diff --git "a/data.json" "b/data.json" new file mode 100644--- /dev/null +++ "b/data.json" @@ -0,0 +1,31614 @@ +[ + { + "id": "id_1", + "title": "id_0_জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ", + "context": "মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার। আমাদের পৃথিবীতে দুটি বড় বড় যুদ্ধ হয়েছে। এগুলো হলো- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। দুটি যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপকতা এবং ধ্বংসলীলা মানুষকে যুদ্ধের প্রতি বীতশ্রন্ধ ও শান্তির জন্য আগ্রহী করে তোলে। গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান 'লীগ অব নেশনস'। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনে ব্যর্থ\nহয়। ১৯৩৯ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল আরও কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময় ৷ এসময়ে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশগুলো একজোট হয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতি সংঘ গঠন করে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ নারী ও শিশুর অবস্থান উন্নয়নে জাতিসংঘ অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করে। এ অধ্যায়ে আমরা জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।", + "question": "মানবাধিকার কি?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_2", + "title": "id_1_জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ", + "context": "মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার। আমাদের পৃথিবীতে দুটি বড় বড় যুদ্ধ হয়েছে। এগুলো হলো- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। দুটি যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপকতা এবং ধ্বংসলীলা মানুষকে যুদ্ধের প্রতি বীতশ্রন্ধ ও শান্তির জন্য আগ্রহী করে তোলে। গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান 'লীগ অব নেশনস'। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনে ব্যর্থ\nহয়। ১৯৩৯ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল আরও কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময় ৷ এসময়ে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশগুলো একজোট হয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতি সংঘ গঠন করে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ নারী ও শিশুর অবস্থান উন্নয়নে জাতিসংঘ অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করে। এ অধ্যায়ে আমরা জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।", + "question": "পৃথিবীতে কয়টি বড় যুদ্ধ হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দুটি" + ], + "answer_start": [ + 165 + ] + } + }, + { + "id": "id_3", + "title": "id_2_জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ", + "context": "মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার। আমাদের পৃথিবীতে দুটি বড় বড় যুদ্ধ হয়েছে। এগুলো হলো- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। দুটি যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপকতা এবং ধ্বংসলীলা মানুষকে যুদ্ধের প্রতি বীতশ্রন্ধ ও শান্তির জন্য আগ্রহী করে তোলে। গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান 'লীগ অব নেশনস'। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনে ব্যর্থ\nহয়। ১৯৩৯ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল আরও কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময় ৷ এসময়ে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশগুলো একজোট হয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতি সংঘ গঠন করে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ নারী ও শিশুর অবস্থান উন্নয়নে জাতিসংঘ অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করে। এ অধ্যায়ে আমরা জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।", + "question": "প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১৯১৪ সালে" + ], + "answer_start": [ + 316 + ] + } + }, + { + "id": "id_4", + "title": "id_3_জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ", + "context": "মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার। আমাদের পৃথিবীতে দুটি বড় বড় যুদ্ধ হয়েছে। এগুলো হলো- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। দুটি যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপকতা এবং ধ্বংসলীলা মানুষকে যুদ্ধের প্রতি বীতশ্রন্ধ ও শান্তির জন্য আগ্রহী করে তোলে। গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান 'লীগ অব নেশনস'। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনে ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল আরও কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময় ৷ এসময়ে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশগুলো একজোট হয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতি সংঘ গঠন করে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ নারী ও শিশুর অবস্থান উন্নয়নে জাতিসংঘ অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করে। এ অধ্যায়ে আমরা জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।", + "question": "প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "লীগ অব নেশনস" + ], + "answer_start": [ + 468 + ] + } + }, + { + "id": "id_5", + "title": "id_4_জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ", + "context": "মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার। আমাদের পৃথিবীতে দুটি বড় বড় যুদ্ধ হয়েছে। এগুলো হলো- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। দুটি যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপকতা এবং ধ্বংসলীলা মানুষকে যুদ্ধের প্রতি বীতশ্রন্ধ ও শান্তির জন্য আগ্রহী করে তোলে। গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান 'লীগ অব নেশনস'। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনে ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল আরও কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময় ৷ এসময়ে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশগুলো একজোট হয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতি সংঘ গঠন করে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ নারী ও শিশুর অবস্থান উন্নয়নে জাতিসংঘ অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করে। এ অধ্যায়ে আমরা জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।", + "question": "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কেমন ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "আরও কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময়" + ], + "answer_start": [ + 649 + ] + } + }, + { + "id": "id_6", + "title": "id_5_জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ", + "context": "মানবাধিকার ছাড়া কোনো মানুষ পূর্ণাঙ্গভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানবাধিকার হলো প্রত্যেক মানুষের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সুযোগ-সুবিধার অধিকার। আমাদের পৃথিবীতে দুটি বড় বড় যুদ্ধ হয়েছে। এগুলো হলো- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। দুটি যুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপকতা এবং ধ্বংসলীলা মানুষকে যুদ্ধের প্রতি বীতশ্রন্ধ ও শান্তির জন্য আগ্রহী করে তোলে। গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান 'লীগ অব নেশনস'। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনে ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। মানব সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল আরও কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময় ৷ এসময়ে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশগুলো একজোট হয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতি সংঘ গঠন করে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ নারী ও শিশুর অবস্থান উন্নয়নে জাতিসংঘ অনেক ভূমিকা রেখে চলেছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার এবং বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রয়োজনে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণ করে। এ অধ্যায়ে আমরা জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।", + "question": "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৩৯ সালে" + ], + "answer_start": [ + 539 + ] + } + }, + { + "id": "id_7", + "title": "id_6_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "যুদ্ধ কখনও জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকের ইতিহাসে পৃথিবীজুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেছে। গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শা��্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “লীগ অব নেশনস” সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু “লীগ অব নেশনস” এর সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত ও আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে।", + "question": "যুদ্ধ কি সংকট নিরসনের উপায় হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "না" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_8", + "title": "id_7_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "যুদ্ধ কখনও জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকের ইতিহাসে পৃথিবীজুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেছে। গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “লীগ অব নেশনস” সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু “লীগ অব নেশনস” এর সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত ও আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে।", + "question": "কতগুলো বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দুটি" + ], + "answer_start": [ + 165 + ] + } + }, + { + "id": "id_9", + "title": "id_8_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "যুদ্ধ কখনও জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকের ইতিহাসে পৃথিবীজুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেছে। গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্ব��� শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “লীগ অব নেশনস” সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু “লীগ অব নেশনস” এর সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত ও আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে।", + "question": "প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯১৪-১৯১৮" + ], + "answer_start": [ + 217 + ] + } + }, + { + "id": "id_10", + "title": "id_9_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "যুদ্ধ কখনও জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকের ইতিহাসে পৃথিবীজুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেছে। গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “লীগ অব নেশনস” সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু “লীগ অব নেশনস” এর সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত ও আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে।", + "question": "“লীগ অব নেশনস” কবে গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি" + ], + "answer_start": [ + 408 + ] + } + }, + { + "id": "id_11", + "title": "id_10_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "যুদ্ধ কখনও জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকের ইতিহাসে পৃথিবীজুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেছে। গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “লীগ অব নেশনস” সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু “লীগ অব নেশনস” এর সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত ও আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে।", + "question": "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৩৯ সালে" + ], + "answer_start": [ + 590 + ] + } + }, + { + "id": "id_12", + "title": "id_11_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "যুদ্ধ কখনও জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকের ইতিহাসে পৃথিবীজুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেছে। গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “লীগ অব নেশনস” সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু “লীগ অব নেশনস” এর সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত ও আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে।", + "question": "“লীগ অব নেশনস” কী উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে" + ], + "answer_start": [ + 433 + ] + } + }, + { + "id": "id_13", + "title": "id_12_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "যুদ্ধ কখনও জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকের ইতিহাসে পৃথিবীজুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেছে। গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “লীগ অব নেশনস” সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু “লীগ অব নেশনস” এর সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত ও আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে।", + "question": "“লীগ অব নেশনস” কেন ব্যর্থ হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে" + ], + "answer_start": [ + 522 + ] + } + }, + { + "id": "id_14", + "title": "id_13_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "যুদ্ধ কখনও জাতিতে জাতিতে সংকট নিরসনের পথ হতে পারে না। যুদ্ধ ডেকে আনে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা এবং মানবজাতির জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও অশান্তি। বিশ শতকের ইতিহাসে পৃথিবীজুড়ে দুটি বিশ্বযুদ্ধ ঘটে গেছে। গত শতকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। মূলত জাতিগত সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী শান্তিকামী জনতা যুদ্ধের ধ্বংসলীলায় চুপ করে থাকেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ১৯২০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে “লীগ অব নেশনস” সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু “লীগ অব নেশনস” এর সংগঠনিক দুর্বলতা ও অন্যান্য কারণে বিশ্বশান্তি বিধানে তা ব্যর্থ হয়। ১৯৩৯ সালে পুনরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা পৃথিবীকে গ্রাস করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত ও আহত হয়। অনেকে গৃহহারা হয় ও পঙ্গুত্ব বরণ করে।", + "question": "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পৃথিবী কী দ্বারা আক্রান্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ধ্বংসলীলা" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_15", + "title": "id_14_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূ��� জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "কোন যুদ্ধ বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_16", + "title": "id_15_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা কখন উপলব্ধি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_17", + "title": "id_16_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "কোন দুটি শহরে ১৯৪৩ সালে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "তেহরান�� ও মস্কোতে" + ], + "answer_start": [ + 311 + ] + } + }, + { + "id": "id_18", + "title": "id_17_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "কোন কোন দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত নেন?", + "answers": { + "text": [ + "ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা" + ], + "answer_start": [ + 406 + ] + } + }, + { + "id": "id_19", + "title": "id_18_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে আত্মপ্রকাশ করে?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর" + ], + "answer_start": [ + 521 + ] + } + }, + { + "id": "id_20", + "title": "id_19_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "জাতিসংঘ দিবস প্রতি বছর কবে পালন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২৪শে অক্টোবর" + ], + "answer_start": [ + 532 + ] + } + }, + { + "id": "id_21", + "title": "id_20_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "জাতিসংঘের সদস্য কারা?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ" + ], + "answer_start": [ + 649 + ] + } + }, + { + "id": "id_22", + "title": "id_21_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিশ্ব বিবেকের উপর কী প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "আতঙ্কিত করে তোলে" + ], + "answer_start": [ + 140 + ] + } + }, + { + "id": "id_23", + "title": "id_22_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয় কবে?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর" + ], + "answer_start": [ + 521 + ] + } + }, + { + "id": "id_24", + "title": "id_23_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "তেহরান ও মস্কো সম্মেলনে কতটি প্রধান শক্তি জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়?", + "answers": { + "text": [ + "৪টি প্রধান শক্তি" + ], + "answer_start": [ + 347 + ] + } + }, + { + "id": "id_25", + "title": "id_24_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "যুদ্ধ কী কখনও জাতি সংকটের সমাধান হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "না" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_26", + "title": "id_25_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসা��য়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে কী উপলব্ধি করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা" + ], + "answer_start": [ + 238 + ] + } + }, + { + "id": "id_27", + "title": "id_26_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "\"লীগ অব নেশনস\" কেন ব্যর্থ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_28", + "title": "id_27_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ���ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", + "question": "কারা জাতিসংঘের সদস্যপদে অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ" + ], + "answer_start": [ + 649 + ] + } + }, + { + "id": "id_29", + "title": "id_28_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে গঠিত। পাঁচটি অঙ্গ হলো: সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি (তত্ত্বাবধায়ক) পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত। জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। সাধারণ পরিষদকে \"বিতর্ক সভা\" বলেও অভিহিত করা যায়। নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পরিষদ। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এটি গঠিত।", + "question": "জাতিসংঘের কতটি প্রধান অঙ্গ আছে?", + "answers": { + "text": [ + "পাঁচটি" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_30", + "title": "id_29_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে গঠিত। পাঁচটি অঙ্গ হলো: সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি (তত্ত্বাবধায়ক) পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত। জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। সাধারণ পরিষদকে \"বিতর্ক সভা\" বলেও অভিহিত করা যায়। নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পরিষদ। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এটি গঠিত।", + "question": "জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিতর্ক সভা" + ], + "answer_start": [ + 269 + ] + } + }, + { + "id": "id_31", + "title": "id_30_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে গঠিত। পাঁচটি অঙ্গ হলো: সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি (তত্ত্বাবধায়ক) পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত। জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। সাধার�� পরিষদকে \"বিতর্ক সভা\" বলেও অভিহিত করা যায়। নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পরিষদ। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এটি গঠিত।", + "question": "নিরাপত্তা পরিষদে মোট কতটি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী" + ], + "answer_start": [ + 373 + ] + } + }, + { + "id": "id_32", + "title": "id_31_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে গঠিত। পাঁচটি অঙ্গ হলো: সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি (তত্ত্বাবধায়ক) পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত। জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। সাধারণ পরিষদকে \"বিতর্ক সভা\" বলেও অভিহিত করা যায়। নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পরিষদ। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এটি গঠিত।", + "question": "জাতিসংঘের অছি পরিষদ কেন গঠিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "তত্ত্বাবধায়ক" + ], + "answer_start": [ + 143 + ] + } + }, + { + "id": "id_33", + "title": "id_32_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "জাতিসংঘ পাঁচটি প্রধান অঙ্গ এবং একটি সেক্রেটারিয়েট নিয়ে গঠিত। পাঁচটি অঙ্গ হলো: সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি (তত্ত্বাবধায়ক) পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক বিচারালয় বা আদালত। জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত। সাধারণ পরিষদকে \"বিতর্ক সভা\" বলেও অভিহিত করা যায়। নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পরিষদ। ৫টি স্থায়ী ও ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এটি গঠিত।", + "question": "জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে কোন পরিষদ গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "সাধারণ পরিষদ" + ], + "answer_start": [ + 80 + ] + } + }, + { + "id": "id_34", + "title": "id_33_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাত��ক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলো কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_35", + "title": "id_34_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "\"ভেটো\" ক্ষমতা কি?", + "answers": { + "text": [ + "প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা" + ], + "answer_start": [ + 130 + ] + } + }, + { + "id": "id_36", + "title": "id_35_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ কি?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন" + ], + "answer_start": [ + 197 + ] + } + }, + { + "id": "id_37", + "title": "id_36_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "অছি পরিষদ কিসের জন্য গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধান" + ], + "answer_start": [ + 259 + ] + } + }, + { + "id": "id_38", + "title": "id_37_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ কি?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা" + ], + "answer_start": [ + 307 + ] + } + }, + { + "id": "id_39", + "title": "id_38_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে" + ], + "answer_start": [ + 379 + ] + } + }, + { + "id": "id_40", + "title": "id_39_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ কি?", + "answers": { + "text": [ + "সেক্রেটারিয়েট" + ], + "answer_start": [ + 413 + ] + } + }, + { + "id": "id_41", + "title": "id_40_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "সেক্রেটারি জেনারেল কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মহাসচিব" + ], + "answer_start": [ + 481 + ] + } + }, + { + "id": "id_42", + "title": "id_41_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: ���ার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে" + ], + "answer_start": [ + 509 + ] + } + }, + { + "id": "id_43", + "title": "id_42_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "জাতিসংঘের অঙ্গ কতটি?", + "answers": { + "text": [ + "৫টি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_44", + "title": "id_43_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জ��নারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলো কতটি?", + "answers": { + "text": [ + "৫টি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_45", + "title": "id_44_জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", + "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", + "question": "ভেটো ক্ষমতা কারা ধারণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_46", + "title": "id_45_জাতিসংঘের সদস্যপদ", + "context": "জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।", + "question": "জাতিসংঘের সদস্য হতে কোন ধরনের দেশ আগ্রহী হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "শান্তিকামী দেশ" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_47", + "title": "id_46_জাতিসংঘের সদস্যপদ", + "context": "জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।", + "question": "জাতিসংঘে বর্তমানে মোট কতটি সদস্য দেশ আছে?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৩টি দেশ" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_48", + "title": "id_47_জাতিসংঘের সদস্যপদ", + "context": "জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্���মানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।", + "question": "বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৩৬তম সদস্য" + ], + "answer_start": [ + 183 + ] + } + }, + { + "id": "id_49", + "title": "id_48_জাতিসংঘের সদস্যপদ", + "context": "জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।", + "question": "জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়ার জন্য কোন নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_50", + "title": "id_49_জাতিসংঘের সদস্যপদ", + "context": "জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।", + "question": "বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ গ্রহণ করেছে কবে?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭৪ সালে" + ], + "answer_start": [ + 163 + ] + } + }, + { + "id": "id_51", + "title": "id_50_জাতিসংঘের সদস্যপদ", + "context": "জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।", + "question": "জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্তির জন্য কোন ধরনের দেশদের প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "শান্তিকামী দেশ" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_52", + "title": "id_51_জাতিসংঘের সদস্যপদ", + "context": "জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।", + "question": "জাতিসংঘের সদস্যপদ গ্রহণের জন্য কি ধরনের শর্ত রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_53", + "title": "id_52_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের প্রধান উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_54", + "title": "id_53_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘ কিভাবে শান্তি ভঙ্গের হুমকি দূর করে?", + "answers": { + "text": [ + "অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_55", + "title": "id_54_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্���ে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে কি ধরনের সহযোগিতা গড়ে তোলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে" + ], + "answer_start": [ + 207 + ] + } + }, + { + "id": "id_56", + "title": "id_55_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মাধ্যমে মানুষের সমান অধিকারের প্রতি কি ধরনের সম্মান প্রদর্শিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_57", + "title": "id_56_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করার মাধ্যমে কি অর্জন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়ন" + ], + "answer_start": [ + 532 + ] + } + }, + { + "id": "id_58", + "title": "id_57_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের কাজ কি ধরনের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক বিরোধের" + ], + "answer_start": [ + 409 + ] + } + }, + { + "id": "id_59", + "title": "id_58_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মাধ্যমে কি ধরনের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান গড়ে তোলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের" + ], + "answer_start": [ + 284 + ] + } + }, + { + "id": "id_60", + "title": "id_59_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হ���মকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে কি ধরনের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের" + ], + "answer_start": [ + 461 + ] + } + }, + { + "id": "id_61", + "title": "id_60_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মূল উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে কি গঠনমূলক পদক্ষেপ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_62", + "title": "id_61_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে ত��লা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘ কিভাবে জাতির স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারগুলোকে সমুন্নত রাখে?", + "answers": { + "text": [ + "সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 97 + ] + } + }, + { + "id": "id_63", + "title": "id_62_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে কি ধরনের দ্বি-জাতিগত সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব" + ], + "answer_start": [ + 163 + ] + } + }, + { + "id": "id_64", + "title": "id_63_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের কার্যক্রমের মাধ্যমে কি ধরনের সমস্যার সমাধান করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান" + ], + "answer_start": [ + 409 + ] + } + }, + { + "id": "id_65", + "title": "id_64_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মাধ্যমে কি ধরনের আইনগত সহায়তা পাওয়া যায়?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে" + ], + "answer_start": [ + 382 + ] + } + }, + { + "id": "id_66", + "title": "id_65_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘ কিভাবে আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান" + ], + "answer_start": [ + 409 + ] + } + }, + { + "id": "id_67", + "title": "id_66_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভ���্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের উদ্যোগে কি ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা" + ], + "answer_start": [ + 248 + ] + } + }, + { + "id": "id_68", + "title": "id_67_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের উদ্দেশ্য কি ধরনের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_69", + "title": "id_68_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স��বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মাধ্যমে কোন ধরনের মানবাধিকার নিশ্চিত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক অধিকারের" + ], + "answer_start": [ + 330 + ] + } + }, + { + "id": "id_70", + "title": "id_69_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে কি ধরনের নিরাপত্তা গঠনের চেষ্টা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বশান্তি" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_71", + "title": "id_70_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের কাজগুলো কিভাবে আন্ত��্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করে?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_72", + "title": "id_71_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মাধ্যমে কি ধরনের শৃঙ্খলা গঠনের চেষ্টা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শান্তিপূর্ণ সমাধান" + ], + "answer_start": [ + 429 + ] + } + }, + { + "id": "id_73", + "title": "id_72_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘ কিভাবে বিভিন্ন জাতির মধ্যে বন্ধুত্ব জোরদার করে?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_74", + "title": "id_73_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্ত�� ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মাধ্যমে কি ধরনের সহযোগিতা গড়ে তোলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক" + ], + "answer_start": [ + 207 + ] + } + }, + { + "id": "id_75", + "title": "id_74_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_76", + "title": "id_75_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহ��য্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের মাধ্যমে কিভাবে বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ" + ], + "answer_start": [ + 563 + ] + } + }, + { + "id": "id_77", + "title": "id_76_জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", + "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", + "question": "জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে কি ধরনের সম্মান গড়ে তোলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান" + ], + "answer_start": [ + 330 + ] + } + }, + { + "id": "id_78", + "title": "id_77_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য বাংলাদেশ সবসময়ই এর বিশেষ নজর পেয়ে থাকে। ১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন।", + "question": "বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?", + "answers": { + "text": [ + "১৩৬তম সদস্য" + ], + "answer_start": [ + 63 + ] + } + }, + { + "id": "id_79", + "title": "id_78_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য বাংলাদেশ সবসময়ই এর বিশেষ নজর পেয়ে থাকে। ১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন।", + "question": "জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে কবে বক্তৃতা দেন?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭৪ সালে" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_80", + "title": "id_79_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য বাংলাদেশ সবসময়ই এর বিশেষ নজর পেয়ে থাকে। ১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন।", + "question": "বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা দ্বারা কোন সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়" + ], + "answer_start": [ + 227 + ] + } + }, + { + "id": "id_81", + "title": "id_80_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য বাংলাদেশ সবসময়ই এর বিশেষ নজর পেয়ে থাকে। ১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন।", + "question": "জাতিসংঘের কতটি অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশে সক্রিয়?", + "answers": { + "text": [ + "সবকটি অঙ্গ সংগঠন" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_82", + "title": "id_81_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন শুরু থেকেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে। এই বিশ্ব সংস্থাটির চারজন মহাসচিব পাঁচবার বাংলাদেশ সফর করে গেছেন।", + "question": "জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন কাদের জন্য কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 38 + ] + } + }, + { + "id": "id_83", + "title": "id_82_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন শুরু থেকেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে। এই বিশ্ব সংস্থাটির চারজন মহাসচিব পাঁচবার বাংলাদেশ সফর করে গেছেন।", + "question": "জাতিসংঘের কতজন মহাসচিব বাংলাদেশ সফর করেছেন?", + "answers": { + "text": [ + "চারজন মহাসচিব" + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_84", + "title": "id_83_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জ��তিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন শুরু থেকেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে। এই বিশ্ব সংস্থাটির চারজন মহাসচিব পাঁচবার বাংলাদেশ সফর করে গেছেন।", + "question": "জাতিসংঘের মহাসচিবরা বাংলাদেশে কি পরিবর্তনের জন্য কাজ করেন?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থ-সামাজিক অবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 49 + ] + } + }, + { + "id": "id_85", + "title": "id_84_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন শুরু থেকেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে। এই বিশ্ব সংস্থাটির চারজন মহাসচিব পাঁচবার বাংলাদেশ সফর করে গেছেন।", + "question": "জাতিসংঘের মহাসচিবরা কতবার বাংলাদেশ সফর করেছেন?", + "answers": { + "text": [ + "পাঁচবার" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_86", + "title": "id_85_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন শুরু থেকেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে। এই বিশ্ব সংস্থাটির চারজন মহাসচিব পাঁচবার বাংলাদেশ সফর করে গেছেন।", + "question": "জাতিসংঘের কাজের উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তন" + ], + "answer_start": [ + 49 + ] + } + }, + { + "id": "id_87", + "title": "id_86_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। এছাড়া, জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।", + "question": "বাংলাদেশের জাতিসংঘে আর্থিক অবদান কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "কম" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_88", + "title": "id_87_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। এছাড়া, জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।", + "question": "বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর কি ভূমিকা পালন করে?", + "answers": { + "text": [ + "গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা" + ], + "answer_start": [ + 198 + ] + } + }, + { + "id": "id_89", + "title": "id_88_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। এছাড়া, জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।", + "question": "শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সৈন্যরা কি করছেন?", + "answers": { + "text": [ + "শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_90", + "title": "id_89_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। এছাড়া, জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।", + "question": "বাংলাদেশের সৈন্যরা শান্তিরক্ষা মিশনে কি ধরনের ভূমিকা রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "কার্যকরী ভূমিকা" + ], + "answer_start": [ + 105 + ] + } + }, + { + "id": "id_91", + "title": "id_90_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। এছাড়া, জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।", + "question": "জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর বাংলাদেশ কি কার্যক্রমে যুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "গুরুত্বপূর্ণ" + ], + "answer_start": [ + 198 + ] + } + }, + { + "id": "id_92", + "title": "id_91_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৯-৮০ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষর বহন করে। ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।", + "question": "বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ কবে ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭৯-৮০" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_93", + "title": "id_92_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৯-৮০ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষর বহন করে। ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।", + "question": "জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার কবে শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৮৪ সাল থেকে" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_94", + "title": "id_93_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৯-৮০ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষর বহন করে। ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।", + "question": "নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশ কিভাবে নির্বাচিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমিকার স্বীকৃতি" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_95", + "title": "id_94_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৯-৮০ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষর বহন করে। ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।", + "question": "জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের গুরুত্ব কি?", + "answers": { + "text": [ + "গৌরবের" + ], + "answer_start": [ + 223 + ] + } + }, + { + "id": "id_96", + "title": "id_95_বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৯-৮০ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষর বহন করে। ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।", + "question": "বাংলাদেশ কিভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আস্থা অর্জন করে?", + "answers": { + "text": [ + "নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_97", + "title": "id_96_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি (UNDP) - বাংলাদেশের আর্থিক ও সামাজিক তথা অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে ইউএনডিপি দেশব্যাপী অসংখ্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।", + "question": "ইউএনডিপি কি কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন" + ], + "answer_start": [ + 78 + ] + } + }, + { + "id": "id_98", + "title": "id_97_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ইউএনডিপি সহস্রাব্দ (মিলেনিয়াম) উন্নয়নের ৮টি লক্ষ্যমাত্রা (MDG) অর্জনে কাজ করেছে।", + "question": "ইউএনডিপি কতটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "৮টি লক্ষ্যমাত্রা" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_99", + "title": "id_98_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "বর্তমানে টেকসই উন্নয়নের ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে।", + "question": "ইউএনডিপি বর্তমানে কি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "১৭টি লক্ষ্যমাত্রা" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_100", + "title": "id_99_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি (UNDP) - বাংলাদেশের আর্থিক ও সামাজিক তথা অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে ইউএনডিপি দেশব্যাপী অসংখ্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।", + "question": "ইউএনডিপি কোথায় কার্যক্রম চালাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশব্যাপী" + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_101", + "title": "id_100_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ (UNICEF) - দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফ কাজ করছে।", + "question": "ইউনিসেফ কি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক অধিকার আদায়" + ], + "answer_start": [ + 68 + ] + } + }, + { + "id": "id_102", + "title": "id_101_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফ কাজ করছে।", + "question": "ইউনিসেফ কি ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা ও চিকিৎসা" + ], + "answer_start": [ + 7 + ] + } + }, + { + "id": "id_103", + "title": "id_102_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ইউনিসেফ কাজ করছে।", + "question": "ইউনিসেফ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "অধিকার আদায়" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_104", + "title": "id_103_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ (UNICEF) - দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ইউনিসেফ কাজ করছে।", + "question": "ইউনিসেফ কোন ধরনের শিশুদের জন্য কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_105", + "title": "id_104_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO) - বাংলাদেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি উন্নয়নের লক্ষ্যে সংস্থাটি কাজ করছে।", + "question": "UNESCO কি কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_106", + "title": "id_105_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "বাংলাদেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি উন্নয়নের লক্ষ্যে সংস্থাটি কাজ করছে।", + "question": "UNESCO বাংলাদেশে কি উন্নয়নের জন্য কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_107", + "title": "id_106_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO) - বাংলাদেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি উন্নয়নের লক্ষ্যে সংস্থাটি কাজ করছে।", + "question": "UNESCO কিভাবে বাংলাদেশের শিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি উন্নয়নের লক্ষ্যে" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_108", + "title": "id_107_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO) - বাংলাদেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি উন্নয়নের লক্ষ্যে সংস্থাটি কাজ করছে।", + "question": "UNESCO কি ধরনের উন্নয়নে মনোযোগী?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_109", + "title": "id_108_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও (FAO) - বাংলাদেশের বিশাল জনগণের খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা কাজ করছে।", + "question": "FAO কি কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্য নিশ্চিত করা" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_110", + "title": "id_109_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "বাংলাদেশের বিশাল জনগণের খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা কাজ করছে।", + "question": "FAO-এর উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্য নিশ্চিত করা" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_111", + "title": "id_110_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও (FAO) - বাংলাদেশের বিশাল জনগণের খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃ��ি সংস্থা কাজ করছে।", + "question": "FAO কোথায় কার্যক্রম চালায়?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশে" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_112", + "title": "id_111_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও (FAO) - বাংলাদেশের বিশাল জনগণের খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা কাজ করছে।", + "question": "FAO কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_113", + "title": "id_112_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO) - স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে, যেমন- বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে।", + "question": "WHO কি ধরনের কর্মসূচি পালন করছে?", + "answers": { + "text": [ + "পোলিও নিবারণের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_114", + "title": "id_113_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে।", + "question": "WHO বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কি করছে?", + "answers": { + "text": [ + "টিকা দিচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_115", + "title": "id_114_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO) - স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে, যেমন- বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে।", + "question": "WHO বাংলাদেশে কি ধরনের অবদান রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 130 + ] + } + }, + { + "id": "id_116", + "title": "id_115_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "উদবাস্তু বিষয়ক জাতিসংঘ হাইকমিশনারের কার্যালয় বা ইউএনএইচসিআর (UNHCR) - বাংলাদেশ-মিয়ানমার ইস্যুতে এই কার্যালয় মধ্যস্থতা করছে।", + "question": "UNHCR কি কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "মধ্যস্থতা করছে" + ], + "answer_start": [ + 112 + ] + } + }, + { + "id": "id_117", + "title": "id_116_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "বিশাল শরণার্থী পালনের খরচেও অবদান রাখছে।", + "question": "UNHCR কিভাবে শরণার্থীদের সহায়তা কর���ে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশাল শরণার্থী পালনের খরচে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_118", + "title": "id_117_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "তাছাড়া, বাংলাদেশে বিহারী জনগণের আবাসনসহ অন্যান্য ইস্যুতে এই সংস্থা ব্যাপক অবদান রেখেছে।", + "question": "UNHCR বাংলাদেশে কি ইস্যুতে কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিহারী জনগণের আবাসন" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_119", + "title": "id_118_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘ নারী উন্নয়ন তহবিল বা ইউনিফেম (UNIFEM) - বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে এ সংস্থাটি বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে।", + "question": "UNIFEM নারীদের উন্নয়নে কি করছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_120", + "title": "id_119_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে তাদের সংযুক্ত করছে।", + "question": "UNIFEM নারীদের জন্য কি ধরনের অধিকার আদায় করছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন ধরনের অধিকার" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_121", + "title": "id_120_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "নারীদের নিরাপদ শ্রম অভিবাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতেও এ সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে।", + "question": "UNIFEM কোন ধরনের ইস্যুতে কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "নিরাপদ শ্রম অভিবাসন" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_122", + "title": "id_121_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘ নারী উন্নয়ন তহবিল বা ইউনিফেম (UNIFEM) - বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে এ সংস্থাটি বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে।", + "question": "UNIFEM নারীদের উন্নয়নে কিভাবে অবদান রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_123", + "title": "id_122_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের জনসংখ্যা কার্যক্রম তহবিল (UNFPA) - সংস্থাটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।", + "question": "UNFPA কি কার্যক্রম পরিচালনা করছে?", + "answers": { + "text": [ + "জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_124", + "title": "id_123_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের জনসংখ্যা কার্যক্রম তহবিল (UNFPA) - সংস্থাটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্র��� পরিচালনা করছে।", + "question": "UNFPA-এর উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_125", + "title": "id_124_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের জনসংখ্যা কার্যক্রম তহবিল (UNFPA) - সংস্থাটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।", + "question": "UNFPA কিভাবে অবদান রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_126", + "title": "id_125_জাতিসংঘের বিভাগ", + "context": "জাতিসংঘের জনসংখ্যা কার্যক্রম তহবিল (UNFPA) - সংস্থাটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।", + "question": "UNFPA কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_127", + "title": "id_126_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণে জাতিসংঘের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।", + "question": "জাতিসংঘের ভূমিকা কি?", + "answers": { + "text": [ + "অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_128", + "title": "id_127_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে এবং নারীর অধিকার সুরক্ষণের জন্য জাতিসংঘ তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদ ও আইন প্রণয়ন করে এসেছে।", + "question": "নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণের উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "নারীর অধিকার সুরক্ষণের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_129", + "title": "id_128_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে এবং নারীর অধিকার সুরক্ষণের জন্য জাতিসংঘ তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদ ও আইন প্রণয়ন করে এসেছে।", + "question": "জাতিসংঘ কি ধরনের সনদ প্রণয়ন করে?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক সনদ ও আইন" + ], + "answer_start": [ + 100 + ] + } + }, + { + "id": "id_130", + "title": "id_129_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে এবং নারীর অধিকার সুরক্ষণের জন্য জাতিসংঘ তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদ ও আইন প্রণয��ন করে এসেছে।", + "question": "নারীর অধিকার সুরক্ষায় জাতিসংঘ কি করছে?", + "answers": { + "text": [ + "সনদ ও আইন প্রণয়ন" + ], + "answer_start": [ + 112 + ] + } + }, + { + "id": "id_131", + "title": "id_130_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণে জাতিসংঘের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।", + "question": "জাতিসংঘ নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণের জন্য কি কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "জাতিসংঘের ভূমিকা" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_132", + "title": "id_131_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের পাশাপাশি জাতিসংঘ নারী উন্নয়নে নানা কাজ করে চলেছে।", + "question": "মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র কবে অনুমোদিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৪৮ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_133", + "title": "id_132_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের পাশাপাশি জাতিসংঘ নারী উন্নয়নে নানা কাজ করে চলেছে।", + "question": "জাতিসংঘ নারীর উন্নয়নে কি কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "নানা কাজ করে চলেছে" + ], + "answer_start": [ + 75 + ] + } + }, + { + "id": "id_134", + "title": "id_133_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৪৯ সালে মানব পাচার দমন ও পতিতাবৃত্তি অবসানের জন্য জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন করে।", + "question": "১৯৪৯ সালে জাতিসংঘ কি অনুমোদন করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "মানব পাচার দমন ও পতিতাবৃত্তি অবসানের" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_135", + "title": "id_134_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৪৯ সালে মানব পাচার দমন ও পতিতাবৃত্তি অবসানের জন্য জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন করে।", + "question": "জাতিসংঘ পতিতাবৃত্তি অবসানের জন্য কি করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "সনদ অনুমোদন" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_136", + "title": "id_135_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৪৯ সালে মানব পাচার দমন ও পতিতাবৃত্তি অবসানের জন্য জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন করে।", + "question": "জাতিসংঘ মানব পাচার দমনে কি পদক্ষেপ নিয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সনদ অনুমোদন" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_137", + "title": "id_136_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৫১ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) কর্তৃক একধরনের কাজের জন্য ��ারী ও পুরুষ শ্রমিকের একই বেতন প্রদান করার ব্যবস্থা করে।", + "question": "ILO কবে নারী ও পুরুষের জন্য একই বেতন প্রদানের ব্যবস্থা করে?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৫১ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_138", + "title": "id_137_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৫১ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) কর্তৃক একধরনের কাজের জন্য নারী ও পুরুষ শ্রমিকের একই বেতন প্রদান করার ব্যবস্থা করে।", + "question": "নারী ও পুরুষ শ্রমিকের জন্য কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "একই বেতন প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_139", + "title": "id_138_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৫২ সালে নারীর রাজনৈতিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে নির্বাচনে নারী ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে।", + "question": "নারীর রাজনৈতিক অধিকারের স্বীকৃতি কবে দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৫২ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_140", + "title": "id_139_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৫২ সালে নারীর রাজনৈতিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে নির্বাচনে নারী ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে।", + "question": "নির্বাচনে নারী কি করতে পারবে?", + "answers": { + "text": [ + "ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_141", + "title": "id_140_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৫২ সালে নারীর রাজনৈতিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে নির্বাচনে নারী ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে।", + "question": "নারীর রাজনৈতিক অধিকার কি ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_142", + "title": "id_141_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৫৭ সালে বিবাহিত নারীদের জাতীয়তা সংরক্ষণ বা পরিবর্তন করার অধিকার দেওয়া হয়।", + "question": "বিবাহিত নারীদের জাতীয়তা কিভাবে সংরক্ষণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পরিবর্তন করার অধিকার" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_143", + "title": "id_142_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৬০ সালে নারীদের কর্মসংস্থান ও পেশাক্ষেত্রে বৈষম্য বিলোপ সনদ অনুমোদন করা হয়।", + "question": "নারীদের বৈষম্য বিলোপ সনদ কবে অনুমোদন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৬০ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_144", + "title": "id_143_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৬০ সালে নারীদের কর্মসংস্থান ও পেশাক্ষেত্রে বৈষম্য বিলোপ সনদ অনুমোদন করা হয়।", + "question": "নারীদের পেশাক্ষেত্রে বৈষম্য কিভাবে বিলোপ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সনদ অনুমোদন" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_145", + "title": "id_144_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৬০ সালে নারীদের কর্মসংস্থান ও পেশাক্ষেত্রে বৈষম্য বিলোপ সনদ অনুমোদন করা হয়।", + "question": "নারীদের পেশাক্ষেত্রে কি অধিকার দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বৈষম্য বিলোপ" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_146", + "title": "id_145_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৬২ সালে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ও রেজিস্ট্রেশন সনদ অনুমোদন হয়।", + "question": "বিয়ের ন্যূনতম বয়স কবে অনুমোদন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৬২ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_147", + "title": "id_146_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৬২ সালে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ও রেজিস্ট্রেশন সনদ অনুমোদন হয়।", + "question": "বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সনদ কবে অনুমোদন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৬২ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_148", + "title": "id_147_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৬২ সালে বালিকা ও নারীদের শিক্ষাক্ষেত্রে সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।", + "question": "নারীদের শিক্ষাক্ষেত্রে কি অধিকার দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সমান অধিকার" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_149", + "title": "id_148_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৫ সালে নারী বছর ঘোষণা করা হয়।", + "question": "নারী বছর কবে ঘোষণা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭৫ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_150", + "title": "id_149_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৫ সালে নারী বছর ঘোষণা করা হয় এবং প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয়।", + "question": "প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মেক্সিকোতে" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_151", + "title": "id_150_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৬ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে নারী দশক ঘোষণা করা হয়।", + "question": "নারী দশক কবে ঘোষণা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭৬ থেকে ১৯৮৫" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_152", + "title": "id_151_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ, সিডও (CEDAW) নামে অভিহিত করা হয়, যা ১৯৮১ সালে কার্যকর হয়।", + "question": "নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ সনদ কবে কার্যকর হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৮১ সালে" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_153", + "title": "id_152_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ, সিডও (CEDAW) নামে অভিহিত করা হয়, যা ১৯৮১ সালে কার্যকর হয়।", + "question": "সিডও কি?", + "answers": { + "text": [ + "নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_154", + "title": "id_153_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয়।", + "question": "দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৮০ সালে" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_155", + "title": "id_154_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৮৫ সালে তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত হয়।", + "question": "তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নাইরোবিতে" + ], + "answer_start": [ + 53 + ] + } + }, + { + "id": "id_156", + "title": "id_155_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ বা সিডও (Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women or CEDAW) ১৯৭৯।", + "question": "সিডও কিসের জন্য পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_157", + "title": "id_156_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটি গৃহীত হয়।", + "question": "সিডও কখন গৃহীত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর মাসে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_158", + "title": "id_157_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "সিডও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।", + "question": "সিডও কোথায় গৃহীত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ" + ], + "answer_start": [ + 5 + ] + } + }, + { + "id": "id_159", + "title": "id_158_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদটি “সিডও\" নামে পরিচিত।", + "question": "সিডও কী নামে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "“সিডও\"" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_160", + "title": "id_159_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদটি “সিডও\" নামে পরিচিত।", + "question": "নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপ সনদের পূর্ণাঙ্গ নাম কী?", + "answers": { + "text": [ + "সিডও" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_161", + "title": "id_160_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "১৯৮১ সালে ২০টি দেশ সমর্থন করার পর এটি কার্যকর হয়।", + "question": "সিডও কবে কার্যকর হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৮১ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_162", + "title": "id_161_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশসহ মোট ১৩২টি দেশ বর্তমানে সনদটি সমর্থন করেছে।", + "question": "মোট কতটি দেশ সিডও সমর্থন করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "১৩২টি দেশ" + ], + "answer_start": [ + 15 + ] + } + }, + { + "id": "id_163", + "title": "id_162_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ সিডও সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে একটি।", + "question": "সিডও সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ আছে কি?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ সিডও সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে একটি।" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_164", + "title": "id_163_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "এই সনদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—এটি নারীর অধিকারের একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল।", + "question": "সিডও’র বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "নারীর অধিকারের একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_165", + "title": "id_164_নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", + "context": "এটি বিভিন্ন সময়ে নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে গৃহীত বিভিন্ন ইস্যুকে সমন্বিত করে।", + "question": "সিডও কি উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসন" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_166", + "title": "id_165_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও ��খানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", + "question": "সিডও সনদটি কী বিষয়ে তৈরি করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "নারী ও পুরুষের সমতার নীতি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_167", + "title": "id_166_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", + "question": "সিডও সনদে কোন অধিকারগুলো উল্লেখিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "নারীর মানবাধিকার" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_168", + "title": "id_167_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", + "question": "সিডও সনদ অনুযায়ী দেশগুলো কি করতে বাধ্য?", + "answers": { + "text": [ + "সনদ মেনে চলতে বাধ্য" + ], + "answer_start": [ + 194 + ] + } + }, + { + "id": "id_169", + "title": "id_168_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", + "question": "সিডও সনদে নারীর অধিকার সম্পর্কে কি বলা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে" + ], + "answer_start": [ + 243 + ] + } + }, + { + "id": "id_170", + "title": "id_169_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", + "question": "নারীর প্রবেশাধিকার কিভাবে খর্ব করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন" + ], + "answer_start": [ + 302 + ] + } + }, + { + "id": "id_171", + "title": "id_170_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", + "question": "সিডও সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের কি দায়িত্ব নিশ্চিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের দায়িত্ব" + ], + "answer_start": [ + 405 + ] + } + }, + { + "id": "id_172", + "title": "id_171_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", + "question": "সিডও সনদে মোট কতটি ধারা আছে?", + "answers": { + "text": [ + "৩০টি ধারা" + ], + "answer_start": [ + 449 + ] + } + }, + { + "id": "id_173", + "title": "id_172_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ।", + "question": "আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস কবে পালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২৫শে নভেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_174", + "title": "id_173_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ।", + "question": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস কোন দিনে পালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২৫শে নভেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_175", + "title": "id_174_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ।", + "question": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ কতদিন পালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 160 + ] + } + }, + { + "id": "id_176", + "title": "id_175_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ।", + "question": "জাতিসংঘ কবে ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?", + "answers": { + "text": [ + "১৭ই নভেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_177", + "title": "id_176_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ।", + "question": "জাতিসংঘ নারীর উন্নয়ন���র জন্য কি ধরনের কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "নারী নির্যাতন প্রতিরোধ" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_178", + "title": "id_177_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ।", + "question": "নারীর অবস্থান উন্নত করার জন্য জাতিসংঘের অবদান কী?", + "answers": { + "text": [ + "“আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_179", + "title": "id_178_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।", + "question": "নারীর প্রতি নির্যাতনের বিরুদ্ধে দিনটি কীভাবে পালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_180", + "title": "id_179_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।", + "question": "জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কি ঘোষণা করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "“আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\"" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_181", + "title": "id_180_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।", + "question": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ কবে শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২৫শে নভেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_182", + "title": "id_181_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।", + "question": "৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে কবে ঘোষণা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৭ই নভেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_183", + "title": "id_182_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।", + "question": "জাতিসংঘ নারীর উন্নয়নের জন্য কি কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে" + ], + "answer_start": [ + 297 + ] + } + }, + { + "id": "id_184", + "title": "id_183_নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", + "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ স���লের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।", + "question": "নারীর অবস্থান উন্নত করতে জাতিসংঘের ভূমিকা কী?", + "answers": { + "text": [ + "নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে" + ], + "answer_start": [ + 358 + ] + } + }, + { + "id": "id_185", + "title": "id_184_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। স্বাভাবিকভাবেই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। বর্তমানে প্রায় ১১,০০০ এর বেশি বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বের ১১টি দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।", + "question": "বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় দেশের পরিচিতি কি?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_186", + "title": "id_185_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। স্বাভাবিকভাবেই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। বর্তমানে প্রায় ১১,০০০ এর বেশি বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বের ১১টি দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।", + "question": "জাতিসংঘ কেন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_187", + "title": "id_186_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। স্বাভাবিকভাবেই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। বর্তমানে প্রায় ১১,০০০ এর বেশি বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বের ১১টি দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।", + "question": "বাংলাদেশের জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অবদান কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "ঈর্ষণীয়" + ], + "answer_start": [ + 161 + ] + } + }, + { + "id": "id_188", + "title": "id_187_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। স্বাভাবিকভাবেই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। বর্তমানে প্রায় ১১,০০০ এর বেশি বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বের ১১টি দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।", + "question": "বর্তমানে কতজন বাংলাদেশি সৈন্য শান্তিরক্ষা কাজে নিয়োজিত?", + "answers": { + "text": [ + "১১,০০০" + ], + "answer_start": [ + 187 + ] + } + }, + { + "id": "id_189", + "title": "id_188_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। স্বাভাবিকভাবেই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশের অবদান ঈর্ষণীয়। বর্তমানে প্রায় ১১,০০০ এর বেশি বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্বের ১১টি দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।", + "question": "বাংলাদেশি সৈন্যরা কতটি দেশে কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "১১টি" + ], + "answer_start": [ + 226 + ] + } + }, + { + "id": "id_190", + "title": "id_189_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি পেয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশি সৈন্যদের আফ্রিকার দেশগুলোতে সাফল্য কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "অভূতপূর্ব" + ], + "answer_start": [ + 38 + ] + } + }, + { + "id": "id_191", + "title": "id_190_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি পেয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশ কিভাবে সারা বিশ্বে গ্রহ���যোগ্যতা বৃদ্ধি করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_192", + "title": "id_191_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি পেয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশকে কীভাবে শান্তির মডেল হিসেবে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_193", + "title": "id_192_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি পেয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশ কিভাবে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "সৈন্যদের" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_194", + "title": "id_193_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি পেয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের পরিচিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 115 + ] + } + }, + { + "id": "id_195", + "title": "id_194_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছে। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে “বাংলাদেশ সড়ক\"।", + "question": "রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা কোথায় গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না?", + "answers": { + "text": [ + "আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_196", + "title": "id_195_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছে। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে “বাংলাদেশ সড়ক\"।", + "question": "বাংলাদেশি সৈন্যরা কেন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা" + ], + "answer_start": [ + 165 + ] + } + }, + { + "id": "id_197", + "title": "id_196_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছে। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে “বাংলাদেশ সড়ক\"।", + "question": "সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষার মর্যাদা কী?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা" + ], + "answer_start": [ + 253 + ] + } + }, + { + "id": "id_198", + "title": "id_197_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছে। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে “বাংলাদেশ সড়ক\"।", + "question": "আইভরিকোস্টে কী নামের সড়ক হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ সড়ক" + ], + "answer_start": [ + 329 + ] + } + }, + { + "id": "id_199", + "title": "id_198_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈ���িক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছে। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে “বাংলাদেশ সড়ক\"।", + "question": "সিয়েরা লিওনে বাংলাদেশের কি অবদান রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা" + ], + "answer_start": [ + 210 + ] + } + }, + { + "id": "id_200", + "title": "id_199_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছে। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে “বাংলাদেশ সড়ক\"।", + "question": "রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে বাংলাদেশের সৈন্যরা কি পেয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "গ্রহণযোগ্যতা" + ], + "answer_start": [ + 92 + ] + } + }, + { + "id": "id_201", + "title": "id_200_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না, সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছে। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। আইভরিকোস্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে “বাংলাদেশ সড়ক\"।", + "question": "সিয়েরা লিওনের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা কি?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলা" + ], + "answer_start": [ + 124 + ] + } + }, + { + "id": "id_202", + "title": "id_201_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "শান্তিমিশনে শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়, পাশাপাশি পুলিশ বাহিনী ও মহিলা পুলিশও নিয়োজিত আছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে জাতিসংঘে তথা বিশ্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও বিশেষ মর্যাদা।", + "question": "শান্��িমিশনে বাংলাদেশে কোন বাহিনী নিয়োজিত আছে?", + "answers": { + "text": [ + "শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়, পাশাপাশি পুলিশ বাহিনী ও মহিলা পুলিশও নিয়োজিত আছেন" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_203", + "title": "id_202_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "শান্তিমিশনে শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়, পাশাপাশি পুলিশ বাহিনী ও মহিলা পুলিশও নিয়োজিত আছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে জাতিসংঘে তথা বিশ্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও বিশেষ মর্যাদা।", + "question": "বাংলাদেশের শান্তিমিশনের পরিশ্রমের ফলাফল কি?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাপক পরিচিতি ও বিশেষ মর্যাদা" + ], + "answer_start": [ + 160 + ] + } + }, + { + "id": "id_204", + "title": "id_203_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "শান্তিমিশনে শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়, পাশাপাশি পুলিশ বাহিনী ও মহিলা পুলিশও নিয়োজিত আছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে জাতিসংঘে তথা বিশ্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও বিশেষ মর্যাদা।", + "question": "বাংলাদেশ জাতিসংঘে কিভাবে মর্যাদা অর্জন করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে" + ], + "answer_start": [ + 100 + ] + } + }, + { + "id": "id_205", + "title": "id_204_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "শান্তিমিশনে শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়, পাশাপাশি পুলিশ বাহিনী ও মহিলা পুলিশও নিয়োজিত আছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে জাতিসংঘে তথা বিশ্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও বিশেষ মর্যাদা।", + "question": "বাংলাদেশের কোন বাহিনী শান্তিমিশনে কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "পুলিশ বাহিনী" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_206", + "title": "id_205_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "শান্তিমিশনে শুধু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নয়, পাশাপাশি পুলিশ বাহিনী ও মহিলা পুলিশও নিয়োজিত আছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে জাতিসংঘে তথা বিশ্বে বাংলাদেশ পেয়েছে ব্যাপক পরিচিতি ও বিশেষ মর্যাদা।", + "question": "জাতিসংঘে বাংলাদেশ কিভাবে পরিচিতি পেয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে" + ], + "answer_start": [ + 100 + ] + } + }, + { + "id": "id_207", + "title": "id_206_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র গেরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", + "question": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন কেমন ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "সহজ ছিল না" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_208", + "title": "id_207_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র গেরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", + "question": "বাংলাদেশি সৈন্যরা কোথায় দাঁড়িয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "আফ্রিকা ও এশিয়া" + ], + "answer_start": [ + 40 + ] + } + }, + { + "id": "id_209", + "title": "id_208_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র গেরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", + "question": "কতজন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন?", + "answers": { + "text": [ + "৮৮ জন" + ], + "answer_start": [ + 246 + ] + } + }, + { + "id": "id_210", + "title": "id_209_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র ���েরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", + "question": "বাংলাদেশি সৈন্যরা কীভাবে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষতার সাথে" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_211", + "title": "id_210_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র গেরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", + "question": "বাংলাদেশি সৈন্যরা কি প্রমাণ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত" + ], + "answer_start": [ + 350 + ] + } + }, + { + "id": "id_212", + "title": "id_211_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র গেরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", + "question": "বাংলাদেশি সৈন্যরা আহত হয়েছে কতজন?", + "answers": { + "text": [ + "অনেকে" + ], + "answer_start": [ + 312 + ] + } + }, + { + "id": "id_213", + "title": "id_212_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র গেরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", + "question": "আফ্রিকার ও এশিয়ার দেশে গেরিলাগোষ্ঠীর সংখ্যা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "দুই বা ততোধিক" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_214", + "title": "id_213_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পথে, এবং এর আছে বিশাল জনগোষ্ঠী। বিশাল জনগণের প্রশিক্ষিত সামরিক-বেসামরিক বাহিনী বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে। উন্নত দেশগুলো অর্থ দিয়ে জাতিসংঘে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ তার সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় এক অনন্য অবদান রেখেছে; বৃদ্ধি করেছে দেশের মর্যাদা ও গৌরব।", + "question": "বাংলাদেশ কোন পথে অগ্রসর হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "মধ্যম আয়ের দেশের পথে" + ], + "answer_start": [ + 9 + ] + } + }, + { + "id": "id_215", + "title": "id_214_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পথে, এবং এর আছে বিশাল জনগোষ্ঠী। বিশাল জনগণের প্রশিক্ষিত সামরিক-বেসামরিক বাহিনী বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে। উন্নত দেশগুলো অর্থ দিয়ে জাতিসংঘে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ তার সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় এক অনন্য অবদান রেখেছে; বৃদ্ধি করেছে দেশের মর্যাদা ও গৌরব।", + "question": "বাংলাদেশের জনগণের সংখ্যা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "বিশাল" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_216", + "title": "id_215_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পথে, এবং এর আছে বিশাল জনগোষ্ঠী। বিশাল জনগণের প্রশিক্ষিত সামরিক-বেসামরিক বাহিনী বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে। উন্নত দেশগুলো অর্থ দিয়ে জাতিসংঘে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ তার সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় এক অনন্য অবদান রেখেছে; বৃদ্ধি করেছে দেশের মর্যাদা ও গৌরব।", + "question": "প্রশিক্ষিত বাহিনী কি করছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_217", + "title": "id_216_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শ��ন্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পথে, এবং এর আছে বিশাল জনগোষ্ঠী। বিশাল জনগণের প্রশিক্ষিত সামরিক-বেসামরিক বাহিনী বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে। উন্নত দেশগুলো অর্থ দিয়ে জাতিসংঘে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ তার সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় এক অনন্য অবদান রেখেছে; বৃদ্ধি করেছে দেশের মর্যাদা ও গৌরব।", + "question": "উন্নত দেশগুলো জাতিসংঘে কীভাবে অবদান রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থ দিয়ে" + ], + "answer_start": [ + 154 + ] + } + }, + { + "id": "id_218", + "title": "id_217_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পথে, এবং এর আছে বিশাল জনগোষ্ঠী। বিশাল জনগণের প্রশিক্ষিত সামরিক-বেসামরিক বাহিনী বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে। উন্নত দেশগুলো অর্থ দিয়ে জাতিসংঘে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ তার সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় এক অনন্য অবদান রেখেছে; বৃদ্ধি করেছে দেশের মর্যাদা ও গৌরব।", + "question": "বাংলাদেশ কীভাবে বিশ্বশান্তি রক্ষায় অবদান রেখেছে?", + "answers": { + "text": [ + "সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 200 + ] + } + }, + { + "id": "id_219", + "title": "id_218_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পথে, এবং এর আছে বিশাল জনগোষ্ঠী। বিশাল জনগণের প্রশিক্ষিত সামরিক-বেসামরিক বাহিনী বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে। উন্নত দেশগুলো অর্থ দিয়ে জাতিসংঘে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ তার সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় এক অনন্য অবদান রেখেছে; বৃদ্ধি করেছে দেশের মর্যাদা ও গৌরব।", + "question": "বাংলাদেশের গৌরব বৃদ্ধি পেয়েছে কিভাবে?", + "answers": { + "text": [ + "সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায়" + ], + "answer_start": [ + 200 + ] + } + }, + { + "id": "id_220", + "title": "id_219_জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পথে, এবং এর আছে বিশাল জনগোষ্ঠী। বিশাল জনগণের প্রশিক্ষিত সামরিক-বেসামরিক বাহিনী বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে। উন্নত দেশগুলো অর্থ দিয়ে জাতিসংঘে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ তার সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্���ি রক্ষায় এক অনন্য অবদান রেখেছে; বৃদ্ধি করেছে দেশের মর্যাদা ও গৌরব।", + "question": "বাংলাদেশ কি ধরনের আয়ের দেশ?", + "answers": { + "text": [ + "মধ্যম" + ], + "answer_start": [ + 9 + ] + } + }, + { + "id": "id_221", + "title": "id_220_সৌরজগৎ", + "context": "সূর্য এবং এর গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধূমকেতু, উত্কা প্রভৃতি নিয়ে যে পরিবার তাকে বলা হয় সৌরজগৎ। সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র হলো সূর্য। সৌরজগতে ৮টি গ্রহ, শতাধিক উপগ্রহ, হাজার হাজার গ্রহাণুপু্জ ও লক্ষ লক্ষ ধূমকেতু রয়েছে।", + "question": "সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "সূর্য" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_222", + "title": "id_221_সৌরজগৎ", + "context": "সূর্য এবং এর গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধূমকেতু, উত্কা প্রভৃতি নিয়ে যে পরিবার তাকে বলা হয় সৌরজগৎ। সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র হলো সূর্য। সৌরজগতে ৮টি গ্রহ, শতাধিক উপগ্রহ, হাজার হাজার গ্রহাণুপু্জ ও লক্ষ লক্ষ ধূমকেতু রয়েছে।", + "question": "সৌরজগতে মোট কতটি গ্রহ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "৮টি" + ], + "answer_start": [ + 142 + ] + } + }, + { + "id": "id_223", + "title": "id_222_সৌরজগৎ", + "context": "সূর্য এবং এর গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধূমকেতু, উত্কা প্রভৃতি নিয়ে যে পরিবার তাকে বলা হয় সৌরজগৎ। সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র হলো সূর্য। সৌরজগতে ৮টি গ্রহ, শতাধিক উপগ্রহ, হাজার হাজার গ্রহাণুপু্জ ও লক্ষ লক্ষ ধূমকেতু রয়েছে।", + "question": "সৌরজগতের মধ্যে কি কি জ্যোতিষ্ক রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধূমকেতু" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_224", + "title": "id_223_সূর্য", + "context": "সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। সূর্য একটি উজ্বল নক্ষত্র। পৃথিবীর সঙ্গে সূর্যের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সূর্য পৃথিবী অপেক্ষা ১৩ লক্ষ গুণ বড়। পৃথিবী থেকে এটি প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। সূর্যের উপরিভাগের উষ্ণতা ৫৭,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।\n", + "question": "সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক কে?", + "answers": { + "text": [ + "সূর্য " + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_225", + "title": "id_224_সূর্য", + "context": "সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। সূর্য একটি উজ্বল নক্ষত্র। পৃথিবীর সঙ্গে সূর্যের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সূর্য পৃথিবী অপেক্ষা ১৩ লক্ষ গুণ বড়। পৃথিবী থেকে এটি প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। সূর্যের উপরিভাগের উষ্ণতা ৫৭,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।\n", + "question": "সূর্য পৃথিবী অপেক্ষা কত গুণ বড়?", + "answers": { + "text": [ + "১৩ লক্ষ গুণ" + ], + "answer_start": [ + 143 + ] + } + }, + { + "id": "id_226", + "title": "id_225_সূর্য", + "context": "সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। সূর্য একটি উজ্বল নক্ষত্র। পৃথিবীর সঙ্গে সূর্যের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সূর্য পৃথিবী অপেক্ষা ১৩ লক্ষ গুণ বড়। পৃথিবী থেকে এটি প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। সূর্যের উপরিভাগের উষ্ণতা ৫৭,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।\n", + "question": "সূর্য পৃথিবী থেকে কত দূরে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "১৫ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 182 + ] + } + }, + { + "id": "id_227", + "title": "id_226_সূর্য", + "context": "সূর্যের কোনো কঠিন বা তরল পদার্থ নেই। শতকরা ৫৫ ভাগ হাইড্রোজেন, ৪৪ ভাগ হিলিয়াম এবং ১ ভাগ অন্যান্য গ্যাসে সূর্য গঠিত। সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক (Sun spot) বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে।", + "question": "সূর্যতে কোন গ্যাসের শতকরা ৫৫ ভাগ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "হাইড্রোজেন" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_228", + "title": "id_227_সূর্য", + "context": "সূর্যের কোনো কঠিন বা তরল পদার্থ নেই। শতকরা ৫৫ ভাগ হাইড্রোজেন, ৪৪ ভাগ হিলিয়াম এবং ১ ভাগ অন্যান্য গ্যাসে সূর্য গঠিত। সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক (Sun spot) বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে।", + "question": "সৌরকলঙ্ক কি?", + "answers": { + "text": [ + "কালো দাগ" + ], + "answer_start": [ + 143 + ] + } + }, + { + "id": "id_229", + "title": "id_228_সূর্য", + "context": "সূর্যের কোনো কঠিন বা তরল পদার্থ নেই। শতকরা ৫৫ ভাগ হাইড্রোজেন, ৪৪ ভাগ হিলিয়াম এবং ১ ভাগ অন্যান্য গ্যাসে সূর্য গঠিত। সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক (Sun spot) বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে।", + "question": "সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কেমন থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "কিছুটা কম" + ], + "answer_start": [ + 239 + ] + } + }, + { + "id": "id_230", + "title": "id_229_সূর্য", + "context": "আণবিক শক্তি সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় সূর্যে অনবরত হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম এবং হিলিয়াম থেকে শক্তি তৈরি হচ্ছে। সূর্য প্রায় ২৫ দিনে নিজ অক্ষের (Axis) ওপর একবার আবর্তন করে।", + "question": "সূর্য কত দিনে নিজ অক্ষের ওপর একবার আবর্তন করে?", + "answers": { + "text": [ + "২৫ দিনে" + ], + "answer_start": [ + 120 + ] + } + }, + { + "id": "id_231", + "title": "id_230_সৌরজগৎ", + "context": "মহাকর্ষ বলের প্রভাবে কতগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিক্রমণ করছে; এদের গ্রহ বলা হয়। গ্রহের নিজস্ব আলো ও তাপ নেই। সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৮টি। সূর্য থেকে গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃহস্পতি এবং সবচেয়ে ছোট বুধ।\n", + "question": "সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা কতটি?", + "answers": { + "text": [ + "৮টি" + ], + "answer_start": [ + 172 + ] + } + }, + { + "id": "id_232", + "title": "id_231_সৌরজগৎ", + "context": "মহাকর্ষ বলের প্রভাবে কতগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিক্রমণ করছে; এদের গ্রহ বলা হয়। গ্রহের নিজস্ব আলো ও তাপ নেই। সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৮টি। সূর্য থেকে গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃহস্পতি এবং সবচেয়ে ছোট বুধ।", + "question": "সূর্য থেকে সবচেয়ে বড় গ্রহ কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "বৃহস্পতি" + ], + "answer_start": [ + 216 + ] + } + }, + { + "id": "id_233", + "title": "id_232_সৌরজগৎ", + "context": "মহাকর্ষ বলের প্রভাবে কতগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিক্রমণ করছে; এদের গ্রহ বলা হয়। গ্রহের নিজস্ব আলো ও তাপ নেই। সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৮টি। সূর্য থেকে গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃহস্পতি এবং সবচেয়ে ছোট বুধ।", + "question": "গ্রহের নিজস্ব কি নেই?", + "answers": { + "text": [ + "আলো ও তাপ" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_234", + "title": "id_233_বুধ", + "context": "বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার এবং ওজন পৃথিবীর ৫০ ভাগের ৩ ভাগের সমান। সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করতে এর ৮৮ দিন সময় লাগে। সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। সূর্যের নিকটতম গ্রহ বলে এর তাপমাত্রা অত্যধিক। বুধের ভূত্বকে সমতল ভূমিসহ অসংখ্য গর্ত ও পাহাড় লক্ষ করা গেছে। বুধের আয়তন ৭৪,৮০০.০০০ বর্গ কিলোমিটার ।\n", + "question": "বুধের ব্যাস কত কিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "৪,৮৫০" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_235", + "title": "id_234_বুধ", + "context": "বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার এবং ওজন পৃথিবীর ৫০ ভাগের ৩ ভাগের সমান। সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করতে এর ৮৮ দিন সময় লাগে। সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। সূর্যের নিকটতম গ্রহ বলে এর তাপমাত্রা অত্যধিক। বুধের ভূত্বকে সমতল ভূমিসহ অসংখ্য গর্ত ও পাহাড় লক্ষ করা গেছে। বুধের আয়তন ৭৪,৮০০.০০০ বর্গ কিলোমিটার ।\n", + "question": "সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব কত?", + "answers": { + "text": [ + "৫.৮ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 191 + ] + } + }, + { + "id": "id_236", + "title": "id_235_বুধ", + "context": "বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার এবং ওজন পৃথিবীর ৫০ ভাগের ৩ ভাগের সমান। সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করতে এর ৮৮ দিন সময় লাগে। সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। সূর্যের নিকটতম গ্রহ বলে এর তাপমাত্রা অত্যধিক। বুধের ভূত্বকে সমতল ভূমিসহ অসংখ্য গর্ত ও পাহাড় লক্ষ করা গেছে। বুধের আয়তন ৭৪,৮০০.০০০ বর্গ কিলোমিটার ।\n", + "question": "বুধের কোনো কি নেই?", + "answers": { + "text": [ + "উপগ্রহ" + ], + "answer_start": [ + 222 + ] + } + }, + { + "id": "id_237", + "title": "id_236_বুধ", + "context": "বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার এবং ওজন পৃথিবীর ৫০ ভাগের ৩ ভাগের সমান। সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করতে এর ৮৮ দিন সময় লাগে। সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। সূর্যের নিকটতম গ্রহ বলে এর তাপমাত্রা অত্যধিক। বুধের ভূত্বকে সমতল ভূমিসহ অসংখ্য গর্ত ও পাহাড় লক্ষ করা গেছে। বুধের আয়তন ৭৪,৮০০.০০০ বর্গ কিলোমিটার ।\n", + "question": "বুধের পরিক্রমণে কত দিন সময় লাগে?", + "answers": { + "text": [ + "৮৮ দিন" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_238", + "title": "id_237_বুধ", + "context": "বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার এবং ওজন পৃথিবীর ৫০ ভাগের ৩ ভাগের সমান। সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করতে এর ৮৮ দিন সময় লাগে। সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। সূর্যের নিকটতম গ্রহ বলে এর তাপমাত্রা অত্যধিক। বুধের ভূত্বকে সমতল ভূমিসহ অসংখ্য গর্ত ও পাহাড় লক্ষ করা গেছে। বুধের আয়তন ৭৪,৮০০.০০০ বর্গ কিলোমিটার ।\n", + "question": "বুধের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "৭৪,৮০০.০০০" + ], + "answer_start": [ + 354 + ] + } + }, + { + "id": "id_239", + "title": "id_238_শুক্র", + "context": "সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে শুক্রের অবস্থান দ্বিতীয়। এটি পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে শুক্রের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪.৩ কোটি কিলোমিটার।", + "question": "শুক্রের অবস্থান সূর্য থেকে কিভাবে?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিতীয়" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_240", + "title": "id_239_শুক্র", + "context": "সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে শুক্রের অবস্থান দ্বিতীয়। এটি পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে শুক্রের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪.৩ কোটি কিলোমিটার।", + "question": "শুক্রের সূর্য থেকে দূরত্ব কত কিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "১০.৮ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 107 + ] + } + }, + { + "id": "id_241", + "title": "id_240_শুক্র", + "context": "সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে শুক্রের অবস্থান দ্বিতীয়। এটি পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে শুক্রের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪.৩ কোটি কিলোমিটার।", + "question": "পৃথিবী থেকে শুক্রের দূরত্ব কত কিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "৪.৩ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_242", + "title": "id_241_শুক্র", + "context": "শুক্রকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে আমরা সন্ধ্যাতারা রূপে এবং ভোরে পূর্ব আকাশে শুকতারা রূপে দেখতে পাই। সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে এর সময় লাগে ২২৫ দিন। শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।", + "question": "শুক্রকে সন্ধ্যায় কীভাবে দেখা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "সন্ধ্যাতারা রূপে" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_243", + "title": "id_242_শুক্র", + "context": "শুক্রকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে আমরা সন্ধ্যাতারা রূপে এবং ভোরে পূর্ব আকাশে শুকতারা রূপে দেখতে পাই। সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে এর সময় লাগে ২২৫ দিন। শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।", + "question": "শুক্র সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে কত দ��ন লাগে?", + "answers": { + "text": [ + "২২৫ দিন" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_244", + "title": "id_243_শুক্র", + "context": "শুক্রকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে আমরা সন্ধ্যাতারা রূপে এবং ভোরে পূর্ব আকাশে শুকতারা রূপে দেখতে পাই। সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে এর সময় লাগে ২২৫ দিন। শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।", + "question": "শুক্রের কি কোনো উপগ্রহ আছে?", + "answers": { + "text": [ + "নেই" + ], + "answer_start": [ + 168 + ] + } + }, + { + "id": "id_245", + "title": "id_244_শুক্র", + "context": "পৃথিবীর মতো শুক্রের একটি বায়ুমণ্ডল রয়েছে, কিন্তু এতে অক্সিজেন নেই। কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ প্রায় শতকরা ৯৬ ভাগ।", + "question": "শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কি নেই?", + "answers": { + "text": [ + "অক্সিজেন নেই" + ], + "answer_start": [ + 55 + ] + } + }, + { + "id": "id_246", + "title": "id_245_শুক্র", + "context": "পৃথিবীর মতো শুক্রের একটি বায়ুমণ্ডল রয়েছে, কিন্তু এতে অক্সিজেন নেই। কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ প্রায় শতকরা ৯৬ ভাগ।", + "question": "শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?", + "answers": { + "text": [ + "শতকরা ৯৬ ভাগ" + ], + "answer_start": [ + 110 + ] + } + }, + { + "id": "id_247", + "title": "id_246_শুক্র", + "context": "পৃথিবীর মতো শুক্রের একটি বায়ুমণ্ডল রয়েছে, কিন্তু এতে অক্সিজেন নেই। কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ প্রায় শতকরা ৯৬ ভাগ।", + "question": "পৃথিবীর মতো শুক্রের কি আছে?", + "answers": { + "text": [ + "একটি বায়ুমণ্ডল" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_248", + "title": "id_247_শুক্র", + "context": "শুক্র (Venus) নিজ অক্ষে খুব ধীর গতিতে আবর্তন করে। ফলে শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায়। গ্রহটিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন মেঘের কারণে এসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে।", + "question": "শুক্রের নিজ অক্ষে কীভাবে আবর্তন করে?", + "answers": { + "text": [ + "খুব ধীর গতিতে" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_249", + "title": "id_248_শুক্র", + "context": "শুক্র (Venus) নিজ অক্ষে খুব ধীর গতিতে আবর্তন করে। ফলে শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায়। গ্রহটিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন মেঘের কারণে এসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে।", + "question": "শুক্রের আকাশে বছরে কতবার সূর্য উদিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দুইবার" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_250", + "title": "id_249_শুক��র", + "context": "শুক্র (Venus) নিজ অক্ষে খুব ধীর গতিতে আবর্তন করে। ফলে শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায়। গ্রহটিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন মেঘের কারণে এসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে।", + "question": "শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কী গ্যাসের ঘন মেঘ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "কার্বন ডাই-অক্সাইড" + ], + "answer_start": [ + 119 + ] + } + }, + { + "id": "id_251", + "title": "id_250_শুক্র", + "context": "শুক্রের পৃষ্ঠে পৃথিবীর তুলনায় ৯০ গুণ বেশি বাতাসের চাপ রয়েছে। এর আয়তন ৪৬০,২৩১,০০০ বর্গ কিমি এবং ব্যাস ১২,১০৪ কিমি।", + "question": "শুক্রের পৃষ্ঠে বাতাসের চাপ পৃথিবীর তুলনায় কতো গুণ বেশি?\t", + "answers": { + "text": [ + "৯০ গুণ" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_252", + "title": "id_251_শুক্র", + "context": "শুক্রের পৃষ্ঠে পৃথিবীর তুলনায় ৯০ গুণ বেশি বাতাসের চাপ রয়েছে। এর আয়তন ৪৬০,২৩১,০০০ বর্গ কিমি এবং ব্যাস ১২,১০৪ কিমি।", + "question": "শুক্রের ব্যাস কত কিমি?", + "answers": { + "text": [ + "১২,১০৪ কিমি" + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_253", + "title": "id_252_পৃথিবী", + "context": "পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। এর আয়তন ৫১০,১০০,৪২২ বর্গ কিলোমিটার। পূর্ব-পশ্চিমে এর ব্যাস ১২,৭৫২ কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে ১২,৭০৯ কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। পৃথিবী ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে।", + "question": "পৃথিবীর গড় দূরত্ব সূর্য থেকে কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৫ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_254", + "title": "id_253_পৃথিবী", + "context": "পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। এর আয়তন ৫১০,১০০,৪২২ বর্গ কিলোমিটার। পূর্ব-পশ্চিমে এর ব্যাস ১২,৭৫২ কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে ১২,৭০৯ কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। পৃথিবী ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে।", + "question": "পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিম ব্যাস কত?", + "answers": { + "text": [ + "১২,৭৫২ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_255", + "title": "id_254_পৃথিবী", + "context": "পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। এর আয়তন ৫১০,১০০,৪২২ বর্গ কিলোমিটার। পূর্ব-পশ্চিমে এর ব্যাস ১২,৭৫২ কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে ১২,৭০৯ কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। পৃথিবী ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে।", + "question": "পৃথিবী সূর্যকে কত দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড" + ], + "answer_start": [ + 204 + ] + } + }, + { + "id": "id_256", + "title": "id_255_পৃথিবী", + "context": "পৃথিবীতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন রয়েছে। পৃথিবীপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা ১৩.৯০০ সেলসিয়াস। ভূত্বকে প্রয়োজনীয় পানি রয়েছে, যা জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য।", + "question": "পৃথিবীপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৩.৯০০ সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 79 + ] + } + }, + { + "id": "id_257", + "title": "id_256_পৃথিবী", + "context": "পৃথিবীতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন রয়েছে। পৃথিবীপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা ১৩.৯০০ সেলসিয়াস। ভূত্বকে প্রয়োজনীয় পানি রয়েছে, যা জীবন ধারণের জন্য অপরিহার্য।", + "question": "পৃথিবীতে কোন দুটি গ্যাস রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_258", + "title": "id_257_পৃথিবী", + "context": "গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীই জীবজন্তু ও উদ্ভিদের জীবন ধারণের জন্য আদর্শ।", + "question": "কোন গ্রহ জীবজন্তু ও উদ্ভিদের জীবন ধারণের জন্য আদর্শ?", + "answers": { + "text": [ + "পৃথিবী" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_259", + "title": "id_258_পৃথিবী", + "context": "চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। পৃথিবী থেকে চন্দ্রের গড় দূরত্ব ৩৮১,৫০০ কিলোমিটার। এটি ২৯ দিন ১২ ঘণ্টায় পৃথিবীকে একবার পরিক্রমণ করে।চাঁদের পৃষ্ঠদেশে গর্ত, পাহাড় ও পর্বত লক্ষ করা গেছে।", + "question": "চাঁদের গড় দূরত্ব পৃথিবী থেকে কত?", + "answers": { + "text": [ + "৩৮১,৫০০ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 63 + ] + } + }, + { + "id": "id_260", + "title": "id_259_পৃথিবী", + "context": "চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। পৃথিবী থেকে চন্দ্রের গড় দূরত্ব ৩৮১,৫০০ কিলোমিটার। এটি ২৯ দিন ১২ ঘণ্টায় পৃথিবীকে একবার পরিক্রমণ করে।চাঁদের পৃষ্ঠদেশে গর্ত, পাহাড় ও পর্বত লক্ষ করা গেছে।", + "question": "চন্দ্র পৃথিবীকে কত দিনে একবার পরিক্রমণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "২৯ দিন ১২ ঘণ্টা" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_261", + "title": "id_260_পৃথিবী", + "context": "চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। ���ৃথিবী থেকে চন্দ্রের গড় দূরত্ব ৩৮১,৫০০ কিলোমিটার। এটি ২৯ দিন ১২ ঘণ্টায় পৃথিবীকে একবার পরিক্রমণ করে।চাঁদের পৃষ্ঠদেশে গর্ত, পাহাড় ও পর্বত লক্ষ করা গেছে।", + "question": "চাঁদের পৃষ্ঠে কী কী লক্ষ করা গেছে?", + "answers": { + "text": [ + "গর্ত, পাহাড় ও পর্বত" + ], + "answer_start": [ + 149 + ] + } + }, + { + "id": "id_262", + "title": "id_261_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই অবস্থান করছে। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে ৭.৮ কোটি কিলোমিটার। মঙ্গল গ্রহের ব্যাস ৬,৭৭৯ কিলোমিটার এবং এর ওজন পৃথিবীর প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ। এর আয়তন ১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার।", + "question": "মঙ্গল গ্রহের গড় ব্যাস কত?", + "answers": { + "text": [ + "৬,৭৭৯ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 168 + ] + } + }, + { + "id": "id_263", + "title": "id_262_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই অবস্থান করছে। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে ৭.৮ কোটি কিলোমিটার। মঙ্গল গ্রহের ব্যাস ৬,৭৭৯ কিলোমিটার এবং এর ওজন পৃথিবীর প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ। এর আয়তন ১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার।", + "question": "মঙ্গল গ্রহের আয়তন কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 236 + ] + } + }, + { + "id": "id_264", + "title": "id_263_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই অবস্থান করছে। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে ৭.৮ কোটি কিলোমিটার। মঙ্গল গ্রহের ব্যাস ৬,৭৭৯ কিলোমিটার এবং এর ওজন পৃথিবীর প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ। এর আয়তন ১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার।", + "question": "মঙ্গল গ্রহের ওজন পৃথিবীর তুলনায় কত?", + "answers": { + "text": [ + "পৃথিবীর প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ" + ], + "answer_start": [ + 195 + ] + } + }, + { + "id": "id_265", + "title": "id_264_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই অবস্থান করছে। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে ৭.৮ কোটি কিলোমিটার। মঙ্গল গ্রহের ব্যাস ৬,৭৭৯ কিলোমিটার এবং এর ওজন পৃথিবীর প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ। এর আয়তন ১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার।", + "question": "পৃথিবী থেকে মঙ্গলের গড় দূরত্ব কত?", + "answers": { + "text": [ + "৭.৮ কোটি কিলোম��টার" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_266", + "title": "id_265_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গল গ্রহ সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে ৬৮৭ দিন সময় নেয় এবং নিজ অক্ষে আবর্তন করতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট। এ গ্রহের দুটি উপগ্রহ রয়েছে—ডিমোস ও ফেবোস।", + "question": "মঙ্গল গ্রহের দুটি উপগ্রহের নাম কী?", + "answers": { + "text": [ + "ডিমোস ও ফেবোস" + ], + "answer_start": [ + 140 + ] + } + }, + { + "id": "id_267", + "title": "id_266_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গল গ্রহ সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে ৬৮৭ দিন সময় নেয় এবং নিজ অক্ষে আবর্তন করতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট। এ গ্রহের দুটি উপগ্রহ রয়েছে—ডিমোস ও ফেবোস।", + "question": "মঙ্গল গ্রহের নিজ অক্ষে আবর্তন করতে কত সময় লাগে?", + "answers": { + "text": [ + "২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_268", + "title": "id_267_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গলে জীবন ধারণ অসন্তব। এর বায়ুমণ্ডলে শতকরা ৩ ভাগ নাইট্রোজেন ও শতকরা ২ ভাগ আরগন গ্যাস আছে। পানির পরিমাণ খুবই কম। পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গল অনেক ঠান্ডা, গড় তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে।", + "question": "মঙ্গলের গড় তাপমাত্রা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "হিমাঙ্কের অনেক নিচে" + ], + "answer_start": [ + 164 + ] + } + }, + { + "id": "id_269", + "title": "id_268_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এ গ্রহের পাথরগুলোতে মরিচা পড়েছে, যার ফলে গ্রহটি লালচে বর্ণ ধারণ করেছে।", + "question": "মঙ্গল গ্রহের পাথরগুলোতে কি পড়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মরিচা" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_270", + "title": "id_269_মঙ্গল", + "context": "মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এ গ্রহের পাথরগুলোতে মরিচা পড়েছে, যার ফলে গ্রহটি লালচে বর্ণ ধারণ করেছে।", + "question": "মঙ্গল গ্রহের রঙ কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "লালচে বর্ণ" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_271", + "title": "id_270_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতি সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ এবং সূর্য থেকে দূরত্বের ভিত্তিতে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। এর আয়তন পৃথিবীর প্রায় ১,৩০০ গুণ, যা ৬১,৪১৯,০০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।", + "question": "বৃহস্পতি সূর্য থেকে কোন অবস্থানে রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "পঞ্চম" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_272", + "title": "id_271_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতি স���র্য থেকে প্রায় ৭৭৮ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই গ্রহটি ১২ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং ৯ ঘণ্টা ৫৩ মিনিটে নিজ অক্ষে আবর্তিত হয়।", + "question": "বৃহস্পতি সূর্য থেকে কত দূরে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "৭৭৮ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_273", + "title": "id_272_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭৮ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই গ্রহটি ১২ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং ৯ ঘণ্টা ৫৩ মিনিটে নিজ অক্ষে আবর্তিত হয়।", + "question": "বৃহস্পতি সূর্যকে কত বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "১২ বছর" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_274", + "title": "id_273_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭৮ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই গ্রহটি ১২ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং ৯ ঘণ্টা ৫৩ মিনিটে নিজ অক্ষে আবর্তিত হয়।", + "question": "বৃহস্পতির নিজ অক্ষে আবর্তন করতে কত সময় লাগে?", + "answers": { + "text": [ + "৯ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট" + ], + "answer_start": [ + 110 + ] + } + }, + { + "id": "id_275", + "title": "id_274_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতিতে পৃথিবীর তুলনায় এক দিনে দুইবার সূর্য ওঠে এবং দুইবার অস্ত যায়, যা পৃথিবীর দিনের চেয়ে বেশ ভিন্ন।", + "question": "বৃহস্পতিতে এক দিনে সূর্য কতবার ওঠে?", + "answers": { + "text": [ + "দুইবার" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_276", + "title": "id_275_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতির গভীর বায়ুমণ্ডল রয়েছে। এর বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের তাপমাত্রা খুবই কম, তবে অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা অনেক বেশি।", + "question": "বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের তাপমাত্রা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "খুবই কম" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_277", + "title": "id_276_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতির গভীর বায়ুমণ্ডল রয়েছে। এর বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের তাপমাত্রা খুবই কম, তবে অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা অনেক বেশি।", + "question": "বৃহস্পতির অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "অনেক বেশি" + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_278", + "title": "id_277_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতির ৬৭টি উপগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে লো, ইউরোপা, গ্যানিমেড এবং ক্যাপলিস্টো প্রধান।", + "question": "বৃহস্পতির মোট কতটি উপগ্রহ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "৬��টি" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_279", + "title": "id_278_বৃহস্পতি", + "context": "বৃহস্পতির ৬৭টি উপগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে লো, ইউরোপা, গ্যানিমেড এবং ক্যাপলিস্টো প্রধান।", + "question": "বৃহস্পতির প্রধান উপগ্রহগুলো কোনগুলো?", + "answers": { + "text": [ + "লো, ইউরোপা, গ্যানিমেড এবং ক্যাপলিস্টো" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_280", + "title": "id_279_বৃহস্পতি", + "context": "মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝখানে ছোট ছোট গ্রহাণু একত্রে একটি পুঞ্জ গঠন করে পরিক্রমণ করছে। এই অঞ্চলের মধ্যে আর কোনো গ্রহ নেই।", + "question": "মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝখানে কি আছে?", + "answers": { + "text": [ + "ছোট ছোট গ্রহাণু" + ], + "answer_start": [ + 26 + ] + } + }, + { + "id": "id_281", + "title": "id_280_গ্রহাণুপুঞ্জ", + "context": "গ্রহাণুগুলোর আকার ১.৬ কিলোমিটার থেকে ৮০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই সমস্ত গ্রহাণুকে একত্রে \"গ্রহাণুপুঞ্জ\" (Asteroids) বলা হয়।", + "question": "গ্রহাণুগুলোর আকার কত হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "১.৬ কিলোমিটার থেকে ৮০৫ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_282", + "title": "id_281_শনি", + "context": "শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এর আয়তন ৪২,৭০০,০০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার এবং ব্যাস ১১৬,৪৬৪ কিলোমিটার।", + "question": "শনি কততম বৃহত্তম গ্রহ?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিতীয়" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_283", + "title": "id_282_শনি", + "context": "শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এর আয়তন ৪২,৭০০,০০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার এবং ব্যাস ১১৬,৪৬৪ কিলোমিটার।", + "question": "শনির আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "৪২,৭০০,০০০,০০০" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_284", + "title": "id_283_শনি", + "context": "শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এর আয়তন ৪২,৭০০,০০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার এবং ব্যাস ১১৬,৪৬৪ কিলোমিটার।", + "question": "শনির ব্যাস কত কিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "১১৬,৪৬৪" + ], + "answer_start": [ + 85 + ] + } + }, + { + "id": "id_285", + "title": "id_284_শনি", + "context": "সূর্য থেকে শনির দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার। শনি ২৯ বছর ৫ মাসে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং ১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে নিজ অক্ষে আবর্তিত হয়।", + "question": "সূর্য থেকে শনির দূরত্ব কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৪৩ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_286", + "title": "id_285_শনি", + "context": "সূর্য থেকে শনির দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার। শনি ২৯ বছর ৫ মাসে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং ১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে নিজ অক্ষে আবর্তিত হয়।", + "question": "শনি সূর্যকে কত বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "২৯ বছর ৫ মাস" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_287", + "title": "id_286_শনি", + "context": "সূর্য থেকে শনির দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার। শনি ২৯ বছর ৫ মাসে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং ১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে নিজ অক্ষে আবর্তিত হয়।", + "question": "শনি নিজ অক্ষে আবর্তিত হতে কত সময় নেয়?", + "answers": { + "text": [ + "১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_288", + "title": "id_287_শনি", + "context": "শনির ব্যাস পৃথিবীর প্রায় ৯ গুণ বড়। এটি খালি চোখে দেখা যায়।", + "question": "শনির ব্যাস পৃথিবীর কত গুণ বড়?", + "answers": { + "text": [ + "৯ গুণ" + ], + "answer_start": [ + 26 + ] + } + }, + { + "id": "id_289", + "title": "id_288_শনি", + "context": "শনির বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস রয়েছে।", + "question": "শনির বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের মিশ্রণ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_290", + "title": "id_289_শনি", + "context": "তিনটি উজ্জ্বল বলয় শনিকে বেষ্টন করে আছে। শনির ৬২টি উপগ্রহের মধ্যে ক্যাপিটাস, টেথিস, হুয়া এবং টাইটান প্রধান।", + "question": "শনিকে কতটি উজ্জ্বল বলয় বেষ্টন করে?", + "answers": { + "text": [ + "তিনটি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_291", + "title": "id_290_শনি", + "context": "তিনটি উজ্জ্বল বলয় শনিকে বেষ্টন করে আছে। শনির ৬২টি উপগ্রহের মধ্যে ক্যাপিটাস, টেথিস, হুয়া এবং টাইটান প্রধান।", + "question": "শনির প্রধান উপগ্রহগুলো কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "ক্যাপিটাস, টেথিস, হুয়া এবং টাইটান" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_292", + "title": "id_291_ইউরেনাস ", + "context": "ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। সূর্য থেকে এর দূরত্ব ২৮৭ কোটি কিলোমিটার। ৮৪ বছরে এটি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে। এর গড় ব্যাস প্রায় ৪৯,০০০ কিলোমিটার।", + "question": "ইউরেনাস কত নম্বর বৃহত্তম গ্রহ?", + "answers": { + "text": [ + "তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_293", + "title": "id_292_ইউরেনাস ", + "context": "ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। সূর্য থেকে এর দূরত্ব ২৮৭ কোটি কিলোমিটার। ৮৪ বছরে এটি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে। এর গড় ব্যাস প্রায় ৪৯,০০০ কিলোমিটার।", + "question": "সূর্য থেকে ইউরেনাসের দূরত্ব কত?", + "answers": { + "text": [ + "২৮৭ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 59 + ] + } + }, + { + "id": "id_294", + "title": "id_293_ইউরেনাস", + "context": "ইউরেনাসের আয়তন পৃথিবীর প্রায় ৬৪ গুণ, তবে ওজন পৃথিবীর মাত্র ১৫ গুণ। গ্রহটির আবহমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ অধিক। এর ২৭টি উপগ্রহ রয়েছে।", + "question": "ইউরেনাসের আয়তন কত গুণ পৃথিবীর চেয়ে বেশি?", + "answers": { + "text": [ + "৬৪ গুণ" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_295", + "title": "id_294_ইউরেনাস", + "context": "ইউরেনাসের আয়তন পৃথিবীর প্রায় ৬৪ গুণ, তবে ওজন পৃথিবীর মাত্র ১৫ গুণ। গ্রহটির আবহমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ অধিক। এর ২৭টি উপগ্রহ রয়েছে।", + "question": "ইউরেনাসের ওজন পৃথিবীর চেয়ে কত গুণ বেশি?", + "answers": { + "text": [ + "১৫ গুণ" + ], + "answer_start": [ + 61 + ] + } + }, + { + "id": "id_296", + "title": "id_295_ইউরেনাস", + "context": "ইউরেনাসের আয়তন পৃথিবীর প্রায় ৬৪ গুণ, তবে ওজন পৃথিবীর মাত্র ১৫ গুণ। গ্রহটির আবহমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ অধিক। এর ২৭টি উপগ্রহ রয়েছে।", + "question": "ইউরেনাসের উপগ্রহের সংখ্যা কত?", + "answers": { + "text": [ + "২৭টি" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_297", + "title": "id_296_নেপচুন", + "context": " নেপচুনের গড় ব্যাস ৪৯,২৪৪ কিলোমিটার এবং সূর্য থেকে দূরত্ব ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। এর আয়তন ১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। সূর্য থেকে অধিক দূরত্বের কারণে গ্রহটি শীতল। গ্রহটি অনেকটা নীলাভ বর্ণের।", + "question": "নেপচুনের ব্যাস কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪৯,২৪৪ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_298", + "title": "id_297_নেপচুন", + "context": " নেপচুনের গড় ব্যাস ৪৯,২৪৪ কিলোমিটার এবং সূর্য থেকে দূরত্ব ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। এর আয়তন ১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। সূর্য থেকে অধিক দূরত্বের কারণে গ্রহটি শীতল। গ্রহটি অনেকটা নীলাভ বর্ণের।", + "question": "নেপচুনের দূরত্ব সূর্য থেকে কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪৫০ কোটি কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 59 + ] + } + }, + { + "id": "id_299", + "title": "id_298_নেপচুন", + "context": "নেপচুনের গড় ব্যাস ৪৯,২৪৪ কিলোমিটার এবং স���র্য থেকে দূরত্ব ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। এর আয়তন ১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। সূর্য থেকে অধিক দূরত্বের কারণে গ্রহটি শীতল। গ্রহটি অনেকটা নীলাভ বর্ণের।", + "question": "নেপচুনের আয়তন কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_300", + "title": "id_299_নেপচুন", + "context": "নেপচুনের গড় ব্যাস ৪৯,২৪৪ কিলোমিটার এবং সূর্য থেকে দূরত্ব ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। এর আয়তন ১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। সূর্য থেকে অধিক দূরত্বের কারণে গ্রহটি শীতল। গ্রহটি অনেকটা নীলাভ বর্ণের।", + "question": "নেপচুনের রং কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "নীলাভ" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_301", + "title": "id_300_নেপচুন", + "context": "নেপচুন ১৬৫ বছরে সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করে। এর উপগ্রহ ১৪টি। উল্লেখযোগ্য উপগ্রহ হচ্ছে ট্রাইটন ও নেরাইড।", + "question": "নেপচুন কত বছরে সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "১৬৫ বছর" + ], + "answer_start": [ + 7 + ] + } + }, + { + "id": "id_302", + "title": "id_301_নেপচুন", + "context": "নেপচুন ১৬৫ বছরে সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করে। এর উপগ্রহ ১৪টি। উল্লেখযোগ্য উপগ্রহ হচ্ছে ট্রাইটন ও নেরাইড।", + "question": "নেপচুনের প্রধান উপগ্রহ কোনগুলো?", + "answers": { + "text": [ + "ট্রাইটন ও নেরাইড" + ], + "answer_start": [ + 85 + ] + } + }, + { + "id": "id_303", + "title": "id_302_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "পৃথিবীর চারদিকে নানা প্রকার গ্যাসীয় উপাদান দ্বারা বেষ্টিত। অদৃশ্য এই গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে। একে বায়ুমণ্ডল বলে।", + "question": "পৃথিবীকে কী দ্বারা বেষ্টন করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বায়ুমণ্ডল" + ], + "answer_start": [ + 113 + ] + } + }, + { + "id": "id_304", + "title": "id_303_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির আকর্ষণে বায়ুমণ্ডল ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেপ্টে আছে এবং পৃথিবীর সঙ্গে আবর্তিত হচ্ছে।", + "question": "পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল কী কারণে ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেপ্টে আছে?", + "answers": { + "text": [ + "মাধ্যাকর্ষণ শক্তির আকর্ষণে" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_305", + "title": "id_304_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের প্রাধান্য রয়েছে। সকল প্রাণীর জন্য অক্সিজেন অত্যাবশ্যক। কার্বন ডাইঅক্সাইড ছাড়��� অন্যান্য উপাদান বায়ুতে মোটামুটি অপরিবর্তনীয় পরিমাণে থাকে। ", + "question": "বায়ুমণ্ডলে কোন দুই উপাদানের প্রাধান্য রয়েছে?\t", + "answers": { + "text": [ + "নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_306", + "title": "id_305_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "বায়ুমণ্ডল সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে প্রাণিকুলকে রক্ষা করে। সূর্যের গ্যাসীয় উপাদান, যেমন কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) ও অক্সিজেন (O₂) যথাক্রমে উদ্ভিদ ও প্রাণীকে বাঁচিয়ে রাখে।", + "question": "বায়ুমণ্ডল কী থেকে প্রাণিকুলকে রক্ষা করে?", + "answers": { + "text": [ + "সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_307", + "title": "id_306_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর হলো ট্রপোস্ফিয়ার। এ বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি এই স্তরে লক্ষ করা যায়। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এ স্তরে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায়।", + "question": "ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর কি?", + "answers": { + "text": [ + "ট্রপোস্ফিয়ার" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_308", + "title": "id_307_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর হলো ট্রপোস্ফিয়ার। এ বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি এই স্তরে লক্ষ করা যায়। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এ স্তরে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায়।", + "question": "উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে কি বেড়ে যায়?\t", + "answers": { + "text": [ + "বাতাসের গতিবেগ" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_309", + "title": "id_308_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "ট্রপোস্ফিয়ারের উর্ধ্বসীমাকে ট্রপোপজ বলে। ট্রপোপজের গভীরতা ভিন্ন ভিন্ন, এখানে বায়ু স্থির। ঝড়বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব না থাকায় বিমান এ স্তর দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করে।", + "question": "ট্রপোস্ফিয়ারের উর্ধ্বসীমাকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ট্রপোপজ" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_310", + "title": "id_309_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "ট্রপোস্ফিয়ারের উর্ধ্বসীমাকে ট্রপোপজ বলে। ট্রপোপজের গভীরতা ভিন্ন ভিন্ন, এখানে বায়ু স্থির। ঝড়বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব না থাকায় বিমান এ স্তর দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করে।", + "question": "ঝড়বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব না থাকলে বিমান কোথায় নির্বিঘ��নে চলাচল করে?", + "answers": { + "text": [ + "ট্রপোপজ" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_311", + "title": "id_310_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "বায়ুমণ্ডলে ওজোন (Ozone) গ্যাসের একটি স্তর আছে, যা ওজোন স্তর নামে পরিচিত। এর গভীরতা প্রায় ১২-১৬ কিলোমিটার।", + "question": "বায়ুমণ্ডলে ওজোন গ্যাসের স্তরের নাম কী?", + "answers": { + "text": [ + "ওজোন স্তর" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_312", + "title": "id_311_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "বায়ুমণ্ডলে ওজোন (Ozone) গ্যাসের একটি স্তর আছে, যা ওজোন স্তর নামে পরিচিত। এর গভীরতা প্রায় ১২-১৬ কিলোমিটার।", + "question": "ওজোন স্তরের গভীরতা কত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ১২-১৬ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_313", + "title": "id_312_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করায় এর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। ওজোন স্তরটি পৃথিবীকে প্রাণিজগতের বাস উপযোগী করেছে।", + "question": "সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করায় ওজোন স্তরের তাপমাত্রা প্রায় কত ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_314", + "title": "id_313_পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", + "context": "সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করায় এর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়। ওজোন স্তরটি পৃথিবীকে প্রাণিজগতের বাস উপযোগী করেছে।", + "question": "ওজোন স্তরটি পৃথিবীকে প্রাণিজগতের জন্য কি করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাস উপযোগী " + ], + "answer_start": [ + 131 + ] + } + }, + { + "id": "id_315", + "title": "id_314_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": " ভূ-অভ্যন্তরে ভূকম্পীয় তরঙ্গের গতি ও প্রকৃতির তারতম্য লক্ষ্য করে ভূ-তত্ত্ববিদগণ ভূ-অভ্যন্তরকে তিনটি স্তরে বিভক্ত করেছেন। এ স্তরগুলো হলো: (১) কেন্দ্রমণ্ডল, (২) গুরুমণ্ডল এবং (৩) অশ্বমণ্ডল।", + "question": "ভূ-অভ্যন্তরকে কতটি স্তরে বিভক্ত করেছেন ভূ-তত্ত্ববিদগণ?", + "answers": { + "text": [ + "তিনটি" + ], + "answer_start": [ + 94 + ] + } + }, + { + "id": "id_316", + "title": "id_315_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "গোলাকার পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৩৭১ কিমি। পৃথিবীর যে কেন্দ্রের চারদিকে প্রায় ৩৪৮৬ কিমি ব্যাসার্ধের গোলক রয়েছে, সে গোলকটির নাম কেন্দ্র���ণ্ডল। বৈজ্ঞানিকদের মতে, কেন্দ্রমণ্ডল লৌহ, নিকেল, পারদ, সীসা প্রভৃতি কঠিন ও ভারী পদার্থ দ্বারা গঠিত। এ স্তরে নিকেল (Nickel) ও লৌহের (Iron) পরিমাণ বেশি থাকায় এ স্তরটি সংক্ষেপে নাইফ (Nife) নামে পরিচিত। এটি পানি অপেক্ষা ১০/১২ গুণ এবং পৃথিবীর অন্যান্য অংশের তুলনায় দ্বিগুণের অধিক ঘন।", + "question": "পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় কত কিমি?", + "answers": { + "text": [ + "৬৩৭১ কিমি" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_317", + "title": "id_316_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "গোলাকার পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৩৭১ কিমি। পৃথিবীর যে কেন্দ্রের চারদিকে প্রায় ৩৪৮৬ কিমি ব্যাসার্ধের গোলক রয়েছে, সে গোলকটির নাম কেন্দ্রমণ্ডল। বৈজ্ঞানিকদের মতে, কেন্দ্রমণ্ডল লৌহ, নিকেল, পারদ, সীসা প্রভৃতি কঠিন ও ভারী পদার্থ দ্বারা গঠিত। এ স্তরে নিকেল (Nickel) ও লৌহের (Iron) পরিমাণ বেশি থাকায় এ স্তরটি সংক্ষেপে নাইফ (Nife) নামে পরিচিত। এটি পানি অপেক্ষা ১০/১২ গুণ এবং পৃথিবীর অন্যান্য অংশের তুলনায় দ্বিগুণের অধিক ঘন।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডল কিসে গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "লৌহ, নিকেল, পারদ, সীসা" + ], + "answer_start": [ + 175 + ] + } + }, + { + "id": "id_318", + "title": "id_317_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "গোলাকার পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৩৭১ কিমি। পৃথিবীর যে কেন্দ্রের চারদিকে প্রায় ৩৪৮৬ কিমি ব্যাসার্ধের গোলক রয়েছে, সে গোলকটির নাম কেন্দ্রমণ্ডল। বৈজ্ঞানিকদের মতে, কেন্দ্রমণ্ডল লৌহ, নিকেল, পারদ, সীসা প্রভৃতি কঠিন ও ভারী পদার্থ দ্বারা গঠিত। এ স্তরে নিকেল (Nickel) ও লৌহের (Iron) পরিমাণ বেশি থাকায় এ স্তরটি সংক্ষেপে নাইফ (Nife) নামে পরিচিত। এটি পানি অপেক্ষা ১০/১২ গুণ এবং পৃথিবীর অন্যান্য অংশের তুলনায় দ্বিগুণের অধিক ঘন।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডলকে অন্য কী নামে অভিহিত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নাইফ (Nife)" + ], + "answer_start": [ + 313 + ] + } + }, + { + "id": "id_319", + "title": "id_318_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "গোলাকার পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৩৭১ কিমি। পৃথিবীর যে কেন্দ্রের চারদিকে প্রায় ৩৪৮৬ কিমি ব্যাসার্ধের গোলক রয়েছে, সে গোলকটির নাম কেন্দ্রমণ্ডল। বৈজ্ঞানিকদের মতে, কেন্দ্রমণ্ডল লৌহ, নিকেল, পারদ, সীসা প্রভৃতি কঠিন ও ভারী পদার্থ দ্বারা গঠিত। এ স্তরে নিকেল (Nickel) ও লৌহের (Iron) পরিমাণ বেশি থাকায় এ স্তরটি সংক্ষেপে নাইফ (Nife) নামে পরিচিত। এটি পানি অপেক্ষা ১০/১২ গু��� এবং পৃথিবীর অন্যান্য অংশের তুলনায় দ্বিগুণের অধিক ঘন।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডল পানি অপেক্ষা কত গুণ ঘন?", + "answers": { + "text": [ + "১০/১২ গুণ" + ], + "answer_start": [ + 355 + ] + } + }, + { + "id": "id_320", + "title": "id_319_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "কিন্তু প্রচণ্ড তাপ ও চাপে এটি সম্ভবত কঠিন অবস্থায় নেই। ভূকম্পন তরঙ্গ থেকে বুঝা যায় যে, কেন্দ্রমণ্ডল দুটি অংশে বিভক্ত: বাইরের অংশ এবং ভিতরের অংশ। বাইরের অংশ তরল এবং ভিতরের অংশ কঠিন অবস্থায় আছে বলে অনুমান করা হয়। কেন্দ্রমণ্ডলের বাইরের অংশের বিস্তৃতি প্রায় ২২৭০ কিমি।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডল কতটি অংশে বিভক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "দুটি অংশে" + ], + "answer_start": [ + 102 + ] + } + }, + { + "id": "id_321", + "title": "id_320_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "কিন্তু প্রচণ্ড তাপ ও চাপে এটি সম্ভবত কঠিন অবস্থায় নেই। ভূকম্পন তরঙ্গ থেকে বুঝা যায় যে, কেন্দ্রমণ্ডল দুটি অংশে বিভক্ত: বাইরের অংশ এবং ভিতরের অংশ। বাইরের অংশ তরল এবং ভিতরের অংশ কঠিন অবস্থায় আছে বলে অনুমান করা হয়। কেন্দ্রমণ্ডলের বাইরের অংশের বিস্তৃতি প্রায় ২২৭০ কিমি।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডলের বাইরের অংশের বিস্তৃতি কত কিমি?\t", + "answers": { + "text": [ + "২২৭০ কিমি" + ], + "answer_start": [ + 259 + ] + } + }, + { + "id": "id_322", + "title": "id_321_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "কেন্দ্রমণ্ডলের ভিতরের অংশটি পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে প্রায় ১২১৬ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে কঠিন অবস্থায় রয়েছে। এই স্তরটি পৃথিবীর গঠন ও ভৌত বৈশিষ্ট্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন ও ভূ-তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডলের ভিতরের অংশটি কতো কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে কঠিন অবস্থায় রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "১২১৬ কিমি" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_323", + "title": "id_322_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "কেন্দ্রমণ্ডলের ভিতরের অংশটি পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে প্রায় ১২১৬ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে কঠিন অবস্থায় রয়েছে। এই স্তরটি পৃথিবীর গঠন ও ভৌত বৈশিষ্ট্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন ও ভূ-তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডল কোন অবস্থায় রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "কঠিন অবস্থায়" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_324", + "title": "id_323_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "���েন্দ্রমণ্ডলের উপর থেকে চতুর্দিকে প্রায় ২৮৮৫ কিমি পর্যন্ত মণ্ডলটিকে গুরুমণ্ডল বলা হয়। সিলিকন, ম্যাগনেশিয়াম প্রভৃতি ভারী ধাতুগুলোর সংমিশ্রণে এ মণ্ডলটি গঠিত।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডলের উপর থেকে কত কিমি পর্যন্ত মণ্ডলটিকে গুরুমণ্ডল বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ২৮৮৫ কিমি" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_325", + "title": "id_324_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "কেন্দ্রমণ্ডলের উপর থেকে চতুর্দিকে প্রায় ২৮৮৫ কিমি পর্যন্ত মণ্ডলটিকে গুরুমণ্ডল বলা হয়। সিলিকন, ম্যাগনেশিয়াম প্রভৃতি ভারী ধাতুগুলোর সংমিশ্রণে এ মণ্ডলটি গঠিত।", + "question": "গুরুমণ্ডলটি কোন উপাদানের সংমিশ্রণে গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "সিলিকন, ম্যাগনেশিয়াম" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_326", + "title": "id_325_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "কেন্দ্রমণ্ডলের উপরাংশে ১৪৪৮ কিমি স্তরে ব্যাসাল্ট জাতীয় উপাদান ছাড়া গঠিত বলে একে ব্যাসাল্ট অঞ্চলও বলা হয়। সিলিকন (Silicon) ও ম্যাগনেসিয়াম (Magnesium) দ্বারা মণ্ডলটি গঠিত বলে একে সিমা (Sima) বলা হয়।", + "question": "কেন্দ্রমণ্ডলের উপরের অংশে কি ধরনের উপাদান রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাসাল্ট জাতীয় উপাদান" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_327", + "title": "id_326_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "গুরুমণ্ডলের উপরের অংশকে অশ্বমণ্ডল বা শিলামণ্ডল বলা হয়। এটি নানা প্রকার শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত। এর গভীরতা মহাদেশীয় অঞ্চলের নিচে সবচেয়ে বেশি এবং মহাসাগরের নিচে সবচেয়ে কম।", + "question": "গুরুমণ্ডলের উপরের অংশকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অশ্বমণ্ডল" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_328", + "title": "id_327_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "গুরুমণ্ডলের উপরের অংশকে অশ্বমণ্ডল বা শিলামণ্ডল বলা হয়। এটি নানা প্রকার শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত। এর গভীরতা মহাদেশীয় অঞ্চলের নিচে সবচেয়ে বেশি এবং মহাসাগরের নিচে সবচেয়ে কম।", + "question": "অশ্বমণ্ডলের গভীরতা কোথায় সবচেয়ে বেশি?", + "answers": { + "text": [ + "মহাদেশীয় অঞ্চলের নিচে" + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_329", + "title": "id_328_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "অশ্বমণ্ডলের গভীরতা সম্পর্কে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে। এর গভীরতা স্থান বিশেষ ৩০ থেকে ৬৪ কিমি পর্যন্ত ধরা হয়। যেসব উ��াদানে এ স্তর গঠিত তাদের মধ্যে অক্সিজেন, সিলিকন, আ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম প্রভৃতির নাম উল্লেখযোগ্য।", + "question": "অশ্বমণ্ডলের গভীরতা কত কিমি পর্যন্ত ধরা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৩০ থেকে ৬৪ কিমি" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_330", + "title": "id_329_ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", + "context": "এ স্তরে সিলিকন (Silicon) ও আ্যালুমিনিয়াম (Aluminium) এর পরিমাণ বেশি, তাই এটাকে সিয়াল (Sial) স্তর বলা হয়। অশ্বমণ্ডলের উপরিভাগকে ভূত্বক বলা হয় এবং নিম্নভাগকে ভূত্বকের নিযংশ বলা হয়। ভূত্বকই পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণ। \n", + "question": "সিয়াল স্তরের গঠনকারী প্রধান উপাদানগুলো কী?", + "answers": { + "text": [ + "সিলিকন" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_331", + "title": "id_330_সময় নির্ণয় পদ্ধতি", + "context": "পৃথিবীর মানচিত্রে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য পূর্ব-পশ্চিমে এবং উত্তর-দক্ষিণে কিছু কাল্পনিক রেখা অঙ্কন করা হয়। এগুলোকে যথাক্রমে অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমারেখা বলা হয়।", + "question": "পৃথিবীর মানচিত্রে কোন ধরনের রেখা অঙ্কন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কাল্পনিক" + ], + "answer_start": [ + 91 + ] + } + }, + { + "id": "id_332", + "title": "id_331_সময় নির্ণয় পদ্ধতি", + "context": "কোনো স্থানের অবস্থান অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে জানা যায়। দ্রাঘিমার অবস্থান থেকে কোনো স্থানের সময় জানা যায়।", + "question": "অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে কি জানা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো স্থানের অবস্থান" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_333", + "title": "id_332_সময় নির্ণয় পদ্ধতি", + "context": "কোনো স্থানের অবস্থান অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে জানা যায়। দ্রাঘিমার অবস্থান থেকে কোনো স্থানের সময় জানা যায়।", + "question": "দ্রাঘিমার অবস্থান থেকে কি জানা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো স্থানের সময়" + ], + "answer_start": [ + 91 + ] + } + }, + { + "id": "id_334", + "title": "id_333_সময় নির্ণয় পদ্ধতি", + "context": "অক্ষরেখার সাহায্যে যেমন নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে অবস্থান জানা যায়, তেমনি মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে অবস্থান জানার জন্য দ্রাঘিমারেখা ব্যবহার করা হয়।", + "question": "দ্রাঘিমারেখা কিসের জন্য ব্যবহার করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পূর্ব বা পশ্চিমে অবস্থান জানার জ��্য" + ], + "answer_start": [ + 99 + ] + } + }, + { + "id": "id_335", + "title": "id_334_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কলগিত রেখাকে অক্ষ বলা হয় (Axis)। এ অক্ষের উত্তর প্রান্তকে উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ প্রান্তকে দক্ষিণ মেরু বলা হয়।", + "question": "পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে কোন রেখা অঙ্কন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অক্ষ" + ], + "answer_start": [ + 49 + ] + } + }, + { + "id": "id_336", + "title": "id_335_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কলগিত রেখাকে অক্ষ বলা হয় (Axis)। এ অক্ষের উত্তর প্রান্তকে উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ প্রান্তকে দক্ষিণ মেরু বলা হয়।", + "question": "উত্তর অক্ষের প্রান্তকে কি বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর মেরু" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_337", + "title": "id_336_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর মানচিত্রে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য পূর্ব-পশ্চিমে যে কিছু কাল্পনিক রেখা অঙ্কন করা হয় তাকে অক্ষরেখা বলা হয়। দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বিভক্ত করে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা।", + "question": "পূর্ব-পশ্চিমে যে কাল্পনিক রেখা অঙ্কন করা হয় তাকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অক্ষরেখা" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_338", + "title": "id_337_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর মানচিত্রে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য পূর্ব-পশ্চিমে যে কিছু কাল্পনিক রেখা অঙ্কন করা হয় তাকে অক্ষরেখা বলা হয়। দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বিভক্ত করে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা।", + "question": "দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বিভক্ত করে যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিরক্ষরেখা" + ], + "answer_start": [ + 224 + ] + } + }, + { + "id": "id_339", + "title": "id_338_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য এ রেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলা হয়। নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।", + "question": "পৃথিব���র গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখাকে আর কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিরক্ষবৃত্ত" + ], + "answer_start": [ + 59 + ] + } + }, + { + "id": "id_340", + "title": "id_339_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য এ রেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলা হয়। নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।", + "question": "নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে কত ভাগে ভাগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "সমান দুই ভাগ" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_341", + "title": "id_340_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য এ রেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলা হয়। নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।", + "question": "নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের অর্ধেককে কী বলা হয়?\t", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর গোলার্ধ" + ], + "answer_start": [ + 183 + ] + } + }, + { + "id": "id_342", + "title": "id_341_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর বৃত্তের মোট পরিধি হলো ৩৬০০। এই পরিধির কোণকে ডিগ্রি (°), মিনিট ('), ও সেকেন্ড (\") বিভক্ত করা হয়। নিরক্ষরেখা থেকে প্রত্যেক মেরুর কৌণিক দূরত্ব ৯০°।", + "question": "পৃথিবীর বৃত্তের মোট পরিধি কত", + "answers": { + "text": [ + "৩৬০০" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_343", + "title": "id_342_অক্ষ", + "context": "পৃথিবীর বৃত্তের মোট পরিধি হলো ৩৬০০। এই পরিধির কোণকে ডিগ্রি (°), মিনিট ('), ও সেকেন্ড (\") বিভক্ত করা হয়। নিরক্ষরেখা থেকে প্রত্যেক মেরুর কৌণিক দূরত্ব ৯০°।", + "question": "নিরক্ষরেখা থেকে প্রত্যেক মেরুর কৌণিক দূরত্ব কত?", + "answers": { + "text": [ + "৯০°" + ], + "answer_start": [ + 149 + ] + } + }, + { + "id": "id_344", + "title": "id_343_অক্ষ", + "context": "অক্ষরেখাগুলো পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এবং পরস্পর সমান্তরাল। এ কারণে প্রত্যেকটি অক্ষরেখাকে সমাক্ষরেখাও বলা হয়। প্রত্যেক অক্ষরেখা একটি পূর্ণবৃত্ত।", + "question": "অক্ষরেখাগু���ো কিভাবে বিস্তৃত?", + "answers": { + "text": [ + "পূর্ব-পশ্চিমে" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_345", + "title": "id_344_অক্ষ", + "context": "নিরক্ষরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে এ স্থানের অক্ষাংশ বলা হয়। সর্বোচ্চ অক্ষাংশ ৯০°।", + "question": "সর্বোচ্চ অক্ষাংশ কত ডিগ্রী?", + "answers": { + "text": [ + "৯০°" + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_346", + "title": "id_345_অক্ষ", + "context": "০০° থেকে ৩০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে নিম্ন অক্ষাংশ, ৩০° থেকে ৬০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে মধ্য অক্ষাংশ এবং ৬০° থেকে ৯০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে উচ্চ অক্ষাংশ বলা হয়।", + "question": "৬০° থেকে ৯০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উচ্চ অক্ষাংশ" + ], + "answer_start": [ + 125 + ] + } + }, + { + "id": "id_347", + "title": "id_346_অক্ষ", + "context": "০০° থেকে ৩০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে নিম্ন অক্ষাংশ, ৩০° থেকে ৬০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে মধ্য অক্ষাংশ এবং ৬০° থেকে ৯০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে উচ্চ অক্ষাংশ বলা হয়।", + "question": "৩০° থেকে ৬০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মধ্য অক্ষাংশ" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_348", + "title": "id_347_দ্রাঘিমারেখা", + "context": "যে রেখাগুলো কল্পনা করা হয়েছে তাদের দ্রাঘিমারেখা বলা হয়। দ্রাঘিমারেখাকে মধ্যরেখাও বলা হয়। দ্রাঘিমারেখাগুলো অর্ধবৃত্ত এবং সমান্তরাল নয়। প্রত্যেকটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান। সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা ১৮০° হয়।", + "question": "দ্রাঘিমারেখা কী ধরনের রেখা?", + "answers": { + "text": [ + "অর্ধবৃত্ত" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_349", + "title": "id_348_দ্রাঘিমারেখা", + "context": "যে রেখাগুলো কল্পনা করা হয়েছে তাদের দ্রাঘিমারেখা বলা হয়। দ্রাঘিমারেখাকে মধ্যরেখাও বলা হয়। দ্রাঘিমারেখাগুলো অর্ধবৃত্ত এবং সমান্তরাল নয়। প্রত্যেকটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান। সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা ১৮০° হয়।", + "question": "দ্রাঘিমার সর্বোচ্চ মান কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৮০°" + ], + "answer_start": [ + 195 + ] + } + }, + { + "id": "id_350", + "title": "id_349_দ্রাঘিমারেখা", + "context": "মধ্যরেখাগুলোর যেকোনো একটিকে নির্দিষ্ট মধ্যরেখা ধরে এই রেখা থেকে অন্যান্য মধ্যরেখার কৌণিক দূরত্ব মাপা হয়। দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে স্থানীয় সময় নির্ণয় করা যায়।", + "question": "দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে কী নির্ণয় করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "স্থানীয় সময়" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_351", + "title": "id_350_মূল মধ্যরেখা", + "context": "গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে যে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে সেই স্থানের দ্রাঘিমা বলা হয়। গ্রিনিচের দ্রাঘিমা ০°।", + "question": "গ্রিনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রি?", + "answers": { + "text": [ + "০°" + ], + "answer_start": [ + 125 + ] + } + }, + { + "id": "id_352", + "title": "id_351_মূল মধ্যরেখা", + "context": " যেখানে নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখা পরস্পরকে লম্বভাবে ছেদ করে, সেখানে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই শূন্য (০°) হয়। এই স্থানটি হলো গিনি উপসাগরের কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থান। স্থানীয় সময় এবং গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য থেকে কোনো স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।", + "question": "কোন স্থানে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই শূন্য?", + "answers": { + "text": [ + "গিনি উপসাগর" + ], + "answer_start": [ + 124 + ] + } + }, + { + "id": "id_353", + "title": "id_352_স্থানীয় সময়ের পার্থক্য", + "context": "১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট এবং ১ দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ সেকেন্ড।", + "question": "১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪ মিনিট" + ], + "answer_start": [ + 55 + ] + } + }, + { + "id": "id_354", + "title": "id_353_স্থানীয় সময়ের পার্থক্য", + "context": "১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট এবং ১ দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ সেকেন্ড।", + "question": "১ দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪ সেকেন্ড" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_355", + "title": "id_354_স্থানীয় সময়ের পার্থক্য", + "context": "গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য (০) ডিগ্রি। কোনো স্থান গ্রিনিচের পূর্বে হলে তার স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় থেকে বেশি হবে এবং কোনো স্থান পশ্চিমে হলে তার স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় থেকে কম হবে।", + "question": "গ্রিনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রি?", + "answers": { + "text": [ + "শূন্য (০) ডিগ্রি" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_356", + "title": "id_355_স্থানীয় সময়ের পার্থক্য", + "context": "গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য (০) ডিগ্রি। কোনো স্থান গ্রিনিচের পূর্বে হলে তার স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় থেকে বেশি হবে এবং কোনো স্থান পশ্চিমে হলে তার স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় থেকে কম হবে।", + "question": "যদি কোনো স্থান গ্রিনিচের পূর্বে হয়, তবে তার স্থানীয় সময় কেমন হবে?", + "answers": { + "text": [ + "গ্রিনিচের সময় থেকে বেশি" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_357", + "title": "id_356_প্রমাণ সময়", + "context": "গ্রিনিচের (০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা) স্থানীয় সময়কে সমগ্র পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা ৬ ঘণ্টা অগ্রবর্তী।", + "question": "বাংলাদেশের প্রমাণ সময় কত ঘণ্টা অগ্রবর্তী?", + "answers": { + "text": [ + "৬ ঘণ্টা" + ], + "answer_start": [ + 143 + ] + } + }, + { + "id": "id_358", + "title": "id_357_প্রমাণ সময়", + "context": "৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে অবস্থিত। এ কারণে এ দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ধরে কাজ করা হয়।", + "question": "৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কোথায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_359", + "title": "id_358_প্রতিপাদ স্থান", + "context": "প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণভাবে একে অপরের বিপরীত দিকে থাকে। ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।", + "question": "ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট " + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_360", + "title": "id_359_প্রতিপাদ স্থান", + "context": "প্রতিপাদ স্থান দুটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য হবে ১২ ঘণ্টা।", + "question": "প্রতিপাদ স্থান দুটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত?", + "answers": { + "text": [ + "১২ ঘণ্টা" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_361", + "title": "id_360_আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা", + "context": "আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রশান্ত মহাসাগরের জলভাগের উপর ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাকে অবলম্বন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে।এ রেখা অতিক্রম করলে দিন এবং তারিখের পরিবর্তন হয়; এজন্য এ রেখাটিকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলা হয়।", + "question": "আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কি?", + "answers": { + "text": [ + "১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা" + ], + "answer_start": [ + 61 + ] + } + }, + { + "id": "id_362", + "title": "id_361_পৃথিবীর গতি", + "context": "পৃথিবীর গতি দুই প্রকার- আহিক গতি ও বার্ষিক গতি।", + "question": "পৃথিবীর গতি কত প্রকার?", + "answers": { + "text": [ + "দুই প্রকার" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_363", + "title": "id_362_আহ্নিক গতি ", + "context": "পৃথিবীতে আহ্নিক গতির ফলে দিন ও রাত সংঘটিত হয়। পৃথিবী নিজ অক্ষে বা মেরুরেখায় পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। এভাবে আবর্তন করতে পৃথিবীর প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড লাগে। পৃথিবীর এ গতিকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলে।", + "question": "পৃথিবীতে আহিক গতির ফলে কী ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "দিন ও রাত" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_364", + "title": "id_363_আহ্নিক গতি ", + "context": "পৃথিবীতে আহ্নিক গতির ফলে দিন ও রাত সংঘটিত হয়। পৃথিবী নিজ অক্ষে বা মেরুরেখায় পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। এভাবে আবর্তন করতে পৃথিবীর প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড লাগে। পৃথিবীর এ গতিকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলে।", + "question": "নিজ অক্ষে আবর্তন করতে পৃথিবীর কত সময় লাগে?", + "answers": { + "text": [ + "২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_365", + "title": "id_364_আহ্নিক গতি ", + "context": "পৃথিবীর নিজস্ব আলো নেই। সূর্যের আলোতে পৃথিবী আলোকিত হয়। পৃথিবী গোলাকার বলে সূর্যের আলো একই সময়ে ভূপৃষ্ঠের সকল অংশে পড়ে না। আবর্তনের সময় যে অংশে আলো পড়ে সে অংশে দিন এবং যে অংশে অন্ধকার থাকে সে অংশে রাত হয়।", + "question": "পৃথিবীর আলোকিত হওয়ার প্রধান উৎস কি?", + "answers": { + "text": [ + "সূর্যের আলো" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_366", + "title": "id_365_আহ্নিক গতি ", + "context": "আহ্নিক গতির ফলে টান ও সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীতে জোয়ার ও ভাটা হয়। আহ্নিক গতি সমুদ্রপ্রবাহ ও বায়ুপ্রবাহের উপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে।", + "question": "আহ্নিক গতি কোন কোন বিষয়ে প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "সমুদ্রপ্রবাহ" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_367", + "title": "id_366_আহ্নিক গতি ", + "context": "পৃথিবীর আলোকিত ও অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে। প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে তখন উষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধুলি বলে।", + "question": "গোধুলি কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সন্ধ্যার ���িছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_368", + "title": "id_367_বার্ষিক গতি", + "context": "পৃথিবী নিজ অক্ষে একটি নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে, নির্দিষ্ট দিকে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করছে। পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পৃথিবীর এই পরিক্রমণকে বার্ষিক গতি বলে। পৃথিবী প্রতি সেকেন্ডে ৩০ কিলোমিটার বেগে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।", + "question": "পৃথিবী কোন দিকে পরিক্রমণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে" + ], + "answer_start": [ + 119 + ] + } + }, + { + "id": "id_369", + "title": "id_368_বার্ষিক গতি", + "context": "পৃথিবী নিজ অক্ষে একটি নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে, নির্দিষ্ট দিকে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করছে। পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পৃথিবীর এই পরিক্রমণকে বার্ষিক গতি বলে। পৃথিবী প্রতি সেকেন্ডে ৩০ কিলোমিটার বেগে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।", + "question": "পৃথিবী সূর্যকে কত বেগে প্রদক্ষিণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "৩০ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 202 + ] + } + }, + { + "id": "id_370", + "title": "id_369_বার্ষিক গতি", + "context": "সূর্যকে পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর এক বছর সময় লাগে। এ সময়কে সৌরবছর বলা হয়। ঠিক হিসাবে এ সময় হলো ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে ধরা হয়।", + "question": "পৃথিবী সূর্যকে পরিক্রমণ করতে কত সময় লাগে?", + "answers": { + "text": [ + "এক বছর" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_371", + "title": "id_370_বার্ষিক গতি", + "context": "সূর্যকে পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর এক বছর সময় লাগে। এ সময়কে সৌরবছর বলা হয়। ঠিক হিসাবে এ সময় হলো ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে ধরা হয়।", + "question": "লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস কত দিনের হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২৯ দিন" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_372", + "title": "id_371_বার্ষিক গতি", + "context": "বার্ষিক গতির ফলে পৃথিবীতে দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি ও খতু পরিবর্তন ঘটে।", + "question": "বার্ষিক গতির ফলে কী ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি ও খতু পরিবর্তন" + ], + "answer_start": [ + 26 + ] + } + }, + { + "id": "id_373", + "title": "id_372_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "২১শে জুন উত���তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়। এ সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।", + "question": "২১শে জুন কোন গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর গোলার্ধে" + ], + "answer_start": [ + 9 + ] + } + }, + { + "id": "id_374", + "title": "id_373_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "২১শে জুন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়। এ সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।", + "question": "২১শে জুন কোন গোলার্ধে রাত সবচেয়ে বড় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষিণ গোলার্ধে" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_375", + "title": "id_374_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "সুমেরুবৃত্তের (৬৬.