[ { "id": 1168, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", "question": "আয় বৃদ্ধির তুলনায় যদি মূল্য স্তর কম বৃদ্ধি পায়, তাহলে কী হবে?", "answers": { "text": [ "জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে" ], "answer_start": [ 143 ] } }, { "id": 1954, "title": "মেঘনা", "context": "আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।", "question": "মেঘনা নদী কোন নাম ধারণ করার পর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?", "answers": { "text": [ "কালনী" ], "answer_start": [ 146 ] } }, { "id": 1150, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", "question": "কোন দুই বিষয় একই হারে বাড়লে প্রকৃত আয় অপরিবর্তিত থাকে?", "answers": { "text": [ "আয় ও দ্রব্যমূল্য" ], "answer_start": [ 167 ] } }, { "id": 411, "title": "ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা", "context": "পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.। বাংলাদেশের পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মিয়ানমার, উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।", "question": "বাংলাদেশের পূর্বে কোন দেশগুলো অবস্থিত?", "answers": { "text": [ "আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মিয়ানমার" ], "answer_start": [ 155 ] } }, { "id": 1779, "title": "লভ্যাংশ ও মুনাফা", "context": " সরকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন - ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা প্রভৃতি থেকে বছর শেষে লভ্যাংশ ও মুনাফা পেয়ে থাকে।", "question": "সরকারের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে আয় হয়?", "answers": { "text": [ "ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান" ], "answer_start": [ 41 ] } }, { "id": 149, "title": "নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", "context": "১৯৭৫ সালে নারী বছর ঘোষণা করা হয়।", "question": "নারী বছর কবে ঘোষণা করা হয়?", "answers": { "text": [ "১৯৭৫ সালে" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 2013, "title": "পানির অভাবের কারণ", "context": "বাংলাদেশের অনেক নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারতে বেশকিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। এর ফলে এদেশের কোনো কোনো নদী, যেমন- তিস্তা, গঙ্গা, কপোতাক্ষ ইত্যাদি শুকিয়ে যাচ্ছে। ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ভয়াবহ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। পলদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের সব নদীতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির চরম সংকট দেখা দেয়। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যের উপর পানির অপ্রতুলতার নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।", "question": "শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকটের ফলে কি সমস্যা হচ্ছে?", "answers": { "text": [ "নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে" ], "answer_start": [ 336 ] } }, { "id": 1277, "title": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", "question": "সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদের কারণে কী প্রভাব পড়ছে?", "answers": { "text": [ "উৎপাদনশীলতাও কম" ], "answer_start": [ 273 ] } }, { "id": 1532, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "অর্থনৈতিক অবকাঠামোর একটি বড় উপাদান হলো মূলধন যোগানের জন্য উৎপাদন ও বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা প্রদান। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদান প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের মোট ঋণ চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।", "question": "রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কী প্রভাব পড়ছে?", "answers": { "text": [ "বিনিয়োগের প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে" ], "answer_start": [ 215 ] } }, { "id": 767, "title": "বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "পাকিস্তান আমলে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়।", "question": "জমিদারি প্রথা কবে বিলুপ্ত হয়?", "answers": { "text": [ "পাকিস্তান আমলে" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 115, "title": "জাতিসংঘের বিভাগ", "context": "বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO) - স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে, যেমন- বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে।", "question": "WHO বাংলাদেশে কি ধরনের অবদান রাখছে?", "answers": { "text": [ "বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে" ], "answer_start": [ 130 ] } }, { "id": 1628, "title": "বেকারত্ব হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচন", "context": "উন্নয়নশীল দেশে ব্যাপক বেকারত্ব বিদ্যমান। তবে কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ ও দ্রুত শিল্পায়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্বের হার কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। সাধারণত উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নানারকম প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারত্ব হ্রাস করার ও দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবস্থা করা হয়।", "question": "উন্নয়নশীল দেশে কী ধরনের সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান?", "answers": { "text": [ "ব্যাপক বেকারত্ব" ], "answer_start": [ 16 ] } }, { "id": 1408, "title": "প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার", "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", "question": "খনিজ সম্পদের উদাহরণ হিসেবে কোনগুলি উল্লেখ করা হয়েছে?", "answers": { "text": [ "কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা" ], "answer_start": [ 155 ] } }, { "id": 2025, "title": "যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", "context": "নদীমাতৃক দেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নদীগুলোই বহন করছে। পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, মাতামুহুরী, আত্রাই, মধুমতী, গড়াই ইত্যাদি নদী যাত্রী পরিবহন সেবায় বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। নদীপথকে সকলে আরামদায়ক পথ বলে বিবেচনা করে থাকে। এদেশে নদীপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৮৩৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৩,৮৬৫ কিলোমিটার পথে বছরের সবসময় নৌ চলাচল করে থাকে।", "question": "বছরে কত কিলোমিটার পথে নৌ চলাচল করে থাকে?", "answers": { "text": [ "৩,৮৬৫ কিলোমিটার" ], "answer_start": [ 332 ] } }, { "id": 1112, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "সংগঠন থেকে আয় মুনাফা হিসেবে ধরা হয়, যা উৎপাদনের একটি উপকরণ।", "question": "সংগঠন থেকে আয় কীভাবে ধরা হয়?", "answers": { "text": [ "সংগঠন থেকে আয় মুনাফা হিসেবে ধরা হয়" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 2175, "title": "নাগরিকের ধারণা", "context": "বর্তমানে নগর রাষ্ট্রের স্থলে জাতীয় রাষ্ট্রের উৎপত্তি ঘটেছে। আধুনিক রাষ্ট্রসমূহ আয়তনে অনেক বড়, এখানে জনসংখ্যাও বেশি এবং নাগরিক সুবিধাসমূহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সকলেই ভোগ করে। কিন্তু এত বিপুল জনসমষ্টিকে সরাসরি শাসনকার্যে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে জনগণের শাসনকার্যে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের স্থলে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন এবং যারা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করেন, এই মাপকাঠি ধরা হয়েছে।", "question": "নাগরিকত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে কী মাপকাঠি ধরা হয়েছে?", "answers": { "text": [ "রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য" ], "answer_start": [ 327 ] } }, { "id": 1487, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করতে আমাদের দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়। অধিকন্তু পচাত্তর পরবর্তী বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক শাসনও আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিবন্ধক ছিল।", "question": "পচান্নর পরবর্তী শাসন কী ধরনের ছিল?", "answers": { "text": [ "অগণতান্ত্রিক" ], "answer_start": [ 126 ] } }, { "id": 463, "title": "বাংলাদেশে শীতকাল", "context": "দক্ষিণ সমুদ্র উপকূল থেকে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। চট্টগ্রামে তাপমাত্রা প্রায় ২০ ডিগ্রি, ঢাকায় ১৮.৩ ডিগ্রি এবং দিনাজপুরে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।", "question": "চট্টগ্রামে তাপমাত্রা কত ডিগ্রি?\t", "answers": { "text": [ "২০ ডিগ্রি" ], "answer_start": [ 91 ] } }, { "id": 572, "title": "জাতীয় সম্পদের উৎস", "context": "জাতীয় সম্পদের উৎস প্রধানত দুটি। প্রথমটি প্রকৃতি প্রদত্ত আর দ্বিতীয়টি মানবসৃষ্ট। কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরের ভূমি, ভূমির উপরিস্তর এবং অভ্যন্তরে যা কিছু আছে, সবই প্রকৃতির দান। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বনের গাছপালা, ফলমূল, প্রাণী ও পাখিকুল, নদ-নদী ও প্রাকৃতিক জলাশয় এবং এগুলোর মৎস্যসম্পদ, অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরে থাকা পানি ও সব ধরনের খনিজ সম্পদ—এগুলোই প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ।", "question": "জাতীয় সম্পদের উৎস কতটি?", "answers": { "text": [ "দুটি" ], "answer_start": [ 27 ] } }, { "id": 2130, "title": "রাষ্ট্রের কার্যাবলি", "context": "জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা রাষ্ট্রের আরেকটি অপরিহার্য কাজ। দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব। আধুনিককালে প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রই শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তুলেছে। প্রতিরক্ষা বাহিনীর সামর্থ্য ও আধুনিকায়ন একটি রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে। স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।", "question": "রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনার উদ্দেশ্য কী?", "answers": { "text": [ "দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং বৈদেশিক আক্রমণ থেকে দেশ রক্ষা" ], "answer_start": [ 84 ] } }, { "id": 1722, "title": "বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", "context": "এই অর্থের সবটা দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না। উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে খণ সহায়তা ও অনুদান গ্রহণ করে।", "question": "বাংলাদেশের উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহের জন্য কি করা হয়?", "answers": { "text": [ "খণ সহায়তা ও অনুদান" ], "answer_start": [ 131 ] } }, { "id": 1878, "title": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", "context": "দেশের কাগজি মুদ্রার প্রচলন ও মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রাই দেশের 'বিহিত মুদ্রা'। এ মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য যাতে স্থিতিশীল থাকে তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত সরকারের ব্যাংক। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে এ ব্যাংক বিনা খরচে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকারের পাওনা আদায় এবং বিভিন্ন খাতে সরকারের দেনা পরিশোধ করে।", "question": "মুদ্রার অভ্যন্তরীণ ও বহির্মূল্য কে স্থিতিশীল রাখে?", "answers": { "text": [ "কেন্দ্রীয় ব্যাংক" ], "answer_start": [ 60 ] } }, { "id": 540, "title": "জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আওতায় এই উৎপাদন ও বণ্টন পদ্ধতি ভিন্ন হয়। যে পদ্ধতিতে কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয়, সেটাকেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে।", "question": "অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কী বোঝায়?", "answers": { "text": [ "যে পদ্ধতিতে কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয়" ], "answer_start": [ 71 ] } }, { "id": 1080, "title": "নির্বাচনি অপরাধ ও অপরাধের দণ্ড", "context": "নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্ধারিত। নির্বাচনি অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: নির্ধারিত ব্যয় লঙ্ঘন, ঘুষ গ্রহণ, জাল ভোট প্রদান, ভোটে প্রভাব খাটানো, প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রার্থীর প্রতীকের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া, জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিতে বাধা সৃষ্টি করা, ভোটারদের ভোট না দিতে বাধ্য করা, বেআইনি আচরণ করা এবং সভা-মিছিলের নিষেধ লঙ্ঘন। ব্যালট পেপার বা বাক্স নষ্ট করা, জাল করা, কেন্দ্র দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতাও গুরুতর অপরাধ।", "question": "নির্বাচন সংক্রান্ত ঘুষ গ্রহণ কি ধরনের অপরাধ?", "answers": { "text": [ "গুরুতর অপরাধ" ], "answer_start": [ 518 ] } }, { "id": 1983, "title": "নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", "context": "প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদ-নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে। কেননা, নদ-নদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। কৃষি কাজের জন্যে পানির জোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদীকে মানুষ ব্যবহার করেছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।", "question": "মানুষ নদীর কাছাকাছি কেন বসতি স্থাপন করেছে?", "answers": { "text": [ "প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে" ], "answer_start": [ 95 ] } }, { "id": 1476, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। এভাবে দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে (১৭৫৭-১৯৭১) ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হ", "question": "ঔপনিবেশিক শাসন কবে থেকে শুরু হয়?", "answers": { "text": [ "১৭৫৭" ], "answer_start": [ 92 ] } }, { "id": 828, "title": "আইন বিভাগ", "context": "সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইন বিভাগ। আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট। আইনসভা আইন প্রণয়ন করে। নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়। আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্ধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে । এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত । বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস আর ব্রিটেনের আইনসভা হলো পার্লামেন্ট। অনেক মুসলিম রাস্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত । কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে। বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট। ভারত, যুত্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।", "question": "আইনসভা কাদের নিয়ে গঠিত হয়?", "answers": { "text": [ "নির্বাচিত গণপ্রতিনিধি" ], "answer_start": [ 193 ] } }, { "id": 2044, "title": "কৃষিজ সম্পদ", "context": "দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং নেপাল বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কৃষিপ্রধান। এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মাটি, নদ-নদী ইত্যাদির উপর নির্ভর করে কৃষকগণ এখানকার কৃষিজ সম্পদ উৎপাদন করে। কৃষি উৎপাদনে একটি সুনির্দিষ্ট মাত্রার তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের দরকার হয়। এজন্য অঞ্চলভেদে কৃষি উৎপাদনে তারতম্য ঘটে। অত্যন্ত শীতল জলবায়ুর কারণে কিংবা বৃষ্টিপাতের অভাবে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলে শস্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।", "question": "কৃষি উৎপাদনে কোন দুটি প্রয়োজনীয়তা রয়েছে?", "answers": { "text": [ "সুনির্দিষ্ট মাত্রার তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত" ], "answer_start": [ 214 ] } }, { "id": 623, "title": "বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "মানুষের প্রয়োজন বহুবিধ। তার খাদ্য, বসত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন। সুশিক্ষা ও সুস্বাস্থ্যেরও প্রয়োজন। এছাড়া সুন্দরভাবে বাঁচতে হলে প্রয়োজন বিনোদনের ব্যবস্থা, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবার এবং সমাজ ব্যবস্থা। এসব প্রয়োজন থেকে অভাবের সৃষ্টি হয়। সম্পদ সবসময়ই অপ্রতুল। অভাব পূরণের জন্য মানুষ চেষ্টা করে এবং উৎপাদন করে। উৎপাদন হলো দ্রব্য বা সম্পদের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর।", "question": "মানুষের প্রয়োজন কি কি?", "answers": { "text": [ "খাদ্য, বসত্র ও বাসস্থানের প্রয়োজন" ], "answer_start": [ 29 ] } }, { "id": 2215, "title": "আইনের উৎস", "context": "প্রথা হলো আইনের সবচেয়ে প্রাচীনতম উৎস। সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, আচার-আচরণ ও অভ্যাসই হচ্ছে সামাজিক প্রথা। এসব সামাজিক প্রথার আবেদন এতই বেশি যে, এগুলো অমান্য করলে সংঘাত ও বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এসব প্রচলিত প্রথা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়ে আইনে পরিণত হয়েছে। যেমন, ব্রিটেনের অধিকাংশ আইনই প্রথা থেকে এসেছে।", "question": "আইনের সবচেয়ে প্রাচীনতম উৎস কী?", "answers": { "text": [ "প্রথা" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 2187, "title": "নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", "context": "রাষ্ট্রের অর্গিত দায়িত্ব অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা নাগরিকের কর্তব্য। সরকারের গৃহীত যে কোনো কাজ জনগণের কাজ। নাগরিকদের সততা, কাজে একাগ্রতা ও নিষ্ঠার ওপর সরকারের সফলতা, উন্নতি ও অগ্রগতি নির্ভর করে।", "question": "নাগরিকের কর্তব্য কী?", "answers": { "text": [ "রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা" ], "answer_start": [ 33 ] } }, { "id": 250, "title": "শুক্র", "context": "শুক্র (Venus) নিজ অক্ষে খুব ধীর গতিতে আবর্তন করে। ফলে শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায়। গ্রহটিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন মেঘের কারণে এসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে।", "question": "শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কী গ্যাসের ঘন মেঘ রয়েছে?", "answers": { "text": [ "কার্বন ডাই-অক্সাইড" ], "answer_start": [ 119 ] } }, { "id": 1714, "title": "বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", "context": "দেশভিত্তিক আমদানি পণ্যের পর্যালোচনা থেকে দেখা যায় যে, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়কালে দেশের আমদানি ক্ষেত্রে চীনের অবস্থান শীর্ষে। এ সময়ে দেশের মোট আমদানির শতকরা ২৩.