text stringlengths 0 4.32k |
|---|
পাখি |
English |
পাখি Aves শ্রেণীর উষ্ণরক্তবিশিষ্ট, দেহ পালকে আবৃত এবং অগ্রপদ ডানায় রূপান্তরিত মেরুদন্ডী প্রাণী। এদের মস্তিষ্ক অপেক্ষাকৃত বড়, দৃষ্টি তীক্ষ্ণ ও শ্রবণশক্তি প্রখর, কিন্তু ঘ্রাণশক্তি কম। ভারী চোয়াল ও দাঁতের পরিবর্তে শক্ত চঞ্চু এবং ফাঁপা হাড় ও অন্যান্য অংশে বায়ুথলী থাকায় পাখির দেহের ওজন কম। প্রায় ১৫ কোটি বছর আগে জুরাস... |
বর্তমানে প্রায় ৯,০০০ প্রজাতি নিয়ে Aves শ্রেণী গঠিত। Passeriformes (passerines বা গায়ক পাখি হিসেবে পরিচিত) বর্গভুক্ত পাখির প্রজাতির সংখ্যা জানামতে অর্ধেকেরও বেশি। অবশিষ্ট সবগুলি বর্গকে একত্রে non-passerines বলা হয়। পাখির আকার ও আকৃতি বহুবিধ: উটপাখির (Struthio camelus) দাঁড়ানো অবস্থায় উচ্চতা ২.৫ মিটার, আর পৃথিবীর ক... |
প্রাক-মুগল আমলের ভারতীয় পাখি সম্পর্কে তথ্যের অভাব রয়েছে। তথ্যের অন্যান্য উৎসের মধ্যে আছে কয়েকটি সংস্কৃত শব্দকোষ। পাখির ডাকভিত্তিক কিছু নাম আছে যেমন, কাউয়ার জন্য ধ্বন্যাত্মক শব্দ ‘কাক’; অন্যগুলি রং, আচরণ, ভঙ্গি, আহার-পদ্ধতি ইত্যাদি ভিত্তিক। কতকগুলি নাম সহজে শনাক্তযোগ্য, আবার কতকগুলি দুর্বোধ্য। পাখি বিশারদ রঘুবীর ওইস... |
ভারতীয় পাখি সম্পর্কে প্রাচীনতম ‘আধুনিক’ বিবরণীটি মাদ্রাজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সার্জন এডওয়ার্ড বাকলে ১৭১৩ সালে প্রকাশ করেন। এতে ছিল সেন্ট জর্জ দুর্গ ও তার আশেপাশের ২২টি পাখির সচিত্র বর্ণনা। আরও কিছু পাখি সংগ্রাহক ও গ্রন্থকার আঠারো শতকের অবশিষ্ট সময়ে একই ধরনের কাজ করে গেছেন। এদের মধ্যে অনেকে হয়তো নতুন আবিষ্কৃত পাখ... |
টি.সি জার্ডনের পর Fauna of British India গ্রন্থমালায় ১৮৮৯ ও ১৮৯৮ সালের মধ্যে ইউজিন ডব্লিউ ওটিস ও ডব্লিউ টি ব্ল্যানফোর্ড প্রণীত পাখির ওপর ৪ খন্ড যুক্ত হওয়ার ফলে ভারতীয় পাখিবিজ্ঞানের আরেকটি মৌলিক অগ্রগতি ঘটে। পূর্বসূরীদের কাজের মতো এতেও অন্তর্বর্তী ২৭ বছরের মাঠ পর্যায়ে ও জাদুঘরে সম্পন্ন ব্যাপক গবেষণার যাবতীয় জ্ঞান স... |
স্টুয়ার্ট বেকার (Stuart Baker) ঢাকা ও বাংলার অন্যত্র এলাকার পাখি সম্পর্কে সামান্য কিছু কাজ করেন, তবে তাঁর প্রধান কর্মক্ষেত্র ছিল আসাম। ঢাকার মার্কিন কনসাল ই হজ (E Hodge) (১৯৫৭-১৯৬০) দাপ্তরিক কাজে বা ছুটির দিনে বাইরে গেলে যেসব পাখি দেখতেন সেগুলির একটি তালিকার ৫টি মিমিওগ্রাফিক কপি প্রস্ত্তত করেন। বাংলাদেশে হারুন-অর-রশিদ... |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগেই পাখি বিষয়ক প্রথম শিক্ষা ও গবেষণার সূত্রপাত। বর্তমানে ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগে পক্ষিবিজ্ঞানের কোর্স চালু রয়েছে। গত ২০০০ সালে ইন্টারন্যাশন্যাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (IUCN) বাংলাদেশের বিপন্ন পাখির তালিকা প্রকাশ করেছে এবং সেখা... |
