text stringlengths 73 31.5k |
|---|
পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড (পূর্বনাম দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। অনিয়ম-জালিয়াতির দায়ে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের চারটি সরকারি ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ব্যাংকটির বড় অংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করে। এতে ব্যাংকটির স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু হলে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পদ্মা ব্যাংক।
ইতিহাস
এই ব্যাংকটি ২০১৩ সালের ৩ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৬ সালে শত শত কোটি টাকা অনিয়ম দেখে ফারমার্স ব্যাংকে পর্যবেক্ষক দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ কেলেঙ্কারিসহ নানা অনিয়মের কারণে ২০১৭ সালে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন খান আলমগীর তার পদ ছাড়তে বাধ্য হন ও ব্যাংকটির এমডি এ কে এম শামীমকে বাংলাদেশ ব্যাংক অপসারণ করে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়। ব্যাংকটি বাঁচাতে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশান অব বাংলাদেশ (আইসিবি) মূলধন জোগান দেয়।
ঋণ কেলেঙ্কারিসহ বিভিন্ন অনিময়ের কারণে সমালোচিত হওয়ার পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকটির নাম পরিবর্তনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা "‘দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড’ এর নাম পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড নামকরণ’" শীর্ষক এক সার্কুলার অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৯শে জানুয়ারি ব্যাংকটির নাম পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড নামকরণ করা হয়।
আরও দেখুন
বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশের ব্যাংকসমূহের তালিকা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংক
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক
২০১৩-এ প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক
২০১৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত
বাংলাদেশের ব্যাংক
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
ঢাকা ভিত্তিক কোম্পানি |
সমাজতন্ত্রের ইতিহাসের উৎপত্তি ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব এবং তার থেকে উদ্ভূত পরিবর্তনের ভেতরে নিহিত, যদিও এটি আগের আন্দোলন এবং ধারণা থেকেও বিভিন্ন ধারণা গ্রহণ করেছে। কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলসের লেখা কমিউনিস্ট ইস্তেহার বইটিতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কথাটি ব্যবহার করা হয়। বইটি ১৮৪৮ সালের সামান্য আগে লেখা হয় এবং বইটি পুরো ইউরোপকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ইউরোপে ১৯ শতকের শেষ তৃতীয়াংশে মার্কসবাদকে গ্রহণ করে সমাজ গণতান্ত্রিক দলগুলো উপরে আসতে শুরু করে। অস্ট্রেলিয়ান লেবার পার্টি বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত সমাজতান্ত্রিক পার্টি যখন পার্টি ১৮৯৯ সালে কুইন্সল্যান্ড রাজ্য নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল।
এছাড়া উনিশ শতকের কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রিদের দ্বারা কল্পিত নানা ব্যবস্থাগুলো পরবর্তীকালে পরিণত হয়েছিলো বৈজ্ঞানিক সাম্যবাদের নানা তাত্ত্বিক উৎসে।
তথ্যসূত্র
সমাজতন্ত্র
সমাজতন্ত্রের ইতিহাস |
আসমা আরবাব আলমগীর (; জন্ম ৯ জুলাই ১৯৬৫) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি ২০০৮-২০১৩ পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।
প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা
আসমা ১৯৬৫ সালের ৯ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আইন ও অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি আরবাব আলমগীর খানের স্ত্রী।
রাজনৈতিক জীবন
২০০৮ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে, খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে নারীদের জন্য সংরক্ষিত একটি আসনে পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রার্থী হিসাবে আসমা আলমগীর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, খাইবার পাখতুনখোয়া পিপিপির প্রাদেশিক সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করার সময় তাকে পাকিস্তান পিপলস পার্টির মহিলা শাখার সভাপতি করা হয়েছিল। ২০১০ সালের এপ্রিলে তিনি ফেডারেল সরকারের প্রদেশ ও সীমান্ত অঞ্চল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র
১৯৬৫-এ জন্ম
আরবাব খান পরিবার
পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য ২০০৮-২০১৩
জীবিত ব্যক্তি |
১৬৮২ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির একটি সাধারণ বছর।
ঘটনাবলী
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
জন্ম
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
মৃত্যু
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
১৬৮২ |
শরীফপুর ইউনিয়ন নামে বাংলাদেশে মোট ৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। যথা:
শরীফপুর ইউনিয়ন, আশুগঞ্জ; (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা)
শরীফপুর ইউনিয়ন, কুলাউড়া; (মৌলভীবাজার জেলা)
শরীফপুর ইউনিয়ন, জামালপুর সদর; (জামালপুর জেলা)
শরীফপুর ইউনিয়ন, বেগমগঞ্জ; (নোয়াখালী জেলা) |
ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন সরাসরি ডাব্লিউডাব্লিউই ছিল ডাব্লিউডাব্লিউই কর্তৃক আয়োজিত পেশাদারি কুস্তি আয়োজন। এটা ২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় এবং শুধু ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্ক দ্বারা প্রপচারিত হয়।
ফলাফল
তথ্যসূত্র
২০১৫-এ পেশাদারি কুস্তি |
২০২১ টি১০ লিগ বা আবুধাবি টি১০ ২০২১ টি১০ লিগের চতুর্থ আসর। ম্যাচগুলির ৯০ মিনিটের এবং উভয় দল নির্ধারিত ১০ ওভার খেলার সুযোগ পায়। প্রতিযোগিতাটিতে প্রথমে রাউন্ড রবিন এবং পরে সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল খেলা হয়। এটি মূলত শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৯ থেকে ২৮ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত খেলার কথা ছিল। কিন্তু, কোভিট-১৯ মহামারীর কারণে টুর্নামেন্টটি ২৮ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত খেলার সূচী পুনরায় নির্ধারণ করা হয়।
কর্ণাটক টাস্কার তাদের নাম পরিবর্তন করে পুনে ডেভিলস হিসাবে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে। নর্দার্ন ওয়ারিয়র্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়।
দলীয় সদস্য
২৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুষ্ঠিত খেলোয়াড় নিলামে ফ্রাঞ্চাইজ ভিত্তিক দলগুলো নিম্নোক্ত খেলোয়াড়দেরকে বেছে নেন।
গ্রুপ পর্যায়
গ্রুপ এ
গ্রুপ বি
সুপার লিগ
পয়েন্ট তালিকা
খেলাগুলো
প্লে-অফ
বন্ধনী
বাছাইপর্ব
এলিমিনেটর
এলিমিনেটর ১
এলিমিনেটর ২
৩য় স্থান প্লে-অফ
ফাইনাল
তথ্যসূত্র
২০২০-এ আমিরাতি ক্রিকেট
টি১০ ক্রিকেট
২০২১-এ আমিরাতি ক্রিকেট |
খালিয়া ইউনিয়ন বাংলাদেশর ঢাকা বিভাগের মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার একটি ইউনিয়ন যা ২৩টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এ এলাকা এক সময় জমিদারি অঞ্চল ছিলো।
ভৌগোলিক উপাত্ত
খালিয়া ইউনিয়নের মোট আয়তন ৫,৪৮৪ একর বা ২২.২ বর্গ কিলোমিটার। গ্রামের সংখ্যা ২৩টি। ঘরবাড়ির সংখ্যা ৭,৪২৩টি।
এ ইউনিয়নে হাট-বাজার রয়েছে ৭টি। মসজিদের সংখ্যা ৬৫টি এবং মন্দিরের সংখ্যা ৩০টি।
জনসংখ্যার উপাত্ত
বাংলাদেশের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী খালিয়া ইউনিয়নের ৭,৪২৩টি পরিবারে মোট জনসংখ্যা ৩৪,৯৮৬ জন এবং প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১৬০০ জন লোক বাস করে। এদের মধ্যে ১৭,৫২৪ জন পুরুষ ও ১৭,৬৪২ জন মহিলা এবং লিঙ্গ অনুপাত ১০০। মুসলিম ধর্মালম্বী ২১,৫৭৮ জন, হিন্দু ধর্মালম্বী ১৩,৩৯৯ জন ও খ্রিস্টান ধর্মালম্বী ৯ জন।
শিক্ষা
২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী খালিয়া ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৫২.৩% (পুরুষ ৫৪.৮%, মহিলা-৪৯.৮%)। এ ইউনিয়নে ১টি কলেজ, ১টি মাদ্রাসা, ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে এবং ৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য স্থান
খালিয়া জমিদার বাড়ি
রাজারাম মন্দির
তথ্যসূত্র
রাজৈর উপজেলার ইউনিয়ন |
৮৫৩ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির একটি সাধারণ বছর।
ঘটনাবলী
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
জন্ম
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
মৃত্যু
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
৮৫৩ |
উত্তরা কেন্দ্র মেট্রো স্টেশন বা উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশন ঢাকা মেট্রোরেলের একটি স্টেশন। এই স্টেশনটি ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত। স্টেশনটি এমআরটি লাইন ৬-এর অন্তর্গত। ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে এই স্টেশন চালু করা হয়।
ইতিহাস
উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনটি "প্যাকেজ সিপি-০৩"-এর অধীনে নির্মিত হয়। স্টেশন ও রেলপথের জন্য উত্তোলিত সেতু নির্মাণের আবেদনের বিজ্ঞপ্তি ২০১৫ সালের ৩০ জুন প্রকাশিত হয় এবং আবেদনের জমার শেষ তারিখ ছিল ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫। "প্যাকেজ সিপি-০৩"-এর কাজের চুক্তি পায় ইতালীয়-থাই উন্নয়ন পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড। চুক্তি দলিলটি এনবিআর তদন্ত এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক তদন্তের জন্য ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। এই চুক্তি প্যাকেজের জন্য স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ২০১৭ সালের ৩ মে ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সালের ২ আগস্ট নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই স্টেশনের নির্মাণ কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়।
২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুমান করা হয় স্টেশনটি ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে মেট্রো রেল পরিষেবার জন্য উদ্বোধন করা হবে। স্টেশনটি ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে চালু করা হয়।
স্টেশন
স্টেশন বিন্যাস
তথ্যসূত্র
ঢাকা মেট্রো স্টেশন
২০২৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত
২০২৩-এ চালু রেলওয়ে স্টেশন
উত্তরা |
লগার প্রদেশ (পশতু/) আফগানিস্তানের ৩৪ টি প্রদেশের মধ্যে একটি, যেটি দেশের পূর্ব অঞ্চলে অবস্থান করছে। বিভাগটি সাত জেলা নিয়ে গঠন করা হয়েছে এবং প্রায় একশোর উপরে গ্রাম রয়েছে। পোল-ই আলম হচ্ছে প্রদেশটির রাজধানী শহর।
২০১৩ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী জেলাটির জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩৭৩,১০০ জন এর মত। এটি একটি বহুজাতিক উপজাতীয় সম্প্রদায় বসবাসকারি প্রদেশ হিসেবে বলা যায়, যেখানে প্রায় ৬০% পশতুন এবং বাকি তাজিক ও হাজারা সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
লগার জেলা ولایت لوگر
আফগানিস্তানের প্রদেশ
লগার প্রদেশ |
রাজারাম মন্দির মাদারীপুর জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন মন্দির ও সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। এটি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি খালিয়া জমিদার বংশধরদের তৈরি করা একটি মন্দির।
ইতিহাস
কালীসাধক রাজারাম রায় চৌধুরী নামক তৎকালীন খালিয়া জমিদার বংশ ১৭শ শতকে রাজারাম মন্দিরটি এ অঞ্চলে নির্মণ করেন। মন্দিরটি নির্মাণে জমিদার প্রচুর অর্থ খরচ করলেও এটি নির্মাণের সঠিক তারিখ জানা যায় না। তবে অনেকেই মনে করেন এটি ১৮২৫ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল। জমিদার রাজারামের নামানুসারেই এর নাম রাখা হয় ‘রাজারাম মন্দির’।
অবকাঠামো
চার চালা ঘরের অদলে মন্দিরটি তৈরি কারা পুরো মন্দিরটি গ্রাম্য রীতিতে ২৩ শতাংশ জমি নিয়ে নির্মিত। মন্দিরটিতে মোট ৯টি কক্ষসহ একটি রান্নাঘর রয়েছে যার মধ্যে নিচের তলায় তিনটি ও উপরের তলায় ৬টি কক্ষ। এছাড়াও পূজা অর্চনার জন্য রয়েছে আলাদা স্থান। রাজারাম মন্দিরের উচ্চতা ৪৭ ফুট এবং এর দৈর্ঘ্য বিশ ফুট ও প্রস্থ ষোল ফুট। দ্বিতল এ মন্দিরটির প্রতিটি দেয়াল বিভিন্ন রকম দেবদেবী, রামায়ণ ও মহাভারতের নকশা দ্বারা ফুটিয়ে তুলা হয়েছে।এই মন্দিরের নিচতলার প্রায় অনেকটাই এখন মাটির নিচে নেমে গিয়েছে।
বর্তমানে এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন রয়েছে।
চিত্রশালা.
আরও দেখুন
বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের তালিকা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
মাদারীপুর জেলার দর্শনীয় স্থান
মাদারীপুর জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা
মাদারীপুর জেলার হিন্দু মন্দির
১৭শ শতাব্দীর হিন্দু মন্দির |
চরফরাদি ইউনিয়ন বাংলদেশের ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
অবস্থান ও সীমানা
ইতিহাস
প্রশাসনিক এলাকা
আয়তন ও জনসংখ্যা
শিক্ষা
শিক্ষার হার :
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
দর্শনীয় স্থান
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব
জনপ্রতিনিধি
বর্তমান চেয়ারম্যান-
আরও দেখুন
ঢাকা বিভাগ
কিশোরগঞ্জ জেলা
তথ্যসূত্র
পাকুন্দিয়া উপজেলার ইউনিয়ন |
গেরহার্ড এম সেসলার একজন জার্মান উদ্ভাবক এবং বিজ্ঞানী। তিনি জেমস এডওয়ার্ড ওয়েস্টের সাথে ফয়েল ইলেক্ট্রিক মাইক্রোফোন উদ্ভাবন করেন।
সেসলার গ্যটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বেল ল্যাবসে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত টেখনিশে উনিভের্সিটেট ডার্মষ্টাট এ তড়িৎ প্রকৌশলের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার ১০০টির অধিক আন্তর্জাতিক প্যাটেন্ট রয়েছে, যার মধ্যে ১৮টি মার্কিন প্যাটেন্ট। তার ৩০০টির অধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা পত্র রয়েছে। তিনি ২০১০ সালে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন মেডেল এবং ২০১২ সালে আইইইই/আরএসই ওলফন জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।
তথ্যসূত্র
জার্মান বিজ্ঞানী
ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্সের সভ্য
১৯৩১-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটির সভ্য |
ময়মনসিংহ-২১ আসন ছিল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত জাতীয় সংসদের আসন ছিল।
সীমানা
ইতিহাস
ময়মনসিংহ-২১ আসনটি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় গঠিত হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে আসনটি বিলুপ্ত হয়।
নির্বাচিত সাংসদ
নির্বাচন
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
সেফোস "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ"
ময়মনসিংহ জেলার জাতীয় সংসদীয় বিলুপ্ত আসন
১৯৭৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত
১৯৮৪-এ বিলুপ্ত |
কুৎসা ঋগ্বেদের একজন বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
ঋগ্বেদ
ঋগ্বেদে কুৎসাকে এক বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, যিনি ইন্দ্রের রাক্ষস শুষ্ণকে পরাজিত করে সূর্যকে জয় করে ফিরিয়ে আনার সঙ্গে জড়িত। তিনি, অতিথিগভা এবং আয়ুর সাথে, ইন্দ্রের কাছেও পরাজিত হয়েছিলেন বলে জানা যায়, এর জন্য এক পর্যায়ে তুর্ভায়ণকে দায়ী করা হয়েছিল। অন্যান্য অর্থে কুৎসা এবং অতথিগভা ইন্দ্রের বন্ধু বলে পরিচিত। হিলেব্র্যান্ডের মতে, ইন্দ্রের সাথে কুৎসার বন্ধুত্বপূর্ণ বা প্রতিকূল সম্পর্কের দুটি দৃষ্টিভঙ্গি এই ধারণার দ্বারা সমাধান করা যেতে পারে যে ঋগ্বেদ দুটি পৃথক কুৎসাকে নির্দেশ করে। ঋগ্বেদের এক পর্যায়ে কুৎসা স্মাদিভা, তুগরা এবং ভেটাসুদের পরাজিত করার কথা বলেছেন। কুৎসাকে অর্জুনের বংশধর বলা হয়।
তথ্যসূত্র
গোত্র
হিন্দু ঋষি |
সিফেয়ারার্স মেমোরিয়াল বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি প্রাঙ্গণে অবস্থিত একটি স্থাপনা। সমুদ্রে প্রাণ হারানো বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি ক্যাডেটদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়। ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সংস্থার মহাপরিচালক এফথাইমিওস ই মিট্রোপুলোস ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন।
তথ্যসূত্র
চট্টগ্রামের ভবন ও স্থাপনা
বাংলাদেশের স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মারক |
ভাটপাড়া (বিধানসভা কেন্দ্র) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার একটি বিধানসভা কেন্দ্র।
এলাকা
ভারতের সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশনের নির্দেশিকা অনুসারে, ১০৫ নং ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি
১ থেকে ১৭ নং ওয়ার্ড গুলি ভাটপাড়া পৌরসভা এর অন্তর্গত।
ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি ১৫ নং ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র এর অন্তর্গত।
বিধানসভার বিধায়ক
নির্বাচনী ফলাফল
২০১১
২০১১ সালের নির্বাচনে, তৃণমূল কংগ্রেসের অর্জুন সিং তার নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআই (এম) -এর নেপালদেব ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন।
১৯৭৭-২০০৬
২০০৬ এবং ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে,তৃণমূল কংগ্রেসের অর্জুন সিং ভাটপাড়া আসন থেকে জয়ী হন ২০০৬ সালে সিপিআই (এম) -এর হরিমোহন নাথকে পরাজিত করেন এবং ২০০১ সালে সিপিআই (এম) -এর রামপ্রসাদ কুন্ডুকে পরাজিত করেন। অধিকাংশ বছরে প্রতিযোগিতাগুলিতে প্রার্থীদের বিভিন্ন ধরনের কোণঠাসা করে ছিল কিন্তু শুধুমাত্র বিজয়ী ও রানার্সকে উল্লেখ করা হচ্ছে। সিপিআই (এম) -এর বিদ্যুৎ গাঙ্গুলি ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের ধর্মপাল গুপ্তকে পরাজিত করেন ১৯৯১ সালে কংগ্রেসের কেদার সিংকে পরাজিত করেন। কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিং ১৯৮৭ সালে সিপিআই (এম) -এর শিবপ্রসাদ ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। সিপিআই (এম) সিতারাম গুপ্ত ১৯৮২ সালে কংগ্রেসের দেবী ঘোষালকে পরাজিত এবং ১৯৭৭ সালে কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিংকে পরাজিত করেন।
১৯৫১-১৯৭২
কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিং ১৯৭২ এবং ১৯৭১ সালে জয়ী হন। সিপিআই (এম) -এর সিতারাম গুপ্ত ১৯৬৯ সালে জয়ী হন। কংগ্রেসের দয়ারাম বেড়ি ১৯৬৭ এবং ১৯৬২ সালে জয়ী হন। সিপিআই এর সিতারাম গুপ্ত ১৯৫৭ সালে জয়ী হন। স্বাধীন ভারতের প্রথম নির্বাচন ১৯৫১ সালে, কংগ্রেসের দয়ারাম বেড়ি ভাটপাড়া কেন্দ্র থেকে জয়ী হন।
তথ্যসূত্র
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা কেন্দ্র
উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার রাজনীতি |
অগ্নিমিত্রা পাল একজন ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার ও রাজনীতিবিদ। তিনি ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরে রাজনীতিতে আসেন ও আসানসোল দক্ষিণ আসন থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি বিজেপি মহিলা মোর্চার পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রারম্ভিক জীবন
অগ্নিমিত্রা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আসানসোলে এক ডাক্তার ও শিক্ষাবিদের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আসানসোলের লরেটো কনভেন্টে পড়াশোনা করেন ,পরে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতকোত্তর এবং বিড়লা ইনস্টিটিউটের লিবারেল আর্টস ও ম্যানেজমেন্ট বিজ্ঞানের ফ্যাশন স্কুল থেকে ডিপ্লোমা করেন।
কর্মজীবন
অগ্নিমিত্রা তার কর্মজীবন ২০০১-০২ সালে শুরু করেন।তিনি শ্রীদেবীর ব্যক্তিগত পোশাক ডিজাইন করেন। পরে তিনি কোই মেরে দিল সে পুছে চলচ্চিত্রের পরিধানসমূহ নকশা করার প্রথমবার সুযোগ পান,যেখানে তিনি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এশা দেওলের কিছু পোশাক নকশা করেন। তিনি ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতার জন্য শোনাল রাওয়াতের বাহারি পোশাক নকশা করেন। তিনি বলিউড চলচ্চিত্র ভায়া দার্জিলিঙ্গে, কে কে মেনন,সোনালি কুলকার্নি , পারভিন দাবাস এবং বিনয় পাঠকের জন্য পোশাক নকশা করেন।তিনি মিঠুন চক্রবর্তী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, জিৎ, কোয়েল মল্লিক, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, মৌ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ অভিনেতা/অভিনেত্রীদের জন্য ১০টির ও বেশি টলিউড চলচ্চিত্রে পোশাক নকশা করেন।
অগ্নিমিত্রা মে,২০১২ সালে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনকে তার কলকাতা সফরকালীন একটি সবুজ এবং হালকা বাদামি কাঁথার স্টোল উপহার দেন। তিনি নিজে হাতে উপহার না দিতে পারলেও,পরবর্তীকালে প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি, আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক জেফ্রি কে রেনেউয়ের মাধ্যমে পাঠানো একটি চিঠিতে উপহার প্রাপ্তি স্বীকার করেন। চিঠিটি এইপ্রকার: "প্রিয় শ্রীমতী পল, সুন্দর শাল ও চাদরের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, যেগুলি আপনি, কলকাতায় আমার সফরের সময়,আমাকে দিয়েছেন। আমি আপনার ভাবুকতার প্রশংসা করি, এবং আপনার ফ্যাশন ডিজাইন কোম্পানির অব্যাহত সাফল্যের জন্য, আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।"
সম্প্রতি অগ্নিমিত্রা পাল দক্ষিণবঙ্গের সুন্দরবনের গ্রামের মহিলাদের ফ্যাশন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে আগ্রহী হয়ে ,তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন।
তার আই এন জি এ নামে নিজস্ব একটি ফ্যাশন লেবেল আছে এবং ভারত জুড়ে প্রধান শহরগুলোতে রিটেল স্টোর আছে। সম্প্রতি তিনি ছায়াছবি নকশালের জন্য পোশাক বানান।
ব্যক্তিগত জীবন
অগ্নিমিত্রা একজন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী পার্থ পালের সঙ্গে বিবাহ সুত্রে আবদ্ধ। অগ্নিমিত্রা প্রথম জীবনে একজন ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা বাস্তবে হয়ে ওঠে নি।তাদের একটি ছেলে আছে, নাম বিঘ্নেশ।
রাজনৈতিক জীবন
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়ে তিনি ৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে আসানসোল দক্ষিণ আসনে জিতেছেন।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
ওয়েবসাইট
জীবিত ব্যক্তি
আসানসোলের ব্যক্তি
২১শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী ব্যবসায়ী
ভারতীয় নারী বেশভূষাশৈলী নকশাবিদ
২১শ শতাব্দীর ভারতীয় রাজনীতিবিদ
পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ
বাঙালি ব্যক্তি
১৯৭৩-এ জন্ম
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
ভারতীয় পোশাক পরিকল্পনাকারী
২১শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী শিল্পী
২১শ শতাব্দীর ভারতীয় ব্যবসায়ী
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ২০২১-২০২৬ |
ফয়সাল মসজিদ () পাকিস্তানের বৃহত্তম মসজিদ, যা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত। মসজিদটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তুর্কি স্থপতি ভেদাত ডালোকে এর ডিজাইন করেন। মসজিদটি দেখতে অনেকটা মরুভূমির বেদুঈনদের তাঁবুর মতো। সারা পৃথিবীতে এটি ইসলামাবাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সৌদি বাদশাহ ফাইসাল বিন আব্দুল আজিজ এই মসজিদ নির্মাণে সমর্থন এবং অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। তাই এই মসজিদটি শাহ্ ফয়সালের নামে নামকরণ করা হয়।
এই মসজিদটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদ। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত মসজিদটি পৃথিবীর বৃহত্তম মসজিদ ছিলো। পরবর্তীতে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় হাসান ২ মসজিদ নির্মাণ হলে ফাইসাল মসজিদ তার অবস্থান হারায়।