৯ ভাগ চীন থেকে এসেছে। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত, সিঙ্গাপুর ও জাপান। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬)", "question": "২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে কোন দেশগুলো ছিল?", "answers": { "text": [ "যথাক্রমে ভারত, সিঙ্গাপুর ও জাপান" ], "answer_start": [ 241 ] } }, { "id": 1626, "title": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন", "context": "উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যাধিক্য রয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে হলেও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তি বা মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যসুবিধা ও সেবার সম্প্রসারণ ঘটে। এসব কারণে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।", "question": "জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কী অর্জিত হয়?", "answers": { "text": [ "দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়" ], "answer_start": [ 429 ] } }, { "id": 714, "title": "মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "জনসাধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য ও সেবা, যেমন—যোগাযোগ ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষার আয়োজন প্রভৃতি প্রধানত সরকারি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।", "question": "শিশুখাদ্যের নিয়ন্ত্রণ কিভাবে হয়?", "answers": { "text": [ "সরকারি নিয়ন্ত্রণে" ], "answer_start": [ 117 ] } }, { "id": 362, "title": "পৃথিবীর গতি", "context": "পৃথিবীর গতি দুই প্রকার- আহিক গতি ও বার্ষিক গতি।", "question": "পৃথিবীর গতি কত প্রকার?", "answers": { "text": [ "দুই প্রকার" ], "answer_start": [ 12 ] } }, { "id": 208, "title": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র গেরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", "question": "বাংলাদেশি সৈন্যরা কোথায় দাঁড়িয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে?", "answers": { "text": [ "আফ্রিকা ও এশিয়া" ], "answer_start": [ 40 ] } }, { "id": 20, "title": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", "question": "জাতিসংঘ দিবস প্রতি বছর কবে পালন করা হয়?", "answers": { "text": [ "২৪শে অক্টোবর" ], "answer_start": [ 532 ] } }, { "id": 1205, "title": " উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", "context": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে—যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।", "question": "উন্নত দেশসমূহ উন্নয়নশীল ও কোন দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে?", "answers": { "text": [ "নিম্ন আয়ের দেশ" ], "answer_start": [ 331 ] } }, { "id": 194, "title": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", "context": "আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশি সৈন্যদের অভূতপূর্ব সাফল্য সারা বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতাকে অনেক বৃদ্ধি করেছে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি পেয়েছে।", "question": "বাংলাদেশের পরিচিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে?", "answers": { "text": [ "বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার মডেল হিসেবে" ], "answer_start": [ 115 ] } }, { "id": 1239, "title": " উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", "context": "“নিম্ন আয়ের দেশসমূহের মাথাপিছু আয় ৪৯০ ডলার থেকে ৭৮০ ডলারের মধ্যে। উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক রিপোর্ট-২০১৫ অনুসারে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১১৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার।", "question": "বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৬ অনুসারে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?", "answers": { "text": [ "১৪৬৬ মার্কিন ডলার" ], "answer_start": [ 266 ] } }, { "id": 853, "title": "প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি", "context": "প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি শাসন, আইন প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক তদারকির দায়িত্বে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী এবং রাষ্ট্রপতির নামে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে, জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সংসদের নেতা হিসেবে তিনি বিরোধী দলের আস্থা অর্জন করেন এবং রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীকে বাজেট প্রণয়নে পরামর্শ দেন এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় সাধনে নেতৃত্ব দেন। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।", "question": "প্রধানমন্ত্রী বাজেট প্রণয়নে কাকে পরামর্শ দেন?", "answers": { "text": [ "অর্থমন্ত্রীকে" ], "answer_start": [ 442 ] } }, { "id": 427, "title": "টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ", "context": "উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর মধ্যে চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া প্রধান।", "question": "উত্তরের পাহাড়গুলোকে কী নামে ডাকা হয়?", "answers": { "text": [ "টিলা" ], "answer_start": [ 32 ] } }, { "id": 1203, "title": " উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", "context": "উচ্চ আয়ের দেশসমূহ উন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃত। উন্নয়ন প্রক্রিয়া শীর্ষ পর্যায়ে পৌছানোর ফলেই এসব দেশ এই উন্নত অবস্থা অর্জন করেছে। এসব দেশের মাথাপিছু আয় এমন যে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের পরও প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে—যা সঞ্চয় ও মূলধন গঠনে ব্যয় হয়। এসব দেশ উদ্বৃত্ত অর্থ দিয়ে অধিকতর উন্নয়ন কার্যক্রম চালায় এবং উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে।", "question": "উচ্চ আয়ের দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের পর কি থাকে?", "answers": { "text": [ "প্রচুর অর্থ উদ্বৃত্ত" ], "answer_start": [ 194 ] } }, { "id": 280, "title": "বৃহস্পতি", "context": "মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝখানে ছোট ছোট গ্রহাণু একত্রে একটি পুঞ্জ গঠন করে পরিক্রমণ করছে। এই অঞ্চলের মধ্যে আর কোনো গ্রহ নেই।", "question": "মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝখানে কি আছে?", "answers": { "text": [ "ছোট ছোট গ্রহাণু" ], "answer_start": [ 26 ] } }, { "id": 2257, "title": "বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", "context": "তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আমাদের তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে দরিদ্র, প্রান্তিক এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে। প্রতিটি সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব হবে। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হওয়ার মাধ্যমে মানবাধিকার ও দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সর্বোপরি, গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হবে।", "question": "তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে কী নির্মূল করা সম্ভব হবে?", "answers": { "text": [ "দুর্নীতি" ], "answer_start": [ 253 ] } }, { "id": 869, "title": "জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", "context": "বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) অনুসারে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ফলে আইন প্রণয়ন, শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচনসহ সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংসদের প্রধান কার্যাবলিগুলোর মধ্যে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা রয়েছে, যা সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদকে আইনসভা হিসেবে গঠন করে। সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ সংসদের আস্থাভাজন ব্যাক্তিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান। ", "question": "দ্বাদশ সংশোধনীর ফলে সংসদের কি কি ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়?", "answers": { "text": [ "আইন প্রণয়ন, শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ, অর্থ-সংকলন এবং নির্বাচন" ], "answer_start": [ 100 ] } }, { "id": 596, "title": "সমষ্টিগত সম্পদের সংরক্ষণ", "context": "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন (গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি) ও কলকারখানা, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, অফিস ভবন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি ও ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ সম্পদ (বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি)—এসবই সমষ্টিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", "question": "প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে কী অন্তর্ভুক্ত?", "answers": { "text": [ "বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়" ], "answer_start": [ 234 ] } }, { "id": 348, "title": "দ্রাঘিমারেখা", "context": "যে রেখাগুলো কল্পনা করা হয়েছে তাদের দ্রাঘিমারেখা বলা হয়। দ্রাঘিমারেখাকে মধ্যরেখাও বলা হয়। দ্রাঘিমারেখাগুলো অর্ধবৃত্ত এবং সমান্তরাল নয়। প্রত্যেকটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান। সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা ১৮০° হয়।", "question": "দ্রাঘিমারেখা কী ধরনের রেখা?", "answers": { "text": [ "অর্ধবৃত্ত" ], "answer_start": [ 109 ] } }, { "id": 1410, "title": "প্রাকৃতিক ও মানবসম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার", "context": "বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উর্বর কৃষিজমি, নদ-নদী, প্রাকৃতিক জলাশয় এবং ভূগর্ভস্থ খনিজসম্পদ। খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা, বালু, সাদা মাটি, চীনা মাটি, কঠিন শিলা ইত্যাদি।", "question": "ভূগর্ভস্থ খনিজ সম্পদগুলোর মধ্যে কী কী অন্তর্ভুক্ত?", "answers": { "text": [ "কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা" ], "answer_start": [ 155 ] } }, { "id": 183, "title": "নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।", "question": "জাতিসংঘ নারীর উন্নয়নের জন্য কি কাজ করছে?", "answers": { "text": [ "নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে" ], "answer_start": [ 297 ] } }, { "id": 2087, "title": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। ভূমি, বনভূমি, মৎস্য, খনিজ পদার্থ, সৌর তাপ, প্রাকৃতিক জলাশয় ইত্যাদি এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসব প্রাকৃতিক সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বিধান এবং উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রাকৃতিক এসব সম্পদই অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ ত্বরান্বিত করবে। বাংলাদেশের মাটি আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। অত্যন্ত উর্বর এই মাটিতে ফসল ফলাতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়ে না।", "question": "বাংলাদেশের মাটি কেন একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ?", "answers": { "text": [ "অত্যন্ত উর্বর এই মাটিতে ফসল ফলাতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়ে না" ], "answer_start": [ 426 ] } }, { "id": 1893, "title": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", "context": "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।", "question": "মুদ্রাস্ফীতি কিসের কারণে হতে পারে?", "answers": { "text": [ "অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে" ], "answer_start": [ 131 ] } }, { "id": 437, "title": "প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ", "context": "কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটার। এই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার।", "question": "লালমাই পাহাড়ের আয়তন কত?", "answers": { "text": [ "৩৪ বর্গকিলোমিটার" ], "answer_start": [ 101 ] } }, { "id": 877, "title": "জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", "question": "নির্বাচনী ক্ষমতা কাদের ওপর ন্যস্ত?", "answers": { "text": [ "জাতীয় সংসদের ওপর" ], "answer_start": [ 194 ] } }, { "id": 150, "title": "নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", "context": "১৯৭৫ সালে নারী বছর ঘোষণা করা হয় এবং প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয়।", "question": "প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?", "answers": { "text": [ "মেক্সিকোতে" ], "answer_start": [ 62 ] } }, { "id": 1656, "title": "মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি", "context": "উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি প্রধানত পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা থাকলেও তা বাস্তবায়নের ফলে উন্নতির একটি প্রবণতা সৃষ্টি হয়। ফলে এসব দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। জীবনযাত্রার মানে উন্নয়ন সূচিত হয়।", "question": "উন্নয়নশীল দেশের মাথাপিছু আয় কীভাবে বাড়ে?", "answers": { "text": [ "পরিকল্পনা বাস্তবায়নে" ], "answer_start": [ 68 ] } }, { "id": 113, "title": "জাতিসংঘের বিভাগ", "context": "বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও (WHO) - স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে, যেমন- বাংলাদেশের পোলিও নিবারণের জন্য শিশুদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়াচ্ছে এবং টিকা দিচ্ছে।", "question": "WHO কি ধরনের কর্মসূচি পালন করছে?", "answers": { "text": [ "পোলিও নিবারণের জন্য" ], "answer_start": [ 141 ] } }, { "id": 1378, "title": "অবকাঠামোর দুর্বলতা", "context": "অবকাঠামো প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়: সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ইত্যাদি সামাজিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ইত্যাদি), পরিবহন (স্থল, পানি ও আকাশপথে), আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি সরবরাহ, বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।", "question": "সামাজিক অবকাঠামোর উদাহরণ কী?", "answers": { "text": [ "শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন" ], "answer_start": [ 