content
stringlengths
0
129k
যেহেতু আমরা -19-এর প্রভাব মোকাবেলা চালিয়ে যাচ্ছি, সেখানে আরও বড় জনস্বাস্থ্য হুমকি রয়েছে যা মোকাবেলা করতে হবে, । সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে স্বাস্থ্যবিধির ভূমিকার গুরুত্ব -19 মহামারী চলাকালীন প্রদর্শিত হয়েছে, তবে, বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন যে আমরা স্বাস্থ্যবিধি অলসতা প্রত্যক্ষ করছি যখন আমরা একটি কোভিড-পরবর্তী বিশ্বে রূপান...
গত মাসে ডাব্লুএইচও বিশ্বের হাতের স্বাস্থ্যবিধির অবস্থার উপর তার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সংক্রমণ প্রতিরোধে এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের (যেমন অ্যান্টিবায়োটিক) আয়ু বাড়ানোর মাধ্যমে এএমআর-এর বোঝা কমাতে হাতের স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব তুলে ধরে
হাতের স্বাস্থ্যবিধির উপর এই বর্ধিত ফোকাসকে স্বাগত জানায় এবং সংক্রমণের বিস্তার রোধে উন্নত হাতের পরিচ্ছন্নতাকে উত্সাহিত করার মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করার জন্য তার কার্যক্রমকে ফোকাস করে এই বছরের -কে সমর্থন করছে
জিএইচসির মুখপাত্র, সাবিহা এসাক, দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক মন্তব্য করেছেন, "দায়িত্বশীল স্বাস্থ্যবিধি যেমন হাত ধোয়া সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য একটি কার্যকরী হস্তক্ষেপ, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের (যেমন অ্যান্টিবায়োটিক) প্রয়োজনীয়তা দূর করতে সাহায্য করে
হাত ধোয়ার মতো আচরণে রোগের সংক্রমণ কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যেমনটি -19-এর অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং মহামারী পরবর্তী উত্সাহিত করা উচিত"
অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার উদ্ভব ও বিস্তারকে ত্বরান্বিত করেছে
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়াগুলির কারণে অসফলভাবে চিকিত্সা করা সাধারণ সংক্রমণগুলি বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর 700-এরও বেশি মৃত্যুর কারণ এবং 000 সালের মধ্যে প্রতি বছর 10 মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর সাথে যুক্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হয়। দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনগুলি সাধারণ সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারে। 2050% প...
2030 সাল পর্যন্ত সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাবের সম্ভাবনা বেশি হওয়ার সাথে সাথে, উদ্ভূত সংক্রামক রোগের হুমকি থেকে নিজেদের এবং প্রিয়জনদের রক্ষা করার জন্য, এএমআর-এর বোঝা কমাতে এবং ভবিষ্যত-প্রুফ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, যেমন- আমাদের দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যবিধি আচরণ গ্রহণ করতে হবে
অ্যান্টিবায়োটিক, আগামী বছর ধরে
ফেসবুকটুইটারপিন্টারেস্টলিঙ্কডইনই-মেইলহোয়াটসঅ্যাপ
লেখক সম্পর্কে
জুয়েরজেন টি স্টেইনমেটজ
জার্মানিতে কিশোর বয়স থেকেই (1977) জুয়ারজেন থমাস স্টেইনমেটজ ভ্রমণ ও পর্যটন শিল্পে ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছেন
সে প্রতিষ্ঠা করেছে 1999 সালে বিশ্ব ভ্রমণ পর্যটন শিল্পের প্রথম অনলাইন নিউজলেটার হিসাবে
সমস্ত পোস্ট দেখুন
মতামত দিন
নতুন ছুটির বাড়ি কেনার জন্য বিশ্বের সেরা গন্তব্য
বেইজিং: নতুন নিয়ম মার্কিন-চীন ব্যবসায়িক ভ্রমণকে সহজ করবে
চিয়ার্স সাথ: অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের নতুন মাতাল দেশ
ভবিষ্যত এবং বিশ্বের জন্য পর্যটনকে পুনরায় ডিজাইন করা: একটি নতুন টাস্ক ফোর্স সৌদি স্টাইল
আফ্রিকান পর্যটন বোর্ড: বাধা ছাড়াই এখন পর্যটন!
