content
stringlengths
0
129k
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আবার মহাদেবকে সরিয়ে আশুতোষকেই নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়
তিনি মহাদেব অনুগামীদের সরিয়ে নিজের মত করে জেলা কমিটি তৈরি করেন
এ বার হাত দিয়েছেন মণ্ডল কমিটিতে
এক জেলা নেতার দাবি, মহাদেবকে রাজ্য রাজনীতিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও তিনি জেলা রাজনীতিতে গোষ্ঠীবাজি করে যাচ্ছেন
তা ঠেকাতেই রদবদল
মহাদেব শিবিরের পাল্টা বক্তব্য, তিনি তৃণমূল স্তর নেমে রাজনীতি করে এসেছেন বছরের পর বছর
তাঁকে উপড়ে ফেলা অত সহজ নয়
এতে বরং দলেরই ক্ষতি হচ্ছে
নদিয়া উত্তরে ৩৫টি মণ্ডলের মধ্যে কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার দু'জন, নবদ্বীপের তিন জন, তেহট্টের দু'জন, পলাশিপাড়া ও চাপড়ার এক জন করে মণ্ডল সভাপতি পরিবর্তন করা হয়্ছে
অপসারিতদের মধ্যে আছেন মহাদেবের বাড়ি যেখানে সেই জেলা পরিষদ ২৬ মণ্ডল সভাপতিও
এই মণ্ডলের অধীনে তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি গত ৩০ বছর ক্ষমতা ধরে রেখেছে
নবদ্বীপ উত্তর মণ্ডলের সদ্য অপসারিত সভাপতি শঙ্কর গোস্বামী বলছেন, "দিন কয়েক আগে ৫৮ জন বুথ সভাপতিই আমায় নির্বাচিত করেছেন
বিগত নির্বাচনে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে দল
কোনও দুর্নীতির অভিযোগ নেই
তার পরেও কেন আমায় সরিয়ে দেওয়া হল, বুঝতে পারছি না
" আবার ২৪ নম্বর জেলা পরিষদ মণ্ডলের অপসারিত সভাপতি পিন্টু ঘোষ বলেন," অবাক লাগছে
তবে শেষ পর্যন্ত আমি দলের অনুগত সৈনিক
তাঁর অনুগামী মণ্ডল সভাপতিদের সরিয়ে দেওয়া নিয়ে কোনও কথা বলতে চাননি বর্তমানে বিজেপির কিসান মোর্চার রাজ্য সভাপতি মহাদেব
তাঁর প্রতিক্রিয়া, "এটা দলের সাংগঠনিক বিষয়
সাংবাদমাধ্যমকে কেন বলতে যাব?" তবে বর্তমান সভাপতি আশুতোষ পালের দাবি, "আপনারা ভুল ব্যাখ্যা করেছেন
মণ্ডলে যাঁরা ভাল কাজ করেন, তাঁদের জেলা সংগঠনে নিয়ে আসা হয়
এ ক্ষেত্রেও তা-ই হবে
তাঁদের জায়গায় সেই সব মণ্ডলে সক্রিয় ও দূরদর্শী নেতৃত্বকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে
দৈনিক বাংলা || বিশ্বের প্রথম অনলাইন সাহিত্য দৈনিক: নস্টালজিয়া ২০ || পৃথা চট্টোপাধ্যায় || ধারাবাহিক বিভাগ
দৈনিক বাংলা || বিশ্বের প্রথম অনলাইন সাহিত্য দৈনিক
সম্পাদক~ সৌমিত্র রায় । প্রকাশক~ আই-সোসাইটির পক্ষে অনিন্দিতা রায় । মুঠোফোন~ ৯৩৩২৪৪৩২৭২ । ই-মেল: @..