68 ] } }, { "id": 142, "title": "নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", "context": "১৯৫৭ সালে বিবাহিত নারীদের জাতীয়তা সংরক্ষণ বা পরিবর্তন করার অধিকার দেওয়া হয়।", "question": "বিবাহিত নারীদের জাতীয়তা কিভাবে সংরক্ষণ করা হয়?", "answers": { "text": [ "পরিবর্তন করার অধিকার" ], "answer_start": [ 46 ] } }, { "id": 1380, "title": "অবকাঠামোর দুর্বলতা", "context": "অবকাঠামো প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়: সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন ইত্যাদি সামাজিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডাক ও টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ইত্যাদি), পরিবহন (স্থল, পানি ও আকাশপথে), আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক, বিমা প্রভৃতি), শিল্পের জন্য ঋণদানকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানি সরবরাহ, বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থা ইত্যাদি অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত।", "question": "পরিবহন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত কোন কোন মাধ্যম রয়েছে?", "answers": { "text": [ "স্থল, পানি ও আকাশপথে" ], "answer_start": [ 207 ] } }, { "id": 1936, "title": "পদ্মা নদী", "context": "পদ্মা নদী ভারত ও বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে গঙ্গা এবং বাংলাদেশে পদ্মা নামে পরিচিত। এর উৎপত্তিস্থল মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহে। উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্য অতিক্রম করে গঙ্গা রাজশাহী জেলার দিয়ে পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারা যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চাঁদপুরে এসে এ নদী মেঘনার সঙ্গে মিলিত হয়ে বরিশাল ও নোয়াখালী অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।", "question": "পদ্মা নদী কোন সমুদ্রে পতিত হয়েছে?", "answers": { "text": [ "বঙ্গোপসাগর" ], "answer_start": [ 375 ] } }, { "id": 81, "title": "বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", "context": "বাংলাদেশে জাতিসংঘের সবকটি অঙ্গ সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য বাংলাদেশ সবসময়ই এর বিশেষ নজর পেয়ে থাকে। ১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন।", "question": "জাতিসংঘের কতটি অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশে সক্রিয়?", "answers": { "text": [ "সবকটি অঙ্গ সংগঠন" ], "answer_start": [ 20 ] } }, { "id": 1759, "title": "আয়কর: ", "context": "আয়কর: বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর। জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়। যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল হারে আয়কর আদায় করা হয়।", "question": "কাদের নিকট থেকে আয়কর আদায় করা হয়?", "answers": { "text": [ "যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার উপরে" ], "answer_start": [ 129 ] } }, { "id": 2120, "title": "রাস্ট্রের উপাদান", "context": "সার্বভৌমের আদর্শই হলো আইন। সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইটি দিক রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যকার সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়। বাহ্যিক সার্বভৌমত্বের অর্থ হলো রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। যতদিন রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বিদ্যমান থাকে, ততদিন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব থাকবে। সরকারের পরিবর্তন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্বকে নষ্ট করে না।", "question": "সার্বভৌম ক্ষমতার কয়টি দিক রয়েছে?", "answers": { "text": [ "দুইটি" ], "answer_start": [ 65 ] } }, { "id": 1639, "title": "বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর অর্থ ও মূলধনের প্রয়োজন হয়। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় এসব দেশ বিদেশি ঋণ, সাহায্য ও অনুদানের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ নির্ভরশীলতা সাধারণত দীর্ঘদিন চলতে থাকে। তবে উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে এ নির্ভরতা কমে আসে।", "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন অর্জনের এক পর্যায়ে কী ঘটে?", "answers": { "text": [ "এ নির্ভরতা কমে আসে" ], "answer_start": [ 315 ] } }, { "id": 1360, "title": "স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", "context": "মজুরির নিম্নহার, ব্যাপক বেকারত্ব ও অর্ধবেকারত্বের ফলে জনগণের গড় আয় অর্থাৎ মাথাপিছু আয় কম। বাংলাদেশে ২০১৫-২০১৬ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১৪৬৬ মার্কিন ডলার। এই আয় প্রতিবেশী শ্রীলংকা ও ভারতের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম। এ দুটো দেশের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৩৯২৬.২ ও ১৫৯৮.৩ ডলার (ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ২০১৬)।", "question": "২০১৫-২০১৬ সালের জাতীয় আয়ের প্রতিবেদন কোন সংস্থার?", "answers": { "text": [ "ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক" ], "answer_start": [ 278 ] } }, { "id": 1444, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার মূল কারণ প্রায় দুইশ' বছরের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। স্বাধীনতা-পূর্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসকে ৪টি পর্বে ভাগ করা যায় - প্রাচীন বাংলা, মুসলিম শাসনামল, ব্রিটিশ শাসনকাল ও পাকিস্তানি আমল। প্রাচীন বাংলায় কৃষি উৎপাদনে প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য ছিল। শিল্প ক্ষেত্রে ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প বিশেষ প্রসার লাভ করেছিল।", "question": "কোন কোন শিল্প প্রাচীন বাংলায় প্রসার লাভ করেছিল?", "answers": { "text": [ " ধাতব শিল্প, কাঠ শিল্প ও বস্ত্র শিল্প " ], "answer_start": [ 288 ] } }, { "id": 1990, "title": "নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", "question": "নারায়ণগঞ্জ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?", "answers": { "text": [ "শীতলক্ষ্যার তীরে" ], "answer_start": [ 364 ] } }, { "id": 218, "title": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", "context": "বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের পথে, এবং এর আছে বিশাল জনগোষ্ঠী। বিশাল জনগণের প্রশিক্ষিত সামরিক-বেসামরিক বাহিনী বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অবদান রাখছে। উন্নত দেশগুলো অর্থ দিয়ে জাতিসংঘে অবদান রাখছে। বাংলাদেশ তার সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি রক্ষায় এক অনন্য অবদান রেখেছে; বৃদ্ধি করেছে দেশের মর্যাদা ও গৌরব।", "question": "বাংলাদেশ কীভাবে বিশ্বশান্তি রক্ষায় অবদান রেখেছে?", "answers": { "text": [ "সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে" ], "answer_start": [ 200 ] } }, { "id": 880, "title": "জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", "context": "সংসদ রাষ্ট্রের অর্থের ব্যয় এবং কর আরোপের বিষয়েও নিয়ন্ত্রণ রাখে; সংসদের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যয় করা যায় না। বিচার বিষয়ক ক্ষমতা হিসেবে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং নির্বাচনী ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে। সংসদ সংবিধানের আমানতদার হিসেবে কাজ করে এবং এর সংশোধনীর দায়িত্বও পালন করে। এছাড়াও, সংসদ সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধ ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষমতাও রাখে।", "question": "সংসদের কি ধরনের দায়িত্ব রয়েছে সংশোধনীর ক্ষেত্রে?", "answers": { "text": [ "সংশোধনীর দায়িত্বও পালন" ], "answer_start": [ 322 ] } }, { "id": 1773, "title": "অন্যান্য কর ও শুল্ক:", "context": "আরও কিছু কর ও শুল্ক থেকে সরকার আয় করে। এর মধ্যে রয়েছে - আমোদ প্রমোদ কর, সম্পত্তি কর, পেট্রোল ও গ্যাসের ওপর শুল্ক, বিদেশ ভ্রমণের ওপর শুল্ক, সেচ কাজ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর ইত্যাদি।", "question": "সরকার আয়ের জন্য কোন ধরনের কর সংগ্রহ করে?", "answers": { "text": [ "আরও কিছু কর ও শুল্ক" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 1889, "title": "কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যাবলি", "context": "ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ দেশের মোট মুদ্রার যোগানের অন্তর্ভুক্ত। অতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টির কারণে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।", "question": "ঋণ সৃষ্টির ফলে কী সমস্যা দেখা দিতে পারে?", "answers": { "text": [ "মুদ্রাস্ফীতি" ], "answer_start": [ 157 ] } }, { "id": 1543, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "অর্জিত জ্ঞানের প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত দক্ষতাও শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে পারে না। তবে বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুর্বলতা, জনগণের সাক্ষরতার নিম্নহার এবং কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবের ফলে সাধারণ শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা কম।", "question": "শিক্ষার কোন দুর্বলতার প্রভাব উৎপাদনশীলতায় পড়ে?", "answers": { "text": [ "পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক" ], "answer_start": [ 264 ] } }, { "id": 1433, "title": "বেকারত্ব ও দারিদ্র", "context": "মুসলিম শাসনামল ছিল বাংলার স্বর্ণযুগ। এ সময়ে কৃষি, শিল্প, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করেছিল।", "question": "কোন সময়কে বাংলার স্বর্ণযুগ বলা হয়?", "answers": { "text": [ "মুসলিম শাসনামল" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 655, "title": "আয় ও অভাব", "context": "এই আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিক, শ্রমিক, পুঁজিপতি বা মূলধনের মালিক এবং উদ্যোক্তা তাদের বিভিন্ন প্রয়োজন বা অভাব পূরণ করে।", "question": "কারা তাদের অভাব পূরণের জন্য আয় ব্যবহার করে?", "answers": { "text": [ "ভূমির মালিক, শ্রমিক, পুঁজিপতি বা মূলধনের মালিক এবং উদ্যোক্তা" ], "answer_start": [ 17 ] } }, { "id": 1119, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে অনেক সময় মোট জাতীয় আয় বলা হয়। যে কোনো সরল অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI) একই হতে পারে।", "question": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে আর কী বলা হয়?", "answers": { "text": [ "মোট জাতীয় আয়" ], "answer_start": [ 30 ] } }, { "id": 939, "title": "জেলা প্রশাসন", "context": "জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় সতর। প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য । তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরই তার স্থান। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান। বাৎ্লাদেশ সচিবালয়ে জেলা-সংক্কান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়। জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন। আর জেলা প্রশাসকদের কেন্দ্র করেই জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত । জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দায়ী। বিভাগীয় কমিশনার আবার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী। বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে জেলা ও কেন্দ্রের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক।", "question": "জেলা প্রশাসক কোন পদমর্যাদার কর্মকর্তা?", "answers": { "text": [ "উপসচিব" ], "answer_start": [ 311 ] } }, { "id": 357, "title": "প্রমাণ সময়", "context": "গ্রিনিচের (০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা) স্থানীয় সময়কে সমগ্র পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা ৬ ঘণ্টা অগ্রবর্তী।", "question": "বাংলাদেশের প্রমাণ সময় কত ঘণ্টা অগ্রবর্তী?", "answers": { "text": [ "৬ ঘণ্টা" ], "answer_start": [ 143 ] } }, { "id": 57, "title": "জাতিসংঘের উদ্দেশ্য", "context": "শান্তি ভঙ্গের হুমকি, অস্থিতিশীল প্রবণতা ও কার্যকলাপ দূর করে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; সকল মানুষের সমান অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতির মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব জোরদার করা; অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সকল জাতির মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলা; জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা; আন্তর্জাতিক আইনের সাহায্যে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা; প্রত্যেক জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের স্বীকৃতি ও তা সমুন্নত রাখা; এবং উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করা।", "question": "জাতিসংঘের কার্যক্রম অনুসরণ করার মাধ্যমে কি অর্জন হয়?", "answers": { "text": [ "উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়ন" ], "answer_start": [ 532 ] } }, { "id": 1062, "title": "নির্বাচন কমিশনের গঠন", "context": "বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর। কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে সেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন। অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।", "question": "নির্বাচন কমিশন কিভাবে গঠিত হয়?", "answers": { "text": [ "প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার" ], "answer_start": [ 166 ] } }, { "id": 1293, "title": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", "context": "কৃষি খাতের আরেকটি বড় ত্রুটি হলো কৃষক বা কৃষি মজুরদের ন্যায্য মজুরি দেওয়া সবক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায় না। এছাড়া পরিবহন সুবিধার অপ্রতুলতা ও বাজার ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না। এ বিষয়টি দেশের সমগ্র কৃষি ক্ষেত্রে একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে।", "question": "বাজার ব্যবস্থার কী ত্রুটি আছে?", "answers": { "text": [ "প্রকৃত উৎপাদকেরা অনেক ক্ষেত্রেই উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পায় না" ], "answer_start": [ 171 ] } }, { "id": 263, "title": "মঙ্গল", "context": "মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবীর পরেই অবস্থান করছে। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে ৭.৮ কোটি কিলোমিটার। মঙ্গল গ্রহের ব্যাস ৬,৭৭৯ কিলোমিটার এবং এর ওজন পৃথিবীর প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ। এর আয়তন ১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার।", "question": "মঙ্গল গ্রহের আয়তন কত?", "answers": { "text": [ "১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার" ], "answer_start": [ 236 ] } }, { "id": 1367, "title": "স্বল্প মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার নিম্নমান:", "context": "নিম্ন মাথাপিছু আয়ের কারণে জীবনযাত্রার মানও নিম্ন। দেশের ২৪.৮ শতাংশ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ জনগণের অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)", "question": "দারিদ্র্যসীমার নিচে কত শতাংশ জনগণ বাস করে?", "answers": { "text": [ "২৪.