Dataset Viewer
Auto-converted to Parquet Duplicate
query
stringlengths
15
132
positive
sequencelengths
1
2
negative
sequencelengths
28
30
cluster
int64
0
84
চেঙ্গিস খান কোন বংশের রাজা ছিলেন ?
[ "চেঙ্গিজ খান\nচেঙ্গিজ খান (মঙ্গোলীয়: Чингис Хаан আ-ধ্ব-ব: [ʧiŋgɪs χaːŋ], ), (১১৬২[1]–আগস্ট ১৮, ১২২৭) প্রধান মঙ্গোল রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা বা মহান খান, ইতিহাসেও তিনি অন্যতম বিখ্যাত সেনাধ্যক্ষ ও সেনাপতি। জন্মসূত্রে তার নাম ছিল তেমুজিন (মঙ্গোলীয়: Тэмүжин )। তিনি মঙ্গোল গোষ্ঠীগুলোকে একত্রিত করে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের (Екэ Монгол Улус; ১২০৬ - ১৩৬৮) গোড়াপত্তন করেন। নিকট ইতিহাসে এটিই ছিল পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সম্রাজ্য। তিনি মঙ্গোলিয়ার বোরজিগিন বংশে জন্ম নিয়েছিলেন। এক সাধারণ গোত্রপতি থেকে নিজ নেতৃত্বগুণে বিশাল সেনাবাহিনী তৈরি করেন।যদিও বিশ্বের কিছু অঞ্চলে চেঙ্গিজ খান অতি নির্মম ও রক্তপিপাসু বিজেতা হিসেবে চিহ্নিত[2] তথাপি মঙ্গোলিয়ায় তিনি বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে সম্মানিত ও সকলের ভালোবাসার পাত্র। তাকে মঙ্গোল জাতির পিতা বলা হয়ে থাকে। একজন খান হিসেবে অধিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে চেঙ্গিজ পূর্ব ও মধ্য এশিয়ার অনেকগুলো যাযাবর জাতিগোষ্ঠীকে একটি সাধারণ সামাজিক পরিচয়ের অধীনে একত্রিত করেন। এই সামাজিক পরিচয়টি ছিল মঙ্গোল।" ]
[ "কুবলাই খান\nকুবলাই খান ছিলেন তলুই ও সরঘাঘতানি বেকির দ্বিতীয় পুত্র। তাঁর পিতামহ ছিলেন চেঙ্গিস খান। ১২৬০ খ্রিস্টাব্দে কুবলাই খান তাঁর বড় ভাই মংকু খানের স্থলাভিষিক্ত হন। কুবলাই খানের আরেক ভাই হালাকু খান পারস্য জয় করেন এবং সেখানে ইলখানাত নামে রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।", "কালকা নদীর যুদ্ধ\nমধ্য এশিয়ায় মোঙ্গল আক্রমণ এবং খাওয়ারেজমীয় সাম্রাজ্যের পতনের পর সেনাপতি জেবে ও সুবুতাইয়ের নেতৃত্বে একটি মোঙ্গল বাহিনী ইরাক-ই-আজমের দিকে অগ্রসর হয়। জেবে ককেশাস হয়ে মূল বাহিনীতে প্রত্যাবর্তনের আগে কয়েক বছর তাঁর বিজয়াভিযান চালিয়ে যাওয়ার জন্য মোঙ্গল সম্রাট চেঙ্গিস খানের কাছে অনুমতি প্রার্থনা করেন। চেঙ্গিসের উত্তরের অপেক্ষায় থাকাকালে সেনাপতিদ্বয় জর্জিয়া আক্রমণ করেন এবং রাজ্যটির রাজাকে হত্যা করেন। চেঙ্গিস তাঁদের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করেন। এরপর তাঁরা ককেশাসের উপজাতিদের একটি সম্মিলিত জোটকে পরাজিত করেন এবং তারপর কিউমানদের পরাজিত করেন। কিউমানদের খান তাঁর জামাতা গ্যালিসিয়া-ভোলহিনিয়ার মাস্তিস্লাভ দ্য বোল্ডের দরবারে আশ্রয় নেন এবং মোঙ্গলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাঁকে সাহায্য করতে রাজি করান। মাস্তিস্লাভ দ্য বোল্ড মোঙ্গল আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য বিভিন্ন রুশ রাজ্যের সমন্বয়ে একটি মিত্রজোট গঠন করে।", "হালাকু খান\nহালাকু খান(Mongolian: Хүлэгу хаан; Chagatay: ہلاکو; Persian: هولاکو خان‎; Chinese:旭烈兀; আনুমানিক ১২১৮ – ৮ ফেব্রুয়ারি ১২৬৫) ছিলেন একজন মঙ্গোল শাসক। তিনি পশ্চিম এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চল জয় করেছিলেন। তিনি তোলুইয়ের ছেলে এবং চেঙ্গিস খানের নাতি। আরিক বোকে, মংকে খান ও কুবলাই খান তার ভাই।", "আরিক বোকে\nআরিক বোকে ছিলেন তোলুই খানের কনিষ্ঠ পুত্র এবং চেঙ্গিস খানের নাতি। ১২২৭ সালে চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর আরিকের চাচা ওগেদাই খান নেতৃত্ব লাভ করেন। আরিক তার চাচা ওগেদাই ও চাচাত ভাই গুয়ুক খানের নির্বাচনের সময় উপস্থিত ছিলেন। ১২৫০ সালে আরিকের বড় ভাই মংকে ক্ষমতাসীন হন। ফলে তাদের পরিবার আরো ক্ষমতাশালী হয়ে উঠে। আরিক খ্রিস্টধর্মের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন বলে জানা যায়। নবম লুইয়ের দূত উইলিয়ামের বিবরণে এমন তথ্য পাওয়া যায়।", "বাতু খান\nবাতুকে গোল্ডেন হোর্ডে‌র খান নিযুক্ত করা হয়। এটি জোচির উলুস বা কিপচাক খানাত নামেও পরিচিত। জোচির বড় ছেলে ওরদা খানও বাতুকে বাবার উত্তরাধিকারী মেনে নেন। চেঙ্গিস খানের সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে চেঙ্গিস খানের ছোট ভাই তেমুগে বাতুর অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। জোচির এলাকা বাতু ও তার বড় ভাই ওরদার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। ওরদার হোয়াইট হোর্ড‌ ভলগা নদী ও বালকাশ হ্রদের মধ্যবর্তী এলাকা শাসন করেছে। অন্যদিকে বাতুর হোর্ড‌ ভলগার পশ্চিম দিকের এলাকা শাসন করেছে।", "মঙ্গোল সাম্রাজ্য\n১১৯০ সালের দিকে চেঙ্গিস খান মঙ্গোল জাতীর একমাত্র নেতা (খান) হবার সংকল্পে যুদ্ধ শুরু করেন। তার সমরকুশলতা ও উপযুক্ত নীতির কারনে তিনি সব গোত্রকেই ধ্বংস অথবা বশিভুত করতে সক্ষম হন। অনেকবার তিনি তার কাছের সহযোগীদেরও ছাড়েননি। যেমন তিনি তার সবচে কাছের বন্ধু জামুখাকেও পরাজিত করে হত্যা করেন। এভাবে তিনি মঙ্গোল জাতীর প্রধান খান হন ও চেঙ্গিস খান উপাধি গ্রহন করেন। তার অভিষেক হয় ১২০৬ সালে। তখন থেকেই মঙ্গোল সাম্রাজ্যের শুরু ধরা হয়।", "বামিয়ানের বুদ্ধমূর্তি\n১২২১ খ্রিস্টাব্দে চেঙ্গিস খানের আবির্ভাবে বামিয়ান অঞ্চলে প্রচণ্ড ধ্বংসলীলা চালান,[13][14] কিন্তু চেঙ্গিস খান বুদ্ধমূর্তি দুটিকে রেহাই দেন। পরবর্তীকালে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব ভারী কামানের সাহায্যে মূর্তি দুটিকে ধ্বংসের চেষ্টা করেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে পারস্যের শাসক নাদের আফশার মূর্তিদুটিকে লক্ষ্য করে কামান দাগেন।[15] শিয়া ধর্মাবলম্বী হাজারা বিদ্রোহ দমনের সময় আফগান রাজা আব্দুর রহমান খান মূর্তির মুখমণ্ডল নষ্ট করে দেন।[16] ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দুরেঊ নামক এক ফরাসি এই মূর্তির আলোকচিত্র তোলেন।[17]", "ওগেদাই খান\nওগেদাই খান(মঙ্গোলীয়: ᠦᠭᠦᠳᠡᠢ; চীনা: 窩闊台: ৭ নভেম্বর ১১৮৬ – ১১ ডিসেম্বর ১২৪১) ছিলেন চেঙ্গিস খানের তৃতীয় ছেলে এবং মঙ্গোল সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় খাগান। চেঙ্গিস খানের পর তিনি খাগান হন। তার পিতার সাম্রাজ্য বিস্তার অভিযান তিনি এগিয়ে নিয়ে যান। চেঙ্গিস খানের প্রথমদিককার অন্য ছেলেদের মত তিনিও চীন, ইরান ও মধ্য এশিয়া জয়ে অংশ নিয়েছেন।", "চীনের ইতিহাস\nJurchen ছিলেন ঝিন বংশের প্রতিষ্ঠাতা যিনি মঙ্গলদের দ্বারা পরাজিত হয়েছিলেন। এরপর মঙ্গলরা দক্ষিণ সং রাজ্যের দিকে অগ্রসর হয় এবং এক দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এটাই ছিল প্রথম যুদ্ধ যেখানে আগ্নেয়াস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই যুদ্ধের পরবর্তী সময়কে বলা হয় Pax Mongolica, এ সময় মার্কো পোলো ও অন্যান্য ইউরোপীয় পরিব্রাজকরা চীন ভ্রমণ করেন এবং চীন সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ইউরোপে পৌছায়। ইউয়ান শাসনামলে, মঙ্গলদেরকে দুইটি অংশে ভাগ করা হয়, একটি অংশ স্তেপে থেকে যায় এবং আর একটি অংশ চৈনিক রীতিনীতি গ্রহন করে। চেঙ্গিস খানের পৌত্র কুবলাই খান ইউয়ান বংশ প্রতিষ্ঠা করেন। ইউয়ান শাসনামলে সর্ব প্রথম বেইজিং থেকে সমগ্র চীন সম্রাজ্য পরিচালিত হয়। এর আগে ঝিন সম্রাটদের রাজধানী ছিল বেইজিং। কিন্তু তারা সমগ্র চীনের শাসক ছিলেন না। মঙ্গলদের আগ্রাসনের পূর্বে চীনের জনসংখ্যা ছিল ১২০ মিলিয়ন। ১২৭৯ সালে যুদ্ধ শেষ হবার পর চীনের জনসংখ্যা ছিল ৬০ মিলিয়নের মত।[25] Frederick W. Mote এর মতে যুদ্ধ জনসংখ্যার এই ব্যাপক হ্রাসের একমাত্কার করান ছিল না। পূর্বে জনসংখ্যার গণনা সঠিক ছিল না বলে তিনি মনে করেন।", "তোলুই খান\nতোলুই খান, (ধ্রুপদি মঙ্গোলীয়: , , ) (১১৯২-১২৩২) ছিলেন চেঙ্গিস খানের চতুর্থ ছেলে। ১২২৭ সালে চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর মঙ্গোলিয়ায় তিনি তার বাবার উত্তরাধিকারী হন। ওগেদাই খান সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় খাগান হওয়ার পূর্বে তিনি প্রশাসন পরিচালনা করেছেন। এর পূর্বে মঙ্গোলদের অভিযানে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গোলিয়া ও ইলখানাতের সম্রাটদের অধিকাংশের তিনি সরাসরি পূর্বপুরুষ।", "ম্গার বংশ\nম্গার বংশের উৎপত্তি সম্বন্ধে অনেকরকম ধারণা করা হয়। কিছু মতে এই পরিবার প্রাগৈতিহাসিক ঙ্গাস-পো রাজ্যের অধিবাসী ছিলেন। \"ব্লোন-পো-ব্কা-থাং\" গ্রন্থে তাঁদের বা-গোরের বাসিন্দা বলা হয়েছে। কোন কোন মতে ম্গার-স্রোং-র্ত্সানের জন্ম স্তোদ-লুঙ্গের নিকটে ল্দিং-খার নিকটে।", "ইলখানাত\nইলখানাত (, \"Ilkhanan\"; Mongolian: Хүлэгийн улс, \"Hulagu-yn Ulus\") ছিল মোঙ্গল সাম্রাজ্য হতে উদ্ভূত একটি খানাত। এটি মঙ্গোল হালাকু খান পরিবার কর্তৃক শাসিত হয়। ১৩ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ইরান ছিল এর প্রাথমিক ভিত্তিভূমি। এছাড়াও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল যেমন বর্তমান আজারবাইজান এবং তুরস্কের মধ্য ও পূর্বাঞ্চল এর অন্তর্গত ছিল। ইলখানাত মূলত চেঙ্গিস খানের খোয়ারিজমীয় সাম্রাজ্য অভিযানের উপর ভিত্তি লাভ করে এবং হুলাগু খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। হালাকু খান চেঙ্গিস খানের নাতি ছিলেন। সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ সীমায় বর্তমান ইরান, ইরাক, তুর্কমেনিস্তান, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, জর্জিয়া, তুরস্ক, পশ্চিম আফগানিস্তান ও দক্ষিণ পশ্চিম পাকিস্তান এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। মাহমুদ গাজান থেকে শুরু করে পরবর্তী ইলখানাত শাসকরা ইসলাম ধর্মাবলম্বী ছিলেন।", "বাংলার ইতিহাস\nমাৎস্যন্যায়ের সময় বাংলার বিশৃঙ্খলা দমনের জন্য বাংলার মানুষ নির্বাচনের মাধ্যমে গোপাল নামক এক সামন্তরাজাকে বাংলার রাজা হিসেবে গ্রহন করেন ।গোপালই হলেন পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা ।পাল বংশের সবচেয়ে শক্তিশালী দুই রাজা ছিলেন ধর্মপাল (রাজত্বকাল ৭৭৫-৮১০ খ্রীষ্টাব্দ) এবং দেবপাল (রাজত্বকাল ৮১০-৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ) । পাল বংশের স্থায়ীত্বকাল ছিল প্রায় ৪০০ বছর।