content stringlengths 0 129k |
|---|
চোটের কারণে মিচেল মার্শকে ক্যারিয়ারজুড়ে অনেক ভুগতে হয়েছে |
দলে ফিরলেও নিয়মিত পারফর্ম করতে পারতেন না |
দুই বছর আগে তো স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার বেশির ভাগ মানুষই তাঁকে ঘৃণা করে |
সেই মার্শই অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক |
মার্শ যখন ক্রিজে আসেন, অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ২.৩ ওভারে ১ উইকেটে ১৫ |
রান তোলার গতি ছিল ওভারপ্রতি মাত্র ৬ |
ইনিংসের শুরুতেই ব্যাকফুটে দলটি |
তাদের ম্যাচে ফেরাতে মার্শ খরচ করেন মাত্র ৩ বল |
নিজের প্রথম বলেই নিউজিল্যান্ডের ফাস্ট বোলার অ্যাডাম মিলনেকে স্কয়ার লেগ দিয়ে হাঁকান বিশাল এক ছক্কা |
স্লিপে কোনো ফিল্ডার না থাকায় দ্বিতীয় বলে সেখান দিয়ে মারেন চার |
তৃতীয় বলে স্কয়ারের সামনে দিয়ে পুল করে মারেন আরেকটি চার |
এই তিন বলই ম্যাচের গতিপথ ঠিক করে দিয়েছে |
কাগজে-কলমে জয় থেকে অস্ট্রেলিয়া তখন অনেক দূরে থাকলেও মূলত মার্শের খেলা প্রথম তিন বলই খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে |
ক্রিজে নেমেই নিউজিল্যান্ডের বোলারদের কোনো সম্মান না দিয়ে তাঁর পাল্টা আক্রমণে সবাই বুঝে গিয়েছে, যে যা-ই বলুক না কেন, ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া অন্য দল |
ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া আসে জেতার জন্য |
মার্শ আরেকবার ঝড় তোলেন টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ বোলিং করে আসা ইশ সোধির করা ১৪তম ওভারে |
আগের ওভারেই ওয়ার্নারের বিদায়ে অস্ট্রেলিয়া যে খোলসে ঢুকবে না সেটা বোঝাতেই হয়তো পরের ওভারে আক্রমণে গেছেন মার্শ |
সোধিকে বেধড়ক পিটিয়ে ওই ওভারে তোলেন ১৬ রান, ফলে লক্ষ্য নেমে আসে ৩৬ বলে ৪৮ রানে |
৫০ বলে ৭৭ রান করার পথে অর্ধশতক পূরণ করেন ৩১ বলে |
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড এটি |
মার্শের মতো ক্যারিয়ারজুড়েই চোটের সঙ্গে লড়াই করেছেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন |
ফলে মার্শের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে খুব একটা কষ্ট হয় না তাঁর |
তা ছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একজন পরিপূর্ণ অলরাউন্ডারের সফল হওয়াটা যে কত কঠিন, সেটাও বোঝেন তিনি |
ফাইনালে মার্শের ইনিংসের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন ওয়াটসন, 'এটা আমার দেখা অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি ইনিংস |
ও ছয় মাস ধরেই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দারুণ পারফর্ম করছে, কিন্তু এ ইনিংসটায় সে নতুন করে তার জাত চিনিয়েছে |
মার্শকে নিয়ে যে সমর্থকেরা দুই ভাগে বিভক্ত ছিল, তা উল্লেখ করলেন তিনি, 'সমর্থকদের এক অংশ ছিল মার্শের পক্ষে, আরেক দল ছিল বিপক্ষে |
এর প্রধান কারণটা হলো ওর চোট, যার জন্য ও একাদশে কখনোই থিতু হতে পারেনি |
মানুষের আসলে মার্শের দক্ষতা সম্পর্কে কোনো ধারণাই নেই |
কিন্তু এখন তাঁরা অবশ্যই বুঝবে |
ব্যাটিং অর্ডারে রদবদল করে এ বছরের জুলাইয়ে মার্শকে তিনে নিয়ে আসা হয় |
দলের ফলাফল খুব বেশি ভালো না হওয়ায় এ পজিশনে মার্শ আদৌ টিকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে |
কিন্তু বিশ্বকাপে পারফরম্যান্স দিয়েই সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি |
ম্যাচ শেষে মার্শ জানান এ রকম একটা ইনিংস খুবই দরকার ছিল, 'আমি কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না |
আমি আপনাকে সত্যিটা বলি, আমি ক্রিজে নামার সময় এত কিছু ভাবিনি |
আমি শুধু মাঠে নেমে নিজের উপস্থিতি জানান দিতে চেয়েছিলাম |
মার্কাস স্টয়নিস সব সময় আমাকে মাঠে নেমে নিজের উপস্থিতি জানান দিতে এবং প্রতিযোগিতায় ঢুকে যেতে বলত |
আমি সেটাই করার চেষ্টা করেছি এবং নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পেরেছি |
যুগ্ম সংখ্যা (যুগ্ম সংখ্যা, ইংরেজি: ) এমন কিছু বাস্তব সংখ্যা যাদের ২ দ্বারা সম্পূর্ণভাবে ভাগ করা যায় |