৫০° উত্তর) থেকে উত্তরে উত্তর মেরু পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা দিন এবং কুমেরুবৃত্ত (৬৬.৫০° দক্ষিণ) থেকে দক্ষিণে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা রাত থাকে। ২১শে জুনের পর সূর্য আর উত্তর গোলার্ধের দিকে নড়ে না, দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরতে থাকে। সূর্যের এই অবস্থানকে উত্তর অয়নান্ত বলা হয়।", + "question": "সূর্যের উত্তর অয়নান্ত অবস্থান কবে ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "২১শে জুন" + ], + "answer_start": [ + 157 + ] + } + }, + { + "id": "id_376", + "title": "id_375_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "সুমেরুবৃত্তের (৬৬.৫০° উত্তর) থেকে উত্তরে উত্তর মেরু পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা দিন এবং কুমেরুবৃত্ত (৬৬.৫০° দক্ষিণ) থেকে দক্ষিণে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা রাত থাকে। ২১শে জুনের পর সূর্য আর উত্তর গোলার্ধের দিকে নড়ে না, দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরতে থাকে। সূর্যের এই অবস্থানকে উত্তর অয়নান্ত বলা হয়।\n\n", + "question": "উত্তর মেরুতে ২৪ ঘণ্টা দিন কবে থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "২১শে জুন" + ], + "answer_start": [ + 157 + ] + } + }, + { + "id": "id_377", + "title": "id_376_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "২৩শে সেপ্টেম্বর পৃথিবী এমন এক স্থানে অবস্থান করে, যখন উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে। এই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিবা-রাত্রি সমান হয়, কারণ সূর্যরশ্মি নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে পতিত হয়।", + "question": "২৩শে সেপ্টেম্বর পৃথিবীর অবস্থান কেমন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_378", + "title": "id_377_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "২৩শে সেপ্টেম্বর পৃথিবী এমন এক স্থানে অবস্থান করে, যখন উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে। এই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিবা-রাত্রি সমান হয়, কারণ সূর্যরশ্মি নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে পতিত হয়।", + "question": "২৩শে সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র কী সমান হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দিবা-রাত্রি সমান হয়" + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_379", + "title": "id_378_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "২২শে ডিসেম্বর দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি (২৩.৫০°) হেলে থাকে। এই দিন সূর্যকিরণ মকরক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে (৯০° কোণে) পতিত হয়। তাই এই তারিখে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়।", + "question": "২২শে ডিসেম্বর সূর্যকিরণ কোথায় লম্বভাবে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "মকরক্রান্তি রেখায়" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_380", + "title": "id_379_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "২১শে মার্চ পৃথিবীর উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে। এই দিন ২৩শে সেপ্টেম্বরের মতো দিবা-রাত্রি সমান হয়। পৃথিবীর এই অবস্থানকে বাসন্ত বিষুব বলে।\t", + "question": "২১শে মার্চ পৃথিবীর অবস্থানকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বাসন্ত বিষুব" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_381", + "title": "id_380_দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির কারণ", + "context": "২১শে মার্চ পৃথিবীর উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে। এই দিন ২৩শে সেপ্টেম্বরের মতো দিবা-রাত্রি সমান হয়। পৃথিবীর এই অবস্থানকে বাসন্ত বিষুব বলে।", + "question": "২১শে মার্চ পৃথিবীতে দিবা-রাত্রি কেমন থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "দিবা-রাত্রি সমান হয়" + ], + "answer_start": [ + 85 + ] + } + }, + { + "id": "id_382", + "title": "id_381_ঋতু পরিবর্তন", + "context": "২১শে জুন সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ দিন। এই দিন সূর্যের রশ্মি কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে পতিত হয়। ফলে এ দিন এখানে দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত হয়।", + "question": "২১শে জুনে সূর্যের কি অবস্থান হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তরায়ণের শেষ দিন" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_383", + "title": "id_382_ঋতু পরিবর্তন", + "context": "২১শে জুন সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ দিন। এই দিন সূর্যের রশ্মি কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে পতিত হয়। ফলে এ দিন এখানে দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত হয়।", + "question": "২১ জুন সূর্যের রশ্মি কোথায় লম্বভাবে পতিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কর্কটক্রান্তির উপর" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_384", + "title": "id_383_ঋতু পরিবর্তন", + "context": "২১শে জুনের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত মোট তিন মাস উত্তর গোলার্ধে তাপমাত্রা বেশি থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল। এ সময় সূর্যের তির্যক কিরণের জন্য দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়। এজন্য সেখানে তখন", + "question": "উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল কবে শুরু হয়?\t", + "answers": { + "text": [ + "২১শে জুন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_385", + "title": "id_384_ঋতু পরিবর্তন", + "context": "২১শে জুনের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত মোট তিন মাস উত্তর গোলার্ধে তাপমাত্রা বেশি থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল। এ সময় সূর্যের তির্যক কিরণের জন্য দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়। এজন্য সেখানে তখন", + "question": "দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল কেন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সূর্যের তির্যক কিরণের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 136 + ] + } + }, + { + "id": "id_386", + "title": "id_385_ঋতু পরিবর্তন", + "context": "২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্যের রশ্মি নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে পড়ে এবং পৃথিবীর সর্বত্র দিবা-রাত্রি সমান হয়। এই তারিখের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত মোট তিন মাস তাপমাত্রা মধ্যম ধরনের থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে শরতকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল।", + "question": "২৩শে সেপ্টেম্বরের তারিখে সূর্যের রশ্মি কোথায় লম্বভাবে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "নিরক্ষরেখা" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_387", + "title": "id_386_ঋতু পরিবর্তন", + "context": "২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্যের রশ্মি নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে পড়ে এবং পৃথিবীর সর্বত্র দিবা-রাত্রি সমান হয়। এই তারিখের দেড় মাস পূর্ব থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত মোট তিন মাস তাপমাত্রা মধ্যম ধরনের থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে শরতকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল।", + "question": "২৩শে সেপ্টেম্বরের সময় উত্তর গোলার্ধে কোন ঋতু থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "শরতকাল" + ], + "answer_start": [ + 210 + ] + } + }, + { + "id": "id_388", + "title": "id_387_ঋতু পরিবর্তন", + "context": "২২শে ডিসেম্বর সূর্যের দক্ষিণায়নের শেষ দিন, অর্থাৎ এই দিন সূর্যের রশ্মি মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে সেখানে দিন বড় এবং রাত ছো��� হয়। এই তারিখের দেড় মাস পূর্ব ও পরে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকে।", + "question": "২২শে ডিসেম্বর সূর্যের কোন অবস্থান থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষিণায়ন" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_389", + "title": "id_388_ঋতু পরিবর্তন", + "context": "২২শে ডিসেম্বর সূর্যের দক্ষিণায়নের শেষ দিন, অর্থাৎ এই দিন সূর্যের রশ্মি মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে সেখানে দিন বড় এবং রাত ছোট হয়। এই তারিখের দেড় মাস পূর্ব ও পরে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকে।", + "question": "২২শে ডিসেম্বর সূর্যের কিরণ কোথায় লম্বভাবে পতিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মকরক্রান্তি" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_390", + "title": "id_389_ঋতু পরিবর্তনের কারণ", + "context": "সূর্যকে পরিক্রমণকালে পৃথিবী সবসময় ৬৬.৫° কোণে হেলে ঘুরে। ফলে বিভিন্ন স্থানে সূর্যরশ্মির পতনে কৌণিক তারতম্য ঘটে এবং ঋতু পরিবর্তিত হয়। পৃথিবীর কক্ষপথের দৈর্ঘ্য ৯৩৮০৫১৮২৭ কি.মি। এ কক্ষপথ উপবৃত্তাকার।", + "question": "পৃথিবী সূর্যকে কিভাবে পরিক্রমণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "৬৬.৫° কোণে হেলে" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_391", + "title": "id_390_ঋতু পরিবর্তনের কারণ", + "context": "সূর্যকে পরিক্রমণকালে পৃথিবী সবসময় ৬৬.৫° কোণে হেলে ঘুরে। ফলে বিভিন্ন স্থানে সূর্যরশ্মির পতনে কৌণিক তারতম্য ঘটে এবং ঋতু পরিবর্তিত হয়। পৃথিবীর কক্ষপথের দৈর্ঘ্য ৯৩৮০৫১৮২৭ কি.মি। এ কক্ষপথ উপবৃত্তাকার।", + "question": "পৃথিবীর কক্ষপথের দৈর্ঘ্য কত কি.মি.?", + "answers": { + "text": [ + "৯৩৮০৫১৮২৭ কি.মি।" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_392", + "title": "id_391_ঋতু পরিবর্তনের কারণ", + "context": "জানুয়ারির ১ থেকে ৩ তারিখে সূর্য পৃথিবীর নিকটতম অবস্থানে থাকে। একে পৃথিবীর অনুসূর বলা হয়। আবার জুলাইয়ের ১ থেকে ৪ তারিখে সূর্য পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে থাকে। একে পৃথিবীর অপসূর বলা হয়।", + "question": "জানুয়ারির ১ থেকে ৩ তারিখে সূর্য কোথায় থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "পৃথিবীর নিকটতম অবস্থানে" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_393", + "title": "id_392_ঋতু পরিবর্তনের কারণ", + "context": "জানুয়ারির ১ থেকে ৩ তারিখে সূর্য পৃথিবীর নিকটতম অবস্থানে থাকে। একে পৃথিবীর অনুসূর বলা হয়। আবার জুলাইয়ের ১ থেকে ৪ তারিখে সূর্য পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে থাকে। একে পৃথিবীর অপসূর বলা হয়।", + "question": "জুলাইয়ের ১ থেকে ৪ তারিখে সূর্য কোথায় থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_394", + "title": "id_393_জোয়ার-ভাটা", + "context": "সমুদ্রের পানি প্রত্যেক সাড়ে বারো ঘণ্টায় একবার ফুলে ওঠে, পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, আবার তা নেমে যায়। সমুদ্রের পানি এভাবে নিয়মিতভাবে ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। পৃথিবীর নিজের গতি এবং তার উপর চাঁদ ও সূর্যের প্রভাবেই মূলত জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়।", + "question": "সমুদ্রের পানি প্রতি কত ঘণ্টায় একবার ফুলে ওঠে?", + "answers": { + "text": [ + "সাড়ে বারো ঘণ্টা" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_395", + "title": "id_394_জোয়ার-ভাটা", + "context": "সমুদ্রের পানি প্রত্যেক সাড়ে বারো ঘণ্টায় একবার ফুলে ওঠে, পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, আবার তা নেমে যায়। সমুদ্রের পানি এভাবে নিয়মিতভাবে ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। পৃথিবীর নিজের গতি এবং তার উপর চাঁদ ও সূর্যের প্রভাবেই মূলত জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়।", + "question": "জোয়ার এবং ভাটার কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "পৃথিবীর নিজের গতি এবং তার উপর চাঁদ ও সূর্যের প্রভাব" + ], + "answer_start": [ + 179 + ] + } + }, + { + "id": "id_396", + "title": "id_395_জোয়ার-ভাটা", + "context": "জোয়ার ও ভাটা প্রতি ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পর পর হয়।", + "question": "জোয়ার ও ভাটা কতক্ষণ পরপর হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_397", + "title": "id_396_জোয়ার-ভাটা", + "context": "পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তি এবং পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণের কারণে জোয়ার-ভাটা হয়।", + "question": "পৃথিবীর আবর্তনের ফলে কী সৃষ্টি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রাতিগ শক্তি" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_398", + "title": "id_397_জোয়ার-ভাটা", + "context": "পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তি এবং পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণের কারণে জোয়ার-ভাটা হয়।", + "question": "জোয়ার-ভাটা কী কারণে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ" + ], + "answer_start": [ + 61 + ] + } + }, + { + "id": "id_399", + "title": "id_398_জোয়ার-ভাটা", + "context": "জোয়ার-ভাটাকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, যেমন—মুখ্য জোয়ার, গৌণ জোয়ার, ভরা কটাল ও মরা কটাল। ", + "question": "জোয়ার-ভাটাকে কতটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "চারটি" + ], + "answer_start": [ + 14 + ] + } + }, + { + "id": "id_400", + "title": "id_399_জোয়ার-ভাটা", + "context": " চাঁদের আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চাঁদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। ফলে পার্শ্ববর্তী স্থান থেকে পানি এসে চাঁদের নিচে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। একে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলা হয়।", + "question": "পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চাঁদের কি বেশি?", + "answers": { + "text": [ + "আকর্ষণ" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_401", + "title": "id_400_জোয়ার-ভাটা", + "context": "অমাবস্যা তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চাঁদ ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলা হয়।", + "question": "অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে কিসের সৃষ্টি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "তেজ কটাল বা ভরা কটাল" + ], + "answer_start": [ + 218 + ] + } + }, + { + "id": "id_402", + "title": "id_401_জোয়ার-ভাটা", + "context": "চাঁদ নিজ কক্ষপথে ২৭ দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে।", + "question": "চাঁদ কত দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "২৭ দিন" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_403", + "title": "id_402_জোয়ার-ভাটা", + "context": "প্রত্যেক স্থানে জোয়ার শুরুর ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে ভাটা হয়ে থাকে।", + "question": "জোয়ার শুরুর কত সময় পরে ভাটা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_404", + "title": "id_403_জোয়ার-ভাটা", + "context": "পৃথিবীর বহু নদীতে ভাটার স্রোতকে কাজে লাগিয়ে জল বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।", + "question": "ভাটার স্রোতকে কোথায় কাজে লাগানো হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জল বিদ্যুৎ উৎপাদন" + ], + "answer_start": [ + 44 + ] + } + }, + { + "id": "id_405", + "title": "id_404_বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি", + "context": "বাংলাদেশ পলল গঠিত একটি আর্দ্র অঞ্চলের দেশ। উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বের সামান্য পাহাড়ি এলাকা এবং উত্তর-পশ্চিমাংশের সীমিত উচ্চভূমি ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তৃত সমভূমি।", + "question": "বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "পলল গঠিত একটি আর্দ্র অঞ্চলের দেশ।" + ], + "answer_start": [ + 9 + ] + } + }, + { + "id": "id_406", + "title": "id_405_বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি", + "context": "বাংলাদেশ পলল গঠিত একটি আর্দ্র অঞ্চলের দেশ। উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বের সামান্য পাহাড়ি এলাকা এবং উত্তর-পশ্চিমাংশের সীমিত উচ্চভূমি ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তৃত সমভূমি।", + "question": "বাংলাদেশের কোন অংশগুলো পাহাড়ি এলাকা হিসেবে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বের সামান্য পাহাড়ি এলাকা" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_407", + "title": "id_406_বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি", + "context": "দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি বড় নদী—গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার অববাহিকায় বাংলাদেশ অবস্থিত। এ দেশের ভূপ্রকৃতি নিচু ও সমতল।", + "question": "বাংলাদেশ কোন নদীগুলোর অববাহিকায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনা" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_408", + "title": "id_407_বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি", + "context": "দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি বড় নদী—গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার অববাহিকায় বাংলাদেশ অবস্থিত। এ দেশের ভূপ্রকৃতি নিচু ও সমতল।", + "question": "বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "নিচু ও সমতল" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_409", + "title": "id_408_ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", + "context": "এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫′) অতিক্রম করেছে।\t", + "question": "বাংলাদেশ কোন মহাদেশে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "এশিয়া মহাদেশে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_410", + "title": "id_409_ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", + "context": "এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান। বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫′) অতিক্রম করেছে।\t", + "question": "কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের কোন অংশ দিয়��� অতিক্রম করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "মাঝামাঝি" + ], + "answer_start": [ + 193 + ] + } + }, + { + "id": "id_411", + "title": "id_410_ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", + "context": "পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.। বাংলাদেশের পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মিয়ানমার, উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।", + "question": "বাংলাদেশের পূর্বে কোন দেশগুলো অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মিয়ানমার" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_412", + "title": "id_411_ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", + "context": "পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।", + "question": "বাংলাদেশের পশ্চিমে কোন রাজ্য অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "পশ্চিমবঙ্গ" + ], + "answer_start": [ + 162 + ] + } + }, + { + "id": "id_413", + "title": "id_412_ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", + "context": "পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।", + "question": "বাংলাদেশের উত্তরে কোন রাজ্য ও অঞ্চলগুলো অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_414", + "title": "id_413_ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", + "context": "পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।", + "question": "বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পূর্ব-পশ্চিম বিস্তৃতি কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪৪০ কি.মি" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_415", + "title": "id_414_ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", + "context": "বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।", + "question": "বাংলাদেশের মোট আয়তন কত?", + "answers": { + "text": [ + "১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_416", + "title": "id_415_ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", + "context": "বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।", + "question": "বাংলাদেশের মোট আয়তন কত বর্গমাইলে পরিণত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_417", + "title": "id_416_ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ ও গঠন", + "context": "বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে এসব নদ-নদী, উপনদী ও শাখা নদীগুলো উত্তর দিক থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের দিকে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়িয়া অঞ্চল ব্যতীত প্রায় সমগ্র দেশটি এসব নদ-নদীর পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।", + "question": "বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোন দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত?\t", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর থেকে দক্ষিণ" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_418", + "title": "id_417_ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ ও গঠন", + "context": "বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে এসব নদ-নদী, উপনদী ও শাখা নদীগুলো উত্তর দিক থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের দিকে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়িয়া অঞ্চল ব্যতীত প্রায় সমগ্র দেশটি এসব নদ-নদীর পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।", + "question": "এসব নদ-নদী, উপনদী ও শাখা নদীগুলো কোথায় প্রবাহিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের দিকে" + ], + "answer_start": [ + 118 + ] + } + }, + { + "id": "id_419", + "title": "id_418_ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ ও গঠন", + "context": "বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চলই এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। বাংলাদেশের সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে। ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়—টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিক কালের প্���াবন সমভূমি।", + "question": "বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতির শ্রেণিবিভাগ কয়টি?", + "answers": { + "text": [ + "তিনটি" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_420", + "title": "id_419_ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ ও গঠন", + "context": "বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চলই এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। বাংলাদেশের সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে। ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়—টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।", + "question": "বাংলাদেশে কোন ধরনের ভূপ্রকৃতি প্রধান?", + "answers": { + "text": [ + "বিস্তীর্ণ সমভূমি" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_421", + "title": "id_420_ভূপ্রাকৃতিক অঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ ও গঠন", + "context": "বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চলই এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। বাংলাদেশের সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে। ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়—টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি। ", + "question": "বাংলাদেশে কোন যুগের পাহাড়সমূহ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "টারশিয়ারি" + ], + "answer_start": [ + 163 + ] + } + }, + { + "id": "id_422", + "title": "id_421_টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ", + "context": "বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত। আজ থেকে প্রায় ২ মিলিয়ন বছর আগে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো সৃষ্টি হয়।এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে", + "question": "টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বাংলাদেশের মোট ভূমির কত শতাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ১২%" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_423", + "title": "id_422_টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ", + "context": "বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত। আজ থেকে প্রায় ২ মিলিয়ন বছর আগে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো সৃষ্টি হয়।এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে", + "question": "টারশিয়ারি যুগে পাহাড়গুলো কবে সৃষ্টি হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ২ মিলিয়ন বছর আগে" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_424", + "title": "id_423_টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ", + "context": "বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত। আজ থেকে প্রায় ২ মিলিয়ন বছর আগে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো সৃষ্টি হয়।এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে", + "question": "টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলোকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দুই ভাগে" + ], + "answer_start": [ + 207 + ] + } + }, + { + "id": "id_425", + "title": "id_424_টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ", + "context": "ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। এ পাহাড়গুলোর উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।", + "question": "ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার কোন অংশে পাহাড় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তরাংশ" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_426", + "title": "id_425_টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ", + "context": "ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। এ পাহাড়গুলোর উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।", + "question": "সিলেট জেলার কোন অংশে পাহাড় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_427", + "title": "id_426_টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ", + "context": "উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর মধ্যে চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া প্রধান।", + "question": "উত্তরের পাহাড়গুলোকে কী নামে ডাকা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "টিলা" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_428", + "title": "id_427_টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ", + "context": "উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার। উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলোর মধ্যে চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া প্রধান।", + "question": "চিকনাগুল কোন অঞ্চলের প্রধান পাহাড়?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তরাঞ্চল" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_429", + "title": "id_428_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়।", + "question": "প্লাইস্টোসিন কাল কত বছর পূর্বে ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২৫,০০০ বছর" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_430", + "title": "id_429_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "এই সময়ের আন্তঃবরফ গলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।", + "question": "কীভাবে প্লাইস্টোসিন সময়ের চত্বরভূমি গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তঃবরফ গলা পানিতে" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_431", + "title": "id_430_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।", + "question": "প্লাইস্টোসিন অঞ্চলের আয়তন কত?", + "answers": { + "text": [ + "৮%" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_432", + "title": "id_431_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা—বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।", + "question": "বরেন্দ্রভূমি কোন কোন জেলার অংশ নিয়ে গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর" + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_433", + "title": "id_432_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "বরেন্দ্রভূমির আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।", + "question": "বরেন্দ্রভূমির আয়তন কত বর্গকিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "৯,৩২০" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_434", + "title": "id_433_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "বরেন্দ্রভূমির আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।", + "question": "বরেন্দ্রভূমির উচ্চতা কত মিটার?", + "answers": { + "text": [ + "৬ থেকে ১২" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_435", + "title": "id_434_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে মধুপুর ও ভাওয়ালের গ��় গঠিত, যার আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার। মাটির রং লালচে ও ধূসর।", + "question": "মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ের আয়তন কত বর্গকিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 96 + ] + } + }, + { + "id": "id_436", + "title": "id_435_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় গঠিত, যার আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার। মাটির রং লালচে ও ধূসর।", + "question": "মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ের উচ্চতা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "৬ থেকে ৩০ মিটার" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_437", + "title": "id_436_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার। এই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার।", + "question": "লালমাই পাহাড়ের আয়তন কত?", + "answers": { + "text": [ + "৩৪ বর্গকিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_438", + "title": "id_437_প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", + "context": "কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার। এই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার।", + "question": "লালমাই পাহাড়ের গড় উচ্চতা কত?", + "answers": { + "text": [ + "২১ মিটার" + ], + "answer_start": [ + 142 + ] + } + }, + { + "id": "id_439", + "title": "id_438_সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি", + "context": "বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদী বিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। সমতল ভূমির উপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে এখানে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার পানির সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের কত শতাংশ ভূমি নদী বিধৌত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ৮০%" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_440", + "title": "id_439_সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি", + "context": "বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদী বিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। সমতল ভূমির উপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে এখানে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার পানির স���্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।", + "question": "প্লাবন সমভূমি কীভাবে গঠিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বন্যার পানির সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে" + ], + "answer_start": [ + 166 + ] + } + }, + { + "id": "id_441", + "title": "id_440_সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি", + "context": "এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূমি খুবই উর্বর।", + "question": "এ প্লাবন সমভূমির আয়তন কত?", + "answers": { + "text": [ + "১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_442", + "title": "id_441_সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি", + "context": "এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূমি খুবই উর্বর।", + "question": "এই সমভূমির মাটি কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "গভীর" + ], + "answer_start": [ + 83 + ] + } + }, + { + "id": "id_443", + "title": "id_442_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীতে বাংলাদেশের স্থান নবম। ভূখণ্ডের তুলনায় এ দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব খুব বেশি।", + "question": "পৃথিবীতে বাংলাদেশের জনসংখ্যার দিক থেকে স্থান কি?", + "answers": { + "text": [ + "নবম" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_444", + "title": "id_443_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১২.৯৩ কোটি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪৮% এবং প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ৮৭৬ জন।", + "question": "২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১২.৯৩ কোটি" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_445", + "title": "id_444_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১২.৯৩ কোটি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪৮% এবং প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ৮৭৬ জন।", + "question": "২০০১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১.৪৮%" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_446", + "title": "id_445_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "আদমশুমারি-২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১��.৯৭ কোটি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% এবং প্রতি বর্গকিলোমিটার জনসংখ্যার ঘনত্ব ১০১৫ জন।", + "question": "২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১৪.৯৭ কোটি" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_447", + "title": "id_446_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "আদমশুমারি-২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৪.৯৭ কোটি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% এবং প্রতি বর্গকিলোমিটার জনসংখ্যার ঘনত্ব ১০১৫ জন।", + "question": "২০১১ সালের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?", + "answers": { + "text": [ + "১.৩৭%" + ], + "answer_start": [ + 83 + ] + } + }, + { + "id": "id_448", + "title": "id_447_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "পার্বত্য এলাকা এবং সুন্দরবন অঞ্চলে জীবিকা সংস্থানের জন্য উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকায় এ দুটি অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব খুবই কম। অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা, বনভূমি ও ভূ-প্রকৃতিগত কারণে এসব স্থান জনবিরল।", + "question": "পার্বত্য এলাকা এবং সুন্দরবন অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব কেন কম?", + "answers": { + "text": [ + "জীবিকা সংস্থানের জন্য উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকায়" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_449", + "title": "id_448_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "সমতল নদী অববাহিকা অঞ্চলে উর্বর পলিমাটি থাকার কারণে কৃষি আবাদ সহজ এবং ঘন জনবসতি গড়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের নাব্য নদী ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা জনজীবনকে আকর্ষণ করে।", + "question": "কেন সমতল নদী অববাহিকা অঞ্চলে জনবসতি ঘন?", + "answers": { + "text": [ + "পলিমাটি" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_450", + "title": "id_449_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "সমতল নদী অববাহিকা অঞ্চলে উর্বর পলিমাটি থাকার কারণে কৃষি আবাদ সহজ এবং ঘন জনবসতি গড়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের নাব্য নদী ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা জনজীবনকে আকর্ষণ করে।", + "question": "কোন কারণে সমতল অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত?", + "answers": { + "text": [ + "নদী" + ], + "answer_start": [ + 5 + ] + } + }, + { + "id": "id_451", + "title": "id_450_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "কৃষির অনুকূল জলবায়ু মানুষের বসবাসকে আকৃষ্ট করে।", + "question": "কোন কারণে মানুষের বসবাসকে আকৃষ্ট করে?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষির অনুকূল জলবা���়ু" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_452", + "title": "id_451_বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির গঠন, জনসংখ্যা ও জনবসতি", + "context": "তেজগাঁও, টঙ্গী, নরসিংদী, খুলনা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে শিল্প শহরের বিকাশের ফলে জনবসতি ঘন হয়েছে। উন্নত সড়ক, রেল ও নদীপথে চলাচলের সুবিধা থাকায় এসব অঞ্চল জনবহুল হয়ে উঠেছে।", + "question": "কোন কোন অঞ্চলে শিল্প শহরের বিকাশ ঘটেছে?", + "answers": { + "text": [ + "তেজগাঁও, টঙ্গী, নরসিংদী, খুলনা ও চট্টগ্রাম" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_453", + "title": "id_452_জনবসতি বিস্তারের প্রভাব", + "context": "বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে জনবসতি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা চাষযোগ্য জমির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। অধিক বসতি বিস্তারের ফলে কৃষিজমি ক্রমাগতভাবে খণ্ডিত হয়ে যাচ্ছে, যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য অপ্রতুল হয়ে পড়েছে।", + "question": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে কী ঘটছে?", + "answers": { + "text": [ + "চাষযোগ্য জমির ওপর মারাত্মক চাপ" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_454", + "title": "id_453_জলবায়ু", + "context": "জলবায়ু বলতে একটি বৃহৎ অঞ্চলব্যাপী আবহাওয়ার উপাদানগুলোর দৈনন্দিন অবস্থার দীর্ঘদিনের গড় অবস্থাকে বুঝায়। মৌসুমি জলবায়ুর কারণে এদেশে বছরের বিভিন্ন ঋতুতে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য ঘটে।", + "question": "জলবায়ুর প্রভাব কীসের উপর পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "আবহাওয়া" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_455", + "title": "id_454_জলবায়ু", + "context": "জলবায়ু বলতে একটি বৃহৎ অঞ্চলব্যাপী আবহাওয়ার উপাদানগুলোর দৈনন্দিন অবস্থার দীর্ঘদিনের গড় অবস্থাকে বুঝায়। মৌসুমি জলবায়ুর কারণে এদেশে বছরের বিভিন্ন ঋতুতে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য ঘটে।", + "question": "মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাবে কী ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "তারতম্য" + ], + "answer_start": [ + 170 + ] + } + }, + { + "id": "id_456", + "title": "id_455_বাংলাদেশের জলবায়ু", + "context": "বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন।", + "question": "বাংলাদেশের জলবায়ু কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_457", + "title": "id_456_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "প্রতি বছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি চার মাস বাংলাদেশে শীতকাল থাকে।", + "question": "শীতকাল কত মাস স্থায়ী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চার মাস" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_458", + "title": "id_457_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "প্রতি বছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে শীতকাল থাকে।", + "question": "বাংলাদেশে শীতকাল কখন শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নভেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_459", + "title": "id_458_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করায় বাংলাদেশে এর রশ্মি তির্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়।", + "question": "শীতকালে সূর্য কোথায় অবস্থান করে?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষিণ গোলার্ধে" + ], + "answer_start": [ + 14 + ] + } + }, + { + "id": "id_460", + "title": "id_459_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতলতম মাস, এ সময় গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।", + "question": "বাংলাদেশে শীতকালীন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কত?", + "answers": { + "text": [ + "২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_461", + "title": "id_460_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতলতম মাস, এ সময় গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।", + "question": "জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের কেমন তাপমাত্রা থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 158 + ] + } + }, + { + "id": "id_462", + "title": "id_461_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতলতম মাস, এ সময় গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।", + "question": "বাংলাদেশের শীতকালীন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত?", + "answers": { + "text": [ + "১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 79 + ] + } + }, + { + "id": "id_463", + "title": "id_462_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "দক্ষিণ সমুদ্র উপকূল থেকে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। চট্টগ্রামে তাপমাত্রা প্রায় ২০ ডিগ্রি, ঢাকায় ১৮.৩ ডিগ্রি এবং দিনাজপুরে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।", + "question": "চট্টগ্রামে তাপমাত্রা ��ত ডিগ্রি?\t", + "answers": { + "text": [ + "২০ ডিগ্রি" + ], + "answer_start": [ + 91 + ] + } + }, + { + "id": "id_464", + "title": "id_463_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "দক্ষিণ সমুদ্র উপকূল থেকে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। চট্টগ্রামে তাপমাত্রা প্রায় ২০ ডিগ্রি, ঢাকায় ১৮.৩ ডিগ্রি এবং দিনাজপুরে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।", + "question": "ঢাকায় তাপমাত্রা কত ডিগ্রি?", + "answers": { + "text": [ + "১৮.৩ ডিগ্রি" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_465", + "title": "id_464_বাংলাদেশে শীতকাল", + "context": "দক্ষিণ সমুদ্র উপকূল থেকে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। চট্টগ্রামে তাপমাত্রা প্রায় ২০ ডিগ্রি, ঢাকায় ১৮.৩ ডিগ্রি এবং দিনাজপুরে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।", + "question": "দিনাজপুরে তাপমাত্রা কত ডিগ্রি?", + "answers": { + "text": [ + "১৬.৬ ডিগ্রি" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_466", + "title": "id_465_বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল", + "context": "মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল। এটিই দেশের উষ্ণতম খতু। এ খতৃতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে থাকে।", + "question": "বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল কখন শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_467", + "title": "id_466_বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল", + "context": "মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল। এটিই দেশের উষ্ণতম খতু। এ খতৃতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে থাকে।", + "question": "গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কত?", + "answers": { + "text": [ + "৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_468", + "title": "id_467_বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল", + "context": "গড় হিসেবে উষ্ণতম মাস এপ্রিল। এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা কক্সবাজারে ২৭.৬৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস", + "question": "এপ্রিল মাসে কক্সবাজারের গড় তাপমাত্রা কত?", + "answers": { + "text": [ + "২৭.৬৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 68 + ] + } + }, + { + "id": "id_469", + "title": "id_468_বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল", + "context": "গড় হিসেবে উষ্ণতম মাস এপ্রিল। এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা কক্সবাজারে ২৭.৬৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস", + "question": "গড় হিসেবে উষ্ণতম মাস কো��টি?", + "answers": { + "text": [ + "এপ্রিল" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_470", + "title": "id_469_বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল", + "context": "১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল সংঘটিত ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে বাংলাদেশের উপকূলে, বিশেষত চট্টগ্রাম উপকূলে ব্যাপক সম্পদ ও জীবনহানি ঘটেছিল।", + "question": "১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়টি কবে সংঘটিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২৯ এপ্রিল" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_471", + "title": "id_470_বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল", + "context": "১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল সংঘটিত ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে বাংলাদেশের উপকূলে, বিশেষত চট্টগ্রাম উপকূলে ব্যাপক সম্পদ ও জীবনহানি ঘটেছিল।", + "question": "কোন উপকূলীয় এলাকায় ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "চট্টগ্রাম" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_472", + "title": "id_471_বাংলাদেশে বর্ষাকাল", + "context": "বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল। জুন মাসের শেষদিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সাথে সাথে বাংলাদেশে বর্ষাকাল শুরু হয়।", + "question": "বর্ষাকাল কখন শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জুন মাসের শেষদিকে" + ], + "answer_start": [ + 49 + ] + } + }, + { + "id": "id_473", + "title": "id_472_বাংলাদেশে বর্ষাকাল", + "context": "বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল। জুন মাসের শেষদিকে মৌসুমি বায়ুর আগমনের সাথে সাথে বাংলাদেশে বর্ষাকাল শুরু হয়।", + "question": "বর্ষাকাল কত মাস পর্যন্ত থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "অক্টোবর মাস পর্যন্ত" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_474", + "title": "id_473_বাংলাদেশে বর্ষাকাল", + "context": "আবহাওয়া সর্বদা উষ্ণ থাকে। এ সময়কার গড় উষ্ণতা প্রায় ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ষাকালের মধ্যে জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে।", + "question": "আবহাওয়া কেমন থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বদা উষ্ণ" + ], + "answer_start": [ + 9 + ] + } + }, + { + "id": "id_475", + "title": "id_474_বাংলাদেশে বর্ষাকাল", + "context": "আবহাওয়া সর্বদা উষ্ণ থাকে। এ সময়কার গড় উষ্ণতা প্রায় ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ষাকালের মধ্যে জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে।", + "question": "বর্ষাকালের মধ্যে কোন দুই মাসে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "জুন ও সেপ্টেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_476", + "title": "id_475_বাংলাদেশে বর্ষাকাল", + "context": "বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১১৯ সেন্টিমিটার এবং সর্বোচ্চ ৩৪০ সেন্টিমিটার। দেশের পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে বৃষ্টিপাত ক্রমেই বেশি হয়ে থাকে।", + "question": "বর্ষাকালে সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কত?", + "answers": { + "text": [ + "১১৯ সেন্টিমিটার" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_477", + "title": "id_476_বাংলাদেশে বর্ষাকাল", + "context": "বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১১৯ সেন্টিমিটার এবং সর্বোচ্চ ৩৪০ সেন্টিমিটার। দেশের পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে বৃষ্টিপাত ক্রমেই বেশি হয়ে থাকে।", + "question": "বর্ষাকালে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কত?", + "answers": { + "text": [ + "৩৪০ সেন্টিমিটার" + ], + "answer_start": [ + 68 + ] + } + }, + { + "id": "id_478", + "title": "id_477_ভারতের জলবায়ু", + "context": "ভারত মৌসুমি অঞ্চলে অবস্থিত।", + "question": "ভারত কোন অঞ্চলে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "মৌসুমি" + ], + "answer_start": [ + 5 + ] + } + }, + { + "id": "id_479", + "title": "id_478_ভারতে শীতকাল", + "context": "ভারতে শীতকাল ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়।", + "question": "ভারতে শীতকাল কখন শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ডিসেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_480", + "title": "id_479_ভারতে শীতকাল", + "context": "শীতকালীন সময়ে সমগ্র ভারতের আবহাওয়া মোটামুটি শুষক, শীতল ও আরামদায়ক। আকাশ থাকে স্বচ্ছ, নির্মল ও মেঘমুক্ত। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে।", + "question": "শীতকালীন সময়ে ভারতের আবহাওয়া কেমন থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "শুষক, শীতল ও আরামদায়ক" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_481", + "title": "id_480_ভারতে শীতকাল", + "context": "শীতকালীন সময়ে সমগ্র ভারতের আবহাওয়া মোটামুটি শুষক, শীতল ও আরামদায়ক। আকাশ থাকে স্বচ্ছ, নির্মল ও মেঘমুক্ত। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে।", + "question": "শীতকালীন সময়ে আকাশ কেমন থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "স্বচ্ছ, নির্মল ও মেঘমুক্ত।" + ], + "answer_start": [ + 80 + ] + } + }, + { + "id": "id_482", + "title": "id_481_ভারতে শীতকাল", + "context": "শীতকালীন সময়ে সমগ্র ভারতের আবহাওয়া মোটামুটি শুষক, শীতল ও আরামদায়ক। আকাশ থাকে স্বচ্ছ, নির্মল ও মেঘমুক্ত। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে।", + "question": "বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কেমন থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "কম থাকে।" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_483", + "title": "id_482_ভারতে গ্রীষ্মকাল", + "context": "মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত ভারতে গ্রীষ্মকাল | এ সময় গঙ্গা নদীর উপত্যকায় গড়ে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয়। ভারতের মরু অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠে।", + "question": "ভারতে গ্রীষ্মকাল কখন শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মার্চ থেকে মে মাস" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_484", + "title": "id_483_ভারতে গ্রীষ্মকাল", + "context": "মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত ভারতে গ্রীষ্মকাল | এ সময় গঙ্গা নদীর উপত্যকায় গড়ে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয়। ভারতের মরু অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠে।", + "question": "গঙ্গা নদীর উপত্যকায় গড় তাপমাত্রা কি পরিলক্ষিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 78 + ] + } + }, + { + "id": "id_485", + "title": "id_484_ভারতে গ্রীষ্মকাল", + "context": "মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত ভারতে গ্রীষ্মকাল | এ সময় গঙ্গা নদীর উপত্যকায় গড়ে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয়। ভারতের মরু অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠে।", + "question": "ভারতের মরু অঞ্চলে তাপমাত্রা কত পর্যন্ত ওঠে?", + "answers": { + "text": [ + "৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_486", + "title": "id_485_ভারতে গ্রীষ্মকাল", + "context": "মে মাসে কলকাতা শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠলেও গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয় না।", + "question": "কলকাতা শহরে মে মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_487", + "title": "id_486_ভারতে বর্ষাকাল", + "context": "জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ভারতে বর্ষাকাল থাকে।", + "question": "ভারতে বর্ষাকাল কখন থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_488", + "title": "id_487_ভারতে বর্ষাকাল", + "context": "ভারতের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৭৫% ভাগ বৃষ্টিপাত বর্ষাকালেই হয়ে থাকে।", + "question": "ভারতের মোট বৃষ্টিপাতের কত শতাংশ বর্ষাকালে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৭৫%" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_489", + "title": "id_488_ভারতে শরৎ", + "context": "অক্টোবর-নভেম্বর দুই মাস ভারতে শরৎ ও হেমন্তকাল।ভারতের কোনো কোনো স্থানে এ সময়ে ঘূর্ণিঝড়ের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত হয়। পশ্চিমবঙ্গের এ ঝড়কে 'আশ্বিনা ঝড়' বলে।", + "question": "অক্টোবর-নভেম্বর দুই মাস কি কাল?", + "answers": { + "text": [ + "শরৎ ও হেমন্তকাল" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_490", + "title": "id_489_ভারতে শরৎ", + "context": "অক্টোবর-নভেম্বর দুই মাস ভারতে শরৎ ও হেমন্তকাল।ভারতের কোনো কোনো স্থানে এ সময়ে ঘূর্ণিঝড়ের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত হয়। পশ্চিমবঙ্গের এ ঝড়কে 'আশ্বিনা ঝড়' বলে।", + "question": "পশ্চিমবঙ্গের এ ঝড়কে কি বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আশ্বিনা ঝড়" + ], + "answer_start": [ + 134 + ] + } + }, + { + "id": "id_491", + "title": "id_490_মিয়ানমারের জলবায়ু", + "context": "মিয়ানমারের জলবায়ু ভারতীয় উপমহাদেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ক্রান্তীয় মৌসুমি ধরনের। মিয়ানমারের জলবায়ুতে শীত, গ্রীষ্ম এবং বর্ষা—এ তিনটি ঋতুর উপস্থিতি স্পষ্ট।", + "question": "মিয়ানমারের জলবায়ুতে কতটি ঋতু আছে?", + "answers": { + "text": [ + "তিনটি" + ], + "answer_start": [ + 134 + ] + } + }, + { + "id": "id_492", + "title": "id_491_মিয়ানমারের জলবায়ু", + "context": "মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল।গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে।", + "question": "মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল কবে শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মার্চ" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_493", + "title": "id_492_মিয়ানমারের জলবায়ু", + "context": "মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে গ্রীষ্মকাল।গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে।", + "question": "মিয়ানমারের গ্রীষ্মকালীন গড় তাপমাত্রা কত?", + "answers": { + "text": [ + "২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_494", + "title": "id_493_মিয়ানমারের জলবায়ু", + "context": "মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে বর্ষাকাল।মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইয়াঙগুনে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। অক্টোবর মাস পর্যন্ত এ বৃষ্টিপাত চলতে থাকে।", + "question": "মিয়ানমারে বর্ষাকাল কত মাস স্থায়ী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মে থেকে অক্টোবর" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_495", + "title": "id_494_মিয়ান��ারের জলবায়ু", + "context": "মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত মিয়ানমারে বর্ষাকাল।মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইয়াঙগুনে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। অক্টোবর মাস পর্যন্ত এ বৃষ্টিপাত চলতে থাকে।", + "question": "কখন ইয়াঙগুনে বৃষ্টিপাত শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মে মাসের মাঝামাঝি" + ], + "answer_start": [ + 48 + ] + } + }, + { + "id": "id_496", + "title": "id_495_মিয়ানমারের জলবায়ু", + "context": "আরাকান ও টেনাসেরিম উপকূলে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ২০০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।", + "question": "দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কত সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২০০ সেন্টিমিটার" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_497", + "title": "id_496_মিয়ানমারের জলবায়ু", + "context": "আরাকান ও টেনাসেরিম উপকূলে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ২০০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।", + "question": "কোন দুটি উপকূলে ২০০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আরাকান ও টেনাসেরিম" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_498", + "title": "id_497_মিয়ানমারের জলবায়ু", + "context": "শীতকালে উত্তর মিয়ানমারের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হয় এবং তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছাকাছি চলে যায়।", + "question": "শীতকালে কোথায় তুষারপাত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর মিয়ানমারে" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_499", + "title": "id_498_মিয়ানমারের জলবায়ু", + "context": "শীতকালে উত্তর মিয়ানমারের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হয় এবং তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছাকাছি চলে যায়।", + "question": "শীতকালে তাপমাত্রা কত কাছে চলে যায়?", + "answers": { + "text": [ + "হিমাঙ্কের কাছাকাছি" + ], + "answer_start": [ + 75 + ] + } + }, + { + "id": "id_500", + "title": "id_499_নেপালের জলবায়ু", + "context": "জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি থাকে। এজন্য এ সময়কালকে বর্ষাকাল হিসেবে বিবেচনা করা যায়।", + "question": "নেপালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কবে বেশি থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "জুন থেকে সেপ্টেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_501", + "title": "id_500_নেপালের জলবায়ু", + "context": "জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি থাকে। এজন্য এ সময়কালকে বর্ষাকাল হিসেবে বিবেচনা করা যায়।", + "question": "বর্ষাকাল হিসেবে কোন সময়কালকে বিবেচনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জুন থেকে সেপ্টেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_502", + "title": "id_501_নেপালের জলবায়ু", + "context": "জুলাই মাসে কাঠমণ্ডুর তাপমাত্রা থাকে ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।", + "question": "জুলাই মাসে কাঠমণ্ডুর তাপমাত্রা কেমন থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_503", + "title": "id_502_নেপালের জলবায়ু", + "context": "জানুয়ারিতে কাঠমণ্ডুর তাপমাত্রা থাকে প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস", + "question": "জানুয়ারিতে কাঠমণ্ডুর তাপমাত্রা কত থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস" + ], + "answer_start": [ + 44 + ] + } + }, + { + "id": "id_504", + "title": "id_503_নেপালের জলবায়ু", + "context": "নেপালের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৪৫ সেমি, যার প্রায় পুরোটাই সংঘটিত হয় জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে।", + "question": "নেপালের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত কত সেমি?", + "answers": { + "text": [ + "১৪৫ সেমি" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_505", + "title": "id_504_জলবাায়ু পরিবর্তনের প্রভাব", + "context": "জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্ষা মৌসুমে অধিক বৃষ্টিপাত ও দেরিতে বর্ষার আগমন হচ্ছে। এর ফলে স্বল্প সময়ে ভারি বর্ষণ, ভূমিধস, বন্যা এবং পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটছে।", + "question": "জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের গড় তাপমাত্রা কি হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বৃদ্ধি পাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_506", + "title": "id_505_জলবাায়ু পরিবর্তনের প্রভাব", + "context": "জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্ষা মৌসুমে অধিক বৃষ্টিপাত ও দেরিতে বর্ষার আগমন হচ্ছে। এর ফলে স্বল্প সময়ে ভারি বর্ষণ, ভূমিধস, বন্যা এবং পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটছে।", + "question": "বর্ষা মৌসুমে কি ধরণের পরিবর্তন হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "অধিক বৃষ্টিপাত ও দেরিতে বর্ষার আগমন হচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_507", + "title": "id_506_জলবাায়ু পরিবর্তনের প্রভাব", + "context": "সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে গেছে, বিশেষ করে হিরন পয়েন্ট, চর চৎগা এবং কক্সবাজারে প্রতি বছর গড়ে ৪ থেকে ৬ মিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কোথায় বেড়ে গেছে?", + "answers": { + "text": [ + "হিরন পয়েন্ট" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_508", + "title": "id_507_জলবাায়ু পরিবর্তনের প্রভাব", + "context": "সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে গেছে, বিশেষ করে হিরন পয়েন্ট, চর চৎগা এবং কক্সবাজারে প্রতি বছর গড়ে ৪ থেকে ৬ মিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "প্রতি বছর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কত বেড়ে যাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "৪ থেকে ৬ মিমি" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_509", + "title": "id_508_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা পৃথিবীর বহু দেশে এবং বহু অঞ্চলে ঘটে। সভ্যতার বহু ধ্বংসলীলাের কারণ হিসেবে ভূমিকম্পকে দায়ী করা হয়।", + "question": "ভূমিকম্প কি?", + "answers": { + "text": [ + "একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ" + ], + "answer_start": [ + 9 + ] + } + }, + { + "id": "id_510", + "title": "id_509_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা পৃথিবীর বহু দেশে এবং বহু অঞ্চলে ঘটে। সভ্যতার বহু ধ্বংসলীলাের কারণ হিসেবে ভূমিকম্পকে দায়ী করা হয়।", + "question": "ভূমিকম্প কোথায় ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "পৃথিবীর বহু দেশে এবং বহু অঞ্চলে" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_511", + "title": "id_510_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "গত ৪,০০০ বছরে ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলায় পৃথিবীর প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ লোক মারা গেছে। নানা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় ভূ-পৃষ্ঠ পরিবর্তিত হচ্ছে।", + "question": "ভূমিকম্পের কারণে পৃথিবীর কত লোক মারা গেছে?", + "answers": { + "text": [ + "১ কোটি ৫০ লাখ" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_512", + "title": "id_511_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "গত ৪,০০০ বছরে ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলায় পৃথিবীর প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ লোক মারা গেছে। নানা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় ভূ-পৃষ্ঠ পরিবর্তিত হচ্ছে।", + "question": "ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞে মৃত্যু কত বছরে ঘটেছে?", + "answers": { + "text": [ + "৪,০০০ বছর" + ], + "answer_start": [ + 3 + ] + } + }, + { + "id": "id_513", + "title": "id_512_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "আকস্মিকভাবে পরিবর্তনকারী শক্তির মধ্যে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি প্রধান।", + "question": "আকস্মিকভাবে পরিবর্তনকারী শক্তির মধ্যে প্রধান কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি" + ], + "answer_start": [ + 38 + ] + } + }, + { + "id": "id_514", + "title": "id_513_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "আকস্মিকভাবে পরিবর্তনকারী শক্তির মধ্যে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি প্রধান।", + "question": "ভূমিকম্পের প্রধান কারণ কি?", + "answers": { + "text": [ + "পরিবর্তনকারী শক্তি" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_515", + "title": "id_514_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "ভূপৃষ্ঠের আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। ভূত্বকের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি ঘটে তাকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র বলা হয়।", + "question": "ভূপৃষ্ঠের আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে কি বলে?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমিকম্প" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_516", + "title": "id_515_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "ভূপৃষ্ঠের আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। ভূত্বকের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি ঘটে তাকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র বলা হয়।", + "question": "ভূত্বকের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি ঘটে তাকে কি বলে?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমিকম্পের কেন্দ্র" + ], + "answer_start": [ + 100 + ] + } + }, + { + "id": "id_517", + "title": "id_516_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ঠিক সোজাসুজি উপরের ভূপৃষ্ঠের নাম উপকেন্দ্র। কম্পনের বেগ উপকেন্দ্র থেকে ধীরে ধীরে কমে যায়।", + "question": "ভূমিকম্পের কেন্দ্রের সোজাসুজি উপরে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উপকেন্দ্র" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_518", + "title": "id_517_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ঠিক সোজাসুজি উপরের ভূপৃষ্ঠের নাম উপকেন্দ্র। কম্পনের বেগ উপকেন্দ্র থেকে ধীরে ধীরে কমে যায়।", + "question": "কম্পনের বেগ কোথা থেকে কমে যায়?", + "answers": { + "text": [ + "উপকেন্দ্র" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_519", + "title": "id_518_ভূমিকম্প", + "context": "ভূমিকম্পের ধাক্কায় সমুদ্রের পানি তীর থেকে নিচে নেমে যায় এবং পরক্ষণেই ভীষণ গর্জন সহকারে ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে ঢেউয়ের আকারে উপকূলে এসে আছড়ে পড়ে। এ ধরনের জলোচ্ছ্বাসকে সুনামি বলে।", + "question": "সুনামি কিভাবে তৈরি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সমুদ্রের পানি তীর থেকে নিচে নেমে যায়" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_520", + "title": "id_519_ভূমিকম্প", + "context": "ভূমিকম্পের ধাক্কায় সমুদ্রের পানি তীর থেকে নিচে নেমে যায় এবং পরক্ষণেই ভীষণ গর্জন সহকারে ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে ঢেউয়ের আকারে উপকূলে এসে আছড়ে পড়ে। এ ধরনের জলোচ্ছ্বাসকে সুনামি বলে।", + "question": "সুনামির উচ্চতা কত মিটার পর্যন্ত হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "১৫-২০ মিটার" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_521", + "title": "id_520_ভূমিকম্প", + "context": "২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, ভারত প্রভৃতি দেশে ব্যাপক জান-মালের ক্ষতি হয়।", + "question": "সুনামির কারণে কোন দেশের ক্ষতি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ইন্দোনেশিয়া" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_522", + "title": "id_521_ভূমিকম্প", + "context": "২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, ভারত প্রভৃতি দেশে ব্যাপক জান-মালের ক্ষতি হয়।", + "question": "সুনামির তারিখ কি ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২৬ ডিসেম্বর" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_523", + "title": "id_522_ভূমিকম্প", + "context": "বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন, যে সমস্ত অঞ্চলে গত ১০০ বছরে ভূমিকম্প হয়নি অথচ সাধারণভাবে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত, সেগুলোতে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা খুব বেশি।", + "question": "কোন অঞ্চলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল" + ], + "answer_start": [ + 83 + ] + } + }, + { + "id": "id_524", + "title": "id_523_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "বহিঃসীমানা অংশ: এই অংশে সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প হয়। এর মধ্যে জাপান, ফিলিপাইন, চিলি, আলাস্কা এবং অ্যলিসিয়ান দ্বীপপুঞ্জ অন্যতম।", + "question": "ভূমিকম্পের জন্য কোন অঞ্চলটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "জাপান" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_525", + "title": "id_524_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "বহিঃসীমানা অংশ: এই অংশে সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প হয়। এর মধ্যে জাপান, ফিলিপাইন, চিলি, আলাস্কা এবং অ্যলিসিয়ান দ্বীপপুঞ্জ অন্যতম।", + "question": "আলাস্কা কোন ধরনের দুর্যোগের জন্য পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমিকম্প" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_526", + "title": "id_525_বাংলাদেশ", + "context": "ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান ও ইউরোপীয়ান প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত। এ কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।", + "question": "বাংলাদেশ কোথায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "ইন্ডিয়ান ও ইউরোপীয়ান প্লেটের সীমানার কাছে" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_527", + "title": "id_526_বাংলাদেশ", + "context": "ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান ও ইউরোপীয়ান প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত। এ কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।", + "question": "বাংলাদেশের ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ার কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "ইন্ডিয়ান ও ইউরোপীয়ান প্লেটের সীমানার কাছে অবস্থিত" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_528", + "title": "id_527_ভূমিকম্পের ধারণা", + "context": "বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে। ভূস্তরের ভূমিকম্পপ্রবণ ইন্ডিয়ান প্লেট ও মিয়ানমার সাব-প্লেটের মাঝখানে বাংলাদেশ অবস্থিত।", + "question": "বাংলাদেশে ভূমিকম্প কেন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_529", + "title": "id_528_ভূমিকম্প", + "context": "ভূতাত্ত্বিকদের মতে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ও এর পার্শ্ববর্তী বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব দিকে ভূমিকম্প হওয়ার মতো যথেষ্ট ফল্ট বা চ্যুতি বিরাজ করছে। এই চ্যুতি আসামের ডাউকি ডেঞ্জার ফল্টের সাথে সংযুক্ত।", + "question": "বাংলাদেশের কোথায় ভূমিকম্পের জন্য যথেষ্ট ফল্ট রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর ও পূর্ব দিকে" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_530", + "title": "id_529_ভূমিকম্প", + "context": "ভূতাত্ত্বিকদের মতে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ও এর পার্শ্ববর্তী বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব দিকে ভূমিকম্প হওয়ার মতো যথেষ্ট ফল্ট বা চ্যুতি বিরাজ করছে। এই চ্যুতি আসামের ডাউকি ডেঞ্জার ফল্টের সাথে সংযুক্ত।", + "question": "ডাউকি ডেঞ্জার ফল্ট কোথায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "আসামে" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_531", + "title": "id_530_ডেঞ্জার ফল্ট লাইন", + "context": "ডেঞ্জার ফল্ট লাইনে অবস্থিত বাংলাদেশের সিলেট জেলা।", + "question": "বাংলাদেশের কোন জেলার অবস্থান ডেঞ্জার ফল্ট লাইনে?", + "answers": { + "text": [ + "সিলেট" + ], + "answer_start": [ + 38 + ] + } + }, + { + "id": "id_532", + "title": "id_531_প্রলয়ঙ্করী বলয়", + "context": "প্রলয়ঙ্করী বলয়ে রয়েছে বান্দরবান, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর। বিপজ্জনক বলয়ে ঢাকা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, দিনাজপুর, কুমিল্লা ও রাঙ্গামাটি অবস্থিত।", + "question": "প্রলয়ঙ্করী বলয়ে কোন কোন অঞ্চল রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বান্দরবান, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_533", + "title": "id_532_প্রলয়ঙ্করী বলয়", + "context": "প্রলয়ঙ্করী বলয়ে রয়েছে বান্দরবান, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর। বিপজ্জনক বলয়ে ঢাকা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, দিনাজপুর, কুমিল্লা ও রাঙ্গামাটি অবস্থিত।", + "question": "বিপজ্জনক বলয়ে কোন কোন অঞ্চল অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "ঢাকা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, দিনাজপুর, কুমিল্লা ও রাঙ্গামাটি" + ], + "answer_start": [ + 83 + ] + } + }, + { + "id": "id_534", + "title": "id_533_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে সে দেশের জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর। যে দেশ জাতীয় সম্পদে যত বেশি সমৃদ্ধ, সে দেশের উন্নতির সম্ভাবনা তত বেশি। তাই অর্থনীতি সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই সম্পদ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।", + "question": "কোন দেশের উন্নতি নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_535", + "title": "id_534_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে সে দেশের জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর। যে দেশ জাতীয় সম্পদে যত বেশি সমৃদ্ধ, সে দেশের উন্নতির সম্ভাবনা তত বেশি। তাই অর্থনীতি সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই সম্পদ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।", + "question": "জাতীয় সম্পদ সম্পর্কে জানা কেন প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনীতি সম্পর্কে জানতে হলে" + ], + "answer_start": [ + 154 + ] + } + }, + { + "id": "id_536", + "title": "id_535_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে সে দেশের জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর। যে দেশ জাতীয় সম্পদে যত বেশি সমৃদ্ধ, সে দেশের উন্নতির সম্ভাবনা তত বেশি। তাই একটি দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই সম্পদ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।", + "question": "একটি দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বুঝতে হলে কী জানতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সম্পদ সম্পর্কে" + ], + "answer_start": [ + 211 + ] + } + }, + { + "id": "id_537", + "title": "id_536_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে সে দেশের জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর। যে দেশ জাতীয় সম্পদে যত বেশি সমৃদ্ধ, সে দেশের উন্নতির সম্ভাবনা তত বেশি। তাই অর্থনীতি সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই সম্পদ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।", + "question": "যে দেশ যত বেশি জাতীয় সম্পদে সমৃদ্ধ, তার কী সম্ভাবনা থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নতির সম্ভাবনা তত বেশি" + ], + "answer_start": [ + 124 + ] + } + }, + { + "id": "id_538", + "title": "id_537_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে সে দেশের জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর। যে দেশ জাতীয় সম্পদে যত বেশি সমৃদ্ধ, সে দেশের উন্নতির সম্ভাবনা তত বেশি। তাই অর্থনীতি সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই সম্পদ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।", + "question": "কোন বিষয়গুলির ওপর কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_539", + "title": "id_538_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আওতায় এই উৎপাদন ও বণ্টন পদ্ধতি ভিন্ন হয়। যে পদ্ধতি, প্রক্রিয়া এবং নিয়মনীতির আওতায় কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয়, সেটাকেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে।", + "question": "কোন পদ্ধতির আওতায় উৎপাদন ও বণ্টন পদ্ধতি ভিন্ন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_540", + "title": "id_539_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আওতায় এই উৎপাদন ও বণ্টন পদ্ধতি ভিন্ন হয়। যে পদ্ধতিতে কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয়, সেটাকেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে।", + "question": "অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "যে পদ্ধতিতে কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_541", + "title": "id_540_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আওতায় এই উৎপাদন ও বণ্টন পদ্ধতি ভিন্ন হয়। যে পদ্ধতি, প্রক্রিয়া এবং নিয়মনীতির আওতায় কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয়, সেটাকেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে।", + "question": "উৎপাদন ও বণ্টন পদ্ধতি কীসের আওতায় ভিন্ন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_542", + "title": "id_541_জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বিভিন��ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আওতায় এই উৎপাদন ও বণ্টন পদ্ধতি ভিন্ন হয়। যে পদ্ধতি, প্রক্রিয়া এবং নিয়মনীতির আওতায় কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয়, সেটাকেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে।", + "question": "কোনো দেশের অর্থনীতি কীভাবে পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিয়মনীতির আওতায়" + ], + "answer_start": [ + 97 + ] + } + }, + { + "id": "id_543", + "title": "id_542_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "আমরা সাধারণত অর্থ, জমিজমা, বাড়িঘর, নানারকম প্রয়োজনীয় ও দামী দ্রব্যসামগ্রী, স্বর্ণ-রৌপ্য ইত্যাদিকে সম্পদ বলে থাকি। প্রকৃত অর্থে কোনো বস্তু বা দ্রব্যকে সম্পদ বলতে হলে সে বস্তুর উপযোগিতা, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে।", + "question": "কোন জিনিসগুলোকে আমরা সাধারণত সম্পদ বলে থাকি?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থ, জমিজমা, বাড়িঘর, নানারকম প্রয়োজনীয় ও দামী দ্রব্যসামগ্রী" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_544", + "title": "id_543_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "আমরা সাধারণত অর্থ, জমিজমা, বাড়িঘর, নানারকম প্রয়োজনীয় ও দামী দ্রব্যসামগ্রী, স্বর্ণ-রৌপ্য ইত্যাদিকে সম্পদ বলে থাকি। প্রকৃত অর্থে কোনো বস্তু বা দ্রব্যকে সম্পদ বলতে হলে সে বস্তুর উপযোগিতা, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে।", + "question": "সম্পদ বলতে প্রকৃত অর্থে কোন কোন গুণাবলি থাকতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উপযোগিতা, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_545", + "title": "id_544_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "আমরা সাধারণত অর্থ, জমিজমা, বাড়িঘর, নানারকম প্রয়োজনীয় ও দামী দ্রব্যসামগ্রী, স্বর্ণ-রৌপ্য ইত্যাদিকে সম্পদ বলে থাকি। প্রকৃত অর্থে কোনো বস্তু বা দ্রব্যকে সম্পদ বলতে হলে সে বস্তুর উপযোগিতা, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে।", + "question": "কী হলে কোনো বস্তুকে সম্পদ বলা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "উপযোগিতা, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_546", + "title": "id_545_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "আমরা সাধারণত অর্থ, জমিজমা, বাড়িঘর, নানারকম প্রয়োজনীয় ও দামী দ্রব্যসামগ্রী, স্বর্ণ-রৌপ্য ইত্যাদিকে সম্পদ বলে থাকি। প্রকৃত অর্থে কোনো বস্তু বা দ্রব্যক�� সম্পদ বলতে হলে সে বস্তুর উপযোগিতা, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তরযোগ্যতা থাকতে হবে।", + "question": "স্বর্ণ-রৌপ্যকে কী বলে বিবেচনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_547", + "title": "id_546_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "উপযোগ : কোনো দ্রব্যের মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে উপযোগিতা বলে। যেমন, মানুষের বস্ত্র প্রয়োজন বা অভাব আছে। শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি—এসব দ্রব্যের বস্ত্রের অভাব পূরণের ক্ষমতা আছে। অর্থাৎ এগুলোর উপযোগিতা আছে।", + "question": "উপযোগ বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো দ্রব্যের মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতা" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_548", + "title": "id_547_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "উপযোগ : কোনো দ্রব্যের মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে উপযোগিতা বলে। যেমন, মানুষের বস্ত্র প্রয়োজন বা অভাব আছে। শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি—এসব দ্রব্যের বস্ত্রের অভাব পূরণের ক্ষমতা আছে। অর্থাৎ এগুলোর উপযোগিতা আছে।", + "question": "কোন জিনিসগুলো বস্ত্রের অভাব পূরণ করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_549", + "title": "id_548_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "উপযোগ : কোনো দ্রব্যের মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে উপযোগিতা বলে। যেমন, মানুষের বস্ত্র প্রয়োজন বা অভাব আছে। শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি—এসব দ্রব্যের বস্ত্রের অভাব পূরণের ক্ষমতা আছে। অর্থাৎ এগুলোর উপযোগিতা আছে।", + "question": "মানুষের কী ধরনের অভাব থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "বস্ত্র প্রয়োজন বা অভাব" + ], + "answer_start": [ + 79 + ] + } + }, + { + "id": "id_550", + "title": "id_549_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "উপযোগ : কোনো দ্রব্যের মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে উপযোগিতা বলে। যেমন, মানুষের বস্ত্র প্রয়োজন বা অভাব আছে। শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি—এসব দ্রব্যের বস্ত্রের অভাব পূরণের ক্ষমতা আছে। অর্থাৎ এগুলোর উপযোগিতা আছে।", + "question": "উপযোগিতার উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_551", + "title": "id_550_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "কোনো দ্রব্য বা সেবার চাহিদার তুলনায় যোগান বা সরবরাহের পরিমাণ কম হলে প্রাপ্তির অপ্রাচুর্য দেখা দেয়। যেমন—খাদ্য। যে কোনো দেশে যে কো��ো সময়ে খাদ্যের সরবরাহ তার চাহিদার তুলনায় কম। সেই জন্য খাদ্য পেতে হলে এর দাম পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ খাদ্যের অপ্রাচুর্য আছে। আবার, নিশ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য মানুষের প্রতিমুহূর্তেই বাতাসের প্রয়োজন। প্রকৃতিতে বাতাস অফুরন্ত হওয়ায় এর সরবরাহ বেশি। তাই বাতাসের অপ্রাচুর্য নেই।", + "question": "কোনো দ্রব্য বা সেবার চাহিদার তুলনায় যোগান বা সরবরাহের পরিমাণ কম হলে কি দেখা দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাপ্তির অপ্রাচুর্য" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_552", + "title": "id_551_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "অপ্রাচুর্য : কোনো দ্রব্য বা সেবার চাহিদার তুলনায় যোগান বা সরবরাহের পরিমাণ কম হলে প্রাপ্তির অপ্রাচুর্য দেখা দেয়। যেমন—খাদ্য। যে কোনো দেশে যে কোনো সময়ে খাদ্যের সরবরাহ তার চাহিদার তুলনায় কম। সেই জন্য খাদ্য পেতে হলে এর দাম পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ খাদ্যের অপ্রাচুর্য আছে। আবার, নিশ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য মানুষের প্রতিমুহূর্তেই বাতাসের প্রয়োজন। প্রকৃতিতে বাতাস অফুরন্ত হওয়ায় এর সরবরাহ বেশি। তাই বাতাসের অপ্রাচুর্য নেই।", + "question": "বাতাসের অপ্রাচুর্য কেন নেই?", + "answers": { + "text": [ + "বাতাস অফুরন্ত হওয়ায় এর সরবরাহ বেশি" + ], + "answer_start": [ + 352 + ] + } + }, + { + "id": "id_553", + "title": "id_552_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "অপ্রাচুর্য : কোনো দ্রব্য বা সেবার চাহিদার তুলনায় যোগান বা সরবরাহের পরিমাণ কম হলে প্রাপ্তির অপ্রাচুর্য দেখা দেয়। যেমন—খাদ্য। যে কোনো দেশে যে কোনো সময়ে খাদ্যের সরবরাহ তার চাহিদার তুলনায় কম। সেই জন্য খাদ্য পেতে হলে এর দাম পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ খাদ্যের অপ্রাচুর্য আছে। আবার, নিশ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য মানুষের প্রতিমুহূর্তেই বাতাসের প্রয়োজন। প্রকৃতিতে বাতাস অফুরন্ত হওয়ায় এর সরবরাহ বেশি। তাই বাতাসের অপ্রাচুর্য নেই।", + "question": "অপ্রাচুর্য দেখা দিলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দাম পরিশোধ করতে হয়" + ], + "answer_start": [ + 219 + ] + } + }, + { + "id": "id_554", + "title": "id_553_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "কিছু কিছু জিনিস সম্পদ নাও হতে পারে, যেমন—স্বাস্থ্যের উপযোগিতা এবং অপ্রাচুর্য আছে, কিন্তু বাহ্যিকতা ও হস্তান্তরযোগ্যতা না থাকায় একে সম্পদ বলা যাবে না। তবে কোনো স্বাস্থ্যবান পুরুষ যখন দেহের স্বাস্থ্য প্রদর্শনের মাধ��যমে অর্থ উপার্জনে সক্ষম হন, তখন তার এই বিশেষ ধরনের স্বাস্থ্যটি সম্পদ বলে গণ্য হবে।", + "question": "কেন স্বাস্থ্যের উপযোগিতা থাকা সত্ত্বেও একে সম্পদ বলা যাবে না?", + "answers": { + "text": [ + "বাহ্যিকতা ও হস্তান্তরযোগ্যতা না থাকায়" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_555", + "title": "id_554_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "কিছু কিছু জিনিস সম্পদ নাও হতে পারে, যেমন—স্বাস্থ্যের উপযোগিতা এবং অপ্রাচুর্য আছে, কিন্তু বাহ্যিকতা ও হস্তান্তরযোগ্যতা না থাকায় একে সম্পদ বলা যাবে না। তবে কোনো স্বাস্থ্যবান পুরুষ যখন দেহের স্বাস্থ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে সক্ষম হন, তখন তার এই বিশেষ ধরনের স্বাস্থ্যটি সম্পদ বলে গণ্য হবে।", + "question": "কিসের মাধ্যমে কোনো স্বাস্থ্যবান পুরুষ অর্থ উপার্জনে সক্ষম হন?", + "answers": { + "text": [ + "দেহের স্বাস্থ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 183 + ] + } + }, + { + "id": "id_556", + "title": "id_555_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "কিছু কিছু জিনিস সম্পদ নাও হতে পারে, যেমন—স্বাস্থ্যের উপযোগিতা এবং অপ্রাচুর্য আছে, কিন্তু বাহ্যিকতা ও হস্তান্তরযোগ্যতা না থাকায় একে সম্পদ বলা যাবে না। তবে কোনো স্বাস্থ্যবান পুরুষ যখন দেহের স্বাস্থ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে সক্ষম হন, তখন তার এই বিশেষ ধরনের স্বাস্থ্যটি সম্পদ বলে গণ্য হবে।", + "question": "স্বাস্থ্যের কোন কোন গুণাবলি আছে?", + "answers": { + "text": [ + "উপযোগিতা এবং অপ্রাচুর্য" + ], + "answer_start": [ + 53 + ] + } + }, + { + "id": "id_557", + "title": "id_556_জাতীয় সম্পদের ধারণা", + "context": "কিছু কিছু জিনিস সম্পদ নাও হতে পারে, যেমন—স্বাস্থ্যের উপযোগিতা এবং অপ্রাচুর্য আছে, কিন্তু বাহ্যিকতা ও হস্তান্তরযোগ্যতা না থাকায় একে সম্পদ বলা যাবে না। তবে কোনো স্বাস্থ্যবান পুরুষ যখন দেহের স্বাস্থ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে সক্ষম হন, তখন তার এই বিশেষ ধরনের স্বাস্থ্যটি সম্পদ বলে গণ্য হবে।", + "question": "কবে স্বাস্থ্যের বিশেষ ধরনের উপযোগ সম্পদ বলে গণ্য হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো স্বাস্থ্যবান পুরুষ যখন দেহের স্বাস্থ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে সক্ষম হন" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_558", + "title": "id_557_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "সম্পদকে ব্যক্তিগত, একান্ত ব্যক্তিগত, সম্মিলিত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক—এই পাঁচ শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা যায়। ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গা-জমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ, গাড়ি, দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি ব্যক্তিগত সম্পদ। নিজস্ব প্রতিভা, ব্যক্তিগত দক্ষতা ইত্যাদি যদিও হস্তান্তরযোগ্য নয়, কিন্তু ব্যক্তি এগুলো ব্যবহার করে সম্পদ সৃষ্টি করতে পারে। তাই এগুলো একান্ত ব্যক্তিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত", + "question": "সম্পদকে কতটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "পাঁচ শ্রেণিতে" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_559", + "title": "id_558_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "সম্পদকে ব্যক্তিগত, একান্ত ব্যক্তিগত, সম্মিলিত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক—এই পাঁচ শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা যায়। ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গা-জমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ, গাড়ি, দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি ব্যক্তিগত সম্পদ। নিজস্ব প্রতিভা, ব্যক্তিগত দক্ষতা ইত্যাদি যদিও হস্তান্তরযোগ্য নয়, কিন্তু ব্যক্তি এগুলো ব্যবহার করে সম্পদ সৃষ্টি করতে পারে। তাই এগুলো একান্ত ব্যক্তিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত", + "question": "ব্যক্তিগত সম্পদের উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "জায়গা-জমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_560", + "title": "id_559_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "সম্পদকে ব্যক্তিগত, একান্ত ব্যক্তিগত, সম্মিলিত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক—এই পাঁচ শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা যায়। ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গা-জমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ, গাড়ি, দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি ব্যক্তিগত সম্পদ। নিজস্ব প্রতিভা, ব্যক্তিগত দক্ষতা ইত্যাদি যদিও হস্তান্তরযোগ্য নয়, কিন্তু ব্যক্তি এগুলো ব্যবহার করে সম্পদ সৃষ্টি করতে পারে। তাই এগুলো একান্ত ব্যক্তিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত", + "question": "ব্যক্তিগত মালিকানাধীন দ্রব্যসামগ্রী কোন শ্রেণির সম্পদ?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তিগত সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 200 + ] + } + }, + { + "id": "id_561", + "title": "id_560_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "সম্পদকে ব্যক্তিগত, একান্ত ব্যক্তিগত, সম্মিলিত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক—এই পাঁচ শ্রেণিতে বিন্যস্ত করা যায়। ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গা-জমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ, গাড়ি, দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি ব্যক্তিগত সম্পদ। নিজস্ব প্রতিভা, ���্যক্তিগত দক্ষতা ইত্যাদি যদিও হস্তান্তরযোগ্য নয়, কিন্তু ব্যক্তি এগুলো ব্যবহার করে সম্পদ সৃষ্টি করতে পারে। তাই এগুলো একান্ত ব্যক্তিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত", + "question": "ব্যক্তিগত সম্পদ সৃষ্টি করতে ব্যক্তি কী ব্যবহার করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "নিজস্ব প্রতিভা, ব্যক্তিগত দক্ষতা" + ], + "answer_start": [ + 217 + ] + } + }, + { + "id": "id_562", + "title": "id_561_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "সমাজের সকলে সম্মিলিতভাবে যে সকল সম্পদ ভোগ করে, সেগুলো সম্মিলিত সম্পদ। এই সম্পদের ওপর সকল নাগরিকের সমান অধিকার থাকে এবং এগুলোর প্রতি তাদের সমান দায়িত্বও রয়েছে। রাস্তাঘাট, রেলপথ, বাঁধ, পার্ক, সরকারি হাসপাতাল ও স্কুল, রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন—বনাঞ্চল, খনিজসম্পদ, নদ-নদী ইত্যাদি) প্রভৃতি সম্মিলিত সম্পদ।", + "question": "সম্মিলিত সম্পদের ওপর নাগরিকদের কী থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "সমান অধিকার" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_563", + "title": "id_562_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "সমাজের সকলে সম্মিলিতভাবে যে সকল সম্পদ ভোগ করে, সেগুলো সম্মিলিত সম্পদ। এই সম্পদের ওপর সকল নাগরিকের সমান অধিকার থাকে এবং এগুলোর প্রতি তাদের সমান দায়িত্বও রয়েছে। রাস্তাঘাট, রেলপথ, বাঁধ, পার্ক, সরকারি হাসপাতাল ও স্কুল, রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন—বনাঞ্চল, খনিজসম্পদ, নদ-নদী ইত্যাদি) প্রভৃতি সম্মিলিত সম্পদ।", + "question": "সম্মিলিত সম্পদের দায়িত্ব কার ওপর থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "সকল নাগরিকের" + ], + "answer_start": [ + 85 + ] + } + }, + { + "id": "id_564", + "title": "id_563_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "সমাজের সকলে সম্মিলিতভাবে যে সকল সম্পদ ভোগ করে, সেগুলো সম্মিলিত সম্পদ। এই সম্পদের ওপর সকল নাগরিকের সমান অধিকার থাকে এবং এগুলোর প্রতি তাদের সমান দায়িত্বও রয়েছে। রাস্তাঘাট, রেলপথ, বাঁধ, পার্ক, সরকারি হাসপাতাল ও স্কুল, রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন—বনাঞ্চল, খনিজসম্পদ, নদ-নদী ইত্যাদি) প্রভৃতি সম্মিলিত সম্পদ।", + "question": "সরকারি হাসপাতাল ও স্কুল কোন শ্রেণির সম্পদ?", + "answers": { + "text": [ + "সম্মিলিত সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_565", + "title": "id_564_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "সমাজের সকলে সম্মিলিতভাবে যে সকল সম্পদ ভোগ করে, সে��ুলো সম্মিলিত সম্পদ। এই সম্পদের ওপর সকল নাগরিকের সমান অধিকার থাকে এবং এগুলোর প্রতি তাদের সমান দায়িত্বও রয়েছে। রাস্তাঘাট, রেলপথ, বাঁধ, পার্ক, সরকারি হাসপাতাল ও স্কুল, রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন—বনাঞ্চল, খনিজসম্পদ, নদ-নদী ইত্যাদি) প্রভৃতি সম্মিলিত সম্পদ।", + "question": "রাষ্ট্রের মালিকানাধীন বনাঞ্চল ও নদী কোন সম্পদের উদাহরণ?", + "answers": { + "text": [ + "সম্মিলিত সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_566", + "title": "id_565_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "রাষ্ট্র সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সম্মিলিত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। তাছাড়া কোনো জাতির নাগরিকের গুণবাচক বৈশিষ্ট্য, যেমন—কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত সম্পদ একত্রে কী বলে?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_567", + "title": "id_566_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "রাষ্ট্র সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সম্মিলিত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। তাছাড়া কোনো জাতির নাগরিকের গুণবাচক বৈশিষ্ট্য, যেমন—কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "জাতীয় সম্পদের অংশ কী কী হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্র সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সম্মিলিত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_568", + "title": "id_567_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "রাষ্ট্র সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সম্মিলিত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। তাছাড়া কোনো জাতির নাগরিকের গুণবাচক বৈশিষ্ট্য, যেমন—কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "উদ্ভাবনী শক্তি কোন সম্পদের অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_569", + "title": "id_568_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "কিছু কিছু সম্পদ আছে, যা বিশেষ কোনো রাষ্ট্রের মালিকানাধীন নয়। বিশ্বের সকল জাতিই সেগুলো ভোগ করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে সাগর-মহাসাগর, পেটেন্টবিহীন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প��রযুক্তি ইত্যাদির কথা বলা যায়।", + "question": "কোন জাতিগুলো আন্তর্জাতিক সম্পদ ভোগ করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বের সকল জাতি" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_570", + "title": "id_569_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "কিছু কিছু সম্পদ আছে, যা বিশেষ কোনো রাষ্ট্রের মালিকানাধীন নয়। বিশ্বের সকল জাতিই সেগুলো ভোগ করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে সাগর-মহাসাগর, পেটেন্টবিহীন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রযুক্তি ইত্যাদির কথা বলা যায়।", + "question": "আন্তর্জাতিক সম্পদের উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "সাগর-মহাসাগর, পেটেন্টবিহীন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রযুক্তি" + ], + "answer_start": [ + 116 + ] + } + }, + { + "id": "id_571", + "title": "id_570_সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", + "context": "কিছু কিছু সম্পদ আছে, যা বিশেষ কোনো রাষ্ট্রের মালিকানাধীন নয়। বিশ্বের সকল জাতিই সেগুলো ভোগ করতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পদের উদাহরণ হিসেবে সাগর-মহাসাগর, পেটেন্টবিহীন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রযুক্তি ইত্যাদির কথা বলা যায়।", + "question": "পেটেন্টবিহীন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার কোন সম্পদের উদাহরণ?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 102 + ] + } + }, + { + "id": "id_572", + "title": "id_571_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "জাতীয় সম্পদের উৎস প্রধানত দুটি। প্রথমটি প্রকৃতি প্রদত্ত আর দ্বিতীয়টি মানবসৃষ্ট। কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরের ভূমি, ভূমির উপরিস্তর এবং অভ্যন্তরে যা কিছু আছে, সবই প্রকৃতির দান। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বনের গাছপালা, ফলমূল, প্রাণী ও পাখিকুল, নদ-নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় এবং এগুলোর মৎস্যসম্পদ, অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরে থাকা পানি ও সব ধরনের খনিজ সম্পদ—এগুলোই প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ।", + "question": "জাতীয় সম্পদের উৎস কতটি?", + "answers": { + "text": [ + "দুটি" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_573", + "title": "id_572_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "জাতীয় সম্পদের উৎস প্রধানত দুটি। প্রথমটি প্রকৃতি প্রদত্ত আর দ্বিতীয়টি মানবসৃষ্ট। কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরের ভূমি, ভূমির উপরিস্তর এবং অভ্যন্তরে যা কিছু আছে, সবই প্রকৃতির দান। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বনের গাছপালা, ফলমূল, প্রাণী ও পাখিকুল, নদ-নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় এবং এগুলোর মৎস্যসম্পদ, অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরে থাকা পানি ও সব ধরনের খনিজ সম্পদ—এগুলোই প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ।", + "question": "প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরে থাকা পানি ও সব ধরনের খনিজ সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 299 + ] + } + }, + { + "id": "id_574", + "title": "id_573_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "জাতীয় সম্পদের উৎস প্রধানত দুটি। প্রথমটি প্রকৃতি প্রদত্ত আর দ্বিতীয়টি মানবসৃষ্ট। কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরের ভূমি, ভূমির উপরিস্তর এবং অভ্যন্তরে যা কিছু আছে, সবই প্রকৃতির দান। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বনের গাছপালা, ফলমূল, প্রাণী ও পাখিকুল, নদ-নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় এবং এগুলোর মৎস্যসম্পদ, অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরে থাকা পানি ও সব ধরনের খনিজ সম্পদ—এগুলোই প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ।", + "question": "ভূমির অভ্যন্তরে থাকা খনিজসম্পদ কোন ধরনের সম্পদ?", + "answers": { + "text": [ + "প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 375 + ] + } + }, + { + "id": "id_575", + "title": "id_574_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "কোনো দেশের অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে এবং সেগুলোর রূপান্তর বা স্থানান্তর করে যে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে, তা মানবসৃষ্ট সম্পদ। মানুষ ভূমি আবাদ করে শস্য, ফল, ফুল, গাছপালা উৎপাদন করে। জলাশয়ে মাছ চাষ করে, খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে তা ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।", + "question": "অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে কি ব্যবহার করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাকৃতিক সম্পদ " + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_576", + "title": "id_575_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "কোনো দেশের অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে এবং সেগুলোর রূপান্তর বা স্থানান্তর করে যে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে, তা মানবসৃষ্ট সম্পদ। মানুষ ভূমি আবাদ করে শস্য, ফল, ফুল, গাছপালা উৎপাদন করে। জলাশয়ে মাছ চাষ করে, খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে তা ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।", + "question": "মানবসৃষ্ট সম্পদের উৎস কী?", + "answers": { + "text": [ + "শ্রম ও মূলধন" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_577", + "title": "id_576_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "কোনো দেশের অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক স���্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে এবং সেগুলোর রূপান্তর বা স্থানান্তর করে যে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে, তা মানবসৃষ্ট সম্পদ। মানুষ ভূমি আবাদ করে শস্য, ফল, ফুল, গাছপালা উৎপাদন করে। জলাশয়ে মাছ চাষ করে, খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে তা ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।", + "question": "কীভাবে শস্য ও গাছপালা উৎপাদন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি আবাদ করে" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_578", + "title": "id_577_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "কোনো দেশের অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে এবং সেগুলোর রূপান্তর বা স্থানান্তর করে যে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে, তা মানবসৃষ্ট সম্পদ। মানুষ ভূমি আবাদ করে শস্য, ফল, ফুল, গাছপালা উৎপাদন করে। জলাশয়ে মাছ চাষ করে, খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে তা ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।", + "question": "খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে কী করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "তা ব্যবহার উপযোগী করে" + ], + "answer_start": [ + 281 + ] + } + }, + { + "id": "id_579", + "title": "id_578_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "কোনো দেশের অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে এবং সেগুলোর রূপান্তর বা স্থানান্তর করে যে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে, তা মানবসৃষ্ট সম্পদ। মানুষ ভূমি আবাদ করে শস্য, ফল, ফুল, গাছপালা উৎপাদন করে। জলাশয়ে মাছ চাষ করে, খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে তা ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।", + "question": "জলাশয়ে কী চাষ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মাছ" + ], + "answer_start": [ + 245 + ] + } + }, + { + "id": "id_580", + "title": "id_579_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "এছাড়া ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে বা সরকারের অর্থ ও পরিচালনায় রাস্তাঘাট, কলকারখানা, যন্ত্রপাতি, যানবাহন, বাঁধ ও সেতু এবং নানারকম স্থাপনা নির্মাণ করে এবং বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করে। এভাবে দেশের নাগরিকেরা সারা বছর নানারকম অর্থনৈতিক প্রবৃত্তি ও সেবা অর্থাৎ সম্পদ সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত থাকে। এগুলোই মানবসৃষ্ট সম্পদ।", + "question": "ব্যক্তি বা সরকারের অর্থ ও পরিচালনায় কি নির্মাণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "রাস্তাঘাট, কলকারখানা, যন্ত্রপাতি, " + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_581", + "title": "id_580_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "এছাড়া ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে বা সরকারের অর্থ ও পরিচালনায�� রাস্তাঘাট, কলকারখানা, যন্ত্রপাতি, যানবাহন, বাঁধ ও সেতু এবং নানারকম স্থাপনা নির্মাণ করে এবং বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করে। এভাবে দেশের নাগরিকেরা সারা বছর নানারকম অর্থনৈতিক প্রবৃত্তি ও সেবা অর্থাৎ সম্পদ সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত থাকে। এগুলোই মানবসৃষ্ট সম্পদ।", + "question": "ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে কোন ধরনের সম্পদ সৃষ্টি করে?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করে" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_582", + "title": "id_581_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "এছাড়া ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে বা সরকারের অর্থ ও পরিচালনায় রাস্তাঘাট, কলকারখানা, যন্ত্রপাতি, যানবাহন, বাঁধ ও সেতু এবং নানারকম স্থাপনা নির্মাণ করে এবং বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করে। এভাবে দেশের নাগরিকেরা সারা বছর নানারকম অর্থনৈতিক প্রবৃত্তি ও সেবা অর্থাৎ সম্পদ সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত থাকে। এগুলোই মানবসৃষ্ট সম্পদ।", + "question": "দেশের নাগরিকেরা সারা বছর কী কাজে নিয়োজিত থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক প্রবৃত্তি ও সেবা" + ], + "answer_start": [ + 218 + ] + } + }, + { + "id": "id_583", + "title": "id_582_জাতীয় সম্পদের উৎস", + "context": "এছাড়া ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে বা সরকারের অর্থ ও পরিচালনায় রাস্তাঘাট, কলকারখানা, যন্ত্রপাতি, যানবাহন, বাঁধ ও সেতু এবং নানারকম স্থাপনা নির্মাণ করে এবং বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করে। এভাবে দেশের নাগরিকেরা সারা বছর নানারকম অর্থনৈতিক প্রবৃত্তি ও সেবা অর্থাৎ সম্পদ সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত থাকে। ব্যক্তি বা সরকারের মাধ্যমে তৈরি সম্পদই মানবসৃষ্ট সম্পদ।", + "question": "মানবসৃষ্ট সম্পদ বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তি বা সরকারের মাধ্যমে তৈরি সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 286 + ] + } + }, + { + "id": "id_584", + "title": "id_583_জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয়রোধ", + "context": "সংরক্ষণের অর্থ বিশেষভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান। আমরা জানি, একটি দেশের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ একত্রে জাতীয় সম্পদ। সমষ্টিগত সম্পদের মধ্যে সকল জনগণ সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদের মালিক, সেগুলো এবং রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক ও উৎপাদিত সম্পদ অন্তর্ভুক্ত। তাই জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ বলতে ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ উভয়েরই সংরক্ষণ বোঝায়।", + "question": "সংরক্ষণের অর্থ কী?", + "answers": { + "text": [ + "রক্ষণাবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_585", + "title": "id_584_জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয়রোধ", + "context": "সংরক্ষণের অর্থ বিশেষভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান। আমরা জানি, একটি দেশের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ একত্রে জাতীয় সম্পদ। সমষ্টিগত সম্পদের মধ্যে সকল জনগণ সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদের মালিক, সেগুলো এবং রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক ও উৎপাদিত সম্পদ অন্তর্ভুক্ত। তাই জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ বলতে ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ উভয়েরই সংরক্ষণ বোঝায়।", + "question": "নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ একত্রে কি নামে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_586", + "title": "id_585_জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয়রোধ", + "context": "সংরক্ষণের অর্থ বিশেষভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান। আমরা জানি, একটি দেশের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ একত্রে জাতীয় সম্পদ। সমষ্টিগত সম্পদের মধ্যে সকল জনগণ সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদের মালিক, সেগুলো এবং রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক ও উৎপাদিত সম্পদ অন্তর্ভুক্ত। তাই জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ বলতে ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ উভয়েরই সংরক্ষণ বোঝায়।", + "question": "সমষ্টিগত সম্পদের মালিক কে?", + "answers": { + "text": [ + "সকল জনগণ" + ], + "answer_start": [ + 165 + ] + } + }, + { + "id": "id_587", + "title": "id_586_জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয়রোধ", + "context": "সংরক্ষণের অর্থ বিশেষভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান। আমরা জানি, একটি দেশের সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ একত্রে জাতীয় সম্পদ। সমষ্টিগত সম্পদের মধ্যে সকল জনগণ সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদের মালিক, সেগুলো এবং রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক ও উৎপাদিত সম্পদ অন্তর্ভুক্ত। তাই জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ বলতে ব্যক্তিগত সম্পদ ও সমষ্টিগত সম্পদ উভয়েরই সংরক্ষণ বোঝায়।", + "question": "সমষ্টিগত সম্পদের মধ্যে কী অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক ও উৎপাদিত সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 218 + ] + } + }, + { + "id": "id_588", + "title": "id_587_ব্যক্তিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "(কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সম্পদ, বিশে��� যত্নসহকারে রক্ষা করা ও তার তত্ত্বাবধান করাকে বলা হয় সংরক্ষণ। ব্যক্তি সাধারণত তার নিজস্ব সম্পদ, যেমন—অর্থ সম্পদ, ভূমি, সোনার রৌপ্য, অলংকার, আসবাবপত্র, কলকারখানা, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, যানবাহন ইত্যাদি নিজস্বভাবে বিশেষ গুরুত্বের সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করে।", + "question": "ব্যক্তিগত সম্পদের সংরক্ষণ কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিশেষ যত্নসহকারে রক্ষা করা" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_589", + "title": "id_588_ব্যক্তিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "(কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সম্পদ, বিশেষ যত্নসহকারে রক্ষা করা ও তার তত্ত্বাবধান করাকে বলা হয় সংরক্ষণ। ব্যক্তি সাধারণত তার নিজস্ব সম্পদ, যেমন—অর্থ সম্পদ, ভূমি, সোনার রৌপ্য, অলংকার, আসবাবপত্র, কলকারখানা, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, যানবাহন ইত্যাদি নিজস্বভাবে বিশেষ গুরুত্বের সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করে।", + "question": "ব্যক্তি সাধারণত কী কী সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থ সম্পদ, ভূমি, সোনার রৌপ্য, অলংকার, আসবাবপত্র, কলকারখানা, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, যানবাহন" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_590", + "title": "id_589_ব্যক্তিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "(কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সম্পদ, বিশেষ যত্নসহকারে রক্ষা করা ও তার তত্ত্বাবধান করাকে বলা হয় সংরক্ষণ। ব্যক্তি সাধারণত তার নিজস্ব সম্পদ, যেমন—অর্থ সম্পদ, ভূমি, সোনার রৌপ্য, অলংকার, আসবাবপত্র, কলকারখানা, বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, যানবাহন ইত্যাদি নিজস্বভাবে বিশেষ গুরুত্বের সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করে।", + "question": "একজন ব্যক্তি কীভাবে তার সম্পদের অপচয় রোধ করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশেষ গুরুত্বের সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করে" + ], + "answer_start": [ + 249 + ] + } + }, + { + "id": "id_591", + "title": "id_590_ব্যক্তিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন (গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি) ও কলকারখানা, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, অফিস ভবন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি ও ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ সম্পদ (বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি)—এসবই সমষ্টিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "সমষ্টিগত সম্পদের উদাহরণ কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_592", + "title": "id_591_ব্যক্তিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন (গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি) ও কলকারখানা, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, অফিস ভবন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি ও ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ সম্পদ (বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি)—এসবই সমষ্টিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_593", + "title": "id_592_ব্যক্তিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন (গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি) ও কলকারখানা, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, অফিস ভবন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি ও ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ সম্পদ (বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি)—এসবই সমষ্টিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে কী অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়" + ], + "answer_start": [ + 234 + ] + } + }, + { + "id": "id_594", + "title": "id_593_সমষ্টিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন (গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি) ও কলকারখানা, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, অফিস ভবন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি ও ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ সম্পদ (বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি)—এসবই সমষ্টিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "সমষ্টিগত সম্পদের উদাহরণ কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_595", + "title": "id_594_সমষ্টিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন (গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি) ও কলকারখানা, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, অফিস ভবন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি ও ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ সম্পদ (বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি)—এসবই সমষ্টিগত সম��পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_596", + "title": "id_595_সমষ্টিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন (গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি) ও কলকারখানা, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, অফিস ভবন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি ও ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ সম্পদ (বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি)—এসবই সমষ্টিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে কী অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়" + ], + "answer_start": [ + 234 + ] + } + }, + { + "id": "id_597", + "title": "id_596_সমষ্টিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাষ্ট্র ও জনগণ সম্মিলিতভাবে এসব সম্পদের অধিকারী। জনগণ এগুলো ব্যবহার করে ও ভোগ করে। এসবের পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্র জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে।", + "question": "রাষ্ট্র কিভাবে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_598", + "title": "id_597_সমষ্টিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাষ্ট্র ও জনগণ সম্মিলিতভাবে এসব সম্পদের অধিকারী। জনগণ এগুলো ব্যবহার করে ও ভোগ করে। এসবের পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্র জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে।", + "question": "সমষ্টিগত সম্পদের ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের সার্বিক উন্নয়ন" + ], + "answer_start": [ + 125 + ] + } + }, + { + "id": "id_599", + "title": "id_598_সমষ্টিগত সম্পদের সংরক্ষণ", + "context": "রাষ্ট্র ও জনগণ সম্মিলিতভাবে এসব সম্পদের অধিকারী। জনগণ এগুলো ব্যবহার করে ও ভোগ করে। এসবের পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্র জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে।", + "question": "রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সম্পদগুলোর ব্যবহার কীভাবে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্র ও জনগণ সম্মিলিতভাবে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_600", + "title": "id_599_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যেসব ব্যবস্থা আছে, সেগুলো যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। আমরা জানি যে, সেতু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অফিস ভবন ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিরাপত্তা রক্ষী থাকে। এসব কোনো সময় অরক্ষিত দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো।", + "question": "জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "নিরাপত্তা রক্ষী" + ], + "answer_start": [ + 190 + ] + } + }, + { + "id": "id_601", + "title": "id_600_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যেসব ব্যবস্থা আছে, সেগুলো যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। আমরা জানি যে, সেতু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অফিস ভবন ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিরাপত্তা রক্ষী থাকে। এসব কোনো সময় অরক্ষিত দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো।", + "question": "গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মধ্যে কোনটি উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "অফিস ভবন" + ], + "answer_start": [ + 153 + ] + } + }, + { + "id": "id_602", + "title": "id_601_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যেসব ব্যবস্থা আছে, সেগুলো যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। আমরা জানি যে, সেতু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অফিস ভবন ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিরাপত্তা রক্ষী থাকে। এসব কোনো সময় অরক্ষিত দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো।", + "question": "নিরাপত্তা রক্ষী কী কাজে নিয়োজিত থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "রক্ষণাবেক্ষণের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 170 + ] + } + }, + { + "id": "id_603", + "title": "id_602_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যেসব ব্যবস্থা আছে, সেগুলো যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। আমরা জানি যে, সেতু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অফিস ভবন ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিরাপত্তা রক্ষী থাকে। এসব কোনো সময় অরক্ষিত দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো।", + "question": "অরক্ষিত স্থানে কেউ দেখলে কী করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো" + ], + "answer_start": [ + 240 + ] + } + }, + { + "id": "id_604", + "title": "id_603_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যেসব ব্যবস্থা আছে, সেগুলো যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা। আমরা জানি যে, সেতু, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অফিস ভবন ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিরাপত্তা রক্ষী থাকে। এসব কোনো সময় অরক্ষিত দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো।", + "question": "সম্পদ ব্যাহত না হয়, সেদিকে কি লক্ষ্য রাখতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "লক্ষ্য রাখা" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_605", + "title": "id_604_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "কেউ যেন এসব সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা। এ ধরনের কোনো অপচেষ্টার বিষয়ে জানলে বা দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে গাছ কাটা, পশুপাখি শিকার করা ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন করা হিসেবে গণ্য হবে।", + "question": "সম্পদের ক্ষতিসাধন রোধে কি সচেতন থাকতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "কেউ যেন এসব সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_606", + "title": "id_605_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "কেউ যেন এসব সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা। এ ধরনের কোনো অপচেষ্টার বিষয়ে জানলে বা দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে গাছ কাটা, পশুপাখি শিকার করা ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন করা হিসেবে গণ্য হবে।", + "question": "অপচেষ্টার বিষয়ে জানা গেলে কী করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা" + ], + "answer_start": [ + 110 + ] + } + }, + { + "id": "id_607", + "title": "id_606_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "কেউ যেন এসব সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা। এ ধরনের কোনো অপচেষ্টার বিষয়ে জানলে বা দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে গাছ কাটা, পশুপাখি শিকার করা ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন করা হিসেবে গণ্য হবে।", + "question": "কোন উদাহরণে জাতীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "গাছ কাটা" + ], + "answer_start": [ + 193 + ] + } + }, + { + "id": "id_608", + "title": "id_607_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "কেউ যেন এসব সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা। এ ধরনের কোনো অপচেষ্টার বিষয়ে জানলে বা দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে গাছ কাটা, পশুপাখি শিকার করা ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন করা হিসেবে গণ্য হবে।", + "question": "পশুপাখি শিকার করা কোন সম্পদের ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সম্পদের" + ], + "answer_start": [ + 229 + ] + } + }, + { + "id": "id_609", + "title": "id_608_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "কেউ যেন এসব সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে, সে বিষয়ে সচেতন থাকা। এ ধরনের কোনো অপচেষ্টার বিষয়ে জানলে বা দেখলে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে গাছ কাটা, পশুপাখি শিকার করা ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন করা হিসেবে গণ্য হবে।", + "question": "সচেতন থাকার জন্য কোন বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "কেউ যেন এসব সম্পদের কোনো ক্ষতিসাধন না করে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_610", + "title": "id_609_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা। সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন—রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা।", + "question": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধির জন্য কি করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সচেষ্ট থাকা" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_611", + "title": "id_610_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা। সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন—রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা।", + "question": "জাতীয় সম্পদের বৃদ্ধিসাধনে কি প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "সচেষ্ট থাকা" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_612", + "title": "id_611_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা। সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন—রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা।", + "question": "জাতীয় সম্পদের জন্য উন্নয়ন কিভাবে হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "সচেষ্ট থাকা" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_613", + "title": "id_612_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা। সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন—রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা।", + "question": "জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার রোধে কী করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সচেতন ও সচেষ্ট থাকা" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_614", + "title": "id_613_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা। সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন—রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা।", + "question": "রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা সরবরাহিত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস কিভাবে ব্যবহার করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "অপ্রয়োজনে খরচ না করা" + ], + "answer_start": [ + 198 + ] + } + }, + { + "id": "id_615", + "title": "id_614_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা। সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন—রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা।", + "question": "জাতীয় সম্পদের অপচয় কিভাবে রোধ করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যবহার নিয��ন্ত্রণে রাখা" + ], + "answer_start": [ + 230 + ] + } + }, + { + "id": "id_616", + "title": "id_615_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা। সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন—রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা।", + "question": "জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার সম্পর্কে কি সচেতন থাকতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সচেতন ও সচেষ্ট থাকা" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_617", + "title": "id_616_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা। সমষ্টিগত বা জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা, যেমন—রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি অপ্রয়োজনে খরচ না করা এবং এগুলো ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা।", + "question": "অপ্রয়োজনে খরচ না করার জন্য কি লক্ষ্য রাখতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_618", + "title": "id_617_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নিজ নিজ কর্তব্য বিষয়ে প্রতিটি নাগরিক সচেতন ও সচেষ্ট থাকলে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ ও এর অপচয় রোধ করা কঠিন নয়। নাগরিকদের সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমে তাদের করণীয় সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।", + "question": "জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নাগরিকদের কি করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সচেতন ও সচেষ্ট" + ], + "answer_start": [ + 59 + ] + } + }, + { + "id": "id_619", + "title": "id_618_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নিজ নিজ কর্তব্য বিষয়ে প্রতিটি নাগরিক সচেতন ও সচেষ্ট থাকলে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ ও এর অপচয় রোধ করা কঠিন নয়। নাগরিকদের সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমে তাদের করণীয় সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।", + "question": "জাতীয় সম্পদের অপচয় রোধ করা কি কঠিন?", + "answers": { + "text": [ + "কঠিন নয়" + ], + "answer_start": [ + 120 + ] + } + }, + { + "id": "id_620", + "title": "id_619_বাংলাদেশের জা��ীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নিজ নিজ কর্তব্য বিষয়ে প্রতিটি নাগরিক সচেতন ও সচেষ্ট থাকলে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ ও এর অপচয় রোধ করা কঠিন নয়। নাগরিকদের সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমে তাদের করণীয় সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।", + "question": "নাগরিকদের সচেতন করার জন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "গণমাধ্যম" + ], + "answer_start": [ + 156 + ] + } + }, + { + "id": "id_621", + "title": "id_620_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নিজ নিজ কর্তব্য বিষয়ে প্রতিটি নাগরিক সচেতন ও সচেষ্ট থাকলে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ ও এর অপচয় রোধ করা কঠিন নয়। নাগরিকদের সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমে তাদের করণীয় সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।", + "question": "সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নাগরিকদের করণীয় সম্পর্কে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_622", + "title": "id_621_বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধে করণীয়", + "context": "সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নিজ নিজ কর্তব্য বিষয়ে প্রতিটি নাগরিক সচেতন ও সচেষ্ট থাকলে জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ ও এর অপচয় রোধ করা কঠিন নয়। নাগরিকদের সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমে তাদের করণীয় সম্পর্কে প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।", + "question": "প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য কি বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সম্পদ সংরক্ষণ" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_623", + "title": "id_622_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মানুষের প্রয়োজন বহুবিধ। তার খাদ্য, বসত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন। সুশিক্ষা ও সুস্বাস্থ্যেরও প্রয়োজন। এছাড়া সুন্দরভাবে বাঁচতে হলে প্রয়োজন বিনোদনের ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবার এবং সমাজ ব্যবস্থা। এসব প্রয়োজন থেকে অভাবের সৃষ্টি হয়। সম্পদ সবসময়ই অপ্রতুল। অভাব পূরণের জন্য মানুষ চেষ্টা করে এবং উৎপাদন করে। উৎপাদন হলো দ্রব্য বা সম্পদের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর।", + "question": "মানুষের প্রয়োজন কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্য, বসত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_624", + "title": "id_623_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মানুষের প্রয়োজন বহুবিধ। তার খাদ্য, বসত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন। সুশিক্ষা ও সুস্বাস্থ্যেরও প্রয়োজন। এছাড়া সুন্দরভাবে বাঁচতে হলে প্রয়োজন বিনোদনের ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবার এবং সমাজ ব্যবস্থা। এসব প্রয়োজন থেকে অভাবের সৃষ্টি হয়। সম্পদ সবসময়ই অপ্রতুল। অভাব পূরণের জন্য মানুষ চেষ্টা করে এবং উৎপাদন করে। উৎপাদন হলো দ্রব্য বা সম্পদের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর।", + "question": "মানুষের জন্য সুশিক্ষা ও কি প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "সুস্বাস্থ্যেরও প্রয়োজন" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_625", + "title": "id_624_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মানুষের প্রয়োজন বহুবিধ। তার খাদ্য, বসত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন। সুশিক্ষা ও সুস্বাস্থ্যেরও প্রয়োজন। এছাড়া সুন্দরভাবে বাঁচতে হলে প্রয়োজন বিনোদনের ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবার এবং সমাজ ব্যবস্থা। এসব প্রয়োজন থেকে অভাবের সৃষ্টি হয়। সম্পদ সবসময়ই অপ্রতুল। অভাব পূরণের জন্য মানুষ চেষ্টা করে এবং উৎপাদন করে। উৎপাদন হলো দ্রব্য বা সম্পদের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর।", + "question": "সুন্দরভাবে বাঁচতে কি কি প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "বিনোদনের ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবার এবং সমাজ ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_626", + "title": "id_625_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মানুষের প্রয়োজন বহুবিধ। তার খাদ্য, বসত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন। সুশিক্ষা ও সুস্বাস্থ্যেরও প্রয়োজন। এছাড়া সুন্দরভাবে বাঁচতে হলে প্রয়োজন বিনোদনের ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবার এবং সমাজ ব্যবস্থা। এসব প্রয়োজন থেকে অভাবের সৃষ্টি হয়। সম্পদ সবসময়ই অপ্রতুল। অভাব পূরণের জন্য মানুষ চেষ্টা করে এবং উৎপাদন করে। উৎপাদন হলো দ্রব্য বা সম্পদের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর।", + "question": "সম্পদ সবসময় কি?", + "answers": { + "text": [ + "অপ্রতুল" + ], + "answer_start": [ + 253 + ] + } + }, + { + "id": "id_627", + "title": "id_626_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মানুষের প্রয়োজন বহুবিধ। তার খাদ্য, বসত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন। সুশিক্ষা ও সুস্বাস্থ্যেরও প্রয়োজন। এছাড়া সুন্দরভাবে বাঁচতে হলে প্রয়োজন বিনোদনের ব্যবস্��া, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবার এবং সমাজ ব্যবস্থা। এসব প্রয়োজন থেকে অভাবের সৃষ্টি হয়। সম্পদ সবসময়ই অপ্রতুল। অভাব পূরণের জন্য মানুষ চেষ্টা করে এবং উৎপাদন করে। উৎপাদন হলো দ্রব্য বা সম্পদের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর।", + "question": "অভাব পূরণের জন্য মানুষ কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "চেষ্টা করে এবং উৎপাদন করে" + ], + "answer_start": [ + 285 + ] + } + }, + { + "id": "id_628", + "title": "id_627_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "যেমন, কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করা হয়। এ রূপান্তরই উৎপাদন। উৎপাদনের জন্য চারটি উপাদান আবশ্যক: ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। এগুলো সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো—", + "question": "কাঠ থেকে কি তৈরি করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চেয়ার" + ], + "answer_start": [ + 15 + ] + } + }, + { + "id": "id_629", + "title": "id_628_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "যেমন, কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করা হয়। এ রূপান্তরই উৎপাদন। উৎপাদনের জন্য চারটি উপাদান আবশ্যক: ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। এগুলো সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো—", + "question": "উৎপাদনের জন্য কতটি উপাদান আবশ্যক?", + "answers": { + "text": [ + "চারটি" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_630", + "title": "id_629_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "যেমন, কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করা হয়। এ রূপান্তরই উৎপাদন। উৎপাদনের জন্য চারটি উপাদান আবশ্যক: ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন। এগুলো সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো—", + "question": "উৎপাদনের উপাদান কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন" + ], + "answer_start": [ + 91 + ] + } + }, + { + "id": "id_631", + "title": "id_630_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ভূমি: সাধারণ অর্থে ভূমি বলতে জমি বোঝায়। কিন্তু অর্থনীতিতে ভূমি বলতে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ, যেমন—জমি, জমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরের সকল কিছুকে বোঝায়।", + "question": "অর্থনীতিতে ভূমি বলতে কি বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "সকল প্রাকৃতিক সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_632", + "title": "id_631_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ভূমি: সাধারণ অর্থে ভূমি বলতে জমি বোঝায়। কিন্তু অর্থনীতিতে ভূমি বলতে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ, যেমন—জমি, জমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরের সকল কিছুকে বোঝায়।", + "question": "ভূমির উপর কি কি অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "জমি, জমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরের সকল কিছুকে" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_633", + "title": "id_632_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ভূমি: সাধারণ অর্থে ভূমি বলতে জমি বোঝায়। কিন্তু অর্থনীতিতে ভূমি বলতে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ, যেমন—জমি, জমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরের সকল কিছুকে বোঝায়।", + "question": "ভূমির প্রাকৃতিক সম্পদ কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "জমি, জমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরের সকল কিছুকে" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_634", + "title": "id_633_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "শ্রম: উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাকে শ্রম বলে।", + "question": "শ্রম বলতে কি বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতা" + ], + "answer_start": [ + 6 + ] + } + }, + { + "id": "id_635", + "title": "id_634_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "শ্রম: উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাকে শ্রম বলে।", + "question": "শ্রম কিভাবে ব্যবহৃত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন কাজে" + ], + "answer_start": [ + 6 + ] + } + }, + { + "id": "id_636", + "title": "id_635_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "শ্রম: উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাকে শ্রম বলে।", + "question": "শ্রমের সাথে কি সম্পর্কিত?", + "answers": { + "text": [ + "কর্মক্ষমতা" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_637", + "title": "id_636_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মূলধন: উৎপাদিত উপাদানকে মূলধন বলে। মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না, কিন্তু যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়। যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ ইত্যাদি হলো মূলধন।", + "question": "উৎপাদিত উপাদানকে কি বলে?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_638", + "title": "id_637_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মূলধন: উৎপাদিত উপাদানকে মূলধন বলে। মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না, কিন্তু যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়। যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ ইত্যাদি হলো মূলধন।", + "question": "মূলধন কিভাবে ব্যবহৃত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অধিকতর উৎপাদন" + ], + "answer_start": [ + 110 + ] + } + }, + { + "id": "id_639", + "title": "id_638_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মূলধন: উৎপাদিত উপাদানকে মূলধন বলে। মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না, কিন্তু যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়। যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ ইত্যাদি হলো মূলধন।", + "question": "মূলধন কি সরাসরি ভোগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "না" + ], + "answer_start": [ + 83 + ] + } + }, + { + "id": "id_640", + "title": "id_639_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মূলধন: উৎপাদিত উপাদানকে মূলধন বলে। মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না, কিন্তু যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়। যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ ইত্যাদি হলো মূলধন।", + "question": "মূলধনের উদাহরণ কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ" + ], + "answer_start": [ + 133 + ] + } + }, + { + "id": "id_641", + "title": "id_640_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সংঠন: উৎপাদনের তিনটি উপকরণ, যথা—ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদন কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে বলে সংগঠন। যিনি সংগঠন করেন, তাকে বলে সংগঠক বা উদ্যোক্তা। উৎপাদনের ক্ষেত্রে যে ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তা রয়েছে, সংগঠক সেটা বহন করেন।", + "question": "সংগঠন বলতে কি বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_642", + "title": "id_641_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সংঠন: উৎপাদনের তিনটি উপকরণ, যথা—ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদন কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে বলে সংগঠন। যিনি সংগঠন করেন, তাকে বলে সংগঠক বা উদ্যোক্তা। উৎপাদনের ক্ষেত্রে যে ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তা রয়েছে, সংগঠক সেটা বহন করেন।", + "question": "উৎপাদনের তিনটি উপকরণ কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি, শ্রম ও মূলধন" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_643", + "title": "id_642_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সংঠন: উৎপাদনের তিনটি উপকরণ, যথা—ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদন কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে বলে সংগঠন। যিনি সংগঠন করেন, তাকে বলে সংগঠক বা উদ্যোক্তা। উৎপাদনের ক্ষেত্রে যে ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তা রয়েছে, সংগঠক সেটা বহন করেন।", + "question": "সংগঠক বা উদ্যোক্তা ���াকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "যিনি সংগঠন করেন" + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_644", + "title": "id_643_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সংঠন: উৎপাদনের তিনটি উপকরণ, যথা—ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদন কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে বলে সংগঠন। যিনি সংগঠন করেন, তাকে বলে সংগঠক বা উদ্যোক্তা। উৎপাদনের ক্ষেত্রে যে ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তা রয়েছে, সংগঠক সেটা বহন করেন।", + "question": "উৎপাদনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কে বহন করে?", + "answers": { + "text": [ + "সংগঠক" + ], + "answer_start": [ + 140 + ] + } + }, + { + "id": "id_645", + "title": "id_644_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "চেয়ারের জন্য কাঠ সংগ্রহ হয় ভূমি থেকে। কাঠ সংগ্রহের জন্য অর্থ এবং কাঠকে চেয়ারে রূপান্তরের জন্য যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ প্রয়োজন। এই অর্থ ও যন্ত্রপাতি হলো মূলধন। এরপর প্রয়োজন শ্রমিক বা কারিগর, যিনি যন্ত্রপাতি ও নিজ শ্রমের সাহায্যে কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করবেন। আর এই ভূমি, মূলধন ও শ্রমকে সমন্বিত করে চেয়ার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পাদন করবেন সংগঠক বা উদ্যোক্তা।", + "question": "চেয়ারের জন্য কাঠ কোথা থেকে সংগ্রহ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি থেকে" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_646", + "title": "id_645_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "চেয়ারের জন্য কাঠ সংগ্রহ হয় ভূমি থেকে। কাঠ সংগ্রহের জন্য অর্থ এবং কাঠকে চেয়ারে রূপান্তরের জন্য যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ প্রয়োজন। এই অর্থ ও যন্ত্রপাতি হলো মূলধন। এরপর প্রয়োজন শ্রমিক বা কারিগর, যিনি যন্ত্রপাতি ও নিজ শ্রমের সাহায্যে কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করবেন। আর এই ভূমি, মূলধন ও শ্রমকে সমন্বিত করে চেয়ার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পাদন করবেন সংগঠক বা উদ্যোক্তা।", + "question": "কাঠকে চেয়ারে রূপান্তরের জন্য কি কি প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ" + ], + "answer_start": [ + 97 + ] + } + }, + { + "id": "id_647", + "title": "id_646_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "চেয়ারের জন্য কাঠ সংগ্রহ হয় ভূমি থেকে। কাঠ সংগ্রহের জন্য অর্থ এবং কাঠকে চেয়ারে রূপান্তরের জন্য যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ প্রয়োজন। এই অর্থ ও যন্ত্রপাতি হলো মূলধন। এরপর প্রয়োজন শ্রমিক বা কারিগর, যিনি যন্ত্রপাতি ও নিজ শ্রমের সাহায্যে কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করবে���। আর এই ভূমি, মূলধন ও শ্রমকে সমন্বিত করে চেয়ার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পাদন করবেন সংগঠক বা উদ্যোক্তা।", + "question": "অর্থ ও যন্ত্রপাতি কি?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধন" + ], + "answer_start": [ + 160 + ] + } + }, + { + "id": "id_648", + "title": "id_647_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "চেয়ারের জন্য কাঠ সংগ্রহ হয় ভূমি থেকে। কাঠ সংগ্রহের জন্য অর্থ এবং কাঠকে চেয়ারে রূপান্তরের জন্য যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ প্রয়োজন। এই অর্থ ও যন্ত্রপাতি হলো মূলধন। এরপর প্রয়োজন শ্রমিক বা কারিগর, যিনি যন্ত্রপাতি ও নিজ শ্রমের সাহায্যে কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করবেন। আর এই ভূমি, মূলধন ও শ্রমকে সমন্বিত করে চেয়ার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পাদন করবেন সংগঠক বা উদ্যোক্তা।", + "question": "চেয়ার তৈরি করার জন্য কাদের প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "শ্রমিক বা কারিগর" + ], + "answer_start": [ + 181 + ] + } + }, + { + "id": "id_649", + "title": "id_648_বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "চেয়ারের জন্য কাঠ সংগ্রহ হয় ভূমি থেকে। কাঠ সংগ্রহের জন্য অর্থ এবং কাঠকে চেয়ারে রূপান্তরের জন্য যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ প্রয়োজন। এই অর্থ ও যন্ত্রপাতি হলো মূলধন। এরপর প্রয়োজন শ্রমিক বা কারিগর, যিনি যন্ত্রপাতি ও নিজ শ্রমের সাহায্যে কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করবেন। আর এই ভূমি, মূলধন ও শ্রমকে সমন্বিত করে চেয়ার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পাদন করবেন সংগঠক বা উদ্যোক্তা।", + "question": "চেয়ার উৎপাদন প্রক্রিয়া কে সম্পাদন করেন?", + "answers": { + "text": [ + "সংগঠক বা উদ্যোক্তা" + ], + "answer_start": [ + 343 + ] + } + }, + { + "id": "id_650", + "title": "id_649_উৎপাদন উপাদান", + "context": "উৎপাদনের তিনটি উপকরণ, যথা—ভূমি, শ্রম ও মূলধনকে সমন্বিত করে উৎপাদন কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন করাকে বলে সংগঠন। যিনি সংগঠন করেন, তাকে বলে সংগঠক বা উদ্যোক্তা। উৎপাদনের ক্ষেত্রে যে ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তা রয়েছে, সংগঠক সেটা বহন করেন।", + "question": "উৎপাদনের তিনটি উপকরণ কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি, শ্রম ও মূলধন" + ], + "answer_start": [ + 26 + ] + } + }, + { + "id": "id_651", + "title": "id_650_সংগঠকের ভূমিকা", + "context": "চেয়ারের জন্য কাঠ সংগ্রহ হয় ভূমি থেকে। কাঠ সংগ্রহের জন্য অর্থ এবং কাঠকে চেয়ারে রূপান্তরের জন্য যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ প্রয়োজন। ", + "question": "চেয়ার তৈরি করতে কোন উপকরণের প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য উপকরণ" + ], + "answer_start": [ + 97 + ] + } + }, + { + "id": "id_652", + "title": "id_651_শ্রমিকের প্রয়োজন", + "context": "এই অর্থ ও যন্ত্রপাতি হলো মূলধন। এরপর প্রয়োজন শ্রমিক বা কারিগর, যিনি যন্ত্রপাতি ও নিজ শ্রমের সাহায্যে কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করবেন।", + "question": "কাঠ থেকে চেয়ার তৈরি করার জন্য কার প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "শ্রমিক বা কারিগর" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_653", + "title": "id_652_উৎপাদন প্রক্রিয়া", + "context": "আর এই ভূমি, মূলধন ও শ্রমকে সমন্বিত করে চেয়ার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পাদন করবেন সংগঠক বা উদ্যোক্তা।", + "question": "চেয়ার উৎপাদনের জন্য কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সংগঠক বা উদ্যোক্তা" + ], + "answer_start": [ + 78 + ] + } + }, + { + "id": "id_654", + "title": "id_653_উৎপাদনের উপাদানের আয়", + "context": "মোট উৎপাদিত সম্পদ থেকে প্রাপ্ত অর্থ চারটি উপাদানের মধ্যে অর্থাৎ খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা হিসেবে ভাগ হয়ে যায়।", + "question": "উৎপাদিত সম্পদ থেকে প্রাপ্ত অর্থ কীভাবে ভাগ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_655", + "title": "id_654_আয় ও অভাব", + "context": "এই আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিক, শ্রমিক, পুঁজিপতি বা মূলধনের মালিক এবং উদ্যোক্তা তাদের বিভিন্ন প্রয়োজন বা অভাব পূরণ করে।", + "question": "কারা তাদের অভাব পূরণের জন্য আয় ব্যবহার করে?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমির মালিক, শ্রমিক, পুঁজিপতি বা মূলধনের মালিক এবং উদ্যোক্তা" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_656", + "title": "id_655_অভাবের সংজ্ঞা", + "context": "কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত দ্রব্য অর্থাৎ সেবার জন্য অনুভূত প্রয়োজনই অভাব। অভাব হলো কোনো বস্তু বা সেবা পাবার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা।", + "question": "অভাব কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত দ্রব্য অর্থাৎ সেবার জন্য অনুভূত প্রয়োজনই অভাব।" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_657", + "title": "id_656_উৎপাদনের প্রক্রিয়া", + "context": "উৎপাদিত সম্পদ উৎপাদনের এই চারটি উপাদানের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় বণ্টন।", + "question": "উৎপাদনের উপাদানের মধ্যে বণ্টন কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বণ্টন" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_658", + "title": "id_657_উৎপাদনের কার্যাবলি", + "context": "এর বিভিন্ন পর্যায় রয়েছে: অভাব -> প্রচেষ্টা -> উৎপাদন -> বণ্টন -> ভোগ", + "question": "উৎপাদনের পর্যায়গুলি কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "অভাব -> প্রচেষ্টা -> উৎপাদন -> বণ্টন -> ভোগ" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_659", + "title": "id_658_শ্রমিকদের পারিতোষিক", + "context": "উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভূমির ব্যবহারের জন্য ভূমির মালিককে খাজনা দেওয়া হয়। অনুরূপভাবে শ্রমিককে মজুরি, মূলধনের মালিককে সুদ এবং সংগঠককে মুনাফা দেওয়া হয়।", + "question": "শ্রমিকদের পারিতোষিক কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমির মালিককে খাজনা দেওয়া হয়। অনুরূপভাবে শ্রমিককে মজুরি, মূলধনের মালিককে সুদ এবং সংগঠককে মুনাফা" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_660", + "title": "id_659_অর্থনৈতিক সমস্যা", + "context": "যদি বণ্টন ব্যবস্থা ব্যাহত ও অসম হয়, তবে অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দেয়, জীবনযাত্রার মানে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটতে পারে না।", + "question": "বণ্টন ব্যবস্থা অসম হলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দেয়, জীবনযাত্রার মানে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ঘটতে পারে না।" + ], + "answer_start": [ + 40 + ] + } + }, + { + "id": "id_661", + "title": "id_660_অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মোট উৎপাদিত সম্পদের অর্থমূল্য কীভাবে উৎপাদনের উপাদানগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়, তা নির্ভর করে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বা Economic System-এর ওপর। যে ব্যবস্থা বা কাঠামোর আওতায় উৎপাদনের উপাদান-সমূহের মালিকানা নির্ধারিত হয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া, উৎপাদিত সম্পদের বণ্টন ও ভোগ প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলা হয়।", + "question": "অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনের উপাদান-সমূহের মালিকানা নির্ধারিত হয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া, উৎপাদিত সম্পদের বণ্টন ও ভোগ প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 175 + ] + } + }, + { + "id": "id_662", + "title": "id_661_উৎপাদনের উপাদানের মালিকানা", + "context": "যে ব্যবস্থা বা কাঠামোর আওতায় উৎপাদনের উপাদান-সমূহের মালিকানা নির্ধারিত হয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া, উৎপাদিত সম্পদের বণ্টন ও ভোগ প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলা হয়।", + "question": "উৎপাদনের উপাদানগুলোর মালিকানা কিভাবে নির্ধারিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক ���্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 157 + ] + } + }, + { + "id": "id_663", + "title": "id_662_অর্থনৈতিক কার্যাবলি", + "context": "এ ব্যবস্থা জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং অর্থনীতি বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে।", + "question": "অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গঠনের উপাদান কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং অর্থনীতি বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামোর সমন্বয়ে" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_664", + "title": "id_663_অর্থনৈতিক কাঠামো", + "context": "যে ব্যবস্থা বা কাঠামোর আওতায় উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা নির্ধারিত হয়, তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলা হয়।", + "question": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_665", + "title": "id_664_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ, যথা—ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। অর্থাৎ ব্যক্তি তার সম্পদ/আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে, শ্রমিককে নিয়োগ দিতে পারে, মূলধন বা পুঁজি গঠন করতে পারে। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে। এসব বিষয়ে ব্যক্তি নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।", + "question": "ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানগুলোর মালিকানা কিসের অধীনে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তিমালিকানাধীন" + ], + "answer_start": [ + 110 + ] + } + }, + { + "id": "id_666", + "title": "id_665_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ, যথা—ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। অর্থাৎ ব্যক্তি তার সম্পদ/আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে, শ্রমিককে নিয়োগ দিতে পারে, মূলধন বা পুঁজি গঠন করতে পারে। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে। এসব বিষয়ে ব্যক্তি নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।", + "question": "ব্যক্তি কিভাবে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "তার সম্পদ/আয়ের সাহায্যে" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_667", + "title": "id_666_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ, যথা—ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। অর্থাৎ ব্যক্তি তার সম্পদ/আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে, শ্রমিককে নিয়োগ দিতে পারে, মূলধন বা পুঁজি গঠন করতে পারে। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে। এসব বিষয়ে ব্যক্তি নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।", + "question": "শ্রমিককে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা কাদের আছে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তি" + ], + "answer_start": [ + 110 + ] + } + }, + { + "id": "id_668", + "title": "id_667_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ, যথা—ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। অর্থাৎ ব্যক্তি তার সম্পদ/আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে, শ্রমিককে নিয়োগ দিতে পারে, মূলধন বা পুঁজি গঠন করতে পারে। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে। এসব বিষয়ে ব্যক্তি নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।", + "question": "উৎপাদনের উপাদানগুলোতে ব্যক্তি কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে" + ], + "answer_start": [ + 342 + ] + } + }, + { + "id": "id_669", + "title": "id_668_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ, যথা—ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। অর্থাৎ ব্যক্তি তার সম্পদ/আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে, শ্রমিককে নিয়োগ দিতে পারে, মূলধন বা পুঁজি গঠন করতে পারে। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে। এসব বিষয়ে ব্যক্তি নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।", + "question": "ব্যক্তি তার সম্পদের সাথে কী করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 284 + ] + } + }, + { + "id": "id_670", + "title": "id_669_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উদ্যোগ গ্রহণের স্বাধীনতা: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যে কোনো দ্রব্য/সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় বিনি���়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এ ব্যবস্থায় প্রায় সকল অর্থনৈতিক কার্যাবলি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়।", + "question": "ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উদ্যোগ গ্রহণের স্বাধীনতা কাদের আছে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে" + ], + "answer_start": [ + 59 + ] + } + }, + { + "id": "id_671", + "title": "id_670_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উদ্যোগ গ্রহণের স্বাধীনতা: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যে কোনো দ্রব্য/সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এ ব্যবস্থায় প্রায় সকল অর্থনৈতিক কার্যাবলি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়।", + "question": "উদ্যোগ গ্রহণের জন্য কি ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ" + ], + "answer_start": [ + 161 + ] + } + }, + { + "id": "id_672", + "title": "id_671_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উদ্যোগ গ্রহণের স্বাধীনতা: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যে কোনো দ্রব্য/সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এ ব্যবস্থায় প্রায় সকল অর্থনৈতিক কার্যাবলি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়।", + "question": "এই ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক কার্যাবলির পরিচালনা কে করে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তিগত উদ্যোগে" + ], + "answer_start": [ + 267 + ] + } + }, + { + "id": "id_673", + "title": "id_672_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উদ্যোগ গ্রহণের স্বাধীনতা: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যে কোনো দ্রব্য/সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এ ব্যবস্থায় প্রায় সকল অর্থনৈতিক কার্যাবলি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়।", + "question": "উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আছে কি?", + "answers": { + "text": [ + "নেই" + ], + "answer_start": [ + 218 + ] + } + }, + { + "id": "id_674", + "title": "id_673_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "উদ্যোগ গ্রহণের স্বাধীনতা: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব��যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যে কোনো দ্রব্য/সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। এ ব্যবস্থায় প্রায় সকল অর্থনৈতিক কার্যাবলি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয়।", + "question": "৫. ব্যক্তি কী ধরনের দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ নিতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "যে কোনো দ্রব্য/সেবা" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_675", + "title": "id_674_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিকে অনেক সময় মুক্ত বাজার অর্থনীতি বলা হয়। এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ—সবই বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া ছাড়া পরিচালিত হয়। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা এবং উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা। এসব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ নাই বললেই চলে।", + "question": "১. ধনতান্ত্রিক অর্থনীতির আরেকটি নাম কী?", + "answers": { + "text": [ + "মুক্ত বাজার অর্থনীতি" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_676", + "title": "id_675_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিকে অনেক সময় মুক্ত বাজার অর্থনীতি বলা হয়। এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ—সবই বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া ছাড়া পরিচালিত হয়। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা এবং উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা। এসব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ নাই বললেই চলে।", + "question": "২. ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন ও বণ্টন কীভাবে পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া" + ], + "answer_start": [ + 118 + ] + } + }, + { + "id": "id_677", + "title": "id_676_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিকে অনেক সময় মুক্ত বাজার অর্থনীতি বলা হয়। এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ—সবই বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া ছাড়া পরিচালিত হয়। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা এবং উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা। এসব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ নাই বললেই চলে।", + "question": "৩. ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা" + ], + "answer_start": [ + 244 + ] + } + }, + { + "id": "id_678", + "title": "id_677_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিকে অনেক সময় মুক্ত বাজার অর্থনীতি বলা হয়। এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ—সবই বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া ছাড়া পরিচালিত হয়। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা এবং উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা। এসব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ নাই বললেই চলে।", + "question": "৪. ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা কী?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারের হস্তক্ষেপ নাই" + ], + "answer_start": [ + 347 + ] + } + }, + { + "id": "id_679", + "title": "id_678_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিকে অনেক সময় মুক্ত বাজার অর্থনীতি বলা হয়। এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দ্রব্যের উৎপাদন, বণ্টন, ভোগ—সবই বাজারে দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়া ছাড়া পরিচালিত হয়। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা এবং উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা। এসব ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ নাই বললেই চলে।", + "question": "৫. ধনতান্ত্রিক অর্থনীতির ভোগের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি কী?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা" + ], + "answer_start": [ + 296 + ] + } + }, + { + "id": "id_680", + "title": "id_679_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "অবাধ প্রতিযোগিতা: যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে পারে। তাই বাজারে একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা থাকেন এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা থাকে। বিক্রেতা এবং দ্রব্যের ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।", + "question": "১. অবাধ প্রতিযোগিতার ফলে বাজারে কি ধরনের উৎপাদক থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_681", + "title": "id_680_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "অবাধ প্রতিযোগিতা: যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে পারে। তাই বাজারে একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা থাকেন এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা থাকে। বিক্রেতা এবং দ্রব্যের ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।", + "question": "২. অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কীভাবে দাম নির্ধারণ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিক্রেতা এবং দ্রব্যের ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 182 + ] + } + }, + { + "id": "id_682", + "title": "id_681_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "অবাধ প্রতিযোগিতা: যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে পারে। তাই বাজারে একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা থাকেন এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা থাকে। বিক্রেতা এবং দ্রব্যের ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।", + "question": "৩. অবাধ প্রতিযোগিতায় উদ্যোগ গ্রহণের স্বাধীনতা কাদের আছে?", + "answers": { + "text": [ + "যে কোনো ব্যক্তি" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_683", + "title": "id_682_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "অবাধ প্রতিযোগিতা: যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে পারে। তাই বাজারে একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা থাকেন এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা থাকে। বিক্রেতা এবং দ্রব্যের ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।", + "question": "৪. একধরনের দ্রব্যের জন্য বাজারে কতজন উৎপাদক থাকতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "বহুসংখ্যক উৎপাদক" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_684", + "title": "id_683_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "অবাধ প্রতিযোগিতা: যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে পারে। তাই বাজারে একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা থাকেন এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা থাকে। বিক্রেতা এবং দ্রব্যের ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।", + "question": "৫. অবাধ প্রতিযোগিতার প্রধান ���দ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা থাকেন এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_685", + "title": "id_684_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ভোগের স্বাধীনতা: মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যের উপযোগিতা ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ভোগ বলে। খাদ্য দ্বারা মানুষ ক্ষুধা মেটায়। সুতরাং খাদ্যবস্তু মানুষ ভোগ করে। কিন্তু কোনো কারণে খাদ্যবস্তু নষ্ট হলে তা ভোগ হবে না। মানুষের অভাব পূরণের জন্য ব্যবহার করা হলেই ভোগ হবে। ভোক্তা কোনো দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে, এ বিষয়ে সে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে তার পছন্দ, আয় ও দ্রব্যের বাজার মূল্যের দ্বারা এ সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়।", + "question": "১. ভোগের অর্থ কী?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যের উপযোগিতা ব্যবহার" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_686", + "title": "id_685_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ভোগের স্বাধীনতা: মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যের উপযোগিতা ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ভোগ বলে। খাদ্য দ্বারা মানুষ ক্ষুধা মেটায়। সুতরাং খাদ্যবস্তু মানুষ ভোগ করে। কিন্তু কোনো কারণে খাদ্যবস্তু নষ্ট হলে তা ভোগ হবে না। মানুষের অভাব পূরণের জন্য ব্যবহার করা হলেই ভোগ হবে। ভোক্তা কোনো দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে, এ বিষয়ে সে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে তার পছন্দ, আয় ও দ্রব্যের বাজার মূল্যের দ্বারা এ সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়।", + "question": "২. খাদ্যবস্তু মানুষ কীভাবে ভোগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্ষুধা মেটায়" + ], + "answer_start": [ + 119 + ] + } + }, + { + "id": "id_687", + "title": "id_686_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ভোগের স্বাধীনতা: মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যের উপযোগিতা ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ভোগ বলে। খাদ্য দ্বারা মানুষ ক্ষুধা মেটায়। সুতরাং খাদ্যবস্তু মানুষ ভোগ করে। কিন্তু কোনো কারণে খাদ্যবস্তু নষ্ট হলে তা ভোগ হবে না। মানুষের অভাব পূরণের জন্য ব্যবহার করা হলেই ভোগ হবে। ভোক্তা কোনো দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে, এ বিষয়ে সে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে তার পছন্দ, আয় ও দ্রব্যের বাজার মূল্যের দ্বারা এ সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়।", + "question": "৩. ভোক্তা কিভাবে তা��� ক্রয় ও ভোগের সিদ্ধান্ত নেয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে" + ], + "answer_start": [ + 331 + ] + } + }, + { + "id": "id_688", + "title": "id_687_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ভোগের স্বাধীনতা: মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যের উপযোগিতা ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ভোগ বলে। খাদ্য দ্বারা মানুষ ক্ষুধা মেটায়। সুতরাং খাদ্যবস্তু মানুষ ভোগ করে। কিন্তু কোনো কারণে খাদ্যবস্তু নষ্ট হলে তা ভোগ হবে না। মানুষের অভাব পূরণের জন্য ব্যবহার করা হলেই ভোগ হবে। ভোক্তা কোনো দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে, এ বিষয়ে সে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে তার পছন্দ, আয় ও দ্রব্যের বাজার মূল্যের দ্বারা এ সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়।", + "question": "৪. ভোগের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলি প্রভাবিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "পছন্দ, আয় ও দ্রব্যের বাজার মূল্য" + ], + "answer_start": [ + 366 + ] + } + }, + { + "id": "id_689", + "title": "id_688_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "ভোগের স্বাধীনতা: মানুষের অভাব পূরণের জন্য কোনো দ্রব্যের উপযোগিতা ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ভোগ বলে। খাদ্য দ্বারা মানুষ ক্ষুধা মেটায়। সুতরাং খাদ্যবস্তু মানুষ ভোগ করে। কিন্তু কোনো কারণে খাদ্যবস্তু নষ্ট হলে তা ভোগ হবে না। মানুষের অভাব পূরণের জন্য ব্যবহার করা হলেই ভোগ হবে। ভোক্তা কোনো দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে, এ বিষয়ে সে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে তার পছন্দ, আয় ও দ্রব্যের বাজার মূল্যের দ্বারা এ সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয়।", + "question": "৫. খাদ্যবস্তু নষ্ট হলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "তা ভোগ হবে না" + ], + "answer_start": [ + 205 + ] + } + }, + { + "id": "id_690", + "title": "id_689_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "সর্বাধিক মুনাফা অর্জন: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যেই উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। উৎপাদন কাজে নিয়োজিত অর্থ হচ্ছে বিনিয়োগ। বিদ্যমান মূলধন সামগ্রীর সাথে নতুন মূলধন (অর্থ বা যন্ত্রপাতি, সাজসরঞ্জাম, উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল প্রভৃতি) যুক্ত হওয়াকে বলা হয় বিনিয়োগ। যেসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে মুনাফার সন্তুষ্টি বেশি, ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উৎপাদনকারীরা সেসব দ্রব্যেই বেশি বিনিয়োগ করে।", + "question": "১. ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উৎপাদন প্রক্রিয়া কেন পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_691", + "title": "id_690_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "সর্বাধিক মুনাফা অর্জন: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যেই উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। উৎপাদন কাজে নিয়োজিত অর্থ হচ্ছে বিনিয়োগ। বিদ্যমান মূলধন সামগ্রীর সাথে নতুন মূলধন (অর্থ বা যন্ত্রপাতি, সাজসরঞ্জাম, উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল প্রভৃতি) যুক্ত হওয়াকে বলা হয় বিনিয়োগ। যেসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে মুনাফার সন্তুষ্টি বেশি, ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উৎপাদনকারীরা সেসব দ্রব্যেই বেশি বিনিয়োগ করে।", + "question": "২. উৎপাদন কাজে নিয়োজিত অর্থের নাম কী?", + "answers": { + "text": [ + "বিনিয়োগ" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_692", + "title": "id_691_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "সর্বাধিক মুনাফা অর্জন: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যেই উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। উৎপাদন কাজে নিয়োজিত অর্থ হচ্ছে বিনিয়োগ। বিদ্যমান মূলধন সামগ্রীর সাথে নতুন মূলধন (অর্থ বা যন্ত্রপাতি, সাজসরঞ্জাম, উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল প্রভৃতি) যুক্ত হওয়াকে বলা হয় বিনিয়োগ। যেসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে মুনাফার সন্তুষ্টি বেশি, ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উৎপাদনকারীরা সেসব দ্রব্যেই বেশি বিনিয়োগ করে।", + "question": "৩. নতুন মূলধন যুক্ত হওয়া কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিনিয়োগ" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_693", + "title": "id_692_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "সর্বাধিক মুনাফা অর্জন: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যেই উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। উৎপাদন কাজে নিয়োজিত অর্থ হচ্ছে বিনিয়োগ। বিদ্যমান মূলধন সামগ্রীর সাথে নতুন মূলধন (অর্থ বা যন্ত্রপাতি, সাজসরঞ্জাম, উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল প্রভৃতি) যুক্ত হওয়াকে বলা হয় বিনিয়োগ। যেসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে মুনাফার সন্তুষ্টি বেশি, ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উৎপাদনকারীরা সেসব দ্রব্যেই বেশি বিনিয়োগ করে।", + "question": "৪. মুনাফার সন্তুষ্টি বেশি হলে উৎপাদনকারীরা কী করে?", + "answers": { + "text": [ + "বেশি বিনিয়োগ করে" + ], + "answer_start": [ + 409 + ] + } + }, + { + "id": "id_694", + "title": "id_693_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "সর্বাধিক মুনাফা অর্জন: ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যেই উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। উৎপাদন কাজে নিয়োজিত অর্থ হচ্ছে বিনিয়োগ। বিদ্যমান মূলধন সামগ্রীর সাথে নতুন মূলধন (অর্থ বা যন্ত্রপাতি, সাজসরঞ্জাম, উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল প্রভৃতি) যুক্ত হওয়াকে বলা হয় বিনিয়োগ। যেসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে মুনাফার সন্তুষ্টি বেশি, ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উৎপাদনকারীরা সেসব দ্রব্যেই বেশি বিনিয়োগ করে।", + "question": "৫. ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উৎপাদনকারীদের লক্ষ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বাধিক মুনাফা অর্জন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_695", + "title": "id_694_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "শ্রমিক শোষণ: সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে বিধায় উদ্যোক্তা বা পুঁজিপতিরা দ্রব্যের উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয় মূল্য বেশি পেতে চেষ্টা করে। উৎপাদন ব্যয় কম রাখার জন্য শ্রমিককে তার ন্যায্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া হয়। এই উদৃত্ত মজুরি পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার কাছে মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়। এভাবে উৎপাদিত সম্পদের বণ্টনে অসমতা ও বৈষম্য সৃষ্টি হয়। শ্রমিক প্রাপ্যের চেয়ে কম মজুরি পান, আর পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তা তাদের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করেন। যেহেতু পুঁজিপতির সংখ্যা কম, তাই একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়। আর যেহেতু শ্রমিক অগণিত, তাই সমাজের বিশাল জনগোষ্ঠী মোট সম্পদের ক্ষুদ্র অংশের সুবিধা ভোগ করে।", + "question": "১. শ্রমিকদের মজুরি কেন কম দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_696", + "title": "id_695_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "শ্রমিক শোষণ: সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে বিধায় উদ্যোক্তা বা পুঁজিপতিরা দ্রব্যের উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয় মূল্য বেশি পেতে চেষ্টা করে। উৎপাদন ব্যয় কম রাখার জন্য শ্রমিককে তার ন্যায্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া হয়। এই উদৃত্ত মজুরি পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার কাছে মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়। এভাবে উৎপাদিত সম্পদের বণ্টনে অসমতা ও বৈষম্য সৃষ্টি হয়। শ্রমিক প্রাপ্যের চেয়ে কম মজুরি পান, আর পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তা তাদের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করেন। যেহেতু পুঁজিপতির সংখ্যা কম, তাই একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়। আর যেহেতু শ্রমিক অগণিত, তাই সমাজের বিশাল জনগোষ্ঠী মোট সম্পদের ক্ষুদ্র অংশের সুবিধা ভোগ করে।", + "question": "২. উদ্যোক্তা বা পুঁজিপতিরা কী চেষ্টা করে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয় মূল্য বেশি পেতে" + ], + "answer_start": [ + 91 + ] + } + }, + { + "id": "id_697", + "title": "id_696_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "শ্রমিক শোষণ: সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে বিধায় উদ্যোক্তা বা পুঁজিপতিরা দ্রব্যের উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয় মূল্য বেশি পেতে চেষ্টা করে। উৎপাদন ব্যয় কম রাখার জন্য শ্রমিককে তার ন্যায্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া হয়। এই উদৃত্ত মজুরি পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার কাছে মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়। এভাবে উৎপাদিত সম্পদের বণ্টনে অসমতা ও বৈষম্য সৃষ্টি হয়। শ্রমিক প্রাপ্যের চেয়ে কম মজুরি পান, আর পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তা তাদের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করেন। যেহেতু পুঁজিপতির সংখ্যা কম, তাই একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়। আর যেহেতু শ্রমিক অগণিত, তাই সমাজের বিশাল জনগোষ্ঠী মোট সম্পদের ক্ষুদ্র অংশের সুবিধা ভোগ করে।", + "question": "৩. শ্রমিকরা কত মজুরি পান?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাপ্যের চেয়ে কম" + ], + "answer_start": [ + 365 + ] + } + }, + { + "id": "id_698", + "title": "id_697_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "শ্রমিক শোষণ: সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে বিধায় উদ্যোক্তা বা পুঁজিপতিরা দ্রব্যের উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয় মূল্য বেশি পেতে চেষ্টা করে। উৎপাদন ব্যয় কম রাখার জন্য শ্রমিককে তার ন্যায্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া হয়। এই উদৃত্ত মজুরি পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার কাছে মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়। এভাবে উৎপাদিত সম্পদের বণ্টনে অসমতা ও বৈষম্য সৃষ্টি হয়। শ্রমিক প্রাপ্যের চেয়ে কম মজুরি পান, আর পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তা তাদের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করেন। যেহেতু পুঁজিপতির সংখ্যা কম, তাই একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়। আর যেহেতু শ্রমিক অগণিত, তাই সমাজের বিশাল জনগোষ্ঠী মোট সম্পদের ক্ষুদ্র অংশের সুবিধা ভোগ করে।", + "question": "৪. উৎপাদিত সম্পদের বণ্টনে কী ধরনের বৈষম্য সৃষ্টি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অসমতা ও বৈষম্য" + ], + "answer_start": [ + 331 + ] + } + }, + { + "id": "id_699", + "title": "id_698_ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", + "context": "শ্রমিক শোষণ: সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে বিধায় উদ্যোক্তা বা পুঁজিপতিরা দ্রব্যের উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয় মূল্য বেশি পেতে চেষ্টা করে। উৎপাদন ব্যয় কম রাখার জন্য শ্রমিককে তার ন্যায্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া হয়। এই উদৃত্ত মজুরি পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার কাছে মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়। এভাবে উৎপাদিত সম্পদের বণ্টনে অসমতা ও বৈষম্য সৃষ্টি হয়। শ্রমিক প্রাপ্যের চেয়ে কম মজুরি পান, আর পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তা তাদের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করেন। যেহেতু পুঁজিপতির সংখ্যা কম, তাই একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়। আর যেহেতু শ্রমিক অগণিত, তাই সমাজের বিশাল জনগোষ্ঠী মোট সম্পদের ক্ষুদ্র অংশের সুবিধা ভোগ করে।", + "question": "৫. পুঁজিপতির সংখ্যা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "কম" + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_700", + "title": "id_699_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনৈতিক কার্যাবলিতে সরকারি নির্দেশনা: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সরকার দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে মৌলিক সিদ্ধান্তসমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে।", + "question": "সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সরকার কী ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক সিদ্ধান্তসমূহ" + ], + "answer_start": [ + 107 + ] + } + }, + { + "id": "id_701", + "title": "id_700_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনৈতিক কার্যাবলিতে সরকারি নির্দেশনা: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সরকার দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে মৌলিক সিদ্ধান্তসমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে।", + "question": "সরকার উৎপাদিত দ্রব্য কাদের নিকট সরবরাহ করবে তা কিভাবে নির্ধারণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "সরকার " + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_702", + "title": "id_701_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনৈতিক কার্যাবলিতে সরকারি নির্দেশনা: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সরকার দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে মৌলিক সিদ্ধান্তসমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে।", + "question": "সরকারের সিদ্ধান্তসমূহ কিসের অংশ?", + "answers": { + "text": [ + "সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায়" + ], + "answer_start": [ + 40 + ] + } + }, + { + "id": "id_703", + "title": "id_702_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ভোগের স্বাধীনতার অভাব: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদকের যেমন উৎপাদন বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতা নেই, তেমনি ভোগকারীর নিজ নিজ ইচ্ছামতো দ্রব্যসামগ্রী ভোগের সুযোগ নেই।", + "question": "উৎপাদকদের কেমন স্বাধীনতা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতা নেই" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_704", + "title": "id_703_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ভোগের স্বাধীনতার অভাব: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদকের যেমন উৎপাদন বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতা নেই, তেমনি ভোগকারীর নিজ নিজ ইচ্ছামতো দ্রব্যসামগ্রী ভোগের সুযোগ নেই।", + "question": "ভোগকারীরা কীভাবে দ্রব্যসামগ্রী ভোগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "ভোগের স্বাধীনতার অভাব" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_705", + "title": "id_704_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ভোগের স্বাধীনতার অভাব: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদকের যেমন উৎপাদন বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতা নেই, তেমনি ভোগকারীর নিজ নিজ ইচ্ছামতো দ্রব্যসামগ্রী ভোগের সুযোগ নেই।", + "question": "ভোগকারীদের কিভাবে দ্রব্য ক্রয় করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিজ নিজ ইচ্ছামতো দ্রব্যসামগ্রী ভোগের সুযোগ নেই" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_706", + "title": "id_705_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনৈতিক কার্যাবলির উদ্দেশ্য: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং জনগণের সর্বাধিক কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।", + "question": "এই ব্যবস্থায় সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কাদের জন্য পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিটি নাগরিকের" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_707", + "title": "id_706_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনৈত���ক কার্যাবলির উদ্দেশ্য: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং জনগণের সর্বাধিক কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।", + "question": "সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের সর্বাধিক কল্যাণ" + ], + "answer_start": [ + 123 + ] + } + }, + { + "id": "id_708", + "title": "id_707_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রই শ্রমিকের মজুরি প্রদান করে এবং উৎপাদনের অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করে।", + "question": "সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শ্রমিকের মজুরি কে প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_709", + "title": "id_708_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এই ব্যবস্থায় বেকারত্ব থাকে না। কারণ রাষ্ট্র প্রত্যেকের সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয়।", + "question": "সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বেকারত্বের অবস্থা কী?", + "answers": { + "text": [ + "বেকারত্ব থাকে না" + ], + "answer_start": [ + 14 + ] + } + }, + { + "id": "id_710", + "title": "id_709_সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এই ব্যবস্থায় বেকারত্ব থাকে না। কারণ রাষ্ট্র প্রত্যেকের সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয়।", + "question": "রাষ্ট্র কিভাবে কাজের ব্যবস্থা করে?", + "answers": { + "text": [ + "সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_711", + "title": "id_710_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনীতির কোনো কোনো খাত বা খাতের অংশবিশেষ সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।", + "question": "কিভাবে মিশ্র অর্থনীতির খাতগুলো পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি নিয়ন্ত্রণে" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_712", + "title": "id_711_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "জনসাধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য ও সেবা, যেমন—যোগাযোগ ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষার আয়োজন প্রভৃতি প্রধানত সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।", + "question": "মৌলিক ও বৃহদায়তন শিল্প কোথায় নিয়ন্ত্রণে থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি নিয়ন্ত্রণে" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_713", + "title": "id_712_মিশ্র অর্থনৈতিক ব���যবস্থা", + "context": "জনসাধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য ও সেবা, যেমন—যোগাযোগ ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষার আয়োজন প্রভৃতি প্রধানত সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।", + "question": "প্রধান আমদানি ও রপ্তানি দ্রব্যের মালিকানা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধানত সরকারি নিয়ন্ত্রণে" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_714", + "title": "id_713_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "জনসাধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য ও সেবা, যেমন—যোগাযোগ ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষার আয়োজন প্রভৃতি প্রধানত সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।", + "question": "শিশুখাদ্যের নিয়ন্ত্রণ কিভাবে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি নিয়ন্ত্রণে" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_715", + "title": "id_714_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগপণ্য, যেমন—কৃষিপণ্য, কাপড় ও তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াকৃত খাদ্যদ্রব্য, হোটেল-রেস্তোরাঁ, ব্যক্তিগত যানবাহন ইত্যাদি প্রধানত ব্যক্তিগত উদ্যোগে উৎপাদিত ও সরবরাহ করা হয়।", + "question": "মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগপণ্য কিভাবে উৎপাদিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তিগত উদ্যোগে" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_716", + "title": "id_715_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "উদ্যোক্তা ও ভোগকারীর স্বাধীনতা: মিশ্র অর্থনীতিতে বিশেষত জনসাধারণের ব্যবহার্য অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য সামগ্রীর ক্ষেত্রে একচেটিয়া ব্যবসার ওপর বিধিনিষেধ আরোপিত থাকে।", + "question": "মিশ্র অর্থনীতিতে জনসাধারণের ব্যবহার্য দ্রব্যের ক্ষেত্রে কী বিধিনিষেধ থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "একচেটিয়া ব্যবসার ওপর বিধিনিষেধ" + ], + "answer_start": [ + 116 + ] + } + }, + { + "id": "id_717", + "title": "id_716_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ফলে এসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে একাধিক উৎপাদনকারী প্রতিযোগিতামূলক দামে দ্রব্যটি বাজারে ছাড়তে বাধ্য হন।", + "question": "উৎপাদনকারীরা কিভাবে দ্রব্য বাজারে ছাড়তে বাধ্য হন?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিযোগিতামূলক দামে" + ], + "answer_start": [ + 44 + ] + } + }, + { + "id": "id_718", + "title": "id_717_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এ অর্থব্যবস্থায় ভোগকারী অবাধে সাধারণ দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও ভোগ করতে পারে।", + "question": "মিশ্র অর্থনীতিতে ভোগক���রীর স্বাধীনতা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "অবাধে সাধারণ দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও ভোগ" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_719", + "title": "id_718_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "আয় বণ্টন: মিশ্র অর্থনীতির উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যের দ্বারা বণ্টনও প্রভাবিত হয়।", + "question": "মিশ্র অর্থনীতিতে আয় বণ্টন কীভাবে প্রভাবিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বৈশিষ্ট্যের দ্বারা" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_720", + "title": "id_719_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ব্যক্তিমালিকানার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশ, যেমন—বড় বড় কলকারখানা, গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠান, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন এবং আমদানি-রপ্তানি সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।", + "question": "কোন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত?", + "answers": { + "text": [ + "বড় বড় কলকারখানা, গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠান, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন এবং আমদানি-রপ্তানি" + ], + "answer_start": [ + 67 + ] + } + }, + { + "id": "id_721", + "title": "id_720_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনীতির ব্যক্তিমালিকানাধীন অংশ ব্যক্তির দ্বারা সম্পূর্ণরূপে মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।", + "question": "ব্যক্তিমালিকানাধীন অংশের উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "মুনাফা অর্জন" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_722", + "title": "id_721_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এ খাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মতোই শ্রমিককে প্রাপ্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া হয়।", + "question": "শ্রমিকদের মজুরি দেওয়ার পদ্ধতি কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাপ্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_723", + "title": "id_722_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ফলে উৎপাদিত সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন হয় না।", + "question": "উৎপাদিত সম্পদের বণ্টনের সমস্যাটি কী?", + "answers": { + "text": [ + "সুষ্ঠু বণ্টন হয় না" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_724", + "title": "id_723_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মিশ্র অর্থনীতিতে উৎপাদনের যে অংশ সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন, সে অংশে মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে নয় বরং সর্বাধিক সামাজিক কল্যাণ অর্জনের উদ্দেশ্যে উৎপা��ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।", + "question": "সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন উৎপাদনের উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বাধিক সামাজিক কল্যাণ অর্জন" + ], + "answer_start": [ + 97 + ] + } + }, + { + "id": "id_725", + "title": "id_724_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এ খাতের আওতাধীন কলকারখানা ও উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিকরা সাধারণত ন্যায্য মজুরি পান।", + "question": "শ্রমিকরা সাধারণত কী ধরনের মজুরি পান?", + "answers": { + "text": [ + "ন্যায্য মজুরি" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_726", + "title": "id_725_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ফলে সম্পদের সুষম বণ্টন সম্ভব হয়।", + "question": "সরকারের নিয়ন্ত্রণের ফলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সম্পদের সুষম বণ্টন" + ], + "answer_start": [ + 4 + ] + } + }, + { + "id": "id_727", + "title": "id_726_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মিশ্র অর্থনীতিতে সম্পদ বা আয়ের সুষ্ঠু বণ্টন ঘটে।", + "question": "মিশ্র অর্থনীতিতে সম্পদের বণ্টন কেমন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সুষ্ঠু বণ্টন ঘটে" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_728", + "title": "id_727_মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "তবে কিছু ক্ষেত্রে শ্রমিক শোষিত ও বঞ্চিত হয়।", + "question": "শ্রমিকদের পরিস্থিতি কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "শোষিত ও বঞ্চিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_729", + "title": "id_728_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ভিত্তি পবিত্র কুরআন ও হাদিস।", + "question": "ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ভিত্তি কী?", + "answers": { + "text": [ + "পবিত্র কুরআন ও হাদিস।" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_730", + "title": "id_729_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উৎপাদন ও বণ্টনের বিষয়টি বুঝতে হলে আমাদের ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো বুঝতে হবে।", + "question": "ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলো কেন বুঝতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উৎপাদন ও বণ্টনের বিষয়টি বুঝতে হলে" + ], + "answer_start": [ + 2 + ] + } + }, + { + "id": "id_731", + "title": "id_730_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অর্থব্যবস্থা মানুষের জীবনের সামগ্রিক বিষয় আলোচনা করে।", + "question": "ইসলামি অর্থব্যবস্থা কী বিষয়ে আলোচনা করে?", + "answers": { + "text": [ + "ম���নুষের জীবনের সামগ্রিক বিষয়" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_732", + "title": "id_731_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সৃষ্টিকর্তা মানুষ সৃষ্টি করেছেন।", + "question": "কাকে সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টিকর্তা?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষ" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_733", + "title": "id_732_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ত্রব্যসামগ্রী, জীবজন্তু, পরিবেশ এবং বস্তুসমূহও সৃষ্টি করেছেন।", + "question": "মানুষের জন্য কোন ধরনের ত্রব্যসামগ্রী সৃষ্টি করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রয়োজনীয় সব ধরনের ত্রব্যসামগ্রী" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_734", + "title": "id_733_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত।", + "question": "ইসলামে সম্পদের মালিকানা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তিগত" + ], + "answer_start": [ + 15 + ] + } + }, + { + "id": "id_735", + "title": "id_734_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সম্পদ মানুষ তার ইচ্ছামতো ব্যবহার ও ভোগ করতে পারে।", + "question": "ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সম্পদের ব্যবহার কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষ তার ইচ্ছামতো ব্যবহার ও ভোগ করতে পারে।" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_736", + "title": "id_735_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এ সম্পদ সে তার উত্তরাধিকারীদের নিকট হস্তান্তর করতে পারে।", + "question": "ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সম্পদ কার নিকট হস্তান্তর করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "তার উত্তরাধিকারীদের" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_737", + "title": "id_736_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় অর্থনৈতিক ও অন্যান্য সকল কার্যাবলী শরিয়তের বিধান অনুসারে পরিচালিত হয়।", + "question": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় কার্যাবলী কিভাবে পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শরিয়তের বিধান অনুসারে" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_738", + "title": "id_737_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মৌল স্তম্ভ, পবিত্র কুরআনের নির্দেশাবলি এবং রাসুল (সা.) এর হাদিসের বিধান অনুসারে অর্থনৈতিক কার্যাবলীর মৌলিক নীতিমালা নির্ধারিত হয়।", + "question": "অর্থনৈতিক কার্যাবলীর মৌলিক নীতিমালা কী দ���বারা নির্ধারিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মৌল স্তম্ভ, পবিত্র কুরআনের নির্দেশাবলি এবং রাসুল (সা.) এর হাদিসের বিধান অনুসারে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_739", + "title": "id_738_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় যে কোনো ব্যক্তি একক বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে শরিয়তসম্মত দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগ করতে পারে।", + "question": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় কেউ কিভাবে উৎপাদনে বিনিয়োগ করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো ব্যক্তি একক বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_740", + "title": "id_739_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সে নিজেও প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় ও ভোগ করতে পারে।", + "question": "নিজের জন্য দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করার অধিকার কাদের আছে?", + "answers": { + "text": [ + "নিজে" + ], + "answer_start": [ + 3 + ] + } + }, + { + "id": "id_741", + "title": "id_740_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদনের লক্ষ্য হলো “হালাল” বা ধর্মসম্মত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন নিশ্চিত করা।", + "question": "উৎপাদনের লক্ষ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "“হালাল” বা ধর্মসম্মত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন নিশ্চিত করা।" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_742", + "title": "id_741_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সামাজিক কল্যাণমুখী শোষণহীন উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।", + "question": "উৎপাদন প্রক্রিয়া কেমন হতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সামাজিক কল্যাণমুখী শোষণহীন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_743", + "title": "id_742_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অর্থ ব্যবস্থায় বৃহদায়তন উৎপাদন কার্যক্রম প্রচলিত আছে।", + "question": "ইসলামি অর্থ ব্যবস্থায় কেমন উৎপাদন কার্যক্রম প্রচলিত?", + "answers": { + "text": [ + "বৃহদায়তন" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_744", + "title": "id_743_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এ ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত বা বেসরকারি উদ্যোগ না থাকলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে উৎপাদন কার্যক্রম গৃহীত হয়।", + "question": "ব্যক্তিগত উদ্যোগ না থাকলে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রীয়" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_745", + "title": "id_744_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অ��্থব্যবস্থায় ব্যক্তির নিকট নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ থাকলে তার একটি নির্ধারিত অংশ দরিদ্র জনগণের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "যাকাত কিভাবে বিতরণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "একটি নির্ধারিত অংশ দরিদ্র জনগণের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_746", + "title": "id_745_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তির নিকট নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ থাকলে তার একটি নির্ধারিত অংশ দরিদ্র জনগণের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "যাকাত কী?", + "answers": { + "text": [ + "একটি নির্ধারিত অংশ দরিদ্র জনগণের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_747", + "title": "id_746_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ন্যুনতম যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে যাকাত দিতে হয়, তাকে ইসলামি পরিভাষায় নিসাব বলে।", + "question": "নিসাব কী?", + "answers": { + "text": [ + "ন্যুনতম যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে যাকাত দিতে হয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_748", + "title": "id_747_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "যে কোনো অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের অন্যতম উপাদান পুঁজি বা মূলধন। মূলধনের জন্য সুদ প্রদানের ব্যবস্থা আছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সুদ লেনদেন হারাম বা নিষিদ্ধ।", + "question": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সুদ লেনদেন কি?", + "answers": { + "text": [ + "হারাম বা নিষিদ্ধ" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_749", + "title": "id_748_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সুদের বদলে পুঁজিপতি তার পুঁজি বিনিয়োগের আনুপাতিক হারে লাভ বা লোকসানে অংশগ্রহণ করে।", + "question": "পুঁজিপতি কিভাবে তার পুঁজি বিনিয়োগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আনুপাতিক হারে লাভ বা লোকসানে অংশগ্রহণ করে" + ], + "answer_start": [ + 63 + ] + } + }, + { + "id": "id_750", + "title": "id_749_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি ব্যাংক ব্যবস্থায় সুদমুক্ত আমানত রাখা ও ঋণ গ্রহণ করার ব্যবস্থা আছে।", + "question": "ইসলামি ব্যাংক ব্যবস্থায় কি ধরণের আমানত রাখা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সুদমুক্ত" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_751", + "title": "id_750_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদক �� ব্যবসায়ী এই ঋণ গ্রহণ করতে পারেন এবং ব্যবসায় থেকে প্রাপ্ত লাভ থেকে ঋণদানকারী বেনিফিশিয়ারি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে (অর্থাৎ ব্যাংক) লভ্যাংশ পরিশোধ করতে পারেন।", + "question": "ঋণ গ্রহণের পর কি করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ঋণদানকারী বেনিফিশিয়ারি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে (অর্থাৎ ব্যাংক) লভ্যাংশ পরিশোধ" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_752", + "title": "id_751_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদক ও ব্যবসায়ী এই ঋণ গ্রহণ করতে পারেন।", + "question": "ঋণ গ্রহণ কে কে করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদক ও ব্যবসায়ী" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_753", + "title": "id_752_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এ অর্থব্যবস্থায় শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা যথাসময়ে পরিশোধ করার ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "শ্রমিকের পাওনা কিভাবে পরিশোধ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "যথাসময়ে" + ], + "answer_start": [ + 40 + ] + } + }, + { + "id": "id_754", + "title": "id_753_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এর ফলে উৎপাদিত সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন সম্ভব হয়।", + "question": "শ্রমিকের পাওনার যথাসময়ে পরিশোধের ফলাফল কি?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদিত সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন" + ], + "answer_start": [ + 7 + ] + } + }, + { + "id": "id_755", + "title": "id_754_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় শোষণহীন উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসৃত হয়।", + "question": "ইসলামি অর্থব্যবস্থায় উৎপাদন প্রক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "শোষণহীন" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_756", + "title": "id_755_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এখানে উৎপাদনের উপাদানসমূহের পারিতোষিক প্রদানে ন্যায় এবং সাম্যের নীতি অনুসরণ করা হয়।", + "question": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের পারিতোষিক প্রদানে কি নীতি অনুসরণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ন্যায় এবং সাম্যের নীতি" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_757", + "title": "id_756_ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "উৎপাদনে অবদানের ভিত্তিতে উপাদানসমূহের পাওনা পরিশোধ করা হয়।", + "question": "উৎপাদনে কিভাবে উপাদানসমূহের পাওনা পরিশোধ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অবদানের ভিত্তিতে" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_758", + "title": "id_757_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্��নৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "প্রাচীন বাঙলায় এবং মুসলিম ও ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাদেশে প্রধানত সামন্ততান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।", + "question": "বাংলাদেশে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "সামন্ততান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_759", + "title": "id_758_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এ ব্যবস্থা ছিল ভূমি-কেন্দ্রিক।", + "question": "এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ভিত্তি কি ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি-কেন্দ্রিক" + ], + "answer_start": [ + 15 + ] + } + }, + { + "id": "id_760", + "title": "id_759_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভূমির মালিককে ভূক্বামী বলা হতো।", + "question": "ভূমির মালিককে কি বলা হতো?", + "answers": { + "text": [ + "ভূক্বামী" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_761", + "title": "id_760_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতি কিসে নির্ভরশীল ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_762", + "title": "id_761_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "ব্রিটিশ শাসনামলে এই ভূমি-মালিকদের বলা হতো জমিদার।", + "question": "ব্রিটিশ শাসনামলে ভূমি-মালিকদের কি বলা হতো?", + "answers": { + "text": [ + "জমিদার" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_763", + "title": "id_762_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "পাকিস্তান আমলে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়ে ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা স্থান করে নেয়।", + "question": "পাকিস্তান আমলে কি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা স্থান করে নিয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_764", + "title": "id_763_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "জমিদারি প্রথার প্রভাবও ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার পাশাপাশি চালু ছিল।", + "question": "জমিদারি প্রথার প্রভাব কোথায় চালু ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_765", + "title": "id_764_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "পাকিস্তান আমলের শেষদিকে ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রাধান্য লাভ ��রে।", + "question": "পাকিস্তান আমলের শেষদিকে কোন ব্যবস্থা প্রাধান্য লাভ করে?", + "answers": { + "text": [ + "ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_766", + "title": "id_765_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "দেশের জনগণের একটি ক্ষুদ্র অংশের হাতে দেশের অধিকাংশ মূলধন ও সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়।", + "question": "বাংলাদেশের মূলধন ও সম্পদ কোথায় কেন্দ্রীভূত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "একটি ক্ষুদ্র অংশের হাতে" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_767", + "title": "id_766_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "পাকিস্তান আমলে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়।", + "question": "জমিদারি প্রথা কবে বিলুপ্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পাকিস্তান আমলে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_768", + "title": "id_767_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।", + "question": "বাংলাদেশ কবে স্বাধীনতা লাভ করে?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭১ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_769", + "title": "id_768_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানের ভিত্তিতে দেশে সমাজতন্ত্র অভিমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।", + "question": "১৯৭২ সালে কি ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সমাজতন্ত্র অভিমুখী" + ], + "answer_start": [ + 41 + ] + } + }, + { + "id": "id_770", + "title": "id_769_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বড় বড় কলকারখানা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, পরিবহন, প্রধান প্রধান শিল্প প্রতিষ্ঠান, প্রাথমিক শিক্ষা, আমদানি-রপ্তানি ইত্যাদি রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।", + "question": "রাষ্ট্রীয় মালিকানায় কি কি প্রতিষ্ঠান নেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বড় বড় কলকারখানা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, পরিবহন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_771", + "title": "id_770_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানের ভিত্তিতে দেশে সমাজতন্ত্র অভিমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।", + "question": "স্বাধীনতার পর দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কিভাবে পরিবর্তিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সমাজতন্ত্র অভিমুখী" + ], + "answer_start": [ + 41 + ] + } + }, + { + "id": "id_772", + "title": "id_771_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "পাকিস্তান আমলে কলকারখানা, ব্যবসায় ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অধিকাংশই অবাঙালি মালিকদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।", + "question": "পাকিস্তান আমলে ব্যবসায় ও কলকারখানা কারা নিয়ন্ত্রণ করেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "পাকিস্তান আমলে কলকারখানা, ব্যবসায় ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অধিকাংশই অবাঙালি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_773", + "title": "id_772_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এই অবাঙালি মালিকেরা স্বাধীনতার পর দেশত্যাগ করলে এসব প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হয়।", + "question": "স্বাধীনতার পর অবাঙালি মালিকরা কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশত্যাগ" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_774", + "title": "id_773_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সরকারকে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হয়।", + "question": "স্বাধীনতার পর সরকারকে কি করতে হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হয়" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_775", + "title": "id_774_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে দক্ষ প্রশাসক, ব্যবস্থাপক, উদ্যোক্তা সহ মানবসম্পদের ব্যাপক ধ্বংস সাধিত হয়।", + "question": "স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে কি ঘটেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "মানবসম্পদের ব্যাপক ধ্বংস" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_776", + "title": "id_775_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান লোকসানের সম্মুখীন হয়।", + "question": "রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কিসে সম্মুখীন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "লোকসানের" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_777", + "title": "id_776_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "সরকারি খাত ও ব্যক্তি উদ্যোগ সম্প্রসারণের এই ধারা বর্তমান সময় পর্যন্ত চালু আছে।", + "question": "বেসরকারি খাত ও ব্যক্তি উদ্যোগের সম্প্রসারণের ধারা কবে থেকে চালু আছে?", + "answers": { + "text": [ + "বর্তমান সময় পর্যন্ত" + ], + "answer_start": [ + 49 + ] + } + }, + { + "id": "id_778", + "title": "id_777_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে রাষ্ট্রীয়কৃত কলকারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণ করা শুরু হয়।", + "question": "স্বাধীনতার পর কোন প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারিকরণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রীয়কৃত কলকারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_779", + "title": "id_778_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বর্তমান বিশ্বে বিরাজমান অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সমতালে চলার লক্ষ্যে মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অর্থনীতিকে পরিচালনা করা হচ্ছে।", + "question": "মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অর্থনীতিকে কিভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বে বিরাজমান অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সমতালে চলা" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_780", + "title": "id_779_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বর্তমান বিশ্বে বিরাজমান অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সমতালে চলার লক্ষ্যে মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অর্থনীতিকে পরিচালনা করা হচ্ছে।", + "question": "মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কি করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনীতিকে পরিচালনা করা হচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_781", + "title": "id_780_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বর্তমানে অর্থনীতির কিছু খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।", + "question": "কি ধরনের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বর্তমানে অর্থনীতি পরিচালনা করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি-বেসরকারি" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_782", + "title": "id_781_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও নানারকম সংস্কার এবং পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলছে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কেমন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "নানারকম সংস্কার এবং পরিবর্তন" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_783", + "title": "id_782_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বর্তমানে দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রাধান্যসহ মিশ্র অর্থনৈতিক অবস্থা বিদ্যমান।", + "question": "বর্তমানে দেশে কি ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + " ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রাধান্যসহ মিশ্র অর্থনৈতিক অবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_784", + "title": "id_783_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "প্রধান প্রধান শিল্প, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের মধ্যে কি কি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 14 + ] + } + }, + { + "id": "id_785", + "title": "id_784_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "তবে অর্থনীতির প্রায় সব খাত ক্রমশ বেসরকারি উদ্যোগের নিয়ন্ত্রণাধীনে চলে যাচ্ছে।", + "question": "বর্তমানে অর্থনীতির কোন খাত ক্রমশ বেসরকারি নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "সব খাত" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_786", + "title": "id_785_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বর্তমানে দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রাধান্যসহ মিশ্র অর্থনৈতিক অবস্থা বিদ্যমান।", + "question": "বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "মিশ্র অর্থনৈতিক অবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_787", + "title": "id_786_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগ সম্প্রসারণের সাথে সাথে বাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।", + "question": "বেসরকারি উদ্যোগ সম্প্রসারণের সাথে কি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাজার অর্থনীতি" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_788", + "title": "id_787_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "দ্রব্যের চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়ায় দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।", + "question": "দ্রব্যের দাম কিভাবে নির্ধারিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চাহিদা ও যোগানের পারস্পরিক ক্রিয়ায়" + ], + "answer_start": [ + 9 + ] + } + }, + { + "id": "id_789", + "title": "id_788_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "এই দামই আবার উৎপাদ���ের প্রকৃতি ও পরিমাণ এবং ক্রেতার ভোগকে প্রভাবিত করে।", + "question": "দাম কাদের ভোগকে প্রভাবিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনের প্রকৃতি ও পরিমাণ এবং ক্রেতার ভোগ" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_790", + "title": "id_789_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।", + "question": "বর্তমান সময়ে কি ধরনের অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাজার অর্থনীতি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_791", + "title": "id_790_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগ সম্প্রসারণের সাথে সাথে বাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।", + "question": "অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বেসরকারি উদ্যোগ সম্প্রসারণ" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_792", + "title": "id_791_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "দেশে উৎপাদনের জন্য যে মূলধন বা পুঁজি প্রয়োজন, তা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই বেশিরভাগ সংগৃহীত হয়।", + "question": "উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন কোথা থেকে সংগৃহীত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অভ্যন্তরীণ উৎস" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_793", + "title": "id_792_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বৈদেশিক ঋণ, সাহায্য, অনুদান এবং ব্যক্তিগত পুঁজিও এক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", + "question": "উৎপাদনে বৈদেশিক ঋণ ও সাহায্য কেমন ভূমিকা রাখে?", + "answers": { + "text": [ + "গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা" + ], + "answer_start": [ + 63 + ] + } + }, + { + "id": "id_794", + "title": "id_793_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "দেশে উৎপাদন ও বণ্টন প্রক্রিয়ায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহাবস্থান রয়েছে।", + "question": "উৎপাদন ও বণ্টন প্রক্রিয়ায় কি ধরনের খাতের সহাবস্থান রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি ও বেসরকারি" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_795", + "title": "id_794_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "বেসরকারি খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে।", + "question": "বর্তমানে বেসরকারি খাতের কি অবস্থা?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ সম্প্রসারিত" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_796", + "title": "id_795_বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", + "context": "যে কোনো উদ্যোক্তা বা উৎপাদনকারী যে কোনো দ্রব্য যে কোনো পরিমাণ উৎপাদন করতে পারে।", + "question": "উদ্যোক্তা বা উৎপাদনকারী কি ধরনের স্বাধীনতা ভোগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "যে কোনো দ্রব্য যে কোনো পরিমাণ উৎপাদন" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_797", + "title": "id_796_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "বাংলাদেশে প্রধানত ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।", + "question": "বাংলাদেশের প্রধান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কি?", + "answers": { + "text": [ + "ধনতান্ত্রিক" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_798", + "title": "id_797_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "তবে অর্থনীতির কিছু খাতে, বিশেষত সেবা খাতে, সরকারি মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।", + "question": "কোন খাতে সরকারি মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সেবা খাতে" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_799", + "title": "id_798_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "বাংলাদেশে প্রধানত ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।", + "question": "বাংলাদেশে কি ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "ধনতান্ত্রিক" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_800", + "title": "id_799_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "তবে অর্থনীতির কিছু খাতে, বিশেষত সেবা খাতে, সরকারি মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।", + "question": "সরকারের নিয়ন্ত্রণ কোথায় লক্ষ্য করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "সেবা খাতে" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_801", + "title": "id_800_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "বাংলাদেশে প্রধানত ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "ধনতান্ত্রিক" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_802", + "title": "id_801_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "আমরা জানি ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন উৎপাদনের চারটি উপাদান।", + "question": "উৎপাদনের চারটি উপাদান কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_803", + "title": "id_802_বাংলাদেশে��� জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "ভূমির আয়কে খাজনা আর শ্রমের আয়কে বলে মজুরি।", + "question": "শ্রমের আয়কে কি বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মজুরি" + ], + "answer_start": [ + 38 + ] + } + }, + { + "id": "id_804", + "title": "id_803_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "মূলধনের আয় হলো সুদ এবং সংগঠন বা উদ্যোক্তার আয় হচ্ছে মুনাফা।", + "question": "মূলধনের আয় কিভাবে বোঝা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "সুদ" + ], + "answer_start": [ + 16 + ] + } + }, + { + "id": "id_805", + "title": "id_804_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "এ চারটির সমষ্টিই জাতীয় আয়।", + "question": "জাতীয় আয় কিভাবে নির্ধারিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চারটির সমষ্টি" + ], + "answer_start": [ + 2 + ] + } + }, + { + "id": "id_806", + "title": "id_805_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "আমরা জানি ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন উৎপাদনের চারটি উপাদান।", + "question": "উৎপাদনের কোন উপাদানগুলির আয় কিভাবে নির্ধারিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_807", + "title": "id_806_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "উৎপাদনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে মূলধনের মালিক বা পুঁজিপতি এবং সংগঠক একই ব্যক্তি।", + "question": "উৎপাদনের ক্ষেত্রে মূলধনের মালিক এবং সংগঠক কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "একই ব্যক্তি" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_808", + "title": "id_807_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "কারণ মূলধন ছাড়া উদ্যোগ গ্রহণ করা যায় না।", + "question": "উদ্যোগ গ্রহণের জন্য কি প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধন" + ], + "answer_start": [ + 5 + ] + } + }, + { + "id": "id_809", + "title": "id_808_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "বাংলাদেশের জনগণের একটি ক্ষুদ্র অংশ পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তা।", + "question": "বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার অংশ কি?", + "answers": { + "text": [ + "ক্ষুদ্র অংশ" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_810", + "title": "id_809_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "বৃহত্তর অংশই শ্রমিক বা মজুর।", + "question": "বাংলাদেশের বৃহত্তর অংশে কি ধরনের জনগণ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "শ্রমিক বা মজুর" + ], + "answer_start": [ + 13 + ] + } + }, + { + "id": "id_811", + "title": "id_810_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "উৎপাদনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে মূলধনের মালিক বা পুঁজিপতি এবং সংগঠক একই ব্যক্তি।", + "question": "উৎপাদনের ক্ষেত্রে মূলধনের মালিক কে?", + "answers": { + "text": [ + "পুঁজিপতি" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_812", + "title": "id_811_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "ধনতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য পুঁজিপতির দ্বারা শ্রমিকের শোষণ।", + "question": "ধnantান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "শ্রমিকের শোষণ" + ], + "answer_start": [ + 61 + ] + } + }, + { + "id": "id_813", + "title": "id_812_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "শ্রমিককে তার প্রাপ্য ও ন্যায্য মজুরি দেওয়া হয় না।", + "question": "শ্রমিকদের কি প্রাপ্য হয় না?", + "answers": { + "text": [ + "ন্যায্য মজুরি" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_814", + "title": "id_813_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "তার প্রাপ্য মজুরির একটি বড় অংশ পুঁজিপতিদের কাছে সুদ ও মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়।", + "question": "শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরির কোন অংশ কোথায় সঞ্চিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পুঁজিপতিদের কাছে" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_815", + "title": "id_814_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "অর্থাৎ জাতীয় আয়ের বৃহত্তর অংশ অল্পসংখ্যক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভোগ করে।", + "question": "জাতীয় আয়ের বৃহত্তর অংশ কারা ভোগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "অল্পসংখ্যক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_816", + "title": "id_815_বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", + "context": "বাংলাদেশে ধnantান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রায় সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।", + "question": "বাংলাদেশে কি ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "ধnantান্ত্রিক" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_817", + "title": "id_816_বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা", + "context": "রাষ্ট্র সম্পর্কে আমাদের আলোচনায় সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্রষ্টা হিসেবে বিবেচিত। সরকার তার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ নিয়ে গঠিত। সাধারণভাবে, সরকার বলতে আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ বোঝায়। সরকার মূলত তিনটি বিভাগের মধ্যে বিভক্ত: ১. নির্বাহী বিভাগ, ২. আইন বিভাগ এবং ৩. বিচার বিভাগ। প্রতিটি রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এই তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে। সরকারের প্রধান কাজগুলো হলো প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। প্রশাসন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শাসনে বিভক্ত। এ অধ্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে।", + "question": "রাষ্ট্রের যন্ত্রস্রষ্টা হিসেবে সরকারকে কীভাবে বিবেচনা করা হয়?\t", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের যন্ত্রস্রষ্টা" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_818", + "title": "id_817_বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা", + "context": "রাষ্ট্র সম্পর্কে আমাদের আলোচনায় সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্রষ্টা হিসেবে বিবেচিত। সরকার তার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ নিয়ে গঠিত। সাধারণভাবে, সরকার বলতে আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ বোঝায়। সরকার মূলত তিনটি বিভাগের মধ্যে বিভক্ত: ১. নির্বাহী বিভাগ, ২. আইন বিভাগ এবং ৩. বিচার বিভাগ। প্রতিটি রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এই তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে। সরকারের প্রধান কাজগুলো হলো প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। প্রশাসন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শাসনে বিভক্ত। এ অধ্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে।", + "question": "সরকার সাধারণভাবে কোন কোন বিভাগের নিয়ে গঠিত?\t", + "answers": { + "text": [ + "আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ" + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_819", + "title": "id_818_বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা", + "context": "রাষ্ট্র সম্পর্কে আমাদের আলোচনায় সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্রষ্টা হিসেবে বিবেচিত। সরকার তার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ নিয়ে গঠিত। সাধারণভাবে, সরকার বলতে আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ বোঝায়। সরকার মূলত তিনটি বিভাগের মধ্যে বিভক্ত: ১. নির্বাহী বিভাগ, ২. আইন বিভাগ এবং ৩. বিচার বিভাগ। প্রতিটি রাজনৈতিক ব��যবস্থায় এই তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে। সরকারের প্রধান কাজগুলো হলো প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। প্রশাসন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শাসনে বিভক্ত। এ অধ্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে।", + "question": "সরকারের মৌলিক বিভাগ কয়টি? ", + "answers": { + "text": [ + "তিনটি" + ], + "answer_start": [ + 273 + ] + } + }, + { + "id": "id_820", + "title": "id_819_বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা", + "context": "রাষ্ট্র সম্পর্কে আমাদের আলোচনায় সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্রষ্টা হিসেবে বিবেচিত। সরকার তার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ নিয়ে গঠিত। সাধারণভাবে, সরকার বলতে আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ বোঝায়। সরকার মূলত তিনটি বিভাগের মধ্যে বিভক্ত: ১. নির্বাহী বিভাগ, ২. আইন বিভাগ এবং ৩. বিচার বিভাগ। প্রতিটি রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এই তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে। সরকারের প্রধান কাজগুলো হলো প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। প্রশাসন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শাসনে বিভক্ত। এ অধ্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে।", + "question": "সরকারের কাজ কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা" + ], + "answer_start": [ + 443 + ] + } + }, + { + "id": "id_821", + "title": "id_820_বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা", + "context": "রাষ্ট্র সম্পর্কে আমাদের আলোচনায় সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্রষ্টা হিসেবে বিবেচিত। সরকার তার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ নিয়ে গঠিত। সাধারণভাবে, সরকার বলতে আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ বোঝায়। সরকার মূলত তিনটি বিভাগের মধ্যে বিভক্ত: ১. নির্বাহী বিভাগ, ২. আইন বিভাগ এবং ৩. বিচার বিভাগ। প্রতিটি রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এই তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে। সরকারের প্রধান কাজগুলো হলো প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। প্রশাসন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শাসনে বিভক্ত। এ অধ্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে।", + "question": "প্রশাসন কীভাবে বিভক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শাসনে" + ], + "answer_start": [ + 507 + ] + } + }, + { + "id": "id_822", + "title": "id_821_নির্বাহী বা শাসন বিভাগ", + "context": "রাস্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ বলে। বিস্তৃত অর্থে রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভা, আমলা, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কূটনীতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা এমনকি গ্রাম্য চৌকিদারসহ সকল প্রশাসনিক কর্মচারীদের নিয়ে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ গঠিত।", + "question": "নির্বাহী বা শাসন বিভাগরাষ্ট্রের শাসনকার্য এবং প্রশাসনিক কাজ কোন বিভাগ পরিচালনা করে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাহী বা শাসন বিভাগ" + ], + "answer_start": [ + 165 + ] + } + }, + { + "id": "id_823", + "title": "id_822_নির্বাহী বা শাসন বিভাগ", + "context": "রাস্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ বলে। বিস্তৃত অর্থে রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভা, আমলা, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কূটনীতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা এমনকি গ্রাম্য চৌকিদারসহ সকল প্রশাসনিক কর্মচারীদের নিয়ে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ গঠিত।", + "question": "নির্বাহী বিভাগ কি কি কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_824", + "title": "id_823_নির্বাহী বা শাসন বিভাগ", + "context": "রাস্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ বলে। বিস্তৃত অর্থে রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভা, আমলা, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কূটনীতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা এমনকি গ্রাম্য চৌকিদারসহ সকল প্রশাসনিক কর্মচারীদের নিয়ে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ গঠিত।", + "question": "নির্বাহী বিভাগে কারা অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "মন্ত্রিসভা, আমলা, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কূটনীতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা" + ], + "answer_start": [ + 235 + ] + } + }, + { + "id": "id_825", + "title": "id_824_নির্বাহী বা শাসন বিভাগ", + "context": "রাস্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ বলে। বিস্তৃত অর্থে রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভা, আমলা, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কূটনীতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা এমনকি গ্রাম্য চৌকিদারসহ সকল প্রশাসনিক কর্মচারীদের নিয়ে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ গঠিত।", + "question": "নির্বাহী বা শাসন বিভাগে প্রশাসনিক কর্মচারীরা কাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "আমলা, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কূটনীতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা" + ], + "answer_start": [ + 247 + ] + } + }, + { + "id": "id_826", + "title": "id_825_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইন বিভাগ কোন কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল" + ], + "answer_start": [ + 52 + ] + } + }, + { + "id": "id_827", + "title": "id_826_আইন বিভাগ", + "context": "সরকা��ের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "আইন বিভাগের একটি অংশ কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "আইনসভা বা পার্লামেন্ট" + ], + "answer_start": [ + 146 + ] + } + }, + { + "id": "id_828", + "title": "id_827_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "আইনসভা কাদের নিয়ে গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচিত গণপ্রতিনিধি" + ], + "answer_start": [ + 193 + ] + } + }, + { + "id": "id_829", + "title": "id_828_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "আইনসভা প্রণীত আইন কার্যকর হওয়ার জন্য কি দরকার?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর" + ], + "answer_start": [ + 303 + ] + } + }, + { + "id": "id_830", + "title": "id_829_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "বাংলাদেশের আইনসভার নাম কি?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সংসদ" + ], + "answer_start": [ + 438 + ] + } + }, + { + "id": "id_831", + "title": "id_830_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কি নামে পরিচিত?\t", + "answers": { + "text": [ + "কংগ্রেস" + ], + "answer_start": [ + 481 + ] + } + }, + { + "id": "id_832", + "title": "id_831_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "ব্রিটেনের আইনসভা কি নামে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "পার্লামেন্ট" + ], + "answer_start": [ + 156 + ] + } + }, + { + "id": "id_833", + "title": "id_832_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "মুসলিম রাষ্ট্রের আইনসভা কিভাবে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "মজলিশ" + ], + "answer_start": [ + 555 + ] + } + }, + { + "id": "id_834", + "title": "id_833_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট হলে আরেকটি কি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিকক্ষবিশিষ্ট" + ], + "answer_start": [ + 631 + ] + } + }, + { + "id": "id_835", + "title": "id_834_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", + "question": "বাংলাদেশের আইনসভা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "এক কক্ষবিশিষ্ট" + ], + "answer_start": [ + 593 + ] + } + }, + { + "id": "id_836", + "title": "id_835_বিচার বিভাগ", + "context": "সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। সরকারের যে বিভাগ আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বিচার বিভাগ বলে। আইন ভজ্গকারীকে শাস্তি প্রদান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষা বহুলাংশে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। রাষ্ট্রের সকল আদালত ও বিচারক নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত হয়।", + "question": "বিচার বিভাগ কি কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_837", + "title": "id_836_বিচার বিভাগ", + "context": "সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। সরকারের যে বিভাগ আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বিচার বিভাগ বলে। আইন ভজ্গকারীকে শাস্তি প্রদান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং না���রিকের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষা বহুলাংশে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। রাষ্ট্রের সকল আদালত ও বিচারক নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত হয়।", + "question": "বিচার বিভাগের ওপর কি নির্ভরশীল?", + "answers": { + "text": [ + "স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার ওপর" + ], + "answer_start": [ + 251 + ] + } + }, + { + "id": "id_838", + "title": "id_837_বিচার বিভাগ", + "context": "সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। সরকারের যে বিভাগ আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বিচার বিভাগ বলে। আইন ভজ্গকারীকে শাস্তি প্রদান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষা বহুলাংশে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। রাষ্ট্রের সকল আদালত ও বিচারক নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত হয়।", + "question": "বিচার বিভাগের সদস্যরা কে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের সকল আদালত ও বিচারক" + ], + "answer_start": [ + 301 + ] + } + }, + { + "id": "id_839", + "title": "id_838_বিচার বিভাগ", + "context": "সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। সরকারের যে বিভাগ আইন অনুসারে বিচার কাজ পরিচালনা করে থাকে তাকে বিচার বিভাগ বলে। আইন ভজ্গকারীকে শাস্তি প্রদান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষা বহুলাংশে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। রাষ্ট্রের সকল আদালত ও বিচারক নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত হয়।", + "question": "বিচার বিভাগের উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "আইন ভজ্গকারীকে শাস্তি প্রদান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা" + ], + "answer_start": [ + 138 + ] + } + }, + { + "id": "id_840", + "title": "id_839_প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", + "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্���ৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", + "question": "রাষ্ট্রপতি কাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন?", + "answers": { + "text": [ + "সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকে" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_841", + "title": "id_840_প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", + "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", + "question": "বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী কী পদে অধিষ্ঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "সরকার প্রধান" + ], + "answer_start": [ + 122 + ] + } + }, + { + "id": "id_842", + "title": "id_841_প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", + "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা" + ], + "answer_start": [ + 149 + ] + } + }, + { + "id": "id_843", + "title": "id_842_প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", + "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার কোন পদে অধিষ্ঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "মন্ত্রিসভার প্রধান" + ], + "answer_start": [ + 203 + ] + } + }, + { + "id": "id_844", + "title": "id_843_প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", + "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে কী ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারের পতন ঘটে" + ], + "answer_start": [ + 300 + ] + } + }, + { + "id": "id_845", + "title": "id_844_প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", + "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী কীভাবে রাষ্ট্রপতির পরামর্শদাতা হন?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন" + ], + "answer_start": [ + 474 + ] + } + }, + { + "id": "id_846", + "title": "id_845_প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", + "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে কীভাবে দায়ী থাকেন?", + "answers": { + "text": [ + "স��বিধান অনুযায়ী" + ], + "answer_start": [ + 608 + ] + } + }, + { + "id": "id_847", + "title": "id_846_প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", + "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা সংসদীয় ব্যবস্থায় কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "অনেক উপরে" + ], + "answer_start": [ + 418 + ] + } + }, + { + "id": "id_848", + "title": "id_847_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী কি ধরনের ভূমিকা পালন করেন?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা" + ], + "answer_start": [ + 14 + ] + } + }, + { + "id": "id_849", + "title": "id_848_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থ���য় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী কি কাজে দায়িত্ব পালন করেন?", + "answers": { + "text": [ + "শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_850", + "title": "id_849_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী কার নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রপতির নামে" + ], + "answer_start": [ + 174 + ] + } + }, + { + "id": "id_851", + "title": "id_850_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী সংসদে কি ধরনের বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি বিলের" + ], + "answer_start": [ + 270 + ] + } + }, + { + "id": "id_852", + "title": "id_851_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "সংসদের নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কাকে আস্থা অর্জন করেন?", + "answers": { + "text": [ + "বিরোধী দলের" + ], + "answer_start": [ + 325 + ] + } + }, + { + "id": "id_853", + "title": "id_852_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী বাজেট প্রণয়নে কাকে পরামর্শ দেন?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থমন্ত্রীকে" + ], + "answer_start": [ + 442 + ] + } + }, + { + "id": "id_854", + "title": "id_853_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "প্রশাসনের মধ্যে কি বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্ব দেন?", + "answers": { + "text": [ + "সমন্বয় সাধনে" + ], + "answer_start": [ + 502 + ] + } + }, + { + "id": "id_855", + "title": "id_854_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী কিভাবে দেশের প্রতিনিধিত্ব ক���েন?", + "answers": { + "text": [ + "জাতির মুখপাত্র হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 533 + ] + } + }, + { + "id": "id_856", + "title": "id_855_প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী কি উদ্দেশ্যে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন?", + "answers": { + "text": [ + "রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায়" + ], + "answer_start": [ + 583 + ] + } + }, + { + "id": "id_857", + "title": "id_856_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। অন্য দুটি হলো শাসন ও বিচার বিভাগ। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত। এটি আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।", + "question": "আইন বিভাগ সরকারের কোন বিভাগের অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_858", + "title": "id_857_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। অন্য দুটি হলো শাসন ও বিচার বিভাগ। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত। এটি আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।", + "question": "আইন বিভাগের প্���ধান কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা।" + ], + "answer_start": [ + 99 + ] + } + }, + { + "id": "id_859", + "title": "id_858_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। অন্য দুটি হলো শাসন ও বিচার বিভাগ। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত। এটি আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।", + "question": "আইন বিভাগের অংশ হিসেবে আইনসভা কী?", + "answers": { + "text": [ + "আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত।" + ], + "answer_start": [ + 205 + ] + } + }, + { + "id": "id_860", + "title": "id_859_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। অন্য দুটি হলো শাসন ও বিচার বিভাগ। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত। এটি আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।", + "question": "আইনসভা কী করে?", + "answers": { + "text": [ + "আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন" + ], + "answer_start": [ + 115 + ] + } + }, + { + "id": "id_861", + "title": "id_860_আইন বিভাগ", + "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। অন্য দুটি হলো শাসন ও বিচার বিভাগ। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত। এটি আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।", + "question": "আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন কখন কার্যকর হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর" + ], + "answer_start": [ + 319 + ] + } + }, + { + "id": "id_862", + "title": "id_861_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের আইনসভার নাম “জাতীয় সংসদ”'। জাতীয় সংসদ আইন বিভাগে�� একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইন বিভাগ সরকারের একটি অংশ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যেমে নির্বাচিত হবেন। ৫০ টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্ছিতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর", + "question": "বাংলাদেশের আইনসভাকে কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সংসদ" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_863", + "title": "id_862_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের আইনসভার নাম “জাতীয় সংসদ”'। জাতীয় সংসদ আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইন বিভাগ সরকারের একটি অংশ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যেমে নির্বাচিত হবেন। ৫০ টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্ছিতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর", + "question": "জাতীয় সংসদ কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "মোট ৩৫০ জন সদস্য" + ], + "answer_start": [ + 217 + ] + } + }, + { + "id": "id_864", + "title": "id_863_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের আইনসভার নাম “জাতীয় সংসদ”'। জাতীয় সংসদ আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইন বিভাগ সরকারের একটি অংশ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যেমে নির্বাচিত হবেন। ৫০ টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্ছিতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর", + "question": "জাতীয় সংসদের সদস্যদের মধ্যে কতজন ���নগণের ভোটে নির্বাচিত হন?", + "answers": { + "text": [ + "৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যেমে নির্বাচিত হবেন" + ], + "answer_start": [ + 257 + ] + } + }, + { + "id": "id_865", + "title": "id_864_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের আইনসভার নাম “জাতীয় সংসদ”'। জাতীয় সংসদ আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইন বিভাগ সরকারের একটি অংশ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যেমে নির্বাচিত হবেন। ৫০ টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্ছিতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর", + "question": "জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য কতটি আসন সংরক্ষিত?", + "answers": { + "text": [ + "৫০ টি আসন" + ], + "answer_start": [ + 312 + ] + } + }, + { + "id": "id_866", + "title": "id_865_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের আইনসভার নাম “জাতীয় সংসদ”'। জাতীয় সংসদ আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইন বিভাগ সরকারের একটি অংশ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যেমে নির্বাচিত হবেন। ৫০ টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্ছিতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর", + "question": "সংসদ সদস্যদের মধ্যে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার কিভাবে নির্বাচিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সংসদ সদস্যদের" + ], + "answer_start": [ + 412 + ] + } + }, + { + "id": "id_867", + "title": "id_866_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের আইনসভার নাম “জাতীয় সংসদ”'। জাতীয় সংসদ আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইন বিভাগ সরকারের একটি অংশ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্য�� ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যেমে নির্বাচিত হবেন। ৫০ টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্ছিতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর", + "question": "জাতীয় সংসদের মেয়াদ কত বছর?", + "answers": { + "text": [ + "৫ বছর" + ], + "answer_start": [ + 515 + ] + } + }, + { + "id": "id_868", + "title": "id_867_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) অনুসারে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ফলে আইন প্রণয়ন, শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচনসহ সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংসদের প্রধান কার্যাবলিগুলোর মধ্যে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা রয়েছে, যা সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদকে আইনসভা হিসেবে গঠন করে। সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ সংসদের আস্থাভাজন ব্যাক্তিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ", + "question": "বাংলাদেশের সংবিধানে কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১)" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_869", + "title": "id_868_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) অনুসারে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ফলে আইন প্রণয়ন, শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচনসহ সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংসদের প্রধান কার্যাবলিগুলোর মধ্যে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা রয়েছে, যা সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদকে আইনসভা হিসেবে গঠন করে। সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ সংসদের আস্থাভাজন ব্যাক্তিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ", + "question": "দ্বাদশ সংশোধনীর ফলে সংসদের কি কি ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়?", + "answers": { + "text": [ + "আইন প্রণয়ন, শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচন" + ], + "answer_start": [ + 100 + ] + } + }, + { + "id": "id_870", + "title": "id_869_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) অনুসারে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ফলে আইন প্রণয়ন, শাস�� বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচনসহ সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংসদের প্রধান কার্যাবলিগুলোর মধ্যে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা রয়েছে, যা সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদকে আইনসভা হিসেবে গঠন করে। সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ সংসদের আস্থাভাজন ব্যাক্তিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ", + "question": "সংসদের প্রধান কার্যাবলির মধ্যে কি রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "আইন প্রণয়ন ক্ষমতা" + ], + "answer_start": [ + 226 + ] + } + }, + { + "id": "id_871", + "title": "id_870_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) অনুসারে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ফলে আইন প্রণয়ন, শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচনসহ সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংসদের প্রধান কার্যাবলিগুলোর মধ্যে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা রয়েছে, যা সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদকে আইনসভা হিসেবে গঠন করে। সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ সংসদের আস্থাভাজন ব্যাক্তিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ", + "question": "সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদকে আইনসভা হিসেবে গঠন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৬৫ অনুচ্ছেদ" + ], + "answer_start": [ + 266 + ] + } + }, + { + "id": "id_872", + "title": "id_871_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) অনুসারে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ফলে আইন প্রণয়ন, শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচনসহ সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংসদের প্রধান কার্যাবলিগুলোর মধ্যে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা রয়েছে, যা সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদকে আইনসভা হিসেবে গঠন করে। সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ সংসদের আস্থাভাজন ব্যাক্তিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ", + "question": "সরকার গঠনে সংসদের কি ধরনের ভূমিকা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা" + ], + "answer_start": [ + 340 + ] + } + }, + { + "id": "id_873", + "title": "id_872_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) অনুসারে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ফলে আইন ��্রণয়ন, শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচনসহ সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংসদের প্রধান কার্যাবলিগুলোর মধ্যে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা রয়েছে, যা সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদকে আইনসভা হিসেবে গঠন করে। সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ সংসদের আস্থাভাজন ব্যাক্তিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ", + "question": "সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে কি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধানমন্ত্রী হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 402 + ] + } + }, + { + "id": "id_874", + "title": "id_873_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", + "question": "সংসদ রাষ্ট্রের কোন বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ রাখে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপ" + ], + "answer_start": [ + 15 + ] + } + }, + { + "id": "id_875", + "title": "id_874_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", + "question": "সংসদের অনুমোদন ছাড়া কি কিছু ব্যয় করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো ব্যয় করা যায় না" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_876", + "title": "id_875_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", + "question": "বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ কি করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 142 + ] + } + }, + { + "id": "id_877", + "title": "id_876_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", + "question": "নির্বাচনী ক্ষমতা কাদের ওপর ন্যস্ত?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় সংসদের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 194 + ] + } + }, + { + "id": "id_878", + "title": "id_877_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", + "question": "সংসদ কি ধরনের দায়িত্ব পালন করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব প��লন করে" + ], + "answer_start": [ + 223 + ] + } + }, + { + "id": "id_879", + "title": "id_878_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", + "question": "সংসদ কোন হিসেবে কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "সংবিধানের আমানতদার হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 281 + ] + } + }, + { + "id": "id_880", + "title": "id_879_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", + "question": "সংসদের কি ধরনের দায়িত্ব রয়েছে সংশোধনীর ক্ষেত্রে?", + "answers": { + "text": [ + "সংশোধনীর দায়িত্বও পালন" + ], + "answer_start": [ + 322 + ] + } + }, + { + "id": "id_881", + "title": "id_880_জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষম���াও রাখে।", + "question": "সংসদ কি কি প্রতিষ্ঠা ও অনুমোদনের ক্ষমতা রাখে?", + "answers": { + "text": [ + "সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতা" + ], + "answer_start": [ + 364 + ] + } + }, + { + "id": "id_882", + "title": "id_881_জাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি", + "context": "গণতান্ত্রিক রাস্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় । এ নিয়ন্ত্রণ আইন বিভাগ দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। সরকারকে সকল শাসন সংঞ্কাল্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।", + "question": "গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কোন বিভাগ কার্যকর?", + "answers": { + "text": [ + "আইন বিভাগ" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_883", + "title": "id_882_জাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি", + "context": "গণতান্ত্রিক রাস্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় । এ নিয়ন্ত্রণ আইন বিভাগ দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। সরকারকে সকল শাসন সংঞ্কাল্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।", + "question": "প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে কি কারণে সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 137 + ] + } + }, + { + "id": "id_884", + "title": "id_883_জাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি", + "context": "গণতান্ত্রিক রাস্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় । এ নিয়ন্ত্রণ আইন বিভাগ দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। সরকারকে সকল শাসন সংঞ্কাল্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।", + "question": "সরকার সংসদের কাছে কি করতে বাধ্য?", + "answers": { + "text": [ + "জবাবদিহি করতে বাধ্য" + ], + "answer_start": [ + 214 + ] + } + }, + { + "id": "id_885", + "title": "id_884_জাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি", + "context": "গণতান্ত্রিক রাস্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় । এ নিয়ন্ত্রণ আইন বিভাগ দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। সরকারকে সকল শাসন সংঞ্কাল্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।", + "question": "সংসদ সরকারের ভালো কাজের জন্য কি করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রশংসা করতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 272 + ] + } + }, + { + "id": "id_886", + "title": "id_885_জাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি", + "context": "গণতান্ত্রিক রাস্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় । এ নিয়ন্ত্রণ আইন বিভাগ দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। সরকারকে সকল শাসন সংঞ্কাল্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।", + "question": "সংসদ সরকারের মন্দ কাজের জন্য কি করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "সমালোচনাও করতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 324 + ] + } + }, + { + "id": "id_887", + "title": "id_886_জাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি", + "context": "��ণতান্ত্রিক রাস্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় । এ নিয়ন্ত্রণ আইন বিভাগ দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। সরকারকে সকল শাসন সংঞ্কাল্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।", + "question": "সরকারকে কোন বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগ দিতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি" + ], + "answer_start": [ + 383 + ] + } + }, + { + "id": "id_888", + "title": "id_887_জাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি", + "context": "গণতান্ত্রিক রাস্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় । এ নিয়ন্ত্রণ আইন বিভাগ দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। সরকারকে সকল শাসন সংঞ্কাল্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।", + "question": "সংসদ কিভাবে সরকারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে?", + "answers": { + "text": [ + "মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা" + ], + "answer_start": [ + 496 + ] + } + }, + { + "id": "id_889", + "title": "id_888_জাতীয় সংসদ কর্তৃক শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি", + "context": "গণতান্ত্রিক রাস্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয় । এ নিয়ন্ত্রণ আইন বিভাগ দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে, তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। সরকারকে সকল শাসন সংঞ্কাল্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের ওপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ। এরূপ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।", + "question": "সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে কোন মন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভা" + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_890", + "title": "id_889_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার বিভাগের স্বাতলত্র্য এবং স্বাধীনতা বাৎলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত। বালাদেশ সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতলত্রকে সুনির্দিষ্ট গতিপথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। বাৎলাদেশের বিচার বিভাগ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে আইনের অনুশাসনকে অক্ষুণ্ণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সজীব রাখে।", + "question": "বিচার বিভাগের স্��াধীনতা বাংলাদেশের সংবিধানের কি বৈশিষ্ট্য?", + "answers": { + "text": [ + "অন্যতম বৈশিষ্ট্য" + ], + "answer_start": [ + 59 + ] + } + }, + { + "id": "id_891", + "title": "id_890_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার বিভাগের স্বাতলত্র্য এবং স্বাধীনতা বাৎলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত। বালাদেশ সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতলত্রকে সুনির্দিষ্ট গতিপথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। বাৎলাদেশের বিচার বিভাগ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে আইনের অনুশাসনকে অক্ষুণ্ণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সজীব রাখে।", + "question": "বাংলাদেশের বিচার বিভাগের লক্ষ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_892", + "title": "id_891_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার বিভাগের স্বাতলত্র্য এবং স্বাধীনতা বাৎলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত। বালাদেশ সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতলত্রকে সুনির্দিষ্ট গতিপথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। বাৎলাদেশের বিচার বিভাগ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে আইনের অনুশাসনকে অক্ষুণ্ণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সজীব রাখে।", + "question": "বাংলাদেশে বিচার বিভাগ কিভাবে সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত?", + "answers": { + "text": [ + "সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত" + ], + "answer_start": [ + 152 + ] + } + }, + { + "id": "id_893", + "title": "id_892_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার বিভাগের স্বাতলত্র্য এবং স্বাধীনতা বাৎলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত। বালাদেশ সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতলত্রকে সুনির্দিষ্ট গতিপথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। বাৎলাদেশের বিচার বিভাগ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে আইনের অনুশাসনকে অক্ষুণ্ণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সজীব রাখে।", + "question": "বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রধান কর্তৃপক্ষ কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "সুপ্রিম কোর্ট" + ], + "answer_start": [ + 200 + ] + } + }, + { + "id": "id_894", + "title": "id_893_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার বিভাগের স্বাতলত্র্য এবং স্বাধীনতা বাৎলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত। বালাদেশ সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতলত্রকে সুনির্দিষ্ট গতিপথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। বাৎলাদেশের বিচার বিভাগ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে আইনের অনুশাসনকে অক্ষুণ্ণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সজীব রাখে।", + "question": "সুপ্রিম কোর্ট কি ধরনের বিধান অবৈধ ঘোষণা করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "সংবিধান বহির্ভূত বিধান" + ], + "answer_start": [ + 214 + ] + } + }, + { + "id": "id_895", + "title": "id_894_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার বিভাগের স্বাতলত্র্য এবং স্বাধীনতা বাৎলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত। বালাদেশ সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতলত্রকে সুনির্দিষ্ট গতিপথে পরিচালিত করতে সাহায্য করে। বাৎলাদেশের বিচার বিভাগ নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে আইনের অনুশাসনকে অক্ষুণ্ণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সজীব রাখে।", + "question": "বিচার বিভাগ নাগরিকদের কোন অধিকার সংরক্ষণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক অধিকার" + ], + "answer_start": [ + 345 + ] + } + }, + { + "id": "id_896", + "title": "id_895_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার ব্যবস্থা একটি দেশের ন্যায়বিচারের মানদণ্ড, যা বিচার বিভাগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিচার করা এবং ন্যায় ও নিরপেক্ষতা রক্ষা করা। এটি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে। বিচার বিভাগের ��কটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আইন তৈরি, যেখানে বিচারকগণ আইনের ব্যাখ্যা এবং নতুন আইন সংযোজন করেন।", + "question": "বিচার ব্যবস্থা কি প্রতিষ্ঠা করে?", + "answers": { + "text": [ + "ন্যায়বিচারের মানদণ্ড" + ], + "answer_start": [ + 26 + ] + } + }, + { + "id": "id_897", + "title": "id_896_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার ব্যবস্থা একটি দেশের ন্যায়বিচারের মানদণ্ড, যা বিচার বিভাগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিচার করা এবং ন্যায় ও নিরপেক্ষতা রক্ষা করা। এটি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে। বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আইন তৈরি, যেখানে বিচারকগণ আইনের ব্যাখ্যা এবং নতুন আইন সংযোজন করেন।", + "question": "বিচার বিভাগের প্রধান কাজ কি?", + "answers": { + "text": [ + "আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিচার করা" + ], + "answer_start": [ + 119 + ] + } + }, + { + "id": "id_898", + "title": "id_897_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার ব্যবস্থা একটি দেশের ন্যায়বিচারের মানদণ্ড, যা বিচার বিভাগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিচার করা এবং ন্যায় ও নিরপেক্ষতা রক্ষা করা। এটি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে। বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আইন তৈরি, যেখানে বিচারকগণ আইনের ব্যাখ্যা এবং নতুন আইন সংযোজন করেন।", + "question": "বিচার বিভাগ কি রক্ষা করে?", + "answers": { + "text": [ + "ন্যায় ও নিরপেক্ষতা" + ], + "answer_start": [ + 156 + ] + } + }, + { + "id": "id_899", + "title": "id_898_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার ব্যবস্থা একটি দেশের ন্যায়বিচারের মানদণ্ড, যা বিচার বিভাগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিচার করা এবং ন্যায় ও নিরপেক্ষতা রক্ষা করা। এটি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে। বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আইন তৈরি, যেখানে বিচারকগণ আইনের ব্যাখ্যা এবং নতুন আইন সংযোজন করেন।", + "question": "বিচার বিভাগ কিসের মাধ্যমে অপরাধীক�� শাস্তি দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 218 + ] + } + }, + { + "id": "id_900", + "title": "id_899_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার ব্যবস্থা একটি দেশের ন্যায়বিচারের মানদণ্ড, যা বিচার বিভাগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিচার করা এবং ন্যায় ও নিরপেক্ষতা রক্ষা করা। এটি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে। বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আইন তৈরি, যেখানে বিচারকগণ আইনের ব্যাখ্যা এবং নতুন আইন সংযোজন করেন।", + "question": "বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কি?", + "answers": { + "text": [ + "আইন তৈরি" + ], + "answer_start": [ + 321 + ] + } + }, + { + "id": "id_901", + "title": "id_900_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "বিচার ব্যবস্থা একটি দেশের ন্যায়বিচারের মানদণ্ড, যা বিচার বিভাগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিচার বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিচার করা এবং ন্যায় ও নিরপেক্ষতা রক্ষা করা। এটি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে। বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আইন তৈরি, যেখানে বিচারকগণ আইনের ব্যাখ্যা এবং নতুন আইন সংযোজন করেন।", + "question": "বিচারকগণ কি করেন আইন তৈরির সময়?", + "answers": { + "text": [ + "আইনের ব্যাখ্যা এবং নতুন আইন সংযোজন করেন" + ], + "answer_start": [ + 347 + ] + } + }, + { + "id": "id_902", + "title": "id_901_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "মৌলিক অধিকার সংরক্ষণও বিচার বিভাগের কাজ, কারণ জনগণের অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শাসন বিভাগের পরামর্শ প্রদানেও বিচার বিভাগের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও, বিচার বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের নাগরিকত্ব, অভিভাবকত্ব নিরূপণ ও নাবালকের সম্পত্তির তত্ত্বাবধানের মতো বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।", + "question": "মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ কার কাজ?", + "answers": { + "text": [ + "বিচার বিভাগের কাজ" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_903", + "title": "id_902_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "মৌলিক ���ধিকার সংরক্ষণও বিচার বিভাগের কাজ, কারণ জনগণের অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শাসন বিভাগের পরামর্শ প্রদানেও বিচার বিভাগের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও, বিচার বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের নাগরিকত্ব, অভিভাবকত্ব নিরূপণ ও নাবালকের সম্পত্তির তত্ত্বাবধানের মতো বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।", + "question": "মৌলিক অধিকার কোথায় লিপিবদ্ধ থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "সংবিধানে" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_904", + "title": "id_903_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "মৌলিক অধিকার সংরক্ষণও বিচার বিভাগের কাজ, কারণ জনগণের অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শাসন বিভাগের পরামর্শ প্রদানেও বিচার বিভাগের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও, বিচার বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের নাগরিকত্ব, অভিভাবকত্ব নিরূপণ ও নাবালকের সম্পত্তির তত্ত্বাবধানের মতো বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।", + "question": "বিচার বিভাগের অন্যান্য ভূমিকা কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_905", + "title": "id_904_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "মৌলিক অধিকার সংরক্ষণও বিচার বিভাগের কাজ, কারণ জনগণের অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শাসন বিভাগের পরামর্শ প্রদানেও বিচার বিভাগের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও, বিচার বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের নাগরিকত্ব, অভিভাবকত্ব নিরূপণ ও নাবালকের সম্পত্তির তত্ত্বাবধানের মতো বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।", + "question": "বিচার বিভাগ কি পরামর্শ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "শাসন বিভাগের" + ], + "answer_start": [ + 131 + ] + } + }, + { + "id": "id_906", + "title": "id_905_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "মৌলিক অধিকার সংরক্ষণও বিচার বিভাগের কাজ, কারণ জনগণের অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শাসন বিভাগের পরামর্শ প্রদানেও বিচার বিভাগের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও, বিচার বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের নাগরিকত্ব, অভিভাবকত্ব নিরূপণ ও নাবালকের সম্পত্তির তত্ত্বাবধানের মতো বিবিধ কার্যাব���ি সম্পাদন করে থাকে।", + "question": "বিচার বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের কি নিরূপণ করে?\t", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিকত্ব" + ], + "answer_start": [ + 228 + ] + } + }, + { + "id": "id_907", + "title": "id_906_বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", + "context": "মৌলিক অধিকার সংরক্ষণও বিচার বিভাগের কাজ, কারণ জনগণের অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শাসন বিভাগের পরামর্শ প্রদানেও বিচার বিভাগের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও, বিচার বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের নাগরিকত্ব, অভিভাবকত্ব নিরূপণ ও নাবালকের সম্পত্তির তত্ত্বাবধানের মতো বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।", + "question": "বিচার বিভাগ নাবালকের সম্পত্তির কি তত্ত্বাবধান করে?", + "answers": { + "text": [ + "তত্ত্বাবধান" + ], + "answer_start": [ + 278 + ] + } + }, + { + "id": "id_908", + "title": "id_907_অধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের ভূমিকা", + "context": "বিচার বিভাগ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের স্বাধীনতা রক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে। ব্যক্তির মৌলিক অধিকার যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেজন্য বিচার বিভাগ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, বিচার বিভাগ ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করে। নাগরিকদের নাগরিক অধিকার ও সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার রক্ষা করার মাধ্যমেই এ বিভাগ ব্যন্তি স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। এ অধিকার সংরক্ষণ করতে গিয়ে বিচার বিভাগকে কয়েকটি বিশেষ হুকুমনামা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। এ পদ্ধতিগুলো হচ্ছে: ১. ম্যানডেমাস রিট, ২. সার্টিওয়ারি রিট, ৩. প্রহিবিশন রিট, 8. হেবিয়াস কর্পাস রিট, ৫. কোওয়ারেন্টো রিট ইত্যাদি । এ সকল রিট আবেদন বা হুকুমনামাগুলো জারি করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের রয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে অধিকারবঞ্চিত যে কোনো ব্যক্তির আবেদনক্রমে বিচার 'বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে বিচারের জন্য আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মানবাধিকার সংরক্ষণে স্বপ্রণোদিত হয়ে বিভিন্ন জনগুরুত্পূর্ণ রিট জারি করেছে, যা জনমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।", + "question": "বিচার বিভাগ নাগরিকদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য কি ব্যবস্থা করে?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিকদের স্বাধীনতা রক্ষার ব্যবস্থা করে" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_909", + "title": "id_908_অধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের ভূমিকা", + "context": "বিচার বিভাগ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের স্বাধীনতা রক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে। ব্যক্তির মৌলিক অধিকার যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেজন্য বিচার বিভাগ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, বিচার বিভাগ ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করে। নাগরিকদের নাগরিক অধিকার ও সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার রক্ষা করার মাধ্যমেই এ বিভাগ ব্যন্তি স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। এ অধিকার সংরক্ষণ করতে গিয়ে বিচার বিভাগকে কয়েকটি বিশেষ হুকুমনামা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। এ পদ্ধতিগুলো হচ্ছে: ১. ম্যানডেমাস রিট, ২. সার্টিওয়ারি রিট, ৩. প্রহিবিশন রিট, 8. হেবিয়াস কর্পাস রিট, ৫. কোওয়ারেন্টো রিট ইত্যাদি । এ সকল রিট আবেদন বা হুকুমনামাগুলো জারি করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের রয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে অধিকারবঞ্চিত যে কোনো ব্যক্তির আবেদনক্রমে বিচার 'বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে বিচারের জন্য আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মানবাধিকার সংরক্ষণে স্বপ্রণোদিত হয়ে বিভিন্ন জনগুরুত্পূর্ণ রিট জারি করেছে, যা জনমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।", + "question": "বিচার বিভাগ মৌলিক অধিকার রক্ষায় কিভাবে কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিক অধিকার ও সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার রক্ষা" + ], + "answer_start": [ + 258 + ] + } + }, + { + "id": "id_910", + "title": "id_909_অধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের ভূমিকা", + "context": "বিচার বিভাগ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের স্বাধীনতা রক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে। ব্যক্তির মৌলিক অধিকার যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেজন্য বিচার বিভাগ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, বিচার বিভাগ ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করে। নাগরিকদের নাগরিক অধিকার ও সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার রক্ষা করার মাধ্যমেই এ বিভাগ ব্যন্তি স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। এ অধিকার সংরক্ষণ করতে গিয়ে বিচার বিভাগকে কয়েকটি বিশেষ হুকুমনামা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। এ পদ্ধতিগুলো হচ্ছে: ১. ম্যানডেমাস রিট, ২. সার্টিওয়ারি রিট, ৩. প্রহিবিশন রিট, 8. হেবিয়াস কর্পাস রিট, ৫. কোওয়ারেন্টো রি�� ইত্যাদি । এ সকল রিট আবেদন বা হুকুমনামাগুলো জারি করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের রয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে অধিকারবঞ্চিত যে কোনো ব্যক্তির আবেদনক্রমে বিচার 'বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে বিচারের জন্য আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মানবাধিকার সংরক্ষণে স্বপ্রণোদিত হয়ে বিভিন্ন জনগুরুত্পূর্ণ রিট জারি করেছে, যা জনমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।", + "question": "বিচার বিভাগ অধিকার সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশেষ হুকুমনামা পদ্ধতি অবলম্বন" + ], + "answer_start": [ + 426 + ] + } + }, + { + "id": "id_911", + "title": "id_910_অধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের ভূমিকা", + "context": "বিচার বিভাগ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের স্বাধীনতা রক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে। ব্যক্তির মৌলিক অধিকার যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেজন্য বিচার বিভাগ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, বিচার বিভাগ ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করে। নাগরিকদের নাগরিক অধিকার ও সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার রক্ষা করার মাধ্যমেই এ বিভাগ ব্যন্তি স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। এ অধিকার সংরক্ষণ করতে গিয়ে বিচার বিভাগকে কয়েকটি বিশেষ হুকুমনামা পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। এ পদ্ধতিগুলো হচ্ছে: ১. ম্যানডেমাস রিট, ২. সার্টিওয়ারি রিট, ৩. প্রহিবিশন রিট, 8. হেবিয়াস কর্পাস রিট, ৫. কোওয়ারেন্টো রিট ইত্যাদি । এ সকল রিট আবেদন বা হুকুমনামাগুলো জারি করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের রয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে অধিকারবঞ্চিত যে কোনো ব্যক্তির আবেদনক্রমে বিচার 'বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে বিচারের জন্য আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মানবাধিকার সংরক্ষণে স্বপ্রণোদিত হয়ে বিভিন্ন জনগুরুত্পূর্ণ রিট জারি করেছে, যা জনমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।", + "question": "বিচার বিভাগের বিশেষ হুকুমনামাগুলোর মধ্যে কি কি অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + " ১. ম্যানডেমাস রিট, ২. সার্টিওয়ারি রিট, ৩. প্রহিবিশন রিট, 8. হেবিয়াস কর্পাস রিট, ৫. কোওয়ারেন্টো রিট" + ], + "answer_start": [ + 486 + ] + } + }, + { + "id": "id_912", + "title": "id_911_বিচারপতি নিয়োগ ব্যবস্থা", + "context": "বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। বিভিন্ন দেশের উচ্চ বিচারালয়ের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়, যথা- জনসাধারণ কর্তৃক নির্বাচন, আইনসভা কর্তৃক নির্বাচন, শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক নিয়োগ প্রভৃতি। বাংলাদেশ সংবিধানে বিচারকদের নিয়োগ সংক্কান্ত যোগ্যতার শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি কতিপয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতির পরামর্শর্বুমে বিচারকদের নিয়োগ প্রদান করেন। এটাই হলো এদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার একটি গুরুত্পূর্ণ পদক্ষেপ অন্যান্য দুটি পদ্ধতিতে বিভিন্ন জটিলতা থাকায় বর্তমানে অধিকাংশ রাষ্ট্র সাধারণত শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক বিচারপতি নিয়োগ করে থাকে। প্রধান বিচারপতি ও উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের নিয়োগ সাধারণত রাষ্ট্রপতি দিয়ে থাকেন। তবে অধস্তন আদালতসমূহের 'বিচারকগণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।", + "question": "বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_913", + "title": "id_912_বিচারপতি নিয়োগ ব্যবস্থা", + "context": "বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। বিভিন্ন দেশের উচ্চ বিচারালয়ের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়, যথা- জনসাধারণ কর্তৃক নির্বাচন, আইনসভা কর্তৃক নির্বাচন, শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক নিয়োগ প্রভৃতি। বাংলাদেশ সংবিধানে বিচারকদের নিয়োগ সংক্কান্ত যোগ্যতার শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি কতিপয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতির পরামর্শর্বুমে বিচারকদের নিয়োগ প্রদান করেন। এটাই হলো এদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার একটি গুরুত্পূর্ণ পদক্ষেপ অন্যান্য দুটি পদ্ধতিতে বিভিন্ন জটিলতা থাকায় বর্তমানে অধিকাংশ রাষ্ট্র সাধারণত শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক বিচারপতি নিয়োগ করে থাকে। প্রধান বিচারপতি ও উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের নিয়োগ সাধারণত রাষ্ট্রপতি দিয়ে থাকেন। তবে অধস্তন আদালতসমূহের 'বিচারকগণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।", + "question": "বিভিন্ন দেশের উচ্চ বিচারালয়ে বিচারক নিয়োগের প��্ধতিগুলো কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণ কর্তৃক নির্বাচন, আইনসভা কর্তৃক নির্বাচন, শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক নিয়োগ" + ], + "answer_start": [ + 173 + ] + } + }, + { + "id": "id_914", + "title": "id_913_বিচারপতি নিয়োগ ব্যবস্থা", + "context": "বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। বিভিন্ন দেশের উচ্চ বিচারালয়ের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়, যথা- জনসাধারণ কর্তৃক নির্বাচন, আইনসভা কর্তৃক নির্বাচন, শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক নিয়োগ প্রভৃতি। বাংলাদেশ সংবিধানে বিচারকদের নিয়োগ সংক্কান্ত যোগ্যতার শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি কতিপয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতির পরামর্শর্বুমে বিচারকদের নিয়োগ প্রদান করেন। এটাই হলো এদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার একটি গুরুত্পূর্ণ পদক্ষেপ অন্যান্য দুটি পদ্ধতিতে বিভিন্ন জটিলতা থাকায় বর্তমানে অধিকাংশ রাষ্ট্র সাধারণত শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক বিচারপতি নিয়োগ করে থাকে। প্রধান বিচারপতি ও উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের নিয়োগ সাধারণত রাষ্ট্রপতি দিয়ে থাকেন। তবে অধস্তন আদালতসমূহের 'বিচারকগণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।", + "question": "বাংলাদেশে বিচারকদের নিয়োগের যোগ্যতার শর্তাবলি কি?", + "answers": { + "text": [ + "সংবিধানে বিচারকদের নিয়োগ সংক্কান্ত যোগ্যতার শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে" + ], + "answer_start": [ + 275 + ] + } + }, + { + "id": "id_915", + "title": "id_914_বিচারপতি নিয়োগ ব্যবস্থা", + "context": "বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। বিভিন্ন দেশের উচ্চ বিচারালয়ের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়, যথা- জনসাধারণ কর্তৃক নির্বাচন, আইনসভা কর্তৃক নির্বাচন, শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক নিয়োগ প্রভৃতি। বাংলাদেশ সংবিধানে বিচারকদের নিয়োগ সংক্কান্ত যোগ্যতার শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি কতিপয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতির পরামর্শর্বুমে বিচারকদের নিয়োগ প্রদান করেন। এটাই হলো এদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার একটি গুরুত্পূর্ণ পদক্ষেপ অন্যান্য দুটি পদ্ধতিতে বিভিন্ন জটিলতা থাকায় বর্তমানে অধিকাংশ রাষ্ট্র সাধারণত শাস��� বিভাগের প্রধান কর্তৃক বিচারপতি নিয়োগ করে থাকে। প্রধান বিচারপতি ও উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের নিয়োগ সাধারণত রাষ্ট্রপতি দিয়ে থাকেন। তবে অধস্তন আদালতসমূহের 'বিচারকগণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।", + "question": "বিচারকদের নিয়োগে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা কি?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধান বিচারপতির পরামর্শর্বুমে বিচারকদের নিয়োগ" + ], + "answer_start": [ + 385 + ] + } + }, + { + "id": "id_916", + "title": "id_915_বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা", + "context": "একটি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধির জন্য সুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় । প্রশাসনিক শিথিলতা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। প্রশাসনিক কার্যক্রমের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন প্রশাসনের সাথে জনগণের সহযোগিতা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতার পূর্বে বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানের অধীনে একটি প্রদেশ। এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল প্রাদেশিক। পাকিস্তান শাসনামলে এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গণমুখী হয়ে ওঠেনি। স্বাধীনতার পর ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজের পরিপ্রেক্ষিতে পুরাতন প্রশাসনিক ব্যবস্থা অনেকটা যুগোপযোগী হয়ে ওঠে । প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির পরিবর্তে এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। বর্তমান বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তরগুলো হলো : ১. কেন্দ্র, ২. বিভাগ, ৩. জেলা ও ৪. উপজেলা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা অধিদপ্তর নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন ব্যবস্থা গঠিত। শাসন সংক্রান্ত এক 'বা একাধিক বিভাগ একটি মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত। একটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান হলেন মন্ত্রী । আর সচিব হচ্ছেন মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা। প্রতিটি বিভাগের বা মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত রয়েছে বিভাগ বা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক। এছাড়া এসব অধিদপ্তরের অধীনে পূর্ণ বা আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বোর্ড ও কর্পোরেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার কর্তৃক গৃহীত আইন, নীতিমালা, কর্মসূচি কিংবা প্রকল্পের বাস্তবায়ন এসব সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সরকারি কর্মকর্তা তথা আমলাদের প্রশাসন পরিচালনার ভিত্তি হলো সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের জ্ঞান এবং প্রশাসনিক কাজ সম্পর্কিত প্রয়োজনী��় প্রশিক্ষণ।", + "question": "প্রশাসনিক শিথিলতা কি ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 118 + ] + } + }, + { + "id": "id_917", + "title": "id_916_বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা", + "context": "একটি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধির জন্য সুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় । প্রশাসনিক শিথিলতা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। প্রশাসনিক কার্যক্রমের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন প্রশাসনের সাথে জনগণের সহযোগিতা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতার পূর্বে বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানের অধীনে একটি প্রদেশ। এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল প্রাদেশিক। পাকিস্তান শাসনামলে এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গণমুখী হয়ে ওঠেনি। স্বাধীনতার পর ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজের পরিপ্রেক্ষিতে পুরাতন প্রশাসনিক ব্যবস্থা অনেকটা যুগোপযোগী হয়ে ওঠে । প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির পরিবর্তে এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। বর্তমান বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তরগুলো হলো : ১. কেন্দ্র, ২. বিভাগ, ৩. জেলা ও ৪. উপজেলা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা অধিদপ্তর নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন ব্যবস্থা গঠিত। শাসন সংক্রান্ত এক 'বা একাধিক বিভাগ একটি মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত। একটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান হলেন মন্ত্রী । আর সচিব হচ্ছেন মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা। প্রতিটি বিভাগের বা মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত রয়েছে বিভাগ বা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক। এছাড়া এসব অধিদপ্তরের অধীনে পূর্ণ বা আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বোর্ড ও কর্পোরেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার কর্তৃক গৃহীত আইন, নীতিমালা, কর্মসূচি কিংবা প্রকল্পের বাস্তবায়ন এসব সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সরকারি কর্মকর্তা তথা আমলাদের প্রশাসন পরিচালনার ভিত্তি হলো সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের জ্ঞান এবং প্রশাসনিক কাজ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ।", + "question": "১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কি ঘটেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে" + ], + "answer_start": [ + 264 + ] + } + }, + { + "id": "id_918", + "title": "id_917_বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যব��্থা", + "context": "একটি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধির জন্য সুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় । প্রশাসনিক শিথিলতা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। প্রশাসনিক কার্যক্রমের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন প্রশাসনের সাথে জনগণের সহযোগিতা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতার পূর্বে বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানের অধীনে একটি প্রদেশ। এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল প্রাদেশিক। পাকিস্তান শাসনামলে এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গণমুখী হয়ে ওঠেনি। স্বাধীনতার পর ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজের পরিপ্রেক্ষিতে পুরাতন প্রশাসনিক ব্যবস্থা অনেকটা যুগোপযোগী হয়ে ওঠে । প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির পরিবর্তে এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। বর্তমান বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তরগুলো হলো : ১. কেন্দ্র, ২. বিভাগ, ৩. জেলা ও ৪. উপজেলা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা অধিদপ্তর নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন ব্যবস্থা গঠিত। শাসন সংক্রান্ত এক 'বা একাধিক বিভাগ একটি মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত। একটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান হলেন মন্ত্রী । আর সচিব হচ্ছেন মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা। প্রতিটি বিভাগের বা মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত রয়েছে বিভাগ বা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক। এছাড়া এসব অধিদপ্তরের অধীনে পূর্ণ বা আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বোর্ড ও কর্পোরেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার কর্তৃক গৃহীত আইন, নীতিমালা, কর্মসূচি কিংবা প্রকল্পের বাস্তবায়ন এসব সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সরকারি কর্মকর্তা তথা আমলাদের প্রশাসন পরিচালনার ভিত্তি হলো সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের জ্ঞান এবং প্রশাসনিক কাজ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ।", + "question": "স্বাধীনতার পর পুরাতন প্রশাসনিক ব্যবস্থা কেন যুগোপযোগী হলো?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজের পরিপ্রেক্ষিতে" + ], + "answer_start": [ + 475 + ] + } + }, + { + "id": "id_919", + "title": "id_918_কেন্দ্রীয় প্রশাসন", + "context": "সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ। সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়। সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্র��ালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন। মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যত্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান। মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব। সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে। তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন। মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন। বাংলাদেশের প্রশাসন আমলাতান্ত্রিক। প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব। ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন। পদসোপানটি পাশে চিত্রিত হলো ৷ প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়। সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়। সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না। একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব,অতিরিত্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন ৷ তবে কর্মকর্তাদের সংখ্যা কতজন হবে তা মন্ত্রণালয়ের পুরুত্‌ব ও কার্যাবলির ব্যাপকতার ওপর নির্ভর করে। সচিবালয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত ক্রমান্বয়ে বিভাগে, জেলা প্রশাসনে এবং উপজেলা প্রশাসনে প্রেরিত হয়। তাই দেখা যায় যে, সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত। সকল বিভাগ, দপ্তর ও সংকথাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।", + "question": "সচিবালয় বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "শাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_920", + "title": "id_919_কেন্দ্রীয় প্রশাসন", + "context": "স��ক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ। সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়। সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন। মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যত্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান। মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব। সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে। তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন। মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন। বাংলাদেশের প্রশাসন আমলাতান্ত্রিক। প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব। ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন। পদসোপানটি পাশে চিত্রিত হলো ৷ প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়। সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়। সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না। একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব,অতিরিত্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন ৷ তবে কর্মকর্তাদের সংখ্যা কতজন হবে তা মন্ত্রণালয়ের পুরুত্‌ব ও কার্যাবলির ব্যাপকতার ওপর নির্ভর করে। সচিবালয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত ক্রমান্বয়ে বিভাগে, জেলা প্রশাসনে এবং উপজেলা প্রশাসনে প্রেরিত হয়। তাই দেখা যায় যে, সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত। সকল বিভাগ, দপ্তর ও সংকথাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।", + "question": "একজন মন্ত্রী কি ধরনের ব্য���্তি?", + "answers": { + "text": [ + "একজন রাজনৈতিক ব্যত্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান" + ], + "answer_start": [ + 344 + ] + } + }, + { + "id": "id_921", + "title": "id_920_কেন্দ্রীয় প্রশাসন", + "context": "সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ। সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়। সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন। মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যত্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান। মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব। সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে। তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন। মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন। বাংলাদেশের প্রশাসন আমলাতান্ত্রিক। প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব। ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন। পদসোপানটি পাশে চিত্রিত হলো ৷ প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়। সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়। সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না। একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব,অতিরিত্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন ৷ তবে কর্মকর্তাদের সংখ্যা কতজন হবে তা মন্ত্রণালয়ের পুরুত্‌ব ও কার্যাবলির ব্যাপকতার ওপর নির্ভর করে। সচিবালয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত ক্রমান্বয়ে বিভাগে, জেলা প্রশাসনে এবং উপজেলা প্রশাসনে প্রেরিত হয়। ��াই দেখা যায় যে, সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত। সকল বিভাগ, দপ্তর ও সংকথাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।", + "question": "মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?", + "answers": { + "text": [ + "সচিব" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_922", + "title": "id_921_কেন্দ্রীয় প্রশাসন", + "context": "সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ। সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়। সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে। প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন। মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যত্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান। মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব। সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে। তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন। মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন। বাংলাদেশের প্রশাসন আমলাতান্ত্রিক। প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব। ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন। পদসোপানটি পাশে চিত্রিত হলো ৷ প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়। সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়। সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না। একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব,অতিরিত্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন ৷ তবে কর্মকর্তাদের সংখ্যা কতজন হবে তা মন্ত্রণালয়ের পুরু��্‌ব ও কার্যাবলির ব্যাপকতার ওপর নির্ভর করে। সচিবালয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত ক্রমান্বয়ে বিভাগে, জেলা প্রশাসনে এবং উপজেলা প্রশাসনে প্রেরিত হয়। তাই দেখা যায় যে, সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত। সকল বিভাগ, দপ্তর ও সংকথাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।", + "question": "সচিবের দায়িত্ব কি?", + "answers": { + "text": [ + "মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে।" + ], + "answer_start": [ + 627 + ] + } + }, + { + "id": "id_923", + "title": "id_922_বাংলাদেশে স্থানীয় প্রশাসনের গঠন ও কাজ", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রে কোনো না কোনোরূপ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এর প্রকৃতি বা ধরন এক ও অভিন্ন নয়। একটি দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ন্যায় এর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও অন্য আরেকটি দেশ থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। এই ভিন্নতার মূলে রয়েছে, একটি নির্দিষ্ট দেশের ভৌগোলিক অবস্থা, জাতিসত্তা, ইতিহাস-এঁতিহ্য, অভিজ্ঞতা, পরিবর্তন ধারা, উৎপাদন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ইত্যাদি। বাঙালি জাতি-রাষ্ট্র গঠনের মতো আমাদের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও নানা এঁতিহাসিক পট পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে৷ সময়ে সময়ে এখনও তা পুনর্বিন্যসত হচ্ছে।", + "question": "স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কি প্রতিটি দেশে একই?", + "answers": { + "text": [ + "না" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_924", + "title": "id_923_বাংলাদেশে স্থানীয় প্রশাসনের গঠন ও কাজ", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রে কোনো না কোনোরূপ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এর প্রকৃতি বা ধরন এক ও অভিন্ন নয়। একটি দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ন্যায় এর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও অন্য আরেকটি দেশ থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। এই ভিন্নতার মূলে রয়েছে, একটি নির্দিষ্ট দেশের ভৌগোলিক অবস্থা, জাতিসত্তা, ইতিহাস-এঁতিহ্য, অভিজ্ঞতা, পরিবর্তন ধারা, উৎপাদন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ইত্যাদি। বাঙালি জাতি-রাষ্ট্র গঠনের মতো আমাদের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও নানা এঁতিহাসিক পট পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে৷ সময়ে সময়ে এখনও তা পুনর্বিন্যসত হচ্ছে।", + "question": "কোন বিষয়গুলো স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ভিন্নতার মূলে?", + "answers": { + "text": [ + "ভৌগোলিক অবস্থা, জাতিসত্তা, ইতিহাস-এঁতিহ্য, অভিজ্ঞতা, পরিবর্ত�� ধারা, উৎপাদন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি" + ], + "answer_start": [ + 254 + ] + } + }, + { + "id": "id_925", + "title": "id_924_বাংলাদেশে স্থানীয় প্রশাসনের গঠন ও কাজ", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রে কোনো না কোনোরূপ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এর প্রকৃতি বা ধরন এক ও অভিন্ন নয়। একটি দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ন্যায় এর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও অন্য আরেকটি দেশ থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। এই ভিন্নতার মূলে রয়েছে, একটি নির্দিষ্ট দেশের ভৌগোলিক অবস্থা, জাতিসত্তা, ইতিহাস-এঁতিহ্য, অভিজ্ঞতা, পরিবর্তন ধারা, উৎপাদন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ইত্যাদি। বাঙালি জাতি-রাষ্ট্র গঠনের মতো আমাদের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও নানা এঁতিহাসিক পট পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে৷ সময়ে সময়ে এখনও তা পুনর্বিন্যসত হচ্ছে।", + "question": "স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কিভাবে অগ্রসর হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "পট পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া" + ], + "answer_start": [ + 443 + ] + } + }, + { + "id": "id_926", + "title": "id_925_বাংলাদেশে স্থানীয় প্রশাসনের গঠন ও কাজ", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রে কোনো না কোনোরূপ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এর প্রকৃতি বা ধরন এক ও অভিন্ন নয়। একটি দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ন্যায় এর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও অন্য আরেকটি দেশ থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। এই ভিন্নতার মূলে রয়েছে, একটি নির্দিষ্ট দেশের ভৌগোলিক অবস্থা, জাতিসত্তা, ইতিহাস-এঁতিহ্য, অভিজ্ঞতা, পরিবর্তন ধারা, উৎপাদন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ইত্যাদি। বাঙালি জাতি-রাষ্ট্র গঠনের মতো আমাদের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাও নানা এঁতিহাসিক পট পরিবর্তন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে৷ সময়ে সময়ে এখনও তা পুনর্বিন্যসত হচ্ছে।", + "question": "স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রকৃতি কী?", + "answers": { + "text": [ + "এক ও অভিন্ন নয়" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_927", + "title": "id_926_স্থানীয় প্রশাসন", + "context": "স্থানীয় শাসন বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায় । প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ল্ত্রণকে নিযমন্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি স��দ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যন্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য। উদাহরণ হিসেবে আমাদের দেশে বিভাগীয় কমিশনার , জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কথা উল্লেখ করা যায়।", + "question": "স্থানীয় শাসন বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_928", + "title": "id_927_স্থানীয় প্রশাসন", + "context": "স্থানীয় শাসন বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায় । প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ল্ত্রণকে নিযমন্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যন্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য। উদাহরণ হিসেবে আমাদের দেশে বিভাগীয় কমিশনার , জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কথা উল্লেখ করা যায়।", + "question": "স্থানীয় শাসনের সৃষ্টি কেন হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রশাসনের সুবিধার্থে" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_929", + "title": "id_928_স্থানীয় প্রশাসন", + "context": "স্থানীয় শাসন বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায় । প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ল্ত্রণকে নিযমন্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যন্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য। উদাহরণ হিসেবে আমাদের দেশে বিভাগীয় কমিশনার , জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কথা উল্লেখ করা যায়।", + "question": "স্থানীয় শাসনের মূল উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন" + ], + "answer_start": [ + 236 + ] + } + }, + { + "id": "id_930", + "title": "id_929_স্থানীয় প্রশাসন", + "context": "স্থানীয় শাসন বলতে সা��ারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায় । প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ল্ত্রণকে নিযমন্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যন্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য। উদাহরণ হিসেবে আমাদের দেশে বিভাগীয় কমিশনার , জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কথা উল্লেখ করা যায়।", + "question": "বাংলাদেশে স্থানীয় শাসনের উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "বিভাগীয় কমিশনার , জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের" + ], + "answer_start": [ + 448 + ] + } + }, + { + "id": "id_931", + "title": "id_930_বিভাগীয় প্রশাসন", + "context": "কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৭টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে- ১. ঢাকা বিভাগ ২. চট্টগ্রাম বিভাগ ৩. রাজশাহী বিভাগ 8. খুলনা বিভাগ ৫. বরিশাল বিভাগ ৬. সিলেট বিভাগ ৭. রংপুর বিভাগ ও ৮. ময়মনসিংহ বিভাগ । বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষে অবস্থান করেন বিভাগীয় কমিশনার। একজন অতিরিক্ত কমিশনার এবং কমিশনারের ব্যক্তিগত সহকারীসহ বহুসংখ্যক কর্মচারী বিভাগীয় প্রশাসনে কর্মরত থাকেন। বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি একজন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা । তিনি মূলত বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি করেন। তিনি বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন । বিভাগের জনকল্যাণমূলক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন তার দায়িত্ব। সাহায্য ও সেবামূলক কাজ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদিও তাকে করতে হয়। বস্তুত তিনি বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।", + "question": "বাংলাদেশে বিভাগ কতটি?", + "answers": { + "text": [ + "৭টি বিভাগে" + ], + "answer_start": [ + 119 + ] + } + }, + { + "id": "id_932", + "title": "id_931_বিভাগীয় প্রশাসন", + "context": "কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৭টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে- ১. ঢাকা বিভাগ ২. চট্টগ্রাম বিভাগ ৩. রাজশাহী বিভাগ 8. খুলনা বিভাগ ৫. বরিশাল বিভাগ ৬. সিলেট বিভাগ ৭. রংপুর বিভাগ ও ৮. ময়মনসিংহ বিভাগ । বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষে অবস্থান করেন বিভাগীয় কমিশনার। একজন অতিরিক্ত কমিশনার এবং কমিশনারের ব্যক্তিগত সহকারীসহ বহুসংখ্যক কর্মচারী বিভাগীয় প্রশাসনে কর্মরত থাকেন। বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি একজন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা । তিনি মূলত বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি করেন। তিনি বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন । বিভাগের জনকল্যাণমূলক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন তার দায়িত্ব। সাহায্য ও সেবামূলক কাজ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদিও তাকে করতে হয়। বস্তুত তিনি বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।", + "question": "বাংলাদেশে কোন কোন বিভাগ আছে?", + "answers": { + "text": [ + " ১. ঢাকা বিভাগ ২. চট্টগ্রাম বিভাগ ৩. রাজশাহী বিভাগ 8. খুলনা বিভাগ ৫. বরিশাল বিভাগ ৬. সিলেট বিভাগ ৭. রংপুর বিভাগ ও ৮. ময়মনসিংহ বিভাগ" + ], + "answer_start": [ + 148 + ] + } + }, + { + "id": "id_933", + "title": "id_932_বিভাগীয় প্রশাসন", + "context": "কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৭টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে- ১. ঢাকা বিভাগ ২. চট্টগ্রাম বিভাগ ৩. রাজশাহী বিভাগ 8. খুলনা বিভাগ ৫. বরিশাল বিভাগ ৬. সিলেট বিভাগ ৭. রংপুর বিভাগ ও ৮. ময়মনসিংহ বিভাগ । বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষে অবস্থান করেন বিভাগীয় কমিশনার। একজন অতিরিক্ত কমিশনার এবং কমিশনারের ব্যক্তিগত সহকারীসহ বহুসংখ্যক কর্মচারী বিভাগীয় প্রশাসনে কর্মরত থাকেন। বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি একজন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা । তিনি মূলত বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি করেন। তিনি বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন । বিভাগের জনকল্যাণম���লক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন তার দায়িত্ব। সাহায্য ও সেবামূলক কাজ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদিও তাকে করতে হয়। বস্তুত তিনি বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।", + "question": "বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা কে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভাগীয় কমিশনার" + ], + "answer_start": [ + 322 + ] + } + }, + { + "id": "id_934", + "title": "id_933_বিভাগীয় প্রশাসন", + "context": "কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৭টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে- ১. ঢাকা বিভাগ ২. চট্টগ্রাম বিভাগ ৩. রাজশাহী বিভাগ 8. খুলনা বিভাগ ৫. বরিশাল বিভাগ ৬. সিলেট বিভাগ ৭. রংপুর বিভাগ ও ৮. ময়মনসিংহ বিভাগ । বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষে অবস্থান করেন বিভাগীয় কমিশনার। একজন অতিরিক্ত কমিশনার এবং কমিশনারের ব্যক্তিগত সহকারীসহ বহুসংখ্যক কর্মচারী বিভাগীয় প্রশাসনে কর্মরত থাকেন। বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি একজন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা । তিনি মূলত বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি করেন। তিনি বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন । বিভাগের জনকল্যাণমূলক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন তার দায়িত্ব। সাহায্য ও সেবামূলক কাজ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদিও তাকে করতে হয়। বস্তুত তিনি বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।", + "question": "বিভাগীয় কমিশনারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি" + ], + "answer_start": [ + 629 + ] + } + }, + { + "id": "id_935", + "title": "id_934_বিভাগীয় প্রশাসন", + "context": "কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৭টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে- ১. ঢাকা বিভাগ ২. চট্টগ্রাম বিভাগ ৩. রাজশাহী বিভাগ 8. খুলনা বিভাগ ৫. বরিশাল বিভাগ ৬. সিলেট বিভাগ ৭. রংপুর বিভাগ ও ৮. ময়মনসিংহ বিভাগ । বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষে অবস্থান করেন বিভাগীয় কমিশনার। একজন অতিরিক্ত কমিশনার এবং কমিশনারের ব্যক্তিগত সহকারীসহ বহুসংখ্যক কর্মচারী বিভাগীয় প্রশাসনে কর্মরত থাকেন। বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি একজন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা । তিনি মূলত বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি করেন। তিনি বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন । বিভাগের জনকল্যাণমূলক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন তার দায়িত্ব। সাহায্য ও সেবামূলক কাজ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদিও তাকে করতে হয়। বস্তুত তিনি বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।", + "question": "বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি কে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভাগীয় কমিশনার" + ], + "answer_start": [ + 322 + ] + } + }, + { + "id": "id_936", + "title": "id_935_বিভাগীয় প্রশাসন", + "context": "কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান। বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র দেশকে ৭টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে- ১. ঢাকা বিভাগ ২. চট্টগ্রাম বিভাগ ৩. রাজশাহী বিভাগ 8. খুলনা বিভাগ ৫. বরিশাল বিভাগ ৬. সিলেট বিভাগ ৭. রংপুর বিভাগ ও ৮. ময়মনসিংহ বিভাগ । বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষে অবস্থান করেন বিভাগীয় কমিশনার। একজন অতিরিক্ত কমিশনার এবং কমিশনারের ব্যক্তিগত সহকারীসহ বহুসংখ্যক কর্মচারী বিভাগীয় প্রশাসনে কর্মরত থাকেন। বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা। তিনি একজন যুগ্ম সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা । তিনি মূলত বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি করেন। তিনি বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন । বিভাগের জনকল্যাণমূলক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন তার দায়িত্ব। সাহায্য ও সেবামূলক কাজ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদিও তাকে করতে হয়। বস্তুত তিনি বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।", + "question": "প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব কার?", + "answers": { + "text": [ + "বিভাগীয় কমিশনার" + ], + "answer_start": [ + 322 + ] + } + }, + { + "id": "id_937", + "title": "id_936_জেলা প্রশাসন", + "context": "জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় সতর। প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য । তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরই তার স্থান। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান। বাৎ্লাদেশ সচিবালয়ে জেলা-সংক্কান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়। জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন। আর জেলা প্রশাসকদের কেন্দ্র করেই জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত । জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দায়ী। বিভাগীয় কমিশনার আবার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী। বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে জেলা ও কেন্দ্রের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক।", + "question": "বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি জেলা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "৬৪টি" + ], + "answer_start": [ + 111 + ] + } + }, + { + "id": "id_938", + "title": "id_937_জেলা প্রশাসন", + "context": "জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় সতর। প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য । তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরই তার স্থান। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান। বাৎ্লাদেশ সচিবালয়ে জেলা-সংক্কান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়। জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন। আর জেলা প্রশাসকদের কেন্দ্র করেই জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত । জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দায়ী। বিভাগীয় কমিশনার আবার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী। বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে জেলা ও কেন্দ���রের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক।", + "question": "জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি কে?", + "answers": { + "text": [ + "জেলা প্রশাসক" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_939", + "title": "id_938_জেলা প্রশাসন", + "context": "জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় সতর। প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য । তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরই তার স্থান। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান। বাৎ্লাদেশ সচিবালয়ে জেলা-সংক্কান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়। জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন। আর জেলা প্রশাসকদের কেন্দ্র করেই জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত । জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দায়ী। বিভাগীয় কমিশনার আবার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী। বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে জেলা ও কেন্দ্রের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক।", + "question": "জেলা প্রশাসক কোন পদমর্যাদার কর্মকর্তা?", + "answers": { + "text": [ + "উপসচিব" + ], + "answer_start": [ + 311 + ] + } + }, + { + "id": "id_940", + "title": "id_939_জেলা প্রশাসন", + "context": "জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় সতর। প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য । তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরই তার স্থান। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান। বাৎ্লাদেশ সচিবালয়ে জেলা-সংক্কান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়। জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন। আর জেলা প্রশাসকদের কেন্দ্র করেই জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত । জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দায়ী। বিভাগীয় কমিশনার আবার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী। বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে জেলা ও কেন্দ্রের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক।", + "question": "জেলা ও কেন্দ্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন কে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভাগীয় কমিশনার" + ], + "answer_start": [ + 340 + ] + } + }, + { + "id": "id_941", + "title": "id_940_জেলা প্রশাসন", + "context": "জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় সতর। প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য । তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরই তার স্থান। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান। বাৎ্লাদেশ সচিবালয়ে জেলা-সংক্কান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়। জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন। আর জেলা প্রশাসকদের কেন্দ্র করেই জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত । জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দায়ী। বিভাগীয় কমিশনার আবার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী। বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে জেলা ও কেন্দ্রের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক।", + "question": "জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য কার কাছে দায়ী?", + "answers": { + "text": [ + "বিভাগীয় কমিশনার" + ], + "answer_start": [ + 340 + ] + } + }, + { + "id": "id_942", + "title": "id_941_উপজেলা প্রশাসন", + "context": "উপজেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সতর। প্রতিটি জেলা কয়েকটি উপজেলায় বিভন্ত। বর্তমানে দেশে ৪৯০টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার । তিনি জেলা প্রশাসকের আদেশ বাস্তবায়ন এবং উপজেলার অন্যান্য কাজের সমন্বয় করে থাকেন। তিনি বাৎলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য। উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন। এছাড়া উপজেলার শাসন ব্যবস্থা ও শান্তি-শৃঙ্খলার কাজও তিনি দেখাশুনা করেন। মূলত উপজেলার সকল উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তার দায়িত্ব ।", + "question": "বর্তমানে দেশে কতটি উপজেলা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "৪৯০টি" + ], + "answer_start": [ + 92 + ] + } + }, + { + "id": "id_943", + "title": "id_942_উপজেলা প্রশাসন", + "context": "উপজেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সতর। প্রতিটি জেলা কয়েকটি উপজেলায় বিভন্ত। বর্তমানে দেশে ৪৯০টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার । তিনি জেলা প্রশাসকের আদেশ বাস্তবায়ন এবং উপজেলার অন্যান্য কাজের সমন্বয় করে থাকেন। তিনি বাৎলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য। উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন। এছাড়া উপজেলার শাসন ব্যবস্থা ও শান্তি-শৃঙ্খলার কাজও তিনি দেখাশুনা করেন। মূলত উপজেলার সকল উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তার দায়িত্ব ।", + "question": "উপজেলার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে?", + "answers": { + "text": [ + "উপজেলা নির্বাহী অফিসার" + ], + "answer_start": [ + 146 + ] + } + }, + { + "id": "id_944", + "title": "id_943_উপজেলা প্রশাসন", + "context": "উপজেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সতর। প্রতিটি জেলা কয়েকটি উপজেলায় বিভন্ত। বর্তমানে দেশে ৪৯০টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার । তিনি জেলা প্রশাসকের আদেশ বাস্তবায়ন এবং উপজেলার অন্যান্য কাজের সমন্বয় করে থাকেন। তিনি বাৎলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য। উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন। এছাড়া উপজেলার শাসন ব্যবস্থা ও শান্তি-শৃঙ্খলার কাজও তিনি দেখাশুনা করেন। মূলত উপজেলার সকল উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তার দায়িত্ব ।", + "question": "উপজেলা নির্বাহী অফিসারের একটি কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "জেলা প্রশাসকের আদেশ বাস্তবায়ন" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_945", + "title": "id_944_উপজেলা প্রশাসন", + "context": "উপজেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সতর। প্রতিটি জেলা কয়েকটি উপজেলায় বিভন্ত। বর্তমানে দেশে ৪৯০টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন ��পজেলা নির্বাহী অফিসার । তিনি জেলা প্রশাসকের আদেশ বাস্তবায়ন এবং উপজেলার অন্যান্য কাজের সমন্বয় করে থাকেন। তিনি বাৎলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য। উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন। এছাড়া উপজেলার শাসন ব্যবস্থা ও শান্তি-শৃঙ্খলার কাজও তিনি দেখাশুনা করেন। মূলত উপজেলার সকল উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তার দায়িত্ব ।", + "question": "উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাদের সহায়তায় কাজ করেন?", + "answers": { + "text": [ + "উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাদের" + ], + "answer_start": [ + 295 + ] + } + }, + { + "id": "id_946", + "title": "id_945_উপজেলা প্রশাসন", + "context": "উপজেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সতর। প্রতিটি জেলা কয়েকটি উপজেলায় বিভন্ত। বর্তমানে দেশে ৪৯০টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার । তিনি জেলা প্রশাসকের আদেশ বাস্তবায়ন এবং উপজেলার অন্যান্য কাজের সমন্বয় করে থাকেন। তিনি বাৎলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য। উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন। এছাড়া উপজেলার শাসন ব্যবস্থা ও শান্তি-শৃঙ্খলার কাজও তিনি দেখাশুনা করেন। মূলত উপজেলার সকল উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তার দায়িত্ব ।", + "question": "উপজেলায় উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজ তদারক করার দায়িত্ব কার?", + "answers": { + "text": [ + "উপজেলা নির্বাহী অফিসার" + ], + "answer_start": [ + 146 + ] + } + }, + { + "id": "id_947", + "title": "id_946_স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন", + "context": "স্থানীয় স্বায়ন্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসন বুঝায়। সংশ্লিষ্চ এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্রতিনিধিরা তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- ক. আইনগত ভিত্তি, খ. নির্বাচিত সংস্থা, গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ, ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সপ্তহের ক্ষমতা, ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ল্ত্রণমুত্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি। এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির ��রিশীলিত রূপ। বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি ", + "question": "স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসন" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_948", + "title": "id_947_স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন", + "context": "স্থানীয় স্বায়ন্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসন বুঝায়। সংশ্লিষ্চ এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্রতিনিধিরা তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- ক. আইনগত ভিত্তি, খ. নির্বাচিত সংস্থা, গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ, ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সপ্তহের ক্ষমতা, ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ল্ত্রণমুত্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি। এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ। বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি ", + "question": "স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন কাদের দ্বারা পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচিত প্রতিনিধিদের" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_949", + "title": "id_948_স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন", + "context": "স্থানীয় স্বায়ন্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসন বুঝায়। সংশ্লিষ্চ এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্রতিনিধিরা তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- ক. আইনগত ভিত্তি, খ. নির্বাচিত সংস্থা, গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ, ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সপ্তহের ক্ষমতা, ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ল্ত্রণমুত্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি। এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ। বাংলাদেশের স্থা���ীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি ", + "question": "স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে একটি কী?", + "answers": { + "text": [ + "আইনগত ভিত্তি" + ], + "answer_start": [ + 249 + ] + } + }, + { + "id": "id_950", + "title": "id_949_স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন", + "context": "স্থানীয় স্বায়ন্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসন বুঝায়। সংশ্লিষ্চ এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্রতিনিধিরা তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- ক. আইনগত ভিত্তি, খ. নির্বাচিত সংস্থা, গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ, ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সপ্তহের ক্ষমতা, ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ল্ত্রণমুত্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি। এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ। বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি ", + "question": "বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "ইউনিয়ন পরিষদ" + ], + "answer_start": [ + 640 + ] + } + }, + { + "id": "id_951", + "title": "id_950_স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন", + "context": "স্থানীয় স্বায়ন্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসন বুঝায়। সংশ্লিষ্চ এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্রতিনিধিরা তাদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- ক. আইনগত ভিত্তি, খ. নির্বাচিত সংস্থা, গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ, ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সপ্তহের ক্ষমতা, ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ল্ত্রণমুত্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি। এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ। বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠ��নগুলো হলো- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি ", + "question": "স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ কিসের মাধ্যমে ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া" + ], + "answer_start": [ + 287 + ] + } + }, + { + "id": "id_952", + "title": "id_951_ইউনিয়ন পরিষদ", + "context": "ইউনিয়ন পরিষদ এদেশের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন স্থানীয় প্রতিষ্ঠান। ব্রিটিশপূর্ব আমল থেকে বর্তমান পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, গ্রাম এলাকায় জনপ্রতিনিধিত্বমূলক স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এটি কাজ করছে। ব্রিটিশ আমলে গ্রাম এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার জন্য চৌকিদারি পঞ্চায়েত আইন ১৮৭০ প্রবর্তিত হয়। পাচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করার জন্য এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ১৮৮৫ সালে স্থানীয় পর্যায়ে অধিক দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গীয় স্থানীয় আইন পাস হয়। এই আইনে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন কমিটি, মহকুমা পর্যায়ে মহকুমা বোর্ড ও জেলা পর্যায়ে জেলা বোর্ড গঠন করা হয়। ১৯১৯ সালের পল্লী আইনে চৌকিদারি পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে ইউনিয়ন বোর্ড নামে একটিমাত্র স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। পাকিস্তান আমলে এর নাম হয় ইউনিয়ন কাউন্সিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৬ সালে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পরিষদ ও জেলা পরিষদ - এই তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়। ১৯৯৭ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধিত আইনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। সাধারণত গড়ে ১০-১৫টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত। ইউনিয়ন পরিষদে একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, নয় জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিন জন নির্বাচিত মহিলা সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) থাকবেন। পুর্বে একটি ইউনিয়ন তিনটি ওয়ার্ডে বিভক্ত ছিল । সংশোধিত আইনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৯ (নয়) টিতে উন্নীত করা হয়েছে। প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে একজন করে মোট নয়জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন। প্রতি ৩ ওয়ার্ডে একজন মহিলা সদস্য পুরুষ ও মহিলা সকলের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর। বাংলাদেশে সর্বমোট ৪৫৫৪ টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।", + "question": "চৌকিদারি পঞ্চায়েত আইন কবে প্রবর্তিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৮৭০" + ], + "answer_start": [ + 331 + ] + } + }, + { + "id": "id_953", + "title": "id_952_ঐচ্ছিক কার্যাবলি", + "context": "জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা; বিধবা, এতিম, গরিব ও দুস্থ ব্যক্তিদের সাহায্যকরণ প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাকরণ: প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তদারকি এবং ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া; পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়ন; ইউনিয়নের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, পাঠাগার স্থাপন, উদ্যান ও খেলার মাঠের ব্যবস্থা,গণসংযোগ ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকার্য সম্পাদন; দুস্থ ব্যক্তির তালিকা প্রণয়ন; সকল প্রকার শুমারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন; সরকারি সম্পত্তি, যেমন- সড়ক, সেতু, খাল, বাধ, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, পল্লি বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি ইউনিয়ন পরিষদের এঁচ্ছিক কাজের অন্তর্গত।", + "question": "ইউনিয়ন পরিষদের একটি ঐচ্ছিক কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_954", + "title": "id_953_ঐচ্ছিক কার্যাবলি", + "context": "জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা; বিধবা, এতিম, গরিব ও দুস্থ ব্যক্তিদের সাহায্যকরণ প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাকরণ: প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তদারকি এবং ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া; পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়ন; ইউনিয়নের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, পাঠাগার স্থাপন, উদ্যান ও খেলার মাঠের ব্যবস্থা,গণসংযোগ ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকার্য সম্পাদন; দুস্থ ব্যক্তির তালিকা প্রণয়ন; সকল প্রকার শুমারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন; সরকারি সম্পত্তি, যেমন- সড়ক, সেতু, খাল, বাধ, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, পল্লি বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি ইউনিয়ন পরিষদের এঁচ্ছিক কাজের অন্তর্গত।", + "question": "দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকার্যের দায়িত্ব কার?", + "answers": { + "text": [ + "ইউনিয়ন পরিষদের" + ], + "answer_start": [ + 556 + ] + } + }, + { + "id": "id_955", + "title": "id_954_ঐচ্ছিক কার্যাবলি", + "context": "জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা; বিধবা, এতিম, গরিব ও দুস্�� ব্যক্তিদের সাহায্যকরণ প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাকরণ: প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তদারকি এবং ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া; পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়ন; ইউনিয়নের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, পাঠাগার স্থাপন, উদ্যান ও খেলার মাঠের ব্যবস্থা,গণসংযোগ ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকার্য সম্পাদন; দুস্থ ব্যক্তির তালিকা প্রণয়ন; সকল প্রকার শুমারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন; সরকারি সম্পত্তি, যেমন- সড়ক, সেতু, খাল, বাধ, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, পল্লি বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি ইউনিয়ন পরিষদের এঁচ্ছিক কাজের অন্তর্গত।", + "question": "সরকারি টেলিফোন ও বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার?", + "answers": { + "text": [ + "ইউনিয়ন পরিষদের" + ], + "answer_start": [ + 556 + ] + } + }, + { + "id": "id_956", + "title": "id_955_ঐচ্ছিক কার্যাবলি", + "context": "জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা; বিধবা, এতিম, গরিব ও দুস্থ ব্যক্তিদের সাহায্যকরণ প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাকরণ: প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তদারকি এবং ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া; পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়ন; ইউনিয়নের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, পাঠাগার স্থাপন, উদ্যান ও খেলার মাঠের ব্যবস্থা,গণসংযোগ ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকার্য সম্পাদন; দুস্থ ব্যক্তির তালিকা প্রণয়ন; সকল প্রকার শুমারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন; সরকারি সম্পত্তি, যেমন- সড়ক, সেতু, খাল, বাধ, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, পল্লি বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি ইউনিয়ন পরিষদের এঁচ্ছিক কাজের অন্তর্গত।", + "question": "পল্লি বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ গ্রহণের কাজ কার?", + "answers": { + "text": [ + "ইউনিয়ন পরিষদের" + ], + "answer_start": [ + 556 + ] + } + }, + { + "id": "id_957", + "title": "id_956_উপজেলা পরিষদ", + "context": "বাৎলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্পূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ। দেশের ৬৪টি জেলার ৪৯০টি উপজেলায় স্থানীয় জনগণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে। উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি। এ লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচলন এবং উত্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রি�� ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হয়। এ আইন “উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত। চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হবেন। উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমসংখ্যক আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যারা উত্ত উপজেলার এলাকাভুত্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ কর্তৃক তাদের মধ্য হতেই নির্বাচিত হবেন। উপজেলা পরিষদ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। সকল কাজের সফলতা নির্ভর করবে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "উপজেলা পরিষদ কতটি উপজেলায় গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৪৯০টি উপজেলায়" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_958", + "title": "id_957_উপজেলা পরিষদ", + "context": "বাৎলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্পূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ। দেশের ৬৪টি জেলার ৪৯০টি উপজেলায় স্থানীয় জনগণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে। উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি। এ লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচলন এবং উত্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রিল ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হয়। এ আইন “উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত। চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হবেন। উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমসংখ্যক আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যারা উত্ত উপজেলার এলাকাভুত্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ কর্তৃক তাদের মধ্য হতেই নির্বাচিত হবেন। উপজেলা পরিষদ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। সকল কাজের সফলতা নির্ভর করবে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "উপজেলা ব্যবস্থা কবে প্রথম প্রবর্তন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৮৩ সালে" + ], + "answer_start": [ + 228 + ] + } + }, + { + "id": "id_959", + "title": "id_958_উপজেলা পরিষদ", + "context": "বাৎলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্পূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ। দেশের ৬৪ট�� জেলার ৪৯০টি উপজেলায় স্থানীয় জনগণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে। উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি। এ লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচলন এবং উত্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রিল ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হয়। এ আইন “উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত। চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হবেন। উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমসংখ্যক আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যারা উত্ত উপজেলার এলাকাভুত্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ কর্তৃক তাদের মধ্য হতেই নির্বাচিত হবেন। উপজেলা পরিষদ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। সকল কাজের সফলতা নির্ভর করবে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "উপজেলা পরিষদ আইন কবে পাস হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২০০৯ সালে" + ], + "answer_start": [ + 421 + ] + } + }, + { + "id": "id_960", + "title": "id_959_উপজেলা পরিষদ", + "context": "বাৎলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্পূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ। দেশের ৬৪টি জেলার ৪৯০টি উপজেলায় স্থানীয় জনগণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে। উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি। এ লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচলন এবং উত্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রিল ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হয়। এ আইন “উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত। চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হবেন। উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমসংখ্যক আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যারা উত্ত উপজেলার এলাকাভুত্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ কর্তৃক তাদের মধ্য হতেই নির্বাচিত হবেন। উপজেলা পরিষদ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। সকল কাজের সফলতা নির্ভর করবে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কিভাবে নির্বাচিত হন?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হবেন" + ], + "answer_start": [ + 562 + ] + } + }, + { + "id": "id_961", + "title": "id_960_সিটি কর্পোরেশন", + "context": "ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়েছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে আইনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি কর্পোরেশন হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের এলাকা ও কাজের ওপর এর সদস্যসংখ্যা নির্ভর করে। কর্পোরেশনে একজন মেয়র ও একজন ডেপুটি মেয়র আছেন । তারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। শহরের নানাবিধ সমস্যা, যেমন- পানীয়জলের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্গোরেশন গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় শাসনের মতো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের জীবনধারা উন্নত করার জন্য অপরিহার্য।", + "question": "কোন পৌরসভাগুলো সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_962", + "title": "id_961_সিটি কর্পোরেশন", + "context": "ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়েছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে আইনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি কর্পোরেশন হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের এলাকা ও কাজের ওপর এর সদস্যসংখ্যা নির্ভর করে। কর্পোরেশনে একজন মেয়র ও একজন ডেপুটি মেয়র আছেন । তারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। শহরের নানাবিধ সমস্যা, যেমন- পানীয়জলের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্গোরেশন গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় শাসনের মতো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের জীবনধারা উন্নত করার জন্য অপরিহার্য।", + "question": "ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে কীভাবে বিভক্ত করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "আইনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি কর্পোরেশন হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_963", + "title": "id_962_সিটি কর্পোরেশন", + "context": "ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়েছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে আইনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি কর্পোরেশন হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের এলাকা ও কাজের ওপর এর সদস্যসংখ্যা নির্ভর করে। কর্পোরেশনে একজন মেয়র ও একজন ডেপুটি মেয়র আছেন । তারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। শহরের নানাবিধ সমস্যা, যেমন- পানীয়জলের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্গোরেশন গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় শাসনের মতো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের জীবনধারা উন্নত করার জন্য অপরিহার্য।", + "question": "সিটি কর্পোরেশনের সদস্যসংখ্যা কী নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "এলাকা ও কাজের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 257 + ] + } + }, + { + "id": "id_964", + "title": "id_963_সিটি কর্পোরেশন", + "context": "ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়েছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে আইনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি কর্পোরেশন হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের এলাকা ও কাজের ওপর এর সদস্যসংখ্যা নির্ভর করে। কর্পোরেশনে একজন মেয়র ও একজন ডেপুটি মেয়র আছেন । তারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। শহরের নানাবিধ সমস্যা, যেমন- পানীয়জলের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্গোরেশন গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় শাসনের মতো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের জীবনধারা উন্নত করার জন্য অপরিহার্য।", + "question": "সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও ডেপুটি মেয়র কিভাবে ��ির্বাচিত হন?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন" + ], + "answer_start": [ + 356 + ] + } + }, + { + "id": "id_965", + "title": "id_964_সিটি কর্পোরেশন", + "context": "ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়েছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে আইনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি কর্পোরেশন হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের এলাকা ও কাজের ওপর এর সদস্যসংখ্যা নির্ভর করে। কর্পোরেশনে একজন মেয়র ও একজন ডেপুটি মেয়র আছেন । তারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। শহরের নানাবিধ সমস্যা, যেমন- পানীয়জলের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্গোরেশন গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় শাসনের মতো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের জীবনধারা উন্নত করার জন্য অপরিহার্য।", + "question": "সিটি কর্পোরেশন কেন গঠন করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + " শহরের নানাবিধ সমস্যা" + ], + "answer_start": [ + 391 + ] + } + }, + { + "id": "id_966", + "title": "id_965_স্থানীয় প্রশাসনের গুরুত্ব", + "context": "আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের গুরুত্ব যে কত বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বর্তমানে রাষ্ট্রের আয়তন ও জনসংখ্যা বিশাল। রাজধানীতে বসে কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে দেশের সর্বত্র সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনা, নানা বিষয়ে দৈনন্দিন নজর রাখা, স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও সঠিক সময়ে পদক্ষেপ গ্রহণ, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত ও অঞ্চল নির্বিশেষে সুষম উননয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা দ্বারা তা সহজসাধ্য হয়। স্থানীয় শাসনের শ্রেষ্ঠত্ব হলো এটি কেন্দ্রের মুখাপেক্ষিতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা মুক্ত। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও স্থানীয় উন্নয়নে ত্বরিত উদ্যোগ ও পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হয়। এ ব্যবস্থা স্থানীয় শাসন ও উনুনয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ, সচেতনতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব সৃষ্ণি করে। প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। ফলে গণতন্ত্রের ভিত সুদৃঢ় হয়। রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থা হয় উন্নত।", + "question": "স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের গুরুত্ব কেন বেশি?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে দেশের সর্বত্র সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনা, নানা বিষয়ে দৈনন্দিন নজর রাখা, স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও সঠিক সময়ে পদক্ষেপ গ্রহণ, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত ও অঞ্চল নির্বিশেষে সুষম উননয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না" + ], + "answer_start": [ + 164 + ] + } + }, + { + "id": "id_967", + "title": "id_966_স্থানীয় প্রশাসনের গুরুত্ব", + "context": "আধুনিককালে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের গুরুত্ব যে কত বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বর্তমানে রাষ্ট্রের আয়তন ও জনসংখ্যা বিশাল। রাজধানীতে বসে কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে দেশের সর্বত্র সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনা, নানা বিষয়ে দৈনন্দিন নজর রাখা, স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও সঠিক সময়ে পদক্ষেপ গ্রহণ, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত ও অঞ্চল নির্বিশেষে সুষম উননয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা দ্বারা তা সহজসাধ্য হয়। স্থানীয় শাসনের শ্রেষ্ঠত্ব হলো এটি কেন্দ্রের মুখাপেক্ষিতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা মুক্ত। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও স্থানীয় উন্নয়নে ত্বরিত উদ্যোগ ও পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হয়। এ ব্যবস্থা স্থানীয় শাসন ও উনুনয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ, সচেতনতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব সৃষ্ণি করে। প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। ফলে গণতন্ত্রের ভিত সুদৃঢ় হয়। রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থা হয় উন্নত।", + "question": "স্থানীয় পর্যায়ে সমস্যার সমাধান কীভাবে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "স্থানীয় শাসনে" + ], + "answer_start": [ + 463 + ] + } + }, + { + "id": "id_968", + "title": "id_967_বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন", + "context": "বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সরকার ব্যবস্থা হলো গণতলত্র ৷ বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই গণতন্ত্র ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সাধারণভাবে গণতন্ত্র বলতে বোঝায়, যে শাসন ব্যবস্থায় শাসন ক্ষমতা মুষ্টিমেয় লোকের হাতে পুঞ্জীভূত না থেকে রাষ্ট্রের সব জনসাধারণের ওপর ন্যস্ত থাকে এবং জনগণই তাদের সরকার গঠন করে। গণতন্ত্র হলো এমন এক রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যাতে প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকার থাকে ।", + "question": "বিশ্বের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সরকার ব্যবস্থা কী?", + "answers": { + "text": [ + "গণতন্ত্র" + ], + "answer_start": [ + 97 + ] + } + }, + { + "id": "id_969", + "title": "id_968_বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন", + "context": "বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সরকার ব্যবস্থা হলো গণতলত্র ৷ বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই গণতন্ত্র ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সাধারণভাবে গণতন্ত্র বলতে বোঝায়, যে শাসন ব্যবস্থায় শাসন ক্ষমতা মুষ্টিমেয় লোকের হাতে পুঞ্জীভূত না থেকে রাষ্ট্রের সব জনসাধারণের ওপর ন্যস্ত থাকে এবং জনগণই তাদের সরকার গঠন করে। গণতন্ত্র হলো এমন এক রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যাতে প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকার থাকে ।", + "question": "গণতন্ত্র কী ধরনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা?", + "answers": { + "text": [ + "সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন" + ], + "answer_start": [ + 378 + ] + } + }, + { + "id": "id_970", + "title": "id_969_বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন", + "context": "বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সরকার ব্যবস্থা হলো গণতলত্র ৷ বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই গণতন্ত্র ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সাধারণভাবে গণতন্ত্র বলতে বোঝায়, যে শাসন ব্যবস্থায় শাসন ক্ষমতা মুষ্টিমেয় লোকের হাতে পুঞ্জীভূত না থেকে রাষ্ট্রের সব জনসাধারণের ওপর ন্যস্ত থাকে এবং জনগণই তাদের সরকার গঠন করে। গণতন্ত্র হলো এমন এক রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যাতে প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকার থাকে ।", + "question": "কোন সরকার ব্যবস্থা বিশ্বের অধিকাংশ দেশে জনপ্রিয়?", + "answers": { + "text": [ + "গণতন্ত্র" + ], + "answer_start": [ + 97 + ] + } + }, + { + "id": "id_971", + "title": "id_970_বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন", + "context": "বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সরকার ব্যবস্থা হলো গণতলত্র ৷ বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশেই গণতন্ত্র ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সাধারণভাবে গণতন্ত্র বলতে বোঝায়, যে শাসন ব্যবস্থায় শাসন ক্ষমতা মুষ্টিমেয় লোকের হাতে পুঞ্জ��ভূত না থেকে রাষ্ট্রের সব জনসাধারণের ওপর ন্যস্ত থাকে এবং জনগণই তাদের সরকার গঠন করে। গণতন্ত্র হলো এমন এক রাজনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় যাতে প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকার থাকে ।", + "question": "গণতন্ত্র কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শাসন ক্ষমতা মুষ্টিমেয় লোকের হাতে পুঞ্জীভূত না থেকে রাষ্ট্রের সব জনসাধারণের ওপর ন্যস্ত থাকে" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_972", + "title": "id_971_বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন", + "context": "এ ব্যবস্থায় একাধিক রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ থাকে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা এবং রাষ্ট্রের কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও কল্যাণ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্য | বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এখানে জাতীয় সংসদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এজন্যে সরকার নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে । নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি আচরণবিধি এবং নির্বাচনি আচরণ লঙ্ঘন করার শাস্তির বিধান রয়েছে। এ অধ্যায়ে আমরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন ও নির্বাচনি আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত হব।", + "question": "গণতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও কল্যাণ বৃদ্ধির ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_973", + "title": "id_972_বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন", + "context": "এ ব্যবস্থায় একাধিক রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ থাকে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা এবং রাষ্ট্রের কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও কল্যাণ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্য | বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এখানে জাতীয় সংসদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এজন্যে সরকার নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে । নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি আচরণবিধি এবং নির্বাচনি আচরণ লঙ্ঘন করার শাস্তির বিধান রয়েছে। এ অধ্যায়ে আমরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন ও নির্বাচনি আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত হব।", + "question": "বাংলাদেশে সরকার কোন ধরনের পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 296 + ] + } + }, + { + "id": "id_974", + "title": "id_973_বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন", + "context": "এ ব্যবস্থায় একাধিক রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ থাকে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা এবং রাষ্ট্রের কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও কল্যাণ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্য | বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এখানে জাতীয় সংসদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এজন্যে সরকার নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে । নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি আচরণবিধি এবং নির্বাচনি আচরণ লঙ্ঘন করার শাস্তির বিধান রয়েছে। এ অধ্যায়ে আমরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন ও নির্বাচনি আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত হব।", + "question": "নির্বাচনের জন্য কী ধরনের বিধান রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনি আচরণবিধি এবং নির্বাচনি আচরণ লঙ্ঘন করার শাস্তির বিধান" + ], + "answer_start": [ + 422 + ] + } + }, + { + "id": "id_975", + "title": "id_974_বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন", + "context": "এ ব্যবস্থায় একাধিক রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ থাকে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা এবং রাষ্ট্রের কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও কল্যাণ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক সমাজের বৈশিষ্ট্য | বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এখানে জাতীয় সংসদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এজন্যে সরকার নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে । নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি আচরণবিধি এবং নির্বাচনি আচরণ লঙ্ঘন করার শাস্তির বিধান রয়েছে। এ অধ্যায়ে আমরা বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন ও নির্বাচনি আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত হব।", + "question": "এ অধ্যায়ে কী বিষয়ে আলোচনা করা হবে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন ও নির্বাচনি আচরণবিধি" + ], + "answer_start": [ + 509 + ] + } + }, + { + "id": "id_976", + "title": "id_975_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "আমেরিকার প্রখ্যাত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে- গণতন্ত্র হলো, জনগণের, জনগণের জন্য ও জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থা । অধ্যাপক গেটেলের মতে, 'যে শাসন ব্যবস্থায় জনগণ সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগে অংশ নেয়ার অধিকারী তাই গণতন্ত্র সাধারণ অর্থে, গণতন্ত্র হচ্ছে মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বার্থে গঠিত ও পরিচালিত সরকার। এর অর্থ এই নয় যে, গণতলত্র সংখ্যালঘুর মতামত ও স্বার্থকে উপেক্ষা করবে, বরং গণতন্ত্রের আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান। সুতরাং গণতন্ত্র বিশ শতকের একটি জনপ্রিয় ধারণা, যা বর্তমানে সরকার পরিচালনার সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণেই গণতল্ত্র সমাজ ও রাষ্ট্র সংক্রান্ত অধ্যয়নযোগ্য বিষয়াবলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।", + "question": "আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের কী সংজ্ঞা দিয়েছেন?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের, জনগণের জন্য ও জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_977", + "title": "id_976_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "আমেরিকার প্রখ্যাত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে- গণতন্ত্র হলো, জনগণের, জনগণের জন্য ও জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থা । অধ্যাপক গেটেলের মতে, 'যে শাসন ব্যবস্থায় জনগণ সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগে অংশ নেয়ার অধিকারী তাই গণতন্ত্র সাধারণ অর্থে, গণতন্ত্র হচ্ছে মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বার্থে গঠিত ও পরিচালিত সরকার। এর অর্থ এই নয় যে, গণতলত্র সংখ্যালঘুর মতামত ও স্বার্থকে উপেক্ষা করবে, বরং গণতন্ত্রের আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান। সুতরাং গণতন্ত্র বিশ শতকের একটি জনপ্রিয় ধারণা, যা বর্তমানে সরকার পরিচালনার সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণেই গণতল্ত্র সমাজ ও রাষ্ট্র সংক্রান্ত অধ্যয়নযোগ্য বিষয়াবলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।", + "question": "অধ্যাপক গেটেলের মতে গণতন্ত্র কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণ সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগে অংশ নেয়ার অধিকারী" + ], + "answer_start": [ + 195 + ] + } + }, + { + "id": "id_978", + "title": "id_977_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "আমেরিকার প্রখ্যাত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে- গণতন্ত্র হলো, জনগণের, জনগণের জন্য ও জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থা । অধ্যাপক গেটেলের মতে, 'যে শাসন ব্যবস্থায় জনগণ সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগে অংশ নেয়ার অধিকারী তাই গণতন্ত্র ��াধারণ অর্থে, গণতন্ত্র হচ্ছে মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বার্থে গঠিত ও পরিচালিত সরকার। এর অর্থ এই নয় যে, গণতলত্র সংখ্যালঘুর মতামত ও স্বার্থকে উপেক্ষা করবে, বরং গণতন্ত্রের আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান। সুতরাং গণতন্ত্র বিশ শতকের একটি জনপ্রিয় ধারণা, যা বর্তমানে সরকার পরিচালনার সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণেই গণতল্ত্র সমাজ ও রাষ্ট্র সংক্রান্ত অধ্যয়নযোগ্য বিষয়াবলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।", + "question": "গণতন্ত্র কাদের স্বার্থে পরিচালিত সরকার?", + "answers": { + "text": [ + "সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বার্থে" + ], + "answer_start": [ + 292 + ] + } + }, + { + "id": "id_979", + "title": "id_978_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "আমেরিকার প্রখ্যাত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে- গণতন্ত্র হলো, জনগণের, জনগণের জন্য ও জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থা । অধ্যাপক গেটেলের মতে, 'যে শাসন ব্যবস্থায় জনগণ সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগে অংশ নেয়ার অধিকারী তাই গণতন্ত্র সাধারণ অর্থে, গণতন্ত্র হচ্ছে মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বার্থে গঠিত ও পরিচালিত সরকার। এর অর্থ এই নয় যে, গণতলত্র সংখ্যালঘুর মতামত ও স্বার্থকে উপেক্ষা করবে, বরং গণতন্ত্রের আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান। সুতরাং গণতন্ত্র বিশ শতকের একটি জনপ্রিয় ধারণা, যা বর্তমানে সরকার পরিচালনার সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণেই গণতল্ত্র সমাজ ও রাষ্ট্র সংক্রান্ত অধ্যয়নযোগ্য বিষয়াবলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।", + "question": "গণতন্ত্র কোন শতকের জনপ্রিয় ধারণা?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ শতক" + ], + "answer_start": [ + 467 + ] + } + }, + { + "id": "id_980", + "title": "id_979_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "আমেরিকার প্রখ্যাত প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে- গণতন্ত্র হলো, জনগণের, জনগণের জন্য ও জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থা । অধ্যাপক গেটেলের মতে, 'যে শাসন ব্যবস্থায় জনগণ সার্বভৌম ক্ষমতার প্রয়োগে অংশ নেয়ার অধিকারী তাই গণতন্ত্র সাধারণ অর্থে, গণতন্ত্র হচ্ছে মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বার্থে গঠিত ও পরিচালিত সরকার। এর অর্থ এই নয় যে, গণতলত্র সংখ্যালঘুর মতামত ও স্বার্থকে উপেক্ষা করবে, বরং গণতন্ত্রের আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান। সুতরাং গণতন্ত্র বিশ শতকের একটি জনপ্রিয় ধারণ��, যা বর্তমানে সরকার পরিচালনার সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণেই গণতল্ত্র সমাজ ও রাষ্ট্র সংক্রান্ত অধ্যয়নযোগ্য বিষয়াবলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।", + "question": "গণতন্ত্রের আইনের দৃষ্টিতে সবাই কীভাবে বিবেচিত?", + "answers": { + "text": [ + "সকলেই সমান" + ], + "answer_start": [ + 439 + ] + } + }, + { + "id": "id_981", + "title": "id_980_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "সরকার ব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা একটি এঁতিহাসিক প্রক্লিয়ার ফল। গণতন্ত্র সর্বপ্রথম প্রচলিত হয় প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে৷ গ্রিসের নাগরিক সমাজ গণতলত্র বলতে বুঝতো এমন একটি রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থা যাতে গোটা নাগরিক সমাজ প্রত্যক্ষতাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। এথেন্সিয় গণতন্ত্র পরবর্তীতে চলমান থাকেনি। মধ্যযুগে ধর্ম ও রাজার দ্বৈত শাসন, স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ও সামন্ততান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় অনেকটা সময় কেটে গেছে।", + "question": "গণতন্ত্র সর্বপ্রথম কোথায় প্রচলিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে" + ], + "answer_start": [ + 105 + ] + } + }, + { + "id": "id_982", + "title": "id_981_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "সরকার ব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা একটি এঁতিহাসিক প্রক্লিয়ার ফল। গণতন্ত্র সর্বপ্রথম প্রচলিত হয় প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে৷ গ্রিসের নাগরিক সমাজ গণতলত্র বলতে বুঝতো এমন একটি রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থা যাতে গোটা নাগরিক সমাজ প্রত্যক্ষতাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। এথেন্সিয় গণতন্ত্র পরবর্তীতে চলমান থাকেনি। মধ্যযুগে ধর্ম ও রাজার দ্বৈত শাসন, স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ও সামন্ততান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় অনেকটা সময় কেটে গেছে।", + "question": "প্রাচীন গ্রিসের নাগরিক সমাজ গণতন্ত্র বলতে কী বুঝতো?", + "answers": { + "text": [ + "গোটা নাগরিক সমাজ প্রত্যক্ষতাবে অংশগ্রহণ করতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 206 + ] + } + }, + { + "id": "id_983", + "title": "id_982_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "সরকার ব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা একটি এঁতিহাসিক প্রক্লিয়ার ফল। গণতন্ত্র সর্বপ্রথম প্রচলিত হয় প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে৷ গ্রিসের নাগরিক সমাজ গণতলত্র বলতে বুঝতো এমন একটি রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থা যাতে গোটা নাগরিক সমাজ প্রত্যক্ষতাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। এথেন্সিয় গণতন্ত্র পরবর্তীতে চলমান থাকেনি। মধ্যযুগে ধর্ম ও রাজার দ��বৈত শাসন, স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ও সামন্ততান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় অনেকটা সময় কেটে গেছে।", + "question": "এথেন্সিয় গণতন্ত্র কীভাবে প্রভাবিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "পরবর্তীতে চলমান থাকেনি" + ], + "answer_start": [ + 275 + ] + } + }, + { + "id": "id_984", + "title": "id_983_গণতন্ত্রের ধারণা", + "context": "সরকার ব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা একটি এঁতিহাসিক প্রক্লিয়ার ফল। গণতন্ত্র সর্বপ্রথম প্রচলিত হয় প্রাচীন গ্রিসের এথেন্সে৷ গ্রিসের নাগরিক সমাজ গণতলত্র বলতে বুঝতো এমন একটি রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থা যাতে গোটা নাগরিক সমাজ প্রত্যক্ষতাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। এথেন্সিয় গণতন্ত্র পরবর্তীতে চলমান থাকেনি। মধ্যযুগে ধর্ম ও রাজার দ্বৈত শাসন, স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ও সামন্ততান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় অনেকটা সময় কেটে গেছে।", + "question": "মধ্যযুগে কী ধরনের শাসনব্যবস্থা প্রচলিত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "ধর্ম ও রাজার দ্বৈত শাসন, স্বৈরতান্ত্রিক শাসন" + ], + "answer_start": [ + 308 + ] + } + }, + { + "id": "id_985", + "title": "id_984_গণতন্ত্র প্রকারভেদ", + "context": "গণতন্ত্র সাধারণত দুটি পদ্ধতিতে কার্যকর হয়, যথা: (১) প্রত্যক্ষ বা বিশুদ্ধ গণতন্ত্র ও (২) পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র", + "question": "গণতন্ত্র কয়টি পদ্ধতিতে কার্যকর হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দুটি পদ্ধতিতে" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_986", + "title": "id_985_প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র", + "context": "যে শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ প্রত্যক্ষ বা সরাসরিভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায় তাকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলা হয়ে থাকে। প্রাচীন গ্রিসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রগুলোতে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক আইন প্রণয়ন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর ধার্য, বিচারকার্য পরিচালনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ করত। সে সময় নাগরিকের ধারণা সীমাবদ্ধ ছিল। রাষ্ট্রের সকলেই নাগরিকত্বের সম্মান পেত না। আধুনিক রাষ্ট্র আয়তনে বিশাল। এর জনসংখ্যাও বেশি। এ অবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কম ৷ তবে সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি অঞ্চলে আর্শিকভাবে এখনও প্রত্যক্ষ গণতনেত্রর ব্যবস্থা চালু আছে।", + "question": "প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র কী?", + "answers": { + "text": [ + "যে শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ প্রত্যক্ষ বা সরাসরিভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_987", + "title": "id_986_প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র", + "context": "যে শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ প্রত্যক্ষ বা সরাসরিভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায় তাকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলা হয়ে থাকে। প্রাচীন গ্রিসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রগুলোতে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক আইন প্রণয়ন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর ধার্য, বিচারকার্য পরিচালনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ করত। সে সময় নাগরিকের ধারণা সীমাবদ্ধ ছিল। রাষ্ট্রের সকলেই নাগরিকত্বের সম্মান পেত না। আধুনিক রাষ্ট্র আয়তনে বিশাল। এর জনসংখ্যাও বেশি। এ অবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কম ৷ তবে সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি অঞ্চলে আর্শিকভাবে এখনও প্রত্যক্ষ গণতনেত্রর ব্যবস্থা চালু আছে।", + "question": "প্রাচীন গ্রিসের কোন রাষ্ট্রগুলোতে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রগুলোতে" + ], + "answer_start": [ + 153 + ] + } + }, + { + "id": "id_988", + "title": "id_987_প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র", + "context": "যে শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ প্রত্যক্ষ বা সরাসরিভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায় তাকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলা হয়ে থাকে। প্রাচীন গ্রিসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রগুলোতে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক আইন প্রণয়ন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর ধার্য, বিচারকার্য পরিচালনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ করত। সে সময় নাগরিকের ধারণা সীমাবদ্ধ ছিল। রাষ্ট্রের সকলেই নাগরিকত্বের সম্মান পেত না। আধুনিক রাষ্ট্র আয়তনে বিশাল। এর জনসংখ্যাও বেশি। এ অবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কম ৷ তবে সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি অঞ্চলে আর্শিকভাবে এখনও প্রত্যক্ষ গণতনেত্রর ব্যবস্থা চালু আছে।", + "question": "নাগরিকরা কোন কোন ক্ষেত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ করত?", + "answers": { + "text": [ + "আইন প্রণয়ন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর ধার্য, বিচারকার্য" + ], + "answer_start": [ + 240 + ] + } + }, + { + "id": "id_989", + "title": "id_988_প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র", + "context": "যে শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ প্রত্যক্ষ বা সরাসর���ভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায় তাকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলা হয়ে থাকে। প্রাচীন গ্রিসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রগুলোতে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক আইন প্রণয়ন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর ধার্য, বিচারকার্য পরিচালনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ করত। সে সময় নাগরিকের ধারণা সীমাবদ্ধ ছিল। রাষ্ট্রের সকলেই নাগরিকত্বের সম্মান পেত না। আধুনিক রাষ্ট্র আয়তনে বিশাল। এর জনসংখ্যাও বেশি। এ অবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কম ৷ তবে সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি অঞ্চলে আর্শিকভাবে এখনও প্রত্যক্ষ গণতনেত্রর ব্যবস্থা চালু আছে।", + "question": "আধুনিক রাষ্ট্রে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কেন কম?", + "answers": { + "text": [ + "আধুনিক রাষ্ট্র আয়তনে বিশাল" + ], + "answer_start": [ + 432 + ] + } + }, + { + "id": "id_990", + "title": "id_989_প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র", + "context": "যে শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ প্রত্যক্ষ বা সরাসরিভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায় তাকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলা হয়ে থাকে। প্রাচীন গ্রিসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রগুলোতে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক আইন প্রণয়ন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর ধার্য, বিচারকার্য পরিচালনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ করত। সে সময় নাগরিকের ধারণা সীমাবদ্ধ ছিল। রাষ্ট্রের সকলেই নাগরিকত্বের সম্মান পেত না। আধুনিক রাষ্ট্র আয়তনে বিশাল। এর জনসংখ্যাও বেশি। এ অবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কম ৷ তবে সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি অঞ্চলে আর্শিকভাবে এখনও প্রত্যক্ষ গণতনেত্রর ব্যবস্থা চালু আছে।", + "question": "কোন দেশে এখনও আংশিকভাবে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চালু আছে?", + "answers": { + "text": [ + "সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি অঞ্চলে" + ], + "answer_start": [ + 532 + ] + } + }, + { + "id": "id_991", + "title": "id_990_পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র", + "context": "পরোক্ষ গণতন্ত্র বলতে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতিকেই বোঝায়। এ ধরনের গণতন্ত্রকে প্রতিনিধিতৃমূলক গণতন্ত্র বলা হয়৷ এ পদ্ধতিতে সাধারণত নাগরিকগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করেন না। পরোক্ষ গণতলেত্র নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই আইন প্রণয়নসহ শাসন��ার্য পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতলত্রই প্রচলিত রয়েছে।", + "question": "পরোক্ষ গণতন্ত্র কী?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতি" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_992", + "title": "id_991_পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র", + "context": "পরোক্ষ গণতন্ত্র বলতে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতিকেই বোঝায়। এ ধরনের গণতন্ত্রকে প্রতিনিধিতৃমূলক গণতন্ত্র বলা হয়৷ এ পদ্ধতিতে সাধারণত নাগরিকগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করেন না। পরোক্ষ গণতলেত্র নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই আইন প্রণয়নসহ শাসনকার্য পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতলত্রই প্রচলিত রয়েছে।", + "question": "প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে নাগরিকগণ কীভাবে অংশগ্রহণ করেন?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিকগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করেন না" + ], + "answer_start": [ + 164 + ] + } + }, + { + "id": "id_993", + "title": "id_992_পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র", + "context": "পরোক্ষ গণতন্ত্র বলতে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতিকেই বোঝায়। এ ধরনের গণতন্ত্রকে প্রতিনিধিতৃমূলক গণতন্ত্র বলা হয়৷ এ পদ্ধতিতে সাধারণত নাগরিকগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করেন না। পরোক্ষ গণতলেত্র নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই আইন প্রণয়নসহ শাসনকার্য পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতলত্রই প্রচলিত রয়েছে।", + "question": "পরোক্ষ গণতন্ত্রে কারা শাসনকার্য পরিচালনা করেন?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই" + ], + "answer_start": [ + 225 + ] + } + }, + { + "id": "id_994", + "title": "id_993_পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র", + "context": "পরোক্ষ গণতন্ত্র বলতে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতিকেই বোঝায়। এ ধরনের গণতন্ত্রকে প্রতিনিধিতৃমূলক গণতন্ত্র বলা হয়৷ এ পদ্ধতিতে সাধারণত নাগরিকগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করেন না। পরোক্ষ গণতলেত্র নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই আইন প্রণয়নসহ শাসনকার্য পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থা���েন। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতলত্রই প্রচলিত রয়েছে।", + "question": "আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোন ধরনের গণতন্ত্র প্রচলিত রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "পরোক্ষ গণতন্ত্র" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_995", + "title": "id_994_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো হলো গণতলেত্র আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি হলো দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। এ শাসন ব্যবস্থায় সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হলো জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার স্বৈরাচারী পন্থায় নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ এ শাসনব্যবস্থায় কোনোক্রমেই কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় জনগণের ব্যন্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত।", + "question": "গণতন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো কী?", + "answers": { + "text": [ + "আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_996", + "title": "id_995_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো হলো গণতলেত্র আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি হলো দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। এ শাসন ব্যবস্থায় সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হলো জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার স্বৈরাচারী পন্থায় নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ এ শাসনব্যবস্থায় কোনোক্রমেই কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় জনগণের ব্যন্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত।", + "question": "সরকার কিভাবে নির্বাচিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_997", + "title": "id_996_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো হলো গণতলেত্র আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি হলো দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। এ শাসন ব্যবস্থায় সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হলো জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার স্বৈরাচারী পন্থায় নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ এ শাসনব্যবস্থায় কোনোক্রমেই কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় জনগণের ব্যন্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত।", + "question": "গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার" + ], + "answer_start": [ + 225 + ] + } + }, + { + "id": "id_998", + "title": "id_997_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো হলো গণতলেত্র আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি হলো দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। এ শাসন ব্যবস্থায় সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হলো জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার স্বৈরাচারী পন্থায় নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ এ শাসনব্যবস্থায় কোনোক্রমেই কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় জনগণের ব্যন্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত।", + "question": "গণতন্ত্রে কোন ধরনের আচরণ কাম্য নয়?", + "answers": { + "text": [ + "স্বৈরাচারী পন্থায় নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ" + ], + "answer_start": [ + 252 + ] + } + }, + { + "id": "id_999", + "title": "id_998_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো হলো গণতলেত্র আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি হলো দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। এ শাসন ব্যবস্থায় সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হলো জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার স্বৈরাচারী পন্থায় নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ এ শাসনব্যবস্থায় কোনোক্রমেই কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় জনগণের ব্যন্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত।", + "question": "গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় কাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের স্বার্থকে" + ], + "answer_start": [ + 407 + ] + } + }, + { + "id": "id_1000", + "title": "id_999_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গ���তন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো হলো গণতলেত্র আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি হলো দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। এ শাসন ব্যবস্থায় সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হলো জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার স্বৈরাচারী পন্থায় নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ এ শাসনব্যবস্থায় কোনোক্রমেই কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় জনগণের ব্যন্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত।", + "question": "গণতন্ত্রে কোন ধরনের স্বাধীনতা স্বীকৃত?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যন্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা" + ], + "answer_start": [ + 466 + ] + } + }, + { + "id": "id_1001", + "title": "id_1000_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতানিত্রক ব্যবস্থার বেশকিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিও রয়েছে। প্রাচীনকালের প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ, যেমন- প্লেটো ও আ্যারিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খ বা অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। কেননা, সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতনেত্র নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুীতিগ্রস্ত ব্যক্তিও শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতনেত্রর উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বাস্তবে গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকতে পারে । গণতন্ত্রে বহু পরস্পরবিরোধী মত ও ধারণা দেখা যায়।", + "question": "প্লেটো ও আ্যারিস্টটল গণতন্ত্রকে কীভাবে অভিহিত করেছেন?", + "answers": { + "text": [ + "মূর্খ বা অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_1002", + "title": "id_1001_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতানিত্রক ব্যবস্থার বেশকিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিও রয়েছে। প্রাচীনকালের প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ, যেমন- প্লেটো ও আ্যারিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খ বা অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। কেননা, সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতনেত্র নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুীতিগ্রস্ত ব্যক্তিও শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতনেত্রর উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বাস্তবে গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকতে পারে । গণতন্ত্রে বহু পরস্পরবিরোধী মত ও ধারণা দেখা যায়।", + "question": "গণতন্ত্রে কোন ধরনের ব্যক্তির শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুীতিগ্রস্ত ব্যক্তি" + ], + "answer_start": [ + 251 + ] + } + }, + { + "id": "id_1003", + "title": "id_1002_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতানিত্রক ব্যবস্থার বেশকিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিও রয়েছে। প্রাচীনকালের প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ, যেমন- প্লেটো ও আ্যারিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খ বা অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। কেননা, সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতনেত্র নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুীতিগ্রস্ত ব্যক্তিও শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতনেত্রর উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বাস্তবে গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকতে পারে । গণতন্ত্রে বহু পরস্পরবিরোধী মত ও ধারণা দেখা যায়।", + "question": "গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য অর্জিত না হলে কী ধরনের সমস্যা দেখা দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা" + ], + "answer_start": [ + 381 + ] + } + }, + { + "id": "id_1004", + "title": "id_1003_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতানিত্রক ব্যবস্থার বেশকিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিও রয়েছে। প্রাচীনকালের প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ, যেমন- প্লেটো ও আ্যারিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খ বা অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। কেননা, সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতনেত্র নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুীতিগ্রস্ত ব্যক্তিও শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতনেত্রর উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বাস্তবে গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকতে পারে । গণতন্ত্রে বহু পরস্পরবিরোধী মত ও ধারণা দেখা যায়।", + "question": "গণতন্ত্র বাস্তবে কী ধরনের শাসনে পরিণত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে" + ], + "answer_start": [ + 448 + ] + } + }, + { + "id": "id_1005", + "title": "id_1004_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতানিত্রক ব্যবস্থার বেশকিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিও রয়েছে। প্রাচীনকালের প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ, যেমন- প্লেটো ও আ্যারিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খ বা অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। কেননা, সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতনেত্র নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুীতিগ্রস্ত ব্যক্তিও শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতনেত্রর উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বাস্তবে গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকতে পারে । গণতন্ত্রে বহু পরস্পরবিরোধী মত ও ধারণা দেখা যায়।", + "question": "সংখ্যালঘুরা কোথায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না?", + "answers": { + "text": [ + "আইনসভায়" + ], + "answer_start": [ + 492 + ] + } + }, + { + "id": "id_1006", + "title": "id_1005_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতানিত্রক ব্যবস্থার বেশকিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিও রয়েছে। প্রাচীনকালের প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ, যেমন- প্লেটো ও আ্যারিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খ বা অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। কেননা, সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতনেত্র নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুীতিগ্রস্ত ব্যক্তিও শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতনেত্রর উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বাস্তবে গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকতে পারে । গণতন্ত্রে বহু পরস্পরবিরোধী মত ও ধারণা দেখা যায়।", + "question": "সরকারের প্রতি সংখ্যালঘুরা কেন উদাসীন থাকতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "অভাব-অভিযোগ সম্��র্কে সরকার উদাসীন থাকতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 548 + ] + } + }, + { + "id": "id_1007", + "title": "id_1006_গণতন্ত্রের দোষগুণ", + "context": "গণতানিত্রক ব্যবস্থার বেশকিছু সীমাবদ্ধতা বা ত্রুটিও রয়েছে। প্রাচীনকালের প্রখ্যাত মনীষী ও দার্শনিকগণ, যেমন- প্লেটো ও আ্যারিস্টটল গণতন্ত্রকে মূর্খ বা অযোগ্যের শাসনব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। কেননা, সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন হিসেবে গণতনেত্র নির্বাচনের মাধ্যমে অজ্ঞ, অযোগ্য ও দুীতিগ্রস্ত ব্যক্তিও শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারে। ফলে উপযুক্ত লোকের অভাবে গণতনেত্রর উদ্দেশ্য অর্জিত হয় না এবং শাসনকার্য পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বাস্তবে গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসনে পরিণত হয়। সংখ্যালঘুরা আইনসভায় তাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারে না। ফলে তাদের অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে সরকার উদাসীন থাকতে পারে । গণতন্ত্রে বহু পরস্পরবিরোধী মত ও ধারণা দেখা যায়।", + "question": "গণতন্ত্রে কি ধরনের মত ও ধারণা দেখা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "বহু পরস্পরবিরোধী মত ও ধারণা" + ], + "answer_start": [ + 605 + ] + } + }, + { + "id": "id_1008", + "title": "id_1007_রাজনৈতিক দল", + "context": "আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার বলতে দলীয় সরকারকেই বোঝায়। রাজনৈতিক দল ব্যতীত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা কল্পনা করা যায় না। রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করেই জনমত গঠন, দলীয় আদর্শের প্রচার, সমর্থকগোষ্ঠী এবং রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে ওঠে ৷", + "question": "রাজনৈতিক দল কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?", + "answers": { + "text": [ + "একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_1009", + "title": "id_1008_রাজনৈতিক দল", + "context": "আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার বলতে দলীয় সরকারকেই বোঝায়। রাজনৈতিক দল ব্যতীত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা কল্পনা করা যায় না। রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করেই জনমত গঠন, দলীয় আদর্শের প্রচার, সমর্থকগোষ্ঠী এবং রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে ওঠে ৷", + "question": "প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার বলতে কি বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "দলীয় সরকারকেই বোঝায়" + ], + "answer_start": [ + 112 + ] + } + }, + { + "id": "id_1010", + "title": "id_1009_রাজনৈতিক দল", + "context": "আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার বলতে দলীয় সরকারকেই বোঝায়। রাজনৈতিক দল ব্যতীত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা কল্পনা করা যায় না। রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করেই জনমত গঠন, দলীয় আদর্শের প্রচার, সমর্থকগোষ্ঠী এবং রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে ওঠে ৷", + "question": "রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কল্পনা করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "না" + ], + "answer_start": [ + 184 + ] + } + }, + { + "id": "id_1011", + "title": "id_1010_রাজনৈতিক দল", + "context": "আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার বলতে দলীয় সরকারকেই বোঝায়। রাজনৈতিক দল ব্যতীত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা কল্পনা করা যায় না। রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করেই জনমত গঠন, দলীয় আদর্শের প্রচার, সমর্থকগোষ্ঠী এবং রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে ওঠে ৷", + "question": "রাজনৈতিক দলের কেন্দ্র কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনমত গঠন, দলীয় আদর্শের প্রচার" + ], + "answer_start": [ + 227 + ] + } + }, + { + "id": "id_1012", + "title": "id_1011_রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা", + "context": "সাধারণ ভাষায়, রাজনৈতিক দল বলতে একটি সংগঠিত নাগরিক সমফ্টিকে বোঝায়, যারা দলীয় আদর্শ প্রচারের মাধ্যমে জনমত গঠনের মধ্য দিয়ে বৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে। রাজনৈতিক দল সাধারণত একক কিংবা একদল বিশিষ্ট বা সৃজনশীল নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। সুতরাং এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, রাজনৈতিক নেতৃবর্গের মাধ্যমে নাগরিক সমস্যাকে চিহ্নিত করে, সেই সমস্যাগুলো সমাধানে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থায় জনমত গঠন এবং বৈধ উপায়ে সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত সংঘবদ্ধ একটি জনসমষ্টি হলো রাজনৈতিক দল। জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নতির পাশাপাশি সাংগঠনিক দৃঢ়তা এবং দলীয় সদস্যদের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখতে রাজনৈতিক দল তৎপরতা প্রদর্শন করে।", + "question": "রাজনৈতিক দল কী?", + "answers": { + "text": [ + "একটি সংগঠিত নাগরিক সমফ্টি" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_1013", + "title": "id_1012_রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা", + "context": "সাধারণ ভাষায়, রাজনৈতিক দল বলতে একটি সংগঠিত নাগরিক সমফ্টিকে বোঝায়, যারা দলীয় আদর্শ প্রচারের মাধ্যমে জনমত গঠনের মধ্য দিয়ে ব���ধ উপায়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে। রাজনৈতিক দল সাধারণত একক কিংবা একদল বিশিষ্ট বা সৃজনশীল নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। সুতরাং এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, রাজনৈতিক নেতৃবর্গের মাধ্যমে নাগরিক সমস্যাকে চিহ্নিত করে, সেই সমস্যাগুলো সমাধানে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থায় জনমত গঠন এবং বৈধ উপায়ে সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত সংঘবদ্ধ একটি জনসমষ্টি হলো রাজনৈতিক দল। জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নতির পাশাপাশি সাংগঠনিক দৃঢ়তা এবং দলীয় সদস্যদের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখতে রাজনৈতিক দল তৎপরতা প্রদর্শন করে।", + "question": "রাজনৈতিক দল কিভাবে গড়ে ওঠে?", + "answers": { + "text": [ + "একক কিংবা একদল বিশিষ্ট বা সৃজনশীল নেতৃত্বের সমন্বয়ে" + ], + "answer_start": [ + 180 + ] + } + }, + { + "id": "id_1014", + "title": "id_1013_রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা", + "context": "সাধারণ ভাষায়, রাজনৈতিক দল বলতে একটি সংগঠিত নাগরিক সমফ্টিকে বোঝায়, যারা দলীয় আদর্শ প্রচারের মাধ্যমে জনমত গঠনের মধ্য দিয়ে বৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে। রাজনৈতিক দল সাধারণত একক কিংবা একদল বিশিষ্ট বা সৃজনশীল নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। সুতরাং এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, রাজনৈতিক নেতৃবর্গের মাধ্যমে নাগরিক সমস্যাকে চিহ্নিত করে, সেই সমস্যাগুলো সমাধানে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থায় জনমত গঠন এবং বৈধ উপায়ে সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত সংঘবদ্ধ একটি জনসমষ্টি হলো রাজনৈতিক দল। জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নতির পাশাপাশি সাংগঠনিক দৃঢ়তা এবং দলীয় সদস্যদের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখতে রাজনৈতিক দল তৎপরতা প্রদর্শন করে।", + "question": "রাজনৈতিক দল কীভাবে নাগরিক সমস্যাকে চিহ্নিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "রাজনৈতিক নেতৃবর্গের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 277 + ] + } + }, + { + "id": "id_1015", + "title": "id_1014_রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা", + "context": "সাধারণ ভাষায়, রাজনৈতিক দল বলতে একটি সংগঠিত নাগরিক সমফ্টিকে বোঝায়, যারা দলীয় আদর্শ প্রচারের মাধ্যমে জনমত গঠনের মধ্য দিয়ে বৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে। রাজনৈতিক দল সাধারণত একক কিংবা একদল বিশিষ্ট বা সৃজনশীল নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। সুতরাং এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, রাজনৈতিক নেতৃবর্গের মাধ্যমে নাগরিক সমস্যাকে চিহ্নিত করে, সেই সমস্যাগুলো সমাধানে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থায় জনমত গঠন এবং বৈধ উপায়ে সরকার ��ঠনের উদ্দেশ্যে নিয়োজিত সংঘবদ্ধ একটি জনসমষ্টি হলো রাজনৈতিক দল। জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নতির পাশাপাশি সাংগঠনিক দৃঢ়তা এবং দলীয় সদস্যদের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখতে রাজনৈতিক দল তৎপরতা প্রদর্শন করে।", + "question": "রাজনৈতিক দল কি উদ্দেশ্যে তৎপরতা প্রদর্শন করে?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও উন্নতির পাশাপাশি সাংগঠনিক দৃঢ়তা এবং দলীয় সদস্যদের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখতে রাজনৈতিক দল তৎপরতা" + ], + "answer_start": [ + 474 + ] + } + }, + { + "id": "id_1016", + "title": "id_1015_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "শত্তিশালী ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাফল্যের প্রধান শর্ত। অধ্যাপক ফাইনার বলেছেন, 'আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন” একটি রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক বা সমাজতান্ত্রিক যে ধরনের সরকার ব্যবস্থাই বিদ্যমান থাকুক না কেন, সব ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক দলের গুরুত্‌ স্বীকৃত বস্তুত গণতাল্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সর্বাধিক ।", + "question": "রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাফল্যের প্রধান শর্ত" + ], + "answer_start": [ + 44 + ] + } + }, + { + "id": "id_1017", + "title": "id_1016_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "শত্তিশালী ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাফল্যের প্রধান শর্ত। অধ্যাপক ফাইনার বলেছেন, 'আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন” একটি রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক বা সমাজতান্ত্রিক যে ধরনের সরকার ব্যবস্থাই বিদ্যমান থাকুক না কেন, সব ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক দলের গুরুত্‌ স্বীকৃত বস্তুত গণতাল্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সর্বাধিক ।", + "question": "অধ্যাপক ফাইনার আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন সম্পর্কে কী বলেছেন?", + "answers": { + "text": [ + "আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন" + ], + "answer_start": [ + 112 + ] + } + }, + { + "id": "id_1018", + "title": "id_1017_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "শত্তিশালী ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাফল্যের প্রধান শর্ত। অধ্যাপক ফাইনার বলেছেন, 'আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন” একটি রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক বা সমাজতান্ত্রিক যে ধরনের সরকার ব্যবস্থাই বিদ্যমান থাকুক না কেন, সব ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক দলের গুরুত্‌ স্বীকৃত বস্তুত গণতাল্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সর্বাধিক ।", + "question": "রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থায় স্বীকৃত?", + "answers": { + "text": [ + "সব ক্ষেত্রেই" + ], + "answer_start": [ + 272 + ] + } + }, + { + "id": "id_1019", + "title": "id_1018_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "শত্তিশালী ও সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাফল্যের প্রধান শর্ত। অধ্যাপক ফাইনার বলেছেন, 'আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন” একটি রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক বা সমাজতান্ত্রিক যে ধরনের সরকার ব্যবস্থাই বিদ্যমান থাকুক না কেন, সব ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক দলের গুরুত্‌ স্বীকৃত বস্তুত গণতাল্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সর্বাধিক ।", + "question": "গণতাল্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা কতটা?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বাধিক" + ], + "answer_start": [ + 388 + ] + } + }, + { + "id": "id_1020", + "title": "id_1019_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "দেশের জাতীয় নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং তার পক্ষে দলীয় প্রচারকার্য চালানো রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনোনীত প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থনে ব্যাপক নির্বাচনি প্রচারণা চালায়। রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করা। সাধারণত নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তারাই সরকার গঠন করে থাকে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে রাজনৈতিক দল তার দলীয় নীতিমালা ও কর্মসূচির ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে। নাগরিকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।", + "question": "রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং তার পক্ষে দলীয় প্রচারকার্য চালানো" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_1021", + "title": "id_1020_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "দেশের জাতীয় নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং তার পক্ষে দলীয় প্রচারকার্য চালানো রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনোনীত প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থনে ব্যাপক নির্বাচনি প্রচারণা চালায়। রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করা। সাধারণত নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তারাই সরকার গঠন করে থাকে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে রাজনৈতিক দল তার দলীয় নীতিমালা ও কর্মসূচির ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে। নাগরিকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।", + "question": "রাজনৈতিক দল কীভাবে মনোনীত প্রার্থীদের নির্বাচিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "তাদের সমর্থনে ব্যাপক নির্বাচনি প্রচারণা চালায়" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_1022", + "title": "id_1021_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "দেশের জাতীয় নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং তার পক্ষে দলীয় প্রচারকার্য চালানো রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনোনীত প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থনে ব্যাপক নির্বাচনি প্রচারণা চালায়। রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করা। সাধারণত নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তারাই সরকার গঠন করে থাকে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে রাজনৈতিক দল তার দলীয় নীতিমালা ও কর্মসূচির ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে। নাগরিকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।", + "question": "রাজনৈতিক দলের কাজ কি?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করা" + ], + "answer_start": [ + 248 + ] + } + }, + { + "id": "id_1023", + "title": "id_1022_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "দেশের জাতীয় নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং তার পক্ষে দলীয় প্রচারকার্য চালানো রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনোনীত প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থনে ব্যাপক নির্বাচনি প্রচারণা চালায়। রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করা। সাধারণত নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তারাই সরকার গঠন করে থাকে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে রাজনৈতিক দল তার দলীয় নীতিমালা ও কর্মসূচির ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে। নাগরিকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।", + "question": "সরকার গঠন কে করে?", + "answers": { + "text": [ + "যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে" + ], + "answer_start": [ + 303 + ] + } + }, + { + "id": "id_1024", + "title": "id_1023_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "দেশের জাতীয় নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং তার পক্ষে দলীয় প্রচারকার্য চালানো রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনোনীত প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থনে ব্যাপক নির্বাচনি প্রচারণা চালায়। রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করা। সাধারণত নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তারাই সরকার গঠন করে থাকে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে রাজনৈতিক দল তার দলীয় নীতিমালা ও কর্মসূচির ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে। নাগরিকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।", + "question": "রাজনৈতিক দল শাসনকার্য কীভাবে পরিচালনা করে?", + "answers": { + "text": [ + "তার দলীয় নীতিমালা ও কর্মসূচির ভিত্তিতে" + ], + "answer_start": [ + 396 + ] + } + }, + { + "id": "id_1025", + "title": "id_1024_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "দেশের জাতীয় নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন এবং তার পক্ষে দলীয় প্রচারকার্য চালানো রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মনোনীত প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত করার জন্য রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থনে ব্যাপক নির্বাচনি প্রচারণা চালায়। রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে নির্বাচনে জয়লাভের পর সরকার গঠন করা। সাধারণত নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে, তারাই সরকার গঠন করে থাকে। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে রাজনৈতিক দল তার দলীয় নীতিমালা ও কর্মসূচির ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে। নাগরিকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।", + "question": "রাজনৈতিক দলের ভূমিকা কি?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিকদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলা" + ], + "answer_start": [ + 460 + ] + } + }, + { + "id": "id_1026", + "title": "id_1025_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বিরোধী দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুর��ত্পূর্ণ। নির্বাচনে যে সকল দল বা দলসমূহ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না তারাই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। বিরোধী দল পার্লামেন্টে বিতর্ক, সরকারের নীতির সমালোচনা, মুলতবি প্রসতাব উপস্থাপন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করে সংসদকে কার্যকর রাখে । সংসদের বাইরেও বন্তব্য, বিবৃতি ও সমালোচনার মাধ্যমে বিরোধী দল সরকারকে আইনের শাসন অনুশীলনে সহায়তা করে।", + "question": "বিরোধী দলের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "পার্লামেন্টে বিতর্ক, সরকারের নীতির সমালোচনা, মুলতবি প্রসতাব উপস্থাপন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করে সংসদকে কার্যকর রাখে" + ], + "answer_start": [ + 177 + ] + } + }, + { + "id": "id_1027", + "title": "id_1026_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বিরোধী দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্পূর্ণ। নির্বাচনে যে সকল দল বা দলসমূহ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না তারাই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। বিরোধী দল পার্লামেন্টে বিতর্ক, সরকারের নীতির সমালোচনা, মুলতবি প্রসতাব উপস্থাপন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করে সংসদকে কার্যকর রাখে । সংসদের বাইরেও বন্তব্য, বিবৃতি ও সমালোচনার মাধ্যমে বিরোধী দল সরকারকে আইনের শাসন অনুশীলনে সহায়তা করে।", + "question": "কে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে?", + "answers": { + "text": [ + "যে সকল দল বা দলসমূহ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না" + ], + "answer_start": [ + 78 + ] + } + }, + { + "id": "id_1028", + "title": "id_1027_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বিরোধী দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্পূর্ণ। নির্বাচনে যে সকল দল বা দলসমূহ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না তারাই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। বিরোধী দল পার্লামেন্টে বিতর্ক, সরকারের নীতির সমালোচনা, মুলতবি প্রসতাব উপস্থাপন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করে সংসদকে কার্যকর রাখে । সংসদের বাইরেও বন্তব্য, বিবৃতি ও সমালোচনার মাধ্যমে বিরোধী দল সরকারকে আইনের শাসন অনুশীলনে সহায়তা করে।", + "question": "বিরোধী দল সংসদে কী ধরনের কার্যকলাপ করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিতর্ক, সরকারের নীতির সমালোচনা, মুলতবি প্রসতাব উপস্থাপন" + ], + "answer_start": [ + 190 + ] + } + }, + { + "id": "id_1029", + "title": "id_1028_\tরাজনৈতিক দলের ভূমিকা", + "context": "গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বিরোধী দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্পূর্ণ। নির্বাচনে যে সকল দল বা দলসমূহ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না তারাই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। বিরোধী দল পার্লামেন্টে বিতর্ক, সরকারের নীতির সমালোচনা, মুলতবি প্রসতাব উপস্থাপন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করে সংসদকে কার্যকর রাখে । সংসদের বাইরেও বন্তব্য, বিবৃতি ও সমালোচনার মাধ্যমে বিরোধী দল সরকারকে আইনের শাসন অনুশীলনে সহায়তা করে।", + "question": "বিরোধী দল সংসদের বাইরে কীভাবে সরকারের সহায়তা করে?", + "answers": { + "text": [ + "বন্তব্য, বিবৃতি ও সমালোচনার মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 318 + ] + } + }, + { + "id": "id_1030", + "title": "id_1029_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "গণতন্ত্রের একটি মৌলিক বিষয় হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চিন্তা করা যায় না। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। এ প্রক্রিয়ায় জনগণ তাদের দৃষ্টিতে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে।", + "question": "গণতন্ত্রের মৌলিক বিষয় কী?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচন" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_1031", + "title": "id_1030_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "গণতন্ত্রের একটি মৌলিক বিষয় হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চিন্তা করা যায় না। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। এ প্রক্রিয়ায় জনগণ তাদের দৃষ্টিতে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে।", + "question": "গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচনের গুরুত্ব কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1032", + "title": "id_1031_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "গণতন্ত্রের একটি মৌলিক বিষয় হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চিন্তা করা যায় না। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। এ প্রক্রিয়ায় জনগণ তাদের দৃষ্টিতে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে।", + "question": "জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য কোথায় নির্বাচন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে" + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_1033", + "title": "id_1032_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "গণতন্ত্রের একটি মৌলিক বিষয় হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চিন্তা করা যায় না। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। এ প্রক্রিয়ায় জনগণ তাদের দৃষ্টিতে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে।", + "question": "গণতান্ত্রিক শাসনে ক্ষমতার উৎস কে?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণ" + ], + "answer_start": [ + 309 + ] + } + }, + { + "id": "id_1034", + "title": "id_1033_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "গণতন্ত্রের একটি মৌলিক বিষয় হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চিন্তা করা যায় না। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। এ প্রক্রি���়ায় জনগণ তাদের দৃষ্টিতে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে।", + "question": "জনগণ কিভাবে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 332 + ] + } + }, + { + "id": "id_1035", + "title": "id_1034_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "গণতন্ত্রের একটি মৌলিক বিষয় হলো নির্বাচন। নির্বাচন ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চিন্তা করা যায় না। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে শাসন পরিচালনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন স্তরে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমেই জনগণ তাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে। এ প্রক্রিয়ায় জনগণ তাদের দৃষ্টিতে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে।", + "question": "জনগণ কীভাবে প্রতিনিধি নির্বাচন করে?", + "answers": { + "text": [ + "তাদের দৃষ্টিতে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করে" + ], + "answer_start": [ + 439 + ] + } + }, + { + "id": "id_1036", + "title": "id_1035_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌমক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে।", + "question": "সরকার কিভাবে গঠিত ও পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_1037", + "title": "id_1036_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌমক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে।", + "question": "নির্বাচনের সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষের সম্পর্ক কী?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1038", + "title": "id_1037_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌমক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে।", + "question": "জনগণ পূর্ববর্তী সরকারকে কীভাবে প্রত্যাখ্যান করতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 179 + ] + } + }, + { + "id": "id_1039", + "title": "id_1038_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌমক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে।", + "question": "জনগণ কাদের প্রতি আস্থা রাখে না?", + "answers": { + "text": [ + "যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে" + ], + "answer_start": [ + 268 + ] + } + }, + { + "id": "id_1040", + "title": "id_1039_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌমক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে।", + "question": "জনগণ কীভাবে তাদের জবাব প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচন ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_1041", + "title": "id_1040_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌমক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে।", + "question": "গণতন্ত্র কীকে স্বীকৃতি দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়" + ], + "answer_start": [ + 419 + ] + } + }, + { + "id": "id_1042", + "title": "id_1041_গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", + "context": "জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগ�� তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌমক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে।", + "question": "জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা কিভাবে প্রয়োগ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 362 + ] + } + }, + { + "id": "id_1043", + "title": "id_1042_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "নির্বাচন হলো দেশ পরিচালনার জন্য নাগরিকবৃন্দ কর্তৃক বিভিন্ন দলীয় প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি বাছাই প্রক্রিয়া। অন্যকথায়, যে প্রক্রিয়ায় বা পদ্ধতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিরা সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দ অনুযায়ী প্রতিনিধি বাছাই করে তাকেই নির্বাচন বলে। প্রায় সকল রাস্ট্রেই গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যারা প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা অর্থাৎ ভোটদানের অধিকার ভোগ করেন তাদের ভোটার বা নির্বাচক বলে। সকল ভোটারকে একত্রিতভাবে নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়। ", + "question": "নির্বাচন কী?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিনিধি বাছাই প্রক্রিয়া" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_1044", + "title": "id_1043_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "নির্বাচন হলো দেশ পরিচালনার জন্য নাগরিকবৃন্দ কর্তৃক বিভিন্ন দলীয় প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি বাছাই প্রক্রিয়া। অন্যকথায়, যে প্রক্রিয়ায় বা পদ্ধতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিরা সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দ অনুযায়ী প্রতিনিধি বাছাই করে তাকেই নির্বাচন বলে। প্রায় সকল রাস্ট্রেই গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যারা প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা অর্থাৎ ভোটদানের অধিকার ভোগ করেন তাদের ভোটার বা নির্বাচক বলে। সকল ভোটারকে একত্রিতভাবে নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়। ", + "question": "নির্বাচনের জন্য কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিরা সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রয়োগ" + ], + "answer_start": [ + 171 + ] + } + }, + { + "id": "id_1045", + "title": "id_1044_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "নির্বাচন হলো দেশ পরিচালনার জন্য নাগরিকবৃন্দ কর্তৃক বিভিন্ন দলীয় প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি বাছাই প্রক্রিয়া। অন্যকথায়, যে প্রক্রিয়ায় বা পদ্ধতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিরা সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দ অনুযায়ী প্রতিনিধি বাছাই করে তাকেই নির্বাচন বলে। প্রায় সকল রাস্ট্রেই গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যারা প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা অর্থাৎ ভোটদানের অধিকার ভোগ করেন তাদের ভোটার বা নির্বাচক বলে। সকল ভোটারকে একত্রিতভাবে নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়। ", + "question": "নির্বাচনে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 303 + ] + } + }, + { + "id": "id_1046", + "title": "id_1045_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "নির্বাচন হলো দেশ পরিচালনার জন্য নাগরিকবৃন্দ কর্তৃক বিভিন্ন দলীয় প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি বাছাই প্রক্রিয়া। অন্যকথায়, যে প্রক্রিয়ায় বা পদ্ধতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিরা সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দ অনুযায়ী প্রতিনিধি বাছাই করে তাকেই নির্বাচন বলে। প্রায় সকল রাস্ট্রেই গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যারা প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা অর্থাৎ ভোটদানের অধিকার ভোগ করেন তাদের ভোটার বা নির্বাচক বলে। সকল ভোটারকে একত্রিতভাবে নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়। ", + "question": "ভোটারদের কি বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভোটার বা নির্বাচক" + ], + "answer_start": [ + 430 + ] + } + }, + { + "id": "id_1047", + "title": "id_1046_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "নির্বাচন হলো দেশ পরিচালনার জন্য নাগরিকবৃন্দ কর্তৃক বিভিন্ন দলীয় প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি বাছাই প্রক্রিয়া। অন্যকথায়, যে প্রক্রিয়ায় বা পদ্ধতির মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিরা সর্বজনীন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দ অনুযায়ী প্রতিনিধি বাছাই করে তাকেই নির্বাচন বলে। প্রায় সকল রাস্ট্রেই গোপন ব্যালটে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যারা প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা অর্থাৎ ভোটদানের অধিকার ভোগ করেন তাদের ভোটার বা নির্বাচক বলে। সকল ভোটারকে একত্রিতভাবে নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়। ", + "question": "ভোটারদের একত্রিতভাবে কি বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচকমণ্ডলী" + ], + "answer_start": [ + 477 + ] + } + }, + { + "id": "id_1048", + "title": "id_1047_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সারা দেশকে কতকগুলো নির্বাচনি এলাকায় ভাগ করা হয়। এভাবে প্রতিটি এলাকা থেকে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পার্লামেন্ট বা আইনসভা গঠিত হয়। বাংলাদেশে নির্ধারিত মেয়াদান্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুই প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি চালু আছে, যথা: প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন। যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটারগণ সরাসরি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে, তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি বলা হয়। বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি চালু রয়েছে। ", + "question": "কেন নির্বাচন এলাকায় ভাগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1049", + "title": "id_1048_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সারা দেশকে কতকগুলো নির্বাচনি এলাকায় ভাগ করা হয়। এভাবে প্রতিটি এলাকা থেকে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পার্লামেন্ট বা আইনসভা গঠিত হয়। বাংলাদেশে নির্ধারিত মেয়াদান্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুই প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি চালু আছে, যথা: প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন। যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটারগণ সরাসরি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে, তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি বলা হয়। বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি চালু রয়েছে। ", + "question": "কীভাবে প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হন?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিটি এলাকা থেকে" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_1050", + "title": "id_1049_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সারা দেশকে কতকগুলো নির্বাচনি এলাকায় ভাগ করা হয়। এভাবে প্রতিটি এলাকা থেকে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পার্লামেন্ট বা আইনসভা গঠিত হয়। বাংলাদেশে নির্ধারিত মেয়াদান্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুই প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি চালু আছে, যথা: প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন। যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটারগণ সরাসরি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে, তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি বলা হয়। বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি চালু রয়েছে। ", + "question": "নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কি গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পার্লামেন্ট বা আইনসভা" + ], + "answer_start": [ + 154 + ] + } + }, + { + "id": "id_1051", + "title": "id_1050_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সারা দেশকে কতকগুলো নির্বাচনি এলাকায় ভাগ করা হয়। এভাবে প্রতিটি এলাকা থেকে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পার্লামেন্ট বা আইনসভা গঠিত হয়। বাংলাদেশে নির্ধারিত মেয়াদান্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুই প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি চালু আছে, যথা: প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন। যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটারগণ সরাসরি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে, তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি বলা হয়। বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি চালু রয়েছে। ", + "question": "বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন কখন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্ধারিত মেয়াদান্তে" + ], + "answer_start": [ + 196 + ] + } + }, + { + "id": "id_1052", + "title": "id_1051_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সারা দেশকে কতকগুলো নির্বাচনি এলাকায় ভাগ করা হয়। এভাবে প্রতিটি এলাকা থেকে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পার্লামেন্ট বা আইনসভা গঠিত হয়। বাংলাদেশে নির্ধারিত মেয়াদান্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুই প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি চালু আছে, যথা: প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন। যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটারগণ সরাসরি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে, তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি বলা হয়। বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি চালু রয়েছে। ", + "question": "পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কত প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি আছে?", + "answers": { + "text": [ + "দুই প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি" + ], + "answer_start": [ + 274 + ] + } + }, + { + "id": "id_1053", + "title": "id_1052_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সারা দেশকে কতকগুলো নির্বাচনি এলাকায় ভাগ করা হয়। এভাবে প্রতিটি এলাকা থেকে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পার্লামেন্ট বা আইনসভা গঠিত হয়। বাংলাদেশে নির্ধারিত মেয়াদান্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুই প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি চালু আছে, যথা: প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন। যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটারগণ সরাসরি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে, তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি বলা হয়। বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি চালু রয়েছে। ", + "question": "প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি কি?", + "answers": { + "text": [ + "ভোটারগণ সরাসরি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে" + ], + "answer_start": [ + 379 + ] + } + }, + { + "id": "id_1054", + "title": "id_1053_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সারা দেশকে কতকগুলো নির্বাচনি এলাকায় ভাগ করা হয়। এভাবে প্রতিটি এলাকা থেকে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে পার্লামেন্ট বা আইনসভা গঠিত হয়। বাংলাদেশে নির্ধারিত মেয়াদান্তে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দুই প্রকার নির্বাচন পদ্ধতি চালু আছে, যথা: প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন। যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটারগণ সরাসরি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে, তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি বলা হয়। বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি চালু রয়েছে। ", + "question": "বাংলাদেশে কোন নির্বাচন পদ্ধতি চালু রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি" + ], + "answer_start": [ + 450 + ] + } + }, + { + "id": "id_1055", + "title": "id_1054_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "সংসদ নির্বাচনের সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ এবং \"নির্বাচনি তফসিল' ঘোষণা করে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হন। প্রধানত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়েই প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পান। এছাড়াও জাতী���় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে যা নির্বাচিত আসনের আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।", + "question": "বাংলাদেশকে কতটি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "৩০০টি নির্বাচনি এলাকায়" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1056", + "title": "id_1055_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "সংসদ নির্বাচনের সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ এবং \"নির্বাচনি তফসিল' ঘোষণা করে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হন। প্রধানত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়েই প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পান। এছাড়াও জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে যা নির্বাচিত আসনের আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।", + "question": "নির্বাচন কমিশন কি ঘোষণা করে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনের তারিখ এবং \"নির্বাচনি তফসিল'" + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_1057", + "title": "id_1056_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "সংসদ নির্বাচনের সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ এবং \"নির্বাচনি তফসিল' ঘোষণা করে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হন। প্রধানত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়েই প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পান। এছাড়াও জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে যা নির্বাচিত আসনের আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।", + "question": "প্রার্থীরা কীভাবে মনোনীত হন?", + "answers": { + "text": [ + "রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হন" + ], + "answer_start": [ + 170 + ] + } + }, + { + "id": "id_1058", + "title": "id_1057_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "সংসদ নির্বাচনের সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ এবং \"নির্বাচনি তফসিল' ঘোষণা করে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হন। প্রধানত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন ���িয়েই প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পান। এছাড়াও জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে যা নির্বাচিত আসনের আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।", + "question": "প্রার্থীরা কিভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন?", + "answers": { + "text": [ + "রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়ে" + ], + "answer_start": [ + 235 + ] + } + }, + { + "id": "id_1059", + "title": "id_1058_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "সংসদ নির্বাচনের সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ এবং \"নির্বাচনি তফসিল' ঘোষণা করে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হন। প্রধানত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়েই প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পান। এছাড়াও জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে যা নির্বাচিত আসনের আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।", + "question": "জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য কতটি সংরক্ষিত আসন আছে?", + "answers": { + "text": [ + "৫০টি সংরক্ষিত আসন" + ], + "answer_start": [ + 348 + ] + } + }, + { + "id": "id_1060", + "title": "id_1059_বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া", + "context": "সংসদ নির্বাচনের সুবিধার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ এবং \"নির্বাচনি তফসিল' ঘোষণা করে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে প্রার্থীরা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হন। প্রধানত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়েই প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পান। এছাড়াও জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে যা নির্বাচিত আসনের আনুপাতিক হারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।", + "question": "নারীদের সংরক্ষিত আসন কিভাবে নির্ধারণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচিত আসনের আনুপাতিক হারে" + ], + "answer_start": [ + 376 + ] + } + }, + { + "id": "id_1061", + "title": "id_1060_নির্বাচন কমিশনের গঠন", + "context": "বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনা��� নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর। কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে সেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন। অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।", + "question": "নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব কারা পালন করে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচন কমিশন" + ], + "answer_start": [ + 38 + ] + } + }, + { + "id": "id_1062", + "title": "id_1061_নির্বাচন কমিশনের গঠন", + "context": "বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর। কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে সেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন। অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।", + "question": "নির্বাচন কমিশন কিভাবে গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার" + ], + "answer_start": [ + 166 + ] + } + }, + { + "id": "id_1063", + "title": "id_1062_নির্বাচন কমিশনের গঠন", + "context": "বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর। কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে সেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন। অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।", + "question": "কমিশনারদের নিয়োগ কে করে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রপতি" + ], + "answer_start": [ + 258 + ] + } + }, + { + "id": "id_1064", + "title": "id_1063_নির্বাচন কমিশনের গঠন", + "context": "বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর। কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে সেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন। অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।", + "question": "নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ কত বছর?", + "answers": { + "text": [ + "পাঁচ বছর" + ], + "answer_start": [ + 398 + ] + } + }, + { + "id": "id_1065", + "title": "id_1064_নির্বাচন কমিশনের গঠন", + "context": "বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর। কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে সেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন। অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।", + "question": "কমিশনাররা কিভাবে পদত্যাগ করেন?", + "answers": { + "text": [ + "কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে সেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন" + ], + "answer_start": [ + 408 + ] + } + }, + { + "id": "id_1066", + "title": "id_1065_নির্বাচন কমিশনের গঠন", + "context": "বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর। কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে সেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন। অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।", + "question": "কমিশনারদের অপসারণের কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "অসদাচরণ ও অসামর্থ্য" + ], + "answer_start": [ + 472 + ] + } + }, + { + "id": "id_1067", + "title": "id_1066_নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কাজ", + "context": "নির্বাচন কমিশন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান করে। ভোটার তালিকা বিষয়ক কোনো প্রশ্ন উথাপিত হলে কমিশন এর নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত দেয়। কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করে। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের জন্য সহায়তামূলক কাজ করে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করে। সীমানা বিতর্কের অবসান ঘটাতে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। কমিশনই নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করে।", + "question": "নির্বাচন কমিশন কোন তালিকা প্রণয়ন করে?", + "answers": { + "text": [ + "ভোটার তালিকা" + ], + "answer_start": [ + 63 + ] + } + }, + { + "id": "id_1068", + "title": "id_1067_নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কাজ", + "context": "নির্বাচন কমিশন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান করে। ভোটার তালিকা বিষয়ক কোনো প্রশ্ন উথাপিত হলে কমিশন এর নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত দেয়। কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করে। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের জন্য সহায়তামূলক কাজ করে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করে। সীমানা বিতর্কের অবসান ঘটাতে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। কমিশনই নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করে।", + "question": "কমিশন ভোটার তালিকা সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_1069", + "title": "id_1068_নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কাজ", + "context": "নির্বাচন কমিশন স্থানীয় ও ���াতীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান করে। ভোটার তালিকা বিষয়ক কোনো প্রশ্ন উথাপিত হলে কমিশন এর নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত দেয়। কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করে। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের জন্য সহায়তামূলক কাজ করে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করে। সীমানা বিতর্কের অবসান ঘটাতে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। কমিশনই নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করে।", + "question": "কমিশন কোন নির্বাচন পরিচালনা করে?", + "answers": { + "text": [ + "ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন" + ], + "answer_start": [ + 191 + ] + } + }, + { + "id": "id_1070", + "title": "id_1069_নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কাজ", + "context": "নির্বাচন কমিশন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান করে। ভোটার তালিকা বিষয়ক কোনো প্রশ্ন উথাপিত হলে কমিশন এর নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত দেয়। কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করে। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের জন্য সহায়তামূলক কাজ করে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করে। সীমানা বিতর্কের অবসান ঘটাতে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। কমিশনই নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করে।", + "question": "নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কি?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচন কমিশনের জন্য সহায়তামূলক কাজ করে" + ], + "answer_start": [ + 297 + ] + } + }, + { + "id": "id_1071", + "title": "id_1070_নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কাজ", + "context": "নির্বাচন কমিশন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান করে। ভোটার তালিকা বিষয়ক কোনো প্রশ্ন উথাপিত হলে কমিশন এর নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত দেয়। কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করে। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের জন্য সহায়তামূলক কাজ করে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি এলাকার সীমান�� নির্ধারণ করে। সীমানা বিতর্কের অবসান ঘটাতে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। কমিশনই নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করে।", + "question": "কমিশন কী নির্ধারণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনি এলাকার সীমানা" + ], + "answer_start": [ + 355 + ] + } + }, + { + "id": "id_1072", + "title": "id_1071_নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কাজ", + "context": "নির্বাচন কমিশন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান করে। ভোটার তালিকা বিষয়ক কোনো প্রশ্ন উথাপিত হলে কমিশন এর নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত দেয়। কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করে। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের জন্য সহায়তামূলক কাজ করে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করে। সীমানা বিতর্কের অবসান ঘটাতে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। কমিশনই নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করে।", + "question": "সীমানা বিতর্কের ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্তের অবস্থান কি?", + "answers": { + "text": [ + "কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 421 + ] + } + }, + { + "id": "id_1073", + "title": "id_1072_নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কাজ", + "context": "নির্বাচন কমিশন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সকল নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান করে। ভোটার তালিকা বিষয়ক কোনো প্রশ্ন উথাপিত হলে কমিশন এর নিষ্পত্তিমূলক সিদ্ধান্ত দেয়। কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করে। নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের জন্য সহায়তামূলক কাজ করে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করে। সীমানা বিতর্কের অবসান ঘটাতে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হয়। কমিশনই নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রিটার্নিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করে।", + "question": "নির্বাচন পরিচালনার জন্য অফিসার কারা নিয়োগ করে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচন কমিশন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1074", + "title": "id_1073_অপরাধের দণ্ড", + "context": "উপরোক্ত যে কোনো অপরাধের জন্য জরি���ানাসহ ক্ষেত্র বিশেষ সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং কমপক্ষে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে। এ সকল নির্বাচন সংকান্ত অপরাধের জন্য উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করা যায়। তবে নির্বাচন কমিশনের লিখিত অনুমোদন ব্যতীত নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে না।", + "question": "নির্বাচনী অপরাধের জন্য শাস্তি কি?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং কমপক্ষে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড" + ], + "answer_start": [ + 53 + ] + } + }, + { + "id": "id_1075", + "title": "id_1074_অপরাধের দণ্ড", + "context": "উপরোক্ত যে কোনো অপরাধের জন্য জরিমানাসহ ক্ষেত্র বিশেষ সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং কমপক্ষে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে। এ সকল নির্বাচন সংকান্ত অপরাধের জন্য উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করা যায়। তবে নির্বাচন কমিশনের লিখিত অনুমোদন ব্যতীত নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে না।", + "question": "নির্বাচনী অপরাধের জন্য কোথায় মামলা করা যাবে?", + "answers": { + "text": [ + "উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করা যায়" + ], + "answer_start": [ + 148 + ] + } + }, + { + "id": "id_1076", + "title": "id_1075_অপরাধের দণ্ড", + "context": "উপরোক্ত যে কোনো অপরাধের জন্য জরিমানাসহ ক্ষেত্র বিশেষ সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং কমপক্ষে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে। এ সকল নির্বাচন সংকান্ত অপরাধের জন্য উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করা যায়। তবে নির্বাচন কমিশনের লিখিত অনুমোদন ব্যতীত নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে না।", + "question": "কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের শর্ত কি?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচন কমিশনের লিখিত অনুমোদন" + ], + "answer_start": [ + 190 + ] + } + }, + { + "id": "id_1077", + "title": "id_1076_নির্বাচনি অপরাধ ও অপরাধের দণ্ড", + "context": "নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্ধারিত। নির্বাচনি অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: নির্ধারিত ব্যয় লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, জাল ভোট প্রদান, ভোটে প্রভাব খাটানো, প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রার্থীর প্রতীকের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করা, ভোটারদের ভোট না দিতে বাধ্য করা, বেআইনি আচরণ করা এবং সভা-মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন। ব্যালট পেপার বা বাক্স নষ্ট করা, জাল করা, কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতাও গুরুতর অপরাধ।", + "question": "নির্বাচন আইন অনুযায়ী নির্বাচনি অপরাধগুলো কিভাবে নির্ধারিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২" + ], + "answer_start": [ + 26 + ] + } + }, + { + "id": "id_1078", + "title": "id_1077_নির্বাচনি অপরাধ ও অপরাধের দণ্ড", + "context": "নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্ধারিত। নির্বাচনি অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: নির্ধারিত ব্যয় লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, জাল ভোট প্রদান, ভোটে প্রভাব খাটানো, প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রার্থীর প্রতীকের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করা, ভোটারদের ভোট না দিতে বাধ্য করা, বেআইনি আচরণ করা এবং সভা-মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন। ব্যালট পেপার বা বাক্স নষ্ট করা, জাল করা, কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতাও গুরুতর অপরাধ।", + "question": "কোন অপরাধটি ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্র দখল" + ], + "answer_start": [ + 473 + ] + } + }, + { + "id": "id_1079", + "title": "id_1078_নির্বাচনি অপরাধ ও অপরাধের দণ্ড", + "context": "নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্ধারিত। নির্বাচনি অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: নির্ধারিত ব্যয় লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, জাল ভোট প্রদান, ভোটে প্রভাব খাটানো, প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রার্থীর প্রতীকের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করা, ভোটারদের ভোট না দিতে বাধ্য করা, বেআইনি আচরণ করা এবং সভা-মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন। ব্যালট পেপার বা বাক্স নষ্ট করা, জাল করা, কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতাও গুরুতর অপরাধ।", + "question": "প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা কেমন অপরাধ?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনি অপরাধ" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1080", + "title": "id_1079_নির্বাচনি অপরাধ ও অপরাধের দণ্ড", + "context": "নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্ধারিত। নির্ব���চনি অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: নির্ধারিত ব্যয় লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, জাল ভোট প্রদান, ভোটে প্রভাব খাটানো, প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রার্থীর প্রতীকের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করা, ভোটারদের ভোট না দিতে বাধ্য করা, বেআইনি আচরণ করা এবং সভা-মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন। ব্যালট পেপার বা বাক্স নষ্ট করা, জাল করা, কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতাও গুরুতর অপরাধ।", + "question": "নির্বাচন সংক্রান্ত ঘুষ গ্রহণ কি ধরনের অপরাধ?", + "answers": { + "text": [ + "গুরুতর অপরাধ" + ], + "answer_start": [ + 518 + ] + } + }, + { + "id": "id_1081", + "title": "id_1080_নির্বাচনি অপরাধ ও অপরাধের দণ্ড", + "context": "নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্ধারিত। নির্বাচনি অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: নির্ধারিত ব্যয় লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, জাল ভোট প্রদান, ভোটে প্রভাব খাটানো, প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রার্থীর প্রতীকের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করা, ভোটারদের ভোট না দিতে বাধ্য করা, বেআইনি আচরণ করা এবং সভা-মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন। ব্যালট পেপার বা বাক্স নষ্ট করা, জাল করা, কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতাও গুরুতর অপরাধ।", + "question": "প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া কি অপরাধ?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনি অপরাধ" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1082", + "title": "id_1081_নির্বাচনি অপরাধ ও অপরাধের দণ্ড", + "context": "নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্ধারিত। নির্বাচনি অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: নির্ধারিত ব্যয় লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, জাল ভোট প্রদান, ভোটে প্রভাব খাটানো, প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রার্থীর প্রতীকের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করা, ভোটারদের ভোট না দিতে বাধ্য করা, বেআইনি আচরণ করা এবং সভা-মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন। ব্যালট পেপার বা বাক্স নষ্ট করা, জাল করা, কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতাও গুরুতর অপরাধ।", + "question": "ভোটার��ের ভোট না দিতে বাধ্য করা কোন ধরনের আচরণ?", + "answers": { + "text": [ + "বেআইনি আচরণ" + ], + "answer_start": [ + 387 + ] + } + }, + { + "id": "id_1083", + "title": "id_1082_নির্বাচনি অপরাধ ও অপরাধের দণ্ড", + "context": "নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্ধারিত। নির্বাচনি অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: নির্ধারিত ব্যয় লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, জাল ভোট প্রদান, ভোটে প্রভাব খাটানো, প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রার্থীর প্রতীকের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করা, ভোটারদের ভোট না দিতে বাধ্য করা, বেআইনি আচরণ করা এবং সভা-মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন। ব্যালট পেপার বা বাক্স নষ্ট করা, জাল করা, কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতাও গুরুতর অপরাধ।", + "question": "সভা ও মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন কীভাবে নির্বাচনি অপরাধ?\t", + "answers": { + "text": [ + "বেআইনি আচরণ" + ], + "answer_start": [ + 387 + ] + } + }, + { + "id": "id_1084", + "title": "id_1083_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোনো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ বা ভূমির ওপর সে দেশের মোট শ্রম ও মূলধন নিয়োগ করে যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার আর্থিক মূল্যকে এঁ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন কিসের আর্থিক মূল্য?", + "answers": { + "text": [ + "বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 124 + ] + } + }, + { + "id": "id_1085", + "title": "id_1084_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোনো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ বা ভূমির ওপর সে দেশের মোট শ্রম ও মূলধন নিয়োগ করে যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার আর্থিক মূল্যকে এঁ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন কোন দুটি দ্রব্য নিয়ে গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্য" + ], + "answer_start": [ + 124 + ] + } + }, + { + "id": "id_1086", + "title": "id_1085_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোনো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ বা ভূমির ওপর সে দেশের মোট শ্রম ও মূলধন নিয়োগ করে যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার আর্থিক মূল্যকে এঁ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন কিসের সঙ্গে সম্পর্কিত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাকৃতিক সম্পদ বা ভূমির ওপর" + ], + "answer_start": [ + 48 + ] + } + }, + { + "id": "id_1087", + "title": "id_1086_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে তিনটি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়। উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার মাধ্যমে উৎপাদিত দ্রব্যের বিভিন্নতার কারণে সবগুলো একত্রে যোগ করে এগুলোর মোট পরিমাণ নির্ণয় করা যায় না।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে কয়টি দিক থেকে বিবেচনা করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "তিনটি দিক থেকে" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_1088", + "title": "id_1087_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ নির্ণয় করতে হলে প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার মোট উৎপাদনের পরিমাণকে তার বাজার দাম দিয়ে গুণ করতে হয়।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ কীভাবে নির্ণয় করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বাজার দাম দিয়ে গুণ করতে হয়" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1089", + "title": "id_1088_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "যে কোনো দেশের অর্থনীতিতে জনগণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে নানাবিধ দ্ৰব্যসামগ্রী ও সেবা উৎপাদন করা হয়।", + "question": "জনগণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে কী উৎপাদন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নানাবিধ দ্ৰব্যসামগ্রী ও সেবা" + ], + "answer_start": [ + 52 + ] + } + }, + { + "id": "id_1090", + "title": "id_1089_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "উৎপাদিত দ্রব্যের বিভিন্নতার কারণে সবগুলো একত্রে যোগ করে এগুলোর মোট পরিমাণ নির্ণয় করা যায় না।", + "question": "কেন উৎপাদিত দ্রব্যগুলো একত্রে যোগ করা যায় না?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রব্যের বিভিন্নতার কারণে" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_1091", + "title": "id_1090_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন কী?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1092", + "title": "id_1091_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ নির্ণয় করতে হলে প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার মোট উৎপাদনের পরিমাণকে তার বাজার দাম দিয়ে গুণ করতে হয়।", + "question": "বাজার দাম দিয়ে গুণ করার প্রয়ো��ন কেন?", + "answers": { + "text": [ + "মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ নির্ণয় করতে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1093", + "title": "id_1092_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমফ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন কিসের সমষ্টি?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1094", + "title": "id_1093_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "যে কোনো দেশের অর্থনীতিতে জনগণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে নানাবিধ দ্ৰব্যসামগ্রী ও সেবা উৎপাদন করা হয়।", + "question": "জনগণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে কী উৎপাদন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নানাবিধ দ্ৰব্যসামগ্রী ও সেবা" + ], + "answer_start": [ + 52 + ] + } + }, + { + "id": "id_1095", + "title": "id_1094_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "এ পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করতে হলে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্যই গণনা করতে হবে। অনেক দ্রব্যই চূড়ান্ত পর্যায়ে বাজারে আসার আগে প্রাথমিক দ্রব্য ও মাধ্যমিক দ্রব্য হিসেবে একাধিকবার ক্রয়-বিক্রয় হয়।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের জন্য কোন ধরনের দ্রব্য গণনা করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চূড়ান্ত দ্রব্য" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_1096", + "title": "id_1095_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "এ পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করতে হলে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্য গণনা করতে হবে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের পদ্ধতিতে কী করা উচিত?", + "answers": { + "text": [ + "চূড়ান্ত দ্রব্য গণনা করতে হবে।" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_1097", + "title": "id_1096_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "অনেক দ্রব্যই চূড়ান্ত পর্যায়ে বাজারে আসার আগে প্রাথমিক দ্রব্য ও মাধ্যমিক দ্রব্য হিসেবে একাধিকবার ক্রয়-বিক্রয় হয়।", + "question": "চূড়ান্ত পর্যায়ে আসার আগে কী ধরনের দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাথমিক দ্রব্য ও মাধ্যমিক দ্রব্য" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_1098", + "title": "id_1097_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "দ্রব্যটি উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভোগকারী এটি ক্রয় ও ভোগ করে।", + "question": "চূড়ান্ত পর্যায়ে দ্রব্যটি কে ক্রয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "ভোগকারী" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_1099", + "title": "id_1098_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "ভোগকারীর ক্রয়ের পর দ্রব্যটি আর ক্রয়-বিক্রয় হয় না।", + "question": "ভোগকারীর ক্রয়ের পর দ্রব্যটির কী ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রয়-বিক্রয় হয় না" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_1100", + "title": "id_1099_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের জন্য প্রত্যেক ধাপেই দ্রব্যটির হিসাব করা হলে জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ সঠিক হবে না।", + "question": "কেন প্রত্যেক ধাপে দ্রব্যটির হিসাব করা উচিত নয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ সঠিক হবে না" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_1101", + "title": "id_1100_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "তাই মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শুধু চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্যটই হিসাব করতে হবে।", + "question": "কোন পর্যায়ের দ্রব্যটি মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে গণনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1102", + "title": "id_1101_মোট জাতীয় উৎপাদন", + "context": "উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রাথমিক দ্রব্য ও মাধ্যমিক দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় হয়।", + "question": "প্রাথমিক ও মাধ্যমিক দ্রব্য কারা ক্রয়-বিক্রয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1103", + "title": "id_1102_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "উৎপাদনের উপকরণসমূহের মোট আয়ের সমষ্টি নির্ধারণ করতে ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং সংগঠন—উৎপাদনের এই চারটি উপকরণের আয় ক্যালকুলেট করা হয়।", + "question": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং সংগঠন" + ], + "answer_start": [ + 52 + ] + } + }, + { + "id": "id_1104", + "title": "id_1103_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং সংগঠনকে মোট জাতীয় আয়ের মূল উপকরণ হিসেবে ধরা হয়।", + "question": "মোট জাতীয় আয়ের মূল উপকরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং সংগঠন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1105", + "title": "id_1104_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "উৎপাদনের উপকরণগুলোর আয় চার ধরণের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে খাজনা, মজুরি, সুদ এবং মুনাফা।", + "question": "উৎপাদনের উপকর���ের আয় কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "খাজনা, মজুরি, সুদ এবং মুনাফা" + ], + "answer_start": [ + 74 + ] + } + }, + { + "id": "id_1106", + "title": "id_1105_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "ভূমির আয় খাজনা, শ্রমের আয় মজুরি, মূলধনের আয় সুদ এবং সংগঠনের আয় মুনাফা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।", + "question": "উৎপাদনের উপকরণ অনুযায়ী আয়ের ধরন কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমির আয় খাজনা, শ্রমের আয় মজুরি, মূলধনের আয় সুদ এবং সংগঠনের আয় মুনাফা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1107", + "title": "id_1106_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "একটি দেশের জাতীয় আয় এক বছরের উৎপাদনের উপকরণের আয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।", + "question": "জাতীয় আয় কীভাবে নির্ধারিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "এক বছরের উৎপাদনের উপকরণের আয়ের ভিত্তিতে" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1108", + "title": "id_1107_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "উৎপাদনের উপকরণের আয় হিসেবে ভূমির আয় খাজনা, শ্রমের আয় মজুরি, মূলধনের আয় সুদ এবং সংগঠনের আয় মুনাফা এক বছরে গণনা করা হয়।", + "question": "উৎপাদনের উপকরণের আয় কীভাবে এক বছরে গণনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমির আয় খাজনা, শ্রমের আয় মজুরি, মূলধনের আয় সুদ এবং সংগঠনের আয় মুনাফা এক বছরে গণনা করা হয়।" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_1109", + "title": "id_1108_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "ভূমি থেকে আয় খাজনা হিসেবে ধরা হয়, যা উৎপাদনের একটি উপকরণ।", + "question": "ভূমি থেকে আয় কীভাবে ধরা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি থেকে আয় খাজনা হিসেবে ধরা হয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1110", + "title": "id_1109_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "শ্রম থেকে আয় মজুরি হিসেবে ধরা হয়, যা উৎপাদনের একটি উপকরণ।", + "question": "শ্রম থেকে আয় কীভাবে ধরা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শ্রম থেকে আয় মজুরি হিসেবে ধরা হয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1111", + "title": "id_1110_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মূলধন থেকে আয় সুদ হিসেবে ধরা হয়, যা উৎপাদনের একটি উপকরণ।", + "question": "মূলধন থেকে আয় কীভাবে ধরা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধন থেকে আয় সুদ হিসেবে ধরা হয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1112", + "title": "id_1111_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "সংগঠন থেকে আয় মুনাফা হিসেবে ধরা হয়, যা উৎপাদনের একটি উপকরণ।", + "question": "সংগঠন থেকে আয় কীভাবে ধরা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সংগঠন থেকে আয় মুনাফা হিসেবে ধরা হয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1113", + "title": "id_1112_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য ব্যবহৃত মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য থেকে কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়।", + "question": "উৎপাদন প্রক্রিয়ার জন্য কোন সামগ্রী ব্যবহার করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধন সামগ্রী" + ], + "answer_start": [ + 48 + ] + } + }, + { + "id": "id_1114", + "title": "id_1113_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য ব্যবহৃত মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য থেকে কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়।", + "question": "কলকারখানা ও যন্ত্রপাতির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কী করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়" + ], + "answer_start": [ + 160 + ] + } + }, + { + "id": "id_1115", + "title": "id_1114_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য ব্যবহৃত মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য থেকে কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে কোন খরচ পৃথক করে রাখা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 48 + ] + } + }, + { + "id": "id_1116", + "title": "id_1115_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য ব্যবহৃত মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য থেকে কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়।", + "question": "উৎপাদন চালু রাখার জন্য কী পূরণ করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 48 + ] + } + }, + { + "id": "id_1117", + "title": "id_1116_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য ব্যবহৃত মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য থেকে কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন কী থেকে পৃথক রাখা হয়?\t", + "answers": { + "text": [ + "আর্থিক মূল্য থেকে" + ], + "answer_start": [ + 142 + ] + } + }, + { + "id": "id_1118", + "title": "id_1117_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য ব্যবহৃত মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য থেকে কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়।", + "question": "কোন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য মূলধন সামগ্রী ব্যবহার হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন প্রক্রিয়া" + ], + "answer_start": [ + 6 + ] + } + }, + { + "id": "id_1119", + "title": "id_1118_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে অনেক সময় মোট জাতীয় আয় বলা হয়। যে কোনো সরল অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI) একই হতে পারে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে আর কী বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মোট জাতীয় আয়" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_1120", + "title": "id_1119_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে অনেক সময় মোট জাতীয় আয় বলা হয়। যে কোনো সরল অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI) একই হতে পারে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে কোন সময়ে মোট জাতীয় আয় বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অনেক সময়" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_1121", + "title": "id_1120_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে অনেক সময় মোট জাতীয় আয় বলা হয়। যে কোনো সরল অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI) একই হতে পারে।", + "question": "সরল অর্থনীতিতে GNP ও GNI এর সম্পর্ক কী?", + "answers": { + "text": [ + "একই হতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 172 + ] + } + }, + { + "id": "id_1122", + "title": "id_1121_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে অনেক সময় মোট জাতীয় আয় বলা হয়। যে কোনো সরল অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI) একই হতে পারে।", + "question": "GNP এবং GNI-এর পূর্ণরূপ কী?", + "answers": { + "text": [ + "মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI)" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_1123", + "title": "id_1122_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে অনেক সময় মোট জাতীয় আয় বলা হয়। যে কোনো সরল অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI) একই হতে পারে।", + "question": "GNP এবং GNI কখন একই হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "সরল অর্থনীতিতে" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_1124", + "title": "id_1123_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে অনেক সময় মোট জাতীয় আয় বলা হয়। যে কোনো সরল অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI) একই হতে পারে।", + "question": "GNP-এর বাংলা নাম কী?", + "answers": { + "text": [ + "মোট জাতীয় উৎপাদন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1125", + "title": "id_1124_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "আমরা জানি, কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশে উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (খা) বলে। কিন্তু এর সঙ্গে সমাজের মোট আয় বা মোট ব্যয়ের সমতা নাও হতে পারে।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশে উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টি" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_1126", + "title": "id_1125_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "আমরা জানি, কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশে উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (খা) বলে। কিন্তু এর সঙ্গে সমাজের মোট আয় বা মোট ব্যয়ের সমতা নাও হতে পারে।", + "question": "মোট জাতীয় আয় বা ব্যয়ের সঙ্গে জাতীয় উৎপাদনের সম্পর্ক কী?", + "answers": { + "text": [ + "সমতা নাও হতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 174 + ] + } + }, + { + "id": "id_1127", + "title": "id_1126_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "আমরা জানি, কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশে উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (খা) বলে। কিন্তু এর সঙ্গে সমাজের মোট আয় বা মোট ব্যয়ের সমতা নাও হতে পারে।", + "question": "উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী এবং সেবার আর্থিক মূ���্য কী নির্দেশ করে?", + "answers": { + "text": [ + "মোট জাতীয় উৎপাদন" + ], + "answer_start": [ + 100 + ] + } + }, + { + "id": "id_1128", + "title": "id_1127_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ের মধ্যে এই অংশটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। তাই মোট জাতীয় উৎপাদনের (GNP) আর্থিক মূল্য এবং উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয় (খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা) বা জাতীয় আয় এক নয়। তবে আলোচনার সুবিধার জন্য অনেক সময়ই মোট জাতীয় উৎপাদন ও মোট জাতীয় আয়কে সমার্থকভাবে ব্যবহার করা হয়।", + "question": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয় (খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা)" + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_1129", + "title": "id_1128_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ের মধ্যে এই অংশটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। তাই মোট জাতীয় উৎপাদনের (GNP) আর্থিক মূল্য এবং উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয় (খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা) বা জাতীয় আয় এক নয়। তবে আলোচনার সুবিধার জন্য অনেক সময়ই মোট জাতীয় উৎপাদন ও মোট জাতীয় আয়কে সমার্থকভাবে ব্যবহার করা হয়।", + "question": "GNP ও জাতীয় আয় এক নয় কেন?