পাল বংশের অন‍্য উল্ল‍্যেখ যোগ‍্য রাজা ছিলেন নারায়ণপাল ৮৬০-৯১৫ , মহীপাল ৯৭৮-১০৩০, রামপাল। এই আমলে শিল্প কলায় বাংলা শিখরে উঠে । কিন্তু এই সময় বহু ব্রহ্মণ বৌদ্ধ অত‍্যাচারে বাংলা ত‍্যাগ করে উত্তর ও পশ্চিম ভারতে চলে যায় ।", "বাতু খান\nবাতু খান (; , , , ; আনুমানিক ১২০৭-১২৫৫) ছিলেন গোল্ডেন হোর্ডে‌র প্রতিষ্ঠাতা। তিনি জোচির ছেলে এবং চেঙ্গিস খানের নাতি। চেঙ্গিস খানের ছেলেরা মারা যাওয়ার পর তিনি \"আগা\" নামে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে সম্মানিত শাহজাদা হয়ে উঠেন।", "বিশ্বের ইতিহাস\nমঙ্গোলদের নেতাদেরকে \"খান\" নামে ডাকা হত। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে তেমুজিন খান নামের মঙ্গোল নেতা সমস্ত মঙ্গোল গোত্রগুলি এক পতাকার নিচে নিয়ে আসেন। তাঁর নাম দেওয়া হয় চেঙ্গিস খান, অর্থাৎ “সবার প্রভু”। সারা জীবন ধরে অসংখ্য সমরাভিযানশেষে চেঙ্গিস খান শেষ পর্যন্ত পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূল থেকে পশ্চিমে ইউরোপের দানিউব নদী পর্যন্ত এক সুবিশাল সাম্রাজ্য গঠন করেন, যার মধ্যে বিরাট পারস্য সাম্রাজ্যও ছিল এক অংশমাত্র। ১২১১ সালে চেঙ্গিস খান চীন আক্রমণ করেন এবং ১২১৫ সালের মধ্যে মঙ্গোলদের হাতে চীনের তৎকালীন রাজধানী বেইজিংয়ের পতন ঘটে। ১২১৭ সালে মঙ্গোলরা চীন ও কোরিয়া নিয়ন্ত্রণ করত। কারাকোরুম শহরে (বর্তমানে মঙ্গোলিয়াতে অবস্থিত) তাদের রাজধানী ছিল । ১২১৯ সালে মঙ্গোলরা পশ্চিমদিকে অগ্রসর হয়ে খোয়ারিজম সাম্রাজ্য (পারস্য ও তুরস্ক) আক্রমণ করে। ১২২৪ সালে তারা রাশিয়া, পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরি আক্রমণ করে। চেঙ্গিস খান যুদ্ধক্ষেত্রে নির্মম হলেও তার সাম্রাজ্যে শান্তি বজায় রাখেন এবং শক্ত হাতে কিন্তু ন্যায়বিচারের সাথে শাসন করেন। তার সময়ে বাণিজ্যের বিকাশ ঘটে।", "ওগেদাই খান\nওগেদাই খান ছিলেন চেঙ্গিস খানের তৃতীয় ছেলে। চেঙ্গিস খানের উত্থানের সময় তিনি বিভিন্ন ঘটনায় অংশ নিয়েছেন। ওগেদাইয়ের ১৭ বছর বয়সের সময় চেঙ্গিস খান জামুখার বিরুদ্ধে একটি লড়াইয়ে পরাজিত হন। যুদ্ধক্ষেত্রে ওগেদাই আহতাবস্থায় নিখোজ হন। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।", "আলাউদ্দিন মুহাম্মদ খোয়ারিজমশাহ\n১২১৮ সালে চেঙ্গিস খান শাহর সাথে বাণিজ্য বিষয়ে যোগাযোগ করেন। ইতিমধ্যে চেঙ্গিস খান চীনের দুই তৃতীয়াংশ অঞ্চল জয় করেছিলেন। তিনি একটি বণিকদল খোয়ারিজমে প্রেরণ করেন। শাহ তাদেরকে গুপ্তচর চিহ্নিত করে তাদের বন্দী ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেন। পরে তাদেরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়।", "আরিক বোকে\nআরিক বোকে () (আনু. ১২১৯-১২৬৬) (আরিগ এবং বুখা বা বুকা নামেও পরিচিত) ছিলেন তোলুই খানের কনিষ্ঠ পুত্র এবং চেঙ্গিস খানের নাতি। তার ভাই খাগান মংকের মৃত্যুর পর আরিক নিজেকে সাম্রাজ্যের খাগান দাবি করে সংক্ষিপ্তকাল ক্ষমতাসীন হন। এসময় তার ভাই কুবলাই খান ও হালাকু খান মঙ্গোলিয়ার বাইরে ছিলেন। ১২৬০ সালে কুবলাই ফিরে আসার পর দ্বন্দ্ব মেটেনি। ফলশ্রুতিতে গৃহযুদ্ধ দেখা দেয় এবং সাম্রাজ্যে ভাঙ্গন ধরে। সাম্রাজ্যের ঐতিহ্যপন্থিরা আরিক বোকেকে সমর্থন দেয়। অন্যদিকে কুবলাই খান উত্তর চীন ও মাঞ্চুরিয়ার শাসকদের সমর্থন পান।", "বুরখান খাল্ডুন\nবুরখান খাল্ডুন (সিরিলিক ভাষায়: Бурхан Халдун) উত্তর-পূর্ব মঙ্গোলিয়ার খেন্টাই অঞ্চলের একটি খেন্টাই পর্বত। পর্বতটিকে বা এই স্থানকে চেঙ্গিস খানের জন্মস্থান বলে ধারণা করা হয় এবং এখানেই তাঁর সমাধিস্থল অবস্থিত। এই স্থানে অন্য একজন বিখ্যাত বীর সাবুতাইয়ের জন্মস্থান। পর্বতটি ১৯৯২ সালে প্ৰতিষ্ঠিত এলাকাটি খান খেন্টাই কঠোরভাবে সুরক্ষিত অঞ্চলের একটি অংশ। যদিও চেঙ্গিস খানের পূৰ্বেও পর্বতটিকে পবিত্ৰ মনে করা হত, চেঙ্গিস খান এই পর্বতটিকে মঙ্গোলিয়ার সবথেকে পবিত্ৰ পৰ্বত আখ্যা দেয়ার পর এর গুরুত্ব বেড়ে যায়। ৪ জুলাই ২০১৫ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে এই পৰ্বতকে \"মহান বুরখান খাল্ডুন পৰ্বত এবং চারপাশের পবিত্ৰ পরিবেশ\" উপাধিতে ঘোষণা করে। ১৯৫৫ সালে পর্বতটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে পূজা করা হয় এবং সেই সাথে পর্বতটিকে রাষ্ট্ৰীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই স্থানের অনন্য জৈববৈচিত্র্য মধ্য এশিয়া প্রান্তের উদ্ভিদজগতের সাথে মিশ্রিত। এমনকি ৫০ প্ৰজাতির প্রানী এবং ২৫৩ প্ৰজাতির পাখি নিয়ে অনন্য।", "তোলুই খান\nতোলুইয়ের উচ্চ সামরিক দক্ষতা ছিল এবং তিনি একজন সফল সেনাপতি ছিলেন। তবে তার বাবা চেঙ্গিস খান রাজনৈতিকভাবে অধিক সক্ষম ওগেদাই খানকে নিজের উত্তরসূরি মনোনীত করেছিলেন।", "গুয়ুক খান\nগুয়ুক খান(মঙ্গোলীয় সিরিলিক: Гүюг хаан) (আনু. ১৯ মার্চ ১২০৬–২০ এপ্রিল ১২৪৮) ছিলেন মঙ্গোল সাম্রাজ্যের তৃতীয় খাগান। তিনি ওগেদাই খানের জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং চেঙ্গিস খানের নাতি। তিনি ১২৪৬ থেকে ১২৪৮ সাল পর্যন্ত শাসন করেছেন।", "বিশ্বের ইতিহাস\n১২২৭ সালে চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পরেও মঙ্গোলরা আক্রমণ অব্যাহত রাখে। ১২২৯ সালে চেঙ্গিস খানের এক পুত্রসন্তান ওগাদাই খান মঙ্গোলদের নেতা হন। চেঙ্গিস খানের আরেক সন্তান বাতু খান এবং সুবোতাই খানের নেতৃত্বে ১২৩৭ সালে মঙ্গোল বাহিনী উত্তর রাশিয়া দখলের জন্য আক্রমণ করে। তাদের সেনাবাহিনীর নাম ছিল “স্বর্ণালী দঙ্গল”। ইউরোপে মঙ্গোলদের দ্রুতি ও হিংস্রতার কথা ছড়িয়ে পড়লে সেখানকার জনগণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে। প্রতিটি মঙ্গোল সেনা পাঁচটি ঘোড়া নিয়ে চলাচল করত এবং প্রত্যেকে তীরন্দাজি ও বর্শা নিক্ষেপে অত্যন্ত দক্ষ ছিল। ঘোড়সওয়ারী হয়ে তারা কেবল পা দিয়ে ঘোড়াদের নিয়ন্ত্রণ করত, এবং খালি দুই হাত তীর ছোঁড়া বা বর্শা নিক্ষেপের কাজে লাগাত। যুদ্ধের সময় তারা ছিল ক্ষমাহীন, নিষ্ঠুর যোদ্ধা। তারা গোটা শহরের সবাইকে সদলবলে হত্যা করে তাদের সম্পদ লুন্ঠন করে অন্য শহর আক্রমণ করতে যেত। ১২৪১ সালে মঙ্গোলদের নেতা ওগাদাই খানের মৃত্যুর সংবাদ পশ্চিমে এসে পৌঁছালে ইউরোপে অগ্রসরমান মঙ্গোলবাহিনী আবার এশিয়াতে ফেরত যায়, ফলে ইউরোপ পরিত্রাণ পায়।", "তোলুই খান\nচেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তোলুই দুই বছর পর্যন্ত মঙ্গোল সাম্রাজ্যের তত্ত্বাবধান করেছেন। এসময় তার অধীনে কেন্দ্রীয় মঙ্গোলিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ ও শক্তিশালী বাহিনী ছিল। তোলুই নির্বাচনের মাধ্যমে পরবর্তী খাগানের ব্যাপারে সিদ্ধান্তের পক্ষপাতী ছিলেন। এতে চেঙ্গিস খানের ইচ্ছা অনুযায়ী ওগেদাই খাগান নির্বাচিত হন।", "চাগতাই খানাত\n১৩৪০ এর দশকে চাগতাই খানাত দুই অংশে বিভক্ত হয়। পশ্চিমাঞ্চলে মুসলিম গোত্রের আধিক্য ছিল এবং এখানে কারাউন আমিরদের আধিপত্য স্থাপিত হয়। চেঙ্গিস খানের বংশের সাথে সংযোগ রক্ষার জন্য আমিররা চাগতাইয়ের কয়েকজন বংশধরকে ক্ষমতায় বসান। তবে তারা শুধু নামে প্রধান ছিলেন। মূল ক্ষমতা তাদের হাতে ছিল না। খানাতের পূর্বাঞ্চলীয় অংশ চাগতাই বংশীয় তুগলুত তিমুরের অধীনে স্বাধীনভাবে পরিচালিত হত। পূর্বাঞ্চলের অধিকাংশ অঞ্চল মোগলিস্তান নামে পরিচিত ছিল। এখানকার বাসিন্দারা ছিল মঙ্গোল জাতিসত্ত্বার এবং তারা মূলত বৌদ্ধধর্ম ও মঙ্গোলীয় শামান মতবাদের অনুসারী ছিল।", "তোলুই খান\nচেঙ্গিস খানের উত্থানের সময় তোলুই যুদ্ধে অংশ নেওয়ার মত বয়সে পৌছাননি। পাঁচ বছর বয়সে এক তাতার তাকে হত্যা করতে প্রায় সফল হয়েছিল। তার বোন আলতানি ও চেঙ্গিস খানের দুই সঙ্গী সেসময় তাকে বাঁচান। তোলুই ও তার স্ত্রী সোরগাগতানি বেকির প্রথম পুত্র মংকে খান ১২০৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তোলুই ১২১৩ সালে জিন রাজবংশের বিরুদ্ধে প্রথম লড়াই করেছেন।", "আহোম সাম্রাজ্য\nআহোম সাম্রাজ্যের প্রথম রাজা চুকাফা মং মাও বংশের বংশধর ছিলেন। রাজাকে স্বর্গদেউ বলা হত। বংশগতি ক্রমে রাজাদের নির্বাচন করা হত। কিন্তু পরিস্থিতি সাপেক্ষে মন্ত্রীরা অন্য কোন বংশকে রাজার পদে নির্বাচন করতে পারতেন বা অধিষ্ঠ রাজাদের পদচ্যুত করতে পারতেন।", "আইন জালুতের যুদ্ধ\n১২৫১ সালে মংকে খান খাগান হন। তিনি তার দাদা চেঙ্গিস খানের বিশ্বব্যপী সাম্রাজ্যের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সচেষ্ট ছিলেন। তিনি তার ভাই হালাকু খানকে পশ্চিমের জাতিসমূহকে অধিকার করার দায়িত্ব দেন।[4]", "চাগতাই খানাত\nচাগতাই খানাত (মঙ্গোলীয়: \"Tsagadaina Khaanat Ulus/Цагаадайн Хаант Улс\") ছিল মধ্যযুগের একটি মঙ্গোল খানাত। চেঙ্গিস খানের দ্বিতীয় পুত্র চাগতাই খান ছিলেন এই খানাতের প্রথম শাসক। পরবর্তীতে তার বংশধররা রাজ্য শাসন করেছেন। প্রথমে এটি মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। ১২৫৯ সালের পর মঙ্গোল সাম্রাজ্যের ভাঙনের সময় এটি স্বাধীন হয়। ১৩০৪ সালে চাগতাই খানাত ইউয়ান রাজবংশের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নেয়। ১৪শ শতাব্দীর মধ্যভাগে চাগতাই খানাত ভেঙে পশ্চিম চাগতাই খানাত ও মোগলিস্তান খানাতে বিভক্ত হয়। ১৩শ শতাব্দীতে খানাত আমু দরিয়া থেকে আলতাই পর্বতমালা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।", "হালাকু খান\nহালাকু খান ছিলেন চেঙ্গিস খানের অন্যতম পুত্র তোলুইয়ের সন্তান। তার মা সোরগাগতানি বেকি ছিলেন একজন প্রভাবশালী কেরাইত শাহজাদি। সোরগাগতানি ছিলেন একজন নেস্টরিয়ান খ্রিষ্টান। হালাকু খানের স্ত্রী দকুজ খাতুন এবং তার ঘনিষ্ট বন্ধু ও সেনাপতি কিতবুকাও খ্রিষ্টান ছিলেন। মৃত্যুর আগমুহূর্তে হালাকু খান বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়।[1][2] কয়য়ে বৌদ্ধ মন্দির নির্মাণ থেকে বৌদ্ধধর্মে তার আগ্রহের প্রমাণ পাওয়া যায়।[3]", "মুঘল সাম্রাজ্য\nপানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইবরাহিম লোদির বিরুদ্ধে বাবরের জয়ের মাধ্যমে মুঘল সাম্রাজ্যের সূচনা হয়। মুঘল সম্রাটরা ছিলেন মধ্য এশিয়ার তুর্কো-মঙ্গোল বংশোদ্ভূত। তারা চাগতাই খান ও তৈমুরের মাধ্যমে চেঙ্গিস খানের বংশধর। ১৫৫৬ সালে আকবরের ক্ষমতারোহণের মাধ্যমে মুঘল সাম্রাজ্যের ধ্রূপদী যুগ শুরু হয়। আকবর ও তার ছেলে জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ভারতে অর্থনৈতিক প্রগতি বহুদূর অগ্রসর হয়। আকবর অনেক হিন্দু রাজপুত রাজ্যের সাথে মিত্রতা করেন। কিছু রাজপুত রাজ্য উত্তর পশ্চিম ভারতে মুঘলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জারি রাখে কিন্তু আকবর তাদের বশীভূত করতে সক্ষম হন। মুঘল সম্রাটরা মুসলিম ছিলেন তবে জীবনের শেষের দিকে শুধুমাত্র সম্রাট আকবর ও তার পুত্র সম্রাট জাহাঙ্গীর নতুন ধর্ম দীন-ই-ইলাহির অনুসরণ করতেন।[9]" ]
4
অপারেশন জ্যাকপটের কর্নেল কে ছিলেন ?
