content
stringlengths 0
129k
|
|---|
যার ফলে চুলের গোড়ায় শক্তি প্রদান করা হয়ে থাকে এবং চুল গোড়া থেকে শক্তিশালী হয়
|
দৈনিক আমাদের চুল পরিচর্যার তালিকায় যদি অ্যালোভেরা রাখা যায় সেক্ষেত্রে চুল ভেতর এবং বাইরে থেকে পুষ্টিকর হয়ে উঠবে
|
এক নজরে দেখে নিন চুলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিভাবে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়ে থাকে ? (১৪)
|
১) চুল বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরার ব্যবহার :
|
বড় চুল কে না চায়
|
প্রাচীন যুগ থেকেই চুল পরিচর্যায় অ্যালোভেরার ব্যবহার হয়ে আসছে
|
আলোভেরার মধ্যে থাকা উপাদানগুলি চুলকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে যার ফলে চুল ছেঁড়া কম হতে থাকে এবং চুলের বৃদ্ধি দারুণভাবে ঘটতে থাকে
|
এটি চুলকে ঘন এবং সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করে
|
এছাড়াও চুলের পিএইচ এর ভারসাম্য রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অ্যালোভেরা
|
অ্যালোভেরার উপাদানগুলি চুলকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তুলে চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন ?
|
অ্যালোভেরার দুটো পাতা থেকে সম্পূর্ণ জেলের অংশ বের করে নিন
|
এবার এই জেল মাথার স্ক্যাল্পে নিয়ে এবং চুলে লাগিয়ে দুই হাত দিয়ে ভালো করে সারা মাথায় মাসাজ করে নিন
|
এটি সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন করুন
|
দেখবেন চুল পড়ার সমস্যা সম্পূর্ণ কমে গেছে এবং নতুন চুল গজাতে শুরু করেছে
|
২) খুশকি দূরীকরণে অ্যালোভেরার ভূমিকা :
|
চুল বড় করার ইচ্ছা যেমন সকলেরই থাকে তার পাশাপাশি একটি পরিষ্কার চুলের স্বপ্নও সকলেই দেখেন
|
মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে উঠলে সেখান থেকে মরা কোষ গুলি উঠতে দেখা যায়
|
এগুলিকে খুশকি বলা হয়
|
মূলতঃ মাথার ত্বক অত্যধিক শুষ্কতার কারণে খুশকির সমস্যা দেখা যায়
|
এছাড়াও যেকোন ধরনের জীবাণুর সংক্রমণ থেকেও এটি হতে পারে
|
তাই খুশকি দূর করে স্ক্যাল্পকে সমস্যা মুক্ত রাখতে অ্যালোভেরার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
|
অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান গুলি মাথার ত্বকে আর্দ্রতা প্রদান করে এবং খুশকির সমস্যা সমাধান করে
|
এছাড়াও এটি চুলের পিএইচ ভারসাম্য রক্ষা করে
|
তাই খুশকি দূরীকরণে অ্যালোভেরার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
অ্যালোভেরার দুটো পাতা থেকে সম্পূর্ণ জেল বার করে নিন
|
এবার জেলটির মধ্যে অর্ধেক লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিক্সিতে ফেটিয়ে একটি রস তৈরি করে নিন
|
এবার এটি অল্প ভেজা চুলে লাগিয়ে পনেরো থেকে কুড়ি মিনিট অপেক্ষা করুন
|
চুলটা উষ্ণ তোয়ালে দিয়ে জড়িয়ে রাখুন
|
এরপর ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে শ্যাম্পু করে নিন
|
সপ্তাহে একদিন এই প্যাকটি ব্যবহার করুন
|
এতে চুলের যেকোনো সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি খুশকির সমস্যাও দূর হবে
|
৩) চুল কন্ডিশনিংয়ে অ্যালোভেরার ব্যবহার :
|
একটি উজ্জ্বল ঝকঝকে চুল কে না চায়
|
তবে আমাদের পরিবেশ দূষণের কারণে আমাদের চুল প্রায় নষ্ট হতে বসেছে
|
তাই চুলের যথাযথ দৈনন্দিন পরিচর্যা প্রয়োজন
|
আর এই পরিচর্যা যদি যেকোনো প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে সম্ভব হয় সেটি তাহলে চুলকে সর্বাঙ্গীনভাবে সুন্দর করে তুলতে পারে
|
