content
stringlengths
0
129k
নিজের শর্তে জীবনযাপন করেছেন শকুন্তলা দেবী
কোনও কিছুতেই পিছু হটেননি
এখনকার বহু মানুষই ওঁর সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানেন না
এই ছবিটা তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
আরও পড়ুন: লকডাউনেই সাধ খেলেন শুভশ্রী! অপেক্ষা আর ক'দিনের
প্র: ছবিতে শকুন্তলা এবং ওঁর মেয়ে অনুপমার সম্পর্কের টানাপড়েন দেখানো হয়েছে
ব্যক্তিগত জীবনে আপনার সঙ্গে আপনার মায়ের সম্পর্ক কী রকম?
উ: স্ট্রং উওম্যান বলতে যা বোঝায়, আমার মা ঠিক তাই
আমাকে একটা খুব বড় শিক্ষা দিয়েছিল ছোটবেলাতেই
সেটা হল, সব সময়ে মাথা উঁচু করে থাকবে
আমার আগে অভ্যেস ছিল, মাথা নিচু করে হাঁটা, কোনও জায়গায় মাথা নিচু করে বসে থাকা
মা আমাকে বার বার বোঝাত, এই অভ্যেস রয়ে গেলে, কোনও একদিন মাথা মাটিতে ঠেকে যাবে
মায়ের এই উপদেশ কিন্তু আমি মেনেছি এবং তাঁর ফলও পেয়েছি
পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন, দিনের প্রথম ফোনটা এখনও মাকেই করি
আর কোনও কিছুতে বিফল হওয়া মানেই যে সব শেষ নয়, সেটাও মা-ই শিখিয়েছে
তাই আমার জীবনদর্শন হল, নেগেটিভিটি থেকে দূরে থাকা
আমি বিশ্বাস করি, একটা দরজা বন্ধ হলে আর একটা খোলে
অপেক্ষা করতে হয়
গুটি গুটি পায়ে আমাদের ভারতবর্ষে চলে এসেছে শীতকাল
এ সময় যেন আলসেমি আরো বেশি করে পেয়ে বসে আমাদের
সকালে কিছুতেই ঘুম ভাঙতে চায় না
ঘুম থেকে উঠে মেজাজ ঠিক করার জন্য অবশ্যই দরকার এক পেয়ালা চা
বাড়িতে বসে অনেকেই দামি কাপে চা খেতে ভালোবাসেন আবার অনেকে খেতে ভালোবাসেন মাটির ভাঁড়ে চা
মাটির ভাঁড়ে চা খাওয়ার স্বাদ যেন আলাদা
সাথে মিশানো থাকে মাটির টান
চায়ের স্বাদ যেন অনেক গুন বেড়ে যায় মাটির ভাঁড়ে চা খেলে
কিন্তু এটিতে উপভোগ করার কথা, আদৌ কোনো উপকার আছে কি মাটির ভাঁড়ে চা খেলে? নিশ্চয়ই হয় উপকার, এমনি বলছেন বিশেষজ্ঞরা
আর শুধু বলছেন তাই নয়, একেবারে হাতে-কলমে দেখিয়ে দিয়েছেন তারা
বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, মাটির ভাঁড়ে চা খেলে পুষ্টি গুন অনেক বেশি বেড়ে যায়
মাটিতে ফসফরাস, আয়রন ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম এবং নিজের মত এমন কিছু উপাদান থাকে যা শরীরের পক্ষে ভীষণভাবে উপকারী
মাটি অনেক বেশি শীতল
তাই ভাঁড় ধরতে কোন কষ্ট হয়না
খুব সহজে নিজের মত চা খাওয়া যায়
অনেকেই দুধ চা খেতে পারেন না এসিডের কারণে
কিন্তু মাটির তৈরি ভাঁড়ে যদি চা খান, তাহলে অ্যাসিডিটি সম্ভাবনা খুব একটা থাকে না
এই কারণে যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা অনায়াসে মাটির ভাঁড়ে দুধ চা খেতে পারেন
তবে প্লাস্টিকের কাপে কখনো চা খাওয়া উচিত নয়
প্লাস্টিকের কাপে এমন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া হয় গরম চা ঢেলে খেলে, যা শরীরের পক্ষে ভীষণভাবে ক্ষতিকারক
বাংলা তথা দেশ ও বিদেশের সকল খবর আপনাদের সামনে তুলে ধরার অঙ্গীকার নিয়ে আমাদের পথ চলা , & . --
: .@.