[ "অপারেশন জ্যাকপট\nতারপর উক্ত ৮জনের সাথে আরো কয়েকজনকে একত্র করে ২০ জনের একটি গেরিলা দল গঠন করে তাদের ভারতে বিশেষ ট্রেনিং দেয়া হয়। তারপর তারা দেশে আসলে তাদের সাথে কর্নেল ওসমানীর দেখা করানো হয়। তখন ওসমানী নৌ-কমান্ডো বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।" ]
[ "মতিউর রহমান (বীর উত্তম)\nমতিউর রহমানের প্রথম গেরিলা ত ৎপরতা অপারেশন জ্যাকপটের মাধ্যমে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ১৫-১৬ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর প্রশিক্ষণ পাওয়া নৌ-কমান্ডোরা পূর্ব পাকিস্তানের সমুদ্রবন্দর ও প্রধান প্রধান নদী বন্দরে একযোগে যে অপারেশন করেন, সেটিই ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে খ্যাত। এ অপারেশনের বিশালতা ও ক্ষয়ক্ষতি এত ব্যাপক ছিল যে তা পাকিস্তানসহ বিশ্বকে হতভম্ব করে দেয়। পৃথিবীর প্রায় সব প্রচারমাধ্যম এ ঘটনা ফলাও করে প্রচার করে। অপারেশনের চূড়ান্ত তারিখ ছিল ১৫ আগস্ট, পাকিস্তানের জাতীয় দিবসে। মতিউর রহমান অংশ নেন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি ফেরিঘাট আক্রমণে। এ অপারেশনে তাঁরা অংশ নেন মোট নয়জন। তাঁদের দলনেতা ছিলেন শাহজাহান সিদ্দিকী (বীর বিক্রম)। সহ-দলনেতা তিনি। আগস্ট মাসের ১১-১২ তারিখে সীমান্ত অতিক্রম করে তাঁরা বাংলাদেশে আসেন। অপারেশনের ধার্য করা দিন ১৫ আগস্ট দাউদকান্দি এলাকায় ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হয়। তাঁদের গাইড অসুস্থ হয়ে পড়েন। সে কারণে অপারেশন স্থগিত রাখতে হয়। পরদিন ১৬ আগস্ট মধ্যরাতে তাঁরা সফলতার সঙ্গে দাউদকান্দি ফেরিঘাটের ফেরি ও পন্টুনে লিমপেট মাইন লাগান। এ কাজে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন মতিউর রহমান। ফেরিঘাটে প্রহরায় ছিল পাকিস্তানি সেনা ও তাদের এদেশীয় সহযোগী রাজাকাররা। তারা একটুও টের পায়নি। মাইন লাগানোর পর মুক্তিযোদ্ধারা দ্রুত চলে যান নিরাপদ অবস্থানে। রাত দুইটা ৪৫ মিনিটে চারদিক প্রকম্পিত করে নয়টি লিমপেট মাইন একের পর এক বিস্ফোরিত হয়। মাইন বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ও পাকিস্তানিদের অবিরাম গুলিবর্ষণে ২৫ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। দু-তিন দিন পর নৌ-কমান্ডোরা ভারতের আগরতলায় চলে যান। পরবর্তী সময়ে মতিউর রহমান বরিশাল বন্দর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি অপারেশন করেন। এর মধ্যে বরিশালের অপারেশন ছিল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তিনিই ছিলেন দলনেতা। ২৫-২৬ অক্টোবর সফলতার সঙ্গে এ অপারেশন সম্পন্ন করেন। তিনটি জাহাজ লিমপেট মাইনের সাহায্যে তাঁরা ডুবিয়ে দেন।", "অপারেশন জ্যাকপট\nযাত্রা শুরু হয়েছিল পলাশির হরিনা ক্যাম্প থেকে। পরিকল্পনা অণুযায়ী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল, তারা একযোগে পৌছে যাবেন স্ব স্ব এলাকা চট্টগ্রাম,মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ।তারা যাত্রা করার সময় তাদেরকে প্রয়োজনীয় অস্ত্র দিয়ে দেয়া হয়। প্রত্যেক নৌ-কমান্ডোকে একটি করে লিমপেট মাইন,ছুরি,একজোড়া সাঁতারের ফিন আর কিছু শুকনো খাবার দেয়া হয়। প্রতি তিন জনের জন্য একটি করে স্টেনগান এবং কমানডারদের দেয়া হয় একটি করে ট্রানজিস্টার। অপারেশনের দিন ধার্য করা হয়েছিল ১৫ আগস্ট, ১৯৭১। এখানে অপারেশন গুলোর বর্ননা দেয়া হলঃ", "অপারেশন জ্যাকপট\nএটিও ১৯৭১ এর ১৫ আগস্ট মধ্যরাত বা ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে হয়েছিল। এ অপারেশনে মোট ৪টি জাহাজ ও বেশ কয়েকটি নৌযান নৌ কমান্ডোরা ধংস করেন। শহরের মাঝে এ অপারেশনে কমান্ডোরা বিশেষ সাহসকতার পরিচয় দান করেন। এ অপারেশনে মোট ২০ জন কমান্ডো অংশ নেন।", "অপারেশন জ্যাকপট\nবাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের সময় যে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল তার মধ্য দেশের অভ্যন্তরীন সকল নৌ চলাচল, বন্দর এবং উপকূলীয় এলাকা নিয়ে গঠিত হয়েছিল ১০নং সেক্টর বা নৌ সেক্টর। এ সেক্টরের কোন নির্দিষ্ট সেক্টর কমান্ডার ছিল না। যখন যে সেক্টরে অপারেশন চলত তখন সেই সেক্টরের কমান্ডারদের সহযোগীতায় নৌ-গেরিলাদের কাজ করতে হত। তারা সরাসরি মুজিবনগর হেডকোয়ার্টারের অধীনে কাজ করতেন।", "অপারেশন জ্যাকপট\n১৫ আগস্টের ঐ অপারেশনগুলোতেই প্রায় ২৬টি জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং আরো অনেক নৌযান ক্ষতিগ্রস্থ হয়।[13] আগস্ট মাসের এসব অপারেশন ছাড়াও আগস্ট-নভেম্বর মাসব্যাপী আরো অনেকগুলো নৌ-কমান্ডো অপারেশন পরিচালনা করা হয়। এসব অপারেশনে পাকিস্তানি বাহিনীর আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হলঃ", "খিজির আলী\nখিজির আলী ৯ নম্বর সেক্টরের হিঙ্গলগঞ্জ সাব-সেক্টর এলাকায় যুদ্ধ করেন। ১৯৭১ সালে তিনি ছিলেন মেকানিক। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে যুদ্ধে যোগ দেন। ২৬ মার্চ খুলনা মহানগরের বৈকালি এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে খিজির আলী অসম সাহস প্রদর্শন করেন। তাঁর অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ ছিল না। সামান্য বন্দুক দিয়ে তিনি অনেকক্ষণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে বৈকালিতে প্রতিরোধ করেন। খুলনার পতন হলে ভারতের টাকিতে যান। সেখানে কয়েক দিন প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নিয়ে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার টাউন শ্রীপুরে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে সফল অপারেশন করেন। তাঁরা ৩১ জন মুক্তিযোদ্ধা একযোগে গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ শেষে প্রথম অংশ নেন অপারেশন জ্যাকপটে। ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে একদল নৌ-কমান্ডো মোংলা বন্দরে লিমপেট মাইনের সাহায্যে কয়েকটি জাহাজ ডুবিয়ে দেন। খিজির আলীর দলের ওপর দায়িত্ব ছিল নৌ-কমান্ডোদের স্থলে নিরাপত্তা প্রদান ও গাইড করা। তাঁদের রেকি করা তথ্যের ভিত্তিতেই নৌ-কমান্ডোরা সফলতার সঙ্গে অপারেশন করেন। পরে আরও কয়েকটি অপারেশনে তিনি নৌ-কমান্ডোদের সঙ্গে অংশ নেন। এর মধ্যে আশাশুনি থানা দখল উল্লেখযোগ্য।", "অপারেশন জ্যাকপট\nচট্টগ্রাম বন্দরে অপারেশন পরিচালিত হয় ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে অর্থাৎ ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে। হরিনা ক্যাম্প থেকে আগত ৬০ জনের দলকে ২০ জন করে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়। ১ ও ২ নং দল তাদের পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ভিন্ন ভিন্ন পথ ধরে চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট বেইজ ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এবং ১৪ আগস্ট তারা প্রথম গানের সংকেত পায়। এই সংকেত পাবার পর তারা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কর্ণফুলী নদীর পূর্বতীরে চরলক্ষ্যায় তাদের বেইজ ক্যাম্পে পৌছায়। ৩য় দলটির তখনো কোন খবর পাওয়া যায় নি। এরপর ১৫ আগস্ট তারা ট্রানজিস্টারে চূড়ান্ত সংকেত পায়, এবং অপারেশনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। এ অপারেশনে ৩১ জন কমান্ডো যোদ্ধা অংশ নেয়। ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে রাত ১টায় নৌ-কমান্ডোরা তাদের অপারেশনের জন্য যাত্রা করে। রাত ১টা ১৫ তে তারা পানিতে নেমে জাহাজের উদ্দেশ্যে সাঁতরানো শুরু করে, এবং বেশ দ্রুততার সাথে নিজ নিজ বাছাইকৃত টার্গেট জাহাজসমূহের গায়ে মাইন লাগিয়ে সাঁতার কেটে সরে পরে। রাত ১টা ৪০ মিনিটে প্রথম বিস্ফোরণ ঘটে। তারপর একে একে সব গুলো মাইন বিস্ফোরিত হয়।[10] এ সফল অপারেশনে তিনটি বড় অস্ত্রবাহী জাহাজ এবং বড় জাহাজ গুলো হলোঃ", "মোহাম্মদ নূরুল হক বীর প্রতীক\n১৯৭১ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম নৌবন্দরে সফল অপারেশন শেষে মো. নূরুল হকসহ নৌ-কমান্ডোরা ফিরে গিয়েছিলেন ভারতে। কয়েক দিন পর তিনিসহ ১১ জন আবার চট্টগ্রামে আসেন। সেবার কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিলো না। কিন্তু তাঁরা চাইলেন, বন্দরে পুনরায় অপারেশন করতে। এদিকে অপারেশন জ্যাকপটের পর বন্দরে তুমুল কড়াকড়ি। তাঁদের পক্ষে সেখানে অপারেশন করা দুঃসাধ্য। এ অবস্থায় তাঁদের দলনেতা উৎসাহী হলেন বহির্নোঙরে অপারেশন করতে। এর আগে একদিন নূরুল হক একাই দুঃসাহসিকভাবে ওই অপারেশন করেন। পরে বহির্নোঙরে অপারেশনেও তিনি অংশ নেন। কিন্তু তাঁদের সেই অপারেশন ব্যর্থ হয় ট্র্যাজিক এক ঘটনার মধ্য দিয়ে।\nএর আগে মধ্য সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামের দেওয়ানহাটে দু-তিন দিনের মধ্যে মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা অপারেশন করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন। অপারেশনের আগে নৌ-কমান্ডো কয়েকজন মিলে মানত করলেন, তাঁরা মহসিন আউলিয়ার মাজার জিয়ারত করবেন। মানতের খাসি কিনতে একাই গেলেন মোহাম্মদ নূরুল হক। যাওয়ার পথে তাঁর চোখে পড়ল পাকিস্তানি সেনাদের একটি জিপ। নূরুল হক নিজের কাছে থাকা গ্রেনেড বের করে দাঁতের কামড়ে সেফটি পিন খুলে ছুড়ে দিলেন জিপ লক্ষ্য করে। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলো সেটি। লোকজন দিগিবদিক ছুটে পালাতে থাকল। গাড়িতে আগুন জ্বলতে থাকলো। সামনের কাচ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। আরোহী সবাই আহত হয়। একজনের এক হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকে মাটিতে। মোহাম্মদ নূরুল হক আর দেরি করলেন না; জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন। \nপরে আবারও নৌ-কমান্ডোরা রাতে ভাটার সময় সমুদ্রের পানিতে নেমে লক্ষ্যস্থলের দিকে যাত্রা শুরু করেন। অনেকক্ষণ সাঁতরেও তাঁরা সেখানে পৌঁছাতে পারেননি। পরে জোয়ারের ধাক্কায় তাঁরা পরস্পরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিপর্যস্ত অবস্থায় সমুদ্রের তীরে পৌঁছান। তখন তাঁদের কারও জ্ঞান ছিল না। ১১ জনের মধ্যে সাতজনের ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল। তাঁরা সমুদ্রের যে কূলে অচেতন অবস্থায় পৌঁছান, সেখানে পাকিস্তানি সেনা বা তাদের সহযোগী কেউ ছিল না। গ্রামবাসীর চোখে পড়ে রক্ষা পান।\nবাকি চারজনের ভাগ্যে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। তাঁদের একজন ছিলেন মো. নূরুল হক। তাঁরা মৃতপ্রায় অবস্থায় ভেসে ওঠেন মেরিন একাডেমির জেটির কাছে। সেখানে ছিল সশস্ত্র প্রহরা। পাকিস্তানি সেনারা তাঁদের আটক করে ব্যাপক নির্যাতন ও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। নির্যাতনে একজন (মোহাম্মদ হোসেন বীর প্রতীক) শহীদ হন। মো. নূরুল হকসহ তিনজনকে পরে ঢাকা সেনানিবাসে পাঠানো হয়। সেখানেও তাঁদের ওপর চলে ব্যাপক নির্যাতন। স্বাধীনতার পর তাঁরা ছাড়া পান।", "অপারেশন জ্যাকপট\nবিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সামরিক অভিযান ও যুদ্ধ বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ বাংলাদেশ বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ পাকিস্তান", "অপারেশন জ্যাকপট\nএটিও ১৯৭১ এর ১৫ আগস্ট মধ্যরাত বা ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে হয়েছিল। এ অপারেশনে ১৮ জন নৌ-কমান্ডো অংশ নেন। এ গ্রুপের ১৮ জনকে তিনজন করে মোট ৬টি ছোট দলে ভাগ করা হয়।[8] এই অভিযানে মাইন বিস্ফোরণে ২টি স্টিমার, গমবাহী একটি জাহাজ সহ ছোট বড় আরো অনেকগুলো নৌযান ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।[8]", "অপারেশন জ্যাকপট\nপ্রায় সর্বমোট ৫০৮০০ টন জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও নিমজ্জিত। ৬৬০৪০ টন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত। এবং বেশ কিছু সংখ্যক পাকিস্তানি নৌযান বাংলাদেশী নৌ-কমান্ডোদের হস্তগত।[16]", "অপ্স (বি)-এর কর্মচারিবৃন্দের তালিকা\nওবিই ব্রিগেডিয়ার জন ভন ব্রুস জার্ভিস-রীড ছিলেন অপ্স (বি) এর মূল প্রধান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ১৯৩৩ সালে সেকেন্ড লেফটেন্যাণ্ট হিসেবে রয়েল ইঞ্জিনিয়ার্সে যোগদান করেন। ১৯৪২ সালের মার্চ মাসে তিনি কর্ণেল পদে আসীন থাকাকালীন ছলাকৌশল বিভাগের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন। তার প্রধান কাজ ছিল অপারেশন ককেড এর পরিকল্পনা করা। অপারেশনের জটিলতা এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন সম্পদের অভাবের কারণে এটা সাফল্যের মুখ দেখেনি। তখনও প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হয় নি, সেই সময় মিত্র অভিযানমূলক বাহিনীর সর্বোচ্চ সদরদপ্তরের সবথেকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা লেফটেন্যাণ্ট জেনারেল ফ্রেডরিক ই. মর্গান কর্ণেল ডুডলের এ ফোর্সকে একটি \"ব্যক্তিগত সেনাবাহিনী\" হিসেবে বিবেচনা করতেন যা তিনি তার অধীনে গড়ে তুলতেন না।", "মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম\nপাকিস্তান নৌবাহিনীতে চাকরি করতেন মো. নজরুল ইসলাম। কর্মরত ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানে। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ছুটি নিয়ে দেশে আসেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে যুদ্ধে যোগ দেন। প্রতিরোধযুদ্ধকালে পাবনা জেলার কাশিনাথপুরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। ওই যুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এরপর ভারতে যান। পরে মুক্তিবাহিনীর নৌকমান্ডো দলে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অপারেশন জ্যাকপটের অধীনে মংলা বন্দর অপারেশনসহ আরও কয়েকটি অপারেশনে তিনি অংশ নেন।", "অপারেশন জ্যাকপট\nঅপারেশন জ্যাকপট বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নৌ-সেক্টর পরিচালিত সফলতম গেরিলা অপারেশন। এটি ছিল একটি আত্মঘাতী অপারেশন। এ অপারেশন ১৯৭১-এর ১৫ আগস্ট রাত ১২টার পর অর্থাৎ ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দর এবং দেশের অভ্যন্তরে চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরে একই সময়ে পরিচালিত হয়।