হাওয়াই ওমিক্রন কেস এখন সনাক্ত করা হয়েছে
নতুন ভেরিয়েন্টের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত দেশের সংখ্যা বাড়ছে
-এর সাসটেইনেবিলিটি বিষয়ে ভিপি অ্যালেন সেন্ট অ্যাঞ্জ
চীন তার আকাশে ফিরে বোয়িং 737 পরিষ্কার করেছে
হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন মার্কিন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা
সাম্প্রতিক পোস্ট
সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়া নরওয়েজিয়ান ক্রুজ লাইন জাহাজে প্রধান -19 প্রাদুর্ভাব
একজন নতুন বিশ্ব রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে: বুরসিন তুর্কানের সাথে দেখা করুন, একজন তুর্কি-আমেরিকান এই চ্যালেঞ্জ নিতে অনুপ্রাণিত
[[চিত্রকলা]] ([[]]), [[ভাস্কর্য]], [[ছাপচিত্র]], [[আলোকচিত্র]] এবং অন্যান্য দৃশ্য মাধ্যম ক্ষেত্রে সৃষ্ট চিত্র বা বস্তু সম্পর্কিত আলোকপাত রয়েছে
সাধারণ দৃশ্যমান জগতে আমরা যে চিরায়ত লীলার অভিজ্ঞতা লাভ করি তাকে প্রকৃতি হিসেবে অভিহিত করা হয়, তা '''শিল্প''' নয়
এই প্রকৃতির সৌন্দর্য্য অবলোকন করে মানব মন যখন বিমুগ্ধ, বিস্মিত ও বিমূঢ় হয়ে যায় তখন সে তাকে নিজের মধ্যে আপন করে পেতে চায়
এরই ধারাবাহিকতায় সে চায় এই নৈসর্গিকতাকে একটি স্বাভাবিক রুপ দিতে
আর এর মাধ্যমেই জন্ম হয় শিল্পের
অর্থাৎ :{{|<>চিরায়ত ও চিরন্তন নৈসর্গিক প্রকৃতিকে শিল্পীর নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত রং, রেখা, শব্দ বা রূপকের আশ্রয়ে প্রকাশ করে সেই অনুভূতি অন্যের মনে সঞ্চারের মাধ্যমে একটি পরিচয়বোধের সঞ্চারণ ঘটানোকেই '''শিল্প''' বা [[::|]] হিসেবে অভিহিত করা হয়
</>}}এই নিবন্ধটি মূলত দৃশ্যশিল্প,চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, ছাপচিত্র, আলোকচিত্র এবং অন্যান্য দৃশ্যশিল্পের উপর আলোকপাত করা হয়েছে
স্থাপত্য অনেকসময় দৃশ্যশিল্পের উপর পড়ে অনেকটা সাজানো শিল্পের মতো
সপ্তদশ শতাব্দী পর্যন্ত যেকোন বিষয়ের উপর দক্ষতাকেই শিল্প বলা হতো
এটি বিজ্ঞান কিংবা ক্রাপ্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলনা
সপ্তদশ শতকের পরেই চারুকলাকে বিভক্ত করা হয়েছে সাধারণ বিষয়সমূহ থেকে, যেখানে সাজানোর বিষয় মূখ্য
রোমান্টিক যুগের পর শিল্পকে দেখা যায় মানব চিন্তায় যা ধর্ম এবং বিজ্ঞান দ্বারা চিহ্নিত করা হয়
এর অপর নাম [[চারুশিল্প]], [[কারুশিল্প]], [[ললিতকলা]], [[চারুকলা]] ইত্যাদি
যে শিল্পের এই সৌন্দর্য্য সৃষ্টি করে সে হচ্ছে [[শিল্পী]] বা [[::|]]
শিল্পী মাত্রই রূপ-বিলাসী এবং তার সৃষ্ট রূপই হল শিল্প
শিল্পের চরিত্র সত্যকে, অনুভূতিকে ও অন্যান্য গুণকে তুলে ধরা
বীমার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
বীমা করতে সাধারণ মানুষ যেন আগ্রহী হয় সেই তাগিদ দেন তিনি
রোববার ঢাকায় জাতীয় বীমা দিবসের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই তাগিদ দেন বঙ্গবন্ধুকন্যা
অনুষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দাবি নিষ্পত্তিসহ বীমা সব ক্ষেত্রে যেন উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় সেই আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী
এছাড়া বীমা কোম্পানির মাধ্যমে আরও যেন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা যায় সেই তাগিদও দেন
বীমার টাকা গ্রাহক যেন ঠিকভাবে পায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান
পরামর্শ দেন বীমার দাবি তদন্তে দক্ষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতেন
সে হিসেবে আমরা বীমা পরিবারের একজন সদস্য
যেহেতু পাকিস্তানি শাসকরা বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতি করতে দিতেন না, সে কারণে তিনি আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে ইন্স্যুরেন্স কন্ট্রোলার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন
ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি প্রচারণা চালাতে সারাদেশব্যাপী তাকে ঘুরতে হয়
সে সুবাদে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন
আরো পড়ুন: পাঁচ বিশিষ্ট বীমা ব্যক্তিত্বকে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বীমার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন বলেই এ বিষয়ে তিনি ১৯৭৩ সালে আইন প্রণয়ন করেছিলেন
এছাড়া তিনি ইন্স্যুরেন্স একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন
তিনি বলেন, বীমার মাধ্যমে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হতে পারে
বীমা একাডেমিতে লেখাপড়া করে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি হতে পারে
বীমার প্রসারের জন্য আমরা যুগোপযোগী আইন করেছি
আমরা 'বীমা আইন ২০১০', 'বীমা উন্নয়ন আইন ২০১০' ও 'বীমা নীতিমালা ২০১৪' করেছি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীমাকে আমরা জনগণের দোরগোড়ায় অর্থাৎ গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করছি
শিক্ষাবীমা, শস্যবীমা, স্বাস্থ্যবীমা, গার্মেন্টস শ্রমিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বীমা করা যেতে পারে
যে বীমার মাধ্যমে দুঃসময়ে গরিব মানুষগুলো বিরাট সাফল্য পাবে
'বীমা দিবসে শপথ করি, উন্নত দেশ গড়ি'-এ প্রতিপাদ্য নিয়ে রোববার দেশে প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে জাতীয় বীমা দিবস
বীমাশিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দিবসটি পালন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে
আজ সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বীমা দিবসের উদ্বোধন করেন
পাঁচজন বিশিষ্ট বীমা ব্যক্তিত্বকে বিশেষ সম্মাননা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানের আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন
বঙ্গবন্ধুর বীমা খাতে যোগদানের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে গত ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআর) অনুরোধে ১ মার্চকে 'জাতীয় বীমা দিবস' ঘোষণা করেছে সরকার
বিদ্যাপীঠে ১০ বছর কাটানোর পর শেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার চেষ্টা করেন সবাই
একসময় মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে স্কুলের শেষ দিনটি উদযাপনের নাম ছিল 'বিদায় অনুষ্ঠান' বা 'ফেয়ার ওয়েল'
তবে সময়ের আবর্তনে এখন তা হয়ে উঠেছে 'র‌্যাগ ডে'
যেটাকে উচ্ছৃঙ্খলতার নামান্তর বলছে অনেকে
সাদা টি শার্ট গায়ে চলছে উদ্দাম নাচ, হচ্ছে ডিজে পার্টি, একে অপরকে জড়িয়ে ধরছেন শিক্ষার্থীরা
কেউ মেতেছেন রং খেলায়, আবার কেউ বন্ধুদের টি-শার্টে লিখছে অশ্লীল সব বার্তা
যেসব শব্দ সীমা ছাড়াচ্ছে অশ্লীলতার
এভাবেই এখন উদযাপিত হয় স্কুলজীবনের শেষ দিন! যার নাম দেওয়া হয়েছে 'র‌্যাগ ডে'
র‌্যাগ ডে উদযাপনের ভিডিওতে দেখা গেছে উচ্ছৃঙ্খলতা আর অনৈতিকতার বিভিন্ন দৃশ্য
স্কুল ছাড়ার আগে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষাজীবনে ব্যবহৃত বেঞ্চ ও টেবিল
নষ্ট করা হচ্ছে দেওয়াল কিংবা টয়লেট
বাঁকা করে দেওয়া হচ্ছে ফ্যানের পাখা
সেগুলো আবার মোবাইল ফোনে ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে টিকটকসহ নানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
শুধু স্কুল নয়, 'র‌্যাগ ডে' নামের এমন কালো থাবা ছড়িয়ে পড়েছে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়েও
যে স্কুলটায় শৈশব-কৈশোর কাটল, যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জীবনের পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে দিল, বিদায়বেলায় সেই স্কুলের সঙ্গেই কেন এমন নিষ্ঠুর আচরণ?
শিক্ষার্থীরা বলেন, টি-শার্টে যেসব শব্দ ব্যবহার করা হয় সেগুলো আসলে ব্যবহার করার মতো না
স্কুলের চেয়ার বা বেঞ্চ ভাঙা এগুলো র‍্যাগডে বা আনন্দের মধ্যে পড়ে না
স্কুল থেকে খারাপ বদনাম নিয়ে যাওয়া তো উচিত না
আগের যে বিদায় অনুষ্ঠানটা করা হতো এখন আর সেটা করে হচ্ছে না তার পরিবর্তে র‍্যাগ ডে পালন করা হচ্ছে
বলা হয়, নৈতিকতা আর মূল্যবোধ শেখার আঁতুড়ঘর হলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক, শিক্ষার পাশাপাশি শিশুর মন-মানসিকতার মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে এ তীর্থস্থানে
শিক্ষার্থীদের এমন আচরণে শিক্ষকদের নিয়েও প্রশ্ন উঠছে
কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, স্কুল প্রাঙ্গণেই হচ্ছে ডিজে পার্টি বা অনৈতিক কাজ
এসব পার্টির অনেক ভিডিওতে শিক্ষকদেরও অংশ নিতে দেখা গেছে
উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল জহুরা বেগম বলেন, এটা একটা অপসংস্কৃতি
যে প্রতিষ্ঠানই হোক এটি অবশ্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন
শিক্ষামন্ত্রীকে অনুরোধ করব কোন প্রতিষ্ঠান এগুলো করছে, তারা যেন এগুলোকে বের করে আনেন এবং সেসব শিক্ষক যারা সংখ্যায় কম হলেও তাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়