এমনই চুল পরিচর্যার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অ্যালোভেরা
|
এটি যে কোনো ধরনের বাজারজাত ও নামিদামি পণ্য সামগ্রীকেও পিছনে ফেলে দেয়
|
চুলকে নরম এবং সুন্দর রাখতে অ্যালোভেরার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
|
অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা উপাদানগুলি চুলকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল বের করে নিন
|
এবার এর সাথে নারকেল তেল মিশিয়ে পরিষ্কার স্ক্যাল্পে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন
|
পরদিন সকালে উঠে যে কোন ধরণের মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন
|
সপ্তাহে তিন দিন এটি ব্যবহার করুন
|
দেখবেন চুল তার হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পেয়েছে এবং সুন্দর হয়ে উঠেছে
|
স্বাস্থ্যের জন্য এলোভেরার উপকারিতা -
|
অ্যালোভেরা হলো এক ধরনের পুষ্টি কারী উপাদান যেটি আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
|
এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানগুলি শরীরের বিভিন্ন রোগ-জীবাণুর সাথে লড়াই করে শরীরে অনাক্রমতা প্রদান করে
|
এছাড়াও ডায়াবেটিস, ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য রোগের বিরুদ্ধে চিকিৎসা করে
|
অ্যালোভেরা আপনার স্বাস্থ্য রক্ষায় কিরূপ ভূমিকা পালন করে এক নজরে জেনে নিন
|
১) ওজন কমাতে অ্যালোভেরার ভূমিকা :
|
গবেষণায় দেখা গিয়েছে শরীরের বাড়তি ফ্যাট কমিয়ে শরীরের ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অ্যালোভেরা
|
এছাড়াও ওজন বাড়ানো কমানোর পাশাপাশি শরীরে অনাক্রম্যতা দান করে শরীরকে শক্তি প্রদান করতে সমর্থ হয় অ্যালোভেরা
|
দৈনন্দিন ডায়েট চার্টে অ্যালোভেরা রাখলে সেটি শরীরের ওজন কমিয়ে স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় এবং শরীরের স্থূলতা কমাতে সহায়তা করে
|
গবেষণায় দেখা গিয়েছে অত্যধিক স্থূলতা যে সমস্ত ব্যক্তিদের শরীরে রয়েছে সেগুলো দৈনিক অ্যালোভেরার রস গ্রহণের ফলে কমতে সহায়তা করেছে
|
এছাড়াও অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা উপাদান গুলি শরীরে যেকোনো ধরনের পুষ্টিকর চাহিদাগুলো মিটায় এবং শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে
|
দীর্ঘদিন ধরে স্থূলকায় কয়েকটি ইঁদুরের ওপর অ্যালোভেরা প্রয়োগ করে লক্ষ্য করা গিয়েছে, তাদের শরীরের চর্বি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল অ্যালোভেরা জেল এবং অ্যালোভেরা শরীরে ফ্যাট কমানোর পাশাপাশি শরীরকে আরো শক্তিশালী করে তুলতে সহায়তা করে
|
কেবলমাত্র ওজন কমাতে নয়, কোলেস্টেরল এবং স্থূলতার মতন অন্যান্য ব্যাধিগুলি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে অ্যালোভেরা
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
দৈনিক সকাল বেলা খালি পেটে দু'চামচ অ্যালোভেরা রস খাবেন
|
এটি জলে মিশিয়ে কিংবা আমলকির রস দিয়ে মিশিয়ে খেতে পারেন
|
তাহলে একমাসেই ওজন কম হতে শুরু হবে
|
এছাড়াও এটি গ্রহণের পাশাপাশি দৈনিক সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে
|
গর্ভবতী মহিলাদের খাদ্যতালিকায় অ্যালোভেরা রস গ্রহণ করা একেবারেই অনুচিত এবং দীর্ঘদিন ধরে যারা হূদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছেন তারা অ্যালোভেরার রস খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করে নেবেন
|
কেননা সকলের শরীরে এটি সমানভাবে প্রয়োজনীয় নাও হতে পারে
|