৮ শতাংশ" ], "answer_start": [ 57 ] } }, { "id": 358, "title": "প্রমাণ সময়", "context": "৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে অবস্থিত। এ কারণে এ দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ধরে কাজ করা হয়।", "question": "৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কোথায় অবস্থিত?", "answers": { "text": [ "বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে" ], "answer_start": [ 29 ] } }, { "id": 1730, "title": "বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", "context": "উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেমন- বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU), জাতিসংঘ সংস্থাসমূহ, ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (IDA) প্রভৃতি থেকেও বাংলাদেশ খণ ও অনুদান গ্রহণ করে।", "question": "বাংলাদেশ কোন ধরনের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি থেকে খণ গ্রহণ করে?", "answers": { "text": [ "ঋণ সহায়তা ও অনুদান দানকারী" ], "answer_start": [ 18 ] } }, { "id": 1664, "title": "উন্নত ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর সম্পর্ক", "context": "আমরা জানি যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের দেশগুলোর অধিকাংশই উন্নত দেশের শ্রেণিভুক্ত। দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো প্রধানত নিম্ন আয়ের দেশ। এছাড়া পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকান দেশগুলো প্রধানত মধ্যম আয়ের দেশ। এসবের মধ্যে নিম্ন মধ্য আয় ও উচ্চ মধ্য আয় উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।", "question": "যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা কোন শ্রেণিভুক্ত দেশের মধ্যে পড়ে?", "answers": { "text": [ "উন্নত দেশের শ্রেণিভুক্ত" ], "answer_start": [ 64 ] } }, { "id": 2189, "title": "নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", "context": "রাষ্ট্রের অর্গিত দায়িত্ব অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা নাগরিকের কর্তব্য। সরকারের গৃহীত যে কোনো কাজ জনগণের কাজ। নাগরিকদের সততা, কাজে একাগ্রতা ও নিষ্ঠার ওপর সরকারের সফলতা, উন্নতি ও অগ্রগতি নির্ভর করে।", "question": "সরকারের সফলতা, উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য কিসের নির্ভর করে?", "answers": { "text": [ "নাগরিকদের সততা, কাজে একাগ্রতা ও নিষ্ঠা" ], "answer_start": [ 127 ] } }, { "id": 1250, "title": "অর্থনীীতির বৈশিষ্ট", "context": "কোনো দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রধানত সে দেশের অর্থনীতির প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। অর্থনীতির প্রকৃতি আবার দেশের ভূ-প্রকৃতি, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার স্তর এবং তাদের উদ্যম ও উদ্যোগ গ্রহণের মানসিকতা—এ সবকিছুর ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অর্থনীতি অতি প্রাচীনকাল থেকেই একটি কৃষিপ্রধান বা কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত।", "question": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে?", "answers": { "text": [ "প্রাচীনকাল থেকেই" ], "answer_start": [ 261 ] } }, { "id": 1274, "title": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", "question": "বাংলাদেশের অর্থনীতির কোন খাতটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?", "answers": { "text": [ "কৃষি খাত" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 709, "title": "সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "এই ব্যবস্থায় বেকারত্ব থাকে না। কারণ রাষ্ট্র প্রত্যেকের সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয়।", "question": "সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বেকারত্বের অবস্থা কী?", "answers": { "text": [ "বেকারত্ব থাকে না" ], "answer_start": [ 14 ] } }, { "id": 307, "title": "পৃথিবীতে জীব বসবাসের কারণ", "context": "ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর হলো ট্রপোস্ফিয়ার। এ বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি এই স্তরে লক্ষ করা যায়। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এ স্তরে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায়।", "question": "ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর কি?", "answers": { "text": [ "ট্রপোস্ফিয়ার" ], "answer_start": [ 47 ] } }, { "id": 34, "title": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", "question": "জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলো কি কি?", "answers": { "text": [ "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন" ], "answer_start": [ 31 ] } }, { "id": 1464, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল- পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান।v", "question": "পাকিস্তানের কতটি অংশ ছিল?", "answers": { "text": [ "দুটি" ], "answer_start": [ 41 ] } }, { "id": 1617, "title": "অবকাঠামো উন্নয়ন", "context": "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বিধায় উন্নয়নশীল দেশে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তাই এসব দেশে উন্নয়ন শুরুর পর্যায়েই অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, মূলধন গঠন ও সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই উন্নয়ন অর্জনের ধারায় ক্রমশ সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি ঘটে।", "question": "উন্নয়নশীল দেশে কেন অবকাঠামো উন্নয়ন অপরিহার্য?", "answers": { "text": [ "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 336, "title": "অক্ষ", "context": "পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কলগিত রেখাকে অক্ষ বলা হয় (Axis)। এ অক্ষের উত্তর প্রান্তকে উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ প্রান্তকে দক্ষিণ মেরু বলা হয়।", "question": "উত্তর অক্ষের প্রান্তকে কি বলা হয়?", "answers": { "text": [ "উত্তর মেরু" ], "answer_start": [ 95 ] } }, { "id": 2092, "title": "বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব", "context": "দেশের জাতীয় আয়ের সিংহভাগই আসে এসব সম্পদকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে। দেশে যে সব শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠেছে বা উঠছে, তার পেছনে রয়েছে দেশীয় প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার। এর ফলে মানুষজন কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে। দেশীয় চাহিদার পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। বিদেশে রপ্তানিযোগ্য দ্রব্যসামগ্রীও এসব সম্পদকে ব্যবহার করেই তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন নতুন উদ্যোগ গৃহীত হচ্ছে। প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার সেই সব উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে।", "question": "দেশের জাতীয় আয়ের সিংহভাগ কোথা থেকে আসে?", "answers": { "text": [ "প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার" ], "answer_start": [ 137 ] } }, { "id": 663, "title": "অর্থনৈতিক কার্যাবলি", "context": "এ ব্যবস্থা জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং অর্থনীতি বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে।", "question": "অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গঠনের উপাদান কী?", "answers": { "text": [ "জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং অর্থনীতি বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামোর সমন্বয়ে" ], "answer_start": [ 11 ] } }, { "id": 927, "title": "স্থানীয় প্রশাসন", "context": "স্থানীয় শাসন বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায় । প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ল্ত্রণকে নিযমন্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যন্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য। উদাহরণ হিসেবে আমাদের দেশে বিভাগীয় কমিশনার , জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কথা উল্লেখ করা যায়।", "question": "স্থানীয় শাসন বলতে কী বোঝায়?", "answers": { "text": [ "বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থা" ], "answer_start": [ 50 ] } }, { "id": 2084, "title": "স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি", "context": "বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্ঞ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়। স্যাতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত । বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে।", "question": "বাংলাদেশে মোট কত বর্গ কিলোমিটার স্রোতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে?", "answers": { "text": [ "৪,১৯২ বর্গ কিলোমিটার" ], "answer_start": [ 336 ] } }, { "id": 1188, "title": "অর্থনীতির খাত", "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", "question": "কৃষি খাতের মৌলিক সম্পদ কী?", "answers": { "text": [ "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 1683, "title": "আমদানি ও রপ্তানি", "context": "আমাদের রপ্তানির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো আমরা একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক দেশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা অদক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিক রপ্তানি করি। এসব দেশে নানারকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে।", "question": "শ্রমিক রপ্তানির ফলে কী সুবিধা পাওয়া যায়?", "answers": { "text": [ "কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা" ], "answer_start": [ 156 ] } }, { "id": 734, "title": "ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "ইসলামে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত।", "question": "ইসলামে সম্পদের মালিকানা কেমন?", "answers": { "text": [ "ব্যক্তিগত" ], "answer_start": [ 15 ] } }, { "id": 1822, "title": "বৈদেশিক বিষয়াবলি:", "context": "বৈদেশিক বিষয়াবলি: বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য দূতাবাস প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা: সরকারকে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের জন্য প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।", "question": "দূতাবাস পরিচালনার জন্য সরকার কি ধরনের ব্যয় করে?", "answers": { "text": [ "বিদেশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন, বহির্বিশ্বে দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা" ], "answer_start": [ 19 ] } }, { "id": 638, "title": "বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "মূলধন: উৎপাদিত উপাদানকে মূলধন বলে। মূলধন হলো সেই ধরনের সম্পদ যা সরাসরি ভোগ করা হয় না, কিন্তু যা কাজে লাগিয়ে অধিকতর উৎপাদন করা হয়। যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত ভবন, অর্থ ইত্যাদি হলো মূলধন।", "question": "মূলধন কিভাবে ব্যবহৃত হয়?", "answers": { "text": [ "অধিকতর উৎপাদন" ], "answer_start": [ 110 ] } }, { "id": 1775, "title": "কর-বহির্ভূত রাজস্ব:", "context": "কর-বহির্ভূত রাজস্ব: বাংলাদেশ সরকার কর ও শুল্ক ছাড়া আরও অনেক উৎস হতে রাজস্ব সংগ্রহ করে। এসব উৎস থেকে অর্জিত রাজস্বকে কর-বহির্ভূত রাজস্ব বলা হয়।", "question": "বাংলাদেশ সরকার কোথা থেকে রাজস্ব সংগ্রহ করে?", "answers": { "text": [ "আরও অনেক উৎস হতে" ], "answer_start": [ 52 ] } }, { "id": 577, "title": "জাতীয় সম্পদের উৎস", "context": "কোনো দেশের অধিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে এবং সেগুলোর রূপান্তর বা স্থানান্তর করে যে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে, তা মানবসৃষ্ট সম্পদ। মানুষ ভূমি আবাদ করে শস্য, ফল, ফুল, গাছপালা উৎপাদন করে। জলাশয়ে মাছ চাষ করে, খনিজ সম্পদ উত্তোলন করে তা ব্যবহার উপযোগী করে তোলে।", "question": "কীভাবে শস্য ও গাছপালা উৎপাদন করা হয়?", "answers": { "text": [ "ভূমি আবাদ করে" ], "answer_start": [ 188 ] } }, { "id": 1148, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", "question": "আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বাড়লে কী প্রভাব পড়ে?", "answers": { "text": [ "দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে" ], "answer_start": [ 8 ] } }, { "id": 1149, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "কারণ এই দ্বিগুণ আয় দিয়ে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে। অর্থাৎ তার আর্থিক আয় দ্বিগুণ হলেও তার প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পায়নি। কারণ, আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।", "question": "আয় দ্বিগুণ হলেও কেন জীবনযাত্রার মান একই থাকে?", "answers": { "text": [ "আর্থিক আয় ও দ্রব্যমূল্য একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।" ], "answer_start": [ 160 ] } }, { "id": 1859, "title": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", "context": "চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যে কোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না। সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।", "question": "চলতি আমানতের জন্য ব্যাংক কী প্রদান করে না?", "answers": { "text": [ "কোনো সুদ" ], "answer_start": [ 84 ] } }, { "id": 168, "title": "নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", "question": "সিডও সনদ অনুযায়ী দেশগুলো কি করতে বাধ্য?", "answers": { "text": [ "সনদ মেনে চলতে বাধ্য" ], "answer_start": [ 194 ] } }, { "id": 684, "title": "ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", "context": "অবাধ প্রতিযোগিতা: যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে পারে। তাই বাজারে একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা থাকেন এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা থাকে। বিক্রেতা এবং দ্রব্যের ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।", "question": "৫. অবাধ প্রতিযোগিতার প্রধান উদ্দেশ্য কী?", "answers": { "text": [ "একই দ্রব্যের বহুসংখ্যক উৎপাদক বা বিক্রেতা থাকেন এবং তাদের মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা" ], "answer_start": [ 95 ] } }, { "id": 1803, "title": "বেসামরিক প্রশাসন:", "context": "বেসামরিক প্রশাসন: সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও এসবের বিভাগসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়ন, কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ইত্যাদির জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", "question": "বেসামরিক প্রশাসনের জন্য সরকার কাদের জন্য ব্যয় করে?", "answers": { "text": [ "কর্মচারীদের বেতন, ভাতা" ], "answer_start": [ 84 ] } }, { "id": 1500, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "ব্যাংক ঋণ সুবিধা শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় ঋণ সুবিধা অপ্রতুল। নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে, এমন ঋণ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ কম। এছাড়া ঋণ ব্যবস্থাপনাও খুব সুষ্ঠু নয়।", "question": "শিল্প খাত উন্নয়নের জন্য কী অপরিহার্য?", "answers": { "text": [ "ব্যাংক ঋণ সুবিধা" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 768, "title": "বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।", "question": "বাংলাদেশ কবে স্বাধীনতা লাভ করে?", "answers": { "text": [ "১৯৭১ সালে" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 140, "title": "নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", "context": "১৯৫২ সালে নারীর রাজনৈতিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে নির্বাচনে নারী ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে।", "question": "নির্বাচনে নারী কি করতে পারবে?", "answers": { "text": [ "ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে" ], "answer_start": [ 72 ] } }, { "id": 1703, "title": "বৈদেেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক", "context": "সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ সর্বোচ্চ। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির পরিমাণ সার্কভুক্ত সকল দেশে রপ্তানির ৭৮ শতাংশ। উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে ২০১০-২০১১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ একই সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের মাত্র ৩ শতাংশ।", "question": "ভারতের সাথে রপ্তানিতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থান কোন বছর থেকে শুরু হয়েছিল?", "answers": { "text": [ "২০১০-২০১১ অর্থবছর" ], "answer_start": [ 70 ] } }, { "id": 1115, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "কারণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য ব্যবহৃত মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য থেকে কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়।", "question": "মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে কোন খরচ পৃথক করে রাখা হয়?", "answers": { "text": [ "মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য" ], "answer_start": [ 48 ] } }, { "id": 1862, "title": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", "context": "চলতি আমানতের গচ্ছিত অর্থ যে কোনো সময় তোলা যায়। এই আমানতের জন্য ব্যাংক আমানতকারীকে কোনো সুদ প্রদান করে না। সঞ্চয়ী আমানত থেকে সপ্তাহে এক বা দুইবার অর্থ উত্তোলন করা যায়। এজন্য ব্যাংক আমানতকারীকে অল্প সুদ প্রদান করে। স্থায়ী আমানতের জন্য আমানতকারীকে উচ্চ হারে সুদ প্রদান করা হয়।", "question": "কোন ধরনের আমানত থেকে এক বা দুইবার টাকা তোলা যায়?", "answers": { "text": [ "সঞ্চয়ী আমানত" ], "answer_start": [ 108 ] } }, { "id": 365, "title": "আহ্নিক গতি ", "context": "পৃথিবীর নিজস্ব আলো নেই। সূর্যের আলোতে পৃথিবী আলোকিত হয়। পৃথিবী গোলাকার বলে সূর্যের আলো একই সময়ে ভূপৃষ্ঠের সকল অংশে পড়ে না। আবর্তনের সময় যে অংশে আলো পড়ে সে অংশে দিন এবং যে অংশে অন্ধকার থাকে সে অংশে রাত হয়।", "question": "পৃথিবীর আলোকিত হওয়ার প্রধান উৎস কি?", "answers": { "text": [ "সূর্যের আলো" ], "answer_start": [ 24 ] } }, { "id": 2167, "title": "নাগরিকের ধারণা", "context": "পৌরনীতি পাঠের মূল বিষয়বস্তু হলো- নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্র। সাধারণত নাগরিক শব্দটি দ্বারা নগরে বসবাসরত অধিবাসীকে বোঝায়। একসময়ে যারা শাসনকার্যে সরাসরি জড়িত থাকতেন, তাদেরকেই কেবল নাগরিক হিসেবে ধরা হতো।", "question": "পৌরনীতি পাঠের মূল বিষয়বস্তু কী?", "answers": { "text": [ "নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্র" ], "answer_start": [ 34 ] } }, { "id": 19, "title": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", "question": "জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে আত্মপ্রকাশ করে?", "answers": { "text": [ "১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর" ], "answer_start": [ 521 ] } }, { "id": 2156, "title": "রাষ্ট্রের কার্যাবলি", "context": "রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ঐচ্ছিক কাজ হলো জনগণের স্বাধীনতা এবং অধিকার রক্ষা করা। রাষ্ট্র জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, চলাচলের স্বাধীনতা, রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এ লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময় পররাষ্ট্র রাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করে।", "question": "রাষ্ট্র জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, চলাচলের স্বাধীনতা, রাজনীতিতে অংশগ্রহণ কীভাবে নিশ্চিত করে?", "answers": { "text": [ "নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করে" ], "answer_start": [ 255 ] } }, { "id": 1166, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", "question": "কোন ক্ষেত্রে মাথাপিছু আয় বাড়লে জীবনযাত্রার মান বাড়বে?", "answers": { "text": [ "মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে" ], "answer_start": [ 75 ] } }, { "id": 1387, "title": "বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", "context": "আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের ওপর বাংলাদেশ অতিমাত্রায় নির্ভরশীল ছিল। তবে বিগত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিবর্তনজনিত কারণে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ ও অনুদান প্রাপ্তি ক্রমশ কমে আসছে।", "question": "বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য কী ওপর নির্ভরশীল ছিল?", "answers": { "text": [ "বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান" ], "answer_start": [ 28 ] } }, { "id": 696, "title": "ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", "context": "শ্রমিক শোষণ: সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য থাকে বিধায় উদ্যোক্তা বা পুঁজিপতিরা দ্রব্যের উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয় মূল্য বেশি পেতে চেষ্টা করে। উৎপাদন ব্যয় কম রাখার জন্য শ্রমিককে তার ন্যায্য মজুরির চেয়ে কম মজুরি দেওয়া হয়। এই উদৃত্ত মজুরি পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তার কাছে মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়। এভাবে উৎপাদিত সম্পদের বণ্টনে অসমতা ও বৈষম্য সৃষ্টি হয়। শ্রমিক প্রাপ্যের চেয়ে কম মজুরি পান, আর পুঁজিপতি ও উদ্যোক্তা তাদের প্রাপ্যের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করেন। যেহেতু পুঁজিপতির সংখ্যা কম, তাই একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সমাজের অধিকাংশ সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়। আর যেহেতু শ্রমিক অগণিত, তাই সমাজের বিশাল জনগোষ্ঠী মোট সম্পদের ক্ষুদ্র অংশের সুবিধা ভোগ করে।", "question": "২. উদ্যোক্তা বা পুঁজিপতিরা কী চেষ্টা করে?", "answers": { "text": [ "উৎপাদন ব্যয় কম রাখতে ও বিক্রয় মূল্য বেশি পেতে" ], "answer_start": [ 91 ] } }, { "id": 1524, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "পরিবহন (আকাশ, স্থল ও জলপথে) সুবিধার দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ততার কারণে যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না। জ্বালানি ও শক্তির ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ উভয়ই ত্রুটিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত। ফলে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।", "question": "পরিবহন সুবিধার অভাবে কী কী প্রভাব পড়ছে?", "answers": { "text": [ "যাতায়াত ও পণ্য উৎপাদন ও বিপণন কাঙ্ক্ষিত গতি পায় না" ], "answer_start": [ 66 ] } }, { "id": 299, "title": "নেপচুন", "context": "নেপচুনের গড় ব্যাস ৪৯,২৪৪ কিলোমিটার এবং সূর্য থেকে দূরত্ব ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। এর আয়তন ১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। সূর্য থেকে অধিক দূরত্বের কারণে গ্রহটি শীতল। গ্রহটি অনেকটা নীলাভ বর্ণের।", "question": "নেপচুনের আয়তন কত?", "answers": { "text": [ "১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার" ], "answer_start": [ 87 ] } }, { "id": 1174, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "২০১৫-২০১৬ সালে চলতি মুল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১,১৪,৫৪৭ টাকা এবং মার্কিন ডলারে ১,৪৬৬ ডলার। (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬, অর্থ মন্ত্রণালয়) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট (মে, ২০১৭) অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১,৬০২ মার্কিন ডলার।", "question": "বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমান মাথাপিছু আয় কত?", "answers": { "text": [ "১,৬০২ মার্কিন ডলার" ], "answer_start": [ 240 ] } }, { "id": 1103, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "উৎপাদনের উপকরণসমূহের মোট আয়ের সমষ্টি নির্ধারণ করতে ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং সংগঠন—উৎপাদনের এই চারটি উপকরণের আয় ক্যালকুলেট করা হয়।", "question": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস কী কী?", "answers": { "text": [ "ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং সংগঠন" ], "answer_start": [ 52 ] } }, { "id": 2081, "title": "ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য", "context": "বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণ রূপে ঝরে যায়। শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে। এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ, তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।", "question": "শালগাছ ছাড়া, পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চলে আরও কোন গাছ পাওয়া যায়?", "answers": { "text": [ "কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম" ], "answer_start": [ 178 ] } }, { "id": 371, "title": "বার্ষিক গতি", "context": "সূর্যকে পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর এক বছর সময় লাগে। এ সময়কে সৌরবছর বলা হয়। ঠিক হিসাবে এ সময় হলো ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে ধরা হয়।", "question": "লিপ ইয়ারে ফেব্রুয়ারি মাস কত দিনের হয়?", "answers": { "text": [ "২৯ দিন" ], "answer_start": [ 176 ] } }, { "id": 1834, "title": "ব্যাংকের ধারণা:", "context": " ব্যাংক হলো জনসাধারণের অর্থ গচ্ছিত রাখার এবং ঋণ গ্রহীতাদের বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ প্রদান করার প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। জনসাধারণ তাদের আয় বা উদ্বৃত্ত অর্থ নিরাপদে সঞ্চয়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখে। কোনো কোনো জমাকৃত অর্থ থেকে জনসাধারণ সুদ হিসেবে আয়ও করে থাকে।", "question": "ব্যাংকের কি ভূমিকা রয়েছে?", "answers": { "text": [ "অর্থনৈতিক উন্নয়নে" ], "answer_start": [ 102 ] } }, { "id": 1974, "title": "পশুর নদী", "context": "খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী । এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রস্থ এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্র বন্দরে প্রবেশ করতে পারে। খুলনা-বরিশাল নৌপথ। হিসেবে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", "question": "ভৈরব বা রূপসা নদী কোথায় অবস্থিত?", "answers": { "text": [ "খুলনার দক্ষিণে" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 1229, "title": " উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", "context": "মধ্য আয়ের দেশ' শ্রেণির নিচের ধাপে রয়েছে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ। এগুলোও উন্নয়নশীল দেশ। সারণিতে “নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ” হিসেবে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মিশর, নাইজেরিয়া—এ ছয়টি এশীয় ও আফ্রিকান দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।", "question": "নিম্ন মধ্য আয়ের দেশগুলি কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?", "answers": { "text": [ "এশীয় ও আফ্রিকান" ], "answer_start": [ 187 ] } }, { "id": 1474, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রেই পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাধান্য ছিল। এভাবে দুইশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে (১৭৫৭-১৯৭১) ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ চলার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি ধ্বংস হ", "question": "পশ্চিম পাকিস্তান কোন ক্ষেত্রে প্রাধান্য বিস্তার করেছিল?", "answers": { "text": [ "প্রশাসনের সকল ক্ষেত্রে" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 1741, "title": "আয়ের উৎস ", "context": "বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ সাধন, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে। এ ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-: ক. কর রাজস্ব ও খ. কর বহির্ভূত রাজস্ব। নিচে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো।", "question": "সরকারকে কি করতে হয় অর্থ ব্যয় করার জন্য?", "answers": { "text": [ "প্রচুর অর্থ আয় করতে হয়" ], "answer_start": [ 164 ] } }, { "id": 1161, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "জাতীয় আয়ের বণ্টন যদি সুষম না হয় তাহলে মাথাপিছু আয় বাড়লেও অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচুঁ।", "question": "মাথাপিছু আয় বাড়লে কেমন জীবনযাত্রা উন্নয়ন হতে পারে?", "answers": { "text": [ "না" ], "answer_start": [ 28 ] } }, { "id": 212, "title": "জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা", "context": "জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশন সহজ ছিল না। আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে যুদ্ধরত দুই বা ততোধিক সশস্ত্র গেরিলাগোষ্ঠীর মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশি সৈন্যরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে অস্ত্র বিরতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে। এ কাজে এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশি সৈন্য বিশ্ব শান্তির জন্য শহিদ হয়েছেন। আহত হয়েছে অনেকে। বাংলাদেশি সৈন্যরা প্রমাণ করেছে শান্তির জন্য তারা জীবন দিতে প্রস্তুত।", "question": "বাংলাদেশি সৈন্যরা আহত হয়েছে কতজন?", "answers": { "text": [ "অনেকে" ], "answer_start": [ 312 ] } }, { "id": 1399, "title": "বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতা", "context": "বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত উন্নয়নশীল একটি অর্থনীতি হিসেবে গড়ে উঠছে। তবে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ যেমন অবকাঠামোর দুর্বলতা, বিনিয়োগের নিম্নহার, এবং বৈদেশিক সাহায্যের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতা এখনও উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।", "question": "বিনিয়োগের নিম্নহার কীভাবে প্রভাব ফেলে?", "answers": { "text": [ "উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।" ], "answer_start": [ 202 ] } }, { "id": 1118, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "কারণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য ব্যবহৃত মূলধন সামগ্রী, যেমন-কলকারখানা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদির ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য থেকে কিছু অংশ পৃথক করে রাখা হয়।", "question": "কোন প্রক্রিয়া চালু রাখার জন্য মূলধন সামগ্রী ব্যবহার হয়?", "answers": { "text": [ "উৎপাদন প্রক্রিয়া" ], "answer_start": [ 6 ] } }, { "id": 707, "title": "সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "অর্থনৈতিক কার্যাবলির উদ্দেশ্য: সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং জনগণের সর্বাধিক কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।", "question": "সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য কী?", "answers": { "text": [ "জনগণের সর্বাধিক কল্যাণ" ], "answer_start": [ 123 ] } }, { "id": 844, "title": "প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা", "context": "রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা । প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে । প্রধানমন্ত্রীকে বেন্দ্র করে শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক উপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুত্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলসতন্ত । তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী ৷ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।", "question": "প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে কী ঘটে?", "answers": { "text": [ "সরকারের পতন ঘটে" ], "answer_start": [ 300 ] } }, { "id": 1979, "title": "নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", "context": "প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ নদ-নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে বসবাস শুরু করে। কেননা, নদ-নদী থেকে মানুষের প্রাত্যহিক ব্যবহার্য পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে। কৃষি কাজের জন্যে পানির জোগানও নদী থেকে দেওয়া সম্ভব। নদ-নদীই মানুষের খাদ্য ও রোজগারের প্রধান উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর সকল সভ্যতা ও জনবসতি গড়ে ওঠার পিছনে নদ-নদীর ভূমিকা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। পরবর্তীকালে জীবন-জীবিকার উন্নতিতেও নদ-নদীকে মানুষ ব্যবহার করেছে। পানির কারণেই মানুষ নদীর কাছাকাছি বসতি স্থাপন ও জীবিকা নির্বাহের উৎসের সন্ধান করেছে।", "question": "মানুষ নদীর তীরবর্তী সমতল ভূমিতে কেন বসবাস শুরু করে?", "answers": { "text": [ "পানি পাওয়া নিশ্চিত থাকে" ], "answer_start": [ 116 ] } }, { "id": 1170, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "তবে যে দেশে জাতীয় আয়ের সুষম বণ্টন আছে, সেসব দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে এবং মূল্যস্তর অপরিবর্তিত থাকলে বা আয় বৃদ্ধির চেয়ে কম হারে বৃদ্ধি পেলে জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।", "question": "সুষম আয় বণ্টন কিভাবে জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে?", "answers": { "text": [ "জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে" ], "answer_start": [ 143 ] } }, { "id": 991, "title": "পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র", "context": "পরোক্ষ গণতন্ত্র বলতে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতিকেই বোঝায়। এ ধরনের গণতন্ত্রকে প্রতিনিধিতৃমূলক গণতন্ত্র বলা হয়৷ এ পদ্ধতিতে সাধারণত নাগরিকগণ সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করেন না। পরোক্ষ গণতলেত্র নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই আইন প্রণয়নসহ শাসনকার্য পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতলত্রই প্রচলিত রয়েছে।", "question": "পরোক্ষ গণতন্ত্র কী?", "answers": { "text": [ "প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করার পদ্ধতি" ], "answer_start": [ 21 ] } }, { "id": 1625, "title": "জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ ও মানবসম্পদ উন্নয়ন", "context": "উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যাধিক্য রয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ধীরে হলেও ক্রমশ নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশের জনগোষ্ঠীকে জনশক্তি বা মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য