[6] ১০নং সেক্টরের অধীনে ট্রেনিং প্রাপ্ত নৌ কমান্ডো যোদ্ধাদের অসীম সাহসিকতার নিদর্শন এই অপারেশন জ্যাকপট। এই গেরিলা অপারেশনে পাকিস্তানি বাহিনীর অনেকগুলো অস্ত্র ও রসদবাহী জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও বড় রকমের ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজগুলোর মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীকে সাহায্যকারী অনেকগুলো বিদেশি জাহাজও থাকায় এই অপারেশন বাংলাদেশের যুদ্ধ এবং যোদ্ধাদেরকে সারা বিশ্বে পরিচিতি পাইয়ে দেয়।সারা বিশ্ব বুঝতে পারে বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই লড়ছে।", "বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ\nআগস্ট মাস থেকে শুরু হয় পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক নৌ-আক্রমণ। ইতিহাসে এ আক্রমণ অপারেশন জ্যাকপট নামে পরিচিত।", "অপারেশন জ্যাকপট\nকমান্ডো আব্দুর রাকিব, ফুলছড়ি ঘাট অপারেশনে শহীদ হন[24] কমান্ডো হোসেইন ফরিদ, চট্টগ্রামে দ্বিতীয় অপারেশন চলাকালীন সময়ে পাক বাহিনীর হাতে শহীদ হন।[24] কমান্ডো খবিরউজ্জামান, ফরিদপুরের দ্বিতীয় অপারেশনে শহীদ হন[24] কমান্ডো সিরাজুল ইসলাম, এম আজিজ, আফতাব উদ্দিন এবং রফিকুল ইসলাম অপারেশন চলাকালীন নিখোঁজ হন।[24]", "অপারেশন জ্যাকপট\nপাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ফোরামে অপারেশন জ্যাকপট'", "অপারেশন জ্যাকপট\nছালনা প্রবেশমুখ মাইন দ্বারা উড়িয়ে দেয়া পাকিস্তানী জাহাজের উপর হামলা চালানো", "তারিক মেহমুদ\n১৯৭৯ সালে তিনি কর্নেল পদে উন্নীত হন এবং ১৯৮৪ সালে বিগ্রেডিয়ার পদে উন্নীত হন। মাহমুদ তখন একজন এক তারকাবিশিষ্ট জেনারেল। তাকে এসএসজির কমান্ড্যান্ট বানানো হয়। ১৯৮৪ সালে মাহমুদ সিয়াচেন যুদ্ধে এসএসজিকে নেতৃত্ব দেন। সে এলাকাটা পুনরায় ভারতীয়দের হাতে চলে যায় তারা একটি সফল মিলিটারি অপারেশন পরিচালনা করার পর। এসএসজি ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে একটি আগ্রাসী ঝটিকা অপারেশন পরিচালনা করে এবং মাহমুদ ১৯৮৪ সালে একটি বিজয় নিশ্চিত করেন। অপারেশনের নাম ছিল ‘অপারেশন মেঘদূত’। এটি পরিচালিত হয় সিয়াচেন হিমবাহকে পুনর্দখল করার জন্য।", "অপারেশন জ্যাকপট\nওসমানীর সিদ্ধান্তে নৌ-কমান্ডো সেক্টর খোলার পর বাছাইকৃত গেরিলাদের ট্রেনিং দেয়ার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক পলাশীর স্মৃতিসৌধের পাশে ভাগীরথী নদীর তীরে ২৩ মে ১৯৭১ তারিখে একটি গোপন ট্রেনিং ক্যাম্প খোলা হয়। এই ট্রেনিং ক্যাম্পের সাংকেতিক নাম দেয়া হয় সি-২ পি (C-2 P)। এখানে ট্রেনিং দেয়ার উদ্দেশ্যে অন্যান্য সেক্টরসমূহের বিভিন্ন শিবির থেকে মে মাসের শুরুর দিকে প্রায় ৩০০ জন বাছাইকৃত যোদ্ধা সংগ্রহ করা হয়।[9] ট্রেনিং ক্যাম্পে এদের কি ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে সে বিষয়টি এতই গোপনীয় ছিল যে, সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যেও শুধুমাত্র যার এলাকায় অপারেশন চালানো হবে তিনি ব্যতীত আর কেউ এই সম্পর্কে জানতেন না।[10]", "অপারেশন জ্যাকপট\nনৌ-কমান্ডোদের ঐ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন ভারতীয় নেভাল অফিসার কমানডার এম.এন.সামানত, ও ট্রেনিং দেয়ার দায়িত্বে ছিলেন লেঃ কমান্ডার জি এম মার্টিস, এবং আরও ভারতীয় ২০ জন প্রশিক্ষক তারা হলেনন লেঃ দাস, লেঃ ভি.পি. কফিল। প্রশিক্ষকদের মধ্যে ফ্রান্স থেকে পালিয়ে আসা ৮ জন সাব-মেরিনার ছাড়াও আরো ছিলেন ভারতীয় নৌ-বাহিনীর লিডিং সি,মান কে.সিং, লিডিং সি,মান গুপ্ত, এল সিং, মারাঠি নানা বুজ এবং সমীর কুমার দাশসহ আরো কয়েকজন।[8]", "অপারেশন জ্যাকপট\n১৬ অগাস্ট এর অপারেশনের পর, সকল কমান্ডো ভারতে ফেরত যায়। এর পরে নৌ-কমান্ডোরা আর কোন পূর্ব-পরিকল্পিত এবং একযোগে অভিযান পরিচালনা করেননি। তার বদলে, ছোট ছোট দল পাঠানো হতো কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর ওপর আঘাত হানতে, এবং সুযোগ পেলেই কমান্ডোরা সেখানে আক্রমণ চালাতেন।", "আবিদুর রহমান\nনারায়ণগঞ্জের নৌবন্দরে ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে গোপন ক্যাম্প থেকে সহযোদ্ধা নৌ-কমান্ডোদের নিয়ে আবিদুর রহমান বেরিয়ে পড়েন। আবছা আলো, আবছা অন্ধকারের মধ্য দিয়ে নিঃশব্দে হেঁটে এ মুক্তিযোদ্ধারা পৌঁছে যান নদীর পাড়ে। অবস্থান নেন সারিবদ্ধ দোকানের পেছনে। অদূরে নৌবন্দর আর এর মধ্যে তাঁরা দ্রুত অপারেশনের প্রস্তুতি নিতে থাকলেন। এমন সময় ঘটল এক বিপত্তি। দলনেতা আবিদুর রহমান কৌশলে সেই বাধা উপেক্ষা করে অপারেশন সফল করলেন। তোলপাড় পড়ে গেল বন্দরে। মুক্তিযুদ্ধকালে মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা দেশের বিভিন্ন নৌবন্দরে একযোগে অপারেশন চালিয়ে গোটা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। এই অপারেশনের সাংকেতিক নাম ছিল অপারেশন জ্যাকপট। \nনির্ধারিত দিন নৌ-কমান্ডোরা আবিদুর রহমানের নেতৃত্বে গোপন ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে অবস্থান নেন নারায়ণগঞ্জ নৌবন্দরের অপর পাড়ে। এ দলে ছিলেন মোট ২০ জন মুক্তিযোদ্ধা। ১৫ জন নদীতে নেমে অপারেশন করেন। দলনেতা আবিদুর রহমানসহ পাঁচজন থাকেন স্থলভাগের নিরাপত্তায়। ১৫ জনের দলটি তিনজন করে পাঁচটি দলে বিভক্ত ছিল। তিনটি দল পানিতে নামার পর সেখানে হঠাৎ এক অস্ত্রধারী রাজাকার এসে হাজির হয় সেখানে। নৌ-কমান্ডোরা তাকে গুলি করে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু কৌশলগত কারণে তখন তা করা সম্ভব ছিল না। কারণ কাছাকাছিই পাকিস্তানি সেনাদের অবস্থান। এদিকে ওই রাজাকার সেখান থেকে আর সরছিল না। বিপজ্জনক এক অবস্থা হয়ে পড়ে তখন। এ অবস্থায় দলনায়ক আবিদুর রহমান ওই রাজাকারকে নিঃশব্দে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ছুরি হাতে একাই ক্রলিং করে ওই রাজাকারের কাছে গিয়ে অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন তার ওপর। আবিদুর রহমান রাজাকারের রাইফেলটি ছিনিয়ে নিয়ে তাকে বন্দী করেন। এরপর নৌ-কমান্ডোদের বাকি দুটি দল পানিতে নামে। যে তিনটি দল আগে পানিতে নেমেছিল তাঁরা যে যাঁর টার্গেটে (জাহাজ, পন্টুন বা টাগ) মাইন লাগান। পরের দুটি দলও নির্দিষ্ট টার্গেটে মাইন লাগাতে সক্ষম হয়। তারপর তাঁরা দ্রুত ফিরে আসেন আগের স্থানে। একটু পর শুরু হয় বিস্ফোরণ। বন্দরের সমুদয় জলরাশি ও দুই পাড় কেঁপে পরপর ১৫টি মাইন বিস্ফোরিত হয়।", "অপারেশন জ্যাকপট\nমার্চের শুরুর দিকে পাকিস্তানি সাবমেরিন পি এন এস ম্যাংরো ফ্রান্সের তুলন সাবমেরিন ডকইয়ার্ডে যায় পাকিস্তানি সাবমেরিনারদের প্রশিক্ষন দেয়ার জন্য। সেই ৪১ জন সাবমেরিনারদের মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাঙালি অফিসার। তারা আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে ২৫ মার্চের গণহত্যার কথা শুনে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এর মধ্যে ৮ জন ৩০ মার্চ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ৯ এপ্রিল ১৯৭১ তারা দিল্লিতে এসে পৌছান।[7] এখানে তাদের নাম উল্লেখ করা হলোঃ-[8]", "অপারেশন জ্যাকপট\nমোঃ রহমতউল্লাহ। মোঃ সৈয়দ মোশাররফ হোসেন। মোঃ শেখ আমানউল্লাহ। মোঃ আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী। মোঃ আহসানউল্লাহ। মোঃ আবদুর রকিব মিয়া। মো আবদুর রহমান আবেদ। মোঃ বদিউল আলম।", "অপারেশন জ্যাকপট\nভারতীয় নৌবাহিনীর ফ্রিগেটের প্রহরায়, নভেম্বরের ১০ তারিখ জাহাজদুটি সফলভাবে মংলা বন্দরের প্রবেশমুখে মাইন দ্বারা আক্রমণ চালাতে সক্ষম হয়। তার পরদিনই ১১ নভেম্বর , ১৯৭১ এ তারা ব্রিটিশ জাহাজ \"দ্যা সিটি অফ সেইন্ট এলব্যান্স\" কে মংলা বন্দর থেকে তাড়াতে সক্ষম হয়।[29]", "অপারেশন জ্যাকপট\nট্রেনিং শুরু হবার আগেই বাছাইকৃত যোদ্ধাদের বলে দেয়া হয় যে এটি একটি সুইসাইডাল অপারেশন বা আত্মঘাতী যুদ্ধ হবে। তাই অপারেশনের সময় যেকোন মূল্যে অপারেশন সফল করার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনে তাদের প্রাণ দিতে হতে পারে। তাই প্রশিক্ষণের শুরুতেই প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীদের ছবিসহ একটি সম্মতিসূচক ফর্মে স্বাক্ষর নেয়া হতো।ফর্মে লেখা থাকতো যে, আমি দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন বিসর্জন দিতে সম্মত হয়েই এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছি, আর যুদ্ধে আমার মৃত্যু ঘটলে কেউ দায়ী থাকবে না। [11]", "মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন\n১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার হরিনগর ছিলো ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা। অপারেশন জ্যাকপটের আওতায় মংলা ও হিরণ পয়েন্টে নৌ অপারেশনে অংশ নেওয়ার জন্য আগস্ট মাসে ৬০ জন নৌ কমান্ডো ভারত থেকে কয়রা থানার বেদকাশী নামক স্থানে আসেন। সেখান থেকে ১২ জন নৌ কমান্ডো হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বে হিরণ পয়েন্টে অভিযানের জন্য রওনা হন। এই দলে ছিলেন মো. জালাল উদ্দীন। তাঁদের নিরাপত্তা ও আশ্রয় প্রদানের দায়িত্বে ছিলেন জিয়াউদ্দীন। তিনি তাঁদের হিরণ পয়েন্টে না পাঠিয়ে বরিশাল জেলার রাজাপুরে নিয়ে যান। ফলে অপারেশন জ্যাকপটের আওতায় হিরণ পয়েন্ট অভিযান ব্যর্থ হয়। জিয়াউদ্দীন নৌ কমান্ডো দলকে রাজাপুরে নিষ্ক্রিয়ভাবে বসিয়ে রাখেন। এতে নৌ কমান্ডোদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। বিশেষত মো. জালাল উদ্দীন দলনেতাকে কয়েকবার বলেন, এভাবে সময় নষ্ট না করে কিছু একটা করার। এরপর সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে এক দিন তাঁরা যুদ্ধের সরঞ্জাম ও নিজেদের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কোনো পথপ্রদর্শক ছাড়াই ভারতের উদ্দেশে রওনা হন। বহু কষ্টে তাঁরা সীমান্তবর্তী হরিনগরে পৌঁছান। ১৮ সেপ্টেম্বর ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত নৌ কমান্ডোরা শিকারি পচাব্দী গাজীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। পচাব্দী গাজীর বাড়ির পাশ দিয়েই ছিল নদী। ওই নদী দিয়ে পাকিস্তানি গানবোট তাদের কৈখালী বিওপিসহ অন্যান্য ঘাঁটিতে রসদ ও রেশনসামগ্রী পৌঁছে দিত। সেদিন দুটি পাকিস্তানি গানবোট ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। তখন নৌ কমান্ডোরা ওই গানবোটে আক্রমণ করেন। মো. জালাল উদ্দীনসহ কয়েকজন নৌ কমান্ডো বাংলাদেশের ভেতরে গোপন আশ্রয়স্থলে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। এমন সময় আশ্রয়স্থলের অদূরে নদীতে ইঞ্জিনের ভটভট শব্দ। গ্রামবাসী কয়েকজন দৌড়ে এসে খবর দিলেন, নদীতে দুটি জাহাজ আসতে দেখা যাচ্ছে। নৌ কমান্ডোদের বুঝতে বাকি থাকল না, ওগুলো পাকিস্তানি গানবোট। খাবার রেখে তাঁরা উঠে পড়লেন। তাঁরা বেশ ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত এবং মাত্র ১২ জন তাঁরা। অস্ত্র বলতে একটি এলএমজি, পাঁচটি এসএমজি ও ছয়টি এসএলআর। তার পরও তাঁরা সাহসী এক সিদ্ধান্ত নিলেন—পাকিস্তানি ওই গানবোট তাঁরা আক্রমণ করবেন। এরপর তাঁরা দ্রুত প্রস্তুত হয়ে গ্রামবাসীকে বললেন নিরাপদ অবস্থানে থাকতে। নৌ কমান্ডোরা দুই দলে বিভক্ত হয়ে নদীর তীরে বাঁধের আড়ালে পজিশন নিলেন। গানবোট দুটির প্রথমটি বেশ এগিয়ে। দ্বিতীয়টি কিছুটা দূরে। প্রথম গানবোটটি নৌ কমান্ডোদের অস্ত্রের নাগালের মধ্যে আসামাত্র গর্জে উঠল তাঁদের সবার অস্ত্র। গানবোটের সামনের গানার গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়ল। আহত হলো আরও কয়েকজন। অক্ষত নৌ সেনারা ছোটাছুটি করতে থাকল। ভীতসন্ত্রস্ত ক্যাপ্টেন গানবোটের গতি বাড়িয়ে নিরাপদ দূরত্বে পালিয়ে গেল। দ্বিতীয় গানবোট গোলাবর্ষণ করতে থাকল। নৌ কমান্ডোরা পাল্টা আক্রমণ সাহসিকতার সঙ্গে অনেকক্ষণ মোকাবিলা করলেন। মো. জালাল উদ্দীন এই যুদ্ধে অসীম সাহস ও রণকৌশল প্রদর্শন করেন।", "অপারেশন সার্চলাইট\nঅপারেশনে নামার আগেই যাতে সংশ্লিষ্ট সব পাকিস্তানী ইউনিট কমান্ডার তাদের দায়িত্ব বুঝে নিতে পারে সেটা নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল অপারেশনর সার্চলাইটের পরিকল্পনাকারীদের। আর এই কাজটি করা দরকার ছিল সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের একত্রিত করা, অস্ত্রশস্ত্রের যোগান, পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অতিরিক্ত সৈনিক পূর্ব পাকিস্তানে আনা, আঞ্চলিক সেনানায়কদের কার্যবিবরণী প্রদান- এই সব কিছুই করা প্রয়োজন ছিল কোন সন্দেহের উদ্রেক না ঘটিয়ে। ২৪ ও ২৫শে মার্চ পাকিস্তানী জেনারেলদের একটি দল হেলিকপ্টারে করে প্রধান প্রধান গ্যারিসনগুলো পরিদর্শন করেন এবং গ্যারিসন কমান্ডার ও অপারেশনের অন্যান্য সিনিয়র পাকিস্তানী কর্মকর্তাদের বিভিন্ন নির্দেশনা দেন। এই দলের সাথে ছিলেন জেনারেল হামিদ, জেনারেল মিট্টা, কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল এবং প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার কর্নেল সাদউল্লাহ। জেনারেল ফরমানকে যশোরে পাঠানো হয়, জেনারেল খাদিম নিজে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের গ্যারিসন কমান্ডারদের ব্রিফ করেন এবং ব্রিগেডিয়ার এল ইদ্রুস ও কর্নেল সাদউল্লাহ রংপুর সফরে যান।" ]
13
কত সালে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয় ?
