text
stringlengths 112
784k
|
|---|
থাম্ব|হার্জবার্গের কারণসমূহ হার্জবার্গের স্বাস্থ্য-প্রেষনা তত্ত্ব বা দ্বি-উপাদান তত্ত্ব অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রের কিছু নির্দিষ্ট বিষয়াদি কাজের সন্তুষ্টির সাথে জড়িত । অন্যদিকে, সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু উপাদান জড়িত থাকে কাজের অসন্তোষের সাথে । হার্জবার্গের মতে, এসব উপাদান কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে প্রভাব বিস্তার করে আলোচনার বিযয় হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব – যা প্রেষণা এর অর্ন্তভুক্ত, প্রেষণা সম্পর্কিত যে সকল তথ্য ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে হার্জবার্গের দ্বি- উপাদান তত্ত্ব তার মধ্যে অন্যতম । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যাপক প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী ফ্রেডারিক হার্জবার্গ পিট্সবার্গের ১১টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের ২০০ জন প্রকৌশলী ও হিসাবরক্ষকের ওপর গবেষণা চালিয়ে প্রেষণার উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ তত্ত্বের উদ্ভাবন করেন। হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব তিনি মনে করতেন কোনো ব্যক্তির সাথে তার কাজের সম্পর্ক বা সে তার কাজের প্রতি কেমন মনোভাব পোষণ করে-তার ওপর ব্যক্তির কাজের সফলতা বিশেষভাবে নির্ভরশীল । এরূপ সম্পর্ক বা মনোভাব জানার জন্য তিনি তাঁর গবেষণায় প্রশ্ন রাখেন, “What do people want from their jobs.” তিনি তাদের কাছ থেকে বিস্তারিতভাবে জানতে চান, ‘কখন ও কোন অবস্থায় তাদের কাজে তারা সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্টিবোধ করে এবং কখন ও কী কারণে তাদের কাজকে খারাপ লাগে।” হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে হার্জবার্গ দেখতে পান যে, প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী ও কর্মীদের দেয় সুযোগ-সুবিধা এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশের কতিপয় উপাদানের উপস্থিতি কর্মীদেরকে সন্তুষ্ট করে আবার কিছু উপাদানের উপস্থিতি না থাকলে তারা অসন্তুষ্ট হয় । এরূপ কর্মসন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টির সাথে জড়িত উপাদানগুলোকে তিনি দু’ভাগে ভাগ করেন; (১) সন্তুষ্টিদানকারী বা প্রেষণামূলক উপাদানসমূহ (Motivational factors or satisfiers) ও (২) রক্ষণাবেক্ষণমূলক বা অসন্তুষ্ট সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ (Maintenance or hygiene factors) । নিম্নে উভয় ধরনের উপাদান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো : ১. প্রেষণামূলক বা সন্তুষ্টি সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ (Motivational factors or satisfiers) : প্রতিষ্ঠানে যে সকল উপাদানের উপস্থিতি কর্মীদেরকে প্রণোদিত করে তাকে প্রেষণামূলক উপাদান বলে । এরূপ উপাদানের অনুপস্থিতিতে কর্মীরা কাজে প্রেষিত হয় না ফলে তারা গতানুগতিক নিয়মে কাজ সম্পাদনে সচেষ্ট থাকে । হার্জবার্গ নিম্নোক্ত বিষয়াদিকে এরূপ উপাদান হিসেবে শনাক্ত করেছেন : ক) সাফল্যার্জন (Achievement); খ) স্বীকৃতি (Recognition); গ) সৃষ্টিধর্মী ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ কাজের মধ্য দিয়ে অগ্রগতি অর্জন (Advancement, through creative and challenging work); ঘ) কাজ (The work itself); ঙ) ব্যক্তিক উন্নয়নের সম্ভাবনা (The possibilities of personal growth); এবং চ) দায়িত্ব (Responsibility) । হার্জবার্গ বলেছেন, উপরোক্ত উপাদানসমূহ কাজের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। তাই এ সকল উপাদানের উপস্থিতি কর্মীদেরকে কাজের সাথে অধিক হারে সম্পৃক্ত হতে ও মনোযোগ সহকারে কার্যসম্পাদনে উদ্বুদ্ধ করে । এরূপ সম্পৃক্ততার বিষয় বিবেচনা করেই এগুলোকে Intrinsic factors নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে । হার্জবাগ মনে করেন এরূপ উপাদানের অনুপস্থিতিতে কর্মীরা উৎসাহ ভরে কাজ করতে প্রেষিত হয় না বটে তবে কর্মীরা এজন্য খুব অসন্তষ্ট হয় না বা তার জন্য কোনোরূপ আন্দোলনে প্রলুদ্ধ হয় না । ২. রক্ষণাবেক্ষণমূলক বা অসন্তুষ্টি সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ (Maintenance or hygiene factors) : যে সকল উপাদানের অনুপস্থিতি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি করে তাকে রক্ষণাবেক্ষণমূলক বা হাইজিন উপাদান বলে । ‘হাইজিন’ শব্দটি চিকিৎসাশাস্ত্র থেকে নেয়া C. B. Memoria বলেছেন, “It refers to factors that help maintain, but not necessarily imporove, health. ” 17 অর্থাৎ এগুলো সেই ধরনের উপাদান যা স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য প্রয়োজন কিন্তু স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটায় না। হার্জবার্গ নিম্নোক্ত উপাদানসমূহকে এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন : ক) কোম্পানি নীতি ও প্রশাসন (Company policy and administration); খ) কারিগরি মানসম্মত তত্ত্বাবধান (Technical supervision); গ) তত্ত্বাবধায়কের সাথে কর্মীদের আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক (Interpersonal relations with supervisor); ঘ) সহকর্মীদের সাথে সম্পর্ক (Interpersonal relations with peers); ঙ) অধস্তনদের সাথে নির্বাহীর সম্পর্ক (Interpersonal relations with subordinates); চ) বেতন (Salary); ছ) চাকরির নিরাপত্তা (Job security); জ) ব্যক্তিগত জীবন (Personal life): ঝ) কর্ম পরিবেশ (Work condition); ও ঞ) পদমর্যাদা (Status)। হার্জবার্গ মনে করতেন, প্রতিষ্ঠানে রক্ষণাবেক্ষণমূলক উপাদানের উপস্থিতি অবশ্যই কাম্যমানের থাকবে বলে কর্মীরা প্রত্যাশা করে । তাই যখন তা থাকে না তখন কর্মীরা খুবই অসন্তুষ্ট হয় এবং প্রয়োজনে তারা আন্দোলন বা সংগ্রাম করে তা অর্জনের চেষ্টা করে । এগুলো পাওয়া যেহেতু কর্মীরা অধিকার মনে করে তাই এ সকল বিষয়ের উপস্থিতি-কর্মীদের কার্যক্ষেত্রে প্রণোদিত করার বা উৎসাহ সৃষ্টির কারণ হয় না । মূল বিষয়াদি আব্রাহাম মাসলোর প্রেষনা তত্ত্ব দ্বারা অনুপ্রাণিত হার্জবার্গের মতে, ব্যক্তি পর্যায়ে কাজের সন্তুষ্টি নিশ্চিন্ত করার জন্যে নিন্মস্তরের চাহিদা (যেমন; বেতন) খুব ভালোভাবে পূরণ করাটা কার্যকরী নয় । বরং, হার্জবার্গ মনে করেন, প্রাপ্য বেতন ও অন্যান্য সুবিধাসমূহ একজনকে কাজের প্রতি ধরে রাখতে পারলেও ব্যক্তিগত পর্যায়ে তার প্রেষনা বৃদ্ধি এবং তার দ্বারা উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এসব অকার্যকর । কেননা কর্মচারীগণ উচ্চস্তরের চাহিদা (কাজের গুরুত্ব, কর্মক্ষেত্রে পরিচিতি, দায়িত্ব ও কাজের ধরন) থেকেই প্রেষনা পেয়ে থাকেন বলে হার্জবার্গ মনে করেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:প্রেরণামূলক তত্ত্ব
|
১১ পদাতিক ডিভিশন হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি ডিভিশন। ডিভিশনটি ৪ কোরের অধীনস্থ একটি ডিভিশন এবং এটির সদর লাহোরে। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৬৫-এর স্বল্পকাল আগে এই ডিভিশনটি তৈরি করা হয়। তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মুহাম্মদ মুসা খানের পরিকল্পনায় এই নতুন ডিভিশন তৈরি করা হয়, যদিও পাকিস্তান সরকার এই ডিভিশনটি বানাতে রাজি ছিলো না খরচের চিন্তায় কারণ পাকিস্তানের অর্থনীতি তখন ভালো ছিলো না। কিন্তু জেনারেল মুসা প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানকে বোঝানোর পর আইয়ুব এই ডিভিশন বানানোর অনুমতি দেন এবং মেজর জেনারেল আব্দুল হামিদ খান এই ডিভিশনের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে এই ডিভিশনের সৈন্যদের ভূমিকা ছিলো বীরত্বপূর্ণ। অধীনস্থ ব্রিগেডসমূহ ২১ পদাতিক ব্রিগেড ৫২ পদাতিক ব্রিগেড ১০৬ পদাতিক ব্রিগেড বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডিভিশন
|
ডিউন ডিনিস ভিলেনিউভ পরিচালিত একটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্র, যার চিত্রনাট্য পরিচালনায় থাকছেন এরিক রথ, জন স্পাইটস এবং ভিলেনিউভ। এটি ১৯৬৫ সালের ফ্র্যাঙ্ক হার্বার্ট এর উপন্যাস ডিউন অবলম্বনে। চলচ্চিত্র একটি বড় পাঁচমিশেলি অভিনেতা তারকাদের নিয়ে গঠিত টিমাথি শালামে, রেবেকা ফার্গুসন, অস্কার আইজাক, জশ ব্রোলিন, স্টেলান স্কার্সগার্ড, ডেভ বাউতিস্তা, যেনদায়া, ডেভিড দাসমালচিয়ান, স্টিফেন হেন্ডারসন, শার্লট র্যাম্পলিং, জেসন মোমোয়া এবং জাভিয়ের বারডেম। পটভূমি মানব সভ্যতার দুর ভবিষ্যতে, ডিউক লেটু বিপজ্জনক মরু গ্রহ আরাকাইসের সেবার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যেটি কেবল মহাবিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান পদার্থ "মসলার" একমাত্র উৎস, যা মানব জীবনকে দীর্ঘায়িত করে ও মানব চিন্তাশক্তির ত্বরকে প্রসারিত করে। লেটু যদিও জানত যে এই সুযোগটি তার শত্রু হারকুনেন্স এর দ্বারা তৈরী একটি ফাঁদ, তথাপি তিনি তার উত্তরাধিকারী ছোট ছেলে, আরাকাইসের সবচেয়ে বিশ্বস্থ উপদেষ্টা ডিউন হিসেবে পরিচিত পল এবং পল এর দৈব মাতা ও লেটু'র উপপত্নী লেডি জেকিকাকে সঙ্গে নেন। লেটু মসলার খনির কার্যভার নিয়ন্ত্রণ করেন, যাতে দৈত্য স্যান্ডওর্মস এর উপস্থিতিতে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরী করে। আরাকাইসের প্রতিবেশী গভীর মরুতে বসবাসকারী ফ্রিম্যান এর সহিত পল ও জেসিকার বিশ্বাসঘাতকতার একটি তিক্ত পরিবেশ তৈরী হয়। চরিত্রায়ন হাউস এ্যাট্রেইডসের বংশধর ‘পল এ্যাট্রে্ইডস’ চরিত্রে টিমোথি চ্যালামেট ডিউক লেটো'র উপপত্নী ও পল এর দাত্রী মা ‘লেডি জেসিকা’ চরিত্রে রেবেকা ফার্গুসন ‘ডিউক লেটো এ্যাট্রেইডস’ চরিত্রে অস্কার আইজাক, যিনি একজন অভিজাত নবীন ব্যক্তি, যাকে বিপজ্জনক মসলার উৎস আরাকিসের পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। হাউজ এ্যাট্রেইডস এর অস্ত্রশস্ত্রের কুশলি ও পল এর পরামর্শ দাতা ‘গার্নি হেলেক’ চরিত্রে জর্ন ব্রোলিন লেটোর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ শত্রু ‘ব্যারন ভ্লাদিমির হারকোনেনের’ চরিত্রে স্টেলান স্কার্কগার্ড। ব্যারন হারকোনেনের নির্বোধ ভাতিজা ‘গ্লাসো রাব্বান’ চরিত্রে ডেভ বউটিস্টা। ইম্পেরিয়াল প্লানেটোলজিস্ট লিয়েট কেইনস এর দলগত কন্যা ও পল এর হবু প্রেমিকা - ‘চানি’ চরিত্রে যেনদায়া ব্যারন এর অনুগত একটি বিকৃত কাল্পনিক মানব ‘পিটার দে ভ্রাইস’ চরিত্রে ডেভিড ডাস্টমালচিয়ান স্টিফেন হেন্ডারসন বেনি গেসেরিট ডাক মা ও সম্রাট এর সত্যকথক হিসাবে ‘গায়াস হেলেন মোহিয়াম’ চরিত্রে চার্লট র্যামপ্লিং। হাউস এ্যাট্রেইডস এর তদারককারী 'ড্যানকান আইডাহোর' চরিত্রে জেসন মোমোয়া। সিয়েচ তাবারের ফ্রেমেন গোত্রের নেতা স্টিলগার হিসাবে জেভিয়ার বার্ডেম । ডাঃ ওয়েলিংটন ইউহ চরিত্রে চ্যাং চেন, যিনি এ্যাট্রেইডস পরিবারের একজন নিযুক্ত সুক ডাক্তার। প্রোডাকশন থাম্ব| ডেনিস ভিলেনিউভ সাক্ষাত্কারে বলেছেন যে একটি নতুন ডিউন তৈরির কাজে সম্পৃক্ত হওয়া তার জীবনকালের একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল। তিনি ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরিচালনার জন্য নিযু্ক্ত হন। হার্বার্ট এর ডিউন চলচ্চিত্রটি পূর্বে দুটি পৃথক লাইভ-অ্যাকশন অভিযোজন দেখেছে; ১৯৮৪ তে ডেভিড লিঞ্চ এর পরিচালিত ডিউন এবং ২০০০-এ একটি সাইন্স ফিকশন চ্যানেলে মিনি সিরিজ হিসেবে। অগ্রগতি ২০০৮ সালে, প্যারামাউন্ট পিকচারস ঘোষণা করেছিল যে ফ্র্যাঙ্ক হারবার্টের ডিউন নামে একটি নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পিটার বার্গকে নিয়ে পরিচালনার তালিকায় অভিযোজন করেছে। ২০০৯ সালের অক্টোবরে পিটার বার্গ প্রকল্পটি ছেড়ে চলে যান, ২০১১ সালের মার্চে প্যারামাউন্ট কর্তৃক প্রকল্পটি বাদ দেওয়ার পূর্বে ২০১০ সালের জানুয়ারীতে পিয়ের মোরেলকে সাথে নেওয়া হয় চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করার জন্য। ২০১১ সালের ২১শে নভেম্বর লিজেন্ডারি পিকচারস কর্তৃক ডিউন চলচ্চিত্র ও টিভি স্বত্ত্ব অর্জনের ঘোষণা দেয়। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে, ভ্যারাইটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয় যে, পরিচালক ড্যানিস ভিলেনিউভ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করার জন্য স্টুডিওর সাথে আলোচনা করছেন। ২০১৫ এর সেপ্টেম্বরে, ভিলেনিউভ এক সাক্ষাতকারে এই প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেছিলেন, "আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ডিউন এর সাথে সংযুক্ত হওয়া, তবে এর অধিকার পাওয়া একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, এবং আমি মনে করি না যে আমি সফল হতে পারব।" ২০১১ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি ভিলেনিউভকে ফ্রাঙ্কের পুত্র ব্রায়ান হারবার্টের একটি প্রকল্প পরিচালনা করার জন্য নিশ্চিত করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে, ভিলেনিউভ বলেছিলেন যে তার লক্ষ্য হচ্ছে উপন্যাসটিকে দুই ভাগে ভাগ করে ডিউন এর জন্য একটি সিরিজ তৈরী করা। একই বছরের এপ্রিলে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য তৈরী করার জন্য সহ-লেখক হিসেবে এরিক রোথকে নিযুক্ত করা হয়েছিল, এবং জন স্পাইটসকে পরে রথ এবং ভিলিনিউভের পাশাপাশি গল্পটির সহ-লেখক হিসাবে নিশ্চিত করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের মে মাসে ভিলেনিউভ বলেন যে স্ক্রিপ্টটির প্রথম খসড়া শেষ হয়ে গেছে। ভিলেনিউভ বলেন, “স্টার ওয়ারসের বেশিরভাগ মূল ধারণা আসছে ডিউন থেকেই, তাই এসবের মোকাবিলায় এটি একটি চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। স্টার ওয়ার্স সিনেমা করার উচ্চাকাঙ্খা আমি কখনো দেখিনি, কিন্তু এখানে এটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য স্টার ওয়ারস হয়ে যাচ্ছে।” ২০১৮ সালের জুলাই-এ ব্রায়ান হার্বার্ট নিশ্চিত করেন যে, ডিউন উপন্যাসের প্রায় অর্ধেক অবলম্বনে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য খসড়া তৈরী করা হয়েছে। কিংবদন্তি সিইও যশোয়া গ্রোড ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে নিশ্চিত করেন যে, তারা এর একটি ক্রম তৈরীর পরিকল্পনা করেছে, এবং আরো বলেন, "বইটি শেষ হওয়ার আগে চলচ্চিত্রটির [প্রথম] অংশ বন্ধ করার জন্য একটি যৌক্তিক স্থানও রয়েছে।" ২০১৮ সালের জুলাই মাসে জন নেলসনকে চলচ্চিত্রটির ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট সুপারভাইজার হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়েছিল যে সিনেম্যাটোগ্রাফার রজার ডেকিনস, যিনি চলচ্চিত্রে ভিলেনিউভের সাথে সম্মিলিত হয়ে কাজ করার আশা করেছিলেন, তিনি আপাতত ডিউন এ কাজ করছেন না এবং ফটোগ্রাফির পরিচালক হিসাবে গ্রীগ ফ্রাসার এই প্রকল্পে আসছেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে, জো ওয়াকার চলচ্চিত্রের সম্পাদক হিসাবে কাজ করছেন বলে নিশ্চিত করা হয়। অন্যান্য ক্রু হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন— শিল্প পরিচালনার তত্ত্বাবধানে ব্র্যাড রিকার; প্রোডাকশন ডিজাইনার হিসাবে প্যাট্রিস ভার্মেট; ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট সুপারভাইজার হিসাবে রিচার্ড আর হুভার এবং পল ল্যাম্বার্ট; স্পেশাল ইফেক্ট সুপারভাইজার হিসাবে জের্ড হাফজার; স্টান্ট সমন্বয়কারী হিসেবে থমাস স্টুথার্স। ডিউন এর প্রযোজনায় থাকবেন- ভিলেনিউভ, মেরি প্যারেন্ট এবং কেইল বয়টার। নির্বাহী প্রযোজক হিসাবে থাকছেন- ব্রায়ান হার্বার্ট, বায়রন মেরিট, টমাস টাল ও কিম হার্বার্ট। এপ্রিল ২০১৯-এগেম অব থ্রোনস ভাষা নির্মাতা ডেভিড পিটারসনকে চলচ্চিত্রটি ভাষাগুলির উন্নতির জন্য নিশ্চিত করা হয়েছিল। তারকা নিশ্চিতকরণ ২০১৮ সালের জুলাই মাসে, টিমোথি চ্যালামেট চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্র পল এট্রেইডসের এর জন্য চূড়ান্ত আলোচনায় অংশ নেন। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে রেবেকা ফার্গুসন এট্রেইডিসের মা লেডি জেসিকা চরিত্রে চলচ্চিত্রে যোগ দেওয়ার জন্য আলোচনায় অংশ নেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারীতে তার কাস্টিং নিশ্চিত করা হয়। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে, ডেভ বাউতিস্তা, স্টেলান স্কার্কগার্ড, শার্লট রামপলিং, অস্কার আইজাক, এবং যেনদায়া কাস্টে যোগ দেন। একই বছরের ফেব্রুয়ারি জাভিয়ার বার্ডেম, জোশ ব্রোলিন, জেসন মোমোয়া, এবং ডেভিড ডাস্টমালচিয়ানকে কাস্টিং করা হয়েছিল। স্টিফেন হেন্ডারসন এবং চ্যাং চেন অংশগ্রহণের দরকষাকষিতে আসেন মার্চে। চলচ্চিত্রায়ন ১৮ই মার্চ, ২০১৯ তারিখে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের অরিগো ফিল্ম স্টুডিওতে চলচ্চিত্রায়ন শুরু হয়। এছাড়া জর্দানেও চলচ্চিত্রটির চিত্রায়ন হবে। ২৪ জুলাই ২০১৯ ব্রায়ান হার্বার্ট এক টুইটে শেয়ার করেন যে, ডিউন এর প্রাথমিক চিত্রায়ন অফিসিয়ালি সম্পন্ন হয়েছে এবং পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই অনেক কুশলী তাদের ব্যস্ত সিডিউলের কারণে ডিউন প্রজেক্ট ছেড়ে অন্য প্রজেক্টে কাজ শুরু করে দিয়েছে। মুক্তি ২০শে নভেম্বর, ২০২০ এ আইম্যাক্স ও থ্রিডি তে ওয়ার্ন ব্রোসের দ্বারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিউন থিয়েটারে মুক্তি পাবে। ধারাবাহিকতা সিনেমাটির প্রথম কিস্তির বানিজ্যিক সাফল্যের পরে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লিজেন্ডারি পিকচার্স চলচ্চিত্রটির দ্বিতীয় কিস্তি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে।শিরোনাম= ডিউন পার্ট টু এর সিক্যুয়াল|ইউআরএল=https://variety.com/2021/film/news/dune-part-2-sequel-1235094974/| সংগ্রহের তারিখ=২০২৩-১০-২৭ ডিউন: পার্ট টু নামের দ্বিতীয় কিস্তিটি ২০২৪ সালের ১৫ই মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=ডিউন পার্ট টু মুক্তির তারিখ ও অন্যান্য|ইউআরএল=https://www.digitalspy.com/movies/a37662998/dune-2-release-date/| ওয়েবসাইট= ডিজিটাল স্লাই|ভাষা=ইংরেজি|সংগ্রহের তারিখ=২০২৩-১০-২৭ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:ওয়ার্নার ব্রসের চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:এরিক রথের চিত্রনাট্য সংবলিত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:বুদাপেস্টে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:বিজ্ঞান কল্পকাহিনী উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:রিবুট চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:লিজেন্ডারি পিকচার্সের চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:ভবিষ্যতের পটভূমিতে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন মহাকাশ রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২১-এর চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকের মার্কিন চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকের ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:পরিবার সম্পর্কে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে স্থগিত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:জর্ডানে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:নরওয়েতে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:সংযুক্ত আরব আমিরাতে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ মৌলিক সুরের জন্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ ভিজুয়াল ইফেক্টসের জন্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশনা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র সম্পাদনার জন্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:আইম্যাক্স চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন চলচ্চিত্রের পুনর্নির্মাণ বিষয়শ্রেণী:২০২১-এর বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২১-এর ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র
|