সাক্ষরতা প্রকল্প গ্রহণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিস্তার এবং প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যসুবিধা ও সেবার সম্প্রসারণ ঘটে। এসব কারণে জনগণ মানবসম্পদে রূপান্তরিত হয়। তাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।", "question": "মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা কীভাবে সাহায্য করে?", "answers": { "text": [ "প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা প্রবর্তনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়" ], "answer_start": [ 276 ] } }, { "id": 772, "title": "বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "পাকিস্তান আমলে কলকারখানা, ব্যবসায় ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অধিকাংশই অবাঙালি মালিকদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।", "question": "পাকিস্তান আমলে ব্যবসায় ও কলকারখানা কারা নিয়ন্ত্রণ করেছিল?", "answers": { "text": [ "পাকিস্তান আমলে কলকারখানা, ব্যবসায় ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অধিকাংশই অবাঙালি" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 598, "title": "সমষ্টিগত সম্পদের সংরক্ষণ", "context": "রাষ্ট্র ও জনগণ সম্মিলিতভাবে এসব সম্পদের অধিকারী। জনগণ এগুলো ব্যবহার করে ও ভোগ করে। এসবের পরিকল্পিত ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্র জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে।", "question": "সমষ্টিগত সম্পদের ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?", "answers": { "text": [ "জনগণের সার্বিক উন্নয়ন" ], "answer_start": [ 125 ] } }, { "id": 581, "title": "জাতীয় সম্পদের উৎস", "context": "এছাড়া ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে বা সরকারের অর্থ ও পরিচালনায় রাস্তাঘাট, কলকারখানা, যন্ত্রপাতি, যানবাহন, বাঁধ ও সেতু এবং নানারকম স্থাপনা নির্মাণ করে এবং বিভিন্ন শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করে। এভাবে দেশের নাগরিকেরা সারা বছর নানারকম অর্থনৈতিক প্রবৃত্তি ও সেবা অর্থাৎ সম্পদ সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত থাকে। এগুলোই মানবসৃষ্ট সম্পদ।", "question": "ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে কোন ধরনের সম্পদ সৃষ্টি করে?", "answers": { "text": [ "শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করে" ], "answer_start": [ 155 ] } }, { "id": 339, "title": "অক্ষ", "context": "পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য এ রেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলা হয়। নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।", "question": "পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখাকে আর কী বলা হয়?", "answers": { "text": [ "নিরক্ষবৃত্ত" ], "answer_start": [ 59 ] } }, { "id": 814, "title": "বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", "context": "তার প্রাপ্য মজুরির একটি বড় অংশ পুঁজিপতিদের কাছে সুদ ও মুনাফা হিসেবে সঞ্চিত হয়।", "question": "শ্রমিকের প্রাপ্য মজুরির কোন অংশ কোথায় সঞ্চিত হয়?", "answers": { "text": [ "পুঁজিপতিদের কাছে" ], "answer_start": [ 32 ] } }, { "id": 1275, "title": "কৃষিপ্রধান অর্থনীতি:", "context": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তিস্বরূপ। তবে এখন এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও কৃষি উৎপাদন প্রণালি এখনও সম্পূর্ণ আধুনিক হয়ে ওঠেনি। চাষাবাদের আওতাধীন জমির বৃহদাংশে এখনও পর্যন্ত সনাতন পদ্ধতির চাষাবাদ চলছে। এর ফলে কৃষিজমির উৎপাদনশীলতাও কম।", "question": "কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির কী হিসেবে বিবেচিত?", "answers": { "text": [ "ভিত্তিস্বরূপ" ], "answer_start": [ 88 ] } }, { "id": 592, "title": "ব্যক্তিগত সম্পদের সংরক্ষণ", "context": "রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল, বিদ্যালয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন (গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ, বিমান ইত্যাদি) ও কলকারখানা, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান, অফিস ভবন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ, ভূমি ও ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ সম্পদ (বনাঞ্চল, নদী-নালা, জলাশয়, মৎস্য সম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি)—এসবই সমষ্টিগত সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", "question": "রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন যানবাহন কী কী?", "answers": { "text": [ "গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ" ], "answer_start": [ 69 ] } }, { "id": 666, "title": "ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা", "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ, যথা—ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। অর্থাৎ ব্যক্তি তার সম্পদ/আয়ের সাহায্যে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে, শ্রমিককে নিয়োগ দিতে পারে, মূলধন বা পুঁজি গঠন করতে পারে। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে। এসব বিষয়ে ব্যক্তি নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।", "question": "ব্যক্তি কিভাবে ভূমির মালিকানা অর্জন করতে পারে?", "answers": { "text": [ "তার সম্পদ/আয়ের সাহায্যে" ], "answer_start": [ 145 ] } }, { "id": 1611, "title": "কৃষির ক্রমোন্নতি", "context": "উন্নয়নশীল দেশসমূহে কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ, কৃষির অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নতমানের বীজ, সার ও সেচ সুবিধা সরবরাহ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ে। কৃষিতে ক্রমোন্নতির সূচনা হয়।", "question": "উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কীভাবে কৃষির উন্নতি করা হয়?", "answers": { "text": [ "কৃষির আধুনিকায়ন করা হয়" ], "answer_start": [ 20 ] } }, { "id": 2178, "title": "নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য", "context": "নাগরিকের প্রধান কর্তব্য হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা। অর্থাৎ রাষ্ট্রের নির্দেশ মেনে চলা। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অস্ষুন রাখার জন্য প্রত্যেক নাগরিককে সর্বদা সজাগ এবং চরম ত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।", "question": "নাগরিকের প্রধান কর্তব্য কি?", "answers": { "text": [ "রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা" ], "answer_start": [ 30 ] } }, { "id": 39, "title": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", "context": "৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদের প্রত্যেকের \"ভেটো\" প্রদান বা কোনো প্রস্তাব নাকচ করার ক্ষমতা আছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের কাজ হলো বিশ্বের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধন করা। স্বাধীনতাপ্রাপ্ত নয়, এমন বিশেষ এলাকার তত্ত্বাবধানের জন্য অছি পরিষদ গঠিত। আন্তর্জাতিক বিবাদ মীমাংসা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কাজ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। সেক্রেটারিয়েট হলো জাতিসংঘের প্রশাসনিক বিভাগ। সেক্রেটারি জেনারেল বা মহাসচিব এর প্রধান নির্বাহী। আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত।", "question": "আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?", "answers": { "text": [ "নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে" ], "answer_start": [ 379 ] } }, { "id": 1132, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ের মধ্যে এই অংশটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। তাই মোট জাতীয় উৎপাদনের (GNP) আর্থিক মূল্য এবং উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয় (খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা) বা জাতীয় আয় এক নয়। তবে আলোচনার সুবিধার জন্য অনেক সময়ই মোট জাতীয় উৎপাদন ও মোট জাতীয় আয়কে সমার্থকভাবে ব্যবহার করা হয়।", "question": "উৎপাদনের উপাদানসমূহের আয়ে কী কী অন্তর্ভুক্ত হয়?", "answers": { "text": [ "খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা" ], "answer_start": [ 141 ] } }, { "id": 1830, "title": "অন্যান্য খাত:", "context": " সরকার অন্য যেসব খাতে অর্থ ব্যয় করে থাকে তা হলো- সচিবালয়, হিসাব নিরীক্ষা, জ্বালানি ও শক্তি, খনি, উৎপাদন এবং নির্মাণ প্রভৃতি।", "question": "সরকার জ্বালানি ও শক্তি খাতে কি করে?", "answers": { "text": [ "অর্থ ব্যয় করে" ], "answer_start": [ 22 ] } }, { "id": 1472, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে নানাভাবে শোষণ করে। চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ, বৈদেশিক সাহায্যের অংশ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে চরম বঞ্চনার শিকার হতে হয়।", "question": "পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ কীভাবে বঞ্চিত হয়েছিল?", "answers": { "text": [ "চাকরি, সম্পদ বণ্টন, বাজেট বরাদ্দ, সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ" ], "answer_start": [ 73 ] } }, { "id": 180, "title": "নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", "context": "নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৫শে নভেম্বরকে “আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\" হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ই ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ। জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। নারীর উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ জন্মলগ্ন থেকে অনেক কাজ করছে এবং নারীদের অবস্থানকে অনেক উন্নত করেছে।", "question": "জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কি ঘোষণা করেছে?", "answers": { "text": [ "“আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস\"" ], "answer_start": [ 86 ] } }, { "id": 511, "title": "ভূমিকম্পের ধারণা", "context": "গত ৪,০০০ বছরে ভূমিকম্পের ধ্বংসলীলায় পৃথিবীর প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ লোক মারা গেছে। নানা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় ভূ-পৃষ্ঠ পরিবর্তিত হচ্ছে।", "question": "ভূমিকম্পের কারণে পৃথিবীর কত লোক মারা গেছে?", "answers": { "text": [ "১ কোটি ৫০ লাখ" ], "answer_start": [ 50 ] } }, { "id": 1120, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে অনেক সময় মোট জাতীয় আয় বলা হয়। যে কোনো সরল অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product : GNP) ও মোট জাতীয় আয় (Gross Nationat Income: GNI) একই হতে পারে।", "question": "মোট জাতীয় উৎপাদনকে কোন সময়ে মোট জাতীয় আয় বলা হয়?", "answers": { "text": [ "অনেক সময়" ], "answer_start": [ 20 ] } }, { "id": 1663, "title": "উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক", "context": "আমরা জানি যে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্তর অনুসারে বিশ্বের দেশগুলোকে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশ হিসেবে ভাগ করা হয়। এ ভাগ অনুসারে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত। তবে অব্যাহত উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও কার্যক্রম এবং আর্থ-সামাজিক কিছু সূচকের (যেমন- শিক্ষায় জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রভৃতি) কারণে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়।", "question": "বাংলাদেশকে কোন পর্যায়ে বিবেচনা করা হয়?", "answers": { "text": [ "উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে" ], "answer_start": [ 379 ] } }, { "id": 1101, "title": "মোট জাতীয় উৎপাদন", "context": "তাই মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শুধু চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্যটই হিসাব করতে হবে।", "question": "কোন পর্যায়ের দ্রব্যটি মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে গণনা করা হয়?", "answers": { "text": [ "চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য" ], "answer_start": [ 46 ] } }, { "id": 1140, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "যদি কোনো বছরে কোনো দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়, আবার একই সাথে দ্রব্যের মূল্যস্তরও দ্বিগুণ হয়, তাহলে প্রকৃতপক্ষে জীবনযাত্রার মান একই থাকবে।", "question": "মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হলে জীবনের মান কীভাবে পরিবর্তিত হয়?", "answers": { "text": [ "একই থাকবে।" ], "answer_start": [ 145 ] } }, { "id": 1037, "title": "গণতন্ত্র ও নির্বাচনের সম্পর্ক", "context": "জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারাই সরকার গঠিত ও পরিচালিত হয়। সুতরাং নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক রয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জনগণ চাইলে পূর্ববর্তী সরকার ও দলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যে সরকার বা দল জনগণের স্বার্থ বা জনমতের বিরোধিতা করে তার বা তাদের প্রতি জনগণের আস্থা থাকে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের জবাব প্রদান করে। গণতন্ত্র জনগণের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়। জনগণের সার্বভৌমক্ষমতার প্রয়োগ ঘটে নির্বাচনের মাধ্যমে।", "question": "নির্বাচনের সাথে বৈধ কর্তৃপক্ষের সম্পর্ক কী?", "answers": { "text": [ "নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সম্পর্ক" ], "answer_start": [ 126 ] } }, { "id": 1620, "title": "অবকাঠামো উন্নয়ন", "context": "কৃষি ও শিল্পের প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় বিধায় উন্নয়নশীল দেশে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন অপরিহার্য হয়ে পড়ে। তাই এসব দেশে উন্নয়ন শুরুর পর্যায়েই অর্থনৈতিক অবকাঠামো, যেমন- পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, মূলধন গঠন ও সরবরাহ এবং সামাজিক অবকাঠামো, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই উন্নয়ন অর্জনের ধারায় ক্রমশ সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি ঘটে।", "question": "অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে কী ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়?", "answers": { "text": [ "সামাজিক পরিবেশেরও উন্নতি" ], "answer_start": [ 365 ] } }, { "id": 904, "title": "বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি", "context": "মৌলিক অধিকার সংরক্ষণও বিচার বিভাগের কাজ, কারণ জনগণের অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শাসন বিভাগের পরামর্শ প্রদানেও বিচার বিভাগের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও, বিচার বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের নাগরিকত্ব, অভিভাবকত্ব নিরূপণ ও নাবালকের সম্পত্তির তত্ত্বাবধানের মতো বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।", "question": "বিচার বিভাগের অন্যান্য ভূমিকা কি কি?", "answers": { "text": [ "আইন প্রণয়ন, সংবিধান রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি" ], "answer_start": [ 84 ] } }, { "id": 1340, "title": "জনসংখ্যাধিক্য ও শিক্ষার নিম্নহার:", "context": "জনসংখ্যাকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে জনসংখ্যা এখন পর্যন্ত একটি সমস্যা। এর কারণ বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬১.৫% (ইউনেস্কো রিপোর্ট ২০১৬)। অর্থাৎ ৩৮.৫ শতাংশ জনগণ নিরক্ষর। নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর করা, প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, এদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, কর্মক্ষেত্রে উদ্যোগী করে তোলা, মূলধনের জোগান দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় চাপ সৃষ্টি করছে।", "question": "বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার কত?", "answers": { "text": [ "৬১.