© | :
স্বাধীনতার ৫০ বছরেও দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরাপদ না হওয়ায় নতুন করে শপথ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাইর (নিসচা) প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন
তিনি বলেন, কীভাবে স্বাধীনতার পূর্ণ সুফল ঘরে আসবে সে ব্যাপারে আজ নতুন করে শপথ নিতে হবে
নিরাপদ সড়কের দাবি কীভাবে বাস্তবায়ন হয় সে ব্যাপারেও আমাদের শপথ নিতে হবে
নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন হলে স্বাধীনতার সুফলও ঘরে আসবে
এজন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও এ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে
বুধবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক এক সভায় এসব কথা বলেন তিনি
রাজধানীর কাকরাইলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সন্ধ্যায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়
করোনা পরিস্থিতির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধির কথা বিবেচনা করে সভায় কমিটির সদস্যদের ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকার সুযোগ রাখা হয়
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এতে সভাপতিত্ব করেন
ইলিয়াস কাঞ্চন আক্ষেপ করে বলেন, বিজয়ের ৫০ বছরেও স্বাধীনতার পূর্ণ সুফল যেমন আমরা ভোগ করতে পারিনি, তেমনি নিরাপদ সড়কের দাবিতে আমাদের যে আন্দোলন তাও অর্জিত হয়নি
২৮ বছর ধরে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন চলে আসছে
কিন্তু দেশের সড়ক এখনও নিরাপদ হয়নি
তিনি আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে নিসচা
সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও শাখা অফিসে এ উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছেন, ২৫ মার্চ কালরাতে যাদের হত্যা করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, স্বাধীনতার একটি সুপরিকল্পিত চিন্তাধারা নিয়ে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের পথচলা শুরু করেছে
ডিসেম্বর বিজয়ের মাস
বিজয়ের পরও অনেক মুক্তিযোদ্ধা সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন
সড়কে যাতে মুক্তিযোদ্ধাসহ কারও মৃত্যু না হয় সেজন্য ১ ডিসেম্বর নিসচার আত্মপ্রকাশ
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে বাধা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি অপশক্তি নিরাপদ সড়কের দাবিতে আমাদের আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য অপচেষ্টা করে যাচ্ছে
তিনি সবাইকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান
সভায় উপস্থিত ছিলেন নিসচার যুগ্ম মহাসচিব লিটন এরশাদ, সাদেক হোসেন বাবুল, লায়ন গণি মিয়া বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আজাদ হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মিরাজুল মইন জয়, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুলি কাজী, প্রচার সম্পাদক এ কে এম ওবায়দুর রহমান, দফতর সম্পাদক ফিরোজ আলম মিলন, অর্থ সম্পাদক আসাদুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জহির...
এএএইচ/এমএস
নিরাপদ-সড়ক-চাই
ইলিয়াস-কাঞ্চন
সড়ক-দুর্ঘটনা
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন
আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়
আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে
আজই পাঠিয়ে দিন - [ ]
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই বান্ধবী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে
সোমবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়
এর আগে শেষবারের মতো মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুই আসামির সঙ্গে শনিবার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করে তার পরিবার
এ সময় তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন
কালু ও আজিজুল সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে কাঁদতে থাকেন
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের দুই আসামি আজিজুল ওরফে আজিদ ওরফে আজিজ (৫০) ও মিন্টু ওরফে কালুর (৫০)
পরিবারের কাছে তাদের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে
জানা যায়, শনিবার সকালে আলমডাঙ্গার খাসকররা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান রুন্নুর নেতৃত্বে আজিজুলের বাবা বদর মণ্ডল ওরফে বদর ঘটক, মা রাসুলা খাতুন, বড়ভাই সভা মণ্ডল ও মেজভাই আব্দুর রশিদ এবং আজিজুলের সাবেক স্ত্রী সুন্দরী খাতুন, ছেলে সজিব মিয়া ও মেয়ে সীমা খাতুন, মিন্টুর বাবা আলিহিম, মা আমিরুণ খাতুন, বড়ভাই শুকচান মণ্...
ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরিবারের সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের সময় কালু ও আজিজুল সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে কাঁদতে থাকেন
দুজনের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে
আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ
রাতেই তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার ‍তুহিন কান্তি খান বলেন, আজ রাত ১০টা ৪৫ মিনিট ও ১০ টাকা ৫০ মিনিটে আজিজ ও কালুর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে
জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, সিভিল সার্জন, চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন
জানা যায়, ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আলমডাঙ্গা থানার জোড়গাছা গ্রামের কমেলা খাতুন ও তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয় রায়লক্ষ্মীপুর মাঠে
এ ঘটনায় খুনের পরদিন নিহত কমেলা খাতুনের মেয়ে নারগিস বেগম আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন
মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুইজনসহ চারজনকে আসামি করা হয়
অপর দুজন হলেন একই গ্রামের সুজন ও মহি
মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান আসামি মহি
২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সুজন, আজিজ ও মিন্টুকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন
এরপর আসামিপক্ষের লোকজন হাইকোর্টে আপিল করেন
চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ দুই আসামির রায় বহাল রাখেন এবং আরেক আসামি সুজনকে খালাস দেন
২০ জুলাই যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান খালাসপ্রাপ্ত সুজন
চলতি বছরের ২৭ জুলাই তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন
আবেদন নামঞ্জুর সংক্রান্ত চিঠি গত ৮ সেপ্টেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষকে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
এরপর ফাঁসির রায় কার্যকরের দিন নির্ধারণ করে কারা কর্তৃপক্ষ
২০০৭ সালের ১০ আগস্ট চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত এই দুই আসামিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়