সোনারঙ জোড় মন্দির বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগিবাড়ী উপজেলার সোনারঙ গ্রামে অবস্থিত দুটি হিন্দু মন্দির। মন্দির দুটির মধ্যে পশ্চিমেরটি কালী মন্দির এবং পূর্বদিকেরটি শিব মন্দির। পশ্চিমের মন্দিরটি পূর্বদিকেরটির তুলনায় উচ্চতর। ৫.৩৫ মিটার বর্গাকার একটি স্থানের উপর অবস্থিত মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ১৫ মি। মন্দিরের সাথে ১.৯৪ মি প্রশস্তের একটি বারান্দা আছে। আরো পড়ুন বাংলাদেশের হিন্দু মন্দিরের তালিকা আদিনাথ মন্দির, মহেশখালি শ্যামসিদ্ধি মঠ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:শিব মন্দির বিষয়শ্রেণী:কালী মন্দির বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর হিন্দু মন্দির বিষয়শ্রেণী:মুন্সিগঞ্জ জেলার হিন্দু মন্দির
|
আমেরিকার সুপারক্ল্যাসিক (, ), আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলের জাতীয় দলের মধ্যে একটি বার্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ ফুটবল প্রতিযোগিতা। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং কনমেবল দ্বারা সংগঠিত, সুপারক্ল্যাসিকো দে লাস আমেরিকাস হল রোকা কাপের উত্তরসূরি, ১৯১৪ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত একই ধরনের প্রতিযোগিতা। বিন্যাস প্রতিযোগিতাটি ২০১১ এবং ২০১২ সালে দুটি লেগে খেলা হয়েছিল: একটি লেগ আর্জেন্টিনায়, অন্যটি ব্রাজিলে। যে দলটি প্রথম লেগের আয়োজক তারা প্রতিটি সংস্করণের সাথে বিকল্প হবে; প্রথম সংস্করণের প্রথম লেগের অবস্থান লটের ড্র দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল। যে দেশ উভয় লেগের পরে সর্বাধিক পয়েন্ট অর্জন করবে তারা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হবে, তারপরে গোল পার্থক্য এবং প্রয়োজনে একটি পেনাল্টি শুট-আউট হবে। ২০১৪ সালে ফর্ম্যাটটি পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং এখন খেলাটি একটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে একটি মাত্র ম্যাচ হিসাবে অনুষ্ঠিত হয়।ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার মধ্যকার সুপারক্ল্যাসিকো দে লাস আমেরিকা, অক্টোবরে চীনে হবে on Agencia Estado, ১৭ এপ্রিল ২০১৪ ২০১১ এবং ২০১২ সংস্করণে প্রতিটি দলের স্কোয়াড আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলিয়ান লিগে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল।সুপারক্ল্যাসিকো দে লাস আমেরিকা (কনমেবল) যাইহোক, এই নিয়মটি 2014 সংস্করণের জন্য পরিবর্তিত হয়েছিল এবং উভয় দলই এখন ইউরোপের মতো অন্যান্য দেশে ভিত্তিক খেলোয়াড়দের ডাকতে পারে।ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার সুপারক্ল্যাসিকো দে লাস আমেরিকা খেলা হবে চীনে on Gazeta, ১৭ এপ্রিল ২০১৪ নভেম্বর ২০১০ কাতারে দুই দলের মধ্যে প্রীতি ম্যাচটি মূলত রোকা কাপ পুনরায় শুরু করার প্রচেষ্টা হিসাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ম্যাচের আয়োজকদের দ্বারা সেভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। পরিবর্তে এটি ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপের বিপণন এবং প্রস্তুতির মাধ্যম হিসাবে কাতারের মাটিতে ক্যালেন্ডার বছরের শেষের দিকে একটি ঐতিহ্যবাহী দলের বিপক্ষে খেলার ব্রাজিল দলের ক্ষণস্থায়ী ঐতিহ্যকে অব্যাহত রাখে - ব্রাজিল ইতিমধ্যেই নভেম্বর ২০০৯-এ ইংল্যান্ডে খেলেছিল এবং ২০১১ সালের নভেম্বরে ১০ বারের আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস এবং আরব আঞ্চলিক শক্তিশালি মিশরের বিরুদ্ধে খেলবে। ম্যাচের ২০২২ সংস্করণ অস্ট্রেলিয়ায় জুনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এএফএ ইংল্যান্ডে কনমেবল উয়েফা কাপ অফ চ্যাম্পিয়ন্সে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এটি বাতিল করা হয়।ব্রাজিল x আর্জেন্টিনা, জুনে নির্ধারিত ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে, দলকে অবশ্যই আফ্রিকান দলের মুখোমুখি হতে হবে on Lance, ১১ মে ২০২২ চ্যাম্পিয়নদের তালিকা ম্যাচ সমূহ Keys aet: অতিরিক্ত সময়ের পরে p: পেনাল্টি শুট-আউটে সংজ্ঞায়িত মোট স্কোর ফলাফল সংস্করণ সাল বিজয়ী রানার আপ স্কোর স্থানশহর ২০১১ Mario Kempes Córdoba, Argentina Mangueirão Belém, Brazil ২০১২ Serra Dourada Goiânia, Brazil La Bombonera Buenos Aires, Argentina ২০১৪ National Stadium Beijing, China ২০১৭ Cricket Ground Melbourne, Australia ২০১৮ King Abdullah Jeddah, Saudi Arabia ২০১৯ Mrsool Park Riyadh, Saudi Arabia ২০২০–২১ ২০২২ দেশ অনুসারে ট্রফি বিজয়ী দলট্রফি বিজয়ীসাল ২০১১, ২০১২, ২০১৪, ২০১৮ ২০১৭, ২০১৯ সর্বকালের স্কোরার Player Goals নেইমার Ignacio Scocco Diego Tardelli ফ্রেড Lucas Moura Juan Manuel Martínez গাব্রিয়েল মেরকাদো লিওনেল মেসি মিরান্দা পাওলিনিয়ো আরও দেখুন আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা রোকা কাপ তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:কনমেবলের প্রতিযোগিতা বিষয়শ্রেণী:আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিষয়শ্রেণী:২০১১-এ প্রতিষ্ঠিত পুনরাবৃত্ত ক্রীড়া ঘটনা
|
ঘুম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং হিমালয়ান পার্বত্য অঞ্চলের একটি ছোট্ট পার্বত্য অঞ্চল। এটি দার্জিলিং পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের আওতায় আসে। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ঘুম রেল স্টেশন ভারতের সর্বোচ্চ রেলস্টেশন। এটি ২,২৫৮ মিটার (৭,৪০৭ ফুট) এর উচ্চতায় অবস্থিত।Agarwala, A.P. (editor), Guide to Darjeeling Area, 27th edition, p. 53-55, . চিত্রশালা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:দার্জিলিং জেলার ভূগোল বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন বিষয়শ্রেণী:দার্জিলিঙের পর্যটন কেন্দ্র
|
প্রিয়নাথ বসু (১৮৬৫ - ২১ মে ১৯২০) (ইংরেজি: Priyanath Bose) ভারতের সার্কাস জগতের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব এবং গ্রেট বেঙ্গল সার্কাসের প্রতিষ্ঠাতা । প্রিয়নাথ বসুর আদি নিবাস বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার জাগুলিয়া। তার বাবার নাম মনোমোহন বসু। সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান - প্রথম খণ্ড - সাহিত্য সংসদ কৃতিত্ব প্রিয়নাথ বসুর গ্রেট বেঙ্গল সার্কাস ১৮৮৭ থেকে ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ অবধি খেলা দেখিয়েছিল । তিনি প্রফেসর বোস নামে খ্যাত ছিলেন । তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি যিনি পিরামিড অ্যাক্ট, জাগলিং অ্যাক্ট, প্যারালাল বার, হরাইজন্টাল বার, ও ঘোড়ায় চড়া খেলায় দক্ষতা অর্জন করেছিলেন । তার সার্কাসে বাঙালি পরিচালক, ক্রীড়াবিদ, অশ্বারোহী, পশু-শিক্ষক এবং বাঙালি মেয়েরাও ঘোড়ায় চড়া, বাঘের খেলা, ট্র্যাপিজের খেলা দেখাতেন । ভারতের প্রথম মহিলা সার্কাস খেলোয়াড় সুশীলাসুন্দরী এবং তার বোন কুমুদিনী এই সার্কাসে খেলা দেখাতেন । বাঙালি মেয়ে মৃণ্ময়ী এখানে হাতির পিঠে বসে বাঘের খেলা দেখাতেন । তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ক্রীড়াবিদ বিষয়শ্রেণী:সার্কাস বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু বিষয়শ্রেণী:১৮৬০-এর দশকে জন্ম বিষয়শ্রেণী:১৯২০-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:কলকাতার ব্যবসায়ী বিষয়শ্রেণী:গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্ট অ্যান্ড ক্র্যাফটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
|
পেত্রো অলেক্সিয়িভিচ পোরাশেঙ্কা (; জন্ম: ২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯৬৫, বোলহ্রাদ, ইউক্রেনীয় সোভিয়েত ইউনিয়ন, সোভিয়েত ইউনিয়ন) হচ্ছেন ইউক্রেনীয় ব্যবসায়ী, ধনকুব (বা শতকোটিপতি), রাজনীতিবিদ, পঞ্চম রাষ্ট্রপতিRada decides to hold inauguration of Poroshenko on June 7 at 1000, Interfax-Ukraine (3 June 2014)Poroshenko sworn in as Ukrainian president, Interfax-Ukraine (7 June 2014) ও ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক (৭ই জুন ২০১৪ থেকে)। তিনি ইউক্রেনের নবম পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ২০০৯ থেকে ২০১০ পর্যন্ত ও ২০১২ সালের মার্চ থেকে নভেম্বর দ্বিতীয় পর্যন্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ইউক্রেনের জাতীয় ব্যাংকের সভাপতি ও জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংস্থার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৪ সালের ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৫৪% ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করেন। রাজনীতির বাইরে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক; যার জন্য তাকে “চকোলেট কিং” হিসেবে ডাকা হয়। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ নিজস্ব ওয়েবসাইট ফেসবুক বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:ইউক্রেনীয় রাজনীতিবিদ বিষয়শ্রেণী:ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি বিষয়শ্রেণী:ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বিষয়শ্রেণী:ইউক্রেনীয় শতকোটিপতি বিষয়শ্রেণী:প্যারাডাইস পেপার্সে নাম থাকা ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:পানামা পেপার্সে নাম থাকা ব্যক্তি
|
অ্যালফ্রি উডার্ড ( ; জন্ম ৮ নভেম্বর ১৯৫২) একজন মার্কিন অভিনেত্রী। মঞ্চ ও পর্দায় দৃঢ় ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন এবং মর্যাদাপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খ্যাত উডার্ড চারটি প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার, একটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার ও তিনটি স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং একটি করে একাডেমি পুরস্কার ও বাফটা পুরস্কার এবং দুটি গ্র্যামি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেছেন। ২০২০ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস তাকে "একবিংশ শতাব্দীর ২৫ সেরা অভিনয়শিল্পী" তালিকায় স্থান প্রদান করে। তিনি একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের বোর্ড সদস্য। উডার্ড এনবিসির চিকিৎসা নাট্যধর্মী সেন্ট এলসওয়্যার ধারাবাহিকে ডক্টর রোক্সেন চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন এবং ১৯৮৬ সালে নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা প্রধান অভিনেত্রী বিভাগে এবং ১৯৮৮ সালে নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা অতিথি অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি এনবিসির নাট্যধর্মী ধারাবাহিক হিল স্ট্রিট ব্লুজ এর জন্য ১৯৮৪ সালে, এনবিসিরি ধারাবাহিক এল.এ. ল এর জন্য ১৯৮৭ সালে, এইচবিওর টিভি চলচ্চিত্র মিস এভার্স' বয়েজ এর জন্য ১৯৯৭ সালে এবং দ্য প্র্যাকটিস এর জন্য ২০০৩ সালে চারটি প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৫ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত উডার্ড এবিসির হাস্যরসাত্মক নাট্যধর্মী ধারাবাহিক ডেসপারেট হাউজওয়াইভস-এ বেটি অ্যাপলহোয়াইট চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে তিনি নেটফ্লিক্সের ধারাবাহিক লিউক কেজ (২০১৬-২০১৮)-এ "ব্ল্যাক" মারাইয়া স্টোকস-ডিলার্ড চরিত্রে অভিনয় করেন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Alfre Woodard Video produced by Makers: Women Who Make America বিষয়শ্রেণী:১৯৫২-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর আফ্রিকান-মার্কিন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর আফ্রিকান-মার্কিন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:অডিওবই পাঠক বিষয়শ্রেণী:আফ্রিকান-মার্কিন খ্রিস্টান বিষয়শ্রেণী:ওকলাহোমার অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ওকলাহোমার ডেমোক্র্যাট বিষয়শ্রেণী:বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন কণ্ঠাভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন টেলিভিশন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন মঞ্চ অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:অর্ডার অব দ্য কম্প্যানিয়ন্স অব ও. আর. ট্যাম্বো প্রাপক বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্পিরিট পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী - মিনি ধারাবাহিক বা টিভি চলচ্চিত্র) বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা অতিথি অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:সীমিত ধারাবাহিক বা চলচ্চিত্রে সেরা প্রধান অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:সীমিত ধারাবাহিক বা চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজ�
|
সালিমা ইমতিয়াজ (জন্ম: ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭১) পাকিস্তানের একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার। অক্টোবর ২০২২-এ, তিনি মহিলা টি২০ এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতার ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ, তাকে আইসিসি আম্পায়ারদের ডেভেলপমেন্ট প্যানেলে যুক্ত করা হয় এবং আইসিসি ডেভেলপমেন্ট প্যানেলে পাকিস্তানের প্রথম মহিলা আম্পায়ার হন। আম্পায়ারিং কর্মজীবন তিনি ২০০৮ সালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) মহিলা আম্পায়ার প্যানেলের সাথে তার আম্পায়ারিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি মহিলা টি২০ এশিয়া কাপে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ম্যাচে আন্তর্জাতিক আম্পায়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) অনেক ইভেন্টে আম্পায়ারিং করেছিলেন, যেমন শ্রীলঙ্কায় ২০২৪ মহিলা টি২০ এশিয়া কাপ এবং হংকংয়ে ২০২৩ এসিসি মহিলা টি২০ এমার্জিং টিম এশিয়া কাপ। তিনি কুয়ালালামপুরে ২০২৪ এসিসি মহিলা প্রিমিয়ার কাপের আম্পায়ারিং প্যানেলেরও অংশ ছিলেন। আরও দেখুন টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ারদের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানি ক্রিকেট আম্পায়ার বিষয়শ্রেণী:নারী ক্রিকেট আম্পায়ার
|
আউগসবুর্গ ( , , ; ) জার্মানির বায়ার্ন বা বাভারিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি স্বাধীন শহর। আড়াই লক্ষেরও বেশি অধিবাসীবিশিষ্ট আউগসবুর্গ বায়ার্নের ৩য় বৃহত্তম শহর। কেবল মিউনিখ ও নুরেমবুর্গ এর চেয়ে বেশি অধিবাসীবিশিষ্ট। ১৯০৬ সালে এটি গ্রোসষ্টাট (Großstadt) বা বড় শহরের মর্যাদা পায়। শহরটি ভেরটাখ ও লেখ নদীর তীরে অবস্থিত একটি শিল্পকেন্দ্র। এটি মিউনিখ শহরের ৫২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। ২০১৯ সালে ইউনেস্কো আউগসবুর্গের পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। খ্রিস্টপূর্ব ১৫ অব্দে রোমান সম্রাট আউগুস্তুস শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন, তার নাম থেকেই শহরের নাম আউগসবুর্গ হয়েছে। আউগুস্তুস শহরটির নাম দিয়েছিলেন আউগুস্তা ভিন্দেলিকোরুম (Augusta Vindelicorum.)। এটি ট্রিয়ার শহরের পরে জার্মানির ২য় প্রাচীনতম শহর। ১২৭৬ সালে শহরটি একটি স্বাধীন শহরে পরিণত হয়। এখানে ১৫শ ও ১৬শ শতকে ক্ষমতাধর ফুগার ও ভেলসার পরিবার বাস করতেন। এসময় আউগসবুর্গ ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থবাজারে (money market) পরিণত হয়। এখানে প্রায় আরাই হাজারের মত ক্ষুদ্রশিল্পকারখানাতে লিনেন ও লিনেন-সদৃশ ফুস্টিয়ান কাপড় তৈরি ও রপ্তানি করা হত। শহরটি শিল্পকলার জন্যও বিখ্যাত ছিল। আউগসবুর্গে উৎপাদিত দ্রব্যের মধ্যে আছে টেক্সটাইল, যন্ত্রপাতি, মোটরযান এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদি। এখানে ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত আউগসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে সাধু উলরিশ ও সাধু আফ্রা-র গির্জা, ১৭শ শতকে নির্মিত টাউনহল, যাতে জমকালো সোনালী হলটিও অন্তর্ভুক্ত; সেন্ট ম্যারির ক্যাথিড্রাল, যার বেদীতে শিল্পী হান্স হলবাইনের শিল্পকর্ম ও বিশ্বের প্রাচীনতম রঙিন কাচের কাজ দেখতে পাওয়া যায়; শেৎসলার প্রাসাদ, যাতে জার্মান শিল্পীদের অনেকগুলি গ্যালারি আছে; এবং মোৎসার্ট জাদুঘর, যা ছিল ভোলফগাং আমাদেউস মোৎসার্টের বাবা লেওপোল্ড মোৎসার্টের জন্মস্থল। আউগসবুর্গে জন্ম নেওয়া অন্যান্য বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন চিত্রশিল্পী হান্স বুর্কমাইর, প্রকৌশলী রুডল্ফ ডিজেল, বিমান নকশাকারক ও নির্মাতা ভিল্লি মেসারশ্মিট এবং নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেশ্ট। পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সভা আউগসবুর্গে অনুষ্ঠিত হয়। ত্রিশ বছরের যুদ্ধে (১৬১৮-১৬৪৮) শহরটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৮০৬ সালে শহরটি বায়ার্নের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় মেসারশ্মিট কারখানা ও মেশিন কারখানার উপর মিত্রশক্তি গোলাবর্ষণ করলে শহরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আরও দেখুন আউগসবুর্গের নাগরিক বিভাগের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Stadt Augsburg সরকারি ওয়েবসাইট (ইংরেজি সংষ্করণ) আউগসবুর্গের অঞ্চল পর্যটন Fotosafari Augsburg An interactive set of pictures which allows you to explore Augsburg আউগসবুর্গের শহর পরিকল্পনা আউগসবুর্গের জেলা বিষয়শ্রেণী:জার্মানির নগর বিষয়শ্রেণী:জার্মানির বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
|
মেরি স্টডার্ড (১৮৫২ - ১০ জুন ১৯০১) ছিলেন একজন স্কটিশ বংশোদ্ভূত শিল্পী যিনি অস্ট্রেলিয়ায় বিশ বছর কাটিয়েছিলেন। এবং তিনি তার স্থির চিত্রকর্ম, ক্ষুদ্রাকৃতি এবং পূর্ণ আকারের প্রতিকৃতির কাজের জন্য বেশ পরিচিত ছিলেন, যার মধ্যে স্যার হেনরি পার্কসের দুইটি চিত্রও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কর্মজীবন বাম|থাম্ব| মেরি স্টডার্ডের আঁকাআমার প্রথম প্রেম স্টডার্ড ছিলেন প্রতিকৃতি চিত্রশিল্পী এবং আলোকচিত্রী, পিটার ডিভাইন এবং ক্যাথেরিন নে রে-এর কন্যা। তিনি এবং তার দুই বোন তাদের বাবার কাছ থেকে ছবি আঁকা শেখেন। ১৮৭৫ সালে তিনি ফ্রেডেরিক ওহাব স্টডার্ডকে বিয়ে করেন এবং এই দম্পতি কৃষিকাজ শুরু করার জন্য নিউজিল্যান্ডে চলে যান। ১৮৮০ সালের দিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে চলে আসার পর, স্টডার্ড নিউ সাউথ ওয়েলসের আর্ট সোসাইটিতে যোগদান করেন এবং তাদের আয়োজিত বার্ষিক প্রদর্শনীতে তার শিল্পকর্মগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে শুরু করেন। ১৮৮১ সালে তিনি জন স্যান্ডসের ক্রিসমাস কার্ড ডিজাইনের প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করেন এবং সেই নকশা এবং অন্যান্য শিল্পকর্ম ১৮৮৩ সালের প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হয়েছিল। তার কাজ ন্যাশনাল পোর্ট্রেট গ্যালারি, নিউ সাউথ ওয়েলসের স্টেট লাইব্রেরি এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের আর্ট গ্যালারিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তার চিত্রকর্ম, "আর্থ অ্যান্ড ওশান ", ১৮৯৩ সালে ওয়ার্ল্ডস কলম্বিয়ান এক্সপোজিশনে এবং ১৮৯৮ সালে লন্ডনের গ্রাফটন গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ান শিল্প প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হয়েছিল। ১৯০১ সালে লন্ডনের কেনসিংটনে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের পর স্টডার্ড মৃত্যুবরণ করেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯০১-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:১৮৫২-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর অস্ট্রেলীয় নারী শিল্পী বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর অস্ট্রেলীয় শিল্পী বিষয়শ্রেণী:নিউ সাউথ ওয়েলসের শিল্পী
|