খাঁচার পাখি (Cage bird) খাঁচায় বন্দি করে সফলভাবে পোষ মানানো যায় এমন পাখি। তারা সেখানেই বংশবৃদ্ধি করে, ফলে তাদের প্রাকৃতিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনেকটা বদলে যায় ও শেষ পর্যন্ত তারা প্রায় গৃহপালিত হয়ে ওঠে। |
পোষাপাখির উদাহরণ হলো তোতা (Psittacines or Parrots) এবং ক্যানারি ও মুনিয়ার মতো কিছু চড়ুই জাতীয় পাখি। এদের মধ্যে প্রাচীনতম পোষাপাখি হলো অস্ট্রেলীয় বাজারিগার (Melopsittacus undulatus)। জন গোল্ড অস্ট্রেলিয়া থেকে ১৮৪০ সালে এই তোতাপাখি যুক্তরাজ্যে প্রথম আনেন এবং তখন থেকেই এই পাখি বন্দী অবস্থায় বংশবৃদ্ধি করছে এবং আন্তঃপ... |
বাংলাদেশে সচরাচর দৃষ্ট জনপ্রিয় অন্যান্য পোষা পাখিদের মধ্যে রয়েছে ক্যানারি (Serinus canaria), মুনিয়া (Longchura species), লালমুনিয়া (Amandava amandava, Syn. Estrilda amandava), জাভাচড়ুই (Padda oryzivora), সোনালি ফিনচ (Carduelis carduelis), সবুজ ফিনচ (Carduelis chloris) ও ষাঁড় ফিনচ (Pyrhula pyrrhula), লাভ বার্ড (Ag... |
শিকারের পাখি (Game bird) শৌখিন শিকারিরা প্রায় নিয়মিত বন্দুক দিয়ে হত্যা করে এমন পাখি। উড়ন্ত পাখির নিশানা ভেদ বা স্রেফ মজা করার জন্যও পাখি মারা হয়। শিকারের পাখিদের অধিকাংশই Galliformes অর্থাৎ বনমোরগ, ময়ূর ও কাঠময়ূর বর্গভুক্ত। Scolopacidae গোত্রভুক্ত কারলিউ, কাদাখোচা, বড়চাগা বা বুনোচাগা পাখি Otididae গোত্রভুক্ত বা... |
বাংলাদেশে সাধারণত শিকারের পাখি হলো বনমোরগ (Gallus gallus), কাঠময়ূর (Polyplectron bicalcaratum), মথুরা বা কালোময়ূর (Lophura leucomelanos), তিতির (Francolinus) প্রজাতি, কোয়েল (Coturnix) প্রজাতি, Turnix-এর দুটি প্রজাতি, এবং Arboriphila ও Bambusicola-র অন্তর্ভুক্ত তিন প্রজাতির প্যাট্রিজ (Patridge) পাখি। |
কয়েক দশক আগে বাংলাদেশে ভারতীয় ময়ূর (Pavo cristatus), সবুজ ময়ূর বা বর্মী ময়ূর (Pavo muticus) দেখা যেত। বর্তমানে এসব ময়ূর এদেশ থেকে লোপ পেয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের জঙ্গলে এখনও বেশ কিছু বনমোরগ ও মথুরা পাখি দেখা যায়।বনমোরগ সুন্দরবনেই বেশি। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের তৃণভূমির একসময়ের বাসিন্... |
শিকারের পাখিদের এক গোত্র Scolopacidae-এর সব পাখিই পরিযায়ী। এদের মধ্যে সহজদৃষ্ট পরিযায়ী পাখি হলো: গুলিন্দা/Numenius-এর ২টি প্রজাতি, জুরালি/Limosa-এর ২টি প্রজাতি, চাপাখি/Tringa-এর ১৩-১৪ প্রজাতি, চহা বা কাদাখোচা/Gallinago-এর ৫-৬ প্রজাতি, বড়-চাগা বা বুনো-চাগা/Scolopax rusticola, বামন চাপাখির ৩-৪ প্রজাতি, Calidris এবং Ru... |