[১] বা, এককের স্থানে ০,২,৪,৬,৮ অঙ্ক থাকা সংখ্যাগুলিকে যুগ্ম সংখ্যা বলে |
উদাহরণস্বরূপ, ১২ একটি যুগ্ম সংখ্যা, ১২ কে ২ দ্বারা ভাগ করলে কোনো ভাগশেষ থাকে না |
এছাড়া, ১২র এককের স্থানের অঙ্কটি হল ২ |
০(শূণ্য) কে যুগ্ম সংখ্যা বলে ধরা হয় |
: 5 (হলুদ) 2 (রঙিন) 2 /, 6 (গাঢ় সবুজ) 2 3 (পাতলা সবুজ) |
অন্য এক সূত্ৰ মতে, যুগ্ম সংখ্যা হল =2 রূপে থাকা কিছু পূৰ্ণ সংখ্যা, যেখানে হল একটি পূৰ্ণ সংখ্যা |
[৩] এতে, = 2+1 হল একটি অযুগ্ম সংখ্যা |
যুগ্ম ও অযুগ্ম সংখ্যার সংগ্ৰহসমূহকে তলায় দেয়া ধরনে বোঝানো বা প্ৰকাশ করা হয়-[৪] |
যুগ্ম = { 2 : ∈ } {\ =\{2:\ \ {} \}} |
অযুগ্ম = { 2 + 1 : ∈ } {\ =\{2+1:\ \ {} \}} |
পরিচ্ছেদসমূহ |
১ যুগ্ম ও অযুগ্ম হওয়ার পাটীগণিতীয় নিয়ম |
১.১ যোগ ও বিয়োগের ক্ষেত্রে |
১.২ গুণনের ক্ষেত্রে |
১.৩ ভাগের ক্ষেত্রে |
২ তথ্যসূত্র |
যুগ্ম ও অযুগ্ম হওয়ার পাটীগণিতীয় নিয়মসম্পাদনা |
যোগ ও বিয়োগের ক্ষেত্রেসম্পাদনা |
যুগ্ম ± যুগ্ম = যুগ্ম; |
যুগ্ম ± অযুগ্ম = অযুগ্ম; |
অযুগ্ম ± অযুগ্ম = যুগ্ম; |
গুণনের ক্ষেত্রেসম্পাদনা |
যুগ্ম × যুগ্ম = যুগ্ম; |
যুগ্ম × অযুগ্ম = যুগ্ম; |
অযুগ্ম × অযুগ্ম = অযুগ্ম; |
ভাগের ক্ষেত্রেসম্পাদনা |
ভাগের ক্ষেত্রে যোগ, বিয়োগ ও গুণের নিয়ম প্ৰযোজ্য নাও হতে পারে |
কাৰণ দুটি পূৰ্ণ সংখ্যার ভাগফল সবসময় একটি পূৰ্ণ সংখ্যা নাও হতে পারে |
উদাহরণস্বরূপ, 1÷4 = 1/4 এতে 1/4 কোনো যুগ্ম বা অযুগ্ম সংখ্যা নেই |
তথ্যসূত্রসম্পাদনা |
↑ , ..; , , , , পৃষ্ঠা 20-21, আইএসবিএন 9788131703571 উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () . |
↑ o, o (২০১১), : , , পৃষ্ঠা 178, আইএসবিএন 9789814335232 উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () . |
↑ , (২০১০), , , পৃষ্ঠা 198, আইএসবিএন 9780840054630 উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () . |
↑ , . (২০০৩), : , & , পৃষ্ঠা 181, আইএসবিএন 9780471461630 উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () . |
↑ o, ; , .; , . (২০০৯), , , পৃষ্ঠা 21-22, আইএসবিএন 9780817649524 উদ্ধৃতি টেমপ্লেট ইংরেজি প্যারামিটার ব্যবহার করেছে () . |
এই নিবন্ধটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা কবি সম্পর্কে |
একই নামের অন্যান্য নিবন্ধের জন্য অক্ষয় কুমার (দ্ব্যর্থতা নিরসন) দেখুন |
অক্ষয়কুমার বড়াল |
চোরাবাগান, কলকাতা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত |
১৯শে জুন, ১৯১৯ |
ব্রিটিশ ভারতীয় |
পরিচিতির কারণ |
বাঙালি কবি |
অক্ষয়কুমার বড়াল (ইংরেজি: ; ১৮৬০ - ১৯ জুন ১৯১৯) হলেন উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি |
পরিচ্ছেদসমূহ |
১ সংক্ষিপ্ত জীবনী |
২ সাহিত্যকর্ম |
২.১ স্বরচিত গ্রন্থ |
২.২ সম্পাদিত গ্রন্থ |
৩ তথ্যসূত্র |
৪ বহিঃসংযোগ |
সংক্ষিপ্ত জীবনী[সম্পাদনা] |
অক্ষয়কুমার বড়াল ১৮৬০ সালে বর্তমান ভারতের কলকাতার চোরবাগানে এক স্বর্ণব্যবসায়ীর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন |
তাঁর পিতার নাম কালীচরণ বড়াল। তাঁদের আদিবাস হুগলী জেলার চন্দননগর।[২] তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় কলকাতার হেয়ার স্কুলে |
কিন্তু পড়াশোনায় তিনি উন্নতি করতে পারেননি |
স্কুল শিক্ষা তিনি সমাপ্ত করতে পারেননি |
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বেশিদূর না এগোলেও আমৃত্যু তিনি জ্ঞান আহরণে ব্রতী ছিলেন |
এ হিসেবে তাকে একজন স্বশিক্ষিত মানুষ বলে আখ্যায়িত করা যায় |
স্কুল ত্যাগের পর অক্ষয়কুমার দিল্লি অ্যান্ড লন্ডন ব্যাংকের হিসাব বিভাগের কর্মচারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন |
এখানে কয়েক বছর চাকরি করার পর নর্থ ব্রিটিশ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে হিসাব সচিব পদে যোগ দেন |
এই পদ থেকেই তিনি অবসর গ্রহণ করেছিলেন |
১৯১৯ সালের ১৯ জুন তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.