thumb|right|ওপেনফগ কনসোর্টিয়াম ছিল একটি প্রধান প্রযুক্তি কোম্পানির সমিতি, যা ফগ কম্পিউটিংয়ের মান নির্ধারণ এবং প্রচারের জন্য গঠিত হয়। ফগ কম্পিউটিং বা ফগ নেটওয়ার্কিং যা ফগিং নামেও পরিচিত এটি একটি কম্পিউটিং ব্যবস্থা যেখানে স্থানীয়ভাবে এজ ডিভাইস ব্যবহার করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এজ কম্পিউটিং সংরক্ষণ এবং যোগাযোগ সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট তথ্য ইন্টারনেট ব্যাকবোন এর মাধ্যমে রাউট করা হয়। সহজে বলতে গেলে এটি একটি আধুনিক কম্পিউটিং ব্যবস্থা, যেখানে ক্লাউডের পরিবর্তে নেটওয়ার্কের কাছাকাছি ডিভাইসেই ডেটা প্রসেসিং হয়। এটি ইন্টারনেট অব থিংস (IOT) ডিভাইসের জন্য দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ, কম বিলম্ব এবং ব্যান্ডউইথের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে। সহজভাবে বললে, ফগ কম্পিউটিং স্থানীয়ভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে, যা দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা উন্নত করতে সাহায্য করে। এবং আইইইই ওপেনফগ কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাবিত ফগ কম্পিউটিং স্থাপত্যকে একটি মান হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। ধারণা ২০১১ সালে, বিপুলসংখ্যক ইন্টারনেট অব থিংস (IOT) ডিভাইস এবং বৃহদাকার ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য তাৎক্ষণিক কম-বিলম্বী (লো-লেটেন্সি) অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনার উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, যা ফগ কম্পিউটিং ধারণার জন্ম দেয়। ফগ কম্পিউটিং, যা এজ কম্পিউটিং নামেও পরিচিত, মূলত বিতরণকৃত (ডিস্ট্রিবিউটেড) কম্পিউটিং পদ্ধতি যেখানে অসংখ্য "প্রান্তিক" (পেরিফেরাল) ডিভাইস ক্লাউডে সংযুক্ত থাকে। "ফগ" (ফগ) শব্দটি এর ক্লাউড সদৃশ বৈশিষ্ট্যকে বোঝায়, তবে এটি ক্লাউডের তুলনায় "স্থলভাগের" কাছাকাছি অবস্থান করে, অর্থাৎ IOT ডিভাইসের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত থাকে। বিভিন্ন সেন্সরসহ অনেক IOT ডিভাইস বিপুল পরিমাণ কাঁচা (র’ ডেটা) তৈরি করে। ঐতিহ্যগত ক্লাউড ভিত্তিক পদ্ধতিতে এই সকল ডেটা সম্পূর্ণভাবে ক্লাউড সার্ভারে প্রক্রিয়াকরণের জন্য পাঠানো হতো। ফগ কম্পিউটিং ধারণা অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়াকরণ যতটা সম্ভব ডেটা উৎসের কাছাকাছি সম্পন্ন করা হয়। ফলে, প্রক্রিয়াজাত (প্রসেসড) ডেটা ক্লাউডে পাঠানো হয়, যা ব্যান্ডউইথের চাহিদা কমায়। এছাড়া, প্রক্রিয়াজাত ডেটার প্রয়োজন সাধারণত সেই ডিভাইসগুলোরই হয় যেগুলো ডেটাটি তৈরি করেছে। স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণ করায় ইনপুট ও প্রতিক্রিয়ার (রেসপন্স) মধ্যে বিলম্ব কম হয়। এই ধারণাটি সম্পূর্ণ নতুন নয়; উদাহরণস্বরূপ, ফাস্ট ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম (FFT) সম্পাদনকারী বিশেষ হার্ডওয়্যার দীর্ঘদিন ধরেই CPU-এর উপর চাপ কমাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ফগ নেটওয়ার্কিং দুটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: নিয়ন্ত্রণ প্লেন (কন্ট্রোল প্লেন) ও ডেটা প্লেন (ডাটা প্লেন)। উদাহরণস্বরূপ, ডেটা প্লেনে ফগ কম্পিউটিং এমনভাবে কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে যেখানে নেটওয়ার্কের প্রান্তে (এজ) সার্ভার অবস্থিত, যা ঐতিহ্যগত ডেটা সেন্টারভিত্তিক সার্ভারের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। ক্লাউডের তুলনায় ফগ কম্পিউটিং ব্যবহারকারীদের নিকটবর্তী অবস্থানে সেবা প্রদান করে এবং নিম্নলিখিত সুবিধা প্রদান করে: ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা (যেমন, পরিচালন ব্যয়, নিরাপত্তা নীতি, সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার) ভৌগোলিকভাবে ঘন বিস্তৃতি এবং প্রসঙ্গ-সচেতনতা (কনটেক্সট-অওয়ারনেস) নিশ্চিতকরণ বিলম্ব কমিয়ে সেবা গুণমান (QoS) উন্নতকরণ ফগ অ্যানালিটিক্স (Fog Analytics) এবং রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নতকরণCisco RFP-2013-078. Fog Computing, Ecosystem, Architecture and Applications: ব্যাকবোন ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের পরিমাণ হ্রাস সহায়ক জীবনযাপন (অ্যাসিস্টেড লিভিং) ব্যবস্থায় প্রয়োগযোগ্যতা ফগ নেটওয়ার্কিং ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) ধারণাকে শক্তিশালী করে, যেখানে দৈনন্দিন ব্যবহারের অধিকাংশ ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে। যেমন, স্মার্টফোন, পরিধেয় স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ যন্ত্র, সংযুক্ত যানবাহন (কানেক্টেড ভেহিকলস), এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (অগমেন্টেড রিয়েলিটি) প্রযুক্তি যা গুগল গ্লাস-এর মতো ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়।বোনোমি, ফ., মিলিটো, র., জু, জ., এবং আদ্দেপল্লি, স. Fog Computing and its Role in the Internet of Things. In Proc of MCC (2012), pp. 13-16.. ফগ নোডগুলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। IoT ডিভাইসগুলোর অনেক সময় পর্যাপ্ত প্রসেসিং ক্ষমতা থাকে না, যা উন্নত ক্রিপ্টোগ্রাফিক গণনার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, ফগ নোড ক্রিপ্টোগ্রাফিক গণনা সম্পন্ন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। ইতিহাস "ফগ কম্পিউটিং" শব্দটি প্রথম ২০১২ সালে সিস্কো দ্বারা তৈরি করা হয়। ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর, সিস্কো সিস্টেমস, এআরএম হোল্ডিংস, ডেল, ইন্টেল, মাইক্রোসফট, এবং প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে ওপেনফগ কনসোর্টিয়াম প্রতিষ্ঠা করে, যা ফগ কম্পিউটিংয়ের আগ্রহ এবং উন্নয়নকে প্রচার করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়। সিস্কোর সিনিয়র ম্যানেজিং ডিরেক্টর হেল্ডার অ্যান্টুনেস কনসোর্টিয়ামের প্রথম চেয়ারম্যান এবং ইন্টেলের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট জেফ ফেডারস এর প্রথম প্রেসিডেন্ট হন। সংজ্ঞা ফগ কম্পিউটিং এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উভয়ই ব্যবহারকারীদের জন্য ডাটা সংরক্ষণ, অ্যাপ্লিকেশন ও পরিষেবা সরবরাহ করে। তবে, ফগ কম্পিউটিং ক্লাউড কম্পিউটিং-এর তুলনায় ব্যবহারকারীদের কাছাকাছি অবস্থিত এবং ভৌগোলিকভাবে বিস্তৃতভাবে বিতরণ করা হয়।F. Bonomi, R. Milito, J. Zhu, and S. Addepalli, "Fog computing and its role in the internet of things," in Proceedings of the First Edition of the MCC Workshop on Mobile Cloud Computing, ser. MCC'12. ACM, 2012, pp. 13–16. 'ক্লাউড কম্পিউটিং' হল ইন্টারনেটভিত্তিক সার্ভারের মাধ্যমে ডাটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং প্রক্রিয়াকরণের প্রযুক্তি, যেখানে ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা স্থানীয় সার্ভারের পরিবর্তে দূরবর্তী সার্ভার ব্যবহৃত হয়। ফগ কম্পিউটিং, যা এজ কম্পিউটিং বা ফগিং নামেও পরিচিত, শেষ-ব্যবহারকারী ডিভাইস ও ক্লাউড কম্পিউটিং ডাটা সেন্টারের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে এবং স্থানীয়ভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে। পার্থক্য এজ কম্পিউটিং সাধারণত এমন একটি অবস্থান বোঝায় যেখানে পরিষেবাগুলি স্থানীয়ভাবে স্থাপন করা হয়, অন্যদিকে ফগ কম্পিউটিং যোগাযোগ, কম্পিউটিং এবং সংরক্ষণ সংস্থানগুলির বিতরণ বোঝায়, যা ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণাধীন ডিভাইস ও সিস্টেমের কাছাকাছি অবস্থিত। ফগ কম্পিউটিং এজ কম্পিউটিং-এর তুলনায় একটি মাঝারি স্তরের প্রযুক্তি, যা ক্লাউড কম্পিউটিং-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। এটি স্থানীয়ভাবে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকর পরিষেবা প্রদান করে এবং শক্তি সাশ্রয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আরও দেখুন ক্লাউড কম্পিউটিং ইন্টারনেট অব থিংস এজ কম্পিউটিং মেটাভার্স রেফারেন্স
|
লানিকে () বা হেলানিকে মহান আলেকজান্ডারের শৈশবের সেবিকা ছিলেন। সংক্ষিপ্ত জীবনী লানিকে সম্ভনতঃ ৩৮০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল দ্রোপিদাস। মহান আলেকজান্ডারের সেনাপতি ক্লেইতোস ও মেলান তার ভাই ছিলেন। তার স্বামীর নাম ছিল আন্দ্রোনিকাস। মহান আলেকজান্ডারের হেতাইরোই প্রোতিয়াস তার পুত্র ছিলেন বলে উল্লিখিত আছে। এছাড়া তার আরো দুই পুত্র ৩৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মাইলিতাসের যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন। মহান আলেকজান্ডার তার শৈশবে লানিকে দ্বারা পালিত হন।Who's Who In The Age Of Alexander The Great: prosopography of Alexander's empire, Waldemar Heckel, Blackwell Publishing, 2005, জনপ্রিয় মাধ্যমে ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত আলেকজান্ডার নামক চলচ্চিত্রে লানিকের উল্লেখ করা হয়েছে। এই চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে ক্লেইতোস ও মেলান মহান আলেকজান্ডারের সঙ্গে বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে লানিকের উল্লেখ করেন। পরে অপর একটি দৃশ্যে মহান আলেকজান্ডার লানিকের ভাই ক্লেইতোসকে হত্যা করার অনুশোচনায় দগ্ধ হন। মহান আলেকজান্ডারের জীবন নিয়ে মেরি রেনল্ট দ্বারা রচিত ফায়ার ফ্রম হেভেন নামক একটি উপন্যাসে লানিকের চরিত্রটি রয়েছে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৩৮০-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন ম্যাসিডোনিয় নারী বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতাব্দীর গ্রিক ব্যক্তি
|
জিএএলএ – কুইয়ার আর্কাইভ (পূর্বে গে ও লেসবিয়ান মেমরি ইন অ্যাকশন নামে পরিচিত) , যা এর সংক্ষিপ্ত রূপ, গালা দ্বারাও পরিচিত, হল একটি সংস্থা, যারা দক্ষিণ আফ্রিকার এলজিবিটিকিউএ+ ব্যক্তি এবং সংগঠনগুলির সামাজিক ও আইনি ইতিহাস নথিভুক্ত করে। এরা আফ্রিকায় সমকামী সম্পর্ক নিয়ে প্রচলিত গতানুগতিক চিন্তাধারা এবং ভুল ধারণা সংশোধন করার চেষ্টা করছে। সংগঠন ১৯৯৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাস সংরক্ষণাগারের একটি শাখা হিসেবে গালা গঠিত হয়েছিল। এটি নেদারল্যান্ডসের হোমোডক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেসবিয়ান হারস্টোরি আর্কাইভের নামে তৈরি হয়েছিল। সংগঠনটির নাম পূর্বে দ্য গে অ্যান্ড লেসবিয়ান আর্কাইভস অফ সাউথ আফ্রিকা নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে এটি গালা নামটি পেয়েছে। ২০০৭ সালে, নামটি বর্তমান রূপে পরিবর্তিত করা হয়। গালা-র আর্কাইভগুলি উইটওয়াটারস্র্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উইলিয়াম কালেন লাইব্রেরির ঐতিহাসিক কাগজপত্র বিভাগে রয়েছে। এই আর্কাইভে দক্ষিণ আফ্রিকায় এলজিবিটিকিউএ+ জীবনের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটগুলি রক্ষিত আছে। আর্কাইভে থাকা নথিগুলির মধ্যে রয়েছে আইনি নোট, দক্ষিণ আফ্রিকায় এলজিবিটি-র মৌখিক ইতিহাস, দক্ষিণ আফ্রিকার এলজিবিটি সংগঠনগুলির রেকর্ড, ব্যক্তিদের দ্বারা জমা দেওয়া ব্যক্তিগত নথি এবং ছবি। প্রকল্প গালা দক্ষিণ আফ্রিকায় এমন কিছু শিক্ষামূলক কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করে এবং অংশগ্রহণ করে, যেখানে সমতাকে উৎসাহিত করা হয়। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে, এটি তার সংরক্ষণাগারে লেসবিয়ানদের গল্পগুলিকে উন্নত করার জন্য একটি মৌখিক ইতিহাস প্রকল্প তৈরি করেছিল। দক্ষিণ ও পূর্ব আফ্রিকান দেশগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ২০০৩ সালে আফ্রিকান নারীদের মৌখিক ইতিহাস নামে আরেকটি প্রকল্প শুরু করা হয়েছিল। ২০১৫ সালের মে মাসে, এটি কর্মক্ষেত্রে সমতা প্রচার এবং কর্মক্ষেত্রে সমকামিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য একটি কর্মশালার সমন্বয় করে। এলজিবিটি ব্যক্তিদের দ্বারা লেখা এবং তাদের সম্পর্কে লেখা নিয়ে গালা "মাথোকো'জ বুক" মুদ্রণের অধীনে একটি বই প্রকাশ করেছে। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত, এই প্রকাশনাটি বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে "কুইয়ার আফ্রিকা: নিউ অ্যাণ্ড কালেক্টেড ফিকশন" যা একটি এলজিবিটি সংকলনের জন্য ২০১৪ সালে ল্যাম্বডা সাহিত্য পুরস্কার জিতেছে। মাথোকো'জ বুকস-এর নামকরণ করা হয়েছে একজন দক্ষিণ আফ্রিকান মহিলার নামে, যিনি ১৯৮০ এবং ১৯৯০-এর দশকে কোয়াথেমায় একটি অবৈধ সরাইখানা চালাতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার কর্মী সাইমন এনকোলি, বেভারলি ডিটসি এবং লিন্ডা এনকোবো দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি এলজিবিটি অ্যাক্টিভিজম সংগঠন, গে ও লেসবিয়ান অর্গানাইজেশন অফ উইটওয়াটারস্র্যান্ড-এর সদর দপ্তর হিসেবে এই সরাইখানাটি উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছিল। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী এলজিবিটিকিউ সংস্কৃতি বিষয়শ্রেণী:বিষয় অনুযায়ী দক্ষিণ আফ্রিকা ভিত্তিক সংগঠন বিষয়শ্রেণী:পরপীড়ন বিষয়শ্রেণী:যৌন অভিমুখীতা ও মনোবিজ্ঞান
|
মাদ্রাজ দেবদাসী (উৎসর্গ প্রতিরোধ) আইন ( যাকে তামিলনাড়ু দেবদাসী (উৎসর্গ প্রতিরোধ) আইন বা মাদ্রাজ দেবদাসী আইনও বলা হয়) হল একটি আইন, যেটি প্রণীত হয়েছিল ভারত ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন হওয়ার ঠিক পরে, ১৯৪৭ সালের ৯ই অক্টোবর তারিখে। আইনটি মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে পাস করা হয়েছিল এবং দেবদাসীদের বিবাহের আইনি অধিকার দিয়েছিল, হিন্দু মন্দিরে মেয়েদের উৎসর্গ করা অবৈধ করে দিয়েছিল। যে বিলটি এই আইনে পরিণত হয় সেটি ছিল দেবদাসী বিলোপ বিল। পেরিয়র ই. ভি. রামস্বামী দেবদাসী বিলোপ বিল পাশ করার কর্মকাণ্ডের অংশ ছিলেন কিন্তু, মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সি জুড়ে দেবদাসীদের তীব্র প্রতিবাদের কারণে, তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে বিলটি শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত বিল হিসাবে পেশ করা হবে, একটি পাবলিক বিল নয়। মুথুলক্ষ্মী রেড্ডি ১৯৩০ সালের প্রথম দিকে মাদ্রাজ আইন পরিষদে বিলটি উত্থাপন করেছিলেন কিন্তু ১৯৪৭ সালের ৯ই অক্টোবর ও পি রামস্বামী রেড্ডিয়ার (ওরফে ওমান্দুর রেড্ডির কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার) -এর প্রধানমন্ত্রীত্বের (বা মাদ্রাজের প্রিমিয়ার, স্বাধীনতার আগে বলা হত, ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন) সময় এটি পাস হয়েছিল। কিছু দেবদাসী বিলের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছিলেন, কারণ তাঁরা নিজেদেরকে পতিতা না ভেবে পরিশীলিত এবং পণ্ডিত শিল্পী বলে মনে করেছিলেন। মাদ্রাজ দেবদাসী আইন পরবর্তী সম্পর্কিত আইনগুলির মতো কঠোর ছিল না। যেহেতু মাদ্রাজ দেবদাসী আইনটি শুধুমাত্র দেবদাসীদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল, তাই দক্ষিণ ভারতে পতিতাবৃত্তি অব্যাহত ছিল, বিশেষ করে অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল বরাবর। ১৯৫৬ সালের ১৪ই আগস্ট মাদ্রাজ দেবদাসী বিরোধী আইন পাশ হবার পর এতে বিরতি আসে। মাদ্রাজ দেবদাসী আইন হল ব্রিটিশ ভারতের প্রেসিডেন্সি এবং প্রদেশগুলিতে এবং পরবর্তী ভারতের রাজ্য ও অঞ্চলগুলিতে বলবৎ হওয়া একাধিক আইনের মধ্যে একটি, যা পতিতাবৃত্তিকে বেআইনি করে তুলেছিল। এই রকম আইনগুলির মধ্যে রয়েছে ১৯৩৪ সালের বোম্বে দেবদাসী সুরক্ষা আইন, ১৯৫৭ সালের বোম্বে সুরক্ষা (সম্প্রসারণ) আইন এবং ১৯৮৮ সালের অন্ধ্রপ্রদেশ দেবদাসী (উৎসর্গের নিষেধাজ্ঞা) আইন। বোম্বে দেবদাসী সুরক্ষা আইনে একজন মহিলার উৎসর্গকে একটি বেআইনি কাজ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে, এটি তার সম্মতিতে হোক বা না হোক, উভয়ক্ষেত্রেই। এই আইন অনুসারে, দেবদাসীর বিবাহ আইনগত ও বৈধ বলে বিবেচিত হবে এবং এই ধরনের বিবাহে জাত সন্তানকে বৈধ বলে গণ্য করা হবে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:ভারতে নারীদের ইতিহাস বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ ভারতে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকারের আইন বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় পরিবার আইন বিষয়শ্রেণী:ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়শ্রেণী:ভারতে যৌন অপরাধ বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় যৌন আইন বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ফৌজদারী আইন বিষয়শ্রেণী:মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সি বিষয়শ্রেণী:ভারতে পতিতাবৃত্তি
|
বাগমনিরাম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন একটি ওয়ার্ড। আয়তন বাগমনিরাম ওয়ার্ডের আয়তন ২.০৭ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যার উপাত্ত ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাগমনিরাম ওয়ার্ডের মোট জনসংখ্যা ৫১,৬০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৭,৬৩৪ জন এবং মহিলা ২৩,৯৬৯ জন। মোট পরিবার ১০,৬৭২টি। অবস্থান ও সীমানা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মধ্যাংশে বাগমনিরাম ওয়ার্ডের অবস্থান। এর পশ্চিমে ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ড ও ২৩নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড; দক্ষিণে ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ড, ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ড ও ২১নং জামালখান ওয়ার্ড; পূর্বে ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ড এবং উত্তরে ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ড অবস্থিত। প্রশাসনিক কাঠামো বাগমনিরাম ওয়ার্ড চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১৫নং ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডের উত্তরাংশের প্রশাসনিক কার্যক্রম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চকবাজার থানার এবং দক্ষিণাংশ কোতোয়ালী থানার আওতাধীন। এটি ২৮৬নং চট্টগ্রাম-৯ জাতীয় নির্বাচনী এলাকার অংশ। এ ওয়ার্ডের উল্লেখযোগ্য এলাকা হল: বাগমনিরাম নেভি কলোনী কাজির দেউড়ি দামপাড়া রেলওয়ে স্টেশন কলোনী রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনী শিক্ষা ব্যবস্থা ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাগমনিরাম ওয়ার্ডের সাক্ষরতার হার ৭৭.৮%। এ ওয়ার্ডে ১টি বিশ্ববিদ্যালয়, ২টি স্কুল এন্ড কলেজ, ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি স্কুল এন্ড কলেজ বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ সেন্ট্রাল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পলোগ্রাউন্ড বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় বাগমনিরাম আবদুর রশিদ সিটি কর্পোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয় বাগমনিরাম এস কে সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বাংলাদেশ রেলওয়ে স্টেশন কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় ভিক্টোরী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ রেলওয়ে পাবলিক স্কুল রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনী সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাথমিক বিদ্যালয় কাজীর দেউড়ি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাজীর দেউড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাগমনিরাম এ এস বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাগমনিরাম হাজী এয়াকুুব আলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থনীতি ব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম জীবনীশক্তি হলো ব্যাংক এবং এই ব্যাংকগুলো দেশের মুদ্রাবাজারকে রাখে গতিশীল ও বৈদেশিক বাণিজ্যকে করে পরিশীলিত। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৫নং বাগমনিরাম ওয়ার্ডে অবস্থিত ব্যাংকসমূহের তালিকা নিচে উল্লেখ করা হলো: ক্রম নংব্যাংকের ধরনব্যাংকের নামশাখাব্যাংকিং পদ্ধতিঠিকানা০১রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকঅগ্রণী ব্যাংকআসকর দীঘি শাখাসাধারণশহীদ সাইফুদ্দিন খালেদ সড়ক, চট্টগ্রাম০২চট্টেশ্বরী রোড শাখাচট্টেশ্বরী রোড, চট্টগ্রাম০৩জনতা ব্যাংককাজির দেউরী শাখা১২০, নুর আহমদ সড়ক, কাজির দেউরী০৪রূপালী ব্যাংকমহিলা শাখাসিডিএ কাজির দেউরী মার্কেট, কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম০৫সোনালী ব্যাংকরেলওয়ে ভবন শাখাকোতোয়ালী, চট্টগ্রাম০৬বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকইস্টার্ন ব্যাংকমেহেদীবাগ শাখাসাধারণএপিক এমদাদ হাইটস, ৩৮, চট্টেশ্বরী চত্ত্বর, মেহেদীবাগ, চট্টগ্রাম০৭এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকও আর নিজাম রোড শাখাআটলান্টা ট্রেড সেন্টার, বাসা নং ২৩/এ, ও আর নিজাম রোড, চট্টগ্রাম০৮গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকমেহেদীবাগ শাখাইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিককিছুক্ষণ, বাসা নং ৭৫৪/৮২৭, চকবাজার, চট্টগ্রাম০৯ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংককাজির দেউড়ী মহিলা শাখা৬৩, শহীদ সাইফুদ্দিন খালেদ রোড, কাজির দেউড়ী, চট্টগ্রাম১০প্রবর্তক মোড় শাখাইকুইটি পয়েন্ট, বাসা নং ১৩৪, কে বি ফজলুল কাদের রোড, প্রবর্তক মোড়, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম১১যমুনা ব্যাংকনাসিরাবাদ শাখাপি ডব্লিউ ডি প্লট ১০, বখতিয়ার সেন্টার, বায়েজিদ বোস্তামী রোড, পূর্ব নাসিরাবাদ, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম দর্শনীয় স্থান বাগমনিরাম ওয়ার্ডের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে: এম এ আজিজ স্টেডিয়াম জিয়া স্মৃতি জাদুঘর চট্টগ্রাম শিশুপার্ক চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন কাউন্সিলর কাউন্সিলর রাজনৈতিক দল নির্বাচন সন মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০১৫ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০২১ আরও দেখুন চকবাজার থানা চট্টগ্রাম কোতোয়ালী মডেল থানা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন চট্টগ্রাম জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড
|
আহসাস চন্না (জন্ম: ৫ আগস্ট ১৯৯৯) একজন ভারতীয় অভিনেত্রী, যিনি হিন্দি চলচ্চিত্র এবং টিভি শিল্পে কাজ করেন। একজন শিশু অভিনেত্রী হিসাবে, তিনি বাস্তু শাস্ত্র, কাভি আলবিদা না কেহনা, মাই ফ্রেন্ড গণেশ, ফুঁক ইত্যাদিতে অভিনয় করেছিলেন। কৈশোরে তাকে দেবো কে দেব...মহাদেব, ওয়ে জ্যাসি এবং এমটিভি ফানাহ-এর মতো টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অধিক সক্রিয় দেখা যায়। জীবনের প্রথমার্ধ চন্নার ১৯৯৯ সালের ৫ আগস্ট মুম্বইয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বাবা ইকবাল চান্না একজন পাঞ্জাবী চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং তার মা কুলবীর কৌর কুলবীর কৌর বাদেস্রন একজন টেলিভিশন অভিনেত্রী। কর্মজীবন আহসাস চন্না খুব অল্প বয়সেই তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। তিনি বাস্তু শাস্ত্র মাধ্যমে তার আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, যেখানে তিনি সুস্মিতা সেনের ছেলে রোহান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। মাই ফ্রেন্ড গণেশ চলচ্চিত্রে আশু এবং কাভি আলবিদা না কেহনা চলচ্চিত্রে অর্জুনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। টেলিভিশনে তিনি নিখিল সিনহা'র দেবো কে দেব...মহাদেব ধারাবাহিকে হিন্দু দেবতা শিব এবং পার্বতীর কন্যা অশোকসুন্দরী হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। তিনি এমটিভি ফানাহ-তে ধারা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যেটি এমটিভি ভারতে প্রচারিত হয়েছিল। তিনি ডিজনি চ্যানেলের অনুষ্ঠান ওয়ে জ্যাসি এবং বেস্ট অফ লাক নিকি-এর চতুর্থ মরশুমে কাজ করেছিলেন। চলচ্চিত্রের তালিকা চলচ্চিত্র বছর শিরোনাম ভূমিকা মন্তব্য ২০০৪ বাস্তু শাস্ত্র রোহান হিন্দি মারিচেট্টু তেলুগু ২০০৬ কাভি আলবিদা না কেহনা অর্জুন সারান হিন্দি আর্যন রণবীর (আর্যনের ছেলে) হিন্দি ২০০৭ মাই ফ্রেন্ড গণেশ আশু হিন্দি ২০০৮ ফুঁক রক্ষা হিন্দি ২০০৯ বোম্মায়ী তামিলপ্রেম কা তদ্দকাচিন্টু চতুর্বেদী ২০১০ ফুঁক ২ রক্ষা হিন্দি ২০১৩ ৩৪০ বিমল হিন্দি ২০১৭ আপ্পাভীন মীসাই তামিল ২০১৭ রুখ শ্রুতি হিন্দি টেলিভিশন বছর শিরোনাম ভূমিকা মন্তব্য সূত্র ২০০৮ কসম সে অল্পবয়সী গঙ্গা ভালিয়া ২০১২ গুমরাহ্: ইন্ড অব ইনোসেন্স পর্বভিত্তিক ভূমিকা মধুবালা - এক ইশক এক জুনুন স্বাতী দীক্ষিত দেবো কে দেব...মহাদেব অশোকসুন্দরী ২০১৩ ফিয়ার ফাইলস: ডার কী সাচ্চি তাসভিরে পর্বভিত্তিক ভূমিকা ওয়ে জ্যাসি আয়েশা মালহোত্রা২০১৪ক্রাইম পেট্রোল দস্তকস্মৃতিপর্ব ৩৪৪: মিথ্যা অহংকার (১ মার্চ ২০১৪) ওয়েববেড এমটিভি ফানাহ কিশোরী ধারা২০১৫ কোড রেড - তালাশ পর্বভিত্তিক ভূমিকা বেস্ট অব লাক নিকি রিয়া গঙ্গা সালোনি ২০১৬ ক্রাইম প্যাট্রোল পর্বভিত্তিক ভূমিকা আধা ফুল কিটি যাদব২০১৭ক্রাইম পেট্রোল সতর্কনম্রতাপর্ব ৮২৭: প্রেমিকদের মৃত্যু (৮ জুলাই ২০১৭)এমটিভি বিগ এফদিয়াসিজন ২, পর্ব ৮ ২০১৮ সি.আই.ডি. কোমল পর্ব ১৫০১/১৫৪২ ওয়েব ধারাবাহিক বছরশিরোনামভূমিকাবিঃদ্রঃ২০১৮- ২০২২গার্লস হোস্টেলরিচা৩টি মৌসুম ২০১৯- ২০২১কোটা ফ্যাক্টরিশিবাঙ্গী২ মৌসুম২০১৯- ২০২৩হোস্টেল ডেজআকাঙ্কা৪ মৌসুম২০২০- ২০২১ইন্টার্নলিলি২ মৌসুম২০২১ক্লাচপ্রাচি২০২২যুগাদিস্তানমডার্ন লাভ মুম্বাইসিয়া২০২২মিসম্যাচ ২ভিনি২০২৩হাফ সিএআরচি১ সিজন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বছরশিরোনামভূমিকাসূত্র২০২১ট্রানজিস্টরউমা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:১৯৯৯-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:মুম্বইয়ের অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিশু অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:হিন্দি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ধারাবাহিক নাটকের অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:হিন্দি টেলিভিশন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় টেলিভিশন শিশু অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ওয়েব ধারাবাহিক অভিনেত্রী
|
শিবপুর দীনবন্ধু ইনস্টিটিউশন (কলেজ) হল ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রিমিয়ার রিসার্চ ভিত্তিক স্নাতকস্তরীয় কলেজ। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া শহরের শিবপুর অঞ্চলে অবস্থিত। এই কলেজটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত। এটি একটি জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই কলেজের বিভাগগুলি হল: বিজ্ঞান বিভাগ: রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, গণিত, কম্পিউটার বিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণিবিদ্যা। কলা ও বাণিজ্য: বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত, উর্দু, ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, অর্থনীতি ও সমাজতত্ত্ব। সম্প্রতি এই কলেজটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক খ+ গ্রেড পেয়েছে। কলেজটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বটে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কেন্দ্র বিষয়শ্রেণী:কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:হাওড়া জেলার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ বিষয়শ্রেণী:১৯৪৮-এ পশ্চিমবঙ্গে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:১৯৪৮-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিষয়শ্রেণী:হাওড়া জেলার বিশ্ববিদ্যালয়
|
পোর্তু মেট্রো () পর্তুগালের পোর্তু শহরের দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা। এটি কেন্দ্রীয় শহরে মাটির নিচে এবং শহরতলীতে মাটির উপর দিয়ে বিস্তৃত। মেট্রোটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়।Webb, Mary (ed.) (2009). Jane's Urban Transport Systems 2009–2010, p. 277. Coulsdon, Surrey (UK): Jane's Information Group. . তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:পর্তুগালের দ্রুতগামী গণপরিবহন ব্যবস্থা বিষয়শ্রেণী:৭৫০ ভি ডিসি রেলওয়ে বিদ্যুতায়ন
|
পি বালচন্দ্র মেনন (১ মার্চ ১৯১১ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৮৪) ভারতের কেরালা রাজ্যের একজন রাজনীতিবিদ যিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন। ১৯৫৭ এবং ১৯৬০ সালে তিনি কেরালার আইনসভার সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় কেরালার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯১১-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:১৯৮৪-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:কেরলের রাজ্যসভা সদস্য বিষয়শ্রেণী:কেরল বিধানসভার সদস্য ১৯৫৭-১৯৫৯ বিষয়শ্রেণী:কেরল বিধানসভার সদস্য ১৯৬০-১৯৬৪
|
প্রস্তাবিত নির্বাচিত নিবন্ধ নির্বাচিত নিবন্ধের মানদণ্ড নির্বাচিত নিবন্ধের লগ নির্বাচিত নিবন্ধের পরিসংখ্যান নির্বাচিত নিবন্ধ পুনর্নিরীক্ষণ প্রাক্তন নির্বাচিত নিবন্ধ আজকের নির্বাচিত নিবন্ধ: আজকের নির্বাচিত নিবন্ধ সম্পর্কে নির্বাচিত নিবন্ধের সরঞ্জাম: নির্বাচিত নিবন্ধের গুণাবলী প্রস্তাবিত নির্বাচিত নিবন্ধ নির্বাচিত নিবন্ধ পুনর্নিরীক্ষণ নির্বাচিত নিবন্ধ লগ নির্বাচিত নিবন্ধ পরিসংখ্যান এলোমেলো নির্বাচিত নিবন্ধ প্রাক্তন নির্বাচিত নিবন্ধ নিবন্ধ পাতা, নির্বাচিত <noinclude>
|
জৈবনিক বিজ্ঞানসমূহ (life sciences বা biological sciences) বলতে বিজ্ঞানের সেইসব শাখাকে বোঝায় যেগুলিতে জীবন ও জীবদের (যেমন অণুজীব, উদ্ভিদ, প্রাণী, মানুষ) উপরে বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন ও গবেষণা সম্পাদন করা হয়। জৈবনিক বিজ্ঞানগুলি প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের দুইটি প্রধান শাখার একটি গঠন করেছে। অপর শাখাটিতে রয়েছে ভৌত বিজ্ঞানগুলি, যেগুলিতে প্রাণহীন বা নির্জীব পদার্থ নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। সংজ্ঞানুযায়ী জীববিজ্ঞান হল প্রধানতম জৈবনিক বিজ্ঞান, যাতে জীবন ও জীব নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। অন্যান্য জৈবনিক বিজ্ঞানগুলি জীববিজ্ঞানের শাখা-প্রশাখা। কিছু কিছু জৈবনিক বিজ্ঞান একটি বিশেষ প্রকারের জীবের উপরে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। যেমন প্রাণীবিজ্ঞান হল প্রাণীদের অধ্যয়নের ক্ষেত্র, অন্যদিকে উদ্ভিদবিজ্ঞান হল উদ্ভিদসমূহের উপরে গবেষণার ক্ষেত্র। অন্যান্য কিছু জৈবনিক বিজ্ঞানে সব জীব কিংবা অনেক জীবের মধ্যে বিদ্যমান সাধারণ কোন দিক বা বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্র করে অধ্যয়ন করা হয়, যেমন অঙ্গসংস্থান বা বংশাণুবিজ্ঞান। কিছু কিছু জৈবনিক বিজ্ঞানে অতিক্ষুদ্র বা আণবিক মাপনীর বস্তু নিয়ে গবেষণা করা হয়, যেমন আণবিক জীববিজ্ঞান বা প্রাণরসায়ন। আবার অন্য কিছু জৈবনিক বিজ্ঞানে অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর মাপের বস্তুর উপর আলোচনা করা হয়, যেমন কোষবিজ্ঞান, অনাক্রম্যবিজ্ঞান, প্রাণী-আচরণ বিজ্ঞান, ঔষধ প্রস্তুতি ও ব্যবহার বিজ্ঞান, বাস্তুবিজ্ঞান, ইত্যাদি। জৈবনিক বিজ্ঞানের আরেকটি প্রধান শাখা হল মনের প্রকৃতি অনুধাবন করা, যার একটি উদাহরণ হল স্নায়ুবিজ্ঞান। জৈবনিক বিজ্ঞানসমূহের আবিষ্কারগুলি মানুষের জীবনের মান উন্নয়নে সহায়তা করে। সুস্বাস্থ্য, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞান, ঔষধনির্মাণ শিল্প এবং খাদ্যবিজ্ঞান শিল্পে এদের প্রয়োগ রয়েছে। নিচে জৈবনিক বিজ্ঞানসমূহের একটি বাংলা বর্ণানুক্রমিক তালিকা দেওয়া হল। বাংলা বর্ণানুক্রমিক তালিকা বিষয়শ্রেণী:জীবন বিজ্ঞান বিষয়শ্রেণী:বিজ্ঞান সম্পর্কিত তালিকা বিষয়শ্রেণী:জৈবপ্রযুক্তি
|
thumb|200 px| বাস্তুক গাছের ফুল বাস্তুক বা অমরান্থ হলো একটি লালচে-গোলাপি রঙ যা অমরান্থ বা বাস্তুক ফুলের রঙের উপস্থাপনা। সাধারণত চিত্রে দেখানো লালচে ঘরানার বাস্তুক ফুলের রঙটিকেই মূল বাস্তুক রঙ হিসেবে ধরা হয় যদিও আরো বিচিত্রতর ও বিভিন্ন রঙের বাস্তুক ফুল রয়েছে এবং সেগুলোও বাস্তুক নামে পরিচিত; নিচে বাস্তুক রঙের বিভিন্ন উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে বাস্তুক নামটি অমরান্থ এর সংস্কৃত প্রতিশব্দ। বাস্তুকের বৈচিত্র্য বাস্তুক পিঙ্ক ডানপাশে বা উপরে প্রদর্শিত রঙটি হলো বাস্তুক পিঙ্ক বা অমরান্থ পিঙ্ক। এটি পিঙ্ক রঙের অমরান্থ বা বাস্তুক ফুলের রঙের প্রতিনিধিত্ব করে। ইংরেজিতে রঙের নাম হিসেবে অমরান্থ পিঙ্ক শব্দটির রেকর্ডকৃত প্রথম ব্যবহার হয় ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে।Maerz and Paul A Dictionary of Color New York:1930--McGraw Hill Page 189; Color Sample of Amaranth Pink: Page 121 Plate 49 Color Sample D8 উজ্জ্বল লাল (উজ্জ্বল বাস্তুক পিঙ্ক) ডানপাশে বা উপরে প্রদর্শিত রঙটি হলো ১৯৯০ সালে তৈরি হওয়া উজ্জ্বল লাল ক্রেয়লা ক্রেয়ন রঙ। উজ্জ্বল লাল রঙটিকে উজ্জ্বল বাস্তুক পিঙ্ক বা উজ্জ্বল অমরান্থ পিঙ্ক বলেও ডাকা হয়। এটিকে একটি ফ্লুরোসেন্ট রঙ হিসেবে ধরা হয় তবে কম্পিউটার স্ক্রিনে প্রদর্শনের কোনো কারিগরি ব্যবস্থা নেই। বাস্তুক পার্পল ডানপাশে বা উপরে প্রদর্শিত রঙটি হলো বাস্তুক পার্পল বা অমরান্থ পার্পল। এটি মূলত পার্পল রঙের অমরান্থ বা বাস্তুক ফুলের রঙের প্রতিনিধিত্ব করে। ইংরেজিতে রঙের নাম হিসেবে আমরান্থ পার্পল শব্দটির রেকর্ডকৃত প্রথম ব্যবহার হয় ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে।Maerz and Paul A Dictionary of Color New York:1930--McGraw Hill Page 189; Color Sample of Amaranth Purple: Page 129 Plate 53 Color Sample L3 গূঢ় বাস্তুক পার্পল ডানপাশে বা উপরে প্রদর্শিত রঙটি হলো গূঢ় বাস্তুক পার্পল। গূঢ় বাস্তুক পার্পল বা গূঢ় অমরান্থ পার্পল রঙটি কেবল অমরান্থ নামে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১৯৩০ মেয়ার্জ ও পল রচিত আ ডিকশনারি অভ কালার বইয়ে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:রং (নির্দিষ্ট বর্ণ) বিষয়শ্রেণী:পিঙ্কের বর্ণচ্ছটা বিষয়শ্রেণী:লালের বর্ণচ্ছটা
|
জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার জলপাইগুড়ি শহরে অবস্থিত। রেলপথ স্টেশনটি জলপাইগুড়ি জেলা ও কোচবিহার জেলার মধ্যে বিস্তৃত হলদিবাড়ি–নিউ জলপাইগুড়ি ব্রডগেজ রেলপথের উপর অবস্থিত। এই রেলপথটি একটি রেল ট্র্যাক নিয়ে গঠিত। পরিকাঠাম স্টেশনটির পরিকাঠাম ভূমিগত। এই স্টেশনে ২ টি প্ল্যাটফর্ম (যাত্রী: ১ টি, পণ্য: ১ টি) রয়েছে। জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশনে ৪ টি রেললাইন বা রেলট্র্যাক রয়েছে। স্টেশনে স্টেশন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ভবন ও স্টেশন মাষ্টারে ভবন ১ নং প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেই অবস্থিত। যাত্রীদের রেল ভ্রমণের জন্য টিকিট স্টেশনের টিকিট ঘর থেকে প্রদান করা হয়। স্টেশনে যাত্রী সুবিধার জন্য বসার আসন, প্ল্যাটফর্ম ছাউনি, পানীয় জল এর ব্যবস্থা রয়েছে। স্টেশনে যাত্রীদের গাড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন ব্যাগ বা যাত্রীদের দ্বারা বহন করা জিনিসপত্রের পরীক্ষায় ব্যবস্থা নেই। বৈদ্যুতীকরণ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশনের রেলপথে ডিজেল দ্বারা চালিত ট্রেন চলাচল করে। এই রেলপথের বৈদ্যুতীকরণের কাজ সম্পূর্ণ নয়নি। রেল পরিষেবা এটি পার্শ্ববর্তী এলাকায় রেল পরিষেবা প্রদান করে থাকে। এই স্টেশনের দ্বারা নিউ জলপাইগুড়িগামী ট্রেন চলাচল করে এবং স্টেশনটিতে ভারতীয় রেলের যাত্রীবাহী ট্রেনগুলি রেল যাত্রীদের পরিষেবা প্রদান করে থাকে। প্রশাসন ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশনটি ভারতীয় রেলের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল অঞ্চলের কাটিহার রেল বিভাগের অন্তর্গত। স্টেশন পরিচালনার সমস্ত দায়িত্ব স্টেশনের প্রধান "স্টেশন মাষ্টার" - এর উপর ন্যস্ত। এছাড়া স্টেশনের নিরাপত্তার জন্য অস্থায়ী ভাবে ভ্রাম্যমাণ জিআরপি কর্মী নিযুক্ত রয়েছে এবং স্টেশন চত্বর ও সংলগ্ন এলাকার নিরাপত্তা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন প্রদান করে থাকে। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:কোচবিহার জেলার রেলওয়ে স্টেশন বিষয়শ্রেণী:১৮৭৮-এ ভারতে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:কাটিহার রেলওয়ে বিভাগ বিষয়শ্রেণী:জলপাইগুড়ি জেলার রেলওয়ে স্টেশন
|
এস. শিবরাজ একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং তামিলনাড়ুর বিধানসভার সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৮৪ ও ২০০৬ সালের নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে ঋষীবন্দিয়াম আসন থেকে তামিলনাড়ু বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে তামিল মাণিলা কংগ্রেস (মোপনার) প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:জন্মের বছর অনুপস্থিত (জীবিত ব্যক্তি) বিষয়শ্রেণী:তামিল মানিলা কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ১৯৯৬-২০০১ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ২০০১-২০০৬ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ২০০৬-২০১১ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ১৯৮৫-১৯৮৯
|
ইসলামপুর বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন। আয়তন ইসলামপুর ইউনিয়নের আয়তন ৮৮৪৯ একর (৩৫.৮১ বর্গ কিলোমিটার)। জনসংখ্যা ২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইসলামপুর ইউনিয়নের লোকসংখ্যা প্রায় ১৯,৯০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০,৮৯৫ জন এবং মহিলা ৯,০০৭ জন। অবস্থান ও সীমানা রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সর্ব-উত্তরে ইসলামপুর ইউনিয়নের অবস্থান। উপজেলা সদর থেকে এ ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ১৭ কিলোমিটার। এ ইউনিয়নের পশ্চিমে রাজানগর ইউনিয়ন, দক্ষিণে দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়ন ও লালানগর ইউনিয়ন, পূর্বে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার ওয়াজ্ঞা ইউনিয়ন ও কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়ন এবং উত্তরে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়ন অবস্থিত। ইতিহাস ২০০৩ সালে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার আওতাধীন বৃহত্তর রাজানগর ইউনিয়নকে বিভক্ত করে ৩টি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়, তন্মধ্যে ইসলামপুর অন্যতম। প্রশাসনিক কাঠামো ইসলামপুর ইউনিয়ন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার আওতাধীন ১৩নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৮৪নং নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-৭ এর অংশ। ওয়ার্ডভিত্তিক এ ইউনিয়নের গ্রামগুলো হল: ওয়ার্ড নংগ্রামের নাম১নং ওয়ার্ডবেতছড়ি, ত্রিপুরার দীঘি, সেগুনবাগিচা, বহড়াতল, চারা বটতল২নং ওয়ার্ডরৈস্যাবিলী, খতিবনগর, ছাদিক্যাবিলী, চৌচালাবিলী৩নং ওয়ার্ডমগাছড়ি, ধুইল্যাছড়ি, পুলিশ ক্যাম্প৪নং ওয়ার্ডছাদেকনগর এর পূর্ব পাশ, পুলিশক্যাম্প, খতিবনগর, গাবতল, পাহাড়তলী ঘোনা৫নং ওয়ার্ডসাহেবনগর, জোরের কূল, ছাদেকনগর এর পশ্চিম ও উত্তর পাশ৬নং ওয়ার্ডখলিফা পাড়া, নতুন পাড়া আমিন বাড়ী, পূর্ব টিলার পাড়া, সাইর মোহাম্মদ পাড়া, ইসলাম পাড়া, নেজাম শাহ পাড়া৭নং ওয়ার্ডছাদেকনগর, আল আমিন পাড়া, ঘাগড়া কূল৮নং ওয়ার্ডমৌলানা কবির আহমদ পাড়া, পেয়ার মোহাম্মদ পাড়া, বাচুর মোহাম্মদ পাড়া৯নং ওয়ার্ডগলাচিপা নতুন পাড়া, মাইজ পাড়া, আরফার বাড়ী, বিনছি বাপের বাড়ী, গোল মোহাম্মদ পাড়া, পূর্ব টিলার পাড়া, বদি উদ্দীন তালুকদার বাড়ী, ধর্মগোদা শিক্ষা ব্যবস্থা ইসলামপুর ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৪৭.৪৬%। এ ইউনিয়নে ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি মাদ্রাসা, ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক বিদ্যালয় ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাদ্রাসা ইসলামপুর তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা ইসলামপূর মাখযানুল উলূম মাদ্রাসা ছালেহ আহমদ মজিদিয়া মাদ্রাসা প্রাথমিক বিদ্যালয় আল আমিন পাড়া ফয়েজ আলী রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ইসলামপুর রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উত্তর ঘাগড়া সেগুনবাগিচা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উত্তর নিশ্চিন্তাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ধর্মগোদা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পশ্চিম নিশ্চিন্তা কালিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রৈস্যাবিলী নব কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় http://180.211.137.51:321/DashboardunionN.aspx?div=4&dis=411&thana=41112&union=13 কিন্ডারগার্টেন ইসলামপুর কেজি স্কুল যোগাযোগ ব্যবস্থা চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন বাস টার্মিনাল হতে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়ক হয়ে ইসলামপুর ইউনিয়নে আসা যায়। এছাড়াও বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল হতে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী এবং মরিয়ম নগর চৌমুহনী হতে মরিয়মনগর-রানীরহাট সড়ক হয়ে ইসলামপুর ইউনিয়ন আসা যায়। ধর্মীয় উপাসনালয় ইসলামপুর ইউনিয়নে ২৩টি মসজিদ ও ৯টি প্যাগোডা রয়েছে। ভাষা ও সংস্কৃতি ইসলামপুর ইউনিয়নে বহু ভাষা ভাষির লোক রয়েছে। যেমন: বাঙ্গালী, চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ভাষায় কথা বলে। খাল ও নদী ইসলামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ইছামতি নদী। এছাড়া এ ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ঘাগড়া খাল, রাজখালী খাল এবং বেতছড়ি খাল। হাট-বাজার ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রধান হাট/বাজার হল গাবতলী বাজার। দর্শনীয় স্থান বেতছড়ি পাইন বাগান রানীরহাট থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রানীরহাট থেকে কাউখালীর গাড়ীতে করে যেতে হয়। কাউখালী যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে সুন্দর মনোরম পরিবেশে পাইন বাগান অবস্থিত। জনপ্রতিনিধি বর্তমান চেয়ারম্যান: মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন চেয়ারম্যানগণের তালিকা ক্রম নংচেয়ারম্যানের নামসময়কাল০১মোহাম্মদ দিদারুল আলম জসিম০২মোহাম্মদ নেছারুল হক (ভারপ্রাপ্ত)২০০৩-২০০৭০৩মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন তালুকদার (ভারপ্রাপ্ত)২০০৭-২০১১০৪মোহাম্মদ সিরাজদৌল্লাহ২০১১-২০১৬০৫মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন২০১৬-২০২১০৬সিরাজ উদ্দীন চৌধুরী ২০২১- বর্তমান আরও দেখুন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা চট্টগ্রাম জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইউনিয়ন