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1130", + "title": "id_1129_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ের মধ্যে এই অংশটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। তাই মোট জাতীয় উৎপাদনের (GNP) আর্থিক মূল্য এবং উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয় (খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা) বা জাতীয় আয় এক নয়। তবে আলোচনার সুবিধার জন্য অনেক সময়ই মোট জাতীয় উৎপাদন ও মোট জাতীয় আয়কে সমার্থকভাবে ব্যবহার করা হয়।", + "question": "জাতীয় আয় বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_1131", + "title": "id_1130_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ের মধ্যে এই অংশটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। তাই মোট জাতীয় উৎপাদনের (GNP) আর্থিক মূল্য এবং উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয় (খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা) বা জাতীয় আয় এক নয়। তবে আলোচনার সুবিধার জন্য অনেক সময়ই মোট জাতীয় উৎপাদন ও মোট জাতীয় আয়কে সমার্থকভাবে ব্যবহার করা হয়।", + "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন ও জাতীয় আয় কখন সমার্থকভাবে ব্যবহার করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আলোচনার সুবিধার জন্য" + ], + "answer_start": [ + 195 + ] + } + }, + { + "id": "id_1132", + "title": "id_1131_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ের মধ্যে এই অংশটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। তাই মোট জাতীয় উৎপাদনের (GNP) আর্থিক মূল্য এবং উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয় (খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা) বা জাতীয় আয় এক নয়। তবে আলোচনার সুবিধার জন্য অনেক সময়ই মোট জাতীয় উৎপাদন ও মোট জাতীয় আয়কে সমার্থকভাবে ব্যবহার করা হয়।", + "question": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ে কী কী অন্তর্ভুক্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_1133", + "title": "id_1132_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মাথাপিছু আয় ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে। উচ্চ মাথাপিছু আয় উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করে। তবে জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে দ্রব্যমূল্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।", + "question": "জীবনযাত্রার মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে কী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1134", + "title": "id_1133_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মাথাপিছু আয় ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে। উচ্চ মাথাপিছু আয় উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করে। তবে জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে দ্রব্যমূল্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।", + "question": "উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করতে কী দরকার?", + "answers": { + "text": [ + "উচ্চ মাথাপিছু আয়" + ], + "answer_start": [ + 52 + ] + } + }, + { + "id": "id_1135", + "title": "id_1134_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মাথাপিছু আয় ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে। উচ্চ মাথাপিছু আয় উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করে। তবে জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে দ্রব্যমূল্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।", + "question": "জীবনযাত্রার মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে মাথাপিছু আয়ের সাথে আর কী বিবেচনা করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রব্যমূল্য" + ], + "answer_start": [ + 150 + ] + } + }, + { + "id": "id_1136", + "title": "id_1135_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মাথাপিছু আয় ব্যক���তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে। উচ্চ মাথাপিছু আয় উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করে। তবে জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে দ্রব্যমূল্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।", + "question": "জীবনের মান উন্নত করতে কি শুধু মাথাপিছু আয় যথেষ্ট?", + "answers": { + "text": [ + "না" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_1137", + "title": "id_1136_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মাথাপিছু আয় ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে। উচ্চ মাথাপিছু আয় উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করে। তবে জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে দ্রব্যমূল্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।", + "question": "উচ্চ মাথাপিছু আয় কী নির্দেশ করে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত জীবনমান" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_1138", + "title": "id_1137_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মাথাপিছু আয় ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে। উচ্চ মাথাপিছু আয় উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করে। তবে জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে দ্রব্যমূল্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।", + "question": "জীবনের মান নির্ধারণের জন্য উচ্চ আয়ের সাথে কোন বিষয়ে নজর দিতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রব্যমূল্য" + ], + "answer_start": [ + 150 + ] + } + }, + { + "id": "id_1139", + "title": "id_1138_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "মাথাপিছু আয় ব্যক্তির জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে। উচ্চ মাথাপিছু আয় উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করে। তবে জীবনমান নির্ধারণের জন্য উচ্চ মাথাপিছু আয়ের সাথে দ্রব্যমূল্যের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।", + "question": "জীবনমান নির্ধারণের ক্ষেত্রে মাথাপিছু আয় ছাড়া আর কী বিবেচ্য?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রব্যমূল্যের বিষয়" + ], + "answer_start": [ + 150 + ] + } + }, + { + "id": "id_1140", + "title": "id_1139_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "যদি কোনো বছরে কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়, আবার একই সাথে দ্রব্যের মূল্যস্তরও দ্বিগুণ হয়, তাহলে প্রকৃতপক্ষে জীবনযাত্রার মান একই থাকবে।", + "question": "মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হলে জীবনের মান কীভাবে পরিবর্তিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "একই থাকবে।" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_1141", + "title": "id_1140_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "যদি কোনো বছ���ে কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়, আবার একই সাথে দ্রব্যের মূল্যস্তরও দ্বিগুণ হয়, তাহলে প্রকৃতপক্ষে জীবনযাত্রার মান একই থাকবে।", + "question": "যদি দ্রব্যের মূল্য দ্বিগুণ হয়, তাহলে জীবনের মান কীভাবে প্রভাবিত হবে?", + "answers": { + "text": [ + "একই থাকবে" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_1142", + "title": "id_1141_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "যদি কোনো বছরে কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়, আবার একই সাথে দ্রব্যের মূল্যস্তরও দ্বিগুণ হয়, তাহলে প্রকৃতপক্ষে জীবনযাত্রার মান একই থাকবে।", + "question": "কোনো বছরে মাথাপিছু আয় ও দ্রব্যমূল্য যদি একসাথে দ্বিগুণ হয়, তাহলে জীবনযাত্রার মান কেমন হবে?", + "answers": { + "text": [ + "একই" + ], + "answer_start": [ + 69 + ] + } + }, + { + "id": "id_1143", + "title": "id_1142_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "যদি কোনো বছরে কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়, আবার একই সাথে দ্রব্যের মূল্যস্তরও দ্বিগুণ হয়, তাহলে প্রকৃতপক্ষে জীবনযাত্রার মান একই থাকবে।", + "question": "কী অবস্থায় জীবনযাত্রার মান অপরিবর্তিত থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়, আবার একই সাথে দ্রব্যের মূল্যস্তরও দ্বিগুণ" + ], + "answer_start": [ + 32 + ] + } + }, + { + "id": "id_1144", + "title": "id_1143_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "যদি কোনো বছরে কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়, আবার একই সাথে দ্রব্যের মূল্যস্তরও দ্বিগুণ হয়, তাহলে প্রকৃতপক্ষে জীবনযাত্রার মান একই থাকবে।", + "question": "কোনো বছরে আয় ও মূল্যস্তর দ্বিগুণ হলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জীবনযাত্রার মান একই থাকবে।" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_1145", + "title": "id_1144_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", + "question": "দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি কী করতে পারবে?", + "answers": { + "text": [ + "একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয়" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1146", + "title": "id_1145_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ এই দ্��িগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", + "question": "অর্থনৈতিক আয় দ্বিগুণ হলেও প্রকৃত আয় কেন বাড়ে না?", + "answers": { + "text": [ + "আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে" + ], + "answer_start": [ + 167 + ] + } + }, + { + "id": "id_1147", + "title": "id_1146_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", + "question": "কোন ক্ষেত্রে ব্যক্তির প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায় না?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।" + ], + "answer_start": [ + 160 + ] + } + }, + { + "id": "id_1148", + "title": "id_1147_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", + "question": "আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বাড়লে কী প্রভাব পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_1149", + "title": "id_1148_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", + "question": "আয় দ্বিগুণ হলেও কেন জীবনযাত্রার মান একই থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।" + ], + "answer_start": [ + 160 + ] + } + }, + { + "id": "id_1150", + "title": "id_1149_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। ক���রণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", + "question": "কোন দুই বিষয় একই হারে বাড়লে প্রকৃত আয় অপরিবর্তিত থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "আয় ও দ্রব্যমূল্য" + ], + "answer_start": [ + 167 + ] + } + }, + { + "id": "id_1151", + "title": "id_1150_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", + "question": "কীভাবে দ্বিগুণ আয় প্রকৃত আয়ের উপর প্রভাব ফেলে না?", + "answers": { + "text": [ + " আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_1152", + "title": "id_1151_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "22তবে মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু আয় কমলে জীবনযাত্রার মানও কমবে।", + "question": "মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে এবং মাথাপিছু আয় বাড়লে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে" + ], + "answer_start": [ + 52 + ] + } + }, + { + "id": "id_1153", + "title": "id_1152_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু আয় কমলে জীবনযাত্রার মানও কমবে।", + "question": "জীবনযাত্রার মান কী অবস্থায় বাড়বে?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় বাড়লে" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_1154", + "title": "id_1153_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু আয় কমলে জীবনযাত্রার মানও কমবে।", + "question": "মাথাপিছু আয় কমলে জীবনযাত্রার মান কীভাবে পরিবর্তিত হবে?", + "answers": { + "text": [ + "কমবে" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_1155", + "title": "id_1154_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু আয় কমলে জীবনযাত্রার মানও কমবে।", + "question": "মূল্যস্তর অপরিবর্তিত রেখে কী করলে জীবনযাত্রার মান বাড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় বাড়লে" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_1156", + "title": "id_1155_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু আয় কমলে জীবনযাত্রার মানও কমবে।", + "question": "কোন অবস্থায় জীবনযাত্রার মান কমবে?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় কমলে" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_1157", + "title": "id_1156_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু আয় কমলে জীবনযাত্রার মানও কমবে।", + "question": "জীবনযাত্রার মান কখন বাড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে" + ], + "answer_start": [ + 4 + ] + } + }, + { + "id": "id_1158", + "title": "id_1157_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থেকে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে এবং মাথাপিছু আয় কমলে জীবনযাত্রার মানও কমবে।", + "question": "কোন অবস্থায় জীবনযাত্রার মান কমে যাবে?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় কমলে" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_1159", + "title": "id_1158_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "জাতীয় আয়ের বণ্টন যদি সুষম না হয় তাহলে মাথাপিছু আয় বাড়লেও অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচুঁ।", + "question": "জাতীয় আয়ের বণ্টন সুষম না হলে কী প্রভাব পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচুঁ" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_1160", + "title": "id_1159_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "জাতীয় আয়ের বণ্টন যদি সুষম না হয় তাহলে মাথাপিছু আয় বাড়লেও অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচুঁ।", + "question": "মাথাপিছু আয় বাড়লেও কেন জীবনমান নিচে থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় আয়ের বণ্টন যদি সুষম না হয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1161", + "title": "id_1160_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "জাতীয় আয়ের বণ্টন যদি সুষম না হয় তাহলে মাথাপিছু আয় বাড়লেও অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচুঁ।", + "question": "মাথাপিছু আয় বাড়লে কেমন জীবনযাত্রা উন্নয়ন হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "না" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_1162", + "title": "id_1161_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "জাতীয় আয়ের বণ্টন যদি সুষম না হয় তাহলে মাথাপিছু আয় বাড়লেও অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচু", + "question": "জাতীয় আয়ের অসম বণ্টন হলে কী হবে?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় বাড়লেও অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচু" + ], + "answer_start": [ + 41 + ] + } + }, + { + "id": "id_1163", + "title": "id_1162_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কিন্তু মোট জাতীয় আয়ের এ রকম অসম বণ্টন হলে বেশিরভাগ মানুষের মাথাপিছু আয় মাথাপিছু জাতীয় আয়ের চেয়ে কম হবে। ফলে অধিকাংশ মানুষের জীবনযাত্রাও উন্নত হবে না।", + "question": "মোট জাতীয় আয়ের অসম বণ্টন হলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু জাতীয় আয়ের চেয়ে কম হবে" + ], + "answer_start": [ + 74 + ] + } + }, + { + "id": "id_1164", + "title": "id_1163_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কিন্তু মোট জাতীয় আয়ের এ রকম অসম বণ্টন হলে বেশিরভাগ মানুষের মাথাপিছু আয় মাথাপিছু জাতীয় আয়ের চেয়ে কম হবে। ফলে অধিকাংশ মানুষের জীবনযাত্রাও উন্নত হবে না।", + "question": "অসম বণ্টনের ফলে অধিকাংশ মানুষের জীবনযাত্রা কেমন হবে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত হবে না" + ], + "answer_start": [ + 142 + ] + } + }, + { + "id": "id_1165", + "title": "id_1164_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "কিন্তু মোট জাতীয় আয়ের এ রকম অসম বণ্টন হলে বেশিরভাগ মানুষের মাথাপিছু আয় মাথাপিছু জাতীয় আয়ের চেয়ে কম হবে। ফলে অধিকাংশ মানুষের জীবনযাত্রাও উন্নত হবে না।", + "question": "মাথাপিছু আয় জাতীয় আয়ের সাথে তুলনা করলে কী দেখা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু জাতীয় আয়ের চেয়ে কম" + ], + "answer_start": [ + 74 + ] + } + }, + { + "id": "id_1166", + "title": "id_1165_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", + "question": "কোন ক্ষেত্রে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বাড়বে?", + "answers": { + "text": [ + "মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে" + ], + "answer_start": [ + 75 + ] + } + }, + { + "id": "id_1167", + "title": "id_1166_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চে���়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", + "question": "মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে মাথাপিছু আয় বাড়লে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে" + ], + "answer_start": [ + 143 + ] + } + }, + { + "id": "id_1168", + "title": "id_1167_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", + "question": "আয় বৃদ্ধির তুলনায় যদি মূল্য স্তর কম বৃদ্ধি পায়, তাহলে কী হবে?", + "answers": { + "text": [ + "জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে" + ], + "answer_start": [ + 143 + ] + } + }, + { + "id": "id_1169", + "title": "id_1168_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": " তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", + "question": "জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন থাকার সুবিধা কী?", + "answers": { + "text": [ + "জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে" + ], + "answer_start": [ + 144 + ] + } + }, + { + "id": "id_1170", + "title": "id_1169_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", + "question": "সুষম আয় বণ্টন কিভাবে জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে" + ], + "answer_start": [ + 143 + ] + } + }, + { + "id": "id_1171", + "title": "id_1170_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", + "question": "জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর জন্য কী হতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_1172", + "title": "id_1171_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "২০১৫-২০১৬ সালে চলতি মুল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১,১৪,৫৪৭ টাকা এবং মার্কিন ডলারে ১,৪৬৬ ডলার। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬, অর্থ মন্ত্রণালয়) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট (মে, ২০১৭) অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১,৬০২ মার্কিন ডলার।", + "question": "২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১,১৪,৫৪৭ টাকা" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_1173", + "title": "id_1172_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "২০১৫-২০১৬ সালে চলতি মুল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১,১৪,৫৪৭ টাকা এবং মার্কিন ডলারে ১,৪৬৬ ডলার। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬, অর্থ মন্ত্রণালয়) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট (মে, ২০১৭) অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১,৬০২ মার্কিন ডলার।", + "question": "বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় মার্কিন ডলারে কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১,৪৬৬ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 90 + ] + } + }, + { + "id": "id_1174", + "title": "id_1173_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "২০১৫-২০১৬ সালে চলতি মুল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১,১৪,৫৪৭ টাকা এবং মার্কিন ডলারে ১,৪৬৬ ডলার। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬, অর্থ মন্ত্রণালয়) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট (মে, ২০১৭) অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১,৬০২ মার্কিন ডলার।", + "question": "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমান মাথাপিছু আয় কত?", + "answers": { + "text": [ + "১,৬০২ মার্কিন ডলার" + ], + "answer_start": [ + 240 + ] + } + }, + { + "id": "id_1175", + "title": "id_1174_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "২০১৫-২০১৬ সালে চলতি মুল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১,১৪,৫৪৭ টাকা এবং মার্কিন ডলারে ১,৪৬৬ ডলার। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬, অর্থ মন্ত্রণালয়) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট (মে, ২০১৭) অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১,৬০২ মার্কিন ডলার।", + "question": "বাংলাদেশে মাথাপিছু জাতীয় আয় কবে সঠিকভাবে পরিমাপ করা হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২০১৫-২০১৬ সালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1176", + "title": "id_1175_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "২০১৫-২০১৬ সালে চলতি মুল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১,১৪,৫৪৭ টাকা এবং মার্কিন ডলারে ১,৪৬৬ ডলার। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬, অর্থ মন্ত্রণালয়) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপ��র্ট (মে, ২০১৭) অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১,৬০২ মার্কিন ডলার।", + "question": "২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কেমন ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "চলতি মুল্যে" + ], + "answer_start": [ + 15 + ] + } + }, + { + "id": "id_1177", + "title": "id_1176_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "২০১৫-২০১৬ সালে চলতি মুল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১,১৪,৫৪৭ টাকা এবং মার্কিন ডলারে ১,৪৬৬ ডলার। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬, অর্থ মন্ত্রণালয়) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট (মে, ২০১৭) অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১,৬০২ মার্কিন ডলার।", + "question": "বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষার প্রকাশনার সাল কী?", + "answers": { + "text": [ + "২০১৬" + ], + "answer_start": [ + 5 + ] + } + }, + { + "id": "id_1178", + "title": "id_1177_উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", + "context": "২০১৫-২০১৬ সালে চলতি মুল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১,১৪,৫৪৭ টাকা এবং মার্কিন ডলারে ১,৪৬৬ ডলার। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬, অর্থ মন্ত্রণালয়) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট (মে, ২০১৭) অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১,৬০২ মার্কিন ডলার।", + "question": "বাংলাদেশে মাথাপিছু আয়ের বর্তমান হার কী?", + "answers": { + "text": [ + "১,৬০২ মার্কিন ডলার" + ], + "answer_start": [ + 240 + ] + } + }, + { + "id": "id_1179", + "title": "id_1178_অর্থনীতির খাত", + "context": "অর্থনীতির খাত বলতে বোঝায় অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা। বিশ্বের যে কোনো অর্থনীতিকে প্রধান তিনটি খাতে ভাগ করা হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।", + "question": "অর্থনীতির খাত বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা" + ], + "answer_start": [ + 26 + ] + } + }, + { + "id": "id_1180", + "title": "id_1179_অর্থনীতির খাত", + "context": "অর্থনীতির খাত বলতে বোঝায় অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা। বিশ্বের যে কোনো অর্থনীতিকে প্রধান তিনটি খাতে ভাগ করা হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।", + "question": "বিশ্বে অর্থনীতি কিভাবে ভাগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "তিনটি খাতে ভাগ করা হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_1181", + "title": "id_1180_অর্থনীতির খাত", + "context": "অর্থনীতির খাত বলতে বোঝায় অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা। বিশ্বের যে কোনো অর্থনীতিকে প্রধান তিনটি খাতে ভাগ কর�� হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।", + "question": "প্রধান তিনটি অর্থনৈতিক খাত কোন কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত" + ], + "answer_start": [ + 122 + ] + } + }, + { + "id": "id_1182", + "title": "id_1181_অর্থনীতির খাত", + "context": "অর্থনীতির খাত বলতে বোঝায় অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা। বিশ্বের যে কোনো অর্থনীতিকে প্রধান তিনটি খাতে ভাগ করা হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত। ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। ", + "question": "কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি" + ], + "answer_start": [ + 179 + ] + } + }, + { + "id": "id_1183", + "title": "id_1182_অর্থনীতির খাত", + "context": "অর্থনীতির খাত বলতে বোঝায় অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা। বিশ্বের যে কোনো অর্থনীতিকে প্রধান তিনটি খাতে ভাগ করা হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", + "question": "শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 146 + ] + } + }, + { + "id": "id_1184", + "title": "id_1183_অর্থনীতির খাত", + "context": "অর্থনীতির খাত বলতে বোঝায় অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা। বিশ্বের যে কোনো অর্থনীতিকে প্রধান তিনটি খাতে ভাগ করা হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।", + "question": "অর্থনীতির খাতগুলো কিভাবে বিভক্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + " অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_1185", + "title": "id_1184_অর্থনীতির খাত", + "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", + "question": "কৃষি খাতের মধ্যে কোন কোন সম্পদ অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_1186", + "title": "id_1185_অর্থনীতির খাত", + "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায���তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", + "question": "শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_1187", + "title": "id_1186_অর্থনীতির খাত", + "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", + "question": "শিল্প খাতের মধ্যে কী ধরনের কাজ অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ" + ], + "answer_start": [ + 158 + ] + } + }, + { + "id": "id_1188", + "title": "id_1187_অর্থনীতির খাত", + "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", + "question": "কৃষি খাতের মৌলিক সম্পদ কী?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1189", + "title": "id_1188_অর্থনীতির খাত", + "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", + "question": "শিল্প খাতের প্রধান উপাদানগুলো কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ" + ], + "answer_start": [ + 149 + ] + } + }, + { + "id": "id_1190", + "title": "id_1189_অর্থনীতির খাত", + "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", + "question": "কৃষি খাতের সেবা কিভাবে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "পশু ও মৎস্য সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 67 + ] + } + }, + { + "id": "id_1191", + "title": "id_1190_অর্থনীতির খাত", + "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", + "question": "শিল্প খাতের উৎপাদনের উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ" + ], + "answer_start": [ + 149 + ] + } + }, + { + "id": "id_1192", + "title": "id_1191_অর্থনীতির খাত", + "context": "অবশিষ্ট সকল ক্ষেত্র, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, ব্যাংক, বিমা, হোটেল-রেস্তোরা, ডাক, তার, যোগাযোগ ও পরিবহন- এসব কিছুই সেবা খাতের আওতাধীন। তবে বিভিন্ন দেশে বাজেট বরাদ্দ এবং কাজ করার সুবিধার জন্য এ তিনটি প্রধান খাতের প্রত্যেকটিকে আবার কিছু সংখ্যক উপখাতে ভাগ করা হয়।", + "question": "সেবা খাতের আওতায় কী কী ক্ষেত্র পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_1193", + "title": "id_1192_অর্থনীতির খাত", + "context": "অবশিষ্ট সকল ক্ষেত্র, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, ব্যাংক, বিমা, হোটেল-রেস্তোরা, ডাক, তার, যোগাযোগ ও পরিবহন- এসব কিছুই সেবা খাতের আওতাধীন। তবে বিভিন্ন দেশে বাজেট বরাদ্দ এবং কাজ করার সুবিধার জন্য এ তিনটি প্রধান খাতের প্রত্যেকটিকে আবার কিছু সংখ্যক উপখাতে ভাগ করা হয়।", + "question": "কী কারণে তিনটি প্রধান খাতকে উপখাতে ভাগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বাজেট বরাদ্দ এবং কাজ করার সুবিধার জন্য" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_1194", + "title": "id_1193_অর্থনীতির খাত", + "context": "অবশিষ্ট সকল ক্ষেত্র, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, ব্যাংক, বিমা, হোটেল-রেস্তোরা, ডাক, তার, যোগাযোগ ও পরিবহন- এসব কিছুই সেবা খাতের আওতাধীন। তবে বিভিন্ন দেশে বাজেট বরাদ্দ এবং কাজ করার সুবিধার জন্য এ তিনটি প্রধান খাতের প্রত্যেকটিকে আবার কিছু সংখ্যক উপখাতে ভাগ করা হয়।", + "question": "সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত আরো কিছু উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাংক, বিমা, হোটেল-রেস্তোরা" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_1195", + "title": "id_1194_অর্থনীতির খাত", + "context": "অবশিষ্ট সকল ক্ষেত্র, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, ব্যাংক, বিমা, হোটেল-রেস্তোরা, ডাক, তার, যোগাযোগ ও পরিবহন- এসব কিছুই সেবা খাতের আওতাধীন। তবে বিভিন্ন দেশে বাজেট বরাদ্দ এবং ক���জ করার সুবিধার জন্য এ তিনটি প্রধান খাতের প্রত্যেকটিকে আবার কিছু সংখ্যক উপখাতে ভাগ করা হয়।", + "question": "সেবা খাতের মধ্যে যোগাযোগ কিভাবে অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "ডাক, তার, যোগাযোগ ও পরিবহন" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_1196", + "title": "id_1195_অর্থনীতির খাত", + "context": "অবশিষ্ট সকল ক্ষেত্র, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, ব্যাংক, বিমা, হোটেল-রেস্তোরা, ডাক, তার, যোগাযোগ ও পরিবহন- এসব কিছুই সেবা খাতের আওতাধীন। তবে বিভিন্ন দেশে বাজেট বরাদ্দ এবং কাজ করার সুবিধার জন্য এ তিনটি প্রধান খাতের প্রত্যেকটিকে আবার কিছু সংখ্যক উপখাতে ভাগ করা হয়।", + "question": "সেবা খাতের উপাদানগুলো কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কাজ করার সুবিধার জন্য" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_1197", + "title": "id_1196_অর্থনীতির খাত", + "context": "যে কোনো দেশের অর্থনীতিকে বেশকিছু খাতে ভাগ করা যায়। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়। এই ১৫টি খাত হচ্ছে: (১) কৃষি ও বনজ (২) মৎস্য (৩) খনিজ ও খনন (৪) শিল্প, (৫) বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ (৬) নির্মাণ (৭) পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য (৮) হোটেল ও রেস্তোরা (৯) পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ (১০) আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা (১১) রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা (১২) লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা (১৩) শিক্ষা (১৪) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা ও (১৫) কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মোট ১৫টি প্রধান খাতে" + ], + "answer_start": [ + 74 + ] + } + }, + { + "id": "id_1198", + "title": "id_1197_অর্থনীতির খাত", + "context": "যে কোনো দেশের অর্থনীতিকে বেশকিছু খাতে ভাগ করা যায়। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়। এই ১৫টি খাত হচ্ছে: (১) কৃষি ও বনজ (২) মৎস্য (৩) খনিজ ও খনন (৪) শিল্প, (৫) বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ (৬) নির্মাণ (৭) পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য (৮) হোটেল ও রেস্তোরা (৯) পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ (১০) আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা (১১) রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা (১২) লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা (১৩) শিক্ষা (১৪) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা ও (১৫) কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা।", + "question": "প্রথম খাত কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি ও বনজ" + ], + "answer_start": [ + 131 + ] + } + }, + { + "id": "id_1199", + "title": "id_1198_অর্থনীতির খাত", + "context": "যে কোনো দেশের অর্থনীতিকে বেশকিছু খাতে ভাগ করা যায়। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়। এই ১৫টি খাত হচ্ছে: (১) কৃষি ও বনজ (২) মৎস্য (৩) খনিজ ও খনন (৪) শিল্প, (৫) বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ (৬) নির্মাণ (৭) পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য (৮) হোটেল ও রেস্তোরা (৯) পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ (১০) আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা (১১) রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা (১২) লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা (১৩) শিক্ষা (১৪) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা ও (১৫) কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্বিতীয় খাত কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "মৎস্য" + ], + "answer_start": [ + 146 + ] + } + }, + { + "id": "id_1200", + "title": "id_1199_অর্থনীতির খাত", + "context": "যে কোনো দেশের অর্থনীতিকে বেশকিছু খাতে ভাগ করা যায়। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়। এই ১৫টি খাত হচ্ছে: (১) কৃষি ও বনজ (২) মৎস্য (৩) খনিজ ও খনন (৪) শিল্প, (৫) বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ (৬) নির্মাণ (৭) পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য (৮) হোটেল ও রেস্তোরা (৯) পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ (১০) আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা (১১) রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা (১২) লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা (১৩) শিক্ষা (১৪) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা ও (১৫) কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা।", + "question": "তৃতীয় খাত কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "খনিজ ও খনন" + ], + "answer_start": [ + 156 + ] + } + }, + { + "id": "id_1201", + "title": "id_1200_অর্থনীতির খাত", + "context": "যে কোনো দেশের অর্থনীতিকে বেশকিছু খাতে ভাগ করা যায়। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে ভাগ করা হয়। এই ১৫টি খাত হচ্ছে: (১) কৃষি ও বনজ (২) মৎস্য (৩) খনিজ ও খনন (৪) শিল্প, (৫) বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ (৬) নির্মাণ (৭) পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য (৮) হোটেল ও রেস্তোরা (৯) পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ (১০) আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা (১১) রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা (১২) লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা (১৩) শিক্ষা (১৪) স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা ও (১৫) কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা।", + "question": "শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 182 + ] + } + }, + { + "id": "id_1202", + "title": "id_1201_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে—যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।", + "question": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহকে কি বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত দেশ" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_1203", + "title": "id_1202_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে—যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।", + "question": "উচ্চ আয়ের দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের পর কি থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত" + ], + "answer_start": [ + 194 + ] + } + }, + { + "id": "id_1204", + "title": "id_1203_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে—যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।", + "question": "উন্নত দেশের উদ্বৃত্ত অর্থ কিসে ব্যয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে" + ], + "answer_start": [ + 223 + ] + } + }, + { + "id": "id_1205", + "title": "id_1204_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে—যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।", + "question": "উন্নত দেশসমূহ উন্নয়নশীল ও কোন দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে?", + "answers": { + "text": [ + "নিম্ন আয়ের দেশ" + ], + "answer_start": [ + 331 + ] + } + }, + { + "id": "id_1206", + "title": "id_1205_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে—যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।", + "question": "উন্নয়ন প্রক্রিয়া কোন পর্যায়ে পৌঁছানোর ফলে উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "শীর্ষ পর্যায়ে" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_1207", + "title": "id_1206_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে—যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।", + "question": "এসব দেশের উন্নত অবস্থা কি কারণে অর্জিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন প্রক্রিয়া" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_1208", + "title": "id_1207_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর “উচ্চ আয়ের দেশ” শ্রেণিভুক্ত। ২০১০ সালে এসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলারের মধ্যে।", + "question": "উচ্চ আয়ের দেশ হিসেবে কাকে শ্রেণিভুক্ত করা হয���েছে?", + "answers": { + "text": [ + "জাপান ও সিঙ্গাপুর" + ], + "answer_start": [ + 83 + ] + } + }, + { + "id": "id_1209", + "title": "id_1208_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর “উচ্চ আয়ের দেশ” শ্রেণিভুক্ত। ২০১০ সালে এসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলারের মধ্যে।", + "question": "২০১০ সালে উচ্চ আয়ের দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 175 + ] + } + }, + { + "id": "id_1210", + "title": "id_1209_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর “উচ্চ আয়ের দেশ” শ্রেণিভুক্ত। ২০১০ সালে এসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলারের মধ্যে।", + "question": "যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সাথে কোন দেশগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1211", + "title": "id_1210_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর “উচ্চ আয়ের দেশ” শ্রেণিভুক্ত। ২০১০ সালে এসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলারের মধ্যে।", + "question": "উচ্চ আয়ের দেশগুলোর জাতীয় আয় কীভাবে পরিমাপ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু জাতীয় আয়" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_1212", + "title": "id_1211_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর “উচ্চ আয়ের দেশ” শ্রেণিভুক্ত। ২০১০ সালে এসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলারের মধ্যে।", + "question": "উচ্চ আয়ের দেশগুলোর মধ্যে কোন দেশগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1213", + "title": "id_1212_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্য���ন্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর “উচ্চ আয়ের দেশ” শ্রেণিভুক্ত। ২০১০ সালে এসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলারের মধ্যে।", + "question": "২০১০ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয়ের পরিসীমা কতো ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 175 + ] + } + }, + { + "id": "id_1214", + "title": "id_1213_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশসমূহ সাধারণত উন্নয়নশীল দেশ। তবে মধ্য আয়ের ২টি ভাগের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর অবস্থান উন্নত। এসব দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দেশগুলো দ্রুত শিল্পায়িত হচ্ছে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক অবকাঠামোর দ্রুত উর্ধ্বমুখী উন্নয়ন ঘটছে।", + "question": "মধ্য আয়ের দেশসমূহকে সাধারণত কিভাবে বিবেচনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়নশীল দেশ" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_1215", + "title": "id_1214_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশসমূহ সাধারণত উন্নয়নশীল দেশ। তবে মধ্য আয়ের ২টি ভাগের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর অবস্থান উন্নত। এসব দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দেশগুলো দ্রুত শিল্পায়িত হচ্ছে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক অবকাঠামোর দ্রুত উর্ধ্বমুখী উন্নয়ন ঘটছে।", + "question": "উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর অবস্থান কিভাবে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত" + ], + "answer_start": [ + 107 + ] + } + }, + { + "id": "id_1216", + "title": "id_1215_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশসমূহ সাধারণত উন্নয়নশীল দেশ। তবে মধ্য আয়ের ২টি ভাগের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর অবস্থান উন্নত। এসব দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দেশগুলো দ্রুত শিল্পায়িত হচ্ছে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক অবকাঠামোর দ্রুত উর্ধ্বমুখী উন্নয়ন ঘটছে।", + "question": "এসব দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "অনেকটাই পূরণ হয়েছে" + ], + "answer_start": [ + 144 + ] + } + }, + { + "id": "id_1217", + "title": "id_1216_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশসমূহ সাধারণত উন্নয়নশীল দেশ। তবে মধ্য আয়ের ২টি ভাগের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর অবস্থান উন্ন���। এসব দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দেশগুলো দ্রুত শিল্পায়িত হচ্ছে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক অবকাঠামোর দ্রুত উর্ধ্বমুখী উন্নয়ন ঘটছে।", + "question": "দেশগুলো কিভাবে উন্নয়ন করছে?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রুত শিল্পায়িত হচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 173 + ] + } + }, + { + "id": "id_1218", + "title": "id_1217_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশসমূহ সাধারণত উন্নয়নশীল দেশ। তবে মধ্য আয়ের ২টি ভাগের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর অবস্থান উন্নত। এসব দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দেশগুলো দ্রুত শিল্পায়িত হচ্ছে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক অবকাঠামোর দ্রুত উর্ধ্বমুখী উন্নয়ন ঘটছে।", + "question": "সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন কিভাবে ঘটছে?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রুত উর্ধ্বমুখী" + ], + "answer_start": [ + 246 + ] + } + }, + { + "id": "id_1219", + "title": "id_1218_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশসমূহ সাধারণত উন্নয়নশীল দেশ। তবে মধ্য আয়ের ২টি ভাগের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর অবস্থান উন্নত। এসব দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দেশগুলো দ্রুত শিল্পায়িত হচ্ছে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক অবকাঠামোর দ্রুত উর্ধ্বমুখী উন্নয়ন ঘটছে।", + "question": "এসব দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়া কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রুত" + ], + "answer_start": [ + 173 + ] + } + }, + { + "id": "id_1220", + "title": "id_1219_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "তবে উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে পৌঁছাতে এসব দেশকে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর জনগণের মাথাপিছু আয় ৪২১০ ডলার থেকে ৯৫০০ ডলার পর্যন্ত। এদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, থাইল্যান্ড।", + "question": "উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর জনগণের মাথাপিছু আয় কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪২১০ ডলার থেকে ৯৫০০ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 123 + ] + } + }, + { + "id": "id_1221", + "title": "id_1220_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "তবে উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে পৌঁছাতে এসব দেশকে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর জনগণের মাথাপিছু আয় ৪২১০ ডলার থেকে ৯৫০০ ডলার পর্যন্ত। এদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, থাইল্যান্ড।", + "question": "উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে পৌঁছাতে কতটা পথ পাড়ি দিতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "এখনও দীর্ঘ পথ" + ], + "answer_start": [ + 48 + ] + } + }, + { + "id": "id_1222", + "title": "id_1221_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "তবে উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে পৌঁছাতে এসব দেশকে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর জনগণের মাথাপিছু আয় ৪২১০ ডলার থেকে ৯৫০০ ডলার পর্যন্ত। এদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, থাইল্যান্ড।", + "question": "উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর মধ্যে কোন কোন দেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "চীন, ইরান, মালয়েশিয়া" + ], + "answer_start": [ + 180 + ] + } + }, + { + "id": "id_1223", + "title": "id_1222_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "তবে উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে পৌঁছাতে এসব দেশকে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর জনগণের মাথাপিছু আয় ৪২১০ ডলার থেকে ৯৫০০ ডলার পর্যন্ত। এদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, থাইল্যান্ড।", + "question": "উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর জন্য মাথাপিছু আয়ের পরিসীমা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "৪২১০ ডলার থেকে ৯৫০০ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 123 + ] + } + }, + { + "id": "id_1224", + "title": "id_1223_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "তবে উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে পৌঁছাতে এসব দেশকে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর জনগণের মাথাপিছু আয় ৪২১০ ডলার থেকে ৯৫০০ ডলার পর্যন্ত। এদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, থাইল্যান্ড।", + "question": "উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোর আর্থিক অবস্থান কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত" + ], + "answer_start": [ + 4 + ] + } + }, + { + "id": "id_1225", + "title": "id_1224_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশ' শ্রেণির নিচের ধাপে রয়েছে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এগুলোও উন্নয়নশীল দেশ। সারণিতে “নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ” হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মিশর, নাইজেরিয়া—এ ছয়টি এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।", + "question": "নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ কোন শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "মধ্য আয়ের দেশ' শ্রেণির নিচে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1226", + "title": "id_1225_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশ' শ্রেণির নিচের ধাপে রয়েছে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এগুলোও উন্নয়নশীল দেশ। সারণিতে “নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ” হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মিশর, নাইজেরিয়া—এ ছয়টি এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।", + "question": "নিম্ন মধ্য আয়ের দেশগুলো কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়নশীল দেশ" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_1227", + "title": "id_1226_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশ' শ্রেণির নিচের ধাপে রয়েছে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এগুলোও উন্নয়নশীল দেশ। সারণিতে “নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ” হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মিশর, নাইজেরিয়া—এ ছয়টি এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।", + "question": "নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে কোন দেশগুলো উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান" + ], + "answer_start": [ + 125 + ] + } + }, + { + "id": "id_1228", + "title": "id_1227_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশ' শ্রেণির নিচের ধাপে রয়েছে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এগুলোও উন্নয়নশীল দেশ। সারণিতে “নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ” হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মিশর, নাইজেরিয়া—এ ছয়টি এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।", + "question": "নিম্ন মধ্য আয়ের দেশগুলোর মধ্যে মোট কয়টি দেশ অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "ছয়টি" + ], + "answer_start": [ + 181 + ] + } + }, + { + "id": "id_1229", + "title": "id_1228_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশ' শ্রেণির নিচের ধাপে রয়েছে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এগুলোও উন্নয়নশীল দেশ। সারণিতে “নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ” হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মিশর, নাইজেরিয়া—এ ছয়টি এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।", + "question": "নিম্ন মধ্য আয়ের দেশগুলি কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "এশীয় ও আফ্রিকান" + ], + "answer_start": [ + 187 + ] + } + }, + { + "id": "id_1230", + "title": "id_1229_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "মধ্য আয়ের দেশ' শ্রেণির নিচের ধাপে রয়েছে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এগুলোও উন্নয়নশীল দেশ। সারণিতে “নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ” হিসেবে ��ারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মিশর, নাইজেরিয়া—এ ছয়টি এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।", + "question": "ভারতের নাম কিসের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "“নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ”" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_1231", + "title": "id_1230_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় অত্যন্ত কম। মাথাপিছু জাতীয় আয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচে রয়েছে “নিম্ন আয়ের দেশ”। এ দেশগুলোকে কোনো কোনো সময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও মূলত এগুলো নিম্ন আয়ের দেশ। তবে এসব দেশের অধিকাংশে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল থেকেই।", + "question": "নিম্ন আয়ের দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "অত্যন্ত কম" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_1232", + "title": "id_1231_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় অত্যন্ত কম। মাথাপিছু জাতীয় আয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচে রয়েছে “নিম্ন আয়ের দেশ”। এ দেশগুলোকে কোনো কোনো সময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও মূলত এগুলো নিম্ন আয়ের দেশ। তবে এসব দেশের অধিকাংশে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল থেকেই।", + "question": "মাথাপিছু জাতীয় আয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসে সবচেয়ে নিচে কোনটি রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "“নিম্ন আয়ের দেশ”" + ], + "answer_start": [ + 105 + ] + } + }, + { + "id": "id_1233", + "title": "id_1232_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় অত্যন্ত কম। মাথাপিছু জাতীয় আয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচে রয়েছে “নিম্ন আয়ের দেশ”। এ দেশগুলোকে কোনো কোনো সময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও মূলত এগুলো নিম্ন আয়ের দেশ। তবে এসব দেশের অধিকাংশে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল থেকেই।", + "question": "নিম্ন আয়ের দেশগুলোর অবস্থান কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়নশীল দেশ" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_1234", + "title": "id_1233_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় অত্যন্ত কম। মাথাপিছু জাতীয় আয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচে রয়েছে “নিম্ন আয়ের দেশ”। এ দেশগুলোকে কোনো কোনো সময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও মূলত এগুলো নিম্ন আয়ের দেশ। তবে এসব দেশের অধিকাংশে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল থেকেই।", + "question": "নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে কিভাবে আখ্যায়িত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো সময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_1235", + "title": "id_1234_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় অত্যন্ত কম। মাথাপিছু জাতীয় আয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচে রয়েছে “নিম্ন আয়ের দেশ”। এ দেশগুলোকে কোনো কোনো সময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও মূলত এগুলো নিম্ন আয়ের দেশ। তবে এসব দেশের অধিকাংশে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল থেকেই।", + "question": "নিম্ন আয়ের দেশগুলোর উন্নয়ন শুরু হয়েছে কবে থেকে?", + "answers": { + "text": [ + "বেশ কিছুকাল থেকেই" + ], + "answer_start": [ + 270 + ] + } + }, + { + "id": "id_1236", + "title": "id_1235_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় অত্যন্ত কম। মাথাপিছু জাতীয় আয়ভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচে রয়েছে “নিম্ন আয়ের দেশ”। এ দেশগুলোকে কোনো কোনো সময় উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও মূলত এগুলো নিম্ন আয়ের দেশ। তবে এসব দেশের অধিকাংশে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল থেকেই।", + "question": "এসব দেশের উন্নয়নের ধারা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "শুরু হয়েছে" + ], + "answer_start": [ + 258 + ] + } + }, + { + "id": "id_1237", + "title": "id_1236_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "“নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মাথাপিছু আয় ৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলারের মধ্যে। উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার।", + "question": "নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মাথাপিছু আয় কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_1238", + "title": "id_1237_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "“নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মাথাপিছু আয় ৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলারের মধ্যে। উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার।", + "question": "২০১৫ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১১৯০ মার্কিন ডলার" + ], + "answer_start": [ + 154 + ] + } + }, + { + "id": "id_1239", + "title": "id_1238_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "“নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মাথাপিছু আয় ৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলারের মধ্যে। উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার।", + "question": "বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৪৬৬ মার্কিন ডলার" + ], + "answer_start": [ + 266 + ] + } + }, + { + "id": "id_1240", + "title": "id_1239_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "“নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মাথাপিছু আয় ৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলারের মধ্যে। উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার।", + "question": "ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট কোন বছরে প্রকাশিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "২০১৫" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_1241", + "title": "id_1240_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "“নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মাথাপিছু আয় ৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলারের মধ্যে। উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার।", + "question": "নিম্ন আয়ের দেশের মাথাপিছু আয় কিসের মধ্যে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_1242", + "title": "id_1241_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "“নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মা���াপিছু আয় ৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলারের মধ্যে। উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার।", + "question": "বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয়ের পরিসংখ্যান কোথায় পাওয়া যায়?", + "answers": { + "text": [ + "য়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_1243", + "title": "id_1242_ উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", + "context": "“নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মাথাপিছু আয় ৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলারের মধ্যে। উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার।", + "question": "বাংলাদেশে নিম্ন আয়ের দেশের মাথাপিছু আয় কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_1244", + "title": "id_1243_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রকৃতি আবার দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা—এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যগুলো কী?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক" + ], + "answer_start": [ + 283 + ] + } + }, + { + "id": "id_1245", + "title": "id_1244_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রকৃতি আবার দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা—এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীত��� হিসেবে পরিচিত।", + "question": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য কিসের ওপর নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_1246", + "title": "id_1245_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রকৃতি আবার দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা—এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত।", + "question": "অর্থনীতির প্রকৃতি কিসের ওপর নির্ভরশীল?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_1247", + "title": "id_1246_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রকৃতি আবার দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা—এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতি কেমন পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি" + ], + "answer_start": [ + 283 + ] + } + }, + { + "id": "id_1248", + "title": "id_1247_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রকৃতি আবার দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা—এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 112 + ] + } + }, + { + "id": "id_1249", + "title": "id_1248_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রক���তি আবার দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা—এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত।", + "question": "অর্থনীতির প্রকৃতি কি নিয়ে গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_1250", + "title": "id_1249_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রকৃতি আবার দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা—এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত।", + "question": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাচীনকাল থেকেই" + ], + "answer_start": [ + 261 + ] + } + }, + { + "id": "id_1251", + "title": "id_1250_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "উল্লেখযোগ্য" + ], + "answer_start": [ + 166 + ] + } + }, + { + "id": "id_1252", + "title": "id_1251_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্র��বর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "কৃষি খাতের গুরুত্ব কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "উল্লেখযোগ্য" + ], + "answer_start": [ + 166 + ] + } + }, + { + "id": "id_1253", + "title": "id_1252_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "কৃষি খাতের মোট দেশজ উৎপাদনে অবদান কত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ১৬ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_1254", + "title": "id_1253_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "দেশের শ্রমশক্তির কত শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?", + "answers": { + "text": [ + "মোট ৪৫.১০ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 99 + ] + } + }, + { + "id": "id_1255", + "title": "id_1254_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান কোথায় রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের রপ্তানি আয়ে" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_1256", + "title": "id_1255_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "কৃষি খাতের প্রধান উৎপাদন দ্রব্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্যশস্য" + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_1257", + "title": "id_1256_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "খাদ্য উৎপাদন কেমন হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমবর্ধমান" + ], + "answer_start": [ + 294 + ] + } + }, + { + "id": "id_1258", + "title": "id_1257_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "জনসংখ্যা কেমনভাবে বাড়ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমবর্ধমান" + ], + "answer_start": [ + 294 + ] + } + }, + { + "id": "id_1259", + "title": "id_1258_অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "খাদ্যে দেশটি কিভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে" + ], + "answer_start": [ + 352 + ] + } + }, + { + "id": "id_1260", + "title": "id_1259_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": " অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশ কোন ধরনের অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_1261", + "title": "id_1260_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি: অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতি কিভাবে বিবেচিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_1262", + "title": "id_1261_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি: অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে কোন খাতের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প খাত" + ], + "answer_start": [ + 171 + ] + } + }, + { + "id": "id_1263", + "title": "id_1262_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি: অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতির ইতিহাস কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময়" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_1264", + "title": "id_1263_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি: অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি কিভাবে বিবেচনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পরিগণিত হয়ে আসছে" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_1265", + "title": "id_1264_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি: অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "পরিগণিত হয়ে আসছে" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_1266", + "title": "id_1265_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি: অতি প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিপ্রধান অর্থনীতি হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।", + "question": "কৃষি খাতের গুরুত্ব কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 191 + ] + } + }, + { + "id": "id_1267", + "title": "id_1266_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "কৃষি খাতের মোট দেশজ উৎপাদনে অবদান কত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ১৬ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_1268", + "title": "id_1267_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ ���ৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "দেশের শ্রমশক্তির কত শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত?", + "answers": { + "text": [ + "মোট ৪৫.১০ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 99 + ] + } + }, + { + "id": "id_1269", + "title": "id_1268_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান কোথায় রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের রপ্তানি আয়ে" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_1270", + "title": "id_1269_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "কৃষি খাতের প্রধান উৎপাদন দ্রব্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্যশস্য" + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_1271", + "title": "id_1270_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব��য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "খাদ্য উৎপাদন কেমন হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমবর্ধমান" + ], + "answer_start": [ + 294 + ] + } + }, + { + "id": "id_1272", + "title": "id_1271_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "জনসংখ্যা কেমনভাবে বাড়ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমবর্ধমান" + ], + "answer_start": [ + 294 + ] + } + }, + { + "id": "id_1273", + "title": "id_1272_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে মৎস্য খাতসহ কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের শ্রমশক্তির মোট ৪৫.১০ শতাংশ কৃষি খাতে নিয়োজিত। দেশের রপ্তানি আয়েও কৃষি খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। খাদ্যশস্য কৃষি খাতের অন্যতম প্রধান উৎপাদন দ্রব্য। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন ক্রমবর্ধমান এবং জনসংখ্যাও ক্রমবর্ধমান; এতদ সত্ত্বেও দেশটি ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।", + "question": "খাদ্যে দেশটি কিভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে" + ], + "answer_start": [ + 352 + ] + } + }, + { + "id": "id_1274", + "title": "id_1273_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির কোন খাতটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি খাত" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1275", + "title": "id_1274_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", + "question": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির কী হিসেবে বিবেচিত?", + "answers": { + "text": [ + "ভিত্তিস্বরূপ" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_1276", + "title": "id_1275_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", + "question": "কৃষি উৎপাদন প্রণালি কেন উন্নত নয়?", + "answers": { + "text": [ + "এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_1277", + "title": "id_1276_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", + "question": "সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদের কারণে কী প্রভাব পড়ছে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনশীলতাও কম" + ], + "answer_start": [ + 273 + ] + } + }, + { + "id": "id_1278", + "title": "id_1277_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", + "question": "চাষাবাদের আওতাধীন জমির কতটুকু এখনও সনাতন পদ্ধতির চাষে ব্যবহার হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বৃহদাংশে" + ], + "answer_start": [ + 207 + ] + } + }, + { + "id": "id_1279", + "title": "id_1278_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", + "question": "কৃষি উৎপাদন প্রণালির উন্নতি না হওয়ার প্রধান কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি" + ], + "answer_start": [ + 156 + ] + } + }, + { + "id": "id_1280", + "title": "id_1279_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", + "question": "সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ কীভাবে ক্ষতিকারক?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনশীলতাও কম" + ], + "answer_start": [ + 273 + ] + } + }, + { + "id": "id_1281", + "title": "id_1280_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", + "question": "কৃষি উৎপাদন প্রণালির সমস্যা কী?", + "answers": { + "text": [ + "সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি" + ], + "answer_start": [ + 156 + ] + } + }, + { + "id": "id_1282", + "title": "id_1281_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।", + "question": "এদেশের কৃষি কী নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রকৃতিনির্ভর" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_1283", + "title": "id_1282_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিন��র্ভর। বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।", + "question": "বৃষ্টিপাত কীভাবে কৃষির ওপর প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_1284", + "title": "id_1283_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।", + "question": "বৃষ্টিপাতের সময় না হলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_1285", + "title": "id_1284_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।", + "question": "অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_1286", + "title": "id_1285_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।", + "question": "যথাসময়ে বৃষ্টিপাত না হলে কৃষির ওপর কী প্রভাব পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_1287", + "title": "id_1286_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।", + "question": "কৃষির উৎপাদন কিসের ওপর নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1288", + "title": "id_1287_কৃষিপ���রধান অর্থনীতি:", + "context": "এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।", + "question": "কৃষির জন্য অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত কীভাবে ক্ষতিকারক?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_1289", + "title": "id_1288_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "এছাড়া এদেশের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। বৃষ্টিপাতের সময় ও পরিমাণ কৃষি উৎপাদনের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃষ্টিপাত না হলে বা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়।", + "question": "বৃষ্টিপাতের অভাবে কৃষির সমস্যা কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন বিপুল পরিমাণে কমে যায়" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_1290", + "title": "id_1289_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", + "question": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি কী?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_1291", + "title": "id_1290_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", + "question": "ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা কেন সম্ভব হয় না?", + "answers": { + "text": [ + "সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না" + ], + "answer_start": [ + 75 + ] + } + }, + { + "id": "id_1292", + "title": "id_1291_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", + "question": "পরিবহন সুবিধার কী সমস্যা আছে?", + "answers": { + "text": [ + "অপ্রতুলতা" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_1293", + "title": "id_1292_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", + "question": "বাজার ব্যবস্থার কী ত্রুটি আছে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না" + ], + "answer_start": [ + 171 + ] + } + }, + { + "id": "id_1294", + "title": "id_1293_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", + "question": "উৎপাদকেরা কেন ন্যায্য দাম পায় না?", + "answers": { + "text": [ + "পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির " + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_1295", + "title": "id_1294_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", + "question": "পরিবহন ও বাজারের ত্রুটির কারণে কী সমস্যা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না" + ], + "answer_start": [ + 171 + ] + } + }, + { + "id": "id_1296", + "title": "id_1295_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", + "question": "কৃষি খাতে ন্যায্য মজুরি প্রদান কিসের ওপর নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির " + ], + "answer_start": [ + 114 + ] + } + }, + { + "id": "id_1297", + "title": "id_1296_কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", + "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", + "question": "কৃষি খাতের সমস্যাগুলি কী প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে" + ], + "answer_start": [ + 255 + ] + } + }, + { + "id": "id_1298", + "title": "id_1297_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ছিল ১৭.৩১ শতাংশ। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩১% এর বেশি।", + "question": "শিল্প খাতের গুরুত্ব কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_1299", + "title": "id_1298_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ছিল ১৭.৩১ শতাংশ। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩১% এর বেশি।", + "question": "১৯৮০-৮১ অর্থবছরে শিল্প খাতের জিডিপিতে অবদান কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১৭.৩১ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 132 + ] + } + }, + { + "id": "id_1300", + "title": "id_1299_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ছিল ১৭.৩১ শতাংশ। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩১% এর বেশি।", + "question": "২০১১-২০১২ অর্থবছরে শিল্প খাতের অবদান কত?", + "answers": { + "text": [ + "৩১% এর বেশি" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_1301", + "title": "id_1300_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": " বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ছিল ১৭.৩১ শতাংশ। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩১% এর বেশি।", + "question": "শিল্প খাতের অবদান কি ধীরে ধীরে বাড়ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_1302", + "title": "id_1301_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ছিল ১৭.৩১ শতাংশ। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩১% এর বেশি।", + "question": "শিল্প খাতের অবদান কোন সময়ে সবচেয়ে বেশি ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২০১১-২০১২ অর্থবছরে" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_1303", + "title": "id_1302_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ছিল ১৭.৩১ শতাংশ। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩১% এর বেশি।", + "question": "শিল্প খাতের অবদান কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + " ৩১% এর বেশি" + ], + "answer_start": [ + 177 + ] + } + }, + { + "id": "id_1304", + "title": "id_1303_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ছিল ১৭.৩১ শতাংশ। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩১% এর বেশি।", + "question": "শিল্প খাতের অবদান কেমনভাবে পরিবর্তনশীল?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_1305", + "title": "id_1304_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্প, খনিজ ও খনন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ এবং নির্মাণ—এ খাতগুলোর সমন্বয়ে শিল্প খাত গড়ে উঠেছে।", + "question": "শিল্প খাত কীভা��ে গড়ে উঠেছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্প, খনিজ ও খনন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1306", + "title": "id_1305_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও আমাদের শিল্প খাতে মৌলিক ও ভারী শিল্পের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি দেশের প্রধান প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমবর্ধমান" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_1307", + "title": "id_1306_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও আমাদের শিল্প খাতে মৌলিক ও ভারী শিল্পের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি দেশের প্রধান প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "বাংলাদেশের শিল্প খাতে কোন ধরনের শিল্পের অভাব রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক ও ভারী শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_1308", + "title": "id_1307_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও আমাদের শিল্প খাতে মৌলিক ও ভারী শিল্পের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি দেশের প্রধান প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "বাংলাদেশের কোন শিল্পগুলো প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 115 + ] + } + }, + { + "id": "id_1309", + "title": "id_1308_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও আমাদের শিল্প খাতে মৌলিক ও ভারী শিল্পের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি দেশের প্রধান প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "শিল্প খাতের কোন দিকটি বিশেষভাবে অভাব রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক ও ভারী শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_1310", + "title": "id_1309_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও আমাদের শিল্প খাতে মৌলিক ও ভারী শিল্পের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি দেশের প্রধান প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "কোন শিল্পগুলো দেশের প্রধান শিল্প হিসেবে বিবেচিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_1311", + "title": "id_1310_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও আমাদের শিল্প খাতে মৌলিক ও ভারী শিল্পের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি দেশের প্রধান প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "বাংলাদেশে কোন প্রধান শিল্পের ঘাটতি রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক ও ভারী শিল্পের" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_1312", + "title": "id_1311_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও আমাদের শিল্প খাতে মৌলিক ও ভারী শিল্পের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প প্রভৃতি দেশের প্রধান প্রধান শিল্পের অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "কোন শিল্পগুলো দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "বস্ত্র শিল্প, পাটশিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_1313", + "title": "id_1312_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "কিন্তু অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এজন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প, যেমন- লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। দেশে ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত প্রভৃতি শিল্প রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।", + "question": "অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে কী প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রুত শিল্পায়ন" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_1314", + "title": "id_1313_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "কিন্তু অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এজন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প, যেমন- লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। দেশে ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত প্রভৃতি শিল্প রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।", + "question": "কোন মৌলিক শিল্পগুলোর প্রয়োজন রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "লৌহ ও ইস্পাত শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_1315", + "title": "id_1314_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "কিন্তু অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এজন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প, যেমন- লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। দেশে ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত প্রভৃতি শিল্প রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।", + "question": "ভারী শিল্পের উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প " + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_1316", + "title": "id_1315_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "কিন্তু অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এজন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প, যেমন- লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। দেশে ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত প্রভৃতি শিল্প রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।", + "question": "দেশে কোন কোন ভারী শিল্প রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত " + ], + "answer_start": [ + 195 + ] + } + }, + { + "id": "id_1317", + "title": "id_1316_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "কিন্তু অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এজন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প, যেমন- লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। দেশে ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত ���্রভৃতি শিল্প রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।", + "question": "ভারী শিল্পের উৎপাদন কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে" + ], + "answer_start": [ + 7 + ] + } + }, + { + "id": "id_1318", + "title": "id_1317_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "কিন্তু অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এজন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প, যেমন- লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। দেশে ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত প্রভৃতি শিল্প রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।", + "question": "ভারী যানবাহন সংযোজন এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদনের কী সমস্যা?", + "answers": { + "text": [ + "অপ্রতুল" + ], + "answer_start": [ + 314 + ] + } + }, + { + "id": "id_1319", + "title": "id_1318_শিল্প খাতের প্রকৃতি :", + "context": "কিন্তু অর্থনীতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এজন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প, যেমন- লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অত্যাবশ্যক। দেশে ভারী যানবাহন সংযোজন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও জলযান নির্মাণ ও মেরামত প্রভৃতি শিল্প রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।", + "question": "ভারী শিল্পে দেশের প্রধান ঘাটতি কী?", + "answers": { + "text": [ + "প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোও অপ্রতুল।" + ], + "answer_start": [ + 288 + ] + } + }, + { + "id": "id_1320", + "title": "id_1319_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য এর জনসংখ্যাধিক্য। এদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬৮ কোটি। জনবসতির ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০৬৩ জন (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনসংখ্যাধিক্য" + ], + "answer_start": [ + 48 + ] + } + }, + { + "id": "id_1321", + "title": "id_1320_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য এর জনসংখ্যাধিক্য। এদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬৮ কোটি। জনবসতির ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০৬৩ জন (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)।", + "question": "বাং��াদেশের মোট জনসংখ্যা কত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ১৬৮ কোটি" + ], + "answer_start": [ + 83 + ] + } + }, + { + "id": "id_1322", + "title": "id_1321_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য এর জনসংখ্যাধিক্য। এদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬৮ কোটি। জনবসতির ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০৬৩ জন (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)।", + "question": "বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০৬৩ জন" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_1323", + "title": "id_1322_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য এর জনসংখ্যাধিক্য। এদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬৮ কোটি। জনবসতির ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০৬৩ জন (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)।", + "question": "বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কত জন মানুষ বাস করে?", + "answers": { + "text": [ + "১০৬৩ জন" + ], + "answer_start": [ + 149 + ] + } + }, + { + "id": "id_1324", + "title": "id_1323_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশ জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। আদম শুমারি রিপোর্ট ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ২.১৭% ও ১.৪৮%। এ হার ক্রমশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৭%-এ (আদমশুমারি রিপোর্ট, ২০১১)।", + "question": "বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 55 + ] + } + }, + { + "id": "id_1325", + "title": "id_1324_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশ জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। আদম শুমারি রিপোর্ট ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ২.১৭% ও ১.৪৮%। এ হার ক্রমশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৭%-এ (আদমশুমারি রিপোর্ট, ২০১১)।", + "question": "১৯৯১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২.১৭%" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_1326", + "title": "id_1325_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশ জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। আদম শুমারি রিপোর্ট ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ২.১৭% ও ১.৪৮%। এ হার ক্রমশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৭%-এ (আদমশুমারি রিপোর্ট, ২০১১)।", + "question": "২০০১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১.৪৮%" + ], + "answer_start": [ + 153 + ] + } + }, + { + "id": "id_1327", + "title": "id_1326_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশ জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। আদম শুমারি রিপোর্ট ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ২.১৭% ও ১.৪৮%। এ হার ক্রমশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৭%-এ (আদমশুমারি রিপোর্ট, ২০১১)।", + "question": "২০১১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১.৩৭%" + ], + "answer_start": [ + 196 + ] + } + }, + { + "id": "id_1328", + "title": "id_1327_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশ জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। আদম শুমারি রিপোর্ট ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ২.১৭% ও ১.৪৮%। এ হার ক্রমশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৭%-এ (আদমশুমারি রিপোর্ট, ২০১১)।", + "question": "আদম শুমারি রিপোর্টে ১৯৯১ সালের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২.১৭%" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_1329", + "title": "id_1328_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "বাংলাদেশ জনসংখ্যাধিক্যের দেশ হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। আদম শুমারি রিপোর্ট ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ২.১৭% ও ১.৪৮%। এ হার ক্রমশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৭%-এ (আদমশুমারি রিপোর্ট, ২০১১)।", + "question": "২০০১ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + " ১.৪৮%" + ], + "answer_start": [ + 152 + ] + } + }, + { + "id": "id_1330", + "title": "id_1329_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসায় শিক্ষার মান বৃদ্ধির গুরুত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার অর্থনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।", + "question": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ায় কোন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষার মান বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_1331", + "title": "id_1330_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসায় শিক্ষার মান বৃদ্ধির গুরুত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার অর্থনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।", + "question": "শিক্ষার অভাব কীভাবে দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_1332", + "title": "id_1331_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসায় শিক্ষার মান বৃদ্ধির গুরুত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার অর্থনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।", + "question": "গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে কী সমস্যা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষার নিম্নহার" + ], + "answer_start": [ + 174 + ] + } + }, + { + "id": "id_1333", + "title": "id_1332_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসায় শিক্ষার মান বৃদ্ধির গুরুত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার অর্থনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।", + "question": "শিক্ষার মান বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য কেন প্রয়োজনীয়?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা" + ], + "answer_start": [ + 67 + ] + } + }, + { + "id": "id_1334", + "title": "id_1333_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসায় শিক্ষার মান বৃদ্ধির গুরুত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার অর্থনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।", + "question": "শিক্ষার অভাব কী প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_1335", + "title": "id_1334_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসায় শিক্ষার মান বৃদ্ধির গুরুত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার অর্থনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।", + "question": "অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রধান বাধা কী?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব" + ], + "answer_start": [ + 67 + ] + } + }, + { + "id": "id_1336", + "title": "id_1335_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসায় শিক্ষার মান বৃদ্ধির গুরুত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার অর্থনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।", + "question": "শিক্ষার মান বৃদ্ধির প্রয়োজন কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা" + ], + "answer_start": [ + 67 + ] + } + }, + { + "id": "id_1337", + "title": "id_1336_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে আসায় শিক্ষার মান বৃদ্ধির গুরুত্ব বাড়ছে। শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার নিম্নহার অর্থনীতির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।", + "question": "শিক্ষার নিম্নহার কোন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বেশি?", + "answers": { + "text": [ + "গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে" + ], + "answer_start": [ + 150 + ] + } + }, + { + "id": "id_1338", + "title": "id_1337_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউনেস্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", + "question": "জনসংখ্যাকে কী হিসেবে বিবেচনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_1339", + "title": "id_1338_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হি��েবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউনেস্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", + "question": "বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত কী ধরনের সমস্যা?", + "answers": { + "text": [ + "একটি সমস্যা" + ], + "answer_start": [ + 85 + ] + } + }, + { + "id": "id_1340", + "title": "id_1339_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউনেস্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", + "question": "বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার কত?", + "answers": { + "text": [ + "৬১.৫%" + ], + "answer_start": [ + 130 + ] + } + }, + { + "id": "id_1341", + "title": "id_1340_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউনেস্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", + "question": "কত শতাংশ জনগণ নিরক্ষর?", + "answers": { + "text": [ + "৩৮.৫ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 168 + ] + } + }, + { + "id": "id_1342", + "title": "id_1341_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউন���স্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", + "question": "নিরক্ষর জনগণকে সাক্ষর করার দায়িত্ব কার?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের" + ], + "answer_start": [ + 381 + ] + } + }, + { + "id": "id_1343", + "title": "id_1342_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউনেস্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", + "question": "নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে কী কী দিতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ" + ], + "answer_start": [ + 224 + ] + } + }, + { + "id": "id_1344", + "title": "id_1343_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউনেস্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", + "question": "জনসংখ্যার সমস্যা মোকাবিলায় কী ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা" + ], + "answer_start": [ + 193 + ] + } + }, + { + "id": "id_1345", + "title": "id_1344_জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", + "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউনেস্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", + "question": "জনসংখ্যার কারণে রাষ্ট্রের কী ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "একটি বড় চাপ" + ], + "answer_start": [ + 396 + ] + } + }, + { + "id": "id_1346", + "title": "id_1345_ব্যাপক বেকারত্ব:", + "context": "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গন্য করা যায়।", + "question": "বেকারত্বের মূল কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1347", + "title": "id_1346_ব্যাপক বেকারত্ব:", + "context": "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গন্য করা যায়।", + "question": "দেশে কত শ্রমশক্তি বেকার?", + "answers": { + "text": [ + "একটি উল্লেখযোগ্য অংশ" + ], + "answer_start": [ + 96 + ] + } + }, + { + "id": "id_1348", + "title": "id_1347_ব্যাপক বেকারত্ব:", + "context": "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গন্য করা যায়।", + "question": "দেশের বেকারত্বের প্রধান সমস্যা কী?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রুত শিল্পায়নের অভাব" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_1349", + "title": "id_1348_ব্যাপক বেকারত্ব:", + "context": "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে ��ন্য করা যায়।", + "question": "দিনমজুরদের কীভাবে বিবেচনা করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্ধ বেকার" + ], + "answer_start": [ + 168 + ] + } + }, + { + "id": "id_1350", + "title": "id_1349_ব্যাপক বেকারত্ব:", + "context": "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গন্য করা যায়।", + "question": "মজুরির হার কম হলে কী প্রভাব পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গন্য করা যায়।" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_1351", + "title": "id_1350_ব্যাপক বেকারত্ব:", + "context": "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গন্য করা যায়।", + "question": "জনসংখ্যাধিক্যের ফলে কী সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বেকারত্ব" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1352", + "title": "id_1351_ব্যাপক বেকারত্ব:", + "context": "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গন্য করা যায়।", + "question": "শ্রমশক্তির কত অংশ বেকার?", + "answers": { + "text": [ + "একটি উল্লেখযোগ্য অংশ" + ], + "answer_start": [ + 96 + ] + } + }, + { + "id": "id_1353", + "title": "id_1352_ব্যাপক বেকারত্ব:", + "context": "জনসংখ্যাধিক্য এবং দ্রুত শিল্পায়নের অভাব দেশে বেকারত্বের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশে মোট শ্রমশক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেকার। দেশে মজুরির হার কম বলে দিনমজুরদের অধিকাংশকে অর্ধ বেকার হিসেবে গন্য করা যায়।", + "question": "শ্রমশক্তির উল্লেখযোগ্য অংশ কেন বেকার?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রুত শিল্পায়নের অভাব" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_1354", + "title": "id_1353_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় কম। বাংলাদেশে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার। এই আ��় প্রতিবেশী শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম। এ দুটো দেশের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার (ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০১৬)।", + "question": "বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত ছিল ২০১৫-১৬ সালে?", + "answers": { + "text": [ + "১৪৬৬ মার্কিন ডলার" + ], + "answer_start": [ + 142 + ] + } + }, + { + "id": "id_1355", + "title": "id_1354_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় কম। বাংলাদেশে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার। এই আয় প্রতিবেশী শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম। এ দুটো দেশের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার (ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০১৬)।", + "question": "মাথাপিছু আয় কম কেন?", + "answers": { + "text": [ + "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্ব" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1356", + "title": "id_1355_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় কম। বাংলাদেশে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার। এই আয় প্রতিবেশী শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম। এ দুটো দেশের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার (ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০১৬)।", + "question": "শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয় কত?", + "answers": { + "text": [ + "৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার" + ], + "answer_start": [ + 256 + ] + } + }, + { + "id": "id_1357", + "title": "id_1356_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় কম। বাংলাদেশে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার। এই আয় প্রতিবেশী শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম। এ দুটো দেশের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার (ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০১৬)।", + "question": "প্রতিবেশী দেশগুলোর মাথাপিছু আয়ের তুলনায় বাংলাদেশের আয় কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "কম" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_1358", + "title": "id_1357_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় কম। বাংলাদেশে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার। এই আয় প্রতিবেশী শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম। এ দুটো দেশের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার (ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০১৬)।", + "question": "মজুরির নিম্নহার কী কারণে হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্ব" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_1359", + "title": "id_1358_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় কম। বাংলাদেশে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার। এই আয় প্রতিবেশী শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম। এ দুটো দেশের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার (ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০১৬)।", + "question": "জীবনযাত্রার নিম্নমানের প্রধান কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1360", + "title": "id_1359_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় কম। বাংলাদেশে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার। এই আয় প্রতিবেশী শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম। এ দুটো দেশের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার (ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০১৬)।", + "question": "২০১৫-২০১৬ সালের জাতীয় আয়ের প্রতিবেদন কোন সংস্থার?", + "answers": { + "text": [ + "ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 278 + ] + } + }, + { + "id": "id_1361", + "title": "id_1360_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", + "question": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের প্রভাব কী?", + "answers": { + "text": [ + "জীবনযাত্রার মানও নিম্ন" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_1362", + "title": "id_1361_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", + "question": "দেশের কত শতাংশ জনগণ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে?", + "answers": { + "text": [ + "২৪.৮ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_1363", + "title": "id_1362_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", + "question": "মোট জনসংখ্যার কত অংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "এক-চতুর্থাংশ" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_1364", + "title": "id_1363_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", + "question": "জীবনযাত্রার মান কেন নিম্ন?", + "answers": { + "text": [ + "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1365", + "title": "id_1364_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", + "question": "দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থানকারীদের শতাংশ কত?", + "answers": { + "text": [ + "২৪.৮ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_1366", + "title": "id_1365_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", + "question": "মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে?", + "answers": { + "text": [ + "এক-চতুর্থাংশ" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_1367", + "title": "id_1366_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", + "question": "দারিদ্র্যসীমার নিচে কত শতাংশ জনগণ বাস করে?", + "answers": { + "text": [ + "২৪.৮ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_1368", + "title": "id_1367_স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", + "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", + "question": "এই তথ্যের উৎস কোন সমীক্ষা থেকে নেওয়া হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_1369", + "title": "id_1368_সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার", + "context": "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম, যা জিডিপির ৩০.০৮%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম অর্থাৎ জিডিপির ২৯.৩৮% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।", + "question": "জনগণের সঞ্চয়ের হার কত?", + "answers": { + "text": [ + "জিডিপির ৩০.০৮%" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_1370", + "title": "id_1369_সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার", + "context": "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম, যা জিডিপির ৩০.০৮%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম অর্থাৎ জিডিপির ২৯.৩৮% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।", + "question": "মূলধন গঠনের বিনিয়োগের হার কত?", + "answers": { + "text": [ + "জিডিপির ২৯.৩৮%" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_1371", + "title": "id_1370_সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার", + "context": "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম, যা জিডিপির ৩০.০৮%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম অর্থাৎ জিডিপির ২৯.৩৮% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।", + "question": "বিনিয়োগের নিম্নহারের প্রভাব কী?", + "answers": { + "text": [ + "নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর" + ], + "answer_start": [ + 223 + ] + } + }, + { + "id": "id_1372", + "title": "id_1371_সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার", + "context": "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম, যা জিডিপির ৩০.০৮%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম অর্থাৎ জিডিপির ২৯.৩৮% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।", + "question": "বিনিয়োগের হার কমে যাওয়ার ফলে কী প্রভাব পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর।" + ], + "answer_start": [ + 223 + ] + } + }, + { + "id": "id_1373", + "title": "id_1372_সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার", + "context": "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম, যা জিডিপির ৩০.০৮%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম অর্থাৎ জিডিপির ২৯.৩৮% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।", + "question": "বাংলাদেশ কোন ধরনের চক্রে আবদ্ধ?", + "answers": { + "text": [ + "দারিদ্র্যের চক্র" + ], + "answer_start": [ + 305 + ] + } + }, + { + "id": "id_1374", + "title": "id_1373_সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার", + "context": "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম, যা জিডিপির ৩০.০৮%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম অর্থাৎ জিডিপির ২৯.৩৮% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।", + "question": "বাংলাদেশ এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে কী করছে?", + "answers": { + "text": [ + "সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে" + ], + "answer_start": [ + 372 + ] + } + }, + { + "id": "id_1375", + "title": "id_1374_সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার", + "context": "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম, যা জিডিপির ৩০.০৮%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম অর্থাৎ জিডিপির ২৯.৩৮% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।", + "question": "সঞ্চয়ের হার কম কেন?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1376", + "title": "id_1375_সঞ্চয়, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার", + "context": "মাথাপিছু আয় নিম্ন হওয়ায় জনগণের সঞ্চয়ের হার কম, যা জিডিপির ৩০.০৮%। তাই মূলধন বা পুঁজি গঠনের এবং উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগের হারও কম অর্থাৎ জিডিপির ২৯.৩৮% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)। আবার বিনিয়োগের নিম্নহারের কারণে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি মন্থর। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের হারও কম। বাংলাদেশ এমনই একটি দারিদ্র্যের চক্রের মধ্যে আবদ্ধ। তবে এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।", + "question": "বিনিয়োগের হার কম কেন?", + "answers": { + "text": [ + "সঞ্চয়ের হার কম" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1377", + "title": "id_1376_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "অবকাঠামো প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়: সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ইত্যাদি সামাজিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ইত্যাদি), পরিবহন (স্থল, পানি ও আকাশপথে), আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি সরবরাহ, বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "অবকাঠামোকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দুইভাগে" + ], + "answer_start": [ + 17 + ] + } + }, + { + "id": "id_1378", + "title": "id_1377_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "অবকাঠামো প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়: সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ইত্যাদি সামাজিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ইত্যাদি), পরিবহন (স্থল, পানি ও আকাশপথে), আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি সরবরাহ, বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "সামাজিক অবকাঠামোর উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন" + ], + "answer_start": [ + 68 + ] + } + }, + { + "id": "id_1379", + "title": "id_1378_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "অবকাঠামো প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়: সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ইত্যাদি সামাজিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ইত্যাদি), পরিবহন (স্থল, পানি ও আকাশপথে), আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি সরবরাহ, বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে কী কী অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_1380", + "title": "id_1379_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "অবকাঠামো প্রধ���নত দুইভাগে ভাগ করা হয়: সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ইত্যাদি সামাজিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ইত্যাদি), পরিবহন (স্থল, পানি ও আকাশপথে), আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি সরবরাহ, বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "পরিবহন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত কোন কোন মাধ্যম রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "স্থল, পানি ও আকাশপথে" + ], + "answer_start": [ + 207 + ] + } + }, + { + "id": "id_1381", + "title": "id_1380_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "অবকাঠামো প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়: সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ইত্যাদি সামাজিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ইত্যাদি), পরিবহন (স্থল, পানি ও আকাশপথে), আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি সরবরাহ, বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর মধ্যে কোন কোন প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 230 + ] + } + }, + { + "id": "id_1382", + "title": "id_1381_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "এই আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি। অবকাঠামো উন্নত না হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করা যায় না। বাংলাদেশে এই অবকাঠামো উন্নত নয় এবং অপর্যাপ্ত।", + "question": "আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো কীসের ভিত্তি?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক উন্নয়নের" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_1383", + "title": "id_1382_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "এই আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি। অবকাঠামো উন্নত না হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করা যায় না। বাংলাদেশে এই অবকাঠামো উন্নত নয় এবং অপর্যাপ্ত।", + "question": "অবকাঠামো উন্নত না হলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করা যায় না" + ], + "answer_start": [ + 75 + ] + } + }, + { + "id": "id_1384", + "title": "id_1383_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "এই আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি। অবকাঠামো উন্নত না হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করা যায় না। বাংলাদেশে এই অবকাঠামো উন্নত নয় এবং অপর্যাপ্ত।", + "question": "বাংলাদেশে অবকাঠামোর অবস্থা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত নয় এবং অপর্যাপ্ত" + ], + "answer_start": [ + 133 + ] + } + }, + { + "id": "id_1385", + "title": "id_1384_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "এই আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি। অবকাঠামো উন্নত না হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করা যায় না। বাংলাদেশে এই অবকাঠামো উন্নত নয় এবং অপর্যাপ্ত।", + "question": "উন্নয়নের জন্য কোন ধরনের অবকাঠামোর উন্নতি প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো" + ], + "answer_start": [ + 3 + ] + } + }, + { + "id": "id_1386", + "title": "id_1385_অবকাঠামোর দুর্বলতা", + "context": "এই আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি। অবকাঠামো উন্নত না হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করা যায় না। বাংলাদেশে এই অবকাঠামো উন্নত নয় এবং অপর্যাপ্ত।", + "question": "অবকাঠামোর দুর্বলতার প্রভাব কী?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করা যায় না" + ], + "answer_start": [ + 75 + ] + } + }, + { + "id": "id_1387", + "title": "id_1386_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", + "question": "বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য কী ওপর নির্ভরশীল ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_1388", + "title": "id_1387_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", + "question": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ কতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_1389", + "title": "id_1388_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", + "question": "বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ প্রাপ্তিতে কেন কমে আসছে?", + "answers": { + "text": [ + "বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে" + ], + "answer_start": [ + 183 + ] + } + }, + { + "id": "id_1390", + "title": "id_1389_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", + "question": "বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতা কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "কমে আসছে" + ], + "answer_start": [ + 262 + ] + } + }, + { + "id": "id_1391", + "title": "id_1390_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", + "question": "বৈদেশিক ঋণ প্রাপ্তির হার কমার কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণ" + ], + "answer_start": [ + 183 + ] + } + }, + { + "id": "id_1392", + "title": "id_1391_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", + "question": "বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ বৃদ্ধির সময়কাল কত?", + "answers": { + "text": [ + "বিগত প্র��য় এক দশক" + ], + "answer_start": [ + 94 + ] + } + }, + { + "id": "id_1393", + "title": "id_1392_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", + "question": "বর্তমানে ঋণের উৎস কোনটি বেশি?", + "answers": { + "text": [ + "অভ্যন্তরীণ উৎস" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_1394", + "title": "id_1393_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", + "question": "বৈদেশিক ঋণ প্রাপ্তির প্রবণতা কী?", + "answers": { + "text": [ + "ক্রমশ কমে আসছে" + ], + "answer_start": [ + 256 + ] + } + }, + { + "id": "id_1395", + "title": "id_1394_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নশীল একটি অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠছে। তবে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এখনও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন ধরনের অর্থনীতি?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রুত উন্নয়নশীল" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_1396", + "title": "id_1395_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নশীল একটি অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠছে। তবে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এখনও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।", + "question": "উন্নয়নের পথে প্রধান চ্যালেঞ্জ কী?", + "answers": { + "text": [ + "অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_1397", + "title": "id_1396_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "���াংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নশীল একটি অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠছে। তবে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এখনও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।", + "question": "কোন চ্যালেঞ্জগুলো উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_1398", + "title": "id_1397_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নশীল একটি অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠছে। তবে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এখনও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।", + "question": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান চ্যালেঞ্জ কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "অবকাঠামোর দুর্বলতা" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_1399", + "title": "id_1398_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নশীল একটি অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠছে। তবে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এখনও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।", + "question": "বিনিয়োগের নিম্নহার কীভাবে প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।" + ], + "answer_start": [ + 202 + ] + } + }, + { + "id": "id_1400", + "title": "id_1399_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নশীল একটি অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠছে। তবে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এখনও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান গতি কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "দ্রুত উন্নয়নশীল" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_1401", + "title": "id_1400_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নশীল একটি অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠছে। তবে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এখনও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।", + "question": "উন্নয়নের পথে প্রধান বাধাগুলোর মধ্যে কোনটি অন্যতম?", + "answers": { + "text": [ + "অবকাঠামোর দুর্বলতা" + ], + "answer_start": [ + 109 + ] + } + }, + { + "id": "id_1402", + "title": "id_1401_বৈদেশিক বাণিজ্য", + "context": "বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রধানত স্বল্পমূল্যের কৃষিজাত পণ্য - চা, পাট; শিল্প পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক দ্রব্যাদি ইত্যাদি ও শ্রমিক রপ্তানি করে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে উচ্চমূল্যের মূলধনসামগ্রী (কলকজা, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি); জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য ও বিলাসদ্রব্য (রঙিন টেলিভিশন, গাড়ি, প্রসাধনসামগ্রী ইত্যাদি)।", + "question": "বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশ কোন কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি করে?", + "answers": { + "text": [ + "চা, পাট" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_1403", + "title": "id_1402_বৈদেশিক বাণিজ্য", + "context": "বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রধানত স্বল্পমূল্যের কৃষিজাত পণ্য - চা, পাট; শিল্প পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক দ্রব্যাদি ইত্যাদি ও শ্রমিক রপ্তানি করে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে উচ্চমূল্যের মূলধনসামগ্রী (কলকজা, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি); জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য ও বিলাসদ্রব্য (রঙিন টেলিভিশন, গাড়ি, প্রসাধনসামগ্রী ইত্যাদি)।", + "question": "কোন কোন শিল্প পণ্য বাংলাদেশ রপ্তানি করে?", + "answers": { + "text": [ + "তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক দ্রব্যাদি ইত্যাদি ও শ্রমিক" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_1404", + "title": "id_1403_বৈদেশিক বাণিজ্য", + "context": "বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রধানত স্বল্পমূল্যের কৃষিজাত পণ্য - চা, পাট; শিল্প পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক দ্রব্যাদি ইত্যাদি ও শ্রমিক রপ্তানি করে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে উচ্চমূল্যের মূলধনসামগ্রী (কলকজা, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি); জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য ও বিলাসদ্রব্য (রঙিন টেলিভিশন, গাড়ি, প্রসাধনসামগ্রী ইত্যাদি)।", + "question": "বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের মধ্যে কী কী অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "উচ্চমূল্যের মূলধনসামগ্রী (কলকজা, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি); জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য ও বিলাসদ্রব্য (রঙিন টেলিভিশন, গাড়ি, প্রসাধনসামগ্রী ইত্যাদি)।" + ], + "answer_start": [ + 242 + ] + } + }, + { + "id": "id_1405", + "title": "id_1404_বৈদেশিক বাণিজ্য", + "context": "বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রধানত স্বল্পমূল্যের কৃষিজাত পণ্য - চা, পাট; শিল্প পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক দ্রব্যাদি ইত্যাদি ও শ্রমিক রপ্তানি করে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে উচ্চমূল্যের মূলধনসামগ্রী (কলকজা, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি); জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য ও বিলাসদ্রব্য (রঙিন টেলিভিশন, গাড়ি, প্রসাধনসামগ্রী ইত্যাদি)।", + "question": "আমদানি পণ্যের মধ্যে কোন ধরনের বিলাসদ্রব্য অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "রঙিন টেলিভিশন, গাড়ি, প্রসাধনসামগ্রী" + ], + "answer_start": [ + 345 + ] + } + }, + { + "id": "id_1406", + "title": "id_1405_বৈদেশিক বাণিজ্য", + "context": "বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রধানত স্বল্পমূল্যের কৃষিজাত পণ্য - চা, পাট; শিল্প পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক ও নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত দ্রব্য, সিরামিক দ্রব্যাদি ইত্যাদি ও শ্রমিক রপ্তানি করে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে উচ্চমূল্যের মূলধনসামগ্রী (কলকজা, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি); জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম এবং খাদ্য ও বিলাসদ্রব্য (রঙিন টেলিভিশন, গাড়ি, প্রসাধনসামগ্রী ইত্যাদি)।", + "question": "আমদানির ক্ষেত্রে কোন ধরনের জ্বালানি অন্তর্ভুক্ত আছে?", + "answers": { + "text": [ + "পেট্রোলিয়াম" + ], + "answer_start": [ + 307 + ] + } + }, + { + "id": "id_1407", + "title": "id_1406_প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার", + "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", + "question": "বাংলাদেশের কোন প্রাকৃতিক সম্পদগুলো উল্লেখযোগ্য?", + "answers": { + "text": [ + "উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয়" + ], + "answer_start": [ + 53 + ] + } + }, + { + "id": "id_1408", + "title": "id_1407_প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার", + "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", + "question": "খনিজ সম্পদের উদাহরণ হিসেবে কোনগুলি উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_1409", + "title": "id_1408_প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার", + "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", + "question": "প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে কোনটি উল্লেখযোগ্য খনিজ সম্পদ?", + "answers": { + "text": [ + "কয়লা" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_1410", + "title": "id_1409_প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার", + "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", + "question": "ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদগুলোর মধ্যে কী কী অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_1411", + "title": "id_1410_প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার", + "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", + "question": "কোন ধরনের মাটি খনিজ সম্পদের অংশ?", + "answers": { + "text": [ + "সাদা মাটি, চীনা মাটি" + ], + "answer_start": [ + 203 + ] + } + }, + { + "id": "id_1412", + "title": "id_1411_প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার", + "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", + "question": "প্রাকৃতিক জলাশয় কোন প্রকার সম্পদের অন্তর্গত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাকৃতিক সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_1413", + "title": "id_1412_প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার:", + "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", + "question": "কঠিন শিলা কোন সম্পদের অংশ?", + "answers": { + "text": [ + "খনিজ সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 118 + ] + } + }, + { + "id": "id_1414", + "title": "id_1413_শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ", + "context": "প্রধানত যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত।", + "question": "কীভাবে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_1415", + "title": "id_1414_শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ", + "context": "প্রধানত যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত।", + "question": "বাংলাদেশের কোন অংশ এখনও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত?", + "answers": { + "text": [ + "বড় অংশ" + ], + "answer_start": [ + 175 + ] + } + }, + { + "id": "id_1416", + "title": "id_1415_শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ", + "context": "প্রধানত যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত।", + "question": "বাংলাদেশের জনগণের কী সুবিধা প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_1417", + "title": "id_1416_শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ", + "context": "প্রধানত যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত।", + "question": "মানবসম্পদ গঠনে কোন সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_1418", + "title": "id_1417_শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ", + "context": "প্রধানত যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত।", + "question": "জনসংখ্যার কত অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত?", + "answers": { + "text": [ + "বড় অংশ" + ], + "answer_start": [ + 175 + ] + } + }, + { + "id": "id_1419", + "title": "id_1418_শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ", + "context": "প্রধানত যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত।", + "question": "জনগণকে দক্ষ করে তোলার উপায় কী?", + "answers": { + "text": [ + "কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1420", + "title": "id_1419_শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ", + "context": "প্রধানত যথাযথ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং দক্ষতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠী মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত।", + "question": "জনসংখ্যার কোন বড় অসুবিধা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_1421", + "title": "id_1420_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের বড় একটি অংশ খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার। ক��ঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। এসব কারণে বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশকেই মানবসম্পদে রূপান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি।", + "question": "বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের কী সমস্যা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতা" + ], + "answer_start": [ + 49 + ] + } + }, + { + "id": "id_1422", + "title": "id_1421_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের বড় একটি অংশ খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার। কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। এসব কারণে বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশকেই মানবসম্পদে রূপান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি।", + "question": "বিজ্ঞান শিক্ষার বিস্তার কতটুকু ঘটেছে?", + "answers": { + "text": [ + "কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি।" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_1423", + "title": "id_1422_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের বড় একটি অংশ খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার। কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। এসব কারণে বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশকেই মানবসম্পদে রূপান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি।", + "question": "কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি।" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_1424", + "title": "id_1423_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের বড় একটি অংশ খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার। কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। এসব কারণে বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশকেই মানবসম্পদে রূপান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি।", + "question": "জনগণ কী কারণে মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়নি?", + "answers": { + "text": [ + "কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_1425", + "title": "id_1424_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের বড় একটি অংশ খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার। ক��ঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। এসব কারণে বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশকেই মানবসম্পদে রূপান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি।", + "question": "বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশের কী সমস্যার সম্মুখীন?", + "answers": { + "text": [ + "কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_1426", + "title": "id_1425_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের বড় একটি অংশ খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার। কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। এসব কারণে বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশকেই মানবসম্পদে রূপান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি।", + "question": "মানবসম্পদে রূপান্তর না হওয়ার কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_1427", + "title": "id_1426_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে জনগণের বড় একটি অংশ খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার। কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বিজ্ঞান শিক্ষা, কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিস্তার ঘটেনি। এসব কারণে বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশকেই মানবসম্পদে রূপান্তর করা এখনও সম্ভব হয়নি।", + "question": "বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ কী কারণে ক্ষতিগ্রস্ত?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্যাভাব ও পুষ্টিহীনতার শিকার" + ], + "answer_start": [ + 49 + ] + } + }, + { + "id": "id_1428", + "title": "id_1427_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ নিহিত রয়েছে আমাদের ইতিহাসের গভীরে। আমাদের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে এত অগ্রসর এবং সমস্যা জর্জরিত, তার দুই শতাব্দীকাল বিস্তৃত একটি পটভূমি রয়েছে। এই পটভূমি রচিত হয়েছে প্রায় দুইশ' বছরব্যাপী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসন আমলে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "আমাদের ইতিহাসের গভীরে" + ], + "answer_start": [ + 53 + ] + } + }, + { + "id": "id_1429", + "title": "id_1428_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ নিহিত রয়েছে আ��াদের ইতিহাসের গভীরে। আমাদের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে এত অগ্রসর এবং সমস্যা জর্জরিত, তার দুই শতাব্দীকাল বিস্তৃত একটি পটভূমি রয়েছে। এই পটভূমি রচিত হয়েছে প্রায় দুইশ' বছরব্যাপী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসন আমলে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতা কীভাবে সমস্যা জর্জরিত?", + "answers": { + "text": [ + "দুই শতাব্দীকাল বিস্তৃত একটি পটভূমি রয়েছে" + ], + "answer_start": [ + 175 + ] + } + }, + { + "id": "id_1430", + "title": "id_1429_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ নিহিত রয়েছে আমাদের ইতিহাসের গভীরে। আমাদের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে এত অগ্রসর এবং সমস্যা জর্জরিত, তার দুই শতাব্দীকাল বিস্তৃত একটি পটভূমি রয়েছে। এই পটভূমি রচিত হয়েছে প্রায় দুইশ' বছরব্যাপী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসন আমলে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমস্যার পটভূমি কত বছরের?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় দুইশ' বছরব্যাপী" + ], + "answer_start": [ + 240 + ] + } + }, + { + "id": "id_1431", + "title": "id_1430_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ নিহিত রয়েছে আমাদের ইতিহাসের গভীরে। আমাদের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে এত অগ্রসর এবং সমস্যা জর্জরিত, তার দুই শতাব্দীকাল বিস্তৃত একটি পটভূমি রয়েছে। এই পটভূমি রচিত হয়েছে প্রায় দুইশ' বছরব্যাপী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসন আমলে।", + "question": "ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন কত বছরব্যাপী ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় দুইশ' বছরব্যাপী" + ], + "answer_start": [ + 240 + ] + } + }, + { + "id": "id_1432", + "title": "id_1431_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ নিহিত রয়েছে আমাদের ইতিহাসের গভীরে। আমাদের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে এত অগ্রসর এবং সমস্যা জর্জরিত, তার দুই শতাব্দীকাল বিস্তৃত একটি পটভূমি রয়েছে। এই পটভূমি রচিত হয়েছে প্রায় দুইশ' বছরব্যাপী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসন আমলে।", + "question": "পাকিস্তানি শাসনের সময়কাল কত বছর?", + "answers": { + "text": [ + "২৪ বছরের" + ], + "answer_start": [ + 290 + ] + } + }, + { + "id": "id_1433", + "title": "id_1432_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ। এ সময়ে কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করেছিল।", + "question": "কোন সময়কে বাংলার স্বর্ণযুগ বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মুসলিম শাসনামল" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1434", + "title": "id_1433_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ। এ সময়ে কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করেছিল।", + "question": "মুসলিম শাসনামলে কোন ক্ষেত্রগুলোতে সমৃদ্ধি এসেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_1435", + "title": "id_1434_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ। এ সময়ে কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করেছিল।", + "question": "বাংলার স্বর্ণযুগে কোন ক্ষেত্রগুলো সমৃদ্ধ হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_1436", + "title": "id_1435_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ। এ সময়ে কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করেছিল।", + "question": "বাংলার স্বর্ণযুগে কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য কেমন ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "সমৃদ্ধির শিখরে" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_1437", + "title": "id_1436_বেকারত্ব ও দারিদ্র", + "context": "মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ। এ সময়ে কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করেছিল।", + "question": "মুসলিম শাসনামলে বাংলার অর্থনৈতিক অবস্থার বর্ণনা কী?", + "answers": { + "text": [ + "সমৃদ্ধির শিখরে" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_1438", + "title": "id_1437_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায় - প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও ��াকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্প ক্ষেত্রে ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার প্রধান কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_1439", + "title": "id_1438_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায় - প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্প ক্ষেত্রে ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।", + "question": "স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে কতটি পর্বে ভাগ করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "৪টি" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_1440", + "title": "id_1439_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায় - প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্প ক্ষেত্রে ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।", + "question": "স্বাধীনতা-পূর্ব কোন পর্বগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভাগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল।" + ], + "answer_start": [ + 153 + ] + } + }, + { + "id": "id_1441", + "title": "id_1440_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায় - প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্প ক্ষেত্রে ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।", + "question": "প্রাচীন বাংলায় কোন ক্ষেত্রে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি উৎপাদনে" + ], + "answer_start": [ + 234 + ] + } + }, + { + "id": "id_1442", + "title": "id_1441_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায় - প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্প ক্ষেত্রে ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।", + "question": "প্রাচীন বাংলায় কোন শিল্পগুলো প্রসার লাভ করেছিল?", + "answers": { + "text": [ + " ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প " + ], + "answer_start": [ + 288 + ] + } + }, + { + "id": "id_1443", + "title": "id_1442_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায় - প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্প ক্ষেত্রে ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ভাগ করার সময় কোন সময়কালগুলো অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল।" + ], + "answer_start": [ + 153 + ] + } + }, + { + "id": "id_1444", + "title": "id_1443_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায় - প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্প ক্ষেত্রে ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।", + "question": "কোন কোন শিল্প প্রাচীন বাংলায় প্রসার লাভ করেছিল?", + "answers": { + "text": [ + " ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প " + ], + "answer_start": [ + 288 + ] + } + }, + { + "id": "id_1445", + "title": "id_1444_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে এদেশে শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়। কৃষিক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ প্রবর্তনের ফলে কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনামলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল। প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল।", + "question": "ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী কীভাবে বাংলাদেশে শাসন করেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়" + ], + "answer_start": [ + 35 + ] + } + }, + { + "id": "id_1446", + "title": "id_1445_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে এদেশে শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়। কৃষিক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ প্রবর্তনের ফলে কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনামলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল। প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল।", + "question": "চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কী প্রভাব ফেলেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_1447", + "title": "id_1446_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে এদেশে শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়। কৃষিক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ প্রবর্তনের ফলে কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনামলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল। প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল।", + "question": "চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কী ক্ষতি হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_1448", + "title": "id_1447_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে এদেশে শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়। কৃষিক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা ও বাধ্যত���মূলক নীলচাষ প্রবর্তনের ফলে কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনামলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল। প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল।", + "question": "মুসলিম শাসনামলে বাংলাদেশের কোন দেশের সাথে বাণিজ্য ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে" + ], + "answer_start": [ + 210 + ] + } + }, + { + "id": "id_1449", + "title": "id_1448_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে এদেশে শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়। কৃষিক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ প্রবর্তনের ফলে কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনামলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল। প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল।", + "question": "বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য কোন দেশের সাথে ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতে" + ], + "answer_start": [ + 261 + ] + } + }, + { + "id": "id_1450", + "title": "id_1449_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে এদেশে শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়। কৃষিক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ প্রবর্তনের ফলে কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনামলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল। প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল।", + "question": "জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ কোন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি ও কৃষকসমাজ" + ], + "answer_start": [ + 151 + ] + } + }, + { + "id": "id_1451", + "title": "id_1450_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী অব্যাহতভাবে এদেশে শোষণ ও লুণ্ঠন চালায়। কৃষিক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা ও বাধ্যতামূলক নীলচাষ প্রবর্তনের ফলে কৃষি ও কৃষকসমাজ বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনামলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ছিল। প্রতিবেশী দেশসমূহসহ ইউরোপীয় দেশগুলোতেও বাং��াদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল।", + "question": "মুসলিম শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি কোন খাতে ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "রপ্তানি বাণিজ্য" + ], + "answer_start": [ + 320 + ] + } + }, + { + "id": "id_1452", + "title": "id_1451_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল। কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিগণিত হতো। ইংরেজরা সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজেদের কুক্ষিগত করে। এ সময় ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব ঘটার ফলে যন্ত্রযুগের শুরু হয়। ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়।", + "question": "কোন পণ্যের রপ্তানি বাংলাদেশ করতো?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও " + ], + "answer_start": [ + 40 + ] + } + }, + { + "id": "id_1453", + "title": "id_1452_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল। কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিগণিত হতো। ইংরেজরা সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজেদের কুক্ষিগত করে। এ সময় ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব ঘটার ফলে যন্ত্রযুগের শুরু হয়। ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়।", + "question": "বাংলাদেশের কোন শিল্প বিশ্বখ্যাত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কুটিরশিল্প" + ], + "answer_start": [ + 334 + ] + } + }, + { + "id": "id_1454", + "title": "id_1453_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল। কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিগণিত হতো। ইংরেজরা সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজেদের কুক্ষিগত করে। এ সময় ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব ঘটার ফলে যন্ত্রযুগের শুরু হয়। ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়।", + "question": "ইংরেজরা কীভাবে বাংলাদেশের ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ করেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজ���দের কুক্ষিগত করে" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1455", + "title": "id_1454_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল। কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিগণিত হতো। ইংরেজরা সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজেদের কুক্ষিগত করে। এ সময় ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব ঘটার ফলে যন্ত্রযুগের শুরু হয়। ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়।", + "question": "ইংল্যান্ডে কী ঘটেছিল যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প বিপ্লব" + ], + "answer_start": [ + 187 + ] + } + }, + { + "id": "id_1456", + "title": "id_1455_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল। কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিগণিত হতো। ইংরেজরা সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজেদের কুক্ষিগত করে। এ সময় ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব ঘটার ফলে যন্ত্রযুগের শুরু হয়। ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়।", + "question": "ইংল্যান্ডের কোন শিল্প বাংলাদেশের বাজার দখল করেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "বস্ত্রকল" + ], + "answer_start": [ + 243 + ] + } + }, + { + "id": "id_1457", + "title": "id_1456_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল। কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিগণিত হতো। ইংরেজরা সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজেদের কুক্ষিগত করে। এ সময় ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব ঘটার ফলে যন্ত্রযুগের শুরু হয়। ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়।", + "question": "বাংলাদেশের কোন কোন শিল্প ধ্বংস হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 334 + ] + } + }, + { + "id": "id_1458", + "title": "id_1457_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের বিস্তৃত রপ্তানি বাণিজ্য ছিল। কৃষিপণ্যের সাথে বাংলাদেশ শিল্পপণ্যেরও বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিগণিত হতো। ইংরেজরা সকল ব্যবসায়-বাণিজ্য নিজেদের কুক্ষিগত করে। এ সময় ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব ঘটার ফলে যন্ত্রযুগের শুরু হয়। ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়।", + "question": "বাংলাদেশের কোন খাতে ইংল্যান্ডের প্রভাব ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "বস্ত্রকল" + ], + "answer_start": [ + 243 + ] + } + }, + { + "id": "id_1459", + "title": "id_1458_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতা ছিল ইংরেজ শাসনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। ইংরেজ শাসন ও শোষণের ফলে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প এবং বাণিজ্য তিন ক্ষেত্রেই ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।", + "question": "কীভাবে বাংলাদেশের বাজার দখল করা হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1460", + "title": "id_1459_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতা ছিল ইংরেজ শাসনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। ইংরেজ শাসন ও শোষণের ফলে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প এবং বাণিজ্য তিন ক্ষেত্রেই ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।", + "question": "বাংলাদেশের কোন শিল্পগুলো ধ্বংস হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 103 + ] + } + }, + { + "id": "id_1461", + "title": "id_1460_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতা ছিল ইংরেজ শাসনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। ইংরেজ শাসন ও শোষণের ফলে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প এবং বাণিজ্য তিন ক্ষেত্রেই ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।", + "question": "ইংরেজ শাসনের কারণে বাংলাদেশের কী ক্ষতি হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি, শিল্প এবং বাণিজ্য তিন ক্ষেত্রেই ব্যাপক ক্ষতি" + ], + "answer_start": [ + 243 + ] + } + }, + { + "id": "id_1462", + "title": "id_1461_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ইংল্যান্ডের বস্ত্রকলে কম খরচে উৎপাদিত বস্ত্র দিয়ে বাংলাদেশের বাজার দখল করার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতা ছিল ইংরেজ শাসনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। ইংরেজ শাসন ও শোষণের ফলে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প এবং বাণিজ্য তিন ক্ষেত্রেই ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।", + "question": "ইংরেজ শাসনের ফলে বাংলাদেশের কোন ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি, শিল্প এবং বাণিজ্য" + ], + "answer_start": [ + 243 + ] + } + }, + { + "id": "id_1463", + "title": "id_1462_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": " ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল- পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান।", + "question": "১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ কীভাবে বিভক্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_1464", + "title": "id_1463_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল- পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান।v", + "question": "পাকিস্তানের কতটি অংশ ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "দুটি" + ], + "answer_start": [ + 41 + ] + } + }, + { + "id": "id_1465", + "title": "id_1464_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল- পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান।", + "question": "পূর্ব পাকিস্তান কী নামে পরিচিত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "তদ���নীন্তন পূর্ব বাংলা" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_1466", + "title": "id_1465_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল- পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান।", + "question": "বর্তমান বাংলাদেশ পূর্বে কী নামে পরিচিত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "পূর্ব পাকিস্তান" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_1467", + "title": "id_1466_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল- পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান।", + "question": "১৯৪৭ সালে বাংলাদেশের নাম কী ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "পূর্ব পাকিস্তান" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_1468", + "title": "id_1467_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল- পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান।", + "question": "১৯৪৭ সালে কোন দেশ দুটি গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত ও পাকিস্তান" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_1469", + "title": "id_1468_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে নানাভাবে শোষণ করে। চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, বৈদেশিক সাহায্যের অংশ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে চরম বঞ্চনার শিকার হতে হয়।", + "question": "পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে কীভাবে শোষণ করত?", + "answers": { + "text": [ + "চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, বৈদেশিক সাহায্যের অংশ" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_1470", + "title": "id_1469_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯��৭-১৯৭১ সময়কালে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে নানাভাবে শোষণ করে। চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, বৈদেশিক সাহায্যের অংশ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে চরম বঞ্চনার শিকার হতে হয়।", + "question": "১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে কোন অংশ শোষিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "পূর্ব পাকিস্তান" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_1471", + "title": "id_1470_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে নানাভাবে শোষণ করে। চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, বৈদেশিক সাহায্যের অংশ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে চরম বঞ্চনার শিকার হতে হয়।", + "question": "পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ কোন শাসনামলে চরম বঞ্চনার শিকার হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1472", + "title": "id_1471_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে নানাভাবে শোষণ করে। চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, বৈদেশিক সাহায্যের অংশ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে চরম বঞ্চনার শিকার হতে হয়।", + "question": "পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ কীভাবে বঞ্চিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_1473", + "title": "id_1472_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে নানাভাবে শোষণ করে। চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, বৈদেশিক সাহায্যের অংশ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে চরম বঞ্চনার শিকার হতে হয়।", + "question": "পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ কোন বাহিনীতে নিয়োগ পেত না?", + "answers": { + "text": [ + "সশস্ত্র বাহিনী" + ], + "answer_start": [ + 107 + ] + } + }, + { + "id": "id_1474", + "title": "id_1473_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। এভাবে দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে (১৭৫৭-১৯৭১) ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হ", + "question": "পশ্চিম পাকিস্তান কোন ক্ষেত্রে প্রাধান্য বিস্তার করেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1475", + "title": "id_1474_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। এভাবে দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে (১৭৫৭-১৯৭১) ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হ", + "question": "কত বছর ধরে বাংলাদেশের শোষণ চলেছিল?", + "answers": { + "text": [ + "দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_1476", + "title": "id_1475_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। এভাবে দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে (১৭৫৭-১৯৭১) ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হ", + "question": "ঔপনিবেশিক শাসন কবে থেকে শুরু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৭৫৭" + ], + "answer_start": [ + 92 + ] + } + }, + { + "id": "id_1477", + "title": "id_1476_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। এভাবে দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে (১৭৫৭-১৯৭১) ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হ", + "question": "১৭৫৭-১৯৭১ সময়কালে কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষতি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে" + ], + "answer_start": [ + 103 + ] + } + }, + { + "id": "id_1478", + "title": "id_1477_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। এভাবে দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে (১৭৫৭-১৯৭১) ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হ", + "question": "দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে শোষণ কী প্রভাব ফেলেছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস" + ], + "answer_start": [ + 134 + ] + } + }, + { + "id": "id_1479", + "title": "id_1478_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে এক সময়কার বিশ্বে অগ্রণী দেশ বাংলাদেশ একটি পরনির্ভর অর্থনীতিতে পরিণত হয়। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়ার পরে বাংলাদেশ এই পরনির্ভর অর্থনীতির উত্তরাধিকার লাভ করে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতি কীভাবে পরনির্ভর হয়ে পড়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1480", + "title": "id_1479_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে এক সময়কার বিশ্বে অগ্রণী দেশ বাংলাদেশ একটি পরনির্ভর অর্থনীতিতে পরিণত হয়। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়ার পরে বাংলাদেশ এই পরনির্ভর অর্থনীতির উত্তরাধিকার লাভ করে।", + "question": "১৯৭১ সালের আগে বাংলাদেশ কী ধরনের অর্থনীতিতে পরিণত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "একটি পরনির্ভর অর্থনীতি" + ], + "answer_start": [ + 79 + ] + } + }, + { + "id": "id_1481", + "title": "id_1480_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে এক সময়কার বিশ্বে অগ্রণী দেশ বাংলাদেশ একটি পরনির্ভর অর্থনীতিতে পরিণত হয়। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়ার পরে বাংলাদেশ এই পরনির্ভর অর্থনীতির উত্তরাধিকার লাভ করে।", + "question": "১৯৭১ সালে বাংলাদেশ কীভাবে স্বাধীন হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 125 + ] + } + }, + { + "id": "id_1482", + "title": "id_1481_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে এক সময়কার বিশ্বে অগ্রণী দেশ বাংলাদেশ একটি পরনির্ভর অর্থনীতিতে পরিণত হয়। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়ার পরে বাংলাদেশ এই পরনির্ভর অর্থনীতির উত্তরাধিকার লাভ করে।", + "question": "স্বাধীন হওয়ার পরে বাংলাদেশ কী ধরনের অর্থনীতি পায়?", + "answers": { + "text": [ + "পরনির্ভর অর্থনীতি" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_1483", + "title": "id_1482_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রে এক সময়কার বিশ্বে অগ্রণী দেশ বাংলাদেশ একটি পরনির্ভর অর্থনীতিতে পরিণত হয়। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়ার পরে বাংলাদেশ এই পরনির্ভর অর্থনীতির উত্তরাধিকার লাভ করে।", + "question": "১৯৭১ সালে বাংলাদ��শের অর্থনীতির অবস্থান কী ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "পরনির্ভর" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_1484", + "title": "id_1483_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করতে আমাদের দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়। অধিকন্তু পচাত্তর পরবর্তী বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক শাসনও আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধক ছিল।", + "question": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কী প্রয়োজন ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "ভিত্তি প্রস্তুত" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_1485", + "title": "id_1484_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করতে আমাদের দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়। অধিকন্তু পচাত্তর পরবর্তী বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক শাসনও আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধক ছিল।", + "question": "অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করতে কত সময় লেগেছে?", + "answers": { + "text": [ + "দীর্ঘ সময়" + ], + "answer_start": [ + 71 + ] + } + }, + { + "id": "id_1486", + "title": "id_1485_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করতে আমাদের দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়। অধিকন্তু পচাত্তর পরবর্তী বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক শাসনও আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধক ছিল।", + "question": "কোন সময়ে অগণতান্ত্রিক শাসন ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "পচাত্তর পরবর্তী" + ], + "answer_start": [ + 102 + ] + } + }, + { + "id": "id_1487", + "title": "id_1486_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করতে আমাদের দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়। অধিকন্তু পচাত্তর পরবর্তী বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক শাসনও আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধক ছিল।", + "question": "পচান্নর পরবর্তী শাসন কী ধরনের ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "অগণতান্ত্রিক" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1488", + "title": "id_1487_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করতে আমাদের দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়। অধিকন্তু পচাত্তর পরবর্তী বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক শাসনও আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধক ছিল।", + "question": "কোন ধরনের শাসন আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধক ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "অগণতান্ত্রিক" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1489", + "title": "id_1488_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে শিল্প খাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প নেই বলে শিল্প খাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না। ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প ইত্যাদি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোন খাত সম্প্রসারিত হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প খাত" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1490", + "title": "id_1489_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে শিল্প খাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প নেই বলে শিল্প খাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না। ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প ইত্যাদি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।", + "question": "শিল্প খাতের দ্রুত উন্নয়ন কেন সম্ভব হচ্ছে না?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প খাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প নেই বলে" + ], + "answer_start": [ + 61 + ] + } + }, + { + "id": "id_1491", + "title": "id_1490_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে শিল্প খাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প নেই বলে শিল্প খাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না। ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প ইত্যাদি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।", + "question": "ভারী শিল্পের কিছু উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা" + ], + "answer_start": [ + 181 + ] + } + }, + { + "id": "id_1492", + "title": "id_1491_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে শিল্প খাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প নেই বলে শিল্প খাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না। ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প ইত্যাদি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।", + "question": "বাংলাদেশের ভারী শিল্পের অবস্থা কী?", + "answers": { + "text": [ + "প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল" + ], + "answer_start": [ + 304 + ] + } + }, + { + "id": "id_1493", + "title": "id_1492_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে শিল্প খাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প নেই বলে শিল্প খাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না। ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প ইত্যাদি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।", + "question": "কোন ধরনের শিল্প বাংলাদেশে অত্যন্ত অপ্রতুল?", + "answers": { + "text": [ + "ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প " + ], + "answer_start": [ + 163 + ] + } + }, + { + "id": "id_1494", + "title": "id_1493_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে শিল্প খাতের মৌলিক বা ভিত্তিমূলক শিল্প নেই বলে শিল্প খাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না। ভারী শিল্প, যেমন- লোহা ও ইস্পাত শিল্প, ভারী যানবাহন শিল্প, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাপনা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বিষয়ক শিল্প ইত্যাদি প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।", + "question": "শিল্প খাতের মৌলিক ঘাটতি কীভাবে বাংলাদেশের শিল্প উন্নয়নে প্রভাব ফেলছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প খাত খুব দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারছে না" + ], + "answer_start": [ + 107 + ] + } + }, + { + "id": "id_1495", + "title": "id_1494_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতাও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতির একটি বড় বাধা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের অভাব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের উচ্চমূল্য, এগুলো উৎপাদন ও সরবরাহে অপর্যাপ্ততা, রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও খারাপ অবস্থা নতুন শিল্প স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধির বড় প্রতিবন্ধক।", + "question": "শিল্প খাতের অগ্রগতির বড় বাধা কী?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1496", + "title": "id_1495_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতাও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতির একটি বড় বাধা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের অভাব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের উচ্চমূল্য, এগুলো উৎপাদন ও সরবরাহে অপর্যাপ্ততা, রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও খারাপ অবস্থা নতুন শিল্প স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধির বড় প্রতিবন্ধক।", + "question": "বাংলাদেশের কোন পরিবহন ব্যবস্থা অপ্রতুল?", + "answers": { + "text": [ + "স্থল, নৌ ও বিমানবন্দর" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_1497", + "title": "id_1496_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতাও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতির একটি বড় বাধা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের অভাব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের উচ্চমূল্য, এগুলো উৎপাদন ও সরবরাহে অপর্যাপ্ততা, রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও খারাপ অবস্থা নতুন শিল্প স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধির বড় প্রতিবন্ধক।", + "question": "উৎপাদন ও সরবরাহে কোন বিষয়গুলো অপর্যাপ্ত?", + "answers": { + "text": [ + "বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_1498", + "title": "id_1497_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতাও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতির একটি বড় বাধা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের অভাব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের উচ্চমূল্য, এগুলো উৎপাদন ও সরবরাহে অপর্যাপ্ততা, রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও খারাপ অবস্থা নতুন শিল্প স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধির বড় প্রতিবন্ধক।", + "question": "নতুন শিল্প স্থাপনে বড় প্রতিবন্ধকতা কী?", + "answers": { + "text": [ + "রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও খারাপ অবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_1499", + "title": "id_1498_বাংলাদেশের অর��থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতাও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতির একটি বড় বাধা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের অভাব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের উচ্চমূল্য, এগুলো উৎপাদন ও সরবরাহে অপর্যাপ্ততা, রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও খারাপ অবস্থা নতুন শিল্প স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধির বড় প্রতিবন্ধক।", + "question": "নতুন শিল্প স্থাপন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে কোন পরিস্থিতি সমস্যা তৈরি করছে?", + "answers": { + "text": [ + "রাস্তাঘাট, সেতু ইত্যাদির অপ্রতুলতা ও খারাপ অবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_1500", + "title": "id_1499_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠু নয়।", + "question": "শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য কী অপরিহার্য?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাংক ঋণ সুবিধা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1501", + "title": "id_1500_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠু নয়।", + "question": "বাংলাদেশের ঋণ সুবিধার অবস্থা কী?", + "answers": { + "text": [ + "চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল" + ], + "answer_start": [ + 63 + ] + } + }, + { + "id": "id_1502", + "title": "id_1501_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠু নয়।", + "question": "নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ সুবিধার সমস্যা কী?", + "answers": { + "text": [ + "ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম" + ], + "answer_start": [ + 133 + ] + } + }, + { + "id": "id_1503", + "title": "id_1502_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠু নয়।", + "question": "ঋণ ব্যবস্থাপনা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "খুব সুষ্ঠু নয়" + ], + "answer_start": [ + 185 + ] + } + }, + { + "id": "id_1504", + "title": "id_1503_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠু নয়।", + "question": "নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে কী ধরনের ঋণ সুবিধার অভাব রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম" + ], + "answer_start": [ + 133 + ] + } + }, + { + "id": "id_1505", + "title": "id_1504_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠ নয়।", + "question": "শিল্প খাতের উন্নয়নের পথে ঋণ ব্যবস্থাপনার সমস্যা কী?", + "answers": { + "text": [ + "খুব সুষ্ঠ নয়" + ], + "answer_start": [ + 185 + ] + } + }, + { + "id": "id_1506", + "title": "id_1505_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তথা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিল্প খাতের উন্নয়নের অনুকূল নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি যেমন- হরতাল, বিক্ষোভ, অবরোধ ইত্যাদি শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।", + "question": "শিল্প খাতের উন্নয়নে কোন ধরনের পরিস্থিতি অনুকূল নয়?", + "answers": { + "text": [ + "সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি" + ], + "answer_start": [ + 6 + ] + } + }, + { + "id": "id_1507", + "title": "id_1506_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তথা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিল্প খাতের উন্নয়নের অনুকূল নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি যেমন- হরতাল, বিক্ষোভ, অবরোধ ইত্যাদি শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।", + "question": "রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার উদাহরণ কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "হরতাল, বিক্ষোভ, অবরোধ" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_1508", + "title": "id_1507_বাংলাদেশের অর্থন���তিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তথা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিল্প খাতের উন্নয়নের অনুকূল নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি যেমন- হরতাল, বিক্ষোভ, অবরোধ ইত্যাদি শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।", + "question": "রাজনৈতিক কর্মসূচি শিল্প খাতের কোন ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনশীলতা" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_1509", + "title": "id_1508_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তথা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিল্প খাতের উন্নয়নের অনুকূল নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি যেমন- হরতাল, বিক্ষোভ, অবরোধ ইত্যাদি শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।", + "question": "রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতায় কী প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "নেতিবাচক প্রভাব" + ], + "answer_start": [ + 173 + ] + } + }, + { + "id": "id_1510", + "title": "id_1509_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তথা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিল্প খাতের উন্নয়নের অনুকূল নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি যেমন- হরতাল, বিক্ষোভ, অবরোধ ইত্যাদি শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।", + "question": "হরতাল ও বিক্ষোভ শিল্প খাতের কোন সমস্যার কারণ?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_1511", + "title": "id_1510_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তথা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিল্প খাতের উন্নয়নের অনুকূল নয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি যেমন- হরতাল, বিক্ষোভ, অবরোধ ইত্যাদি শিল্প খাতের উৎপাদনশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।", + "question": "শিল্প খাতের উন্নয়নে সামাজিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব কীভাবে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "নেতিবাচক প্রভাব" + ], + "answer_start": [ + 173 + ] + } + }, + { + "id": "id_1512", + "title": "id_1511_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "শ্রমিকদের আয় কমে যায়। উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। উৎপাদিত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এতে বাজারে দ্রব্যের চাহিদা কমে ও শিল্পমালিকদের আয় কমে যায়। ফলে নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগ করার প্রবণতাও কমে যায়।", + "question": "���্রমিকদের আয়ের ওপর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব কী?", + "answers": { + "text": [ + "আয় কমে যায়" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_1513", + "title": "id_1512_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "শ্রমিকদের আয় কমে যায়। উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। উৎপাদিত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এতে বাজারে দ্রব্যের চাহিদা কমে ও শিল্পমালিকদের আয় কমে যায়। ফলে নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগ করার প্রবণতাও কমে যায়।", + "question": "রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে উৎপাদন প্রক্রিয়া কীভাবে প্রভাবিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_1514", + "title": "id_1513_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "শ্রমিকদের আয় কমে যায়। উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। উৎপাদিত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এতে বাজারে দ্রব্যের চাহিদা কমে ও শিল্পমালিকদের আয় কমে যায়। ফলে নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগ করার প্রবণতাও কমে যায়।", + "question": "পণ্যের দাম কীভাবে পরিবর্তিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদিত পণ্যের দাম বেড়ে যায়" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_1515", + "title": "id_1514_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "শ্রমিকদের আয় কমে যায়। উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। উৎপাদিত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এতে বাজারে দ্রব্যের চাহিদা কমে ও শিল্পমালিকদের আয় কমে যায়। ফলে নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগ করার প্রবণতাও কমে যায়।", + "question": "পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব কী?", + "answers": { + "text": [ + "বাজারে দ্রব্যের চাহিদা কমে" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_1516", + "title": "id_1515_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "শ্রমিকদের আয় কমে যায়। উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। উৎপাদিত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এতে বাজারে দ্রব্যের চাহিদা কমে ও শিল্পমালিকদের আয় কমে যায়। ফলে নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগ করার প্রবণতাও কমে যায়।", + "question": "শিল্পমালিকদের আয় কীভাবে পরিবর্তিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আয় কমে যায়" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_1517", + "title": "id_1516_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "শ্রমিকদের আয় কমে যায়। উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। উৎপাদিত পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এ��ে বাজারে দ্রব্যের চাহিদা কমে ও শিল্পমালিকদের আয় কমে যায়। ফলে নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগ করার প্রবণতাও কমে যায়।", + "question": "নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগ করার প্রবণতা কীভাবে প্রভাবিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রবণতাও কমে যায়" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_1518", + "title": "id_1517_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "আর্থ-সামাজিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার বিষয়টি। প্রথমে ধরা যাক যোগাযোগের দিকটি। যোগাযোগের মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। ইলেকট্রনিক যোগাযোগ সুবিধা এখনো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নাগালের বাইরে রয়েছে।", + "question": "আর্থ-সামাজিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যে প্রথমেই কোনটি উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততা" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_1519", + "title": "id_1518_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "আর্থ-সামাজিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার বিষয়টি। প্রথমে ধরা যাক যোগাযোগের দিকটি। যোগাযোগের মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। ইলেকট্রনিক যোগাযোগ সুবিধা এখনো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নাগালের বাইরে রয়েছে।", + "question": "যোগাযোগের কোন ক্ষেত্র উল্লেখযোগ্য উন্নতি লাভ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 158 + ] + } + }, + { + "id": "id_1520", + "title": "id_1519_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "আর্থ-সামাজিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার বিষয়টি। প্রথমে ধরা যাক যোগাযোগের দিকটি। যোগাযোগের মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। ইলেকট্রনিক যোগাযোগ সুবিধা এখনো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নাগালের বাইরে রয়েছে।", + "question": "ইলেকট্রনিক যোগাযোগ সুবিধা কার নাগালের বাইরে রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর" + ], + "answer_start": [ + 232 + ] + } + }, + { + "id": "id_1521", + "title": "id_1520_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "আর্থ-সামাজিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় অর্থনৈতি�� অবকাঠামোর দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার বিষয়টি। প্রথমে ধরা যাক যোগাযোগের দিকটি। যোগাযোগের মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। ইলেকট্রনিক যোগাযোগ সুবিধা এখনো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নাগালের বাইরে রয়েছে।", + "question": "টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে" + ], + "answer_start": [ + 180 + ] + } + }, + { + "id": "id_1522", + "title": "id_1521_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "আর্থ-সামাজিক প্রতিবন্ধকতা হিসেবে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় অর্থনৈতিক অবকাঠামোর দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার বিষয়টি। প্রথমে ধরা যাক যোগাযোগের দিকটি। যোগাযোগের মধ্যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে। ইলেকট্রনিক যোগাযোগ সুবিধা এখনো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নাগালের বাইরে রয়েছে।", + "question": "যোগাযোগ অবকাঠামোর কী দুর্বলতা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ইলেকট্রনিক যোগাযোগ সুবিধা এখনো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর নাগালের বাইরে" + ], + "answer_start": [ + 201 + ] + } + }, + { + "id": "id_1523", + "title": "id_1522_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "পরিবহন (আকাশ, স্থল ও জলপথে) সুবিধার দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার কারণে যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না। জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত। ফলে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।", + "question": "পরিবহন সুবিধার কী দুর্বলতা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততা" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_1524", + "title": "id_1523_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "পরিবহন (আকাশ, স্থল ও জলপথে) সুবিধার দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার কারণে যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না। জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত। ফলে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।", + "question": "পরিবহন সুবিধার অভাবে কী কী প্রভাব পড়ছে?", + "answers": { + "text": [ + "যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_1525", + "title": "id_1524_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "পরিবহন (আকাশ, স্থল ও জলপথে) সুবিধার দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার কারণে যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না। জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত। ফলে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।", + "question": "জ্বালানি ও শক্তি ক্ষেত্রে কোন সমস্যা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_1526", + "title": "id_1525_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "পরিবহন (আকাশ, স্থল ও জলপথে) সুবিধার দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার কারণে যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না। জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত। ফলে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।", + "question": "কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন কী কারণে ব্যাহত হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত" + ], + "answer_start": [ + 120 + ] + } + }, + { + "id": "id_1527", + "title": "id_1526_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "পরিবহন (আকাশ, স্থল ও জলপথে) সুবিধার দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার কারণে যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না। জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত। ফলে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।", + "question": "পরিবহন খাতের অগ্রগতিতে কোন বাধা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততা" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_1528", + "title": "id_1527_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "পরিবহন (আকাশ, স্থল ও জলপথে) সুবিধার দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার কারণে যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না। জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত। ফলে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।", + "question": "উৎপাদনশীলতা কীভাবে প্রভাবিত হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_1529", + "title": "id_1528_ব��ংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড় উপাদান হলো মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদান প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।", + "question": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড় উপাদান কী?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 40 + ] + } + }, + { + "id": "id_1530", + "title": "id_1529_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড় উপাদান হলো মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদান প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।", + "question": "ঋণদান প্রতিষ্ঠানসমূহের কী দুর্বলতা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_1531", + "title": "id_1530_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড় উপাদান হলো মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদান প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।", + "question": "ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদান প্রতিষ্ঠানের চাহিদা পূরণে কোন ঘাটতি রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_1532", + "title": "id_1531_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড় উপাদান হলো মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদান প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।", + "question": "রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কী প্রভাব পড়ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে" + ], + "answer_start": [ + 215 + ] + } + }, + { + "id": "id_1533", + "title": "id_1532_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড় উপাদান হলো মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদান প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।", + "question": "ঋণ সুবিধা শিল্পখাতের অগ্রগতিতে কীভাবে প্রভাব ফেলছে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 59 + ] + } + }, + { + "id": "id_1534", + "title": "id_1533_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড় উপাদান হলো মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদান প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।", + "question": "বিনিয়োগের ওপর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রভাব কী?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে" + ], + "answer_start": [ + 226 + ] + } + }, + { + "id": "id_1535", + "title": "id_1534_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "এরপরে আসে সামাজিক অবকাঠামো প্রসঙ্গ। সামাজিক অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।", + "question": "সামাজিক অবকাঠামোর সবচেয়ে বড় সমস্যা কী?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা" + ], + "answer_start": [ + 94 + ] + } + }, + { + "id": "id_1536", + "title": "id_1535_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "এরপরে আসে সামাজিক অবকাঠামো প্রসঙ্গ। সামাজিক অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।", + "question": "শিক্ষিত জনগণ দেশের উন্নয়নে কেন অবদান রাখতে পারে না?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক" + ], + "answer_start": [ + 201 + ] + } + }, + { + "id": "id_1537", + "title": "id_1536_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "এরপরে আসে সামাজিক অবকাঠামো প্রসঙ্গ। সামাজিক অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।", + "question": "সামাজিক অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় কোন সমস্যা উল্লেখ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা" + ], + "answer_start": [ + 94 + ] + } + }, + { + "id": "id_1538", + "title": "id_1537_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "এরপরে আসে সামাজিক অবকাঠামো প্রসঙ্গ। সামাজিক অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।", + "question": "শিক্ষিত জনগণের উৎপাদনশীলতা কেন কম?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক" + ], + "answer_start": [ + 201 + ] + } + }, + { + "id": "id_1539", + "title": "id_1538_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "এরপরে আসে সামাজিক অবকাঠামো প্রসঙ্গ। সামাজিক অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।", + "question": "শিক্ষার দুর্বলতার ফলে কী সমস্যা তৈরি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না" + ], + "answer_start": [ + 163 + ] + } + }, + { + "id": "id_1540", + "title": "id_1539_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতাও শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পারে না। তবে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক। শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুর্বলতা, জনগণের সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবের ফলে সাধারণ ��্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম।", + "question": "শিক্ষার্থীরা কী অর্জন করতে পারে না?", + "answers": { + "text": [ + "অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1541", + "title": "id_1540_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতাও শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পারে না। তবে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুর্বলতা, জনগণের সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবের ফলে সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম।", + "question": "প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 122 + ] + } + }, + { + "id": "id_1542", + "title": "id_1541_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতাও শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পারে না। তবে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুর্বলতা, জনগণের সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবের ফলে সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম।", + "question": "সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম কেন?", + "answers": { + "text": [ + "সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাব" + ], + "answer_start": [ + 324 + ] + } + }, + { + "id": "id_1543", + "title": "id_1542_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতাও শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পারে না। তবে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুর্বলতা, জনগণে�� সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবের ফলে সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম।", + "question": "শিক্ষার কোন দুর্বলতার প্রভাব উৎপাদনশীলতায় পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক" + ], + "answer_start": [ + 264 + ] + } + }, + { + "id": "id_1544", + "title": "id_1543_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতাও শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পারে না। তবে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুর্বলতা, জনগণের সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবের ফলে সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম।", + "question": "সাক্ষরতার নিম্নহার শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতায় কী প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনশীলতা কম" + ], + "answer_start": [ + 405 + ] + } + }, + { + "id": "id_1545", + "title": "id_1544_বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", + "context": "অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতাও শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পারে না। তবে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুর্বলতা, জনগণের সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবের ফলে সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম।", + "question": "কারিগরি দক্ষতার অভাবে শ্রমিকদের কী সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনশীলতা কম" + ], + "answer_start": [ + 405 + ] + } + }, + { + "id": "id_1546", + "title": "id_1545_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "স্বাধীনতার পর নানা কারণে দেশের শাসন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র দৃঢ় হয়ে উঠতে পারেনি। স্বাধীনতাউত্তর চল্লিশ বছরের একটি বড় সময়কাল দেশে সামরিক শাসন চলেছে। প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে।", + "question": "স্বাধীনতার পর দেশের শাসন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র কেন দৃঢ় হয়ে উঠতে পারেনি?", + "answers": { + "text": [ + "নানা কারণে" + ], + "answer_start": [ + 14 + ] + } + }, + { + "id": "id_1547", + "title": "id_1546_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "স্বাধীনতার পর নানা কারণে দেশের শাসন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র দৃঢ় হয়ে উঠতে পারেনি। স্বাধীনতাউত্তর চল্লিশ বছরের একটি বড় সময়কাল দেশে সামরিক শাসন চলেছে। প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে।", + "question": "স্বাধীনতার পর কত বছর সামরিক শাসন চলেছে?", + "answers": { + "text": [ + "চল্লিশ বছরের একটি বড় সময়কাল" + ], + "answer_start": [ + 94 + ] + } + }, + { + "id": "id_1548", + "title": "id_1547_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "স্বাধীনতার পর নানা কারণে দেশের শাসন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র দৃঢ় হয়ে উঠতে পারেনি। স্বাধীনতাউত্তর চল্লিশ বছরের একটি বড় সময়কাল দেশে সামরিক শাসন চলেছে। প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে।", + "question": "প্রশাসনে কী কী অভাব রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব" + ], + "answer_start": [ + 157 + ] + } + }, + { + "id": "id_1549", + "title": "id_1548_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "স্বাধীনতার পর নানা কারণে দেশের শাসন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র দৃঢ় হয়ে উঠতে পারেনি। স্বাধীনতাউত্তর চল্লিশ বছরের একটি বড় সময়কাল দেশে সামরিক শাসন চলেছে। প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে।", + "question": "সামরিক শাসন দেশের কোন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে?", + "answers": { + "text": [ + "গণতন্ত্র দৃঢ় হয়ে উঠতে পারেনি" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_1550", + "title": "id_1549_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "স্বাধীনতার পর নানা কারণে দেশের শাসন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র দৃঢ় হয়ে উঠতে পারেনি। স্বাধীনতাউত্তর চল্লিশ বছরের একটি বড় সময়কাল দেশে সামরিক শাসন চলেছে। প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে।", + "question": "দেশের শাসন ব্যবস্থায় কী ধরনের সমস্যা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব" + ], + "answer_start": [ + 157 + ] + } + }, + { + "id": "id_1551", + "title": "id_1550_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "স্বাধীনতার পর নানা কারণে দেশের শাসন ব্যবস্থায় গণতন্ত্র দৃঢ় হয়ে উঠতে পারেনি। স্বাধীনতাউত্তর চল্লিশ বছরের একটি বড় সময়কাল দেশে সামরিক শাসন চলেছে। প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে।", + "question": "স্বাধীনতার পরে শাসন ব্যবস্থা কেমন ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "সামরিক শাসন চলেছে" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_1552", + "title": "id_1551_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল রেখে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। ফলে তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বেকারত্ব, অসন্তোষ ও অস্থিরতা রয়েছে।", + "question": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কোন ব্যবস্থাগুলো করা সম্ভব হয়নি?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_1553", + "title": "id_1552_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল রেখে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। ফলে তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বেকারত্ব, অসন্তোষ ও অস্থিরতা রয়েছে।", + "question": "তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে কী কী সমস্যা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাপক বেকারত্ব, অসন্তোষ ও অস্থিরতা" + ], + "answer_start": [ + 116 + ] + } + }, + { + "id": "id_1554", + "title": "id_1553_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল রেখে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। ফলে তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বেকারত্ব, অসন্তোষ ও অস্থিরতা রয়েছে।", + "question": "বেকারত্বের ফলে তরুণ জনগোষ্ঠীতে কী দেখা দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "অসন্তোষ ও অস্থিরতা" + ], + "answer_start": [ + 133 + ] + } + }, + { + "id": "id_1555", + "title": "id_1554_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল রেখে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। ফলে তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বেকারত্ব, অসন্তোষ ও অস্থিরতা রয়েছে।", + "question": "শিক্ষার কোন ব্যবস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, প্রশিক্ষণ" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_1556", + "title": "id_1555_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল রেখে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। ফলে তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বেকারত্ব, অসন্তোষ ও অস্থিরতা রয়েছে।", + "question": "তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্থিরতার কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাপক বেকারত্ব" + ], + "answer_start": [ + 116 + ] + } + }, + { + "id": "id_1557", + "title": "id_1556_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তাল রেখে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। ফলে তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বেকারত্ব, অসন্তোষ ও অস্থিরতা রয়েছে।", + "question": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির পর দেশের কোন খাতগুলো উন্নত করা যায়নি?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_1558", + "title": "id_1557_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "সরকারি ও বেসরকারি খাতে কর্মরতদের মধ্যে একটি বড় প্রভাবশালী অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুর্নীতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং সুশাসনের অভাবের কারণে দেশের শিল্প ও সেবা খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি সাধিত হয়নি।", + "question": "সরকারি ও বেসরকারি খাতে কোন সমস্যাটি বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "বড় প্রভাবশালী অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত" + ], + "answer_start": [ + 44 + ] + } + }, + { + "id": "id_1559", + "title": "id_1558_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "সরকারি ও বেসরকারি খাতে কর্মরতদের মধ্যে একটি বড় প্রভাবশালী অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুর্নীতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং সুশাসনের অভাবের কারণে দেশের শিল্প ও সেবা খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি সাধিত হয়নি।", + "question": "দুর্নীতি কীভাবে সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বড় প্রভাবশালী অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত" + ], + "answer_start": [ + 44 + ] + } + }, + { + "id": "id_1560", + "title": "id_1559_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "সরকারি ও বেসরকারি খাতে কর্মরতদের মধ্যে একটি বড় প্রভাবশালী অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুর্নীতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং সুশাসনের অভাবের কারণে দেশের শিল্প ও সেবা খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি সাধিত হয়নি।", + "question": "সুশাসনের অভাবের ফলে কোন খাতে অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প ও সেবা খাত" + ], + "answer_start": [ + 189 + ] + } + }, + { + "id": "id_1561", + "title": "id_1560_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "সরকারি ও বেসরকারি খাতে কর্মরতদের মধ্যে একটি বড় প্রভাবশালী অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুর্নীতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং সুশাসনের অভাবের কারণে দেশের শিল্প ও সেবা খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি সাধিত ��য়নি।", + "question": "দুর্নীতি সমাজে কীভাবে প্রভাব ফেলছে?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বস্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1562", + "title": "id_1561_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "সরকারি ও বেসরকারি খাতে কর্মরতদের মধ্যে একটি বড় প্রভাবশালী অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুর্নীতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং সুশাসনের অভাবের কারণে দেশের শিল্প ও সেবা খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি সাধিত হয়নি।", + "question": "দুর্নীতির কারণে দেশের কোন খাতে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প ও সেবা খাতে" + ], + "answer_start": [ + 189 + ] + } + }, + { + "id": "id_1563", + "title": "id_1562_সুশাসনের অভাব ও দুনীতি ", + "context": "সরকারি ও বেসরকারি খাতে কর্মরতদের মধ্যে একটি বড় প্রভাবশালী অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। এ দুর্নীতি, সামাজিক অস্থিরতা এবং সুশাসনের অভাবের কারণে দেশের শিল্প ও সেবা খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি সাধিত হয়নি।", + "question": "সুশাসনের অভাব দেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলেছে?", + "answers": { + "text": [ + " দেশের শিল্প ও সেবা খাতে আশানুরূপ অগ্রগতি সাধিত হয়নি।" + ], + "answer_start": [ + 182 + ] + } + }, + { + "id": "id_1564", + "title": "id_1563_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগকবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে - বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন প্রভৃতি। এই দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।", + "question": "প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে কী ধরনের ঘটনা?", + "answers": { + "text": [ + "একটি সাধারণ ঘটনা" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_1565", + "title": "id_1564_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগকবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে - বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন প্রভৃতি। এই দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।", + "question": "বাংলাদেশকে কী নামে আখ্যা দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "একটি দুর্যোগকবলিত দেশ" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_1566", + "title": "id_1565_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগকবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে - বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন প্রভৃতি। এই দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।", + "question": "প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর নাম কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন" + ], + "answer_start": [ + 136 + ] + } + }, + { + "id": "id_1567", + "title": "id_1566_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগকবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে - বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন প্রভৃতি। এই দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।", + "question": "কোন খাত প্রধানত প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের কৃষি খাত" + ], + "answer_start": [ + 220 + ] + } + }, + { + "id": "id_1568", + "title": "id_1567_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগকবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে - বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন প্রভৃতি। এই দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।", + "question": "প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশে কী প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে" + ], + "answer_start": [ + 226 + ] + } + }, + { + "id": "id_1569", + "title": "id_1568_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগকবলিত দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে - বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন প্রভৃতি। এই দুর্যোগগুলো প্রধানত দেশের কৃষি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।", + "question": "দুর্যোগকবলিত দেশের উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশকে কেন উল্লেখ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন" + ], + "answer_start": [ + 136 + ] + } + }, + { + "id": "id_1570", + "title": "id_1569_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এই দেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এই ক্ষতিপূরণ দিয়েই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়।", + "question": "প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে কী পরিমাণ জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিপুল পরিমাণ জমি" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_1571", + "title": "id_1570_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এই দেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এই ক্ষতিপূরণ দিয়েই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়।", + "question": "বন্যা ও নদীভাঙনের ফলে কী ধরনের ক্ষতি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_1572", + "title": "id_1571_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এই দেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এই ক্ষতিপূরণ দিয়েই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়।", + "question": "বন্যার ফলে কোন সম্পদগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_1573", + "title": "id_1572_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এই দেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এই ক্ষতিপূরণ দিয়েই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়।", + "question": "বন্যা ও নদীভাঙনের ফলে কী ধরনের প্রাণহানি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষের প্রাণহানি" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_1574", + "title": "id_1573_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এই দেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রা���হানির পাশাপাশি গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এই ক্ষতিপূরণ দিয়েই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়।", + "question": "জমির ক্ষতির পাশাপাশি আর কী কী সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_1575", + "title": "id_1574_প্রকৃতিসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা ", + "context": "প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষি জমির এই দেশের বিপুল পরিমাণ জমি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি গবাদিপশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এই ক্ষতিপূরণ দিয়েই প্রতিবছর আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়।", + "question": "প্রতিবছর বন্যার পর কী করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়" + ], + "answer_start": [ + 212 + ] + } + }, + { + "id": "id_1576", + "title": "id_1575_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "বিশ্বের উন্নত ও অনুন্নত দেশসমূহের মধ্যপর্যায়ে আরেক ধরনের দেশ আছে, যেগুলোকে বলা হয় উন্নয়নশীল দেশ। এসব দেশে মাথাপিছু প্রকৃত আয় উন্নত দেশসমূহের তুলনায় অনেক কম। উন্নয়নশীল দেশসমূহে অনুন্নত অর্থনীতির অধিকাংশ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যেমন কৃষি খাতের প্রাধান্য, শিল্প খাতের অনগ্রসরতা, ব্যাপক বেকারত্ব, পরিবহন, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততা, শিক্ষার নিম্নহার, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার, নিম্ন মাথাপিছু আয় ও দারিদ্র্য, জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার ইত্যাদি।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশ কী?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত ও অনুন্নত দেশসমূহের মধ্যপর্যায়ে আরেক ধরনের দেশ" + ], + "answer_start": [ + 8 + ] + } + }, + { + "id": "id_1577", + "title": "id_1576_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "বিশ্বের উন্নত ও অনুন্নত দেশসমূহের মধ্যপর্যায়ে আরেক ধরনের দেশ আছে, যেগুলোকে বলা হয় উন্নয়নশীল দেশ। এসব দেশে মাথাপিছু প্রকৃত আয় উন্নত দেশসমূহের তুলনায় অনেক কম। উন্নয়নশীল দেশসমূহে অনুন্নত অর্থনীতির অধিকাংশ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যেমন কৃষি খাতের প্রাধান্য, শিল্প খাতের অনগ্রসরতা, ব্যাপক বেকারত্ব, পরিবহন, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততা, শিক্ষার নিম্নহার, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার, নিম্ন মাথাপিছু আয় ও দারিদ্র্য, জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার ইত্যাদি।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর মাথাপিছু আয় কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত দেশসমূহের তুলনায় অনেক কম" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_1578", + "title": "id_1577_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "বিশ্বের উন্নত ও অনুন্নত দেশসমূহের মধ্যপর্যায়ে আরেক ধরনের দেশ আছে, যেগুলোকে বলা হয় উন্নয়নশীল দেশ। এসব দেশে মাথাপিছু প্রকৃত আয় উন্নত দেশসমূহের তুলনায় অনেক কম। উন্নয়নশীল দেশসমূহে অনুন্নত অর্থনীতির অধিকাংশ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যেমন কৃষি খাতের প্রাধান্য, শিল্প খাতের অনগ্রসরতা, ব্যাপক বেকারত্ব, পরিবহন, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততা, শিক্ষার নিম্নহার, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার, নিম্ন মাথাপিছু আয় ও দারিদ্র্য, জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার ইত্যাদি।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে কোন খাতগুলোতে অনগ্রসরতা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি খাতের প্রাধান্য, শিল্প খাতের অনগ্রসরতা" + ], + "answer_start": [ + 233 + ] + } + }, + { + "id": "id_1579", + "title": "id_1578_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "বিশ্বের উন্নত ও অনুন্নত দেশসমূহের মধ্যপর্যায়ে আরেক ধরনের দেশ আছে, যেগুলোকে বলা হয় উন্নয়নশীল দেশ। এসব দেশে মাথাপিছু প্রকৃত আয় উন্নত দেশসমূহের তুলনায় অনেক কম। উন্নয়নশীল দেশসমূহে অনুন্নত অর্থনীতির অধিকাংশ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যেমন কৃষি খাতের প্রাধান্য, শিল্প খাতের অনগ্রসরতা, ব্যাপক বেকারত্ব, পরিবহন, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততা, শিক্ষার নিম্নহার, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার, নিম্ন মাথাপিছু আয় ও দারিদ্র্য, জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার ইত্যাদি।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে কী ধরনের সমস্যাগুলো দেখা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাপক বেকারত্ব, পরিবহন, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততা" + ], + "answer_start": [ + 278 + ] + } + }, + { + "id": "id_1580", + "title": "id_1579_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "বিশ্বের উন্নত ও অনুন্নত দেশসমূহের মধ্যপর্যায়ে আরেক ধরনের দেশ আছে, যেগুলোকে বলা হয় উন্নয়নশীল দেশ। এসব দেশে মাথাপিছু প্রকৃত আয় উন্নত দেশসমূহের তুলনায় অনেক কম। উন্নয়নশীল দেশসমূহে অনুন্নত অর্থনীতির অধিকাংশ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যেমন কৃষি খাতের প্রাধান্য, শিল্প খাতের অনগ্রসরতা, ব্যাপক বেকারত্ব, পরিবহন, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততা, শিক্ষার নিম্নহার, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার, নিম্ন মাথাপিছু আয় ও দারিদ্র���য, জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার ইত্যাদি।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিক্ষার অবস্থা কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষার নিম্নহার" + ], + "answer_start": [ + 336 + ] + } + }, + { + "id": "id_1581", + "title": "id_1580_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "বিশ্বের উন্নত ও অনুন্নত দেশসমূহের মধ্যপর্যায়ে আরেক ধরনের দেশ আছে, যেগুলোকে বলা হয় উন্নয়নশীল দেশ। এসব দেশে মাথাপিছু প্রকৃত আয় উন্নত দেশসমূহের তুলনায় অনেক কম। উন্নয়নশীল দেশসমূহে অনুন্নত অর্থনীতির অধিকাংশ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যেমন কৃষি খাতের প্রাধান্য, শিল্প খাতের অনগ্রসরতা, ব্যাপক বেকারত্ব, পরিবহন, যোগাযোগ ও বিদ্যুতের অপর্যাপ্ততা, শিক্ষার নিম্নহার, মূলধন গঠন ও বিনিয়োগের নিম্নহার, নিম্ন মাথাপিছু আয় ও দারিদ্র্য, জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার ইত্যাদি।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার" + ], + "answer_start": [ + 419 + ] + } + }, + { + "id": "id_1582", + "title": "id_1581_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "তবে অনুন্নত দেশসমূহের সাথে এ দেশগুলোর পার্থক্য এই যে, এসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনসংখ্যাকে ব্যবহার করে মোট জাতীয় উৎপাদন তথা মাথাপিছু প্রকৃত আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর কোন পদক্ষেপ তাদের অনুন্নত দেশ থেকে আলাদা করে?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_1583", + "title": "id_1582_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "তবে অনুন্নত দেশসমূহের সাথে এ দেশগুলোর পার্থক্য এই যে, এসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনসংখ্যাকে ব্যবহার করে মোট জাতীয় উৎপাদন তথা মাথাপিছু প্রকৃত আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর কোন সম্পদ ব্যবহার করা হয় উন্নয়নের জন্য?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনসংখ্যা" + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_1584", + "title": "id_1583_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "তবে অনুন্নত দেশসমূহের সাথে এ দেশগুলোর পার্থক্য এই যে, এস�� দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনসংখ্যাকে ব্যবহার করে মোট জাতীয় উৎপাদন তথা মাথাপিছু প্রকৃত আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির কী ফলাফল হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মোট জাতীয় উৎপাদন তথা মাথাপিছু প্রকৃত আয় বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_1585", + "title": "id_1584_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "তবে অনুন্নত দেশসমূহের সাথে এ দেশগুলোর পার্থক্য এই যে, এসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনসংখ্যাকে ব্যবহার করে মোট জাতীয় উৎপাদন তথা মাথাপিছু প্রকৃত আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির কী প্রবণতা তৈরি হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দীর্ঘ সময় ধরে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির" + ], + "answer_start": [ + 224 + ] + } + }, + { + "id": "id_1586", + "title": "id_1585_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "তবে অনুন্নত দেশসমূহের সাথে এ দেশগুলোর পার্থক্য এই যে, এসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনসংখ্যাকে ব্যবহার করে মোট জাতীয় উৎপাদন তথা মাথাপিছু প্রকৃত আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_1587", + "title": "id_1586_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "তবে অনুন্নত দেশসমূহের সাথে এ দেশগুলোর পার্থক্য এই যে, এসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জনসংখ্যাকে ব্যবহার করে মোট জাতীয় উৎপাদন তথা মাথাপিছু প্রকৃত আয় বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "উন্নয়ন কর্মসূচি কী ধরনের উন্নতি নিশ্চিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "মোট জাতীয় উৎপাদন তথা মাথাপিছু প্রকৃত আয় বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 145 + ] + } + }, + { + "id": "id_1588", + "title": "id_1587_উন্নয়নশীল ���েশ", + "context": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এসব দেশ আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের দ্রুত শিল্পায়ন করার প্রচেষ্টা নেয়। ফলে পুঁজিগঠন ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়। জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয় এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এইসব উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে অর্থনীতিতে বিরাজমান উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর হওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় কী ধরনের উন্নয়নের চেষ্টা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_1589", + "title": "id_1588_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এসব দেশ আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের দ্রুত শিল্পায়ন করার প্রচেষ্টা নেয়। ফলে পুঁজিগঠন ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়। জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয় এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এইসব উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে অর্থনীতিতে বিরাজমান উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর হওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।", + "question": "উন্নয়ন কর্মসূচির ফলাফল কী?", + "answers": { + "text": [ + "পুঁজিগঠন ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 122 + ] + } + }, + { + "id": "id_1590", + "title": "id_1589_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এসব দেশ আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের দ্রুত শিল্পায়ন করার প্রচেষ্টা নেয়। ফলে পুঁজিগঠন ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়। জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয় এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এইসব উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে অর্থনীতিতে বিরাজমান উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর হওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।", + "question": "জনসংখ্যাকে কীভাবে মানবসম্পদে পরিণত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয়" + ], + "answer_start": [ + 213 + ] + } + }, + { + "id": "id_1591", + "title": "id_1590_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এসব দেশ আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের দ্রুত শিল্পায়ন করার প্রচেষ্টা নেয়। ফলে পুঁজিগঠন ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়। জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয় এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এইসব উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে অর্থনীতিতে বিরাজমান উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর হওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহ" + ], + "answer_start": [ + 242 + ] + } + }, + { + "id": "id_1592", + "title": "id_1591_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এসব দেশ আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের দ্রুত শিল্পায়ন করার প্রচেষ্টা নেয়। ফলে পুঁজিগঠন ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়। জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয় এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এইসব উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে অর্থনীতিতে বিরাজমান উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর হওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।", + "question": "অর্থনীতিতে বিরাজমান প্রতিবন্ধকতা কীভাবে দূর হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে" + ], + "answer_start": [ + 300 + ] + } + }, + { + "id": "id_1593", + "title": "id_1592_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এসব দেশ আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের দ্রুত শিল্পায়ন করার প্রচেষ্টা নেয়। ফলে পুঁজিগঠন ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়। জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয় এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এইসব উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে অর্থনীতিতে বিরাজমান উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর হওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।", + "question": "উন্নয়ন কর্মসূচির ফলে কী ধরনের প্রবণতা দেখা দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিনিয়োগের হার বৃদ্ধির প্রবণতা" + ], + "answer_start": [ + 133 + ] + } + }, + { + "id": "id_1594", + "title": "id_1593_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, অর্থনৈতিক অবস্থা বিষয়ে সচেতনতা ও পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ। উন্নয়নশীল দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়নের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা পরিবর্তনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই পদক্ষেপের সূচনা হয় সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রথম সাধারণ বৈশিষ্ট্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক অবস্থা বিষয়ে সচেতনতা" + ], + "answer_start": [ + 59 + ] + } + }, + { + "id": "id_1595", + "title": "id_1594_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, অর্থনৈতিক অবস্থা বিষয়ে সচেতনতা ও পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ। উন্নয়নশীল দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়নের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা পরিবর্তনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই পদক্ষেপের সূচনা হয় সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "অর্থনৈতিক অবস্থার সচেতনতা কীভাবে কাজে লাগে?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1596", + "title": "id_1595_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, অর্থনৈতিক অবস্থা বিষয়ে সচেতনতা ও পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ। উন্নয়নশীল দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়নের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা পরিবর্তনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই পদক্ষেপের সূচনা হয় সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলো কীভাবে অর্থনীতির উন্নয়ন নিশ্চিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে" + ], + "answer_start": [ + 220 + ] + } + }, + { + "id": "id_1597", + "title": "id_1596_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, অর্থনৈতিক অবস্থা বিষয়ে সচেতনতা ও পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ। উন্নয়নশীল দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়নের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা পরিবর্তনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই পদক্ষেপের সূচনা হয় সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "উন্নয়ন পরিকল্পনার সূচনা কীভাবে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 270 + ] + } + }, + { + "id": "id_1598", + "title": "id_1597_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূ��ের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, অর্থনৈতিক অবস্থা বিষয়ে সচেতনতা ও পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ। উন্নয়নশীল দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়নের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা পরিবর্তনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই পদক্ষেপের সূচনা হয় সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলো কী বিষয়ে সচেতন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়নের অবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 146 + ] + } + }, + { + "id": "id_1599", + "title": "id_1598_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, অর্থনৈতিক অবস্থা বিষয়ে সচেতনতা ও পরিকল্পিত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ। উন্নয়নশীল দেশগুলো নিজেদের অর্থনীতির উন্নয়নের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা পরিবর্তনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই পদক্ষেপের সূচনা হয় সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে।", + "question": "কী ধরনের পদক্ষেপ উন্নয়ন নিশ্চিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "কার্যকর পদক্ষেপ" + ], + "answer_start": [ + 220 + ] + } + }, + { + "id": "id_1600", + "title": "id_1599_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সম্পদের স্বল্পতার কারণে পরিকল্পিত কর্মসূচি ছাড়া উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হয় না। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্যতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকে, তবে তাদের যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কী ধরনের সমস্যা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সম্পদের স্বল্পতা" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_1601", + "title": "id_1600_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সম্পদের স্বল্পতার কারণে পরিকল্পিত কর্মসূচি ছাড়া উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হয় না। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্যতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকে, তবে তাদের যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।", + "question": "পরিকল্পিত কর্মসূচি ছাড়া কী সম্ভব নয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন অর্জন" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_1602", + "title": "id_1601_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সম্পদের স্বল্পতার কারণে পরিকল্পিত কর্মসূচি ছাড়া উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হয় না। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্যতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকে, তবে তাদের যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।", + "question": "কোন সম্পদ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাকৃতিক সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 120 + ] + } + }, + { + "id": "id_1603", + "title": "id_1602_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সম্পদের স্বল্পতার কারণে পরিকল্পিত কর্মসূচি ছাড়া উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হয় না। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্যতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকে, তবে তাদের যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।", + "question": "উন্নয়নের জন্য কোন ধরনের কর্মসূচি জরুরি?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পিত কর্মসূচি" + ], + "answer_start": [ + 63 + ] + } + }, + { + "id": "id_1604", + "title": "id_1603_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সম্পদের স্বল্পতার কারণে পরিকল্পিত কর্মসূচি ছাড়া উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হয় না। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্যতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকে, তবে তাদের যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কোন সম্পদ ব্যবহারে সমস্যা দেখা দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাকৃতিক সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 120 + ] + } + }, + { + "id": "id_1605", + "title": "id_1604_উন্নয়নশীল দেশ", + "context": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সম্পদের স্বল্পতার কারণে পরিকল্পিত কর্মসূচি ছাড়া উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হয় না। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাপ্যতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকে, তবে তাদের যথাযথভাবে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।", + "question": "উন্নয়নের সম্ভাবনা কীভাবে তৈরি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পিত কর্মসূচি" + ], + "answer_start": [ + 63 + ] + } + }, + { + "id": "id_1606", + "title": "id_1605_কৃষির ওপর নির্ভরতা ও দ্রুত শিল্পায়ন", + "context": "কৃষিপ্রধান অবস্থা থেকে ক্রমশ শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হওয়ার ধারা উন্নয়নশীল দেশের লক্ষণ। এ উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশের কী ধর���ের ধারা লক্ষ্য করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষিপ্রধান অবস্থা থেকে ক্রমশ শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হওয়ার ধারা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1607", + "title": "id_1606_কৃষির ওপর নির্ভরতা ও দ্রুত শিল্পায়ন", + "context": "কৃষিপ্রধান অবস্থা থেকে ক্রমশ শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হওয়ার ধারা উন্নয়নশীল দেশের লক্ষণ। এ উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশ কী উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশে মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_1608", + "title": "id_1607_কৃষির ওপর নির্ভরতা ও দ্রুত শিল্পায়ন", + "context": "কৃষিপ্রধান অবস্থা থেকে ক্রমশ শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হওয়ার ধারা উন্নয়নশীল দেশের লক্ষণ। এ উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়।", + "question": "পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 133 + ] + } + }, + { + "id": "id_1609", + "title": "id_1608_কৃষির ওপর নির্ভরতা ও দ্রুত শিল্পায়ন", + "context": "কৃষিপ্রধান অবস্থা থেকে ক্রমশ শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হওয়ার ধারা উন্নয়নশীল দেশের লক্ষণ। এ উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়।", + "question": "কৃষির ওপর নির্ভরতা থেকে কীভাবে শিল্পায়নে রূপান্তর ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 100 + ] + } + }, + { + "id": "id_1610", + "title": "id_1609_কৃষির ওপর নির্ভরতা ও দ্রুত শিল্পায়ন", + "context": "কৃষিপ্রধান অবস্থা থেকে ক্রমশ শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হওয়ার ধারা উন্নয়নশীল দেশের লক্ষণ। এ উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়।", + "question": "শিল্পায়ন কীভাবে ত্বরান্বিত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 133 + ] + } + }, + { + "id": "id_1611", + "title": "id_1610_কৃষির ক্রমোন্নতি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, কৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ে। কৃষিতে ক্রমোন্নতির সূচনা হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কীভাবে কৃষির উন্নতি করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_1612", + "title": "id_1611_কৃষির ক্রমোন্নতি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, কৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ে। কৃষিতে ক্রমোন্নতির সূচনা হয়।", + "question": "কৃষির আধুনিকায়নে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1613", + "title": "id_1612_কৃষির ক্রমোন্নতি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, কৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ে। কৃষিতে ক্রমোন্নতির সূচনা হয়।", + "question": "কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_1614", + "title": "id_1613_কৃষির ক্রমোন্নতি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, কৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ে। কৃষিতে ক্রমোন্নতির সূচনা হয়।", + "question": "কৃষিতে ক্রমোন্নতির কীভাবে সূচনা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে " + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1615", + "title": "id_1614_কৃষির ক্রমোন্নতি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, কৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফলে ক���ষির উৎপাদনশীলতা বাড়ে। কৃষিতে ক্রমোন্নতির সূচনা হয়।", + "question": "কৃষির অবকাঠামো উন্নয়নে কোন কোন সুবিধা সরবরাহ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_1616", + "title": "id_1615_কৃষির ক্রমোন্নতি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, কৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ে। কৃষিতে ক্রমোন্নতির সূচনা হয়।", + "question": "কৃষির উৎপাদনশীলতা কেন বৃদ্ধি পায়?", + "answers": { + "text": [ + "বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, কৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1617", + "title": "id_1616_অবকাঠামো উন্নয়ন", + "context": "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বিধায় উন্নয়নশীল দেশে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তাই এসব দেশে উন্নয়ন শুরুর পর্যায়েই অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, মূলধন গঠন ও সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই উন্নয়ন অর্জনের ধারায় ক্রমশ সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি ঘটে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশে কেন অবকাঠামো উন্নয়ন অপরিহার্য?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1618", + "title": "id_1617_অবকাঠামো উন্নয়ন", + "context": "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বিধায় উন্নয়নশীল দেশে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তাই এসব দেশে উন্নয়ন শুরুর পর্যায়েই অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, মূলধন গঠন ও সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই উন্নয়ন অর্জনের ধারায় ক্রমশ সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি ঘটে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কোন কোন অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_1619", + "title": "id_1618_অবকাঠামো উন্নয়ন", + "context": "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বিধায় উন্নয়নশীল দেশে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তাই এসব দেশে উন্নয়ন শুরুর পর্যায়েই অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, মূলধন গঠন ও সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই উন্নয়ন অর্জনের ধারায় ক্রমশ সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি ঘটে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশে সামাজিক অবকাঠামো কীভাবে উন্নয়ন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + " শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 258 + ] + } + }, + { + "id": "id_1620", + "title": "id_1619_অবকাঠামো উন্নয়ন", + "context": "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বিধায় উন্নয়নশীল দেশে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তাই এসব দেশে উন্নয়ন শুরুর পর্যায়েই অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, মূলধন গঠন ও সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই উন্নয়ন অর্জনের ধারায় ক্রমশ সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি ঘটে।", + "question": "অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে কী ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি" + ], + "answer_start": [ + 365 + ] + } + }, + { + "id": "id_1621", + "title": "id_1620_অবকাঠামো উন্নয়ন", + "context": "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বিধায় উন্নয়নশীল দেশে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তাই এসব দেশে উন্নয়ন শুরুর পর্যায়েই অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, মূলধন গঠন ও সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই উন্নয়ন অর্জনের ধারায় ক্রমশ সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি ঘটে।", + "question": "কোন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, মূলধন গঠন ও সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প��রসারণের ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 159 + ] + } + }, + { + "id": "id_1622", + "title": "id_1621_জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যাধিক্য রয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে হলেও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তি বা মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যসুবিধা ও সেবার সম্প্রসারণ ঘটে। এসব কারণে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশে কী ধরনের জনসংখ্যা সমস্যা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "জনসংখ্যাধিক্য" + ], + "answer_start": [ + 16 + ] + } + }, + { + "id": "id_1623", + "title": "id_1622_জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যাধিক্য রয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে হলেও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তি বা মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যসুবিধা ও সেবার সম্প্রসারণ ঘটে। এসব কারণে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।", + "question": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_1624", + "title": "id_1623_জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যাধিক্য রয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে হলেও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তি বা মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যসুবিধা ও সেবার সম্প্রসারণ ঘ��ে। এসব কারণে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।", + "question": "জনসংখ্যাকে কীভাবে মানবসম্পদে পরিণত করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার" + ], + "answer_start": [ + 209 + ] + } + }, + { + "id": "id_1625", + "title": "id_1624_জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যাধিক্য রয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে হলেও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তি বা মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যসুবিধা ও সেবার সম্প্রসারণ ঘটে। এসব কারণে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।", + "question": "মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা কীভাবে সাহায্য করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়" + ], + "answer_start": [ + 276 + ] + } + }, + { + "id": "id_1626", + "title": "id_1625_জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যাধিক্য রয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে হলেও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তি বা মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যসুবিধা ও সেবার সম্প্রসারণ ঘটে। এসব কারণে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।", + "question": "জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কী অর্জিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়" + ], + "answer_start": [ + 429 + ] + } + }, + { + "id": "id_1627", + "title": "id_1626_জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যাধিক্য রয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে হলেও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তি বা মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যসুবিধা ও সেবার সম্প্রসারণ ঘটে। এসব কারণে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।", + "question": "কীভাবে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ" + ], + "answer_start": [ + 209 + ] + } + }, + { + "id": "id_1628", + "title": "id_1627_বেকারত্ব হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে ব্যাপক বেকারত্ব বিদ্যমান। তবে কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্বের হার কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। সাধারণত উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নানারকম প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস করার ও দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবস্থা করা হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশে কী ধরনের সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাপক বেকারত্ব" + ], + "answer_start": [ + 16 + ] + } + }, + { + "id": "id_1629", + "title": "id_1628_বেকারত্ব হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে ব্যাপক বেকারত্ব বিদ্যমান। তবে কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্বের হার কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। সাধারণত উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নানারকম প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস করার ও দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবস্থা করা হয়।", + "question": "বেকারত্ব কমানোর জন্য কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1630", + "title": "id_1629_বেকারত্ব হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে ব্যাপক বেকারত্ব বিদ্যমান। তবে কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্বের হার কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। সাধারণত উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতা���় নানারকম প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস করার ও দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবস্থা করা হয়।", + "question": "কীভাবে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায়" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_1631", + "title": "id_1630_বেকারত্ব হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে ব্যাপক বেকারত্ব বিদ্যমান। তবে কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্বের হার কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। সাধারণত উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নানারকম প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস করার ও দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবস্থা করা হয়।", + "question": "উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় কী ধরনের প্রকল্প নেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বেকারত্ব হ্রাস করার ও দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 240 + ] + } + }, + { + "id": "id_1632", + "title": "id_1631_বেকারত্ব হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে ব্যাপক বেকারত্ব বিদ্যমান। তবে কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্বের হার কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। সাধারণত উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নানারকম প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস করার ও দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবস্থা করা হয়।", + "question": "বেকারত্ব হ্রাসের কোন দুটি উপায় ব্যবহৃত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1633", + "title": "id_1632_বেকারত্ব হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশে ব্যাপক বেকারত্ব বিদ্যমান। তবে কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্বের হার কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। সাধারণত উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নানারকম প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস করার ও দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবস্থা করা হয়।", + "question": "দারিদ্র্য নিরসনের কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নানারকম প্রকল্প" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_1634", + "title": "id_1633_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ ও মূলধনের প্রয়োজন হয়। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় এসব দেশ বিদেশি ঋণ, সাহায্য ও অনুদানের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ নির্ভরশীলতা সাধারণত দীর্ঘদিন চলতে থাকে। তবে উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে এ নির্ভরতা কমে আসে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলো কেন প্রচুর অর্থ ও মূলধনের প্রয়োজন অনুভব করে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_1635", + "title": "id_1634_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ ও মূলধনের প্রয়োজন হয়। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় এসব দেশ বিদেশি ঋণ, সাহায্য ও অনুদানের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ নির্ভরশীলতা সাধারণত দীর্ঘদিন চলতে থাকে। তবে উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে এ নির্ভরতা কমে আসে।", + "question": "কেন অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না?", + "answers": { + "text": [ + "অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায়" + ], + "answer_start": [ + 103 + ] + } + }, + { + "id": "id_1636", + "title": "id_1635_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ ও মূলধনের প্রয়োজন হয়। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় এসব দেশ বিদেশি ঋণ, সাহায্য ও অনুদানের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ নির্ভরশীলতা সাধারণত দীর্ঘদিন চলতে থাকে। তবে উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে এ নির্ভরতা কমে আসে।", + "question": "বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতার কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায়" + ], + "answer_start": [ + 103 + ] + } + }, + { + "id": "id_1637", + "title": "id_1636_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ ও মূলধনের প্রয়োজন হয়। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় এসব দেশ বিদেশি ঋণ, সাহায্য ও অনু��ানের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ নির্ভরশীলতা সাধারণত দীর্ঘদিন চলতে থাকে। তবে উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে এ নির্ভরতা কমে আসে।", + "question": "কীভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলো বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "বিদেশি ঋণ, সাহায্য ও অনুদানের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 174 + ] + } + }, + { + "id": "id_1638", + "title": "id_1637_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ ও মূলধনের প্রয়োজন হয়। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় এসব দেশ বিদেশি ঋণ, সাহায্য ও অনুদানের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ নির্ভরশীলতা সাধারণত দীর্ঘদিন চলতে থাকে। তবে উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে এ নির্ভরতা কমে আসে।", + "question": "কতদিন ধরে এই বৈদেশিক সাহায্যের নির্ভরশীলতা চলে?", + "answers": { + "text": [ + "সাধারণত দীর্ঘদিন" + ], + "answer_start": [ + 255 + ] + } + }, + { + "id": "id_1639", + "title": "id_1638_বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ ও মূলধনের প্রয়োজন হয়। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় এসব দেশ বিদেশি ঋণ, সাহায্য ও অনুদানের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ নির্ভরশীলতা সাধারণত দীর্ঘদিন চলতে থাকে। তবে উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে এ নির্ভরতা কমে আসে।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে কী ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "এ নির্ভরতা কমে আসে" + ], + "answer_start": [ + 315 + ] + } + }, + { + "id": "id_1640", + "title": "id_1639_জনগণের আর্থিক কল্যাণ নিশ্চিত করা", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য সকল জনগণের সর্বাধিক আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে আয়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত হয়। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশসমূহে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচিত হলেও বণ্টন ব্যবস্থায় ত্রুটি দীর্ঘসময় ধরে থাকে। ফলে আয় বণ্টনে বৈষম্য প্রলম্বিত হয়।", + "question": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "সকল জনগণের সর্বাধিক আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_1641", + "title": "id_1640_জনগণের আর্থিক কল্যাণ নিশ্চিত করা", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য সকল জনগণের সর্বাধিক আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে আয়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত হয়। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশসমূহে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচিত হলেও বণ্টন ব্যবস্থায় ত্রুটি দীর্ঘসময় ধরে থাকে। ফলে আয় বণ্টনে বৈষম্য প্রলম্বিত হয়।", + "question": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে কোন বণ্টন নিশ্চিত করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আয়ের সুষম বণ্টন" + ], + "answer_start": [ + 118 + ] + } + }, + { + "id": "id_1642", + "title": "id_1641_জনগণের আর্থিক কল্যাণ নিশ্চিত করা", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য সকল জনগণের সর্বাধিক আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে আয়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত হয়। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশসমূহে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচিত হলেও বণ্টন ব্যবস্থায় ত্রুটি দীর্ঘসময় ধরে থাকে। ফলে আয় বণ্টনে বৈষম্য প্রলম্বিত হয়।", + "question": "আয়ের সুষম বণ্টন কীভাবে জনগণের কল্যাণে প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 154 + ] + } + }, + { + "id": "id_1643", + "title": "id_1642_জনগণের আর্থিক কল্যাণ নিশ্চিত করা", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য সকল জনগণের সর্বাধিক আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে আয়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত হয়। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশসমূহে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচিত হলেও বণ্টন ব্যবস্থায় ত্রুটি দীর্ঘসময় ধরে থাকে। ফলে আয় বণ্টনে বৈষম্য প্রলম্বিত হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বণ্টন ব্যবস্থায় কী ধরনের সমস্যা দেখা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "বণ্টন ব্যবস্থায় ত্রুটি দীর্ঘসময় ধরে থাকে" + ], + "answer_start": [ + 250 + ] + } + }, + { + "id": "id_1644", + "title": "id_1643_জনগণের আর্থিক কল্যাণ নিশ্চিত করা", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য সকল জনগণের সর্বাধিক আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে আয়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত হয়। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশসমূহে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচিত হলেও বণ্টন ব্যবস্থায় ত্রুটি দীর্ঘসময় ধরে থাকে। ফলে আয় বণ্টনে বৈষম্য প্রলম্বিত হয়।", + "question": "আয় বণ্টনে কী ধরনের সমস্যা থাকে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে?", + "answers": { + "text": [ + "আয় বণ্টনে বৈষম্য প্রলম্বিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 298 + ] + } + }, + { + "id": "id_1645", + "title": "id_1644_জনগণের আর্থিক কল্যাণ নিশ্চিত করা", + "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য সকল জনগণের সর্বাধিক আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সাথে আয়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে পারলে আর্থিক ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত হয়। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশসমূহে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচিত হলেও বণ্টন ব্যবস্থায় ত্রুটি দীর্ঘসময় ধরে থাকে। ফলে আয় বণ্টনে বৈষম্য প্রলম্বিত হয়।", + "question": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সত্ত্বেও কী সমস্যার সম্মুখীন হয় উন্নয়নশীল দেশগুলো?", + "answers": { + "text": [ + "আয় বণ্টনে বৈষম্য প্রলম্বিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 298 + ] + } + }, + { + "id": "id_1646", + "title": "id_1645_সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে ধীরগতিতে হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- ব্যাংক ও বিমা), আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ইত্যাদি উন্নত ও সম্প্রসারিত হয়। এর ফলে কুসংস্কার ও গোঁড়ামি দূর হয়। উন্নত জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হওয়ার ফলে মানুষ উন্নয়ন অর্জনে আগ্রহী হয়ে ওঠে।", + "question": "সামাজিক পরিবেশ উন্নয়নের মাধ্যমে কী কী সেবা সম্প্রসারিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1647", + "title": "id_1646_সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে ধীরগতিতে হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- ব্যাংক ও বিমা), আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ইত্যাদি উন্নত ও সম্প্রসারিত হয়। এর ফলে কুসংস্কার ও গোঁড়ামি দূর হয়। উন্নত জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হওয়ার ফলে মানুষ উন্নয়ন অর্জনে আগ্রহী হয়ে ওঠে।", + "question": "কী কারণে উন্নয়নশীল দেশে কুসংস্কার দূর হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- ব্যাংক ও বিমা), আন্তর্জাতিক যোগাযোগ" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1648", + "title": "id_1647_সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে ধীরগতিতে হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- ব্যাংক ও বিমা), আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ইত্যাদি উন্নত ও সম্প্রসারিত হয়। এর ফলে কুসংস্কার ও গোঁড়ামি দূর হয়। উন্নত জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হওয়ার ফলে মানুষ উন্নয়ন অর্জনে আগ্রহী হয়ে ওঠে।", + "question": "উন্নত জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হওয়ার কী প্রভাব দেখা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষ উন্নয়ন অর্জনে আগ্রহী হয়ে ওঠে" + ], + "answer_start": [ + 273 + ] + } + }, + { + "id": "id_1649", + "title": "id_1648_সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে ধীরগতিতে হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- ব্যাংক ও বিমা), আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ইত্যাদি উন্নত ও সম্প্রসারিত হয়। এর ফলে কুসংস্কার ও গোঁড়ামি দূর হয়। উন্নত জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হওয়ার ফলে মানুষ উন্নয়ন অর্জনে আগ্রহী হয়ে ওঠে।", + "question": "সামাজিক পরিবেশের উন্নয়নে ধীরগতিতে কোন কোন ক্ষেত্র উন্নত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1650", + "title": "id_1649_সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে ধীরগতিতে হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- ব্যাংক ও বিমা), আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ইত্যাদি উন্নত ও সম্প্রসারিত হয়। এর ফলে কুসংস্কার ও গোঁড়ামি দূর হয়। উন্নত জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হওয়ার ফলে মানুষ উন্নয়ন অর্জনে আগ্রহী হয়ে ওঠে।", + "question": "উন্নয়নের ফলে কোন দুটি প্রধান সামাজিক সমস্যার দূর হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কুসংস্কার ও গোঁড়ামি" + ], + "answer_start": [ + 202 + ] + } + }, + { + "id": "id_1651", + "title": "id_1650_সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন", + "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে ধীরগতিতে হলেও শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব���নোদন ব্যবস্থা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- ব্যাংক ও বিমা), আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ইত্যাদি উন্নত ও সম্প্রসারিত হয়। এর ফলে কুসংস্কার ও গোঁড়ামি দূর হয়। উন্নত জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হওয়ার ফলে মানুষ উন্নয়ন অর্জনে আগ্রহী হয়ে ওঠে।", + "question": "মানুষ কীভাবে উন্নয়নের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত জীবনযাত্রার সাথে পরিচিত হওয়ার ফলে" + ], + "answer_start": [ + 232 + ] + } + }, + { + "id": "id_1652", + "title": "id_1651_মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি প্রধানত পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও তা বাস্তবায়নের ফলে উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ফলে এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। জীবনযাত্রার মানে উন্নয়ন সূচিত হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি কীভাবে পরিচালিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1653", + "title": "id_1652_মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি প্রধানত পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও তা বাস্তবায়নের ফলে উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ফলে এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। জীবনযাত্রার মানে উন্নয়ন সূচিত হয়।", + "question": "পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কী বাধা থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা" + ], + "answer_start": [ + 68 + ] + } + }, + { + "id": "id_1654", + "title": "id_1653_মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি প্রধানত পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও তা বাস্তবায়নের ফলে উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ফলে এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। জীবনযাত্রার মানে উন্নয়ন সূচিত হয়।", + "question": "পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফল কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়" + ], + "answer_start": [ + 130 + ] + } + }, + { + "id": "id_1655", + "title": "id_1654_মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি", + "context": "উন্নয়���শীল দেশের অর্থনীতি প্রধানত পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও তা বাস্তবায়নের ফলে উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ফলে এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। জীবনযাত্রার মানে উন্নয়ন সূচিত হয়।", + "question": "পরিকল্পনার ফলে কীভাবে জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পায়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি " + ], + "answer_start": [ + 130 + ] + } + }, + { + "id": "id_1656", + "title": "id_1655_মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি প্রধানত পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও তা বাস্তবায়নের ফলে উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ফলে এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। জীবনযাত্রার মানে উন্নয়ন সূচিত হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশের মাথাপিছু আয় কীভাবে বাড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পনা বাস্তবায়নে" + ], + "answer_start": [ + 68 + ] + } + }, + { + "id": "id_1657", + "title": "id_1656_মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি", + "context": "উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি প্রধানত পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও তা বাস্তবায়নের ফলে উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ফলে এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। জীবনযাত্রার মানে উন্নয়ন সূচিত হয়।", + "question": "জীবনযাত্রার মানে কীভাবে উন্নয়ন সূচিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মাথাপিছু আয় ক্রমশ বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 184 + ] + } + }, + { + "id": "id_1658", + "title": "id_1657_উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর অনুসারে বিশ্বের দেশগুলোকে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ হিসেবে ভাগ করা হয়। এ ভাগ অনুসারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত। তবে অব্যাহত উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও কার্যক্রম এবং আর্থ-সামাজিক কিছু সূচকের (যেমন- শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রভৃতি) কারণে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়।", + "question": "অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর অনুসারে দেশ��ুলো কীভাবে ভাগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_1659", + "title": "id_1658_উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর অনুসারে বিশ্বের দেশগুলোকে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ হিসেবে ভাগ করা হয়। এ ভাগ অনুসারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত। তবে অব্যাহত উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও কার্যক্রম এবং আর্থ-সামাজিক কিছু সূচকের (যেমন- শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রভৃতি) কারণে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়।", + "question": "কোন সূচকের কারণে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার" + ], + "answer_start": [ + 250 + ] + } + }, + { + "id": "id_1660", + "title": "id_1659_উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর অনুসারে বিশ্বের দেশগুলোকে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ হিসেবে ভাগ করা হয়। এ ভাগ অনুসারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত। তবে অব্যাহত উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও কার্যক্রম এবং আর্থ-সামাজিক কিছু সূচকের (যেমন- শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রভৃতি) কারণে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক কোন ধরনের দেশের সাথে যুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত" + ], + "answer_start": [ + 142 + ] + } + }, + { + "id": "id_1661", + "title": "id_1660_উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর অনুসারে বিশ্বের দেশগুলোকে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ হিসেবে ভাগ করা হয়। এ ভাগ অনুসারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত। তবে অব্যাহত উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও কার্যক্রম এবং আর্থ-সামাজিক কিছু সূচকের (যেমন- শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার ���্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রভৃতি) কারণে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কীভাবে প্রভাবিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অব্যাহত উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও কার্যক্রম" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_1662", + "title": "id_1661_উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর অনুসারে বিশ্বের দেশগুলোকে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ হিসেবে ভাগ করা হয়। এ ভাগ অনুসারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত। তবে অব্যাহত উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও কার্যক্রম এবং আর্থ-সামাজিক কিছু সূচকের (যেমন- শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রভৃতি) কারণে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়।", + "question": "উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান অর্জন কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি" + ], + "answer_start": [ + 250 + ] + } + }, + { + "id": "id_1663", + "title": "id_1662_উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর অনুসারে বিশ্বের দেশগুলোকে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ হিসেবে ভাগ করা হয়। এ ভাগ অনুসারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত। তবে অব্যাহত উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও কার্যক্রম এবং আর্থ-সামাজিক কিছু সূচকের (যেমন- শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রভৃতি) কারণে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়।", + "question": "বাংলাদেশকে কোন পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে" + ], + "answer_start": [ + 379 + ] + } + }, + { + "id": "id_1664", + "title": "id_1663_উন্নত ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের দেশগুলোর অধিকাংশই উন্নত দেশের শ্রেণিভুক্ত। দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো প্রধানত নিম্ন আয়ের দে��। এছাড়া পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকান দেশগুলো প্রধানত মধ্যম আয়ের দেশ। এসবের মধ্যে নিম্ন মধ্য আয় ও উচ্চ মধ্য আয় উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা কোন শ্রেণিভুক্ত দেশের মধ্যে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত দেশের শ্রেণিভুক্ত" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_1665", + "title": "id_1664_উন্নত ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের দেশগুলোর অধিকাংশই উন্নত দেশের শ্রেণিভুক্ত। দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো প্রধানত নিম্ন আয়ের দেশ। এছাড়া পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকান দেশগুলো প্রধানত মধ্যম আয়ের দেশ। এসবের মধ্যে নিম্ন মধ্য আয় ও উচ্চ মধ্য আয় উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো কোন স্তরের দেশ?", + "answers": { + "text": [ + "নিম্ন আয়ের দেশ" + ], + "answer_start": [ + 144 + ] + } + }, + { + "id": "id_1666", + "title": "id_1665_উন্নত ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের দেশগুলোর অধিকাংশই উন্নত দেশের শ্রেণিভুক্ত। দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো প্রধানত নিম্ন আয়ের দেশ। এছাড়া পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকান দেশগুলো প্রধানত মধ্যম আয়ের দেশ। এসবের মধ্যে নিম্ন মধ্য আয় ও উচ্চ মধ্য আয় উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "মধ্য আয়ের দেশগুলো কোন অঞ্চলগুলোতে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "র্ব ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকান দেশ" + ], + "answer_start": [ + 170 + ] + } + }, + { + "id": "id_1667", + "title": "id_1666_উন্নত ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের দেশগুলোর অধিকাংশই উন্নত দেশের শ্রেণিভুক্ত। দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো প্রধানত নিম্ন আয়ের দেশ। এছাড়া পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকান দেশগুলো প্রধানত মধ্যম আয়ের দেশ। এসবের মধ্যে নিম্ন মধ্য আয় ও উচ্চ মধ্য আয় উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "কোন ধরনের আয়ের দেশগুলো মধ্যম আয়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "নিম্ন মধ্য আয় ও উচ্চ মধ্য আয়" + ], + "answer_start": [ + 291 + ] + } + }, + { + "id": "id_1668", + "title": "id_1667_উন্নত ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর সম্পর্ক", + "context": "আমরা জানি যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের দেশগুলোর অধিকাংশই উন্নত দেশের শ্রেণিভুক্ত। দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো প্রধানত নিম্ন আয়ের দেশ। এছাড়া পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকান দেশগুলো প্রধানত মধ্যম আয়ের দেশ। এসবের মধ্যে নিম্ন মধ্য আয় ও উচ্চ মধ্য আয় উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "নিম্ন মধ্য আয়ের দেশগুলোর উদাহরণ কোন অঞ্চলে পাওয়া যায়?", + "answers": { + "text": [ + "র্ব ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকান দেশ" + ], + "answer_start": [ + 170 + ] + } + }, + { + "id": "id_1669", + "title": "id_1668_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "বাণিজ্যের দুটি দিক আছে- রপ্তানি ও আমদানি। রপ্তানি হচ্ছে কোনো দেশের আয়ের উৎস আর আমদানি ব্যয়ের খাত। বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দীর্ঘ সময় ধরেই আমদানি ব্যয়ের চেয়ে কম। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময়ই একটি ঘাটতির দেশ। তবে সাম্প্রতিককালে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, প্রবাসীদের আয়প্রবাহ বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে ঘাটতি হ্রাস পাচ্ছে।", + "question": "রপ্তানি কী নির্দেশ করে?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো দেশের আয়ের উৎস" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_1670", + "title": "id_1669_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "বাণিজ্যের দুটি দিক আছে- রপ্তানি ও আমদানি। রপ্তানি হচ্ছে কোনো দেশের আয়ের উৎস আর আমদানি ব্যয়ের খাত। বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দীর্ঘ সময় ধরেই আমদানি ব্যয়ের চেয়ে কম। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময়ই একটি ঘাটতির দেশ। তবে সাম্প্রতিককালে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, প্রবাসীদের আয়প্রবাহ বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে ঘাটতি হ্রাস পাচ্ছে।", + "question": "আমদানি কী নির্দেশ করে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যয়ের খাত" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_1671", + "title": "id_1670_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "বাণিজ্যের দুটি দিক আছে- রপ্তানি ও আমদানি। রপ্তানি হচ্ছে কোনো দেশের আয়ের উৎস আর আমদা��ি ব্যয়ের খাত। বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দীর্ঘ সময় ধরেই আমদানি ব্যয়ের চেয়ে কম। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময়ই একটি ঘাটতির দেশ। তবে সাম্প্রতিককালে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, প্রবাসীদের আয়প্রবাহ বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে ঘাটতি হ্রাস পাচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশের রপ্তানি আয় কী অবস্থায় থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "দীর্ঘ সময় ধরেই আমদানি ব্যয়ের চেয়ে কম" + ], + "answer_start": [ + 123 + ] + } + }, + { + "id": "id_1672", + "title": "id_1671_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "বাণিজ্যের দুটি দিক আছে- রপ্তানি ও আমদানি। রপ্তানি হচ্ছে কোনো দেশের আয়ের উৎস আর আমদানি ব্যয়ের খাত। বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দীর্ঘ সময় ধরেই আমদানি ব্যয়ের চেয়ে কম। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময়ই একটি ঘাটতির দেশ। তবে সাম্প্রতিককালে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, প্রবাসীদের আয়প্রবাহ বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে ঘাটতি হ্রাস পাচ্ছে।", + "question": "আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কী?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ সবসময়ই একটি ঘাটতির দেশ" + ], + "answer_start": [ + 211 + ] + } + }, + { + "id": "id_1673", + "title": "id_1672_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "বাণিজ্যের দুটি দিক আছে- রপ্তানি ও আমদানি। রপ্তানি হচ্ছে কোনো দেশের আয়ের উৎস আর আমদানি ব্যয়ের খাত। বাংলাদেশের রপ্তানি আয় দীর্ঘ সময় ধরেই আমদানি ব্যয়ের চেয়ে কম। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সবসময়ই একটি ঘাটতির দেশ। তবে সাম্প্রতিককালে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, প্রবাসীদের আয়প্রবাহ বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে ঘাটতি হ্রাস পাচ্ছে।", + "question": "সাম্প্রতিককালে কী কারণে ঘাটতি হ্রাস পাচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, প্রবাসীদের আয়প্রবাহ বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 264 + ] + } + }, + { + "id": "id_1674", + "title": "id_1673_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "দেশভিত্তিক রপ্তানি বাণিজ্যের পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বিগত এক দশক যাবত বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ইত্যাদি দেশ। এছাড়া ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা এসব দেশেও আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য প্রধানত উন্নত দেশগুলোতেই বিস্তৃত।", + "question": "বিগত এক দশকে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার কোন দেশ?", + "answers": { + "text": [ + "যুক্তরাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 123 + ] + } + }, + { + "id": "id_1675", + "title": "id_1674_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "দেশভিত্তিক রপ্তানি বাণিজ্যের পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বিগত এক দশক যাবত বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ইত্যাদি দেশ। এছাড়া ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা এসব দেশেও আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য প্রধানত উন্নত দেশগুলোতেই বিস্তৃত।", + "question": "রপ্তানি বাণিজ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে কোন কোন দেশ আছে?", + "answers": { + "text": [ + "জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম" + ], + "answer_start": [ + 170 + ] + } + }, + { + "id": "id_1676", + "title": "id_1675_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "দেশভিত্তিক রপ্তানি বাণিজ্যের পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বিগত এক দশক যাবত বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ইত্যাদি দেশ। এছাড়া ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা এসব দেশেও আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য প্রধানত উন্নত দেশগুলোতেই বিস্তৃত।", + "question": "বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির প্রধান বাজার কোন দেশগুলো?", + "answers": { + "text": [ + "জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম" + ], + "answer_start": [ + 170 + ] + } + }, + { + "id": "id_1677", + "title": "id_1676_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "দেশভিত্তিক রপ্তানি বাণিজ্যের পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বিগত এক দশক যাবত বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ইত্যাদি দেশ। এছাড়া ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা এসব দেশেও আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য প্রধানত উন্নত দেশগুলোতেই বিস্তৃত।", + "question": "ইতালি ও নেদারল্যান্ডস কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে যুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "পণ্য রপ্তানি" + ], + "answer_start": [ + 277 + ] + } + }, + { + "id": "id_1678", + "title": "id_1677_���মদানি ও রপ্তানি", + "context": "দেশভিত্তিক রপ্তানি বাণিজ্যের পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বিগত এক দশক যাবত বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ইত্যাদি দেশ। এছাড়া ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা এসব দেশেও আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য প্রধানত উন্নত দেশগুলোতেই বিস্তৃত।", + "question": "রপ্তানি বাণিজ্যে কানাডার কী ভূমিকা আছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য" + ], + "answer_start": [ + 302 + ] + } + }, + { + "id": "id_1679", + "title": "id_1678_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "দেশভিত্তিক রপ্তানি বাণিজ্যের পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বিগত এক দশক যাবত বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ইত্যাদি দেশ। এছাড়া ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা এসব দেশেও আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য প্রধানত উন্নত দেশগুলোতেই বিস্তৃত।", + "question": "বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য কোন ধরনের দেশে বিস্তৃত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধানত উন্নত দেশগুলোতে" + ], + "answer_start": [ + 329 + ] + } + }, + { + "id": "id_1680", + "title": "id_1679_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "আমাদের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো আমরা একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক রপ্তানি করি। এসব দেশে নানারকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য দিক কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনশক্তি রপ্তানি" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_1681", + "title": "id_1680_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "আমাদের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো আমরা একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক রপ্তানি করি। এসব দেশে নানারকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশ কী ধরনের শ্রমিক রপ্তানি করে?", + "answers": { + "text": [ + "অদক্ষ ও আধা-দক্ষ" + ], + "answer_start": [ + 102 + ] + } + }, + { + "id": "id_1682", + "title": "id_1681_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "আমাদের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো আমরা একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক রপ্তানি করি। এসব দেশে নানারকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের জনশক্তি কোন কোন দেশে রপ্তানি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বের বিভিন্ন দেশে" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_1683", + "title": "id_1682_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "আমাদের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো আমরা একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক রপ্তানি করি। এসব দেশে নানারকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "শ্রমিক রপ্তানির ফলে কী সুবিধা পাওয়া যায়?", + "answers": { + "text": [ + "কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 156 + ] + } + }, + { + "id": "id_1684", + "title": "id_1683_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "আমাদের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো আমরা একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক রপ্তানি করি। এসব দেশে নানারকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "অদক্ষ শ্রমিক রপ্তানির ফলে বাংলাদেশ কী অর্জন করে?", + "answers": { + "text": [ + "নানারকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 148 + ] + } + }, + { + "id": "id_1685", + "title": "id_1684_আমদানি ও রপ্তানি", + "context": "আমাদের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো আমরা একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক রপ্তানি করি। এসব দেশে নানারকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে।", + "question": "জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে কোন দেশের কর্মসংস্থানের চাহিদা মেটে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বের বিভিন্ন দেশে" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_1686", + "title": "id_1685_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রধান দেশগুলো হচ্ছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যেমন- সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত। এছাড়া আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রধান কর্মসংস্থান কোন দেশগুলোতে হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো" + ], + "answer_start": [ + 74 + ] + } + }, + { + "id": "id_1687", + "title": "id_1686_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রধান দেশগুলো হচ্ছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যেমন- সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত। এছাড়া আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।", + "question": "মধ্যপ্রাচ্যের কোন কোন দেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_1688", + "title": "id_1687_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রধান দেশগুলো হচ্ছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যেমন- সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত। এছাড়া আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।", + "question": "আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে কী লক্ষ্যে বাংলাদেশি জনশক্তি পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে" + ], + "answer_start": [ + 250 + ] + } + }, + { + "id": "id_1689", + "title": "id_1688_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রধান দেশগুলো হচ্ছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যেমন- সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত। এছাড়া আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের জন্য কোন অঞ্চলে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকা" + ], + "answer_start": [ + 187 + ] + } + }, + { + "id": "id_1690", + "title": "id_1689_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রধান দ���শগুলো হচ্ছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যেমন- সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত। এছাড়া আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।", + "question": "কূটনৈতিক প্রক্রিয়া কী উদ্দেশ্যে শুরু হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে" + ], + "answer_start": [ + 236 + ] + } + }, + { + "id": "id_1691", + "title": "id_1690_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রধান দেশগুলো হচ্ছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যেমন- সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত। এছাড়া আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।", + "question": "কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত কোন অঞ্চলের দেশ?", + "answers": { + "text": [ + "মধ্যপ্রাচ্য" + ], + "answer_start": [ + 98 + ] + } + }, + { + "id": "id_1692", + "title": "id_1691_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রধান দেশগুলো হচ্ছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, যেমন- সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত। এছাড়া আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশসমূহে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।", + "question": "কুয়েতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান কোন প্রক্রিয়ায় হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "কূটনৈতিক প্রক্রিয়া" + ], + "answer_start": [ + 279 + ] + } + }, + { + "id": "id_1693", + "title": "id_1692_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "উন্নত দেশসমূহ ছাড়া সার্ক (SAARC: South Asian Association for Regional Cooperation) দেশসমূহের সাথেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে।", + "question": "সার্ক দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের কী ধরনের সম্পর্ক রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক" + ], + "answer_start": [ + 111 + ] + } + }, + { + "id": "id_1694", + "title": "id_1693_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "উন্নত দেশসমূহ ছাড়া সার্ক (SAARC: South Asian Association for Regional Cooperation) দেশসমূহের সাথেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর��ক রয়েছে।", + "question": "সার্কের পূর্ণ রূপ কী?", + "answers": { + "text": [ + "South Asian Association for Regional Cooperation" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1695", + "title": "id_1694_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "উন্নত দেশসমূহ ছাড়া সার্ক (SAARC: South Asian Association for Regional Cooperation) দেশসমূহের সাথেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক কোন দেশগুলোতে রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নত দেশসমূহ ছাড়া সার্ক (SAARC: South Asian Association for Regional Cooperation) দেশসমূহের" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1696", + "title": "id_1695_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "উন্নত দেশসমূহ ছাড়া সার্ক (SAARC: South Asian Association for Regional Cooperation) দেশসমূহের সাথেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে।", + "question": "সার্ক দেশসমূহের সাথে বাংলাদেশের রপ্তানির সম্পর্ক কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে" + ], + "answer_start": [ + 111 + ] + } + }, + { + "id": "id_1697", + "title": "id_1696_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "উন্নত দেশসমূহ ছাড়া সার্ক (SAARC: South Asian Association for Regional Cooperation) দেশসমূহের সাথেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ।", + "question": "সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত" + ], + "answer_start": [ + 170 + ] + } + }, + { + "id": "id_1698", + "title": "id_1697_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "উন্নত দেশসমূহ ছাড়া সার্ক (SAARC: South Asian Association for Regional Cooperation) দেশসমূহের সাথেও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। ভারত ছাড়াও সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ, যেমন- ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়।", + "question": "সার্কের কোন দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে?", + "answers": { + "text": [ + "ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান" + ], + "answer_start": [ + 186 + ] + } + }, + { + "id": "id_1699", + "title": "id_1698_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত সকল দেশে রপ্তানির ৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ একই সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মাত্র ৩ শতাংশ।", + "question": "সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ কোন দেশে?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_1700", + "title": "id_1699_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত সকল দেশে রপ্তানির ৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ একই সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মাত্র ৩ শতাংশ।", + "question": "২০১০-২০১১ অর্থবছরে সার্কভুক্ত দেশে বাংলাদেশের রপ্তানির মোট পরিমাণ কত শতাংশ ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "৭৮ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_1701", + "title": "id_1700_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত সকল দেশে রপ্তানির ৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ একই সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মাত্র ৩ শতাংশ।", + "question": "২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে সার্কভুক্ত দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ কত ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "৩ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 298 + ] + } + }, + { + "id": "id_1702", + "title": "id_1701_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত সকল দেশে রপ্তানির ৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ একই সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মাত্র ৩ শতাংশ।", + "question": "২০১০-২০১১ অর্থবছরে সার্কভুক্ত দেশে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের তুলনায় কেমন ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "৭৮ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_1703", + "title": "id_1702_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত সকল দেশে রপ্তানির ৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ একই সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মাত্র ৩ শতাংশ।", + "question": "ভারতের সাথে রপ্তানিতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থান কোন বছর থেকে শুরু হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২০১০-২০১১ অর্থবছর" + ], + "answer_start": [ + 70 + ] + } + }, + { + "id": "id_1704", + "title": "id_1703_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত সকল দেশে রপ্তানির ৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ একই সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মাত্র ৩ শতাংশ।", + "question": "সার্কভুক্ত দেশসমূহে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "৩ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 298 + ] + } + }, + { + "id": "id_1705", + "title": "id_1704_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত সকল দেশে রপ্তানির ৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ একই সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মাত্র ৩ শতাংশ।", + "question": "সার্কভুক্ত দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান দেশ কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_1706", + "title": "id_1705_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "ভারত ছাড়াও সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ, যেমন- ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। আমাদের প্রধান আমদানি পণ্যের তালিকায় আছে মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, তুলা, ভোজ্যতেল, সার, সুতা ইত্যাদি।", + "question": "ভারত ছাড়া বাংলাদেশের কোন কোন সার্কভুক্ত দেশে পণ্য রপ্তানি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_1707", + "title": "id_1706_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "ভারত ছাড়াও সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ, যেমন- ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। আমাদের প্রধান আমদানি পণ্যের তালিকায় আছে মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, তুলা, ভোজ্যতেল, সার, সুতা ইত্যাদি।", + "question": "বাংলাদেশের প্রধান আমদানি পণ্য কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, তুলা, ভোজ্যতেল, সার, সুতা" + ], + "answer_start": [ + 168 + ] + } + }, + { + "id": "id_1708", + "title": "id_1707_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "ভারত ছাড়াও সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ, যেমন- ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। আমাদের প্রধান আমদানি পণ্যের তালিকায় আছে মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, তুলা, ভোজ্যতেল, সার, সুতা ইত্যাদি।", + "question": "বাংলাদেশ কোন ধরনের পণ্য আমদানি করে?", + "answers": { + "text": [ + "মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য" + ], + "answer_start": [ + 168 + ] + } + }, + { + "id": "id_1709", + "title": "id_1708_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "ভারত ছাড়াও সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ, যেমন- ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। আমাদের প্রধান আমদানি পণ্যের তালিকায় আছে মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, তুলা, ভোজ্যতেল, সার, সুতা ইত্যাদি।", + "question": "মূলধনি যন্ত্রপাতি কোন ধরণের পণ্যের তালিকায় পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধান আমদানি পণ্যের" + ], + "answer_start": [ + 134 + ] + } + }, + { + "id": "id_1710", + "title": "id_1709_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "ভারত ছাড়াও সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ, যেমন- ভুটান, মালদ্বীপ, নে��াল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। আমাদের প্রধান আমদানি পণ্যের তালিকায় আছে মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, তুলা, ভোজ্যতেল, সার, সুতা ইত্যাদি।", + "question": "তুলা ও সুতা কোন ধরনের পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "আমদানি পণ্যের" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_1711", + "title": "id_1710_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "ভারত ছাড়াও সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ, যেমন- ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আমাদের পণ্য রপ্তানি হয়। আমাদের প্রধান আমদানি পণ্যের তালিকায় আছে মূলধনি যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য, তুলা, ভোজ্যতেল, সার, সুতা ইত্যাদি।", + "question": "সার ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য কোন শ্রেণির মধ্যে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রধান আমদানি পণ্যের তালিকা" + ], + "answer_start": [ + 134 + ] + } + }, + { + "id": "id_1712", + "title": "id_1711_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "দেশভিত্তিক আমদানি পণ্যের পর্যালোচনা থেকে দেখা যায় যে, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়কালে দেশের আমদানি ক্ষেত্রে চীনের অবস্থান শীর্ষে। এ সময়ে দেশের মোট আমদানির শতকরা ২৩.৯ ভাগ চীন থেকে এসেছে। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত, সিঙ্গাপুর ও জাপান। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)", + "question": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে আমদানির শীর্ষ দেশ কোনটি ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "চীন" + ], + "answer_start": [ + 120 + ] + } + }, + { + "id": "id_1713", + "title": "id_1712_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "দেশভিত্তিক আমদানি পণ্যের পর্যালোচনা থেকে দেখা যায় যে, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়কালে দেশের আমদানি ক্ষেত্রে চীনের অবস্থান শীর্ষে। এ সময়ে দেশের মোট আমদানির শতকরা ২৩.৯ ভাগ চীন থেকে এসেছে। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত, সিঙ্গাপুর ও জাপান। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)", + "question": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে চীন থেকে কত শতাংশ আমদানি হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "২৩.৯ ভাগ" + ], + "answer_start": [ + 174 + ] + } + }, + { + "id": "id_1714", + "title": "id_1713_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "��েশভিত্তিক আমদানি পণ্যের পর্যালোচনা থেকে দেখা যায় যে, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়কালে দেশের আমদানি ক্ষেত্রে চীনের অবস্থান শীর্ষে। এ সময়ে দেশের মোট আমদানির শতকরা ২৩.৯ ভাগ চীন থেকে এসেছে। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত, সিঙ্গাপুর ও জাপান। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)", + "question": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে কোন দেশগুলো ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "যথাক্রমে ভারত, সিঙ্গাপুর ও জাপান" + ], + "answer_start": [ + 241 + ] + } + }, + { + "id": "id_1715", + "title": "id_1714_বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", + "context": "দেশভিত্তিক আমদানি পণ্যের পর্যালোচনা থেকে দেখা যায় যে, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়কালে দেশের আমদানি ক্ষেত্রে চীনের অবস্থান শীর্ষে। এ সময়ে দেশের মোট আমদানির শতকরা ২৩.৯ ভাগ চীন থেকে এসেছে। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত, সিঙ্গাপুর ও জাপান। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)", + "question": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান কত?", + "answers": { + "text": [ + "দ্বিতীয়" + ], + "answer_start": [ + 199 + ] + } + }, + { + "id": "id_1716", + "title": "id_1715_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য এদেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ দরকার হয়।", + "question": "বাংলাদেশ কোন ধরনের দেশ?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়নশীল দেশ" + ], + "answer_start": [ + 14 + ] + } + }, + { + "id": "id_1717", + "title": "id_1716_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য এদেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ দরকার হয়।", + "question": "বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য কি করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_1718", + "title": "id_1717_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য এদেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ দরকার হয়।", + "question": "অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য বাংলাদেশকে কতটা অর্থ দরকার?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ দরকার হয়" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_1719", + "title": "id_1718_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য এদেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ দরকার হয়।", + "question": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি কিভাবে বাস্তবায়িত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ দরকার" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_1720", + "title": "id_1719_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য এদেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ দরকার হয়।", + "question": "বাংলাদেশ কোন উদ্দেশ্যে উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_1721", + "title": "id_1720_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের জন্য এদেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ দরকার হয়।", + "question": "বাংলাদেশে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কি প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_1722", + "title": "id_1721_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "এই অর্থের সবটা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না। উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে খণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "বাংলাদেশের উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য কি করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "খণ সহায়তা ও অনুদান" + ], + "answer_start": [ + 131 + ] + } + }, + { + "id": "id_1723", + "title": "id_1722_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "এই অর্থের সবটা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না। উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে খণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "কেন দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সব অর্থ জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না?", + "answers": { + "text": [ + "এই অর্থের সবটা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1724", + "title": "id_1723_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "এই অর্থের সবটা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না। উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে খণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "বাংলাদেশ কোথা থেকে খণ সহায়তা গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে" + ], + "answer_start": [ + 105 + ] + } + }, + { + "id": "id_1725", + "title": "id_1724_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "এই অর্থের সবটা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না। উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে খণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "বাংলাদেশ কি ধরনের সহায়তা গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "খণ সহায়তা ও অনুদান" + ], + "answer_start": [ + 131 + ] + } + }, + { + "id": "id_1726", + "title": "id_1725_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "এই অর্থের সবটা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না। উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে খণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "অর্থের অভাবের কারণে বাংলাদেশ কাকে সহায়তা গ্রহণের জন্য নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্বের অন্যান্য দেশ" + ], + "answer_start": [ + 105 + ] + } + }, + { + "id": "id_1727", + "title": "id_1726_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "এই অর্থের সবটা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না। উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে খণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "বাংলাদেশের জন্য বিদেশী সাহায্য কেন প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 68 + ] + } + }, + { + "id": "id_1728", + "title": "id_1727_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেমন- বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (IDA) প্রভৃতি থেকেও বাংলাদেশ খণ ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "বাংলা��েশ কোন কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে ঋণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (IDA)" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_1729", + "title": "id_1728_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেমন- বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (IDA) প্রভৃতি থেকেও বাংলাদেশ খণ ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "বিশ্ব ব্যাংকের পূর্ণরূপ কী?", + "answers": { + "text": [ + "বিশ্ব ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_1730", + "title": "id_1729_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেমন- বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (IDA) প্রভৃতি থেকেও বাংলাদেশ খণ ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "বাংলাদেশ কোন ধরনের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি থেকে খণ গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_1731", + "title": "id_1730_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেমন- বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (IDA) প্রভৃতি থেকেও বাংলাদেশ খণ ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "বাংলাদেশ কোন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে অনুদান গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_1732", + "title": "id_1731_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেমন- বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (IDA) প্রভৃতি থেকেও বাংলাদেশ খণ ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সংক্ষেপ কী?", + "answers": { + "text": [ + "ADB" + ], + "answer_start": [ + 138 + ] + } + }, + { + "id": "id_1733", + "title": "id_1732_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেমন- বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (IDA) প্রভৃতি থেকেও বাংলাদেশ খণ ও অনুদান গ্রহণ করে।", + "question": "জাতিসংঘের সংস্থাসমূহ কি?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1734", + "title": "id_1733_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে বৈদেশিক সাহায্য পায়, সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক।", + "question": "বাংলাদেশের বৈদেশিক সাহায্যের প্রধান দেশগুলো কোনগুলো?", + "answers": { + "text": [ + "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_1735", + "title": "id_1734_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে বৈদেশিক সাহায্য পায়, সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক।", + "question": "কানাডা বাংলাদেশের জন্য কিভাবে সাহায্য করে?", + "answers": { + "text": [ + "বৈদেশিক সাহায্য" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_1736", + "title": "id_1735_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে বৈদেশিক সাহায্য পায়, সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক।", + "question": "জার্মানি বাংলাদেশের জন্য কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "বৈদেশিক সাহায্য " + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_1737", + "title": "id_1736_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে বৈদেশিক সা��ায্য পায়, সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক।", + "question": "বাংলাদেশের আর্থিক সাহায্যের প্রধান উৎস কোনগুলো?", + "answers": { + "text": [ + "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_1738", + "title": "id_1737_বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", + "context": "বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে বৈদেশিক সাহায্য পায়, সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক।", + "question": "কোন দেশের সাহায্য বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক" + ], + "answer_start": [ + 140 + ] + } + }, + { + "id": "id_1739", + "title": "id_1738_আয়ের উৎস ", + "context": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-: ক. কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব। নিচে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো।", + "question": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলি কী?", + "answers": { + "text": [ + "কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব" + ], + "answer_start": [ + 254 + ] + } + }, + { + "id": "id_1740", + "title": "id_1739_আয়ের উৎস ", + "context": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-: ক. কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব। নিচে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো।", + "question": "বাংলাদেশ সরকার কেন অর্থ ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_1741", + "title": "id_1740_আয়ের উৎস ", + "context": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-: ক. কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব। নিচে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো।", + "question": "সরকারকে কি করতে হয় অর্থ ব্যয় করার জন্য?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়" + ], + "answer_start": [ + 164 + ] + } + }, + { + "id": "id_1742", + "title": "id_1741_আয়ের উৎস ", + "context": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-: ক. কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব। নিচে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো।", + "question": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলো কত ভাগে ভাগ করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "দু'ভাগে" + ], + "answer_start": [ + 223 + ] + } + }, + { + "id": "id_1743", + "title": "id_1742_আয়ের উৎস ", + "context": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-: ক. কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব। নিচে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো।", + "question": "বাংলাদেশের সরকারের অর্থ ব্যয়ের উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন" + ], + "answer_start": [ + 76 + ] + } + }, + { + "id": "id_1744", + "title": "id_1743_আয়ের উৎস ", + "context": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-: ক. কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব। নিচে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো।", + "question": "সরকারের ব্যয় কিসের জন্য?", + "answers": { + "text": [ + "জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_1745", + "title": "id_1744_কর রাজস্ব:", + "context": "বাংলাদেশ সরকার দেশে�� জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে। বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ নিম্নরূপ: ১. বাণিজ্য শুল্ক: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক। দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।", + "question": "কর রাজস্ব কী?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1746", + "title": "id_1745_কর রাজস্ব:", + "context": "কর রাজস্ব: বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে। বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ নিম্নরূপ: ১. বাণিজ্য শুল্ক: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক। দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।", + "question": "কর রাজস্ব কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে" + ], + "answer_start": [ + 100 + ] + } + }, + { + "id": "id_1747", + "title": "id_1746_কর রাজস্ব:", + "context": "কর রাজস্ব: বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে। বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ নিম্নরূপ: ১. বাণিজ্য শুল্ক: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক। দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।", + "question": "কর রাজস্বের উৎসসমূহ কী?", + "answers": { + "text": [ + "বাণিজ্য শুল্ক" + ], + "answer_start": [ + 183 + ] + } + }, + { + "id": "id_1748", + "title": "id_1747_কর রাজস্ব:", + "context": "কর রাজস্ব: বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে। বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ নিম্নরূপ: ১. বাণিজ্য শুল্ক: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক। দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।", + "question": "বাণিজ্য শুল্ক কী?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্���" + ], + "answer_start": [ + 251 + ] + } + }, + { + "id": "id_1749", + "title": "id_1748_কর রাজস্ব:", + "context": "কর রাজস্ব: বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে। বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ নিম্নরূপ: ১. বাণিজ্য শুল্ক: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক। দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।", + "question": "বাণিজ্য শুল্কের প্রধান উৎস কী?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস" + ], + "answer_start": [ + 198 + ] + } + }, + { + "id": "id_1750", + "title": "id_1749_কর রাজস্ব:", + "context": "কর রাজস্ব: বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে। বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ নিম্নরূপ: ১. বাণিজ্য শুল্ক: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক। দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।", + "question": "দেশের কোন ধরনের দ্রব্যের ওপর বাণিজ্য শুল্ক ধার্য করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 257 + ] + } + }, + { + "id": "id_1751", + "title": "id_1750_আবগারি শুল্ক:", + "context": "দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।", + "question": "আবগারি শুল্ক কী?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1752", + "title": "id_1751_আবগারি শুল্ক:", + "context": "আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশ���াই, মদ, গাজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।", + "question": "আবগারি শুল্ক কেন ধার্য করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে" + ], + "answer_start": [ + 137 + ] + } + }, + { + "id": "id_1753", + "title": "id_1752_আবগারি শুল্ক:", + "context": "আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।", + "question": "বাংলাদেশে আবগারি শুল্ক কোথায় প্রয়োগ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাজা, আফিম" + ], + "answer_start": [ + 221 + ] + } + }, + { + "id": "id_1754", + "title": "id_1753_আবগারি শুল্ক:", + "context": "আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।", + "question": "আবগারি শুল্কের উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "রাজস্ব সংগ্রহ" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_1755", + "title": "id_1754_আবগারি শুল্ক:", + "context": "আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।", + "question": "কোন দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাজা, আফিম" + ], + "answer_start": [ + 221 + ] + } + }, + { + "id": "id_1756", + "title": "id_1755_আবগারি শুল্ক:", + "context": "আবগারি শুল্ক: দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ কমানোর উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।", + "question": "আবগারি শুল্ক কি ধরনের দ্রব্যের ওপর আরোপিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_1757", + "title": "id_1756_আয়কর: ", + "context": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।", + "question": "আয়কর কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_1758", + "title": "id_1757_আয়কর: ", + "context": "আয়কর: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।", + "question": "আয়কর বাংলাদেশের সরকারের জন্য কেমন একটি উৎস?", + "answers": { + "text": [ + "গুরুত্বপূর্ণ উৎস" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_1759", + "title": "id_1758_আয়কর: ", + "context": "আয়কর: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।", + "question": "কাদের নিকট থেকে আয়কর আদায় করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_1760", + "title": "id_1759_আয়কর: ", + "context": "আয়কর: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।", + "question": "আয়কর কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_1761", + "title": "id_1760_আয়কর: ", + "context": "আয়কর: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।", + "question": "আয়কর আদায়ের হার কেমন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রগতিশীল হারে" + ], + "answer_start": [ + 181 + ] + } + }, + { + "id": "id_1762", + "title": "id_1761_আয়কর: ", + "context": "আয়কর: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।", + "question": "কি বাংলাদেশের সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "আয়কর" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1763", + "title": "id_1762_মূল্য সংযোজন কর:", + "context": "মূল্য সংযোজন কর বা VAT বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় TAT নামে পরিচিত। বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবা খাতের ওপর VAT আরোপ করা হয়েছে।", + "question": "মূল্য সংযোজন কর কী?", + "answers": { + "text": [ + "VAT" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_1764", + "title": "id_1763_মূল্য সংযোজন কর:", + "context": "মূল্য সংযোজন কর: মূল্য সংযোজন কর বা VAT বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় TAT নামে পরিচিত। বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবা খাতের ওপর VAT আরোপ করা হয়েছে।", + "question": "মূল্য সংযোজন করকে বাংলাদেশে কি নামে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "TAT" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_1765", + "title": "id_1764_মূল্য সংযোজন কর:", + "context": "মূল্য সংযোজন কর: মূল্য সংযোজন কর বা VAT বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় TAT নামে পরিচিত। বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবা খাতের ওপর VAT আরোপ করা হয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশে VAT কোথায় আরোপ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবা খাতের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 102 + ] + } + }, + { + "id": "id_1766", + "title": "id_1765_মূল্য সংযোজন কর:", + "context": "মূল্য সংযোজন কর: মূল্য সংযোজন কর বা VAT বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় TAT নামে পরিচিত। বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবা খাতের ওপর VAT আরোপ করা হয়েছে।", + "question": "VAT কি ধরনের সেবার ওপর আরোপিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "নির্ধারিত কতকগুলো সেবা খাতের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 153 + ] + } + }, + { + "id": "id_1767", + "title": "id_1766_মূল্য সংযোজন কর:", + "context": "মূল্য সংযোজন কর: মূল্য সংযোজন কর বা VAT বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় TAT নামে পরিচিত। বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবা খাতের ওপর VAT আরোপ করা হয়েছে।", + "question": "মূল্য সংযোজন কর কি?", + "answers": { + "text": [ + "আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবা খাতের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 102 + ] + } + }, + { + "id": "id_1768", + "title": "id_1767_অন্যান্য কর ও শুল্ক:", + "context": "আরও কিছু কর ও শুল্ক থেকে সরকার আয় করে। এর মধ্যে রয়েছে - আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক, বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক, সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর ইত্যাদি।", + "question": "অন্যান্য কর ও শুল্কের মধ্যে কি কি রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_1769", + "title": "id_1768_অন্যান্য কর ও শুল্ক:", + "context": "আরও কিছু কর ও শুল্ক থেকে সরকার আয় করে। এর মধ্যে রয়েছে - আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক, বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক, সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর ইত্যাদি।", + "question": "বিদেশ ভ্রমণের ওপর কি ধরনের কর আরোপিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক" + ], + "answer_start": [ + 116 + ] + } + }, + { + "id": "id_1770", + "title": "id_1769_অন্যান্য কর ও শুল্ক:", + "context": "আরও কিছু কর ও শুল্ক থেকে সরকার আয় করে। এর মধ্যে রয়েছে - আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক, বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক, সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর ইত্যাদি।", + "question": "সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কি ধরনের কর প্রযোজ্য?", + "answers": { + "text": [ + "সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_1771", + "title": "id_1770_অন্যান্য কর ও শুল্ক:", + "context": "আরও কিছু কর ও শুল্ক থেকে সরকার আয় করে। এর মধ্যে রয়েছে - আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক, বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক, সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর ইত্যাদি।", + "question": "এই অংশে কি ধরনের আয়ের কথা বলা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "আরও কিছু কর ও শুল্ক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1772", + "title": "id_1771_অন্যান্য কর ও শুল্ক:", + "context": "আরও কিছু কর ও শুল্ক থেকে সরকার আয় করে। এর মধ্যে রয়েছে - আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক, বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক, সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর ইত্যাদি।", + "question": "সরকার কিসের ওপর শুল্ক আরোপ করে?", + "answers": { + "text": [ + "পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর" + ], + "answer_start": [ + 87 + ] + } + }, + { + "id": "id_1773", + "title": "id_1772_অন্যান্য কর ও শুল্ক:", + "context": "আরও কিছু কর ও শুল্ক থেকে সরকার আয় করে। এর মধ্যে রয়েছে - আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক, বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক, সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর ইত্যাদি।", + "question": "সরকার আয়ের জন্য কোন ধরনের কর সংগ্রহ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আরও কিছু কর ও শুল্ক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1774", + "title": "id_1773_কর-বহির্ভূত রাজস্ব:", + "context": "বাংলাদেশ সরকার কর ও শুল্ক ছাড়া আরও অনেক উৎস হতে রাজস্ব সংগ্রহ করে। এসব উৎস থেকে অর্জিত রাজস্বকে কর-বহির্ভূত রাজস্ব বলা হয়।", + "question": "কর-বহির্ভূত রাজস্ব কী?", + "answers": { + "text": [ + "কর ও শুল্ক ছাড়া আরও অনেক উৎস হতে রাজস্ব সংগ্রহ" + ], + "answer_start": [ + 15 + ] + } + }, + { + "id": "id_1775", + "title": "id_1774_কর-বহির্ভূত রাজস্ব:", + "context": "কর-বহির্ভূত রাজস্ব: বাংলাদেশ সরকার কর ও শুল্ক ছাড়া আরও অনেক উৎস হতে রাজস্ব সংগ্রহ করে। এসব উৎস থেকে অর্জিত রাজস্বকে কর-বহির্ভূত রাজস্ব বলা হয়।", + "question": "বাংলাদেশ সরকার কোথা থেকে রাজস্ব সংগ্রহ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আরও অনেক উৎস হতে" + ], + "answer_start": [ + 52 + ] + } + }, + { + "id": "id_1776", + "title": "id_1775_কর-বহির্ভূত রাজস্ব:", + "context": "কর-বহির্ভূত রাজস্ব: বাংলাদেশ সরকার কর ও শুল্ক ছাড়া আরও অনেক উৎস হতে রাজস্ব সংগ্রহ করে। এসব উৎস থেকে অর্জিত রাজস্বকে কর-বহির্ভূত রাজস্ব বলা হয়।", + "question": "কর-বহির্ভূত রাজস্বকে কি বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কর-বহির্ভূত রাজস্ব" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1777", + "title": "id_1776_লভ্যাংশ ও মুনাফা", + "context": "সরকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন - ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা প্রভৃতি থেকে বছর শেষে লভ্যাংশ ও মুনাফা পেয়ে থাকে।", + "question": "লভ্যাংশ ও মুনাফা থেকে সরকার কি প্রাপ্তি করে?", + "answers": { + "text": [ + "বছর শেষে লভ্যাংশ ও মুনাফা" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_1778", + "title": "id_1777_লভ্যাংশ ও মুনাফা", + "context": "সরকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন - ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা প্রভৃতি থেকে বছর শেষে লভ্যাংশ ও মুনাফা পেয়ে থাকে।", + "question": "সরকার কিভাবে লভ্যাংশ ও মুনাফা পায়?