পরিযায়ী পাখি (Migratory bird) শীতকালে ও মাঝে-মধ্যে অন্য ঋতুতে বাংলাদেশে আসা কিংবা যাত্রাপথে কিছু দিনের জন্য বিরতি নেয়া অতিথি পাখি। বাংলাদেশে পরিযায়ী পাখিদের বেশির ভাগই আসে উপমহাদেশের উত্তরাংশের পর্বতময় এলাকা অর্থাৎ হিমালয় বা হিমালয়ের ওপাশ থেকে। কিছু প্রজাতির পাখি আসে ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চল ও দূরপ্রাচ্য, যেমন সাইব... |
শিকারি পাখি (Bird of prey) অন্য প্রাণী, বিশেষত মেরুদন্ডী প্রাণী শিকার করে খায় এমন পাখি। এদের বোধশক্তি অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং ঠোঁট ও নখর খুব ধারাল ও মজবুত। শিকারি পাখিরা দুটি দলভুক্ত: দিবাচর ও নিশাচর। প্রথম দলে আছে ঈগল, শিকরা, বাজ, বাজার্ড, ফ্যালকন, হ্যারিয়ার, চিল, ওসপ্রে (osprey) ও শকুন। আর দ্বিতীয় দলের পাখি হলো পেঁচা... |
সারা পৃথিবীতে দিবাচর ও নিশাচর শিকারি পাখির প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ৪০০। বাংলাদেশের ৬২৮ প্রজাতির পাখির ৬৮ প্রজাতি শিকারি, তন্মধ্যে ৩৭ আবাসিক ও ৩১ পরিযায়ী। এদের সবগুলি প্রজাতিই Ciconiiformes বর্গভুক্ত এবং শিকারি পাখিরা প্রায় একান্তভাবেই মাংসাশী; খায় উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী এবং কখনও মাছ। তাদের আছে মজবুত বাঁকা ঠো... |
ফ্যালকনদের শরীর সাধারণত পেশিবহুল, ডানা লম্বা ও চোখা, আঙুল লম্বা যা উড়তে ও উড়ন্ত শিকার ধরার জন্য আবশ্যক। অনেক জাতের চিলের শরীর অপেক্ষাকৃত হালকা গড়নের, পায়ের পাতা দুর্বল ও মোটা অর্থাৎ তারা ততটা শিকারদক্ষ নয়, খায় মরা জীবজন্তু, কিংবা খোঁজে সহজ শিকার। লম্বা-পা হ্যারিয়ার ও স্প্যারোহক ঝোপঝাড়ে হানা দেয়। মজবুত-পা ফ্যাল... |
স্কারলেট ম্যাকাও: |
মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার চিরস্থায়ী আর্দ্র বনাঞ্চলের বাসিন্দা স্কারলেট ম্যাকাও। এরা ম্যাকাও প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম ও সুন্দরতম সদস্য। উজ্জ্বল লাল, নীল ও হলুদ রঙের সমাহারে স্কারলেট ম্যাকাওয়ের মোহনীয় রূপ সকলকেই মুগ্ধ করে। সেইসঙ্গে এর উপরের দিকের হলুদ ডানার শেষাংশে সবুজ রঙেরও বেশ সুন্দর একটা প্রলেপ রয়েছে। শক্তিশালী বাঁ... |
গোল্ডেন ফিজ্যান্ট: |
গোল্ডেন ফিজ্যান্টের মাথায় ক্রেস্টের মতো দুর্দান্ত গোল্ডেন ফার্ন-সহ একটি প্রাণবন্ত লালচে-কমলা ঘাড় রয়েছে। প্রধানত পশ্চিম চিনের ঘন বনাঞ্চলে দেখা যায় এদের। পাখিটি প্রায় ৯০-১০৫ সেমি পর্যন্ত বড় হয় এবং লেজের দৈর্ঘ্য পাখির আকারের দুই-তৃতীয়াংশ। তবে গোল্ডেন ফিজ্যান্ট নামটি প্রাচীন গ্রীক শব্দ 'খরাসোলোফোস' থেকে এসেছে, যার অ... |