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
নস্টালজিয়া ২০ || পৃথা চট্টোপাধ্যায় || ধারাবাহিক বিভাগ
নস্টালজিয়া ২০
পৃথা চট্টোপাধ্যায়
আর পাঁচটা শিশুর মতোই আমার শৈশব ও ছিল মায়ের আদর স্নেহ ভালবাসায় সিক্ত, কিন্তু যত বড় হয়েছি মা ততই শাসনের মাত্রা বাড়িয়েছে
আমাদের তিন ভাই বোনকে বড় করতে মায়ের এই শাসনের কড়াকড়ির অর্থ আজ বুঝতে পারি
মায়ের কথা বলতে গেলেই আমার সরল সাদাসিধে আটপৌরে মাকে মনে পড়ে যে সারাদিন কাজের মধ্যে থাকতে ভালবাসত
সংসারের সব কাজ দশভূজার মত সামলাতে অভ্যস্ত ছিল
সংসারের সব কাজ সামলেও মা আচার তৈরি করত, বড়ি দিত, নাড়ু, মুড়কি এসব ঘরেই বানাত
আম, লেবু, কুল,তেঁতুল, লঙ্কা, এঁচোর, সজনে ডাঁটা সব রকমের আচার করত মা
আমাদের বাড়িতে বার মাস মায়ের তৈরি আচার খাওয়া হত
বাড়িতে নারকেল গাছ থাকায় মা সবসময় নারকেল নাড়ু করে রাখতে ভালবাসত
ঠাকুর দেবতাকে প্রতিদিন মা ঘরের তৈরি নারকেলের চিনি অথবা গুড়ের নাড়ু দিত পুজোর সময়
মায়ের কোনো কাজেই অলসতা ছিল না
আমার শৈশবের মা ছিল হাসিখুশি, খুব অল্পে সন্তুষ্ট এক নারী যার জীবনের লক্ষ্য ছিল সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানদের সত্যিকারের মানুষ করে গড়ে তোলা
আমাদের বাড়ির উঠোনে বিকেলে সব বন্ধু মিলে খেলাধূলা করতাম
আমার ছোটবেলায় মাও অনেক সময় আমাদের সঙ্গে খেলত
পুতুলের বিয়ে দিলে লুচি আলুভাজা করে দিত
কিন্তু পড়াশোনায় ঢিলেমি করলে বা সময় মত পড়তে না বসলে মা খুব বিরক্ত হতো
মা নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিল
একমাত্র মায়ের উৎসাহেই আমাদের পড়াশোনায় আগ্রহ জন্মেছিল
বাবা নিজের চাকরি নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকত
বেশি বেলা পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকাটা মোটেই পছন্দ করতো না
নিজে খুব সকালে উঠে গঙ্গাস্নান করতে যেত
পূজার্চনা করতে ভালবাসত
মাসের মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই সকালে উঠে শুনতাম সেদিন বিশেষ কোনো তিথি তাই মা ভাত খাবে না অথবা উপবাস থাকবে
মা যেদিন ভাত খেত না সেদিন দিনে লুচি হত আর আমাদের সেদিন খুব আনন্দ
আমরাও মায়ের সাথে মঙ্গলচন্ডী, বিপত্তারিণী এইসব পালন করতাম
আমার মামার বাড়িতেও পূজার্চনার খুব প্রচলন ছিল
এখনও আছে সাবেকি আমলের দুর্গাপুজো, নারায়নের নিত্যসেবা, রাধামাধব বিগ্রহ
এই রাধামাধবের বিগ্রহ মায়ের মামার বাড়ির
দুর্গাপুজোর সময় মা খুব বিমর্ষ হয়ে থাকত
নিজের বাড়ির পুজোর জন্য, ভাইবোনদের জন্য মায়ের মন খারাপ করত
বাবা শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া বিশেষ পছন্দ করত না বলে মায়েরও যাওয়া হত না
যে বার আমরা মোরগ্রামে মামার বাড়িতে দুর্গাপুজোর সময় যেতাম সেবার মা খুব খুশি হত
আমারও গ্রামের বাড়ির পুজোয় অন্য রকমের আনন্দের স্বাদ পেতাম
এই সময়ে অক্টোবর ১২, ২০২০
এটি ইমেল করুনএটি ব্লগ করুন!-এ শেয়ার করুন-এ শেয়ার করুন এ শেয়ার করুন
লেবেলসমূহ: ন্যানো টেক্সট, পৃৃৃৃৃথা চট্টোপাধ্যায়
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
নবীনতর পোস্ট পুরাতন পোস্ট হোম
এতে সদস্যতা: মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন ()
()
()
👇 👉 ...
অনেক বছর আগে || রাজু ঘোষ || কবিতা,
অনেক বছর আগে রাজু ঘোষ অনেক বছর আগে এক শীতের সকালে তুমি আমাকে ফেলে চলে গেলে অকালে সেদিন আজও ফিরে আসে বছর বছর কিন্তু তুমি চলে গেলে একেবারে ...
নীলিমা সাহা-র আটপৌরে নীলিমা সাহা // ,
নীলিমা সাহা-র আটপৌরে নীলিমা সাহা // , পৃথিবীর দিনগুলো ---------------- ১
কামাদিকুসুম না-ছোড় মায়ামোহ চক্র...
অনুবাদ কবিতা
প্রাঞ্জল কুমার লাহন
মূল অসমিয়া থেকে বাংলা অনুবাদ-- বাসুদেব দাস,
অনুবাদ কবিতা প্রাঞ্জল কুমার লাহন কবি পরিচিতি - ১৯৮১ সনে কবি প্রাঞ্জল কুমার লাহনের জন্ম হয়
যোরহাট ফাইন আর্টস সোসাইটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত প...
দৈনিক বাংলার শুভেচ্ছা
তথ্যপ্রযুক্তি, জীবনশৈলী ও কবিতার মেলবন্ধনে শান্তি ও আনন্দযাপন
ক্লিক করুন
"আই-যুগ"-এর কবিতা আটপৌরে কবিতা নীলাঞ্জন কুমার অলোক বিশ্বাস দেবযানী বসু নীলিমা সাহা সুদীপ বিশ্বাস অসমিয়া সাহিত্য অসমিয়া কবিতা
অনুবাদ সাহিত্য,
অসমিয়া সাহিত্য
হোমেন বরগোহাঞি
গ্রিসের কবিতা
অসমিয়া কবিতা
-