৫%" ], "answer_start": [ 130 ] } }, { "id": 2028, "title": "যাতায়াতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", "context": "বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। ১৯৫৮ সালে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি করা হয়েছে। সংক্ষেপে এটিকে বিআইডব্লিউটিএ বলা হয়। জনস্বার্থে এই সংস্থা নানা ধরনের যাত্রীবাহী জলযানের ব্যবস্থা করে থাকে। নদী পথে কিছু সংরক্ষণ খরচ ছাড়া তেমন কোনো নির্মাণ খরচ না থাকায় নদীপথে যাতায়াত খরচও অপেক্ষাকৃত কম।", "question": "নদীপথে যাতায়াত খরচ কেন কম?", "answers": { "text": [ "নির্মাণ খরচ না থাকায়" ], "answer_start": [ 273 ] } }, { "id": 161, "title": "নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", "context": "১৯৮১ সালে ২০টি দেশ সমর্থন করার পর এটি কার্যকর হয়।", "question": "সিডও কবে কার্যকর হয়?", "answers": { "text": [ "১৯৮১ সালে" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 2162, "title": "রাষ্ট্রের কার্যাবলি", "context": "রাষ্ট্রের বিশাল কর্মীবাহিনীকে পরিচালনা করা ও সুস্থ রাখা রাষ্ট্রের এঁচ্ছিক কাজ। শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষার জন্য শ্রমনীতিমালা প্রণয়ন, ন্যূনতম সঠিক মজুরি ও কাজের সময় নির্ধারণ, কাজের পরিবেশ সৃষ্টি, বোনাস, ইন্স্যুরেন্স, পেনশন সুবিধা প্রদান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক তৈরি, কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য শ্রম অফিসার নিয়োগ প্রভৃতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।", "question": "রাষ্ট্র শ্রমিকদের কী কী সুবিধা প্রদান করে?", "answers": { "text": [ "বোনাস, ইন্স্যুরেন্স" ], "answer_start": [ 193 ] } }, { "id": 2247, "title": "বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন", "context": "তথ্য কমিশনে একজন প্রধান তথ্য কমিশনারসহ দু'জন তথ্য কমিশনার রয়েছেন। আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক নাগরিকের কর্তৃপক্ষের নিকট হতে তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষও একজন নাগরিককে তথ্য প্রদানে বাধ্য থাকবে। আইন অনুযায়ী, সরকারের কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত বা অধীন কোনো অধিদপ্তর, পরিদপ্তর বা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা কার্যালয় বা উপজেলা কার্যালয় তথ্য প্রদান ইউনিট হিসেবে কাজ করবে।", "question": "তথ্য কমিশনে কজন তথ্য কমিশনার রয়েছেন?", "answers": { "text": [ "দু'জন" ], "answer_start": [ 39 ] } }, { "id": 567, "title": "সম্পদের শ্রেণিবিভাগ", "context": "রাষ্ট্র সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সম্মিলিত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। তাছাড়া কোনো জাতির নাগরিকের গুণবাচক বৈশিষ্ট্য, যেমন—কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।", "question": "জাতীয় সম্পদের অংশ কী কী হতে পারে?", "answers": { "text": [ "রাষ্ট্র সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সম্মিলিত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 995, "title": "গণতন্ত্রের দোষগুণ", "context": "গণতন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো হলো গণতলেত্র আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি হলো দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। এ শাসন ব্যবস্থায় সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা হলো জনমত দ্বারা পরিচালিত সরকার স্বৈরাচারী পন্থায় নিয়ন্ত্রণ, দমন, নিপীড়নমূলক আচরণ এ শাসনব্যবস্থায় কোনোক্রমেই কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় জনগণের ব্যন্তিস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত।", "question": "গণতন্ত্রের সুন্দর দিকগুলো কী?", "answers": { "text": [ "আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়" ], "answer_start": [ 39 ] } }, { "id": 171, "title": "নারীর প্রতি বৈষম্য নিরসনে সিডও সনদের ভূমিকা", "context": "নারী ও পুরুষের সমতার নীতির ওপর ভিত্তি করে সিডও সনদটি তৈরি করা হয়েছে। নারীর মানবাধিকারের বিষয়টিও এখানে উঠে এসেছে। আইনগত পদ্ধতিতে এই অধিকারগুলো মান্য করা নিশ্চিত করার জন্য সমর্থনকারী দেশগুলো এই সনদ মেনে চলতে বাধ্য। এই সনদে স্বীকার করা হয় যে, বিভিন্ন দেশে নারীর আইনগত অধিকার বলবৎ থাকলেও বৈষম্য রয়েছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর প্রবেশাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। এই সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বকে নিশ্চিত করে। সিডও সনদে ৩০টি ধারা আছে। প্রথম ১৬টি ধারা নারীর প্রতি কত প্রকার বৈষম্য আছে তা বিশ্লেষণ করে, আর পরের ১৪টি ধারা ব্যাখ্যা করে এ বৈষম্যগুলো কীভাবে বিলোপ করা যায়।", "question": "সিডও সনদ নারীর প্রতি রাষ্ট্রের কি দায়িত্ব নিশ্চিত করে?", "answers": { "text": [ "রাষ্ট্রের দায়িত্ব" ], "answer_start": [ 405 ] } }, { "id": 120, "title": "জাতিসংঘের বিভাগ", "context": "নারীদের বিভিন্ন ধরনের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে তাদের সংযুক্ত করছে।", "question": "UNIFEM নারীদের জন্য কি ধরনের অধিকার আদায় করছে?", "answers": { "text": [ "বিভিন্ন ধরনের অধিকার" ], "answer_start": [ 8 ] } }, { "id": 1869, "title": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", "context": "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অন্যতম কাজ। কাগজি নোট প্রচলন করার ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি, ভ্রমণকারীর চেক ইত্যাদি বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এছাড়াও, বাণিজ্যিক ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা করে এবং বিল ভাঙ্গিয়ে নগদ টাকার মুনাফা অর্জন করে।", "question": "চেক, ব্যাংক ড্রাফট, হুন্ডি কী ধরনের কার্যক্রমের উদাহরণ?", "answers": { "text": [ "বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 1923, "title": "বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক", "context": "বাংলাদেশে কৃষি ব্যাংক ছাড়াও সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকসমূহের স্ব স্ব বার্ষিক কৃষি ও পল্লী ঋণ কর্মসূচিতে স্বকর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্বের সাথে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে।", "question": "বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়?", "answers": { "text": [ "যথাযথ গুরুত্বের সাথে" ], "answer_start": [ 260 ] } }, { "id": 1187, "title": "অর্থনীতির খাত", "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", "question": "শিল্প খাতের মধ্যে কী ধরনের কাজ অন্তর্ভুক্ত?", "answers": { "text": [ "নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ" ], "answer_start": [ 158 ] } }, { "id": 1190, "title": "অর্থনীতির খাত", "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", "question": "কৃষি খাতের সেবা কিভাবে পরিচিত?", "answers": { "text": [ "পশু ও মৎস্য সম্পদ" ], "answer_start": [ 67 ] } }, { "id": 1538, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "এরপরে আসে সামাজিক অবকাঠামো প্রসঙ্গ। সামাজিক অবকাঠামোগত সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে দেশের ব্যাপক জনগণের নিরক্ষরতা। শিক্ষিত ও সাক্ষর জনগণও দেশের উন্নয়নে আশানুরূপ অবদান রাখতে পারে না। এর কারণ শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক।", "question": "শিক্ষিত জনগণের উৎপাদনশীলতা কেন কম?", "answers": { "text": [ "শিক্ষা অনেকটাই পুঁথিগত ও জ্ঞানভিত্তিক" ], "answer_start": [ 201 ] } }, { "id": 765, "title": "বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "পাকিস্তান আমলের শেষদিকে ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রাধান্য লাভ করে।", "question": "পাকিস্তান আমলের শেষদিকে কোন ব্যবস্থা প্রাধান্য লাভ করে?", "answers": { "text": [ "ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা" ], "answer_start": [ 24 ] } }, { "id": 1590, "title": "উন্নয়নশীল দেশ", "context": "পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এসব দেশ আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও দেশের দ্রুত শিল্পায়ন করার প্রচেষ্টা নেয়। ফলে পুঁজিগঠন ও বিনিয়োগের হার বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়। জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয় এবং সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এইসব উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে অর্থনীতিতে বিরাজমান উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতাসমূহ দূর হওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হয়।", "question": "জনসংখ্যাকে কীভাবে মানবসম্পদে পরিণত করা হয়?", "answers": { "text": [ "শিক্ষার প্রসার ঘটানো হয়" ], "answer_start": [ 213 ] } }, { "id": 2016, "title": "পানির অভাবের কারণ", "context": "সেচসহ নানা কাজে কোনো কোনো নদী থেকে পাম্প দিয়ে প্রচুর পানি উত্তোলনের ফলে মূল নদীতে পানি আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। ফলে নদী তার স্বাভাবিক গতি ও রূপ হারাতে বাধ্য হয়। নিয়ম-নীতি না মেনে নদীর উপর দিয়ে যত্রতত্র ব্রিজ, কালভার্ট, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণের ফলে অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও শীতকালে নদীতে পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে নদী ধীরে ধীরে নাব্য হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতি ও জনজীবন দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।", "question": "গ্রীষ্ম ও শীতকালে নদীর পানি প্রবাহ কী হয়?", "answers": { "text": [ "পানিপ্রবাহ কমে" ], "answer_start": [ 310 ] } }, { "id": 959, "title": "উপজেলা পরিষদ", "context": "বাৎলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্পূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ। দেশের ৬৪টি জেলার ৪৯০টি উপজেলায় স্থানীয় জনগণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে। উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি। এ লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচলন এবং উত্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রিল ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হয়। এ আইন “উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত। চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হবেন। উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমসংখ্যক আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যারা উত্ত উপজেলার এলাকাভুত্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ কর্তৃক তাদের মধ্য হতেই নির্বাচিত হবেন। উপজেলা পরিষদ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। সকল কাজের সফলতা নির্ভর করবে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে।", "question": "উপজেলা পরিষদ আইন কবে পাস হয়?", "answers": { "text": [ "২০০৯ সালে" ], "answer_start": [ 421 ] } }, { "id": 930, "title": "স্থানীয় প্রশাসন", "context": "স্থানীয় শাসন বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায় । প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ল্ত্রণকে নিযমন্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যন্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য। উদাহরণ হিসেবে আমাদের দেশে বিভাগীয় কমিশনার , জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কথা উল্লেখ করা যায়।", "question": "বাংলাদেশে স্থানীয় শাসনের উদাহরণ কী?", "answers": { "text": [ "বিভাগীয় কমিশনার , জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের" ], "answer_start": [ 448 ] } }, { "id": 824, "title": "নির্বাহী বা শাসন বিভাগ", "context": "রাস্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ বলে। বিস্তৃত অর্থে রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রিসভা, আমলা, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কূটনীতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা এমনকি গ্রাম্য চৌকিদারসহ সকল প্রশাসনিক কর্মচারীদের নিয়ে নির্বাহী বা শাসন বিভাগ গঠিত।", "question": "নির্বাহী বিভাগে কারা অন্তর্ভুক্ত?", "answers": { "text": [ "মন্ত্রিসভা, আমলা, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কূটনীতিক, দাপ্তরিক কর্মকর্তা" ], "answer_start": [ 235 ] } }, { "id": 141, "title": "নারীর প্রতি জাতিসংঘের ভূমিকা", "context": "১৯৫২ সালে নারীর রাজনৈতিক অধিকারের স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে নির্বাচনে নারী ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে।", "question": "নারীর রাজনৈতিক অধিকার কি ছিল?", "answers": { "text": [ "ভোট প্রদান ও প্রার্থী হতে পারবে" ], "answer_start": [ 72 ] } }, { "id": 2226, "title": "আইনের উৎস", "context": "আইনবিদদের বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা বা তাদের আইন বিষয়ক গ্রন্থাবলি আইনের উৎস হিসেবে কাজ করে। প্রখ্যাত আইনবিদদের ব্যাখ্যা, মূল্যায়ন, আলোচনা ইত্যাদি থেকে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় আইনের সন্ধান লাভ করে। ব্রিটেনের আইন ব্যবস্থায় আইনবিদ কোক, ব্ল্যাকস্টোন, আমেরিকার কেন্ট, ইসলামি আইনের ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানিফা (রা.) প্রমুখের অনেক অভিমতই আইনের মর্যাদা লাভ করেছে।", "question": "আইনবিদদের কোন কাজ আইনের উৎস হিসেবে কাজ করে?", "answers": { "text": [ "বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা বা তাদের আইন বিষয়ক গ্রন্থাবলি" ], "answer_start": [ 10 ] } }, { "id": 1162, "title": "উৎপাদনের উপকরণের আয়ের উৎস", "context": "জাতীয় আয়ের বণ্টন যদি সুষম না হয় তাহলে মাথাপিছু আয় বাড়লেও অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচু", "question": "জাতীয় আয়ের অসম বণ্টন হলে কী হবে?", "answers": { "text": [ "মাথাপিছু আয় বাড়লেও অধিকাংশ জনগণের জীবনমান নিচু" ], "answer_start": [ 41 ] } }, { "id": 736, "title": "ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "এ সম্পদ সে তার উত্তরাধিকারীদের নিকট হস্তান্তর করতে পারে।", "question": "ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সম্পদ কার নিকট হস্তান্তর করা যায়?", "answers": { "text": [ "তার উত্তরাধিকারীদের" ], "answer_start": [ 11 ] } }, { "id": 1209, "title": " উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", "context": "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর “উচ্চ আয়ের দেশ” শ্রেণিভুক্ত। ২০১০ সালে এসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলারের মধ্যে।", "question": "২০১০ সালে উচ্চ আয়ের দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত ছিল?", "answers": { "text": [ "৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলার" ], "answer_start": [ 175 ] } }, { "id": 1213, "title": " উন্নত, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ ", "context": "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ এবং এশীয় দেশসমূহের মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুর “উচ্চ আয়ের দেশ” শ্রেণিভুক্ত। ২০১০ সালে এসব দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলারের মধ্যে।", "question": "২০১০ সালে মাথাপিছু জাতীয় আয়ের পরিসীমা কতো ছিল?", "answers": { "text": [ "৩৮৫৪০ ডলার থেকে ৮৫৩৮০ ডলার" ], "answer_start": [ 175 ] } }, { "id": 2106, "title": "রাস্ট্রের উপাদান", "context": "ভূখণ্ড বড় বা ছোট হতে পারে, যেমন- রাশিয়ার আয়তন অনেক বড়, আর ছোট আয়তনের রাষ্ট্র হলো- দারুস সালাম, সুইজারল্যান্ড, ব্রুনাই ইত্যাদি। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভূখণ্ডটি পৃথিবীর মানচিত্রে সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্থান পায়। অনেক সময় রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বেশ কয়েকটি দ্বীপের সমষ্টিও হতে পারে, যেমন- জাপান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি।", "question": "কবে বাংলাদেশ সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান পায়?", "answers": { "text": [ "১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে" ], "answer_start": [ 132 ] } }, { "id": 270, "title": "মঙ্গল", "context": "মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এ গ্রহের পাথরগুলোতে মরিচা পড়েছে, যার ফলে গ্রহটি লালচে বর্ণ ধারণ করেছে।", "question": "মঙ্গল গ্রহের রঙ কেমন?", "answers": { "text": [ "লালচে বর্ণ" ], "answer_start": [ 101 ] } }, { "id": 18, "title": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমি", "context": "জাতিসংঘ সৃষ্টির পটভূমিপ্রতিটি দেশ হারায় তাদের কর্মক্ষম যুবসম্প্রদায়কে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দেয় ও আতঙ্কিত করে তোলে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের তৎকালীন নেতৃবৃন্দ শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের জন্য আর একটি নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তেহরানে ও মস্কোতে সমসাময়িক বিশ্বের ৪টি প্রধান শক্তির একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা সম্মিলিত জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে। এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।", "question": "কোন কোন দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ গঠনের সিদ্ধান্ত নেন?", "answers": { "text": [ "ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ফ্রান্সের প্রতিনিধিরা" ], "answer_start": [ 406 ] } }, { "id": 2029, "title": "জলবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নদীপথের ভূমিকা", "context": "নদী ও জলপ্রপাতের পানির বেগ ব্যবহার করে টার্বাইন জন্ত্রের সাহায্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, তাকে জলবিদ্যুৎ বলা হয়। এটি নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে নদীর গতিপথে বাঁধ দিয়ে পাকিস্তান আমলে প্রথম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হয়। সবচেয়ে কম খরচে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।", "question": "জলবিদ্যুৎ কি ধরনের শক্তি সম্পদ?", "answers": { "text": [ "নবায়নযোগ্য শক্তি সম্পদ" ], "answer_start": [ 121 ] } }, { "id": 548, "title": "জাতীয় সম্পদের ধারণা", "context": "উপযোগ : কোনো দ্রব্যের মানুষের অভাব পূরণের ক্ষমতাকে উপযোগিতা বলে। যেমন, মানুষের বস্ত্র প্রয়োজন বা অভাব আছে। শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি—এসব দ্রব্যের বস্ত্রের অভাব পূরণের ক্ষমতা আছে। অর্থাৎ এগুলোর উপযোগিতা আছে।", "question": "কোন জিনিসগুলো বস্ত্রের অভাব পূরণ করতে পারে?", "answers": { "text": [ "শার্ট, প্যান্ট, শাড়ি" ], "answer_start": [ 108 ] } }, { "id": 1853, "title": "বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলি", "context": "বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমূহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহ নির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।", "question": "সমবায় ব্যাংক কোন উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?", "answers": { "text": [ "সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাব সম্পন্ন করার লক্ষ্যে" ], "answer_start": [ 266 ] } }, { "id": 1010, "title": "রাজনৈতিক দল", "context": "আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার বলতে দলীয় সরকারকেই বোঝায়। রাজনৈতিক দল ব্যতীত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কথা কল্পনা করা যায় না। রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্র করেই জনমত গঠন, দলীয় আদর্শের প্রচার, সমর্থকগোষ্ঠী এবং রাজনৈতিক সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে ওঠে ৷", "question": "রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কল্পনা করা যায়?", "answers": { "text": [ "না" ], "answer_start": [ 184 ] } }, { "id": 1976, "title": "পশুর নদী", "context": "খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী । এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রস্থ এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্র বন্দরে প্রবেশ করতে পারে। খুলনা-বরিশাল নৌপথ। হিসেবে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।", "question": "ভৈরব বা রূপসা নদীর দৈর্ঘ্য কত?", "answers": { "text": [ "১৪২ কি. মি." ], "answer_start": [ 178 ] } }, { "id": 95, "title": "বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভূমিকা", "context": "১৯৭৯-৮০ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষর বহন করে। ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।", "question": "জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের গুরুত্ব কি?", "answers": { "text": [ "গৌরবের" ], "answer_start": [ 223 ] } }, { "id": 1988, "title": "নদ-নদী ও জনবসতির পারস্পরিক সম্পর্ক", "context": "নদ-নদীকে কেন্দ্র করে মানুষ খাদ্যোৎপাদন, মাছ শিকার, পণ্য পরিবহন, ব্যবসায় -বাণিজ্য ইত্যাদি গড়ে তোলার মাধ্যমে স্থায়ী বসতি হিসেবে গ্রাম এবং শহর গড়ে উঠেছে। নদীসমূহ পানি সম্পদে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যার বিস্তার সর্বাধিক ঘটেছে নদীগুলোর তীরে। ফলে অধিকাংশ শহর, গঞ্জ (বাণিজ্য) গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদীর তীরে। এভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, শীতলক্ষ্যার তীরে নারায়ণগঞ্জ, সুরমার তীরে সিলেট, গোমতীর তীরে কুমিল্লা ইত্যাদি লক্ষ করা যায়।", "question": "চট্টগ্রাম কোন নদীর তীরে অবস্থিত?", "answers": { "text": [ "কর্ণফুলীর তীরে" ], "answer_start": [ 338 ] } }, { "id": 1185, "title": "অর্থনীতির খাত", "context": "ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু - শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্য সম্পদ প্রভৃতি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত।", "question": "কৃষি খাতের মধ্যে কোন কোন সম্পদ অন্তর্ভুক্ত?", "answers": { "text": [ "শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ" ], "answer_start": [ 33 ] } }, { "id": 769, "title": "বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানের ভিত্তিতে দেশে সমাজতন্ত্র অভিমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।", "question": "১৯৭২ সালে কি ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়?", "answers": { "text": [ "সমাজতন্ত্র অভিমুখী" ], "answer_start": [ 41 ] } }, { "id": 1955, "title": "মেঘনা", "context": "আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চলে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।", "question": "মেঘনা নদী কোন শহরের কাছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছে?", "answers": { "text": [ "ভৈরব বাজার" ], "answer_start": [ 214 ] } }, { "id": 1610, "title": "কৃষির ওপর নির্ভরতা ও দ্রুত শিল্পায়ন", "context": "কৃষিপ্রধান অবস্থা থেকে ক্রমশ শিল্পপ্রধান দেশে পরিণত হওয়ার ধারা উন্নয়নশীল দেশের লক্ষণ। এ উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়া হয়।", "question": "শিল্পায়ন কীভাবে ত্বরান্বিত করা হয়?", "answers": { "text": [ "মৌলিক শিল্পস্থাপন ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি" ], "answer_start": [ 133 ] } }, { "id": 1806, "title": "শিক্ষা:", "context": "বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো শিক্ষা। শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশকে অশিক্ষার অভিশাপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারকে সাম্প্রতিককালে এ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হচ্ছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসার জন্য অনুদান, উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিস্তারের নতুন নতুন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে।", "question": "বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়ের খাত কি?", "answers": { "text": [ "শিক্ষা" ], "answer_start": [ 46 ] } }, { "id": 2123, "title": "রাস্ট্রের উপাদান", "context": "সার্বভৌমের আদর্শই হলো আইন। সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুইটি দিক রয়েছে। অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যকার সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়। বাহ্যিক সার্বভৌমত্বের অর্থ হলো রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। যতদিন রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বিদ্যমান থাকে, ততদিন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব থাকবে। সরকারের পরিবর্তন সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্বকে নষ্ট করে না।", "question": "কী পরিবর্তনে সার্বভৌমত্বের স্থায়িত্ব নষ্ট হয় না?", "answers": { "text": [ "সরকারের পরিবর্তন" ], "answer_start": [ 399 ] } }, { "id": 1973, "title": "তিস্তা নদী", "context": "তিস্তা নদীর বর্তমান দৈর্ঘ্য ১৭৭ কি. মি. ও প্রস্থ ৩০০ থেকে ৫৫০ মিটার। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় তিস্তা নদীর ভূমিকা সর্বাধিক। তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে নির্মিত হয়। ব্যারেজটি এ অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।", "question": "তিস্তা ব্যারেজের ভূমিকা কী?", "answers": { "text": [ "পানি সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, পানি সেচ ও বন্যা প্রতিরোধ" ], "answer_start": [ 219 ] } }, { "id": 2131, "title": "রাষ্ট্রের কার্যাবলি", "context": "আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাস্ট্রের মৌলিক কাজ। রাষ্ট্রীয় আইনসভা বা পার্লামেন্টের মাধ্যমে আইন প্রণীত হয়। দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে জুডিসিয়াল কাউন্সিল, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট প্রভৃতি বিচারালয়ের মাধ্যমে দেশের সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলা রাষ্ট্রের আবশ্যিক কাজের মধ্যে পড়ে।", "question": "রাস্ট্রের মৌলিক কাজ কী?", "answers": { "text": [ "আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 1778, "title": "লভ্যাংশ ও মুনাফা", "context": "সরকার বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন - ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা প্রভৃতি থেকে বছর শেষে লভ্যাংশ ও মুনাফা পেয়ে থাকে।", "question": "সরকার কিভাবে লভ্যাংশ ও মুনাফা পায়?", "answers": { "text": [ "বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান" ], "answer_start": [ 6 ] } }, { "id": 732, "title": "ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা", "context": "সৃষ্টিকর্তা মানুষ সৃষ্টি করেছেন।", "question": "কাকে সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টিকর্তা?", "answers": { "text": [ "মানুষ" ], "answer_start": [ 12 ] } }, { "id": 2208, "title": "আইনের বৈশিষ্ট্য", "context": "আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। আইন হচ্ছে সার্বজনীন, তা সমভাবে রাষ্ট্রের সকলের জন্য প্রযোজ্য হয়। আইন হচ্ছে একধরনের আদেশ বা নিষেধ, যা সকলকেই মান্য করতে হয়। যারা আইন অমান্য করে তাদের সাজা পেতে হয়। আইন রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্মূলক কর্তৃপক্ষ হতে স্বীকৃত এবং আরোপিত। আইন হলো সমাজে প্রচলিত প্রথা ও রীতিনীতি।", "question": "আইন কী নিয়ন্ত্রণ করে?", "answers": { "text": [ "বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে" ], "answer_start": [ 12 ] } }, { "id": 240, "title": "শুক্র", "context": "সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে শুক্রের অবস্থান দ্বিতীয়। এটি পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে শুক্রের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৪.৩ কোটি কিলোমিটার।", "question": "শুক্রের সূর্য থেকে দূরত্ব কত কিলোমিটার?", "answers": { "text": [ "১০.৮ কোটি কিলোমিটার" ], "answer_start": [ 107 ] } }, { "id": 802, "title": "বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বণ্টন পরিস্থিতি", "context": "আমরা জানি ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন উৎপাদনের চারটি উপাদান।", "question": "উৎপাদনের চারটি উপাদান কি কি?", "answers": { "text": [ "ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন" ], "answer_start": [ 10 ] } }, { "id": 2049, "title": "কৃষিজ সম্পদ", "context": "নেপালে হিমালয়ের পাদদেশে শস্য উৎপাদন সীমিত আকারে হয়। অথচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে নদীবিধৌত উর্বর অঞ্চলে ধান, গমসহ কৃষিজ পণ্য বছরে কয়েকবার উৎপাদন করা সম্ভব। বাংলাদেশে ধান, আলু ও পাটের উৎপাদন ব্যাপক হয়। ভারতের পূর্বাঞ্চলে এবং বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে চা উৎপাদন হচ্ছে। গম, ভুট্টা, সরিষা ইত্যাদির ফলনও বেশ ভালো হয়। এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য উৎপাদনের পেছনে মাটির গুণাগুণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ভারত ও মিয়ানমারে তুলা, চা, ডাল, মরিচ ইত্যাদির উৎপাদন বেশ ভালো।", "question": "ভারত ও মিয়ানমারে কোন কৃষিজ পণ্য ভালো উৎপাদিত হয়?\t", "answers": { "text": [ "তুলা, চা, ডাল, মরিচ" ], "answer_start": [ 446 ] } }, { "id": 986, "title": "প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র", "context": "যে শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ প্রত্যক্ষ বা সরাসরিভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায় তাকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলা হয়ে থাকে। প্রাচীন গ্রিসের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রগুলোতে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক আইন প্রণয়ন, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর ধার্য, বিচারকার্য পরিচালনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সরাসরি অংশগ্রহণ করত। সে সময় নাগরিকের ধারণা সীমাবদ্ধ ছিল। রাষ্ট্রের সকলেই নাগরিকত্বের সম্মান পেত না। আধুনিক রাষ্ট্র আয়তনে বিশাল। এর জনসংখ্যাও বেশি। এ অবস্থায় প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কম ৷ তবে সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি অঞ্চলে আর্শিকভাবে এখনও প্রত্যক্ষ গণতনেত্রর ব্যবস্থা চালু আছে।", "question": "প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র কী?", "answers": { "text": [ "যে শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকগণ প্রত্যক্ষ বা সরাসরিভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়" ], "answer_start": [ 0 ] } }, { "id": 329, "title": "ভূ-অভ্যন্তরের গঠন", "context": "অশ্বমণ্ডলের গভীরতা সম্পর্কে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে। এর গভীরতা স্থান বিশেষ ৩০ থেকে ৬৪ কিমি পর্যন্ত ধরা হয়। যেসব উপাদানে এ স্তর গঠিত তাদের মধ্যে অক্সিজেন, সিলিকন, আ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম প্রভৃতির নাম উল্লেখযোগ্য।", "question": "অশ্বমণ্ডলের গভীরতা কত কিমি পর্যন্ত ধরা হয়?", "answers": { "text": [ "৩০ থেকে ৬৪ কিমি" ], "answer_start": [ 71 ] } }, { "id": 1931, "title": "বাংলাদেশের নদ-নদী ও পানি সম্পদ", "context": "বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলো হলো পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, কর্ণফুলী, তিস্তা, পশুর, সাঙ্গু প্রভৃতি। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে চিরচেনা ও পরিচিত বেশিরভাগ নদীর উৎপত্তিস্থল হিমালয়, তিব্বত, আসামের বরাক এবং লুসাই পাহাড়ে। এগুলো শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।", "question": "পদ্মা নদী কোন সাগরে গিয়ে মিশেছে?", "answers": { "text": [ "বঙ্গোপসাগর" ], "answer_start": [ 232 ] } }, { "id": 960, "title": "উপজেলা পরিষদ", "context": "বাৎলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্পূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ। দেশের ৬৪টি জেলার ৪৯০টি উপজেলায় স্থানীয় জনগণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ গঠনের বিধান রয়েছে। উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি। এ লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচলন এবং উত্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রিল ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হয়। এ আইন “উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত। চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হবেন। উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমসংখ্যক আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যারা উত্ত উপজেলার এলাকাভুত্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ কর্তৃক তাদের মধ্য হতেই নির্বাচিত হবেন। উপজেলা পরিষদ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। সকল কাজের সফলতা নির্ভর করবে জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে।", "question": "উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কিভাবে নির্বাচিত হন?", "answers": { "text": [ "জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হবেন" ], "answer_start": [ 562 ] } }, { "id": 1466, "title": "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রসরতার পটভূমি", "context": "১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশে বিভক্ত হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় পাকিস্তানি শাসনামল। পাকিস্তানের দুটি অংশ ছিল- পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান। বর্তমানের বাংলাদেশ ছিল তদানীন্তন পূর্ব বাংলা তথা পূর্ব পাকিস্তান।", "question": "বর্তমান বাংলাদেশ পূর্বে কী নামে পরিচিত ছিল?", "answers": { "text": [ "পূর্ব পাকিস্তান" ], "answer_start": [ 129 ] } }, { "id": 1734, "title": "বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও অনুদান", "context": "বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে বৈদেশিক সাহায্য পায়, সেগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক।", "question": "বাংলাদেশের বৈদেশিক সাহায্যের প্রধান দেশগুলো কোনগুলো?", "answers": { "text": [ "যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক" ], "answer_start": [ 72 ] } } ]