এছাড়া যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তারাও অ্যালোভেরার রস খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেবেন
|
২) কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে অ্যালোভেরার ভূমিকা :
|
কোষ্ঠকাঠিন্যের মত সমস্যার সমাধানে অ্যালোভেরার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ
|
মূলতঃ হজম জনিত যেকোনো ধরনের অসুস্থতার ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়ে থাকে
|
এছাড়াও এটি ডায়েরিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধান করতেও ব্যবহার করা হয়ে থাকে
|
মূলতঃ জ্বালাময়ী আন্ত্রিক সিনড্রোমের কারণেই ডায়েরিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা গুলি দেখা যায়
|
যার ফলে পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা এবং পেট ফুলে যাওয়ার মতন সমস্যাগুলো লক্ষ্য করা যায়
|
অ্যালোভেরার পাতায় এমন কিছু উপাদান থাকে যেগুলি এ ধরনের জ্বালা ভাব, পেট ফুলে যাওয়া কমাতে সহায়তা করে
|
অ্যালোভেরার জুসে থাকা ল্যাটেক্স যুক্ত উপাদানগুলি কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে সহায়তা করে
|
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অ্যালোভেরার জুস কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন ?
|
অ্যালোভেরার জুস দিয়ে যেকোনো ধরনের স্মুদি তৈরি করে দৈনিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন
|
কিংবা অ্যালোভেরা গাছের জুস নিয়ে তার মধ্যে এক দুই চামচ জল কিংবা করলার রস মিশিয়ে গ্রহণ করতে পারেন
|
এছাড়াও অ্যালোভেরা জুসের সাথে শশা, লেবু ও পুদিনাপাতা মিশিয়ে বিভিন্ন ধরনের পানীয় তৈরি করে খাদ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন
|
এটি দৈনিক গ্রহণের ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পাবেন
|
৩) ডায়াবেটিস কমাতে অ্যালোভেরার ভূমিকা : /
|
দৈনিক অ্যালোভেরার ব্যবহার করলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে
|
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দৈনিক অ্যালোভেরা গ্রহণের ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ৪৬৬ মিলিগ্রাম পর্যন্ত কমে
|
অ্যালোভেরার গ্লাইকেটেড উপাদান হিমোগ্লোবিনের ওপর প্রভাব ফেলে
|
গত দুই থেকে তিন মাস পরীক্ষা করে দেখা গেছে এটি রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমাতে এটি সহায়তা করে
|
এছাড়াও প্রি ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও একই রকম প্রভাব লক্ষ্য করা যায়
|
অ্যালোভেরার দৈনিক ব্যবহারের ফলে মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ অনেকটা কমিয়ে দেয় এবং তাদের অস্বাভাবিক লিপিড প্রোফাইল করে
|
অ্যালোভেরা রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে
|
অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা গ্লুকোমানান, হাইড্রোফিলিক ফাইবার এবং ফাইটোস্টেরল জাতীয় উপাদান গুলি ইনসুলিন বাড়াতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে
|
অ্যালোভেরা জেল এর পাশাপাশি অ্যালোভেরার পাতাগুলো এক্ষেত্রে কার্যকরী
|
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
|
দৈনিক এক চামচ করে অ্যালোভেরার রস দিনে দুবার গ্রহণ করতে পারেন
|
এটি ইনসুলিন প্রবাহকে ত্বরান্বিত করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে
|
ডায়াবেটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার ব্যবহার অত্যন্ত সহজ
|
৪) অনাক্রমতা প্রদানে অ্যালোভেরার ব্যবহার :
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.