[ "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\nসর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (সংক্ষেপে তৃণমূল কংগ্রেস; পূর্বনাম পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস) ভারতের একটি রাজনৈতিক দল। ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ভেঙে এই দল প্রতিষ্ঠিত হল। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান নেত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।" ]
[ "পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, ২০১১\n২০১১ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভার ২৯৪টি আসনে (মোট ২৯৫টি আসনের মধ্যে) বিধানসভা নির্বাচন আয়োজিত হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি প্রথমবার এই নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা জয় করে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মতো ২০১১-র নির্বাচনও ছয় দফায় আয়োজিত হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান ঘটায়।", "আলিপুর বিধানসভা কেন্দ্র\n১৯৭৭ সালে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী অশোককুমার বসু জনতা পার্টি প্রার্থী সজলবরণ চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করে আলিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮২ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী অনুপকুমার চন্দ্র তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী অশোককুমার বসুকে পরাজিত করেছিলেন। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সৌগত রায় ১৯৯৬ সালে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ রায়চৌধুরীকে, ১৯৯১ সালে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী তুহিন রায়চৌধুরীকে এবং ১৯৮৭ সালে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী অশোক বসুকে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ ও ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তাপস পাল তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী মীরা ভৌমিক (২০০১) ও বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়কে (২০০৬) পরাজিত করেন। ২০০৯ সালের উপনির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম আলিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেছিলেন। এই কেন্দ্রের পূর্বতন বিধায়ক তাপস পাল কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর আসনটি শূন্য হয়েছিল।", "পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, ২০১৬\n২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান ঘটিয়েছিল। ২০১১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের মূল শ্লোগান ছিল ‘পরিবর্তন’। এই পরিবর্তনের অর্থ ছিল রাজ্যের ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের পরিবর্তন। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ বছরের শাসনে প্রধানত রাজ্যের নগরাঞ্চলের অধিবাসীদের অনেকে সরকারের আনীত পরিবর্তনগুলি নিয়ে কিছু অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তাছাড়া কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু সংখ্যালঘু মুসলমান জনগোষ্ঠীর ভোট একত্রিত করতে চাইছেন।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\nবিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনৈতিক দল বিষয়শ্রেণী:সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক দল", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n১৯৯৮ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৭টি আসন জয় করে।[4] ১৯৯৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে তৃণমূল কংগ্রেস ৮টি আসনে জয়ী হয়।[5] ২০০০ সালে তৃণমূল কলকাতা পৌরসংস্থায় ক্ষমতায় আসে। ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে ৬০টি আসনে জয়লাভ করে।[6] ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র একটি আসনে জয়লাভ করে।[7] ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল একক ভাবে লড়ে ৩০টি আসনে জেতে। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সাথে জোট বেঁধে লড়ে ২০টি আসনে জেতে।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ\nসর্বভারতীয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ হল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস বিভাজিত হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরই এই ছাত্র সংগঠনটি গঠিত হয়। সংগঠনটির সর্বভারতীয় সভাপতি হলেন শঙ্কুদেব পণ্ডা। বর্তমানে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ পশ্চিমবঙ্গের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছাত্র সংগঠন এবং পশ্চিমবঙ্গের বহু মহাবিদ্যালয়ে (কলেজ) অনুষ্ঠিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনটি জয়লাভ করেছে।", "১৯৯১ কেন্দুয়ার হিংসাত্মক ঘটনা\n২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সময় শাসকদল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সিপিআইএম ও জাতীয় কংগ্রেস রাজনৈতিক জোট গঠনের পর সিপিআইএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছিলেন যে, কেন্দুয়ায় কংগ্রেস নেতা গোপাল পাত্রের কব্জি কেটে নেওয়াটা ঠিক হয়নি।", "অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়\nঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ৭ নভেম্বর, ১৯৮৭) হলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত ১৬শ লোকসভার সদস্য। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে উক্ত আসন থেকে নির্বাচিত হন। তিনি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব শাখা সর্বভারতীয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি।", "নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র\nমধুসূদন ঘোষ এর মৃত্যুর পর নোয়াপাড়া বিধানসভা আসনটি খালি ছিল। ২০১৮ সালের উপনির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সুনিল সিং এবং এছাড়া গুরুলিয়া পৌরসভার চেয়ারম্যান ১,০১,৭২৯ ভোটের রেকর্ড ভাঙেন এবং তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ ব্যানার্জীকে ৬৩,০১৮ ভোটের (৫৩.৫১%) ব্যবধানে পরাজিত করেন। সুনিল সিং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের আসনটি সরিয়ে নেন এবং তিনি তাঁর দল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\nমা-মাটি-মানুষ হল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী দ্বারা উদ্ভাবিত একটি প্রাথমিক স্লোগান। স্লোগানটি ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় পশ্চিমবঙ্গে খুবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পরে মমতা ব্যানার্জী একই শিরোনামের একটি বাংলা বইও লেখেন।[8] এছাড়াও একটি গানের থিম একই শিরোনাম ধারণ করা হয়েছে। জুন ২০১১ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি সে সময়ে ভারতের ষষ্ঠম সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক স্লোগান ছিল।[9]", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n২০১১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বাম-শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর সঙ্গে যৌথভাবে ২২৭টি আসনে জয়লাভ করে (এককভাবে ১৮৪টি আসনে) সরকার গঠন করে। এইসময় ভারতের শাসক সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট বা ইউপিএ-এর দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু, ২০১২ সালে ইউপিএ থেকে বেরিয়ে আসে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।[3] ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এককভাব211 টি আসনে জয়লাভ করে (মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে) পুনরায় সরকার গঠন করে।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটিয়ে ২২৭টি আসনে (এককভাবে ১৮৪টি আসনে) জয়লাভ করে (মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে) সরকার গঠন করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীরূপে শপথ গ্রহণ করেন।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ও তার জোটসঙ্গীরা পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৬টি আসনে জয়লাভ করেছিল। এর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ১৯টি আসন, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস পেয়েছিল ৬টি আসন ও এসইউসিআই পেয়েছিল ১টি আসন।[11]", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\nজাগো বাংলা হল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস -এর পশ্চিম বঙ্গ শাখার বাংলা মুখপত্র। ২০০৪ সাল থেকে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসাবে এটি প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন শ্রীঞ্জয় বোস।[10]", "পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, ২০১৬\n২০১৬ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভার ২৯৪টি আসনে (মোট ২৯৫টি আসনের মধ্যে) বিধানসভা নির্বাচন আয়োজিত হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এই নির্বাচনে পুনঃনির্বাচিত হয়। ১৯৬২ সালের পর এই প্রথম কোনো রাজনৈতিক দল জোট না করে একক শক্তিতে ক্ষমতায় আসে। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মতো এই নির্বাচনও ছয় দফায় আয়োজিত হয়েছিল। প্রথম দফাটি ৪ এপ্রিল ও ১১ এপ্রিল তারিখে রাজ্যের নকশালবাদী-মাওবাদী প্রভাবিত রেড করিডোর এলাকায় আয়োজিত হয়। পরবর্তী দফায় নির্বাচন হয় ১৭ এপ্রিল, ২১ এপ্রিল, ২৫ এপ্রিল, ৩০ এপ্রিল ও ৫ মে তারিখে। উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান ঘটায়।", "জোড়াসাঁকো\nজোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্র কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের একটি অংশ। পূর্বে এটি কলকাতা উত্তর পশ্চিম লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ছিল। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দীনেশ বাজাজ এই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর এই অঞ্চলের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\nমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক দল হিসেবে 'তৃণমূল কংগ্রেস' প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় নতুন দলটি ভারতের নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত হয়। কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসকে \"জোড়া ঘাসফুল\" প্রতীক দেয়। ১৯৯৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়।", "পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় সাধারণ নির্বাচন, ২০০৯\nপশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় সাধারণ নির্বাচন, ২০০৯-এ সাধারণ নির্বাচনের তিনটি পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি লোকসভা আসনের নির্বাচন হয়। নির্বাচনের আগে বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে জোট হয়। তৃণমূল কংগ্রেস ২৭টি আসনে ও জাতীয় কংগ্রেস ১৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এসইউসিআই একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এই জোট নির্বাচনে সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেস, জাতীয় কংগ্রেস ও এসইউসিআই যথাক্রমে ১৯, ৬ ও ১টি আসন লাভ করেছিল। বামফ্রন্ট ৪২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১৫টি আসনে জয়লাভ করে।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n২০১০ সালের কলকাতা পৌরসংস্থার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ১৪১টি আসনের মধ্যে ৯৭টি আসনে জয়লাভ করে। এই নির্বাচনে বিধাননগর (সল্টলেক) সহ অধিকাংশ পুরসভাতেও তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে।[12]", "বড়তলা বিধানসভা কেন্দ্র\n২০০৬ ও ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধন পাণ্ডে ১৫৮ নং বড়তলা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে আরএসপি-র কল্যাণ মুখোপাধ্যায়কে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। জাতীয় কংগ্রেসের ১৯৯৬ ও ১৯৯১ সালে সাধন পাণ্ডে আরএসপি-র পরিমল রাউতকে এবং ১৯৮৭ সালে আরএসপি-র সুনীল সেনগুপ্তকে পরাজিত করেন। ১৯৮২ সালে আরএসপি-র নিখিল দাসকে পরাজিত করে এই কেন্দ্রের বিধায়ক হন কংগ্রেসের অজিত কুমার পাঁজা। ১৯৭৭ সালে কংগ্রেসের অজিত কুমার পাঁজাকে পরাজিত করেছিলেন আরএসপি-র নিখিল দাস।", "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ (২০১১–১৫)\nপশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি হল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস-ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস জোট বিধানসভায় ২২৫টি আসন দখল করে ক্ষমতা এসেছে। তার আগে ৩৪ বছর পশ্চিমবঙ্গ বামফ্রন্ট কর্তৃক শাসিত হয়। এই সরকার ছিল বিশ্বের দীর্ঘতম মেয়াদের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কমিউনিস্ট সরকার।", "ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্র\n২০১৪ সালে উপ-নির্বাচনে, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এর অনন্ত দেব অধিকারী, বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী দল এর দীনবন্ধু রায় (পালু) ৩১,৭৯০ ভোটে পরাজিত করেন। আরএসপি বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেস যোগ দেন এবং নির্বাচনের মুখোমুখি হয়েছিল।", "বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র\nসিপিআই(এম) প্রার্থী রবীন মুখোপাধ্যায় ১৯৭৭ সালে কংগ্রেস প্রার্থী সুবোধচন্দ্র দাসকে, ১৯৮২ সালে কংগ্রেস প্রার্থী অরুণা ঘোষদস্তিদারকে, এবং ১৯৮৭ সালে কংগ্রেস প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত বসুকে পরাজিত করেন। সিপিআই(এম) প্রার্থী নির্মল মুখোপাধ্যায় ১৯৯১ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত বসুকে এবং ১৯৯৬ সালে কংগ্রেস প্রার্থী কুমুদ ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। ২০০১ ও ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআই(এম) প্রার্থী নির্মল মুখোপাধ্যায় (২০০১) ও সিপিআই(এম) প্রার্থী নিরঞ্জম মুখোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন।", "পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, ২০১১\nমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান ঘটায়। এই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের মূল শ্লোগান ছিল ‘পরিবর্তন’। এই পরিবর্তনের অর্থ ছিল রাজ্যের ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের পরিবর্তন। তার সত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের আগামী পাঁচ বছরের শাসনে প্রধানত রাজ্যের নগরাঞ্চলের অধিবাসীদের অনেকে সরকারের আনীত পরিবর্তনগুলি নিয়ে কিছু অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তাছাড়া কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু সংখ্যালঘু মুসলমান জনগোষ্ঠীর ভোট একত্রিত করতে চাইছেন।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর ভারতের নির্বাচন কমিশন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসকে একটি জাতীয় দল হিসেবে ঘোষণা করে। কারণ, উক্ত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পাঁচটি আলাদা আলাদা রাজ্য (পশ্চিমবঙ্গ, মণিপুর, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ড ও অসম) থেকে ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল।[16]", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এককভাবে ২১১টি আসনে জয়লাভ করে (মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে) সরকার গঠন করে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীরূপে পুনরায় শপথ পাঠ করেন।[15]", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n১৮ সেপ্টেম্বর ২০১২ তে, বিদেশী প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ সহ অন্যান্য ইস্যুতে সংঘাত ঘটায় তৃণমূল কংগ্রেস ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট বা ইউপিএ-এর থেকে বেরিয়ে আসে।[13][14]", "শ্রীরামপুর, পশ্চিমবঙ্গ\nশ্রীরামপুর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলী নদীর তীরের একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত নগর। এটি ১৭৫৫-১৮৪৫ পর্যন্ত ফ্রেডরিক্সনগর নামে ডেনিশদের অন্তর্গত ছিল।এই শহরে শ্রীরামপুর মহকুমা-র সদর দপ্তর অবস্থিত। এটি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র ও হুগলী জেলার সবচেয়ে উন্নত শহর। বাংলা তথা ভারতের প্রথম ও দ্বিতীয় পাটকল(যথাঃ ওয়েলিংটন জুটমিল ও ইন্ডিয়া জুটমিল), এশিয়ার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় (শ্রীরামপুর বিশ্ববিদ্যালয়) এবং ভারতের দ্বিতীয় কলেজ (শ্রীরামপুর কলেজ), ভারতের প্রথম গ্রন্থাগার (উইলিয়াম কেরি লাইব্রেরি) এখানেই স্থাপিত হয়। এমনকি শ্রীরামপুর মিশনের প্রতিষ্ঠিত ভারতের প্রথম কাগজকলও এই শহরে। শ্রীরামপুরের মাহেশের রথযাত্রা বাংলার প্রাচীনতম এবং (পুরীর পরেই) ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীন রথযাত্রা। শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র এবং শহরের অন্তর্গত চাঁপদানি ও শ্রীরামপুর বিধানসভা কেন্দ্র, শ্রীরামপুর পুরসভা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস দ্বারা পরিচালিত। ১৯৭৭ সালের পর সারা বাংলায় যখন বামেদের শাসন চলছে তখন বাংলায় শ্রীরামপুর-ই অন্যতম স্থান যা সিপিএম/বামেদের দখলে ছিলনা বললেই চলে। ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস- এর দখলে ছিল এই শহর। ১৯৯৮ সালে লোকসভা নির্বাচনে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস-এর জয় লাভের মধ্যে দিয়ে এ রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস-এর জয়যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে শ্রীরামপুর সারা ভারতে ৩০ তম পরিস্রুত শহর।", "সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস\n২০১৪ সালে ভারতের লোকসভার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এককভাবে লড়ে ৩৪টি আসনে জয়লাভ করে।" ]
7
কত সালে কম্পিউটার আবিষ্কার করা হয় ?