ফ্ল্যামিংগো: |
আন্টার্কটিকা ছাড়া প্রায় সব দেশেই দেখতে পাওয়া যায় ফ্ল্যামিংগো। পাখিটি মুগ্ধ করে তার কমলা সৌন্দর্য্যে। ফ্ল্যামিংগো নামটি পর্তুগিজ বা স্প্যানিশ শব্দ 'ফ্লামেঙ্গো' থেকে এসেছে, যার অর্থ বর্ণযুক্ত শিখা। ফ্ল্যামিংগোর শরীরে শিখার মতো স্তর দেখতে পাওয়া যায়। দীর্ঘ দূরত্ব একেবারে অতিক্রম করার ক্ষমতা রয়েছে এদের। শুধু তাই নয়, প্রতি ... |
ময়ূর: |
ময়ূরকে বলা হয় বর্ষার রাণী। এই সময় স্ত্রী ময়ূরের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নয়নাভিরাম পেখম মেলে ধরে পুরুষ ময়ূর। এতে বিশেষ দুর্বলতা তৈরি হয় এবং তখনই আকর্ষণীয় নাচ যে পুরুষ ময়ূর দেখাতে পারে, তাকেই সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয় স্ত্রী ময়ূর। ফ্যাজিয়ানিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত সুন্দর একটি পাখি হল ময়ূর। এশিয়ায় মূলত নীল ও সবুজ- দুই প্... |
ব্লু জে: |
মূলত পূর্ব ও মধ্য উত্তর আমেরিকার বনাঞ্চলের পাখি ব্লু জে। নীল, সাদা ও কালো রঙের সমাহারে সাজানো হয় এরা, যা এদের সৌন্দর্য্যের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সাধারণত দুষ্ট স্বভাবেপ হওয়ায় এবং শরীরে নীল রঙের প্রভাব বেশি থাকায় এদের নামকরণ হয়েছে ব্লু জে হিসেবে। এমনকী ডাকের সময়ও এরা জে জে বলেই ডাকাডাকি করে। মোহনীয় চেহারা ছাড়াও এই পা... |
বসন্তবৌরি: |
কলকাতার পাখি বলতে কোয়েল, দোয়েল, হাঁড়িচাচা, বউ কথা কও – এরা সবাই বাংলার পাখি। সুন্দর হলুদ পাখি বউ কথা কও-কে সেলিম আলি ‘বাংলার পাখি’ বলে উল্লেখ করেছেন, কারণ বাংলার নানা অঞ্চলে এদের বেশি পাওয়া যায়। নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে পাখি অনেক কমে গিয়েছে কলকাতায়। পাখিদের খাদ্য ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে স্থান পরিবর্তন করাটাই স্বাভাবিক। আর ... |
হাঁড়িচাচা: |
ঝুট শালিক, নীল গলা বসন্তবৌরি, হাঁড়িচাচা, বসন্তবৌরি, দোয়েল পাখি প্রচুর ছিল কলকাতায়। সকালবেলায় দোয়েলের সুন্দর গান শুনে অনেকের ঘুম ভেঙে যেত। তার জন্য দোয়েলকে বাংলার নাইটিঙ্গেল বলা হয়ে থাকে। এদের কম সংখ্যা চোখে পড়ার মতো। কাক, শালিক, চড়ুই পাখিরা মূলত খাদ্যাভ্যাসের জন্যই লোকালয়ে থাকতে ভালোবাসে। আগে এদের দেখা যেত পাড়ায় পাড়ায়... |
ইষ্টিকুটুম, বেনেবউ: |
এক সময় রাজারহাটে তৃণভূমি এবং জলাভূমিতে অনেক পাখি ছিল। এখন তারা সংখ্যায় অনেক কম। স্বল্প সময়ের জন্য হলেও ইকো পার্কের পিছনে ও রাজারহাট গ্রাসল্যান্ডে লালমুনিয়া দেখতে পাওয়া গিয়েছে। হিডকোর সভাপতি দেবাশিস সেন পাখিদের জন্য অনেক উদ্যোগ নেন। ইকো পার্কে গড়ে তোলা হয়েছে পাখিবিতান। বাগানগুলোয় ফলের গাছ যাতে বেশি লাগানো হয়, সেদিকে নজর... |
