ট্রবিজ্ঞানজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২০১২প্রথম শ্রেণীএমএসএসরাষ্ট্রবিজ্ঞানজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২০১৩প্রথম শ্রেণী ১০। অভিজ্ঞতাঃ অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনাপূর্বক উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়। বিনীত (জুয়েল আহমদ) মোবাঃ +৮৮ ০১৭১০-০০০০০০ সংযুক্তিঃ ১। পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি ২ কপি। ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। ৩। চারিত্রিক সনদপত্র। ৪। নাগরিকত্ব সনদপত্র। ৫। জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি। ৬। ১০০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট। " "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখ-০২/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর অধ্যক্ষ মহোদয় মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ। বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পিতার পারিবারিক আর্থিক অনটন ও অসুস্থতার কারনে নির্ধারিত সময়ে কলেজের সকল প্রকার ফী ও বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। উল্লেখ্য অবশ্যক যে, আমার পিতা আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি এবং পিতার আয়ের উপর পরিবারের সকল ভোরণপোষণ খরচ বহন করা হয়। অতএব, মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন যে, আমার পিতার অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জরিমানা ছাড়া সকল ফী ও বেতন প্রদানের অনুমতি প্রদানে আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-একাদশ বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-৯০৯ " "ছাড়পত্রের জন্য আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক (ক) উচ্চ বিদ্যালয় সেরা অনলাইন কোর্স কুলাউড়া, মৌলভাবাজার। বিষয়ঃ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পিতা একজন সরকারী চাকরিজীবি। তাঁর বর্তমান কর্মস্থল কুলাউড়া উপজেলা হতে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বদলি হওয়ায় আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা সম্ভব হবে না। সেরা অনলাইন কোর্স অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা যে, আমার উপরোক্ত সমস্যার বিষয়টি বিবেচনা করতঃ সকল বকেয়া বেতন ও ফি পরিশোধ পূর্বক আমাকে ছাড়পত্র প্রদানের জন্য আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী- নবম বিভাগ- বিজ্ঞান রোল নং- ০১ " "অফিসিয়াল ছুটির আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লি. কুলাউড়া শাখা, সিলেট। বিষয়ঃ নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার ছোট বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিনের ছুটি ভোগ করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়টি বিবেচনাক্রমে ০৩ (তিন) দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সবিনয়ে আবেদন পেশ করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) অফিসার পূবালী ব্যাংক ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার। " "অগ্রিম ছুটির আবেদন ","তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক (ক) উচ্চ বিদ্যালয় সেরা অনলাইন কোর্স কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার বড় বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারব না। সেরা অনলাইন কোর্স অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়াদি বিবেচনাপূর্বক আমাকে ০৩ (তিন) দিনের অগ্রিম ছুটি প্রদান করতে আপনার মর্জি হয়। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০১ " "অফিসিয়াল ছুটির আবেদন (অনুপস্থিতির) ","তারিখ-০৬/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লিঃ ………………… শাখা, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এর একজন অফিসার। আমার শারিরীক অসুস্থতার কারনে গত ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৫/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৫ (পাঁচ) দিন অফিসে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে অনুপস্থিতি কালের ৫ (পাঁচ) দিন ছুটি মঞ্জুর করতে আপনার সদয় মর্জি হয়। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (…………………) অফিসার পূবালী ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার। " "জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জিডি লেখার নিয়ম ","তারিখ: (আবেদনের তারিখ লিখুন) বরাবর, অফিসার ইনচার্জ থানার নাম (আপনার থানার নাম লিখুন) উপজেলা, জেলা। (আপনার উপজেলা ও জেলার নাম লিখুন) বিষয়ঃ সাধারণ ডায়েরির জন্য আবেদন। যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার নাম (বয়স), পিতা/স্বামীঃ (পিতা বা স্বামীর নাম লিখুন) গ্রামঃ (গ্রামের নাম লিখুন), ডাকঘরঃ (আপনার ডাকঘরের নাম লিখুন), উপজেলাঃ (আপনার উপজেলার নাম লিখুন) জেলাঃ (জেলার নাম লিখুন)। আমি থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, গত (হারানোর তারিখ লিখুন) তারিখে আমার নিজ বাড়ি বা (যেকোন একটি স্থানের নাম লিখুন) আসার পথে আমার জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ডটি হারিয়ে ফেলি। জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড নম্বর- (আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর লিখুন) সম্ভাব্য অনেক স্থানে খোঁজাখুজি করেও পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, উপরোক্ত বিষয়ে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে আপনার সদয় মর্জি হয়। নিবেদক এখানে আপনার স্বাক্ষর (এখানে আপনার নাম) মোবাইলঃ (এখানে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন) ঠিকানাঃ (এখানে আপনার ঠিকানা লিখুন) " "চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ","ছাত্র জীবন শেষ করতে না করতেই শুরু হয়ে যায় চাকরির তথ্য খোজে আবেদন করা। তখনই প্রয়োজন হয় চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম। চাকরির আবেদন লেখার নিয়ম সম্পর্কে আজকে দরখাস্ত লেখার নিয়ম আর্টিকেলের এ অংশে আমার শিখে নিবো কিভাবে চাকরির আবেদন পত্র লেখতে হয়। চাকরির আবেদন পত্র নমুনা তারিখঃ বরাবর, মানব সম্পদ বিভাগ আনন্দ স্কুল (গণ-শিক্ষা প্রকল্প) সেরা অনলাইন কোর্স হাউজ-৮৭, রোড-১৩/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯। বিষয়ঃ ‘উপজেলা শিক্ষা পরিদর্শক’ পদের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মান পূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২০/০৫/২০২২ তারিখের দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, উপজেলা শিক্ষা পরিদর্শক পদে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের জন্য একজন প্রার্থী হিসাবে আমি আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্নাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত উপস্থাপন করছিঃ ক) প্রার্থীর নাম : খ) মাতার নাম : গ) পিতার নাম : ঘ) বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম- ………….., ডাকঃ ………….., উপজেলা-………….., জেলাঃ ………….. ঙ) স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম- ………….., ডাকঃ ………….., উপজেলা-………….., জেলাঃ ………….. চ) জন্ম তারিখ : ছ) ধর্ম : জ) বৈবাহিক অবস্থা : ঝ) রক্তের গ্রুপ : ঞ) জাতীয়তা : ট) জাতীয় পরিচয় পত্র নং : ঠ) মোবাইল নং : ড) শিক্ষাগত যোগ্যতা : ক্রমিক নংপরীক্ষার নামগ্রুপ/বিষয়পাসের সনবোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় জিপিএ/ সিজিপিএ/ বিভাগ০১এস.এস.সি বিজ্ঞান ২০১২সিলেট ৪.৪৪০২ এইচ.এস.সি ব্যবসায় শিক্ষা ২০১৪ সিলেট৪.২০০৩অনার্স (বিবিএ) ব্যবস্থাপনা ২০১৮জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২.৯৪ অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা পূর্বক উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়। নিবেদক (আপনার নাম লিখুন) সংযুক্তি ১। পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি -০১ কপি। ২। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের অনুলিপি। ৩। জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি। " "চাকরির দরখাস্ত লেখার নিয়ম | চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম  ","তারিখ: ১৫/১১/২০১৯ ইং বরাবর, পরিচালক, এন.এস. আমিন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল উলিপুর, কুড়িগ্রাম। বিষয়: সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, গত ২৪ নভেম্বর ’হিজিবিজি’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে ৪ জন “সহকারী শিক্ষক” পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের “সহকারী শিক্ষক” পদের একজন প্রার্থী হিসেবে চাকরির জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক। নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী আপনার সদয় বিবেচনার জন্য পেশ করলাম। প্রার্থীর নাম: পিতার নাম: মাতার নাম: বর্তমান ঠিকানা: স্থায়ী ঠিকানা: মোবাইল নাম্বার: ই-মেইল: জন্ম তারিখ: জাতীয়তা: ধর্ম: ব্লাড গ্রুপ: শিক্ষাগত যোগ্যতা: পরীক্ষার নামগ্রুপ/বিষয়বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়পাশের সনপ্রাপ্ত গ্রেডএসএসসিবিজ্ঞানদিনাজপুর২০১২জিপিএ-৫এইচএসসিবিজ্ঞানদিনাজপুর২০১৪জিপিএ-৫বিএসএসরাষ্ট্রবিজ্ঞানজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২০১৮প্রথম শ্রেণীএমএসএসরাষ্ট্রবিজ্ঞানজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়২০১৯প্রথম শ্রেণী অভিজ্ঞতা: ১। ……………………… ২। …………………….. অতএব, মহোদয় সমীপে বিনীত প্রার্থনা আমার উল্লেখিত তথ্যাবলী বিবেচনা পূর্বক আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ দানে আপনার মর্জি হয়। সংযুক্তি: ছবি ২ কপি একডেমিক সকল সনদপত্রের সত্যায়ি কপি চারিত্রিক সনদপত্র নাগরিকত্ব সনদপত্র " "ছুটির জন্য আবেদন পত্র : অসুস্থতার জন্য ছুটির আবেদন পত্র ","তারিখ-০৪/০২/২০২৪ বরাবর প্রধান শিক্ষক রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রংপুর। বিষয়: অসুস্থতার জন্য ছুটি চেয়ে আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আফিয়া আঞ্জুম, আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্রী। স্কুলে আসার পরে আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ অনুভব করছি। আমার পক্ষে আজকের ক্লাসগুলো করা আর সম্ভব না। অতএব, জনাবের নিকট আমার বিনীত নিবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে ছুটি প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক আফিয়া আঞ্জুম শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০৫ " "পুলিশের কাছে জিডি বা সাধারণ ডায়েরী করার জন্য আবেদন পত্র ","তারিখ: ……./……./……… বরাবর অফিস ইনচার্জ লালমনিরহাট সদর থানা (থানার নাম), লালমনিরহাট সদর (উপজেলার নাম), লালমনিরহাট (জেলার নাম) বিষয়: সাধারণ ডায়েরীর জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ/মোছাঃ ………………………. (আপনার নাম লিখুন), পিতা/স্বামী: মোঃ ………………….. (আপনার পিতা অথবা স্বামীর নাম লিখবেন), গ্রাম: ………….(আপনার গ্রামের নাম লিখুন), ডাকঘর:……………, উপজেলা:………………., জেলা:……………..। আমি শারীরিকভাবে থানায় হাজির হয়ে এই মর্মে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, গত ……/……/২০২৩ ইং তারিখে আমার দোকান হতে বাড়িতে আসার পথে আমার ন্যাশনাল আইডি কার্ডটি হারিয়ে ফেলেছি। আমার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার ৮২৫……………..। সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করার পরও না পেয়ে আমি চিন্তিত হয়ে পরেছি। এমতাবস্থায় বিষয়টি সাধারণ ডায়েরীর অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। অতএব, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে সাধারণ ডায়েরীভুক্ত করে কৃতজ্ঞতায় বাধিত করবেন। নিবেদক (স্বাক্ষর) (আপনার পূর্ণ নাম) মোবাইল নাম্বার: +৮৮০১৭………… ঠিকানা: ………………. " "চাকরির আবেদন পত্রের নমুনা ","চলুন তাহলে নমুনার মাধ্যমে দেখে নিই চাকরির জন্য আবেদন পত্রটি কেমন হতে পারে। তারিখঃ০৩-০৯-২০২৪ ইং বরাবর, অধক্ষ মহোদয় প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা। বিষয়ঃ যে বিষয়ের জন্য আবেদন করবেন তা। (যেমনঃ সরকারী প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক পদে চাকুরির জন্য আবেদন পত্র) জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, গত …………………… (তারিখ),............ (চাকরির খবরের সোর্সের নাম) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, আপনার অধীনে ............ পদে কিছু লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার জীবন বৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র আপনার সদয় বিবেচনার জন্য নিচে উপস্থাপন করছি। নামঃ আবির শেখ পিতার নামঃ জমির শেখ মাতার নামঃ ফাতেহি খাতুন বর্তমান ঠিকানাঃ গ্রাম, পোস্ট, উপজেলা, জেলা। স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম, পোস্ট, উপজেলা, জেলা। জন্ম তারিখঃ ১০-১০-১৯৯৫ জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থাঃ অবিবাহিত ধর্মঃ ইসলাম যোগাযোগের ঠিকানা মোবাইল নম্বরঃ019………356 টেলিফোন নম্বরঃ 2345… " কোনাে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী পদে চাকরির জন্য একটি দরখাস্ত লেখ।,"২ মার্চ ২০১৭  বরাবর  ব্যবস্থাপক  পুথিনিলয় ৩৮/২-ক, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।  বিষয় : অফিস সহকারী পদের জন্য আবেদন।  জনাব,   যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২৮.০২.২০১৭ তারিখে “দৈনিক ইত্তেফাক’-এ বিজ্ঞপ্তির সুবাদে অবগত হয়েছি যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে কয়েকজন অফিস সহকারী নিয়ােগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার যােগ্যতা ও অভিজ্ঞতা আপনার সুবিবেচনার জন্য নিচে উপস্থাপন করছি一  ব্যক্তিগত তথ্য নাম                              : মাে. আব্দুস সালাম।  পিতার নাম                  : মাে. সুলাইমান।  মাতার নাম                  : রেবেকা আক্তার।  জন্ম তারিখ                  : ২২.০২.১৯৯১।  জাতীয়তা                     : বাংলাদেশি। ধর্ম                               : ইসলাম।  বৈবাহিক অবস্থা          : অবিবাহিত।  বর্তমান ঠিকানা           : ৩৮/১, চ, বংশাল, ঢাকা-১১০০।  স্থায়ী ঠিকানা                : গ্রাম : নিজমেহের, পাে : কালিবাড়ি, উপজেলা : শাহরাস্তি, জেলা : চাঁদপুর।  যােগাযােগ  মােবাইল/ফোন নম্বর : +৮৮০১......  ই-মেইল : .................@.......com  " "চাকরির আবেদন পত্র লেখার নমুনা  "," তাং বরাবর, ..................................... ..................................... ..................................... বিষয়: ‘‘....................... ’’ পদে চাকুরীর জন্য আবেদন জনাব, যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শন পূবক সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি গত ইং........................... তারিখ রোজ................. ‘‘.............................’’’ পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি মারফত জানিতে পারিলাম যে, আপনার অধীনে কিছু সংখ্যাক ‘‘.......................’’ পদে লোক নিয়োগ করা হইবে। আমি উক্ত পদে একজন আগ্রহী প্রার্থী হিসেবে আমার জীবন বৃত্তান্ত ও প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী আপনার সদয় বিবেচনার জন্য নিম্নে উপস্থাপন করিলাম। ০১। প্রার্থীর নাম                        :............................................... ০২। পিতার নাম                       :............................................... ০৩। মাতার নাম                       : ............................................... ০৪। স্থায়ী ঠিকানা                     : গ্রাম................ডাকঘর.............উপজেলা.............জেলা............... ০৫। বর্তমান ঠিকানা                : গ্রাম.......... .....ডাকঘর.............উপজেলা.............জেলা............... ০৬। জন্ম তারিখ                      : ............................................... ০৭। বৈবাহিক অবস্থা                :............................................... ০৮। জাতীয়তা                         : ............................................... ০৯। ধর্ম                                  :............................................... ১০। লিঙ্গ                                 :............................................... ১১। জাতীয় পরিচয় পত্র নং : ............................................... ১২। মোবাইল নং                     : ............................................... ১৩। শিক্ষাগত যোগত্যা             : ............................................... ক্রঃনং    পরীক্ষার নাম  গ্রুপ/বিষয়  পাশের সন  বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়  জিপিএ/সিজিপিএ/বিভাগ                                                  ১৪। অভিজ্ঞতা                    :  অতএব, জনাব সমীপে আকুল প্রার্থনা আমি যাহাতে উক্ত পদে নিয়োগ পাইতে  পারি তাহার বিহিত ব্যবস্থা করিতে আপনার  একান্ত মর্জি হয়। বিনীত নিবেদক (..........................) সংযুক্তি : ০১। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ পত্রের ফটোকপি সত্যায়িত। ০২। ০৩(তিন) কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত ।  ০৩। জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি সত্যায়িত। ০৫। নাগরিক সনদপত্র ।  ০৬। চারিত্রিক সনদপত্র সত্যায়িত।  " ভবিষ্যতে কী হতে চাও তা নিয়ে পিতা-পুত্রের সংলাপ,"বাবা : অতনু, কেমন আছ ? তোমার এইচএসসির ভালো ফলাফলে আমি খুবই খুশি। এখন ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও ? ছেলে : আপনিই তো সব নির্দেশ দেন আমাকে। আপনি যা চাইবেন সেটাই করার চেষ্টা করবো। বাবা : আমি প্রথমে তোমার পছন্দকে গুরুত্ব দিতে চাই। ছেলে : আপনি যদি আপত্তি না করেন তবে আমি ডাক্তার হতে চাই। বাবা : কেন তুমি ডাক্তারি পেশাকে পছন্দ করলে ? ছেলে : ডাক্তারি একটি মহান পেশা। সমাজের সবশ্রেণির মানুষকে সেবা দেয়া যায়। ঊাবা : তোমার পছন্দকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু মনে রাখবে এ পেশায় পরিশ্রম, ধৈর্য ও মানবিক গুণের ভীষণ দরকার। ছেলে : হ্যাঁ বাবা, আমি তা জানি। আমাদের মতো গরিব দেশে অনেক লোক চিকিৎসা পায় না, অবহেলায় অনাদরে মারা যায়। বিশেষ করে গ্রাাঞ্চলে। আমার খুব ইচ্ছা ডাক্তার হয়ে পল্লি অঞ্চলে গরিব মানুষদের চিকিৎসা দেব। বাবা : গ্রামের দরিদ্র মানুষদের সেবা করতে চাও জেনে খুব খুশি হলাম। তোমার প্রতি অনেক আশির্বাদ রইল। ছেলে : আশির্বাদ করো বাবা, আমি যেন আমার স্বপ্ন পূরণ করতে পারি।" ফুল ক্রেতা ও ফুল বালিকার মধ্যে সংলাপ নিচে দেয়া হলো :,"বালিকা : স্যার, ফুল লইবেন, ফুল ? লন না স্যার একটা ? ক্রেতা : কী ফুল দেখি ? বালিকা : স্যার, গোলাপ আর বকুল আছে। কুনটা লইবেন স্যার ? ক্রেতা : কত দাম ? টাটকা তো ? বালিকা : হ স্যার, এক্কেবারে টাটকা। গোলাপ ১৫ ট্যাকা, আর বকুল এক স্টিক ১০ ট্যাকা স্যার। দেই স্যার ? ক্রেতা : গোলাপ ৫ টা দাও আর বকুল ৪ স্টিক। তোমার নাম কী ? বালিকা : ময়না স্যার। নীলক্ষেত বস্তিতে থাকি। ক্রেতা : কয় টাকা পাও ফুল বিক্রি করে ? বালিকা : হের কুনো ঠিক নাই স্যার । যেমুন বিক্রি তেমুন ট্যাকা। ক্রেতা : স্কুলে যাও না কেন ? বালিকা : স্কুল গ্যালে খামু কী স্যার ? বাপ তো কামকাইজ করতে পারে না। ক্রেতা : কেন কী হয়েছে তোমার বাবার ? বালিকা : রিক্সা চালাইতে গিয়া এক্সিডেন্ট কইরা পাও ভাইঙা ফালাইছে। হেইর লাই¹াইতো ফুল বিক্রি করি আমি। ক্রেতা : বড় ভাই নাই তোমার ময়না ? বালিকা : বড় ভাইয়ে বিয়া কইরা আলেদা থাহে। আমগো দ্যাহে না। ক্রেতা : ও তাহলে তো তোমার অনেক কষ্ট । তোমার মা কী করে ? বালিকা : মায়ে পরের বাড়ি কাম করে। ছুট ভাই আছে একটা। তিন জনের খাওন হয় না ঐ দিয়া। ক্রেতা : শোন ময়না, তুমি লেখাপড়া করতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু আমি খুব খুশি হয়েছি যে, তুমি নিজে কাজ " আমি ও আমার বন্ধু বকুলের মধ্যে ইংরেজি শেখার গুরুত্ব নিয়ে সংলাপ ,"আমি : কেমন আছে বকুল ? বকুল : হ্যাঁ আমি ভালো আছি। তুমি ? আমি : ভালো। তুমি কি ইংরেজির ব্যবহার সম্পর্কে কোনো কিছু জানো ? বকুল : হ্যাঁ। ইংরেজির গুরুত্ব সম্পর্কে আমি জানি। এটি আন্তর্জাতিক ভাষা এবং সারা পৃথিবীতে এটি ব্যবহার করা হয়। বর্তমান যুগকে ইংরেজির যুগ বলা হয়। আমি : কেন এটি আমাদের শেখা উচিত ? বকুল : যদি তুমি ভালো চাকরি পেতে চাও অথবা পৃথিবীর অন্য দেশ ভ্রমণ করতে চাও তোমার অবশ্যই ইংরেজি জানা দরকার। এটি একজন পর্যটক, পাইলট, প্রকৌশলী এবং যে কারও জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি : আর কিছু ? বকুল : ইংরেজি ছাড়া তুমি বর্তমান সময়ের সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবে না। তোমার জ্ঞান সীমিত থাকবে এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিদ্যা থেকে তুমি বঞ্চিত হবে। আমি : অবশ্যই। তুমি কি ইংরেজিতে ভালো কথা বলতে পার ? বকুল : অবশ্যই। আমি ইংরেজিতে দ্রæত কথা বলতে ও লিখতে পারি। ইংরেজিতে ভালো দক্ষতার জন্য তোমাকে অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে। আমি : আমিও তাই আশা করি। আমি এখন আধুনিকতার বাইরে। সত্যি বলতে কি আমি এতোদিন ইংরেজির গুরুত্ব বুঝতেই পারিনি। বকুল : তুমি এক্ষেত্রে আমার কাছে যেকোন সাহায্য পেতে পার। আমি : তোমার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ বকুল : তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ।" কাজল ও বন্ধু চপলের মধ্যে ফেসবুক সম্পর্কে সংলাপ নিচে দেওয়া হলো :,"কাজল : সবকিছু কেমন ? চপল : সব ভালো, ধন্যবাদ। তুমি কি ভালো ? কাজল : আজ অনেক ভালো। এখন তুমি কি ব্যস্ত ? চপল : না। কোন প্রশ্ন আছে কি ? কাজল : অবশ্যই। ফেসবুক সম্পর্কে আমার কিছু তথ্য প্রয়োজন। চপল : ওহ্ ! ফেসবুক ! এখন আমি ফেসবুকের একজন সদস্য। তুমি এটির ব্যাপারে কিছু তথ্য পেতে পার। কাজল : যে কেউ এটিতে প্রবেশ করতে পারে কি ? চপল : অবশ্যই। যে কেউ ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে এটি ব্যবহার করতে পারে। প্রথমে তোমার এটির সদস্য হতে হবে। তারপর তোমার সাইন আপ করতে হবে। কাজল : কথার প্রসঙ্গে, এটি কি আমাদের জন্য প্রােজনীয় ? কীভাবে ? চপল : প্রয়োজন। এটি কাছে ও দূরে বসবাসকারী লোকের মধ্যে সামাজিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করে। অনেকে বন্ধু হতে পারে ও অনেক তথ্য ধারণ করতে পারে। কাজল : আর কিছু আছে ? চপল : হ্যাঁ, তুমি খোশগল্প করার সুযোগ পাবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সদস্য হয়ে যাও। অন্যদের সাথে বন্ধুত্ব তৈরি কর। নাহলে তুমি অনেক আনন্দ উপভোগে ব্যর্থ হবে। কাজল : সম্পূর্ণ ঠিক বলেছ। আমি অবশ্যই তা করবো। চপল : অনেক ধন্যবাদ। বিদায়" যৌতুক প্রথা নিয়ে দুই বান্ধবী কানিজ ও কেয়ার মধ্যে সংলাপ রচনা করা হলো :,"কানিজ : আমি কিন্তু হেলেনার বিয়েতে যাচ্ছি না। কেয়া : আমাদের বান্ধবীর বিয়েতে আমরা সবাই একসাথে আনন্দ করতে যাবো,তুমি শুধু বাধ সাধছো কেন ? কানিজ : হেলেনার বাবা এই বিয়েতে যৌতুক দিচ্ছেন। আর বরপক্ষও বড় অংকের যৌতুক নিয়েই হেলেনাকে বিয়ে করছে। এই কারণে আমার আপত্তি। কেয়া : এতে আপত্তির কী আছে ? আমাদের দেশের অধিকাংশ বিয়ে তো এভাবেই হয়ে থাকে। তাছাড়া হেলেনাদের তো টাকা-পয়সার অভাব নেই। কানিজ : বিয়েতে টাকা-পয়সা লেনদেনের পরিণতি ভালো হয় না। কেননা এতে অর্থের লোভ থাকে। এ অর্থের লোভ থেকেই স্ত্রী নির্যাতন, স্ত্রী হত্যার মতো ঘটনাও ঘটে থাকে। এসব তো যৌতুকেরই ফল। কেয়া : বিয়ের সময় টাকা পয়সার লেনদেন কি আইন করে বন্ধ করা যায় না ? কানিজ : আইন তো রয়েছে। শুধু আইন দিয়েই কি যৌতুক দেয়া-নেয়া বন্ধ করা যায় ? ঐঝঈ-২৮৫১ নির্মিতিÑ৩০১ কেয়া : তাহলে কীভাবে যৌতুক প্রথা বন্ধ করা যায় ? কানিজ : এ বিষয়ে আমাদের সচেতন হতে হবে। সামাজিকভাবে এ কুপ্রথাকে বয়কট করতে হবে। মেয়েদেরকেও যৌতুকের বিনিময়ে বিয়ে নয়, এই শিক্ষা নিতে হবে।" বইয়ের গুণগত মান নিয়ে বইমেলায় লেখক ও পাঠকের মধ্যে সংলাপ।,"বইয়ের গুণগত মান নিয়ে বইমেলায় লেখক ও পাঠকের মধ্যে সংলাপ। স্থান: বইমেলা। সময়: সন্ধ্যা ৭টা। [লেখকের অটোগ্রাফ নেওয়ার পর পাঠক ও লেখকের মধ্যে কথোপকথন শুরু হলো।] পাঠক: (খুশি খুশি গলায়) আপনার অটোগ্রাফ পেয়ে আমার কী যে ভালো লাগছে, বলে বোঝাতে পারব না। লেখক: (গম্ভীর স্বরে) হুম্। পাঠক: গতবছর বইমেলাতে এসে আপনার নতুন বইয়ের খোঁজ করেছিলাম। কিন্তু আপনি মনে হয়, গতবছর কোনো নতুন বই লেখেননি। লেখক: শুধু গত বছর না, গত দু-তিন বছর আমার কোনো নতুন বই বের হয়নি। পাঠক: (অবাক হয়ে) মানে! লেখক: একটি বই চাইলেই তো বের করা যায় না। আমি যে ধরনের বই লিখি, তাতে আমাকে অনেক পড়তে হয়। তারপর চিন্তা করে বিষয়টিকে আমি আমার মতো উপস্থাপন করি। পাঠক: বুঝেছি। এই জন্যই অনেকে যেখানে বছরে দু-চারটা বই বের করে, আপনার সেখানে দু-চার বছরে একটা বই বের হয়। লেখক: আমি মনে করি না, সংখ্যা দিয়ে লেখকের মান বিচার হয়। পাঠক: (হাসতে হাসতে) অথচ আমরা মনে করি, যার যত বই, সে তত বড়ো লেখক। [আরেকজন পাঠক অটোগ্রাফ নিতে লেখকের দিকে এগিয়ে এলেন।] পাঠক-২: আমার এই বইয়ে একটা অটোগ্রাফ দিন না! [লেখক দ্বিতীয় পাঠকের বইয়ে নাম স্বাক্ষর করে দিলেন। দ্বিতীয় পাঠক খুশি মনে চলে গেল।] লেখক: এই যে একজন অটোগ্রাফ নিল, দেখলেন তো! [প্রথম পাঠক লেখকের দিকে তাকিয়ে রইলেন।] লেখক: যে বইয়ে আমি স্বাক্ষর দিলাম, সেটির গুণগত মান নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়। এর কাগজ, ছাপা, মেকাপ কোনোটাই ভালো না। তার ওপর বইয়ের যে নাম আর প্রচ্ছদের যে ধরন, তাতে মনে হয় না লেখক-প্রকাশক এসব ব্যাপারে সচেতন ছিলেন। পাঠক: একটু আগে বইমেলায় ঘোষণা শুনছিলাম, মাইকে বলছিল, আজ মেলায় সাড়ে তিনশো নতুন বই এসেছে। এর মানে এক মাসে দশ-বারো হাজার নতুন বই বের হবে। আমার তো মনে হয়, এর শতকরা আশি ভাগ বইই মানসম্পন্ন নয়। গল্প-উপন্যাস-নাটক-কবিতার বইয়ের খুব অল্প সংখ্যকই মানসম্পন্ন। তাছাড়া শিশুদের বইয়ের মান নিয়েও প্রশ্ন আছে। এগুলো দেখার কি কেউ নেই? লেখক: (স্বগতোক্তি) লেখক-প্রকাশক সচেতন না হলে, বাইরের কে এগুলোর মান নির্ধারণ করবে! পাঠক: আপনি কিছু ভাবছেন? লেখক: (অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে) না, আপনি ঠিকই বলেছেন। [লেখক মেলার এদিক-ওদিক তাকাতে থাকলেন।] পাঠক: (ইতস্তত করে) আমি মনে হয়, আপনার অনেকখানি সময় নিয়ে ফেললাম। ... আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার অটোগ্রাফের জন্য। লেখক: আপনাকেও ধন্যবাদ। [পাঠক চলে গেল।] " মাতার কাছে পুত্রের চিঠি,"সেপ্টেম্বর ২০১৯ মতিঝিল, ঢাকা শ্রদ্ধেয় মা আমার সালাম নিয়ো। আশা করি ভালো আছ। আমি নিরাপদে ছাত্রাবাসে পৌঁছেছি। যদিও আসার পথে বাড়ির কথা ভেবে আমার মন খারাপ লাগছিল। প্রতিবারই বাড়ি থেকে আসার সময়ে আমার এ রকম হয়। এসেই জানতে পারলাম আগামী ১০ই নভেম্বর থেকে আমাদের প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা শুরু হবে। তাই পড়াশোনা নিয়ে খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। আমার জন্য আশীর্বাদ কোরো। ছুটিতে বাড়ি গিয়ে লেখাপড়ায় খানিকটা ছেদ পড়েছিল। তাই এখন বেশি পরিশ্রম করে লেখাপড়ার সাময়িক ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছি। মা, আমি তোমাকে আমার জীবনের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছি। আমি সেই লক্ষ্য পূরণে যথাসাধ্য চেষ্টা করব, তোমাদের মুখ উজ্জ্বল করার চেষ্টা করব। আসার সময়ে মেহরাবকে কিছুটা অসুস্থ দেখে এসেছি। এখন ও কেমন আছে, জানিয়ো। বাবাকে শরীরের প্রতি যত্ন নিতে বোলো। আমার জন্য চিন্তা কোরো না। আমি এখন ভালো আছি। ইতি   তোমার স্নেহের  মাহের Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com" "কন্যার কাছে পিতার চিঠি Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com","নভেম্বর ২০১৯  তেজগাঁও, ঢাকা স্নেহের প্রাপ্তি  আমার আশীর্বাদ নিয়ো। আশা করি ভালো আছ। গত চিঠিতে তোমার প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল জেনেছি। প্রায় সবগুলো বিষয়ে ভালো করেছ। গণিতে খানিকটা কম নম্বর পেয়েছ। এতে ঘাবড়ে যাবার কিছু নেই। গণিতের কোন বিষয়গুলো বুঝতে এখনও সমস্যা হচ্ছে, তা আগে শনাক্ত করো। প্রয়োজনে তোমার ক্লাসের গণিত শিক্ষকের সহযোগিতা নাও। মুখস্থ না করে বুঝে পড়ার চেষ্টা কোরো। সামনে তোমার নির্বাচনী পরীক্ষা এবং এসএসসি পরীক্ষারও খুব বেশি দেরি নেই। তাই এই সময়টা খুব ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে। জীবনে প্রতিটি মুহূর্তকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে। পরীক্ষা শিক্ষাজীবনের একটি অংশ। তাই পরীক্ষাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই সময়ে কীভাবে সুস্থ থেকে নিয়মানুযায়ী পড়াশোনা করা যায়, সেদিকে খেয়াল রেখো। বেশি রাত জেগো না, যথাসময়ে খাবার খেয়ো। আমরা বাসার সবাই ভালো আছি। ইতি তোমার বাবা  অনিরুদ্ধ Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com" "ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বন্ধুকে চিঠি Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com","ফেব্রুয়ারি ২০১৯  সোবহানবাগ, ঢাকা প্রিয় মতি  আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করিস। অনেকদিন হলো তোর কোনো চিঠি পাচ্ছি না। ক্যাডেট কলেজের বন্ধুদের পেয়ে আমার কথা কি ভুলে গেছিস? আজ তোকে লিখতে বসেছি এক ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা জানাতে। গত মাঘী পূর্ণিমার ছুটিতে আমি আর সীমান্ত গিয়েছিলাম ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন লালবাগ কেল্লা দেখতে। ইতিহাসের বইয়ে শায়েস্তা খাঁর কথা পড়েছি। সেই শায়েস্তা খাঁর আমলে নির্মিত ঢাকার প্রায় চারশো বছরের পুরানো স্থাপনা এই লালবাগ কেল্লা। এর প্রাকৃতিক শোভা, প্রাচীন স্থাপত্য-সৌন্দর্যের কথা চিঠিতে লিখে পুরোপুরি তোকে বোঝাতে পারব না। আমরা সেদিন সকালেই লালবাগের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলাম। পুরান ঢাকার লালবাগে এর অবস্থান। দর্শনার্থীদের জন্য ঢোকার প্রবেশ পথে টিকিট কাউন্টার। সেখানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটলাম। ভিতরে প্রবেশ করার পর কয়েকজন বিদেশি দর্শনার্থীকে দেখলাম। ফটকের ভিতরে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিল এক নয়নাভিরাম সৌন্দর্য। মুঘল স্থাপত্য, মসজিদ, উন্মুক্ত মাঠ, সুসজ্জিত ফুলের বাগান দেখে চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছিল। লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু ১৬৭৮ সালে। তৎকালীন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র সুবেদার আজম শাহ এই কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন। সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে এর মূল নির্মাণ সম্পন্ন হয়। লালবাগ কেল্লা মোঘল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি তৈরিতে একই সাথে ব্যবহার করা হয়েছে কষ্টি পাথর, মার্বেল পাথর এবং রং-বেরঙের টালি। লালবাগ কেল্লার তিনটি বিশাল দরজার মধ্যে যে দরজাটি বর্তমানে জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া আছে, সেই দরজা দিয়ে ঢুকলে বরাবর সোজা চোখে পড়ে পরি বিবির সমাধি। পরি বিবি ছিলেন শায়েস্তা খাঁর অকালপ্রয়াত কন্যা। কেল্লার চত্বরে আরো রয়েছে কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মামখানা, উত্তর-পশ্চিমাংশের তিন গম্বুজ বিশিষ্ট শাহি মসজিদ ও একটি জাদুঘর। দর্শনার্থীদের জন্য বসার জায়গা আছে। স্থাপনাগুলো ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের খুব ভালো লেগেছে। সময় পেলে তুইও একবার দেখে আসিস বাংলার ইতিহাস-প্রসিদ্ধ লালবাগ কেল্লা। ভালো থাকিস। ইতি তোর বন্ধু  দীপ্র Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com" "লেখকের কাছে পাঠকের চিঠি Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com","ফেব্রুয়ারি ২০১৯ মিরাবাজার, সিলেট জনাব আহমদ সাদিক আমার শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন। আমি আপনার পূর্বপরিচিত নই। আমি আপনার বইয়ের একজন পাঠক। এবারের একুশের বইমেলায় প্রকাশিত আপনার 'বাংলাদেশের প্রান্তিক-উৎসব' বইটি আমি পড়েছি। বইটি বইমেলা থেকেই সংগ্রহ করেছি। প্রত্যাশা ছিল আপনার সঙ্গে দেখা হবে, আপনার স্বাক্ষর সংবলিত বইটি পাব। কিন্তু সেদিন আপনি স্টলে আসেননি। আমাকেও পরদিন সিলেটে ফিরতে হয়েছে। 'বাংলাদেশের প্রান্তিক-উৎসব' বইটি পড়ে আমি খুব উপকৃত হয়েছি। মূলধারার উৎসবের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রান্তিক অঞ্চলে যে কত উৎসব আছে, তা আপনার বই পড়ার আগে জানতে পারিনি। আপনি একজন নিষ্ঠাবান গবেষক হিসেবে অনেক আগে থেকেই পরিচিত। এই বই রচনায় আপনার সেই যোগ্যতার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেছে। আমি বেশি খুশি হয়েছি এই জন্য যে, সিলেট অঞ্চলের মণিপুরি, খাসিয়া ও চা শ্রমিকদের উৎসবের কথা আপনার বইয়ে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেছেন। বইটির ভাষা ও অধ্যায়-বিভাজন আমার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। ৩১২ পৃষ্ঠার বইটি আমি দুই দিনে পড়ে শেষ করেছি। আপনার সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশা রইল। যদি কখনও সিলেটে আসেন, আমাকে জানালে ও আমাদের বাসায় আতিথ্য গ্রহণ করলে খুশি হব। আপনার জন্য শুভ কামনা। ইতি আতিকুল Copied from SATT ACADEMY. Visit us at: https://sattacademy.com" পরীক্ষার ফলাফলের সংবাদ জানিয়ে বাবার কাছে একখানা পত্র লেখ।,"ঢাকা জানুয়ারী ১৫, ২০১৩ শ্রদ্ধেয় বাবা, সালাম নিন। আশা করি ভালো আছেন। গতকাল আপনার চিঠি পেলাম। আপনার আসতে দেরি হবে জেনে মনটা বেশ খারাপ হলো। আজ আমার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। আমার ফল জেনে আশা করি আপনি খুশি হবেন। এবারও আমি আমার জায়গাটি ধরে রাখতে পেরেছি। আমি A+ পেয়েছি। দোয়া করবেন, আমি যেন আপনার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি। আপনাকে অনেক দিন দেখিনি। আপনাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে। ছুটি নিয়ে একদিনের জন্য হলেও আমাদের সঙ্গে দেখা করে যান। আমরা আপনার আগমনের অপেক্ষায় রইলাম। বাড়ির সবাই ভালো আছেন। আপনি শরীরের প্রতি যত্ন নেবেন। ভালো থাকবেন। ইতি আপনার স্নেহের অর্ক। প্রেরক অর্ক হাসান ২/৩ ইকবাল রোড মোহাম্মদপুর ঢাকা ১২০৭। ডাকটিকেট   প্রাপক মোঃ মাহফুজ হাসান থানা পাড়া, আগৈলঝাড়া " তোমার বোনের বিয়ে উপলক্ষে বন্ধুর কাছে আবেদনপত্র লেখ।,"রাজশাহী ডিসেম্বর ১৫, ২০১২ প্রিয় অরিক, আমার ভালোবাসা নিও। আশা করি তোমরা সবাই ভালো আছ। শুনে খুশি হবে, আগামী ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ আমার বড় বোনের বিয়ে। বিয়েতে অনেক ধুমধাম হবে। তোমার কথা বার বার মনে পড়ছে। তুমি এলে খুব মজা হবে। বাবা-মাসহ বাড়ির সবাই তোমাকে ভীষণভাবে মনে করেন। বিয়ের অন্তত এক সপ্তাহ আগে তুমি আমাদের বাড়ি চলে আসবে। তুমি না এলে বিয়ের মজাই পাওয়া যাবে না। শুধু তুমি নও, তোমাদের বাড়ির সবাইকে নিয়ে চলে আসবে। এতে কোনো ভুল যেন না হয়। বড়দের আমার সালাম দিও, ছোটদের দিও আদর। ভালো থেকো।   ইতি তোমার বন্ধু শুভ। " বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটির দরখাস্ত।,"ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৩ প্রধান শিক্ষক তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ঢাকা।   বিষয়: অনুপস্থিতি জনিত ছুটি মুঞ্জুরের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় গত ২৯/০১/২০১৩ থেকে ৩১/০১/২০১৩ পর্যন্ত তিন দিন আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারিনি। অতেএব, আমাকে উক্ত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করার জন্য আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, আপনার একান্ত অনুগত ছাত্রী অনন্যা সরকার ষষ্ঠ শ্রেণি, ক শাখা রোল নম্বর ৫ " বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষে প্রধান শিক্ষকের কাছে অগ্রিম ছুটির আবেদন।,"জানুয়ারি ২৫, ২০১৩ প্রধান শিক্ষক ডা. খাস্তগীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চট্টগ্রাম। বিষয়: বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষে অগ্রিম ছুটি মঞ্জুরের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আগামী ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ আমার বড় বোনের বিয়ে। উক্ত অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। এ-কারণে আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে ০৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমার পক্ষে বিদ্যালয়ে আসা অসম্ভব অতএব, আমাকে উক্ত পাঁচ দিনের ছুটি দেওয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিনীত, রুবি আক্তার শ্রেণি: ষষ্ঠ রোল নম্বর: ১১ " । সবুজ ধ্বংসের বিরুদ ্ ধ ে সংঘবন ্ ধ মানুষের বিক,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনা সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা আরো কার্যকরী করার জন্য সহায়ক উপকরণ যেমন ই-লেকচার, ভিডিও টিউটোরিয়াল, বই এবং অন্যান্য অনলাইন রিসোর্স প্রয়োজন। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য এসব সহায়ক উপকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে তারা আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারে এবং নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার আবেদন। জনাব, অনেক সময় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর মনে করে যে তাদের ফলাফল সঠিক হয়নি। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। এই সমস্যার সমাধানে পরীক্ষার পরবর্তী পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত হতে পারবে যে তাদের প্রাপ্ত নম্বর সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আমি অনুরোধ করছি, পরীক্ষার পর পুনঃমূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" ছাত্রদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: ছাত্রদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের আবেদন। জনাব, আজকাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ অনেক বেড়ে গেছে। পরীক্ষা, পড়াশোনা এবং ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ কারণে, আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে তারা তাদের মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাবে এবং আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে সক্ষম হবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর] " শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদানের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদানের আবেদন। জনাব, অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক কারণে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে না। তাদেরকে সহায়তা করতে হলে বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদান করা উচিত। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা ভাতা প্রদান করা হোক। এতে তারা তাদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে পারবে এবং আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] [ঠিকানা] বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগে গবেষণামূলক কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করার জন্য গবেষণা প্রকল্পে বাজেট বরাদ্দ প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা প্রকল্পে অংশ নিয়ে তাদের বৈজ্ঞানিক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা এসব প্রকল্পে অংশ নিতে পারে। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, সবুজ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী। বিষয়: বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালন সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, আমরা সবাই জানি যে পরিবেশ দূষণ দিন দিন বেড়ে চলেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে পারলে তারা ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল হতে পারবে। এজন্য আমরা “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের প্রস্তাব করছি। এই সপ্তাহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পোস্টার প্রতিযোগিতা, দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা যেতে পারে। এতে করে আমরা নিজেরা যেমন শিখব, তেমনি অন্যদেরও সচেতন করতে পারব। অতএব, অনুরোধ করছি, আগামী মাসের মধ্যে বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সবুজ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী" ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক সামগ্রী ও গোপনীয়তার ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবপ্রভা বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা। বিষয়: ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, বিদ্যালয়ে অনেক ছাত্রী রয়েছে যারা মাসিক চলাকালে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ায় কষ্ট পায়, এমনকি অনুপস্থিতও থাকতে বাধ্য হয়। এতে তাদের পড়াশোনায় ক্ষতি হয় এবং মানসিকভাবেও সংকোচ তৈরি হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “হেলথ কর্নার” স্থাপন করা হোক, যেখানে প্যাড, সাবান, টিস্যু এবং প্রয়োজনীয় তথ্যচিত্র সংরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্যবিষয়ক সেশনের আয়োজন করা হলে ছাত্রীদের সচেতনতা বাড়বে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সহায়তা করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবপ্রভা বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা" বিদ্যালয়ে নিয়মিত সাংস্কৃতিক ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ বিদ্যাপীঠ, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক ক্লাস (আবৃত্তি, গান, নৃত্য) চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশের সুযোগ থাকলেও নিয়মিত সাংস্কৃতিক ক্লাসের কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেক ছাত্রছাত্রী আবৃত্তি, গান, নাটক কিংবা নৃত্যে দক্ষতা রাখলেও চর্চার সুযোগের অভাবে সেই প্রতিভা বিকশিত হয় না। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন আলাদা সাংস্কৃতিক ক্লাস চালু করা হোক, যেখানে প্রশিক্ষক বা অভিজ্ঞ শিক্ষকের মাধ্যমে চর্চা করা যাবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে একটি নির্দিষ্ট ক্লাস বরাদ্দ এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ ও প্রশিক্ষকের ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আদর্শ বিদ্যাপীঠ, কুমিল্লা" বিদ্যালয়ের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছবি ও নাম সংরক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা নিকেতন, মাদারীপুর। বিষয়: পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ও ছবি প্রদর্শনের আবেদন। মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিভাগে ভালো ফলাফল অর্জন করে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পায়। কিন্তু বিদ্যালয়ের কোথাও তাদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি দৃশ্যমান নয়। আমরা মনে করি, বিদ্যালয়ের একটি করিডোরে বা দেয়ালে একটি “অর্জনের দেয়াল” তৈরি করে সেখানকার পুরস্কারপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের নাম, ছবি ও সফলতা তুলে ধরা হলে অন্য শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, একটি বিশেষ কর্নার বা বোর্ড স্থাপন করে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শ্রেষ্ঠ শিক্ষা নিকেতন, মাদারীপুর " শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের মধ্যে সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধ গঠনে আলোচনা ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, সন্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। বিষয়: সহপাঠীদের মধ্যে শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা বিষয়ক ক্লাস চালুর আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমানে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে একে অপরের মতামতকে সহ্য না করা, বন্ধুকে অপমান করা বা ঠাট্টা করা একটি সাধারণ প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হয় এবং শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। আমরা চাই, মাসে অন্তত একদিন “মানবিকতা ও সহনশীলতা” নিয়ে ক্লাস নেওয়া হোক। যেখানে শিক্ষকরা মূল্যবোধ, সম্মান, ভিন্নমত গ্রহণ, বন্ধুত্ব ও শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব আলোচনা করবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষে একটি নিয়মিত মানবিক আলোচনা ক্লাস চালুর অনুমতি ও নির্দেশনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সন্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর " বিদ্যালয়ের জন্য আলাদা “সায়েন্স ক্লাব” গঠনের আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, জ্ঞানচর্চা উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান চর্চার জন্য সায়েন্স ক্লাব গঠনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অনেক ছাত্রছাত্রী রয়েছে যারা বিভিন্ন প্রকল্প, ছোট গবেষণা কিংবা বিজ্ঞান বিষয়ক নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে চায়। কিন্তু বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানচর্চার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংগঠন বা ক্লাব নেই। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “সায়েন্স ক্লাব” গঠন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে অন্তত একদিন একত্র হয়ে আলোচনা, প্রকল্প উপস্থাপন, ওয়ার্কশপ আয়োজন এবং সায়েন্স ফেয়ারে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে পারবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জ্ঞানচর্চা উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর " শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে ইনসেনটিভ প্রণোদনার আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সমরূপ বালিকা বিদ্যালয়, মেহেরপুর। বিষয়: উপস্থিতি শতভাগ রাখায় পুরস্কার প্রদানের আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে না। অনেক সময় তুচ্ছ কারণে ছুটি নেয়, যা তার ফলাফল এবং শ্রেণিকক্ষের পরিবেশে প্রভাব ফেলে। যদি শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো উৎসাহমূলক পুরস্কার রাখা হয়, তাহলে সবাই আগ্রহী হয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসবে। এই পুরস্কার হতে পারে — একটি প্রশংসাপত্র, ছোটখাটো উপহার, নাম নোটিশ বোর্ডে দেওয়া ইত্যাদি। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে বা সেমিস্টারে শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একটি ইনসেনটিভ স্কিম চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সমরূপ বালিকা বিদ্যালয়, মেহেরপুর" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আইনি সচেতনতা কর্মশালার আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, বিচারবোধ উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: শিক্ষার্থীদের আইনি সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমান সময়ে কিশোর-কিশোরীরা অনেক সামাজিক ও ডিজিটাল সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। কখন কী কাজ অপরাধের পর্যায়ে পড়ে, কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হয়, কোথায় অভিযোগ জানাতে হয় — এসব বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থীই জানে না। আমরা প্রস্তাব করছি, স্থানীয় কোনো আইনজীবী, শিক্ষক বা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ে একটি আইনি সচেতনতামূলক কর্মশালার আয়োজন করা হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, আমাদের শিক্ষার্থীদের সচেতন, আত্মবিশ্বাসী ও সচল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে একটি প্রাথমিক আইনি সচেতনতা বিষয়ক কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিচারবোধ উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর " বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: বিশুদ্ধ পানির জন্য ফিল্টার মেশিন স্থাপনের আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, বিদ্যালয়ের পানির উৎসে মাঝে মাঝে ময়লা বা দুর্গন্ধযুক্ত পানি আসে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই পানি না খেয়ে সময় পার করে এবং এতে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি আধুনিক পানি ফিল্টার মেশিন স্থাপন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, আমাদের সুস্বাস্থ্য ও সচেতনতার স্বার্থে বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির জন্য একটি ফিল্টার মেশিন স্থাপনের অনুমতি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" বিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষ চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, রূপসী বাংলা বিদ্যালয়, ঝালকাঠি। বিষয়: পাঠচক্র, প্রেজেন্টেশন ও ওয়ার্কশপের জন্য সেমিনার কক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, আমরা অনেক সময় আলোচনা সভা, ভিডিও প্রেজেন্টেশন, অতিথি বক্তৃতা বা বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে চাই, কিন্তু বিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট কোনো সেমিনার কক্ষ না থাকায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়। আমরা মনে করি, একটি মাল্টিমিডিয়া সংযুক্ত সেমিনার কক্ষ থাকলে শিক্ষার্থীদের উপস্থাপন দক্ষতা, আলোচনায় অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব গঠন ও সৃজনশীলতা উন্নয়নে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষকে সেমিনার/ওয়ার্কশপ উপযোগী করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রূপসী বাংলা বিদ্যালয়, ঝালকাঠি" একটি উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা! তুমি কেমন আছো? মীনা : আমি ভালো আছি আর তোমার কি খবর? রাজু : আমিও বেশ ভালো আছি। তুমি কি গতকাল বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ক্রিকেট ম্যাচটি উপভোগ করেছ? মীনা : অবশ্যই! এই প্রথম নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আমি খুব খুশি যে আমি স্টেডিয়ামে ম্যাচ উপভোগ করেছি। রাজু : ম্যাচটি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? মীনা : ওহ, হ্যাঁ! দুই দলের পারফরম্যান্স দেখে আমি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছিলাম, বিশেষ করে বাংলাদেশ দলের। রাজু : হ্যাঁ, এটি একটি দুর্দান্ত বিস্ময় ছিল যে বাংলাদেশ প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন- নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। মীনা : ঠিক! তুমি জান যে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরিচিত দল এবং এটা খুবই মজার যে তারা আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছে। রাজু : হ্যাঁ। তবে এটা সত্যি যে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ফিল্ডিং ছিল চমৎকার। তারা শীর্ষস্থানীয় দলের মতো মাঠে নেমেছিল। মীনা : অবশ্যই! এবং এটি নিউজিল্যান্ড দল উচ্চ স্কোর পেতে ব্যর্থ হযতে আরেকটি কারণ ছিল। রাজু : শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ টার্গেট ছিল। কিন্তু আমাদের দল এতটাই অপ্রত্যাশিত ছিল যে তারা সেটা অর্জন করতে না পারলে তুমি অবাক না হয়ে পারতেন না। মীনা : অবশ্যই। তবে বোলারদের পাশাপাশি আমাদের ব্যাটসম্যানরাও পারফর্ম করেছে। রাজু : ঠিক বলেছ। আমি মনে করি পরের ম্যাচে বাংলাদেশ আরও উজ্জ্বল হবে এবং দেশের জন্য সুনাম ও সুনাম বয়ে আনবে। মীনা : অবশ্যই! আমাদের আশা অযৌক্তিক নয়। রাজু : হ্যাঁ, সত্যিই! তোমাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আমাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে দাও। মীনা : তোমাবে স্বাগতম। বিদায়, আবার দেখা হবে। " এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ।,"সোহেল : কেমন আছ? আরমান : ভালো বন্ধু। তুমি কেমন আছ? সোহেল : ভালো আছি। তবে পরীক্ষা নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। আরমান : তুমি তোমার রসায়ন বিষয়টি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে পারনি? সোহেল : রসায়নে আমি সব পড়ে ফেলেছি। বুঝেও পড়েছি কিন্তু তবুও মনে হচ্ছে সবই ভুলে যাচ্ছি। আরমান : চিন্তা করো না বন্ধু, পরীক্ষার আগে এমনই হয়। আমারও মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি। দেখবে পরীক্ষায় ঠিকই সব লিখতে পারবে। শ্রেণি পরীক্ষার সময়ও এমনই হয়েছিল, না? সোহেল : হ্যা, কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষাটি মনে একটি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তোমার রসায়নে প্রস্তুতি কেমন? আরমান : ভালো। আমি ভয় পাচ্ছি বাংলা প্রথম পত্র নিয়ে। সৃজনশীল বিষয়ে কেমন উদ্দীপক হয়, তাই নিয়ে। সোহেল : উদ্দীপক যেমনই হোক, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল বইয়ের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পড়া। এমন উদ্দীপকই দেবে, যেটা পাঠ্যবইয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অথবা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অথবা পাঠ্যবিষয়ের খÐাংশের চিত্র। এই সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও খÐাংশকে তুমি তখনই যথার্থভাবে চিত্রিত করতে পারবে, যখন তুমি মূল বই ভালোভাবে পড়বে। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু, আর চিন্তা করব না। আমি এভাবেই পড়ব। সোহেল : আমিও রসায়ন নিয়ে আর ভাববাে না। শুধু পড়ব আর লিখব। তাহলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরমান : পড়ার মাঝখানে বিশ্রাম নেবে। এতে পড়াটা ভালোভাবে মনে থাকবে। সোহেল : ধন্যবাদ বন্ধু। আরমান : তোমাকেও ধন্যবাদ। " "নারী স্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","অঙ্কিতা : মাধ্যমিক পাশ করার পর তুই তো উচ্চমাধ্যমিক পড়বি ? আমার ভাই এই মাধ্যমিকেই পড়াশুনো থমকে যাবে। নন্দিতা : দুঃখ করার কিছু নেই। আমারও তো এখন সেই একই অবস্থা। মা-বাবা এখন থেকেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন। অঙ্কিতা : স্বাধীনতা শব্দের অর্থ শুধুমাত্র আকারেই বেড়েছে। নারীর ক্ষেত্রে তা বেশির ভাগ সময় সে সবের কোনো অর্থই নেই। নন্দিতা : বলতো! এই পড়াশুনা নিয়ে কতটা এগুতে পারি আমরা। অঙ্কিতা : আমাদের বাবা-মাদের বোঝাতেই হবে। আর তাদের মাথা থেকে সরাতে হবে তাড়াতাড়ি মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা। নন্দিতা : মনে নেই আবার, সে সব কথা মনের মধ্যে গেঁথে আছে। সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার হদিস তো ওখানেই পেয়েছিলাম। অঙ্কিতা : আর্থিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী স্বাধীনতার কোনো অর্থই হয় না। অতএব এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, যেমন করেই হোক পড়াশুনোটা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে। " বৃক্ষরোপণ-উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"প্রিয়ম : দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনে এত বড়ো একটা বকুল গাছ কেটে ফেলা হল। শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। সায়ন : আর বলিস না ! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। প্রিয়ম : সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ। সায়ন : কেউ একবার অন্তত এটাও ভেবে দেখবে যে, এতে ক্ষতি আখেরে নিজেদেরই। এই ভয়ানক লোভে তো মানুষের নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জল স্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য- গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও নির্বিরোধে প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সব মিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। প্রিয়ম : শুধু তাই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। বাংলাাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। সায়ন : আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ এই বাক্যটিকে নিছক ¯েøাগান নয়, জীবনযাপনের অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। না ইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। " মাধ্যমিকের পর কী বিষয় নিয়ে পড়বে এ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বিভাস : কী রে পরেশ, এইতো মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলি, বই-খাতা নিয়ে কোথায় চললি? পরেশ : টিউশনে যাচ্ছি। অঙ্কটা পড়তে শুরু করলাম। বিভাস : ও, তার মানে তুই সাইন্স নিয়ে পড়বি ? পরেশ : হ্যাঁ, আমি যেহেতু ডাক্তার হতে চাই তাই সায়েন্স নিয়েই পড়তে হবে। তুই কী নিয়ে পড়তে চাস? বিভাস : আমি আর্টস নিয়ে পড়বো। তুই তো জানিস আমার ইতিহাস পড়তে খুব ভালো লাগে। পরেশ : তাছাড়া তুই তো শিক্ষকতা করতে চাস? স্কুল টিচার না কলেজের অধ্যাপক কী হতে চাস? বিভাস : ইতিহাস অনার্স এবং মাস্টার ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে। তারপর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেব। যেকোনো একটা পেলেই হবে। পরেশ : ঠিক আছে ,এই নিয়ে পরে কথা হবে এখন পড়ে আসি। বিভাস : হ্যাঁ, আয়।পরে কথা হবে। " বইমেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বাপ্পা : কী খবর রাহুল , কেমন আছিস? রাহুল : এই তো ভালো, তোর খবর কী? কাল নাকি বইমেলায় গিয়েছিলি? বাপ্পা : হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমি তো সারা বছরই এই মেলার অপেক্ষায় থাকি। রাহুল : হস্তশিল্প মেলায় যেতে বললাম গেলি না। এখন একা একাই বইমেলায় চলে গেলি। বাপ্পা : তুই তো জানিস, আমি শৈশব থেকেই বইপাগল, বইয়ে ডুব দিয়ে আমি পার করতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রাহুল : বর্তমানে দেশের এরূপ অসহিষ্ণু ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের যৌক্তিকতা কতটুকু? বাপ্পা : আসলে আমাদের এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণে একমাত্র সহায়ক হতে পারে বই। কারণ বই মানুষকে সুপথে চালিত করে, মানুষের চিন্তার প্রসার ঘটায়। রাহুল : বইমেলায় বই বিক্রি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কী? বাপ্পা : মেলায় বই বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, ক্যুইজ,বক্তৃতা, নতুন বই প্রকাশ প্রভৃতি। রাহুল : মেলা থেকে কী কী বই কিনলি? বাপ্পা : জয় গোস্বামী, হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকটি বই কিনেছি। রাহুল : এরপর গেলে আমাকেও নিয়ে যাস। বাপ্পা : নিশ্চয়ই যাবি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে বইমেলায় গেলে অনেক মজা হবে। " সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"সীমা : জানিস, মা-বাবার সঙ্গে এখন আর টিভি দেখা যায় না। শান্ত : কেন, কী হয়েছে? সীমা : আর বলিস না, যা সব দেখায় টিভিতে একবারে সেন্সর নেই। শান্ত : বুঝেছি, তুই বাইরের চ্যানেলগুলোর কথা বলছিস; তো সেগুলো না দেখলেই তো পারিস। সীমা : ধ্যাত, কী যে বলিস না, কত সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান হয় চ্যানেলগুলোতে। শান্ত : তোর কথা একেবারে ফেলে দেয়া যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের চ্যানেলগুলোতেও কিন্তু অনেক ভালো অনুষ্ঠান হয়। সীমা : দূর, এখানকার আর্টিস্টরা সব সেকেলে পোশাক আর মেকআপে অভিনয় করে। শান্ত : বিষয়টা তা নয়, ওগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ; তাছাড়া সেগুলো দেখতেও বেশ ভালো । সীমা : তা ঠিক, কিন্তু আমাদের বয়সি ছেলেমেয়েরা ওগুলো ফলো করে না। তুই আমি কি করেছি, বল? শান্ত : আমরাও আসলে পারিনি, কিন্তু আমাদের দেশের শিল্প-সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, গান সত্যিই খুব ভালো রে। সীমা : মাও তাই বলে, কিন্তু আমরা চাইলেই কি আমাদের মধ্য থেকে অপসংস্কৃতি দূর করতে পারব বল? শান্ত : হয়তো পুরোটা পারব না, কিন্তু চেষ্টা করতে হবে দেশের সংস্কৃতিকে সব জায়গায় রিপ্রেজেন্ট করতে। সীমা : হ্যা, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সংগঠন এ কাজের চেষ্টা করছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি ভালো কিছু পাওয়া যাবে। শান্ত : এভাবে চেষ্টা করতে করতেই একদিন সফল হবে তারা, হাত বন্ধ করে তো বসে থাকা যাবে না। সীমা : এই রে ক্লাসের সময় হয়ে গেল, চল এখন ক্লাসে যাই। শান্ত : হ্যা, চল।" ইন্টারনেটের সুফল ও কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন রচনা করো,"অয়ন : তোর বাসায় ব্রডব্যান্ডের স্পিড কেমন? অমি : ৫১২এম.বি.পি.এস. রেগুলার; মাঝে মাঝে বাড়ে। আমি খুব একটা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি না। আমার ওয়াইম্যাক্স আছে। অয়ন : তাহলে ভালো স্পিড পাস? অমি : হ্যা দোস্ত; মাঝে মাঝে সারারাতই ফেসবুক ইউটিউব চলতে থাকে। অয়ন : যদিও তোর ব্যক্তিগত ব্যাপার; তারপরও আমার কাছে বিষয়টা ভালো লাগল না। এভাবে ইন্টারনেটের ব্যবহার মোটেও ভালো না। অমি : কেন, এভাবে ব্যবহার করলে সমস্যা কী? অয়ন : সমস্যা আছে। তুই অনেক বেশি সময় ওখানে দিয়ে ফেলছিস। তাছাড়া তুই শিক্ষামূলক তেমন কিছুও করছিস না। অমি : শিক্ষামূলক কাজ পরেও করা যাবে; কিন্তু এখন তো মজা করতে হবে। অয়ন : না রে, ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না হলে সেটা ক্ষতির কারণই হয়। তোর চোখের দিকে তাকিয়ে দেখেছিস? কালো দাগ পড়ে গেছে। অমি : তাহলে কি ব্যবহার বন্ধ করে দেব? অয়ন : তা তো বলিনি; গঠনমূলক কাজে বেশি ব্যবহার করবি। অমি : বুঝিনি; একটু সহজ করে বল। অয়ন : যেমন ধর সমস্ত বিশ্বের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে; তুই এটা নিয়ে পড়তে পারিস। অথবা ভূমিকম্প নিয়ে পড়তে পারিস; যেহেতু আমরা এখন ভূমিকম্পের আতঙ্কের মধ্যে আছি। অমি : এগুলো তো সারাদিনই টিভিতে দেখায়। এগুলো নিয়ে আবার পড়ার কী আছে? অয়ন : আচ্ছা তোর যা জানতে ইচ্ছা করে তাই নিয়েই পড়িস। মোটকথা ভালো কিছু জানার জন্যে, শেখার জন্যে ইন্টারনেট ব্যবহার কর। অমি : আর আনন্দের জন্যে কিছুই করবো না? অয়ন : আনন্দের জন্যেও ব্যবহার করবি; তবে সেটা নিজের ক্ষতি না করে। অমি : গলা তো শুকিয়ে গেল; চল একটু চা খাই। অয়ন : চল, রফিক ভাইয়ের চা-টা ফাটাফাটি। ওখানে গিয়েই খাই। " শব্দ দূষণের কুফল সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"রিপন ও মিশু স্কুল থেকে ফিরে রাস্তায় হাটছে। রিপন: আরে মিশু, আজকাল রাস্তায় এতো শব্দ কেন? মিশু: তুই কি বোকা? এখন তো সবজায়গায়ই গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল। এসবের শব্দে তো কান ঝনঝন করে। রিপন: শুধু গাড়ি-বাসই না, আরও অনেক কিছু। ফ্যাক্টরি, মাইক, স্পিকার, সব মিলিয়ে এক অসহ্য পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। মিশু: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। এই শব্দ দূষণের কারণে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। রিপন: কীভাবে? মিশু: শব্দ দূষণের কারণে আমাদের কানে ব্যথা হতে পারে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, মনোযোগের অভাবও দেখা দিতে পারে। রিপন: তাহলে আমাদের কী করতে হবে? মিশু: আমাদের সকলেরই সচেতন হতে হবে। যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো, উচ্চ শব্দে গান শোনা, এবং মাইকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। রিপন: সরকারেরও উচিত কঠোর আইন প্রণয়ন করা এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া। মিশু: হ্যাঁ, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে। রিপন: ঠিক বলেছিস। আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে শব্দ দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। মিশু: আশা করি আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে একটি সুন্দর ও শব্দমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবো। " "শান্তিনিকেতনে বেড়াতে যাওয়া নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ ","পল্টু: কীরে এবার তোদের স্কুলে থেকে কোথায় বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছে? রাজু: শান্তিনিকেতন। জানো মনে মনে ভাবলে এত আনন্দ হচ্ছে যে তোমাকে আর কী বলব। কত দিনের ইচ্ছা শান্তিনিকেতন দেখার। পল্টু: বুঝতে পারছি সব বুঝতে পারছি, আমিও সেবার প্রথম শান্তিনিকেতন যাই আমারও তোর মতোই আনন্দ হয়েছিল। রাজু: এখন হয় না। পল্টু: হয়তো, কিন্তু প্রথম শান্তিনিকেতন দেখার আনন্দটাই আলাদা, দুচোখ ভরে শুধু দেখে যাবি। চারিদিকে কেবলই সবুজের খেলা। রাজু: তাই, তুমি কোথায় উঠেছিলে? পল্টু: শান্তিনিকেতনের অতিথি শালায়। রাজু: এতদিন শান্তিনিকেতন সম্পর্কে কাগজে পড়েছি, টিভিতে দেখেছি, বই-এ পড়েছি, এবার চাক্ষুষ দেখব। ভাবলেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাচ্ছি। পল্টু: উপাসনা গৃহ, ছাতিম তলা, আম্রকুঞ্জ, উত্তরায়ণ দেখলে মণ ভরে যায়। আয় দোলের সময় শান্তিনিকেতন দেখার যে সুখ তার আর অন্য কোথাও গেলে মেলা ভার। অন্যরূপে সেদিন শান্তিনিকেতন সেজে ওঠে। রাজু: আচ্ছা ছাতিমতলাতেই লেখা আছে না, তিনি আমার প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ, আত্মার শান্তি? পল্টু: হ্যাঁ রে শান্তিনিকেতন ঘুরে বেড়ালেই সেই শান্তির খোঁজ তুই পেয়ে যাবি। রাজু: আচ্ছা আমাদের স্কুল থেকে মাত্র দু-রাত থাকবে, তাতে সব ঘোরা হবে? তোমার কাছে শুনে তো মনে হচ্ছে হবে না তাহলে? পল্টু : শান্তিনিকেতন একবার যাবার নয়, বারবার যাবার জায়গা। যেদিক দিয়েই হাঁটবি না কেন তোর মনে হবে হয়তো এদিক দিয়েই রবীন্দ্রনাথ হেঁটে গিয়েছিলেন। আবার যখন তুই উত্তরায়ণ যাবি তখন তোর মনে হবে, এই তো বইতে যে পড়েছি এখানে বসেই তো রবীন্দ্রনাথ কত গান, কত কবিতা লিখেছেন, সবথেকে বড়ো কথা কী জানিস ছাতিমতলায় দাড়িয়ে যখন আম্রকুঞ্জের দিকে তাকিয়ে থাকি তখন রবীন্দ্রনাথের সেই পিছনে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ছবিটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে।" "স্কুলস্তরে পাশ-ফেল প্রথা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সৈকত: আচ্ছা, সবাই একসঙ্গে একটি নতুন ক্লাসে উঠে যাওয়ার মজাটাই বেশ তাই না? অসীম : ঠিক বলেছিস। কিন্তু যারা সারাবছর লেখাপড়া না-করে এই ব্যবস্থার সুবিধা নিচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎটা ভাবো একবার। সৈকত : সত্যি, অদ্ভুত একটা নিয়ম। শুধুমাত্র পড়াশোনার ভয় থেকে ছাত্রছাত্রীদের দূরে রাখার জন্য এবং স্কুলছুটের সংখ্যা কমানোর জন্য এই ব্যবস্থা। অসীম : কিন্তু যে ছেলে-মেয়ের বাবা-মা লেখাপড়াই জানে না সে অকৃতকার্য হলেই তাকে টি.সি দেওয়া হবে এটাও তো কাম্য নয়। সৈকত : কিন্তু কিছুই না শিখে একজন পরপর ক্লাসে উঠে যাবে, প্রায় জোর করে শিক্ষার মূলস্রোতে আটকে রাখা হবে এ কেমন নিয়ম। অসীম : আসলে এ সমস্যার বীজ লুকিয়ে অনেক গভীরে। পরিকাঠামো উন্নয়ন করে, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতার মাধ্যমে এবং আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমেই জাগরণ ঘটবে সবার। সৈকত : কিন্তু ফেলের জুজুটাকে সরিয়ে, ভয় না দেখিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ঘটানোই সারা বিশ্বে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতি। অসীম : ঠিকই, কিন্তু পরিসংখ্যান তো উল্টো কথাই বলছে। পাশ-ফেল না থাকায় বেশ কয়েক বছরে স্কুলছুটের সংখ্যা কমে তো নি বরং মান একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সৈকত : তাই তো সরকার পাস-ফেল ফিরিয়ে আনতে চলেছে। তবে এর সঙ্গে লক্ষ রাখতে হবে যাতে ফেল করা শিশুরা একেবারে স্কুলছুট না হয়ে যায়।  অসীম : ঠিকই। তাদের অন্তত একটি সুযোগ দিয়ে কিছুটা তৈরি হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। সৈকত : সবদিক খতিয়ে দেখেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে তবেই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সঠিক পথে এগোবে। " "মোবাইল ফোনের অত্যধিক ব্যবহার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সাবির: গতকাল কি হয়েছে শুনেছিস? ফারহান : না। কি হয়েছে বলতো? সাবির: আরে, আমাদের স্কুলের ইলেভেনের জুনেইদ কাল মোবাইল কানে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিল। এমন সময় একটি অটো তাকে ধাক্কা মারে। বেঁচে গেছে কোনোক্রমে। তবে পায়ে গুরুতর চোট লেগেছে। বোধ হয় অপারেশন করতে হবে। ফারহান: সে কি রে! সব জেনে শুনে আমরাই যদি এমন অসতর্কের মতো কাজ করি তাহলে তো বিপদ হবেই। সাবির: সত্যি স্মার্টফোন আসায় যে-কোনো বয়সের মানুষই ফোনে যেন প্রচণ্ড আসক্ত হয়ে পড়েছে। লাগামছাড়া ব্যবহার হচ্ছে। ফারহান : প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র একটা নেশার বস্তুতে যেন পরিণত হয়েছে এটি। সাবির : অথচ শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ বা কথার মধ্যেই যদি এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে এটিই হতে পারত খুব উপকারী বন্ধু। ফারহান : ঠিকই। কিন্তু মানুষের বিশ্রাম, একাগ্রতা, নিষ্ঠা সবই কমছে। উল্টে বাড়ছে অস্থিরতা। সাবির : অনেক শিক্ষামূলক, গঠনমূলক ও প্রয়োজনীয় কাজে এর ব্যবহার হলেও অনেকক্ষেত্রেই এর কুপ্রভাব সমাজের অল্পবয়সিদের ক্ষতি করছে। ফারহান : ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনারও যথেষ্ট ক্ষতি করছে। সাবির : অপ্রয়োজনে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, গেম ইত্যাদিতে সময় নষ্ট করে কাজের সময় কমে যাচ্ছে। ফারহান : সত্যি, এখন মনে হচ্ছে এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে না আসলে ভবিষ্যতে আমাদের যুবসমাজের মধ্যে খুব খারাপ প্রভাব পড়তে চলেছে। সাবির : এ ব্যাপারে নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে এবং বন্ধুদেরও সতর্ক করতে হবে।" "বিশেষ প্রয়োজনে ছুটি ও কর্মস্থলে ত্যাগের আবেদন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি পত্র লিখ ৷ অথবা, পরিবারের কেউ অসুস্থ হওয়ার জন্য বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজনে কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি চেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বরাবরে একটি আবেদনপত্র লিখ  ","০৬ জুলাই, ২০২৪ বরাবর সহপরিচালক (প্রশাসন) পরমাণু শক্তি কমিশন, গণকবাড়ী, সাভার, ঢাকা । বিষয় : কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি প্রসঙ্গে। মহাত্মন, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষকারী পরামাণু শক্তি কমিশন, গণকবাড়ী শাখার প্রকৌশল দপ্তরের একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। কিছুক্ষণ পূর্বে মোবাইল মারফত জানতে পারলাম যে, আমার মায়ের শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ হবার দরুন শের- ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং ছোট ছেলে হিসেবে আমাকে তিনি দেখতে চেয়েছেন। তাই অসুস্থ মায়ের শয্যাপাশে অবস্থান করা আমার একান্ত প্রয়োজন । অতএব, জনাব সমীপে সবিনয় আরজ, আমার বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় আজ ০৮.০৬.২৪ থেকে ১০.০৬.২৪ তারিখ পর্যন্ত মোট তিন দিনের ছুটি মঞ্জুরসহ কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি দানে জনাবের একান্ত মর্জি কামনা করছি । নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম ছুটিকালীন অবস্থানের ঠিকানা মোঃ আমিনুল ইসলাম C/o ডা. মোঃ সিরাজুম মুনির ১৩নং সদর রোড, নিউমার্কেটের ২য় তলা, বরিশাল " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের স্বল্পতার বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত কিছু জরুরি ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে। এতে রোগীরা নানা সমস্যায় পড়ছে এবং অন্যত্র ওষুধ খুঁজতে হচ্ছে। আমাদের বিনীত অনুরোধ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা দ্রুত করুন যেন রোগীরা সঠিক সময়ে সেবা পায়। আপনার সদয় সহায়তার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদকগণ, উপজেলা বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভায় আবর্জনা ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম]। বিষয়: শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় আবর্জনা নিক্ষেপের কারণে পরিবেশ দূষণ ও দুর্গন্ধ বিরাজ করছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। দয়া করে পৌরসভায় আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও আবর্জনা নিষ্পত্তির সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করুন। আমরা আপনার দ্রুত পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, পৌরসভা এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা শিক্ষা অফিসে নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম]। বিষয়: উপজেলার একটি দূরবর্তী এলাকায় নতুন সরকারী বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলার [গ্রামের নাম] এলাকাটি শিক্ষা সুবিধা থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিয়ে স্কুলে আসতে হয়, যা শিশুদের জন্য খুবই কষ্টকর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যে এই এলাকায় একটি নতুন সরকারী বিদ্যালয় স্থাপন করা হোক, যাতে এলাকার সকল শিশুর নিকটবর্তী এবং সহজে শিক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, [গ্রামের নাম] এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষকগণ প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লাইব্রেরির বই সংখ্যা বৃদ্ধি করার আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: কলেজ লাইব্রেরিতে বই সংযোজনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের কলেজের লাইব্রেরাটি শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানার্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে বইয়ের সংখ্যা খুবই সীমিত এবং বিভিন্ন বিষয়ের বই সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা ও পড়াশোনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা অনুরোধ করছি, আপনার সদয় বিবেচনায় লাইব্রেরির জন্য বিভিন্ন বিষয়ের নতুন ও আধুনিক বই সংগ্রহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম ও অতিরিক্ত গবেষণায় সহায়তা লাভ করবে এবং শিক্ষার মান উন্নত হবে। আমরা আপনার সহযোগিতার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদক, [আপনার নাম] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর] " স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [স্কুলের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের বিদ্যালয়ে এখনও কম্পিউটার ল্যাব নেই, যার ফলে শিক্ষার্থীরা এই আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। সুতরাং, আমরা সম্মানিত স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে আধুনিক মানের একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের ডিজিটাল শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনে সাহায্য হবে এবং তাদের ভবিষ্যত গড়তে বড় ভূমিকা রাখবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, [আপনার নাম] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর] " স্থানীয় খেলাধুলার জন্য মাঠ ও সরঞ্জাম কেনার তহবিল চেয়ে আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য মাঠ নির্মাণ ও সরঞ্জাম কেনার অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার যুবকদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে ক্রীড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান সময়ে মাঠ ও খেলার উপকরণের অভাব দেখা দিয়েছে। এজন্য, আমি আপনার নিকট অনুরোধ করছি, এলাকার ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য একটি মাঠ নির্মাণ এবং খেলাধুলার সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করুন। আপনার সদয় উদ্যোগ এলাকার যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " গ্রামীণ সড়কের সংস্কারের জন্য অর্থ অনুদানের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [আপনার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গাচোরা অবস্থায় আছে, যা গ্রামের মানুষের চলাচলে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। অতএব, আমি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, এই সড়ক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করার জন্য। আপনার সহযোগিতায় গ্রামের জীবনমান উন্নত হবে। বিনীত, [আপনার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম] " গ্রাম এলাকায় শিশু শিক্ষা উন্নয়নের জন্য অনুদানের আবেদন," বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: শিশু শিক্ষা উন্নয়নের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকায় শিশুদের শিক্ষার সুযোগ খুবই সীমিত। অনেক শিশু এখনও বেসিক শিক্ষায়ও পৌঁছায়নি। এলাকায় একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অনুদান ও সহযোগিতা চাচ্ছি, যাতে শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ পায়। আপনার সদয় সহযোগিতায় এই উদ্যোগ এলাকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য অর্থায়নের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার জন্য তহবিল বরাদ্দের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের এলাকার কৃষকরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পদ্ধতি সম্পর্কে অনেক কম জানেন। এজন্য, আধুনিক কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনার জন্য আপনার সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। এতে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রাম্য যুবসমাজের জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের তহবিল প্রার্থনা,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: যুব উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রকল্পের জন্য তহবিল বরাদ্দ। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। বর্তমানে আমাদের এলাকার যুবসমাজ কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশাগ্রস্ত। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও স্বনির্ভর করে তোলার জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আবেদন করছি। এটি এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" স্থানীয় বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য অর্থায়নের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য অনুদানের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। প্রতি বছর বর্ষাকালে আমাদের এলাকা বন্যার ঝুঁকিতে পড়ে। এতে কৃষি জমি ধ্বংস হয় এবং বসবাসকারী মানুষের জীবন-জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এজন্য, নিরাপদ জীবন ও ফসলের সুরক্ষার জন্য একটি বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের জন্য জরুরি তহবিল বরাদ্দের আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সহায়তায় এলাকাবাসী বন্যা থেকে রক্ষা পাবে এবং স্থায়ী উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" গ্রামীন অঞ্চলে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"বরাবর চেয়ারম্যান/মেয়র [পৌরসভা/ইউনিয়নের নাম] বিষয়: স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অর্থায়নের আবেদন। জনাব, আমি [তোমার নাম], [এলাকার নাম] এলাকার কমিউনিটি লিডার। আমাদের গ্রামে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নেই। নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্র অনেক দূরে হওয়ায় তারা প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না। এজন্য, স্থানীয় পর্যায়ে একটি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের আবেদন করছি। এটি এলাকার মানুষের সুস্থ্য জীবনযাপন নিশ্চিত করবে। বিনীত, [তোমার নাম] কমিউনিটি লিডার [এলাকার নাম]" , এলাকার সড়কের দুরবস্থা সংক্রান ্ ত সংবাদ প্রতিবেদন,"### **এলাকার সড়কের দুরবস্থা সংক্রান্ত সংবাদ প্রতিবেদন** **হাসিবুল আলম, চাটখিল (নোয়াখালী), ২২ জুলাই ২০২১** ॥ নোয়াখালীর **সোনাইমুড়ি উপজেলার জয়াগ বাজার** থেকে **কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ** পর্যন্ত **শহিদ মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক সড়কটি** চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রায় এক **যুগ ধরে সড়কটির কোনো সংস্কার কাজ হয়নি**। ফলে সড়কের বেহাল অবস্থায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। গতকাল **মঙ্গলবার দুপুরে** সরেজমিনে দেখা গেছে, **১২ কিলোমিটার দীর্ঘ** সড়কটির প্রায় পুরো অংশই **বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দে ভরা**। জয়াগ বাজার থেকে **মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের নগরপাড়া সেতু** পর্যন্ত **২ কিলোমিটার অংশের** দুপাশের মাটি সরে গেছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে **নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ি, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ও লাকসাম এবং চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে**। এছাড়া **কমপক্ষে ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা** এ পথে যাতায়াত করে। এলাকাবাসীর মতে, সড়কটির **৩ কিলোমিটার অংশ সোনাইমুড়ি ও ৯ কিলোমিটার অংশ চাটখিল উপজেলায়** পড়েছে। **২০১৯ সালের বন্যায়** সড়কটির **সুরকির স্তর নষ্ট হয়ে বালু বেরিয়ে আসে** এবং সৃষ্টি হয় **বড় গর্ত**। এরপর **প্রতিবছর বর্ষাকালে** বৃষ্টির পানিতে সড়কটি একেবারে **কাদায় পরিণত হয়**, যা বর্তমানে **চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য**। গত **বুধবার** এক **পিকআপ ভ্যান ভাওরকোট গ্রামের কাছে রাস্তার গর্তে পড়ে গেলে চালকসহ তিনজন আহত হন**। এলাকাবাসী মনে করে, **এই সড়কের দুরবস্থা দীর্ঘদিনের**, অথচ **কর্তৃপক্ষের নজর নেই**। **স্থানীয়রা একাধিকবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে আবেদন করলেও কোনো প্রতিকার পায়নি**। **এলাকাবাসীর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।**" সহকারী বাংলা শিক্ষক পদ ে নিয়োগের আবেদন,"**১০ অক্টোবর ২০২১** **প্রধান শিক্ষক** কুলকান্দি শামসুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয় কুলকান্দি, ইসলামপুর, জামালপুর **বিষয়:** বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের আবেদন। **মহোদয়,** সবিনয় নিবেদন এই যে, গত **৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১** তারিখে **'দৈনিক ইত্তেফাক'** পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানতে পারলাম, আপনার বিদ্যালয়ে **বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক** নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। আমি উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী। আমার ব্যক্তিগত তথ্য ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিম্নরূপ: ### **ব্যক্তিগত তথ্য:** ১. **নাম:** রেখা আক্তার ২. **পিতার নাম:** একরামুল হক ৩. **মাতার নাম:** খোদেজা বেগম ৪. **জন্ম তারিখ:** ২৫ জুন ১৯৯৪ ৫. **জাতীয়তা:** বাংলাদেশি 6. **ধর্ম:** ইসলাম ৭. **বর্তমান ঠিকানা:** ৩৩, পশ্চিম নয়াপাড়া, জামালপুর সদর উপজেলা, জেলা: জামালপুর ৮. **স্থায়ী ঠিকানা:** গ্রাম: হরিণধরা, ডাকঘর: কুলকান্দি, ইসলামপুর, জামালপুর ### **শিক্ষাগত যোগ্যতা:** | **পরীক্ষা** | **শিক্ষা প্রতিষ্ঠান** | **বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়** | **পাশের বছর** | **বিভাগ** | **ফলাফল** | |------------|------------------|----------------|------------|------------|-----------| | **এসএসসি** | শহিদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় | ঢাকা | ২০১১ | মানবিক | জিপিএ ৪.০০ | আমি উক্ত পদে নিয়োগ পেলে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। তাই, আমাকে বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আপনার সদয় বিবেচনা কামনা করছি। **বিনীত,** *(স্বাক্ষর)* **রেখা আক্তার**" . লেখকের কাছ ে পাঠকের চিঠি,"**To:** ahmadsadik@gmail.com **From:** atikulislam@gmail.com **Subject:** শুভেচ্ছা বার্তা জনাব আহমদ সাদিক, আমার শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন। আমি আপনার পূর্বপরিচিত নই, তবে আমি আপনার বইয়ের একজন পাঠক। এবারের একুশের বইমেলায় প্রকাশিত **'বাংলাদেশের প্রান্তিক-উৎসব'** বইটি পড়েছি। বইমেলা থেকেই এটি সংগ্রহ করেছি। প্রত্যাশা ছিল আপনার সঙ্গে দেখা হবে এবং আপনার স্বাক্ষরসংবলিত কপি পাব, কিন্তু সেদিন আপনি স্টলে আসেননি। আমাকেও পরদিন সিলেট ফিরে যেতে হয়েছে। **'বাংলাদেশের প্রান্তিক-উৎসব'** বইটি পড়ে আমি খুব উপকৃত হয়েছি। মূলধারার উৎসবের পাশাপাশি **বাংলাদেশের প্রান্তিক অঞ্চলের নানা উৎসব** সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছি, যা আপনার বই পড়ার আগে জানতাম না। আপনি একজন **নিষ্ঠাবান গবেষক** হিসেবে অনেক আগে থেকেই পরিচিত, আর এই বইয়ে আপনার সেই যোগ্যতার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেছে। বিশেষভাবে খুশি হয়েছি যে, **সিলেট অঞ্চলের মণিপুরি, খাসিয়া ও চা শ্রমিকদের উৎসবের কথা** আপনি বইয়ে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন। বইটির **ভাষা ও অধ্যায়-বিভাজন** আমার কাছে বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। **৩১২ পৃষ্ঠার বইটি মাত্র দুই দিনেই পড়ে শেষ করেছি।** আপনার সঙ্গে সরাসরি দেখা করার প্রত্যাশা রইল। যদি কখনো সিলেটে আসেন, অনুগ্রহ করে আমাকে জানান। আমাদের বাসায় আতিথ্য গ্রহণ করলে আমি খুব আনন্দিত হব। আপনার জন্য শুভ কামনা। **ইতি,** **আতিকুল ইসলাম** মিরাবাজার, সিলেট" ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানিয় ে বন্ধুক ে চিঠি,"**To:** praptiray@gmail.com **From:** aniruaanaray@gmail.com **Subject:** ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা **প্রিয় মতি,** আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করিস। অনেকদিন হলো তোর কোনো চিঠি পাচ্ছি না। ক্যাডেট কলেজের বন্ধুদের পেয়ে কি আমার কথা ভুলে গেছিস? আজ তোকে লিখতে বসেছি এক ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা জানাতে। **গত মাঘী পূর্ণিমার ছুটিতে আমি আর সীমান্ত গিয়েছিলাম ঐতিহাসিক লালবাগ কেল্লা দেখতে।** ইতিহাসের বইয়ে শায়েস্তা খাঁর কথা পড়েছি, আর এবার সরাসরি তার সময়কার স্থাপত্য দেখার সুযোগ পেলাম। লালবাগ কেল্লা প্রায় **চারশো বছরের পুরোনো** এক অসাধারণ মুঘল স্থাপনা। আমরা সেদিন সকালেই লালবাগের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলাম। **পুরান ঢাকার লালবাগে ঢোকার প্রবেশপথে** টিকিট কাউন্টার রয়েছে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার পর আমরা ভিতরে প্রবেশ করি। ফটকের ভেতরে ঢুকতেই নয়নাভিরাম দৃশ্য আমাদের মুগ্ধ করে তোলে। কয়েকজন বিদেশি দর্শনার্থীকেও দেখতে পেলাম। **লালবাগ কেল্লার নির্মাণ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।** তৎকালীন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র **সুবেদার আজম শাহ** এটি নির্মাণ শুরু করেন, যা পরবর্তীতে **সুবেদার শায়েস্তা খাঁর** আমলে সম্পন্ন হয়। কেল্লাটি নির্মাণে **কষ্টিপাথর, মার্বেল পাথর ও রঙিন টালি** ব্যবহার করা হয়েছে, যা একে অনন্য করে তুলেছে। **কেল্লার মূল আকর্ষণগুলো:** - প্রবেশ দরজা দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়ে **পরি বিবির সমাধি।** তিনি ছিলেন শায়েস্তা খাঁর অকালপ্রয়াত কন্যা। - **দরবার হল ও হাম্মামখানা,** যেখানে শাসনকাজ চলত এবং গোসলের ব্যবস্থা ছিল। - উত্তর-পশ্চিমাংশে **তিন গম্বুজবিশিষ্ট শাহি মসজিদ।** - **একটি জাদুঘর**, যেখানে মুঘল আমলের অস্ত্র, পোশাক ও তৈজসপত্র সংরক্ষিত আছে। কেল্লার চত্বরে বসার জায়গাও রয়েছে, আর সবকিছুই ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। **প্রাকৃতিক শোভা আর স্থাপত্যশৈলী মিলে লালবাগ কেল্লা সত্যিই অপূর্ব!** আমাদের খুব ভালো লেগেছে। সময় পেলে তুইও একবার দেখে আয় **বাংলার ইতিহাসখ্যাত লালবাগ কেল্লা।** ভালো থাকিস। **ইতি,** **তোর বন্ধু**" . কন্যার কাছ ে পিতার চিঠি,"**স্নেহের প্রাপ্তি,** আমার আশীর্বাদ নিয়ো। আশা করি ভালো আছ। গত চিঠিতে তোমার **প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল** জেনেছি। প্রায় সব বিষয়েই ভালো করেছ, তবে গণিতে খানিকটা কম নম্বর পেয়েছ। এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। **গণিতের কোন কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হচ্ছে, তা আগে শনাক্ত করো।** প্রয়োজনে তোমার ক্লাসের গণিত শিক্ষকের সহযোগিতা নাও। মুখস্থ না করে **বুঝে পড়ার চেষ্টা করো।** সামনে **নির্বাচনী পরীক্ষা** এবং **এসএসসি পরীক্ষাও বেশি দূরে নয়।** তাই এই সময়টা খুব **ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে।** জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত **ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো জরুরি।** পরীক্ষা শিক্ষাজীবনের একটি অংশ মাত্র, তাই **এটি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।** এই সময় কীভাবে **সুস্থ থেকে নিয়মিত পড়াশোনা করা যায়, সেদিকে খেয়াল রেখো।** - বেশি রাত জেগো না। - যথাসময়ে খাবার খাও। - পর্যাপ্ত বিশ্রাম নাও। আমরা সবাই বাসায় ভালো আছি। তোমার সফলতা ও মঙ্গল কামনা করি। **ইতি,** **[আপনার নাম]** **২৩ নভেম্বর**" মাতার কাছ ে পুত্রের চিঠি,"**দ্বেয় মা,** আমার সালাম নিয়ো। আশা করি ভালো আছ। আমি নিরাপদে **ছাত্রাবাসে পৌঁছেছি।** যদিও আসার পথে **বাড়ির কথা ভেবে মন খারাপ লাগছিল।** প্রতিবারই **বাড়ি থেকে আসার সময় এমন হয়।** এসেই জানলাম **আগামী ১০ই নভেম্বর থেকে আমাদের প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু হবে।** তাই এখন **পড়াশোনা নিয়ে খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।** আমার জন্য **আশীর্বাদ কোরো।** **ছুটিতে বাড়ি গিয়ে লেখাপড়ায় খানিকটা ছেদ পড়েছিল।** তাই এখন **বেশি পরিশ্রম করে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছি।** **মা, আমি তোমাকে আমার জীবনের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছি।** আমি **সেই লক্ষ্য পূরণে যথাসাধ্য চেষ্টা করব, তোমাদের মুখ উজ্জ্বল করার চেষ্টা করব।** আসার সময় **মেহরাবকে কিছুটা অসুস্থ দেখে এসেছি।** এখন ও কেমন আছে, জানিয়ো। **বাবাকে শরীরের প্রতি যত্ন নিতে বলো।** **আমার জন্য চিন্তা কোরো না, আমি ভালো আছি।** **ইতি,** **তোমার স্নেহের মাহের** --- ### **ডাকে পাঠানোর জন্য খাম:** **ডাকটিকিট** **প্রেরক:** মাহের আবদুল্লাহ ২৪ আরামবাগ, মতিঝিল ঢাকা-১০০০ **প্রাপক:** ফারজানা রাহমান প্রযত্নে: আবদুল্লাহ আল মামুন গ্রাম: কামরানির চর ডাকঘর: পাঁচগাঁও উপজেলা: আড়াইহাজার জেলা: নারায়ণগঞ্জ" বৃক্ষরোপনের প্রয়োজনীয়তা,"**প্রিয় রাহুল,** আমার শুভেচ্ছা নিও। অনেক দিন হলো তোমার কোনো খবর পাই না। আশা করি ভালো আছ। গতদিন আমাদের স্কুলে 'বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা' বিষয়ে একটি সেমিনার হয়ে গেল। সেই সেমিনারেই বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে অনেক ভালো ভালো কথা শুনলাম। তোমাকে সেগুলো জানাতেই এ চিঠি লিখতে বসেছি। তুমি তো জানো, গাছ আমাদের পরম বন্ধু। আমরা শ্বাস-প্রশ্বাসে অক্সিজেন গ্রহণ করি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করি। আর গাছ আমাদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বর্জিত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে নেয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। কিন্তু মানুষ তার প্রয়োজনের জন্য প্রচুর গাছ কাটছে। বন উজাড় হচ্ছে। তাতে প্রকৃতি ও পরিবেশের ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে। তুমি হয়তো জানো, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি দেশের মূল ভূ-খণ্ডের কমপক্ষে পঁচিশ ভাগ বন থাকা দরকার। আমাদের দেশে তা নেই। বরং যা আছে, তা-ও নির্বিচারে ধ্বংস করা হচ্ছে। সভ্যতা ও উন্নয়নের ফলে সৃষ্টি হচ্ছে কলকারখানা। রাস্তায় যানবাহনের চলাচল বাড়ছে। কলকারখানা ও গাড়ির ধোঁয়ায় বাতাসে বাড়ছে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ। ক্ষয় হচ্ছে বাতাসের ওজোন স্তর। সৃষ্টি হচ্ছে গ্রিনহাউজ এফেক্ট। ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে। দেখা দিচ্ছে নানা রোগ-ব্যাধি। এসবই ঘটছে বাতাসে অক্সিজেনের অভাবের কারণে। তাই বেশি বেশি গাছ লাগালে বাতাসে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ হবে। প্রকৃতির ভারসাম্য ফিরে আসবে। পরিবেশ দূষণমুক্ত হবে। তা ছাড়া আমাদের জ্বালানির চাহিদার বেশির ভাগ পূরণ হয় বৃক্ষের মাধ্যমে। কাঠ থেকে আমরা বাড়িঘর এবং আমাদের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র প্রস্তুত করে থাকি। সুতরাং ভবিষ্যতের কথা ভেবে এখনই আমাদের অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন। বাড়ির চারপাশে, রাস্তার দুপাশে, পতিত জমিতে প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগাতে হবে। বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনগণকে আরও সচেতন করে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, বৃক্ষ বাঁচলে আমরা বাঁচব। আজ এই পর্যন্তই। তোমার মা-বাবাকে আমার শ্রদ্ধা জানিও। চিঠি দিও। **ইতি, তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী।**" তোমার বন ্ ধ ু মোহনার মা হঠাৎ মারা গেছেন। তাক ে সান্ত্বনা জানিয় ে একট ি চিঠ ি লেখ।,"**প্রিয় মোহনা,** কিছুক্ষণ আগে তোমার চিঠি পেয়েছি। চিঠি পড়ে আমি স্তম্ভিত। তুমি লিখেছ তোমার মায়ের আকস্মিক মৃত্যুর কথা। আমার কাছে এখনো সব অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। এ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো! আমি খুবই মর্মাহত। তোমাকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষা আমার নেই। শুধু জানো, তোমার এ মর্মবেদনায় আমিও সমান অংশীদার। ছোটবেলায় আমি মাকে হারিয়েছি। মায়ের আদর-ভালোবাসা কাকে বলে জানতাম না। তোমার মা আমার সেই অনুভূতি জাগিয়েছিলেন। তাই তাঁকে আমি মা বলে ডেকেছি। আজ আমি আবার মা-হারা হলাম। মানুষ মরণশীল – এই নির্মম সত্যটা আমাদের জন্য বড়ই বেদনাদায়ক। কাজেই দুঃখ না করে মায়ের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করো। তিনি যেমনটি ভেবেছিলেন, ভবিষ্যতে আমাদের সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে। পড়াশোনায় আত্মনিয়োগ করো। বাবা ও ছোট ভাইয়ের প্রতি খেয়াল রেখো। কয়েক দিন পরে তোমার দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষা। নিজের পড়ার কাজে মনোযোগী হলে এই বেদনা হয়তো ধীরে ধীরে প্রশমিত হবে। পরীক্ষার কারণে তোমার এই দুঃসময়ে কাছে থাকতে পারলাম না, এটাও আমার জন্য খুব কষ্টকর। কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করি, তুমি যেন এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পারো। আমার আন্তরিক সমবেদনা রইল। আল্লাহ তোমার সহায় হোন। তোমার বাবাকে সালাম জানিও। ছোট ভাই সিয়ামের প্রতি রইল আমার অসীম স্নেহ। **ইতি, তোমার বন্ধু সুমনা।** --- **ডাকটিকিট** **প্রেরক:** সুমনা ৮০ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা। **প্রাপক:** মোহনা প্রযত্নে: মো. ফিরদাউস তারাবনিয়াছড়া, কক্সবাজার।" পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ব্যক ্ ত ি তথা জাতির জন্ য হ্রমকিস্বরূপ' এই মর ্ ম ে একট ি পত ্ র পাঠাও। সিদ,"**স্নেহের হাসান,** আমার আদর নিও। গতকাল তোমার চিঠি পেয়েছি। তুমি ও বাড়ির সবাই ভালো আছো জেনে খুশি হয়েছি। চিঠিতে জানতে পারলাম, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে তোমার পরীক্ষা শুরু হবে। তোমার পড়াশোনা নিশ্চয়ই ভালোভাবে চলছে? মনোযোগ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো পড়ো এবং বারবার লেখো। নিজের ভুলগুলো নিজেই সংশোধন করো। এতে তোমার হাতের লেখা যেমন সুন্দর হবে, তেমনি লেখায় বানান ভুলও কমে যাবে। ফলে পরীক্ষার খাতায় বেশি নম্বর পাবে। আজকাল অনেক শিক্ষার্থীই ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে শিক্ষকদের কথা শোনে না। বাড়িতেও ঠিকমতো পড়ালেখা করে না। তারা পরীক্ষার হলে গিয়ে নকল করে। কেউ কেউ নকল করে ভালোভাবে পাসও করে যায়। কিন্তু প্রকৃত শিক্ষা তাদের হয় না। ছাত্ররা দেশের ভবিষ্যৎ। আগামিতে তারাই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। তাই পরিশ্রম ও সাধনার মাধ্যমে তাদের নিজেকে সব দিক দিয়ে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। পরীক্ষায় নকল করা একটি সামাজিক ব্যাধি। এই ব্যাধি জাতিকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। নকলের মতো দুর্নীতি বা পাপের ওপর ভিত্তি করে জীবনে কখনোই সাফল্য লাভ করা যায় না। আশা করি, তুমি শিক্ষকদের উপদেশ মতো পড়াশোনার প্রতি গভীর মনোযোগ দেবে। মানুষের মতো মানুষ হয়ে আমাদের পরিবার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। তোমার কৃতিত্ব ও গৌরব কামনা করি। ভালো থেকো। বাবা ও মাকে আমার সালাম জানিও। **ইতি, তোমার বন্ধু বাঁধন।** --- **ডাকটিকিট** **প্রেরক:** বাঁধন ২১২, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। **প্রাপক:** হাসান ডাকঘর: কুলিয়ারচর জেলা: সুনামগঞ্জ।" কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত ্ ব বর্ণনা কর ে তোমার ছোট বোন বনানীক ে একট ি চিঠ ি লেখ।,"**প্রিয় বনানী,** আমার স্নেহাশিস নিও। অনেক দিন পর তোমার চিঠি পেলাম। তুমি ক্লাসে প্রথম হয়েছো জেনে খুব আনন্দিত হয়েছি। আমি আরও খুশি হয়েছি, যখন জানতে পারলাম তুমি ক্লাসের পড়াশোনার বাইরে কম্পিউটার শিখছো। বর্তমান যুগ হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। আর প্রযুক্তির এ যুগে সর্বোচ্চ স্থান দখল করে আছে কম্পিউটার। কম্পিউটার ছাড়া আধুনিক জীবন-যাপন কল্পনা করা যায় না। শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত, চিকিৎসা, বিনোদন—সব ক্ষেত্রেই কম্পিউটারের ব্যবহার আজ অপরিহার্য। তাই কর্মক্ষেত্রেও এখন কম্পিউটার জানা ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কম্পিউটার-অভিজ্ঞ কেউ বেকার বসে থাকে না। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। তুমি ক্লাসের পড়াশোনার পাশাপাশি কম্পিউটার ভালোভাবে আয়ত্ত করবে—এটাই আমার শুভকামনা। আজ এ পর্যন্তই। মা ও বাবাকে আমার সালাম দিও। তুমি ভালো থেকো। **ইতি, তোমার ভাইয়া রনি।** --- **ডাকটিকিট** **প্রেরক:** রনি ১০৪, আহসান রোড, বগুড়া। **প্রাপক:** ব্রততী বনানী গ্রাম: বাগুডাঙ্গা ডাকঘর: মূলশ্রী উপজেলা: কালিয়া জেলা: নড়াইল।" স্কুল ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্ য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন।,"**তারিখ:** ৩রা আগস্ট ২০২২ **বরাবর,** প্রধান শিক্ষক জামালপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় জামালপুর। **বিষয়:** সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। **মহোদয়,** বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের স্কুলের টিউবওয়েলটি আর্সেনিকমুক্ত না হওয়ায় আমরা খাওয়ার পানির বিশেষ সংকটে আছি। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের সুস্বাস্থ্যে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে নানা রোগের শিকার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায়, আমাদের স্কুলে দ্রুত একটি আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত আবেদন, জরুরি ভিত্তিতে একটি আর্সেনিকমুক্ত টিউবওয়েল স্থাপনের ব্যবস্থা করে বাধিত করবেন। **বিনীত নিবেদক,** জামালপুর স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে **অনিন্দ্য সোম** শ্রেণি: ৭ম রোল: ০৫" তোমার ছাত্রাবাস জীবনের অভিজ্ঞতা জানিয় ে তোমার মাক ে পত ্ র ল,"**পূজনীয় মা,** আমার প্রণাম নিও। বাবাকে আমার প্রণাম দিও। তুমি ও বাবা কেমন আছ? তোমাদের জন্য আমার সব সময়ই চিন্তা হয়। নিজেদের শরীরের প্রতি যত্ন নিও। আমি এক সপ্তাহ আগে আমার স্কুলের ছাত্রীনিবাসে উঠেছি। ছাত্রীনিবাসের পরিবেশ খুবই ভালো। বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্রীরা এখানে থাকে। সবাই পরস্পরের প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতিশীল, যার ফলে কারও কোনো সমস্যা হয় না। অবসর সময়ে আমরা একসঙ্গে গল্প করি। আমাদের বাড়িতে সন্ধ্যায় যেমন সবাই একত্রে আড্ডা দিই, অনেকটা সেই রকম। ছাত্রীনিবাসের মধ্যেই একটি ছোট পাঠাগার আছে। এখানে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানের বই রয়েছে। লাইব্রেরিতে বসে বই পড়া যায়, আবার তিন দিনের জন্য কক্ষেও নিয়ে আসা যায়। আমার কক্ষে যে মেয়েটি আছে, সেও ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। ওর নাম মণি। ও খুলনার মেয়ে। মণি খুবই সুন্দর রবীন্দ্রসংগীত গায়। তোমাদের জন্য মন খারাপ হলে মণি আমাকে গান শোনায়। আমার কক্ষটা চারতলায়। জানালার পাশে দাঁড়ালে সবুজ গাছের ওপর দিয়ে সুন্দর আকাশ দেখা যায়। ছাত্রীনিবাসে একটি মিলনায়তন আছে, যেখানে ক্যারম ও টেবিল টেনিস খেলা যায়। শীতের সময় ব্যাডমিন্টন খেলারও ব্যবস্থা করা হয়। প্রথম প্রথম ছাত্রীনিবাসের খাবার খুব ভালো লাগত না, তখন তোমার রান্নার কথা খুব মনে হতো। কিন্তু এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছি। প্রতি মাসে দু'বার বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, তখন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকে, যা অনেকটা উৎসবের মতো। আমাকে নিয়ে চিন্তা কোরো না। আশা করি, আমি ভালোই থাকব। স্বচ্ছ কেমন আছে? ওর লেখাপড়ার প্রতি নজর রেখো। পূজার ছুটি হলেই আমি বাড়ি চলে আসব। আমার জন্য আশীর্বাদ করো। **ইতি, তোমাদের আদরের শুভ্রা গোস্বামী।**" তোমার জীবনের লক্ষ্ য কী জানিয় ে বড় ভাইক ে চিঠ ি লেখ।,"**শ্রদ্ধেয় বড় ভাই,** আমার সালাম নেবেন। বাড়ির সবাই ভালো আছে। আমার স্কুলের ক্লাস ভালোভাবে শুরু হয়েছে, আমিও পড়াশোনা শুরু করেছি। আদরের ছোট বোন অত্রিকে ভর্তি করানো হয়েছে। আপনার কথামতো আমরা দু'জন একসঙ্গে স্কুলে যাই। আপনি চিন্তা করবেন না। আপনি জানতে চেয়েছিলেন, আমি বড় হয়ে কী হতে চাই। আমাদের জলীল স্যারকে তো আপনি চেনেন। আমি স্যারকে খুব পছন্দ করি। স্যার আমাদের খুব ভালোভাবে পড়ান। পড়ানোর সময় তিনি বলেন, আমরা কীভাবে বড় হয়ে দেশের মানুষের সেবা করতে পারব, পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারব—এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। আমার মনে হয়, আমাদের দেশের জন্য এখনো আদর্শ শিক্ষক অনেক বেশি প্রয়োজন। তাই আমি ঠিক করেছি, ভালোভাবে পড়ালেখা শেষ করে শিক্ষক হব। আপনি আমার জন্য দোয়া করবেন। আমাদের এলাকার সবাই ভালো আছেন। দাদা-দাদি এখন বেশ সুস্থ। আপনি বাড়ি আসার সময় আমার জন্য বিজ্ঞানবিষয়ক মাসিক পত্রিকা নিয়ে আসবেন। ভালো থাকবেন। **ইতি, আপনার আদরের সুমন রহমান অর্ক।**" একট ি লোকজ উৎসবের বর্ণনা দিয় ে প্রবাসী বন্ধুক ে পত ্ র লিখ।,"**প্রিয় পুতুল,** আমার প্রীতি ও ভালোবাসা নাও। আজ প্রায় দুই বছর হতে চলল, তুমি রাশিয়া চলে গেছ। আমাদের দুজনের যে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর জীবন ছিল, তা কিছুতেই ভুলতে পারি না। তুমি তোমার বাবা-মার সঙ্গে রাশিয়া চলে যাওয়ার পরও আমাদের এলাকার নানা অনুষ্ঠান সেই আগের মতোই উপভোগ করি। তবে তোমার অভাব আমরা খুব অনুভব করি। এবার আমাদের এলাকায় বেশ বড় আয়োজনের বৈশাখী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ আমি সেই উৎসবের কথা বলতেই তোমাকে চিঠি লিখছি। তুমি তো জানো, আমাদের সারা বাংলাদেশেই পহেলা বৈশাখ নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। এখন আমাদের রাঙ্গুনিয়াতেও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ব্যাপক আয়োজনের নানা অনুষ্ঠান হয়। রাজানগরে এবারই প্রথম বৈশাখী উৎসবের অনুষ্ঠান হয়। স্বপন, পুলক, হ্যাপী, চৈতালী, অনিক, দীপা, কুমকুম, নাহার, রাজু, সজল এবং আমি সবাই মিলে সকাল সকাল আমাদের বিদ্যাময়ী স্কুলের মাঠে চলে যাই। প্রথমে ওখান থেকে সকাল সাতটায় শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। নানা রঙের ব্যানার-ফেস্টুন হাতে আমরা র‍্যালিতে অংশ নিই। র‍্যালি শেষ করে স্কুলের মাঠে চলে আসি। ওখানেই বিশাল আকারে মেলা বসেছে। মাঠের উত্তর দিকে চড়কগাছের আয়োজন ছিল, তার পাশে বসেছে চুড়ির দোকান। ছোট ছোট বাক্সে নানা ধরনের চুড়ির পসরা সাজিয়ে বসেছেন মহিলারা। তার পাশেই চানাচুর ও নিমকিভাজা বিক্রি চলছে। আমি গরম নিমকিভাজা আধা কেজি কিনে সবাই মিলে খেয়েছি আর ঘুরে ঘুরে মেলাটা দেখেছি। মাঠের পূর্ব কোণে বাঁশ-বেতের নানা গৃহস্থালি দ্রব্য নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ওখানেও বেশ ভিড় ছিল। তার পাশেই নানা ধরনের বেলুন ও বাঁশির পসরা বসেছে। আমি আমার ছোট বোন প্রিয়ন্তির জন্য বেলুন ও বাঁশি কিনেছি। ওর জন্য রঙিন ফিতাও নিয়েছি। দীপা তো যেটা দেখে সেটাই কেনার জন্য ব্যস্ত! হাতে যে কয়টা টাকা ছিল, সব দিয়েই ও ভাই-বোনের জন্য নানা জিনিসপত্র কিনেছে। রাজু, সজল, হ্যাপী, অনিক, স্বপন বাঁশের তৈরি কলমদানি কিনেছে। আমরা সবাই মিলে চড়কগাছেও উঠলাম। ওখানে উঠে চৈতালী ভীষণ ভয় পেয়ে গেল। কিন্তু কী আর করা! দশ পাক না খেয়ে তো আর নামা যাবে না! চৈতালী বলেছে, ও আর কখনো চড়কগাছে উঠবে না! এত সুন্দর একটা উৎসব, তুমিও থাকলে কত মজা হতো! তোমার কথা খুব মনে পড়েছে। কবে ফিরে আসবে? ফিরে এলে তোমাকে অনেক গল্প শুনাব। চিঠির উত্তর দিও। **ইতি, তোমার প্রিয় বন্ধু।**" জনজীবনের উপর বিজ্ঞাপনের প্রভাব সম্পর ্ ক ে দু'বন্ধুর মধ্ য ে সংলাপ রচনা কর।,"রাহাত: কী রে, একা একা এখানে বসে কী ভাবছিস? অনিক: তেমন কিছু না। ভাবছি আমরা যে প্রতিদিন টেলিভিশনে, রাস্তাঘাটে এত এত বিজ্ঞাপন দেখি, এতে কতটুকু লাভবান হই। রাহাত: কখনো কখনো লাভবান হই, আবার কখনো তা ক্ষতির শিকারও হই। তবে সবকিছুরই তো খারাপ-ভালো দুটোই দিক থাকে। অনিক: হুম, তা থাকে। কিন্তু তোর কি মনে হয় না বিজ্ঞাপনে কিছু অবান্তর জিনিস দেখানোর কারণে মানুষ বিভ্রান্তির শিকার হয়? বিজ্ঞাপনের কথা বিশ্বাস করে পণ্য কিনে ঠকে যায়? এমনকি ক্ষতিগ্রস্তও হয়। রাহাত: তোর এ কথা নির্দ্বিধায় মেনে নিলাম। কিন্তু বাজারে নতুন কোনো পণ্য এলে বিজ্ঞাপন ছাড়া তুই জানবি কীভাবে? দোকানে গিয়ে জানতে পারার আগেই তুই বিজ্ঞাপন থেকে পণ্যের কথা জানতে পারবি। আর এখন তো ইন্টারনেটে সব ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। চাইলে সেখান থেকে সন্দেহ দূরও করে নেওয়া যেতে পারে। অনিক: এটা মেনে নিচ্ছি। তবে দ্রব্যের গুণগত মানের তুলনায় বিজ্ঞাপনে অধিক প্রচার মানুষকে বিভ্রান্ত করে। রাহাত: এই কথার সঙ্গে আমি একমত। আবার কিছু কিছু পণ্য আছে যেগুলোর গুণগত মানের তুলনায় বিজ্ঞাপন তেমন নেই। কিন্তু পণ্য ব্যবহার করে সন্তুষ্টি লাভ করা যায়। অনিক: ঠিক বলেছিস। এমনও অনেক পণ্য আছে। যাই হোক, ভালো থাক। এখন একটু কাজ আছে। কাল আবার দেখা হবে। রাহাত: ঠিক আছে। তুইও ভালো থাকিস। আমিও বাসায় দিকে যাব।" শিশ ু ও নারীর প্রত ি সহিংসতা বিষয় ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংলাপ রচনা কর।,"**অদিতি:** স্যার, সামাজিকভাবে আমরা ক্রমশ হীনম্মন্যতার পরিচয় দিচ্ছি। **রাজীব স্যার:** সেটা কী রকম? **অদিতি:** আমরা দিন দিন নৈতিকতা হারিয়ে সভ্য থেকে ক্রমশ অসভ্য হয়ে যাচ্ছি। পত্র-পত্রিকায়, টেলিভিশনে দেখেন না স্যার, প্রতিদিনই শিশু-হত্যা, অপহরণ, নারী নির্যাতনের ভয়াবহ ঘটনার খবর? **রাজীব স্যার:** তা তো দেখিই। সাধারণ মানুষ যেন গুটি কয়েক অমানুষের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। **অদিতি:** স্যার, এসব দেখে আমার প্রচণ্ড ভয় হয়, কবে কখন কার যে কী হয়! সবসময় কেমন একটা উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হয়। **রাজীব স্যার:** সবাই ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেলে সমাজ পরিবর্তন করবে কে? ঐ যে গুটি কয়েক অমানুষ, যাদের শতকরা হিসাবে এক ভাগও ধরা যাবে না। অথচ তারাই সমাজকে অস্থির করে তুলছে। **অদিতি:** তাহলে আমরা কী করতে পারি, স্যার? **রাজীব স্যার:** এদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। এদের অমানবিক আচরণ ও জঘন্য কাজকে প্রতিহত করতে হবে। তুমি একজন অদিতি সাহস করে সামনে দাঁড়াও। দেখবে তোমার পেছনে হাজারো অদিতি এসে দাঁড়িয়েছে। তখন ঐসব অপরাধী তোমাদের ভয় পেয়ে পালাতে থাকবে। **অদিতি:** স্যার, ইদানিং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা আগের তুলনায় অনেকগুণ বেড়ে গেছে। এর কারণ কী? **রাজীব স্যার:** এক শ্রেণির হীন প্রকৃতির মানুষের লোভ ও হিংস্রতা। এদের অপতৎপরতার কারণেই নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বেড়ে গেছে। **অদিতি:** তাদের এরকম বেপরোয়া হয়ে ওঠার কারণ কী স্যার? আগে তো এমন ছিল না। **রাজীব স্যার:** তুমি ঠিকই বলেছ। আগে এমন ছিল না। এখন কেন হচ্ছে? এমন হচ্ছে মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে, প্রকৃত শিক্ষার অভাবে। **অদিতি:** স্যার, আমারও তাই মনে হয়। এ থেকে উত্তরণের উপায় কী? **রাজীব স্যার:** নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। মানববোধের শিক্ষা দিতে হবে। আইনের শাসন ও শাস্তির বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। **অদিতি:** আমার মনে হয়, স্যার, অপরাধীকে যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া যায়, তাহলে এ অপরাধ অনেকটাই কমে যাবে। **রাজীব স্যার:** তোমার ধারণা একদম ঠিক। সমাজের সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন ও সতর্ক হতে হবে। সমাজের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইন প্রশাসন এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে 'শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা' বন্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। **অদিতি:** আমি আপনার কথা শুনে অনুপ্রাণিত হলাম, স্যার। আমি বাসার কাছে এসে পড়েছি। বিদায় নেব। আসি, স্যার। আদাব। **রাজীব স্যার:** শোনো, আগামীকাল আমাদের কলেজে এ বিষয়ে সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে, এসো। **অদিতি:** আসব, স্যার।" বই পড়ার গুরুত ্ ব সম্পর ্ ক ে দুই বন্ধুর মধ ্ য ে সংলাপ রচনা কর।," কালাম: কেমন আছিস, দোস্ত? তোর হাতে ওটা কী বই?  জালাল: ভালো। তুই? এটা কবি আল মাহমুদের শ্রেষ্ঠ কবিতা।  কালাম: হ্যাঁ, ভালো। এক কবি বলেছেন, *""পড়িলে বই আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রই।""*  জালাল: কবি ঠিক কথাই বলেছেন। পড়ে পড়েই মানুষ জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়।  কালাম: আসলেই, বই না পড়লে মানুষের দৃষ্টি খোলে না, মনের চোখ ফোটে না।  জালাল: মনের চোখ না ফুটলে, মনের দরজা না খুললে তো সবই অন্ধকার।  কালাম: বই পড়েই মানুষ তার হৃদয়কে আলোকিত করতে পারে, দূর করতে পারে সব সংকীর্ণতা।  জালাল: সংকীর্ণতামুক্ত আলোকিত মানুষই প্রশংসিত হয় পৃথিবীর বুকে।  কালাম: মানুষের সম্মান ও মর্যাদা বাড়ে জ্ঞানচর্চার মধ্য দিয়ে।  জালাল: সর্বোপরি, মানুষ খুঁজে পায় মুক্তির পথ, কল্যাণের পথ।  কালাম: দেশপ্রেম, মানবপ্রেম এবং স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসা জন্মে বই পড়ার মধ্য দিয়ে জানতে জানতে।  জালাল: বই পড়েই আমরা জানতে পারি আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে, যা আমাদের জীবনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় বিষয়।  কালাম: শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আরও অনেক বিষয়ে আমাদের পড়া উচিত।  জালাল: জানার জন্য বিষয়বৈচিত্র্যের অভাব নেই। আমি আমার প্রয়োজনকে সামনে রেখে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারি বই পড়ার মাধ্যমে।  কালাম: সাহিত্য-সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, ধর্ম ও নৈতিকতা—সব বিষয়েই বই রয়েছে।  জালাল: তবে বই পড়ার ব্যাপারে সবাইকে আগ্রহী করে তোলার জন্য কিছু কার্যকর পদক্ষেপ থাকা উচিত বলে আমি মনে করি।  কালাম: হ্যাঁ, এক্ষেত্রে সরকার এবং বেসরকারি সামাজিক সংগঠন গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে।  জালাল: মিডিয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।  কালাম: আসলে আমাদের সবাইকেই সচেতন হতে হবে বই পড়ার ক্ষেত্রে।  জালাল: আমরা সবাই সচেতন হলে একদিন যেমন বই পড়ে আনন্দ পাব, তেমনই জাতি হিসেবে আমরা হতে পারব মর্যাদাবান, আলোকিত মানুষ। চল, সবাইকে উদ্বুদ্ধ করার কাজে নেমে পড়ি। " সড়ক দুর্ঘটনা বিষয় ে সচেতনতা তৈরিত ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"রাকিব: কেমন আছিস, বন্ধু? অনেক দিন তোর কোনো খোঁজখবর পাচ্ছি না। রাজিব: আর ভালো থাকা! সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মামাকে নিয়ে খুবই ঝামেলায় ছিলাম। রাকিব: কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল? কই, কিছুই তো জানি না। রাজিব: কেন? পত্র-পত্রিকা এবং মিডিয়ায় তো ফলাও করে প্রচার করছে ঢাকা-মাওয়া রুটের দুর্ঘটনার কথা। রাকিব: তা তো প্রতিদিনই দেখি। দেশে প্রতিদিন গড়ে তিনজন করে বছরে এক হাজারের বেশি লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। পঙ্গু হয়ে বছরে ৫ থেকে ১০ হাজার মানুষ। রাজিব: সেদিন দেখলাম সড়ক দুর্ঘটনার এক মর্মান্তিক দৃশ্য। রাকিব: কিন্তু এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে কোনো ধরনের সচেতনতা বোধ আছে বলে মনে হয় না। রাজিব: কেন? 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলন তো তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। রাকিব: তা যাচ্ছে, কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ ড্রাইভারদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো তো থামছে না। রাজিব: এমনকি ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এবং নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া যেখান-সেখান থেকে যাত্রী তোলাও বন্ধ হচ্ছে না। রাকিব: দক্ষতাহীন, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের লাইসেন্স প্রদান ও ট্রাফিক আইন অমান্য করাও তো চলছেই। রাজিব: এজন্য স্কুল-কলেজের ছাত্র-শিক্ষকসহ সবাইকেই সচেতন হতে হবে। রাকিব: এক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং মিডিয়া সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড, বিজ্ঞাপন, ডকুমেন্টারি ফিল্ম ইত্যাদি তৈরি করে প্রচারাভিযান চালাতে পারে। রাজিব: তবে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে, যাতে সবাই ট্রাফিক আইন মেনে চলতে বাধ্য হয়। রাকিব: প্রশাসন এবং জনগণের মিলিত শক্তিই সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সফল হতে পারে বলে আমি মনে করি। রাজিব: এজন্য আমাদের সবাইকেই এগিয়ে আসা উচিত। রাকিব: হ্যাঁ, যদি আমরা নিজেরা সচেতন হই এবং অন্যকে সচেতন করতে পারি, তবে সড়ক দুর্ঘটনা নির্মূল করা সম্ভব হতে পারে। রাজিব: আমাদের সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই সড়ক দুর্ঘটনা বিষয়ে জনমনে সচেতনতা সৃষ্টি হবে, এবং আমরা মুক্তি পাব মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার কবল থেকে। রাকিব: ভালো থাকিস। এখন আমাকে আবার হাসপাতালে যেতে হবে। " বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয় দুই বন্ধুর মধ ্ য ে সংলাপ রচনা কর।,"আরিফ: হারিছ মিয়া তার বাড়ির পেছনের বাগানের সব গাছ কেটে ফেলল, এটা কি ঠিক করেছে? জারিফ: সব গাছ কেটে ফেলল মানে! মগের মুল্লুক পেয়েছে নাকি! আরিফ: আমাদের 'বৃক্ষবান্ধব' কমিটি কী করল? তারা এটাকে ঠেকাতে পারল না? জারিফ: আমিই তো জানি না। আমরা কমিটির লোকজন পাঁচ গ্রামে ঘুরে মানুষকে বুঝিয়ে প্রতিটি বাড়িতে অন্তত একশ’ করে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। পাঁচ বছর পরেই তার এই হাল! আরিফ: এখন দেখাদেখি সবাই যদি গাছ কেটে ফেলে, তাহলে পরিবেশের কী অবস্থা হবে! আহা রে... এই যে দুই পারে গাছ লাগিয়েছি, এখন কি পাড় ভাঙে? ভাঙে না। ২০টা পুকুর পাড়ে, রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো হয়েছে। এতে যে ভালো হয়েছে, লোকজন কি তা দেখে না, বোঝে না? জারিফ: এলাকার রাস্তা-ঘাটে ধুলো উড়ত, চলাফেরা করা যেত না। এখন সবুজ ঘাসে ছেয়ে গেছে। অনেক গাছে ফল ধরছে, পাখির আনাগোনা বেড়েছে। গরু-ছাগল এখন ঘাস খেতে পারছে। স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। আরিফ: মানুষের মন-মেজাজও এখন ভালো হয়ে উঠেছে। রুক্ষতা নেই। রাগারাগি, মারামারি, খুনোখুনি নেই। সবুজ পরিবেশ বদলে দিয়েছে সবকিছু। জারিফ: জ্বালানির অভাব অনেকটা কমে গেছে। মানুষ শুকনো পাতা, ডাল ব্যবহার করতে পারছে। জরুরি প্রয়োজনে দু-চারটা গাছ বিক্রি করে অভাব মেটাতে পারছে। ভয়াবহ দারিদ্র্য এখন আর নেই। আরিফ: তুমি কমিটির মিটিং ডাক। হারিছ মিয়াকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। কিছুতেই স্বাভাবিক পরিবেশ আর নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না। জারিফ: ঠিক বলেছ। আমি কালই সব ব্যবস্থা করছি। " একট ি পূর্ণিমা রাতের সৌন্দর ্ য প্রসঙ ্ গ ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"আলাল: কেমন আছিস দোস্ত? দেখ, এত সুন্দর পূর্ণিমাকে কেন যে সুকান্ত ঝলসানো রুটি বলেছেন, বুঝতে পারছি না। দুলাল: কারণ তো কবি বলেই দিয়েছেন। আর আমিও ভালো আছি। আলাল: তা বলেছেন, কিন্তু আমার মনে হয় পূর্ণিমা চাঁদ যেন রসমালাইয়ের রসে ভেজা মিষ্টি। দুলাল: তা হতেই পারে। কারণ তুই তো আর কবির মতো ক্ষুধার্ত না। তোর তো পেট ভরা এখন নানান পিঠা-পায়েসে। আলাল: ক্ষুধার্ত নই, কিন্তু চোখ তো সৌন্দর্যের ক্ষুধায় কাতর। দুলাল: হ্যাঁ, পেটের ক্ষুধা মিটলেই মনের ক্ষুধার কথা ভেসে ওঠে, মনে তখন পূর্ণিমা রাতকে অপরূপ মায়াবী বলে মনে হয়। আলাল: দেখ না, নদীর ঢেউয়ের উপর কেমন আলোর নাচন চলছে। দুলাল: সবই পূর্ণিমার খেলা। মনে হয় পূর্ণিমা তার মায়াবী আলো ঢেলে দিয়েছে নদীর জলে। আলাল: তুই ঠিকই বলেছিস। দেখ, গাছের পাতাগুলো পর্যন্ত ঝকমক করে উঠছে। দুলাল: প্রকৃতির এই খেলা সত্যিই অপূর্ব। আলাল: শুন, যেন কাশবনের আগা দুলে দুলে আমাদের ডাকছে। দুলাল: ডাকছেই তো অবশ্যই, পূর্ণিমায় ওরা তো মাতোয়ারা আজ, তাই তো নেচে নেচে সবাইকে ডাকছে। আলাল: চল, কাশবনের সঙ্গে আমরা সাদায় মিশে যাই। দুলাল: না, তার চেয়ে চল কলাবাগানের দিকে যাই। ওদিকে আলো-আঁধারির খেলা দেখি। আলাল: আসলে পূর্ণিমা রাতের লুকোচুরি যেন প্রকৃতির এক অনন্য দান। দুলাল: মানুষকে প্রেমিক বানায়, কবি বানায় এই পূর্ণিমা চাঁদ। আলাল: আমারও কবিতা লিখতে ইচ্ছে করছে। দুলাল: তবে লেখ না একটা, পূর্ণিমার মতো ঝলমলে কবিতা। আলাল: আরে বাপরে, বলা সোজা কিন্তু করা কঠিন দোস্ত। দুলাল: পূর্ণিমা রাত সব কঠিনকেই সহজ এবং আনন্দে ভরিয়ে দেবে আজ। চল, বাসায় যাই। " ফেসবুকের সুফল ও কুফল বিষয় ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর,"জামাল: আরে দোস্ত, কেমন আছিস? তোকে তো আজকাল দেখাই যায় না। কামাল: আছি ভালো। ঢাকায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। তোর খবর কী? জামাল: ভালো। তবে ফেসবুকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। কামাল: আমারও তো একই অবস্থা, যদিও ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। জামাল: কিন্তু এখন তো এটা অসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কামাল: তা উঠেছে, কিন্তু এজন্য তো আর ফেসবুককেই দায়ী করা যায় না। জামাল: দায়ী করছি না, তবে অপব্যবহারের কুফল নিয়ে খুবই চিন্তার মধ্যে আছি। কামাল: আসলে সব প্রযুক্তিরই ভালো-মন্দ দুইটি দিক রয়েছে, যা ব্যবহারকারীর ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। জামাল: ফেসবুককে অনেকেই এখন রাজনীতি চর্চার ক্ষেত্র বানিয়ে একে বিষিয়ে তুলেছে। কামাল: অথচ সামাজিক কল্যাণে ও জনমত গঠনে ফেসবুক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জামাল: শিক্ষা-সংস্কৃতি চর্চায় এর গুরুত্বকে আমি খাটো করে দেখছি না, তবে বিনোদনের নামে যে অপসংস্কৃতি ও অশালীন পরিবেশ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তাতে তো তরুণ প্রজন্ম বিপথগামী হচ্ছে। কামাল: তা হচ্ছে, কিন্তু সে ব্যাপারে ফেসবুক কর্তৃপক্ষও সজাগ রয়েছে। তারা কিছু কিছু কঠোর পদক্ষেপও নিচ্ছে। জামাল: পদক্ষেপ যদিও নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু প্রতিরোধ পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে বলে মনে হয় না। কামাল: আসলে এক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহারকারীদেরও সচেতন হতে হবে। জামাল: সেটা অবশ্যই সত্য। সবাই সচেতন হলে দুষ্টরা আর পাত্তা পাবে না। কামাল: আসলে ফেসবুকের কল্যাণকর ভূমিকাকেই কিছু খারাপ মানুষ প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। জামাল: আর এজন্য অভিভাবকগণ আজ চরমভাবে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কামাল: শিক্ষকরাও নিরুৎসাহিত করছেন ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে। জামাল: আসলে সময়ের সদ্ব্যবহার করে যদি প্রয়োজনীয় কাজে ফেসবুক ব্যবহার করা হয়, তবে তো সবার জন্যই মঙ্গল। কামাল: হ্যাঁ, ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তা হলেই কুফলের চেয়ে সুফল পাওয়া যাবে। চল, এখন যাওয়া যাক। " বাল্যবিবাহ নিরোধের গুরুত্ব' সম্পর ্ ক ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্ য ে সংলাপ রচনা কর।,"শিক্ষার্থী: আস্সালামু আলাইকুম, স্যার। শিক্ষক: ওয়ালাইকুম আস্সালাম। সবাই ভালো আছ তো? শিক্ষার্থী: জি স্যার, আপনি গত ক্লাসে বলেছিলেন আজকে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে আলাপ করবেন। শিক্ষক: হ্যাঁ। আজকে আমি তোমাদের সঙ্গে বাল্যবিবাহ নিয়ে কথা বলব। তোমরা কি কেউ জানো, বাল্যবিবাহ কী? শিক্ষার্থী: পরিণত বয়সের আগে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়াকেই বাল্যবিবাহ বলে। শিক্ষক: খুব সুন্দর! এই বাল্যবিবাহ আমাদের সমাজে এখনও প্রচলিত আছে, যা সমাজে খুব নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিক্ষার্থী: কীভাবে, স্যার? আমাদের আশপাশের অনেকেরই অনেক কম বয়সে বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। তাহলে আমাদের উচিত তাদের বাঁচানো। শিক্ষক: অবশ্যই বাঁচানো উচিত। ধরো, কোনো মেয়ে নির্দিষ্ট বয়সের আগে বিয়ে হয়ে গেলে তার ওপর অনেক অপ্রত্যাশিত দায়িত্ব এসে পড়ে, যেগুলোর জন্য সে প্রস্তুত থাকে না। ফলে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। আবার, সে দ্রুত মা হয়ে যাওয়ার ফলে যেমন শারীরিক ক্ষতি হয়, তেমনি সে অপরিণত শিশু জন্ম দিচ্ছে। শিক্ষার্থী: জি স্যার, আমাদের পাশের বাড়ির রাবেয়া বেশিরভাগ সময়ই অসুস্থ থাকে। আমি এতদিন পরে বুঝলাম। শিক্ষক: আর বেশিরভাগ সময়ই এসব মেয়ে গর্ভবতী ও মাতৃত্বকালীন সঠিক পরিচর্যা পায় না, যার ফলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। শিক্ষার্থী: তাহলে এটা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী, স্যার? শিক্ষক: সচেতনতা বৃদ্ধি করা, শিক্ষার প্রসার এবং প্রয়োজন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। শিক্ষার্থী: জি স্যার। আমরা এখন থেকে আমাদের আশপাশে এমন ঘটনা ঘটতে দেখলে তা রোধ করতে সচেষ্ট হব। শিক্ষক: অবশ্যই। আচ্ছা, ঠিক আছে, সবাই ভালো থেকো তাহলে। শিক্ষার্থী: জি স্যার, আস্সালামু আলাইকুম। " নিরাপদ সড়ক চাই' বিষয় ে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর।,"সুমন: কী রে বন্ধু, কেমন আছিস? 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলন কি থেমে গেল নাকি? সুজন: আছি ভালোই। না রে দোস্ত, থামেনি, তবে গতি একটু কমে এসেছে আর কি! তোর খবর কী? সুমন: আমার খবর ভালো। কিন্তু পত্রিকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পড়ে মনটা ভালো নেই। সুজন: আটজন নিহত! ভাবা যায়? প্রতিদিনই বাড়ছে এই দুর্ঘটনা। সুমন: হ্যাঁ, এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশে প্রতিদিন গড়ে তিনজন করে বছরে এক হাজারের বেশি লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় এবং পঙ্গু হয় বছরে ৫ থেকে ১০ হাজার লোক। সুজন: সড়ক দুর্ঘটনা যে কত হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক, তা কল্পনাও করা যায় না। সুমন: ঠিকই বলেছিস। সেদিন নিজের চোখে দেখেছি এক ভয়াবহ দৃশ্য। আমি আর রাজু তো একজনকে টেনে বের করলাম খাদে পড়া বাস থেকে। দেখলাম, লোকটার একটা হাত কেটে আলাদা হয়ে গেছে। সুজন: এমন ভয়াবহ দৃশ্য প্রতিদিন কাউকে না কাউকে দেখতে হচ্ছে। সুমন: হ্যাঁ। এর ফলে আমরা হারাচ্ছি আত্মীয়স্বজন, মেধাবী মুখ, প্রিয় মানুষকে। কিন্তু আমরা এই দুর্ঘটনা রোধে সচেষ্ট নই। সুজন: সড়ক দুর্ঘটনায় অকাল মৃত্যু বড় অস্বাভাবিক এবং খুবই বেদনাদায়ক। অথচ আমরা এ ব্যাপারে উদাসীন বলেই মনে হয়। সুমন: এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিরুদ্ধে আমাদের গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। সুজন: বিশেষ করে স্কুল-কলেজের ছাত্র-শিক্ষকসহ সকলকেই সচেতন করে তুলতে হবে। সুমন: হ্যাঁ, তা ঠিক। তবে সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ ড্রাইভারদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও অতিরিক্ত যাত্রী বহন প্রতিরোধে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে। সুজন: শুধু তাই নয়, দক্ষতাহীন অপ্রাপ্তবয়স্কদের লাইসেন্স প্রদান, শ্রমিক দৌরাত্ম্য কমাতে এবং ট্রাফিক আইন কার্যকর করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সুমন: প্রশাসন ও জনগণের মিলিত শক্তিই ‘নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলনকে সফল করতে পারে। সুজন: এজন্য আমাদের সকলেরই উচিত নিজে সচেতন হওয়া এবং অন্যকেও সচেতন করা। সুমন: এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং মিডিয়া গণসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড, বিজ্ঞাপন, ডকুমেন্টারি ফিল্ম ইত্যাদি তৈরি করে প্রচারাভিযান চালাতে পারে। সুজন: আমারও মনে হয়, সবাই সচেতনভাবে এগিয়ে এলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। সুমন: তুই ঠিকই বলেছিস। চল, সবাই মিলে সচেতনভাবে 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ি। " কৃষকদের অবস্থা সংলাপ," রমিজ: আরে বশির না; কেমন আছ?  বশির: ভালো আছি রমিজ ভাই। আপনি কেমন আছেন?  রমিজ: কেমন আর থাকব, এবার ফসল ভালো হয়নি। তুমি তো চাল কলে কাজ করো। তোমাদের অনেক কষ্ট করতে হয় তাই না?  বশির: ভাই, আপনাদের কষ্টের কাছে আমাদের কষ্ট তো কিছুই না। আপনারা একটা রোদে পুড়ে কাজ করেন। এছাড়া সেচ দেওয়া, সার দেওয়া, যন্ত্র করে বড় করে তোলা, ধান কাটা, মাড়াই করা—এত কিছুর পরেও ফসলের ন্যায্য মূল্য পান না। আবার ফলন খারাপ হওয়ার আশঙ্কা তো আছেই।  রমিজ: ঠিকই বলছ বশির। কিন্তু তোমাদের পরিশ্রমও তো কম নয়। ভারি ভারি বস্তা মাথায় চাপিয়ে কল নিয়ে যাওয়া, শুকানো, মাড়াই করে চালে পরিণত করে আবার তা দোকানে পাঠানো কম কষ্টের নয়।  বশির: হ্যাঁ ভাই, আমাদেরও অনেক কষ্ট করতে হয়। কিন্তু কষ্ট হলেও দিন শেষে আমাদের পরিশ্রমের নিঃশেষতা আছে। বশির আপানারা তো অনিশ্চয়তায় ভোগেন।  রমিজ: দেখো বশির, বেশি কিছু পাওয়ার আশায় আমরা ফসল ফলাই না। ফসল ফলাই ভালোবাসায়।  বশির: আপনাদের কষ্টের ফসল সবাই ভোগ করছে কিন্তু আপনাদের প্রতি সবাই উদাসীন।  রমিজ: সবার দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে এমন হচ্ছে।  বশির: সরকার এ বিষয়ে কঠোর হচ্ছে। আপনাদের সমস্যা নিয়ে ভাবছে। একদিন এ সমস্যা কেটে যাবে ভাই।  রমিজ: তাই যেন হয় বশির, তা ছাড়া তো আমাদের বাঁচার উপায় নেই।  বশির: ভালো থাকবেন রমিজ ভাই।  রমিজ: তুমিও ভালো থেকো বশির।  " টর্নেডো এর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রান এর জন্য আবেদন,ভয়াবহ টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্ত সাটুরিয়ার জনসাধারণের জন্য ত্রাণসামগ্রীর আবেদন। প্রসংসা পত্রের জন্য আবেদন,"তারিখ : ২৫/০৮/২০১৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল বেইলি রোড, ঢাকা। বিষয়: প্রশংসা পত্রের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি এই বিদ্যালয়ে গত ছবছর নিয়মিত ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা করেছি। ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষাআমি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫.০০ পেয়ে উত্তীর্ণ হই। বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে আমি বিদ্যালয়ের নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম। বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে আমার সক্রিঅংশগ্রহণ ছিল। অল্পকিছু দিনের ভেতরেই একাদশ শ্রেণির ভর্তির কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। তাই আমার একটি প্রশংসাপত্র প্রয়োজন। অতএব, অনুগ্রহপূর্বক আমাকে আমার চারিত্রিক ও শিক্ষাবিষয়ক প্রশংসাপত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত লিজা জাফরিন নাহার দশম শ্রেণি " নলকূপ স্থাপনের জন্য আবেদন,"তারিখ : ১৪/০৬/২০১৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক আলমনগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় আলমনগর, নাটোর। বিষয়: নলক‚প স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রা৩০০ জন ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করে। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে ছাত্রছাত্রীরা এখানে লেখাপড়া করতে আসে। তাই পানীয়জলের বিষয়টি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানীয়জলের কোনো ব্যবস্থা নেই। একমাত্র নলক‚পটিও অনেক দিন থেকে নষ্ট। দোকান থেকে বোতলজাত পানীয়জল কেনার মতো সামর্থ্য সবার নেই। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে কলের অনিরাপদ জল পান করছে। এর ফলে তারা ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েডসহ নানা রকম অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে ক্লাসে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে। পড়াশোনাসহ শিক্ষা সহায়ক কর্মকাণ্ডে ছাত্র-ছাত্রীরা পিছিয়ে পড়ছে। তাই বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। অতএব, বিনীত নিবেদন, বিদ্যালয়ে শিগগিরই অন্তত একটি নলক‚প স্থাপনের ব্যবস্থা করে আমাদের বাধিত করবেন। নিবেদক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে আবীর রায়হান নবম শ্রেণি রোল নম্বর ৭ " সাময়িক ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ : ১২ই মার্চ, ২০১৬ বরাবর, প্রধান শিক্ষক ব্রাইট কিডস্ একাডেমি লালবাগ, ঢাকা। বিষ: ফুটবল খেলা দেখতে যাওয়ার জন্য সাময়িক ছুটির আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আগামীকাল সুজানগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবস ফুটবল কাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। খেলাটিতে আমাদের স্কুল সুজানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের মুখোমুখি হবে। মাঠে আমাদের উপস্থিতি আমাদের খেলোয়াড়দের মনোবল বাড়াবে। তাই তাদের অনুপ্রেরণা জোগাতে আমরা সবাই খেলাটি দেখতে অত্যন্ত আগ্রহী। অতএব, বিনীত প্রার্থনা, আগামীকাল দ্বিতীথেকে চতুর্থ পিরিয়ড পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ রেখে আমাদের খেলাটি দেখার সুযোগ দিয়ে বাধিত করবেন। নিবেদক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে ইকবাল হাসান শ্রেণি : ৯ম; শাখা- বিজ্ঞান রোল নং ০২। " তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটির জন্য আবেদন,"১৭/০৫/২০১৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক মুহম্মদনগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মুহম্মদনগর, সিলেট। বিষয়: তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আজ বিদ্যালয়ে আসার পর থেকে আমার পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভ‚ত হচ্ছে। এ কারণে আমি ক্লাসগুলোতে মনোযোগ দিতে পারছি না। অতএব, দয়া করে আমাকে তৃতীঘণ্টার পর ছুটি দিয়ে বাধিত করবেন। বিনীত মো. হাসান ৯ম শ্রেণি, শাখা বিজ্ঞান রোল ১০ " অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন,"০২/ ০৩/২০১৬ বরাবর প্রধান শিক্ষক গাজীরখামার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় গাজীরখামার, শেরপুর। বিষয়: বিনা বেতনে অধ্যয়নের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। প্রথম শ্রেণি হতেই আমি আপনার বিদ্যালয়ে পড়ছি এবং বরাবরই প্রথম হয়ে আসছি। আমার ছোট বোনও এই বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। আমার মা দীর্ঘদিন থেকে শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসেই বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন হয়। আমার বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। বাবার সামান্য আয়ে আমাদের যাবতীখরচ চালানো খুবই কষ্টকর। এ অবস্থাতাঁর পক্ষে আমাদের দুই ভাইবোনের লেখাপড়ার ব্যয়ভার বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার ভবিষ্যতের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে আমাকে আপনার বিদ্যালয়ে বিনা বেতনে অধ্যয়ন করার সুযোগ দিয়ে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক সিরাজ আহমেদ ৯ম শ্রেণি, শাখাবিজ্ঞান রোল ০১ " শিক্ষাসফরে প্রেরণের জন্য আবেদন।,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরারচর শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ। বিষয়: শিক্ষাসফরে প্রেরণের জন্য আবেদন। মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রতিবছর এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাসফরে গিয়ে থাকে। কিন্তু এ বছর এখনো এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ গৃহীত হয়নি। আমরা শিক্ষাসফরে যেতে চাই। ছাত্রজীবনে শিক্ষাসফরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। যেকোনো ভ্রমণেই দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোভাবে জানার সুযোগ হয়। শিক্ষাসফরের ফলে ব্যবহারিক শিক্ষার সঙ্গে বাস্তব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আরো সমৃদ্ধ হয়। আমরা এবার শিক্ষাসফরে ময়মনসিংহে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছি। ময়মনসিংহ একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শহর। এর মুক্তাগাছা থানা শিক্ষা-সংস্কৃতিতে খুব অগ্রগামী ছিল। সেখানে প্রাচীন জমিদারবাড়ি আছে। ময়মনসিংহ শহরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এসেছিলেন। সে স্মৃতিচিহ্নও দেখা যাবে। তাছাড়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আনন্দমোহন কলেজ, জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ইত্যাদিও আমাদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে। এসব স্থান ও স্থাপনা দর্শন করে আমরা বিশেষ জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হব। একদিনের এই সফরের সম্পূর্ণ ব্যয়ভার আমরা বহন করব। আমাদের সঙ্গে দুজন সিনিয়র শিক্ষক যেতে রাজি হয়েছেন। আপনার সম্মতি পেলে শিক্ষাসফরে যাওয়ার দিন ধার্য করে আমরা আমাদের অভিভাবকদের অনুমতি গ্রহণ করব। অতএব, মহোদয়ের কাছে বিনীত আবেদন, আমাদের শিক্ষাসফরে যাওয়ার সদঅনুমতি দিয়ে এবং ময়মনসিংহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা লাভের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে বাধিত করবেন। বিনীত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পক্ষে দ্বীন ইসলাম তারিখ : ১১. ০৮. ২০১৬ " অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাশ-ফেল প্রথা চালু করা নিয়ে দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ,"আকাশ - শুভ সন্ধ্যা, প্রবীর। প্রবীর - শুভ সন্ধ্যা। আকাশ - তোকে এতো চিন্তিত মনে হচ্ছে কেন? প্রবীর - আমি এখন অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাশ-ফেল প্রথা বিষয়ে একটু ভাবছি। আকাশ - হ্যাঁ। আমিও শুনেছি। তবে ভাবনার কী আছে? প্রবীর - এক ছাত্র যদি পরের ক্লাসে সহজে উঠতে না পারে, তবে সে পড়াশোনা করতে চাইবে কেন? আকাশ - ভেবে দেখ যে, সে যদি পড়াশোনা না করে, সে কোনোরকম শিক্ষা অর্জন করতে সমর্থ হ'বেনা। শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় পাশ করা কিন্তু নয়। কোনো বিষয়ে, সে পাঠ্যবই হোক বা তার বাইরের কোনো বিষয় হোক, তার যতোটা সম্ভব ধারণা নেওয়া যায়, তা নিতে হ'বে। প্রবীর - হুঁ। একদম ঠিক কথা। ধন্যবাদ, আকাশ। আকাশ - চল। আজ বাড়ি যাই।" "ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও, এ নিয়ে তুমি ও তোমার বন্ধু নিশাতের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।"," উত্তর: নিশাত: ভালো আছ, তিতাস? তোমার পরীক্ষার ফলাফল কী হলো? তিতাস: বন্ধু, তুমি শুনে খুশি হবে। এবারও আমি প্রথম হয়েছি। নিশাত: খুব ভালো, তা ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও? তিতাস: ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো শিক্ষক হতে চাই। নিশাত: ভালো কথা, কিন্তু অন্য পেশা থাকতে তুমি কেন শিক্ষক হতে চাও? তিতাস: আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষিত জাতি গড়তে দরকার একজন আদর্শ শিক্ষক যিনি দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর। একটি শিক্ষিত জাতি দেশ ও জাতির উন্নতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমার শিক্ষকতা পেশা ভালো লাগে। নিশাত: তোমার পছন্দকে আমি সমর্থন করি। তবে মনে রেখো, এ পেশায় কিন্তু অনেক ধৈর্য ও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তিতাস: হ্যাঁ বন্ধু, আমি জানি। তোমার দোয়া ও সবার সহযোগিতা পেলে আমি আমার চেষ্টা এবং সাধনা দিয়ে জয়ী হতে পারব।" ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তুমি ও তোমার দাদার মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"পাভেল: আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন দাদাজান? দাদা: ওয়ালাইকুমুসসালাম। খুব ভালো আছি, দাদুভাই। তুমি কেমন আছ? পাভেল: বেশ ভালো। দাদাজান, আপনার কাছ থেকে আজ আমি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে চাই। দাদা: খুব ভালো। অবশ্যই তোমাকে বলব। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ঠিক ইতিহাস তোমাদের জানতে হবে। পাভেল: জি দাদাজান, বলুন। আমি মন দিয়ে শুনছি। দাদা: ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবে ভর্তি হয়েছি। পাভেল: দাদাজান, কেন মুক্তিযুদ্ধ হয়? দাদা: খুব ভালো প্রশ্ন করেছ। আমরা আজ যে স্বাধীন দেশে বাস করছি, আমাদের এই দেশ অর্থাৎ পূর্ব বাংলার পশ্চিম পাকিস্তানিরা শাসন করত। কিন্তু তারা শাসনের নামে শোষণ করত। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকভাবে তারা আমাদের দুর্বল করে রাখত। শুধু তা-ই নয়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তারা নিরীহ বাঙালির ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হত্যা করে। তাদের এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এবং বাঙালির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাঙালিরা স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশকে স্বাধীন বা মুক্ত করতে আমিও ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করি। পাভেল: দাদাজান, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ অনেক বেদনার, না? দাদা: তা তো বটেই। কারণ দেশ স্বাধীন করতে দেশপ্রেমিকরা অকাতরে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। হাজার হাজার মা হারিয়েছেন  বুকের ধন, অসহায় মানুষ দেশ ছেড়েছে। মা-বোনেরা হারিয়েছেন তাদের সম্ভ্রম, মৃতের গলিত লাশে এ দেশ শ্মশানভূমি হয়েছিল। এই দেখো, এসব কথা বলতে গিয়ে আমার গা শিউরে উঠছে। পাভেল: দাদাজান, থাক আর বলতে হবে না। দাদা: সত্যি সে সময় পাক বাহিনীর যাবতীয় কর্মকাণ্ড ছিল ঘৃণ্য ও জঘন্য। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের অন্যায়ের সমুচিত জবাব দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি।  পাভেল: আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগল দাদা ভাই। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। দাদা: বড় হও দাদু।" সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো।,"জুয়েল: শুভ সকাল, নাদিম। কলেজে কখন এলে? নাদিম: শুভ সকাল তোমাকেও। এই তো কিছুক্ষণ আগে এলাম। জুয়েল: কী ব্যাপার, তোমাকে খুব খুশি খুশি লাগছে। কারণটা জানতে পারি? নাদিম: হ্যাঁ, আজ আমি অনেক খুশি। গত রাতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস পড়লাম। বইটি আমার অনেক ভালো লেগেছে। জুয়েল: রবীন্দ্রনাথের তো বিখ্যাত অনেক উপন্যাস রয়েছে। তার মধ্যে তুমি কোনটি পড়েছ? নাদিম: ‘চোখের বালি’ উপন্যাসটি। এটি একটি রোমান্টিক উপন্যাস। জুয়েল: হ্যাঁ, আমিও পড়েছি। উপন্যাসের নায়িকা ‘বিনোদিনী’ বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই বিধবা হয়ে যায়। ঔপন্যাসিক ‘বিনোদিনী’ চরিত্রটি মনের মাধুরি মিশিয়ে উপস্থাপন করেছেন।নাদিম: আমিও তাই মনে করি। কেননা বিনোদিনী বুদ্ধিমতী। প্রভুত্ব যেন তার স্বভাবসিদ্ধ। তার কাছে উপন্যাসের নায়ক মহেন্দ্রের বালিকাবধূ আশালতা নিতান্তই অপরিণত ও ম্লান। জুয়েল: উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্রের মনোজগৎ ক্রমাগত ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে নানা বাঁকে। নাদিম: যা-ই হোক, ঘটনা পরম্পরা নয় হৃদয়ের ঘাত-প্রতিঘাতই সবকিছুর নিয়ামক, উপন্যাসটিতে তা-ই বিধৃত হয়েছে। জুয়েল: তুমি মনে হয় জানো, ‘চোখের বালি’ উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি নতুন ধারার সৃষ্টি করেছিল। নাদিম: হ্যাঁ। শুধু তাই নয়, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এর চেয়ে পূর্ণতর সৃষ্টি আর কিছুই হতে পারে না।’ জুয়েল: এটি আমার পড়া অন্যতম একটি উপন্যাস; যা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। নাদিম: আচ্ছা, এ বিষয়ে অন্য একদিন আলোচনা করো। এখন ক্লাস শুরু হয়ে যাবে।" বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো,"তন্ময়: শুভ সকাল, পিয়াল। কখন এসেছ? পিয়াল: শুভ সকাল তোমাকেও। আজ ভোর ৫টায় এসেছি। তা, তুমি কেমন কাটালে নববর্ষের দিন। তন্ময়: খুব ভালো কেটেছে। বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিল। তাদের সঙ্গে বেশ মজারই সময় কেটেছে। তা তুমি ঢাকায় কেমন নববর্ষ উদযাপন করলে? পিয়াল: আমারও বেশ আনন্দে কেটেছে। ভোর ৬টায় ছোট খালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে পান্তা ইলিশ খেলাম। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে আমি, খালা, খালু, খালাতো বোন রাইসা বেরিয়ে পড়লাম রমনা বটমূলের উদ্দেশে। তন্ময়: কয়টায়  সেখানে পৌঁছালে? তারপর কোথায় গেলে? পিয়াল: রাস্তায় যানজট না থাকায় সকাল সোয়া ৮টায় সেখানে পৌঁছালাম। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনকেন্দ্রে গেলাম। সেখানে থেকে পৌঁছালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তন্ময়: এখান থেকেই তো মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তাই না? পিয়াল: হ্যাঁ, আমরা সকাল ১০টায় বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিই। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দিক নানা প্রতীকে উঠে এসেছিল। আমি খালুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন। তন্ময়: আর কোথাও যাওনি? পিয়াল: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত বাউলসংগীত শুনলাম। তারপর কিছুক্ষণ বেড়িয়ে মাটির হাঁড়ি, পুতুলসহ দেশীয় ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু পণ্য কিনলাম এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরলাম। তন্ময়: আমি তোমার মতো অত কিছু দেখতে পাইনি, তবে দাদুর মুখে নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস জানতে পেরেছি। যেমন- সম্রাট আকবরের নববর্ষের নামকরণ, পালন করা, তারপর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস সম্পর্কেও জানতে পারি। তারপর এ দিনটির সঙ্গে বাঙালি জাতির সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা লাভ করি। পিয়াল: সত্যিই অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় চৈতন্যের ধারক। তাই মহাসমারোহে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদিন পালন করুক, এটাই প্রত্যাশা রাখি। তন্ময়: পিয়াল আজ তবে চলি। এই নিয়ে পরে আরও কথা হবে। আমরা ইতিহাস পড়ে আরও জানতে পারব। ভালো থাকো।" খেলাধুলা জীবনের একটি অংশ। এ নিয়ে রাকিব ও তুহিন দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"তন্ময়: শুভ সকাল, পিয়াল। কখন এসেছ? পিয়াল: শুভ সকাল তোমাকেও। আজ ভোর ৫টায় এসেছি। তা, তুমি কেমন কাটালে নববর্ষের দিন। তন্ময়: খুব ভালো কেটেছে। বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিল। তাদের সঙ্গে বেশ মজারই সময় কেটেছে। তা তুমি ঢাকায় কেমন নববর্ষ উদযাপন করলে? পিয়াল: আমারও বেশ আনন্দে কেটেছে। ভোর ৬টায় ছোট খালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে পান্তা ইলিশ খেলাম। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে আমি, খালা, খালু, খালাতো বোন রাইসা বেরিয়ে পড়লাম রমনা বটমূলের উদ্দেশে। তন্ময়: কয়টায়  সেখানে পৌঁছালে? তারপর কোথায় গেলে? পিয়াল: রাস্তায় যানজট না থাকায় সকাল সোয়া ৮টায় সেখানে পৌঁছালাম। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনকেন্দ্রে গেলাম। সেখানে থেকে পৌঁছালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তন্ময়: এখান থেকেই তো মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তাই না? পিয়াল: হ্যাঁ, আমরা সকাল ১০টায় বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিই। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দিক নানা প্রতীকে উঠে এসেছিল। আমি খালুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন। তন্ময়: আর কোথাও যাওনি? পিয়াল: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত বাউলসংগীত শুনলাম। তারপর কিছুক্ষণ বেড়িয়ে মাটির হাঁড়ি, পুতুলসহ দেশীয় ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু পণ্য কিনলাম এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরলাম। তন্ময়: আমি তোমার মতো অত কিছু দেখতে পাইনি, তবে দাদুর মুখে নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস জানতে পেরেছি। যেমন- সম্রাট আকবরের নববর্ষের নামকরণ, পালন করা, তারপর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস সম্পর্কেও জানতে পারি। তারপর এ দিনটির সঙ্গে বাঙালি জাতির সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা লাভ করি। পিয়াল: সত্যিই অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় চৈতন্যের ধারক। তাই মহাসমারোহে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদিন পালন করুক, এটাই প্রত্যাশা রাখি। তন্ময়: পিয়াল আজ তবে চলি। এই নিয়ে পরে আরও কথা হবে। আমরা ইতিহাস পড়ে আরও জানতে পারব। ভালো থাকো। পিয়াল: তুমিও ভালো থাকো। ধন্যবাদ" খেলাধুলা জীবনের একটি অংশ। এ নিয়ে রাকিব ও তুহিন দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"রাকিব: শুভ অপরাহ্ন। কোথায় যাচ্ছ তুহিন? তুহিন: খেলাধুলা করতে স্কুল মাঠে। রাকিব: সে কী! পরশু দিন অঙ্ক পরীক্ষা অথচ এখন খেলতে যাচ্ছ। তুহিন: কেন? খেলাধুলা তো জীবনেরই একটা অংশ। আর খেলাধুলা করলে পড়াশোনার কোনো ক্ষতি হয় না। রাকিব: কিন্তু মা তো আমাকে একদিনও খেলতে যেতে দেন না। তুহিন: খেলাধুলা করলে শরীরচর্চা হয়। আমরা সুস্থ থাকি। মনও সজীব হয়। আর সুস্থ দেহে সুস্থ মনে লেখাপড়াও ভালো হয়। তাই খেলাধুলার বিকল্প নেই। রাকিব: তুমি ঠিক বলেছ। আমি মাকে এ কথাগুলো বুঝিয়ে বলব। কাল থেকে আমিও তোমার সঙ্গে খেলতে যাব। তুহিন: খুব ভালো কথা। আমি আজ চলি। রাকিব: খেলাধুলার গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। ভালো থেকো। তুহিন: তুমিও ভালো থেকো। বিদায়।" গ্রিনহাউস গ্যাস প্রতিক্রিয়া বর্তমানে একটি গুরুতর সমস্যা। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"নাহিয়ান: শুভ সন্ধ্যা। কেমন আছ সাজ্জাদ? সাজ্জাদ: তোমাকেও শুভ সন্ধ্যা। আমি ভালো আছি। তুমি কেমন আছ? নাহিয়ান: আমিও ভালো আছি। তবে আমি একটি বিষয় নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। আর তা হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রতিক্রিয়া। তুমি কী এ নিয়ে কিছু ভেবেছ? সাজ্জাদ: অবশ্যই। ইদানীং এটি একটি বৈশ্বিক আতঙ্কের বিষয়। এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মরুকরণ, নিম্নভূমিতে প্লাবন, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, সামুদ্রিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি বৃদ্ধি পায়। নাহিয়ান: বাংলাদেশেও তো এর প্রভাব মারাত্মক। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে বাংলাদেশের উচ্চতা কম থাকার কারণে এটির প্রভাব আরও ভয়াবহ। সাজ্জাদ: ঠিক বলেছ। আমরা খুব ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছি। তবে এর জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। কারণ আমরা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করছি। ওজোনস্তরের জন্য ক্ষতিকারক গ্যাস ব্যবহার করছি। শিল্প-কারখানার বর্জ্য পদার্থ, কালো ধোঁয়া ক্রমান্বয়ে আমাদের পরিবেশকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। নাহিয়ান: হ্যাঁ, তাই এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। সর্বোপরি জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।" করোনাভাইরাস সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা, তোমাকে খুবই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত দেখাচ্ছে। কিন্তু কেন? মীনা : আমি খুবই চিন্তিত, কারণ আমার এক আত্মীয় স¤প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং সে এখনো সুস্থ হয়ে ওঠেনি। রাজু : এটা সত্যিকার অর্থেই খারাপ লাগার মত একটি সংবাদ। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে করোনাভাইরাস যেভাবে খারাপ প্রভাব ফেলেছে, তা অস্বীকার করার মত নয়। মীনা : হ্যাঁ, তুমি ঠিক বলেছো। আমাদের চারিপাশে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ এই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। আর এই মৃত্যু মিছিল যেন থামছেই না। রাজু : হ্যাঁ, করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের প্রত্যাহিক জীবন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা বাইরে বের হতে পারছি না। এমনকি বিদ্যালয়েও যেতে পারছি না। আমাদের প্রায় সারাদিনই বাসায় বদ্ধ থাকতে হয়। মীনা : শুধু তাই নয়, চারিদিকে এই রোগের প্রচুর বিস্তারের ফলে মানুষ প্রায় কর্মহীন হয়ে পরেছে। অনেকেই চাকরী হারিয়েছে এবং না খেতে পেয়ে কষ্ট করছে। রাজু : সত্যিই তাই। এই মহামারী ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় কি তোমার জানা আছে? মীনা : আপাতদৃষ্টিতে করোনাভাইরাস স্থায়ীভাবে দূর করার কোন চিকিৎসা এখনো আবিস্কৃত হয়নি। তবে কিছু সুরক্ষা নিয়ম মেনে এই রোগের বিস্তার কিছুটা কমানো সম্ভব। রাজু : কি সেই নিয়মগুলো। দয়া করে বলবে কি? মীনা : অবশ্যই। আমাদের সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। অবশ্যই বাইরে বের হলে মাস্ক পড়তে হবে। রাজু : তুমি ঠিক বলেছো। সুরক্ষার জন্য আমাদের এই স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানা উচিত। এর বাইরে কি আর কোন নিয়ম আছে যা আমাদের অনুসরণ করা উচিত? মীনা : হ্যাঁ, আমাদের অবশ্যই আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি যাওয়া উচিত নয়। আমাদের জনবহুল জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে এবং একজনের থেকে আরেকজনের অন্তত ৩ ফুট সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে। রাজু : আমি অবশ্যই তোমার দেয়া নির্দেশনাগুলো মেনে চলার চেষ্টা করবো এবং আমার পরিচিত সকলকে এ সম্পর্কে সচেতন করবো। তোমার আত্মীয়র জন্য শুভকামনা। আশা করা তিনি খুব শীঘ্রই সুস্থ্য হয়ে উঠবেন। আজ তাহলে বিদায় নিচ্ছি। মীনা : বিদায়। ভালো থেকো এবং নিজের খেয়াল  " ধুমপানের ক্ষতিকরণ দিক নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা, তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে? মীনা : যথারীতি। তোমার পরীক্ষা কবে শুরু হবে? রাজু : আমাদের পরীক্ষা দরজায় কড়া নাড়ছে (আসন্ন/খুব কাছেই)। কিন্তু পড়াশোনায় মন দিতে পারছি না। যাই হোক, গতকাল পত্রিকায় ধূমপানের বিপদ নিয়ে একটি ফিচার পড়েছিলাম। তুমি কি এটা নিয়ে সচেতন? পড়া মীনা : অবশ্যই, আমিও ধূমপানের বিরুদ্ধে ভাবছি। ধূমপানের ফলে অনেক রোগ হয়। তুমি এটি সম্পর্কে কি মনে কর? রাজু : আমি মনে করি ধূমপান এক ধরনের নেশা। তাছাড়া অন্য সব মারাত্মক আসক্তি শুরু হয় ধূমপানের মাধ্যমে। মীনা : তোমার যুক্তি ঠিক। ধূমপান আমাদের জীবনকে ছোট করে ছাড়া কিছুই দেয় না। ধূমপানে অন্য কোন অপব্যবহার আছে বলে তুমি মনে করেন? রাজু : ধূমপানে অনেক খরচ হয়। এছাড়া ধূমপায়ীর নিঃশ্বাসের মাধ্যমে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তোমার কি তাই মনে হয় না? মীনা : অবশ্যই। যখন কেউ তার সামনে ধূমপান করে তখন এটি অধূমপায়ীদের জন্য খুব বিরক্তিকর। ধূমপানের ধোঁয়া শিশুদের চোখে আঘাত করে। আমি কি ভুল? রাজু : অবশ্যই না। প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে। মীনা : হ্যাঁ, এ ব্যাপারে প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে। রাজু : তোমার মূল্যবান যুক্তির জন্য ধন্যবাদ। মীনা : ধন্যবাদ। " একটি উত্তেজনাপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"রাজু : হ্যালো মীনা! তুমি কেমন আছো? মীনা : আমি ভালো আছি আর তোমার কি খবর? রাজু : আমিও বেশ ভালো আছি। তুমি কি গতকাল বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ক্রিকেট ম্যাচটি উপভোগ করেছ? মীনা : অবশ্যই! এই প্রথম নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আমি খুব খুশি যে আমি স্টেডিয়ামে ম্যাচ উপভোগ করেছি। রাজু : ম্যাচটি সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? মীনা : ওহ, হ্যাঁ! দুই দলের পারফরম্যান্স দেখে আমি গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছিলাম, বিশেষ করে বাংলাদেশ দলের। রাজু : হ্যাঁ, এটি একটি দুর্দান্ত বিস্ময় ছিল যে বাংলাদেশ প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন- নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। মীনা : ঠিক! তুমি জান যে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম পরিচিত দল এবং এটা খুবই মজার যে তারা আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছে। রাজু : হ্যাঁ। তবে এটা সত্যি যে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ফিল্ডিং ছিল চমৎকার। তারা শীর্ষস্থানীয় দলের মতো মাঠে নেমেছিল। মীনা : অবশ্যই! এবং এটি নিউজিল্যান্ড দল উচ্চ স্কোর পেতে ব্যর্থ হযতে আরেকটি কারণ ছিল। রাজু : শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ টার্গেট ছিল। কিন্তু আমাদের দল এতটাই অপ্রত্যাশিত ছিল যে তারা সেটা অর্জন করতে না পারলে তুমি অবাক না হয়ে পারতেন না। মীনা : অবশ্যই। তবে বোলারদের পাশাপাশি আমাদের ব্যাটসম্যানরাও পারফর্ম করেছে। রাজু : ঠিক বলেছ। আমি মনে করি পরের ম্যাচে বাংলাদেশ আরও উজ্জ্বল হবে এবং দেশের জন্য সুনাম ও সুনাম বয়ে আনবে। মীনা : অবশ্যই! আমাদের আশা অযৌক্তিক নয়। রাজু : হ্যাঁ, সত্যিই! তোমাকে অনেক ধন্যবাদ এবং আমাদের পরবর্তী ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে দাও। মীনা : তোমাবে স্বাগতম। বিদায়, আবার দেখা হবে।" এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ।,"সোহেল : কেমন আছ? আরমান : ভালো বন্ধু। তুমি কেমন আছ? সোহেল : ভালো আছি। তবে পরীক্ষা নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। আরমান : তুমি তোমার রসায়ন বিষয়টি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে পারনি? সোহেল : রসায়নে আমি সব পড়ে ফেলেছি। বুঝেও পড়েছি কিন্তু তবুও মনে হচ্ছে সবই ভুলে যাচ্ছি। আরমান : চিন্তা করো না বন্ধু, পরীক্ষার আগে এমনই হয়। আমারও মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি। দেখবে পরীক্ষায় ঠিকই সব লিখতে পারবে। শ্রেণি পরীক্ষার সময়ও এমনই হয়েছিল, না? সোহেল : হ্যা, কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষাটি মনে একটি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তোমার রসায়নে প্রস্তুতি কেমন? আরমান : ভালো। আমি ভয় পাচ্ছি বাংলা প্রথম পত্র নিয়ে। সৃজনশীল বিষয়ে কেমন উদ্দীপক হয়, তাই নিয়ে। সোহেল : উদ্দীপক যেমনই হোক, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো মূল বইয়ের প্রতিটি অংশ ভালোভাবে পড়া। এমন উদ্দীপকই দেবে, যেটা পাঠ্যবইয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অথবা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অথবা পাঠ্যবিষয়ের খÐাংশের চিত্র। এই সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও খÐাংশকে তুমি তখনই যথার্থভাবে চিত্রিত করতে পারবে, যখন তুমি মূল বই ভালোভাবে পড়বে। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু, আর চিন্তা করব না। আমি এভাবেই পড়ব। সোহেল : আমিও রসায়ন নিয়ে আর ভাববাে না। শুধু পড়ব আর লিখব। তাহলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরমান : পড়ার মাঝখানে বিশ্রাম নেবে। এতে পড়াটা ভালোভাবে মনে থাকবে। সোহেল : ধন্যবাদ বন্ধু। আরমান : তোমাকেও ধন্যবাদ। " "নারী স্বাধীনতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো ","অঙ্কিতা : মাধ্যমিক পাশ করার পর তুই তো উচ্চমাধ্যমিক পড়বি ? আমার ভাই এই মাধ্যমিকেই পড়াশুনো থমকে যাবে। নন্দিতা : দুঃখ করার কিছু নেই। আমারও তো এখন সেই একই অবস্থা। মা-বাবা এখন থেকেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন। অঙ্কিতা : স্বাধীনতা শব্দের অর্থ শুধুমাত্র আকারেই বেড়েছে। নারীর ক্ষেত্রে তা বেশির ভাগ সময় সে সবের কোনো অর্থই নেই। নন্দিতা : বলতো! এই পড়াশুনা নিয়ে কতটা এগুতে পারি আমরা। অঙ্কিতা : আমাদের বাবা-মাদের বোঝাতেই হবে। আর তাদের মাথা থেকে সরাতে হবে তাড়াতাড়ি মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা। নন্দিতা : মনে নেই আবার, সে সব কথা মনের মধ্যে গেঁথে আছে। সত্যিকারের নারী স্বাধীনতার হদিস তো ওখানেই পেয়েছিলাম। অঙ্কিতা : আর্থিক স্বাধীনতা ছাড়া নারী স্বাধীনতার কোনো অর্থই হয় না। অতএব এবার আমাদের শপথ নিতে হবে, যেমন করেই হোক পড়াশুনোটা আমাদের চালিয়ে যেতে হবে।" বৃক্ষরোপণ-উপযোগিতা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।,"প্রিয়ম : দেখলি, আমাদের স্কুলের সামনে এত বড়ো একটা বকুল গাছ কেটে ফেলা হল। শুনলাম ওখানে ফ্ল্যাট বানানো হবে। সায়ন : আর বলিস না ! মনটা এত খারাপ লাগছে, যে ওদিকে আর তাকাতেই পারছি না। সেই কোন ছোটবেলায় প্রথম স্কুলে আসার দিনটা থেকে গাছটার সঙ্গে বন্ধুত্ব, চেনাশোনা। মনে আছে, ছুটির পরে ওই বিশাল গাছটার নীচে বাঁধানো বেদিটায় চড়ে কত খেলেছি। প্রিয়ম : সভ্যতার গর্বে উন্মত্ত মানুষ যেন ভুলেই গিয়েছে গাছের অবদান। নগরায়ণের এই হামলে পড়া নেশায় তরাই থেকে সুন্দরবন সর্বত্রই চলেছে অরণ্যনিধনের এই যজ্ঞ। সায়ন : কেউ একবার অন্তত এটাও ভেবে দেখবে যে, এতে ক্ষতি আখেরে নিজেদেরই। এই ভয়ানক লোভে তো মানুষের নিজের সভ্যতাকেই ধ্বংস করছে। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মেরুপ্রদেশের বরফ গলে যাচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে পৃথিবীর জল স্তর, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য- গাছপালা কমে যাওয়ায় অতিবেগুনি রশ্মিও নির্বিরোধে প্রভাব ফেলছে পরিবেশের ওপরে। সব মিলিয়ে নানান অসুখবিসুখের প্রকোপও বেড়েই চলেছে। প্রিয়ম : শুধু তাই নয়, তুই কি জানিস, বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের আয়তনের তুলনায় ভূভাগের পরিমাণ যখন ৩৫ শতাংশের নীচে নেমে যাবে, তখনই সেই দেশ বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। বাংলাাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশই এখন এই সমস্যার সম্মুখীন। সায়ন : আসলে কী বল তো, ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ এই বাক্যটিকে নিছক ¯েøাগান নয়, জীবনযাপনের অনিবার্য শর্ত করে তুলতে হবে। না ইলে এই ভয়ানক ধ্বংসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।" মাধ্যমিকের পর কী বিষয় নিয়ে পড়বে এ বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বিভাস : কী রে পরেশ, এইতো মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলি, বই-খাতা নিয়ে কোথায় চললি? পরেশ : টিউশনে যাচ্ছি। অঙ্কটা পড়তে শুরু করলাম। বিভাস : ও, তার মানে তুই সাইন্স নিয়ে পড়বি ? পরেশ : হ্যাঁ, আমি যেহেতু ডাক্তার হতে চাই তাই সায়েন্স নিয়েই পড়তে হবে। তুই কী নিয়ে পড়তে চাস? বিভাস : আমি আর্টস নিয়ে পড়বো। তুই তো জানিস আমার ইতিহাস পড়তে খুব ভালো লাগে। পরেশ : তাছাড়া তুই তো শিক্ষকতা করতে চাস? স্কুল টিচার না কলেজের অধ্যাপক কী হতে চাস? বিভাস : ইতিহাস অনার্স এবং মাস্টার ডিগ্রি করার ইচ্ছে আছে। তারপর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেব। যেকোনো একটা পেলেই হবে। পরেশ : ঠিক আছে ,এই নিয়ে পরে কথা হবে এখন পড়ে আসি। বিভাস : হ্যাঁ, আয়।পরে কথা হবে। " বইমেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বাপ্পা : কী খবর রাহুল , কেমন আছিস? রাহুল : এই তো ভালো, তোর খবর কী? কাল নাকি বইমেলায় গিয়েছিলি? বাপ্পা : হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমি তো সারা বছরই এই মেলার অপেক্ষায় থাকি। রাহুল : হস্তশিল্প মেলায় যেতে বললাম গেলি না। এখন একা একাই বইমেলায় চলে গেলি। বাপ্পা : তুই তো জানিস, আমি শৈশব থেকেই বইপাগল, বইয়ে ডুব দিয়ে আমি পার করতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রাহুল : বর্তমানে দেশের এরূপ অসহিষ্ণু ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের যৌক্তিকতা কতটুকু? বাপ্পা : আসলে আমাদের এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণে একমাত্র সহায়ক হতে পারে বই। কারণ বই মানুষকে সুপথে চালিত করে, মানুষের চিন্তার প্রসার ঘটায়। রাহুল : বইমেলায় বই বিক্রি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কী? বাপ্পা : মেলায় বই বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, ক্যুইজ,বক্তৃতা, নতুন বই প্রকাশ প্রভৃতি। রাহুল : মেলা থেকে কী কী বই কিনলি? বাপ্পা : জয় গোস্বামী, হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকটি বই কিনেছি। রাহুল : এরপর গেলে আমাকেও নিয়ে যাস। বাপ্পা : নিশ্চয়ই যাবি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে বইমেলায় গেলে অনেক মজা হবে। " শিক্ষাঙ্গনে অসন্তোষ ও অস্থিরতা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এ সম্পর্কে দুই বন্ধুর কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো,"সাইদ : পরীক্ষাতো আর বেশিদিন বাকী নেই। প্রস্তুতি কেমন বন্ধু? মোস্তাক : আর বলিস না। প্রস্তুতি নেব কিভাবে। ঠিকমতো ক্লাস হলো না। সিলেবাস শেষ হলো না। এখন কী পরীক্ষা দেবো বুঝতে পারছি না। সাইদ : আমারো একই অবস্থা। এ বছর কলেজে তেমন ক্লাসই হলো না। ক্যাম্পাস খুললেই মারপিট আর দাঙ্গা হাঙ্গামা। এরপর কলেজ বন্ধ। এভাবে কী লেখাপড়া হয়। মোস্তাক : সবচেয়ে দুঃখজনক হলো আমরা শিক্ষাঙ্গনে যে মূল্যবোধ ও আদর্শ শিখতে এসেছি তা থেকে বঞ্চিত হয়েছি। শিক্ষক ও ছাত্রের যে সম্পর্ক থাকার কথা ছিল সেটাও পাইনি। সাইদ : হ্যাঁ, তুমি সত্য কথাই বলেছ। এইতো সেদিন কলেজে এক সিনিয়র ভাই একজন শিক্ষককে ক্ষমতার দাপটে একটি কক্ষে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখেছিল। এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কী হতে পারে। মোস্তাক : কেন তুমি কী ভুলে গেছ সাঈদ, গত বছর দুই দল ছাত্রের মধ্যে তুমুল মারামারি হয়েছিল। শিক্ষকরা মিমাংসা করতে গেলে দুই জন শিক্ষকের মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়। এরপর প্রায় একমাস কলেজ বন্ধ থাকে। সাইদ : এভাবে অস্থিরতা ও অসন্তোষ চলতে থাকলে শিক্ষাঙ্গন থেকে সুনাগরিক বের হওয়ার পরিবর্তে দুর্নীতিপরায়ণ নাগরিক বের হবে। মোস্তাক : আমারো তাই মনে হচ্ছে। এসব বন্ধে সবার আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সাইদ : কিছু অসাধু ব্যক্তি ছাত্রদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। মোস্তাক : শুধু কি তাই? নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে ছাত্ররা খুনোখুনিতে জড়াচ্ছে। সাইদ : আমার মনে হয় পরিবার থেকেই ছাত্রদের মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। মোস্তাক : আমারও তাই ধারণা, পরিবার থেকেই তার সূচনা করতে হবে। " ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের সংলাপ,"ছাত্র : জনসংখ্যা সমস্যা কী স্যার? শিক্ষক : তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা করেছ। জনসংখ্যা বদ্ধির ফলে আমাদের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব প্রতিটি মানুষের উপর পড়ে। ছাত্র : সেটা কীভাবে স্যার? শিক্ষক : এই মনে করো, আমাদের দেশের আয়তন যা আছে তা কিন্তু বাড়ছে না। কিন্তু জনসংখ্যা কিন্তু বেড়েই যাচ্ছে। তাহলে এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন বাসস্থানের বা বাড়ি-ঘরের। আর বাড়িঘর তৈরির ফলে-ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন কমছে। খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ছাত্র : স্যার, সত্যিইতো। এভাবেতো কখনো ভাবিনি। এটা তো বিরাট বড় সমস্যা। শিক্ষক : শুধু এখানেই শেষ নয়। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে বেকারত্ব দেখা দিচ্ছে। নাগরিক জীবনের সুযোগ-সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। ছাত্র : এর কী কোনো সমাধান নেই স্যার? শিক্ষক : হ্যা অবশ্যই আছে, এ জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের দেশের জন্যেই কল্যাণ হতে পারে। ছাত্র : কীভাবে কাজে লাগানো যায় স্যার? শিক্ষক : বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে খুব দ্রæত এ দেশ উন্নত হবে। বিশেষ করে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণ ও জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পারলে প্রচুর বৈদিশিক মুদ্রা আয় সম্ভব। শিল্প কারখানা স্থাপন করে তাতে এই জনবলকে কাজে লাগাতে হবে। " "গ্রাম ও শহর জীবনের সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ। ","মিঠু : শাহিন আচ্ছা শাহিন, তোমার কোথায় থাকতে বেশি ভালো লাগে, গ্রামে নাকি শহরে? শাহিন : শহর আমার বেশি পছন্দ। এখানে সব আছে। মিঠু : আমার কিন্তু গ্রাম বেশ পছন্দ। সেখানে যেসব সুযোগ সুবিধা রয়েছে তা শহরে নেই। শাহিন : যেমন? মিঠু : গ্রামে আছে সবুজ গাছপালা, পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ আলো বাতাস, টাটকা ফলমূল-শাকসবজি, মাছ মাংস ইত্যাদি। তাছাড়া গ্রামের মানুষগুলো খুবই আন্তরিক ও পারস্পরিক সহযোগী। শাহিন : মিঠু, এটা ঠিক গ্রামে এসব আছে। কিন্তু শহরে যেসব সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় সেটা গ্রামে নেই। এই ধরো লেখাপড়ার কথাই বলি। শহরে উন্নত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ভালো শিক্ষক রয়েছে। প্রচুর রাস্তাঘাট ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবা পেতে সাবইকে শহরে আসতে হয়। তাছাড়া শিল্প-কারখানা, ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য শহর যতটা সুবিধাজনক গ্রাম তেমন নয়। মিঠু : তুমি শুধু সুযোগ সুবিধার কথাই চিন্তা করছ কিন্তু সমস্যার তো শেষ নেই। শাহিন : হ্যাঁ, শহরের যানজট সমস্যা, বায়ু, পানি, শব্দ দূষণ আমাদের স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্থ করছে। মিঠু : শুধু কী তাই, প্রতিদিন বাসা থেকে বের হয়ে ভাবি সুস্থমতো ফিরতে পারব কিনা। চারিদিকে ছিনতাইকারী, পকেটমার, মাস্তানে পূর্ণ। শাহিন : এক্ষেত্রে তোমার সাথে আমি একমত। কিন্তু শহর ছাড়া যে আমাদের উপায় নেই।" খাদ্যে ভেজাল এবং তার বিষক্রিয়া সম্পর্কে দুই বন্ধুর সংলাপ,"উৎপল : কিছু খেলেই মনে হয় বিষ খাচ্ছি। নাজিম : এতো ভয় কেন বন্ধু? উৎপল : ভয় হবে না, সব কিছুতে ভেজাল আর ভেজাল। নাজিম : ও এই কথা। সেটা আর বলে কোনো লাভ নেই। তবে এটুকু বলতে পারি আমরা যা খাচ্ছি তার অধিকাংশই বিষাক্ত উপাদানে মিশ্রিত। উৎপল : বাজারে এতো সুন্দর সুন্দর ফল সাজিয়ে রাখে। কিন্তু যখনি মনে পড়ে এসবে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো হয়েছে তখনই কেনার আগ্রহে ভাটা পড়ে। নাজিম : উৎপল, তুমিতো শুধু ফলের কথা বলেছো। খাদ্যদ্রব্য না হয় বাদই দিলাম, রোগ বালাই থেকে সুরক্ষার জন্য যে ঔষধ সেবন করি সেটা কী নিরাপদ? সেখানেও ভেজাল। এছাড়াও ভোজ্যতেলে ভেজাল মেশানো হয়, যা দিয়ে আমরা প্রতিদিন কত খাবার তৈরি করি। উৎপল : এই ভেজাল খাদ্যের বিষক্রিয়ার ফলেই আমাদের শরীরে দুরারোগ্য বিভিন্ন ব্যাধি ভর করছে। অকালে হারাতে হচ্ছে অনেক জীবন। ভেজাল প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে এখনই সোচ্চার হতে হবে। নইলে এ বিষক্রিয়া সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। নাজিম : উৎপল সরকাকে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। উৎপল : শুধু সরকারের পক্ষে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বন্ধু। যতদিন আমাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ না হবে ততদিন এই সমস্যার সমাধান হবে না। নাজিম : ঠিকই বলেছ বন্ধু আমাদেরই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।" "জনজীবনে বিজ্ঞানের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","পিয়াস : পৃথিবী খুব দ্রæত এগিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীটা যেন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। বুঝলে রবিন? রবিন : বুঝলাম না। কীভাবে সম্ভব? পৃথিবী হাতের মুঠোয় চলে আসা বলতে কী বুঝাতে চাও? পিয়াস : কেন, তুমি কী দেখতে পাচ্ছ না, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে যে উত্তরোত্তর উন্নতি হচ্ছে এবং সহজ হচ্ছে তা কীসের কারণে? রবিন : এটাতো সহজ কথা। বিজ্ঞান এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। পিয়াস : আমি সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। বিজ্ঞান আমাদের চলার পথ সহজ করে দিয়েছে। মুহূর্তেই পৃথিবীর এই প্রান্ত থেকে অন্য আরেক প্রান্তের খবর সরবরাহ করছে, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ফলে জটিল ও কঠিন রোগ নির্ণয় সম্ভব হচ্ছে। রবিন : বিজ্ঞানের উৎকর্ষ গোটা বিশ্বটাকেই পাল্টে দিয়েছে। বিশেষ করে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের আবির্ভাব বিজ্ঞানের উৎকর্ষের ফসল একটি ছোট্ট ডিভাইসের মধ্যে মনে হয় জগৎটাকে আবদ্ধ করে ফেলেছে। পিয়াস : রবিন তুমি সম্ভবত মোবাইল ফোনের প্রতি ইঙ্গিত করছ। রবিন : হ্যা, মোবাইল ফোনের কথাই বলছি। ছোট একটি মোবাইলে কী নেই, সবই আছে। পিয়াসা : এজন্যেই তোমাকে বলেছিলাম পৃথিবীটা হাতের মুঠোয় চলে এসেছে বিজ্ঞানের কল্যাণে। রবিন : দেখবে ভবিষ্যতে এটি আরো উন্নত ও সহজ হবে। পিয়াস : আমারও তাই মনে হয় রবিন। " প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষা বা শিক্ষা সম্পর্কে দুই বান্ধবীর সংলাপ।