গ্যালারী
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
শাহ ফয়সাল মসজিদ: গুগল ত্রিমাত্রিক ওয়্যারহাউস
পাকিস্তানের জাতীয় প্রতীক
ইসলামাবাদের মসজিদ
১৯৮৬-এ পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত
২০শ শতাব্দীর মসজিদ
১৯৮৬-এ সম্পন্ন মসজিদ |
ঢাকা-২৩ আসন ছিল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ঢাকা জেলায় অবস্থিত জাতীয় সংসদের আসন ছিল।
সীমানা
ইতিহাস
ঢাকা-২৩ আসনটি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় গঠিত হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে আসনটি বিলুপ্ত হয়।
নির্বাচিত সাংসদ
নির্বাচন
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
সেফোস "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ"
ঢাকা জেলার জাতীয় সংসদীয় বিলুপ্ত আসন
১৯৭৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত
১৯৮৪-এ বিলুপ্ত |
আধিয়ার হচ্ছে সাইদুল আনাম টুটুল পরিচালিত ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি চলচ্চিত্র। আধিয়ার চলচ্চিত্রটি ১৯৪০-এর দশকের তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার লাভ করে।
আধিয়ার অর্থ হচ্ছে বর্গাদার। যিনি বা যারা একটি নির্দিষ্ট শর্তে অন্যের মালিকানার জমিতে হাল চাষ করে উৎপন্ন ফসলের অংশ শর্ত মোতাবেক জমির মালিককে প্রদান করে, তাকে আধিয়ার বা বর্গাদার বলা হয়। আধিয়ার জমি চাষাবাদ করলেও প্রকৃতপক্ষে জমির দখল মালিকের দখল বলে গণ্য হয়। আধিয়ারদের জীবন নিয়েই তৈরি হয়েছে আধিয়ার চলচ্চিত্রটি। এতে আধিয়ারদের জীবন সংগ্রাম এবং তাদের উপর স্থানীয় জোতদার ও জমিদারদের বিভিন্ন অন্যায় অত্যাচার, অবিচার ইত্যাদি ফুটে উঠেছে। তেভাগা আন্দোলন, এর সূত্রপাত এবং এর পরিণতি নিয়েই আধিয়ার চলচ্চিত্রটি সাজানো হয়।
আধিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, মামুনুর রশীদ, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন লিটু আনাম। এছাড়া স্থানীয় জোতদার চরিত্রে এটিএম শামসুজ্জামান এবং জমিদার আর তার রক্ষিতা চরিত্রে পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চম্পা অভিনয় করেন।
তথ্যসূত্র
বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র
বাংলাদেশী চলচ্চিত্র
২০০৩-এর চলচ্চিত্র
২০০০-এর দশকের বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র
বাংলা ভাষার বাংলাদেশী চলচ্চিত্র
আলাউদ্দিন আলী সুরারোপিত চলচ্চিত্র
সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার বিজয়ী |
এলিজাভেটা নিকোলাভনা আরজামাসোভা ( Арзама́сова, বা কম আনুষ্ঠানিকভাবে ; জন্ম ১৭ মার্চ, ১৯৯৫) একজন নাট্যশালার রুশ অভিনেত্রী, যিনি টিভি-অনুষ্ঠান অ্যাঙ্করওম্যান নামেও পরিচিত।
জীবনী
লাইজা আরজামাসোভা মস্কোতে জন্মগ্রহণ করেন। চার বছরে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। লাইজা মিউজিক্যাল "অ্যানি" (পরিচালক-নিনা চুসোভা) এর প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ২০০৪ সালে, মস্কোর নবম থিয়েটার উত্সবে তরুণী অভিনেত্রী এই ভূমিকার জন্য দর্শকদের পুরষ্কারে ভূষিত হন। একই সময়ে লাইজা রাশিয়ান একাডেমি অফ থিয়েটার আর্টস - জিআইটিআইএস-এর মিউজিক স্টুডিওতে নিযুক্ত ছিলেন। তারপরে লাইজার মা, ইউলিয়া আরজামাসোভা, একটি সাইটে লিজার চিত্র শেয়ার করেছিলেন। এরপর তিনি মস্কো ভ্যারাইটি থিয়েটার থেকে অডিশনের জন্য আমন্ত্রণ পান।
২০০৪ সালে, ৯ম থিয়েটার উত্সব "মস্কো ডেব্যু" এ তরুণী অভিনেত্রীকে তার ভূমিকার জন্য অডিয়েন্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডে পুরস্কৃত করা হয়েছিল।
লিজা টিভি ধারাবাহিক ড্যাডিস ডটারস- এ অভিনয়ের পরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যেখানে তিনি একটি প্রধান ভূমিকা গালিনা ভাসনেটসোভা -এর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
৩০ জানুয়ারী, ২০১০-এ, ১৪ বছর বয়সে তিনি মস্কো সিএস স্ট্যানিস্লাভস্কি ড্রামা থিয়েটারের মঞ্চে রোমিও এবং জুলিয়েটে জুলিয়েটের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
১৯৯৫-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
রুশ টেলিভিশন উপস্থাপক
রুশ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
রুশ নারী টেলিভিশন উপস্থাপক
২১শ শতাব্দীর রুশ অভিনেত্রী
রুশ কন্ঠাভিনেত্রী
রুশ টেলিভিশন অভিনেত্রী
রুশ মঞ্চ অভিনেত্রী
রুশ শিশু অভিনেত্রী
মস্কোর অভিনেত্রী |
নাগাই চৌধরায় () ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের মেহন্দ্রগড় জেলার একটি শহর।
জনসংখ্যার উপাত্ত
ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে নাগাই চৌধরায় শহরের জনসংখ্যা হল ৭৩৬৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৩% এবং নারী ৪৭%।
এখানে সাক্ষরতার হার ৫৮%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৬৭% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৪৮%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে নাগাই চৌধরায় এর সাক্ষরতার হার কম।
এই শহরের জনসংখ্যার ১৩% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।
তথ্যসূত্র
হরিয়ানার শহর |
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন নামে বাংলাদেশে মোট ২টি ইউনিয়ন রয়েছে। যথা:
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন, কালীগঞ্জ; (সাতক্ষীরা জেলা)
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন, তাহিরপুর; (সুনামগঞ্জ জেলা) |
রণজিৎ দাশ (জন্ম: ১৯৪৯ ) হলেন কবি শঙ্খ ঘোষ পরবর্তী সময়ে আশির দশকে বাংলার যে কয়জন আধুনিক কবি খ্যাতিলাভ করেন তাদের অন্যতম। সমসাময়িক বাংলা কবিতার ধারায় নাগরিক জীবনের নিজস্বতা ও নতুন কাব্যিক রীতি যোগ করেছেন। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার শ্রেষ্ঠ কবিতা কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন
কবি রণজিৎ দাশের জন্ম ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে অসমের কাছাড় জেলার শিলচরে। তার পৈতৃক নিবাস ছিল অধুনা বাংলাদেশের ঢাকার বিক্রমপুরে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার পিতা উদ্বাস্তু হয়ে নিঃস্ব অবস্থায় ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতের অসমে চলে আসেন। তার ছয় সন্তানদের মধ্যে তিনি ছিলেন জ্যেষ্ঠ। তার বেড়ে ওঠা আর পড়াশোনা সবই শিলচরে। বিদ্যালয়ের পাঠ শিলচরের গভর্নমেন্ট স্কুলে। বিজ্ঞানে স্নাতক হন গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। শিলচরে থাকাকালীন তিনি স্কুলের ছাত্রবস্থাতেই কবিতা রচনা শুরু করেন। স্থানীয় 'অতন্দ্র' কাব্যান্দোলনের একজন কবি উদয়ন ঘোষ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে যোগ দেওয়ায় তার কবিতার প্রতি আরো আগ্রহ জন্মে। প্রথম কবিতা "ছন্নছাড়া" প্রকাশিত হয় এবং সত্তরের দশকের শেষের দিকে প্রথম কাব্যগ্রন্থ আমাদের লাজুক কবিতা দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পাশের পর সরকারী কর্মকর্তাপদে নিযুক্ত হলে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে শিলচর ছেড়ে স্থায়ীভাবে কলকাতা আসেন। সরকারী আমলার পদ হতে ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে স্বেচ্ছাবসর নেন এবং পুরোপুরিই সাহিত্যকর্মে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। সাহিত্যকর্মের পাশাপাশি চিত্রাঙ্কন, চলচ্চিত্র ও খেলাধূলাতেও তার বিশেষ আগ্রহ আছে।
রণজিৎ দাশ গল্পের ছলে নগর জীবনের অমোঘ জিজ্ঞাসাগুলোকে সহজ বাক্যে এমন করে উপস্থাপন করেন যে, সহজ বাক্য ও শব্দের প্রয়োগে, ভাব ও বিষয় উচ্চ মার্গে উন্নীত হয়।
এযাবৎ, তিনি বারোটি কাব্যগ্রন্থ, দুটি প্রবন্ধ সংকলন, একটি উপন্যাস রচনা করেছেন।
ভারতীয় লেখকদের অন্যতম সদস্য হয়ে তিনি ২০১২ খ্রিস্টাব্দে ক্রোয়েশিয়া ভ্রমণ করেন।
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ
কাব্যগ্রন্থ -
আমাদর লাজুক কবিতা - দুর্গা প্রকাশনা, কলকাতা, (১৯৭৭)
জিপসীদের তাঁবু, কলকাতা, (১৯৮৪)
সময়, সবুজ ডাইনি - সময়, কলকাতা, ১৯৮৭
বন্দরের কথ্যভাষা কলকাতা, (১৯৯৩)
ঈশ্বরের
চোখ - আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা, (১৯৯৯)
সন্ধ্যার পাগল - সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০০৪)
সমুদ্র সংলাপ - আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা,
(২০০৭)
শহরে নিস্তব্ধ মেঘ - আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা, (১৯৯৯)
রণজিৎ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা - দে'জ পাবলিশিং, কলকাতা (২০১৩)
ধানখেতে বৃষ্টির কবিতা - সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০১৩)
অসমাপ্ত আলিঙ্গন - সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০১৬)
বিষাদসিন্ধুর কিছু লেখা - সিগনেট প্রেস, কলকাতা (২০১৮)
উপন্যাস -
বিয়োগপর্ব- প্রতিভাস প্রকাশনী, কলকাতা, সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (১৯৯৭)
প্রবন্ধ সাহিত্য-
“খোঁপার ফুল বিষয়ক প্রবন্ধ” - সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০০৬)
কবিতার দ্বিমেরুবিশ্ব, সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০১১)
সম্পাদনা-
বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (বাংলাদেশের নির্বাচিত কবিতা) বাংলাদেশের কবি সাজ্জাদ শরিফ এর সঙ্গে যৌথভাবে, সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০০৯)
রণজিৎ দাসের কবিতার সংকলন ইংরেজি অনুবাদ
এ সামার নাইটমেয়ার অ্যান্ড আদার পোয়েমস - অনুবাদক-
নির্মল কান্তি ভট্টাচার্য, - রূপা অ্যান্ড কো, নিউ দিল্লি, (২০১১)
সম্মাননা ও পুরস্কার
কবি রণজিৎ দাশ ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথম কাব্যগ্রন্থের জন্য কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্মরণ কমিটি কর্তৃক বীরেন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এরপর ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে রণজিৎ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা কাব্যগ্রন্থের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। রমানাথ ভট্টাচার্য ফাউন্ডেশন লিটারারি অ্যাওয়ার্ড,
তথ্যসূত্র
১৯৪৯-এ জন্ম
কাছাড় জেলার ব্যক্তি
বাঙালি কবি
রবীন্দ্র পুরস্কার বিজয়ী
বাঙালি লেখক
শিলচরের ব্যক্তি |
আদার ( ; আক্কাদীয় আদারু থেকে) সাধারণ পঞ্জির ষষ্ঠ এবং ইহুদি ধর্মপঞ্জির দ্বাদশ ও শেষ মাস যা গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির ফেব্রুয়ারি-মার্চে পড়ে। এই মাসে ২৯ দিন বিদ্যমান। পুরিম সম্পর্কিত এই মাসে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাসমূহ উল্লেখ রয়েছে ইষ্টের পুস্তক নামক হিব্রু বাইবেলের নবম অধ্যায়ে।
নাম
হিব্রু বর্ষপঞ্জির অন্যান্য মাসের মতই এই মাসের নাম ব্যাবিলনীয় বন্দিদশার সময়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাবিলনীয় বর্ষপঞ্জিতে এই মাসের নাম ছিলো আরা আদ্দারু বা আদার ('আদারের মাস')।
অধিবর্ষে এই মাস আরেকটি ত্রিশ দিন বিশিষ্ট অন্তর্বর্তী মাস দ্বারা পূর্ববর্তী হয় যার নাম আদার আলেফ (, আলেফ হিব্রু বর্ণমালার প্রথম অক্ষর), আদার আলেফ ছাড়াও একে "আদার রিসন" (প্রথম আদার) বা "আদার ১" নামে বলা হয়ে থাকে এবং অন্তর্বর্তী মাসটিকে বলা হয় আদার বেথ (, বেথ হিব্রু বর্ণমালার দ্বিতীয় অক্ষর)। আদার বেথ বলার পাশাপাশি এই মাসকে "আদার শেনি" (দ্বিতীয় আদার বা "আদার ২") নামে ডাকা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে এই দুটি মাসের জন্য আদার ১ এর স্থানে "আদার" ও আদার ২ এর জন্য "ভে'আদার" ব্যবহার করা হয়ে থাকে (ভে অর্থ 'এবং' অর্থ্যাৎ: এবং-আদার)। আদার ১ এর ২ দুটোই গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির ফেব্রুয়ারি-মার্চে পড়ে।
ঐতিহ্য
দ্বিতীয় মন্দির যুগে, আদার মাসের প্রথম দিবসে জনসাধারণের নিকট মন্দিরে অর্থ উৎসর্গের প্রস্তুতির নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার রীতি ছিলো যাকে অর্ধ-শেকেল বলা হতো।
মিশনাহের একটি বাক্য অনুযায়ী নিয়ম রয়েছে পুরিম দিবস অধিবর্ষের "আদার ২" মাসে পালন করতে হবে। (মেগিলাহ ১:৪), আদার ১ কে "অতিরিক্ত" মাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলাফলস্বরূপ কেউ যদি সাধারণ বর্ষের আদার মাসে জন্মায় সে অধিবর্ষে তার জন্মদিন "আদার ২" মাসে পালন করবে। তবে কেউ যদি আদার মাসের ত্রিশ তারিখে জন্মায় সেক্ষেত্রে সে সাধারণ বর্ষের ১ নিসান তারিখে তার জন্মদিন পালন করবে কেননা সাধারণ বর্ষে আদার মাসে ২৯টি দিবস থাকে।
ছুটির দিন ও উদযাপিত দিবস সমূহ
৭ আদার (অধিবর্ষে ২) – সপ্তম আদার – মোশির মৃত্যু স্মরণে এই দিন ইহুদিরা উপবাস পালন করে।
১৩ আদার (অধিবর্ষে ২) – ইষ্টের উপবাস – আদারের ১১ তারিখ যখন ১৩ তারিখে সাব্বাথ পড়ে – (উপবাস দিবস)
১৪ আদার (অধিবর্ষে ২) – পুরিম
১৪ আদার ১ (সাধারণ বর্ষে এই দিবসের অস্তিত্ব নেই; কারাইতেরা আদার ২ এ উদযাপন করে) – পুরিম কাতান
১৫ আদার (অধিবর্ষে ২) – সুসান পুরিম –যিহোশূয়ের সময় অতীতের প্রাচীরঘেরা শহরে পুরিমের উদযাপন।
১৭ আদার (অধিবর্ষে ২) – ইয়োম আদার উদযাপন উৎসব।
ইতিহাস ও ধর্মে
১ আদার (আনু ১৩১৩ খ্রিস্টপূর্ব) – মিশরের উপর নিস্তারপর্বের ছয় সপ্তাহ আগে এই দিন থেকে ঈশ্বরের দশটি অভিশাপের নবম অভিশাপটি নেমে আসে। (আদিপুস্তক ১০:২৩)।
১ আদার [২] (১১৬৭/৪ খ্রিস্টাব্দ) – ইবনে এজ্রার মৃত্যু।
১ আদার (আনু ১৬৬৩) – শাখের মৃত্যু।
২ আদার (৫৯৮ খ্রিস্টপূর্ব) – সম্রাট দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার জেরুজালেম দখলে নিয়ে নেয় এবং যিহোয়াখিনকে বন্দী করা হয়।
২ আদার (১৯৪১) - পুপার রাব্বাই ইয়াকোভ ইয়েহেজকিয়া গ্রিনওয়াল্ডের মৃত্যু।
৩ আদার (৫১৫ খ্রিস্টপূর্ব) – দ্বিতীয় মন্দির নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়।
৪ আদার (১৩০৭) – আলেক্সান্ডার বেন শ্লোমো দ্বারা ১৫ বছর পর মাহারামের দেহের বিনিময়ে মুক্তিপণ আদায় করা হয়।
৪ আদার (১৭৯৬) – রাব্বাই লেইব সারাহের মৃত্যু।
৪ আদার [২] (১৯৯২) – মিনাখিন বেগিনের মৃত্যু।
৫ আদার (প্রথম শতাব্দী) – লুলিয়ানোস ও পাপোস লাওডিকার নিরীহ ইহুদিদের জীবন বাঁচাতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেন।
৭ আদার (১৩৯৩ খ্রিস্টপূর্ব) – নবী মোশির জন্ম।
৭ আদার (১২৭৩ খ্রিস্টপূর্ব) – নবী মোশির মৃত্যু।
৭ আদার (১৮২৮) – কালোভের রেব্বে আইজ্যাক তাউবের মৃত্যু।
৯ আদার (খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী) – বেইথ হিলেল ও বেইথ শাম্মাইয়ের মধ্যকার বিদ্যা সংক্রান্ত মতবিরোধের জেরে সংঘর্ষে ৩০০০ শিক্ষার্থীর মৃত্যু। পরবর্তীতে দিবসটি শুলখান আরুচ দ্বারা উপবাসীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষিত হয় যদিও তা নির্বিশেষে পালিত হতো না।
১১ আদার (১৮ই শতাব্দী) – চাশিদিক রেব্বেস হানিপলের ঝুসা ও লিঝেন্সকের এলিমেলেখের পিতা রাব্বাই এলাইজার লিপম্যানের মৃত্যু।
১৩ আদার (৪৭৪ খ্রিস্টপূর্ব) – পারস্যে ইহুদি ও তাদের শত্রুদের মধ্যকার যুদ্ধ (ইষ্টেরের পুস্তক, অধ্যায় ৯)।
১৩ আদার (১৬১ খ্রিস্টপূর্ব) – ইয়োম নিকানোর – মাখাবীয়রা হানুক্কাহের ৪ বছর পর সিরিয়ার সেনাপতি নিকেনোরকে যুদ্ধে পরাজিত করে।
১৩ আদার (১৮৯৫–১৯৮৬) – রাব্বাই মোশি ফেইনস্টেইনের মৃত্যু।
১৪ আদার (৪৭৪ খ্রিস্টপূর্ব) – পারস্য সাম্রাজ্যে পুরিমের বিজয় উদযাপন করা হয়।
১৫ আদার (৪৭৪ খ্রিস্টপূর্ব) – পুরিমের বিজয় পারস্যের রাজধানী সুসা শহরে উদযাপন করা হয়।
১৫ আদার (খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী) – জেরুজালেম ফটক দিবস – রাজা প্রথম আগ্রিপ্পা (আনু. ২১ খ্রিস্টপূর্ব) জেরুজালেমের প্রাচীরের জন্য একটি ফটক নির্মাণ শুরু করেন; ফটক নির্মাণের দিনটি ছুটির দিন হিসেবে উদযাপিত হয়।
১৭ আদার (৫২২ খ্রিস্টপূর্ব) – ইয়োম আদার – এই দিনে ইহুদিরা পুরিমের পর পারস্য ত্যাগ করে।
১৮ আদার (১৯৫৩) - জোসেফ স্ট্যালিনের মৃত্যু যা ডক্টরস প্লট এর ইতি টানে।
২০ আদার (খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী) – হনি বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন (তালমুদ, তা'আনিত ২৩এ)
২০ আদার (১৬১৬) – 'পুরিম ভিঞ্জ': ভিনসেঞ্জ ফেতিলিচের পতন এবং সরকারি সুরক্ষা সমেত ফ্রাঙ্কফুর্টের ইহুদিদের প্রত্যাবর্তন। এই দিনটিও পুরিম হিসেবে পালিত হয়।
২০ আদার (১৬৪০) – "বাখের" মৃত্যু।
২১ আদার (আদার ২, ১৭৮৬) – লিঝেন্সকের রাব্বা এলিমেলেখের মৃত্যু।
২৩ আদার (আনু ১৩১২ খ্রিস্টপূর্ব) – মিশকান বৈঠক প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হয়; "সাত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ" শুরু হয়।
২৩ আদার (১৮৬৬) – গার হাসিদিক সাম্রাজ্যের প্রথম রাব্বাই ইশহাক মেইর আল্টারের মৃত্যু।
২৪ আদার (১৮১৭) – নিস্তারপর্ব পালনের জন্য ইহুদিদের খ্রিস্টান শিশুর রক্ত সংগ্রহের গুজব রাশিয়ার জার প্রথম আলেক্সান্ডার মিথ্যা ঘোষণা করেন। তবুও একশো বছর পরে একই অভিযোগে কিয়েভে মেন্ডেল বেইলিসকে অভিযুক্ত করা হয়।
২৫ আদার (৫৬১ খ্রিস্টপূর্ব) – দ্বিতীয় নেবুচাদনেজারের মৃত্যু (যিরমিয় ৫২:৩১)।
২৫ আদার (১৭৬১) – বা'আল শেম তোভের দুলাভাই রাব্বাই কিতোবের আব্রাহাম গারসনের মৃত্যু।
২৭ আদার (৫৬১ খ্রিস্টপূর্ব) – ব্যাবিলনীয় বন্দিদশায় সিদিকিয়র মৃত্যু। নেবুচাদনেজারের পুত্র মেরোদুচ তাকে ও তার ভাতিজা যিহোয়াখিনকে এই দিন মুক্ত করে দেয়, কিন্তু সিদিকিয় একই দিনে মৃত্যুবরণ করেন।
২৮ আদার (দ্বিতীয় শতাব্দী পরে) – ইহুদিদের তোরাহ, খতনা ও সাব্বাথ নিষিদ্ধের রোমান নির্দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘটনার তালমুদীয় ছুটির দিবস। রোমানিদের এই নির্দেশ রাব্বাই ইয়েহুদাহ বেন শামুয়া ও তার সহযোগীরা প্রত্যাখান করেছিলেন। (মেগিলাত তা'আনিত, এই ব্যাপারের উপরে একটি বারাইতা এখনো তা'আনিতের ১৮এ এবং রোস হাসানাহ ১৯এ তে পাওয়া যায়)।
২৮ আদার (১৫২৪) – কায়রোর ইহুদিরা হাইন আহমেদ পাশার ষড়যন্ত্র থেকে বেঁচে যায় যিনি ইহুদি মন্ত্রী আব্রাহাম ডি কাস্ট্রো কর্তৃক অটোম্যান সুলতান দ্বিতীয় সেলিমকে আহমেদ পাশার বিদ্রোহের পরিকল্পনা ফাঁস করে দেওয়ার জন্য প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। এই দিন কায়রো শহরে পুরিম দিবস পালিত হয়ে থাকে।
আরো দেখুন
আদার গান্দেলসমান – মিস ইউনিভার্স ইজরায়েল ২০১৭
আদার বা আদা হচ্ছে সিনাদ্রিন নামক কাল্পনিক ভাষায় বাবা।
আজার বা আধার () লেভান্তে মার্চ মাসের নাম।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
ইহুদি ইতিহাসের এই মাসটি
আদার মাস সংক্রান্ত তথ্যাদি
আদার মাস এবং পুরিমের ছুটির দিন, রাব্বাই এলিয়াজের মেলানেদ দ্বারা মিনহাগিম (ঐতিহ্য) ও হালাখত (নিয়ম)
১২ |
টেরি জেন বোলে (জন্ম আগস্ট ১১, ১৯৫৩), বেশি পরিচিত তার রিং নাম হাল্ক হোগান হিসেবে, একজন আমেরিকান অর্ধ-অবসরে থাকা পেশাদারি কুস্তিগির এবং অভিনেতা। সে বেশি পরিচিত ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন/এন্টারটেইনমেন্ট, ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপ রেসলিং এবং টিএনএতে কাজ করার জন্য। সে ছয়বারের ডাব্লিউডাব্লিউএফ/ই চ্যাম্পিয়ন এবং ছয়বারের ডাব্লিউসিডাব্লিউ ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন।
১৯৮০ সালের মে মাসে জাপানের নিউ জাপান প্রো রেসলিং এ তার জীবনের প্রথম ম্যাচ লড়াই করেন। ২০০৫ সালে স্যাইভেস্টার স্টলঅন দ্বারা ডাব্লিউডাব্লিউই হল অব ফেম নির্বাচিত হন।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ডাব্লিউডাব্লিউই প্রোফাইল
১৯৫৩-এ জন্ম
মার্কিন পেশাদার কুস্তিগির
ডাব্লিউডাব্লিউএফ/ডাব্লিউডাব্লিউই ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন
জীবিত ব্যক্তি
ফ্লোরিডার পেশাদার কুস্তিগির
২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেতা
২১শ শতাব্দীর মার্কিন র্যাপার
মার্কিন পপ গায়ক
মার্কিন পুরুষ র্যাপার
মায়ামির র্যাপার
মায়ামির সঙ্গীতজ্ঞ
ফ্লোরিডার গীতিকার
আফ্রিকান-মার্কিন পুরুষ র্যাপার
মার্কিন পুরুষ গিটারবাদক
মার্কিন আত্মজীবনীকার
ইতালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ক্রীড়াব্যক্তি
ইতালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
ফরাসি বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
স্কটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
মার্কিন পুরুষ বেস গিটারবাদক
২১শ শতাব্দীর মার্কিন ব্যবসায়ী
জর্জিয়ার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য) অভিনেতা
ডাব্লিউডাব্লিউই হল অব ফেমে প্রবেশকারী
২০শ শতাব্দীর মার্কিন ব্যবসায়ী
২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেতা
২০শ শতাব্দীর মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী
২১শ শতাব্দীর মার্কিন পুরুষ সঙ্গীতজ্ঞ
২১শ শতাব্দীর মার্কিন অ-কল্পকাহিনী লেখক
মার্কিন খ্রিস্টান
মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা
মার্কিন পুরুষ পেশাদার কুস্তিগির
মার্কিন টেলিভিশন অভিনেতা
মার্কিন ভিডিও গেম অভিনেতা
মার্কিন কণ্ঠাভিনেতা
মার্কিন রক গিটারবাদক
মার্কিন রক কণ্ঠশিল্পী
মুখোশধারী কুস্তিগির
মার্কিন আপাতবাস্তব টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী
মায়ামি, ফ্লোরিডার ক্রীড়াবিদ |
আব্দুল্লাহ হামাদ আল মারি (, ; জন্ম: ৩ জুন ১৯৯৫; আব্দুল্লাহ আল মারি নামে সুপরিচিত) হলেন একজন কাতারি পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি বর্তমানে কাতারের পেশাদার ফুটবল লিগের শীর্ষ স্তর কাতার স্টার্স লিগের ক্লাব আল সাইলিয়াহের হয়ে আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি মূলত বাম পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেললেও মাঝেমধ্যে ডান পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন।
প্রারম্ভিক জীবন
আব্দুল্লাহ হামাদ আল মারি ১৯৯৫ সালের ৩রা জুন তারিখে কাতারে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই তার শৈশব অতিবাহিত করেছেন।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
১৯৯৫-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
কাতারি ফুটবলার
কাতার স্টার্স লিগের খেলোয়াড়
ফুটবল মধ্যমাঠের খেলোয়াড়
আল সাইলিয়াহ স্পোর্টস ক্লাবের খেলোয়াড় |
আলভিনা গার্ডেন বাংলাদেশের সিলেটের গোলাপগঞ্জে অবস্থিত একটি কৃষি পর্যটন কেন্দ্র। ১৭ একর জমিতে গড়ে ওঠা আনারস বাগান। টিলার মধ্যে এ বাগানের মাঝ বরাবর আনারসের চারা দিয়ে বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে আলভিনা গর্ডেন।
অবস্থান
বাংলাদেশের সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের পাহাড়লাইন রোডের দক্ষিণভাগ চৌধুরীপাড়া গ্রামে অবস্থিত।
বিবরণ
টিলাকে ব্যবহার করে উৎপাদিত হচ্ছে আনারস, কাজুবাদাম, কফি, লেবু এবং আদা। সাথে সাথে গড়ে তোলা হয়েছে পর্যটন শিল্প। অসংখ্য পর্যটক প্রতিদিন টিকেট নিয়ে ভ্রমণ করে এ স্থানে।
তথ্যসূত্র
সিলেট জেলার দর্শনীয় স্থান
গোলাপগঞ্জ উপজেলা |
বেলম্যান ইকুয়েশন, আবিষ্কর্তা রিচার্ড আর্নেস্ট বেলম্যান নামে নামকরণ, যা একটি গতিশীল প্রোগ্রামিং সমীকরণ হিসেবেও পরিচিত, ডাইনামিক প্রোগ্রামিঙের গাণিতিক স্থিতিশীলতার পরিপূরক হতে এটি একটি প্রয়োজনীয় অবস্থা। প্রারম্ভিক নির্বাচনের সময়ের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট অবস্থায় কোনও ডিসিশন প্রব্লেমের মান নির্দেশ করে এটি, এবং অবশিষ্ট প্রারম্ভিক নির্বাচন থেকে মান নির্দেশ করে। এটি ডাইনামিক অপ্টিমাইজেসন প্রব্লেমকে অপেক্ষাকৃত সহজতর সমস্যায় বিভক্ত করে, যেমনটি বেলম্যানের অপ্টিমালিটি প্রিন্সিপাল নির্দেশ করে থাকে।
বেলম্যান ইকুয়েশন প্রথম ব্যবহার করা হয় প্রকৌশলের ‘’নিয়ন্ত্রণ তত্ত্ব’’ ও ফলিত গণিতের কিছু অংশে, যা পরবর্তীতে অর্থনীতির কিছু তত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে গৃহীত হয়, যদিও ডাইনামিক প্রোগ্রামিঙের মূল তত্ত্ব মূলত জন ভন নিউম্যান ও অস্কার মরগানস্টেইনের ‘’থিওরি অফ গেমস এন্ড ইকনমিক বিহেভিয়ার’’ ও আব্রাহাম ওয়াল্ডের ‘’সিকোয়েন্সিয়াল এনালাইসিসের’’ মুখপাত্র হিসেবেই প্রতীয়মান হয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র
নিয়ন্ত্রণ তত্ত্ব
পরিবর্তনশীল প্রোগ্রাম
সমীকরণ |
রঞ্জাবতী সরকার (২৯ মার্চ ১৯৬৩ – ২৩ ডিসেম্বর ১৯৯৯) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য-গবেষক তিনি তার মাতার সৃষ্ট 'নবনৃত্য' নামের এক অনন্য সুন্দর সৃজনশীল নৃত্য ধারা অব্যাহত রাখেন তাদের ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ডান্সার্স গিল্ড - মৃত্তিকা নৃত্যসংস্থার মাধ্যমে মায়ের অসুস্থতার পর।
জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন
রঞ্জাবতীর জন্ম ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মার্চ পিতার কর্মস্থল নাইজেরিয়ার নসুক্কা শহরে। পিতা পার্বতীকুমার সরকার ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট অধ্যাপক এবং মাতা ছিলেন বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক মঞ্জুশ্রী চাকী সরকার। তিন বৎসর বয়স থেকে তিনি পিতার কর্মস্থল 'স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্কে'র নিউ পলৎজ ক্যাম্পাসে বড়ো হয়ে ওঠেন এবং ক্যাম্পাসের স্কুলেই তার পড়াশোনা। তবে ছোটবেলা থেকেই নাচের তালিম পান মায়ের কাছে। সেই সঙ্গে পিয়োনো বাজানো শিখে নেন। পরবর্তীতে অবশ্য কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরাজীতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে বি.এ ও এম.এ পাশ করেন এবং চারটি স্বর্ণপদক লাভ করেন। তিনি শিক্ষাক্ষেত্রেই নিজের কর্মজীবন তৈরি করতে পারতেন, কিন্তু তিনি পরিবর্তে মায়ের ইচ্ছায় নৃত্যকে বেছে নেন। ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট মায়ের সঙ্গে তাদের কলকাতার সল্টলেকের বাড়িতে নৃত্যসংস্থা- 'ড্যান্সার্স গিল্ড' গড়ে তোলেন এবং মায়ের পরিকল্পিত 'নবনৃত্য'-কে সার্থক করতে মায়ের নৃত্যসঙ্গিনী হন। ভরতনাট্যম, মণিপুরী, ছৌ ইত্যাদি নৃত্যে পারদর্শিতা অর্জন করেন গোবিন্দন কুট্টি, থাঙ্কমণি কুট্টি, খগেন্দ্রনাথ বর্মন প্রমুখের কাছে নাচ শেখেন। দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে রবীন্দ্র সংগীত শেখার পাশাপাশি, কলানিধি নারায়ণের কাছে অভিনয় করাও শেখেন। মাঝে মধ্যেই গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য তাকে আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স স্ক্যান্ডিনেভিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যেতে হত। বি.এ পরীক্ষার পরেই তিনি 'প্যান কালচারাল প্রোজেক্ট'-এ ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ কাউন্সিলের স্কলারশিপ লাভ করে যুক্তরাজ্যে যান। পরে এম.এ পাশের পর যান ফ্রান্সে।
কর্মজীবন
রঞ্জাবতী মায়ের নৃত্যসঙ্গিনী হয়ে দেশে বিদেশে বহু কাজ করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ড্যান্স গ্রুপের অনুষ্ঠানে প্রভূত প্রসংশা লাভ করেন। ইউনেস্কোর বিশেষ নৃত্য প্রকল্প- সমকালীন ভারতীয় নৃত্য-এর দায়িত্ব নিয়ে টানা তিন বৎসর প্রকল্প পরিচালনার কাজে বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান ড্যান্স ফেস্টিভ্যালে যোগ দিয়ে রঞ্জাবতী আন্তর্জাতিক পরিচিতি পান। দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার ভিন্ন ভিন্ন শিল্প সংস্থার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডারামে আমেরিকান ড্যান্স ফেস্টিভ্যালের আন্তর্জাতিক কোরিওগ্রাফার কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে তিনি 'সাউথ এশিয়ান ড্যান্স ইউথ কোম্পানি' প্রতিষ্ঠা করেন, যা 'লন্ডন ড্যান্স অ্যান্ড পারফরম্যান্স এওয়ার্ড' লাভ করে। এছাড়াও বেশ কয়েকবার তিনি ভেনেজুয়েলাতে আমন্ত্রিত হন। পরে তিনি তার মায়ের অসুস্থতার কারণে ড্যান্সার্স গিল্ডের দায়িত্ব নেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার সল্টলেকে দশ কাঠা জমি দিলে সেখানে সনাতন গুরুকূলের ধাঁচে গড়ে তোলেন মৃত্তিকা, যার উদ্বোধন হয় ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে এক বৃক্ষরোপনে। এরপর তিনি তার গ্রুপ নিয়ে যান ডেনমার্ক। সেখানে তিনি দেড় মাস ধরে পরিবেশন করেন স্বনির্মিত ও পরিকল্পিত কাসান্দ্রা, লা প্র সাভানা এবং গঙ্গাবতরণ।
রঞ্জাবতী কবিতা অবলম্বনে নাচের পরিকল্পনা করতেন। তিনি দিদাস বটুয়া নামে একটি উপন্যাস রচনা করেন। মায়ের উদ্ভাবিত ''নবনৃত্য'-এর উপর একটি বইও লেখেন। অমিতাভ চক্রবর্তীর পরিচালনায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত "কাল অভিরতি" নামের একটি ছবিতে অভিনয় করেন। একটি ফরাসি ভাষার ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি।
পারিবারিক জীবন ও জীবনাবসান
রঞ্জাবতী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় অধ্যাপক স্যমন্তক দাসকে বিবাহ করেন, কিন্তু তাদের বিবাহ বেশিদিন টেকেনি। রঞ্জাবতী ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের শারদোৎসবের সপ্তমী ও অষ্টমীতে মুম্বাইয়ের বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের দুর্গাবাড়িতে "গঙ্গাবতরণ" শেষ নৃত্য প্রদর্শন করেন এবং তারপরই ২৩ অক্টোবর মুম্বাইতে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর দুদিন আগে এক ইমেলে এক বন্ধুকে লেখেন - "আমি নিজের মধ্যে অন্ধকার জগতের সাথে লড়াই করছি।" তার মৃত্যুর পর ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে ঐশিকা চক্রবর্তীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় রঞ্জাবতীর নির্বাচিত রচনা—
তথ্যসূত্র
১৯৬৩-এ জন্ম
১৯৯৯-এ মৃত্যু
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
পশ্চিমবঙ্গের নৃত্যশিল্পী
ভারতীয় মহিলা নৃত্যশিল্পী |
গোপালজী রাধাবিহারী আশ্রম (সন্তধাম) বাংলাদেশের হবিগঞ্জর লাখাই উপজেলার বামৈ অবস্থিত। এই মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী এবং সৌন্দর্য পূর্ণনকশা বহু প্রচীন স্থাপত্য নির্দশন। মন্দিরটি প্রায় ১৩২ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের ৫৫ তম আচার্য্য শ্রীশ্রী ১০৮ স্বামী সন্তদাস কাঠিয়াবাবা মহারাজ।
ইতিহাস
গোপাল জিউ আশ্রম (সন্তধাম) সনাতন ধর্মের নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের মন্দির গুলোর মধ্যে অন্যতম। মন্দিরটি প্রায় ১৩২ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের ৫৪ তম আচার্য্য শ্রীশ্রী ১০৮ স্বামী সন্তদাস কাঠিয়াবাবা মহারাজ।
স্থাপত্যশৈল্য নকশা
মন্দিরের বিভিন্ন জায়গায় নকশা ও কারুশিল্পে পরিপূর্ণ ও প্রাচীন আমলের স্থাপত্য নকশা রয়েছে।
মন্দির
এই মন্দিরে রাধাকৃষ্ণ, গোপাল, নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের পরম্পরা আচার্য্য গণ প্রধান দেবতা। মন্দিরের প্রতিটি জায়গায় প্রাচীন আমলের স্থাপত্য নকশা রয়েছে। এই মন্দিরের একটি প্রধান মন্দির, নাট মন্দির, সাধু নিবাস ও বড় একটি পুকুর রয়েছে। প্রতি বছর নাট মন্দিরের মহানাম সংকীর্তন হয় ।
উৎসব
মন্দিরের প্রধান উৎসব মধ্যে হলোঃ-
শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী, রাধা রাণীর জন্মাষ্টমী।
দোল যাত্রা, রাসপূর্ণিমা, ভগবত আলোচনা।
রামদাস কাঠিয়াবাবার জন্ম ও তিরোভাব মহোৎসব।
সন্তদাস কাঠিয়াবাবার জন্ম ও তিরোভাব মহোৎসব।
ধনঞ্জয় দাস কাঠিয়াবাবার জন্ম ও তিরোভাব মহোৎসব।
তথ্যসূত্র
কৃষ্ণ মন্দির
সন্তদাস কাঠিয়াবাবার প্রতিষ্ঠিত মন্দির
হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা
হবিগঞ্জ জেলার হিন্দু মন্দির
১৯শ শতাব্দীর হিন্দু মন্দির |
এম. পি. বিড়লা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ হল একটি প্রাকৃতিক ও প্রয়োগ বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সোসাইটি। প্রতিষ্ঠানটির সদর দফতর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় অবস্থিত। এর পরিচালক জ্যোতির্পদার্থবিদ ডক্টর জিএসডি বাবু।
প্রতিষ্ঠানটি কলকাতায় অবস্থিত বিড়লা প্ল্যানেটেরিয়ামের সাথে একত্রে গবেষণায় জড়িত, যেটি বিশ্বের বৃহত্তম প্ল্যানেটেরিয়ামগুলির মধ্যে একটি।
এই প্রতিষ্ঠানটি স্নাতক ছাত্রদের জন্য অ্যাস্ট্রোবায়োলজিতে কোর্স পরিচালনা করে, কোর্স সমাপ্তির পরে সমাপ্তির প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়।
ব্যাঙ্গালোর শাখা
জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতির্পদার্থবিদ্যায় নিবেদিত প্রতিষ্ঠানটির একটি শাখা ভারতের বেঙ্গালুরুতে রয়েছে। বেঙ্গালুরুর শাখাটি ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এখতিয়ারের অধীনে জ্যোতির্পদার্থবিদ্যায় বিশেষায়িত পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসাবে স্বীকৃত।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
দাপ্তরিক ওয়েবসাইটসদর দফতর, কলকাতা
দাপ্তরিক ওয়েবসাইটব্যাঙ্গালোর শাখা
কলকাতার গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাঙ্গালোরের গবেষণা প্রতিষ্ঠান |
সেক্স শপ ( অ্যাডাল্ট শপ, ইরোটিক শপ বা অ্যাডাল্ট বইয়ের দোকানও বলা হয় ) এমন একটি খুচরা বিক্রেতা যা প্রাপ্তবয়স্কদের যৌন বা যৌনউত্তেজক বিনোদন সম্পর্কিত পণ্য যেমন ভাইব্রেটার, অন্তর্বাস, পোশাক, পর্নোগ্রাফি এবং অন্যান্য সম্পর্কিত পণ্য বিক্রয় করে।
যুক্তিযুক্তভাবে আধুনিক সেক্স শপের দাদী ছিলেন প্যারিসের ডায়ানা স্লিপ খ্যাতির লোন ভিদাল । তিনি ১৯২০ এর দশকে স্টোরগুলির তাঁর দোকানগুলিতে যৌন প্রেমের বই, ফটোগ্রাফ বিক্রি করা শুরু করেন।
অনুমান করা যায় যে বিশ্বের প্রথম "অফিসিয়াল" সেক্স শপটি পশ্চিম জার্মানের ফ্লেনসবার্গে বিট উহসে এজি দ্বারা ১৯৬২ সালে খোলা হয়েছিল এবং এখন অনেক দেশ এবং অনলাইনে যৌন দোকানগুলি খোলা হয়। সেক্স শপগুলি যৌন শিল্পের অঙ্গ। বেশিরভাগ আইনশাস্ত্রে, যৌন শপগুলি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, নাগরিকদের নাগরিকভাবে আইনিভাবে অ্যাক্সেসের অনুমতি নেই, বয়স স্থানীয় আইনের উপর নির্ভর করে। কিছু এখতিয়ারে যৌন দোকান এবং তারা বিক্রি করা পণ্যদ্রব্য নিষিদ্ধ করে। এটি অনুমোদিত কিছু বিচার বিভাগে, তারা ব্যক্তিগত ভিডিও বুথগুলিতে অশ্লীল সিনেমাগুলি প্রদর্শন করতে পারে, বা ব্যক্তিগত স্ট্রিপটিজ বা পীপ শো করতে পারে । এছাড়াও একজন প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্রের থিয়েটার সংযুক্ত থাকতে পারে। যৌন খেলনা, পর্নোগ্রাফিক ম্যাগাজিন, অশ্লীল চলচ্চিত্র এবং ফেটিশ পোশাক ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের প্রাপ্তবয়স্কদের সামগ্রী বিক্রি করে এমন অনেক অনলাইন সেক্স শপ রয়েছে এই ধরনের দোকানটি প্রায়শই গ্রাহকরা পছন্দ করেন কারণ তাদের ওভারহেড কম থাকে এবং বাড়ির আরামের মধ্যেই এটি ব্যবহার করা যায়। তাদের বিচক্ষণতাও কারও কাছে আবেদন করে।
ইতিহাস
অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ায় যৌনতার দোকানগুলি ১৯৬০ এর দশক থেকে সিডনির শহরাঞ্চলে, বিশেষত কিংস ক্রস দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল । একাত্তরে পর্নোগ্রাফিক ম্যাগাজিনগুলির আমদানি বৈধকরণ, ১৯৭০-এর দশকে গণ-উৎপাদিত ব্যাটারি চালিত ভাইব্রেটারগুলির উপস্থিতি এবং ১৯৮০ - এর দশকে এক্স-রেটেড ভিডিওগুলির আগমন দ্বারা দেশে যৌন দোকানগুলির বিকাশের সহায়তা দেওয়া হয়েছিল । ২০০০ এর দশকে ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফির জনপ্রিয়তার ফলে যৌন দোকান বিক্রয় কমে যায়, কিছু দোকান বন্ধ হয়ে যায় এবং যৌন-সম্পর্কিত প্রাপ্ত বয়স্ক সামগ্রীতে বৈচিত্র্য ঘটেছিল।
অস্ট্রেলিয়ায় যৌন দোকানগুলি রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এবং স্থানীয় পরিকল্পনা নিয়ন্ত্রণের অধীনে। আইনগুলির মধ্যে রাজ্যগুলির মধ্যে পার্থক্য থাকলেও লাইসেন্সদাতাদের অবশ্যই কঠোর শর্ত মেনে চলতে হবে যা সাধারণত স্কুল এবং গীর্জা থেকে কমপক্ষে ২০০ মিটার দূরে থাকতে হবে উইন্ডোজ প্রায়শই ব্ল্যাক আউট এবং ১৮ বছরেরও বেশি বয়সে ভর্তি সীমাবদ্ধ করতে হয়, অপরাধ আইনের ৫৭৮ই ধারা অনুসারে পুলিশ মামলা দায়ের করে।
নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে (এনএসডাব্লু) যৌন দোকানগুলি রাস্তার স্তরে বাণিজ্য করতে পারে না এবং তাদের উপরের নীচে বা নীচে বাণিজ্য করতে হবে। এনএসডাব্লু আইনের অধীনে, অ-গর্ভনিরোধক যৌন পণ্যগুলি কেবলমাত্র সেই দোকানগুলিতে বিক্রয় করা যেতে পারে যেগুলি স্থানীয় কাউন্সিলগুলির দ্বারা একটি সীমিত প্রাইম লাইসেন্স পেয়েছে। তবুও, ২০১৩ সালের মধ্যে বেশ কয়েকটি এনএসডব্লিউ অন্তর্বাসের দোকান লাইসেন্স না পেয়ে শপিং মলে প্রাপ্তবয়স্ক খেলনা এবং বই বিক্রি শুরু করেছিল।
চীন
২০১৩ সালে বেইজিংয়ে ২ হাজারেরও বেশি সেক্স শপ ছিল। তাদের বেশিরভাগ পণ্য চীনে তৈরি হয়েছিল।
উত্তর আমেরিকার প্রথম সেক্স শপের নাম ছিল দ্য গার্ডেন। এটি কুইবেকের শহরতলির মন্ট্রিয়ালের ক্রিসেন্ট স্ট্রিটে আইভর সার্জেন্ট দ্বারা একাত্তরের অক্টোবরে খোলা হয়েছিল। গার্ডেনটি জার্মানিতে বিট উহসে এবং যুক্তরাজ্যে অ্যান সামার্সের ব্যবহৃত ধারণাগুলি একত্রিত করেছে। দোকানের উদ্বোধন ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন আকর্ষণ। পাম বিচ পোস্ট মন্তব্য করেছিলেন: "মুরগির মতো বা ডিমের বিতর্কের মতো, কেউ সত্যই নিশ্চিত নয় যে কোনটি প্রথম যৌন-বুটিক বা তথাকথিত যৌন বিপ্লব হয়েছে "।
কোনও নির্দিষ্ট বয়সে যৌন খেলনা ব্যবহার বা কেনার বিরুদ্ধে কোনও সুনির্দিষ্ট আইন নেই, তবে এখানে পর্নোগ্রাফি কেনার সীমাবদ্ধ আইন রয়েছে। যদিও কানাডায় সম্মতির বয়স ১৬ বছর, ১৮ বছর বয়সী পর্নোগ্রাফি কেনার বা দেখার প্রয়োজন হয়। বেশিরভাগ সেক্স শপগুলি প্রাপ্তবয়স্কদের ভিডিও বিক্রি করে যার অর্থ বেশিরভাগ যৌন খেলনা প্রাপ্তবয়স্কদের হাতে কঠোরভাবে থাকে।
ইতালি
ইতালির প্রথম যৌন দোকান ১৯৭২ সালে অ্যাঞ্জেলা মাসিয়া এবং তার স্বামী এরকোল সাব্বতিনি মিলান মিলিয়ে খোলেন। এটি প্রথম "অফিসিয়াল" সেক্স শপ ছিল। এর পর থেকে বেশিরভাগ রোমের মধ্যেই আরও বেশি যৌন দোকান খোলা হয়েছে। ২০১৮ সালে শহরের স্বাগতম মধ্যে ইসলাম শহরের ইতিহাস কেন্দ্রে নতুন যৌন শপ খোলার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
জাপান
জাপানে, সেক্স শপগুলিতে হেনটাই ম্যাগাজিন, অ্যাডাল্ট ভিডিও এবং ডিভিডি থাকে।
নেদারল্যান্ড
বিট উহসে এবং লাসে ব্রাউন এর মতো উদ্যোক্তারা নেদারল্যান্ডসে প্রথম যৌন দোকানগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে খোলা হয়েছিল। এল আসিরা নামে বিশ্বের প্রথম মুসলিম-লক্ষ্যযুক্ত অনলাইন সেক্স শপটি ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডসে খোলা হয়েছিল। অপারেশনের প্রথম চার দিনের মধ্যে এটির ওয়েবসাইটে ৭০,০০০০ জনপ্রিয় হয়ে উঠে ছিল।
সিঙ্গাপুর
সিঙ্গাপুরে সেক্স শপগুলি অত্যন্ত বিরল। কয়েকটি ২০০৫ সালে খোলা হয়েছিল, তবে বর্তমানে প্রায় ১-২ টি উপস্থিত রয়েছে। এই দোকানগুলিতে সাধারণত অন্তর্বাস এবং বিভিন্ন যৌন খেলনা বিক্রি হয়। স্টোর উইন্ডো দিয়ে তাদের পণ্যগুলি দেখা যায়।
দক্ষিণ আফ্রিকা
নেলসন ম্যান্ডেলা যৌন খেলনা বৈধ করার বৈষম্যবিরোধী আইনের সমর্থনের পরে, ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম যৌন দোকান হিসাবে "অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড" প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে মোট ৫২ টি দোকান এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১৫ টি দোকান পরিচালনা করতে এসেছিল। অনেক ধর্মীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিশ্বাস ছিল যে এই প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনধারা কেন্দ্রগুলি ব্যবহারের ফলে অপরাধের হার বেশি হবে এবং অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড বন্ধের জন্য তাদের উদ্বোধনকালে গণ-বিক্ষোভের আয়োজন করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
জুলাই ১৯৯৮ এ, অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড তাদের বৃহত্তম প্রাপ্তবয়স্কদের লাইফস্টাইলের দোকান কেপটাউনের পারোতে খোলা , যার নাম দিয়েছিল তারা "অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড ওয়্যারহাউস" " প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র তারকা ক্রিস্টি লেকটি দোকানটির উদ্বোধনে অংশ নিয়েছিল, যেখানে ৫ শতাধিক লোকের একটি বিক্ষোভ মিছিল ট্র্যাফিককে থামিয়ে দিয়েছিল। পরের দু'দিন ধরে বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ডগুলি ধরেছিল যা "সত্যিকারের পুরুষদের অশ্লীলতার দরকার হয় না" এবং "আমাদের মানুষকে নিষিদ্ধ অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন" বলে ঘোষণা করে। যখন দোকানটি খোলা হয়েছিল, তখন দেখা গিয়েছিল যে গ্রাহক বেসের ৭০% এমন মহিলা ছিলেন যারা প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনযাত্রার পণ্যগুলি সম্পর্কে আরও জানতে চান।
অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড আরও জনপ্রিয় হওয়ার সাথে সাথে অস্ট্রেলিয়ায় প্রাপ্তবয়স্কদের দোকানগুলির বিকাশের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছিল।
যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যের প্রায় সকল লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রাপ্ত বয়স্ক স্টোরকে উদ্বোধন ডিসপ্লে আইন ১৯৮১ এর অধীনে উন্মুক্ত শপ উইন্ডোতে তাদের জিনিসপত্র রাখা নিষিদ্ধ, যার অর্থ প্রায়শই দোকানের ফ্রন্টগুলি পোষ্টারে আবদ্ধ বা আবৃত থাকে। স্টোরের প্রবেশদ্বারে একটি সতর্কতা চিহ্ন অবশ্যই স্পষ্টভাবে দেখানো উচিত এবং কোনও লিখিত নিবন্ধ (উদাহরণস্বরূপ, অশ্লীল চিত্র বা যৌন খেলনা) রাস্তায় দৃশ্যমান হওয়া উচিত নয়। তবে অন্তর্বাস, প্রাপ্তবয়স্কদের অ-আপত্তিকর কভার ইত্যাদি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সের অবস্থার উপর নির্ভর করে প্রদর্শিত হতে পারে। ভিডিও রেকর্ডিং ১৯৮৪ কেবলমাত্র লাইসেন্স দোকানেই উপলভ্য ভিডিওগুলির জন্য আর ১৮ বছর বয়সী শ্রেণিবদ্ধকরণ চালু করেছে। কোনও গ্রাহকের বয়স ১৮ বছরের কম হতে পারে না।
লন্ডনে, এমন কয়েকটি ব্যুরো রয়েছে যা লাইসেন্স পেয়েছে। ওয়েস্টমিনস্টার শহরে মধ্যে সোহো জেলাতে ১৯৬০ এর দশকের গোড়ার দিকে কার্ল স্ল্যাকের হাতে কয়েকটা যৌন দোকান খোলা হয়েছিল এবং ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি নাগাদ এই সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯-এ। কারও কাছে অলিম্পিয়া প্রেস সংস্করণ সহ ছবি এবং উপন্যাস বিক্রি করার নামমাত্র গোপন ছিল।
১৯৮০ এর দশকের মধ্যে, ওয়েস্টমিনস্টার শহরে নতুন এবং কঠোর লাইসেন্সিং নিয়ন্ত্রণের সাথে পুলিশ বাহিনীকে ছাড়ানো, সোহোর অবৈধ প্রাঙ্গনে একটি ক্র্যাকডাউন ঘটায়। নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে লন্ডনের হ্যাকনি কাউন্সিল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল ! মহিলাদের ইরোটিক এম্পোরিয়াম, কারণ তাদের কাছে লাইসেন্স ছিল না। এই কাউন্সিলকে আদালতে নিয়ে গিয়ে ফলশ্রুতিতে খোলা থাকার অধিকার জিতেছে, কারণ এই বন্ধের কোনও পর্যাপ্ত কারণ ছিল না। ২০০৩ সালে, অন্তর্বাস এবং যৌন খেলনা শপগুলির অ্যান সামার্স চেইন জব সেন্টারগুলিতে দোকান সহকারীদের বিজ্ঞাপন দেওয়ার অধিকার অর্জন করেছিল, যা যৌন শিল্প দ্বারা বিজ্ঞাপন প্রচার করা যেতে পারে এমন নিষেধাজ্ঞার ভিত্তিতে মূলত নিষিদ্ধ ছিল। ২০০৭ সালে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের একটি যৌন শপকে বেলফাস্ট সিটি কাউন্সিল কর্তৃক লাইসেন্স অস্বীকার করা হয়েছিল। দোকানটি আবেদন করেছিল এবং জিতেছে, তবে এটি হাউস অফ লর্ডসের দ্বারা উল্টে যায়।
লাইসেন্সবিহীন যৌন দোকানগুলির লাইসেন্স দেওয়া বা বন্ধ করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবর্তন যেমন সাধারণ যথেষ্ট শিথিলকরণ এবং অ-বাণিজ্যিক যৌনতার সহজ প্রাপ্যতা, সোহোর লাল-আলো জেলাটিকে কেবল একটি ছোট্ট অঞ্চলে পরিণত করেছে। বোরোর ১৫টি লাইসেন্সযুক্ত যৌন শপ এবং বেশ কয়েকটি লাইসেন্সবিহীন লাইসেন্স রয়েছে। আইলিংটন এবং কেমডেনের প্রত্যেকের একাধিক যৌন দোকান রয়েছে; প্রাক্তনের তিনটি অশ্লীল সিনেমাও রয়েছে।
স্কটল্যান্ডে যৌন দোকানগুলি নাগরিক সরকার (স্কটল্যান্ড) আইন ১৯৮২ এর অধীনে নিয়ন্ত্রিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ১৯৬০ এর দশকে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক সিদ্ধান্তের সিদ্ধান্ত ( মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উপর ভিত্তি করে) সাধারণত যৌন দোকানগুলিকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল, যদিও এখনও রাজ্য এবং স্থানীয় এখতিয়ারগুলি তাদের জোনিংয়ের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ করার অনুমতি দেয়। জোনিংয়ের নিয়মাবলীগুলি প্রায়শই দোকানগুলি শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত হতে পারে, বা একটি একক অঞ্চলে আটকা পড়েছিল, ফলে প্রাপ্তবয়স্ক স্টোর এবং ব্যবসায়ের এক ধরনের রেড লাইট জেলা তৈরি করে। ১৯৮০ এর দশকে, প্রায় সমস্ত আমেরিকান সেক্স শপগুলি প্রায় পুরোপুরি পুরুষ ক্লায়েন্টকে কেন্দ্র করে। অনেকগুলি প্রাপ্ত বয়স্ক ভিডিও আরকেড অন্তর্ভুক্ত করেছিল এবং প্রায় সমস্তগুলি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যাতে তাদের গ্রাহকরা রাস্তায় থেকে দেখা না যায়: তাদের জানালাগুলির অভাব ছিল এবং দরজাগুলি প্রায়শই একটি এল-আকারের পালা জড়িত যাতে রাস্তায় লোকেরা দেখতে না পায় ভিতরে. এছাড়াও, ১৯৮০ এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে, থিয়েটার বা তোরণযুক্ত স্টোরগুলি কখনও কখনও সরকারী আদেশে বন্ধ করে দেওয়া হত, এইডসকে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য হিসাবে উল্লেখ করে।
একদিকে, "নরম" পণ্য লাইনের দিকে ঝুঁকিতে যুক্তরাজ্যের অ্যান গ্রীষ্মের অনুরূপ স্টোর রয়েছে। অন্যদিকে, এমন স্টোর রয়েছে যা সান ফ্রান্সিসকো'র গুড ভাইব্রেশন এবং জ্যানড্রিয়ার মতো যৌন-পজিটিভ সংস্কৃতি থেকে বিশেষত বিকশিত হয়েছিল। পরবর্তী শ্রেণীর স্টোরগুলি খুব সচেতনভাবে সম্প্রদায়-ভিত্তিক ব্যবসা, বক্তৃতা সিরিজের পৃষ্ঠপোষকতা এবং যৌন-সম্পর্কিত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যায় সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার প্রবণতা রয়েছে।
আরো দেখুন
সেক্স মেশিন
প্রেমমূলক আসবাবপত্র
সেক্স টয়
তথ্যসূত্র
যৌন দোকান
অপর্যালোচিত অনুবাদসহ পাতা
ধরন অনুযায়ী বিক্রিত পণ্যদ্রব্যের খুচরা বিক্রেতা
পর্নোগ্রাফি |
স্টম্পিং গ্রাউন্ডস একটি পেশাদার কুস্তি প্রতি-দর্শনে-পরিশোধ এবং ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্কের একটি অনুষ্ঠান ছিল, যেটি ডাব্লিউডাব্লিউই তাদের ব্র্যান্ড র, স্ম্যাকডাউন এবং ২০৫ লাইভের জন্য প্রযোজনা করেছিল। এই অনুষ্ঠানটি ২০১৯ সালের ২৩শে জুন তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের টাকোমার টাকোমা ডোমে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্কে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছিল।
প্রাক-প্রদর্শনে একটি সহ মূল অনুষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৯টি ম্যাচ এই অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানের সর্বশেষ শেষ ম্যাচে সেথ রলিন্স ডাব্লিউডাব্লিউই ইউনিভার্সাল চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আয়োজিত নো কাউন্টআউট, নো ডিস্কোয়ালিফিকেশন ম্যাচে ব্যারন করবাইনকে হারিয়েছে; এই ম্যাচে লেইসি এভান্স বিশেষ অতিথি রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় ম্যাচে, কফি কিংস্টন ডাব্লিউডাব্লিউই চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আয়োজিত স্টিল কেজ ম্যাচে ডলফ জিগলারকে, ডাব্লিউডাব্লিউই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে রিকোশে সামোয়া জোকে এবং রোমান রেইন্স ড্রু ম্যাকইন্টায়ারকে হারিয়েছে।
ফলাফল
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
২০১৯-এ ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্কের অনুষ্ঠান
২০১৯-এ ডাব্লিউডাব্লিউই প্রতি-দর্শনে-পরিশোধ অনুষ্ঠান
২০১৯-এ ওয়াশিংটন (অঙ্গরাজ্য)
ওয়াশিংটনে (অঙ্গরাজ্য) পেশাদার কুস্তি
ওয়াশিংটনে (অঙ্গরাজ্য) ঘটনা
জুন ২০১৯-এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘটনা |
ডেলাওয়্যার রুট ২০২(ডিই ২০২) যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যার এ অবস্থিত একটি ছোট রাজ্য মহাসড়ক। রাস্তাটি উইলমিংটনে অবস্থিত, মাত্র ১.০১ মাইল (১.৬৩ কি.মি.) দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট। ডিই ২০২, কনকর্ড অ্যাভিনিউ নামেও পরিচিত। রাস্তাটি ইউএস রুট ১৩ বিজনেস থেকে উত্তরদিকে আই-৯৫ কে নিচে রেখে, উড়ন্ত সংযোগ-সড়ক হিসেবে সেখানেই ইউএস ২০২ এর সাথে উত্তর প্রান্তবিন্দুতে মিলিত হয়। এখানে ইউএস ২০২ কে বলা হয় কনকর্ড পাইক। পুরো রাস্তাটিই মূলত দুই-লেনের অবিভক্ত সড়ক যদিও ইন্টারচেঞ্জ ৯৫(আই-৯৫) এর কাছে রাস্তাটি চার-লেন বিশিষ্ট বিভক্ত সড়কে পরিনত হয়। রাস্তাটি ১৯৭০ সালের পূর্বপর্যন্ত ইউএস ২০২ এর অংশ ছিল। অতঃপর ১৯৮১ সালে রাস্তাটিকে ডিই ২০২ নামকরণ করা হয়।
রাস্তার বিবরণ