|
উলুবেড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন হল দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে স্টেশন। এই স্টেশনটি কলকাতা শহরতলি রেলওয়ে ব্যবস্থার অন্তর্গত একটি স্টেশন। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া জেলায় অবস্থিত। স্টেশনটি উলুবেড়িয়া এবং পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় রেল পরিষেবা প্রদান করে। উলুবেড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটি হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৩২ কি.মি. দূরে অবস্থিত। ইতিহাস উলুবেড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটি পশ্চিমবঙ্গের উলুবেড়িয়াতে অবস্থিত। স্টেশন কোড হল (ইউএলবি)। এটি হাওড়া-খড়গপুর লাইনের একটি ছোট এবং ব্যস্ত রেলওয়ে স্টেশন। নিকটতম স্টেশনগুলি বীর শিবপুর এবং ফুলেশ্বর এবং প্রধান রেলওয়ে স্টেশন হল হাওড়া। উলুবেড়িয়া-হাওড়া লোকাল এই স্টেশন থেকে ছাড়ে এছাড়া সমস্ত লোকাল ইএমইউ ট্রেনগুলি এই স্টেশনে দাঁড়ায়। যেমন- হাওড়া-খড়গপুর লোকাল, হাওড়া-মেদিনীপুর লোকাল, হাওড়া-পাঁশকুড়া লোকাল, হাওড়া-হলদিয়া লোকাল ইত্যাদি। হাওড়া-খড়গপুর লাইনটি ১৯০০ সালে চালু হয়। হাওড়া-খড়গপুর লাইনটি ১৯৬৭-৬৯ সালে বিদ্যুতায়িত হয়। সাঁতরাগাছি-পাঁশকুড়া-খড়গপুর চতুর্থ লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:হাওড়া জেলার রেলওয়ে স্টেশন বিষয়শ্রেণী:কলকাতা শহরতলি রেল স্টেশন বিষয়শ্রেণী:খড়গপুর রেলওয়ে বিভাগ বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের বৈদ্যুতিক রেল পরিষেবা যুক্ত রেলওয়ে স্টেশন বিষয়শ্রেণী:১৯০০-এ ভারতে চালু রেলওয়ে স্টেশন
|
||কাব্বো (উচ্চারণ কাব-ও; মৃত্যু ২৫ জানুয়ারী ১৮৭৬) (আরো পরিচিত উহি-ডডোরো বা জান্তজে তুরেন নামে) ছিলেন একজন প্রখ্যাত খাম সাংস্কৃতিক এবং জ্ঞানবিষয়ক পরিবেশক। তিনি ব্লেক এবং লয়েড আর্কাইভের “বুশম্যানের লোককাহিনীর নমুনা”তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন, যেখানে ǀএক্সাম সমাজের জীবন, রীতিনীতি এবং বিশ্বাসের বিবরণ প্রদান করেছিলেন। থাম্ব|গল্পঃ সিংহ ও জিরাফ, লুসি লয়েড কাজকর্ম লুইস-উইলিয়ামস, জেড.ডি, সম্পাদনা (২০০০)। স্টোরিজ দ্যাট ফ্লোট ফ্রম আফার। কেপ টাউন: ডেভিড ফিলিপ। আইএসবিএন ০-৮৬৪৮৬-৪৬২-০। ব্লেক, উইলহেলম এইচ. আই.; লয়েড, লুসি সি. (১৯১১)। স্পেসিমেনস অফ বুশম্যান ফোকলোর। জি. অ্যালেন। তথ্যসূত্র বহির্সংযোগ ব্লিক অ্যান্ড লয়েড আর্কাইভ অনলাইন Authors: |kabbo (জান্তজে (II) বিষয়শ্রেণী:১৮৭৬-এ মৃত্যু
|
শোকো আসাহরা (জাপানিজঃ 麻原 彰晃 - 6/7/2018) জাপানের নতুন ধর্মীয় সংগঠন ওম শিনরিকিও-এর প্রতিষ্ঠাতা। তাকে ১৯৯৫ সালে জাপানের টোকিওর সাবওয়েতে বিষাক্ত সারিন গ্যাস প্রয়োগের মূল পরিকল্পনাকারী এবং আরো কিছু অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করে ২০০৪ সালে মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ২০১২ সালের জুনে ওম শিনরিকিওর অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের তথ্যের জন্য তার মৃত্যুদন্ড স্থগিত করা হয়।Execution of Aum founder likely postponed . The Daily Yomiuri শৈশব ও শিক্ষা শোকো আসাহরা ১৯৫৫ সালের ২ মার্চ জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমে কুয়ামোটোতে এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পরিবার টাটামি নামে একধরনের মাদুর তৈরির ব্যবসা করত। শৈশবে তিনি গ্ল্যোকৌমা রোগে আক্রান্ত হন ও বাম চোখের দৃষ্টি হারান। তিনি ডান চোখেও কম দেখতে পান। শিশু থাকাকালে তিনি অন্ধদের বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। ১৯৭৭ সালে স্নাতক সম্পন্ন করে তিনি আকুপাংচার ও চীনা ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। এটাই জাপানের অন্ধদের ঐতিহ্যবাহী পেশা।"JAPANESE ACUPUNCTURE: Blind Acupuncturists, Insertion Tubes, Abdominal Diagnosis, and the Benten Goddess", Subhuti Dharmananda, Institute for Traditional Medicine. Retrieved on 2009-07-23 ১৯৭৮ সালে তিনি বিয়ে করেন। ১৯৮১ সালে তাকে লাইসেন্সবিহীন ওষুধ বিক্রি ও এটা নিয়ে গবেষণা করার জন্য ২০০,০০০ জাপানি ইয়েন জরিমানা করা হয়। মূলত তখন থেকেই তার ধর্মীয় বিষয় নিয়ে চর্চা শুরু হয়। অবসর সময়ে ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করতেন, চীনা জ্যোতিষবিদ্যা, তাওবাদ, বৌদ্ধ ধর্ম, জেন ধর্ম, দর্শনের ইতিহাস ইত্যাদি বিষয়েও পারদর্শী হয়ে উঠেন। ভারতীয় যোগবিদ্যার প্রতি ছিল তার প্রবল অগ্রহ। এছাড়া গভীর জ্ঞান অর্জনের জন্য ভারতে যান এবং সেখানে বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্ম সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করেন। ওম শিনরিকিও ধর্মের প্রবর্তন ১৯৮৪ সালে শোকো আসাহরা ভারত থেকে জাপান ফিরে আসেন। তখন তিনি নিজের নাম বদলে শোকো আসাহরা নামধারন করেন ও ওম শিনরিকিও ধর্মের নিসন্ধনের জন্য জাপানি সরকারের কাছে আবেদন করেন। প্রথমদিকে কর্তৃপক্ষ অপত্তি করলেও ১৯৮৯ সালে ওম শিনরিকিওকে নতুন ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ‘ওম শিনরিকিও’র ধর্মীয় আদর্শ পালি ভাষায় বুদ্ধের আদিশিক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। জাপানি ভাষায় ‘শিনরিকিও’ শব্দের অর্থ হলো ‘পরম সত্য’। শোকো আসাহরার বিশ্বাসের মূল ভিত্তি হলো বৌদ্ধ ধর্ম, অ্যাপোকালিপটিক খ্রিস্টধর্ম এবং ফরাসি ভবিষ্যদ্বক্তা নস্ট্রাডামুসের লেখনী। শোকো আসাহরা মনে করতেন, বিংশ শতাপ্দীতে পৃথিবী ধংস্ব হয়ে যাবে ও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে।Lifton, Robert Jay, Destroying the World to Save It: Aum Shinrikyo, Apocalyptic Violence, and the New Global Terrorism. New York: Macmillan (2000). শোকো আসাহরা শিষ্যদের বলতেন, ‘ভারতে থাকার সময় আমার বোধিলাভ হয়েছে।’ তার দলের সদস্য সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে এবং তিনি নিজেকে তাদের ত্রানকর্তা হিসেবে ঘোষণা করেন। শিষ্যরা তার কথা মেনে চলত কেননা ভারতে থাকার সময় তিনি যোগবিদ্যার উপর অনেক জ্ঞান অর্জন করেছিলেন ও শিষ্যদের নানা বিষয় যেমন, দেহকে শূন্যে ওড়ার উপায়, ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা এবং টেলিপ্যাথি ইত্যাদি শিখাতেন। তিনি তার ধর্মের বিধিনিষেধ অথবা নিয়মকানুন সম্পর্কে অনেক বই লিখেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য “বিয়ন্ড লাইফ অ্যান্ড ডেথ” ও “মহায়ানা সুটরা অ্যান্ড ইনিটিয়াশন”। শোকো আসাহরার গ্রেফতার ও বিচারের পর ২০০০ সালে তার ধর্মের নাম পরিবর্তন করে ‘আলেফ’ রাখা হয়। টোকিওর সাবওয়েতে বিষাক্ত সারিন গ্যাস প্রয়োগ ১৯৯৫ সালের ২০ মার্চ শোকো আসাহরার শিষ্যরা বিষাক্ত সারিন গ্যাস দিয়ে টোকিওর সাবওয়েতে বিষাক্ত সারিন গ্যাস প্রয়োগ করে। এই ঘটনায় ১৩ জন নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ এর বিষ ক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পরে। শোকো আসাহরাকে আরো ২৭ জন মানুস হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। তার বিচার চলাকালে তাকে টোকিওর সাবওয়েতে গ্যাস প্রয়োগের নির্দেশদাতা ও জাপানি সম্রাটকে উৎখাতের পরিকল্পনাকারী হিসেবে দোষী সাবস্থ করা হয়। তাকে অরো ১৩ থেকে ১৭ টি মামলায় দোষী সাবস্থ করে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে মৃত্যুদন্ডে দণ্ডিত ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সুপ্রীম কোর্টের এক আদেশে ২০১২ সালের জুনে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পযর্ন্ত তার মৃত্যুদন্ড স্থাগত ষোষনা করা হয়। আরো পড়ুন —highlights the main stages of Yogic and Buddhist practice, comparing Yoga-sutra system by Patanjali and the Eightfold Noble Path from Buddhist tradition. —focuses on the process of Kundalini-Yoga, one of the stages in Aum's practice. Berson, Tom. "Are We Ready for Chemical Warfare?" News World Communications 22 September. 1997 Bonino, Stefano. Il Caso Aum Shinrikyo: Società, Religione e Terrorismo nel Giappone Contemporaneo, 2010, Edizioni Solfanelli, . Preface by Erica Baffelli. Brackett, D W. Holy Terror: Armageddon in Tokyo. 1st ed. New York: Weatherhill, 1996. Head, Anthony. "Aum's Incredible Journey Towards Armageddon." Japan Quartery Oct.-Nov. 1996: 92-95. Kiyoyasu, Kitabatake. "Aum Shinrikyo: Society begets an aberration." Japan Quarterly Oct. 1995: 376-383. Lifton, Robert J. Destroying the World to Save It. 1st ed. New York: Metropolitan Books, 1999. Murakami, Haruki. Underground : The Tokyo Gas Attack and the Japanese Psyche. New York: Vintage Books, 2001. তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:২০১৮-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:স্বঘোষিত মশীহ
|
থাম্ব|নেতৃত্বের মডেল নেতৃত্ব হল এমন এক "সামাজিক প্রভাবের প্রক্রিয়া যার সাহায্যে মানুষ কোনও একটি সার্বজনীন কাজ সম্পন্ন করার জন্য অন্যান্য মানুষের সহায়তা ও সমর্থন লাভ করতে পারে।"চেমার্স, এম। এম। (2002 কগনিটিভ, সোশিয়াল, অ্যান্ড ইমোশনাল ইন্টালিজেন্স অফ ট্রান্সফরমেশনাল লিডারশিপ:এফিকেসি অ্যান্ড এফেকটিভনেস (পরিবর্তনীয় নেতৃত্বের জ্ঞানমূলক, সামাজিক এবং অনুভূতি সংক্রান্ত বুদ্ধিমত্তা:কার্যক্ষমতা ও কার্য়কারীতা আর। ই। রিগিয়, এস। ই। মারফি, এফ জে। পিরোজোলো (এডু।), মাল্টিপল ইন্টালিজেন্স অ্যান্ড লিডারশিপ (যৌগিক গূণবত্যা এবং নেতৃত্ব) জিনতত্ত্ববিদের এলান কিথ আরও সর্বব্যাপী একটি সংজ্ঞা দেন। তিনি বলেন, "নেতৃত্ব হল মানুষের জন্য একটি পথ খুলে দেওয়া যাতে তারা কোনও অসাধারণ ঘটনা ঘটানোর ক্ষেত্রে নিজেদের অবদান রাখতে পারে।"কাউজেস, জে., এবং পসনার, বি. ২০০৭ দ্য লি়ডাশিপ চ্যালেঞ্জ (নেতৃত্বের দর্প)। সিএ: জসি বাস। কেন অগবন্নিয়ার (২০০৭) কথায় "প্রাতিষ্ঠানিক বা সামাজিক লক্ষে পৌঁছনোর জন্য অন্তর্বর্তী ও বাহ্যিক পরিবেশে প্রাপ্ত সম্পদকে সফলভাবে সমন্বয় সাধন করাও তা থেকে সর্বাধিক লাভ তোলার ক্ষমতাই হল কার্যকরী নেতৃত্ব।" কার্যকর নেতার সংজ্ঞা অগবন্নিয়া দেন এভাবে, "যে কোনও পরিস্থিতিতে যে ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে সফল হওয়ার ক্ষমতা রাখেন এবং কোনও সংস্থা বা সমাজের প্রত্যাশা পূরণকারী হিসেবে স্বীকৃতি পান", তিনিই কার্যকর নেতা। প্রতিষ্ঠানগত অনুষঙ্গে তার অন্যতম প্রাসঙ্গিক দিক হল নেতৃত্ব। কিন্তু নেতৃত্বের সঠিক সংজ্ঞা দেওয়া বেশ কঠিন। লিঙ্কন ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক এন মেরি ই. ম্যাকসোয়েনের মতে, "নেতৃত্ব আসলে ক্ষমতা: নেতাদের শোনার ও পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা, সব স্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আলোচনা শুরু করায় উৎসাহদানের জন্য নিজেদের দক্ষতাকে কাজে লাগানোর ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতাকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষমতা, জোর করে চাপিয়ে না দিয়ে নিজেদের মূল্যবোধ ও দূরদর্শিতাকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতা। নেতৃত্ব মানে শুধুই সভায় আলোচ্য বিষয়সূচির প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখানো নয়, নিজে সেই কর্মসূচি স্থির করা, সমস্যা চিহ্নিত করা এবং শুধুই পরিবর্তনের সঙ্গে সামাল দিয়ে না চলে নিজেই এমন পরিবর্তনের সূচনা করা যা উল্লেখযোগ্য উন্নতির পথ প্রশস্ত করে।" পরবর্তী বিভাগগুলিতে নেতৃত্বের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। নেতৃত্ব কী এবং নেতৃত্বকে ঘিরে বেশ কিছু প্রচলিত তত্ত্ব এবং শৈলীর বিবরণও এই আলোচনার অন্তর্গত। আবেগ ও দূরদৃষ্টির ভূমিকা এবং নেতৃত্বের কার্যকারিতা ও কার্য সম্পাদন, বিভিন্ন অনুষঙ্গে নেতৃত্বের ধারণা, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ধারণার (যেমন, ম্যানেজমেন্ট) থেকে এটি কীভাবে আলাদা, এবং সাধারণভাবে নেতৃত্বের কিছু সমালোচনা। নেতৃত্বের তত্ত্ব নেতৃত্ব বিষয়টি নিয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা নেতৃত্ব সম্পর্কে অনেকগুলি তত্ত্বের জন্ম দিয়েছেন। বৈশিষ্ট্যক এট অল। ১৯৯১, অবস্থাভেদে পারস্পরিক যোগস্থাপন, ব্যবহার, ক্ষমতা, দূরদৃষ্টি ও মূল্যবোধরিচার্ড এবং এঙ্গল, 1986, পি।206), সহজাত দক্ষতা এবং বুদ্ধিমত্তা তাদের অন্যতম। নেতৃত্বের উদাহরণ প্রহরীদের নেতা (বয়েজ স্কাউট), ব্যবস্থাপক বা ম্যানেজার (বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান), পাচক (রেস্তরা), নিমন্ত্রণকারী (ভোজসভা ও অন্যান্য অনুষ্ঠান), বৈশিষ্ট্য তত্ত্ব কার্যকরী নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িত নানা ধরনের ব্যবহার ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করে বৈশিষ্ট্য তত্ত্ব। এটিই সম্ভবত নেতৃত্ব সম্পর্কে প্রথম পুঁথিগত তত্ত্ব। বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের অন্যতম পথিকৃৎ হলেন টমাস কার্লাইল (১৮৪১)। ক্ষমতায় উন্নীত ব্যক্তির প্রতিভা, দক্ষতা এবং শারীরিক বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করার জন্য তিনি এমন একটি তত্ত্বের ব্যবহার করেছেন।কার্লায়েল (১৮৪১) রোনাল্ড হেইফেজ (১৯৯৪) বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের মধ্যে উনিশ শতকের ছায়া খুঁজে পেয়েছেন, যখন মহান ও বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের জীবন-ইতিহাসের সঙ্গে সমাজের ইতিহাসকেও যুক্ত করা হত।হেফেত্জ (১৯৯৪), পিপি. ১৬ বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের প্রবক্তারা সাধারণত নেতৃত্বের জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলিকে তালিকাবদ্ধ করে রাখেন। তারা ধরে নেন যে কোনও নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা লক্ষণই কার্যকর নেতৃত্ব দানের ক্ষমতায় পৌঁছতে সাহায্য করে। শেলি কার্কপ্যাট্রিক এবং এডুইন এ. লক (১৯৯১) বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের উদাহরণ দিয়েছেন। তারা বলেন, "নেতৃত্বের মূল বৈশিষ্ট্যগুলি হল চালনাশক্তি (একটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত শব্দ যার অন্তর্ভুক্ত হল কৃতিত্ব, প্রেরণা, উচ্চাশা, প্রাণশক্তি, উদ্যোগ এবং লেগে থাকার ক্ষমতা), নেতৃত্বের প্রেরণা (নেতৃত্ব দানের ইচ্ছা কিন্তু ক্ষমতা লাভকেই লক্ষ্য হিসেবে দেখা নয়), সততা, ন্যায়পরায়ণতা, আত্মবিশ্বাস (যা আবেগের স্থৈর্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত), অনুধাবনের ক্ষমতা এবং ব্যবসায়িক জ্ঞান। তাঁদের গবেষণা অনুসারে, "সহজাত দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং নমনীয়তার মতো বৈশিষ্ট্যের প্রমাণ তত স্পষ্ট নয়।" অনুজ পাল এক জন নেতা। বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের সমালোচনা বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের একটি স্বতলব্ধ আবেদন থাকলেও এই মতবাদ প্রমাণ করতে অসুবিধে দেখা দিতে পারে এবং বিরোধীরা প্রায়শই এই মতটির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলেন। বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের সব চেয়ে শক্তিশালী সংস্করণটি "নেতৃত্বের এই চরিত্রগুলিকে" সহজাত বলে মনে করেন এবং সে জন্য কিছু মানুষকে তাদের মানসিক গঠনের জন্য "জন্ম থেকেই নেতা" বলে অভিহিত করেন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী নেতৃত্বের বিকাশের অন্তর্গত হল নেতৃত্বের গুণাবলি চিহ্নিত ও পরিমাপ করা, অ-নেতাদের মাঝখান থেকে নেতাকে বেছে নেওয়া এবং তারপর সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দান। আচরণগত ও শৈলী তত্ত্ব বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের সমালোচনার জবাবে তাত্ত্বিকেরা নেতৃত্বকে কিছু বিশেষ আচরণের সমষ্টি বলে ধরে নিয়ে গবেষণা শুরু করলেন এবং 'সফল' নেতাদের আচরণের মূল্যায়ন ঘটালেন, আচরণের বর্গীকরণ সূত্র স্থির করলেন এবং মোটামুটিভাবে নেতৃত্বের শৈলীগুলি শনাক্ত করলেন।স্পিল্যান (২০০৪) উদাহরণ হিসেবে ডেভিড ম্যাকক্লেল্যান্ডের কথা বলা যায়। তিনি নেতৃত্বের দক্ষতাকে যত না বৈশিষ্ট্যের সমষ্টি হিসেবে দেখেছিলেন, তার চেয়ে অনেক বেশি করে দেখেছিলেন কিছু উদ্দেশ্যের নকশা হিসেবে। তিনি দাবি করেন, সফল নেতাদের মধ্যে ক্ষমতার চাহিদা বেশি থাকবে, সংযোগের চাহিদা কম থাকবে, এবং উচ্চ মাত্রায় সক্রিয়ভাবে বাধাদানের ক্ষমতা থাকবে (একে আত্ম-নিয়ন্ত্রণও বলা যায়)। কার্ট লেউইন, রোনাল্ড লিপিট ও রাল্ফ হোয়াইট ১৯৩৯ সালে নেতৃত্বের শৈলী ও কার্যসম্পাদনের প্রভাব নিয়ে একটি গবেষণাপত্র তৈরি করেন। এই গবেষকেরা বিভিন্ন ধরনের কাজের পরিবেশে এগারো বছর বয়সী বালকের দলের কার্যসম্পাদনের মূল্যায়ন করেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে দলের নেতা দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রশংসা ও সমালোচনা (ওই বিষয়ে তথ্য প্রদান বা ফিডব্যাক ), এবং দলের কাজের ব্যবস্থাপনা (প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা) সম্পর্কে তিনটি শৈলী অনুসারে নিজের প্রভাব খাটিয়েছিল। এই তিনটি শৈলী হল: (১) কর্তৃত্বপূর্ণ, (২) গণতান্ত্রিক এবং (৩) অবাধ স্বাধীনতাপূর্ণ।লিউইন এট অল। দ্য উইজার্ড অফ অজ (১৯৩৯) কাজের কর্তৃত্বপূর্ণ পরিবেশ সেই সব নেতাদের দ্বারা বিশেষায়িত হয়েছে যাঁরা একাই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, নিজের আদেশের প্রতি অনুগামীদের কাছ থেকে কঠোর মান্যতা দাবি করেছেন, এবং প্রতিটি পদে ছড়ি ঘুরিয়েছেন; ভবিষ্যতের পদক্ষেপগুলি অবশ্য যথেষ্ট অনিশ্চিত। এই নেতা যে শত্রুতাপরায়ণ তা নয়, কিন্তু কাজে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে নির্লিপ্ত এবং সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যক্তিগতভাবে প্রশংসা বা সমালোচনা করেন। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিশেষায়িত হয়েছে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সম্মিলিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যাতে নেতারা সহায়তা করেছেন। কাজ শেষ করার আগে দলের গৃহীত সিদ্ধান্ত থেকে দৃষ্টিভঙ্গি এবং নেতার কাছ থেকে প্রয়োগগত উপদেশ গ্রহণ করা হয়েছে। সদস্যদের বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং শ্রমের বণ্টন কীভাবে হবে, সে বিষয়ে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। এইরকম একটি পরিবেশে প্রশংসা ও সমালোচনা খুবই বস্তুগত, তথ্যনির্ভর এবং তা পাওয়া যায় প্রকৃত কাজে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেননি, এমন সদস্যের কাছ থেকে। অবাধ স্বাধীনতাপূর্ণ পরিবেশের ক্ষেত্রে দল নীতি নির্ধারণের সময় নেতার কাছ থেকে স্বাধীনতা পেয়েছে এবং নেতা তাতে কোনও অংশ নেননি। না বলা হলে কাজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নেতা নিজেকে জড়ান না, শ্রমের বণ্টনে অংশ নেন না, এবং খুব কমই প্রশংসা করেন। ফলাফল থেকে নিশ্চিতভাবেই বোঝা যায় যে গণতান্ত্রিক পরিবেশই অধিক কাম্য।মিনার (২০০৫) পিপি. ৩৯-৪০ ব্যবস্থাপনাগত গ্রিড মডেলটিও আচরণগত তত্ত্বের ভিত্তিতে গঠিত। ১৯৬৪ সালে রবার্ট ব্লেক ও জেন মাউটন এই মডেলটি তৈরি করেন এবং মানুষ সম্পর্কে এবং লক্ষ্যে পৌঁছনোর ব্যাপারে নেতার চিন্তার ভিত্তিতে নেতৃত্বের পাঁচটি পৃথক শৈলীর কথা বলেন।ব্ল্যাক এট. অল. (১৯৬৪) পরিস্থিতিগত এবং ঘটনানির্ভর তত্ত্ব নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বৈশিষ্ট্য তত্ত্বের প্রতিক্রিয়া হিসেবে তৈরি হয়েছে পরিস্থিতিগত তত্ত্ব। কার্লাইল যেমন বলেছিলেন যে সমাজ আসলে মহান ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপের ফল, তার প্রতিক্রিয়ায় সমাজবিজ্ঞানীরা যুক্তি দেন সমাজ আসলে তার চেয়ে আরও বেশি কিছু। হার্বার্ট স্পেন্সার বলেছিলেন সময়ই মানুষকে তৈরি করে, উল্টোটা নয়।স্পেনসর (১৮৮৪), অ্যাপড হেফেত্জ (১৯৯৪), পিপি. ১৬। এই তত্ত্ব অনুসারে বিভিন্ন পরিস্থিতি বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের জন্ম দেয়; এই তত্ত্ব গোষ্ঠীর বক্তব্য অনুযায়ী নেতার মনোজগতের কোনও একটি সন্তোষজনক চেহারা নেই। এই তত্ত্ব অনুসারে, "নেতা হিসেবে কাজ করার সময় কোনও ব্যক্তিমানুষ আসলে যা করেন তা বহুলাংশে সেই পরিস্থিতির বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভরশীল, যেখানে তিনি কাজ করছেন।"হেমফিল (১৯৪৯)। বহু তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য তত্ত্ব ও পরিস্থিতিগত তত্ত্বের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে শুরু করেছিলেন। লেউইন এবং অন্যান্যদের গবেষণার ভিত্তিতে পণ্ডিতেরা নেতৃত্বের পরিবেশের বর্ণনামূলক নকশাগুলির একটি আদর্শ মান নির্ণয় করতে শুরু করেন। তারা নেতৃত্বের তিনটি শৈলীকে সংজ্ঞায়িত করেন এবং কোন পরিস্থিতিতে কোন শৈলী ভাল কাজ করে তা-ও চিহ্নিত করেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, সংকটের সময় কর্তৃত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দানের শৈলীকে অনুমোদন করা হলেও তা দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অনুগামীদের "হৃদয় ও মন" জিতে নিতে ব্যর্থ; জনমত তৈরি করা প্রয়োজন এমন পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব শৈলী অধিকতর সমুচিত; এবং শেষত, অবাধ স্বাধীনতাপূর্ণ নেতৃত্ব শৈলী প্রশংসার যোগ্য তার প্রদত্ত স্বাধীনতার জন্য কিন্তু যে হেতু নেতা কোনও দায়িত্ব নেন না, তাই প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘায়িত বা কণ্টকপূর্ণ সমস্যাগুলি সমাধানের ক্ষেত্রে তাকে ব্যর্থ বলে মনে করা হতে পারে।ওয়ার্মার এট অল. (২০০৭), পিপি: ১৯৮। এই ভাবে তাত্ত্বিকেরা নেতৃত্বের শৈলীকে পরিস্থিতি নির্ভর বলেছেন যাকে মাঝে মাঝে ঘটনানির্ভর বা পরিস্থিতিগত বলা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে চারটি পরিস্থিতিগত তত্ত্ব স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। সেগুলি হল, ফিয়েডলার ঘটনানির্ভর মডেল (ফিয়েডলার কন্টিনজেন্সি মডেল), ভ্রুম-ইয়েটন সিদ্ধান্ত মডেল (ভ্রুম-ইয়েটন ডিসিশন মডেল), পথ-লক্ষ্য তত্ত্ব (পথ-গোল থিওরি) এবং হারসে-ব্ল্যানচার্ড পরিস্থিতিগত তত্ত্ব (হারসে-ব্ল্যানচার্ড সিচুয়েশনাল থিওরি)। ফ্রেড ফিয়েডলারযাকে পরিস্থিতিগত নির্ভরতা বলেছেন, ফিয়েডলারকন্টিনজেন্সি মডেল অনুযায়ী তার উপরেই নির্ভর করে একজন নেতার কার্যকারিতা। নেতৃত্বের শৈলী ও পরিস্থিতিগত আনুকূল্যের পারস্পরিক ক্রিয়া থেকে তা উৎপন্ন হয় (একে পরে "পরিস্থিতিগত নিয়ন্ত্রণ" বলা হয়েছে) এই তত্ত্ব দু ধরনের নেতার সংজ্ঞা দিয়েছে: যাঁরা দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করতে চান (সম্পর্কমুখী), এবং যাঁরা কাজ সম্পন্ন করার বিষয়টিকেই সর্বাপেক্ষা গুরুত্ত্ব দিয়ে বিবেচনা করেন (কাজমুখী)।ফিডলার (১৯৬৭)। ফিডলারের মতে আদর্শ নেতা বলে কিছু হয় না। কাজমুখী এবং সম্পর্কমুখী, এই দু ধরনের নেতাই সফল হতে পারেন যদি তাদের নেতৃত্বের ধরনের সঙ্গে পরিস্থিতি মানানসই হয়। দলের নেতা-সদস্যের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকলে, কাজ অত্যন্ত সুগঠিত হলে এবং নেতার অবস্থানজনিত ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি হলে সেই পরিস্থিতিকে "অনুকূল পরিস্থিতি" বলা হয়। ফিয়েডলারদেখেন যে উচ্চ মাত্রায় অনুকূল বা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজমুখী নেতারা বেশি কার্যকরী এবং মাঝারি আনুকূল্য যুক্ত পরিস্থিতিতে সম্পর্কমুখী নেতারা নিজেদের সেরাটা দিতে পারেন। ভিক্টর ভ্রুম নেতৃত্বের পরিস্থিতির বিবরণ দেওয়ার জন্য প্রথমে ফিলিপ ইয়েটন (১৯৭৩)ভ্রুম, ইয়েটন (১৯৭৩)। এবং পরে আর্থার জাগো (১৯৮৮)ভ্রুম, জ্যাগো (১৯৮৮)।-এর সঙ্গে সহযোগিতায় একটি বর্গীকরণ সূত্র তৈরি করেন, যা একটি আদর্শ সিদ্ধান্ত মডেলের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছিল। এই মডেলে নেতৃত্বের বিভিন্ন শৈলিগুলি পরিস্থিতিগত পরিবর্তনশীলতার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং কোন শৈলীটি কোন পরিস্থিতির পক্ষে মানানসই, তারও সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।স্টার্নবার্গ, ভ্রুম (২০০২)। এই দৃষ্টিভঙ্গিটিতে নতুনত্ব ছিল, কারণ এমন একটি ধারণাকে তা সমর্থন করেছিল যে ধারণা অনুযায়ী একজন ব্যবস্থাপক প্রতিটি পরিস্থিতির গুণাবলির ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপর নির্ভর করতে পারতেন। এই মডেলটিকেই পরে পরিস্থিতিগত নির্ভরতা বলা হয়েছে।লর্স (১৯৭৪)। নেতৃত্বের পথ-লক্ষ্য তত্ত্বটি তৈরি করেন রবার্ট হাউস (১৯৭১)। ভিক্টর ভ্রুমের প্রত্যাশা তত্ত্বের (এক্সপেকটেনসি থিওরি) উপর এই তত্ত্ব নির্ভরশীল।হাউস (১৯৭১)। হাউসের বক্তব্য অনুযায়ী এই তত্ত্বের মূল কথা রয়েছে, "একটি অধি-বচনে। সেটি হল, কার্যকরী হতে গেলে নেতাদের এমন আচরণ করতে হবে যা অধস্তনদের কাজের পরিবেশ ও ক্ষমতার এমনভাবে পরিপূরক হয়ে ওঠে যাতে সমস্ত অসম্পূর্ণতা পূরণ হয়ে যায়, এবং তা অধস্তনদের সন্তুষ্টি এবং ব্যক্তিমানুষ এবং কর্মক্ষেত্রের কার্জসম্পাদনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হয়।হাউস (১৯৯৬)। এই তত্ত্ব নেতাদের চার ধরনের আচরণকে চিহ্নিত করে, কৃতিত্বমুখী, নির্দেশক, অংশগ্রহণমুখী এবং সহায়ক। ফিয়েডলারের নির্ভরতা মডেলের বিপরীতে রয়েছে পথ-লক্ষ্য মডেল। এই মডেল অনুযায়ী নেতৃত্বের চারটি আচরণ খুবই নমনীয় এবং নেতারা পরিস্থিতি অনুযায়ী চারটি আচরণের যে কোনও একটি গ্রহণ করতে পারেন। পথ-লক্ষ্য মডেলটিকে যুগপত ঘটনানির্ভর তত্ত্ব ও সম্পাদনামূলক নেতৃত্ব তত্ত্ব হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়। ঘটনানির্ভর তত্ত্ব বলা হয় কারণ তা পরিস্থিতি বা ঘটনার উপর নির্ভর করে, এবং সম্পাদনামূলক নেতৃত্ব বলা হয় কারণ তা নেতা ও তার অনুগামীদের আদান-প্রদানমূলক আচরণের উপর জোর দেয়। হারসে ও ব্ল্যানচার্ড প্রস্তাবিত পরিস্থিতিগত নেতৃত্বের মডেলটি চারটি নেতৃত্বের ধরন এবং চারটি স্তরের অনুগামিত্বের বিকাশের কথা বলে। এই মডেল অনুযায়ী কার্যকারিতার জন্য নেতৃত্বের ধরনকে অবশ্যই অনুগামিত্ব-বিকাশের যথাযথ স্তরের সঙ্গে মানানসই হতে হবে। এই মডেলে নেতৃত্বমূলক আচরণটি শুধু নেতার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের স্বাভাবিক ক্রিয়া হয়ে ওঠে না, তা অনুগামীদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরও স্বাভাবিক ক্রিয়ায় পর্যবসিত হয়।হার্সে এট. অল. ২০০৮। স্বাভাবিক ক্রিয়াগত তত্ত্ব স্বাভাবিক ক্রিয়াগত নেতৃত্ব তত্ত্ব (হ্যাকম্যান ও ওয়ালটন, ১৯৮৬; ম্যাকগ্র্যাথ, ১৯৬২) একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব। নেতাদের যে সুনির্দিষ্ট আচরণগুলি প্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলের কার্যকারিতার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখে, তাদের সম্ভাষণের জন্য এই তত্ত্বটি ব্যবহার করা হয়। এই তত্ত্ব বলে, একজন নেতার মূল কাজ হল দলের প্রয়োজনের ক্ষেত্রে আবশ্যক সমস্ত বিষয়ের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া; তাই একজন নেতা ভালভাবে কাজ করতে পেরেছেন, এ কথা বলা হবে তখনই, যখন তারা দলের কার্যকারিতা ও সংসক্তির প্রতি নিজেদের অবদান রাখবেন (ফ্লেইশম্যান ও অন্যান্য, ১৯৯১; হ্যাকম্যান ও ওয়েজম্যান, ২০০৫; হ্যাকম্যান ও ওয়ালটন, ১৯৮৬)। স্বাভাবিক ক্রিয়াগত নেতৃত্ব তত্ত্ব প্রায়শই দলীয় নেতৃত্বের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হলেও (জাকারো, রিটম্যান, ও মার্কস, ২০০১), বৃহত্তর প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও এই তত্ত্বকে সফলভাবে প্রয়োগ করা গিয়েছে (জাকারো, ২০০১)। স্বাভাবিক ক্রিয়াগত নেতৃত্ব তত্ত্বের উপর প্রাপ্ত রচনার সংক্ষিপ্তসার তৈরি করতে গিয়ে (কোজলোবস্কি ও অন্যান্য (১৯৯৬), জাকারো ও অন্যান্য (২০০১), হ্যাকম্যান ও ওয়ালটন (১৯৮৬), হ্যাকম্যান ও ওয়েজম্যান (২০০৫), মর্গেসন (২০০৫) দেখুনঃ ক্লেইন, জেইগার্ট, নাইট ও জিয়াও (২০০৬) দেখেন যে প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা উন্নত করার সময় একজন নেতা পাঁচটি মূল স্বাভাবিক ক্রিয়া সম্পাদন করে। এই ক্রিয়াগুলির অন্তর্গত হল: পরিবেশগত নজরদারি অধস্তনদের কার্যকলাপকে বিন্যস্ত করা অধস্তনদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দান অন্যদের উদ্বুদ্ধ করা দলের কাজে সক্রিয়ভাবে হস্তক্ষেপ করা নেতৃত্বের বিভিন্ন আচরণ এই স্বাভাবিক ক্রিয়াগুলিকে সহজতর করে দেয় বলে মনে করা হয়। নেতার আচরণগুলিকে চিহ্নিত করার বিষয়ে তার প্রথমদিককার গবেষণায় ফ্লেইশম্যান দেখেন যে অধস্তনেরা তাদের কার্যাধীপের আচরণকে মোটামুটিভাবে দুটি বড় শ্রেণীতে ফেলেন। এই শ্রেণীদুটি হল বিবেচনা ও পরিকাঠামো গঠনের উদ্যোগ। কার্যকরী সুসম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টি বিবেচনার অন্তর্গত। অধস্তনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ অথবা অন্যান্যদের প্রতি সমর্থনসূচক ব্যবহার এই আচরণের অন্তর্গত। পরিকাঠামো গঠনের উদ্যোগের অন্তর্গত হল নেতার কাজ, যা কাজ শেষ করার প্রতিই বিশেষভাবে নিবদ্ধ। ভূমিকা স্পষ্ট করা, কার্য সম্পাদনের মান নির্ণয়, এবং এই মান আয়ত্ত করার ক্ষেত্রে অধস্তনদের দায়বদ্ধ রাখা তার অন্তর্গত হতে পারে। সম্পাদনামূলক ও স্বাভাবিক ক্রিয়াগত তত্ত্ব এরিক বার্নেদ্য স্ট্রাকচার অ্যান্ড ডায়নামিক্স অফ অরগ্যানাইসেশন অ্যান্ড গ্রুপস (সংস্থা এবং গোষ্ঠিগুলির গঠন ও গতিশীলতা, এরিক বার্ন, । প্রথম সম্পাদনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে একটি দল ও তার নেতার সম্পর্ক বিশ্লেষিত করেছিলেন। বিশেষ কোনও কাজ সম্পাদন এবং দলের কাজের জন্য তাকে পুরস্কার বা শাস্তি দানের ক্ষমতা সম্পাদনামূলক নেতার (বার্নস, ১৯৭৮) হাতে থাকে। তা ব্যবস্থাপককে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেয় এবং দলও অন্য কোনও কিছুর বিনিময়ে একটি পূর্ব-নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য তার নেতৃত্ব অনুসরণ করতে সম্মত হয়। উৎপাদনশীলতা সন্তুষ্টির পর্যায়ে না পৌঁছলে নেতাকে অধস্তনদের মূল্যায়ন করা, সংশোধন করা ও প্রশিক্ষণ দানের ক্ষমতা দেওয়া হয় এবং আশানুরূপ ফলাফলে পৌঁছনো গেলে তখন সেই কার্যকারিতাকে পুরস্কার প্রদানের ক্ষমতাও নেতাকে দেওয়া হয়। সম্পাদনামূলক নেতা (বার্নস, ১৯৭৮) তার দলকে কার্যকরী ও দক্ষ হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য যোগাযোগই সেরা মাধ্যম, তা দলকে শেষ ঈপ্সিত ফলাফল বা লক্ষ্য প্রাপ্তির বিষয়ে মন নিবদ্ধ করতে সাহায্য করে। এই নেতা অত্যন্ত বেশি মাত্রায় দৃষ্টিগোচর এবং কাজ শেষ করার জন্য তিনি একটি নির্দেশ-শৃঙ্খল ব্যবহার করেন। সম্পাদনামূলক নেতা বৃহত্তর ছবির প্রতি মন নিবদ্ধ করেন, এবং তাকে ঘিরে থাকেন একদল মানুষ যাঁরা বাকি খুঁটিনাটির দায়িত্ব নেন। নেতা সর্বদাই নতুন নতুন চিন্তার খোঁজে থাকেন যা প্রতিষ্ঠানকে সংস্থার কল্পিত পথে অগ্রসর হতে সাহায্য করে। নেতৃত্ব এবং আবেগ নেতৃত্বকে একটি বিশেষভাবে আবেগবহুল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়। এখানে সামাজিক প্রভাব বিস্তারের প্রক্রিয়ার সঙ্গেই জড়িয়ে থাকে আবেগ।জর্জ জে. এম. ২০০০। ইমোশনস অ্যান্ড লিডারশিপ: দ্য রোল অফ ইমোশনাল ইন্টালিজেন্স, হিউম্যান রিলেশনস ৫৩ (ভাবাবেগ এবং নেতৃত্ব: ভাবপ্রবনতামূলক বুদ্ধীমত্যা, মানব সম্পর্ক (৫৩) (২০০০), পিপি। ১০২৭–১০৫৫। একটি প্রতিষ্ঠানে নেতার মেজাজের কিছু প্রভাব তার দলের উপর পড়ে। এই প্রভাব্গুলিকে তিনটি স্তরে ভাগ করা যেতে পারে।বোনো জে.ই. ২০০৬ ক্যারিশমা, পসিটিভ ইমোশনস অ্যান্ড মুড কনটেজিঅন (ক্যারিশমা বা অন্যান্যসাধারণ প্রতিভা, ধনাত্মক ভাবাবেগ এবং মালসিক অবস্থার সংক্রমণ)। দ্য লিডারশিপ কোয়াটার্লি ১৭ (৪): পিপি. ৩১৭-৩৩৪। দলের প্রতিটি সদস্যের মেজাজ। যে দলের নেতার মেজাজ ইতিবাচক সেই দলের সদস্যরা, যে দলের নেতার মেজাজ নেতিবাচক সেই দলের সদস্যদের তুলনায়, বেশি ইতিবাচক মেজাজে থাকেন।নেতারা আবেগ সঞ্চারণ কৌশলের মাধ্যমে তাদের মেজাজ দলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে চারিয়ে দেন। মনস্তাত্ত্বিক যে সব কৌশলের মাধ্যমে সহজাত দক্ষতা সম্পন্ন নেতারা অনুগামীদের প্রভাবিত করেন, আবেগ সঞ্চারণ তার অন্যতম। দলের আবেগপূর্ণ মনোভাব দলের মধ্যে ধারাবাহিক বা সমপ্রকৃতি যুক্ত আবেগের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে ফুটিয়ে তোলে দলের আবেগপূর্ণ মনোভাব। দলের আবেগপূর্ণ মনোভাব হল দলের প্রতিটি সদস্যের ব্যক্তিগত মেজাজ্রে গড় এবং তা দলীয় স্তরের বিশ্লেষণে প্রাপ্ত মেজাজকে বোঝায়। যে দলের নেতার মেজাজ ইতিবাচক সেই দলের আবেগপূর্ণ মনোভাব, যে দলের নেতার মেজাজ নেতিবাচক সেই দলের তুলনায় অনেক বেশি ইতিবাচক হয়। সমন্বয়, প্রচেষ্টার বিস্তার এবং কাজের কৌশলের ক্ষেত্রে দলের প্রক্রিয়া। সর্বসমক্ষে মেজাজের বহিঃপ্রকাশ দলের সদস্যদের চিন্তা ও কাজ করার ধরনের উপর প্রভাব ফেলে। যখন মানুষ একটি বিশেষ মেজাজের মধ্যে দিয়া যায় ও তা প্রকাশ করে, তখন তারা অন্যান্যদের একটি সংকেত পাঠায়। নেতারা তাদের মেজাজের বহিঃপ্রকাশের মাধ্যমে তাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং মনোভাবের সংকেত দেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, নেতাদের ইতিবাচক মেজাজের বহিঃপ্রকাশ এই সংকেত পাঠায় যে নেতারা লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতিকে ভাল বলে মনে করছেন।দলের সদস্যের এই সব সংকেতের প্রতি জ্ঞানাত্মক ও আচরণগতভাবে সাড়া দেন যা দলের প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রতিবিম্বিত হয়। মক্কেল পরিষেবা সংক্রান্ত গবেষণায় দেখা গিয়েছে নেতার ইতিবাচক মেজাজের বহিঃপ্রকাশ দলের কার্য সম্পাদনার মান উন্নত করে। তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে অন্যান্য তথ্য পাওয়া গিয়েছে।জর্জ জে. এম. ২০০৬। লিডার পসিটিভ মুড অ্যান্ড গ্রূপ পারফরমেন্স: দ্য কেস অফ কাস্টোমার সার্ভিস (নেতা ধনাত্মক মানসিক স্থিতি এবং গোষ্টিগত কার্যকারীতী: ক্রেতা পরিষেবা বিষয়। জার্নাল অফ অ্যাপ্লায়েড সোশ্যাল সাইকোলজি (ফলিত সামাজিক মনোবিজ্ঞানের সাময়িক পত্রিকা): ২৫(৯) পিপি. ৭৭৮ - ৭৯৪। নেতার মেজাজ বাদে তার আচরণও কর্মস্থলে কর্মীদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক আবেগের উৎস। নেতা কিছু পরিস্থিতি ও ঘটনার জন্ম দেন যার ফলে আবেগপূর্ণ সাড়া পাওয়া যায়। কর্মীদের সঙ্গে পারস্পরিক ক্রিয়ার সময় নেতাদের কিছু কিছু আচরণ এই সব আবেগপূর্ণ ঘটনার উৎস। কর্মস্থলে আবেগপূর্ণ ঘটনাগুলিকে রূপদান করেন নেতারা। উদাহরণ- কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ে তথ্য প্রদান, কাজ বণ্টন, সম্পদের বিতরণ। যে হেতু কর্মীদের আচরণ ও উৎপাদনশীলতা তাদের মানসিক আবেগ দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হয়, তাই প্রতিষ্ঠানের নেতাদের প্রতি কর্মীদের আবেগবহুল প্রতিক্রিয়াগুলিকে বিবেচনা করা একান্ত প্রয়োজনীয়।ড্যাশবারো এম.টি. ২০০৬। কগনিটিভ অ্যাসিমেট্রি ইন এমপ্লয়ি ইমোশনাল রিয়্যাকশনস টু লিডারশিপ বিহেভিয়ার (নেতৃত্বে ব্যবহারের প্রতি কর্মচারীদের ভাবাবেগ প্রসূত প্রতিকৃয়ায় জ্ঞানতত্ত্বমূলক অসামঞ্জস্য)। দ্য লিডারশিপ কোয়াটার্লি ১৭(২): পিপি। ১৬৩-১৭৮ আবেগপূর্ণ বুদ্ধিমত্তা, অধিগম্যতার ক্ষমতা এবং নিজের ও অন্যান্যদের মেজাজ ও আবেগকে পরিচালনা করা প্রতিষ্ঠানে কার্যকরী নেতৃত্বের প্রতি অবদান রাখে। নেতৃত্বের অর্থ দায়িত্বশীলতা। পরিবেশগত নেতৃত্ব তত্ত্ব পরিবেশগত নেতৃত্ব মডেল (কারমাজি) নেতৃত্বকে একটি দলীয় গতিবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করে। যে "পরিবেশ" দলের কার্যকলাপ থেকে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত আবেগের পরিতৃপ্তির ভিত্তিতে নিজেকে নিজেই টিকিয়ে রাখতে সক্ষম এমন দলীয় নেতৃত্বকে তুলে ধরে, সেই পরিবেশকে লালন করার জন্য দলীয় মনস্তত্ত্ব ও স্ব-সচেতনতাকে সংঘবদ্ধ করে এই মডেল। পরিবেশগত নেতা এমন একটি মনস্তাত্ত্বিক কাঠামো গঠন করেন যার সাহায্যে কর্মীরা কাজ অথবা সক্রিয়তার মাধ্যমে এই পরিতৃপ্তিকে খুঁজে নিতে ও অর্জন করতে পারেন। এই বিষয়টি উদ্ভূত হয়েছে একটি ধারণা থেকে। ধারণাটি হল, প্রত্যেক ব্যক্তিমানুষের বিভিন্ন পরিবেশ রয়েছে যা তাদের আত্ম-পরিচয়ের বিভিন্ন দিক বের করে আনে, এবং প্রতিটি পরিবেশের আবেগ সঞ্চারিত দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা এই প্রতিটি দিক চালিত হয়। পরিবেশগত নেতা শিক্ষা ও সচেতনতার মাধ্যমে একটি মঞ্চ তৈরি করে দেন যেখানে ব্যক্তিমানুষ পরস্পরের আবেগজাত চাহিদা পূরণ করেন এবং কখন ও কীভাবে তারা ব্যক্তিগত ও দলের আবেগের পরিতৃপ্তিতে প্রভাব ফেলেন, সে বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হয়ে যান। মানুষ কেন বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ না করে নিজেদের পরিবেশের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখান, তা জানার মাধ্যমে এই ধারণাটি আয়ত্ত করা যায়। "পরিবেশগত নেতৃত্ব শুধু দল বা ব্যক্তির মনোভাব বদল করার মধ্যেই সীমিত নয়। পরিবেশগত নেতৃত্ব ওই দলের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনতে পারে এবং দলের প্রতিটি সদস্যকে অনুপ্রাণিত করে এমন পরিবেশের উন্নতি সাধন করে। এটি শুধু মানুষকে এমন কোনও কিছু, যার প্রতি তারা দায়বদ্ধ নয়, তা করার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা নয়,বরং এমন একটি সংস্কারকে লালন করা যা ব্যক্তিমানুষকে সবার মঙ্গলের জন্য প্রয়োজন, এমন কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, উদ্দীপ্তও করে। এটি শুধু অন্যদের লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং তাঁদের মধ্যে নানা গুণাবলি বিকাশের পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া যাতে তাঁরা পরস্পরকে লক্ষ্যের দিকে বহন করতে পারেন।" কারমাজি পরিবেশগত নেতার কাজ হল দলের মধ্যে প্রচণ্ড আবেগসঞ্চার করা, দলকে একটি নির্দিষ্ট অভিমুখ দেওয়া এবং তাতে গতি আনা। এই নেতা দলের মধ্যে একটি মনস্তাত্ত্বিক অবলম্বন তন্ত্র গড়ে দেন যা ওই দলের আবেগজাত ও বিকাশগত চাহিদা পূরণ করে। নেতৃত্বের শৈলী নেতৃত্বের শৈলী বলতে নেতার আচরণকে বোঝায়। এটি নেতার দর্শন, ব্যক্তিত্ব ও অভিজ্ঞতার ফসল। কার্ট লেউইনের নেতৃত্ব শৈলী কার্ট লেউইন ও তার সহকর্মীরা নেতৃত্বের বিভিন্ন শৈলীকে চিহ্নিত করেছেন: একনায়ক স্বৈরাচারী অংশগ্রহণকারী অবাধ-স্বাধীনতা প্রদানকারী স্বৈরাচারী নেতা স্বৈরাচারী নেতৃত্ব শৈলী অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্ত ক্ষমতা নেতার হাতেই কেন্দ্রীভূত থাকে, এই নেতারাও একনায়ক। তারা অধস্তনদের কোনওরকম পরামর্শ বা উদ্যোগকে প্রশ্রয় দেন না। ব্যবস্থাপককে প্রবলভাবে উদ্বুদ্ধ করতে পারে বলে স্বৈরাচারী ব্যবস্থা সফল হয়েছে। যে হেতু একজন ব্যক্তিই সমগ্র দলের হয়ে সিদ্ধান্ত নেন এবং যতক্ষণ না তারা সে সিদ্ধান্ত দলকে জানানোর প্রয়োজনীয়তা বোধ করছেন ততক্ষণ তা নিজেদের মধ্যেই রাখেন, তাই এ ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়। স্বৈরাচারী নেতা কাউকে বিশ্বাস করেন না। অংশগ্রহণকারী বা গণতান্ত্রিক নেতা গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব শৈলীতে দলের সিদ্ধান্ত-গ্রহণকেই পছন্দ করা হয়, অর্থাৎ এই নেতা দলের সঙ্গে প্রথমে আলোচনা করে তার পর নির্দেশ দেন। তিনি দলের সহযোগিতা লাভ করতে পারেন এবং দলকে কার্যকরী ও ইতিবাচকভাবে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। গণতান্ত্রিক নেতার সিদ্ধান্ত স্বৈরাচারী নেতার মতো একপেশে নয়, কারণ দলের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছনো হয়। অবাধ-স্বাধীনতা বা মুক্ত বিচরণপন্থী নেতা মুক্ত বিচরণপন্থী নেতা নেতৃত্ব দেন না, বরং দলকে সম্পূর্ণভাবে তার নিজের মতো চলতে দেন; এই ধরনের নেতা তার অধস্তনদের সর্বাধিক স্বাধীনতা দেন। অধস্তনদের তাদের নিজস্ব নীতি ও কৌশল স্থির করার ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। মুক্ত বিচরণপন্থী নেতৃত্ব শৈলীকে স্বৈরাচারী শৈলীর চেয়ে ভাল বলে মনে করা হয়। কিন্তু এটি গণতান্ত্রিক শৈলীর মতো কার্যকরী নয়। নেতৃত্বের কার্যসম্পাদন অতীতে কিছু গবেষক যুক্তি দিয়েছেন যে নেতাদের সম্পর্কে পক্ষপাতদুষ্ট গুণাগুণ আরোপের ফলস্বরূপ প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ক্ষেত্রে নেতাদের প্রকৃত প্রভাবকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং কল্পনামদির করে তোলা হয়েছে (মেইনডল ও এরলিক, ১৯৮৭)। তবে এই বক্তব্যগুলি থাকা সত্ত্বেও এই বিষয়টি নিয়ে অনুশীলনকারী ও গবেষকেরা নেতৃত্বের গুরুত্বকে স্বীকার করেন ও মেনে নেন, এবং গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলের ক্ষেত্রে নেতৃত্বের যে অবদান আছে, গবেষণাও সে কথা সমর্থন করে (দে ও লর্ড, ১৯৮৮; কেইসার, হোগান ও ক্রেগ, ২০০৮)। সফল কার্য সম্পাদনের সুবিধার্থে নেতৃত্ব সম্পাদনকে বোঝা এবং সঠিকভাবে পরিমাপ করা গুরুত্বপূর্ণ। কার্য সম্পাদন বলতে বোঝায় এমন আচরণ যা প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যের ক্ষেত্রে অবদান রাখে (ক্যাম্পবেল, ১৯৯০)। ক্যাম্পবেল কার্য সম্পাদনার বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট মাত্রাকে চিহ্নিত করেছেন; তাদের মধ্যে একটি হল নেতৃত্ব। নেতৃত্বের কার্য-সম্পাদনার কোনও ধারাবাহিক, সামগ্রিক সংজ্ঞা নেই (য়ুকল, ২০০৬)। নেতৃত্ব সম্পাদনার বড় ছাতার নিচে অনেক স্বতন্ত্র ধারণা পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। নেতার কার্যকারিতা, নেতার অগ্রগতি এবং নেতার উত্থান তার অন্তর্গত (কেইসার ও অন্যান্য, ২০০৮)। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ব্যক্তি নেতার পেশাগত ক্ষেত্রে সাফল্য, দল বা প্রতিষ্ঠানের কার্য সম্পাদনা, এমনকী, নেতার উত্থানকে বোঝাতে নেতৃত্ব সম্পাদনাকে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই মাত্রাগুলির প্রতিটি ধারণার দিক থেকে স্বতন্ত্র। এই দিকগুলি পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হলেও ফলাফল হিসেবে এরা প্রত্যেকেই ভিন্ন এবং প্রযুক্ত/গবেষণার দৃষ্টিভঙ্গির উপর তাদের অন্তর্ভুক্তি নির্ভর করবে। নেতৃত্বের অনুষঙ্গ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব যে প্রতিষ্ঠানটি সংজ্ঞায়িত লক্ষ্য আয়ত্ত করার হাতিয়ার বা উপায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত তাকে প্রথাগত প্রতিষ্ঠান বলা হয়। লক্ষ্যের কীভাবে উপবিভাজন হয় এবং প্রতিষ্ঠানের উপশাখাগুলিতে তা কীভাবে প্রতিফলিত হয়, প্রথাগত প্রতিষ্ঠানের নকশা তা নির্দিষ্ট করে। বিভাজন, বিভাগ, অংশ, অবস্থান, চাকরি, কাজ, এ সব কিছু মিলে তৈরি হয় এই কাজের কাঠামো। তাই মক্কেল বা তার সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রথাগত প্রতিষ্ঠান নৈর্ব্যক্তিক আচরণ করবে বলে আশা করা হয়। ওয়েবারের সংজ্ঞা অনুযায়ী মেধা ও প্রবীণত্বের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ ও পরবর্তী অগ্রগতি হবে। প্রত্যেক কর্মী বেতন পাবেন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার সুবিধা পাবেন যা তাকে উপরওয়ালা অথবা ক্ষমতাবান মক্কেলের স্বেচ্ছাচারী প্রভাবের হাত থেকে রক্ষা করবে। পদমর্যাদার এই শ্রেণীক্রমে তার অবস্থান যত উঁচুতে হবে, ধরে নেওয়া হবে যে প্রতিষ্ঠানের নিচু স্তরে কাজ করার সময় উত্থিত সমস্যাগুলি বিচার করে সমাধান করার ক্ষেত্রে তার দক্ষতাও তত বেশি হবে। আমলাতান্ত্রিক এই কাঠামোই প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক উপবিভাজনগুলিতে প্রধান নিযুক্ত করার ভিত্তি তৈরি করে এবং তাদের পদের সঙ্গে যুক্ত কর্তৃত্ব তাদের প্রদান করে। প্রথাবহির্ভূত প্রতিষ্ঠানের নেতার অবস্থান প্রশাসনিক কর্মক্ষেত্রের নিযুক্ত প্রধানের ঠিক বিপরীতে। এখানে প্রথাবহির্ভূত প্রতিষ্ঠানের অনুষঙ্গের মধ্যে থেকেই উঠে আসেন নেতা এবং তা প্রথাগত কাঠামোর ঠিক নিচেই থাকে। প্রথাবহির্ভূত প্রতিষ্ঠান স্বতন্ত্র সদস্যতার ব্যক্তিগত অভীষ্ট ও লক্ষ্যকে প্রকাশ করে। তাদের অভীষ্ট ও লক্ষ্য প্রথাগত প্রতিষ্ঠানের অভীষ্ট ও লক্ষ্যের সঙ্গে মিলতে পারে, অথবা না-ও পারে। প্রথাবহির্ভূত প্রতিষ্ঠান সামাজিক কাঠামোরই একটি সংযোজিত অংশকে উপস্থাপিত করে যা সাধারণভাবে মানুষের জীবনকে বৈশিষ্ট্য প্রদান করে- লক্ষ্য হিসেবে দল ও প্রতিষ্ঠানের স্বতঃস্ফূর্ত উত্থান তার অন্তর্গত। প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানুষ তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, ভরণপোষণ, সুরক্ষা এবং উদ্বর্তন নিয়ে ব্যস্ত থাকত। এখন মানুষ তার জেগে থাকার সময়ের একটা বড় অংশ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে কাটায়। কিন্তু তাকে নিরাপত্তা, সুরক্ষা, ভরণপোষণ এবং অধিকারবোধ প্রদান করবে, এমন একটি সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করার চাহিদা তার মধ্যে আজও রয়েছে, যা প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে এখনও অপরিবর্তিত। প্রথাবহির্ভূত প্রতিষ্ঠানগুলি এবং তার উদীয়মান, বা অনুমোদনহীন, নেতা এই চাহিদা পূরণ করেন। প্রথাবহির্ভূত প্রতিষ্ঠানের কাঠামোর মধ্যে থেকেই নেতার উত্থান হয়। তাদের ব্যক্তিগত গুণ, পরিস্থিতির চাহিদা, অথবা এই দুইয়ের যোগফল এবং অন্যান্য বিষয় অনুগামীদের আকৃষ্ট করে যাঁরা একটি অথবা অনেকগুলি আস্তরণ বিশিষ্ট কাঠামোর মধ্যে তাদের নেতৃত্ব মেনে নেন। নিযুক্ত প্রধানের মতো কর্তৃত্ব দখল করে থাকার বদলে উদীয়মান নেতা তার প্রভাব ও ক্ষমতাকে কাজে লাগান। প্রত্যয় উৎপাদন বা পুরস্কারের উপর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অন্যদের কাছ থেকে সহযোগিতা লাভের জন্য প্রভাব বিস্তারই হল একজন মানুষের ক্ষমতা। প্রভাবের একটি অধিক শক্তিশালী রূপ হল প্রতাপ, কারণ তা শাস্তিদান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে একজন মানুষের কাজ করিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাকে প্রতিফলিত করে। নেতা হলেন একজন মানুষ যিনি একদল মানুষকে একটি নির্দিষ্ট ফলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রভাবিত করেন। এই বিষয়টি কোনও খেতাব বা প্রথাগত কর্তৃত্বের উপর নির্ভরশীল নয়। (এলেভস, নেতার ভাষান্তর, বেনিস, এবং লিডারশিপ প্রেজেন্স, হলপার্ন ও লুবার)। অন্যদের যত্ন নেওয়ার ব্যাপারে তাদের ক্ষমতা, স্পষ্ট যোগাযোগস্থাপন এবং লেগে থাকার ব্যাপারে তাদের দায়বদ্ধতা, এই ক্ষমতাগুলির দ্বারা একজন নেতাকে চিহ্নিত করা হয়।হয়েল, জন আর। লি়ডারশিপ অ্যান্ড ফিউচারিং : মেকিং ভিশন হ্যাপেন (নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যতায়ন:কল্পনাচিত্রে বাস্তব রূপান্তর। থাউসেন্ড ওকস, সিও: ক্রোইন প্রেস, ইনকর্পোরেটেড।, ১৯৯৫। যে ব্যক্তি ব্যবস্থাপকের পদে নিযুক্ত হয়েছেন, তার নিজের পদমর্যাদা ও কর্তৃত্বের বলে আদেশ দান এবং আনুগত্য আদায়ের অধিকার আছে। তবে নিজের কর্তৃত্বের সঙ্গে মানানসই ব্যক্তিগত গুণাগুণ তার থাকতেই হবে, কারণ এই কর্তৃত্ব তার হাতে শুধুমাত্র প্রচ্ছন্নভাবে রয়েছে। পর্যাপ্ত ব্যক্তিগত পারদর্শিতার অনুপস্থিতিতে একজন ব্যবস্থাপকের সঙ্গে একজন উদীয়মান নেতা সংঘর্ষে লিপ্ত হতে পারেন। এই নেতা প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন এবং তাকে একজন নামমাত্র নেতায় পরিণত করতে পারেন। তবে শুধু পদমর্যাদাগত কর্তৃত্বেরই প্রথাগত অনুমোদন আছে। এ থেকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় যে, ব্যক্তিগত প্রভাব ও ক্ষমতা কাজে লাগান যে ব্যক্তি, তিনি কর্মক্ষেত্রের শ্রেণিবিন্যাসে একটি প্রথাগত পদ এবং তার সমানুপাতে কর্তৃত্ব দখল করেই একমাত্র সেই ক্ষমতাকে বিধিসম্মত করতে পারেন। নেতৃত্ব হল একজনের এমন ক্ষমতা যাকে অন্যেরা স্বেচ্ছায় মেনে চলে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি স্তরে নেতাদের প্রয়োজন।টপ ১০ লিডারশিপ কোয়ালিটিস (নেতৃত্বের সর্বচ্চ ১০ টি গূণ) - এচ আর ওয়র্লড। নেতৃত্ব বনাম ব্যবস্থাপনা বছরের পর বছর ধরে প্রাতিষ্ঠানিক অনুষঙ্গে "ব্যবস্থাপনা" এবং "নেতৃত্ব" শব্দদুটিকে যুগপত্ সমার্থক হিসেবে এবং স্পষ্টতই পৃথক অর্থে ব্যবহার করা হয়। এই শব্দদুটির ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত কিনা তা নিয়ে বিতর্ক খুব স্বাভাবিক, এবং বার্নস (১৯৭৮) যে পার্থক্য করেছিলেন তার প্রতি একটি সচেতনতাকে প্রতিফলিত করে। বার্নস "সম্পাদনামূলক" নেতৃত্ব (পদ্ধতির উপর জোরদান, সম্ভাব্য পুরস্কার, ব্যতিক্রমের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার দ্বারা একে বৈশিষ্ট্যদান করা হয়) এবং "রূপান্তরমূলক" নেতৃত্বের (সহজাত দক্ষতা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সৃজনশীলতার দ্বারা একে বৈশিষ্ট্যদান করা হয়) মধ্যে পার্থক্য করেছিলেন। "ব্যবস্থাপনা" ও "নেতৃত্ব" বিশেষ্যদুটির সঙ্গে এই বিশেষণদুটি সমান ভালভাবে ব্যবহার করা যায়। এর ফলে বোঝা যায় যে শিক্ষাগত চর্চার ক্ষেত্রে এই দুটি বিষয় একসঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে-পাকিয়ে রয়েছে যে তাদের পার্থক্য নিয়ে গুরুগম্ভীর কথা বলার চেষ্টা করাটা নেহাতই সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছু নয়। দলগত নেতৃত্ব ব্যক্তি নেতৃত্বের বিপরীতে কিছু প্রতিষ্ঠান দলগত নেতৃত্বকে গ্রহণ করেছে। এই পরিস্থিতিতে একের বেশি ব্যক্তি দলকে সামগ্রিকভাবে অভিমুখ দেন। কিছু প্রতিষ্ঠান সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, ব্যয়সংকোচ বা কর্মী ছাঁটাইয়ের আশায় এই পথ বেছে নিয়েছে। একজন মনিবের সনাতনী নেতৃত্ব দলের কার্য সম্পাদনায় অনেক বেশি প্রভাব ফেলতে পারে বলেও অনেকে মনে করেন। কিছু ক্ষেত্রে এই মনিবকে প্রতিপালন করা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। তা দুভাবে হতে পারে- হয় সামগ্রিকভাবে দলের সম্পদ নিঃশেষিত হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে, অথবা অনিচ্ছাকৃতভাবে হলেও,দলের মধ্যে সৃজনশীলতায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার মাধ্যমে। দলগত নেতৃত্বের একটি সাধারণ উদাহরণের অন্তর্গত হল পরস্পরের সঙ্গে ক্রিয়ারত দল। বিভিন্ন দক্ষতা সম্পন্ন এবং প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অংশ থেকে একদল মানুষ একটি প্রকল্পে নেতৃত্ব দেওয়ার কাজে একজোট হন। এই দলের কাঠামোয় প্রতিটি বিষয়ে সমানভাবে ক্ষমতা ভাগ করে নেওয়া যায় কিন্তু এ ক্ষেত্রে সাধারণত আবর্তিত নেতৃত্বকেই কাজে লাগানো হয়। দলের যে সদস্য প্রকল্পের যে কোনও স্তর সব চেয়ে ভালভাবে পরিচালনা করতে পারেন, তিনি (তারা) সাময়িকভাবে নেতা হন। এ ছাড়াও যে হেতু দলের প্রত্যেক সদস্যের কাছে উন্নীত স্তরের ক্ষমতার স্বাদ উপভোগ করার সুযোগ থাকে, তাই তা কর্মীদের মধ্যে উদ্যম সঞ্চারিত করে এবং সাফল্যের চক্রটিকে টিকিয়ে রাখে। যে সব নেতার মধ্যে অধ্যবসায়, লেগে থাকার ক্ষমতা এবং সহযোগমূলক যোগাযোগ দক্ষতা রয়েছে, তারা ওই গুণগুলি দলের মধ্যে সঞ্চারিত করেন। একজন ভাল নেতা দল ও প্রতিষ্ঠানকে উদ্দীপিত করার জন্য তাদের ভিতরের উপদেষ্টাকে কাজে লাগান। ন্যাশনাল স্কুল বোর্ডস এসোসিয়েশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)-এর মতে,ন্যাশনাল স্কুল বোর্ডস অ্যাসেশিয়েশন (জাতীয় বিদ্যালয় পরিষদ সঙ্ঘ)। এই দলগত নেতৃত্ব বা নেতৃত্বমূলক দলের কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য থাকে। দলের বৈশিষ্ট্য দলের সব সদস্য একতার ব্যাপারে সচেতন থাকবেন। আন্তঃব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকতেই হবে। সদস্যদের নিজেদের অবদান রাখা, অন্যের কাছ থেকে সেখা এবং অন্যদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ থাকা অবশ্য প্রয়োজন। একটি সাধারণ লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য অদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার ক্ষমতা থাকতেই হবে। উন্নত ক্রিয়াশীল দলের দশটি বৈশিষ্ট্য: অভিপ্রায়: দলের অস্তিত্ব কেন আছে, সে বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে একটি গর্ববোধ থাকে এবং তারা দলের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে পৌঁছনোর ব্যাপারে নিবেদিত। অগ্রাধিকার: এর পর কী করতে হবে, তা কে করবেন, এবং কোন সময়ের মধ্যে দলের লক্ষ্যে উপনীত হতে হবে তা সদস্যেরা জানেন। ভূমিকা: কাজ নিষ্পন্ন করার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা কী, সদস্যের তা জানেন, এবং কখন আরও দক্ষ একজন সদস্যকে একটি বিশেষ কাজ করার সুযোগ দিতে হবে, সে সম্পর্কেও তারা অবগত। সিদ্ধান্ত: কর্তৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত-গ্রহণের সীমা সম্পর্কে স্পষ্ট বোধ। বিরোধ: সমস্ত বিরোধের মোকাবিলা খোলাখুলিভাবে করা হয়, এবং সিদ্ধান্ত-গ্রহণ ও ব্যক্তিগত বিকাশের ক্ষেত্রে তাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য: সদস্যের মনে করেন তাদের অভিনব ব্যক্তিত্বকে প্রশংসা করা হয় এবং তার সদ্ব্যবহার করা হয়। বিধি: একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে দলীয় বিধি স্থির করা হয় এবং দলের প্রত্যেকের জন্য তা মান হিসেবে দেখা হয়। কার্যকারিতা: সদস্যের দলীয় বৈঠককে দক্ষ ও উৎপাদনশীল বলে মনে করেন এবং একত্রিত হওয়ার এই সময়টুকুর জন্য প্রতিক্ষা করেন। সাফল্য: দল কখন সফল হয়েছে, তা সদস্যের স্পষ্টভাবে জানেন এবং তা সবার সঙ্গে সমানভাবে ও গর্বের সঙ্গে ভাগ করে নেন। প্রশিক্ষণ: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য প্রদানের সুবিধা এবং দক্ষতা বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং দলের সদস্যেরা সেই সুবিধা নেন। বনমানুষদের মধ্যে নেতৃত্ব রিচার্ড রাংহ্যাম এবং ডেল পিটারসন বলেন, সাম্প্রতিক প্রমাণ অনুযায়ী পৃথিবীর সমস্ত প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে শুধু মানুষ ও শিম্পাঞ্জি সমতুল ধরনের আচরণ দেখায়। হিংসা, অন্যের জমি দখল, এবং এলাকার একমাত্র পুরুষ প্রধানের অধীনে সংঘবদ্ধ হওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা এর অন্তর্গত।রিচার্ড রানঘাম অ্যান্ড ডেল পিটারসন(১৯৯৬)। ডেমনিক মেলস (দৈত্যাকৃতি পুরুষ)। এপস অ্যান্ড দ্য অরিজিন দি হিউম্যান ভায়োলেন্স (বন মানুষ এবং মনুষ্যকৃত হিংসার সূত্রসমূহ। মেরিনার বুক্স (মেরিনার পুস্তকসমূহ)। এই অবস্থান নিয়ে বাদানুবাদ আছে। বানর ছাড়াও অন্যান্য অনেক প্রাণী অন্যের জমি দখল করতে চায়, প্রতিযোগিতা করে, হিংসা করে এবং একজন কর্তৃত্বপূর্ণ পুরুষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সামাজিক কাঠামোয় থাকে (সিংহ, নেকড়ে ইত্যাদি), যা ইঙ্গিত দেয় রাংহ্যাম ও পিটারসেনের দেওয়া প্রমাণ অভিজ্ঞতালব্ধ নয়। তবে হাতি (এদের সমাজ নিঃসন্দেহে মাতৃতান্ত্রিক এবং এরা একজন শক্তিশালী নারীর অনুগামী), মিরকাট (এরাও একইরকম মাতৃতান্ত্রিক) সহ অন্যান্য অনেক প্রজাতির প্রাণীদেরও পরীক্ষা করে দেখা আমাদের প্রয়োজন। গত কয়েক লক্ষ বছরের (খ্রিস্টধর্মের সৃষ্টির পর) নেতৃত্বের ইতিহাস পরীক্ষা করে দেখা ভাল। পরীক্ষা করলে দেখা যাবে যে নেতৃত্বের অধিকাংশ বিবরণই দেওয়া হয়েছে একটি পিতৃতান্ত্রিক সমাজের দৃষ্টিকোণ থেকে, যা গড়ে উঠেছে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী সাহিত্যের ভিত্তিতে। এই সময়কালেরও আগে পিছিয়ে যাওয়া যায়, তা হলে দেখা যাবে, পৌত্তলিক এবং ভূমিজ উপজাতিদের নেতা ছিলেন নারী। তবে একই সঙ্গে এটিও মনে রাখতে হবে যে একটি উপজাতির নিজস্ব চালচলন অন্য উপজাতির উপর আরোপ করা যাবে না, কারণ আধুনিক যুগেও আমাদের প্রথা ও রীতিনীতির মধ্যে অনেক ফারাক রয়েছে। বর্তমান দিনের পিতৃকুল-পরিচয়ধারী রীতিনীতি মানব ইতিহাসের খুবই সাম্প্রতিক উদ্ভাবন এবং আমাদের মূল পারিবারিক প্রথা মাতৃকুল-পরিচয়ধারীই ছিল (ডক্টর ক্রিস্টোফার শেলি ও বিয়াঙ্কা রুস, ইউবিসি)। বিশ্বের ৯০% দেশে যে মৌলিক ধারণাটি গড়ে উঠেছে তা হল পিতৃতন্ত্র মানুষ অর্থাৎ হোমো স্যাপিয়েন্সের 'স্বাভাবিক' জৈব প্রবণতা। দুর্ভাগ্যবশত এই বিশ্বাসের ফলে এই সবকটি দেশেই ব্যাপক হারে এবং বিভিন্ন মাত্রায় নারীর উপর নিপীড়ন শুরু হয়েছে। (টমাস লেয়ার্ড, মাইকেল ভিক্টর রচিত হোল আর্থ রিভিউ, উইন্টার, ১৯৯৫)। মায়া উপজাতির পাশাপাশি ইরুকুও প্রথম প্রজাতির উপজাতিও মাতৃকুল-পরিচয়ধারী উপজাতির উদাহরণ। এ ছাড়া ভারতের মেঘালয়ের সমাজও মাতৃকুল-পরিচয়ধারী। (লেয়ার্ড ও ভিক্টর, ১৯৯৫)। তুলনামূলকভাবে মানুষের দ্বিতীয় সব চেয়ে নিকট আত্মীয়-প্রজাতি বনোবো কিন্তু এলাকার প্রধান পুরুষের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয় না। তারা শক্তিশালী বা প্রথম সারির নারীর আনুগত্য স্বীকার করে, অন্যান্য নারীর সঙ্গে এই প্রথম সারির নারীর জোট তৈরি হলে তা এলাকার সব চেয়ে শক্তিশালী পুরুষটির সমতুল শক্তিমান হয়ে উঠতে পারে। তাই যদি নেতৃত্ব বলতে সব চেয়ে বেশি সংখ্যার অনুগামী পাওয়া বোঝায়, তা হলে বনোবোদের মধ্যে প্রায় সব সময় একটি নারীই সব চেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারে। তবে বনোবোদের এই তথাকথিত "শান্তিপূর্ণ" স্বভাব বা "হিপি শিম্পাঞ্জি" হিসেবে তাদের খ্যাতির প্রসঙ্গে সব বিজ্ঞানী একমত নন। নেতৃত্ব প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক মতবাদ সংস্কৃত সাহিত্যে দশ রকম নেতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতিহাস ও পুরাণ থেকে উদাহরণ তুলে এনে এই দশ রকম নেতার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অভিজাত চিন্তাবিদেরা বলেছেন মানুষের সম্ভ্রান্ত রক্ত ও জিন বা বংশগৌরবের উপর নেতৃত্ব নির্ভর করে: এই একই ধারণার একটি চরম রূপ প্রকাশ পায় রাজতন্ত্রে যা দৈব অনুমোদনকে আবাহন করার মাধ্যমে সাধারণ অভিজাতদের দাবির বিরুদ্ধে নিজের মত তুলে ধরতে পারে: তা হল রাজার দৈবলব্ধ অধিকার। এর বিপরীতে, গণতান্ত্রিক মতে বিশ্বাসী বহু তাত্ত্বিক নেতাদের যোগ্যতার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, নেপোলিয়নের মতো নেতারা প্রতিভার সাহায্যে নিজেদের পেশা থেকে প্রভূত উন্নতি করেছেন। KSEEB. Sanskrit Text Book -9th Grade. Governament of Karnataka, India প্রকাশিত। স্বৈরাচারী/পিতৃসুলভ চিন্তাধারা অনুযায়ী সনাতনপন্থীরা রোমান সমাজের পরিবারে পিতৃকুলের নেতৃত্ব (প্যাটার ফ্যামিলিয়াস)-এর কথা বলেন। নারীবাদীরা আবার অন্যদিকে পিতৃতান্ত্রিক এই মডেলের বিরোধিতা করতে পারেন এবং তার বিরুদ্ধে আবেগচালিত, প্রতিক্রিয়াশীল, এবং সর্বসম্মত সহানুভূতিশীল পথপ্রদর্শনের কথা বলেন, যা প্রায়শই মাতৃতান্ত্রিকতার সঙ্গে যুক্ত। সন্তানোচিত পিতৃ-মাতৃ সেবার ঐতিহ্য দ্বারা সমর্থিত (পুরুষ) পণ্ডিত-নেতা এবং তার হিতৈষী শাসনের আদর্শের সঙ্গে কনফুসীয় দর্শনে বলা "সঠিক জীবনধারণ" ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। এই বিষয়টি রোমান ঐতিহ্যের সঙ্গেও তুলনীয়। উনিশ শতকে নৈরাজ্যবাদী চিন্তাধারার বিস্তার নেতৃত্বের সমগ্র ধারণাটিকেই প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। (এ প্রসঙ্গে লক্ষ্যণীয় যে অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি ইংরেজিতে "লিডারশিপ" শব্দটির উৎস খুঁজে পেয়েছে মাত্র উনিশ শতকেই।) সমাজের উচ্চবর্গের এই অপলাপের একটি প্রতিক্রিয়া আসে লেনিনপন্থার হাত ধরে। এই পন্থা শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মির একটি উচ্চবর্গীয় দল দাবি করে যা সামাজিক বিপ্লবের অগ্রদূত হিসেবে কাজ করবে এবং সমাজে সর্বহারাদের একনায়কতন্ত্রের অস্তিত্ব সূচিত করবে। নেতৃত্ব সম্পর্কে অন্যান্য ঐতিহাসিক মতবাদ ধর্মনিরপেক্ষ ও ধর্মীয় নেতৃত্বের মধ্যে আপাতভাবে