,"নাদিয়া : তুমি জানো মুনিরা আমরা মাতৃভাষা প্রথম কোথায় শিখেছিলাম? মুনিয়া : কেন, এটাতো সবারই জানা। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাই মাতৃভাষা শিক্ষায় সবচেয়ে কার্যকরী ছিল। নাদিয়া : তুমি ঠিকই ধরেছ। মায়ের কাছে থেকে মুখে মুখে জন্মের প্রথমই আমরা ভাষা শিখেছি। সে শিক্ষাই ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করেছে। মুনিরা : তবে একটা বিষয় স্বীকার করতেই হবে। জীবনের প্রথম যে প্রাথমিক শিক্ষা স্কুলে দেয়া হয় সেটা ভাষা শিক্ষার মূল ভিত্তি। নাদিয়া : হ্যা, ঠিক বলেছ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অ আ ক খ শেখার মধ্য দিয়ে মাতৃভাষা শেখার হাতেড়ি হয়। মুনিরা : শব্দগঠন, বাক্যগঠন, ধ্বনি এ বিষয়গুলে সেখান থেকেই আমাদের শেখা। ভাষার সেই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আজ আমরা নাদিয়া মনের ভাষা সাবলীলভাবে বলতে লিখতে ও প্রকাশ করতে পারি। নাদিয়া : মুনিরা তুমি খুব ভালো একটি স্মৃতি মনে করিয়ে দিলে। সেই ছোট বেলার শিক্ষা পদ্ধতি সত্যিই খুব তাৎপর্যপূর্ণ। মুনিরা : তোমাকে ধন্যবাদ নাদিয়া। " "সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে সংলাপ। ","বিজয় : প্রতিদিন কতজন লোক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় তুমি জানো মুহিন? মুহিন : আমার মনে হয় এর সঠিক হিসেব নেই, কারণ সব খবর তো পত্রিকা আর টিভিতে আসে না। বিজয় : আমাদেরে দেশের কত মূল্যবান জীবন এভাবে শেষ হয়ে যায়। সতিই ভাবতে অবাক লাগে। এ নিয়ে কারো যেন কোনো মাথা ব্যথা নেই। মুহিন : বিজয়, তুমি ঠিকই বলেছ। এর একটা প্রতিকার হওয়া দরকার। আচ্ছা এসব দুর্ঘটনার পেছনে মূল কারণ কী তুমি বলতে পার? বিজয় : আমার মনে হয়, সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ প্রতিযোগিতার মনোভাব। মুহিন : সেটা কেমন? কিসের প্রতিযোগিতা? বিজয় : গাড়ি চালকরা কার আগে কে যাবে এই প্রতিযোগিতায় বেপরোয়াভাবে দ্রæত গাড়ি চালায়। এছাড়াও অনভিজ্ঞ চালক সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দায়ী। মুহিন : হ্যা, লাইসেন্স নেই এমন অসংখ্য চালক রয়েছে যারা প্রশিক্ষণ না নিয়েই বড় গাড়ির চালক হয়ে যায়। ট্রাফিক পুলিশ এদের ব্যাপারে কঠোর হলে এমনটা হতো না। বিজয় : আইনের প্রয়োগ যেমন এক্ষেত্রে জরুরী তেমনি জনসচেতনতারও প্রয়োজন রয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে গাড়িতে না উঠলেও আমরা পারি। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা সেই কাজটি করি। মুহিন : আমরা একটা কাজ করতে পারি। আমাদের ক্লাসের সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার বিষয়ে একটি স্মারকলিপি তৈরি করে জেলা প্রশাসকের নিকট জমা দিতে পারি। বিজয় : ভালো চিন্তা করেছ। চলো আগে সবার সাথে এ বিষয়ে কথা বলি। " মোবাইল ফোনের অপব্যবহার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ।,"আনোয়ার : মাজিদ, তুমি নাকি মোবাইল কিনেছো? মাজিদ : তোমাকে কে বলেছে? আনোয়ার : ক্লাসের সবাইতো জানে। অথচ তুমি আমাকে বলোনি। মাজিদ : বন্ধু, মন খারাপ করো না। আসলে এ যুগে মোবাইল না হলে চলা যায় না। কতো প্রয়োজন যে এ যন্ত্রটা পূরণ করে। তাই সুযোগ এল ঝটপট কিনে ফেললাম। আনোয়ার : দেখো মাজিদ, মোবাইল নিয়েছ ভালো কথা। কিন্তু মনে রেখো এটা দিয়ে যাতে তোমার এবং অন্যের ক্ষতি না হয়। মাজিদ এটা কি বলছ! মোবাইল দিয়ে আবার ক্ষতি কিভাবে হয়? আনোয়ার : প্রতিটা জিনিসের ভালো এবং খারাপ দুটো দিক আছে। তোমার হাতে একটি ছুরি থাকলে তা দিয়ে আপেল কেটেও খেতে পারো, আবার কাউকে হত্যাও করতে পারো। মোবাইলটাও তেমনি। মাজিদ : হেয়ালি না করে খুলে বলো আনোয়ার। আনোয়ার : এটা ব্যবহার করে তুমি যেমন কম সময়ে তোমার প্রয়োজন পূরণ করতে পারো, আবার অযথা ব্যবহার করে তোমার সময় নষ্ট যেমন হতে পারে, তেমনি অপরকে অযথা ফোন করে বিরক্ত করা, কাউকে হুমকি দেয়া, অশ্লীল ছবি বা ভিডিও করা ইত্যাদির মাধ্যমে অপরের ক্ষতি সাধনও করতে পার। মাজিদ : আমিতো এভাবে কখনো ভাবিনি। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। তুমি আমাকে সচেতন করে দিলে। " "জ্ঞানচর্চায় বিজ্ঞানের ভূমিকা দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। ","হাদী : দোস্ত, শুনলাম তুই নাকি নেট কানেকশন নিয়েছিস? সাদী : হ্যাঁ, নিলাম তো। হাদী : ভালো হলো, স্যারের অ্যাসাইনমেন্ট করতে সুবিধা হবে। সাদী : হ্যা, স্যার যে কোথা থেকে সব লেটেস্ট বিষয় ধরে নিয়ে আসেন, বই খুঁজে কিছুই পাই না। হাদী : তোর এখন সারা দুনিয়া খোলা। সাদী : মানে কী? হাদী : মানে খুব সোজা। যে বিষয়টি তোর জানা দরকার সে বিষয়টি টাইপ করে তুই গুগলে সার্চ দিবি। তারপর দেখবি তোর সামনে একাধিক অপশন এসে হাজির। তারপর তুই তোর পছন্দমতো সাইটটি ওপেন করে জেনে নে তোর প্রয়োজনীয় তথ্য। সাদী : খুব ভালো তো। দোস্ত, আমি কিন্তু আগে নেট ব্যবহার করি নাই, তুই কিন্তু আমাকে একটু শিখিয়ে দিবি। হাদী : কী যে বলিস না। আমি শিখাব না? তুই হলি আমার জানের দোস্ত। সাদী : আচ্ছা হাদী, নেট কী সারাদিনই সার্চ করা যায়? হাদী : আরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা। সাদী : তাই নাকি? ওদের কোনো অফিস আওয়ার নেই। হাদী : না দোস্ত, তোমার জন্য সারাদিন খোলা। সাদী : যাক, তাহলে ভালোই হলো, ক্লাস শেষে রাতে বাসায় ফিরে অ্যাসাইনমেন্টের কাজ করা যাবে। " সংবাদপত্র পাঠের উপকারিতা সম্পর্কে দুই সহপাঠীর মধ্যে সংলাপ।,"পিনু : সকালে বাসা থেকে বেরোতে দেরি করিস কেন? নীলু : আসলে বন্ধু সকালে একটু পত্রিকাটা না পড়ে বেরোলে কেমন যেন খালি খালি লাগে। পিনু : তুই বুদ্ধিজীবী হবি নাকি? নীলু : এ কথা বলিস কেন? এখন দৈনিক পত্রিকায় এমন কিছু বিষয় থাকে যা আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপকারী। পিনু : পত্রিকায় তো বড়দের দরকারি খবর থাকে। নীলু : না না, তোর ধারণাটা ঠিক নয়। পত্রিকায় এখন ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তকের পড়াশোনার বিষয় এবং প্রশ্নের উত্তরও দেওয়া হয়। পিনু : তাই নাকি? দেখিনি তো। নীলু : তুই কালকেই আমার বাসার আয়। স্কুলে যাওয়ার আগে দেখে যাবি। পড়াশোনা ছাড়াও খেলার খবর, দেশ বিদেশের মজার মজার খবর, বিভিন্ন বড় বড় মানুষের খবর, গল্প ইত্যাদি থাকে। তুই পড়ে খুব আনন্দ পাবি। পিনু : তুই তো ভালো কথা বললি দোস্ত। ঠিক আছে, কাল থেকে আমিও পত্রিকা পড়ব। নীলু : পত্রিকা আসলে আমাদের জ্ঞানকে হালনাগাদ করে দেয়। " বৈশ্বিক উষ্ণতার ভয়াবহতা নিয়ে পরিবেশবিদ ও ছাত্রের মধ্যে সংলাপ,"পরিবেশবিদ : তুমি বৈশ্বিক উষ্ণতা সম্পর্কে কী জানো? ছাত্র : দিনে দিনে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশবিদ : এর কারণ বলতে পারো? ছাত্র : পরিবেশের প্রতি আমাদের অবহেলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা। পরিবেশবিদ : আর এর ফলে আমাদের কী ক্ষতি হচ্ছে? ছাত্র : এটা বলতে পারব না স্যার। পরিবেশবিদ : বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে দিন দিন পৃথিবী আমাদের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এর মধ্যেই অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আর পরিবেশ দিন দিন আমাদের জন্য বৈরী হয়ে আসছে। ছাত্র : তাহলে এ থেকে রক্ষা পাবার উপায় কী স্যার? পরিবেশবিদ : আমাদের পরিবেশের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এমন কিছু করা যাবে না যার ফলে পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। ছাত্র বুঝতে পেরেছি স্যার। আমাদের সচেতনতাই পারে এ বিপদ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে। " নারী শিক্ষার গুরুত্ব বিষয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ।,"সীমা : বাবা শুনেছ, মা বলল আমাকে নাকি আর কলেজে যেতে হবে না। বাবা : কেন রে মা? সীমা : প্রথমত, আমাদের অভাবের সংসার। পড়ার খরচ জোগাতে কষ্ট হবে। দ্বিতীয়ত, একটা মেয়ের যতটুকু পড়াশোনা জানা দরকার, আমার নাকি তা হয়ে গেছে। বাবা : তোর মা বললেই তো আর হবে না। অর্থের অভাবে তোর পড়ালেখা আমি বন্ধ করব না। সীমা : কষ্ট হবে না? বাবা : না রে মা, আমার যত কষ্টই হোক, আমি তোকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করব। কোনো জাতিকে শিক্ষিত করে তুলতে হলে, নারীকে আগে শিক্ষিত করা উচিত। সীমা : তোমার সাথে আমি একমত বাবা। প্রত্যেক মানুষই তার জীবনের প্রথম শিক্ষাটা পায় মায়ের কাছ থেকে। বাবা : সে জন্যেইতো বললাম, মা শিক্ষিত হলে জাতিও শিক্ষিত হবে। সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য, এমনকি পৃথিবীর জন্য যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলে নারী শিক্ষা। সীমা : কিন্তু আমাদের দেশের অবস্থা তো বেহাল। স্কুলের গÐি পেরোবার আগেই অনেক মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। পড়ালেখার বদলে ওদের ঘর সংসার করতে হয়। বাবা : আমাদের পিছিয়ে পড়ার মূল কারণগুলোর মধ্যে এটিও একটি। তবে এখন কিন্তু মানুষ সচেতন হচ্ছে। সরকারও নারী শিক্ষার প্রতি জোর দিচ্ছে। সীমা : শুধু সরকার জোর দিলেই তো হবে না বাবা। সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে বাবা-মাকে। বাবা : হ্যা রে মা, এখন বাবা-মায়েরাও সচেতন হচ্ছে। তারাও বুঝতে পারছে, তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শিক্ষিত করে তুলতে হলে নারী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তুই কলেজে যা মা। আমি কাল-পরশুর মধ্যে তোর সমস্ত বেতন পরিশোধ করে দেব। সীমা : ধন্যবাদ বাবা। তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা। " মেট্রোরেল ভ্রমণের আনন্দকে কেন্দ্র করে দুই বন্ধুর সংলাপ তৈরি কর,"সবুজ : কী যে ভালো লাগছে নীল। মেট্রোরেলে চড়ে মুহূর্তেই আগারগাঁও চলে আসতে পারলাম তোমার সাথে দেখা করতে। নীল : ঠিক বলেছ বন্ধু। মেট্রোরেল না থাকলে বাসে করে আসতে তোমার কয়েক ঘণ্টা লেগে যেত। ঢাকাবাসীর জন্য মেট্রোরেল যেন আশীর্বাদ। সবুজ : আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মেট্রোরেল ব্যবহার করে আসছে। আমরাও পিছিয়ে রইলাম না। দ্রুততর যোগাযোগের জন্য এটি আমাদের খুব প্রয়োজন ছিল। নীল : উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হয়েছে এতেই আমরা এর সুফল ভোগ করছি। এটা যখন কমলাপুর পর্যন্ত চালু হবে তখন জ্যামের অভিশাপ থেকে আমরা বহুলাংশে মুক্তি পাব। ভেবেই আনন্দ লাগছে। আহা! সবুজ : পুরো ঢাকার জন্যই সরকার মেট্রোরেল তৈরির পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখন শুধু সেই পদক্ষেপ বাস্তবায়নের প্রতীক্ষা। নীল : ঠিক বলেছ। আধুনিক বিজ্ঞানের চমকপ্রদ এই আবিষ্কার যেন মানুষের চলার গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘন জনবসতির শহরে মেট্রোরেল স্বস্তির বাতাসের মতোই সুন্দর। " সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আবহমান বাংলাদেশ' বিষয়ে পিতা ও কন্যার সংলাপ রচনা কর।,"বাবা : কোথায় যাচ্ছিলে মা? তানিয়া : চন্দনাদের বাড়িতে বাবা। বাবা : হঠাৎ ওদের বাড়িতে কেন? তানিয়া : না, মানে, ওদের বাড়িতে আজ পূজা তো.., আমাকে দাওয়াত করেছে? বাবা : কী বললি? তুই পূজার দাওয়াতে যাচ্ছিস? মুসলমানের মেয়ে হয়ে হিন্দুদের পূজাতে যাচ্ছিস তুই? তানিয়া : তাতে তো কোনো সমস্যা থাকার কথা নয় বাবা। এক ধর্মের মানুষের সঙ্গে কি অন্য ধর্মের মানুষের বন্ধুত্ব হতে পারে না? বাবা : তা পারে। তানিয়া : তাহলে কি একজন বন্ধু তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অন্য বন্ধুকে নিমন্ত্রণ করতে পারে না? বাবা : পারে। কিন্তু মুসলমান হয়ে হিন্দুদের পূজাতে যাওয়া হারাম। তুই ওখানে যেতে পারবি না। তানিয়া : কেন বাবা? এই দেশে আমরা যারা বাস করছি, তাদের সবাই বাঙালি । একের উৎসব মানে সবার উৎসব। এই উৎসবকে তুমি কেন সম্প্রদায়ের সাথে মিলিয়ে নিচ্ছ? আমাদের ঈদের দিনে কি ওরা আসে না? বাবা : তা আসে। তানিয়া : তাহলে আমি গেলে সমস্যা কোথায়? আমাদের সমস্যাটা এখানেই। আমরা জাতি-ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠতে পারি না। এই সাম্প্রদায়িক গণ্ডি অতিক্রম করতে না পারা পর্যন্ত আমাদের অধঃপতন হতেই থাকবে। আর আমি হিন্দু ধর্ম পালন করার জন্য যাচ্ছি না, ওদের ধর্ম ওরা পালন করবে, আমি যাচ্ছি শুধু সামাজিক দায়িত্ব ও বন্ধুত্বের সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য। বাবা : তুই কি আমাকে জ্ঞান দিচ্ছিস? তানিয়া : না বাবা। তোমাকে জ্ঞান দেয়ার মতো জ্ঞান আমার হয়নি। আমি শুধু বোঝাতে চাচ্ছি, ধর্ম হলো মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের এক গোপন অনুভূতি। কিন্তু সমাজ অন্য জিনিস। সমাজে চলতে গেলে নানা ধর্মের মানুষের সাথে মিলেমিশে থাকতে হয়। একের উৎসবে অপরকে যেতে হয়। আমি এখন যাই বাবা। তোমার সাথে পরে এসে কথা বলব।" সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"সীমা : জানিস, মা-বাবার সঙ্গে এখন আর টিভি দেখা যায় না। শান্ত : কেন, কী হয়েছে? সীমা : আর বলিস না, যা সব দেখায় টিভিতে একবারে সেন্সর নেই। শান্ত : বুঝেছি, তুই বাইরের চ্যানেলগুলোর কথা বলছিস; তো সেগুলো না দেখলেই তো পারিস। সীমা : ধ্যাত, কী যে বলিস না, কত সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান হয় চ্যানেলগুলোতে। শান্ত : তোর কথা একেবারে ফেলে দেয়া যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের চ্যানেলগুলোতেও কিন্তু অনেক ভালো অনুষ্ঠান হয়। সীমা : দূর, এখানকার আর্টিস্টরা সব সেকেলে পোশাক আর মেকআপে অভিনয় করে। শান্ত : বিষয়টা তা নয়, ওগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ; তাছাড়া সেগুলো দেখতেও বেশ ভালো । সীমা : তা ঠিক, কিন্তু আমাদের বয়সি ছেলেমেয়েরা ওগুলো ফলো করে না। তুই আমি কি করেছি, বল? শান্ত : আমরাও আসলে পারিনি, কিন্তু আমাদের দেশের শিল্প-সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, গান সত্যিই খুব ভালো রে। সীমা : মাও তাই বলে, কিন্তু আমরা চাইলেই কি আমাদের মধ্য থেকে অপসংস্কৃতি দূর করতে পারব বল? শান্ত : হয়তো পুরোটা পারব না, কিন্তু চেষ্টা করতে হবে দেশের সংস্কৃতিকে সব জায়গায় রিপ্রেজেন্ট করতে। সীমা : হ্যা, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সংগঠন এ কাজের চেষ্টা করছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি ভালো কিছু পাওয়া যাবে। শান্ত : এভাবে চেষ্টা করতে করতেই একদিন সফল হবে তারা, হাত বন্ধ করে তো বসে থাকা যাবে না। সীমা : এই রে ক্লাসের সময় হয়ে গেল, চল এখন ক্লাসে যাই। শান্ত : হ্যা, চল।" ইন্টারনেটের সুফল ও কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন রচনা করো,"অয়ন : তোর বাসায় ব্রডব্যান্ডের স্পিড কেমন? অমি : ৫১২এম.বি.পি.এস. রেগুলার; মাঝে মাঝে বাড়ে। আমি খুব একটা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি না। আমার ওয়াইম্যাক্স আছে। অয়ন : তাহলে ভালো স্পিড পাস? অমি : হ্যা দোস্ত; মাঝে মাঝে সারারাতই ফেসবুক ইউটিউব চলতে থাকে। অয়ন : যদিও তোর ব্যক্তিগত ব্যাপার; তারপরও আমার কাছে বিষয়টা ভালো লাগল না। এভাবে ইন্টারনেটের ব্যবহার মোটেও ভালো না। অমি : কেন, এভাবে ব্যবহার করলে সমস্যা কী? অয়ন : সমস্যা আছে। তুই অনেক বেশি সময় ওখানে দিয়ে ফেলছিস। তাছাড়া তুই শিক্ষামূলক তেমন কিছুও করছিস না। অমি : শিক্ষামূলক কাজ পরেও করা যাবে; কিন্তু এখন তো মজা করতে হবে। অয়ন : না রে, ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না হলে সেটা ক্ষতির কারণই হয়। তোর চোখের দিকে তাকিয়ে দেখেছিস? কালো দাগ পড়ে গেছে। অমি : তাহলে কি ব্যবহার বন্ধ করে দেব? অয়ন : তা তো বলিনি; গঠনমূলক কাজে বেশি ব্যবহার করবি। অমি : বুঝিনি; একটু সহজ করে বল। অয়ন : যেমন ধর সমস্ত বিশ্বের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে; তুই এটা নিয়ে পড়তে পারিস। অথবা ভূমিকম্প নিয়ে পড়তে পারিস; যেহেতু আমরা এখন ভূমিকম্পের আতঙ্কের মধ্যে আছি। অমি : এগুলো তো সারাদিনই টিভিতে দেখায়। এগুলো নিয়ে আবার পড়ার কী আছে? অয়ন : আচ্ছা তোর যা জানতে ইচ্ছা করে তাই নিয়েই পড়িস। মোটকথা ভালো কিছু জানার জন্যে, শেখার জন্যে ইন্টারনেট ব্যবহার কর। অমি : আর আনন্দের জন্যে কিছুই করবো না? অয়ন : আনন্দের জন্যেও ব্যবহার করবি; তবে সেটা নিজের ক্ষতি না করে। অমি : গলা তো শুকিয়ে গেল; চল একটু চা খাই। অয়ন : চল, রফিক ভাইয়ের চা-টা ফাটাফাটি। ওখানে গিয়েই খাই। " শব্দ দূষণের কুফল সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"রিপন ও মিশু স্কুল থেকে ফিরে রাস্তায় হাটছে। রিপন: আরে মিশু, আজকাল রাস্তায় এতো শব্দ কেন? মিশু: তুই কি বোকা? এখন তো সবজায়গায়ই গাড়ি, বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল। এসবের শব্দে তো কান ঝনঝন করে। রিপন: শুধু গাড়ি-বাসই না, আরও অনেক কিছু। ফ্যাক্টরি, মাইক, স্পিকার, সব মিলিয়ে এক অসহ্য পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। মিশু: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। এই শব্দ দূষণের কারণে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। রিপন: কীভাবে? মিশু: শব্দ দূষণের কারণে আমাদের কানে ব্যথা হতে পারে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে, মনোযোগের অভাবও দেখা দিতে পারে। রিপন: তাহলে আমাদের কী করতে হবে? মিশু: আমাদের সকলেরই সচেতন হতে হবে। যানবাহনের অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো, উচ্চ শব্দে গান শোনা, এবং মাইকের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। রিপন: সরকারেরও উচিত কঠোর আইন প্রণয়ন করা এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া। মিশু: হ্যাঁ, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালাতে হবে। রিপন: ঠিক বলেছিস। আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে শব্দ দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। মিশু: আশা করি আমরা সকলেই একসাথে কাজ করে একটি সুন্দর ও শব্দমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবো। " "শান্তিনিকেতনে বেড়াতে যাওয়া নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ ","পল্টু: কীরে এবার তোদের স্কুলে থেকে কোথায় বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছে? রাজু: শান্তিনিকেতন। জানো মনে মনে ভাবলে এত আনন্দ হচ্ছে যে তোমাকে আর কী বলব। কত দিনের ইচ্ছা শান্তিনিকেতন দেখার। পল্টু: বুঝতে পারছি সব বুঝতে পারছি, আমিও সেবার প্রথম শান্তিনিকেতন যাই আমারও তোর মতোই আনন্দ হয়েছিল। রাজু: এখন হয় না। পল্টু: হয়তো, কিন্তু প্রথম শান্তিনিকেতন দেখার আনন্দটাই আলাদা, দুচোখ ভরে শুধু দেখে যাবি। চারিদিকে কেবলই সবুজের খেলা। রাজু: তাই, তুমি কোথায় উঠেছিলে? পল্টু: শান্তিনিকেতনের অতিথি শালায়। রাজু: এতদিন শান্তিনিকেতন সম্পর্কে কাগজে পড়েছি, টিভিতে দেখেছি, বই-এ পড়েছি, এবার চাক্ষুষ দেখব। ভাবলেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাচ্ছি। পল্টু: উপাসনা গৃহ, ছাতিম তলা, আম্রকুঞ্জ, উত্তরায়ণ দেখলে মণ ভরে যায়। আয় দোলের সময় শান্তিনিকেতন দেখার যে সুখ তার আর অন্য কোথাও গেলে মেলা ভার। অন্যরূপে সেদিন শান্তিনিকেতন সেজে ওঠে। রাজু: আচ্ছা ছাতিমতলাতেই লেখা আছে না, তিনি আমার প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ, আত্মার শান্তি? পল্টু: হ্যাঁ রে শান্তিনিকেতন ঘুরে বেড়ালেই সেই শান্তির খোঁজ তুই পেয়ে যাবি। রাজু: আচ্ছা আমাদের স্কুল থেকে মাত্র দু-রাত থাকবে, তাতে সব ঘোরা হবে? তোমার কাছে শুনে তো মনে হচ্ছে হবে না তাহলে? পল্টু : শান্তিনিকেতন একবার যাবার নয়, বারবার যাবার জায়গা। যেদিক দিয়েই হাঁটবি না কেন তোর মনে হবে হয়তো এদিক দিয়েই রবীন্দ্রনাথ হেঁটে গিয়েছিলেন। আবার যখন তুই উত্তরায়ণ যাবি তখন তোর মনে হবে, এই তো বইতে যে পড়েছি এখানে বসেই তো রবীন্দ্রনাথ কত গান, কত কবিতা লিখেছেন, সবথেকে বড়ো কথা কী জানিস ছাতিমতলায় দাড়িয়ে যখন আম্রকুঞ্জের দিকে তাকিয়ে থাকি তখন রবীন্দ্রনাথের সেই পিছনে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ছবিটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে।" "স্কুলস্তরে পাশ-ফেল প্রথা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সৈকত: আচ্ছা, সবাই একসঙ্গে একটি নতুন ক্লাসে উঠে যাওয়ার মজাটাই বেশ তাই না? অসীম : ঠিক বলেছিস। কিন্তু যারা সারাবছর লেখাপড়া না-করে এই ব্যবস্থার সুবিধা নিচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎটা ভাবো একবার। সৈকত : সত্যি, অদ্ভুত একটা নিয়ম। শুধুমাত্র পড়াশোনার ভয় থেকে ছাত্রছাত্রীদের দূরে রাখার জন্য এবং স্কুলছুটের সংখ্যা কমানোর জন্য এই ব্যবস্থা। অসীম : কিন্তু যে ছেলে-মেয়ের বাবা-মা লেখাপড়াই জানে না সে অকৃতকার্য হলেই তাকে টি.সি দেওয়া হবে এটাও তো কাম্য নয়। সৈকত : কিন্তু কিছুই না শিখে একজন পরপর ক্লাসে উঠে যাবে, প্রায় জোর করে শিক্ষার মূলস্রোতে আটকে রাখা হবে এ কেমন নিয়ম। অসীম : আসলে এ সমস্যার বীজ লুকিয়ে অনেক গভীরে। পরিকাঠামো উন্নয়ন করে, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতার মাধ্যমে এবং আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমেই জাগরণ ঘটবে সবার। সৈকত : কিন্তু ফেলের জুজুটাকে সরিয়ে, ভয় না দেখিয়ে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ঘটানোই সারা বিশ্বে প্রচলিত শিক্ষা পদ্ধতি। অসীম : ঠিকই, কিন্তু পরিসংখ্যান তো উল্টো কথাই বলছে। পাশ-ফেল না থাকায় বেশ কয়েক বছরে স্কুলছুটের সংখ্যা কমে তো নি বরং মান একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সৈকত : তাই তো সরকার পাস-ফেল ফিরিয়ে আনতে চলেছে। তবে এর সঙ্গে লক্ষ রাখতে হবে যাতে ফেল করা শিশুরা একেবারে স্কুলছুট না হয়ে যায়।  অসীম : ঠিকই। তাদের অন্তত একটি সুযোগ দিয়ে কিছুটা তৈরি হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যেতে পারে। সৈকত : সবদিক খতিয়ে দেখেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে তবেই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সঠিক পথে এগোবে। " "মোবাইল ফোনের অত্যধিক ব্যবহার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সাবির: গতকাল কি হয়েছে শুনেছিস? ফারহান : না। কি হয়েছে বলতো? সাবির: আরে, আমাদের স্কুলের ইলেভেনের জুনেইদ কাল মোবাইল কানে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিল। এমন সময় একটি অটো তাকে ধাক্কা মারে। বেঁচে গেছে কোনোক্রমে। তবে পায়ে গুরুতর চোট লেগেছে। বোধ হয় অপারেশন করতে হবে। ফারহান: সে কি রে! সব জেনে শুনে আমরাই যদি এমন অসতর্কের মতো কাজ করি তাহলে তো বিপদ হবেই। সাবির: সত্যি স্মার্টফোন আসায় যে-কোনো বয়সের মানুষই ফোনে যেন প্রচণ্ড আসক্ত হয়ে পড়েছে। লাগামছাড়া ব্যবহার হচ্ছে। ফারহান : প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র একটা নেশার বস্তুতে যেন পরিণত হয়েছে এটি। সাবির : অথচ শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ বা কথার মধ্যেই যদি এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে এটিই হতে পারত খুব উপকারী বন্ধু। ফারহান : ঠিকই। কিন্তু মানুষের বিশ্রাম, একাগ্রতা, নিষ্ঠা সবই কমছে। উল্টে বাড়ছে অস্থিরতা। সাবির : অনেক শিক্ষামূলক, গঠনমূলক ও প্রয়োজনীয় কাজে এর ব্যবহার হলেও অনেকক্ষেত্রেই এর কুপ্রভাব সমাজের অল্পবয়সিদের ক্ষতি করছে। ফারহান : ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনারও যথেষ্ট ক্ষতি করছে। সাবির : অপ্রয়োজনে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, গেম ইত্যাদিতে সময় নষ্ট করে কাজের সময় কমে যাচ্ছে। ফারহান : সত্যি, এখন মনে হচ্ছে এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে না আসলে ভবিষ্যতে আমাদের যুবসমাজের মধ্যে খুব খারাপ প্রভাব পড়তে চলেছে। সাবির : এ ব্যাপারে নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে এবং বন্ধুদেরও সতর্ক করতে হবে।" "বিশেষ প্রয়োজনে ছুটি ও কর্মস্থলে ত্যাগের আবেদন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি পত্র লিখ ৷ অথবা, পরিবারের কেউ অসুস্থ হওয়ার জন্য বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজনে কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি চেয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বরাবরে একটি আবেদনপত্র লিখ  ","০৬ জুলাই, ২০২৪ বরাবর সহপরিচালক (প্রশাসন) পরমাণু শক্তি কমিশন, গণকবাড়ী, সাভার, ঢাকা । বিষয় : কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি প্রসঙ্গে। মহাত্মন, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষকারী পরামাণু শক্তি কমিশন, গণকবাড়ী শাখার প্রকৌশল দপ্তরের একজন টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। কিছুক্ষণ পূর্বে মোবাইল মারফত জানতে পারলাম যে, আমার মায়ের শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ হবার দরুন শের- ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন এবং ছোট ছেলে হিসেবে আমাকে তিনি দেখতে চেয়েছেন। তাই অসুস্থ মায়ের শয্যাপাশে অবস্থান করা আমার একান্ত প্রয়োজন । অতএব, জনাব সমীপে সবিনয় আরজ, আমার বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় আজ ০৮.০৬.২৪ থেকে ১০.০৬.২৪ তারিখ পর্যন্ত মোট তিন দিনের ছুটি মঞ্জুরসহ কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি দানে জনাবের একান্ত মর্জি কামনা করছি । নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম ছুটিকালীন অবস্থানের ঠিকানা মোঃ আমিনুল ইসলাম C/o ডা. মোঃ সিরাজুম মুনির ১৩নং সদর রোড, নিউমার্কেটের ২য় তলা, বরিশাল " "যৌতুক প্রথা নিয়ে দুই বান্ধবীর মধ্যে একটি সংলাপ তৈরি কর ","পারুল : শুনেছ সুলতানা, নাসিমাকে নাকি স্বামীর বাড়িতে নিচ্ছে না। সুলতানা : নিচ্ছে না মানে কী?   পারুল : মনে হলাে শ্বশুরবাড়িতে নাসিমার প্রবেশের অধিকার নেই। সে বাবার বাড়িতেই থাকবে।   সুলতানা : কেন?   পারুল : বিয়ের সময় নাসিমার শ্বশুরবাড়ির লােকজন বরের জন্য একটি মােটরসাইকেল দাবি করেছিল। নাসিমার পরিবার রাজি হয়েছিল এবং পরে দেবে বলে কথা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর দিতে পারেনি।   সুলতানা : নাসিমার এ অবস্থার জন্য ওর বাবাই দায়ী। ছেলে সরকারি চাকরি করে বলে ওর বাবা তাড়াহুড়া করে কিছু না ভেবেই মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিলেন। এখন দেখ কী বিড়ম্বনা!   পারুল : হ্যাঁ, চাচা নাসিমার পড়াটাও বন্ধ করে দিলেন ।  সুলতানা : অভিভাবকরা মেয়ের বিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চান। পারুল : নিশ্চিন্ত তাে হতে পারলেন না। বরং দুশ্চিন্তার বােঝা আরও বাড়ালেন। সুলতানা : আমার মনে হয় কী জান ? মেয়েরা যদি তাদের মেধা ও যােগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারে, তারা যদি আত্মশক্তিতে। বলীয়ান হয়, তবে কেউ মেয়েদের অবজ্ঞা করার সুযােগ পাবে না। বিয়েতে বরপক্ষের যৌতুক দাবি করা মানুষ। হিসেবে মেয়েদের ছােটো করারই নামান্তর।  পারুল : আমিও তাই মনে করি। এজন্য মেয়েদের পরিবারকেই প্রথমে সচেতন হতে হবে। তারা তাদের ছেলে সন্তানের লেখাপড়া ও চাকরির ব্যাপারে যতটা সজাগ, মেয়ের ব্যাপারেও অনুরূপ সজাগ থাকতে হবে। সুলতানা : আর ছেলেদের পরিবারকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে আমরা ছেলের বিয়েতে যৌতক নেব না।  পারুল : সামাজিক সচেতনতা তৈরি হলে এবং আইনের কঠোর বাস্তবায়ন থাকলে এ ভয়াবহ ব্যাধি নির্মল হবে।" "মাদকাসক্তির কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","রফিক: বন্ধু কেমন আছ তুমি ? মামুন: ভালো, তুমি নিশ্চয়ই ভালো আছ। একটি দুঃখজনক সংবাদ আছে। দীর্ঘদিন ধরে তৌফিক কলেজে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল। আজই শুনলাম ওর বাবার কাছ থেকে— সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছিল। সে এখন মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছে। রফিক: বলো কী! মামুন: বখাটে বন্ধুদের খপ্পরে পড়েছিল। রফিক: ও এখন কেমন আছে ? মামুন: জানো তো, মরণ-নেশা মাদকাসক্তি—মৃত্যুই যার পরিণতি। রফিক: তৌফিক বাঁচবে তো? মামুন:  প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়েছে বলে হয়তো কিছুটা রেহাই পাবে। তবে ভোগান্তি কম হবে না। মৃত্যু পর্যন্তও নিয়ে যেতে পারে। রফিক:  আমি জানি, আমাকে তুমি সংবাদটি কেন দিতে এসেছ। আমি এক-দুবার একটু নেশা করেছি ঠিকই কিন্তু এখন ওসব বাদ দিয়েছি। মামুন: আসলে তা নয় বন্ধু, তোমাকে আমি খুবই ভালোবাসি। তোমাকে সচেতন হওয়ার জন্যেই সংবাদটা দেওয়া ৷ রফিক: ঠিক আছে, তুমি বলো। মামুন: রফিক তুমি আমার কাছে লুকাবে না। মাদকের মতো একটা নিষ্প্রাণ তুচ্ছ বস্তু শুধু খেয়ালের ভুলে একটা সজীব প্রাণবন্ত অসীম সম্ভাবনাময় জীবনকে নিষ্প্রাণ করে দিতে পারে না, এই সুন্দর পৃথিবী থেকে বিদায় দিতে পারে না। রফিক: আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে বলে নানা টানাপোড়েনে অনেক সময় দুঃখ-কষ্টে মাথা ঠিক থাকে না।  মামুন: জীবনে দুঃখ আছে, গ্লানি আছে, পরাজয় আছে, ব্যর্থতা আছে, কিন্তু সেটাই শেষ কথা নয়। জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার মাঝেই জীবনের সার্থকতা নিহিত। জীবনকে যতভাবে সুখী, সমৃদ্ধ ও পরিপূর্ণ করে তোলা যায় সে চেষ্টাই আজ পৃথিবীর মানুষের লক্ষ্য। জীবনকে ঋদ্ধ ও পরিপূর্ণ কর। রফিক: আজই তোমার কাছে প্রতিজ্ঞা করলাম। কোনো মাদকদ্রব্যই আমি আর ছুঁয়েও দেখব না। মামুন: ধন্যবাদ বন্ধু। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি বন্ধু। তুমি ছাড়া আমার আর কোনো সুহৃদ বন্ধু নেই। আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। রফিক: বন্ধু তোমাকে কথা দিলাম। আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমাদের এই বন্ধন আরো দৃঢ় হবে। " "গ্রীষ্মের ছুটিতে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ","সুজন : আমাদের আকাঙ্ক্ষিত গ্রীষ্মের ছুটি অবশেষে পাওয়া গেল । ছুটিতে কোথায় বেড়াতে যাবে ঠিক করেছ?  সুমন : আমি কক্সবাজারে যাব ঠিক করেছি । তুমি কোথায় যাবে? সুজন : আমি আমার গ্রামের বাড়ি যাব ঠিক করেছি । বাবা-মাও যাবেন । সুমন : গ্রামের বাড়ি! গ্রামে তো এ সময় অনেক গরম থাকবে । তাই না? সুজন : অনেক গরম তা ঠিক । তবে এটিতো বাংলার প্রকৃতির রূপ । এটাকে আমি পছন্দ করি । প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে ছেলে-বুড়ো যখন বাড়ির পশ্চিম পাশে বাঁশের মাচায় বসে থাকে এবং খোলা মাঠের হাওয়া শরীরে লাগে তখন শরীর ও মন প্রশান্তিতে ভরে যায় । সকালে-বিকালে নদীর পারে ঘুরতে গেলে নদীর ঠান্ডা বাতাস শরীর জুড়িয়ে দেয় । নদীর দুপাড়ের মনোরম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায় । সুমন : আমি কখনো গ্রামে যাইনি । অবসরে শুধু দেশের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে যাই । সুজন : বন্ধু, আমার দেশের প্রতিটি গ্রামই দর্শনীয় ও উপভোগ্য । গ্রীষ্মের দুপুরে নিস্তব্ধ পুকুর পাড়ে বসে থাকার যে কী মজা! গাছ থেকে পাকা আম পেরে খাওয়া, কাঁচা আমের ভর্তা খাওয়া, পাকা জাম ঝেঁকে খাওয়া, আনারস, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে মেখে খাওয়ার যে কী মজা! সুমন : তোমার কথা শুনে কিন্তু আমার লোভ হচ্ছে । সুজন : লোভ দেখানোর জন্যই তো বলছি । চলো না বন্ধু এক সাথে গ্রামের বাড়ি যাই । সুমন : মা রাজি হবেন কি না জানি না! সুজন : খালাম্মাকে রাজি করানোর দায়িত্ব আমার । চলো তার কাছে যাই ।  সুমন : চলো যাই । " "বহিরাগত (প্রাইভেট) পরীক্ষার্থী হিসেবে ডিগ্রি (পাস কোর্স) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রার্থনা করে একখানা দরখাস্ত লেখ । ","০১ এপ্রিল, ২০২৪ বরাবর অধ্যক্ষ, শহীদ বুলবুল সরকারি কলেজ, পাবনা । বিষয় : প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে ডিগ্রি (পাস কোর্সে) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে । জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২৬/০৩/২৪ তারিখে 'দৈনিক ইত্তেফাক' পত্রিকায় প্রকাশিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত এক বিজ্ঞপ্তি মারফরত জানতে পারলাম যে, ২০২৪ সালে ডিগ্রি পাস কোর্সের বহিরাগত আগ্রহী পরীক্ষার্থীদের সরকার অনুমোদিত যে-কোন ডিগ্রি অফিসে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ফরমপূরণ করতে বলা হয়েছে। আমি উক্ত বিজ্ঞপ্তির আলোকে আপনার কলেজের মাধ্যমে ডিগ্রি পাস কোর্সের বহিরাগত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক। অতএব, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমিত দানে জনাবের একান্ত সদয় সৃষ্টি কামনা করছি। " "গ্যাসের প্রিপেইড মিটার স্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি লিখুন ","তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ বরাবর প্রকল্প পরিচালক প্রিপেইড গ্যাস মিটার স্থাপন প্রকল্প তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিঃ তিতাস গ্যাস ভবন (১২তম তলা) ১০৫, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা-১২১৫ বিষয় : গ্যাসের প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জন্য আবেদন । জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিঃ-এর একজন পোস্টপেইড গ্রাহক। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি প্রাথমিক জ্বালানি। চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি সরবরাহের পাশাপাশি সরকার জ্বালানির সাশ্রয়, দক্ষ, নিরাপদ ও টেকসই ব্যবহার এবং এর গ্রাহকবান্ধব আধুনিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বরোপ করছে। এ লক্ষ্যে বহুমুখী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গ্যাসের সিস্টেম লস হ্রাসকরণ, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি সর্বোপরি গ্যাস সাশ্রয়ের পাশাপাশি গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের মনোভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশব্যপী আবাসিক প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে। প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হলে গ্যাসের অপচয় রোধে গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গ্যাস সাশ্রয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া প্রিপেইড মিটার ব্যাপকভিত্তিতে চালু হলে সিস্টেমে গ্যাসের সঠিক হিসাব রাখা এবং গ্রাহক পর্যায়ে প্রকৃত ব্যবহার অনুযায়ী বিল আদায় করা সম্ভব। বর্তমানে আমার এলাকা রাজধানীর কল্যাণপুরে প্রতি দুই চুলা ব্যবহারের জন্য ৯৭৫ টাকা প্রতি মাসে বিল পেমেন্ট করতে হয়। অথচ আশেপাশে যারা প্রিপেইড গ্রাহক তাদের এই টাকায় প্রায় তিন মাস চলে যায় । তাই যত দ্রুত সম্ভব আমার পোস্টপেইড মিটারের পরিবর্তে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের জোর দাবি জানাচ্ছি ।  অতএব, জনাবের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপর্যুক্ত বিষয়ের ওপর বিবেচনা করে একজন নিয়মিত ও দীর্ঘদিনের গ্রাহক হিসেবে আমার বাসায় প্রিপেইড মিটার স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদন মোঃ মোক্তার হোসেন ২১, ছায়ানীড়, রোড নং- ৩ কল্যাণপুর, ঢাকা । ১. পাসপোর্ট সাইজের ২ (দুই) কপি সত্যায়িত ছবি  ২. জমির মালিকানার দালিলিক প্রমাণ ৩. প্রস্তাবিত অভ্যন্তরীণ পাইপলাইনের ৪(চার) কপি নকশা ৪. বর্তমান গ্যাস সংযোগের বিপরীতে বিল পরিশোধের প্রত্যয়ন পত্ৰ  ৫. রুট ম্যাপ । " "সাম্প্রতিক বন্যায় আপনার এলাকার গ্যাস লাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি লিখুন  ","২২.১২.২০২৪ ব্যবস্থাপনা পরিচালক জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লি. গ্যাস ভবন, মেন্দিবাগ, সিলেট-৩১০০ বিষয় : গ্যাস লাইন মেরামতের জন্য আবেদন । জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজার ইউনিয়নের পূর্ব রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা। এটি একটি জনবহুল ও বৃহৎ এলাকা। এখানে প্রায় আট হাজার লোকের বসবাস । শহরের পাশে হওয়ায় এ এলাকায় বিভিন্ন শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেছে। তাই সবকিছু মিলিয়ে এ এলাকায় গ্যাসের চাহিদা অনেক । কিন্তু সম্প্রতি আকস্মিক বন্যায় এলাকার রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয় । বন্যার পানিতে রাস্তাঘাট ডুবে থাকায় অনেক জায়গায় গ্যাস লাইনের ক্ষতি হয়েছে। আবার কোনো কোনো স্থানে গ্যাস লাইন লিকেজেরও খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এ গ্যাস লাইন থেকে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে । এ আশঙ্কার মধ্যেই এলাকার লোকজন গ্যাস লাইন ব্যবহার করছে । অতএব, আপনার নিকট আকুল আবেদন এই যে, অনতিবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস লাইনটি মেরামত করে নিরাপদ গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থা করে এলাকার জনগণের উৎকণ্ঠা লাঘবে বাধিত করবেন। নিবেদক পূর্ব রাজাপুর এলাকাবাসীর পক্ষে আকরাম আহমেদ টুকেরবাজার, সিলেট।" "তোমার এলাকায় পাবলিক লাইব্রেরি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবরে একটি স্মারকলিপি রচনা কর ","বরাবর সচিব মহোদয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার  ঢাকা, বাংলাদেশ। বিষয় : পাবলিক লাইব্রেরী স্থাপনের জন্য স্মারকলিপি । মহোদয়, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা ঢাকা জেলার নব্য নগরায়ন-সমৃদ্ধ শিল্পাঞ্চল তথা ঢাকার প্রবেশদ্বার সাভার উপজেলার সর্বস্তরের জনতা। আমরা এক মহোত্তম আবেদন নিয়ে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, চাকরিজীবী, সাংবাদিক, এলাকার জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ একত্রিত হয়েছি। আমাদের মুক্তভাবে জ্ঞানচর্চার জন্য একটি গণগ্রন্থাগার বা পাবলিক লাইব্রেরী প্রয়োজন । একথা আপনাদের অবিদিত নয় যে, সাভার একটি সমৃদ্ধ উন্নয়নশীল এলাকা। এখানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, অন্তত ১৩টি কলেজ, প্রায় ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৬টি কিন্ডারগার্টেন, ৮টি মাদ্রাসাসহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিস তথা বি.পি.এ.টি.সি, পরমাণু শক্তি কমিশন, বিকেএসপি. যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বি.এল. আর.আই, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা, রেডিও সম্প্রচার কেন্দ্র, ব্যাংক টাউন ও কলোনী, সি.আর.পি, বেসরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ও শিল্প এবং বাণিজ্য কেন্দ্র রয়েছে। আপনি অবশ্যই জানেন, সাভার একটি আবাসিক সমৃদ্ধ এরিয়া। ঢাকা শহরের অনেক চাকরিজীবী সাভার থেকেই অফিসে যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এত বিশাল জনসংখ্যা অধ্যুষিত এলাকায় মুক্তভাবে জ্ঞানচর্চার সুযোগ সংবলিত একটি গণগ্রন্থাগার নেই । স্বশিক্ষার কোন আয়োজন নেই। একটি সমৃদ্ধ পাঠাগারের অভাবে শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দ্রুতগতিতে অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ভিসিআর, ভিসিপি, সিনেমা, বাজে আড্ডা, তাস, জুয়া প্রভৃতি অনৈতিক খেলায় তারা মত্ত হচ্ছে। যার দরুন এলাকায় ইতোমধ্যেই এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বখাটে ছাত্রদের উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, অনৈতিক কর্মকাণ্ড। অন্যান্য পেশায় ভিন্নধারার মানুষেরা অযথা ঘুরে-ফিরে অলস সময় কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে তাদের দ্বারা উন্নয়নধর্মী কোন কর্মতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা । আশা করছি গণমানুষের হৃদয়বৃত্তির মানসিক ক্ষুধা মেটাতে একটি সৃজনশীল ও গঠনমূলক এলাকা গড়তে যুব শক্তিকে নৈতিক চরিত্রে উজ্জীবিত করতে, আশু একটি গণগ্রন্থাগার স্থাপনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। আপনার উদ্যোগে সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে, দূর হবে যুগের আঁধার । আপনার কর্মমুখর দিনগুলো হোক কল্যাণময়, সত্যনিষ্ঠ। সুদীর্ঘ জীবনে আপনি সুস্থ থাকুন পরম করুণাময়ের দরবারে এ মিনতি জানাই । বিনীত                           সাভার উপজেলায় সর্বস্তরের জনগণ । তারিখ : ২৫/০৫/২৫" হারানো মালের ক্ষতিপূরণ দাবি করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট একটি পত্র লেখ। ,"২২ জুলাই ২০২৩ বরাবর স্টেশন ম্যানেজার বাংলাদেশ রেলওয়ে পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম । বিষয় : হারানো মালের ক্ষতিপূরণের আবেদন । জনাব সবিনয় নিবেদন এই যে, গত ১৮ জুলাই ২০১৭, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী বাংলাদেশ রেলওয়ের ‘মহানগর এক্সপ্রেস'-এর একজন যাত্রী হিসাবে আমি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করি । আমার টিকিট নং বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢ–২১২ (শোভন শ্রেণি) । আমি আমার একটি বড়ো চামড়ার ব্যাগ লাগেজ হিসাবে বুকিং দিয়েছি, যার নং বি.আর. ৩১০১ । চট্টগ্রাম পৌঁছার পর কর্তৃপক্ষ আমার ব্যাগটি দিতে পারেনি । উক্ত ব্যাগে আমার প্রয়োজনীয় জিনিস ও কাগজপত্র ছিল । লাগেজ হারানোর দায়ভার আইনত রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে । কাগজপত্রের ক্ষতি অপূরণীয় হলেও অন্যান্য জিনিসের মূল্য আনুমানিক ১০ হাজার টাকা । আমি উক্ত হারানো মালের ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। অতএব জনাব, উপরিউক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি ।  নিবেদক আপনার বিশ্বস্ত ইমদাদুল হক রনি ২/১-ক, রিয়াজুদ্দিন বাজার নিউমার্কেট, চট্টগ্রাম।" "কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী পদে চাকরির জন্য একটি দরখাস্ত লেখ ","২ মার্চ ২০২২  বরাবর  ব্যবস্থাপক  পুথিনিলয় ৩৮/২-ক, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।  বিষয় : অফিস সহকারী পদের জন্য আবেদন।  জনাব, যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, গত ২৮.০২.২০২২ তারিখে 'দৈনিক ইত্তেফাক'- এ বিজ্ঞপ্তির সুবাদে অবগত হয়েছি যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে কয়েকজন অফিস সহকারী নিয়ােগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার যােগ্যতা ও অভিজ্ঞতা আপনার সুবিবেচনার জন্য নিচে উপস্থাপন করছি一  ব্যক্তিগত তথ্য নাম                              : মাে. আব্দুস সালাম।  পিতার নাম                  : মাে. সুলাইমান।  মাতার নাম                  : রেবেকা আক্তার।  জন্ম তারিখ                  : ২২.০২.১৯৯১।  জাতীয়তা                     : বাংলাদেশি। ধর্ম                               : ইসলাম।  বৈবাহিক অবস্থা          : অবিবাহিত।  বর্তমান ঠিকানা           : ৩৮/১, চ, বংশাল, ঢাকা-১১০০।  স্থায়ী ঠিকানা                : গ্রাম : নিজমেহের, পাে : কালিবাড়ি, উপজেলা : শাহরাস্তি, জেলা : চাঁদপুর।  যােগাযােগ  মােবাইল/ফোন নম্বর : +৮৮০১......  ই-মেইল : .................@.......com  শিক্ষাগত যােগ্যতা   অভিজ্ঞতা ১. একটি সুপার শপে হিসাব সহকারী হিসেবে ৩ বছর দায়িত্ব পালন।  ২. একটি বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে হিসাব সহকারী হিসেবে ২ বছর যাবৎ কর্মরত। অতএব মহােদয়ের সমীপে নিবেদন এই যে, উপরিউক্ত যােগ্যতার বিবেচনায় আমাকে উক্ত পদে নিয়ােগ দেওয়ার জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি ।  নিবেদক  মাে. আব্দুস সালাম।  শাহরাস্তি, চাঁদপুর। সংযুক্তি  ১. সকল পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।  ২. প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।  ৩. অভিজ্ঞতার সনদের ফটোকপি।  ৪. প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা প্রদত্ত চারিত্রিক সনদ।  " "তোমার কলেজের ভেতরে ক্যানটিন স্থাপনের ব্যবস্থা করার জন্য অধ্যক্ষের নিকট একটি আবেদনপত্র লেখ। ","১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ মাননীয় অধ্যক্ষ আইডিয়াল কলেজ,  ধানমন্ডি, ঢাকা।   বিষয় : কলেজের ভেতরে ক্যানটিন স্থাপনের আবেদন।  মহাত্মন  সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার কলেজের অনাবাসিক ছাত্রছাত্রী। প্রতিদিন আমরা অনেক দূরদূরান্ত থেকে কলেজে আসি। নানা কারণে অনেকের পক্ষে প্রতিদিন টিফিন আনা সম্ভব হয় না। কলেজের টিফিন পিরিয়ডের স্বল্পতম সময়ে ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে টিফিন কিনে আনা বা টিফিন করে আসা ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে একটা ক্যান্টিন স্থাপন করা হলে ছাত্রছাত্রীদের এ সমস্যা নিরসন হতে পারে।  অতএব মহােদয় সমীপে বিনীত প্রার্থনা, শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর প্রয়ােজনের কথা বিবেচনা করে, কলেজ ক্যাম্পাসে একটি ক্যান্টিন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমরা কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ হব।  বিনীত  অনাবাসিক শিক্ষার্থীবৃন্দ  আইডিয়াল কলেজ  ধানমন্ডি, ঢাকা। " "তােমাদের ক্লাবের সমাজ উন্নয়নমূলক কাজের জন্য অর্থ সাহায্য চেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে একটি আবেদন লেখ। ","১০ আগস্ট ২০২১ মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য  গােপালগঞ্জ-৩  কোটালীপাড়া, গােপালগঞ্জ ।  বিষয় : সমাজ উন্নয়নমূলক কাজের নিমিত্তে ক্লাবের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন। মহাত্মন আমরা গােপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার অধীন রামশীল ইউনিয়নের অন্তর্গত রাজাপুর গ্রামের অধিবাসী জাভ গ্রামকে নির্জন পল্লি বললেও চলে। অথচ স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের গ্রামে ‘সােনার বাংলা যুব সংঘ’ নামক একটি কাজ আমরা পরিচালনা করে আসছি। প্রথম দিকে আমাদের গ্রামের শিক্ষিত যুবক ছেলেরা ক্লাবটি বেশ জাকজমক করে - তুলেছিলেন। কিন্তু তারা লেখাপড়া শিখে চাকরির তাগিদে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার ফলে ক্লাবটির অবস্থা শােচনীয়ত পড়ে। পরে বহু চেষ্টা করে আমরা ধীরে ধীরে ক্লাবটির সংস্কার সাধন করি এবং একটি পাঠাগার ও একটি নৈশ বিদ স্থাপনসহ ক্লাবটির আওতায় বিভিন্ন সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছি। এর মধ্যে গ্রামের রাস্তা-ঘাট মেরামত শীতার্তদের শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায়দের সহায়তা প্রদান, হতদরিদ্র কন্যা দায়গ্রস্ত পিতার কন্যা সম্প্রদানে আর্থিক সাহা প্রদান, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষার উপকরণ প্রদানসহ বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজ ক্লাবের পক্ষ থেকে যথাসম্ভব সম্পাদন করা হয়। এছাড়াও ক্লাবের উদ্যোগে বাল্যবিবাহ রােধ, যৌতুককে না বলা, জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি গণসচেতনতামূলক নাটক-নাটিকা প্রদর্শন করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি এক ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ক্লাব ঘরটি মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং এর চালা ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় । এরপর থেকে অদ্যাবধি ক্লাব ঘরটি যেমন আমরা ভালাে করে দাঁড় করাতে পারিনি, তেমনি সমাজ উন্নয়নমূলক কাজও থমকে আছে। একমাত্র কারণ আর্থিক সংকট।  অতএব প্রার্থনা এই যে, অনুগ্রহপূর্বক আমাদের ক্লাবটি পরিদর্শন করে ক্লাব কর্তক সমাজ উন্নয়নকল্পে প্রয়ােজনীয় আর্থিক সাহায্য নিবেদক  রাজাপুর গ্রামবাসীর পক্ষে সমীর বাগচী  রাজাপুর, রামশীল, কোটালীপাড়া । " "তোমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ/সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট একখানা আবেদনপত্র লেখ। ","১০ অক্টোবর ২০২১ বরাবর সভাপতি  নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩  ডােমার, নীলফামারী। বিষয় : নূরপুর গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহের আবেদন।  জনাব  সবিনয় নিবেদন এই যে, নীলফামারী জেলাধীন ডােমার উপজেলার নূরপুর একটি জনবহুল গ্রাম। এ গ্রামে শিক্ষার হার আশানুরূপ। গ্রামের জনগণ নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের গ্রামটি বিদ্যুৎ-সংযােগ হতে আজও বঞ্চিত রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহােদয় বারবার আমাদের আশা দিলেও তা আলাের মুখ দেখেনি। গ্রামটির আশপাশের সব গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ আছে। শুধু এ গ্রামই আধুনিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ-সংযােগ থাকলে গ্রামের মানুষের ভাগ্যের চাকা দ্রুত বদলে যেত। এরই সঙ্গে এখানকার স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজে পাঠদান কার্যক্রম সহজতর হতাে।  অতএব, মহােদয় সমীপে আকুল আবেদন অনতিবিলম্বে উক্ত গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে গ্রামবাসীর জীবনমানের উন্নতি সাধনের সুযােগ করে দিতে আপনার মর্জি হয় " "তােমাদের গ্রামে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপনের প্রয়ােজনীয়তা উল্লেখ করে জেলাপ্রশাসকের নিকট একটি আবেদনপত্র লেখ। ","৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ বরাবর মাননীয় জেলাপ্রশাসক  ঝালকাঠি, বরিশাল।  বিষয় : দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপনের জন্য আবেদন।  জনাব  যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, ঝালকাঠি জেলার অন্তর্গত নলছিটি উপজেলার শান্তিপুর একটি জনবহুল গ্রাম। আয়তনেও গ্রামটি কয়েকটি গ্রামের সমান। গ্রামটির চারদিকে আরও কয়েকটি গ্রাম রয়েছে। শান্তিপুর গ্রামে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি আলিম মাদ্রাসা ও একটি মহাবিদ্যালয় আছে। অনেক শিক্ষক এ গ্রামে বা পাশের কোনাে গ্রামেই বসবাস করছেন। ইদানীং গ্রামটিতে একটি ব্যাংকের শাখা খােলা হয়েছে । কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলাে এখানে। উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্র নেই। এমনকি আশেপাশে ৫/৬ কিলােমিটারের মধ্যেও কোনাে উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্র নেই। শান্তিপুর গ্রামে বহুকাল পুরানাে নামেমাত্র একটি দাতব্য চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে। এটিতে কোনাে ভালাে ডাক্তার বা ওষুধপত্রের ব্যবস্থা নেই । এলাকার কেউ অসুস্থ হলে তাকে অনেক দূরে শহরের হাসপাতালে নিতে হয়। মুমূর্ষ বা ডেলিভারির রােগী হলে তাে কষ্টের আর সীমা থাকে না। অনেক রােগী পথেই মৃত্যুবরণ করে। আধুনিক যুগে এসেও আমরা আধুনিকতা বঞ্চিত । তাই মানবতার বিচারে খুব শীঘ্রই এ এলাকায় একটি উন্নতমানের দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন বা আগেরটির আধুনিক সংস্করণের জন্য বিনীত অনুরােধ করছি।  অতএব মহােদয় সমীপে আকুল আরজি, উপরিউক্ত পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে শান্তিপুর এলাকায় একটি দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করতে আপনার সদয় মর্জি হয় ।  " মজাপুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন জানিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে দরখাস্ত।,"তারিখ :১২ই মার্চ ২০২১  চেয়ারম্যান  ধানগড়া ইউনিয়ন পরিষদ  সিরাজগঞ্জ।  বিষয় : ধানগড়া রামেন্দ্র পুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন।  জনাব,  সবিনয়ে নিবেদন এই যে, ধানগড়া গ্রামের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সরকারি রামেন্দ্র পুকুরটি দীর্ঘদিন যাবৎ হাজামজা হয়ে পড়ে আছে। বহুদিন অব্যবহৃত থাকায় পুকুরটিতে ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানার জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। ফলে এটি যেমন মশামাছি, সাপখােপের আখড়ায় পরিণত হয়েছে, তেমনি এলাকায় বাতাসে দুর্গন্ধও ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ এ পুকুরটি সংস্কার করে সেখানে মৎস্য চাষ করা হলে সরকার যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে, তেমনি এলাকার পরিবেশও নির্মল হবে। অতএব জনস্বার্থ বিবেচনা করে ধানগড়া রামেন্দ্র পুকুরটি আশু সংস্কারের প্রয়ােজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিনীত অনুরােধ জানাচ্ছি। বিনীতー এলাকাবাসীর পক্ষে,  আপনার বিশ্বস্ত  মাে. শাহাজাহান চৌধুরী  ধানগড়া, সিরাজগঞ্জ। " "আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন। ","তারিখ :১১.০১.২০২৩ মাননীয়   পৌরসভা চেয়ারম্যান  ফুলবাড়িয়া পৌরসভা  ময়মনসিংহ।  বিষয় : আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের আবেদন। জনাব,  সবিনয়ে নিবেদন এই যে, আমরা ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের অধিবাসী। এই এলাকা খুবই ঘনবসতিপূর্ণ। কয়েকটি গার্মেন্টস, পৌর-বাণিজ্যবিতানসহ বেশ কয়েকটি কারখানা থাকায় এই এলাকা ফুলবাড়িয়া পৌরসভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ জরিপ চালিয়ে এলাকার অধিকাংশ চাপাকলের পানিতে ভয়াবহ আর্সেনিকের দূষণ আছে বলে প্রমাণ পেয়েছেন। আর্সেনিকযুক্ত চাপাকলগুলােতে লাল রং দিয়ে শনাক্ত করে এগুলাের পানি পান না করার জন্য এলাকার মানুষদের সতর্ক করে দিয়েছেন। তবু অজ্ঞতাবশত অনেক মানুষ আর্সেনিকযুক্ত পানি ব্যবহার করে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। এলাকায় বর্তমানে বিশুদ্ধ পানীয় জলের তীব্র অভাব বিরাজ করছে। তাই অতিসত্বর আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহ করা দরকার।  অতএব মহােদয়ের সমীপে বিনীত আবেদন, আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করবেন। এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ জরুরি বিষয়। তাই জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়ােজন।  বিনীতㅡ ফুলবাড়িয়া পৌরবাসীর পক্ষে,  মাে. সােহরাব পাশা  ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ।" "ডাকযােগে পুস্তক পাঠানাের আবেদন ","৭ জানুয়ারি ২০২১ বিক্রয় কর্মকর্তা  অজন্তা প্রকাশনী  বাংলাবাজার, ঢাকা ১০০০ বিষয়: ভিপি হিসেবে ডাকযােগে পুস্তক পাঠানাের আবেদন। প্রিয় মহােদয়  আপনাদের প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত নিচের তালিকাভুক্ত বইগুলাের একটি করে কপি নিচের ঠিকানায় পাঠানাের জন্য অনুরােধ করছি। ভিপি হিসেবে ডাকযােগে পাঠানাের ব্যবস্থা করা হলে বইগুলাে গ্রহণের সময়ে আমি যাবতীয় অর্থ পরিশােধ করতে পারব। এ ব্যাপারে সহযােগিতা করার জন্য আপনাকে অগ্রিম ধন্যবাদ জানাই।  আপনার বিশ্বস্ত (স্বাক্ষর)  মকবুল হােসেন  ৪৯ পাঁচুড়িয়া, গােপালগঞ্জ বইয়ের তালিকা:  ১. ইকবাল সিরাজ, প্রাচীন বাংলার ইতিহাস  ২. নাজমুল হক, সঠিক নিয়মে লেখাপড়া  ৩. মাহফুজা আক্তার, ঘুরে এলাম বাগেরহাট " "ব্যাংক ঋণের জন্যে আবেদন ","৩০ আগস্ট ২০২১ ব্যবস্থাপক  সােনালী ব্যাংক লি.  কালীগঞ্জ শাখা, ঝিনাইদহ বিষয়: ব্যবসায়িক ঋণ গ্রহণের জন্য আবেদন। প্রিয় মহােদয় আপনার ব্যাংকে আমাদের সঞ্চয়ী ও চলতি উভয় প্রকার হিসাব খােলা আছে। আপনি হয়তাে অবগত যে, আমাদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জননী ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের ব্যাংকে সুনামের সাথে লেনদেন পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি আমরা আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য একটি নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ লক্ষ্যে আমাদের প্রতিষ্ঠানের নামে আনুমানিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা ব্যবসায়িক ঋণ গ্রহণ করা প্রয়ােজন। উক্ত ঋণের মূলধন এবং সুদের অর্থ আমরা মােট ৩৬ কিস্তিতে ৩ বছরে পরিশােধ করতে চাই। ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা আপনাদের ব্যাংকের সকল শর্ত মেনে চলব। উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে আমরা আপনাদের ব্যাংক থেকে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা ঋণ নিই এবং তা যথাসময়ে পরিশােধ করি। আমাদের চাহিদা মাফিক ঋণ প্রদানের জন্য প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরােধ করছি। আপনার বিশ্বম্ভ (স্বাক্ষর)  অনীক রহমান  স্বত্বাধিকারী, মেসার্স জননী ট্রেডার্স  কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ  সােনালী ব্যাংকের সঞ্চয়ী হিসাব নং: ১১৭৭১৮  চলতি হিসাব নং: ১২৫২০১ সংযুক্তি:  ১. ব্যবসা সম্প্রসারণের কর্মপরিকল্পনা  ২. পূর্বের ঋণ পরিশােধের প্রমাণপত্র" "কম্পিউটার শিক্ষা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি কর ","রিয়াজ : তুমি কেমন আছ?   শাকিল : ভালাে। তুমি কেমন আছ?   রিয়াজ : ভালাে। তুমি কী করছ?  শাকিল : আমি কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ পড়ছি।   রিয়াজ : কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব পড়ছ? তুমি যে বইটা পড়ছ সেটা ছাপিয়েছে কম্পিউটার । আগে যে বই ছাপতে ছাপাখানায় এক বছর লাগত, সেটা কম্পিউটার করে দিচ্ছে ১০/১২ দিনে। শাকিল : চমৎকার একটি পয়েন্ট বলেছ । তুমি আরও কিছু বলতে পারবে?  রিয়াজ : কেন নয়? কম্পিউটার সাক্ষর, নিরক্ষর যেকোনাে লােক শিখতে পারে। চালনা করতে পারে। ইন্টারনেট চালনা শিখলে বিশ্বের তথ্যভান্ডার থেকে যেকোনাে তথ্য সংগ্রহ করতে পারা যায়। শুধু তােমাকে খুঁজে বের করতে হবে, তুমি কী চাও? তুমি যা চাইবে, কম্পিউটার তাই তােমাকে দেবে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে।  শাকিল : অর্থাৎ আমি যদি কম্পিউটার শিক্ষা লাভ করি, তবে আমি বিশ্বায়নের একজন সক্রিয় আধুনিক সদস্য হতে পারব। বিশ্বের সর্বশেষ তথ্যটি এক মুহূর্তে জানতে পারব। রিয়াজ : কম্পিউটারে ই-মেইল সারা বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্যে গতিশীলতা এনেছে। ই-মেইল ব্যবসা-বাণিজ্যে বহুমুখিতা আনয়ন করছে।  শাকিল : আজকাল ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালতের হিসাব-নিকাশ, রােগ নির্ণয়, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্যসেবা, কৃষিশিক্ষা, কৃষিসেবা সবই প্রদান করা হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে।  রিয়াজ : কম্পিউটারের মাধ্যমে মানুষ ঘরে বসেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে, লেখাপড়া করছে। ডিগ্রি অর্জন করছে চাকরির জন্য আবেদনপত্র জমা দিচ্ছে। ঘরে বসে কাজ করে অর্থ উপার্জন করছে। শাকিল : অর্থাৎ আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা লাভের জন্য কম্পিউটার শিক্ষা অপরিহার্য। রিয়াজ : ঠিক বলেছ বন্ধু। তােমাকে ধন্যবাদ। শাকিল : তােমাকেও ধন্যবাদ " বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য আবেদন,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। স্যার, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে আমি গত ১১/১০/২০২৪ থেকে ১৬/১০/২০২৪ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২" শারীরিক অসুস্থতার জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখঃ ২০/০৮/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ম্যানেজার বিডি টেক লিমিটেড গুলশান, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ মেডিকেল ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত কর্মচারী এবং আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, গত কয়েকদিন ধরে আমি প্রচণ্ড জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছি। ডাক্তার আমাকে পূর্ণ বিশ্রাম নিতে বলেছেন এবং তিন দিনের চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। এমতাবস্থায়, আমি ২১/০৮/২০২৪ থেকে ২৩/০৮/২০২৪ পর্যন্ত তিন দিনের মেডিকেল ছুটির অনুমতি প্রার্থনা করছি। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আমার উল্লিখিত সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করলে কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, আপনার বিশ্বস্ত কর্মচারী (আপনার নাম) পদবি: একাউন্ট অফিসার" বিশেষ পারিবারিক কারণে ছুটির আবেদন,"তারিখঃ ১০/১১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক গ্লোবাল আইটি ফার্ম মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ বিষয়ঃ বিশেষ পারিবারিক কারণে ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত কর্মচারী। আমার ছোট ভাইয়ের বিয়ের কারণে পারিবারিকভাবে আমাকে খুব ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে এবং আমি কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিত হতে পারছি না। পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হওয়ায় আমাকে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করতে হবে। অতএব, আমি ১১/১১/২০২৪ থেকে ১৪/১১/২০২৪ পর্যন্ত চার দিনের ছুটির অনুমতি প্রার্থনা করছি। দয়া করে আমার অনুরোধ গ্রহণ করে আমাকে ছুটি প্রদান করবেন। বিনীত, আপনার বিশ্বস্ত কর্মচারী (আপনার নাম) পদবি: সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার" বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন।,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। স্যার, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে আমি গত ১১/১০/২০২৪ থেকে ১৬/১০/২০২৪ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২" মেডিকেল ছুটির জন্য আবেদন ,"তারিখঃ ২০/০৮/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ম্যানেজার বিডি টেক লিমিটেড গুলশান, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ মেডিকেল ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত কর্মচারী এবং আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, গত কয়েকদিন ধরে আমি প্রচণ্ড জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছি। ডাক্তার আমাকে পূর্ণ বিশ্রাম নিতে বলেছেন এবং তিন দিনের চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। এমতাবস্থায়, আমি ২১/০৮/২০২৪ থেকে ২৩/০৮/২০২৪ পর্যন্ত তিন দিনের মেডিকেল ছুটির অনুমতি প্রার্থনা করছি। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আমার উল্লিখিত সময়ের জন্য ছুটি মঞ্জুর করলে কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত, আপনার বিশ্বস্ত কর্মচারী (আপনার নাম) পদবি: একাউন্ট অফিসার" চাকরির জন্য আবেদন ,"তারিখ: ২০/০৮/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর, মাননীয় পরিচালক, [আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম], [প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা] বিষয়: জুনিয়র সফটওয়্যার ডেভেলপার পদে আবেদন। মাননীয়, আমি জন, কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক এবং গত দুই বছর ধরে ওয়েব ডেভেলপমেন্টে কাজ করছি। আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে জুনিয়র সফটওয়্যার ডেভেলপার পদে আবেদন করতে চাই। আপনার কোম্পানির প্রযুক্তিগত ব্যবহার এবং কাজের ধরন আমার আগ্রহের বিষয়। আমি আমার সিভি সংযুক্ত করেছি। আমার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে আমাকে সাক্ষাৎকারের সুযোগ দিলে কৃতজ্ঞ থাকব। অপেক্ষায় রইলাম আপনার সদয় প্রতিক্রিয়ার। বিনীত, [আপনার নাম] [আপনার ঠিকানা] [আপনার মোবাইল নম্বর] [আপনার ইমেইল]" "মোবাইল ফোনের অত্যধিক ব্যবহার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ","সাবির: গতকাল কি হয়েছে শুনেছিস? ফারহান : না। কি হয়েছে বলতো? সাবির: আরে, আমাদের স্কুলের ইলেভেনের জুনেইদ কাল মোবাইল কানে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছিল। এমন সময় একটি অটো তাকে ধাক্কা মারে। বেঁচে গেছে কোনোক্রমে। তবে পায়ে গুরুতর চোট লেগেছে। বোধ হয় অপারেশন করতে হবে। ফারহান: সে কি রে! সব জেনে শুনে আমরাই যদি এমন অসতর্কের মতো কাজ করি তাহলে তো বিপদ হবেই। সাবির: সত্যি স্মার্টফোন আসায় যে-কোনো বয়সের মানুষই ফোনে যেন প্রচণ্ড আসক্ত হয়ে পড়েছে। লাগামছাড়া ব্যবহার হচ্ছে। ফারহান : প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র একটা নেশার বস্তুতে যেন পরিণত হয়েছে এটি। সাবির : অথচ শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ বা কথার মধ্যেই যদি এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকত তাহলে এটিই হতে পারত খুব উপকারী বন্ধু। ফারহান : ঠিকই। কিন্তু মানুষের বিশ্রাম, একাগ্রতা, নিষ্ঠা সবই কমছে। উল্টে বাড়ছে অস্থিরতা। সাবির : অনেক শিক্ষামূলক, গঠনমূলক ও প্রয়োজনীয় কাজে এর ব্যবহার হলেও অনেকক্ষেত্রেই এর কুপ্রভাব সমাজের অল্পবয়সিদের ক্ষতি করছে। ফারহান : ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনারও যথেষ্ট ক্ষতি করছে। সাবির : অপ্রয়োজনে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, গেম ইত্যাদিতে সময় নষ্ট করে কাজের সময় কমে যাচ্ছে। ফারহান : সত্যি, এখন মনে হচ্ছে এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে না আসলে ভবিষ্যতে আমাদের যুবসমাজের মধ্যে খুব খারাপ প্রভাব পড়তে চলেছে। সাবির : এ ব্যাপারে নিজেদের সতর্ক থাকতে হবে এবং বন্ধুদেরও সতর্ক করতে হবে।" বইমেলার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।,"বাপ্পা : কী খবর রাহুল , কেমন আছিস? রাহুল : এই তো ভালো, তোর খবর কী? কাল নাকি বইমেলায় গিয়েছিলি? বাপ্পা : হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমি তো সারা বছরই এই মেলার অপেক্ষায় থাকি। রাহুল : হস্তশিল্প মেলায় যেতে বললাম গেলি না। এখন একা একাই বইমেলায় চলে গেলি। বাপ্পা : তুই তো জানিস, আমি শৈশব থেকেই বইপাগল, বইয়ে ডুব দিয়ে আমি পার করতে পারি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। রাহুল : বর্তমানে দেশের এরূপ অসহিষ্ণু ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বইমেলা আয়োজনের যৌক্তিকতা কতটুকু? বাপ্পা : আসলে আমাদের এরূপ অবস্থা থেকে উত্তরণে একমাত্র সহায়ক হতে পারে বই। কারণ বই মানুষকে সুপথে চালিত করে, মানুষের চিন্তার প্রসার ঘটায়। রাহুল : বইমেলায় বই বিক্রি ছাড়া অন্য কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কী? বাপ্পা : মেলায় বই বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন গান, কবিতা আবৃত্তি, প্রবন্ধ পাঠ, ক্যুইজ,বক্তৃতা, নতুন বই প্রকাশ প্রভৃতি। রাহুল : মেলা থেকে কী কী বই কিনলি? বাপ্পা : জয় গোস্বামী, হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ সাহিত্যিকদের বেশ কয়েকটি বই কিনেছি। রাহুল : এরপর গেলে আমাকেও নিয়ে যাস। বাপ্পা : নিশ্চয়ই যাবি। আমরা দুই বন্ধু একসঙ্গে বইমেলায় গেলে অনেক মজা হবে। " সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"সীমা : জানিস, মা-বাবার সঙ্গে এখন আর টিভি দেখা যায় না। শান্ত : কেন, কী হয়েছে? সীমা : আর বলিস না, যা সব দেখায় টিভিতে একবারে সেন্সর নেই। শান্ত : বুঝেছি, তুই বাইরের চ্যানেলগুলোর কথা বলছিস; তো সেগুলো না দেখলেই তো পারিস। সীমা : ধ্যাত, কী যে বলিস না, কত সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান হয় চ্যানেলগুলোতে। শান্ত : তোর কথা একেবারে ফেলে দেয়া যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের চ্যানেলগুলোতেও কিন্তু অনেক ভালো অনুষ্ঠান হয়। সীমা : দূর, এখানকার আর্টিস্টরা সব সেকেলে পোশাক আর মেকআপে অভিনয় করে। শান্ত : বিষয়টা তা নয়, ওগুলো আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ; তাছাড়া সেগুলো দেখতেও বেশ ভালো । সীমা : তা ঠিক, কিন্তু আমাদের বয়সি ছেলেমেয়েরা ওগুলো ফলো করে না। তুই আমি কি করেছি, বল? শান্ত : আমরাও আসলে পারিনি, কিন্তু আমাদের দেশের শিল্প-সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, গান সত্যিই খুব ভালো রে। সীমা : মাও তাই বলে, কিন্তু আমরা চাইলেই কি আমাদের মধ্য থেকে অপসংস্কৃতি দূর করতে পারব বল? শান্ত : হয়তো পুরোটা পারব না, কিন্তু চেষ্টা করতে হবে দেশের সংস্কৃতিকে সব জায়গায় রিপ্রেজেন্ট করতে। সীমা : হ্যা, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সংগঠন এ কাজের চেষ্টা করছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি ভালো কিছু পাওয়া যাবে। শান্ত : এভাবে চেষ্টা করতে করতেই একদিন সফল হবে তারা, হাত বন্ধ করে তো বসে থাকা যাবে না। সীমা : এই রে ক্লাসের সময় হয়ে গেল, চল এখন ক্লাসে যাই। শান্ত : হ্যা, চল।" ইন্টারনেটের সুফল ও কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কথোপকথন রচনা করো,"অয়ন : তোর বাসায় ব্রডব্যান্ডের স্পিড কেমন? অমি : ৫১২এম.বি.পি.এস. রেগুলার; মাঝে মাঝে বাড়ে। আমি খুব একটা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি না। আমার ওয়াইম্যাক্স আছে। অয়ন : তাহলে ভালো স্পিড পাস? অমি : হ্যা দোস্ত; মাঝে মাঝে সারারাতই ফেসবুক ইউটিউব চলতে থাকে। অয়ন : যদিও তোর ব্যক্তিগত ব্যাপার; তারপরও আমার কাছে বিষয়টা ভালো লাগল না। এভাবে ইন্টারনেটের ব্যবহার মোটেও ভালো না। অমি : কেন, এভাবে ব্যবহার করলে সমস্যা কী? অয়ন : সমস্যা আছে। তুই অনেক বেশি সময় ওখানে দিয়ে ফেলছিস। তাছাড়া তুই শিক্ষামূলক তেমন কিছুও করছিস না। অমি : শিক্ষামূলক কাজ পরেও করা যাবে; কিন্তু এখন তো মজা করতে হবে। অয়ন : না রে, ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না হলে সেটা ক্ষতির কারণই হয়। তোর চোখের দিকে তাকিয়ে দেখেছিস? কালো দাগ পড়ে গেছে। অমি : তাহলে কি ব্যবহার বন্ধ করে দেব? অয়ন : তা তো বলিনি; গঠনমূলক কাজে বেশি ব্যবহার করবি। অমি : বুঝিনি; একটু সহজ করে বল। অয়ন : যেমন ধর সমস্ত বিশ্বের তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে; তুই এটা নিয়ে পড়তে পারিস। অথবা ভূমিকম্প নিয়ে পড়তে পারিস; যেহেতু আমরা এখন ভূমিকম্পের আতঙ্কের মধ্যে আছি। অমি : এগুলো তো সারাদিনই টিভিতে দেখায়। এগুলো নিয়ে আবার পড়ার কী আছে? অয়ন : আচ্ছা তোর যা জানতে ইচ্ছা করে তাই নিয়েই পড়িস। মোটকথা ভালো কিছু জানার জন্যে, শেখার জন্যে ইন্টারনেট ব্যবহার কর। অমি : আর আনন্দের জন্যে কিছুই করবো না? অয়ন : আনন্দের জন্যেও ব্যবহার করবি; তবে সেটা নিজের ক্ষতি না করে। অমি : গলা তো শুকিয়ে গেল; চল একটু চা খাই। অয়ন : চল, রফিক ভাইয়ের চা-টা ফাটাফাটি। ওখানে গিয়েই খাই। " বিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। বিষয়: কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমান যুগে কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সফল হতে হলে কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা অর্জন জরুরি। বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ক্লাস রয়েছে, তবে প্রশিক্ষণ কোর্স হিসেবে এটি চালু করা হয় না। আমরা চাই, বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করে ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক থেকে উন্নত পর্যায়ের কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান করা হোক। এতে তারা প্রযুক্তির সঙ্গে যুগানুযায়ী মানিয়ে নিতে পারবে। অতএব, বিনীত আবেদন কোর্স চালুর অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর।" অপরাধ প্রবণতা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন,"২৫ এপ্রিল, ২০২৫ বরাবর এলাকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা [এলাকার নাম] [ঠিকানা] বিষয়: অপরাধ প্রবণতা রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে চুরির ঘটনা, ব্যাঙ ধরার কাজ, এবং সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে। এই অবস্থায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। আমি আবেদন জানাচ্ছি যে, অপরাধ প্রবণতা রোধে এলাকায় একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। এতে, অপরাধের কুফল, আইন ভাঙার শাস্তি, এবং সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উপর গুরুত্ব দেয়া হোক। স্থানীয় স্কুল, কলেজ, এবং কমিউনিটি সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনটি আরও ফলপ্রসূ হতে পারে। এছাড়া, পুলিশের প্রচেষ্টা আরও শক্তিশালী করা উচিত, যাতে অপরাধীরা সহজে পার পেয়ে না যায়। নিরাপত্তার বিষয়েও কঠোর মনোভাব গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিনীত, [আপনার নাম] [ঠিকানা] [মোবাইল নম্বর]" তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটি প্রার্থনা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট দরখাস্ত।,"মাননীয় প্রধান শিক্ষক সমীপেষু— গৌহাটি ইংরাজি উচ্চবিদ্যালয় মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আজ স্কুলে উপস্থিত হবার কিছুক্ষণ পর থেকেই আমি দারুণ শিরঃপীড়ায় আক্রান্ত হয়ে ভীষণ অস্থিরতা বোধ করছি। অতএব, আমাকে তৃতীয় ঘণ্টার পর ছুটি প্রদান করলে বাধিত হব। তারিখ ১২.০৫.২০১৮ বিনীত নিবেদন ঋষি বোস ১০ম শ্রেণি ক্রমিক নং-১১" তোমার বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উপলক্ষে রচিত আবেদন পত্র।,"সুধী, আগামী ৫ জানুয়ারি, শুক্রবার অপরাহ্ন ৪ ঘটিকার সময় আমাদের স্কুল মিলনায়তনে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব ২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় পৌর প্রধান সম্মানিত সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করবেন। আমরা এ উপলক্ষে আপনার সানুগ্রহ ও সবান্ধব উপস্থিতি কামনা করি। তাং : ১.০২.২০১৮ বিনীত নলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ" তোমার ছোটো বোনের বিবাহ উপলক্ষে একখানা আমন্ত্রণ পত্র।,"মহাশয়, আগামী ২৭ পৌষ, রবিবার আমার ছোটো বোন অমিতার সঙ্গে হাটহাজারী গ্রাম নিবাসী মহাশয় সুনীল সেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র অলকের শুভ পরিণয় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে আপনি সবান্ধবে উপস্থিত হয়ে বর-কনেকে আশীর্বাদ করবেন। পত্র দ্বারা নিমন্ত্রণের ত্রুটি মার্জনীয়। নিবেদনে সঞ্জয় পাল স্থান : মোতি প্যালেস শিলচর, আসাম।" তোমার নিজ এলাকায় বন্যা কবলিত জনসাধারণের সাহায্যার্থে জেলা প্রশাসকের নিকট একখানা আবেদন পত্র ।,"মহাশয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, করিমগঞ্জ জেলার অন্তর্গত অধিকাংশ গ্রাম আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামের দরিদ্র জনসাধারণের অধিকাংশ ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে ও বন্যার তোড়ে ভেসে গিয়েছে, বহু পশু মরে গেছে। বলতে গেলে অধিকাংশ গ্রামবাসী এখন আশ্রয়হীন অবস্থায় অনশন ও অর্ধাশনে কালযাপন করছে। ব্যাপকভাবে সংক্রামক রোগেরও প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। অতএব সবিনয় নিবেদন এই যে, এতদ্ অঞ্চলের দুঃস্থ মানুষের সাহায্যার্থে অবিলমে সরকারের তরফ হতে রিলিফের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করছি। করিমগঞ্জ ১১.০১.২০১৮ নিবেদনে অজয় বড়ুয়া" তোমার এলাকায় জলকষ্টের আশু প্রতিকারের জন্য পৌরসভার চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন পত্র।,"মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয় সমীপেষু শিলচর পৌরসভা মহাশয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমাদের ২০ নং ওয়ার্ডে পানীয় জলের অভাবে কয়েকশো পরিবার নিরতিশয় কষ্ট ভোগ করে আসছে। এখানে প্রায় দুই হাজার লোকের বাস। অথচ এখানে নলকূপের সংখ্যা মাত্র ৬টি। ভালো কোনো পুকুরও নেই। নলকূপগুলির জল আর্সেনিক যুক্ত হওয়ায় পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দরিদ্র মানুষ বিষাক্ত জল পান করে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় দিন গুনছে। জনগণের দুর্ভাগ্য যে, জনস্বাস্থ্য বিভাগের কৃপাদৃষ্টি আজ পর্যন্ত এই দুর্গত অঞ্চলের প্রতি নিবদ্ধ হয়নি। অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে পৌরসভার সর্বময় কর্তা হিসেবে মহোদয় এই দুঃস্থ মানুষদের সেবায় এগিয়ে এসে অচিরে আমাদের এলাকার জনগণের জলকষ্টের প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে আজ্ঞা করবেন। বিনীত নিবেদক প্রবীর চক্রবর্তী ২০নং ওয়ার্ড, শিলচর তারিখ : ১৯.১২.২০১৮" তোমার অঞ্চলের একটি রাস্তার সংস্কার সম্বন্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদপত্রে প্রকাশার্থে চিঠি লেখ।,"মাননীয় সম্পাদক মহোদয় সমীপেষু দৈনিক অসম সেন্ট্রাল রোড, শিলচর, আসাম, মহাশয়, আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় এতদ্‌সঙ্গে প্রেরিত পত্রখানা প্রকাশ করলে এতদঞ্চলের প্রবঞ্চিত মানুষের অশেষ উপকার সাধন হবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। “রাস্তা-সংস্কার” আমরা শিলচর জেলার সেন্ট্রাল রোডের অধিবাসীরা বহুদিন হতে রাস্তাঘাটের অভাবে কল্পনাতীত অসুবিধার মধ্যে জীবন-যাপন করছি। আমরা বলতে গেলে বহির্জগত হতে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছি। সেন্ট্রাল রোড হতে রেলস্টেশন পর্যন্ত তিন মাইল যাতায়াতের জন্য কেবল একটি রাস্তা রয়েছে। প্রতিদিন এই রাস্তায় বহু লোক চলাচল করে। অথচ দেশ স্বাধীন হবার পর হতে এই রাস্তার কোনো মেরামত আজ পর্যন্ত হয়নি। ফলে এই রাস্তা অনেক স্থানে ভেঙে গেছে। এতদঞ্চলের প্রায় অর্থলক্ষাধিক লোকের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটির এই শোচনীয় অবস্থা কর্তৃপক্ষ নীরবে কয়েক বছর যাবৎ লক্ষ করে আসছেন বটে, কিন্তু প্রতিকারের কোনো ব্যবস্থাই আজ পর্যন্ত গ্রহণ করেননি। এই জেলার একটি বিরাট অঞ্চলের সহিত বহিরাঞ্চলের সম্পর্ক স্থাপনকারী এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি অবিলম্বে পাকা করা দরকার। আমরা এই রাস্তাটির সংস্কার সম্পর্কে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করবার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সানুগ্রহ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ইতি— স্থানীয় জনগণের পক্ষে অতুল্য ঘোষ সেন্ট্রাল রোড, শিলচর তারিখ : ১ জুন, ২০১৮" অনুপস্থিত থাকার জন্য আবেদন পত্র,"তারিখঃ ১০/১০/১৯ ইং প্রধান শিক্ষক বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয় হাওড়া কলকাতা বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া , সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমি গত ০৭/১০/১৯ ইং থেকে ০৯/১০/১৯ ইং পর্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৩ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক জীবন মণ্ডল শ্রেণিঃ ১০ম রোলঃ ০২" ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে ঋণ চেয়ে আবেদন,"তারিখ ১০/১২/২০২০ মাননীয় ম্যানেজার স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া বর্ধমান প্রিয় মহাশয়, আমরা আমাদের বর্ধমানের জেলার “বাংলা সাংস্কৃতিক ভবনের” আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা নিয়েছি। এই পরিকল্পনায় ভবনটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত হবে এবং দর্শকের জন্য আরামপ্রদ আসনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৫,০০,০০০ টাকা। আমরা আমাদের নিজস্ব তহবিল থেকে মাত্র ৩,০০,০০০ টাকা সংগ্রহ করতে পারব, অবশিষ্ট ২,০০,০০০ টাকা ঋণ গ্রহণ করতে হবে। এজন্য আমাদের অনুরােধ,পরিকল্পনাটি রূপায়ণ করতে, আসবাব পত্র ও অন্যান্য জিনিস যন্ত্রাদির জামিনের বিনিময়ে আপনি আমাদের ২,০০,০০০ টাকা ঋণদানের ব্যবস্থা করে সহায়তা করুন। আপনার সম্মতিসূচক চিঠি পেলে আমরা আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি পাকা করতে ইচ্ছুক। ধন্যবাদান্তে, আপনাদের বিশ্বস্ত ইন্দ্রানী রিয়েল এস্টেটর পক্ষে শর্মিষ্ঠ ব্যানার্জি ম্যানেজিং ডিরেক্টর" বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার জন্য আবেদন পত্র,"তারিখঃ ১০/১০/১৯ ইং প্রধান শিক্ষক বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয় হাওড়া কলকাতা বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া , সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমি গত ০৭/১০/১৯ ইং থেকে ০৯/১০/১৯ ইং পর্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৩ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক জীবন মণ্ডল শ্রেণিঃ ১০ম রোলঃ ০২" প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটির জন্য আবেদন পত্র,"তারিখঃ ১০/১০/১৯ ইং প্রধান শিক্ষক বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয় হাওড়া কলকাতা বিষয়:দুই দিনের ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া , সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র।আগামী ১২/১০/২০১৯ থেকে ১৪/১০/২০১৯৪ইং পর্যন্ত আমার বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষে দুই দিন বিদ্যালয়ে উপস্তিত হতে পারবনা। অতএব,আমাকে দুই দিনের ছুটি মঞ্জুর করলে আমি আপনার প্রতি বাধিত থাকব। আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র জীবন মণ্ডল শ্রেণিঃ ১০ম রোলঃ ০২ " প্রধান শিক্ষকের কাছে অনুপস্থিত থাকার জন্য আবেদন পত্র,"তারিখঃ ১০/১০/১৯ ইং প্রধান শিক্ষক বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয় হাওড়া কলকাতা বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। মহোদয়/মহোদয়া , সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমি গত ০৭/১০/১৯ ইং থেকে ০৯/১০/১৯ ইং পর্যন্ত অসুস্থ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে উক্ত ৩ দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক জীবন মণ্ডল শ্রেণিঃ ১০ম রোলঃ ০২" জরিমানা মওকুফের জন্য দরখাস্ত নমুনা,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: জরিমানা মওকুফের আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির একজন ছাত্র। পারিবারিক সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে আমার বেতন জমা দিতে পারিনি। এর ফলে আমার উপর জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত দুঃখিত এবং আমার পরিবার বর্তমানে আর্থিক সমস্যায় আছে। অতএব, জরিমানা মওকুফ করে আমাকে সহযোগিতা করার জন্য আপনার প্রতি বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই।" উপবৃত্তির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: উপবৃত্তির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। পড়াশোনার খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর। অতএব, আমি যাতে আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি, সেই জন্য উপবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই।" ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত,"বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই, ভারত। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। ব্যক্তিগত কারণে আমাকে স্কুল পরিবর্তন করতে হচ্ছে। অতএব, আমার ছাড়পত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত, নিবেদক, কামাল হাসান নবম শ্রেণি, রোল নম্বর: ১৩ রোজ আইডিয়াল হাই স্কুল, চেন্নাই। " জরিমানা মওকুফের জন্য অধ্যক্ষ বরাবর দরখাস্ত,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য দরখাস্ত জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ‘ক’ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন এবং পরিবারে আমার বাবা একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের ভরণপোষণের খরচ চালানোর পাশাপাশি আমাদের পড়াশোনার খরচ চালাতে তাকে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। যার কারণে আমি গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উপরে বর্ণিত বিষয় বিবেচনা করে আমাকে জরিমানা মওকুফ করে শুধুমাত্র বেতন পরিশোধের অনুমতি দানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র ‘ক’ (নাম) রোলঃ ৯ শাখা-ক" অফিসে অনুপস্থিতির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম,"তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লিমিটেড উত্তরা শাখা হাউজ নং-৭, রোড-৭/ডি, সেক্টর-৯, ঢাকা-১২৩০ বিষয়ঃ অফিসে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক উত্তরা শাখার একজন জুনিয়র অফিসার। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ (জ্বর, সর্দি) থাকার কারণে গত ১৫/১০/২০২৪ থেকে ১৭/১০/২০২৪ পর্যন্ত অফিসে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত তিন দিনের ছুটি মওকুফ করে বাধিত করবেন। নিবেদক আপনার একান্ত বাধ্যগত (……………) অফিসার পূবালী ব্যাংক উত্তরা শাখা, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।" অগ্রিম ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র,"তারিখ: ১২/১২/২০২৩ বরাবর, প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন হাই স্কুল মহাদেবপুর, নওগাঁ। বিষয়: অগ্রিম ছুটির জন্য দরখাস্ত । জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোহাম্মদ শাকিল হোসাইন, আপনার স্কুলের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার রোল নং এক। আগামী ১৫/১২/২০২৩ তারিখে আমার ছোট বোনের শুভ বিবাহ। এজন্য ১৪/১২/২০২৩ হতে ১৬/১২/২০২৩ তারিখ পর্যন্ত মোট তিন দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকবো। অতএব, জনাবের নিকট আকুল নিবেদন এই যে, উপরোক্ত বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে সর্বমোট তিন দিনের ছুটি প্রদানে বাধিত হবেন। বিনীত নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত মোহাম্মদ শাকিল হোসাইন কাঞ্চন হাই স্কুল শ্রেণী: ৯ম রোল নং : ১ শাখা : ক" ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত,"তারিখ:১২/১২/২০২৩ বরাবর, প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন হাই স্কুল মহাদেবপুর, নওগাঁ। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত । জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার স্কুলের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত এবং মেধাবী ছাত্র। আমার রোল নাম্বার এক । আমার বাবা সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার কারণে সম্প্রতি তিনি নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা হতে নিয়ামতপুর উপজেলায় বদলি হয়েছেন। এমতাবস্থায় আমার পক্ষে আপনার স্কুলে অধ্যয়ন করা সম্ভবপর হচ্ছে না । তাই জরুরী ভিত্তিক আমার ছাড়পত্র আবশ্যক। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল নিবেদন এই যে , উক্ত সমস্যার কথা বিবেচনা করে ছাড়পত্র প্রদান করিতে আপনার মর্জি কামনা করছি। বিনীত নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত মেহমাদ কাঞ্চন হাই স্কুল শ্রেণী: ৯ম রোল নং : ৩ শাখা : ক" "ম্যানেজার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। ","তারিখ: ৫ই জুন, ২০২৩ বরাবর ব্যবস্থাপক সূর্যমুখী পাবলিকেশন্স লিঃ, বগুড়া বিষয়: ম্যানেজার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, গত ৪ই মে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে আপনার প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার বিভাগের জন্য কিছু লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে আপনার নিকট আমার জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরলাম। নাম পিতার নাম মাতার নাম বর্তমান ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা জাতীয়তা ধর্ম বৈবাহিক অবস্থা ইমেইল এড্রেস শিক্ষাগত যোগ্যতা দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা: কম্পিউটার কোর্স করা আছে এবং কম্পিউটার এর বেসিক দক্ষতা রয়েছে রায়ারস লিমিটেড এ গত দুই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা রয়েছে। অতএব, জনাবের নিকট সাবিনার প্রার্থনা এই যে, উক্ত পদের জন্য আমাকে বিবেচনা করে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বাধিত করবেন। নিবেদক জহির সুলতান মহাদেবপুর,নওগাঁ " ছাত্র কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্যের আবেদন। ,"তারিখ: ৫ই জুন, ২০২৩ বরাবর প্রধান শিক্ষক বামইন স্কুল এন্ড কলেজ, বামইন। বিষয়: ছাত্র কল্যাণ তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্যের আবেদন। জনাব, যথা সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত এবং একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার রোল নাম্বার এক। আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছি এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কাজেও অংশগ্রহণ করে থাকি। আমার বাবা একজন ভ্যানচালক। আমাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা মোট ছয় জন। আমরা মোট তিন ভাই-বোন পড়াশোনা করি। আমার বাবা সামান্য ভ্যান চালক যার কারনে আমাদের তিনজনের পড়াশোনার খরচ চালানো সম্ভব হয়ে উঠছে না। ফলে আমাদের পড়াশোনা অনেকটাই বন্ধ হওয়ার মত। এমতাবস্থায়, আপনার সাহায্য আমার খুবই প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা এই যে, আমাকে ছাত্র কল্যাণ তহবিল হতে আর্থিক সাহায্যের মাধ্যমে আমাকে পড়াশুনায় নিয়মিত হতে সহায়তা করবেন। নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র খালিদ ওয়াহিদ শ্রেণী: নবম শাখা-ক রোল নং: ১" ব্রীজ নির্মাণের জন্য আবেদন। ,"তারিখ: ৫ই জুন, ২০২৩ বরাবর চেয়ারম্যান চন্দননগর ইউনিয়ন, নিয়ামতপুর বিষয়: ব্রীজ নির্মাণের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার দায়িত্বগত চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্ভুক্ত দুই নং ওয়ার্ডের তালপুকুর গ্রামের কবরস্থান পাড়ার একজন বাসিন্দা। আমাদের এই গ্রামে আসতে হলে রাস্তা থেকে নেমেই একটি ব্রিজের ওপর দিয়ে আসতে হয়। কিন্তু উক্ত ব্রিজটি অনেকটাই ভেঙে পড়েছে। যার কারনে আমাদের গ্রামের মানুষজনের যাতায়াতে অনেক কষ্টকর হয়ে পড়েছে, বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়া আসা কষ্টকর হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব, উক্ত ব্রিজটি নতুনভাবে নির্মাণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা এই যে, আমাদের গ্রামে যত দ্রুত সম্ভব হয় উক্ত ব্রিজ টি নির্মাণের ব্যবস্থা করলে আমরা পুরো গ্রামবাসী আপনার নিকট সারা জীবন চির কৃতজ্ঞ থাকবো। নিবেদক আব্দুল হালিম ( সকল গ্রামবাসীর পক্ষ হয়ে আবেদন করছি) গ্রাম: তালপুকুর ওয়ার্ড নং: দুই" "মনে করো, তোমার নাম তিতাস। ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও, এ নিয়ে তুমি ও তোমার বন্ধু নিশাতের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।","নিশাত: ভালো আছ, তিতাস? তোমার পরীক্ষার ফলাফল কী হলো? তিতাস: বন্ধু, তুমি শুনে খুশি হবে। এবারও আমি প্রথম হয়েছি। নিশাত: খুব ভালো, তা ভবিষ্যতে তুমি কী হতে চাও? তিতাস: ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো শিক্ষক হতে চাই। নিশাত: ভালো কথা, কিন্তু অন্য পেশা থাকতে তুমি কেন শিক্ষক হতে চাও? তিতাস: আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। আর শিক্ষিত জাতি গড়তে দরকার একজন আদর্শ শিক্ষক যিনি দেশ ও জাতি গঠনের কারিগর। একটি শিক্ষিত জাতি দেশ ও জাতির উন্নতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমার শিক্ষকতা পেশা ভালো লাগে। নিশাত: তোমার পছন্দকে আমি সমর্থন করি। তবে মনে রেখো, এ পেশায় কিন্তু অনেক ধৈর্য ও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তিতাস: হ্যাঁ বন্ধু, আমি জানি। তোমার দোয়া ও সবার সহযোগিতা পেলে আমি আমার চেষ্টা এবং সাধনা দিয়ে জয়ী হতে পারব।" "মনে করো, তোমার নাম পাভেল। তোমার দাদা একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তুমি ও তোমার দাদার মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।","পাভেল: আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন দাদাজান? দাদা: ওয়ালাইকুমুসসালাম। খুব ভালো আছি, দাদুভাই। তুমি কেমন আছ? পাভেল: বেশ ভালো। দাদাজান, আপনার কাছ থেকে আজ আমি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে চাই। দাদা: খুব ভালো। অবশ্যই তোমাকে বলব। কারণ মুক্তিযুদ্ধের ঠিক ইতিহাস তোমাদের জানতে হবে। পাভেল: জি দাদাজান, বলুন। আমি মন দিয়ে শুনছি। দাদা: ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবে ভর্তি হয়েছি। পাভেল: দাদাজান, কেন মুক্তিযুদ্ধ হয়? দাদা: খুব ভালো প্রশ্ন করেছ। আমরা আজ যে স্বাধীন দেশে বাস করছি, আমাদের এই দেশ অর্থাৎ পূর্ব বাংলার পশ্চিম পাকিস্তানিরা শাসন করত। কিন্তু তারা শাসনের নামে শোষণ করত। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিকভাবে তারা আমাদের দুর্বল করে রাখত। শুধু তা-ই নয়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তারা নিরীহ বাঙালির ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হত্যা করে। তাদের এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এবং বাঙালির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাঙালিরা স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেশকে স্বাধীন বা মুক্ত করতে আমিও ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করি। পাভেল: দাদাজান, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ অনেক বেদনার, না? দাদা: তা তো বটেই। কারণ দেশ স্বাধীন করতে দেশপ্রেমিকরা অকাতরে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। হাজার হাজার মা হারিয়েছেন বুকের ধন, অসহায় মানুষ দেশ ছেড়েছে। মা-বোনেরা হারিয়েছেন তাদের সম্ভ্রম, মৃতের গলিত লাশে এ দেশ শ্মশানভূমি হয়েছিল। এই দেখো, এসব কথা বলতে গিয়ে আমার গা শিউরে উঠছে। পাভেল: দাদাজান, থাক আর বলতে হবে না। দাদা: সত্যি সে সময় পাক বাহিনীর যাবতীয় কর্মকাণ্ড ছিল ঘৃণ্য ও জঘন্য। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের অন্যায়ের সমুচিত জবাব দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি। পাভেল: আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগল দাদা ভাই। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। দাদা: বড় হও দাদু। আরও অনেক কিছু জানতে পারবে।" বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা করো।,"তন্ময়: শুভ সকাল, পিয়াল। কখন এসেছ? পিয়াল: শুভ সকাল তোমাকেও। আজ ভোর ৫টায় এসেছি। তা, তুমি কেমন কাটালে নববর্ষের দিন। তন্ময়: খুব ভালো কেটেছে। বাড়িতে অনেক অতিথি এসেছিল। তাদের সঙ্গে বেশ মজারই সময় কেটেছে। তা তুমি ঢাকায় কেমন নববর্ষ উদযাপন করলে? পিয়াল: আমারও বেশ আনন্দে কেটেছে। ভোর ৬টায় ছোট খালার ডাকে ঘুম ভাঙে। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে পান্তা ইলিশ খেলাম। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে আমি, খালা, খালু, খালাতো বোন রাইসা বেরিয়ে পড়লাম রমনা বটমূলের উদ্দেশে। তন্ময়: কয়টায় সেখানে পৌঁছালে? তারপর কোথায় গেলে? পিয়াল: রাস্তায় যানজট না থাকায় সকাল সোয়া ৮টায় সেখানে পৌঁছালাম। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনকেন্দ্রে গেলাম। সেখানে থেকে পৌঁছালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। তন্ময়: এখান থেকেই তো মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়, তাই না? পিয়াল: হ্যাঁ, আমরা সকাল ১০টায় বের হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিই। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, নারী নির্যাতন, মা ও শিশুর নিরাপত্তা, রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রভৃতি দিক নানা প্রতীকে উঠে এসেছিল। আমি খালুকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে আরও সুন্দর করে বুঝিয়ে বললেন। তন্ময়: আর কোথাও যাওনি? পিয়াল: হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে অনুষ্ঠিত বাউলসংগীত শুনলাম। তারপর কিছুক্ষণ বেড়িয়ে মাটির হাঁড়ি, পুতুলসহ দেশীয় ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু পণ্য কিনলাম এবং রোদের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাসায় ফিরলাম। তন্ময়: আমি তোমার মতো অত কিছু দেখতে পাইনি, তবে দাদুর মুখে নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস জানতে পেরেছি। যেমন- সম্রাট আকবরের নববর্ষের নামকরণ, পালন করা, তারপর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের দেশের নববর্ষ পালনের নানা ইতিহাস সম্পর্কেও জানতে পারি। তারপর এ দিনটির সঙ্গে বাঙালি জাতির সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা লাভ করি। পিয়াল: সত্যিই অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে নববর্ষ আজ আমাদের জাতীয় চৈতন্যের ধারক। তাই মহাসমারোহে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদিন পালন করুক, এটাই প্রত্যাশা রাখি। তন্ময়: পিয়াল আজ তবে চলি। এই নিয়ে পরে আরও কথা হবে। আমরা ইতিহাস পড়ে আরও জানতে পারব। ভালো থাকো। পিয়াল: তুমিও ভালো থাকো। ধন্যবাদ।" মনে করো তোমার নাম নাহিয়ান। তোমার বন্ধুর নাম সাজ্জাদ। গ্রিনহাউস গ্যাস প্রতিক্রিয়া বর্তমানে একটি গুরুতর সমস্যা। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।,"নাহিয়ান: শুভ সন্ধ্যা। কেমন আছ সাজ্জাদ? সাজ্জাদ: তোমাকেও শুভ সন্ধ্যা। আমি ভালো আছি। তুমি কেমন আছ? নাহিয়ান: আমিও ভালো আছি। তবে আমি একটি বিষয় নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। আর তা হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রতিক্রিয়া। তুমি কী এ নিয়ে কিছু ভেবেছ? সাজ্জাদ: অবশ্যই। ইদানীং এটি একটি বৈশ্বিক আতঙ্কের বিষয়। এটি বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মরুকরণ, নিম্নভূমিতে প্লাবন, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, সামুদ্রিক ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি বৃদ্ধি পায়। নাহিয়ান: বাংলাদেশেও তো এর প্রভাব মারাত্মক। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে বাংলাদেশের উচ্চতা কম থাকার কারণে এটির প্রভাব আরও ভয়াবহ। সাজ্জাদ: ঠিক বলেছ। আমরা খুব ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছি। তবে এর জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। কারণ আমরা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করছি। ওজোনস্তরের জন্য ক্ষতিকারক গ্যাস ব্যবহার করছি। শিল্প-কারখানার বর্জ্য পদার্থ, কালো ধোঁয়া ক্রমান্বয়ে আমাদের পরিবেশকে ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। নাহিয়ান: হ্যাঁ, তাই এ থেকে পরিত্রাণ পেতে আমাদের বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। সর্বোপরি জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।" সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুবন্ধুর কথােপকথন রচনা কর।,"লিসা : দীর্ঘ একটা বন্ধ পেলাম । ভাবতেই মনটা ফুরফুরে লাগছে । লিটন : কিন্তু গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়ানাের তাে কোনাে সুযােগ নেই। পাঠ্যবইয়ের বাইরে তাে যাওয়া যাচ্ছে না। পড়াশুনার যা চাপ। লিসা : পাঠ্যবইয়ের পড়া হজম করার জন্য মাঝে মাঝে পাঠ্যবই বহির্ভূত পুস্তকও পাঠ করা প্রয়ােজন। জানিস তাে? লিটন : কেন, তুই আবার নতুন কোনাে বই পড়লি নাকি? লিসা : হ্যাঁ, অসাধারণ একটি বই পড়েছি । লাল নীল দীপাবলি । লিটন : হুমম, হুমায়ুন আজাদ স্যারের লেখা বই। আমার পড়া হয়নি। অসাধারণ কেন? লিসা : এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস। অসাধারণ এর ভাষা। মানুষ মানুষকে ভালােবাসতে পারে এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ তার মাতৃভাষাকে এত গভীরভাবে ভালােবাসতে পারে! মাতৃভাষায় রচিত সাহিত্যকে ভালােবাসতে পারে প্রিয়জনের মতাে! আমি মুগ্ধ হয়েছি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি দেখে । অবাক ব্যাপার কি জানিস? তিনি তাঁর ভালােবাসা আমাদের মধ্যে সঞ্চারিত করেছেন। এটা তার বিরাট কৃতিত্ব। লিটন : আমি তাে ইতিহাসকে ভয় পাই । আমার কি ভালাে লাগবে? লিসা : অবশ্যই। বইটির ভাষাই তােকে আকৃষ্ট করবে। তুই স্বেচ্ছায় আগ্রহ নিয়ে বইটি পড়বি বলে আমার বিশ্বাস। লিটন : তাের বইটা কি আমাকে দিতে পারিস? লিসা : অবশ্যই। লিটন : তােকে ধন্যবাদ এমন ভালাে একটি বইয়ের খোজ দেওয়ার জন্য। লিসা : তােকেও ধন্যবাদ।" বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।,"রহিম : করিম, তুমি কেমন আছ? করিম: ভালাে আছি। তুমি কেমন আছ? রহিম : ভালাে আছি । তবে বৃক্ষরােপণ সপ্তাহ নিয়ে প্রচার-প্রচারণা, মাইকিং, উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত আছি । করিম : বিষয়টি নিয়ে আমিও সচেতন। ২৫টি মেহগনি গাছ কিনে বাড়ির চারপাশে লাগিয়েছি। কেননা আমাদের বেঁচে থাকার পিছনে বৃক্ষের অবদান সম্পর্কে আমি অবগত আছি। বন্যা, ঝড়-ঝঞা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বৃক্ষই আমাদের রক্ষা করে থাকে। তাই আমি অন্যদেরও বৃক্ষরােপণে উৎসাহিত করে থাকি। রহিম : বেশ বন্ধু! আমাদের দেশের যা অবস্থা নিজেও পরিবেশ সচেতন হতে হবে এবং অন্যকেও সচেতন করতে হবে। করিম : আমাদের দেশের মােট ভূমির মাত্র ১৭% বনভূমি। কিন্তু প্রয়ােজন ২৫% বনভূমি। দিনের পর দিন নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন করছি। এর ফলে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে। রহিম : এসব কারণে বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এগুলােই প্রকৃতির প্রতিশােধ । বৃক্ষনিধনের কারণেই এগুলাে দেখা দিচ্ছে। করিম : আর বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব তাে বাংলাদেশেই বেশি পড়বে। রহিম : হ্যাঁ, এই ক্ষতিকর হুমকি থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেকের ১টি করে হলেও গাছ লাগানাে উচিত। করিম: হ্যাঁ, বন্ধু সবাই যদি ১টি করেও গাছ লাগায় তাহলেও কোটি কোটি নতুন গাছ লাগানাে হবে। এর মাধ্যমেই আমাদের বৃক্ষরােপণ কর্মসূচি সফল হবে। রহিম : চলাে বন্ধু আমরা গাছ লাগাই এবং পাশাপাশি অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করি । করিম : হ্যাঁ, চলাে। তােমার সাথে আমিও বৃক্ষরােপণ সপ্তাহ পালনের কার্যক্রমে অংশ নেব এবং সকলকে বৃক্ষরােপণের প্রয়ােজনীয়তা সম্পর্কে অবগত করব। " বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা বিষয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন রচনা কর।,"তাসিন : কীরে তুই এখনো রেডি হসনি? আমাদের তো দশটায় যাওয়ার কথা, এখন এগারোটা বেজে গেছে । ইনসাদ : তুই তো ঘেমে চুপসে গেছিস । কথা পরে শুনব। এদিকে আস, পাখার নিচে বস । তাসিন : আর বলিস না। রাস্তায় জ্যাম, হেঁটে আসতে হয়েছে । তার ওপর গরম তো আছেই । বাইরে আগুন জ্বলছে, মনে হয় আগুনের তাপ নিতে নিতে হেঁটে এসেছি । ইনসাদ : এ-কারণেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ আর বাইরে বের হব না । তুই লক্ষ করেছিস— গত কয়েক বছর ধরে গরমকালে যেমন অস্বাভাবিক গরম, তেমনি শীতকালেও শীতের তীব্রতা । কোনো ঋতুই ঠিক সময়ে আসছে না । যখন বৃষ্টি হওয়ার প্রয়োজন তখন বৃষ্টি নেই, যখন ঘূর্ণিঝড় হওয়ার কথা নয় তখন ঝড়- বৃষ্টি। আজকাল ভূমিকম্পেরও প্রকোপ দেখা দিয়েছে । তাসিন : প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণ কেন বলতে পারিস? ইনসাদ : তুই বল। তাসিন : তুই যা যা বলেছিস সেগুলোর কারণ হলো— বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন। দেখছিস না অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, সাইক্লোন, বন্যা, সুনামি, ভূমিকম্প- প্রায় সারা বছরই কোনো-না-কোনো দুর্যোগ লেগেই থাকে। ইনসাদ : কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী কে বা কী বলতে পারিস? তাসিন : হ্যাঁ, বিভিন্ন কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন হতে পারে। যেমন— বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পোন্নত দেশগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসারণ, গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া, নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস প্রভৃতি কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। ইনসাদ : এভাবে চলতে থাকলে তো পৃথিবী একসময় প্রাগৈতিহাসিক কালের মতো ধ্বংস হয়ে যাবে। বিপন্ন হবে সকল সৃষ্টিকুল। তাসিন : একদম ঠিক বলেছিস। পরিবেশ মানব সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মানুষের রচিত পরিবেশ তারই সভ্যতার বিবর্তন ফসল। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিজ্ঞানের বিজয় গৌরবে মোহান্ধ মানুষ পৃথিবীর পরিবেশকে বিষাক্ত করছে। ছড়িয়ে দিয়েছে ক্ষতিকর সব আবর্জনা ও বিষাক্ত গ্যাস। তার ফল হয়েছে বিষময়। দূষিত পরিবেশ প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। তাই গোটা জীবজগতের অস্তিত্বই আজ বিপন্ন। ইনসাদ : আমি এখন বুঝতে পেরেছি। প্রতিনিয়ত পৃথিবীর তাপমাত্রা অধিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ুর স্বাভাবিক চরিত্রে পরিবর্তন ঘটছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত বিষয়টি ‘বিশ্ব বা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন' অভিধায় ভূষিত । তাসিন : জলবায়ু পরিবর্তন তথা বিশ্ব উষ্ণায়নের একটি সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। উপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উত্তাপ বৃদ্ধি পাবে এবং পানি সম্প্রসারিত হয়ে সমুদ্রের আয়তন ও পরিধিকে বাড়িয়ে তুলবে। উষ্ণায়নের ফলে পর্বতচূড়ায় জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রের পানির পরিমাণ বাড়াবে। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্লাবিত এলাকার পরিমাণ যেমন বাড়বে তেমনি পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে বড়ো বড়ো শহর। ইনসাদ : জলবায়ুর পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বন্যা, খরা, নদীপ্রবাহের ক্ষীণতা, পানিতে লবণাক্ততা, সাইক্লোন, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙনসহ নানান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জনবিপর্যয় ঘটবে। তাসিন : আমি পত্রিকায় পড়েছি— বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই এশিয়াসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এশিয়া মহাদেশের ১৩০ কোটি অধিবাসী হিমালয় পর্বতমালার হিমবাহগুলো থেকে সৃষ্ট পানির উৎসের ওপর নির্ভরশীল। ইনসাদ : বিশ্বব্যাপী যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে অন্যতম স্থানে। কোপেনহেগেন সম্মেলন ২০০১-এ বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মসূচি বাবদ ৭০,০০০ কোটি টাকার সহযোগিতা চেয়ে প্রকল্প বা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন। বর্তমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের মোট জনসংখ্যার ৬৫ ভাগ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বা হবে। তাসিন : জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে জটিল সমস্যা যা সকল গরিব দেশকে প্রভাবিত করছে ব্যাপকভাবে। তাই এবিষয়ে এখনই নানা ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। ইনসাদ : একদম ঠিক বলেছিস। মানুষের আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের জন্য পৃথিবী আজ ধ্বংসের মুখে। এখন থেকে মানুষ যদি সচেতন না হয় তবে পতন অনিবার্য। তাসিন : আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হলেও আমাদের সতর্ক হতে হবে। ইনসাদ : হ্যাঁ মানুষই শুধু পারে এ পৃথিবীটাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে। এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আমাদের পৃথিবী আবার সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা হয়ে উঠবে। তাসিন : আমাদের পৃথিবীকে আমাদেরই বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। জানো তো- ' মানবের পৃথিবী দ্বিতীয়টি নেই, মানুষের চেয়ে সুন্দর আর কিছু নেই। ' ইনসাদ : বাহ্! বেশ সুন্দর কথা তো। তোমার সঙ্গে সুর মিলিয়ে আমিও বলতে চাই- " সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"সাকিব: গতদিন কলেজে আসনি কেনো লিমন ? লিমন: সড়কে মৃত্যুর মিছিল! সাকিব: তার মানে! লিমন: বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়ে- বাসে ওঠতে যাব এমন সময় পেছন থেকে একটা বাস এসে ধাক্কা দিল আমাদের বাসটাকে; যেন ব্রেক ফেল করেছে— নিয়ন্ত্রণহীন গতি। তক্ষুনি আমরা চার-পাঁচ বন্ধু ছিটকে পড়ে কমবেশি আহত হয়েছি—মৃত্যু যেন আমাদের বাঁচিয়ে দিল। সাকিব: বলিস কী! আমাকে জানালেনা কেনো ? লিমন: সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কী আর বলব! সড়কে মৃত্যুর মিছিলে নিহতদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে সমগ্র দেশ যখন প্রতিবাদ মুখর, তখনও গাড়ি চালকদের অসচেতন অবৈধ আচরণ; এ নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই, সচেতনতা নেই। সাকিব: হ্যাঁ, তাইতো মনে হচ্ছে। মাত্র কদিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে ‘নিরাপদ সড়ক চাই' সংগঠন তার প্রতিবেদনে জানাল—সড়ক, রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা ২৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬ সালে সারা দেশে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিল ৪ হাজার ১৪৪ জন। ২০১৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৪৫ জন। লিমন: সাকিব, প্রকৃত পরিসংখ্যান কিন্তু তার চেয়েও অনেক বেশি বলে আমি মনে করি। দৈনিক প্রথম আলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য হলো— ২০১৮ সালে ৫৫১৪ সড়ক দুর্ঘটনায় ৭২২১ জন নিহত। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় পরিবহন খাতে জবাবদিহি নিশ্চিত না করতে পারায় সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাচ্ছেনা। সাকিব: লিমন, তুমি কি 'বাংলাদেশ হেলথ ইনজুরি সার্ভে-২০১৬' প্রতিবেদন পড়েছ। প্রকল্পের পরিচালক বলেন 'প্রতি বছর বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ হাজার ১৬৬ জন নিহত হন। তাতে প্রতিদিন নিহতের সংখ্যা ৬৪ জন।' লিমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর বাংলাদেশের জিডিপির ২ শতাংশ ক্ষতি হয়। বাংলাদেশের জিডিপি ১৭ লাখ কোটি টাকা। তার ২ শতাংশের পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকা। তবে এই ক্ষতি বাস্তবে আরো বেশি। সাকিব: একথা সত্য লিমন—সড়কের সব ব্যাধি একদিনে তৈরি হয়নি, রাতারাতি তা নিরাময়ও হবেনা। কিন্তু গণপরিবহনখাতে যে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা চলে আসছে, সেটি দূর করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ন্যূনতম উদ্যোগ না থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। লিমন: তুই ঠিক বলেছিস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কোম্পানিভিত্তিক বাস সার্ভিস চালু এবং চালকদের লাইসেন্স দিতে নজরদারি বাড়ানোর বিকল্প নেই। সাকিব: এ-কথা ঠিক যে চালকরাই পরিবহন সেক্টরে চালিকাশক্তি। শতকরা ৮০ ভাগ দুর্ঘটনা ঘটে চালকের কারণে। বেপরোয়া ও গতিসীমার অধিক ধ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো, ওভারটেক, অবৈধ যানবাহন দায়িত্বজ্ঞান ও পেশাগত জ্ঞানের অভাব, ট্রাফিক নিয়মকানুন মেনে না চলা, যাত্রী ও নিজের নিরাপত্তার প্রতি উদাসীন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া, সচেতনতা ও নিরাপত্তা বোধের অভাব, শিক্ষার অভাব, ভুয়া লাইসেন্সের কারণে চালকদের মধ্যে পেশাদারিত্ব সৃষ্টি হচ্ছেনা। লিমন: আমিও তোর সঙ্গে একমত – যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রথমেই নজর দেওয়া প্রয়োজন গাড়ি চালকদের প্রতি। দক্ষ, সচেতন, দায়িত্ববান ও পেশাদার চালক তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার। সাকিব: সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করার ব্যাপারে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। এছাড়া সড়ক ও মহাসড়কের নির্মাণে ত্রুটি ও দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনাও সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। লিমন: সাকিব, যাত্রী ও পথচারীদের ব্যক্তি নিরাপত্তা ও বিধি-বিধান প্রতিপালনে সচেতন হতে হবে। নাগরিকদের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা মানার সংস্কৃতি সৃষ্টি করতে হবে। সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, সুধীসমাজের মনতা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যথাযথ আইন প্রয়োগে সহায়তা প্রদান করলে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করা সম্ভব। সাকিব: প্রশাসন, পুলিশ, বিআরটিএ, সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ, মালিক, চালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। লিমন: সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। সাকিব, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই। সড়কে মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হোক, আর যেন কেউ স্বামীহারা বিধবা বা পত্নীহারা, সন্তানহারা, পিতাহারা বা মাতাহারা এতিম কিংবা স্বজনহারা নাহয় এ আমার প্রত্যাশা। সাকিব: নিশ্চয়ই, সড়ক হবে নিরাপদ, শান্তির। জীবনের নিরাপত্তা দান করা বা বিধান করা বা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। নিরাপদ সড়কের জন্য পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সচেতন হওয়া অপরিহার্য। সড়ক পথ কখনো মৃত্যুর পথ হতে পারেনা, আমরা নিরাপদ নির্বিঘ্নে পথ চলতে চাই, নিরাপদ সড়ক চাই। লিমন: ধন্যবাদ সাকিব । সাকিব: তোমাকেও ধন্যবাদ।" উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে দুই পরীক্ষার্থী বন্ধুর সংলাপ,"মিঠু : মিলা, তুমি তো দেখছি সারাক্ষণই পড়ছ, এত পড়ে লাভ কী বলো তো? মিলা : বলছ কি মিঠু। সামনে পরীক্ষা; না পড়লে চলবে কেন? আমি তো বলি, তোমার আরো পড়াশোনা করা উচিত। মিঠু : আমি যে তা ভাবি না, তা নয়, তবে কি জান বিশেষ উৎসাহ পাই না। বাবা মায়ের ইচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি। আমার কিন্তু একটুও ইচ্ছে হয় না ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার। মিলা : আসলে কী জান, আমাদের নিজেদের ইচ্ছেমতো আমরা ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি না। আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে অভিভাবকদের ইচ্ছেয়। একটু মেধাবী হলে তো কথাই নেই, হয় ডাক্তারি পড়, নয়তো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়। যেন এছাড়া আর কিছু পড়ার নেই, করার নেই। আসলে আমাদের অভিভাবক খোঁজেন নিশ্চিত টাকা রোজগারের একটা পেশা। মিঠু : তুমি ঠিক বলেছ মিলা। সেই সঙ্গে বেশির ভাগ ছেলেমেয়ের জীবনে কী নিদারুণ আশাভঙ্গের ইতিহাস জড়িয়ে থাকে ভেবে দেখেছ। উচ্চ-মাধ্যমিক পাশের পর কতজন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তির সূযোগ পায় বলো তো। ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবার আশা নিয়ে যারা ভর্তির সুযোগ পেল না তাদের কথা ভেবে দেখেছ কি? মিলা : লেখাপড়ার সঙ্গে জীবিকার প্রশ্ন চিরকালই জড়িয়ে থাকবে; কিন্তু সেই সঙ্গে কার কোনদিকে প্রবণতা সেটাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন । মিঠু : নিশ্চয়। ধর কসাইয়ের মতো স্বভাবের একটা লোক ডাক্তার হয়ে গেল; কিংবা একজন কবি হলো ইঞ্জিনিয়ার। আচ্ছা মিলা, তুমি ভবিষ্যৎ জীবনের কথা কিছু ভেবেছ? মিলা : এসএসসি পাশের পরেই আমি আমার জীবনের একটা লক্ষ্য স্থির করেছি। তুমি তো জান আমার মাধ্যমিকের ফল ভালোই হয়েছে। ইচ্ছে করলে বিজ্ঞান পড়তে পারতাম। কিন্তু আমি মানবিক বিভাগই বেছে নিয়েছি। আমার ইচ্ছে ভবিষ্যতে আমি একজন ভালো সাংবাদিক হব। সেটা আমার পেশাও হবে, আর হবে আমার সামাজিক দায়িত্ব পালনের নেশা। মিঠু : বাড়ি থেকে কোনো বাধা পাওনি। মিলা : আমার বাড়ির সবাই আমার ইচ্ছাকে মেনে নিয়েছেন। মা যেহেতু শিক্ষিকা, তাঁর ইচ্ছে ছিল শিক্ষাজীবী হই। মাকে বোঝালাম সাংবাদিকতাও তো কলম-পেশাই। মা সহাস্যে মেনে নিলেন। আচ্ছা মিঠু, তুমি ভবিষ্যৎ জীবন কেমন করে গড়ে তুলতে চাও? মিঠু : আমি একজন অর্থনীতিবিদ হতে চাই। সত্যি মিলা, মাঝে মাঝে মনে হয়, এদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে কোনো গোলমাল আছে। নইলে এত দারিদ্র্য, এত অপচয়, এত বৈষম্য কেন? এসব সমস্যার কি কোনো সমাধান নেই? অন্তর থেকে আমি একজন অর্থনীতির ছাত্র হতে চাই। মিলা : তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা খুব ভালো মিঠু। আর একজন ভালো অর্থনীতিবিদ হতে হলে যে বেশি করে পড়াশোনা করা দরকার সেটা নিশ্চয় জানো। নতুন উদ্যমে এবার পড়া শুরু করে দাও। মিঠু : তোমার সঙ্গে কথা বলে আমার উৎসাহ আরো বেড়ে গেল, মিলা। আমিও তোমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।" গ্রাম্যমেলা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"শিমুল : কেমন আছ পলাশ? পলাশ : ভালো । তুমি কেমন আছ? শিমুল : ভালো । তবে খুব ক্লান্ত । পলাশ : ক্লান্ত কেন? তোমাকে কদিন দেখিনি কেন? শিমুল : আমি নানু বাড়ি গিয়েছিলাম । মেলা দেখতে । পলাশ : তোমার নানু বাড়ি দুবলিয়ায় না? ওখানকার গ্রাম্যমেলা তো বিখ্যাত 1 শিমুল : হ্যাঁ । পাবনার দুবলিয়ার মেলাটি দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জনের পরেই জমে উঠত । এখন পূজার আগ থেকে প্রায় এক মাসব্যাপী এ মেলা চলে । পলাশ : এত দীর্ঘ সময় ধরে চলে মেলা? শিমুল : শুধু দীর্ঘ সময় ধরে চলে তা-ই নয়, বিশাল অঞ্চল জুড়ে চলে এ মেলা ! পলাশ : এখানে কী কী পাওয়া যায়? শিমুল : বাচ্চাদের খেলনা, নাগরদোলা, শিশুদের জন্য ট্রেন, গৃহস্থালির আসবাবপত্র, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি । মিষ্টিদ্রব্য, পোশাক, আরও কত কী! পলাশ : তোমার সবচেয়ে কী ভালো লেগেছে? শিমুল : দল বেঁধে নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর-কিশোরী মেলায় ঘুরছে । শিশুরা বাঁশি বাজাচ্ছে । গৃহবধূ মেলায় এসেছে বাচ্চাদের হাত ধরে । হিন্দু-মুসলমান কোনো ভেদাভেদ নেই । পলাশ : সবাই আনন্দের সাথে মেলায় ঘুরতে আসে তাই না? শিমুল : হ্যাঁ, স্বতঃস্ফূর্ততাই আমাকে খুব আনন্দ দেয় । আমি মেলা থেকে তিলের মোয়া, বাতাসা, কদমা, খুরমা, ছোটো বোনটির জন্য ফিতা, ক্লিপ ইত্যাদি কিনলাম । পলাশ : আর কী দেখলে মেলায়? শিমুল : নৌকা বাইচ দেখলাম । নৌকা বাইচের জন্য তিন দিন অপেক্ষা করলাম । আগে মেলাই হতো নৌকাবাইচ কেন্দ্রিক । এখন অবশ্য জলাশয় কমে যাওয়ায় সীমিত পরিসরে বিলের মতো জায়গায় নৌকাবাইচ হয় । পলাশ : মজা তো । আমি কখনো নৌকা বাইচ দেখিনি । তুমি দারুণ এক অভিজ্ঞতা অর্জন করলে । শিমুল : হ্যাঁ, আমি দেখলাম গ্রামের মানুষের যেন নব উদ্যমে নতুন কর্মশক্তিতে জেগে উঠছে, জেগে উঠছে আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি । পলাশ : তোমাকে ধন্যবাদ বন্ধু । এত সুন্দর বিবরণ দেওয়ার জন্য । শিমুল : তোমাকেও ধন্যবাদ । আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য ।" দুর্নীতির ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"বাদল : কেমন আছ বন্ধু ? নির্ঝর : ভালো । তুমি কেমন আছ? বাদল : ভালো আছি । নির্ঝর : তুমি কী পড়ছিলে? বাদল : আমি একটি প্রতিবেদন পড়ছিলাম, ‘তারুণ্য রুখবে দুর্নীতি' । নির্ঝর : কোন কাজগুলো দুর্নীতির আওতায় পড়ে বলতে পারবে? বাদল : ঘুষ, অবৈধ উপায়ে সুবিধা লাভ, চাঁদাবাজি, সরকারি কোষাগারে চুরি-ডাকাতি, অবৈধ পৃষ্ঠপোষকতা, স্বজনপ্রীতি, অবৈধভাবে চাকরি প্রদান, অর্থ আত্মসাৎ, কাউকে সুবিধা দেওয়ায় সুবিধা গ্রহণ, অবৈধভাবে কোনো কিছু ভোগ করা, এমনকি ঠিক সময়ে দায়িত্ব পালন না করাও দুর্নীতি । নির্ঝর : দুর্নীতির কারণগুলো কী? বাদল : দলবাজি, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অকার্যকারিতা, শাস্তি না হওয়া, ভোগবাদী প্রবণতা, বিকৃত ভোগবাদী অর্থনীতি, মূল্যবোধের অবক্ষয়, প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব ইত্যাদি কারণে দুর্নীতি বেড়েছে । নির্ঝর : আমরা তো দুর্নীতিতে ৫ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান হয়েছি তাই না? ভালো কাজে আমাদের এমন ধারাবাহিক রেকর্ড নেই । খারাপ কাজে বিরাট অর্জন! আচ্ছা বন্ধু বলতো এই সর্বগ্রাসী বিপদ থেকে আমরা কীভাবে রক্ষা পেতে পারি? বাদল : স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করতে হবে । দোষী ব্যক্তি যেই হোক তাকে শাস্তি দিতে হবে । সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে । দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় কমিটি গঠন করতে হবে । টিআইবিকে জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে । সর্বোপরি দুর্নীতিবাজকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে । নির্ঝর : অর্থাৎ সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে । গণমাধ্যমেরও এক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখতে হবে । বাদল : ঠিক তাই । নির্ঝর : তোমার মূল্যবান বক্তব্যের জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ । বাদল : ধন্যবাদ তোমাকেও ।" সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"অমিত : কেমন আছ অমিত? নির্ঝর : ভালো আছি । তুমি কেমন আছ? অমিত : ভালো আছি । তবে মনটা খুব খারাপ । নির্ঝর : কেন কী হয়েছে? অমিত : চোখের সামনে ছোট্ট একটি ছেলেকে গাড়ি চাপা পড়তে দেখলাম । ছেলেটি শুধু একটিবার মা বলে ডাকতে পেরেছিল । নির্ঝর : দুর্ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে? অমিত : ফার্মগেটে । নির্ঝর : ব্যস্ত রাস্তা, তারপরও এমন বেপরোয়া গাড়ি চালনা! অমিত : বলতে পার, কবে আমাদের দেশে এরকম বেপরোয়া গাড়ি চালনা বন্ধ হবে? নির্ঝর : যতদিন চালকরা শিক্ষিত না হবে, প্রশিক্ষিত না হবে, লাইসেন্সবিহীন চালকরা যতদিন রাস্তায় গাড়ি চালাবে, ততদিন এই বেপরোয়া গাড়ি চালানো বন্ধ হবে না । অমিত : আরও একটি সমস্যা আছে, সেটা হলো চালকদের মাদকাসক্তি । নির্ঝর : ঠিক বলেছ। এ কারণে অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটছে । অমিত : সরকার দুর্ঘটনা রোধের জন্য কী করতে পারে? নির্ঝর : অপ্রশস্ত রাস্তা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ । সরকারকে অবশ্যই রাস্তাঘাটগুলো প্রশস্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে । বিআরটিএ-এর কাজে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা আনতে হবে । অমিত : বিআরটিএ-এর গতিশীলতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বলতে তুমি কী বোঝাচ্ছ? নির্ঝর : গাড়ি ও চালককে সঠিকভাবে লাইসেন্স দিতে হবে এবং গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেটও সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে দিতে হবে । এক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে। অমিত : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা কী হবে? নির্ঝর : ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে । ফিটনেসবিহীন, লাইসেন্সবিহীন গাড়ি যাতে রাস্তায় চলতে না পারে, সে ব্যাপারে কঠোর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে । অমিত : একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না । তাই আমাদের সমাজের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। নির্ঝর : পত্র-পত্রিকা এবং গণমাধ্যমগুলোর দৃঢ় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে । অমিত : আমিও তাই মনে করি, তোমাকে ধন্যবাদ । নির্ঝর : তোমাকেও ধন্যবাদ ।" শব্দদূষণ সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"সেতু : জানাে, কাল রাতে একদম ঘুমাতে পারিনি। মিতু : কেন? কী হয়েছে? সেতু : মাইকের প্রচণ্ড শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গিয়েছিল । কানে বালিশ চাপা দিয়েছিলাম, তবুও ঘুমাতে পারিনি। মিতু : আসলেই মানুষের এ ধরনের অসচেতনতা দেখলে খুব অবাক হতে হয়। কারও কোনাে অধিকার নেই অন্যকে এভাবে ব্রিত করার । এভাবে শব্দদূষণের ফলে কত মানুষ যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার হিসাব কেউ রাখছে না। সেতু : হ্যা, সেদিন একটি ফিচার পড়লাম। শব্দদূষণ একটি নীরব ঘাতক। এর থেকে মাথা ব্যথা, বধিরতা, অনিদ্রা, পেপটিক আলসার, হৃদরােগ ইত্যাদি হতে পারে। মিতু : তুমি কি জানাে, সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে ব্যস্ত বিমানবন্দরের আশেপাশে সন্তানসম্ভবা অধিকাংশ মায়েরা বিকলাঙ্গ ও অপুষ্ট সন্তান জন্ম দিয়েছে । এর কারণ কি জান? সেতু : না, জানি না তাে। মিতু : এর কারণ হলাে শব্দদূষণ। সেতু : কী কী কারণে শব্দদূষণ হতে পারে? মিতু : যানবাহনের আওয়াজ, হাইড্রোলিক হর্নের শব্দ, কল কারখানার শব্দ, বিমান, হেলিকপ্টারের শব্দ, মানুষের কোলাহল, উচ্চৈঃস্বরে চিৎকার, মাইকের শব্দ ইত্যাদি শব্দদূষণ সৃষ্টি করে। সেতু : এর প্রতিকার কী? মিতু : পরিবেশ আইনজীবী সংগঠন বেশ কয়েক বছর আগে (২০০২) জনস্বার্থে রিট পিটিশন করেছিল । উচ্চ আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল শব্দদূষণকারী হাইড্রোলিক হর্নের ব্যাপারে। কিন্তু কেউ তা মানছে না। সেতু : তাহলে উপায়? মিতু : ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। শব্দদূষণ কী এটি যেমন জনগণকে বােঝাতে হবে তেমনি এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সকলকে অবগত করতে হবে। হাইড্রোলিক হর্ন আমদানি বন্ধ করতে হবে। শব্দদূষণ সম্পর্কে যে আইন আছে তার কঠোর বাস্তবায়ন করতে হবে। সেতু: আমার মনে হয় সরকার ও জনগণ উভয়ে একসাথে কাজ করলে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। মিতু : একদম ঠিক বলেছ। ধন্যবাদ। সেতু : তােমাকেও ধন্যবাদ।" বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"আরমান : এসাে মনির, ভেতরে এসাে। কেমন আছ? মনির : ভালাে। তুমি কেমন আছ? আরমান : আমিও ভালাে। তবে দেখতেই পাচ্ছ, বিদ্যুৎবিহীন ঘরে মােমবাতি জ্বেলে বসে আছি। মনির : হ্যা, তা তাে দেখতেই পাচ্ছি। আমাদের এলাকাতেও এখন বিদ্যুৎ নেই। ভাবলাম, তােমার বাসায় বিদ্যুৎ থাকতে পারে তাই এদিকে চলে এলাম। আরমান : দুর্ভাগ্য দুজনেরই। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। লেখাপড়া শিকেয় উঠতে চলেছে। মনির : আর বলাে না। পরীক্ষার্থীদের এখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। আরমান : পরীক্ষার্থী হিসেবে আমার একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শুনবে? মনির : হ্যা, বলল, শুনি। আরমান : গত মাসে আমাদের কলেজে নির্বাচনী পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষার হলে পরীক্ষা দিচ্ছিলাম। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল অঝাের ধারায়। হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেল। আমরা হতভম্ব হয়ে গেলাম। মনির : তারপর? আরমান : তারপর আর কী? ‘হল’ ঘর অন্ধকার হয়ে গেল। বন্ধ হয়ে গেল লেখা। মনির : কোনাে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয় নি? আরমান : বিকল্প ব্যবস্থা বলতে কর্তৃপক্ষ মােমবাতি সংগ্রহ করে জ্বালিয়ে দেয়। দইয়ের স্বাদ কি ঘােলে মেটে! পরীক্ষার ফল ভালাে হয়নি। মমির : আসলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট জীবনের সকল কাজকেই বিপর্যস্ত করে। আরমান : বিশেষ করে হাসপাতালে রােগীদের দুর্ভোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে। মনির : আমাদের মতাে দরিদ্র দেশে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিকার করা কঠিন। আরমান : সরকারের উচিত নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে এবং অবৈধ সংযােগ বিচ্ছিন্ন করে এ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা। মনির : আমিও মনে করি, এ ব্যাপারে সরকারের আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু। তােমাকে ধন্যবাদ। মনির : তােমাকেও ধন্যবাদ।" বই পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"অরিন : কেমন আছ বন্ধু? অমিয় : ভালাে। তুমি কেমন আছ? অরিন : ভালাে আছি। আমি একটি বই পড়ছি। অমিয় : কী বই? অরিন : চরমপত্র। অমিয় : কে লিখেছেন? অরিন : এম আর আখতার মুকুল। অমিয় : যিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে চরমপত্র কথিকা পাঠ করেছিলেন তিনি? অরিন : হ্যা। অমিয় হঠাৎ বইটি পড়ার ইচ্ছা হলাে কেন? অরিন : হঠাৎ ইচ্ছে হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বইটি খুঁজছিলাম। আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে শহিদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা 'একাত্তরের দিনগুলি' পড়ে। অমিয় : অর্থাৎ একটি বই পড়ে তােমার আরেকটি বই পড়ার ইচ্ছে হলাে? অরিন ঠিক তাই। আমি যখন চরমপত্র পড়ছি তখন আরাে কিছু বই পড়ার আগ্রহ জন্মালাে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা পৃথিবীর রাজনীতিক পরিস্থিতি, পরাশক্তিগুলাের রাজনীতিক অবস্থান এ সম্পর্কে আরাে জানতে ইচ্ছে করছে। অমিয় : অর্থাৎ একটি বই তােমার সামনে জ্ঞানের নতুন নতুন দিগন্ত উন্মােচন করছে। অরিন : হ্যা বন্ধু। বইয়ের মতাে ভালাে বন্ধু আর নেই। কোনাে বই তােমাকে হাসাবে, কোনাে বই তােমাকে কাদাবে, কোনাে বই তােমাকে সঙ্গ দেবে প্রিয় সঙ্গীর মতাে। সবাই তােমাকে ঠকাতে পারে কিন্তু বই তােমাকে কখনাে ঠকাবে না। অমিয় : আমিও তাই বিশ্বাস করি এবং আরও জানি বই কখনাে পুরাতন হয় না। বই সবসময় অনন্ত যৌবনা। অরিন : একজন পুস্তক প্রেমিক বলেছিলেন যে, তিনি যদি বেহেশতে জায়গা পান, তবে বেহেশতের কিশতি সাজাবার একটি উপকরণ হিসেবে বইকে নেবেন। অমিয় : বাহ! খুব সুন্দর কথা বলেছেন তাে তিনি। অরিন : ব্যাবহারিক দিক থেকেও যদি বিবেচনা কর তবে দেখতে পারবে বিশ্বায়নের এই যুগে বই না পড়ে তুমি থাকতে পারবে না। বিশ্বের তথ্যভান্ডারে প্রতি মুহূর্তে তথ্য যােগ হচ্ছে। তােমাকে সর্বশেষ তথ্যটা জানার জন্য প্রতি মুহূর্তে বই পড়তেই হবে। অমিয় : আমাদের বই পড়তে হবে নিজেকে পরিপূর্ণ ও যুগােপযােগী মানুষ হিসেবে গড়ে তােলার জন্য। অরিন : ঠিক তাই। তােমার পরামর্শের জন্য তােমাকে ধন্যবাদ বন্ধু। অমিয় : তােমাকেও ধন্যবাদ।" নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা কর,"ইমন : কেমন আছ, বন্ধু? নিলয় : ভালাে, তুমি কেমন আছ? ইমন : ভালাে, তােমার ছােটো বােনের তাে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ। এবার কী করবে? নিলয় : ইমন, আমার ছােটো বােন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ে অংশ নিচ্ছে। ইমন : এটাতাে খুব ভালাে কথা। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিলয় : যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য শিক্ষাই এখন বড়াে হাতিয়ার। আজকাল ছেলেদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মেয়েরাও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। তুমি কি বিষয়টা উপলব্ধি করতে পার? নিলয় : হ্যা ইমন, আমিও এ বিষয়ে অনেক সচেতন। তাই আমি স্বপ্ন দেখি আমার বােন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজের পরিচয় নিজে গড়ে তুলুক। ইমন : একটা কথা সবসময় মনে রেখাে, তােমার বােন যতদূর পর্যন্ত লেখাপড়া করতে চায় করাবে। তাকে সবসময় উৎসাহ দেবে। কারণ এটা কেবল নাম, যশ, প্রতিপত্তির জন্যই নয়, সমাজে পরিচিতি গড়ে তােলার জন্যও জরুরি। নিলয় : আমি জানি ইমন। শিক্ষা না থাকলে মেয়েদের সবাই হেয় প্রতিপন্ন করে। তাই আমিও চাই যেন আমার বােন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে চলাফেরা করতে পারে। ইমন : অবশ্যই, নিলয়। বর্তমানে নারীশিক্ষার ব্যাপারে আমাদের দেশে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যে দেশের প্রধান প্রধান পদ অলংকৃত করে আছেন নারীরা, সে দেশের নারীরা পিছিয়ে থাকবে এটা ভাবাই যায় না। তুমি তােমার বােনকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য অগ্রসর হতে বলল । এর জন্য সকল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা দেব। নিলয় : ধন্যবাদ ইমন। আমি উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য আমার বােনের পাশাপাশি অন্যান্য নারীকেও শিক্ষিত হয়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করব।" বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাম্প্রতিক প্রবণতা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা কর,"সায়েম : সেদিন পত্রিকায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন পড়লাম। তুমি কি খেয়াল করেছিলে? শুভ : না, তবে বাংলাদেশে যে এর যথেষ্ট নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সে সম্পর্কে আমার ধারণা আছে। সায়েম : তুমি জাননা, সাম্প্রতিক বছরগুলােতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বেড়েই চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান গবেষণার মাধ্যমে এ তথ্য বের করেছে। শুভ : আমিও সেদিন একটি প্রতিবেদন পড়েছি যে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে বেশি বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়াচ্ছে। এ কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাচ্ছে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর অনিশ্চিত পরিণামের ব্যাপারেও সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এর কীরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে তুমি মনে কর? সায়েম : আমি মনে করি, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল রয়েছে। অনেক এলাকাতেই মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। শুভ : শুধু তাই নয়, সম্প্রতি বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের এক জরিপ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশের ৮৪ শতাংশ মানুষ। জানিয়েছে তাদের উপার্জন ক্ষমতার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে। পৃথিবীর উত্তাপ বাড়ার কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে বাংলাদেশের মতাে নিমভূমির এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। সায়েম : বিষয়টি আসলেই দুশ্চিন্তার। আমাদের এখন থেকেই এ ঝুঁকি প্রশমনের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। এ উদ্দেশ্যে আমাদের বায়ুতে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমাতে হবে। আর এর একমাত্র উপায় হলাে বৃক্ষরােপণ করা। শুভ : হ্যা, তুমি ঠিক বলেছ। আমিও তােমার সাথে একমত। তােমার বক্তব্যের জন্য তােমাকে ধন্যবাদ। সায়েম : তােমাকেও ধন্যবাদ। " বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে দুই বান্ধবীর একটি সংলাপ রচনা কর,"শিলা : আগামীকাল বাংলা বছরের প্রথম দিন। ভাবতেই ভালাে লাগছে। মিলা : হ্যা, দিনটি সরকারি ছুটির দিন। কিন্তু স্কুলে অনুষ্ঠান আছে। শিলা : তােমার স্কুলে কী ধরনের উৎসব হবে? মিলা : আমাদের স্কুলে নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়ােজন করা হয়েছে। কবিতা পাঠের আসর বসবে। গান হবে, নাচ হবে। এসবের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠবে আবহমান বাংলার চিরায়ত রূপ। স্কুলের পাশে মেলা হবে। যার। মধ্য দিয়ে আমরা গ্রামীণ স্বাদ ও সৌন্দর্যকে একত্রে উপভােগ করব। এসবের পাশাপাশি নববর্ষ উপলক্ষ্যে আমাদের। স্কুলে খাওয়া-দাওয়ারও আয়ােজন করা হবে। তুমি কোথাও যাবে না? শিলা : আমি সকালে মা-বাবার সাথে চারুকলায় যাব, মঙ্গল শােভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করব। এরপর রমনার বটমূলে। কিছুক্ষণ গান শুনে তারপর যাব টিএসসিতে। মিলা : আমিও দুপুরে টিএসসিতে যাব । আচ্ছা নববর্ষের অনুষ্ঠানে তােমার কোন বিষয়টি সবচেয়ে ভালাে লাগে? শিলা নববর্ষের অনুষ্ঠানে সকল ধর্মের, সকল বর্ণের, সকল পেশার, সকল বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই আমার ভালাে লাগে । মিলা : হ্যা, এর পাশাপাশি বাঙালির গান, বাঙালির কবিতা, বাঙালির খাবার, বাঙালির পােশাক, বাঙালির সাজসজ্জা, রুচিবােধ ইত্যাদিও আমাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করে। শিলা : দিনটি উপলক্ষ্যে কতদূর থেকে যে বিক্রেতারা পণ্য নিয়ে আসে । সর্বত্র একটি উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। এটি আমার খুব ভালাে লাগে। মিলা : বাংলা নববর্ষের মূলকথাই হলাে সম্প্রদায় নিরপেক্ষতা ও সমতার চেতনা লালন । শিলা : হ্যা, তুমি ঠিক বলেছ। তােমার বক্তব্যের জন্য তােমাকে ধন্যবাদ। মিলা : তােমাকেও ধন্যবাদ । " আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব বিষয়ে একটি সংলাপ লেখ,"লতিফা : আপু, আমি তাে অনেকদিন পর বিদেশ থেকে ফিরলাম । আমি তােমার কাছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে জানতে চাই। তুমি কি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে কিছু জান? সেলিনা : হ্যা, একুশে ফেব্রুয়ারি হলাে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিনটি আমাদের দেশে উদ্যাপিত হয় শহিদ দিবস হিসেবে। লতিফা : দিবসটির ইতিহাস কী? সেলিনা : এদিন ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জনের মুখের ভাষা ছিল বাংলা। বাঙালিরা চেয়েছিল উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করা হােক। কিন্তু পাকিস্তানিরা তা মেনে না নেওয়ায় বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন করে । লতিফা : ভাষা আন্দোলনে কারা শহিদ হন? কীভাবে শহিদ হন? সেলিনা : সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার শফিউর, আউয়াল, অহিদুল্লাসহ অনেকেই ভাষা আন্দোলনে শহিদ হন। ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করলে পুলিশ মিছিলে গুলি চালায়। লতিফা : এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেল কেন? সেলিনা : বাঙালিরা তাদের মাতৃভাষার জন্য যে অতুলনীয় আত্মত্যাগ করেছে তা বিশ্ব ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। তাই জাতিসংঘের ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘােষণা করে। লতিফা : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস গােটা বিশ্ব কীভাবে পালন করে ? সেলিনা : এ দিনে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলাে তাদের নিজ নিজ মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানায়। আমাদের মহান ভাষা শহিদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানায়। লতিফা : তুমি কীভাবে দিনটি উদ্যাপন কর ? সেলিনা : আমি একুশের প্রতিটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি এবং মনে মনে দৃঢ় শপথ নেই যে, আমি আমার মাতৃভাষাকে সবসময় ভালােবাসব। মাতৃভাষায় রচিত সাহিত্যকে ভালােবাসব। লতিফা : তােমার সাথে কথা বলে আমি অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ। সেলিনা : তােমার জানার আগ্রহের জন্য তােমাকেও ধন্যবাদ। " নারীশিক্ষার গুরুত্ব বিষয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"বাবা : সুরভী, মা তােমার তাে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ। এবার তুমি কী করবে? মেয়ে: বাবা, আমার বান্ধবীরা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ে অংশ নিচ্ছে। আমিও ভর্তি হতে চাই। বাবা : এটাতাে খুব ভালাে কথা। আমি চাই আমার মেয়ে অনেক দূর পর্যন্ত লেখাপড়া করবে । বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য শিক্ষাই এখন বড়াে হাতিয়ার। আজকাল ছেলেদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মেয়েরাও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। তুমি কি এ বিষয়টা উপলব্ধি করতে পার? মেয়ে : হ্যা বাবা, আমাদের কলেজের ইংরেজির শিক্ষকও এ বিষয়ে আমাদের সচেতন করতেন । আমিও স্বপ্ন দেখি বড়াে কিছু হওয়ার। আমি নিজের একটা পরিচিতি গড়ে তুলতে চাই। বাবা : একটা কথা সবসময় মনে রেখাে, তুমি যতদূর পর্যন্ত লেখাপড়া করতে চাও করবে। আমি ও তােমার মা সবসময় তােমার পাশে থাকব। আমি চাই তুমি আইন বিষয়ে পড়। আমার স্বপ্ন তুমি আইনজীবী হবে । রাষ্ট্রের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে সাহসিকতার প্রমাণ রাখবে । সারা দেশে তােমার সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। এটা কেবল নাম, যশ, প্রতিপত্তির জন্যই নয়, বরং সমাজে তােমার পরিচিতি গড়ে তােলার জন্যও জরুরি। মেয়ে : আমিও এমন কিছু করতে চাই, যেন সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারি । শিক্ষা না থাকলে সভা প্রতিপন্ন করে। আমি পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চাই। বাবা : অবশ্যই মা। বর্তমানে নারীশিক্ষার ব্যাপারে আমাদের দেশে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যে দেশের প্রধান প্রধান পদ অলংকার করে আছেন নারীরা, সে দেশে নারীরা পিছিয়ে থাকবে এটা ভাবাই যায় না। তুমি তােমার স্বপ্ন পরণের পথে অগ্রসর হও। এর জন্য সকল সহায়তা ও পরামর্শ আমরা তোমাকে দেবো। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা তােমরা আমার সাথে থাকলে আমি সবকিছু জয় করতে পারব। আমি উচ্চশিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য নারীকেও শিক্ষিত হয়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করব।" বইমেলা সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যকার সংলাপ উপস্থাপন কর,"মিজান : বইমেলায় কি তুমি প্রথম এসেছ? জামান : না, প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য অপেক্ষা করি, বইমেলা শুরু হলে প্রায় প্রতি শুক্রবার এবং ছুটির দিনে বইমেলায় আসি। এ মেলা আমার প্রাণের মেলা। মিজান : আমিও তিন-চার বছর ধরে ঢাকায়। তিন-চার বছর ধরে নিয়মিতই বইমেলায় যাই। এছাড়া অন্য কোথাও বইমেলা হলে সেখানেও যাই। জামান : আমিও তােমার মতাে বইমেলা খুব পছন্দ করি। বইমেলার জন্য আমিও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকি। মিজান : কেমন লাগছে এবারের বইমেলা? জামান : এবার বইমেলাটা বাংলা একাডেমি ও সােহরাওয়ার্দী উদ্যানের কিছু অংশ জুড়ে হওয়ায় জায়গাটা সুপরিসর হয়েছে। ফলে, ঘুরতে বেশ ভালাে লাগছে। মিজান : কী কী বই কিনলে? জামান : এখনাে পর্যন্ত বই কিনিনি। শুধু ক্যাটালগ সংগ্রহ করেছি। সাধ আর সাধ্যের মধ্যে সমন্বয় করে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেব। তুমি কী বই কিনলে? মিজান : তুমি তাে জানাে আমার বিজ্ঞানের প্রতি দুর্বলতা আছে। আমি মূলত বিজ্ঞানভিত্তিক কতকগুলাে বই কিনেছি। ছােটো ভাগ্নেটা পছন্দ করে ডাইনােসর, বড়ােটি পছন্দ করে কমিকস । ওদের জন্য পুথিনিলয়-এর কার্টুন সিরিজের বইগুলাে কিনলাম । ডাইনােসরের কয়েকটি বই কিনলাম ছােটোটির জন্য। জামান : বাচ্চারা মেলায় আসে, বই দেখে, বাবা মায়ের কাছে বায়না করে, বইয়ের পাতা উল্টায় এগুলাে আমার খুব ভালাে লাগে। মিজান : আমারও বইপ্রেমী মানুষদের একত্রে দেখে মনটা আনন্দে ভরে ওঠে। আমিও আশাবাদী হয়ে উঠি। জামান : আমিও আশা করি, বই সকল অজ্ঞানতা দূর করতে সমর্থ হবে। আগামী দিনে বই-ই শিক্ষিত জাতি ও সমাজ বিনির্মাণ করবে।" সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সম্পর্কে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা কর,"বাবা : মুনিয়া, নতুন কলেজে ভর্তি হয়ে কেমন লাগছে? শ্রেণিতে কারও সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে? মুনিয়া : হ্যাঁ, বাবা। আমার দীপান্বিতা নামের একটা মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে। ওর সাথে আমার অনেক কিছুই মিলে যায় । তবে ওর ধর্ম আলাদা। বাবা : বেশ ভালাে কথা। ধর্ম আলাদা হলেও সকল মানুষ সমান। আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনেক নজির রয়েছে। বাংলাদেশে আবহমানকাল ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে ধারা বয়ে চলেছে, বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে তার বহিঃপ্রকাশ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে লক্ষ করা যায়। তুমি কি এ বিষয় উপলব্ধি করতে পার? মনিয়া : হ্যাঁ, আমাদের শ্রেণি শিক্ষকও বলেছেন, বিদ্যালয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে। বাবা : তােমাদের শিক্ষক একদম ঠিক কথা বলেছেন। সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবােধ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। সামনে তাে ইদ। তুমি কি তােমার বান্ধবীকে আমাদের বাসায় নিমন্ত্রণ করতে চাও? মনিয়া : হ্যাঁ বাবা, অবশ্যই। কলেজের প্রথম দিনেই ও আমাকে নানাভাবে সাহায্য করেছে। আগামীকাল ও আমাকে ওদের বাসায় নিয়ে যাবে বলেছে। বাবা : ভালাে। তােমরা একে অপরের সাথে মিলেমিশে থাকবে। তােমাদের দেখে সকলে যেন ধর্মীয় ব্যবধানের উর্ধ্বে গিয়ে মানবতার কথা ভাবতে অনুপ্রাণিত হয়। তােমরা অন্যদেরও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে উদ্বুদ্ধ করবে। আমার কথা মনে থাকবে তাে? মুনিয়া : হ্যাঁ বাবা । তােমার পরামর্শের জন্য অনেক ধন্যবাদ। বাবা : তােমাকেও ধন্যবাদ মা, আমার কথা মনােযােগ দিয়ে শােনার জন্য।" ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে বন্ধুর সাথে তােমার একটি সংলাপ তৈরি কর,"সােহেল : কেমন আছ তুমি? আমি : ভালাে আছি সােহেল। তুমি কেমন আছ? সােহেল : ভালাে। তবে খুব ব্যস্ত আছি। ১ মাস হলাে আমি একটি ইংরেজি শেখার কোর্সে ভর্তি হয়েছি। আমি: হঠাৎ ইংরেজি শেখার কোর্সে ভর্তি হলে কেন? সােহেল : ইংরেজি হলাে আন্তর্জাতিক ভাষা। সারা পৃথিবীতে যােগাযােগের অন্যতম মাধ্যম হলাে ইংরেজি। বর্তমান যুগ ইংরেজির যুগ। তাই এ ভাষায় নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করতেই আমি একটি কোর্সে ভর্তি হয়েছি। আমি: বেশ ভালাে একটা উদ্যোগ নিয়েছ। সব জায়গাতেই এমন ইংরেজি ভাষা দরকার হয়। সােহেল : হ্যা, বন্ধু । তুমি যদি কোনাে বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করতে চাও, তবে তােমার প্রথমেই প্রয়ােজন হবে ইংরেজি পড়া, লেখা, শােনা, ও বলার যােগ্যতা। এছাড়া দেশভ্রমণ, পর্যটক, পর্যটকদের পথ প্রদর্শনকারী, ' বৈমানিক, প্রকৌশলী, ডাক্তার সবারই ইংরেজি জানা প্রয়ােজন। আমি: এছাড়াও তাে ইংরেজি আরও অনেক কাজে লাগে। সােহেল : অবশ্যই। আমাদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের যে বই তাও কমিউনিকেটিভ এপ্রােচ (Communicative Approach) পদ্ধতিতে তৈরি। এখানে আগের মতাে গ্রামার-ট্রান্সলেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে মুখস্ত বিদ্যা জাহির করে পরীক্ষায় ভালাে নম্বর পাওয়ার সুযােগ সীমিত। আমি : অর্থাৎ তুমি বলতে চাচ্ছ, যারা ভাষা শিখনের ক্ষেত্রে চারটি দক্ষতা সমানভাবে রপ্ত করবে তারাই ভালাে করবে। সােহেল : ঠিক তাই। এছাড়া ইংরেজি না জানলে তথ্য ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তুমি পিছিয়ে থাকবে। আমি : সেটা কী রকম? সােহেল : বিশ্বের তথ্য ভান্ডার হলাে ইন্টারনেট। ইন্টারনেটের প্রায় সব তথ্যই ইংরেজিতে। সারা বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, আবিষ্কারের সর্বশেষ তথ্য হতেও বঞ্চিত হবে। আমি: তুমি কি ইংরেজি বলতে পার? সােহেল : আমি খুব ভালােভাবে ইংরেজি বলতে পারি। বলতে পার নিজের চেষ্টায় বার বার অনুশীলন করে শিখেছি। আমি : তােমার কথা শুনে মনে হচ্ছে আমাকেও ইংরেজি শিখতে হবে । সােহেল : হ্যাঁ। সবাইকে শিখতে হবে । আমি : যৌক্তিক পরামর্শের জন্য তােমাকে ধন্যবাদ। সােহেল : তােমাকেও ধন্যবাদ। " দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি কর,"মিজান : কেমন আছ বন্ধু? জামান : ভালাে। কোথায় যাচ্ছ? মিজান : আমি বাজারে যাচ্ছিলাম, মাছ কিনতে। তােমার সাথে দেখা হয়ে ভালােই হলাে। চলাে এক সাথে যাওয়া যাক। জামান : চলাে যাই। কী মাছ কিনবে? মিজান : ইলিশ মাছ। মা বললেন যে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে কয়েকটি মাছ কিনে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। জামান : হ্যাঁ, পহেলা বৈশাখ আসতে তাে আর বেশি দিন বাকি নেই। মিজান : সেজন্য ইলিশের দামও বেড়েছে কয়েক গুণ। এক হালি ইলিশের দাম চার হাজার টাকা। জামান : মায়ের কাছে শুনেছি, তার ছেলেবেলায় সবচেয়ে বড়াে আকারের পদ্মার ইলিশের দামই ছিল মাত্র ২০০ টাকা। কোনাে বাড়িতে ইলিশ রান্না হলে নাকি অনেক দূর হতে ঘ্রাণ পাওয়া যেত। মিজান : আর এখন, মাঝারি আকারের একটি ইলিশের দাম ১০০০ টাকা। ভাবা যায়! জামান : আমরা হয়তাে কিনছি। কিন্তু স্বল্প আয়ের মানুষদের কথা চিন্তা কর। ওদের জন্য এটা কতটা কষ্টের ব্যাপার! মিজান : শুনেছি, অন্যান্য দেশে জিনিসের দাম সরকার ঠিক করে দেয়। অন্যান্য জিনিসের দাম বাড়লেও খাবার জিনিসের দাম বাড়ে না। জামান : আমাদের দেশেও কিছুদিন আগে সরকার নিত্য প্রয়ােজনীয় দ্রব্যের খুচরা ও পাইকারি মূল্য নির্ধারণ করে বাজারে মূল্য তালিকা টাঙানাের নির্দেশ দিয়েছিল। মিজান : সঠিক তদারকির অভাবে সেটাও ভেস্তে গেছে। জামান : জিনিসের দাম এভাবে বাড়ছে কেন? মিজান : চাহিদার চেয়ে জোগান কম হওয়া, চাঁদাবাজি, আড়তদার ও মজুতদারদের কারসাজির কারণেই দ্রব্যের দাম হুড়মুড় করে বাড়ছে। জামান : সরকারের কঠোর আইনি পদক্ষেপই এগুলাে দূর করতে পারে। মিজান : তা পারে। তবে উৎপাদন বাড়াতে হবে। জামান : উৎপাদন যদি বাড়ানাে যায়, সরকারের কঠিন তৎপরতায় যদি নির্বিঘ্নে পণ্য সারা দেশে সরবরাহ করা যায়, তবে পরিস্থিতি আরও উন্নতি হবে। মিজান : হ্যাঁ, আমিও মনে করি সরকার ও জনগণের মিলিত প্রচেষ্টায়ই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।" এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ লেখ,"সােহেল : কেমন আছ? আরমান : ভালাে বন্ধু । তুমি কেমন আছ? সােহেল : ভালাে আছি। তবে পরীক্ষা নিয়ে খুব চিন্তিত আছি। আরমান : তুমি তােমার রসায়ন বিষয়টি সম্পূর্ণ আয়ত্তে আনতে পারনি? সােহেল : রসায়নে আমি সব পড়ে ফেলেছি। বুঝেও পড়েছি কিন্তু তবুও মনে হচ্ছে সবই ভুলে যাচ্ছি। আরমান : চিন্তা করাে না বন্ধু, পরীক্ষার আগে এমনই হয়। আমারও মনে হচ্ছে সব ভুলে যাচ্ছি। দেখবে পরীক্ষায় ঠিকই সব লিখতে পারবে। শ্রেণি পরীক্ষার সময়ও এমনই হয়েছিল, না? ? সােহেল : হ্যা, কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষাটি মনে একটি বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। তােমার রসায়নে প্রস্তুতি কেমন? আরমান : ভালাে। আমি ভয় পাচ্ছি বাংলা প্রথম পত্র নিয়ে । সৃজনশীল বিষয়ে কেমন উদ্দীপক হয়, তাই নিয়ে । সােহেল : উদ্দীপক যেমনই হােক, সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলাে মূল বইয়ের প্রতিটি অংশ ভালােভাবে পড়া । এমন উদ্দীপকই দেবে, যেটা পাঠ্যবইয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অথবা বৈসাদৃশ্যপূর্ণ অথবা পাঠ্যবিষয়ের খণ্ডাংশের চিত্র। এই সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও খণ্ডাংশকে তুমি তখনই যথার্থভাবে চিত্রিত করতে পারবে, যখন তুমি মূল বই ভালােভাবে পড়বে। আরমান : ঠিক বলেছ বন্ধু, আর চিন্তা করব না। আমি এভাবেই পড়ব। সােহেল : আমিও রসায়ন নিয়ে আর ভাববাে না। শুধু পড়ব আর লিখব। তাহলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরমান : পড়ার মাঝখানে বিশ্রাম নেবে। এতে পড়াটা ভালােভাবে মনে থাকবে। সােহেল : ধন্যবাদ বন্ধু। আরমান : তােমাকেও ধন্যবাদ।" ধূমপানের ক্ষতিকর দিক নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি কর,"তপন : এই যে শৌখিন, কেমন আছ? শৌখিন : ভালাে, তুমি কেমন আছ? তপন : ভালাে। আজকাল তােমার দেখাই পাওয়া যায় না। কোথায় থাকো বলত? তােমাকে দেখতে বেশ রােগা মনে হচ্ছে। শরীর খারাপ করেনি তাে? শৌখিন : হ্যাঁ, শরীর একটু খারাপ। খুসখুসে কাশি। তপন : কাশি তাে হবেই। যে হারে ধূমপান কর! ডাক্তার দেখিয়েছ? শৌখিন : ডাক্তার দেখিয়েছি। কিন্তু কোনাে লাভ নেই। ডাক্তার বলেছেন ধূমপান ছাড়তে হবে। তপন : ডাক্তার তাে ঠিকই বলেছেন বন্ধু। ধূমপান ছাড়ছ না কেন? শৌখিন : ছাড়তে তাে চাচ্ছি, পারছি না তাে। তপন : মানুষ চাইলে সব পারে শৌখিন। আর তুমি সিগারেট ছাড়তে পারছ না? শৌখিন : ধূমপান ছাড়া পাঠেও মনােযােগ দিতে পারি না? তপন : ধূমপান যে বিষপান তা কি তুমি জানাে না? শৌখিন: বিষপান কেন? তপন : এই যে তুমি কাশিতে ভুগছ, এটি শ্বাসতন্ত্রের একটি উপসর্গ। এছাড়া ক্যান্সার, হৃদরােগ ইত্যাদিও ধুমপানের। এ কারণে হয় এসব রােগের ভয়াবহ পরিণতি, চিকিৎসার ব্যয়ভার সম্পর্কে জানাে? শৌখিন : না, জানি না। তপন : একবার আমার সাথে ঢাকা মেডিকেলে বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবে । তােমাকে হৃদরােগ বিভাগ বা ক্যান্সার বিভাগ ঘুরে দেখাব । ভিটেমাটি বিক্রি করে সর্বস্ব হারানাে লােকগুলাের কষ্ট নিজের চোখে দেখবে। শৌখিন : তুমি এত রাগ করছ কেন বন্ধু? তপন : আমার বন্ধুর এত বড়াে ক্ষতি হয়ে যাবে? আর আমি তাকিয়ে দেখব? শৌখিন : ধূমপান যদি এতই ক্ষতিকর হয়ে থাকে, তবে আমি অবশ্যই ধূমপান ত্যাগ করব । তপন : ধন্যবাদ বন্ধু। শৌখিন : তােমাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।" ছুটির দিনে বিদ্যালয়ের মাঠ খেলার জন্য উন্মুক্ত রাখার আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকছায়া উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: ছুটির দিনে বিদ্যালয়ের মাঠ খেলার জন্য উন্মুক্ত রাখার আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্র। আমাদের এলাকায় খেলার পর্যাপ্ত জায়গার অভাব রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠটিই একমাত্র উপযুক্ত স্থান যেখানে খেলাধুলা করা যায়। কিন্তু ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মাঠটিও তালাবদ্ধ থাকে। এতে আমরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হই। অতএব, আপনার সদয় বিবেচনায় ছুটির দিনে বিদ্যালয়ের মাঠ খোলার অনুমতি প্রদানের জন্য আমরা বিনীতভাবে আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদকগণ বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র শ্রেণি: নবম" মাধ্যমিক পরীক্ষা উপলক্ষে অতিরিক্ত ক্লাস চালুর জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নবদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমরা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। সামনের বোর্ড পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য আমাদের পাঠ্যসূচির আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন। অনেক বিষয় বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই আমরা চাই, প্রতি সপ্তাহে দু’দিন করে অতিরিক্ত ক্লাসের আয়োজন করা হোক। অতএব, পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে অতিরিক্ত ক্লাস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদক সুমাইয়া রহমান শ্রেণি: দশম, রোল: ৫" ভর্তি ফি মওকুফের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বর্ণমালা উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয়: ভর্তি ফি মওকুফের আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে আগ্রহী। কিন্তু পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ভর্তি ফি প্রদান করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্র। অতএব, মানবিক বিবেচনায় আমার ভর্তি ফি মওকুফ করে ভর্তি সুযোগ প্রদান করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক আবু বকর সিদ্দিক শ্রেণি: নবম (ভর্তি প্রত্যাশী)" স্কুল ফি জমা দিতে বিলম্বের কারণে আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সারথী উচ্চ বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। বিষয়: ফি জমা দিতে বিলম্বজনিত কারণে অনুরোধ। মান্যবর, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। পারিবারিক আর্থিক সংকটের কারণে চলতি মাসের ফি নির্ধারিত সময়ে জমা দিতে পারিনি। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ফি পরিশোধ করব। অতএব, বিলম্বের বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে আমার নামে কোনো জরিমানা আরোপ না করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক রফিকুল ইসলাম শ্রেণি: দশম, রোল: ১৭" অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে মোবাইল ডেটা সহায়তার আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আধুনিক বিদ্যাপীঠ, রংপুর। বিষয়: অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণে মোবাইল ডেটা সহায়তা সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, করোনা পরবর্তী সময়েও আমাদের বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস চালু রয়েছে। কিন্তু আমি মোবাইল ডেটার খরচ বহন করতে পারছি না। ফলে অনেক ক্লাস মিস হয়ে যাচ্ছে। অতএব, আমাকে অনলাইনে সংযুক্ত রাখার স্বার্থে কিছু আর্থিক সহায়তা বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক আয়েশা খাতুন শ্রেণি: নবম, রোল: ৯" ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নওগাঁ মডেল হাই স্কুল, নওগাঁ। বিষয়: এক দিনের ছুটির আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, আগামী ১৬ই এপ্রিল আমার পারিবারিক একটি অনুষ্ঠান রয়েছে। সেজন্য উক্ত তারিখে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারব না। অতএব, আমাকে এক দিনের ছুটি মঞ্জুর করার জন্য আপনার সদয় অনুমতির আবেদন করছি। নিবেদক ইমরান হোসেন শ্রেণি: দশম, রোল: ৩ " বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান পরীক্ষাগারে যন্ত্রপাতি চাহিদার আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, মুজিব আদর্শ স্কুল, সিলেট। বিষয়: বিজ্ঞান পরীক্ষাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির চাহিদা। মান্যবর, আমরা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। পরীক্ষাগারে প্রয়োজনীয় উপকরণ (বীকার, টেস্ট টিউব, মাপজোকের যন্ত্রপাতি) না থাকায় নিয়মিত ক্লাস কার্যকর হচ্ছে না। অতএব, পরীক্ষা ও অনুশীলনের স্বার্থে দ্রুত এই যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আপনার সদয় বিবেচনা প্রার্থনা করছি। নিবেদক সায়েম হাসান শ্রেণি: দশম, রোল: ৬" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির বই ফেরতের সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ক্যামব্রিয়ান স্কুল, চট্টগ্রাম। বিষয়: লাইব্রেরি বই ফেরতের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, বর্তমানে লাইব্রেরি বই ৭ দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। পাঠ্য চাপে অনেকেই বই শেষ করতে পারি না। অতএব, বই ফেরতের সময়সীমা ৭ দিনের পরিবর্তে ১৪ দিন করার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক রুমানা জাহান শ্রেণি: নবম, রোল: ৮" অনুপস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশপূর্বক ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: পূর্বের অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। মান্যবর, গত ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত আমি জ্বরে আক্রান্ত থাকায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, অনুপস্থিতির কারণে দয়া করে আমাকে উক্ত দিনগুলোর ছুটি মঞ্জুর করলে কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক ফারিহা ইসলাম শ্রেণি: দশম, রোল: ১০" বিদ্যালয়ে সংস্কৃতি চর্চার ক্লাব গঠনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সৃজনশীল বিদ্যালয়, মাদারীপুর। বিষয়: সংস্কৃতি চর্চার ক্লাব গঠনের আবেদন। মান্যবর, নবম ও দশম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা নাটক, গান ও আবৃত্তির প্রতি আগ্রহী। এসব চর্চার জন্য একটি সাংস্কৃতিক ক্লাব গঠন জরুরি। অতএব, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি সাংস্কৃতিক ক্লাব চালুর ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সদয় অনুমতি কামনা করছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ" শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান বসানোর জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ বিদ্যানিকেতন, মেহেরপুর। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান বসানোর আবেদন। মান্যবর, আমরা দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী। আমাদের শ্রেণিকক্ষে তীব্র গরম ও বদ্ধ বাতাসের কারণে পাঠে মনোযোগ দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শ্রেণিকক্ষে কোনো সিলিং ফ্যান নেই, যা আমাদের ভোগান্তির অন্যতম কারণ। অতএব, ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক স্বস্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধির স্বার্থে শ্রেণিকক্ষে সিলিং ফ্যান স্থাপনের জন্য আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রোল: যথাক্রমে ১–১৫" পরীক্ষার ফলাফল পুনঃমূল্যায়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বর্ণালী বালিকা বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল। বিষয়: গণিত বিষয়ের ফল পুনঃমূল্যায়নের আবেদন। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, সাম্প্রতিক পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে আমার সন্দেহ রয়েছে। আমি প্রশ্নের সব উত্তর দিয়েছিলাম, অথচ অপ্রত্যাশিতভাবে খুব কম নম্বর পেয়েছি। অতএব, নম্বর পুনঃমূল্যায়নের জন্য আপনার সদয় অনুমতির আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক সাবিনা ইয়াসমিন শ্রেণি: নবম, রোল: ১২" বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বেলতলী উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বিষয়: বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ছুটির আবেদন। মান্যবর, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ১৭ই এপ্রিল আমার বড় বোনের বিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ওই সময়টায় আমি পারিবারিক কাজে ব্যস্ত থাকবো। অতএব, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল দুই দিনের ছুটি প্রদানের জন্য আপনার অনুমতি কামনা করছি। নিবেদক মাহিনুর রহমান শ্রেণি: দশম, রোল: ১৪" শীতের পোশাক সহায়তার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নবজাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও। বিষয়: শীতবস্ত্র সহায়তা প্রদানের আবেদন। মান্যবর, আমরা কয়েকজন দরিদ্র ছাত্রছাত্রী। আমাদের পরিবারের পক্ষে শীতের উপযুক্ত পোশাক সংগ্রহ করা কষ্টকর। অতিরিক্ত ঠাণ্ডার কারণে আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ছি এবং স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারছি না। অতএব, শীতবস্ত্র সহায়তা প্রদানের জন্য আপনার সহানুভূতিশীল বিবেচনা কামনা করছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির দরিদ্র ছাত্রছাত্রী" অফিসে ছুটি মঞ্জুরের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, ব্যবস্থাপক, অভিযান সফটওয়্যার সল্যুশন, মিরপুর, ঢাকা। বিষয়: তিন দিনের ছুটি মঞ্জুরের আবেদন। জনাব, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। পারিবারিক জরুরি কাজে আমাকে আগামী ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত গ্রামের বাড়ি যেতে হবে। অতএব, উক্ত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করলে আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক আতিকুজ্জামান পদবি: সহকারী কর্মকর্তা" অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সোনালী শিক্ষা নিকেতন, মানিকগঞ্জ। বিষয়: অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমরা নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মনে করি অভিভাবকদের অংশগ্রহণে একটি সমাবেশ আয়োজন অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে শিক্ষক-অভিভাবক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং শিক্ষার্থীদের আচরণ ও ফলাফলের উন্নতি ঘটবে। অতএব, আগামী মাসের দ্বিতীয় শনিবার অভিভাবক সমাবেশ আয়োজনের অনুমতি প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সোনালী শিক্ষা নিকেতন" বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, গ্রামীণ উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারগঞ্জ, জামালপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ে বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনা ঘটেছে এবং রাতে কেউ দায়িত্বে থাকেন না। এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ খুবই প্রয়োজন। অতএব, বিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে একজন প্রহরী নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মাহবুব হোসেন দশম শ্রেণি, রোল: ১৫" বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, ৩নং ওয়ার্ড, কাওরানবাজার ইউনিয়ন পরিষদ, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তা সংস্কারের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তার অবস্থা খুবই করুণ। বৃষ্টির সময় হাটু পানি জমে থাকে এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ে। অতএব, দ্রুত রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদকগণ স্থানীয় ছাত্র ও অভিভাবকবৃন্দ" শিক্ষক বদলির কারণে নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত বিদ্যাপীঠ, নেত্রকোনা। বিষয়: গনিত বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক সদ্য বদলি হয়েছেন। ফলে শ্রেণিকক্ষে গণিত পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বোর্ড পরীক্ষার আগে এ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। অতএব, জরুরিভাবে গণিত বিষয়ের নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ রোল: ১–২০" ছাড়পত্র চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, গ্রীন ফিল্ড স্কুল, বরগুনা। বিষয়: ছাড়পত্র প্রদানের আবেদন। মান্যবর, আমার পরিবার সম্প্রতি অন্য জেলায় চলে গেছে। ফলে আমার পক্ষে এই বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা আর সম্ভব নয়। আমি অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আগ্রহী। অতএব, আমাকে ছাড়পত্র প্রদান করে কৃতজ্ঞ করার অনুরোধ করছি। নিবেদক সাকিফ হোসেন শ্রেণি: নবম, রোল: ৭" দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা সহ আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, উত্তরা মডেল স্কুল, ঢাকা। বিষয়: দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, পারিবারিক একাধিক সমস্যা ও দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে আমি গত এক মাস বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। এই অনুপস্থিতির জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। অতএব, আমার পরিস্থিতি বিবেচনায় অনুপস্থিতির বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে বিদ্যালয়ে পুনঃভর্তির সুযোগ দিলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক রাফি আনোয়ার শ্রেণি: দশম, রোল: ১৬" অসুস্থতার কারণে ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সুরভি উচ্চ বিদ্যালয়, নরসিংদী। বিষয়: অসুস্থতার কারণে তিন দিনের ছুটির আবেদন। মান্যবর, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্রী। গতকাল হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় ডাক্তারের পরামর্শে বিশ্রামে আছি। অতএব, আগামী তিন দিন (১৫–১৭ এপ্রিল) ছুটি মঞ্জুর করলে বাধিত থাকব। নিবেদক সারমিন আক্তার শ্রেণি: নবম, রোল: ০৯ " আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রূপনগর মডেল হাই স্কুল, ঢাকা। বিষয়: আর্থিক সহায়তার আবেদন। মান্যবর, আমার পিতা একজন দিনমজুর। আমাদের পরিবারের অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। পড়াশোনার খরচ চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। অতএব, আমার শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে কিছু আর্থিক সহায়তা প্রদান করলে আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক নাজমুল হাসান শ্রেণি: নবম, রোল: ৪ " জরুরি প্রয়োজনে আগাম ছুটির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয়: জরুরি পারিবারিক প্রয়োজনে ছুটির আবেদন। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, আগামীকাল আমাদের গ্রামে একটি জরুরি পারিবারিক অনুষ্ঠান রয়েছে। আমাকে পূর্বেই সেখানে যেতে হবে। অতএব, আগামী ১৬ এপ্রিল তারিখে আমাকে এক দিনের ছুটি দিলে বাধিত থাকব। নিবেদক রুমেল শেখ শ্রেণি: দশম, রোল: ১১" বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘষে রং করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, মহেশখালী উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার। বিষয়: বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘষে নতুন রং করার আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষগুলোর দেয়ালে বহু স্থানে চিহ্ন, দাগ ও পলেস্তারা উঠে গেছে। এতে শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ অস্বস্তিকর হয়ে পড়েছে। অতএব, দেয়ালগুলো ঘষে রং করার ব্যবস্থা নিলে ছাত্রছাত্রীরা আরও উৎসাহ নিয়ে পাঠ গ্রহণ করবে। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" নতুন পাঠ্যবই সরবরাহ না পাওয়ার বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, গোয়ালন্দ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী। বিষয়: কিছু পাঠ্যবই এখনও হাতে না পাওয়ার বিষয়ে আবেদন। মান্যবর, নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও আমি এখনো বাংলা ও গণিত বিষয়ের নতুন পাঠ্যবই পাইনি। এতে পাঠ্যক্রমে অনেক অসুবিধা হচ্ছে। অতএব, আপনার সদয় উদ্যোগে দ্রুত পাঠ্যবই সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক রায়হান কবির শ্রেণি: অষ্টম, রোল: ৬" বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবের উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নতুনতরঙ্গ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চট্টগ্রাম। বিষয়: কম্পিউটার ল্যাবের যন্ত্রপাতি ও ইন্টারনেট সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে অল্পসংখ্যক পুরোনো কম্পিউটার রয়েছে এবং কোনো ইন্টারনেট সংযোগ নেই। এতে করে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, দ্রুত ল্যাব আধুনিকায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীবৃন্দ" জরিমানা মওকুফের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রাজারহাট উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম। বিষয়: বিলম্ব ফি সংক্রান্ত জরিমানা মওকুফের আবেদন। মান্যবর, পিতার অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফি জমা দিতে পারিনি। ইতোমধ্যে আমি মূল ফি জমা দিয়েছি। অতএব, বিলম্বজনিত জরিমানা মওকুফ করে আমাকে সহযোগিতা করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক মোঃ রাকিবুল ইসলাম শ্রেণি: নবম, রোল: ১৩ " বিদ্যালয়ের খেলাধুলার সামগ্রী উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত ভবিষ্যৎ বিদ্যানিকেতন, রাজশাহী। বিষয়: খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে নিয়মিত খেলাধুলায় অংশ নেই। কিন্তু বল, ব্যাট, জার্সি প্রভৃতি প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব রয়েছে। অতএব, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের স্বার্থে নতুন খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদকগণ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া অনুরাগী ছাত্রছাত্রী " পুস্তক ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আশার আলো উচ্চ বিদ্যালয়, গাইবান্ধা। বিষয়: পুস্তক ভাতা পাওয়ার আবেদন। মান্যবর, আমি একজন দরিদ্র পরিবারের সন্তান। আমার পিতা একজন ভ্যানচালক। লেখাপড়ার খরচ বহন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অতএব, পুস্তক ভাতার জন্য আমার নাম তালিকাভুক্ত করলে আমি নিয়মিতভাবে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে পারব। নিবেদক জয়ন্ত দাস শ্রেণি: নবম, রোল: ০৩" একটি শিক্ষা সফরে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে সংলাপ,"রায়হান: বন্ধু, শুনেছিস? আমাদের স্কুল থেকে কুমিল্লার ময়নামতিতে শিক্ষা সফরের পরিকল্পনা হয়েছে। তুহিন: হ্যাঁ, শুনেছি। আমি তো খুবই উত্তেজিত! কবে যাওয়ার কথা? রায়হান: আগামী শুক্রবার। সবাই মিলেই যাচ্ছি। ইতিহাস বিভাগের উদ্যোগে আয়োজন। তুহিন: দারুন! আমরা কিভাবে যাবো? রায়হান: স্কুল থেকে বাসে করে। সকাল ৮টায় রওনা দিব। তুহিন: তাহলে আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে হবে। আমি মায়ের কাছে অনুমতি চাইব। রায়হান: আমি ওদের বলে দিয়েছি, তোর নাম যেন লিস্টে থাকে। তুহিন: অসংখ্য ধন্যবাদ বন্ধু! " পাঠ্যপুস্তক ছাড়া গল্পের বই পড়ার উপকারিতা নিয়ে সংলাপ,"সুমনা: জানিস, আমি সম্প্রতি হুমায়ূন আহমেদের ‘নন্দিত নরকে’ পড়েছি। অসাধারণ লেগেছে। সায়মা: তাই? পাঠ্যবই ছাড়া গল্পের বই পড়া কি সময়ের অপচয় নয়? সুমনা: একেবারেই না। বরং এতে চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তি বাড়ে। ভাষা শেখাতেও সাহায্য করে। সায়মা: তাই নাকি? আমি তো শুধু পাঠ্যবই নিয়েই থাকি। সুমনা: মাঝে মাঝে ভিন্ন কিছু পড়লে মন ভালো থাকে। তুই একবার চেষ্টা কর! সায়মা: ঠিক বলেছিস। আজই একটা গল্পের বই খুঁজে পড়বো।" স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"আনিকা: আজকাল তুমি দুপুরে ভাত খাচ্ছো না কেন? তন্ময়: ডাক্তার বলেছে হালকা খাবার খেতে। তেল-মশলার খাবার এখন এড়িয়ে চলছি। আনিকা: বুঝেছি। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হলে খাবারের দিকেও নজর দেওয়া দরকার। তন্ময়: হ্যাঁ। তাই এখন ফল, শাকসবজি, ডাল এসবই খাই। আনিকা: দারুন! আমিও চেষ্টা করব নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার। তন্ময়: তাহলেই তো জীবনটা হবে আরও সুন্দর।" ভবিষ্যতে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে সংলাপ,"জিয়াদ: আমি ভাবছি, বড় হয়ে নিজেই একটা স্কুল প্রতিষ্ঠা করব। রফিক: বাহ! বেশ মহৎ ইচ্ছা। কোথায় করতে চাস? জিয়াদ: আমার গ্রামের বাড়িতে। ওখানে এখনও ভালো স্কুল নেই। রফিক: তুই কি বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা দিতে চাইবি? জিয়াদ: হ্যাঁ। বইয়ের পাশাপাশি বাস্তবজ্ঞান, প্রযুক্তি, এবং নৈতিকতাও শেখানো হবে। রফিক: দারুন ভাবনা। আমি তোর পাশে থাকব বন্ধু।" বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"মাহিন: আজ স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিস? জিহাদ: হ্যাঁ, তিনটি গাছ লাগিয়েছি আমি নিজে হাতে। মাহিন: গাছ লাগানো তো পরিবেশের জন্য কত উপকারী! জিহাদ: একদম ঠিক বলেছিস। এতে বায়ু বিশুদ্ধ হয়, ছায়াও মেলে। মাহিন: আমাদের উচিত প্রতিবছর গাছ লাগানোর প্রতিজ্ঞা করা। জিহাদ: চল, আগামী মাসে নিজেরাও উদ্যোগ নিই।" ভবিষ্যতের পেশা নিয়ে আলোচনা,"রুমেল: তোদের ক্লাসে অনেকেই নাকি ডাক্তার হতে চায়? সোহেল: হ্যাঁ। আমি নিজেও ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। রুমেল: আমার ইচ্ছা, আমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হই। সোহেল: বাহ! তোর তো প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ অনেক। রুমেল: হ্যাঁ। আমরা যার যার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলি বন্ধু। সোহেল: একদিন ঠিকই সফল হবো ইনশাআল্লাহ।" একটি নাটক মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"তৌফিক: চলতি বছরে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমরা একটা নাটক মঞ্চস্থ করি কেমন? রায়হান: দারুন আইডিয়া! কোন নাটকটা করব? তৌফিক: ‘শূন্যপদ’ নাটকটা কেমন হবে? চরিত্রও বেশি নয়। রায়হান: ভালোই হবে। আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে মহড়া শুরু করব? তৌফিক: হ্যাঁ। আজই সবাইকে জানিয়ে দিই।" নতুন ক্লাস টিচার সম্পর্কে মতবিনিময়,"নাওয়াল: নতুন ক্লাস টিচারকে কেমন লাগছে তোমার? রিজভী: খুবই ভালো। উনি ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে পড়ান। নাওয়াল: হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হয়েছে। উনার কণ্ঠও অনেক মিষ্টি। রিজভী: আর উনার আচরণ এত বিনয়ী! নাওয়াল: এমন শিক্ষক থাকলে পড়ালেখায় আগ্রহ দ্বিগুণ হয়ে যায়। রিজভী: একদম ঠিক।" জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা,"সাজিদ: গরমটা এবার কি একটু বেশি না? নবীন: হ্যাঁ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন বেশ স্পষ্ট। সাজিদ: বর্ষাকালে বৃষ্টি হয় না, আবার শীতকালে বৃষ্টি নামে! নবীন: গাছ কাটার কারণেই এসব হচ্ছে। সাজিদ: তাই আমরা সচেতন না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। নবীন: চল, সবাইকে পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিই।" পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সংলাপ,"সোহান: আমি লক্ষ্য করছি তুই সব সময় শুধু বই নিয়েই থাকিস। রিদয়: হ্যাঁ, পড়া তো জরুরি। সোহান: কিন্তু খেলাধুলাও ততটাই দরকার। এতে শরীর সুস্থ থাকে, মন ফ্রেশ হয়। রিদয়: ঠিক বলছিস। আমি সময় বের করে খেলব। সোহান: চল, আজ বিকেলেই ক্রিকেট খেলতে যাই।" দুই বন্ধুর মধ্যে দূরত্ব ও মিলিয়ে ফেলা প্রসঙ্গে আলোচনা,"সাজিদ: তুই কি এখনও আমার উপর রাগ করে আছিস? গতকাল তো আমার সঙ্গে কথাই বললি না! রিজভী: না রে, রাগ করে ছিলাম ঠিকই। তবে এখন আর রাগ নেই। তোর ব্যবহারে একটু কষ্ট পেয়েছিলাম। সাজিদ: বুঝতে পারছি রে, ভুলটা আমারই ছিল। তোকে না জানিয়ে ওদের সঙ্গে বেড়াতে চলে গিয়েছিলাম। ভাবিনি তুই কষ্ট পাবি। রিজভী: বন্ধুত্বে বুঝি ভুল হতে নেই? তুই বললি না বললি, সেটা বড় বিষয় নয়। আমি শুধু একটু গুরুত্ব আশা করেছিলাম। সাজিদ: হ্যাঁ, তুই ঠিক বলেছিস। বন্ধুত্বে ছোট ছোট ব্যাপারগুলোই তো বড় হয়ে ওঠে। আমি তোকে ছাড়া একঘেয়ে লাগে রে। রিজভী: আমিও তোর অভাব টের পাচ্ছিলাম। আমাদের ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে এত কিছু — হঠাৎ দুরত্ব ভালো লাগছিল না। সাজিদ: চল, পুরোনো দিনের মত আবার শুরু করি। তুই আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। রিজভী: হ্যাঁ রে ভাই, একসাথে থাকব, সব ভুলে। সাজিদ: আজ স্কুলের পর চল মাঠে খেলতে যাই। অনেকদিন পর ভালো সময় কাটাব। রিজভী: ঠিক আছে, তোর সঙ্গে সময় কাটানো মানেই হাসিখুশি থাকা। " ভবিষ্যতে লেখক হতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সংলাপ,"সুমন: জানিস রাহুল, আমি বড় হয়ে একজন লেখক হতে চাই। রাহুল: বাহ! দারুণ স্বপ্ন তো! লেখালেখির প্রতি এত আগ্রহ কবে থেকে? সুমন: ক্লাস ফাইভে থাকতে একটা ছোট গল্প লিখেছিলাম। শিক্ষক বলেছিলেন খুব ভালো হয়েছে। তখন থেকেই ইচ্ছে জন্ম নেয়। রাহুল: এখন কী ধরনের লেখা লেখিস? সুমন: গল্প, কবিতা, মাঝে মাঝে প্রবন্ধও। কিন্তু বেশি ভালো লাগে কল্পনার জগতে ঘোরাঘুরি করতে। রাহুল: দারুণ। লেখালেখি মনকে প্রসারিত করে। তোর লেখা আমি পড়তে চাই। সুমন: ইনশাআল্লাহ একদিন তুই দেখবি, আমার বই বইমেলায় বিক্রি হচ্ছে! রাহুল: আমি তোর প্রথম পাঠক হব। তবে একজন লেখকের মন বিশাল হতে হয়, সহানুভূতি থাকতে হয়। সুমন: আমি চেষ্টা করছি সব দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে শেখার। তোর মতো বন্ধু পাশে থাকলে হয়তো সত্যিই পারব। রাহুল: তুই একদিন দেশের গর্ব হব — আমি বিশ্বাস করি।" নববর্ষ উদযাপন নিয়ে সংলাপ,"রুহি: তোর নববর্ষটা কেমন কাটল? শ্রেয়া: অসাধারণ! সকালে মা আর ভাইকে নিয়ে রমনায় গিয়েছিলাম। তোদের পরিবার কোথায় গিয়েছিল? রুহি: আমরা কলেজের মাঠে মেলা দেখতে গিয়েছিলাম। পান্তা-ইলিশ খেলাম, তারপর নাচ-গানও দেখলাম। শ্রেয়া: পান্তা-ইলিশ তো আমাদের বর্ষবরণে আবশ্যক হয়ে গেছে! রুহি: হ্যাঁ, আর সবার মুখে হাসি, চারপাশে আলপনা — সব মিলিয়ে অন্যরকম একটা আনন্দ। শ্রেয়া: এ বছর আমি একটা লাল-সাদা শাড়ি পরে গিয়েছিলাম, সবাই খুব প্রশংসা করেছে। রুহি: লাল-সাদা তো পহেলা বৈশাখের প্রাণ! আর হ্যাঁ, নতুন বছরের শুভকামনা তোকে। শ্রেয়া: তোকে-ও রে। চল, আগামী বছর আরও বড় পরিকল্পনা করব। " মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে দাদার সঙ্গে সংলাপ,"নাফিস: দাদা, তুমি তো মুক্তিযুদ্ধ দেখেছো। একটু বলো না, তখন কেমন ছিল সবকিছু? দাদা: আহা রে, সেই দিনগুলোর কথা ভাবলেই গা শিউরে ওঠে। আমরা স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখেছিলাম। নাফিস: তোমার বয়স কত ছিল তখন? দাদা: আমি তখন ১৯ বছরের তরুণ। বাড়ি ছেড়ে যুদ্ধে যোগ দিই, কুমিল্লা সীমান্তে। নাফিস: ভয় লাগত না? দাদা: ভয় ছিল, কিন্তু দেশের প্রতি ভালোবাসা ভয়কে জয় করেছিল। নাফিস: তোমরা কীভাবে যোগাযোগ রাখতেন? দাদা: তখন মোবাইল ছিল না। দূত পাঠিয়ে খবর পাঠাতাম। অনেকেই শহীদ হয়েছে। এখন তাদের কথা মনে পড়লে চোখ ভিজে যায়। নাফিস: দাদা, তোমরা না হলে আজকে আমরা স্বাধীনতা পেতাম না। দাদা: আমরা শুধু দায়িত্ব পালন করেছি। স্বাধীনতা রক্ষা এখন তোমাদের কাজ। " শীতকালীন ছুটি কাটানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"সাদিয়া: তোর ছুটিটা কেমন কাটল? মারিয়া: একদম জমে গেল। আমরা সিলেট গিয়েছিলাম — চা বাগান, জাফলং, লালাখাল ঘুরেছি। সাদিয়া: বাহ! আমি শুধু নানাবাড়ি গিয়েছিলাম। কিন্তু সবার সঙ্গে দেখা হওয়ায় খুব ভালো লেগেছে। মারিয়া: ছুটিতে পরিবার, আত্মীয়দের সঙ্গে সময় কাটানোই তো আনন্দ। সাদিয়া: আর শীতে চা আর পিঠার স্বাদই আলাদা। মারিয়া: হা হা, আমি তো ১০ রকম পিঠা খেয়েছি এই ছুটিতে। সাদিয়া: আমাদের স্কুল খুললেই আবার রুটিনে ফেরা। কিন্তু এই স্মৃতিগুলো মনে থাকবে। মারিয়া: হ্যাঁ, চল, পরবর্তী ছুটির জন্য আগেই প্ল্যান করে ফেলি! " পরিবেশ দূষণ রোধে করণীয় নিয়ে সংলাপ,"মোহিন: শহরের বাতাস দিন দিন কেমন যেন বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে। শামীম: একদম ঠিক। গাড়ির ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য — সব মিলিয়ে শ্বাস নেওয়াও কষ্টকর। মোহিন: প্লাস্টিক দূষণও একটা বড় সমস্যা। নদীতে, রাস্তায় — সবখানে প্লাস্টিক! শামীম: অথচ আমরা যদি প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে সচেতন হই, অনেক পরিবর্তন সম্ভব। মোহিন: স্কুলে একটা পরিবেশ ক্লাব করলে কেমন হয়? শামীম: দারুণ হবে! গাছ লাগানো, পোস্টার বানানো, ক্যাম্পেইন — সব করব। মোহিন: পরিবেশ বাঁচাতে হলে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে।" সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে সংলাপ,"আফরিন: আজ সকালে স্কুলে আসার সময় একটা দুর্ঘটনা দেখলাম, খুব ভয়ংকর! লাবিবা: সত্যি? কি হয়েছিল? আফরিন: এক মোটরসাইকেল আর সিএনজি মুখোমুখি ধাক্কা খায়। এক ভাইয়ের পা ভেঙে যায়। লাবিবা: আল্লাহ রক্ষা করেছেন। এখন তো দুর্ঘটনা হরহামেশাই হচ্ছে। আফরিন: হ্যাঁ। সবাই যদি ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলত, তাহলে অনেকটা কমতো। লাবিবা: চালকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা দরকার। আমাদেরও সতর্ক হতে হবে।" পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"সোহেল: কেমন চলছে পরীক্ষার প্রস্তুতি? রায়হান: মোটামুটি। গাণিতিক অংশ একটু দুর্বল, তাই সেটা বেশি সময় দিচ্ছি। সোহেল: আমি সাহিত্যে পিছিয়ে। বিশ্লেষণ অংশটা বুঝতে কষ্ট হয়। রায়হান: চল, একসঙ্গে রিভিশন দেই। তুই সাহিত্যে সাহায্য কর, আমি তোকে অঙ্ক বুঝিয়ে দিই। সোহেল: দারুণ প্ল্যান! এভাবেই তো আসল বন্ধুত্ব। রায়হান: একসাথে পড়লে ভয় অনেকটাই কমে যায়।" বড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন নিয়ে আলোচনা,"রিশাদ: এখনকার ছেলেমেয়েদের মধ্যে বড়দের প্রতি সম্মান কমে যাচ্ছে না? ফারিয়া: হ্যাঁ, অনেকেই ভালো ব্যবহার জানে না। বাবা-মাকে দাম দেয় না। রিশাদ: কিন্তু পরিবারে ভালো শিক্ষা দিলে তো এমন হতো না। ফারিয়া: আমরা যদি ছোটবেলা থেকেই শ্রদ্ধা করতে শিখি, সমাজটাই বদলাবে। রিশাদ: স্কুলেও এসব বিষয়ে পাঠ থাকা দরকার। ফারিয়া: হ্যাঁ, মূল্যবোধ গঠনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বড় ভূমিকা রাখতে পারে।" অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা,"জান্নাত: জানিস, আমার মা আমাকে সব সময় পাশে থেকে পড়ায়। তামান্না: সত্যি? আমার মা-বাবাও আমার রুটিন ঠিক করে দেন। জান্নাত: অভিভাবকদের এই দায়িত্বশীল আচরণেই তো সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তামান্না: হ্যাঁ, কিন্তু সব বাবা-মা তা করে না। অনেকেই ব্যস্ততায় সময়ই দিতে পারে না। জান্নাত: তাই আমাদের উচিত তাদেরকে সচেতন করা। তামান্না: আমরাও ভবিষ্যতে এমন অভিভাবক হব — সময় দিতাম, বোঝাতাম, পাশে থাকতাম। " বিদ্যালয়ে একটি সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, উদয়ন মডেল স্কুল, ঢাকা। বিষয়: সাপ্তাহিক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন প্রসঙ্গে আবেদন। মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চাই প্রতি সপ্তাহে একটি করে আন্তঃশ্রেণি বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হোক। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক। এতে যেমন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়বে, তেমনি সহশিক্ষা কার্যক্রমও সমৃদ্ধ হবে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে বিতর্ক চর্চার পরিবেশ থাকলেও তা অনিয়মিত। আমাদের এই আবেদন বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত প্রস্তুতি নেবে এবং জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতেও সক্ষম হবে। অতএব, প্রতি বৃহস্পতিবার স্কুল শেষে একটি নির্দিষ্ট সময় বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের অনুমতি প্রদান করলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির বিতর্কপ্রিয় ছাত্রছাত্রী" বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য আলাদা বিশ্রাম কক্ষের ব্যবস্থা প্রসঙ্গে আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, বিজ্ঞান অন্বেষণ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিলেট। বিষয়: ছাত্রীদের জন্য আলাদা বিশ্রাম কক্ষের ব্যবস্থা সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়া, আমরা এই বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রী। বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০% শিক্ষার্থী ছাত্রী হলেও আমাদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বিশ্রাম কক্ষ নেই। অসুস্থ হলে বা কোনো ব্যক্তিগত সমস্যায় পড়লে বসে থাকার মতো নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জায়গার অভাব রয়েছে। বিশেষ করে কিছু দিন এমন হয়, যখন কয়েকজন ছাত্রী একসাথে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে একটি আলাদা রুম থাকলে সেখানেই অস্থায়ী বিশ্রামের ব্যবস্থা করা যেত। অতএব, ছাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত একটি বিশ্রাম কক্ষ নির্ধারণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ বিজ্ঞান অন্বেষণ স্কুল" বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, বসুন্ধরা হাই স্কুল, ময়মনসিংহ। বিষয়: বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ সাধারণ নলকূপের পানি পান করে থাকেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কিছু শিক্ষার্থী পেটের সমস্যায় ভুগছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর একটি বড় কারণ হতে পারে অশোধিত পানি। পানির ফিল্টার থাকলে সবাই পরিষ্কার ও নিরাপদ পানি গ্রহণ করতে পারবে। এছাড়া অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘসময় বিদ্যালয়ে অবস্থান করে, ফলে সুপেয় পানির প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, বিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়নের লক্ষ্যে অন্তত একটি উন্নতমানের পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক সাবরিন রহমান শ্রেণি: দশম, রোল: ০৮" শিক্ষা সফরে শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়, বাগেরহাট। বিষয়: শিক্ষা সফরের জন্য অতিরিক্ত বাসের ব্যবস্থা সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, আগামী সপ্তাহে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ঢাকার বিভিন্ন জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের একটি শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়েছে। এতে নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ২টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে যা এই সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য যথেষ্ট নয়। অতিরিক্ত একটি বাসের ব্যবস্থা না হলে ভীষণ ভিড় হবে, যা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে বিরক্ত করবে। অতএব, শিক্ষা সফরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অন্তত আরও একটি অতিরিক্ত বাস সংযুক্ত করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ শিক্ষাসফরে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীবৃন্দ" বিদ্যালয়ের পুরনো বেঞ্চ প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, রৌপ্যরেখা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: পুরনো ও ভাঙা বেঞ্চ প্রতিস্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। মহোদয়, আমরা নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী। আমাদের শ্রেণিকক্ষে ব্যবহৃত বেশিরভাগ বেঞ্চ পুরনো এবং কিছু বেঞ্চে পা নেই, আবার কিছু ভাঙা। এতে বসতে ও লেখাপড়া করতে প্রচণ্ড অসুবিধা হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে। গত সপ্তাহে এক সহপাঠী ভাঙা বেঞ্চ থেকে পড়ে গিয়ে হাত মচকে ফেলে। এমন ঘটনায় পড়াশোনার প্রতি ভয় বা অনীহা তৈরি হতে পারে। অতএব, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার জন্য পুরনো বেঞ্চসমূহ দ্রুত প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রোল: ১–১৫" মোবাইল আসক্তি নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"রাফি: ইশ, আর পারছি না! মোবাইল ছাড়া এক মিনিটও থাকতে মন চায় না। সাজেদ: হা হা! তুই তো দেখি মোবাইলের প্রেমে পড়ে গেছিস! রাফি: সিরিয়াসলি বলছি, আগে যেটুকু সময় পড়াশোনায় দিতাম, এখন সবটাই চলে যাচ্ছে ইউটিউব আর ইনস্টাগ্রামে। সাজেদ: জানিস, আমি আগে তোর মতোই ছিলাম। কিন্তু এখন আমি নিজের জন্য সময় নির্ধারণ করে ফেলেছি। রাফি: কেমন? সাজেদ: আমি দিনে নির্দিষ্ট সময় মোবাইল চালাই, বাকি সময় বই পড়ি, হাঁটতে বের হই, মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটাই। রাফি: কিন্তু তোর মনে হয় না কিছু মিস করছিস? সাজেদ: না রে। আসলে, মোবাইলের বাইরে যে একটা সুন্দর জগৎ আছে, সেটা বুঝতে পারলেই সব ঠিক হয়ে যায়। রাফি: তাহলে চল, আজ থেকে আমি-ও একটা রুটিন করি। পড়ার সময় মোবাইল বন্ধ রাখব। সাজেদ: দারুণ! আর তুই চাইলে আমি তোর সঙ্গে গ্রুপ স্টাডিও করতে পারি। রাফি: হ্যাঁ, তাহলে ফোকাস থাকবে। তোকে ধন্যবাদ রে, তুই না থাকলে নিজেকে বুঝতেই পারতাম না।" একজন প্রতিবেশীর অসুস্থতা নিয়ে দুই বন্ধুর সহানুভূতিশীল আলোচনা,"নাবিলা: তুই জানিস? আমাদের পাশের বাসার আন্টি অনেক অসুস্থ। মিতু: ও মা! কি হয়েছে ওনার? নাবিলা: ডায়াবেটিস আর উচ্চ রক্তচাপ — অনেক জটিল অবস্থা। গতকাল হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল। মিতু: খুব খারাপ লাগছে। উনি তো অনেক ভালো মানুষ। সবসময় হাসিমুখে কথা বলতেন। নাবিলা: হ্যাঁ, আমার আম্মু বলেছে, আমরা সবাই মিলে কিছু ফল ও প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে ওদের বাসায় যেতে পারি। মিতু: খুব ভালো আইডিয়া! আর ওনার ছেলেমেয়েরাও তো বাইরে থাকে। নাবিলা: আমরা প্রতিবেশী হিসেবে পাশে না দাঁড়ালে কে দাঁড়াবে বল? মিতু: চল, আজ বিকেলেই ওদের বাসায় যাই। আমরা যদি একটু সাহায্য করতে পারি, ওনার মন ভালো হবে। নাবিলা: মানুষ মানুষের জন্য — এখনই সময় সেটা প্রমাণ করার। " ভালো বন্ধু নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়ে দুই সহপাঠীর আলাপ,"রিদয়: জানিস, আমি এখন বুঝতে শিখেছি কার সঙ্গে মেশা উচিত আর কার সঙ্গে না। তামীম: হঠাৎ এমন চিন্তা কেন? রিদয়: আমার আগের কিছু বন্ধুর সঙ্গে চলাফেরা করে সময় নষ্ট হতো, রেজাল্টও খারাপ হয়েছিল। তামীম: আমি তোকে আগেই বলেছিলাম। বন্ধুরা যদি খারাপ পথে নিয়ে যায়, তাহলে সেটা বন্ধুত্ব না, ক্ষতি। রিদয়: হ্যাঁ রে, এখন আমি এমন বন্ধুদের সঙ্গে থাকি, যারা পড়াশোনায় সিরিয়াস, সময়মতো দায়িত্ব নেয়। তামীম: সত্যিকারের বন্ধু তো সেই, যে খারাপ সময়েও পাশে থাকে। রিদয়: তুই যেমন। আমি তোকে সব বলতে পারি, কারণ আমি জানি, তুই ঠকাবি না। তামীম: আর তুইও আমার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বন্ধু। একসাথে সামনে এগিয়ে যাব রে। রিদয়: হ্যাঁ, বন্ধু নির্বাচন জীবনে অনেক বড় ব্যাপার — এটা বুঝতে পারা অনেক জরুরি।" পিঠা উৎসব আয়োজন নিয়ে বন্ধুবান্ধবদের উচ্ছ্বাসপূর্ণ আলোচনা,"রিফাত: এই শোন! স্কুলে আগামী সপ্তাহে পিঠা উৎসব হতে যাচ্ছে! নাজিয়া: সত্যি! দারুণ খবর! তুই কোন পিঠা বানাবি? রিফাত: আমি আর আম্মু ‘চিতই পিঠা’ বানানোর প্ল্যান করছি। তুই? নাজিয়া: আমি 'পাটিসাপটা' বানাব। আম্মুর রেসিপি দুর্দান্ত। রিফাত: ভাবছিস না, প্রতিযোগিতাও হবে! নাজিয়া: আমি তো রীতিমতো জেতার প্রস্তুতি নিচ্ছি! সাজসজ্জাও করব। রিফাত: চল, আমরা একটা টিম বানাই — একসঙ্গে স্টল সাজাবো, পিঠা পরিবেশন করব। নাজিয়া: হ্যাঁ! আর প্ল্যাকার্ডও বানাব। “গ্রামের ঐতিহ্য শহরের প্রাণে” — এই থিমটা কেমন? রিফাত: অসাধারণ! এই উৎসবে শুধু খাবার নয়, ঐতিহ্য তুলে ধরাটাও গুরুত্বপূর্ণ। নাজিয়া: পিঠা আর প্রাণ মিলিয়ে উৎসব জমে উঠুক!" জাতীয় সংগীতের সঠিক মর্যাদা নিয়ে দুই ছাত্রের সচেতন আলোচনা,"মুন্না: আজ সকালে অ্যাসেম্বলিতে কিছু ছেলে জাতীয় সংগীত চলাকালীন ফিসফিস করছিল! রাহুল: দুঃখজনক ব্যাপার! জাতীয় সংগীত তো আমাদের সম্মানের প্রতীক। মুন্না: ঠিক বলেছিস। অনেকেই বোঝে না — এটি শুধু গান নয়, এটি দেশের প্রতি শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ। রাহুল: আমার মনে হয়, স্কুলে এ বিষয়ে আলাদা সচেতনতামূলক আলোচনা হওয়া উচিত। মুন্না: হ্যাঁ, শিক্ষকরা যদি এই বিষয়ে বারবার বলেন, তাহলে অনেকেই বুঝবে। রাহুল: আর আমাদের মতো শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্ব আছে, অন্যদের সচেতন করা। মুন্না: আজ থেকে সিদ্ধান্ত — জাতীয় সংগীতের সময় মন দিয়ে গাইব, আর কেউ দুষ্টুমি করলে বলব। রাহুল: এভাবেই শুরু হবে পরিবর্তন — ছোট জায়গা থেকেই বড় শিক্ষা।" অনলাইনে শিক্ষা ও অফলাইনের পার্থক্য নিয়ে দুই বন্ধুর বিশ্লেষণমূলক আলোচনা,"রাহাত: তুই কি অনলাইনে ক্লাস করতে পছন্দ করিস? আবরার: বলতে পারি না, কিছু কিছু ভালো লাগে, কিছু একদমই না। রাহাত: কেন? আমার তো মনে হয় অনলাইন ক্লাসে সময় বাঁচে। আবরার: সেটা ঠিক। কিন্তু অনেক সময় ইন্টারনেট সমস্যা হয়, আর শিক্ষককে প্রশ্ন করাও কঠিন। রাহাত: হ্যাঁ, মুখোমুখি ক্লাসে প্রশ্ন করলে সাথে সাথে উত্তর পাওয়া যায়। আবরার: আর সবচেয়ে বড় কথা, অফলাইন ক্লাসে একটা বন্ধন থাকে — বন্ধু, শিক্ষক, পরিবেশ — সব মিলিয়ে উৎসাহ বাড়ে। রাহাত: ঠিক বলেছিস। তবে কোভিডের সময় অনলাইন ক্লাসই আমাদের রক্ষা করেছিল। আবরার: হ্যাঁ, পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে সব। কিন্তু এখন মনে হয়, অফলাইনেই ফেরা উচিত। রাহাত: আমাদের স্কুলে তো মিশ্র পদ্ধতি চালু হয়েছে — কিছু অনলাইন, কিছু অফলাইন। আবরার: এটাও ভালো। আসলে প্রযুক্তি আর বাস্তবের সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর। রাহাত: একমত। চল, আমরা নিজেরাও ক্লাসে বেশি মনোযোগ দিই, অনলাইন হোক বা অফলাইন।" "শহরের চেয়ে গ্রামের পরিবেশ ভালো কি না, তা নিয়ে মতবিরোধপূর্ণ সংলাপ","সায়েম: আমি ভাবছি গ্রামে গিয়ে থেকে লেখাপড়া করব, শান্তি লাগে। তৌহিদ: গ্রামে? শহরের সব সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে যাবি? সায়েম: শহরে শুধু কোলাহল আর চাপ। গ্রামে সকালের পাখির ডাক, বিশুদ্ধ বাতাস — এটা অনেক কিছু। তৌহিদ: কিন্তু গ্রামে তো ভালো ইন্টারনেট নেই, কোচিংয়ের ব্যবস্থা নেই, লাইব্রেরিও দুর্বল। সায়েম: ঠিক বলছিস, কিন্তু গ্রামে একাগ্রতা থাকে। distractions কম। তৌহিদ: আর শহরে এক্সপোজার বেশি — ভাষা শেখা, প্রতিযোগিতা, প্রযুক্তির ব্যবহার — এগুলোও গুরুত্বপূর্ণ। সায়েম: আমি বলি, গ্রামের শান্তির সঙ্গে যদি শহরের সুযোগ মেলে, সেটাই স্বপ্নের পরিবেশ। তৌহিদ: হা হা! তাহলে চল, আমরা গ্রামে একটা মডেল স্কুল খুলি! সায়েম: দারুণ! বই আর প্রকৃতি — দুটোই একসাথে।" প্রিয় শিক্ষক বিদায় নিচ্ছেন — ছাত্রদের আবেগঘন আলোচনা,"ইশরাত: শুনেছিস? আমাদের প্রিয় হাসান স্যার এই মাসেই বিদায় নিচ্ছেন! রুকাইয়া: হ্যাঁ, খবরটা শুনে আমি ভীষণ মন খারাপ করেছি। উনি না থাকলে তো ক্লাসই কল্পনা করা যায় না। ইশরাত: উনার প্রতিটি ক্লাসে আলাদা একটা ছন্দ ছিল। ইতিহাস পড়ানো উনার মতো করে কেউ পারে না। রুকাইয়া: শুধু শিক্ষক নন, তিনি আমাদের অভিভাবকও ছিলেন। যখন আমার বাবা হাসপাতালে ছিল, উনিই প্রতিদিন ফোন করে খোঁজ নিতেন। ইশরাত: আমি একবার ক্লাস টেস্টে খারাপ করেছিলাম, স্যার নিজে ডেকে নিয়ে বুঝিয়েছিলেন। কোনো রাগ, কটু কথা নয় — শুধু উৎসাহ। রুকাইয়া: তোর মনে আছে, গত বছরের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় আমরা যে জিতেছিলাম, স্যার-ই পুরো প্রস্তুতি করিয়ে দিয়েছিলেন। ইশরাত: স্যারের বিদায়ে আমরা কিছু বিশেষ করতে পারি না? রুকাইয়া: হ্যাঁ! একটা বিদায় অনুষ্ঠান, আমাদের হাতে লেখা চিঠি, কিছু উপহার — এগুলো স্যারের প্রাপ্য। ইশরাত: চল, আজই সবার সঙ্গে কথা বলি। স্যার যেন জানেন, আমরা উনাকে কখনো ভুলব না।" নিজে কিছু করে উপার্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে বন্ধুর উৎসাহজনক আলোচনা,"রাশেদ: জানিস তানভীর, আমি ভাবছি, স্কুলের পাশাপাশিভাবে ছোটখাটো অনলাইন কাজ শুরু করব। তানভীর: বাহ! দারুণ তো! তুই কি ধরণের কাজ করবি? রাশেদ: গ্রাফিক ডিজাইন কিছুটা শিখেছি ইউটিউব দেখে। Fiverr বা Upwork-এ একাউন্ট করব। তানভীর: একদম ঠিক পথে যাচ্ছিস! এখনকার সময়ে নিজের স্কিল থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। রাশেদ: আমার বাসায় আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো না, তাই পড়ালেখার খরচে নিজের একটা অংশ দিতে চাই। তানভীর: তুই শুধু উপার্জনের কথা ভাবছিস না, নিজের ভবিষ্যতও গড়ে নিচ্ছিস — এটা প্রশংসার যোগ্য। রাশেদ: শুধু চিন্তায় আছি সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে। তানভীর: আমি তোকে হেল্প করব। চল, আমরা একটা টাইম-টেবিল বানাই। তুই যেমন আমার অঙ্ক বুঝিয়ে দিস, আমি তোর সময় সাজাতে সাহায্য করব। রাশেদ: হা হা! পারফেক্ট টিম ওয়ার্ক। তুই না থাকলে এতটা সাহস হতো না।" বইমেলা ঘুরে এসে দুই বন্ধুর বইপ্রীতি নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা,"শুভ: আরে, তোকে না পেয়ে আজ বইমেলাটা একাই ঘুরলাম! আফনান: হায়রে! আমি যে বিকেলে গিয়েছিলাম! এবার মেলাটা অনেক জমজমাট, না? শুভ: দারুণ! নতুন লেখকদের অনেক বই এসেছে, আর হুমায়ূন আহমেদের একটা সংকলন কিনেছি। আফনান: আমি কিনেছি জাফর ইকবালের ""তুমি থাকো ছায়াতে"" — অসাধারণ! শুভ: স্টলের সাজসজ্জাও চোখে পড়ার মতো। এই বইয়ের ঘ্রাণটা যেন একেকটা গল্পের গন্ধ! আফনান: হা হা! কবিতা লিখিস নাকি? এত সুন্দর কথা! শুভ: কাগজে না হোক, মনে মনে তো লেখিই! বই পড়লেই তো ভাষা সুন্দর হয়। আফনান: আমাদের উচিত একসাথে একটা পাঠচক্র তৈরি করা। সপ্তাহে একটা বই পড়ে আলোচনা করব। শুভ: দারুণ আইডিয়া! পড়া মানেই পরীক্ষা নয়, ভালো লাগা, শোনা, বোঝাও তো একধরনের শিক্ষা। আফনান: হ্যাঁ, বই আমাদের সময়কে সুন্দর করে তোলে। জীবনকে গভীর করে।" বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতির আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতির আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আগামী মাসে জেলা পর্যায়ে একটি বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আমরা তিনজন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিলে একটি প্রজেক্ট তৈরি করেছি—""সোলার পাওয়ারড স্মার্ট হোম""। মেলায় অংশগ্রহণের জন্য বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অনুমতি এবং আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রয়োজন। অতএব, আমাদের দলকে অংশগ্রহণের সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ রিফাত, সাবিকুন, মারিয়া শ্রেণি: দশম" লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, গ্রন্থাগারিক, স্মার্ট মডেল হাই স্কুল, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে নতুন বই সংযোজনের আবেদন। মহাশয়, নিবেদন করছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে এখনও অনেক প্রয়োজনীয় বই অনুপস্থিত। বিশেষ করে বাংলা সাহিত্য, ইতিহাস এবং বিজ্ঞান বিষয়ের আপডেটেড বই নেই। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য বাইরে থেকে বই সংগ্রহ করতে বাধ্য হয়। অতএব, দ্রুত নতুন বই সংযোজনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রোল: ১–১৫ " বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নেট বসানোর জন্য আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নবপ্রভা উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: খেলার মাঠে নেট বসানোর আবেদন। জনাব, আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। আমাদের বিদ্যালয়ে একটি বড় খেলার মাঠ রয়েছে, কিন্তু সেখানে ক্রিকেট ও ভলিবলের জন্য নেট নেই। এতে খেলাধুলায় আগ্রহ থাকলেও নিয়মমাফিক খেলা সম্ভব হয় না। অতএব, মাঠে স্থায়ীভাবে নেট বসানোর জন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদকগণ ক্রীড়াবিষয়ক ছাত্রছাত্রী প্রতিনিধি দল" এক মাসের টিউশন ফি জমা দেওয়ার সময় বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোর সন্ধান স্কুল, খুলনা। বিষয়: টিউশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন। মান্যবর, আমার পরিবার বর্তমানে আর্থিক সমস্যায় রয়েছে। এই মাসের ফি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে পারব বলে আশা করছি। অতএব, এই মাসের ফি জমা দেওয়ার জন্য ১০ দিন সময় বাড়িয়ে দিলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক নওরীন ফারজানা শ্রেণি: নবম, রোল: ০৪ " ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উজ্জ্বল পথ বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হলেও তা বুঝে উঠতে পারে না। বারবার অসুস্থ হওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে। তাই আমাদের বিদ্যালয়ে একটি ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ করছি। অতএব, বিদ্যালয় চত্বরে আগামী মাসে একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্প আয়োজনের অনুরোধ রইল। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" বিদ্যালয়ের ছাদে বৃষ্টির পানি জমা হওয়া প্রসঙ্গে আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, মহেশখালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার। বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদে পানি জমে থাকার সমস্যা সমাধানের আবেদন। মহাশয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, বর্ষাকালে আমাদের বিদ্যালয়ের ছাদে পানি জমে থাকে। এতে ছাদ চুয়ে শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে এবং পাঠদান ব্যাহত হয়। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চললে স্থাপনার ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। অতএব, ছাদে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ" বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থার আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, প্রগতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নরসিংদী। বিষয়: বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থার আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যায়। বিশেষ করে গরমের সময় শ্রেণিকক্ষে বসে থাকা যায় না। পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকলে ছাত্রছাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। অতএব, একটি জেনারেটর ব্যবস্থা করলে এই সমস্যা দূর হবে — বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার অনুরোধ করছি। নিবেদক শাহেদুর রহমান শ্রেণি: দশম, রোল: ১১" বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রদের জন্য সাহায্যের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সন্ধ্যা মডেল হাই স্কুল, সুনামগঞ্জ। বিষয়: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের সাহায্যের আবেদন। মহোদয়, সম্প্রতি সুনামগঞ্জে ভয়াবহ বন্যায় অনেক ছাত্রছাত্রী বই, পোশাক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী হারিয়েছে। কিছু পরিবার এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে আছে। অতএব, বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কিছু ত্রাণ ও সহায়তা প্রদান করা গেলে ক্ষতিগ্রস্তরা নতুন করে শুরু করতে পারবে। নিবেদকগণ বিদ্যালয়ের মানবিক শাখার ছাত্রছাত্রী " ক্যানটিনে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত সমাজ বিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ। বিষয়: ক্যানটিনে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহ সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, বর্তমানে বিদ্যালয়ের ক্যানটিনে যে খাবার বিক্রি হচ্ছে তা অনেক সময় পুরোনো ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের পেটের অসুখ, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ইত্যাদি দেখা দিচ্ছে। অতএব, ক্যানটিনে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিতকরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" সাপ্তাহিক প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট চালুর আবেদন,"তারিখ: ২০/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকচিত্র উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। বিষয়: সাপ্তাহিক প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট চালুর আবেদন। জনাব, আমরা বোর্ড পরীক্ষার্থী। আমাদের পাঠ্যসূচি যত দ্রুত এগোচ্ছে, ততটাই বেশি প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন। কিন্তু শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের পরীক্ষার উপর নির্ভর করে বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিশ্চিত করা কঠিন। তাই আমরা অনুরোধ করছি, প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক সাপ্তাহিক প্রশ্নব্যাংক প্রদান এবং মাসে অন্তত একবার মডেল টেস্ট নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, আমাদের প্রস্তুতিকে আরও দৃঢ় করার জন্য অনুরোধপূর্বক এই কার্যক্রম চালুর অনুমতি দান করবেন। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীবৃন্দ " বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নবসোপান উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়নি। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের দেহ ও মনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আমরা চাই, আগামী মাসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হোক। অতএব, উক্ত আয়োজনে সম্মতি প্রদান করে আমাদের উৎসাহিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" মিড-টার্ম পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, পল্লী বিকাশ হাই স্কুল, ঝিনাইদহ। বিষয়: মিড-টার্ম পরীক্ষার সময়সূচি সংশোধনের আবেদন। মহোদয়, সদ্য প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী কিছু বিষয় একদিন পরপর পরীক্ষা হওয়ার ফলে পড়ার যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে গণিত ও পদার্থবিদ্যা একদিন ব্যবধানে হওয়ায় আমরা বেশ চাপে পড়েছি। অতএব, সময়সূচির কিছু বিষয় পুনর্বিন্যাস করলে শিক্ষার্থীরা ভালো প্রস্তুতি নিতে পারবে — এ বিষয়ে দয়া করে বিবেচনা করার অনুরোধ করছি। নিবেদক আব্দুল্লাহ আল মোমিন শ্রেণি: দশম, রোল: ০৫" শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, তরুণ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল। বিষয়: প্রজেক্টরের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া পাঠদান চালুর আবেদন। মহাশয়, বর্তমানে আধুনিক শিক্ষার অন্যতম মাধ্যম হলো মাল্টিমিডিয়া। চিত্র, ভিডিও ও স্লাইড উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠ বিষয়বস্তু আরও আকর্ষণীয় ও বোধগম্য হয়ে ওঠে। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রজেক্টর থাকলেও সেটি শ্রেণিকক্ষে খুব কম ব্যবহৃত হয়। অতএব, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি ক্লাস মাল্টিমিডিয়া-ভিত্তিক করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা" বিদ্যালয়ে নারীদের জন্য স্যানিটারি প্যাড ডিসপেনসার বসানোর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, আলোকছায়া বালিকা বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। বিষয়: স্যানিটারি প্যাড সরবরাহ ও ডিসপেনসার স্থাপন সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি। কিন্তু মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোনো নির্ধারিত সহায়তা নেই। এতে অনেকে মানসিকভাবে অস্বস্তিতে পড়ে এবং ক্লাস মিস করতে বাধ্য হয়। অতএব, বিদ্যালয়ে একটি স্যানিটারি প্যাড ডিসপেনসার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ" বিদ্যালয়ের দেয়ালে শিক্ষামূলক চিত্র আঁকার অনুমতির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, বর্ণালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: শিক্ষামূলক দেয়ালচিত্র আঁকার অনুমতির আবেদন। জনাব, আমরা নবম শ্রেণির কিছু ছাত্রছাত্রী মিলে বিদ্যালয়ের দেয়ালে শিক্ষামূলক দেয়ালচিত্র আঁকতে চাই। যেমন: বাংলা বর্ণমালা, গণিত সূত্র, পরিবেশ সচেতনতা, ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত তথ্য ইত্যাদি। অতএব, বিদ্যালয়ের একটি নির্দিষ্ট দেয়াল বরাদ্দ করে দেয়ালচিত্র আঁকার অনুমতি দিলে আমরা আন্তরিকভাবে কাজটি করতে আগ্রহী। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির চিত্রপ্রিয় ছাত্রছাত্রী" স্কুল ইউনিফর্মের কাপড় পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, চেতনা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ের ইউনিফর্মে ব্যবহৃত কাপড় পরিবর্তনের আবেদন। মান্যবর, বর্তমানে বিদ্যালয়ের ইউনিফর্মে ব্যবহৃত কাপড় গরমে বেশ অস্বস্তিকর। ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই ঘামে ভিজে যায় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমে এই কাপড় অতিরিক্ত ভারী ও রুক্ষ মনে হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, তুলনামূলক হালকা, শ্বাসপ্রশ্বাস-যোগ্য এবং সহজে শুকায় এমন কাপড় ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় আনা হোক। অতএব, ছাত্রছাত্রীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে ইউনিফর্মের কাপড় পরিবর্তন বিষয়ক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী " রমজান মাসে বিদ্যালয়ের সময়সূচি পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নূরানী একাডেমি, নরসিংদী। বিষয়: রমজান উপলক্ষে সময়সূচি হ্রাসের আবেদন। মহোদয়, রমজান মাসে রোজা রেখে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্লাস করা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য শারীরিকভাবে কষ্টকর হয়ে পড়ে। গরম ও ক্লান্তির কারণে মনোযোগও কমে যায়। অতএব, ক্লাসের সময় সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নির্ধারণ করলে ছাত্রছাত্রীদের সুবিধা হবে — এ বিষয়ে অনুরোধ করছি। নিবেদক মাহমুদুল হাসান শ্রেণি: দশম, রোল: ০৭ " বৃষ্টির দিনে শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে পড়ার বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, শান্তিপথ উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়া। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে পানি প্রবেশ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত আবেদন। মহাশয়, আমাদের শ্রেণিকক্ষের এক পাশে জানালা ও দরজার ফাঁক দিয়ে বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়ে। এতে বই-খাতা ভিজে যায়, অনেক সময় ক্লাস স্থগিতও করতে হয়। অতএব, জানালায় কাচ লাগানো বা দরজার নিচে বাঁধ দেওয়ার মতো ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী " পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়া সহপাঠীদের জন্য রিভিশন ক্লাসের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, শিখনদীপ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। বিষয়: অতিরিক্ত রিভিশন ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের শ্রেণিতে কিছু শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে পারেনি। ফলে তারা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে পিছিয়ে রয়েছে। আমরা চাই, শিক্ষকগণ সপ্তাহে একদিন রিভিশন ক্লাস নিয়ে এদের প্রস্তুতি বাড়াতে সহায়তা করুন। অতএব, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে প্রতি শুক্রবার একটি অতিরিক্ত রিভিশন ক্লাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ" বিদ্যালয়ের গেটের সামনে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন,"তারিখ: ২১/০৪/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ের গেট এলাকায় নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের আবেদন। মান্যবর, বিদ্যালয়ের সামনে রাস্তাটি ব্যস্ত এবং প্রতিদিন স্কুল ছুটির সময় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। দ্রুতগামী যানবাহনের কারণে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। অতএব, স্কুল শুরুর ও ছুটির সময় অন্তত একজন স্বেচ্ছাসেবক বা ট্রাফিক সদস্য রাখার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী " শ্রেণিকক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্যান দ্রুত মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকছায়া উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে ফ্যান মেরামতের আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের শ্রেণিকক্ষের একমাত্র ফ্যানটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠ গ্রহণ করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার্থীদের মনোযোগও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, অনুগ্রহ করে দ্রুত ফ্যানটি মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের সহানুভূতির সঙ্গে পাঠগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। নিবেদক রিমা আক্তার শ্রেণি: নবম, রোল: ০৭" সহপাঠীর দীর্ঘ অনুপস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, নবদিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল। বিষয়: সহপাঠীর অনুপস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার আবেদন। মহাশয়, আমাদের শ্রেণির ছাত্র মোহাম্মদ তাহসিন গত দুই সপ্তাহ ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। আমরা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। সে অত্যন্ত মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্র ছিল। অতএব, আপনার সদয় অনুমতি ও সহায়তায় তাহসিনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার খোঁজ নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ রোল: ১–২০" বিদ্যালয়ের পাশে উচ্চ শব্দ নিয়ন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, বিজ্ঞান আলো বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ের পাশে উচ্চ শব্দ নিয়ন্ত্রণের অনুরোধ। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের বিদ্যালয়ের পাশেই একটি দোকানে প্রতিনিয়ত উচ্চ শব্দে সাউন্ডবক্স বাজানো হয়, যা পাঠদানে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং শ্রেণিকক্ষে শব্দ প্রবেশ করছে। অতএব, অনুগ্রহ করে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টির দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী" শ্রেণিতে চুরি রোধে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, আশার আলো বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন। মহোদয়, সম্প্রতি আমাদের শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে কলম ও টাকা হারিয়ে গেছে। কেউ দায় স্বীকার না করায় সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়নি। অতএব, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে শ্রেণিকক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী " পরীক্ষার হলে পর্যাপ্ত প্রশ্নপত্র সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, রূপান্তর বালিকা বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: পরীক্ষার হলে পর্যাপ্ত প্রশ্নপত্র সরবরাহের আবেদন। মহোদয়া, বিনীত নিবেদন এই যে, গত কয়েকটি অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় পর্যাপ্ত প্রশ্নপত্র না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্র ভাগ করে নিতে হয়েছে। এতে সময় অপচয় ও উত্তরের গুণমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতএব, আগামী পরীক্ষাগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশ্নপত্র সরবরাহ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ" লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত চেয়ার ও বসার জায়গার আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, গ্রন্থাগারিক, আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পাঠযোগ্য পরিবেশ প্রদান করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, সেখানে বসার জন্য পর্যাপ্ত চেয়ার ও ডেস্ক নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয় বা সুযোগের অভাবে বাইরে ফিরে যায়। বিশেষ করে পরীক্ষার মৌসুমে লাইব্রেরিতে উপচে পড়া ভিড় থাকে। চেয়ারের অভাবে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা অসন্তুষ্ট হয়ে যায়, যা তাদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়। লাইব্রেরির পরিবেশ শিক্ষার্থীদের আত্মগঠনে বড় ভূমিকা রাখে। অতএব, অনুরোধ করছি বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে আরও চেয়ার ও সুষম বসার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে আমরা সবাই পড়াশোনায় আরও মনোযোগ দিতে পারি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয় " শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টরের ব্যবহার নিয়মিত করার আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নিউ ভিশন হাই স্কুল, কুমিল্লা। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের ব্যবহার নিশ্চিত করার আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আমাদের বিদ্যালয়ে একাধিক মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর থাকলেও সেগুলোর ব্যবহার নিয়মিত হয় না। অধিকাংশ শিক্ষকই ব্ল্যাকবোর্ড ব্যবহার করেন, যা অনেক ক্ষেত্রে সময়সাপেক্ষ ও জটিল মনে হয়। আমরা বিশ্বাস করি যে, চিত্র, অ্যানিমেশন এবং ভিডিও উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠ্যবিষয় আরও সহজে ও দ্রুত শেখা যায়। গণিত, জীববিজ্ঞান, ভূগোল ও পদার্থবিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলোতে প্রজেক্টরের সাহায্যে শেখা হলে আমরা আরও আগ্রহী হয়ে উঠি। অতএব, অনুরোধ করছি, সপ্তাহে অন্তত একবার প্রতিটি শ্রেণিতে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্য একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রী নিউ ভিশন হাই স্কুল, কুমিল্লা " বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর। বিষয়: বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কার ও উন্নয়নের আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমাদের বিদ্যালয়ের মাঠটি এক সময় খেলার জন্য উপযুক্ত ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেখানে ঘাস নেই, গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এবং চারপাশে ছোট ছোট খোয়া ছড়িয়ে আছে, যা খেলোয়াড়দের জন্য বিপজ্জনক। ফলে আমাদের নিয়মিত খেলাধুলা যেমন ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল আয়োজন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক বিকাশ এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য খেলাধুলা অপরিহার্য। অতএব, আমরা আপনার নিকট অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার ও সমতল করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর" টিফিন ক্যানটিনে স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সততা বালিকা বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। বিষয়: বিদ্যালয়ের ক্যানটিনে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ের ক্যানটিনে প্রতিদিন টিফিন সময় অসংখ্য ছাত্রী ভিড় করে। কিন্তু ক্যানটিনে যেসব খাবার সরবরাহ করা হয়, সেগুলোর মান অনেক সময় সন্তোষজনক নয়। পচা শামুকি, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার এবং ফ্রিজে রাখা পুরোনো খাবারের কারণে কয়েকজন ছাত্রী ইতোমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা বুঝি, বিদ্যালয়ে টিফিন সময়ই একমাত্র সুযোগ যখন শিক্ষার্থীরা কিছু খেতে পারে। তাই সেখানে যদি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর এবং পরিমাণমতো খাবার নিশ্চিত করা না যায়, তবে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, ক্যানটিনের খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে মাসে অন্তত একবার পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করা হোক এবং নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা নির্ধারণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সততা বালিকা বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ" ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাউন্সেলিং ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, প্রজ্ঞা মডেল স্কুল, গাজীপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাউন্সেলিং ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমানে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও হতাশার মাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেশি। পরীক্ষার চাপ, পারিবারিক সমস্যা, সামাজিক চাহিদা — সব মিলিয়ে অনেক শিক্ষার্থী একা বোধ করে, যার প্রভাব পড়ে তাদের পড়াশোনার ওপর। বিশেষত কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব, বিষণ্ণতা, আত্মঘাতী চিন্তা ইত্যাদি সমস্যা বাড়ছে। অথচ এ বিষয়ে তারা খোলামেলা কথা বলার সুযোগ পায় না। অতএব, আমরা আপনার নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে অন্তত একবার পেশাদার কাউন্সেলর দ্বারা মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেশনের আয়োজন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা সুস্থভাবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রজ্ঞা মডেল স্কুল, গাজীপুর" বিদ্যালয়ের পাঠাগারে নতুন বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়া। বিষয়: পাঠাগারে নতুন পাঠ্য ও সাহিত্যমূলক বই সংযোজনের আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগারটি অনেকদিন যাবৎ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে বর্তমান পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক বই ছাড়া তেমন কোনো সাহিত্যিক বা সাধারণ জ্ঞানের বই নেই। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও চেতনার বিকাশে সাহিত্যমূলক এবং তথ্যভিত্তিক বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে, বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্য, বিজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস এবং জীবনীভিত্তিক বইয়ের অভাব খুব বেশি। আমরা বিশ্বাস করি, বই আমাদের নীরব শিক্ষক, এবং পাঠাগারে বইয়ের বৈচিত্র্য থাকলে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি সময় সেখানে কাটাবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের পাঠাগারে বিভিন্ন বিভাগভিত্তিক নতুন বই সংযোজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার সুযোগ দেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়া" বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব আধুনিকীকরণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নতুন দিগন্ত বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: কম্পিউটার ল্যাবের যন্ত্রপাতি আধুনিকীকরণের আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে, তবে এর যন্ত্রপাতি অনেক পুরোনো এবং বেশিরভাগ সময় কাজ করে না। প্রায়ই কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায়, কী-বোর্ড কাজ করে না, এবং সফটওয়্যারও আপডেট নেই। ফলে আমরা কম্পিউটার ক্লাসে অংশ নিয়ে প্রায় কিছুই শিখতে পারি না। বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। আমরা যদি বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই এর উপযুক্ত ব্যবহার না শিখি, তবে ভবিষ্যতে চাকরি ও উচ্চ শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ব। অতএব, কম্পিউটার ল্যাবের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার আপডেট করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের ডিজিটাল শিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রী নতুন দিগন্ত বিদ্যালয়, ফরিদপুর " বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নবপথ উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। বিষয়: বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অতিরিক্ত ক্লাসের আবেদন। জনাব, আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষাকে সামনে রেখে আমরা সকলেই উদ্বিগ্ন। বিশেষত গণিত, পদার্থ ও রসায়ন বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থীর প্রস্তুতি এখনও দুর্বল। বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক ক্লাস রুটিনে পরীক্ষার আগেই সিলেবাস শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে আমরা মনে করি, প্রতি সপ্তাহে একটি অতিরিক্ত ক্লাস চালু করলে শিক্ষার্থীরা দুর্বল বিষয়গুলোতে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে এবং ফলাফলে উন্নতি ঘটবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, আগামী এক মাসের জন্য প্রতি শুক্রবার অথবা শনিবার অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়তা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবপথ উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর" বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সমর্পণ বালিকা বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। বিষয়: বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর সংস্কারের আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরটি দীর্ঘদিন যাবৎ ভেঙে রয়েছে। ফলে বহিরাগত ব্যক্তি ও পশুপাখি বিদ্যালয়ের চত্বরে প্রবেশ করে এবং শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ নষ্ট করে। কখনো কখনো ছেলেরা এসে খেলাধুলা করতেও দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ছাত্রীদেরও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হচ্ছে। এছাড়াও বিদ্যালয়ের সম্মান এবং পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, সীমানা প্রাচীরটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সমর্পণ বালিকা বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া" জাতীয় দিবসে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ। বিষয়: শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রার আয়োজন সংক্রান্ত আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, ২৬শে মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। অন্যান্য বিদ্যালয়ের মতো আমাদের বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও একটি শোভাযাত্রা বের করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা ও ঐক্যবোধ গড়ে উঠবে। আমরা চাই, বিদ্যালয়ের পতাকা, ব্যানার, ড্রাম বাজনা এবং জাতীয় সংগীতসহ একটি সম্মানজনক শোভাযাত্রা আয়োজন করা হোক, যাতে সকল শ্রেণির ছাত্রছাত্রী অংশ নিতে পারে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, জাতীয় দিবসে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে একটি শোভাযাত্রার আয়োজনের অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ " বিদ্যালয়ের মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ প্রদানের আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ সহায়তা প্রদানের আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের শ্রেণিতে কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে যারা অত্যন্ত মেধাবী হলেও আর্থিক অনটনের কারণে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ কিনতে পারছে না। অনেকেই বই, খাতা, পেন-পেন্সিল, জ্যামিতি বক্স বা স্কুল ব্যাগ সংগ্রহ করতে অক্ষম। এমন শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন নতুন কিছু শিখতে চায়, কিন্তু উপকরণের অভাবে পিছিয়ে পড়ে। আমরা বিশ্বাস করি, একটু সহানুভূতি ও সহায়তা তাদের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ" বিদ্যালয়ের গেট সংলগ্ন ড্রেন পরিষ্কারের জন্য পৌরসভায় চিঠি পাঠানোর আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নবসোপান হাই স্কুল, মুন্সীগঞ্জ। বিষয়: বিদ্যালয়ের গেটের পাশে ড্রেন পরিষ্কারে পৌরসভায় চিঠি পাঠানোর অনুরোধ। মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ের প্রবেশপথের পাশে একটি উন্মুক্ত ড্রেন রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনায় ভরপুর। এতে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং বর্ষাকালে পানি উপচে রাস্তায় চলে আসে। শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিপত্তি ঘটে, অনেকে পা পিছলে পড়ে যায়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় পৌরসভার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তবে তা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে অফিসিয়ালভাবে একটি চিঠি পাঠানো প্রয়োজন বলে আমরা মনে করছি। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, পৌরসভায় বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে একটি চিঠি প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবসোপান হাই স্কুল, মুন্সীগঞ্জ " বিদ্যালয়ে নিয়মিত প্রথম ঘণ্টায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, স্বপ্নপূরণ বালিকা বিদ্যালয়, নরসিংদী। বিষয়: বিদ্যালয়ের প্রতিদিন প্রথম ঘণ্টায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার আবেদন। মহোদয়া, বিনীত নিবেদন এই যে, বিদ্যালয়ে জাতীয় সংগীত আমাদের জাতীয় চেতনাকে জাগ্রত করে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে জাতীয় সংগীত শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট দিবসে গাওয়া হয়, প্রতিদিন নিয়মিত হয় না। আমরা মনে করি, প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে জাতীয় সংগীত গাওয়া হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ, শৃঙ্খলা ও ঐক্যবোধ আরও দৃঢ় হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতিদিন প্রথম ঘণ্টার আগে জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ স্বপ্নপূরণ বালিকা বিদ্যালয়, নরসিংদী" বিদ্যালয়ের টয়লেটে পর্যাপ্ত পানি ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, জ্ঞানদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা। বিষয়: বিদ্যালয়ের টয়লেটে পানি সরবরাহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী সংখ্যা অনেক। কিন্তু টয়লেটগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না হওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং মাঝে মাঝে পানি না থাকায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ছাত্রীদের জন্য এটি অত্যন্ত বিব্রতকর। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে এবং অনেকেই বাধ্য হয়ে পুরো সময় কোনো টয়লেট ব্যবহার না করেই দিন পার করে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের টয়লেটগুলোতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ জ্ঞানদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা" বিদ্যালয়ে “শিক্ষার্থী প্রতিনিধি পরিষদ” গঠনের আবেদন,"তারিখ: ২২/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, উদ্ভাস উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: শিক্ষার্থী প্রতিনিধি পরিষদ গঠনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও পরামর্শ প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত পৌঁছাতে সময় লাগে এবং কখনো কখনো তা উপেক্ষিতও হয়। আমরা মনে করি, বিদ্যালয়ে যদি একটি “শিক্ষার্থী প্রতিনিধি পরিষদ” গঠন করা হয়, যারা সকল শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের মতামত নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরবে, তাহলে প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও কার্যকর হবে। এই পরিষদটি বিভিন্ন শিক্ষাবিষয়ক কর্মসূচি পরিচালনা, কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন, রুটিনভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ও সহপাঠীদের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি প্রতিনিধি পরিষদ গঠনের অনুমতি ও সহায়তা দেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উদ্ভাস উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল" বিদ্যালয়ের দেয়ালচিত্র ও নোটিশ বোর্ড সংরক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সমর গোপাল উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার। বিষয়: বিদ্যালয়ের দেয়ালচিত্র ও নোটিশ বোর্ড সংরক্ষণে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমাদের বিদ্যালয়ের দেয়ালে আঁকা দেয়ালচিত্রগুলো বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার প্রতীক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, অনেক দেয়ালচিত্রে অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপন, পেন দিয়ে দাগ এবং ধুলা জমে রং বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি নোটিশ বোর্ডেও সময়মতো পুরনো নোটিশ অপসারণ না করায় সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নতুন শিক্ষার্থীদের কাছে একটি নেতিবাচক বার্তা পৌঁছায়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, দেয়ালচিত্র ও নোটিশ বোর্ডের রক্ষণাবেক্ষণে আলাদা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হোক এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সমর গোপাল উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার" শিক্ষার্থীদের মধ্যে “ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং” সেশন চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, বিজ্ঞান আলো মডেল স্কুল, রাজশাহী। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ক্লাস চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিকের পর কী বিষয়ে পড়বে, কোন পেশা গ্রহণ করবে, কোন বিষয়ের চাহিদা বেশি — এসব বিষয়ে যথাযথ দিকনির্দেশনার অভাবে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। অনেকেই শুধুমাত্র অভিভাবকদের মত অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে পরবর্তীতে হতাশা দেখা দেয়। আমরা বিশ্বাস করি, একজন অভিজ্ঞ ক্যারিয়ার কাউন্সেলরের কাছ থেকে নিয়মিত বা মাসিকভাবে দিকনির্দেশনা পেলে আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও পরিকল্পনা গড়ে উঠবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে একবার বা অন্তত সেমিস্টারভিত্তিক ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিজ্ঞান আলো মডেল স্কুল, রাজশাহী" শ্রেণিকক্ষে মাইক্রোফোন ও সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে শব্দযন্ত্র (মাইক্রোফোন) ব্যবহারের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। পিছনের সারিতে বসা শিক্ষার্থীরা অনেক সময় শিক্ষকের কথা ঠিকমতো শুনতে পারে না। বিশেষত বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের মতো বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যার সময় শব্দপ্রযুক্তির ঘাটতি শিক্ষার মানে প্রভাব ফেলে। শ্রেণিকক্ষে একটি সহজ মাইক্রোফোন ব্যবস্থা থাকলে শিক্ষকরা স্বাভাবিক কণ্ঠে পাঠদান করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরাও মনোযোগী হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষে সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা গ্রহণ করে পাঠদান সহজ ও কার্যকর করার সুযোগ প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল " বিদ্যালয়ে শিক্ষক-অভিভাবক মিটিং নিয়মিত করার আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবদিগন্ত বালিকা বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বিষয়: মাসিক শিক্ষক-অভিভাবক সভা আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক সময় অভিভাবকরা সন্তানদের ফলাফল, আচরণ বা সমস্যার বিষয়ে তথ্য জানেন না। অপরদিকে শিক্ষকরাও অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ পান না। নিয়মিত শিক্ষক-অভিভাবক সভা আয়োজনের মাধ্যমে বিদ্যালয়, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা তৈরি হবে। এতে শিক্ষার্থীদের উন্নতি সহজ হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে একবার শিক্ষক-অভিভাবক সভার আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবদিগন্ত বালিকা বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ " বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুনরায় চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৩/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নতুন প্রভাত বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুনরায় চালুর আবেদন। জনাব, বিগত কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে হতাশায় ভুগছে। আগে ক্রীড়ানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে সবাই আনন্দ পেত এবং বিদ্যালয়ের প্রতি আরও ভালোবাসা জন্মাত। শুধু পড়ালেখা নয়, খেলাধুলাও শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি নেতৃত্ব, সহযোগিতা ও শৃঙ্খলা শেখায়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, আগের মতো বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নতুন প্রভাত বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ " বিদ্যালয়ের পাঠাগারে ডিজিটাল ক্যাটালগ সিস্টেম চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, প্রজ্ঞা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: পাঠাগারে ডিজিটাল ক্যাটালগ ব্যবস্থা চালুর আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগারে অনেক বই থাকলেও বই খোঁজার জন্য কোনো নির্দিষ্ট তালিকা বা ক্যাটালগ নেই। শিক্ষার্থীদের বহু সময় ব্যয় করতে হয় প্রয়োজনীয় বই খুঁজে বের করতে, অনেক সময় তারা না পেয়েই ফিরে আসে। ডিজিটাল ক্যাটালগ ব্যবস্থা চালু হলে প্রতিটি বই একটি নির্দিষ্ট কোডে লিপিবদ্ধ থাকবে এবং কম্পিউটারের মাধ্যমে সহজেই অনুসন্ধান করা যাবে। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠাগারে সময়ের সদ্ব্যবহার এবং বইয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, একটি কম্পিউটার ও ডেটাবেইস ভিত্তিক বই ক্যাটালগ সিস্টেম চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রজ্ঞা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম" বিদ্যালয়ের সাইকেল স্ট্যান্ড আধুনিকীকরণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকবিন্দু উচ্চ বিদ্যালয়, পাবনা। বিষয়: সাইকেল স্ট্যান্ডের আধুনিকীকরণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী সাইকেল ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে আসে। কিন্তু বর্তমান সাইকেল স্ট্যান্ডটি যথেষ্ট জায়গাবদ্ধ এবং সঠিকভাবে ছাউনি না থাকায় বৃষ্টির দিনে সাইকেল ভিজে যায়। তাছাড়া নির্দিষ্ট নিরাপত্তার অভাবে মাঝে মাঝে চুরি বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটে। একটি আধুনিক সাইকেল শেড যেখানে ছাউনি থাকবে, নিরাপত্তাকর্মী থাকবে, এবং সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থাও থাকবে — এমন ব্যবস্থা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তা প্রদান করবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের বর্তমান সাইকেল স্ট্যান্ড উন্নত ও নিরাপদভাবে পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকবিন্দু উচ্চ বিদ্যালয়, পাবনা" শিক্ষার্থীদের নিজস্ব শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, দিগন্ত শিক্ষা নিকেতন, রাঙামাটি। বিষয়: শিক্ষার্থীদের নিজস্ব আঁকা ছবি, কবিতা, গল্প প্রদর্শনীর আয়োজনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা চমৎকার কবিতা লেখে, ছবি আঁকে কিংবা ছোটগল্প লিখতে পারে। কিন্তু তাদের শিল্প প্রতিভা প্রকাশ করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম নেই। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি বার্ষিক বা সেমিস্টারভিত্তিক শিল্প প্রদর্শনী আয়োজন করা হলে তারা উৎসাহ পাবে এবং অন্য শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে, শিল্পচর্চা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা তৈরি হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন, কবিতা, গল্প, হাতের কাজ ইত্যাদির একটি বার্ষিক প্রদর্শনী আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী দিগন্ত শিক্ষা নিকেতন, রাঙামাটি " শিক্ষার্থীদের জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য ফার্স্ট এইড ট্রেনিংয়ের আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বালিকা বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ। বিষয়: ফার্স্ট এইড বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের আবেদন। মহোদয়া, প্রতিদিনই কোনো না কোনো সহপাঠী হঠাৎ মাথা ঘোরা, কেটে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় ভোগে। অনেক সময় শিক্ষকদের উপস্থিতি না থাকায় সহপাঠীরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যদি আমাদের একটি প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তাহলে আমরা নিজেরা এমন সময়ে প্রাথমিক সহায়তা দিতে পারি এবং বড় দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে পারি। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে অন্তত বছরে একবার ফার্স্ট এইড বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করা হোক এবং ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের একটি ফার্স্ট এইড টিম গঠনের অনুমতি প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বালিকা বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ " বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৪/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নবজাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমানে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন কিন্তু সময় ও সুযোগের অভাবে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারেন না। ছোট সমস্যা অনেক সময় বড় রোগে রূপ নেয়। বিদ্যালয় যদি একটি মাসিক বা ত্রৈমাসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালু করে, তবে সবাই নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে। চোখ, দাঁত, রক্তচাপ, ওজন, উচ্চতা পরিমাপ এবং মৌলিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত হলে এটি ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি স্থানীয় হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবজাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াই-ফাই সুবিধা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষালোক উচ্চ বিদ্যালয়, নাটোর। বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য সীমিত ওয়াই-ফাই সংযোগ চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় অনলাইন রিসোর্স যেমন — ভিডিও টিউটোরিয়াল, ই-বুক, গুগল ডক, ও অনলাইন অ্যাসাইনমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় এসবের ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী স্মার্টফোন ব্যবহার করেও তথ্য খুঁজে বের করতে পারছে না। আমরা প্রস্তাব করছি যে, একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অথবা নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিয়ন্ত্রিত ওয়াই-ফাই সংযোগ চালু করা হোক, যাতে তারা শুধু শিক্ষাগত সাইট ব্যবহার করতে পারে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে Wi-Fi সংযোগ চালুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং একে শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে সীমিত রাখার জন্য একটি গাইডলাইন নির্ধারণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ শিক্ষালোক উচ্চ বিদ্যালয়, নাটোর" বার্ষিক শিক্ষা সফরের গন্তব্য পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, জ্ঞানতাপস বালিকা বিদ্যালয়, ফেনী। বিষয়: বার্ষিক শিক্ষা সফরের গন্তব্য পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ঘোষিত বার্ষিক শিক্ষা সফরের গন্তব্য ছিল একটি স্থানীয় ঐতিহাসিক স্থান। তবে পূর্ব অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আমরা জানতে পেরেছি, উক্ত স্থানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও বিশ্রামের জায়গা নেই। তাছাড়া সেখানে যাওয়ার রাস্তাও বর্তমানে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বিকল্প হিসেবে আমরা “শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ” এবং “জাতীয় জাদুঘর” সফরের প্রস্তাব করছি, যা শিক্ষার্থীদের ইতিহাসচেতনা, সংস্কৃতি ও অনুপ্রেরণায় সহায়তা করবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, এই বছরের শিক্ষা সফরের গন্তব্য পুনর্বিবেচনা করে নিরাপদ ও শিক্ষামূলক স্থান নির্ধারণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ জ্ঞানতাপস বালিকা বিদ্যালয়, ফেনী" শিক্ষার্থীদের জন্য “দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সচেতনতা” বিষয়ক ওয়ার্কশপ আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, আস্থা উচ্চ বিদ্যালয়, বান্দরবান। বিষয়: বিদ্যালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সচেতনতামূলক ওয়ার্কশপ আয়োজনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ দেখা দেয়। কিন্তু আমাদের অনেক শিক্ষার্থীই জানে না দুর্যোগকালে কীভাবে নিজের ও অন্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়। তাই আমরা মনে করি, “দুর্যোগ প্রস্তুতি ও সচেতনতা” বিষয়ক একটি দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনে দক্ষ করে তুলবে। এই ওয়ার্কশপে প্রথমিক সাড়া, নিরাপদ স্থান নির্ধারণ, ও দুর্যোগকালীন করণীয় বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, উপজেলা প্রশাসন অথবা স্থানীয় এনজিও’র সহায়তায় একটি সচেতনতামূলক ওয়ার্কশপ আয়োজনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আস্থা উচ্চ বিদ্যালয়, বান্দরবান" শ্রেণিকক্ষে “নীরবতা ঘণ্টা” চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, শান্তি উচ্চ বিদ্যালয়, গাইবান্ধা। বিষয়: প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট ঘণ্টাকে “নীরবতা ঘণ্টা” হিসেবে নির্ধারণের আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করেছি, শ্রেণিকক্ষে অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, ফিসফাস বা মনোযোগের ঘাটতির কারণে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে। শিক্ষকেরাও অনেক সময় বিরক্ত হন, এবং আমাদের মধ্যেও মনোযোগের ঘাটতি দেখা দেয়। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতিদিনের যে কোনো একটি নির্দিষ্ট ক্লাসকে “নীরবতা ঘণ্টা” হিসেবে নির্ধারণ করা হোক, যেখানে কেউ কোনো অপ্রয়োজনীয় কথা বলবে না, কেউ উঠবে না — সবাই শুধু মনোযোগ দিয়ে পাঠগ্রহণে অংশ নেবে। এটি ধীরে ধীরে আমাদের মনোসংযোগের ক্ষমতা বাড়াবে এবং শ্রেণিকক্ষে শৃঙ্খলা উন্নত হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতি দিন একটি নির্দিষ্ট ক্লাসকে “নীরবতা ঘণ্টা” হিসেবে চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শান্তি উচ্চ বিদ্যালয়, গাইবান্ধা " বিদ্যালয়ের দেয়ালে “মোতিভেশনাল কোট” ও শিক্ষামূলক চার্ট লাগানোর আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, উদ্দীপন বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয়: বিদ্যালয়ের দেয়ালে উৎসাহব্যঞ্জক উক্তি ও শিক্ষামূলক চার্ট লাগানোর আবেদন। জনাব, আমরা বিশ্বাস করি, চারপাশের পরিবেশ আমাদের মানসিকতা ও চিন্তাভাবনায় প্রভাব ফেলে। যদি বিদ্যালয়ের দেয়ালে বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর উক্তি, শিক্ষামূলক তথ্যচিত্র, গণিতের সূত্র বা ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রদর্শিত হয় — তাহলে আমাদের জ্ঞান এবং উৎসাহ দুইই বাড়বে। এই কাজের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই পোস্টার বা ডিজাইন তৈরি করতে পারে। এটি তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশে সহায়ক হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের ভেতরের দেয়ালগুলিতে উৎসাহব্যঞ্জক উক্তি ও শিক্ষামূলক চার্ট টাঙানোর অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উদ্দীপন বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা " বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, সবুজ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী। বিষয়: বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালন সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, আমরা সবাই জানি যে পরিবেশ দূষণ দিন দিন বেড়ে চলেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে পারলে তারা ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল হতে পারবে। এজন্য আমরা “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের প্রস্তাব করছি। এই সপ্তাহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পোস্টার প্রতিযোগিতা, দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা যেতে পারে। এতে করে আমরা নিজেরা যেমন শিখব, তেমনি অন্যদেরও সচেতন করতে পারব। অতএব, অনুরোধ করছি, আগামী মাসের মধ্যে বিদ্যালয়ে “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সবুজ আলো উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী" ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সহায়ক সামগ্রী ও গোপনীয়তার ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবপ্রভা বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা। বিষয়: ছাত্রীদের মাসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, বিদ্যালয়ে অনেক ছাত্রী রয়েছে যারা মাসিক চলাকালে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ায় কষ্ট পায়, এমনকি অনুপস্থিতও থাকতে বাধ্য হয়। এতে তাদের পড়াশোনায় ক্ষতি হয় এবং মানসিকভাবেও সংকোচ তৈরি হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “হেলথ কর্নার” স্থাপন করা হোক, যেখানে প্যাড, সাবান, টিস্যু এবং প্রয়োজনীয় তথ্যচিত্র সংরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্যবিষয়ক সেশনের আয়োজন করা হলে ছাত্রীদের সচেতনতা বাড়বে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সহায়তা করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবপ্রভা বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা" বিদ্যালয়ে নিয়মিত সাংস্কৃতিক ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ বিদ্যাপীঠ, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক ক্লাস (আবৃত্তি, গান, নৃত্য) চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশের সুযোগ থাকলেও নিয়মিত সাংস্কৃতিক ক্লাসের কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেক ছাত্রছাত্রী আবৃত্তি, গান, নাটক কিংবা নৃত্যে দক্ষতা রাখলেও চর্চার সুযোগের অভাবে সেই প্রতিভা বিকশিত হয় না। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন আলাদা সাংস্কৃতিক ক্লাস চালু করা হোক, যেখানে প্রশিক্ষক বা অভিজ্ঞ শিক্ষকের মাধ্যমে চর্চা করা যাবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে একটি নির্দিষ্ট ক্লাস বরাদ্দ এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ ও প্রশিক্ষকের ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আদর্শ বিদ্যাপীঠ, কুমিল্লা" বিদ্যালয়ের পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছবি ও নাম সংরক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষা নিকেতন, মাদারীপুর। বিষয়: পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ও ছবি প্রদর্শনের আবেদন। মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিভাগে ভালো ফলাফল অর্জন করে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পায়। কিন্তু বিদ্যালয়ের কোথাও তাদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি দৃশ্যমান নয়। আমরা মনে করি, বিদ্যালয়ের একটি করিডোরে বা দেয়ালে একটি “অর্জনের দেয়াল” তৈরি করে সেখানকার পুরস্কারপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের নাম, ছবি ও সফলতা তুলে ধরা হলে অন্য শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, একটি বিশেষ কর্নার বা বোর্ড স্থাপন করে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শ্রেষ্ঠ শিক্ষা নিকেতন, মাদারীপুর " শ্রেণিকক্ষে সহপাঠীদের মধ্যে সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধ গঠনে আলোচনা ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৬/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, সন্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। বিষয়: সহপাঠীদের মধ্যে শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা বিষয়ক ক্লাস চালুর আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমানে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে একে অপরের মতামতকে সহ্য না করা, বন্ধুকে অপমান করা বা ঠাট্টা করা একটি সাধারণ প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট হয় এবং শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। আমরা চাই, মাসে অন্তত একদিন “মানবিকতা ও সহনশীলতা” নিয়ে ক্লাস নেওয়া হোক। যেখানে শিক্ষকরা মূল্যবোধ, সম্মান, ভিন্নমত গ্রহণ, বন্ধুত্ব ও শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব আলোচনা করবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষে একটি নিয়মিত মানবিক আলোচনা ক্লাস চালুর অনুমতি ও নির্দেশনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সন্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর " বিদ্যালয়ের জন্য আলাদা “সায়েন্স ক্লাব” গঠনের আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, জ্ঞানচর্চা উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান চর্চার জন্য সায়েন্স ক্লাব গঠনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অনেক ছাত্রছাত্রী রয়েছে যারা বিভিন্ন প্রকল্প, ছোট গবেষণা কিংবা বিজ্ঞান বিষয়ক নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে চায়। কিন্তু বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানচর্চার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংগঠন বা ক্লাব নেই। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “সায়েন্স ক্লাব” গঠন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে অন্তত একদিন একত্র হয়ে আলোচনা, প্রকল্প উপস্থাপন, ওয়ার্কশপ আয়োজন এবং সায়েন্স ফেয়ারে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিতে পারবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জ্ঞানচর্চা উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর " শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে ইনসেনটিভ প্রণোদনার আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সমরূপ বালিকা বিদ্যালয়, মেহেরপুর। বিষয়: উপস্থিতি শতভাগ রাখায় পুরস্কার প্রদানের আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকে না। অনেক সময় তুচ্ছ কারণে ছুটি নেয়, যা তার ফলাফল এবং শ্রেণিকক্ষের পরিবেশে প্রভাব ফেলে। যদি শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো উৎসাহমূলক পুরস্কার রাখা হয়, তাহলে সবাই আগ্রহী হয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসবে। এই পুরস্কার হতে পারে — একটি প্রশংসাপত্র, ছোটখাটো উপহার, নাম নোটিশ বোর্ডে দেওয়া ইত্যাদি। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে বা সেমিস্টারে শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একটি ইনসেনটিভ স্কিম চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সমরূপ বালিকা বিদ্যালয়, মেহেরপুর" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আইনি সচেতনতা কর্মশালার আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, বিচারবোধ উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: শিক্ষার্থীদের আইনি সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমান সময়ে কিশোর-কিশোরীরা অনেক সামাজিক ও ডিজিটাল সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। কখন কী কাজ অপরাধের পর্যায়ে পড়ে, কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হয়, কোথায় অভিযোগ জানাতে হয় — এসব বিষয়ে অনেক শিক্ষার্থীই জানে না। আমরা প্রস্তাব করছি, স্থানীয় কোনো আইনজীবী, শিক্ষক বা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ে একটি আইনি সচেতনতামূলক কর্মশালার আয়োজন করা হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, আমাদের শিক্ষার্থীদের সচেতন, আত্মবিশ্বাসী ও সচল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে একটি প্রাথমিক আইনি সচেতনতা বিষয়ক কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিচারবোধ উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর " বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: বিশুদ্ধ পানির জন্য ফিল্টার মেশিন স্থাপনের আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, বিদ্যালয়ের পানির উৎসে মাঝে মাঝে ময়লা বা দুর্গন্ধযুক্ত পানি আসে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই পানি না খেয়ে সময় পার করে এবং এতে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি আধুনিক পানি ফিল্টার মেশিন স্থাপন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, আমাদের সুস্বাস্থ্য ও সচেতনতার স্বার্থে বিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ পানির জন্য একটি ফিল্টার মেশিন স্থাপনের অনুমতি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" বিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষ চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৭/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, রূপসী বাংলা বিদ্যালয়, ঝালকাঠি। বিষয়: পাঠচক্র, প্রেজেন্টেশন ও ওয়ার্কশপের জন্য সেমিনার কক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, আমরা অনেক সময় আলোচনা সভা, ভিডিও প্রেজেন্টেশন, অতিথি বক্তৃতা বা বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে চাই, কিন্তু বিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট কোনো সেমিনার কক্ষ না থাকায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়। আমরা মনে করি, একটি মাল্টিমিডিয়া সংযুক্ত সেমিনার কক্ষ থাকলে শিক্ষার্থীদের উপস্থাপন দক্ষতা, আলোচনায় অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব গঠন ও সৃজনশীলতা উন্নয়নে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের একটি কক্ষকে সেমিনার/ওয়ার্কশপ উপযোগী করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রূপসী বাংলা বিদ্যালয়, ঝালকাঠি" শ্রেণিভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ প্রতিবেদন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, নবদিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, শেরপুর। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণিভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ প্রতিবেদন প্রদানের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় শুধুমাত্র প্রাপ্ত নাম্বার জানানো হয়। তবে যদি প্রতিটি শিক্ষার্থী তার দুর্বল ও শক্তিশালী বিষয়ের তথ্যসহ একটি বিশ্লেষণ প্রতিবেদন পায়, তাহলে সে নিজেই বুঝতে পারবে কোথায় উন্নতির প্রয়োজন। এমন প্রতিবেদন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উভয়ের জন্যই সহায়ক। এতে করে শিক্ষার প্রতি দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্লেষণ বাড়বে। অতএব, অনুরোধ করছি, শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথকভাবে ফলাফল বিশ্লেষণ (subject-wise, comparative) প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা বিতরণ করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবদিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, শেরপুর " বিদ্যালয়ের পুরোনো আসবাবপত্র মেরামত/পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, আলোছায়া উচ্চ বিদ্যালয়, বরগুনা। বিষয়: শ্রেণিকক্ষের পুরোনো বেঞ্চ-টেবিল মেরামতের আবেদন। মহোদয়, আমাদের শ্রেণিকক্ষের অনেক বেঞ্চ, টেবিল এবং চেয়ার দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছুতে পোকা ধরেছে, কিছু ভেঙে গেছে — যেগুলোর কারণে অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট পায়, এমনকি মাঝে মাঝে দুর্ঘটনাও ঘটে। এসব আসবাবপত্র মেরামত বা প্রয়োজনে নতুন সরবরাহ করা হলে পাঠদানের পরিবেশ উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ আসবাবপত্র মেরামত অথবা প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোছায়া উচ্চ বিদ্যালয়, বরগুনা " বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সাপ্তাহিক মেডিটেশন ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আত্মবিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বিষয়: মানসিক চাপ কমাতে সাপ্তাহিক মেডিটেশন ক্লাসের আবেদন। জনাব, বর্তমান সময়ে আমরা শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা, সামাজিক চাপে প্রায়ই মানসিকভাবে ক্লান্ত ও উদ্বিগ্ন থাকি। বিশেষ করে পরীক্ষা বা উপস্থাপনার সময় ভয় ও আতঙ্ক বেড়ে যায়। আমরা বিশ্বাস করি, সপ্তাহে একদিন সকালে মাত্র ১৫ মিনিটের মেডিটেশন বা শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ ক্লাস মন শান্ত রাখার অনুশীলন হিসেবে কার্যকর হতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, একজন প্রশিক্ষকের সহায়তায় সাপ্তাহিক মেডিটেশন ক্লাস চালু করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আত্মবিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ" বিদ্যালয়ে অটিজম সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উজ্জীবন বালিকা বিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মসূচি আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, আমাদের বিদ্যালয়ে বা আশেপাশে কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে যারা অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত হতে পারে। আমরা সকলেই চেষ্টার পরেও তাদের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করা উচিত, তা জানি না। ফলে অনেক সময় তারা অপ্রত্যাশিত আচরণের শিকার হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি সচেতনতামূলক সেশনের আয়োজন করা হোক, যেখানে পেশাদার কাউন্সেলর বা বিশেষজ্ঞ শিক্ষক অটিজম সম্পর্কে ধারণা দেবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের উদ্যোগে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর আলোকপাত করতে একটি কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ উজ্জীবন বালিকা বিদ্যালয়, গাজীপুর" বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে ট্রাফিক সহায়ক চিহ্ন ও দিকনির্দেশনার আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকবর্তিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ের গেটে ট্রাফিক সংকেত ও দিকনির্দেশনা স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের প্রবেশপথটি ব্যস্ত একটি সড়কের পাশে। প্রতিদিন সকালে ও ছুটির সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চলাচলে ভীষণ ভিড় ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অনেক সময় অল্পের জন্য দুর্ঘটনাও ঘটে। আমরা চাই, বিদ্যালয়ের গেটে “ব্রেক করুন”, “শিক্ষার্থী পার হচ্ছে”, “নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন” — এমন কিছু সাইনবোর্ড এবং ট্রাফিক নির্দেশনা স্থাপন করা হোক। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক সহায়ক চিহ্ন ও দিকনির্দেশনা স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকবর্তিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট" বিদ্যালয়ে “বই বিনিময় কর্মসূচি” চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, দিশারী উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে বই বিনিময় কার্যক্রম চালুর আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী নতুন বই কিনতে পারে না বা সময়মতো সংগ্রহ করতে পারে না। আবার অনেকে পুরনো বইগুলো রেখে দেয় যা আর প্রয়োজন হয় না। এই সমস্যা সমাধানে আমরা প্রস্তাব করছি, “বই বিনিময় কর্মসূচি” চালু করা হোক। যেখানে পূর্ববর্ষের শিক্ষার্থীরা তাদের ব্যবহারযোগ্য বই বিনামূল্যে বা কম দামে পরবর্তী বর্ষের শিক্ষার্থীদের দিতে পারবে। এতে সহানুভূতি, সচেতনতা ও পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে উঠবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে একটি মাসিক বা সেমিস্টারভিত্তিক বই বিনিময় কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী দিশারী উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম" পরীক্ষার দিন সিট প্ল্যান পূর্বেই জানানো প্রসঙ্গে আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকছায়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গোপালগঞ্জ। বিষয়: পরীক্ষা শুরুর আগেই সিট প্ল্যান প্রকাশের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, পরীক্ষার দিন সিট প্ল্যান না জানার কারণে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং সময় নষ্ট হয়। আবার কেউ কেউ ভুল রুমে গিয়ে বসে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতিটি পরীক্ষার কমপক্ষে একদিন আগে নোটিশ বোর্ডে ও শ্রেণিকক্ষে সিট প্ল্যান ঝুলিয়ে দেওয়া হোক। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, পরবর্তী সব পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সিট প্ল্যান আগেভাগে জানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকছায়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গোপালগঞ্জ" সহপাঠীদের আত্মহত্যা প্রবণতা রোধে সচেতনতা সেশন চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, সমতা বালিকা বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ। বিষয়: মানসিক স্বাস্থ্যে সহায়তা ও আত্মহত্যা রোধে আলোচনা সেশনের আবেদন। মহোদয়া, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে ও আমাদের আশেপাশেও কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যার মতো ভয়ানক সিদ্ধান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে মানসিক চাপ, অভিভাবকদের সঙ্গে দুরত্ব, আত্মমর্যাদার সংকট, প্রেমঘটিত সমস্যা প্রভৃতি। আমরা মনে করি, বিদ্যালয়ে মাসে অন্তত একবার আত্মবিশ্বাস, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা ও জীবনকে ভালোবাসা শেখানো নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা ক্লাস হলে শিক্ষার্থীরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে একজন পরামর্শক বা কাউন্সেলরকে এনে আলোচনা ও সহানুভূতিমূলক সেশন আয়োজন করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সমতা বালিকা বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ " বিদ্যালয়ের পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য রিমেডিয়াল ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, লালমনিরহাট। বিষয়: দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত রিমেডিয়াল ক্লাস চালুর আবেদন। মান্যবর, শ্রেণিতে আমরা লক্ষ্য করেছি যে, কিছু শিক্ষার্থী বিশেষ কিছু বিষয়ে নিয়মিত পিছিয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে অনেকেই সাহস না পেয়ে প্রশ্ন করতে চায় না, আবার কেউ বুঝেও ভুল করে বসে। এই সমস্যার সমাধানে আমরা প্রস্তাব করছি, সপ্তাহে অন্তত একদিন একটি রিমেডিয়াল ক্লাস চালু করা হোক, যেখানে শিক্ষকরা ধীরগতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পুনরায় ব্যাখ্যা করবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, দুর্বল শিক্ষার্থীদের সহায়তায় একটি নির্দিষ্ট রুটিনে রিমেডিয়াল ক্লাস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উত্তরণ উচ্চ বিদ্যালয়, লালমনিরহাট " বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে লেখা পত্রিকা প্রকাশের আবেদন,"তারিখ: ২৯/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, নবপ্রয়াস উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বিষয়: শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে হাতে লেখা দেয়াল পত্রিকা প্রকাশের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমরা শিক্ষার্থীরা নানারকম লেখালেখির চর্চা করি — কেউ কবিতা লেখে, কেউ রচনা, কেউ ইতিহাসনির্ভর ঘটনা। কিন্তু আমাদের লেখা প্রকাশের সুযোগ খুবই সীমিত। আমরা চাই, প্রতি মাসে একটি দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ লেখা জমা দিতে পারে এবং শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি কমিটি তা বাছাই ও সম্পাদনা করবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, একটি “হাতে লেখা দেয়াল পত্রিকা” প্রকাশের সুযোগ ও পরিকাঠামো তৈরি করে শিক্ষার্থীদের সাহিত্য ও সৃজনশীলতা চর্চার পথ সুগম করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবপ্রয়াস উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া" বিদ্যালয়ে রক্তদাতা ছাত্রছাত্রীদের তথ্য সংরক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, প্রতিধ্বনি উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ। বিষয়: বিদ্যালয়ে রক্তদাতা শিক্ষার্থীদের তথ্যভাণ্ডার তৈরি সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়, আমরা জানি, যে কোনো জরুরি মুহূর্তে রক্তের প্রয়োজন হতে পারে — পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী বা শিক্ষক-সহপাঠীর জন্যও। কিন্তু অনেক সময় আমরা জানি না কে কোন গ্রুপের রক্ত দিতে পারে বা প্রস্তুত। এই চিন্তা থেকে আমরা প্রস্তাব করছি, স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ, বয়স, এবং অভিভাবকের সম্মতিসহ একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হোক। এতে বিদ্যালয়ের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধও শিক্ষার্থীদের মাঝে গড়ে উঠবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে একটি “রক্তদাতা তথ্য রেজিস্টার” চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রতিধ্বনি উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ" নতুন শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, জ্যোতিষ্ক উচ্চ বিদ্যালয়, ভোলা। বিষয়: নবনির্মিত শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের বিদ্যালয়ের সম্প্রতি নির্মিত নতুন ভবনের একটি কক্ষে আমাদের ক্লাস শুরু হয়েছে। কিন্তু সেখানে এখনও কোনো বৈদ্যুতিক আলো নেই, যার ফলে মেঘলা দিনে ও বিকেলের শেষ ক্লাসগুলোতে আলো স্বল্পতা সৃষ্টি হয়। এই কক্ষে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু থাকায় বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন এখন অতি জরুরি। অতএব, অনুরোধ করছি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও আলোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জ্যোতিষ্ক উচ্চ বিদ্যালয়, ভোলা" ক্লাস পরীক্ষার ফলাফল অনলাইন নোটিস বোর্ডে প্রকাশের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, রেইনবো মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাগেরহাট। বিষয়: ক্লাস পরীক্ষার ফলাফল অনলাইন নোটিস বোর্ডে প্রকাশের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করেছি, পরীক্ষার ফলাফল অনেক সময় হাতে হাতে বা বোর্ডে এক কপি করে প্রকাশ করা হয়। এতে সবাই সঠিকভাবে দেখতে পারে না, অনেক সময় ভুল হয় বা হারিয়ে যায়। আমরা চাই, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট বা একটি নির্দিষ্ট গুগল ড্রাইভে আমাদের রোল অনুযায়ী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হোক। এতে অভিভাবকরাও সহজে জানতে পারবেন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, ক্লাস ভিত্তিক পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে প্রকাশের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রেইনবো মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাগেরহাট " বিদ্যালয়ের করিডোরে সময়সূচি ও পরীক্ষার দিনসূচি টাঙানোর আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোর সন্ধান উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। বিষয়: বিদ্যালয়ের করিডোরে রুটিন ও পরীক্ষা সময়সূচি ঝুলিয়ে দেওয়ার আবেদন। মান্যবর, আমরা লক্ষ্য করেছি, পরীক্ষার বা ক্লাসের রুটিন জানার জন্য অনেক সময় অফিস কক্ষ বা শ্রেণিকক্ষে গিয়ে খোঁজ নিতে হয়। এতে সময় নষ্ট হয় ও অনেকেই ভুল তথ্য পায়। আমরা প্রস্তাব করছি, করিডোরে দৃশ্যমান জায়গায় একটি নির্ধারিত বোর্ডে সাপ্তাহিক ক্লাস রুটিন ও পরীক্ষার সময়সূচি ঝুলিয়ে দেওয়া হোক। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, রুটিন ও সময়সূচি প্রকাশের একটি কেন্দ্রীয় স্থানে নিয়মিত হালনাগাদকরণ নিশ্চিত করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোর সন্ধান উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ" বিদ্যালয়ে মাসিক পঠন উৎসব (Reading Festival) চালুর আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবআলো বালিকা বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে মাসিক পাঠোৎসব আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, পাঠাভ্যাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানের দরজা খুলে দেয়। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থী পাঠ্যবই ছাড়া অন্য কিছু পড়ে না। আমরা চাই, প্রতি মাসে একদিন বিদ্যালয়ে “পাঠোৎসব” আয়োজন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দের বই পড়বে, পড়া শেয়ার করবে, এবং অংশগ্রহণমূলক গেমে অংশ নেবে। এটি আমাদের ভাষা, ভাবনা ও জ্ঞানের প্রসারে সাহায্য করবে। অতএব, অনুরোধ করছি, পাঠোৎসব আয়োজনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবআলো বালিকা বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম" বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিকেল চেকআপ ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, উন্মেষ উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ। বিষয়: শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিকেল চেকআপ ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, বর্তমানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনেকেই অনিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন না, ফলে অনেক অসুখ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে না। দীর্ঘমেয়াদে এটি সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। আমরা প্রস্তাব করছি, স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সহায়তায় একদিনব্যাপী একটি মেডিকেল চেকআপ ক্যাম্প আয়োজন করা হোক। এতে উচ্চ রক্তচাপ, চোখ, দাঁত, ওজন, ডায়াবেটিস প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করা যেতে পারে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে মাসে বা বছরে অন্তত একবার এ ধরনের ক্যাম্প আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উন্মেষ উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ " বিদ্যালয়ের “বিতর্ক ক্লাব” পুনরায় সক্রিয় করার আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, দীপতরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: বিতর্ক ক্লাব পুনরায় কার্যকর করার আবেদন। মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ে একসময় একটি বিতর্ক ক্লাব ছিল, কিন্তু বিগত দুই বছর ধরে সেটি কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, বক্তব্য উপস্থাপন ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। আমরা চাই, ক্লাবটিকে পুনরায় সক্রিয় করা হোক এবং প্রতি মাসে অন্তত একটি আন্তঃশ্রেণি বিতর্ক আয়োজন করা হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, বিতর্ক ক্লাব পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক এবং এক বা একাধিক শিক্ষককে এর দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী দীপতরণ উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" শ্রেণিকক্ষে শব্দ দূষণ কমাতে জানালায় গ্লাস বসানোর আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উজ্জ্বল নিকেতন, বগুড়া। বিষয়: শ্রেণিকক্ষের জানালায় গ্লাস বসানোর আবেদন। মান্যবর, আমাদের শ্রেণিকক্ষটি প্রধান সড়কের পাশেই। বাইরে যানবাহনের শব্দ, মাইক, ভ্যানের ঘোষণা ইত্যাদি শ্রবণে ব্যাঘাত ঘটায়। এমনকি শিক্ষককে অনেক সময় উচ্চস্বরে ক্লাস নিতে হয়, ফলে পাঠদানে মনোযোগ ব্যাহত হয়। আমরা চাই, জানালাগুলোয় শব্দরোধক গ্লাস বা জানালার প্যানেল বসানো হোক, যাতে ক্লাসের পরিবেশ শান্ত থাকে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষের জানালায় প্রয়োজনীয় গ্লাস বসিয়ে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উজ্জ্বল নিকেতন, বগুড়া" বিদ্যালয়ে “সহপাঠী সহায়তা প্রোগ্রাম” চালুর আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, আলোকধারা বালিকা বিদ্যালয়, নড়াইল। বিষয়: শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহায়তায় একটি সহপাঠী প্রোগ্রাম চালুর আবেদন। মহোদয়া, আমরা বিশ্বাস করি, একজন শিক্ষার্থী অন্য শিক্ষার্থীকে সহজভাবে অনেক বিষয় বুঝাতে পারে। অনেক সময় দুর্বল শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সামনে প্রশ্ন করতে সংকোচ বোধ করে। আমরা চাই, শ্রেণির মধ্যে মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে “সহপাঠী সহায়তা প্রোগ্রাম” চালু করা হোক, যেখানে তারা সহকর্মীদের প্রশ্নের উত্তর দেবে, গ্রুপ স্টাডিতে অংশ নেবে এবং শিক্ষকের নির্দেশনা মেনে সাহায্য করবে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতিটি শ্রেণিতে এই উদ্যোগ চালু করতে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ আলোকধারা বালিকা বিদ্যালয়, নড়াইল " বিদ্যালয়ে “পরিবেশবান্ধব সপ্তাহ” পালনের আবেদন,"তারিখ: ০১/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, প্রবাহ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বিষয়: পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতায় একটি সাপ্তাহিক কার্যক্রম পরিচালনার আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমরা প্রস্তাব করছি, “পরিবেশবান্ধব সপ্তাহ” পালন করা হোক। এতে করে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষা, প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতনতা, গাছ লাগানো, পানির অপচয় রোধ — এসব বিষয়ে বাস্তব ধারণা লাভ করবে। এই সপ্তাহে পরিবেশবিষয়ক পোস্টার, বক্তৃতা, দেয়াল পত্রিকা, বৃক্ষরোপণ ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা যেতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, পরিবেশ সপ্তাহ পালনের জন্য অনুমতি ও নির্দেশনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রবাহ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ" বিদ্যালয়ে “সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী” কার্যক্রম চালুর আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচনের আবেদন। মহোদয়, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মপ্রত্যয়, প্রতিযোগিতাবোধ ও মনোযোগ বাড়াতে “সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী” কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে। এতে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, আচরণ, ফলাফল, সহপাঠী সহায়তা, দায়িত্বশীলতা প্রভৃতি বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচন করা যাবে। এই কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং প্রতিদিনের ক্লাসে আরও মনোযোগী করে তুলবে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতি সপ্তাহে শ্রেণিভিত্তিক এই স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী" বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে সরঞ্জামের ঘাটতি পূরণের আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা। বিষয়: বিজ্ঞানাগারে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে প্রয়োজনীয় অনেক সরঞ্জাম নেই। বিশেষ করে কাচের টিউব, স্পিরিট ল্যাম্প, থার্মোমিটার, মডেল ও কেমিক্যালের অভাবে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে আমরা ঠিকমতো শিখতে পারি না। এই সরঞ্জামগুলো না থাকলে পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত প্রস্তুতির অভাবে ভালো ফল করতে ব্যর্থ হয়। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিজ্ঞানাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও উপকরণ সরবরাহের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রী নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা " বিদ্যালয়ে কম্পিউটার শিক্ষকের অভাব পূরণের আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উন্মেষ উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমরা জানি, বর্তমান সময় তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিষয়ে কোনো প্রশিক্ষিত শিক্ষক নেই। ফলে আমাদের ক্লাসগুলো কেবল বই নির্ভর হয়ে পড়ে। কম্পিউটার ল্যাব থাকলেও অভিজ্ঞ শিক্ষক না থাকায় আমরা এর পূর্ণ সুবিধা পাচ্ছি না। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, কম্পিউটার বিষয়ে একজন প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ করে দিন। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উন্মেষ উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর" বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ধূমপান নিষিদ্ধ করার জন্য সচেতনতামূলক প্রচারণার আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, বর্ণালী বালিকা বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল। বিষয়: বিদ্যালয়ে ধূমপানবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আবেদন। মহোদয়া, কিছু অভিভাবক ও বহিরাগত ব্যক্তি বিদ্যালয় চত্বরে আসার সময় ধূমপান করেন, যা শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ধূমপানের কুপ্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জরুরি। আমরা চাই, বিদ্যালয়ে ধূমপানবিরোধী পোস্টার, দেয়ালিকা ও স্লোগান ব্যবহার করে একটি সচেতনতা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, ধূমপান রোধে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে একটি সচেতনতামূলক সপ্তাহ আয়োজনের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ বর্ণালী বালিকা বিদ্যালয়, টাঙ্গাইল " বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আবেদন,"তারিখ: ০২/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। বিষয়: সৌর শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে আমাদের শ্রেণিকক্ষে ফ্যান, লাইট, এমনকি কম্পিউটার ক্লাসও বন্ধ হয়ে যায়। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল বসানো হলে অন্তত জরুরি আলো ও ফ্যান চালু রাখা যাবে। এটি পরিবেশবান্ধব এবং দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ বিলও সাশ্রয় হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের ছাদে একটি ছোট আকারের সৌর শক্তি প্রকল্প গ্রহণ করে এই সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ " বিদ্যালয়ের জন্য আলাদা “ক্যারিয়ার গাইডলাইন কর্নার” স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড়। বিষয়: বিদ্যালয়ে “ক্যারিয়ার গাইডলাইন কর্নার” স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, শিক্ষার্থীরা অনেক সময় উচ্চ মাধ্যমিকের পর কী বিষয়ে ভর্তি হবে, কোন পেশা বেছে নেবে — তা বুঝতে পারে না। এই সংকট কাটাতে আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী “ক্যারিয়ার গাইডলাইন কর্নার” স্থাপন করা হোক। এই কর্নারে তথ্যচিত্র, পুস্তিকা, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য, বিভিন্ন স্কলারশিপের বিজ্ঞপ্তি ও পেশাভিত্তিক গাইডলাইন সংরক্ষিত থাকবে। চাইলে শিক্ষার্থীরা এসব পড়ে নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে এই ক্যারিয়ার সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড় " শিক্ষার্থীদের “নেতৃত্ব বিকাশ কর্মশালা” আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, ভবিষ্যত উচ্চ বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা। বিষয়: নেতৃত্ব গঠনে কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। জনাব, নেতৃত্ব গুণ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও শিক্ষাগত দক্ষতা। আমাদের মধ্যে অনেকেই শ্রেণি প্রতিনিধি, বিতর্ক ক্লাব সদস্য বা খেলাধুলায় নেতৃত্ব দেয় — কিন্তু সঠিকভাবে কীভাবে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত তা শিখিনি। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একজন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে “লিডারশিপ ট্রেনিং ওয়ার্কশপ” আয়োজন করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নেতৃত্বের নৈতিকতা, সংগঠন, সমন্বয় ও সংকট ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, মাসে বা সেমিস্টারে একবার এই বিষয়ক কর্মশালা আয়োজনের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ভবিষ্যত উচ্চ বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা " বিদ্যালয়ে সহপাঠীদের জন্য “ইংরেজি স্পোকেন ক্লাব” চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উদীয়মান বালিকা বিদ্যালয়, নরসিংদী। বিষয়: ইংরেজি কথোপকথনের দক্ষতা বাড়াতে স্পোকেন ক্লাব চালুর আবেদন। মহোদয়া, বর্তমানে ইংরেজিতে কথা বলার দক্ষতা শিক্ষার পাশাপাশি চাকরি ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থী শুধুমাত্র বই পড়ে, ব্যবহারিক ইংরেজিতে দুর্বল থেকে যায়। আমরা চাই, প্রতি সপ্তাহে একদিন একটি নির্দিষ্ট ক্লাসে ইংরেজিতে ছোট আলোচনাসভা, ভূমিকা পালন, প্রশ্ন-উত্তর সেশন আয়োজন করা হোক। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি ইংরেজি স্পোকেন ক্লাব চালুর অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ উদীয়মান বালিকা বিদ্যালয়, নরসিংদী " বিদ্যালয়ের মূল ফটকে পরিচয়পত্রবিহীন প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, বিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: পরিচয়পত্র ছাড়া বিদ্যালয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বর্তমানে বিদ্যালয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ না থাকায় মাঝে মাঝে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। কোনো কোনো সময় অজানা ব্যক্তিরা শ্রেণির আশপাশে ঘোরাঘুরি করে যা ছাত্রীদের জন্যও নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ের মূল ফটকে পরিচয়পত্র দেখিয়ে প্রবেশের বাধ্যবাধকতা রাখা হোক এবং প্রবেশপথে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী নিয়োগ দেওয়া হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে এই ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট" বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের আমন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ০৩/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নবআলো উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ। বিষয়: পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অভিভাবক আমন্ত্রণ সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়, আমরা শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও পরীক্ষায় পুরস্কার পেলেও তা বিদ্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। অভিভাবকেরা অনেক সময় জানতে পারেন না এবং তাদের সন্তানের কৃতিত্ব সরাসরি দেখতে পারেন না। আমরা চাই, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্তত পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর একজন অভিভাবককে আমন্ত্রণ জানানো হোক। এতে পরিবারও সন্তানের প্রতি গর্ব অনুভব করবে, যা ভবিষ্যতের জন্য আরও উৎসাহের কারণ হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, ভবিষ্যতের অনুষ্ঠানগুলোতে অভিভাবক উপস্থিতির সুযোগ নিশ্চিত করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নবআলো উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ " বিদ্যালয়ে বার্ষিক “শিক্ষক সম্মাননা অনুষ্ঠান” চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী। বিষয়: শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, শিক্ষকের অবদান একজন শিক্ষার্থীর জীবনে চিরস্মরণীয়। আমরা মনে করি, বছরে অন্তত একবার শিক্ষক দিবস বা বার্ষিক দিবসে শিক্ষক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হবে। এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারবে এবং শিক্ষকও তাদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি পাবেন। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে শিক্ষক সম্মাননা অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত করে তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী " বিদ্যালয়ের পাঠাগারে অডিও বুক ও ব্রেইল বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকদিশা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: পাঠাগারে অডিও বুক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল বই সংযোজনের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে যারা দৃষ্টিশক্তিতে দুর্বল বা বই পড়তে সমস্যা অনুভব করে। এছাড়াও অনেকে দীর্ঘসময় পড়তে না পারলেও শুনে শিখতে আগ্রহী। তাদের জন্য পাঠাগারে কিছু অডিও বুক এবং ব্রেইল বই সংযোজন করা হলে তাদের শিক্ষার পথ আরও মসৃণ হবে এবং অন্য শিক্ষার্থীদেরও প্রযুক্তিনির্ভর পড়ার আগ্রহ বাড়বে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের পাঠাগারে অন্তত অল্প পরিসরে হলেও এই ধরনের বই সংযোজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকদিশা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম " বিদ্যালয়ের “স্মৃতি কর্নার” স্থাপন করে সাবেক শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব প্রদর্শনের আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সম্ভাবনা উচ্চ বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। বিষয়: বিদ্যালয়ে স্মৃতি কর্নার স্থাপন সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়, অনেক সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের অর্জন বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। আমরা চাই, বিদ্যালয়ে একটি “স্মৃতি কর্নার” স্থাপন করা হোক, যেখানে পুরোনো শিক্ষার্থীদের ছবি, সফলতার বিবরণ, কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও পেশা উল্লেখ থাকবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের একটি নির্দিষ্ট স্থান স্মৃতি কর্নার হিসেবে বরাদ্দ দিয়ে এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সম্ভাবনা উচ্চ বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ" বিদ্যালয়ের মাঠে নাইট গার্ড নিয়োগের আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, সত্যান্বেষণ উচ্চ বিদ্যালয়, ফেনী। বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠ ও সম্পত্তি রক্ষায় রাত্রিকালীন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ের মাঠে রাতের বেলায় বহিরাগতরা খেলাধুলা ও আড্ডা দেয়, এমনকি কিছু জায়গায় ক্ষতিসাধনও হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের সম্পত্তির ক্ষতি করছে এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। আমরা চাই, একজন নাইট গার্ড নিয়োগ দেওয়া হোক, যিনি রাতে বিদ্যালয়ের মাঠ ও সম্পত্তি দেখভাল করবেন। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের সম্পদ ও নিরাপত্তা রক্ষায় একটি নাইট গার্ড নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সত্যান্বেষণ উচ্চ বিদ্যালয়, ফেনী " বিদ্যালয়ের ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৪/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, উৎকর্ষ বালিকা বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মহোদয়া, আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় ভাষা শেখার জন্য ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব একটি কার্যকর উপায়। সেখানে অডিও-ভিজ্যুয়াল পদ্ধতিতে ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষা শেখা সহজ হয়। আমাদের বিদ্যালয়ে এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেই। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি ছোট পরিসরের ভাষা ল্যাব স্থাপন করা হোক, যেখানে প্রজেক্টর, হেডফোন ও ইংরেজি অডিও কোর্স রাখা যাবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পথ তৈরি করে দেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ উৎকর্ষ বালিকা বিদ্যালয়, কুমিল্লা" বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ডিজিটাল টাইম ডিসপ্লে বসানোর আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকছবি উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে সময় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ডিজিটাল ঘড়ি স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমরা লক্ষ্য করেছি, শ্রেণিকক্ষে কোনো ঘড়ি না থাকায় শিক্ষার্থীরা সময় সম্পর্কে সচেতন না থেকে মাঝে মাঝে বিলম্বে ক্লাসে প্রবেশ করে, পরীক্ষার সময়েও বিভ্রান্তি দেখা দেয়। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে বা অন্তত প্রতিটি ভবনে একটি ডিজিটাল টাইম ডিসপ্লে ঘড়ি বসানো হোক যাতে সবাই সময়মতো শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হতে অভ্যস্ত হয়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি শ্রেণিকক্ষে অথবা করিডোরে ডিজিটাল ঘড়ি বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকছবি উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল" বিদ্যালয়ের মাঠে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক খেলার সময়সূচি নির্ধারণের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, নবউদয় বালিকা বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। বিষয়: খেলার সময় ছাত্র ও ছাত্রীদের পৃথক ব্যবস্থার আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, খেলাধুলার সময় ছেলেদের সঙ্গে একসাথে মাঠে থাকা আমাদের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হয়ে পড়ে, বিশেষত যখন স্থান সংকট হয়। এতে আমরা অনেকেই খেলাধুলায় অংশ নিতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলি। আমরা প্রস্তাব করছি, সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে অথবা প্রতিদিন নির্ধারিত সময় ছাত্রীদের খেলার জন্য নির্ধারণ করে দেওয়া হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের মাঠ ব্যবহারে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ নবউদয় বালিকা বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া" পাঠ্যপুস্তক বিতরণে স্বচ্ছতা আনয়নে ডিজিটাল রেকর্ড চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, শিখনপথ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী। বিষয়: পাঠ্যপুস্তক বিতরণে ডিজিটাল রেজিস্ট্রার চালুর আবেদন। জনাব, পাঠ্যবই বিতরণের সময় অনেক সময় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়— কেউ বই কম পায়, কেউ পায় না, আবার কেউ একই বই দুইবার পায়। এতে বইয়ের ঘাটতি ও অপচয় হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, এক্সেল বা গুগল ফর্মের মাধ্যমে একটি অনলাইন রেকর্ড রাখা হোক যেখানে কার কোন বই নেওয়া হয়েছে তা লিপিবদ্ধ থাকবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, পাঠ্যপুস্তক বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল রেজিস্ট্রার চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শিখনপথ উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী" বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের আমন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, রবিরশ্মি উচ্চ বিদ্যালয়, জামালপুর। বিষয়: বার্ষিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় গুণীজনদের আমন্ত্রণ সংক্রান্ত আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমাদের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আসন্ন। আমরা চাই, এতে স্থানীয় একজন কবি, শিল্পী বা নাট্যব্যক্তিত্বকে আমন্ত্রণ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হোক। তাঁদের উপস্থিতি আমাদের জন্য প্রেরণাদায়ক হবে এবং অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত ও স্মরণীয় হয়ে উঠবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, স্থানীয় গুণী ব্যক্তিদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী রবিরশ্মি উচ্চ বিদ্যালয়, জামালপুর " পরীক্ষার সময় বিদ্যালয়ের আশেপাশে শব্দ নিয়ন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, প্রবাহ উচ্চ বিদ্যালয়, নরায়ণগঞ্জ। বিষয়: পরীক্ষা চলাকালীন বিদ্যালয়ের চারপাশে শব্দ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মহোদয়, পরীক্ষার সময় অনেক সময় বিদ্যালয়ের পাশে মাইকিং, যানবাহনের হর্ন, দোকানের উচ্চ শব্দ ইত্যাদি পরিবেশকে বিরক্তিকর করে তোলে। এতে আমাদের মনোযোগ বিঘ্নিত হয় ও উত্তর লিখতে সমস্যা হয়। আমরা প্রস্তাব করছি, পরীক্ষার সময় আশেপাশে মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং অভিভাবকদেরও নীরবতা বজায় রাখতে অনুরোধ জানানো হোক। অতএব, অনুরোধ করছি, পরীক্ষার সময় বিদ্যালয়ের আশপাশে শব্দ নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রবাহ উচ্চ বিদ্যালয়, নরায়ণগঞ্জ" বিদ্যালয়ে “টেকনোলজি ক্লাব” গঠনের আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, প্রযুক্তি আলোক বিদ্যালয়, যশোর। বিষয়: বিদ্যালয়ে প্রযুক্তি ক্লাব গঠনের আবেদন। মহোদয়, বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর। আমরা অনেকেই প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল ডিজাইন, রোবটিকস, বা মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে আগ্রহী, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সে অনুযায়ী কোনও চর্চার পরিবেশ নেই। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি “টেকনোলজি ক্লাব” গঠন করা হোক, যেখানে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে এবং মাসে একদিন করে ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে একটি প্রযুক্তি ক্লাব গঠনের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী প্রযুক্তি আলোক বিদ্যালয়, যশোর " বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড ডিজিটালাইজেশনের আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, স্মার্টল্যাব স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনা। বিষয়: বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড ডিজিটাল করার আবেদন। জনাব, বর্তমানে সব তথ্য কাগজে ছাপিয়ে নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়। এতে কাগজ নষ্ট হয়, কিছু শিক্ষার্থী সময়মতো জানতেও পারে না। আমরা প্রস্তাব করছি, একটি টিভি বা মনিটর বোর্ড ব্যবহার করে ডিজিটাল নোটিশ বোর্ড চালু করা হোক যেখানে নিয়মিত প্রয়োজনীয় তথ্য আপডেট করা যাবে। অতএব, অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের তথ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনতে একটি ডিজিটাল নোটিশ বোর্ড স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী স্মার্টল্যাব স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনা" বিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলে পানি সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, আলোকবর্তিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: পরীক্ষার হলে পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন। প্রিয় মহাশয়, পরীক্ষার সময় আমাদের অনেকেই দীর্ঘ সময় বসে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু কিছু পরীক্ষার কক্ষে পানি সরবরাহ না থাকায় আমরা চাহিদামতো পানি পান করতে পারি না। আমরা প্রস্তাব করছি, পরীক্ষার হলে মাটির কলস বা বোতলযুক্ত পানি রাখা হোক এবং প্রয়োজনে ছাত্রসদস্যরা দায়িত্বপালনে সহায়তা করবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, পরীক্ষার সময় প্রতিটি হল বা কক্ষে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকবর্তিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ" বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান মেলা আয়োজনে সহযোগিতার আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, জ্ঞানজ্যোতি বালিকা বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের জন্য অনুমতি ও সহায়তা চেয়ে আবেদন। মহোদয়া, আমরা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন ধারণা ও প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসি। আমরা চাই, বিদ্যালয়ে একটি দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি করা প্রজেক্ট প্রদর্শন করতে পারবে। এই মেলায় অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে, যা আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবনের অনুপ্রেরণা জোগাবে। অতএব, অনুরোধ করছি, একটি বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ জ্ঞানজ্যোতি বালিকা বিদ্যালয়, দিনাজপুর " বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠ প্রতিযোগিতা চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, উদ্ভাস উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: সাপ্তাহিক পাঠ প্রতিযোগিতা চালুর আবেদন। মান্যবর, পাঠাভ্যাস শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও উচ্চারণ দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। আমরা প্রস্তাব করছি, প্রতি সপ্তাহে শ্রেণিভিত্তিক পাঠ প্রতিযোগিতা চালু করা হোক যেখানে শিক্ষার্থীরা কবিতা, গল্প বা গদ্য পাঠ করবে। এই প্রতিযোগিতা আমাদের ভাষাজ্ঞান, শব্দ উচ্চারণ এবং আত্মপ্রকাশের সাহস বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, পাঠ প্রতিযোগিতাকে নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী উদ্ভাস উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর" বিদ্যালয়ে “মহান স্বাধীনতা দিবস স্মরণ উৎসব” পালনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর। বিষয়: মহান স্বাধীনতা দিবস স্মরণে অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন। মহোদয়, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। এই দিনে শহীদদের স্মরণ করে আমরা যদি একটি অনাড়ম্বর কিন্তু গভীর অনুভূতিপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করি, তাহলে আমাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান এবং মুক্তিযোদ্ধা/তাঁর পরিবারের সদস্যদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে একটি স্মরণীয় আয়োজন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর " বিদ্যালয়ে “নিত্যদিনের গণনা দক্ষতা” চর্চার জন্য কার্যক্রম চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সংখ্যাপাঠ উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ। বিষয়: গণিত চর্চায় দৈনন্দিন গণনা (ডেইলি ম্যাথ ড্রিল) চালুর আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করেছি, আমাদের অনেক সহপাঠী মৌলিক গাণিতিক দক্ষতায় পিছিয়ে পড়ে — যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ বা ভাগ করতে সময় নেয়। অথচ এই দক্ষতা প্রতিদিনের শিক্ষাজীবনে প্রয়োজন। আমরা চাই, প্রতিদিন ক্লাসের শুরুতে ৫ মিনিটের একটি ""ডেইলি ম্যাথ ড্রিল"" চালু করা হোক, যাতে সবাই কিছু ছোট সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে গণনায় সাবলীল হয়ে উঠতে পারে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, এই কার্যক্রম চালু করে আমাদের গাণিতিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সংখ্যাপাঠ উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ " বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্ট্যান্ড স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, নরসিংদী। বিষয়: বিদ্যালয়ের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্ট্যান্ড বসানোর আবেদন। প্রিয় মহাশয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা আমাদের সকলের দায়িত্ব। করোনা পরবর্তী সময়েও আমরা সচেতন থাকতে চাই এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী। আমরা চাই, বিদ্যালয়ের মূল গেট এবং কমন রুমের সামনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্ট্যান্ড বসানো হোক, যাতে প্রত্যেকেই বিদ্যালয়ে প্রবেশের আগে হাত পরিষ্কার করতে পারে। অতএব, অনুরোধ করছি, এই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদকগণ দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, নরসিংদী" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে “স্টাডি জোন” চালুর আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষিকা, পাঠচক্র বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয়: পাঠাগারে নিরব অধ্যয়ন কর্নার (স্টাডি জোন) চালুর আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করেছি, পাঠাগারে বই সংগ্রহ থাকলেও সেখানে নীরবভাবে বসে পড়ার কোনো পরিবেশ নেই। অনেকেই পড়ে বিদ্যালয় শেষে কিছু সময় একা বা গ্রুপে বসে পড়াশোনা করতে চায়। আমরা প্রস্তাব করছি, পাঠাগারের এক পাশে একটি ""স্টাডি জোন"" চালু করা হোক, যেখানে ৮–১০ জন শিক্ষার্থী একসঙ্গে নীরবে বসে বই পড়তে বা অনুশীলন করতে পারবে। অতএব, অনুরোধ করছি, পাঠাগারে নির্ধারিত স্থানে একটি স্টাডি কর্নার চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নিবেদকগণ নবম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ পাঠচক্র বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা " "বিদ্যালয়ে “জীবন দক্ষতা” প্রশিক্ষণ ক্লাস চালুর আবেদন তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫","তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, জীবনদৃষ্টি উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: জীবন দক্ষতা বিষয়ক সাপ্তাহিক ক্লাস চালুর আবেদন। মান্যবর, শুধু পাঠ্যপুস্তকই নয়, জীবনের নানা বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবেলা করতেও আমাদের দক্ষতা প্রয়োজন। যেমন: সংকটে করণীয়, অর্থের সঠিক ব্যবহার, প্রথম চিকিৎসা, যোগাযোগ দক্ষতা, মানসিক চাপ মোকাবেলা প্রভৃতি। আমরা চাই, সপ্তাহে একদিন একটি “লাইফ স্কিলস ক্লাস” নেওয়া হোক, যেখানে এইসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখানো হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, জীবন দক্ষতা বিষয়ক একটি আলাদা সেশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন বিকাশে সহায়তা করুন। নিবেদকগণ নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জীবনদৃষ্টি উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট" বিদ্যালয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, স্মার্ট অ্যাকাডেমি, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমরা একটি আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষার্থীরা দলগত কাজ, নেতৃত্বগুণ এবং শরীরচর্চার সুফল পাবে। অতএব, অনুরোধ করছি দ্রুত উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করার অনুমতি ও সহযোগিতা প্রদানে। নিবেদক, ৫ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীগণ স্মার্ট অ্যাকাডেমি, ঢাকা।" বিদ্যালয়ের ছুটির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন,"তারিখ: ০১/০৫/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সুন্দরপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: ছুটির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন। জনাব, বর্তমান ছুটির সময়টি অত্যন্ত কম হওয়ায় আমরা ছুটির সময়ের মধ্যে পড়াশোনা এবং বিশ্রামের জন্য যথেষ্ট সময় পাচ্ছি না। তাই আমাদের সকল ছাত্রছাত্রীদের সুস্থ ও ভালো পরিবেশে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর জন্য ছুটির সময় বৃদ্ধি করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। অতএব, বিনীত আবেদন করছি, বিদ্যালয়ের ছুটির সময় কমপক্ষে ৩০ মিনিট বৃদ্ধি করার অনুগ্রহ করুন। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সুন্দরপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কুমিল্লা।" বিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন পাঠদান বন্ধ রাখার আবেদন,"তারিখ: ১০/০৪/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, নদীপাড়া মডেল স্কুল, রাজশাহী। বিষয়: গ্রীষ্মকালীন পাঠদান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার আবেদন। মহোদয়, গরমকালে তীব্র উত্তাপে স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে। এজন্য গ্রীষ্মকালীন মাসগুলোতে সাময়িকভাবে ক্লাস বন্ধ রাখার প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষার্থীরা বিশ্রাম নিয়ে স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই মাসগুলোতে গ্রীষ্মকালীন পাঠদান বন্ধ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নদীপাড়া মডেল স্কুল, রাজশাহী।" বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠার আবেদন,"তারিখ: ১২/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর। বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ক্লাব প্রতিষ্ঠার আবেদন। মান্যবর, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ ও জ্ঞান বৃদ্ধি করতে হলে পাঠ্যপুস্তকের বাইরে একটি বিজ্ঞান ক্লাব থাকা প্রয়োজন। যেখানে তাঁরা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মডেল প্রদর্শনী, ও প্রকল্প উপস্থাপনা করতে পারবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র পাঠ্যবিষয়ের জ্ঞানই বৃদ্ধি পাবে না, বরং সৃজনশীলতা, দলবদ্ধ কাজের দক্ষতা ও সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতাও অর্জন করবে। স্কুলের সহায়ক পঠন-পাঠনের অংশ হিসেবে বিজ্ঞান ক্লাব চালু করলে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষাগত মান উন্নত হবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই ক্লাব স্থাপনের অনুমোদন প্রদান ও প্রয়োজনীয় সাহায্যের জন্য। নিবেদক, দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আলোকিত উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর।" বিদ্যালয়ের ক্যান্টিন উন্নত করার আবেদন,"তারিখ: ০১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সুরভি বিদ্যাপীঠ, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ের ক্যান্টিন উন্নত করার আবেদন। মহোদয়, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের জন্য বিদ্যালয়ের ক্যান্টিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ক্যান্টিনের পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের মান অনেক সময় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমরা আশা করি, ক্যান্টিনের মান উন্নত করা হলে শিক্ষার্থীরা সুস্থ ও সতেজ থাকবেন এবং মনোযোগসহকারে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন। পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নতুন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। অতএব, অনুরোধ করছি, ক্যান্টিনের উন্নয়নের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সুরভি বিদ্যাপীঠ, ঢাকা। " বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৫/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, শান্তি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে। বর্তমানে স্কুলের চারপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই বলে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। এতে শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। নিরাপত্তা গার্ড, সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য ব্যবস্থা বাড়ানো প্রয়োজন। আমরা মনে করি, নিরাপত্তা জোরদার করলে শিক্ষার্থীরা আরও স্বচ্ছন্দ ও মনোযোগী হয়ে পড়বে। এছাড়া অভিভাবকরাও আশ্বস্ত হবেন। অতএব, বিনীত অনুরোধ, দ্রুত বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী শান্তি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। " বিদ্যালয়ে পাঠ্যক্রমের বাইরের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, প্রধান শিক্ষক, আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজনের আবেদন। মহোদয়া, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশে পাঠ্যক্রমের বাইরের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম যেমন নাটক, গীত, নৃত্য ও আলোচনা সভা খুবই প্রয়োজন। এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাদের সৃজনশীলতা বিকাশে সাহায্য করে। আমাদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত এসব কার্যক্রমের আয়োজন হলে শিক্ষার্থীরা আরো মনোযোগী ও মেধাবী হয়ে উঠবে। বিশেষ করে উৎসব ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন দরকার। অতএব, বিনীত আবেদন এই ধরনের কার্যক্রম চালু করার অনুমোদন ও সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, রাজশাহী। " বিদ্যালয়ে সাইকেল পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: সাইকেল পার্কিংয়ের জন্য স্থান বরাদ্দের আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন সাইকেল ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে আসে। কিন্তু বর্তমানে সাইকেল রাখার কোনো নিরাপদ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেই। এতে সাইকেলগুলো নিরাপত্তাহীনতায় থাকে এবং অনেক সময় ক্ষতি হয়। আমরা বিশ্বাস করি, একটি নির্ধারিত নিরাপদ সাইকেল পার্কিং ব্যবস্থা হলে শিক্ষার্থীরা অনেক সহজে ও নিশ্চিন্তে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে পারবে। এটি বিদ্যালয়ের পরিবেশকেও সুন্দর রাখবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই সাইকেল পার্কিংয়ের জন্য যথাযথ স্থান নির্ধারণ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। নিবেদক, ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল।" বিদ্যালয়ের পাঠাগার সম্প্রসারণের আবেদন,"তারিখ: ২৮/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আনন্দ উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয়: বিদ্যালয়ের পাঠাগার সম্প্রসারণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে বিদ্যালয়ের পাঠাগারটি খুব ছোট এবং পর্যাপ্ত বই নেই। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য এটি যথেষ্ট নয়। নতুন বই ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রী সংগ্রহের জন্য পাঠাগার সম্প্রসারণ জরুরি। পাঠাগার সম্প্রসারণ হলে শিক্ষার্থীরা বইয়ের চাহিদা মিটিয়ে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারবে। এ কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানও উন্নত হবে। অতএব, বিনীত আবেদন পাঠাগার সম্প্রসারণ ও নতুন বই সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী আনন্দ উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। " বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১০/০৫/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সূর্যকান্ত বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। বিষয়: বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। মহোদয়, শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য বিষয়ে সঠিক তথ্য নেই এবং চিকিৎসার সুযোগও সীমিত। অতএব, বিদ্যালয়ে একদিনের মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসা করার জন্য অনুরোধ করছি। এতে শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকবেন এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও নিরাপদ হবে। অতএব, বিনীত অনুরোধ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সূর্যকান্ত বিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। বিষয়: কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন। মান্যবর, বর্তমান যুগে কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সফল হতে হলে কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা অর্জন জরুরি। বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ক্লাস রয়েছে, তবে প্রশিক্ষণ কোর্স হিসেবে এটি চালু করা হয় না। আমরা চাই, বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করে ছাত্রছাত্রীদের প্রাথমিক থেকে উন্নত পর্যায়ের কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান করা হোক। এতে তারা প্রযুক্তির সঙ্গে যুগানুযায়ী মানিয়ে নিতে পারবে। অতএব, বিনীত আবেদন কোর্স চালুর অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নতুন দিগন্ত উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর।" বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য আলাদা বিশ্রামকক্ষ তৈরির আবেদন,"তারিখ: ২০/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সুপ্রভাত বালিকা বিদ্যালয়, বরগুনা। বিষয়: ছাত্রীদের জন্য আলাদা বিশ্রামকক্ষ তৈরির আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে অনেক সময় ছাত্রীদের বিশেষ করে ক্লাসের বিরতির সময় বিশ্রাম নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো কক্ষ নেই। এতে তারা অনেক অসুবিধায় পড়েন এবং ক্লাসে মনোযোগ কমে যায়। আমরা অনুরোধ করছি, ছাত্রীদের জন্য একটি আলাদা, সুষ্ঠু এবং নিরাপদ বিশ্রামকক্ষ তৈরি করার জন্য ব্যবস্থা নিন। এতে তারা আরামে বিশ্রাম নিতে পারবে এবং মনোযোগী হয়ে ক্লাসে ফিরে আসবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই সুযোগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সুপ্রভাত বালিকা বিদ্যালয়, বরগুনা।" বিদ্যালয়ে মাসিক পরীক্ষার সময়সূচী পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নন্দন উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর। বিষয়: মাসিক পরীক্ষার সময়সূচী পরিবর্তনের আবেদন। মান্যবর, বর্তমান মাসিক পরীক্ষার সময়সূচী অনেকসময় ক্লাশের অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে শিক্ষার্থীরা চাপের মুখে পড়ে। এতে পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায়। আমরা চাই, পরীক্ষার সময়সূচী পুনর্বিন্যাস করে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত বিরতির সময় রাখা হোক, যাতে তারা সুষ্ঠুভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে। অতএব, বিনীত আবেদন সময়সূচী পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী নন্দন উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর।" বিদ্যালয়ের মাঠ উন্নত করার আবেদন,"তারিখ: ১০/০৮/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান শিক্ষক, নবোদয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ের মাঠ উন্নত করার আবেদন। মান্যবর, বিদ্যালয়ের মাঠ শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও শারীরিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য স্থান। বর্তমানে মাঠের মাটি খারাপ ও অনিয়মিত ব্যবহারের কারণে এটি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে ছাত্রছাত্রীরা সঠিকভাবে খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না। আমরা আশা করি, মাঠটি সমতল করা, ঘাস লাগানো এবং প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম যোগানের মাধ্যমে এটি উন্নত করা হলে ছাত্রছাত্রীরা আরও উৎসাহের সঙ্গে খেলা ও শারীরিক অনুশীলন করবে। এতে বিদ্যালয়ের খেলা প্রতিযোগিতায় পারফরম্যান্সও বৃদ্ধি পাবে। অতএব, বিনীত আবেদন মাঠের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র নবোদয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সিলেট। " বিদ্যালয়ে রোদনিরোধক ছাউনি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৮/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, প্রগতি বালিকা বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যালয়ে রোদনিরোধক ছাউনি স্থাপনের আবেদন। জনাব, গ্রীষ্মকালে বিদ্যালয়ের উঠোনে পড়ার সময় ছাত্রছাত্রীদের সরাসরি রোদে বসতে হয়। এতে অসুবিধা ও শারীরিক কষ্ট হয়। অনেক সময় ছাত্রছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের উঠোনে একটি রোদনিরোধক ছাউনি নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও আরামে ক্লাসের বিরতিতে বসতে পারে। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্রী প্রগতি বালিকা বিদ্যালয়, কুমিল্লা।" বিদ্যালয়ে পানীয় জল সরবরাহের উন্নতির আবেদন,"তারিখ: ২০/০৮/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সোনালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: বিদ্যালয়ে পানীয় জল সরবরাহের উন্নতির আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ সময় ক্লাস করে। কিন্তু বিদ্যালয়ের পানীয় জলের ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত ও অনিয়মিত হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী জল পান করতে সমস্যায় পড়ে। আমরা মনে করি, পর্যাপ্ত এবং পরিষ্কার পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করলে শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকবে ও মনোযোগী হয়ে পড়াশোনা করবে। বিশেষ করে গরমকালে এটি অত্যন্ত জরুরি। অতএব, বিনীত আবেদন, বিদ্যালয়ে পানীয় জল সরবরাহের উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্র সোনালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল।" বিদ্যালয়ে অভিভাবক সভার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৮/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে অভিভাবক সভার আয়োজনের আবেদন। মাননীয়, শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা ও মানসিক বিকাশে অভিভাবকদের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। অনেক সময় অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে যোগাযোগের অভাব থাকে, যার কারণে শিক্ষার্থীদের উন্নতি সঠিকভাবে পর্যালোচনা করা সম্ভব হয় না। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আগামী মাসে একটি অভিভাবক সভার আয়োজন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ও সমস্যাগুলো আলোচনা করা যাবে। এতে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের কাজ সম্পর্কে অবগত হবেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সহায়ক হবেন। অতএব, এই আবেদন মঞ্জুর করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। " বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০৯/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সবুজ উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের আবেদন। জনাব, পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বৃক্ষরোপণ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। গাছপালা বাতাস শুদ্ধ করে ও পরিবেশকে শান্ত ও মনোরম করে তোলে। আমরা বিশ্বাস করি, বিদ্যালয়ে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ করলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশও আরও সুষ্ঠু হবে। অতএব, বিনীত আবেদন, বিদ্যালয়ের মাঠ ও আশপাশে বৃক্ষরোপণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্র সবুজ উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। " বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ১০/০৯/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয়: বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা করার আবেদন। মাননীয়, বর্তমান শিক্ষায় প্রযুক্তির ভূমিকা অপরিসীম। বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করতে পারছে না। এতে তাদের আধুনিক শিক্ষার সুযোগ সীমিত হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, দ্রুত বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবস্থা চালু করলে শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার সুযোগ পাবে ও শিক্ষার মান উন্নত হবে। অতএব, বিনীত আবেদন, বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা।" বিদ্যালয়ে স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নতির আবেদন,"তারিখ: ১৫/০৯/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ। বিষয়: বিদ্যালয়ে স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নতির আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা অনেকদিন ধরে অপর্যাপ্ত ও অপ্রতুল। এতে অনেক শিক্ষার্থী অসুবিধায় পড়ে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ে। আমরা আশা করি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করলে শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকবে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর হবে। অতএব, বিনীত আবেদন, শৌচাগার সংস্কার ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ।" বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবস উদযাপনের আবেদন,"তারিখ: ২০/০৯/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: শিক্ষক দিবস উদযাপনের আবেদন। মাননীয়, শিক্ষক দিবস আমাদের বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয় না। শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও শিক্ষার গুরুত্ব শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চার করতে শিক্ষক দিবস উদযাপন জরুরি। আমরা অনুরোধ করছি, আগামী শিক্ষক দিবসে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হোক, যেখানে শিক্ষকদের সম্মান জানানো হবে ও শিক্ষার্থীরা তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে। অতএব, বিনীত আবেদন এই আয়োজনের অনুমোদন ও সহযোগিতা জন্য। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী।" বিদ্যালয়ে টিচার রুম উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২৫/০৯/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকধারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে টিচার রুম উন্নয়নের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য একটি সুষ্ঠু ও আরামদায়ক টিচার রুমের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বর্তমানে টিচার রুমটি ছোট, অপর্যাপ্ত আসবাবপত্র ও অস্বস্তিকর পরিবেশে রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, টিচার রুম উন্নত হলে শিক্ষকরা বিশ্রাম ও পরিকল্পনা করতে পারবেন, যা শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করবে। অতএব, বিনীত আবেদন, টিচার রুম উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র আলোকধারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ে নতুন পাঠ্যপুস্তক সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ৩০/০৯/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, অগ্রণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ে নতুন পাঠ্যপুস্তক সংযোজনের আবেদন। মাননীয়, বর্তমান ব্যবহৃত পাঠ্যপুস্তকগুলি অনেকাংশে পুরনো ও আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষার্থীদের আরও ভালো শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনের জন্য আধুনিক ও সংশোধিত পাঠ্যপুস্তক প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে আধুনিক পাঠ্যপুস্তক সংযোজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা নতুন ধারায় শিক্ষালাভ করতে পারে। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র অগ্রণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী।" বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৫/১০/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, জয়বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিক বিকাশ ও মেধার উন্নতির জন্য নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা দলের সাথে কাজ শিখবে ও সুস্থ থাকবে। আমরা আশা করি, আগামী মাসে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, যাতে সব বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারে। অতএব, বিনীত আবেদন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র জয়বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সম্প্রসারণের আবেদন,"তারিখ: ১০/১০/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, বিজয় বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সম্প্রসারণের আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারটি বর্তমানে ছোট ও পাঠ্যপুস্তকসহ অন্যান্য বইয়ের সংখ্যা সীমিত। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তার জন্য গ্রন্থাগার সম্প্রসারণ জরুরি। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, নতুন বই ও জায়গার ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আরও শিক্ষার্থী গ্রন্থাগার ব্যবহার করতে পারে। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র বিজয় বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।" বিদ্যালয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য ট্যাংক স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১৫/১০/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য ট্যাংক স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ের পানি সমস্যা সমাধানের জন্য বৃষ্টির পানি সংগ্রহ একটি কার্যকর পদ্ধতি। এতে জল সাশ্রয় হবে এবং পরিবেশ সংরক্ষিত হবে। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ের ছাদের ওপর বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য একটি বড় ট্যাংক স্থাপন করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্র নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। " বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নতির আবেদন,"তারিখ: ২০/১০/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নতির আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত হওয়ায় অনাকাঙ্খিত ব্যক্তির প্রবেশ ও অনিয়ম বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট।" বিদ্যালয়ে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৫/১০/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য নবীন বরণ অনুষ্ঠান একটি প্রয়োজনীয় কর্মসূচি। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করে। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আগামী মাসে নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা।" বিদ্যালয়ে বিদ্যুতের বিল মওকুফের আবেদন,"তারিখ: ৩০/১০/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সোনালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: বিদ্যালয়ের বিদ্যুতের বিল মওকুফের আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে বিদ্যালয়ের আর্থিক অবস্থার কারণে বিদ্যুতের বিল পরিশোধে কষ্ট হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কোনও ব্যাঘাত না ঘটানোর জন্য বিল মওকুফের প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে আবেদন করছি, বিদ্যালয়ের বিদ্যুতের বিল কিছুদিনের জন্য মওকুফ করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র সোনালী উচ্চ বিদ্যালয়, বরিশাল।" বিদ্যালয়ে ক্লাসরুমে ভেন্টিলেশন উন্নতির আবেদন,"তারিখ: ০৫/১১/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষা নিকেতন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: ক্লাসরুমে ভেন্টিলেশন উন্নতির আবেদন। জনাব, বর্তমানে অনেক ক্লাসরুমে ভেন্টিলেশন অপর্যাপ্ত থাকায় গরম ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ শিক্ষার্থীদের জন্য অসুবিধাজনক। ভাল বাতাস ও আলো নিশ্চিত করতে ভেন্টিলেশন উন্নত করা প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত ক্লাসরুমের জানালা ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা উন্নত করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র শিক্ষা নিকেতন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১০/১১/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, আগ্রসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মাননীয়, বর্তমান শিক্ষায় কম্পিউটার ও প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার সুযোগ দিতে বিদ্যালয়ে একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার ল্যাবের প্রয়োজন। আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে দ্রুত কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র আগ্রসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। " বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য চিকিৎসা সেবা প্রদানের আবেদন,"তারিখ: ১৫/১১/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সুশিক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য চিকিৎসা সেবা প্রদানের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের হঠাৎ অসুস্থতা ঘটে, কিন্তু দ্রুত চিকিৎসা সেবা না থাকায় সমস্যা দেখা দেয়। একটি চিকিৎসা কক্ষ ও ডাক্তারের ব্যবস্থা জরুরি। আমরা বিনীতভাবে আবেদন করছি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র চালু করা হোক। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৭ম শ্রেণির ছাত্র সুশিক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।" বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২০/১১/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক সংকট রয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষক যথেষ্ট নেই, ফলে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় ক্লাস পরিচালনা দুর্বল হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদে নতুন যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। এতে শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও গুণগত শিক্ষা গ্রহণে সক্ষম হবে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। আমরা বিনীতভাবে আবেদন করছি, প্রয়োজনীয় পদগুলো শীঘ্রই শূন্য ঘোষণা করে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আমরা আশাবাদী, আপনার নেতৃত্বে দ্রুত এই সমস্যা সমাধান হবে। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, বিদ্যালয়ের কর্মচারী নতুন আলো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদানের আবেদন,"তারিখ: ২৫/১১/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদানের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের বর্তমান ভবন অত্যন্ত পুরনো এবং অনেকাংশে ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ক্লাসরুমগুলো সম্পূর্ণ অপর্যাপ্ত। নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। সরকারি সহায়তা পেলে আমরা একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ করতে পারবো যা অন্তত ১০০০ শিক্ষার্থীকে একযোগে পাঠদানে সক্ষম হবে। ভবনটি শ্রেণিকক্ষে ছাড়াও একটি বড় হলরুম, আধুনিক লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব এবং গবেষণার জন্য পৃথক কক্ষ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন আরও সমৃদ্ধ হবে। আমরা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুদানের জন্য আবেদন করব। এজন্য আপনার সদয় অনুমোদন ও সহযোগিতা কামনা করছি। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। " বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ৩০/১১/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, জয়বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে বিদ্যালয়ের স্যানিটেশন ব্যবস্থা অত্যন্ত অপর্যাপ্ত ও অস্বাস্থ্যকর। টয়লেটগুলো অপরিষ্কার, পানীয় জল সংরক্ষণ ও ধোয়ার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই, যার ফলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন সময়ে দুর্গন্ধ ও পোকামাকড়ের প্রকোপ বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা স্থাপন করা প্রয়োজন। আমরা প্রস্তাব করছি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পর্যাপ্ত সংখ্যক টয়লেট, হাত ধোয়ার স্টেশন, বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা রক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, স্যানিটেশন ব্যবস্থার সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কিত শিক্ষামূলক কর্মশালা আয়োজন করা জরুরি। আমরা বিনীতভাবে আশা করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এতে শিক্ষার্থীরা সুস্থ, নিরাপদ এবং মনোবল সম্পন্ন থাকবে, যা শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। অতএব, এই আবেদনটি মঞ্জুর করার জন্য সদয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র জয়বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই ক্রয়ের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৫/১২/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, বিজয় বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই ক্রয়ের জন্য আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ের লাইব্রেরাটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ভান্ডার, কিন্তু বর্তমানে এতে অনেক বই পুরনো ও ক্ষয়প্রাপ্ত। নতুন বইয়ের অভাবে শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্য ও গবেষণার সাথে পরিচিত হতে পারছে না। আমরা প্রস্তাব করছি, বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল, প্রযুক্তি ও সাহিত্য বিষয়ক নতুন ও আধুনিক বই ক্রয় করা হোক। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবহির্ভূত জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে এবং তারা সৃজনশীল ও বিচক্ষণ হতে পারবে। আমরা আশা করি, বিদ্যালয়ের অর্থায়ন থেকে বা দাতা সংস্থার সহযোগিতায় দ্রুত নতুন বই সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অতএব, এই আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বিজয় বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। " বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ১০/১২/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বিদ্যালয়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে ক্লাস চলাকালীন নানা অসুবিধা সৃষ্টি হয়। বিদ্যুতের অভাবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিঘ্নিত হয় এবং প্রযুক্তি ব্যবহার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে বিদ্যালয়ে স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যুৎ সংযোগের উন্নয়ন ছাড়াও বিকল্প জেনারেটর ব্যবস্থা রাখা হোক যাতে জরুরি সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত থাকে। আমরা আশা করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করবেন এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা।" বিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ১৫/১২/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। বিষয়: বিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণের আবেদন। মাননীয়, বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়েই চলেছে। আমাদের বিদ্যালয়টি সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে বন্যা, পাহাড় ধসসহ নানা দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ে জরুরি প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন। যেমন: শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি পরিচ্ছন্ন পানীয় জল, সুরক্ষিত আশ্রয়স্থল, জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী, দুর্যোগকালীন সিগন্যাল ব্যবস্থা এবং নিরাপদ ও দ্রুত ইভাকুয়েশন পদ্ধতি স্থাপন। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী ও শিক্ষার্থীদের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক এবং নিয়মিতভাবে মহড়া চালানো হোক। এতে দুর্যোগের সময় দ্রুত সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। আমরা বিশ্বাস করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অতএব, এই আবেদনটি মঞ্জুর করার জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র সুরক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট।" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উৎসব উদযাপনের অনুমতি আবেদন,"তারিখ: ২০/১২/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, নবজ্যোতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: বিদ্যালয়ে উৎসব উদযাপনের অনুমতি আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব উদযাপনের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎসবগুলি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সহায়ক এবং সংস্কৃতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমরা আবেদন করছি, আগামী মাসে জাতীয় দিবস বা ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলা-কুদির আয়োজনের অনুমতি প্রদান করা হোক। এতে শিক্ষার্থীরা আনন্দ ও ঐক্যবদ্ধতার শিক্ষা পাবে। আমরা আশাবাদী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদানের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, বিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নবজ্যোতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল।" বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৫/১২/২০২৫ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, আগ্রসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয়, বর্তমান ডিজিটাল যুগে কম্পিউটারের জ্ঞান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আমাদের বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী এই বিষয়ে পর্যাপ্ত দক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হোক যেখানে প্রাথমিক থেকে উন্নত পর্যায়ের কম্পিউটার শিক্ষা দেওয়া হবে। এতে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হবে এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে পারবে। আমরা আশা করি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত এই কর্মশালা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৯ম শ্রেণির ছাত্র আগ্রসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজশাহী। " বিদ্যালয়ে পানি সরবরাহের সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন,"তারিখ: ৩০/১২/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, সুশিক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে পানি সরবরাহের সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমানে বিদ্যালয়ে পানি সরবরাহ অপর্যাপ্ত ও অনিয়মিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা পানীয় জল পান করতে সমস্যায় পড়ে। এতে তাদের স্বাস্থ্য ও পড়াশোনায় প্রভাব পড়ছে। আমরা প্রস্তাব করছি, বিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী পানির ট্যাংক ও পাম্প স্থাপন করা হোক যা শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে। এছাড়া নিয়মিত পানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমস্যা সমাধান করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক, ৮ম শ্রেণির ছাত্র সুশিক্ষা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। " বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহন সুবিধা প্রদানের আবেদন,"তারিখ: ০৫/০১/২০২৬ বরাবর, মাননীয়, প্রধান শিক্ষক, আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহন সুবিধা প্রদানের আবেদন। মাননীয়, বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরা অনেক দূর থেকে এসে পড়াশোনা করে। কিন্তু তাদের জন্য সাশ্রয়ী ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই শিক্ষায় অনিয়মিত হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। আমরা প্রস্তাব করছি, নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ বাস সার্ভিস চালু করা হোক যাতে তারা নিয়মিত ও নিরাপদে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে পারে। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগও বাড়বে। আমরা আশা করি, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পরিবহন সুবিধার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অতএব, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন রইল। নিবেদক, ১০ম শ্রেণির ছাত্র আলোকিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।" বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, কর্মপরিচালক, ছাত্রকল্যাণ দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা, উচ্চশিক্ষা ও চাকরির জগতে প্রবেশের দ্বারপ্রান্তে। তবে আমাদের অনেকেই নিজের পছন্দ ও সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক ক্যারিয়ার নির্বাচন করতে দ্বিধায় রয়েছি। তাই অনুরোধ করছি, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং বিষয়ক একটি সেশন আয়োজন করা হোক, যেখানে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক আমাদের পেশা নির্বাচনের কৌশল, সিভি প্রস্তুতি, ইন্টারভিউ টিপস, এবং বিদেশে পড়াশোনার পথনির্দেশনা দেবেন। আশা করি, আমাদের এই অনুরোধ বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদকগণ স্নাতক শেষ বর্ষের ছাত্রছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় " গ্রন্থাগারের সময়সীমা বৃদ্ধি সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, গ্রন্থাগারিক, শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ, যশোর। বিষয়: গ্রন্থাগারের সময়সীমা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করার আবেদন। মহোদয়, বর্তমানে আমাদের কলেজ গ্রন্থাগার প্রতিদিন বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে। অনেক ছাত্রছাত্রী ক্লাস শেষে লাইব্রেরিতে বসে পড়তে চায়, কিন্তু সময় কম থাকায় সমস্যায় পড়ে। আমরা অনুরোধ করছি, লাইব্রেরির সময়সীমা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হোক। এতে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি সময় পড়াশোনার সুযোগ পাবে এবং প্রস্তুতিতে সহায়তা পাবে। আপনার সদয় বিবেচনায় আশাবাদী। নিবেদকগণ স্নাতক প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রী শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ, যশোর" স্কুলে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, হলিডে হাই স্কুল, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের আবেদন। প্রিয় মহাশয়, বিজ্ঞানের জগতে আগ্রহী অনেক শিক্ষার্থী আমাদের স্কুলে রয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত কোন ক্লাব বা সংগঠিত কার্যক্রম নেই। আমরা চাই একটি বিজ্ঞান ক্লাব গড়ে তোলা হোক, যেখানে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, মডেল তৈরি, এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এই ক্লাব আমাদের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে। তাই অনুরোধ করছি, আমাদের স্কুলে একটি বিজ্ঞান ক্লাব গঠনের অনুমতি প্রদান করুন। নিবেদকগণ অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী হলিডে হাই স্কুল, চট্টগ্রাম" হোস্টেলের ওয়াই-ফাই সেবা উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রভোস্ট, আবু নাসের ছাত্রাবাস, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বিষয়: হোস্টেলের ওয়াই-ফাই সংযোগের গতি বৃদ্ধি ও উন্নয়নের আবেদন। জনাব, আমরা হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট সংযোগে চরম সমস্যায় ভুগছি। অনলাইন ক্লাস, রিসার্চ, প্রজেক্ট, ও এসাইনমেন্টের জন্য দ্রুতগতির ইন্টারনেট অপরিহার্য, কিন্তু বিদ্যমান সেবা ধীরগতির ও প্রায়ই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আমরা অনুরোধ করছি, হোস্টেলে নিরবিচ্ছিন্ন ও দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই সংযোগের ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদকগণ আবাসিক শিক্ষার্থী, আবু নাসের ছাত্রাবাস খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়" কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, অধ্যক্ষ, বীরশ্রেষ্ঠ মিরাজ কলেজ, দিনাজপুর। বিষয়: বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের কলেজে দীর্ঘদিন ধরে কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়নি। এই রকম আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ দেয়। আমরা চাই, আগামী মাসে একটি বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হোক। এতে গান, নাটক, কবিতা আবৃত্তি, এবং নৃত্য পরিবেশনের ব্যবস্থা থাকবে। আপনার সম্মতি পেলে আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে প্রস্তুত। নিবেদকগণ স্নাতক ও এইচএসসি শিক্ষার্থীবৃন্দ বীরশ্রেষ্ঠ মিরাজ কলেজ, দিনাজপুর" সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নারীদের জন্য আলাদা টয়লেট স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, পরিচালক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বিষয়: নারীদের জন্য আলাদা শৌচাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বর্তমানে নারীদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা নেই। এতে আমরা নানা সমস্যায় পড়ি এবং দীর্ঘ সময় অবস্থান করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি, নারী প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, পরিষ্কার ও আলাদা টয়লেট স্থাপন করা হোক। নিবেদকগণ নারী প্রশিক্ষণার্থী চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র" গ্রামে একটি কমিউনিটি পাঠাগার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, চেয়ারম্যান, চরসোনারচর ইউনিয়ন পরিষদ, কুড়িগ্রাম। বিষয়: গ্রামে কমিউনিটি পাঠাগার স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামে শিক্ষার পরিবেশ থাকলেও বইয়ের অভাব প্রকট। ছাত্রছাত্রীরা বাড়তি বই সংগ্রহ করতে পারে না। আমরা চাই, ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে একটি ছোট কমিউনিটি পাঠাগার স্থাপন হোক, যেখানে স্থানীয়রা বই পড়ার সুযোগ পাবে। আপনার সহযোগিতার জন্য আমরা প্রত্যাশী। নিবেদকগণ গ্রামের শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ চরসোনারচর, কুড়িগ্রাম " কলেজ ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়ন সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মহোদয়া, অধ্যক্ষ, সোনার বাংলা কলেজ, নারায়ণগঞ্জ। বিষয়: কলেজ ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়ন সংক্রান্ত আবেদন। মহোদয়া, আমাদের কলেজ ক্যান্টিনের খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। আমরা চাই, খাবারের গুণগত মান, হাইজিন, মূল্য নির্ধারণ ও পরিবেশ উন্নয়নে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আপনার তত্ত্বাবধানে বিষয়টি দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা রাখি। নিবেদকগণ স্নাতক শিক্ষার্থীরা সোনার বাংলা কলেজ, নারায়ণগঞ্জ " বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ক্লাব গঠনের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, জনাব, ক্লাব সমন্বয় কর্মকর্তা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বিষয়: “নেচার ক্লাব” গঠনের আবেদন। জনাব, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ সচেতনতা অর্জন করছে। আমরা চাই, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি “নেচার ক্লাব” গঠন করা হোক, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, এবং পাখি পরিচিতির মতো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। নিবেদকগণ জীববিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় " টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে মেয়েদের জন্য আলাদা ক্লাসরুমের আবেদন,"তারিখ: ০৭/০৭/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কক্সবাজার। বিষয়: মেয়েদের জন্য আলাদা ক্লাসরুম নির্ধারণের আবেদন। মান্যবর, বর্তমানে মেয়েরা ছেলেদের সাথে একই ক্লাসরুমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। যদিও এটি মিশ্র পরিবেশ, তবে অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কারণে সমস্যার সৃষ্টি হয়। আমরা অনুরোধ করছি, মেয়েদের জন্য একটি আলাদা প্রশিক্ষণ কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হোক। এতে অংশগ্রহণ ও শেখার মান উন্নত হবে। নিবেদকগণ মহিলা প্রশিক্ষণার্থী বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, কক্সবাজার" হাসপাতালের অপেক্ষাকৃত সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের জন্য ওষুধ সহায়তা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, পরিচালক, মহানগর মেডিকেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম। বিষয়: সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের ওষুধ সহায়তা চালুর জন্য আবেদন। মহোদয়, অনেক রোগী অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে অক্ষম হন, ফলে তাদের চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আমরা প্রত্যক্ষ করেছি যে এমন অনেক রোগী নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। অতএব, অনুরোধ করছি, হাসপাতালে একটি “ফার্মাসিউটিক্যাল সহায়তা বিভাগ” চালু করা হোক, যেখানে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ওষুধ বিতরণ করা হবে। এতে মানবিক সহায়তার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে। নিবেদক স্থানীয় সেবামূলক সংগঠন “আলোর পথ” চট্টগ্রাম " বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতে পড়ার জন্য পাঠাগারের সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, লাইব্রেরিয়ান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: পাঠাগারের সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানোর আবেদন। জনাব, আমরা অনেক শিক্ষার্থী খণ্ডকালীন চাকরি করি বা দিনব্যাপী ক্লাসে অংশগ্রহণ করি, ফলে নিরবচ্ছিন্ন পাঠের সুযোগ সন্ধ্যার পরই হয়। বর্তমান লাইব্রেরির সময়সীমা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হওয়ায় পর্যাপ্ত অধ্যয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অতএব, অনুরোধ করছি, লাইব্রেরির সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বর্ধিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যাতে আরও বেশি শিক্ষার্থী এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। নিবেদক মাস্টার্স শ্রেণির ছাত্রছাত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর" পল্লী অঞ্চলে স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, চেয়ারম্যান, “স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন”, ঢাকা। বিষয়: স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজনের প্রস্তাবনা। প্রিয় মহাশয়, পল্লী অঞ্চলের সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন না থাকায় নানা রোগে আক্রান্ত হন। বিশেষ করে শিশু ও নারী স্বাস্থ্য বিষয়ে অজ্ঞতা লক্ষ্য করা যায়। সেই লক্ষ্যে, আমাদের অনুরোধ, এক মাস অন্তর অন্তর পল্লী অঞ্চলে একদিনব্যাপী স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজন করুন, যেখানে চিকিৎসা, পরামর্শ এবং ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম থাকবে। নিবেদক স্থানীয় উন্নয়নকর্মীরা সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলা " জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে নাট্যকর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, নরসিংদী। বিষয়: নাট্যকর্মশালা আয়োজনের জন্য আবেদন। মান্যবর, নাটক আমাদের সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। কিন্তু আমাদের জেলার তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ নেই। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, ১৫ দিনের একটি নাট্যকর্মশালার আয়োজন করা হোক, যেখানে অভিনয়, নির্দেশনা, মঞ্চায়ন, এবং আলোকসজ্জা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। নিবেদক “মঞ্চসাথী” নাট্যসংগঠনের সদস্যবৃন্দ নরসিংদী" তথ্যপ্রযুক্তি ক্লাব প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, প্রধান শিক্ষক, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ। বিষয়: তথ্যপ্রযুক্তি ক্লাব প্রতিষ্ঠার আবেদন। মহোদয়, বর্তমান যুগে তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষতা শিক্ষার্থীদের জন্য অপরিহার্য। অথচ আমাদের বিদ্যালয়ে আইসিটি ক্লাসের বাইরেও চর্চার সুযোগ সীমিত। তাই, অনুরোধ করছি, একটি আইটি ক্লাব গঠনের অনুমতি প্রদান করুন, যেখানে আমরা নিয়মিত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে পারব। নিবেদক অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঝিনাইদহ" পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, মেয়র, নাটোর পৌরসভা। বিষয়: সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অনুরোধ। মান্যবর, বর্তমানে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় বাসাবাড়ির বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতিটি মহল্লায় নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করুন। নিবেদক স্থানীয় নাগরিকবৃন্দ নাটোর পৌরসভা" কলেজে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, অধ্যক্ষ, সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল। বিষয়: নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্তির আবেদন। জনাব, গণমাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক অনেক শিক্ষার্থী কলেজ পর্যায়ে থেকেই প্রাথমিক শিক্ষা নিতে চায়। কিন্তু আমাদের কলেজে সাংবাদিকতা বা গণযোগাযোগ বিষয়ে কোনো কোর্স চালু নেই। অতএব, অনুরোধ করছি, অনার্স পর্যায়ে “গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা” বিভাগ চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হোক। নিবেদক এইচএসসি ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল" বন্যা দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মহোদয়, ডেপুটি কমিশনার, গাইবান্ধা জেলা। বিষয়: বন্যা দুর্গত এলাকায় জরুরি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহের অনুরোধ। মহোদয়, বর্তমানে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলায় বন্যায় কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি। তাদের খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির মারাত্মক সংকট চলছে। অনুরোধ করছি, দ্রুত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ, এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। নিবেদক সচেতন নাগরিকবৃন্দ গাইবান্ধা জেলা" শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বিষয়: শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত আবেদন। মান্যবর, বর্তমান সময়ে শিক্ষাব্যবস্থায় নানা পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শিক্ষকদের অনেকেই সেই পরিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে পারছেন না। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বছরে অন্তত দুইবার প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করুন, যাতে শিক্ষকগণ নতুন পদ্ধতি আয়ত্ত করতে পারেন। নিবেদক “শিক্ষা উন্নয়ন সংস্থা”-এর পক্ষ থেকে ঢাকা" বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, তালা উপজেলা, সাতক্ষীরা। বিষয়: যাত্রী ছাউনি নির্মাণের অনুরোধ। মান্যবর, স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার সময় যাত্রীদের রোদ, বৃষ্টি, ধুলাবালির মুখোমুখি হতে হয়। কোনো ছাউনি না থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনুরোধ করছি, বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যা যাত্রীদের জন্য নিরাপদ ও আরামদায়ক অপেক্ষার স্থান হবে। নিবেদক স্থানীয় জনসাধারণ তালা উপজেলা, সাতক্ষীরা" বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বিতর্ক ক্লাব গঠনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নরাইল। বিষয়: সাপ্তাহিক বিতর্ক ক্লাব গঠনের আবেদন। মহাশয়, শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও যুক্তির চর্চার জন্য বিতর্ক একটি চমৎকার মাধ্যম। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত বিতর্ক চর্চার কোনো সুযোগ নেই। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতি শনিবারে এক ঘণ্টা বিতর্ক ক্লাবের জন্য বরাদ্দ রাখার অনুমতি দিন এবং একজন শিক্ষককে দায়িত্বপ্রাপ্ত করুন। এতে ছাত্রছাত্রীরা আত্মবিশ্বাসী ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তাশীল হয়ে উঠবে। নিবেদক নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নরাইল " শহরের পানীয় জলের লাইনে লিকেজ মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রকৌশলী, পানি সরবরাহ বিভাগ, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। বিষয়: জল সরবরাহ লাইনের লিকেজ মেরামতের আবেদন। জনাব, আমাদের মহল্লার ৩নং গলিতে পানির লাইনে দীর্ঘদিন ধরে লিকেজ রয়েছে, ফলে পানি অপচয় হচ্ছে এবং রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। অতএব, অনুরোধ করছি, দ্রুত একটি টেকনিক্যাল টিম পাঠিয়ে সমস্যাটি সমাধান করা হোক। নিবেদক স্থানীয় বাসিন্দাগণ ৩নং গলি, রাজশাহী " কলেজে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর। বিষয়: ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আবেদন। অধ্যক্ষ মহোদয়, অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা শেষে কীভাবে ক্যারিয়ার গড়বে, সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা রাখে না। ফলে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। অতএব, অনুরোধ করছি, প্রতি মাসে একজন অতিথি পেশাজীবীকে দিয়ে এক ঘণ্টার “ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন” চালুর ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদক অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ" শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, সভাপতি, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। বিষয়: রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, পানির অপচয় রোধে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ একটি কার্যকরী পদ্ধতি। আমাদের বিদ্যালয়ে এই প্রযুক্তি স্থাপন করলে তা শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতনতা বাড়াবে এবং জলের ঘাটতি রোধে সহায়ক হবে। অতএব, অনুরোধ করছি, একটি রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। নিবেদক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ক্লাব জামালপুর" অফিসে কর্মচারীদের জন্য একটি বিশ্রামাগার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (BTCL), ঢাকা। বিষয়: কর্মচারীদের বিশ্রামের জন্য একটি নির্দিষ্ট কক্ষের আবেদন। মহাশয়, আমাদের বিভাগে কর্মরত কর্মচারীরা নিরবচ্ছিন্ন ৮-৯ ঘণ্টা কাজ করেন। কিন্তু বিশ্রামের কোনো নির্ধারিত জায়গা না থাকায় তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েন। অতএব, অনুরোধ করছি, একটি ছোট কক্ষকে বিশ্রামাগার হিসেবে বরাদ্দ দিন, যাতে কর্মচারীরা নির্দিষ্ট সময়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে পারেন। নিবেদক বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা BTCL, ঢাকা সদর দপ্তর" স্থানীয় বাজারে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, সভাপতি, হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, মৌলভীবাজার। বিষয়: অগ্নি নিরাপত্তা যন্ত্র স্থাপনের অনুরোধ। মহাশয়, বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। কিন্তু আগুন নেভানোর কোনো প্রস্তুতি না থাকায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি, বাজারের প্রধান তিনটি পয়েন্টে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপন করুন এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুন। নিবেদক স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি মৌলভীবাজার" পরীক্ষার সময় বিদ্যালয়ে জেনারেটর চালু রাখার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর। বিষয়: পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত আবেদন। মহাশয়, পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরম ও অন্ধকার কক্ষে বসে লেখা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে ওঠে। অতএব, অনুরোধ করছি, পরীক্ষার সময় জেনারেটর চালু রাখা হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা স্বস্তিতে পরীক্ষা দিতে পারে। নিবেদক অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্ররা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর " স্থানীয় লাইব্রেরিতে আরও বাংলা সাহিত্য সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, লাইব্রেরিয়ান, কেশবপুর পাবলিক লাইব্রেরি, যশোর। বিষয়: বাংলা সাহিত্যের বই সংযোজনের আবেদন। জনাব, আমাদের লাইব্রেরিতে বাংলা সাহিত্যের বইয়ের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। বিশেষ করে হুমায়ুন আজাদ, সেলিনা হোসেন, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বই অনুপস্থিত। অতএব, অনুরোধ করছি, বাংলা সাহিত্যের আধুনিক লেখকদের গ্রন্থ সংগ্রহ করে পাঠকদের মাঝে বিতরণে সহায়তা করুন। নিবেদক নিয়মিত পাঠকগণ কেশবপুর পাবলিক লাইব্রেরি" ছাত্রীদের জন্য পৃথক ক্রীড়া প্রশিক্ষণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক, সরকারি মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ। বিষয়: ছাত্রীদের জন্য ক্রীড়া প্রশিক্ষণ চালুর আবেদন। মহোদয়, কলেজে খেলাধুলা হয় মূলত ছেলেদের জন্যই উপযোগী করে। ছাত্রীদের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। ফলে তারা পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, অনুরোধ করছি, সপ্তাহে অন্তত দুদিন ছাত্রীদের জন্য পৃথক ক্রীড়া প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হোক। নিবেদক কলেজের ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্রীরা সরকারি মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ" স্কুলের দেয়ালে শিক্ষামূলক চিত্র অঙ্কনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। বিষয়: শিক্ষামূলক চিত্রাঙ্কন প্রকল্প অনুমোদনের আবেদন। মহাশয়, শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্কুলের খালি দেয়ালে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষামূলক চিত্র (পরিবেশ, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান) আঁকার একটি প্রস্তাবনা আমরা দিয়েছি। অনুরোধ করছি, এই উদ্যোগ অনুমোদন দিন এবং দেয়ালের রং ও উপকরণ ব্যবস্থায় সহায়তা করুন। এতে বিদ্যালয় আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। নিবেদক অঙ্কন ও বিজ্ঞান ক্লাবের সদস্যরা হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কুষ্টিয়া" শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত ফ্যান সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত ফ্যান সংযোজনের আবেদন। মহাশয়, আমাদের শ্রেণিকক্ষে প্রচণ্ড গরম পড়ে, কিন্তু মাত্র একটি ফ্যান থাকায় তা সকলের জন্য পর্যাপ্ত নয়। ফলে পড়ালেখায় মনোযোগ ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি, শ্রেণিকক্ষে আরও একটি বা দুটি ফ্যান সংযোজন করে শিক্ষার্থীদের স্বস্তির সাথে পাঠগ্রহণের সুযোগ দিন। নিবেদক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীবৃন্দ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর" মহল্লায় নোংরা ড্রেন পরিষ্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম। বিষয়: নোংরা ড্রেন পরিষ্কারের আবেদন। মহাশয়, আমাদের গলির ড্রেন অনেকদিন যাবৎ পরিষ্কার না করায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং মশার উপদ্রব বাড়ছে। অতএব, দ্রুত পরিচ্ছন্নতা কর্মী পাঠিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক স্থানীয় বাসিন্দাবৃন্দ ৩৪নং ওয়ার্ড, চট্টগ্রাম" বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, ম্যানেজার, বিদ্যুৎ অফিস, কুমিল্লা। বিষয়: বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের আবেদন। জনাব, গত মাসে আমাদের বাসার বিদ্যুৎ বিল ৪,৮৫০ টাকা এসেছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। অথচ বিদ্যুৎ খরচ ছিল পূর্বের মতোই। অতএব, অনুরোধ করছি, বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক বিল প্রদান ও পূর্বের বিল সংশোধনের ব্যবস্থা নিন। নিবেদক মো. জহিরুল ইসলাম ৬৫/বি শহীদ নগর, কুমিল্লা" কলেজে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা। বিষয়: ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন। মহাশয়, বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ইংরেজি ভাষায় দুর্বল। চাকরি, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও বিদেশে পড়াশোনার জন্য ইংরেজি দক্ষতা জরুরি। অতএব, একটি স্বল্পমেয়াদি ইংরেজি প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা সরকারি তিতুমীর কলেজ" আন্তঃবিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রার্থনা,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা। বিষয়: আন্তঃবিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অনুমতি। মহাশয়, আগামী মাসে জেলা পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের বিদ্যালয় থেকেও একটি দল প্রস্তুত রয়েছে। অতএব, আমাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়ে একজন শিক্ষককে দায়িত্ব প্রদান ও প্রয়োজনে ছুটি মঞ্জুরের অনুরোধ করছি। নিবেদক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া দল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা" গ্রন্থাগারে নতুন সংবাদপত্র চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, লাইব্রেরিয়ান, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পাবনা। বিষয়: নতুন সংবাদপত্র চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের লাইব্রেরিতে কেবল একটি বাংলা সংবাদপত্র রাখা হয়। শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ও অন্য বাংলা পত্রিকাও পড়তে আগ্রহী। অতএব, অনুরোধ করছি, “The Daily Star”, “বাংলাদেশ প্রতিদিন” ও “প্রথম আলো” যুক্ত করা হোক। নিবেদক নিয়মিত পাঠকবৃন্দ সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পাবনা" রাস্তার পাশে গণশৌচাগার স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, সাভার পৌরসভা, ঢাকা। বিষয়: গণশৌচাগার স্থাপনের আবেদন। মহাশয়, সাভার বাজারের আশেপাশে কোনো গণশৌচাগার নেই, ফলে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অতএব, জনস্বার্থে একটি গণশৌচাগার স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক স্থানীয় বাসিন্দাগণ সাভার, ঢাকা" শিক্ষার্থী বাস সার্ভিস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, মাদারীপুর সরকারি কলেজ। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর আবেদন। মহাশয়, আমাদের অনেক শিক্ষার্থী দূরদূরান্ত থেকে কলেজে আসে। কিন্তু নির্ভরযোগ্য পরিবহনের অভাবে তারা দুর্ভোগে পড়ে। অতএব, অনুরোধ করছি, কলেজ থেকে অন্তত একটি বাস সার্ভিস চালু করার ব্যবস্থা করুন। নিবেদক শিক্ষার্থীবৃন্দ মাদারীপুর সরকারি কলেজ" পরীক্ষার রুটিন পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, পঞ্চগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। বিষয়: পরীক্ষার রুটিন পুনর্বিন্যাসের আবেদন। মহাশয়, বর্তমান পরীক্ষার রুটিনে দুটি জটিল বিষয় (গণিত ও পদার্থ) পরপর দিন রাখা হয়েছে, ফলে প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে না। অতএব, রুটিন পুনর্বিন্যাস করে একদিন বিরতি রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পঞ্চগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় " মোবাইল ফোনে গুজব ছড়ানো বন্ধে প্রচারণার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, ইউএনও, উপজেলা প্রশাসন, ঝিনাইদহ। বিষয়: গুজব প্রতিরোধে প্রচারণা চালানোর আবেদন। জনাব, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু লোক সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা খবর ছড়িয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করছে। অতএব, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক লিফলেট, মাইকিং ও সেমিনার আয়োজন করার অনুরোধ করছি। নিবেদক উদ্বিগ্ন নাগরিকবৃন্দ ঝিনাইদহ সদর " গ্রামে একটি স্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ঢাকা। বিষয়: গ্রামে একটি স্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। মহাশয়, আমরা মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার চর বাউলিয়া গ্রামের অধিবাসী। আমাদের গ্রামে প্রায় দশ হাজার লোক বসবাস করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, এখানে কোনো স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতাল নেই। সামান্য অসুস্থতা হলেও আমাদের ১০–১৫ কিলোমিটার দূরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। অনেক সময় জরুরি অবস্থায় রোগীর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে প্রসূতি মা, শিশু ও বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হন। সম্প্রতি আমাদের গ্রামে একটি পরিত্যক্ত সরকারি জমি চিহ্নিত হয়েছে, যেখানে একটি স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব। স্থানীয়ভাবে জনসাধারণের সমর্থনও রয়েছে। আমরা গ্রামের তরুণরা নিয়মিতভাবে স্বেচ্ছাসেবামূলক চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করি, কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী সমাধান নয়। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, আমাদের গ্রামে একটি সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করে হাজারো মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদকগণ, চর বাউলিয়া গ্রামের সচেতন নাগরিকবৃন্দ সিঙ্গাইর, মানিকগঞ্জ " কলেজে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম। বিষয়: কলেজ প্রাঙ্গণে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করার আবেদন। মাননীয় অধ্যক্ষ, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের কলেজে নিরাপদ পানির কোনো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে যে পানির ফিল্টারটি আছে তা পুরাতন ও অকার্যকর। অনেক সময় পানি দুর্গন্ধযুক্ত ও অনিরাপদ মনে হয়। ফলে ছাত্রছাত্রীদের একাংশ বাইরের দোকান থেকে পানির বোতল কিনে খেতে বাধ্য হয়, যা সবার জন্য আর্থিকভাবে সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, গ্রীষ্মকালীন সময়ে প্রচণ্ড গরম পড়ে এবং একটানা ক্লাস চলার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রায়শই বিশুদ্ধ পানি প্রয়োজন হয়। তবে সুপেয় পানির অভাবে অনেকেই পানিশূন্যতায় ভোগে এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, অনতিবিলম্বে কলেজ প্রাঙ্গণে নতুন ও কার্যকর নিরাপদ পানির সরবরাহ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করুন। নিবেদকগণ, কলেজের সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম" বন্যার্তদের সহায়তার জন্য ত্রাণ শিবির স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, জেলা প্রশাসক, গাইবান্ধা জেলা। বিষয়: বন্যাদুর্গতদের জন্য ত্রাণ শিবির স্থাপনের আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা ফুলছড়ি উপজেলার বন্যাদুর্গত অঞ্চলের বাসিন্দা। গত কয়েক সপ্তাহের টানা বর্ষণে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় আমাদের এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে, কৃষিপণ্য ও গবাদিপশু ভেসে গেছে। বর্তমানে আমরা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছি। খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নারী ও শিশুরা বিশেষভাবে কষ্টে আছে। এখনও পর্যন্ত কোনো ত্রাণ বা সাহায্য না পৌঁছানোয় জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাদের এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ শিবির স্থাপন করে খাদ্য, পানি, ওষুধ ও আশ্রয় প্রদান করুন। নিবেদকগণ, ফুলছড়ি উপজেলার বন্যাকবলিত জনগণ গাইবান্ধা" মসজিদের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান প্রকৌশলী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা। বিষয়: মসজিদের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের ‘নুরানী জামে মসজিদ’-এর সামনে সামান্য বৃষ্টিতেই প্রচণ্ড জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি জমে গিয়ে পথচারী ও মুসল্লিদের চলাচল ব্যাহত হয়। বিশেষ করে জুমার দিনে নামাজের সময় প্রবেশপথে পানি জমে থাকে, যা অতি কষ্টদায়ক। স্থানীয়ভাবে আমরা একাধিকবার পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের জন্য পাকা ড্রেনেজ নির্মাণ ও সড়ক উঁচু করা জরুরি। এটি একটি জনসাধারণের উপাসনালয় হওয়ায় প্রতিদিন শত শত লোক এখানে আসেন। অতএব, অনুরোধ করছি, দ্রুত প্রকৌশলী পাঠিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় মুসল্লিবৃন্দ মিরপুর ১০, ঢাকা " স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নতুন খেলার সামগ্রী কেনার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, প্রধান শিক্ষক, আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় খেলার সরঞ্জাম কেনার আবেদন। জনাব, সস্নেহ নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতিবছরের মতো এবারও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলার প্রতি খুবই আগ্রহী এবং এতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকে। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, বর্তমানে বিদ্যালয়ের খেলার সামগ্রীর অবস্থা একেবারেই দুর্বল। অনেক ফুটবল ছেঁড়া, ক্রিকেট ব্যাট ও বল পুরনো ও ভাঙা, দড়ি লাফের দড়ি ছিঁড়ে গেছে। ফলে নতুন খেলোয়াড়দের ঠিকভাবে অনুশীলন করানো সম্ভব হচ্ছে না। আমরা মনে করি, এই প্রতিযোগিতাকে সফলভাবে আয়োজন করতে হলে নতুন ও পর্যাপ্ত খেলার সামগ্রী যেমন—ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট ও বল, দড়ি, ডিসকাস, স্পাইক জুতা, জার্সি ইত্যাদি কেনা জরুরি। অতএব, আমাদের অনুরোধ—আপনি যেন বরাদ্দ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যাতে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয় এবং ছাত্রছাত্রীরা উৎসাহিত হয়। নিবেদকগণ, বিদ্যালয়ের ক্রীড়া অনুরাগী ছাত্রছাত্রীবৃন্দ আলোকধারা উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াখালী।" প্রযুক্তি ক্লাব গঠনের অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রিয় মহাশয়, প্রধান শিক্ষক, ডিজিটাল হাই স্কুল, চট্টগ্রাম। বিষয়: বিদ্যালয়ে ‘প্রযুক্তি ক্লাব’ গঠনের অনুমতি চেয়ে আবেদন। প্রিয় মহাশয়, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, বর্তমান যুগ তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব থাকলেও শিক্ষার্থীদের নিজ উদ্যোগে প্রযুক্তি বিষয়ে জানার এবং কাজ করার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। তাই আমরা কিছু আগ্রহী শিক্ষার্থী মিলে একটি “প্রযুক্তি ক্লাব” গঠনের পরিকল্পনা করেছি। এই ক্লাবের অধীনে আমরা সপ্তাহে একদিন আধুনিক প্রযুক্তির ওপর আলোচনা সভা, ছোট প্রজেক্ট তৈরির চেষ্টা, প্রোগ্রামিং শেখা, প্রযুক্তি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ইত্যাদি করতে চাই। এই ক্লাব গঠিত হলে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে পড়াশোনার বাইরে থেকেও অনেক কিছু শিখতে পারবে। আমাদের বিশ্বাস, এটি আমাদের বিদ্যালয়ের সম্মান বৃদ্ধি করবে এবং প্রযুক্তি জগতে নতুন উদ্ভাবনে উৎসাহ যোগাবে। অতএব, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আপনি আমাদের এই ক্লাব গঠনের প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রদান করবেন এবং একটি রুম বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। নিবেদকগণ, উৎসাহী ছাত্রছাত্রীগণ ডিজিটাল হাই স্কুল, চট্টগ্রাম। " কলেজের গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, অধ্যক্ষ, সানরাইজ কলেজ, বরিশাল। বিষয়: কলেজ পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি, গণিত একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং আনন্দদায়ক বিষয়। তবে অনেক শিক্ষার্থী গণিতভীতি নিয়ে বেড়ে ওঠে, যার কারণে তারা এই বিষয়ে অনীহা অনুভব করে। এই সমস্যার সমাধানে এবং গণিতের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে আমরা কলেজ পর্যায়ে একটি “গণিত অলিম্পিয়াড” আয়োজন করতে চাই। এতে ১১ ও ১২ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে এবং পুরস্কারের মাধ্যমে উৎসাহিত হবে। আমরা এই প্রতিযোগিতায় প্রশ্ন তৈরি, পরীক্ষার আয়োজন, মূল্যায়ন এবং পুরস্কার বিতরণ—সব আয়োজন নিজেরাই করব, শুধু আপনাদের অনুমতি এবং সহযোগিতা প্রয়োজন। অতএব, অনুরোধ করছি, আপনি যেন আমাদের গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজনের অনুমতি দেন এবং একটি দিন ও কক্ষ বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। নিবেদকগণ, ১১ ও ১২ শ্রেণির গণিতপ্রেমী শিক্ষার্থীরা সানরাইজ কলেজ, বরিশাল। " মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে গরম পানির ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, সুপার, নূরানী কামিল মাদ্রাসা, কুষ্টিয়া। বিষয়: ছাত্রাবাসে গরম পানির ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন। জনাব, আমরা ছাত্রাবাসে থাকা ছাত্ররা আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাতে চাই যে, বর্তমানে আবহাওয়া প্রচণ্ড শীতল। প্রতিদিন সকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করতে গিয়ে অনেকেই সর্দি-কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। আমাদের আবাসন সুবিধা উন্নত হলেও গরম পানির ব্যবস্থা না থাকায় শীতকালে প্রতিদিন সকালে গা ধোয়া বা ওজু করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে। অতএব, আপনার কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ, আপনি যেন ছাত্রাবাসে অন্তত একটি গিজার বা গরম পানির হিটার সংযোগ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এতে করে আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা হবে এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। নিবেদকগণ, ছাত্রাবাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীবৃন্দ নূরানী কামিল মাদ্রাসা, কুষ্টিয়া। " বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চব্বিশ ঘণ্টা ডাক্তার রাখার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, মান্যবর, উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। বিষয়: মেডিকেল সেন্টারে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মেডিকেল সেন্টার থাকলেও তা দিনে মাত্র ৫ ঘণ্টা খোলা থাকে এবং একমাত্র চিকিৎসক সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টাই ক্যাম্পাসে অবস্থান করে। অনেক সময় রাতে হঠাৎ অসুস্থ হলে জরুরি চিকিৎসা পাওয়া যায় না, এমনকি হাসপাতালে নেওয়ার আগেই জটিলতা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে, আমরা অনুরোধ করছি, মেডিকেল সেন্টারকে ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হোক এবং সেখানে ডাক্তার ও নার্সসহ পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ রাখা হোক। নিবেদকগণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীবৃন্দ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ। " পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে টুলস ও সরঞ্জামের ঘাটতি পূরণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, জনাব, অধ্যক্ষ, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রংপুর। বিষয়: ল্যাবের জন্য প্রয়োজনীয় টুলস ও যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধাসহ জানানো যাচ্ছে, আমাদের ইনস্টিটিউটের মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল ল্যাবে প্রয়োজনীয় টুলস ও সরঞ্জামের মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। ফলে হাতে-কলমে কাজ শেখা যাচ্ছে না, যা পলিটেকনিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী। আমাদের হাতে পুরনো টেস্টার, হ্যাকসো, মাল্টিমিটারসহ কিছু যন্ত্রপাতি থাকলেও তা ছাত্রসংখ্যার তুলনায় খুবই অপ্রতুল এবং অনেকটাই অকেজো। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, ল্যাবগুলোতে নতুন টুলস, মেশিন, ওয়ার্কবেঞ্চ, সোল্ডারিং কিট ইত্যাদি সরবরাহ করা হোক যাতে করে দক্ষতার সঙ্গে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেওয়া সম্ভব হয়। নিবেদকগণ, মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রংপুর। " শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রায়পুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর। বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, বর্তমান যুগে কম্পিউটার শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব থাকলেও সেখানে কোনো প্রশিক্ষণ কোর্স এখনো চালু হয়নি। আমরা মনে করি, একটি প্রাথমিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা হলে শিক্ষার্থীরা মাইক্রোসফট অফিস, ই-মেইল ব্যবহারের নিয়ম, প্রোগ্রামিংয়ের প্রাথমিক ধারণা ইত্যাদি শিখে বাস্তব জীবনের জন্য দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আপনি যেন অতি দ্রুত একটি সপ্তাহব্যাপী বা মাসব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ রায়পুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর।" জাতীয় বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, পাবনা বিজ্ঞান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনা। বিষয়: জাতীয় বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতির আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধাসহ জানানো যাচ্ছে যে, আগামী মাসে রাজধানী ঢাকায় জাতীয় বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে আমাদের বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। আমরা দুইজন শিক্ষার্থী একটি প্রজেক্ট তৈরি করেছি যার শিরোনাম “স্মার্ট কৃষি যন্ত্র”। আমরা এই প্রজেক্টটি মেলায় প্রদর্শন করতে আগ্রহী এবং আমাদের বিশ্বাস এটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যবহারিক। অতএব, আমাদের প্রজেক্টসহ ঢাকায় গিয়ে অংশগ্রহণের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ, সায়েন্স ক্লাবের সদস্যবৃন্দ পাবনা বিজ্ঞান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাবনা। " কলেজে পাঠাগার সম্প্রসারণের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, রাজশাহী সরকারি কলেজ, রাজশাহী। বিষয়: পাঠাগারের পরিসর ও বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, আমাদের কলেজে একটি পাঠাগার থাকলেও তা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে এবং বইয়ের সংখ্যা খুবই কম। বেশির ভাগ পাঠ্যবই পুরনো এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বই নেই। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার জন্য প্রয়োজন অধিক বই, রেফারেন্স ম্যাটেরিয়াল, জার্নাল ও গবেষণাপত্র। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, পাঠাগারের স্থান ও বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করুন এবং একটি অনলাইন ক্যাটালগ ব্যবস্থাও চালু করার চিন্তা করুন। নিবেদকগণ, কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ রাজশাহী সরকারি কলেজ, রাজশাহী।" কলেজের ছাত্রীদের জন্য পৃথক সাধারণ কক্ষের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, ময়মনসিংহ মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ। বিষয়: ছাত্রীদের জন্য পৃথক সাধারণ কক্ষ (Common Room) স্থাপনের আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে, আমাদের কলেজে এখনো পর্যন্ত ছাত্রীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট “কমন রুম” নেই। ফলে ক্লাসের ফাঁকে বিশ্রামের জন্য বা জরুরি প্রয়োজনে একান্তে কোথাও বসার সুযোগ পাওয়া যায় না। আমাদের কলেজে ছাত্রীসংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই অবস্থায় একটি ছাত্রী সাধারণ কক্ষ, যেখানে চেয়ার-টেবিল, আয়না, পানি ও জরুরি ফার্স্টএইড থাকবে, অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। অতএব, আমাদের অনুরোধ, আপনি যেন দ্রুত ছাত্রীদের জন্য একটি আলাদা সাধারণ কক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, কলেজের ছাত্রীবৃন্দ ময়মনসিংহ মহিলা কলেজ, ময়মনসিংহ। " বিদ্যালয়ের ছুটির সময় পরিবর্তনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর। বিষয়: বিদ্যালয়ের ছুটির সময় আধা ঘণ্টা এগিয়ে আনার আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধাসহ নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ের বর্তমান ছুটির সময় বিকেল ৪টা। কিন্তু সাম্প্রতিক গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহ ও দুর্বল পরিবহন ব্যবস্থার কারণে বাড়ি পৌঁছাতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। বিশেষ করে যারা দূর এলাকা থেকে আসে, তারা সন্ধ্যা ঘনিয়ে গেলে নিরাপত্তার সমস্যায় পড়ে। অতএব, আমাদের অনুরোধ, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে বিদ্যালয়ের ছুটির সময় বিকেল ৩টা করা হোক। নিবেদকগণ, ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর।" ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা। বিষয়: কলেজ ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করার আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধাসহ জানাচ্ছি যে, আমাদের কলেজের ক্যান্টিনে বর্তমানে যেসব খাবার সরবরাহ করা হয় তা অধিকাংশ সময়ই বাসি, অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের হয়ে থাকে। ফলে অনেক সময় আমরা পেটের সমস্যায় আক্রান্ত হই। এছাড়া, পানীয় পানির ব্যবস্থাও নেই। অতএব, আমাদের অনুরোধ, আপনি যেন দ্রুত ক্যান্টিনে স্বাস্থ্যসম্মত ও তাজা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করেন এবং একটি পানির ফিল্টার স্থাপন করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ কুমিল্লা সরকারি কলেজ, কুমিল্লা। " শ্রেণিকক্ষে ফ্যান মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, কক্সবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার। বিষয়: শ্রেণিকক্ষের ফ্যানগুলো মেরামতের আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধার সঙ্গে জানানো যাচ্ছে, গ্রীষ্মকালীন প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষে বসে ক্লাস করাটা খুবই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। আমাদের শ্রেণিকক্ষে মোট তিনটি ফ্যান থাকলেও একটিও কার্যকর নয়। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। অতএব, অনুরোধ করছি, ফ্যানগুলো অতি দ্রুত মেরামত বা নতুন ফ্যান স্থাপন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদকগণ, ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ কক্সবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কক্সবাজার।" বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক শিক্ষা সফরের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, খুলনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। বিষয়: শিক্ষা সফরের অনুমতির আবেদন। জনাব, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের ক্লাসরুম ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য একটি শিক্ষা সফরের প্রয়োজন রয়েছে। আমরা খুলনার ‘সুন্দরবন’, ‘ফুলতলা শিববাড়ি’ ও ‘ডাকবাংলো জাদুঘর’ পরিদর্শনে যেতে চাই। এতে শিক্ষার্থীরা ইতিহাস, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ে বাস্তব ধারণা লাভ করবে। অতএব, আমাদের অনুরোধ, শিক্ষা সফরের অনুমতি দিন এবং একটি শিক্ষক প্রতিনিধি নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করুন। নিবেদকগণ, ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ খুলনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা। " সন্ধ্যায় পাঠদান চালুর আবেদন (বিশেষ ক্লাস),"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, গাইবান্ধা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গাইবান্ধা। বিষয়: সন্ধ্যা ক্লাস চালুর আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমাদের অনেক শিক্ষার্থী বিশেষত ১০ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সময়মতো পাঠ শেষ করতে পারছে না। তাই আমরা সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পাঠদানের জন্য বিশেষ ক্লাস চালুর অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে করে পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবে নেওয়া যাবে এবং ফলাফল উন্নত হবে। নিবেদকগণ, ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ গাইবান্ধা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। " লাইব্রেরিতে অনলাইন রিসোর্স ও ই-বুকের ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা। বিষয়: লাইব্রেরিতে ই-বুক ও অনলাইন রিসোর্স সংযুক্তির আবেদন। মান্যবর, শ্রদ্ধাসহ জানানো যাচ্ছে, বর্তমানে বই পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন গবেষণা, ই-বুক রিডিং এবং জার্নাল পড়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। কিন্তু আমাদের কলেজের লাইব্রেরিতে এখনো ডিজিটাল রিসোর্সের ব্যবস্থা নেই। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, লাইব্রেরিতে কম্পিউটারসহ অনলাইন সংযোগ ও কিছু নির্ধারিত ই-বুক ও জার্নাল অ্যাকসেসের ব্যবস্থা করা হোক। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ঢাকা কলেজ, ঢাকা।" লাইব্রেরিতে ইন্টারনেট সংযোগ ও কম্পিউটার বসানোর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম। বিষয়: কলেজ লাইব্রেরিতে ইন্টারনেট সংযোগ ও কম্পিউটার বসানোর আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধাসহ জানাচ্ছি, আমাদের কলেজ লাইব্রেরিতে এখনও কোনো ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেই। অথচ বর্তমান যুগে গবেষণার কাজে অনলাইন রিসোর্স ও ই-বুক ব্যবহার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক জার্নাল, অনলাইন কোর্স বা সরকারি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়, কিন্তু এসবের জন্য বাইরে যেতে হয়। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন অতি দ্রুত লাইব্রেরিতে একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম। " স্কুলে পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ পালনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বরিশাল সরকারি বালক বিদ্যালয়, বরিশাল। বিষয়: পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ পালনের জন্য অনুমতির আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানানো যাচ্ছে, আমাদের চারপাশের পরিবেশ দিন দিন দূষিত হয়ে পড়ছে। আমরা চাই আমাদের বিদ্যালয়ে একটি “পরিবেশ সচেতনতা সপ্তাহ” পালন করতে, যাতে করে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি হয়। এই সপ্তাহে গাছ লাগানো, দেয়াল পত্রিকা, আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রদর্শনীর আয়োজন করার ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। অতএব, আমাদের বিনীত অনুরোধ, আপনি আমাদের এই আয়োজনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দান করবেন। নিবেদকগণ, পরিবেশ ক্লাবের সদস্যবৃন্দ বরিশাল সরকারি বালক বিদ্যালয়, বরিশাল।" শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর বসানোর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধার সাথে জানাচ্ছি যে, পাঠদানকে আরও কার্যকর ও আকর্ষণীয় করতে শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের ব্যবহার সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। শিক্ষকেরা যদি প্রজেক্টরের মাধ্যমে ভিডিও, স্লাইড ও অ্যানিমেশন দেখিয়ে পাঠদান করেন তবে তা শিক্ষার্থীদের বোধগম্যতা অনেক বৃদ্ধি পাবে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে পর্যায়ক্রমে প্রজেক্টর স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট।" ক্লাসে আসন সংকট নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, মাগুরা উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অতিরিক্ত হলেও বসার বেঞ্চের সংখ্যা যথেষ্ট নয়। ফলে অনেক সময় দুইজনের জন্য নির্ধারিত বেঞ্চে তিনজন করে বসতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। এতে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে এবং ক্লাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি আপনি যেন দ্রুত নতুন বেঞ্চ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ মাগুরা উচ্চ বিদ্যালয়, মাগুরা।" বিদ্যালয়ে রাত্রিকালীন নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, টাঙ্গাইল আদর্শ স্কুল, টাঙ্গাইল। বিষয়: বিদ্যালয়ের রাত্রিকালীন নিরাপত্তা জোরদার করার আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, সম্প্রতি আমাদের বিদ্যালয়ের কিছু জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেছে এবং রাতের বেলা বিদ্যালয় চত্বরে অসাধু লোকজনের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে কোন প্রহরী বা সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, বিদ্যালয়ে অন্তত একজন প্রহরী নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। নিবেদকগণ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ টাঙ্গাইল আদর্শ স্কুল, টাঙ্গাইল। " বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে যন্ত্রপাতি সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল। বিষয়: বিজ্ঞানাগারে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধার সাথে জানাতে চাই, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে বর্তমানে অনেক যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। বিশেষ করে, পদার্থ ও জীববিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলো যথাযথভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনে এই সরঞ্জামগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা অনুরোধ করছি, আপনি যেন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দ্রুত সংগ্রহের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।" শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে একদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা। বিষয়: স্বাস্থ্যপরীক্ষা সপ্তাহ চালুর আবেদন। জনাব, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে অনুরোধ করছি, আমাদের কলেজের অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন অসুস্থতা নিয়ে নিয়মিত ক্লাস করছে, যাদের অনেকেই তা জানতেও পারে না। এমন পরিস্থিতিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ সপ্তাহে একদিন ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মী দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে সকলের উপকার হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি আপনি যেন সপ্তাহে একদিন স্বাস্থ্যপরীক্ষা চালুর ব্যবস্থা করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ।" স্কুল মাঠ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রংপুর জিলা স্কুল, রংপুর। বিষয়: বিদ্যালয় মাঠ সংস্কারের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধাভরে জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি বর্তমানে বড় গর্ত ও আগাছায় ভরে আছে। এতে খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনেও সমস্যা হচ্ছে। ছাত্রদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। অতএব, মাঠটি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদকগণ, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ রংপুর জিলা স্কুল। " কলেজ ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, রাজশাহী। বিষয়: ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়নের আবেদন। মান্যবর, আমরা দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, কলেজ ক্যান্টিনের খাবারের মান খুবই নিম্নমানের এবং অনেক সময় খাবার থেকে দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। এতে আমাদের স্বাস্থ্যহানি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার খেতে যায়। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি আপনি যেন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষকে মানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহে নির্দেশ দেন। নিবেদকগণ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ।" কলেজে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা। বিষয়: সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমরা কলেজের শিক্ষার্থীরা চাই, আমাদের কলেজে একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজন করা হোক, যাতে আমাদের সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকশিত হয়। এই সপ্তাহে বিতর্ক, আবৃত্তি, নাটক, সংগীত, চিত্রাঙ্কনসহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন এ উদ্যোগ গ্রহণে সম্মতি প্রদান করেন। নিবেদকগণ, কলেজ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ঢাকা কলেজ। " বিদ্যালয়ে বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর। বিষয়: বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাতে চাই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনো বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করা হয়নি। অথচ, বিজ্ঞানচর্চা শিক্ষার্থীদের কল্পনাশক্তি ও উদ্ভাবনী শক্তিকে উৎসাহিত করে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি বিজ্ঞান মেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে বিভিন্ন ধারণা তুলে ধরতে পারবে এবং নিজেদের জ্ঞানকে প্রয়োগ করতে শিখবে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন আসন্ন মাসে একটি বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজনের অনুমতি দেন। নিবেদকগণ, নবম ও দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ আলোকদীপ উচ্চ বিদ্যালয়, গাজীপুর। " কলেজে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ, সাতক্ষীরা। বিষয়: নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের আবেদন। মহোদয়, আমরা লক্ষ্য করছি, কলেজ লাইব্রেরি এবং ক্লাসরুমে ইন্টারনেট সংযোগ অপ্রতুল ও মাঝে মধ্যেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে গবেষণা, ক্লাসের প্রস্তুতি এবং অনলাইন লার্নিং বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ইন্টারনেট একটি অপরিহার্য উপাদান। তাই আমাদের অনুরোধ, আপনি যেন দ্রুত ইন্টারনেট অবকাঠামো উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীবৃন্দ সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ।" বিদ্যালয়ের টয়লেটের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতকরণে আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: টয়লেটের স্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য আবেদন। মহোদয়া, দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ের টয়লেটগুলো দীর্ঘদিন যাবৎ পরিষ্কার করা হচ্ছে না। ফলে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এটি একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন নিয়মিত টয়লেট পরিষ্কারের ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত স্যানিটারি সামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।" কলেজের রেফারেন্স লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, বরিশাল সরকারি কলেজ, বরিশাল। বিষয়: রেফারেন্স লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজনের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করছি, রেফারেন্স লাইব্রেরিতে সাম্প্রতিক পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পর্যাপ্ত বই নেই। এতে আমাদের উচ্চশিক্ষা প্রস্তুতিতে অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে ইংরেজি, গণিত, আইসিটি এবং সাহিত্য বিষয়ক বইয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি, লাইব্রেরিতে নতুন এবং প্রয়োজনীয় রেফারেন্স বই দ্রুত সংগ্রহের উদ্যোগ নিন। নিবেদকগণ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ বরিশাল সরকারি কলেজ। " ছাত্রদের জন্য কমনরুমে খেলাধুলার উপকরণ সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, পঞ্চগড় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড়। বিষয়: কমনরুমে খেলাধুলার উপকরণ চেয়ে আবেদন। মান্যবর, আমরা ছাত্ররা অবসরের সময় কমনরুমে সময় কাটালেও তেমন কোনো খেলার উপকরণ নেই। এতে মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক যোগাযোগের সুযোগ হারাচ্ছি। টেবিল টেনিস, ক্যারম বোর্ড, দাবা ইত্যাদি থাকলে শিক্ষার্থীরা গঠনমূলকভাবে সময় কাটাতে পারবে। অতএব, অনুরোধ করছি, আপনি যেন প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে আমাদের সহায়তা করেন। নিবেদকগণ, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রবৃন্দ পঞ্চগড় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। " কলেজ বাসে আসন সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, নরসিংদী মহিলা কলেজ, নরসিংদী। বিষয়: কলেজ বাসে আসন সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন। মান্যবর, আমাদের কলেজ বাসে আসন সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় প্রতিদিন দাঁড়িয়ে যেতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও ক্লান্তিকর। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বাসেই উঠতে পারে না। তাই, অতিরিক্ত বাস অথবা বড় বাসের ব্যবস্থা করলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে অনেক সুবিধা হবে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন কলেজ বাসে আসন বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ ছাত্রীবৃন্দ নরসিংদী মহিলা কলেজ।" বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ময়মনসিংহ মডেল স্কুল, ময়মনসিংহ। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, আমরা শিক্ষার্থীরা ক্রীড়াচর্চায় মনোযোগী হলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়নি। এতে আমাদের প্রতিভা বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা চাই, শিগগির একটি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হোক, যাতে আমরা আমাদের পারদর্শিতা তুলে ধরতে পারি। অতএব, আপনার সদয় বিবেচনায় আমরা এই আয়োজনের অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ ময়মনসিংহ মডেল স্কুল।" কলেজে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর। বিষয়: ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশনের আয়োজন সংক্রান্ত আবেদন। জনাব, আমরা শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও পেশাজীবনের নানা দিক নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছি। যদি ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের দ্বারা কাউন্সেলিং সেশন হয়, তাহলে আমরা সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারবো। অতএব, অনুরোধ করছি, আপনি যেন প্রতি মাসে একটি করে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং সেশন আয়োজনের নির্দেশ প্রদান করেন। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ দিনাজপুর সরকারি কলেজ। " বিদ্যালয়ের পুরাতন বেঞ্চ ও চেয়ার মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সুনামগঞ্জ আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ। বিষয়: পুরাতন বেঞ্চ ও চেয়ার মেরামতের আবেদন। মহোদয়া, আমরা লক্ষ্য করছি, বেশিরভাগ শ্রেণিকক্ষে চেয়ার ও বেঞ্চ ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। এতে শ্রেণিকক্ষে বসা ও লেখার সময় অসুবিধা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কাও আছে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেন। নিবেদকগণ, সাধারণ ছাত্রীরা সুনামগঞ্জ আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়। " লাইব্রেরিতে পাঠ উপযোগী পরিবেশ তৈরির আবেদন,"তারিখ: ২১/০৬/২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, সিরাজগঞ্জ। বিষয়: পাঠাগারে নিরব ও মনোযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার আবেদন। মান্যবর, আমরা লক্ষ্য করছি, লাইব্রেরিতে অনেক সময় অনেকে উচ্চস্বরে কথা বলে, মোবাইল ব্যবহার করে কিংবা হাসাহাসি করে, যা পাঠে মনোযোগ ব্যাহত করে। এটি নিয়মিত পাঠকদের জন্য ভীষণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, অনুরোধ করছি আপনি যেন লাইব্রেরির পরিবেশ মনোযোগী পাঠের উপযোগী করে তোলার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, লাইব্রেরি ব্যবহারকারী ছাত্রছাত্রীবৃন্দ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ।" বিদ্যালয়ে একটি ভাষা ক্লাব গঠনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, শান্তিবাগ উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি ভাষা ক্লাব গঠনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা শান্তিবাগ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী আন্তরিকভাবে একটি ভাষা ক্লাব গঠনের উদ্যোগ নিতে আগ্রহী। বর্তমান যুগে ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি বাংলা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ভাষার জ্ঞান শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ভাষা ক্লাব থাকলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ইংরেজি, বাংলা ও অন্য ভাষায় বাক্পটুতা, লিখনশৈলী ও অনুবাদ দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। এছাড়া কবিতা আবৃত্তি, বক্তৃতা, রচনা প্রতিযোগিতা, ডিবেট ক্লাবের সাথেও এই ক্লাবটি যৌথভাবে কাজ করতে পারবে। আমরা চাই ক্লাবটি প্রতি সপ্তাহে একদিন সক্রিয় থাকবে এবং শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। ক্লাবের জন্য একটি নির্দিষ্ট কক্ষ, কিছু বই, ডিকশনারি, ও একটি বোর্ড সরবরাহ করা হলে ক্লাবটি কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে। অতএব, আপনাকে বিনীত অনুরোধ করা যাচ্ছে, আপনি যেন ভাষা ক্লাব গঠনের অনুমতি প্রদান করেন এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহে সহায়তা করেন। নিবেদকগণ, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ শান্তিবাগ উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। " কলেজে দুপুরের খাবারের ক্যানটিন চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, রংপুর সরকারি মহিলা কলেজ, রংপুর। বিষয়: কলেজে খাবারের ক্যানটিন চালু করার আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের কলেজে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্লাস চলে। এত দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাস করায় আমরা অনেক সময় ক্ষুধার্ত থাকি এবং পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। বর্তমানে কলেজে খাবারের কোনো ক্যানটিন নেই। ফলে আমাদের বাইরে গিয়ে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হয়, যা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চাই কলেজে একটি পরিপাটি ও স্বাস্থ্যসম্মত ক্যানটিন স্থাপন হোক যেখানে কমমূল্যে স্বাস্থ্যকর খাবার, পানি ও হালকা নাস্তা পাওয়া যাবে। যদি ক্যানটিনটি কলেজের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় এবং সময়মতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের সুবিধা হবে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা এড়ানো সম্ভব হবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আপনি যেন একটি কলেজ ক্যানটিন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, সাধারণ ছাত্রীবৃন্দ রংপুর সরকারি মহিলা কলেজ। " শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, মাদারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর। বিষয়: শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধভাবে নিবেদন করছি যে, বর্তমানে শিক্ষাদান পদ্ধতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং অডিও-ভিজুয়াল উপস্থাপনায় শিক্ষার্থীরা বিষয়বস্তু আরও সহজে বুঝতে পারছে। আমাদের বিদ্যালয়ের অধিকাংশ ক্লাসে এখনও শুধুমাত্র ব্ল্যাকবোর্ড ও চক ব্যবহার করা হয়। এতে কঠিন বিষয় যেমন বিজ্ঞান, গণিত ও ভূগোল ভালোভাবে বোঝা যায় না। যদি শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সংযুক্ত করা হয়, তাহলে শিক্ষকরা ভিডিও, স্লাইড ও এনিমেশন দেখিয়ে সহজেই বিষয় বোঝাতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরাও আগ্রহসহকারে শিখবে। বিশেষ করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, পদার্থ ও রসায়নের ক্ষেত্রে চিত্র এবং চলমান ভিডিও ক্লাস অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি আপনি যেন শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর স্থাপন করেন। নিবেদকগণ, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ মাদারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। " কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ, কুষ্টিয়া। বিষয়: বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের কলেজে দীর্ঘদিন ধরে কোনো সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়নি। অথচ এমন একটি আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গান, নৃত্য, নাটক, আবৃত্তি, একক অভিনয়, চিত্রাঙ্কন প্রভৃতি শিল্পকলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এতে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন দক্ষতা ও মঞ্চভীতি দূর হবে। আমরা প্রস্তাব করছি আগামী মাসে এক সপ্তাহব্যাপী একটি সাংস্কৃতিক সপ্তাহ আয়োজন করা হোক। এতে সকল বিভাগ ও শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। অনুগ্রহ করে বিচারক, পুরস্কার, সাউন্ড সিস্টেম ইত্যাদির জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান করার অনুরোধ করছি। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ। " বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব আধুনিকায়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, লালমনিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়, লালমনিরহাট। বিষয়: কম্পিউটার ল্যাব আধুনিকায়নের আবেদন। মান্যবর, নিবেদন এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার ল্যাব থাকলেও সেটির অধিকাংশ যন্ত্রপাতি পুরনো এবং অকার্যকর। কম্পিউটার চালু হতে অনেক সময় নেয়, ইন্টারনেট ধীরগতির এবং কিছু কম্পিউটারে সফটওয়্যার ইনস্টলই নেই। বর্তমান যুগে ডিজিটাল শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। তাই আমরা চাই কম্পিউটার ল্যাবটি নতুন কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেটসহ আধুনিকায়ন করা হোক। যদি আধুনিক ল্যাব হয়, তাহলে আমাদের আইসিটি ক্লাস আরও কার্যকর হবে এবং অনলাইনে প্রজেক্ট জমা, কোডিং শেখা, ডকুমেন্ট তৈরি প্রভৃতি কাজ শেখা সহজ হবে। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আপনি যেন ল্যাব আধুনিকায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ লালমনিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়। " পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। বিষয়: আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, সম্প্রতি প্রকাশিত বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে কোনো বিরতি রাখা হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার মাঝে কোনো প্রস্তুতির সময় নেই। এই পরিস্থিতিতে আমরা বিষয়গুলো ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছি না, ফলে ফলাফলের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। আমরা চাই অন্তত একদিন করে বিরতি রাখা হোক যাতে প্রতিটি বিষয়ের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ থাকে। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, আপনি যেন পরীক্ষার সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করে আমাদের পড়াশোনার পরিবেশকে সহায়তা করেন। নিবেদকগণ, দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়। " বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, নওগাঁ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নওগাঁ। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন করছি যে, গত এক বছর ধরে আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়নি। অথচ খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই চলতি শিক্ষাবর্ষে একটি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন হোক। এতে দৌড়, লং জাম্প, বল নিক্ষেপ, ক্রিকেট, ফুটবল ও ভলিবল ইত্যাদি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত করা হোক। ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হবে। অতএব, আপনার সদয় অনুমতির জন্য আবেদন জানাচ্ছি যাতে আমরা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নিতে পারি। নিবেদকগণ, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীবৃন্দ নওগাঁ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। " বিদ্যালয়ে প্রথমসারির শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস চালুর আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহী। বিষয়: মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি ক্লাস চালুর আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছে যারা পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ–৫ অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা চাই প্রত্যেক বিষয়ের জন্য সাপ্তাহিক বিশেষ প্রস্তুতি ক্লাস চালু করা হোক যাতে শিক্ষকগণ কঠিন টপিক বুঝিয়ে দেন এবং মডেল টেস্ট নিয়ে ফলাফল বিশ্লেষণ করেন। এতে করে ফলাফল আরও উন্নত হবে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। অতএব, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ আপনি যেন মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদকগণ, দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রছাত্রী রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল।" কলেজ লাইব্রেরিতে আরও নতুন বই সংযোজনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অধ্যক্ষ, বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল। বিষয়: কলেজ লাইব্রেরিতে পাঠ্য ও সহ-পাঠ্য নতুন বই সংযোজনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমাদের কলেজ লাইব্রেরিতে অনেক বই পুরনো ও অপর্যাপ্ত। নতুন পাঠ্যসূচি অনুযায়ী কিছু গুরুত্বপূর্ণ বই ও গাইডলাইনেরও ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে গণিত, জীববিজ্ঞান, ইংরেজি সাহিত্য ও ইতিহাস বিষয়ে নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স বই নেই। এছাড়াও, বাংলা ও ইংরেজি উপন্যাস, আত্মজীবনী, অনুপ্রেরণামূলক বই থাকলে ছাত্রছাত্রীরা সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী হবে। অতএব, আমরা অনুরোধ করছি, আপনি যেন লাইব্রেরির জন্য নতুন বই সংগ্রহে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং বাজেট বরাদ্দের অনুরোধ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। নিবেদকগণ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ। " বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞান প্রদর্শনী আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্কুল, কুমিল্লা। বিষয়: বিজ্ঞান প্রদর্শনী আয়োজনের আবেদন। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, আমরা নবম ও দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা একটি বিজ্ঞান প্রদর্শনী আয়োজন করতে আগ্রহী। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বানানো মডেল, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং প্রজেক্ট উপস্থাপন করতে পারবে। বিষয় যেমন: পানি বিশুদ্ধকরণ, সোলার এনার্জি, অটোমেশন, রোবোটিক্স ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে করে বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং শিখন কার্যক্রম প্রাণবন্ত হবে। অতএব, আপনি যেন আমাদের এই উদ্যোগে অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন, এই অনুরোধ রইল। নিবেদকগণ, বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্কুল। " পৌর এলাকায় রাস্তার বাতি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় মেয়র, [আপনার শহরের নাম] পৌরসভা, [জেলার নাম]। বিষয়: আমাদের এলাকায় রাস্তায় বাতি স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের পৌর এলাকার [এলাকার নাম, যেমন “পুরাতন কাচারি রোড”]–এ কোনো রাস্তার বাতি নেই। ফলে সন্ধ্যার পর চলাচল করা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। চুরি-ছিনতাইয়ের আশঙ্কা যেমন বাড়ে, তেমনি দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও তৈরি হয়। এছাড়াও, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচ্য। জনগণের নিরাপদ চলাচলের জন্য রাস্তার আলো অত্যন্ত জরুরি। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, যেন দ্রুততম সময়ে উক্ত স্থানে রাস্তার বাতি স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদক, [নাম] পক্ষে: এলাকাবাসী ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিশ্চিত করার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম] উপজেলা, [জেলার নাম]। বিষয়: ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর আবেদন। মান্যবর, নিবেদন করছি যে, [উপজেলার নাম] উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও তা সব সময় কার্যকর থাকে না। অনেক সময় রুগীকে বহন করার জন্য রাতে বা ছুটির দিনে অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না। ফলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিকটস্থ সদর হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় দেরি হয় এবং প্রাণহানির আশঙ্কাও থেকে যায়। অতএব, আপনি যেন এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আমলে নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, এই অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [আপনার নাম] নাগরিক, [ইউনিয়ন/গ্রাম/ওয়ার্ডের নাম] [মোবাইল নম্বর] " স্থানীয় খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়ন পরিষদ, [উপজেলার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় একমাত্র খেলার মাঠটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাঠের মধ্যে বড় বড় গর্ত, আগাছা ও ময়লা-আবর্জনার কারণে খেলাধুলা করা সম্ভব হচ্ছে না। যুবসমাজ যাতে খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় মনোযোগী হতে পারে, তার জন্য মাঠটি সংস্কার করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এছাড়াও, ভবিষ্যতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা সম্ভব হবে। অতএব, আপনি যেন মাঠটি সংস্কার ও পরিস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, এই প্রার্থনা করছি। নিবেদক, [নাম] পক্ষে: যুব সমাজ ঠিকানা: [গ্রাম/পাড়া/ওয়ার্ড] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বাজারে ময়লা পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, [বাজারের নাম], [উপজেলার নাম]। বিষয়: বাজারে নিয়মিত ময়লা পরিষ্কারের জন্য আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমাদের এলাকার প্রধান বাজার [বাজারের নাম]–এ প্রতিদিন প্রচুর ময়লা-আবর্জনা জমে থাকে। কিন্তু তা পরিষ্কারের জন্য কোনো নির্ধারিত কর্মী নিয়োজিত নেই বা পরিচ্ছন্নতাও নিয়মিত হয় না। ফলে দুর্গন্ধ ছড়ায়, মাছ-মাংসের দোকানের আশেপাশে মশা-মাছি জন্মায় এবং বাজারে যাতায়াত দুঃসহ হয়ে পড়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। অতএব, আপনি যেন বাজারে নিয়মিত পরিষ্কারকর্মী নিয়োগ এবং ডাস্টবিন স্থাপন করেন, এই প্রার্থনা করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] স্থানীয় ক্রেতা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি [মোবাইল নম্বর] " ইউনিয়নে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় বিভাগীয় প্রকৌশলী, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC), [বিভাগের নাম]। বিষয়: ইউনিয়নে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট নিরসনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় মোবাইল ফোনে নেটওয়ার্কের সংকট চরমে। বিশেষ করে [গ্রামের নাম] ও আশপাশের এলাকায় কোনো মোবাইল অপারেটরের সিগনাল ঠিকমতো পাওয়া যায় না। ফলে জরুরি ফোনকল, অনলাইন ক্লাস, মোবাইল ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যবহার করাও দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি, আপনি যেন আমাদের ইউনিয়নে মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের বা নেটওয়ার্ক উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদক, [নাম] গ্রামবাসীর পক্ষে [গ্রামের নাম, ইউনিয়ন, উপজেলা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" খতিয়ান উত্তোলনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়ন ভূমি অফিস, [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: খতিয়ানের অনুলিপি (Porcha) পাওয়ার জন্য আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি [আপনার পুরো নাম], পিতা: [পিতার নাম], সাং: [গ্রামের নাম]। আমাদের পৈত্রিক জমি সংক্রান্ত একটি বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। কিন্তু উক্ত জমির হাল খতিয়ানের অনুলিপি আমার সংগ্রহে নেই। জমি: [দাগ নম্বর ও মৌজার নাম] জমির পরিমাণ: [উল্লেখ করুন] অতএব, আপনি আমাকে উক্ত জমির হাল খতিয়ানের একটি অনুলিপি সরবরাহ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, এই আবেদন করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] ঠিকানা: [গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্বাক্ষর: ___________ " নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্তির আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: মহিলা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আবেদন। মান্যবর, আমি একজন স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা। আমি সেলাই, হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসা চালানোর ইচ্ছা পোষণ করি, তবে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ না থাকায় পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ করতে পারছি না। শুনেছি মহিলা বিষয়ক দপ্তর থেকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। আমি এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আগ্রহী এবং আমার মত আরও ৫–৬ জন নারীও এই প্রশিক্ষণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অতএব, আমাদেরকে আসন্ন প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম] ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম], উপজেলা: [উপজেলার নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " কৃষি উপকরণ ভর্তুকির আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি অফিস, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: কৃষি উপকরণে ভর্তুকির জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি একজন ক্ষুদ্র কৃষক। বর্তমানে চাষাবাদের জন্য সার, বীজ, ওষুধসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। সরকার কৃষকদের জন্য বিভিন্ন ভর্তুকি দিয়ে সহায়তা করে থাকে—এটি আমরা জেনেছি। অতএব, আমি যেন সরকার প্রদত্ত ভর্তুকির আওতায় সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ পেতে পারি, এই আবেদন করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [NID] গ্রাম: [গ্রামের নাম], ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান প্রকৌশলী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), [জোনাল অফিস/উপজেলা শাখা], [জেলা]। বিষয়: বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেও কিছু জায়গায় তার ঝুলে আছে এবং কোথাও কোথাও খুঁটি না থাকায় তা গাছ বা বাঁশের সাহায্যে টিকে আছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে। অতএব, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আপনার দপ্তরে খুঁটি স্থাপনের জন্য আবেদন করছি, যেন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাটি নিরাপদ এবং টেকসই হয়। নিবেদক, [আপনার নাম] পক্ষে: এলাকাবাসী গ্রাম: [গ্রামের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" শিশুদের খেলাধুলার জন্য পার্ক নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, [পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ নাম], [উপজেলা, জেলা]। বিষয়: শিশুদের খেলার জন্য একটি পার্ক নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় শিশুদের খেলার জন্য কোনো পার্ক বা উন্মুক্ত স্থান নেই। বর্তমান প্রজন্ম দিনদিন মোবাইল ও টিভির প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। শিশুদের সুস্থ ও মানসিক বিকাশের জন্য একটি পার্ক অত্যন্ত প্রয়োজন। যদি একটি পার্ক নির্মাণ করা হয়, তবে শিশু ও কিশোরেরা শারীরিক চর্চা, খেলাধুলা ও সামাজিকতা চর্চা করতে পারবে। অতএব, অত্র এলাকায় একটি শিশু পার্ক নির্মাণের জন্য সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক, [নাম] পক্ষে: অভিভাবকবৃন্দ ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, জেলা নির্বাচন অফিসার, [জেলা নাম]। বিষয়: জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের আবেদন। মান্যবর, আমি [আপনার নাম], পিতা: [পিতার নাম], মাতা: [মাতার নাম]। আমার জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের বানান ও জন্ম তারিখে ভুল রয়েছে। সঠিক তথ্য অনুযায়ীঃ নাম: [সঠিক নাম] জন্ম তারিখ: [সঠিক জন্ম তারিখ] অতএব, অনুগ্রহ করে প্রয়োজনীয় যাচাই–বাছাই শেষে আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] এনআইডি নম্বর: [XXXXXXXXXXXXXX] ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্তির আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], বয়স [XX] বছর, পিতা: [নাম]। আমি শারীরিকভাবে [অসুস্থতার ধরন] প্রতিবন্ধী এবং কর্মক্ষম নই। আমার কোনো নির্দিষ্ট আয় নেই এবং পরিবারের ওপর নির্ভরশীল। অতএব, সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্তির জন্য আমাকে তালিকাভুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] ঠিকানা: [গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভায় রাস্তা মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা, [উপজেলা, জেলা]। বিষয়: ভাঙা রাস্তা মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমাদের ওয়ার্ডের [রাস্তার নাম/স্থান] রাস্তা দীর্ঘদিন যাবৎ ভেঙে পড়ে আছে। বর্ষাকালে কাদা-পানিতে চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ে। স্কুলগামী শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচলে চরম সমস্যা হচ্ছে। অতএব, অত্র এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উক্ত রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, [আপনার নাম] পক্ষে: এলাকাবাসী ঠিকানা: [ওয়ার্ড/মহল্লা নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [উপজেলা], [জেলা]। বিষয়: অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা অপর্যাপ্ত। এতে একাধিক শ্রেণি একসাথে বসে পাঠগ্রহণ করতে হয়, যা শিক্ষার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে। অতএব, বিদ্যালয়ে আরও এক বা একাধিক শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [নাম] অভিভাবক/স্থানীয় বাসিন্দা ঠিকানা: [গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: ইউনিয়ন পর্যায়ে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের ইউনিয়নের মানুষজন অনেক দূরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে পারে না, বিশেষ করে বৃদ্ধ ও নারীরা। তাই অন্তত প্রতি মাসে একবার অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প বসানো হলে জনগণ উপকৃত হবে। অতএব, প্রতি মাসে ইউনিয়ন পর্যায়ে একদিনের স্বাস্থ্যসেবা শিবির আয়োজনের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " খতিয়ান সংশোধনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, সহকারী কমিশনার (ভূমি), [উপজেলা নাম], [জেলা নাম]। বিষয়: খতিয়ানে ভুল সংশোধনের আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], পিতা: [পিতার নাম]। আমাদের জমির খতিয়ানে নামের বানান ও জমির পরিমাণ ভুলভাবে উল্লেখ আছে। আমার সঠিক নাম: [সঠিক নাম], এবং জমির পরিমাণ: [সঠিক তথ্য]। অতএব, প্রয়োজনীয় যাচাই–বাছাই করে খতিয়ানে সঠিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] মৌজা: [মৌজার নাম], দাগ নম্বর: [XXXX] ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" পঞ্চবার্ষিকি উন্নয়ন প্রকল্পে রাস্তা সংযুক্তির আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, জেলা প্রশাসক, [জেলা নাম]। বিষয়: উন্নয়ন প্রকল্পে আমাদের গ্রামের রাস্তাটি অন্তর্ভুক্তির আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রাম [গ্রামের নাম] দীর্ঘদিন ধরে মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন। সাম্প্রতিক পঞ্চবার্ষিকি উন্নয়ন পরিকল্পনায় আমাদের রাস্তাটি অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় আমরা খুবই অসুবিধায় পড়েছি। অতএব, এলাকার উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে উক্ত রাস্তাটি উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [নাম] পক্ষে: এলাকাবাসী গ্রাম: [গ্রামের নাম], ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" পৌরসভার বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা। বিষয়: নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করার আবেদন। মান্যবর, আমাদের ওয়ার্ডে পৌরসভার বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত। ফলে দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতএব, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, ডাস্টবিন স্থাপন এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] ওয়ার্ড: [ওয়ার্ড নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব দূরীকরণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম]। বিষয়: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী নেই। এতে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। অতএব, দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " বিদ্যালয়ে নিরাপদ পানির ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম], [উপজেলা, জেলা]। বিষয়: নিরাপদ পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পানির জন্য কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস নেই। বর্তমানে ব্যবহৃত পানির উৎস অনিরাপদ ও অপ্রতুল। অতএব, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] অভিভাবক/স্থানীয় বাসিন্দা মোবাইল: [ফোন নম্বর]" বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [উপজেলা, জেলা]। বিষয়: অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা অপর্যাপ্ত। একাধিক শ্রেণি একই কক্ষে পাঠ গ্রহণ করায় শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, প্রয়োজনীয় নতুন শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] অভিভাবক/স্থানীয় বাসিন্দা গ্রাম: [গ্রামের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " থানায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে সহযোগিতার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), [থানা নাম] থানা, [জেলা]। বিষয়: এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মান্যবর, সম্প্রতি আমাদের এলাকায় কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ভীত-সন্ত্রস্ত। অতএব, জননিরাপত্তা রক্ষায় এলাকায় নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] ঠিকানা: [পূর্ণ ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" কৃষি অফিসে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, [উপজেলা নাম], [জেলা নাম]। বিষয়: কৃষি উপকরণ (বীজ ও সার) সহায়তার আবেদন। মান্যবর, আমি একজন ক্ষুদ্র কৃষক। এবারের প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমার চাষাবাদের ক্ষতি হয়েছে। কৃষিকাজ পুনরায় শুরু করতে বীজ ও সারের প্রয়োজন। অতএব, আমাকে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তা প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] পিতা: [পিতার নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম], দাগ নং: [XXXX] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌর এলাকায় স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা। বিষয়: আমাদের ওয়ার্ডে স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় রাত্রিকালীন চলাচলের জন্য কোনো আলোর ব্যবস্থা নেই। এতে দুর্ঘটনা ও অপরাধের ঝুঁকি বাড়ছে। অতএব, সড়কে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] ওয়ার্ড নং: [ওয়ার্ড নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " জেলা পরিষদের রাস্তাটি সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, [জেলা নাম] জেলা পরিষদ। বিষয়: ইউনিয়নের রাস্তাটি মেরামতের আবেদন। মান্যবর, [গ্রাম–ইউনিয়ন] সংযোগকারী রাস্তাটি বহুদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালে কাদায় মিশে গিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। অতএব, জনগণের সুবিধার্থে উক্ত রাস্তাটি সংস্কার করে চলাচলযোগ্য করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম], ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সনদপত্র প্রদানের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, চেয়ারম্যান, [ইউনিয়ন পরিষদের নাম], উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]। বিষয়: নাগরিক সনদপত্র প্রদানের জন্য আবেদন। মান্যবর, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [নাম], পিতা: [পিতার নাম], মাতা: [মাতার নাম], গ্রাম: [গ্রামের নাম], ওয়ার্ড নং: [নম্বর], পোস্ট: [পোস্ট অফিস], উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]—এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা। বর্তমানে আমি উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি আবেদন করতে যাচ্ছি এবং আবেদনপত্রের সঙ্গে নাগরিক সনদপত্র সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে আমার স্থায়ী ঠিকানা ও পরিচয় সম্বলিত একটি নাগরিক সনদপত্র প্রদান করে বাধিত করবেন। নিবেদক, [নাম] জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [xxxxxxxxxxxx] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্বাক্ষর: _______________" উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি সম্পর্কে অভিযোগপত্র,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলা নাম], [জেলা নাম]। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের নিয়মিত অনুপস্থিতির বিষয়ে অভিযোগপত্র। মান্যবর, আমাদের উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেশ কিছুদিন যাবৎ নিয়মিত চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না। সাধারণ রোগীদের বহু সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং অনেকসময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ছাড়া ফিরে যেতে হয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও বয়স্করা এই অনুপস্থিতির ফলে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এই অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোরালোভাবে অনুরোধ করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম] পোস্ট: [পোস্ট অফিস], উপজেলা: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্থানীয় নাগরিকদের স্বাক্ষর: ১। _______________ ২। _______________ ৩। _______________" পৌরসভায় ময়লা পরিষ্কার ও ডাস্টবিন বসানোর আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা, [জেলা]। বিষয়: আবর্জনা পরিষ্কার ও ডাস্টবিন স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌর এলাকার [মোহল্লার নাম] মহল্লায় নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয় না। ফলে দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে গেছে এবং নানা রোগবালাই ছড়াচ্ছে। এছাড়া কোথাও ডাস্টবিন না থাকায় সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে রাস্তায় ময়লা ফেলছে। অতএব, আপনাকে বিনীত অনুরোধ করছি, আমাদের এলাকায় একটি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন স্থাপন এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক, [নাম] বাসিন্দা, ওয়ার্ড নং: [নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " জেলা প্রশাসকের নিকট নদীভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, জেলা প্রশাসক, [জেলার নাম]। বিষয়: নদীভাঙন রোধে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের [উপজেলা] উপজেলার [নদীর নাম] নদীর পাশবর্তী গ্রামসমূহে প্রতি বছর বর্ষায় নদীভাঙনে বহু ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও বিদ্যালয় বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এবছরও ভাঙন শুরু হয়েছে এবং প্রতিদিন তা ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। অতএব, স্থানীয় জনগণের জানমাল রক্ষার্থে নদী তীর সংরক্ষণ প্রকল্প হাতে নেওয়া ও জরুরি প্রতিরক্ষামূলক কাজ (বালির ব্যাগ, বাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি) শুরু করার জন্য আপনার দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [গ্রামের নাম], ইউনিয়ন: [ইউনিয়নের নাম] জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [xxxx xxxx xxxx] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য খেলার মাঠের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, [বিদ্যালয়ের নাম] সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনো খেলার মাঠ নেই। শিক্ষার্থীরা ছুটির সময় খেলাধুলা করতে পারে না, যার ফলে মানসিক বিকাশ ও শারীরিক সুস্থতা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের পাশেই কিছু খালি জমি রয়েছে, যা খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আপনাকে বিনীত অনুরোধ করছি, মাঠটি উন্নয়ন করে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী খেলার পরিবেশ নিশ্চিত করুন। নিবেদক, [নাম] স্থানীয় অভিভাবক গ্রাম: [গ্রামের নাম], ওয়ার্ড: [ওয়ার্ড নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খতিয়ান/পর্চা সরবরাহের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]। বিষয়: জমির খতিয়ান (CS/RS/BS) সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমি [আপনার নাম], পিতা: [পিতার নাম], মাতা: [মাতার নাম], গ্রাম: [গ্রামের নাম], ওয়ার্ড নং: [নম্বর], পোস্ট: [পোস্ট অফিস], উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]—এই মর্মে আপনার দপ্তরের নিকট বিনীত আবেদন করছি যে, আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি সংক্রান্ত কিছু জমির মালিকানা সংক্রান্ত খতিয়ান প্রয়োজন। আমি উক্ত জমির একজন উত্তরাধিকার ও ভূমির আইনি কাগজপত্র হালনাগাদ করার জন্য খতিয়ান সংগ্রহ করতে ইচ্ছুক। আমার জমির বিবরণ নিচে প্রদান করা হলো: মৌজা: [নাম] দাগ নম্বর: [xxx] খতিয়ান নম্বর: [xxx] জমির পরিমাণ: [xxx] শতক/একর অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, আমাকে উক্ত জমির নির্ভুল খতিয়ান সরবরাহ করে বাধিত করবেন। নিবেদক, [নাম] জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [xxxxxxxxxxxx] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্বাক্ষর: _______________ " পৌরসভায় রাস্তার বাতি মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, মেয়র, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা, [জেলার নাম]। বিষয়: রাস্তার বৈদ্যুতিক বাতি মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমাদের ওয়ার্ড নং [নম্বর], [মহল্লা/পাড়া/গ্রাম] এলাকায় বেশ কয়েকটি রাস্তার বৈদ্যুতিক বাতি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ফলে রাতে চলাচলকারীদের চরম সমস্যা হচ্ছে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ করছি, দ্রুত এসব বাতি মেরামতের ব্যবস্থা করে যেন স্বাভাবিক আলো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নিবেদক, [নাম] বাসিন্দা – ওয়ার্ড নং [নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্থানীয় ৫ জন নাগরিকের সম্মিলিত স্বাক্ষর সংযুক্ত রয়েছে।" উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর চলাচলের রাস্তায় ইট সলিংয়ের আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), [উপজেলার নাম], জেলা: [জেলার নাম]। বিষয়: কাঁচা রাস্তায় ইট সলিংয়ের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামের [রাস্তাটির নাম বা অবস্থান] একটি গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের রাস্তা, যা বাজার, মসজিদ ও স্কুলের সঙ্গে সংযুক্ত। তবে রাস্তাটি এখনো কাঁচা এবং বর্ষাকালে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়ে। আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা বহুবার ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাটি ফেললেও টেকসই কোনো সমাধান হয়নি। অতএব, বিনীত অনুরোধ, রাস্তাটিতে জরুরি ভিত্তিতে ইট সলিং করে এলাকাবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদক, [নাম] বাসিন্দা, গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] স্থানীয় বাসিন্দাদের ১০০ জনের স্বাক্ষরসহ তালিকা সংযুক্ত। " মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর পরীক্ষায় বিশেষ বিবেচনার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম] মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উপজেলা: [নাম], জেলা: [নাম]। বিষয়: অসুস্থতার কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে বিশেষ বিবেচনার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [নাম], শ্রেণি: নবম, রোল: ১৪, আপনার বিদ্যালয়ের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। সম্প্রতি আমি হঠাৎ জ্বর ও পেটের সমস্যায় ভুগছি এবং চিকিৎসকের পরামর্শে সম্পূর্ণ বিশ্রামে আছি। আগামী সপ্তাহে আমার বার্ষিক পরীক্ষার প্রথম তিনটি বিষয়ের সময়সূচি রয়েছে, কিন্তু আমি নির্ধারিত সময়ে অংশগ্রহণ করতে পারছি না। অতএব, বিষয়গুলোতে বিশেষ বিবেচনায় পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দিলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সনদ সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] শ্রেণি: নবম রোল: ১৪ মোবাইল: [অভিভাবকের নম্বর] " উপজেলা কৃষি অফিসার বরাবর বিনামূল্যে সার ও বীজ সহায়তার আবেদন,"তারিখ: ২১ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা কৃষি অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সার ও বীজ সহায়তার আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], একজন ক্ষুদ্র কৃষক। প্রতিবছরের মতো এবারও আমি আমার একমাত্র জমিতে ধান চাষ করতে চাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে সার ও বীজের মূল্য অনেক বেশি হওয়ায় আমি অর্থনৈতিকভাবে চরম সংকটে রয়েছি। আমি সরকারের প্রণোদনা প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্যতা থাকলে কিছু সার ও বীজ সহায়তা পেলে কৃষিকাজ চালিয়ে যেতে পারব। প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ও খতিয়ান সংযুক্ত করা হলো। অতএব, আমাকে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম], ইউনিয়ন: [নাম], জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: [xxxxxxxxxxxx] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভা স্যানিটেশন বিভাগে কোরবানি পশুর আবর্জনা অপসারণের আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, স্যানিটেশন অফিসার, [পৌরসভার নাম] পৌরসভা, [জেলার নাম]। বিষয়: কোরবানি পশুর আবর্জনা দ্রুত অপসারণের জন্য আবেদন। মান্যবর, গত ঈদুল আযহায় আমাদের ওয়ার্ড নং [নম্বর] এলাকার বিভিন্ন জায়গায় কোরবানি পশুর আবর্জনা পড়ে আছে, যা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। এই কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, দ্রুত এসব আবর্জনা পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদক, [নাম] বাসিন্দা, ওয়ার্ড নং [নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা শিক্ষা অফিসে বিদ্যালয়ের পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, [উপজেলার নাম], জেলা: [নামের]। বিষয়: শিক্ষার্থীদের পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদানের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের বিদ্যালয়ের [বিদ্যালয়ের নাম] শ্রেণি দশের শিক্ষার্থীরা সাম্প্রতিকবার জাতীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে। তাদের উৎসাহব্যঞ্জক মনোবল বৃদ্ধির জন্য বিনীত অনুরোধ, তাদের মাঝে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। শিক্ষার্থীদের তালিকা ও প্রতিযোগিতার কপি সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] প্রধান শিক্ষক [বিদ্যালয়ের নাম] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টিকা গ্রহণের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিষয়: করোনা টিকা গ্রহণের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], আমার বয়স [xx] বছর, এবং সম্প্রতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির খবর পেয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা প্রতিরোধে টিকা নেওয়ার জন্য আমার আবেদন গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা ভূমি অফিসে খাস জমি ব্যবহার অনুমোদনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম]। বিষয়: খাস জমি ব্যবহার ও সীমানা পিলার স্থাপনের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], আমার পরিবার বর্তমানে স্থানীয় একটি খাস জমির পাশে বসবাস করছি। দীর্ঘদিন ধরে খাস জমির একটি অংশে আমরা শস্যের চাষাবাদ করছি। আমি বিনীত অনুরোধ করছি, উক্ত খাস জমি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং সীমানা পিলার স্থাপনের ব্যবস্থা করার জন্য। আবেদন সংক্রান্ত সকল প্রয়োজনীয় দলিল সংযুক্ত রয়েছে। নিবেদক, [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর পুকুরের বাঁধ মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২২ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), [উপজেলার নাম]। বিষয়: পুকুরের বাঁধ মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামের [পুকুরের নাম] পুকুরের বাঁধটি বর্ষাকালে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পানি ধারণ ও সেচ ব্যবস্থার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, বিনীত অনুরোধ, বাঁধটি মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় তদারকি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা সমাজ কল্যাণ অফিসে প্রবীণদের জন্য ভাতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা সমাজ কল্যাণ কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], জেলা: [নামের]। বিষয়: প্রবীণ ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], একজন প্রবীণ নাগরিক। বর্তমান সময়ে জীবিকার খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় মাসিক ভাতা দিয়ে আমার প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের এলাকার অনেক প্রবীণ নাগরিকই এই ভাতার ওপর নির্ভরশীল। অতএব, বিনীত অনুরোধ, প্রবীণদের মাসিক ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদয় বিবেচনা করবেন। আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভা শিক্ষা বিভাগে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা শিক্ষা অফিসার, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন। মান্যবর, বর্তমান যুগে তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা অর্জন সকলের জন্য অপরিহার্য। আমাদের এলাকার অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নেই। সেজন্য অনুরোধ, [পৌরসভার নাম] এলাকায় একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করুন, যাতে দরিদ্র ও শিক্ষানবিশ তরুণরা আধুনিক প্রযুক্তি শেখার সুযোগ পায়। আমি ও অন্যান্য শিক্ষার্থী এই উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, [নাম] ছাত্র/ছাত্রী, [বিদ্যালয়ের নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা কৃষি অফিসে বোরো ধান চাষের জন্য সার ও বীজ সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] কৃষি অফিস। বিষয়: বোরো ধানের জন্য সার ও বীজ সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], একজন কৃষক। এই মৌসুমে বোরো ধান চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সার ও বীজের যোগান পাচ্ছি না, যার কারণে ফসলের উৎপাদন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। অতএব, বিনীত অনুরোধ, আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য দ্রুত সার ও বীজ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমাদের পরিবারের সদস্য এবং কৃষকদের তালিকা সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর সড়কের বেহাল দশা মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED), [উপজেলার নাম]। বিষয়: সড়কের বেহাল দশা ও মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামের [সড়কের নাম] সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় আছে। বর্ষাকালে সড়কটির ক্ষতি বেড়ে যায় এবং চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। আমরা স্থানীয় জনগণ ও স্কুলছাত্রছাত্রীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য অনুরোধ করছি, দ্রুত সড়কটি মেরামত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নিবেদকগণ, গ্রামবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ [গ্রাম ও বিদ্যালয়ের নাম] " উপজেলা অফিসে ব্যক্তিগত সনদপত্রের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৩ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা অফিসার, [উপজেলার নাম] উপজেলা প্রশাসন। বিষয়: ব্যক্তিগত সনদপত্র জারির জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], বর্তমান আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয়তার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া অন্য কোনো সনদপত্র প্রয়োজন। তাই বিনীত অনুরোধ, আমার নাম দিয়ে একটি ব্যক্তিগত সনদপত্র জারি করার ব্যবস্থা করবেন। আমি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন করলাম। নিবেদক, [নাম] ঠিকানা: [ঠিকানা] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" পৌরসভা বরাবর পানি সরবরাহের উন্নতির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: পৌর এলাকায় পানি সরবরাহের মানোন্নয়নের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমরা [পৌরসভার নাম] এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সুষ্ঠু ও নিয়মিত পানি সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে পানির চাপ অত্যন্ত কমে যায় এবং অনেক সময় সম্পূর্ণ জলবাধিত হয়। এতে আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও স্বাস্থ্য খুবই বিপর্যস্ত হচ্ছে। অবশ্যই, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে দূর থেকে পানি আনতে হচ্ছে, যা সময় ও অর্থের অপচয় ঘটায়। তাছাড়া শিশুসহ বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। অতএব, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যে: ১. পৌর এলাকায় পানির পাইপলাইন সিস্টেমের ব্যাপক সংস্কার এবং সম্প্রসারণ করা হোক। ২. নতুন জল সংরক্ষণ ও বিতরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হোক। ৩. নিয়মিত পানির চাপ পর্যালোচনা ও মান নিয়ন্ত্রণ করা হোক। ৪. জরুরি পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত পানি সরবরাহের জন্য একটি কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আমাদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগ গ্রামবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে এবং পৌরসভার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। আমরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন এবং সহযোগিতা জানাচ্ছি। অতএব, দয়া করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমাদের আবেদনটি মঞ্জুর করবেন। নিবেদকগণ, [পৌরসভার নাম] এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা শিক্ষা অফিসে সরকারি বৃত্তির জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] শিক্ষা অফিস। বিষয়: সরকারি বৃত্তির জন্য আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], [বিদ্যালয়ের নাম]-এর এক ছাত্র/ছাত্রী। বর্তমানে আমার পারিবারিক আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত কঠিন হওয়ায় শিক্ষা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আমার বাবা/মা (অথবা অভিভাবক) কোন স্থায়ী আয় করেন না এবং পরিবারে আমি একমাত্র ভরণপোষণকারী। শিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি বৃত্তির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সহায়তা প্রয়োজন। আমি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ভালো ফলাফল অর্জন করেছি এবং ভবিষ্যতে আরও ভাল ফলাফল করার দৃঢ় প্রত্যয়ী। সেজন্য অনুরোধ করছি, আমাকে সরকারি বৃত্তি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আমার শিক্ষাগত সার্টিফিকেট ও আর্থিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করা হলো। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, প্রদত্ত সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেকে একজন আদর্শ ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব এবং দেশ ও সমাজের সেবায় নিয়োজিত হব। নিবেদক, [নাম] শ্রেণী: [শ্রেণীর নাম] রোল: [রোল নম্বর] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল সরঞ্জামের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি মেডিকেল সরঞ্জামের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বর্তমানে রোগীদের সেবা দিতে যথেষ্ট পরিমাণ ও মানসম্পন্ন মেডিকেল সরঞ্জামাদি পাচ্ছে না। অনেক রোগীর জরুরি চিকিৎসায় সরঞ্জামের অভাবে সমস্যা হচ্ছে এবং তারা অন্যত্র যেতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষতঃ জরুরি বিভাগে অক্সিজেন সিলিন্ডার, পর্যাপ্ত ইনজেকশন ওষুধ, মেডিকেল মাস্ক এবং হাইজিন সামগ্রীর খুব অভাব রয়েছে। এই কারণে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে গেছে এবং সেবা প্রদানকারীরাও কাজ করতে সংকোচ বোধ করছেন। অতএব, দয়া করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যেন আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুষ্ঠুভাবে কার্যকরী হতে পারে এবং রোগীরা সুবিধা পায়। আমরা আপনার সদয় সহায়তার অপেক্ষায় থাকলাম। নিবেদকগণ, স্থানীয় জনসাধারণ প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর]" উপজেলা সমাজসেবা অফিসে বিধবা মায়ের জন্য আর্থিক সহায়তা আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, [উপজেলার নাম]। বিষয়: বিধবা মায়ের আর্থিক সহায়তার আবেদন। মান্যবর, আমি [নাম], আমার স্ত্রীর মৃত্যু হওয়ায় এককভাবে সন্তানদের লালন-পালন করছি। পারিবারিক আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল হওয়ায় প্রয়োজনীয় খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের এলাকার অনেক বিধবা মায়ের মতো আমরাও সমাজের অবহেলা ও অনাহারের মুখোমুখি হচ্ছি। তাই বিনীত অনুরোধ, আমাকে এবং আমার পরিবারের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। আমি নিয়মিতভাবে সমাজসেবা অফিসের শর্ত পূরণে সচেষ্ট থাকব। আমার আর্থিক ও পারিবারিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করা হলো। নিবেদক, [নাম] গ্রাম: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভা পরিষদে শহরের স্যানিটেশন উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম], [জেলার নাম]। বিষয়: শহরের স্যানিটেশন সুবিধা উন্নয়নের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় স্যানিটেশন ব্যবস্থা খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। নালা-নর্দমার অবস্থা বাজে, দুর্গন্ধ ও মশার উৎপাত বেড়ে গেছে। এতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। অনেক শিশু ও বয়স্ক নাগরিকের শারীরিক অসুস্থতার কারণ হচ্ছে স্যানিটেশন সমস্যার কারণে। আমরা পৌরসভার পরিষদের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, শহরের স্যানিটেশন ব্যবস্থা দ্রুত উন্নত করার জন্য যথাযথ অর্থ বরাদ্দ ও কার্যক্রম হাতে নিন। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি এবং মশক নিধন কার্যক্রম চালু করা অত্যন্ত জরুরি। শহরের বাসিন্দারা এ বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে প্রস্তুত। আশা করি আপনারা আমাদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবেন। নিবেদকগণ, শহরের বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে রাস্তা সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম]। বিষয়: গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমরা [গ্রামের নাম] গ্রামের বাসিন্দারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট এই আবেদন করছি আমাদের গ্রামে রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ। বৃষ্টি হলে রাস্তা কাদা-গাদা হয়ে যায় এবং যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। স্কুলগামী শিশু ও রোগীদের হাসপাতালে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়ে। অতএব, বিনীত অনুরোধ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে পাকা করায় সহায়তা করবেন। এতে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা দৃঢ় হবে। আপনার সদয় বিবেচনার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদকগণ, [গ্রামের নাম] গ্রামের বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভা পরিষদে রাস্তার বাতি স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম]। বিষয়: সড়কে রাস্তার বাতি স্থাপনের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো অন্ধকার এবং রাতে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতএব, আপনারা জরুরিভাবে প্রধান সড়কগুলোতে সড়ক বাতি স্থাপন করে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। সবার নিরাপত্তার জন্য আমরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদকগণ, [পৌরসভার নাম] এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের স্বল্পতার বিষয়ে আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত কিছু জরুরি ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে। এতে রোগীরা নানা সমস্যায় পড়ছে এবং অন্যত্র ওষুধ খুঁজতে হচ্ছে। আমাদের বিনীত অনুরোধ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা দ্রুত করুন যেন রোগীরা সঠিক সময়ে সেবা পায়। আপনার সদয় সহায়তার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদকগণ, উপজেলা বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " পৌরসভায় আবর্জনা ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা চেয়ারম্যান, [পৌরসভার নাম]। বিষয়: শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য আবেদন। মান্যবর, আমাদের পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় আবর্জনা নিক্ষেপের কারণে পরিবেশ দূষণ ও দুর্গন্ধ বিরাজ করছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে এবং পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। দয়া করে পৌরসভায় আবর্জনা ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও আবর্জনা নিষ্পত্তির সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করুন। আমরা আপনার দ্রুত পদক্ষেপের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, পৌরসভা এলাকার বাসিন্দারা প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " উপজেলা শিক্ষা অফিসে নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৪ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম]। বিষয়: উপজেলার একটি দূরবর্তী এলাকায় নতুন সরকারী বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলার [গ্রামের নাম] এলাকাটি শিক্ষা সুবিধা থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিয়ে স্কুলে আসতে হয়, যা শিশুদের জন্য খুবই কষ্টকর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যে এই এলাকায় একটি নতুন সরকারী বিদ্যালয় স্থাপন করা হোক, যাতে এলাকার সকল শিশুর নিকটবর্তী এবং সহজে শিক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, [গ্রামের নাম] এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষকগণ প্রতিনিধি: [নাম] মোবাইল: [ফোন নম্বর] " কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লাইব্রেরির বই সংখ্যা বৃদ্ধি করার আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: কলেজ লাইব্রেরিতে বই সংযোজনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের কলেজের লাইব্রেরাটি শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানার্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে বইয়ের সংখ্যা খুবই সীমিত এবং বিভিন্ন বিষয়ের বই সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা ও পড়াশোনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা অনুরোধ করছি, আপনার সদয় বিবেচনায় লাইব্রেরির জন্য বিভিন্ন বিষয়ের নতুন ও আধুনিক বই সংগ্রহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম ও অতিরিক্ত গবেষণায় সহায়তা লাভ করবে এবং শিক্ষার মান উন্নত হবে। আমরা আপনার সহযোগিতার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদক, [আপনার নাম] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর] " স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [স্কুলের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের বিদ্যালয়ে এখনও কম্পিউটার ল্যাব নেই, যার ফলে শিক্ষার্থীরা এই আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। সুতরাং, আমরা সম্মানিত স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, বিদ্যালয়ে আধুনিক মানের একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের ডিজিটাল শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনে সাহায্য হবে এবং তাদের ভবিষ্যত গড়তে বড় ভূমিকা রাখবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, [আপনার নাম] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর] " বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বৃদ্ধি সংক্রান্ত আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় রেজিস্ট্রার, [বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম], [শহর]। বিষয়: পরীক্ষা শেষে ছুটির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমরা [বিভাগের নাম] বিভাগের শিক্ষার্থীরা, পরীক্ষা শেষে নির্দিষ্ট ছুটির সময় খুবই স্বল্প মনে করছি। পরীক্ষার ক্লান্তি কাটিয়ে পুনরায় নতুন সেমিস্টারে মনযোগী হওয়ার জন্য দীর্ঘ সময়ের বিশ্রাম প্রয়োজন। অতএব, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যে, পরীক্ষার পরবর্তীতে ছুটির সময় অন্তত ১৫ দিন বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এতে আমরা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত হয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে ভালো ফলাফল করতে পারব। আপনার সদয় বিবেচনার অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদকগণ, [আপনার নাম] [বিভাগ] [রোল নম্বর]" স্কুলে শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [স্কুলের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শিক্ষা ক্ষেত্রের নতুন নতুন প্রযুক্তি ও শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষকদের আপডেট রাখা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের অনেকেই প্রশিক্ষণের অভাবে আধুনিক শিক্ষাদানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সমস্যায় পড়ছেন। অতএব, আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, বিদ্যালয়ে নিয়মিতভাবে শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হোক, যেখানে তারা নতুন শিক্ষণ পদ্ধতি, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণের কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষিত হতে পারবেন। এতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সাহায্য হবে। আপনার সদয় সহযোগিতার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, [শিক্ষার্থী প্রতিনিধি] [শ্রেণি/সেকশন] [রোল নম্বর]" কলেজে পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কলেজে একটি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। আমাদের কলেজে পরিবেশ দূষণ ও বৃক্ষসংরক্ষণ বিষয়ে অনেক অজ্ঞতা এবং সচেতনতার অভাব রয়েছে। আমরা আশা করি, কলেজ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং পরিবেশ বিষয়ক সেমিনার আয়োজন করা হলে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এছাড়া এই ধরনের কার্যক্রম তাদের ব্যক্তিত্ব উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অতএব, আমরা বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি পরিবেশ সংরক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কলেজে উপযুক্ত কার্যক্রম শুরু করার ব্যবস্থা করবেন। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, [শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ] [কলেজের নাম] " পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে সড়ক ব্রীজ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: গ্রাম সংযোগ সড়কে ব্রীজ নির্মাণের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের গ্রামটি শহরের সাথে সংযুক্ত সড়কে একটি বড় পানি খাল রয়েছে, যার উপর এখন পর্যন্ত কোনো ব্রীজ নির্মাণ হয়নি। বর্ষাকালে সেখান দিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, বিশেষ করে বাচ্চা ও বৃদ্ধদের জন্য। ফলে বহুবার দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে গ্রামবাসীদের। আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত কষ্টে রয়েছি এবং আপনাদের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, দ্রুত ওই স্থানে একটি শক্তপোক্ত ও টেকসই ব্রীজ নির্মাণের ব্যবস্থা করার জন্য। এটি গ্রাম ও শহরের মধ্যে চলাচল সহজ করবে এবং জনজীবন নিরাপদ করবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, গ্রামবাসী, [গ্রামের নাম], [জেলা] " উপজেলা অফিসে প্রবীণ নাগরিক ভাতা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: প্রবীণ নাগরিকদের ভাতা বৃদ্ধি করার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির কারণে প্রবীণ নাগরিকদের মাসিক ভাতা তাদের দৈনন্দিন খরচ চালানো যথেষ্ট কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসা ও খাদ্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য এই ভাতা প্রায় অপ্রতুল। আমরা উপজেলার প্রবীণ নাগরিক ও তাদের পরিবারদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি, প্রবীণ ভাতা পরিমাণ বৃদ্ধি করে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করা হোক। এই সহায়তা প্রবীণদের জন্য বিশেষ আশার আলো হিসেবে কাজ করবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, প্রবীণ নাগরিক প্রতিনিধি, [উপজেলার নাম] " হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি বিভাগ সম্প্রসারণের আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় হাসপাতাল পরিচালক, [হাসপাতালের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: জরুরি বিভাগ সম্প্রসারণের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের এলাকায় সম্প্রতি জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চাপও অনেক বেড়েছে। কিন্তু বর্তমানে জরুরি বিভাগে পর্যাপ্ত শয্যা এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই, যার কারণে জরুরি রোগীদের সেবা দেওয়া দেরি হয়। অতএব, আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি, জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত শয্যা, আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এতে রোগীদের দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা যাবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, [আপনার নাম], [শহরের বাসিন্দা]" শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাসের সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আমরা অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু অনেক ছাত্র-ছাত্রী কম ইন্টারনেট স্পিড এবং প্রযুক্তি সঙ্কটের কারণে ক্লাসে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে পারছে না। এতে তাদের শিক্ষার ক্ষতি হচ্ছে। অতএব, আমরা সম্মানিত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি, দরিদ্র ও প্রযুক্তি বিহীন শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট স্পিড উন্নতকরণ ও ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহের ব্যবস্থা করুন। এতে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে শিক্ষার সুযোগ পাবে এবং পিছিয়ে পড়বে না। আপনার সদয় সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, [শ্রেণি ও রোল নম্বর সহ শিক্ষার্থীবৃন্দ]" ইউনিয়ন পরিষদে রাস্তা সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২৭ জুন ২০২৫ বরাবর, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, [ইউনিয়নের নাম], [জেলা]। বিষয়: গ্রাম সড়ক সংস্কারের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভেঙে গেছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক ও কঠিন হয়ে পড়ে। জরুরি প্রয়োজনে দ্রুততম সময়ে মানুষ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বাজার ও স্কুলে যাতায়াত করতে পারে না। অতএব, আমরা সম্মানিত ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, অবিলম্বে ওই সড়কগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। এটি এলাকার জনসাধারণের স্বস্তি ও নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নিবেদকগণ, স্থানীয় বাসিন্দা, [গ্রাম/ইউনিয়নের নাম]" শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির জন্য পৌরসভায় আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: শহরের পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য নিষ্পত্তি ব্যবস্থা উন্নত করার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের শহরের বিভিন্ন স্থান, বিশেষ করে বাজার এলাকা ও পার্কগুলোতে বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থা নেই। এর ফলে পরিবেশ দূষণ বেড়েছে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। আমরা এলাকার নাগরিকরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, শহরের পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধির জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বর্জ্য অপসারণের জন্য নিয়মিত পরিষেবা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করলে সবাই উপকৃত হবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, স্থানীয় নাগরিক, [শহরের নাম] " বিদ্যালয়ে নতুন বিজ্ঞান ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [জেলা]। বিষয়: নতুন বিজ্ঞান ল্যাব স্থাপনের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় বিজ্ঞান বিষয়গুলোর প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু আমাদের বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত বিজ্ঞান ল্যাব না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা পাচ্ছে না। আমরা শ্রেণিকক্ষে শুধুমাত্র পাঠ্যবই থেকে পড়ার পরিবর্তে একটি আধুনিক ও সুসজ্জিত বিজ্ঞান ল্যাব প্রতিষ্ঠার আবেদন জানাচ্ছি, যাতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষামূলক কাজগুলো আরও ভালোভাবে করতে পারে এবং তাদের বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা, [শ্রেণি ও রোল নম্বর সহ] " উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন ওষুধের সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের স্টক পুনরায় পূরণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ শেষ হয়ে গেছে। এই কারণে রোগীরা ভুগছে এবং অনেককে দূরবর্তী শহরে চিকিৎসার জন্য যেতে হচ্ছে। অতএব, আমরা আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি দ্রুত এই ওষুধের স্টক পূরণ করার জন্য। এতে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা দ্রুত এবং সহজ হবে। আপনার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, স্থানীয় বাসিন্দা, [গ্রাম/উপজেলার নাম]" কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষাবর্ষ শুরু বিলম্বিত করার আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর]। বিষয়: শিক্ষাবর্ষ শুরু বিলম্বিত করার জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পুনরাবৃত্তি হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাসে অংশ নিতে পারছে না। বিশেষ করে, কম প্রযুক্তি সুবিধা থাকা ছাত্রছাত্রীরা অনেক পিছিয়ে পড়েছে। আমরা সকল শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আগামী শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু কিছুদিন বিলম্বিত করার জন্য যাতে আমরা সকলেই পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে পারি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, [আপনার নাম], [শ্রেণি ও রোল] " পৌরসভায় শিশুর খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২৮ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: শিশুর খেলার জন্য নতুন মাঠ নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শিশুরা শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলার মাঠ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের এলাকায় পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই, ফলে শিশুরা বাইরে খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। আমরা এলাকার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা সম্মিলিতভাবে আবেদন জানাচ্ছি, একটি সুসজ্জিত ও নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণের ব্যবস্থা করার জন্য। এতে শিশুরা স্বাস্থ্যকরভাবে বেড়ে উঠবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থী, [শহরের নাম] " উপজেলা পরিষদে রাস্তা সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দ্রুত সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের প্রধান রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির সময় রাস্তার গর্তগুলোতে পানি জমে চলাচলে বড় ধরনের অসুবিধা হয়। স্কুলে যাতায়াত, বাজারে যাতায়াতসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। আমরা এলাকার জনগণ আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত এই রাস্তার মেরামত এবং পাকা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। এতে এলাকার পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদক, স্থানীয় বাসিন্দা, [গ্রাম/মহল্লার নাম] " বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবরে ছুটির আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর]। বিষয়: পারিবারিক সমস্যার জন্য ছুটির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রী। পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থতার কারণে আমার উপস্থিতি আবশ্যক। এজন্য আমি অনুগ্রহ করে আগামী এক সপ্তাহের জন্য ছুটি প্রার্থনা করছি। আপনার সদয় অনুমতি পেলে আমি অনুপস্থিত থাকা সময়ে পড়াশোনা সমাপ্ত করার চেষ্টা করব। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, [আপনার নাম], [শ্রেণি], রোল নম্বর: [রোল নম্বর] " পৌরসভার কাছে পানীয় জল সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: এলাকায় পানীয় জলের স্বচ্ছ ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের এলাকায় পানীয় জলের সরবরাহ খুবই অপ্রতুল এবং অনিয়মিত। অনেকদিন ধরে পানি কম থাকার কারণে জনসাধারণের ভোগান্তি বেড়েছে। বিশেষত গ্রীষ্মকালে এই সমস্যা আরও তীব্র হয়। সেই কারণে আমরা এলাকাবাসী আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি, দ্রুত পানীয় জলের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। এতে এলাকার মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। আপনার সহযোগিতার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী [শহরের নাম] " কলেজে অতিরিক্ত পরীক্ষার জন্য আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর]। বিষয়: পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেতে অতিরিক্ত পরীক্ষার আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র। আমার অসুস্থতার কারণে সাম্প্রতিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। অতএব, আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, আমাকে অতিরিক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হোক। আমি এই সুযোগ পেলে পরবর্তীতে ভাল ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হবো। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক, [আপনার নাম], [শ্রেণি], রোল নম্বর: [রোল নম্বর] " উপজেলা অফিসে জন্ম নিবন্ধন সেবা দ্রুত করার আবেদন,"তারিখ: ২৯ জুন ২০২৫ বরাবর, মাননীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য আবেদন। জনাব, বর্তমানে আমাদের উপজেলার জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া অনেক ধীর গতিতে চলছে, যার ফলে নাগরিকদের অনেক সময় ও শ্রমের অপচয় হচ্ছে। বিশেষত, জরুরি কাগজপত্র তৈরি ও স্কুলে ভর্তি হতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন পরিবারগুলো। এই কারণে আমরা স্থানীয় নাগরিকদের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানাচ্ছি, জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আপনার সদয় সহায়তার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকগণ, [উপজেলার নাম] " কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় অধ্যক্ষ, [কলেজের নাম], [শহর]। বিষয়: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতির জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমরা, [কলেজের সাংস্কৃতিক ক্লাবের নাম] সদস্যরা, আগামী [তারিখ] একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করছি। এই অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেমন নৃত্য, গীতি ও নাটক অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কলেজ জীবনের আনন্দময় স্মৃতি তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। অতএব, বিনীত অনুরোধ এই অনুষ্ঠানটি কলেজের প্রাঙ্গণে সফলভাবে আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার জন্য। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, [সাংস্কৃতিক ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক], [কলেজের নাম] " পৌরসভার কাছে সড়ক পিচিং করার আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, জনাব পৌরসভা সভাপতি, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: প্রধান সড়কের পিচিং কাজ দ্রুত করার জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙ্গে গেছে এবং বৃষ্টির সময় চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। যাত্রী ও যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যানজট কমাতে অনুরোধ করছি, দ্রুত সড়কটির পিচিং কাজ শুরু করে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আপনার দ্রুত পদক্ষেপের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদকগণ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দা [পৌরসভার নাম] " স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নতুন ওষুধের সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, স্বাস্থ্য কেন্দ্র ইনচার্জ, [গ্রাম/উপজেলার নাম] স্বাস্থ্য কেন্দ্র, [জেলা]। বিষয়: স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ওষুধের জোগান বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষত, সাধারণ সর্দি, জ্বর ও পেটের ব্যথার ওষুধ দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। রোগীরা অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। অতএব, স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি এবং রোগীদের সুষ্ঠু চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ওষুধের পরিমাণ দ্রুত বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, স্থানীয় জনতা, [গ্রাম/উপজেলা] " স্কুলে শীতকালীন ছুটির জন্য আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর]। বিষয়: শীতকালীন ছুটির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমি [আপনার নাম], [শ্রেণি] শ্রেণির ছাত্র। বর্তমান শীতকালীন ঋতুতে পরিবেশগত কারণে স্কুলে আসা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। রাস্তা বরফে ঢাকা থাকায় যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে। অতএব, আমি বিনীতভাবে আগামী [দিন/সপ্তাহ] ছুটির জন্য আবেদন জানাচ্ছি যাতে আমি স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে বিশ্রাম নিতে পারি এবং পড়াশোনায় আরও মনোযোগ দিতে পারি। আপনার সদয় অনুমতির অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদক, [আপনার নাম], [শ্রেণি], রোল নম্বর: [রোল নম্বর] " উপজেলা স্কুলে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের আবেদন,"তারিখ: ০১ জুলাই ২০২৫ বরাবর, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের উপজেলার [স্কুলের নাম] স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমবর্ধমান হওয়ায় শিক্ষকরা খুব চাপের মধ্যে পড়েছেন। বিশেষত গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের জন্য অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জরুরি প্রয়োজন। শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য এবং শিক্ষার্থীদের যথাযথ শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সহযোগিতার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সদস্যরা, [উপজেলা নাম] " বাজার কমিটির কাছে রাস্তার বেহাল দশা মেরামতের আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় চেয়ারম্যান, [বাজার কমিটির নাম], [শহর/গ্রাম]। বিষয়: বাজার সংলগ্ন রাস্তার দ্রুত সংস্কারের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের বাজার সংলগ্ন প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টির সময় পথে হাঁটা ও যানবাহন চলাচল খুবই বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। এতে ক্রেতা-বিক্রেতারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। অতএব, আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করছি দ্রুত রাস্তার সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। আপনার সহায়তার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটির সদস্যগণ " মহিলা উন্নয়ন সংস্থায় প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, সভাপতি, [মহিলা উন্নয়ন সংস্থা], [শহর/উপজেলা]। বিষয়: নারী শিক্ষার উন্নয়নে কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়/মহোদয়া, আমাদের এলাকার নারীরা বিভিন্ন হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র উদ্যোগে দক্ষতা অর্জন করতে আগ্রহী। তাই, কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। অনুগ্রহ করে সংস্থার পক্ষ থেকে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য অনুমতি এবং সহযোগিতা দেওয়ার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদকগণ, স্থানীয় মহিলা সদস্যবৃন্দ" হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, অধিদপ্তর পরিচালক, [জেলা হাসপাতাল], [জেলা]। বিষয়: হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমানে আমাদের জেলা হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতার মান খুবই নিন্ম। এটি রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে এবং হাসপাতালের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। অতএব, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ ও উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। আপনার সহযোগিতার প্রত্যাশায়, নিবেদক, স্থানীয় সচেতন নাগরিক " উপজেলা অফিসে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]। বিষয়: বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, প্রতিবছর আমাদের উপজেলার কিছু এলাকা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমানে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় বিপদগ্রস্ত মানুষজনের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ে। এজন্য, নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, স্থানীয় গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও জনতা" পৌরসভার কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন,"তারিখ: ০২ জুলাই ২০২৫ বরাবর, পৌরসভা প্রধান, [পৌরসভার নাম], [শহর]। বিষয়: নতুন আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন। মান্যবর, আমাদের নতুন আবাসিক এলাকায় এখনও সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান হয়নি। এ কারণে বাসিন্দারা প্রচুর কষ্টে পড়ছেন। বিদ্যুতের অভাবে নিরাপত্তা এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, দ্রুত এই এলাকার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। আপনার সাহায্যের জন্য অগ্রীম ধন্যবাদ। নিবেদকগণ, নতুন আবাসিক এলাকা বাসিন্দা " বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ল্যাব উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/গ্রাম]। বিষয়: বিজ্ঞান ল্যাবের আধুনিকায়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ল্যাবটি অনেকদিন আগের স্থাপনা এবং এতে নতুন যন্ত্রপাতি নেই। আধুনিক পরীক্ষণ এবং শিক্ষার জন্য আধুনিক ল্যাবের প্রয়োজন অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জনে এবং পরীক্ষামূলক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ল্যাবটি উন্নত করার অনুরোধ করছি। আশা করছি, আপনার সদয় নজর এই বিষয়ে দেওয়া হবে। নিবেদক, (শিক্ষার্থী প্রতিনিধি) [ক্লাস], [রোল নম্বর] " পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/উপজেলা]। বিষয়: বিদ্যালয়ে পাঠাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাঠাগার না থাকায় বই পড়াশোনা এবং গবেষণায় অসুবিধা হচ্ছে। পাঠাগার থাকলে শিক্ষার্থীরা সহজে বিভিন্ন বই ও রেফারেন্স ম্যাটেরিয়াল থেকে শিক্ষালাভ করতে পারবে। অতএব, বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক পাঠাগার স্থাপনের জন্য আপনার সদয় অনুমতি ও সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক, [শিক্ষার্থীর নাম] [ক্লাস ও রোল] " শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [জেলা]। বিষয়: শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন প্রযুক্তি ও শিক্ষণ পদ্ধতি অবলম্বনের জন্য আমাদের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের খুব প্রয়োজন। সুতরাং, বিদ্যালয়ে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। এই কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নত হবে। আপনার সদয় বিবেচনার জন্য ধন্যবাদ। নিবেদক, [শিক্ষক প্রতিনিধি] [বিদ্যালয়ের নাম]" বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধির আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর]। বিষয়: বিদ্যালয়ে খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধির আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শারীরিক সুস্থতার জন্য খেলাধুলা অপরিহার্য। আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ ও সরঞ্জাম নেই। শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি করা আবশ্যক। অতএব, নতুন মাঠ তৈরি এবং খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংগ্রহের জন্য আবেদন করছি। আপনার সহযোগিতার জন্য অগ্রীম ধন্যবাদ। নিবেদক, [ছাত্র সংসদের সভাপতি] [ক্লাস ও রোল]" বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, মাননীয় প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/উপজেলা]। বিষয়: বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, প্রতিবছর বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার চেতনা জাগ্রত হয়। গত বছর প্রতিযোগিতা না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা দুঃখিত। সুতরাং, এবছর সময় মতো এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক, [ছাত্র প্রতিনিধি] [ক্লাস ও রোল]" শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ০৩ জুলাই ২০২৫ বরাবর, প্রধান শিক্ষক, [বিদ্যালয়ের নাম], [শহর/জেলা]। বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনার সদয় অনুমতির অপেক্ষায় রইলাম। নিবেদক, [শিক্ষার্থী প্রতিনিধি] [ক্লাস ও রোল] " শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: রাফি, পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে তোমার? রাফি: স্যার, মোটামুটি চলছে। গণিতে একটু সমস্যা হচ্ছে। শিক্ষক: কোন অধ্যায়গুলোতে সমস্যা বেশি? রাফি: তৃতীয় অধ্যায়ের জ্যামিতির প্রশ্নগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারছি না। শিক্ষক: তুমি কি স্যারের দেয়া নোটগুলো ব্যবহার করছো? রাফি: হ্যাঁ স্যার, কিন্তু কিছু প্রশ্নে ব্যাখ্যা ঠিকমতো বুঝিনি। শিক্ষক: আচ্ছা, কাল স্কুল শেষে আমি তোমাদের জন্য একটি আলাদা ক্লাস রাখবো। রাফি: সত্যি স্যার? খুব উপকার হবে। শিক্ষক: অবশ্যই। তবে তুমি আগে থেকে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আনবে। রাফি: ঠিক আছে স্যার। আমি লিস্ট তৈরি করে নিয়ে আসবো। শিক্ষক: ভালো। আর বাংলা ও ইংরেজির প্রস্তুতি কেমন? রাফি: বাংলা মোটামুটি ভালো, তবে ইংরেজির গ্রামারে ভুল হচ্ছে অনেক। শিক্ষক: আগামী সপ্তাহে একদিন ইংরেজির জন্যও ক্লাস রাখবো। রাফি: ধন্যবাদ স্যার, আপনি অনেক সাহায্য করছেন।" দোকানদার ও গ্রাহকের মধ্যে জামা কেনাকাটা নিয়ে কথা,"গ্রাহক: ভাই, এই নীল রঙের শার্টটা কত দাম? দোকানদার: এটা ৭৫০ টাকা। ভালো কাপড়, কটন ফেব্রিক। গ্রাহক: একটু কম হবে না? দোকানদার: না ভাই, আগে ছিল ৯০০ টাকা, এখন ছাড়ে দিচ্ছি। গ্রাহক: আমি ৬৫০ বলছি, যদি দেন তো নেই। দোকানদার: একদম শেষ দাম ৭০০। আপনার জন্য স্পেশাল। গ্রাহক: আচ্ছা, একটা ট্রায় করতে পারি? দোকানদার: অবশ্যই, ভিতরে চেঞ্জ রুম আছে, যান। (গ্রাহক চেঞ্জ রুমে গিয়ে জামা পরে এসে) গ্রাহক: ফিটিং ভালো, তবে হাতা একটু লম্বা। দোকানদার: সেটা সহজেই টেইলার দিয়ে কেটে নেওয়া যাবে। গ্রাহক: ঠিক আছে, তাহলে ৭০০ দিয়ে নিচ্ছি। দোকানদার: ধন্যবাদ ভাই, আমি প্যাক করে দিচ্ছি।" মা ও মেয়ের মধ্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলাপ,"মা: মা, তোমার কলেজের ফর্ম ফিলাপ হয়ে গেছে তো? মেয়ে: হ্যাঁ মা, কালই জমা দিয়েছি। মা: কোন বিভাগ নিয়েছো? মেয়ে: সায়েন্সই রেখেছি মা, আমি মেডিক্যালে চেষ্টা করবো। মা: বেশ ভালো করেছো। তবে জানো তো, পড়াশোনার চাপ একটু বেশি হবে। মেয়ে: জানি মা, তাই আগে থেকেই রুটিন তৈরি করছি। মা: গুছিয়ে চলতে পারলে কোনো সমস্যা হবে না। মেয়ে: আমি চাই তোমার স্বপ্ন পূরণ করতে। মা: আমার স্বপ্ন তখনই পূরণ হবে যখন তুমি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। মেয়ে: মা, আমি তোমার মতো শক্ত হতে চাই। মা: তুমি পারবে মা, আমি সবসময় পাশে আছি।" বন্ধুদের মধ্যে পিকনিক নিয়ে পরিকল্পনা,"সোহেল: দোস্ত, এই শুক্রবারে কোথাও ঘুরতে যাই কেমন? রাকিব: দারুণ আইডিয়া! কোথায় যাবো? তানভীর: শহরের বাইরে একটা রিসোর্ট আছে, “নীলপরি”। সোহেল: হ্যাঁ, ওখানে পুকুর, খেলার মাঠ, আর বারবিকিউ-এর জায়গা আছে। রাকিব: বাজেট কেমন লাগবে বলো তো? তানভীর: মাথাপিছু ৬০০–৭০০ টাকা। সোহেল: তাহলে আমাদের ৮ জনের দলের জন্য প্রায় ৫০০০ টাকার মতো হবে। রাকিব: খাওয়া, যাতায়াত, সব ইনক্লুডেড? তানভীর: হ্যাঁ। ওরা প্যাকেজ দেয়। সোহেল: তাহলে কালই কনফার্ম করি, টাকাগুলো কাল জমা নেই। রাকিব: ঠিক আছে, আমি নাম লিস্ট তৈরি করি। তানভীর: আর হ্যাঁ, একটা স্পিকার আনতে হবে, গানের জন্য। সোহেল: আমি আনবো, নিশ্চিত থাক।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শিশুকে নিয়ে কথা,"পথচারী: দারোগা সাহেব, এখানে একটা বাচ্চা ছেলে একা ঘুরছে। পুলিশ: কোথায়? দেখান আমাকে। পথচারী: দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলো। বয়স প্রায় পাঁচ বছর। পুলিশ: তার সাথে কেউ নেই? পথচারী: না, আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে শুধু বলল ""মা""। পুলিশ: ওর নাম জানে? পথচারী: বলেছে “সাইমন”। পুলিশ: ঠিক আছে, আমি বাচ্চাটিকে থানায় নিয়ে যাচ্ছি। আপনি কি কিছুক্ষণ থাকবেন, যদি মা আসে? পথচারী: অবশ্যই থাকবো। পুলিশ: ধন্যবাদ। আমরা সামাজিক মাধ্যমে ছবিও পোস্ট করবো। পথচারী: ভালো কাজ করছেন দারোগা সাহেব। " ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে সাধারণ চেকআপ নিয়ে কথা,"ডাক্তার: আসুন, বসুন। কী সমস্যা নিয়ে এসেছেন? রোগী: স্যার, গত কয়েকদিন ধরে মাথাব্যথা আর ক্লান্তি লাগছে। ডাক্তার: প্রতিদিন কত ঘণ্টা ঘুমান? রোগী: প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা। ডাক্তার: আপনি কি কোনো মানসিক চাপের মধ্যে আছেন? রোগী: অফিসের কাজের চাপ অনেক বেশি। ডাক্তার: আপনি কী নিয়মিত খাবার খান? রোগী: মাঝে মাঝে দুপুরের খাবার বাদ পড়ে যায়। ডাক্তার: এটা ঠিক নয়। শরীরের প্রতি যত্ন না নিলে সমস্যা বাড়বে। রোগী: জানি স্যার, কিন্তু সময় মেলাতে পারি না। ডাক্তার: আমি কিছু টেস্ট দিতে বলবো। এবং ওষুধ দেবো, তবে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনতেই হবে। রোগী: ঠিক আছে স্যার, আপনি টেস্ট লিখে দিন। ডাক্তার: এক সপ্তাহ পর রিপোর্টসহ আবার দেখা করুন। রোগী: ধন্যবাদ স্যার, আমি অবশ্যই আবার আসব।" সহপাঠী ও সহপাঠিনীর মধ্যে গ্রুপ স্টাডি নিয়ে আলোচনা,"নিশাত: ইমন, আগামী সপ্তাহে আমাদের গণিত পরীক্ষা না? ইমন: হ্যাঁ, ১০ তারিখে। তুমি কতদূর পড়েছো? নিশাত: দ্বিতীয় অধ্যায়টা ঠিকমতো বুঝিনি, গাণিতিক যুক্তি। ইমন: আমিও সেখানেই আটকে আছি। একসাথে পড়লে ভালো হবে। নিশাত: তাহলে কাল লাইব্রেরিতে দেখা হবে? ইমন: সকাল ১০টায় আসতে পারবে? নিশাত: পারবো। আমরা দুজনে সমাধান করে নিলে বাকি বন্ধুদেরও সাহায্য করতে পারবো। ইমন: হ্যাঁ, আমি কিছু প্রশ্ন প্রিন্ট করে নিয়ে আসবো। নিশাত: আমি টিউটরের নোট নিয়ে আসবো। ইমন: চমৎকার। দেখে নিই কে কার আগে বোঝে! নিশাত: চ্যালেঞ্জ নেওয়া হলো তাহলে! " মা ও ছেলের মধ্যে মোবাইল ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে কথা,"মা: শুভ, আজ সারাদিন ফোনে কি করছিলে? শুভ: মা, ইউটিউবে কিছু পড়াশোনার ভিডিও দেখছিলাম। মা: কিন্তু মাঝে মাঝে তোমাকে গেম খেলতেও দেখি। শুভ: হ্যাঁ, একটু খেলেছি, কিন্তু খুব বেশি না। মা: মোবাইল ভালো কাজে ব্যবহার করলে আমি কিছু বলবো না। শুভ: ঠিক বলেছো মা, আমি সময় বেঁধে নিয়ে চলবো। মা: পড়াশোনার সময় মোবাইল দূরে রাখতে পারবে তো? শুভ: পারবো মা, তুমি যদি রিমাইন্ডার দিয়ে দাও। মা: ঠিক আছে, আমরা একটা সময়সূচি তৈরি করি। শুভ: দারুণ হবে! তুমি চাইলে একসাথে ভিডিও দেখে পড়তে পারি। মা: অবশ্যই, আমি খুশি হবো।" বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও অফিস কর্মীর মধ্যে ভবিষ্যত চাকরি নিয়ে আলোচনা,"তামীম: ভাইয়া, আপনি কোথায় চাকরি করেন? রাফি: আমি একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে সিনিয়র ডেভেলপার। তামীম: দারুণ! আমি এখন তৃতীয় বর্ষে পড়ছি, কম্পিউটার সায়েন্স। রাফি: তাহলে তো তুমি আমার ফিল্ডেই আসছো। তামীম: কিন্তু বুঝতে পারছি না, কীভাবে প্রস্তুতি নেবো? রাফি: প্রথমে প্রজেক্ট তৈরি করো, GitHub অ্যাকাউন্ট চালু করো। তামীম: আর কি কি দরকার? রাফি: কিছু স্টার্টআপে ইন্টার্ন করো, চেনাশোনা তৈরি করো। তামীম: প্রোগ্রামিং কনটেস্টে অংশ নিচ্ছি। সেটাও সাহায্য করবে তো? রাফি: অবশ্যই। লজিক শক্তিশালী হলে ইন্টারভিউতে অনেক এগিয়ে থাকবে। তামীম: ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনার পরামর্শ অনেক কাজে আসবে।" বাসার গৃহকর্মী ও গৃহিণীর মধ্যে ছুটি চাওয়া নিয়ে কথা,"গৃহকর্মী: আপা, কালকে আমি আসতে পারবো না। গৃহিণী: কী হয়েছে রিনা? গৃহকর্মী: ছেলের স্কুলে গার্ডিয়ান মিটিং আছে। গৃহিণী: আচ্ছা, তুমি সময় মতো বলেছো, তাই কোনো সমস্যা নেই। গৃহকর্মী: ধন্যবাদ আপা। পরদিন সকালে কাজটা আগে করে দেবো। গৃহিণী: ভালো, কিন্তু দয়া করে কালকের কাপড়গুলো আজই ভিজিয়ে রেখো। গৃহকর্মী: অবশ্যই আপা, আমি এখনই করে দিচ্ছি। গৃহিণী: তুমি ছেলের স্কুলে গিয়ে ভালোভাবে কথা বলো। গৃহকর্মী: হ্যাঁ আপা, এই প্রথমবার সে ক্লাসে প্রথম হয়েছে। গৃহিণী: বাহ! অভিনন্দন। গৃহকর্মী: ধন্যবাদ আপা, আপনিও অনেক সাহায্য করেছেন। " তিন বন্ধুর মধ্যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা,"নাহিদ: রেজাল্ট তো প্রায় বেরিয়ে আসছে। এখন কী করবি রে সজীব? সজীব: আমি বুয়েটেই চেষ্টা করবো ভাই। তোদের কী প্ল্যান? রিফাত: আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটি, আইবিএ টার্গেট করছি। নাহিদ: আমি এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। বিজ্ঞানেই আছি, কিন্তু কনফিউশনে ভুগছি। সজীব: তুই মেডিক্যালে চেষ্টা করবি না? নাহিদ: ইচ্ছা ছিল, কিন্তু প্রস্তুতিটা দুর্বল। রিফাত: আর যাই কর, এখন থেকেই ফোকাস করতে হবে। সজীব: ঠিক বলেছিস। আর প্রস্তুতির সময়টাও খুব মূল্যবান। নাহিদ: হুম। চল, একসাথে একটা স্টাডি গ্রুপ করি। সজীব: দারুণ আইডিয়া! নিয়মিত মিট করলে সবাই উপকার পাবে। রিফাত: কাল থেকেই শুরু করি, কে কবে কোথায় পড়ছে সেসব শেয়ার করবো।" "শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকের মধ্যে উপস্থিতি ও মনোযোগ নিয়ে আলোচনা (৩ জন)","শিক্ষক: মিসেস হাসান, আপনার ছেলে সামির ক্লাসে নিয়মিত অনুপস্থিত। মা: তাই বুঝি? সে তো বলে প্রতিদিনই স্কুলে যায়! সামির: মা, আমি গিয়েছিলাম, কিন্তু মাঝে মাঝে শরীর খারাপ লাগতো। শিক্ষক: সামির, পড়াশোনার ফাঁকে বিশ্রাম দরকার ঠিক আছে, কিন্তু একদিনও না জানিয়ে অনুপস্থিত থাকা ঠিক নয়। মা: স্যার, আমি ওকে বোঝাবো। ওর প্রাইভেট পড়াও কি ঠিকভাবে হচ্ছে? শিক্ষক: ওর অংকে অগ্রগতি নেই বললেই চলে। সামির: স্যার, আমি চেষ্টা করবো। শিক্ষক: চেষ্টা না, নিয়মিত প্রস্তুতি দরকার। আগামী সপ্তাহে একটা ক্লাস টেস্ট আছে, ভালো করতে হবে। মা: আমি বাসায় সময়মতো খেয়াল রাখবো। শিক্ষক: ধন্যবাদ, দুজনের সহযোগিতাতেই উন্নতি সম্ভব। " রেস্টুরেন্টে তিনজন কাস্টমার ও ওয়েটারের মধ্যে খাবার অর্ডার নিয়ে কথা,"ওয়েটার: স্বাগতম স্যার, কী অর্ডার দেবেন? রুবেল: ভাই, মেনুটা একবার দাও তো। আসিফ: আমি চিকেন বিরিয়ানি নেবো, আর এক গ্লাস ঠাণ্ডা লেমনেড। সুমন: আমি ভেজ খাবো, ফ্রাইড রাইস আর ভেজিটেবল কারি আছে? ওয়েটার: আছে স্যার, স্পেশাল ভেজ কারি আছে আজ। রুবেল: আমি একটু হালকা খাবো, একটা চিকেন স্যুপ আর স্যালাড দাও। ওয়েটার: নোট করে নিচ্ছি স্যার। আর কিছু? আসিফ: হ্যাঁ, খাবার যেন কম তেল দিয়ে হয়। সুমন: আর ভাই, একটু আগে আনো, আমরা তাড়ায় আছি। ওয়েটার: নিশ্চিন্ত থাকুন স্যার, ১৫ মিনিটের মধ্যে খাবার হাজির। রুবেল: ধন্যবাদ, ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটা কী? ওয়েটার: বিলের নিচে লেখা আছে স্যার। আপনারা বসুন, আমি আসছি।" ভাই-বোনের মধ্যে বই নিয়ে দ্বন্দ্ব ও মিলমিশ,"সীমা: রাহুল, তুমি আমার বাংলা গল্পের বইটা কোথায় রেখেছো? রাহুল: আমি রেখেছি? তুমি নিজেই হারিয়ে ফেলেছো না তো? সীমা: না! আমি কাল রাতে পড়েছিলাম, সকালে ছিল টেবিলের উপর। রাহুল: ওটা আমি স্কুলে নিয়েছিলাম, ক্লাসে ম্যাম গল্প পড়তে বলেছিলেন। সীমা: কিছু না বলে নিয়ে গেলে কেন? রাহুল: ভুলে গেছি বলেছিলাম। সীমা: বইটা আনছো তো ঠিকমতো? রাহুল: হ্যাঁ, ব্যাগে আছে। একটু ময়লা হয়ে গেছে। সীমা: তুমি না বলেছিলে, বইয়ের যত্ন নিতে হবে! রাহুল: ঠিক বলেছো দিদি, আমি পরিষ্কার করে দিচ্ছি। সীমা: ঠিক আছে, তবে পরেরবার জিজ্ঞেস করে নিও। রাহুল: প্রমিজ! আর কক্ষণো না বলে কিছু নেবো না।" অফিস সহকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রজেক্ট নিয়ে পরিকল্পনা,"সালমা: সবাই একটু শুনুন, নতুন প্রজেক্টের ব্রিফ এসেছে। রিজভী: ক্লায়েন্ট কারা? সালমা: “গ্রীন টেক” নামের একটি পরিবেশবান্ধব স্টার্টআপ। সাব্বির: তারা কী চাইছে? সালমা: তারা একটা ওয়েব প্ল্যাটফর্ম চায় যেখানে ইউজাররা গাছ কেনা, রোপণ ট্র্যাকিং করতে পারবে। রিজভী: দারুণ! আমি ডেটাবেইজ ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে পারি। সাব্বির: আমি UI ডেভেলপমেন্টে কাজ করবো। সালমা: ঠিক আছে, আমি ক্লায়েন্ট কমিউনিকেশন ও কনটেন্ট নিয়ে থাকি। রিজভী: ডেলিভারি টাইমলাইন কেমন? সালমা: দুই সপ্তাহের প্রোটোটাইপ, এক মাসে ফাইনাল ডেলিভারি। সাব্বির: তাহলে কাল থেকেই মিটিং করে ডেভ প্ল্যান করি। সালমা: ঠিক আছে, আমি মিটিং ইনভাইট পাঠিয়ে দিচ্ছি।" "শিক্ষক, ছাত্র ও অভিভাবকের মধ্যে শিক্ষার্থীর আচরণগত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা","শিক্ষক: জনাবা, আপনাকে আজকে ডাকা হয়েছে কারণ আপনার ছেলে সামীর আচরণগত কিছু পরিবর্তন আমরা লক্ষ্য করেছি। মা: কী ধরনের পরিবর্তন স্যার? শিক্ষক: সে ক্লাসে মনোযোগ দেয় না, বন্ধুদের সঙ্গে প্রায়ই উচ্চস্বরে কথা বলে। মাঝে মাঝে শিক্ষকের কথাও অগ্রাহ্য করে। সামীর: স্যার, আমি শুধু মজা করছিলাম। মা: সামীর, এটা কী শুনছি? সামীর: মা, আমি ভুল করেছি, কিন্তু আমি ইচ্ছে করে করিনি। শিক্ষক: আমরা জানি সে ভালো ছেলে, কিন্তু এটা নিয়মিত হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মা: সামীর, তুমি কি বাসায় কিছু বলোনি? কোনো চাপ আছে? সামীর: না মা, কিন্তু কয়েকজন বন্ধু আমাকে এসব করতে বলে। মা: তুমি তাদের কথায় চলে যাও কেন? শিক্ষক: আমরা চাই, সে যেন নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে শেখে। সামীর: আমি ঠিক হয়ে যাবো স্যার। মা: আমি বাসায় ওর সাথে বসে কথা বলবো। শিক্ষক: আমরা চাই সে আবার আগের মতো মনোযোগী হয়ে উঠুক। মা: আপনি চিন্তা করবেন না স্যার। সামীর: আমি কাল থেকেই ঠিকভাবে ক্লাস করবো। শিক্ষক: আমরা তোমাকে বিশ্বাস করি সামীর, তবে প্রমাণ করতে হবে। মা: ধন্যবাদ স্যার, আপনি যে সময় দিলেন তাতে আমি কৃতজ্ঞ। শিক্ষক: আমরাও চাই সব ছাত্র ভালো পথে থাকুক। " তিন বন্ধুর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে নতুন রুমমেট নিয়ে কথোপকথন,"রায়হান: ভাই, আমাদের রুমে কাল নতুন রুমমেট আসছে। সাজিদ: সিরিয়াসলি? আগে তো বলোনি! রায়হান: আজই অফিসে কনফার্ম হলো, নাম সাকিব। সোহেল: সে কোন বিভাগে? রায়হান: কম্পিউটার সায়েন্স, ফার্স্ট ইয়ার। সাজিদ: তাহলে আমাদের থেকে দুই ব্যাচ জুনিয়র। সোহেল: এক রুমে তিনজন মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে না তো? রায়হান: আমি তো বলেছি, আমরা শান্ত ছেলে, কেউ ঝামেলা করি না। সাজিদ: আমি শুধু চাই ও রাত জেগে গেম না খেলুক। সোহেল: আর রুম পরিষ্কার রাখলে সমস্যা নেই। রায়হান: আমি ওকে বারবার বলেছি নিয়ম মেনে চলতে। সাজিদ: আমাদের কি নিয়ম আবার লিখে রাখতে হবে দরজায়? সোহেল: হা হা, দরজার ওপরে “Room Constitution” লিখে ঝুলিয়ে দেই! রায়হান: কাল আসবে, আমরা সবাই মিলে পরিচয় করিয়ে দেই। সাজিদ: আর হ্যাঁ, তাকে হল লাইফের নিয়ম-কানুনও বুঝিয়ে দিতে হবে। সোহেল: প্রথম দিন যদি ভালোভাবে গ্রহণ করি, ও নিজে থেকেই খাপ খাইয়ে নেবে। " দুই বন্ধুর মধ্যে পারিবারিক সমস্যা ও মানসিক চাপ নিয়ে আন্তরিক আলোচনা,"সজীব: দোস্ত, তুই আজকাল খুব চুপচাপ হয়ে গেছিস। সব ঠিক তো? আকাশ: কিছুই ঠিক নেই রে ভাই। বাসায় টেনশন চলছে। সজীব: কী হয়েছে বল তো? যদি কিছু করতে পারি... আকাশ: বাবা চাকরি হারিয়েছেন, মা অসুস্থ। আর টিউশনির টাকাও অনিয়মিত। সজীব: কবে থেকে এসব? তোকে তো কিছু বুঝতেই দেইনি। আকাশ: ভেবেছিলাম নিজের মতো সামলে নেবো, কিন্তু পারছি না। সজীব: তোকে একা ভাবার দরকার নেই। আমরা আছি তো! আকাশ: জানি রে, তুই সবসময় পাশে থাকিস। সজীব: টাকা লাগে? আমি কিছু ম্যানেজ করতে পারি। আকাশ: না ভাই, টাকা না, শুধু মাঝে মাঝে কথা বললে মনটা হালকা হয়। সজীব: যেকোনো সময়। ফোন দিলেই চলে আসবো। আকাশ: আর একটা কথা — পরীক্ষার সময় মন বসাতে পারছি না। সজীব: আমি তোর সঙ্গে পড়বো। তোকে ফোকাসে রাখতে হবে। আকাশ: সত্যি তুই অনেকটা হালকা করে দিলি। সজীব: বন্ধু মানেই এই তো। আমরা একসঙ্গে পার করবো এই সময়টা। " "মা, বাবা ও ছেলে—একসাথে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত","মা: শুভ, তোমার ইমেইলটা পড়েছি। স্কলারশিপ পেয়েছো? শুভ: হ্যাঁ মা, ইউনিভার্সিটি অফ টরন্টো থেকে অফার এসেছে। বাবা: খুব ভালো সংবাদ! আমরা তো গর্বিত। মা: কিন্তু একা এত দূরে পাঠাতে মন সায় দিচ্ছে না। শুভ: মা, আমার স্বপ্ন ছিল বিদেশে গিয়ে পড়া। এখন সুযোগ এসেছে। বাবা: বিদেশে একা থাকা সহজ না, জানো তো? শুভ: জানি বাবা, কিন্তু আমি নিজেকে তৈরি করেছি। মা: খাওয়া, থাকা, শীত — সবকিছু তো আলাদা। শুভ: বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডর্ম, খাবার সব ব্যবস্থা করে দেবে। বাবা: আমরা চাই তুমি যাও, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের সাথে। মা: প্রতিদিন ভিডিও কলে কথা হবে, দেরি করলে রাগ করবো! শুভ: প্রমিজ মা, প্রতিদিন কথা বলবো। বাবা: যাওয়ার আগে ভালো করে সব গুছিয়ে নিও। মা: আমরা তোমার জন্য দোয়া করবো সবসময়। শুভ: ধন্যবাদ মা-বাবা, তোমাদের সমর্থন না পেলে আজ এটা হতো না।" "শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রধান শিক্ষক—স্কুল ম্যাগাজিন প্রকাশ নিয়ে পরিকল্পনা","শিক্ষক: স্যার, আমরা চাই এবার স্কুল ম্যাগাজিনটা নতুনভাবে করা হোক। প্রধান শিক্ষক: খুব ভালো। গতবার তো অনেক ভালো রেসপন্স পেয়েছিলাম। শিক্ষার্থী: স্যার, এবার আমরা একটা ডিজিটাল ম্যাগাজিন সংস্করণও করতে চাই। প্রধান শিক্ষক: দারুণ আইডিয়া! পত্রিকার পাশাপাশি অনলাইন সংস্করণ হলে আরও বেশি পাঠক পাবে। শিক্ষক: এবার শিক্ষার্থীদের থেকে কবিতা, রচনা, আর সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করছি। শিক্ষার্থী: স্যার, আমি প্রুফরিডিং ও ডিজাইন টিমে কাজ করতে আগ্রহী। প্রধান শিক্ষক: শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা থাকলে ম্যাগাজিন প্রাণ পায়। শিক্ষক: আমরা চাই শিক্ষার্থীদের বিভাগভিত্তিক প্রতিনিধি থাকুক। শিক্ষার্থী: আমি বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে থাকব। ইংরেজির জন্য রিমা ম্যামকে অনুরোধ করবো। প্রধান শিক্ষক: ভালো, আমি একটা নোটিশ দিয়ে দিচ্ছি প্রতিনিধি সংগ্রহের জন্য। শিক্ষক: আমাদের সময়সূচি মার্চের প্রথম সপ্তাহে প্রুফ, মার্চের শেষ সপ্তাহে ছাপা। প্রধান শিক্ষক: সময়মতো কাজ শুরু করলে কোনো সমস্যা হবে না। শিক্ষার্থী: আমাদের আলোকচিত্র দলও কাজ করবে কভার ডিজাইনে। শিক্ষক: ঠিক আছে, পরের সপ্তাহেই প্রথম মিটিং। প্রধান শিক্ষক: আমি স্কুল তহবিল থেকে আলাদা বরাদ্দ দেবো ম্যাগাজিনের জন্য। শিক্ষার্থী: ধন্যবাদ স্যার, এটা আমাদের জন্য বিশাল অনুপ্রেরণা।" "বাবা, মা ও মেয়ের মধ্যে কলেজে ভর্তির বিষয়ে মতবিনিময়","মা: তুমি কি ভাবছো কোন কলেজে ভর্তি হবে? মেয়ে: মা, আমি সিটি কলেজে ভর্তি হতে চাই। বাবা: সিটি কলেজ তো অনেক দূরে, প্রতিদিন যাওয়া-আসা কঠিন হবে না? মেয়ে: আমি গনপরিবহন ব্যবহার করবো, ঠিকমতো সময় বের করতে পারবো। মা: ওর এক বান্ধবীও ওখানে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাবা: বিষয়টা শুধু বান্ধবীর জন্য হলে ঠিক নয়। মেয়ে: না বাবা, ওদের বিজ্ঞান বিভাগের রেজাল্ট অনেক ভালো। মা: আর নিরাপত্তার দিকটা? মেয়েদের যাতায়াত ঠিক থাকবে তো? মেয়ে: কলেজে গার্ড আছে, এবং আমি দল বেঁধেই যাতায়াত করবো। বাবা: টিউশন ফি কেমন ওখানে? মেয়ে: মোটামুটি, কিন্তু সরকারি সাবসিডি পাওয়া যাবে। মা: তুমি পুরোপুরি নিশ্চিন্ত? মেয়ে: হ্যাঁ মা, আমি প্ল্যান করে নিয়েছি। বাবা: তাহলে কালই ফর্ম তুলো, আমরা একসাথে গিয়ে দেখে আসবো। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা-মা, তোমরা পাশে থাকলে সব সহজ লাগে।" শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে শিক্ষা সফরের প্রস্তুতি বিষয়ক আলোচনা (৪ জন),"শিক্ষক: তোমরা শিক্ষা সফরের বিষয়ে ভাবছো? নাঈম: হ্যাঁ স্যার, আমরা সবাই রাজশাহীর ঐতিহাসিক স্থানগুলোতে যেতে চাই। শিক্ষক: বেশ, তবে প্ল্যানটা আগে পরিষ্কার করতে হবে। রাফি: স্যার, আমরা ট্রেন বা মাইক্রোবাস কোনটি ভালো হবে ভেবে দেখছিলাম। মাহি: আমার মনে হয় ট্রেন হবে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী। শিক্ষক: যেতে কতজন ছাত্র-ছাত্রী হবে? নাঈম: প্রায় ৪০ জন তো নিশ্চিত। শিক্ষক: শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে অন্তত ২ জন থাকতে হবে। রাফি: আমরা স্যারদের তালিকা তৈরি করেছি। মাহি: এছাড়া খাবারের ব্যবস্থাও ঠিক করতে হবে। শিক্ষক: শিক্ষার্থীদের বাজেট কত? নাঈম: মাথাপিছু ৮০০–৯০০ টাকা ধরেছি। শিক্ষক: তাতে যাতায়াত, খাওয়া, প্রবেশ ফি — সব ধরা যাচ্ছে? রাফি: হ্যাঁ স্যার, আমরা স্পন্সর খুঁজতেও চেষ্টা করছি। শিক্ষক: ভালো, আগামী সপ্তাহে অভিভাবকদের অনুমতি নিয়েই শুরু করা হবে। মাহি: আমরা নোটিশ তৈরি করবো। শিক্ষক: পরিপূর্ণ পরিকল্পনা তৈরি হলে আমি প্রধান শিক্ষককে জানাবো।" "দুই বন্ধুর মধ্যে প্রেম, সম্পর্ক ও ব্রেকআপ নিয়ে আবেগঘন আলাপ","সায়েম: তোদের সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলো? আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না। আলভি: হ্যাঁ ভাই, অনেক চেষ্টার পরেও আর টিকলো না। সায়েম: এত বছর তোরা একসাথে ছিলি! হঠাৎ কী হলো? আলভি: ছোটখাটো বিষয়গুলো একসময় বড় হয়ে যায়। বিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সায়েম: তুই কি এখনো ভালোবাসিস ওকে? আলভি: ভালোবাসা কমে যায়নি, কিন্তু দূরত্ব তৈরি হয়ে গেছে। সায়েম: কেউই চেষ্টা করিসনি ঠিক করার? আলভি: আমি করেছি, ওরও চেষ্টা ছিল, কিন্তু বুঝতে পারিনি কবে ফাঁকা হয়ে গেছি। সায়েম: কষ্ট পাচ্ছিস? আলভি: খুব। রাত জেগে ভাবি, কিন্তু বাস্তবতা কঠিন। সায়েম: সময়ই সব ঠিক করে দেবে ভাই। আলভি: হ্যাঁ, হয়তো একদিন মেনে নিতে পারবো। সায়েম: আমরা সবসময় তোর পাশে আছি, মনে রাখিস। আলভি: ধন্যবাদ ভাই, এতটা হালকা লাগছে কথা বলে। " শিক্ষার্থী ও লাইব্রেরিয়ান-এর মধ্যে বই খুঁজে পাওয়ার নিয়ে কথা,"শিক্ষার্থী: স্যার, ‘রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পসমগ্র’ বইটা খুঁজছি, কিন্তু পাচ্ছি না। লাইব্রেরিয়ান: দেখো, সেটা আমাদের A-3 র‍্যাকে থাকার কথা। শিক্ষার্থী: আমি ওখানে খুঁজেছি, কিন্তু ৫ নম্বর খণ্ডটা নেই। লাইব্রেরিয়ান: হতে পারে কেউ রিজার্ভ করে রেখেছে। শিক্ষার্থী: সেটা কি আমি চেক করতে পারি? লাইব্রেরিয়ান: অবশ্যই, তোমার আইডি নম্বরটা দাও। শিক্ষার্থী: ১৯০৪২৩ লাইব্রেরিয়ান: ঠিক আছে, আমি সার্চ করছি... হ্যাঁ, এটা আগামীকাল ফেরত দেওয়ার কথা। শিক্ষার্থী: আমি কি সেটা রিজার্ভ করতে পারি? লাইব্রেরিয়ান: হ্যাঁ, আমি নাম নোট করে রাখছি। বই এলেই জানিয়ে দেবো। শিক্ষার্থী: ধন্যবাদ স্যার। আমি খুব প্রয়োজনীয় রেফারেন্সের জন্য খুঁজছিলাম। লাইব্রেরিয়ান: তুমি চাইলে বইয়ের স্ক্যান কপি ইমেইলে পেতে পারো। শিক্ষার্থী: দারুণ! আমি সেটাও চাই। " চাকরিপ্রার্থী ও ইন্টারভিউ বোর্ডের মধ্যকার প্রশ্নোত্তর,"বোর্ড সদস্য ১: আপনাকে স্বাগতম। একটু নিজের সম্পর্কে বলুন। প্রার্থী: ধন্যবাদ স্যার। আমি জাকির হোসেন, ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বোর্ড সদস্য ২: কেন এই পদে আবেদন করলেন? প্রার্থী: আমি শিক্ষার প্রতি নিবেদিত, এবং এই স্কুলের সঙ্গে কাজ করা আমার স্বপ্ন। বোর্ড সদস্য ৩: আপনার কি আগে শিক্ষাদান অভিজ্ঞতা আছে? প্রার্থী: হ্যাঁ, আমি গত দুই বছর একটি কোচিং সেন্টারে পড়িয়েছি। বোর্ড সদস্য ১: ইংরেজি ভাষায় আপনার দক্ষতা কেমন? প্রার্থী: IELTS-এ ৮ পেয়েছি স্যার। স্পোকেন ও একাডেমিক উভয়ই ঠিক আছে। বোর্ড সদস্য ২: আপনাকে যদি দুর্বল ছাত্রদের ক্লাস নিতে বলা হয়, কীভাবে পরিচালনা করবেন? প্রার্থী: আমি ধাপে ধাপে তাদের সঙ্গে রিলেট করে পড়াবো, ক্লাসে উদাহরণ দিয়ে আগ্রহ বাড়াবো। বোর্ড সদস্য ৩: সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ কেমন রাখেন? প্রার্থী: আমি টিমওয়ার্কে বিশ্বাস করি। একে অপরকে সম্মান করা জরুরি। বোর্ড সদস্য ১: খুব ভালো। আপনাকে পরে জানানো হবে। প্রার্থী: ধন্যবাদ স্যার। এই সুযোগের জন্য কৃতজ্ঞ। " "বড় ভাই, ছোট ভাই ও মা — বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা","বড় ভাই, ছোট ভাই ও মা — বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা" চার বন্ধুর মধ্যে গ্রুপ প্রজেক্ট নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সমাধান,"রাফি: ভাই, এইভাবে যদি কেউ দায়িত্ব না নেয়, তাহলে প্রজেক্ট জমা দেবো কীভাবে? নিশাত: আমি তো শুরু করেছিলাম, কিন্তু আমার ল্যাপটপে সমস্যা হচ্ছিল। সামিয়া: রাফি, তুমি সব সময় রাগ করো। আমাদেরও সমস্যা হতে পারে। তামান্না: কিন্তু প্রজেক্টের কাজ কেউ সময়মতো না করলে সমস্যা হতেই থাকবে। রাফি: আমি শুধু চাই সবাই নিজের দায়িত্ব বুঝে কাজ করুক। নিশাত: ঠিক আছে, আমি আজ রাতেই ডকুমেন্ট ফাইনাল করবো। সামিয়া: আমি গ্রাফ ও চার্টগুলো কাল তৈরি করে দিচ্ছি। তামান্না: আমি তো উপস্থাপনা বানাচ্ছি, তার স্ক্রিপ্টও বানাবো। রাফি: তাহলে প্ল্যান এমন — আজ নিশাত ডক, কাল সামিয়া গ্রাফ, আমি পরশু ডেমো প্রেজেন্ট করবো। সামিয়া: রিহার্সাল করবো কবে? তামান্না: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সবাই একসাথে গুগল মিটে রিহার্সাল দিই। রাফি: হ্যাঁ, স্লাইড শেয়ার করে অনুশীলন করবো। নিশাত: একটা অনলাইন টাইমলাইন চার্ট বানাই, কে কখন কী করছে — সেটা সেখানে লিখবো। তামান্না: আমি সে দায়িত্ব নিচ্ছি। রাফি: এখন ঠিক লাগছে। কাজ শুরু করলে তর্ক হয় না।" ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিন অফিসার—ছাত্রবৃত্তির আবেদন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা,"ছাত্র: সালাম স্যার, আমি ছাত্রবৃত্তির বিষয়ে জানতে এসেছি। অফিসার: ওয়ালাইকুম সালাম। কোন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে চাচ্ছো? ছাত্র: “মেধা ও আর্থিক সহায়তা” এই ক্যাটাগরির জন্য। অফিসার: ভালো, তোমার ফলাফল কেমন? ছাত্র: আমার GPA ৩.৯২, এবং বাবা একজন দিনমজুর। অফিসার: তুমি কি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিয়েছো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, রেজাল্ট কপি, আয়ের প্রমাণ, পরিচয়পত্র সব দিয়েছি। অফিসার: ফর্মের কোথাও ভুল ছিল কি? ছাত্র: না স্যার, ফর্মটা ছাত্র উপদেষ্টা দেখেছেন, তিনি ঠিক বলেছেন। অফিসার: তাহলে তোমার নাম হয়তো স্ক্যানিং তালিকায় আছে। ছাত্র: কখন জানতে পারবো নির্বাচিত হয়েছি কি না? অফিসার: আগামী সপ্তাহে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তালিকা দেওয়া হবে। ছাত্র: যদি আমি নির্বাচিত হই, টাকা কবে পাবো? অফিসার: ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে একাউন্টে চলে যাবে। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনি অনেক সাহায্য করলেন।" দোকানদার ও দুজন কাস্টমারের মধ্যে দামাদামি ও পণ্যের মান নিয়ে আলোচনা,"গ্রাহক ১: ভাই, এই কুর্তাটা কত দাম? দোকানদার: এটা ১২০০ টাকা। খুবই ভালো ফ্যাব্রিক। গ্রাহক ২: একটু ছাড় নেই? দোকানদার: আপনি দুইটা নিলে কিছু ছাড় দিতে পারি। গ্রাহক ১: কাপড়টা একটু পাতলা মনে হচ্ছে। দোকানদার: না ভাই, এটা সফট কটন। গরমে পরার জন্য উপযুক্ত। গ্রাহক ২: আমরা আগে কিনেছিলাম, তখন ১০০০ টাকায় পেয়েছিলাম। দোকানদার: তখন অফার চলছিল। এখন দাম বাড়ছে। গ্রাহক ১: যদি দুইটা নেই, কত কমিয়ে দেবেন? দোকানদার: দুইটার জন্য ১১০০ করে দেবো, ফাইনাল। গ্রাহক ২: আরেকটা স্কার্ফ দিলে ১০৫০ করে নেবো। দোকানদার: আচ্ছা, স্কার্ফটা ফ্রি দিলাম, নিন। গ্রাহক ১: ভালো সার্ভিস দিলেন ভাই, আবার আসবো। দোকানদার: ধন্যবাদ ভাই, আপনারা খুশি থাকলেই আমরা খুশি।" চিকিৎসক ও অভিভাবকের মধ্যে অটিজম সচেতনতা বিষয়ক পরামর্শমূলক আলোচনা,"মা: স্যার, আমার ছেলের আচরণ একটু আলাদা। কথা বলে কম, চোখে চোখ রাখে না। চিকিৎসক: ওর বয়স কত? মা: চার বছর। চিকিৎসক: ও কি শব্দ বা স্পর্শে অস্বস্তি বোধ করে? মা: হ্যাঁ স্যার, হঠাৎ শব্দে ভয় পায়। চিকিৎসক: এটা অটিজমের লক্ষণ হতে পারে। তবে নিশ্চিত হতে পরীক্ষা দরকার। মা: কী ধরনের পরীক্ষা করাতে হবে? চিকিৎসক: শিশু মনোবিজ্ঞানী দ্বারা মূল্যায়ন, এবং স্পিচ থেরাপিস্টের মতামত। মা: ভয় লাগছে স্যার। চিকিৎসক: ভয়ের কিছু নেই। অটিজম মানেই পিছিয়ে পড়া নয়। ঠিক সহযোগিতা পেলে শিশুরা অনেক কিছু শিখে নিতে পারে। মা: আমি কি দেরি করে ফেলেছি? চিকিৎসক: না, এই বয়সেই সচেতন হওয়া খুব ভালো লক্ষণ। মা: আমি কী করতে পারি স্যার? চিকিৎসক: ওর প্রতি ধৈর্য ধরতে হবে, আগ্রহের জায়গাগুলোতে উৎসাহ দিতে হবে। মা: আমি সব কিছু করবো স্যার, শুধু ওর ভালো চাই। চিকিৎসক: আমরাও পাশে আছি, আপনি নিয়মিত থেরাপি চালিয়ে যান।" ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে পরীক্ষায় খারাপ ফলাফলের পর খোলামেলা আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমি ইংরেজিতে ফেল করেছি। খুব খারাপ লাগছে। শিক্ষক: আমি ফলাফল দেখেছি আর বুঝেছি তুমি চেষ্টা করেছো, কিন্তু কোথাও ঘাটতি ছিল। ছাত্র: স্যার, আমি গ্রামারে বেশি ভুল করেছি। শিক্ষক: তুমি কি রেগুলার ক্লাসে প্রশ্ন করো? ছাত্র: না স্যার, ভয় পাই সবাই কি ভাববে। শিক্ষক: এটা একটা বড় সমস্যা। প্রশ্ন না করলে শেখা সম্ভব নয়। ছাত্র: আমি বাসায় গ্রামার বই পড়ি, কিন্তু ঠিক বুঝি না। শিক্ষক: বইয়ের বাইরে থেকে ব্যাকরণ শেখা কঠিন। তোমাকে গাইড করতে হবে। ছাত্র: আপনি যদি একটু আলাদা করে দেখিয়ে দেন... শিক্ষক: অবশ্যই। প্রতিদিন ১৫ মিনিট থাকো, আমি বোঝাবো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার। শিক্ষক: আর রিডিং, স্পোকেন — এগুলোয় মনোযোগ বাড়াও। ছাত্র: আমি কি অডিও ক্লাস শুনে উপকার পাবো? শিক্ষক: অবশ্যই। ইংরেজি শোনার মাধ্যমে ভাষা ধরা সহজ হয়। ছাত্র: আমি চাই সামনের পরীক্ষায় ভালো করতে। শিক্ষক: আমি চাই তুমি নিজের উন্নতি দেখাও। তুমি পারবে। ছাত্র: আমি চেষ্টা করবো স্যার। প্রতিদিন। শিক্ষক: সেটাই চাই। ব্যর্থতা মানে শেষ না — নতুন শুরু।" তিনজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী—বাসায় থাকা নাকি মেসে ওঠা নিয়ে সিদ্ধান্ত,"রুমান: আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না, বাসায় থাকবো নাকি মেসে উঠবো। তানিম: আমি তো মেসে থাকি, একরকম স্বাধীনতা আছে। রিশাদ: আর আমি এখনো বাসায় থাকি, খাওয়া-দাওয়া নিয়মিত, মা–বাবার সঙ্গ... রুমান: মেসে কি পড়াশোনায় মন বসে? তানিম: শুরুতে একটু সমস্যা হয়, কিন্তু পরে অভ্যস্ত হয়ে যাস। রিশাদ: বাসায় সময়মতো খাবার, ঘুম — এসব পাওয়া যায়। তানিম: মেসে দায়িত্ব নিতে শেখা যায়, নিজের জিনিস নিজে করা লাগে। রুমান: খরচ কেমন হয় মাসে? তানিম: প্রায় ৪৫০০ টাকার মতো। রিশাদ: বাসায় থাকলে ২০০০ টাকাতেও চলা যায়। রুমান: পড়াশোনার জন্য কোনটা ভালো? তানিম: নির্ভর করে কেমন পরিবেশ তুমি তৈরি করো। রিশাদ: আমি এক বছর পর মেসে উঠবো ভাবছি। ধাপে ধাপে বদলটা ভালো। রুমান: তুমি কি কখনো মেসে গিয়ে দেখেছো? রিশাদ: একবার গিয়েছিলাম, একটু বিশৃঙ্খলা লেগেছে। তানিম: সব মেস একরকম না। ভালো মেস খুঁজলে পাওয়া যায়।" "কলেজছাত্র, তার বড় ভাই ও বাবার মধ্যে বাইক কেনা নিয়ে যুক্তিপূর্ণ আলোচনা","ছাত্র: বাবা, আমি একটা বাইক কিনতে চাই। কলেজে যাওয়া-আসা সহজ হবে। বাবা: বাইক চালানো মজা নয়, দায়িত্বের ব্যাপার। ভাই: তুই কি চালাতে পারিস? ছাত্র: পারি ভাইয়া, বন্ধুদের সঙ্গে শিখেছি। বাবা: রাস্তায় অনেক দুর্ঘটনা ঘটে, জানিস তো? ছাত্র: আমি সাবধানে চালাবো বাবা, হেলমেট সবসময় পরবো। ভাই: বাইক কিনলে মেইনটেনেন্স, ফুয়েল এসব চালাতে পারবি? ছাত্র: আমি টিউশন করছি, মাসে কিছু ইনকাম হয়। বাবা: তোর এখন প্রধান কাজ হলো পড়াশোনা। ভাই: আমি বলি, প্রথমে একটা সাইকেল বা ই-বাইক দিয়ে শুরু কর। ছাত্র: কলেজে পৌঁছাতে অনেকটা পথ, সাইকেলে সময় লাগে। বাবা: বাইক কিনলে আমি চাই তুমি আগে ট্রাফিক নিয়ম সম্পর্কে জানো। ভাই: একটা ট্রেনিং কোর্স কর, তারপর আমরা ভাববো। ছাত্র: আচ্ছা, আমি প্রশিক্ষণ নেবো আগে। বাবা: তখন যদি দেখি তুই দায়িত্বশীল, আমরা বাইকের কথা চিন্তা করবো।" "ডাক্তার, রোগী ও রোগীর মেয়ে — ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা","ডাক্তার: চাচা, রিপোর্ট দেখে মনে হচ্ছে রক্তে চিনি অনেক বেশি। রোগী: স্যার, আমি চেষ্টা করি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, কিন্তু কিছুতেই পারি না। মেয়ে: স্যার, ও অনেক সময় ঠিকমতো ওষুধও খায় না। ডাক্তার: চাচা, নিয়ম মেনে না চললে ওষুধও কাজে দেয় না। রোগী: কিন্তু আমার কাজ ফেলে নিয়ম মেনে খাওয়া হয় না। মেয়ে: আমি বলি, আপনি সময়মতো খাওয়ার রিমাইন্ডার সেট করেন। ডাক্তার: আর হাঁটা ও ব্যায়াম? রোগী: হাঁটাহাঁটি করি, তবে নিয়মিত না। ডাক্তার: আপনাকে সকালে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। মেয়ে: আমি ওকে নিয়ে হাঁটতে বের হবো রোজ। ডাক্তার: খাদ্যতালিকাও পরিবর্তন করতে হবে — মিষ্টি বন্ধ, ভাত কম। রোগী: তাহলে আমি কী খাবো স্যার? ডাক্তার: শাকসবজি, ডাল, ছোলা, করলা — এইসব খাবার। মেয়ে: আমি বাসায় খাদ্যতালিকা লিখে টানিয়ে দেবো। ডাক্তার: ভালো, আর ১ মাস পর আবার চেকআপে আসবেন।" বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে গবেষণা বিষয়ে পরামর্শ,"শিক্ষার্থী: স্যার, আমি অনার্স শেষ বর্ষের থিসিস নিয়ে কিছু পরামর্শ নিতে চাচ্ছিলাম। শিক্ষক: অবশ্যই, তুমি কী বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাও? শিক্ষার্থী: আমি “বাংলাদেশে ডিজিটাল শিক্ষার চ্যালেঞ্জ” নিয়ে ভাবছি। শিক্ষক: দারুণ বিষয়। তবে তুমি কি প্রাথমিক কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছো? শিক্ষার্থী: কিছু পত্রিকা ও সরকারি রিপোর্ট পড়েছি। শিক্ষক: তাহলে প্রথমে সমস্যাগুলো আলাদা করে নাও — যেমন ইন্টারনেট সংযোগ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইত্যাদি। শিক্ষার্থী: আর আমি কি ফিল্ড সার্ভে করতে পারি? শিক্ষক: অবশ্যই পারো। ২০–৩০ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক নিয়ে প্রশ্নোত্তর করো। শিক্ষার্থী: আমি কি ডেটা বিশ্লেষণে গুগল ফর্ম ব্যবহার করতে পারি? শিক্ষক: পারো, কিন্তু ফর্মের প্রশ্ন সুনির্দিষ্ট হওয়া দরকার। শিক্ষার্থী: থিসিস লেখার কাঠামো কীভাবে করবো? শিক্ষক: ভূমিকা, গবেষণার সমস্যা, উদ্দেশ্য, পদ্ধতি, বিশ্লেষণ, ফলাফল, সুপারিশ — এই ফ্লো ধরো। শিক্ষার্থী: ধন্যবাদ স্যার, আপনি গাইড না করলে আমি এত পরিষ্কার বুঝতাম না। শিক্ষক: তুমি পরিশ্রম করো, আমি পাশে আছি।" "অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও প্রাইভেট শিক্ষক – প্রাইভেট টিউশন নিয়ে দ্বিধা ও পরিকল্পনা","মা: রাহুল, তোমার গণিতে আবার খারাপ ফল কেন? রাহুল: মা, বুঝতে পারি না। টিচার খুব দ্রুত পড়ান। মা: আমি তো বলেছিলাম, প্রয়োজন হলে প্রাইভেট টিচারের কাছে যেও। রাহুল: হ্যাঁ মা, আমি মনে করেছিলাম নিজে বুঝে নেব। মা: এখন কী করা যায়? সময় খুব কম। রাহুল: যদি একজন ভালো প্রাইভেট টিচার পাই... শিক্ষক: আপনি চিন্তা করবেন না। আমি গণিত পড়াই দশম শ্রেণি পর্যন্ত। মা: আপনি কীভাবে পড়ান? একা একা নাকি গ্রুপে? শিক্ষক: আমি দুইভাবে পড়াই। রাহুলের জন্য একা একা পড়ানোই ভালো হবে। রাহুল: আপনি কি উদাহরণ দিয়ে বুঝান? শিক্ষক: অবশ্যই, আমি বাস্তব উদাহরণ ব্যবহার করি। মা: আপনি কবে থেকে আসতে পারবেন? শিক্ষক: প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সময় দিতে পারবো। রাহুল: আমি কি আজই শুরু করতে পারি? মা: হ্যাঁ, আজই শুরু হোক। শিক্ষক: ঠিক আছে, তাহলে আজ বেসিক থেকে শুরু করি। রাহুল: ধন্যবাদ মা, আপনি থাকলে সব সহজ হয়। " "দুজন প্রবাসীর মধ্যে বিদেশে চাকরি জীবন, পরিবার ও একাকিত্ব নিয়ে হৃদয়ছোঁয়া আলাপ","আজিম: সালাম ভাই, অনেকদিন পর দেখা। কেমন আছেন? সাকিব: ভালোই ভাই, তবে মনের মধ্যে সবসময় একধরনের শূন্যতা কাজ করে। আজিম: বুঝতে পারছি। আমিও ৮ বছর ধরে পরিবার ছাড়া আছি। সাকিব: সন্তানদের বড় হতে দেখি না, মা-বাবার খবর ফোনেই শুনি। আজিম: টাকা উপার্জন হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু শান্তি কোথায়? সাকিব: এই দেশে কেউ নেই, ভাষা-সংস্কৃতি সব ভিন্ন। আজিম: কখনো দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবেন? সাকিব: ভাবি, কিন্তু বাস্তবতা খুব কঠিন। আজিম: সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য এই ত্যাগ করছি। সাকিব: হ্যাঁ ভাই, কিন্তু মাঝে মাঝে মন বলে—থেমে যাই। আজিম: আপনি কতদিন পর দেশে যান? সাকিব: দুই বছর পর একবার, সেটাও কাজের ছুটিতে। আজিম: আমারো তাই। মা-বাবা কেবল অপেক্ষা করে। সাকিব: এই পথ সহজ নয় ভাই, কিন্তু সাহস রাখতে হয়। আজিম: আমরা যেন সুস্থ থেকে আবার পরিবারকে সময় দিতে পারি—এই দোয়া করি। " "ছাত্র, ছাত্রীর মা ও শিক্ষক—স্কুলে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা","মা: স্যার, আমি আমার মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে কিছু কথা বলতে চাচ্ছিলাম। শিক্ষক: অবশ্যই বলুন। কী সমস্যা হচ্ছে? মা: স্কুল ছুটির পর বাইরে কিছু ছেলেরা দাঁড়িয়ে থাকে, বাজে মন্তব্য করে। শিক্ষক: এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা এমনটি বরদাস্ত করি না। ছাত্রী: স্যার, মাঝে মাঝে ভয় লাগে, একা ফিরতে ইচ্ছে হয় না। শিক্ষক: আপনি কি কোনো শিক্ষককে জানিয়েছিলেন? ছাত্রী: না স্যার, ভয় পেয়েছিলাম। মা: আমি চাই, স্কুলের সামনে কেউ যেন দাঁড়িয়ে না থাকে। শিক্ষক: আমরা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানাবো। মা: আর স্কুল থেকে ছাত্রীদের দলবদ্ধভাবে বের করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। শিক্ষক: আমরা একাধিক নারী শিক্ষিকা দিয়ে মনিটরিং করবো। ছাত্রী: তাতে আমরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবো স্যার। শিক্ষক: ধন্যবাদ, আপনি বিষয়টা বললেন—এটা সব অভিভাবকের দায়িত্ব। " সহকর্মী দুজন—অফিসে প্রমোশন নিয়ে হতাশা ও উৎসাহ,"রুবাইয়া: কেমন আছো তানভীর? মনটা খারাপ দেখাচ্ছে। তানভীর: বললে কি হবে! এবারও প্রমোশন পেলাম না। রুবাইয়া: সেটা শুনে খারাপ লাগছে। তুমি তো কাজ খুব ভালো করো। তানভীর: অফিস পলিটিক্স বুঝি না, তাই হয়তো পিছিয়ে পড়ি। রুবাইয়া: তুমি মন খারাপ কোরো না, সবার সময় আসে। তানভীর: এই অফিসে কৃতিত্বের চেয়ে সম্পর্ক বেশি কাজ করে মনে হয়। রুবাইয়া: হয়তো, কিন্তু তোমার দক্ষতা নিয়ে কেউ সন্দেহ করে না। তানভীর: আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিন্তু কখনো মনে হয় ছেড়ে দিই। রুবাইয়া: না, তুমি হাল ছেড়ো না। আমি চাই তুমি আরও বড় পদে যাও। তানভীর: তোমার কথা শুনে সাহস পাচ্ছি। রুবাইয়া: পাশে আছি, প্রয়োজনে আমি সুপারিশ করবো। তানভীর: ধন্যবাদ। সত্যি, এমন সহকর্মী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। " দুই বন্ধু ও তাদের শিক্ষক — বিতর্ক প্রতিযোগিতা প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"রফিক: স্যার, এবার আমরা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চাই। শিক্ষক: খুব ভালো সিদ্ধান্ত। তোমরা কোন পক্ষ বেছে নিচ্ছো? তানিয়া: আমরা “সোশ্যাল মিডিয়া শিক্ষার পক্ষে না বিপক্ষে” — এই বিষয়ে পক্ষে যাবো। শিক্ষক: চমৎকার। যুক্তি এবং তথ্য দিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। রফিক: স্যার, আমি গবেষণামূলক তথ্য খুঁজছি, কিন্তু সবখানে বিভ্রান্তি। শিক্ষক: বিশ্বস্ত সাইট থেকে তথ্য নাও, এবং শিক্ষায় সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো দিকগুলো লিখো। তানিয়া: আমি প্রেজেন্টেশন অংশে কাজ করতে চাই। শিক্ষক: তুমি চমৎকার উপস্থাপন করো, দায়িত্ব পেলে ভালো করবে। রফিক: স্যার, সময় কত মিনিট? শিক্ষক: প্রতিটি দলের জন্য ৮ মিনিট। এরপর প্রশ্নোত্তর পর্ব। তানিয়া: প্রশ্নোত্তরে ভয় লাগে স্যার। শিক্ষক: ভয় নয়, প্রস্তুতি। তোমরা চাইলে সিমুলেশন করতে পারো। রফিক: আমরা কাল একটা মক বিতর্ক করবো স্যার, আপনি থাকবেন? শিক্ষক: অবশ্যই। আমি প্রশ্ন করবো, যেন বাস্তব অভিজ্ঞতা হয়। " শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: তুমি আগামী পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন চলছে? ছাত্র: স্যার, একটু ভালো, কিন্তু মেট্রিক্স নিয়ে একটু সমস্যায় আছি। শিক্ষক: মেট্রিক্স বুঝতে সমস্যা হলে তোমাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি? ছাত্র: আমি চাই, স্যার, ক্লাস শেষে একটু একান্তে বেসিকগুলো ব্যাখ্যা করবেন। শিক্ষক: অবশ্যই, আজ দুপুরে রুম ১০৫-এ আসো। ছাত্র: ধন্যবাদ, স্যার। আর ইংরেজি গ্রামারে কীভাবে উন্নতি করবো? শিক্ষক: প্রতিদিন এক বা দুইটি প্যারা পড়ে, তা রপ্ত করার চেষ্টা করো। ছাত্র: আমি কি স্যার, পরীক্ষার আগের রাতে একবারে পড়া ঠিক? শিক্ষক: না, নিয়মিত পড়াই ভালো ফল দেয়। রাতের বেলা পড়লে মন ঠিক থাকে না। ছাত্র: আমি সময়টাকে কীভাবে ভাগ করবো? শিক্ষক: প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় আলাদা আলাদা বিষয় পড়ো। ছাত্র: স্যার, আমি অনেক সময় অলস হয়ে যাই, কী করবো? শিক্ষক: নিজেকে উদ্দীপিত রাখো, ছোট ছোট বিরতি দাও পড়ার মাঝে। ছাত্র: কিছু অনলাইন রিসোর্স আছে কি, স্যার? শিক্ষক: হ্যাঁ, “Robi Education” ও “Shikkhok Batayon” বেশ ভালো। ছাত্র: আমি গ্রুপ স্টাডিও শুরু করেছি, সেটাও কি ভালো? শিক্ষক: অবশ্যই, আলোচনা করলে বোঝাপড়া ভালো হয়। ছাত্র: পরীক্ষায় আমার মেধা বের হতে কী করবো? শিক্ষক: ধৈর্য্য ধরে কাজ করলে সব কিছুই সম্ভব। ছাত্র: স্যার, আপনি আমাদের পরীক্ষা সম্পর্কে আরও কিছু টিপস দিতে পারবেন? শিক্ষক: সময়মতো প্রশ্ন পড়া, উত্তর সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট লেখা। ছাত্র: আমি আগামীকালই আসব, স্যার। শিক্ষক: ঠিক আছে, তোমার জন্য অপেক্ষা থাকবে। ছাত্র: ধন্যবাদ, স্যার।" মা ও মেয়ের মধ্যে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা,"মা: তুমি তোমার পড়াশোনা শেষ করে কী করতে চাও? মেয়ে: মা, আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাই। মা: ভালো, কিন্তু কি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং? মেয়ে: কম্পিউটার সায়েন্স আমার পছন্দ। মা: সেটা তো অনেক প্রতিযোগিতামূলক, তুমি কেমন প্রস্তুতি নিচ্ছ? মেয়ে: প্রতিদিন কমপক্ষে চার ঘণ্টা কোডিং এবং ম্যাথ পড়ছি। মা: তোমার বাবাও বলছে তোমার জন্য ভালো শিক্ষক খুঁজে দিতে। মেয়ে: মা, আমি নিজের মতো শিখতে চাই। মা: নিজে শেখাটা ভালো, তবে একজন গাইড থাকলেই সুবিধা। মেয়ে: মা, তুমি চিন্তা করো না, আমি সফল হবেই। মা: আমরা তোমার পাশে আছি, কিন্তু চাপ কমাতে হবে। মেয়ে: হ্যাঁ মা, আমি জানি, আর আমি চেষ্টা করব। মা: তুমি নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখছো তো? মেয়ে: হ্যাঁ, মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করি, খাবার ঠিকমতো খাই। মা: বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাও, একটানা পড়া ভালো না। মেয়ে: বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো আমি খুবই উপভোগ করি। মা: ভালো, সঠিক পরিকল্পনা করে চললে তোমার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। মেয়ে: মা, তোমার আশীর্বাদ চাই সবসময়। মা: সবসময় থাকবে, আমার মেয়ে।" দোকানদার ও গ্রাহকের মধ্যে কেনাকাটার সময় আলোচনা,"দোকানদার: আসসালামু আলাইকুম, কিভাবে সাহায্য করতে পারি? গ্রাহক: ওয়ালাইকুম আসসালাম, কিছু তাজা সবজি কিনতে এসেছি। দোকানদার: আজকের টমেটো, আলু এবং ঢেঁড়স খুব ভালো এসেছে। গ্রাহক: টমেটোর দাম কত? দোকানদার: প্রতি কেজি ৫০ টাকা। গ্রাহক: এক কেজি টমেটো আর দুই কেজি আলু দিন। দোকানদার: আর কিছু লাগবে? গ্রাহক: একটু পেঁয়াজ আর মরিচও চাই। দোকানদার: পেঁয়াজ আছে ভালো মানের, প্রতি কেজি ৬০ টাকা। গ্রাহক: ঠিক আছে, এক কেজি পেঁয়াজ আর ৫০০ গ্রাম মরিচ দিন। দোকানদার: মরিচ একটু তাজা, আজকের কালকের তুলনায় অনেক ভালো। গ্রাহক: তো দাম কত হলো সবজির? দোকানদার: মোট ৩০০ টাকা হবে। গ্রাহক: ক্যাশ নেবেন না? দোকানদার: মোবাইল ব্যাংকিং চালু আছে, বিকাশ ও নগদ চলবে। গ্রাহক: বিকাশে পাঠাচ্ছি। দোকানদার: ঠিক আছে, ট্রানজেকশন দেখিয়ে দিন। গ্রাহক: এই লেনদেনের স্ক্রিনশট দেখাচ্ছি। দোকানদার: ধন্যবাদ, আপনার সবজি প্যাক করে দিলাম। গ্রাহক: ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন। দোকানদার: আপনিও ভালো থাকুন, আবার আসবেন। " বন্ধুদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও জীবনের লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা,"রাকিব: তোমার জীবনের লক্ষ্য কি? শুভ্র: আমি একজন সফল ব্যবসায়ী হতে চাই। রাকিব: দারুণ, তুমি কি ধরণের ব্যবসা শুরু করতে চাও? শুভ্র: প্রযুক্তি ভিত্তিক কোনো স্টার্টআপ করতে চাই। রাকিব: তোমার কি পরিকল্পনা আছে? শুভ্র: হ্যাঁ, আমি কিছু আইডিয়া নিয়ে কাজ করছি। রাকিব: আইডিয়া ভালো হলে সফল হওয়া সহজ। শুভ্র: আমি ভয় পাচ্ছি ব্যর্থতার জন্য। রাকিব: ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক, তবে সাহস হারাবেন না। শুভ্র: তোমার জীবনে কোন সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এসেছিল? রাকিব: যখন চাকরি হারিয়েছিলাম, তখন ভীষণ কঠিন সময় ছিল। শুভ্র: তুমি কীভাবে সেই সময় পার করেছ? রাকিব: নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেছি আর ধৈর্য্য ধরেছি। শুভ্র: তোমার বন্ধুদের সাপোর্ট কি ছিল? রাকিব: তারা আমাকে উৎসাহ দিয়েছিল, সেটা খুব বড় ব্যাপার। শুভ্র: আমিও চাই ভালো বন্ধুদের সাথেই থাকতে। রাকিব: বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলা, সমস্যা ভাগ করে নেওয়া জরুরি। শুভ্র: সত্যি বলছো, আমি এখন অনেক কিছু শিখছি তোমার কাছ থেকে। রাকিব: আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাবো, তোমার স্বপ্ন পূরণ হবে। " ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ,"ডাক্তার: আপনি কী সমস্যা নিয়ে আসছেন? রোগী: ডাক্তারে, গত কয়েকদিন ধরে মাথা ঘোরায় এবং দুর্বল লাগছে। ডাক্তার: আপনার বয়স কত? রোগী: আমি ৪৫ বছর বয়সী। ডাক্তার: রক্তচাপ মেপেছি, একটু বেশি আছে। রোগী: ওষুধ নিতে হবে? ডাক্তার: হ্যাঁ, আমি ওষুধ দেবো আর কিছু জীবনযাত্রার পরিবর্তন দরকার। রোগী: কি ধরনের পরিবর্তন? ডাক্তার: বেশি তেলমশলা পরিহার করুন, নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করুন। রোগী: কি পরিমাণ হাঁটাহাঁটি? ডাক্তার: প্রতিদিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা। রোগী: ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি? ডাক্তার: সাধারনত কম, তবে মাথা দিকচক্র অথবা দুর্বলতা হতে পারে। রোগী: কি খাবার খাব? ডাক্তার: শাকসবজি বেশি, চিনিযুক্ত খাবার কম। রোগী: আমি কবে আবার আসবো? ডাক্তার: দুই সপ্তাহ পরে আবার চেকআপ করবেন। রোগী: ধন্যবাদ, ডাক্তার সাহেব। ডাক্তার: নিজের যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন। " বাবা ও ছেলের মধ্যে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: তুমি এবার স্নাতক শেষ করছো, এখন কী পরিকল্পনা? ছেলে: আমি মাস্টার্স করতে চাই, বাবাঃ বিদেশে সুযোগ খুঁজছি। বাবা: বিদেশে যেতে চাও! পড়াশোনার খরচ অনেক বেশি হবে না? ছেলে: আমি স্কলারশিপের জন্য আবেদন করছি। কিছু বৃত্তি পেলে চাপ কমবে। বাবা: তুমিও জানো, পরিবার থেকে সীমিত সাহায্য করতে পারবো। ছেলে: আমি পার্ট-টাইম কাজ করতে চাই, যাতে নিজের খরচ মেটাতে পারি। বাবা: তুমি আগে কোথায় আবেদন করছো? ছেলে: কানাডা আর নেদারল্যান্ডস — দুই জায়গার বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাবা: ওখানকার পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে তো? ছেলে: চেষ্টা করব বাবা, নতুন পরিবেশ শেখার সুযোগ। বাবা: তুমি দেশে পড়লে কি খারাপ হতো? ছেলে: না, তবে বিদেশি ডিগ্রি ভবিষ্যতে অনেক দরজা খুলে দিতে পারে। বাবা: তুমি ইংরেজিতে কেমন পারো? ছেলে: IELTS-এ ৭.৫ পেয়েছি, এখন SOP লিখছি। বাবা: SOP মানে কি? ছেলে: Statement of Purpose – কেন আমি ওই কোর্স করতে চাই, সেটার ব্যাখ্যা। বাবা: ঠিক আছে, দরকার হলে আমি তোমার মামার সঙ্গে কথা বলবো, সে বিদেশে থাকে। ছেলে: ভালো হয় বাবা, কিছু গাইডলাইন পেলে উপকার হবে। বাবা: কিন্তু যদি না পারো যাওয়ার সুযোগ, দেশের চাকরির দিকেও ভাবতে হবে। ছেলে: হ্যাঁ, বিকল্প ভাবনা মাথায় রেখেই এগোচ্ছি। বাবা: আমার দোয়া রইল, মন দিয়ে এগিয়ে যাও। ছেলে: ধন্যবাদ বাবা, আমি চেষ্টা করব, যেন তোমার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে হারানো ব্যাগের বিষয়ে আলোচনা,"পথচারী: অফিসার, আমি আমার ব্যাগ হারিয়ে ফেলেছি। পুলিশ: কোথায় হারিয়েছেন? সময় এবং জায়গা বলুন। পথচারী: আজ দুপুর ১টার দিকে গুলিস্তানে, বাস থেকে নামার সময়। পুলিশ: ব্যাগে কী কী ছিল? পথচারী: মোবাইল ফোন, কিছু টাকা, গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল। পুলিশ: আপনি কি থানায় জিডি করেছেন? পথচারী: না স্যার, এখানেই প্রথম জানালাম। পুলিশ: ঠিক আছে, আপনাকে জিডি করতে হবে আগে। পথচারী: জিডি করার জন্য কী কী লাগবে? পুলিশ: জাতীয় পরিচয়পত্র, হারানোর বিবরণ — তারিখ, সময়, বস্তু। পথচারী: আমি সঙ্গে এনআইডি এনেছি, এখন করাই। পুলিশ: আপনি চাইলে এখনি ফর্ম পূরণ করে দিন। পথচারী: ব্যাগ যদি না পাই, কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করব? পুলিশ: আপনি যদি ফোনে ট্র্যাকিং চালু করে থাকেন, সেটা সাহায্য করতে পারে। পথচারী: আমার ফোনে ফাইন্ড-মাই-ডিভাইস ছিল অন। পুলিশ: তাহলে আমরা সেটা দিয়েই ট্র্যাক করার চেষ্টা করতে পারি। পথচারী: স্যার, এটা কি খুব কমন সমস্যা? পুলিশ: হ্যাঁ, বিশেষ করে বাস-স্ট্যান্ড ও মার্কেটে বেশি ঘটে। পথচারী: আমি খুব চিন্তিত, কারণ অফিসের কাগজপত্রও ছিল। পুলিশ: আপনি চিন্তা করবেন না, আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব। পথচারী: ধন্যবাদ, স্যার। পুলিশ: আপনিও সাবধান থাকবেন, ভবিষ্যতে বেশি খেয়াল রাখবেন।" মা ও মেয়ের মধ্যে পাত্র দেখার আগে কথোপকথন,"মা: আগামী শুক্রবার পাত্রপক্ষ আসবে, তুমি জানো তো? মেয়ে: জানি মা, কিন্তু আমি এখনই বিয়ে করতে চাই না। মা: তারা শুধু দেখতে আসবে, সিদ্ধান্ত পরে হবে। মেয়ে: মা, আমি এখনও পড়াশোনা শেষ করিনি। মা: ওরা জেনেই আসছে, তোমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু হবে না। মেয়ে: কিন্তু আমার চাকরিরও ইচ্ছে আছে। মা: অবশ্যই, তোমার জীবন তুমি ঠিক করবে। মেয়ে: তাহলে কেন এই তাড়াহুড়া? মা: সমাজের চাপ, সবাই প্রশ্ন করে — “বড় মেয়ে এখনও বিয়ে হয়নি?” মেয়ে: সমাজের চেয়ে আমার ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ, তাই না? মা: তাই তো বলছি, দেখা তো করাই যায়। পছন্দ না হলে বলবে না। মেয়ে: ওরা কেমন? মা, তুমি জেনেছো তো সব? মা: ছেলেটি ইঞ্জিনিয়ার, ভালো পরিবার, কেউ জোর দিচ্ছে না। মেয়ে: দেখা করব, তবে আমার শর্ত আছে। মা: বলো, কী শর্ত? মেয়ে: আমি পড়া শেষ করে, চাকরি শুরু করে তবেই বিয়ে করব। মা: ঠিক আছে, আমি ওদের বলব। মেয়ে: মা, আমি চাই তুমি সবসময় আমার পাশে থাকো। মা: আমি আছি, থাকব। তুমি তোমার সিদ্ধান্ত নাও সাহসের সঙ্গে।" গ্রাহক ও কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধির মধ্যে ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে কথা,"গ্রাহক: হ্যালো, আমি গত দুই দিন ধরে ইন্টারনেট পাচ্ছি না। প্রতিনিধি: দুঃখিত, আপনার নাম ও আইডি নম্বর বলবেন? গ্রাহক: আমার নাম নাজমুল হোসেন, আইডি ৫০৩০১২। প্রতিনিধি: ঠিক আছে, একটু চেক করে দিচ্ছি... হ্যাঁ, আপনার এলাকায় লাইনে সমস্যা ছিল। গ্রাহক: কবে ঠিক হবে? আমার অফিসের কাজ আটকে গেছে। প্রতিনিধি: আজ বিকেল পর্যন্ত ঠিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি। গ্রাহক: আপনি নিশ্চিত? গতকালও এমন বলেছিলেন। প্রতিনিধি: আমি এখনই টেকনিক্যাল টিমকে আবার জানাচ্ছি। গ্রাহক: আমি কন্ট্রাক্ট বাতিল করে দিতে পারি, যদি আজও না হয়। প্রতিনিধি: আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত, অনুগ্রহ করে একটু সময় দিন। গ্রাহক: আপনি অন্তত আজ সন্ধ্যায় কনফার্ম করবেন, ঠিক হয়েছে কিনা? প্রতিনিধি: অবশ্যই, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনিটর করব এবং ফোন করব। গ্রাহক: আমার বিল কি পুরো কাটবে, না ডিসকাউন্ট পাবো? প্রতিনিধি: যদি তিনদিনের বেশি সমস্যা থাকে, বিল অ্যাডজাস্ট করা হয়। গ্রাহক: তাহলে আমি তিনদিন হিসাব রাখতে পারি? প্রতিনিধি: অবশ্যই, আপনার অভিযোগ নথিভুক্ত করা হলো। গ্রাহক: ধন্যবাদ, আমি আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। প্রতিনিধি: আমাদের ধন্যবাদ গ্রহণ করুন, এবং ধৈর্য্য রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা।" বন্ধুদের মধ্যে প্রেম ও সম্পর্ক নিয়ে মন খারাপের আলোচনা,"রাফি: তুই আজকাল খুব চুপচাপ, কী হয়েছে? নবীন: মন খারাপ রে, সাদিয়া আর কথা বলছে না। রাফি: কেন, কী এমন হলো? নবীন: ও বলল আমি ওর প্রতি সিরিয়াস না। রাফি: তুই কি সত্যিই সিরিয়াস ছিলি না? নবীন: ছিলাম, কিন্তু আমি নিজের ভয় আর দ্বিধায় কিছু বলতে পারিনি। রাফি: তো এখন কি ওর সঙ্গে কথা বলেছিস? নবীন: না, ও কল ধরছে না, মেসেজের উত্তরও দেয় না। রাফি: তুই একবার সামনাসামনি কথা বল। নবীন: ভয় পাচ্ছি রে, যদি ও একেবারে চলে যায়? রাফি: যদি তুই চেষ্টা না করিস, তাও চলে যাবে। নবীন: ঠিক বলিস, আমি কাল ওর কলেজে যাবো। রাফি: স্মার্টভাবে কথা বলিস, আবেগে ভেসে যাস না। নবীন: হ্যাঁ, আমি বলতে চাই ও আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। রাফি: ভালোবাসা প্রকাশ না করলে কেউ বুঝবে না। নবীন: তোকে ধন্যবাদ, রাফি — তুই না থাকলে মাথা কাজ করতো না। রাফি: থাকি সবসময় তোর পাশে, যা ভালো লাগে তা কর। নবীন: দোয়া কর, যেন ও অন্তত একবার শোনে। রাফি: করব ভাই, ভাগ্য তোদের ভালো হোক।" ছাত্র ও শিক্ষক মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয় পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমি আমার মেজর সাবজেক্টটা পরিবর্তন করতে চাই। শিক্ষক: কেন এই সিদ্ধান্ত? এখন তো দ্বিতীয় বর্ষে আছো। ছাত্র: আমি কম্পিউটার সায়েন্সে ছিলাম, কিন্তু ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ আগ্রহ বেশি। শিক্ষক: কি কারণে আগ্রহ হলো হঠাৎ? ছাত্র: আমি সাম্প্রতিক কিছু প্রজেক্টে কাজ করেছি, মনে হয়েছে ওটাতেই বেশি আগ্রহ। শিক্ষক: একে তো অনেক বিষয় নতুন করে পড়তে হবে, পারবে? ছাত্র: আমি জানি স্যার, কিন্তু আমি প্রস্তুত। শিক্ষক: পরিবার জানে তোমার সিদ্ধান্তের কথা? ছাত্র: হ্যাঁ, শুরুতে ওরা দ্বিধায় ছিল, এখন রাজি হয়েছে। শিক্ষক: তোমাকে ডিপার্টমেন্টের অনুমতি নিতে হবে। ছাত্র: স্যার, আপনি কি আমাকে রেফার করতে পারবেন? শিক্ষক: আমি পারি, তবে আগে কিছু কাজ তোমাকে করতে হবে। ছাত্র: কী ধরনের কাজ স্যার? শিক্ষক: তোমাকে একটা ছোট প্রজেক্ট করতে হবে ইইই নিয়ে। ছাত্র: ঠিক আছে স্যার, সময় দিলে আমি করব। শিক্ষক: এক সপ্তাহ সময় পাচ্ছো, পরে প্রেজেন্ট করো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি পরিশ্রম করব। শিক্ষক: মনে রেখো, শুধু আগ্রহ না, কমিটমেন্টও দরকার। ছাত্র: আমি নিজের মধ্যে সেই মানসিকতা এনেছি, স্যার। শিক্ষক: তাহলে প্রমাণ দাও, আমি তোমাকে সাহায্য করব। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, অনেক ভরসা পেলাম। " বৃদ্ধ বাবা ও ছেলে—যত্ন ও সময় না দেওয়ার অভিযোগ,"বাবা: তুই আজকাল বাড়িতেই থাকিস না রে বাবা। ছেলে: অফিসের কাজই এত বেশি, সময় বের করতে পারি না। বাবা: আগে তো সন্ধ্যায় অন্তত এসে বসতি, এখন সেটাও নেই। ছেলে: বাবা, সময় পেলেই আসি, তবে তুমি বুঝো না। বাবা: আমি বুঝি না? আমি শুধু একটু কথা বলতে চাই। ছেলে: চেষ্টা করি বাবা, কিন্তু কাজের চাপ থাকলে কী করব? বাবা: তোর মা থাকলে হয়তো এমন হত না। ছেলে: মা'কে আমিও মিস করি, কিন্তু জীবন থেমে থাকে না। বাবা: তুই বুঝিস না, বয়স বাড়লে সময়টাই হয়ে ওঠে উপহার। ছেলে: আমি চেষ্টা করব, প্রতিদিন অন্তত আধাঘণ্টা সময় দেব। বাবা: শুধু সময় দিলেই হবে না, মনোযোগও দিতে হবে। ছেলে: ঠিক বলেছো বাবা, আমি ফোন ছেড়ে তোমার সঙ্গে সময় কাটাবো। বাবা: আমি তো চাই না বেশি কিছু, শুধু তোর পাশে একটু সময়। ছেলে: আমি বুঝি বাবা, তোমার অভিমানও বোঝি। বাবা: তুই আমার একমাত্র ভরসা রে। ছেলে: আমি কখনো তোমাকে একা রাখব না, কথা দিচ্ছি। বাবা: কথা রাখিস বাবা, তোর মুখেই আমার শান্তি।" হাসপাতালের রিসেপশন ও রোগীর আত্মীয়ের মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা,"আত্মীয়: আমার ভাই গতকাল ভর্তি হয়েছে, ওর রিপোর্ট এসেছে কি? রিসেপশন: রোগীর নাম বলবেন? আত্মীয়: মো. আমিনুল ইসলাম, ৪০৩ নম্বর কেবিনে আছেন। রিসেপশন: রিপোর্ট আজ দুপুরে ডেলিভারি হয়েছে। ডাক্তার দেখে দিয়েছেন? আত্মীয়: আমরা এখনও কাউকে পাইনি। রিপোর্টটা কীভাবে পাব? রিসেপশন: আপনি ল্যাব কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। আত্মীয়: আর ডাক্তার কখন রাউন্ডে আসবেন? রিসেপশন: বিকেল ৫টা নাগাদ সাধারণত আসেন। আত্মীয়: আরেকটা প্রশ্ন, ওর জন্য নিউট্রিশন প্ল্যান কোথা থেকে পাব? রিসেপশন: ডায়েটিশিয়ান রুম ১০৫-এ বসেন, আপনি ওখানে যান। আত্মীয়: বিলিং এর আপডেট কিভাবে পাব? রিসেপশন: ক্যাশ কাউন্টারে গিয়ে রুম নম্বর বললেই দেবে। আত্মীয়: সিসিইউ-তে গেলে কি সবার প্রবেশ নিষেধ? রিসেপশন: হ্যাঁ, শুধু নির্ধারিত সময় ও অনুমতি নিয়ে ঢোকা যায়। আত্মীয়: আমি কি রোগীর সঙ্গে একবার দেখা করতে পারি? রিসেপশন: এখন না, বিকেলে ৪টা থেকে ৫টার সময় আছে। আত্মীয়: ঠিক আছে, ধন্যবাদ। রিসেপশন: আপনাকে সাহায্য করতে পেরে আমরা আনন্দিত।" দুই পুরনো সহপাঠীর মধ্যে হঠাৎ দেখা ও স্মৃতিচারণা,"ফারহানা: এই তুমি না রুবেল? স্কুলের রুবেল? রুবেল: ফারহানা! এত বছর পর! কী খবর? ফারহানা: ভালো আছি, তুমি বলো — কোথায় কী করছো? রুবেল: এখন ঢাকায় একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে আছি। ফারহানা: বাহ! চমৎকার! তোমাকে একদম চিনতে পারিনি শুরুতে। রুবেল: তুমি তো অনেক বদলে গেছো! এখন কী করো? ফারহানা: আমি শিক্ষকতা করছি একটা কলেজে। রুবেল: খুব ভালো করেছো! মনে আছে, আমরা ক্লাস টেনে একসঙ্গে প্রজেক্ট করেছিলাম? ফারহানা: হ্যাঁ! বিজ্ঞান মেলায় 'জল বিশুদ্ধকরণ' প্রজেক্ট! রুবেল: এখনো সেই পুরনো ছবি আমার কাছে আছে। ফারহানা: আমিও কিছু রেখেছি, একদিন দেখা করে দেখাবো। রুবেল: অবশ্যই, কোথায় থাকো এখন? ফারহানা: মোহাম্মদপুরে, তুমি? রুবেল: উত্তরাতে। তবে প্রায়ই ধানমন্ডিতে আসি। ফারহানা: তাহলে কফির প্ল্যান হতেই পারে। রুবেল: অবশ্যই, আগামী শুক্রবার কেমন? ফারহানা: শুক্রবার বিকেলেই পারফেক্ট। রুবেল: তাহলে দেখা হবে, পুরনো দিনের অনেক গল্প আছে বলার। ফারহানা: একদম! মনে হচ্ছে স্কুলে ফিরে গেছি।" বাসা ভাড়া নেওয়া নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে আলোচনা,"ভাড়াটিয়া: সালাম ভাই, এই বাসাটা এখনো ফাঁকা আছে? বাড়িওয়ালা: জি, এই মাসের শুরুতে আগের ভাড়াটিয়া ছেড়ে গেছে। ভাড়াটিয়া: ভাড়া কত? আর কী কী সুবিধা আছে? বাড়িওয়ালা: ভাড়া ১৫ হাজার, ২ বেড, ১ ড্রইং, ২ বাথ, গ্যাস-ওয়াটার ইনক্লুডেড। ভাড়াটিয়া: বিদ্যুৎ বিল আলাদা? বাড়িওয়ালা: হ্যাঁ, প্রিপেইড মিটার আছে। ভাড়াটিয়া: ডিপোজিট কত দিতে হবে? বাড়িওয়ালা: দুই মাসের ভাড়া অগ্রিম। ভাড়াটিয়া: একটু কমানো যাবে না? বাড়িওয়ালা: আপনি পরিবারসহ থাকবেন তো? ভাড়াটিয়া: হ্যাঁ, স্ত্রী আর এক মেয়ে। বাড়িওয়ালা: তাহলে কথা বলা যেতে পারে, আপনি কবে থেকে উঠতে চান? ভাড়াটিয়া: আগামী মাসের ১ তারিখ ভালো হয়। বাড়িওয়ালা: ঠিক আছে, আপনি চাইলে আগেই চুক্তি করে রাখতে পারেন। ভাড়াটিয়া: আমি কাল আসবো চুক্তিপত্র নিয়ে। বাড়িওয়ালা: আমি থাকবো, আপনি আইডি কার্ডের কপি সঙ্গে আনবেন। ভাড়াটিয়া: অবশ্যই, ধন্যবাদ ভাই, বাসাটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। বাড়িওয়ালা: ধন্যবাদ, আপনার সঙ্গে সুন্দর বোঝাপড়া হবে আশা করি।" স্কুলছাত্র ও প্রধান শিক্ষকের মধ্যে ইউনিফর্ম সংক্রান্ত অভিযোগ,"প্রধান শিক্ষক: শুভ, তোমার ইউনিফর্মটা ঠিকমতো পরোনি কেন আজ? ছাত্র: স্যার, আজ সকালে আমার শার্ট ভিজে ছিল, তাই অন্যটা পরেছি। প্রধান শিক্ষক: কিন্তু স্কুলে নির্দিষ্ট ড্রেস কোড আছে, সেটা জানো তো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, কিন্তু আমার মা অসুস্থ, তাই সকালে সময় হয়নি। প্রধান শিক্ষক: তোমার মা অসুস্থ? আগে বলেনি তো তুমি। ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, দুই দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন। প্রধান শিক্ষক: তাহলে বুঝলাম, তবে নিয়ম অমান্য করলে শাস্তি তো থাকবেই। ছাত্র: আমি বুঝি স্যার, কিন্তু আজ একটু ছাড় পাব কি? প্রধান শিক্ষক: ঠিক আছে, আজ মাফ করে দিচ্ছি। তবে আর যেন না হয়। ছাত্র: না স্যার, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। প্রধান শিক্ষক: তুমি চাইলে স্কুল কাউন্সিলর ম্যামের সঙ্গে মায়ের বিষয়ে কথা বলতে পারো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি ওনার সঙ্গে কথা বলব। প্রধান শিক্ষক: বাড়িতে কী করছো এখন? মায়ের দেখাশোনা করছো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, ওষুধ আর খাবার আমি দিই। প্রধান শিক্ষক: তুমি ভালো ছেলে, শুধু নিয়মে থাকতে শিখো। ছাত্র: চেষ্টা করব স্যার, আপনাদের সম্মান রাখতে চাই। প্রধান শিক্ষক: আর পড়ালেখা কেমন চলছে? ছাত্র: ভালোই স্যার, ম্যাথসে একটু কষ্ট হয়। প্রধান শিক্ষক: হোমওয়ার্ক ঠিকমতো করো? ছাত্র: হ্যাঁ, তবে সময় কম পাই। প্রধান শিক্ষক: সময় ম্যানেজমেন্ট শেখো, জীবনের জন্য দরকার। ছাত্র: ঠিক বলছেন স্যার, আমি চেষ্টা করব। প্রধান শিক্ষক: যাও এখন ক্লাসে যাও, মায়ের জন্য শুভকামনা রইল। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার। " ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্য বিষয়ে পরামর্শ,"রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমি কিছুদিন ধরে খুব ক্লান্তি অনুভব করছি। ডাক্তার: আপনি প্রতিদিন ঠিকমতো খাচ্ছেন তো? রোগী: একটু অনিয়ম হচ্ছে, কাজের চাপ বেশি। ডাক্তার: দিনের কোন সময় বেশি ক্লান্ত লাগে? রোগী: দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। ডাক্তার: রক্তের রিপোর্ট করেছি? রোগী: না, এখনো করিনি। ডাক্তার: তাহলে CBC ও আয়রন টেস্ট করে আনুন আগে। রোগী: খাবারের বিষয়ে কিছু বলবেন? ডাক্তার: অবশ্যই। সকালে নাস্তা মিস করা যাবে না। রোগী: আমি শুধু কফি খেয়ে যাই। ডাক্তার: খুব খারাপ অভ্যাস। ওটায় শরীরে কিছুই যায় না। রোগী: তাহলে কী খাবো? ডাক্তার: ডিম, দুধ, ফল বা চিড়ার মত হালকা কিন্তু পুষ্টিকর কিছু। রোগী: দুপুরে বাইরের খাবার খাই, সেটা ঠিক না? ডাক্তার: নাহ, সপ্তাহে এক–দুবার চলতে পারে, প্রতিদিন নয়। রোগী: পানি খাওয়া কম হয়ে গেছে। ডাক্তার: দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়া আবশ্যক। রোগী: আমি এখন থেকে নিয়ম মেনে চলব। ডাক্তার: রিপোর্ট আনুন, দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা বলব। রোগী: ঠিক আছে, ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব। ডাক্তার: সুস্থ থাকুন, নিয়ম মানলে আপনি দ্রুত ভালো থাকবেন।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে পার্কে সন্দেহজনক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন,"পুলিশ: আপনি এই এলাকায় প্রতিদিন আসেন? পথচারী: হ্যাঁ, আমি নিয়মিত সকালে হাঁটতে আসি। পুলিশ: আপনি একটু আগে ঐ বেঞ্চের পাশে কিছু রেখে গেছেন, কী ছিল? পথচারী: ওটা আমার পানির বোতল ছিল, ভুলে রেখে গেছি। পুলিশ: আপনার পরিচয়পত্র দেখাতে পারবেন? পথচারী: অবশ্যই, এটাছে আমার আইডি কার্ড। পুলিশ: আপনার পরিচয় মিলছে, তবে আমরা একটু সতর্ক অবস্থায় আছি। পথচারী: বুঝতে পারছি, সম্প্রতি কী কিছু ঘটেছে এখানে? পুলিশ: হ্যাঁ, কয়েকটি চুরি ও সন্দেহজনক চলাচল হয়েছে। পথচারী: আমি যদি কিছু সন্দেহজনক দেখি তাহলে জানাবো। পুলিশ: সেটাই প্রত্যাশা, নিরাপত্তা সবার দায়িত্ব। পথচারী: এই এলাকায় সিসি ক্যামেরা আছে তো? পুলিশ: আছে, তবে সব জায়গা কাভার করে না। পথচারী: আমি এখানে ২ বছর ধরে হাঁটছি, আগে কখনও এমন হয়নি। পুলিশ: আমরাও চাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকুক। পথচারী: আপনি কি এখানে সবসময় থাকেন? পুলিশ: সকালে ও বিকেলে টহল দিই আমরা। পথচারী: তাহলে নিশ্চিন্ত হওয়া যায় কিছুটা। পুলিশ: হ্যাঁ, তবে সতর্ক থাকাই ভালো। পথচারী: ধন্যবাদ অফিসার, আপনার কাজের জন্য শ্রদ্ধা। পুলিশ: ধন্যবাদ, আপনি ভালো থাকুন।" দুই বান্ধবীর মধ্যে নতুন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা,"সাবিহা: তানিয়া, আমি একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম কয়েকদিন ধরে। তানিয়া: বল না, এত গম্ভীর কেন? সাবিহা: আমি কারো সঙ্গে সিরিয়াসলি মিশছি এখন। তানিয়া: সত্যি? কে সেই ভাগ্যবান? সাবিহা: নাম তৌহিদ, এক অফিসে কাজ করে। তানিয়া: কবে থেকে চেনা? সাবিহা: তিন মাস হলো, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে গভীর হয়ে গেছে। তানিয়া: সে কেমন? আচরণে, চিন্তায়? সাবিহা: ভদ্র, রেস্পেক্টফুল, আর খুব কেয়ারিং। তানিয়া: পরিবার জানে? সাবিহা: মা জানে, বাবা এখনো জানে না। তানিয়া: তুই কি বিয়ের কথা ভাবছিস? সাবিহা: ভেবেছি, কিন্তু সময় দরকার। তানিয়া: সাবধানে এগোতে হবে, জানিস তো? সাবিহা: হ্যাঁ, তাই তোর মতামত চাই। তানিয়া: আমি তোকে জানি, তুই খুব রিজার্ভড, তাই ভেবেই অবাক হচ্ছি। সাবিহা: আমিও ভাবিনি এমন কিছু ঘটবে। তানিয়া: যাক, ভালো কথা। তৌহিদের সঙ্গে একদিন দেখা করাতে হবে। সাবিহা: অবশ্যই, তুই না দেখলে ব্যাপারটা পূর্ণ হবে না। তানিয়া: ঠিক আছে, আমি ওকে যাচাই করব! সাবিহা: হাহা! ভয় পাচ্ছে বোধহয় এখনই! তানিয়া: না, আমি শুধু আমার বান্ধবীর জন্য সেরা চাই। " বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীর সঙ্গে কন্ডাক্টরের টিকিট ও রুট নিয়ে বাকবিতণ্ডা,"যাত্রী: ভাই, এই বাস কি গাবতলী যাবে? কন্ডাক্টর: হ্যাঁ ভাই, উঠেন। যাত্রী: ঠিক কোথায় নামাবে গাবতলীতে? কন্ডাক্টর: শেষ স্টপেই নামাবে। যাত্রী: টিকিট কত? কন্ডাক্টর: ৪০ টাকা ভাই। যাত্রী: এত নিলেন কেন? কাল তো ৩০ টাকা ছিল। কন্ডাক্টর: নতুন ভাড়া হয়েছে ভাই, জ্বালানির দাম বাড়ছে। যাত্রী: কই, অন্য বাস তো এখনো ৩০ নিচ্ছে? কন্ডাক্টর: ওরা সরকার নির্ধারিত ভাড়া মানে না। যাত্রী: আপনার বাস মানে? কন্ডাক্টর: আমরা অফিসিয়ালি চলে ভাই, চাইলে না উঠলেও পারেন। যাত্রী: ঠিক আছে, ভাড়া দিলাম। তবে ভাড়া তালিকা দেখাতে পারবেন? কন্ডাক্টর: বাসের সামনে ঝুলছে, দেখে নেন। যাত্রী: হ্যাঁ দেখলাম, লেখা আছে, কিন্তু স্পষ্ট না। কন্ডাক্টর: ভাই, চালক উঠে গেছে, বসেন প্লিজ। যাত্রী: ঠিক আছে, কিন্তু এসব নিয়ে জবাবদিহিতা থাকা দরকার। কন্ডাক্টর: একমত ভাই, আমরাও বিরক্ত হই এসব নিয়ে। যাত্রী: নিয়ম থাকলে সবাইকে মানা উচিত। কন্ডাক্টর: তাই তো বলছি, সবাই মানে না বলেই সমস্যা হয়।" হাসপাতালের নার্স ও রোগীর আত্মীয়ের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা,"আত্মীয়: নার্স আপা, আমার ভাইয়ের অবস্থা কেমন এখন? নার্স: উনার অবস্থা আগের চেয়ে ভালো, আজ জ্বর কমেছে। আত্মীয়: অক্সিজেনের প্রয়োজন হচ্ছে কি এখনো? নার্স: না, এখন উনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছেন। আত্মীয়: ওষুধগুলো কি নিয়মমতো দেওয়া হয়েছে? নার্স: হ্যাঁ, সকালে অ্যান্টিবায়োটিক আর এখন স্যালাইন চলছে। আত্মীয়: খাওয়া-দাওয়ার কী অবস্থা? নার্স: দুপুরে হালকা ভাত আর ডাল খেয়েছেন। আত্মীয়: উনি বারবার পানি চাইছেন, সেটা ঠিক আছে তো? নার্স: সেটা ভালো লক্ষণ, শরীর থেকে টক্সিন বের হচ্ছে। আত্মীয়: ডাক্তারের সঙ্গে দেখা হবে কখন? নার্স: উনি বিকেলে রাউন্ডে আসবেন, তখন কথা বলতে পারবেন। আত্মীয়: রাতের জন্য কাউকে থাকতে দেওয়া যাবে? নার্স: একজন থাকতে পারবেন, কিন্তু চুপচাপ থাকতে হবে। আত্মীয়: বাথরুমে যেতে ওনাকে সাহায্য কে করছে? নার্স: আমরাই করছি, কিন্তু উনি নিজেও এখন একটু হাঁটছেন। আত্মীয়: কবে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা? নার্স: ডাক্তার বলবেন, তবে দু-একদিন লাগবে হয়ত। আত্মীয়: হসপিটাল বিল কোথায় জমা দিতে হয়? নার্স: নিচতলায় বিলিং কাউন্টারে গিয়ে জমা দিন। আত্মীয়: আরেকটা অনুরোধ ছিল, ওনাকে একটু স্যুপ দিতে পারবেন? নার্স: অবশ্যই, ক্যান্টিন থেকে এনে দিচ্ছি। আত্মীয়: ধন্যবাদ আপা, আপনারা খুব ভালো খেয়াল রাখছেন। নার্স: আমাদের কাজই তো রোগীকে ভালো রাখা। আত্মীয়: আমি পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞ। নার্স: চিন্তা করবেন না, উনি দ্রুত সেরে উঠবেন ইনশাআল্লাহ।" অফিস সহকর্মীর সঙ্গে ওভারটাইম ও মানসিক চাপ নিয়ে আলোচনা,"রাশেদ: আরে জামান ভাই, এত রাত পর্যন্ত অফিসে? জামান: কী করব বলো, প্রজেক্টের ডেডলাইন খুব কাছেই। রাশেদ: ক’দিন ধরেই দেখছি, আপনি অফিস থেকে শেষ যান। জামান: বাসায় গেলেও শান্তি নেই, মেইল আর কল আসে। রাশেদ: পরিবার কিছু বলে না? জামান: বলেই তো, কিন্তু কর্পোরেট চাপে কী করা যায়! রাশেদ: আপনি একটু রেস্ট নেন, না হলে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। জামান: হ্যাঁ, পিঠে ব্যথাও শুরু হয়েছে। রাশেদ: আমাদের এই লাইফস্টাইল অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। জামান: আমি ভাবছি কিছুদিন ছুটি নেব। রাশেদ: ভালো চিন্তা, মন ও শরীর দুটোকেই দরকার বিশ্রাম। জামান: তুই কীভাবে সামলাচ্ছিস সবকিছু? রাশেদ: আমি রাত ৯টার পর অফিসের কাজ দেখি না। জামান: বটে! টিম লিডার কিছু বলে না? রাশেদ: আমি ওনাকে বলে দিয়েছি আমার সীমানা। জামান: সাহসের কাজ! রাশেদ: নিজের সীমা না জানালে কেউ সম্মান করবে না। জামান: তুমি ঠিকই বলো, আমিও একটু চেষ্টা করব। রাশেদ: আর হ্যাঁ, স্বাস্থ্য চেকআপ করাও। জামান: করাব অবশ্যই। রাশেদ: চল, আজ একটু আগেই বের হই দুজনেই। জামান: ঠিক আছে, ধন্যবাদ রাশেদ ভাই। " ফোন সার্ভিস কাস্টমার কেয়ার ও গ্রাহকের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ,"গ্রাহক: হ্যালো, আমি আমার ফোনে কল পাচ্ছি না ঠিকমতো। কাস্টমার কেয়ার: স্যার, আপনি কোন অপারেটর ব্যবহার করছেন? গ্রাহক: আমি আপনার 4G সিম ব্যবহার করছি। কাস্টমার কেয়ার: ঠিক আছে, সমস্যাটা কখন থেকে হচ্ছে? গ্রাহক: গতকাল রাত থেকে কল ঢুকছে না। কাস্টমার কেয়ার: সিম কি অন্য ফোনে ট্রাই করেছেন? গ্রাহক: হ্যাঁ, সেখানেও একই সমস্যা। কাস্টমার কেয়ার: আমরা আপনার নম্বর চেক করছি... গ্রাহক: আমি জরুরি কাজে ফোন ব্যবহার করি, এটা খুব সমস্যার। কাস্টমার কেয়ার: বুঝতে পারছি স্যার, আমাদের নেটওয়ার্কে কিছুক্ষণ আগে আপডেট হয়েছিল। গ্রাহক: তাহলে সেটা কবে ঠিক হবে? কাস্টমার কেয়ার: আগামী ৩ ঘণ্টার মধ্যে পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়ার কথা। গ্রাহক: আপনি নিশ্চিত? কাস্টমার কেয়ার: আমরা চেষ্টা করছি স্যার, আমাদের টিম কাজ করছে। গ্রাহক: আমি কি কিছু ক্ষতিপূরণ পাব না? কাস্টমার কেয়ার: স্যার, আপনি চাইলে অভিযোগ রেজিস্টার করতে পারি। গ্রাহক: হ্যাঁ, রেজিস্টার করুন। কাস্টমার কেয়ার: আপনার নাম, ঠিকানা বলবেন? গ্রাহক: মোঃ রিয়াদ হোসেন, উত্তরা, ঢাকা। কাস্টমার কেয়ার: ধন্যবাদ স্যার, আপনার অভিযোগ নম্বর 782345। গ্রাহক: ভালো, আমি অপেক্ষা করব। কাস্টমার কেয়ার: দয়া করে আমাদের ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আপডেট চেক করবেন। গ্রাহক: ঠিক আছে, ধন্যবাদ। কাস্টমার কেয়ার: ধন্যবাদ স্যার, আমাদের সঙ্গেই থাকুন।" বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রীর মধ্যে থিসিস নির্বাচন নিয়ে আলোচনা,"ছাত্রী: স্যার, আমি থিসিস নিয়ে কিছু পরামর্শ চাই। শিক্ষক: হ্যাঁ, তুমি কোন বিষয়ে আগ্রহী? ছাত্রী: আমি AI ও স্বাস্থ্যসেবার সংযোগ নিয়ে ভাবছি। শিক্ষক: ভালো দিক, তবে বিষয়টি সংকুচিত করতে হবে। ছাত্রী: তাহলে কি “ফল ডিটেকশন ফর এল্ডারলি ইউজিং YOLO” ঠিক হবে? শিক্ষক: হ্যাঁ, সেটা একটি সম্ভাবনাময় থিম। ছাত্রী: স্যার, আমি কোডিং পারি, তবে মেডিকেল পার্টে ভয় লাগছে। শিক্ষক: তুমি একটি মেডিকেল পরামর্শক খুঁজে নিতে পারো। ছাত্রী: স্যার, আপনার গাইডেন্স পেলে কাজ সহজ হবে। শিক্ষক: আমি থাকব, তবে নিজে ইনিশিয়েটিভ নিতে হবে। ছাত্রী: আমি কি রোবোফ্লো বা ওপেনডেটা ইউজ করতে পারি? শিক্ষক: হ্যাঁ, তবে প্রক্রিয়া ও এথিকস ফলো করো। ছাত্রী: আমি কি শুরু করতে পারি প্রপোজাল লিখে? শিক্ষক: হ্যাঁ, এক পেজের একটা কনসেপ্ট নাও। ছাত্রী: কতদিনে সাবমিট করব? শিক্ষক: ৫ দিনের মধ্যে পাঠিয়ে দাও। ছাত্রী: ধন্যবাদ স্যার, আমি কাজ শুরু করছি। শিক্ষক: সাফল্য কামনা করি, যেকোন প্রশ্নে এসো।" প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে আলোচনা,"আদিত্য: রিয়া, আমরা কি একটু কথা বলতে পারি? রিয়া: হ্যাঁ, কী হয়েছে বলো। আদিত্য: তুমি গত কয়েকদিন খুব দূরে দূরে আচরণ করছো। রিয়া: কারণ আছে, তুমি বুঝতে চাও না। আদিত্য: বলো, আমি শোনার জন্য প্রস্তুত। রিয়া: তুমি সবসময় নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকো। আদিত্য: আমি চেষ্টা করি সময় দিতে, কিন্তু কাজ তো ফেলে রাখা যায় না। রিয়া: কিন্তু সম্পর্কেও সময় লাগে, সেটা ভুলে যেও না। আদিত্য: তুমি কি মনে করো আমি গুরুত্ব দিই না? রিয়া: কখনো কখনো তাই মনে হয়। আদিত্য: আমি যদি আজ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সময় রাখি, সেটা চলবে? রিয়া: সেটা ভালো শুরু হতে পারে। আদিত্য: আমি চাই না আমাদের দূরত্ব বাড়ুক। রিয়া: আমিও না, কিন্তু আমাদের মধ্যে কথা বলা দরকার। আদিত্য: আজ থেকে প্রতিদিন একবার ভিডিও কল করব। রিয়া: তাহলে আমি মনে করব তুমি গুরুত্ব দিচ্ছো। আদিত্য: আমি দেই, শুধু ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারি না। রিয়া: আমি চাই তুমি শুধু বলো না, কাজেও দেখাও। আদিত্য: আমি প্রতিজ্ঞা করছি। রিয়া: আমি বিশ্বাস করতে চাই। আদিত্য: ধন্যবাদ রিয়া, তুমি আমায় বোঝো। রিয়া: তুমি যদি চাও, আমি তোমার পাশে থাকব সবসময়। " আইনজীবী ও ক্লায়েন্টের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা,"ক্লায়েন্ট: সালাম, স্যার। আমি ডিভোর্স প্রসঙ্গে কিছু জানতে চাচ্ছিলাম। আইনজীবী: ওয়ালাইকুম সালাম। নিশ্চয়ই, আপনি কি বিবাহ রেজিস্ট্রার কপি নিয়ে এসেছেন? ক্লায়েন্ট: হ্যাঁ স্যার, এখানে আছে। আইনজীবী: ঠিক আছে। আপনার স্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল কবে? ক্লায়েন্ট: প্রায় তিন মাস আগে, তারপর থেকে কোনো যোগাযোগ নেই। আইনজীবী: তিন মাস হলে আপনি নোটিশ পাঠাতে পারেন। ক্লায়েন্ট: কোন প্রক্রিয়ায় সেটা করতে হবে? আইনজীবী: প্রথমে একটি লিখিত ডিভোর্স নোটিশ পাঠাতে হবে তার ঠিকানায়। ক্লায়েন্ট: সেটা আপনি তৈরি করে দেবেন? আইনজীবী: অবশ্যই, আপনি কিছু তথ্য দিয়ে যান। ক্লায়েন্ট: ঠিক আছে, ওনার ঠিকানা এবং বাবার নাম এখানে লিখে দিলাম। আইনজীবী: ধন্যবাদ। আপনি তিন মাস ধরে খরচ পাঠিয়েছেন? ক্লায়েন্ট: না, কোনো যোগাযোগ হয়নি, ওনার পরিবার থেকেও না। আইনজীবী: নোটিশ পাঠানোর পর তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে। ক্লায়েন্ট: এরপর কি সরাসরি তালাক কার্যকর হবে? আইনজীবী: হ্যাঁ, যদি আপত্তি না আসে। ক্লায়েন্ট: আমার সন্তানের কাস্টডির ব্যাপারেও কিছু করতে পারি? আইনজীবী: আপনি চাইলে আলাদা কাস্টডি কেস করতে পারেন। ক্লায়েন্ট: সে ক্ষেত্রে খরচ কেমন হতে পারে? আইনজীবী: কেসের জটিলতা অনুসারে ভ্যারিয়েশন হয়। ক্লায়েন্ট: আমি কি আদালতে না গিয়েও কাজটা করতে পারব? আইনজীবী: কিছু অংশ অনলাইনে হয়, তবে শুনানিতে আপনাকে যেতে হবে। ক্লায়েন্ট: ঠিক আছে স্যার, আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আইনজীবী: দেরি করবেন না, আজই নোটিশ রেডি করে দিই। ক্লায়েন্ট: ধন্যবাদ স্যার। " মোবাইল দোকানে গ্রাহক ও বিক্রেতার মধ্যে নতুন ফোন কেনা নিয়ে আলোচনা,"গ্রাহক: ভাই, আমি একটা নতুন ফোন কিনতে চাই। বিক্রেতা: বাজেট কত ভাই? গ্রাহক: ২৫ হাজার টাকার মধ্যে কিছু ভালো ফোন আছে? বিক্রেতা: অবশ্যই, রিয়েলমি, ইনফিনিক্স আর শাওমির মডেল আছে। গ্রাহক: ক্যামেরা ভালো এমন কিছু দেখান। বিক্রেতা: এই নিন, ইনফিনিক্স জিরো ৩০ – ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। গ্রাহক: ব্যাটারি ব্যাকআপ কেমন? বিক্রেতা: ৫০০০ mAh, ফুল চার্জে একদিন চলে যাবে। গ্রাহক: গেম খেললে হ্যাং করে কি? বিক্রেতা: না ভাই, ৮ জিবি র‍্যাম, হ্যাং করবে না। গ্রাহক: ফোন কি ফ্যাক্টরি সিল? বিক্রেতা: হ্যাঁ, একদম নতুন, সঙ্গে ওয়ারেন্টি আছে। গ্রাহক: চার্জার, কেস, গ্লাস পাবো কি? বিক্রেতা: কেস আর গ্লাস ফ্রি দিব, চার্জার বক্সে আছে। গ্রাহক: দাম কত হবে সব মিলে? বিক্রেতা: অফারে দিচ্ছি ২৩ হাজার টাকায়। গ্রাহক: অনলাইনের চেয়ে বেশি মনে হচ্ছে। বিক্রেতা: অনলাইনে সার্ভিস পাবেন না ভাই, এখানে যেকোন সমস্যা হলে সাহায্য করব। গ্রাহক: পেমেন্ট বিকাশে করতে পারি? বিক্রেতা: হ্যাঁ, আমাদের মার্চেন্ট নম্বরে পাঠাতে হবে। গ্রাহক: এক্সচেঞ্জ অফার আছে? বিক্রেতা: পুরাতন ফোন দিলে ২-৩ হাজার কমে যেতে পারে। গ্রাহক: ঠিক আছে, ফোনটা প্যাক করে দিন। বিক্রেতা: অবশ্যই ভাই, রিসিট নিয়ে যান।" ফুড ডেলিভারি নিয়ে ডেলিভারি ম্যান ও গ্রাহকের মধ্যে বিতর্ক,"গ্রাহক: ভাই, আমি ঘণ্টাখানেক আগে অর্ডার করেছিলাম, এখনো আসেনি কেন? ডেলিভারি ম্যান: স্যার, আমি দুঃখিত, রাস্তার জ্যামে পড়েছিলাম। গ্রাহক: খাবার ঠান্ডা হয়ে গেছে, এখন আর খাবার ইচ্ছা নেই। ডেলিভারি ম্যান: স্যার, একটু বুঝেন, অনেক চেষ্টা করেও টাইমে পৌঁছাতে পারিনি। গ্রাহক: অ্যাপে তো দেখাচ্ছিল ""আউট ফর ডেলিভারি"" ৪৫ মিনিট আগে। ডেলিভারি ম্যান: সেটা অ্যাপ অটো আপডেট করে, কিন্তু রাস্তায় পরিস্থিতি অন্যরকম। গ্রাহক: আমি কিন্তু পেমেন্ট অনলাইনেই দিয়েছি। ডেলিভারি ম্যান: ঠিক আছে স্যার, আপনি চাইলে রিপোর্ট করতে পারেন। গ্রাহক: খাবার নষ্ট হয়ে গেছে, রিফান্ড চাই। ডেলিভারি ম্যান: আমি রিপোর্ট ফাইল করে দিচ্ছি স্যার, কাস্টমার কেয়ার আপনাকে কল করবে। গ্রাহক: আপনি কীভাবে প্যাকেট বহন করেছেন? ডেলিভারি ম্যান: ইনসুলেটেড ব্যাগে ছিল, কিন্তু সময় বেশি লাগায় ঠান্ডা হয়ে গেছে হয়ত। গ্রাহক: আমি যদি খাবার না নেই, আপনি কী করবেন? ডেলিভারি ম্যান: তাহলে কোম্পানি আমাকে পেনাল্টি দেবে। গ্রাহক: ঠিক আছে, আমি খাবো, কিন্তু অভিযোগ করব। ডেলিভারি ম্যান: স্যার, অভিযোগ অবশ্যই করতে পারেন, আমি বুঝি আপনার কষ্ট। গ্রাহক: ধন্যবাদ, আপনার চালানোর গতি একটু বাড়ান পরেরবার। ডেলিভারি ম্যান: চেষ্টা করব স্যার।" মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা ও রোগীর মধ্যে উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা,"রোগী: ডাক্তার, আমার ঘুম হচ্ছে না অনেকদিন ধরে। ডাক্তার: আপনি দিনে কেমন থাকেন? রোগী: সারাদিন মাথা ভার লাগে, টেনশন কাজ করে। ডাক্তার: কোন বিষয়ে বেশি চিন্তা করেন? রোগী: অফিসের চাপ, আর পারিবারিক টানাপোড়েন। ডাক্তার: আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন? রোগী: না, সময়ই পাই না। ডাক্তার: ব্যায়াম করলে ঘুম ভালো হবে, দুশ্চিন্তাও কমবে। রোগী: আমার মাঝে মাঝে বুক ধড়ফড় করে। ডাক্তার: সেটা প্যানিক অ্যাটাক হতে পারে, ভয় পাবেন না। রোগী: আমি কি ওষুধ ছাড়া সুস্থ হতে পারি? ডাক্তার: সম্ভব, যদি নিয়মিত থেরাপি করেন। রোগী: থেরাপি মানে কি আপনাকে সপ্তাহে দেখা করা? ডাক্তার: হ্যাঁ, ১ ঘণ্টা সেশন, আমরা ধাপে ধাপে আলোচনা করব। রোগী: আমি কি অফিসে কাউকে বলতে পারব না এটা? ডাক্তার: না বললেই ভালো, আপনার গোপনীয়তা থাকবে। রোগী: আমার তো মনে হয় আমি কিছুতেই ভালো হব না। ডাক্তার: এটা মনোবিকার, সময় নিয়ে ধৈর্য ধরে চললে হবেন নিশ্চয়ই। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তার, আজ কথা বলে হালকা লাগছে। ডাক্তার: আপনি সাহসী যে সাহায্য চাইতে এসেছেন।" বাস যাত্রী ও কন্ডাক্টরের মধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে বচসা,"যাত্রী: ভাই, আজ আবার ২০ টাকা বেশি নিচ্ছেন কেন? কন্ডাক্টর: সরকার নতুন ভাড়া নির্ধারণ করেছে ভাই। যাত্রী: কোথায় সেটা লেখা আছে? আগের সপ্তাহেও তো কম ছিল। কন্ডাক্টর: গাড়ির গায়ে স্টিকার লাগানো আছে, দেখে নেন। যাত্রী: আমি যাত্রাবাড়ী থেকে মিরপুর যাচ্ছি, আগেও ৫০ টাকাই ছিল। কন্ডাক্টর: এখন ৭০ টাকা নির্ধারণ হয়েছে ভাই। যাত্রী: আমি অভিযোগ করব, অতিরিক্ত নিচ্ছেন। কন্ডাক্টর: ভাই, চাইলে কন্ট্রোল রুমে ফোন দিন। যাত্রী: আপনি রিসিট দেন, আমি ছবি তুলে রাখছি। কন্ডাক্টর: রিসিট আমাদের কাছে থাকে না সবসময়। যাত্রী: তাহলে আপনি অবৈধভাবে টাকা নিচ্ছেন। কন্ডাক্টর: ভাই, মালিক বলে দিয়েছে এই রেট, আমরা কী করব? যাত্রী: মালিকের নিয়ম মানে এই না যে আইন ভাঙবেন। কন্ডাক্টর: ভাই, আমাদের অবস্থাও বুঝেন। যাত্রী: বুঝি, কিন্তু আমি অন্যায় মেনে নেব না। কন্ডাক্টর: ঠিক আছে, আপনার জায়গায় ৫০ টাকাই নেব। যাত্রী: ধন্যবাদ, কিন্তু বাকিদের কাছেও যেন এমন না হয়। কন্ডাক্টর: চেষ্টা করব ভাই, কষ্ট দিয়ে থাকলে দুঃখিত। " শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ছাত্রের আচরণ নিয়ে আলোচনা,"অভিভাবক: স্যার, আমি আজ আমার ছেলের ব্যাপারে কিছু জানতে এসেছি। শিক্ষক: অবশ্যই, আপনার ছেলের নাম কী? অভিভাবক: রিয়াদ হাসান, সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। শিক্ষক: ও তো খুব ভালো ছাত্র ছিল, হঠাৎ কী হয়েছে? অভিভাবক: ঘরে এসে কিছুই পড়ে না, মনোযোগ দেয় না। শিক্ষক: হ্যাঁ, ক্লাসেও মনোযোগ কম, কখনো ফোনে ব্যস্ত থাকে। অভিভাবক: স্কুলে কি ফোন আনে? শিক্ষক: মাঝে মাঝে দেখে নিয়েছি, চুপচাপ থাকে। অভিভাবক: ও বাসায়ও গেম খেলে সারাক্ষণ। শিক্ষক: আপনি কি সময় বেঁধে দেন পড়ার জন্য? অভিভাবক: দিই, কিন্তু শোনে না। শিক্ষক: আমরা স্কুল থেকে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা রেখেছি। অভিভাবক: ও কি এতে রাজি হবে? শিক্ষক: প্রথমে না করলেও ধীরে ধীরে মানিয়ে নেবে। অভিভাবক: আপনি ওর সঙ্গে একটু কথা বলবেন? শিক্ষক: অবশ্যই, কালই কথা বলব। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, আমি খুব চিন্তায় আছি। শিক্ষক: দুশ্চিন্তা করবেন না, আমরা একসাথে চেষ্টা করব। অভিভাবক: পড়ালেখার প্রতি ওর আগ্রহ ফেরাতে চাই। শিক্ষক: ধাপে ধাপে কাজ করলে সম্ভব হবে। অভিভাবক: ওর বন্ধুরাও কি খারাপ প্রভাব ফেলছে? শিক্ষক: কিছুটা, আমরা নজর রাখছি। অভিভাবক: আমি আজ থেকেই ওর ফোন নিয়ন্ত্রণ করব। শিক্ষক: সেটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। আমরা যোগাযোগ রাখব।" হোস্টেলের ছাত্র ও কেয়ারটেকারের মধ্যে খাবার নিয়ে অভিযোগ,"ছাত্র: কাকু, আজ দুপুরের খাবার খাওয়া যায়নি। কেয়ারটেকার: কেন বাবা, কী সমস্যা হয়েছিল? ছাত্র: ভাত কাঁচা ছিল, ডালেও পোকা ছিল। কেয়ারটেকার: আরে বাবা, আমি তো সবসময় নজর রাখি। ছাত্র: আজ মেস রাঁধুনিকে দেখাই যায়নি। কেয়ারটেকার: উনি অসুস্থ, তাই নতুন কেউ এসেছিল। ছাত্র: কিন্তু মান ঠিক রাখা দরকার। কেয়ারটেকার: ঠিক বলেছো, আমি সুপার ভাইজারকে জানাচ্ছি। ছাত্র: আর মাছটাও নোনা বেশি ছিল। কেয়ারটেকার: আমি কাল থেকে নিজে যাচাই করব। ছাত্র: অনেকেই আজ বাইরের খাবার খেয়েছে। কেয়ারটেকার: তা হলে বিষয়টা গুরুতর। ছাত্র: খাবার খারাপ থাকলে তো রোগ হতে পারে। কেয়ারটেকার: ঠিক বলেছো, আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। ছাত্র: আগেও কয়েকবার বলেছি, কিন্তু পরিবর্তন হয়নি। কেয়ারটেকার: এবার সিরিয়াসলি ব্যবস্থা নেব। ছাত্র: আর চায়ের কাপগুলোও নোংরা ছিল। কেয়ারটেকার: আমি আজই ওগুলো ধোয়ার ব্যবস্থা করব। ছাত্র: আমরা সবাই চাই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। কেয়ারটেকার: আমি প্রতিদিনের খাবার তালিকা দেখে অনুমোদন দেব। ছাত্র: ধন্যবাদ কাকু, আপনার সহানুভূতি পাই সবসময়।" ব্যাংক কর্মকর্তা ও গ্রাহকের মধ্যে চেক বাউন্স সংক্রান্ত আলোচনা,"গ্রাহক: ভাই, আমার চেক বাউন্স হয়েছে কেন? কর্মকর্তা: একটু অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন, আমি দেখে নিই। গ্রাহক: এই নিন, ৬৭৮৯২৩৪৫। কর্মকর্তা: দেখছি... হ্যাঁ, আপনার অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। গ্রাহক: আমি তো আগেই জমা দিয়েছিলাম। কর্মকর্তা: সেটা সম্ভবত প্রসেস হয়নি সময়মতো। গ্রাহক: তাহলে আমার সুনাম নষ্ট হলো! কর্মকর্তা: আমরা একটি “চেক রিটার্ন মেমো” দিয়েছি, সেটা পেয়েছেন? গ্রাহক: হ্যাঁ, কিন্তু কারণ বুঝিনি। কর্মকর্তা: ব্যালান্স ছিল ৪০০০, কিন্তু চেকটি ছিল ৫০০০ টাকার। গ্রাহক: আমি বিকাশ থেকে টাকা পাঠিয়েছিলাম সকালে। কর্মকর্তা: সেটা দুপুরে অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে, কিন্তু চেক ক্লিয়ার হয় সকালেই। গ্রাহক: এখন আমি কী করব? কর্মকর্তা: নতুন করে চেক দিন এবং ক্লিয়ার হওয়ার সময় দেখুন। গ্রাহক: রিটার্ন ফি কাটা হয়েছে? কর্মকর্তা: হ্যাঁ, ৫০০ টাকা চার্জ হয়েছে। গ্রাহক: এটা কি রিফান্ড হয়? কর্মকর্তা: না, রিটার্ন ফি রিফান্ডযোগ্য না। গ্রাহক: ঠিক আছে, সাবধানে চলব সামনে থেকে। কর্মকর্তা: আপনার মতো সচেতন গ্রাহক হলে সমস্যা হতো না। গ্রাহক: ধন্যবাদ, আপনার ব্যাখ্যা কাজে লাগলো।" ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে আলোচনা,"রোগী: স্যার, আমার প্রেসার সবসময় বেশি থাকে। ডাক্তার: আপনি শেষবার কখন মেপেছিলেন? রোগী: আজ সকালে, ছিল ১৫০/৯৫। ডাক্তার: আপনার বয়স কত? রোগী: ৪৭ বছর। ডাক্তার: পরিবারে কারো হাই ব্লাড প্রেসার আছে? রোগী: আমার মা ও বড় ভাইয়ের আছে। ডাক্তার: আপনি দিনে কতটা লবণ খান বলতে পারবেন? রোগী: ভাজাভুজি আর ঝাল খাই বেশি। ডাক্তার: সেগুলো কমাতে হবে। রোগী: হাঁটাহাঁটি করি না বললেই চলে। ডাক্তার: অন্তত দিনে ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। রোগী: কোনো ওষুধ খাবো কি? ডাক্তার: প্রেশার নিয়মিত থাকলে দরকার হবে না। রোগী: আমি কি ফলমূল বেশি খাব? ডাক্তার: হ্যাঁ, কলা, আপেল ভালো। রোগী: ঘুম কম হলে কি প্রভাব পড়ে? ডাক্তার: হ্যাঁ, ঘুম কম হলেও প্রেসার বাড়ে। রোগী: ধন্যবাদ স্যার, আমি অভ্যাস পরিবর্তন করব। ডাক্তার: ভালো, দুই সপ্তাহ পর আবার দেখে যাব। " বাস কাউন্টারে যাত্রী ও টিকিট কর্মীর মধ্যে রাত্রিকালীন ভ্রমণ সংক্রান্ত কথা,"যাত্রী: ভাই, আগামীকাল রাতে চট্টগ্রামের টিকিট আছে? কর্মী: কয়টার বাস চান ভাই? যাত্রী: রাত ১১টার বাস হলে ভালো হয়। কর্মী: আছে, এসি ও নন-এসি দুইটাই আছে। যাত্রী: এসি কত টাকা? কর্মী: ১০৫০ টাকা ভাই। যাত্রী: সিট কোন কোনটা ফাঁকা আছে? কর্মী: ডান দিকে ৮ নম্বর আর বাঁদিকে ১১ নম্বর। যাত্রী: জানালার পাশে কোনটা? কর্মী: ১১ নম্বর জানালার পাশে। যাত্রী: তাহলে ১১ নম্বর রাখেন। কর্মী: নাম আর ফোন নাম্বার দিন ভাই। যাত্রী: মো. রাজিব হাসান, ০১৭১১২২৩৩৪৪। কর্মী: ঠিক আছে, বিকাশে টাকা পাঠাবেন? যাত্রী: হ্যাঁ, নম্বরটা দিন। কর্মী: এই নিন, মার্চেন্ট নম্বর ০১৩০০৯৯৮৮৭৭। যাত্রী: কত সময়ের মধ্যে কনফার্ম হবে? কর্মী: পেমেন্ট করলেই এসএমএস পাবেন। যাত্রী: খাবার কি বাসে দেয়া হয়? কর্মী: পানি আর টিস্যু দেয়া হয়, খাবার স্টপেজে কিনতে হয়। যাত্রী: ঠিক আছে ভাই, আমি এখনই পেমেন্ট করছি। কর্মী: কনফার্ম হলে কল করে জানাবেন। যাত্রী: ধন্যবাদ ভাই, দেখা হবে কাল।" বাবা ও মেয়ের মধ্যে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: স্নেহা, তোমার অনার্স শেষ হয়ে গেল, এখন কী ভাবছো? মেয়ে: ভাবছি বিদেশে মাস্টার্স করার চেষ্টা করব। বাবা: খুব ভালো কথা। কোন দেশে যেতে চাও? মেয়ে: কানাডা অথবা নেদারল্যান্ডস ভাবছি। বাবা: কোর্স কি নির্ধারণ করেছো? মেয়ে: হ্যাঁ, Data Science বা AI নিয়ে কিছু একটা। বাবা: তুমি কি IELTS দিয়েছো? মেয়ে: এখনো না, প্রস্তুতি নিচ্ছি। বাবা: তুমি জানো তো IELTS-এর স্কোর দরকার ৬.৫ বা তার বেশি। মেয়ে: জানি, আমার টার্গেট ৭। বাবা: খরচের চিন্তা করেছো? মেয়ে: স্কলারশিপের জন্যও আবেদন করব। বাবা: আমি তোমাকে যতটা সম্ভব সাহায্য করব। মেয়ে: তুমি সবসময় পাশে থাকো বলেই সাহস পাই। বাবা: তোমার মা-ও খুশি হবে শুনে। মেয়ে: কিন্তু ভয় লাগে, একা থাকতে পারব তো? বাবা: একা গেলে আত্মনির্ভর হতে শেখা যায়। মেয়ে: অনলাইনে অনেক ভিডিও দেখছি অভিজ্ঞদের। বাবা: ভালো করছো। SOP লেখাও গুরুত্বপূর্ণ। মেয়ে: হ্যাঁ, আমার ফ্রেন্ড রুবা সাহায্য করছে। বাবা: তুমি ঠিকঠাক প্রস্তুতি নাও, আমি ফাইন্যান্সের ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছি। মেয়ে: ধন্যবাদ আব্বু, আমি চেষ্টা করে যাব। বাবা: ঠিক আছে, সময়মতো সব ডকুমেন্ট প্রস্তুত করো।" দোকানদার ও ক্রেতার মধ্যে ইলেকট্রনিক পণ্যের ওয়ারেন্টি নিয়ে আলোচনা,"ক্রেতা: ভাই, আমি মাসখানেক আগে এখান থেকে একটি রাইস কুকার কিনেছিলাম। দোকানদার: হ্যাঁ ভাই, মনে আছে। কী সমস্যা হচ্ছে? ক্রেতা: এখন আর গরম হয় না। চাল দিয়ে রাখলে কাঁচাই থেকে যায়। দোকানদার: ওয়ারেন্টি কার্ড এনেছেন? ক্রেতা: এনেছি, এই নিন। দোকানদার: দেখে নিই... হ্যাঁ, এখনো ওয়ারেন্টির মধ্যে। ক্রেতা: এটা আপনি ঠিক করে দেবেন? দোকানদার: আমাদের টেকনিশিয়ান দেখবে, যদি দরকার হয় রিপ্লেসমেন্ট দেব। ক্রেতা: কত দিন লাগবে? দোকানদার: সর্বোচ্চ ৩ দিন। ক্রেতা: আর যদি ঠিক না হয়? দোকানদার: তাহলে নতুন একটা কুকার দেব। ক্রেতা: আমি অফিসে থাকি, কে আনবে? দোকানদার: আপনি চাইলে বাসায় ডেলিভারি দিয়ে দেব। ক্রেতা: তাহলে ঠিক আছে, এই নম্বরে কল করুন — ০১৭********। দোকানদার: ঠিক আছে ভাই, কাল সকালে ফোন করব। ক্রেতা: অনেক দোকানে তো এসব ঝামেলা করে। দোকানদার: আমরা কাস্টমারের সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দিই। ক্রেতা: আপনাদের সার্ভিস ভালো বলেই আবার এসেছি। দোকানদার: ধন্যবাদ ভাই, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।" পুলিশ ও মোটরসাইকেল চালকের মধ্যে ট্রাফিক আইন নিয়ে কথা,"পুলিশ: ভাই, আপনার হেলমেট কোথায়? চালক: একটু দূরে যাচ্ছিলাম ভাই, মাথা ব্যথা করছিল। পুলিশ: আইন সবার জন্য সমান। হেলমেট ছাড়া চালানো যাবে না। চালক: ক্ষমা চান ভাই, আর হবে না। পুলিশ: আপনার লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন দেখান। চালক: এই নিন ভাই, সব আপডেটেড। পুলিশ: কাগজ ঠিক আছে, তবে আপনি নিয়ম ভেঙেছেন। চালক: একটু ছাড় দিন ভাই, জরিমানা না কেটে একটা ওয়ার্নিং দিন। পুলিশ: হেলমেট ছাড়া দুর্ঘটনা হলে কী হতে পারে ভেবেছেন? চালক: সত্যি বলছি, বুঝে গেছি। পুলিশ: এই জায়গাটা স্কুলের কাছাকাছি, আরো সাবধান থাকা দরকার। চালক: ঠিক বলছেন, আমি ভবিষ্যতে খেয়াল রাখব। পুলিশ: আজকে কাগজ রাখছি না, কিন্তু পরের বার হলে মামলা করব। চালক: ধন্যবাদ ভাই, সচেতন করায় কৃতজ্ঞ। পুলিশ: ভালোভাবে চলাচল করলেই সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। চালক: ঠিক কথা, আমি বন্ধুদেরও বলব নিয়ম মানতে। " বন্ধুরা একসঙ্গে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছে,"তুহিন: সবাই কবে ফাঁকা থাকবে বলো তো? রাফি: শুক্রবার থেকে রবি পর্যন্ত আমি ফ্রি। নিশাত: আমি তো টিউশনি করি, শুক্রবার বিকেল ছাড়া সময় নেই। সাদিয়া: তাহলে শুক্রবার সকালেই বের হওয়া যায় না? তুহিন: কোথায় যাবো এবার? রাফি: সিলেট ঘুরতে চল, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার মতো জায়গা। নিশাত: আমি আগে যাইনি, সিলেট চল। সাদিয়া: বাজেট ঠিক করতে হবে। তুহিন: যদি ৩৫০০–৪০০০ টাকার মধ্যে রাখি? রাফি: ট্রেন ধরলে খরচ কম হবে। নিশাত: হোটেলের বুকিং কে করবে? সাদিয়া: আমি অনলাইনে দেখে বুক করতে পারি। তুহিন: টিফিন-পানির ব্যবস্থা করব নিজে থেকে। রাফি: গাইড দরকার হবে? সাদিয়া: না, গুগল ম্যাপেই চলে যাবে। নিশাত: ছবি তুলতে দেরি করো না কিন্তু! রাফি: আমি ক্যামেরা নিয়ে আসব। তুহিন: তাহলে শুক্রবার সকাল ৬টায় স্টেশনে দেখা? সবাই: ঠিক আছে! ঘুরতে চল এবার! " ছাত্র ও ক্যারিয়ার পরামর্শদাতার মধ্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা,"ছাত্র: স্যার, আমি ভবিষ্যতে কী করব বুঝতে পারছি না। পরামর্শদাতা: কোন বিষয়ে অনার্স করছো? ছাত্র: ইংরেজি সাহিত্যে। পরামর্শদাতা: পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কেমন? ছাত্র: সাহিত্য ভালো লাগে, কিন্তু চাকরির চিন্তাও করি। পরামর্শদাতা: শিক্ষকতা কি ভাবছো? ছাত্র: ভাবি, কিন্তু কম্পিটিশন অনেক বেশি। পরামর্শদাতা: অনুবাদ বা কনটেন্ট রাইটিং ট্রাই করেছো? ছাত্র: একটু-আধটু ব্লগ লিখি। পরামর্শদাতা: তাহলে সেটাকেই পেশা বানাতে পারো। ছাত্র: আয় কি হয় এসব থেকে? পরামর্শদাতা: ফ্রিল্যান্সিং বা রিমোট জব করে মাসে ৩০–৪০ হাজার সম্ভব। ছাত্র: কীভাবে শুরু করব? পরামর্শদাতা: ভালো প্রোফাইল তৈরি করো, কিছু কাজ ফ্রি করেও পোর্টফোলিও বানাও। ছাত্র: তাহলে অনার্সের সঙ্গে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি? পরামর্শদাতা: একদম ঠিক পথ। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, মনে হচ্ছে একটা দিশা পেলাম। পরামর্শদাতা: আর যদি লেখালেখিতে আগ্রহ থাকে, বই লিখতেও পারো। ছাত্র: আমি চেষ্টা করব নিয়মিত লেখার। পরামর্শদাতা: সাহস রাখো, নিজের শক্তি খুঁজে বের করো।" মা ও ছেলের মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহারের অতিরিক্ততা নিয়ে কথা,"মা: রাহুল, সারাদিন মোবাইল নিয়ে বসে থাকো কেন? ছেলে: না মা, শুধু ইউটিউব দেখছিলাম একটু। মা: একটু নয়, সকাল থেকে দুপুর পেরিয়ে গেছে। ছেলে: কী করব বলো, বাইরে যাওয়ার মত কিছু নেই। মা: বই পড়া, আঁকা, এমনকি একটু হেঁটে আসতেও পারো। ছেলে: আজকে একটু মাথা ধরেছিল, তাই বসে ছিলাম। মা: আমি বুঝি না নাকি, মোবাইলেই খেলছিলে। ছেলে: আচ্ছা মা, ঠিক আছে, এখন রাখছি। মা: তুমি তো আগে খুব গল্পের বই পড়তে, এখন সব ভুলে গেছো। ছেলে: এখনকার বইগুলো ভালো লাগে না আর। মা: তাহলে লাইব্রেরি থেকে নতুন বই নিয়ে আসো। ছেলে: লাইব্রেরি এখন খোলা তো? মা: হ্যাঁ, আমি গত সপ্তাহেই গিয়েছিলাম। ছেলে: ঠিক আছে, আগামীকাল যাই। মা: মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার তোমার ঘুমেও প্রভাব ফেলছে। ছেলে: হ্যাঁ মা, আমিও টের পাচ্ছি। মা: রাতে একঘণ্টা আগে মোবাইল বন্ধ করে দেবে। ছেলে: ঠিক আছে, তুমি আমার জন্য একটা নতুন বই দিও। মা: আমি “পথের পাঁচালী” আনব, পড়েছো? ছেলে: না মা, শুনেছি কিন্তু পড়া হয়নি। মা: তাহলে এটা দিয়েই শুরু করো। " বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: রাশেদ, তোমার গ্রুপ প্রজেক্টের আপডেট কোথায়? শিক্ষার্থী: স্যার, আমরা ডেটা কালেকশন শেষ করেছি। শিক্ষক: ভালো, এনালাইসিস শুরু করেছো? শিক্ষার্থী: স্যার, সেটা নিয়েই একটু দ্বিধায় আছি। শিক্ষক: কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করছো? শিক্ষার্থী: SPSS ভাবছিলাম, কিন্তু Excel দিয়েই শুরু করেছি। শিক্ষক: SPSS শেখা থাকলে ওটাই ভালো। শিক্ষার্থী: আমি চেষ্টা করছি YouTube দেখে শেখার। শিক্ষক: প্রয়োজনে ল্যাবে এসে হেল্প নাও। শিক্ষার্থী: স্যার, আমরা কি মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লাই করতে পারি? শিক্ষক: বিষয়টা যদি প্রাসঙ্গিক হয়, অবশ্যই। শিক্ষার্থী: তাহলে Random Forest বা Decision Tree চেষ্টা করব। শিক্ষক: তুমিই কি কোডিং করছো? শিক্ষার্থী: না স্যার, আমাদের দলে ফারহান ওটা দেখছে। শিক্ষক: গ্রুপ ওয়ার্কে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করো। শিক্ষার্থী: স্যার, রিপোর্টের ফরম্যাটটা দিতে পারবেন? শিক্ষক: হ্যাঁ, আমি আজ ক্লাসে আপলোড করব। শিক্ষার্থী: স্যার, Viva কবে হতে পারে? শিক্ষক: আগামী সপ্তাহে। প্রস্তুত থাকো। শিক্ষার্থী: ধন্যবাদ স্যার, আমরা সিরিয়াসলি নিচ্ছি। শিক্ষক: ভালো, সৎভাবে কাজ করো, ফলাফল আসবেই।" বন্ধুদের মধ্যে নতুন সিনেমা নিয়ে আলোচনা,"সুমন: দোস্ত, “জয়া” সিনেমাটা দেখেছিস? রিজভী: না ভাই, সবাই বলতেছে অনেক ভালো। সুমন: আমি গতকাল দেখলাম, অসাধারণ কাহিনি। রিজভী: অ্যাকশন নাকি ইমোশনধর্মী? সুমন: মিশ্র, কিন্তু অভিনয়টাই সবকিছু ছাপিয়ে গেছে। রিজভী: হিরো কে? সুমন: তানভীর রফিক। এবার একদম অন্যরকম লুকে। রিজভী: টিকিট পাওয়া যায়? সুমন: অনলাইনে আগে বুক করেই নিস। রিজভী: তোরা সবাই গিয়েছিলি? সুমন: আমি, রাজু, শাওন — আমরা তিনজন। রিজভী: আমাকে ডাকলি না কেন? সুমন: হঠাৎ প্ল্যান করছিলাম, তোর মনে ছিল না মনে হয়। রিজভী: ঠিক আছে, চল এই শুক্রবার একসাথে যাই। সুমন: ঠিক আছে, আমি ৩টা শো দেখি। রিজভী: সিনেমার গান কেমন? সুমন: দারুণ, একটা গান এখনই ট্রেন্ডিংয়ে। রিজভী: আমি ইউটিউবে শুনি এখনই। সুমন: শোন, আর এরপর তোকে ট্রিট দিতে হবে!" ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে নিয়মিত ওষুধ না খাওয়ার কারণে সমস্যা,"ডাক্তার: আপনি গতবারের রিপোর্টগুলো নিয়ে এসেছেন তো? রোগী: হ্যাঁ ডাক্তার সাহেব, এই নিন। ডাক্তার: প্রেসার একটু বেশি দেখা যাচ্ছে। রোগী: হ্যাঁ, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরে। ডাক্তার: আপনি কি নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন? রোগী: আসলে... মাঝে মাঝে বাদ পড়ে যায়। ডাক্তার: এটা তো ঠিক না। নিয়ম না মানলে প্রেসার কন্ট্রোল হবে না। রোগী: আমি চেষ্টা করি, কিন্তু ভুলে যাই। ডাক্তার: মোবাইলে রিমাইন্ডার সেট করে নিন। রোগী: ভালো পরামর্শ, করব এখন থেকেই। ডাক্তার: ডায়েটও ঠিক রাখছেন তো? রোগী: হ্যাঁ, লবণ কম খাচ্ছি। ডাক্তার: হাঁটা হচ্ছে প্রতিদিন? রোগী: সকালে ২০ মিনিট হাঁটি। ডাক্তার: খুব ভালো। পানিও পর্যাপ্ত খাবেন। রোগী: রাতে একটু ঘুম কম হয়। ডাক্তার: ওষুধে পরিবর্তন আনব, এতে ঘুম আসবে। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব, আমি এবার থেকে নিয়ম মেনে চলব। ডাক্তার: ভালো থাকবেন, ১ মাস পর আবার দেখা করুন।" চাকরিপ্রার্থীর ইন্টারভিউ প্রস্তুতি নিয়ে পরামর্শ চাচ্ছে বড় ভাইয়ের কাছে,"সোহান: ভাইয়া, আগামী সপ্তাহে একটা ইন্টারভিউ আছে। ভাই: বাহ, খুব ভালো খবর! কোন কোম্পানি? সোহান: ব্র্যাক ব্যাংক, জুনিয়র অফিসার পজিশন। ভাই: তুমি কি প্রস্তুতি নিচ্ছো? সোহান: নিচ্ছি, কিন্তু নার্ভাস লাগছে। ভাই: প্রথমেই আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। সোহান: ভাইয়া, কী ধরণের প্রশ্ন করতে পারে? ভাই: তোমার CV ভালোভাবে জানো তো? সোহান: হ্যাঁ, সব ফরম্যাট রেডি আছে। ভাই: ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে কিছু রিসার্চ করো। সোহান: হ্যাঁ, ওদের ওয়েবসাইট দেখেছি। ভাই: সময় নিয়ে ইংরেজি প্রশ্নোত্তর প্র্যাকটিস করো। সোহান: ভাইয়া, গ্রুপ ডিসকাশনও নাকি হয়? ভাই: হয় অনেক সময়, সেখানে যুক্তিপূর্ণ কথা বলতে হয়। সোহান: জামাকাপড় কেমন পরা উচিত? ভাই: ফরমাল শার্ট, কালো প্যান্ট, ক্লিন শু। সোহান: ধন্যবাদ ভাইয়া, এখন অনেক আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। ভাই: তুমি পারবে ভাই, শুধু নিজেকে শান্ত রাখো। সোহান: ভাইয়া, তুমি যদি সময় পাও, একদিন আমাকে রিহার্সাল নাও। ভাই: নিশ্চয়ই, আগামী শুক্রবার প্র্যাকটিস করব আমরা।" বাবা ও মেয়ের মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা,"বাবা: অনু, তুমি কী ভাবছো মাস্টার্স করবে নাকি চাকরি শুরু করবে? মেয়ে: বাবা, আমি আসলে মাস্টার্স করতে চাই। বাবা: দেশেই করবে, না বিদেশে যেতে চাও? মেয়ে: বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা আছে, কিন্তু স্কলারশিপ ছাড়া কঠিন। বাবা: স্কলারশিপের জন্য পরীক্ষা দিয়েছো কিছু? মেয়ে: হ্যাঁ, GRE ও IELTS এর প্রস্তুতি নিচ্ছি। বাবা: ভালো কথা, কোচিং নিচ্ছো কোথাও? মেয়ে: না, ইউটিউব আর অনলাইন ম্যাটেরিয়ালেই চালাচ্ছি। বাবা: যতটুকু দরকার হয়, বলো আমাকে, আমি সাহায্য করব। মেয়ে: তোমার সাপোর্ট পেলে আমি অনেক কনফিডেন্ট ফিল করি। বাবা: আমার মেয়েকে আমি সেরা জায়গায় দেখতে চাই। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা। তুমি কি কোনো দেশে পাঠাতে চাও? বাবা: কানাডা বা নেদারল্যান্ডস — সেফ আর কোয়ালিটি এডুকেশন। মেয়ে: আমি ওসব দেশেই অ্যাপ্লাই করার কথা ভাবছি। বাবা: খরচাপাতির হিসেব করে রেখেছো? মেয়ে: মোটামুটি। স্কলারশিপ পেলে manageable হবে। বাবা: তুমি এখনো সময় পাও, SOP এর উপর মনোযোগ দাও। মেয়ে: হ্যাঁ, আমি খসড়া রেডি করেছি, তুমি পড়ে দেখতে পারো? বাবা: অবশ্যই, আজ রাতেই পড়ে মন্তব্য দেব। মেয়ে: বাবা, আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। বাবা: তুই আমার মেয়ে, এগিয়ে যাও — পাশে সবসময় আছি।" রেস্টুরেন্টে গ্রাহক ও ওয়েটারের মধ্যে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ,"গ্রাহক: ভাই, একটু আসবেন? ওয়েটার: জী স্যার, বলুন। গ্রাহক: আমার অর্ডার করা চিকেন ফ্রাইটা ঠান্ডা। ওয়েটার: সরি স্যার, আমি চেক করে নিয়ে আসি। গ্রাহক: এটা কি মাইক্রোওয়েভ করা? টেস্টটা কেমন যেন। ওয়েটার: আমি কিচেনে বলে দিচ্ছি, চাইলে নতুনটা দিতে পারি। গ্রাহক: হ্যাঁ, দয়া করে একটা ফ্রেশ অর্ডার দিন। ওয়েটার: ঠিক আছে স্যার, পাঁচ মিনিট সময় লাগবে। গ্রাহক: আমার সাথে ছোট বাচ্চা আছে, একটু তাড়াতাড়ি দিলে ভালো হয়। ওয়েটার: বুঝতে পারছি স্যার, আমি দ্রুত পাঠিয়ে দিচ্ছি। গ্রাহক: আর, কোল্ড ড্রিংকস তো দিয়েছিলেন না। ওয়েটার: ওহ, ভুল হয়ে গেছে, এখনই এনে দিচ্ছি। গ্রাহক: ঠিক আছে, কিন্তু সার্ভিসে মনোযোগ দিন। ওয়েটার: ক্ষমা চাচ্ছি স্যার, পরবর্তীতে এমন হবে না। গ্রাহক: ধন্যবাদ, খাবার ভালো হলে রিভিউ ভালোই দেব। ওয়েটার: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা করছি সন্তুষ্ট রাখতে। " মা ও মেয়ের মধ্যে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা,"মা: নিশা, তোমার জন্য একটা প্রস্তাব এসেছে। মেয়ে: আবার মা? আমি এখনই কিছু ভাবছি না তো। মা: আমি জোর করছি না, শুধু জানাতে বললাম। মেয়ে: ছেলেটা কী করে? মা: আইটি কোম্পানিতে চাকরি করে, ধানমণ্ডিতে থাকে। মেয়ে: সে কি দেশের ভেতরেই থাকবে? মা: এখন আছে, তবে কোম্পানি বিদেশেও প্রজেক্ট পাঠায়। মেয়ে: মা, তুমি কি ব্যক্তিগতভাবে ওকে পছন্দ করো? মা: ছেলে ভদ্র, শিক্ষিত — আরেকটু কথা বলে দেখতে পারো। মেয়ে: আমি যদি না রাজি হই? মা: সেটা তোর সিদ্ধান্ত, আমি চাপ দিব না। মেয়ে: তাহলে ওর সাথে একবার কথা বললেও চলবে? মা: হ্যাঁ, চাইলেই ভিডিও কলে পরিচয় করিয়ে দেব। মেয়ে: এখনো সিদ্ধান্ত না নিলেও কথা বলা যায়। মা: আমি তো সেটাই বলছি, তোর ইচ্ছেটাই মুখ্য। মেয়ে: আচ্ছা মা, আগামী সপ্তাহে একদিন সময় দাও, দেখি। মা: ঠিক আছে মা, ধীরে ধীরে সব ঠিক হবে।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে রাস্তা পারাপারের নিয়ম নিয়ে কথা,"পুলিশ: ভাই, আপনি রাস্তার মাঝে দিয়ে পার হচ্ছেন কেন? পথচারী: ও পাশেই তো যেতে ছিলাম ভাই, ফুটওভার ব্রিজটা অনেক দূর। পুলিশ: কিন্তু নিয়ম ভাঙছেন আপনি। এটা ঝুঁকিপূর্ণ। পথচারী: সময় বাঁচাতেই shortcut নিচ্ছিলাম। পুলিশ: shortcut নিতে গিয়ে দুর্ঘটনা হলে কার দোষ বলবেন? পথচারী: বুঝলাম ভাই, ভুল হয়েছে। পুলিশ: এবার সতর্ক করে দিচ্ছি, কিন্তু ভবিষ্যতে যেন না হয়। পথচারী: আপনি ঠিকই বলেছেন, আমি নজর রাখব। পুলিশ: আরেকটা বিষয়, অনেক শিশু-কিশোর আপনাকে দেখে শেখে। পথচারী: হ্যাঁ ভাই, আমি নিজেই আমার ছেলেকে নিয়ম শেখাই। পুলিশ: তাহলে নিজেও মানতে হবে না? পথচারী: একদম ঠিক, ধন্যবাদ সচেতন করার জন্য। পুলিশ: নাগরিক হিসেবে আমাদের সবার দায়িত্ব। পথচারী: আগামীবার ফুটওভার ব্রিজই ব্যবহার করব। পুলিশ: ভালো থাকেন ভাই, নিরাপদে চলাফেরা করুন।" দুই সহকর্মীর মধ্যে অফিস পলিটিক্স ও টিমওয়ার্ক নিয়ে আলোচনা,"সুমাইয়া: শামীম ভাই, আপনার সঙ্গে একটু কথা বলতে পারি? শামীম: হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। কী হয়েছে? সুমাইয়া: টিমে কিছু বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। শামীম: কেমন সমস্যা? বলো খোলাখুলি। সুমাইয়া: মেহেদী ভাই আমার আইডিয়াগুলো পাশ কাটিয়ে নিজের নামে দিচ্ছেন। শামীম: তুমি ম্যানেজারকে জানাওনি? সুমাইয়া: ভেবেছিলাম অভ্যন্তরীণভাবে ম্যানেজ করব। শামীম: এটা কিন্তু ধারাবাহিক হলে সমস্যার। সুমাইয়া: আমার মনোবলও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শামীম: তুমি সৎভাবে কাজ করো, আমি তোমার পাশে থাকব। সুমাইয়া: আপনার কথা শুনে সাহস পাচ্ছি। শামীম: টিমওয়ার্ক মানে একে অপরকে সাপোর্ট করা। সুমাইয়া: আপনিও কি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন? শামীম: হ্যাঁ, কিন্তু আমি সরাসরি কথাবার্তা বলে সমাধান করেছিলাম। সুমাইয়া: তাহলে কি আমি সরাসরি মেহেদী ভাইকে বলি? শামীম: আগে একবার শান্তভাবে কথা বলো, তারপর দেখো। সুমাইয়া: আচ্ছা ভাই, আমি চেষ্টা করব। শামীম: মনে রেখো, যোগ্যতাই সব সময় স্বীকৃতি পায়।" ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা নিয়ে আলোচনা,"রোগী: ডক্টর সাহেব, আমি নিয়মিত চেকআপ করাই কেন জরুরি? ডাক্তার: ভাই, সুস্থ থাকার জন্য প্রিভেনশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রোগী: বুঝলাম, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে সময় পাই না। ডাক্তার: সময় বের করাই সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট। রোগী: কি ধরনের পরীক্ষা করানো উচিত? ডাক্তার: বয়সের ওপর নির্ভর করে, রক্তচাপ, ব্লাড সুগার, কোলেস্টেরল পরীক্ষা জরুরি। রোগী: এসব পরীক্ষা কত সময় অন্তর করাব? ডাক্তার: কমপক্ষে বছরে একবার। রিস্ক ফ্যাক্টর থাকলে আরও ঘন ঘন। রোগী: আমি তো ধূমপান করি, তাহলে? ডাক্তার: আপনার জন্য তো ডায়াবেটিস, হার্টের ঝুঁকি বেশি। তাই সাবধান। রোগী: ওষুধের পাশাপাশি জীবনযাত্রা পরিবর্তন দরকার? ডাক্তার: একদম ঠিক। ব্যায়াম, সঠিক খাদ্য আর স্ট্রেস কমাতে হবে। রোগী: আমি চেষ্টা করব, আপনি একটু ডায়েট প্ল্যান দেন। ডাক্তার: অবশ্যই, আমি পরে পাঠিয়ে দেব। রোগী: আপনার পরামর্শ খুব কাজে লাগবে। ডাক্তার: সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত চেকআপ এবং সচেতনতা দরকার। রোগী: আজ থেকে আমি সচেতন হব। ধন্যবাদ, ডক্টর সাহেব।" দুই বন্ধুর মধ্যে টেকনোলজি ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিয়ে মতবিনিময়,"রাহুল: আরিফ, আজকাল তুমি অনেক সময় ফোনে কাটাও, সোশ্যাল মিডিয়ায়? আরিফ: হ্যাঁ, বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ আর নেটফ্লিক্স দেখার জন্য। রাহুল: কিন্তু অতিরিক্ত সময় নষ্ট হয়, কাজ কম হয়। আরিফ: হ্যা, কিন্তু একটু স্ট্রেস রিলিফের জন্য দরকার। রাহুল: আমি চেষ্টা করি সময় ভাগ করে নিতে, বেশি ফোন ব্যবহার না করতে। আরিফ: এটা ভালো অভ্যাস। রাহুল: তুমি কি জানো, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ফেক নিউজও ছড়ায়? আরিফ: তাই তো, আমি সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। রাহুল: ভালো তথ্য পেতে অফিসিয়াল সোর্স দেখতে হয়। আরিফ: তুমি কোন প্ল্যাটফর্ম বেশি ব্যবহার করো? রাহুল: ফেসবুক আর লিংকডইন বেশি, কাজের জন্য। আরিফ: আমি ইনস্টাগ্রাম বেশি, ছবি ও মজার ভিডিও দেখার জন্য। রাহুল: সময় নিয়ন্ত্রণ করলেই ভালো। আরিফ: ঠিক বলেছো, আমি আজ থেকে একটু কমাব। রাহুল: চলো, আগামী সপ্তাহে একটা ডিজিটাল ডিটক্স করি। আরিফ: চমৎকার আইডিয়া, আমার সঙ্গে থেকো।" স্কুল শিক্ষকের সঙ্গে অভিভাবকের কনফারেন্স — ছাত্রের আচরণ নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: স্বাগতম, আম্মু ভাই, আজকের কনফারেন্সে। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, কী ব্যাপারে কথা বলবেন? শিক্ষক: আপনার ছেলে রিয়াজের আচরণ নিয়ে কিছু আলোচনা দরকার। অভিভাবক: কী সমস্যা? আমি বুঝতে চাই। শিক্ষক: ক্লাসে অনেক সময় মনোযোগ কম দেয়, গেমের কথায় বেশি মনোযোগী। অভিভাবক: ওকে আমি সতর্ক করব। শিক্ষক: কিছু সময় হুমকি দেয়, যা অন্যদের জন্য খারাপ উদাহরণ। অভিভাবক: আমি ওর সাথে আলোচনা করব, বুঝিয়ে বলব। শিক্ষক: ওর মেধা ভালো, একটু মনোযোগ দিলে ভালো ফলাফল করবে। অভিভাবক: স্যার, বাড়িতে আমি সময় দিয়ে পড়াশোনা করানোর চেষ্টা করি। শিক্ষক: এটা চালিয়ে যান, কিন্তু স্কুলেও মনোযোগ দিতে হবে। অভিভাবক: আপনার কোনো পরামর্শ? শিক্ষক: নিয়মিত হোমওয়ার্ক চেক করুন, ওকে উৎসাহ দিন। অভিভাবক: আমি করব, স্যার। ধন্যবাদ আপনার যত্নের জন্য। শিক্ষক: আমরা মিলেই ওর উন্নতি নিশ্চিত করব।" দোকানদার ও ক্রেতার মধ্যে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের গুণগত মান নিয়ে আলোচনা,"ক্রেতা: ভাই, এই মোবাইল ফোনের গ্যারান্টি কতদিনের? দোকানদার: স্যার, এক বছর। আর ওয়ারেন্টি সার্ভিস আমাদের শোরুমে পাবেন। ক্রেতা: আমি শুনেছি কিছু ব্র্যান্ডের ফোন গ্যারান্টি সত্ত্বেও সমস্যা হয়। দোকানদার: সেটা সবার ক্ষেত্রে হয় না, কিন্তু যত্ন নিতে হয়। ক্রেতা: ফোনের ক্যামেরার মান কেমন? দোকানদার: এই মডেলটির ক্যামেরা বেশ ভালো, রাতের ফটোও পরিষ্কার হয়। ক্রেতা: ব্যাটারি কতদিন চলে? দোকানদার: এক চার্জে গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ। ক্রেতা: ফোনের স্পীড কেমন? গেম খেলতে পারবে? দোকানদার: হ্যাঁ, র‍্যাম ৮ গিগাবাইট, হাইএন্ড গেমসও ভালো চলে। ক্রেতা: দামটা একটু কমানো যায়? দোকানদার: আজকাল অফার চলছে, ডিসকাউন্ট দেবো। ক্রেতা: তো একদম ঠিকঠাক লাগলে কিনবো। দোকানদার: নিশ্চয়, আপনার সাড়ায় অপেক্ষা করছি। ক্রেতা: ধন্যবাদ, একটু সময় দিয়ে ভাবছি। দোকানদার: ভালো সিদ্ধান্ত, যখন চান আসবেন।" দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পার্শ্ববর্তী পরিবেশ সমস্যা নিয়ে কথা,"আনোয়ার: মোশাররফ ভাই, গতকাল রাতের আওয়াজ দেখে ঘুম হল না। মোশাররফ: হ্যা, আমারো সমস্যা, পাশের বাসা থেকে প্রচণ্ড গান বাজছিল। আনোয়ার: কখনো পুলিশকে জানাবেন? মোশাররফ: ভেবেছি, আগে কথা বলে দেখব। আনোয়ার: ভালো হয়, সমঝোতা করলে ঝামেলা কমে। মোশাররফ: গতবার বললাম, অল্প সময়ের জন্য বাজাবেন বলে। আনোয়ার: কিন্তু সময়মতো তারা মানেনি? মোশাররফ: তাই তো সমস্যা বাড়ছে। আনোয়ার: আমাদের অবশ্যই পরিবেশের কথা ভাবতে হবে। মোশাররফ: ঠিক বলেছো, ছোট ছোট শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা জরুরি। আনোয়ার: পরেরবার সবাই মিলে মিটিং করি। মোশাররফ: দারুণ আইডিয়া, সবাইকে বোঝানো সহজ হবে। আনোয়ার: ধন্যবাদ ভাই, শান্তি বজায় রাখতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। মোশাররফ: একদম সঠিক, চল এই বিষয়টায় মনোযোগ দিই। " অফিস কলিগদের মধ্যে টিমওয়ার্ক ও কাজের চাপ নিয়ে আলোচনা,"সোহেল: আজকের কাজের চাপ বেশ বেশি, তাই না? মাহমুদ: হ্যাঁ, প্রকল্পের ডেডলাইন খুব কাছাকাছি। সোহেল: টিমের সবাই কি ঠিকঠাক কাজ করছে? মাহমুদ: কিছু কর্মী সময়মতো কাজ করছে না বলে সমস্যা হচ্ছে। সোহেল: ওদের সাথে কথা বলা দরকার, টিমওয়ার্ক ভালো করতে হবে। মাহমুদ: আমি আজকে মিটিং ঠিক করেছি, সবাইকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেব। সোহেল: চাপ কমাতে পারলে কাজের গুণগত মানও বাড়বে। মাহমুদ: একদম ঠিক, সবাই মিলে কাজ করলে সাফল্য নিশ্চিত। সোহেল: তোমার জন্য কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হলে জানিও। মাহমুদ: ধন্যবাদ, সোহেল, তোমার সহায়তা খুব প্রয়োজন। সোহেল: একসাথে কাজ করলে সমস্যা সহজে সমাধান হয়। মাহমুদ: আজকের মিটিংয়ে সবাইকে উৎসাহিত করব। সোহেল: ভালো হবে, কাজের পরিবেশও উন্নত হবে। মাহমুদ: কাজের চাপ কমাতে বিরতি নেওয়াও জরুরি। সোহেল: হ্যাঁ, শরীর আর মন ভালো রাখতে সেটাও দরকার। মাহমুদ: চল, আজকের কাজ শেষ করে একটু বিশ্রাম নেই। " একজন বাবা ও কন্যার মধ্যে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা,"বাবা: কন্যা, তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? কন্যা: বাবা, আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাই। বাবা: খুব ভালো, কোন শাখা তুমি পছন্দ করো? কন্যা: কম্পিউটার সায়েন্সে আমার আগ্রহ বেশি। বাবা: তোমার মায়ের সাথে আলোচনা করে আমরা ব্যবস্থা নেব। কন্যা: ধন্যবাদ বাবা, আপনার সমর্থন পেলে সাহস পাই। বাবা: অবশ্যই, আমরা সবসময় তোমার পাশে আছি। কন্যা: আমি চাই দেশের উন্নয়নে কিছু করব। বাবা: সেই মনোভাব খুবই প্রশংসনীয়। কন্যা: পড়াশোনায় ভালো ফলাফল করার চেষ্টা করব। বাবা: পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য দক্ষতাও অর্জন করো। কন্যা: আমি কোডিং, ইংরেজি ও সফট স্কিল শেখার চেষ্টা করব। বাবা: সত্যিই, এসব তোমার ক্যারিয়ারে বড় সাহায্য করবে। কন্যা: বাবা, আমি আপনার কাছে ভালো পরামর্শ চাই। বাবা: সময় মতো তোমাকে গাইড করব, চিন্তা করো না। কন্যা: আপনাদের দোয়া ও আশীর্বাদ চাই। বাবা: তোমার সফলতা আমাদের আনন্দ।" দুই বন্ধুর মধ্যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আলোচনা,"মাহিদ: বন্ধু, তুমি কি এখন আর বেশি ফাস্ট ফুড খাও না? সুমন: হ্যাঁ, এখন চেস্টা করি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে। মাহিদ: সেটাই ভালো, সুস্থ থাকার জন্য দরকার। সুমন: আমি এখন বেশি শাক-সবজি আর ফল খাই। মাহিদ: এবং পানি খাওয়ার পরিমাণ বাড়াও। সুমন: সে ব্যাপারেও সচেতন হয়েছি। মাহিদ: জাংক ফুড কম খাও, সেটা শরীরের জন্য খারাপ। সুমন: তোমার কথা একদম সত্যি। মাহিদ: সকালের নাস্তা ঠিকমতো করো। সুমন: হ্যাঁ, সেটাই আমি চেষ্টা করছি। মাহিদ: খাবারে বেশি লবণ আর তেল এড়িয়ে চলো। সুমন: সেক্ষেত্রে আমার ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মাহিদ: বন্ধু, নিয়মিত ব্যায়াম করো, সেটা খুব জরুরি। সুমন: ব্যায়াম আর খাদ্য, দুটোই সুস্থ থাকার মূল। মাহিদ: একসঙ্গে করলে জীবনযাত্রা ভালো হবে। সুমন: ধন্যবাদ বন্ধু, তোমার পরামর্শ খুব কাজে লাগল। " গৃহিণী ও দোকানদারের মধ্যে বাজার করার সময় দাম নিয়ে কথা,"গৃহিণী: ভাই, এই টমেটোর দাম কত? দোকানদার: আজ টমেটোর দাম ৪০ টাকা কেজি। গৃহিণী: একটু কমানো যায়? দোকানদার: সেজন্য একটু দাম বাড়ছে, কিন্তু আপনি বেশি নিলে কমাই। গৃহিণী: আমি ২ কেজি নেবো, কম করে দেন তো? দোকানদার: ৭৫ টাকা করে দুই কেজি দিবো। গৃহিণী: ঠিক আছে, এই দাম নেয়া যাক। দোকানদার: আর কি লাগবে? গৃহিণী: আলু ও পেঁয়াজ কত? দোকানদার: আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজি। গৃহিণী: ১ কেজি আলু আর ১ কেজি পেঁয়াজ দিলেন। দোকানদার: দিচ্ছি, অন্যদিন এসে নেবেন বেশি। গৃহিণী: অবশ্যই, ভালো দাম দিলে আবার আসব। দোকানদার: ধন্যবাদ আপু, ভালো থাকবেন। গৃহিণী: আপনাকেও ভালো থাকুন।" কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রকল্প নিয়ে মতবিনিময়,"রিমা: তোমাদের প্রকল্পের জন্য কোন টপিক পছন্দ করেছো? সোহান: আমি পরিবেশ দূষণ নিয়ে কাজ করতে চাই। রিমা: ভালো, আমি চাই পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর ওপর। সোহান: তাহলে আমাদের প্রকল্পে পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতার উপায় থাকবে। রিমা: হ্যাঁ, আমরা গবেষণা করে তথ্য সংগ্রহ করব। সোহান: আমি কিছু ভিডিও ও প্রেজেন্টেশন তৈরি করব। রিমা: আমি আর্টিকেল লিখব আর প্রশ্নমালা বানাব। সোহান: এই কাজ ভাগাভাগি করলে ভালো হবে। রিমা: ঠিক বলেছো, সময়মতো মিটিং করতে হবে। সোহান: আমি কাল থেকে শুরু করব ডেটা সংগ্রহ। রিমা: আমি গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদেরও জানাব। সোহান: আমাদের প্রকল্প ভালো হলে অনেক নম্বর পাবো। রিমা: একদম, এবং সমাজেও একটা বার্তা যাবে। সোহান: চল, আমরা একসাথে কাজ শুরু করি। রিমা: হ্যাঁ, সফল হবো ইনশাল্লাহ।" মা ও মেয়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা,"মা: তুমি কি প্রতিদিন অনেকক্ষণ ফোনে থাকো? মেয়ে: মা, এটা আমার বন্ধুদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। মা: ঠিক আছে, কিন্তু বেশি সময় ফোনে থাকলে চোখে সমস্যা হতে পারে। মেয়ে: হ্যাঁ, মা, আমি সচেতন হয়েছি, একটু করে সময় কমানোর চেষ্টা করছি। মা: ফোন ছাড়া অন্য কাজে তোমার সময় কেমন যাচ্ছে? মেয়ে: পড়াশোনা আর খেলার জন্যও সময় দিই। মা: খুব ভালো, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগে সাবধান হও। মেয়ে: হ্যাঁ মা, আমি প্রাইভেসি সেটিংস ঠিক রাখি। মা: অপরিচিত কারো সাথে খুব বেশি কথা বলবে না। মেয়ে: বুঝেছি, মা, সতর্ক থাকব। মা: পরিবারের সবার সঙ্গে বেশি সময় কাটাও। মেয়ে: হ্যাঁ মা, সেটা আমার ও ভালো লাগে। মা: তোমার বন্ধুরাও ভালো? মেয়ে: বেশিরভাগই, কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু ঝগড়াও হয়। মা: সম্পর্ক ভালো রাখতে চেষ্টা করো। মেয়ে: আমি চেষ্টা করি, মা। মা: সামাজিক মাধ্যম ভালো কাজে ব্যবহার করো। মেয়ে: অবশ্যই মা, ভালো কিছু শিখার জন্যও ব্যবহার করি। মা: আল্লাহ তোমাকে ভালো রাখুক, বউড়া। " দুই শিক্ষক শিক্ষার্থী পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আজকের ক্লাসে তোমার পারফরম্যান্স কেমন ছিল? ছাত্র: স্যার, চেষ্টা করেছিলাম, তবে কিছু সমস্যা হলো। শিক্ষক: কোন বিষয়গুলোতে সমস্যা হয়েছে? ছাত্র: গণিতে কিছু জটিলতা ছিল। শিক্ষক: তোমার কি অতিরিক্ত সাহায্যের প্রয়োজন? ছাত্র: হ্যাঁ, আমি রিভিশন ক্লাস নিতে চাই। শিক্ষক: অবশ্যই, আমি সপ্তাহে দু’দিন অতিরিক্ত ক্লাস নেব। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, এতে অনেক সাহায্য হবে। শিক্ষক: নিয়মিত পড়াশোনা করো, অসুবিধা দূর হবে। ছাত্র: আমি প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা পড়ার চেষ্টা করব। শিক্ষক: ভালো, তুমি কি গোষ্ঠী শিক্ষায় অংশ নাও? ছাত্র: হ্যাঁ, কিছু বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডি করি। শিক্ষক: সেটা খুব ভালো, সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনা করো। ছাত্র: স্যার, আপনি কি কোন অতিরিক্ত রিসোর্স দেবেন? শিক্ষক: আমি কিছু নোট ও ভিডিও লিঙ্ক শেয়ার করব। ছাত্র: দারুণ, স্যার, আমি প্রস্তুতি নেব। শিক্ষক: তোমার সফলতা আমাদের গর্বের বিষয়। ছাত্র: আমি চেষ্টা করব স্যার।" দোকানদার ও ক্রেতার মধ্যে নতুন মোবাইল ফোন কেনা নিয়ে আলোচনা,"ক্রেতা: ভাই, এই মোবাইল ফোনটির দাম কত? দোকানদার: সেটির দাম ১৫ হাজার টাকা। ক্রেতা: ক্যামেরার মান কেমন? দোকানদার: ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা আছে, ভালো ছবি তোলে। ক্রেতা: ব্যাটারি কতক্ষণ চলে? দোকানদার: ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, পুরো দিন চলবে। ক্রেতা: ফোনের মেমরি কত? দোকানদার: ৬৪ গিগাবাইট স্টোরেজ আর ৪ গিগাবাইট র‌্যাম। ক্রেতা: রঙের অপশন কি কি? দোকানদার: কালো, সাদা, আর নীল রঙে পাওয়া যায়। ক্রেতা: ওয়্যারেন্টি কতদিনের? দোকানদার: এক বছর অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি। ক্রেতা: আমি কালো রঙের চাই, দাম কমানো সম্ভব? দোকানদার: দাম তো ফিক্সড, তবে ফ্রি কেস আর স্ক্রিন গার্ড দিব। ক্রেতা: ঠিক আছে, তাই নেবো। দোকানদার: ভালো সিদ্ধান্ত, এখানে বিল ও গিফট প্যাকেজ। ক্রেতা: ধন্যবাদ ভাই, ভাল সার্ভিসের জন্য। দোকানদার: আপনাকে ধন্যবাদ, ফিরে আসবেন আবার।" বাবা ও ছেলের মধ্যে পড়াশোনা ও সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: ছেলে, তুমি কি পড়াশোনায় মনোযোগ দিচ্ছো? ছেলে: বাবা, চেষ্টা করি তবে মাঝে মাঝে সময় কম হয়। বাবা: সময় ঠিকমতো ভাগ করে নিতে হবে। ছেলে: আমি এখন স্কুলের পরে একটু ফ্রি সময় পাই। বাবা: ফ্রি সময়টাও পড়াশোনায় ব্যয় করো। ছেলে: আমি চেষ্টা করব, বাবা। বাবা: স্মার্ট ফোন আর গেমিংয়ে বেশি সময় নিও না। ছেলে: হ্যাঁ বাবা, আমি বুঝেছি। বাবা: তোমার কি কোন নির্দিষ্ট বিষয় কঠিন লাগে? ছেলে: গণিত একটু কঠিন মনে হয়। বাবা: ভালো, তাহলে বাড়িতে তোমাকে সাহায্য করব। ছেলে: ধন্যবাদ বাবা, আপনি থাকলে সাহস পাই। বাবা: নিয়মিত পড়াশোনা করলে সব ঠিক হয়ে যাবে। ছেলে: আমি সময়মতো পড়ার চেষ্টা করব। বাবা: তোমার ভবিষ্যৎ তোমার হাতে, ভালোভাবে কাজ করো। ছেলে: বুঝেছি বাবা, আমি লেগে থাকব। বাবা: আল্লাহ তোমাকে সফল করুক।" দুই শিক্ষার্থী ক্লাস প্রোজেক্টের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"আলিম: তোমাদের প্রোজেক্টের অগ্রগতি কেমন? নীল: বেশ ভালো চলছে, আমরা ডেটা সংগ্রহ করছি। আলিম: তোমরা কোন অংশের দায়িত্ব নিয়েছো? নীল: আমি রিপোর্ট লেখার দায়িত্ব নিয়েছি। আলিম: আর আমি প্রেজেন্টেশনের দায়িত্ব নিয়েছি। নীল: সুতরাং, সময়মতো কাজ শেষ করতে হবে। আলিম: অবশ্যই, এই সপ্তাহেই প্র্যাকটিস শুরু করব। নীল: তোমার কি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে? আলিম: না, শুধু সময়মতো সমন্বয় করা একটু চ্যালেঞ্জিং। নীল: আমরা নিয়মিত মিটিং করে নিলেই সমস্যা হবে না। আলিম: ঠিক বলেছো, আমি আগামীকাল তোমার সাথে দেখা করব। নীল: ভালো, আমি তোমার জন্য কিছু রিসোর্স দিয়ে রাখব। আলিম: খুব ভালো, একসাথে কাজ করলে ভালো ফলাফল আসবে। নীল: ইনশাল্লাহ, সফল হবো আমরা। আলিম: আল্লাহ আমাদের সাহায্য করুক। " বাবা-মা ও সন্তানদের স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: শুনেছো, আগামী মাসে স্কুলে বার্ষিক অনুষ্ঠান হবে। মা: হ্যাঁ, আমাকে শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। ছেলে: আমি অনুষ্ঠানে পারফরম্যান্স করব, বাবা। বাবা: বাহ, কী ধরনের পারফরম্যান্স? ছেলে: আমি নাটকে অভিনয় করব। মা: তুমি প্রস্তুতি শুরু করেছো? ছেলে: হ্যাঁ, ক্লাসের পরে রিহার্সাল করি। বাবা: তোমাদের জন্য পোশাকের ব্যবস্থা হবে? মা: আমি পোশাকের দোকানে আজই যাবো। ছেলে: অনুষ্ঠান দেখতে বাবা-মাও আসবে? বাবা: নিশ্চয়ই, আমরা সবাই যাবো। মা: তুমি অনেক ভালো কাজ করবে, আমি বিশ্বাস করি। ছেলে: ধন্যবাদ মা, আমি পরিশ্রম করছি। বাবা: পরিশ্রম করো, ভালো ফলাফল আসবে। মা: অনুষ্ঠান শেষে আমরা একসাথে বাইরে যাবো। ছেলে: দারুণ, আমি খুব উত্তেজিত! বাবা: তোমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে জানিও। ছেলে: হ্যাঁ বাবা, আমি তোমাদের সাহায্য চাইবো। মা: ভালো, সবাই মিলে সুন্দর অনুষ্ঠান করবো। " চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ,"ডাক্তার: আপনি কী ধরনের সমস্যা নিয়ে এসেছেন? রোগী: গত সপ্তাহ থেকে মাথাব্যথা ও জ্বর আছে। ডাক্তার: আপনার অন্যান্য কোনো সমস্যা আছে কি? রোগী: না, শুধু মাঝে মাঝে গলাব্যথাও হয়। ডাক্তার: আমরা কিছু পরীক্ষা করব, তারপর ওষুধ দেব। রোগী: কতদিন ওষুধ খেতে হবে? ডাক্তার: সাত দিন নিয়মিত খেতে হবে। রোগী: ডায়েট নিয়ে কি কিছু বিশেষ নির্দেশনা? ডাক্তার: বেশি তেল-মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। রোগী: পর্যাপ্ত বিশ্রাম কতটা জরুরি? ডাক্তার: খুব জরুরি, প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুম নিন। রোগী: ব্যায়াম করা যাবে? ডাক্তার: না, এই সময়ে বিশ্রাম করাই ভালো। রোগী: আমি যদি খারাপ অনুভব করি, কী করব? ডাক্তার: অবিলম্বে আবার আসবেন। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তর, আমি আপনার কথা মনে রাখব। ডাক্তার: সুস্থ থাকুন, আমি সাহায্য করব। " দুই বন্ধুর মধ্যে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা,"রিফাত: তুমি কি ভাবছো চাকরি নেবে নাকি পড়াশোনা করবে? সুমন: আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই, মাস্টার্স করব। রিফাত: কোন বিষয়ে? সুমন: কম্পিউটার সায়েন্সে। রিফাত: ভালো আইডিয়া, তাতে ভবিষ্যত নিশ্চিত। সুমন: তুমি কী করছো? রিফাত: আমি এখন একটা কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ করছি। সুমন: সেটাও দারুণ, অভিজ্ঞতা হবে। রিফাত: হ্যাঁ, কাজে পারদর্শী হতে পারব। সুমন: তোমার পরিকল্পনা কী? রিফাত: শেষ হলে ফুল-টাইম চাকরি নেব। সুমন: তোমার ইন্টার্নশিপ কেমন চলছে? রিফাত: ভালো, অনেক কিছু শিখছি। সুমন: তোমাদের টিম কেমন? রিফাত: ভালো, সবাই সহযোগী। সুমন: ক্যারিয়ার নিয়ে আমরা দুইজনই এগিয়ে যাচ্ছি। রিফাত: ইনশাল্লাহ, সফল হবো আমরা। " মা ও মায়ের সঙ্গে আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়ে আলোচনা,"মা: বিয়ের তারিখ ঠিক করেছো? আত্মীয়: হ্যাঁ, আগামী মাসের ২০ তারিখ। মা: অতিথিদের তালিকা তৈরী করেছো? আত্মীয়: প্রাথমিক তালিকা হয়েছে, কিছু বাড়াব। মা: ভেন্যু সম্পর্কে কী ভাবছো? আত্মীয়: পার্কে আয়োজন করার পরিকল্পনা করছি। মা: ডেকোরেশন কেমন হবে? আত্মীয়: ফুল ও লাইটিং দিয়ে সাজাবো। মা: খাবারের ব্যবস্থা? আত্মীয়: ক্যাটারিং সার্ভিস বুকে করেছি। মা: অতিথিদের সুবিধা কীভাবে নিশ্চিত করবে? আত্মীয়: পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মা: অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়সূচী? আত্মীয়: গান, নাচ, ভোজ—সব ঠিক আছে। মা: পরিবারের সবাই সহায়তা করবে? আত্মীয়: হ্যাঁ, সবাই আন্তরিক। মা: ভালো, তুমি দারুণ পরিকল্পনা করেছো। আত্মীয়: ধন্যবাদ, মা, আপনার আশীর্বাদ দরকার।" দোকানদার ও গ্রাহকের মধ্যে ঔষধ কেনার সময় কথা,"গ্রাহক: ভাই, মাথাব্যথার জন্য কী ওষুধ আছে? দোকানদার: প্যারাসিটামল ট্যাবলেট আছে, খুবই কার্যকর। গ্রাহক: কতটুকু নিতে হবে? দোকানদার: দুই ঘণ্টা পর পর একটি। গ্রাহক: ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি কিছু? দোকানদার: সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না। গ্রাহক: জ্বরের জন্য আর কি আছে? দোকানদার: আইবুপ্রোফেন ওষুধ ভালো। গ্রাহক: আমার পেটে সমস্যা, তা কি খেতে পারব? দোকানদার: না, তাহলে প্যারাসিটামল ভালো হবে। গ্রাহক: ওষুধের দাম কত? দোকানদার: ৫০ টাকার প্যাকেট। গ্রাহক: আমি সেটাই নেবো। দোকানদার: প্যাকেট নিচে, কাচ্চা টাকা নিয়ে যাবেন না। গ্রাহক: ধন্যবাদ ভাই, ভালো থাকুন। দোকানদার: আপনার জন্য শুভকামনা। " দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"রহিম: আজকের লেকচার কেমন ছিল? সুমাইয়া: বেশ ভালো, অধ্যাপক অনেক উদাহরণ দিলেন। রহিম: পরীক্ষার জন্য কী প্রস্তুতি নিচ্ছো? সুমাইয়া: আমি রিভিশন শুরু করেছি, তুমি? রহিম: আমি গ্রুপ স্টাডি করছি, অনেক উপকার হচ্ছে। সুমাইয়া: গ্রুপে কি সবাই মনোযোগী? রহিম: বেশিরভাগ, কেউ কেউ একটু অলস। সুমাইয়া: সময়মতো সব পড়াশোনা শেষ করতে পারছো? রহিম: চেষ্টা করছি, কিন্তু মাঝে মাঝে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। সুমাইয়া: রেফারেন্স বইগুলো দেখে নাও, খুব সাহায্য করবে। রহিম: ঠিক বলেছো, আমি কাল লাইব্রেরি যাবো। সুমাইয়া: পরীক্ষার প্রশ্নগুলো কেমন হয় তোমার মতে? রহিম: গঠনমূলক, তাই ভালো প্রস্তুতি দরকার। সুমাইয়া: একসাথে পড়লে সুবিধা হবে। রহিম: হ্যাঁ, আগামীকাল তোমার বাসায় পড়াশোনা করব? সুমাইয়া: অবশ্যই, তোমার জন্য চা থাকবে! রহিম: দারুণ, কাল দেখা হবে। " এক শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ছাত্রের পড়াশোনা ও আচরণ নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আপনার ছেলে ভালো করছে, তবে সময়মতো ক্লাসে আসছে না। অভিভাবক: আমি জানি, সেটা নিয়ে আমি কথা বলব। শিক্ষক: হোমওয়ার্ক প্রায়শই মিস করছে। অভিভাবক: আমি তাকে উদ্বুদ্ধ করব, পড়াশোনায় মনোযোগ দেবে। শিক্ষক: সে ক্লাসে খুব চুপচাপ থাকে, কথাবার্তা কম করে। অভিভাবক: আমি তাকে বলব, যাতে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়। শিক্ষক: পরীক্ষায় তার গ্রেড উন্নত হয়েছে, ভালো দিক। অভিভাবক: এটা শুনে খুশি হলাম, আরও ভালো করার জন্য উৎসাহ দিব। শিক্ষক: নিয়মিত আসা ও মনোযোগ প্রয়োজন। অভিভাবক: নিশ্চয়ই, আমি তার জন্য সময় দেব। শিক্ষক: যদি আরও কোনো সমস্যা হয়, আমাকে জানাবেন। অভিভাবক: অবশ্যই, ধন্যবাদ। শিক্ষক: আপনার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ। অভিভাবক: আমরা সবসময় শিক্ষকদের সাথে রয়েছি। " দুই সহকর্মীর মধ্যে অফিসে কাজ ও ছুটির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা,"জসিম: চলতি প্রকল্পের আপডেট কী? নূর: আমরা শিডিউল অনুযায়ী এগুচ্ছি। জসিম: তোমার কাজের চাপ কেমন? নূর: একটু বেশি, তবে সামলাচ্ছি। জসিম: আগামী সপ্তাহে তুমি কি ছুটি নেবে? নূর: হ্যাঁ, পরিবারসহ ছোট ভ্রমণে যাচ্ছি। জসিম: কোথায়? নূর: কক্সবাজারে। জসিম: দারুণ, তোমার পরিবারের জন্য ভালো সময় হবে। নূর: আশা করছি, তোমার কোনো ছুটির পরিকল্পনা আছে? জসিম: না, এইবার অফিসের কাজে ব্যস্ত। নূর: তোমারও একটু বিশ্রাম দরকার। জসিম: বুঝতে পারছি, পরের মাসে পরিকল্পনা করব। নূর: কাজ শেষে পরিবার ও নিজের জন্য সময় বের করতে হবে। জসিম: একদম ঠিক, সেটাই প্রয়োজন।" বিক্রেতা ও গ্রাহকের মধ্যে মোবাইল ফোন কেনার সময় কথা,"গ্রাহক: এই ফোনটির দাম কত? বিক্রেতা: এই মডেলটির দাম ১৫,০০০ টাকা। গ্রাহক: ব্যাটারি লাইফ কেমন? বিক্রেতা: প্রায় ১০ ঘণ্টা কথা বলার সময়। গ্রাহক: ক্যামেরার স্পেসিফিকেশন কী? বিক্রেতা: ১৩ মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা। গ্রাহক: হ্যা, আমি ফটো ভালো করতে চাই। বিক্রেতা: এই ফোন ফটো তুলতে বেশ ভালো। গ্রাহক: ওয়্যারেন্টি কতদিন? বিক্রেতা: এক বছর। গ্রাহক: রঙের অপশন আছে? বিক্রেতা: কালো, সাদা ও নীল রঙে পাওয়া যায়। গ্রাহক: আমি কালো চাই, প্যাকেজিং দেখতে পারি? বিক্রেতা: অবশ্যই, এখানে আছেন। গ্রাহক: বিকাশে পেমেন্ট করতে পারব? বিক্রেতা: হ্যাঁ, বিকাশ ও নগদ দুটোই পাওয়া যায়। গ্রাহক: ধন্যবাদ, আমি এখনই নেবো।" মা ও সন্তানদের মধ্যে করণীয় ও দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা,"মা: তোমরা কি নিজেরাই নিজের কাজগুলো করো? বাবা: হ্যাঁ মা, আমরা চেষ্টা করি। মা: ঘর পরিষ্কার রাখা জরুরি। ছেলে: আমরা নিয়মিত করি, মা। মা: পড়াশোনার সময় নির্ধারণ করো। মেয়ে: আমরা সময়মতো বই খুলে বসি। মা: খাবারের সময় খেয়াল রাখো, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। ছেলে: আমরা ফাস্ট ফুড কম খাই। মা: প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত করো। মেয়ে: এটা কঠিন, কিন্তু চেষ্টা করছি। মা: একসাথে সময় কাটানোও প্রয়োজন। ছেলে: আমরা পরিবারকে সময় দিই। মা: তোমাদের আচরণে আমি খুশি। মেয়ে: তোমার নির্দেশনায় আমরা ভালো করছি। মা: আল্লাহ তোমাদের ভালো রাখুক।" দুই বন্ধু নতুন হবি নিয়ে আলোচনা,"রফিক: শুনেছো, তুমি নতুন কোনো শখ শুরু করছ? শুভ: হ্যাঁ, আমি এখন গার্ডেনিং শিখছি। রফিক: বাহ, সেটা দারুণ! কী লাগবে? শুভ: কিছু বীজ, মাটি আর একটা ছোট বাগান দরকার। রফিক: বাড়ির ছাদে করছ? শুভ: হ্যাঁ, একটু জায়গা তৈরি করেছি। রফিক: ফুল বা সবজি? শুভ: শুরু করছি ফুল দিয়ে, তারপর শাকসবজি। রফিক: সময় দিয়ে শিখতে হবে, না? শুভ: অবশ্যই, ধৈর্য দরকার। রফিক: আমি তোমার কাছে পরামর্শ নিতে আসব। শুভ: স্বাগতম, একসাথে করতে পারি। রফিক: বাড়ির পরিবেশ ভালো হবে। শুভ: আর মনও শান্ত থাকবে। রফিক: তোমার এই শখে আমাকে উৎসাহ দিতে পারবে? শুভ: নিশ্চয়, আমরা নিয়মিত আলোচনা করব। রফিক: ভালো লাগছে শুনে, আমি ভাবছি বই পড়া শুরু করব। শুভ: সেটাও ভালো শখ, তোমাকে সাহায্য করব।" একজন ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ,"রোগী: ডাক্তর, আমার মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা লাগে। ডাক্তার: এটা কতোদিন ধরে হচ্ছে? রোগী: প্রায় দুই সপ্তাহ। ডাক্তার: কি ধরনের মাথাব্যথা হয়? রোগী: হালকা মাথা ঘোরা আর মাঝে মাঝে বমি ভাব। ডাক্তার: ডায়েট ও ঘুম কেমন? রোগী: ঘুম ঠিকমত হয় না, খাওয়া-দাওয়া অনিয়মিত। ডাক্তার: এটা কারণ হতে পারে। বেশি পানি খান ও সময়মতো ঘুমান। রোগী: ওষুধ আছে? ডাক্তার: হ্যাঁ, আমি কিছু ওষুধ লিখে দিচ্ছি। রোগী: অন্য কোনো পরীক্ষা দরকার? ডাক্তার: যদি অবস্থা খারাপ হয়, এমআরআই করাতে হবে। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তর, আমি সতর্ক থাকব। ডাক্তার: নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রাম খুব জরুরি। রোগী: বুঝেছি, আমি চেষ্টা করব। ডাক্তার: কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন।" বাবা ও ছেলে কলেজে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলছে,"বাবা: কলেজ শেষে কী করতে চাও? ছেলে: আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চাই। বাবা: ভালো সিদ্ধান্ত, তবে প্রস্তুতি নিতে হবে। ছেলে: আমি কোচিং করতে যাচ্ছি। বাবা: সময় ভালোভাবে ব্যবহার করো। ছেলে: বাবা, তোমার কোনো পরামর্শ আছে? বাবা: অধ্যবসায় আর ধৈর্য দরকার। ছেলে: ঠিক আছে, আমি সবসময় চেষ্টা করব। বাবা: পড়াশোনার পাশাপাশি শরীরচর্চা করো। ছেলে: হ্যাঁ, আমি ফুটবল খেলি। বাবা: সেটা ভালো, শরীর ও মনের জন্য দরকার। ছেলে: ভবিষ্যতে ভালো চাকরি পাবো আশা করি। বাবা: আমি তোমার জন্য প্রার্থনা করি, তুমি সফল হবে। ছেলে: ধন্যবাদ বাবা, তোমার আশীর্বাদ আমার জন্য বড়। " দুই সহপাঠীর মধ্যে নববর্ষ উদযাপন নিয়ে আলোচনা,"আলিম: তোমরা নববর্ষ কোথায় উদযাপন করবে? রিনা: আমরা পরিবারসহ বাড়িতে থাকব। আলিম: আমার বন্ধুরা প্ল্যান করেছে আউটিং। রিনা: সেটা মজা হবে, কিন্তু আমি বাড়িতেই শান্তি পছন্দ করি। আলিম: কি ধরনের আয়োজন করছো? রিনা: রান্না ও গান, ছোট ভাই-বোনের জন্য গেমস। আলিম: আমি মনে করি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোই সেরা। রিনা: একদম ঠিক, নববর্ষ মানেই নতুন সূচনা। আলিম: তুমি কি নতুন রেজোলিউশন নিয়েছ? রিনা: হ্যাঁ, স্বাস্থ্য ভালো রাখার চেষ্টা করব। আলিম: আমি পড়াশোনায় আরও মনোযোগ দেবো। রিনা: খুব ভালো, নতুন বছর নতুন উদ্দীপনা নিয়ে আসবে। আলিম: আশা করি আমরা সবাই সফল হবো। " দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আলোচনা,"সাবিনা: আপনারা কি জানেন, আমাদের এলাকায় আবর্জনা ফেলা কমাতে হবে। জাহিদ: হ্যাঁ, আমি কিছু পরিকল্পনা করেছিলাম। সাবিনা: শোনাচ্ছে ভালো, বলুন তো কী? জাহিদ: আমরা রিসাইক্লিং সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াবো। সাবিনা: স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে সচেতনতা কর্মশালা করা যেতে পারে। জাহিদ: ঠিক বলেছেন, এতে নতুন প্রজন্ম সচেতন হবে। সাবিনা: পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সবাইকে অংশ নিতে হবে। জাহিদ: আমি সপ্তাহে একবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান করব। সাবিনা: আমরা সবাই মিলে কাজ করলে পারব। জাহিদ: পরিবেশ ভালো থাকলে জীবন মান উন্নত হবে। সাবিনা: একেবারে ঠিক, আমাদের দায়িত্ব। জাহিদ: চলুন, আগামী শনিবার শুরু করি। সাবিনা: আমি সবাইকে জানান দিবো।" মা ও মেয়ে নতুন পোশাক কেনাকাটা নিয়ে আলোচনা,"মা: তুই তো কলেজে যাচ্ছিস, কিছু নতুন জামা দরকার। মেয়ে: হ্যাঁ মা, আমি কয়েকটা ড্রেস পছন্দ করেছি অনলাইনে। মা: অনলাইনে কিনলে সাইজ মেলাবে তো? মেয়ে: আমি আগেও নিয়েছি, রিভিউ দেখে নিচ্ছি। মা: কিন্তু একবার দোকান ঘুরে দেখলে ভালো হতো। মেয়ে: ঠিক বলছো, আমরা দুজনেই যাই চল। মা: কবে যাওয়া যাবে? আমি কাল দুপুরে ফ্রি। মেয়ে: কালই পারফেক্ট, আমার ক্লাসও নেই। মা: তোদের এখনকার ফ্যাশনের ধারা একটু অদ্ভুত! মেয়ে: (হেসে) মা, তুমি বলো পুরনো ডিজাইন, কিন্তু আমরা বলি ক্লাসিক। মা: যত কিছু হোক, পর্দা যেন ঠিক থাকে। মেয়ে: অবশ্যই মা, আমি খেয়াল রাখি। মা: ঠিক আছে, কাল দেখা হবে নতুন স্টাইলের সাথে। মেয়ে: চল এবার একসাথে সেলফিও তুলবো নতুন জামায়!" অফিস সহকর্মীর মধ্যে প্রজেক্টের সময়সীমা নিয়ে আলোচনা,"সুমন: নীলা, তুমি প্রজেক্ট রিপোর্ট কবে সাবমিট করছো? নীলা: আমি চেষ্টা করছি আগামী শুক্রবারের মধ্যে শেষ করতে। সুমন: ম্যানেজার বলছিলেন ডেডলাইন এগিয়ে আনা হতে পারে। নীলা: তাই? তাহলে আমাদের কাজের গতি বাড়াতে হবে। সুমন: আমি চাইলে কিছু ডাটা কালেকশন অংশে সাহায্য করতে পারি। নীলা: সেটা দারুণ হবে। তাহলে আমি বিশ্লেষণ অংশে মনোযোগ দিতে পারি। সুমন: গ্রাফগুলো তৈরি করে নাও, আমি এক্সেল ফাইল শেয়ার করছি। নীলা: ঠিক আছে, আমরা কি কাল মিটিং করবো ফাইনাল প্ল্যানে? সুমন: হ্যাঁ, দুপুর ২টা নাগাদ ঠিক করো। নীলা: ধন্যবাদ সুমন, তোমার সাহায্য ছাড়া পারতাম না। সুমন: আমরা একটা দল, একসাথে কাজ করাই সেরা পন্থা। " ছাত্র ও অভিভাবকের মধ্যে পেশা নির্বাচন নিয়ে কথোপকথন,"ছেলে: বাবা, আমি ভবিষ্যতে ফটোগ্রাফার হতে চাই। বাবা: তুমি কি নিশ্চিত? এটা কিন্তু কঠিন পেশা। ছেলে: আমি ছোটবেলা থেকেই ছবি তুলতে পছন্দ করি। বাবা: প্যাশন থাকা ভালো, কিন্তু ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাও ভাবতে হবে। ছেলে: আমি প্রশিক্ষণ নিতে চাই, আর ফ্রিল্যান্স কাজও শিখছি। বাবা: তুমি যদি সত্যিই উৎসাহী হও, আমি তোমার পাশে আছি। ছেলে: ধন্যবাদ বাবা, আমি চেষ্টা করব তোমার ভরসা রাখতে। বাবা: সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে শিখতে হবে। ছেলে: হ্যাঁ, আমি পরিকল্পনা করে এগোবো। বাবা: ভালো, তাহলে তোমাকে একটা ভালো ক্যামেরা কিনে দেব। ছেলে: সত্যি বাবা? আমি অনেক কৃতজ্ঞ! " বিক্রেতা ও গ্রাহকের মধ্যে ইলেকট্রনিক্স পণ্য নিয়ে আলোচনা,"গ্রাহক: ভাই, এই মোবাইলটার দাম কত? বিক্রেতা: এটা স্যামসাং-এর নতুন মডেল, দাম ২৫ হাজার টাকা। গ্রাহক: কী কী ফিচার আছে? বিক্রেতা: ৬৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ৫০০০ mAh ব্যাটারি, ৬ GB RAM। গ্রাহক: ওয়ারেন্টি আছে? বিক্রেতা: হ্যাঁ, এক বছরের ওয়ারেন্টি। গ্রাহক: দাম একটু কম করা যাবে না? বিক্রেতা: আপনি প্রথমবার আসছেন তাই ১ হাজার টাকা কম করে দিতে পারি। গ্রাহক: সঙ্গে কি কোনো গিফট পাবো? বিক্রেতা: হ্যাঁ, একটি ব্যাক কভার ও স্ক্রিন প্রটেক্টর ফ্রি। গ্রাহক: আচ্ছা, আমি নিচ্ছি। পেমেন্ট কার্ডে করা যাবে? বিক্রেতা: অবশ্যই, বিকাশ বা কার্ড দুইটাই চলবে। গ্রাহক: তাহলে প্যাকেট করে দিন ভাই। " বন্ধুদের মধ্যে বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"তানভীর: আরে, তুই তো বিয়ে করছিস! সব ঠিকঠাক? রাহুল: হ্যাঁ ভাই, খুব টেনশনে আছি! তানভীর: কেন? তোদের তো অনেকদিন প্রেম! রাহুল: প্রেম ঠিক আছে, কিন্তু আত্মীয়স্বজন, অনুষ্ঠান সব মিলে বিশাল চাপ। তানভীর: অনুষ্ঠান কোথায়? রাহুল: ঢাকার একটা কমিউনিটি সেন্টারে। তানভীর: কবে? রাহুল: ১৫ জুলাই। তানভীর: মেন্যু কী কী রাখছো? রাহুল: বিরিয়ানি, রোস্ট, কাবাব, জর্দা — ফুল প্যাকেজ। তানভীর: বাহ! আমি কিন্তু সময়মতো আসব। রাহুল: আসতেই হবে, তুই না এলে চলবে না। তানভীর: দোস্ত, তোর নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা!" শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে গভীর আলোচনা,"শিক্ষক: রাহুল, তুমি এইবারের পরীক্ষায় ভালো ফল করেছো, অভিনন্দন। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার। আপনার সহায়তা ছাড়া সম্ভব হতো না। শিক্ষক: তুমি এখন কোন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে চাও? ছাত্র: আমি এখনো দ্বিধায় আছি, স্যার। ইঞ্জিনিয়ারিং নাকি অর্থনীতি, বুঝতে পারছি না। শিক্ষক: Hmm, দুটোই ভালো ক্ষেত্র। তবে তোমার আগ্রহটা কোনদিকে? ছাত্র: প্রযুক্তির প্রতি ঝোঁক আছে, কিন্তু ফাইনান্স বিষয়েও আগ্রহ জন্মেছে। শিক্ষক: তখন তোমাকে ভালোভাবে দুটো ক্ষেত্র সম্পর্কে গবেষণা করতে হবে। ছাত্র: আপনি কি ইঞ্জিনিয়ারিংকে বেশি সাপোর্ট করেন? শিক্ষক: না, আমি তোমার স্বার্থ আর শক্তির উপর ভিত্তি করে বলতে চাই। ছাত্র: আমার অঙ্ক আর লজিক ভালো। শিক্ষক: তাহলে কম্পিউটার সায়েন্স বা ডেটা সায়েন্সও হতে পারে। ছাত্র: আমি তো ভেবেছিলাম সেগুলো অনেক কঠিন! শিক্ষক: কঠিন ঠিকই, কিন্তু তুমিই বলছো অঙ্কে ভালো — এটা তোমার প্লাস পয়েন্ট। ছাত্র: স্যার, অনেকে বলে অর্থনীতি পড়লে সরকারি চাকরির সুযোগ বেশি থাকে। শিক্ষক: কথাটা একদিক থেকে ঠিক, তবে আগ্রহ না থাকলে কোনো ফিল্ডেই এগিয়ে যাওয়া কঠিন। ছাত্র: আমি কীভাবে বুঝব কোনটা আমার জন্য উপযুক্ত? শিক্ষক: তুমি ছোট ছোট অনলাইন কোর্স করতে পারো, বা কারো সাথে কথা বলো যারা ওই পেশায় আছে। ছাত্র: আপনি কি কাউকে জানেন, যিনি ডেটা সায়েন্সে কাজ করছেন? শিক্ষক: হ্যাঁ, আমার এক সাবেক ছাত্র এখন একটি আন্তর্জাতিক কোম্পানিতে ডেটা অ্যানালিস্ট। ছাত্র: আমি কি তার সাথে দেখা করতে পারি? শিক্ষক: নিশ্চয়ই। আমি তার সাথে কথা বলব তোমার জন্য। ছাত্র: স্যার, আপনি সবসময় আমাকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন। শিক্ষক: তুমি নিজেই পথ খুঁজে নিচ্ছো, আমি কেবল আলো দেখাচ্ছি। ছাত্র: আমি আগামীকাল থেকে রিসার্চ শুরু করব। শিক্ষক: এবং মনে রেখো, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি আর দেরি করব না সিদ্ধান্ত নিতে।" মা ও ছেলের মধ্যে শহরে থাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সমঝোতা,"মা: তুই শহরে থাকতে চাস, কিন্তু আমি তো একা পড়ে যাচ্ছি গ্রামে। ছেলে: মা, চাকরিটা ভালো, আর সুযোগও অনেক বেশি শহরে। মা: আমি বোঝি, কিন্তু তুই তো একমাত্র ছেলে। আমার তো মন মানে না। ছেলে: মা, আমি তো প্রতি মাসে আসব, ভিডিও কল করব প্রতিদিন। মা: সেই তো, স্ক্রিনের ভেতরে মুখ দেখলেই কি মন ভরে? ছেলে: মা, এই চাকরিটা আমার স্বপ্ন। মা: আমি তোদের স্বপ্ন ভাঙতে চাই না, কিন্তু মা হিসেবে চিন্তাটাও তো করি। ছেলে: আমি এখানে থাকলে অনেক সুযোগ মিস করব। মা: শহরে জীবন কঠিন, তুই পারবি তো সামলাতে? ছেলে: অবশ্যই পারব। আপনি যদি পাশে থাকেন, কিছুই কঠিন না। মা: আমি যদি তোর সাথে শহরে যাই? ছেলে: তাই তো! আপনি আসলে আমি নিশ্চিন্ত থাকব। মা: কিন্তু গ্রামে বাড়ি, জমিজমা, প্রতিবেশীরা? ছেলে: আমরা দুমাস অন্তর আসব গ্রামে। চাষাবাদে লোক লাগিয়ে দিব। মা: hmm, তুই সব ভেবে রেখেছিস? ছেলে: হ্যাঁ মা, আমি চাচার সাথেও কথা বলেছি। মা: তাহলে এক কাজ কর, অফিস শুরু হবার এক সপ্তাহ আগে আমাকে নিয়ে যাস। ছেলে: পাকা কথা? আপনি আসবেন? মা: মা তো কখনো দূরে থাকতে পারে না, ছেলে যেখানে সেখানেই তার জায়গা। ছেলে: মা, তুমি না থাকলে এই শহরও মরুভূমি মনে হবে। মা: এবার তো দেখছি, আমার নতুন জীবনের শুরু হচ্ছে শহরে!" হাসপাতালের ডাক্তার ও রোগীর স্বজনের মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত আলোচনা,"স্বজন: ডাক্তারবাবু, আমার ভাইয়ের কী অবস্থা? ডাক্তার: উনার হার্টে একটু সমস্যা ধরা পড়েছে, তবে ভয়ের কিছু নেই। স্বজন: আপনাদের রিপোর্টে ""মাইনর ব্লকেজ"" বলা হয়েছে। সেটা কি খুব সিরিয়াস? ডাক্তার: না, সঠিক ওষুধ ও ডায়েট মেনে চললে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বজন: অপারেশন লাগবে না তো? ডাক্তার: এখনই না, তবে ভবিষ্যতে হলে আশ্চর্য হবেন না। স্বজন: আমরা বাসায় নিতে পারি কবে? ডাক্তার: আর দুইদিন অবজারভেশনে রাখব, তারপর ছেড়ে দিতে পারি। স্বজন: উনার খাবার-দাবারে কী নিষেধ আছে? ডাক্তার: কম তেল, কম লবণ, চর্বিহীন খাবার দিতে হবে। স্বজন: এক্সারসাইজ করতে বলবেন? ডাক্তার: হাঁটাহাঁটি শুরু করতে বলব এক সপ্তাহ পর থেকে। স্বজন: ডাক্তারবাবু, এই রোগ কি পুরোপুরি সেরে যাবে? ডাক্তার: এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য, তবে নিয়ম না মানলে সমস্যা বাড়বে। স্বজন: প্রতিদিন ওষুধ খেতে হবে? ডাক্তার: হ্যাঁ, নির্ধারিত সময়ে। স্বজন: প্রেসক্রিপশনটা আপনি দিন, আমি এখনই ওষুধ কিনে ফেলি। ডাক্তার: অবশ্যই। আর কোনো প্রশ্ন থাকলে জিজ্ঞাসা করুন। স্বজন: উনার মানসিক অবস্থা একটু ভেঙে পড়েছে। ডাক্তার: আমরা মনোবিদের সাথে আলাপ করানোর কথা ভাবছি। স্বজন: দয়া করে দ্রুত করান, আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করব। ডাক্তার: চিন্তা করবেন না, আমরা উনার ভালো দিকেই কাজ করছি। স্বজন: ধন্যবাদ ডাক্তারবাবু, আপনি আমাদের আশা দিয়েছেন। ডাক্তার: আপনাদের সাথে যোগাযোগ রাখতে বলুন, প্রয়োজনে যেকোনো সময় আসুন।" পুলিশ ও পথচারীর মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শিশুকে নিয়ে কথোপকথন,"পুলিশ: আপনি বলছিলেন আপনার বাচ্চা হারিয়ে গেছে? পথচারী: হ্যাঁ স্যার, বেলা ১২টার দিকে হাত ছুটে যায়। পুলিশ: কোথায় শেষবার দেখেছিলেন? পথচারী: নিউমার্কেটের ভেতরে, খেলনার দোকানের সামনে। পুলিশ: নাম, বয়স, গায়ের রঙ, পোশাক বলুন। পথচারী: নাম সোহান, বয়স ৫ বছর, ফর্সা গায়ের রঙ, হলুদ টি-শার্ট। পুলিশ: বাচ্চার ছবি আছে? পথচারী: এই নিন, মোবাইলে ছবি আছে। পুলিশ: ঠিক আছে, আমরা অ্যালার্ট জারি করছি। পথচারী: আমি ওদিকে খুঁজছি, কেউ কিছু বলেনি। পুলিশ: ক্যামেরা ফুটেজ চেক করব আমরা, চিন্তা করবেন না। পথচারী: স্যার, খুব ভয় লাগছে। পুলিশ: আমরা একঘণ্টার মধ্যে আপডেট দেব আপনাকে। পথচারী: আমি কোথায় থাকব? পুলিশ: আপনার নাম্বার দিন, আমরাই ফোন করব। পথচারী: এই নিন স্যার। পুলিশ: আশেপাশে কেউ শিশুটিকে নিয়ে যেতে দেখেছে কি না জিজ্ঞাসা করছি। পথচারী: স্যার, আমি কি মাইকিং করাতে পারি? পুলিশ: হ্যাঁ, মার্কেট কর্তৃপক্ষকে বলছি। পথচারী: প্লিজ স্যার, ও খুব ছোট। খেতে চায়। পুলিশ: চিন্তা করবেন না, আমাদের টিম বের হয়েছে। পথচারী: আপনারা না থাকলে আমি তো একেবারে ভেঙে পড়তাম। পুলিশ: আপনি নিজেকে সামলে রাখুন, আমরা শিশুটিকে খুঁজে আনবই।" বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের মধ্যে একটি পুনর্মিলন অনুষ্ঠান পরিকল্পনা,"রুবেল: দোস্তরা, আবার কবে একসাথে বসা যাবে বলতো? সাবিনা: হ্যাঁ রে, গ্র্যাজুয়েশনের পর সবাই একেবারে হারিয়ে গেছি। মুহিত: চল সবাই মিলে একটা রিইউনিয়ন করি। রুবেল: ভালো কথা! কোথায় করব? সাবিনা: ইউনিভার্সিটির হলে পারমিশন নেওয়া যায়। মুহিত: অথবা বাইরে কোনো রেস্টুরেন্টে — খোলা জায়গা হলে ভালো হয়। রুবেল: বাজেট কত হবে? সাবিনা: যদি ৩০ জন আসি, মাথাপিছু ৫০০ ধরলে মোটামুটি হবে। মুহিত: ফান্ড তোলার জন্য বিকাশ নাম্বার ঠিক করতে হবে। রুবেল: আমি ম্যানেজ করব। সময় কবে ঠিক করব? সাবিনা: পরের শুক্রবার? সবাই ছুটিতে থাকবে। মুহিত: দারুণ, দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলুক। রুবেল: কেক থাকবে, পুরনো স্মৃতির ভিডিও থাকবে? সাবিনা: আমি একটা ছোট ভিডিও বানাচ্ছি, সবাই ছবি পাঠাও। মুহিত: আমরা কি প্রাক্তন শিক্ষকদের আমন্ত্রণ করব? রুবেল: অবশ্যই, আমাদের প্রিয় স্যারেরা না থাকলে রিইউনিয়ন অপূর্ণ। সাবিনা: দোস্তরা, আবার একবার যেন আগের মতো হাসতে পারি সবাই মিলে। মুহিত: হ্যাঁ, আবার সেই চায়ের দোকান, সেই গল্প — একদিনের জন্য হলেও ফিরিয়ে আনি। " বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের মধ্যে একটি পুনর্মিলন অনুষ্ঠান পরিকল্পনা,"সাবিনা: আমি একটা ছোট ভিডিও বানাচ্ছি ক্লাসের ছবি আর মেমোরি দিয়ে। মুহিত: অসাধারণ! আমি গিটার নিয়ে আসব, একটু গানবাজনাও হবে। রুবেল: কে কে কনফার্ম করল এখন পর্যন্ত? সাবিনা: তানিয়া, আশিক, রুমি, নাফিস—সবাই রাজি। মুহিত: আর আমাদের প্রিয় শিক্ষক স্যারদের আমন্ত্রণ জানাব? রুবেল: অবশ্যই! রহমান স্যার না থাকলে তো রিইউনিয়ন অসম্পূর্ণ। সাবিনা: আমি ওনাকে ফোন করব। মুহিত: খাবারের মেনু কী হবে? রুবেল: বিরিয়ানি, কাবাব, সফট ড্রিংক আর একটা মিষ্টির আইটেম? সাবিনা: ভালো। আর একটা স্মৃতিচারণ পর্ব রাখলে কেমন হয়? মুহিত: হ্যাঁ, সবাই যার যার প্রিয় স্মৃতি শেয়ার করবে। রুবেল: একটা স্মারক বানানো যায়—ছোট ক্যালেন্ডার বা টি-শার্ট? সাবিনা: টি-শার্ট! ব্যাচের নাম আর স্লোগান লেখা থাকবে! মুহিত: ""Once a UIUian, always a UIUian""! রুবেল: দারুণ! ডিজাইন আমি করে দিচ্ছি। সাবিনা: তাহলে আজকেই ইভেন্টের WhatsApp গ্রুপ খুলে ফেলি? মুহিত: খোল! আমি বাকিদের ইনভাইট করব। রুবেল: ঠিক আছে, সবাই একটু করে দায়িত্ব নাও। সাবিনা: আমরা আবার একসাথে হব—পুরোনো হাসি, পুরোনো গল্প নিয়ে! মুহিত: এই দিনটা সবার মনে থাকবে অনেকদিন! " চাকরির ইন্টারভিউ নিয়ে দুই বন্ধুর আলোচনা,"তানভীর: শুনলাম তোর একটা বড় কোম্পানিতে ইন্টারভিউ আছে কাল? জুবায়ের: হ্যাঁ রে ভাই, অনেক নার্ভাস লাগছে। এটাই আমার প্রথম বড় ইন্টারভিউ। তানভীর: কী পদের জন্য ইন্টারভিউ দিচ্ছিস? জুবায়ের: জুনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তানভীর: রেজুমেটা বানিয়ে ফেলেছিস? জুবায়ের: হ্যাঁ, বানিয়েছি। তবে বুঝতে পারছি না ঠিকঠাক হয়েছে কি না। তানভীর: দে তো দেখি একবার, আমি একটু দেখে দেই। জুবায়ের: (রেজুমে বাড়িয়ে দিয়ে) এই যে, এটা। তানভীর: (রেজুমে দেখে) hmm... প্রজেক্টগুলোর বর্ণনা ভালো দিয়েছিস। তবে কিছু টেকনিক্যাল শব্দ একটু সহজ করে লিখলে ভালো হয়। জুবায়ের: ঠিক বলছিস। ইন্টারভিউতে কী ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে বলতো? তানভীর: টেকনিক্যাল প্রশ্ন তো থাকবেই। তার পাশাপাশি HR-র কিছু প্রশ্নও থাকবে। জুবায়ের: যেমন? তানভীর: ধর, “নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন”, “আপনার দুর্বলতা কী?”, “আমাদের কোম্পানিতে কেন যোগ দিতে চান” — এরকম প্রশ্ন। জুবায়ের: আমি কি ইংরেজিতে উত্তর দেব, নাকি বাংলায়? তানভীর: যদি কোম্পানি বাংলাভাষার হয়, তবে বাংলায় দিতে পারিস। তবে ইংরেজিতে প্রস্তুতি থাকলে ভালো। জুবায়ের: আমি ভয় পাই ভাই, কখন কী বলব ভুলে যাই। তানভীর: সবচেয়ে বড় কথা, আত্মবিশ্বাস। তুই যা জানিস, সেটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেই চলবে। জুবায়ের: “আপনার দুর্বলতা কী?”—এই প্রশ্নে কী বলব? তানভীর: বলবি, “আমি অনেক সময়ে খুব ডিটেইলে ঢুকে পড়ি, ফলে সময় একটু বেশি লাগে। তবে এখন টাইম ম্যানেজমেন্ট শিখে ফেলেছি।” জুবায়ের: ভালো বলেছিস। আর যদি জিজ্ঞাসা করে, “নিজেকে ৫ বছর পর কোথায় দেখছেন?” তানভীর: বলবি, “আমি নিজেকে এমন একটি দলে দেখতে চাই, যেখানে আমি টেকনিক্যাল দক্ষতা দিয়ে বড় কিছু অর্জন করতে পারি এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি।” জুবায়ের: ভাই, তুই কি আমার সাথে একটা মক ইন্টারভিউ করতে পারিস? তানভীর: একদম পারি। চল, এখনই করি। জুবায়ের: ঠিক আছে, শুরু কর। তানভীর: ঠিক আছে। বল, “আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন।” জুবায়ের: আমি একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েশন করেছি। প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এবং টিমওয়ার্কে আমার দক্ষতা রয়েছে। আমি নতুন জিনিস শিখতে খুব আগ্রহী। তানভীর: খুব ভালো। এইভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দিলেই হবে। জুবায়ের: ভাই, তুই না থাকলে আমি এতটা গুছিয়ে ভাবতেই পারতাম না। তানভীর: আরে পাগল! তুইই তো আমাদের ব্যাচের সবচেয়ে পরিশ্রমী ছেলে। শুধু নিজেকে বিশ্বাস কর। জুবায়ের: আচ্ছা, তোকে একটা অনুরোধ করব—কাল সকাল ১০টায় ইন্টারভিউ, একটু দোয়া করিস। তানভীর: নিশ্চয়ই করব। তোকে একটা শুভকামনার মেসেজও পাঠাব সকালে। জুবায়ের: ধন্যবাদ ভাই। তোকে পেয়ে আমি সত্যিই ভাগ্যবান। তানভীর: আর আমি তোকে সফল দেখতে চাই, সামনে অনেক দূর যাস। আজ আর পড়ালেখা না করে, একটু রেস্ট নে। জুবায়ের: ঠিক বলেছিস। তাহলে ঘুমোতে যাই। কাল দেখা হবে ইন্টারভিউর পর। তানভীর: ইনশাআল্লাহ্‌! শুভকামনা রইল। " মা ও ছেলের মধ্যে উচ্চশিক্ষা নিয়ে আলাপ,"মা: আজকাল তোর পড়াশোনা নিয়ে কোনো কথাই শুনি না। কী ভাবছিস? ছেলে: ভাবছি তো মা। MSC করব কি চাকরির খোঁজে নামব, সেটা বুঝতে পারছি না। মা: চাকরির চিন্তা তো অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু শিক্ষার দামও কম না। ছেলে: আমার অনেক বন্ধুই তো পাশ করেই চাকরিতে ঢুকে গেছে। ওরা বোধহয় ঠিকই করেছে। মা: কিন্তু তুই তো সবসময় বলতিস রিসার্চ করতে চাস, নিজের কিছু করতে চাস। ছেলে: হ্যাঁ, চাই এখনো। তবে টাকার চিন্তাটা বারবার মাথায় চলে আসে। মা: বাবা বেঁচে থাকতে সব দায়িত্ব নিয়ে গেছেন। এখন আমি চাচ্ছি তুই নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি কর। ছেলে: বিদেশে আবেদন করার কথাও ভাবছি, স্কলারশিপ পেলে হয়ত সহজ হবে। মা: দরকার হলে আমি গয়না বেচে দেব, তবু তোর স্বপ্ন থামাব না। ছেলে: না মা, তুই কেন তোর গয়না বেচবি! আমি স্কলারশিপই খুঁজছি। মা: ঠিক আছে। তবে যেটা করবি, মন দিয়ে করিস। দুইদিকে ঝুলে থাকলে চলবে না। ছেলে: ঠিক বলেছিস মা। আমি কালই SOP লিখে ফেলব। মা: ভালো। আর খাওয়ার টেবিলে বসে তোকে একবার ভালোমতো দৃষ্টিপাতে করতে হবে। চোখে মুখে ক্লান্তি জমেছে। ছেলে: আসলে প্রচুর পড়ছি আর খাচ্ছিও কম। মা: সব স্বপ্ন তখনই সফল হয়, যখন শরীরটা ঠিক থাকে। এই নিয়ে মা তোকে প্রতিদিন বুঝিয়ে যাবে। ছেলে: তুই না থাকলে আমি কিছুই পারতাম না। মা: আর আমি তোকে না পেলে জীবনের মানেই থাকত না। ছেলে: আচ্ছা, এখন একটু ঘুমাই, ভোরে উঠে আবার পড়ব। মা: ঘুমো আগে, তারপর সব কিছু হবে। আমার দোয়া তো তোর সঙ্গে আছেই। " গ্রাহক ও মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির মধ্যে সমস্যা সমাধান,"গ্রাহক: হ্যালো, আমি গত তিন দিন ধরে নেটওয়ার্ক পাচ্ছি না ঠিকমতো। প্রতিনিধি: স্যার, দুঃখিত, আপনার সমস্যার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। গ্রাহক: শুধু আমার না, আমার পুরো এলাকায়ই একই সমস্যা। প্রতিনিধি: আপনার এলাকা কোথায়, স্যার? গ্রাহক: উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর। প্রতিনিধি: আমি চেক করছি... হ্যাঁ স্যার, এখানে টাওয়ার আপগ্রেডের কাজ চলছে। গ্রাহক: তাহলে সেটা কি আপনারা আগে জানাতে পারতেন না? প্রতিনিধি: সাধারণত আমরা এসএমএস পাঠাই, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে সেটি পৌঁছাতে দেরি হয়। গ্রাহক: আমার কাজ ইন্টারনেট নির্ভর। আমি ক্ষতিপূরণ চাই। প্রতিনিধি: স্যার, আমরা আপনাকে আগামী তিন দিনের জন্য ৩ জিবি ফ্রি ডাটা দিচ্ছি। গ্রাহক: সেটা তো কাজে আসবে না যদি সিগন্যালই না পাই! প্রতিনিধি: আপনার অভিযোগ রেকর্ড করছি এবং টেকনিক্যাল টিমকে দ্রুত পাঠাচ্ছি। গ্রাহক: আশা করি কালকের মধ্যে ঠিক হবে। প্রতিনিধি: ইনশাআল্লাহ, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। গ্রাহক: ঠিক আছে, তাহলে অপেক্ষা করছি। প্রতিনিধি: ধন্যবাদ স্যার, আমাদের সাথে থাকার জন্য। গ্রাহক: দয়া করে ভবিষ্যতে আগেই জানাবেন। প্রতিনিধি: নিশ্চয়ই স্যার, আপনার মতামত আমরা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।" ছাত্র ও অভিভাবকের মধ্যে পড়াশোনা ও মানসিক চাপ নিয়ে কথা,"বাবা: তুই সারাক্ষণ এমন বিষণ্ন থাকিস কেন রে? ছেলে: কিছু না বাবা, শুধু পড়াশোনার চাপ একটু বেশি। বাবা: আমি তো বুঝি, কিন্তু তুই তো এমন ছিলি না। কী হচ্ছে বল? ছেলে: পরীক্ষার সময় সব কিছু মাথায় ঢুকছে না। ভুলে যাচ্ছি বারবার। বাবা: তোর কি ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে? ছেলে: না, একদম না। ঘুম আসেই না। বাবা: তুই মন খুলে কারো সাথে কথা বলিস না। বন্ধুরা কি বলছে? ছেলে: ওরাও তো নিজের চিন্তায় ব্যস্ত। কেউই আসলে সময় দিতে চায় না। বাবা: তাহলে আমিই তোর বন্ধু হয়ে যাচ্ছি আজ থেকে। ছেলে: (হেসে) ঠিক আছে বাবা, বলো কী করব? বাবা: প্রতিদিন একটু হেঁটে আয়, গান শুন, বই পড়—শুধু পড়াশোনার বাইরে একটু বের হ। ছেলে: কিন্তু সিলেবাস তো এখনও শেষ হয়নি। বাবা: সিলেবাস তো শেষ হবেই, কিন্তু যদি তুই নিজেই শেষ হয়ে যাস, সেটা তো চলবে না। ছেলে: ঠিক বলছো বাবা। আজ থেকে চেষ্টা করব। বাবা: প্রতিদিন তোর পাশে বসে এক কাপ চা খাব, আর একটু গল্প করব। ছেলে: আমি সত্যিই ভাগ্যবান যে তুমি আমার বাবা।" দোকানদার ও ক্রেতার মধ্যে দাম ও গুণগত মান নিয়ে দর কষাকষি,"ক্রেতা: ভাই, এই শাড়িটার দাম কত? দোকানদার: ২৮০০ টাকা ম্যাডাম। ক্রেতা: খুব বেশি দাম চাচ্ছেন তো। দোকানদার: ম্যাডাম, এটা সিল্কের শাড়ি। হাতের কাজ করা। ক্রেতা: আমি তো দার্জিলিং থেকে এরকম শাড়ি ১৮০০ টাকায় কিনেছি। দোকানদার: ওখানে তো সরাসরি ফ্যাক্টরি থেকে দেয়। আমরা তো খুচরা বিক্রি করি। ক্রেতা: তাহলে ২০০০ টাকা দেন, এখনই নিয়ে যাব। দোকানদার: ম্যাডাম, শেষ দাম ২৫০০ টাকা। ক্রেতা: ২২০০! একদম শেষ দাম। দোকানদার: আচ্ছা, আপনি তো নিয়মিত আসেন, ২৩৫০ দিয়ে দেন। ক্রেতা: চলো, হয়ে যাক। প্যাক করে দিন। দোকানদার: এই যে ম্যাডাম, প্যাক করছি। ধন্যবাদ। ক্রেতা: আচ্ছা ভাই, পরে আবার আসব। দোকানদার: অবশ্যই ম্যাডাম, আপনাদের জন্যই আমরা আছি। " দুই বন্ধুর মধ্যে ভালোবাসা নিয়ে দ্বিধা ও পরামর্শ,"রায়হান: তোকে একটা কথা বলব, কিন্তু হাসবি না যেন। তামিম: হাহা! বল আগে, হাসব কিনা পরে দেখা যাবে। রায়হান: আমি লাবণীকে খুব পছন্দ করি। তামিম: ও! তাহলে বলেছিস ওকে? রায়হান: না রে, ভয় লাগে। যদি না মেনে নেয়? তামিম: ভাই, ভয় পেলে তো হবে না। বলেই ফেল। রায়হান: ও অনেক স্মার্ট, আমি তো সাধারণ একটা ছেলে। তামিম: ভালোবাসায় এই হিসাব চলে না। সাহস করে বলতে হয়। রায়হান: ধর যদি ও মিটতেই না চায়? বন্ধুত্বটাও শেষ হয়ে যাবে। তামিম: হ্যাঁ, এটা একটা ঝুঁকি। কিন্তু না বললে তো জানতেই পারবি না। রায়হান: তুই থাকলে মনে হয় বলতেই পারব। তামিম: আমি তোর সঙ্গে থাকবই। চল, কাল ওর ফেভারিট কফিশপে যাই। রায়হান: যদি “না” করে, তাহলে? তামিম: তাহলে তোর জীবনে আরও ভালো কেউ আসবে। এখন অন্তত জানবি, সে কী ভাবে। রায়হান: আচ্ছা, কাল সকাল ১০টায় রওনা হব। তামিম: ভাই, একটুও ভয় পাবি না। তুই যা, মনের কথা জানাস।" শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্যারিয়ার গাইডেন্স,"শিক্ষক: আজকাল তোকে খুব চুপচাপ দেখছি রিয়াজ। সব ঠিক আছে তো? রিয়াজ: স্যার, কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। কোন দিকে ক্যারিয়ার গড়ব, কিছুই স্পষ্ট না। শিক্ষক: তোকে আমি সবসময় ডেডিকেটেড মনে করতাম। হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তহীনতা কেন? রিয়াজ: স্যার, সবাই বলে চাকরি কর, কেউ বলে বিদেশে যাও, আবার কেউ ব্যবসা করতে বলে। শিক্ষক: আর তুই নিজের মন কী বলে? রিয়াজ: আমি ইচ্ছে করলে গবেষণা করতে চাই, নতুন কিছু তৈরি করতে চাই। শিক্ষক: সেটাই তো হওয়া উচিত। নিজের ভেতরের কণ্ঠ শুনতে শিখতে হবে। রিয়াজ: কিন্তু সমাজের চাপ আর পরিবারের চিন্তায় সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। শিক্ষক: পরিবারকে বোঝাতে হবে। সময় লাগবে, কিন্তু একসময় ওরাও বুঝবে। রিয়াজ: স্যার, আপনি যদি মা-বাবার সঙ্গে একদিন কথা বলতেন... শিক্ষক: নিশ্চয়ই। আমি ওনাদের ডেকে আনব স্কুলে একদিন। রিয়াজ: সত্যি বলছি স্যার, আপনার মতো একজন গাইড না থাকলে হয়ত হারিয়ে যেতাম। শিক্ষক: আমরা শিক্ষকেরা তো তাই-ই চাই, যাতে তোমরা তোমাদের পথ খুঁজে পাও। রিয়াজ: আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি—MSC করব AI নিয়ে। শিক্ষক: খুব ভালো! দরকার হলে স্কলারশিপের লিংকগুলো দিচ্ছি। কাজ শুরু কর এখনই। রিয়াজ: ধন্যবাদ স্যার। এখন একটু হালকা লাগছে মনের ভেতর। " বোন ও ভাইয়ের মধ্যে ঈদ শপিং নিয়ে মজার ঝগড়া,"বোন: দাদা! তুমি আবার নিজের শার্ট কিনে ফেললে? আমার তো কিছুই এখনও হয়নি! ভাই: আমি কি দোষ করেছি? তুমি তো প্রতিদিন শুধু ভাবো, কিনো না! বোন: আরে ভাই, মেয়েদের শপিং তো একটু সময় নেয়! ভাই: তুমি তো গত সপ্তাহেও বলেছিলে—“কাল যাই”, “পরশু যাই”! বোন: আর তুমি তো দেখি নিজেরটা আগেভাগেই ম্যানেজ করে ফেলেছো। ভাই: আমি প্ল্যান করে কাজ করি, বুঝেছো? বোন: তোমার এই “প্ল্যান” শব্দটা শুনলেই আমার রাগ ওঠে। ভাই: (হেসে) ভালো, এবার বলো কোথায় যাব? নিউমার্কেট না বসুন্ধরা? বোন: বসুন্ধরা। ওখানে সব ব্র্যান্ড এক জায়গায় পাওয়া যায়। ভাই: বুঝেছি, পছন্দ ‘Aarong’ বা ‘Yellow’ না হলে তুমি হাঁটতেই পারো না। বোন: আর তুমি না হলে ‘জিন্স প্যান্ট’ ছাড়া কিছুই বোঝো না! ভাই: আচ্ছা চল, আজকে শুধু তোমার জন্য সময় দিব। বোন: সত্যি বলছো? তাহলে আইসক্রিম খাওয়াও আজ! ভাই: শপিং শেষ হলে খাই। এখন চলো, নয়তো আবার সন্ধ্যা হয়ে যাবে। বোন: এই জন্যেই তো তুমিই আমার প্রিয় ভাই!" অফিস কলিগদের মধ্যে ওভারটাইম ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা,"রুবেল: তানভির ভাই, আপনি তো প্রতিদিন অফিসে রাত আটটা পর্যন্ত থাকেন। তানভির: আর বলো না রুবেল, কাজের চাপ আর শেষ হয় না। রুবেল: কিন্তু এতে তো আপনার পরিবার সময় পায় না! তানভির: হ্যাঁ, মেয়েটা রোজ জিজ্ঞেস করে, “বাবা কখন আসবে?” রুবেল: আপনি বসকে বলেন না ওভারটাইম কমাতে? তানভির: বলেছিলাম। তিনি বলেন, “দায়িত্বে থাকলে সময় দিতে হবে।” রুবেল: কিন্তু দায়িত্বের মানে তো নিজের জীবনকে শেষ করে ফেলা নয়। তানভির: একদম ঠিক বলেছো। এখন মনে হচ্ছে চাকরির সাথে পরিবার ব্যালান্স করা আরও জরুরি। রুবেল: আপনি চাইলে আমি কিছু দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারি। তানভির: ধন্যবাদ রুবেল, তোমার মতো সহকর্মী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। রুবেল: আর আপনি আমাদের অভিভাবকই তো। আপনি না থাকলে আমরা তো হা করে থাকি। তানভির: এবার চেষ্টা করব, সপ্তাহে অন্তত দুদিন সন্ধ্যায় বাসায় ফিরতে। রুবেল: একদম ঠিক করছেন। অফিস আছে, কিন্তু জীবনটা যে আরও বড়! " ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের মধ্যে টিউশন ফি সংক্রান্ত কথা,"ছাত্র: স্যার, আমি মেহেদী হাসান। আজকে টিউশন ফি জমা দিতে এসেছি। অফিসার: ভালো। আপনার আইডি কার্ড দিন দেখি। ছাত্র: এই নিন স্যার। অফিসার: আপনি তো স্কলারশিপের আবেদন করেছিলেন। সেটা কি অপ্রুভ হয়েছে? ছাত্র: জি স্যার, অ্যাকাডেমিক অফিস বলেছে ৫০% ছাড় হয়েছে। অফিসার: তাহলে আজকের বিল হবে ২৮ হাজার টাকা। ছাত্র: স্যার, আমি ২৫ হাজার এখন দিতে পারি। বাকি ৩ হাজারের সময় চাই। অফিসার: আপনাকে একটা আবেদনপত্র লিখে জমা দিতে হবে। ছাত্র: আমি কি এখনই লিখে দিতে পারি? অফিসার: হ্যাঁ, আমাদের নির্দিষ্ট ফরমে লিখুন। ছাত্র: (আবেদন লিখে) এই নিন স্যার। অফিসার: ঠিক আছে। আপনাকে ৭ দিনের সময় দেওয়া হচ্ছে। ছাত্র: অনেক ধন্যবাদ স্যার। আমি আগামী সপ্তাহেই বাকি টাকা পরিশোধ করব। অফিসার: আপনার শিক্ষাজীবন যেন কোনো আর্থিক সমস্যায় না থেমে যায়, সেটাই চাই। ছাত্র: এই সহযোগিতা না পেলে হয়তো সেমিস্টারটাই বাদ দিতে হতো। অফিসার: চেষ্টা করি সবাইকে সহায়তা করতে। পড়াশোনায় মন দাও।" মা ও মেয়ের মধ্যে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা,"মা: তানিয়া, আজকে আবার একটা প্রস্তাব এসেছে। খুব ভালো পরিবার। তানিয়া: মা, তুমি তো জানো এখনই বিয়ে করতে চাই না। মা: হ্যাঁ, জানি মা। কিন্তু বয়সটা তো চলেই যাচ্ছে। তানিয়া: আমি তো মাস্টার্স শেষ করতে চাই আগে। মা: ছেলেটা কিন্তু মাস্টার্স করা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করে। তানিয়া: তাতে কী? আমার স্বপ্ন আমি নিজেই দাঁড়াবো, নিজের পরিচয় গড়ব। মা: মা হিসাবে তো চাই তোমার ভালো হোক। দুঃখ পেতে দেখলে সহ্য হয় না। তানিয়া: তোমার কথায় ভুল নেই, মা। কিন্তু আমি কি একটু সময় পেতে পারি? মা: তুমি কখনোই কিছু জোর করে করো না, আমি সেটা চাই না। তানিয়া: তুমি পাশে থাকলে, আমি নিশ্চয়ই ঠিক সময়েই সিদ্ধান্ত নিতে পারব। মা: ঠিক আছে, এই প্রস্তাবটাকে শুধু “অস্থায়ী” বলে রেখে দিচ্ছি। চাইলে একবার দেখতেও পারো। তানিয়া: দেখা যাক, কিন্তু সিদ্ধান্ত এখনই নয়। মা: আমি তোমার স্বাধীনতাকে সম্মান করি মা। তানিয়া: ধন্যবাদ মা। আমি জানি তুমি সবসময় বুঝতে পারো। " গ্রাহক ও ব্যাংক কর্মকর্তার মধ্যে লোন প্রসঙ্গে আলোচনা,"গ্রাহক: সালাম ভাই, আমি একটা পার্সোনাল লোন নিতে চাই। ব্যাংক কর্মকর্তা: ঠিক আছে ভাই, আপনি কী উদ্দেশ্যে লোন নিচ্ছেন? গ্রাহক: ছোট একটা ব্যবসা শুরু করতে চাই। ব্যাংক কর্মকর্তা: আপনার কোনো ইনকাম সোর্স বা গ্যারান্টি আছে? গ্রাহক: আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করি, গত ৪ বছর ধরে। ব্যাংক কর্মকর্তা: ভালো, তাহলে আপনার স্যালারি স্লিপ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও এনআইডি লাগবে। গ্রাহক: এনআইডি আর স্টেটমেন্ট এনেছি, স্যালারি স্লিপ কাল এনে দেব। ব্যাংক কর্মকর্তা: মোট কত টাকা লোন চাচ্ছেন? গ্রাহক: দুই লাখ। ব্যাংক কর্মকর্তা: আপনি চাইলে SME লোনেও যেতে পারেন, সুদের হার কম। গ্রাহক: সেটা হলে তো ভালোই। ব্যাংক কর্মকর্তা: আমি ফর্মটা দিয়ে দিচ্ছি, পুরন করে দিন। গ্রাহক: এক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া যাবে? ব্যাংক কর্মকর্তা: সব কাগজ ঠিক থাকলে তিন দিনের মধ্যেই মিলবে ইনশাআল্লাহ। গ্রাহক: অনেক ধন্যবাদ ভাই। ব্যাংক কর্মকর্তা: শুভকামনা রইলো আপনার ব্যবসার জন্য।" বন্ধুদের মধ্যে বিদেশে পাড়ি দেওয়ার আগে শেষ আড্ডা,"জহির: আরে রনি, শুনলাম তুই কানাডা চলে যাচ্ছিস? রনি: হ্যাঁ ভাই, মাসখানেক পর রওনা দিবো ইনশাআল্লাহ। মাহি: কবে যাচ্ছিস? আর আমরা তোকে মিস করবো রে। রনি: ২৫ তারিখ ফ্লাইট। আমারও খুব মন খারাপ লাগছে। জহির: এত বছর একসাথে কাটালাম, তোর চা-টা না থাকলে তো আড্ডাই জমবে না। রনি: ওখানে গিয়ে ভিডিও কল দেব রোজ রাতে, চলো ভার্চুয়াল আড্ডা হবে! মাহি: কিন্তু তোর গিটার বাজানো তো শুনা যাবে না আর লাইভে। রনি: আবার দেখা হবে ভাই। সময় থাকলে তোমরাও আসো ঘুরতে। জহির: তোকে স্কাইপে একদিন রান্না শেখাতে হবে! রনি: হাহা, আগে তো ওভেন চালাতে শিখি! মাহি: একটা ফেয়ারওয়েল পার্টি চাই কিন্তু। রনি: দিতেই হবে। চল আগামী শুক্রবার একটা ছোট আড্ডা দেই, খিচুড়ি পার্টি। জহির: আরেকবার বলছি—বিদেশ গেলে কিন্তু বাংলাদেশ ভুলে যাস না। রনি: মাথায় তুলে রাখলাম ভাই। দেশ, বন্ধুবান্ধব, চা, ফুটবল—সব কিছু রক্তে মিশে আছে। " হাসপাতালের রোগী ও নার্সের মধ্যে ব্যথা ও ঔষধ নিয়ে কথা,"নার্স: কেমন লাগছে আজ শরীরটা, খালাম্মা? রোগী: মাথাটা ভার লাগছে, আর ডান পায়ের ব্যথা কমেনি। নার্স: আমি আপনার প্রেসক্রিপশন দেখে ইনজেকশন দিচ্ছি। রোগী: ইনজেকশনটা খুব ব্যথা করে রে মা! নার্স: একটু কষ্ট হবে, কিন্তু এতে ব্যথা অনেক কমবে। রোগী: কাল রাতে ঘুম আসেনি ঠিকমতো। নার্স: তাহলে আজ রাতে একটা ঘুমের ওষুধ দিয়ে দেব ডাক্তারের অনুমতিতে। রোগী: পানি খেলে বমি বমি লাগে। নার্স: সেটা ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে দেখতে হবে। রোগী: তুমি খুব ভালো মেয়ে মা, সবসময় খোঁজ রাখো। নার্স: আপনাকে নিজের মায়ের মতোই দেখি খালাম্মা। রোগী: আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুক মা। নার্স: ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে উঠবেন। সাহস রাখুন।" কাস্টমার ও অনলাইন ডেলিভারি প্রতিনিধির মধ্যে পণ্যের বিলম্ব নিয়ে অভিযোগ,"কাস্টমার: হ্যালো, আমি গত ৩ দিন আগে অর্ডার দিয়েছিলাম, এখনও পাইনি কেন? ডেলিভারি প্রতিনিধি: দুঃখিত স্যার, আপনার অর্ডার নম্বরটা বলবেন? কাস্টমার: #45261, একটি হেডফোন অর্ডার করেছিলাম। ডেলিভারি প্রতিনিধি: স্যার, আমাদের সিস্টেমে দেখাচ্ছে যে আজ সন্ধ্যায় ডেলিভারি হওয়ার কথা। কাস্টমার: আজও না আসলে আমি ক্যানসেল করব। ডেলিভারি প্রতিনিধি: বুঝতে পারছি স্যার। দেরির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কাস্টমার: এটা তো আমার জরুরি প্রয়োজনের জন্য অর্ডার করা ছিল। ডেলিভারি প্রতিনিধি: আমরা প্রাধান্য দিয়ে এখনই ডেলিভারি টিমে জানাচ্ছি। কাস্টমার: আমি চাই ৭টার মধ্যে হাতে আসুক, নয়তো দরকার নেই। ডেলিভারি প্রতিনিধি: ঠিক আছে স্যার, ৬টার মধ্যেই পৌঁছানো হবে। কাস্টমার: আশা করছি কথা রাখবেন। ডেলিভারি প্রতিনিধি: ইনশাআল্লাহ স্যার, নিশ্চিন্ত থাকুন।" বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যে ইন্ডাস্ট্রি ইন্টার্নশিপ নিয়ে আলোচনা,"সিনিয়র: কিরে, তোর ইন্টার্নশিপ প্লেসমেন্ট হলো কোথায়? জুনিয়র: ভাইয়া, এখনো পাইনি। কয়েকটা জায়গায় সিভি জমা দিয়েছি। সিনিয়র: কোথায় কোথায় দিয়েছিস? জুনিয়র: ব্র্যাক আইটি, বিটকয়েন বিডি আর একটায় রবি। সিনিয়র: ভালো চয়েস। কিন্তু শুধুই সিভি জমা দিলে হবে না, ফলো আপ করতে হয়। জুনিয়র: ভাইয়া ভয় লাগে ফোন করে কথা বলতে। যদি খারাপ নেয়? সিনিয়র: না রে, এটা তো পেশাগত যোগাযোগ। সাহস রাখতে হবে। জুনিয়র: ইন্টারভিউতে কী কী প্রশ্ন করে ওরা? সিনিয়র: প্রজেক্ট নিয়ে জিজ্ঞেস করে, গ্রুপ ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স জানতে চায়। জুনিয়র: ভাইয়া, একটা মক ইন্টারভিউ করে দিতেন? সিনিয়র: অবশ্যই। আগামী শুক্রবার বিকালে সময় রাখ, আমরা একটা প্র্যাকটিস সেশন করব। জুনিয়র: ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনি না থাকলে এতদূর আসতাম না। সিনিয়র: নিজের দায়িত্ব মনে করি তোকে গাইড করা। জুনিয়র: দোয়া করবেন ভাইয়া, যেন একটা ভালো জায়গায় সুযোগ পাই। সিনিয়র: নিশ্চয়ই। চেষ্টার কোন বিকল্প নেই রে। " গ্রাহক ও মোবাইল অপারেটর কাস্টমার কেয়ারের মধ্যে প্যাকেজ সমস্যার সমাধান,"গ্রাহক: হ্যালো, আমার মোবাইল ডেটা প্যাক কেনার পরও ইন্টারনেট চলছে না। কাস্টমার কেয়ার: দয়া করে আপনার মোবাইল নম্বরটি বলবেন? গ্রাহক: ০১৭******** কাস্টমার কেয়ার: ধন্যবাদ। একটু চেক করছি... আপনার প্যাকটি অ্যাকটিভ হয়েছে। গ্রাহক: তাহলে ইন্টারনেট চলছে না কেন? কাস্টমার কেয়ার: মোবাইলে APN সেটিং ঠিক আছে কি না দেখেছেন? গ্রাহক: সেটিংস বুঝি না। কাস্টমার কেয়ার: আমি এসএমএসে নতুন সেটিং পাঠাচ্ছি, আপনি সেটি ইনস্টল করে রিস্টার্ট দিন। গ্রাহক: ঠিক আছে, একটা মিনিট দিন। [কিছুক্ষণ পর] গ্রাহক: ইনস্টল করে রিস্টার্ট দিলাম। কাস্টমার কেয়ার: এখন চেষ্টা করে দেখুন ব্রাউজ করতে পারছেন কি না। গ্রাহক: হ্যাঁ, এখন চলছে। কাস্টমার কেয়ার: অসুবিধার জন্য দুঃখিত। কিছু সাহায্য লাগলে কল দিন। গ্রাহক: অনেক ধন্যবাদ। " বেকার এক তরুণ ও তার বড় ভাইয়ের মধ্যে চাকরির হতাশা নিয়ে আলোচনা,"তরুণ: ভাইয়া, আর ভালো লাগছে না। একটার পর একটা রিজেকশন পাচ্ছি। বড় ভাই: হতাশ হলে চলবে না। চাকরি না পেলে, স্কিল বাড়াতে হবে। তরুণ: প্রতিদিন সিভি পাঠাচ্ছি, কোন উত্তর আসে না। বড় ভাই: সিভি-টা দেখিয়েছিস কোনো অভিজ্ঞ কাউকে? তরুণ: না, নিজেই বানিয়েছি। বড় ভাই: চল, আমি রিভিউ করে দেই। তুই একটা প্রফেশনাল টেমপ্লেটে সাজা। তরুণ: ভাইয়া, মনে হয় আমি কিছুই পারি না। বড় ভাই: এটা শুধু নিজের ওপর সন্দেহ। তুই যে জাভা, পাইথন শিখেছিস, সেটা তো অনেক বড়। তরুণ: রিক্রুটাররা সব এক্সপেরিয়েন্স চায়। বড় ভাই: ঠিক বলেছিস, তাই পার্ট-টাইম ইন্টার্নশিপ কর। ওখান থেকে এক্সপেরিয়েন্স তৈরি হবে। তরুণ: ভালো কথা, কোথায় খোঁজা শুরু করব? বড় ভাই: LinkedIn, BDJobs, আর সরাসরি কোম্পানির সাইট চেক কর। তরুণ: ভাইয়া, তুমি পাশে আছো বলেই সাহস পাই। বড় ভাই: সবসময় তোদের জন্যই আছি রে। " স্কুল শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ছাত্রের পড়ালেখা নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আপনি আসার জন্য ধন্যবাদ। আপনার ছেলে রাফি কিছুদিন ধরে ক্লাসে মনোযোগী নয়। অভিভাবক: ও কি কোনো খারাপ ব্যবহার করেছে? শিক্ষক: খারাপ ব্যবহার নয়, কিন্তু প্রতিদিন হোমওয়ার্ক অসম্পূর্ণ থাকে। অভিভাবক: বাসায় বললে বলে সময় পাই না। শিক্ষক: ওর মধ্যে আগ্রহ আছে, কিন্তু একটু গাইডেন্স দরকার। অভিভাবক: আমি তো অফিসের পর ক্লান্ত হয়ে যাই, সময় দিতে পারি না ঠিকমতো। শিক্ষক: আপনি ১৫ মিনিটও যদি ওর পাশে বসেন, তাতে অনেক পরিবর্তন আসবে। অভিভাবক: বুঝতে পারছি। আপনি কিছু পড়ার কৌশল সাজিয়ে দিতে পারবেন? শিক্ষক: অবশ্যই, আমি ওর জন্য এক সপ্তাহের পড়াশোনার শিডিউল তৈরি করে দেব। অভিভাবক: অনেক উপকার হবে। শিক্ষক: আপনার ছেলে অনেক সম্ভাবনাময়। শুধু একটু উৎসাহ দরকার। অভিভাবক: আমি এখন থেকে সময় বের করব। ধন্যবাদ স্যার।" তরুণী ও তার বান্ধবীর মধ্যে ক্যারিয়ার বনাম সংসার নিয়ে দ্বিধা,"সাবিনা: ভাবছি, এই বছরেই হয়তো বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রুমানা: হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত? তুই তো বলতি, আগে চাকরি করবি! সাবিনা: বাড়ির চাপে পড়ে যাচ্ছি। বিয়ের পর হয়তো চাকরি করা কঠিন হবে। রুমানা: কিন্তু তুই তো গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছিস, তোকে থেমে যেতে হবে কেন? সাবিনা: জানি না, দ্বিধায় আছি। রুমানা: তোর হবু বর কী ভাবে এই বিষয়ে? সাবিনা: সে চায় আমি সংসার দেখি আগে। পরে চাকরির কথা ভাববে। রুমানা: এটা কি তোর স্বপ্নের সঙ্গে মানায়? সাবিনা: না রে। কিন্তু পরিবার খুশি, ওর পরিবারও। রুমানা: আমি বলি, আগে একটা চাকরি ধর। নিজেকে প্রমাণ কর, তারপর বিয়ে। সাবিনা: সত্যি বলছি, তোর কথা ভাবায় ফেললো। রুমানা: সিদ্ধান্ত তোর, কিন্তু নিজের স্বপ্ন ছাড়িস না। সাবিনা: ধন্যবাদ রে রুমানা, তোকে না বললে এত খোলামেলা ভাবতেই পারতাম না। " চাকরি খুঁজছেন এমন একজন তরুণ এবং একটি চাকরি মেলার আয়োজকের মধ্যে কথোপকথন,"তরুণ: ভাই, এই চাকরি মেলাটায় আইটি সম্পর্কিত কোনো পদ আছে? আয়োজক: হ্যাঁ ভাই, স্টল নম্বর ৫ আর ৮—দুটো সফটওয়্যার কোম্পানি আছে। তরুণ: ওরা কি এক্সপেরিয়েন্স চায় নাকি ফ্রেশারও চলবে? আয়োজক: একজন ফ্রেশারকে নিয়ে ট্রেনিং দিয়ে কাজে লাগাবে বলে জানিয়েছে। তরুণ: দারুণ! সিভি জমা দিতে পারি এখান থেকেই? আয়োজক: হ্যাঁ, ওখানেই ওরা ল্যাপটপে বা প্রিন্টে সিভি নিচ্ছে। তরুণ: ভাই, আমার সিভিটা মোবাইলে পিডিএফ ফরম্যাটে আছে, ওটা কি চলবে? আয়োজক: অবশ্যই চলবে। ওরা QR কোড স্ক্যান করেও নিচ্ছে। তরুণ: ভাই, আমি প্রথমবার চাকরি মেলায় এলাম। একটু নার্ভাস লাগছে। আয়োজক: টেনশন না নিয়ে হাসিমুখে কথা বলো। নিজেকে আত্মবিশ্বাসীভাবে উপস্থাপন করো। তরুণ: ধন্যবাদ ভাই, আপনি না থাকলে বুঝতেই পারতাম না। আয়োজক: চাকরি মেলায় এসে কথা বলাই তো যোগাযোগের শুরু। তরুণ: ভাই, আপনি নিজে চাকরি করছেন? আয়োজক: হ্যাঁ, আমি একটি ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। তরুণ: আপনার নামটা জানতে পারি? পরে যোগাযোগের দরকার হতে পারে। আয়োজক: অবশ্যই, আমি রাকিবুল ইসলাম। তোমাকে শুভকামনা! তরুণ: অনেক ধন্যবাদ রাকিব ভাই! আমি এখনই স্টল ৫-এ যাই।" পাড়ার দুই প্রতিবেশীর মধ্যে রাস্তায় ময়লা ফেলার সমস্যা নিয়ে আলোচনা,"প্রতিবেশী ১: ভাই, সকালে দেখলাম আপনার বাড়ির সামনের রাস্তায় আবার ময়লা! প্রতিবেশী ২: আমি তো ফেলিনি ভাই। কিন্তু দেখি কে বা কারা এসে রেখে যাচ্ছে। প্রতিবেশী ১: প্রতিদিনই কারো না কারো পলিথিন পড়ে থাকে। দুর্গন্ধ ছড়ায়। প্রতিবেশী ২: ঠিক বলেছেন। আমি একবার দেখেছি একজন বাইরের লোক প্যাকেট ফেলে চলে গেল। প্রতিবেশী ১: তাহলে কি একটা সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া যায় না? প্রতিবেশী ২: ভালো আইডিয়া। লিখে দেওয়া যাক: “এখানে ময়লা ফেললে জরিমানা”। প্রতিবেশী ১: বা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করাও যেতে পারে। প্রতিবেশী ২: হ্যাঁ, স্থানীয় কাউন্সিলরের কাছে একটা লিখিত অভিযোগ দেব? প্রতিবেশী ১: চলুন, আমি আপনার সঙ্গে যাবো। প্রতিবেশী ২: আমাদের নিজেদের এলাকা, আমাদেরই তো যত্ন নিতে হবে। প্রতিবেশী ১: ঠিকই বলেছেন। আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে আর কে হবে? প্রতিবেশী ২: আমি আজ বিকেলেই দোকান থেকে একটা বোর্ড নিয়ে আসবো। প্রতিবেশী ১: আর আমি সাইনটা প্রিন্ট করে এনে দিবো। প্রতিবেশী ২: আশেপাশের দু’জনকে বললে, সবাই মিলে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। প্রতিবেশী ১: ধন্যবাদ ভাই, আপনার এই উদ্যোগ দেখে ভালো লাগছে। প্রতিবেশী ২: একসাথে থাকলেই তো সমাজ বদলায়। " রেস্টুরেন্টে গ্রাহক ও ওয়েটারের মধ্যে খাবার নিয়ে অভিযোগ ও সমাধান,"গ্রাহক: ভাই, একটু আসবেন? ওয়েটার: জি স্যার, বলুন। গ্রাহক: আমি চিকেন বিরিয়ানি অর্ডার করেছিলাম, কিন্তু এটা তো গরুর মাংস! ওয়েটার: ওহ স্যার, দুঃখিত। এটা সম্ভবত ভুলে গেছে কিচেন। গ্রাহক: আরেকটা ব্যাপার, খাবারটা ঠান্ডাও। ওয়েটার: খুবই দুঃখিত স্যার। এখনই আমি রি-প্লেস করে দিচ্ছি। গ্রাহক: আমি প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করেছি। ওয়েটার: বুঝতে পারছি স্যার। দয়া করে আর ১০ মিনিট সময় দিন, গরম ও ঠিক অর্ডার দেব। গ্রাহক: ঠিক আছে, কিন্তু দ্রুত দিন। আমি লাঞ্চ ব্রেকে এসেছি। ওয়েটার: অবশ্যই। আপনি চাইলে সাথে একটু ফ্রি স্যালাড দিয়ে দেব। গ্রাহক: তা হলে দিন, ধন্যবাদ। [কিছুক্ষণ পর] ওয়েটার: স্যার, আপনার চিকেন বিরিয়ানি, গরম ও টেস্টি করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাহক: এবার ঠিক আছে, ধন্যবাদ। ওয়েটার: আপনার মতামত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহক: সার্ভিস ভালো থাকলে আবার আসব।" কলেজছাত্র ও তার মা’র মধ্যে উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে আলোচনা,"ছেলে: মা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফর্ম তুলতে প্রায় ২০০০ টাকা লাগবে। মা: এত টাকা? তুমি তো আগে বলো নি। ছেলে: এখন সবকিছু অনলাইনে করতে হয়, ফর্ম, ফি, ট্রান্সক্রিপ্ট ফি সব মিলে এটাই হয়। মা: আমাদের হাতে এখন অত টাকা নেই। তোর বাবার বেতন পেতেই দেরি হচ্ছে। ছেলে: আমি যদি সময় মতো না দিই, রেজিস্ট্রেশন মিস হয়ে যাবে। মা: একটু অপেক্ষা কর। তোর বাবার কাছে কথা বলি। ছেলে: আমি চাই না আপনাদের কষ্ট হোক। চাইলে একটা পার্ট-টাইম টিউশনি নিতে পারি। মা: ঠিক আছে, তোর বাবা আসলে কথা বলব। তবে তুই ফোকাস হারাস না। ছেলে: না মা, আমি প্রতিদিন পড়াশোনা করি। মা: তুই যদি মন দিয়ে পড়িস, আমি সব করব তোকে পড়ানোর জন্য। ছেলে: তোমরা অনেক কষ্ট করো মা। আমি চেষ্টা করব কিছু করতে। মা: তোর স্বপ্ন আমাদের স্বপ্ন। সাহস হারাস না বাবা।" পুলিশ ও নাগরিকের মধ্যে হারানো ব্যাগ নিয়ে অভিযোগ,"নাগরিক: স্যার, আমি একটু আগে বাসায় যাওয়ার পথে ব্যাগটা হারিয়ে ফেলেছি। পুলিশ: কোথায় হারিয়েছেন? স্থানটা বলুন। নাগরিক: শাহবাগ মোড়ে নেমে ট্যাক্সি নিচ্ছিলাম, তখনই বুঝি খেয়াল করিনি। পুলিশ: ব্যাগে কী কী ছিল? নাগরিক: জাতীয় পরিচয়পত্র, কিছু অফিসের কাগজ, একটা ছোট্ট ল্যাপটপ, আর কিছু টাকা। পুলিশ: আপনার মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা দিন। নাগরিক: ০১৮********, ধানমন্ডি ৭ নম্বর। পুলিশ: আমরা সাধারণত হারানো জিনিসের রেজিস্টারে এন্ট্রি রাখি। এক কপি জিডি আবেদন লিখে দিন। নাগরিক: আমি এখনই লিখছি। আর কিছু লাগবে কি? পুলিশ: সম্ভব হলে ব্যাগের ছবি থাকলে দিন। না থাকলে রঙ ও ব্র্যান্ড লিখে দিন। নাগরিক: ঠিক আছে, কালো রঙের ব্যাগ, HP লোগো আছে। পুলিশ: আমরা চেষ্টা করব। যদি কেউ জমা দেয়, আপনাকে জানানো হবে। নাগরিক: ধন্যবাদ স্যার। আশা করি ফিরে পাব। পুলিশ: আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। " বৃদ্ধ বাবা ও প্রবাসী ছেলের মধ্যে ফোনে আবেগঘন আলাপ,"বাবা: হ্যালো, কেমন আছিস বাবা? ছেলে: ভালো আছি আব্বা। আপনি কেমন আছেন? বাবা: শরীরটা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। হাঁটাচলা কমে গেছে। ছেলে: আব্বা, আপনি নিয়মিত ওষুধ খান তো? বাবা: খাই রে। কিন্তু তোকে খুব মনে পড়ে। ছেলে: আমি জানি, আমিও আপনাদের ভীষণ মিস করি। বাবা: এত দূরে থাকিস, দেখা হয় না। ছেলে: আমি ছুটি পেলেই দেশে আসব, কথা দিচ্ছি। বাবা: তোকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে। ছেলে: আমিও আব্বা, ছোটবেলার সেই উঠোনটা এখনো মনে পড়ে। বাবা: বাড়ির সবাই তোকে খুঁজে। তোর আম্মু তোর রুমটা এখনো গুছিয়ে রাখে। ছেলে: আপনারা ভালো থাকলেই আমার শান্তি। বাবা: ভালো থাকিস বাবা। সময় হলে দেশে ফিরে আয়। " শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে থিসিস নির্বাচন নিয়ে পরামর্শ,"ছাত্র: স্যার, আমি থিসিসের বিষয় নিয়ে খুবই কনফিউজড। শিক্ষক: কিসে আগ্রহ বেশি? সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, না ডেটা অ্যানালিটিক্স? ছাত্র: আমি চাই কিছু বাস্তব সমস্যার সমাধান দিতে পারি এমন কিছু নিয়ে কাজ করতে। শিক্ষক: ভালো কথা। তাহলে তুমি চাইলে ""রোড ট্র্যাফিক অ্যানালাইসিস"" নিয়ে কাজ করতে পারো। ছাত্র: স্যার, এতে কী কী টেকনোলজি লাগবে? শিক্ষক: Python, কিছু OpenCV, আর Machine Learning মডেল। ছাত্র: আমি পিথন জানি, তবে OpenCV তেমন কাজ করিনি। শিক্ষক: চিন্তা করো না, আমরা গাইড করব। সময় থাকলে ভালো প্রজেক্ট দাঁড় করানো যাবে। ছাত্র: থ্যাংক ইউ স্যার। আপনি গাইড হলে আমি আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। শিক্ষক: মনে রাখো, নিজের আগ্রহ না থাকলে থিসিস করা কঠিন হয়। ছাত্র: ঠিক বলেছেন স্যার। আমি এই বিষয়েই কাজ করব।" ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে পরীক্ষা প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমি আগামী সপ্তাহের পরীক্ষা নিয়ে একটু উদ্বিগ্ন। শিক্ষক: কেন? কোন বিষয় নিয়ে সমস্যা হচ্ছে? ছাত্র: গাণিতিক সমাধানগুলো বুঝতে একটু কষ্ট হয়। শিক্ষক: তুমি নিয়মিত ক্লাসে আসছো তো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, তবে বাসার পড়াশোনা একটু কম হয়। শিক্ষক: বাসায় নিয়মিত সময় দিয়ে অনুশীলন করো। প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে হবে। ছাত্র: আর কি করব স্যার? শিক্ষক: তোমার ছোট ছোট নোট তৈরি করো, যে কোন সমস্যায় কিভাবে ধাপে ধাপে সমাধান করতে হয়। ছাত্র: এটা করলে মনে থাকবে তো? শিক্ষক: অবশ্যই। রিভিশন করলে মস্তিষ্কে ভালোভাবে গেঁথে যায়। ছাত্র: স্যার, প্রশ্নপত্রের ধরন কি এবার পরিবর্তন হয়েছে? শিক্ষক: না, আগের মতোই MCQ আর সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন থাকবে। ছাত্র: তাহলে কি বইয়ের বাইরে বেশি পড়াশোনা করা লাগবে? শিক্ষক: যদি সময় থাকে তাহলে অতিরিক্ত বই পড়তে পারো, তবে প্রথমে বইয়ের বিষয়বস্তু ভালোভাবে বুঝতে হবে। ছাত্র: স্যার, টিউটোরিয়াল ক্লাসগুলো কি সাহায্য করবে? শিক্ষক: অবশ্যই, সেখানে তোমরা মিস করা অংশগুলো কভার করতে পারো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি এখন থেকে বেশি মনযোগ দিব। শিক্ষক: ভালো, আমি তোমার উন্নতি আশা করছি। " শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকা’র মধ্যে প্রকল্প নির্ধারণের আলোচনা,"ছাত্রী: ম্যাডাম, আমাদের সায়েন্স প্রজেক্টের জন্য বিষয় নির্বাচন করতে হবে। শিক্ষিকা: তুমি কী ধরনের বিষয় পছন্দ কর? ছাত্রী: আমি পরিবেশ নিয়ে কিছু করতে চাই। শিক্ষিকা: পরিবেশের মধ্যে কী? প্লাস্টিক দূষণ, গাছ লাগানো, না জলবায়ু পরিবর্তন? ছাত্রী: প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে গবেষণা করতে চাই। শিক্ষিকা: খুব ভালো বিষয়। তোমার কি ধারণা কীভাবে শুরু করবে? ছাত্রী: একটু তথ্য সংগ্রহ করব এবং তারপর একটা প্রতিবেদন লিখব। শিক্ষিকা: চেষ্টা কর ছবি, ডাটা চার্ট ব্যবহার করতে, যাতে প্রেজেন্টেশন আকর্ষণীয় হয়। ছাত্রী: ম্যাডাম, যদি হাতে সময় কম থাকে? শিক্ষিকা: তাহলে প্রধান তথ্যগুলো তুলে ধরো, বেশি তথ্যের চাইতে স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত হওয়াই ভালো। ছাত্রী: বুঝেছি। আমি বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে কাজ করব। শিক্ষিকা: দলবদ্ধ কাজ ভালো ফল দেয়, তবে প্রত্যেকের অবদান নিশ্চিত করো। ছাত্রী: ধন্যবাদ ম্যাডাম, আমি আজই কাজ শুরু করব। " কলেজছাত্র ও সিনিয়র শিক্ষকের মধ্যে ক্যারিয়ার পরামর্শ,"ছাত্র: স্যার, আমি পড়াশোনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। শিক্ষক: কোন বিষয় নিয়ে ভাবছো? ছাত্র: ইঞ্জিনিয়ারিং না বিজ্ঞান, কোথায় বেশি সুযোগ? শিক্ষক: তোমার আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নাও। ছাত্র: ইঞ্জিনিয়ারিং একটু কঠিন মনে হয়। শিক্ষক: কঠিন তো সব ক্ষেত্রেই থাকে, তবে আগ্রহ থাকলে সহজ হয়। ছাত্র: আমি জানতে চাই, কোন ক্ষেত্রের চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি? শিক্ষক: বর্তমানে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা সায়েন্সের চাহিদা বেড়ে গেছে। ছাত্র: আমি কি ওইসব বিষয় শিখতে পারি? শিক্ষক: অবশ্যই, তোমার যদি ইচ্ছা থাকে, তবে অনলাইন কোর্স করতে পারো। ছাত্র: স্যার, ক্যারিয়ার গাইডেন্স ক্লাস হয় এখানে? শিক্ষক: হয়, সপ্তাহে একদিন, তুমি অবশ্যই অংশগ্রহণ করো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি আপনার পরামর্শ মেনে চলব। " শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা,"অভিভাবক: স্যার, আমার ছেলে ক্লাসে মন দেয় না বলে আমি চিন্তিত। শিক্ষক: আপনার ছেলে গড় মেধার ছাত্র, তবে মনোযোগ কম থাকে। অভিভাবক: বাসায় পড়াশোনা করানোর চেষ্টা করি, কিন্তু বেশি মনোযোগ দেয় না। শিক্ষক: সে হয়ত অন্য কোনো বিষয়ে বেশি আগ্রহী। আমরা ক্লাসে কিছু বাড়তি সহযোগিতা করছি। অভিভাবক: তার মোবাইল ব্যবহার সীমিত করছি, কিন্তু ফল বেশি আসে না। শিক্ষক: এটা ভালো, তবে তার আগ্রহের বিষয়গুলোও দেখুন। ক্লাসের বাইরে ও কিছু শিখতে উৎসাহিত করুন। অভিভাবক: আমি চেষ্টা করব, আর কি করতে পারি? শিক্ষক: নিয়মিত ক্লাসে আসা এবং সময়মতো হোমওয়ার্ক করা খুব জরুরি। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার, আমি তার সঙ্গে কথা বলব। শিক্ষক: যেকোনো সমস্যা হলে আমাদের জানাবেন।" শিক্ষার্থী ও বই বিক্রেতার মধ্যে বই কেনার আলোচনা,"ছাত্রী: ভাইয়া, বইয়ের দাম কেমন? বিক্রেতা: কোন বই চাই? রসায়ন, পদার্থ, না জীববিজ্ঞান? ছাত্রী: পদার্থবিজ্ঞানের বই চাই, নতুন এডিশন হলে ভালো হয়। বিক্রেতা: এখানে একটা নতুন এডিশনের বই আছে, দাম ৫০০ টাকা। ছাত্রী: কি বিষয়গুলো আছে? বিক্রেতা: সব পাঠ্যক্রম কভার করে, প্রশ্ন-উত্তর অংশেও ভালো ব্যাখ্যা আছে। ছাত্রী: আমি পছন্দ করি সহজ ভাষায় লেখা বই। বিক্রেতা: এই বইটা তেমনই, শিক্ষকদের রিভিউও ভালো। ছাত্রী: আমি কি পুরানো বই কিনতে পারি? বিক্রেতা: পুরানো বই কিছু কম দামে পাবেন, তবে নতুন বইয়ের থেকে ব্যাখ্যা কিছুটা কম। ছাত্রী: আমি নতুনটা নিব, ভাইয়া। বিক্রেতা: নেও, প্যাকেট দিয়ে দিচ্ছি। ছাত্রী: ধন্যবাদ ভাইয়া, আপনার সাহায্যের জন্য।" শিক্ষিকা ও ছাত্রীর মধ্যে সেমিস্টার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"ছাত্রী: ম্যাডাম, আমি সেমিস্টার পরীক্ষার জন্য কিভাবে প্রস্তুতি নেব বুঝতে পারছি না। সময় যেন কম লাগে। শিক্ষিকা: সময়ের অভাব সব সময় থাকে, তবে পরিকল্পনা করলে অনেক সহজ হয়। তুমি প্রতিদিন কত সময় পড়াশোনা করো? ছাত্রী: ওমা, পড়াশোনার জন্য বরাবরই সময় কম পাই। বাড়ির কাজ ও বাইরের ঝামেলা থাকে। শিক্ষিকা: ঠিক আছে, তাহলে ছোট ছোট সময় ভাগ করে পড়ো। যেমন, সকালবেলা আধা ঘণ্টা, বিকেলে আরেকবার আধা ঘণ্টা। ছাত্রী: হুম, কিন্তু কোন বিষয় আগে পড়ব? শিক্ষিকা: সবচেয়ে দুর্বল বিষয় আগে পড়ো, তারপর ভালো বিষয়গুলোর দিকে আসো। ছাত্রী: আমি ইংরেজি এবং পদার্থবিজ্ঞানে একটু পিছিয়ে আছি। শিক্ষিকা: তাহলে ইংরেজি ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বই থেকে শুরু করো। পদার্থবিজ্ঞানে ফর্মুলাগুলো নিয়মিত মুখস্ত করো। ছাত্রী: ম্যাডাম, ফর্মুলা মুখস্ত করতে গেলে ভুতুড়ে মনে হয়, মনে হয় পড়াশোনা বোরিং হয়ে যাবে। শিক্ষিকা: ভয় পেও না, ফর্মুলা শিখতে চাইলে রোজ একটু সময় দাও, আর সমস্যা হলে আমার কাছে আসো। ছাত্রী: আর যদি কোন প্রশ্ন বোঝা না যায়? শিক্ষিকা: তুমি টিউটোরিয়াল ক্লাসে আসো, সেখানে সব জটিলতা পরিষ্কার হয়। ছাত্রী: আমি মনে করি, গ্রুপ স্টাডি করলে ভালো হয়। শিক্ষিকা: একদম সঠিক। বন্ধুদের সঙ্গে পড়াশোনা করলে মন ভালো থাকে এবং একে অন্যের সাহায্য পাওয়া যায়। ছাত্রী: ম্যাডাম, পরীক্ষার আগে একটু ভয় লাগে, কিভাবে নিজের মনোবল বাড়াব? শিক্ষিকা: আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে। চেষ্টা কর তুমি ভালো প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছো। ছাত্রী: ধন্যবাদ ম্যাডাম, আমি এখন থেকে পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়াশোনা করব। " কলেজ শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস কাউন্সেলরের মধ্যে ক্যারিয়ার বিষয়ক পরামর্শ,"ছাত্র: কনস্যেলর স্যার, আমি আমার ভবিষ্যত নিয়ে খুব চিন্তিত। কোন ক্যারিয়ার পথ বেছে নেব বুঝতে পারছি না। কাউন্সেলর: কোন বিষয়গুলো তোমার পছন্দ? বিজ্ঞান, ব্যবসা, মানবিক অথবা প্রযুক্তি? ছাত্র: প্রযুক্তি আর বিজ্ঞান দুইটাই ভালো লাগে। কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। কাউন্সেলর: প্রথমে নিজের শক্তি ও দুর্বলতা যাচাই করো। তুমি কোন বিষয়ে বেশি ভালো? ছাত্র: গণিত ও প্রোগ্রামিং ভালো হয়। কাউন্সেলর: তাহলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বা ডেটা সায়েন্সে যাওয়ার চিন্তা করো। ছাত্র: শুনেছি সেগুলোতে অনেক প্রতিযোগিতা থাকে। আমি পারব তো? কাউন্সেলর: প্রতিযোগিতা সব ক্ষেত্রেই থাকে, তবে ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রম করলে পারা যায়। ছাত্র: আমি কি অনলাইন কোর্স করতে পারি? কাউন্সেলর: অবশ্যই, অনেক ভালো প্ল্যাটফর্ম আছে যেমন কোর্সেরা, উদেমি। ছাত্র: আর ক্যাম্পাসে কি কোনো ওয়ার্কশপ হয়? কাউন্সেলর: প্রতি মাসে হয়, তুমি সেগুলোতে অংশ নাও। ছাত্র: আমি কি ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাব? কাউন্সেলর: আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ইন্টার্নশিপের তথ্য দিয়ে থাকি। আমি তোমাকে তথ্য দিবো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনার সাহায্যে আমার দিশা পেতে শুরু করলাম। " শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও পেশার আলোচনা,"অভিভাবক: আমার সন্তান, তুমি কলেজ শেষ করে কী করবা? ছাত্র: বাবা, আমি উচ্চশিক্ষা করতে চাই, তবে কোন বিষয়ে তা ঠিক করতে পারছি না। অভিভাবক: কোন বিষয়ে আগ্রহ বেশি? ছাত্র: আমি ইঞ্জিনিয়ারিং বা ব্যবসায় পড়াশোনা করতে চাই। অভিভাবক: ইঞ্জিনিয়ারিং করলে সময় ও খরচ বেশি লাগবে। ব্যবসায় কম সময় লাগলেও পরিশ্রম কম নয়। ছাত্র: আমি ওটা চাই যা ভবিষ্যতে ভালো ক্যারিয়ার দেবে। অভিভাবক: এখনকার চাকরির বাজার দ্রুত পরিবর্তন হয়, তাই তোমার আগ্রহের সঙ্গে সুযোগের সমন্বয় করো। ছাত্র: আমি প্রযুক্তি খাতে যেতে চাই, কারণ তা খুব দ্রুত উন্নয়নশীল। অভিভাবক: খুব ভালো, তবে শুধু পড়াশোনা নয়, অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হবে। ছাত্র: আমি চেষ্টা করব বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করতে। অভিভাবক: তোমাকে আমরা সবসময় সাহায্য করব, তবে তোমার নিজস্ব উদ্যোগ দরকার। ছাত্র: বাবা, আমি ভালো কিছু করতে চাই, নিজের পা নিজেরেই টেকাতে চাই। অভিভাবক: আমরা তোমার পাশে আছি, মন থেকে চেষ্টা করো। " শিক্ষিকা ও ছাত্রীর মধ্যে অনলাইন ক্লাসের সুবিধা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা,"ছাত্রী: ম্যাডাম, অনলাইন ক্লাস খুব সুবিধাজনক হলেও মাঝে মাঝে সমস্যা হয়। শিক্ষিকা: কী ধরনের সমস্যা হয়? ছাত্রী: কখনো ইন্টারনেট সংযোগ খারাপ হয়, কখনো ভিডিও বা অডিও স্পষ্ট হয় না। শিক্ষিকা: সেজন্য আমি ক্লাস রেকর্ড করে রাখি, তুমি পরে দেখতে পারো। ছাত্রী: এটা ভালো, কিন্তু লাইভ ক্লাসের মতো প্রশ্ন করার সুযোগ কম হয়। শিক্ষিকা: তুমি যেকোনো সময় মেসেজ বা ইমেইল করতে পারো, আমি উত্তর দেবো। ছাত্রী: তবে কখনো কখনো মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়। শিক্ষিকা: সেজন্য আমি চেষ্টা করি ক্লাসে বিভিন্ন কার্যক্রম করানোর, যাতে মনোযোগ থাকে। ছাত্রী: অনলাইন ক্লাসে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ কম হয়, তাই ভালো লাগে না। শিক্ষিকা: তুমি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কথা বলতে পারো। ছাত্রী: ভবিষ্যতে অনলাইন ক্লাস আর অফলাইন ক্লাস একসঙ্গে থাকবে তো? শিক্ষিকা: হয়তো, দুই পদ্ধতির মেলবন্ধন হবে, যাতে সুবিধা ও কার্যকারিতা দুটোই পাওয়া যায়। ছাত্রী: ধন্যবাদ ম্যাডাম, আপনি সবসময় সাহায্য করেন। " শিক্ষার্থী ও গাইড টিচারের মধ্যে গবেষণা পত্রের পরিকল্পনা,"ছাত্রী: স্যার, আমার গবেষণা পত্রের জন্য বিষয় নির্ধারণ করতে পারছি না। গাইড: তোমার কোন বিষয়গুলো বেশি আগ্রহের? ছাত্রী: পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ নিয়ে কিছু করতে চাই। গাইড: ভালো, তুমি কি কোন নির্দিষ্ট সমস্যা নিয়ে কাজ করতে চাও? ছাত্রী: প্লাস্টিক দূষণ এবং এর সমাধান নিয়ে। গাইড: এটা খুব সময়োপযোগী বিষয়, গবেষণার সুযোগও আছে। ছাত্রী: আমি কীভাবে শুরু করব? গাইড: প্রথমে বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ো, ডাটা সংগ্রহের উপায় ভাবো। ছাত্রী: মাঠে গিয়ে জরিপ করাও করতে চাই। গাইড: সেটাও ভালো হবে। তুমি স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলতে পারো। ছাত্রী: তথ্য বিশ্লেষণ কিভাবে করব? গাইড: আমি তোমাকে বিভিন্ন সফটওয়্যারের ব্যবহার শিখিয়ে দেবো। ছাত্রী: স্যার, সময় নিয়ে চিন্তা হয়, সব কাজ কী সময়মতো শেষ হবে? গাইড: পরিকল্পনা করে ধাপে ধাপে কাজ করো, আমি নিয়মিত তোমার অগ্রগতি দেখব। ছাত্রী: ধন্যবাদ স্যার, আপনার গাইডেন্সে কাজ শুরু করব। " দুই বন্ধুর মধ্যে ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা,"সোহেল: তানিয়া, তুমি কবে থেকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছো? তানিয়া: আমি মার্চ থেকে কোচিং শুরু করেছি। কিন্তু বাসার পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছি। সোহেল: বাহ! আমি একটু দেরি করে ফেলেছি মনে হয়। তানিয়া: সমস্যা নেই, এখনো সময় আছে। তবে প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট রুটিনে পড়তে হবে। সোহেল: তুমি কোন ইউনিটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছো? তানিয়া: আমি বিজ্ঞান ইউনিটে যাচ্ছি, তোমার তো ব্যবসায় শিক্ষা, তাই তোমার প্রশ্নগুলো একটু ভিন্ন। সোহেল: হ্যাঁ, তবে আমার গণিতে একটু সমস্যা হয়। তানিয়া: কোচিংয়ের টিচারকে বলেছো? সোহেল: উনি বুঝিয়ে দেন, কিন্তু ভুলে যাই। তানিয়া: প্রতিদিন যা শিখো, রাতে রিভিশন দাও। সোহেল: তুমি কীভাবে স্মার্টলি সময় ভাগ করো? তানিয়া: আমি ৫০ মিনিট পড়ি, তারপর ১০ মিনিট বিরতি। দিনে তিনটা বিষয় ঘুরিয়ে পড়ি। সোহেল: ভালো আইডিয়া! তুমি কি প্রতিদিন মডেল টেস্ট দাও? তানিয়া: হ্যাঁ, সপ্তাহে অন্তত ২টা। সোহেল: আর কনফিডেন্স বাড়ানোর জন্য কিছু করো? তানিয়া: হ্যাঁ, সফল হওয়ার কল্পনা করি আর নিজের লক্ষ্য মনে রাখি। সোহেল: ধন্যবাদ তানিয়া, আমি আজ থেকেই রুটিন করব। " "এক ছাত্র ও লাইব্রেরিয়ান এর মধ্যে বই সংগ্রহ নিয়ে আলোচনা ","ছাত্র: সালাম স্যার, আমি গণিত অলিম্পিয়াডের প্রস্তুতি নিতে চাই। কোন বইগুলো আপনার মতে ভালো হবে? লাইব্রেরিয়ান: ওয়ালেকুম সালাম। তুমি কোন ক্লাসে? ছাত্র: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি। লাইব্রেরিয়ান: তাহলে ""Challenging Problems in Algebra"" এবং ""Number Theory Through Problems"" বই দুটি কাজে লাগবে। ছাত্র: এগুলো লাইব্রেরিতে আছে তো? লাইব্রেরিয়ান: হ্যাঁ, আছে। তবে তুমি চাইলে ৭ দিনের জন্য নিতে পারো। ছাত্র: যদি ৭ দিনের মধ্যে শেষ না হয়? লাইব্রেরিয়ান: তুমি আবার রিনিউ করতে পারো। ছাত্র: স্যার, আমি কি অনলাইন লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারি? লাইব্রেরিয়ান: হ্যাঁ, আমাদের ওয়েবসাইটে ই-বুক সংগ্রহ আছে, তোমার আইডি দিয়ে লগ ইন করলেই পাবে। ছাত্র: ওয়াও! ধন্যবাদ স্যার। লাইব্রেরিয়ান: নিয়মিত বই পড়ো, এতে শব্দভাণ্ডার বাড়ে এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়ে। ছাত্র: অবশ্যই স্যার। আপনি সবসময় সাহায্য করেন।" শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ফলাফল ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আসসালামু আলাইকুম, আপনি কাওসারের অভিভাবক? অভিভাবক: জী স্যার, আমি তার বাবা। শিক্ষক: কাওসার মেধাবী, তবে গত মাসে তার পারফরম্যান্স একটু কমেছে। অভিভাবক: স্যার, আমরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। শিক্ষক: সে ক্লাসে মনোযোগ দেয়, তবে বাড়ির কাজগুলো ঠিকমতো করে না। অভিভাবক: আমরা বাসায় নজর দেব, তবে কাওসার মাঝে মাঝে মোবাইলে বেশি সময় দেয়। শিক্ষক: প্রযুক্তি ভালো, কিন্তু সীমার মধ্যে। আপনি সময় ঠিক করে দিন – কখন পড়বে, কখন বিশ্রাম। অভিভাবক: আপনি কি কোনো বাড়তি সহায়তা দিতে পারেন? শিক্ষক: অবশ্যই। আমি প্রতি শনিবার বিকালে অতিরিক্ত ক্লাস নেই, কাওসার আসতে পারে। অভিভাবক: ধন্যবাদ স্যার। আপনি না থাকলে বুঝতাম না। শিক্ষক: আমরা একসঙ্গে চেষ্টা করলে সে অবশ্যই উন্নতি করবে।" শিক্ষার্থী ও সিনিয়রের মধ্যে স্কলারশিপ বিষয়ে পরামর্শ,"ছাত্র: ভাইয়া, আপনি বিদেশে পড়তে গেছেন, আমি জানতে চাই কীভাবে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করব। সিনিয়র: স্কলারশিপ পেতে হলে প্রথমে ভালো একাডেমিক রেজাল্ট দরকার, তারপর IELTS বা TOEFL দিতে হবে। ছাত্র: IELTS কি বাধ্যতামূলক? সিনিয়র: হ্যাঁ, বেশিরভাগ স্কলারশিপে ইংরেজি দক্ষতা প্রমাণ দরকার। ছাত্র: SOP কীভাবে লিখব? সিনিয়র: SOP মানে Statement of Purpose — তোমার লক্ষ্য, কেন সেই কোর্স, কেন ঐ বিশ্ববিদ্যালয় — এগুলো বুঝিয়ে লেখো। ছাত্র: স্কলারশিপের ওয়েবসাইট কোথা থেকে পাব? সিনিয়র: তুমি DAAD (Germany), Fulbright (USA), এবং Commonwealth (UK) এগুলোর ওয়েবসাইটে চেক করো। ছাত্র: ভাইয়া, আপনারা পড়তে গিয়েই চাকরি পান? সিনিয়র: অনেকেই পায়। তবে পড়ার সময় ইন্টার্নশিপ করতে হয়। ছাত্র: আমি আপনার অভিজ্ঞতা অনুসরণ করতে চাই। সিনিয়র: নিশ্চয়ই। যেকোনো দরকার হলে বলবে।" ইউনিভার্সিটিতে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কথোপকথন,"আফসান: হেই! তুমি কি নতুন? মাহি: হ্যাঁ, আজই ক্লাস শুরু। আমি মাহি। আফসান: আমি আফসান, তৃতীয় বর্ষে পড়ি। তোমাদের জন্য আজ নবীনবরণ অনুষ্ঠান আছে। মাহি: আমি তো একটু নার্ভাস, সবাই নতুন! আফসান: ভয় পেও না, সবাই বন্ধুবান্ধবের মতো। মাহি: এই ক্যাম্পাসটা অনেক বড়। ক্লাসরুম খুঁজে পেতে সময় লাগছে। আফসান: চিন্তা কোরো না, আমি তোমাকে ঘুরিয়ে দেখাব। মাহি: এখানে কি ক্লাব-আক্টিভিটিজ হয়? আফসান: অবশ্যই! ডিবেট ক্লাব, ড্রামা ক্লাব, আইটি ক্লাব — অনেক কিছু। মাহি: আমি সাংস্কৃতিক দলে অংশ নিতে চাই। আফসান: তাহলে আজকের অনুষ্ঠানে এনাউন্সমেন্ট শুনো, তারপর ফর্ম ফিল আপ করো। মাহি: ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনি অনেক হেল্পফুল। আফসান: শুভকামনা মাহি, ইউনিভার্সিটি লাইফ উপভোগ করো! " শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে প্রকল্প জমা দেওয়ার সময় নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: শুভ, তুমি এখনো তোমার বিজ্ঞান প্রকল্প জমা করোনি কেন? শুভ: স্যার, আমি আসলে ডেটা কালেকশনে একটু সময় নিচ্ছি। শিক্ষক: বুঝলাম, কিন্তু ডেডলাইন তো গতকাল ছিল। শুভ: স্যার, আমি একটু দয়া চাইছি। দুই দিন সময় দিলে আমি ভালোভাবে শেষ করতে পারব। শিক্ষক: ভালোভাবে করতে চাও এটা ভালো, কিন্তু সবার জন্য নিয়ম এক। শুভ: আমি জানি স্যার, তবে আমার মা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, তাই সময় দিতে পারিনি। শিক্ষক: ও, তাহলে ঠিক আছে। তবে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে জমা দাও। আর দেরি চলবে না। শুভ: ধন্যবাদ স্যার। আমি চেষ্টা করব আরও ভালো করতে। শিক্ষক: তুমি কী থিম নির্বাচন করেছো? শুভ: আমি “প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে পুনঃব্যবহারযোগ্য বস্তু তৈরি” বিষয় নিয়েছি। শিক্ষক: চমৎকার! তবে প্রেজেন্টেশনও তৈরি রাখবে। শুভ: জ্বি স্যার, PowerPoint ও হাতে তৈরি মডেল দুটোই করব। শিক্ষক: তাহলে আশা করছি তোমার প্রজেক্ট ক্লাসের সেরা হবে। শুভ: আপনার আশীর্বাদ থাকলে নিশ্চয়ই হবে স্যার। শিক্ষক: সবসময়, শুভ! এক্সেলেন্ট কাজ করো।" মেয়ে ও তার মায়ের মধ্যে পড়ালেখা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলাপ,"মা: মীম, তোমার রেজাল্ট তো ভালো হয়েছে, তুমি কী ভাবছো ভবিষ্যৎ নিয়ে? মীম: মা, আমি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে চাই। মা: খুব ভালো। তবে মেডিকেল চ্যালেঞ্জিং — তুমি কি মানসিকভাবে প্রস্তুত? মীম: হ্যাঁ মা, আমি মানুষের সেবা করতে চাই। মা: তোমার বাবা বলছিলেন, তোমার কম্পিউটারেও আগ্রহ আছে। মীম: হ্যাঁ, আগ্রহ আছে। তবে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নটা অনেক দিনের। মা: তোমার ইচ্ছাই বড়। কিন্তু পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা রাখতে হবে। মীম: আমি কোচিং-এ ভর্তি হব ভাবছি। মা: কবে থেকে শুরু করবে? মীম: আগামী মাস থেকে। এর মধ্যে নিজে প্রাথমিক বইগুলো শেষ করব। মা: মেডিকেলের প্রশ্নে সময় ব্যবস্থাপনাও জরুরি। মীম: আমি তাই এখন থেকেই টাইম ম্যানেজমেন্ট প্র্যাকটিস করছি। মা: আমার মেয়ে একদিন ভালো ডাক্তার হবে — এই বিশ্বাস আমার আছে। মীম: তোমার এই কথাই আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা মা।" চিড়িয়াখানায় বেড়াতে যাবার আবদার নিয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"মেয়ে: বাবা, আমি আজকে বেড়াতে যেতে চাই। বাবা: তাই নাকি? কোথায় যাবে? মেয়ে: চিড়িয়াখানাতে। বাবা: কে তোমাকে নিয়ে যাবে? মেয়ে: আমি একাই যাব। তোমরা তো সবাই অনেক ব্যস্ত থাকো। কেউ কখনো আমাকে বেড়াতে নিয়ে যাও না। তাই আমি একাই যাব। বাবা: আহারে! আমার মেয়েটাকে কেউ নিয়ে যায় না। মেয়ে: না। বাবা: তাই বুঝি আমার মেয়েটা রাগ করেছে? মেয়ে: তা জেনে তোমাদের কী লাভ! তোমাদের সাথে আমার আর কোনো কথা নেই। তোমরা তোমাদের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকো। বাবা: রাগ করে না মামণি। চলো আজই আমি তোমাকে চিড়িয়াখানায় বেড়াতে নিয়ে যাব। মেয়ে: আমাদের সাথে আম্মু যাবে না? বাবা: হ্যা। আমরা সবাই চিড়িয়াখানাতে গিয়ে খুব মজা করব।" বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সম্পর্কে ছাত্র ও শিক্ষকের সংলাপ রচনা করো। ,"ছাত্র: জনসংখ্যা সমস্যা কী স্যার? শিক্ষক: তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অবতারণা করেছ। জনসংখ্যা বদ্ধির ফলে আমাদের অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর প্রভাব প্রতিটি মানুষের উপর পড়ে। ছাত্র: সেটা কীভাবে স্যার? শিক্ষক: এই মনে করো, আমাদের দেশের আয়তন যা আছে তা কিন্তু বাড়ছে না। কিন্তু জনসংখ্যা কিন্তু বেড়েই যাচ্ছে। তাহলে এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন বাসস্থানের বা বাড়ি-ঘরের। আর বাড়িঘর তৈরির ফলে-ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন কমছে। খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ছাত্র: স্যার, সত্যিইতো। এভাবেতো কখনো ভাবিনি। এটা তো বিরাট বড় সমস্যা। শিক্ষক: শুধু এখানেই শেষ নয়। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে বেকারত্ব দেখা দিচ্ছে। নাগরিক জীবনের সুযোগ-সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। ছাত্র: এর কী কোনো সমাধান নেই স্যার? শিক্ষক: হ্যা অবশ্যই আছে, এ জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে আমাদের দেশের জন্যেই কল্যাণ হতে পারে। ছাত্র: কীভাবে কাজে লাগানো যায় স্যার? শিক্ষক: বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে খুব দ্রুত এ দেশ উন্নত হবে। বিশেষ করে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক প্রেরণ ও জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পারলে প্রচুর বৈদিশিক মুদ্রা আয় সম্ভব। শিল্প কারখানা স্থাপন করে তাতে এই জনবলকে কাজে লাগাতে হবে।" নিজ নিজ পেশার বৈশিষ্ট্য নিয়ে কৃষক ও শ্রমিকের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"রমিজ: আরে বশির না; কেমন আছ? বশির: ভালো আছি রমিজ ভাই। আপনি কেমন আছেন? রমিজ: কেমন আর থাকব, এবার ফসল ভালো হয়নি। তুমি তো চাল কলে কাজ করো। তোমাদের অনেক কষ্ট করতে হয় তাই না? বশির: ভাই, আপনাদের কষ্টের কাছে আমাদের কষ্ট তো কিছুই না। আপনারা একটানা রোদে পুড়ে কাজ করেন। এছাড়া সেচ দেওয়া, সার দেওয়া, যত্ন করে বড় করে তোলা, ধান কাটা, মাড়াই করা- এত কিছুর পরেও ফসলের ন্যায্য মূল্য পান না আবার ফলন খারাপ হওয়ার আশঙ্কা তো আছেই। রমিজ: ঠিকই বলেছ বশির। কিন্তু তোমাদের পরিশ্রম তো কম নয়। ভারি ভারি বস্তা মাথায় চাপিয়ে কলে নিয়ে যাওয়া, শুকানো, মাড়াই করে চালে পরিণত করে আবার তা দোকানে পাঠানো কম কষ্টের নয়। বশির: হ্যা ভাই, আমাদেরও অনেক কষ্ট করতে হয়। কিন্তু কষ্ট হলেও দিন শেষে আমাদের পারিশ্রমিকের নিশ্চয়তা আছে। বশির আপনারা তো অনিশ্চয়তায় ভোগেন। রমিজ: দেখো বশির, বেশি কিছু পাবার আশায় আমরা ফসল ফলাই না। ফসল ফলাই ভালোবাসায়। বশির: আপনাদের কষ্টের ফসল সবাই ভোগ করছে কিন্তু আপনাদের প্রতি সবাই উদাসীন। রমিজ: সবার দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে এমন হচ্ছে। বশির: সরকার এ বিষয়ে কঠোর হচ্ছে। আপনাদের সমস্যা নিয়ে ভাবছে। একদিন এ সমস্যা কেটে যাবে ভাই। রমিজ: তাই যেন হয় বশির, তাছাড়া তো আমাদের বাঁচার উপায় নেই। বশির: ভালো থাকবেন রমিজ ভাই। রমিজ: তুমিও ভালো থেকো বশির।" নাগরিক জীবনের আবাসন সমস্যা নিয়ে দুই নগরবাসীর সংলাপ রচনা করো। ,"আদিল সাহেব: দিন দিন যেভাবে বাড়ি ভাড়া বাড়ছে তাতে এই শহরে থাকাটাই দায় হবে। রশিদ সাহেব: কী আর করা আদিল সাহেব, যাদের বাড়ি আছে তারাতো আর আমাদের কথা ভাবে না। তারা সহজেই ভাড়াটিয়া পায় বলেই ভাড়া বাড়াতে দ্বিধাবোধ করে না। আদিল সাহেব: আমার মনে হয় নগর জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আবাসন সমস্যা। প্রতিদিন যে হারে গ্রাম থেকে লোকজন শহরমুখী হচ্ছে তাতে এ সমস্যা হবে নাইবা কেন? রশিদ সাহেব: আর এই শহরমুখো মানুষের কারণেই বাসা ভাড়া বাড়ছে। দেখা দিচ্ছে আবাসন সমস্যা। আমারতো মনে হয় কদিন পর আর থাকার জন্য বাসা বাড়ি খুঁজেও পাওয়া যাবে না। আদিল সাহেব: পাওয়া যাবে। তবে সেটা হয়তো শহরের বাইরে। রশিদ সাহেব: হ্যা ঠিক বলেছেন। যখন শহরে নতুন বাড়ি করার যায়গা আর খুঁজে পাওয়া যাবে না তখন কাছাকাছি জায়গাগুলোতে লোকজন বসবাস শুরু করবে। আদিল সাহেব: তবে আবাসন সমস্যা দূরীকরণে এটা কোন সমাধান হতে পারে না। বরং আরো বড় সমস্যা দেখা দিবে। রশিদ সাহেব: তাহলে করণীয় কী? আদিল সাহেব: আবাসন সমস্যা দূর করতে হলে প্রথমে শহরমুখো মানুষের স্রোত কমাতে হবে। এজন্যে শিল্প-কারখানা শহরগুলো থেকে স্থানান্তর করতে হবে। তাহলে মূল শহরে লোকসংখ্যা কমবে এবং আবাসন সংকট তৈরি হবে না। রশিদ সাহেব: আপনি চমংকার কথা বলেছেন। এটা একটা ভাল সমাধান হতে পারে।" "খাদ্যদ্রব্যে, ওষুধপত্রে, ভোজ্যতেলে ভেজাল এবং তার বিষক্রিয়া সম্পর্কে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা করো। ","উৎপল: কিছু খেলেই মনে হয় বিষ খাচ্ছি। নাজিম: এতো ভয় কেন বন্ধু? উৎপল: ভয় হবে না, সব কিছুতে ভেজাল আর ভেজাল। নাজিম: ও এই কথা। সেটা আর বলে কোনো লাভ নেই। তবে এটুকু বলতে পারি আমরা যা খাচ্ছি তার অধিকাংশই বিষাক্ত উপাদানে মিশ্রিত। উৎপল: বাজারে এতো সুন্দর সুন্দর ফল সাজিয়ে রাখে। কিন্তু যখনি মনে পড়ে এসবে বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো হয়েছে তখনই কেনার আগ্রহে ভাটা পড়ে। নাজিম: উৎপল, তুমিতো শুধু ফলের কথা বলেছো। খাদ্যদ্রব্য না হয় বাদই দিলাম, রোগ বালাই থেকে সুরক্ষার জন্য যে ঔষধ সেবন করি সেটা কী নিরাপদ? সেখানেও ভেজাল। এছাড়াও ভোজ্যতেলে ভেজাল মেশানো হয়, যা দিয়ে আমরা প্রতিদিন কত খাবার তৈরি করি। উৎপল: এই ভেজাল খাদ্যের বিষক্রিয়ার ফলেই আমাদের শরীরে দুরারোগ্য বিভিন্ন ব্যাধি ভর করছে। অকালে হারাতে হচ্ছে অনেক জীবন। ভেজাল প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে এখনই সোচ্চার হতে হবে। নইলে এ বিষক্রিয়া সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। নাজিম : উৎপল সরকাকে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। উৎপল: শুধু সরকারের পক্ষে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বন্ধু। যতদিন আমাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ না হবে ততদিন এই সমস্যার সমাধান হবে না। নাজিম: ঠিকই বলেছ বন্ধু আমাদেরই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।" চাকরি প্রার্থী ও নিয়োগকর্তার মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"আদনান: আসতে পারি স্যার? নিয়োগকর্তা: হ্যা আসুন, বসুন। আপনার নাম কী? আপনার পরিচয় দিন? আদনান (চাকরি প্রার্থী): আমি আদনান শাহরিয়ার। আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স করেছি। নিয়োগকর্তা: কোন বিষয়ে পড়েছেন? আদনান: সরকার ও রাজনীতি বিষয়ে পড়েছি স্যার। নিয়োগকর্তা: আপনি এর আগে কোথাও চাকরি করেছেন? কোনো অভিজ্ঞতা আছে কি? আদনান: জ্বি না স্যার, আমি কোথাও চাকরি করিনি। তবে আমি ট্রেনিং নিয়েছি এবং শিক্ষানবিশ হিসেবে কিছুদিন কাজ করেছি। নিয়োগকর্তা: খুবই ভালো, তা কোন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন? সেখান থেকে কী কী বিষয় শিখেছেন? আদনান: 'অফিস ব্যবস্থাপনা ও কর্পোরেট কালচার' বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। সেখান থেকে আমি শিখেছি একটি অফিস কীভাবে পরিচালিত হয় এবং কর্পোরেট অফিসে কী কী বিষয়ে লক্ষ রেখে কাজ করতে হয়। নিয়োগকর্তা: আপনি আমাদের এখানে এক্সিকিউটিভ পদে আবেদন করেছেন। নিয়োগ পেলে কিভাবে কাজ করবেন? আদনান: আমাকে এ পদে নিয়োগ দিলে আমি আমার যোগ্যতা, সততা ও আন্তরিকতা দিয়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনের সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। নিয়োগকর্তা: আপনি এখন আসতে পারেন। আমরা আপনাকে পরে মোবাইল ফোনে অথবা চিঠিতে জানিয়ে দেবো। আদনান: ধন্যবাদ স্যার। আসসালামু আলাইকুম।" এশিয়ার বৃহত্তর পাটকল আদমজী বন্ধ ঘোষণার প্রেক্ষিতে দু'জন শ্রমিকের কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো। ,"ছলেমন: এখন কী করবে কিছু কি ভেবে দেখেছ? মোহন লাল: কিছুই ভাবতে পারছিনা। হঠাৎ এমন একটা ঘোষণা আসবে ভাবতেই পারছিনা। ছলেমন: আমার স্বামী রিক্সা চালাতো। একটা দুর্ঘটনায় তার ডান পা কেটে ফেলতে হয়। এই কলে কাজ করে কোনোমতে সংসারটা চালাতাম। এখন কোথায় যাব কী করব বুঝতে পারছি না। মোহন লাল: আমার বৃদ্ধ বাবা-মা এবং নিজের সংসার এই আদমজী কলের আয়ের উপর চলতো। আমি ছাড়া আর কেউ কামাই করার নেই। এভাবে এতবড় পাটকলটি বন্ধ ঘোষণা করবে কখনো কল্পনাতেই আনিনি ছলেমন: আমাদের মতো হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পথে বসতে হবে। কোথায় কাজ পাবো, কে দিবে কাজ? কতো স্বপ্ন ছিল এই আদমজী পাটকল ঘিরে। সব শেষ হয়ে গেল। মোহন লাল: শুনেছি এই পাটকল এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাটকল। অথচ এমন একটি কল এক ঘোষাণায় বন্ধ হয়ে যাবে? আমাদের খেটে খাওয়া শ্রমিকদের কথা কেউ ভাবলো না। ছলেমন: আদমজী পাটকল বন্ধ ঘোষণার সাথে আমার নিশ্বাসও যেন বন্ধ হয়ে আসছে। এতটা বছর যার সাথে ছিলাম, তার প্রতি বড় মায়া জন্মে গেছে। মোহন লাল: তারা বলছে, এখানে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ছলেমন: বন্ধ করলে করুক কিন্তু আমাদের একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিক। আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে যেন বেঁচে থাকতে পারি। মোহন লাল: এতদিন এই প্রতিষ্ঠানের হয়ে শ্রম দিলাম। আমাদের প্রতি কি তাদের কোনো দায়িত্ব নেই?" কুরুচিপূর্ণ চলচ্চিত্র সম্পর্কে মাতা পুত্রের সংলাপ রচনা করো। ,"মা: ইদানিং কী সব চলচ্চিত্র হচ্ছে পরিবারের সবার সাথে একসাথে বসে দেখা না। ছেলে: মা, কী হয়েছে? হঠাৎ সিনেমার প্রতি তুমি ক্ষেপে গেলে যে? মা: না ক্ষেপে কী আর উপায় আছে। আগেকার দিনে বাবা-মা, ভাই-বোন, ছেলে-মেয়ে সকলে একসাথে বসে সিনেমা উপভোগ করা যেত। আর এখানকার দিনে কী সব নোংরামি শুরু হয়েছে। ছেলে: ঠিকই বলেছ মা, কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে এমন হচ্ছে। মা: আমাদের সময়ে যেসব সামাজিক ও পরিবার নির্ভর ছবি হতো সেগুলো কী ব্যবসা সফল হয়নি? সেগুলোতে কোনো অশ্লীলতা ছিল না। আর এখন কী সব সিনেমা বানাচ্ছে পরিবারের লোকদের সাথে বসে দেখাটাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। ছেলে: সত্যি কথা বলতে কী মা, আমি নিজেও মাঝে মাঝে খুব লজ্জাবোধ করি। যখন সবাই মিলে একসাথে সিনেমা দেখব ভাবি তখন এসব অশ্লীল ছবির ভয়ে আর সাহস করি না। মা: এ কারণে এ যুগের ছেলে মেয়েরা সুস্থ বিনোদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ছেলে: এখানো কিছু ভালো ভালো চলচ্চিত্র হচ্ছে। যেগুলো যেমন ব্যবসা সফল হয় তেমনি মার্জিত ও গঠনমুলক হয়। মা: অশ্লীল ছবিকে নিষিদ্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এ সমস্যার সমাধান হবে। ছেলে: হ্যা মা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ ছবির বিকল্প নেই।" জনজীবনে বিজ্ঞানের প্রভাব নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর। ,"পিয়াস: পৃথিবী খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীটা যেন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। বুঝলে রবিন? রবিন: বুঝলাম না। কীভাবে সম্ভব? পৃথিবী হাতের মুঠোয় চলে আসা বলতে কী বুঝাতে চাও? পিয়াস: কেন, তুমি কী দেখতে পাচ্ছ না, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে যে উত্তরোত্তর উন্নতি হচ্ছে এবং সহজ হচ্ছে তা কীসের কারণে? রবিন: এটাতো সহজ কথা। বিজ্ঞান এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। পিয়াস: আমি সেটাই বোঝাতে চেয়েছি। বিজ্ঞান আমাদের চলার পথ সহজ করে দিয়েছে। মুহূর্তেই পৃথিবীর এই প্রান্ত থেকে অন্য আরেক প্রান্তের খবর সরবরাহ করছে, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির ফলে জটিল ও কঠিন রোগ নির্ণয় সম্ভব হচ্ছে। রবিন: বিজ্ঞানের উৎকর্ষ গোটা বিশ্বটাকেই পাল্টে দিয়েছে। বিশেষ করে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের আবির্ভাব বিজ্ঞানের উৎকর্ষের ফসল একটি ছোট্ট ডিভাইসের মধ্যে মনে হয় জগৎটাকে আবদ্ধ করে ফেলেছে। পিয়াস: রবিন তুমি সম্ভবত মোবাইল ফোনের প্রতি ইঙ্গিত করছ। রবিন: হ্যা, মোবাইল ফোনের কথাই বলছি। ছোট একটি মোবাইলে কী নেই, সবই আছে। পিয়াসা: এজন্যেই তোমাকে বলেছিলাম পৃথিবীটা হাতের মুঠোয় চলে এসেছে বিজ্ঞানের কল্যাণে। রবিন: দেখবে ভবিষ্যতে এটি আরো উন্নত ও সহজ হবে। পিয়াস: আমারও তাই মনে হয় রবিন।" মুক্তিযোদ্ধা ও সংবাদপ্রতিবেদকের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"সাংবাদিক: আপনিতো একজন মুক্তিযোদ্ধা। সেই পরিচয়ে আপনার অনুভূতি কেমন? মুক্তিযোদ্ধা: আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, এ পরিচয়ে আমি খুবই গর্ববোধ করি। দেশের জন্যে কিছু করতে পেরেছি এবং তার স্বীকৃতিও পেয়েছি এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু নেই। সাংবাদিক: কোন বিষয়টি আপনাকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছিল? মুক্তিযোদ্ধা: পাকিস্তানি শাসকরা আমাদের পূর্ব পাকিস্তানের লোকদের খুব অবমূল্যায়ণ করত। তাদের আচার আচরণে মনে হতো আমরা সংখ্যালঘু। পশ্চিম পাকিস্তানিরা সকল অধিকার ও সুযোগ সুবিধা ভোগ করত আমরা তার কিছুই পেতাম না। মূলত অধিকার আদায়ের এ চেতনাই আমাকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্‌বুদ্ধ করেছিল। সাংবাদিক: মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদাররা কেমন তাণ্ডব চালিয়েছে? মুক্তিযোদ্ধা: সে কথা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। যা দেখেছি তা বলতে গেলে এখনো বুকের ভেতরটা ডুকরে কেঁদে ওঠে। ওরা আমাদের ঘর-বাড়ি নির্দয়ভাবে জ্বালিয়েছে, মা-বোনদের চোখের সামনে অপমান করেছে, সারি সারি লোকদের দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করেছে। সাংবাদিক: আপনিতো সরাসরি মাঠের যোদ্ধা ছিলেন। আপনাদের প্রতিরোধে কৌশল কী ছিল? মুক্তিযোদ্ধা: আমরা সব সময় গুপ্তচর নিয়োগ রাখতাম। তাদের ক্যাম্পের ভেতরের খবরগুলো খুব দ্রুতই পেয়ে যেতাম। পাক সেনারা কোথায় কখন অপারেশনে যাবে সে খবর পাওয়ামাত্র সেই স্থানের আশে পাশে আমরা অবস্থান নিতাম। আমাদের আয়ত্তের মধ্যে আসা মাত্র একযোগে তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়তাম। তারা দিগ্বিদিক ছুটে পালানো ছাড়া পথ পেত না। এভাবেই তাদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়তাম। সাংবাদিক: মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আপনার এখন প্রত্যাশা কী? মুক্তিযোদ্ধা: আমরা যে শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যে যুদ্ধ করেছি। সেটি এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তেমন আমাদের বাংলাদেশ একটি সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠুক এটাই আমার প্রত্যাশা। সাংবাদিক: আপনাকে স্বাসংখ্য ধন্যবাদ।" পরমতসহিষ্ণুতার গুরুত্ব প্রসঙ্গে শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"শিক্ষক: তুমি পিয়াসকে মেরেছ কেন? ছাত্র: স্যার আমি আগে মারিনি। ঝগড়া করতে করতে ওই আগে আমাকে মেরেছে। শিক্ষক: কী নিয়ে ঝগড়া করছিলে তোমরা? ছাত্র: স্যার, আমি বলেছিলাম মেসি বিশ্বসেরা ফুটবলার। আর ও কিনা বলে মেসি না, রোনালদো পৃথিবীর সেরা ফুটবলার আপনিই বলেন স্যার, মেসির চেয়ে ভালো কেউ কি ফুটবল খেলতে পারে? শিক্ষক: এই ব্যাপারটা নিয়ে তোমরা ঝগড়া মারামারি করেছ? ছাত্র: মেসির বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে আমার সহ্য হয় না স্যার। শিক্ষক: দেখো অপু, পছন্দ-অপছন্দ ব্যক্তিবিশেষে আলাদা হয়ে থাকে। তোমার অভিরুচির সঙ্গে অন্যের অভিরুচি না-ই মিলতে পারে। তোমার কাছে যেমন তোমার সিদ্ধান্তটা মূল্যবান, তেমনি অন্যের কাছেও তার সিদ্ধান্তটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সামাজিক জীব হিসেবে সমাজে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে হলে অন্যের মতামতকে উড়িয়ে দিলে চলবে না। ছাত্র: আমি বুঝতে পেরেছি স্যার। আমার ভুল হয়ে গেছে। শিক্ষক: মনে রেখো, তোমার কাছে হয়তো তোমার পছন্দটাই চূড়ান্ত কিন্তু অন্যেরও যে ভিন্ন পছন্দ থাকতে। পারে সেটা মেনে নেওয়ার মানসিকতা তোমার থাকতে হবে।" ইন্টারনেটের সুফল-কুফল বিষয়ে পিতা ও পুত্রের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"বাবা: কিরে মিলু, ঘুমাস নাই? তোর রুমে এখনো লাইট জ্বলছে? মিলু: না বাবা, ঘুমাই নাই। একটু নেট ব্রাউজ করছি। বাবা: রাত ১২টা বাজে। এখন শুয়ে পড়। সকালে উঠতে হবে। মিলু: শুয়ে পড়ব। একটা অ্যাসাইনমেন্টের কাজ করছি। আধ ঘণ্টা পরে শুয়ে পড়ব। বাবা: কেন, বইপত্র নাই? মিলু: না বাবা, স্যারের দেওয়া অ্যাসাইমন্টটি বইয়ে পাচ্ছি না। নেটে দেখছি পাওয়া যায় কি-না। বাবা : ঠিক আছে, খুঁজে দেখ। তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়িস। মিলু: ঠিক আছে বাবা, তুমি আর মা শুয়ে পড়ো। বাবা: (মায়ের সাথে) আজকাল ছেলেমেয়েরা কী যে সারাদিন নেট ঘাটাঘাটি করে দেখো। মাঝে মাঝে এটা ঠিক আছে। কিন্তু প্রতিদিন রাত-বিরাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কী করে বোঝা মুশকিল। বুঝেছ মিলু কিছু বুঝি না। বইও কেনে আবার নেট ঘাটাঘাটি করে, নেটের সুবিধা যেমন- আছে অসুবিধাও আছে। ছেলের দিকে একটু খেয়াল রেখো।" দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ওপর ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"করিম: মুগ ডাইল আছে মনির ভাই? মনির: আছে। ১৪০ টাকা কেজি। করিম: গত সপ্তাহে নিলাম ১৩০ টাকা কইরা আর আজ ১৪০ টাকা কেন? মনির: পাইকারি দাম বাড়ছে। আমরা কী করুম? করিম: তোমরা কিছু করবা না, আমরা সীমিত আয়ের মানুষরা বাঁচুম কেমনে? মনির: এর মধ্যেই বাঁচতে অইব। গাড়ি ভাড়া যেইভাবে বাড়ছে, মাল আনতেই অনেক ভাড়া খরচ অইয়া যায়। করিম: জ্বালানি তেলের দাম তো বাড়ে নাই; গাড়ি ভাড়া বাড়ল কেন? মনির: এইডাই তো বাঙালির স্বভাব। অবরোধের কথা কইয়া একবার গাড়ি ভাড়া বাড়ছে, হেইডা আর কমনের নাম নাই। করিম: দেহেন ১৩০ টাকা কইরা রাখন যায়নি। এই দেশে আর বাঁচা যাইব না। জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে। না খাইয়া থাকতে অইব। মনির : কী করবেন, দুর্নীতিবাজদের কাছে তো পয়সার অভাব নাই। হেরাই বাজার চালায়।" প্রাচীন মতাবলম্বী শ্বশুর ও আধুনিক জামাতার মধ্যে স্যাটেলাইট চ্যানেল সম্পর্কে আলোচনার সংলাপ বর্ণনা করো। ,"শ্বশুর : আজকাল যে টেলিভিশনে কী সিরিয়াল-টিরিয়াল দেখায়, সংসারের মধ্যে শুধু মানসিক সংঘর্ষ। জামাতা: এটাই তো বর্তমান বাস্তবতা বাবা। শ্বশুর: কী যে বলো জামিল? সময় কী এতটাই পাল্টে গেছে? জামাতা: হুঁ বাবা। আপনাদের সময়ের সেই যৌথ পরিবারের ধারণাটি এখন ভেঙে পড়েছে। শ্বশুর: কী বলো? এখনো তো বাঙালি পরিবারের একজনের আয়ে দশজনের সংসার চলছে জামাতা: না বাবা, এখন ছোট পরিবারের ধারণাটি খুব জনপ্রিয়। শ্বশুর: যতই জনপ্রিয় বলো না কেন, আখেরে কিন্তু সুখে-দুঃখে সব একসাথেই গলা জড়িয়ে কাঁদে। জামাতা: সেইদিন আর থাকবে না বাবা, প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়েরাই তখন আলাদা হয়ে যাবে, কী পছন্দে, কী সিদ্ধান্ত গ্রহণে। শ্বশুর: কী যে বলো? বাঙালির ছেলেমেয়েরা বাপ-মা ছাড়া চলে নাকি? জামাতা: চলবে বাবা, বর্তমানে তাই চলছে।" গত রাতের বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠান সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"জনি: এই অভি, কাল কামালের বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে তোকে দেখলাম না যে? অভি: আমি তো গিয়েছিলাম। আমিও তো তোকে দেখিনি। জনি: তুই কয়টায় গিয়েছিলি? অভি: আমি তো সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে গিয়েছিলাম। জনি: দোস্ত তুই তো অনেক আগে গিয়েছিলি। অভি: কী করব দোস্ত। আমার বাবাকে তো চিনিস; সব কিছুতেই নিষ্ঠাবান। দাওয়াত কার্ডে যা লেখা উনি ওই সময়ই আমাদের সবাইকে নিয়ে হাজির হলেন। জনি: কিন্তু তাড়াতাড়ি চলে এলি কেন? অভি: ওই বাবার কারণে, খাওয়া শেষ, এবার বাড়ি চলো। জনি: জানিস, রাত ১০টার পর ব্যান্ডের গান হলো। আর সেই সাথে নাচ। অভি: তাই নাকি! বলিস কী! জনি: তুই দোস্ত মিস করলি। অভি: আসলেই দোস্ত? ঠিক আছে, নেক্সট টাইম আর বাবার সাথে যাব না। জনি: বাবাকে বুঝিয়ে ম্যানেজ করবি। অভি: তোর পরামর্শ মনে থাকবে।" ইভটিজিং সম্পর্কে বাবা ও ছেলের মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"বাবা: কমল, তোমার ক্লাস কটায়? কমল: প্রথম ক্লাসটি সকাল ৯টায়। বাবা : ঠিক আছে, তাহলে তুমি আমার সাথেই যেতে পারবে। আমি তোমাকে কলেজে নামিয়ে দিয়ে যাব। কমল: দরকার নেই বাবা, আমি কলেজ বাসে চলে যাব। বাবা: রোজই তো যাও। আজ না হয় আমার সাথে গেলে। কমল: ঠিক আছে চলো (দুজন গাড়িতে উঠল)। বাবা: আচ্ছা কমল, ক্লাসের পরে কি বাসায় ফিরে যাবে? কমল: কিছু সময় বন্ধুরা মিলে আড্ডা দেব। তারপর বাসায় যাব। বাবা: কিছু মনে করো না, কোনো রাস্তার মোড়ে আড্ডা দাও না তো! কমল: কেন বাবা, হঠাৎ এ প্রশ্ন করছ? বাবা : না, আজকাল ইভটিজিংয়ের মাত্রা বেড়ে গেছে তো তাই জিজ্ঞেস করলাম? কমল: ইভটিজিং- এটা কী বাবা? বাবা: মেয়েদের উত্ত্যক্তকরণের কাজটিকে ইভটিজিং বলে। যা রাস্তাঘাটে তোমাদের বয়সী তরুণরা করে থাকে। কমল: আমরা বন্ধুরা মাঠে বসে গল্প করি। বাবা: তবুও তোমার জেনে রাখা উচিত- মানবাধিকার কমিশনের মতে এটি ফৌজদারি অপরাধ। কমল: তাই নাকি বাবা? বাবা: হ্যা, তাই। আশা করি তুমি ও তোমার বন্ধুরা এ কাজ থেকে দূরে থাকবে। কমল: অবশ্যই বাবা।" কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত বন্ধুকে সাহায্যের বিষয়ে দু'বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"শ্রেয়া : মনটা খুব খারাপ রে। কাজলের কিডনি দুটি নষ্ট হয়ে গেছে। বোধ হয় বাঁচবে না। শরীফ: ডাক্তার কী বলেছে? শ্রেয়া: ডায়ালাইসিস করাতে প্রায় ৫ লাখ টাকা লাগবে। সেজান: আমরা থাকতে টাকার অভাবে ওকে মরতে দেব না। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করব। শরীফ: হ্যা, আমরা সবাই ক্যাম্পাসে যাব। ওর জন্য সবাইকে সাহায্য করতে বলব। স্যারদের কাছে গিয়ে সব খুলে বলব। শ্রেয়া: তা হয়। আমাদের অনেকের সাহায্য লাগবে। আমরা শুরুতে কলেজের বন্ধুদের জানাব। সেজান: ভয় নেই, সবাই জানলে অনেকেই এগিয়ে আসবে একসাথে কাজ করতে। শরীফ: সব বিভাগে যাব। আমরা প্রয়োজনে স্কুল-কলেজেও প্রচার করব। শ্রেয়া: আমি ফেসবুকে একটা পেজ তৈরি করে পোস্ট করব রাতে। সেজান: আমি বাবাকে বলব। তাঁর অফিসের কলিগদের যেন বলেন। তোরা সবাই সবাইকে নক করতে বলবি। শরীফ: দ্রুত চল কাজলের বাসায় যাই। কী অবস্থা দেখতে হবে। এ সময় ওর পাশে থেকে ওকে সাহস দিতে হবে।" বন্ধুর জন্মদিন পালনের পরিকল্পনা নিয়ে তিন বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"সোহেল: ১৩ তারিখ হেমন্তের জন্মদিন, কী করা যায় বল তো? দিঘি: কী করব মানে। কেক কাটব। অনেক বড় একটা কেক। সোহেল: না, এর বাইরে আরো কিছু। প্রমি: করা যায়। আমরা ওই দিন সকালে সবাই ওর বাসায় গিয়ে হাজির হব। দিঘি: খুব মজা হবে। কিন্তু আমি তো আসতে পারব না এত সকালে। সোহেল: ঠিক আছে, আমরা বাসায় বলব রাতে হেমন্তের বাসায় দাওয়াত আছে। আর এর মাঝে আমরা সব কিছু রেডি করতে পারব। তুই প্রমির বাসায় থাকবি। দিঘি: বুঝলাম না। সোহেল: আমরা হেমন্তের জন্য কেক নিয়ে রাখব। সাথে কিছু গিফট। রাত ১২টার সময় হেমন্তের বাসায় নক করব। প্রমি বাবা কিন্তু অত রাতে বের হতে দিতে রাজি হবেন না। সোহেল: আমরা চাচ্চুকে বুঝিয়ে বলব। তোর বাসা থেকে মাত্র এক মিনিটের পথ। ওকে সারপ্রাইজ দিয়েই চলে আসব। প্রমি: চল বাসায় বলে দেখি। আর দিঘি, তুই এক্ষুনি গিয়ে বাসায় বলে আয়।" ভ্রমণের স্থান নির্বাচনের জন্য তিন বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"আবির: আমরা এবার কক্সবাজার যাব। খালেক: না, আমরা পাহাড় দেখতে যাব। আবির: কেন, পাহাড় দেখতে পরেও যাওয়া যাবে। খালেক: না, এখন সাগর উত্তাল। যেকোনো সময় বিপদ হতে পারে। তার চেয়ে পাহাড়ে যাওয়া ভালো। তরু: বর্ষার সময়ে পাহাড়ও বিপজ্জনক। এসময় পাহাড়ে ধস হয়। অনেক ট্যুরিস্ট হারিয়ে যায় এ সময়। তার থেকে আমরা সিলেটের চা বাগানে যেতে পারি। আবির: না বাবা। এই সময় চা বাগানে অনেক বড় বড় জোঁক থাকে। গত বছর বাবা অফিস থেকে ট্যুরে গিয়েছিলেন সিলেটে। সব নাকি একবারে ছেঁকে ধরে। তরু: এখন তাহলে কী করা যায়? খালেক: আমার কাছে একটা ট্যুরিস্ট বই আছে। ওখান থেকে দেখে বলতে পারি। আবির: তাহলে এ দায়িত্ব তোর কাঁধে থাকল। দুই দিনের মধ্যে জানাতে হবে। তরু : আজ তাহলে উঠিও আমি আবার পড়াতে যাব। আগামীকাল কলেজে দেখা হবে। খালেক: ঠিক আছে। যাই।" বাসার সমস্যা নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"বাড়িওয়ালা: এভাবে ভাড়া দিতে দেরি করলে বাসায় থাকতে পারবেন না। বাসায় আরো অনেক ভাড়াটিয়া তো থাকে। সবাই নিয়ম মেনে চলে। ভাড়াটিয়া: আমি কোনো অনিয়ম করিনি। আপনাকে আগেই বলেছি মাসের দশ তারিখে আপনাকে ভাড়া দেব। বাড়িওয়ালা: সবাই তো সাত তারিখের মধ্যে ভাড়া দেয়। ভাড়াটিয়া: সবার মতো আমার অফিস না। আমি প্রতি মাসের ৯ তারিখের পর বেতন পাই। বাড়িওয়ালা: ঠিক আছে। কিন্তু আপনার ফ্ল্যাটে সব সময় লোক আসে। ফ্ল্যাটের ভেতর শব্দ হয়। আপনার জন্য আমাকে রাত ১১টার পর দরজা খুলে দিতে হয়। ভাড়াটিয়া: আমার কাছে প্রয়োজনীয় লোক আসে। আর বাসায় লোক আসতেই পারে। এটা কোন কথা? আর বাসায় ছোট বাচ্চা খেলাধুলা করে। শব্দ হতেই পারে। ও হ্যা, বাসায় ওঠার সময়ই তো আপনাকে বলেছি আমার অফিস ছুটি হয় রাত ১০টায়। আসতে দেরি হয়। বাড়িওয়ালা: এভাবে রাত ১১টার পর বাসার দরজা খোলা রাখা যাবে না। না হলে আপনাদের অন্য ব্যবস্থা করতে হবে। ভাড়াটিয়া: ঠিক আছে, আমরা অন্য বাসা দেখি। বাড়িওয়ালা: কিন্তু দুই মাসের আগে বাসা ছাড়তে পারবেন না। আপনার সাথে আগেই কথা বলা ছিল। ভাড়াটিয়া: আমি কোনো চুক্তি করিনি আপনার সাথে আমরা সামনের মাসে বাসা ছাড়ব। বাড়িওয়ালা: দেখব কেমন করে ছাড়েন। কোনো মালপত্র বের হতে দেব না। ভাড়াটিয়া: সময় হলে দেখা যাবে।" ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়- এ বিষয়ে ডাক্তার ও রোগীর সংলাপ তৈরি করো। ,"রোগী : শরীরে অনেক জ্বর, কোনো কিছু ঠিক মতো করতে পারি না। ডাক্তার: কত দিন হলো এরকম হয়? রোগী: অনেক দিন। প্রথমে নিজে নিজে বাজার থেকে ওষুধ কিনে খেতাম। কিন্তু কোনো উপকার পাইনি। ডাক্তার: আপনার এই জ্বর সম্পর্কে কি আপনার কোনো ধারণা আছে? জ্বর কেন হয় বলতে পারেন? রোগী: না। ডাক্তার: তাহলে নিজে নিজে ওষুধ খেলেন কেন? শরীরে জ্বর বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তবে জ্বর কোনো নির্দিষ্ট অসুখ নয়। এর আলাদা উৎস আছে। রোগী: তবে সবাই যে নিজে নিজেই ওষুধ কেনে? ডাক্তার: তাহলে তো ডাক্তারের কোনো প্রয়োজন ছিল না। কখনো এমন ভুল করবেন না। কারণ সামান্য ভুল চিকিৎসার কারণে আপনার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই সবার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। নিজে নিজে ডাক্তারি করবেন না। রোগী: ঠিক আছে। এখন থেকে ডাক্তার দেখিয়েই ঔষধ খাব।" ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"ডাক্তার: আপনার সমস্যা কী? ডাক্তার: আপনার সমস্যা কী? রোগী: বুক ব্যথা করে। ডাক্তার: কত দিন থেকে? রোগী: বেশ কিছুদিন থেকে। ডাক্তার: আপনি কি ধূমপান করেন? রোগী: জি। ডাক্তার: কত বছর? রোগী: অনেক বছর। ডাক্তার: আপনার কিছু পরীক্ষা করতে হবে। আমার ধারণা আপনার হার্টে বড় রকমের সমস্যা হয়েছে। আর এটার একমাত্র কারণ হলো ধূমপান। আপনাকে ধূমপান ছাড়তে হবে। রোগী: কীভাবে ছাড়তে পারি স্যার? ডাক্তার: মানুষ পারে না এমন কাজ পৃথিবীতে খুব কম আছে। আর এটা একটা অভ্যাসমাত্র, যা আপনার নিজের তৈরি করা। রোগী: আমি চেষ্টা করব। ডাক্তার: আপনি কি জানেন, প্রতিবছর গড়ে কত লোক ধূমপানের কারণে মারা যাচ্ছে? এটা শুধু হার্টের সমস্যাই করে না, এর ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকিও অনেক বেশি। রোগী: তাই নাকি স্যার? তাহলে আজকেই ছেড়ে দেব।" সময়ের মূল্য সম্পর্কে সচেতন করার জন্য ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে সংলাপ লেখো। ,"স্যার: জাহিদ, তোমার দেরি হলো কেন? জাহিদ: জ্যামে আটকা পড়েছিলাম স্যার। স্যার: আসার কথা ছিল ক'টায়? জাহিদ: স্যার ৬ টায়। স্যার: তুমি কয় মিনিট লেট করেছ? জাহিদ: ২২ মিনিট। স্যার: তুমি কী জানো এই ২২ মিনিটের মূল্য কত? উন্নত বিশ্বে প্রতি মূহূর্তের দাম দেওয়া হয়। কারণ ওরা জানে, সময় একবার চলে গেলে তা আর ফিরে আসবে না এবং যে যত বেশি সময়ের মূল্য দেবে সে তত বেশি উন্নত হবে। জাহিদ: আমাদের তো এরকম ব্যাপারে অভ্যেস হয়ে গেছে স্যার। স্যার: অভ্যেস পরিবর্তন করতে হবে। আর আমরা নিজেরা নিজেদের তাড়না থেকে যদি সচেতন না হই তাহলে দেশের উন্নয়ন হবে কী করে বলো? জাহিদ: আমি। বুঝতে পেরেছি স্যার। এখন থেকে আমি সময় সচেতন হওয়ার চেষ্টা করব।" বন্ধু নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"শিক্ষক: বুঝলে বাবা, চরিত্র হলো মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। যা মানুষকে সম্মান নিয়ে বাঁচতে সাহায্য করে। ছাত্র: জি স্যার। কিন্তু মানুষের চরিত্র গঠনের কাল কখন স্যার? শিক্ষক: তুমি খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছ। চরিত্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হলো তার স্কুলজীবন। কারণ স্কুলজীবনে মানুষ একবার যা আয়ত্ত করে তা আর কখনো ভুলতে পারে না। ছাত্র: চরিত্র গঠনে পরিবারের কি কোনো অবদান থাকে? শিক্ষক: একটা গাছের বেঁচে থাকার জন্য পাতার অবদান যত, চরিত্র গঠনের জন্য পরিবারের অবদান ঠিক ততটাই। ছাত্র: আর বন্ধুদের অবদান? শিক্ষক: বাবা একটা প্রবাদ আছে, 'সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। সেটা নির্ভর করবে তোমার বন্ধু নির্বাচনের ওপর। কারণ বন্ধুরা জীবনকে অনেক দিক থেকেই প্রভাবিত করে। অতএব বন্ধু নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে। ছাত্র: আপনার এ কথা আমার সারাজীবন মনে থাকবে স্যার।" কবিতা অনুরাগীর সঙ্গে কবির সংলাপ রচনা করো। ,"ভক্ত: আপনার কবিতা আমার অনেক ভালো লাগে। কবি: অনেক ধন্যবাদ আপনি কবিতা পড়েন। ভক্ত: আমি শুধু কবিতা পড়িই না, আমি আপনার সবগুলো বই পড়েছি। বিশেষ করে আপনার গত বইমেলার বইটা। কবি: ও আচ্ছা। কেমন লেগেছে কবিতাগুলো? ভক্ত: অনেক ভালো। আপনার কাছে আমার একটা অনুরোধ আছে। কবি: কী অনুরোধ বলুন। ভক্ত : আমি আপনার কবিতার ভাব নিয়ে কিছু লিখতে চাই, যদি আপনি অনুমতি দেন! কবি: অবশ্যই, কেন নয়। তবে আমি চাই আপনি আমার কবিতার ভুলগুলো বেশি করে দেখাবেন। কারণ আপনারা ভুলগুলো ধরিয়ে দিলে আমি পরবর্তীতে শুধরে নিতে পারব। ভক্ত: অবশ্যই। যা সত্য আমি তাই লিখব। কবি : আমিও তাই চাই। কারণ শিল্পে মিথ্যা চলে না। মিথ্যা কখনো শিল্প হতে পারে না।" বৈশ্বিক উষ্ণতার ভয়াবহতা নিয়ে পরিবেশবিদ ও একজন ছাত্রের মধ্যে সংলাপ তৈরি করো ,"শিক্ষক: তোমরা কি জানো পরিবেশ কী? ছাত্র-১: জি স্যার। আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই নিয়ে আমাদের পরিবেশ। শিক্ষক: তাহলে নিশ্চয় আমরাও পরিবেশের একটা অংশ? সকল ছাত্র: অবশ্যই স্যার। শিক্ষক: তাহলে পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলে আমরাও আর বাঁচতে পারব না। সকল ছাত্র: জি স্যার। শিক্ষক: আর তাই আমাদের পরিবেশকে আমাদেরই ভালো রাখতে হবে। তোমরা কি জানো, কীভাবে আমরা আমাদের পরিবেশ ভালো রাখব? সকল ছাত্র: না স্যার। আমরা জানতে চাই। শিক্ষক: অবশ্যই তোমরা জানবে। কারণ আমরা সবাই পরিবেশের অন্তর্ভুক্ত। পরিবেশের সবকিছু আমাদের বেঁচে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সময়ে অবহেলায় আমরা আমাদের অজান্তেই পরিবেশ দূষণ করছি। তাই পরিবেশ বাঁচাতে সবাইকে কাজ করতে হবে।" যানজট নিয়ে দু'জন পথচারীর মধ্যে সংলাপ লেখো। ,"পথচারী ১: আজকে রাস্তায় এত যানজট কেন ভাই? পথচারী ২ : জানি না। সমস্যা তো শুধু আজকের নয়। পথচারী ১: প্রতিদিন এরকম দুর্ভোগে পড়তে হয় মানুষকে? পথচারী ২: আসলে এসব হচ্ছে অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফসল। পথচারী ১: আর ট্রাফিক পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে কী বলবেন? তারা কী করছে? পথচারী ২ : ভাই, আমরা আমাদের শহরকে ঠিক রাখছি না। এখানে গুটি কয়েক ট্রাফিক পুলিশদের দোষ কেন দেবেন বলুন? ওই যে দেখেন রাস্তার পাশে অপরিকল্পিতভাবে এবং আইন অমান্য করে গাড়ি পার্কিং করেছে পড়ালেখা জানা ধনী মানুষরা। তারা যদি এমন করে তখন আমরা কী করতে পারি? পথচারী ১ : তবে কি এ দুর্ভোগ সারাজীবনই থাকবে? পথচারী ২: আমরা যদি না বদলাই তবে সারাজীবন থাকবে। তবে পরিবর্তনের সময় এসেছে। আশা করি আমরা মুক্তি পাব। আমাদের শহরে ট্রাফিক লোড কমাতে হবে, আর রাস্তার পরিমাণ বাড়াতে হবে দ্রুত।" গাছেরও প্রাণ আছে- একথা জানিয়ে রাশেদ ও সাজু দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"রাশেদ: বল তো সাজু পৃথিবীতে আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু কে? সাজু: কে? বলতে পারছি না, তুই বল। রাশেদ: গাছ। কারণ গাছের কারণেই আমরা বেঁচেথাকতে পারছি। সাজু: কীভাবে গাছ আমাদের ভালো বন্ধু? রাশেদ: গাছ অক্সিজেন ছাড়ে আর আমরা তা গ্রহণ করে বেঁচে থাকি। আর আমরা যে কার্বন ডাইঅক্সাইড ছাড়ি তা গাছ গ্রহণ করে। সাজু: হ্যা, এমনই কিছু একটা বইতে পড়েছিলাম আমি। রাশেদ: তুই কি জানিস গাছের প্রাণ আছে? সাজু: না তো, কীভাবে? রাশেদ: গাছ আমাদের মতো নিঃশ্বাস গ্রহণ করতে এবং ছাড়তে পারে। তা ছাড়া গাছ খাদ্য গ্রহণ করতে পারে। এবার বল তো গাছের জীবন আছে এটা প্রথম কে আবিষ্কার করেছিলেন? সাজু: কে আবিষ্কার করেছিলেন? রাশেদ: তিনি হলেন জগদীশ চন্দ্র বসু। আমাদের বাঙালি বিজ্ঞানী। সাজু: তোর সাথে কথা বলে ভালো লাগল। অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ বন্ধু।" চিড়িয়াখানায় বেড়াতে যাবার আবদার নিয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা করো। ,"মেয়ে: বাবা, আমি আজকে বেড়াতে যেতে চাই। বাবা: তাই নাকি? কোথায় যাবে? মেয়ে: চিড়িয়াখানাতে। বাবা: কে তোমাকে নিয়ে যাবে? মেয়ে: আমি একাই যাব। তোমরা তো সবাই অনেক ব্যস্ত থাকো। কেউ কখনো আমাকে বেড়াতে নিয়ে যাও না। তাই আমি একাই যাব। বাবা: আহারে! আমার মেয়েটাকে কেউ নিয়ে যায় না। মেয়ে: না। বাবা: তাই বুঝি আমার মেয়েটা রাগ করেছে? মেয়ে: তা জেনে তোমাদের কী লাভ! তোমাদের সাথে আমার আর কোনো কথা নেই। তোমরা তোমাদের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকো। বাবা: রাগ করে না মামণি। চলো আজই আমি তোমাকে চিড়িয়াখানায় বেড়াতে নিয়ে যাব। মেয়ে: আমাদের সাথে আম্মু যাবে না? বাবা: হ্যা। আমরা সবাই চিড়িয়াখানাতে গিয়ে খুব মজা করব।" বাবাকে টেলিভিশন কিনতে রাজি করাতে বাবা ও ছেলের মধ্যে সংলাপ তৈরি করো। ,"ছেলে: বাবা, আমাদের একটা টেলিভিশন দরকার, সবার বাড়িতেই আছে। আমাদের কেন থাকবে না? বাবা: আমরাও কিনব। তোমার কলেজটা শেষ হোক তারপর। ছেলে: কেন? কলেজে থাকতে কেউ কি টেলিভিশন দেখে না? আমি কিছু জানি না। তুমি টেলিভিশন কিনবে বলো। বাবা: টেলিভিশন কিনলে সারাক্ষণ ওটা নিয়েই পড়ে থাকবে। পড়ালেখা শিকেয় উঠবে। ছেলে: না বাবা। আমি মাঝে মাঝে দেখব। আরিফদের বাড়িতে গিয়ে টেলিভিশন দেখতে ভালো লাগে না। ওরা অনেক বিরক্ত হয়। তা ছাড়া আমি তো সারাক্ষণ টেলিভিশন নিয়ে পড়ে থাকব না। বাবা: তা ঠিক। তবে বেশি বেশি টিভি দেখায় পড়ালেখার ক্ষতি হবে। ছেলে: না বাবা! এখন অনেক শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান টিভিতে দেখায়। আমি ওগুলো দেখব। বাবা: ঠিক আছে, তোমার প্রথম বর্ষের পরীক্ষাটা শেষ হোক। তারপর আমরা টিভি কিনব। তোমার মাকে এখন কিছু বলো না। ছেলে: " আদর্শভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো। ,"শিক্ষক: এই ছেলেরা, তোমরা ক্লাসের বাইরে কী করছ? আবির: স্যার, আমরা ব্যস্ত আছি আপনি জানেন তো। শিক্ষক: এই 'তোমরা' কারা? আবির: আমরা রাজনৈতিক দলের ছেলে। শিক্ষক: তাতে কী? তোমাদের লেখাপড়া নেই? তোমরা ক্লাসের বাইরে বসে আড্ডা দেবে কেন? ভেতরে যাও। রকি: স্যার, আমরা রাজনীতি না করলে কে করবে বলেন? সুমন: আমাদের নিয়ে আপনাদের গর্ব করা উচিত। শিক্ষক: আচ্ছা, তোমরা কি জানো তোমরা কী করছ? তোমরা তোমাদের শিক্ষকের সাথে তর্ক করছ। তোমাদের রাজনৈতিক দল নিশ্চয় তোমাদের এটা শিক্ষা দেয় না। স্কুলের নিয়ম ভঙ্গ করতে তো শেখায় না, তাই না? রকি: তাহলে কি আমরা রাজনীতি করব না, স্যার? শিক্ষক: অবশ্যই তোমরা রাজনীতি করবে। তোমাদের মধ্য থেকেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের নেতা। তবে অবশ্যই তোমাদের সৎ এবং নিষ্ঠাবান হতে হবে। আর এটাই তৈরি হওয়ার সময়। এখন তোমরা যা শিখবে পরবর্তীতে তোমরা তাই করবে। তোমরা যদি ভালো না হও তবে দেশের ভালো করবে কী করে?" "মনে কর, তুমি তারিন। তুমি পটুয়াখালীর বাউফল গ্রামের বাসিন্দা। তোমার এলাকায় মজাপুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন জানিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে দরখাস্ত লেখ। ","২৭ জানুয়ারি, ২০২১ চেয়ারম্যান বাউফল ইউনিয়ন পরিষদ, পটুয়াখালী। বিষয়: মজাপুকুর সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা আপনার ইউনিয়নের অধীন বাউফল গ্রামের বাসিন্দা। এ গ্রামে দুটো মজাপুকুর আছে, যা ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। গ্রামের মানুষ পুকুরের অভাবে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর জন্য পাশের গ্রামের পুকুর ব্যবহার করতে যায়। গোসল করা, কাপড় ধোয়ার জন্য তাদেরকে অনেক কষ্ট করতে হয়। অথচ পুকুর দুটোকে সংস্কার করে ব্যবহারের উপযোগী করতে পারলে গ্রামের মানুষের শ্রম ও সময় দুটোই বাঁচে। আবার মাছের চাষ করে গ্রামের উন্নয়মূলক কাজও করা যায়। এজন্য আপনার সদয় অনুমতি ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দরকার। অতএব আপনার কাছে একান্ত প্রার্থনা, উল্লেখ্য পুকুর দুটোর সংস্কারের জন্য আপনার সদয় অনুমতি প্রদান ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করে বাধিত করবেন। নিবেদক, বাউফল গ্রামবাসীর পক্ষে ১. তারিন হক ২. আবুবকর সিদ্দিক ও ৩. অনুপম রায়।" মনে কর তুমি দিনাজপুর জেলার বালুবাড়ী মহল্লার বাসিন্দা স্বপন। আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৌরসভা মেয়রের কাছে একখানা আবেদন পত্র লেখ। ,"১৪ জানুয়ারি ২০২১ মেয়র দিনাজপুর পৌরসভা। বিষয়: আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা আপনার পৌরসভার বালুবাড়ী মহল্লার বাসিন্দা। প্রায় দু'বছর আগে থেকে আমাদের এলাকায় খাওয়ার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। বলা হয়েছিল এ পানি আর্সেনিকমুক্ত ও বিশুদ্ধ। কিন্তু প্রায় বছর খানেক আগে থেকে দেখা যাচ্ছে, যারা বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও শিশু তাদের হাত-পায়ে একধরনের ঘা হয়ে হাত-পায়ে সাদা ছোপ পড়েছে। কারও কারও শরীরে চুলকানি জাতীয় ঘা দেখা দিয়েছে। কয়েকজন জেলা হাসপাতালের চর্ম বিভাগে দেখানোর পর চিকিসকরা বলেছেন, আর্সেনিকযুক্ত পানি পানের কারণে এ ধরনের ঘা হয়। এরপর স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন এসে পানি পরীক্ষা করে জানান যে ব্যবহৃত পানিতে আর্সেনিক রয়েছে, যা মাত্রাতিরিক্ত ও অত্যন্ত ক্ষতিকর। উল্লেখ্য যে, আমাদের পার্শ্ববর্তী মহল্লায়ও এ ধরনের রোগের বিস্তার ঘটছে। এমতাবস্থায় আপনার কাছে আমাদের আকুল আবেদন, যত দ্রুত সম্ভব আমাদের এলাকায় আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন। নিবেদক রুহুল আমীন স্বপন বালুবাড়ী মহল্লার বাসিন্দাদের পক্ষে, বালুবাড়ী, দিনাজপুর।" টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদনপত্র ,"বরাবর, জেলা প্রশাসক বরগুনা। বিষয়: টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণের জন্য সাহায্য প্রসঙ্গে। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা বরগুনা জেলার অধিবাসী। সাম্প্রতিক টর্নেডোতে বরগুনা জেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টর্নেডোর ফলে গ্রামের সাধারণ ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। ফলে প্রচুর মানুষ গ্রহহীন হয়ে পড়েছে। কৃষকের ফসলের মাঠ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অঞ্চলের মানুষের বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই অতি দ্রুত টর্নেডো কবলিত মানুষের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করলে তাদের পরিণতি করুণ হবে। অতএব, জনাব, যত দ্রুত সম্ভব খাদ্য, ত্রাণসামগ্রী, পানীয়, ঔষধ প্রভৃতি নিয়ে টর্নেডো-আক্রান্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক- বরগুনা জেলাবাসীর পক্ষে, রোমানা" প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলার অনুমতি চেয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদনপত্র ,"১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক খুলনা জিলা স্কুল খুলনা বিষয়: প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলার অনুমতি প্রধান প্রসঙ্গে। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আমরা নবম শ্রেণির ছাত্ররা দশম শ্রেণির ছাত্রদের সাথে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে আগ্রহী। দশম শ্রেণির ছাত্রদের সাথে আলোচনা করে এর সম্ভাব্য তারিখ ঠিক করা যেতে পারে। ম্যাচটি খেলোয়াড়দের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত নিবেদন এই যে, প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি খেলার অনুমতি প্রদান করলে বিশেষভাবে বাধিত থাকব। নিবেদক- নবম শ্রেণির ছাত্রদের পক্ষে, রেজাউল করিম রোল: ০৮ শাখা: ক" বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনপত্র,"১৬ই অক্টোবর, ২০২০ বরাবর নির্বাহী প্রকৌশলী পল্লিবিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিষয়: এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য আবেদন। জনাব, আমরা যশোর জেলার শার্শা উপজেলার নিমতলা গ্রামের অধিবাসী। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার হয়ে গেলেও আমাদের এ গ্রামগুলো বেশ কয়েক বছর হলো পল্লিবিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। তাই সন্ধ্যা হলে বিদ্যুতের অভাবে কেবল জীবনই থমকে যায় না- শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য তথা উন্নয়নও থমকে যায়। অতএব, জনাবের নিকট বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের এ গ্রামে পল্লিবিদ্যুতের সংযোগ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে দেশের উন্নয়নে আমাদের ভূমিকা রাখার সুযোগ দিন। নিবেদক- নিমতলা গ্রামবাসীর পক্ষে, মফিজুর রহমান" বিনা বেতনে অধ্যয়নের জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র ,"২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ বরাবর প্রধান শিক্ষক ঘোড়াশাল এ কে বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মুরাদনগর, কুমিল্লা বিষয়: বিনা বেতনে অধ্যয়ন প্রসঙ্গে। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্রী। গত বার্ষিক পরীক্ষায় আমি প্রথম স্থান অধিকার করে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছি। আপনার সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আমি অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। আমাদের ছয় সদস্যের পরিবারে বাবাই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তিনি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামান্য বেতনভোগী কেরানি। আমার বড় তিন ভাইবোন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। কিন্তু বাবার স্বল্প আয়ে সংসার চালানোই যেখানে অত্যন্ত কষ্টকর সেখানে চার ভাইবোনের লেখাপড়ার খরচ বহন করা তাঁর পক্ষে কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে পড়েছে। অতএব, আমাকে বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ দিলে আপনার নিকট কৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক আপনার একান্ত অনুগত সাদিয়া জেসমিন দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান বিভাগ রোল নম্বর: ১" পাঠাগার স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে দরখাস্ত ,"১১ই জানুয়ারি, ২০২১ বরাবর জেলা প্রশাসক মাগুরা বিষয়: পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার আউনাড়া একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। এ গ্রামে অনেক শিক্ষিত মানুষের বসবাস। এখানে ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষার জন্য পৃথক দুটো উচ্চবিদ্যালয় আছে। প্রতি বছরই এ বিদ্যালয় দুটো থেকে বহু ছেলেমেয়ে পাস করে বের হচ্ছে। একটা মাদ্রাসা এবং তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ এলাকায় শিক্ষার আলো বিতরণ করছে বলে এলাকার মানুষের সাংস্কৃতিক উন্নয়নও ঘটছে। তবে এ এলাকাটিতে বর্তমানে একটা সাধারণ পাঠাগারের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। কিন্তু এলাকাবাসীর পক্ষে অর্থ খরচ করে পাঠাগার স্থাপন করা সম্ভব নয়। অতএব, আপনার কাছে আকুল আবেদন এই যে, আমাদের গ্রামের জনসাধারণের স্বার্থে একটা সাধারণ পাঠাগার স্থাপনের ব্যবস্থা করে একটা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার সুযোগ দান করে বাধিত করবেন। নিবেদক আউনাড়া গ্রামবাসীর পক্ষে ১. মাহবুবুল ইসলাম ২. সামিউল ইসলাম ৩. আসাদউল্লাহ" বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্রের (টিসি-TC) জন্য আবেদন - PDF ,"২৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ বরাবর প্রধান শিক্ষক রংপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর। বিষয়: ছাড়পত্রের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার আব্বা একজন সরকারি চাকরিজীবি। বদলিজনিত কারণে তাঁর কর্মস্থল পরিবর্তন হওয়ায় আমাকেও বিদ্যালয় পরিত্যাগ করে আমার আব্বার নতুন কর্মস্থল বগুড়ায় চলে যেতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ছাড়পত্র প্রয়োজন। অতএব, বিনীত নিবেদন, আমাকে বিদ্যালয় পরিত্যাগের ছাড়পত্র প্রদান করলে আপনার নিকট কৃতজ্ঞ থাকব। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র শফিকুল ইসলাম রোল নং: ২১ বিজ্ঞান বিভাগ নবম শ্রেণি" "জেলা প্রাশাসকের কাছে পাঠাগার স্থাপনের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন ","১১ই জানুয়ারি ২০১৮ বরাবর জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ। বিষয়: পাঠাগার স্থাপনের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানার আছিমপুর একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম। এ গ্রামে অনেক শিক্ষিত মানুষের বসবাস। এখানে ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষার জন্যে পৃথক দুটি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতি বছরই এ বিদ্যালয় দুটো থেকে বহু ছেলেমেয়ে পাশ করে বেরুচ্ছে। একটি নৈশ বিদ্যালয় ও তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ এলাকায় শিক্ষার আলো বিতরণ করছে বলে এলাকায় মানুষের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ঘটেছে। তবে এলাকাটিতে বর্তমানে একটি সাধারণ পাঠাগারের অভাব প্রবল হয়ে উঠেছে। কিন্তু এলাকাবাসীর পক্ষে অর্থ খরচ করে পাঠাগার স্থাপন করা সম্ভন হচ্ছে না। অতএব, আপনার কাছে আবেদন এই যে, আমাদের গ্রামের জনসাধারণের স্বার্থে একটি সাধারণ পাঠাগার স্থাপনের ব্যবস্থা করে একটি উচ্চশিক্ষিত সমাজ গড়ার সুযোগদানে সচেষ্ট থাকবেন। নিবেদক আছিমপুর গ্রামবাসীর পক্ষে, ১. মাহবুবুল ইসলাম ২. সামিউল ইসলাম ৩. আসাদ উল্লাহ" বড় বোনের বিয়ে উপলক্ষ্যে সাত দিনের ছুটি চেয়ে আবেদনপত্র ,"তারিখ: ৫ মে, ২০২২ মাননীয় প্রধান শিক্ষক সাহেব সমীপেষু, ব্‌লু বার্জ হাই স্কুল, সিলেট। বিষয়: বোনের বিয়ে উপলক্ষ্যে অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আগামী ১০-৫-২০২২ তারিখে আমার বড় বোনের শুভ বিবাহের দিন ধার্য করা হয়েছে। বিবাহ উপলক্ষে শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয় স্বজন ও কন্ধু-বান্ধবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমার বড় ভাই দেশের বাইরে থাকেন। এমতবস্থায় বিবাহ উপলক্ষ্যে যাবতীয় কাজ-কর্ম আমাকেই দেখতে হবে। সে কারণে আগামী ৭-৫-২০২২ তারিখ হতে ১৩-৫-২০২২ পর্যন্ত মোট ৭ দিন আমার পক্ষে স্কুলে আসা সম্ভব নয়। অতএব, মহোদয় সমীপে আমার বিনীত প্রার্থনা, উরু ৭ দিনের ছুটি মঞ্জুজুর করে বাধিত করতে মর্জি হয়। বিনীত নিবেদক, আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র আনোয়ার হোসেন ৮ম শ্রেণি, শাখা-খ, রোল-৩" অর্ধ দিবসের ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র ,"তারিখ: ২০ জুলাই, ২০২২ মাননীয় প্রধান শিক্ষক সাহের সমীপেষু এ.কে. উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা বিষয়: অর্ধ দিবস ছুটির জন্য আবেদন। মহোদয়, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের ছাত্রগণ বিনয়পূর্বক নিবেদন করছি যে, আজ প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত খেলা বিষ্ণুণ ভিনটা থেকে ঢাকা স্টেডিয়ামে শুরু হবে। আমরা এই খেলা টেলিভিশনের পর্দায় দেখার জন্য ইচ্ছা পোষণ করছি। অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে, চতুর্থ ঘন্টার পর স্কুল ছুটি মঞ্জুজুরীপূর্বক আমাদেরকে খেলা দেখার সুযোগ দানে বাধিত করবেন। আপনার একান্ত অনুগত, ইসলামপুর এ.কে.আর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ" বিদ্যালয়ে উপস্থিত হবার পর হঠাৎ অসুস্থতাবোধ করায় ছুটির আবেদন ,"তারিখ: ৩০ মে, ২০২২ বরাবর প্রধান শিক্ষক উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মুন্সিগঞ্জ। বিষয়: চতুর্থ ঘন্টার পর ছুটির জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহীত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, দ্বিতীয় ঘণ্টার পর থেকে আমি ভীষণভাবে পেটের ব্যথা অনুভব করছি। এমনিতে সেরে যাবে এই আশায় তৃতীয় ঘণ্টার ক্লাস অনেক কষ্টে করেছি। কিন্তু বর্তমানে ব্যথা বেড়ে যাওয়ায় কোনো মতেই ক্লাস করা আর সম্ভব হচ্ছে না। অতএব, অনুগ্রহপূর্বক আমাকে চতুর্থ ঘণ্টার পর ছুটি মঞ্জুজুর করে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক, নাগউন্সিন আহমেল অষ্টম শ্রেণি, রোল-৬" পানির বিল বাড়ার বিষয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সংলাপ,"বাড়িওয়ালা: গত মাসে আপনার পানির ব্যবহার অনেক বেশি, এর বাড়তি বিল আপনারই নিতে হবে। ভাড়াটিয়া: আমার তো খেয়াল ছিল না, তবে যতটা ব্যবহার করেছি, তার হিসেব করব। বাড়িওয়ালা: অন্যরা সচেতনভাবে পানি ব্যবহার করে, কিন্তু আপনার ফ্ল্যাটে অনেকক্ষন পানি খোলা থাকে। ভাড়াটিয়া: ওটা ওয়ার্কিং ট্যাঁকের কারণে লাগানো আছে, নিজে পানি ব্যবহার সীমিত রাখি। বাড়িওয়ালা: ভবিষ্যতে সতর্ক থাকবেন, নয় তোলাবাজি করে রিচার্জ কাটবে। ভাড়াটিয়া: ঠিক আছে, মাসের শেষে আমি বিলে দেখতে চাইব আর ভয়েস করবেন না। " সিগারেটের গন্ধ নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সংলাপ,"বাড়িওয়ালা: গতকাল থেকে আপনার ফ্ল্যাট থেকে ধোঁয়ার গন্ধ নিচে উঠছে। ভাড়াটিয়া: আমি জানিনা, আমি ধূমপান করি না। বাড়িওয়ালা: তবে জানালা দিয়ে ধোঁয়া বের হয়, কমন হল হয়ে গন্ধ আসে। ভাড়াটিয়া: আমি নিশ্চিত থাকুন, উন্মুক্ত জায়গায় ধূমপান করি, ঘরের ভিতরে না। বাড়িওয়ালা: ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবেন তো, সিগারেট হলে জরিমানা হতে পারে। ভাড়াটিয়া: অবশ্যই করব। ভবিষ্যতে সতর্ক থাকব।" বেডরুমে রিফ্রিজারেটর রাখার বিষয় নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে সংলাপ,"বাড়িওয়ালা: আপনার রুমে ফ্রিজার রাখলে বৈদ্যুতিক লাইন ওভারলোড হতে পারে। ভাড়াটিয়া: আমি আগে অনুমতি নিয়েছি, আপনারা বলেছিলেন সমস্যা হবে না। বাড়িওয়ালা: কিন্তু গত সপ্তাহে ডিসি ট্রিপ করে, চার্জমেন্টও বাড়ছে। ভাড়াটিয়া: তাহলে আমি পুরো ফ্ল্যাটের সাপ্লাই চেক করাবো, প্রতিবেদন দিয়ে দেব। বাড়িওয়ালা: দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, না হলে বন্ধ করে দিতে হতে পারে। ভাড়াটিয়া: বুঝে নিয়েছি, ফ্যাক্স কিংবা মেকানিক আনা হবে দ্রুত।" পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বাবা ও ছেলের মধ্যে সংলাপ,"বাবা: এবারও তোমার রেজাল্ট ভালো হয়নি। কি করছ সারাদিন? ছেলে: আমি চেষ্টা করেছি বাবা, কিন্তু কিছু বিষয় খুব কঠিন ছিল। বাবা: চেষ্টা করলে এমন হয় না। তুমি সবসময় মোবাইলে থাকো। ছেলে: না বাবা, আমি গেম খেলি না, ইউটিউবে পড়াশোনা করি। বাবা: তাহলে ফল কেন খারাপ হলো? ছেলে: বুঝিনি কোথায় ভুল করলাম। আমি কোচিংয়ে যেতে চাই। বাবা: ঠিক আছে, এই শেষ সুযোগ, এরপর আর অভিযোগ শুনবো না। ছেলে: কথা দিচ্ছি, পরেরবার ভালো করবো।" বিয়েতে না যাওয়ার কারণ নিয়ে দুই বন্ধুর সংলাপ,"রাহুল: তোর জন্যই খারাপ লাগলো। বিয়েতে তুই এলি না কেন? সোহেল: ভাই, হুট করে জরুরি অফিসের মিটিং পড়ে গেল। রাহুল: একবার বললেও পারতি। সবাই তোকে খুঁজেছে। সোহেল: ফোন করতে চেয়েছিলাম, সময় পাইনি। রাহুল: আমি রাগ করিনি, কিন্তু দুঃখ পেয়েছি। সোহেল: সত্যি ভাই, মন খারাপ আমারও। রাহুল: ঠিক আছে, একটা ট্রিট চাই পরে। সোহেল: কথা দিলাম, উইকেন্ডে দেখা হবে। " দোকানের পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার সংলাপ,"ক্রেতা: ভাই, আপনি যে জুতা দিলেন, দুদিনেই ছিঁড়ে গেছে! বিক্রেতা: এটা তো কোম্পানির পণ্য, আপনি কেমন ব্যবহার করেছেন? ক্রেতা: আমি তো শুধু অফিসে পরেছি। রাস্তায় হেঁটেছি শুধু। বিক্রেতা: ওটা তখন সম্ভবত ডিফেক্টিভ ছিল। ক্রেতা: তাহলে আপনি চেঞ্জ করে দিন। বিক্রেতা: আপনি রিসিপ্ট আনলে আমি রিটার্ন দিতে পারবো। ক্রেতা: রিসিপ্ট তো বাসায়, কিন্তু আমি আপনাকে দেখিয়েছি আগেও। বিক্রেতা: ঠিক আছে, আপনি রিসিপ্ট নিয়ে আসুন, আমি ব্যবস্থা নেব।" রুমমেটের অগোছালো আচরণ নিয়ে সংলাপ,"রাকিব: ভাই, তোমার জিনিসপত্র একটু গুছিয়ে রাখলে ভালো হয়। সজিব: কেন? আমি তো আমার জায়গায় রাখি। রাকিব: কিন্তু তুমি ওয়াশরুমে তোয়ালে ফেলে রাখো। সজিব: ওটা ভুলে গেছি। কাল থেকে খেয়াল রাখবো। রাকিব: আর প্লেট ধুয়ে রাখো না, দুর্গন্ধ হয়। সজিব: ঠিক আছে, আমি নিয়ম মেনে চলবো। রাকিব: আমরা সবাই তো রুল ফলো করি। সজিব: হ্যাঁ ভাই, আমার দোষ। এবার থেকে আর হবে না।" অফিসে দেরিতে এসে সতর্কতা,"ম্যাডাম: এভাবে দেরি করলে কাজ নষ্ট হবে। সময় মেনে আসতে হবে। কর্মচারী: স্যার, মেট্রোর সমস্যার কারণে দেরি হয়। ম্যাডাম: তবে পরের বার যেন সময় মতো পৌঁছাও, না হলে ব্যবস্থা নিতে হবে। " বিদ্যালয়ে হোমওয়ার্ক না করা,"শিক্ষক: অর্ণব, আজকেও হোমওয়ার্ক করো নাই? এটা কি তোমার অভ্যাস হয়ে গেল? ছাত্র: স্যার, গতকাল বাসায় লোডশেডিং ছিল, পড়তে পারিনি। শিক্ষক: তুমি তো প্রায়ই অজুহাত দাও। ছাত্র: না স্যার, সত্যি বলছি। আজ রাতেই কাজটা শেষ করব। শিক্ষক: ঠিক আছে, কালকের মধ্যে জমা দেবে। তারপর আর কোনো অজুহাত নয়।" বাজারে দাম নিয়ে তর্ক,"ক্রেতা: ভাই, আলু ৬০ টাকা কেজি বলছেন? এটা তো গতকালও ৪৫ ছিল! দোকানি: আপা, পাইকারি বাজার থেকেই দামে উঠানামা হচ্ছে। ক্রেতা: সবসময় তো পাইকারি দাম বাড়ার অজুহাত দেন। দোকানি: আমি তো লাভে বিক্রি করি না, শুধু সারভাইভ করছি। ক্রেতা: ঠিক আছে, এক কেজি দেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এমন হলে অন্য দোকানে যাব।" লাইব্রেরিতে উচ্চস্বরে কথা বলা,"লাইব্রেরিয়ান: দয়া করে নিচু স্বরে কথা বলুন, অন্যরা পড়তে পারছে না। ছাত্র: দুঃখিত স্যার, আমরা একটু আলোচনায় মেতে উঠেছিলাম। লাইব্রেরিয়ান: লাইব্রেরিতে আলোচনা নয়, নীরবতা রক্ষা করতে হবে। ছাত্র: ঠিক বলেছেন, আমরা আর এমন করব না। লাইব্রেরিয়ান: ভালো, এখন থেকে একটু সচেতন থাকো।" অনলাইনে পণ্য ভুল ডেলিভারি,"ক্রেতা: ভাই, আমি কালো ব্যাকপ্যাক অর্ডার করেছিলাম। আপনারা লাল ব্যাগ পাঠিয়েছেন কেন? ডেলিভারি ম্যান: দুঃখিত ভাই, সম্ভবত প্যাকিংয়ের সময় ভুল হয়েছে। ক্রেতা: আমি স্পষ্টভাবে কালো ব্যাগ অর্ডারে উল্লেখ করেছি। ডেলিভারি ম্যান: ঠিক আছে, কালকের মধ্যে সঠিক ব্যাগটি পৌঁছে দেব। ক্রেতা: দয়া করে সময়মতো ঠিক জিনিসটা দিয়ে যাবেন। আমার ভ্রমণের পরিকল্পনা আছে।" প্রাইভেট টিউটরের বিল পরিশোধ,"টিচার: খালেদ সাহেব, আমি গত দুই মাসের বেতন এখনো পাইনি। অভিভাবক: ওহ! দুঃখিত, অফিসের ব্যস্ততায় মিস হয়ে গেছে। টিচার: আমি তো বেশ কয়েকবার ইঙ্গিত দিয়েছি। অভিভাবক: চিন্তা করবেন না, আজ রাতেই বিকাশ করে দেব। টিচার: ঠিক আছে, নিয়মিত হলে ভালো হতো। এতে আমারও পরিকল্পনা করা সহজ হয়। " গরমে বাসার ফ্যান কাজ না করা,"ভাড়াটিয়া: ভাই, ফ্যানটা ঠিকমতো ঘোরে না, শব্দও করে। বাড়িওয়ালা: আগে তো এমন অভিযোগ পাইনি। ভাড়াটিয়া: কয়েকদিন ধরেই এমন হচ্ছে। গরমে থাকা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। বাড়িওয়ালা: ঠিক আছে, ইলেকট্রিশিয়ান ডেকে দেখিয়ে নেব। ভাড়াটিয়া: দয়া করে কালকের মধ্যেই ব্যবস্থা নিন, প্লিজ।" রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ে আলোচনা,"তুমি: আজকে রাস্তায় বের হয়েই আটকে পড়লাম, ঘণ্টাখানেক দাঁড়িয়ে ছিলাম! বন্ধু: হ্যাঁ, মেইন রোডে কাজ চলছে, তাই এই অবস্থা। তুমি: কিন্তু অফিসের সময় এমন জ্যাম খুবই বিরক্তিকর। বন্ধু: আমি এখন অলটারনেট রোডে চলি, একটু ঘুরে হলেও সময় বাঁচে। তুমি: ভালো আইডিয়া! আমি কাল থেকে ওইদিক দিয়েই যাব। " পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা,"ছাত্র: স্যার, আমি অনেক কষ্ট করে পড়েছিলাম, তবুও নম্বর কম এসেছে। শিক্ষক: তুমি হয়তো প্রশ্ন বুঝে ভুল উত্তর দিয়েছো। ছাত্র: আপনি একটু খাতা দেখে বলবেন? শিক্ষক: অবশ্যই, আসো বিকেলে আমার কক্ষে। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি বুঝতে চাই কোথায় ভুল করেছি।" মোবাইল চার্জার নষ্ট হওয়া,"তুমি: ভাই, চার্জারটা গতকাল কিনেছি, কিন্তু কাজ করছে না। দোকানি: রশিদ আনছেন তো? তুমি: হ্যাঁ, এটা দেখুন। দোকানি: ঠিক আছে, আরেকটা দিয়ে দিচ্ছি। তুমি: ধন্যবাদ ভাই, তবে এটা যেন ভালোভাবে চেক করা থাকে।" বন্ধুর কাছ থেকে বই ধার নেওয়া,"রাফি: ভাই, তোমার ঐ ইতিহাস বইটা কয়েকদিনের জন্য দিবি? আমার আগামী সপ্তাহে পরীক্ষা। তানভীর: অবশ্যই দিবো, কিন্তু খেয়াল রাখিস যেন পাতাগুলো ছিঁড়ে না যায়। রাফি: নিশ্চিন্ত থাক, আমি পড়া শেষ করেই ফেরত দিবো। তানভীর: তুই তো জানিস, আমি বই নিয়ে খুব কেয়ারফুল। তুইই শুধু পাইতে পারিস। রাফি: ধন্যবাদ ভাই, তুই না থাকলে এত অল্প সময়ে বই পেতাম না।" বন্ধুর জন্মদিনে উপহার নিয়ে বিতর্ক,"সুমি: দোস্ত, তোর জন্মদিনে তো সুন্দর একটা উপহার এনেছিলাম। কিন্তু তুই কিছু বললি না! রুমানা: আরে, আমি তো চমকে গিয়েছিলাম! ওটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। সুমি: তোর এক্সপ্রেশন দেখে মনে হলো মন খারাপ। রুমানা: না রে! আসলে ওইদিন আমার মাথায় অন্য চিন্তা ছিল, মনোযোগ দিতে পারিনি। সুমি: ওহ, বুঝেছি। তবে এমন দিনে একটু খুশি দেখাতে পারিস। রুমানা: হ্যাঁ, দোষ হলো আমারই। পরে অনেক আফসোস করেছি।" সহপাঠীর পরীক্ষার খাতা চাওয়া,"তানিয়া: ফারহানা, তোর গণিত খাতাটা একটু দিবি? কিছু প্রশ্নে সমস্যা হচ্ছে। ফারহানা: বই খুঁজে দেখেছিস? তানিয়া: দেখেছি, কিন্তু তোর ক্লাসের নোট বেশি ভালো। ফারহানা: ঠিক আছে, কিন্তু তাড়াতাড়ি ফিরিয়ে দিস। পরশু আমারও টেস্ট আছে। তানিয়া: চিন্তা করিস না, আজ রাতেই দেখে দিচ্ছি। ফারহানা: তাহলে নিয়ে যা, সাবধানে রাখিস। " অফিসে কাজ ভাগ নিয়ে মতভেদ,"নাসির: ভাই, শুধু আমি একাই কেন রিপোর্ট বানাবো? টিমে তো সবাই আছে! জুবায়ের: আমি অন্য ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ব্যস্ত ছিলাম। নাসির: আমি শুধু কাজ করে যাব আর কেউ সহযোগিতা করবে না, এটা ঠিক নয়। জুবায়ের: ঠিক বলেছো। চল কাজ ভাগ করে নিই, আমি আগামী দুদিনের ডাটা এনালাইসিস করবো। নাসির: তাহলেই তো সবার কাজ সহজ হয়। ধন্যবাদ বুঝে কাজ নেয়ার জন্য।" ছোট ভাইয়ের মোবাইল নিয়ে অভিমান,"নাঈম: ভাইয়া, আপনি আমার মোবাইল ছাড়া আমার কাছেই কিছু রাখেন না! রায়হান: আরে! তোর মোবাইলটা চেক করতে গিয়ে একটু গেম খেলেছি শুধু। নাঈম: কিন্তু আপনি না বলে নিয়ে যান সবসময়। সেটা তো ঠিক না। রায়হান: ঠিক বলেছিস, পরের বার বলেই নিবো। দুষ্টু ভাইয়ের একটু খেলাই তো। নাঈম: তাহলে ঠিক আছে, মাফ করলাম। তবে সময়মতো ফেরত দিবেন! " শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে সন্তানের পড়া নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আপনার ছেলে ক্লাসে মনোযোগ ঠিকভাবে দিচ্ছে না। প্রায়ই অনুপস্থিত থাকে। অভিভাবক: আমি খেয়াল করিনি স্যার। ও তো বলে নিয়মিত যাচ্ছে। শিক্ষক: আপনারা যদি বাসায়ও একটু নজর দেন, তাহলে সে আরও ভালো করবে। অভিভাবক: নিশ্চয়ই স্যার, এখন থেকে আমরা সময় নিয়ে পড়াশোনার দিকে নজর দেবো। শিক্ষক: তাহলেই ভালো হবে, সময় মতো গাইড পেলে ওর ভালো রেজাল্ট হবে।" চিকিৎসকের কাছে পেটের ব্যথার জন্য পরামর্শ,"রোগী: ডাক্তার সাহেব, কয়েকদিন ধরে পেটে ব্যথা হচ্ছে। ডাক্তার: কোথায় ব্যথা অনুভব করছেন? খাওয়ার পরে না আগে? রোগী: খাওয়ার পরে বেশি হয়। মাঝে মাঝে গ্যাসও হয়। ডাক্তার: তাহলে কিছু টেস্ট করে নিতে হবে। আপাতত ওষুধ দিচ্ছি। রোগী: ঠিক আছে ডাক্তার সাহেব, রিপোর্ট নিয়ে আবার আসবো।" ব্যাংকে লোন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা,"গ্রাহক: আমি একটা ব্যক্তিগত লোন নিতে চাই, কী কী কাগজপত্র লাগবে? ব্যাংক কর্মকর্তা: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র, ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট আর চাকরির প্রমাণপত্র। গ্রাহক: আর কত দিনের মধ্যে লোন অনুমোদন হবে? ব্যাংক কর্মকর্তা: সব কাগজ ঠিক থাকলে ৭ কার্যদিবসের মধ্যেই হয়ে যাবে। গ্রাহক: ধন্যবাদ, তাহলে কাল সব ডকুমেন্ট জমা দিয়ে দিব।" স্কুলে ইউনিফর্ম না পরায় সতর্কতা,"শিক্ষক: তাসফিয়া, আজ ইউনিফর্ম পরো নাই কেন? এটা নিয়মের বাইরে। ছাত্রী: স্যার, আমার ইউনিফর্মটা শুকায়নি, তাই অন্য জামা পরেছি। শিক্ষক: বুঝলাম, তবে পরের বার যেন এরকম না হয়। ছাত্রী: ঠিক আছে স্যার, আমি চেষ্টা করবো নিয়ম মেনে চলতে।" প্রতিবেশীর বাসায় বারবার অতিথি আসা নিয়ে অভিযোগ,"প্রতিবেশী: ভাই, আপনার বাসায় রোজ বিকেলে এত লোকজন আসে কেন? আপনি: ওরা আমার অফিসের কলিগ, দুই দিন ধরে একটা মিটিং চলছে বাসা থেকেই। প্রতিবেশী: কিন্তু শব্দে পাশের ফ্ল্যাটে পড়াশোনা করতে কষ্ট হয়। আপনি: দুঃখিত ভাই, আজ শেষ দিন। কাল থেকে শান্ত থাকবে। প্রতিবেশী: ঠিক আছে, আশা করছি শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।" কোচিং ক্লাসে আসন সংখ্যা নিয়ে সমস্যা,"ছাত্র: ভাইয়া, আজকে ক্লাসে জায়গাই পেলাম না বসার। কোচিং শিক্ষক: হ্যাঁ, আজ একটু ভিড় বেশি হয়েছে। নতুন কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। ছাত্র: আমরা পুরাতন ছাত্র, তাও দাঁড়িয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে? কোচিং শিক্ষক: ঠিক বলেছো। আমরা নতুন একটা ব্যাচ আলাদা করে দিচ্ছি আগামী সপ্তাহ থেকে। ছাত্র: তাহলে ভালো হয়, নয়তো ক্লাসে মনোযোগ নষ্ট হয়।" বাসার ইন্টারনেট ধীরগতির অভিযোগ,"ভাড়াটিয়া: ভাই, ইন্টারনেটের গতি গত কয়েকদিন খুব খারাপ। বাড়িওয়ালা: আমি কেবল কোম্পানিকে জানিয়েছি, ওরা বলেছে ওয়ার্ক চলছে। ভাড়াটিয়া: কিন্তু আমি অনলাইন অফিস করি, কাজ আটকে যায়। বাড়িওয়ালা: আপনি চাইলে আলাদা সংযোগ নিতে পারেন, আমি অনুমতি দিব। ভাড়াটিয়া: তাহলে কালই নতুন লাইন সম্পর্কে খোঁজ নিই।" সিটি কর্পোরেশনের ময়লা না তোলার অভিযোগ,"বাসিন্দা: ভাই, তিনদিন ধরে ময়লার গাড়ি আসছে না। গন্ধে থাকা যাচ্ছে না। কর্মচারী: স্যার, গাড়ি নষ্ট ছিল। আজ বিকেলেই ময়লা তোলা হবে। বাসিন্দা: নিয়মিত না হলে এলাকায় রোগবালাই ছড়াতে পারে। কর্মচারী: ঠিক বলেছেন, আমি এখনই সুপারভাইজারকে ফোন দিচ্ছি। বাসিন্দা: ভালো হয়, যেন আগামীতে এমন না হয়।" মার্কেটে পোশাকের দাম নিয়ে দর কষাকষি,"ক্রেতা: ভাই, এই ড্রেসটার দাম ১৫০০! একটু কমাবেন না? দোকানি: আপা, এটা নতুন কালেকশন, ছাড় দেয়া যাচ্ছে না। ক্রেতা: পাশের দোকানে একইটা দেখলাম ১২০০। দোকানি: আচ্ছা, আপনি পুরান কাস্টমার। ১৩৫০ দিন। ক্রেতা: ঠিক আছে, পছন্দ হয়েছে তো নিচ্ছি।" স্কুলে টিফিন হারিয়ে যাওয়া নিয়ে অভিযোগ,"ছাত্র: ম্যাডাম, আমার টিফিনটা টেবিলে রেখেছিলাম, এখন নেই। শিক্ষক: তুমি কোথায় গিয়েছিলে তখন? ছাত্র: আমি টয়লেটে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি খালি। শিক্ষক: কেও হয়তো মজা করতে নিয়েছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, চিন্তা করো না। ছাত্র: ঠিক আছে ম্যাডাম, কিন্তু এমন বারবার হচ্ছে। " চিকিৎসার বিল নিয়ে রোগীর অভিভাবকের প্রশ্ন,"অভিভাবক: ডাক্তার সাহেব, রিপোর্টের চার্জ এত বেশি কেন? ডাক্তার: কিছু টেস্ট স্পেশালিস্ট দিয়ে করাতে হয়েছে। তাই বিল একটু বেশি। অভিভাবক: বুঝলাম, তবে একটু ছাড়ের ব্যবস্থা করা যায় না? ডাক্তার: আপনি যদি ইনসুরেন্স কভার দেখাতে পারেন, ডিসকাউন্ট পাবেন। অভিভাবক: ঠিক আছে, আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।" কোচিং সেন্টারে পড়া বুঝতে সমস্যা হওয়া,"ছাত্রী: ম্যাডাম, আমি এই চ্যাপ্টারটা কিছুই বুঝতে পারছি না। শিক্ষিকা: কোন অংশটা বেশি কঠিন লাগছে? ছাত্রী: এই ফাংশনের নিয়ম আর সূত্রগুলো। শিক্ষিকা: ঠিক আছে, ক্লাসের পরে ১৫ মিনিট একা পড়াবো তোমাকে। ছাত্রী: ধন্যবাদ ম্যাডাম, তাহলে আমি থেকে যাবো।" অফিসে নতুন বস আসায় টেনশন,"কর্মচারী: শুনলেন, নতুন বস নাকি অনেক কঠোর? সহকর্মী: হ্যাঁ, আগে যে অফিসে ছিলেন, ওখানেও সবাই খুব নিয়ম মেনে চলতো। কর্মচারী: তাহলে তো এখন সময় মতো আসা, কাজ জমিয়ে রাখা চলবে না! সহকর্মী: সেটা ভালোই, অফিসে ডিসিপ্লিন আসবে। কর্মচারী: ঠিক বলেছেন, আমরাও পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।" রেস্টুরেন্টে খাবার নিয়ে অভিযোগ,"ক্রেতা: ভাই, আমি ফ্রায়েড রাইস অর্ডার করেছিলাম, এটা তো নরমাল রাইস! ওয়েটার: দুঃখিত স্যার, সম্ভবত ভুল হয়েছে। আমি চেক করে দিচ্ছি। ক্রেতা: সময় নষ্ট হচ্ছে, আমার মিটিং আছে। ওয়েটার: আমি এখনই রিসিপশন থেকে ঠিক খাবার পাঠাচ্ছি। ক্রেতা: পরবর্তীতে একটু সতর্ক থাকবেন আশা করি।" প্রতিবেশীর গান বাজানো নিয়ে সমস্যা,"তুমি: ভাই, রাত ১১টার পর এত জোরে গান বাজালে সমস্যা হয়। প্রতিবেশী: দুঃখিত ভাই, বন্ধুর জন্মদিন ছিল বলে একটু আনন্দ করছিলাম। তুমি: বুঝি, কিন্তু বাসায় ছোট বাচ্চা ও বয়স্ক মানুষ আছে। প্রতিবেশী: ঠিক বলেছেন। পরের বার সময়ের দিকে খেয়াল রাখব। তুমি: ধন্যবাদ ভাই, বোঝাপড়া থাকলেই চলে।" টিউশনের সময় পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা,"টিচার: রিয়াজ, তুমি কি প্রতিদিন ৫টার সময় টিউশনে আসতে পারো না? রিয়াজ: স্যার, ওই সময় আমার স্কুল থেকে ফেরত আসতেই সাড়ে পাঁচটা বাজে। টিচার: তাহলে কখন আসা তোমার জন্য সুবিধাজনক? রিয়াজ: আমি সন্ধ্যা ৭টায় আসতে পারি। টিচার: আমি তখন অন্য স্টুডেন্ট পড়াই। রিয়াজ: তাহলে ছুটির দিনগুলোতে কি একটু বেশি সময় পড়ানো যাবে? টিচার: সেটা সম্ভব, তবে তোমাকে নিয়মিত হতে হবে। রিয়াজ: অবশ্যই স্যার, আমি সিরিয়াসলি নিতে চাই পড়াটা। টিচার: তাহলে এই শনিবার থেকে শুরু করি? রিয়াজ: ঠিক আছে স্যার, ধন্যবাদ" কলেজ প্রজেক্ট নিয়ে সহপাঠীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব,"রাকিব: আরে সুমন, তুমি প্রজেক্টের তোমার কাজটা এখনো জমা দাওনি কেন? সুমন: আমি তো ভেবেছিলাম আগামীকাল জমা দিতে হবে। রাকিব: না ভাই, স্যার আজই চেয়েছেন সব রিপোর্ট কমপাইল করে দিতে। সুমন: ওহ, তাহলে দোষ আমারই। একটু সময় দিলে করে ফেলি। রাকিব: এখন দিলে আর হবে না। আমি তো নিজেরটা শেষ করে বসে আছি। সুমন: আমি দুঃখিত, এমন হবে বুঝিনি। প্লিজ একটু হেল্প করো। রাকিব: হেল্প করবো, তবে এবারই শেষ। সবাইকে নিয়ে টিমে কাজ মানে সবার দায়িত্ব থাকা দরকার। সুমন: ঠিক বলেছিস, আমি সিরিয়াসলি নেইনি, এটা আমার ভুল। রাকিব: এখন থেকে সময় বুঝে কাজ করবি, তাহলেই আর সমস্যা হবে না। সুমন: ধন্যবাদ রে, আজকের জন্য আমাকে একটু কভার কর।" নতুন বাসায় উঠতে গিয়ে পুরনো বাড়িওয়ালার সঙ্গে সমস্যা,"বাড়িওয়ালা: কই যাচ্ছেন? এখনো এক মাস বাকি চুক্তি শেষ হতে। ভাড়াটিয়া: আমরা নতুন বাসা পেয়ে গেছি, সেজন্য আগেই যাচ্ছি। বাড়িওয়ালা: কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী এক মাস আগে জানানো লাগতো। ভাড়াটিয়া: আপনাকে ফোনে বলেছিলাম কিন্তু আপনি রিসিভ করেননি। বাড়িওয়ালা: এসব অজুহাত দিয়ে চলবে না। আমি ডিপোজিট ফেরত দেব না। ভাড়াটিয়া: সেটা তো অন্যায়। আমরা তিন বছর ধরে নিয়ম মেনে ভাড়া দিয়েছি। বাড়িওয়ালা: তাও নিয়ম তো নিয়ম। সবাই মানে, আপনাদেরও মানতে হবে। ভাড়াটিয়া: নিয়ম মানি বলেই এতদিন এক টাকাও বাকি রাখিনি। বাড়িওয়ালা: তাহলে যান, তবে আমি পরে চিন্তা করবো ডিপোজিট নিয়ে। ভাড়াটিয়া: আশা করি বিবেচনা করবেন। কারণ সম্পর্কটাও একটা বিষয়।" বন্ধুর কাছ থেকে টাকা ধার চাওয়া,"রিজভী: দোস্ত, কিছুদিনের জন্য ৫ হাজার টাকা ধার দিতে পারবি? তুহিন: হঠাৎ কি হলো? কোনো বিপদে পড়েছিস? রিজভী: বাসায় কিছু প্রয়োজন পড়েছে, আর আমি হাতে এখন টানাটানিতে আছি। তুহিন: ঠিক আছে, টাকা আছে, তবে কবে ফেরত দিবি? রিজভী: ইনশাআল্লাহ আগামী মাসের ৭ তারিখের মধ্যে ফেরত দিয়ে দেব। তুহিন: আমি বিশ্বাস করি তুই ফেরত দিবি, তবে সময় মত করিস। রিজভী: নিশ্চিন্ত থাক, প্রয়োজন না হলে চাইতাম না। তুহিন: সমস্যা নাই, আমি বিকাশ করে দিচ্ছি। রিজভী: দোস্ত, তোকে পেয়ে আমি ভাগ্যবান। তুহিন: বন্ধুত্ব তো এমনই হওয়া উচিত। " বাসার ওয়াইফাই কাজ না করা নিয়ে অভিযোগ,"তামান্না: ভাইয়া, তিন দিন ধরে ওয়াইফাই কাজ করছে না। বাড়িওয়ালা: হ্যাঁ, আমি খেয়াল করেছি। সম্ভবত রাউটার বা লাইন সমস্যার কারণে। তামান্না: কিন্তু আমাদের অনলাইন ক্লাস চলছে, এটা খুব জরুরি। বাড়িওয়ালা: আজই টেকনিশিয়ানকে বলছি দেখে যেতে। তামান্না: দয়া করে একটু তাড়াতাড়ি দেখান, আমাদের কাল পরীক্ষা। বাড়িওয়ালা: ঠিক আছে, ওকে ফোন করে এখনই আসতে বলছি। তামান্না: ধন্যবাদ, একটু সময়মতো ঠিক হয়ে গেলে খুব উপকার হবে। বাড়িওয়ালা: আপনি চিন্তা করবেন না, আমি গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছি। তামান্না: ধন্যবাদ ভাইয়া, এতদিনে আপনার এমন সহানুভূতি পেলাম। বাড়িওয়ালা: মানুষের সমস্যাটা বুঝতে হয়, আমি চেষ্টা করবো দ্রুত সমাধান দিতে। " চাকরি না পেয়ে হতাশ বন্ধুকে সাহস দেয়া,"রফিক: জানিস, তিনটা ইন্টারভিউ দিয়েও কোনো চাকরি পেলাম না। নাবিল: মন খারাপ করিস না, সময়টা কঠিন ঠিকই, তবে তোর স্কিল ভালো। রফিক: মনে হয় আমি কিছুই পারি না। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছি। নাবিল: তুই কি ভুলে গেছিস, কিভাবে পুরো ব্যাচে ফার্স্ট হয়েছিলি? রফিক: হ্যাঁ, তখন তো অনেক আত্মবিশ্বাস ছিল। নাবিল: তাহলে এখনো আছে, শুধু খুঁজে বের করতে হবে। রফিক: তুই ঠিক বলছিস, হয়তো আমি হাল ছেড়ে দিচ্ছিলাম। নাবিল: কোনো কিছু একবারে আসে না, চেষ্টা করেই যেতে হয়। রফিক: ঠিক আছে, কালই নতুনভাবে আবার আবেদন শুরু করবো। নাবিল: একদিন তুই বড় জায়গায় যাবি, দেখিস আমি ঠিকই বলেছিলাম।" স্কুলে অন্য ছাত্রকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ,"শিক্ষক: রাকিব, তুমি রাহুলের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করেছো, প্রমাণ আছে? রাকিব: স্যার, আমি ওকে পেছনে ব্যাগে হাত দিতে দেখেছি। শিক্ষক: কিন্তু রাহুল বলছে, সে শুধু বই খুঁজছিল। রাহুল: স্যার, আমি চুরি করিনি, ও মিথ্যা বলছে। শিক্ষক: এমন গুরুতর অভিযোগ হালকাভাবে নেয়া যায় না। রাকিব: স্যার, আমার ভুলও হতে পারে, আমি পুরোটা দেখিনি। শিক্ষক: মিথ্যা অভিযোগ করলে শাস্তি পেতে হবে, বুঝেছো? রাকিব: আমি দুঃখিত স্যার, আমি না বুঝেই বলেছিলাম। রাহুল: আমি চাই, আমাকে কেউ ভুল বুঝবে না। শিক্ষক: ভবিষ্যতে কেউ কিছু বলার আগে ভেবে বলবে।" দোকানে ফেরত না নেওয়া পণ্য নিয়ে বিতর্ক,"ক্রেতা: ভাই, এই হেডফোনটা কাজ করছে না। আমি মাত্র গতকাল কিনেছি। দোকানি: আপনি প্যাকেট খুলেছেন তো? ক্রেতা: হ্যাঁ, খুলে চার্জ দিয়ে কানেক্ট করেও দেখেছি। দোকানি: ওয়ারেন্টি আছে কি? ক্রেতা: আছে, রশিদসহ এনেছি। দোকানি: তাহলে তো সমস্যা নেই, আমি রিপ্লেস করে দিব। ক্রেতা: ধন্যবাদ ভাই, অনেকে তো ফেরতই নিতে চায় না। দোকানি: কাস্টমার সন্তুষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেতা: এমন সেবা সব দোকানে থাকলে ভালো হতো। দোকানি: চেষ্টা করি, ভালো ব্যবহারই ব্যবসার মূল।" অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক অনুপস্থিত,"ছাত্র: স্যার, আজ ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল ১০টায়। শিক্ষক: হ্যাঁ, দুঃখিত। হঠাৎ ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ছাত্রী: আমরা সবাই ৩০ মিনিট অপেক্ষা করেছি। শিক্ষক: আমি বুঝি তোমাদের কষ্ট হয়েছে। ছাত্র: তাহলে কি আজ ক্লাস হবে না? শিক্ষক: হবে, তবে একটু সংক্ষেপে নিতে হবে। ছাত্রী: ঠিক আছে স্যার, শুধু গুরুত্বপূর্ণ অংশটা দিন। শিক্ষক: চল, তাহলে আজকের পাঠ শুরু করি। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনি সময় দিয়েই আমাদের পাশে আছেন। শিক্ষক: এটা আমার দায়িত্ব, তোমাদের শিক্ষাই আমার কর্তব্য। " রুমমেটের প্রতি অভিযোগ নিয়ে বোঝাপড়া,"আসিফ: শামীম, তুই বারবার রাত করে ঘুমাস, কিন্তু শব্দ করে মুভি দেখা ঠিক না। শামীম: আমি আসলে হেডফোন খুঁজে পাইনি কাল। আসিফ: আমি অনেকবার বলেছি, আমার সকালে ক্লাস থাকে। শামীম: ঠিক বলেছিস, আমি একটু অসতর্ক ছিলাম। আসিফ: শুধু তোশক নাড়লেও আমার ঘুম ভেঙে যায়। শামীম: এবার থেকে চেষ্টা করবো নীরবে থাকতে। আসিফ: তাহলেই দুজনের সমস্যাই কমবে। শামীম: আমি হেডফোন কিনে ফেলবো আজই। আসিফ: ধন্যবাদ ভাই, আমি একটু শান্তিতে পড়তে চাই। শামীম: হয়ে যাবে ভাই, আর কোনো ঝামেলা হবে না।" আত্মীয়ের বাসায় দাওয়াত প্রত্যাখ্যান,"খালা: রুবাইয়া, এই শুক্রবার কিন্তু আমাদের বাসায় আসবি। রুবাইয়া: খালা, খুব ইচ্ছে থাকলেও এই শুক্রবার আমার অফিস আছে। খালা: আরে মা, একদিনের ছুটি তো নেয়া যায়! রুবাইয়া: অফিসে জরুরি মিটিং আছে, না গেলে সমস্যা হবে। খালা: তা হলেও পরে তো আসা যায়। রুবাইয়া: অবশ্যই, আগামী সপ্তাহে আমি একদিন ছুটি নিয়ে আসবো। খালা: ঠিক আছে, তবে খালি হাতে আসবি না। রুবাইয়া: হাহা, আপনার জন্য মিষ্টি নিয়ে আসবো। খালা: মিষ্টি না, সময় নিয়ে আয়। রুবাইয়া: অবশ্যই খালা, সময়টা আপনার জন্যই হবে।" ফোনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় নিয়ে ভাইয়ের সাথে কথা,"ভাই: তুই সারাক্ষণ ফোনেই মুখ গুঁজে থাকিস। এমন হলে পড়াশোনা হবে কিভাবে? বোন: আমি শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকি না ভাইয়া, পড়াশোনাও করি অনলাইনে। ভাই: ঠিক আছে, তবে সময় বন্টনটা বুঝে করতে হবে। বোন: হ্যাঁ ভাইয়া, আমি আসলে মাঝে মাঝে সময় হারিয়ে ফেলি। ভাই: বুঝি, তবে এক ঘণ্টা সময় বেশি গেলে দিন শেষে চার ঘণ্টা নষ্ট হয়। বোন: আমি একটা টাইম টেবিল বানিয়ে নেব। ভাই: দারুণ হবে, আমি চাই তুই সবদিকেই ভারসাম্য রাখিস। বোন: তুমি সাপোর্ট দাও, তাহলেই পারবো। ভাই: আমি সবসময় আছি তোর পাশে। বোন: ধন্যবাদ ভাইয়া, তুমি না থাকলে আমি এত দূর আসতে পারতাম না।" স্কুলে নতুন ছাত্রকে বুলিং করা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের কথা,"শিক্ষক: রায়হান, শুনেছি তুমি নতুন ছেলেটাকে টিজ করো। এটা ঠিক? রায়হান: না স্যার, আমরা শুধু মজা করছিলাম। শিক্ষক: অন্য কারো জন্য যেটা মজা, তার কাছে অপমান হতে পারে। রায়হান: স্যার, আমি বুঝিনি ও কষ্ট পাচ্ছে। শিক্ষক: ও আজ স্কুলেও আসেনি, তুমিই বলো এটা কেমন আচরণ? রায়হান: আমি দুঃখিত স্যার, এখনই ওর বাসায় গিয়ে ক্ষমা চাইবো। শিক্ষক: ভালো, কিন্তু মনে রেখো, কাউকে ছোট করা নিজেকে ছোট করার মতো। রায়হান: আমি শিখলাম স্যার, ভবিষ্যতে খুব সতর্ক থাকবো। শিক্ষক: বন্ধু হও, শত্রু নয়—এটাই স্কুলের শিক্ষা। রায়হান: ঠিক বলছেন স্যার, আমি বন্ধু হিসেবেই ওকে গ্রহণ করবো।" অনলাইন অর্ডার দেরিতে আসায় কাস্টমার কেয়ারে অভিযোগ,"ক্রেতা: ভাই, আমি ৫ দিন আগে অর্ডার করেছি, এখনো ডেলিভারি পাইনি। কাস্টমার কেয়ার: দুঃখিত স্যার, আমাদের লজিস্টিক সমস্যার কারণে দেরি হচ্ছে। ক্রেতা: কিন্তু ওয়েবসাইটে লেখা ছিল ৩ দিনের মধ্যে ডেলিভারি হবে। কাস্টমার কেয়ার: আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত পৌঁছে দিতে। ক্রেতা: কালকের মধ্যে না পেলে আমাকে ক্যানসেল করতে হবে। কাস্টমার কেয়ার: আপনার অর্ডার আজ রাত্রেই শিপ হবে, ট্র্যাকিং নাম্বার পাঠানো হবে। ক্রেতা: ধন্যবাদ, প্লিজ নিশ্চিত করেন যেন আর দেরি না হয়। কাস্টমার কেয়ার: নিশ্চিন্ত থাকুন স্যার, আজ রাতেই প্যাক হবে। ক্রেতা: ঠিক আছে, আমি অপেক্ষা করবো। কাস্টমার কেয়ার: ধন্যবাদ স্যার, আপনার ধৈর্যের জন্য কৃতজ্ঞ।" ল্যাব রিপোর্ট নিয়ে রোগী ও ডাক্তারের সংলাপ,"রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার রিপোর্টটা একটু দেখে বলবেন কী অবস্থা? ডাক্তার: হ্যাঁ, রিপোর্ট বলছে আপনার সুগার লেভেল অনেক বেড়ে গেছে। রোগী: আমি তো নিয়মিত ওষুধ খাই, তাও এমন হলো কেন? ডাক্তার: ডায়েট কি মেনে চলেন? শারীরিক পরিশ্রম করেন? রোগী: একটু ব্যস্ত থাকি, তাই ঠিকভাবে করা হয় না। ডাক্তার: আপনি ওষুধের পাশাপাশি লাইফস্টাইলও ঠিক রাখতে হবে। রোগী: তাহলে কি আমাকে ইনসুলিন নিতে হবে? ডাক্তার: এখনই না, তবে সাবধান না হলে ভবিষ্যতে লাগবে। রোগী: আমি প্রতিদিন হাঁটা শুরু করবো। ডাক্তার: খুব ভালো সিদ্ধান্ত। সময়মতো ফলোআপ আসতে ভুলবেন না। " বাসায় পানি না থাকায় প্রতিবেশীর সাহায্য নেয়া,"আপনি: ভাই, আজ সকাল থেকে আমাদের বাসায় পানি আসছে না। প্রতিবেশী: হ্যাঁ, পানির মোটরটা মনে হয় নষ্ট হয়ে গেছে। আপনি: আজ অফিসে যেতে হবে, একটু পানি দিতে পারবেন? প্রতিবেশী: অবশ্যই, আপনি চাইলে বাথরুমও ব্যবহার করতে পারেন। আপনি: ধন্যবাদ ভাই, এমন সহানুভূতি সত্যিই প্রশংসনীয়। প্রতিবেশী: পাশের বাসা বলে কথা, আমরা তো একে অন্যের জন্য। আপনি: মোটরের মিস্ত্রি ডাকিয়েছেন? প্রতিবেশী: হ্যাঁ, দুপুরে আসবে বলে জানিয়েছে। আপনি: তাহলে মোটর ঠিক হলে আমাদের জানাবেন প্লিজ। প্রতিবেশী: নিশ্চয়ই ভাই, একসাথেই তো সবাই থাকি।" ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে প্রেম নিয়ে অভিভাবকের প্রশ্ন,"মা: তুমি আর সিয়াম কি একে অপরকে পছন্দ করো? মেয়ে: মা, আমরা ভালো বন্ধু, তবে আমি বুঝি না আপনি এমন ভাবছেন কেন? মা: তোমাদের ফোনে কথা হয়, রাতে মেসেজ দেখা যায়। মেয়ে: মা, সে আমাকে পড়ায় মাঝে মাঝে, শুধু তাই। মা: আমি তোমার মা, তুমি যদি কিছু বলো, আমি বুঝতে পারি। মেয়ে: ঠিক আছে মা, আমি সত্য বলছি, কিছু লুকাইনি। মা: আমি চাই তুমি নিজের ভবিষ্যৎকে আগে ভাবো। মেয়ে: আমিও সেটাই ভাবি, মা। মা: তাহলে ঠিক আছে, বন্ধু হতেই পারো, কিন্তু সীমা যেন না পার হয়। মেয়ে: নিশ্চিন্ত থাকো মা, আমি সবসময় তোমার বিশ্বাস রাখবো। " বাসায় দেরিতে ফেরার কারণে বাবার জিজ্ঞাসা,"বাবা: আজ এত রাতে ফিরলি কেন? ছেলে: আব্বা, কোচিংয়ে একটু বেশি সময় লেগেছে। বাবা: তোর তো কোচিং ৮টায় শেষ হয়, এখন বাজে ৯:৩০। ছেলে: বন্ধুর বাসায় একটু গ্রুপ স্টাডি করছিলাম। বাবা: বললে ভালো হতো, আমরা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। ছেলে: আমি ফোন দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু চার্জ শেষ হয়ে গিয়েছিল। বাবা: সময় মতো যোগাযোগ করা খুব জরুরি। ছেলে: আমি বুঝেছি আব্বা, পরের বার এমন হবে না। বাবা: ঠিক আছে, এবার খেয়ে নে। কিন্তু ভবিষ্যতে সতর্ক থাকিস। ছেলে: অবশ্যই আব্বা, আপনার চিন্তা আর করাতে চাই না।" স্কুল টিফিন নিয়ে মা ও সন্তানের আলোচনা,"মা: আজ তোর টিফিন বক্স ভরা ছিল, তবুও তুই বাসায় খালি নিয়ে এলি কেন? ছেলে: মা, আমি কিছুই খেতে পারিনি, পেটে ব্যথা হচ্ছিল। মা: তাহলে সকালেই বললি না কেন? ছেলে: আমি ভেবেছিলাম ঠিক হয়ে যাবে। মা: এখন কেমন লাগছে? জ্বর আছে? ছেলে: না, এখন একটু ভালো লাগছে। মা: কালকে স্কুলে যাওয়ার দরকার নেই। বিশ্রাম নে। ছেলে: ঠিক আছে মা, তুমি পাশে থাকলে ভয় লাগে না। মা: সবসময় পাশে থাকবো মা। তুই শুধু নিজের খেয়াল রাখ। ছেলে: তোমাকে অনেক ভালোবাসি মা। " বাসের ভাড়া নিয়ে কন্ডাক্টরের সাথে যাত্রীর ঝামেলা,"যাত্রী: ভাই, গুলিস্তান থেকে কল্যাণপুর ৪০ টাকা হয়, আপনি ৫০ চাচ্ছেন কেন? কন্ডাক্টর: ভাই, জ্যামের কারণে গাড়ি বেশি সময় লাগছে। যাত্রী: তা হলেও সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেয়া যায় না। কন্ডাক্টর: ঠিক বলছেন, কিন্তু সবকিছুর দাম বেড়েছে। যাত্রী: আপনারা যাত্রীদের ঠকাচ্ছেন নিয়মিতভাবে। কন্ডাক্টর: ওকে ভাই, আপনি ৪০ টাকা দেন। যাত্রী: ধন্যবাদ, আমি অন্যদেরও সচেতন করবো। কন্ডাক্টর: ভাই, আমরাও বাধ্য, মালিকরা আমাদেরও চাপ দেয়। যাত্রী: বুঝতে পারি, কিন্তু নিয়ম না মানলে বিশৃঙ্খলা বাড়বে। কন্ডাক্টর: ঠিক বলেছেন ভাই, আমি কথা দিলাম অন্যদেরও বুঝাবো। " কলেজে গ্রুপ স্টাডি করতে গিয়ে বন্ধুর সাথে দ্বন্দ্ব,"সামিয়া: তুই শুধু তোর কাজটা করলি, বাকি টিমের কথা ভাবলি না। নাজমা: আমি তো বলেছিলাম সবাই একসাথে বসে কাজ করি। সামিয়া: কিন্তু তুই নিজেরটাই জমা দিয়ে দিলি, বাকি অংশ বাদ পড়ল। নাজমা: আমি সময় পাইনি, তাই নিজের অংশ শেষ করেই জমা দিলাম। সামিয়া: এটা টিমওয়ার্ক না, তুই শুধু নিজেকে বাঁচালি। নাজমা: আমি দুঃখিত, এরপর থেকে আমরা একসাথেই জমা দিবো। সামিয়া: ঠিক আছে, একবারের জন্য মাফ করলাম। নাজমা: ধন্যবাদ বন্ধু, আমি সত্যিই বুঝতে পারছি ভুলটা কোথায় হয়েছিল। সামিয়া: আমাদের বন্ধুত্বের চেয়ে বড় কিছু না। নাজমা: একসাথে থেকেই সামনে এগোবো। " অফিসে প্রকল্প নিয়ে টিম মিটিং,"ম্যানেজার: সবাই কেমন আছো? আজকের মিটিংয়ে আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো নতুন প্রকল্পের পরিকল্পনা করা। সুমন: স্যার, নতুন প্রজেক্টের জন্য আমাদের সময়সীমা কত দিন? ম্যানেজার: আমাদের লক্ষ্য এক মাসের মধ্যে প্রজেক্ট শেষ করা। রুমানা: টিমে কাদের দায়িত্ব কী হবে? ম্যানেজার: সুমন তুমি ডেভেলপমেন্ট হ্যান্ডল করবে, রুমানা তুমি মার্কেট রিসার্চ করবে। জুবায়ের: আমি কোড রিভিউ এবং টেস্টিং করবো স্যার। ম্যানেজার: খুব ভালো। আমরা প্রত্যেক সপ্তাহে আপডেট দেব। সুমন: স্যার, আমাদের কি প্রয়োজনীয় রিসোর্স সব মিলেছে? ম্যানেজার: বেশিরভাগই আছে, তবে আরো কিছু হার্ডওয়্যার দরকার। রুমানা: সেটা কোথা থেকে সংগ্রহ করবো? ম্যানেজার: আইটি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি, আগামী সপ্তাহে পাওয়া যাবে। জুবায়ের: আমরা কি ক্লায়েন্টের সঙ্গে রেগুলার যোগাযোগ রাখবো? ম্যানেজার: অবশ্যই, রুমানা তুমি প্রধান যোগাযোগ করবে। সুমন: আমাদের কি কোনো বেকআপ প্ল্যান আছে? ম্যানেজার: হ্যাঁ, কিছু ঝামেলা হলে আমরা পরিকল্পনা বদলাতে পারবো। রুমানা: প্রজেক্ট ডকুমেন্টেশন কে করবে? জুবায়ের: আমি ডকুমেন্টস তৈরিতে সাহায্য করবো। ম্যানেজার: প্রত্যেকেই নিজেদের দায়িত্ব নিয়ে মনোযোগ দিবে। সুমন: স্যার, আমরা কি বাইরের কোন কনসালটেন্ট নিয়োগ করবো? ম্যানেজার: প্রাথমিক ভাবে নয়, তবে প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত নিব। রুমানা: কি ধরনের রিপোর্ট দিতে হবে? ম্যানেজার: সপ্তাহে একবার ডিটেইল রিপোর্ট। জুবায়ের: বুঝেছি স্যার, আমরা প্রস্তুত। ম্যানেজার: সবাইকে ধন্যবাদ, কাজ শুরু করি। " কলেজে ছুটির আবেদন নিয়ে অধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীর আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমি আগামী সপ্তাহে আমার মামার বাড়ি যেতে চাই, ছুটি চাই। অধ্যক্ষ: কেনো? কোনো জরুরি কারণ? ছাত্র: স্যার, পরিবারের সঙ্গে একটু সময় কাটানো দরকার। অধ্যক্ষ: ঠিক আছে, ছুটির আবেদন লিখে দাও। ছাত্র: কতদিন ছুটি নিতে পারবো? অধ্যক্ষ: সর্বোচ্চ সাত দিন, তবে সময়মত ক্লাস মিস যেন না হয়। ছাত্র: স্যার, আমি অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করবো। অধ্যক্ষ: সেটা অবশ্যই করতে হবে, রেজিস্টার নিয়ম মেনে রাখতে হবে। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার। অধ্যক্ষ: বাড়িতে গিয়ে সুস্থভাবে থেকো। ছাত্র: অবশ্যই স্যার। অধ্যক্ষ: ছুটির আগে টিউটরদের জানিয়ে দাও। ছাত্র: স্যার, আমি জানিয়ে দেব। অধ্যক্ষ: প্রয়োজন হলে আমাকে কল করতে পারো। ছাত্র: স্যার, আমার কোর্স ওয়ার্কও সময়মতো জমা দিবো। অধ্যক্ষ: ভালো, তোর দায়িত্ব নিয়ে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: চেষ্টা করবো স্যার। অধ্যক্ষ: ছুটি শেষে সময়মতো ফিরে এসে ক্লাসে যোগ দিও। ছাত্র: ইনশাআল্লাহ স্যার। অধ্যক্ষ: সবসময় নিজের স্বাস্থ্যের খেয়াল রেখো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি সতর্ক থাকবো। অধ্যক্ষ: যাত্রা শুভ হোক।" দোকানে পণ্য ক্রয়ে মিথ্যা বিজ্ঞাপনের অভিযোগ,"ক্রেতা: ভাই, আপনি এই ফ্রিজটা বিজ্ঞাপনে ২০% ছাড় দেখিয়েছেন, কেন আমি পুরো দামই দিলাম? দোকানি: সেটা তো গত সপ্তাহের অফার ছিল। ক্রেতা: কিন্তু বিজ্ঞাপন এখনও পোস্টে আছে। দোকানি: ওটা সরানোর কথা ছিল, কিন্তু ভুলে গেছি। ক্রেতা: আপনি আমাকে একটু সাহায্য করতে পারেন? দোকানি: আমি সামান্য ছাড় দিতে পারি। ক্রেতা: একটু কম দামে দিলেও আমি খুশি হই। দোকানি: ঠিক আছে, আমি ৫% ছাড় করে দিব। ক্রেতা: দয়া করে দ্রুত বলুন, আমি সিদ্ধান্ত নিতে চাই। দোকানি: আপনি রশিদ দিন, আমি ডিসকাউন্ট কেটে রিফান্ড করবো। ক্রেতা: আপনার কাজের প্রতি আমার বিশ্বাস থাকবে। দোকানি: আমাদের ব্যবসার সুনামই বড় জিনিস। ক্রেতা: আমি আমার বন্ধুদেরও এখানে কিনতে বলবো। দোকানি: ধন্যবাদ ভাই, আপনার সন্তুষ্টিই আমাদের লক্ষ্য। ক্রেতা: ভবিষ্যতে বিজ্ঞাপন সঠিক রাখুন। দোকানি: অবশ্যই, এই ভুল আর হবে না। ক্রেতা: আমার আবার প্রয়োজন হলে আসবো। দোকানি: স্বাগত ভাই, যেকোনো সাহায্য লাগলে বলবেন। ক্রেতা: ভালো লাগল আজ কথা বলে। দোকানি: আমাকেও ভালো লাগল। ক্রেতা: ভালো থাকবেন। " বাসায় সেল ফোন নেটওয়ার্ক সমস্যা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: আজকাল ফোন নেটওয়ার্ক খুব খারাপ, বারবার কল কেটে যাচ্ছে। স্বামী: হ্যাঁ, আমি লক্ষ্য করছি অফিসেও কল করতে সমস্যা হচ্ছে। স্ত্রী: আমি তো ভাবলাম নতুন সিম নিতে হবে। স্বামী: আগে অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারকে ফোন দেই। স্ত্রী: চেষ্টা করো, যদি তারা সমস্যার সমাধান না দেয়, নতুন সিম ভাবি। স্বামী: ওরা বলছে এলাকায় টাওয়ারের সমস্যার জন্য একটু সময় লাগবে। স্ত্রী: কবে ঠিক হবে? স্বামী: তিন থেকে পাঁচ দিন, আশা করছি এর মধ্যে ভালো হবে। স্ত্রী: এই দেরি নিয়ে আমি অসন্তুষ্ট। স্বামী: আমি আপনার অসুবিধা বুঝি, তবে আমরা ধৈর্য ধরব। স্ত্রী: তোমার কথা ঠিক, তবে এটা খুবই জরুরি। স্বামী: আমি ওদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবো। স্ত্রী: যেকোনো আপডেট আমাকে জানিও। স্বামী: নিশ্চয়ই। স্ত্রী: আজ থেকে একটু কম ফোন করবো, যেন সমস্যা না বাড়ে। স্বামী: ভাল আইডিয়া, সময়মতো কল করো। স্ত্রী: ধন্যবাদ, তোমার সঙ্গে কথা বলে ভালো লাগলো। স্বামী: আমি সর্বদা তোমার পাশে আছি। স্ত্রী: ভালোবাসি তোমাকে। স্বামী: আমিও তোমাকে।" ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে গ্রুপ প্রজেক্ট নিয়ে দ্বন্দ্ব,"রুবেল: তুমিই পুরো প্রজেক্টটা করছ, আমরা কিছু করিনি। সাবিনা: আমি তো সময় দিয়েছি, শুধু তোমাদের কাজ শেষ হয়নি। রুবেল: তোমার কাজটাই কম, আমাদের কাজ বেশি। সাবিনা: আমরা সবাই মিলে ভাগ করে কাজ করতে পারি। রাকিব: হ্যাঁ, আসলে সময় সামঞ্জস্য করতে পারিনি। সুমন: তবে আমরা এখন থেকে নিয়ম করে কাজ করবো। সাবিনা: আজ থেকে প্রতিদিন মিটিং করবো। রুবেল: ঠিক আছে, তবে সবার পরিশ্রম চাই। সুমন: একসাথে কাজ করলে ফলও ভালো হবে। রাকিব: আগামী সপ্তাহে জমা দিতে হবে, তাই সময় বাঁচাতে হবে। সাবিনা: কেউ পিছিয়ে পড়বে না, সবাই অংশ নেবে। রুবেল: আমি দুঃখিত, আগের আচরণ ঠিক ছিল না। সুমন: আমরা সবাই মিলে সফল হবো। রাকিব: টিমওয়ার্কে জিতব আমরা। সাবিনা: একসাথে থেকে শিখতে পারবো অনেক কিছু। রুবেল: ধন্যবাদ সবাইকে, আমি চেষ্টা করবো। সুমন: এইবার কাজে মন দেই। রাকিব: প্রজেক্ট শুরু করি। সাবিনা: সফলতার জন্য সবাই একসাথে থাকি।" গরমের কারণে বিদ্যুতের সমস্যায় বাসাবাড়ির আলোচনা,"মোশাররফ: গতকাল থেকে বিদ্যুৎ প্রায়ই চলে যাচ্ছে, খুব কষ্ট হচ্ছে। নাহিদা: হ্যাঁ, গরম বেড়েছে বলে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে। মোশাররফ: ছোট বাচ্চারা অসুবিধায় পড়ে। নাহিদা: তোমার অফিসের কাজ কেমন চলছে? মোশাররফ: অফিস থেকে অনেক চাপ, কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় কাজ ব্যাহত হয়। নাহিদা: আমরা তো বিকল্প ব্যাটারি লাগানোর কথা ভাবছিলাম। মোশাররফ: সেটা দরকারই। রাতে তো ঘুমও লাগে না বিদ্যুৎ না থাকলে। নাহিদা: পাশের বাড়িতেও একই সমস্যা, সবাই ঝামেলায়। মোশাররফ: কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা দরকার। নাহিদা: তবে এখন পর্যন্ত কেউ কিছু করে না। মোশাররফ: আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার। নাহিদা: প্রতিবেশীদের একত্রিত করে পিটিশন দিই। মোশাররফ: খুব ভালো আইডিয়া, সবাইকে জানাবো। নাহিদা: এই গরমে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। মোশাররফ: তোমার জন্য একটু আইস কুলার নেওয়া যায়। নাহিদা: ভালো হবে, তবে বিদ্যুৎ না থাকলে কাজ করবে না। মোশাররফ: আমি আজই বাজারে যাই। নাহিদা: ধন্যবাদ, পরিবারের খেয়াল রাখো। মোশাররফ: তোমার কথাও ঠিক, আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। নাহিদা: ইনশাআল্লাহ, মিলেমিশে সমস্যা সমাধান করব।" গাড়ি চালানোর নিয়ম নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্বামী: গাড়ি চালানোর সময় অবশ্যই নিরাপত্তা মেনে চলতে হবে। স্ত্রী: হ্যাঁ, গতকালও দেখি কেউ সিগন্যাল না দিয়ে মোড় নিল। স্বামী: এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। স্ত্রী: আমি বলি, আমরা দুজনেই দায়িত্ব নিয়ে গাড়ি চালাই। স্বামী: একদম ঠিক, নিয়ম মানার অভ্যাস তৈরি করা উচিত। স্ত্রী: গতকাল আমি গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ব্যবহার করছিলাম, পরে বুঝলাম ভুল। স্বামী: সেটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। স্ত্রী: থেকে গেলাম, আর করব না। স্বামী: গাড়ি চালানোর আগে সবসময় মনোযোগী হতে হবে। স্ত্রী: আমরা পার্কিং করার সময়ও সতর্ক থাকব। স্বামী: আমাদের সন্তানদেরও এই সব শেখানো দরকার। স্ত্রী: ঠিক আছে, আমি ওদের সঙ্গে কথা বলবো। স্বামী: রাস্তার নিয়ম মানলে সবার সুরক্ষা হয়। স্ত্রী: এবং ট্রাফিক পুলিশের কথাও শুনতে হবে। স্বামী: সময়মতো গতি কমানো প্রয়োজন। স্ত্রী: গাড়ি ঠিকমতো সার্ভিস করানোও জরুরি। স্বামী: হ্যাঁ, এটি নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। স্ত্রী: আমরা দুজনে মিলেই ভালো চালক হবো। স্বামী: এতে পরিবার নিরাপদ থাকবে। স্ত্রী: আর সবাই যদি সচেতন হয়, রাস্তায় দুর্ঘটনা কমবে। স্বামী: একদম সঠিক কথা।" স্কুলে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রীর আলাপ,"শিক্ষক: তুমি কেমন প্রস্তুতি নিয়েছো আগামী পরীক্ষার জন্য? ছাত্রী: স্যার, আমি প্রতিদিন দুই ঘণ্টা পড়াশোনা করছি। শিক্ষক: ভালো কথা, তবে কোন বিষয়গুলোতে দুর্বলতা আছে? ছাত্রী: ইংরেজি আর গণিত একটু কষ্ট হয়। শিক্ষক: তাদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। ছাত্রী: সেটা চাই, যাতে ভালো ফলাফল হয়। শিক্ষক: তোমার ধৈর্য খুবই প্রশংসনীয়। ছাত্রী: ধন্যবাদ স্যার, আপনি যে আমাকে সাহায্য করছেন তার জন্য। শিক্ষক: পরীক্ষার আগে সবকিছু ঠিকঠাক হলে ভালো হয়। ছাত্রী: আমি বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডিও করছি। শিক্ষক: সেটা খুবই ভালো, একে অন্যকে সাহায্য করলে ভাল হয়। ছাত্রী: মাঝে মাঝে প্রশ্ন নিয়ে সমস্যা হয়, তখন আপনাকে জিজ্ঞাসা করি। শিক্ষক: তোমাদের জন্য আমি সবসময় প্রস্তুত। ছাত্রী: স্যার, আপনার উপদেশ আমাদের জন্য গাইডলাইন। শিক্ষক: পরীক্ষার সময় রাগ বা চাপ নিবে না। ছাত্রী: চেষ্টা করবো মনোবল ধরে রাখতে। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস সব সময় রাখতে হবে। ছাত্রী: হ্যাঁ, তা না হলে ভালো ফল পাওয়া কঠিন। শিক্ষক: তাই আমি তোমার উপর বিশ্বাস রাখি। ছাত্রী: ইনশাআল্লাহ স্যার, ভালো করবো। শিক্ষক: পরীক্ষার জন্য শুভকামনা। ছাত্রী: ধন্যবাদ স্যার।" বাজার থেকে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে দরকষাকষি,"ক্রেতা: এই মাছটা কত টাকা? বিক্রেতা: ২০০ টাকা কেজি। ক্রেতা: একটু কম করলে? বিক্রেতা: ১৮০ টাকা দিতে পারি। ক্রেতা: ১৫০ টাকা হলে নিবো। বিক্রেতা: এই মাছ ভাল, ১৫০ হলে আমি লোকসানে যাবো। ক্রেতা: একটু মানিয়ে নাও, ১৭০ টাকা। বিক্রেতা: তোমার জন্য ১৭০ টাকা চলবে। ক্রেতা: আমি বেশি কেজি নেব, ডিসকাউন্ট দিবো? বিক্রেতা: হ্যাঁ, পাঁচ কেজি নিলে দশ টাকা কম দেব। ক্রেতা: ঠিক আছে, প্যাক করে দাও। বিক্রেতা: আর কি নেবো? ক্রেতা: সবজি দেখি একটু। বিক্রেতা: সবজির দামও কমানো যাবে। ক্রেতা: আমার সঙ্গে তো বোন আসবে, ওর জন্য আলাদা কিছু নেবো। বিক্রেতা: ঠিক আছে, ওর জন্য ভালো কিছু সাজিয়ে দেব। ক্রেতা: গুণগত মান ভালো হবে তো? বিক্রেতা: নিশ্চিন্ত থাকো, সব তাজা। ক্রেতা: দয়া করে দ্রুত প্যাক করে দিতে হবে। বিক্রেতা: আচ্ছা ভাই, তাড়াতাড়ি দিচ্ছি। ক্রেতা: ধন্যবাদ, আবার আসব।" বাসায় নতুন অতিথি আসায় স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: আজ সন্ধ্যায় তোমার চাচাতো ভাই এসে যাচ্ছেন জানালেই বলেছি তো? স্বামী: হ্যাঁ, জানি। বাড়ি সাজিয়ে রাখলাম। স্ত্রী: খাবারের জন্য কি কি তৈরী করবো? স্বামী: ওর পছন্দের মুরগির মাংস ও ভাত থাকলে ভালো হয়। স্ত্রী: ঠিক আছে, আমি সকালে বাজারে যাবো। স্বামী: অতিথিদের জন্য ফ্রেশ ফলও রাখা দরকার। স্ত্রী: হ্যাঁ, আমি আম আর কলা কিনবো। স্বামী: রাতের জন্য কি চা বা কফি চাই? স্ত্রী: দুটোই রাখা ভালো, সবাই পছন্দ করে। স্বামী: অতিথিদের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে আমরা কি করবো? স্ত্রী: ঘর পরিষ্কার করে রাখব, আর প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বালিশ রাখব। স্বামী: ওদের রুমে ওয়াইফাই চালু রাখব? স্ত্রী: অবশ্যই, যাতে তারা আরাম করে সময় কাটাতে পারে। স্বামী: অতিথিদের জন্য খেয়াল রাখতে কেউ থাকলে ভালো হয়। স্ত্রী: আমি থাকবো, তোমার কাজ থাকলে আমাকে জানিও। স্বামী: ধন্যবাদ, তোমার সহযোগিতা অনেক বড় ব্যাপার। স্ত্রী: সবাই ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকবো। স্বামী: অতিথি আসলে ঘরের আনন্দ বেড়ে যায়। স্ত্রী: হ্যাঁ, সবাই মিলেই ভালো সময় কাটাবো। স্বামী: আমি রান্নায় সাহায্য করবো। স্ত্রী: আমরা মিলেমিশে কাজ করলে ভালো হয়।" সায় পানি সরবরাহ বন্ধ নিয়ে পরিবারের আলোচনা,"পিতা: আজ পানি আবার বন্ধ, তোমরা সবাই কেমন আছো? মা: আমরা ঠিক আছি, কিন্তু পানি না থাকায় কাজ অনেক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ছেলে: আমার হাত ধোয়া, গোসল করার সময় পানি লাগে। মেয়ে: রান্না করতেও পানি দরকার। পিতা: এই সমস্যা কতদিন চলবে বলে মনে হচ্ছে? মা: হয়তো আজ সার্ভিস ঠিক হবে। ছেলে: আমরা কী করব, বাইরে থেকে পানি আনতে হবে? মেয়ে: বাইরে থেকে পানি আনতে গেলে খরচও বেশি। পিতা: স্থানীয় সরকারকে জানাবো, যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। মা: ভালো হবে, সবাই একসাথে চেষ্টা করলেই ফল পাওয়া যায়। ছেলে: আমরা বাড়ির ছোট ছোট ট্যাংকি ভরে রাখবো। মেয়ে: সেটা করতে হবে, যেন জরুরি সময় পানি থাকে। পিতা: সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে, সমস্যা অল্পদিনের। মা: বাচ্চাদেরও বুঝাতে হবে পানি সংরক্ষণের গুরুত্ব। ছেলে: আমি স্কুল থেকে ফিরে পানি নিয়ে আসবো। মেয়ে: আমি রান্না করতে সাহায্য করব। পিতা: সবাই মিলেই সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। মা: প্রয়োজন হলে প্রতিবেশীদেরও সাহায্য চাইতে পারি। ছেলে: আমি আজই আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ফোন দেবো। মেয়ে: আশা করি তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিবে।" অফিসে ড্রেস কোড নিয়ে ম্যানেজার ও কর্মচারীর আলোচনা,"ম্যানেজার: সবাইকে জানাচ্ছি, অফিসে ড্রেস কোড কঠোর করা হয়েছে। কর্মচারী: স্যার, নতুন ড্রেস কোড কি ধরনের হবে? ম্যানেজার: অফিসিয়াল এবং পরিপাটি পোশাক বাধ্যতামূলক। কর্মচারী: আমরা কি জিন্স আর টি-শার্ট পরতে পারব? ম্যানেজার: না, জিন্স এবং টি-শার্ট পরা নিষেধ। কর্মচারী: বিকল্প পোশাক কী কী হতে পারে? ম্যানেজার: শার্ট, প্যান্ট, এবং অফিসিয়াল স্যুট হতে পারে। কর্মচারী: মহিলাদের জন্য কি আলাদা নিয়ম আছে? ম্যানেজার: হ্যাঁ, মহিলাদের সালোয়ার কামিজ বা অফিসিয়াল ড্রেস পরতে হবে। কর্মচারী: যদি কেউ নিয়ম না মানে তাহলে কি হবে? ম্যানেজার: সতর্কবার্তা দেয়া হবে, বার বার হলে শাস্তি হতে পারে। কর্মচারী: এটা কি কাজে প্রভাব ফেলবে? ম্যানেজার: হ্যাঁ, ভাল ড্রেস কোড অফিসে পেশাদারিত্ব বাড়ায়। কর্মচারী: সবাই কি এটা মেনে নিবে? ম্যানেজার: আশা করি, এতে অফিসের পরিবেশ উন্নত হবে। কর্মচারী: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা করবো নিয়ম মানার। ম্যানেজার: সবার সহযোগিতা দরকার। কর্মচারী: আমরা প্রস্তুত। ম্যানেজার: নতুন নিয়ম আগামী সোমবার থেকে কার্যকর হবে। কর্মচারী: সময়মতো জানিয়ে দিলেন, ধন্যবাদ। ম্যানেজার: চলুন, সবাই কাজ শুরু করি। " গ্রামের রাস্তার সমস্যা নিয়ে গ্রামবাসীর বৈঠক,"গ্রামপ্রধান: ভাইরা, আমাদের গ্রামে রাস্তার সমস্যা দিন দিন বেড়ে চলছে। গ্রামবাসী ১: হ্যাঁ, বর্ষাকালে রাস্তা অনেক কাদার হচ্ছে। গ্রামবাসী ২: ছোট ছোট গর্তে গাড়ি চলাচল কঠিন। গ্রামপ্রধান: আমরা কি সরকারি অফিসে অভিযোগ করবো? গ্রামবাসী ৩: অবশ্যই, তাদের সহযোগিতা দরকার। গ্রামবাসী ৪: তবে আমাদের একত্রিত হয়ে লিখিতভাবে জানানো উচিত। গ্রামপ্রধান: আমি আগামি সপ্তাহে ইউনিয়ন পরিষদে যাবো। গ্রামবাসী ৫: আমরা সবাই একযোগে অভিযোগ জমা দিবো। গ্রামবাসী ৬: রাস্তা নির্মাণ হলে স্কুল, হাসপাতাল যাওয়া সহজ হবে। গ্রামপ্রধান: আমাদের গ্রাম উন্নয়নে রাস্তার গুরুত্ব অনেক। গ্রামবাসী ৭: এছাড়া গাড়ি ভাড়া কমবে। গ্রামবাসী ৮: বাজারে যাওয়াও সুবিধাজনক হবে। গ্রামপ্রধান: আমরা স্থানীয় কাউন্সিলরকে আমন্ত্রণ করবো। গ্রামবাসী ৯: সবাইকে সচেতন হতে হবে। গ্রামবাসী ১০: ছোট ছোট সমস্যা নিয়ে ঝামেলা বাড়ানো উচিত নয়। গ্রামপ্রধান: সবাই মিলেমিশে কাজ করলে ফল পাওয়া যায়। গ্রামবাসী ১১: আমাদের সন্তানদের জন্য উন্নত পরিবেশ প্রয়োজন। গ্রামবাসী ১২: আশা করি এবার রাস্তা হবে। গ্রামপ্রধান: সবাইকে ধন্যবাদ, মিলেমিশে সমস্যা সমাধান করবো। " স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ডাক্তারের সাথে রোগীর আলোচনা,"রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার বার বার মাথা ব্যথা হয়। ডাক্তার: গতকাল কি কোনো অস্বস্তি হয়েছিল? রোগী: না, হঠাৎ করেই ব্যথা শুরু হয়। ডাক্তার: রক্তচাপ পরীক্ষা করেছি, কিছুটা বেশি। রোগী: কি করলে ভালো হবে? ডাক্তার: ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি বিশ্রাম নিতে হবে। রোগী: কি ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবো? ডাক্তার: তেল-মশলাযুক্ত খাবার কম খেতে হবে। রোগী: ব্যায়াম করা যাবে? ডাক্তার: হ্যাঁ, নিয়মিত হাঁটা করা ভালো। রোগী: আমাকে কি কোনো বিশেষ পরীক্ষা করাতে হবে? ডাক্তার: যদি ব্যথা বেশি হয়, এমআরআই করানো উচিত। রোগী: ওষুধ কখন ও কীভাবে খাবো? ডাক্তার: প্রতিদিন সকালে খাবার সাথে এক ট্যাবলেট। রোগী: পারিবারিক কোনো সমস্যা আছে? ডাক্তার: না, তবে নিজের যত্ন নিতে হবে। রোগী: আমি কি মানসিক চাপ কমাবো? ডাক্তার: অবশ্যই, স্ট্রেস মাথা ব্যথার বড় কারণ। রোগী: আমি চেষ্টা করবো। ডাক্তার: নিয়মিত ফলোআপ করাও জরুরি। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব। " বাড়ির গৃহকর্মী নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: আমাদের গৃহকর্মী আজকাল সময় মতো আসে না। স্বামী: হ্যাঁ, তার এই অবহেলা বাড়তি চাপ দেয়। স্ত্রী: আমি তাকে বারবার সতর্ক করেছি। স্বামী: তুমি কি কথা বলেছো তার সঙ্গে? স্ত্রী: হ্যাঁ, কিন্তু ও এখনো ভুল করছে। স্বামী: আমরা কি অন্য কাউকে নিয়োগ করবো? স্ত্রী: চিন্তা করছি, তবে আগে একবার শেষ সুযোগ দিই। স্বামী: ঠিক আছে, দেখা যাক সে কি পরিবর্তন আনে। স্ত্রী: বাড়ি পরিষ্কার রাখা দরকার, তা ছাড়া সমস্যা বাড়বে। স্বামী: ছেলেমেয়েদের জন্যও সুষ্ঠু পরিবেশ প্রয়োজন। স্ত্রী: ওর সঙ্গে একটু কঠোর হতে হবে। স্বামী: তুমি প্রয়োজন হলে আমারও কথা বলো। স্ত্রী: আমি চাই সবাই দায়িত্বশীল হোক। স্বামী: আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। স্ত্রী: আমরা মিলেমিশে কাজ করব। স্বামী: গৃহকর্মীকে সঠিকভাবে প্রশিক্ষণও দিতে হবে। স্ত্রী: তোমার কথা ঠিক, আমি সেটা করবো। স্বামী: এই বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করবো। স্ত্রী: তুমি পাশে থাকলে সব কিছু সহজ হবে। স্বামী: আমি সবসময় তোমার পাশে আছি। স্ত্রী: ধন্যবাদ, তুমি আমাকে সাহস দাও। " অফিসে নতুন প্রকল্প নিয়ে কর্মীদের আলোচনা,"ম্যানেজার: আমাদের নতুন প্রকল্প শুরু হচ্ছে আগামী সপ্তাহে। কর্মচারী ১: স্যার, এই প্রকল্পের লক্ষ্য কী? ম্যানেজার: নতুন সফটওয়্যার ডেভেলপ করা হবে। কর্মচারী ২: আমরা কি সবাই এতে অংশ নিব? ম্যানেজার: না, টিম ভাগ করে কাজ দেওয়া হবে। কর্মচারী ৩: সময়সীমা কত? ম্যানেজার: তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। কর্মচারী ১: রিসোর্স কেমন আছে? ম্যানেজার: বেশিরভাগ সরঞ্জাম আগেই মিলেছে। কর্মচারী ২: আমরা কি রিমোটলি কাজ করতে পারবো? ম্যানেজার: হ্যাঁ, প্রয়োজনমতো কাজ করা যাবে। কর্মচারী ৩: কোডিং ও টেস্টিং কাদের দায়িত্ব? ম্যানেজার: কোডিং সুমনের, টেস্টিং জুবায়েরের। কর্মচারী ১: ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগ? ম্যানেজার: রুমানা দায়িত্বে থাকবে। কর্মচারী ২: সমস্যা হলে কি করবো? ম্যানেজার: সময়মতো আমাকে জানাতে হবে। কর্মচারী ৩: আমরা কি ওভারটাইম করবো? ম্যানেজার: প্রয়োজন হলে অবশ্যই। কর্মচারী ১: আশা করি সফল হবে। ম্যানেজার: সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই সফলতা আসবে। কর্মচারী ২: আমরা প্রস্তুত স্যার। ম্যানেজার: ধন্যবাদ, কাজ শুরু করো।" বাসায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: এই মাসের বিদ্যুৎ বিল অনেক বেশি এসেছে। স্বামী: হ্যাঁ, গরমের সময় বেশি চালানো হয় এয়ারকন্ডিশনার। স্ত্রী: তোমার মনে হয় কি অন্য কোনো সমস্যা আছে? স্বামী: আমরা কি লাইট, ফ্যান ও অন্যান্য জিনিস অপ্রয়োজনীয় সময় চালাই? স্ত্রী: সত্যি বলতে, আমি মাঝে মাঝে ভুলেও ফ্যান চালু রেখেছি। স্বামী: আমি বলব, আমরা সবাই একটু সতর্ক হই। স্ত্রী: লাইটও অপ্রয়োজনীয় জায়গায় চালু থাকে অনেক সময়। স্বামী: আমাদের এলইডি বাতি ব্যবহার করা উচিত। স্ত্রী: তাই, এতে অনেক বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। স্বামী: বিল কমাতে ছোট ছোট অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। স্ত্রী: আমরা সবাইকে এটা বোঝাবো। স্বামী: খাবারের সময়ও যন্ত্রপাতি কম চালাতে হবে। স্ত্রী: বাসার বড়দেরও এই ব্যাপারে সচেতন করতে হবে। স্বামী: আমি আগামী মাসে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর চেষ্টা করবো। স্ত্রী: আমি তোমার পাশে আছি, একসাথে কাজ করবো। স্বামী: সময়মতো বিল পরিশোধ করাও জরুরি। স্ত্রী: ঠিক আছে, আমি আজই বিল পরিশোধ করবো। স্বামী: এতে কোনো জরিমানা হবে না। স্ত্রী: আমাদের আর্থিক পরিকল্পনাও করতে হবে। স্বামী: আমি মাসিক বাজেট তৈরি করছি। স্ত্রী: খুব ভালো, এতে আমাদের সাশ্রয় হবে।" গ্রামের স্কুলের উন্নয়ন নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা,"শিক্ষক: আমাদের স্কুলে নতুন শিক্ষাকক্ষ দরকার। অভিভাবক: সেটা অবশ্যই প্রয়োজন, কারণ ছাত্রসংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষক: অনেক বই ও যন্ত্রপাতিও অনুপস্থিত। অভিভাবক: আমরা পিতামাতারা মিলেমিশে সাহায্য করতে পারি। শিক্ষক: স্কুলের মাঠও উন্নত করতে হবে। অভিভাবক: শিশুরা খেলাধুলায় অংশ নিলে তাদের মনোযোগ বাড়ে। শিক্ষক: আমরা শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। অভিভাবক: শিক্ষকরা ভালো হলে ছাত্রদের ফলাফলও ভালো হয়। শিক্ষক: আমরা নতুন বই ও টেবিল চেয়ারের ব্যবস্থা করব। অভিভাবক: সবার সহযোগিতা দরকার। শিক্ষক: স্কুলের পরিবেশ যত্নসহকারে রক্ষা করতে হবে। অভিভাবক: আমরা বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য নিয়মিত বৈঠক করবো। শিক্ষক: স্কুলের জন্য কিছু অনুদান সংগ্রহের পরিকল্পনা আছে। অভিভাবক: স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবীদের সাহায্য চাইতে পারি। শিক্ষক: আশা করি সবাই একসাথে কাজ করবে। অভিভাবক: শিক্ষা উন্নয়নে আমরা সর্বদা পাশে আছি। শিক্ষক: শিশুদের জন্য নতুন পাঠ্যক্রমও আনা হবে। অভিভাবক: এটা খুবই ভালো খবর। শিক্ষক: ধন্যবাদ সবাইকে, মিলেমিশে স্কুল গড়ে তুলি।" বাসায় আগুন সুরক্ষা নিয়ে পরিবারের আলোচনা,"পিতা: আমাদের বাড়িতে আগুন লাগার কোনো ঝুঁকি আছে কি? মা: আমি মনে করি, সঠিক সাবধানতা নেওয়া দরকার। ছেলে: রান্নাঘরে আগুন লাগলে কি করব? মেয়ে: আগুন নেভানোর যন্ত্রপাতি কোথায় রাখব? পিতা: আমি আগুন নেভানোর যন্ত্র কেনার ব্যবস্থা করবো। মা: বৈদ্যুতিক তারগুলোও পরীক্ষা করবো। ছেলে: প্লাগগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে তো? মেয়ে: ওভেন ও অন্যান্য যন্ত্র চালু রেখে আমরা সতর্ক থাকব। পিতা: গ্যাসের নল লিক না করছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। মা: আমি এখন থেকেই সতর্কতা নিতে শুরু করবো। ছেলে: আমি জানালার দিকে যেতে সাহায্য করবো, যদি জরুরি হয়। মেয়ে: জরুরি নম্বর ফোনে রাখবো। পিতা: সবাইকে আগুন লাগলে কী করণীয় জানাতে হবে। মা: আমরা আগুনের সুরক্ষা প্রশিক্ষণ নেবো। ছেলে: দুর্ঘটনা হলে শান্ত থাকাও জরুরি। মেয়ে: বাড়ির সব লোকের জন্য নিয়মিত সচেতনতা দরকার। পিতা: আমরা নিরাপত্তায় কোনো ছাড় দিবো না। মা: সবাই সতর্ক থাকলে দুর্ঘটনা কম হবে। ছেলে: আমি স্কুলে সবাইকে আগুন সুরক্ষা শেখাবো। মেয়ে: নিরাপদ বাসা মানেই শান্ত জীবন।" নতুন মোবাইল কেনার জন্য বাবা-মেয়ের আলোচনা,"মেয়ে: বাবা, আমি নতুন মোবাইল চাই, আমার পুরানোটা অনেক দিন হয়ে গেছে। বাবা: কেনো, তোমার পুরানোটা কি সমস্যা করছে? মেয়ে: অনেক ধীরে চলে আর অনেক অ্যাপ খোলা যায় না। বাবা: তুমি কি জানো মোবাইল কেনার জন্য কত বাজেট আছে? মেয়ে: আমি সাশ্রয়ী কিছু চাই, বেশি দাম হলে পারবো না। বাবা: আমরা বাজার থেকে ভালো ব্র্যান্ডের ফোন খুঁজি। মেয়ে: আমি চাই ক্যামেরা ভালো হোক। বাবা: ক্যামেরার পাশাপাশি ব্যাটারি লাইফ ও প্রোসেসরও দেখতে হবে। মেয়ে: আমি তোমার সঙ্গে বাজারে যেতে চাই। বাবা: চল ঠিক আছে, আগামী শনিবার যাই। মেয়ে: আমি কিছু ফোন অনলাইনে দেখেছি, তুমি কি সেগুলো দেখতে চাও? বাবা: অবশ্যই, আমি ফোনগুলো যাচাই করে নেব। মেয়ে: তুমি আমাকে শেখাবে কিভাবে ভালো ফোন নির্বাচন করতে হয়? বাবা: নিশ্চয়ই, আমি তোমাকে সাহায্য করব। মেয়ে: আমি চাই ফোনের গ্যারান্টি থাকা উচিত। বাবা: এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, গ্যারান্টি ছাড়া ফোন কেনা ঠিক হবে না। মেয়ে: আমি বাজারে নতুন অফারও দেখব। বাবা: অবশ্যই, অফার থাকলে ভালো দাম পাওয়া যায়। মেয়ে: বাবা, তোমার সাহায্যে আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারব। বাবা: আমি সবসময় তোমার পাশে আছি। " নতুন মোবাইল কেনার জন্য বাবা-মেয়ের আলোচনা,"মেয়ে: বাবা, আমি নতুন মোবাইল চাই, আমার পুরানোটা অনেক ধীরে চলে। বাবা: কেনো? তুমি কি মোবাইলের কাজগুলো ঠিকমতো করতে পারছো না? মেয়ে: না, অনেক অ্যাপস খুলতে সমস্যা হয়। বাবা: তুমি কি বাজেট জানো? মেয়ে: সাশ্রয়ী ফোন চাই, বেশি দাম হবে না। বাবা: ক্যামেরা ভালো হওয়া দরকার? মেয়ে: হ্যাঁ, কারণ আমি ছবি তুলতে পছন্দ করি। বাবা: আমি তোমার সঙ্গে বাজারে যাবো। মেয়ে: আমি অনলাইনে কিছু ফোন দেখেছি, সেটা দেখবেন? বাবা: অবশ্যই, ভালো ব্র্যান্ডের ফোন নিতে হবে। মেয়ে: গ্যারান্টিও থাকা উচিত। বাবা: গ্যারান্টি ছাড়া ফোন কেনা ঠিক হবে না। মেয়ে: ব্যাটারি লাইট আর প্রোসেসর ভালো হওয়া দরকার। বাবা: হ্যাঁ, ব্যাটারি ভালো হলে আর বার বার চার্জ দিতে হয় না। মেয়ে: আমি শনিবার বাজারে যেতে পারি? বাবা: ঠিক আছে, শনিবার যাওয়া হবে। মেয়ে: আমি অফার খুঁজি। বাবা: অফার থাকলে ভালো দাম পাওয়া যায়। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা, তোমার সাহায্যে সঠিক ফোন পাবো। বাবা: সবসময় পাশে আছি তোমার। মেয়ে: আমি চেষ্টা করবো ফোন সঠিকভাবে ব্যবহার করতে। বাবা: সেটা করো, মোবাইল ব্যবহারে সচেতন হও। মেয়ে: ইনশাআল্লাহ। " বাসায় ইন্টারনেট সমস্যা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্ত্রী: গতকাল থেকে ইন্টারনেট কাজ করছে না, খুব সমস্যা হচ্ছে। স্বামী: ওটা ঠিক আছে, আমি কাল টেকনিশিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। স্ত্রী: কতক্ষণ লাগবে ঠিক হতে? স্বামী: হয়তো আজকের মধ্যেই। স্ত্রী: অফিসের কাজ কি হচ্ছে? স্বামী: একটু ধীর গতিতে হলেও চলছে। স্ত্রী: বাসায় শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পড়াশোনা করে, এটা বড় সমস্যা। স্বামী: তাই, আমি অস্থায়ী ব্যাকআপ ব্যান্ডউইথ কিনেছি। স্ত্রী: খরচ বেশি হবে তো? স্বামী: একটু হলেও সমস্যা মিটবে। স্ত্রী: তোমার অফিসে কাজ কেমন চলছে? স্বামী: ভালো, তবে ইন্টারনেট না থাকলে সমস্যা হয়। স্ত্রী: আমি চাই তোমার কাজ যেন কোনোভাবে ব্যাহত না হয়। স্বামী: আমি চেষ্টা করছি। স্ত্রী: বাসার ছোট ছেলেমেয়েরা অনলাইন ক্লাসে অংশ নিচ্ছে? স্বামী: হ্যাঁ, তাদেরও ইন্টারনেট দরকার। স্ত্রী: সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। স্বামী: হ্যাঁ, আশা করি দ্রুত সব ঠিক হয়ে যাবে। স্ত্রী: পরের বার সমস্যা হলে আগে জানিও। স্বামী: নিশ্চয়ই, তোমার সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখবো। স্ত্রী: ভালো, বাসায় সবাই সুস্থ থাকুক। স্বামী: আমিও চাই। স্ত্রী: ধন্যবাদ, তুমি যত্ন নাও।" ছাত্র ও শিক্ষকের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আলোচনা,"ছাত্র: স্যার, আমার পরীক্ষার ফলাফল কেমন হয়েছে? শিক্ষক: মোটামুটি ভালো হয়েছে, কিছু বিষয়ে উন্নতি দরকার। ছাত্র: কোন বিষয়গুলোতে? শিক্ষক: গণিত আর ইংরেজি আরও ভালো করার চেষ্টা করো। ছাত্র: আমি ওই বিষয়গুলোর জন্য অতিরিক্ত ক্লাস নিতে পারি? শিক্ষক: অবশ্যই, স্কুলে অতিরিক্ত ক্লাস আছে। ছাত্র: আমি সময় বের করে পড়াশোনা করব। শিক্ষক: ধারাবাহিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: আমি বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডিও করব। শিক্ষক: সেটাও ভাল একটি পদ্ধতি। ছাত্র: কেমন সময় দিতে হবে? শিক্ষক: প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা। ছাত্র: পরীক্ষা নিয়ে চাপ খুব থাকে। শিক্ষক: চাপ কমাতে বিশ্রাম নিতে হবে। ছাত্র: আমি নিজেকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করব। শিক্ষক: তুমি ভালো ফল দেবে, আমি বিশ্বাস করি। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আপনার সাহায্যের জন্য। শিক্ষক: তুমি নিয়মিত ক্লাসে যোগ দাও। ছাত্র: ইনশাআল্লাহ। শিক্ষক: অন্য কোনো প্রশ্ন থাকলে জানিও। ছাত্র: এখন না, পরে। শিক্ষক: ভালো, পরবর্তী পরীক্ষার জন্য শুভকামনা। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার।" দোকানে পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মতবিনিময়,"ক্রেতা: ভাই, এই চালটা মান ভাল মনে হচ্ছে না। বিক্রেতা: চালটা নতুন সংগ্রহ, মান ভালই। ক্রেতা: গতবারের চালের মতো মসৃণ নয়। বিক্রেতা: অনেক ক্ষেত্রেই চালের রঙে ভিন্নতা থাকে। ক্রেতা: আমার বাড়ির লোকেরা এ নিয়ে অসন্তুষ্ট। বিক্রেতা: আপনার জন্য আমি অন্য চাল পরীক্ষা করে দেব। ক্রেতা: কি দাম বলবেন? বিক্রেতা: দাম ঠিকই, কিন্তু মান নিশ্চিত। ক্রেতা: একটু কম করে দিলে কিনতে আগ্রহী। বিক্রেতা: দুঃখিত, দাম কমানো সম্ভব নয়। ক্রেতা: তাহলে আমার জন্য ভালো চাল আলাদা করে রাখবেন? বিক্রেতা: হ্যাঁ, অবশ্যই। ক্রেতা: পরের বার ভালো চাল আনবেন যেন। বিক্রেতা: আপনাদের মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান। ক্রেতা: বাজারে ভালো মানের পণ্য পাওয়াটা খুব জরুরি। বিক্রেতা: আমরা চেষ্টা করব মান বজায় রাখতে। ক্রেতা: অন্য দোকানে গেলে মানের পার্থক্য বুঝতে পারি। বিক্রেতা: তাই আমাদেরও সতর্ক থাকতে হয়। ক্রেতা: আপনাদের ভালো সার্ভিসের জন্য ধন্যবাদ। বিক্রেতা: আপনাকে ধন্যবাদ, আবার আসবেন। ক্রেতা: অবশ্যই আসব। ৭৪. বিষয়: পরিবারের সঙ্গে ঈদের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা সংলাপ: বাবা: এবার ঈদে কোথায় যাবো ভাবছি। মা: তুমি যেখানেই যাও, আমরা তোমার সঙ্গে যাবো। ছেলে: আমি শহরের বাড়িতে যেতে চাই। মেয়ে: আমি গ্রামের বাড়ি দেখতে চাই। বাবা: সবাই মিলে কোথাও গেলে ভালো হয়। মা: গ্রামের বাড়িতে ঈদের আনন্দ আলাদা। ছেলে: আমি বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটাতে চাই। মেয়ে: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাবা: আমরা দুই জায়গাই ঘুরে আসতে পারি। মা: সেই পরিকল্পনা ভালো হবে। ছেলে: আমি গাড়ি চালাতে পারি। মেয়ে: আমি রান্নায় সাহায্য করব। বাবা: আমরা আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করে নিই। মা: ঈদের জন্য নতুন জামা কিনব। ছেলে: নতুন জামা আমি নিজেও চাই। মেয়ে: সবাই নতুন জামা পরে ছবি তুলব। বাবা: ঈদের নামাজে সবাই সময়মতো যাই। মা: তারপর সবাই মিলে খাবার খেতে বসবো। ছেলে: আমি মিষ্টি কিনব। মেয়ে: আমিও। বাবা: ঈদ আনন্দ সবাই মিলে করবো। ৭৫. বিষয়: অফিসে কর্মঘন্টা পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা সংলাপ: ম্যানেজার: অফিসের কাজের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। কর্মচারী ১: নতুন সময় কেমন হবে? ম্যানেজার: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা। কর্মচারী ২: কি কারণে পরিবর্তন? ম্যানেজার: কাজের চাপ বেড়ে গেছে। কর্মচারী ৩: অতিরিক্ত সময় কাজ করতে কি হবে? ম্যানেজার: প্রয়োজন হলে ওভারটাইম দিতে হতে পারে। কর্মচারী ১: কি সুবিধা পাবো? ম্যানেজার: ওভারটাইমের জন্য অতিরিক্ত বেতন দেয়া হবে। কর্মচারী ২: এই সময় কি আমরা বিরতি পাবো? ম্যানেজার: দুপুর ১টা থেকে ২টা বিরতি থাকবে। কর্মচারী ৩: কি দিন পরিবর্তন হয়েছে? ম্যানেজার: সপ্তাহে ছুটি শুক্রবারই থাকবে। কর্মচারী ১: নতুন সময় শুরু কবে থেকে? ম্যানেজার: আগামী সোমবার থেকে। কর্মচারী ২: কি করলে কাজ আরো ভালো হবে? ম্যানেজার: সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। কর্মচারী ৩: কারো সমস্যা হলে কি করবো? ম্যানেজার: আমাকে আগে জানাতে হবে। কর্মচারী ১: সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। ম্যানেজার: সেটাই প্রত্যাশা। কর্মচারী ২: ধন্যবাদ স্যার। ম্যানেজার: কাজের জন্য সবাইকে শুভকামনা। ৭৬. বিষয়: পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের আলোচনা সংলাপ: শিক্ষক: তুমি পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে কি করছ? ছাত্র: আমি সময়ের পরিকল্পনা করছি। শিক্ষক: খুব ভালো, সময় ম্যানেজমেন্ট খুব জরুরি। ছাত্র: মাঝে মাঝে মনোযোগ কমে যায়। শিক্ষক: একটু বিরতি নিতে পারো, তারপর আবার শুরু করো। ছাত্র: হ্যাঁ, মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করি। শিক্ষক: গ্রুপ স্টাডিও সাহায্য করে। ছাত্র: আমি বন্ধুদের সঙ্গে পড়াশোনা করি। শিক্ষক: নির্দিষ্ট সময় পড়ো, অনাবশ্যক বিরতি নাও না। ছাত্র: আমি মোবাইল কম ব্যবহার করার চেষ্টা করছি। শিক্ষক: সেটা খুবই প্রয়োজন। ছাত্র: আমি বইয়ের নোটস তৈরি করি। শিক্ষক: নোটস তৈরি করলে মনে থাকে। ছাত্র: পড়ার পরিবেশ শান্ত রাখা দরকার। শিক্ষক: তাই, পরিচ্ছন্ন ও শান্ত জায়গায় পড়ো। ছাত্র: তুমি কি অতিরিক্ত ক্লাস দাও? শিক্ষক: হ্যাঁ, চাইলে যোগ দিতে পারো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনা করো। ছাত্র: ইনশাআল্লাহ ভালো ফল দেব। ৭৭. বিষয়: নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা সংলাপ: স্বামী: আমরা নতুন গাড়ি কেনার কথা ভাবছি। স্ত্রী: ঠিক আছে, তুমি কি ধরনের গাড়ি দেখতে চাও? স্বামী: আমি সেডান গাড়ি চাই, যা পরিবারে সবাই আরামদায়ক। স্ত্রী: গাড়ির দাম কত বাজেটের মধ্যে হবে? স্বামী: আমরা আধুনিক ও সাশ্রয়ী গাড়ি চাই। স্ত্রী: আমি চাই গাড়িতে সেফটি ফিচার ভালো থাকুক। স্বামী: সেফটি সবচেয়ে জরুরি বিষয়। স্ত্রী: গাড়ির রং ও ডিজাইনও দেখতে চাই। স্বামী: বাজার থেকে কয়েকটা মডেল দেখে আসি। স্ত্রী: আমি অনলাইনে রিভিউ দেখেছি। স্বামী: আমি ডিলারশিপে গিয়ে গাড়ি পরীক্ষা করবো। স্ত্রী: তুমি কি ফাইন্যান্স নিয়ে ভাবছো? স্বামী: হ্যাঁ, লোনের বিষয়ও ভাবছি। স্ত্রী: গাড়ির সার্ভিস ও রক্ষণাবেক্ষণ কেমন হবে? স্বামী: ভালো সার্ভিস সেন্টার থাকা প্রয়োজন। স্ত্রী: গাড়ি কেনার পরে আমি ড্রাইভিং শিখব। স্বামী: অবশ্যই, নিরাপদে চালানো শিখতে হবে। স্ত্রী: গাড়ি কেনার সময় সব নথি ভালো করে দেখতে হবে। স্বামী: আমি ডিলার থেকে সব তথ্য নেবো। স্ত্রী: আশা করি আমরা ভালো সিদ্ধান্ত নেবো। স্বামী: ইনশাআল্লাহ, সবাই মিলে। ৭৮. বিষয়: স্কুলে পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে অভিভাবক ও প্রধান শিক্ষকের আলোচনা সংলাপ: অভিভাবক: প্রধান শিক্ষক, স্কুলে পরিবহণের সুবিধা কেমন আছে? প্রধান শিক্ষক: বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী বাসে করে আসে। অভিভাবক: কিন্তু অনেক সময় বাসির দেরি হয়। প্রধান শিক্ষক: আমরা বাস মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। অভিভাবক: শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে কী ব্যবস্থা? প্রধান শিক্ষক: প্রত্যেক বাসে দায়িত্বশীল সহকারী থাকে। অভিভাবক: কি ধরনের বাস ব্যবহার হয়? প্রধান শিক্ষক: আধুনিক ও নিয়ম মেনে চলার বাস। অভিভাবক: বাসের ভাড়া কি অনেক বেশি? প্রধান শিক্ষক: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারন। অভিভাবক: আমি চাই, সময়মতো পরিবহন সেবা নিশ্চিত হোক। প্রধান শিক্ষক: আমরা চেষ্টা করবো সেটা নিশ্চিত করতে। অভিভাবক: পরিবহণে সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন। প্রধান শিক্ষক: অবশ্যই, আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। অভিভাবক: ধন্যবাদ, আমি সন্তুষ্ট। প্রধান শিক্ষক: আপনাদের সহযোগিতায় স্কুল উন্নত হবে। অভিভাবক: একসাথে কাজ করলে ফল ভালো হবে। প্রধান শিক্ষক: চলুন, স্কুলের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। ৭৯. বিষয়: পারিবারিক বিতর্ক নিয়ে বড় ভাই ও ছোট ভাইয়ের আলোচনা সংলাপ: বড় ভাই: ভাই, আমাদের মধ্যে যেই সমস্যাটা হয়েছে, সেটা মিটিয়ে ফেলি। ছোট ভাই: আমি ওর জন্য দুঃখিত, ভুল হলে ক্ষমা চাই। বড় ভাই: আমরা একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করবো। ছোট ভাই: হ্যাঁ, পারিবারিক সম্পর্ক ভালো থাকা দরকার। বড় ভাই: সবাই মিলে মিলেমিশে থাকতে হবে। ছোট ভাই: কথা কাটাকাটি কমিয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা দরকার। বড় ভাই: আমি চাই সবাই একসঙ্গে খুশি থাকুক। ছোট ভাই: আমি চেষ্টা করবো আর ভুল করব না। বড় ভাই: পরিবারের জন্য নিজেদের আগ্রহ কমিয়ে ভাবতে হবে। ছোট ভাই: আমরা মিলে সব সমস্যা সমাধান করতে পারি। বড় ভাই: তোমার ইচ্ছাটা খুব ভালো। ছোট ভাই: ধন্যবাদ ভাই, তুমি আমাকে সহযোগিতা করবে তো? বড় ভাই: সবসময় পাশে আছি তোমার। ছোট ভাই: ভালো লাগলো ভাইয়ের মতো কথা শুনে। বড় ভাই: এখন থেকে আমরা পারস্পরিক সম্মান রাখবো। ছোট ভাই: ঠিক আছে, পরিবারের জন্য সেটা জরুরি। বড় ভাই: ছোট ভাইকে পাশে পেয়ে ভালো লাগছে। ছোট ভাই: আমি ভালো ভাই পেয়ে ধন্য। বড় ভাই: চল এই ঝগড়া ভুলে যাই। ছোট ভাই: হ্যাঁ, আগামিতে শান্তি থাকুক। ৮০. বিষয়: কর্মক্ষেত্রে স্ট্রেস কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা সংলাপ: কর্মচারী ১: আজকাল অফিসে কাজের চাপ বেড়ে গেছে, স্ট্রেস বেশি। কর্মচারী ২: আমি নিজেও একই অনুভব করছি। কর্মচারী ৩: স্ট্রেস কমানোর জন্য কি করবো? কর্মচারী ১: মাঝে মাঝে একটু বিরতি নিতে পারি। কর্মচারী ২: অফিসের বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে ভালো হয়। কর্মচারী ৩: মেডিটেশন করাও সাহায্য করে। কর্মচারী ১: আমি রাতে ভালো ঘুমের চেষ্টা করছি। কর্মচারী ২: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক শান্তি দেয়। কর্মচারী ৩: কাজ ভাগাভাগি করলে চাপ কমে। কর্মচারী ১: আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করতে পারি। কর্মচারী ২: অফিসে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা দরকার। কর্মচারী ৩: প্রয়োজন হলে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলা উচিত। কর্মচারী ১: আমি শখের কাজে বেশি সময় দিচ্ছি। কর্মচারী ২: হ্যাঁ, এটা ভালো একটি পথ। কর্মচারী ৩: খোলা বাতাসে সময় কাটানো জরুরি। কর্মচারী ১: স্ট্রেস কমাতে হালকা ব্যায়াম করা ভালো। কর্মচারী ২: অফিসের কাজের সময়সূচি ঠিক রাখা দরকার। কর্মচারী ৩: আমি নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখার চেষ্টা করি। কর্মচারী ১: সবাই মিলে স্ট্রেস মোকাবিলা করবো। ৮১. বিষয়: শিক্ষার্থীদের ছুটির পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীর আলোচনা সংলাপ: শিক্ষিকা: তোমরা কি ভাবছো ছুটিতে কী করব? ছাত্র: আমি বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করব। ছাত্রী: আমি বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাবো। শিক্ষিকা: সময় মেনে কাজ করলে ভালো হয়। ছাত্র: আমি খেলাধুলায় বেশি সময় দেবো। ছাত্রী: পড়াশোনাও বাদ দেবো না। শিক্ষিকা: ছুটির সময় বই পড়ার সুযোগ বেশি পাওয়া যায়। ছাত্র: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো জরুরি " পরিবারের সঙ্গে ঈদের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা,"বাবা: এবার ঈদে কোথায় যাবো ভাবছি। মা: তুমি যেখানেই যাও, আমরা তোমার সঙ্গে যাবো। ছেলে: আমি শহরের বাড়িতে যেতে চাই। মেয়ে: আমি গ্রামের বাড়ি দেখতে চাই। বাবা: সবাই মিলে কোথাও গেলে ভালো হয়। মা: গ্রামের বাড়িতে ঈদের আনন্দ আলাদা। ছেলে: আমি বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটাতে চাই। মেয়ে: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাবা: আমরা দুই জায়গাই ঘুরে আসতে পারি। মা: সেই পরিকল্পনা ভালো হবে। ছেলে: আমি গাড়ি চালাতে পারি। মেয়ে: আমি রান্নায় সাহায্য করব। বাবা: আমরা আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করে নিই। মা: ঈদের জন্য নতুন জামা কিনব। ছেলে: নতুন জামা আমি নিজেও চাই। মেয়ে: সবাই নতুন জামা পরে ছবি তুলব। বাবা: ঈদের নামাজে সবাই সময়মতো যাই। মা: তারপর সবাই মিলে খাবার খেতে বসবো। ছেলে: আমি মিষ্টি কিনব। মেয়ে: আমিও। বাবা: ঈদ আনন্দ সবাই মিলে করবো। " অফিসে কর্মঘন্টা পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসের কাজের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। কর্মচারী ১: নতুন সময় কেমন হবে? ম্যানেজার: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৬টা। কর্মচারী ২: কি কারণে পরিবর্তন? ম্যানেজার: কাজের চাপ বেড়ে গেছে। কর্মচারী ৩: অতিরিক্ত সময় কাজ করতে কি হবে? ম্যানেজার: প্রয়োজন হলে ওভারটাইম দিতে হতে পারে। কর্মচারী ১: কি সুবিধা পাবো? ম্যানেজার: ওভারটাইমের জন্য অতিরিক্ত বেতন দেয়া হবে। কর্মচারী ২: এই সময় কি আমরা বিরতি পাবো? ম্যানেজার: দুপুর ১টা থেকে ২টা বিরতি থাকবে। কর্মচারী ৩: কি দিন পরিবর্তন হয়েছে? ম্যানেজার: সপ্তাহে ছুটি শুক্রবারই থাকবে। কর্মচারী ১: নতুন সময় শুরু কবে থেকে? ম্যানেজার: আগামী সোমবার থেকে। কর্মচারী ২: কি করলে কাজ আরো ভালো হবে? ম্যানেজার: সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। কর্মচারী ৩: কারো সমস্যা হলে কি করবো? ম্যানেজার: আমাকে আগে জানাতে হবে। কর্মচারী ১: সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। ম্যানেজার: সেটাই প্রত্যাশা। কর্মচারী ২: ধন্যবাদ স্যার। ম্যানেজার: কাজের জন্য সবাইকে শুভকামনা।" পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের আলোচনা,"শিক্ষক: তুমি পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে কি করছ? ছাত্র: আমি সময়ের পরিকল্পনা করছি। শিক্ষক: খুব ভালো, সময় ম্যানেজমেন্ট খুব জরুরি। ছাত্র: মাঝে মাঝে মনোযোগ কমে যায়। শিক্ষক: একটু বিরতি নিতে পারো, তারপর আবার শুরু করো। ছাত্র: হ্যাঁ, মাঝে মাঝে হাঁটাহাঁটি করি। শিক্ষক: গ্রুপ স্টাডিও সাহায্য করে। ছাত্র: আমি বন্ধুদের সঙ্গে পড়াশোনা করি। শিক্ষক: নির্দিষ্ট সময় পড়ো, অনাবশ্যক বিরতি নাও না। ছাত্র: আমি মোবাইল কম ব্যবহার করার চেষ্টা করছি। শিক্ষক: সেটা খুবই প্রয়োজন। ছাত্র: আমি বইয়ের নোটস তৈরি করি। শিক্ষক: নোটস তৈরি করলে মনে থাকে। ছাত্র: পড়ার পরিবেশ শান্ত রাখা দরকার। শিক্ষক: তাই, পরিচ্ছন্ন ও শান্ত জায়গায় পড়ো। ছাত্র: তুমি কি অতিরিক্ত ক্লাস দাও? শিক্ষক: হ্যাঁ, চাইলে যোগ দিতে পারো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনা করো। ছাত্র: ইনশাআল্লাহ ভালো ফল দেব।" নতুন গাড়ি কেনার পরিকল্পনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্বামী: আমরা নতুন গাড়ি কেনার কথা ভাবছি। স্ত্রী: ঠিক আছে, তুমি কি ধরনের গাড়ি দেখতে চাও? স্বামী: আমি সেডান গাড়ি চাই, যা পরিবারে সবাই আরামদায়ক। স্ত্রী: গাড়ির দাম কত বাজেটের মধ্যে হবে? স্বামী: আমরা আধুনিক ও সাশ্রয়ী গাড়ি চাই। স্ত্রী: আমি চাই গাড়িতে সেফটি ফিচার ভালো থাকুক। স্বামী: সেফটি সবচেয়ে জরুরি বিষয়। স্ত্রী: গাড়ির রং ও ডিজাইনও দেখতে চাই। স্বামী: বাজার থেকে কয়েকটা মডেল দেখে আসি। স্ত্রী: আমি অনলাইনে রিভিউ দেখেছি। স্বামী: আমি ডিলারশিপে গিয়ে গাড়ি পরীক্ষা করবো। স্ত্রী: তুমি কি ফাইন্যান্স নিয়ে ভাবছো? স্বামী: হ্যাঁ, লোনের বিষয়ও ভাবছি। স্ত্রী: গাড়ির সার্ভিস ও রক্ষণাবেক্ষণ কেমন হবে? স্বামী: ভালো সার্ভিস সেন্টার থাকা প্রয়োজন। স্ত্রী: গাড়ি কেনার পরে আমি ড্রাইভিং শিখব। স্বামী: অবশ্যই, নিরাপদে চালানো শিখতে হবে। স্ত্রী: গাড়ি কেনার সময় সব নথি ভালো করে দেখতে হবে। স্বামী: আমি ডিলার থেকে সব তথ্য নেবো। স্ত্রী: আশা করি আমরা ভালো সিদ্ধান্ত নেবো। স্বামী: ইনশাআল্লাহ, সবাই মিলে।" স্কুলে পরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে অভিভাবক ও প্রধান শিক্ষকের আলোচনা,"অভিভাবক: প্রধান শিক্ষক, স্কুলে পরিবহণের সুবিধা কেমন আছে? প্রধান শিক্ষক: বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী বাসে করে আসে। অভিভাবক: কিন্তু অনেক সময় বাসির দেরি হয়। প্রধান শিক্ষক: আমরা বাস মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। অভিভাবক: শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে কী ব্যবস্থা? প্রধান শিক্ষক: প্রত্যেক বাসে দায়িত্বশীল সহকারী থাকে। অভিভাবক: কি ধরনের বাস ব্যবহার হয়? প্রধান শিক্ষক: আধুনিক ও নিয়ম মেনে চলার বাস। অভিভাবক: বাসের ভাড়া কি অনেক বেশি? প্রধান শিক্ষক: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারন। অভিভাবক: আমি চাই, সময়মতো পরিবহন সেবা নিশ্চিত হোক। প্রধান শিক্ষক: আমরা চেষ্টা করবো সেটা নিশ্চিত করতে। অভিভাবক: পরিবহণে সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন। প্রধান শিক্ষক: অবশ্যই, আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। অভিভাবক: ধন্যবাদ, আমি সন্তুষ্ট। প্রধান শিক্ষক: আপনাদের সহযোগিতায় স্কুল উন্নত হবে। অভিভাবক: একসাথে কাজ করলে ফল ভালো হবে। প্রধান শিক্ষক: চলুন, স্কুলের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। " পারিবারিক বিতর্ক নিয়ে বড় ভাই ও ছোট ভাইয়ের আলোচনা,"বড় ভাই: ভাই, আমাদের মধ্যে যেই সমস্যাটা হয়েছে, সেটা মিটিয়ে ফেলি। ছোট ভাই: আমি ওর জন্য দুঃখিত, ভুল হলে ক্ষমা চাই। বড় ভাই: আমরা একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করবো। ছোট ভাই: হ্যাঁ, পারিবারিক সম্পর্ক ভালো থাকা দরকার। বড় ভাই: সবাই মিলে মিলেমিশে থাকতে হবে। ছোট ভাই: কথা কাটাকাটি কমিয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা দরকার। বড় ভাই: আমি চাই সবাই একসঙ্গে খুশি থাকুক। ছোট ভাই: আমি চেষ্টা করবো আর ভুল করব না। বড় ভাই: পরিবারের জন্য নিজেদের আগ্রহ কমিয়ে ভাবতে হবে। ছোট ভাই: আমরা মিলে সব সমস্যা সমাধান করতে পারি। বড় ভাই: তোমার ইচ্ছাটা খুব ভালো। ছোট ভাই: ধন্যবাদ ভাই, তুমি আমাকে সহযোগিতা করবে তো? বড় ভাই: সবসময় পাশে আছি তোমার। ছোট ভাই: ভালো লাগলো ভাইয়ের মতো কথা শুনে। বড় ভাই: এখন থেকে আমরা পারস্পরিক সম্মান রাখবো। ছোট ভাই: ঠিক আছে, পরিবারের জন্য সেটা জরুরি। বড় ভাই: ছোট ভাইকে পাশে পেয়ে ভালো লাগছে। ছোট ভাই: আমি ভালো ভাই পেয়ে ধন্য। বড় ভাই: চল এই ঝগড়া ভুলে যাই। ছোট ভাই: হ্যাঁ, আগামিতে শান্তি থাকুক।" কর্মক্ষেত্রে স্ট্রেস কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা,"কর্মচারী ১: আজকাল অফিসে কাজের চাপ বেড়ে গেছে, স্ট্রেস বেশি। কর্মচারী ২: আমি নিজেও একই অনুভব করছি। কর্মচারী ৩: স্ট্রেস কমানোর জন্য কি করবো? কর্মচারী ১: মাঝে মাঝে একটু বিরতি নিতে পারি। কর্মচারী ২: অফিসের বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে ভালো হয়। কর্মচারী ৩: মেডিটেশন করাও সাহায্য করে। কর্মচারী ১: আমি রাতে ভালো ঘুমের চেষ্টা করছি। কর্মচারী ২: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক শান্তি দেয়। কর্মচারী ৩: কাজ ভাগাভাগি করলে চাপ কমে। কর্মচারী ১: আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করতে পারি। কর্মচারী ২: অফিসে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা দরকার। কর্মচারী ৩: প্রয়োজন হলে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলা উচিত। কর্মচারী ১: আমি শখের কাজে বেশি সময় দিচ্ছি। কর্মচারী ২: হ্যাঁ, এটা ভালো একটি পথ। কর্মচারী ৩: খোলা বাতাসে সময় কাটানো জরুরি। কর্মচারী ১: স্ট্রেস কমাতে হালকা ব্যায়াম করা ভালো। কর্মচারী ২: অফিসের কাজের সময়সূচি ঠিক রাখা দরকার। কর্মচারী ৩: আমি নিজেকে মানসিকভাবে শক্ত রাখার চেষ্টা করি। কর্মচারী ১: সবাই মিলে স্ট্রেস মোকাবিলা করবো। " শিক্ষার্থীদের ছুটির পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীর আলোচনা,"শিক্ষিকা: তোমরা কি ভাবছো ছুটিতে কী করব? ছাত্র: আমি বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করব। ছাত্রী: আমি বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাবো। শিক্ষিকা: সময় মেনে কাজ করলে ভালো হয়। ছাত্র: আমি খেলাধুলায় বেশি সময় দেবো। ছাত্রী: পড়াশোনাও বাদ দেবো না। শিক্ষিকা: ছুটির সময় বই পড়ার সুযোগ বেশি পাওয়া যায়। ছাত্র: পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো জরুরি। ছাত্রী: আমি নতুন হবি শিখব। শিক্ষিকা: শখের কাজ মানসিক শান্তি দেয়। ছাত্র: আমি নিয়মিত ব্যায়াম করব। ছাত্রী: তুমি কি ছুটিতে পড়াশোনার জন্য প্রস্তুত? শিক্ষিকা: অবশ্যই, পরিকল্পনা থাকলে সফলতা আসবে। ছাত্র: আমরা তোমার পরামর্শ মেনে চলব। ছাত্রী: ছুটিতে বিনোদনের সুযোগও নিতে চাই। শিক্ষিকা: সেটাও প্রয়োজন, কিন্তু সময় ঠিক রাখতে হবে। ছাত্র: আমি সবাইকে ভালোর জন্য উৎসাহিত করব। শিক্ষিকা: তোমাদের ছুটির পরিকল্পনা ভালো লাগলো।" অফিসে নিরাপত্তা নিয়মাবলী নিয়ে ব্যবস্থাপকের ও কর্মচারীদের আলোচনা,"ব্যবস্থাপক: সবাইকে জানানো যাচ্ছে, অফিসে নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। কর্মচারী ১: স্যার, কোন কোন নিয়ম নতুন যুক্ত হয়েছে? ব্যবস্থাপক: ফায়ার এক্সটিংগুইশার কোথায় তা জানা জরুরি। কর্মচারী ২: নিরাপত্তা নির্দেশনা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ কবে হবে? ব্যবস্থাপক: আগামী শুক্রবার একটি সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। কর্মচারী ৩: অফিসে কার্ড ছাড়া প্রবেশ নিষেধ কি কার্যকর হচ্ছে? ব্যবস্থাপক: হ্যাঁ, প্রত্যেককেই আইডি কার্ড ধারন করতে হবে। কর্মচারী ১: জরুরি অবস্থায় নিরাপদে বের হওয়ার পথ কি জানি? ব্যবস্থাপক: তা না হলে আজকের প্রশিক্ষণে শিখবে সবাই। কর্মচারী ২: আমরা কি কোনো নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করব? ব্যবস্থাপক: হ্যাঁ, প্রয়োজন অনুযায়ী হেলমেট, গ্লাভস দেয়া হবে। কর্মচারী ৩: আমরা যদি কোনো নিরাপত্তা লঙ্ঘন দেখি তাহলে কি করবো? ব্যবস্থাপক: সঙ্গে সঙ্গে আমাকে বা নিরাপত্তা অফিসারকে জানান। কর্মচারী ১: কীভাবে আগুন লাগলে প্রতিক্রিয়া দেখাবো? ব্যবস্থাপক: প্রথমে শান্ত থাকা, তারপর নিরাপদ স্থানে যাওয়া। কর্মচারী ২: অফিসে ভিডিও ক্যামেরার ব্যবস্থা কেমন? ব্যবস্থাপক: সব প্রবেশ পথ ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছে সিসি ক্যামেরা। কর্মচারী ৩: গেস্টদের নিয়ে কেমন নিয়ম? ব্যবস্থাপক: গেস্টদের আগেই জানাতে হবে এবং তাদের প্রবেশ অনুমতি নিতে হবে। কর্মচারী ১: আমরা কি নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়মিত আপডেট পাবো? ব্যবস্থাপক: হ্যাঁ, সময় সময় মেইল ও মিটিংয়ে জানানো হবে। কর্মচারী ২: সবাই মিলে নিরাপত্তা বিধি মানলে অফিস নিরাপদ থাকবে। ব্যবস্থাপক: তাই প্রত্যেককে দায়িত্বশীল হতে হবে। কর্মচারী ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা সচেতন থাকবো।" স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার গুরুত্ব নিয়ে মা ও সন্তানদের আলোচনা,"মা: তোমরা কি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে ভালোবাসো? সন্তান ১: আমি সবজি আর ফল ভালোবাসি। সন্তান ২: আমি মিষ্টি বেশি পছন্দ করি, তবে স্বাস্থ্যকর খাবারও খাই। মা: মিষ্টি কম খাওয়ার চেষ্টা করো, কারণ বেশি খেলে ক্ষতি হয়। সন্তান ১: কেন মা, কী ধরনের ক্ষতি হয়? মা: শরীরে ওজন বেড়ে যায়, আর ডায়াবেটিস হতে পারে। সন্তান ২: আমি কি ক্রীড়ায় অংশ নিয়ে ওজন কমাতে পারি? মা: অবশ্যই, ব্যায়াম শরীর সুস্থ রাখে। সন্তান ১: স্বাস্থ্যকর খাবারে কি কি থাকে? মা: প্রোটিন, ভিটামিন আর মিনারেলস ভালো থাকতে হয়। সন্তান ২: আমি কি স্কুলে স্যান্ডউইচ নিতে পারি? মা: হ্যাঁ, যদি তা স্বাস্থ্যকর হয়। সন্তান ১: আমরা কি মাংস কম খাওয়া উচিত? মা: সামঞ্জস্য রেখে খেতে হবে। সন্তান ২: স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে আমরা কেমন থাকবো? মা: শক্তিশালী, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। সন্তান ১: আমি সব সময় সুস্থ থাকতে চাই। মা: তাই তোমাদের খাবারে যত্ন নিতে হবে। সন্তান ২: ধন্যবাদ মা, আমরা মন দিয়ে খাবো। মা: ভালো, আমি তোমাদের জন্য সুস্থ থাকার কামনা করি।" নতুন ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা নিয়ে বন্ধুদের আলোচনা,"বন্ধু ১: আমি একটা নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাই। বন্ধু ২: কি ধরনের ব্যবসা? বন্ধু ১: অনলাইন শপিংয়ের মতো কিছু। বন্ধু ৩: বাজার কেমন, চাহিদা আছে? বন্ধু ১: বেশ কিছু প্রোডাক্টের চাহিদা বাড়ছে। বন্ধু ২: তোমার কাছে পুঁজি আছে? বন্ধু ১: একটু আছে, কিছু লোন নিবো। বন্ধু ৩: লোন নেওয়ার আগে ভালো পরিকল্পনা করো। বন্ধু ১: আমি একটি বিজনেস প্ল্যান তৈরি করছি। বন্ধু ২: তোমাকে আমার কোনো সাহায্য লাগলে বলবে? বন্ধু ১: অবশ্যই, তোমাদের পরামর্শ দরকার। বন্ধু ৩: মার্কেটিং কেমন করবা? বন্ধু ১: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবো। বন্ধু ২: অনলাইন ব্যবসায় কাস্টমার সার্ভিস খুব গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু ১: তাই, সেটাও নজরে রাখছি। বন্ধু ৩: তোমার টার্গেট কাস্টমার কারা? বন্ধু ১: তরুণ প্রজন্ম, যারা অনলাইনে শপিং করে। বন্ধু ২: ধৈর্য ধরে কাজ করলে সফলতা আসবে। বন্ধু ১: আশা করি, তোমাদের দোয়া চাই। বন্ধু ৩: অবশ্যই, আমরা পাশে আছি।" পারিবারিক আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্বামী: আমাদের পারিবারিক বাজেট নিয়ে কথা বলি। স্ত্রী: ঠিক আছে, খরচ কোথায় বেশি হচ্ছে? স্বামী: মাসিক খাবার আর বিদ্যুতের খরচ বেশি। স্ত্রী: আমি মনে করি বিনিয়োগের বিষয়ে ভাবা উচিত। স্বামী: আমরা কি নতুন কোনো ব্যবসায় অংশ নেবো? স্ত্রী: হ্যাঁ, যদি ভালো সুযোগ পাই। স্বামী: ধার-দেনা থেকে দূরে থাকতে হবে। স্ত্রী: সঞ্চয়ের বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। স্বামী: বাচ্চাদের শিক্ষায় খরচ বাড়ছে। স্ত্রী: শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ, এতে বিনিয়োগ করতে হবে। স্বামী: অবসর জীবনের জন্য আলাদা পুঁজি রাখতে হবে। স্ত্রী: আমি ব্যাংকে সঞ্চয় শুরু করেছি। স্বামী: আমরা একটা বাজেট তালিকা তৈরি করি। স্ত্রী: ঠিক আছে, খরচ ও আয় লিখে রাখবো। স্বামী: অন্য কোনো উপায় খুঁজে বের করি আয় বাড়ানোর। স্ত্রী: সময়মতো খরচ নিয়ন্ত্রণ করলে সমস্যা কমবে। স্বামী: একসঙ্গে বসে মাস শেষে আলোচনা করবো। স্ত্রী: আমি তোমার সঙ্গে আছি। স্বামী: ধন্যবাদ, আমরা সফল হবো।" "গ্রামের পানির সমস্যা নিয়ে গ্রামের লোকেদের আলোচনা সংলাপ:","গ্রামবাসী ১: আমাদের গ্রামে পানির সংকট খুব বেশি। গ্রামবাসী ২: বৃষ্টি কম হওয়ায় সমস্যাটা বাড়ছে। গ্রামবাসী ৩: আমরা কি কোন পাম্প লাগাতে পারি? গ্রামবাসী ১: তহবিল যোগাড় করা দরকার। গ্রামবাসী ২: স্থানীয় সরকারের কাছে আবেদন করবো। গ্রামবাসী ৩: সবাই মিলে সাহায্য করলে সফলতা আসবে। গ্রামবাসী ১: বাসার মধ্যে পাইপলাইনের সমস্যা আছে কি? গ্রামবাসী ২: বেশ কিছু জায়গায় লিকেজ আছে। গ্রামবাসী ৩: পানির সাশ্রয় করা জরুরি। গ্রামবাসী ১: আমরা সচেতনতা বাড়াবো। গ্রামবাসী ২: গবাদিপশুর জন্য আলাদা পানি বন্দোবস্ত দরকার। গ্রামবাসী ৩: স্কুলেও শিশুদের পানি সাশ্রয়ের শিক্ষা দেয়া উচিত। গ্রামবাসী ১: সবাই মিলে কাজ করলে ফল পাওয়া যায়। গ্রামবাসী ২: পানি সংরক্ষণে ছোট ছোট উদ্যোগ নেয়া যাবে। গ্রামবাসী ৩: আশা করি, আগামীতে পানি সমস্যা কমে যাবে।" স্কুলে নতুন শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা,"প্রধান শিক্ষক: আমরা নতুন শিক্ষকের নিয়োগ দিচ্ছি। অভিভাবক: কোন বিষয়ে শিক্ষক দরকার? প্রধান শিক্ষক: ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে। অভিভাবক: শিক্ষকের যোগ্যতা কেমন হবে? প্রধান শিক্ষক: কমপক্ষে স্নাতক পাশ। অভিভাবক: শিক্ষার মান উন্নয়নে এটা ভালো হবে। প্রধান শিক্ষক: অভিজ্ঞতাও দেখতে হবে। অভিভাবক: শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দাও। প্রধান শিক্ষক: আমি নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে মনোযোগ দেবো। অভিভাবক: ছাত্রদের জন্য ভাল হবে। প্রধান শিক্ষক: আশা করি ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফল বাড়বে। অভিভাবক: শিক্ষকদের সহযোগিতা দরকার। প্রধান শিক্ষক: আমরা সবাই মিলে স্কুল গড়বো। অভিভাবক: ধন্যবাদ প্রধান শিক্ষক, ভালো কাজের জন্য। " বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে পরিবারের আলোচনা,"পিতা: নতুন বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ কবে পাবো? মা: আমি ইলেকট্রিশিয়ানকে কল করেছি, সে আগামীকাল আসবে। ছেলে: আমি কি বিদ্যুৎ যন্ত্রপাতি ইনস্টল করতে সাহায্য করতে পারি? মেয়ে: আমার ল্যাম্প ও পাখা লাগাতে হবে। পিতা: সবাই সাবধান থাকবে, যেন কারো আঘাত না লাগে। মা: বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিরাপত্তার বিষয়গুলো জানাবো। ছেলে: ফিউজ ও সুইচ ঠিকমতো লাগাতে হবে। মেয়ে: আমি দরজা ও জানালা ঠিক করছি। পিতা: বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার পর আমরা ফাংশন করব। মা: সবাই মিলে প্রস্তুতি নেবো। ছেলে: আমি লাইট চালু করব প্রথমে। মেয়ে: আমি বাসার সব জায়গা ঝাড়ু দেবো। পিতা: নতুন বাড়ির জন্য সবাই উৎসাহিত। মা: আশা করি সবকিছু ঠিকঠাক হবে।" অফিসে ছুটির অনুমতি নিয়ে কর্মচারী ও ব্যবস্থাপকের আলোচনা,"কর্মচারী: স্যার, আমি আগামী সপ্তাহে ছুটি নিতে চাই। ব্যবস্থাপক: কি কারণে? কর্মচারী: পরিবারের কোনো জরুরি কাজ আছে। ব্যবস্থাপক: তুমি কতো দিন ছুটি চাও? কর্মচারী: পাঁচ দিন। ব্যবস্থাপক: অফিসের কাজের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব। কর্মচারী: আমি সব কাজ আগে শেষ করার চেষ্টা করব। ব্যবস্থাপক: তা হলে ছুটি দেয়ার চেষ্টা করব। কর্মচারী: আমি অন্যদের সঙ্গে কাজ ভাগাভাগি করব। ব্যবস্থাপক: সতর্কতা নিয়ে কাজ করো। কর্মচারী: ধন্যবাদ স্যার। ব্যবস্থাপক: তোমার প্রয়োজন মেটাতে চেষ্টা করব।" বন্ধুত্ব ও মনোমালিন্য নিয়ে দুই বন্ধু’র আলোচনা,"বন্ধু ১: তুমি কেন এতদিন কথা বলোনি? বন্ধু ২: কিছু ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। বন্ধু ১: আমি দুঃখিত যদি কষ্ট দিয়ে থাকি। বন্ধু ২: আমিও দুঃখিত। বন্ধু ১: আমরা বন্ধু, ভুল মাফ করে এগিয়ে যাই। বন্ধু ২: হ্যাঁ, বন্ধুত্বের জন্য তা জরুরি। বন্ধু ১: আমরা আবার পুরনো মত বন্ধু হব। বন্ধু ২: অবশ্যই, বন্ধুত্ব অমূল্য। বন্ধু ১: পরস্পরের পাশে থাকবো সবসময়। বন্ধু ২: এটাই ভালো।" স্কুলের পাঠ্যবই নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা,"শিক্ষক: এই বছর নতুন পাঠ্যবই এসেছে, তোমরা কি সেটা পেয়েছো? অভিভাবক: হ্যাঁ স্যার, কিন্তু কিছু বই সময়মতো আসেনি। শিক্ষক: বই না আসার জন্য স্কুল প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। অভিভাবক: বই ভালো মানের হবে তো? শিক্ষক: হ্যাঁ, সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী মান নিশ্চিত করা হয়। অভিভাবক: শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত বই প্রয়োজন হলে কী করবেন? শিক্ষক: আমরা স্কুল লাইব্রেরি থেকে বই ধার নিতে পারি। অভিভাবক: অনেকে অনলাইনে পড়াশোনা করছে, সেটা কেমন? শিক্ষক: অনলাইন পড়াশোনাও গুরুত্বপূর্ণ, তবে বইয়ের গুরুত্ব কমেনি। অভিভাবক: শিশুদের জন্য সহজ ভাষায় লেখা বই দরকার। শিক্ষক: নতুন বইগুলো সেটাই লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে। অভিভাবক: বইয়ের দাম কেমন? শিক্ষক: সরকার নির্ধারিত দামে পাওয়া যায়। অভিভাবক: শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বইয়ের ভূমিকা কতটা? শিক্ষক: বই ছাড়া ভালো শিক্ষা সম্ভব নয়। অভিভাবক: আমরা চাই সব শিশুকে বই সহজলভ্য হোক। শিক্ষক: এজন্য আমরা বই বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছি। অভিভাবক: আপনাদের প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ।" রাস্তার বেহাল অবস্থা নিয়ে প্রতিবেশী ও পৌরসভার কর্মকর্তার আলোচনা,"প্রতিবেশী: আমাদের রাস্তাটা অনেক বেহাল, গাড়ি চলাচল কঠিন। কর্মকর্তা: আমি বিষয়টি জানি, কাজ শুরু করতে হবে। প্রতিবেশী: কতদিন লাগবে মেরামত করতে? কর্মকর্তা: বাজেট পাওয়া গেলে দ্রুত করা হবে। প্রতিবেশী: পানি নিষ্কাশনেরও সমস্যা রয়েছে। কর্মকর্তা: সেটা আগে ঠিক করতে হবে। প্রতিবেশী: শিশু ও বয়স্করা ভীষণ সমস্যায় পড়ে। কর্মকর্তা: আমরা স্থানীয় সরকারের কাছে অনুরোধ করবো। প্রতিবেশী: রাস্তায় আলোকসজ্জাও দরকার। কর্মকর্তা: আলোর ব্যবস্থা চালু করবো। প্রতিবেশী: আমরা চাই নিরাপদ ও সুন্দর রাস্তা। কর্মকর্তা: আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। প্রতিবেশী: কাজের অগ্রগতি জানাতে নিয়মিত আসবো। কর্মকর্তা: আপনারা সহযোগিতা করবেন আশা করি।" স্কুলের প্রকল্প নিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের আলোচনা,"শিক্ষার্থী: স্যার, আমাদের প্রকল্পের বিষয় কী হবে? শিক্ষক: তোমরা পরিবেশ সচেতনতা নিয়ে কাজ করবে। শিক্ষার্থী: আমরা কি প্লাস্টিক ব্যবহার কমানোর ওপর বলব? শিক্ষক: হ্যাঁ, সেটাই ভালো। শিক্ষার্থী: প্রেজেন্টেশনের জন্য কি প্রস্তুতি নিতে হবে? শিক্ষক: তথ্য সংগ্রহ ও প্রাকটিস করতে হবে। শিক্ষার্থী: দলবদ্ধ কাজ করতে হবে তো? শিক্ষক: হ্যাঁ, সবাই মিলে কাজ ভাগ করে নিবে। শিক্ষার্থী: সময়সীমা কত দিন? শিক্ষক: দুই সপ্তাহ। শিক্ষার্থী: আমি চিত্রাংকন করবো। শিক্ষক: তুমি দারুণ কাজ করবে। শিক্ষার্থী: স্যার, আমরা সাহায্য চাই। শিক্ষক: আমি তোমাদের পাশে আছি। " অফিসে নতুন প্রজেক্ট নিয়ে মিটিং,"ম্যানেজার: সবাইকে নতুন প্রজেক্ট সম্পর্কে জানাচ্ছি। কর্মচারী ১: প্রজেক্টের সময়সীমা কত? ম্যানেজার: ছয় মাস। কর্মচারী ২: টিম কেমন হবে? ম্যানেজার: আমরা দশ জনের দল গঠন করেছি। কর্মচারী ৩: বাজেট কত? ম্যানেজার: মোট বাজেট দশ লক্ষ টাকা। কর্মচারী ১: কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার হবে? ম্যানেজার: আধুনিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার। কর্মচারী ২: আমরা কি প্রশিক্ষণ পাবো? ম্যানেজার: হ্যাঁ, প্রজেক্ট শুরু আগে। কর্মচারী ৩: কাজের অংশ ভাগ হবে কীভাবে? ম্যানেজার: দক্ষতার উপর ভিত্তি করে ভাগ করা হবে। কর্মচারী ১: কোনো সমস্যা হলে কোথায় জানাবো? ম্যানেজার: সরাসরি আমার কাছে। কর্মচারী ২: সফলতার জন্য সবাই মিলে কাজ করবো।" বন্ধুত্ব ও পরস্পরের সাহায্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"বন্ধু ১: বন্ধুত্ব মানে শুধু আনন্দ ভাগাভাগি নয়। বন্ধু ২: হ্যাঁ, কঠিন সময়ে সঙ্গ দেয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু ১: আমি তোমার জন্য সবসময় আছি। বন্ধু ২: আমিও তোমার পাশে আছি। বন্ধু ১: আমরা একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করব। বন্ধু ২: ভুল হলে ক্ষমা চাইব। বন্ধু ১: বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করার জন্য সময় দিতে হবে। বন্ধু ২: সময় থাকলে আমরা মিটিং করব। বন্ধু ১: একে অপরের সুখ-দুঃখে সঙ্গী হব। বন্ধু ২: এটাই সঠিক বন্ধুত্ব।" আবহাওয়া পরিবর্তন ও স্বাস্থ্য সতর্কতা নিয়ে বাবা-মেয়ের আলোচনা,"বাবা: আবহাওয়া অনেক পরিবর্তন হচ্ছে, সাবধান থাকতে হবে। মেয়ে: ঠাণ্ডা লাগছে অনেক। বাবা: সুতির জামা পরো, ঠাণ্ডা লেগে অসুস্থ হয়ে যাবে। মেয়ে: আমি গরম চা খাবো। বাবা: বাইরে বের হওয়ার আগে সঠিক পোশাক নেবে। মেয়ে: বৃষ্টিরও সম্ভাবনা আছে? বাবা: হ্যাঁ, ছাতা সঙ্গে রাখো। মেয়ে: আমি হাত-মুখ ধুয়ে পরিচ্ছন্ন থাকবো। বাবা: হাত ধোয়া খুব জরুরি, বিশেষ করে বাইরে থেকে আসার পর। মেয়ে: আমি খাবারের যত্ন নেবো। বাবা: সুস্থ থাকতে হলে ভালো খাবার খেতে হবে। মেয়ে: ধন্যবাদ বাবা, আমি সতর্ক থাকবো।" ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ে ছাত্র ও শিক্ষককের আলোচনা,"শিক্ষক: তোমরা কি জানো ইন্টারনেটে নিরাপত্তা কী? ছাত্র: কিছুটা জানি স্যার। শিক্ষক: পাসওয়ার্ড কখনো কারো সাথে শেয়ার করা যাবে না। ছাত্র: আমি আমার পাসওয়ার্ড গোপন রাখি। শিক্ষক: ফিশিং ওয়েবসাইট থেকে সাবধান থাকতে হবে। ছাত্র: অচেনা লিংকে ক্লিক করব না। শিক্ষক: সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য না দেয়া ভালো। ছাত্র: আমি শুধু পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। শিক্ষক: ভাইরাস থেকে কম্পিউটার রক্ষা করো। ছাত্র: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। শিক্ষক: এভাবে সতর্ক হলে নিরাপদ থাকো। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি আরো সচেতন হবো।" গ্রামের পানি সংরক্ষণ নিয়ে গ্রামের প্রধান ও বাসিন্দাদের আলোচনা,"গ্রামের প্রধান: আমাদের পানির ব্যবহার সাশ্রয়ী করতে হবে। বাসিন্দা ১: কিভাবে করবেন? গ্রামের প্রধান: পানি অপচয় রোধ করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। বাসিন্দা ২: ট্যাংকগুলো ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। গ্রামের প্রধান: বৃষ্টির পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা করা উচিত। বাসিন্দা ১: আমরা সবার মধ্যে বিষয়টা বুঝিয়ে বলবো। গ্রামের প্রধান: গবাদিপশুর জন্য আলাদা জলাশয় তৈরি করা হবে। বাসিন্দা ২: সবাই মিলে কাজ করলে পানি সংকট কমবে। গ্রামের প্রধান: পানি নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে জানান। বাসিন্দা ১: আমরা সহযোগিতা করবো।" পরিবারের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা নিয়ে আলোচনা,"পিতা: পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে বসে কথা বলা দরকার। মাতা: সমস্যা গুলো আলোচনা করে সমাধান করা যাবে। সন্তান ১: কখনো কখনো আমরা মতপার্থক্যের কারণেই ঝগড়া করি। সন্তান ২: আমরা সবাই একে অপরকে শ্রদ্ধা করবো। পিতা: পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে হবে। মাতা: সবাইকে সময় দিতে হবে এবং শুনতে হবে। সন্তান ১: আমার থেকে শুরু করি, আমি বেশি বুঝতে চেষ্টা করবো। সন্তান ২: আমি আমার কাজ ঠিকমতো করবো। পিতা: শান্তি বজায় রাখলে সংসার সুখী হয়। মাতা: আমরা সবাই মিলে মিলেমিশে থাকবো।" শীতকালে শরীরের যত্ন নিয়ে মা ও মেয়ের আলোচনা,"মা: শীতকালে তোমার ত্বকের যত্ন নিতে হবে। মেয়ে: আমি ক্রিম ব্যবহার করি। মা: হ্যাঁ, ঠান্ডায় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। মেয়ে: আমি গরম জামা পরে থাকি। মা: বাইরে গেলে হাত-মুখ ঢাকা রাখো। মেয়ে: ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে গরম খাবার খাই। মা: পর্যাপ্ত পানি পান করো। মেয়ে: আমি চেষ্টা করি বেশি বের হই না। মা: সুস্থ থাকতে গরম চা বা হালকা ব্যায়াম করো। মেয়ে: ধন্যবাদ মা, আমি ভালো থাকবো।" অফিসে সময়মত কাজ শেষ না হওয়ার জন্য কর্মচারী ও ম্যানেজারের আলোচনা,"ম্যানেজার: কেন সময়মত কাজ শেষ করতে পারছো না? কর্মচারী ১: স্যার, কাজের পরিমাণ অনেক বেশি। ম্যানেজার: কাজ ভাগাভাগি করো, চাপ কমাবে। কর্মচারী ২: অনেক প্রজেক্ট একসঙ্গে চলছে। ম্যানেজার: প্রত্যেকে তার দায়িত্ব পালন করবে। কর্মচারী ১: নতুন সফটওয়্যার শেখার সময় নিচ্ছি। ম্যানেজার: সেটা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সময় ঠিক রাখো। কর্মচারী ২: সহকর্মীদের সহযোগিতা চাই। ম্যানেজার: টিমওয়ার্ক উন্নত করতে হবে। কর্মচারী ১: আমি অতিরিক্ত সময় কাজ করতে প্রস্তুত। ম্যানেজার: তবে স্বাস্থ্য রক্ষা করাও জরুরি। কর্মচারী ২: সময় ব্যবস্থাপনায় সাহায্য দরকার। ম্যানেজার: আমি সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওয়ার্কশপ আয়োজন করব। কর্মচারী ১: স্যার, মিটিংগুলো কমানো যায়? ম্যানেজার: শুধু প্রয়োজনীয় মিটিং হবে। কর্মচারী ২: আমি আগ্রহী দ্রুত কাজ শেষ করতে। ম্যানেজার: ভালো, তোমাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার আস্থা আছে। কর্মচারী ১: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা চালাবো।" পারিবারিক বিবাদ ও সমাধান নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আলোচনা,"স্বামী: গতকাল যে বিতর্ক হলো, সেটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল। স্ত্রী: আমি চাই, আর কখনো এমন ঘটনা না ঘটে। স্বামী: একে অপরকে শ্রদ্ধা করতে হবে। স্ত্রী: আমরা একসঙ্গে বসে সমস্যা নিয়ে কথা বলব। স্বামী: পারস্পরিক বুঝাপড়া জরুরি। স্ত্রী: আমি তোমার মতামত শুনতে আগ্রহী। স্বামী: আমিও তোমার কথায় মন দেবো। স্ত্রী: ছোট ছোট ভুল মাফ করে এগিয়ে যেতে হবে। স্বামী: পারিবারিক শান্তি বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। স্ত্রী: আমি সংসারে ভালো পরিবেশ চাই। স্বামী: বাচ্চাদের জন্য ভালো উদাহরণ হব। স্ত্রী: একসঙ্গে সময় কাটানো দরকার। স্বামী: আমি ভবিষ্যতে মনোযোগী হব। স্ত্রী: আমি তোমার পাশে আছি সব সময়। স্বামী: ধন্যবাদ, আমরা আবার সুখে থাকব।" স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা,"শিক্ষক: সবাই প্রস্তুতি কেমন চলছে? ছাত্র ১: আমি প্রতিদিন পড়াশোনা করছি। ছাত্র ২: আমি কিছু বিষয় বুঝতে কষ্ট পাচ্ছি। শিক্ষক: তোমাদের জন্য টিউটোরিয়াল ক্লাস থাকবে। ছাত্র ৩: পরীক্ষার দিনক্ষণ কী? শিক্ষক: আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে। ছাত্র ১: পরীক্ষার সিলেবাস কি সম্পূর্ণ পড়েছি? শিক্ষক: বেশির ভাগ হয়ে গেছে, অবশিষ্ট দ্রুত শেষ করো। ছাত্র ২: আমরা পরীক্ষায় সফল হতে চাই। শিক্ষক: নিয়মিত পড়াশোনা ও অনুশীলন জরুরি। ছাত্র ৩: কি ধরনের প্রশ্ন থাকবে? শিক্ষক: লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক। ছাত্র ১: আমি ভয় পাচ্ছি, কিভাবে কাটাব? শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস রেখে পড়াশোনা করো। ছাত্র ২: তুমি আমাদের সাহায্য করবে? শিক্ষক: অবশ্যই, তোমাদের পাশে আছি। ছাত্র ৩: আমরা একসঙ্গে পরামর্শ করে পড়ব। শিক্ষক: ভালো, সবার শুভকামনা রইল।" কৃষকদের বৃষ্টির অভাব ও ফসলের ক্ষতির বিষয়ে গ্রাম প্রধান ও কৃষকদের আলোচনা,"গ্রাম প্রধান: এই বছর বৃষ্টি অনেক কম হয়েছে। কৃষক ১: ফসল ভালো হয়নি, আমরা চিন্তিত। কৃষক ২: পানি সঙ্কট খুব বেশি। গ্রাম প্রধান: সরকারকে অনুরোধ পাঠাচ্ছি। কৃষক ৩: কিভাবে সমস্যার সমাধান করা যাবে? গ্রাম প্রধান: বৃষ্টির পানি সঞ্চয়ের ব্যবস্থা করবো। কৃষক ১: ড্রিপ ইরিগেশন সুবিধা কি পাবো? গ্রাম প্রধান: হ্যাঁ, চেষ্টা করবো। কৃষক ২: আমরা কি অন্য ফসল চাষ করতে পারি? গ্রাম প্রধান: হ্যাঁ, যা কম পানি চাইবে। কৃষক ৩: ক্ষেতে কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা দরকার। গ্রাম প্রধান: আমাদের মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। কৃষক ১: আমরা পরিবেশ রক্ষা করব। গ্রাম প্রধান: আশা করি ভবিষ্যতে ভালো হবে। কৃষক ২: আপনাদের সঙ্গে থাকবো আমরা। গ্রাম প্রধান: সবাই একসঙ্গে কাজ করলে সফলতা আসবে। " অফিসে বসার শিষ্টাচার নিয়ে কর্মচারী ও ম্যানেজারের আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে সবাইকে একে অপরের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। কর্মচারী ১: স্যার, আমরা কি বেশি সময় মিটিং করবো? ম্যানেজার: মিটিং হবে, কিন্তু সংক্ষিপ্ত ও প্রয়োজনীয়। কর্মচারী ২: অফিসে ফোনে কথা বলার নিয়ম কী? ম্যানেজার: ব্যক্তিগত ফোন কাজের সময় কম ব্যবহার করতে হবে। কর্মচারী ৩: সময়মত অফিসে এসে সময়মত যাওয়ার গুরুত্ব কী? ম্যানেজার: সময়ানুবর্তিতা আমাদের দায়িত্ব। কর্মচারী ১: কাজের মাঝে বিরতি নেওয়া যাবে? ম্যানেজার: হ্যাঁ, তবে সীমাবদ্ধ সময়ের মধ্যে। কর্মচারী ২: সহকর্মীদের সাথে কিভাবে ব্যবহার করব? ম্যানেজার: ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে। কর্মচারী ৩: অফিসে পোশাকের কি নিয়ম আছে? ম্যানেজার: অফিসিয়াল ড্রেস কোড অনুসরণ করবে সবাই। কর্মচারী ১: মিটিংয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করব? ম্যানেজার: অবশ্যই, কাজের উন্নয়নে তা জরুরি। কর্মচারী ২: সবাই মিলে ভালো পরিবেশ গড়ব। ম্যানেজার: শিষ্টাচার মেনে চললে কাজ সহজ হয়। কর্মচারী ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা মনোযোগী থাকব। " স্বাস্থ্য সচেতনতা ও ব্যায়াম নিয়ে বাবা ও ছেলের আলোচনা,"বাবা: প্রতিদিন ব্যায়াম করাটা খুব প্রয়োজন। ছেলে: কিন্তু সময় হয় না বাবা। বাবা: সময় বের করো, শরীর সুস্থ থাকলে সব কাজ ভালো হয়। ছেলে: ব্যায়াম করলে কি কি সুবিধা হয়? বাবা: শরীর শক্তিশালী হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ছেলে: আমি কি সকালে দৌড়াতে পারি? বাবা: অবশ্যই, সকালে তাজা বাতাসে দৌড়ানো ভালো। ছেলে: আমি ওজন কমাতে চাই। বাবা: ব্যায়াম আর সুষম খাবার খুব দরকার। ছেলে: ব্যায়াম ছাড়া কি ওজন কমানো সম্ভব? বাবা: ব্যায়াম ছাড়া ওজন নিয়ন্ত্রণ কঠিন। ছেলে: আমি কি ব্যায়ামের জন্য জিমে যেতে পারি? বাবা: যদি সময় থাকে তাহলে যেতে পারো। ছেলে: ঘরে কিছু সহজ ব্যায়াম করতেও পারি? বাবা: হ্যাঁ, স্কোয়াট, পুশআপ ভালো। ছেলে: আমি আমার বন্ধুদের সাথে ব্যায়াম করব। বাবা: সেটাও ভালো, এতে উৎসাহ থাকে। ছেলে: ব্যায়াম শুরু করতে আমি প্রস্তুত। বাবা: খুব ভালো, নিয়মিত করলে ফল পাবো।" স্কুলে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ছাত্র ও শিক্ষককের আলোচনা,"শিক্ষক: আমাদের স্কুলের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। ছাত্র ১: আমরা কি নিয়মিত ক্লাসরুম পরিষ্কার করবো? শিক্ষক: অবশ্যই, প্রতিদিন পরিষ্কার রাখা উচিত। ছাত্র ২: প্লাস্টিক বর্জ্য কমানোর জন্য কি করা যায়? শিক্ষক: রি-সাইক্লিং করা প্রয়োজন। ছাত্র ৩: আমরা কি বাগান পরিষ্কার করব? শিক্ষক: হ্যাঁ, সব জায়গা পরিষ্কার রাখা দায়িত্ব। ছাত্র ১: আমরা কি সচেতনতা ক্যাম্পেইন চালাতে পারি? শিক্ষক: এটা খুব ভালো ধারণা। ছাত্র ২: শিক্ষকদের সাথে মিলেমিশে কাজ করবো। শিক্ষক: পরিবেশ রক্ষা আমাদের সকলের দায়িত্ব। ছাত্র ৩: আমরা কি প্রতিবেশী গ্রামেও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে যাব? শিক্ষক: প্রয়োজনে যেতে পারো। ছাত্র ১: আমরা প্লাস্টিকের ব্যাগ বন্ধ করব। শিক্ষক: সবাইকে সচেতন করতে হবে। ছাত্র ২: স্কুলে ঝাড়ু দেওয়া ও গাছ লাগানো উচিত। শিক্ষক: পরিবেশ সুন্দর হলে মন ভালো থাকে। ছাত্র ৩: আমরা পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ নেবো। শিক্ষক: খুব ভালো, তোমাদের পরিশ্রম প্রশংসনীয়। " অফিসে ইন্টারনেট ব্যবহারে নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে ইন্টারনেট ব্যবহারে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে। কর্মচারী ১: কি ধরনের সাইট ব্যবহার করা যাবে? ম্যানেজার: শুধু কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সাইট ব্যবহার করো। কর্মচারী ২: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে? ম্যানেজার: বিরতির সময় কম। অফিস সময়ে এড়িয়ে চলা উচিত। কর্মচারী ৩: ফাইল ডাউনলোড করার নিয়ম কী? ম্যানেজার: অফিস অনুমোদিত ফাইলই ডাউনলোড করতে হবে। কর্মচারী ১: ভাইরাস থেকে রক্ষা কীভাবে পাবো? ম্যানেজার: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সবসময় চালু রাখবে। কর্মচারী ২: পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যাবে? ম্যানেজার: কখনোই নয়, নিরাপত্তার জন্য। কর্মচারী ৩: যদি কোন সাইবার আক্রমণের শিকার হই? ম্যানেজার: সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাতে হবে। কর্মচারী ১: ইন্টারনেট স্পিড কম হলে কী করবো? ম্যানেজার: আইটি ডিপার্টমেন্টকে জানান। কর্মচারী ২: অফিসে ওয়াই-ফাই শেয়ারিং করা যাবে? ম্যানেজার: ব্যক্তিগত ডিভাইসের জন্য নিষেধ। কর্মচারী ৩: কাজের জন্য ওয়েবিনার করা যাবে? ম্যানেজার: অবশ্যই, অফিস অনুমোদিত হলে। কর্মচারী ১: নিয়ম মেনে চললে সমস্যা কমবে। ম্যানেজার: তোমাদের সহযোগিতা আশা করছি।" শিশুদের শিক্ষায় পিতামাতার দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা,"পিতা: তোমাদের শিক্ষায় আমাদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মাতা: পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। সন্তান ১: আমরা যত্ন নিয়ে পড়াশোনা করব। পিতা: স্কুলের কাজ সময়মতো শেষ করতে হবে। মাতা: বইগুলো ভালোভাবে পড়ো, প্রয়োজনে সাহায্য করব। সন্তান ২: আমরা কি বাড়িতে শান্ত পরিবেশ পাবো? মাতা: অবশ্যই, যেন পড়াশোনা করতে সুবিধা হয়। পিতা: সময়মতো খাওয়া-দাওয়া করো। সন্তান ১: আমরা অবসরেও পড়াশোনা করব। মাতা: খেলাধুলা করতে হবে, তবে পড়াশোনার সময় ঠিক রাখতে হবে। সন্তান ২: আমরা তোমাদের গাইডলাইন মেনে চলব। পিতা: তোমাদের স্বপ্ন পূরণে আমরা পাশে আছি। মাতা: পরীক্ষার আগে রুটিন বানাতে হবে। সন্তান ১: আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করব। মাতা: সবসময় তোমাদের প্রেরণা দেবো। পিতা: ভালো ফলাফল আশা করছি। " পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার নিয়ে বন্ধুদের আলোচনা,"বন্ধু ১: পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, এটা খুব উদ্বেগজনক। বন্ধু ২: আমরা কি কিছু করতে পারি? বন্ধু ১: প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো উচিত। বন্ধু ৩: গাছ লাগানো জরুরি। বন্ধু ২: গাড়ি কম চালানো প্রয়োজন। বন্ধু ১: জৈবপদার্থ ব্যবহার বাড়াতে হবে। বন্ধু ৩: পানি ও বায়ু দূষণ রোধ করতেও সচেতনতা দরকার। বন্ধু ২: আমরা স্কুলে ক্যাম্পেইন চালাতে পারি। বন্ধু ১: সবাই মিলে কাজ করলে সফলতা আসবে। বন্ধু ৩: সরকারকেও দায়িত্ব নিতে হবে। বন্ধু ২: বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উন্নতি দরকার। বন্ধু ১: আমাদের উদ্যোগ থেকে শুরু হওয়া উচিত। বন্ধু ৩: পরিবেশ ভালো থাকলে জীবন সুন্দর হয়। বন্ধু ২: আমি বাড়িতেও পরিবেশ রক্ষা করব। বন্ধু ১: আমি প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার বন্ধ করবো।" অফিসে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ার জন্য কর্মচারী ও ম্যানেজারের আলোচনা,অফিসে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ার জন্য কর্মচারী ও ম্যানেজারের আলোচনা পরিবারে পারস্পরিক সম্মান ও সমঝোতা নিয়ে বাবা-মায়ের আলোচনা,"বাবা: পরিবারের সবাইকে সম্মান করতে হবে। মা: সম্মানের মাধ্যমে সম্পর্ক মজবুত হয়। সন্তান ১: আমি বাবা-মায়ের কথা শুনব। সন্তান ২: আমরা একে অপরকে শ্রদ্ধা করব। বাবা: ভুল হলে ক্ষমা চাইতে হবে। মা: সবাইকে একসঙ্গে বসে কথা বলতে হবে। সন্তান ১: আমি আমার ভুল স্বীকার করব। সন্তান ২: আমিও মাফ চাইতে পারি। বাবা: শান্তিপূর্ণ পরিবেশ খুব জরুরি। মা: একসঙ্গে কাজ করলে সমস্যা কমে। সন্তান ১: পরিবারের জন্য ভালো সিদ্ধান্ত নিব। সন্তান ২: পরিবারে সবাই সুখী থাকবে। বাবা: সময় কাটানোর চেষ্টা করো। মা: ভালোবাসা দিয়ে সম্পর্ক গড়ো। সন্তান ১: আমরা সবাই মিলেমিশে থাকব।" স্কুলে পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের আলোচনা,"শিক্ষক: স্কুল পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের দায়িত্ব। ছাত্র ১: আমরা নিয়মিত ক্লাসরুম পরিষ্কার করব। ছাত্র ২: প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে চাই। শিক্ষক: রিসাইক্লিং গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র ৩: বাগান পরিষ্কার রাখব। শিক্ষক: পরিবেশ রক্ষা করা প্রয়োজন। ছাত্র ১: সচেতনতা ক্যাম্পেইন চালাব। ছাত্র ২: সবাইকে জানাবো পরিবেশের গুরুত্ব। ছাত্র ৩: স্কুলের চারপাশ পরিষ্কার রাখব। শিক্ষক: ঝাড়ু দেওয়া ও গাছ লাগানো জরুরি। ছাত্র ১: পরিবেশ সুন্দর হলে মন ভালো থাকে। ছাত্র ২: আমরা পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ নেবো। ছাত্র ৩: শিক্ষক দের সাহায্য নেব। শিক্ষক: তোমাদের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। ছাত্র ১: পরিবেশ রক্ষা আমাদের দায়িত্ব।" ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও ব্যবহার নিয়ে অফিসে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্কতা জরুরি। কর্মচারী ১: কি ধরনের সাইট ব্যবহার করব? ম্যানেজার: কাজের প্রয়োজনীয় সাইট। কর্মচারী ২: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম? ম্যানেজার: অফিস সময় কম ব্যবহার করো। কর্মচারী ৩: ভাইরাস থেকে রক্ষা? ম্যানেজার: অ্যান্টিভাইরাস সবসময় চালু থাকবে। কর্মচারী ১: পাসওয়ার্ড শেয়ার করা যাবে? ম্যানেজার: কখনো নয়। কর্মচারী ২: সাইবার আক্রমণের শিকার হলে? ম্যানেজার: সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। কর্মচারী ৩: ইন্টারনেট স্পিড কম হলে? ম্যানেজার: আইটি ডিপার্টমেন্ট জানাবে। কর্মচারী ১: ওয়াই-ফাই শেয়ারিং? ম্যানেজার: নিষেধ। কর্মচারী ২: ওয়েবিনারে অংশ নিতে পারি? ম্যানেজার: অফিস অনুমোদিত হলে। কর্মচারী ৩: নিয়ম মেনে চলব। ম্যানেজার: সহযোগিতা আশা করছি।" শীতকালে স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা নিয়ে মা ও ছেলের আলোচনা,"মা: শীতকালে গরম পোশাক পরো। ছেলে: ঠাণ্ডা লাগছে মা। মা: গরম চা খাও। ছেলে: হাতে মোজা দিন। মা: হাত-মুখ ধুয়ে ভালো রাখো। ছেলে: ঠাণ্ডা লাগলে কী করব? মা: গরম জায়গায় থাকবে। ছেলে: আমি সর্দি-কাশি পেলে বলব। মা: সময়মতো ডাক্তারের কাছে যাবে। ছেলে: গরম খাবার খেতে চাই। মা: ভালো খাবার দিচ্ছি। ছেলে: বাইরে বেশি যাব না। মা: স্কুলেও সাবধান থাকতে হবে। ছেলে: আমি সতর্ক থাকবো। মা: ভালো থাকলে সবাই খুশি হবে।" স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আলোচনা,"শিক্ষক: পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন? ছাত্র ১: প্রতিদিন পড়াশোনা করছি। ছাত্র ২: কিছু বিষয় বুঝতে কষ্ট। শিক্ষক: টিউটোরিয়াল ক্লাস হবে। ছাত্র ৩: পরীক্ষার দিন কী? শিক্ষক: আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে। ছাত্র ১: সিলেবাস শেষ করেছি? শিক্ষক: বেশিরভাগ। ছাত্র ২: সফল হতে চাই। শিক্ষক: নিয়মিত অনুশীলন দরকার। ছাত্র ৩: প্রশ্ন কেমন হবে? শিক্ষক: লিখিত ও মৌখিক। ছাত্র ১: ভয় পাচ্ছি। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস রাখো। ছাত্র ২: সাহায্য করবেন? শিক্ষক: অবশ্যই। ছাত্র ৩: একসঙ্গে পড়ব। শিক্ষক: শুভকামনা।" গ্রামের পানি সঙ্কট ও সমাধান নিয়ে গ্রাম প্রধান ও কৃষকদের আলোচনা,"গ্রাম প্রধান: বৃষ্টি কম হয়েছে। কৃষক ১: ফসল ক্ষতিগ্রস্ত। কৃষক ২: পানি কম। গ্রাম প্রধান: সরকারকে জানাচ্ছি। কৃষক ৩: কীভাবে সমাধান? গ্রাম প্রধান: বৃষ্টির পানি সঞ্চয়। কৃষক ১: ড্রিপ ইরিগেশন? গ্রাম প্রধান: চেষ্টা করব। কৃষক ২: অন্য ফসল? গ্রাম প্রধান: কম পানি লাগে। কৃষক ৩: কীটনাশক সতর্কতা? গ্রাম প্রধান: সবাই সচেতন হবে। কৃষক ১: পরিবেশ রক্ষা করব। গ্রাম প্রধান: একসঙ্গে কাজ করব। কৃষক ২: সহযোগিতা থাকব।" অফিসে শিষ্টাচার ও আচরণ নিয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে সবাইকে সম্মান করতে হবে। কর্মচারী ১: মিটিং কম হবে? ম্যানেজার: প্রয়োজন মতো। কর্মচারী ২: ফোন কম ব্যবহার করব? ম্যানেজার: অবশ্যই। কর্মচারী ৩: সময়মতো আসা জরুরি? ম্যানেজার: হ্যাঁ। কর্মচারী ১: বিরতি সীমিত? ম্যানেজার: প্রয়োজনীয়। কর্মচারী ২: সহকর্মীর সাথে ভদ্রতা? ম্যানেজার: অপরিহার্য। কর্মচারী ৩: পোশাক নিয়ম মানব? ম্যানেজার: অফিসিয়াল। কর্মচারী ১: সক্রিয় অংশগ্রহণ করব? ম্যানেজার: অবশ্যই। কর্মচারী ২: ভালো পরিবেশ গড়ব। ম্যানেজার: ধন্যবাদ।" কৃষকের ফসল রক্ষা ও সঠিক পরিচর্যা নিয়ে আলোচনা,"কৃষক ১: ফসল ভালো করতে কী করব? কৃষক ২: নিয়মিত পানি দেব। কৃষক ৩: কীটনাশক সময়মতো ব্যবহার করব। কৃষক ১: সার প্রয়োগ ঠিকমতো করব। কৃষক ২: বৃষ্টির পানি সঞ্চয় করব। কৃষক ৩: গাছপালা পরিচ্ছন্ন রাখব। কৃষক ১: জমির যত্ন নেব। কৃষক ২: ভালো ফলনের আশা। কৃষক ৩: একসঙ্গে কাজ করব। কৃষক ১: পরামর্শ নেব। কৃষক ২: রোগ প্রতিরোধ করব। কৃষক ৩: শুদ্ধ বীজ ব্যবহার করব। কৃষক ১: সময়মতো ফসল তুলব। কৃষক ২: পরিবেশ রক্ষা করব। কৃষক ৩: সফল হব।" সামাজিক দায়িত্ব ও একতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"ব্যক্তি ১: সমাজের উন্নয়নে সবাইকে একত্রিত হতে হবে। ব্যক্তি ২: একতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান হয়। ব্যক্তি ৩: আমাদের দায়িত্ব সচেতন থাকা। ব্যক্তি ১: দারিদ্র্য দূর করতে সবাই কাজ করবে। ব্যক্তি ২: শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যক্তি ৩: স্বাস্থ্য সেবা উন্নত করতে চাই। ব্যক্তি ১: পরিবেশ রক্ষা সকলের কাজ। ব্যক্তি ২: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এক হবে। ব্যক্তি ৩: সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। ব্যক্তি ১: সহমর্মিতা বাড়াতে হবে। ব্যক্তি ২: সমাজে ভালোবাসা ফিরিয়ে আনব। ব্যক্তি ৩: আমরা একসঙ্গে অগ্রসর হব। ব্যক্তি ১: শান্তিপূর্ণ জীবন চাই। ব্যক্তি ২: একতাই আমাদের শক্তি। ব্যক্তি ৩: আমরা সফল হব।" রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ও সংস্কার নিয়ে জনতা ও কর্তৃপক্ষের আলোচনা,"জনতা: রাস্তাগুলো খুব বেহাল। কর্তৃপক্ষ: আমরা সংস্কারের চেষ্টা করছি। জনতা: কতদিন লাগবে কাজ শেষ করতে? কর্তৃপক্ষ: বাজেটের উপর নির্ভর করে। জনতা: বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের সমস্যা আছে। কর্তৃপক্ষ: সেটা আগে সমাধান করব। জনতা: রাতের আলোর ব্যবস্থা চাই। কর্তৃপক্ষ: দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। জনতা: যানজট কমানোর জন্য পরিকল্পনা? কর্তৃপক্ষ: নতুন সড়ক নির্মাণ চলছে। জনতা: শিশুরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবে? কর্তৃপক্ষ: সড়ক চিহ্ন ও ফিটপাত তৈরী হবে। জনতা: আমাদের পাশে থাকুন। কর্তৃপক্ষ: আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। জনতা: ধন্যবাদ সহযোগিতার জন্য।" কর্মস্থলে মানসিক চাপ কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা,"কর্মচারী ১: কাজের চাপ অনেক। কর্মচারী ২: মানসিক চাপ কমাতে কী করব? ম্যানেজার: নিয়মিত বিরতি নিতে হবে। কর্মচারী ৩: যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করতে পারি? ম্যানেজার: সেটা ভালো উপায়। কর্মচারী ১: কাজ ভাগাভাগি করলে চাপ কমে। ম্যানেজার: টিমওয়ার্কে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। কর্মচারী ২: কাজের সময় সঠিক পরিকল্পনা দরকার। ম্যানেজার: সময় ব্যবস্থাপনা শিখতে হবে। কর্মচারী ৩: কাজের বাইরে শখ পালন করবো। ম্যানেজার: তা মন ভালো রাখে। কর্মচারী ১: সহকর্মীর সঙ্গে কথা বললে মন শান্ত হয়। ম্যানেজার: যোগাযোগ জরুরি। কর্মচারী ২: চাপ কমাতে হালকা মিউজিক শুনবো। ম্যানেজার: চেষ্টা করো। কর্মচারী ৩: ভালো ঘুম নেব। ম্যানেজার: তা অত্যন্ত জরুরি।" শিক্ষার্থীদের সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের আলোচনা,"শিক্ষক: সময় ব্যবস্থাপনা কি জানো? ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করা। শিক্ষক: প্রতিদিন একটি রুটিন তৈরি করো। ছাত্র: আমি পড়াশোনা, খেলাধুলার সময় ভাগ করব। শিক্ষক: সময় অনুযায়ী কাজ করলে ফল ভালো হয়। ছাত্র: অলসতা এড়িয়ে চলবো। শিক্ষক: বিরতি নিয়েও কাজ করো। ছাত্র: আমি মোবাইল কম ব্যবহার করব। শিক্ষক: সময় নষ্ট হলে কাজের চাপ বাড়ে। ছাত্র: বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাবো, তবে সিমিত। শিক্ষক: পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়বে। ছাত্র: আমি সময়মতো স্কুলে যাবো। শিক্ষক: নিয়মিত ঘুম ও খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: ধন্যবাদ স্যার, আমি চেষ্টা করব। শিক্ষক: তোমার সফলতা কামনা করছি।" পরিবারের আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে বাবা-মায়ের আলোচনা,"বাবা: আমাদের পরিবারে আর্থিক পরিকল্পনা দরকার। মা: খরচ ও সঞ্চয় ঠিক রাখতে হবে। বাবা: মাসিক বাজেট বানাবো। মা: প্রয়োজনীয় জিনিস আগে কেনাবো। বাবা: অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো যাবে। মা: সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে টাকা জমাবো। বাবা: ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ পরিকল্পনা দরকার। মা: স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বিনিয়োগ করব। বাবা: জরুরি সময়ের জন্য একটা ফান্ড থাকবে। মা: সন্তানদের জন্য সঞ্চয় বাড়াবো। বাবা: আমরা খরচের তালিকা তৈরি করব। মা: প্রয়োজন অনুসারে সিদ্ধান্ত নেব। বাবা: পরিবারের সবাইকে সচেতন করব। মা: আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। বাবা: একসঙ্গে কাজ করলে সফল হব।" স্কুলে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রের আলোচনা,"শিক্ষক: স্কুলে আমরা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছি। ছাত্র: আমি ল্যাপটপে কাজ করতে পারি। শিক্ষক: অনলাইন ক্লাস ও ই-লার্নিং গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র: আমি গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করি। শিক্ষক: ডিজিটাল লার্নিং দক্ষতা বাড়ায়। ছাত্র: প্রেজেন্টেশন তৈরি করা সহজ হয়েছে। শিক্ষক: অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করো। ছাত্র: আমি ভিডিও দেখে শেখার চেষ্টা করি। শিক্ষক: প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা আরো আকর্ষণীয়। ছাত্র: আমি ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করি। শিক্ষক: প্রযুক্তি ব্যবহার সচেতনভাবে করো। ছাত্র: সাইবার নিরাপত্তা জানতে চাই। শিক্ষক: আমরা নিরাপত্তা নিয়ম শিখাবো। ছাত্র: আমি নিয়ম মেনে চলব। শিক্ষক: তোমাদের ভবিষ্যত উন্নত হবে। " স্বাস্থ্যকর খাবার ও সুষম আহারের গুরুত্ব নিয়ে মা ও মেয়ের আলোচনা,"মা: সুস্থ থাকতে সুষম আহার প্রয়োজন। মেয়ে: আমি কি ধরনের খাবার খাবো? মা: শাকসবজি, ফলমূল বেশি খেতে হবে। মেয়ে: মিষ্টি কম খাওয়ার চেষ্টা করবো। মা: তাজা ও স্বাস্থ্যকর খাবার দরকার। মেয়ে: ফাস্ট ফুড কম খাওয়ার চেষ্টা করব। মা: পানি বেশি পান করো। মেয়ে: জলপান ভালো লাগে। মা: খাবারের সময় ঠিক রাখতে হবে। মেয়ে: খাবার ভালো করে চিবাবো। মা: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত খাবার দরকার। মেয়ে: আমি ব্যায়াম করব। মা: ব্যায়ামের সাথে সুষম খাবার দরকার। মেয়ে: ধন্যবাদ মা, আমি খেয়াল রাখব। মা: সুস্থ থাকো, সেটাই আমাদের কামনা।" বিষয়: বসত বাড়ির নিরাপত্তা ও সতর্কতা নিয়ে বাড়িওয়ালা ও বাসিন্দার আলোচনা,"বাড়িওয়ালা: আমাদের বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। বাসিন্দা ১: ঠিক বলছেন, অনেক সময় চুরি বা দুর্ঘটনা হয়। বাড়িওয়ালা: তাই আমি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করছি। বাসিন্দা ২: এটা খুব ভালো হবে, সিসিটিভি থাকলে অনেক নিরাপদ লাগবে। বাসিন্দা ৩: রাতে পাহারা বাড়ানো দরকার। বাড়িওয়ালা: আমি নিরাপত্তা গার্ড রাখার কথাও ভাবছি। বাসিন্দা ১: সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, দরজা ও জানালা ঠিকমতো বন্ধ রাখবেন। বাসিন্দা ২: এলার্ম সিস্টেম থাকলে ভালো হয়। বাড়িওয়ালা: আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে বাড়ি নিরাপদ হবে। বাসিন্দা ৩: অচেনা লোককে ঢুকতে দেব না। বাড়িওয়ালা: প্রতিদিন পার্কিং এর দায়িত্ব কার কাছে থাকবে ঠিক করতে হবে। বাসিন্দা ১: আমাদের পারিবারিক নিরাপত্তার জন্য এটা জরুরি। বাসিন্দা ২: আলো জ্বালিয়ে রাখা দরকার রাতের বেলা। বাড়িওয়ালা: প্রত্যেক বাসিন্দার সচেতনতা বাড়াতে হবে। বাসিন্দা ৩: আমি চাই আমাদের বাসা নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ থাকুক। বাড়িওয়ালা: সবাই সহযোগিতা করলে সমস্যা কম হবে।" গ্রামে পানি সঙ্কট ও কৃষকদের সমস্যা নিয়ে চেয়ারম্যান ও কৃষকের আলোচনা,"চেয়ারম্যান: এবার বৃষ্টির পরিমাণ খুবই কম হয়েছে, সমস্যা হচ্ছে। কৃষক ১: ফসলের জন্য পানি মিলছে না, অনেক ক্ষতি হবে। চেয়ারম্যান: আমরা ট্যাংকারের মাধ্যমে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করছি। কৃষক ২: দীর্ঘ সময় ধরে পানি সরবরাহ দরকার। চেয়ারম্যান: সরকার থেকে অনুদান নিয়ে ড্রিপ ইরিগেশন চালু করব। কৃষক ৩: জমিতে পানি সঞ্চয়ের জন্য ট্যাঙ্ক বানাতে চাই। চেয়ারম্যান: আমরা গ্রামে জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করব। কৃষক ১: কীটনাশক ব্যবহারও সঠিক সময়ে করতে হবে। কৃষক ২: বৃষ্টির পানি সঠিকভাবে সঞ্চয় করতে হবে। চেয়ারম্যান: সবার সচেতনতা জরুরি। কৃষক ৩: আমরা পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করব। কৃষক ১: জমি ভালো রাখতে নিয়ম মেনে কাজ করব। চেয়ারম্যান: একসঙ্গে কাজ করলে ফলাফল ভালো হবে। কৃষক ২: আশা করি আগামি বছর ভালো ফসল হবে। চেয়ারম্যান: আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব, তোমাদের পাশে আছি।" স্কুলে অনলাইন ক্লাস ও প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা,"শিক্ষক: করোনার কারণে অনলাইন ক্লাস চালু হয়েছে। ছাত্র ১: অনলাইনে পড়া অনেক সুবিধাজনক। ছাত্র ২: তবে মাঝে মাঝে ইন্টারনেট সমস্যা হয়। শিক্ষক: ইন্টারনেটের সমস্যা হলে আমাকে জানাতে হবে। ছাত্র ৩: আমরা গুগল ক্লাসরুম ও জুম ব্যবহার করি। শিক্ষক: তোমরা প্রযুক্তি ভালোভাবে ব্যবহার করো। ছাত্র ১: প্রেজেন্টেশন ও ভিডিও তৈরি করতে পারছি। ছাত্র ২: অনেক নতুন নতুন বিষয় শিখছি। শিক্ষক: নিয়ম মেনে অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে হবে। ছাত্র ৩: আমরা মনোযোগ দিয়ে শুনি। শিক্ষক: পরীক্ষাও অনলাইনে নেওয়া হবে। ছাত্র ১: আমি প্রস্তুত হচ্ছি। ছাত্র ২: আমি ডিভাইসগুলো ঠিক রাখতে শিখেছি। শিক্ষক: সাইবার নিরাপত্তা মেনে চলতে হবে। ছাত্র ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা করব।" রিবারে প্রযুক্তির ব্যবহার ও যোগাযোগ বাড়ানোর আলোচনা,"বাবা: এখন প্রযুক্তি আমাদের জীবন অনেক সহজ করেছে। মা: তবে ফোন ও কম্পিউটার ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। ছেলে: আমি ভিডিও কল করে দাদার সাথে কথা বলি। মেয়ে: আমি অনলাইনে আমার বন্ধুর সাথে যোগাযোগ করি। বাবা: পরিবারের সবাই একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য প্রযুক্তি কম ব্যবহার করো। মা: মুখোমুখি কথা বলাটা গুরুত্বপূর্ণ। ছেলে: আমি সময় ভাগ করে ব্যবহার করি। মেয়ে: পড়াশোনার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করি। বাবা: পরিবারের খবরাখবর রাখতে প্রযুক্তি কাজে লাগে। মা: তবে একে অপরের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে। ছেলে: আমি বাবা-মার কথা শুনি প্রযুক্তি ব্যবহারে। মেয়ে: আমি ভিডিও দেখে শিখি অনেক নতুন বিষয়। বাবা: প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জীবন উন্নত করে। মা: আমরা সবাই সচেতন থাকব। সন্তানরা: হ্যাঁ, আমরা চেষ্টা করব। " বিষয়: স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিয়মিত চিকিৎসা নিয়োগ নিয়ে মা ও সন্তানের আলোচনা,"মা: নিয়মিত চিকিৎসক দেখানো জরুরি। সন্তান: আমি কি প্রতি ছয় মাসে পরীক্ষা করাব? মা: অবশ্যই, যাতে রোগের আগে শনাক্ত করা যায়। সন্তান: স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে চাই। মা: ভালো খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়াম দরকার। সন্তান: আমি জিমে যাওয়ার চিন্তা করছি। মা: সেটা ভালো, কিন্তু নিয়মিত ও সতর্কতার সঙ্গে করো। সন্তান: ধূমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকব। মা: সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছো। সন্তান: নিয়মিত বিশ্রাম নেব। মা: মানসিক চাপ কমানোও জরুরি। সন্তান: মেডিটেশন শিখছি। মা: ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলো। সন্তান: আমি সবসময় সতর্ক থাকব। মা: সুস্থ থাকো, সেটাই আমার কামনা।" অফিসে দলবদ্ধ কাজ ও সহযোগিতার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে কাজ ভাগাভাগি করে করাটা জরুরি। কর্মচারী ১: আমরা একে অপরের সাহায্য করব। কর্মচারী ২: সমস্যা হলে আলোচনা করব। ম্যানেজার: দলবদ্ধ কাজ সফলতার চাবিকাঠি। কর্মচারী ৩: সময়মতো রিপোর্ট জমা দিবো। কর্মচারী ১: কাজের মান বজায় রাখব। কর্মচারী ২: সহযোগিতায় মনোযোগ দেব। ম্যানেজার: টিমের সদস্যদের মধ্যে বিশ্বাস থাকতে হবে। কর্মচারী ৩: আমি সহকর্মীদের কাজ বুঝতে চাই। কর্মচারী ১: সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করব। কর্মচারী ২: মিটিংয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করব। ম্যানেজার: ভালো কাজের প্রশংসা করা হবে। কর্মচারী ৩: আমরা সবাই একসঙ্গে সফল হব। কর্মচারী ১: ধন্যবাদ স্যার, আমরা চেষ্টা চালাবো। ম্যানেজার: তোমাদের ওপর আস্থা রাখি।" গ্রামে শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা,"শিক্ষক: আমাদের গ্রামের শিক্ষার মান উন্নত করতে হবে। গ্রামবাসী ১: আমরা কি করব? শিক্ষক: নিয়মিত ক্লাস ও পাঠ্যক্রম মানার চেষ্টা করব। গ্রামবাসী ২: কি করে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াবো? শিক্ষক: শিক্ষাদানের পদ্ধতি আধুনিক করব। গ্রামবাসী ৩: অভিভাবকদেরও শিক্ষায় অংশ নিতে হবে। শিক্ষক: শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। গ্রামবাসী ১: স্কুলের অবকাঠামো উন্নত করতে হবে। শিক্ষক: আমরা বই ও সরঞ্জাম যোগাড় করব। গ্রামবাসী ২: শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেয়া জরুরি। শিক্ষক: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা আয়োজন করব। গ্রামবাসী ৩: আমরা সবসময় সহযোগিতা করব। শিক্ষক: শিশুদের ভালো ভবিষ্যতের জন্য কাজ করব। গ্রামবাসী ১: আমরা শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেব। শিক্ষক: একসাথে আমরা সফল হব।" ছাত্র-ছাত্রীদের অনৈতিক কাজ প্রতিরোধে শিক্ষকের বক্তব্য,"শিক্ষক: আপনাদের সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ছাত্র ১: আমরা প্রতারণা করব না। ছাত্র ২: নকল করলে ক্ষতি হবে নিজেকে। শিক্ষক: পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবে। ছাত্র ৩: আমরা নিয়ম মেনে পড়াশোনা করব। শিক্ষক: অন্যদের সঠিক পথ দেখাতে হবে। ছাত্র ১: আমরা সতর্ক থাকব। ছাত্র ২: ভালোমন্দের পার্থক্য বুঝব। শিক্ষক: ভালো কাজ করলে সবাই প্রশংসা করবে। ছাত্র ৩: সৎ পথে চলাই ভালো। ছাত্র ১: শিক্ষকদের কথা শুনব। শিক্ষক: আত্মমর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ছাত্র ২: আমরা নিজের ওপর বিশ্বাস রাখব। ছাত্র ৩: সততা জীবনকে সুন্দর করে। শিক্ষক: তোমাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হোক।" বিষয়: বসতবাড়িতে পারস্পরিক সাহায্য ও সমন্বয় নিয়ে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার আলোচনা,"বাড়িওয়ালা: বাড়ির সকলের মধ্যে সহযোগিতা দরকার। ভাড়াটিয়া ১: আমরা একে অপরের সাহায্য করব। ভাড়াটিয়া ২: সমস্যা হলে দ্রুত জানাবো। বাড়িওয়ালা: পারস্পরিক শ্রদ্ধা বাড়াতে হবে। ভাড়াটিয়া ৩: আমরা নিয়ম মেনে চলব। বাড়িওয়ালা: বাড়ির নিয়ম সবাই মেনে চলুক। ভাড়াটিয়া ১: আবর্জনা সঠিক জায়গায় ফেলবো। ভাড়াটিয়া ২: শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখবো। বাড়িওয়ালা: সন্ধ্যার পর শব্দ কমাবে। ভাড়াটিয়া ৩: দরজা-জানালা ঠিকঠাক রাখবো। বাড়িওয়ালা: সবাই মিলে পরিচ্ছন্নতা করব। ভাড়াটিয়া ১: সমস্যা সমাধানে আলোচনা করব। ভাড়াটিয়া ২: আমি গেস্টের জন্য অনুমতি নেবো। বাড়িওয়ালা: বাসা নিরাপদ রাখতে সবাই সচেতন হবে। ভাড়াটিয়া ৩: একসঙ্গে থাকলে বাড়ি সুন্দর হবে।" বিষয়: অফিসে প্রযুক্তির ব্যবহার ও দক্ষতা বাড়ানোর আলোচনা,"ম্যানেজার: আমাদের অফিসে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কর্মচারী ১: নতুন সফটওয়্যার শিখতে চাই। কর্মচারী ২: অনলাইন টুলস ভালো ব্যবহার করব। ম্যানেজার: প্রশিক্ষণ সেশন আয়োজন করব। কর্মচারী ৩: ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। কর্মচারী ১: দ্রুত কাজ করার জন্য প্রযুক্তি প্রয়োজন। কর্মচারী ২: অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয় হবে। ম্যানেজার: তথ্য নিরাপত্তায় খেয়াল রাখতে হবে। কর্মচারী ৩: আমি নিয়ম মেনে প্রযুক্তি ব্যবহার করব। কর্মচারী ১: সহযোগী সফটওয়্যার শিখতে চাই। ম্যানেজার: উন্নত প্রযুক্তি কাজে লাগান। কর্মচারী ২: সময় বাঁচাতে প্রযুক্তি জরুরি। কর্মচারী ৩: সমস্যা হলে আইটি ডিপার্টমেন্টে জানাবো। ম্যানেজার: প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্মক্ষমতা বাড়বে। কর্মচারী ১: আমি সবার সাথে শেয়ার করব। " গ্রামের নারীশিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে গ্রাম প্রধান ও মাদ্রাসার শিক্ষকের আলোচনা,"গ্রাম প্রধান: নারীদের শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। মাদ্রাসার শিক্ষক: শিক্ষিত নারীই সমাজ উন্নত করে। গ্রাম প্রধান: আমরা মেয়েদের স্কুলে পাঠাবো। মাদ্রাসার শিক্ষক: শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে কাজ করব। গ্রাম প্রধান: পিতা-মাতারও সচেতনতা দরকার। মাদ্রাসার শিক্ষক: মেয়েদের জন্য বিশেষ কোর্স চালু করব। গ্রাম প্রধান: বয়স্কদের শিক্ষায়ও উদ্যোগ নিতে হবে। মাদ্রাসার শিক্ষক: নারী শিক্ষিত হলে পরিবার শক্তিশালী হয়। গ্রাম প্রধান: মেয়েরা পড়াশোনা করে আত্মনির্ভরশীল হবে। মাদ্রাসার শিক্ষক: আমরা উৎসাহ দেবো সবাইকে। গ্রাম প্রধান: সমাজে নারীদের মর্যাদা বাড়বে। মাদ্রাসার শিক্ষক: শিক্ষা সমাজ পরিবর্তনের মাধ্যম। গ্রাম প্রধান: আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব। মাদ্রাসার শিক্ষক: মেয়েদের জন্য আলাদা শিক্ষাকেন্দ্র চাই। গ্রাম প্রধান: আমরা উদ্যোগ নেবো দ্রুত।" পরিবেশ সংরক্ষণ ও গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তরুণদের আলোচনা,"তরুণ ১: গাছ লাগানো জরুরি পরিবেশের জন্য। তরুণ ২: গাছ বাতাস পরিষ্কার করে। তরুণ ৩: গ্রীষ্মকাল কম কষ্টকর হয় গাছ থাকলে। তরুণ ১: আমরা একটি গাছ লাগানোর অভিযান চালাব। তরুণ ২: সবাইকে সচেতন করতে হবে। তরুণ ৩: স্কুল, কলেজে প্রচার করব। তরুণ ১: বৃক্ষরোপণ উৎসব আয়োজন করব। তরুণ ২: স্থানীয় সরকারকে অনুরোধ জানাবো। তরুণ ৩: বর্জ্য সঠিক জায়গায় ফেলব। তরুণ ১: জল সংরক্ষণও জরুরি। তরুণ ২: পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতনতা বাড়াবে। তরুণ ৩: গাছ আমাদের প্রাকৃতিক বন্ধু। তরুণ ১: একসঙ্গে কাজ করলে পরিবেশ সুন্দর হবে। তরুণ ২: আমরা উদ্যোগ নেবো দ্রুত। তরুণ ৩: ভবিষ্যতের জন্য ভালো কাজ করব।" স্বাস্থ্য সেবা ও ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে চিকিৎসক ও রোগীর আলোচনা,"চিকিৎসক: ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। রোগী: আমি নিয়ম মেনে ওষুধ নেব। চিকিৎসক: ডোজ ঠিক মতো নিতে হবে। রোগী: পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে জানাব। চিকিৎসক: সময়মতো চিকিৎসককে দেখতে হবে। রোগী: খাবারের সঙ্গে ওষুধ খাওয়ার নিয়ম শিখেছি। চিকিৎসক: সুস্থ থাকতে সঠিক জীবনযাপন দরকার। রোগী: ব্যায়াম করব নিয়মিত। চিকিৎসক: বিশ্রামও প্রয়োজন। রোগী: আমি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলব। চিকিৎসক: পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখাও জরুরি। রোগী: আমি রোগ প্রতিরোধ করব সতর্কতার মাধ্যমে। চিকিৎসক: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো ভালো। রোগী: ধন্যবাদ ডাক্তার, আমি সতর্ক থাকব। চিকিৎসক: সুস্থ জীবন কামনা করি। ১৩৯. বিষয়: কর্মস্থলে সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মকানুন নিয়ে অফিস প্রধান ও কর্মচারীদের আলোচনা সংলাপ: অফিস প্রধান: অফিসে সময়মতো আসা জরুরি। কর্মচারী ১: আমরা চেষ্টা করব দেরি না করতে। কর্মচারী ২: সময়ানুবর্তিতা কাজের উন্নতির জন্য দরকার। অফিস প্রধান: বিরতিও সঠিক সময়ে নিতে হবে। কর্মচারী ৩: কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে হবে। কর্মচারী ১: অফিসের নিয়মকানুন মানব। অফিস প্রধান: সকলকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কর্মচারী ২: প্রয়োজনে সময়মতো অফিস ছাড়ব। কর্মচারী ৩: অফিসের কাজে নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করব। অফিস প্রধান: কাজের মান উন্নত করার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছি। কর্মচারী ১: আমি দায়িত্বশীল থাকবো। কর্মচারী ২: আমরা অফিসকে সুন্দর রাখব। অফিস প্রধান: সবাই মিলে ভালো পরিবেশ গড়তে হবে। কর্মচারী ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অফিস প্রধান: তোমাদের ওপর আস্থা রাখি। ১৪০. বিষয়: শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার গুরুত্ব ও শৃঙ্খলা বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা সংলাপ: শিক্ষক: খেলাধুলা শরীর সুস্থ রাখে। ছাত্র ১: আমরা প্রতিদিন খেলতে চাই। ছাত্র ২: খেলাধুলার মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে। শিক্ষক: তবে শৃঙ্খলা মেনে খেলতে হবে। ছাত্র ৩: সময়মতো মাঠে উপস্থিত থাকব। ছাত্র ১: খেলার সময় নিয়ম মানব। ছাত্র ২: অমার্জিত আচরণ করব না। শিক্ষক: " কর্মস্থলে সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মকানুন নিয়ে অফিস প্রধান ও কর্মচারীদের আলোচনা,"অফিস প্রধান: অফিসে সময়মতো আসা জরুরি। কর্মচারী ১: আমরা চেষ্টা করব দেরি না করতে। কর্মচারী ২: সময়ানুবর্তিতা কাজের উন্নতির জন্য দরকার। অফিস প্রধান: বিরতিও সঠিক সময়ে নিতে হবে। কর্মচারী ৩: কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়াতে হবে। কর্মচারী ১: অফিসের নিয়মকানুন মানব। অফিস প্রধান: সকলকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কর্মচারী ২: প্রয়োজনে সময়মতো অফিস ছাড়ব। কর্মচারী ৩: অফিসের কাজে নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করব। অফিস প্রধান: কাজের মান উন্নত করার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছি। কর্মচারী ১: আমি দায়িত্বশীল থাকবো। কর্মচারী ২: আমরা অফিসকে সুন্দর রাখব। অফিস প্রধান: সবাই মিলে ভালো পরিবেশ গড়তে হবে। কর্মচারী ৩: ধন্যবাদ স্যার, আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অফিস প্রধান: তোমাদের ওপর আস্থা রাখি।" শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার গুরুত্ব ও শৃঙ্খলা বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা,"শিক্ষক: খেলাধুলা শরীর সুস্থ রাখে। ছাত্র ১: আমরা প্রতিদিন খেলতে চাই। ছাত্র ২: খেলাধুলার মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে। শিক্ষক: তবে শৃঙ্খলা মেনে খেলতে হবে। ছাত্র ৩: সময়মতো মাঠে উপস্থিত থাকব। ছাত্র ১: খেলার সময় নিয়ম মানব। ছাত্র ২: অমার্জিত আচরণ করব না। শিক্ষক: সততা ও ঐক্য বজায় রাখতে হবে। ছাত্র ৩: দলের সবাইকে সম্মান করব। ছাত্র ১: খেলাধুলা শিক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র ২: নিয়মিত অনুশীলন করব। শিক্ষক: তোমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। ছাত্র ৩: খেলাধুলা আমাদের মনোবল বাড়ায়। ছাত্র ১: ধন্যবাদ স্যার, আমরা শৃঙ্খলা মেনে খেলব। শিক্ষক: তোমাদের সাফল্য কামনা করি।" পাড়ায় আবর্জনা ফেলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আলোচনা,"পাড়া প্রধান: আমাদের পাড়া পরিষ্কার রাখতে সবাইকে সাহায্য করতে হবে। বাসিন্দা ১: আমরা আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলব। বাসিন্দা ২: রাস্তায় কাগজপত্র ফেলা বন্ধ করব। পাড়া প্রধান: গর্ত বা জলাবদ্ধ জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে। বাসিন্দা ৩: সবাই ময়লা-আবর্জনা ভাগাভাগি করে ফেলা উচিত। বাসিন্দা ১: সপ্তাহে একবার পরিষ্কার অভিযান চালাবো। বাসিন্দা ২: বয়স্কদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। পাড়া প্রধান: শিশুরাও পরিচ্ছন্নতায় সচেতন হবে। বাসিন্দা ৩: বর্জ্য সঠিকভাবে বাছাই করে ফেলব। বাসিন্দা ১: প্লাস্টিক কম ব্যবহার করব। পাড়া প্রধান: জলাশয় ও নদীর পাড় পরিষ্কার রাখতে হবে। বাসিন্দা ২: কভারড বস্তা ব্যবহার করব। বাসিন্দা ৩: প্রতিবেশীদের উৎসাহ দিয়ে পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি করব। পাড়া প্রধান: সবাই মিলে পরিশ্রম করলে পাড়া সুন্দর থাকবে।" গ্রামে বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে কৃষকদের কষ্ট নিয়ে আলোচনা,"কৃষক ১: বিদ্যুৎ চলে গেলে পাম্প কাজ করে না। কৃষক ২: পানি দিতে সমস্যা হয় ফসলের। গ্রাম প্রধান: আমি বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে যোগাযোগ করছি। কৃষক ৩: সময় মতো বিদ্যুৎ না পেলে ক্ষতি হয়। গ্রাম প্রধান: সোলার প্যানেল ব্যবহারের কথা ভাবছি। কৃষক ১: বিকল্প শক্তি ব্যবহার করা জরুরি। কৃষক ২: আমাদের ফসল বাঁচাতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্রাম প্রধান: একসাথে দাবী করলে দ্রুত কাজ হবে। কৃষক ৩: সবাই মিলে বিদ্যুৎ সচল রাখতে সাহায্য করব। গ্রাম প্রধান: আমি সরকারের কাছে আবেদন করব। কৃষক ১: বিদ্যুতের গুণগত মানও বাড়াতে হবে। কৃষক ২: আমরা যতটা সম্ভব সঞ্চয় করব। গ্রাম প্রধান: নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করব। কৃষক ৩: সবাই একসঙ্গে থাকলে সমস্যা সমাধান হবে।" স্কুলে ছাত্রীদের পোশাক ও শৃঙ্খলা বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকের আলোচনা,"শিক্ষক: স্কুলের পোশাক নিয়ম মেনে পরতে হবে। অভিভাবক ১: আমি মেয়ের পোশাক নিয়ে সতর্ক থাকব। শিক্ষক: ছাত্রীদের আচরণও শালীন হতে হবে। অভিভাবক ২: আমরা সন্তানদের শৃঙ্খলা শেখাবো। শিক্ষক: সময়মতো স্কুলে আসতে হবে। অভিভাবক ৩: শিক্ষকদের নির্দেশ মেনে চলতে হবে। শিক্ষক: গুজব ও ভুল তথ্য থেকে বিরত থাকতে হবে। অভিভাবক ১: পড়াশোনা ও আচরণে মনোযোগ দিব। শিক্ষক: ক্লাসের পরিবেশ সুস্থ রাখতে সহযোগিতা দরকার। অভিভাবক ২: আমি স্কুলের নিয়মাবলী সম্পর্কে জানব। শিক্ষক: ছাত্রীরা নিরাপদে স্কুলে আসা-যাওয়া করবে। অভিভাবক ৩: শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করব। শিক্ষক: পরস্পরের সম্মান বজায় রাখতে হবে। অভিভাবক ১: শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়াতে কাজ করব।" বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সাশ্রয়ী কেনাকাটা নিয়ে পরিবারে আলোচনা,"বাবা: বাজারের দাম অনেক বেড়ে গেছে। মা: তাই আমাদের সাশ্রয়ী হওয়া দরকার। ছেলে: আমরা প্রয়োজনীয় জিনিস আগে চিন্তা করব। মেয়ে: অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা বন্ধ করব। বাবা: বাজারে গেলে তুলনা করে কিনতে হবে। মা: বিক্রেতার সাথে দর কষাকষি করব। ছেলে: অফার ও ডিসকাউন্ট খুঁজে দেখব। মেয়ে: পণ্য ভালোভাবে পরীক্ষা করব। বাবা: মজুত জিনিস আগে ব্যবহার করব। মা: পরিবারের সবাই মিলেমিশে বাজেট ঠিক করব। ছেলে: বেশি ব্যয় এড়াবো। মেয়ে: প্রয়োজন মতোই খাবার নেবো। বাবা: বাজারে সময় বাঁচিয়ে দ্রুত কেনাকাটা করব। মা: আমাদের অর্থ সংরক্ষণ হবে। সবাই: আমরা সাশ্রয়ী জীবন যাপন করব। " ছুটির দিনে নিরাপদ ভ্রমণ ও প্রস্তুতি নিয়ে বন্ধুরা আলোচনা,"বন্ধু ১: ছুটির দিনে কোথায় যাবো? বন্ধু ২: পার্কে যাওয়া ভালো হবে। বন্ধু ৩: আমরা গাড়ি নিয়ে যাবো। বন্ধু ১: আগে সব ব্যবস্থা দেখে নেবো। বন্ধু ২: নিরাপত্তার জন্য সিটবেল্ট পরব। বন্ধু ৩: সময়মতো সব ঠিকঠাক করে চলব। বন্ধু ১: খাবার ও পানীয় সাথে রাখব। বন্ধু ২: প্রয়োজনীয় ঔষধও নিয়ে যাবো। বন্ধু ৩: মোবাইল ফোন চার্জ পূর্ণ রাখব। বন্ধু ১: সবাই একসঙ্গে চলবে। বন্ধু ২: পথের মানচিত্র দেখে নেবো। বন্ধু ৩: দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্ক থাকব। বন্ধু ১: সময়মতো ফিরবো। বন্ধু ২: পরিবেশ রক্ষা করব। বন্ধু ৩: আনন্দে ভ্রমণ করব।" পরিবারে শিশুদের পড়াশোনা ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাবা-মার আলোচনা,"বাবা: শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ দিক। মা: সময়মতো ঘুমানো ও উঠানো জরুরি। বাবা: টিভি ও মোবাইল কম ব্যবহার করুক। মা: খেলার সময় ঠিকঠাক দিতে হবে। বাবা: পড়ার জন্য শান্ত পরিবেশ চাই। মা: হোমওয়ার্ক নিয়মিত করতে হবে। বাবা: আমরা সঠিক পরামর্শ দিব। মা: ভালো আচরণের জন্য উদাহরণ তৈরি করব। বাবা: বিদ্যালয়ের নিয়ম মেনে চলবে। মা: বন্ধুদের ভালো বাছাই করবে। বাবা: মা-বাবার কথা শোনার অভ্যাস গড়ে তুলবে। মা: শিশুদের সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দিব। বাবা: তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। মা: সময়মতো খাওয়া-দাওয়ার খেয়াল রাখবে। বাবা: আমরা সর্বদা পাশে থাকব।" শহরে ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার গুরুত্ব নিয়ে পুলিশের আলোচনা,"পুলিশ ১: ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা জরুরি। পুলিশ ২: দুর্ঘটনা রোধ করতে সচেতন হতে হবে। পুলিশ ৩: হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। পুলিশ ১: গাড়ির গতি সীমা বজায় রাখতে হবে। পুলিশ ২: মোবাইল ফোন চালানোর সময় ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। পুলিশ ৩: পথচারীদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ ১: ড্রাইভারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। পুলিশ ২: সিগন্যাল ও লাইট মেনে চলা জরুরি। পুলিশ ৩: গাড়ি চালানোর সময় মদ্যপান নিষেধ। পুলিশ ১: সবাইকে সচেতন করতে প্রচার চালাবো। পুলিশ ২: জরুরী অবস্থায় পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। পুলিশ ৩: নিয়ম না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ ১: শহরের পথ নিরাপদ রাখতে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। পুলিশ ২: ধৈর্য্য ও শিষ্টাচার বজায় রাখতে হবে। পুলিশ ৩: সবাই মিলে শহরটাকে সুন্দর ও নিরাপদ করে তুলি।" গ্রামে পানি সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার আলোচনা,"গ্রাম প্রধান: পানির সঠিক ব্যবহার দরকার। কৃষক ১: ফসলের জন্য পানি বাঁচাতে হবে। গ্রাম প্রধান: সেচ ব্যবস্থা উন্নত করব। কৃষক ২: পানির অপচয় রোধ করতে হবে। গ্রাম প্রধান: বাড়ি বাড়ি বৃষ্টি জল সংগ্রহের পদ্ধতি চালু করব। কৃষক ৩: গ্রামবাসীদের সচেতন করব। গ্রাম প্রধান: নদীর পানির দূষণ কমাতে হবে। কৃষক ১: প্লাস্টিক ব্যবহার কমাবো। গ্রাম প্রধান: সবাই মিলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাবো। কৃষক ২: জলাশয় পরিষ্কার রাখবো। গ্রাম প্রধান: শিশুদেরও পরিবেশ সচেতনতা শিখাবো। কৃষক ৩: আমরা গ্রামটাকে সুন্দর ও সবুজ রাখব। গ্রাম প্রধান: পানি বাঁচানো মানেই জীবন বাঁচানো। কৃষক ১: আমরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করব। গ্রাম প্রধান: সবাইকে ধন্যবাদ সহযোগিতার জন্য।" শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণ বিষয়ে শিক্ষক ও ছাত্রদের আলোচনা,"শিক্ষক: তোমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবো। ছাত্র ১: আমি ডাক্তার হতে চাই। ছাত্র ২: আমি ইঞ্জিনিয়ার হব। শিক্ষক: লক্ষ্য ঠিক করে পরিশ্রম করো। ছাত্র ৩: আমি ভালো রেজাল্ট করার চেষ্টা করব। শিক্ষক: সময়মতো পড়াশোনা করো। ছাত্র ১: আমি পরীক্ষা প্রস্তুতি শুরু করব। ছাত্র ২: পরীক্ষার চাপ সামলাতে শিখব। শিক্ষক: আত্মবিশ্বাস রাখো। ছাত্র ৩: শিক্ষক ও অভিভাবকদের কথা শুনব। শিক্ষক: লক্ষ্য অর্জনে ধৈর্য্য দরকার। ছাত্র ১: আমি মনোযোগ দিয়ে পড়ব। ছাত্র ২: ভুল থেকে শিক্ষা নেব। শিক্ষক: তোমাদের সাফল্য আমাদের আনন্দ। ছাত্র ৩: আমি দায়িত্বশীল হব। শিক্ষক: ভালো ভবিষ্যৎ গড়তে সবাই মিলে কাজ করো।" অফিসে স্বাস্থ্যবিধি ও করোনা প্রতিরোধে সতর্কতা বিষয়ে আলোচনা,"ম্যানেজার: অফিসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। কর্মচারী ১: মাস্ক পরব নিয়মিত। কর্মচারী ২: হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করব। ম্যানেজার: সবার টেম্পারেচার নিয়মিত মাপা হবে। কর্মচারী ৩: সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখব। কর্মচারী ১: অফিসে আসার আগে সতর্ক থাকব। কর্মচারী ২: অসুস্থ হলে অফিস আসব না। ম্যানেজার: পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত স্যানিটাইজ করব। কর্মচারী ৩: স্বাস্থ্য সমস্যা হলে দ্রুত জানাবো। কর্মচারী ১: অফিসের নিয়ম মানব। ম্যানেজার: সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতন হতে হবে। কর্মচারী ২: আমরা সবাই একসঙ্গে থাকব নিরাপদে। কর্মচারী ৩: মাস্ক ছাড়াও হাত ধোয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। ম্যানেজার: প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কর্মচারী ১: অফিস পরিবেশ নিরাপদ রাখতে চেষ্টা করব। ম্যানেজার: সবাই সুস্থ থাকুক, এটাই কামনা। " এলাকায় রাস্তার বাতি মেরামতের আবেদন।,"তারিখ: ২০ জানুয়ারি ২০২৫ প্রেরক: জাহিদুল ইসলাম, উত্তর কোটবাড়ি, কুমিল্লা সদর। প্রাপক: মেয়র, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত উত্তর কোটবাড়ি এলাকার একজন বাসিন্দা। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কের প্রায় সব রাস্তার বাতি গত এক মাস ধরে নষ্ট হয়ে আছে। এতে করে সন্ধ্যার পর এলাকা অন্ধকারে ডুবে থাকে এবং পথচারীরা নানা সমস্যায় পড়েন। বিশেষ করে নারীরা ও শিশুদের চলাফেরায় ভীতি তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায় আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি যেন অতি দ্রুত রাস্তার বাতিগুলো মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এতে করে জনসাধারণ স্বস্তির সঙ্গে চলাচল করতে পারবে। নিবেদক জাহিদুল ইসলাম উত্তর কোটবাড়ি, কুমিল্লা সদর।" খাল পরিষ্কার ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: নির্বাহী প্রকৌশলী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলা বিষয়: খাল পরিষ্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন। জনাব, নিবেদন এই যে, আমরা চাঁদপুর জেলার পুরানবাজার এলাকার বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় যে খালটি আছে, সেটি দীর্ঘদিন যাবৎ পরিস্কার না করায় পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই খালের পানি রাস্তা ও বাড়িঘরে প্রবেশ করে এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। জলাবদ্ধতা শুধু জনদুর্ভোগ নয়, এর ফলে ডায়রিয়া, চর্মরোগ, মশাবাহিত রোগও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রছাত্রী ও কর্মজীবী মানুষের চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। অতএব, আমাদের এলাকার খালটি নিয়মিত পরিষ্কার এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য আপনার দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম পুরানবাজার, চাঁদপুর" বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফুলবাড়ী, দিনাজপুর বিষয়: বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, ফুলবাড়ী উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে এই আবেদন পত্র দাখিল করছি। বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে মোট ৫টি শ্রেণিকক্ষ রয়েছে, অথচ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৫০ জনের বেশি। ফলে একেকটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮০–১০০ পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায়, যা একটি শ্রেণিকক্ষের ধারণক্ষমতার বাইরে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে, শিক্ষকদের পক্ষে মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলস্বরূপ শিক্ষার মান দিন দিন নিম্নমুখী হচ্ছে। অতএব, বিদ্যালয়ের মানোন্নয়নের স্বার্থে অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ হাফিজুর রহমান সহকারী শিক্ষক, ফুলবাড়ী বালিকা বিদ্যালয় ফুলবাড়ী, দিনাজপুর" এলাকায় ডাস্টবিন স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাভার পৌরসভা, ঢাকা বিষয়: এলাকায় ডাস্টবিন স্থাপন করে পরিচ্ছন্নতা রক্ষার আবেদন। জনাব, আমরা সাভার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় এখনও নির্দিষ্ট কোনো ডাস্টবিন নেই। ফলে লোকজন রাস্তার পাশে কিংবা খোলা জায়গায় আবর্জনা ফেলতে বাধ্য হন। এতে শুধু পরিবেশ দূষিত হচ্ছে না, আশপাশে বসবাসকারী মানুষের স্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়ছে। বৃষ্টির সময় এসব আবর্জনা মিশে পানি জমে যায়, যা দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং মশা-মাছি বংশবৃদ্ধি করে নানা রোগের সৃষ্টি করছে। অতএব, আমাদের এলাকায় অন্তত দুটি স্থানে বড় ডাস্টবিন স্থাপন এবং নিয়মিত ময়লা অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোছা. রোকেয়া বেগম ৭নং ওয়ার্ড, সাভার পৌরসভা" শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সুবিধা চালুর আবেদন,"তারিখ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (BRTC) বিষয়: শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বাস সার্ভিস চালুর আবেদন। জনাব, আমরা রংপুর শহরের আশেপাশের গ্রামের শিক্ষার্থীরা রংপুর সরকারি কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন যাতায়াত করি। কিন্তু সকাল ও বিকেলের সময় পর্যাপ্ত যানবাহন না থাকায় ভীষণ ভোগান্তি পোহাতে হয়। অনেক সময় দাঁড়িয়ে, এমনকি ঝুলে ঝুলে বাসে উঠতে হয়। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আরও কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক সময় ভাড়া নিয়েও সমস্যার সৃষ্টি হয়। অতএব, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে রংপুর শহর অভিমুখী একটি নির্দিষ্ট BRTC শিক্ষার্থী বাস সার্ভিস চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক সালমা আক্তার রোকেয়া নগর, রংপুর" এলাকায় নিয়মিত ময়লা পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন বিষয়: এলাকায় নিয়মিত ময়লা পরিষ্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের দেওভোগ এলাকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা। বিগত কয়েক মাস ধরে লক্ষ্য করছি, আমাদের এলাকায় নিয়মিত ময়লা পরিষ্কার করা হচ্ছে না। ফলে রাস্তার ধারে, খোলা জায়গায় এবং ড্রেনের পাশে আবর্জনার স্তূপ জমে গেছে। এতে করে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং চারপাশে মশা-মাছির উৎপাত বেড়ে গেছে। বিশেষ করে শিশু এবং বৃদ্ধরা এতে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। আশেপাশের এলাকায় ডেঙ্গু ও অন্যান্য জলবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। অতএব, অবিলম্বে আমাদের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ করে নিয়মিত ময়লা অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আপনার দপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ ফিরোজ আহমেদ দেওভোগ, নারায়ণগঞ্জ " এলাকায় সড়কের খানাখন্দ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: নির্বাহী প্রকৌশলী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) রাজশাহী জেলা অফিস বিষয়: সড়কে খানাখন্দ সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকার প্রধান সড়কটি বর্তমানে খানাখন্দে ভরা। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে ছোট ছোট গর্তগুলো ভয়াবহ রূপ ধারণ করে, যা থেকে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অনেক বাইক, রিকশা ও সিএনজি উল্টে গিয়ে যাত্রী আহত হয়েছেন। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচল রীতিমতো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী, অফিসগামী কর্মজীবীসহ শত শত মানুষ যাতায়াত করে। তাই দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক আসিফ মাহমুদ চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী" এলাকায় একটি সরকারিভাবে পরিচালিত চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: সিভিল সার্জন চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়: এলাকায় একটি সরকারিভাবে পরিচালিত চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কেশবপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামে প্রায় ৫ হাজারের বেশি মানুষ বসবাস করলেও কোনো সরকারিভাবে পরিচালিত স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। সাধারণ সর্দি-জ্বর থেকে শুরু করে জটিল অসুখে আক্রান্ত রোগীদের ১০–১৫ কিলোমিটার দূরে গিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে হয়, যা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ ও শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক। অতএব, মানবিক দিক বিবেচনা করে আমাদের গ্রামে একটি কমিউনিটি ক্লিনিক বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক রফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, কেশবপুর, দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা" এলাকায় বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকূপ স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশাশুনি উপজেলা, সাতক্ষীরা বিষয়: এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ধানগড়া গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় খাওয়ার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ টিউবওয়েলের পানি লবণাক্ত এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে দূরের বাজার বা অন্য গ্রাম থেকে পানি সংগ্রহ করে, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সময়ের অপচয় রোধে আমাদের এলাকায় ২–৩টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। অতএব, মানবিক বিবেচনায় দ্রুত গভীর নলকূপ স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আবদুল করিম ধানগড়া, আশাশুনি, সাতক্ষীরা " স্কুলে নিরাপদ বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার লক্ষ্মীপুর জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে সুরক্ষিত বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ‘আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা। বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে বাউন্ডারি ওয়াল ছাড়া চালু আছে। ফলে বহিরাগত ব্যক্তি ও গবাদিপশুর অবাধ চলাচল ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান ব্যাহত করে। বহুবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শিশুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং অনেক সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতএব, শিশুদের নিরাপত্তা ও মনোযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে জরুরিভাবে একটি বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শাহীন মিয়া অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর" শিশুদের জন্য খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিষয়: শিশুদের জন্য খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা ও এলাকার এক কন্যা শিশুদের অভিভাবক। আমাদের এলাকায় শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। অনেক শিশু বাড়ির বাইরের খোলা জায়গায় খেলাধুলা করে, যা নিরাপদ নয় এবং সচরাচর দুর্ঘটনার শিকার হয়। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য খেলার মাঠের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এটি শিশুদের মধ্যে সামাজিকতা ও দলগত কাজ শেখার সুযোগ করে দেয়। বর্তমানে আমাদের এলাকার শিশুদের খেলাধুলার জন্য কোনো সুষ্ঠু জায়গা না থাকার কারণে তাদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। অতএব, এলাকার শিশুদের স্বাস্থ্যসম্মত ও সুরক্ষিত খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে একটি খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, সিরাজগঞ্জ সদর" সড়কে চলাচলের জন্য সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বিষয়: ব্যস্ত সড়কে সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমি ঢাকার উত্তরায় বাস করি। আমাদের এলাকার প্রধান সড়কে প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে প্রচণ্ড যানজট এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। যানবাহন ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য একটি সিগন্যাল স্থাপনের প্রয়োজন। বর্তমানে সড়কে যানজট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যা সময়ের অপচয় এবং মানুষের নিরাপত্তা হুমকির কারণ। বিশেষ করে বাচ্চা ও প্রবীণ ব্যক্তিদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ। অতএব, এলাকায় দ্রুত একটি ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করে নিরাপদ ও সুষ্ঠু চলাচলের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক আলিম হোসেন উত্তরা, ঢাকা" গৃহহীনদের জন্য আবাসন প্রকল্প গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাগেরহাট সদর উপজেলা বিষয়: গৃহহীনদের জন্য আবাসন প্রকল্প গ্রহণের আবেদন। জনাব, বাগেরহাট সদর উপজেলার অসংখ্য গৃহহীন পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন বা খোলা আকাশের নিচে দিনাতিপাত করছেন। তাদের নিরাপদ, স্থায়ী ও সাশ্রয়ী মূল্যের বাসস্থানের অভাব রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থাকলেও যথাযথ তথ্য ও সহযোগিতার অভাবে অনেক গৃহহীন প্রকৃত সুবিধাভোগী থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমরা মনে করি, গৃহহীনদের জন্য বিশেষ আবাসন প্রকল্প হাতে নেওয়া প্রয়োজন। অতএব, দয়া করে গৃহহীনদের জীবনমান উন্নয়নে একটি পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প গ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছা. রোকসানা পারভীন বাসিন্দা, বাগেরহাট সদর" স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট সমাধানের আবেদন,"তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার নোয়াখালী জেলা বিষয়: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট সমাধানের আবেদন। জনাব, নোয়াখালী জেলার হাসনাবাদ এলাকার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট বিরাজ করছে। বর্তমানে মোট ৬টি শ্রেণিতে মাত্র ৩ জন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন, যার ফলে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও মনোযোগ কমে গেছে এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক ফলাফল নেতিবাচক প্রভাবিত হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে অতিরিক্ত শিক্ষকের নিয়োগের জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ সাদিকুর রহমান বাসিন্দা, হাসনাবাদ, নোয়াখালী" এলাকার খেলার মাঠে বেল্ট ও স্লাইড স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ৫ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোবিন্দগঞ্জ, দিনাজপুর বিষয়: এলাকার খেলার মাঠে শিশুদের জন্য বেল্ট ও স্লাইড স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা গোরিন বাজার এলাকার অভিভাবকরা, যারা চাই যে আমাদের এলাকার শিশুদের নিরাপদ এবং আধুনিক খেলার সুযোগ নিশ্চিত হোক। বর্তমানে আমাদের এলাকার খেলার মাঠে খেলাধুলার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য আধুনিক ও সুরক্ষিত বেল্ট, স্লাইড ইত্যাদি খেলনার অভাব রয়েছে। এগুলো শিশুদের শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি মনোরঞ্জনেও সাহায্য করবে। তাই আপনাকে অনুরোধ করছি যেন দ্রুত খেলার মাঠে এসব যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। নিবেদক মোছা. সেলিনা পারভীন বাসিন্দা, গোরিন বাজার, দিনাজপুর" জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১০ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচালক পলাশবাড়ী, নীলফামারি বিষয়: জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমাদের পলাশবাড়ী উপজেলার বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সীমিত। দরিদ্র ও অসহায় জনগণ প্রাথমিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আমরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানোর জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। ক্যাম্পে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সহজতর হবে। নিবেদক মোঃ আনিসুর রহমান বাসিন্দা, পলাশবাড়ী, নীলফামারি" এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পুলিস টহল বৃদ্ধি করার আবেদন,"তারিখ: ১৫ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: পুলিশ সুপার কুমিল্লা জেলা বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পুলিশ টহল বৃদ্ধি করার আবেদন। জনাব, কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কে সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যানজট ও অসতর্কতার কারণে বেশ কিছু মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটছে। আমাদের এলাকার বাসিন্দারা সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন হলেও, পুলিশের উপস্থিতি না থাকার কারণে যানবাহন চালকদের অযথা নিয়ম ভঙ্গের প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে। অতএব, অনুরোধ করছি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পুলিশ টহল বৃদ্ধি ও কঠোর আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণের জন্য। নিবেদক মোঃ নুরুল ইসলাম বাসিন্দা, কুমিল্লা সদর" বাচ্চাদের জন্য শহরের নতুন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার আবেদন,"তারিখ: ২০ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: সংস্কৃতি অধিদপ্তর ঢাকা জেলা অফিস বিষয়: শিশু ও কিশোরদের জন্য নতুন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার আবেদন। জনাব, ঢাকার একটি বড় সমস্যা হলো শিশু ও কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত পাঠাগার ও অধ্যয়নকেন্দ্রের অভাব। তারা বিদ্যালয়ের বাইরে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে না। একটি নতুন পাঠাগার শিশুদের জ্ঞানার্জন ও মননশীলতার বিকাশে ভূমিকা রাখবে। আমাদের এলাকার অনেক অভিভাবকই চান, যাতে শিশুরা সুন্দর পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। তাই অনুরোধ করছি দ্রুত নতুন পাঠাগার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। নিবেদক মোঃ জাকির হোসেন বাসিন্দা, মোহাম্মদপুর, ঢাকা" গ্রামের শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল বই বিতরণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার গোপালগঞ্জ জেলা বিষয়: গ্রামের দরিদ্র শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল বই বিতরণের আবেদন। জনাব, গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন দরিদ্র এলাকার শিশুদের বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় বই কেনার সামর্থ্য নেই। এতে তাদের শিক্ষাজীবনে ব্যাঘাত ঘটছে। আমরা বিশ্বাস করি, শিশুদের শিক্ষার সমতা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা খুব জরুরি। অতএব, দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতায় স্কুল বই বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম বাসিন্দা, গোপালগঞ্জ সদর" শহরের সড়কে পথচারীদের জন্য ফুটপাথ নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ৩০ মার্চ ২০২৫ প্রাপক: মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বিষয়: শহরের সড়কে পথচারীদের জন্য ফুটপাথ নির্মাণের আবেদন। জনাব, চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কে পথচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ফুটপাথ নেই। ফলে তাঁরা গাড়ি চলাচলের সড়কে নামতে বাধ্য হন, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে বাচ্চা ও বৃদ্ধদের চলাচলে এটি সমস্যা সৃষ্টি করে। সুন্দর ও সুরক্ষিত ফুটপাথ নির্মাণে দ্রুত উদ্যোগ নিলে পথচারীদের চলাচল সহজতর হবে এবং দুর্ঘটনা কমবে। অতএব, দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কে পথচারীদের জন্য ফুটপাথ নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, চট্টগ্রাম" বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সড়ক সুবিধার আবেদন,"তারিখ: ৫ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক সিলেট জেলা বিষয়: বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সড়ক সুবিধা প্রদান। জনাব, সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকায় বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের চলাচলের জন্য যথাযথ সড়ক সুবিধা নেই। ফুটপাত খুবই সংকীর্ণ এবং উঠানামা পূর্ণ হওয়ায় তাঁদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। সরকারি আইন অনুযায়ী প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের জন্য বিশেষ সড়ক ও র‍্যাম্প নির্মাণের প্রয়োজন। এটি তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে। অতএব, দ্রুত এই সুবিধাগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রফিকুজ্জামান বাসিন্দা, সিলেট সদর " গ্রাম অঞ্চলে উন্নত বিদ্যুত সরবরাহের আবেদন,"তারিখ: ৮ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: এলইডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী রাজশাহী জেলা বিষয়: গ্রাম অঞ্চলে উন্নত বিদ্যুত সরবরাহের আবেদন। জনাব, রাজশাহী জেলার পাশাপাশা গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত দুর্বল ও অনিয়মিত। প্রায় প্রতিদিনই বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন থাকে, যার কারণে কৃষক ও ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। উন্নত বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি যন্ত্রপাতি ও স্থানীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। অতএব, গ্রামাঞ্চলে উন্নত ও অবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাসিন্দা, পাশাপাশা গ্রাম, রাজশাহী" গ্রামের স্কুলের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১০ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিষয়: গ্রামের স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঠাকুরগাঁওয়ের আমার গ্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে কম্পিউটার ল্যাব নেই। বর্তমান যুগে প্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার বিষয়ে কোনো শিক্ষা না পাওয়ায় তারা পিছিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। অতএব, বিদ্যালয়ে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাসান আলী বাসিন্দা, ঠাকুরগাঁও সদর" এলাকার বাসস্ট্যান্ড সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ১২ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: পৌর মেয়র ঝিনাইদহ পৌরসভা বিষয়: এলাকার বাসস্ট্যান্ড সংস্কারের আবেদন। জনাব, ঝিনাইদহ পৌরসভার চাঁদপুর এলাকায় অবস্থিত বাসস্ট্যান্ডটি দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার না হওয়ায় খুবই অপরিষ্কার ও অস্বস্তিকর অবস্থায় রয়েছে। বাসযাত্রীদের জন্য বসার ব্যবস্থা নেই, আশ্রয়ের অভাব রয়েছে এবং আবর্জনা স্তূপিত রয়েছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি হয়। অতএব, বাসস্ট্যান্ডটি সংস্কার করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুষ্ঠু পরিবেশে যাত্রীদের সেবা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রবিউল ইসলাম বাসিন্দা, চাঁদপুর, ঝিনাইদহ" শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ঝালকাঠি জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঝালকাঠির আমাদের সরকারি বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি বিষয়ে পিছিয়ে পড়ছে। আধুনিক শিক্ষার জন্য কম্পিউটার ল্যাব অত্যন্ত জরুরি। অতএব, ল্যাব স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদুল ইসলাম বাসিন্দা, ঝালকাঠি সদর" লাকার পানিতে দূষণ নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৫ প্রাপক: স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিভাগ বরিশাল জেলা বিষয়: এলাকার পানিতে দূষণ নিরসনের আবেদন। জনাব, বরিশালের আমাদের গ্রামে পানির উৎস দূষিত হওয়ায় শুদ্ধ পানি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে অসুস্থতার সংখ্যা বাড়ছে। অতএব, পানির উৎস পরিষ্কার ও দূষণ মুক্ত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন বাসিন্দা, বরিশাল সদর" শহরের প্রবেশপথে গেট নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ৫ মে ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র ফেনী পৌরসভা বিষয়: শহরের প্রবেশপথে গেট নির্মাণের আবেদন। জনাব, ফেনী শহরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার জন্য গেট নির্মাণ প্রয়োজন। এতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ কমবে। অতএব, গেট নির্মাণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শহীদুল ইসলাম বাসিন্দা, ফেনী পৌরসভা" এলাকায় বাস ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আবেদন,"তারিখ: ১০ মে ২০২৫ প্রাপক: জেলা ট্রাফিক কর্মকর্তা সিলেট জেলা বিষয়: এলাকায় বাস ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আবেদন। জনাব, সিলেটের আমাদের এলাকায় বাস চলাচলের সময় অসংগতি ও যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় যাত্রীদের সমস্যা হচ্ছে। অতএব, বাস ট্রাফিকের কার্যকর ব্যবস্থাপনা করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আতিকুর রহমান বাসিন্দা, সিলেট সদর " সরকারি খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন,"তারিখ: ১৫ মে ২০২৫ প্রাপক: জেলা ক্রীড়া সংস্থা ময়মনসিংহ জেলা বিষয়: সরকারি খেলার মাঠ সংস্কারের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহের সরকারি খেলার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। এতে ক্রীড়াবিদ ও যুব সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, দ্রুত সংস্কারের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শাহজাহান আলী বাসিন্দা, ময়মনসিংহ সদর" এলাকার বিদ্যুতের সমস্যার দ্রুত সমাধানের আবেদন,"তারিখ: ২০ মে ২০২৫ প্রাপক: উপ-অধিনায়ক বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজার বিষয়: এলাকায় বিদ্যুতের সমস্যার দ্রুত সমাধানের আবেদন। জনাব, কক্সবাজারের আমাদের এলাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও লোডশেডিং সমস্যা সৃষ্টি হয়। এতে লোকজনের দৈনন্দিন জীবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, দ্রুত বিদ্যুতের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ মাহফুজুর রহমান বাসিন্দা, কক্সবাজার সদর " গ্রাম এলাকায় উন্নত সড়ক নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ মে ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বান্দরবান সদর উপজেলা বিষয়: গ্রাম এলাকায় উন্নত সড়ক নির্মাণের আবেদন। জনাব, বান্দরবান জেলার আমাদের গ্রামের সড়কগুলো দুর্বল ও মাটির কারণে বর্ষায় চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে কৃষিজীবীরা পণ্য বাজারে নিয়ে যাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। উন্নত সড়ক নির্মাণ না হলে এই দুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে। অতএব, অবিলম্বে উন্নত সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আবুল কাশেম বাসিন্দা, বান্দরবান সদর" স্কুলে নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা গড়ার আবেদন,"তারিখ: ৩০ মে ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার রংপুর জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা গড়ার আবেদন। জনাব, রংপুর জেলার সরকারি বিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশে নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই। এতে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের অসুস্থতার ঝুঁকি রয়েছে। অতএব, বিদ্যালয়ে পানীয় জল সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম বাসিন্দা, রংপুর সদর" শহরে শিশু পার্ক নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ৫ জুন ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান ময়মনসিংহ পৌরসভা বিষয়: শহরে শিশু পার্ক নির্মাণের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ শহরের শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল খেলার জায়গার অভাব রয়েছে। একটি আধুনিক শিশু পার্ক শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে। অতএব, দ্রুত একটি শিশু পার্ক নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছা. রুমানা আক্তার বাসিন্দা, ময়মনসিংহ পৌরসভা " বন্যা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সহায়তার আবেদন,"তারিখ: ১০ জুন ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক সিলেট জেলা বিষয়: বন্যা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সহায়তার আবেদন। জনাব, সিলেট জেলার অনেক এলাকা সাম্প্রতিক বন্যায় বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখানে খাদ্য, পানি ও ঔষধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দুর্ভিক্ষ ও রোগ বিস্তার রোধে দ্রুত ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন। অতএব, বন্যা দুর্গত এলাকায় জরুরি ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ কামরুল হাসান বাসিন্দা, সিলেট সদর" গ্রামে স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ১৫ জুন ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কক্সবাজার উপজেলা বিষয়: স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। জনাব, কক্সবাজারের গ্রামীণ এলাকাগুলোতে স্যানিটেশন ব্যবস্থা দুর্বল এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কম। ফলে রোগব্যাধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য কর্মশালা আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। অতএব, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালা আয়োজনের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ আজিজুর রহমান বাসিন্দা, কক্সবাজার" শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আবেদন,"তারিখ: ২০ জুন ২০২৫ প্রাপক: মেয়র ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বিষয়: শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক না হওয়ায় পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে চাই। অতএব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন" এলাকায় নিরাপদ শিশু পরিবহনের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুন ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা চেয়ারম্যান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবহনের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শিশু শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় নিরাপত্তাহীনতার কারণে বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন। অতএব, শিশু পরিবহনের জন্য বিশেষ বাস/রিকশা ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছা. লিলি আক্তার বাসিন্দা, গোবিন্দগঞ্জ" স্কুলে পরিবেশ বান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন,"তারিখ: ৩০ জুন ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার বগুড়া জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে পরিবেশ বান্ধব উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। জনাব, বগুড়া জেলার একটি সরকারি বিদ্যালয়ে পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ ও প্লাস্টিক ব্যবহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। অতএব, বিদ্যালয়ে পরিবেশ বান্ধব কার্যক্রম গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন বাসিন্দা, বগুড়া সদর" সড়কে ট্রাফিক সাইন ও গতি নিয়ন্ত্রণের আবেদন,"তারিখ: ৫ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: জেলা ট্রাফিক কর্মকর্তা ঝালকাঠি জেলা বিষয়: সড়কে ট্রাফিক সাইন ও গতি নিয়ন্ত্রণের আবেদন। জনাব, ঝালকাঠির ব্যস্ত সড়কে ট্রাফিক সাইন ও গতি নিয়ন্ত্রণের অভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে। পথচারী ও যানজট নিয়ন্ত্রণে এই ব্যবস্থা জরুরি। অতএব, দ্রুত ট্রাফিক সাইন স্থাপন ও গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাসিন্দা, ঝালকাঠি সদর" এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ১০ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: প্রধান প্রকৌশলী স্থানীয় সরকার বিভাগ বিষয়: এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত হওয়ায় পরিবেশ দূষণ এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার প্রয়োজন। অতএব, আপনার দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাসান আলী বাসিন্দা, ঢাকা" বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রমের আবেদন,"তারিখ: ১৫ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নরসিংদী উপজেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রমের আবেদন। জনাব, নরসিংদীর একটি সরকারি বিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না হওয়ায় বিভিন্ন রোগ সনাক্তকরণ বিলম্বিত হচ্ছে। অতএব, বিদ্যালয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ তরিকুল ইসলাম বাসিন্দা, নরসিংদী সদর" এলাকায় বিদ্যুতের লাইন স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২০ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা বিদ্যুৎ প্রকৌশলী নওগাঁ সদর উপজেলা বিষয়: গ্রামের দূর্গম এলাকায় বিদ্যুতের লাইন স্থাপনের আবেদন। জনাব, নওগাঁ জেলার দূর্গম এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামে বিদ্যুতের লাইন না থাকার কারণে এলাকার মানুষ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বিদ্যুতের প্রবেশ জরুরি। অতএব, দ্রুত বিদ্যুতের লাইন স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রিয়াদ হাসান বাসিন্দা, নওগাঁ সদর" শহরের আবর্জনা নিক্ষেপ স্থানের উন্নয়নের আবেদন,"তারিখ: ২৫ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র যশোর পৌরসভা বিষয়: শহরের আবর্জনা নিক্ষেপ স্থানের উন্নয়নের আবেদন। জনাব, যশোর শহরের আবর্জনা নিক্ষেপ স্থান অপরিষ্কার ও দূষিত হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়নের প্রয়োজন। অতএব, আবর্জনা নিক্ষেপ স্থানের উন্নয়নের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুর রহমান বাসিন্দা, যশোর পৌরসভা" স্কুলে শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন,"তারিখ: ৩০ জুলাই ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার কুমিল্লা জেলা বিষয়: শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। জনাব, কুমিল্লার সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষাদানের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার মান উন্নত হবে। অতএব, দ্রুত প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আজিজুল হক বাসিন্দা, কুমিল্লা সদর" এলাকার রাস্তার নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ৫ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা প্রকৌশলী কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিষয়: রাস্তার নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণের আবেদন। জনাব, কুষ্টিয়ার একটি ব্যস্ত সড়কে নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেষ্টনী নির্মাণ জরুরি। অতএব, দ্রুত বেষ্টনী নির্মাণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাজমুল হোসেন বাসিন্দা, কুষ্টিয়া সদর " বিদ্যালয়ে আগুন নির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ১০ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার সুনামগঞ্জ জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে আগুন নির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন। জনাব, সুনামগঞ্জের একটি সরকারি বিদ্যালয়ে আগুন নির্বাপক যন্ত্রপাতি না থাকার কারণে স্কুলের শিশু ও শিক্ষকদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। অতএব, আগুন নির্বাপক ব্যবস্থা দ্রুত স্থাপনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, সুনামগঞ্জ সদর" গ্রামে বিদ্যুতের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন,"তারিখ: ১৫ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝিনাইদহ সদর উপজেলা বিষয়: গ্রামের বিদ্যুতের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। জনাব, ঝিনাইদহ জেলার আমাদের গ্রামের বিদ্যুতের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়ছেন। অতএব, স্থায়ী ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আনিসুর রহমান বাসিন্দা, ঝিনাইদহ সদর" শহরে যানজট কমানোর জন্য পার্কিং ব্যবস্থা নির্মাণের আবেদন,"তারিখ: ২০ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র রাজশাহী পৌরসভা বিষয়: যানজট কমানোর জন্য পার্কিং ব্যবস্থা নির্মাণের আবেদন। জনাব, রাজশাহী শহরে যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে যার বড় কারণ পার্কিংয়ের অভাব। অযত্নে থাকা যানবাহন চলাচল ব্যাহত করছে। অতএব, শহরে আধুনিক পার্কিং ব্যবস্থা নির্মাণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ কামাল হোসেন বাসিন্দা, রাজশাহী পৌরসভা" স্কুলে ছাত্রদের জন্য সাইকেল পার্কিং স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২৫ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার চাঁদপুর জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে সাইকেল পার্কিং স্থাপনের আবেদন। জনাব, চাঁদপুরের একটি সরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্রদের জন্য সাইকেল পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। ফলে অনেক সাইকেল খোলা জায়গায় রাখা হয় যা নিরাপত্তাহীন। অতএব, বিদ্যালয়ে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত সাইকেল পার্কিং স্থাপনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদুল ইসলাম বাসিন্দা, চাঁদপুর সদর" এলাকার খাল পরিষ্কার ও গভীর করার আবেদন,"তারিখ: ৩০ আগস্ট ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা প্রকৌশলী বাগেরহাট জেলা বিষয়: এলাকার খাল পরিষ্কার ও গভীর করার আবেদন। জনাব, বাগেরহাট জেলার আমাদের এলাকার খালগুলো ময়লা ও পলিময় হওয়ায় বর্ষায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে বন্যার ঝুঁকি বাড়ে। খাল পরিষ্কার ও গভীর করার প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত খাল পরিষ্কার ও গভীর করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নূরুল ইসলাম বাসিন্দা, বাগেরহাট সদর" গ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট নিরসনের আবেদন,"তারিখ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: বিটিআরসি চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বিষয়: মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকট নিরসনের আবেদন। জনাব, আমি বগুড়া জেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক খুবই দুর্বল, ফলে জরুরি সময়ে যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে। শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে পারে না এবং কৃষকরা বাজার সংক্রান্ত তথ্য পায় না। অতএব, আমাদের এলাকায় একটি মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করে নেটওয়ার্ক সমস্যা নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম বাসিন্দা, শেরপুর, বগুড়া" শহরের খোলা নালাগুলোর ঢাকনা দেওয়ার আবেদন," তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র বরিশাল পৌরসভা বিষয়: খোলা ড্রেন বা নালায় ঢাকনা দেওয়ার আবেদন। জনাব, বরিশাল শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় খোলা নালা বা ড্রেন থাকায় দুর্ঘটনা, দুর্গন্ধ ও রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। শিশু ও বৃদ্ধরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকিতে রয়েছেন। অতএব, খোলা নালাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকনা স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শামীম হোসেন বাসিন্দা, বরিশাল সদর " শহরের পুকুর সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতার আবেদন," তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা নির্বাহী কর্মকর্তা নরাইল পৌরসভা বিষয়: পৌর পুকুর সংস্কার ও পরিষ্কারের আবেদন। জনাব, নরাইল শহরের একটি সরকারি পুকুর বহুদিন ধরে অব্যবহৃত ও অপরিষ্কার অবস্থায় আছে। পুকুরের পানি এখন ব্যবহারের অযোগ্য ও মশা উৎপত্তির কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। অতএব, দ্রুত পুকুরটি পরিষ্কার করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আনোয়ার হোসেন বাসিন্দা, নরাইল পৌরসভা" স্কুলে ছাত্রীদের জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা করার আবেদন,"তারিখ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাদারীপুর জেলা বিষয়: ছাত্রীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণের আবেদন। জনাব, মাদারীপুরের একটি বিদ্যালয়ে এখনো ছাত্রীদের জন্য পৃথক ও নিরাপদ টয়লেট নেই। এতে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও অসুবিধা দেখা দিচ্ছে। অতএব, ছাত্রীদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে টয়লেট নির্মাণের আবেদন করছি। নিবেদক মোছা. সালমা আক্তার বাসিন্দা, মাদারীপুর সদর" সরকারি হাসপাতালের ঔষধ ঘাটতি পূরণের আবেদন," তারিখ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: সিভিল সার্জন রাঙ্গামাটি জেলা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহের আবেদন। জনাব, রাঙ্গামাটির সদর হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ঔষধ পাওয়া যাচ্ছে না। দরিদ্র রোগীরা প্রাইভেট ফার্মেসি থেকে কিনতে পারছে না। এতে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। অতএব, হাসপাতালে পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রাজু আহমেদ বাসিন্দা, রাঙ্গামাটি সদর" এলাকায় ফায়ার স্টেশন স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রাপক: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মহাপরিচালক ঢাকা বিষয়: অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এলাকায় ফায়ার স্টেশন স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় নিকটস্থ কোনো ফায়ার স্টেশন নেই। ফলে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়। অতএব, আমাদের এলাকায় একটি ফায়ার স্টেশন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সোহেল রানা বাসিন্দা, গাইবান্ধা সদর" শহরে মহিলা নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৫ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র টাঙ্গাইল পৌরসভা বিষয়: রাতে চলাচলের জন্য শহরে স্ট্রিট লাইট বসানোর আবেদন। জনাব, টাঙ্গাইল শহরের অনেক জায়গায় রাতে আলো না থাকায় নারী ও পথচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। অপরাধের আশঙ্কাও বাড়ছে। অতএব, শহরের অন্ধকার এলাকাগুলোতে দ্রুত স্ট্রিট লাইট বসানোর আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছা. রাবেয়া সুলতানা বাসিন্দা, টাঙ্গাইল" বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিরাজগঞ্জ জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, সিরাজগঞ্জের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানাগার না থাকায় শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে তারা পরীক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞানাগার স্থাপনের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হানিফুল ইসলাম বাসিন্দা, সিরাজগঞ্জ সদর" শহরে ব্যায়ামাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা বিষয়: পৌর এলাকায় একটি গণ ব্যায়ামাগার নির্মাণের আবেদন। জনাব, মুন্সিগঞ্জ শহরে স্বাস্থ্যসচেতন নাগরিকদের জন্য কোনো ব্যায়ামাগার নেই। এতে যুবসমাজ শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখতে পারছে না। অতএব, একটি আধুনিক ও উন্মুক্ত ব্যায়ামাগার নির্মাণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফারুক হোসেন বাসিন্দা, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা " গ্রামের পঞ্চায়েত অফিসে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২০ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাটোর সদর ইউনিয়ন বিষয়: পঞ্চায়েত অফিসে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের আবেদন। জনাব, নাটোর সদর ইউনিয়নের পঞ্চায়েত অফিসে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় অনলাইন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি তথ্য ও সেবা পেতে সমস্যা হচ্ছে। অতএব, দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করে জনগণকে ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ মাহমুদুল হাসান বাসিন্দা, নাটোর সদর " মসজিদের পাশে যাত্রী ছাউনির ব্যবস্থা করার আবেদন," তারিখ: ২৫ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র সাতক্ষীরা পৌরসভা বিষয়: মসজিদের পাশে যাত্রী ছাউনির ব্যবস্থা করার আবেদন। জনাব, সাতক্ষীরা পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ মসজিদের পাশে বাস স্টপ থাকলেও কোনো যাত্রী ছাউনি নেই। ফলে মুসল্লি ও পথচারীরা রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ে কষ্ট ভোগ করেন। অতএব, মানবিক দিক বিবেচনায় মসজিদের পাশে একটি যাত্রী ছাউনির ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুজ্জামান বাসিন্দা, সাতক্ষীরা পৌরসভা" মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৮ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক পাবনা জেলা বিষয়: মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কারের আবেদন। জনাব, পাবনা জেলার ঐতিহাসিক মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভটির অবস্থার অবনতি ঘটেছে। এটি অযত্নে পড়ে থাকায় নতুন প্রজন্ম তেমন উৎসাহ পাচ্ছে না ইতিহাস জানার। অতএব, স্মৃতিস্তম্ভটি দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মাসুদ রানা বাসিন্দা, পাবনা সদর" রেলস্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আবেদন," তারিখ: ৩০ অক্টোবর ২০২৫ প্রাপক: বাংলাদেশ রেলওয়ে মহাপরিচালক ঢাকা বিষয়: রেলস্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আবেদন। জনাব, আমার এলাকা সংলগ্ন রেলস্টেশনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় চুরি, ছিনতাই ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে নারী ও শিশু যাত্রীদের নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে হয়। অতএব, নিরাপত্তা বাহিনী বাড়ানোসহ স্টেশন এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও নিরাপত্তা জোরদার করার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সায়েম হাসান বাসিন্দা, নাটোর" শহরের বিভিন্ন স্থানে গণপাঠাগার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার ফরিদপুর জেলা বিষয়: শহরের বিভিন্ন স্থানে গণপাঠাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে গণপাঠাগার স্থাপন অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে সাধারণ মানুষও জ্ঞানচর্চায় অংশ নিতে পারবে। অতএব, শহরের প্রধান এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত গণপাঠাগার স্থাপন করে পড়ুয়াদের জন্য জ্ঞান আহরণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাফিজুল ইসলাম বাসিন্দা, ফরিদপুর " নদীতে নৌকাঘাট স্থাপন ও সেতু নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৫ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী ঢাকা বিষয়: নদীপথে যাতায়াতের জন্য নৌকাঘাট ও সেতু নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকা দুই ভাগে বিভক্ত নদীর কারণে। প্রতিদিন শত শত মানুষ নৌকা দিয়ে পারাপার হয়। কিন্তু কোনো ঘাট বা সেতু না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে। অতএব, দ্রুত একটি ঘাট ও একটি সংযোগ সেতু নির্মাণ করে জনগণের যাতায়াত সহজ করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম বাসিন্দা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ " বিদ্যালয়ে মিডডে মিল কার্যক্রম চালুর আবেদন," রিখ: ৮ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝিনাইগাতী, শেরপুর বিষয়: বিদ্যালয়ে মিডডে মিল কার্যক্রম চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুলে অনেক গরিব শিক্ষার্থী রয়েছে যারা ক্ষুধার কারণে শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দিতে পারে না। মিডডে মিল চালু হলে তাদের উপস্থিতি ও শিক্ষার মান উভয়ই বৃদ্ধি পাবে। অতএব, মিডডে মিল কার্যক্রম চালুর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সেলিম মিয়া বাসিন্দা, ঝিনাইগাতী" বয়স্ক ভাতার কার্ড নবায়নের আবেদন," তারিখ: ১০ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিকগঞ্জ জেলা বিষয়: বয়স্ক ভাতার কার্ড নবায়নের আবেদন। জনাব, আমার বাবা একজন বৃদ্ধ। তাঁর বয়স্ক ভাতার কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে, এখন পর্যন্ত নবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এতে তিনি মাসিক ভাতাও পাচ্ছেন না। অতএব, দ্রুত কার্ডটি নবায়ন করে নিয়মিত ভাতা পাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ কামরুজ্জামান বাসিন্দা, সিঙ্গাইর, মানিকগঞ্জ" গ্রামে কৃষি উপকরণ বিতরণের আবেদন," তারিখ: ১২ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: কৃষি অফিসার জয়পুরহাট জেলা বিষয়: গরিব কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণের আবেদন। জনাব, জয়পুরহাট জেলার গরিব কৃষকরা উচ্চমূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক কিনতে পারছে না। ফলে উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। অতএব, সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বা ভর্তুকিমূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মিজানুর রহমান বাসিন্দা, জয়পুরহাট" প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের," তারিখ: ১৫ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকা বিষয়: প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপযোগী বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ে কয়েকজন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রয়েছে যারা সাধারণ পদ্ধতিতে পড়ালেখা করতে পারে না। তাদের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত একজন বিশেষ শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ জাহিদুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক নাটোর" বাজার এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৮ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা চেয়ারম্যান ঠাকুরগাঁও বিষয়: বাজারে চুরি ও অপরাধ রোধে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঠাকুরগাঁওয়ের প্রধান বাজারে প্রায়ই চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। সিসি ক্যামেরা না থাকায় অপরাধীদের শনাক্ত করা কঠিন। অতএব, বাজার এলাকায় পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রেজাউল করিম বাসিন্দা, ঠাকুরগাঁও " স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে শৌচাগারের ব্যবস্থা করার আবেদন," তারিখ: ২০ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র নরসিংদী পৌরসভা বিষয়: স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের আবেদন। জনাব, নরসিংদী বাসস্ট্যান্ডে প্রতিদিন বহু যাত্রী যাতায়াত করেন, কিন্তু কোনো পাবলিক টয়লেট না থাকায় তারা চরম অসুবিধার সম্মুখীন হন। নারী যাত্রীদের জন্য এটি আরও দুর্ভোগজনক। অতএব, অবিলম্বে বাসস্ট্যান্ডে নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগার স্থাপনের অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মনিরুজ্জামান বাসিন্দা, নরসিংদী" শহরে ডাস্টবিন সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ২২ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: মেয়র রাজবাড়ী পৌরসভা বিষয়: শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন স্থাপনের আবেদন। জনাব, রাজবাড়ী শহরে ডাস্টবিনের সংখ্যা কম হওয়ায় অনেকেই আবর্জনা রাস্তায় ফেলে দেন, ফলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। অতএব, শহরের প্রতিটি মোড়ে ও জনবহুল এলাকায় ডাস্টবিন স্থাপনের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বাসিন্দা, রাজবাড়ী" র্ভবতী মায়েদের জন্য স্বাস্থ্য শিবির পরিচালনার আবেদন," তারিখ: ২৫ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লালমনিরহাট বিষয়: গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য শিবির পরিচালনার আবেদন। জনাব, লালমনিরহাটে অনেক গর্ভবতী নারী রয়েছেন যারা নিয়মিত চিকিৎসা পান না। ফলে মা ও শিশুর মৃত্যুহার বেড়ে যাচ্ছে। অতএব, গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্য শিবির আয়োজনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আলমগীর হোসেন বাসিন্দা, লালমনিরহাট " শহরের পার্কগুলোতে ওয়াইফাই সেবা চালুর আবেদন," তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ঢাকা বিষয়: শহরের পাবলিক পার্কে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সংযোগের আবেদন। জনাব, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পাবলিক পার্কে ওয়াইফাই থাকলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্য সামগ্রী পড়তে পারবে এবং কর্মজীবী মানুষ দ্রুত তথ্য পাবে। অতএব, বিনামূল্যে ওয়াইফাই সংযোগ স্থাপন করে সকলের জন্য ডিজিটাল সুবিধা নিশ্চিত করার আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ ইমরান হোসেন বাসিন্দা, ঢাকা উত্তর" শহরে বয়স্কদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান কিশোরগঞ্জ বিষয়: বয়স্ক নাগরিকদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, শহরের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বসার বা সামাজিক মেলামেশার সুযোগ নেই। এতে তারা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছেন। অতএব, একটি প্রবীণ নিবাস বা বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আজহারুল ইসলাম বাসিন্দা, কিশোরগঞ্জ " স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গাইবান্ধা বিষয়: বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুলে কোনো কম্পিউটার ল্যাব নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা আইসিটি বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না। অতএব, আধুনিক একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক, গাইবান্ধা" গ্রামের রাস্তায় সৌরবাতি স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বিষয়: গ্রামের রাস্তায় সৌরবাতি স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নারী ও বৃদ্ধদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। অতএব, সৌরবিদ্যুৎচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শাহীন মিয়া বাসিন্দা, বগুড়া" শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনের আবেদন," তারিখ: ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক ঢাকা বিষয়: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনার আবেদন। জনাব, বর্তমানে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার লক্ষণীয়। এটি রোধে নিয়মিত ক্যাম্পেইনের প্রয়োজন। অতএব, প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগে মাদকবিরোধী কর্মসূচি পরিচালনার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাজমুল হাসান বাসিন্দা, ঢাকা" শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত করার আবেদন," তারিখ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র চট্টগ্রাম বিষয়: ফুটপাত হকারমুক্ত করার আবেদন। জনাব, চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ ফুটপাতগুলো হকারদের দখলে থাকায় পথচারীরা বাধাপ্রাপ্ত হন। দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বেড়ে যাচ্ছে। অতএব, ফুটপাতগুলো হকারমুক্ত করে জনগণের চলাচলের উপযোগী করে তোলার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাকিব হোসেন বাসিন্দা, চট্টগ্রাম" শহরে খেলার মাঠ রক্ষা ও আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ঢাকা বিষয়: খেলার মাঠ রক্ষা ও আধুনিকায়নের আবেদন। জনাব, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জন্য মাঠের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কিন্তু অনেক মাঠ দখল বা বেহাল অবস্থায় আছে। অতএব, মাঠগুলো সংস্কার ও আধুনিকায়নের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রাসেল আহমেদ বাসিন্দা, সিলেট " গ্রামে চিকিৎসকের জন্য একটি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: সিভিল সার্জন নেত্রকোনা জেলা বিষয়: গ্রামে চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, নেত্রকোনার প্রত্যন্ত গ্রামে কোনো হাসপাতাল বা চিকিৎসাকেন্দ্র নেই। রোগীদের অনেক দূর যেতে হয়, ফলে অনেকেই চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করে। অতএব, একটি প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করে এলাকাবাসীর চিকিৎসা নিশ্চিত করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাবিবুর রহমান বাসিন্দা, নেত্রকোনা" শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুদ্ধ বানান ও ভাষাচর্চা প্রতিযোগিতার আবেদন," তারিখ: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার মেহেরপুর জেলা বিষয়: ভাষাচর্চা ও বানান প্রতিযোগিতা চালুর আবেদন। জনাব, শিক্ষার্থীদের মাঝে শুদ্ধ বাংলা ভাষা ও বানানচর্চার মান নিম্নমুখী। ভাষার প্রতি ভালোবাসা বাড়াতে প্রতিযোগিতা প্রয়োজন। অতএব, প্রতিটি স্কুলে শুদ্ধ ভাষাচর্চা বিষয়ক নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজনের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রাকিবুল হাসান বাসিন্দা, মেহেরপুর" বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং চালুর আবেদন," তারিখ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঢাকা বিষয়: বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমান শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপে ভুগছে। বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে। মানসিক সহায়তার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কাউন্সেলরের প্রয়োজন। অতএব, প্রতিটি বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কাউন্সেলিং ব্যবস্থা চালুর জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আশিকুর রহমান বাসিন্দা, নরায়ণগঞ্জ" শহরের পানির পাইপলাইন সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: ওয়াসা ব্যবস্থাপক ময়মনসিংহ বিষয়: পুরনো ও লিক হওয়া পানির পাইপলাইনের সংস্কারের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন স্থানে পানি সরবরাহ পাইপ পুরনো ও লিক হওয়ায় পানি অপচয় হচ্ছে এবং অনেক সময় ময়লা পানিও আসছে। অতএব, অবিলম্বে পাইপলাইন মেরামত ও আধুনিকায়নের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ শামীম আহমেদ বাসিন্দা, ময়মনসিংহ" শহরে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আবেদন," তারিখ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র ফেনী পৌরসভা বিষয়: টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার আবেদন। জনাব, শহরে প্রতিদিন প্রচুর বর্জ্য সৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু সঠিকভাবে নিষ্পত্তি না হওয়ায় তা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিকল্পিত পদ্ধতির ব্যবহার নিশ্চিত করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফারহানুল ইসলাম বাসিন্দা, ফেনী " রাস্তায় গর্ত সংস্কারের জরুরি আবেদন," তারিখ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী কুড়িগ্রাম বিষয়: শহরের রাস্তায় গর্ত সংস্কারের আবেদন। জনাব, কুড়িগ্রামের বেশ কিছু প্রধান সড়কে বড় বড় গর্ত হয়েছে, ফলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। অতএব, দ্রুত রাস্তাগুলোর মেরামত করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মাসুম বিল্লাহ বাসিন্দা, কুড়িগ্রাম " গ্রামে স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরগুনা বিষয়: গ্রামে স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপনের আবেদন। জনাব, গ্রামের অনেক পরিবার এখনও খোলা জায়গায় প্রাকৃতিক কর্ম সম্পাদন করে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। অতএব, পরিবারগুলোর জন্য সরকারি সহযোগিতায় স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শাহাবুদ্দিন বাসিন্দা, বরগুনা " নদীভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড ঢাকা বিষয়: নদীভাঙন রোধে প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে প্রতি বর্ষায় নদীভাঙনে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হয়। প্রতি বছর শত শত মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে। অতএব, নদীর পাড়ে একটি শক্ত বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের এলাকা রক্ষা করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ মতিয়ার রহমান বাসিন্দা, লালপুর, নাটোর" শিশুশ্রম নিরসনে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা প্রশাসক জামালপুর বিষয়: শিশুশ্রম নিরসনে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, জামালপুর শহরে অনেক শিশু শিক্ষার বয়সে শ্রমে নিযুক্ত হচ্ছে। এটা শিশু অধিকার ও ভবিষ্যতের জন্য হুমকি। অতএব, শিশুশ্রম বন্ধে কঠোর তদারকি ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাঈম হাসান বাসিন্দা, জামালপুর" পাহাড়ি এলাকায় স্কুলে যাতায়াতে বাসের আবেদন," তারিখ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার বান্দরবান বিষয়: পাহাড়ি এলাকায় স্কুলে যাতায়াতের জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য বাসের আবেদন। জনাব, পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন বহু দূর পাহাড় পেরিয়ে স্কুলে যেতে হয়। এতে তাদের ক্লাসে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়। অতএব, তাদের যাতায়াত সহজ করতে সরকারি বাস সুবিধা প্রদানের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ তানভীর আহমেদ বাসিন্দা, বান্দরবান" ল্লী এলাকায় নারীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা বিষয়: গ্রামীণ নারীদের জন্য হস্তশিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে হস্তশিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। এতে পরিবার ও সমাজ উপকৃত হবে। অতএব, একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ নূরজাহান বেগম বাসিন্দা, চুয়াডাঙ্গা " শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ট্রাফিক সংকেত বসানোর আবেদন," তারিখ: ৪ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: ট্রাফিক বিভাগ রংপুর বিষয়: দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক সিগনাল বসানোর আবেদন। জনাব, রংপুর শহরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ট্রাফিক লাইট না থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অতএব, প্রয়োজনীয় স্থানে ট্রাফিক সিগনাল বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ জিয়াউল হক বাসিন্দা, রংপুর" বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে নতুন বই সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বই সরবরাহের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে বহু পুরনো ও অপর্যাপ্ত বই রয়েছে। শিক্ষার্থীরা নতুন জ্ঞানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, লাইব্রেরিতে নতুন ও আধুনিক পাঠ্য ও সহপাঠ্য বই সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ শওকত আলী প্রধান শিক্ষক " বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং সুবিধা চালুর আবেদন," তারিখ: ৮ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার পটুয়াখালী বিষয়: ই-লার্নিং কার্যক্রম চালুর আবেদন। জনাব, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা আবশ্যক। আমাদের বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া না থাকায় শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। অতএব, ই-লার্নিং চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ প্রদান করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হোসেন আলী প্রধান শিক্ষক, পটুয়াখালী " শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদানের আবেদন," তারিখ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আর্থিক অক্ষমতায় পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়। অতএব, তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে শিক্ষা উপবৃত্তির ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আবু তাহের বাসিন্দা, শরীয়তপুর" নদী দূষণ রোধে কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আবেদন," তারিখ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: শিল্পকারখানার বর্জ্য নদীতে ফেলার প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন। জনাব, নদীতে ফেলা কারখানার বর্জ্যে পানি দূষিত হচ্ছে এবং জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে। অতএব, এ ধরনের বর্জ্য নদীতে নিষ্কাশন বন্ধে কড়া নজরদারি ও জরিমানার ব্যবস্থা করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হুমায়ুন কবির বাসিন্দা, নারায়ণগঞ্জ" বন্যা দুর্গতদের পুনর্বাসনের আবেদন," তারিখ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বিষয়: বন্যা দুর্গতদের জন্য পুনর্বাসন কার্যক্রম গ্রহণের আবেদন। জনাব, গত বর্ষায় ভয়াবহ বন্যায় শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। এখনও তারা আশ্রয়হীন। অতএব, তাদের জন্য বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে পুনর্বাসনের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রবিউল ইসলাম বাসিন্দা, সুনামগঞ্জ" শহরে গণশৌচাগারের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র বাগেরহাট বিষয়: শহরের ব্যস্ত এলাকায় গণশৌচাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, বাগেরহাট শহরের ব্যস্ত বাজার এলাকায় কোনো পাবলিক টয়লেট নেই। এতে জনসাধারণ, বিশেষত নারীরা, চরম অসুবিধায় পড়েন। অতএব, জরুরি ভিত্তিতে গণশৌচাগার নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ কাওসার আলম বাসিন্দা, বাগেরহাট" বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের," তারিখ: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বিষয়: বিদ্যালয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আবেদন। জনাব, ছাত্রছাত্রীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। অতএব, বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য বাজেট বরাদ্দ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক" শহরের উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করার আবেদন," তারিখ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক ঢাকা বিষয়: উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধকরণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, উন্মুক্ত স্থানে ধূমপানে শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে হয়। অতএব, আইন প্রয়োগ করে জনসমক্ষে ধূমপান নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সালাউদ্দিন আহমেদ বাসিন্দা, ঢাকা" গ্রামে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করার আবেদন,"তারিখ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: সিভিল সার্জন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, বরিশাল বিষয়: গ্রামে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার অন্তর্গত খাজুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামে প্রায় পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ বসবাস করে, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এখানে কোনো পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাকেন্দ্র বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র নেই। ছোটখাটো অসুখ-বিসুখের চিকিৎসার জন্য এলাকার মানুষজনকে অন্তত ১৫ কিলোমিটার দূরে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়, যা বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। বিভিন্ন সময়ে আমাদের গ্রামে ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি-কাশির মতো মৌসুমি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে মানুষ চিকিৎসার অভাবে ভুগে থাকে। এছাড়াও গর্ভবতী নারীদের নিয়মিত চেকআপের কোনো সুযোগ নেই, যার ফলে মাতৃমৃত্যুর হার দিন দিন বাড়ছে। একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও সেটি প্রায় অকার্যকর। প্রয়োজনীয় ওষুধ, প্রশিক্ষিত ডাক্তার বা নার্স নেই বললেই চলে। অতএব, উল্লিখিত সমস্যাগুলো বিবেচনা করে আমাদের এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এতে শুধু এই গ্রাম নয়, পার্শ্ববর্তী আরও কয়েকটি গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে। নিবেদক মোঃ আসিফ জামান সাধারণ প্রতিনিধি গ্রামবাসীর পক্ষে খাজুরিয়া, গৌরনদী, বরিশাল" প্রত্যন্ত গ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC) ঢাকা বিষয়: মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধানে টাওয়ার স্থাপনের আবেদন। জনাব, নিবেদনপত্রের মাধ্যমে আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম “বড়বাড়ি” বর্তমানে চরম মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যার মধ্যে রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ৪জি/৫জি প্রযুক্তির ব্যবহার যেখানে স্বাভাবিক, সেখানে আমাদের এলাকায় ২জি সংযোগও মাঝে মাঝে পাওয়া যায় না। এতে করে শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাস, পরীক্ষার ফর্ম পূরণ কিংবা ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যান্য সুবিধা থেকে সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত। এই এলাকায় অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চাইলেও নেটওয়ার্ক সংকটের কারণে পিছিয়ে পড়ছেন। ছাত্রছাত্রীরা দিনের পর দিন শহরে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া, জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ডাকার জন্য ফোন করাও কঠিন হয়ে পড়ে, যা প্রাণঘাতী পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অতএব, আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ—আমাদের এই এলাকার জন্য একটি মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার দ্রুত স্থাপন করে যোগাযোগব্যবস্থাকে উন্নত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। নিবেদক মোঃ রাজীব হোসেন সাধারণ শিক্ষার্থী বড়বাড়ি, বিরল, দিনাজপুর" খেলার মাঠ দখলমুক্ত করে সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লোহাগড়া, নড়াইল বিষয়: এলাকার একমাত্র খেলার মাঠ সংস্কার ও দখলমুক্ত করার আবেদন। জনাব, আমাদের লোহাগড়া উপজেলার ‘সাদুল্লাপুর’ গ্রামে একমাত্র খেলার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ক্রীড়ামোদী যুবকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ ছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বর্তমানে সেই মাঠটি কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির দখলে চলে গেছে। তাঁরা সেখানে খড়ের গাদা রেখেছে এবং মাঝে মধ্যে পশু বেঁধে রাখে। এর ফলে গ্রামের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যুবসমাজে অবক্ষয় সৃষ্টি হচ্ছে, বাড়ছে মাদকাসক্তি ও অন্য অপরাধ। এছাড়া, প্রতিবছর গ্রামে ‘ঈদ আনন্দ মেলা’, বিজয় দিবসের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সহ নানা অনুষ্ঠান এই মাঠে আয়োজন করা হতো। এখন মাঠটি দখলে থাকায় এসব আয়োজনও বন্ধ হয়ে গেছে। অতএব, আপনার সদয় হস্তক্ষেপে অনুরোধ করছি, উক্ত খেলার মাঠটি দ্রুত দখলমুক্ত করে সংস্কার ও ঘাস রোপণের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যাতে করে শিশু-কিশোরেরা সুস্থ বিনোদন পেতে পারে এবং সমাজে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়। নিবেদক মোঃ জুবায়ের রহমান সাধারণ নাগরিক সাদুল্লাপুর, লোহাগড়া, নড়াইল" শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: প্রধান প্রকৌশলী সিটি কর্পোরেশন, খুলনা বিষয়: জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও উন্নয়নের আবেদন। জনাব, আমরা খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বিগত কয়েক বছর ধরে একটু বৃষ্টিতেই আমাদের এলাকার রাস্তাঘাট ও বাসাবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে হাজী মোড় থেকে উত্তর রোড পর্যন্ত যে ড্রেনগুলো রয়েছে, সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে সড়কে চলাচল অস্বাভাবিকভাবে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, বৃষ্টির সময় শিশুরা স্কুলে যেতে পারে না, রোগীরা হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি করে, এমনকি ঘরের ভেতরে পর্যন্ত পানি ঢুকে পড়ে। এতে মানুষ আর্থিক ক্ষতিসহ মানসিক দুর্ভোগেও পড়ে। স্থানীয়ভাবে অনেকবার ম্যানহোল পরিষ্কার করার আবেদন করা হলেও তা কোনো স্থায়ী সমাধান দেয়নি। অতএব, আমাদের এলাকার স্থায়ী জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রশস্ত ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আশা করি, দ্রুত ব্যবস্থা নিলে আগামী বর্ষা মৌসুমে মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম সাধারণ নাগরিক ২২নং ওয়ার্ড, খুলনা সিটি কর্পোরেশন" প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা শ্রেণিকক্ষ ও সহায়ক শিক্ষকের আবেদন," তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিষয়: প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষকের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে সারাদেশের ন্যায় আমাদের চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্কুলে প্রতিবন্ধী শিশুর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু আমাদের এলাকায় এখনো উপযুক্ত শ্রেণিকক্ষ কিংবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হয়নি। ফলে শ্রবণ, দৃষ্টি বা মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা অন্যদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে না। এই অসহায় শিশুদের অনেকেই মাঝপথে বিদ্যালয় ত্যাগ করছে। অথচ তাদের জন্য আলাদা শ্রেণিকক্ষ, ব্রেইল বই, শ্রবণযন্ত্র বা সহকারী শিক্ষক থাকলে তারা সহজেই শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারতো। অতএব, এ বিষয়ে আপনার দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকায় আমাদের জেলার সকল বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা শ্রেণিকক্ষ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মাইনুল হাসান শিক্ষক, সরকারিভাবে স্বীকৃত বিদ্যালয় চাপাইনবাবগঞ্জ সদর" শহরে নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ বাসস্টপ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: নগর পরিকল্পনাবিদ সিলেট সিটি কর্পোরেশন বিষয়: নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে আধুনিক ও নিরাপদ বাসস্টপ স্থাপনের আবেদন। জনাব, সিলেট শহরের বিভিন্ন স্থানে যাত্রী পরিবহনের জন্য নির্দিষ্ট বাসস্টপ না থাকায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বাসস্ট্যান্ডের অভাব এবং অগোছালো যাত্রী ওঠানামার পরিবেশের কারণে নারীরা কর্মস্থল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না। অধিকাংশ স্থানে ছায়া, বসার জায়গা বা নিরাপত্তা ক্যামেরার কোনো ব্যবস্থা নেই। একইভাবে, স্কুলগামী ছোট শিশুদের জন্য নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। অতএব, নগরবাসীর কল্যাণে ও নারী-শিশুদের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আধুনিক বাসস্টপ নির্মাণ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, ছায়া ও বসার স্থানসহ নিরাপদ অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদক মোঃ কামরুল হাসান সাধারণ যাত্রী সিলেট নগরী" সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর আবেদন," তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল চালুর আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ করছি যে, দেশের বিভিন্ন গ্রামীণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পুষ্টিহীনতা ও অনিয়মিত উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক দরিদ্র পরিবারের শিশুরা সকালবেলা খালি পেটে স্কুলে আসে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। অপরদিকে, আমরা ভারতের মতো দেশেও সফলভাবে মিড-ডে মিল চালুর পর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পুষ্টিমান উভয়ই বেড়েছে। অতএব, আমাদের দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও প্রতিদিন একটি পুষ্টিকর মিড-ডে মিল সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার দপ্তরের আশু পদক্ষেপ কামনা করছি। এর মাধ্যমে শিশুরা যেমন শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হবে, তেমনি অপুষ্টি সমস্যাও কমে আসবে। নিবেদক মোঃ জহিরুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাইবান্ধা" শহরের খোলা তার ও বৈদ্যুতিক ঝুঁকি দূর করার আবেদন," তারিখ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: প্রকৌশলী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, নরসিংদী বিষয়: শহরের বিভিন্ন স্থানে খোলা বৈদ্যুতিক তার অপসারণের আবেদন। জনাব, বর্তমানে নরসিংদী শহরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়কে এবং বাসাবাড়ির আশপাশে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে খোলা তার ঝুলে আছে। বিশেষ করে পুরাতন বাজার মোড়, কলেজ রোড, হাসপাতাল গলি—এইসব স্থানে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। মাঝে মাঝে খোলা তারে আগুন ধরে, দুর্ঘটনাও ঘটে, যা মানুষের জান-মালের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং বিশেষ করে বৃষ্টির সময় চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়। ইতোমধ্যে একটি শিশুর মৃত্যুর ঘটনা আমাদের এলাকায় ঘটেছে। অতএব, এই গুরুতর জননিরাপত্তাজনিত সমস্যার সমাধানে অবিলম্বে ঝুলন্ত ও খোলা তার অপসারণ ও পুনঃনির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সাইদুর রহমান বাসিন্দা, কলেজ রোড, নরসিংদী" শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পথচারী ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: পথচারী পারাপারে ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরের যেসব গুরুত্বপূর্ণ মোড় রয়েছে যেমন—মালিবাগ মোড়, বিজয় সরণি, খিলগাঁও চৌরাস্তায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ রাস্তা পার হয়। কিন্তু অধিকাংশ স্থানে ফুটওভার ব্রিজ না থাকায় মানুষ রাস্তায় ঝুঁকি নিয়ে দৌঁড়ে পার হতে বাধ্য হয়। ফলে সড়ক দুর্ঘটনার হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ে। নাগরিকদের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে ফুটওভার ব্রিজ একটি অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামো। অতএব, উল্লিখিত মোড়সহ অন্যান্য জনবহুল স্থানে অবিলম্বে আধুনিক ডিজাইনের ফুটওভার ব্রিজ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আফজাল হোসেন নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা মহানগর" গ্রামে চাষযোগ্য জমির উন্নয়নে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঝিনাইদহ সদর বিষয়: কৃষককে সহায়তার লক্ষ্যে আধুনিক কৃষিযন্ত্র সরবরাহের আবেদন। জনাব, আমরা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার কৃষক। আমাদের প্রধান জীবিকা কৃষিকাজ হলেও অধিকাংশ কৃষক এখনও হাতে ধান কাটা, মই দিয়ে জমি চাষ, ও গরু দিয়ে হালচাষে নির্ভরশীল। আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে আমরা উৎপাদনে পিছিয়ে পড়ছি, সময় ও শ্রম বেশি লাগছে এবং উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে পাওয়ার টিলার, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, হারভেস্টার ইত্যাদি যন্ত্র অত্যন্ত প্রয়োজন হলেও সেগুলোর দাম আমাদের সাধ্যের বাইরে। সরকারি সহায়তা ছাড়া আমরা এগুলো কিনতে পারি না। অতএব, সরকারি অনুদানে আমাদের অঞ্চলের কৃষকদের জন্য কৃষিযন্ত্র সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম চাষি ও কৃষক প্রতিনিধি ঝিনাইদহ সদর" গ্রামে সরকারি খাদ্য গুদাম স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পাবনা বিষয়: ধান ও গম সংরক্ষণের জন্য সরকারি খাদ্য গুদাম স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমরা পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার চরমধুপুর গ্রামের কৃষক। আমাদের গ্রামে বছরে দু’বার ধান ও একবার গম উৎপাদিত হয়। তবে দুঃখজনকভাবে সরকারি কোনো খাদ্য গুদাম এখানে নেই। ফলে উৎপাদনের পরপরই বাধ্য হয়ে কম দামে মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে আমাদের ফসল বিক্রি করে দিতে হয়। ফসল রাখার জায়গা না থাকায় ন্যায্য মূল্য থেকে আমরা বঞ্চিত হই। প্রায় ৮০% মানুষ কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকদের বড় ক্ষতি হচ্ছে এবং উৎপাদনের উৎসাহ কমে যাচ্ছে। পাশের উপজেলার খাদ্য গুদামে পাঠাতে অনেক খরচ পড়ে, যা আমাদের জন্য আর্থিকভাবে চাপ সৃষ্টি করে। অতএব, আমাদের গ্রামে বা নিকটবর্তী অঞ্চলে একটি সরকারি খাদ্য গুদাম নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদক মোঃ আবদুল মালেক গ্রামবাসীর পক্ষে চরমধুপুর, সাথিয়া, পাবনা" স্কুলে বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রাঙ্গামাটি সদর বিষয়: বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়নে স্কুলে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুল “নানিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়” একটি প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের মধ্যে শতাধিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, বিদ্যালয়ে কোনো বিজ্ঞানাগার নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র বই পড়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, কিন্তু হাতে-কলমে কোনো প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা পাচ্ছে না। এতে তারা উচ্চশিক্ষায় গিয়ে চরম বেকায়দায় পড়ে। এমনকি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণ করতে পারে না। শিক্ষকগণ চাইলেও সঠিকভাবে বিজ্ঞানের ধারণা দিতে পারছেন না যেহেতু প্রজেক্ট বোর্ড, মডেল কিংবা কেমিকেলস-এর ব্যবস্থা নেই। অতএব, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে আমাদের বিদ্যালয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানাগার স্থাপন ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মাহবুবুল হক প্রধান শিক্ষক নানিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি" এলাকায় একটি সরকারি লাইব্রেরি স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক নরসিংদী বিষয়: সাধারণ পাঠকের জন্য সরকারি গণগ্রন্থাগার স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বারৈচা ইউনিয়নে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের বাস। এখানে উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থাকলেও কোনো সরকারি পাঠাগার নেই। পাঠ্যবই ছাড়াও জীবনঘনিষ্ঠ জ্ঞানসম্পন্ন বই, সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ের চাহিদা রয়েছে। তরুণরা সময় কাটায় মোবাইলে কিংবা অসামাজিক কাজকর্মে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি গণগ্রন্থাগার স্থাপন হলে তাদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়বে, পাঠাভ্যাস গড়ে উঠবে এবং মাদক থেকে দূরে থাকবে। এছাড়া, চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জায়গা হবে এটি। অতএব, আমাদের এলাকায় একটি আধুনিক গণগ্রন্থাগার স্থাপন করার জন্য বিশেষভাবে আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাহিদ হাসান ছাত্র প্রতিনিধি বারৈচা, শিবপুর, নরসিংদী" পল্লী এলাকায় কমিউনিটি সেন্টার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঢাকা বিষয়: সামাজিক অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রাম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার “গোলকগঞ্জ” ইউনিয়নের অন্তর্গত। এখানে প্রায় প্রতিদিনই বিয়ের অনুষ্ঠান, দোয়া মাহফিল, ইফতার মাহফিল বা সামাজিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু খোলা মাঠ বা অস্থায়ী টিনের ঘর ছাড়া এসব অনুষ্ঠান করার কোনো সুনির্দিষ্ট জায়গা নেই। অনেক সময় বর্ষায় অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে যায়, আবার রোদে বয়স্করা কষ্ট পান। তাই এলাকার মানুষ একটি কমিউনিটি সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছে। অতএব, জনগণের চাহিদার কথা বিবেচনা করে এখানে একটি সরকারি কমিউনিটি সেন্টার স্থাপনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ হাফিজুর রহমান সাধারণ নাগরিক গোলকগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা" বাজারে নারী ও শিশুদের জন্য বিশ্রামাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র লক্ষ্মীপুর পৌরসভা বিষয়: বাজারে নারী ও শিশুদের বিশ্রামের জন্য আলাদা স্থানের আবেদন। জনাব, লক্ষ্মীপুর শহরের বড়বাজার এলাকাটি অত্যন্ত ব্যস্ত ও জনবহুল। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে কেনাকাটা করতে আসেন। কিন্তু এখানে নারীদের জন্য কোনো বিশ্রামের জায়গা নেই। বয়স্ক নারী বা শিশুদের নিয়ে যারা আসেন, তারা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন। এই সমস্যা দিনে দিনে প্রকট হচ্ছে। গর্ভবতী নারী, শিশু কিংবা অসুস্থদের জন্য বসার ব্যবস্থা না থাকায় তাদের দুর্ভোগ হয়। অতএব, নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও শীতল বিশ্রামাগার নির্মাণ করে সবার জন্য একটি সম্মানজনক বাজার পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ ইয়াসিন হোসেন সাধারণ ব্যবসায়ী বড়বাজার, লক্ষ্মীপুর " পল্লী এলাকায় নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর আবেদন," তারিখ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বগুড়া জেলা বিষয়: নারীদের আর্থিক স্বনির্ভরতায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, আমরা বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার বাসিন্দা। এখানে অনেক নারী রয়েছে যারা সেলাই, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য তৈরি, বুটিক কাজ শিখতে আগ্রহী। কিন্তু প্রশিক্ষণ কেন্দ্র না থাকায় তারা কোনোভাবে এগিয়ে যেতে পারছে না। একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হলে তারা উদ্যোক্তা হতে পারবে, সংসারে আর্থিক সহযোগিতা দিতে পারবে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং বাল্যবিবাহ বা নির্ভরশীলতা কমবে। অতএব, ধুনট উপজেলায় একটি সরকারি নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ রাবিয়া খাতুন স্থানীয় নারী প্রতিনিধি ধুনট, বগুড়া" শহরে কুকুরের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের আবেদন," তারিখ: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর প্রশাসক রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন বিষয়: শহরে বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে গেছে। এরা রাস্তায় হুট করে দৌড়ানোর ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে, রাতের বেলায় মানুষের চলাচলে ভয় সৃষ্টি করছে এবং মাঝে মাঝে শিশুদের কামড়ে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। অতএব, কুকুরগুলোকে সঠিকভাবে ধরা, টিকা দেওয়া ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যবিভাগের সহায়তায় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুল ইসলাম সাধারণ নাগরিক মতিহার, রাজশাহী" জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে খোলা নর্দমা ঢেকে ফেলার আবেদন," তারিখ: ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজীপুর সদর বিষয়: খোলা নর্দমা ঢেকে জনস্বাস্থ্য রক্ষার আবেদন। জনাব, গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌর এলাকায় বিভিন্ন রাস্তায় খোলা নর্দমা রয়েছে, যা দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে এবং মশা-মাছির আধার হয়ে উঠেছে। অনেক সময় পথচারী পড়ে গিয়ে আহত হয়। জনস্বার্থে এগুলো ঢেকে ফেলা অত্যন্ত জরুরি। নিবেদক মোঃ মাহবুব আলম বাসিন্দা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর" গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপন করার আবেদন," তারিখ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তালা, সাতক্ষীরা বিষয়: পানির সমস্যা নিরসনে গভীর নলকূপ স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে, ফলে সাধারণ নলকূপ দিয়ে পানি পাওয়া যায় না। মানুষের দৈনন্দিন পানির চাহিদা পূরণে গভীর নলকূপ প্রয়োজন। অতএব, সরকারি তহবিল থেকে অন্তত একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মুনিরুজ্জামান বাসিন্দা, তালা, সাতক্ষীরা" স্কুলে বার্ষিক বিজ্ঞান মেলা আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: প্রধান শিক্ষক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর বিষয়: বিজ্ঞানমেলা আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, বিজ্ঞানের চর্চা বাড়াতে বিদ্যালয়ে বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজন প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায়। অতএব, বিদ্যালয়ে একটি বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল চিন্তা চর্চার সুযোগ করে দেওয়ার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাজমুল ইসলাম সহকারী শিক্ষক, বিজ্ঞান বিভাগ দিনাজপুর" গ্রামের রাস্তাগুলোর ইটসোলিং ও সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা প্রকৌশলী নবীনগর উপজেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিষয়: গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে ইটসোলিং ও সংস্কার কাজের জন্য আবেদন। জনাব, আমরা নবীনগর উপজেলার অন্তর্গত চরলাপাং গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের গ্রাম সংলগ্ন রাস্তাগুলো দীর্ঘদিন যাবৎ কাঁচা ও বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাগুলো কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী, রোগী এবং সাধারণ মানুষজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে চরলাপাং বাজার থেকে দক্ষিণপাড়া মসজিদ পর্যন্ত রাস্তাটির অবস্থা ভয়াবহ। বর্ষাকালে স্কুলগামী ছাত্রীরা পড়নে কাদা লেগে যেতে অনীহা প্রকাশ করে, এমনকি অনেকেই স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। অনেকবার স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অতএব, অত্র এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ, দ্রুত রাস্তাগুলোর ইটসোলিং ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য আপনার সদয় উদ্যোগ কামনা করছি। এতে জনগণের দুর্ভোগ কমবে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমেও গতি আসবে। নিবেদক মোঃ ফিরোজ মিয়া চরলাপাং গ্রামের পক্ষে নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া" নদী ভাঙনরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: নির্বাহী প্রকৌশলী বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) বগুড়া বিষয়: করতোয়া নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, বগুড়া সদর উপজেলার কাতলামারা ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী করতোয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় বসবাসরত মানুষজন বর্তমানে ভয়াবহ নদী ভাঙনের সম্মুখীন। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনে অনেক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মসজিদ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত দুই বছরে অন্তত ৩৫টি পরিবার ঘর হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও হুমকির মুখে। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন প্রতিরোধে মজবুত ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিকল্প নেই। অতএব, নদীভাঙনের হাত থেকে জনগণকে রক্ষার স্বার্থে অবিলম্বে বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ হাবিবুর রহমান কাতলামারা ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বগুড়া সদর " ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে ইন্টারনেট গতি বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পরিচালক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর (ICT Division) ঢাকা বিষয়: ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের ইন্টারনেট সংযোগের গতি বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, আমরা সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। এখানে দৈনন্দিন নানা সরকারি সেবা যেমন জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট ফর্ম পূরণ, কলেজ ভর্তি, আবেদন ফরম ইত্যাদি সম্পাদন করতে প্রচুর মানুষ আসে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, অত্যন্ত ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে সেবা পেতে জনগণকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে সাধারণ মানুষ বিরক্ত হন, মাঝেমধ্যে ঝগড়া বা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং ডিজিটাল সেবার উপর আস্থা কমে যায়। অতএব, কাঠইর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম ডিজিটাল সেন্টার সেবাগ্রহীতা জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ" পার্ক ও খেলার মাঠে বাতি স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র কুমিল্লা পৌরসভা বিষয়: শিশু পার্ক ও মাঠে নিরাপদ আলো ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন। জনাব, কুমিল্লা শহরের সদর দক্ষিণে অবস্থিত ‘নিশ্চিন্তপুর শিশু পার্ক’ এবং সংলগ্ন খেলার মাঠটিতে সন্ধ্যার পর কোনও ধরনের আলো না থাকায় জনসাধারণের জন্য এটি অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। সন্ধ্যার পর ছেলেমেয়েরা খেলতে পারছে না এবং অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়ে গেছে। অতএব, আপনার দপ্তরের সহযোগিতায় অবিলম্বে সোলার বা বৈদ্যুতিক আলো স্থাপন করে পার্ক ও মাঠটিকে নিরাপদ এবং পরিবারবান্ধব করে গড়ে তোলার জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ ইয়ামিন সুলতান বাসিন্দা, নিশ্চিন্তপুর, কুমিল্লা" বিদ্যালয়ে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর বিষয়: শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আবেদন। জনাব, আমাদের “সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়”-এর ছাত্রছাত্রীদের সৃজনশীল দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়নের জন্য একটি সুপরিকল্পিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু সম্প্রতি করোনাকালীন কারণেও এবং বাজেট সংকটের কারণে বার্ষিক অনুষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এতে তারা মঞ্চে আবেগ প্রকাশের চ্যালেঞ্জ হারিয়ে ফেলছে। গান, নৃত্য, নাট্য ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের সুযোগের অভাবে অনেক প্রতিভা সুরক্ষিত থাকছে না। তাই, দয়া করে আগামী শিক্ষা বর্ষে পাঁচদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক মঞ্চায়ন এবং পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মনজুরুর রহমান সহকারী শিক্ষক, সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ " ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে রোড ওয়েকিং ও কাঠামোর উন্নয়ন," তারিখ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ডাবরিনগর, লক্ষ্মীপুর বিষয়: ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্ত রোড ও বেহাল কাঠামোর সংস্কার। জনাব, ডাবরিনগর ইউনিয়নের বর্তমান পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ও দারোয়ান বাড়ির রাস্তাগুলো বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় বড়–ছোট সড়কভাঙ্গার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাগুলোর অধিকাংশ অংশ ভেঙে যাওয়ার ফলে, জনগণের চলাচলের ব্যাপক দুর্ভোগ হচ্ছে। বাড়ছে গাড়ি ও নন-মোটরযানের দুর্ঘটনা। অধিকাংশ ভোটের আগে promises জমা দিলেও বাস্তবায়ন হয়নি। তাই, ওপরোক্ত এলাকার রাস্তা দ্রুত সংস্কার ও ফুটপাত নির্মাণ করে সুন্দর ও জনবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য আবেদন রইল। নিবেদক মোঃ টিপু হোসেন জন প্রতিনিধি, ডাবরিনগর ইউনিয়ন, লক্ষ্মীপুর" শহরের পানি সরবরাহের স্থায়ী ব্যবস্থা প্রয়োগের আবেদন," তারিখ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: ব্যবস্থাপক, ওয়াসা, যশোর বিষয়: শহরের অন্ধকারাঞ্চলে পানিশূন্যতার স্থায়ী সমাধান। জনাব, যশোর শহরের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল পয়েন্ট থেকে জল সরবরাহ আরও সুগঠিত ও সমতান না হওয়ায় ইংলিশ বাজার, বাহদুরপুর রোড ও চিত্রা মোড়ের নাগরিকরা প্রায় সময় পানি সংযোগ বিচ্ছিন্নতার সম্মুখীন। প্রান্তিক ভোক্তা পানি পাইপ লাগিয়ে বাড়ন্ত খরচের সম্মুখীন। আবার ট্যাংকার ভাড়া দিয়ে জীবনের মান নষ্ট করছে। অবিলম্বে স্থানীয় ট্যাঙ্কার/জল ফুটো দমন এবং রাস্তা মেরামতের মাধ্যমে পানি সরবরাহ প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে স্থাপন করার জন্য আবেদন করে রইলাম। নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম বাসিন্দা, ইংরেজবাজার, যশোর" গ্রামের শিশুদের জন্য কমিউনিটি সুস্থতা ক্যাম্প আয়োজন," তারিখ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কল্যাণ কর্মকর্তা, ডুমুরিয়া, খুলনা বিষয়: বিনামূল্যে শিশু স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা কার্যক্রম আয়োজন। জনাব, ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার অভাবে অপুষ্টি, হাঁপানি, চোখামুখের সমস্যা ও ডায়রিয়াসহ নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ১–৫ বছর বয়সী শিশুরা খাদ্যাভাবে দুর্বল। আমরা একজন স্কুল প্রতিনিধির পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি যে এই বছরের মধ্যে কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্যাম্প চালু করা হোক। যেখানে পেডিয়াট্রিশিয়ান, পুষ্টিবিদ, ডায়াগনস্টিক সেবা ও ওষুধ বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে। এতে স্থানীয় জনগণ নিরাপদ, দ্রুত ও বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবে। নিবেদক মোঃ ফারুক মোহাম্মদ বিদ্যালয় প্রতিনিধি, ডুমুরিয়া, খুলনা" শহরের ফুটপাথে রাস্তার বাঁধ নির্মাণ ও ফুট ব্রিজ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মহানগর সড়ক প্রকৌশলী ঢাকা মহানগর উত্তর বিষয়: অসাধু দোকানি দ্বারা দখল হওয়া ফুটপাথ মুক্ত ও নাগরিক সুরক্ষিত পারাপার নিশ্চিতকরণ। জনাব, রাজউক পূর্বে নির্ধারিত উত্তর–দক্ষিণ ধাপে ফুটপাথ গুলোতে বর্তমানে হয়ে হয়েছে ছোট হামদার দোকান। হকার ও রাস্তার পাশের দোকানি ক্রমে পদে পদে দখল করছে নাগরিক চলাচল স্থান। এছাড়া রাস্তা পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় ফুট ব্রিজ না থাকায় মানুষের চলাচল রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ। অনুরোধ থাকবে—সেই হাঁটার-ফুটপাথ গুলো পরিষ্কার ও উদ্ধার করে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আধুনিক ফুট ব্রিজ স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া। নিবেদক মোঃ ফজলুল হক নাগরিক সচেতনতা ফোরাম ঢাকা মহানগর উত্তর " সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদ রক্ষণাবেক্ষণের আবেদন," তারিখ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সিলেট জেলা বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদ ফাটল ও পানি পড়ায় সারাদেশে ক্লাস ভাঙার আশঙ্কা। জনাব, সিলেট জেলার “নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”-এর পুরাতন ছাদে দীর্ঘদিন ধরে ফাটল এবং জলস্রোতের চিহ্ন দেখা যায়। অনবরত পানি পড়ায় দেয়াল গিলে যাচ্ছে, ছাদ ডাকা আওয়াজ হচ্ছে ক্লাস চলাকালীন। ছেলেমেয়েদের জীবন নিরাপদ না। আবেদন জানাচ্ছি—দ্রুত ছাদ মেরামতসহ শক্তিশালী ও পানরোধী ছাদ নির্মাণ করে স্কুলের পরিবেশকে নিরাপদ ও সচেতনকারী করার ব্যবস্থা করার জন্য। নিবেদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ছাত্র-অভিভাবক প্রতিনিধি নবাবগঞ্জ, সিলেট" গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, পঞ্চগড় বিষয়: গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের পঞ্চগড় জেলার মান্দারবাড়ী গ্রামের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ওষুধের অভাব রয়েছে। এতে রোগীরা প্রাথমিক চিকিৎসাও পাচ্ছেন না। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ শাহিনুর রহমান গ্রামবাসী প্রতিনিধি মান্দারবাড়ী, পঞ্চগড়" শহরের রাস্তা নিরাপত্তার জন্য সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, পঞ্চগড় বিষয়: গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের পঞ্চগড় জেলার মান্দারবাড়ী গ্রামের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ওষুধের অভাব রয়েছে। এতে রোগীরা প্রাথমিক চিকিৎসাও পাচ্ছেন না। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অতএব, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত ওষুধ ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ শাহিনুর রহমান গ্রামবাসী প্রতিনিধি মান্দারবাড়ী, পঞ্চগড়" শহরের রাস্তা নিরাপত্তার জন্য সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: যাত্রাবাড়ী মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন। জনাব, যাত্রাবাড়ী মোড়ের সড়কে প্রতিদিন বহু দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সিগন্যাল না থাকায় গাড়ি ও পথচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে মানুষের প্রাণহানি ঘটে। অতএব, নিরাপদ চলাচলের জন্য মোড়টিতে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আরিফুল ইসলাম নাগরিক সচেতনতা গ্রুপ ঢাকা" স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে বই বিতরণের আবেদন," তারিখ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, বাগেরহাট বিষয়: দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে বই বিতরণের আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুলের অনেক দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রী বই কিনতে পারছে না। এর ফলে তারা পিছিয়ে যাচ্ছে। অতএব, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্য বই বিতরণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ শীলা খাতুন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বাগেরহাট" পৌর শহরে শৌচাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, কিশোরগঞ্জ বিষয়: পৌর শহরে পর্যাপ্ত শৌচাগার নির্মাণের আবেদন। জনাব, কিশোরগঞ্জ পৌর শহরে শৌচাগার খুবই কম। সবার জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শৌচাগার নির্মাণ করুন। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ " গ্রামের নারীদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, যশোর বিষয়: নারীদের জন্য সেলাই ও বুটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে নারীরা সেলাই শিখতে চায়। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র না থাকায় সমস্যায় পড়ছে। অতএব, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ রুমি আক্তার গ্রামীণ নারী প্রতিনিধি যশোর" পৌর শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতির আবেদন," তারিখ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, রাজশাহী বিষয়: পৌর শহরে বর্জ্য নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, রাজশাহী শহরে আবর্জনা সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হচ্ছে না। রাস্তা-ঘাটে ময়লা ফেলা হচ্ছে। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম নাগরিক সচেতনতা গ্রুপ রাজশাহী" স্কুলের ছাদের লিকেজ মেরামতের আবেদন," তারিখ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, বরিশাল বিষয়: বিদ্যালয়ের ছাদের লিকেজ দ্রুত মেরামতের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের ছাদে গরম ও বর্ষায় পানি পড়ে ক্লাসে সমস্যা হয়। দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করুন। নিবেদক মোঃ সাজিদুল ইসলাম বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক বরিশাল" শহরে নিরাপদ শিশু পার্ক নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ ও আধুনিক পার্ক নির্মাণের আবেদন। জনাব, চট্টগ্রাম শহরে শিশুদের জন্য নিরাপদ পার্কের অভাব। নিরাপদ পার্ক নির্মাণের ব্যবস্থা নিন। নিবেদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম শহরবাসী প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় দ্রুত পদক্ষেপের আবেদন," তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: ব্যবস্থাপক, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি, ঢাকা বিষয়: বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা কমানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ বারবার চলে যায়। জনজীবন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক মোঃ আনোয়ার হোসেন বাসিন্দা, ঢাকা" শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধার আবেদন," তারিখ: ১ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধার আবেদন। জনাব, আমাদের শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতের জন্য পরিবহন খরচ অনেক। বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধা চালু করুন। নিবেদক মোঃ সেলিম রেজা শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ" এলাকার অস্থায়ী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা বিষয়: বন্যার সময় ব্যবহারের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় প্রতি বছর বন্যা হয়। নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রের অভাবে বিপদ বাড়ে। অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবস্থা নিন। নিবেদক মোঃ আলমগীর হোসেন স্থানীয় বাসিন্দা সাতক্ষীরা" গ্রামের পথ দুর্গম এলাকা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৩ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা প্রকৌশলী, গোপালগঞ্জ বিষয়: দুর্গম গ্রামীণ রাস্তার উন্নয়ন ও ব্রীজ নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের সড়ক ও ছোট ব্রীজ বেহাল। চলাচল কষ্টকর। দ্রুত সংস্কার করুন। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম গ্রামবাসী গোপালগঞ্জ " স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণ আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ৪ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, কুমিল্লা বিষয়: স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীরা আধুনিক চিকিৎসা ও প্রযুক্তি জানেন না। প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করুন। নিবেদক মোঃ আশরাফুল হক স্বাস্থ্য কর্মী কুমিল্লা" শহরের ট্রাফিক সমস্যা সমাধানে জরুরি পদক্ষেপের আবেদন," তারিখ: ৫ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম কমানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, ঢাকায় ট্রাফিক জ্যাম বেড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। দ্রুত পদক্ষেপ দরকার। অনুগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" লাকার পানির দূষণ দূর করার আবেদন," তারিখ: ৬ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পরিবেশ সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: গ্রামের পানির দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, আমাদের এলাকার পানির উৎস দূষিত হয়েছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর দ্রুত পদক্ষেপ নিক। নিবেদক মোঃ নাজিম উদ্দিন গ্রামবাসী ঢাকা" স্কুলের জন্য নতুন পাঠাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৭ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, ময়মনসিংহ বিষয়: বিদ্যালয়ের জন্য আধুনিক পাঠাগার নির্মাণের আবেদন। জনাব, আমাদের বিদ্যালয়ের পাঠাগার অতি পুরাতন এবং অপ্রয়োজনীয় বই রয়েছে। আধুনিক পাঠাগার প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে নতুন পাঠাগার নির্মাণের ব্যবস্থা করুন। নিবেদক মোঃ শওকত আলী শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ময়মনসিংহ" গ্রামের স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৮ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ফরিদপুর বিষয়: গ্রামের স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব নেই। আধুনিক শিক্ষার জন্য এটি জরুরি। দ্রুত ব্যবস্থা নিন। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম শিক্ষক ফরিদপুর " পল্লী অঞ্চলে বিদ্যুতের স্থায়ী সংযোগের আবেদন," তারিখ: ৯ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড, ঢাকা বিষয়: পল্লী অঞ্চলে স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন। জনাব, আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ অস্থায়ী ও ঝুঁকিপূর্ণ। জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করুন। নিবেদক মোঃ আমিনুল হক গ্রামবাসী ঢাকা" সড়ক দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত পদক্ষেপের আবেদন," তারিখ: ১০ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: সড়ক পরিবহন অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। জনাব, চট্টগ্রাম জেলার সড়কে দুর্ঘটনা বেড়ে মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। দ্রুত ব্যবস্থা দরকার। দয়া করে কার্যকর পদক্ষেপ নিন। নিবেদক মোঃ হাসান আজাদ নাগরিক চট্টগ্রাম" সরকারি হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজনের আবেদন," তারিখ: ১১ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, রাজশাহী বিষয়: সরকারি হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজনের আবেদন। জনাব, রাজশাহী জেলা হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সজীব খান রোগী প্রতিনিধি রাজশাহী" গ্রামের স্যানিটেশন সুবিধা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১২ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কিশোরগঞ্জ বিষয়: পল্লী অঞ্চলে স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলার নিম্নচাপড়া গ্রামে বহু বছর যাবৎ স্যানিটেশন ব্যবস্থা যথাযথ নয়। দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা শৌচাগারের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। ফলে স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। অতএব, গ্রামীণ জনসাধারণের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য নিম্নচাপড়া গ্রামে নিরাপদ ও আধুনিক শৌচাগার নির্মাণ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম নিম্নচাপড়া গ্রামবাসী পক্ষে কিশোরগঞ্জ" এলাকার শিশুদের জন্য বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার প্রদান সংক্রান্ত আবেদন," তারিখ: ১৩ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা, জামালপুর বিষয়: গ্রামীণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণের আবেদন। জনাব, জামালপুর জেলার সাতুরিয়া গ্রামের শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে গরীব ও অসহায় পরিবারের শিশুদের পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য না পাওয়ার ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা গ্রামীণ জনগণের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুষ্টিকর খাবার বিতরণের একটি কর্মসূচি চালু করুন। এতে শিশুদের স্বাস্থ্য উন্নত হবে এবং তারা সুস্থভাবে বড় হতে পারবে। আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ রুমানা বেগম সাতুরিয়া গ্রামের প্রতিনিধিত্বে জামালপুর" সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষকদের নিয়োগের আবেদন," তারিখ: ১৪ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, চাঁদপুর বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষক ঘাটতি পূরণের জন্য নবীন শিক্ষকদের নিয়োগের আবেদন। জনাব, চাঁদপুর জেলার মেঘনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা অত্যন্ত কম। এক শিক্ষক একাধিক শ্রেণিতে পড়ানোর কারণে শিক্ষার মান হ্রাস পাচ্ছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তার সঠিক শিক্ষাগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অতএব, বিদ্যালয়ের পাঠদানের মান উন্নয়নে দ্রুত নবীন শিক্ষকদের নিয়োগ প্রদান এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ হাসিবুর রহমান বিদ্যালয় সভাপতি মেঘনা, চাঁদপুর " শহরের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১৫ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, রাজশাহী বিষয়: প্রবীণ নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, রাজশাহীর পৌরশহরে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অনেক প্রবীণ নাগরিক আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারেন না। ফলে তাদের মধ্যে নানা রোগের বিস্তার ঘটছে এবং জীবনযাত্রার মান খারাপ হচ্ছে। সুতরাং, আপনার দপ্তর থেকে বিনামূল্যে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ প্রদান করার একটি কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রবীণ নাগরিক সংগঠন সভাপতি রাজশাহী" লাকার খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদন," তারিখ: ১৬ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা ক্রীড়া অফিসার, সুনামগঞ্জ বিষয়: এলাকার প্রধান খেলার মাঠের উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য আবেদন। জনাব, সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার প্রধান খেলার মাঠটি অনেকদিন যাবৎ বেহাল অবস্থায় রয়েছে। খেলার জন্য প্রয়োজনীয় বেসবল, ফুটবল ও ক্রিকেট মাঠের মাটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় খেলাধুলায় শিক্ষার্থীরা অনেকে অংশগ্রহণ করতে পারে না। এছাড়াও মাঠের চারপাশে বেঞ্চ, লাইট এবং স্যানিটেশন সুবিধাও নেই। অতএব, এলাকার ক্রীড়া উন্নয়নে মাঠের সার্বিক সংস্কার ও আধুনিকায়নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি শাল্লা, সুনামগঞ্জ" ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের অফিস কক্ষ সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ১৭ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভোলা বিষয়: ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের অফিস কক্ষ সম্প্রসারণের আবেদন। জনাব, ভোলা জেলার মনপুরা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ের অফিস কক্ষ সংকীর্ণ ও অপ্রতুল হওয়ায় অফিস কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত কক্ষ না থাকার ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জনগণের মাঝে ঝামেলা হচ্ছে। অতএব, অফিসের কার্যক্রম স্বচ্ছন্দ ও কার্যকর করার জন্য ইউপির অফিস কক্ষ সম্প্রসারণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদুল ইসলাম ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মনপুরা, ভোলা" নগরীতে রাস্তার দুর্গন্ধ ও পানি নিষ্কাশনের সমস্যা সমাধানের আবেদন," তারিখ: ১৮ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, বরিশাল বিষয়: শহরের সড়কে দুর্গন্ধ ও পানিবাহী নালার সমস্যা সমাধানের আবেদন। জনাব, বরিশাল পৌর শহরের অনেক সড়ক এবং গলি-নালায় পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে জমে থাকা গন্ধযুক্ত পানি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে যানজট সৃষ্টি হয় এবং অসুবিধা হয়। অতএব, সড়ক ও গলির পানিনিষ্কাশনের ব্যবস্থা ও দুর্গন্ধ দূরীকরণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ কামাল হোসেন নাগরিক প্রতিনিধি বরিশাল" বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ১৯ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। জনাব, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রয়োজন। এতে শিক্ষকগণ আধুনিক শিক্ষাদানের পদ্ধতি জানতে পারবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার মান উন্নত হবে। অতএব, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য আপনার সদয় উদ্যোগ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ মাহফুজুর রহমান শিক্ষক প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ" গ্রামীণ এলাকায় স্বচ্ছ পানির জন্য টিউবওয়েল স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২০ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, যশোর বিষয়: গ্রামে আর্সেনিকমুক্ত ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য টিউবওয়েল স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের যশোর জেলার চালিতবাড়ী গ্রামের নলকূপগুলি অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং বেশিরভাগ এলাকায় পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বেশি। এতে এলাকাবাসীর শারীরিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে। অতএব, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য নতুন টিউবওয়েল স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম গ্রামবাসী যশোর" শহরের স্কুলে সাইকেল পার্কিং ব্যবস্থা তৈরির আবেদন," তারিখ: ২১ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, সিলেট বিষয়: স্কুলে সাইকেল পার্কিংয়ের জন্য নিরাপদ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, সিলেট শহরের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য সাইকেল পার্কিংয়ের অভাব রয়েছে। ফলে গাড়ি ও সাইকেলগুলো এলোমেলো ভাবে রাখা হয়, যা সড়ক ব্যবস্থায় অসুবিধা সৃষ্টি করে। অতএব, স্কুলের আশেপাশে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত সাইকেল পার্কিং ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাজেদুল ইসলাম শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সিলেট" উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ঔষধ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ২২ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, নরসিংদী বিষয়: জরুরি ঔষধ সরবরাহের অব্যাহত ও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। জনাব, নরসিংদীর আড়াইহাজার উপজেলার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মাঝে মাঝে জরুরি ওষুধের অভাব দেখা দেয়। এতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যাহত হয়। অতএব, সকল প্রকার জরুরি ঔষধের যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ ফজলুল হক গ্রামবাসী নরসিংদী" শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের আবেদন," তারিখ: ২৩ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, কুমিল্লা বিষয়: স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের আবেদন। জনাব, কুমিল্লার বিভিন্ন স্কুলে পড়ুয়া দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত ওষুধ বিতরণ প্রয়োজন। এতে তাদের শারীরিক সমস্যা দ্রুত নিরাময় সম্ভব হবে। অতএব, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ রুনু আক্তার শিক্ষার্থী প্রতিনিধি কুমিল্লা" নগরীর ফুটপাতে বেঞ্চ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৪ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, রাজশাহী বিষয়: নগরীর বিভিন্ন ফুটপাতে বেঞ্চ স্থাপনের আবেদন। জনাব, রাজশাহী শহরের বিভিন্ন ফুটপাথে বৃদ্ধ, মহিলাসহ সাধারণ মানুষের বসার স্থান কম। এতে দুর্বল ও অসুস্থরা বিশ্রাম নিতে পারে না। অতএব, জনসাধারণের সুবিধার্থে ফুটপাতে বেঞ্চ স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আবু তাহের নাগরিক প্রতিনিধি রাজশাহী" শহরে দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বৃক্ষরোপণের আবেদন," তারিখ: ২৫ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: শহরের পরিবেশ দূষণ রোধ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরে গাছপালা কমে যাওয়ায় পরিবেশ ভারী দূষিত হচ্ছে। জনগণের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা বাড়ছে। অতএব, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দ্রুত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আসাদুল্লাহ পরিবেশ সচেতন নাগরিক ঢাকা" গ্রামের বিদ্যুৎ লাইনের উন্নয়নের জন্য আবেদন," তারিখ: ২৬ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ময়মনসিংহ বিষয়: গ্রামের বিদ্যুৎ লাইনের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার অনেক গ্রামের বিদ্যুৎ লাইন পুরাতন ও ঝুঁকিপূর্ণ। এটি নিয়মিত সমস্যা সৃষ্টি করে। অতএব, দ্রুত বিদ্যুৎ লাইনের আধুনিকীকরণ এবং সম্প্রসারণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রিয়াজ" স্কুলের লাইব্রেরি বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ২৭ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, ঢাকা বিষয়: স্কুল লাইব্রেরিতে নতুন বই ক্রয়ের জন্য আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুল লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় ও আধুনিক বইয়ের সংখ্যা সীমিত। শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না। অতএব, লাইব্রেরির বই সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ঢাকা" পৌর শহরে ফুটবল গ্রাউন্ড সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৮ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, বরিশাল বিষয়: পৌর শহরের ফুটবল গ্রাউন্ডের মেরামত ও আধুনিকায়নের আবেদন। জনাব, বরিশাল পৌর শহরের ফুটবল গ্রাউন্ডটি দীর্ঘদিন বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এতে খেলোয়াড়রা দুঃখ পাচ্ছেন। অতএব, দ্রুত সংস্কার ও আধুনিকায়নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদ উদ্দিন ক্রীড়া সংগঠক বরিশাল" স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসক নিয়োগের আবেদন," তারিখ: ২৯ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, খুলনা বিষয়: স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আধুনিক চিকিৎসক নিয়োগের আবেদন। জনাব, খুলনা জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক সংখ্যা কম। রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। অতএব, দ্রুত আধুনিক চিকিৎসক নিয়োগের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান গ্রামবাসী খুলনা" শহরের সড়কে রাস্তার চিহ্ন ও সাইনবোর্ড স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩০ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: শহরের সড়কে রাস্তার চিহ্ন ও সাইনবোর্ড স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সঠিক রাস্তা চিহ্ন ও সাইনবোর্ডের অভাব রয়েছে। এতে পথচারী ও চালক উভয়ের সমস্যা হয়। অতএব, সঠিক চিহ্ন ও সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রিয়াজ আহমেদ নাগরিক ঢাকা" বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ৩১ মার্চ ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, ময়মনসিংহ বিষয়: বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক ক্যাম্প আয়োজনের আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা কম। এ বিষয়ে ক্যাম্প আয়োজন প্রয়োজন। অতএব, বিদ্যালয় পর্যায়ে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ সুমাইয়া খাতুন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ময়মনসিংহ " উপজেলার মসজিদ ও মন্দিরে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, গাইবান্ধা বিষয়: ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের গাইবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় রাতে নামাজ, প্রার্থনা বা ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে। অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ অন্ধকারে নামাজ আদায় করছেন অথবা বাতাসে প্রদীপ জ্বালিয়ে পূজা করছেন, যা আধুনিক যুগে বেমানান এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এই অবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সমাধান হতে পারে। অতএব, মসজিদ ও মন্দিরে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করে এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আজিজুর রহমান স্থানীয় সমাজকর্মী গাইবান্ধা উপজেলা" গ্রামে প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: সমাজসেবা কর্মকর্তা, ঝিনাইদহ বিষয়: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অনেক প্রতিবন্ধী মানুষ বসবাস করছেন। তারা কর্মহীন ও অসহায় অবস্থায় জীবনযাপন করছেন। তাদের জীবনে পরিবর্তন আনতে হলে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও আত্মনির্ভরতা অর্জনের সুযোগ প্রয়োজন। এই উদ্দেশ্যে, আমরা বিনীত অনুরোধ করছি যাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে একটি প্রতিবন্ধীবান্ধব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়, যেখানে তারা সেলাই, কারুশিল্প, আইটি ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারে। নিবেদক মোছাঃ সালেহা বেগম সমাজসেবা সংগঠনের সদস্য ঝিনাইদহ সদর" বয়স্ক ভাতা প্রদানে নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন," তারিখ: ৩ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: ইউনিয়ন সমাজসেবা কর্মকর্তা, কুড়িগ্রাম বিষয়: বয়স্ক ভাতা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন। জনাব, আমি একজন দরিদ্র বৃদ্ধ, বয়স প্রায় ৭২ বছর। পরিবারে উপার্জনের কেউ নেই। বর্তমানে আমি অক্ষম অবস্থায় আছি এবং কোনো সরকারি ভাতা পাচ্ছি না। অতএব, মানবিক বিবেচনায় আমাকে সরকারি বয়স্ক ভাতা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে জীবনধারণে সহায়তা করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক আব্দুল হালিম গ্রামঃ বড়বাড়ি উপজেলাঃ উলিপুর, কুড়িগ্রাম" নারীদের জন্য নিরাপদ গণপরিবহন চালুর আবেদন," তারিখ: ৪ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: বিআরটিএ চেয়ারম্যান, ঢাকা বিষয়: নারীদের জন্য নিরাপদ ও স্বতন্ত্র গণপরিবহন চালুর আবেদন। জনাব, ঢাকা শহরের গণপরিবহনে নারী যাত্রীরা প্রতিনিয়ত হয়রানি ও অসদাচরণের শিকার হচ্ছেন। কর্মজীবী নারী, ছাত্রী ও গৃহিণীরা গণপরিবহনে চলাচলের সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সেই কারণে আমরা নারীদের জন্য নির্দিষ্ট আসনবিশিষ্ট অথবা স্বতন্ত্র পরিবহন চালুর জন্য অনুরোধ করছি, যেন তারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলাফেরা করতে পারেন। নিবেদক মোছাঃ আফরোজা ইয়াসমিন নারী উন্নয়ন সংগঠক মিরপুর, ঢাকা " ইউনিয়নে খেলার সামগ্রী সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা ক্রীড়া অফিসার, লক্ষ্মীপুর বিষয়: গ্রামীণ ক্রীড়া উন্নয়নে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন। জনাব, লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের যুব সমাজ খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিকভাবে সচল থাকতে চায়। কিন্তু খেলার প্রয়োজনীয় সামগ্রী না থাকায় তারা হতাশ হচ্ছে এবং বিপথে যাচ্ছে। অতএব, যুব সমাজকে খেলা ও সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে গড়ে তুলতে খেলার সামগ্রী সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মনির হোসেন যুব সমাজ প্রতিনি" গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা, সিলেট বিষয়: সুরমা নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের আবেদন। জনাব, সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার কুশিয়ারা ও সুরমা নদী সংলগ্ন গ্রামগুলোতে বর্ষা মৌসুম এলেই বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। এতে কৃষি জমি ডুবে যায়, ঘরবাড়ি ভেসে যায়, এবং জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে আসে। প্রতিবছর আমাদের অনেক পরিবার গৃহহীন হয় ও মৌসুমি রোগে আক্রান্ত হয়। বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন নদীর পাশে একটি টেকসই বাঁধ। বাঁধ থাকলে শুধু জমির ফসলই রক্ষা পাবে না, গ্রামবাসীর জীবন ও সম্পদও নিরাপদ থাকবে। অতএব, মানবিক ও বাস্তবিক কারণে দ্রুত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ নজরুল ইসলাম গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বিনাইকুলি, বিশ্বনাথ, সিলেট" উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বিভাগের উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৭ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: সিভিল সার্জন, বরগুনা বিষয়: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নের আবেদন। জনাব, আমাদের পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বিভাগের পরিসেবা অত্যন্ত সীমিত ও অপ্রতুল। শিশু রোগীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড নেই, চিকিৎসক সংখ্যা কম এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ-পথ্য মজুত নেই। ফলে শিশুরা দুর্ভোগে পড়ে এবং শহরের বেসরকারি ক্লিনিকের উপর নির্ভর করতে হয়, যা ব্যয়বহুল। অতএব, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত শিশু বিভাগে চিকিৎসক নিয়োগ, ওষুধ সরবরাহ এবং আলাদা ওয়ার্ড নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ রহিমা খাতুন স্থানীয় অভিভাবক পাথরঘাটা, বরগুনা" শহরের যানজট নিরসনে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৮ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, ময়মনসিংহ বিষয়: প্রধান সড়কে ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর জন্য আবেদন। জনাব, ময়মনসিংহ শহরের নতুন বাজার থেকে টাউন হল পর্যন্ত প্রধান সড়কে প্রতিদিন প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ চলাকালীন সময়ে এই সমস্যা প্রকট হয়। এই সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন উপযুক্ত ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন এবং প্রশিক্ষিত ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ। এতে যান চলাচলে শৃঙ্খলা আসবে এবং জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘব হবে। অতএব, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ শাহরিয়ার রাহমান নাগরিক প্রতিনিধি ময়মনসিংহ" বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৯ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, চুয়াডাঙ্গা বিষয়: আধুনিক শিক্ষায় সহায়তা করতে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন। জনাব, বর্তমান যুগ প্রযুক্তিনির্ভর। অথচ আমাদের বিদ্যালয়ে কোনো কম্পিউটার ল্যাব নেই। ফলে ছাত্রছাত্রীরা প্রযুক্তি জ্ঞান থেকে পিছিয়ে পড়ছে এবং উচ্চশিক্ষায় দুর্বলতা অনুভব করছে। অতএব, বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ এবং আইটি শিক্ষকসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ল্যাব স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ মাহমুদুল হাসান শিক্ষার্থী প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়" বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনার আবেদন," তারিখ: ১০ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা বিষয়: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি অভিযান। জনাব, কুমিল্লা শহরের বাজারগুলোতে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম লাগামহীনভাবে বেড়ে চলেছে। ব্যবসায়ীরা মজুতদারি ও সিন্ডিকেট তৈরি করে মূল্যবৃদ্ধি করছে। এই অবস্থায় দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। অতএব, বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে অসাধু ব্যবসায়ীদের শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শহিদুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি কুমিল্লা" "গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের আবেদন তারিখ: ১১ এপ্রিল ২০২৬"," প্রাপক: উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ঠাকুরগাঁও বিষয়: গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার দূরবর্তী গ্রাম মালঞ্চায় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নেই। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও মানুষকে ৮–১০ কিমি পথ অতিক্রম করতে হয়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্য এটি খুবই কষ্টসাধ্য। স্বাস্থ্যকর্মী থাকলে তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা, টিকাদান ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কাজ করতে পারবেন। অতএব, এই গ্রামে অন্তত একজন স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোছাঃ হাসিনা খাতুন গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মালঞ্চা, ঠাকুরগাঁও" রেলস্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগার নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১২ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: মহাব্যবস্থাপক, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে, রাজশাহী বিষয়: দিনাজপুর রেলস্টেশনে যাত্রী বিশ্রামাগার নির্মাণের আবেদন। জনাব, দিনাজপুর রেলস্টেশনে প্রতিদিন শত শত যাত্রী যাতায়াত করেন। কিন্তু সেখানে বসার জায়গা নেই, কোনো বিশ্রামাগার নেই, এমনকি নারীদের জন্য আলাদা সুবিধাও নেই। বৃষ্টি বা রোদে তারা ভীষণ কষ্ট পান। এই প্রেক্ষিতে, যাত্রীদের সুবিধার্থে একটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বিশ্রামাগার নির্মাণ ও নারী-পুরুষ আলাদা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি দিনাজপুর" ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেবা চালুর আবেদন," তারিখ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিরাজগঞ্জ বিষয়: ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ভাতা আবেদন ইত্যাদি কাজ করতে গেলে সাধারণ মানুষ দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং কাগজপত্র হারিয়ে ফেলার ঝুঁকিতে থাকেন। ডিজিটাল কেন্দ্র থাকলে মানুষ ঘরে বসে আবেদন করতে পারবেন এবং দ্রুত সেবা পাবেন। অতএব, ডিজিটাল ইউনিয়ন সেন্টার স্থাপন করে জনগণকে আধুনিক সেবা প্রদানের ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ হেলাল উদ্দিন ইউপি সদস্য সিরাজগঞ্জ সদর " শহরে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, গোপালগঞ্জ বিষয়: গোপালগঞ্জ শহরে পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট নির্মাণের আবেদন। জনাব, গোপালগঞ্জ শহরে বিশেষ করে বাস স্ট্যান্ড, হাসপাতাল ও বাজার এলাকায় কোনো পাবলিক টয়লেট নেই। এতে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়ে। তাই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা রক্ষার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোছাঃ রিনা আক্তার নাগরিক প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ" মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা সুবিধা বাস্তবায়নের আবেদন," তারিখ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, নোয়াখালী বিষয়: চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটার বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করার আবেদন। জনাব, বর্তমানে অনেক জায়গায় মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা তাঁদের প্রাপ্য কোটা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে স্থানীয় নিয়োগ ও ভর্তি প্রক্রিয়ায় এই কোটা মানা হচ্ছে না। তাদের প্রতি জাতির ঋণ রয়েছে। অতএব, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করতে কোটা নীতিমালা কঠোরভাবে প্রয়োগ করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মাইনুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নোয়াখালী" বাজারে মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: বাজারে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে মজুতদারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। জনাব, অনেক অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে চাল, তেল, ডাল ইত্যাদি পণ্য মজুত রেখে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণি চরম কষ্টে পড়ছে। এই অবস্থায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ রেজাউল করিম সাধারণ ভোক্তা মতিঝিল, ঢাকা" বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর আবেদন," তারিখ: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: নির্বাহী প্রকৌশলী, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, রাজবাড়ী বিষয়: ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনের আবেদন। জনাব, রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি এলাকায় প্রতিদিন বহুবার বিদ্যুৎ যায়। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে নতুন ট্রান্সফরমার বসানো ও লাইন সংস্কারের প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শামীম আহমেদ বাসিন্দা বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী " স্কুলে সাইকেল বিতরণের আবেদন," তারিখ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, রংপুর বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল বিতরণের আবেদন। জনাব, রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলায় অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন ৪-৫ কিমি হেঁটে স্কুলে আসে। এতে তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে, অনেকে ঝরে পড়ে। এই অবস্থায় স্কুলগামী গরিব শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে সাইকেল বিতরণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন শিক্ষক প্রতিনিধি গঙ্গাচড়া, রংপুর" জলাবদ্ধতা নিরসনের আবেদন," তারিখ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: শহরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণ। জনাব, নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। নর্দমা ব্লক হয়ে থাকায় পানি বের হতে পারে না। অতএব, নর্দমা পরিষ্কার, ড্রেন নির্মাণ ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করার আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমিন নাগরিক প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ" শহরের পার্কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন," তারিখ: ২০ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর প্রশাসক, সাভার বিষয়: শহরের পার্কগুলোতে সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আবেদন। জনাব, সাভারের পার্কগুলোতে সন্ধ্যার পর অনেকে মাদক সেবন, চুরি ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন। এতে পরিবারসহ ঘোরাফেরা নিরাপদ নয়। অতএব, পার্কে সিসিটিভি, নিরাপত্তা কর্মী ও নিয়মিত পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শাহীনুর ইসলাম স্থানীয় নাগরিক সাভার, ঢাকা" সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ২১ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের আবেদন। জনাব, সরকারি হাসপাতালে গেলে বেশিরভাগ রোগীকেই বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। এতে দরিদ্র রোগীরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। অতএব, হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মনোয়ার হোসেন রোগী প্রতিনিধি ঢাকা মেডিকেল এলাকা" গ্রামীণ এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২২ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: বিটিআরসি চেয়ারম্যান, ঢাকা বিষয়: গ্রামে মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বলতার সমস্যা নিরসনের আবেদন। জনাব, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার কিছু এলাকায় মোবাইল ফোনে কল করা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা খুবই কষ্টকর। শিক্ষার্থী ও কৃষকেরা বিশেষভাবে সমস্যায় পড়েন। অতএব, মোবাইল টাওয়ার বসিয়ে নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ হাফিজুল ইসলাম গ্রামবাসী আগৈলঝাড়া, বরিশাল" কন্যাশিশুর বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য প্রণোদনার আবেদন," তারিখ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: কন্যাশিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রণোদনা চালুর আবেদন। জনাব, অর্থনৈতিক কারণে অনেক পরিবার কন্যাশিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে চায় না। তাই তাদের জন্য উপবৃত্তি, পোশাক ও খাবারের ব্যবস্থা করলে উপস্থিতি বাড়বে। অতএব, গ্রামে কন্যাশিশুদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা চালুর অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ পারভীন আক্তার শিক্ষিকা লালপুর, নাটোর" নদীভাঙন রোধে পাড় বাঁধ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, খুলনা বিষয়: নদী ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণের আবেদন। জনাব, ভৈরব নদীর তীরে বসবাসরত মানুষ প্রতি বছর নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারান। অতএব, নদী তীরে মাটি সিমেন্ট দিয়ে বাঁধ তৈরি করে বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আলমগীর হোসেন গ্রামবাসী রূপসা, খুলনা" সরকারি স্কুলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য পুরস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, ফরিদপুর বিষয়: মেধাবীদের উৎসাহ দিতে পুরস্কার প্রদান। জনাব, ফরিদপুরের সরকারি স্কুলগুলোতে মেধাবীদের উৎসাহ দিতে পুরস্কার বা সম্মাননা দেওয়া হলে তাদের আগ্রহ বাড়বে। অতএব, প্রতি ক্লাসের সেরা শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ লুৎফর রহমান শিক্ষক প্রতিনিধি ফরিদপুর" বিদ্যালয়ে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগের আবেদন," তারিখ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বরগুনা বিষয়: বিদ্যালয়ের পাঠাগারে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ। জনাব, আমাদের স্কুলে পাঠাগার থাকলেও লাইব্রেরিয়ান না থাকায় কার্যক্রম থেমে আছে। অতএব, লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দিয়ে পাঠাগার সচল করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আজিজুর রহমান প্রধান শিক্ষক তালতলী, বরগুনা" মাদ্রাসায় বিজ্ঞান ল্যাব প্রতিষ্ঠার আবেদন," তারিখ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ঢাকা বিষয়: মাদ্রাসায় বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য ল্যাব স্থাপনের আবেদন। জনাব, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ল্যাব না থাকায় তারা ব্যবহারিক শিক্ষা নিতে পারছে না। অতএব, বিজ্ঞান ল্যাব প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মাওলানা আব্দুল হাই প্রিন্সিপাল আল ফালাহ মাদ্রাসা, কিশোরগঞ্জ" বাস স্ট্যান্ডে নারীদের জন্য পৃথক বসার ব্যবস্থা তৈরির আবেদন," তারিখ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, রংপুর বিষয়: বাস স্ট্যান্ডে নারী যাত্রীদের জন্য নিরাপদ বসার ব্যবস্থা। জনাব, রংপুর শহরের বাস স্ট্যান্ডে নারীদের জন্য পৃথক ও নিরাপদ বসার ব্যবস্থা নেই। তারা লজ্জায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন। অতএব, নিরাপদ বসার ঘর ও নারীবান্ধব টয়লেট স্থাপনের আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ লিপি আক্তার নাগরিক প্রতিনিধি রংপুর" শহরের কুকুর নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, বগুড়া বিষয়: শহরের রাস্তায় কুকুর নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা। জনাব, বগুড়ার বিভিন্ন সড়কে কুকুরের উৎপাত দিন দিন বাড়ছে। পথচারীদের কামড়ে দিচ্ছে। অতএব, পৌরসভা থেকে এসব নিয়ন্ত্রণে টিকা, আশ্রয় ও সুরক্ষা কর্মসূচি নেওয়ার অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ কামরুজ্জামান নাগরিক বগুড়া" উপজেলা শহরে নার্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়: নার্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের উপজেলায় নার্সিং প্রশিক্ষণের সুযোগ নেই। মেয়েরা শহরে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারে না। অতএব, একটি সরকারি নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুজ্জামান নাগরিক প্রতিনিধি মাধবদী, নরসিংদী" উপজেলার দুর্গম এলাকায় মোবাইল চিকিৎসা ইউনিট চালুর আবেদন," তারিখ: ১ মে ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: দুর্গম এলাকায় মোবাইল চিকিৎসা ইউনিট চালুর আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চরাঞ্চলের একজন বাসিন্দা। আমাদের গ্রামটি নদীবেষ্টিত হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রায় ২০ কিমি দূরে অবস্থিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় সামান্য অসুস্থতাতেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ এখানে ছোটখাটো জ্বর-সর্দি থেকে শুরু করে গর্ভাবস্থা, ডায়াবেটিস, রক্তচাপের মতো জটিল সমস্যায় ভুগলেও সময়মতো চিকিৎসা পান না। অনেক গর্ভবতী নারী সন্তান প্রসবের সময় অভাবনীয় কষ্টের সম্মুখীন হন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অনেক সময় মা ও নবজাতকের মৃত্যুও ঘটে। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে, আমাদের এলাকার মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে একটি মোবাইল মেডিকেল ইউনিট চালু করলে উপকারে আসবে। এতে প্রতি সপ্তাহে বা মাসে নির্দিষ্ট দিনে চিকিৎসকের দল এসে স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারবেন এবং জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়বে। অতএব, চরাঞ্চলের মানুষের জীবন বাঁচাতে ও স্বাস্থ্যসেবার অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মোবাইল চিকিৎসা ইউনিট চালুর জন্য আপনার দপ্তরের আশু পদক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাসিন্দা, চরকাজীরচর রৌমারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম" গ্রামে নারী-কিশোরীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা শিবির আয়োজনের আবেদন," তারিখ: ২ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, বরিশাল সদর বিষয়: গ্রামীণ নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে শিবির আয়োজনের আবেদন। জনাব, আমরা লক্ষ্য করছি যে, বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক নারী ও কিশোরী ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য বিষয়ে যথাযথ ধারণা না থাকায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে প্রজনন স্বাস্থ্য, মাসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা, অ্যানিমিয়া, পুষ্টির অভাব ইত্যাদি ব্যাপারে তারা সচেতন না থাকায় ছোট অসুস্থতাও বড় রোগে পরিণত হচ্ছে। গ্রামীণ সমাজে এই বিষয়ে কথা বলাও একধরনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে, ফলে মেয়েরা সমস্যা গোপন রাখে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও নিতে পারে না। এই প্রেক্ষাপটে, যদি সরকারি উদ্যোগে কিশোরী ও নারীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক শিবিরের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রশিক্ষিত নারী চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাহলে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। অতএব, অনুরোধ, বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতা শিবির আয়োজন করে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। নিবেদক মোছাঃ তাহমিনা আক্তার সমাজকর্মী, নারী উন্নয়ন সংগঠন বরিশাল সদর" বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আবেদন," তারিখ: ৩ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, গাইবান্ধা বিষয়: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তার আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রাম সদ্যসমাপ্ত বন্যায় ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে, কৃষিজমি বিনষ্ট হয়েছে এবং গবাদিপশুও ভেসে গেছে। এমনকি অনেক পরিবার এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে দুর্গত মানুষগুলো ঘরবাড়ি, খাদ্য, পোশাক, ওষুধ— সব কিছু হারিয়ে চরম দুরবস্থায় রয়েছে। শিশুরা না পারছে পড়তে, না পাচ্ছে পুষ্টিকর খাবার। অতএব, এই সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক অনুদান, খাদ্য ও পুনর্নির্মাণ সামগ্রী বিতরণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিবেদক মোঃ আলতাফ হোসেন সাধারণ নাগরিক, দুর্গত এলাকা সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা " শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণের আবেদন," তারিখ: ৪ মে ২০২৬ প্রাপক: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম বিষয়: ছাত্রছাত্রীদের সাইবার অপরাধ থেকে সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজনের আবেদন। জনাব, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীরা মোবাইল, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে। তবে অনেক শিক্ষার্থী জানে না কোন ব্যবহার নিরাপদ আর কোনটা বিপজ্জনক। ফলে তারা ফিশিং, হ্যাকিং, ব্ল্যাকমেইলিং ও অনলাইন প্রতারণার শিকার হচ্ছে। সাইবার অপরাধ থেকে ছাত্রছাত্রীদের রক্ষা করার জন্য, যদি তাদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ চালু করা হয়, তাহলে তারা অধিক সতর্ক হবে এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান অর্জন করবে। অতএব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ চালুর জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সামিউল ইসলাম শিক্ষার্থী প্রতিনিধি চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ" পৌর এলাকার নালাগুলো নিয়মিত পরিস্কারের আবেদন," তারিখ: ৫ মে ২০২৬ প্রাপক: মেয়র, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন বিষয়: পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নালা পরিষ্কারের আবেদন। জনাব, রাজশাহী শহরের লক্ষ্মীপুর, সাগরপাড়া ও তালাইমারী এলাকায় নিয়মিত নালা পরিষ্কার না হওয়ায় পানি জমে থাকে এবং দুর্গন্ধ ছড়ায়। বৃষ্টির সময় এই জল জমে রাস্তা দিয়ে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। এতে পরিবেশ দূষিত হয় এবং মশাবাহিত রোগের বিস্তার ঘটে। অতএব, পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিতভাবে নালা পরিষ্কারের জন্য পৌর কর্মচারী নিয়োগ ও তদারকির ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ তানজিলা রহমান বাসিন্দা, তালাইমারী রাজশাহী সিটি" সরকারি অফিসে জনসাধারণের জন্য বিশ্রামাগার ও পানি সরবরাহের ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন," তারিখ: ৬ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, বাগেরহাট বিষয়: সেবা প্রত্যাশীদের জন্য অফিস প্রাঙ্গণে বিশ্রামাগার ও পানীয় জলের ব্যবস্থা। জনাব, বাগেরহাট জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে জমি সংক্রান্ত কাগজ, সার্টিফিকেট ও অন্যান্য পরিষেবার জন্য। তবে সেখানে বসার স্থান, বিশ্রামের ব্যবস্থা ও পানীয় জলের সুব্যবস্থা নেই। প্রতীক্ষায় থাকা বয়স্ক, নারী ও শিশুরা কষ্ট পান। এমনকি গ্রীষ্মকালে হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যাও হয়। অতএব, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে অফিসে একটি আধুনিক বিশ্রামাগার ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ জুবায়ের হোসেন সেবা প্রত্যাশী নাগরিক বাগেরহাট" শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালুর আবেদন," তারিখ: ৩ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, চট্টগ্রাম বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন। জনাব, সৌজন্য বিনীত নিবেদন এই যে, আমি চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার একজন শিক্ষক। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় সাত শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। এদের অধিকাংশই দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি, চোখের সমস্যা, দাঁতের অসুখ, চর্মরোগ, হাঁপানি ইত্যাদি নানা স্বাস্থ্য সমস্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় এসব রোগ প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে না এবং পরবর্তীতে তা জটিল আকার ধারণ করে। এই পরিস্থিতির উন্নয়নে বিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও কাউন্সেলিং ক্যাম্প চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এতে করে শিক্ষার্থীরা নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুস্থভাবে গড়ে উঠবে। অতএব, প্রতি ছয় মাস অন্তর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় স্কুলভিত্তিক স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন সহকারী শিক্ষক শাহ মোহছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় পটিয়া, চট্টগ্রাম" শহরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালুর আবেদন," তারিখ: ৪ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, মাগুরা বিষয়: পরিবেশ রক্ষার্থে শহরে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। জনাব, আমাদের মাগুরা শহর দ্রুত নগরায়নের কারণে ধুলাবালু, শব্দদূষণ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সমস্যায় ভুগছে। খোলা জায়গা ও গাছপালার সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে, যার ফলে বায়ুদূষণ বেড়ে যাচ্ছে এবং নাগরিকরা নানা ধরনের শ্বাসকষ্ট ও এলার্জিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই অবস্থার পরিবর্তনে বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত কার্যকর ও টেকসই একটি পদক্ষেপ। শহরের রাস্তাঘাট, স্কুল, খেলার মাঠ, সরকারি ভবনের আঙিনা—এ সব জায়গায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করলে পরিবেশ সুন্দর, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। অতএব, মাগুরা পৌরসভা থেকে একটি ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করে সাধারণ মানুষকে এতে সম্পৃক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আমজাদ হোসেন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি মাগুরা পৌরসভা" শহরের ডাস্টবিন নিয়মিত পরিষ্কারের আবেদন," তারিখ: ৫ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, গাইবান্ধা বিষয়: গাইবান্ধা পৌর এলাকার ডাস্টবিন নিয়মিত পরিষ্কারের জন্য আবেদন। জনাব, বিনীতভাবে জানাচ্ছি, গাইবান্ধা শহরের অধিকাংশ এলাকায় যত্রতত্র ডাস্টবিন বসানো হলেও সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় সেগুলো থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়, মশা-মাছির উৎপাত বৃদ্ধি পায় এবং জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ে। বিশেষ করে হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থা আরও ভয়াবহ। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে যদি নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ডাস্টবিন পরিষ্কার করা হয় এবং জনসচেতনতা বাড়ানো হয়, তাহলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। অতএব, পৌরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের মাধ্যমে ডাস্টবিন নিয়মিত পরিষ্কার ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করার আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আরিফুজ্জামান নাগরিক প্রতিনিধি গাইবান্ধা পৌরসভা" শহরের খেলার মাঠ সংরক্ষণ ও আধুনিকায়নের আবেদন,"তারিখ: ৬ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা, পাবনা বিষয়: পাবনা শহরের প্রধান খেলার মাঠ আধুনিকায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের আবেদন। জনাব, সশ্রদ্ধ বিনীত নিবেদন এই যে, আমি পাবনা শহরের একজন ক্রীড়ামোদী নাগরিক। আমাদের শহরের একমাত্র খেলার মাঠটি বর্তমানে অনুন্নত ও অব্যবস্থাপনার শিকার। মাঠের ঘাস নেই, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই, ওয়াশরুম নেই এবং সন্ধ্যায় আলোর কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে ক্রীড়াচর্চা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং তরুণদের মধ্যে আগ্রহ কমে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি যুব সমাজকে মাদক ও কুপ্রবৃত্তি থেকে দূরে রাখতে কার্যকর একটি মাধ্যম। খেলার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করলে তরুণ সমাজ সঠিক পথে থাকবে, শহরের গৌরবও বাড়বে। অতএব, পাবনার প্রধান খেলার মাঠে মাটি ভরাট, ঘাস রোপণ, আলোর ব্যবস্থা, গ্যালারি নির্মাণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম ক্রীড়াবিদ প্রতিনিধি পাবনা পৌরসভা " বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য পৃথক স্বাস্থ্যসুরক্ষা কক্ষ স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৭ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিষয়: মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্যসুরক্ষা রুম স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কন্যাশিক্ষার্থীদের জন্য মাসিককালীন সময়ে প্রয়োজনীয় বিশ্রামের ব্যবস্থা নেই। অনেক ছাত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কোথাও বসার সুযোগ পায় না এবং চরম অস্বস্তির মধ্যে দিন পার করে। এছাড়া, এই সময়টিতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী যেমন প্যাড, ওষুধ এবং বিশ্রামের জন্য একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন কক্ষ অত্যন্ত জরুরি। এতে তারা শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন ছাড়াই নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারবে। অতএব, প্রত্যেক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি ‘হেলথ অ্যান্ড হাইজিন রুম’ চালু করে নারীবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আপনার কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ সালমা আক্তার সহকারী শিক্ষিকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়" ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ৮ মে ২০২৬ প্রাপক: পুলিশ সুপার, সিরাজগঞ্জ বিষয়: সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আবেদন। জনাব, সিরাজগঞ্জ শহরে প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে, অনেক মোটরসাইকেল আরোহী হেলমেট ছাড়াই চলাচল করছে, শিশুদের সামনে বসিয়ে দ্রুতগতিতে বাইক চালাচ্ছে এবং ট্রাফিক সিগন্যাল মানছে না। এই অবহেলার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এবং পথচারী ও যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিশু-কিশোরদের কাছেও এটি নেতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করছে। অতএব, ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আইন অমান্যকারীদের জরিমানা ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ রিয়াজুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ" গ্রামীণ এলাকায় ক্যান্সার সচেতনতা কর্মসূচির আবেদন," তারিখ: ৯ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, সুনামগঞ্জ বিষয়: সুনামগঞ্জের গ্রামের মানুষের জন্য ক্যান্সার সচেতনতা ও প্রতিরোধ কর্মসূচি চালুর আবেদন। জনাব, আমাদের সুনামগঞ্জ জেলার গ্রামীণ অঞ্চলে ক্যান্সার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত কম। অনেকেই এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ বুঝতে পারে না এবং সময়মতো চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে স্তনক্যান্সার ও গলার ক্যান্সারের মতো রোগ বাড়ছে। এই রোগের প্রাথমিক প্রতিরোধ ও সচেতনতার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বিশেষ ক্যাম্প আয়োজন ও জনসচেতনতা কর্মসূচি প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রামীণ এলাকায় ক্যান্সার সচেতনতা এবং প্রাথমিক পরীক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ রাবেয়া খাতুন গ্রামবাসী প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ" সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১০ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, নরসিংদী বিষয়: বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন। জনাব, নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলেছে, যার অনেক কারণ হচ্ছে সড়কচলাচল বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অবহেলা ও অবজ্ঞা। তারা ট্রাফিক নিয়ম মানেনা এবং অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি নেয়। শিক্ষার্থীদের জীবন রক্ষার জন্য বিদ্যালয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষ সচেতনতামূলক ক্লাস ও ক্যাম্প পরিচালনা প্রয়োজন। এতে তাদের মধ্যে সঠিক সড়ক ব্যবহার শেখানো যাবে এবং দুর্ঘটনা কমবে। অতএব, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে দ্রুত বিদ্যালয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চালুর জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আরমান হোসেন বিদ্যালয় শিক্ষক নরসিংদী" পৌর এলাকার রাস্তার দৃষ্টিনন্দন ও দীর্ঘস্থায়ী সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ১১ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, বগুড়া বিষয়: শহরের প্রধান সড়ক ও গলিপথের সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের আবেদন। জনাব, বগুড়া পৌরসভার প্রধান সড়ক ও গলিপথগুলো বহুদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ভঙ্গুর, দুর্গন্ধযুক্ত ও অপরিষ্কার অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে পানির জল জমে চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং যানবাহন ও পথচারীরা দুর্ভোগ পায়। রাস্তা ও ফুটপাতের নিয়মিত সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা সুরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং সড়ক পেইন্টিং ও লাইটিংয়ের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ তৈরির ব্যবস্থা প্রয়োজন। অতএব, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব কাজ সম্পন্ন করার জন্য আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ তরিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি বগুড়া " শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে কোচিং সেন্টার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১২ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার, নেত্রকোনা বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে কোচিং সেন্টার চালুর আবেদন। জনাব, নেত্রকোনা উপজেলার গ্রামীণ এলাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী পারিবারিক কারণে প্রাইভেট কোচিং নিতে পারে না। এতে অনেক মেধাবী ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারি অথবা স্থানীয় সমাজসেবী সংস্থার সহযোগিতায় বিনামূল্যে কোচিং সেন্টার চালু করলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং তারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে। অতএব, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নেত্রকোনা" গ্রামের অসচ্ছল কৃষকদের জন্য ঋণ সহায়তা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১৩ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা কৃষি অফিসার, কিশোরগঞ্জ বিষয়: অসচ্ছল কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা বৃদ্ধির আবেদন। জনাব, আমাদের কিশোরগঞ্জের গ্রামের কৃষকগণ চারা রোপণ, সার ও কীটনাশক কেনার জন্য ঋণের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু বর্তমানে ঋণের হার বেশি ও শর্ত কঠোর হওয়ায় অনেকেই ঋণ নিতে পারছেন না। ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সরকারি প্রণোদিত সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে কৃষকেরা উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারবেন এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখতে পারবেন। অতএব, অসচ্ছল কৃষকদের জন্য ঋণ সহায়তা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম কৃষক প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ" শহরের বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার ও পরিচ্ছন্ন টয়লেট নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ১৪ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, রাজশাহী বিষয়: রাজশাহী বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য উন্নত বিশ্রামাগার ও পরিচ্ছন্ন টয়লেট নির্মাণ। জনাব, রাজশাহী শহরের বাস স্ট্যান্ডে যাত্রীদের বিশ্রামের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। বাসের জন্য অপেক্ষাকালীন যাত্রীদের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় এবং টয়লেটের অভাব ও অপরিষ্কার অবস্থার কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। তাই বাস স্ট্যান্ডে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন বিশ্রামাগার ও টয়লেট নির্মাণের জন্য আপনার তৎপর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ শহীদুল ইসলাম যাত্রী প্রতিনিধি রাজশাহী" প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ১৫ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, বরিশাল বিষয়: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাড়ানোর আবেদন। জনাব, বরিশাল জেলার অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সময়োপযোগী ও পর্যাপ্ত নয়। ফলে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান কঠিন হয়ে পড়ে। সুতরাং শিক্ষকদের নিয়মিত আধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের পঠন-পাঠন ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ দক্ষতা বৃদ্ধি করা জরুরি। অতএব, জেলা শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করার জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ আজাদুল হক বিদ্যালয় প্রধান বরিশাল" উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন," তারিখ: ১৬ মে ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনার আবেদন। জনাব, আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল থেকে সৃষ্ট বর্জ্য যথাযথভাবে নিষ্কাশিত না হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে প্লাস্টিক ও মেডিকেল বর্জ্য রাস্তায় পড়ে থাকে, যা রোগ সংক্রমণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অতএব, হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করার জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণ, বর্জ্য সংগ্রহ ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম স্বাস্থ্যকর্মী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স " শিশুদের জন্য পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার আবেদন," তারিখ: ১৭ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, খুলনা বিষয়: শিশুদের পড়াশোনার জন্য পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার আবেদন। জনাব, খুলনা জেলায় শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ বৃদ্ধি ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য শিশুদের জন্য একটি আধুনিক ও সুসজ্জিত পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। লাইব্রেরিতে শিক্ষামূলক বই, গল্পকাহিনী, বিজ্ঞান বিষয়ক বই ও কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ থাকলে শিশুদের সৃজনশীলতা ও জ্ঞানবৃদ্ধি ঘটবে। অতএব, শিশুদের জন্য জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে একটি পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোছাঃ রোকসানা আক্তার শিক্ষিকা খুলনা" প্রান্তিক শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা সুবিধা চালুর আবেদন," তারিখ: ১৮ মে ২০২৬ প্রাপক: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: প্রান্তিক শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা সুবিধা চালুর আবেদন। জনাব, দেশের হাজারো প্রান্তিক শ্রমিক যেমন রিকশাচালক, দিনমজুর, গার্মেন্টস শ্রমিক ইত্যাদি নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য টাকা যোগাড় করতে হয়, যা অনেক সময় দায়ের বাইরে। সরকারি উদ্যোগে এই শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা সুবিধা চালু করলে তাদের চিকিৎসা সহজ হবে এবং পরিবারগুলো আর্থিকভাবে সুরক্ষিত থাকবে। অতএব, শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা কর্মসূচি গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম শ্রমিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামে কন্যাশিশুদের শিক্ষার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ২০ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, মেহেরপুর বিষয়: গ্রামীণ কন্যাশিশুদের জন্য বিশেষ শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচির প্রস্তাব। জনাব, মেহেরপুর জেলার গ্রামাঞ্চলে এখনো অনেক কন্যাশিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। সামাজিক কুসংস্কার, দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ এসব তাদের পড়াশোনার পথ রোধ করে। সরকারি বৃত্তি, পোশাক সহায়তা, গার্জিয়ান কাউন্সেলিং ও বাসস্থানে গিয়ে শিক্ষাদান কর্মসূচি নিলে কন্যাশিক্ষা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। অতএব, এই ধরনের কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করে শিক্ষার হার বাড়ানোর অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন গ্রামীণ সমাজসেবিকা মেহেরপুর" গ্রামীণ এলাকায় নারীদের জন্য সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন,"তারিখ: ২১ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্রীমঙ্গল বিষয়: গ্রামীণ নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভানুগাছ ইউনিয়নের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের সমস্যা তুলে ধরতে চাই। আমাদের এলাকার অধিকাংশ নারী গৃহস্থালির কাজের বাইরে কোনো আয়ের সুযোগ পান না। অনেকেই স্বামীহারা, আবার কেউ সংসারে বহু সদস্য নিয়ে বেকার স্বামীর ওপর নির্ভর করে থাকেন। অথচ এদের অনেকের মধ্যেই সেলাই, বুনন, হস্তশিল্প কিংবা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বিষয়ে আগ্রহ ও সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু প্রশিক্ষণের অভাব এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অপ্রতুলতা তাদের সে সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাধা দিচ্ছে। সারা দেশে ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে একে বাস্তবায়নের জন্য শুধুমাত্র বক্তৃতা নয়, প্রয়োজন বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। আপনার সহযোগিতায় যদি আমাদের ইউনিয়নে একটি আধুনিক সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়, তাহলে এই নারীরা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারবে এবং পরিবারে আর্থিক সহায়তাও দিতে পারবে। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি স্থানীয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কিংবা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহায়তায় পরিচালিত হলে কার্যক্রমটি টেকসই হবে। পাশাপাশি প্রতি ব্যাচে ২৫ জন করে নারীকে তিন মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে বছরে প্রায় ১০০ জন নারী আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারবে। অতএব, আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সেলাই ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে এলাকার নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করুন। নিবেদক মোছাঃ শারমিন আক্তার সচেতন নারী প্রতিনিধি ভানুগাছ ইউনিয়ন, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার " সরকারি বিদ্যালয়ে দারিদ্র্যপীড়িত ছাত্রছাত্রীদের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা চালুর আবেদন," তারিখ: ২২ মে ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, কুড়িগ্রাম বিষয়: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পুষ্টির উন্নয়নে বিদ্যালয়ে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা চালুর আবেদন। মান্যবর, আশা করি আপনি ভালো আছেন। আমি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আপনাকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানাতে চাই। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ দরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারের সন্তান। এদের অনেকেই প্রতিদিন না খেয়ে স্কুলে আসে অথবা অর্ধভুক্ত অবস্থায় ক্লাস করে। যার কারণে তাদের একাগ্রতা, শারীরিক সক্ষমতা ও পরীক্ষার ফলাফল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা দেখেছি, যারা সকালের নাশতা কিংবা দুপুরে পুষ্টিকর খাবার না পায়, তারা ক্লাসে ঘুমিয়ে পড়ে, অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির হারও বেশি হয়। অথচ প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে ‘স্কুল মিল’ প্রকল্প চালু থাকায় সেখানে উপকার মিলেছে। এই কার্যক্রমটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও চালু করা হলে শিক্ষার্থীরা আরও উপকৃত হবে। আমরা মনে করি, স্থানীয় কৃষিপণ্য ও সামাজিক উদ্যোগের সমন্বয়ে খুব সহজেই স্কুল ভিত্তিক মধ্যাহ্নভোজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিদিন একজন শিক্ষার্থীর জন্য যদি ২০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাহলে স্বল্প খরচে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহ সম্ভব। অতএব, বিদ্যালয়ভিত্তিক দুপুরের খাবার বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণ করে কুড়িগ্রামের দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও পুষ্টির উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আপনার সদয় উদ্যোগ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ নুরুল আমিন সহকারী শিক্ষক ফুলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম " বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণসামগ্রী ও চিকিৎসাসেবার জন্য জরুরি আবেদন," তারিখ: ২৩ মে ২০২৬ প্রাপক: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বন্যা দুর্গতদের জন্য জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তার আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এক ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের পক্ষ থেকে আপনার দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গত এক সপ্তাহ ধরে টানা বর্ষণ ও নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আমাদের পুরো ইউনিয়ন পানিতে তলিয়ে গেছে। শত শত ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও দোকানপাট পানির নিচে। মানুষজন ঘরের চালে, বাঁশের মাচা কিংবা স্কুল ভবনে আশ্রয় নিয়েছে। অথচ এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছায়নি। শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানীয় জল, ঔষধ ও চিকিৎসকের অভাবে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা চরম মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে ডায়রিয়া, পানিবাহিত রোগ এবং চর্মরোগ ছড়িয়ে পড়ছে। অধিকাংশ মানুষ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাচ্ছে। এই অবস্থায় যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে। অতএব, আপনার দপ্তর থেকে দ্রুত জরুরি ত্রাণ সামগ্রী প্রেরণ ও মেডিকেল টিম পাঠিয়ে মানুষের জান-মাল রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ আব্দুল খালেক গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা" "গ্রামে পাঠাগার ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন তারিখ: ২৪ মে ২০২৬"," প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চুয়াডাঙ্গা সদর বিষয়: গ্রামাঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারের জন্য পাঠাগার ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমরা চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কয়েকজন তরুণ শিক্ষার্থী ও সমাজকর্মী আপনাকে একটি আন্তরিক ও সময়োপযোগী প্রস্তাব জানাতে চাই। আমাদের গ্রামে উচ্চশিক্ষা লাভের আগ্রহ থাকলেও শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় বই, ইন্টারনেট, অনলাইন ক্লাস কিংবা ডিভাইসের সুবিধা পায় না। যার ফলে তারা শহরের ছাত্রদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে পড়ে। এই অসমতা দূর করতে হলে আমাদের গ্রামে একটি পাবলিক লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন খুবই জরুরি। সেখানে শিক্ষামূলক বই, দৈনিক পত্রিকা, সরকারি ফরম পূরণের সহযোগিতা এবং কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ও জ্ঞানে সমৃদ্ধ হবে। এই উদ্যোগে আপনার প্রশাসনিক সহায়তা এবং স্থানীয় সমাজের অংশগ্রহণে একটি বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি। অতএব, আমাদের গ্রামে একটি আধুনিক পাঠাগার ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা সদর, চুয়াডাঙ্গা" নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের আবেদন," তারিখ: ২৫ মে ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, রাজবাড়ী বিষয়: নদী ভাঙনের ফলে ঘরহারা পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের আবেদন। মান্যবর, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার একজন সামাজিক প্রতিনিধি হিসেবে পদ্মা নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষদের হয়ে আপনার দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গত কয়েক বছর ধরে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কারণে আমাদের এলাকায় শত শত পরিবার বসতভিটা, কৃষিজমি ও সহায়-সম্পদ হারিয়েছে। অনেকেই বর্তমানে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে অস্থায়ীভাবে থাকছেন, কেউ কেউ সরকারি রাস্তার পাশে কিংবা বাঁধের ধারে খুপরি ঘর তুলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অথচ দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও কোনো স্থায়ী পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর ফলে অসহায় পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছে। শিশুরা শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ছে, নারীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে এবং পরিবারে কর্মসংস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য নদী ভাঙন এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসন প্রকল্প চালু, খাসজমি বরাদ্দ, পুনর্গঠিত আবাসন এলাকা তৈরি ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অতএব, রাজবাড়ী জেলার নদী ভাঙনপ্রবণ অঞ্চলের দুর্গত পরিবারগুলোর জন্য পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কর্মসূচি গ্রহণ করে তাদের নিরাপদ আশ্রয় ও জীবনের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ ফরহাদ হোসেন নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির পক্ষে গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী" পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স নবায়নের আবেদন," তারিখ: ২৬ মে ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: পল্লী চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও সনদ নবায়নের আবেদন। মান্যবর, আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত পল্লী চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে আপনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করতে চাই। গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতাল বা এমবিবিএস ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সুযোগ সীমিত। এই পরিস্থিতিতে আমরা বহু বছর ধরে মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আসছি। তবে, অনেক ক্ষেত্রেই আমরা নতুন রোগের চিকিৎসা বা ওষুধ সম্পর্কে অবগত নই। আবার অনেক পল্লী চিকিৎসকের লাইসেন্স নবায়ন হয়নি বহু বছর ধরে। আমরা চাই, সরকার আমাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুক এবং প্রতি ৫ বছর অন্তর লাইসেন্স নবায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করুক। এতে চিকিৎসাসেবার মান উন্নত হবে এবং সরকারও আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। অতএব, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক চিকিৎসায় নিয়োজিত পল্লী চিকিৎসকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও লাইসেন্স ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে আপনার কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি। নিবেদক ডাঃ শাহীন মিয়া পল্লী চিকিৎসক প্রতিনিধি নেত্রকোনা জেলা " শহরের রিকশা চালকদের জন্য বিশ্রাম কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২৭ মে ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: রিকশাচালকদের জন্য আধুনিক বিশ্রামাগার ও পানীয় জল সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমি নারায়ণগঞ্জ শহরের একজন নাগরিক হিসেবে শহরের রিকশা চালকদের দুর্দশা সম্পর্কে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রতিদিন হাজার হাজার রিকশাচালক শহরের বিভিন্ন রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে কাজ করে যাচ্ছেন। রোদ, বৃষ্টি কিংবা শীতে তারা কোনো প্রকার বিশ্রামের সুযোগ পান না। অনেক চালক রাস্তার ধারে বসে খায়, ঘুমায়, এমনকি রোগ হলে চিকিৎসা ছাড়াই কষ্ট করে। এই শহরের পরিবহন ব্যবস্থায় রিকশাচালকদের অবদান অনেক, কিন্তু তাদের জন্য নেই কোনো আধুনিক বিশ্রাম কেন্দ্র, নিরাপদ পানীয় জল কিংবা টয়লেটের ব্যবস্থা। আমরা প্রস্তাব করছি, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কিছু ছোটো ‘রিকশাচালক বিশ্রাম কেন্দ্র’ নির্মাণ করা হোক, যেখানে তারা একটু বিশ্রাম নিতে পারবে, হাত-মুখ ধুতে পারবে এবং জরুরি প্রয়োজনে ওষুধও পাবে। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ রিকশাচালকদের মনোবল বাড়াবে এবং শহরের পরিবেশও হবে পরিচ্ছন্ন। অতএব, রিকশাচালকদের জন্য আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত বিশ্রামাগার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ আলমগীর হোসেন রিকশাচালক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ" গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণের আবেদন," তারিখ: ২৮ মে ২০২৬ প্রাপক: প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, ঠাকুরগাঁও বিষয়: হরিপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন। মান্যবর, আমি ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের শিক্ষানুরাগী একজন অভিভাবক। আমাদের গ্রামের “চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”-এ গত প্রায় এক বছর ধরে একজন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে মোট ৪টি ক্লাস (১ম-৪র্থ শ্রেণি) চালু রয়েছে এবং ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১৮০ জন। অথচ বর্তমানে মাত্র ২ জন শিক্ষক আছেন। ফলে একজন শিক্ষককে একাধিক শ্রেণি একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে, যা শিক্ষার মান ও গতি উভয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই বিদ্যালয়ে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাদের মা-বাবারা স্বল্পশিক্ষিত এবং শিক্ষা সম্পর্কে সচেতন নন। তাই বিদ্যালয়ের উপরই নির্ভর করে তাদের ভবিষ্যৎ। বর্তমানে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে, তাদের শেখার আগ্রহও হ্রাস পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণ না হলে বিদ্যালয়টির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে। অতএব, আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি, দ্রুত চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করুন। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম অভিভাবক প্রতিনিধি চন্ডিপুর গ্রাম, হরিপুর, ঠাকুরগাঁও" শহরের প্রধান ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ২৯ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, কুমিল্লা বিষয়: কুমিল্লা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন সংস্কারের আবেদন। মান্যবর, আমি কুমিল্লা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বিগত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুম এলেই আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। প্রধান ড্রেনটি বহু বছর ধরে পরিষ্কার হয়নি। অনেক স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে ড্রেনের পানি উপচে রাস্তায় উঠে যায়। ফলে স্কুল, অফিস, দোকান এবং বাসায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। পানি জমে থাকায় মশা, মাছি ও দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং কলেরা, ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগ বেড়ে যায়। বিশেষ করে আমাদের ওয়ার্ডের স্কুলপড়ুয়া শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং গর্ভবতী নারীরা এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা চাই, নিয়মিত ড্রেন পরিস্কার এবং নতুনভাবে পাকা ড্রেন নির্মাণের মাধ্যমে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হোক। পৌরসভার বাজেট থেকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। অতএব, ড্রেন সংস্কারের মাধ্যমে শহরের নাগরিকদের জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক মোঃ হাসানুজ্জামান বাসিন্দা, ৯নং ওয়ার্ড কুমিল্লা পৌরসভা" বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৩০ মে ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা শিক্ষা অফিসার, বগুড়া সদর বিষয়: বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনের স্থলে নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমি বগুড়া সদরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের বিদ্যালয়টি প্রায় ৫০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ভবনটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে ছাদের ফাটল দিয়ে পানি পড়ে এবং দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি ইদানীং একটি ক্লাসরুমের ছাদের প্লাস্টার খসে পড়েছে, সৌভাগ্যক্রমে কেউ আহত হয়নি। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে থাকে, অনেক অভিভাবক সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পান। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৪৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, কিন্তু বসার জন্য পর্যাপ্ত কক্ষ নেই। শিক্ষার পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে। আমরা চাই, নতুনভাবে একটি তিনকক্ষ বিশিষ্ট দোতলা ভবন নির্মাণ করা হোক, যাতে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয় এবং শিক্ষার্থীরা নিরাপদে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। অতএব, পরিত্যক্ত ভবনের স্থলে একটি নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় দৃষ্টি ও ত্বরিত পদক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান শিক্ষক নন্দীগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বগুড়া সদর" শহরে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩১ মে ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান, ফরিদপুর বিষয়: শহরের জনবহুল এলাকায় পাবলিক টয়লেট স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমি ফরিদপুর পৌরসভার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে শহরের নাগরিকদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা তুলে ধরতে চাই। শহরের বাসস্ট্যান্ড, বাজার, পার্ক ও ওভারব্রিজ এলাকায় কোনো পাবলিক টয়লেট নেই। ফলে সাধারণ পথচারী, রিকশাচালক, শিশু ও নারী যাত্রীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হন। নারীদের জন্য বিশেষ করে এটি অত্যন্ত অপমানজনক ও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। অনেক সময় শিশুদের হঠাৎ প্রাকৃতিক ডাক এলে উপযুক্ত জায়গা পাওয়া যায় না। অথচ অল্প খরচেই আধুনিক ও হাইজেনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা সম্ভব। উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদের শহরেও এটি একটি অপরিহার্য নাগরিক সুবিধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতএব, জরুরি ভিত্তিতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও মর্যাদা রক্ষার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। নিবেদক মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন সচেতন নাগরিক প্রতিনিধি ফরিদপুর পৌরসভা" স্কুলে বিজ্ঞানাগার ও বিজ্ঞান উপকরণ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ১ জুন ২০২৬ প্রাপক: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ বিষয়: বিদ্যালয়ে বিজ্ঞানাগার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমি ময়মনসিংহ জেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আমাদের বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থাকলেও বিজ্ঞানাগার নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু বই পড়ে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করছে, কিন্তু কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতা নিতে পারছে না। শুধুমাত্র বোর্ড পরীক্ষায় পাস করার জন্য বিজ্ঞান পড়া উচিত নয়। বাস্তব উদাহরণ ও প্র্যাকটিক্যাল ছাড়া একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত বিজ্ঞানী হতে পারে না। আমরা চাই, সরকারের পক্ষ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানাগার নির্মাণ করে, তার মধ্যে মডেল, সরঞ্জাম ও কেমিকেল সরবরাহ করা হোক। অতএব, বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শিক্ষার মান উন্নয়নে বিজ্ঞানাগার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক শহীদ নাজিমউদ্দিন স্কুল, ময়মনসিংহ" টেলিমেডিসিন সেবা চালুর আবেদন," তারিখ: ২ জুন ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা বিষয়: প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের জন্য টেলিমেডিসিন সেবা চালুর আবেদন। মান্যবর, আমরা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দা। আমাদের এলাকার হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাওয়া যায় না। জরুরি সময়ে রোগীরা শহরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সময় ও অর্থের অপচয় হয়, যা অনেক সময় মৃত্যুর কারণও হয়। সরকার যদি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অনলাইন চিকিৎসাসেবা বা ‘টেলিমেডিসিন সেবা’ চালু করে, তাহলে প্রান্তিক জনগণও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পাবে ঘরে বসেই। এছাড়া স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও কিছু ডিভাইস সরবরাহ করলেই এটি সফলভাবে চালু করা সম্ভব। অতএব, টেলিমেডিসিন সেবা চালুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ সজল হোসেন গ্রামবাসীর পক্ষে কানাইঘাট, সিলেট" কলেজে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ৩ জুন ২০২৬ প্রাপক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিষয়: গ্রামীণ কলেজে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের আবেদন। মান্যবর, আমি কিশোরগঞ্জ জেলার একটি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ। বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। অথচ আমাদের কলেজে কম্পিউটার ল্যাব নেই। আইসিটি, হিসাববিজ্ঞান এমনকি প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশনেও ছাত্রছাত্রীরা পিছিয়ে পড়ছে। শুধু কিছু পুরনো কম্পিউটার থাকলেই হবে না— প্রয়োজন যথাযথ ল্যাব, ইন্টারনেট সংযোগ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক। আমরা চাই, কলেজে একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হোক। অতএব, কম্পিউটার শিক্ষার প্রসারে ল্যাব স্থাপনে সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক প্রফেসর মোঃ আবুল কালাম অধ্যক্ষ হোসেনপুর ডিগ্রি কলেজ, কিশোরগঞ্জ" সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন," তারিখ: ৪ জুন ২০২৬ প্রাপক: সিভিল সার্জন, রাজশাহী বিষয়: সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, রাজশাহীর সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে ওষুধ দেয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে রোগীরা বাইরে থেকে কিনতে বাধ্য হচ্ছে। দরিদ্র জনগণ যখন সরকারি সেবার ওপর নির্ভর করে, তখন এমন পরিস্থিতি তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলে। আমরা চাই, হাসপাতালের ফার্মাসিতে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ, মনিটরিং এবং অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা থাকুক। অতএব, জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আপনার উদ্যোগ কামনা করছি। নিবেদক মোঃ আবদুর রহিম সাধারণ নাগরিক রাজশাহী" শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন স্কুল পরিবেশ তৈরির আবেদন," তারিখ: ৫ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, যশোর বিষয়: বিদ্যালয়ে নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার আবেদন। মান্যবর, আমাদের যশোর জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেশ কিছু সমস্যা বিদ্যমান, বিশেষ করে নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত। স্কুল প্রাঙ্গণ ও কক্ষগুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ বস্তু রয়েছে, যেমন খোলা বৈদ্যুতিক তার, ছিঁড়ে যাওয়া মেঝে ও ভাঙা বেঞ্চ। এছাড়া শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিষ্কার পানি ও সাবান নেই। শিশুরা স্কুলে আসার সময় শারীরিক আঘাতের শঙ্কায় থাকে, আর স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেক বেশি। স্কুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকায় বিভিন্ন রোগের বিস্তার হচ্ছে। আমরা বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার, পরিচ্ছন্ন পানি ও স্যানিটারি ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য আপনার সহায়তা কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ সুমাইয়া রহমান অভিভাবক প্রতিনিধি সদর ইউনিয়ন প্রাথমিক বিদ্যালয়, যশোর" গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা মেরামতের জন্য আবেদন," তারিখ: ৬ জুন ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, হবিগঞ্জ বিষয়: বগলাপাড়া গ্রামের রাস্তার দুরবস্থা দ্রুত মেরামতের আবেদন। মান্যবর, আমি হবিগঞ্জ জেলার বগলাপাড়া গ্রামের একজন গরীব কৃষক। আমাদের গ্রামের প্রধান সড়কটি অনেকদিন ধরে ভেঙে গেছে। বৃষ্টির দিনে পানি জমে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। যানবাহন ও মানুষ চলাচলে বড় সমস্যা হয়। রোগীদের হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া, শিশুর স্কুল যাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই রাস্তার মেরামত করা হলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। অতএব, দ্রুত রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম গরীব কৃষক বগলাপাড়া, হবিগঞ্জ" শহরে পর্যাপ্ত পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৭ জুন ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন কমিশনার, খুলনা বিষয়: খুলনা শহরে যানজট নিরসনে পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন। মান্যবর, খুলনা শহরে প্রতিদিন যানজট চরম আকার ধারণ করে। যাতায়াতের সময় দীর্ঘ হয়, জীবনের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিটি কর্পোরেশন যদি বেশি বাস ও মিনি বাস চালু করে, সড়ক সম্প্রসারণ করে, ট্রাফিক নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করে, তাহলে যানজট কমানো সম্ভব। অতএব, দ্রুত কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোঃ জামাল উদ্দিন নাগরিক প্রতিনিধি খুলনা" গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৮ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা স্বাস্থ্য অফিসার, নোয়াখালী বিষয়: স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের আবেদন। মান্যবর, আমাদের গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অনেক সরঞ্জাম নেই। যন্ত্রপাতি না থাকার কারণে রোগীদের চিকিৎসা যথাযথ হয় না। সরকার যদি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করে, তাহলে গ্রামাঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবা উন্নত হবে। অতএব, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মেডিকেল সরঞ্জাম দ্রুত সরবরাহের জন্য অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ ফরিদ উদ্দিন গ্রামবাসী নোয়াখালী" শিশুদের জন্য খেলাধুলার মাঠ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৯ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, রাজবাড়ী বিষয়: শিশুদের জন্য খেলাধুলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। মান্যবর, আমাদের এলাকায় শিশুদের খেলাধুলার জন্য কোনো উপযুক্ত জায়গা নেই। ফলে তারা গলিতে বা রাস্তার ধারে খেলে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সরকার বা স্থানীয় সরকার যদি একটি ছোট মাঠ নির্মাণ করে দেয়, তাহলে শিশুরা নিরাপদে খেলাধুলা করতে পারবে এবং তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক হবে। অতএব, শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোছাঃ রুমানা বেগম অভিভাবক প্রতিনিধি রাজবাড়ী" বিদ্যালয়ে মেয়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ১০ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, নেত্রকোনা বিষয়: বিদ্যালয়ে মেয়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মান্যবর, নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে মেয়েরা মাসিক আবর্তনে অনেক কষ্ট পাচ্ছে। স্যানিটারি ন্যাপকিনের অভাবে অনেকেই স্কুল থেকে অনুপস্থিত থাকে। যদি বিদ্যালয়ে মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন প্রদান এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে তাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। অতএব, বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি। নিবেদক মোছাঃ ফাতেমা খাতুন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নেত্রকোনা" শহরের রাস্তাঘাট দ্রুত সংস্কারের আবেদন," তারিখ: ১৪ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌর মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: শহরের পরিচ্ছন্নতার জন্য কঠোর আইন প্রয়োগের আবেদন। মান্যবর, চট্টগ্রাম শহরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে অনেক জায়গায় আবর্জনা ফেলা হয়, রাস্তা ও নালা বন্ধ হয়। এতে রোগব্যাধি ছড়ায়। সরকার যদি কঠোর আইন প্রয়োগ করে নিয়ম না মানলে জরিমানা আরোপ করে, তাহলে শহর পরিচ্ছন্ন থাকবে। অতএব, পরিচ্ছন্নতার জন্য কঠোর আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারি বিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা সামগ্রীর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন," তারিখ: ১৫ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, ঢাকা সদর বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিতকরণের আবেদন। মাননীয় জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়, আশা করি আপনি সুস্থ ও সচ্ছল আছেন। আমি ঢাকা সদর উপজেলার চরনবাবগঞ্জ এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে এই আবেদনপত্রের মাধ্যমে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ৫০০ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে, যাদের অধিকাংশই দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবার থেকে আসে। সরকারি প্রণোদনায় বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে এ বছর অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রয়োজনীয় বই পায়নি। বিশেষ করে বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে বই ও আনুষঙ্গিক শিক্ষা সামগ্রীর অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বইয়ের অভাবে পড়াশোনায় পেছনে পড়ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অভিভাবকগণও শিক্ষাসামগ্রী কেনার সামর্থ্য রাখেন না। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বই ছাড়া ক্লাসে অংশ নিচ্ছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক মান হ্রাস করছে। অধিকন্তু, পর্যাপ্ত শিক্ষা সামগ্রী না থাকায় শিক্ষকদের ক্লাস পাঠদানেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। কারণ তারা পর্যাপ্ত পাঠদানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ও শিক্ষণ সরঞ্জাম থেকে বঞ্চিত। এই পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন করার জন্য আমরা জেলা শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুরোধ জানাচ্ছি যে, ১. সরকারি বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ে যথাযথ ও পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। ২. শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা সামগ্রী, যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ৩. ছাত্রছাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত পাঠ্যসহায়ক বই, ডিজিটাল লার্নিং উপকরণ ও অনলাইন শিক্ষাসুবিধা চালু করা হোক। আমাদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত অর্জন ও জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত মান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। আপনার সদয় হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক চরনবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঢাকা সদর" গ্রামীণ এলাকায় সুরক্ষিত ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার আবেদন," তারিখ: ১৬ জুন ২০২৬ প্রাপক: পানি সরবরাহ ও পানিসম্পদ বিভাগ, রাজশাহী বিষয়: গ্রামাঞ্চলে সুরক্ষিত ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমি রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার বড়ইল গ্রাম থেকে আপনার নিকট এই আবেদন পেশ করছি। আমাদের গ্রামবাসীর প্রধান সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে নিরাপদ পানির অভাব। অধিকাংশ পরিবার বিশুদ্ধ পানি না থাকার কারণে বার বার জলবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুরা, বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা ও গর্ভবতী নারীরা মারাত্মক বিপদে পড়ছেন। এখনকার ব্যবহৃত পানি প্রায়শই আর্সেনিক ও অন্যান্য দূষিত উপাদানে পরিপূর্ণ, যার প্রমাণ সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক করা পরীক্ষায় পাওয়া গেছে। এমন পানি পান করা একদিকে যেমন দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন রোগের কারণ, অন্যদিকে তা প্রভাবিত করছে আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও কৃষির উৎপাদনশীলতাও। গ্রামবাসীর দাবি, ১. দ্রুত সময়ের মধ্যে গভীর নলকূপ খনন ও পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ২. প্রয়োজনে উন্নত মানের ওয়াটার ফিল্টার স্থাপন করা হোক। ৩. পানির উৎসগুলোর নিয়মিত পরীক্ষা ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হোক। ৪. জনগণকে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পানি সংরক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হোক। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। আপনার সদয় সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আনিসুর রহমান বড়ইল গ্রামের পক্ষে পবা, রাজশাহী " সরকারি হাসপাতালে অত্যাধুনিক মেডিকেল যন্ত্রপাতি সংযোজনের আবেদন," তারিখ: ১৭ জুন ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালের আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে আপনার সরকার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তা আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করি। তবে, রাজশাহীর মহানগরীর প্রধান সরকারি হাসপাতালে এখনও আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল এক্সরে, MRI, আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রায়ই অকেজো বা অনুপস্থিত থাকে। এর ফলে রোগীদের ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং অনেক সময় রোগীরা ঢাকাসহ অন্যত্র চিকিৎসার জন্য যেতে বাধ্য হন। আমরা, রাজশাহী জেলার সাধারণ জনগণ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি যে— ১. সরকারি হাসপাতালগুলোতে আধুনিক ও কার্যকর চিকিৎসা যন্ত্রপাতি দ্রুত সরবরাহ ও সংস্কার করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণসহ চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানের দক্ষতা বৃদ্ধি কার্যক্রম গ্রহণ করা হোক। ৩. সেবা গ্রহণের সময় সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও মনিটরিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হোক, যাতে রোগীরা সুষ্ঠু চিকিৎসা পায়। আমাদের আশা, আপনি এই আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবেন। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাধারণ নাগরিক রাজশাহী " গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ১৮ জুন ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষামন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামীণ বিদ্যালয়ে ডিজিটাল শিক্ষা ও ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিতকরণের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে শিক্ষার ক্ষেত্রে ডিজিটাল লার্নিং একটি অপরিহার্য মাধ্যম। তবে, দেশের প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এলাকার অনেক বিদ্যালয়ে এখনও ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ, ইন্টারনেট সংযোগ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই। আমাদের গ্রামে, বরিশাল জেলার হাজিগঞ্জে, শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত। বিদ্যমান শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অভাবে শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে। আমরা আবেদন জানাচ্ছি যে, ১. প্রতিটি সরকারি বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব ও ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা হোক। ২. শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হোক। ৩. অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী শিক্ষামূলক সামগ্রী তৈরি ও সহজলভ্য করা হোক। এভাবেই আমরা দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারব। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রিতা বিশ্বাস শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হাজিগঞ্জ, বরিশাল" শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য আবেদন," তারিখ: ১৯ জুন ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, ঢাকা বিষয়: রাজধানীর যানজট কমাতে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, ঢাকা শহর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হলেও ভয়াবহ যানজট শহরবাসীর জন্য একটি নিত্য দিনের সমস্যা। প্রতিদিন গড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ির সারি এবং দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা মোকাবেলায় সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় পরিবহন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা, পার্কিং সমস্যা, ফুটপাত দখল এবং অযত্ন জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। আমরা আবেদন করছি— ১. আধুনিক ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম বসানো হোক। ২. ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, পরিবহন সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও পার্কিং ব্যবস্থা উন্নত করা হোক। ৩. যানজট প্রশমন ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালানো হোক। আপনার দ্রুত হস্তক্ষেপে শহরের যানজট কমিয়ে ঢাকা শহরকে পরিবেশবান্ধব ও মানুষের চলাচলের অনুকূল জায়গায় পরিণত করার প্রত্যাশা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামীণ অঞ্চলে সড়কপথ উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২০ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, গোপালগঞ্জ বিষয়: গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন গ্রামে সড়কপথ উন্নয়ন ও মেরামতের আবেদন। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, আমাদের গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামে সড়কগুলো দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অসমাপ্ত রয়েছে। বৃষ্টি মৌসুমে এসব সড়ক দিয়ে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের স্কুল যাতায়াত বিঘ্নিত হওয়া, পণ্য পরিবহনে বাধা এইসব সমস্যা সড়ক খারাপ থাকার কারণে সৃষ্ট। আমরা অনুরোধ করছি— ১. প্রাধান্যক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ ও ভাঙাচোরা সড়কগুলো মেরামত ও পাকা করা হোক। ২. সড়ক নির্মাণের সময় স্থানীয়দের মতামত ও পরিবেশগত দিক বিবেচনায় নেওয়া হোক। ৩. নিয়মিত সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হোক। আপনার সহানুভূতিশীল দৃষ্টি ও দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আজিজুল হক গ্রামবাসী পক্ষে গোপালগঞ্জ" পৌর শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহারের জন্য আবেদন," তারিখ: ২১ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ বিষয়: পৌর শহরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়, ময়মনসিংহ পৌর শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল। যেখানে রাস্তার ধারে ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করে। পৌরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাশাপাশি শহরের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরে বর্জ্য সংগ্রহ, সঠিকভাবে পৃথকরণ ও পুনর্ব্যবহারের কার্যকর ব্যবস্থা করা হোক। ২. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হোক এবং অপরিকল্পিত আবর্জনা ফেলায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আপনার সহায়তায় শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করা সম্ভব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ তানিয়া আক্তার নাগরিক প্রতিনিধি ময়মনসিংহ " গ্রামীণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ২২ জুন ২০২৬ প্রাপক: বিদ্যুৎ বিভাগ, কুমিল্লা বিষয়: কুমিল্লা জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের কুমিল্লা জেলার নিম্নমান্দিয়া গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রায় বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা রাতে পড়াশোনা করতে পারে না, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি সেবা দেয়াও সম্ভব হচ্ছে না। আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি— ১. গ্রামের প্রতিটি ঘরে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হোক। ২. বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও লাইন সম্প্রসারণ করা হোক। ৩. গ্রামীণ বিদ্যুতায়নের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। আপনার সহযোগিতা আমাদের জীবনে আশার আলো জ্বালাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শহিদুল ইসলাম গ্রামবাসী কুমিল্লা" শহরে জনসাধারণের জন্য সাইকেল লেন নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৩ জুন ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, সিলেট বিষয়: সিলেট শহরে সাইকেল লেন নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, সাইকেল শহরে যাতায়াতের একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর মাধ্যম। কিন্তু সিলেট শহরে সাইকেল চালানোর উপযুক্ত রাস্তা বা লেন না থাকার কারণে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। সাইকেল লেন থাকলে যাতায়াত নিরাপদ হবে, যানজট কমবে এবং পরিবেশ দূষণও হ্রাস পাবে। আমরা আবেদন জানাচ্ছি— ১. সিলেট শহরের প্রধান সড়কে সাইকেল চালানোর জন্য পৃথক লেন নির্মাণ করা হোক। ২. জনসাধারণের মধ্যে সাইকেল ব্যবহারের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. সড়ক নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রাশেদ আহমদ নাগরিক প্রতিনিধি সিলেট " বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন," তারিখ: ২৪ জুন ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, নড়াইল বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ খুবই জরুরি। নড়াইল জেলার সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না থাকায় শিক্ষার মান হ্রাস পাচ্ছে। আমরা আবেদন জানাচ্ছি— ১. সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য সাপ্তাহিক বা মাসিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হোক। ২. আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার শেখানো হোক। ৩. প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ ও মনিটরিং ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হোক। আপনার সদয় সহায়তা কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আজম আলী অধ্যক্ষ নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়" শহরের গলিতে ফুটপাত নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৫ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান, বরিশাল বিষয়: শহরের রাস্তার গলিতে ফুটপাত নির্মাণের আবেদন। মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়, বরিশাল শহরের বিভিন্ন গলিতে ফুটপাত না থাকার কারণে পথচারীরা সড়কের মাঝখানে চলাচল করতে বাধ্য হন, যা দুর্ঘটনার কারণ হয়। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এটি একটি গুরুতর সমস্যা। আমরা অনুরোধ করছি— ১. শহরের প্রতিটি প্রধান গলিতে পর্যাপ্ত ও নিরাপদ ফুটপাত নির্মাণ করা হোক। ২. ফুটপাত দখলমুক্তকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। ৩. জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হোক। আপনার সহযোগিতা ও দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রুবিনা আক্তার নাগরিক প্রতিনিধি বরিশাল" গ্রামীণ এলাকার স্যানিটেশন সুবিধা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৬ জুন ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য বিভাগ, পাবনা বিষয়: পাবনার প্রত্যন্ত গ্রামে স্যানিটেশন সুবিধা উন্নয়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বেশির ভাগ গ্রামে শৌচালয় নির্মাণের অভাব এবং পরিচ্ছন্নতার অনুপস্থিতি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশুদের মধ্যে পায়খানা-জনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. প্রত্যেক গ্রামের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ শৌচালয় নির্মাণ করা হোক। ২. স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্পেইন চালানো হোক। ৩. স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আপনার সদয় সহযোগিতা আমাদের গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়নে অপরিসীম সহায়তা করবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম গ্রামবাসী পক্ষে পাবনা" সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ডিউটি শিফট উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৭ জুন ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডাক্তার নিয়োগ ও ডিউটি শিফট ঠিকমতো চালুর আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে ডাক্তার সংখ্যা অপর্যাপ্ত। অধিকাংশ সময় রোগীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা আবেদন করছি— ১. সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার নিয়োগ করা হোক। ২. ডিউটি শিফট সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত ও রোগীদের জন্য প্রাপ্য চিকিৎসা নিশ্চিত করা হোক। ৩. জরুরি বিভাগে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ ও সেবা উন্নত করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আরিফুল ইসলাম সাধারণ নাগরিক ঢাকা" শহরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ২৮ জুন ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, কক্সবাজার বিষয়: শহরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, কক্সবাজার শহরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বন্যার প্রকোপ বেড়ে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে জনজীবনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও নালা নির্মাণ করা হোক। ২. নিয়মিত নালা পরিস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে বন্যা সচেতনতা ও প্রস্তুতি কার্যক্রম চালানো হোক। আপনার হস্তক্ষেপে শহর নিরাপদ ও বাসযোগ্য হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি কক্সবাজার" শহরে পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৯ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, খুলনা বিষয়: শহরে নতুন পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, খুলনা শহরে জনসাধারণের বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত পার্ক ও খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। এই কারণে শিশুরা বাইরে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না এবং তরুণ সমাজের মানসিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের বিভিন্ন এলাকায় আধুনিক পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ করা হোক। ২. সেখানে শিশু ও তরুণদের জন্য নিরাপদ খেলার ব্যবস্থা রাখা হোক। ৩. পার্ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট ও কর্মী নিয়োগ করা হোক। আপনার সদয় সহযোগিতায় আমাদের শহর আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ মাসুদ রানা নাগরিক প্রতিনিধি খুলনা" নারীদের জন্য নিরাপদ গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন," তারিখ: ৩০ জুন ২০২৬ প্রাপক: পরিবহন মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: নারীদের জন্য নিরাপদ ও সুবিধাজনক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিদিন নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অল্পবয়সী মেয়েরা ভয়ে গণপরিবহন ব্যবহার কমাচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. নারীদের জন্য পৃথক সিট ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা হোক। ২. মহিলাদের প্রতি নির্যাতন ও হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। ৩. সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক। আপনার দৃষ্টি ও দ্রুত ব্যবস্থা কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রেহানা সুলতানা নারী অধিকার কর্মী ঢাকা " বিদ্যালয়ে শীতকালে ছাত্রছাত্রীদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের আবেদন," তারিখ: ১ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, যশোর বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, যশোর জেলার গ্রামীণ এলাকার অনেক দরিদ্র ছাত্রছাত্রী শীতে যথাযথ পোশাক না থাকার কারণে নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছে। পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের জন্য শীতকালীন জামাকাপড় ও কম্বল সরবরাহ করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হোক। ৩. স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। আপনার সহায়তা অনেক শিক্ষার্থীর জীবন বদলে দিতে সক্ষম হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামাল উদ্দিন অভিভাবক প্রতিনিধি যশোর" শহরে যানজট কমানোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের আবেদন," তারিখ: ২ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: চট্টগ্রাম শহরে যানজট নিরসনে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, চট্টগ্রাম শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অভাব রয়েছে। ফলে ট্রাফিক পরিচালনায় দুর্বলতা থেকে থাকে এবং যানজট দীর্ঘায়িত হয়। আমরা আবেদন করছি— ১. সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে স্মার্ট ট্রাফিক লাইট ব্যবস্থা স্থাপন করা হোক। ২. রিয়েল টাইম ট্রাফিক মনিটরিং ও জরুরি যান চলাচলের জন্য আলাদা লেন তৈরি করা হোক। ৩. যানজট কমানোর জন্য পর্যাপ্ত পার্কিং জোন ও সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক। আপনার হস্তক্ষেপে যানজট সমস্যা দ্রুত প্রশমন হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ হাসান মিয়া নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" সরকারি কলেজে ক্যাম্পাস নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ৩ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, সরকারি কলেজগুলোর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ছাত্র রাজনীতি ও অশান্তির কারণে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রক্ষী ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পড়াশোনা নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত নজরদারি করা হোক। ৩. কলেজ প্রশাসন ও ছাত্র সংসদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজন করা হোক। আপনার সদয় পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ তাজুল ইসলাম ছাত্র প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা আলোকসজ্জার জন্য আবেদন," তারিখ: ৪ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সুনামগঞ্জ বিষয়: গ্রামীণ এলাকার সড়কে রাস্তাঘাট আলোকসজ্জার জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের সুনামগঞ্জ জেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে রাতে আলো না থাকার কারণে পথচারী ও যান চলাচলে ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে নারীরা অন্ধকারে চলাচলে ভয় পায়। আমরা আবেদন করছি— ১. গ্রামীণ সড়কে পর্যাপ্ত রাস্তাঘাট আলোকসজ্জা প্রদান করা হোক। ২. বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলে সোলার লাইট বসানো হোক। ৩. নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও তদারকির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আপনার সহায়তায় গ্রামীণ জীবন নিরাপদ হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আব্দুল জলিল গ্রামবাসী পক্ষে সুনামগঞ্জ" শহরে শিশুদের জন্য নিরাপদ খেলার স্থান নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ৫ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, রাজশাহী বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, রাজশাহী শহরে শিশুদের খেলার জন্য নিরাপদ ও পর্যাপ্ত স্থান নেই। শহরের ফুটপাত ও রাস্তার পাশে খেলাধুলা করতে গিয়ে শিশুদের দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের জন্য বিশেষ নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণ করা হোক। ২. মাঠের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রচারণা চালানো হোক। আপনার সহযোগিতায় শিশুরা সুরক্ষিত ও আনন্দময় জীবনে বড় হতে পারবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ সুলতানা পারভীন অভিভাবক প্রতিনিধি রাজশাহী " গ্রামীণ এলাকার বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ৬ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, রংপুর বিষয়: রংপুর জেলার গ্রামীণ অঞ্চলে বেকারত্ব কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আবেদন। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, আমাদের রংপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে বর্তমানে বেকারত্ব একটি জ্বলন্ত সমস্যা। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় হতাশা ও হতাশ্রয়তার মাত্রা বাড়ছে। অনেকেই সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতার দিকে ঝুঁকছে। গ্রামীণ এলাকার প্রধান সমস্যাগুলো হলো: প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগের অভাব। প্রযুক্তিগত ও আধুনিক প্রশিক্ষণের অভাব। উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সহায়তার অনুপস্থিতি। স্থানীয় শিল্প ও কৃষি খাতের উন্নয়ন না হওয়া। আমরা এই সমস্যাগুলো সমাধানে আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি— ১. বেকার যুবকদের জন্য কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হোক। ২. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে সরকারি প্রণোদনা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও পরামর্শ সেবা প্রদান নিশ্চিত করা হোক। ৪. কৃষি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি প্রবর্তন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। ৫. যুবসমাজের মানসিক সুস্থতা ও ইতিবাচক মনোভাব গঠনের জন্য নিয়মিত সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হোক। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নে বিপুল ভূমিকা রাখবে। আপনার সহযোগিতা ও দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ নূরুল ইসলাম গ্রামীণ যুব প্রতিনিধি রংপুর " পৌর শহরে রাস্তার গর্ত মেরামত ও সড়ক উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৭ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ বিষয়: ময়মনসিংহ শহরের রাস্তার গর্ত সংস্কার ও সড়ক উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়, ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন সড়কে ব্যাপক গর্ত ও ধূলাবালির কারণে যানবাহন চলাচল ও পথচারীদের চলাফেরায় ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে বৃষ্টি মৌসুমে এসব গর্ত জলমগ্ন হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। গর্তের কারণে যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে, জরুরি সেবা ও স্কুল-কলেজে যাতায়াত বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আমাদের শহরের সম্মানজনক চেহারা এই সড়কগুলোয় যথাযথ সংস্কার না হওয়ায় ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আমরা আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি— ১. শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও গলির দ্রুত গর্ত সংস্কার ও পাকা নির্মাণ নিশ্চিত করা হোক। ২. সড়ক নির্মাণের জন্য মানসম্মত উপকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হোক। ৩. সড়ক ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও নজরদারি নিশ্চিত করা হোক। ৪. জনসাধারণের মতামত গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। আপনার সদয় পদক্ষেপে ময়মনসিংহ শহর বাসযোগ্য ও নিরাপদ হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ জামাল উদ্দিন নাগরিক প্রতিনিধি ময়মনসিংহ" সরকারি হাসপাতালের ওষুধের সংকট নিরসনের আবেদন," তারিখ: ৮ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে জরুরি ওষুধের সরবরাহ অব্যাহত ও সংকট নিরসনের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, দেশের সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে ওষুধের অভাব একটি বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে জরুরি ওষুধের ঘাটতি রোগীদের জীবন বিপন্ন করছে। আমাদের এলাকার জেলা সদর হাসপাতালে জরুরি ওষুধ যেমন ইনজেকশন, ব্যান্ডেজ, অ্যান্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য ওষুধের অভাব নিয়মিত দেখা যায়। এতে রোগীরা বেসরকারি ফার্মেসি থেকে অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, যা অনেকের পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা এই অবস্থা দ্রুত পরিবর্তনের জন্য আবেদন করছি— ১. সরকারি হাসপাতালগুলোতে ওষুধের যথাযথ মজুদ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ ও জনগণের কাছে জানানো হোক। ৩. ওষুধের ক্রয় প্রক্রিয়া ও বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হোক। ৪. দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে মনিটরিং ও নিয়মিত তদারকি চালানো হোক। আপনার সদয় মনোযোগে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান উন্নত হবে ও রোগীর বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন জেলা বাসিন্দা ঢাকা" শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ৯ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, নারায়ণগঞ্জ বিষয়: নারায়ণগঞ্জ শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, নারায়ণগঞ্জ শহরের আবর্জনা ব্যবস্থাপনা এতটাই দুর্বল যে, রাস্তাঘাটে ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে দুর্গন্ধ, পোকামাকড় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষ করে বাজার, রাস্তার মোড় ও আবাসিক এলাকার আশপাশে আবর্জনা অপসারণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। আমরা আবেদন জানাচ্ছি— ১. শহরে আবর্জনা সংগ্রহের আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ২. বর্জ্য পৃথকরণ ও পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক। ৩. জনসাধারণের মাঝে পরিচ্ছন্নতা সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগ জোরদার করা হোক। ৪. নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মনিটরিং চালানো হোক। আপনার আন্তরিক সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জ শহর পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রিয়া রহমান নাগরিক প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ" গ্রামীণ এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ১০ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, খুলনা বিষয়: খুলনার গ্রামীণ বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের খুলনা জেলার অনেক গ্রামীণ বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকুলান, টয়লেট ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে। অনেক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে রয়েছে যা শিশুদের জন্য নিরাপদ নয়। শিক্ষার মান উন্নয়নে অবকাঠামো উন্নয়ন একান্ত প্রয়োজন। বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর ও স্বাস্থ্যসম্মত না হলে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যায় এবং মনোযোগ কম থাকে। আমরা আবেদন করছি— ১. বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও অন্যান্য ভবন মেরামত ও নবায়ন করা হোক। ২. স্বাস্থ্যকর টয়লেট, পানির ব্যবস্থা ও খেলার মাঠ নির্মাণ করা হোক। ৩. শিক্ষকদের জন্য আধুনিক শিক্ষা সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হোক। ৪. বিদ্যালয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আপনার সহযোগিতায় বিদ্যালয়গুলো উন্নত ও শিশুদের জন্য আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শাহিনুর ইসলাম বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি খুলনা" শহরে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ১১ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ কমানোর জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া, শিল্পকলা থেকে বায়ুদূষণ এবং নির্মাণ কাজের ধূলা শহরবাসীর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতা, এলার্জি ও নানা রোগের প্রকোপ বেড়ে গেছে। শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. যানবাহনের ধোঁয়া নির্গমন কমাতে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। ২. শিল্প কারখানায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা হোক। ৩. শহরের সড়কে নিয়মিত গাছ লাগানো ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হোক। ৪. জনসাধারণের মধ্যে বায়ুদূষণ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালানো হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে শহরবাসীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষা হবে বলে আমরা আশাবাদী। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামের নারীদের জন্য সৃজনশীল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১২ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামের নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের গ্রামে অনেক নারী স্বনির্ভর হতে চায় কিন্তু প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সুযোগ না থাকার কারণে তারা পিছিয়ে রয়েছে। নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আবেদন জানাচ্ছি— ১. গ্রামে নারীদের জন্য বোনা, সেলাই, কম্পিউটার, কৃষি ও অন্যান্য কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হোক। ২. প্রশিক্ষণের জন্য অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক নিয়োগ ও আধুনিক সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হোক। ৩. প্রশিক্ষণ শেষে উদ্যোক্তা হিসেবে নারীদের ঋণ ও মার্কেটিং সেবা প্রদান করা হোক। ৪. নারীদের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম চালানো হোক। আপনার সহযোগিতায় আমাদের গ্রামের নারীরা আত্মসম্মান ও আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ শারমিন আক্তার গ্রামীণ নারী প্রতিনিধি বগুড়া" স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পুস্তক ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ১৩ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, বরিশাল বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বরিশাল জেলার অনেক সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণের অভাব রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণির জন্য যথাযথ ও সময়মত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হোক। ২. অতিরিক্ত শিক্ষাসাহায্যের জন্য বই ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হোক। ৩. বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ মনিটরিং করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৪. শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। আপনার সহায়তায় শিক্ষার্থীরা তাদের স্বপ্ন পূরণে আরো এগিয়ে যাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আনোয়ার হোসেন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বরিশাল" পৌর শহরে বিশুদ্ধ পানির ক্রমবর্ধমান সংকট নিরসনের আবেদন," তারিখ: ১৪ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিভাগ, ঢাকা বিষয়: পৌর শহরে বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির সংকট নিরসনের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের শহরে বিশুদ্ধ পানির অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। অপরিকল্পিত পানির নলকূপ ও দূষিত পানি সরবরাহের কারণে মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে পানির চাহিদা অনেক বেশি বেড়ে যায়। আমরা আবেদন করছি— ১. পৌর এলাকায় নতুন পানির উৎস খোঁজা ও উন্নত পানির সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ২. বিদ্যমান পাইপলাইন ও নলকূপ নিয়মিত পরীক্ষা ও পরিস্কার করা হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে পানির সঠিক ব্যবহার ও সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৪. দূষিত পানির ব্যবহার বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে শহরবাসীর জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শহীদুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" শহরের স্কুলে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন," তারিখ: ১৫ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: শহরের স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের শহরের বিভিন্ন স্কুলে অনেক শিক্ষার্থী দূরবর্তী এলাকা থেকে আসার কারণে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অনিয়ন্ত্রিত পরিবহন ও সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। আমরা আবেদন করছি— ১. স্কুল পরিবহনে বিশেষ নজর দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নিয়মাবলী প্রণয়ন করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের পরিবহনে নিয়োজিত গাড়িগুলোতে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে চলা হোক। ৩. সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য নির্দিষ্ট লেন ও নিরাপদ পথ স্থাপন করা হোক। ৪. অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের মাঝে পরিবহন নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। আপনার সহায়তায় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ ও সুশিক্ষিত হয়ে বেড়ে উঠবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রাকিবুল ইসলাম অভিভাবক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামের কৃষকদের জন্য আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের আবেদন," তারিখ: ১৬ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: কৃষি বিভাগ, রাজশাহী বিষয়: গ্রামের কৃষকদের জন্য আধুনিক ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, রাজশাহী জেলার গ্রামীণ এলাকার কৃষকেরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির অভাবে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। পুরাতন পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় জমির উর্বরতা কমছে এবং ফসলের গুণগত মানে প্রভাব পড়ছে। এতে তাদের আয়ও সীমিত হচ্ছে, যা সামগ্রিক গ্রামীণ অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আমরা আবেদন করছি— ১. গ্রামের কৃষকদের জন্য আধুনিক চাষাবাদের পদ্ধতি ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজন করা হোক। ২. কৃষকদের সঠিক সার ও বীজ ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. উন্নত প্রযুক্তির কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও সহায়তা প্রদান করা হোক। ৪. কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গ্রামীণ কৃষকদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হোক। আপনার দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রামীণ কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম গ্রামীণ কৃষক প্রতিনিধি রাজশাহী" শহরের আবাসিক এলাকায় নিরাপদ পথচারী ফাটকের জন্য আবেদন," তারিখ: ১৭ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: চট্টগ্রাম শহরের আবাসিক এলাকায় নিরাপদ পথচারী ফাটক নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, আমাদের চট্টগ্রাম শহরের আবাসিক এলাকায় যানবাহনের চাপের কারণে পথচারীদের চলাচল নিরাপদ নয়। অনেকে রাস্তার মাঝখানে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন, যা দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক, নারী ও শিশুদের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা আন্তরিক অনুরোধ করছি— ১. প্রধান ও পার্শ্ববর্তী রাস্তার ওপর পর্যাপ্ত ও সুসংগঠিত পথচারী ফাটক নির্মাণ করা হোক। ২. ফাটকগুলোর পাশে সিগন্যাল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন করা হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে পথচারী সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৪. ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে পথচারীদের জীবন নিরাপদ হবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আশরাফাত হোসেন নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" সরকারি কলেজে শিক্ষকদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের আবেদন," তারিখ: ১৮ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি কলেজে শিক্ষকদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদানের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের জেলা সরকারি কলেজে শিক্ষকদের সংখ্যা অপ্রতুল থাকার ফলে শিক্ষার মান হ্রাস পাচ্ছে। অধিকাংশ ক্লাসে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় মনোযোগ দেয়া যাচ্ছে না। এছাড়া শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত আধুনিক প্রশিক্ষণও দেওয়া হয় না। আমরা আবেদন করছি— ১. কলেজে পর্যাপ্ত ও যোগ্য শিক্ষকদের নিয়োগ করা হোক। ২. শিক্ষকদের জন্য আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক। ৩. শিক্ষকদের কর্মপরিবেশ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। ৪. শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত সাফল্যের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা হোক। আপনার সদয় পদক্ষেপে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম সঠিক পথে এগিয়ে যাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম ছাত্র প্রতিনিধি ঢাকা" শহরের সড়কে যানবাহন পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বৃদ্ধি," তারিখ: ১৯ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, সিলেট বিষয়: সিলেট শহরের সড়কে যানবাহনের পার্কিং ব্যবস্থা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, সিলেট শহরের প্রধান সড়কে যানবাহনের পার্কিংয়ের জন্য যথেষ্ট স্থান না থাকার কারণে যানজট সৃষ্টি হয় এবং চলাচলে ভোগান্তি হয়। অবৈধ পার্কিং রাস্তা সংকীর্ণ করে তোলে, যা দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের বিভিন্ন জায়গায় আধুনিক ও সুরক্ষিত পার্কিং জোন নির্মাণ করা হোক। ২. রাস্তার পাশে অবৈধ পার্কিং প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হোক। ৩. পার্কিং ব্যবস্থার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও টোকেন সিস্টেম চালু করা হোক। ৪. জনসাধারণের জন্য পার্কিং ব্যবস্থার সুবিধা ও নিয়মাবলী সম্পর্কে প্রচারণা চালানো হোক। আপনার সহায়তায় সিলেট শহর আরো সুগম ও নিরাপদ পরিবেশে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আশরাফাত হোসেন নাগরিক প্রতিনিধি সিলেট " স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচির আবেদন," তারিখ: ২০ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, যশোর বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, যশোর জেলার সরকারি বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর মাঝে পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সচেতনতা কম। ফলে নানা পুষ্টিহীনতা ও স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যা তাদের পড়াশোনায় প্রভাব ফেলছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. বিদ্যালয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক ক্লাস ও কর্মশালা আয়োজন করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ৩. প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ ও স্কুলে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৪. অভিভাবকদের জন্য পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। আপনার সদয় উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা সুস্থ ও সজীব থাকবে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির গর্ব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামরুল হাসান বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি যশোর " পৌর এলাকায় শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন খেলাধুলার মাঠ নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২১ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, রাজশাহী বিষয়: শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন খেলাধুলার মাঠ নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, রাজশাহী পৌর এলাকার শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপদ খেলার মাঠ না থাকার কারণে তারা অধিকাংশ সময় বাইরে রাস্তায় বা অনিরাপদ জায়গায় খেলাধুলা করে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. শহরের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের জন্য আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ খেলার মাঠ নির্মাণ করা হোক। ২. মাঠগুলোর নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হোক। ৩. শিশুদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ মাঠে পর্যাপ্ত খেলাধুলার উপকরণ সরবরাহ করা হোক। ৪. অভিভাবক ও শিক্ষকসহ জনসাধারণের মধ্যে নিরাপদ খেলাধুলার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। আপনার সহযোগিতায় শিশুদের সুস্থ ও আনন্দময় বেড়ে ওঠা নিশ্চিত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শাহীন আলম নাগরিক প্রতিনিধি রাজশাহী" গ্রামীণ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সচেতনতা কর্মসূচির আবেদন," তারিখ: ২২ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা সড়ক পরিবহন অফিসার, নওগাঁ বিষয়: গ্রামীণ সড়কে দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, নওগাঁ জেলার গ্রামীণ সড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অধিকাংশ দুর্ঘটনা ট্রাফিক আইন অমান্য, নিরাপত্তা বেষ্টন ব্যবহার না করা ও দ্রুতগতির কারণে ঘটে। আমরা আবেদন করছি— ১. গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ট্রাফিক শিক্ষা ও ক্যাম্পেইন চালানো হোক। ২. সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনের তদারকি ও আইন প্রয়োগ জোরদার করা হোক। ৩. মোটা যানবাহন ও দু-চাকার চালকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ ও নির্দেশিকা প্রদান করা হোক। ৪. দুর্ঘটনাকবলিতদের জন্য জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তার ব্যবস্থা উন্নত করা হোক। আপনার হস্তক্ষেপে গ্রামীণ সড়ক নিরাপদ হবে ও প্রাণহানি কমে আসবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামাল উদ্দিন গ্রামীণ প্রতিনিধি নওগাঁ" সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যন্ত্রপাতির আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ২৩ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের জেলার সরকারি হাসপাতালে জরুরি বিভাগের যন্ত্রপাতি অত্যন্ত পুরাতন এবং অনেকগুলোই কাজ করছে না। এতে রোগীদের জরুরি সেবা দিতে দেরি হচ্ছে ও জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. জরুরি বিভাগের জন্য উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ক্রয় ও সরবরাহ করা হোক। ২. ডাক্তার ও নার্সদের যন্ত্রপাতি ব্যবহারে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৩. যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল বরাদ্দ করা হোক। ৪. সেবার মান উন্নয়নের জন্য মনিটরিং ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা হোক। আপনার সহযোগিতায় রোগীদের জীবন রক্ষা ও সেবা মানোন্নয়ন সম্ভব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সুমন হোসেন জেলা বাসিন্দা ঢাকা " শহরে পর্যাপ্ত টয়লেট ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনার আবেদন," তারিখ: ২৪ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, বরিশাল বিষয়: বরিশাল শহরে পর্যাপ্ত জনস্বাস্থ্য ও টয়লেট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, বরিশাল শহরের বিভিন্ন স্থানে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত ও পরিচ্ছন্ন টয়লেট নেই। এছাড়া আবর্জনা ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের জনবহুল এলাকায় পর্যাপ্ত ও পরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হোক। ২. আবর্জনা সংগ্রহ, পৃথকরণ ও নিষ্পত্তির আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ৩. পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৪. নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত কর্মী ও বাজেট বরাদ্দ করা হোক। আপনার উদ্যোগে বরিশাল শহর পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রাকিবুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি বরিশাল" সরকারি বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৫ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, কুমিল্লা বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, কুমিল্লার সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় শিক্ষার গুণগত মান হ্রাস পাচ্ছে। অনেক শ্রেণি বড় হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ কমে যাচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. বিদ্যালয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ করা হোক। ২. শিক্ষকদের আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতি ও প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হোক। ৩. শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষা সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হোক। ৪. বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষার্থীবান্ধব ও নিরাপদ রাখা হোক। আপনার পদক্ষেপে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিভাবক প্রতিনিধি কুমিল্লা" গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ২৬ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: বিদ্যুৎ বিভাগ, ঢাকা বিষয়: গ্রামের মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের এলাকার অনেক গ্রামের বাড়িতে এখনো বৈদ্যুতিক সংযোগ পৌঁছায়নি বা অব্যবস্থাপনার কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। এতে করে গ্রামের মানুষ দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এবং শিক্ষা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. গ্রামীণ এলাকার সকল উপযুক্ত স্থানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হোক। ২. বিদ্যুৎ সরবরাহের মান উন্নত করতে অবকাঠামো আধুনিকায়ন করা হোক। ৩. বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমানোর জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হোক। ৪. গ্রামীণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য মূল্যসাশ্রয়ী ও সহজলভ্য ট্যারিফ প্রণয়ন করা হোক। আপনার সহযোগিতায় গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ হারুন অর রশীদ গ্রামীণ বাসিন্দা ঢাকা" শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ২৭ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, রাজশাহী বিষয়: শহরের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, রাজশাহী শহরের নিম্নাঞ্চলগুলোতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা দীর্ঘ সময় ধরে থাকে, যা জনজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়ে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. শহরের জল নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ করা হোক। ২. জলাবদ্ধ এলাকা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানমূলক কাজ গ্রহণ করা হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নর্দমা রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৪. নগর পরিকল্পনায় পরিবেশ বান্ধব ও টেকসই জল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে রাজশাহী শহরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমবে ও পরিবেশ উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ তানভীর হাসান নাগরিক প্রতিনিধি রাজশাহী " সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ২৮ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য অধিদফতর, ঢাকা বিষয়: সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের এলাকার সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা সেবার মান অনেকটাই কম। ডাক্তারের ঘাটতি, ঔষধের অভাব ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব রোগীদের অসুবিধার কারণ হচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. পর্যাপ্ত ও যোগ্য ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদির যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। ৩. স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়মিত করা হোক। ৪. রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। আপনার সদয় মনোযোগে স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি পাবে ও রোগীরা সুস্থ জীবন লাভ করবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম গ্রামীণ বাসিন্দা ঢাকা" শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন," তারিখ: ২৯ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, সিলেট বিষয়: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, সিলেট জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অশুভ ঘটনা ঘটে যা শিক্ষার পরিবেশকে নেতিবাচক প্রভাবিত করছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৩. অভিভাবক ও শিক্ষক পর্যবেক্ষণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার করা হোক। ৪. অশুভ কর্মকাণ্ড রোধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আপনার সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা নিরাপদে শিক্ষা লাভ করতে পারবে এবং মনোবল বৃদ্ধি পাবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শহীদুল ইসলাম অভিভাবক প্রতিনিধি সিলেট" গ্রামীণ এলাকায় সড়কপথ উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৩০ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়া বিষয়: গ্রামীণ সড়কপথের উন্নয়ন ও পাকা রাস্তা নির্মাণের আবেদন। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, কুষ্টিয়ার গ্রামীণ এলাকা বহু বছর যাবৎ কাঁচা রাস্তার অভাবে যোগাযোগে অপ্রতুলতা ও ভোগান্তিতে ভুগছে। বৃষ্টির মৌসুমে সড়কগুলো প্রায় ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ে, ফলে জনজীবনে বড় বাধা সৃষ্টি হয়। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. গ্রামীণ এলাকায় পাকা সড়ক নির্মাণের জন্য দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণ করা হোক। ২. বিদ্যমান সড়কগুলো নিয়মিত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হোক। ৩. সড়ক নির্মাণে মানসম্পন্ন উপকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেয়া হোক। ৪. স্থানীয় জনগণের মতামত গ্রহণ করে সড়ক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন করা হোক। আপনার পদক্ষেপে গ্রামীণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সুগম ও বিকাশশীল হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রফিকুল ইসলাম গ্রামীণ বাসিন্দা কুষ্টিয়া " শহরের ফুটপাথ দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখার আবেদন," তারিখ: ৩১ জুলাই ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন মেয়র, ঢাকা বিষয়: ঢাকা শহরের ফুটপাথ দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, ঢাকা শহরের ফুটপাথগুলো অবৈধ দখল ও আবর্জনার কারণে পথচারীদের জন্য চলাচল অনিরাপদ ও কঠিন হয়ে পড়েছে। এই অবস্থা বিশেষ করে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ভয়ঙ্কর। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. ফুটপাথগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ২. ফুটপাথগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা হোক। ৩. পথচারীদের জন্য নির্দিষ্ট নিরাপদ জায়গা নিশ্চিত করা হোক। ৪. জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগ জোরদার করা হোক। আপনার সহযোগিতায় পথচারীদের চলাচল সহজ ও নিরাপদ হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ হাসান মাহমুদ নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামীণ এলাকার মহিলা শিক্ষার প্রসারের জন্য আবেদনের পত্র," তারিখ: ১ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামীণ এলাকার মহিলা শিক্ষার প্রসারের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের গ্রামে এখনও অনেক মেয়ে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। পারিবারিক ও সামাজিক বাধার কারণে মেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য সংকট সৃষ্টি করছে। আমরা আবেদন করছি— ১. গ্রামীণ এলাকায় মেয়েদের জন্য বিশেষ স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হোক। ২. পরিবারগুলোর মধ্যে মেয়েদের শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। ৩. ছাত্রীদের জন্য শিক্ষার জন্য বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হোক। ৪. শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবহন ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। আপনার সহায়তায় গ্রামের মেয়েরা শিক্ষিত ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ রিতা খাতুন গ্রামীণ নারী প্রতিনিধি রাজশাহী" শহরে পানীয় জলের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ২ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিভাগ, ঢাকা বিষয়: শহরের পানীয় জলের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত সরবরাহ নিশ্চিতকরণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের শহরে পানীয় জলের মান নিম্নমানের হওয়ায় অনেক রোগব্যাধির সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক এলাকা সময়মত পরিষ্কার পানির যোগান পাচ্ছে না। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হোক। ২. দূষিত পানির উৎস সনাক্ত করে বন্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৩. পানীয় জলের নলকূপ ও পাইপলাইন নিয়মিত পরীক্ষা ও পরিস্কার করা হোক। ৪. জনসাধারণের মধ্যে পানি সংরক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। আপনার উদ্যোগে শহরের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনেক উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আনিসুর রহমান নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" সরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ড ও বেডের সংখ্যা বৃদ্ধির আবেদন," তারিখ: ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালে রোগী আসন ও বেডের সংখ্যা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের জেলার সরকারি হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে, কিন্তু ওয়ার্ড ও বেডের সংখ্যা যথেষ্ট নয়। এর ফলে রোগীরা অনেক সময় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. হাসপাতালের ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়ানো ও বেডের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হোক। ২. প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি করা হোক। ৩. রোগীদের জন্য আরামদায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৪. স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। আপনার উদ্যোগে রোগীদের সেবা সহজ ও সুচারুভাবে প্রদান সম্ভব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম জেলা বাসিন্দা ঢাকা" শহরে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও পরিচর্যার আবেদন," তারিখ: ৪ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: সমাজকল্যাণ বিভাগ, ঢাকা বিষয়: বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও পরিচর্যার ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, শহরের বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা দৈনন্দিন জীবনে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। তাদের জন্য যথাযথ চিকিৎসা, চলাফেরা ও সামাজিক সহায়তা অপরিহার্য। আমরা আবেদন করছি— ১. বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ২. চলাফেরা ও যোগাযোগ সহজ করার জন্য র্যাম্প, হুইলচেয়ার ইত্যাদি সরবরাহ করা হোক। ৩. তাদের জন্য সামাজিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হোক। ৪. সমাজে তাদের অধিকার ও মর্যাদা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হোক। আপনার সদয় মনোযোগে তারা সম্মানজনক জীবনযাপন করতে পারবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ জসিম উদ্দিন নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামীণ এলাকায় শিশুদের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য স্কুল ভবন ও উপকরণ সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৫ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামীণ এলাকায় শিশু শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য স্কুল ভবন ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের গ্রামের বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো অত্যন্ত দুর্বল। অনেক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও ভগ্নাংশ অবস্থায় রয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বই, টেবিল-চেয়ার ও অন্যান্য শিক্ষাসামগ্রীও নেই। এর ফলে শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের আগ্রহ হারাচ্ছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যালয় ভবন মেরামত ও উন্নয়ন করা হোক। ২. শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পাঠ্যবই ও শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা হোক। ৩. শিক্ষকদের জন্য আধুনিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি প্রদান করা হোক। ৪. শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। আপনার সাহায্যে গ্রামীণ এলাকার শিশুদের শিক্ষার মান ব্যাপকভাবে উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ হারুনুর রশীদ গ্রামীণ শিক্ষক প্রতিনিধি ঢাকা " শহরের বাস টার্মিনালে পর্যাপ্ত ছায়া ও বসার ব্যবস্থা উন্নয়নের আবেদন," তারিখ: ৬ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম বিষয়: বাস টার্মিনালে যাত্রীদের জন্য ছায়া ও বসার সুবিধা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, চট্টগ্রাম শহরের বাস টার্মিনালে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত ছায়া ও বসার ব্যবস্থা না থাকার কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের জন্য এটি খুবই কষ্টকর। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. বাস টার্মিনালে পর্যাপ্ত ছায়া ও বসার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ২. স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা হোক। ৩. যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য নজরদারি ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করা হোক। ৪. জনসাধারণের সুবিধার্থে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা চালানো হোক। আপনার উদ্যোগে যাত্রীদের যাতায়াত অনেক সহজ ও আরামদায়ক হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আরিফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম " সরকারি হাসপাতালের জরুরি ও আইসিইউ বিভাগে আরও ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের আবেদন," তারিখ: ৭ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: সরকারি হাসপাতালের জরুরি ও আইসিইউ বিভাগে ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের জেলার সরকারি হাসপাতালে জরুরি ও আইসিইউ বিভাগের ডাক্তার ও নার্সের অভাব রোগীদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা সৃষ্টি করছে। অনেক সময় পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. জরুরি ও আইসিইউ বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত ও দক্ষ ডাক্তার ও নার্স দ্রুত নিয়োগ করা হোক। ২. তাদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৩. রোগীর সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি ও ঔষধ সরবরাহ করা হোক। ৪. নিয়মিত কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। আপনার সহযোগিতায় রোগীদের জীবন বাঁচাতে এবং সেবা মান উন্নত করতে পারব। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ কামরুল ইসলাম জেলা বাসিন্দা ঢাকা" শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন," তারিখ: ৮ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, বর্তমান যুগে শিক্ষার মান উন্নয়নে ডিজিটাল শিক্ষাসামগ্রীর ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু আমাদের শহরের অনেক স্কুল-কলেজে এই সুবিধা নেই, যার কারণে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. স্কুল-কলেজে কম্পিউটার, প্রজেক্টর ও ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করা হোক। ২. শিক্ষকদের ডিজিটাল শিক্ষণ পদ্ধতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হোক। ৩. শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা হোক। ৪. ডিজিটাল শিক্ষাকে সকলের কাছে সহজলভ্য করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হোক। আপনার সহযোগিতায় শিক্ষার গুণগত মান অনেক উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ ফারুক হাসান শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ঢাকা" পৌর এলাকায় সরকারি বাসসেবা সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ৯ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: পরিবহন মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: পৌর এলাকায় সরকারি বাসসেবা সম্প্রসারণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, আমাদের পৌর এলাকায় বর্তমানে সরকারি বাসের সংখ্যা খুবই সীমিত হওয়ায় যাতায়াতে অনেক অসুবিধা হয়। বিশেষ করে অফিসগামী, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. পৌর এলাকায় বাস সেবার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হোক। ২. বাস চলাচলের সময়সূচি ও রুট উন্নত করা হোক। ৩. যাত্রীদের সুরক্ষা ও সেবার মান উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ৪. বাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সময়মত চালনার জন্য নজরদারি জোরদার করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে নাগরিকদের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ সাইফুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি ঢাকা" গ্রামের নারীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচির ব্যাপক বাস্তবায়নের আবেদন," তারিখ: ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিষয়: গ্রামীণ নারীদের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি ব্যাপকভাবে বাস্তবায়নের আবেদন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, আমাদের গ্রামীণ এলাকায় নারীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা অপ্রতুল থাকায় নানা রোগ ও স্বাস্থ্যগত সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু এবং গর্ভকালীন জটিলতা বেড়ে যাচ্ছে। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. গ্রামীণ নারীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য শিক্ষামূলক কর্মসূচি ও সচেতনতা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হোক। ২. প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ও মাতৃত্বকালীন সেবা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য সরবরাহ করা হোক। ৩. স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নারীদের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা হোক। ৪. নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিকাশে সরকারি সহায়তা বাড়ানো হোক। আপনার উদ্যোগে গ্রামীণ নারীরা সুস্থ ও শক্তিশালী হবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোছাঃ হাসিনা বেগম গ্রামীণ নারী প্রতিনিধি ঢাকা" শহরের শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র ও পাঠাগারের ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন," তারিখ: ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, চট্টগ্রাম বিষয়: শিশুদের বিনোদন ও শিক্ষার জন্য কেন্দ্র এবং পাঠাগার প্রতিষ্ঠার আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, চট্টগ্রাম শহরের শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত বিনোদন ও শিক্ষার সুযোগ নেই। স্কুলের বাইরে তাদের সময় কাটানোর জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সৃজনশীল বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ করা হোক। ২. বিনামূল্যে পাঠাগার স্থাপন করে বই পড়ার সুযোগ বৃদ্ধি করা হোক। ৩. শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। ৪. অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালানো হোক। আপনার সহযোগিতায় শিশুদের সার্বিক বিকাশ সম্ভব হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ নুরুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি চট্টগ্রাম" সরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা চালুর আবেদন," তারিখ: ১২ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: জেলা শিক্ষা অফিসার, রাজশাহী বিষয়: সরকারি বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা চালুর আবেদন। মাননীয় মহোদয়, রাজশাহীর বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই। অপ্রতুল পরিবহন ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হোক। ২. পরিবহনে সিসিটিভি ও নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ করা হোক। ৩. অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ বজায় রেখে পরিবহন ব্যবস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হোক। ৪. বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থার মনিটরিং নিশ্চিত করা হোক। আপনার দ্রুত পদক্ষেপে ছাত্রীদের নিরাপদ ও সুষ্ঠু শিক্ষা নিশ্চিতে সহায়ক হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম অভিভাবক প্রতিনিধি রাজশাহী" শহরের পার্ক ও বাগানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন," তারিখ: ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, সিলেট বিষয়: পার্ক ও বাগানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা জোরদারের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, সিলেট শহরের পার্ক ও বাগানগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় ও পরিচ্ছন্নতার অভাবে মানুষের আগমন কমে যাচ্ছে। শিশু ও বয়স্কদের নিরাপত্তা সংকটে পড়েছে। আমরা বিনীত অনুরোধ করছি— ১. পার্ক ও বাগানে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ করা হোক। ২. নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হোক। ৩. জনগণকে সচেতন করে বিনোদনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। ৪. পার্ক ব্যবহারের নিয়মকানুন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হোক। আপনার উদ্যোগে পার্ক ও বাগানগুলো শিশু-বৃদ্ধ সকলের জন্য নিরাপদ স্থানে পরিণত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ আজিজুর রহমান নাগরিক প্রতিনিধি সিলেট" গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের আবেদন," তারিখ: ১৪ আগস্ট ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা বিষয়: গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের জন্য আবেদন। মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়, কুমিল্লার গ্রামীণ অঞ্চলে সড়ক অবকাঠামোর অভাবে জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বৃষ্টিকালে সড়ক ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ছে, ব্যবসা ও শিক্ষায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা বিনীত আবেদন করছি— ১. কাঁচা সড়কগুলো পাকা সড়কে রূপান্তর করা হোক। ২. সড়ক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত তহবিল বরাদ্দ করা হোক। ৩. সড়ক উন্নয়নে স্থানীয় জনসাধারণের মতামত গ্রহণ করা হোক। ৪. যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হোক। আপনার হস্তক্ষেপে গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নত হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ রুহুল আমিন গ্রামীণ বাসিন্দা কুমিল্লা" "অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদন। মহোদয়, সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ২১/১০/২০২৪ থেকে ২৩/১০/২০২৪ তারিখ পর্যন্ত আমার বড় বোনের বিবাহ উপলক্ষে অগ্রিম ছুটির প্রয়োজন। উক্ত অনুষ্ঠানে আমাকে বড়দের কাজে সাহায্য করতে হবে তাই আমি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারব না। অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন আপনাকে উল্লেখিত তিন দিনের ছুটি মঞ্জুর করে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র ‘ক’ (আপনার নাম) শ্রেণী-নবম, রোল-১২ " "সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি ‘ক’ উচ্চ বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা। বিষয়ঃ স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মনাপূর্বক নিবেদন এই যে, তথ্যসূত্রে গত ১৬/১০/২০২৪ তারিখ জানতে পারলাম যে, আপনার স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে সহকারী পদে লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, কভার লেটারসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ডকুমেন্টস দরখাস্তের সাথে সংযুক্ত করছি।  অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করে আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ দানে আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি। নিবেদক ‘খ’ ( আপনার নাম ) সংযুক্তিঃ ১। শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি। ২। জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি। ৩। পাসপোর্ট সাইজের  ২ কপি ছবি সত্যায়িত করা। ৪। চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রাপ্ত চারিত্রিক সনদপত্র। ৫। প্রশংসাপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। ৬। আবেদন ফি পরিশোধের এর ব্যাংক ড্রাফট " "মসজিদে অনুদানের জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর সভাপতি  বিষয়ঃ মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আপনি জেনে খুশি হবেন  আমরা মাদ্রাসার নতুন ভবনের দেয়াল, পিলার ও ফ্লোরের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। এখন মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাই দেয়ার জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। আপনাদের সহযোগিতায় এই মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই আর্থিক সহায়তা করলে আমরা মাদ্রসার বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম হতাম। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমাদের আকুল আবেদন, মাদ্রাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজে আর্থিক অনুদান প্রদান করে মাদ্রাসা নির্মানের কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ দান করলে আপনাদের নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নিবেদক মাদানি কমিটির পক্ষে ‘ক’ (নাম) " "জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন ","তারিখঃ ১৮/১০/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ছোলমাইদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ভাটারা, ঢাকা-১২১২ বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ‘ক’ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন এবং পরিবারে আমার বাবা একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। পরিবারের ভরণপোষণের খরচ চালানোর পাশাপাশি আমাদের পড়াশোনার খরচ চালাতে তাকে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। যার কারণে আমি গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি।  অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, উপরে বর্ণিত বিষয় বিবেচনা করে আমাকে জরিমানা মওকুফ করে শুধুমাত্র বেতন পরিশোধের অনুমতি দানে বাধিত করবেন।  বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র ‘ক’ (নাম) রোলঃ ৯ শাখা-ক উপরে আপনাদের সুবিধার্থে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ আবেদন পত্র লেখার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করি এরপর থেকে আবেদন পত্র লেখা নিয়ে কোন বিভ্রান্তিতে পড়তে হবে না। " "স্কুলে অগ্রিম ছুটির দরখাস্ত লেখার নিয়ম  ","তারিখ: ০৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং (…আবেদনের তারিখ) বরাবর, প্রধান শিক্ষক টেন মিনিট স্কুল (…আপনার স্কুলের নাম) মহাখালী, ঢাকা-১২১২ (…ঠিকানা) বিষয়: অগ্রিম ছুটির জন্য  আবেদন। জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মাহির মাহফুজ (…শিক্ষার্থীর নাম) আপনার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আগামী ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং রোজ শুক্রবার আমার বড় ভাইয়ের বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ১৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং থেকে ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ইং পর্যন্ত মোট ৪ দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারবো না। অতএব, মহোদয়ের নিকট আমার বিনীত নিবেদন এই যে, উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে ৪ দিনের অগ্রিম ছুটি প্রদানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থী মাহির মাহফুজ (…শিক্ষার্থীর নাম) শ্রেণী: ১০ম (বিজ্ঞান শাখা) রোল: ০৮ " "ব্যক্তিগত পত্র লেখার নমুনা ","রংপুর ০৭/০৪/২০২৪ প্রিয় মাহবুব, আশা করি ভালো আছো। আজ তোমাকে এই চিঠি লিখছি এই গরমের ছুটি কীভাবে কাটাবো তা জানাতে। তুমি জানো আমি ভ্রমণ খুব পছন্দ করি। তাই এই ছুটিতে আমি দেশের বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর জায়গায় ঘুরতে বেরোবো। প্রথমে আমি কক্সবাজার যাবো। সেখানে সমুদ্র সৈকতে ঘুরবো, সূর্যাস্ত দেখবো এবং স্থানীয় খাবার খাবো। কক্সবাজার থেকে ফিরে আমি সিলেট যাবো। সেখানে জাফলং, বিছনাকান্দি, এবং হযরত শাহজালাল (র.) ও শাহ পরাণ (র.) মাজার জিয়ারত করবো। সিলেট থেকে ফিরে ঢাকায় কিছুদিন বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটাবো। এছাড়াও, আমি এই ছুটিতে কিছু বই পড়ার পরিকল্পনা করছি। তুমি কি করবে এই ছুটিতে? তোমার উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছি। শুভেচ্ছান্তে, ফারহান " অফিসিয়াল পত্র লেখার নমুনা," তারিখ: ০৭/০৪/২০২৪ মানবসম্পদ বিভাগ কোর্সটিকা কোম্পানি লিমিটেড ঢাকা, বাংলাদেশ বিষয়: বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন মাননীয় মহাশয়/মহাশয়া, আমি, ফারহান ইসরাক, গত ৫ বছর ধরে কোর্সটিকা কোম্পানিতে হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। আমি আমার কাজের প্রতি দায়িত্বশীল এবং নিবেদিতপ্রাণ। এই ৫ বছর ধরে আমি কোম্পানির উন্নয়নে নিয়মিত অবদান রেখে আসছি। এই ৫ বছর ধরে আমি আমার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি এবং নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করেছি। আমি আমার কাজের ক্ষেত্রে সর্বদা উদ্যমী এবং অনুপ্রাণিত। আমার কাজের প্রতি আমার আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠার কারণে আমি আমার সহকর্মীদের কাছেও সমাদৃত। আমার বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ, ফারহান ইসরাক " "ব্যবসায়িক পত্র লেখার নিয়ম ","তারিখ: ০৭/০৪/২০২৪ মানবসম্পদ বিভাগ কোর্সটিকা কোম্পানি লিমিটেড ঢাকা, বাংলাদেশ বিষয়: বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন মাননীয় মহাশয়/মহাশয়া, আমি, ফারহান ইসরাক, গত ৫ বছর ধরে কোর্সটিকা কোম্পানিতে হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। আমি আমার কাজের প্রতি দায়িত্বশীল এবং নিবেদিতপ্রাণ। এই ৫ বছর ধরে আমি কোম্পানির উন্নয়নে নিয়মিত অবদান রেখে আসছি। এই ৫ বছর ধরে আমি আমার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি এবং নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করেছি। আমি আমার কাজের ক্ষেত্রে সর্বদা উদ্যমী এবং অনুপ্রাণিত। আমার কাজের প্রতি আমার আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠার কারণে আমি আমার সহকর্মীদের কাছেও সমাদৃত। আমার বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ, ফারহান ইসরাক " "আবেদন পত্র লেখার নমুনা "," তারিখ-০৭/০৪/২০২৪ বরাবর প্রধান শিক্ষক রংপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় রংপুর বিষয়: অসুস্থতার জন্য ছুটি চেয়ে আবেদন জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি মোঃ ফারহান ইসরাক, আপনার বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। বিগত ০৩ বছর যাবত আমি আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আছি। আজকে বিদ্যালয়ে আসার কিছু সময় পর থেকে আমি শারীরিকভাবে অসুস্থতা অনুভব করছি। আমার পক্ষে আজকের বাকী ক্লাসগুলো করা সম্ভব হচ্ছেনা। অতএব, জনাবের নিকট আকুল আবেদন এই যে, অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনা করে আমাকে আজকের জন্য ছুটি প্রদান করে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক মোঃ ফারহান ইসরাক শ্রেণী- অষ্টম রোল নং- ০২ " আপনার এলাকায় পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ ে নির্বিচারে গাছ কর্তন বন ্ ধ করার জন্ য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একট ি পত ্ র লিখুন।," ১৫ জুন, ২০২৩ বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুরাদনগর, কুমিল্লা। বিষয ় : নির্বিচার ে গাছ কর্তন বন্ধের জন্ য আবেদন। জনাব, যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিবেদন এই যে, আপনি নিশ্চয ় অবগত আছেন যে, উপজেলার বিভিন ্ ন গ্রাম ে নির্বিচারে বৃক ্ ষ কর্তন করা হচ্ছে। মানুষ প্রকৃতির কথা বিবেচনা না করে প্রয়োজনক ে গুরুত ্ ব দিয ় ে উজাড ় করছ ে বনভূমি। যার প্রভাব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর পড়বে। কেননা, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাথ ে বায ় ু দূষণের ব্যাপারট ি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পরিবেশের ভারসাম্ য রক্ষার জন্ য বৃক্ষের অবদান অনস্বীকার্য। কিন ্ ত ু মানুষ সাময়িক স্বার ্ থ ে নির্বিচার ে গাছপালা কেট ে আসবাবপত ্ র তৈর ি ও রান্নার কাজ ে ব্যবহার করছে। এছাড়া কিছ ু মানুষ অর্থের লোভেও নির্বিচার ে বৃক ্ ষ কর্তন করছে। এমন পরিস্থিতিত ে জনগণক ে নির্বিচার ে বৃক ্ ষ কর্তন বন ্ ধ করত ে আপনাক ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করত ে হবে। তা না হল ে পরিবেশ দূষণ বন ্ ধ হব ে না। এমতাবস্থায়, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা, পরিবেশ দূষণ রোধ ে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্ য রক্ষায ় প্রয়োজনীয ় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যম ে এলাকার সর্বসাধারণের দুর্দশা লাগবে করবেন।" পানীয় জলের সংকট দূরীকরণ ে নলকূপ স্থাপনের জন্ য আবেদন," বিষয ় : পানীয় জলের সংকট দূরীকরণ ে নলকূপ স্থাপনের জন্ য আবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের পূর ্ ব সুন্দলপুর গ্রামের আধিবাসী। এট ি একট ি জনবহুল ও বৃহৎগ্রাম। এখান ে প্রায় আট হাজার লোকের বসবাস। কিন ্ ত ু এ গ্রাম ে মাত ্ র আটটি নলকূপ রয়েছে, যার মধ ্ য ে আবার দুট ি বহুদিন ধর ে অকেজো হয ় ে আছে। ফল ে মাত ্ র ছয়ট ি নলকূপ এত মানুষের বিশুদ্ধ খাবার পান ি সরবরাহের জন্ য যথেষ ্ ট নয়। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশুদ ্ ধ পানীয ় জলের অভাব ে বেশ দুর্ভোগ ে পোহাচ্ছে। নিরুপায ় হয ় ে তারা পুকুর, ডোবা ও জলাশয়ের পানের অনুপযুক ্ ত পান ি পান কর ে পানিবাহিত রোগ ডায়রিয়া, আমাশয ় ইত্যাদির শিকার হচ্ছে। কাজেই পানীয ় জলের এ সঙ্কট সমাধান ে গ্রামের অকেজ ো নলক ূ দুট ি মেরামত এবং এর সাথ ে আর ো চারট ি নতুন নলকূপ স্থাপন খুবই জরুর ি হয়ে পড়েছে। অতএব, এই উদ্ভুত পরিস্থিতিত ে মানবিক দৃষ্টিত ে বিচার বিশ্লেষণ কর ে উক ্ ত গ্রামের অকেজ ো নলকূপ দুট ি মেরামত ও আর ো চারট ি নতুন নলকূপ স্থাপন কর ে অত ্ র গ্রামের জনসাধারণের পানীয ় জলের সঙ্কট দূরীকরণ ে আপনার সাহায্যের হাত সম্প্রসারিত কর ে বাধিত করবেন।" বন্যা কবলিতদের সাহায্যের জন্ য জেলা প্রশাসকের কাছ ে আবেদনপত্র,"জনাব, বিগত কয়েকট ি বন্যার মত ো এবারও নারায়ণগঞ ্ জ জেলার বন্দর থানা সর্বনাশা বন্যার করাল গ্রাস থেক ে রেহাই পায়নি। এবারের বন্যা বিগত বন্যাগুলোর মধ ্ য ে সবচেয ় ে ভয়াবহ। অবিরাম বর্ষণের ফল ে সম্পূর ্ ণ থানা আজ বন্যাকবলিত। বহু বাড়িঘর পানিত ে ডুব ে গেছে। ভেস ে গেছ ে অসহায ় কৃষকদের গরুবাছুর এবং তাদের সদ্যতোলা ফসল। উঠত ি ফসলের হয়েছ ে চরম ক্ষতি। হাজার হাজার লোক এখন পানিবন্দি। বিশুদ ্ ধ খাবার পানির অভাব ে দেখা দিয়েছ ে কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয ় ইত্যাদ ি রোগ। অবিলম ্ ব ে খাদ্য, পানীয় জল এবং চিকিৎসার সুব্যবস্থা না করল ে দুর্গতদের বাঁচানো সম্পূর ্ ণ অসম্ভব হয় ে পড়বে। অতএব, মহোদয ় সমীপে নিবেদন, এ ব্যাপার ে আশ ু প্রয়োজনীয ় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার মর ্ জ ি হয়। বিনীত নিবেদক- হালিমা বেগম এলাকাবাসীর পক্ষে।" বাড়িত ে যাওয়ার জন্ য ছুট ি চেয়ে ছাত্রাবাস তত্ত্বাবধায়কের কাছে আবেদনপত্র,"মহান্তন, সবিনয ় নিবেদনপূর্বক জানান ো যাচ ্ ছ ে যে, আম ি আপনার ছাত্রাবাসের একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ১৭-০৬-২০২২ তারিখ ে আমার বড ় বোনের বিয ় ে হত ে যাচ্ছে। তাই আগামী ১৫-০৬-২০২০ হত ে ১৮-০৬-২০২২ তারিখ পর্যন ্ ত আমার ছুটি প্রয়োজন। উক ্ ত চার দিন আম ি ছাত্রাবাস ে অবস্থান করতে পারছ ি না। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা, আগাক ে উক ্ ত চার দিনের ছুট ি প্রদান কর ে বাধিত করবেন। বিনীত নিবেদক উৎপল বড়ুয়া সপ্তম শ্রেণি বোল নং-১ শাখা- পদ্ম" ঐতিহাসিক স্থান ে সফর ে যাবার জন্যে প্রধান শিক্ষকের নিকট আবেদনপত্র,"জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের লক ্ ষ ্ য ে আমরা ঐতিহাসিক স্থান ে সফর ে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি। কেননা, এট ি বাস্তব শিক্ষা অর্জনের একট ি সর্বোত্তম পন্থা। এ ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের মাধ্যমে একদিক ে আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন হবে, অন্যদিকে শিক্ষামূলক অনেক গুরুত্বপূর ্ ণ বিষয ় ে অবগত হব, যা আমাদের জ্ঞানার্জন ে সহায়তা করবে। আমরা ঐতিহাসিক স্থান হিসেব ে বগুড়ার মহাস্থানগড়ে যাওয়ার জন্ য আগ্রহ প্রকাশ করছি। আমরা সেখানের প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, গাবিন্দভিটা, প্রাচীন নগর পুণ্ড্রবর্ধন, বৈরাগীর ভিটা এবং বিভিন ্ ন প্রাচীন নিদর্শনের সাথে সরেজমিন ে পরিচিত হত ে চাই। সেখান ে আমরা তিন দিন অবস্থান করব বল ে সিদ্ধান ্ ত নিয়েছি। এ সফর আমাদেরকে শিক্ষাক্ষেত ্ র ে অনুপ্রেরণা দিব ে বল ে আমরা মন ে করি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা এই যে, উক্ত সফরের গুরুত ্ ব ও প্রয়োজনীয়তা উপলব ্ ধ ি কর ে আমাদেরকে সেখান ে যাওয়ার অনুমত ি দান ে আপনার মর ্ জ ি হয়।" বিষয় : ঐতিহাসিক স্থান ে সফর ে যাবার অনুমত ি চেয়ে আবেদন।,"জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা আপনার বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের লক ্ ষ ্ য ে আমরা ঐতিহাসিক স্থান ে সফর ে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি। কেননা, এট ি বাস্তব শিক্ষা অর্জনের একট ি সর্বোত্তম পন্থা। এ ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনের মাধ্যমে একদিক ে আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন হবে, অন্যদিকে শিক্ষামূলক অনেক গুরুত্বপূর ্ ণ বিষয ় ে অবগত হব, যা আমাদের জ্ঞানার্জন ে সহায়তা করবে। আমরা ঐতিহাসিক স্থান হিসেব ে বগুড়ার মহাস্থানগড়ে যাওয়ার জন্ য আগ্রহ প্রকাশ করছি। আমরা সেখানের প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, গাবিন্দভিটা, প্রাচীন নগর পুণ্ড্রবর্ধন, বৈরাগীর ভিটা এবং বিভিন ্ ন প্রাচীন নিদর্শনের সাথে সরেজমিন ে পরিচিত হত ে চাই। সেখান ে আমরা তিন দিন অবস্থান করব বল ে সিদ্ধান ্ ত নিয়েছি। এ সফর আমাদেরকে শিক্ষাক্ষেত ্ র ে অনুপ্রেরণা দিব ে বল ে আমরা মন ে করি। অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা এই যে, উক্ত সফরের গুরুত ্ ব ও প্রয়োজনীয়তা উপলব ্ ধ ি কর ে আমাদেরকে সেখান ে যাওয়ার অনুমত ি দান ে আপনার মর ্ জ ি হয়।" আর্থিক সাহায্ য চেয ় ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট আবেদনপত্র,"জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আম ি চিতলমারী বহুমুখী মডেল উচ ্ চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। আমার বাবা একজন দরিদ ্ র কৃষক। আমরা চার ভাইবোন বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করি। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণ ে আমার বাবার পক্ ষ ে আমাদের পড়ার খরচ চালান ো সম্ভব হচ ্ ছ ে না। ফলে আমার পড়ালেখা বন ্ ধ হওয়ার উপক্রম। এ অবস্থায ় আমি পড়ালেখার খরচ চালাত ে আপনার কাছ ে এককালীন কিছু অর ্ থ সাহায্যের জন্ য আবেদন করছি। অতএব, বিনীত নিবেদন যে, আপনার সদয ় বিবেচনা দ্বারা আমার আবেদন মঞ্জুর কর ে আমাক ে পড়ালেখা করার সুযোগ দান করল ে কৃতজ ্ ঞ থাকব।" সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার জন্ য আবেদন।,"জনাব, সবিনয ় নিবেদন এই য ে আমরা আপনার বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রী। আপনার অবগতির জন্ য জানাচ ্ ছ ি যে, আমাদের বিদ্যালয ় ে বিশুদ ্ ধ বা সুপেয ় পানির কোন ো ব্যবস্থা নেই। বিদ্যালয ় প্রাঙ্গণ ে স্থাপিত তিনট ি নলকূপের মধ ্ য ে দুইটি আর্সেনিকযুক্ত। য ে একট ি নলকূপ আর্সেনিকমুক ্ ত তা-ও আবার প্রায ় চার মাস ধর ে অকেজো। এত ে আমরা খাওয়ার পানির বিশেষ সংকট ে আছি। আবার দূষিত পান ি পান করে শিক্ষার্থীরাও পানিবাহিত নানা রোগ ে আক্রান ্ ত হচ্ছে। এ অবস্থা চলত ে থাকল ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী চরম ক্ষতিরমুখ ে পড়বে। তাই বিদ্যালয ় ে বিশুদ ্ ধ পানির জন্ য গভীর নলকূপ স্থাপন করা অত্যন ্ ত জরুরি। অতএব, আপনার নিকট সবিনয় নিবেদন, জরুর ি ভিত্তিত ে আর্সেনিকমুক ্ ত ও গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যম ে সুপেয ় পানির ব্যবস্থা কর ে বাধিত করবেন।" জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্ য চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাস স্থগিতের জন্ য আবেদন।,"জনাব, সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আগামী ১৫ আগস ্ ট জাতীয় শোক দিবস পালন করা হবে। জাতির জনক বঙ্গবন ্ ধ ু শেখ মুজিবুর রহমানক ে এই দিন ে হত্যা করা হয়। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের নানামুখী দিক নিয ় ে এই দিন ে আলোচিত হবে। জাতীয ় শোক দিবসের অনুষ্ঠান উপলক ্ ষ ে প্রত্যেক শ্রেণিকেই কোনোনা কোন ো দায়িত ্ ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের ওপর রয়েছ ে মঞ্চসজ্জা ও স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব। কাজগুলো সুচারুভাব ে সম্পন ্ ন করত ে চতুর ্ থ ঘণ্টার পর ক্লাসসমূহ স্থগিত প্রয়োজন। অতএব, মহোদয ় সমীপ ে বিনীত অনুরোধ, চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাসসমূহ স্থগিত কর ে আমাদের বাধিত করবেন।" ন্যায্ য মূল ্ য ে সার সরবরাহের আবেদন।,"মহোদয়, সবিনয ় নিবেদন এই যে, আমরা মাদারগঞ ্ জ উপজেলার বালিয়াজুড়ী গ্রামের অধিবাসী। আমরা দেশক ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর ্ ণ কর ে গড ় ে তোলার লক ্ ষ ্ য ে সরকার ঘোষিত 'অধিক খাদ্ য ফলাও' আন্দোলন ে সাড়া দিয ় ে আমাদের গ্রাম ে একটি সমবায ় কৃষ ি খামার পত্তন করেছি। ইতোমধ ্ য ে প্রায ় এক'শ বিঘা জম ি চাষাবাদের জন্ য এন ে বছর ে একাধিক ফসল উৎপন ্ ন করছি। আমাদের ফসল বেশ ভালোই হয়েছে। এবার আর ো কিছ ু জম ি আমাদের খামারের অন্তর্ভুক ্ ত করেছ ি এবং আমরা আশা কর ি গ্রামের সমস ্ ত লোকের জমিই আমাদের খামারের আওতায ় আনত ে সক্ষম হবো। কিন ্ ত ু এখন আমাদের প্রধান সমস্যা হলো, আমরা সময ় মত ো পর্যাপ ্ ত পরিমাণ ে সার প্রয়োগ করত ে পারছ ি না। খোলা বাজার ে য ে সার পাওয়া যায় তার মূল্ য আমাদের ক্রয ় ক্ষমতার বাইরে। ফল ে আগামী মৌসুম ে সার প্রয়োগ করত ে পারব ো কিনা সন্দেহ। একই জমিত ে একাধিক ফসল ফলাত ে হল ে প্রতিবারই জমিত ে সার দেওয়া দরকার। তা না হল ে অধিক ফসল আশা করা বৃথা। কিন ্ ত ু আমাদের মত ো গরিব চাষীর পক ্ ষ ে খোলা বাজার থেকে অধিক মূল ্ য ে সার কিন ে ব্যবহার করা সাধ্যাতীত। অতএব, আমাদের আকুল অনুরোধ এই যে, অনুগ্রহ করে সরকার ি গুদাম থেক ে আমাদের জন্ য ন্যায্ য মূল ্ য ে সার সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক আমাদের আন্দোলনকে সামনের দিক ে এগিয ় ে নেরার সুযোগ দান ে বাধিত করবে" জরিমানা মওকুফ চেয় ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট দরখাস্ত,"জনাব, সবিনয ় নিবেদন এই যে, আম ি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির খ-শাখার ছাত্র। গত জানুয়ার ি মাসের ২ তারিখে আমাদের পাড়ার মাঠ ে ফুটবল খেলত ে গিয ় ে আমার পা ভেঙে যায়, ফল ে ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ পর্যন ্ ত আম ি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলাম। এমতাবস্থায ় স্কুল ে য ে জরিমানা হয়েছে তার টাকার পরিমাণও কম নয়। আমার পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণ ে এ অর ্ থ পরিশোধ করা সম্ভব নয়। কেননা, আমার পায়ের চিকিৎসা করত ে গিয ় ে পরিবারের অনেক টাকা ব্যয় হয ় ে গেছে। এতদসঙ ্ গ ে ডাক্তারের সার্টিফিকেট সংযুক ্ ত করলাম। অতএব, জনাবের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা কর ে জরিমানা মওকুফ করে বাধিত করবেন। বিনীত" জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্ য চতুর্থ ঘণ্টার পর ক্লাস স্থগিতের জন্ য আবেদন।,"সবিনয ় নিবেদন এই যে, আম ি আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির খ-শাখার ছাত্র। গত জানুয়ার ি মাসের ২ তারিখে আমাদের পাড়ার মাঠ ে ফুটবল খেলত ে গিয ় ে আমার পা ভেঙে যায়, ফল ে ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ পর্যন ্ ত আম ি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলাম। এমতাবস্থায় স্কুল ে য ে জরিমানা হয়েছে তার টাকার পরিমাণও কম নয়। আমার পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণ ে এ অর ্ থ পরিশোধ করা সম্ভব নয়। কেননা, আমার পায়ের চিকিৎসা করত ে গিয ় ে পরিবারের অনেক টাকা ব্যয় হয ় ে গেছে। এতদসঙ ্ গ ে ডাক্তারের সার্টিফিকেট সংযুক ্ ত করলাম। অতএব, জনাবের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা কর ে জরিমানা মওকুফ করে বাধিত করবেন।" শহরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের আবেদন," তারিখ: ২৮ জুন ২০২৬ প্রাপক: পানি উন্নয়ন বোর্ড, কক্সবাজার বিষয়: শহরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য আবেদন। মাননীয় মহোদয়, কক্সবাজার শহরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বন্যার প্রকোপ বেড়ে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে জনজীবনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও নালা নির্মাণ করা হোক। ২. নিয়মিত নালা পরিস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ৩. জনসাধারণের মধ্যে বন্যা সচেতনতা ও প্রস্তুতি কার্যক্রম চালানো হোক। আপনার হস্তক্ষেপে শহর নিরাপদ ও বাসযোগ্য হবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ শফিকুল ইসলাম নাগরিক প্রতিনিধি কক্সবাজার" শহরে পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন," তারিখ: ২৯ জুন ২০২৬ প্রাপক: পৌরসভা মেয়র, খুলনা বিষয়: শহরে নতুন পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন। মাননীয় মেয়র মহোদয়, খুলনা শহরে জনসাধারণের বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত পার্ক ও খেলার মাঠের অভাব রয়েছে। এই কারণে শিশুরা বাইরে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না এবং তরুণ সমাজের মানসিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে। আমরা আবেদন করছি— ১. শহরের বিভিন্ন এলাকায় আধুনিক পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ করা হোক। ২. সেখানে শিশু ও তরুণদের জন্য নিরাপদ খেলার ব্যবস্থা রাখা হোক। ৩. পার্ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট ও কর্মী নিয়োগ করা হোক। আপনার সদয় সহযোগিতায় আমাদের শহর আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। ধন্যবাদান্তে, নিবেদক মোঃ মাসুদ রানা নাগরিক প্রতিনিধি খুলনা" স্কুলে বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রাঙ্গামাটি সদর বিষয়: বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়নে স্কুলে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানাগার স্থাপনের আবেদন। জনাব, আমাদের স্কুল “নানিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়” একটি প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের মধ্যে শতাধিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, বিদ্যালয়ে কোনো বিজ্ঞানাগার নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র বই পড়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, কিন্তু হাতে-কলমে কোনো প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা পাচ্ছে না। এতে তারা উচ্চশিক্ষায় গিয়ে চরম বেকায়দায় পড়ে। এমনকি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণ করতে পারে না। শিক্ষকগণ চাইলেও সঠিকভাবে বিজ্ঞানের ধারণা দিতে পারছেন না যেহেতু প্রজেক্ট বোর্ড, মডেল কিংবা কেমিকেলস-এর ব্যবস্থা নেই। অতএব, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে আমাদের বিদ্যালয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানাগার স্থাপন ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। নিবেদক মোঃ মাহবুবুল হক প্রধান শিক্ষক নানিয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি" এলাকায় একটি সরকারি লাইব্রেরি স্থাপনের আবেদন," তারিখ: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রাপক: জেলা প্রশাসক নরসিংদী বিষয়: সাধারণ পাঠকের জন্য সরকারি গণগ্রন্থাগার স্থাপন প্রসঙ্গে আবেদন। জনাব, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বারৈচা ইউনিয়নে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের বাস। এখানে উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থাকলেও কোনো সরকারি পাঠাগার নেই। পাঠ্যবই ছাড়াও জীবনঘনিষ্ঠ জ্ঞানসম্পন্ন বই, সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ক বইয়ের চাহিদা রয়েছে। তরুণরা সময় কাটায় মোবাইলে কিংবা অসামাজিক কাজকর্মে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি গণগ্রন্থাগার স্থাপন হলে তাদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়বে, পাঠাভ্যাস গড়ে উঠবে এবং মাদক থেকে দূরে থাকবে। এছাড়া, চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জায়গা হবে এটি। অতএব, আমাদের এলাকায় একটি আধুনিক গণগ্রন্থাগার স্থাপন করার জন্য বিশেষভাবে আবেদন করছি। নিবেদক মোঃ নাহিদ হাসান ছাত্র প্রতিনিধি বারৈচা, শিবপুর, নরসিংদী" অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর প্রধান শিক্ষক ………… উচ্চ বিদ্যালয় কুলাউড়া, মৌলভীবাজার। বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি জুয়েল আহমদ, আপনার বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার শারিরীক অসুস্থতার কারনে গত ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৪/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৪ (চার) দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি মানবিক বিবেচনা করে আমাকে ০৪ (চার) দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) শ্রেণী-নবম বিভাগ-বিজ্ঞান রোল নং-০১" অফিসিয়াল ছুটির আবেদন,"তারিখ-০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ বরাবর ব্যবস্থাপক পূবালী ব্যাংক লি. কুলাউড়া শাখা, সিলেট। বিষয়ঃ নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন। জনাব সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার অধিনস্থ পূবালী ব্যাংক লিঃ, কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার এ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। আগামী ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ আমার ছোট বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৪ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিনের ছুটি ভোগ করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়টি বিবেচনাক্রমে ০৩ (তিন) দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করার জন্য সবিনয়ে আবেদন পেশ করছি। বিনীত আপনার একান্ত বাধ্যগত (জুয়েল আহমদ) অফিসার পূবালী ব্যাংক ব্যাংক লিঃ কুলাউড়া শাখা, মৌলভীবাজার।"