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 6 + ] + } + }, + { + "id": "id_1779", + "title": "id_1778_লভ্যাংশ ও মুনাফা", + "context": " সরকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন - ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা প্রভৃতি থেকে বছর শেষে লভ্যাংশ ও মুনাফা পেয়ে থাকে।", + "question": "সরকারের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে আয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 41 + ] + } + }, + { + "id": "id_1780", + "title": "id_1779_লভ্যাংশ ও মুনাফা", + "context": " সরকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন - ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা প্রভৃতি থেকে বছর শেষে লভ্যাংশ ও মুনাফা পেয়ে থাকে।", + "question": "লভ্যাংশ ও মুনাফা কোন খাতের আওতায় আসে?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থিক প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 15 + ] + } + }, + { + "id": "id_1781", + "title": "id_1780_লভ্যাংশ ও মুনাফা", + "context": "সরকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন - ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা প্রভৃতি থেকে বছর শেষে লভ্যাংশ ও মুনাফা পেয়ে থাকে।", + "question": "সরকারের আয়ের উৎসগুলোতে কি ধরনের প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "পার্ক, চিড়িয়াখানা" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_1782", + "title": "id_1781_সুদ:", + "context": "সরকার বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দি���়ে থাকে। এ বাবদ প্রাপ্ত শুল্ক থেকে কিছু আয় হয়।", + "question": "সরকার কাদেরকে ঋণ দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 6 + ] + } + }, + { + "id": "id_1783", + "title": "id_1782_সুদ:", + "context": " সরকার বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে থাকে। এ বাবদ প্রাপ্ত শুল্ক থেকে কিছু আয় হয়।", + "question": "সুদ থেকে সরকারের কি আয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কিছু আয় হয়" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1784", + "title": "id_1783_সুদ:", + "context": "সরকার বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে থাকে। এ বাবদ প্রাপ্ত শুল্ক থেকে কিছু আয় হয়।", + "question": "সুদ কাকে বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সরকার বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে থাকে। এ বাবদ প্রাপ্ত শুল্ক থেকে কিছু আয় হয়।" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1785", + "title": "id_1784_সুদ:", + "context": "সরকার বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে থাকে। এ বাবদ প্রাপ্ত শুল্ক থেকে কিছু আয় হয়।", + "question": "সরকারের সুদ অর্জনের উৎস কোন প্রতিষ্ঠান?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 14 + ] + } + }, + { + "id": "id_1786", + "title": "id_1785_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": " সরকার জনসাধারণকে কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে আয় করে। এগুলোর মধ্যে পর্যটন, ব্যাংকিং, ভ্রমণ ও সেবা উল্লেখযোগ্য।", + "question": "অর্থনৈতিক সেবার মাধ্যমে সরকার কি ধরনের আয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণকে কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের" + ], + "answer_start": [ + 7 + ] + } + }, + { + "id": "id_1787", + "title": "id_1786_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": " সরকার জনসাধারণকে কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে আয় করে। এগুলোর মধ্যে পর্যটন, ব্যাংকিং, ভ্রমণ ও সেবা উল্লেখযোগ্য।", + "question": "অর্থনৈতিক সেবার মধ্যে কি কি অন্তর্ভুক্ত?", + "answers": { + "text": [ + "পর্যটন, ব্যাংকিং, ভ্রমণ ও সেবা" + ], + "answer_start": [ + 79 + ] + } + }, + { + "id": "id_1788", + "title": "id_1787_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": " সরকার জনসাধারণকে কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে আয় করে। এগুলোর মধ্যে পর্যটন, ব্যাংকিং, ভ্রমণ ও সেবা উল্লেখযোগ্য।", + "question": "সরকার কোন সুবিধার মাধ্যমে আয় ��রে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_1789", + "title": "id_1788_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": " সরকার জনসাধারণকে কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে আয় করে। এগুলোর মধ্যে পর্যটন, ব্যাংকিং, ভ্রমণ ও সেবা উল্লেখযোগ্য।", + "question": "ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে সরকার কি প্রাপ্তি করে?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণকে কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের" + ], + "answer_start": [ + 7 + ] + } + }, + { + "id": "id_1790", + "title": "id_1789_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": " সরকার জনসাধারণকে কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে আয় করে। এগুলোর মধ্যে পর্যটন, ব্যাংকিং, ভ্রমণ ও সেবা উল্লেখযোগ্য।", + "question": "ভ্রমণের মাধ্যমে সরকারের আয় কেমন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "উল্লেখযোগ্য" + ], + "answer_start": [ + 110 + ] + } + }, + { + "id": "id_1791", + "title": "id_1790_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": "বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ভৌত-অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। এছাড়া সরকারকে প্রশাসনিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক এবং অন্যান্য সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডেও ব্যয় করতে হয়। সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা। সরকার দেশের বার্ষিক বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নমূলক-এ দু'রকম ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে থাকে।", + "question": "বাংলাদেশ সরকার কিসের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ভৌত-অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_1792", + "title": "id_1791_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": "বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ভৌত-অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। এছাড়া সরকারকে প্রশাসনিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক এবং অন্যান্য সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডেও ব্যয় করতে হয়। সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা। সরকার দেশের বার্ষিক বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নমূলক-এ দু'রকম ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ কর��� থাকে।", + "question": "সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় কি গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা" + ], + "answer_start": [ + 285 + ] + } + }, + { + "id": "id_1793", + "title": "id_1792_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": "বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ভৌত-অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। এছাড়া সরকারকে প্রশাসনিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক এবং অন্যান্য সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডেও ব্যয় করতে হয়। সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা। সরকার দেশের বার্ষিক বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নমূলক-এ দু'রকম ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে থাকে।", + "question": "সরকারের ব্যয় কিসে বরাদ্দ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বার্ষিক বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নমূলক" + ], + "answer_start": [ + 374 + ] + } + }, + { + "id": "id_1794", + "title": "id_1793_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": "বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ভৌত-অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। এছাড়া সরকারকে প্রশাসনিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক এবং অন্যান্য সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডেও ব্যয় করতে হয়। সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা। সরকার দেশের বার্ষিক বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নমূলক-এ দু'রকম ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে থাকে।", + "question": "প্রশাসনিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য সরকারের কি ধরনের ব্যয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সেবাধর্মী " + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_1795", + "title": "id_1794_অর্থনৈতিক সেবা:", + "context": "বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ভৌত-অবকাঠামো নির্মাণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে থাকে। এছাড়া সরকারকে প্রশাসনিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক এবং অন্যান্য সেবাধর্মী কর্মকাণ্ডেও ব্যয় করতে হয়। সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা। স��কার দেশের বার্ষিক বাজেটে রাজস্ব ও উন্নয়নমূলক-এ দু'রকম ব্যয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে থাকে।", + "question": "সরকারের ব্যয়ের প্রধান উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে" + ], + "answer_start": [ + 285 + ] + } + }, + { + "id": "id_1796", + "title": "id_1795_প্রতিরক্ষা:", + "context": "প্রতিরক্ষা বাংলাদেশের সরকারি ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত। প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান, যুদ্ধের অসত্রশস্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয় ইত্যাদি বাবদ বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।", + "question": "প্রতিরক্ষা খাতে কি ধরনের ব্যয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান, যুদ্ধের অসত্রশস্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয়" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_1797", + "title": "id_1796_প্রতিরক্ষা:", + "context": "প্রতিরক্ষা বাংলাদেশের সরকারি ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত। প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান, যুদ্ধের অসত্রশস্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয় ইত্যাদি বাবদ বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।", + "question": "সরকার কি কারণে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "যুদ্ধের অসত্রশস্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয়" + ], + "answer_start": [ + 138 + ] + } + }, + { + "id": "id_1798", + "title": "id_1797_প্রতিরক্ষা:", + "context": "প্রতিরক্ষা বাংলাদেশের সরকারি ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত। প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান, যুদ্ধের অসত্রশস্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয় ইত্যাদি বাবদ বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।", + "question": "সরকার প্রতিরক্ষা খাতে কত পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ" + ], + "answer_start": [ + 203 + ] + } + }, + { + "id": "id_1799", + "title": "id_1798_প্রতিরক্ষা:", + "context": "প্রতিরক্ষা বাংলাদেশের সরকারি ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত। প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান, যুদ্ধের অসত্রশস্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয় ইত্যাদি বাবদ বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।", + "question": "প্রতিরক্ষা বাহিনীর জ���্য সরকারের প্রধান ব্যয়ের উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান, যুদ্ধের অসত্রশস্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয়" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_1800", + "title": "id_1799_প্রতিরক্ষা:", + "context": "প্রতিরক্ষা বাংলাদেশের সরকারি ব্যয়ের অন্যতম প্রধান খাত। প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান, যুদ্ধের অসত্রশস্র ও সাজসরঞ্জাম ক্রয় ইত্যাদি বাবদ বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে।", + "question": "প্রতিরক্ষা খাতের ব্যয় কিসের জন্য বরাদ্দ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি ব্যয়ের" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1801", + "title": "id_1800_বেসামরিক প্রশাসন:", + "context": "সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এসবের বিভাগসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়ন, কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ইত্যাদির জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "বেসামরিক প্রশাসনের জন্য সরকার কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "উল্লেখযোগ্য পরিমাণ" + ], + "answer_start": [ + 103 + ] + } + }, + { + "id": "id_1802", + "title": "id_1801_বেসামরিক প্রশাসন:", + "context": "বেসামরিক প্রশাসন: সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এসবের বিভাগসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়ন, কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ইত্যাদির জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "সরকারের কোন খাতে অর্থ ব্যয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এসবের বিভাগসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়ন" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_1803", + "title": "id_1802_বেসামরিক প্রশাসন:", + "context": "বেসামরিক প্রশাসন: সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এসবের বিভাগসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়ন, কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ইত্যাদির জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "বেসামরিক প্রশাসনের জন্য সরকার কাদের জন্য ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "কর্মচারীদের বেতন, ভাতা" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_1804", + "title": "id_1803_বেসামরিক প্রশাসন:", + "context": "বেসামরিক প্রশাসন: সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এসবের বিভাগসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়ন, কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ইত্যাদির জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "সরকারের ���েসামরিক প্রশাসনে কি ধরনের খরচ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বেতন, ভাতা ইত্যাদি" + ], + "answer_start": [ + 96 + ] + } + }, + { + "id": "id_1805", + "title": "id_1804_বেসামরিক প্রশাসন:", + "context": "বেসামরিক প্রশাসন: সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এসবের বিভাগসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়ন, কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ইত্যাদির জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "সরকারের ব্যয়ের পরিমাণ কিভাবে নির্ধারণ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এসবের বিভাগসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়ন" + ], + "answer_start": [ + 24 + ] + } + }, + { + "id": "id_1806", + "title": "id_1805_শিক্ষা:", + "context": "বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়ের খাত কি?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_1807", + "title": "id_1806_শিক্ষা:", + "context": "শিক্ষা: বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "শিক্ষা খাতে সরকার কি উদ্দেশ্যে ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা" + ], + "answer_start": [ + 96 + ] + } + }, + { + "id": "id_1808", + "title": "id_1807_শিক্ষা:", + "context": "শিক্ষা: বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশ��ে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "সরকার কিসের জন্য অর্থ ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা" + ], + "answer_start": [ + 191 + ] + } + }, + { + "id": "id_1809", + "title": "id_1808_শিক্ষা:", + "context": "শিক্ষা: বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "শিক্ষা খাতে সরকারের ব্যয় কেন বৃদ্ধি পেয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_1810", + "title": "id_1809_শিক্ষা:", + "context": "শিক্ষা: বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "সরকার কোন খাতে অর্থ ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা" + ], + "answer_start": [ + 400 + ] + } + }, + { + "id": "id_1811", + "title": "id_1810_শিক্ষা:", + "context": "শিক্ষা: বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", + "question": "শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের জন্য কোন খাত জরুরি?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 191 + ] + } + }, + { + "id": "id_1812", + "title": "id_1811_স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ:", + "context": "হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন সংকামক রোগ প্রতিরোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিশুকল্যাণ কর্মসূচি, মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রভৃতি খাতে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।৫. খণ ও সুদ পরিশোধ: দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে খণ গ্রহণ করতে হয়। এসব খণের আসল ও সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "স্বাস্থ্য খাতে সরকারের কোন ধরনের ব্যয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1813", + "title": "id_1812_স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ:", + "context": "স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ: হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিশুকল্যাণ কর্মসূচি, মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রভৃতি খাতে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।৫. খণ ও সুদ পরিশোধ: দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে খণ গ্রহণ করতে হয়। এসব খণের আসল ও সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "সরকারের স্বাস্থ্য খাতের উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ," + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_1814", + "title": "id_1813_স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ:", + "context": "স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ: হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন সংক্র���মক রোগ প্রতিরোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিশুকল্যাণ কর্মসূচি, মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রভৃতি খাতে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।৫. খণ ও সুদ পরিশোধ: দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে খণ গ্রহণ করতে হয়। এসব খণের আসল ও সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে সরকার কি ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ" + ], + "answer_start": [ + 173 + ] + } + }, + { + "id": "id_1815", + "title": "id_1814_স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ:", + "context": "স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ: হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিশুকল্যাণ কর্মসূচি, মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রভৃতি খাতে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।৫. খণ ও সুদ পরিশোধ: দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে খণ গ্রহণ করতে হয়। এসব খণের আসল ও সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "খণ ও সুদ পরিশোধে সরকারের কি ব্যয় হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ অর্থ" + ], + "answer_start": [ + 358 + ] + } + }, + { + "id": "id_1816", + "title": "id_1815_স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ:", + "context": "স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ: হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিশুকল্যাণ কর্মসূচি, মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রভৃতি খাতে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।৫. খণ ও সুদ পরিশোধ: দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে খণ গ্রহণ করতে হয়। এসব খণের আসল ও সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে কি ধরনের ঋণ গ্রহণ করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে " + ], + "answer_start": [ + 258 + ] + } + }, + { + "id": "id_1817", + "title": "id_1816_স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ:", + "context": "স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ: হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শিশুকল্যাণ কর্মসূচি, মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রভৃতি খাতে সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।���. খণ ও সুদ পরিশোধ: দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর হতে এবং বিদেশ হতে প্রচুর পরিমাণে খণ গ্রহণ করতে হয়। এসব খণের আসল ও সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "সরকারের খণ পরিশোধের উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "উন্নয়নমূলক কাজের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 221 + ] + } + }, + { + "id": "id_1818", + "title": "id_1817_বৈদেশিক বিষয়াবলি:", + "context": " বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: সরকারকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের জন্য প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "বৈদেশিক বিষয়াবলিতে সরকার কেন অর্থ ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_1819", + "title": "id_1818_বৈদেশিক বিষয়াবলি:", + "context": "বৈদেশিক বিষয়াবলি: বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: সরকারকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের জন্য প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "বৈদেশিক সম্পর্কের উদ্দেশ্যে সরকার কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_1820", + "title": "id_1819_বৈদেশিক বিষয়াবলি:", + "context": "বৈদেশিক বিষয়াবলি: বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: সরকারকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের জন্য প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "অবসর ভাতা ও সুবিধার জন্য কারা সরকারী সুবিধা পায়?", + "answers": { + "text": [ + "অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী" + ], + "answer_start": [ + 212 + ] + } + }, + { + "id": "id_1821", + "title": "id_1820_বৈদেশিক বিষয়াবলি:", + "context": "বৈদেশিক বিষয়াবলি: বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: সরকারকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের জন্য প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "সরকার অবসর ভাতা ও সুবিধা প্রদানের জন্য কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ ব্যয়" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_1822", + "title": "id_1821_বৈদেশিক বিষয়াবলি:", + "context": "বৈদেশিক বিষয়াবলি: বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: সরকারকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের জন্য প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "দূতাবাস পরিচালনার জন্য সরকার কি ধরনের ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_1823", + "title": "id_1822_বৈদেশিক বিষয়াবলি:", + "context": "বৈদেশিক বিষয়াবলি: বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: সরকারকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের জন্য প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "অবসর ভাতা কিসের জন্য বরাদ্দ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী" + ], + "answer_start": [ + 212 + ] + } + }, + { + "id": "id_1824", + "title": "id_1823_সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম:", + "context": "সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম: সরকারকে প্রতি বছর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রাখতে হয়। অপ্রত্যাশিত ব্যয়: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও তৎসৃষ্ট জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকারকে যথেষ্ট অ���্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "অপ্রত্যাশিত ব্যয়ের উদাহরণ কি কি?", + "answers": { + "text": [ + "বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1825", + "title": "id_1824_সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম:", + "context": "সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম: সরকারকে প্রতি বছর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রাখতে হয়। অপ্রত্যাশিত ব্যয়: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও তৎসৃষ্ট জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকারকে যথেষ্ট অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "সরকার কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অর্থ ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1826", + "title": "id_1825_সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম:", + "context": "সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম: সরকারকে প্রতি বছর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রাখতে হয়। অপ্রত্যাশিত ব্যয়: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও তৎসৃষ্ট জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকারকে যথেষ্ট অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "অপ্রত্যাশিত ব্যয়ের কারণ কি?", + "answers": { + "text": [ + "বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1827", + "title": "id_1826_সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম:", + "context": "সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম: সরকারকে প্রতি বছর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রাখতে হয়। অপ্রত্যাশিত ব্যয়: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও তৎসৃষ্ট জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকারকে যথেষ্ট অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য সরকার কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর অর্থ বরাদ্দ" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_1828", + "title": "id_1827_সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম:", + "context": "সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম: সরকারকে প্রতি বছর সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ রাখতে হয়। অপ্রত্যাশিত ব্যয়: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি প্রাকৃতিক ���ুর্যোগ ও তৎসৃষ্ট জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকারকে যথেষ্ট অর্থ ব্যয় করতে হয়।", + "question": "জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় সরকার কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "যথেষ্ট অর্থ ব্যয়" + ], + "answer_start": [ + 259 + ] + } + }, + { + "id": "id_1829", + "title": "id_1828_অন্যান্য খাত:", + "context": " সরকার অন্য যেসব খাতে অর্থ ব্যয় করে থাকে তা হলো- সচিবালয়, হিসাব নিরীক্ষা, জ্বালানি ও শক্তি, খনি, উৎপাদন এবং নির্মাণ প্রভৃতি।", + "question": "উপরে উল্লিখিত খাত ছাড়াও সরকার আর কোন কোন খাতে ব্যয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "সচিবালয়, হিসাব নিরীক্ষা, জ্বালানি ও শক্তি" + ], + "answer_start": [ + 50 + ] + } + }, + { + "id": "id_1830", + "title": "id_1829_অন্যান্য খাত:", + "context": " সরকার অন্য যেসব খাতে অর্থ ব্যয় করে থাকে তা হলো- সচিবালয়, হিসাব নিরীক্ষা, জ্বালানি ও শক্তি, খনি, উৎপাদন এবং নির্মাণ প্রভৃতি।", + "question": "সরকার জ্বালানি ও শক্তি খাতে কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থ ব্যয় করে" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1831", + "title": "id_1830_অন্যান্য খাত:", + "context": " সরকার অন্য যেসব খাতে অর্থ ব্যয় করে থাকে তা হলো- সচিবালয়, হিসাব নিরীক্ষা, জ্বালানি ও শক্তি, খনি, উৎপাদন এবং নির্মাণ প্রভৃতি।", + "question": "সরকার সচিবালয়ের জন্য কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থ ব্যয়" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1832", + "title": "id_1831_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": " ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। কোনো কোনো জমাকৃত অর্থ থেকে জনসাধারণ সুদ হিসেবে আয়ও করে থাকে।", + "question": "ব্যাংক কি?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_1833", + "title": "id_1832_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": " ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। কোনো কোনো জমাক��ত অর্থ থেকে জনসাধারণ সুদ হিসেবে আয়ও করে থাকে।", + "question": "ব্যাংক জনসাধারণের অর্থ কি কাজে ব্যবহার করে?", + "answers": { + "text": [ + "ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 45 + ] + } + }, + { + "id": "id_1834", + "title": "id_1833_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": " ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। কোনো কোনো জমাকৃত অর্থ থেকে জনসাধারণ সুদ হিসেবে আয়ও করে থাকে।", + "question": "ব্যাংকের কি ভূমিকা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক উন্নয়নে" + ], + "answer_start": [ + 102 + ] + } + }, + { + "id": "id_1835", + "title": "id_1834_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": " ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। কোনো কোনো জমাকৃত অর্থ থেকে জনসাধারণ সুদ হিসেবে আয়ও করে থাকে।", + "question": "জনসাধারণ ব্যাংকে কেন অর্থ জমা রাখে?", + "answers": { + "text": [ + "নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 187 + ] + } + }, + { + "id": "id_1836", + "title": "id_1835_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": " ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। কোনো কোনো জমাকৃত অর্থ থেকে জনসাধারণ সুদ হিসেবে আয়ও করে থাকে।", + "question": "ব্যাংক সুদের মাধ্যমে কি করে?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণ সুদ হিসেবে আয়ও করে" + ], + "answer_start": [ + 254 + ] + } + }, + { + "id": "id_1837", + "title": "id_1836_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": " ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। কোনো কোনো জমাকৃত অর্থ থেকে জনসাধারণ সুদ হিসেব�� আয়ও করে থাকে।", + "question": "ব্যাংকের মূল কাজ কি?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_1838", + "title": "id_1837_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": "ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ: উদ্দেশ্য ও কার্যাবলির ভিত্তিতে ব্যাংকসমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই ব্যাংক দেশের অর্থ-বাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে।", + "question": "ব্যাংকসমূহকে কিভাবে ভাগ করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "উদ্দেশ্য ও কার্যাবলির ভিত্তিতে" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1839", + "title": "id_1838_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": "ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ: উদ্দেশ্য ও কার্যাবলির ভিত্তিতে ব্যাংকসমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই ব্যাংক দেশের অর্থ-বাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কি?", + "answers": { + "text": [ + "একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান" + ], + "answer_start": [ + 140 + ] + } + }, + { + "id": "id_1840", + "title": "id_1839_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": "ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ: উদ্দেশ্য ও কার্যাবলির ভিত্তিতে ব্যাংকসমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই ব্যাংক দেশের অর্থ-বাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ কি?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের অর্থ-বাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ" + ], + "answer_start": [ + 189 + ] + } + }, + { + "id": "id_1841", + "title": "id_1840_ব্যাংকের ধারণা:", + "context": "ব্যাংকের শ্রেণিবিভাগ: উদ্দেশ্য ও কার্যাবলির ভিত্তিতে ব্যাংকসমূহকে প্রধানত তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এই ব্যাংক দেশের অর্থ-বাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কি নিয়ন্ত্রণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "অন্যান্য ব্যাংকসমূহকে" + ], + "answer_start": [ + 226 + ] + } + }, + { + "id": "id_1842", + "title": "id_1841_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে বহু বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে, যেমন- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড প্রভৃতি।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কোন ধরনের ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "স্বল্পমেয়াদি ঋণ" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_1843", + "title": "id_1842_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে বহু বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে, যেমন- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড প্রভৃতি।", + "question": "বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কিছু উদাহরণ কি?", + "answers": { + "text": [ + "সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড" + ], + "answer_start": [ + 126 + ] + } + }, + { + "id": "id_1844", + "title": "id_1843_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে বহু বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে, যেমন- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড প্রভৃতি।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্দেশ্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_1845", + "title": "id_1844_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে বহু বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে, যেমন- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড প্রভৃতি।", + "question": "ইসলামী ব্যাংক কোন ধরনের ব্যাংকের উদাহরণ?", + "answers": { + "text": [ + "বাণিজ্যিক ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1846", + "title": "id_1845_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে বহু বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে, যেমন- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড প্রভৃতি।", + "question": "রূপালী ব্যাংক কোন দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশে" + ], + "answer_start": [ + 81 + ] + } + }, + { + "id": "id_1847", + "title": "id_1846_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে বহু বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে, যেমন- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড প্রভৃতি।", + "question": "পূবালী ব্যাংক কোন ধরনের ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "স্বল্পমেয়াদি ঋণ" + ], + "answer_start": [ + 47 + ] + } + }, + { + "id": "id_1848", + "title": "id_1847_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমূহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহ নির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করা��� লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।", + "question": "বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাদের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_1849", + "title": "id_1848_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমূহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহ নির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।", + "question": "শিল্প ব্যাংক কোন উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প উন্নয়নের জন্য" + ], + "answer_start": [ + 144 + ] + } + }, + { + "id": "id_1850", + "title": "id_1849_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমূহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহ নির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।", + "question": "কৃষি উন্নয়নের জন্য কোন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 199 + ] + } + }, + { + "id": "id_1851", + "title": "id_1850_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমূহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহ নির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্র ঋ�� প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।", + "question": "গ্রামীণ ব্যাংক কাদের জন্য ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "দরিদ্র জনসাধারণকে" + ], + "answer_start": [ + 350 + ] + } + }, + { + "id": "id_1852", + "title": "id_1851_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমূহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহ নির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।", + "question": "গৃহ নির্মাণ ঋণদান সংস্থা কোন খাতে ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "গৃহনির্মাণ" + ], + "answer_start": [ + 212 + ] + } + }, + { + "id": "id_1853", + "title": "id_1852_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমূহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহ নির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।", + "question": "সমবায় ব্যাংক কোন উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করার লক্ষ্যে" + ], + "answer_start": [ + 266 + ] + } + }, + { + "id": "id_1854", + "title": "id_1853_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি অর্থনীতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্ত্বপূর্ণ। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণই হলো এই বাণিজ্যিক ব্যাংক। এই শ্রেণির ব্যাংকসমূহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্থনীতির উন্নয়নে সহায়তা করে। বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ হলো জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা। ব্যাংকের আমানত সাধারণত তিন প্রকারের-চলতি, সঞ্চয়ী এবং স্থায়ী আমানত।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের অর্থনীতিতে ভূমিকা কী?", + "answers": { + "text": [ + "গুরুত্ত্বপূর্ণ" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_1855", + "title": "id_1854_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি অর্থনীতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্ত্বপূর্ণ। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণই হলো এই বাণিজ্যিক ব্যাংক। এই শ্রেণির ব্যাংকসমূহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্থনীতির উন্নয়নে সহায়তা করে। বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ হলো জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা। ব্যাংকের আমানত সাধারণত তিন প্রকারের-চলতি, সঞ্চয়ী এবং স্থায়ী আমানত।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংক কী গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আমানত" + ], + "answer_start": [ + 277 + ] + } + }, + { + "id": "id_1856", + "title": "id_1855_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি অর্থনীতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্ত্বপূর্ণ। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণই হলো এই বাণিজ্যিক ব্যাংক। এই শ্রেণির ব্যাংকসমূহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্থনীতির উন্নয়নে সহায়তা করে। বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ হলো জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা। ব্যাংকের আমানত সাধারণত তিন প্রকারের-চলতি, সঞ্চয়ী এবং স্থায়ী আমানত।", + "question": "আমানতের কয়টি প্রকার রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "তিন প্রকারের" + ], + "answer_start": [ + 317 + ] + } + }, + { + "id": "id_1857", + "title": "id_1856_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি অর্থনীতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্ত্বপূর্ণ। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণই হলো এই বাণিজ্যিক ব্যাংক। এই শ্রেণির ব্যাংকসমূহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্থনীতির উন্নয়নে সহায়তা করে। বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ হলো জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করা। ব্যাংকের আমানত সাধারণত তিন প্রকারের-চলতি, সঞ্চয়ী এবং স্থায়ী আমানত।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজের একটি উদাহরণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ" + ], + "answer_start": [ + 257 + ] + } + }, + { + "id": "id_1858", + "title": "id_1857_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যে কোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না। সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।", + "question": "চলতি আমানতের টাকা কখন তোলা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "যে কোনো সময়" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_1859", + "title": "id_1858_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যে কোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না। সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।", + "question": "চলতি আমানতের জন্য ব্যাংক কী প্রদান করে না?", + "answers": { + "text": [ + "কোনো সুদ" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_1860", + "title": "id_1859_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যে কোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না। সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।", + "question": "সঞ্চয়ী আমানতের জন্য ব্যাংক কী প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "অল্প সুদ" + ], + "answer_start": [ + 196 + ] + } + }, + { + "id": "id_1861", + "title": "id_1860_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যে কোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না। সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।", + "question": "স্থায়ী আমানতের জন্য ব্যাংক কী প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "উচ্চ হারে সুদ" + ], + "answer_start": [ + 250 + ] + } + }, + { + "id": "id_1862", + "title": "id_1861_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যে কোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না। সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।", + "question": "কোন ধরনের আমানত থেকে এক বা দুইবার টাকা তোলা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "সঞ্চয়ী আমানত" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_1863", + "title": "id_1862_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যে কোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না। সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।", + "question": "স্থায়ী আমানতের সুদের হার কী?", + "answers": { + "text": [ + "উচ্চ" + ], + "answer_start": [ + 250 + ] + } + }, + { + "id": "id_1864", + "title": "id_1863_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ। কাগজি নোট প্রচলন করার ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর চেক ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা করে এবং বিল ভাঙ্গিয়ে নগদ টাকার মুনাফা অর্জন করে।", + "question": "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টির কাজ কোন ব্যাংকের?", + "answers": { + "text": [ + "বাণিজ্যিক ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_1865", + "title": "id_1864_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ। কাগজি নোট প্রচলন করার ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর চেক ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা করে এবং বিল ভাঙ্গিয়ে নগদ টাকার মুনাফা অর্জন করে।", + "question": "কাগজি নোট প্রচলন করার ক্ষমতা কার আছে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংকের" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1866", + "title": "id_1865_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ। কাগজি নোট প্রচলন করার ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংক���র থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর চেক ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা করে এবং বিল ভাঙ্গিয়ে নগদ টাকার মুনাফা অর্জন করে।", + "question": "চেক এবং ব্যাংক ড্রাফট কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিনিময়ের মাধ্যম" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1867", + "title": "id_1866_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ। কাগজি নোট প্রচলন করার ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর চেক ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা করে এবং বিল ভাঙ্গিয়ে নগদ টাকার মুনাফা অর্জন করে।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংক কী ধরনের বাণিজ্যে সহায়তা করে?", + "answers": { + "text": [ + "বৈদেশিক বাণিজ্য" + ], + "answer_start": [ + 247 + ] + } + }, + { + "id": "id_1868", + "title": "id_1867_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ। কাগজি নোট প্রচলন করার ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর চেক ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা করে এবং বিল ভাঙ্গিয়ে নগদ টাকার মুনাফা অর্জন করে।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংক কীভাবে মুনাফা অর্জন করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিল ভাঙ্গিয়ে নগদ টাকা" + ], + "answer_start": [ + 280 + ] + } + }, + { + "id": "id_1869", + "title": "id_1868_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ। কাগজি নোট প্রচলন করার ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর চেক ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা করে এবং বিল ভাঙ্গিয়ে নগদ টাকার মুনাফা অর্জন করে।", + "question": "চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি কী ধরনের কার্যক্রমের উদাহরণ?", + "answers": { + "text": [ + "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1870", + "title": "id_1869_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংক পুর্বোত্ত কার্যাবলি ছাড়াও এর গ্রাহকের সুবিধার্থে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আরও অনেক কাজ সম্পাদন করে, যেমন- বন্ড, স্টক, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি। তাছাড়া গ্রাহকদের বাড়িভাড়া, আয়কর, বিমার প্রিমিয়াম, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ বিল প্রভৃতি পরিশোধে সহায়তা করে। মূল্যবান অলংকার, দলিলপত্র প্রভৃতিও নিরাপদে গচ্ছিত রাখে।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংক গ্রাহকদের কী ধরনের বিনিয়োগসেবা দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "বন্ড, স্টক, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ক্রয়-বিক্রয়" + ], + "answer_start": [ + 122 + ] + } + }, + { + "id": "id_1871", + "title": "id_1870_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংক পুর্বোত্ত কার্যাবলি ছাড়াও এর গ্রাহকের সুবিধার্থে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আরও অনেক কাজ সম্পাদন করে, যেমন- বন্ড, স্টক, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি। তাছাড়া গ্রাহকদের বাড়িভাড়া, আয়কর, বিমার প্রিমিয়াম, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ বিল প্রভৃতি পরিশোধে সহায়তা করে। মূল্যবান অলংকার, দলিলপত্র প্রভৃতিও নিরাপদে গচ্ছিত রাখে।", + "question": "গ্রাহকদের বাড়িভাড়া পরিশোধে কোন প্রতিষ্ঠান সহায়তা করে?", + "answers": { + "text": [ + "বাণিজ্যিক ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1872", + "title": "id_1871_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংক পুর্বোত্ত কার্যাবলি ছাড়াও এর গ্রাহকের সুবিধার্থে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আরও অনেক কাজ সম্পাদন করে, যেমন- বন্ড, স্টক, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি। তাছাড়া গ্রাহকদের বাড়িভাড়া, আয়কর, বিমার প্রিমিয়াম, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ বিল প্রভৃতি পরিশোধে সহায়তা করে। মূল্যবান অলংকার, দলিলপত্র প্রভৃতিও নিরাপদে গচ্ছিত রাখে।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংক কী ধরনের বিল পরিশোধে সহায়তা করে?", + "answers": { + "text": [ + "টেলিফোন ও বিদ্যুৎ বিল" + ], + "answer_start": [ + 230 + ] + } + }, + { + "id": "id_1873", + "title": "id_1872_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংক পুর্বোত্ত কার্যাবলি ছাড়াও এর গ্রাহকের সুবিধার্থে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আরও অনেক কাজ সম্পাদন করে, যেমন- বন্ড, স্টক, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি। তাছাড়া গ্রাহকদের বাড়িভাড়া, আয়কর, বিমার প্রিমিয়াম, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ বিল প্রভৃতি পরিশোধে সহায়তা করে। মূল্যবান অলংকার, দলিলপত্র প্রভৃতিও নিরাপদে গচ্ছিত রাখে।", + "question": "মূল্যবান অলংকার কোথায় গচ্ছিত রাখা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বাণিজ্যিক ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1874", + "title": "id_1873_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংক পুর্বোত্ত কার্যাবলি ছাড়াও এর গ্রাহকের সুবিধার্থে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আরও অনেক কাজ সম্পাদন করে, যেমন- বন্ড, স্টক, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি। তাছাড়া গ্রাহকদের বাড়িভাড়া, আয়কর, বিমার প্রিমিয়াম, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ বিল প্রভৃতি পরিশোধে সহায়তা করে। মূল্যবান অলংকার, দলিলপত্র প্রভৃতিও নিরাপদে গচ্ছিত রাখে।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংক গ্রাহকদের আয়কর পরিশোধে কীভাবে সহায়তা করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিনিধি হিসেবে" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_1875", + "title": "id_1874_বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", + "context": "বাণিজ্যিক ব্যাংক পুর্বোত্ত কার্যাবলি ছাড়াও এর গ্রাহকের সুবিধার্থে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আরও অনেক কাজ সম্পাদন করে, যেমন- বন্ড, স্টক, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি। তাছাড়া গ্রাহকদের বাড়িভাড়া, আয়কর, বিমার প্রিমিয়াম, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ বিল প্রভৃতি পরিশোধে সহায়তা করে। মূল্যবান অলংকার, দলিলপত্র প্রভৃতিও নিরাপদে গচ্ছিত রাখে।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংক দলিলপত্রের কী ব্যবস্থা করে?", + "answers": { + "text": [ + "নিরাপদে গচ্ছিত রাখে" + ], + "answer_start": [ + 316 + ] + } + }, + { + "id": "id_1876", + "title": "id_1875_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রাই দেশের 'বিহিত মুদ্রা'। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এ ব্যাংক বিনা খরচে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের পাওনা আদায় এবং বিভিন্ন খাতে সরকারের দেনা পরিশোধ করে।", + "question": "মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা কোন ব্যাংকের কাজ?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_1877", + "title": "id_1876_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রাই দেশের 'বিহিত মুদ্রা'। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এ ব্যাংক বিনা খরচে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের পাওনা আদায় এবং বিভিন্ন খাতে সরকারের দেনা পরিশোধ করে।", + "question": "দেশের বিহিত মুদ্রা কে ইস্যু করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_1878", + "title": "id_1877_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রাই দেশের 'বিহিত মুদ্রা'। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এ ব্যাংক বিনা খরচে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের পাওনা আদায় এবং বিভিন্ন খাতে সরকারের দেনা পরিশোধ করে।", + "question": "মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য কে স্থিতিশীল রাখে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_1879", + "title": "id_1878_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রাই দেশের 'বিহিত মুদ্রা'। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এ ব্যাংক বিনা খরচে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের পাওনা আদায় এবং বিভিন্ন খাতে সরকারের দেনা পরিশোধ করে।", + "question": "সরকারের পাওনা আদায়ের জন্য কোন ব্যাংক কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_1880", + "title": "id_1879_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রাই দেশের 'বিহিত মুদ্রা'। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এ ব্যাংক বিনা খরচে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের পাওনা আদায় এবং বিভিন্ন খাতে সরকারের দেনা পরিশোধ করে।", + "question": "সরকারকে বিনা খরচে দেনা পরিশোধে কোন ব্যাংক সহায়তা করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_1881", + "title": "id_1880_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রাই দেশের 'বিহিত মুদ্রা'। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এ ব্যাংক বিনা খরচে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের পাওনা আদায় এবং বিভিন্ন খাতে সরকারের দেনা পরিশোধ করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কী নামে ডাকা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারের ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 289 + ] + } + }, + { + "id": "id_1882", + "title": "id_1881_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের হিসাব-নিকাশ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। এ ব্যাংক সুদ ছাড়া সরকারের অর্থ জমা রাখে এবং প্রয়োজনবোধে সরকারকে ঋণ প্রদান ও আর্থিক ব্যাপারে পরামর্শ দান করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো সকল ব্যাংকের ব্যাংক। অন্যান্য ব্যাংককে তাদের মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়।", + "question": "সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের হিসাব কে পরিচালনা করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1883", + "title": "id_1882_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরক��রের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের হিসাব-নিকাশ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। এ ব্যাংক সুদ ছাড়া সরকারের অর্থ জমা রাখে এবং প্রয়োজনবোধে সরকারকে ঋণ প্রদান ও আর্থিক ব্যাপারে পরামর্শ দান করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো সকল ব্যাংকের ব্যাংক। অন্যান্য ব্যাংককে তাদের মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়।", + "question": "বৈদেশিক ঋণের ব্যবস্থাপনা কার দায়িত্ব?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1884", + "title": "id_1883_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের হিসাব-নিকাশ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। এ ব্যাংক সুদ ছাড়া সরকারের অর্থ জমা রাখে এবং প্রয়োজনবোধে সরকারকে ঋণ প্রদান ও আর্থিক ব্যাপারে পরামর্শ দান করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো সকল ব্যাংকের ব্যাংক। অন্যান্য ব্যাংককে তাদের মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের কোন খাতে সুদ ছাড়া জমা রাখে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থ" + ], + "answer_start": [ + 125 + ] + } + }, + { + "id": "id_1885", + "title": "id_1884_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের হিসাব-নিকাশ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। এ ব্যাংক সুদ ছাড়া সরকারের অর্থ জমা রাখে এবং প্রয়োজনবোধে সরকারকে ঋণ প্রদান ও আর্থিক ব্যাপারে পরামর্শ দান করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো সকল ব্যাংকের ব্যাংক। অন্যান্য ব্যাংককে তাদের মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়।", + "question": "সরকারকে কোন ব্যাংক ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1886", + "title": "id_1885_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের হিসাব-নিকাশ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। এ ব্যাংক সুদ ছাড়া সরকারের অর্থ জমা রাখে এবং প্রয়োজনবোধে সরকারকে ঋণ প্রদান ও আর্থিক ব্যাপারে পরামর্শ দান করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো সকল ব্যাংকের ব্যাংক। অন্যান্য ব্যাংককে তাদের মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সকল ব্য���ংকের ব্যাংক বলা হয় কেন?", + "answers": { + "text": [ + "অন্যান্য ব্যাংককে তাদের মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে" + ], + "answer_start": [ + 252 + ] + } + }, + { + "id": "id_1887", + "title": "id_1886_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের হিসাব-নিকাশ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। এ ব্যাংক সুদ ছাড়া সরকারের অর্থ জমা রাখে এবং প্রয়োজনবোধে সরকারকে ঋণ প্রদান ও আর্থিক ব্যাপারে পরামর্শ দান করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো সকল ব্যাংকের ব্যাংক। অন্যান্য ব্যাংককে তাদের মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী ধরনের পরামর্শ দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "আর্থিক ব্যাপারে" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_1888", + "title": "id_1887_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1889", + "title": "id_1888_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।", + "question": "ঋণ সৃষ্টির ফলে কী সমস্যা দেখা দিতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "মুদ্রাস্ফীতি" + ], + "answer_start": [ + 157 + ] + } + }, + { + "id": "id_1890", + "title": "id_1889_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।", + "question": "কোন ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_1891", + "title": "id_1890_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।", + "question": "মুদ্রাস্ফীতি এড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে" + ], + "answer_start": [ + 230 + ] + } + }, + { + "id": "id_1892", + "title": "id_1891_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।", + "question": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ কী অন্তর্ভুক্ত করে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের মোট মুদ্রার যোগান" + ], + "answer_start": [ + 92 + ] + } + }, + { + "id": "id_1893", + "title": "id_1892_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।", + "question": "মুদ্রাস্ফীতি কিসের কারণে হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে" + ], + "answer_start": [ + 131 + ] + } + }, + { + "id": "id_1894", + "title": "id_1893_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের পারস্পরিক দেনা-পাওনার ক্লিয়ারিং হাউজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার সাথে দেশের মুদ্রার নির্দিষ্ট বিনিময় হার রক্ষা করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করে। দেশীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা ও জাতীয় বাজেট প্রণয়নেও সহায়তা করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী হিসেবে দায়িত্ব পা���ন করে?", + "answers": { + "text": [ + "ক্লিয়ারিং হাউজ" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_1895", + "title": "id_1894_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের পারস্পরিক দেনা-পাওনার ক্লিয়ারিং হাউজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার সাথে দেশের মুদ্রার নির্দিষ্ট বিনিময় হার রক্ষা করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করে। দেশীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা ও জাতীয় বাজেট প্রণয়নেও সহায়তা করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী রক্ষা করে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের মুদ্রার নির্দিষ্ট বিনিময় হার" + ], + "answer_start": [ + 148 + ] + } + }, + { + "id": "id_1896", + "title": "id_1895_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের পারস্পরিক দেনা-পাওনার ক্লিয়ারিং হাউজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার সাথে দেশের মুদ্রার নির্দিষ্ট বিনিময় হার রক্ষা করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করে। দেশীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা ও জাতীয় বাজেট প্রণয়নেও সহায়তা করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী ক্রয়-বিক্রয় করে?", + "answers": { + "text": [ + "বৈদেশিক মুদ্রা" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_1897", + "title": "id_1896_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের পারস্পরিক দেনা-পাওনার ক্লিয়ারিং হাউজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার সাথে দেশের মুদ্রার নির্দিষ্ট বিনিময় হার রক্ষা করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করে। দেশীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা ও জাতীয় বাজেট প্রণয়নেও সহায়তা করে।", + "question": "দেশীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোন ব্যাংক গবেষণা পরিচালনা করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1898", + "title": "id_1897_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের পারস্পরিক দেনা-পাওনার ক্লিয়ারিং হাউজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার সাথে দেশের মুদ্রার নির্দিষ্ট বিনিময় হার রক্ষা করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করে। দেশীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা ও জাতীয় বাজেট প্রণয়নেও সহায়তা করে।", + "question": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোন ক্ষেত্রে জাতীয় বাজেট প্রণয়নে সহায়তা করে?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় বাজেট প্রণয়ন" + ], + "answer_start": [ + 276 + ] + } + }, + { + "id": "id_1899", + "title": "id_1898_কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", + "context": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের পারস্পরিক দেনা-পাওনার ক্লিয়ারিং হাউজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার সাথে দেশের মুদ্রার নির্দিষ্ট বিনিময় হার রক্ষা করে এবং বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করে। দেশীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনা ও জাতীয় বাজেট প্রণয়নেও সহায়তা করে।", + "question": "পারস্পরিক দেনা-পাওনার ক্লিয়ারিং হাউজ হিসেবে কোন ব্যাংক কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1900", + "title": "id_1899_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "স্বকর্মসংস্থান বলতে বোঝায় স্বাধীনভাবে একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকা। বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ করছে। এসব মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিভিন্ন ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিম্নে এসব ব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা করা হলো।", + "question": "স্বকর্মসংস্থান বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক মানুষ" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_1901", + "title": "id_1900_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "স্বকর্মসংস্থান বলতে বোঝায় স্বাধীনভাবে একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকা। বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ করছে। এসব মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিভিন্ন ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিম্নে এসব ব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা করা হলো।", + "question": "বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে কত লক্ষ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ ক��ে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ" + ], + "answer_start": [ + 206 + ] + } + }, + { + "id": "id_1902", + "title": "id_1901_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "স্বকর্মসংস্থান বলতে বোঝায় স্বাধীনভাবে একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকা। বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ করছে। এসব মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিভিন্ন ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিম্নে এসব ব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা করা হলো।", + "question": "দারিদ্র্য বিমোচনে কোন প্রতিষ্ঠান ভূমিকা পালন করছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 313 + ] + } + }, + { + "id": "id_1903", + "title": "id_1902_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "স্বকর্মসংস্থান বলতে বোঝায় স্বাধীনভাবে একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকা। বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ করছে। এসব মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিভিন্ন ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিম্নে এসব ব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা করা হলো।", + "question": "বাংলাদেশে স্বকর্মসংস্থানের লক্ষ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়া" + ], + "answer_start": [ + 74 + ] + } + }, + { + "id": "id_1904", + "title": "id_1903_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "স্বকর্মসংস্থান বলতে বোঝায় স্বাধীনভাবে একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকা। বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ করছে। এসব মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিভিন্ন ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিম্নে এসব ব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা করা হলো।", + "question": "কিসের মাধ্যমে মানুষ আয় অর্জনের চেষ্টা করছে?", + "answers": { + "text": [ + "নিজ উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের" + ], + "answer_start": [ + 118 + ] + } + }, + { + "id": "id_1905", + "title": "id_1904_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "স্বকর্মসংস্থান বলতে বোঝায় স্বাধীনভাবে একজন কর্মক্ষম ও কর্মে ইচ্ছুক মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে উৎপাদন বা আয় অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকা। বাংলাদেশে প্রতিবছর শ্রমবাজারে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লক্ষ নতুন কর্মক্ষম মানুষ প্রবেশ করছে। এসব মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিভিন্ন ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। নিম্নে এসব ব্যাংকের ভূমিকা আলোচনা করা হলো।", + "question": "এ বিষয়ে কি আলোচনা করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যাংকের ভূমিকা" + ], + "answer_start": [ + 370 + ] + } + }, + { + "id": "id_1906", + "title": "id_1905_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গঠিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এই ব্যাংকের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে।", + "question": "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কবে গঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "স্বাধীনতা লাভের পরপরই" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_1907", + "title": "id_1906_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গঠিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এই ব্যাংকের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে।", + "question": "দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে কোন ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1908", + "title": "id_1907_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গঠিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এই ব্যাংকের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাং�� কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে।", + "question": "কৃষকদের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কী ধরনের ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ" + ], + "answer_start": [ + 282 + ] + } + }, + { + "id": "id_1909", + "title": "id_1908_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গঠিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এই ব্যাংকের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে।", + "question": "কৃষি ব্যাংক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কী করে?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে" + ], + "answer_start": [ + 248 + ] + } + }, + { + "id": "id_1910", + "title": "id_1909_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গঠিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এই ব্যাংকের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে।", + "question": "সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের দায় কে গ্রহণ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1911", + "title": "id_1910_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: স্বাধীনতা লাভের পরপরই বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সকল দায় ও সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গঠিত হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এই ব্যাংকের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে।", + "question": "কৃষি ব্যাংক কেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে?", + "answers": { + "text": [ + "দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে" + ], + "answer_start": [ + 144 + ] + } + }, + { + "id": "id_1912", + "title": "id_1911_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানি সেচের জন্য শত্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে। বর্তমানে কৃষি কার্য ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও পশু পালন, মৎস্য উৎপাদন, গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ ও কুটির শিল্পের জন্যও এই ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে।", + "question": "কৃষি ব্যাংক কোন কাজের জন্য ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়" + ], + "answer_start": [ + 6 + ] + } + }, + { + "id": "id_1913", + "title": "id_1912_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানি সেচের জন্য শত্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে। বর্তমানে কৃষি কার্য ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও পশু পালন, মৎস্য উৎপাদন, গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ ও কুটির শিল্পের জন্যও এই ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে।", + "question": "সেচের জন্য কোন যন্ত্রের জন্য ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "শত্তিচালিত পাম্প" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_1914", + "title": "id_1913_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানি সেচের জন্য শত্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে। বর্তমানে কৃষি কার্য ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও পশু পালন, মৎস্য উৎপাদন, গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ ও কুটির শিল্পের জন্যও এই ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে।", + "question": "বর্তমানে কৃষি ব্যাংক কোন ধরনের ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "হাঁস-মুরগি ও পশু পালন, মৎস্য উৎপাদন" + ], + "answer_start": [ + 177 + ] + } + }, + { + "id": "id_1915", + "title": "id_1914_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানি সেচের জন্য শত্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে। বর্তমানে কৃষি কার্য ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও পশু পালন, মৎস্য উৎপাদন, গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ ও কুটির শিল্পের জন্যও এই ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে।", + "question": "কৃষি ব্যাংক কী কী কার্যক্রমে ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ" + ], + "answer_start": [ + 214 + ] + } + }, + { + "id": "id_1916", + "title": "id_1915_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানি সেচের জন্য শত্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে। বর্তমানে কৃষি কার্য ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও পশু পালন, মৎস্য উৎপাদন, গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ ও কুটির শিল্পের জন্যও এই ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে।", + "question": "ব্যাংক কৃষি কার্য ছাড়াও কোন ক্ষেত্রে ঋণ প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "কুটির শিল্প" + ], + "answer_start": [ + 252 + ] + } + }, + { + "id": "id_1917", + "title": "id_1916_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "হালের বলদ, বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়, পানি সেচের জন্য শত্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে। বর্তমানে কৃষি কার্য ছাড়াও হাঁস-মুরগি ও পশু পালন, মৎস্য উৎপাদন, গুটি পোকার চাষ, ফলের চাষ, ফুলের চাষ ও কুটির শিল্পের জন্যও এই ব্যাংক ঋণ প্রদান করে থাকে।", + "question": "ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কৃষি ব্যাংক কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "শত্তিচালিত পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন প্রভৃতি কাজের জন্য কৃষি ব্যাংক ঋণ প্রদান করে" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_1918", + "title": "id_1917_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকসমূহের স্ব স্ব বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ কর্মসূচিতে স্বকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে।", + "question": "কৃষি ব্যাংকের পাশাপাশি কোন ব্যাংকগুলো দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_1919", + "title": "id_1918_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকসমূহের স্ব স্ব বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ কর্মসূচিতে স্বকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে।", + "question": "স্বকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে কোন ব্যাংকগুলি ভূমিকা রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 72 + ] + } + }, + { + "id": "id_1920", + "title": "id_1919_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকসমূহের স্ব স্ব বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ কর্মসূচিতে স্বকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে।", + "question": "ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচিতে কোন ব্যাংকগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 80 + ] + } + }, + { + "id": "id_1921", + "title": "id_1920_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকসমূহের স্ব স্ব বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ কর্মসূচিতে স্বকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে।", + "question": "পল্লী ঋণ কর্মসূচির উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "দারিদ্র্য নিরসন" + ], + "answer_start": [ + 211 + ] + } + }, + { + "id": "id_1922", + "title": "id_1921_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকসমূহের স্ব স্ব বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ কর্মসূচিতে স্বকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে।", + "question": "ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচি কেন গুরুত্বপূর্ণ?", + "answers": { + "text": [ + "স্বকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে" + ], + "answer_start": [ + 165 + ] + } + }, + { + "id": "id_1923", + "title": "id_1922_বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", + "context": "বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকসমূহের স্ব স্ব বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ কর্মসূচিতে স্বকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে।", + "question": "বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "যথাযথ গুরুত্বের সাথে" + ], + "answer_start": [ + 260 + ] + } + }, + { + "id": "id_1924", + "title": "id_1923_গ্রামীণ ব্যাংক ", + "context": "গ্রামীণ ব্যাংক: গ্রামীণ ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণ দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক হিসেবেও এটি পরিচিত।", + "question": "গ্রামীণ ব্যাংক কী ধরনের ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যতিক্রমী ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_1925", + "title": "id_1924_গ্রামীণ ব্যাংক ", + "context": "গ্রামীণ ব্যাংক: গ্রামীণ ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণ দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক হিসেবেও এটি পরিচিত।", + "question": "গ্রামীণ ব্যাংকের উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণ দেওয়া" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1926", + "title": "id_1925_গ্রামীণ ব্যাংক ", + "context": "গ্রামীণ ব্যাংক: গ্রামীণ ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণ দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক হিসেবেও এটি পরিচিত।", + "question": "গ্রামীণ ব্যাংককে কী ধরনের ব্যাংক হিসেবে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_1927", + "title": "id_1926_গ্রামীণ ব্যাংক ", + "context": "গ্রামীণ ব্যাংক: গ্রামীণ ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণ দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক হিসেবেও এটি পরিচিত।", + "question": "গ্রামীণ ব্যাংকের অগ্রযাত্রা কেন মহান?", + "answers": { + "text": [ + "ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_1928", + "title": "id_1927_গ্রামীণ ব্যাংক ", + "context": "গ্রামীণ ব্যাংক: গ্রামীণ ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণ দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক হিসেবেও এটি পরিচিত।", + "question": "গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামের কোন জনগণের জন্য কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষ" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1929", + "title": "id_1928_গ্রামীণ ব্যাংক ", + "context": "গ্রামীণ ব্যাংক: গ্রামীণ ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণ দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক হিসেবেও এটি পরিচিত।", + "question": "গ্রামীণ ব্যাংক কেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে?", + "answers": { + "text": [ + "পল্লীর ভূমিহীন নারী ও পুরুষদের ঋণ দেওয়ার জন্য" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1930", + "title": "id_1929_বাংলাদেশের নদ-নদী ও পানি সম্পদ", + "context": "বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো হলো পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, তিস্তা, পশুর, সাঙ্গু প্রভৃতি। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে চিরচেনা ও পরিচিত বেশিরভাগ নদীর উৎপত্তিস্থল হিমালয়, তিব্বত, আসামের বরাক এবং লুসাই পাহাড়ে। এগুলো শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর নাম কী?", + "answers": { + "text": [ + "পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_1931", + "title": "id_1930_বাংলাদেশের নদ-নদী ও পানি সম্পদ", + "context": "বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো হলো পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, তিস্তা, পশুর, সাঙ্গু প্রভৃতি। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে চিরচেনা ও পরিচিত বেশিরভাগ নদীর উৎপত্তিস্থল হিমালয়, তিব্বত, আসামের বরাক এবং লুসাই পাহাড়ে। এগুলো শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।", + "question": "পদ্মা নদী কোন সাগরে গিয়ে মিশেছে?", + "answers": { + "text": [ + "বঙ্গোপসাগর" + ], + "answer_start": [ + 232 + ] + } + }, + { + "id": "id_1932", + "title": "id_1931_পদ্মা নদী", + "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।", + "question": "পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?", + "answers": { + "text": [ + "মধ্য হিমালয়" + ], + "answer_start": [ + 93 + ] + } + }, + { + "id": "id_1933", + "title": "id_1932_পদ্মা নদী", + "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।", + "question": "পদ্মা নদী কোন দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত ও বাংলাদেশের" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_1934", + "title": "id_1933_পদ্মা নদী", + "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।", + "question": "পদ্মা নদী কোথায় যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "গোয়ালন্দ" + ], + "answer_start": [ + 231 + ] + } + }, + { + "id": "id_1935", + "title": "id_1934_পদ্মা নদী", + "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জ���লার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।", + "question": "চাঁদপুরে কোন নদীর সাথে পদ্মা মিলিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মেঘনা" + ], + "answer_start": [ + 320 + ] + } + }, + { + "id": "id_1936", + "title": "id_1935_পদ্মা নদী", + "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।", + "question": "পদ্মা নদী কোন সমুদ্রে পতিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বঙ্গোপসাগর" + ], + "answer_start": [ + 375 + ] + } + }, + { + "id": "id_1937", + "title": "id_1936_পদ্মা নদী", + "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।", + "question": "পদ্মা নদী কোন জেলায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "রাজশাহী" + ], + "answer_start": [ + 172 + ] + } + }, + { + "id": "id_1938", + "title": "id_1937_পদ্মা নদী", + "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়��ছে।", + "question": "পদ্মা নদীর গঙ্গা নামে পরিচিত অংশ কোথায়?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তরবঙ্গে" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_1939", + "title": "id_1938_পদ্মা নদী", + "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।", + "question": "পদ্মা নদী মেঘনার সাথে কোথায় মিলিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "চাঁদপুর" + ], + "answer_start": [ + 301 + ] + } + }, + { + "id": "id_1940", + "title": "id_1939_পদ্মা নদী", + "context": "বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন ৩৪,১৮৮ বর্গ কি.মি.। পশ্চিম থেকে পূর্বে নিম্নগঙ্গায় অসংখ্য শাখা নদীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি।", + "question": "বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী অঞ্চল কত বর্গ কি.মি.?", + "answers": { + "text": [ + "৩৪,১৮৮" + ], + "answer_start": [ + 62 + ] + } + }, + { + "id": "id_1941", + "title": "id_1940_পদ্মা নদী", + "context": "বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন ৩৪,১৮৮ বর্গ কি.মি.। পশ্চিম থেকে পূর্বে নিম্নগঙ্গায় অসংখ্য শাখা নদীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি।", + "question": "গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের কোন শাখা নদী উল্লেখযোগ্য?", + "answers": { + "text": [ + "ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী" + ], + "answer_start": [ + 155 + ] + } + }, + { + "id": "id_1942", + "title": "id_1941_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদীর উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্তীর্ণ হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। এই নতুন স্রোতধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী নামে পরিচিত।", + "question": "ব্রহ্মপুত্র নদী কোথায় উৎপত্তি হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "তিব্বতের মানস সরোবরে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1943", + "title": "id_1942_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদীর উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্তীর্ণ হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। এই নতুন স্রোতধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী নামে পরিচিত।", + "question": "কোন অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র নদী প্রবাহিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে" + ], + "answer_start": [ + 148 + ] + } + }, + { + "id": "id_1944", + "title": "id_1943_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদীর উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্তীর্ণ হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। এই নতুন স্রোতধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী নামে পরিচিত।", + "question": "ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা কোথা দিয়ে প্রবাহিত হত?", + "answers": { + "text": [ + "ময়মনসিংহ" + ], + "answer_start": [ + 148 + ] + } + }, + { + "id": "id_1945", + "title": "id_1944_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদীর উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধা��� ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্তীর্ণ হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। এই নতুন স্রোতধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী নামে পরিচিত।", + "question": "১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পের পর নতুন স্রোতধারার নাম কী?", + "answers": { + "text": [ + "যমুনা" + ], + "answer_start": [ + 409 + ] + } + }, + { + "id": "id_1946", + "title": "id_1945_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদীর উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্তীর্ণ হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। এই নতুন স্রোতধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী নামে পরিচিত।", + "question": "\"গোয়ালন্দ\" কোথায় অবস্থিত?\t", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষিণে" + ], + "answer_start": [ + 436 + ] + } + }, + { + "id": "id_1947", + "title": "id_1946_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী হলো বুড়িগঙ্গা, ধরলা, তিস্তা ও করতোয়া। আত্রাই হলো যমুনার উপনদী। ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি. এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি., যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।", + "question": "যমুনার শাখা নদী কোন কোন নদী?", + "answers": { + "text": [ + "ধলেশ্বরী" + ], + "answer_start": [ + 16 + ] + } + }, + { + "id": "id_1948", + "title": "id_1947_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী হলো বুড়িগঙ্গা, ধরলা, তিস্তা ও করতোয়া। আত্রাই হলো যমুনার উপনদী। ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি. এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি., যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।", + "question": "যমুনার উপনদী কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "আত্রাই" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_1949", + "title": "id_1948_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী হলো বুড়িগঙ্গা, ধরলা, তিস্তা ও করতোয়া। আত্রাই হলো যমুনার উপনদী। ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি. এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি., যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।", + "question": "ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য কত কি.মি.?", + "answers": { + "text": [ + "২৮৯৭" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_1950", + "title": "id_1949_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী হলো বুড়িগঙ্গা, ধরলা, তিস্তা ও করতোয়া। আত্রাই হলো যমুনার উপনদী। ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি. এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি., যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।", + "question": "ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার আয়তন কত বর্গ কি.মি.?", + "answers": { + "text": [ + "৫,৮০,১৬০" + ], + "answer_start": [ + 166 + ] + } + }, + { + "id": "id_1951", + "title": "id_1950_ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা", + "context": "যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী হলো বুড়িগঙ্গা, ধরলা, তিস্তা ও করতোয়া। আত্রাই হলো যমুনার উপনদী। ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি. এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি., যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।", + "question": "ব্রহ্মপুত্রের কত বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "৪৪,০৩০" + ], + "answer_start": [ + 192 + ] + } + }, + { + "id": "id_1952", + "title": "id_1951_মেঘনা", + "context": "আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।", + "question": "আসামের বরাক নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?", + "answers": { + "text": [ + "নাগা-মণিপুর" + ], + "answer_start": [ + 16 + ] + } + }, + { + "id": "id_1953", + "title": "id_1952_মেঘনা", + "context": "আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।", + "question": "সিলেটের কোন নদীগুলির সাথে বরাক নদী মিলিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সুরমা ও কুশিয়ারা নদী" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_1954", + "title": "id_1953_মেঘনা", + "context": "আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।", + "question": "মেঘনা নদী কোন নাম ধারণ করার পর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কালনী" + ], + "answer_start": [ + 146 + ] + } + }, + { + "id": "id_1955", + "title": "id_1954_মেঘনা", + "context": "আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।", + "question": "মেঘনা নদী কোন শহরের কাছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ভৈরব বাজার" + ], + "answer_start": [ + 214 + ] + } + }, + { + "id": "id_1956", + "title": "id_1955_মেঘনা", + "context": "মুন্সীগঞ্জের কাছে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার মিলিত জলধারাই মেঘনায় এসে যুক্ত হয়েছে। সেখান থেকে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে বিস্তৃত মোহনার সৃষ্টি করেছে। এটি পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। মনু, তিতাস, গোমতী, বাউলাই মেঘনার শাখা নদী। বর্ষার সময় প্লাবন ও পলি মাটিতে মেঘনা বাংলাদেশের উর্বরতা বৃদ্ধি করে।", + "question": "মুন্সীগঞ্জের কাছে কোন নদীগুলি মেঘনায় যুক্ত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_1957", + "title": "id_1956_মেঘনা", + "context": "মুন্সীগঞ্জের কাছে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার মিলিত জলধারাই মেঘনায় এসে যুক্ত হয়েছে। সেখান থেকে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে বিস্তৃত মোহনার সৃষ্টি করেছে। এটি পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। মনু, তিতাস, গোমতী, বাউলাই মেঘনার শাখা নদী। বর্ষার সময় প্লাবন ও পলি মাটিতে মেঘনা বাংলাদেশের উর্বরতা বৃ��্ধি করে।", + "question": "পদ্মার সঙ্গে মেঘনার মিলন কোথায় ঘটেছে?", + "answers": { + "text": [ + "চাঁদপুর" + ], + "answer_start": [ + 104 + ] + } + }, + { + "id": "id_1958", + "title": "id_1957_মেঘনা", + "context": "মুন্সীগঞ্জের কাছে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার মিলিত জলধারাই মেঘনায় এসে যুক্ত হয়েছে। সেখান থেকে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে বিস্তৃত মোহনার সৃষ্টি করেছে। এটি পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। মনু, তিতাস, গোমতী, বাউলাই মেঘনার শাখা নদী। বর্ষার সময় প্লাবন ও পলি মাটিতে মেঘনা বাংলাদেশের উর্বরতা বৃদ্ধি করে।", + "question": "মেঘনা নদী কোথায় পতিত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বঙ্গোপসাগরে" + ], + "answer_start": [ + 188 + ] + } + }, + { + "id": "id_1959", + "title": "id_1958_মেঘনা", + "context": "মুন্সীগঞ্জের কাছে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার মিলিত জলধারাই মেঘনায় এসে যুক্ত হয়েছে। সেখান থেকে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে বিস্তৃত মোহনার সৃষ্টি করেছে। এটি পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। মনু, তিতাস, গোমতী, বাউলাই মেঘনার শাখা নদী। বর্ষার সময় প্লাবন ও পলি মাটিতে মেঘনা বাংলাদেশের উর্বরতা বৃদ্ধি করে।", + "question": "মেঘনার কি উপকারিতা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের উর্বরতা বৃদ্ধি" + ], + "answer_start": [ + 282 + ] + } + }, + { + "id": "id_1960", + "title": "id_1959_কর্ণফুলী", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী। এর উৎপত্তিস্থল লুসাই পাহাড়ে । ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব কাছ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হচ্ছে কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং ও রাঙখিয়াৎ। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অধিক।", + "question": "বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "কর্ণফুলী" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_1961", + "title": "id_1960_কর্ণফুলী", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী। এর উৎপত্তিস্থল লুসাই পাহাড়ে । ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব কাছ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হচ্ছে কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং ও রাঙখিয়াৎ। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অধিক।", + "question": "কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?", + "answers": { + "text": [ + "লুসাই পাহাড়ে" + ], + "answer_start": [ + 67 + ] + } + }, + { + "id": "id_1962", + "title": "id_1961_কর্ণফুলী", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী। এর উৎপত্তিস্থল লুসাই পাহাড়ে । ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব কাছ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হচ্ছে কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং ও রাঙখিয়াৎ। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অধিক।", + "question": "কর্ণফুলী নদীর দৈর্ঘ্য কত?", + "answers": { + "text": [ + "৩২০ কি.মি." + ], + "answer_start": [ + 83 + ] + } + }, + { + "id": "id_1963", + "title": "id_1962_কর্ণফুলী", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী। এর উৎপত্তিস্থল লুসাই পাহাড়ে । ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব কাছ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হচ্ছে কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং ও রাঙখিয়াৎ। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অধিক।", + "question": "কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কোনগুলি?", + "answers": { + "text": [ + "কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং ও রাঙখিয়াৎ" + ], + "answer_start": [ + 196 + ] + } + }, + { + "id": "id_1964", + "title": "id_1963_কর্ণফুলী", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী। এর উৎপত্তিস্থল লুসাই পাহাড়ে । ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব কাছ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হচ্ছে কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং ও রাঙখিয়াৎ। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অধিক।", + "question": "বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর কোনটি?", + "answers": { + "text": [ + "চট্টগ্রাম" + ], + "answer_start": [ + 112 + ] + } + }, + { + "id": "id_1965", + "title": "id_1964_কর্ণফুলী", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী কর্ণফুলী। এর উৎপত্তিস্থল লুসাই পাহাড়ে । ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব কাছ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হচ্ছে কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং ও রাঙখিয়াৎ। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম কর্ণফুলীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অধিক।", + "question": "কর্ণফুলী নদীর গুরুত্ব কী?", + "answers": { + "text": [ + "পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দর" + ], + "answer_start": [ + 298 + ] + } + }, + { + "id": "id_1966", + "title": "id_1965_তিস্তা নদী", + "context": "সিকিমের পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে তিস্তা নদী ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের ডিমলা অঞ্চল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই নদী ১৭৮৭ সালের প্রবল বন্যায় গতিপথ পরিবর্তন করে ব্রহ্মপুত্রের একটি পরিত্যক্ত গতিপথে প্রবাহিত হতে থাকে। গতিপথ পরিবর্তনের পূর্বে এটি গঙ্গা নদীতে মিলিত হয়েছিল।", + "question": "তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?", + "answers": { + "text": [ + "সিকিম" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1967", + "title": "id_1966_তিস্তা নদী", + "context": "সিকিমের পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে তিস্তা নদী ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের ডিমলা অঞ্চল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই নদী ১৭৮৭ সালের প্রবল বন্যায় গতিপথ পরিবর্তন করে ব্রহ্মপুত্রের একটি পরিত্যক্ত গতিপথে প্রবাহিত হতে থাকে। গতিপথ পরিবর্তনের পূর্বে এটি গঙ্গা নদীতে মিলিত হয়েছিল।", + "question": "১৭৮৭ সালের বন্যায় তিস্তা নদীর কি পরিবর্তন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "গতিপথ" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_1968", + "title": "id_1967_তিস্তা নদী", + "context": "সিকিমের পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে তিস্তা নদী ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের ডিমলা অঞ্চল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই নদী ১৭৮৭ সালের প্রবল বন্যায় গতিপথ পরিবর্তন করে ব্রহ্মপুত্রের একটি পরিত্যক্ত গতিপথে প্রবাহিত হতে থাকে। গতিপথ পরিবর্তনের পূর্বে এটি গঙ্গা নদীতে মিলিত হয়েছিল।", + "question": "তিস্তা নদী কোথায় প্রবেশ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "কুড়িগ্রাম" + ], + "answer_start": [ + 92 + ] + } + }, + { + "id": "id_1969", + "title": "id_1968_তিস্তা নদী", + "context": "সিকিমের পা��্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে তিস্তা নদী ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের ডিমলা অঞ্চল হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই নদী ১৭৮৭ সালের প্রবল বন্যায় গতিপথ পরিবর্তন করে ব্রহ্মপুত্রের একটি পরিত্যক্ত গতিপথে প্রবাহিত হতে থাকে। গতিপথ পরিবর্তনের পূর্বে এটি গঙ্গা নদীতে মিলিত হয়েছিল।", + "question": "বন্যার আগে তিস্তা নদী কোন নদীতে মিলিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "গঙ্গা নদী" + ], + "answer_start": [ + 280 + ] + } + }, + { + "id": "id_1970", + "title": "id_1969_তিস্তা নদী", + "context": "তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য ১৭৭ কি. মি. ও প্রস্থ ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় তিস্তা নদীর ভূমিকা সর্বাধিক। তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে নির্মিত হয়। ব্যারেজটি এ অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।", + "question": "তিস্তা নদীর দৈর্ঘ্য কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৭৭ কি. মি." + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_1971", + "title": "id_1970_তিস্তা নদী", + "context": "তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য ১৭৭ কি. মি. ও প্রস্থ ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় তিস্তা নদীর ভূমিকা সর্বাধিক। তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে নির্মিত হয়। ব্যারেজটি এ অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।", + "question": "তিস্তা নদীর প্রস্থ কত?", + "answers": { + "text": [ + "৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার" + ], + "answer_start": [ + 49 + ] + } + }, + { + "id": "id_1972", + "title": "id_1971_তিস্তা নদী", + "context": "তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য ১৭৭ কি. মি. ও প্রস্থ ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় তিস্তা নদীর ভূমিকা সর্বাধিক। তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে নির্মিত হয়। ব্যারেজটি এ অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।", + "question": "তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি কখন নির্মিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৯৭-১৯৯৮ সালে" + ], + "answer_start": [ + 172 + ] + } + }, + { + "id": "id_1973", + "title": "id_1972_তিস্তা নদী", + "context": "তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য ১৭৭ কি. মি. ও প্রস্থ ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার। বাংলা��েশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় তিস্তা নদীর ভূমিকা সর্বাধিক। তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে নির্মিত হয়। ব্যারেজটি এ অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।", + "question": "তিস্তা ব্যারেজের ভূমিকা কী?", + "answers": { + "text": [ + "পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধ" + ], + "answer_start": [ + 219 + ] + } + }, + { + "id": "id_1974", + "title": "id_1973_পশুর নদী", + "context": "খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী । এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রস্থ এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্র বন্দরে প্রবেশ করতে পারে। খুলনা-বরিশাল নৌপথ। হিসেবে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", + "question": "ভৈরব বা রূপসা নদী কোথায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "খুলনার দক্ষিণে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_1975", + "title": "id_1974_পশুর নদী", + "context": "খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী । এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রস্থ এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্র বন্দরে প্রবেশ করতে পারে। খুলনা-বরিশাল নৌপথ। হিসেবে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", + "question": "ভৈরব বা রূপসা নদীর প্রস্থ কত?", + "answers": { + "text": [ + "৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি" + ], + "answer_start": [ + 198 + ] + } + }, + { + "id": "id_1976", + "title": "id_1975_পশুর নদী", + "context": "খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী । এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রস্থ এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্র বন্দরে প্রবেশ করতে পারে। খুলনা-বরিশাল নৌপথ। হিস��বে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", + "question": "ভৈরব বা রূপসা নদীর দৈর্ঘ্য কত?", + "answers": { + "text": [ + "১৪২ কি. মি." + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_1977", + "title": "id_1976_পশুর নদী", + "context": "খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী । এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রস্থ এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্র বন্দরে প্রবেশ করতে পারে। খুলনা-বরিশাল নৌপথ। হিসেবে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", + "question": "মংলা বন্দরে কীভাবে জাহাজ প্রবেশ করে?", + "answers": { + "text": [ + "মোহনা দিয়ে অনায়াসে" + ], + "answer_start": [ + 287 + ] + } + }, + { + "id": "id_1978", + "title": "id_1977_পশুর নদী", + "context": "খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী । এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রস্থ এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্র বন্দরে প্রবেশ করতে পারে। খুলনা-বরিশাল নৌপথ। হিসেবে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", + "question": "কোন নদীর মোহনা দিয়ে জাহাজ মংলা বন্দরে যায়?", + "answers": { + "text": [ + "পশুর নদী" + ], + "answer_start": [ + 371 + ] + } + }, + { + "id": "id_1979", + "title": "id_1978_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদ-নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে। কেননা, নদ-নদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। কৃষি কাজের জন্যে পানির জোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদীকে মানুষ ব্যবহার করেছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।", + "question": "মানুষ নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে কেন বসবাস শুরু করে?", + "answers": { + "text": [ + "পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে" + ], + "answer_start": [ + 116 + ] + } + }, + { + "id": "id_1980", + "title": "id_1979_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদ-নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে। কেননা, নদ-নদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। কৃষি কাজের জন্যে পানির জোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদীকে মানুষ ব্যবহার করেছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।", + "question": "কৃষিকাজের জন্য পানির জোগান কোথা থেকে দেওয়া হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নদী থেকে" + ], + "answer_start": [ + 78 + ] + } + }, + { + "id": "id_1981", + "title": "id_1980_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদ-নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে। কেননা, নদ-নদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। কৃষি কাজের জন্যে পানির জোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদীকে মানুষ ব্যবহার করেছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।", + "question": "নদ-নদী কী কী কাজে ব্যবহৃত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস" + ], + "answer_start": [ + 211 + ] + } + }, + { + "id": "id_1982", + "title": "id_1981_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদ-নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে। কেননা, নদ-নদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। কৃষি কাজের জন্যে পানির জোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদী���ে মানুষ ব্যবহার করেছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।", + "question": "সভ্যতা গড়ে ওঠার পিছনে কী ভূমিকা পালন করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "নদ-নদী" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_1983", + "title": "id_1982_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদ-নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে। কেননা, নদ-নদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। কৃষি কাজের জন্যে পানির জোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদীকে মানুষ ব্যবহার করেছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।", + "question": "মানুষ নদীর কাছাকাছি কেন বসতি স্থাপন করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_1984", + "title": "id_1983_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদ-নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে। কেননা, নদ-নদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। কৃষি কাজের জন্যে পানির জোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদীকে মানুষ ব্যবহার করেছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।", + "question": "সভ্যতা গড়ে ওঠার পিছনে কোন প্রাকৃতিক উপাদান কাজ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "নদ-নদী" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_1985", + "title": "id_1984_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যা�� বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", + "question": "মানুষ নদ-নদীর তীরে কী কী কাজ গড়ে তুলেছে?", + "answers": { + "text": [ + "খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_1986", + "title": "id_1985_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", + "question": "বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার কোথায় সর্বাধিক ঘটেছে?", + "answers": { + "text": [ + "নদীগুলোর তীরে" + ], + "answer_start": [ + 232 + ] + } + }, + { + "id": "id_1987", + "title": "id_1986_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", + "question": "ঢাকা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "বুড়িগঙ্গার তীরে" + ], + "answer_start": [ + 315 + ] + } + }, + { + "id": "id_1988", + "title": "id_1987_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", + "question": "চট্টগ্রাম কোন নদীর তীরে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "কর্ণফুলীর তীরে" + ], + "answer_start": [ + 338 + ] + } + }, + { + "id": "id_1989", + "title": "id_1988_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", + "question": "কুমিল্লা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "গোমতীর তীরে" + ], + "answer_start": [ + 413 + ] + } + }, + { + "id": "id_1990", + "title": "id_1989_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", + "question": "নারায়ণগঞ্জ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "শীতলক্ষ্যার তীরে" + ], + "answer_start": [ + 364 + ] + } + }, + { + "id": "id_1991", + "title": "id_1990_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", + "question": "সিলেট কোন নদীর তীরে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "সুরমার তীরে" + ], + "answer_start": [ + 394 + ] + } + }, + { + "id": "id_1992", + "title": "id_1991_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "শিল্প, কলকারখানা প্রতিষ্ঠাতেও নদ-নদীর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করার জন্য আধুনিক সেচ প্রকল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও নদ-নদীকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। গঙ্গা-কপোতাক্ষ পরিকল্পনা থেকে দেশের কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কৃষিজ জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে এ অঞ্চলের মানুষ কৃষি উৎপাদনে লাভবান হচ্ছে। কর্ণফুলী বহুমুখী পরিকল্পনা থেকে ৬৪৪ কি.মি. নৌ চলাচল করছে। ১০ লক্ষ একর জমিতে কৃষিজ ফলন হচ্ছে।", + "question": "কোন পরিকল্পনা থেকে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনার পানি সেচের ব্যবস্থা করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "গঙ্গা-কপোতাক্ষ পরিকল্পনা" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_1993", + "title": "id_1992_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "শিল্প, কলকারখানা প্রতিষ্ঠাতেও নদ-নদীর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করার জন্য আধুনিক সেচ প্রকল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও নদ-নদীকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। গঙ্গা-কপোতাক্ষ পরিকল্পনা থেকে দেশের কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কৃষিজ জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে এ অঞ্চলের মানুষ কৃষি উৎপাদনে লাভবান হচ্ছে। কর্ণফুলী বহুমুখী পরিকল্পনা থেকে ৬৪৪ কি.মি. নৌ চলাচল করছে। ১০ লক্ষ একর জমিতে কৃষিজ ফলন হচ্ছে।", + "question": "কোন নদীর বহুমুখী পরিকল্পনা থেকে ৬৪৪ কি.মি. নৌ চলাচল করছে?", + "answers": { + "text": [ + "কর্ণফুলী" + ], + "answer_start": [ + 349 + ] + } + }, + { + "id": "id_1994", + "title": "id_1993_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "শিল্প, কলকারখানা প্রতিষ্ঠাতেও নদ-নদীর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করার জন্য আধুনিক সেচ প্রকল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও নদ-নদীকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। গঙ্গা-কপোতাক্ষ পরিকল্পনা থেকে দেশের কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কৃষিজ জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে এ অঞ্চলের মানুষ কৃষি উৎপাদনে লাভবান হচ্ছে। কর্ণফুলী বহুমুখী পরিকল্পনা থেকে ৬৪৪ কি.মি. নৌ চলাচল করছে। ১০ লক্ষ একর জমিতে কৃষিজ ফলন হচ্ছে।", + "question": "কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা কোন পরিকল্পনা থেকে লাভবান হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "গঙ্গা-কপোতাক্ষ পরিকল্পনা" + ], + "answer_start": [ + 176 + ] + } + }, + { + "id": "id_1995", + "title": "id_1994_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "শিল্প, কলকারখানা প্রতিষ্ঠাতেও নদ-নদীর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করার জন্য আধুনিক সেচ প্রকল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও নদ-নদীকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। গঙ্গা-কপোতাক্ষ পরিকল্পনা থেকে দেশের কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কৃষিজ জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে এ অঞ্চলের মানুষ কৃষি উৎপাদনে লাভবান হচ্ছে। কর্ণফুলী বহুমুখী পরিকল্পনা থেকে ৬৪৪ কি.মি. নৌ চলাচল করছে। ১০ লক্ষ একর জমিতে কৃষিজ ফলন হচ্ছে।", + "question": "কর্ণফুলী বহুমুখী পরিকল্পনা থেকে কত লক্ষ একর জমিতে কৃষিজ ফলন হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "১০ লক্ষ একর" + ], + "answer_start": [ + 407 + ] + } + }, + { + "id": "id_1996", + "title": "id_1995_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ বাঁধের ফলে ভয়াবহ বন্যা থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে মুক্ত রাখাও অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। তিস্তা বাঁধ থেকে রংপুর, বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষ এখন সুবিধা ভোগ করছে। মেঘনা নদী থেকে পানি নিয়ে বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলায় চাষাবাদ উন্নত করা সম্ভব হচ্ছে।", + "question": "কাপ্তাই নামক স্থানে কি নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাঁধ" + ], + "answer_start": [ + 41 + ] + } + }, + { + "id": "id_1997", + "title": "id_1996_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ বাঁধের ফলে ভয়াবহ বন্যা থেকে চট্���গ্রাম অঞ্চলকে মুক্ত রাখাও অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। তিস্তা বাঁধ থেকে রংপুর, বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষ এখন সুবিধা ভোগ করছে। মেঘনা নদী থেকে পানি নিয়ে বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলায় চাষাবাদ উন্নত করা সম্ভব হচ্ছে।", + "question": "তিস্তা বাঁধ থেকে কোন অঞ্চলের মানুষ সুবিধা ভোগ করছে?", + "answers": { + "text": [ + "রংপুর, বগুড়া ও দিনাজপুর" + ], + "answer_start": [ + 191 + ] + } + }, + { + "id": "id_1998", + "title": "id_1997_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ বাঁধের ফলে ভয়াবহ বন্যা থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে মুক্ত রাখাও অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। তিস্তা বাঁধ থেকে রংপুর, বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষ এখন সুবিধা ভোগ করছে। মেঘনা নদী থেকে পানি নিয়ে বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলায় চাষাবাদ উন্নত করা সম্ভব হচ্ছে।", + "question": "মেঘনা নদী থেকে পানি নিয়ে কোন জেলায় চাষাবাদ উন্নত করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম" + ], + "answer_start": [ + 277 + ] + } + }, + { + "id": "id_1999", + "title": "id_1998_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ বাঁধের ফলে ভয়াবহ বন্যা থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে মুক্ত রাখাও অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। তিস্তা বাঁধ থেকে রংপুর, বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষ এখন সুবিধা ভোগ করছে। মেঘনা নদী থেকে পানি নিয়ে বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলায় চাষাবাদ উন্নত করা সম্ভব হচ্ছে।", + "question": "বাঁধের ফলে কোন অঞ্চলের মানুষ বন্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারছে?", + "answers": { + "text": [ + "চট্টগ্রাম অঞ্চল" + ], + "answer_start": [ + 121 + ] + } + }, + { + "id": "id_2000", + "title": "id_1999_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এ বাঁধের ফলে ভয়াবহ বন্যা থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে মুক্ত রাখাও অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। তিস্তা বাঁধ থেকে রংপুর, বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষ এখন সুবিধা ভোগ করছে। মেঘনা নদী থেকে পানি নিয়ে বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ���ট্টগ্রাম জেলায় চাষাবাদ উন্নত করা সম্ভব হচ্ছে।", + "question": "কাপ্তাই বাঁধের ফলে কোন উদ্দেশ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বিদ্যুৎ উৎপাদন" + ], + "answer_start": [ + 64 + ] + } + }, + { + "id": "id_2001", + "title": "id_2000_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "সারা দেশেই নদীর পানিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কৃষি পরিকল্পনা এখন বিস্তৃত হচ্ছে। এর ফলে দেশের কৃষি অর্থনীতি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। মানুষের কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নদীপথে লঞ্চ ও স্টিমার দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। পরিবহনের জন্যও নদী পথকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন নদী পথকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের আর একটি সুযোগ পাচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতি কি কারণে উন্নত হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "নদীর পানিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কৃষি পরিকল্পনা" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_2002", + "title": "id_2001_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "সারা দেশেই নদীর পানিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কৃষি পরিকল্পনা এখন বিস্তৃত হচ্ছে। এর ফলে দেশের কৃষি অর্থনীতি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। মানুষের কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নদীপথে লঞ্চ ও স্টিমার দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। পরিবহনের জন্যও নদী পথকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন নদী পথকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের আর একটি সুযোগ পাচ্ছে।", + "question": "কোথায় নদীপথে লঞ্চ ও স্টিমার সম্প্রসারিত হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের দক্ষিণাঞ্চলে" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_2003", + "title": "id_2002_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "সারা দেশেই নদীর পানিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কৃষি পরিকল্পনা এখন বিস্তৃত হচ্ছে। এর ফলে দেশের কৃষি অর্থনীতি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। মানুষের কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নদীপথে লঞ্চ ও স্টিমার দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। পরিবহনের জন্যও ���দী পথকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন নদী পথকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের আর একটি সুযোগ পাচ্ছে।", + "question": "কোন উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ভারতকে ট্রানজিট দিচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন" + ], + "answer_start": [ + 409 + ] + } + }, + { + "id": "id_2004", + "title": "id_2003_নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", + "context": "সারা দেশেই নদীর পানিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কৃষি পরিকল্পনা এখন বিস্তৃত হচ্ছে। এর ফলে দেশের কৃষি অর্থনীতি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। মানুষের কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নদীপথে লঞ্চ ও স্টিমার দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। পরিবহনের জন্যও নদী পথকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন নদী পথকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের আর একটি সুযোগ পাচ্ছে।", + "question": "কী কারণে নদী পথকে পরিবহনের জন্য বেছে নেওয়া হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে" + ], + "answer_start": [ + 184 + ] + } + }, + { + "id": "id_2005", + "title": "id_2004_পানির অভাবের কারণ", + "context": "অঞ্চলভেদে পানির অভাবের কারণের পার্থক্য থাকলেও সাধারণ কতিপয় কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের নদীসমূহে উজান থেকে প্রচুর পানি আসে। এ পানিতে প্রচুর পলি থাকে। এসব পলি নদীর তলদেশে জমা পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে পলি জমা হয়ে বেশকিছু নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ায় পানির প্রবাহ কমে গেছে। তাছাড়া অনেক নদ-নদী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। উত্তর বঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাসমূহে এ ধরনের অসংখ্য নদী মৃত নদী হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে। নদীগুলোর সজীবতা রক্ষা করতে মাঝেমধ্যে তলদেশে জমাকৃত পলি খনন করা প্রয়োজন।", + "question": "বাংলাদেশের নদীগুলির তলদেশে কি জমা পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "পলি" + ], + "answer_start": [ + 136 + ] + } + }, + { + "id": "id_2006", + "title": "id_2005_পানির অভাবের কারণ", + "context": "অঞ্চলভেদে পানির অভাবের কারণের পার্থক্য থাকলেও সাধারণ কতিপয় কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের নদীসমূহে উজান থেকে প্রচুর পানি আসে। এ পানিতে প্রচুর পলি থাকে। এসব পলি নদীর তলদেশে জমা পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে পলি জমা হয়ে বেশ��িছু নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ায় পানির প্রবাহ কমে গেছে। তাছাড়া অনেক নদ-নদী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। উত্তর বঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাসমূহে এ ধরনের অসংখ্য নদী মৃত নদী হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে। নদীগুলোর সজীবতা রক্ষা করতে মাঝেমধ্যে তলদেশে জমাকৃত পলি খনন করা প্রয়োজন।", + "question": "কোথায় মৃত নদী হিসেবে পরিচিত নদীগুলো অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর বঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলে" + ], + "answer_start": [ + 332 + ] + } + }, + { + "id": "id_2007", + "title": "id_2006_পানির অভাবের কারণ", + "context": "অঞ্চলভেদে পানির অভাবের কারণের পার্থক্য থাকলেও সাধারণ কতিপয় কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের নদীসমূহে উজান থেকে প্রচুর পানি আসে। এ পানিতে প্রচুর পলি থাকে। এসব পলি নদীর তলদেশে জমা পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে পলি জমা হয়ে বেশকিছু নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ায় পানির প্রবাহ কমে গেছে। তাছাড়া অনেক নদ-নদী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। উত্তর বঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাসমূহে এ ধরনের অসংখ্য নদী মৃত নদী হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে। নদীগুলোর সজীবতা রক্ষা করতে মাঝেমধ্যে তলদেশে জমাকৃত পলি খনন করা প্রয়োজন।", + "question": "নদী বিলুপ্ত হওয়ার কারণে কী সমস্যা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "পানির প্রবাহ কমে গেছে" + ], + "answer_start": [ + 270 + ] + } + }, + { + "id": "id_2008", + "title": "id_2007_পানির অভাবের কারণ", + "context": "অঞ্চলভেদে পানির অভাবের কারণের পার্থক্য থাকলেও সাধারণ কতিপয় কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের নদীসমূহে উজান থেকে প্রচুর পানি আসে। এ পানিতে প্রচুর পলি থাকে। এসব পলি নদীর তলদেশে জমা পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে পলি জমা হয়ে বেশকিছু নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ায় পানির প্রবাহ কমে গেছে। তাছাড়া অনেক নদ-নদী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। উত্তর বঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাসমূহে এ ধরনের অসংখ্য নদী মৃত নদী হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে। নদীগুলোর সজীবতা রক্ষা করতে মাঝেমধ্যে তলদেশে জমাকৃত পলি খনন করা প্রয়োজন।", + "question": "কী করতে হবে নদীর সজীবতা রক্ষা করার জন্য?", + "answers": { + "text": [ + "তলদেশে জমাকৃত পলি খনন করা প্রয়োজন" + ], + "answer_start": [ + 457 + ] + } + }, + { + "id": "id_2009", + "title": "id_2008_পানির অভাবের কারণ", + "context": "অঞ্চলভেদে পানির অভাবের কারণের পার্থক্য থাকলেও সাধারণ কতিপয় কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের নদীসমূহে উজান থেকে প্রচুর পানি আসে। এ পানিতে প্রচুর পলি থাকে। এসব পলি নদীর তলদেশে জমা পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে পলি জমা হয়ে বেশকিছু নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নদীগুলোতে চর পড়ে যাওয়ায় পানির প্রবাহ কমে গেছে। তাছাড়া অনেক নদ-নদী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। উত্তর বঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাসমূহে এ ধরনের অসংখ্য নদী মৃত নদী হিসেবে পরিচিত হয়ে আছে। নদীগুলোর সজীবতা রক্ষা করতে মাঝেমধ্যে তলদেশে জমাকৃত পলি খনন করা প্রয়োজন।", + "question": "বাংলাদেশের কোন নদীগুলো মৃত নদী হিসেবে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর বঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের" + ], + "answer_start": [ + 332 + ] + } + }, + { + "id": "id_2010", + "title": "id_2009_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারতে বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে এদেশের কোনো কোনো নদী, যেমন- তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ ইত্যাদি শুকিয়ে যাচ্ছে। ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। পলদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের সব নদীতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির চরম সংকট দেখা দেয়। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যের উপর পানির অপ্রতুলতার নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের কোন নদীগুলোর পানির প্রবাহ শুষ্ক মৌসুমে কমে গেছে?", + "answers": { + "text": [ + "তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ" + ], + "answer_start": [ + 166 + ] + } + }, + { + "id": "id_2011", + "title": "id_2010_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারতে বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে এদেশের কোনো কোনো নদী, যেমন- তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ ইত্যাদি শুকিয়ে যাচ্ছে। ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। পলদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের সব নদীতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির চরম সংকট দেখা দেয়। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যের উপর পানির অপ্রতুলতার নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।", + "question": "ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে কোন অঞ্চলে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "উত্তর-পশ্চিম���ঞ্চল" + ], + "answer_start": [ + 255 + ] + } + }, + { + "id": "id_2012", + "title": "id_2011_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারতে বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে এদেশের কোনো কোনো নদী, যেমন- তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ ইত্যাদি শুকিয়ে যাচ্ছে। ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। পলদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের সব নদীতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির চরম সংকট দেখা দেয়। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যের উপর পানির অপ্রতুলতার নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।", + "question": "ভারতের কোন বাঁধের কারণে বাংলাদেশের নদীতে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ফারাক্কা বাঁধ" + ], + "answer_start": [ + 221 + ] + } + }, + { + "id": "id_2013", + "title": "id_2012_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারতে বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে এদেশের কোনো কোনো নদী, যেমন- তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ ইত্যাদি শুকিয়ে যাচ্ছে। ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। পলদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের সব নদীতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির চরম সংকট দেখা দেয়। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যের উপর পানির অপ্রতুলতার নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।", + "question": "শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকটের ফলে কি সমস্যা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে" + ], + "answer_start": [ + 336 + ] + } + }, + { + "id": "id_2014", + "title": "id_2013_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারতে বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে এদেশের কোনো কোনো নদী, যেমন- তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ ইত্যাদি শুকিয়ে যাচ্ছে। ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। পলদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের সব নদীতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির চরম সংকট দেখা দেয়। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যের উপর পানির অপ্রতুলতার নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।", + "question": "নদীগুলোর পানি প্রবাহ কমে যাওয়ার ফলে কী সমস্যা দেখা দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "শুকিয়ে যাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 198 + ] + } + }, + { + "id": "id_2015", + "title": "id_2014_পানির অভাবের কারণ", + "context": "সেচসহ নানা কাজে কোনো কোনো নদী থেকে পাম্প দিয়ে প্রচুর পানি উত্তোলনের ফলে মূল নদীতে পানি আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ফলে নদী তার স্বাভাবিক গতি ও রূপ হারাতে বাধ্য হয়। নিয়ম-নীতি না মেনে নদীর উপর দিয়ে যত্রতত্র ব্রিজ, কালভার্ট, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণের ফলে অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও শীতকালে নদীতে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে নদী ধীরে ধীরে নাব্য হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতি ও জনজীবন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।", + "question": "নদীতে পানি কমে যাওয়ার ফলে কী ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "নদী তার স্বাভাবিক গতি ও রূপ হারাতে বাধ্য হয়" + ], + "answer_start": [ + 118 + ] + } + }, + { + "id": "id_2016", + "title": "id_2015_পানির অভাবের কারণ", + "context": "সেচসহ নানা কাজে কোনো কোনো নদী থেকে পাম্প দিয়ে প্রচুর পানি উত্তোলনের ফলে মূল নদীতে পানি আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ফলে নদী তার স্বাভাবিক গতি ও রূপ হারাতে বাধ্য হয়। নিয়ম-নীতি না মেনে নদীর উপর দিয়ে যত্রতত্র ব্রিজ, কালভার্ট, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণের ফলে অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও শীতকালে নদীতে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে নদী ধীরে ধীরে নাব্য হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতি ও জনজীবন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।", + "question": "গ্রীষ্ম ও শীতকালে নদীর পানি প্রবাহ কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পানিপ্রবাহ কমে" + ], + "answer_start": [ + 310 + ] + } + }, + { + "id": "id_2017", + "title": "id_2016_পানির অভাবের কারণ", + "context": "সেচসহ নানা কাজে কোনো কোনো নদী থেকে পাম্প দিয়ে প্রচুর পানি উত্তোলনের ফলে মূল নদীতে পানি আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ফলে নদী তার স্বাভাবিক গতি ও রূপ হারাতে বাধ্য হয়। নিয়ম-নীতি না মেনে নদীর উপর দিয়ে যত্রতত্র ব্রিজ, কালভার্ট, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণের ফলে অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও শীতকালে নদীতে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে নদী ধীরে ধীরে নাব্য হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতি ও ��নজীবন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।", + "question": "নদীর নাব্য হারানো কী কারণে হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে" + ], + "answer_start": [ + 310 + ] + } + }, + { + "id": "id_2018", + "title": "id_2017_পানির অভাবের কারণ", + "context": "সেচসহ নানা কাজে কোনো কোনো নদী থেকে পাম্প দিয়ে প্রচুর পানি উত্তোলনের ফলে মূল নদীতে পানি আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ফলে নদী তার স্বাভাবিক গতি ও রূপ হারাতে বাধ্য হয়। নিয়ম-নীতি না মেনে নদীর উপর দিয়ে যত্রতত্র ব্রিজ, কালভার্ট, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণের ফলে অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও শীতকালে নদীতে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে নদী ধীরে ধীরে নাব্য হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতি ও জনজীবন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশের নদীর পানির প্রবাহ কমানোর প্রভাব কী?", + "answers": { + "text": [ + "সমাজ, অর্থনীতি ও জনজীবন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত" + ], + "answer_start": [ + 392 + ] + } + }, + { + "id": "id_2019", + "title": "id_2018_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কৃষি, বাণিজ্য, মৎস্য চাষ, যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীর তীরে গড়ে ওঠা বসতির জীবন ও জীবিকার সন্ধানে তল্লিতল্পা গুটিয়ে অন্যত্র চলে যেতে হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ও শীতকালে নদী শুকিয়ে গেলে মাছের অভাব দেখা দেয়। ফলে পর্যাপ্ত আমিষের অভাবে পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে। আবার বর্ষাকালে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধির চাপে বাড়িঘর ভাঙতে পারে, মানুষজন পৈতৃক ভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হতে পারে।", + "question": "নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কী সমস্যা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি, বাণিজ্য, মৎস্য চাষ, যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_2020", + "title": "id_2019_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কৃষি, বাণিজ্য, মৎস্য চাষ, যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীর তীরে গড়ে ওঠা বসতির জীবন ও জীবিকার সন্ধানে তল্লিতল্পা গুটিয়ে অন্যত্র চলে যেতে হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ও শীতকালে নদী শুকিয়ে গেলে মাছের অভাব দেখা দেয়। ফলে পর্যাপ্ত আমিষের অভাবে পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে। আবার বর্ষাকালে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধির চাপে বাড়িঘর ভাঙতে পারে, মানুষজন পৈতৃক ভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হতে পারে।", + "question": "শুষ্ক মৌসুমে নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কী অভাব দেখা দেয়?", + "answers": { + "text": [ + "মাছের অভাব দেখা দেয়" + ], + "answer_start": [ + 230 + ] + } + }, + { + "id": "id_2021", + "title": "id_2020_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কৃষি, বাণিজ্য, মৎস্য চাষ, যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীর তীরে গড়ে ওঠা বসতির জীবন ও জীবিকার সন্ধানে তল্লিতল্পা গুটিয়ে অন্যত্র চলে যেতে হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ও শীতকালে নদী শুকিয়ে গেলে মাছের অভাব দেখা দেয়। ফলে পর্যাপ্ত আমিষের অভাবে পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে। আবার বর্ষাকালে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধির চাপে বাড়িঘর ভাঙতে পারে, মানুষজন পৈতৃক ভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হতে পারে।", + "question": "বর্ষাকালে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধির কারণে কী হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "বাড়িঘর ভাঙতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 345 + ] + } + }, + { + "id": "id_2022", + "title": "id_2021_পানির অভাবের কারণ", + "context": "বাংলাদেশের অনেক নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কৃষি, বাণিজ্য, মৎস্য চাষ, যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীর তীরে গড়ে ওঠা বসতির জীবন ও জীবিকার সন্ধানে তল্লিতল্পা গুটিয়ে অন্যত্র চলে যেতে হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ও শীতকালে নদী শুকিয়ে গেলে মাছের অভাব দেখা দেয়। ফলে পর্যাপ্ত আমিষের অভাবে পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে। আবার বর্ষাকালে পানিপ্রবাহ বৃদ্ধির চাপে বাড়িঘর ভাঙতে পারে, মানুষজন পৈতৃক ভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হতে পারে।", + "question": "নদীর শুকিয়ে যাওয়ার ফলে কি ধরনের পুষ্টিহীনতা হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "পর্যাপ্ত আমিষের অভাবে পুষ্টিহীনতা" + ], + "answer_start": [ + 256 + ] + } + }, + { + "id": "id_2023", + "title": "id_2022_যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "নদীমাতৃক দেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নদীগুলোই বহন করছে। পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, মাতামুহুরী, আত্রাই, মধুমতী, গড়াই ইত্যাদি নদী যাত্রী পরিবহন সেবায় বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। নদীপথকে সকলে আরামদায়ক পথ বলে বিবেচনা করে থাকে। এদেশে নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৮৩৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩,৮৬৫ কিলোমিটার পথে বছরের সবসময় নৌ চলাচল করে থাকে।", + "question": "বাংলাদেশের নদীপথের মোট দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ৯৮৩৩ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 300 + ] + } + }, + { + "id": "id_2024", + "title": "id_2023_যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "নদীমাতৃক দেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নদীগুলোই বহন করছে। পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, মাতামুহুরী, আত্রাই, মধুমতী, গড়াই ইত্যাদি নদী যাত্রী পরিবহন সেবায় বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। নদীপথকে সকলে আরামদায়ক পথ বলে বিবেচনা করে থাকে। এদেশে নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৮৩৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩,৮৬৫ কিলোমিটার পথে বছরের সবসময় নৌ চলাচল করে থাকে।", + "question": "কোন নদীগুলো যাত্রী পরিবহনে বড় ভূমিকা পালন করে?", + "answers": { + "text": [ + "পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, মাতামুহুরী, আত্রাই, মধুমতী, গড়াই" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_2025", + "title": "id_2024_যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "নদীমাতৃক দেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নদীগুলোই বহন করছে। পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, মাতামুহুরী, আত্রাই, মধুমতী, গড়াই ইত্যাদি নদী যাত্রী পরিবহন সেবায় বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। নদীপথকে সকলে আরামদায়ক পথ বলে বিবেচনা করে থাকে। এদেশে নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৮৩৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩,৮৬৫ কিলোমিটার পথে বছরের সবসময় নৌ চলাচল করে থাকে।", + "question": "বছরে কত কিলোমিটার পথে নৌ চলাচল করে থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "৩,৮৬৫ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 332 + ] + } + }, + { + "id": "id_2026", + "title": "id_2025_যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। ১৯৫৮ সালে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি করা হয়েছে। সংক্ষেপে এটিকে বিআইডব্লিউটিএ বলা হয়। জনস্বার্থে এই সংস্থা নানা ধরনের যাত্রীবাহী জলযানের ব্যবস্থা করে থাকে। নদী পথে কিছু সংরক্ষণ খরচ ছাড়া তেমন কোনো নির্মাণ খরচ না থাকায় নদীপথে যাতায়াত খরচও অপেক্ষাকৃত কম।", + "question": "অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ কখন তৈরি করা হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৫৮ সালে" + ], + "answer_start": [ + 66 + ] + } + }, + { + "id": "id_2027", + "title": "id_2026_যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। ১৯৫৮ সালে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি করা হয়েছে। সংক্ষেপে এটিকে বিআইডব্লিউটিএ বলা হয়। জনস্বার্থে এই সংস্থা নানা ধরনের যাত্রীবাহী জলযানের ব্যবস্থা করে থাকে। নদী পথে কিছু সংরক্ষণ খরচ ছাড়া তেমন কোনো নির্মাণ খরচ না থাকায় নদীপথে যাতায়াত খরচও অপেক্ষাকৃত কম।", + "question": "বিআইডব্লিউটিএ-এর পূর্ণরূপ কী?", + "answers": { + "text": [ + "অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_2028", + "title": "id_2027_যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। ১৯৫৮ সালে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি করা হয়েছে। সংক্ষেপে এটিকে বিআইডব্লিউটিএ বলা হয়। জনস্বার্থে এই সংস্থা নানা ধরনের যাত্রীবাহী জলযানের ব্যবস্থা করে থাকে। নদী পথে কিছু সংরক্ষণ খরচ ছাড়া তেমন কোনো নির্মাণ খরচ না থাকায় নদীপথে যাতায়াত খরচও অপেক্ষাকৃত কম।", + "question": "নদীপথে যাতায়াত খরচ কেন কম?", + "answers": { + "text": [ + "নির্মাণ খরচ না থাকায়" + ], + "answer_start": [ + 273 + ] + } + }, + { + "id": "id_2029", + "title": "id_2028_জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন জন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়। সবচেয়ে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।", + "question": "জলবিদ্যুৎ কি ধরনের শক্তি সম্পদ?", + "answers": { + "text": [ + "নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 121 + ] + } + }, + { + "id": "id_2030", + "title": "id_2029_জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন জন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়। সবচেয়ে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।", + "question": "বাংলাদেশের কোথায় প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয���েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কর্ণফুলী নদীতে" + ], + "answer_start": [ + 198 + ] + } + }, + { + "id": "id_2031", + "title": "id_2030_জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন জন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়। সবচেয়ে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।", + "question": "জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে কম খরচ হয় কেন?", + "answers": { + "text": [ + "এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 117 + ] + } + }, + { + "id": "id_2032", + "title": "id_2031_জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন জন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়। সবচেয়ে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।", + "question": "কোন নদীতে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "কর্ণফুলী নদীতে" + ], + "answer_start": [ + 198 + ] + } + }, + { + "id": "id_2033", + "title": "id_2032_জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন জন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়। সবচেয়ে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।", + "question": "জলবিদ্যুৎ কীভাবে উৎপাদন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন জন্ত্রের সাহায্যে" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_2034", + "title": "id_2033_জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বর্তমান বিশ্বে তেল, গ্যাস বা পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহারের মাধ্যমে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তার উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। সেই তুলনায় জলবিদ্যুতের খরচ অনেক কম। সে কারণে দেশের নদীর পানি সম্পদ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য লাভজনক। তবে যে ধরনের পাহাড়ি নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, সে রকম পাহাড় ও নদী দেশে বেশি নেই। ফলে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কম।", + "question": "বর্তমান বিশ্বে তেল, গ্যাস বা পারমাণবিক চুল্লির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "অনেক বেশি" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_2035", + "title": "id_2034_জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বর্তমান বিশ্বে তেল, গ্যাস বা পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহারের মাধ্যমে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তার উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। সেই তুলনায় জলবিদ্যুতের খরচ অনেক কম। সে কারণে দেশের নদীর পানি সম্পদ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য লাভজনক। তবে যে ধরনের পাহাড়ি নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, সে রকম পাহাড় ও নদী দেশে বেশি নেই। ফলে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কম।", + "question": "বাংলাদেশের জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কেমন?", + "answers": { + "text": [ + "কম" + ], + "answer_start": [ + 150 + ] + } + }, + { + "id": "id_2036", + "title": "id_2035_জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বর্তমান বিশ্বে তেল, গ্যাস বা পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহারের মাধ্যমে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তার উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। সেই তুলনায় জলবিদ্যুতের খরচ অনেক কম। সে কারণে দেশের নদীর পানি সম্পদ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য লাভজনক। তবে যে ধরনের পাহাড়ি নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়, সে রকম পাহাড় ও নদী দেশে বেশি নেই। ফলে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ কম।", + "question": "কেন বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য জলবিদ্যুৎ উৎপাদন লাভজনক?", + "answers": { + "text": [ + "জলবিদ্যুতের খরচ অনেক কম" + ], + "answer_start": [ + 129 + ] + } + }, + { + "id": "id_2037", + "title": "id_2036_বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের ৭৫ শতাংশ আনা-নেওয়া করা হয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নদীপথের বাণিজ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়। এক সময় আমাদের তেমন কোনো জাহাজ ছিল ন��। এখন বহুমুখী পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে প্রায় সব নদীপথেই সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ টন মালামাল পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে সকল প্রকার অস্থিতিশীলতার মধ্যেও নির্বিঘ্নে জাহাজ ও নৌযানযোগে পণ্য পরিবহন করা যায়।", + "question": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কত শতাংশ বাণিজ্যিক মালামাল আনা-নেওয়া করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৭৫ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_2038", + "title": "id_2037_বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের ৭৫ শতাংশ আনা-নেওয়া করা হয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নদীপথের বাণিজ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়। এক সময় আমাদের তেমন কোনো জাহাজ ছিল না। এখন বহুমুখী পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে প্রায় সব নদীপথেই সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ টন মালামাল পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে সকল প্রকার অস্থিতিশীলতার মধ্যেও নির্বিঘ্নে জাহাজ ও নৌযানযোগে পণ্য পরিবহন করা যায়।", + "question": "বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭২ সালে" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_2039", + "title": "id_2038_বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের ৭৫ শতাংশ আনা-নেওয়া করা হয়। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নদীপথের বাণিজ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়। এক সময় আমাদের তেমন কোনো জাহাজ ছিল না। এখন বহুমুখী পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে প্রায় সব নদীপথেই সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে লক্ষ লক্ষ টন মালামাল পরিবহন করা হয়ে থাকে। ফলে সকল প্রকার অস্থিতিশীলতার মধ্যেও নির্বিঘ্নে জাহাজ ও নৌযানযোগে পণ্য পরিবহন করা যায়।", + "question": "বর্তমানে কি ধরনের জাহাজের সংখ্যা বাড়ছে?", + "answers": { + "text": [ + "বহুমুখী পণ্যবাহী জাহাজ" + ], + "answer_start": [ + 231 + ] + } + }, + { + "id": "id_2040", + "title": "id_2039_বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বর্ষাকালে বেশিরভাগ পণ্যই নৌপথে পরিবহন করা হয়। তবে শুষ্ক মৌসুমে নদীর নাব্য ত্রাস পাওয়ার কারণে কোনো কোনো নদীতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে আসছে। দেশের কৃষি, শিল্প ও মৎস্য সম্পদের বিকাশ ঘটাতে নৌপরিবহনের কোনো বিকল্প নেই। সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে বাংলাদেশের নৌ বাণিজ্যকে গতিশীল করার জন্যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে বাংলাদেশের নদীর সর্বোচ্চ ব্যবহার ঘটিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হবে।", + "question": "শুষ্ক মৌসুমে নদীর নাব্য ত্রাস পাওয়ার কারণে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাহাজ চলাচল সীমিত" + ], + "answer_start": [ + 111 + ] + } + }, + { + "id": "id_2041", + "title": "id_2040_বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বর্ষাকালে বেশিরভাগ পণ্যই নৌপথে পরিবহন করা হয়। তবে শুষ্ক মৌসুমে নদীর নাব্য ত্রাস পাওয়ার কারণে কোনো কোনো নদীতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে আসছে। দেশের কৃষি, শিল্প ও মৎস্য সম্পদের বিকাশ ঘটাতে নৌপরিবহনের কোনো বিকল্প নেই। সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে বাংলাদেশের নৌ বাণিজ্যকে গতিশীল করার জন্যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে বাংলাদেশের নদীর সর্বোচ্চ ব্যবহার ঘটিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হবে।", + "question": "বর্ষাকালে কোন পথে পণ্য পরিবহন করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নৌপথ" + ], + "answer_start": [ + 25 + ] + } + }, + { + "id": "id_2042", + "title": "id_2041_বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", + "context": "বর্ষাকালে বেশিরভাগ পণ্যই নৌপথে পরিবহন করা হয়। তবে শুষ্ক মৌসুমে নদীর নাব্য ত্রাস পাওয়ার কারণে কোনো কোনো নদীতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে আসছে। দেশের কৃষি, শিল্প ও মৎস্য সম্পদের বিকাশ ঘটাতে নৌপরিবহনের কোনো বিকল্প নেই। সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে বাংলাদেশের নৌ বাণিজ্যকে গতিশীল করার জন্যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে বাংলাদেশের নদীর সর্বোচ্চ ব্যবহার ঘটিয়ে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হবে।", + "question": "বাংলাদেশের নৌ বাণিজ্যকে গতিশীল করার জন্য কী করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে" + ], + "answer_start": [ + 300 + ] + } + }, + { + "id": "id_2043", + "title": "id_2042_কৃষিজ সম্পদ", + "context": "দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং নেপাল বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কৃষিপ্রধান। এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মাটি, নদ-নদী ইত্যাদির উপর নির্ভর করে কৃষকগণ এখানকার কৃষিজ সম্পদ উৎপাদন করে। কৃষি উৎপাদনে একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রার তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের দরকার হয়। এজন্য অঞ্চলভেদে কৃষি উৎপাদনে তারতম্য ঘটে। অত্যন্ত শীতল জলবায়ুর কারণে কিংবা বৃষ্টিপাতের অভাবে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলে শস্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।", + "question": "দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশগুলো কৃষিপ্রধান?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং নেপাল" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_2044", + "title": "id_2043_কৃষিজ সম্পদ", + "context": "দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং নেপাল বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কৃষিপ্রধান। এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মাটি, নদ-নদী ইত্যাদির উপর নির্ভর করে কৃষকগণ এখানকার কৃষিজ সম্পদ উৎপাদন করে। কৃষি উৎপাদনে একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রার তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের দরকার হয়। এজন্য অঞ্চলভেদে কৃষি উৎপাদনে তারতম্য ঘটে। অত্যন্ত শীতল জলবায়ুর কারণে কিংবা বৃষ্টিপাতের অভাবে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলে শস্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।", + "question": "কৃষি উৎপাদনে কোন দুটি প্রয়োজনীয়তা রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "সুনির্দিষ্ট মাত্রার তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত" + ], + "answer_start": [ + 214 + ] + } + }, + { + "id": "id_2045", + "title": "id_2044_কৃষিজ সম্পদ", + "context": "দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং নেপাল বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কৃষিপ্রধান। এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মাটি, নদ-নদী ইত্যাদির উপর নির্ভর করে কৃষকগণ এখানকার কৃষিজ সম্পদ উৎপাদন করে। কৃষি উৎপাদনে একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রার তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের দরকার হয়। এজন্য অঞ্চলভেদে কৃষি উৎপাদনে তারতম্য ঘটে। অত্যন্ত শীতল জলবায়ুর কারণে কিংবা বৃষ্টিপাতের অভাবে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলে শস্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।", + "question": "ভারতের কিছু অঞ্চলে শস্য উৎপাদনে কেন ব্যাঘাত ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "বৃষ্টিপাতের অভাবে" + ], + "answer_start": [ + 345 + ] + } + }, + { + "id": "id_2046", + "title": "id_2045_কৃষিজ সম্পদ", + "context": "নেপালে হিমালয়ের পাদদেশে শস্য উৎপাদন সীমিত আকারে হয়। অথচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে নদীবিধৌত উর্বর ��ঞ্চলে ধান, গমসহ কৃষিজ পণ্য বছরে কয়েকবার উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশে ধান, আলু ও পাটের উৎপাদন ব্যাপক হয়। ভারতের পূর্বাঞ্চলে এবং বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে চা উৎপাদন হচ্ছে। গম, ভুট্টা, সরিষা ইত্যাদির ফলনও বেশ ভালো হয়। এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য উৎপাদনের পেছনে মাটির গুণাগুণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ভারত ও মিয়ানমারে তুলা, চা, ডাল, মরিচ ইত্যাদির উৎপাদন বেশ ভালো।", + "question": "কোন দেশে ধান, আলু ও পাটের ব্যাপক উৎপাদন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_2047", + "title": "id_2046_কৃষিজ সম্পদ", + "context": "নেপালে হিমালয়ের পাদদেশে শস্য উৎপাদন সীমিত আকারে হয়। অথচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে নদীবিধৌত উর্বর অঞ্চলে ধান, গমসহ কৃষিজ পণ্য বছরে কয়েকবার উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশে ধান, আলু ও পাটের উৎপাদন ব্যাপক হয়। ভারতের পূর্বাঞ্চলে এবং বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে চা উৎপাদন হচ্ছে। গম, ভুট্টা, সরিষা ইত্যাদির ফলনও বেশ ভালো হয়। এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য উৎপাদনের পেছনে মাটির গুণাগুণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ভারত ও মিয়ানমারে তুলা, চা, ডাল, মরিচ ইত্যাদির উৎপাদন বেশ ভালো।", + "question": "নেপালের কোন অঞ্চলে শস্য উৎপাদন সীমিত আকারে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "হিমালয়ের পাদদেশে" + ], + "answer_start": [ + 7 + ] + } + }, + { + "id": "id_2048", + "title": "id_2047_কৃষিজ সম্পদ", + "context": "নেপালে হিমালয়ের পাদদেশে শস্য উৎপাদন সীমিত আকারে হয়। অথচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে নদীবিধৌত উর্বর অঞ্চলে ধান, গমসহ কৃষিজ পণ্য বছরে কয়েকবার উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশে ধান, আলু ও পাটের উৎপাদন ব্যাপক হয়। ভারতের পূর্বাঞ্চলে এবং বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে চা উৎপাদন হচ্ছে। গম, ভুট্টা, সরিষা ইত্যাদির ফলনও বেশ ভালো হয়। এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য উৎপাদনের পেছনে মাটির গুণাগুণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ভারত ও মিয়ানমারে তুলা, চা, ডাল, মরিচ ইত্যাদির উৎপাদন বেশ ভালো।", + "question": "কোন অঞ্চলে চা উৎপাদন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে" + ], + "answer_start": [ + 243 + ] + } + }, + { + "id": "id_2049", + "title": "id_2048_কৃষিজ সম্পদ", + "context": "নেপালে হিমালয়ের পাদদেশে শস্য উৎপাদ��� সীমিত আকারে হয়। অথচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে নদীবিধৌত উর্বর অঞ্চলে ধান, গমসহ কৃষিজ পণ্য বছরে কয়েকবার উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশে ধান, আলু ও পাটের উৎপাদন ব্যাপক হয়। ভারতের পূর্বাঞ্চলে এবং বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে চা উৎপাদন হচ্ছে। গম, ভুট্টা, সরিষা ইত্যাদির ফলনও বেশ ভালো হয়। এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য উৎপাদনের পেছনে মাটির গুণাগুণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ভারত ও মিয়ানমারে তুলা, চা, ডাল, মরিচ ইত্যাদির উৎপাদন বেশ ভালো।", + "question": "ভারত ও মিয়ানমারে কোন কৃষিজ পণ্য ভালো উৎপাদিত হয়?\t", + "answers": { + "text": [ + "তুলা, চা, ডাল, মরিচ" + ], + "answer_start": [ + 446 + ] + } + }, + { + "id": "id_2050", + "title": "id_2049_বনজ সম্পদ", + "context": "জলবায়ুগত অবস্থার সঙ্গে বনজ সম্পদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ- ভারত, মিয়ানমার ও নেপালের মধ্যে জলবায়ুগত তারতম্য রয়েছে। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় বলে সেখানে নিবিড় ও বড় বড় অরণ্য বেড়ে উঠেছে। এজন্যই বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, ভারতের পূর্বাঞ্চল ও মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে চির হরিৎ অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "কোন অঞ্চলে চির হরিৎ অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, ভারতের পূর্বাঞ্চল ও মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চল" + ], + "answer_start": [ + 259 + ] + } + }, + { + "id": "id_2051", + "title": "id_2050_বনজ সম্পদ", + "context": "জলবায়ুগত অবস্থার সঙ্গে বনজ সম্পদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ- ভারত, মিয়ানমার ও নেপালের মধ্যে জলবায়ুগত তারতম্য রয়েছে। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় বলে সেখানে নিবিড় ও বড় বড় অরণ্য বেড়ে উঠেছে। এজন্যই বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, ভারতের পূর্বাঞ্চল ও মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে চির হরিৎ অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "কোন ধরনের জলবায়ুতে নিবিড় ও বড় বড় অরণ্য বেড়ে উঠে?", + "answers": { + "text": [ + "উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু" + ], + "answer_start": [ + 146 + ] + } + }, + { + "id": "id_2052", + "title": "id_2051_বনজ সম্পদ", + "context": "জলবায়ুগত অবস্থার সঙ্গে বনজ সম্পদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ- ভারত, মিয়ানমার ও নেপালের মধ্যে জলবায়ুগত তারত���্য রয়েছে। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলে সারা বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় বলে সেখানে নিবিড় ও বড় বড় অরণ্য বেড়ে উঠেছে। এজন্যই বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, ভারতের পূর্বাঞ্চল ও মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে চির হরিৎ অরণ্য সৃষ্টি হয়েছে।", + "question": "দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ুগত তারতম্য কোথায় দেখা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ- ভারত, মিয়ানমার ও নেপালের মধ্যে" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_2053", + "title": "id_2052_মৎস্য সম্পদ", + "context": "যে কোনো দেশের মৎস্য সম্পদের সঙ্গে সরাসরি ভূ-প্রকৃতি ও জলবায়ুর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত, নদ-নদীতে পানিপ্রবাহ, খাল, বিল, হাওর, পুকুর ইত্যাদিতে পানি থাকায় দেশটি মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ বলে পরিচিত। এখানে ছোট-বড় নানা প্রকারের মাছ পাওয়া যায়। বঙ্গোপসাগরে মাছের ভাণ্ডার রয়েছে। প্রতিবেশী মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর মৎস্য সম্পদ রয়েছে।", + "question": "কোন দেশ মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ?", + "answers": { + "text": [ + "বাংলাদেশ" + ], + "answer_start": [ + 79 + ] + } + }, + { + "id": "id_2054", + "title": "id_2053_মৎস্য সম্পদ", + "context": "যে কোনো দেশের মৎস্য সম্পদের সঙ্গে সরাসরি ভূ-প্রকৃতি ও জলবায়ুর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত, নদ-নদীতে পানিপ্রবাহ, খাল, বিল, হাওর, পুকুর ইত্যাদিতে পানি থাকায় দেশটি মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ বলে পরিচিত। এখানে ছোট-বড় নানা প্রকারের মাছ পাওয়া যায়। বঙ্গোপসাগরে মাছের ভাণ্ডার রয়েছে। প্রতিবেশী মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর মৎস্য সম্পদ রয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ সমৃদ্ধ হওয়ার কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "বৃষ্টিপাত, নদ-নদীতে পানিপ্রবাহ, খাল, বিল, হাওর, পুকুর ইত্যাদিতে পানি থাকায়" + ], + "answer_start": [ + 89 + ] + } + }, + { + "id": "id_2055", + "title": "id_2054_মৎস্য সম্পদ", + "context": "যে কোনো দেশের মৎস্য সম্পদের সঙ্গে সরাসরি ভূ-প্রকৃতি ও জলবায়ুর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত, নদ-নদীতে পানিপ্রবাহ, খাল, বিল, হাওর, পুকুর ইত্যাদিতে পানি থাকায় দেশটি মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ বলে পরিচিত। এখানে ছোট-বড় নানা প্রকারের মাছ পাওয়া যায়। বঙ্গোপসাগরে মাছের ভাণ্ডার রয়েছে। প্রতিবেশী মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর মৎস্য সম্পদ রয়েছে।", + "question": "বঙ্গোপসাগরে কী পাওয়া যায়?", + "answers": { + "text": [ + "মাছের ভাণ্ডার" + ], + "answer_start": [ + 264 + ] + } + }, + { + "id": "id_2056", + "title": "id_2055_মৎস্য সম্পদ", + "context": "যে কোনো দেশের মৎস্য সম্পদের সঙ্গে সরাসরি ভূ-প্রকৃতি ও জলবায়ুর সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত, নদ-নদীতে পানিপ্রবাহ, খাল, বিল, হাওর, পুকুর ইত্যাদিতে পানি থাকায় দেশটি মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ বলে পরিচিত। এখানে ছোট-বড় নানা প্রকারের মাছ পাওয়া যায়। বঙ্গোপসাগরে মাছের ভাণ্ডার রয়েছে। প্রতিবেশী মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর মৎস্য সম্পদ রয়েছে।", + "question": "প্রতিবেশী কোন দুই দেশে প্রচুর মৎস্য সম্পদ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মিয়ানমার ও ভারত" + ], + "answer_start": [ + 296 + ] + } + }, + { + "id": "id_2057", + "title": "id_2056_খনিজ সম্পদ", + "context": "বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলাসমূহের মাটির নিচে গ্যাস, কয়লা, তেল, চুনাপাথরসহ নানা ধরনের মূল্যবান খনিজ পদার্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ আহরণ করে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের তলদেশেও গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। সেখানে আরও অনেক ধরনের প্রাণিজ এবং খনিজ পদার্থ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতে ভূতাত্ত্বিক অবস্থা বৈচিত্র্যময়। ফলে নানা খনিজ সম্পদে ভারত অনেক বেশি সমৃদ্ধ। মিয়ানমার খনিজ সম্পদে বেশ অগ্রসর অবস্থানে আছে। তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে আছে নেপাল।", + "question": "বাংলাদেশের কোথায় গ্যাস, কয়লা, তেল, চুনাপাথর পাওয়া গেছে?", + "answers": { + "text": [ + "পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলাসমূহ" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_2058", + "title": "id_2057_খনিজ সম্পদ", + "context": "বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলাসমূহের মাটির নিচে গ্যাস, কয়লা, তেল, চুনাপাথরসহ নানা ধরনের মূল্যবান খনিজ পদার্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ আহরণ করে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের তলদেশেও গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। সেখানে আরও অনেক ধরনের প্রাণিজ এবং খনিজ পদার্থ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতে ভূতাত্ত্বিক অবস্থা বৈচিত্র্যময়। ফলে নানা খনিজ সম্পদে ভারত অনেক বেশি সমৃদ্ধ। মিয়ানমার খনিজ সম্পদে বেশ অগ্রসর অবস্থানে আছে। তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে আছে নেপাল।", + "question": "বঙ্গোপসাগরের কোথায় গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "তল���েশ" + ], + "answer_start": [ + 206 + ] + } + }, + { + "id": "id_2059", + "title": "id_2058_খনিজ সম্পদ", + "context": "বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলাসমূহের মাটির নিচে গ্যাস, কয়লা, তেল, চুনাপাথরসহ নানা ধরনের মূল্যবান খনিজ পদার্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ আহরণ করে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের তলদেশেও গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। সেখানে আরও অনেক ধরনের প্রাণিজ এবং খনিজ পদার্থ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতে ভূতাত্ত্বিক অবস্থা বৈচিত্র্যময়। ফলে নানা খনিজ সম্পদে ভারত অনেক বেশি সমৃদ্ধ। মিয়ানমার খনিজ সম্পদে বেশ অগ্রসর অবস্থানে আছে। তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে আছে নেপাল।", + "question": "দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশ খনিজ সম্পদে বেশি সমৃদ্ধ?", + "answers": { + "text": [ + "ভারত" + ], + "answer_start": [ + 327 + ] + } + }, + { + "id": "id_2060", + "title": "id_2059_খনিজ সম্পদ", + "context": "বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলাসমূহের মাটির নিচে গ্যাস, কয়লা, তেল, চুনাপাথরসহ নানা ধরনের মূল্যবান খনিজ পদার্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ আহরণ করে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের তলদেশেও গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। সেখানে আরও অনেক ধরনের প্রাণিজ এবং খনিজ পদার্থ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতে ভূতাত্ত্বিক অবস্থা বৈচিত্র্যময়। ফলে নানা খনিজ সম্পদে ভারত অনেক বেশি সমৃদ্ধ। মিয়ানমার খনিজ সম্পদে বেশ অগ্রসর অবস্থানে আছে। তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে আছে নেপাল।", + "question": "কোন দেশ খনিজ সম্পদে পিছিয়ে আছে?", + "answers": { + "text": [ + "নেপাল" + ], + "answer_start": [ + 483 + ] + } + }, + { + "id": "id_2061", + "title": "id_2060_সৌরশক্তি", + "context": "নিরক্ষীয় নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে সূর্য বছরের প্রায় সবসময়ই লম্বভাবে কিরণ দেয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ার কারণে এসব দেশ সহজে প্রচুর সৌরশক্তি পেয়ে থাকে। এ অঞ্চলের দেশগুলোতে তাপমাত্রা কখনো নিম্ন পর্যায়ে নামে না। ফলে সূর্যের আলো ছাড়া অন্ধকারে বসবাস করতে হয় না।", + "question": "বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোন অঞ্চল সৌরশক্তি বেশি পায়?", + "answers": { + "text": [ + "নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চল" + ], + "answer_start": [ + 119 + ] + } + }, + { + "id": "id_2062", + "title": "id_2061_সৌরশক্তি", + "context": "���উরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের বেশ কিছু দেশে সূর্য বছরে কয়েক মাস বাকাভাবে কিরণ দেয়, কখনো কখনো সূর্য প্রায় দেখা যায় না। সে কারণে সেসব দেশে রাষ্ট্র ও জনগণকে বাড়িঘর বসবাসের জন্য উপযোগী রাখতে প্রচুর জ্বালানি সম্পদ ব্যয় করতে হয়। আমরা প্রকৃতি থেকে সূর্যের যে আলো অনায়াসে লাভ করি, তা অনেক মূল্যবান সৌর সম্পদ। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ সম্পদ দিয়ে আমরা আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা পূর্ণ করতে পারি।", + "question": "সূর্যের আলো পাওয়ার জন্য ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলো কী করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রচুর জ্বালানি সম্পদ ব্যয় করতে হয়" + ], + "answer_start": [ + 187 + ] + } + }, + { + "id": "id_2063", + "title": "id_2062_সৌরশক্তি", + "context": "ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের বেশ কিছু দেশে সূর্য বছরে কয়েক মাস বাকাভাবে কিরণ দেয়, কখনো কখনো সূর্য প্রায় দেখা যায় না। সে কারণে সেসব দেশে রাষ্ট্র ও জনগণকে বাড়িঘর বসবাসের জন্য উপযোগী রাখতে প্রচুর জ্বালানি সম্পদ ব্যয় করতে হয়। আমরা প্রকৃতি থেকে সূর্যের যে আলো অনায়াসে লাভ করি, তা অনেক মূল্যবান সৌর সম্পদ। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ সম্পদ দিয়ে আমরা আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা পূর্ণ করতে পারি।", + "question": "আমরা সূর্যের আলো দিয়ে কী করতে পারি?", + "answers": { + "text": [ + "আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা পূর্ণ করতে পারি" + ], + "answer_start": [ + 358 + ] + } + }, + { + "id": "id_2064", + "title": "id_2063_সৌরশক্তি", + "context": "ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের বেশ কিছু দেশে সূর্য বছরে কয়েক মাস বাকাভাবে কিরণ দেয়, কখনো কখনো সূর্য প্রায় দেখা যায় না। সে কারণে সেসব দেশে রাষ্ট্র ও জনগণকে বাড়িঘর বসবাসের জন্য উপযোগী রাখতে প্রচুর জ্বালানি সম্পদ ব্যয় করতে হয়। আমরা প্রকৃতি থেকে সূর্যের যে আলো অনায়াসে লাভ করি, তা অনেক মূল্যবান সৌর সম্পদ। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ সম্পদ দিয়ে আমরা আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা পূর্ণ করতে পারি।", + "question": "কোন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সৌর সম্পদ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "আধুনিক প্রযুক্তি" + ], + "answer_start": [ + 304 + ] + } + }, + { + "id": "id_2065", + "title": "id_2064_পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারণা", + "context": "মানুষসহ জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই পানি অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। কৃষি ও শিল্পের বিকাশে পানির ব্যবহার অপরিহার্য। বৃষ্টির কারণে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া গেলেও শীত ও গ্রীষ্মকালে পানির অভাব হলে কৃষি, শিল্প ও জীবনযাপন সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠে। সে কারণে সারাবছর পানির প্রাপ্তি, প্রবাহ ও বণ্টন নিশ্চিত রাখতে এই সম্পদের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পানির পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও ব্যবহারকে পানি ব্যবস্থাপনা বলা হয়। সাধারণত পানি কঠিন, তরল ও বাষ্পাকারে থাকে।", + "question": "কিসের কারণে কৃষি, শিল্প ও জীবনযাপন সংকটপূর্ণ হয়ে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "শীত ও গ্রীষ্মকালে পানির অভাব" + ], + "answer_start": [ + 197 + ] + } + }, + { + "id": "id_2066", + "title": "id_2065_পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারণা", + "context": "মানুষসহ জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই পানি অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। কৃষি ও শিল্পের বিকাশে পানির ব্যবহার অপরিহার্য। বৃষ্টির কারণে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া গেলেও শীত ও গ্রীষ্মকালে পানির অভাব হলে কৃষি, শিল্প ও জীবনযাপন সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠে। সে কারণে সারাবছর পানির প্রাপ্তি, প্রবাহ ও বণ্টন নিশ্চিত রাখতে এই সম্পদের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পানির পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও ব্যবহারকে পানি ব্যবস্থাপনা বলা হয়। সাধারণত পানি কঠিন, তরল ও বাষ্পাকারে থাকে।", + "question": "পানির কী কী রূপ থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "পানি কঠিন, তরল ও বাষ্পাকারে থাকে" + ], + "answer_start": [ + 452 + ] + } + }, + { + "id": "id_2067", + "title": "id_2066_পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারণা", + "context": "মানুষসহ জীবজগতের অস্তিত্বের জন্য পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই পানি অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। কৃষি ও শিল্পের বিকাশে পানির ব্যবহার অপরিহার্য। বৃষ্টির কারণে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া গেলেও শীত ও গ্রীষ্মকালে পানির অভাব হলে কৃষি, শিল্প ও জীবনযাপন সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠে। সে কারণে সারাবছর পানির প্রাপ্তি, প্রবাহ ও বণ্টন নিশ্চিত রাখতে এই সম্পদের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পানির পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও ব্যবহারকে পানি ব্যবস্থাপনা বলা হয়। সাধারণত পানি কঠিন, তরল ও বাষ্পাকারে থাকে।", + "question": "শীত ও গ্রীষ্মকালে পানির অভাবের কারণে কী কী সমস্যা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কৃষি, শিল্প ও জীবনযাপন সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠে" + ], + "answer_start": [ + 230 + ] + } + }, + { + "id": "id_2068", + "title": "id_2067_পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারণা", + "context": "শীত ও শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নদ-নদী, খাল, পুকুর, হাওড় ও বিলে পরিকল্পিতভাবে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা করা যায়। আধুনিককালে পানি সম্পদকে মানুষের কল্যাণে ব্যয় করার জন্যে এর ব্যবস্থাপনার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। নতুবা এ সম্পদের অপব্যবহার , দুষ্প্রাপ্যতা, রাসায়নিকীকরণসহ নানা কারণে পরিবেশ বিপর্যয় এবং জীব জগতের অস্তিত্ব বিপনন হতে পারে।", + "question": "পানির অপব্যবহার ও দুষ্প্রাপ্যতার কারণে কী কী সমস্যা হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "পরিবেশ বিপর্যয় এবং জীব জগতের অস্তিত্ব বিপনন হতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 340 + ] + } + }, + { + "id": "id_2069", + "title": "id_2068_বাংলাদেশের বনভূমির শ্রেণিবিভাগ", + "context": "বৃক্ষরাজি যে ভূমিতে সমারোহ ঘটায়, তাকে বনভূমি বলা হয়। এসব বনে কাঠ, মধু, মোম ইত্যাদি বনজ সম্পদ পাওয়া যায়। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত বনভূমি নেই। একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে এ সম্পদের পরিমাণ রয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে মানুষের ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র নির্মাণে মূল্যবান কাঠের প্রয়োজন। এসব কাঠ বনভূমি থেকেই সরবরাহ করা হয়, যার কারণে এ দেশের বনভূমি ক্রমেই কমে যাচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "২০-২৫ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 157 + ] + } + }, + { + "id": "id_2070", + "title": "id_2069_বাংলাদেশের বনভূমির শ্রেণিবিভাগ", + "context": "বৃক্ষরাজি যে ভূমিতে সমারোহ ঘটায়, তাকে বনভূমি বলা হয়। এসব বনে কাঠ, মধু, মোম ইত্যাদি বনজ সম্পদ পাওয়া যায়। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত বনভূমি নেই। একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে এ সম্পদের পরিমাণ রয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে মানুষের ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র নির্মাণে মূল্যবান কাঠের প্রয়োজন। এসব কাঠ বনভূমি থেকেই সরবরাহ করা হয়, যার কারণে এ দেশের বনভূমি ক্রমেই কমে যাচ্ছে।", + "question": "বনভূমি কমে যাওয়ার কারণ কী?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষের ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র নির্মাণে মূল্যবান কাঠের প্রয়োজন" + ], + "answer_start": [ + 281 + ] + } + }, + { + "id": "id_2071", + "title": "id_2070_বাংলাদেশের বনভূমির শ্রেণিবিভাগ", + "context": "বৃক্ষরাজি যে ভূমিতে সমারোহ ঘটায়, তাকে বনভূমি বলা হয়। এসব বনে কাঠ, মধু, মোম ইত্যাদি বনজ সম্পদ পাওয়া যায়। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত বনভূমি নেই। একটি দেশের মোট আয়তনের ২০-২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে এ সম্পদের পরিমাণ রয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে মানুষের ঘরবাড়ি এবং আসবাবপত্র নির্মাণে মূল্যবান কাঠের প্রয়োজন। এসব কাঠ বনভূমি থেকেই সরবরাহ করা হয়, যার কারণে এ দেশের বনভূমি ক্রমেই কমে যাচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশের বনভূমির পরিমাণ কত শতাংশ?", + "answers": { + "text": [ + "১৩ শতাংশ" + ], + "answer_start": [ + 236 + ] + } + }, + { + "id": "id_2072", + "title": "id_2071_ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলকে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা নামে অভিহিত করা হয়। মূলত উষ্ণ ও আর্দ্রভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না।", + "question": "বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের বনভূমি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা নামে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশ" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_2073", + "title": "id_2072_ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি", + "context": "সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণে এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এ বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। সিলেটের পাহাড়ে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রাবার চাষ হয়।", + "question": "চিরহরিৎ বনভূমি বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট" + ], + "answer_start": [ + 79 + ] + } + }, + { + "id": "id_2074", + "title": "id_2073_ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি", + "context": "সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণে এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এ বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। সিলেটের পাহাড়ে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রাবার চাষ হয়।", + "question": "চিরহরিৎ বনভূমির পরিমাণ কত?", + "answers": { + "text": [ + "প্রায় ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_2075", + "title": "id_2074_ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি", + "context": "সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণে এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এ বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। সিলেটের পাহাড়ে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রাবার চাষ হয়।", + "question": "চিরহরিৎ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছগুলোর মধ্যে কি কি গাছ রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন" + ], + "answer_start": [ + 200 + ] + } + }, + { + "id": "id_2076", + "title": "id_2075_ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি", + "context": "সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণে এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এ বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। সিলেটের পাহাড়ে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রাবার চাষ হয়।", + "question": "সিলেটের পাহাড়ে কি ধরনের গাছ জন্মে?", + "answers": { + "text": [ + "বাঁশ ও বেত" + ], + "answer_start": [ + 300 + ] + } + }, + { + "id": "id_2077", + "title": "id_2076_ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি", + "context": "সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণে এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এ বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। সিলেটের পাহাড়ে প্রচু�� বাঁশ ও বেত জন্মে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রাবার চাষ হয়।", + "question": "কোন অঞ্চলে রাবার চাষ হয়?", + "answers": { + "text": [ + "পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট" + ], + "answer_start": [ + 318 + ] + } + }, + { + "id": "id_2078", + "title": "id_2077_ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য", + "context": "বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণ রূপে ঝরে যায়। শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে। এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ, তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।", + "question": "কোন অঞ্চলে শালগাছ প্রধান বৃক্ষ হিসেবে রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_2079", + "title": "id_2078_ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য", + "context": "বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণ রূপে ঝরে যায়। শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে। এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ, তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।", + "question": "মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি কোথায় অবস্থিত?", + "answers": { + "text": [ + "ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর" + ], + "answer_start": [ + 323 + ] + } + }, + { + "id": "id_2080", + "title": "id_2079_ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য", + "context": "বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণ রূপে ঝরে যায়। শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে। এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ, তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ময়মনসিংহ, টা��্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।", + "question": "বাংলাদেশে পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল কোন জেলা গুলোতে রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর" + ], + "answer_start": [ + 11 + ] + } + }, + { + "id": "id_2081", + "title": "id_2080_ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য", + "context": "বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণ রূপে ঝরে যায়। শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে। এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ, তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।", + "question": "শালগাছ ছাড়া, পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চলে আরও কোন গাছ পাওয়া যায়?", + "answers": { + "text": [ + "কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম" + ], + "answer_start": [ + 178 + ] + } + }, + { + "id": "id_2082", + "title": "id_2081_স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্ঞ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়। স্যাতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত । বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "খুলনা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_2083", + "title": "id_2082_স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্ঞ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়। স্যাতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন গরান, গ��লপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত । বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে।", + "question": "স্রোতজ বা গরান বনভূমিতে কোন ধরনের গাছ পাওয়া যায়?", + "answers": { + "text": [ + "সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন গরান, গোলপাতা" + ], + "answer_start": [ + 229 + ] + } + }, + { + "id": "id_2084", + "title": "id_2083_স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্ঞ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়। স্যাতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত । বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে।", + "question": "বাংলাদেশে মোট কত বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার" + ], + "answer_start": [ + 336 + ] + } + }, + { + "id": "id_2085", + "title": "id_2084_স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি", + "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্ঞ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়। স্যাতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত । বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে।", + "question": "সুন্দরবনে স্রোতজ বা গরান বনভূমির উদ্ভিদগুলো প্রধানত কোথায় জন্মায়?", + "answers": { + "text": [ + "সুন্দরবন" + ], + "answer_start": [ + 169 + ] + } + }, + { + "id": "id_2086", + "title": "id_2085_বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। ভূমি, বনভূমি, মৎস্য, খনিজ পদার্থ, সৌর তাপ, প্রাকৃতিক জলাশয় ইত্যাদি এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসব প্রাকৃতিক সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বিধান এবং উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রাকৃতিক এসব সম্পদই অর্থনৈতিক উন্ন��়নের পথ ত্বরান্বিত করবে। বাংলাদেশের মাটি আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। অত্যন্ত উর্বর এই মাটিতে ফসল ফলাতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়ে না।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোন প্রাকৃতিক সম্পদগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে?", + "answers": { + "text": [ + "ভূমি, বনভূমি, মৎস্য, খনিজ পদার্থ, সৌর তাপ, প্রাকৃতিক জলাশয়" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_2087", + "title": "id_2086_বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", + "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। ভূমি, বনভূমি, মৎস্য, খনিজ পদার্থ, সৌর তাপ, প্রাকৃতিক জলাশয় ইত্যাদি এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসব প্রাকৃতিক সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বিধান এবং উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রাকৃতিক এসব সম্পদই অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ ত্বরান্বিত করবে। বাংলাদেশের মাটি আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। অত্যন্ত উর্বর এই মাটিতে ফসল ফলাতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়ে না।", + "question": "বাংলাদেশের মাটি কেন একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ?", + "answers": { + "text": [ + "অত্যন্ত উর্বর এই মাটিতে ফসল ফলাতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়ে না" + ], + "answer_start": [ + 426 + ] + } + }, + { + "id": "id_2088", + "title": "id_2087_বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", + "context": "বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ফল ফলিয়ে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পুরণ সম্ভব। শাক-সবজির দেশীয় চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা যেতে পারে। তবে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি বাড়িঘর, কলকারখানা, পুল, রাস্তাঘাট, শহর-উপশহর নির্মাণে বাংলাদেশের উর্বর ভূমি বাস পাচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে ভূমির ব্যবহার না করা হলে জাতীয় জীবনে বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। সে কারণে বাংলাদেশে ভূমির ব্যবহার আরও বেশি পরিকল্পিতভাবে করতে হবে।", + "question": "দেশীয় চাহিদা পূরণ করার পর কোন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা যেতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "শাক-সবজি" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_2089", + "title": "id_2088_বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", + "context": "বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ফল ফলিয়ে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পুরণ সম্ভব। শাক-সবজির দেশীয় চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা যেতে পারে। তবে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি বাড়িঘর, কলকারখানা, পুল, রাস্তাঘাট, শহর-উপশহর নির্মাণে বাংলাদেশের উর্বর ভূমি বাস পাচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে ভূমির ব্যবহার না করা হলে জাতীয় জীবনে বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। সে কারণে বাংলাদেশে ভূমির ব্যবহার আরও বেশি পরিকল্পিতভাবে করতে হবে।", + "question": "ভূমির অপরিকল্পিত ব্যবহারের ফলে জাতীয় জীবনে কী ঘটতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে" + ], + "answer_start": [ + 358 + ] + } + }, + { + "id": "id_2090", + "title": "id_2089_বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", + "context": "আমাদের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে পানির গুরুত্বও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের নদ-নদী, খাল-বিল, হাওড়-বাঁওড়, পুকুর ইত্যাদির পানির ওপর কৃষি ও শিল্প অর্থনীতি সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল। যোগাযোগ ব্যবস্থাও পানিপথের প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। দেশের খনিজ, বনজ, সৌরসহ সকল প্রাকৃতিক সম্পদকে ব্যবহার করে দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার পথে অগ্রসর হচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশের কৃষি ও শিল্প অর্থনীতি কোন প্রাকৃতিক সম্পদের উপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল?", + "answers": { + "text": [ + "পানির ওপর" + ], + "answer_start": [ + 136 + ] + } + }, + { + "id": "id_2091", + "title": "id_2090_বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", + "context": "আমাদের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে পানির গুরুত্বও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের নদ-নদী, খাল-বিল, হাওড়-বাঁওড়, পুকুর ইত্যাদির পানির ওপর কৃষি ও শিল্প অর্থনীতি সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল। যোগাযোগ ব্যবস্থাও পানিপথের প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। দেশের খনিজ, বনজ, সৌরসহ সকল প্রাকৃতিক সম্পদকে ব্যবহার করে দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার পথে অগ্রসর হচ্ছে।", + "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে কোন কোন প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার করা হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "খনিজ, বনজ, সৌরসহ সকল প্রাকৃতিক সম্পদ" + ], + "answer_start": [ + 267 + ] + } + }, + { + "id": "id_2092", + "title": "id_2091_বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", + "context": "দেশের জাতীয় আয়ের সিংহভ���গই আসে এসব সম্পদকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে। দেশে যে সব শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠেছে বা উঠছে, তার পেছনে রয়েছে দেশীয় প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার। এর ফলে মানুষজন কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে। দেশীয় চাহিদার পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। বিদেশে রপ্তানিযোগ্য দ্রব্যসামগ্রীও এসব সম্পদকে ব্যবহার করেই তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন নতুন উদ্যোগ গৃহীত হচ্ছে। প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার সেই সব উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে।", + "question": "দেশের জাতীয় আয়ের সিংহভাগ কোথা থেকে আসে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার" + ], + "answer_start": [ + 137 + ] + } + }, + { + "id": "id_2093", + "title": "id_2092_বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", + "context": "দেশের জাতীয় আয়ের সিংহভাগই আসে এসব সম্পদকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে। দেশে যে সব শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠেছে বা উঠছে, তার পেছনে রয়েছে দেশীয় প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার। এর ফলে মানুষজন কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে। দেশীয় চাহিদার পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। বিদেশে রপ্তানিযোগ্য দ্রব্যসামগ্রীও এসব সম্পদকে ব্যবহার করেই তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন নতুন উদ্যোগ গৃহীত হচ্ছে। প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার সেই সব উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে।", + "question": "কীভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদ ভূমিকা রাখছে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার সেই সব উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে" + ], + "answer_start": [ + 373 + ] + } + }, + { + "id": "id_2094", + "title": "id_2093_রাষ্ট্রের ধারণা", + "context": "প্রত্যেক মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে। হঠাৎ করে কোনো রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়নি। আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করত। সময়ের পরিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়। মানুষই রাষ্ট্র সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিকেরই রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে এ রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়। নাগরিকদের সুন্দর সুষ্ঠুভাবে বাঁচার জন্য রাষ্ট্র অনেক কাজ করে থাকে।", + "question": "আদিম মানুষ কিভাবে বসবাস করত?", + "answers": { + "text": [ + "গোত্রভিত্তিক বসবাস করত" + ], + "answer_start": [ + 105 + ] + } + }, + { + "id": "id_2095", + "title": "id_2094_রাষ্ট্রের ধারণা", + "context": "প্��ত্যেক মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে। হঠাৎ করে কোনো রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়নি। আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করত। সময়ের পরিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়। মানুষই রাষ্ট্র সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিকেরই রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে এ রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়। নাগরিকদের সুন্দর সুষ্ঠুভাবে বাঁচার জন্য রাষ্ট্র অনেক কাজ করে থাকে।", + "question": "রাষ্ট্রে বসবাসকারী নাগরিকদের কি করতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়" + ], + "answer_start": [ + 241 + ] + } + }, + { + "id": "id_2096", + "title": "id_2095_রাষ্ট্রের ধারণা", + "context": "প্রত্যেক মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে। হঠাৎ করে কোনো রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়নি। আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করত। সময়ের পরিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়। মানুষই রাষ্ট্র সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিকেরই রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে এ রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়। নাগরিকদের সুন্দর সুষ্ঠুভাবে বাঁচার জন্য রাষ্ট্র অনেক কাজ করে থাকে।", + "question": "রাষ্ট্রে বসবাসকারী মানুষদের কি বলা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিক" + ], + "answer_start": [ + 231 + ] + } + }, + { + "id": "id_2097", + "title": "id_2096_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রই চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি। জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়। জনসমষ্টির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক থেকেই রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছে। তবে রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। গণচীন ও ভারতে জনসংখ্যা একশ' কোটির উপরে। অন্যদিকে স্যানম্যারিনো ও মোনাকো, এ দুটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের জনসংখ্যা যথাক্রমে ৩৩,২২৫ ও ৩৮,০০০ (২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী)।", + "question": "রাষ্ট্রের উপাদান কতটি?", + "answers": { + "text": [ + "চারটি" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_2098", + "title": "id_2097_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রই চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি। জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝা��়। জনসমষ্টির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক থেকেই রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছে। তবে রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। গণচীন ও ভারতে জনসংখ্যা একশ' কোটির উপরে। অন্যদিকে স্যানম্যারিনো ও মোনাকো, এ দুটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের জনসংখ্যা যথাক্রমে ৩৩,২২৫ ও ৩৮,০০০ (২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী)।", + "question": "রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান কি?", + "answers": { + "text": [ + "জনসমষ্টি" + ], + "answer_start": [ + 80 + ] + } + }, + { + "id": "id_2099", + "title": "id_2098_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রই চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি। জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়। জনসমষ্টির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক থেকেই রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছে। তবে রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। গণচীন ও ভারতে জনসংখ্যা একশ' কোটির উপরে। অন্যদিকে স্যানম্যারিনো ও মোনাকো, এ দুটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের জনসংখ্যা যথাক্রমে ৩৩,২২৫ ও ৩৮,০০০ (২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী)।", + "question": "গণচীন ও ভারতে জনসংখ্যা কতো?", + "answers": { + "text": [ + "একশ' কোটির উপরে" + ], + "answer_start": [ + 315 + ] + } + }, + { + "id": "id_2100", + "title": "id_2099_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রই চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি। জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়। জনসমষ্টির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক থেকেই রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছে। তবে রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। গণচীন ও ভারতে জনসংখ্যা একশ' কোটির উপরে। অন্যদিকে স্যানম্যারিনো ও মোনাকো, এ দুটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের জনসংখ্যা যথাক্রমে ৩৩,২২৫ ও ৩৮,০০০ (২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী)।", + "question": "স্যানম্যারিনোর জনসংখ্যা কতো?", + "answers": { + "text": [ + "৩৩,২২৫" + ], + "answer_start": [ + 408 + ] + } + }, + { + "id": "id_2101", + "title": "id_2100_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "প্রত্যেক রাষ্ট্রই চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি। জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়। জনসমষ্টির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক থেকেই রাষ্���্রের উদ্ভব হয়েছে। তবে রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। গণচীন ও ভারতে জনসংখ্যা একশ' কোটির উপরে। অন্যদিকে স্যানম্যারিনো ও মোনাকো, এ দুটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের জনসংখ্যা যথাক্রমে ৩৩,২২৫ ও ৩৮,০০০ (২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী)।", + "question": "মোনাকোর জনসংখ্যা কতো?", + "answers": { + "text": [ + "৩৮,০০০" + ], + "answer_start": [ + 417 + ] + } + }, + { + "id": "id_2102", + "title": "id_2101_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান। প্রত্যেক রাষ্ট্রই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূখণ্ড বলতে স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা এবং আকাশসীমাও বোঝায়। রাষ্ট্রের জনগণের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক। জনসমষ্টি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, সংগ্রাম এবং যুদ্ধের মাধ্যমে অথবা সাংবিধানিকভাবে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। প্রতিটি রাষ্ট্রই ভূখণ্ডের সীমানাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে।", + "question": "রাষ্ট্রের দ্বিতীয় উপাদান কী?", + "answers": { + "text": [ + "নির্দিষ্ট ভূখণ্ড" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_2103", + "title": "id_2102_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান। প্রত্যেক রাষ্ট্রই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূখণ্ড বলতে স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা এবং আকাশসীমাও বোঝায়। রাষ্ট্রের জনগণের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক। জনসমষ্টি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, সংগ্রাম এবং যুদ্ধের মাধ্যমে অথবা সাংবিধানিকভাবে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। প্রতিটি রাষ্ট্রই ভূখণ্ডের সীমানাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে।", + "question": "রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা এবং আকাশসীমা" + ], + "answer_start": [ + 141 + ] + } + }, + { + "id": "id_2104", + "title": "id_2103_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান। প্রত্যেক রাষ্ট্রই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূখণ্ড বলতে স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা এবং আকাশসীমাও বোঝায়। রাষ্ট্রের জনগণের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক। জনসমষ্টি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, সংগ্রাম এবং যুদ্ধের মাধ্যমে অথবা সাংবিধানিকভাবে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। প্রতিটি রাষ্ট্রই ভূখণ্ডের সীমানাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে।", + "question": "রাষ্ট্রের ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয়তাবাদী আন্দোলন" + ], + "answer_start": [ + 278 + ] + } + }, + { + "id": "id_2105", + "title": "id_2104_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান। প্রত্যেক রাষ্ট্রই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূখণ্ড বলতে স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা এবং আকাশসীমাও বোঝায়। রাষ্ট্রের জনগণের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক। জনসমষ্টি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, সংগ্রাম এবং যুদ্ধের মাধ্যমে অথবা সাংবিধানিকভাবে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। প্রতিটি রাষ্ট্রই ভূখণ্ডের সীমানাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে।", + "question": "ভূখণ্ডের সীমানাকেন্দ্রিক কী গড়ে তোলে?", + "answers": { + "text": [ + "নিরাপত্তা বেষ্টনী" + ], + "answer_start": [ + 439 + ] + } + }, + { + "id": "id_2106", + "title": "id_2105_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "ভূখণ্ড বড় বা ছোট হতে পারে, যেমন- রাশিয়ার আয়তন অনেক বড়, আর ছোট আয়তনের রাষ্ট্র হলো- দারুস সালাম, সুইজারল্যান্ড, ব্রুনাই ইত্যাদি। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভূখণ্ডটি পৃথিবীর মানচিত্রে সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্থান পায়। অনেক সময় রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বেশ কয়েকটি দ্বীপের সমষ্টিও হতে পারে, যেমন- জাপান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি।", + "question": "কবে বাংলাদেশ সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান পায়?", + "answers": { + "text": [ + "১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 132 + ] + } + }, + { + "id": "id_2107", + "title": "id_2106_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "ভূখণ্ড বড় বা ছোট হতে পারে, যেমন- রাশিয়ার আয়তন অনেক বড়, আর ছোট আয়তনের রাষ্ট্র হলো- দারুস সালাম, সুইজারল্যান্ড, ব্রুনাই ইত্যাদি। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা ��ুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভূখণ্ডটি পৃথিবীর মানচিত্রে সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্থান পায়। অনেক সময় রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বেশ কয়েকটি দ্বীপের সমষ্টিও হতে পারে, যেমন- জাপান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি।", + "question": "কী কী দেশের ভূখণ্ড অনেক দ্বীপের সমষ্টি হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "জাপান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া" + ], + "answer_start": [ + 334 + ] + } + }, + { + "id": "id_2108", + "title": "id_2107_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার। সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে - আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে। সরকার পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন হতে পারে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।", + "question": "রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান কি?", + "answers": { + "text": [ + "সরকার" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_2109", + "title": "id_2108_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার। সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে - আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে। সরকার পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন হতে পারে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।", + "question": "সরকারের মাধ্যমে কি প্রতিষ্ঠিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_2110", + "title": "id_2109_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার। সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে - আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে। সরকার পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন হতে পারে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।", + "question": "কতটি বিভাগে রাষ্ট্র পরিচালনা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "তিনটি" + ], + "answer_start": [ + 128 + ] + } + }, + { + "id": "id_2111", + "title": "id_2110_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার। সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে - আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে। সরকার পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন হতে পারে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।", + "question": "গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার কিভাবে গঠন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "নির্বাচনের মাধ্যমে" + ], + "answer_start": [ + 254 + ] + } + }, + { + "id": "id_2112", + "title": "id_2111_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার। সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে - আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে। সরকার পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন হতে পারে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।", + "question": "রাষ্ট্রের ক্ষমতা কে পরিচালনা করে?", + "answers": { + "text": [ + "সরকার" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_2113", + "title": "id_2112_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার। সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে - আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। এ তিন বিভ��গের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে। সরকার পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন হতে পারে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।", + "question": "সরকারের তিনটি শাখা কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ" + ], + "answer_start": [ + 147 + ] + } + }, + { + "id": "id_2114", + "title": "id_2113_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার। সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে - আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে। সরকার পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন হতে পারে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।", + "question": "অধ্যাপক গার্নারের মতে, রাষ্ট্রের সরকারকে কী হিসেবে তুলনা করা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "মস্তিষ্ক" + ], + "answer_start": [ + 455 + ] + } + }, + { + "id": "id_2115", + "title": "id_2114_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা। সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়। সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়। এ ক্ষমতা রাষ্ট্রকে অন্যান্য সংস্থা থেকে পৃথক করে। সার্বভৌমত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের এ বৈশিষ্ট্য, যার ফলে নিজের ইচ্ছা ছাড়া অন্য কোনো প্রকার ইচ্ছার দ্বারা রাষ্ট্র আইনসঙ্গতভাবে আবদ্ধ নয়। প্রত্যেক সমাজ ব্যবস্থায় চূড়ান্ত ক্ষমতা কার্যকর করার জন্যে একটি মাত্র কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থাকবে। আর এ ক্ষমতাই হলো সার্বভৌম ক্ষমতা।", + "question": "রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান কী?", + "answers": { + "text": [ + "সার্বভৌমত্ব" + ], + "answer_start": [ + 27 + ] + } + }, + { + "id": "id_2116", + "title": "id_2115_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা। সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়। সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্��ার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়। এ ক্ষমতা রাষ্ট্রকে অন্যান্য সংস্থা থেকে পৃথক করে। সার্বভৌমত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের এ বৈশিষ্ট্য, যার ফলে নিজের ইচ্ছা ছাড়া অন্য কোনো প্রকার ইচ্ছার দ্বারা রাষ্ট্র আইনসঙ্গতভাবে আবদ্ধ নয়। প্রত্যেক সমাজ ব্যবস্থায় চূড়ান্ত ক্ষমতা কার্যকর করার জন্যে একটি মাত্র কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থাকবে। আর এ ক্ষমতাই হলো সার্বভৌম ক্ষমতা।", + "question": "সার্বভৌমত্ব দ্বারা কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতা" + ], + "answer_start": [ + 77 + ] + } + }, + { + "id": "id_2117", + "title": "id_2116_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা। সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়। সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়। এ ক্ষমতা রাষ্ট্রকে অন্যান্য সংস্থা থেকে পৃথক করে। সার্বভৌমত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের এ বৈশিষ্ট্য, যার ফলে নিজের ইচ্ছা ছাড়া অন্য কোনো প্রকার ইচ্ছার দ্বারা রাষ্ট্র আইনসঙ্গতভাবে আবদ্ধ নয়। প্রত্যেক সমাজ ব্যবস্থায় চূড়ান্ত ক্ষমতা কার্যকর করার জন্যে একটি মাত্র কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থাকবে। আর এ ক্ষমতাই হলো সার্বভৌম ক্ষমতা।", + "question": "সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের জন্য কী গুরুত্ব বহন করে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়" + ], + "answer_start": [ + 140 + ] + } + }, + { + "id": "id_2118", + "title": "id_2117_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা। সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়। সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়। এ ক্ষমতা রাষ্ট্রকে অন্যান্য সংস্থা থেকে পৃথক করে। সার্বভৌমত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের এ বৈশিষ্ট্য, যার ফলে নিজের ইচ্ছা ছাড়া অন্য কোনো প্রকার ইচ্ছার দ্বারা রাষ্ট্র আইনসঙ্গতভাবে আবদ্ধ নয়। প্রত্যেক সমাজ ব্যবস্থায় চূড়ান্ত ক্ষমতা কার্যকর করার জন্যে একটি মাত্র কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থাকবে। আর এ ক্ষমতাই হলো সার্বভৌম ক্ষমতা।", + "question": "সমাজ ব্যবস্থায় চূড়ান্ত ক্ষমতা কার্যকর করার জন্য কী থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "একটি মাত্র কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ" + ], + "answer_start": [ + 408 + ] + } + }, + { + "id": "id_2119", + "title": "id_2118_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "সার্���ভৌমের আদর্শই হলো আইন। সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইটি দিক রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যকার সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়। বাহ্যিক সার্বভৌমত্বের অর্থ হলো রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। যতদিন রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বিদ্যমান থাকে, ততদিন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব থাকবে। সরকারের পরিবর্তন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্বকে নষ্ট করে না।", + "question": "সার্বভৌমের আদর্শ কী?", + "answers": { + "text": [ + "আইন" + ], + "answer_start": [ + 22 + ] + } + }, + { + "id": "id_2120", + "title": "id_2119_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "সার্বভৌমের আদর্শই হলো আইন। সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইটি দিক রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যকার সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়। বাহ্যিক সার্বভৌমত্বের অর্থ হলো রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। যতদিন রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বিদ্যমান থাকে, ততদিন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব থাকবে। সরকারের পরিবর্তন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্বকে নষ্ট করে না।", + "question": "সার্বভৌম ক্ষমতার কয়টি দিক রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "দুইটি" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_2121", + "title": "id_2120_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "সার্বভৌমের আদর্শই হলো আইন। সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইটি দিক রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যকার সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়। বাহ্যিক সার্বভৌমত্বের অর্থ হলো রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। যতদিন রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বিদ্যমান থাকে, ততদিন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব থাকবে। সরকারের পরিবর্তন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্বকে নষ্ট করে না।", + "question": "অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব ক্ষমতা কীভাবে কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের মধ্যকার সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়" + ], + "answer_start": [ + 122 + ] + } + }, + { + "id": "id_2122", + "title": "id_2121_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "সার্বভৌমের আদর্শই হলো আইন। সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইটি দিক রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যকার সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়। বাহ্যিক সার্বভৌমত্বের অর্থ হলো রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। যতদিন রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বিদ্যমান থাকে, ততদিন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব থাকবে। সরকারের পরিবর্তন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্বকে নষ্ট করে না।", + "question": "বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব ক্ষমতা দিয়ে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে" + ], + "answer_start": [ + 237 + ] + } + }, + { + "id": "id_2123", + "title": "id_2122_রাস্ট্রের উপাদান", + "context": "সার্বভৌমের আদর্শই হলো আইন। সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইটি দিক রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যকার সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়। বাহ্যিক সার্বভৌমত্বের অর্থ হলো রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। যতদিন রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বিদ্যমান থাকে, ততদিন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব থাকবে। সরকারের পরিবর্তন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্বকে নষ্ট করে না।", + "question": "কী পরিবর্তনে সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব নষ্ট হয় না?", + "answers": { + "text": [ + "সরকারের পরিবর্তন" + ], + "answer_start": [ + 399 + ] + } + }, + { + "id": "id_2124", + "title": "id_2123_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "সমাজের অঙ্গ হিসেবে রাষ্ট্র কী কাজ করে কিংবা রাষ্ট্র কী করতে পারে, তা আমাদের জানা দরকার। মানুষের প্রয়োজনেই রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে। মানব জীবনের সামগ্রিক কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের কাজ। বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্র প্রধানত দুই ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে, যথা: নিয়ন্ত্রণমূলক এবং কল্যাণমূলক। এ দুই ধরনের ভূমিকার ভিত্তিতে আধুনিক রাষ্ট্রের কার্যাবলিকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, যেমন—অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি এবং কল্যাণমূলক বা ঐচ্ছিক কার্যাবলি।", + "question": "রাষ্ট্র কী কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "মানব জীবনের সামগ���রিক কল্যাণ সাধন" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_2125", + "title": "id_2124_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "সমাজের অঙ্গ হিসেবে রাষ্ট্র কী কাজ করে কিংবা রাষ্ট্র কী করতে পারে, তা আমাদের জানা দরকার। মানুষের প্রয়োজনেই রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে। মানব জীবনের সামগ্রিক কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের কাজ। বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্র প্রধানত দুই ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে, যথা: নিয়ন্ত্রণমূলক এবং কল্যাণমূলক। এ দুই ধরনের ভূমিকার ভিত্তিতে আধুনিক রাষ্ট্রের কার্যাবলিকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, যেমন—অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি এবং কল্যাণমূলক বা ঐচ্ছিক কার্যাবলি।", + "question": "রাষ্ট্রের কার্যাবলি কোন কোন দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?", + "answers": { + "text": [ + "অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি এবং কল্যাণমূলক বা ঐচ্ছিক কার্যাবলি" + ], + "answer_start": [ + 368 + ] + } + }, + { + "id": "id_2126", + "title": "id_2125_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা এবং ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষার নিশ্চয়তা থেকেই রাষ্ট্র নামক সংগঠনের সৃষ্টি হয়। জনসাধারণকে আইন মেনে চলতে বাধ্য করা, সমাজের শান্তি ভঙ্গকারীদের শাস্তির বিধান করা এবং সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ। রাষ্ট্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ও অন্যান্য আধা-সামরিক বাহিনী গড়ে তোলে। বাংলাদেশে পুলিশ, র্যাব, আনসার, গ্রাম প্রতিরক্ষা দল ইত্যাদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।", + "question": "নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা রক্ষার নিশ্চয়তা থেকে কী সংগঠন সৃষ্টি হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 82 + ] + } + }, + { + "id": "id_2127", + "title": "id_2126_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "নাগরিকদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা এবং ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষার নিশ্চয়তা থেকেই রাষ্ট্র নামক সংগঠনের সৃষ্টি হয়। জনসাধারণকে আইন মেনে চলতে বাধ্য করা, সমাজের শান্তি ভঙ্গকারীদের শাস্তির বিধান করা এবং সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ। রাষ্ট্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ও অন্যান্য আধা-সামরিক বাহিনী গড়ে তোলে। বাংলাদেশে পুলিশ, র্যাব, আনসার, গ্রাম প্রতিরক্ষা দল ইত্যাদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।", + "question": "রাষ্ট্র আইন-শৃঙ্খলা ��ক্ষার জন্য কী কী বাহিনী গড়ে তোলে?", + "answers": { + "text": [ + "পুলিশ, র্যাব, আনসার, গ্রাম প্রতিরক্ষা দল" + ], + "answer_start": [ + 353 + ] + } + }, + { + "id": "id_2128", + "title": "id_2127_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা রাষ্ট্রের আরেকটি অপরিহার্য কাজ। দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব। আধুনিককালে প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রই শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তুলেছে। প্রতিরক্ষা বাহিনীর সামর্থ্য ও আধুনিকায়ন একটি রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে। স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।", + "question": "রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_2129", + "title": "id_2128_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা রাষ্ট্রের আরেকটি অপরিহার্য কাজ। দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব। আধুনিককালে প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রই শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তুলেছে। প্রতিরক্ষা বাহিনীর সামর্থ্য ও আধুনিকায়ন একটি রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে। স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।", + "question": "দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী কী কী নিয়ে গঠিত?", + "answers": { + "text": [ + "স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনী" + ], + "answer_start": [ + 386 + ] + } + }, + { + "id": "id_2130", + "title": "id_2129_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা রাষ্ট্রের আরেকটি অপরিহার্য কাজ। দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব। আধুনিককালে প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রই শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তুলেছে। প্রতিরক্ষা বাহিনীর সামর্থ্য ও আধুনিকায়ন একটি রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে। স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।", + "question": "রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনার উদ্দেশ্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দেশ রক্ষা" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_2131", + "title": "id_2130_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের মৌলিক কাজ। রাষ্ট্রীয় আইনসভা বা পার্লামেন্টের মাধ্যমে আইন প্রণীত হয়। দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে জুডিসিয়াল কাউন্সিল, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট প্রভৃতি বিচারালয়ের মাধ্যমে দেশের সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের আবশ্যিক কাজের মধ্যে পড়ে।", + "question": "রাস্ট্রের মৌলিক কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_2132", + "title": "id_2131_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের মৌলিক কাজ। রাষ্ট্রীয় আইনসভা বা পার্লামেন্টের মাধ্যমে আইন প্রণীত হয়। দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে জুডিসিয়াল কাউন্সিল, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট প্রভৃতি বিচারালয়ের মাধ্যমে দেশের সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের আবশ্যিক কাজের মধ্যে পড়ে।", + "question": "আইন কোথায় প্রণীত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রীয় আইনসভা বা পার্লামেন্টে" + ], + "answer_start": [ + 73 + ] + } + }, + { + "id": "id_2133", + "title": "id_2132_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের মৌলিক কাজ। রাষ্ট্রীয় আইনসভা বা পার্লামেন্টের মাধ্যমে আইন প্রণীত হয়। দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে জুডিসিয়াল কাউন্সিল, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট প্রভৃতি বিচারালয়ের মাধ্যমে দেশের সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের আবশ্যিক কাজের মধ্যে পড়ে।", + "question": "দেশের বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলার দায়িত্ব কার?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে জুডিসিয়াল কাউন্সিল" + ], + "answer_start": [ + 132 + ] + } + }, + { + "id": "id_2134", + "title": "id_2133_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের মৌলিক কাজ��� রাষ্ট্রীয় আইনসভা বা পার্লামেন্টের মাধ্যমে আইন প্রণীত হয়। দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে জুডিসিয়াল কাউন্সিল, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট প্রভৃতি বিচারালয়ের মাধ্যমে দেশের সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের আবশ্যিক কাজের মধ্যে পড়ে।", + "question": "বিচারালয়গুলো কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট" + ], + "answer_start": [ + 185 + ] + } + }, + { + "id": "id_2135", + "title": "id_2134_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাস্ট্রের দৈনন্দিন কার্যাবলি সম্পাদন, নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রত্যেক রাষ্ট্রে প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে ওঠে। এ কাঠামোয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ, তাদের কর্মবণ্টন ও নির্দেশ, কাজ তদারক এবং পরিচালনা করা রাস্ট্রের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।", + "question": "রাস্ট্রের দৈনন্দিন কার্যাবলি পরিচালনার জন্য কী গড়ে ওঠে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রশাসনিক কাঠামো" + ], + "answer_start": [ + 95 + ] + } + }, + { + "id": "id_2136", + "title": "id_2135_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাস্ট্রের দৈনন্দিন কার্যাবলি সম্পাদন, নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রত্যেক রাষ্ট্রে প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে ওঠে। এ কাঠামোয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ, তাদের কর্মবণ্টন ও নির্দেশ, কাজ তদারক এবং পরিচালনা করা রাস্ট্রের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।", + "question": "কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগের দায়িত্ব কার?", + "answers": { + "text": [ + "রাস্ট্রের" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_2137", + "title": "id_2136_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "অর্থ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের একটি মুখ্য কাজ। রাষ্ট্রের বিভিন্ন ধরনের কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। রাষ্ট্রের অধীন বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মালিকানার ওপর খাজনা ও কর নির্ধারণ এবং তা আদায় করা ও সুষ্ঠুভাবে ব্যয় করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন, মুদ্রা প্রবর্তন ও মুদ্রা বিনিয়োগের ব্যবস্থা, গণনা ও পরিমাপের একক নির্ধারণ এবং মূল্য নির্ধারণ করে থাকে।", + "question": "রাষ্ট্রের অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থার রাষ্ট্রের কী কাজ?", + "answers": { + "text": [ + "মুখ্য কাজ" + ], + "answer_start": [ + 111 + ] + } + }, + { + "id": "id_2138", + "title": "id_2137_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "অর্থ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের একটি মুখ্য কাজ। রাষ্ট্রের বিভিন্ন ধরনের কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। রাষ্ট্রের অধীন বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মালিকানার ওপর খাজনা ও কর নির্ধারণ এবং তা আদায় করা ও সুষ্ঠুভাবে ব্যয় করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন, মুদ্রা প্রবর্তন ও মুদ্রা বিনিয়োগের ব্যবস্থা, গণনা ও পরিমাপের একক নির্ধারণ এবং মূল্য নির্ধারণ করে থাকে।", + "question": "রাষ্ট্রের অধীন কী কী বিষয়ে খাজনা ও কর নির্ধারণ করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মালিকানা" + ], + "answer_start": [ + 232 + ] + } + }, + { + "id": "id_2139", + "title": "id_2138_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "অর্থ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের একটি মুখ্য কাজ। রাষ্ট্রের বিভিন্ন ধরনের কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। রাষ্ট্রের অধীন বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মালিকানার ওপর খাজনা ও কর নির্ধারণ এবং তা আদায় করা ও সুষ্ঠুভাবে ব্যয় করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন, মুদ্রা প্রবর্তন ও মুদ্রা বিনিয়োগের ব্যবস্থা, গণনা ও পরিমাপের একক নির্ধারণ এবং মূল্য নির্ধারণ করে থাকে।", + "question": "বাজেট প্রণয়ন, মুদ্রা প্রবর্তন ও মূল্য নির্ধারণ করে কে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 38 + ] + } + }, + { + "id": "id_2140", + "title": "id_2139_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "বর্তমানে প্রত্যেকটি রাষ্ট্রই কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের দাবি করে। রাজনৈতিক তত্ত্ববিদরা এখন একমত যে, রাষ্ট্রের ভূমিকা শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কর আদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হওয়া উচিত নয়। রাষ্ট্রকে অবশ্যই সমাজের সামগ্রিক উন্নতির জন্য, নাগরিকদের নৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশে কল্যাণমূলক ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। জনকল্যাণ ও উন্নয়নে রাষ্ট্রের এ কাজগুলো ঐচ্ছিক বা গৌণ কাজ। যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে যত বেশি উন্নত, তার ঐচ্ছিক কার্যাবলি তত বেশি বিস্তৃত।", + "question": "রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজগুলো কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনকল্যাণ ও উন্নয়ন" + ], + "answer_start": [ + 345 + ] + } + }, + { + "id": "id_2141", + "title": "id_2140_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "বর্তমানে প্রত্যেকটি রাষ্ট্রই কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের দাবি করে। রাজনৈতিক তত্ত্ববিদরা এখন একমত যে, রাষ্ট্রের ভূমিকা শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কর আদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হওয়া উচিত নয়। রাষ্ট্রকে অবশ্যই সমাজের সামগ্রিক উন্নতির জন্য, নাগরিকদের নৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশে কল্যাণমূলক ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। জনকল্যাণ ও উন্নয়নে রাষ্ট্রের এ কাজগুলো ঐচ্ছিক বা গৌণ কাজ। যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে যত বেশি উন্নত, তার ঐচ্ছিক কার্যাবলি তত বেশি বিস্তৃত।", + "question": "কী কারণে রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি বিস্তৃত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক" + ], + "answer_start": [ + 276 + ] + } + }, + { + "id": "id_2142", + "title": "id_2141_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "বর্তমানে প্রত্যেকটি রাষ্ট্রই কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের দাবি করে। রাজনৈতিক তত্ত্ববিদরা এখন একমত যে, রাষ্ট্রের ভূমিকা শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কর আদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হওয়া উচিত নয়। রাষ্ট্রকে অবশ্যই সমাজের সামগ্রিক উন্নতির জন্য, নাগরিকদের নৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশে কল্যাণমূলক ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। জনকল্যাণ ও উন্নয়নে রাষ্ট্রের এ কাজগুলো ঐচ্ছিক বা গৌণ কাজ। যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে যত বেশি উন্নত, তার ঐচ্ছিক কার্যাবলি তত বেশি বিস্তৃত।", + "question": "বর্তমানে প্রত্যেকটি রাষ্ট্রই নিজেদেরকে কী হিসেবে দাবি করে?", + "answers": { + "text": [ + "কল্যাণমূলক রাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_2143", + "title": "id_2142_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাষ্ট্র তার নাগরিকদের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং অসুস্থদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে হাসপাতাল, দাতব্য চিকিৎসালয়, শিশুসদন, মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, দেশব্যাপী অস্থায়ী হেলথ ক্যাম্পেইন প্রতিষ্ঠা প্রভৃতিও পরিচালনা করে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের সুব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, রোগ প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক টিকা প্রদান প্রভৃতি সেবাও রাষ্ট্র প্রদান করে। এছাড়া যৌতুক ও বর্ণ বা গোত্রপ্রথা দূরীকরণ, বাল্যবিবাহ রোধ এবং জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", + "question": "রাষ্ট্র তার নাগরিকদের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য কী কী সেবা প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "হাসপাতাল, দাতব্য চিকিৎসালয়, শিশুসদন, মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র" + ], + "answer_start": [ + 74 + ] + } + }, + { + "id": "id_2144", + "title": "id_2143_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাষ্ট্র তার নাগরিকদের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং অসুস্থদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে হাসপাতাল, দাতব্য চিকিৎসালয়, শিশুসদন, মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র, পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, দেশব্যাপী অস্থায়ী হেলথ ক্যাম্পেইন প্রতিষ্ঠা প্রভৃতিও পরিচালনা করে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের সুব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, রোগ প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক টিকা প্রদান প্রভৃতি সেবাও রাষ্ট্র প্রদান করে। এছাড়া যৌতুক ও বর্ণ বা গোত্রপ্রথা দূরীকরণ, বাল্যবিবাহ রোধ এবং জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", + "question": "রাষ্ট্র জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কী কী ব্যবস্থা নেয়?", + "answers": { + "text": [ + "বিশুদ্ধ পানীয়জলের সুব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, রোগ প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক টিকা প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 242 + ] + } + }, + { + "id": "id_2145", + "title": "id_2144_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্য, যেমন- চাল, ডাল, আটা, ময়দা, চিনি, তেল ইত্যাদি সরবরাহ প্রক্রিয়া সচল রাখা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তদুপরি খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান, সার, বীজ, কীটনাশক সরবরাহ, সেচের ব্যবস্থা করা, খাদ্য গুদামজাতকরণ প্রভৃতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে স্বীকৃত। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে খাদ্যের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। তাই রাষ্ট্রকে খাদ্য নিরাপত্তায় পূর্বের তুলনায় অধিক মনোযোগ দিতে হচ্ছে।", + "question": "জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্য কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "চাল, ডাল, আটা, ময়দা, চিনি, তেল" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_2146", + "title": "id_2145_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্য, যেমন- চাল, ডাল, আটা, ময়দা, চিনি, তেল ইত্যাদি সরবরাহ প্রক্রিয়া সচল রাখা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তদুপরি খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান, সার, বীজ, কীটনাশক সরবরাহ, সেচের ব্যবস্থা করা, খাদ্য গুদামজাতকরণ প্রভৃতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে স্বীকৃত। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে খাদ্যের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। তাই রাষ্ট্রকে খাদ্য নিরাপত্তায় পূর্বের তুলনায় অধিক মনোযোগ দিতে হচ্ছে।", + "question": "খাদ্য নিরাপত্তায় রাষ্ট্রের মনোযোগ কেন বাড়াতে হচ্ছে?", + "answers": { + "text": [ + "জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে" + ], + "answer_start": [ + 342 + ] + } + }, + { + "id": "id_2147", + "title": "id_2146_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্য, যেমন- চাল, ডাল, আটা, ময়দা, চিনি, তেল ইত্যাদি সরবরাহ প্রক্রিয়া সচল রাখা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তদুপরি খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান, সার, বীজ, কীটনাশক সরবরাহ, সেচের ব্যবস্থা করা, খাদ্য গুদামজাতকরণ প্রভৃতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে স্বীকৃত। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে খাদ্যের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। তাই রাষ্ট্রকে খাদ্য নিরাপত্তায় পূর্বের তুলনায় অধিক মনোযোগ দিতে হচ্ছে।", + "question": "খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য রাষ্ট্র কী কী ব্যবস্থা নেয়?", + "answers": { + "text": [ + "উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান, সার, বীজ, কীটনাশক সরবরাহ, সেচের ব্যবস্থা করা, খাদ্য গুদামজাতকরণ" + ], + "answer_start": [ + 175 + ] + } + }, + { + "id": "id_2148", + "title": "id_2147_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "যে কোনো রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নতি তার শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নয়ন ও প্রসারের সাথে সংশ্লিষ্ট। আমদানি নির্ভর না হয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন যে কোনো রাষ্ট্রের লক্ষ্য হওয়া উচিত। এজন্য বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত গবেষণার জন্য রাষ্ট্রকে অনেক বেশি নজর দিতে হয়। এছাড়া রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কলকারখানা স্থাপন ও পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ এবং এর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ।", + "question": "যে কোনো রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নতির সাথে কী সম্পর্কিত?", + "answers": { + "text": [ + "শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নয়ন ও প্রসার" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_2149", + "title": "id_2148_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "যে কোনো রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নতি তার শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নয়ন ও প্রসারের সাথে সংশ্লিষ্ট। আমদানি নির্ভর না হয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন যে কোনো রাষ্ট্রের লক্ষ্য হওয়া উচিত। এজন্য বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত গবেষণার জন্য রাষ্ট্রকে অনেক বেশি নজর দিতে হয়। এছাড়া রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কলকারখানা স্থাপন ও পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ এবং এর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ।", + "question": "রাষ্ট্রকে স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য কোন বিষয়ে বেশি নজর দিতে হয়?", + "answers": { + "text": [ + "বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত গবেষণা" + ], + "answer_start": [ + 189 + ] + } + }, + { + "id": "id_2150", + "title": "id_2149_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "যে কোনো রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নতি তার শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নয়ন ও প্রসারের সাথে সংশ্লিষ্ট। আমদানি নির্ভর না হয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন যে কোনো রাষ্ট্রের লক্ষ্য হওয়া উচিত। এজন্য বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত গবেষণার জন্য রাষ্ট্রকে অনেক বেশি নজর দিতে হয়। এছাড়া রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কলকারখানা স্থাপন ও পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ এবং এর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ।", + "question": "রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "অধিক সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি " + ], + "answer_start": [ + 341 + ] + } + }, + { + "id": "id_2151", + "title": "id_2150_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যেমন: রাস্তাঘাট, সেতু, সড়ক, রেলপথ, নৌ-চলাচল, বিমান যোগাযোগ, ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ এবং যোগাযোগের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সংযুক্ত থাকা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ। ইন্টারনেট, নেটওয়ার্কিং ও তরঙ্গের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে বিশ্বে পারস্পরিক যোগাযোগ অনেক বেড়ে গেছে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সুষ্ঠু পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের উন্নতির জন্য অপরিহার্য।", + "question": "দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কী কী কাজের মধ্যে পড়ে?", + "answers": { + "text": [ + "রাস্তাঘাট, সেতু, সড়ক, রেলপথ, নৌ-চলাচল, বিমান যোগাযোগ, ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ" + ], + "answer_start": [ + 31 + ] + } + }, + { + "id": "id_2152", + "title": "id_2151_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যেমন: রাস্তাঘাট, সেতু, সড়ক, রেলপথ, নৌ-চলাচল, বিমান যোগাযোগ, ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ এবং যোগাযোগের আধুনিক প্রযুক্তির সাথে সংযুক্ত থাকা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ। ইন্টারনেট, নেটওয়ার্কিং ও তরঙ্গের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে বিশ্বে পারস্পরিক যোগাযোগ অনেক বেড়ে গেছে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সুষ্ঠু পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের উন্নতির জন্য অপরিহার্য।", + "question": "রাষ্ট্রের উন্নতির জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য?", + "answers": { + "text": [ + "সুষ্ঠু পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা" + ], + "answer_start": [ + 407 + ] + } + }, + { + "id": "id_2153", + "title": "id_2152_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য রাষ্ট্রীয় ঐতিহ্য তুলে ধরা রাষ্ট্রের কাজ। জাতীয়তাবোধ সৃষ্টিতে দেশীয় শিল্প, গান-বাজনা, আঞ্চলিক বৈচিত্র্য রক্ষা, লোকশিল্পের সংরক্ষণ, জাদুঘর প্রতিষ্ঠা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ। জনগণের চিত্তবিনোদনের জন্য প্রয়োজনীয় মঞ্চ, খেলার মাঠ, পার্ক ও উদ্যান প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।", + "question": "জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য রাষ্ট্র কী করে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রীয় ঐতিহ্য তুলে ধরা" + ], + "answer_start": [ + 46 + ] + } + }, + { + "id": "id_2154", + "title": "id_2153_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য রাষ্ট্রীয় ঐতিহ্য তুলে ধরা রাষ্ট্রের কাজ। জাতীয়তাবোধ সৃষ্টিতে দেশীয় শিল্প, গান-বাজনা, আঞ্চলিক বৈচিত্র্য রক্ষা, লোকশিল্পের সংরক্ষণ, জাদুঘর প্রতিষ্ঠা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ। জনগণের চিত্তবিনোদনের জন্য প্রয়োজনীয় মঞ্চ, খেলার মাঠ, পার্ক ও উদ্যান প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।", + "question": "জনগণের চিত্তবিনোদনের জন্য রাষ্ট্র কী কী কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "মঞ্চ, খেলার মাঠ, পার্ক ও উদ্যান প্রতিষ্ঠা করা" + ], + "answer_start": [ + 313 + ] + } + }, + { + "id": "id_2155", + "title": "id_2154_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ হলো জনগণের স্বাধীনতা এবং অধিকার রক্ষা করা। রাষ্ট্র জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, চলাচলের স্বাধীনতা, রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এ লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময় পররাষ্ট্র রাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করে।", + "question": "রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের স্বাধীনতা এবং অধিকার রক্ষা করা" + ], + "answer_start": [ + 42 + ] + } + }, + { + "id": "id_2156", + "title": "id_2155_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ হলো জনগণের স্বাধীনতা এবং অধিকার রক্ষা করা। রাষ্ট্র জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, চলাচলের স্বাধীনতা, রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এ লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময় পররাষ্ট্র রাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করে।", + "question": "রাষ্ট্র জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, চলাচলের স্বাধীনতা, রাজনীতিতে অংশগ্রহণ কীভাবে নিশ্চিত করে?", + "answers": { + "text": [ + "নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করে" + ], + "answer_start": [ + 255 + ] + } + }, + { + "id": "id_2157", + "title": "id_2156_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "জনগণের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় পরিবেশ সৃষ্টি, সংগঠন ও রাজনৈতিক দল গঠনের স্বাধীনতা, জনগণের বিপরীতমুখী স্বার্থের মধ্যে সমন্বয় সাধন, সংখ্যালঘুদের স্বার্থ সংরক্ষণ, সমাজে দুর্নীতি প্রতিরোধ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার সংরক্ষণ, শরণার্থীদের আশ্রয়দান ইত্যাদি রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক রাজনৈতিক কাজ।", + "question": "রাষ্ট্র কোন বিষয়গুলির ওপর গুরুত্ব দেয় যাতে সমাজের রাজনৈতিক কার্যক্রম সুষ্ঠু হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সংগঠন ও রাজনৈতিক দল গঠন" + ], + "answer_start": [ + 51 + ] + } + }, + { + "id": "id_2158", + "title": "id_2157_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আধুনিক রাষ্ট্রসমূহ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। রাষ্ট্রে বসবাসরত দরিদ্র, বিধবা, অনাথ ও প্রতিবন্ধীদের অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা, বেকারদের জন্য ভাতা, বয়স্কদের জন্য বয়স্ক ভাতা, পেনশন প্রদান ইত্যাদি সামাজিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক কার্যাবলি হিসেবে অন��তর্ভুক্ত।", + "question": "রাষ্ট্র দরিদ্র, বিধবা, অনাথ ও প্রতিবন্ধীদের কী ধরনের সুবিধা প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "অর্থনৈতিক" + ], + "answer_start": [ + 140 + ] + } + }, + { + "id": "id_2159", + "title": "id_2158_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আধুনিক রাষ্ট্রসমূহ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। রাষ্ট্রে বসবাসরত দরিদ্র, বিধবা, অনাথ ও প্রতিবন্ধীদের অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা, বেকারদের জন্য ভাতা, বয়স্কদের জন্য বয়স্ক ভাতা, পেনশন প্রদান ইত্যাদি সামাজিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক কার্যাবলি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "বয়স্কদের জন্য রাষ্ট্র কী ধরনের সুবিধা প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "বয়স্ক ভাতা" + ], + "answer_start": [ + 217 + ] + } + }, + { + "id": "id_2160", + "title": "id_2159_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আধুনিক রাষ্ট্রসমূহ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। রাষ্ট্রে বসবাসরত দরিদ্র, বিধবা, অনাথ ও প্রতিবন্ধীদের অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা, বেকারদের জন্য ভাতা, বয়স্কদের জন্য বয়স্ক ভাতা, পেনশন প্রদান ইত্যাদি সামাজিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক কার্যাবলি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।", + "question": "রাষ্ট্র বেকারদের জন্য কী ধরনের সুবিধা প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "ভাতা" + ], + "answer_start": [ + 196 + ] + } + }, + { + "id": "id_2161", + "title": "id_2160_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাষ্ট্রের বিশাল কর্মীবাহিনীকে পরিচালনা করা ও সুস্থ রাখা রাষ্ট্রের এঁচ্ছিক কাজ। শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার জন্য শ্রমনীতিমালা প্রণয়ন, ন্যূনতম সঠিক মজুরি ও কাজের সময় নির্ধারণ, কাজের পরিবেশ সৃষ্টি, বোনাস, ইন্স্যুরেন্স, পেনশন সুবিধা প্রদান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক তৈরি, কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য শ্রম অফিসার নিয়োগ প্রভৃতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।", + "question": "শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য রাষ্ট্র কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "শ্রমনীতিমালা প্রণয়ন" + ], + "answer_start": [ + 108 + ] + } + }, + { + "id": "id_2162", + "title": "id_2161_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাষ্ট্রের বিশাল কর্মীবাহিনীকে পরিচালনা ক��া ও সুস্থ রাখা রাষ্ট্রের এঁচ্ছিক কাজ। শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার জন্য শ্রমনীতিমালা প্রণয়ন, ন্যূনতম সঠিক মজুরি ও কাজের সময় নির্ধারণ, কাজের পরিবেশ সৃষ্টি, বোনাস, ইন্স্যুরেন্স, পেনশন সুবিধা প্রদান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক তৈরি, কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য শ্রম অফিসার নিয়োগ প্রভৃতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।", + "question": "রাষ্ট্র শ্রমিকদের কী কী সুবিধা প্রদান করে?", + "answers": { + "text": [ + "বোনাস, ইন্স্যুরেন্স" + ], + "answer_start": [ + 193 + ] + } + }, + { + "id": "id_2163", + "title": "id_2162_রাষ্ট্রের কার্যাবলি", + "context": "রাষ্ট্রের বিশাল কর্মীবাহিনীকে পরিচালনা করা ও সুস্থ রাখা রাষ্ট্রের এঁচ্ছিক কাজ। শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার জন্য শ্রমনীতিমালা প্রণয়ন, ন্যূনতম সঠিক মজুরি ও কাজের সময় নির্ধারণ, কাজের পরিবেশ সৃষ্টি, বোনাস, ইন্স্যুরেন্স, পেনশন সুবিধা প্রদান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক তৈরি, কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য শ্রম অফিসার নিয়োগ প্রভৃতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।", + "question": "বিদেশি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্র কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "শ্রম অফিসার নিয়োগ" + ], + "answer_start": [ + 337 + ] + } + }, + { + "id": "id_2164", + "title": "id_2163_নাগরিকের ধারণা", + "context": "রাষ্ট্র গঠনের একটি পূর্বশর্ত হলো জনসমষ্টি। যখন একটি রাষ্ট্র পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মপ্রকাশ করে তখন সেই জনসমষ্টি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হয়। রাষ্ট্রের সঙ্গে এর নাগরিকের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। রাষ্ট্রের নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্যজ্ঞানের ওপর রাষ্ট্রের কার্যক্রমের সফলতা ও ব্যর্থতা নির্ভর করে। নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং কীভাবে সুনাগরিক হওয়া যায় তা আমাদের জানতে হবে।", + "question": "রাষ্ট্র গঠনের একটি পূর্বশর্ত কী?", + "answers": { + "text": [ + "জনসমষ্টি" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_2165", + "title": "id_2164_নাগরিকের ধারণা", + "context": "রাষ্ট্র গঠনের একটি পূর্বশর্ত হলো জনসমষ্টি। যখন একটি রাষ্ট্র পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মপ্রকাশ করে তখন সেই জনসমষ্টি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হয়। রাষ্ট্রের সঙ্গে এর নাগরিকের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। রাষ্ট্রের নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্���জ্ঞানের ওপর রাষ্ট্রের কার্যক্রমের সফলতা ও ব্যর্থতা নির্ভর করে। নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং কীভাবে সুনাগরিক হওয়া যায় তা আমাদের জানতে হবে।", + "question": "রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে কাউকে কখন বিবেচনা করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "যখন একটি রাষ্ট্র পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মপ্রকাশ করে" + ], + "answer_start": [ + 43 + ] + } + }, + { + "id": "id_2166", + "title": "id_2165_নাগরিকের ধারণা", + "context": "রাষ্ট্র গঠনের একটি পূর্বশর্ত হলো জনসমষ্টি। যখন একটি রাষ্ট্র পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মপ্রকাশ করে তখন সেই জনসমষ্টি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হয়। রাষ্ট্রের সঙ্গে এর নাগরিকের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। রাষ্ট্রের নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্যজ্ঞানের ওপর রাষ্ট্রের কার্যক্রমের সফলতা ও ব্যর্থতা নির্ভর করে। নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং কীভাবে সুনাগরিক হওয়া যায় তা আমাদের জানতে হবে।", + "question": "রাষ্ট্রের নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য কীভাবে রাষ্ট্রের কার্যক্রমের সফলতা ও ব্যর্থতায় প্রভাব ফেলে?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য" + ], + "answer_start": [ + 296 + ] + } + }, + { + "id": "id_2167", + "title": "id_2166_নাগরিকের ধারণা", + "context": "পৌরনীতি পাঠের মূল বিষয়বস্তু হলো- নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্র। সাধারণত নাগরিক শব্দটি দ্বারা নগরে বসবাসরত অধিবাসীকে বোঝায়। একসময়ে যারা শাসনকার্যে সরাসরি জড়িত থাকতেন, তাদেরকেই কেবল নাগরিক হিসেবে ধরা হতো।", + "question": "পৌরনীতি পাঠের মূল বিষয়বস্তু কী?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_2168", + "title": "id_2167_নাগরিকের ধারণা", + "context": "পৌরনীতি পাঠের মূল বিষয়বস্তু হলো- নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্র। সাধারণত নাগরিক শব্দটি দ্বারা নগরে বসবাসরত অধিবাসীকে বোঝায়। একসময়ে যারা শাসনকার্যে সরাসরি জড়িত থাকতেন, তাদেরকেই কেবল নাগরিক হিসেবে ধরা হতো।", + "question": "নাগরিক বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "নগরে বসবাসরত অধিবাসী" + ], + "answer_start": [ + 84 + ] + } + }, + { + "id": "id_2169", + "title": "id_2168_নাগরিকের ধারণা", + "context": "পৌরনীতি পাঠের মূল বিষয়বস্তু হলো- নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্র। সাধারণত নাগরিক শব্দটি দ্বারা নগরে বসবাসরত অধিবাসীকে বোঝায়। একসময়ে যারা শাসনকার্যে সরাসরি জড়িত থাকতেন, তাদেরকেই কেবল নাগরিক হিসেবে ধরা হত���।", + "question": "একসময়ে নাগরিক কে ছিলেন?", + "answers": { + "text": [ + "যারা শাসনকার্যে সরাসরি জড়িত থাকতেন" + ], + "answer_start": [ + 123 + ] + } + }, + { + "id": "id_2170", + "title": "id_2169_নাগরিকের ধারণা", + "context": "রাস্ট্রবিজ্ঞানের জনক আ্যারিস্টটল নাগরিকের সংজ্ঞায় বলেছেন, “সে ব্যক্তিই নাগরিক যে নগর রাস্ট্রের প্রতিনিধিত্ব ও শাসনকার্যে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।” তিনি তার ধারণায় অধিকাংশ জনগণকে নাগরিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি। তার মতে অধিকাংশেরই যথাযথভাবে নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করার সামর্থ্য কিংবা অফুরন্ত সময় নেই। গ্রিক নগররাস্ট্রে এ যুক্তিতে দাস এবং নারীদের নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হতো না এবং তারা রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারত না।", + "question": "রাস্ট্রবিজ্ঞানের জনক আ্যারিস্টটল নাগরিকের সংজ্ঞায় কী বলেছেন?", + "answers": { + "text": [ + "সে ব্যক্তিই নাগরিক যে নগর রাস্ট্রের প্রতিনিধিত্ব ও শাসনকার্যে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে" + ], + "answer_start": [ + 60 + ] + } + }, + { + "id": "id_2171", + "title": "id_2170_নাগরিকের ধারণা", + "context": "রাস্ট্রবিজ্ঞানের জনক আ্যারিস্টটল নাগরিকের সংজ্ঞায় বলেছেন, “সে ব্যক্তিই নাগরিক যে নগর রাস্ট্রের প্রতিনিধিত্ব ও শাসনকার্যে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।” তিনি তার ধারণায় অধিকাংশ জনগণকে নাগরিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি। তার মতে অধিকাংশেরই যথাযথভাবে নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করার সামর্থ্য কিংবা অফুরন্ত সময় নেই। গ্রিক নগররাস্ট্রে এ যুক্তিতে দাস এবং নারীদের নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হতো না এবং তারা রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারত না।", + "question": "আ্যারিস্টটল নাগরিক হিসেবে কারা অন্তর্ভুক্ত করেননি?", + "answers": { + "text": [ + "অধিকাংশ জনগণকে" + ], + "answer_start": [ + 166 + ] + } + }, + { + "id": "id_2172", + "title": "id_2171_নাগরিকের ধারণা", + "context": "রাস্ট্রবিজ্ঞানের জনক আ্যারিস্টটল নাগরিকের সংজ্ঞায় বলেছেন, “সে ব্যক্তিই নাগরিক যে নগর রাস্ট্রের প্রতিনিধিত্ব ও শাসনকার্যে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।” তিনি তার ধারণায় অধিকাংশ জনগণকে নাগরিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি। তার মতে অধিকাংশেরই যথাযথভাবে নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করার সামর্থ্য কিংবা অফুরন্ত সময় নেই। গ্রিক নগররাস্ট্রে এ যুক্তিতে দাস এবং নারীদের নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হতো না এবং তারা রাষ্ট্রীয় কাজে অং���গ্রহণ করতে পারত না।", + "question": "গ্রিক নগররাস্ট্রে দাস ও নারীদের কী অবস্থান ছিল?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হতো না" + ], + "answer_start": [ + 349 + ] + } + }, + { + "id": "id_2173", + "title": "id_2172_নাগরিকের ধারণা", + "context": "রাস্ট্রবিজ্ঞানের জনক আ্যারিস্টটল নাগরিকের সংজ্ঞায় বলেছেন, “সে ব্যক্তিই নাগরিক যে নগর রাস্ট্রের প্রতিনিধিত্ব ও শাসনকার্যে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।” তিনি তার ধারণায় অধিকাংশ জনগণকে নাগরিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি। তার মতে অধিকাংশেরই যথাযথভাবে নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করার সামর্থ্য কিংবা অফুরন্ত সময় নেই। গ্রিক নগররাস্ট্রে এ যুক্তিতে দাস এবং নারীদের নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হতো না এবং তারা রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারত না।", + "question": "রাস্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?", + "answers": { + "text": [ + "আ্যারিস্টটল" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_2174", + "title": "id_2173_নাগরিকের ধারণা", + "context": "বর্তমানে নগর রাষ্ট্রের স্থলে জাতীয় রাষ্ট্রের উৎপত্তি ঘটেছে। আধুনিক রাষ্ট্রসমূহ আয়তনে অনেক বড়, এখানে জনসংখ্যাও বেশি এবং নাগরিক সুবিধাসমূহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সকলেই ভোগ করে। কিন্তু এত বিপুল জনসমষ্টিকে সরাসরি শাসনকার্যে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে জনগণের শাসনকার্যে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের স্থলে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন এবং যারা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করেন, এই মাপকাঠি ধরা হয়েছে।", + "question": "বর্তমানে কোন রাষ্ট্রের উৎপত্তি ঘটেছে?", + "answers": { + "text": [ + "জাতীয় রাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 29 + ] + } + }, + { + "id": "id_2175", + "title": "id_2174_নাগরিকের ধারণা", + "context": "বর্তমানে নগর রাষ্ট্রের স্থলে জাতীয় রাষ্ট্রের উৎপত্তি ঘটেছে। আধুনিক রাষ্ট্রসমূহ আয়তনে অনেক বড়, এখানে জনসংখ্যাও বেশি এবং নাগরিক সুবিধাসমূহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সকলেই ভোগ করে। কিন্তু এত বিপুল জনসমষ্টিকে সরাসরি শাসনকার্যে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে জনগণের শাসনকার্যে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের স্থলে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন এবং যারা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করেন, এই মাপকাঠি ধরা হয়েছে।", + "question": "নাগরিকত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে কী মাপকাঠি ��রা হয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য" + ], + "answer_start": [ + 327 + ] + } + }, + { + "id": "id_2176", + "title": "id_2175_নাগরিকের ধারণা", + "context": "নাগরিকত্ব বলতে বোঝায়, রাষ্ট্রের রাজনৈতিক অধিকার, নাগরিক সুবিধা ভোগ করা এবং রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে বাধ্য হওয়া। বৃহৎ অর্থে, নাগরিক হচ্ছেন তিনি, যিনি এ রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং রাষ্ট্রের আইন, সংবিধান ও অন্যান্য নির্দেশের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন। রাষ্ট্রের কল্যাণ সাধনে নিজের কর্মের মাধ্যমে ভূমিকা রাখেন এবং রাষ্ট্র কর্তৃক বণ্টনকৃত সকল সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করেন।", + "question": "নাগরিকত্ব বলতে কি বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের রাজনৈতিক অধিকার, নাগরিক সুবিধা ভোগ করা" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_2177", + "title": "id_2176_নাগরিকের ধারণা", + "context": "নাগরিকত্ব বলতে বোঝায়, রাষ্ট্রের রাজনৈতিক অধিকার, নাগরিক সুবিধা ভোগ করা এবং রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে বাধ্য হওয়া। বৃহৎ অর্থে, নাগরিক হচ্ছেন তিনি, যিনি এ রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং রাষ্ট্রের আইন, সংবিধান ও অন্যান্য নির্দেশের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন। রাষ্ট্রের কল্যাণ সাধনে নিজের কর্মের মাধ্যমে ভূমিকা রাখেন এবং রাষ্ট্র কর্তৃক বণ্টনকৃত সকল সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করেন।", + "question": "বৃহৎ অর্থে নাগরিক কে?", + "answers": { + "text": [ + "তিনি, যিনি এ রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন" + ], + "answer_start": [ + 157 + ] + } + }, + { + "id": "id_2178", + "title": "id_2177_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "নাগরিকের প্রধান কর্তব্য হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা। অর্থাৎ রাষ্ট্রের নির্দেশ মেনে চলা। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অস্ষুন রাখার জন্য প্রত্যেক নাগরিককে সর্বদা সজাগ এবং চরম ত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।", + "question": "নাগরিকের প্রধান কর্তব্য কি?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_2179", + "title": "id_2178_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "নাগরিকের প্রধান কর্তব্য হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা। অর্থাৎ রাষ্ট্রের নির্দেশ মেনে চলা। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অস্ষুন রাখার জন্য প্রত্যেক নাগরিককে সর্বদা সজাগ এবং চরম ত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।", + "question": "নাগরিককে কি জন্য সর্বদা সজাগ থাকতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অস্ষুন রাখার জন্য" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_2180", + "title": "id_2179_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন ও সংবিধান মেনে চলা এবং আইনের প্রতি সম্মান দেখানো নাগরিকদের অন্যতম দায়িত্ব। কেউ আইন অমান্য করলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। স্বাভাবিক জীবনের ব্যাঘাত ঘটে। তাই সুষ্ঠু জীবনযাপন, শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রত্যেক নাগরিককে আইন মেনে চলতে হবে।", + "question": "নাগরিকদের অন্যতম দায়িত্ব কি?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন ও সংবিধান মেনে চলা এবং আইনের প্রতি সম্মান দেখানো" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_2181", + "title": "id_2180_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন ও সংবিধান মেনে চলা এবং আইনের প্রতি সম্মান দেখানো নাগরিকদের অন্যতম দায়িত্ব। কেউ আইন অমান্য করলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। স্বাভাবিক জীবনের ব্যাঘাত ঘটে। তাই সুষ্ঠু জীবনযাপন, শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রত্যেক নাগরিককে আইন মেনে চলতে হবে।", + "question": "আইন অমান্য করলে কী ঘটে?", + "answers": { + "text": [ + "সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়" + ], + "answer_start": [ + 118 + ] + } + }, + { + "id": "id_2182", + "title": "id_2181_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন ও সংবিধান মেনে চলা এবং আইনের প্রতি সম্মান দেখানো নাগরিকদের অন্যতম দায়িত্ব। কেউ আইন অমান্য করলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। স্বাভাবিক জীবনের ব্যাঘাত ঘটে। তাই সুষ্ঠু জীবনযাপন, শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রত্যেক নাগরিককে আইন মেনে চলতে হবে।", + "question": "সুষ্ঠু জীবনযাপন এবং শান্তি রক্ষার জন্য নাগরিককে কী করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "আইন মেনে চলতে হবে" + ], + "answer_start": [ + 239 + ] + } + }, + { + "id": "id_2183", + "title": "id_2182_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "সততা ও সুবিবেচনার সাথে ভোট দেওয়া নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। এর ফলে যোগ্য ও উপযুত্ত প্রার্থী জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবেন। অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজ প্রার্থীকে ভোটদানে বিরত থাকা উচিত।", + "question": "নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব কী?", + "answers": { + "text": [ + "সততা ও সুবিবেচনার সাথে ভোট দেওয়া" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_2184", + "title": "id_2183_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রধান উৎস নাগরিকদের প্রদেয় কর ও খাজনা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক প্রতিরক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। নাগরিকদের যথাসময়ে কর প্রদান করে রাষ্ট্রীয় কাজে সহযোগিতা করতে হবে।", + "question": "রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রধান উৎস কী?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিকদের প্রদেয় কর ও খাজনা" + ], + "answer_start": [ + 28 + ] + } + }, + { + "id": "id_2185", + "title": "id_2184_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রধান উৎস নাগরিকদের প্রদেয় কর ও খাজনা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক প্রতিরক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। নাগরিকদের যথাসময়ে কর প্রদান করে রাষ্ট্রীয় কাজে সহযোগিতা করতে হবে।", + "question": "রাষ্ট্রের কী কাজের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন?", + "answers": { + "text": [ + "প্রশাসনিক প্রতিরক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কাজ" + ], + "answer_start": [ + 67 + ] + } + }, + { + "id": "id_2186", + "title": "id_2185_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রধান উৎস নাগরিকদের প্রদেয় কর ও খাজনা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক প্রতিরক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। নাগরিকদের যথাসময়ে কর প্রদান করে রাষ্ট্রীয় কাজে সহযোগিতা করতে হবে।", + "question": "নাগরিকদের কী করতে হবে রাষ্ট্রের কাজে সহযোগিতা করতে?", + "answers": { + "text": [ + "যথাসময়ে কর প্রদান" + ], + "answer_start": [ + 163 + ] + } + }, + { + "id": "id_2187", + "title": "id_2186_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রের অর্গিত দায়িত্ব অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা নাগরিকের কর্তব্য। সরকারের গৃহীত যে কোনো কাজ জনগণের কাজ। নাগরিকদের সততা, কাজে একাগ্��তা ও নিষ্ঠার ওপর সরকারের সফলতা, উন্নতি ও অগ্রগতি নির্ভর করে।", + "question": "নাগরিকের কর্তব্য কী?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_2188", + "title": "id_2187_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রের অর্গিত দায়িত্ব অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা নাগরিকের কর্তব্য। সরকারের গৃহীত যে কোনো কাজ জনগণের কাজ। নাগরিকদের সততা, কাজে একাগ্রতা ও নিষ্ঠার ওপর সরকারের সফলতা, উন্নতি ও অগ্রগতি নির্ভর করে।", + "question": "সরকারের গৃহীত কাজ কিসের কাজ?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের কাজ" + ], + "answer_start": [ + 115 + ] + } + }, + { + "id": "id_2189", + "title": "id_2188_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "রাষ্ট্রের অর্গিত দায়িত্ব অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা নাগরিকের কর্তব্য। সরকারের গৃহীত যে কোনো কাজ জনগণের কাজ। নাগরিকদের সততা, কাজে একাগ্রতা ও নিষ্ঠার ওপর সরকারের সফলতা, উন্নতি ও অগ্রগতি নির্ভর করে।", + "question": "সরকারের সফলতা, উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য কিসের নির্ভর করে?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিকদের সততা, কাজে একাগ্রতা ও নিষ্ঠা" + ], + "answer_start": [ + 127 + ] + } + }, + { + "id": "id_2190", + "title": "id_2189_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রতিটি শিশুই রাষ্ট্রের নাগরিক। পিতামাতা তার অভিভাবক হিসেবে কাজ করেন। তাই সন্তানদের জীবন রক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রতিষেধক টিকাদান, সুস্থ সবল রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে পাঠানো পিতামাতার দায়িত্ব। এতে করে সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে অবদান রাখবে।", + "question": "শিশুর অভিভাবককে কি দায়িত্ব পালন করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন প্রতিষেধক টিকাদান, সুস্থ সবল রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে পাঠানো" + ], + "answer_start": [ + 101 + ] + } + }, + { + "id": "id_2191", + "title": "id_2190_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রতিটি শিশুই রাষ্ট্রের নাগরিক। পিতামাতা তার অভিভাবক হিসেবে কাজ করেন। তাই সন্তানদের জীবন রক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রতিষেধক টিকাদান, সুস্থ সবল রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে পাঠানো পিতামাতার দা���়িত্ব। এতে করে সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে অবদান রাখবে।", + "question": "শিশুর সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার মাধ্যমে কী হবে?", + "answers": { + "text": [ + "সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে অবদান রাখবে" + ], + "answer_start": [ + 236 + ] + } + }, + { + "id": "id_2192", + "title": "id_2191_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রত্যেক নাগরিককেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। নিজস্ব সংস্কৃতি, রাষ্ট্রীয় অর্জন ও সফলতা এবং সবসময় দেশের মঙ্গল কামনা করা নাগরিকদের কর্তব্য। জাতীয় সংগীত, জাতীয় ইতিহাস, জাতীয় বীর ও মনীষীদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে হবে।", + "question": "প্রত্যেক নাগরিককে কী করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে" + ], + "answer_start": [ + 19 + ] + } + }, + { + "id": "id_2193", + "title": "id_2192_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রত্যেক নাগরিককেই দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। নিজস্ব সংস্কৃতি, রাষ্ট্রীয় অর্জন ও সফলতা এবং সবসময় দেশের মঙ্গল কামনা করা নাগরিকদের কর্তব্য। জাতীয় সংগীত, জাতীয় ইতিহাস, জাতীয় বীর ও মনীষীদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে হবে।", + "question": "নাগরিকদের কর্তব্য কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "সবসময় দেশের মঙ্গল কামনা করা" + ], + "answer_start": [ + 92 + ] + } + }, + { + "id": "id_2194", + "title": "id_2193_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রত্যেক নাগরিকের একে অপরকে সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, ভিন্নমত মূল্যায়ন করা ও সম্মান করার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংহতি অর্জন করা সম্ভব। এটা প্রত্যেককেই বিশ্বাস করতে হবে যে, বৈচিত্র্যের মধ্যেই সৌন্দর্য নিহিত। প্রত্যেক নাগরিককেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এমনকি রাষ্ট্রের অবৈধ কোনো কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব। তবে কোনোক্রমেই ভূমি শাসন এবং দানিতমত্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে।", + "question": "প্রত্যেক নাগরিকের কী ক্ষমতা থাকতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "একে অপরকে সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে" + ], + "answer_start": [ + 18 + ] + } + }, + { + "id": "id_2195", + "title": "id_2194_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রত্যেক নাগরিকের একে অপরকে সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, ভিন্নমত মূল্যায়ন করা ও সম্মান করার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংহতি অর্জন করা সম্ভব। এটা প্রত্যেককেই বিশ্বাস করতে হবে যে, বৈচিত্র্যের মধ্যেই সৌন্দর্য নিহিত। প্রত্যেক নাগরিককেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এমনকি রাষ্ট্রের অবৈধ কোনো কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব। তবে কোনোক্রমেই ভূমি শাসন এবং দানিতমত্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে।", + "question": "কীভাবে জাতীয় সংহতি অর্জন করা সম্ভব?", + "answers": { + "text": [ + "ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, ভিন্নমত মূল্যায়ন করা ও সম্মান করা" + ], + "answer_start": [ + 56 + ] + } + }, + { + "id": "id_2196", + "title": "id_2195_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রত্যেক নাগরিকের একে অপরকে সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, ভিন্নমত মূল্যায়ন করা ও সম্মান করার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংহতি অর্জন করা সম্ভব। এটা প্রত্যেককেই বিশ্বাস করতে হবে যে, বৈচিত্র্যের মধ্যেই সৌন্দর্য নিহিত। প্রত্যেক নাগরিককেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এমনকি রাষ্ট্রের অবৈধ কোনো কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব। তবে কোনোক্রমেই ভূমি শাসন এবং দানিতমত্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে।", + "question": "নাগরিকদের কী বিশ্বাস করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "বৈচিত্র্যের মধ্যেই সৌন্দর্য নিহিত" + ], + "answer_start": [ + 206 + ] + } + }, + { + "id": "id_2197", + "title": "id_2196_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রত্যেক নাগরিকের একে অপরকে সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, ভিন্নমত মূল্যায়ন করা ও সম্মান করার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংহতি অর্জন করা সম্ভব। এটা প্রত্যেককেই বিশ্বাস করতে হবে যে, বৈচিত্র্যের মধ্যেই সৌন্দর্য নিহিত। প্রত্যেক নাগরিককেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এমনকি রাষ্ট্রের অবৈধ কোনো ক���জের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব। তবে কোনোক্রমেই ভূমি শাসন এবং দানিতমত্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে।", + "question": "নাগরিকদের কী করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে হবে" + ], + "answer_start": [ + 260 + ] + } + }, + { + "id": "id_2198", + "title": "id_2197_নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", + "context": "প্রত্যেক নাগরিকের একে অপরকে সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, ভিন্নমত মূল্যায়ন করা ও সম্মান করার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংহতি অর্জন করা সম্ভব। এটা প্রত্যেককেই বিশ্বাস করতে হবে যে, বৈচিত্র্যের মধ্যেই সৌন্দর্য নিহিত। প্রত্যেক নাগরিককেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এমনকি রাষ্ট্রের অবৈধ কোনো কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব। তবে কোনোক্রমেই ভূমি শাসন এবং দানিতমত্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে।", + "question": "নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব কী?", + "answers": { + "text": [ + "অবৈধ কোনো কাজের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো" + ], + "answer_start": [ + 369 + ] + } + }, + { + "id": "id_2199", + "title": "id_2198_আইনের ধারণা", + "context": "সাধারণভাবে আইন বলতে সামাজিকভাবে স্বীকৃত লিখিত ও অলিখিত বিধিবিধান ও রীতিনীতিকে বোঝায়। মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অধিকাংশ মানুষই এ নিয়ম-কানুনসমূহ মেনে চলে। সুতরাং আইন হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের নিয়ম-কানুন, রীতিনীতি বা বিধিবিধান।", + "question": "সাধারণভাবে আইন কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "সামাজিকভাবে স্বীকৃত লিখিত ও অলিখিত বিধিবিধান ও রীতিনীতি" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_2200", + "title": "id_2199_আইনের ধারণা", + "context": "সাধারণভাবে আইন বলতে সামাজিকভাবে স্বীকৃত লিখিত ও অলিখিত বিধিবিধান ও রীতিনীতিকে বোঝায়। মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অধিকাংশ মানুষই এ নিয়ম-কানুনসমূহ মেনে চলে। সুতরাং আইন হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের নিয়ম-কানুন, রীতিনীতি বা বিধিবিধান।", + "question": "আইন কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_2201", + "title": "id_2200_আইনের ধারণা", + "context": "সাধারণভাবে আইন বলতে সামাজিকভাবে স্বীকৃত লিখিত ও অলিখিত বিধিবিধান ও রীতিনীতিকে বোঝায়। মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অধিকাংশ মানুষই এ নিয়ম-কানুনসমূহ মেনে চলে। সুতরাং আইন হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের নিয়ম-কানুন, রীতিনীতি বা বিধিবিধান।", + "question": "আইন কী?", + "answers": { + "text": [ + "বিভিন্ন ধরনের নিয়ম-কানুন, রীতিনীতি বা বিধিবিধান" + ], + "answer_start": [ + 211 + ] + } + }, + { + "id": "id_2202", + "title": "id_2201_আইনের ধারণা", + "context": "আইন মূলত দুই ধরনের- সামাজিক আইন ও রাষ্ট্রীয় আইন ৷ সামাজিক জীবনে যে সকল বিধিবিধান বা রীতিনীতি মানুষ মেনে চলে তা হচ্ছে সামাজিক আইন। আর রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বিভিন্ন জাতীয় নীতিমালার পরিপ্রেক্ষিতে এবং মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে কিংবা সমাজে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সর্বজনীনভাবে সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন আদেশ-নির্দেশই রাষ্ট্রীয় আইন নামে পরিগণিত। বিভিন্ন রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ ও আইনবিশারদগণ আইনের বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।", + "question": "আইন কত ধরনের হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দুই " + ], + "answer_start": [ + 9 + ] + } + }, + { + "id": "id_2203", + "title": "id_2202_আইনের ধারণা", + "context": "আইন মূলত দুই ধরনের- সামাজিক আইন ও রাষ্ট্রীয় আইন ৷ সামাজিক জীবনে যে সকল বিধিবিধান বা রীতিনীতি মানুষ মেনে চলে তা হচ্ছে সামাজিক আইন। আর রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বিভিন্ন জাতীয় নীতিমালার পরিপ্রেক্ষিতে এবং মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে কিংবা সমাজে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সর্বজনীনভাবে সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন আদেশ-নির্দেশই রাষ্ট্রীয় আইন নামে পরিগণিত। বিভিন্ন রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ ও আইনবিশারদগণ আইনের বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।", + "question": "দুই ধরনের আইন কী কী?", + "answers": { + "text": [ + "সামাজিক আইন ও রাষ্ট্রীয় আইন" + ], + "answer_start": [ + 20 + ] + } + }, + { + "id": "id_2204", + "title": "id_2203_আইনের ধারণা", + "context": "আইন মূলত দুই ধরনের- সামাজিক আইন ও রাষ্ট্রীয় আইন ৷ সামাজিক জীবনে যে সকল বিধিবিধান বা রীতিনীতি মানুষ মেনে চলে তা হচ্ছে সামাজিক আইন। আর রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বিভিন্ন জাতীয় নীতিমালার পরিপ্রেক্ষিতে এবং মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে কিংবা সমাজে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সর্বজনীনভাবে সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন আদেশ-নির্দেশই রাষ্ট্রীয় আইন নামে পরিগণিত। বিভিন্ন রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ ও আইনবিশারদগণ আইনের বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।", + "question": "সামাজিক আইন কী?", + "answers": { + "text": [ + "যে সকল বিধিবিধান বা রীতিনীতি মানুষ মেনে চলে" + ], + "answer_start": [ + 65 + ] + } + }, + { + "id": "id_2205", + "title": "id_2204_আইনের ধারণা", + "context": "আইন মূলত দুই ধরনের- সামাজিক আইন ও রাষ্ট্রীয় আইন ৷ সামাজিক জীবনে যে সকল বিধিবিধান বা রীতিনীতি মানুষ মেনে চলে তা হচ্ছে সামাজিক আইন। আর রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বিভিন্ন জাতীয় নীতিমালার পরিপ্রেক্ষিতে এবং মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে কিংবা সমাজে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সর্বজনীনভাবে সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন আদেশ-নির্দেশই রাষ্ট্রীয় আইন নামে পরিগণিত। বিভিন্ন রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ ও আইনবিশারদগণ আইনের বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।", + "question": "রাষ্ট্রীয় আইন কী?", + "answers": { + "text": [ + "সর্বজনীনভাবে সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন আদেশ-নির্দেশই রাষ্ট্রীয় আইন" + ], + "answer_start": [ + 269 + ] + } + }, + { + "id": "id_2206", + "title": "id_2205_আইনের ধারণা", + "context": "টি. এই. গ্রীন বলেছেন, 'রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত অধিকার এবং বাধ্যবাধকতাসমূহ আইন।' অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, 'আইন হচ্ছে মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের কতগুলো সাধারণ নিয়ম যা সার্বভৌম রাজনৈতিক শত্তি কর্তৃক প্রণীত হয়।' আইনের একটি উৎকৃষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করেছেন উদ্রে উইলসন। তিনি বলেন, 'আইন হলো সমাজের সেই সকল প্রতিষ্ঠিত প্রথা ও রীতিনীতি যেগুলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এবং যা সরকারের অধিকার ও ক্ষমতার দ্বারা বলবৎ করা হয়।'", + "question": "টি. এই. গ্রীন আইনকে কী বলেছেন?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত অধিকার এবং বাধ্যবাধকতাসমূহ আইন" + ], + "answer_start": [ + 23 + ] + } + }, + { + "id": "id_2207", + "title": "id_2206_আইনের ধারণা", + "context": "টি. এই. গ্রীন বলেছেন, 'রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত অধিকার এবং বাধ্যবাধকতাসমূহ আইন।' অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, 'আইন হচ্ছে মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের কতগুলো সাধারণ নিয়ম যা সার্বভৌম রাজনৈতিক শত্তি কর্তৃক প্রণীত হয়।' আইনের একটি উৎকৃষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করেছেন উদ্রে উইলসন। তিনি বলেন, 'আইন হলো সমাজের সেই সকল প্রতিষ্ঠিত প্রথা ও রীতিনীতি যেগুলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এবং যা সরকারের অধিকার ও ক্ষমতার দ্বারা বলবৎ করা হয়।'", + "question": "অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইন কী?", + "answers": { + "text": [ + "মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের কতগুলো সাধারণ নিয়ম যা সার্বভৌম রাজনৈতিক শত্তি কর্তৃক প্রণীত হয়" + ], + "answer_start": [ + 113 + ] + } + }, + { + "id": "id_2208", + "title": "id_2207_আইনের বৈশিষ্ট্য", + "context": "আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। আইন হচ্ছে সার্বজনীন, তা সমভাবে রাষ্ট্রের সকলের জন্য প্রযোজ্য হয়। আইন হচ্ছে একধরনের আদেশ বা নিষেধ, যা সকলকেই মান্য করতে হয়। যারা আইন অমান্য করে তাদের সাজা পেতে হয়। আইন রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্মূলক কর্তৃপক্ষ হতে স্বীকৃত এবং আরোপিত। আইন হলো সমাজে প্রচলিত প্রথা ও রীতিনীতি।", + "question": "আইন কী নিয়ন্ত্রণ করে?", + "answers": { + "text": [ + "বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_2209", + "title": "id_2208_আইনের বৈশিষ্ট্য", + "context": "আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। আইন হচ্ছে সার্বজনীন, তা সমভাবে রাষ্ট্রের সকলের জন্য প্রযোজ্য হয়। আইন হচ্ছে একধরনের আদেশ বা নিষেধ, যা সকলকেই মান্য করতে হয়। যারা আইন অমান্য করে তাদের সাজা পেতে হয়। আইন রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্মূলক কর্তৃপক্ষ হতে স্বীকৃত এবং আরোপিত। আইন হলো সমাজে প্রচলিত প্রথা ও রীতিনীতি।", + "question": "আইন কেমন প্রযোজ্য?", + "answers": { + "text": [ + "সার্বজনীন" + ], + "answer_start": [ + 67 + ] + } + }, + { + "id": "id_2210", + "title": "id_2209_আইনের বৈশিষ্ট্য", + "context": "আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। আইন হচ্ছে সার্বজনীন, তা সমভাবে রাষ্ট্রের সকলের জন্য প্রযোজ্য হয়। আইন হচ্ছে একধরনের আদেশ বা নিষেধ, যা সকলকেই মান্য করতে হয়। যারা আইন অমান্য করে তাদের সাজা পেতে হয়। আইন রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্মূলক কর্তৃপক্ষ হতে স্বীকৃত এবং আরোপিত। আইন হলো সমাজে প্রচলিত প্রথা ও রীতিনীতি।", + "question": "আইন অমান্য করলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "সাজা" + ], + "answer_start": [ + 208 + ] + } + }, + { + "id": "id_2211", + "title": "id_2210_আইনের বৈশিষ্ট্য", + "context": "আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। আইন হচ্ছে সার্বজনীন, তা সমভাবে রাষ্ট্রের সকলের জন্য প্রযোজ্য হয়। আইন হচ্ছে একধরনের আদেশ বা নিষেধ, য��� সকলকেই মান্য করতে হয়। যারা আইন অমান্য করে তাদের সাজা পেতে হয়। আইন রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্মূলক কর্তৃপক্ষ হতে স্বীকৃত এবং আরোপিত। আইন হলো সমাজে প্রচলিত প্রথা ও রীতিনীতি।", + "question": "আইন কোথা থেকে স্বীকৃত ও আরোপিত?", + "answers": { + "text": [ + "রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্মূলক কর্তৃপক্ষ" + ], + "answer_start": [ + 227 + ] + } + }, + { + "id": "id_2212", + "title": "id_2211_আইনের বৈশিষ্ট্য", + "context": "আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। আইন হচ্ছে সার্বজনীন, তা সমভাবে রাষ্ট্রের সকলের জন্য প্রযোজ্য হয়। আইন হচ্ছে একধরনের আদেশ বা নিষেধ, যা সকলকেই মান্য করতে হয়। যারা আইন অমান্য করে তাদের সাজা পেতে হয়। আইন রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্মূলক কর্তৃপক্ষ হতে স্বীকৃত এবং আরোপিত। আইন হলো সমাজে প্রচলিত প্রথা ও রীতিনীতি।", + "question": "আইন কীকে বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "প্রথা ও রীতিনীতি" + ], + "answer_start": [ + 306 + ] + } + }, + { + "id": "id_2213", + "title": "id_2212_আইনের উৎস", + "context": "আইনের বিভিন্ন উৎস রয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হল্যান্ড আইনের ৬টি প্রধান উৎসের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো: ১. প্রথা ২. ধর্ম ৩. বিচার সঞ্কাল্ত রায় ৪. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা ৫. ন্যায়বোধ ও ৬. আইনসভা।", + "question": "আইনের কতটি প্রধান উৎস উল্লেখ করেছেন হল্যান্ড?", + "answers": { + "text": [ + "৬টি" + ], + "answer_start": [ + 57 + ] + } + }, + { + "id": "id_2214", + "title": "id_2213_আইনের উৎস", + "context": "আইনের বিভিন্ন উৎস রয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হল্যান্ড আইনের ৬টি প্রধান উৎসের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো: ১. প্রথা ২. ধর্ম ৩. বিচার সঞ্কাল্ত রায় ৪. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা ৫. ন্যায়বোধ ও ৬. আইনসভা।", + "question": "আইনসম্মত উৎস কী কী?", + "answers": { + "text": [ + ". প্রথা ২. ধর্ম ৩. বিচার সঞ্কাল্ত রায় ৪. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা ৫. ন্যায়বোধ ও ৬. আইনসভা।" + ], + "answer_start": [ + 105 + ] + } + }, + { + "id": "id_2215", + "title": "id_2214_আইনের উৎস", + "context": "প্রথা হলো আইনের সবচেয়ে প্রাচীনতম উৎস। সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, আচার-আচরণ ও অভ্যাসই হচ্ছে সামাজিক প্রথা। এসব সামাজিক প্রথার আবেদন এতই বেশি যে, এগুলো অমান্য করলে সংঘাত ও বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এসব প্রচলিত প্রথা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়ে আইনে পরিণত হয়েছে। যেমন, ব্রিটেনের অধিকাংশ আইনই প্রথা থেকে এসেছে।", + "question": "আইনের সবচেয়ে প্রাচীনতম উৎস কী?", + "answers": { + "text": [ + "প্রথা" + ], + "answer_start": [ + 0 + ] + } + }, + { + "id": "id_2216", + "title": "id_2215_আইনের উৎস", + "context": "প্রথা হলো আইনের সবচেয়ে প্রাচীনতম উৎস। সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, আচার-আচরণ ও অভ্যাসই হচ্ছে সামাজিক প্রথা। এসব সামাজিক প্রথার আবেদন এতই বেশি যে, এগুলো অমান্য করলে সংঘাত ও বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এসব প্রচলিত প্রথা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়ে আইনে পরিণত হয়েছে। যেমন, ব্রিটেনের অধিকাংশ আইনই প্রথা থেকে এসেছে।", + "question": "সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, আচার-আচরণ ও অভ্যাস কী নামে পরিচিত?", + "answers": { + "text": [ + "সামাজিক প্রথা" + ], + "answer_start": [ + 88 + ] + } + }, + { + "id": "id_2217", + "title": "id_2216_আইনের উৎস", + "context": "প্রথা হলো আইনের সবচেয়ে প্রাচীনতম উৎস। সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, আচার-আচরণ ও অভ্যাসই হচ্ছে সামাজিক প্রথা। এসব সামাজিক প্রথার আবেদন এতই বেশি যে, এগুলো অমান্য করলে সংঘাত ও বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এসব প্রচলিত প্রথা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়ে আইনে পরিণত হয়েছে। যেমন, ব্রিটেনের অধিকাংশ আইনই প্রথা থেকে এসেছে।", + "question": "কোন দেশের অধিকাংশ আইন প্রথা থেকে এসেছে?", + "answers": { + "text": [ + "ব্রিটেন" + ], + "answer_start": [ + 268 + ] + } + }, + { + "id": "id_2218", + "title": "id_2217_আইনের উৎস", + "context": "মানুষের ওপর ধর্মের প্রভাব অপরিসীম। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ ঈশ্বরিক আইন অনুসরণ করে আসছে। তাই ধর্ম, ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ন্যায়-অন্যায়, পাপ-পুণ্য ইত্যাদি মূল্যবোধ ধর্ম চিহ্নিত করেছে, বলেই প্রাচীন ও মধ্যযুগে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ধর্মীয় রীতিনীতি প্রভাব বিস্তার করে। ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় বিধানই রাষ্ট্রীয় আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।", + "question": "আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস কী?", + "answers": { + "text": [ + "ধর্ম" + ], + "answer_start": [ + 12 + ] + } + }, + { + "id": "id_2219", + "title": "id_2218_আইনের উৎস", + "context": "মানুষের ওপর ধর্মের প্রভাব অপরিসীম। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ ঈশ্বরিক আইন অনুসরণ করে আসছে। তাই ধর্ম, ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ন্যায়-অন্যায়, পাপ-পুণ্য ইত্যাদি মূল্যবোধ ধর্ম চিহ্নিত করেছে, বলেই প্রাচীন ও মধ্যযুগে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ধর্মীয় রীতিনীতি প্রভাব বিস্তার করে। ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় ব���ধানই রাষ্ট্রীয় আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।", + "question": "প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ কী অনুসরণ করে আসছে?", + "answers": { + "text": [ + "ঈশ্বরিক আইন" + ], + "answer_start": [ + 58 + ] + } + }, + { + "id": "id_2220", + "title": "id_2219_আইনের উৎস", + "context": "মানুষের ওপর ধর্মের প্রভাব অপরিসীম। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ ঈশ্বরিক আইন অনুসরণ করে আসছে। তাই ধর্ম, ধর্মীয় অনুশাসন ও ধর্মগ্রন্থ আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ন্যায়-অন্যায়, পাপ-পুণ্য ইত্যাদি মূল্যবোধ ধর্ম চিহ্নিত করেছে, বলেই প্রাচীন ও মধ্যযুগে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ধর্মীয় রীতিনীতি প্রভাব বিস্তার করে। ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় বিধানই রাষ্ট্রীয় আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।", + "question": "ধর্মীয় বিধান কোন ধরনের রাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় আইন হিসেবে বিবেচিত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র" + ], + "answer_start": [ + 295 + ] + } + }, + { + "id": "id_2221", + "title": "id_2220_আইনের উৎস", + "context": "ইসলামিক রাষ্ট্রের আইন প্রধানত কুরআন ও শরিয়ার ওপর নির্ভরশীল। হিন্দু আইনও মূলত হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থ, যেমন- বেদ, গীতা, রামায়ণ প্রভৃতির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান যুগেও ধর্মীয় রীতিনীতি আইনরূপে গ্রহণ করে রাষ্ট্রীয় আইন প্রবর্তন করা হয়। বিবাহ, উত্তরাধিকার প্রভৃতি বিষয়ে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায় নিজ নিজ ধর্মীয় আইন মেনে চলে।", + "question": "ইসলামিক রাষ্ট্রের আইন প্রধানত কিসের ওপর নির্ভরশীল?", + "answers": { + "text": [ + "কুরআন ও শরিয়া" + ], + "answer_start": [ + 30 + ] + } + }, + { + "id": "id_2222", + "title": "id_2221_আইনের উৎস", + "context": "ইসলামিক রাষ্ট্রের আইন প্রধানত কুরআন ও শরিয়ার ওপর নির্ভরশীল। হিন্দু আইনও মূলত হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থ, যেমন- বেদ, গীতা, রামায়ণ প্রভৃতির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান যুগেও ধর্মীয় রীতিনীতি আইনরূপে গ্রহণ করে রাষ্ট্রীয় আইন প্রবর্তন করা হয়। বিবাহ, উত্তরাধিকার প্রভৃতি বিষয়ে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায় নিজ নিজ ধর্মীয় আইন মেনে চলে।", + "question": "হিন্দু আইন প্রধানত কোন ধর্মীয় গ্রন্থের ওপর নির্ভরশীল?", + "answers": { + "text": [ + "বেদ, গীতা, রামায়ণ" + ], + "answer_start": [ + 105 + ] + } + }, + { + "id": "id_2223", + "title": "id_2222_আইনের উৎস", + "context": "ইসলামিক রাষ্ট্রের আইন প্রধানত কুরআন ও শরিয়ার ওপর নির্ভরশীল। হিন্দু আইনও মূলত হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থ, যেমন- বেদ, গীতা, রামায়ণ প্রভৃতির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান যুগেও ���র্মীয় রীতিনীতি আইনরূপে গ্রহণ করে রাষ্ট্রীয় আইন প্রবর্তন করা হয়। বিবাহ, উত্তরাধিকার প্রভৃতি বিষয়ে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায় নিজ নিজ ধর্মীয় আইন মেনে চলে।", + "question": "মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায় কোন বিষয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় আইন মেনে চলে?", + "answers": { + "text": [ + "বিবাহ, উত্তরাধিকার" + ], + "answer_start": [ + 226 + ] + } + }, + { + "id": "id_2224", + "title": "id_2223_আইনের উৎস", + "context": "বিচারকের রায় অথবা বিচারবিষয়ক রায়ও আইনের একটি উৎস। বিচারকালে যদি বিচারক প্রচলিত আইনের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হন, তবে তিনি স্বীয় বুদ্ধি, মেধা ও প্রজ্ঞার সাহায্যে প্রচলিত আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আইনের নতুন ব্যাখ্যা দিয়ে বিচারের রায় প্রদান করেন। এটি একটি দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে এবং একসময় আইনে পরিণত হয়। তাই দেখা যায়, বিচারকের রায়ও আইনের একটি উৎস।", + "question": "বিচারকের রায় কীসের একটি উৎস?", + "answers": { + "text": [ + "আইনের" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_2225", + "title": "id_2224_আইনের উৎস", + "context": "বিচারকের রায় অথবা বিচারবিষয়ক রায়ও আইনের একটি উৎস। বিচারকালে যদি বিচারক প্রচলিত আইনের মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হন, তবে তিনি স্বীয় বুদ্ধি, মেধা ও প্রজ্ঞার সাহায্যে প্রচলিত আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আইনের নতুন ব্যাখ্যা দিয়ে বিচারের রায় প্রদান করেন। এটি একটি দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে এবং একসময় আইনে পরিণত হয়। তাই দেখা যায়, বিচারকের রায়ও আইনের একটি উৎস।", + "question": "বিচারক কীভাবে নতুন আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে রায় প্রদান করেন?", + "answers": { + "text": [ + "স্বীয় বুদ্ধি, মেধা ও প্রজ্ঞার সাহায্যে" + ], + "answer_start": [ + 135 + ] + } + }, + { + "id": "id_2226", + "title": "id_2225_আইনের উৎস", + "context": "আইনবিদদের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা বা তাদের আইন বিষয়ক গ্রন্থাবলি আইনের উৎস হিসেবে কাজ করে। প্রখ্যাত আইনবিদদের ব্যাখ্যা, মূল্যায়ন, আলোচনা ইত্যাদি থেকে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় আইনের সন্ধান লাভ করে। ব্রিটেনের আইন ব্যবস্থায় আইনবিদ কোক, ব্ল্যাকস্টোন, আমেরিকার কেন্ট, ইসলামি আইনের ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফা (রা.) প্রমুখের অনেক অভিমতই আইনের মর্যাদা লাভ করেছে।", + "question": "আইনবিদদের কোন কাজ আইনের উৎস হিসেবে কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা বা তাদের আইন বিষয়ক গ্রন্থাবলি" + ], + "answer_start": [ + 10 + ] + } + }, + { + "id": "id_2227", + "title": "id_2226_আইনের উৎস", + "context": "আইনবিদদের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা বা তাদের আইন বিষয়ক গ্রন্থাবলি আইনের উৎস হিসেবে কাজ করে। প্রখ্যাত আইনবিদদের ব্যাখ্যা, মূল্যায়ন, আলোচনা ইত্যাদি থেকে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় আইনের সন্ধান লাভ করে। ব্রিটেনের আইন ব্যবস্থায় আইনবিদ কোক, ব্ল্যাকস্টোন, আমেরিকার কেন্ট, ইসলামি আইনের ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফা (রা.) প্রমুখের অনেক অভিমতই আইনের মর্যাদা লাভ করেছে।", + "question": "রাষ্ট্র কীভাবে প্রয়োজনীয় আইনের সন্ধান লাভ করে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রখ্যাত আইনবিদদের ব্যাখ্যা, মূল্যায়ন, আলোচনা ইত্যাদি থেকে" + ], + "answer_start": [ + 86 + ] + } + }, + { + "id": "id_2228", + "title": "id_2227_আইনের উৎস", + "context": "আইনবিদদের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা বা তাদের আইন বিষয়ক গ্রন্থাবলি আইনের উৎস হিসেবে কাজ করে। প্রখ্যাত আইনবিদদের ব্যাখ্যা, মূল্যায়ন, আলোচনা ইত্যাদি থেকে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় আইনের সন্ধান লাভ করে। ব্রিটেনের আইন ব্যবস্থায় আইনবিদ কোক, ব্ল্যাকস্টোন, আমেরিকার কেন্ট, ইসলামি আইনের ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফা (রা.) প্রমুখের অনেক অভিমতই আইনের মর্যাদা লাভ করেছে।", + "question": "কোন কোন আইনবিদদের অভিমত আইনের মর্যাদা লাভ করেছে?", + "answers": { + "text": [ + "কোক, ব্ল্যাকস্টোন, আমেরিকার কেন্ট" + ], + "answer_start": [ + 217 + ] + } + }, + { + "id": "id_2229", + "title": "id_2228_আইনের উৎস", + "context": "বিচারক যখন প্রচলিত আইনের মাধ্যমে কিংবা উপযুক্ত আইনের অভাবে ন্যায়বিধান করতে ব্যর্থ হন, তখন নিজস্ব সামাজিক নীতিবোধের আলোকে ন্যায্য রায় প্রদান করেন। এরূপ নীতিবোধ দ্বারা প্রণীত আইন দেশের আইনের মর্যাদা লাভ করে। তাই ন্যায়নীতি ও ন্যায়পরায়ণতা আইনের একটি প্রকৃষ্ট উৎস।", + "question": "বিচারক কখন নিজস্ব সামাজিক নীতিবোধের আলোকে ন্যায্য রায় প্রদান করেন?", + "answers": { + "text": [ + "উপযুক্ত আইনের অভাবে ন্যায়বিধান করতে ব্যর্থ হন" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_2230", + "title": "id_2229_আইনের উৎস", + "context": "বিচারক যখন প্রচলিত আইনের মাধ্যমে কিংবা উপযুক্ত আইনের অভাবে ন্যায়বিধান করতে ব্যর্থ হন, তখন নিজস্ব সামাজিক নীতিবোধের আলোকে ন্যায্য রায় প্রদান করেন। এরূপ নীতিবোধ দ্বারা প্রণীত আইন দেশের আইনের মর্যাদা লাভ করে। তাই ন্যায়নীতি ও ন্যায়পরায়ণতা আইনের একটি প্রকৃষ্ট উৎস।", + "question": "ন্যায়নীতি ও ন্য���য়পরায়ণতা কী হিসেবে কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "আইনের একটি প্রকৃষ্ট উৎস" + ], + "answer_start": [ + 240 + ] + } + }, + { + "id": "id_2231", + "title": "id_2230_আইনের উৎস", + "context": "আধুনিক রাষ্ট্রে আইনসভাই আইনের প্রধান উৎস। সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেরই আইনসভা বা আইন পরিষদ থাকে। এ আইনসভায় দেশের জনগণের স্বার্থকে লক্ষ্য রেখে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংশোধন হয়ে থাকে।", + "question": "আধুনিক রাষ্ট্রে আইনের প্রধান উৎস কী?", + "answers": { + "text": [ + "আইনসভা" + ], + "answer_start": [ + 16 + ] + } + }, + { + "id": "id_2232", + "title": "id_2231_আইনের উৎস", + "context": "আধুনিক রাষ্ট্রে আইনসভাই আইনের প্রধান উৎস। সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেরই আইনসভা বা আইন পরিষদ থাকে। এ আইনসভায় দেশের জনগণের স্বার্থকে লক্ষ্য রেখে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংশোধন হয়ে থাকে।", + "question": "আইনসভায় কী প্রণয়ন ও সংশোধন হয়?", + "answers": { + "text": [ + "দেশের জনগণের স্বার্থকে লক্ষ্য রেখে প্রয়োজনীয় আইন" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_2233", + "title": "id_2232_আইনের উৎস", + "context": "আধুনিক রাষ্ট্রে আইনসভাই আইনের প্রধান উৎস। সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেরই আইনসভা বা আইন পরিষদ থাকে। এ আইনসভায় দেশের জনগণের স্বার্থকে লক্ষ্য রেখে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংশোধন হয়ে থাকে।", + "question": "সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কি থাকে?", + "answers": { + "text": [ + "আইনসভা" + ], + "answer_start": [ + 16 + ] + } + }, + { + "id": "id_2234", + "title": "id_2233_সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা", + "context": "সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনের অনুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রে আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সকল নাগরিক সমানভাবে স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে। কেউ কারও অধিকার খর্ব করতে পারে না। সাধারণভাবে আইনের অনুশাসন দুটি ধারণা প্রকাশ করে, যথা: আইনের প্রাধান্য ও আইনের দৃষ্টিতে সকলের সাম্য।", + "question": "সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনের কোন দুটি ধারণা প্রকাশ পায়?", + "answers": { + "text": [ + "আইনের প্রাধান্য ও আইনের দৃষ্টিতে সকলের সাম্য" + ], + "answer_start": [ + 253 + ] + } + }, + { + "id": "id_2235", + "title": "id_2234_সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা", + "context": "সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনের অনুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রে আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সকল নাগরিক সমানভাবে স্বাধীনতা ও র��ষ্ট্র প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে। কেউ কারও অধিকার খর্ব করতে পারে না। সাধারণভাবে আইনের অনুশাসন দুটি ধারণা প্রকাশ করে, যথা: আইনের প্রাধান্য ও আইনের দৃষ্টিতে সকলের সাম্য।", + "question": "সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে নাগরিকরা কি পেতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা" + ], + "answer_start": [ + 113 + ] + } + }, + { + "id": "id_2236", + "title": "id_2235_সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা", + "context": "আইনের প্রাধান্য বজায় থাকলে সরকার স্বেচ্ছাচারী হতে পারে না এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করতে সচরাচর সাহস করে না। বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করা, বিনা বিচারে কাউকে আটক রাখা ও শাস্তি দেওয়া প্রভৃতি আইনের প্রাধান্যের পরিপন্থী। আইনের প্রাধান্য নাগরিক স্বাধীনতার রক্ষাকবচ। সমাজে আইনের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলে কেউ আইন অমান্য করে অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। সরকারও কারও ব্যক্তিস্বাধীনতায় অযৌক্তিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে সাহস পাবে না।", + "question": "আইনের প্রাধান্য বজায় থাকলে সরকার কী হতে পারে না?", + "answers": { + "text": [ + "স্বেচ্ছাচারী" + ], + "answer_start": [ + 34 + ] + } + }, + { + "id": "id_2237", + "title": "id_2236_সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা", + "context": "আইনের প্রাধান্য বজায় থাকলে সরকার স্বেচ্ছাচারী হতে পারে না এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করতে সচরাচর সাহস করে না। বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করা, বিনা বিচারে কাউকে আটক রাখা ও শাস্তি দেওয়া প্রভৃতি আইনের প্রাধান্যের পরিপন্থী। আইনের প্রাধান্য নাগরিক স্বাধীনতার রক্ষাকবচ। সমাজে আইনের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলে কেউ আইন অমান্য করে অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। সরকারও কারও ব্যক্তিস্বাধীনতায় অযৌক্তিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে সাহস পাবে না।", + "question": "আইনের প্রাধান্যের পরিপন্থী কী কী কাজ হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করা, বিনা বিচারে কাউকে আটক রাখা ও শাস্তি দেওয়া" + ], + "answer_start": [ + 106 + ] + } + }, + { + "id": "id_2238", + "title": "id_2237_সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা", + "context": "আইনের প্রাধান্য বজায় থাকলে সরকার স্বেচ্ছাচারী হতে পারে না এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করতে সচরাচর সাহস করে না। বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করা, বিনা বিচারে কাউকে ��টক রাখা ও শাস্তি দেওয়া প্রভৃতি আইনের প্রাধান্যের পরিপন্থী। আইনের প্রাধান্য নাগরিক স্বাধীনতার রক্ষাকবচ। সমাজে আইনের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলে কেউ আইন অমান্য করে অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। সরকারও কারও ব্যক্তিস্বাধীনতায় অযৌক্তিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে সাহস পাবে না।", + "question": "আইনের প্রাধান্য কী রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে?", + "answers": { + "text": [ + "নাগরিক স্বাধীনতার রক্ষাকবচ" + ], + "answer_start": [ + 233 + ] + } + }, + { + "id": "id_2239", + "title": "id_2238_সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা", + "context": "আইনের প্রাধান্য বজায় থাকলে সরকার স্বেচ্ছাচারী হতে পারে না এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করতে সচরাচর সাহস করে না। বিনা অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করা, বিনা বিচারে কাউকে আটক রাখা ও শাস্তি দেওয়া প্রভৃতি আইনের প্রাধান্যের পরিপন্থী। আইনের প্রাধান্য নাগরিক স্বাধীনতার রক্ষাকবচ। সমাজে আইনের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলে কেউ আইন অমান্য করে অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। সরকারও কারও ব্যক্তিস্বাধীনতায় অযৌক্তিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে সাহস পাবে না।", + "question": "আইনের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলে কী হয়?", + "answers": { + "text": [ + "কেউ আইন অমান্য করে অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না" + ], + "answer_start": [ + 298 + ] + } + }, + { + "id": "id_2240", + "title": "id_2239_সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা", + "context": "আইনের দৃষ্টিতে সাম্য বলতে বুঝায় সমাজে ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বল, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলেই সমান। আইনের চোখে কেউ বাড়তি সুবিধা পাবে না। সকলের জন্য একই আইন প্রযোজ্য। রাষ্ট্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা তখনই খর্ব হয় যখন আইনের অনুশাসন থাকে না। আইনের শাসনের অভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেক সময় নাগরিকদের হয়রানি করে বা বিনা অপরাধে আটক করে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি না হলে আইনের শাসন কায়েম হয় না। বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রগতি লক্ষ করা যাচ্ছে।", + "question": "আইনের দৃষ্টিতে সাম্য বলতে কী বোঝায়?", + "answers": { + "text": [ + "সমাজে ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বল, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলেই সমান" + ], + "answer_start": [ + 33 + ] + } + }, + { + "id": "id_2241", + "title": "id_2240_সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা", + "context": "আইনের দ��ষ্টিতে সাম্য বলতে বুঝায় সমাজে ধনী-দরিদ্র, সবল-দুর্বল, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলেই সমান। আইনের চোখে কেউ বাড়তি সুবিধা পাবে না। সকলের জন্য একই আইন প্রযোজ্য। রাষ্ট্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা তখনই খর্ব হয় যখন আইনের অনুশাসন থাকে না। আইনের শাসনের অভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেক সময় নাগরিকদের হয়রানি করে বা বিনা অপরাধে আটক করে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি না হলে আইনের শাসন কায়েম হয় না। বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রগতি লক্ষ করা যাচ্ছে।", + "question": "আইনের শাসনের অভাবে কী কী সমস্যা হতে পারে?", + "answers": { + "text": [ + "আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেক সময় নাগরিকদের হয়রানি করে বা বিনা অপরাধে আটক করে" + ], + "answer_start": [ + 269 + ] + } + }, + { + "id": "id_2242", + "title": "id_2241_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। তথ্য প্রাপ্তির অধিকার এরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশ সরকার ৫ এপ্রিল ২০০৯ তথ্য অধিকার আইন জারি করে। জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকারকে সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই আইন প্রণীত হয়।", + "question": "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?", + "answers": { + "text": [ + "৩৯ অনুচ্ছেদ" + ], + "answer_start": [ + 36 + ] + } + }, + { + "id": "id_2243", + "title": "id_2242_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। তথ্য প্রাপ্তির অধিকার এরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশ সরকার ৫ এপ্রিল ২০০৯ তথ্য অধিকার আইন জারি করে। জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকারকে সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই আইন প্রণীত হয়।", + "question": "তথ্য প্রাপ্তির অধিকার কোন তারিখে আইন হিসেবে জারি করা হয়?", + "answers": { + "text": [ + "৫ এপ্রিল ২০০৯" + ], + "answer_start": [ + 185 + ] + } + }, + { + "id": "id_2244", + "title": "id_2243_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। তথ্য প্রাপ্তির অধিকার এরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশ সরকার ৫ এপ্রিল ২০০৯ তথ্য অধিকার আইন জারি করে। জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকারকে সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই আইন প্রণীত হয়।", + "question": "বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন কী উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়?", + "answers": { + "text": [ + "জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকারকে সুনিশ্চিত করার লক্ষ্য" + ], + "answer_start": [ + 225 + ] + } + }, + { + "id": "id_2245", + "title": "id_2244_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "যেকোনো ধরনের রেকর্ডই তথ্য। তথ্য অধিকার আইনে তথ্য বলতে কোনো কর্তৃপক্ষের গঠন, কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত যে কোনো স্মারক, বই, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য-উপাত্ত, আদেশ-বিজ্ঞপ্তি, দলিল, নকল কপি, পত্র, হিসাব বিবরণী, আলোকচিত্র, অডিও-ভিডিও, অডিওচিত্র, ফিল্ম, ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত যেকোনো ইন্সট্রুমেন্ট, যান্ত্রিকভাবে পাঠযোগ্য দলিলাদি এবং ভৌত গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে সকল তথ্যবহ বস্তুর বা এদের প্রতিলিপিকে বুঝানো হয়েছে। তবে দাপ্তরিক নোটশিট বা নোটশিটের প্রতিলিপি এর অন্তর্ভুক্ত হবে না।", + "question": "যেকোনো ধরনের রেকর্ড কী?", + "answers": { + "text": [ + "তথ্য" + ], + "answer_start": [ + 21 + ] + } + }, + { + "id": "id_2246", + "title": "id_2245_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "যেকোনো ধরনের রেকর্ডই তথ্য। তথ্য অধিকার আইনে তথ্য বলতে কোনো কর্তৃপক্ষের গঠন, কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত যে কোনো স্মারক, বই, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য-উপাত্ত, আদেশ-বিজ্ঞপ্তি, দলিল, নকল কপি, পত্র, হিসাব বিবরণী, আলোকচিত্র, অডিও-ভিডিও, অডিওচিত্র, ফিল্ম, ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত যেকোনো ইন্সট্রুমেন্ট, যান্ত্রিকভাবে পাঠযোগ্য দলিলাদি এবং ভৌত গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে সকল তথ্যবহ বস্তুর বা এদের প্রতিলিপিকে বুঝানো হয়েছে। তবে দাপ্তরিক নোটশিট বা নোটশিটের প্রতিলিপি এর অন্তর্ভুক্ত হবে না।", + "question": "তথ্য অধিকার আইনে কি অন্তর্ভুক্ত হবে না?", + "answers": { + "text": [ + "দাপ্তরিক নোটশিট বা নোটশিটের প্রতিলিপি" + ], + "answer_start": [ + 438 + ] + } + }, + { + "id": "id_2247", + "title": "id_2246_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য কমিশনে একজন প্রধান তথ্য কমিশনারসহ দু'জন তথ্য কমিশনার রয়েছেন। আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক নাগরিকের কর্তৃপক্ষের নিকট হতে তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষও একজন নাগরিককে তথ্য প্রদানে বাধ্য থাকবে। আইন অনুযায়ী, সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত বা অধীন কোনো অধিদপ্তর, পরিদপ্তর বা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা কার্যালয় বা উপজেলা কার্যালয় তথ্য প্রদান ইউনিট হিসেবে কাজ করবে।", + "question": "তথ্য কমিশনে কজন তথ্য কমিশনার রয়েছেন?", + "answers": { + "text": [ + "দু'জন" + ], + "answer_start": [ + 39 + ] + } + }, + { + "id": "id_2248", + "title": "id_2247_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য কমিশনে একজন প্রধান তথ্য কমিশনারসহ দু'জন তথ্য কমিশনার রয়েছেন। আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক নাগরিকের কর্তৃপক্ষের নিকট হতে তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষও একজন নাগরিককে তথ্য প্রদানে বাধ্য থাকবে। আইন অনুযায়ী, সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত বা অধীন কোনো অধিদপ্তর, পরিদপ্তর বা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা কার্যালয় বা উপজেলা কার্যালয় তথ্য প্রদান ইউনিট হিসেবে কাজ করবে।", + "question": "প্রত্যেক নাগরিকের কি অধিকার রয়েছে?", + "answers": { + "text": [ + "তথ্য পাওয়ার" + ], + "answer_start": [ + 123 + ] + } + }, + { + "id": "id_2249", + "title": "id_2248_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য কমিশনে একজন প্রধান তথ্য কমিশনারসহ দু'জন তথ্য কমিশনার রয়েছেন। আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক নাগরিকের কর্তৃপক্ষের নিকট হতে তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষও একজন নাগরিককে তথ্য প্রদানে বাধ্য থাকবে। আইন অনুযায়ী, সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত বা অধীন কোনো অধিদপ্তর, পরিদপ্তর বা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা কার্যালয় বা উপজেলা কার্যালয় তথ্য প্রদান ইউনিট হিসেবে কাজ করবে।", + "question": "তথ্য প্রদান ইউনিট হিসেবে কাজ করবে কোন অফিস?", + "answers": { + "text": [ + "জেলা কার্যালয়" + ], + "answer_start": [ + 379 + ] + } + }, + { + "id": "id_2250", + "title": "id_2249_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য অধিকার আইন অনুসারে, তথ্য জানার জন্য লিখিতভাবে বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বা ই-মেইলে আবেদন করতে হবে। যারা লেখাপড়া জানেন না, তাদের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর���তা সহযোগিতা প্রদান করবেন এবং আবেদনে টিপসই নিয়ে দাখিল করতে পারবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তথ্য প্রদান না করলে, তথ্য প্রদানের সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী ত্রিশ দিনের মধ্যে অনুরোধকারী আপিল করতে পারবেন।", + "question": "তথ্য জানার জন্য কিভাবে আবেদন করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "লিখিতভাবে" + ], + "answer_start": [ + 41 + ] + } + }, + { + "id": "id_2251", + "title": "id_2250_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য অধিকার আইন অনুসারে, তথ্য জানার জন্য লিখিতভাবে বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বা ই-মেইলে আবেদন করতে হবে। যারা লেখাপড়া জানেন না, তাদের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহযোগিতা প্রদান করবেন এবং আবেদনে টিপসই নিয়ে দাখিল করতে পারবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তথ্য প্রদান না করলে, তথ্য প্রদানের সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী ত্রিশ দিনের মধ্যে অনুরোধকারী আপিল করতে পারবেন।", + "question": "যারা লেখাপড়া জানেন না, তাদের জন্য কে সহযোগিতা প্রদান করবেন?", + "answers": { + "text": [ + "দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" + ], + "answer_start": [ + 139 + ] + } + }, + { + "id": "id_2252", + "title": "id_2251_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য অধিকার আইন অনুসারে, তথ্য জানার জন্য লিখিতভাবে বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বা ই-মেইলে আবেদন করতে হবে। যারা লেখাপড়া জানেন না, তাদের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহযোগিতা প্রদান করবেন এবং আবেদনে টিপসই নিয়ে দাখিল করতে পারবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তথ্য প্রদান না করলে, তথ্য প্রদানের সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী ত্রিশ দিনের মধ্যে অনুরোধকারী আপিল করতে পারবেন।", + "question": "তথ্য প্রদানের সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে কতদিনের মধ্যে আপিল করতে হবে?", + "answers": { + "text": [ + "ত্রিশ দিন" + ], + "answer_start": [ + 351 + ] + } + }, + { + "id": "id_2253", + "title": "id_2252_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "আবেদনকারী আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট সুবিচার না পেলে, তিনি তথ্য কমিশনের নিকট অভিযোগ পাঠাতে পারবেন। এক্ষেত্রে তথ্য কমিশনের কাজ হলো মূলত অভিযোগ গ্রহণ করা এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তথ্যের সংরক্ষক বা ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করতে হবে। তার প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে: আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা, কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য প্রাপ্তির সুবিধা নিশ্চিত করা, তথ্যের উপযুক্ত মূল্য নির্ধারণ করা এবং তথ্য সরবরাহে ব্যর্থতা চিহ্নিত করা।", + "question": "আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট সুবিচার না পেলে আবেদনকারী কোথায় অভিযোগ করতে পারবেন?", + "answers": { + "text": [ + "তথ্য কমিশনের নিকট" + ], + "answer_start": [ + 54 + ] + } + }, + { + "id": "id_2254", + "title": "id_2253_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "আবেদনকারী আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট সুবিচার না পেলে, তিনি তথ্য কমিশনের নিকট অভিযোগ পাঠাতে পারবেন। এক্ষেত্রে তথ্য কমিশনের কাজ হলো মূলত অভিযোগ গ্রহণ করা এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তথ্যের সংরক্ষক বা ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করতে হবে। তার প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে: আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা, কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য প্রাপ্তির সুবিধা নিশ্চিত করা, তথ্যের উপযুক্ত মূল্য নির্ধারণ করা এবং তথ্য সরবরাহে ব্যর্থতা চিহ্নিত করা।", + "question": "তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কী হিসেবে কাজ করবেন?", + "answers": { + "text": [ + "সংরক্ষক" + ], + "answer_start": [ + 253 + ] + } + }, + { + "id": "id_2255", + "title": "id_2254_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "আবেদনকারী আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট সুবিচার না পেলে, তিনি তথ্য কমিশনের নিকট অভিযোগ পাঠাতে পারবেন। এক্ষেত্রে তথ্য কমিশনের কাজ হলো মূলত অভিযোগ গ্রহণ করা এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তথ্যের সংরক্ষক বা ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করতে হবে। তার প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে: আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা, কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য প্রাপ্তির সুবিধা নিশ্চিত করা, তথ্যের উপযুক্ত মূল্য নির্ধারণ করা এবং তথ্য সরবরাহে ব্যর্থতা চিহ্নিত করা।", + "question": "আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণকে কে অবহিত করবেন?", + "answers": { + "text": [ + "দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" + ], + "answer_start": [ + 218 + ] + } + }, + { + "id": "id_2256", + "title": "id_2255_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আমাদের তথ্য অধিকার আইন সম্পর্ক�� সচেতন হতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে দরিদ্র, প্রান্তিক এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে। প্রতিটি সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব হবে। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে মানবাধিকার ও দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সর্বোপরি, গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হবে।", + "question": "তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে কী বৃদ্ধি পাবে?", + "answers": { + "text": [ + "প্রতিটি সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা" + ], + "answer_start": [ + 165 + ] + } + }, + { + "id": "id_2257", + "title": "id_2256_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আমাদের তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে দরিদ্র, প্রান্তিক এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে। প্রতিটি সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব হবে। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে মানবাধিকার ও দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সর্বোপরি, গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হবে।", + "question": "তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে কী নির্মূল করা সম্ভব হবে?", + "answers": { + "text": [ + "দুর্নীতি" + ], + "answer_start": [ + 253 + ] + } + }, + { + "id": "id_2258", + "title": "id_2257_বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", + "context": "তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আমাদের তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে দরিদ্র, প্রান্তিক এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে। প্রতিটি সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব হবে। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে মানবাধিকার ও দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সর্বোপরি, গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হবে।", + "question": "তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে কী মজবুত হবে?", + "answers": { + "text": [ + "গণতন্ত্র" + ], + "answer_start": [ + 387 + ] + } + } +] \ No newline at end of file