ডিই ২০২, উইলমিংটনের কনকর্ড অ্যাভিনিউ-এ অবস্থিত ইউএস ১৩ বিজনেস রাস্তাটি থেকে আরম্ভ হয়। তারপর শহরটির উত্তরপ্রান্তের বাড়িঘর এবং বাণিজ্যিক এলাকা পাড়ি দিয়ে চলতে থাকে। ওয়াশিংটন স্ট্রিট এবং বেনার্ড বুলভার্ড সহ বেশ কিছু ছোট ছোট সড়ক অতিক্রম করে চলতে থাকে। ডিই ২০২, ফ্রাঙ্কলিন স্ট্রিটের সাথে মিলিত হয়ে চার-লেন বিশিষ্ট বিভক্ত সড়কে পরিণত হয়। অবশেষে রাস্তাটি আই-৯৫ কে নিচে রেখে উড়ন্ত-সংযোগ সড়ক হিসেবে ইউএস ২০২ এর সাথে মিলিত হয়ে সমাপ্ত হয়। এখানে ইউএস ২০২ কে কনকর্ড পাইক বলা হয়।
ডিই ২০২ দিয়ে গড়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫,৬০১ টি যানবাহন (উইলমিংটন প্রান্তদিয়ে) এবং সর্বনিম্ন ৮,৩৮৭ টি যানবাহন (বেনার্ড বুলভার্ড প্রান্তদিয়ে ) চলাচল করে। পুরো রাস্তাটি জাতীয় মহাসড়ক ব্যবস্থার অংশ।
ইতিহাস
১৯২৬ সালে ইউএস মহাসড়ক ব্যবস্থা প্রবর্তনের সময় ডিই ২০২ ছিল ইউএস ১২২ এর দক্ষিণ প্রান্ত এবং রাস্তাটি ছিল উইলমিংটনের ইউএস ১৩ থেকে নিউ জার্সি পর্যন্ত বিস্তৃত। পরবর্তীতে ইউএস ১২২ কে কনকর্ড অ্যাভিনিউ থেকে ওয়াশিংটন বুলভার্ড পর্যন্ত ইউএস ২০২ নাম দিয়ে পাল্টে ফেলা হয়। ১৯৫৯ সালে, ইউএস ২০২ কে একটি একমুখী সড়কে পরিণত করা হয়, যেটির দক্ষিণমুখী সড়কটি ছিল কনকর্ড অ্যাভিনিউ থেকে ওয়াশিংটন স্ট্রিট পর্যন্ত এবং উত্তরমুখী সড়কটি ছিল কনকর্ড অ্যাভিনিউ এর মার্কেট স্ট্রিট পর্যন্ত। এরপর ১৯৭০ সালে, ডিউ ২০২ কে ইন্টারচেঞ্জ-৯৫ এর সাথে মিলিয়ে দেয়া হয়। অবশেষে ১৯৮১ সালে, ডিউ ২০২ কে বর্তমান রূপদান করা হয়।
মুখ্য অংশবিশেষ
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
মহাসড়ক
ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের মহাসড়ক |
ভেলোর বিমানবন্দর (আইসিএও: ভিওভিআর) ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ভেলোর শহরে অবস্থিত। এটি চেন্নাই, কোয়েম্বাটোর, তিরুচিরাপ্পল্লী, মাদুরাই, তুতিকরিণ, হোসুর এবং সালেম বিমানবন্দরের পরে তামিলনাড়ুর আটতম ব্যস্ততম বিমানবন্দর।
বিমানবন্দরটি ৫১.৫ একর এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে। এটি মাদ্রাজ ফাণ্ডিং ক্লাবের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাইলটদের দ্বারা নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করার জন্য জুলাই ২০০৬ সালে ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এয়ারপোর্ট অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামের একটি অংশ হিসেবে পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠে, যার কার্যক্রম চেন্নাই বিমানবন্দরে নির্ধারিত বিমান চলাচল বৃদ্ধিতে সীমিত ছিল। মার্চ ২০১১ সালে ক্লাবটি তার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। তামিলনাড়ু সরকার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় একটি বৈমানিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং পাইলট একাডেমী স্থাপনের পরিকল্পনা করছে বিমানবন্দরটিতে।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
তামিলনাড়ুর বিমানবন্দর |
জন মরিস (৫ জুন ১৯৩১ – ৯ ডিসেম্বর ১৯২১) ছিলেন একজন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। তিনি ১৮৫৮/৫৯ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে একটি প্রথম-শ্রেণীর ম্যাচ খেলেছিলেন।
আরো দেখুন
নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধি ক্রিকেটারদের তালিকা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
সিডনি থেকে আগত ক্রিকেটার
নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রিকেটার
অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার
১৯২১-এ মৃত্যু
১৮৩১-এ জন্ম |
নাগ রাজ্য হল নাগ নামক কঠোর ও যুদ্ধবাজ উপজাতির এলাকা। তাদেরকে কিন্নরদের মত অতিপ্রাকৃত জাতিগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচনা করা হত।
সংস্কৃত ভাষায় নাগ শব্দের অর্থ সাপ। নাগ জনগোষ্ঠী ছিল সর্প-উপাসনাকারী গোষ্ঠী যাদেরকে পরবর্তীতে প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে নাগ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
কিংবদন্তি
মহাভারত মহাকাব্য নাগদের ইতিহাস দিয়ে শুরু হয়, বিস্ময়কর বিস্তারিতভাবে, প্রথম বইয়ের (আদি পর্ব) প্রাথমিক অধ্যায়গুলি বিস্তৃত। এই অধ্যায়গুলিকে পৌষ্য, পলোমা ও অস্তিকা নামে তিনটি উপ-খণ্ডে ভাগ করা হয়েছিল।
তথ্যসূত্র
মহাভারতের রাজ্য |
মধুর জাফরি, সিবিই (বিবাহ-পূর্ব বাহাদুর; জন্ম ১৩ আগস্ট ১৯৩৩) একজন জন্মসূত্রে ভারতীয় অভিনেত্রী, খাদ্য ও ভ্রমণ বিষয়ক লেখিকা এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। ওনার প্রথম পাকপ্রণালীর বই অ্যান ইনভিটেশন টু ইন্ডিয়ান কুকিং (১৯৭৩)-এর মাধ্যমে ভারতীয় রন্ধনশৈলী আমেরিকাতে জনপ্রিয় করার কৃতিত্ব ওনাকে দেওয়া হয়। বইটিকে ২০০৬ সালে জেমস বেয়ার্ড ফাউন্ডেশনের কুকবুক হল অফ ফেম-এর অন্তর্গত করা হয়। মধুর জাফরি এক ডজনেরও বেশি পাকপ্রণালীর বই লিখেছেন ও এই বিষয়ক অনেক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য ১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া টেলিভিশন অনুষ্ঠান মধুর জাফরিস ইন্ডিয়ান কুকরি। নিউ ইয়র্ক সিটির দাওয়াত-এর, যা কিনা খাদ্য সমালোচকদের মতে ওই শহরের অন্যতম সেরা ভারতীয় খাবারের রেস্তোরা, উনি খাদ্য পরামর্শদাতা।
চিত্র নির্মাতা জেমস আইভরি ও ইসমাইল মার্চেন্টকে একসাথে কাজ করানোর পিছনে ওনার অবদান অনস্বীকার্য। উনি এনাদের বেশ কিছু সিনেমাতে অভিনয় করেন। এর মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য ১৯৬৫ সালের শেক্সপিয়রওয়ালা, যার জন্য মধুর পঞ্চদশতম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর রৌপভল্লুক জেতেন।
প্রথম জীবন
১৯৩৩ সালের ১৩ই আগস্ট দিল্লীর সিভিল লাইন্স-এ হিন্দু কায়স্থ যৌথ পরিবারে মধুর জাফরির জন্ম। লালা রাজ বংশ বাহাদুর ও কাশ্মিরণ রাণীর ছয় সন্তানের মধ্যে মধুর পঞ্চম।
মার্চেন্ট আইভরি সিনেমা
জেমস আইভরি ও ইসমাইল মার্চেন্টকে একসাথে আনার পিছনে বড় হাত ছিল মধুর জাফরির।
আইভরি ও মার্চেন্ট ১৯৬৩ সালে দ্য হাউসহোল্ডার বানাতে ভারতে আসলে শশী কাপুর ও তার শ্বশুরবাড়ীর লোকেদের ওদের সাথে আলাপ হয়। শশীর শ্বশুর-শ্বাশুরি জোফ্রি কেন্ডাল ও লরা লিডেল সেই সময়ে শেক্সপিয়রানা নামক ভ্রাম্যমাণ থিয়েটার কোম্পানি নিয়ে সারা ভারত ঘুরে শেক্সপিয়রের নাটক অভিনয় করছিলেন। মধুর ও সৈয়দ জাফরির মূল ধারণার সাথে শেক্সপিয়রানার সত্য ঘটনা মিশিয়ে আইভরি ও মার্চেন্ট তাদের পরবর্তী ছবি শেক্সপিয়রওয়ালার পরিকল্পনা করেন। ছবিতে মধুর একজন চিত্রতারকার চরিত্রে অভিনয় করেন।
পরবর্তীকালে উনি আইভরি ও মার্চেন্টের সাথে আরো ছবিতে কাজ করেন, যেমন দ্যা গুরু (১৯৬৯), অটোবিয়োগ্রাফি অফ আ প্রিন্সেস (১৯৭৬), হিট অ্যান্ড ডাস্ট (১৯৮২) এবং দ্যা পারফেক্ট মার্ডার (১৯৮৮)। ১৯৯৯ সালের কটন মেরি উনি মার্চেন্টের সাথে সহ পরিচালনা করেন।
ব্যক্তিগত জীবন
মধুর প্রথম বিবাহ করেন সাইদ জাফরিকে। ওনাদের তিনটি কন্যা সন্তান আছে। জিয়া, মীরা ও সাকিনা।
১৯৬৬ সৈয়দের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পরে ১৯৬৯ সালে মধুর স্যানফোর্ড অ্যালেনকে বিবাহ করেন। স্যানফোর্ড সেই সময়ে নিউ ইয়র্ক ফিলহার্মোনিক অর্কেস্ট্রায় ভায়োলিন বাদক ছিলেন।
তথ্যসূত্র
১৯৩৩-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
২১শ শতাব্দীর ভারতীয় লেখিকা
ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী
ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেত্রী
ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে রৌপ্য ভল্লুক বিজয়ী
ভারতীয় মঞ্চ অভিনেত্রী
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
২০শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেত্রী
রয়্যাল একাডেমি অব ড্রামাটিক আর্টের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
২১শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেত্রী
২১শ শতাব্দীর ভারতীয় লেখক
দিল্লির ব্যক্তি
ভারতীয় নারী টেলিভিশন উপস্থাপক
২০শ শতাব্দীর ভারতীয় লেখিকা
২০শ শতাব্দীর ভারতীয় লেখক
ভারতীয় পাচক
২১শ শতাব্দীর মার্কিন নারী
মার্কিন অ-কল্পকাহিনী লেখিকা
রান্নার বই লেখক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় অভিবাসী
ভারতীয় টেলিভিশন উপস্থাপক
নারী পাচক
দিল্লির লেখিকা |
সাকুমা সেইকা কো. লিমিটেড হল এমন একটি কোম্পানী যেটি ড্রপের মতো ক্যান্ডি তৈরি ও বিক্রি করে। কোম্পানিটির সদর দপ্তর ইকেবুকুরো, তোশিমা-কু, টোকিওতে এবং টোকিওর হাচিওজিতে এর একটি কারখানা রয়েছে।
দুটি কোম্পানি যা 2022 সাল পর্যন্ত বিদ্যমান, একই পূর্বসূরি কোম্পানি শেয়ার করে, কিন্তু দুটিই স্বাধীনভাবে কাজ করে। অতএব, প্রায় কোন পুঁজি সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই।
ইতিহাস
১৯০৮ - সাকুমা সোজিরো শোটেন নামে প্রতিষ্ঠিত। সাকুমা ড্রপস উৎপাদন শুরু করে।
১৯১৩- "ক্যানড ড্রপস" মুক্তি পায় ।
১৯২০- সাকুমা কনফেকশনারি কোং লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত।
১৯৩৮- হিরোটাকা ইয়ামাদা রাষ্ট্রপতি হন।
নভেম্বর ১৯৪৪ - কোম্পানির রক্ষণাবেক্ষণ আদেশের কারণে বন্ধ।
১০ নভেম্বর, ১৯৪৮ - শিনোসুকে ইয়োকোকুরা টোকিওর ইকেবুকুরো, তোশিমা-কুতে সাকুমা সেকা কোং লিমিটেড পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে।
১৯৫৮- জাপানের প্রথম প্রাকৃতিক ফলের রসের ক্যান্ডি "ক্যানলপ ককটেল" তৈরি।
১৯৬২ - স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রকের অনুমোদিত "সাকুমার কাশির ওষুধ বনবন" তৈরি করা হয়েছে।
১৯৬৯- হাচিওজি, টোকিওতে হাচিওজি ফ্যাক্টরি নির্মাণ করেন।
১৯৮৮
ইকেবুকুরো, তোশিমা-কু, টোকিওতে সদর দফতরের বিল্ডিং সম্পন্ন হয়েছে।
অ্যানিমে মুভি "গ্রেভ অফ দ্য ফায়ারফ্লাইস " এর উপস্থিতির স্মরণে একটি পুনর্মুদ্রণ প্রকাশ করেছে৷
মুক্তি "নিউ ক্যানলপ", উচ্চ ফলের রস ক্যান্ডি।
জানুয়ারী ২০২৩, ১-বন্ধ (পরিকল্পিত)। ৯ নভেম্বর, ২০২২-এ এটি প্রকাশ করা হয়েছিল যে কারণগুলির মধ্যে রয়েছে কম দামের পণ্যগুলির সাথে প্রতিযোগিতা, নতুন ছড়িয়ে পড়ার কারণে বিক্রি হ্রাস, কাঁচামাল এবং শক্তির দাম বৃদ্ধি এবং কর্মীদের সুরক্ষায় সমস্যা।
দপ্তর
প্রধান কার্যালয় - ২-৫১-১৩ ইকেবুকুরো, তোশিমা-কু, টোকিও
হাচিওজি ফ্যাক্টরি - ৫০৩ হিগাশিয়াসগাওয়াচো, হাচিওজি, টোকিও
ওসাকা সেলস অফিস- ওসাকা প্রিফেকচার, ওসাকা সিটি, চুও ওয়ার্ড, কাওয়ারামাচি, ১-৫-২০
পণ্য
সাকুমা ড্রপস
সাকুমা হাক্কা ড্রপস
ক্যানলপ দই
পাদটীকা
বহিঃসংযোগ
সাকুমা কনফেকশনারি কোং, লি.
১৯৪৮-এ প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি
জাপানি কোম্পানি |
সিংহ (, ) হল হিন্দু পঞ্জিকার একটি মাস। সিংহ মাস সিংহ রাশির সাথে মিলে যায় এবং গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে আগস্ট মাসের দ্বিতীয়ার্ধ এবং সেপ্টেম্বর মাসের প্রথমার্ধের সাথে সমাপতিত করে। এছাড়াও সিংহ হল সিংহ রাশির ভারতীয় রাশিফল পদ্ধতিতে জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন।
বৈদিক গ্রন্থে, সিংহ মাসকে বলা হয় নভা, কিন্তু এই প্রাচীন গ্রন্থগুলিতে এর কোন রাশির সম্পর্ক নেই। সিংহ হিন্দু চান্দ্রসৌর বর্ষপঞ্জির সৌর মাস তার চান্দ্র মাস ভাদ্রপদ মাসের সাথে সমাপতিত করে। সিংহ বর্ষা ঋতুর সমাপ্তি এবং ভারতীয় উপমহাদেশে শরতের শুরুকে চিহ্নিত করে। এর আগে কর্কট সৌর মাস এবং তার পরে কন্যা সৌর মাস।
তামিল হিন্দু পঞ্জিকাতে সিংহ মাসকে অবণী বলা হয়। ভারতের প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সংস্কৃত গ্রন্থগুলি অন্যান্য মাসের মতোই সিংহের সময়কাল সম্পর্কে তাদের গণনায় পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, সূর্যসিদ্ধান্ত, সিংহের সময়কাল ৩১ দিন, ০ ঘন্টা, ২৬ মিনিট এবং ৪৮ সেকেন্ড গণনা করে। বিপরীতে, আর্যসিদ্ধান্ত সিংহ মাসের সময়কাল ৩১ দিন, ২ ঘন্টা, ৫ মিনিট এবং ৩১ সেকেন্ড গণনা করে।
ভারতীয় সৌর মাসের নামগুলি দক্ষিণ এশিয়ার এপিগ্রাফিক্যাল গবেষণায় উল্লেখযোগ্য। উদাহরণস্বরূপ, সিংহ মাস, অন্যান্য সৌর মাসের সাথে যেমন মকর, দক্ষিণ ভারতীয় মন্দিরগুলিতে খোদিত পাওয়া যায়। পান্ড্য রাজা জটবর্মণ সুন্দর-পান্ডায় দ্বিতীয় তাঁর রাজত্বের ১২তম বছরে কালয়ার কোভিলে কালীশ্বর মন্দিরটি উৎসর্গ করেছিলেন, একটি শিলালিপি পড়ে, সিংহ মাসের দ্বিতীয় পাক্ষিকের তৃতীয় তিথিতে, যা বুধবার ২৭ আগস্ট, ১২৮৭ সালের সাথে মিলে যায়।
সিংহ হল মঙ্গল গ্রহের জন্য দরীয় বর্ষপঞ্জির অষ্টাদশ মাস, যখন সূর্য মঙ্গল থেকে দেখা সিংহ রাশির পূর্ব দিকের দিক অতিক্রম করে।
তথ্যসূত্র
হিন্দু সৌর মাস
মাস |
কে. গোপীনাথ (জন্ম: ১৯ নভেম্বর ১৯৬২) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং ২০১১ সালে নির্বাচনে হোসুর আসন থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে তিনি ২০০১ ও ২০০৬ সালের নির্বাচনেও একই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কড়গমের প্রার্থী পি. বালাকৃষ্ণ রেড্ডির কাছে হেরেছিলেন।
শৈশবকাল
গোপিনাথ ১৯ নভেম্বর ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন কৃষ্ণগিরির জেলার হোশূরে। তিনি বিবাহিত.
তথ্যসূত্র
১৯৬২-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
১২তম তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য
১৩তম তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য
১৪তম তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য |
জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হল সাংস্কৃতিক বা প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য অধিবেশনে বর্ণিত হয়েছে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য স্মৃতিস্তম্ভ (যেমন স্থাপত্যকর্ম, স্মারক ভাস্কর্য, বা শিলালিপি), ভবন, এবং স্থান (প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট সহ) নিয়ে গঠিত। প্রাকৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে (ভৌতিক এবং জৈবিক গঠনের সমন্বয়ে), ভূতাত্ত্বিক এবং ভৌতিক গঠন (প্রাণী ও উদ্ভিদের হুমকির সম্মুখীন প্রজাতির বাসস্থান সহ), এবং প্রাকৃতিক স্থান যা বিজ্ঞান, সংরক্ষণ বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলিকে প্রাকৃতিক হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। বাংলাদেশ ১৯৮৩ সালের ৩ আগস্ট কনভেনশনটি গ্রহণ করে, দেশের ঐতিহাসিক স্থানগুলিকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উপযুক্ত করে তোলে।
, বাংলাদেশে তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে এবং আরও পাঁচটি অস্থায়ী তালিকায় রয়েছে। ১৯৮৫ সালে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত প্রথম দুটি স্থান ছিল মসজিদের শহর বাগেরহাট এবং পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ।১৯৯৭ সালে প্রাকৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে সুন্দরবন তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।২০২১ সালে কেরানিগঞ্জের দোলেশ্বর হানিফিয়া জামে মসজিদ এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয়।
বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলি
তালিকার স্থান, অবস্থান, মানদণ্ড, এলাকা, বছরের চিহ্নের উপর ক্লিক করে এই তালিকাকে বর্ণানুক্রমে ও উল্টো বর্ণক্রমে সাজানো যাবে।
স্থান; বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী কমিটির অফিসিয়াল নামানুসারে (ইংরেজিতে)
অবস্থান; শহর, আঞ্চলিক বা প্রাদেশিক স্তর এবং ভূ স্থানাঙ্ক
মানদণ্ড; বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী কমিটি দ্বারা সংজ্ঞায়িত
এলাকা; হেক্টর এবং একর অনুসারে। উপলব্ধ হলে, বাফার জোনের মাপসহ উল্লেখ করা হয়েছে। মান শূন্য দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে ইউনেস্কো কর্তৃক কোন তথ্য প্রকাশিত হয়নি
বছর; কোন সময়ে স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তালিকায় তালিকাভুক্ত করা হয়
বিবরণ; স্থান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য, যদি প্রযোজ্য হয় তাহলে একটি বিপন্ন সাইট হিসাবে যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়ার কারণ সহ
সম্ভাব্য স্থানগুলি
বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী কমিটির বিবেচনায় বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে নির্বাচিত হবার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে সম্ভব্য স্থান সমূহের তালিকা সংরক্ষণ করার অনুমতি দেয় এবং চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্যে নিদৃষ্ট স্থানকে অবশ্যই সম্ভব্য তালিকায় থাকতে হবে। ২০১৪ এর নিবন্ধন অনুসারে, নিম্নের ৫টি স্থান সম্ভব্য স্থান হিসাবে সংযুক্ত হয়।
আরও দেখুন
বাংলার বিশ্ব ঐতিহ্য
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার - বাংলাদেশ
বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
এশিয়ার বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকা
বাংলাদেশের পর্যটক আকর্ষণের তালিকা |
বাকই বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত লাকসাম উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
আয়তন
জনসংখ্যা
অবস্থান ও সীমানা
লাকসাম উপজেলার সর্ব-উত্তরে বাকই ইউনিয়নের অবস্থান। এ ইউনিয়নের দক্ষিণে মুদাফফরগঞ্জ ইউনিয়ন ও কান্দিরপাড় ইউনিয়ন, পূর্বে লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়ন, উত্তরে লালমাই উপজেলার বাকই উত্তর ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে বরুড়া উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়ন অবস্থিত।
প্রশাসনিক কাঠামো
বাকই ইউনিয়ন লাকসাম উপজেলার আওতাধীন ১নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম লাকসাম থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৫৭নং নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা-৯ এর অংশ।
শিক্ষা ব্যবস্থা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
যোগাযোগ ব্যবস্থা
খাল ও নদী
হাট-বাজার
দর্শনীয় স্থান বড়িগাও বোদ্ধ মম্দির ও অনাথ আশ্রম
জনপ্রতিনিধি
আরও দেখুন
লাকসাম উপজেলা
লাকসাম থানা
কুমিল্লা জেলা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
লাকসাম উপজেলার ইউনিয়ন |
ধুলাসার বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত কলাপাড়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
আয়তন
ধুলাসার ইউনিয়নের আয়তন ১২,৭১৩ একর।
প্রশাসনিক কাঠামো
ধুলাসার ইউনিয়ন কলাপাড়া উপজেলার আওতাধীন ৯নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম মহিপুর থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ১১৪নং নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালী-৪ এর অংশ। এটি ৫টি মৌজায় বিভক্ত। এ ইউনিয়নের গ্রামগুলো হল:
চর ধুলাসার
পূর্ব ধুলাসার
পশ্চিম ধুলাসার
অনন্তপাড়
নয়াকাটা
দিওর নয়াকাটা
তারিকাটা
মুসলিমপাড়া
বৌলতলী
বৌলতলীপাড়া
বেতকাটাপাড়া
বেতকাটা
চর চাপলী
কাউয়ারচর
চর কাউয়ারচর
চাপলী
পশ্চিম চাপলী
গঙ্গামতি
চর গঙ্গামতি
নতুনপাড়া
বড় হরপাড়া
জনসংখ্যার উপাত্ত
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ধুলাসার ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১৮,২৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯,১৮৯ জন এবং মহিলা ৯,০৫৪ জন। মোট পরিবার ৩,৯৭৪টি।
শিক্ষা
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ধুলাসার ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৩৮.৯%। এ ইউনিয়নে ৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কলেজ ও ২টি মাদ্রাসা রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
মহিববুর রহমান; সংসদ সদস্য।
জনপ্রতিনিধি
আরও দেখুন
কলাপাড়া উপজেলা
মহিপুর থানা
পটুয়াখালী জেলা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
কলাপাড়া উপজেলার ইউনিয়ন |
চাক বেরি ইজ অন টপ () আমেরিকান রক এ্যান্ড রোল শিল্পী চাক বেরি কর্তৃক প্রকাশিত তৃতীয় অ্যালবাম। ১৯৫৯ সালের জুলাই মাসে চেস রেকর্ডস থেকে এটি প্রকাশিত হয়। "ব্লুজ ফর হাওয়াইয়ানস" ছাড়া প্রত্যেকটি গান পূর্বে ৪৫আরপিএম একক হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। কাব কোডা, অল মিউজিকে লিখেছিল যে, অ্যালবমটি "প্রায় একটি মিনি-সর্বশ্রেষ্ঠ গানের প্যাকেজ" এবং বেরির সঙ্গীতজীবনের সবচেয়ে পরিচিত অ্যালবাম। ২০০৮ সালে, মোবাইল ফিডেলিটি সাউন্ড ল্যাব সেইন্ট লুইস টু লিভারপুল-এর সাথে পুনঃপ্রকাশ করেছিল। ২০১২ সালে, হুডু, অ্যালবামটি পুনঃপ্রকাশ করেছিল ওয়ান ডজন বেরিজ-এর সাথে একই সিডি'তে।
গানের তালিকা
প্রথম অংশ
"অলমস্ট গ্রউন" – ২:২১
"ক্যারল" – ২:৪৮
"মেবিলিন" – ২:২৩
"সুইট লিটল রক এ্যান্ড রোলার" – ২:২২
"অ্যান্থনি বয়" – ১:৫৪
"জনি বি. গুড" – ২:৪১
দ্বিতীয় অংশ
"লিটল কুইনি" – ২:৪৩
"জো জো গান" – ২:৪৭
"রোল ওভার বিঠোফেন" – ২:২৪
"এরাউন্ড এ্যান্ড এরাউন্ড" – ২:২৪
"হেই পেদ্রো" – ১:৫৭
"ব্লুজ ফর হাওয়াইয়ানস" – ৩:২৩
কর্মী বৃন্দ
চাক বেরি – কন্ঠ, গিটার
বো ডিডলেই – ইলেকট্রিক গিটার
জনি জনসন, লাফায়েট্টে লিক – পিয়ানো
উইলি ডিক্সন – ডাবল বেজ
জর্জ স্মিথ – বেজ গিটার
ফ্রেড বিলো, এবি হার্ডি, জ্যাসপার থমাস – ড্রামস
জেরোম গ্রিন – মারাকাস
দ্য মুনগ্লোজ – সহ-কন্ঠ
চার্ট অবস্থান
একক - বিলবোর্ড (উত্তর আমেরিকা)
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ |
গোয়ার রন্ধনশৈলীতে আরব সাগরের তীরে ভারতের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি ভারতীয় রাজ্য গোয়ায় জনপ্রিয় আঞ্চলিক খাবার রয়েছে। ভাত, সামুদ্রিক খাবার, নারকেল, শাকসবজি, মাংস, রুটি, শুয়োরের মাংস ও স্থানীয় মশলা গোয়ার রন্ধনশৈলীর প্রধান উপাদানগুলির মধ্যে কয়েকটি। কোকুম এবং ভিনেগারের ব্যবহার আরেকটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। মাছ ছাড়া গোয়ার খাবার অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়।
গোয়ার রন্ধনশৈলী এর কোঙ্কানি শিকড় থেকে উদ্ভূত হয়েছিল এবং পর্তুগিজদের ৪৫১ বছরের শাসন ও পর্তুগিজদের পূর্ববর্তী সুলতানি শাসন দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। অনেক ক্যাথলিক পদের নামকরণ বা উপাদানের ব্যবহার উভয় ক্ষেত্রেই হয় তাদের পর্তুগিজ সমকক্ষের মতো বা ভিন্ন।
সামুদ্রিক খাবার
গোয়ার জনগোষ্ঠীর রন্ধনশৈলী বেশিরভাগই সামুদ্রিক খাবার ভিত্তিক; প্রধান খাবার ভাত ও মাছ। সুরমা মাছ (ভিসন বা ভিসভান) হল সবচেয়ে বেশি খাওয়া মাছের একটি। অন্যান্য মাছের জাতগুলির মধ্যে রয়েছে রূপচান্দা, হাঙ্গর, টুনা, সার্ডিন ও ম্যাকরেল। ঝিনুকের মধ্যে রয়েছে কাঁকড়া, চিংড়ি, টাইগার চিংড়ি, গলদা, স্কুইড ও ঝিনুক। গোয়ার খ্রিস্টানদের খাবার পর্তুগিজদের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত। উদাহরণস্বরূপ, ভিনেগারের ব্যবহার খুব উল্লেখযোগ্য, বিশেষত টডি ভিনেগার, যা ডালপালা থেকে উদ্ধার করা নারকেলের রস থেকে তৈরি করা হয় ও তারপর চার থেকে ছয় মাসের জন্য গাঁজনে রেখে দেওয়া হয়।
নতুন খাবারের পরিচিতি
পর্তুগিজরা আলু, টমেটো, আনারস, পেয়ারা ও কাজু ব্রাজিল থেকে গোয়ায় এবং ফলস্বরূপ ভারতে প্রবর্তন করেছিল। গোল মরিচ গোয়ার রন্ধনশৈলীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক; এটি পর্তুগিজদের দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল এবং বিস্তৃত ভারতীয় রন্ধনশৈলীর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মশলা হিসাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। গোয়ার জাতীয় পদের মধ্যে একটির নাম সরপোটেল, যা শুকরের মাংস থেকে তৈরি।
তথ্যসূত্র
হিন্দু রন্ধনশৈলী
রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল অনুযায়ী ভারতীয় রন্ধনশৈলী |
মৃত্যুঞ্জয় নায়েক (জন্ম: ১ জুলাই ১৯৫২, ফুলবাণী (উড়িষ্যা)) ওড়িশার একজন নেতা। তিনি ফুলবাণী (লোকসভা কেন্দ্র) প্রতিনিধিত্বকারী লোকসভার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি সপ্তম, দশম ও একাদশ লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র
১৯৫২-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
ওড়িশার লোকসভা সদস্য
সপ্তম লোকসভার সদস্য
দশম লোকসভার সদস্য
একাদশ লোকসভার সদস্য
ওড়িশার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ |
ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল পূর্ব-নির্ধারিত সময়সূচী মোতাবেক ৯ মে, ২০১৪ তারিখে স্কটল্যান্ড ক্রিকেট দলের বিপক্ষে একটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করে। এ খেলাটি মূলতঃ শ্রীলঙ্কা দল ও আসন্ন গ্রীষ্মে ভারতীয় দলের ইংল্যান্ড সফরকালীন সময়ের জন্য প্রস্তুতিমূলক খেলা। এ খেলাটি অ্যাবরদিনের ম্যানোফিল্ড পার্কের দ্বাদশ খেলা; তন্মধ্যে একটি খেলা পরিত্যক্ত হয়। ইংল্যান্ড ৩৯ রানের ব্যবধানে জয়ী হয়। খেলা শেষে ইংরেজ অধিনায়ক অ্যালাস্টেয়ার কুক তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রকৃত অর্থে মাঠে খেলার উপযোগী পরিবেশ ছিল না। যেহেতৃ, একটিমাত্র খেলা, তাই খেলতে বাধ্য হয়েছি।
দলের সদস্য
খেলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা
খেলা পরিচালনার জন্য নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণ দায়িত্ব পালন করেন
ওডিআই সিরিজ
একমাত্র ওডিআই
তথ্যসূত্র
ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের স্কটল্যান্ড সফর
২০১৪-এ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা
২০১৪-এ ইংরেজ ক্রিকেট
২০১৪-এ স্কটল্যান্ডীয় ক্রিকেট |
তাপ চিকিৎসা শিল্প ও ধাতব কাজ শারীরিক পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত প্রক্রিয়া, এবং কখনও কখনও উপাদানের রাসায়নিক, ধর্ম পরিবর্তনে কাজে লাগে। সবচেয়ে সাধারণ কার্যক্ষেত্র ধাতুবিদ্যা।
আরোও দেখুন
তথ্যসূত্র
আরোও পড়ুন
বহিঃসংযোগ
ধাতব তাপ চিকিৎসা
ভৌত ঘটনা
ধাতুবিদ্যা
ধাতুকর্ম |
অ্যামি লৌ অ্যাডামস (; জন্মঃ ) একজন জনপ্রিয় আমেরিকান অভিনেত্রী এবং গায়িকা। তিনি দুইবার গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জেতেন এবং অ্যাকাডেমি পুরস্কার ও বাফটা পুরস্কার উভয় অনুষ্ঠানেই পাঁচবার করে মনোনয়ন লাভ করেন।
তিনি ডিনার থিয়েটারের স্টেজে অভিনয়ের মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৯৯ সালে ড্রপ ডেড গর্জিয়াস চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ফিচার চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে। লস অ্যাঞ্জেলসে যাওয়ার পর তিনি স্টিভেন স্পিলবার্গের ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান (২০০২) ছবিতে অভিনয় করেন। এর আগে তিনি কয়েকটি নিম্ন বাজেটের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। কিন্তু অ্যাডামসের ক্যারিয়ারের ব্রেকথ্রু এনে দেয়া চরিত্রটি আসে ২০০৫ সালে জুনবাগ চলচ্চিত্রে, যেখানে অ্যাডামস একজন যুবতী গর্ভবতী নারীর ভূমিকায় অভিনয় করেন। এই চলচ্চিত্রে তার অভিনয় সমালোচক মহলে যেমন প্রশংসিত হয়, তেমনি সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবেও প্রথমবারের মত অস্কার মনোনয়ন লাভ করেন। ২০০৮ সালে ডাউট চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি দ্বিতীয়বার অস্কার মনোনয়ন পান।
২০১৩ সালে আমেরিকান হাসল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রথম গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার লাভ করেন এবং প্রথমবারের মত সেরা অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে অস্কার মনোনয়ন লাভ করেন। পরবর্তীতে, ২০১৪ সালে বিগ আইজ চলচ্চিত্রে অসামান্য অভিনয়ের সুবাদে অ্যামি লাভ করেন তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার। জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ম্যান অব স্টিল এবং এর সিক্যুয়েলে তিনি লুইস লেইন চরিত্রে অভিনয় করেন।
প্রাথমিক জীবন
ইতালির ভেনেটো শহরের ভিসেনজায় অ্যাডামস জন্মগ্রহণ করেন। সাত ভাইবোনের মধ্যে অ্যাডামস ছিলেন চতুর্থ। ১৯৮৫ সালে তার বাবা-মার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটার আগ পর্যন্ত তিনি এলডিএস চার্চে বড় হয়েছিলেন।
৬ বার অস্কার মনোনীত অভিনেত্রী এবং ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশী বক্স অফিস অর্জিত স্টার।
ব্যক্তিগত জীবন
২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে ড্যারেন লি গ্যালোর সাথে অ্যাডামসের বাগদান সম্পন্ন হয়। ২০১০ সালের ১৫ মে তারা একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন, যার নাম রাখা হয় অ্যাভিয়ানা অলিয়া লি গ্যালো। ২০১৫ সালের মে মাসে ক্যালিফোর্নিয়ায় লি গ্যালোর সাথে অ্যাডামস বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
চলচ্চিত্র
পুরস্কার এবং মনোনয়ন
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
১৯৭৪-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী
২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী
২১শ শতাব্দীর মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী
২১শ শতাব্দীর মার্কিন গায়িকা
মার্কিন কণ্ঠাভিনেত্রী
মার্কিন গায়িকা
মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
মার্কিন টেলিভিশন অভিনেত্রী
মার্কিন মঞ্চ অভিনেত্রী
শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্পিরিট পুরস্কার বিজয়ী
গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী - সঙ্গীতধর্মী বা হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র) বিজয়ী |
৪০৪ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর একটি অধিবর্ষ।
ঘটনাবলি
মৃত্যু
১ জানুয়ারি - তেলেমাচুস, ক্রিস্টান যাজক ও শহীদ।
ফেব্রুয়ারি - প্রথম ফ্লাভিয়ান, আন্তিওচের পাত্রিয়ার্ক।
১৯ জুন - হুয়ান সুয়ান, চিন রাজবংশের সেনাপতি ও সম্রাট। (জ. ৩৬৯)
৬ অক্টোবর - এইলিয়া ইউদোক্সিয়া, রোমান সম্রাজ্ঞী ও আর্কাদিউসের স্ত্রী।
ক্লাউদিয়ান - রোমান কবি (সম্ভাব্য তারিখ)
হে ফানি, চিন রাজবংশের সম্রাজ্ঞী (জ. ৩৩৯)
পলা, ডেজার্ট মাদার ও সন্ত (জ. ৩৪৭)
৪০৪ |
সম্মিলিত জাতীয়তাবাদ (হিন্দুস্তানি: মুশতারেকা ওয়াতানিয়াত বা মুত্তাহিদাহ কওমিয়াত ) একটি ধারণা যা যুক্তি দেয় যে ভারতীয় জাতি বিভিন্ন সংস্কৃতি, বর্ণ, সম্প্রদায় এবং বিশ্বাসের লোকদের দ্বারা গঠিত। ধারণাটি শেখায় যে ভারতে জাতীয়তাবাদকে ধর্ম দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা যায় না। যদিও ভারতীয় নাগরিকরা তাদের স্বতন্ত্র ধর্মীয় ঐতিহ্য বজায় রাখে, তারা এক অখন্ড ভারতীয় জাতির সদস্য। এই নীতিটি হিন্দু জাতীয়তাবাদ বা অন্য কোন ধর্মীয় অরাজকতাকে ভারতীয় দেশপ্রেম বা জাতীয়তাবাদের অনুমিত প্রয়োজনীয়তা করার প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে। সম্মিলিত জাতীয়তাবাদ মতে, ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশদের আগমনের আগে বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষের মধ্যে কোনো শত্রুতা ছিল না এবং এই কৃত্রিম বিভাজনগুলি ভারতীয় সমাজ দ্বারা কাটিয়ে উঠতে পারে।
আরও দেখুন
ভারতীয় জাতীয়তাবাদ
সম্মিলিত জাতীয়তাবাদ ও ইসলাম
ভারতীয় পুনর্মিলন
তথ্যসূত্র
ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস
গান্ধীবাদ
সম্প্রদায় গঠন
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন |
কেন্দা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমান জেলার একটি শহর।
ভৌগোলিক উপাত্ত
শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল । সমুদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ২২৯ মিটার (৭৫১ ফুট)।
জনসংখ্যার উপাত্ত
ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে কেন্দা শহরের জনসংখ্যা হল ১৪,৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৫% এবং নারী ৪৫%।
এখানে সাক্ষরতার হার ৬২%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭১% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৫১%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে কেন্দা এর সাক্ষরতার হার বেশি।
এই শহরের জনসংখ্যার ১৩% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।
তথ্যসূত্র
পশ্চিম বর্ধমান জেলার শহর ও নগর |
মিজানুর রহমান সিনহা একজন বাংলাদেশি শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী। তিনি মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৩ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। কিছুকাল তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২২ জানুয়ারি ২০২০ সালে বিএনপির সব পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন।
প্রারম্ভিক জীবন
মিজানুর রহমান সিনহা ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়ের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হামিদুর রহমান সিনহা ও মাতার নাম নূরজাহান সিনহা। হামিদুর রহমান বাংলাদেশের ঔষধ ব্যবসায়ের অন্যতম পথিকৃৎ ও শিল্পগোষ্ঠী একমি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। সিনহা শৈশবে কলকাতায় বেড়ে উঠেন। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় স্নাতক সম্পন্ন করেন।
কর্মজীবন
১৯৬৪ সালে সিনহা হাবিব ব্যাংকে চাকুরীর মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তার পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে তিনি পিতার প্রতিষ্ঠিত একমি গ্রুপে যোগদান করেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক জীবন
সিনহা ছাত্রজীবনে রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালের মিজানুর রহমান সিনহা বিএনপিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২২ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
সিনহা মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ সালে সপ্তম ও ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে যথাক্রমে ৫৮,৪৫৫ ও ৮৩,৬২৩ ভোট লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুল ইসলাম খান বাদল ও সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে এমিলির কাছে পরাজিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন লাভ করেন।
২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে ২২ মে ২০০৩ সালে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান এবং ২০০৬ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ২২ জানুয়ারি ২০২০ সালে ব্যবসায়িক ব্যস্ততা দেখিয়ে বিএনপির সব পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন।
ব্যক্তিগত জীবন
মিজানুর রহমান সিনহা ব্যক্তিগত জীবনে জাহানারা সিনহা তাজের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির তাসনিম সিনহা স্নিগ্ধা নামে এক কন্যা ও তানভীর সিনহা সুপ্রিয় নামে এক ছেলে রয়েছে। তার পিতামহ আনসার উদ্দিন সিনহা ছিলেন একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ যিনি চিত্তরঞ্জন দাশের সাথে স্বরাজ্য পার্টির রাজনীতি করতেন।
তথ্যসূত্র
জীবিত ব্যক্তি
১৯৪৩-এ জন্ম
সপ্তম জাতীয় সংসদ সদস্য
অষ্টম জাতীয় সংসদ সদস্য
মুন্সীগঞ্জ জেলার রাজনীতিবিদ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাবেক রাজনীতিবিদ
বাংলাদেশের সাবেক প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশী ব্যবসায়ী
বাংলাদেশী শিল্পপতি
খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার সদস্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ |
ঘিটোরনী মেট্রো স্টেশন দিল্লি মেট্রোর ইয়োলো লাইনে অবস্থিত। এটি দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের গদাইপুরে অবস্থিত উত্তোলিত মেট্রো স্টেশন। ২০১০ সালের ২১শে জুন তারিখে এটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য চালু করে দেওয়া হয়। স্টেশনে এটিএম পরিষেবা উপলব্ধ।
স্টেশন বিন্যাস
প্রবেশ/প্রস্থান
সংযোগ
নিকটবর্তী বাস স্টপগুলি থেকে দিল্লি পরিবহন নিগমের ৫১৭, বদরপুর বর্ডার - গুরগাঁও বাস স্ট্যান্ড, গুরগাঁও বাস স্ট্যান্ড - বদরপুর রোড, মালবীয় নগর মেট্রো - সোহনা রোড বাস পরিষেবা চালু রয়েছে।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
দিল্লি মেট্রো স্টেশন
২০১০-এ দিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত
২০১০-এ চালু রেলওয়ে স্টেশন |
একই নামের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য দেখুন আবুল কালাম
আবুল কালাম (জন্ম: অজানা - মৃত্যু: ২০০৩) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে।
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
আবুল কালামের জন্ম নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আফজাল আলী এবং মায়ের নাম সালেহা খাতুন। তার স্ত্রীর নাম জাকিয়া খাতুন। তাদের তিন মেয়ে, ছয় ছেলে।
কর্মজীবন
১৯৭১ সালে আবুল কালাম কর্মরত ছিলেন দিনাজপুর ইপিআর সেক্টর হেডকোয়ার্টার্সে। তাদের হেডকোয়ার্টার ছিল কুঠিবাড়িতে। ২৬ মার্চ খুব ভোরে তারা ঢাকার খবর পেয়ে যান। সে সময় সেক্টর হেডকোয়ার্টার্সে বাঙালি কোনো কর্মকর্তা, এমনকি সেক্টর সুবেদার মেজরও উপস্থিত ছিলেন না। ২৮ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী কুঠিবাড়িতে গোলাবর্ষণ শুরু করে। তখন আবুল কালাম বেশ সাহসী ভূমিকা পালন করেন। তারা হাবিলদার ভুলু মিয়ার নেতৃত্বে বিদ্রোহ করে পাকিস্তানি অবস্থানে পাল্টা গোলাবর্ষণ করেন। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত তারা দিনাজপুর শহর শত্রুমুক্ত রাখতে সক্ষম হন। পরে পশ্চাদপসরণ করে ডালিমগাঁও নামক স্থানে অবস্থান নেন। সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করে তারা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে খণ্ড খণ্ড যুদ্ধ করেন। এসব যুদ্ধে পাকিস্তানিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর তারা আশ্রয় নেন ভারতে।
মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা
আবুল কালাম অক্টোবর মাস থেকে সিলেট এলাকায় যুদ্ধ করেন। ছাতক, গোয়াইনঘাট, ছোটখেল, রাধানগর, সালুটিকর, গোবিন্দগঞ্জ, লামাকাজিঘাটসহ বেশ কয়েকটি প্রত্যক্ষ যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এ সব যুদ্ধে তিনি যথেষ্ট সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন করেন। তিনি মর্টার দিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ চালাতেন। ভারতে অবস্থানকালে আবুল কালামকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় নিয়মিত মুক্তিবাহিনীর তৃতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে। তিনি হেডকোয়ার্টার কোম্পানির মর্টার প্লাটুনের কমান্ডারের দায়িত্ব পান। মে-জুন মাসে তিনি দিনাজপুর এলাকায়, জুলাই-আগস্ট মাসে বাহাদুরাবাদঘাট, দেওয়ানগঞ্জ রেলস্টেশন সুগারমিলসহ রৌমারির বেশ কয়েকটি স্থানের অপারেশনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের একটি দল রৌমারি আসে। ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন রজার। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকার ছবি চিত্রায়ণ করেন। রৌমারির হাজিরচরের একটি গোয়ালঘর থেকে কোদালকাঠির পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবস্থানে আবুল কালাম গোলাবর্ষণ করছিলেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীও তাদের অবস্থানে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করছিল। এতে এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবদিকেরা পর্যন্ত ভড়কে যান। কিন্তু আবুল কালাম বিচলিত না হয়ে পাকিস্তানি অবস্থানে মর্টারের সাহায্যে একের পর এক গোলাবর্ষণ করেন। তার এই সাহসিকতায় বিদেশি সাংবাদিকেরা পর্যন্ত বিস্মিত হন। পরে ওই প্রামাণ্য চিত্রটি বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হয়। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে ওঠে।
মর্টার বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম একটি সাফল্য। ১৯৭১ সালের ৮ নভেম্বর সকাল থেকেই পাকিস্তানিরা লুনি গ্রামের সব কটি অবস্থানের ওপর অনবরত মেশিনগানের গুলি ও মর্টারের গোলা নিক্ষেপ করতে লাগল। এর মধ্যে রিকোয়েলস রাইফেলের গোলা ছিল মারাত্মক। মুক্তিযোদ্ধারাও প্রস্তুত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধঅদের সম্মুখ অবস্থান থেকে পর্যাপ্তসংখ্যক দুই ইঞ্চি মর্টার গোলা ও এনারগা গ্রেনেড ছোড়া হয়। ক্লোজ ব্যাটেলে দুই ইঞ্চি মর্টারের গোলা ও এনারগা গ্রেনেড খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বারবার হামলা অনবরত মর্টার ও রিকোয়েলস রাইফেল গোলা নিক্ষেপ করেও পাকিস্তান সেনাবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অবস্থান থেকে এক ইঞ্চি পরিমাণও সরাতে পারেনি। এক্ষেত্রে সাহসী ভূমিকা পালন করেন আবুল কালাম।
পুরস্কার ও সম্মাননা
বীর প্রতীক
তথ্যসূত্র
বহি:সংযোগ
বীর প্রতীক
২০০৩-এ মৃত্যু
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জড়িত ব্যক্তি |
রফিকুল হক (জন্ম: ১৯৪৮) একজন বাংলাদেশী কৃষি প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদ। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির ২২তম উপাচার্য।
জন্ম
তিনি ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার কালিসীমায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা নাইব উদ্দিন আহমেদ ও মা অরিজুননেছা।
শিক্ষাজীবন
রফিকুল হক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদ থেকে ১৯৭০ সালে বিএসসি ইন এগ্রি-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডেনমার্কের দি রয়েল ভেটেরিনারি অ্যান্ড এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৮১ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি থাইল্যান্ডে অবস্থিত এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি) থেকে ১৯৮৯-৯০ সালে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।
কর্মজীবন
রফিকুল হক ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯২ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।
অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি বাকৃবির সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, বিশ্ব ব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সাথেও কাজ করেছেন।
রফিকুল হক একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গবেষণাকর্ম
তিনি বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন।
সদস্যপদ
রফিকুল হক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য।
তথ্যসূত্র
১৯৪৮-এ জন্ম
বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী |
সানশাইন অ্যান্ড হেলথ (মূলত দ্য ন্যুডিস্ট ) ছিল একটি মার্কিন ন্যুডিস্ট ম্যাগাজিন যা ১৯৩৩ থেকে ১৯৬৩ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। একে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নগ্নতাবাদী আন্দোলনের "ফ্ল্যাগশিপ ম্যাগাজিন" হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি মাসিক প্রকাশিত হতো, এবং নিউজস্ট্যান্ডগুলিতে বিক্রির পাশাপাশি মেইলের মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন দ্বারা বিতরণ করা হতো।
যদিও জনপ্রিয়, ম্যাগাজিনটি অশ্লীলতার সাথে সম্পর্কিত একাধিক আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিল, বিশেষ করে মার্কিন পোস্ট অফিস থেকে, যা বারবার একে অ-মেইলযোগ্য ঘোষণা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এটি সুপ্রিম কোর্টের একটি অনুকূল চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত পেয়েছিল। অশ্লীলতার অভিযোগ অবশেষে ম্যাগাজিনের প্রচলনকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, কারণ আরও যৌন সুস্পষ্ট ম্যাগাজিনের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে, ম্যাগাজিনটি ১৯৬৩ সালে দেউলিয়া হয়ে যায়।
সম্পাদকীয় কর্মী
দ্য ন্যুডিস্ট ছিল আন্তর্জাতিক নগ্নতাবাদী সম্মেলনের একটি প্রকাশনা, যা ১৯৩১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং পরে জাতীয় নগ্নতা সংগঠনে পরিণত হয়েছিল। ১৯৩৩ সালে ম্যাগাজিনটি চালু করার সময়, হেনরি এস. হান্টিংটন (সম্মেলনের সভাপতি) সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ইলসলে বুন (সম্মেলনের সেক্রেটারি) ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসাবে ছিলেন। পরে, বুনের মেয়ে মার্গারেট এ. বি. পুলিস সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে, ম্যাগাজিনের কার্যক্রম নিউ জার্সির মেস ল্যান্ডিং ভিত্তিক ছিল।
প্রচলন ও পাঠক
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিলুপ্ত ম্যাগাজিন
নগ্নতাবাদী ম্যাগাজিন
১৯৩৩-এ প্রতিষ্ঠিত ম্যাগাজিন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নগ্নতাবাদ |
ওয়ান অর্ডিনারি ডে (; আক্ষরিক অর্থ: একটি সাধারণ দিন) হল একটি দক্ষিণ কোরিয়ার স্ট্রিমিং টেলিভিশন সিরিজ যা কিম সু-হিউন এবং চা সেউং-ওন অভিনীত। এটি পিটার মোফ্যাটের লেখা ব্রিটিশ টেলিভিশন সিরিজ ক্রিমিনাল জাস্টিস-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ২৭ নভেম্বর, ২০২১ থেকে ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার কুপাং প্লে- তে সম্প্রচার হয়েছিল। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার বাইরে কেবলমাত্র ভিউ-এর মাধ্যমে স্ট্রিমিং হচ্ছে।
সারমর্ম
এটি ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার মধ্যে দু'জন পুরুষের গল্পের মধ্য দিয়ে যায় যারা একজন মহিলার হত্যায় জড়িত।
অভিনয়ে
প্রধান ভূমিকায়
কিম সু-হিউন কিম হিউন-সু হিসেবে
একজন সাধারণ কলেজ ছাত্র যার জীবন উল্টে যায় যখন সে অপ্রত্যাশিতভাবে হত্যা মামলার মূল সন্দেহভাজন হয়ে ওঠে।
শিন জুং-হানের চরিত্রে চা সেউং-উন
একজন আইনজীবী যিনি কোনোমতে ওকালতি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং একমাত্র ব্যক্তি যিনি কিম হিউন-সুকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন।
কিম সুং-কিউ দো জি-তাই হিসেবে
একজন ১৩ বছর বয়সী হিংসাত্মক অপরাধী যিনি ১০ বছর ধরে কারাগারের সাজা ভোগ করছেন এবং কারাগারের উপর তার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
সহকারী ভূমিকায়
পার্ক সাং-বিওম চরিত্রে কিম হং-পা, হিউন-সুর মামলায় কাজ করা গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান
আহন তাই-হি চরিত্রে কিম শিন-রক, একজন অভিশংসক হিউন-সুর মামলায় কাজ করছেন
পার্ক ডু-সিক হিসেবে ইয়াং কিউং-উন
লি সিওল সিও সু-জিন চরিত্রে, একজন ধূর্ত আইনজীবী যিনি হিউন-সুর মামলা অনুসরণ করেন
জং জি-হো, একজন ন্যাশনাল ফরেনসিক সার্ভিস (এনএফএস) কর্মী
হং জিওং-আহ চরিত্রে কিম ইয়ং-আহ, একজন এনএফএস কর্মী
মুন ইয়ে-ওন ক্যাং দা-কিয়ং চরিত্রে, একজন সাংবাদিক যিনি হিউন-সুর মামলার তদন্ত করে একচেটিয়া নিবন্ধ লেখার জন্য
প্রযোজনা
৫ই জানুয়ারি, ২০২১-এ ঘোষণা করা হয়েছিল যে দ্য স্টুডিও এম, চোরোকবেম মিডিয়া এবং গোল্ড মেডেলিস্ট ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি) ক্রাইম সিরিজ ক্রিমিনাল জাস্টিসের উপর ভিত্তি করে একটি টেলিভিশন সিরিজ সহ-প্রযোজনা করবে। বিবিসি স্টুডিও তার মিডিয়া সেন্টারের মাধ্যমে ১৩ই জানুয়ারি অভিযোজন নিশ্চিত করেছে। কিম সু-হিউন এবং চা সেউং-উন তারকারা প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, কওন সুন-কিউ চিত্রনাট্য লিখেছেন এবং লি মিউং-উ ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন। ২০২১ সালের প্রথমার্ধে চিত্রগ্রহণ শুরু হয়েছিল। এটি দক্ষিণ কোরিয়ায় একচেটিয়া সম্প্রচার অধিকার সহ কুপাং প্লে-এর প্রথম মূল ধারাবাহিক।
তথ্যসূত্র
বহিঃসূত্র
কোরীয় ভাষার টেলিভিশন অনুষ্ঠান
২০২১-এ অভিষিক্ত দক্ষিণ কোরীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক
দক্ষিণ কোরিয়ার টেলিভিশন ধারাবাহিক
২০২১-এ অভিষিক্ত ওয়েব ধারাবাহিক |
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় (২৬ আগস্ট ১৯২০ - ৪ মার্চ ১৯৮৩) পশ্চিমবঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা। বিশেষ করে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে হাস্যকৌতুকময় অভিনয়ের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন দিকপাল।
প্রাথমিক জীবন
ভানু জন্মেছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে ১৯২০ সালের ২৬শে আগস্ট। ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি’স হাই স্কুল এবং জগন্নাথ কলেজে শিক্ষা শেষ করে কলকাতায় আসেন ১৯৪১ সালে। এখানে এসে তিনি আয়রন এন্ড স্টীল কম্পানি নামে একটি সরকারি অফিসে যোগ দেন এবং বালীগঞ্জের অশ্বিনী দত্ত রোডে তার বোনের কাছে দু’বছর থাকার পর টালিগঞ্জের চারু অ্যাভিন্যু-তে বসবাস শুরু করেন।
অভিনয় জীবন