[ "কম্পিউটার\nপ্রাগৈতিহাসিক যুগে গণনার যন্ত্র উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রচেষ্টাকে কম্পিউটার ইতিহাস হিসেবে ধরা হয়। প্রাচীন কালে মানুষ একসময় সংখ্যা বুঝানোর জন্য ঝিনুক, নুড়ি, দড়ির গিট ইত্যাদি ব্যবহার করত। পরবর্তীতে গণনার কাজে বিভিন্ন কৌশল ও যন্ত্র ব্যবহার করে থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনা যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। এটি আবিষ্কৃত হয় খ্রিষ্টপূর্ব ২৪০০ সালে ব্যাবিলনে। অ্যাবাকাস ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গননা করার যন্ত্র। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০/৫০০ অব্দে মিশরে বা চীনে গননা যন্ত্র হিসেবে অ্যাবাকাস তৈরি হয়।" ]
[ "কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাস\n১৭ শতকের প্রথম দিকে জন নেপিয়ার কর্তৃক লগারিদম পদ্ধতি আবিষ্কারের পর তৎকালীন বিজ্ঞানীদের অনেকের মধ্যে বিভিন্নরকম গণনাযন্ত্র বানানোর আগ্রহ দেখা দেয়। উইলহেল্ম শিকার্ড ১৬২৩ সালে একটি গণনাযন্ত্রের নকশা করেন কিন্তু আগুন লেগে নির্মাণের প্রোটোটাইপটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তা সম্পূর্ণতা পায় না। ১৬৪০ সাল নাগাদ ফরাসী গণিতবিদ ব্লায়েস পাস্কাল একটি যান্ত্রিক যোগফল গণনাকারী যন্ত্র বানাতে সক্ষম হন যার ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার হয় গ্রিক গণিতবিদ হিরোন অফ আলেকজান্দ্রিয়া[14] দ্বারা সৃষ্ট একটি নকশা। ১৬৭২ সালে গটফ্রিড উইলহেল্ম লিবিনিজ স্টেপড্ রেকনার(ডিজিটাল সংখ্যা গণকযন্ত্র) আবিষ্কার করেন যা ১৬৯৪ সালে সম্পন্ন হয়।[15]", "কিবোর্ড\nকিবোর্ড ইংরেজি শব্দ key board থেকে এসেছে, যা এখন প্রায় বাংলা একটি শব্দ। বাংলা করলে দাঁড়াবে \"চাবির পাটাতন\"। কতগুলো \"কি\" একত্রে একটি ধারকের মধ্যে থাকায় এইরূপ নামকরণ। কম্পিউটারের কিবোর্ড এর কারণে বর্তমানে অনেকেই এর সম্পর্কে জানেন। কম্পিউটারের কিবোর্ড হল একটি টাইপরাইটার যন্ত্র বিশেষ যার মধ্যে কতগুলো বাটন বা চাবির সন্নিবেশ থাকে এবং এগুলো ইলেক্ট্রনিক সুইচ এর কাজ করে। সাধারণ কিবোর্ডেকে বলা হয় QWERTY. কিবোর্ডের ধরণ ৫ রকমের হয়। যেমনঃ ফাংশন কি, আলফা নিউমেরিক কি, নিউমেরিক কি, মডিফায়ার কি ও কার্সর মুভমেন্ট কি।", "সাংখ্যিক বিশ্লেষণ\nএছাড়াও যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর হাতে গুনতির জন্য একটি হাতিয়ার হিসাবে উন্নত ছিল। এই সমস্ত ক্যালকুলেটর গুলিই ১৯৪০ সালে ইলেকট্রনিক কম্পিউটারে রূপান্তরিত হয় এবং পরে দেখা যায় যে এই কম্পিউটারগুলি প্রশাসনিক কাজের জন্য দরকারী হয়ে পড়ে। কিন্তু কম্পিউটার আবিষ্কার সাংখ্যিক বিশ্লেষণ ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে কারন এখন বড় এবং আরো জটিল গণনার কাজ করা যেতে পারে।\nসরাসরি পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধানের সসীম সংখ্যক ধাপ থাকে। এই পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায় যদি তারা অসীম স্পষ্টতা গাণিতিক মধ্যে সঞ্চালিত হয়। উদাহরণ স্বরূপ গাউসিয় বিভাজন, রৈখিক সমীকরণের সমাধানের জন্য QR উৎপাদকে বিশ্লেষণ পদ্ধতি, এবং রৈখিক প্রোগ্রামিং এর সিমপ্লেক্স পদ্ধতির কথা বলা যেতে পারে। বাস্তবে, সসীম স্পষ্টতা ব্যবহৃত হয় এবং এর ফলে প্রকৃত সমাধান এর একটি আসন্ন মান পাওয়া যায়।", "অতিনবতারা পর্যবেক্ষণের ইতিহাস\nনর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়- এ প্রথম ১৯৬০ সালে কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সুপারনোভা পর্যবেক্ষণ শুরু হয়। তারা নিউ মেক্সিকোর কোরালিটস পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে ২৪ ইঞ্চির একটি টেলিস্কোপ তৈরী করে যা কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। টেলিস্কোপটি প্রতি মিনিটে একটি করে গ্যালাক্সি দেখতে পারতো এবং টিভি স্ক্রীনে পর্যবেক্ষকরা তা দেখতে পেত। এর মাধ্যমে তারা ২ বছরে ১৪টি সুপারনোভা আবিষ্কার করতে পারলো।[31]", "এরনা স্নেইডার হুভার\nড. এরনা স্নেইডার হুভার (; ১৯ জুন, ১৯২৬ - ) যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ। তিনি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত টেলিফোন সুইচ করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। বিভিন্ন রিপোর্টের মতানুসারে এই আবিষ্কার আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এটি ব্যস্ত নেটওয়ার্কগুলোকে পরিচালনায় নতুন মাত্রা নিয়ে আসে। অধিক বার্তা আদান-প্রদানের সময়ে কল ড্রপ ও সিগন্যাল ব্যস্ত থাকার ঝামেলা এড়াতে এটি বিশেষভাবে সহায়তা করে। তিনি ৩২ বছরেরও অধিক সময় ধরে বেল পরীক্ষাগারে কাজ করেন। তিনি কম্পিউটার প্রযুক্তি খাতে নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। কম্পিউটার সফটওয়্যারের প্রথমদিকের একটি পেটেন্ট তাঁর নামাঙ্কিত। ২০০৮ সালে তিনি ন্যাশনাল ইনভেন্টরস হল অব ফ্রেমের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।.", "ফ্রেমওয়ার্ক\nকম্পিউটার আপ্লিকেশন বাইরে ফ্রেমওয়ার্ককে কতগুলি পদ্ধতি এবং প্রযুক্তির সমাবেশ হিসাবে চিন্তা করা যেতে পারে যা কোন জটিল সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহার করা হয়।", "সাংখ্যিক বিশ্লেষণ\nআধুনিক কম্পিউটার আবিষ্কারের পূর্বে সাংখ্যিক পদ্ধতি গুলি প্রায়ই হাতে করা চিত্রিত ছক এর ওপর নির্ভরশীল ছিল। যেহেতু বিংশ শতকের মাঝামাঝি তে কম্পিউটার সয়ংক্রিয় ভাবে অপেক্ষক গননা করতে শেখে। সেই সমস্ত প্রক্রিয়া গুলি সফটওয়্যার পরিভাষার মাধ্যমে অভেদ সমীকরণ সমাধানের জন্য ব্যাবহ্রিত হয়।", "গ্রাফ তত্ত্ব\nগণিতে এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানে গ্রাফ তত্ত্ব () এমন একটি বিষয় যা গ্রাফ সম্পর্কিত বিষয়াদি আলোচনা করে। \"গ্রাফ\" হচ্ছে কতগুলো ভার্টেক্স বা শীর্ষবিন্দুর সমষ্টি এবং কতগুলো এজ বা রেখার সমষ্টি যারা বিভিন্ন ভার্টেক্সের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। গ্রাফ দিকঅনির্দেশিত বা অদিক হতে পারে যার অর্থ হচ্ছে দুটি ভার্টেক্সের সংযোজক রেখার কোন দিক নেই। দিকসম্বলিত বা সদিক গ্রাফের এজগুলোর নির্দিষ্ট দিক রয়েছে। বিস্তারিত সংজ্ঞার জন্য দেখুন গ্রাফ (গণিত)।", "পাই\nπএর ইতিহাস আর গণিতের উন্নতিসাধনের সামগ্রিক ইতিহাস প্রায় সমান্তরাল। । বিভিন্ন লেখক পাই-এর ইতিহাসকে তিনভাগে ভাগ করেছেন – জ্যামিতি প্রয়োগের প্রাচীনকালের জ্যামিতি যুগ, সপ্তদশ শতকে ইউরোপে ক্যালকুলাস আবিস্কারের পর সনাতনি যুগ এবং কম্পিউটারের আবির্ভাবের পর কম্পিউটার যুগ। ", "জিরোফিলিয়া\nহাস্যকর টেনশন সৃষ্টি হয় যখন লুক মিশেলকে দূরে রাখার চেষ্টা করে; যখন নিজের বোনের ব্যাপারে ম্যাক্সের অতিরক্ষক মনোভাব প্রকাশ পায়; যখন অনিচ্ছার সাথে লুকা ম্যাক্সের ভালবাসাকে ফিরিয়ে দেয়; বা যখন লুক সংশয়াবদ্ধ মনে ম্যাক্সের উপর রেগে যায়। মিশেল যখন আবিষ্কার করে যে লুক সিডনির সঙ্গে যৌনসংগমে মিলিত হয়েছে, তখন সে নিজেকে প্রতারিত ভাবে। মিশেলকে খুঁজতে গিয়ে লুকা ম্যাক্সকে খুঁজে পায়। ম্যাক্সকে সে জানায় যে মিশেলকে সে কতটা ভালবাসে এবং তাকে প্রতারিত করে সে কতটা দুঃখ পেয়েছে। লুকার এই ক্ষমা চাওয়ায় ম্যাক্সের মন গলে এবং সে প্রকাশ করে যে সেই আসলে মিশেল। তারপর তারা প্রেমে পড়ে যায় এবং বার বার যৌনসংগম করতে থাকে; এবং কখনও লুকা ও ম্যাক্স আবার কখনও লুক ও মিশেল হয়ে বাকি জীবন সুখে কাটিয়ে দেয়।", "কম্পিউটার বিজ্ঞান\nকম্পিউটার বিজ্ঞানকে কতগুলি বৃহত্তর শাখায় ভাগ করা যায়। যেমন - বিচ্ছিন্ন গণিত, অ্যালগোরিদম ও উপাত্ত সংগঠনসমূহ, প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহ, কম্পিউটার স্থাপত্য, অপারেটিং ব্যবস্থা, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, সফটওয়্যার প্রকৌশল, ডাটাবেস ও তথ্য আনয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটবিজ্ঞান, কম্পিউটার গ্রাফিক্‌স, মানুষ-কম্পিউটার মিথষ্ক্রিয়া, গণনামূলক বিজ্ঞান, প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যবিজ্ঞান, এবং জীব-তথ্যবিজ্ঞান। নিচে এগুলির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হল।", "আবিষ্কার\nআবিষ্কারের ধারণা বা রূপরেখা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্যে কাগজ বা কম্পিউটারের মাধ্যমে উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। লিখিত কিংবা অঙ্কনের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ভুল-ভ্রান্তিতে ভরপুর খসড়ায় প্রণীত হয়। ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষান্তে অবশেষে ঐ খসড়া রূপরেখাটিই একটি স্বার্থক আবিষ্কার হিসেবে জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়।", "বাস (কম্পিউটার)\nহচ্ছে একগুচছ পথ যার মাধ্যমে কোন তথ্য পাঠিয়ে কম্পিউটারে রক্ষিত কোন ডাটা খোজা অথবা নতুন কোন ডাটা রাখার নির্দেশ পাঠানো যায়। এড্রেস বাসের কাজ হচ্ছে ডাটা কোথা থেকে কোথায় গেল তা তার লোকেশন বা স্থান শনাক্ত করা। সিপিইউকে তথ্য Read/Write করতে হলে ইহাকে অবশ্যই আই/ও পোর্ট অথবা সিস্টেম মেমোরীর লোকেশন জানতে হবে, এড্রেস বাসের দ্বারা এই লোকেশন বা স্থান নির্ধারন করা যায় । একটি এড্রেস বাস কত সংখ্যক বিট ধারণ করে তার উপরে নির্ভর করে যে কত সংখ্যক লোকেশন বা এড্রেসে প্রবেশ করতে পারবে। যেমন, ২০ এড্রেস লাইন বিশিষ্ট বাস ১ মিলিয়ন (সঠিক ১,০৪৮,৫৭৬) লোকেশন এবং ২৪ এড্রেস লাইন বিশিষ্ট বাস ১৬ মিলিয়ন (সঠিক ১৬,৭৭২,২১৬ ) লোকেশন বা স্থান এড্রেস করতে পারে। এড্রেস বাস হচ্ছে একমুখী - এ বাসটি সিপিইউ থেকে ডাটা সংগ্রহ পুর্বক অন্যান্য অংশে প্রেরন করে। প্রসেসরে এড্রেস বাসের সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে ।", "ভিডিও গেইম কনসোল\nভিডিও গেইম কনসোল () একটি স্বতন্ত্র গেমিং ডিভাইস। এ ডিভাইসটি কম্পিউটার বা টেলিভিশনের সাথে যুক্ত করে উচ্চমানের রেজুলেশনের বিভিন্ন ভিডিও গেইম খেলা যায়। পঞ্চাশের দশকে সর্বপ্রথম কম্পিউটার গেইম বাজারে আসলেও ম্যাগনাভক্স নামক স্বতন্ত্র ভিডিও গেইম কনসোল বাজারে আসে ১৯৭২ সালে। রাফ এইচ বায়ার নামক একজন প্রকৌশলী এটি আবিষ্কার করেছিলেন। বর্তমানে বিশ্বব্যাপি এ ভিডিও গেইমের বাজার কয়েকশ কোটি ডলারের। পিএস থ্রি, নিনটেন্ডো, এক্সবক্স সহ বর্তমানে অনেক ভিডিও গেইম কনসোল বাজারে রয়েছে। সম্প্রতি নিনটেন্ডো বিশ্বের প্রথম ত্রিমাত্রিক ভিডিও গেইম কনসোল বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে।", "কম্পিউটার বিজ্ঞান\nকম্পিউটার বিজ্ঞান হয়ে উঠার প্রাথমিকতম ভিত্তিগুলি আধুনিক ডিজিটাল কম্পিউটারের আবিষ্কারকে পূর্বাভাস দেয়। গুণ এবং বিভাগের মতো কম্পিউটেশনগুলিতে সহায়তা করতে অ্যাবাকাসের মতো সংখ্যার সংখ্যাসূচক কাজ গণনা করার জন্য যন্ত্রগুলি প্রাচীনকাল থেকেই ছিল। উপরন্তু, কম্পিউটিং সম্পাদনের জন্য অ্যালগরিদম অত্যাধুনিক কম্পিউটিং সরঞ্জামগুলির বিকাশের আগেই প্রাচীনকাল থেকে অস্তিত্ব ছিল। ", "গ্যালিলিও গ্যালিলেই\n১৬১০ খ্রীষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে গ্যালিলিও সর্বপ্রথম সূর্যে কতগুলো কালো দাগ পর্যবেক্ষণ করেন। কিন্তু ১৬১২ খ্রীষ্টাব্দের মে মাসের পূর্বে তিনি এ আবিষ্কারের কথা প্রকাশ করেন নি। ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী টমাস হ্যারিয়ট, হল্যান্ডের জন ফ্যাব্রিসিয়াস ও জার্মানীতে শাইনার স্বাধীনভাবে সৌরকলঙ্ক পর্যবেক্ষণ করেন, এবং তাদের আবিষ্কারের কথা গ্যালিলিওর আগেই প্রকাশিত হয়। সেই জন্য সৌরকলঙ্ক আবিষ্কারের কৃতিত্ব হ্যারিয়ট, ফ্যাব্রিসিয়াস, শাইনার ও গ্যালিলিও প্রত্যেকেরই আংশিকভাবে প্রাপ্য।", "গুচ্ছ-বিন্যাসতত্ত্ব\nগুচ্ছ-বিন্যাসতত্ত্ব কম্পিউটার বিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। একটি কম্পিউটার অ্যালগোরিদমের জন্য কতগুলি গাণিতিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতে পারে, সেটি গুচ্ছবিন্যাসতত্ত্বের পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করে প্রাক্কলন করা সম্ভব। এছাড়া বিচ্ছিন সম্ভাবনা তত্ত্বেও এর প্রয়োগ আছে।", "ডেথ নোট (চলচ্চিত্র)\nইয়াগামি লাইতো জাপানের কান্টোতে অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ছাত্র। স্কুল থেকেই মেধাবী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। তার বাবা জাপান পুলিশের একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। এ সুবাদে বাবার কম্পিউটারে হ্যাক করে সে পুলিশ বিভাগের অনেক গোপন খবর জানতে পারে। আইনের প্রতি তার শ্রদ্ধা ছিল, কিন্তু হ্যাক করার পর সে দেথতে পায় আইন ও বাস্তবতায় কতো পার্থক্য, কত দাগী আসামীর কোন বিচার হচ্ছেনা, আবার অনেক নিরপরাধীর বিচার হচ্ছে। এ নিয়ে সে বিশেষ উদ্বিগ্ন ছিল। এমন সময় তার হাতে আসে ডেথ নোট।", "মডেম\nসবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হল ভয়েসব্যান্ড মডেম যেটা পারসোনাল কম্পিউটারের ডিজিটাল ডেটাকে ইলেট্রিকাল সিগনালে পরিনত করে টেলিফোনের ভয়েস ফ্রিকোয়েন্সি রেন্জ চ্যানেলে পাঠায়, অন্য প্রান্তে আরেকটি মডেম দ্বারা ডিজিটালে পরিণত হয়। মডেমগুলো সাধারণত ভাগ করা হয় কত পরিমাণ ডেটা তারা পাঠাতে পারে একক সময়ে তার উপর। সাধারণত মাপা হয় সেকেন্ড প্রতি বিট(bps) হিসেবে। এগুলো এক একক সেকেন্ডে কত পরিমাণ সংকেত পাঠাতে পারে তার ভিত্তিতে ভাগ করা যায়।", "নোবেল পুরস্কার ২০১৬\nহসট্রলিজ ও ফাইলেস মসৃণ আকৃতির সমতলীয় বা সরু স্তরের ভেতরের বস্তুকে দ্বিমাত্রিক বিবেচনা করে টপোলজির মাধ্যমে পদার্থের অবস্থা বা দশার পরিবর্তনগুলো দেখান। টপোলজি হচ্ছে জ্যামিতির এমন একটি আধুনিক শাখা বা রূপ, যার সাহায্যে বস্তুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা যায়। টপোলজি অনুযায়ী, কোনো বস্তুর প্রসারণ বা মোচড় বা আকৃতির পরিবর্তন হলেও সেই বস্তুর বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। বস্তুর বৈশিষ্ট্য কেবল কতগুলো পূর্ণ ধাপেই পরিবর্তিত হবে। এক্ষেত্রে বস্তুকে ছিঁড়ে ফেলা বা খণ্ডিত করা হলে তার বৈশিষ্ট্যও পরিবর্তিত হয়ে যাবে। পরবর্তীতে হোলডেইন টপোলজির ধারণার মাধ্যমে আরও সরু, যাকে প্রায় একমাত্রিক ধরা যেতে পারে, এমন বস্তুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করেন। এই টপোলজিক্যাল দশা ও দশা পরিবর্তনের তাত্ত্বিক আবিষ্কার করাতেই এবারের পুরস্কার তিন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীর বলে নোবেল কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। কমিটির বিচারকরা বলছেন, নতুন প্রজন্মের ইলেকট্রনিক্স ও সুপারকন্ডাকটর বা ভবিষ্যতে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ক্ষেত্রে টপোলজিক্যাল বস্তু ব্যবহারযোগ্য হতে পারে এখন আশা জেগেছে ৷", "রুবি (প্রোগ্রামিং ভাষা)\nরুবি উদ্ভাবিত হয় ফেব্রুয়ারি ২৪, ১৯৯৩ সালে। একজন জাপানি কম্পিউটার বিজ্ঞানী একটি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রনয়নের লক্ষ্যে রুবি আবিস্কার করেন।", "মাউস (কম্পিউটার)\nমাউস কম্পিউটার পরিচালনায় ব্যবহৃত একটি হার্ডওয়্যার। ১৯৬০ এর দশকের শেষ ভাগে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ডুগ এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস আবিষ্কার করেন। কিন্তু সত্তরের দশকে এটি কেবল জেরক্সের কম্পিউটার ছাড়া অন্যত্র জনপ্রিয়তা পায় নাই। ১৯৮০ এর দশকে আ্যাপল কম্পিউটার তাদের ম্যাকিন্টশ সিরিজে প্রথম এটি উপস্থাপন করে, এর আকৃতি ইঁদুরের মত তাই এর নাম mouse দেয়া হয়েছিল। এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, এর মাধ্যমে মনিটরের বা প্রোগ্রামের যে কোন স্থানে নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা সম্ভব। এর কল্যানে গ্রাফিক্স ইউজার ইন্টারফেস বা GUI সংবলিত আপারেটিং সিসটেম এত দ্রুত প্রসার পায়।", "কম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাস\nকম্পিউটার বিজ্ঞানের ইতিহাস এর সূত্রপাত হয়েছিল বিংশ শতাব্দীতে একটি স্বতন্ত্র বিষয় হিসাবে আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রচলনের অনেক আগেই। এই বিষয়ে প্রথম ধারণা পাওয়া গেছিল প্রায় কয়েকশত বছর[1] আগে। পরবর্তীকালে বিভিন্ন যন্ত্রের আবিস্কার, গাণিতিক মতবাদগুলির প্রয়োগ ইত্যাদির ফলে এটি বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হিসাবে প্রচলিত হয় এবং এর মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপী এক বিরাট শিল্পের ভিত্তি তৈরী হয়।[2]", "লিস্প (প্রোগ্রামিং ভাষা)\nমূলত কম্পিউটার প্রোগ্রামকে আলোন্‌জো চার্চের ল্যাম্‌ডা ক্যালকুলাসের উপর ভিত্তি করে ব্যবহারিক গাণিতিক নোটেশনে প্রকাশ করার জন্য লিস্প উদ্ভাবন করা হয়েছিল । এটা খুব দ্রুতই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষকদের পছন্দের প্রোগ্রামিং ভাষা হয়ে উঠে। প্রথম দিককার প্রোগ্রামিং ভাষাগুলির মধ্যে একটি ছিল বলে লিস্প কম্পিউটার বিজ্ঞানের অনেক ধারণাকে প্রাথমিকভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছে, যার মধ্যে রয়েছে ট্রি ডেটা স্ট্রাকচার, এটমিক তথ্য ব্যবস্থাপনা, ডাইনামিক টাইপিং, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এবং সেলফ-হোস্টিং কম্পাইলার।\nজন ম্যাকার্থি ১৯৫৮ সালে এম. আই. টি তে অধ্যাপনা করা অবস্থায় লিস্প আবিস্কার করেন। এ সি এম কমিউনিকেশন জার্নালে তিনি এটার কাঠামো একটা প্রবন্ধ হিসাবে প্রকাশ করেন। ", "ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম\nকম্পিউটার আবিষ্কার এবং এর ব্যবহারের শুরুর দিকেই তথ্য তৈরী, সংরক্ষণ এবং খোঁজার কাজটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলো। সর্বপ্রথম ১৯৬০ সালে, বিখ্যাত কম্পিউটার বিজ্ঞানী চার্লস বাকম্যান ডিবিএমএস তৈরী করেন। তিনি তখন জেনারেল ইলেট্রিকে কর্মরত ছিলেন। সেই ডিবিএমএসটির নাম দেয়া হয়েছিলো, ইন্টিগ্রেটেড ডাটা স্টোর(আইডিএস) । ষাটের দশকের শেষের দিকে আইবিএম ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নামে একটি ডিবিএমএস তৈরী করে। এই সফটওয়্যারটিই, তথ্যকে শ্রেনীক্রম অনুসারে কিভাবে সাজানো যায় তার একটি ধারনা দিয়েছিলো, যা বর্তমানে হায়ারারকিকাল ডাটা মডেল নামে পরিচিত। ১৯৭০ সালে এটস্খার কড, তথ্যকে পরিবেশন করার নতুন একটা মডেলের প্রস্তাব দেন। তিনি তখন আইবিএম'র স্যান হোস গবেষণাগারে কর্মরত ছিলেন। এই ধারনাটিই রিলেশনাল ডাটা মডেল নামে পরিচিত। ডিবিএমসের ক্রমবিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়, ইন্টারনেটের আবিষ্কার এবং এর বহুল ব্যবহারের পর থেকে। এখন ওয়েবসাইট ভিত্তিক ডাটাবেজকে উন্নত করার জন্য নানা ধরনের গবেষণা চলছে। [1]", "ডোমেইন নেম সিস্টেম\nকম্পিউটার মেশিনের সাংখ্যিক ঠিকানার বদলে মানুষের উপযোগী নাম ব্যবহার করা শুরু হয়েছিল টিসিপি/আইপি'রও আগে। আরপানেট যুগেও মানুষের উপযোগী নাম ব্যবহার হত। তখন অবশ্য অন্য পদ্ধতি ব্যবহৃত হত। ডিএনএস আবিষ্কার হয় ১৯৮৩ সালে, টিসিপি/আইপি চালুর কিছু পরেই। পুরনো ব্যবস্থায় নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটার এসআরআই (বর্তমানে এসআরআই ইন্টারন্যাশনাল) থেকে \"HOSTS.TXT\" নামে একটি ফাইল নিয়ে আসত। এই HOSTS.TXT ফাইল থেকেই সাংখ্যিক ঠিকানা থেকে নামের ম্যাপিং দেয়া থাকত। বর্তমানেও অধিকাংশ আধুনিকতম অপারেটিং সিস্টেমেও একটি হোস্ট ফাইল থাকে যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীগণ ডিএনএসের সাহায্য ছাড়াই বিভিন্ন নামকে (যেমন www.example.net) আইপি এড্রেসের (যেমন 208.77.188.166) সাথে সংযোগ করতে পারেন। এই হোস্ট ফাইলের ওপর নির্ভরশীল ব্যবস্থার জন্মগত সমস্যা হচ্ছে যখনই কোন এড্রেসের আইপি এড্রেস পরিবর্তিত হবে, তখন এই এড্রেসের সাথে যোগাযোগে ইচ্ছুক সকল কম্পিউটারকে এই ফাইলটি হালনাগাদ করতে হবে।", "ব্যক্তিগত কম্পিউটার\nইতালীয় ইঞ্জিনিয়ার পিয়ের জর্জিয়ো পেরোটো একটি ব্যক্তিগত ডেস্কটপ কম্পিউটার আবিষ্কার করেন যার নাম প্রোগ্রাম ১০১ এবং এটিই প্রথম বাণিজ্যিক ব্যক্তিগত ডেস্কটপ কম্পিউটার যা ইতালীয় কোম্পানি অলিভেট্টি উৎপাদন করেন। প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ১৯৬২ সালে। ১৯৬৪ সালে এটি ছাড়া হয় নিউ ইয়র্ক বিশ্ব মেলায়, দাম ছিল $৩২০০ এবং ভলিউম হারে উৎপাদন হয় ১৯৬৫ সালে। প্রোগ্রামা ১০১ আসার পূর্বে কম্পিউটার ছিল একেকটা ট্রাকের সমান এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অভিজ্ঞরাই ব্যবহার করত। কিন্তু প্রোগ্রামার আকার ছিল একটি টাইপরাইটারের সমান যা সবার ব্যবহার করতে পারত।", "তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল\n১৯৪৭ সালে উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ড শক্‌লি, জন বারডিন এবং ওয়াল্টার হাউজার ব্র্যাটেইনের ট্রানজিস্টর উদ্ভাবন ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশের জগতে নতুন দুয়ার উন্মোচন করে এবং এর ফলশ্রুতিতে ১৯৫৮ সালে জ্যাক কিলবি এবং ১৯৫৯ সালে রবার্ট নয়েস পৃথকভাবে সমন্বিত বর্তনী উদ্ভাবন করেন। ইন্টেলের মার্সিয়ান হফ ১৯৬৮ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করেন এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটার আবিষ্কারের পথ করে দেন। যদিও ইনটেল ৪০০৪, ৪-বিটের প্রসেসর যা ১৯৭১ সালে আবিষ্কৃত হয়, প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আসছে কিন্তু ১৯৭৩ সালে ৮-বিটের প্রসেসর ইনটেল ৮০৮০ আবিস্কৃত হওয়ার পরই প্রথম ব্যক্তিগত কম্পিউটারের জন্ম হয়। এই কম্পিউটারটির নাম ছিল অল্টেয়ার ৮৮০০।", "মারি ক্যুরি\n১৮৯৫ সালে উইলহেলম রন্টগেন্ট এক্স-রে আবিষ্কার \nকরেন। তবে এগুলো কি কারণে তৈরি হয় তা তখনো অজানা ছিল। ১৮৯৬ সালে হেনরি বেকেরেল আবিষ্কার \nকরেন যে ইউরেনিয়াম লবণ একধরণের রশ্মি নিঃসরণ করে যাদের কোন কিছু \nভেদ করার ক্ষমতা এক্স-রশ্মির সমতুল্য। তিনি দেখান যে এই রশ্মিগুলো \nফস্ফোরেসেন্সের মত নয়, বাইরের কোন শক্তির সাহায্য \nছাড়াই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এরা নির্গত হয়। \nএই দুইটি আবিষ্কার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মারি ক্যুরি ইউরেনিয়াম রশ্মির উপর \nগবেষণা শুরু করেন। \nতিনি নমুনা পরীক্ষার জন্য একটি নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ঘটনার ১৫ \nবছর আগে তাঁর স্বামী ও দেবর একটি উন্নত ইলেকট্রোমিটার তৈরি করেন যা \nবৈদ্যুতিক চার্জ পরিমাপ করতে পারত। সেই যন্ত্র ব্যবহার করে মারি আবিষ্কার করেন যে ইউরেনিয়াম \nরশ্মি একটি নমুনার আশেপাশের বাতাসে তড়ি চালনা করে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে তিনি প্রথম যে বিষয় \nবুঝতে পারেন তা হচ্ছেঃ ইউরেনিয়াম যৌগ সমূহের কার্যকলাপ শুধুমাত্র এতে \nউপস্থিত ইউরেনিয়ামের পরিমাণের উপর নির্ভর করে। তিনি হাইপোথিসিস দেন যে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ একাধিক কণার সংঘর্ষের কারণ নয় বরং একটি পরমাণু নিজেই এর \nকারণ। প্রাচীন ধারণা অনুযায়ী \nঅণু অদৃশ্য; এই ধারণা ভুল প্রমাণে তাঁর হাইপোথিসিস গুরুত্বপূর্ণ ছিল। \n১৮৯৭ সালে তাঁর মেয়ে আইরিন জন্ম নেয়। \nআয় বাড়ানোর জন্য ক্যুরি একোল নরমাল সুপেরিয়রে\nশিক্ষকতা শুরু করেন। ক্যুরিদের কোন নিজস্ব গবেষণাগার \nছিল না; তাঁদের বেশিরভাগ গবেষণা সম্পন্ন করেছিলেন স্কুল অফ ফিজিক্স \nঅ্যান্ড কেমিস্ট্রির এক জায়গায়। সেটি মেডিক্যাল স্কুলের \nব্যবচ্ছেদ রুম ছিল, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ছিল না এবং পানিরোধক ও ছিল \nনা। তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শে থাকার ক্ষতিকর পরিণাম সম্পর্কে \nতখন অজ্ঞাত থাকায় তাঁরা কোন নিরাপত্তা নিশ্চিত করেননি। স্কুল গবেষণার \nজন্য তাঁকে কোন অর্থ সহায়তা না দিলেও তিনি বিভিন্ন ধাতব সংক্রান্ত ও \nখনন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান ও সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার সাহায্য \nপেয়েছিলেন। \nক্যুরিদের গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল দুইটি ইউরেনিয়াম খনিজ,\nপিচব্লেন্ডে এবং টরবারনাইট (যা চ্যালকোলাইট \nনামেও পরিচিত ছিল) তাঁর \nইলেকট্রোমিটার দেখায় যে পিচব্লেন্ডে ইউরেনিয়ামের চারগুন এবং \nচ্যালকোলাইট দ্বিগুণ সক্রিয় ছিল। তিনি এই সিদ্ধান্তে আসেন যে \nইউরেনিয়ামের পরিমাণের ভিত্তিতে সক্রিয়তা পরিমাপ সংক্রান্ত তাঁর প্রথম ধারণা সঠিক হলে ঐ দুইটি খনিজ অল্প পরিমাণে এমন একটি বস্তু ধারণ করে \nযার সক্রিয়তা ইউরেনিয়ামের চেয়ে বেশি তিনি তখন আরও কতগুলো মৌলের সন্ধান \nশুরু করেন যারা তেজস্ক্রিয়তা দেয় এবং ১৮৯৮ সালে আবিষ্কার করেন যে \nথোরিয়ামে এই ধর্ম আছে। \nপিয়েরে, মারির কাজে এতই আগ্রহী হয়ে ওঠেন যে ১৮৯৮ এর মাঝামাঝি সময়ে \nতিনি কেলাসের উপর গবেষণা ছেড়ে মারির গবেষণায় সাহায্য শুরু করেন। \nমারি খুব দ্রুত তাঁর গবেষণা প্রকাশ করে তাঁর গুরুত্ব পরতিষ্ঠা \nকরতে চেয়েছিলেন। যদি না বেকেরেল, তাঁর আবিষ্কারকে উদ্ভাবনের পরের দিনই \nপ্রকাশ না করে দুই বছর পর প্রকাশ করতেন \"অ্যাকাডেমি ডেস সাইন্সেস\"-এ তবে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের কৃতিত্ব ও একটি নোবেল পুরস্কার চলে যেত সিলভেনাস থমসনের কাছে। ক্যুরিও একই \nদ্রুততায় আবিষ্কার প্রকাশ করেন। তাঁর গবেষণা পত্রে তাঁর কাজের সংক্ষিপ্ত \nবিবরণ দিয়ে ১৮৯৮ সালের ১২ এপ্রিল তাঁর সাবেক অধ্যাপক গ্যাবরিয়েল লিপম্যানের সাহায্যে ‘’অ্যাকাডেমিতে’’ প্রকাশ করেন। তারপরও, থমসন যেমন বেকেরেলের কাছে হেরে গিয়েছিলেন, \nতেমনি প্রতিযোগিতার দৌড়ে ক্যুরিও উল্লেখ করতে ভুলে গিয়েছিলেন যে \nথোরিয়ামও তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমন করে। দুই মাস আগে গারহার্ড কার্ল স্মিথ,বার্লিনে নিজের গবেষণা প্রকাশ \nকরেছিলেন\nসেই সময়ে পদার্থবিজ্ঞান জগতের কেউই খেয়াল করেননি যে ক্যুরি পিচব্লেন্ড \nএবং চ্যালকোলাইটের সক্রিয়তা যে ইউরেনিয়াম থেকে কত বেশি তা উল্লেখ \nকরেছেনঃ \"বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ, এবং এই বিশ্বাসের জন্ম দেয় যে এই \nখনিজগুলো সম্ভবত এমন একটি মৌল ধারণ করে যা ইউরেনিয়াম থেকে বেশি \nসক্রিয়\" মারি পরবর্তীতে তাঁর অনুভূতি সম্পর্কে মনে মনে ভাবতেন \"এই \nহাইপোথিসিসকে যত দ্রুত সম্ভব যাচাই করার একটি প্রবল আকাঙ্ক্ষা( a \npassionate desire to verify this hypothesis as rapidly as possible.)\" ১৮৯৮ সালের ১৪ এপ্রিল ক্যুরিরা খুব আশাব্যঞ্জক ভাবে পিচব্লেন্ডের \n১০০ গ্রামের একটি নমুনা পেয়েছিলেন এবং পেসল ও মর্টার দিয়ে একে চূর্ণ \nকরেছিলেন। সেই সময়ে তাঁরা ধারনাও করতে পারেননি তাঁরা যা খুঁজছেন তা এত \nঅল্প পরিমাণে রয়েছে যে তাঁদের পরবর্তীকালে এটার জন্য টনের পর টন খনিজ \nবিশ্লেষণ করতে হবে। \n১৮৯৮ সালের জুলাই মাসে ক্যুরি এবং তাঁর স্বামী যৌথভাবে একটি গবেষণাপত্র \nপ্রকাশ করে একটি মৌলের অস্তিত্ব ঘোষণা করেন যার নাম দেয়া হয় \n\"পোলনিয়াম\", ক্যুরির জন্মস্থান পোল্যান্ডের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এই \nনাম দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে আরও বিশ বছর তিনটি সাম্রাজ্যে বিভক্ত ছিল ঐ বছরেরই ২৬ ডিসেম্বরে \nক্যুরিরা দ্বিতীয় একটি মৌলের অস্তিত্ব ঘোষণা করেন, তাঁরা এর নাম \nদিয়েছিলেন \"রেডিয়াম\", এই শব্দের উপত্তি ল্যাটিন শব্দ ‘’রে’’ থেকে। \nপ্রতিষ্ঠিত করেন। \nতাঁদের আবিষ্কারকে সন্দেহের ঊর্ধ্বে ওঠানোর জন্য তাঁরা পোলনিয়াম এবং \nরেডিয়াম বিশুদ্ধ আকারে পাওয়ার চেষ্টা করেন। পিচব্লেন্ড হচ্ছে একটি জটিল খনিজ; এর গঠন \nউপাদানগুলো রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা খুবই কঠিন। পোলনিয়ামের \nআবিষ্কার এর চেয়ে সহজ ছিল; রাসায়নিক দিক থেকে এটি বিসমাথের\nমত, এবং এটিই ছিল একমাত্র বিসমাথ সদৃশ ধাতু যা খনিতে পাওয়া যায়। রেডিয়াম পাওয়া একটু বেশি \nকঠিন, রাসায়নিকভাবে এর সাথে বেরিয়ামের মিল রয়েছে এবং \nপিচব্লেন্ডে দুইটি উপাদানই রয়েছে। ১৮৯৮ সালের মধ্যে ক্যুরিরা রেডিয়ামের \nঅস্তিত্ব পেয়েছিলেন, তবে বেরিয়াম মুক্ত অর্থা বিশুদ্ধ ও ব্যাপক পরিমাণে \nরেডিয়াম পেতে তখনো অনেক দেরি ছিল। ক্যুরিরা রেডিয়াম \nলবণ বিশ্লেষণ করার মত দুঃসাধ্য কাজ শুরু করেন ব্যবকলনীয় কেলাসন \nপ্রক্রিয়ায়। ১৯০২ সালে ১ টন পিচব্লেন্ড থেকে ১ গ্রামের ১০ ভাগের ১ ভাগ \nরেডিয়াম ক্লোরাইড পাওয়া গিয়েছিল। ১৯১০ সালে মারি ক্যুরি বিশুদ্ধ \nরেডিয়াম ধাতু লাভে সক্ষম হন। তিনি কখনো বিশুদ্ধ পোলনিয়াম পাননি, যার \nঅর্ধায়ু মাত্র ১৩৮ দিন অর্থা বিশুদ্ধ পোলনিয়াম পাওয়ার ১৩৮ দিন পর এর ভর মোট ভরের অর্ধেক হয়ে যায় এবং এই প্রক্রিয়া চলমান থাকে। \n১৮৯৮ সাল থেকে ১৯০২ সালের মধ্যে ক্যুরিদ্বয় (পিয়েরে এবং মারি) একসাথে \nকিংবা এককভাবে ৩২টি বৈজ্ঞানিক পত্র প্রকাশ করেন যাদের একটি উল্লেখ \nছিল যে রেডিয়ামের প্রভাবে রোগাক্রান্ত, টিউমার সৃষ্টিকারী কোষ সুস্থ \nকোষের চেয়ে তাড়াতাড়ি ধ্বংস হয়। \n১৯০০ সালে ক্যুরি একোল নরমাল সুপেরিয়র এর প্রথম ফ্যাকাল্টি সদস্য হন এবং \nতাঁর স্বামী প্যারিস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টিতে যোগ দেন। ১৯০২ সালে বাবা মারা \nযাওয়ার কারণে মারি পোল্যান্ড যান। ", "কম্পিউটার\nসিস্টেম হলো কতগুলো ইন্টিগ্রেটেড উপাদানের সম্মিলিত প্রয়াস যা কিছু সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কাজ করে। কম্পিউটার সিস্টেমের উপাদানগুলো নিম্নরূপ:-" ]
54
"মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা গা(...TRUNCATED)
["মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী\nমোহনদাস করমচ(...TRUNCATED)
["মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী\nবেশ কয়েকজন (...TRUNCATED)
28
রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্ম কবে হয় ?
["রামকৃষ্ণ পরমহংস-বিষয়ক গ্রন্থতালিক(...TRUNCATED)
["কামারপুকুরের সাদা বোঁদে\nকামারপুকুর(...TRUNCATED)
17
"ভারতীয় লেখক আর. কে. নারায়ণ কবে জন্মগ(...TRUNCATED)
["নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়\nনারায়ণ গঙ্গ(...TRUNCATED)
["মহীশূর বিমানবন্দর\nপরবর্তীতে, বিমানব(...TRUNCATED)
0
অর্থনীতির জনক কাকে বলা হয় ?
["অর্থনীতি\nউৎপাদন ও বণ্টন আলোচনার দীর(...TRUNCATED)
["ইসলামি স্বর্ণযুগ\nইবনে খালদুনকে \nআধু(...TRUNCATED)
26
"গায়িকা ভেনিসা অ্যানা হাডজেন্সের দ্ব(...TRUNCATED)
["ভেনিসা হাডজেন্স\nভেনিসা অ্যানা হাডজে(...TRUNCATED)
["জর্জ ইলিয়ট\nমেরি অ্যান ইভান্স ইংল্য(...TRUNCATED)
41
"দ্য লাঞ্চবক্স চলচ্চিত্রটির নির্মাতা(...TRUNCATED)
["দ্য লাঞ্চবক্স\nদ্য লাঞ্চবক্স ২০১৩ সা(...TRUNCATED)
["দ্য লাঞ্চবক্স\nসানডে গার্জিয়ান-এর ত(...TRUNCATED)
51
End of preview. Expand in Data Studio
README.md exists but content is empty.
Downloads last month
1