বক পাখি :আমাদের দেশের সবখানেই বক পাখি দেখতে পাওয়া যায় । বক পাখি বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। ছােটো ছােটো এক প্রকার বক পাখি আছে, যাদের পালক খয়েরি রঙের । আর এক প্রকার বক পাখি দেখা যায় ধূসর রঙের। এছাড়াও লাল রঙের ক্ষুদ্রাকৃতির আর এক শ্রেণির বক পাখিকে বর্ষাকালে আমাদের দেশে প্রায় সবখানেই দেখা যায়। |
তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় বক পাখি হলাে লম্বা গলার সাদা বক। এরা খুবই সুন্দর এবং একসাথে অনেক বক পাখি যখন আকাশের গায়ে সারিবদ্ধভাবে উড়ে, তখন দেখতে একটি বিরাট ফুলের মালার মতাে লাগে। অত্যন্ত মনােমুগ্ধকর হয়ে থাকে দৃশ্যটি । এরা সব সময় ঝাক বেধেই চলাফেরা করে। থাকে। এরা খাল-বিলের এলাকায় অবস্থান করে থাকে। এদের প্রিয় খাবার মাছ ও ব... |
কাঠঠোকরা পাখি : কাঠঠোকরা আমাদের দেশের এক অদ্ভুত সুন্দর পাখি। এরা গাছের শুকনাে ডালে ঠোট দিয়ে ঠোকর মেরে কাঠ। কেটে গর্ত করে এবং সেখানে অবস্থান করে। কাঠ যতই শক্ত হােক না কেন এরা ঠোট দিয়ে ঠোকর মেরে তাতে গর্ত করতে পারে । |
জলচর পাখি : |
বাংলাদেশের হাওড়-বাঁওড় ও খাল-বিলের আশেপাশে ডাহুক, পানকৌড়ি এবং আরও নানা প্রকার পাখির আনাগােনা। দেখা যায়। এরা বর্ষাকাল এলেই সােচ্চার হয়ে ওঠে। এরা ছােটো ছােটো মাছ শিকার করে খায়। এদের জলচর পাখি বলা হয়। |
পাখি |
কৃষ্ণ চূড়ার ডালে বসি |
গান গাইল একটি অচেনা পাখি , |
নয়ন মেলে দেখি - |
এই যে গানের পাখি । |
সেই মধুর গান শুনে আমি |
পাখির পানে চেয়েছিলাম একটুখানি । |
পাখিটিকে ছোঁয়ার জন্য আমি - |
ভালোবাসার হাত বাড়ালাম । |
গান ফুরালেই পাখি গেলো উড়ে |
আমার তরে রইল পড়ে |
পাখির বেদনার সুর । |
সেই পাখির গান মনে করে |
আমার হৃদয়ে জাগে আজ ব্যাথার বালুচর । |
অচেনা পাখিটি যখন হারিরে গেলো অজানায় - |
পথ চেয়ে চেয়ে ক্লান্ত দু' নয়ন |
পাখিটিকে খুঁজে ফিরে আমার মন । |
হৃদয়ের স্বপ্নপুরীতে বেদনার কম্পন জাগে । |
উচ্ছল প্রাণবন্ত ঠোঁটে - |
গড়িয়ে পড়েনা মিষ্টি হাসি । |
বড় নিঃসঙ্গ লাগে বুক ভারী - |
হয়ে যায় নীল বেদনায় । |
পৃথিবীর সব কোলাহোল সাঙ্গ করে |
রক্রিম সূর্যটা যখন আস্ত যায় পরন্ত বিকালে |
গোধূলি আলোর বর্ণচ্ছায়ায় নানানরঙের |
ছোপ ছোপ ছবি আঁকি এই হৃদয়ে । |
নিশিথের আগোমনে - স্বপনের মাঝে |
যখন মনে পরে পাখির গান |
পাখির উপর হয় যে আমার বড় অভিমান । |
আমিতো পাইনা ভেবে - |
কেন ভালোবাসি অচেনা পাখির গান? |
বুকে জড়িয়ে নিয়ে রিক্ত হাহাকার , |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.