ভানুর অভিনয়-জীবন শুরু হয় ১৯৪৭-এ, ‘জাগরণ’ ছবির মাধ্যমে। সেই বছরই ‘অভিযোগ’ নামে অন্য একটি ছবি মুক্তি পায়। এরপর ধীরে ধীরে ছবির সংখ্যা বাড়তে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘মন্ত্রমুগ্ধ’(১৯৪৯), ‘বরযাত্রী’(১৯৫১) এবং ‘পাশের বাড়ি’(১৯৫২)। ১৯৫৩ সালে মুক্তি পেল ‘সাড়ে চুয়াত্তর’, এবং বলা যেতে পারে যে এই ছবির মাধ্যমেই ভানু দর্শকদের নিজের অভিনয়ের গুণে আকৃষ্ট করা শুরু করেন। এর পরের বছর মুক্তি পায় ‘ওরা থাকে ওধারে’। ১৯৫৮ সালটিতে মুক্তি পাওয়া অনেক ছবির মধ্যে দু’টি ছিল ‘ভানু পেল লটারি’এবং ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’।১৯৫৯-এ মুক্তি পায় ‘পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট" এই ছবিতে ভানু নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন, বিপরীতে ছিলেন রুমা গুহঠাকুরতা। ১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘৮০তে আসিও না’ ছবিটিতেও ভানু নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন, এবং এখানেও ওনার বিপরীতে ছিলেন রুমা দেবী।১৯৬৭ সালে ভানুর আরো একটি ছবি মুক্তি পায়, ‘মিস প্রিয়ংবদা’ – যেখানে উনি চরিত্রের প্রয়োজনে মহিলা
সেজে অভিনয় করেন। এখানে ওনার বিপরীতে ছিলেন লিলি চক্রবর্তী।
ভানুর ‘ভানু গোয়েন্দা জহর অ্যাসিস্ট্যান্ট’ ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালে। ভানুর শেষ ছবি ‘শোরগোল’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৪-তে। কিছুদিন পরেই উনি পরলোকগমন করেন।
চলচ্চিত্রের তালিকা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
বাঙালি অভিনেতা
বাঙালি কৌতুকাভিনেতা
১৯২০-এ জন্ম
১৯৮৩-এ মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জ জেলার ব্যক্তি
কলকাতার অভিনেতা
পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা
ভারতীয় জনসমক্ষে কৌতুক পরিবেশন শিল্পী
২০শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেতা
জগন্নাথ কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
বাঙালি টেলিভিশন অভিনেতা
ঢাকার ব্যক্তি
২০শ শতাব্দীর কৌতুকাভিনয়শিল্পী
ব্রিটিশ ভারতীয় ব্যক্তি |
টোপর বাঙালি হিন্দুদের ব্যবহৃত একপ্রকার ধর্মীয় মস্তকাবরণী। সাধারণত বিবাহ উপলক্ষে বরকে টোপর পরতে হয়। অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানেও টোপর ব্যবহৃত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে যে শিশুটির অন্নপ্রাশন হয়, তাকে টোপর পরানো হয়। টোপর সাধারণত ভঙ্গুর। এগুলি শোলার দ্বারা নির্মিত। টোপরের রং সাদা।
কিংবদন্তি
টোপরের উৎপত্তি সংক্রান্ত কিংবদন্তিটি হিন্দু দেবতা শিবের বিবাহ-সংক্রান্ত প্রসিদ্ধ উপাখ্যানটির সঙ্গে জড়িত। উক্ত কিংবদন্তি অনুযায়ী, নিজের বিবাহ অনুষ্ঠানে শিব একটি বিশেষ মুকুট পরার ইচ্ছার পোষণ করেন এবং দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাকে তা প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেন। কিন্তু বিশ্বকর্মা ছিলেন ধাতুশিল্পী। তিনি শিবের চাহিদামতো মুকুট নির্মাণে ব্যর্থ হন। তখন মালাকার নামে এক ব্যক্তি জলা অঞ্চল থেকে শোলা সংগ্রহ করে শিবের জন্য এক বিশেষ মস্তকাবরণী প্রস্তুত করে দেন। এই মস্তকাবরণীই "টোপর" নামে পরিচিত। কথিত আছে, মালাকারের কাজে সন্তুষ্ট হয়ে শিব তাকে নিজের ব্যক্তিগত হস্তশিল্পী নিয়োগ করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের শোলা শিল্পী মালাকার সম্প্রদায়ের মানুষেরা নিজেদের এই মালাকারের বংশধর মনে করেন। তারা উক্ত কিংবদন্তি স্মরণে বিশ্বকর্মা পূজা করেন না; করেন শিবপত্নী মহেশ্বরীর পূজা।
ব্যবহার
বিবাহ উপলক্ষে টোপর পরিধান একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী প্রথা। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, টোপর সৌভাগ্য এনে দেয়। সাধারণত কনের বাড়ি থেকে টোপর পাঠানো হয় বরের বাড়িতে। বিবাহ অনুষ্ঠানের পূর্বে বর টোপর মাথায় দিয়ে ছাদনাতলায় উপস্থিত হয়।
বিবাহ ছাড়াও অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানেও টোপরের প্রচলন রয়েছে। অন্নপ্রাশন উপলক্ষে শিশুকে বরের সাজে সাজানো হয় এবং তার মাথায় টোপর পরানো হয়। এই টোপর শোলানির্মিত হলেও স্বাভাবিক কারণেই বিবাহের টোপরের তুলনায় আকারে ছোটো হয়।
সংস্কার
বিবাহ অনুষ্ঠানে টোপর শুধুমাত্র তার সৌন্দর্যের কারণেই পরা হয় না, টোপর পরিধানের বিশেষ ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে এবং তা পরা বরের অবশ্য কর্তব্য বলে বিবেচিত হয়। এই কারণে টোপর নিয়ে হিন্দু সমাজে নানাবিধ সংস্কারও রয়েছে। টোপর খুব সাবধানে ব্যবহার করা হয়। টোপর ভেঙে যাওয়া বা পুড়ে যাওয়া দুর্ভাগ্যের লক্ষণ বলে ধরা হয়। টোপর বা শোলা নির্মিত যে কোনো সামগ্রী নষ্ট হয়ে গেলে তাকে জলাশয়ের গর্ভে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। লোকবিশ্বাস, এতে ভাঙা জিনিসটি নিয়ে কেউ ব্যবহারকারীর ক্ষতি করতে পারে না।
তথ্যসূত্র
বাঙালি হিন্দু বিবাহ
বঙ্গ
ভারতীয় বিয়ের পোশাক
ভারতীয় উষ্ণীশ |
হুয়ান এনরিকে আইয়েস (, ; ২০ জানুয়ারি ১৮৯১ – ২৫ জুলাই ১৯৭৬) একজন আর্জেন্টিনীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। ভক্তদের কাছে মায়েস্ত্রো, হ্যারি এবং ইংলেস ডাকনামে পরিচিত আইয়েস তার খেলোয়াড়ি জীবনের অধিকাংশ সময় রোসারিও সেন্ত্রাল এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছিলেন। তিনি মূলত ডান পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেললেও মাঝেমধ্যে বাম পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছিলেন।
আইয়েস ১৯১০ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছিলেন; আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে তিনি সর্বমোট ২৫ ম্যাচে ১০টি গোল করেছিলেন। তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বমোট একটি দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপে (১৯১৬) অংশগ্রহণ করেছিলেন, যেখানে তিনি রানার-আপ হয়েছিলেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
আইয়েস কোপা আমেরিকার (তৎকালীন দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপ) প্রথম আসর ১৯১৬ দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবন
হুয়ান এনরিকে আইয়েস ১৮৯১ সালের ২০শে জানুয়ারি তারিখে আর্জেন্টিনার রোসারিওতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সেখানেই তার শৈশব অতিবাহিত করেছিলেন। ১৯৭৬ সালের ২৫শে জুলাই তারিখে, আর্জেন্টিনায় ৮৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।
পরিসংখ্যান
আন্তর্জাতিক
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
১৮৯১-এ জন্ম
১৯৭৬-এ মৃত্যু
আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার
ফুটবল ফরোয়ার্ড
আর্জেন্টিনার আন্তর্জাতিক ফুটবলার
১৯১৬ দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপের খেলোয়াড় |
এটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী ১০৬০-এর দশক। এটি শুরু হয়েছে ১লা জানুয়ারি, ১০৬০ থেকে এবং শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর, ১০৬৯ তারিখে। |
চর মোন্তাজ বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত রাঙ্গাবালী উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
আয়তন
চর মোন্তাজ ইউনিয়নের আয়তন ১৩,৯৯৭ একর।
প্রশাসনিক কাঠামো
চর মোন্তাজ ইউনিয়ন রাঙ্গাবালী উপজেলার আওতাধীন ৪নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম রাঙ্গাবালী থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ১১৪নং নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালী-৪ এর অংশ।
জনসংখ্যার উপাত্ত
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী চর মোন্তাজ ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১৯,৫৬৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০,১৩০ জন এবং মহিলা ৯,৪৩৯ জন। মোট পরিবার ৩,৯২২টি।
শিক্ষা
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী চর মোন্তাজ ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৪৩.৩%।
আরও দেখুন
রাঙ্গাবালী উপজেলা
রাঙ্গাবালী থানা
পটুয়াখালী জেলা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
রাঙ্গাবালী উপজেলার ইউনিয়ন |
লক্ষীপাশা ইউনিয়ন বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ৪৩.৮২ কিমি২ (১৬.৯২ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০১১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১০,৫১২ জন।
ভৌগোলিক অবস্থান
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ইউনিয়নটির উত্তরে কাশিপুর ইউনিয়ন, দক্ষিণে দিঘলিয়া ইউনিয়ন, পূর্বে মল্লিকপুর ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে বাশগ্রাম ইউনিয়ন অবস্থিত।।
তথ্যসূত্র
লোহাগড়া উপজেলার ইউনিয়ন
নড়াইল জেলার ইউনিয়ন
খুলনা বিভাগের ইউনিয়ন |
৪৭৯ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির একটি সাধারণ বছর।
ঘটনাবলী
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
জন্ম
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
মৃত্যু
জানুয়ারি-মার্চ
এপ্রিল-জুন
জুলাই-সেপ্টেম্বর
অক্টোবর-ডিসেম্বর
৪৭৯ |
ইয়েলো রেড কনিঙ্কলিয়েকে ভোয়েতবালক্লাব মেখেলেন (), এছাড়াও কেভি মেখেলেন (), এফসি মালিনোয়া অথবা শুধুমাত্র মেখেলেন নামে পরিচিত) হচ্ছে মেখেলেন ভিত্তিক একটি বেলজীয় পেশাদার ফুটবল ক্লাব। এই ক্লাবটি বর্তমানে বেলজিয়ামের শীর্ষ স্তরের ফুটবল লীগ বেলজীয় প্রথম বিভাগ এ-এ খেলে। এই ক্লাবটি ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কেভি মেখেলেন তাদের সকল হোম ম্যাচ মেখেলেনের এএফএএস-স্টাডিওন আখটের ডে কাজের্নে-এ খেলে থাকে; যার ধারণক্ষমতা হচ্ছে ১৬,৬৭২। বর্তমানে এই ক্লাবের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন ওয়াউটার ফ্রাঙ্কেন। বেলজীয় মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ওনুর কায়া এই ক্লাবের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
ঘরোয়া ফুটবলে, কেভি মেখেলেন এপর্যন্ত ১৭টি শিরোপা জয়লাভ করেছে; যার মধ্যে ৪টি বেলজীয় প্রথম বিভাগ এ, ২টি বেলজীয় কাপ, ৭টি বেলজীয় দ্বিতীয় বিভাগ, ৩টি বেলজীয় দ্বিতীয় বিভাগ চূড়ান্ত পর্ব এবং ১টি বেলজীয় তৃতীয় বিভাগ শিরোপা রয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়, এপর্যন্ত ২টি শিরোপা জয়লাভ করেছে; যার মধ্যে ১টি উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ এবং ১টি ইউরোপীয় সুপার কাপ শিরোপা রয়েছে।
অর্জন
ঘরোয়া
বেলজীয় প্রথম বিভাগ এ:
চ্যাম্পিয়ন (৪): ১৯৪২–৪৩, ১৯৪৫–৪৬, ১৯৪৭–৪৮, ১৯৮৮–৮৯
বেলজীয় কাপ:
চ্যাম্পিয়ন (২): ১৯৮৬–৮৭, ২০১৮–১৯
বেলজীয় দ্বিতীয় বিভাগ:
চ্যাম্পিয়ন (৭): ১৯২৫–২৬, ১৯২৭–২৮, ১৯৬২–৬৩, ১৯৮২–৮৩, ১৯৯৮–৯৯, ২০০১–০২, ২০১৮–১৯
বেলজীয় দ্বিতীয় বিভাগ চূড়ান্ত পর্ব:
চ্যাম্পিয়ন (৩): ১৯৮১, ২০০৭, ২০১৯
বেলজীয় তৃতীয় বিভাগ:
চ্যাম্পিয়ন (১): ২০০৪–০৫
আন্তর্জাতিক
ইউরোপীয় কাপ উইনার্স কাপ:
চ্যাম্পিয়ন (১): ১৯৮৭–৮৮
ইউরোপীয় সুপার কাপ:
চ্যাম্পিয়ন (১): ১৯৮৮
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
রয়্যাল ফুটবল ক্লাব মেখেলেন
বেলজীয় প্রথম বিভাগ এ-এর ক্লাব
বেলজিয়ামের ফুটবল ক্লাব
১৯০৪-এ বেলজিয়ামে প্রতিষ্ঠিত
১৯০৪-এ প্রতিষ্ঠিত ফুটবল ক্লাব |
ধরমপুর ইউনিয়ন বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত ভেড়ামারা উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন। এটি ৫২.৯৯ কিমি২ (২০.৪৬ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০০১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩৫,১৬৯ জন। ইউনিয়নটিতে মোট গ্রামের সংখ্যা ১১টি ও মৌজার সংখ্যা ৬টি।
তথ্যসূত্র
ভেড়ামারা উপজেলার ইউনিয়ন
খুলনা বিভাগের ইউনিয়ন
কুষ্টিয়া জেলার ইউনিয়ন |
২০১৪ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ (স্পন্সরজনিত কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে টয়োটা দ্বারা পরিবেশিত ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ মরক্কো ২০১৪ নামে পরিচিত) হলো ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ১১তম সংস্করণ, যেটি ফিফা দ্বারা সংগঠিত ৬টি মহাদেশীয় কনফেডারেশনের বিজয়ী ক্লাবদের মধ্যে আয়োজিত একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা; একই সাথে আয়োজক দেশের জাতীয় লীগের বিজয়ী ক্লাবও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। এই প্রতিযোগিতাটি ২০১৪ সালের ১০ই ডিসেম্বর হতে ২০শে ডিসেম্বর পর্যন্ত মরক্কোয় আয়োজিত হয়েছে। মরক্কো টানা ২য় বারের মতো ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের আয়োজকের দায়িত্ব পালন করেছে।
আর্জেন্টিনীয় ক্লাব সান লোরেনজোকে ২–০ গোলে হারিয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্পেনীয় লীগ লা লিগার ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ প্রথমবারের মতো এবং ১৯৬০, ১৯৯৮ এবং ২০০২ সালের পর চতুর্থবারের মতো আন্তর্মহাদেশীয় কাপ ঘরে তুলতে সক্ষম হয়। এই আসরের শিরোপা জয়ের মাধ্যমে রিয়াল মাদ্রিদ এসি মিলানের সমপরিমাণ শিরোপা জয়লাভ করেছিল।
উত্তীর্ণ দল
মাঠ
এই প্রতিযোগিতার সকল খেলা দুটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। স্টেডিয়াম দুটি হলো: রাবাতের রাজকুমার মৌলে আবদুল্লাহ স্টেডিয়াম এবং মারাক্কেশের মারাকেশ স্টেডিয়াম।
ম্যাচ
৯০ খেলার পর যদি একটি ম্যাচ সমতায় থাকে:
অপনয়নমূলক ম্যাচের জন্য, অতিরিক্ত সময় খেলা হবে। অতিরিক্ত সময়ের পরও যদি খেলা সমতায় থাকে, পেনাল্টি শুট-আউটের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।
পঞ্চম এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের জন্য, কোন অতিরিক্ত সময় হেলা হবে না, সরাসরি পেনাল্টি শুট-আউটের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।
নিম্নে সকল সময় ডাব্লিউইএসটি (ইউটিসি+০) অনুসারে উল্লেখ করা হয়েছে।
কোয়ার্টার-ফাইনালের জন্য প্লে-অফ
কোয়ার্টার-ফাইনাল
সেমি-ফাইনাল
পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ
ফাইনাল
সর্বোচ্চ গোলদাতা
চূড়ান্ত র্যাংকিং
ফুটবলে পরিসংখ্যানগত কনভেনশন অনুসারে, অতিরিক্ত সময়ে নির্ধারিত ম্যাচগুলোর জয় এবং হার হিসেবে এবং পেনাল্টি শুট-আউটে নির্ধারিত ম্যাচগুলো ড্র হিসেবে গণনা করা হয়।
|}
পুরস্কার
নিম্নলিখিত পুরস্কারগুলো টুর্নামেন্টের শেষে প্রদান করা হয়েছিল।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
ফিফা.কমে ২০১৪ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ
ফিফা প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন
২০১৪
২০১৪-এ ফুটবল
মরক্কো দ্বারা আয়োজিত আন্তর্জাতিক ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতা
ডিসেম্বর ২০১৪-এ এশিয়ায় আয়োজিত ক্রীড়া অনুষ্ঠান
স্বাগতিক মরক্কোয় আন্তর্জাতিক ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতা |
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার (জন্ম: ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯) একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল । এর পূর্বে ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত তিনি জামায়াতের নায়েবে আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। গোলাম পরওয়ার ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসন থেকে জামায়াতের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
প্রারম্ভিক জীবন
গোলাম পরওয়ার ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯ সালে খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার শিরোমণি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে বি এল কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে বিকম. ও এমকম. পাশ করার পর অধ্যাপনা ও সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবন
পরওয়ার ১৯৭৪ সালে তিনি জাসদ ছাত্রলীগে যোগদান করে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৭৫ সালে ছাত্র থাকাবস্থায় জামায়াতের সহযোগী ছাত্র সংগঠনে যোগদান করেন। পর্যায়ক্রমে ছাত্রশিবিরের খুলনা মহানগরীর সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত খুলনা মহানগরে জামায়াতের আমীর এবং ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মনোনীত হন।
২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ (ফুলতলা-ডুমুরিয়া) আসন থেকে জামায়াতের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই আসনে ১৯৯১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হন। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিশ দলীয় জোট থেকে একই আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন। কিন্তু নির্বাচনের দিন তার কর্মীদের “ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়া, এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া, দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের” কারণ দেখিয়ে তিনি নির্বাচন বর্জন করেন।
গ্রেফতার ও কারাবরণ
২০১০ সালের ৩০ শে জুন খুলনায় একটি মিছিল থেকে গ্রেফতার হয়ে পাঁচ বছর কারাভোগ করেন, এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মেয়াদে তিন থেকে চার বার কারান্তরীন হন। তিনি ২০১২ সালে কারা বরণ করেন।
তথ্যসূত্র
১৯৫৯-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিবিদ
অষ্টম জাতীয় সংসদ সদস্য
খুলনা জেলার রাজনীতিবিদ
সরকারি ব্রজলাল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী |
চর ভূতা বাংলাদেশের ভোলা জেলার অন্তর্গত লালমোহন উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
আয়তন ও অবস্থান
চর ভূতা ইউনিয়নের আয়তন ৬,৭১২ একর। এ ইউনিয়নের দক্ষিণে রমাগঞ্জ ইউনিয়ন, পশ্চিমে লালমোহন ইউনিয়ন, উত্তরে কালমা ইউনিয়ন এবং পূর্বে ধলী গৌরনগর ইউনিয়ন অবস্থিত।
প্রশাসনিক কাঠামো
চর ভূতা ইউনিয়ন লালমোহন উপজেলার আওতাধীন ৪নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম লালমোহন থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ১১৭নং নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ এর অংশ। এ ইউনিয়নের গ্রামগুলো হল:
রহিমপুর
উত্তর হরিগঞ্জ
পশ্চিম হরিগঞ্জ
বাহাদুর চৌমুহনী
হরিগঞ্জ
কর্তার কাচারী
পশ্চিম তারাগঞ্জ
তারাগঞ্জ
সাতবাড়িয়া
মাদর্শা বাজার
লেঙ্গুটিয়া
মধ্য চর ভূতা
পূর্ব চর ভূতা
চর ভূতা
নমগ্রাম
বারু হাং
কুড়ালিয়া
ষটিদরুণ
জনসংখ্যার উপাত্ত
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী চর ভূতা ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ২৮,৫৩৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৩,৭৪৩ জন এবং মহিলা ১৪,৭৯২ জন। মোট পরিবার ৬,৩৭২টি।
শিক্ষা
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী চর ভূতা ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৩৮.৫%। এ ইউনিয়নে ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩টি মাদ্রাসা রয়েছে।
আরও দেখুন
লালমোহন উপজেলা
লালমোহন থানা
ভোলা জেলা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
লালমোহন উপজেলার ইউনিয়ন |
পাখিদের সম্মেলন বা পাখিদের বুলি (, মানতিক-উত-তাইর, ছাড়াও মাকামাত-উত-তাইর নামে পরিচিত; ১১৭৭) সুফি কবি ফরিদ উদ্দিন আত্তার এর একটি ফার্সি কবিতা, এই কবি সাধারণত নিশাপুরের আত্তার নামে পরিচিত। কবিতার শিরোনামটি সরাসরি কুরআন, 27:16 থেকে নেওয়া হয়েছে যেখানে সুলায়মান ( সলোমন ) এবং দাউদ ( ডেভিড ) কে পাখির ভাষা বা বুলি (মানতিক-উত-তাইর) শেখানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আত্তার এর মৃত্যুও তার জীবনের মতোই জল্পনা -কল্পনার বিষয়। তিনি সত্তর বছর বয়সে ১২২১ সালে নিশাপুর শহরে চেঙ্গিস খান এবং মঙ্গোল সেনাদের দ্বারা চালানো গণহত্যায় মারা গেছেন বলে জানা যায়।
তথ্যসূত্র
ফার্সি কবিতা
সুফি সাহিত্য |
৩০নং ওয়ার্ড বাংলাদেশের বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন একটি ওয়ার্ড।
আয়তন
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ৩০নং ওয়ার্ডের আয়তন ০.৫৪ বর্গ কিলোমিটার।
জনসংখ্যা
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ৩০নং ওয়ার্ডের জনসংখ্যা ৮,০০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪,০২৯ জন এবং মহিলা ৩,৯৭৪ জন। মোট পরিবার ১,৭০৪টি।
অবস্থান ও সীমানা
প্রশাসনিক কাঠামো
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৩০নং ওয়ার্ডের প্রশাসনিক কার্যক্রম বিমানবন্দর থানার আওতাধীন এবং এটি জাতীয় সংসদের ১২৩নং নির্বাচনী এলাকা বরিশাল-৫ এর অংশ।
শিক্ষা
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ৩০নং ওয়ার্ডের সাক্ষরতার হার ৬৭.৭%।
আরও দেখুন
বিমানবন্দর থানা, বরিশাল
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন
বরিশাল জেলা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড |
বাংলাদেশ মেরিন একাডেমী, রংপুর বাংলাদেশের রংপুরে অবস্থিত একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজের ক্যাডেট, ডেক অফিসার এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের ফলির বিল এলাকায় এই মেরিন একাডেমিটির অবস্থান।
বর্তমানে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, রংপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির অধিভুক্ত হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০১২ সালে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে ২০২১ সালের ৬ মে এর উদ্বোধন করা হয়।
বিবরণ
১০ একর জমির ওপর একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, প্যারেড গ্রাউন্ড, ডরমেটরি ভবন, সাতটি আবাসিক ভবন, মসজিদ, অত্যাধুনিক জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল, পুকুরসহ ৩৫টি অবকাঠামোতে অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।
শিক্ষা কার্যক্রম
২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ৫০ জন ক্যাডেট ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। তারা প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি, চট্টগ্রাম এ সাময়িকভাবে সংযুক্ত আছেন।
তথ্যসূত্র
বাংলাদেশের মেরিন একাডেমি
২০২১-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত
রংপুর জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান |
ফতেপুর ইউনিয়ন বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের, ঝিনাইদহ জেলার, মহেশপুর উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন। স্থাপনকাল - ১৯৫৮ সাল। ইউপি কমপ্লেক্স ভবন স্থাপন কাল- ১৯৯৮ সাল।
আয়তন
ফতেপুর ইউনিয়নের আয়তন ৩০ বর্গ কিলোমিটার।
জনসংখ্যার উপাত্ত
ফতেপুর ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ৩২,৮৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৬,৭৫৫ জন এবং মহিলা ১৬,০৮৩ জন।
৯টি ওর্য়াড।
মোট ১৩টি গ্রাম।
গ্রাম সমূহের নাম – ফতেপুর, নিমতলা, কদমতলা, বেড়েরমাঠ, যোগীহুদা, সাড়াতলা, গোয়ালহুদা, পুরন্দরপুর, কৃষ্ণচন্দ্রপুর, রাখালভোগা, চাঁদপুর, একতারপুর, কানাইডাঙ্গা।
বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা - ২০ জন।
অবস্থান ও সীমানা
মহেশপুর উপজেলার অন্যতম ইউনিয়ন ফতেপুর এবং ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ফতেপুরেই অবস্থিত। ঝিনাইদহ হতে ফতেপুরের দূরত্ব প্রায় ৫০কি.মি.। খালিশপুরের ৩ কি.মি. পশ্চিমে ফতেপুর বাসস্টেশন। মহেশপুর সদর হতে উত্তরদিকে ফতেপুরের দূরত্ব ৭ কি.মি.।
উত্তরে-জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউপি,পূর্ব-মহেশপুর উপজেলা ১নং এসবিকে ইউপি,
দক্ষিণে-মহেশপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে-জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউপি অবস্থিত।
নামকরণ ও ইতিহাস
ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার অন্তর্গত ফতেপুর একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জনপদ। মহেশপুর উপজেলার অন্যতম ইউনিয়ন ফতেপুর এবং ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ফতেপুরেই অবস্থিত। ঝিনাইদহ হতে ফতেপুরের দূরত্ব প্রায় ৫০কি.মি.। খালিশপুরের ৩ কি.মি. পশ্চিমে ফতেপুর বাসস্টেশন। মহেশপুর সদর হতে উত্তরদিকে ফতেপুরের দূরত্ব ৭ কি.মি.। ফতেপুর নামকরণ সম্বন্ধে সঠিক প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া যায় না। বাংলার পরবর্তী ইলিয়াস শাহী বংশের অন্যতম সুলতান ছিলেন | জালালউদ্দিন আবুল মুজফফর ফতেহ শাহ (১৪৮১-১৪৮৭ খ্রি.) আবুল ফজল প্রণীত 'তাবাকাত ই আকবরি’ গ্রন্থে লিখিত আছে, তিনি ছিলেন বুদ্ধিমান ও উদার শাসক । ফতেহ শাহ রাজত্ব করেন সাত বছর ৫ মাস। বৃহত্তর যশোর তাঁর রাজ্যভুক্ত ছিল। পক্ষিণবঙ্গ পরিভ্রমণকালে তিনি কপোতাক্ষ নদ তীরবর্তী ফতেপুর এসে সাময়িক আস্তানা করে এখানে অবস্থান করেন কিছুদিন। সে হতে এ স্থানের নামকরণ হয় ফতেপুর । 'পুর’ শব্দের অর্থ জনববসতি স্থান। ক্ষেত্রানুসন্ধানকালে (১৪-০১-২০০৮) আমি এ কথা | শুনতে পারি জনৈক প্রবীণ ব্যক্তির নিকট থেকে। ফতেপুর নামকরণ সম্বন্ধে এ তথ্য যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয়। কেননা বাংলার ইতিহাসে সুলতান ফতেশাহর নাম পাওয়া যায়। সে হতে এ স্থানের নামকরণ ফতেপুর হয়েছে এবং সে নামেই ফতেপুর মৌজা ও ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত। এখানে ফতেপুর ইউনিয়নের সরকারি ভূমি রাজস্ব অফিস আছে। ভূমিহীনদের একটি আশ্রয়ণ কেন্দ্রও আছে এখানে। পাকিস্তান আমলে এখানে বাজার ছিল, যাকে বলা হতো হাটখোলা। কালীগঞ্জ থেকে জীবননগরের (চুয়াডাঙ্গা জেলায়) দিকে যে পাকা সড়ক চলে গেছে, সেই সড়কের আধা কি.মি. দক্ষিণে ফতেপুর বাজার অবস্থিত। রবিবার ও বুধবারে সাপ্তাহিক হাট বসে এখানে। বাজারের দক্ষিণ-পূর্ব | দিকে ফতেপুর বাওড়। এখানে একটি মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র আছে।
ফতেপুর বাওড়ের মাঝখানে দ্বীপাকারে একটি গ্রাম বিদ্যমান। গ্রামের নাম বেড়েরমাঠ। এ এ চারদিকে জল সেজন্য গ্রামের নাম বেড়েরমাঠ বলে স্থানীয় লোকের ধারণা। ফতেপুরে আছে একটি সরকারি স্বাস্থ্য সেবা ক্লিনিক। প্রসূতি মহিলাদের সেবা ও শুশ্রূষা দেয়া এ ক্লিনিকের মাধ্যমে।
ফতেপুর চ্যাটার্জী পরিবার অত্র অঞ্চলে উচ্চ শিক্ষিত পরিবার হিসেবে পরিচিত ছিল। ব্রিটিশ আমলে এ পরিবারে ৫ জন জজ ছিলেন বলে শোনা যায়। অমূল্য গোপাল চ্যাটার্জী ছিলেন কলকাতা জজকোর্টের একজন নামকরা জজ (বিচারক), তিনি নাকি ব্যারিস্টার ছিলেন। সে কারণে তিনি হতে পেরেছিলেন কলকাতা জজ কোর্টের অন্য একজন নামকরা জজ (বিচারক)। ফতেপুরে এ-পরিবারের সুরম্য পাকা বাড়ি ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সকলে ভারতে চলে যান। ফতেপুর বকুলতলায় বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে কপোতাক্ষ নদীর তীরে একটি পুরাতন বাড়ি আছে। এই বাড়ি চ্যাটার্জীদের বাড়ি নামে পরিচিত, এছাড়াও মুখার্জীদের একটি বাড়ি দেখা যায় এখানে এই মুখার্জী পরিবারে ৩ জন ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ফতেপুরে নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের একটি কাচারি ছিল। সেজন্য এই জায়গাটির নাম হয়েছে কৃষ্ণচন্দ্রপুর । পরিত্যক্ত বাসভবন ভূমিহীনদের আশ্রয় কেন্দ্রে পরিণত করা হয়। বর্তমানে এ বাড়িতে বসবাস করছে কয়েকটি ভূমিহীন পরিবার। ভারত থেকে আগত মোহাজেরদের একটি কলোনি আছে নিমতলা নামক স্থানে।
ফতেপুরে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। সামছুদ্দিন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যাল। (স্থাপিত-১৯৮৪)। ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফতেপুর দাখিল মাদরাসা (স্থাপিত-২০০৩ সাল)। গাজীরন্নেছা নিম্নমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত ২০০৮ সালে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাতা ফতেপুরের আব্দুর রহমানের অগ্রণী ভূমিকা ছিল। ব্রিটিশ আমলে ফতেপুর ছিল হিন্দুপ্রধান গ্রাম। নানা ধরনের পূজা-পার্বণ অনুষ্ঠিত হতে এখানে মহাধুমধামে। চৈত্র সংক্রান্তিতে চড়ক পূজা এখানে পালিত হয় বেশ সাড়ম্বরে। শৈবভক্ত হিন্দুরা চড়ক পূজার আয়োজন করে থাকেন প্রতিবছর। কোনো ভক্তের পিঠে বড় বড়শি ফুটিয়ে চড়ক ঘুরানো হয় চড়ক পূজার সময়। ২রা বৈশাখে চড়ক ঘুরানো হয় চড়ক গাছ তলায়। দূর দূরান্ত থেকে শৈবভক্ত হিন্দুদের আগমনে ঘটে রক্ত ঝরা চড়ক পূজায়। পূজা উপলক্ষে ৩ দিন মেলা বসে ফতেপুর বাজারে। এটা তাদের জন্য গৌরবের বিষয় বলে মনে করে। চড়ক ঘুরিয়ে শরীরের রক্ত ঝরানো চড়ক পূজা। ঝিনাইদহ জেলায় আর কোথায়ও পালিত হয় না। শুধুমাত্র ফতেপুরেই হিন্দুরা এ ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন যুগ যুগ ধরে।
(ঝিনাইদহ জেলার ইতিহাস পরিক্রমা বই থেকে সংগৃহীত)
শিক্ষা ব্যবস্থা
২০১৬ শিক্ষা জরিপ অনুসারে ফতেপুর ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৭৫%।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়- ১১টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়- ০২টি
মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়- ০১টি
সরকারি ডিগ্রি কলেজ- ০১টি
বে-সরকারি ডিগ্রি কলেজ- ০১টি
দাখিল মাদরাসা- ০১টি
হাফিজিয়া মাদরাসা- ০১টি।
কলেজ
১। মহেশপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
২। শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ, ফতেপুর, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
মাধ্যামিক বিদ্যালয়
১। শামছুদ্দিন সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফতেপুর, কানাইডাঙ্গা, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
২। ফতেপুর গাজীরণনেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, কানাইডাঙ্গা, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
৩। পুরন্দরপুর মডেল একাডেমী, খালিশপুর, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
প্রাথমিক বিদ্যালয়
০১। ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
০২। নিমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
০৩। বেড়েরমাঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
০৪। যোগীহুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
০৫। সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
০৬। পূর্ব পুরন্দরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
০৭। পশ্চিম পুরন্দরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
০৮। কৃষ্ণচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
০৯। রাখালভোগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
১০। কানাইডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
১১। একতারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
মাদরাসা
০১। ফতেপুর দাখিল মাদরাসা, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
কিন্ডারগার্টেন
০১। সানরাইজ কিন্ডারগার্টেন স্কুল।
অন্যান্য প্রতিষ্ঠান
কেবলস্, পোল, মিটার ও কোল্ড স্টোরেজ ফ্যাক্টারি-১টি।
সিরামিকস্ ফ্যাক্টারি-১টি,
ইট ভাটা- ০৫টি ও
ফিলিং স্টেশন-১টি।
যোগাযোগ ব্যবস্থা
ফতেপুর ইউনিয়নে যোগাযোগের প্রধান সড়ক হল কালিগঞ্জ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়ক। এ সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল করে। ইউনিয়নের অন্যান্য সড়কগুলোর প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, ভ্যান, ইজিবাইক, করিমন, আলমসাধু।
ধর্মীয় উপাসনালয়
ফতেপুর ইউনিয়নে ৫৪টি মসজিদ, ১১টি ঈদগাহ , ৭টি মন্দির ও ১টি এতিমখানা রয়েছে।
খাল ও নদী
কপোতাক্ষ নদ
হাট-বাজার
হাট-বাজার সংখ্যা - ০৩ টি, (ফতেপুর বাজার, শিশুতলা বাজার ও ভাটামতলা বাজার)।
দর্শনীয় স্থান
ফতেপুর পুরাতন জমিদার বাড়ি ও পুরন্দরপুর বেড়েপীর সাহেবের দরগাহ্।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
এস.এম মনিরুজ্জামান - বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক।
জনপ্রতিনিধি
বর্তমান চেয়ারম্যান: জনাব মােঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ
চেয়ারম্যানগণের তালিকা:
আরও দেখুন
মহেশপুর উপজেলা
ঝিনাইদহ জেলা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
ওয়েবসাইট
খুলনা বিভাগের ইউনিয়ন
ঝিনাইদহ জেলার ইউনিয়ন |
শান্তিলাল মুখার্জি বা শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।
জীবনী
শান্তিলাল কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।খুব অল্প বয়সে তার বাবা মারা যান।তিনি সারসুনা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করেন।তিনি নয়া আলিপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পাশ করেন।তিনি স্নাতক করেন আশুতোষ কলেজ থেকে। অভিনেতা রমাপ্রসাদ বণিক তার অভিনয় জীবনের গুরু।
চলচ্চিত্রের তালিকা
রসগোল্লা (২০১৯)
গোয়েন্দা তাতার (২০১৯)
ভাইজান এলো রে (২০১৮)
হইচই আনলিমিটেড (২০১৮)
নীলাচলে কিরীটী (২০১৮)
পরী (২০১৮) ... পুলিশ ইন্সপেক্টর
আমার আপনজন (২০১৭)
বেপরোয়া (২০১৬)
গ্যাংস্টার (২০১৬)
এম.এস. ধনী: দ্যা আনটোল্ড স্টোরি (২০১৬) ... সরকার
ব্যোমকেশ ও চিড়িয়াখানা (২০১৬)
ব্যোমকেশ বকশী (২০১৫)
চতুষ্কোণ (২০১৩)
পেন্ডুলাম (২০১৪
দ্য রয়েল বেঙ্গল টাইগার (চলচ্চিত্র) (২০১৪)
চিরদিনই তুমি যে আমার ২(২০১৪)
বাড়ি তার বাংলা(২০১৪)
কাঙাল মালসাট (২০১৩)
কানামাছি (২০১৩)
ছায়াময় (২০১৩)
কিডনাপার (২০১৩)
লে হালুয়া লে (২০১২)
মাচো মাস্তানা (২০১২)
কাহানী (২০১২)
মনের মানুষ (২০১০)
কালের রাখাল (২০০৯)
চাওয়া পাওয়া (২০০৯)
কালবেলা (২০০৯)
অনুরণন (২০০৬)
শিকার (২০০৬)
অন্তরমহল (২০০৫) কণ্ঠশিল্পী
বাদশা দা কিং (২০০৪)
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা
জীবিত ব্যক্তি
বাঙালি অভিনেতা
২১শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেতা
পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা
বাঙালি থিয়েটার ব্যক্তিত্ব
আশুতোষ কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
বাঙালি টেলিভিশন অভিনেতা
কলকাতার অভিনয়শিল্পী |
উত্তর বাড্ডা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগরীর বাড্ডা থানার একটি উল্লেখযোগ্য আলিয়া মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটির দাখিল ও আলিম স্তর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, এবং ফাজিল ও কামিল স্তর ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এটি গুলশান-বাড্ডা অঞ্চলের অন্যতম কামিল মাদ্রাসা। এটি ১৯৬৯ সালে আলহাজ্ব মুহাম্মাদ চান মিয়া নামক এক ব্যক্তি প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসার বর্তমান অধ্যক্ষের নাম আনোয়ার হোসেন মোল্লা। মাদ্রাসাটিতে ৫০ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও প্রায় ১০০০ শিক্ষার্থী রয়েছে।
ইতিহাস
ঢাকা শহরে আধুনিক ইসলামি শিক্ষার বিস্তার ঘটানোর জন্য মাদ্রাসাটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাদ্রাসাটি নির্মাণের জন্য যারা জমি দান করেছেন, এদের মধ্যে শোনা মিয়া মাতব্বর, আব্দুল হাকিম মুন্সি, মুহাম্মাদ নুরুল হক, আমিনুল হক উল্লেখযোগ্য। মাদ্রাসাটির প্রাথমিক পর্যায়ে প্রথম অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মোহা. খলিলুর রহমান, তিনি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ব্যপারেও অগ্রগামী সদস্য হিসাবে কাজ করেছিলেন। মাদ্রাসাটি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক ১৯৭৭ সালে দাখিল স্তরের ও ১৯৮২ সালে আলিম স্তরের অনুমতি লাভ করে। এরপরে তৎকালীন অধ্যক্ষ ও ইসলামি ব্যক্তিদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক ১৯৮৪ সালে ফাজিল ও ১৯৯৭ সালে কামিল শ্রেণীর অনুমতি লাভ করে। তাছাড়া ১৯৯৯ সালে মাদ্রাসাটির দাখিল স্তরে ও পরবর্তীতে আলিম স্তরে বিজ্ঞান বিভাগ চালু করা হয়।
এরপরে বাংলাদেশের সরকার আলিয়া মাদ্রাসার ডিগ্রির উন্নয়ন ঘটানোর জন্য মাদ্রাসার ফাজিল ও কামিল স্তরকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সেই হিসাবে ২০০৬ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করে আলিয়া মাদ্রাসাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ঘোষণা করা হয়। তখন দেশের এই মাদ্রাসার ফাজিল ও কামিল স্তর কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি লাভ করে। এরপরে সরকার মাদ্রাসার জন্য আলাদা এফেলিয়েটিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে, সেই হিসাবে ২০১৬ সালে মাদ্রাসাটি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি লাভ করে।
২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার মাদ্রাসাটি পরিদর্শনে আসে এবং মাদ্রাসাটির প্রশংসা করে।
শিক্ষা কার্যক্রম
মাদ্রাসাটিতে আলিয়া মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণী থেকে শুরু করে কামিল শ্রেণী পর্যন্ত রয়েছে। এবং মাদ্রাসাটি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক প্রণীত সিলেবাস অনুসরণ করে থাকে। এই সিলেবাস অনুসারে এখানে কুরআন, হাদিস, ফিকাহ, ইংরেজি, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল, অর্থনীতি, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন এরকম নানা বিষয় পড়ানো হয়। মাদ্রাসার দাখিল ও আলিম স্তরে সাধারণ ও বিজ্ঞান উভয় বিভাগে পাঠদান করা হয়। এবং মাদ্রাসার ফাজিল স্তরে আল কুরআন, হাদিস, দাওয়াহ বিষয়ে পাঠদান করা হয় এবং মাদ্রাসার কামিল স্তরে আল কুরআন ও আল হাদিস বিভাগ রয়েছে। মাদ্রাসাটি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্বারা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
ফেসবুকে উত্তর বাড্ডা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা
হোসেন্দী দাখিল মাদরাসা
সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা
১৯৬৯-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
১৯৬৯-এ পূর্ব পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত
বাংলাদেশের কামিল মাদ্রাসা
ঢাকা জেলার আলিয়া মাদ্রাসা
ঢাকা মহানগরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান |
ত্রিপুরা উপজাতি যুব সমিতি ("ত্রিপুরা উপজাতীয় যুব সমিতি") ১৯৭৭-২০০১ সাল পর্যন্ত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি রাজনৈতিক দল ছিল। ১৯৮৮-৯৩ সময়কালে, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ত্রিপুরা বিধানসভায় টিইউজেএস-এর সাথে একটি জোট সরকার গঠন করে।
২০০১ সালে, টিইউজেএস বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং বিভক্ত হয়ে টুইপ্রার আদিবাসী জাতীয়তাবাদী দল এবং ত্রিপুরার আদিবাসীদের ফ্রন্ট গঠন করে।
নির্বাচনী ইতিহাস
১৯৮৮ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস -টিইউজেএস জোট একসঙ্গে ৬০টির মধ্যে ৩২টি আসন জিতেছিল।
উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দ
শ্যামা চরণ ত্রিপুরা
হরিনাথ দেববর্মা
নগেন্দ্র জামাতিয়া
দ্রাও কুমার রিয়াং
বুধা দেববর্মা
গৌরী সংকর রেয়াং
রতি মোহন জামাতিয়া
রবীন্দ্র দেববর্মা
দিবা চন্দ্র হ্রাংখাওল
তথ্যসূত্র
ত্রিপুরার বিলুপ্ত রাজনৈতিক দল
১৯৬৭-এ প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল
২০০১-এ বিলুপ্ত রাজনৈতিক দল
১৯৬৭-এ ত্রিপুরায় প্রতিষ্ঠিত |
জিনা পালানিল্কুমকালাইল স্কারিয়া (জন্ম ৯ই জানুয়ারি ১৯৯৪) হলেন একজন ভারতীয় পেশাদার বাস্কেটবল খেলোয়াড় এবং অনুশীলনকারী খ্রিস্টান। তিনি পি এস জিনা নামেও পরিচিত। তিনি ভারতের মহিলা জাতীয় বাস্কেটবল দলের অধিনায়ক। তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি অস্ট্রেলীয় এ ডিভিশন বাস্কেটবল লিগে খেলেছেন।
খেলোয়াড়ি জীবন
জিনা তাঁর সহকর্মী কেরালীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় গীথু আনা জোসকে তাঁর আদর্শ হিসাবে বিবেচনা করেন। জিনা কান্নুরের স্পোর্টস ডিভিশনের হয়ে বাস্কেটবল খেলেন। ২০০৯ সালে অনূর্দ্ধ ১৬ ফিবা (এফআইবিএ) এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি তাঁর প্রথম আন্তর্জাতিক ডাক পান। পরে তিনি কান্নুরের কৃষ্ণমেনন কলেজ, এবং কান্নুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে কলেজ বাস্কেটবল খেলেন। জিনা, যিনি ১৬ বছর বয়সে রাজ্য দলের হয়ে খেলেছিলেন, ২০০৯ সালে এশিয়ান বাস্কেটবল টুর্নামেন্টে তাঁর ভারতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল। ২০১২ সালে, তিনি মালয়েশিয়ার জোহর বাহুরে মহিলাদের জন্য অনূর্দ্ধ ১৮ ফিবা এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেওয়া ভারতের জুনিয়র মহিলা দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন। এটি ছিল তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনের একটি "অভূতপূর্ব মুহূর্ত"। তিনি পুরো টুর্নামেন্টে গড়ে প্রতি খেলায় ২০.২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়-সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। তাঁর সামনে ছিলেন একমাত্র চীনের ওয়াং কেওয়াই। জিনা প্রতি গেমে গড়ে ১৩.৬ রিবাউন্ড করে রিবাউন্ডে টুর্নামেন্টে নেতৃত্ব দেন। ২০১৭ সালে কেরালায় দলকে তাদের প্রথম সিনিয়র ন্যাশনাল জেতাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান বাস্কেটবল দল রিংউড লেডি হকস জিনাকে স্বাক্ষর করিয়ে তাঁর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি অস্ট্রেলীয় এ ডিভিশন লিগে খেলেছেন। তিনি কেরালা স্টেট ইলেকট্রিসিটি বোর্ডে সিনিয়র সহকারী হিসেবে কাজ করেন।
ব্যক্তিগত জীবন
তিনি বয়নাড় জেলার প্যান্টিপয়িল, বাপ্পানামালায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বাবা ও মায়ের নাম যথাক্রমে পালানিলকুমকালা স্কারিয়া জোসেফ এবং লিজি। তাঁর স্বামী হলেন জ্যাকসন জনসন, যিনি চালকুড়ির একজন বাসিন্দা এবং কেএসবি-এমএনসি-তে একজন ক্রয় প্রকৌশলী। ২০২০ সালের ৪ঠা জুলাই তাঁদের বিয়ে হয়েছিল।
পুরস্কার ও সম্মাননা
২০২০: জাতীয় সিনিয়র বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট - সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
কেরালা রাজ্য অ্যাথলেটিক্স প্রোফাইল
দক্ষিণ এশীয় গেমসে স্বর্ণপদক বিজয়ী ভারতীয়
এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রতিযোগী
২০শ শতাব্দীর ভারতীয় ব্যক্তি
২০শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী
কেরলের মহিলা ক্রীড়াবিদ
জীবিত ব্যক্তি
১৯৯৪-এ জন্ম |
রেডডিচ কেন্দ্রীয় মসজিদ হল ইংল্যান্ডের রেডডিচ শহরের কেন্দ্র এলাকায় অবস্থিত একটি মসজিদ। যা রেডডিচ মসজিদ কমিটি দ্বারা পরিচালিত হয় এবং এটি রেডডিচের বৃহত্তম মুসলিম কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি।
মসজিদটি সমস্ত ধর্মীয় অনুষঙ্গ, পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য উন্মুক্ত এবং এর প্রধান প্রার্থনা হলগুলি বর্তমানে একটি জুমার নামাজ সময় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ জন মুসল্লী এক সাথে আদায় করতে পারে। অনেক মুসল্লী দৈনিক ৫ বার নির্ধারিত সময় নামাজ এবং ঈদের মতো ধর্মীয় উৎসবে অনুষ্ঠিত একাধিক পরিষেবার সময় মসজিদের দরজা দিয়ে হেঁটে যায়।
ইতিহাস
রেডডিচ কেন্দ্রীয় মসজিদ-ই-নূর (রেডডিচ মসজিদ ট্রাস্ট) ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে ট্রাস্টিরা ইসমোর রোড, রেডডিচ-এ একটি পুরানো অব্যবহৃত খালি জায়গায় কিনে। ২০২২ সালের মার্চ মাসে, এটিকে ভবণ তৈরি করার পরিকল্পনা অনুমোদিত পায়।
১৯৮০ এর দশক থেকে মুসলিম সম্প্রদায় রেডডিচে যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ক্রমবর্ধমান সংখ্যক উপাসকদের থাকার জন্য একটি নতুন মসজিদের প্রয়োজন ছিল। ২০০৩ সালে রেডডিচ জিন্নাহ রোডে ( মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ নামে নামকরণ করা হয়) একটি নতুন সাইট কেনার জন্য মসজিদের ট্রাস্টিরা অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন। সাইটটি আগে রয়্যাল এনফিল্ডের হাতে ছিল। £১৫ লক্ষ ব্যয়ে মসজিদের কাজ শুরু হয় ২০০৫ সালে থেকে এবং কাজ শেষ হয় ২০১৬ সালে দিকে
তথ্যসূত্র
ইংল্যান্ডের মসজিদ |
কঙ্কাবতী দেবী (জন্ম: ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দ - মৃত্যু: ২১ জুন ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দ) একজন গায়িকা এবং অভিনেত্রী ছিলেন।
প্রথম জীবন
কঙ্কাবতী দেবীর জন্ম হয় বিহারের মজঃফরপুরে। পিতা গঙ্গাধরপ্রসাদ সাহু ছিলেন সঙ্গীতরসিক। বাড়ির পরিবেশের প্রভাবে ছোটবেলা থেকে সঙ্গীতের প্রতি কঙ্কাবতীর আকর্ষণ দেখা দেয়। বেথুন কলেজে বি এ পড়বার সময় তিনি রবীন্দ্রনাথের সংস্পর্শে আসেন এবং জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে তার সাথে 'গৃহপ্রবেশ' নাটকের মাসির ভূমিকায় অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন। এম এ পড়বার সময় অসুস্থতার জন্য পড়াশোনায় ছেদ পড়ে এবং রঙ্গমঞ্চে যোগদানের সিদ্ধান্ত করেন।
অভিনয় জীবন
শিশিরকুমার ভাদুড়ীর সাথে 'দিগ্বিজয়ী' নাটকে ভারত নারীর ভূমিকায় অভিনয় থেকে তার পেশাদারী অভিনয় জীবনের শুরু হয়। এরপর 'সীতা', 'যোগাযোগ', 'পল্লীসমাজ', 'টকী অফ টকীজ', 'চন্দ্রগুপ্ত' প্রভৃতি নাটকে শিশিরকুমারের সহঅভিনেত্রীরূপে অভিনয়জগতে খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৩০ খ্রীষ্টাব্দে শিশিরকুমারের দলের সাথে আমেরিকা যান। শিশিরকুমারের পরিচালিত কয়েকটি চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন।
'চাণক্য' চলচ্চিত্রটির কাজ সমাপ্ত হওয়ার আগেই ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দের ২১ জুন কঙ্কাবতীর মৃত্যূ হয়।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
আইএমডিবি তে কঙ্কাবতীর জীবনী
১৯০৩-এ জন্ম
১৯৩৯-এ মৃত্যু
বাঙালি অভিনেত্রী |
তুষভান্ডার জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট জেলার অন্তর্গত কালীগঞ্জ উপজেলার এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি।
ইতিহাস
প্রায় চারশত বৎসর আগে এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুরারিদেব ঘোষাল ভট্টাচার্য। তিনি ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ। মহারাজা প্রাণ নারায়ণের শাসনামলে তিনি চব্বিশ পরগনা জেলা হতে কোচবিহারে আসেন "রসিক রায় বিগ্রহ" নিয়ে (এটি একটি ধর্মীয় বিষয়)। তখনকার সময় ধর্মীয় কাজের জন্য ভূমি দান করার প্রথা ছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজা তাকে "বিগ্রহ পূজা" করার জন্য ৯টি মৌজা দান করেন। কিন্তু তিনি তা ভোগ করতে অাপত্তি জানান কেননা তিনি ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ। পরে আবশ্যক রাজাকে সেই সম্পত্তি ভোগের উপর খাজনা নেওয়ার জন্য বলেন। রাজা রাজী হলেন, তবে খাজনা হিসেবে ধানের তুষ নেওয়ার জন্য। যার ফলে খাজনা স্বরূপ কোচবিহার রাজ্যকে ধানের তুষ দেওয়া লাগতো। এই তুষ সংগ্রহ করা হত পুরো জমিদারি এলাকা হতে এবং তা জমানো হতো জমিদার বাড়ির পূর্ব পাশে। এই কারণেই এই জমিদার বাড়ির নাম হয় তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ি। এই জমিদার বাড়িটি যে থানায় অবস্থিত অর্থাৎ কালীগঞ্জ থানায়। এই কালীগঞ্জ থানাটির নামকরণ করা হয়েছে এই জমিদার বংশের এক জমিদারের নামে। তিনি ছিলেন জমিদার কালী প্রসাদ রায় চৌধুরী। কালী প্রসাদ রায় চৌধুরী ছিলেন একজন ধর্মপরায়ণ ও সমাজসংস্কারক। ১৬৩৪ সালে এই জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর প্রায় চারশত বছর পর এই তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ির সমাপ্তি ঘটে জমিদার গিরিন্দ্র মোহন রায় চৌধুরীর মৃত্যুর পর ১৯৩৫ সালে।
বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ধ্বংসের মুখে। অযত্ন ও অবহেলার কারণে প্রাসাদের দেয়ালগুলোর ভাঙ্গন ধরেছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা
ঢাকা থেকে লালমনিরহাটের দূরত্ব প্রায় ৩৭২ কিঃ মিঃ। বাস বা রেল পথে লালমনিরহাট হয়ে তুষভান্ডার নামক জায়গা যাওয়া যায়। আর লালমনিরহাট জেলা হতে তুষভাণ্ডার জমিদার বাড়ির দূরত্ব ৩১ কিঃ মিঃ।
আরো দেখুন
জমিদার বাড়ি
তথ্যসূত্র
লালমনিরহাট জেলার দর্শনীয় স্থান
১৬৩৪-এ প্রতিষ্ঠিত
ঐতিহাসিক স্থান |
গানস অ্যান্ রোজেস () হল একটি মার্কিন হার্ড রক ব্যান্ড। ১৯৮৫ সালে লস অ্যাঞ্জেলস শহরে এই ব্যন্ডটি গঠিত হয়। এর ক্লাসিক লাইন-আপটি গঠিত হয় ভোকালিস্ট অ্যাক্সেল রোজ, লিড গিটারিস্ট স্ল্যাশ, রিদম গিটারিস্ট ইযি স্টারডিন, বেস ডাফ ম্যাকগান এবং ড্রামার স্টিভেন অ্যাডলারকে নিয়ে। ১৯৮৬ সালে তারা গ্রিফিন রেকর্ডের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। বর্তমানে অ্যাক্সেল রোজই একমাত্র আগের সদস্য হিসেবে ব্যান্ড এ রয়েছে।
টীকা
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
লস অ্যাঞ্জেলেসের সঙ্গীত দল
মার্কিন সঙ্গীত দল
গেফেন রেকর্ডসের শিল্পী |
নওগাঁ পৌরসভা বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার অন্তর্গত 'ক' শ্রেণির একটি পৌরসভা।
অবস্থান ও সীমানা
প্রশাসনিক এলাকা
ওয়ার্ডঃ ০৯ টি
মহল্লাঃ ৫৬ টি
আয়তন ও জনসংখ্যা
মোট আয়তনঃ ৩৮.৩৬ বর্গ কি.মি.
মোট জনসংখ্যাঃ ১,৫০,০২৫ জন
শিক্ষার হার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
শিক্ষার হারঃ ৬২%
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ
কিন্ডার গার্ডেন স্কুল - ১০ টি
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় - ৩০ টি
উচ্চ বিদ্যালয় - ১২ টি
বালিকা বিদ্যালয় - ০৫ টি
মাদ্রাসা - ২৪ টি
মহাবিদ্যালয় - ০৩ টি
মহিলা মহাবিদ্যালয় - ০১ টি
বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ - ০১ টি
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট - ০১ টি
ভকেশনাল ইনস্টিটিউট - ০১ টি
কামিল মাদরাসা - ০১ টি
জনপ্রতিনিধি
বর্তমান মেয়রঃ নজমুল হক সনি (২০১৬ - )
আরও দেখুন
নওগাঁ সদর উপজেলা
নওগাঁ জেলা
রাজশাহী বিভাগ
তথ্যসূত্র
নওগাঁ জেলার পৌরসভা
১৯৬৩ -এ প্রতিষ্ঠিত |
নিক জুনিয়র () হল একটি আমেরিকান পে টেলিভিশন চ্যানেল যা একই নামের নিকেলোডিয়নর দীর্ঘ-চলমান প্রোগ্রামিং ব্লক থেকে শুরু হয়েছে। এটি প্যারামাউন্ট গ্লোবাল তার নেটওয়ার্ক বিভাগর বাচ্চাদের এবং পারিবারিক গোষ্ঠীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। চ্যানেলটি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯-এ চালু হয় এবং প্রাথমিকভাবে প্রি-স্কুলদের লক্ষ্য করে। এর লাইনআপে নিকেলোডিয়ন উইকডে ব্লকের সিরিজ সহ মূলত উৎপাদিত প্রোগ্রামিংয়ের মিশ্রণ রয়েছে; দুটি সত্তার কারণে, নিক জুনিয়রকে "দ্য নিক জুনিয়র চ্যানেল" (মার্চ ২০১৮ অনুসারে) হিসাবে বিভ্রান্তি এড়াতে পরিচিত হয়, বিশেষ করে দিনের এমন সময়ে যেখানে উভয় পরিষেবাই প্রি-স্কুল প্রোগ্রামিং বহন করে।
চ্যানেলটি নোগিনকে প্রতিস্থাপন করেছে, যা ২০১৫ সালে একটি স্ট্রিমিং পরিষেবা হিসাবে পুনরায় চালু করা হয়েছিল এবং একটি পৃথক ভগিনী মার্কা হিসাবে কাজ করেছে। নোগিনের অনুষ্ঠান নিক জুনিয়র চ্যানেলের থেকে আলাদা: এটি মূলত তার চালুর সময় প্রাক-কিশোর-ভিত্তিক অনুষ্ঠানগুলি বহন করে, এবং এর ২০১৫ স্ট্রিমিং পরিষেবাতে বিভিন্ন ধরনের একচেটিয়া ধারাবাহিকের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মে ২০২১ থেকে মার্চ ২০২২ পর্যন্ত, নিক জুনিয়র চ্যানেলটি প্রতি শুক্রবার নোগিন অ্যাপ থেকে এক ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠান সম্প্রচার করেছে। "নোগিন প্রেজেন্টস" শিরোনামের ব্লকটি নোগিন নোস এবং কিন্ডারউডের মতো বৈশিষ্ট্যযুক্ত অনুষ্ঠান।
ইতিহাস
তথ্যসূত্র
নিক জুনিয়র
২০০৯-এ প্রতিষ্ঠিত টেলিভিশন চ্যানেল ও স্টেশন
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা টেলিভিশন নেটওয়ার্ক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন নেটওয়ার্ক
নিকেলোডিয়ন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইংরেজি ভাষার টেলিভিশন স্টেশন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিশুতোষ টেলিভিশন চ্যানেল
২০০৯-এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত |
জাতীয় সড়ক ৬০ বা ৬০ নং জাতীয় সড়ক ভারতের একটি জাতীয় সড়ক। এই সড়কটি বালাসোরে ৫ নং জাতীয় সড়কের জংশন থেকে ২ নং জাতীয় সড়ক পর্যন্ত প্রসারিত। এই সড়ক জলেশ্বর, দাঁতন, বেলদা, খড়গপুর, শালবনী, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, গঙ্গাজলঘাটি, মেজিয়া ও রাণীগঞ্জের উপর দিয়ে গেছে।
চাঁদিপুর বালাসোর থেকে ১৭ কিলোমিটার (১১ মাইল) দূরে অবস্থিত। শেওড়াফুলি-কামারকুণ্ডু-তারকেশ্বর-আরামবাগ রোড বিষ্ণুপুরে ৬০ নং জাতীয় সড়কের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। দুর্গাপুর-বাঁকুড়া রোড (৯ নং রাজ্য সড়ক) বাঁকুড়ায় ৬০ নং জাতীয় সড়কের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। ৬০ নং জাতীয় সড়কের দৈর্ঘ্য ৩০৫ কিলোমিটার (১৯৫ মাইল); এর মধ্যে ৫৭ কিলোমিটার (৩৫ মাইল) ওড়িশায় এবং ২৪৮ কিলোমিটার (১৫৪ মাইল) পশ্চিমবঙ্গে।
মনে করা হচ্ছে, পূর্বতন উড়িষ্যা ট্রাঙ্ক রোডের চার লেন-করণ বালেশ্বর জেলার বন্যার কারণ।
পাদটীকা
আরও দেখুন
ভারতের জাতীয় সড়কগুলির তালিকা
জাতীয় সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা
৬০
৬০
৬০
বীরভূম জেলার পরিবহন |
এসো আলবেন একজন ভারতীয় ট্র্যাক সাইক্লিস্ট। ভারতীয় মূলভূখন্ড থেকে ১৪০০ কিলোমিটার দূরে ভারত মহাসাগরের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে তার জন্ম। তার বাবা আলবান ডিডুস ফায়ার ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মচারী এবং সক্রিয় সাইক্লিস্ট ছিলেন। এসোর মা লিলি কল্অবান ছিলেন একজন কাবাডি খেলোয়াড় যিনি ১৯৮৪-র জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। তারই উতসাহে এসো স্টেট স্পোর্টস কাউন্সিল নেতাজি স্টেডিয়াম-এ খেলাধূলার জন্যে যুক্ত হন।
তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি সুইজারল্যান্ডের আইগ্লে অনুষ্ঠিত ২০১৮ ইউসিয়াই জুনিয়র ট্র্যাক সাইক্লিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে কেইরিন ইভেন্ট রৌপ্য পদক জয় করেন। সেই বছরেই তিনি টিম স্প্রিন্ট, কেইরিন এবং ২০০মিটার টাইম ট্রায়াল ইভেন্টে মালয়েশিয়ার নিলাই-তে অনুষ্ঠিত জুনিয়র এশিয়ান ট্র্যাক সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপে তিনটি স্বর্ণ-পদক জয় করেন। ২০১৯ সালে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত জুনিয়র এশিয়ান ট্র্যাক সাইক্লিং চ্যাম্পিয়নশিপে এসো স্প্রিন্ট, টিম স্প্রিন্ট এবং কেইরিন-এ তিনটি স্বর্ণ পদক জয় করেন। একই বছর এসো তার সতীর্থ রোনালদো সিং লাইটনজ্যাম এবং রজিত সিং ইয়াংলেম এর সাথে জার্মানির ফ্রানকফুর্টে আয়োজিত ২০১৯ ইউসিয়াই জুনিয়র ট্র্যাক সাইক্লিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে এ টিম স্প্রিন্ট ইভেন্টে স্বর্ণ পদক জয় করেন। একই চ্যাম্পিয়নশিপ স্প্রিন্ট ইভেন্টে রৌপ্য এবং কেইরিন ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জয় করেন।
তথ্যসূত্র
জীবিত ব্যক্তি
ভারতীয় পুরুষ ক্রীড়াবিদ
ট্র্যাক সাইক্লিস্ট
২০০১-এ জন্ম
এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রতিযোগী
কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রতিযোগী |
পিলানি () ভারতের রাজস্থান রাজ্যের ঝুনঝুনুন জেলার একটি শহর ও পৌরসভা এলাকা।
ভৌগোলিক উপাত্ত
শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল । সমুদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ২৭৯ মিটার (৯১৫ ফুট)।
জনসংখ্যার উপাত্ত
ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে পিলানি শহরের জনসংখ্যা হল ২৬,২১৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫২% এবং নারী ৪৮%।
এখানে সাক্ষরতার হার ৬৯%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৯% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৫৭%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে পিলানি এর সাক্ষরতার হার বেশি।
এই শহরের জনসংখ্যার ১৪% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।
তথ্যসূত্র
রাজস্থানের শহর |
১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে সংকটের ওপর শ্বেতপত্র হলো পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ৫ই আগস্ট তারিখে প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্র। এ শ্বেতপত্রটি একটি কাগজে মুদ্রিত পুস্তিকা আকারে প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্তিকাটি প্রকাশ করেছিল পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়।
পটভূমি
ভূমিকাংশ
প্রথম অধ্যায়: সংঘর্ষের অবতরণিকা
দ্বিতীয় অধ্যায়: সংকটের ঘনীভবন
তৃতীয় অধ্যায়: পূর্ব পাকিস্তানে ত্রাসের রাজস্ব
চতুর্থ অধ্যায়: ভারতের ভূমিকা
পঞ্চম অধ্যায়: সিদ্ধান্ত
পরিশিষ্টাবলী
তথ্যসূত্র
সরকারি নথি
পাকিস্তানের সরকারি নথি
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ |
মুহাম্মাদ: নবীজির জীবনী হল ব্রিটিশ ধর্ম লেখক এবং বক্তা কারেন আর্মস্ট্রং দ্বারা মুহাম্মদের উপর লিখিত একটি জীবনীগ্রন্থ, যা ১৯৯১ সালে গোলানজ পাবলিকেশন্স দ্বারা প্রকাশিত হয়েছিল। বইটি বিশ্বের অনেক দেশেই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বইটি পড়ে মুহাম্মাদ ও পশ্চিমা বিশ্বে মুহাম্মাদ এ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
বিষয়বস্তু
বইটিতে তিনটি প্রধান একেশ্বরবাদী ধর্ম ইসলাম, খ্রিস্টান এবং ইহুদি ধর্মের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে। এটিতে বৌদ্ধ এবং হিন্দুধর্ম থেকে প্রাসঙ্গিক উদাহরণ দেখানো হয়েছে। বইটি শুধুমাত্র মুহাম্মাদের জীবন সম্পর্কে কথা বলে না বরং পশ্চিমা ও ইসলামিক বিশ্বের মধ্যে সম্পর্ক এবং দ্বন্দ্ব নিয়েও আলোচনা করে। বইটিতে পশ্চিমা মনোভাবের মুসলিম মানসিকতার উপর যে প্রভাব পড়েছে তা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে এবং বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি অনেক আধুনিক মুসলমানের বৈচিত্র্যপূর্ণ মনোভাব ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে।
নাইন-ইলিভেনের পরে আর্মস্ট্রং বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করেন এবং মুহাম্মাদ: এ প্রফেট ফর আওয়ার টাইম বইটি লিখেছেন। এটি ফর দ্য অ্যাটলাস বুকস "এমিনেন্ট লাইভস"- সিরিজের বই। এটি হার্পারকলিন্স প্রকাশনা দ্বারা ২০০৬ সালে (২৪৯ পৃষ্ঠা) প্রকাশিত হয়েছিলো।
সংস্করণ
প্রথম সংস্করণ, ১৯৯১, ভিক্টর গোলানজ লিমিটেড
প্রথম মার্কিন সংস্করণ, ১৯৯২, হার্পারসানফ্রান্সিসকো (হার্পারকলিন্স), (২৯০ পৃষ্ঠা)
পেপারব্যাক (সংশোধিত), ১৯৯৩, হারপারকলিন্স, (২৮৮ পৃষ্ঠা)
পেপারব্যাক, ২০০১, ওরিয়ন পাবলিশিং গ্রুপ, (২৮৮ পৃষ্ঠা)
কানাডায়, ওরিয়ন ইমপ্রিন্ট ফিনিক্স বইয়ের অধীনে প্রকাশিত।
যুক্তরাজ্যে, ওরিয়ন ইমপ্রিন্ট উইডেনফেল্ড এবং নিকলসনের অধীনে প্রকাশিত।
তথ্যসূত্র
মুহাম্মাদের জীবনীগ্রন্থ
অ-ইসলামিক ইসলাম শিক্ষা সাহিত্য
১৯৯১-এর বই
কারেন আর্মস্ট্রং-এর কাজ |
থুলির হল ১৯৮৭ সাল থেকে বিরতি ছাড়াই তামিলনাড়ু বিজ্ঞান ফোরাম দ্বারা তামিল ভাষায় প্রকাশিত একটি ভারতীয় মাসিক শিশুদের বিজ্ঞান পত্রিকা। এর উদ্দেশ্য হল বিজ্ঞানকে স্কুলের শিশুদের কাছে নিয়ে আসা, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। মাসিকের সদর দপ্তর চেন্নাইয়ে । থুলির শিশু ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় টিকে আছে।
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
চেন্নাইয়ের গণমাধ্যম
১৯৮৭-এ প্রতিষ্ঠিত ম্যাগাজিন
ভারতের মাসিক ম্যাগাজিন
ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ম্যাগাজিন |
কন্নড় ভাষা হল দ্রাবিড়ীয় ভাষা-পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি তামিল-কন্নড় ভাষাগোষ্ঠীর কন্নড়-বাদাগার অন্তর্গত একটি ভাষা। এটি ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের স্থানীয় এবং সরকারি ভাষা। ভারতের ২০১১ সালের জনগননা অনুযায়ী এটি মাতৃভাষীর সংখ্যা অনুসারে ভারতের ৮ম সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা
এবং ভারতে এই ভাষার বক্তার সংখ্যা ৪ কোটি ৩৭ লক্ষ যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৬১%। মাতৃভাষী বক্তার সংখ্যা অনুসারে এই ভাষাটি বিশ্বের ৩৫তম সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা।
নিচের তালিকাটি কন্নড়-ভাষী জনসংখ্যা অনুযায়ী ভারতীয় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির তালিকা।
২০১১
জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান
কর্ণাটক
মাণ্ড্য জেলা - ১৬৫৯৮২৩ (৯১.৯২%)
হাসান জেলা - ১৫৪৬২০০ (৮৭.০৪%)
চামরাজনগর জেলা - ৮৭৯০১০ (৮৬.১১%)
বাগলকোট জেলা - ১৬২৬৫৪৯ (৮৬.০৭%)
গদাগ জেলা - ৯০৮৩২২ (৮৫.৩২%)
তুমকুর জেলা - ২২৭৬১০৫ (৮৪.৯৬%)
কোপ্পাল জেলা - ১১৬৮৬৫৩ (৮৪.০৮%)
রামনগর জেলা - ৯০৩৮৪৫ (৮৩.৪৯%)
চিত্রদুর্গ জেলা - ১৩৮২৮৬০ (৮৩.৩৩%)
মহীশূর জেলা - ২৪২৯৬৩৪ (৮০.৯৬%)
দাবণগেরে জেলা - ১৫১৬০৮৪ (৭৭.৯৩%)
হাবেরী জেলা - ১২৩৪৮২১ (৭৭.২৯%)
বিজয়পুর জেলা - ১৬৩২১৪৮ (৭৪.৯৬%)
রায়চুর জেলা - ১৪৪৪০৭৪ (৭৪.৮৭%)
যাদগিরি জেলা - ৮৬৯৬১৮ (৭৪.০৬%)
চিকমাগালুর জেলা - ৮২৭৭৯৬ (৭২.৭৪%)
বেল্লারী জেলা - ১৭৬৪৭১৩ (৭১.৯৫%)
বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলা - ৭১০২২৭ (৭১.৬৭%)
শিবমোগ্গা জেলা - ১২৩০৩৫২ (৭০.২০%)
ধারওয়াড় জেলা - ১২৯৪৪৭৬ (৭০.০৮%)
বেলগাভি জেলা - ৩২৬৯০৬৩ (৬৮.৪০%)
গুলবার্গা জেলা - ১৬৮৬১৫৮ (৬৫.৭০%)
চিকবল্লাপুর জেলা - ৭৪৫১১১ (৫৯.৩৭%)
উত্তর কন্নড় জেলা - ৭৯৫৫৭০ (৫৫.৩৬%)
বিদার জেলা - ৯০২১৮৬ (৫২.৯৭%)
কোলার জেলা - ৭৯১৪৬৫ (৫১.৫১%)
বেঙ্গালুরু নগর জেলা - ৪২৭৮৬৪৬ (৪৪.৪৭%)
উড়ুপি জেলা - ৫০২৬৯৭ (৪২.৭০%)
কোড়গু জেলা - ১৮১০৮৭ (৩২.৬৬%)
দক্ষিণ কন্নড় জেলা - ১৯৩৭৯৭ (৯.২৭%)
গোয়া
দক্ষিণ গোয়া জেলা - ৩৮৩২৯ (৫.৯৮%)
উত্তর গোয়া জেলা - ২৯৫৯৪ (৩.৬২%)
তামিলনাড়ু
নীলগিরি জেলা -১৭৯৭৯৫ (২৪.৪৫%)
কৃষ্ণগিরি জেলা - ২৩৮৭৯৮ (১২.৭০%)
তেনি জেলা - ৯৭৯৭২ (৭.৮৬%)
কোয়েম্বাটুর জেলা - ২৪০৮৫৪ (৬.৯৭%)
ইরোড়ু জেলা - ১২৫৪১৯ (৫.৫৭%)
ধর্মপুরী জেলা - ৪৪৫০০ (২.৯৫%)
সালেম জেলা - ৮৬৫২১ (২.৪৯%)
তিরুপুর জেলা - ৫৬৬৬৮ (২.২৯%)
নামক্কাল জেলা - ৩৫৮০৭ (২.০৭%)
দিন্দিগুল জেলা - ৩৬৫১৭ (১.৬৯%)
বিরুধুনগর জেলা - ২৬১৮৩ (১.৩৫%)
ভেলোর জেলা - ২৬৫৩০ (০.৬৭%)
মহারাষ্ট্র
সোলাপুর জেলা - ৪০০৫৯৮ (৯.২৮%)
সাংলী জেলা - ১৪৩৫৮৯ (৫.০৯%)
কোলহাপুর জেলা - ৭৭৪৮৪ (২.০০%)
পুণে জেলা - ১৩১৯১৯ (১.৪০%)
থানে জেলা - ১৩০২১৮ (১.১৮%)
সিন্ধুদুর্গ জেলা - ৭৯০৪ (০.৯৩%)
রায়গড় জেলা - ২০৮৬০ (০.৭৯%)
ওসমানাবাদ জেলা - ১২৫৬৪ (০.৭৬%)
সাতারা জেলা - ২০২১৬ (০.৬৭%)
রত্নগিরি জেলা - ৯২৪০ (০.৫৭%)
অন্ধ্রপ্রদেশ
অনন্তপুর জেলা - ১৯৮২৮৮ (৪.৮৬%)
কর্নুল জেলা -১০৯৩৮৮ (২.৭০%)
মেদক জেলা - ৫৭৯৫৫ (১.৯১%)
নিজামাবাদ জেলা - ৪০৫২৮ (১.৫৯%)
হায়দ্রাবাদ জেলা - ৩৪৮৯২ (০.৮৯%)
রঙ্গারেড্ডি জেলা - ৩৮২৮১ (০.৭২%)
মাহবুবনগর জেলা - ২৯২৮৬ (০.৭২%)
কেরল
কাসারগড় জেলা - ৫৫২৬৩ (৪.২৩%)
বয়নাড় জেলা - ১৩১৭৩ (১.৬১%)
২০০১
২০০১ খ্রিস্টাব্দের জনগণনা অনুসারে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বসবাসকারী কন্নড়ভাষীর তালিকা নিম্নরূপ:
তথ্যসূত্র
বিভিন্ন ভাষাভাষী অনুযায়ী ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
কন্নড় ভাষা |
রায়হানপুর বাংলাদেশের বরগুনা জেলার অন্তর্গত পাথরঘাটা উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
আয়তন
রায়হানপুর ইউনিয়নের আয়তন ৬,১১৪ একর।
প্রশাসনিক কাঠামো
রায়হানপুর ইউনিয়ন পাথরঘাটা উপজেলার আওতাধীন ১নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম পাথরঘাটা থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ১১০নং নির্বাচনী এলাকা বরগুনা-২ এর অংশ। এর বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ মাইনুল ইসলাম।
জনসংখ্যার উপাত্ত
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী রায়হানপুর ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১৪,৮১০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭,০১৪ জন এবং মহিলা ৭,৭৯৬ জন। মোট পরিবার ৩,৮৩৩টি।
শিক্ষা
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী রায়হানপুর ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৫৮.৮%।
আরও দেখুন
পাথরঘাটা উপজেলা
পাথরঘাটা থানা
বরগুনা জেলা
রায়হানপুর
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
পাথরঘাটা উপজেলার ইউনিয়ন |
ইন্দ্রপ্রস্থ ইনস্টিটিউট তথ্য প্রযুক্তি ভারতের একটি স্বশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়।
তথ্যসূত্র
দিল্লির বিশ্ববিদ্যালয়
২০০৮-এ দিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত
২০০৮-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
দিল্লির বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ |
টমাস ফোকেট (; জন্ম: ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪) হলেন একজন বেলজীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি বর্তমানে ফরাসি ক্লাব রেঁস এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলের হয়ে রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি মূলত ডান পার্শ্বীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেললেও মাঝেমধ্যে বাম পার্শ্বীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড় এবং ডান পার্শ্বীয় মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন।
২০১২ সালে, ফোকেট বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৮ দলের হয়ে বেলজিয়ামের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে অভিষেক করেছিলেন। প্রায় ৫ বছর যাবত বেলজিয়ামের বয়সভিত্তিক দলের হয়ে খেলার পর, তিনি ২০১৬ সালে বেলজিয়ামের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছেন; বেলজিয়ামের জার্সি গায়ে তিনি এপর্যন্ত ১০ ম্যাচে ১টি গোল করেছেন।
প্রারম্ভিক জীবন
টমাস ফোকেট ১৯৯৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর তারিখে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই তার শৈশব অতিবাহিত করেছেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
ফোকেট বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৮, বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৯ এবং বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলার মাধ্যমে বেলজিয়ামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০১২ সালে বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৮ দলের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছেন। বেলজিয়ামের বয়সভিত্তিক দলের হয়ে তিনি প্রায় ৫ বছরে ২৫ ম্যাচে অংশগ্রহণ করে ৩টি গোল করেছেন।
২০১৬ সালের ৯ই নভেম্বর তারিখে, ২২ বছর, ১ মাস ও ১৫ দিন বয়সে, ডান পায়ে ফুটবল খেলায় পারদর্শী ফোকেট নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বেলজিয়ামের হয়ে অভিষেক করেছেন। উক্ত ম্যাচের ৪৬তম মিনিটে রক্ষণভাগের খেলোয়াড় তমা মোনিয়ের বদলি খেলোয়াড় হিসেবে তিনি মাঠে প্রবেশ করেছিলেন; ম্যাচে তিনি ২৪ নম্বর জার্সি পরিধান করে ডান পার্শ্বীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছিলেন। ম্যাচটি ১–১ গোলে ড্র হয়েছিল। বেলজিয়ামের হয়ে অভিষেকের বছরে ফোকেট সর্বমোট ১ ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন।
পরিসংখ্যান
আন্তর্জাতিক
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
১৯৯৪-এ জন্ম
খেন্ট ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড়
রয়্যাল ফুটবল ক্লাব ওস্টেন্ডের খেলোয়াড়
স্তাদ দে রেঁসের খেলোয়াড়
বেলজীয় ফুটবলার
বেলজিয়ামের আন্তর্জাতিক ফুটবলার
ফুটবল মধ্যমাঠের খেলোয়াড়
বেলজিয়ামের অনূর্ধ্ব-২১ আন্তর্জাতিক ফুটবলার
জীবিত ব্যক্তি
লিগ ১-এর খেলোয়াড়
বেলজীয় প্রবাসী ফুটবলার
ফ্রান্সে প্রবাসী ফুটবলার
বেলজীয় প্রো লিগের খেলোয়াড়
বেলজিয়ামের আন্তর্জাতিক যুব ফুটবলার
ফুটবল ফুলব্যাক
ফ্রান্সে বেলজীয় প্রবাসী ক্রীড়াবিদ |
জয় হল জিন-পিয়েরি ইম্ব্রোহরিসের আত্মজীবনী ও প্রেমমূলক উপন্যাসগুলির একটি সিরিজ। জিন-পিয়েরি ইম্ব্রোহরিসের ছদ্মনাম ছিল জয় লাউরি। প্রধান চরিত্রটি হল এমন একটি সুপার মডেল যার পিতা আমেরিকান এবং মা ফরাসী।
বইগুলি পরে চলচ্চিত্র এবং টিভি সিরিজ হিসাবে রূপান্তরিত হয়েছে।
উপন্যাস
জয় (১৯৮১)
জয় এবং জোন (১৯৮২)
জয় ইন লাভ
রিটার্ন অফ জয়
চলচ্চিত্র
জয় ক্লোদিয়া উডি জয় হিসাবে
জয় অ্যান্ড জোন ব্রিজিট লাহাইয় জয় এবং ইসাবেল সোলার জোন চরিত্রে
জয় ইন লাভ (টিভি মিনিসিরিজ) জয়ার হোয়াইটস জয় হিসাবে
জয় ইন হংকং (১৯৯২)
জয় ইন মস্কো (১৯৯২)
জয় ইন আফ্রিকা (১৯৯২)
জয় ইন সান ফ্রান্সিসকো (১৯৯২)
জয় অ্যান্ড ফেরাউনস (১৯৯৩) জারা হোয়াইট জয় হিসাবে
বহিঃসংযোগ
ছদ্মনামে প্রকাশিত বই
উপন্যাস সিরিজ |
লেবিয়া গৌরব বা লেবিয়া প্রাইড () হল একটি নারীবাদী আন্দোলন, যা নারী যৌনাঙ্গ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এবং ভালভা সম্পর্কিত সকলপ্রকার ট্যাবু ভাঙতে কাজ করে। নামটি লেবিয়ার প্রতি জোর দেয়, কারণ মহিলাদের যৌনাঙ্গে কসমেটিক সার্জারির প্রবণতা (লেবিয়াপ্লাস্টি, যা "নকশাকৃত যোনি" নামেও পরিচিত) অনেক মহিলাকে তাদের লেবিয়ার আকার এবং চেহারা নিয়ে শংকিত হতে দেখা যায়। এটি বেশ কয়েকটি স্বাধীন নারীবাদী গোষ্ঠী দ্বারা সমর্থিত হয় এবং যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম যেমন সাইবারনারীবাদ, প্রতিবাদ মিছিলের মাধ্যমে প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে এমন চিকিৎসক ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে বয়কট ঘোষণা করে।
প্রচারাভিযানগুলি প্রাকৃতিক যৌনাঙ্গের প্রকরণ সম্পর্কে শিক্ষিত, ক্ষমতায়ন এবং সমালোচনামূলক সচেতনতা বাড়াতে চায়। মহিলাদের (এবং পুরুষদেরও) সব ধরনের ভালভার প্রতি আরও ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা উচিত। ভালভাকে শরীরের একটি স্বাভাবিক অংশ হিসেবে দেখা উচিত যা লুকিয়ে রাখা বা নিষিদ্ধ মনে করার দরকার নেই। মহিলাদের তাদের ভালভা নিয়ে লজ্জিত হওয়া উচিত নয় এবং সামগ্রিকভাবে এর সাথে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা উচিত।
পটভূমি
লেবিয়াপ্লাস্টি সার্জারির ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে এই ধারণা হতে পারে যে, অনেক মহিলার পাশাপাশি পুরুষদেরও যৌনাঙ্গের চেহারা সম্পর্কে অবাস্তব প্রত্যাশা রয়েছে। মহিলাদের যৌনাঙ্গের সবচেয়ে স্পষ্ট চিত্র যা মানুষ মুখোমুখি হয় সেগুলি যৌন শিল্প দ্বারা উৎপাদিত। পর্নোগ্রাফি সাধারণত বাণিজ্যিক প্রেক্ষাপটে তৈরি হয় এবং প্রাথমিকভাবে পুরুষ গ্রাহকদের সম্বোধন করে। অতএব, মহিলাদের যৌনাঙ্গের এই চিত্রগুলি প্রায়ই বাণিজ্যিক প্রয়োজনে (বা কিছু দেশে আইনগত কারণে), বিশেষভাবে তৈরি করা হয় বা ছবিগুলি ফটোশপ করে "সুন্দর" করা হয়। চর্জিত চর্চায়, এর অর্থ অনিয়মিতকে মসৃণ করা এবং লেবিয়া মিনোরাকে "ডিজিটালভাবে ছোট করা"।
২০২০ সালে ৪,৫১৩ পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে চালানো একটি সমীক্ষা সরাসরি এই প্রশ্নটির সমাধান করে যে, উভয় লিঙ্গেরই ভালভা সম্পর্কে কী নান্দনিক পছন্দ রয়েছে। এই উদ্দেশ্যে, লেবিয়াপ্লাস্টি করা এবং ছাড়া দুটি ভালভার ছবি তাদের দেখানো হয়েছিল এবং অংশগ্রহণকারীদের ব্যক্তিগত আদর্শ (যা তারা নিজেরাই আদর্শ বলে মনে করে), সামাজিক আদর্শ (যা তারা অন্যদের আদর্শ বলে মনে করে)-এর উপর তাদের রেট দিতে বলা হয়েছিল এবং স্বাভাবিকতা (চিত্রিত ভালভা কতটা প্রাকৃতিক গড়ের সাথে মিলে যায়) মিলানো হয়েছিল। দেখা গেছে যে নারী ও পুরুষ উভয়েই লেবিয়াপ্লাস্টি করা ভালভাকে আরও আকর্ষণীয় অর্থাৎ আদর্শ (সামাজিক এবং ব্যক্তিগত উভয়ই) নয়, বরং আরও সাধারণ বলে মনে করেন। এই প্রভাব পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে আরও বেশি প্রকট ছিল। এইভাবে, শল্যচিকিত্সায় অপসারিত বা কমানো লেবিয়া মাইনরা সহ ভালভাকে বেশিরভাগ মানুষ প্রাকৃতিক ভালভার চেয়ে বেশি স্বাভাবিক বলে মনে করেন। লেখকরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, "নারী যৌনতার ক্রমাগত দমন, যেখানে মহিলাদের যৌনাঙ্গের সরাসরি প্রকাশ অযৌক্তিকতা বা বিতৃষ্ণার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে, এবং মিডিয়াতে অগোঁজা লেবিয়ার সেন্সরশিপের ফলে, আরও বেশি গোঁজা বা অদৃশ্য লেবিয়ার চেহারা স্বাভাবিক অনুভূত হতে অবদান রাখতে পারে।"
আরো দেখুন
ফেমেন
লাবিয়া
নগ্নতা ও প্রতিবাদ
ওয়ান বিলিয়ন রাইজিং
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
টিফার, এল. (২০১৯): ফেমিনিস্ট এক্টিভিজম টু চ্যালেঞ্জ দ্য নিউ ইন্ডাস্ট্রি অব ফিমেল জেনিটাল কসমেটিক সার্জারি ফিমেল জেনিটাল কসমেটিক সার্জারি, ৯০-৯৮।
দ্য "লেবিয়া প্রাইড" আন্দোলন - সেলুন
গেরিলা ভালভাস টেক অন ভ্যাজাইনাল রিজুভেনেটরস -এমএস ম্যাগাজিন
অহংকার
ভালভা
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক নারী সংগঠন
নগ্নতা ও প্রতিবাদ
নারীবাদী প্রতিবাদ |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.