বিদ্যমান বৈপরীত্য নিয়ে আলোচনা করেছে। সিজারো-প্যাপিজম (গণতান্ত্রিক সরকার গির্জার চেয়ে বড়) মতবাদ বারবার ফিরে এসেছে এবং বহু শতক ধরে এই মতবাদের নিন্দাকারীও জুটেছে অনেক। নেতৃত্ব প্রসঙ্গে খ্রিস্টীয় চিন্তাধারা ঈশ্বর-প্রেরিত সম্পদের দায়িত্বভার নেওয়ার উপর জোর দিয়েছে এবং এক ঐশ্বরিক পরিকল্পনা অনুযায়ী তা কাজে লাগানোর কথা বলেছে। মানুষ ও দ্রব্য, দুইই এই সম্পদের অন্তর্গত। এর সঙ্গে তুলনীয় ভৃত্যসুলভ নেতৃত্ব (সার্ভেন্ট লিডারশিপ)। রাজনীতিতে নেতৃত্ব সম্পর্কে একটি সাধারণ মতের জন্য এই ধারণাটিকে রাষ্ট্রপুরুষের ধারণার সঙ্গে তুলনা করা যায়। কার্যমুখী দলীয় নেতৃত্বের দক্ষতা বা কৌশল দলীয় নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এটি এক অভিনব দৃষ্টিভঙ্গি যা কার্যমুখী পরিবেশের প্রতি উদ্দিষ্ট। কর্মক্ষেত্রে নিযুক্ত ছোট ছোট দল যাতে জটিল বা প্রতিক্রিয়াশীল কাজ করতে পারে, তার জন্য কার্যকরী, ক্রিয়াশীল নেতৃত্বের প্রয়োজন হয় এই পরিবেশে। অন্যভাবে বলতে গেলে বড় অথবা জটিল ঘটনাকে আয়ত্ত করার জন্য প্রায়ই ছোট ছোট দলের নেতৃত্ব সৃষ্টি করার প্রয়োজন হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই দলগুলিকে প্রত্যন্ত ও পরিবর্তনশীল পরিবেশে সীমিত সহায়তা বা সমর্থন নিয়েই কাজ করতে বলা হয় (কার্যমুখী পরিবেশ)। ব্যবস্থাপনার প্রথম সারিতে যে ধরনের দক্ষতা থাকার প্রয়োজন হয়, তার চেয়ে এই সব পরিবেশে নেতৃত্বদানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা একেবারে আলাদা। এই নেতাদের অবশ্যই প্রত্যন্তভাবে অথচ কার্যকরীভাবে কাজ করতে হবে, এবং একটি পরিবর্তনশীল পরিবেশের মধ্যে থেকেই ব্যক্তি, দল ও কাজ, সবার চাহিদা পূরণ করতে হবে। একে বলা হয় কার্যমুখী নেতৃত্ব। কার্জমুখ নেতৃত্বের কয়েকটি উদাহরণ নিম্নলিখিতভাবে দেওয়া যায়: গ্রামাঞ্চলে অগ্নি নির্বাপণ, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বাইরে অভিযানে যাওয়ার সময় দলকে নেতৃত্ব দান বা ক্ষতির আশঙ্কাযুক্ত পরিবেশ থেকে কোনও ব্যক্তিকে উদ্ধার করা। খেতাবের মাধ্যমে কর্তৃত্বের উপর জোর দেওয়া বিকাশের বিশেষ বিশেষ স্তরে সামাজিক পদমর্যাদার শ্রেণিবিন্যাসের ফলে সমাজে নেতৃত্বের বিভিন্ন মান ও ক্রমের সৃষ্টি হয়েছে। তাই একজন নাইট একজন ডিউকের তুলনায় কম মানুষকে নেতৃত্ব দিতেন; তত্ত্বগতভাবে একজন ব্যারনেট একজন আর্লের তুলনায় কম পরিমাণ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করতেন। এই শ্রেণিবিন্যাসের সুশৃঙ্খল বিবরণী এবং বিভিন্ন শৃঙ্খলে তার পূর্ববর্তিতার ক্রম জানতে হলে খেতাবযুক্ত ব্যক্তিবর্গের নাম-তালিকা (পিয়ারেজ) দেখতে হবে। অষ্টাদশ ও বিংশ শতকে বহু রাজনৈতিক কর্মী নিজেদের সমাজে ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠার জন্য অপ্রথাগত পথ বেছে নেন। তারা অথবা তাদের শৃঙ্খল প্রায়শই ক্ষমতাশালী ব্যক্তিমানুষের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাজ্ঞাপন করতেন, কিন্তু অস্তিত্বশীল খেতাব ও তকমাগুলি ("মহারাজ", "সম্রাট", "সভাপতি" ইত্যাদি) কিছু পরিস্থিতিতে অসঙ্গত, অপর্যাপ্ত অথবা একেবারে বেঠিক দেখাত। তারা বা তাদের চাটুকারেরা যে সব প্রথাগত বা প্রথাবহির্ভূত খেতাব বা বিবরণী ব্যবহার করতেন, তা অনুপ্রাণিত এবং স্বৈরাচারী গোত্রভুক্ত নেতৃত্বের প্রতি একটি সাধারণ শ্রদ্ধাপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করতো ও এই ধরনের মনোভাবের জন্মও দিত। খেতাবের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট আর্টিকলের (ছোট শব্দ যা বিশেষ্যের আগে বসে তার প্রয়োগকে সীমিত করে দেয়) ব্যবহার (যে সব ভাষায় নির্দিষ্ট আর্টিকল ব্যবহৃত হয়) একজন "প্রকৃত" নেতার অস্তিত্বের উপর জোর দেয়। নেতৃত্বের ধারণাকে ঘিরে সমালোচনামূলক চিন্তাধারা নোয়াম চমস্কিপ্রফিট ওভার পিপল: নিওলিবারেলিসম অ্যান্ড গ্লোবাল অর্ডার (লাভ অপেক্ষা মনুষ্য: নব্য মুক্তিবাদ এবং বিশ্ব নির্দেশ) এন চমস্কি ১৯৯৯ Ch. কনসেন্ট উইদাউট কনসেন্ট, পি. ৫৩ ও অন্যান্যরাদ্য রিলেসনশিপ বিটুইন সার্ভেন্ট লিডারশিপ, ফলোয়ার ট্রাস্ট, টীম কমিটমেমেন্ট অ্যান্ড ইউনিট এফেকটিভনেস (কর্মচারী নেতৃত্ব, অনুবর্তীর আস্থা, দলগত প্রতিশ্রুতি এবং একক কার্যকারীতা-এর মধ্যবর্তী সম্পর্ক) , জানি ড্যানহৌসের, ডক্টরেট উপাধি প্রাপক গবেষণামূলক প্রবন্ধ, স্টেলেনবস বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৭ HIDDEN TEXT This section contains tooltips, titles and other text that are usually hidden in the body of the HTML page। This text should be translated to bring the entire page into your language. HTML ATTRIBUTES শাসন-সংক্রান্ত ব্যবস্থার প্রতিমুর্তির রৈখিক উপস্থাপনা। নেতৃত্বের মূল ধারণাটিকেই সমালোচনা করেছেন এবং সেই প্রক্রিয়াগুলির বিশ্লেষণ করেছেন যখন মানুষ নিজেদের চিন্তাভাবনা করার দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলে শুধু নিজেদের জন্যই কাজ করবে। যাঁরা চান তাদের "কী করতে হবে বলে দেওয়া হোক", সেই সব মানুষের কাছে নেতৃত্বের প্রচলিত ধারণা যথেষ্ট সন্তোষজনক হলেও, প্রশ্ন ওঠা উচিত কেন তারা নিজেদের নয়, বরং অন্যের ইচ্ছা বা বুদ্ধিমত্তার বিষয় হচ্ছেন, যদি না সেই নেতা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারদর্শী (সাবজেক্ট ম্যাটার এক্সপার্ট বা SME) হন। আত্ম-ব্যবস্থাপনা, কর্মীতন্ত্র, সাধারণ নাগরিক গুণ ইত্যাদি ধারণার সঙ্গে পরিচিতি ঘটার ফলে নেতৃত্ব নীতির মৌলিকভাবে গণতন্ত্র-বিরোধী প্রকৃতির বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। এই নতুন ধারণাগুলি কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ অথবা দলের কর্তৃত্বের উপর এবং অন্যত্র সাধারণভাবে যে দক্ষতা ও মনোভাবগুলি মানুষের দরকার তার উপর জোর দেয়। এ ক্ষেত্রে বিশেষ শ্রেণীর ব্যক্তিমানুষের ভিত্তি হিসবে নেতৃত্বকে পৃথক করে দেখা হয় না। একইভাবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিপর্যয়ের কারণ হিসেবেও নেতৃত্ব নীতির উপর ভ্রান্ত আস্থাকে দায়ী করা হয়। নেতৃত্বের প্রকারভেদ ও অন্যন্য তত্ত্ব প্রতিনিধীমূলক নেতৃত্ত্ব প্রশিশ্রণ গোষ্টগত নেতৃত্ত্ব ম্যাক্স ওয়েবারের আদ্ধ্যাতিক কর্তৃত্ব অ্যান্টনিয় গ্র্যামস্কির সাংস্কৃতিক নেতৃত্বের তত্ত্ব নৈতিক নেতৃত্ব ইসলামি নেতৃত্ব ধারণাগত নেতৃত্ব লিডার-মেম্বার এক্সচেঞ্জ থিয়োরি(LMX)(নেতা-সদস্য আদান-প্রাদান তত্ত্ব) নেতৃত্বের চরিত্রের প্রতিরূপ নেতৃত্ব উন্নয়ন শ্রমিক নেতৃত্ব বিষাক্ত নেতৃত্ব যুব নেতৃত্ব সহযোগীতামূলক নেতৃ্ত্ব বৈশিষ্টপূর্ণ নেতৃত্বের তত্ত্ব নেতৃত্বের প্রসঙ্গ আলফা (জীববিদ্যা) বিগ ম্যান বা বৃহত মানুষ (নৃবিদ্যা) চীফটেন বা নেতা নায়ক মন্ত্রী পুরোহিত স্কাউট দলপতি সর্বাধীনায়ক সম্পর্কযুক্ত বা প্রাসঙ্গিক প্রবন্ধসমূহ জন মনস্তত্ত্ব নিকোম্যাসিয়ান নীতি পেশাগত উন্নায়ন তিনটি আদ্ধাত্মীক গূণ নেতৃত্বের শিক্ষালয় বা বিদ্যালয় নেতৃত্ব বিষয়ক পঠন-পাঠন ভুমিকা নির্বাহ পাদটিকা পুস্তক জার্নালের নিবন্ধ রোজনামচা বা পত্রিকার প্রবন্ধসমূহ অগবোনিয়া, কে.এস. (২০০৭ নাইজিরিয়ার রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা ও কার্যকরি নেতৃত্ব: একটি অন্যসাপেক্ষ ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিগমন (ওয়ালডেন বিশ্ববিদ্যালের ডক্টর উপাধি স্তরের তত্ত্ব আলোচনা, ২০০৭)। তত্ত্বআলোচনার সারসংক্ষেপ ৩২৫২৪৬৩ বহিঃসূত্রাবলী আপতকালীন আইন কৌশলগত পরিচালনা পরিচালনা ব্যসায়িক তত্ত্ব সংস্থাগত শিক্ষা ও মানব সম্পদ পরিচালন রাজনৈতিক দর্শন রাস্ট্রবৈজ্ঞানিক সঙ্গা কর্তৃত্বদায়ি পদসমূহ ধণাত্মক মনবিজ্ঞান সামাজিক মনবিজ্ঞান সমাজবিজ্ঞান নেতৃ্ত্ব তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক দর্শন বিষয়শ্রেণী:ব্যবস্থাপনা বিষয়শ্রেণী:সমাজবিজ্ঞান বিষয়শ্রেণী:নেতৃত্ব বিষয়শ্রেণী:কৌশলগত ব্যবস্থাপনা বিষয়শ্রেণী:শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান বিষয়শ্রেণী:রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিভাষা বিষয়শ্রেণী:সামাজিক ধারণা বিষয়শ্রেণী:সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু সম্পর্ক
|
ডাঃ আর লক্ষ্মণন (জন্ম ২৯ নভেম্বর, ১৯৭১; ভিলুপুরম (তামিলনাড়ু) একজন রাজনীতিবিদ। তিনি রাজ্যসভায় ( ভারতের সংসদের উচ্চ কক্ষ ) তামিলনাড়ুর প্রতিনিধিত্বকারী সংসদ সদস্য ছিলেন । তিনি ভারতীয় দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগম (ডিএমকে) রাজনৈতিক দলের অন্তর্ভুক্ত। আরো দেখুন তামিলনাড়ু থেকে রাজ্যসভার সদস্যরা তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ুর রাজ্যসভা সদস্য বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ুর লোকসভা সদস্য বিষয়শ্রেণী:সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গমের রাজনীতিবিদ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ২০২১-২০২৬
|
খাজা হাসান সানী নিজামী (১৫ মে ১৯৩১ - ১৫ মার্চ ২০১৫) (জন্ম নাম খাজা হাসান আবু তালিব নিজামী) চিশতিয়া তরিকার নিজামী শাখার একজন সুফি শায়খ এবং নিজামুদ্দিন আউলিয়ার মাজারের প্রাক্তন সাজ্জাদানশীন (প্রধান তত্ত্বাবধায়ক) ছিলেন। তিনি উর্দু সাহিত্যের সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত ইউনাইটেড নেশনস রিলিজিয়াস ইনিশিয়েটিভসের সদস্য ছিলেন। তিনি ছিলেন খাজা হাসান নিজামীর পুত্র এবং ইকবাল আহমদ খানের ওস্তাদ। সাহিত্যকর্ম খাজা তার পিতা খাজা হাসান নিজামীর লেখা বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম পুনঃপ্রকাশ করেন, যা নিম্নরূপ: তরজুমা ই কুরআন ই মজিদ ফাওয়াইদুল ফাওয়াদ (উর্দু অনুবাদ) তাসাউউফ (রাসম ও হাকীক্বাত) তাজকিরা ই নিজামী তাজকিরা ই খুসরাভি নিজামী বনসারি আমাল ই হিজবুল বাহার বেগমাত কে আনসু (সম্পাদক) পুরস্কার এবং উত্তরাধিকার খাজা অটল বিহারী বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রীর অধীনে ভারত সরকারের কাছ থেকে দিল্লি গৌরব পুরস্কার পেয়েছিলেন। ২০১৭ সালে, উর্দু একাডেমি কাশ্মীরি গেটে খাজা হাসান সানী নিজামীর স্মরণে একটি সন্ধ্যার আয়োজন করেছিল। খাজা হাসান সানী নিজামীর জীবন ও অর্জনের উপর ভিত্তি করে মহম্মদ হামিদ আনসারী ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে একটি বই প্রকাশ করেন। পৃথ্বীরাজ চৌহানের যুগ থেকে খাজার পরিবারের সদস্যরা নিজামুদ্দিন আউলিয়ার মাজারের সাজ্জাদানশিন হিসেবে কাজ করেন। অবশেষে, মার্চ ২০১৫ সালে, খাজা দীর্ঘ হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হন খাজা সৈয়দ মুহাম্মদ নিজামী। খাজার জানাজা দু'বার করা হয়, একটি নিজামুদ্দিন আউলিয়া মাজা জামে মসজিদের ইমাম এবং অন্যটি তার শিষ্য সৈয়দ রশিদ নিজামীর দ্বারা। কর্মজীবন খাজা তার প্রাথমিক শিক্ষা তার বাড়ি থেকে পেয়েছিলেন এবং পরে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। খাজা দিল্লি উর্দু একাডেমি, গালিব একাডেমি এবং গালিব ইনস্টিটিউটের সদস্য ছিলেন এবং গালিব একাডেমির চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়াও তিনি অল ইন্ডিয়া সুফি কনফারেন্স হায়দ্রাবাদের প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য, খাজা হাসান নিজামী মেমোরিয়াল সোসাইটির সেক্রেটারি এবং জাতীয় আমীর খুসরো সোসাইটির সদস্য ছিলেন। খাজা ১৯৫৫ সাল থেকে তার পিতা খাজা হাসান নিজামীর পরে "মুনাদী" (মাসিক পত্রিকা) এর সম্পাদকও ছিলেন, যেটি তিনি ১৯৫৫ সাল থেকে তার সম্পাদনায় প্রকাশ অব্যাহত রাখেন। খাজা কাওয়ালির অনুরাগী ছিলেন, তিনি নিজামুদ্দিন আউলিয়ার মাজারে বিভিন্ন কাওয়ালী অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। থাম্ব|নিজামুদ্দিন আউলিয়ার মাজারে কাওয়ালি খাজা ছিলেন একজন ইসলামী নেতা যিনি ২০০৬ সালে তালেবানকে 'ইসলাম বহির্ভূত' সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা করেছিলেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯৩১-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:২০১৫-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় সুফি বিষয়শ্রেণী:হানাফি ফিকহ পণ্ডিত বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় সুন্নি মুসলিম পণ্ডিত বিষয়শ্রেণী:কুরআনের উর্দু অনুবাদক বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর অনুবাদক
|
thumb|ডিজেল জ্বালানি পানিতে (জলে) অমিশ্রণীয়। উজ্জ্বল রংধনু বিন্যাসটি পাতলা-ঝিল্লি ব্যতিচার নামক ঘটনার ফলাফল। মিশ্রণীয়তা () বলতে দুইটি পদার্থের যেকোনও অনুপাতে মিশ্রিত হবার ধর্মকে বোঝায়। অর্থাৎ পদার্থ দুইটি একে অপরের মধ্যে যেকোনও ঘনমাত্রায় সম্পূর্ণ দ্রবীভূত হবার সামর্থ্য রাখে এবং এভাবে একটি একটি সমসত্ব মিশ্রণ (একটি দ্রবণ) গঠন করে। মিশ্রণীয়তা পরিভাষাটি প্রায়শই দুইটি তরল পদার্থের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়। তবে কদাচিৎ কঠিন পদার্থ ও বায়বীয় (গ্যাসীয়) পদার্থের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। উদাহরণস্বরূপ, পানি (জল) ও ইথানল পরস্পর মিশ্রণীয় কেননা তারা যেকোনও অনুপাতে একে অপরের মধ্যে মিশে যেতে পারে। এর বিপরীতে যেসব পদার্থ মেশানোর চেষ্টা করলে কিছু কিছু নির্দিষ্ট অনুপাতে দ্রবণ সৃষ্টি হয় না, সেগুলিকে একে অপরের সাপেক্ষে অমিশ্রণীয় বলা হয়। যেমন তেল পানিতে দ্রবণীয় নয়, তাই এই দুইটি তরল অমিশ্রণীয়। আবার বিউটানোন (মিথাইল ইথাইল কিটোন) পানিতে তাৎপর্যপূর্ণরূপে দ্রবণীয় হলেও তারা অমিশ্রণীয় কেননা কিছু কিছু অনুপাতে মিশ্রণটি দুইটি দশায় বিভক্ত হয়ে যায়। জৈব যৌগ জৈব যৌগসমূহে প্রায়শই হাইড্রোকার্বন শৃঙ্খলের ওজনের শতকরা হার কোনও যৌগের পানিতে মিশ্রণীয়তা নির্ধারণ করে। যেমন অ্যালকোহল জাতীয় যৌগগুলির ক্ষেত্রে ইথানলের দুইটি কার্বন পরমাণু আছে ও এটি পানিতে মিশ্রণীয়, কিন্তু চারটি কার্বন পরমাণুবিশিষ্ট ১-বিউটানল পানিতে মিশ্রণীয় নয়। ১-অক্টানল নামক যৌগের ৮টি কার্বন পরমাণু আছে ও এটি কার্যত পানিতে অদ্রবণীয়, এবং এই অমিশ্রণীয়তার কারণে এটিকে বিভাজন সাম্যের জন্য একটি আদর্শ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সরলরৈখিক বা ঋজু-শৃঙ্খলবিশিষ্ট কার্বক্সিলিক অ্যাসিড যৌগগুলি চারটি কার্বন পরমাণুবিশিষ্ট বিউটিরিক অ্যাসিড পর্যন্ত পানিতে দ্রবণীয় বা মিশ্রণীয়, পাঁচটি কার্বন পরমাণুবিশিষ্ট ভ্যালেরিক অ্যাসিড আংশিক দ্রবণীয় এবং ছয়টি কার্বন পরমাণুবিশিষ্ট হেক্সানয়িক অ্যাসিড কার্যত অদ্রবণীয়। অপেক্ষাকৃত দীর্ঘতর স্নেহজ অ্যাসিড ও অন্যান্য লিপিডগুলিও একইভাবে অদ্রবণীয়। লিপিড অণুগুলির শৃঙ্খলগুলি অত্যন্ত দীর্ঘ, তাই প্রায় সর্বদাই এগুলি পানিতে অমিশ্রণীয় হয়ে থাকে। অন্যান্য কার্যকরী মূলক যেমন অ্যালডিহাইড ও কিটোন যৌগগুলিতেও অনুরূপ পরিস্থিতি দৃষ্ট হয়। ধাতু অমিশ্রণীয় ধাতুগুলি একে অপরের সাথে সংকর গঠনে অসমর্থ হয়। সাধারণত গলন্ত অবস্থায় মিশ্রণ সম্ভব হলেও হিমায়নের পরে ধাতুগুলি একাধিক স্তরে পৃথক হয়ে যায়। এই ধর্মটির কারণে অমিশ্রণীয় ধাতুসমূহের গলিত মিশ্রণকে দ্রুত হিমায়িত করলে কঠিন অধঃক্ষেপ গঠন করা সম্ভব। দুইটি অমিশ্রণীয় ধাতুর একটি উদাহরণ হল তামা ও কোবাল্ট, যেখানে গলিত মিশ্রণের দ্রুত হিমায়নের মাধ্যমে দানাদার দানবীয় চৌম্বকরোধ সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া তরল অবস্থায় অমিশ্রণীয়, এমন ধাতুও আছে। শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ এমন একটি উদাহরণ হল তরল সীসাতে তরল দস্তা (জিংক) ও তরল রূপার অমিশ্রণীয়তা, কিন্তু রূপা আবার দস্তাতে মিশ্রণীয়। এই ঘটনাটি ব্যবহার করে পার্কস প্রক্রিয়া নামক একটি তরল-তরল নিষ্কাশন প্রক্রিয়া সৃষ্টি করা হয়েছে, যেখানে যেকোনও পরিমাণের রূপাবিশিষ্ট সীসাকে দস্তার সাথে গলানো হয়, ফলে রূপাটি দস্তার সাথে মিশে যায় এবং দস্তা-রূপা মিশ্রণটি দুই-দশাবিশিষ্ট তরলের উপরের সরের মতো স্তর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। অতঃপর দস্তাকে তাপের মাধ্যমে বাষ্পীভূত করলে প্রায় সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ রূপা পাওয়া যায়। বিশৃঙ্খলা-মাত্রার প্রভাব যদি একাধিক বহুলক বা পলিমারের একটি মিশ্রণের গঠনবিন্যাসগত বিশৃঙ্খলা-মাত্রা উপাদানগুলির চেয়ে কম হয়, তাহলে সেগুলির একে অপরের সাথে (এমনকি তরল অবস্থাতেও) একে অপরের সাথে অমিশ্রণীয় হবার সম্ভাবনা থাকে। নির্ণয় প্রায়শই দুইটি উপাদানের মিশ্রণীয়তা আলোকীয়ভাবে তথা দৃষ্টিগতভাবে (চোখে দেখে) নির্ণয় করা হয়। যখন দুইটি মিশ্রণীয় তরল পদার্থকে মেশানো হয়, এর ফলে উৎপাদিত তরলটি স্বচ্ছ হয়। যদি মিশ্রণটি ঘোলাটে হয়, তাহলে উপাদান দুইটি অমিশ্রণীয়। এই ধরনের নির্ণয়করণে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। যদি উপাদান দুইটির প্রতিসরাংক একই রকমের হয়, তাহলে একটি অমিশ্রণীয় মিশ্রণকেও স্বচ্ছ মনে হতে পারে এবং ফলে মিশ্রণীয়তা নির্ণয়ে ভুল হতে পারে। আরও দেখুন মিশ্রণীয়তা ব্যবধান অবদ্রব বিষমস্ফুটনী মিশ্রণ দুইটি অমিশ্রণীয় তড়িৎবিশ্লেষ্য দ্রবণের আন্তঃপৃষ্ঠতল বহুদশাবিশিষ্ট তরল তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:রাসায়নিক ধর্ম
|
জামালগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ১৯৫০ সালে স্থাপিত প্রাচীনতম ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ। বহমান সুরমার পশ্চিম তীরের স্বপ্নের শহরে জামালগঞ্জ এর উত্তর পার্শ্বে প্রতিষ্ঠিত জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ের নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্য দান করেছে। বিদ্যালয়টি ভাটি অঞ্চলের বিশাল জনপদের সর্ব বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী স্কুল। এই বিদ্যাপীঠের শতশত ছাত্র-ছাত্রী আজ দেশের বিভিন্ন দপ্তরে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে । বিদ্যালয় টি ২০২৫ সালে ৭৫ বছরে প্রদার্পণ করবে। অবস্থান সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজে্লার সুরমা নদীর কুল ঘেঁষে অবস্থিত। ইতিহাস নয়াহালট গ্রামের রহমত উল্লাহ তালুকদার ও মৌলভী আবুল বরকত এলাকার বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিগণের সহযোগিতায় জামলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালিয়ের স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করেন। তাদের এই মহতি উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়ন করতে সুপরামর্শ ও আন্তরিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসেন তৎকালীন স্কুল ইন্সপেক্টর জনাব সামছুল হক এবং কৃষি অর্গানাইজার জনাব মুবাশ্বির আলী। ১৯৪৮ সালে বর্তমান জামালগঞ্জস্থ ডাক বাংলার স্থানে একটি ছনের গৃহে জামালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শুভ সূচনা হয়। জনাব মুবাশ্বির আলীর অফিস কাম বাসগৃহটিই ছিল বর্তমান মশহুর জামালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সূতিকা গৃহ। ধনপুর গ্রামের জনাব অলীউর রহমান মাত্র ১২ জন ছাত্র নিয়ে জামালগঞ্জের শিক্ষাহীন আধার ভূবনে প্রজ্জলিত করেন মাধ্যমিক শিক্ষার এ আলোক বর্তিকা। মরহুম প্রধান শিক্ষক জনাব গোলাম কিবরিয়ার আমলকে জামালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের স্বর্ণযুগ বলে অবহিত করা যায়। ১৯৮৮ সনে বিদ্যালয়ের ভৌতিক অবকাঠামো, ছাত্র সংখ্যা, বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল তদুপরী শিক্ষকগণের গুণগতমান ইত্যাদি বিচার্যে জামালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় অবিভক্ত সিলেট জেলায় প্রথমস্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করে। সাফল্য ১৯৮৮ সনে বিদ্যালয়ের ভৌতিক অবকাঠামো, ছাত্র সংখ্যা, বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল তদুপরী শিক্ষকগণের গুণগতমান ইত্যাদি বিচার্যে জামালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় অবিভক্ত সিলেট জেলায় প্রথমস্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করে। ২০১২ সালে এটি উপজেলার মডেল স্কুল হিসাবে স্বীকৃতি পায়। ২০১৭ সালে ১৪ই জুন এটিকে সরকারি স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ক্যাম্পাস অফিস ভবন বিজ্ঞান ভবন অডিটোরিয়াম কম্পিউটার ভবন ছাত্রাবাস গোলাম কিবরিয়া ছাত্রাবাস সংগঠন বিতর্ক সংগঠন বিজ্ঞান মেলা শিক্ষা কার্যক্রম ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বছরের শুরুতে শীতকালীন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফল জামালগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে প্রতি বছর ঈর্ষনীয় সাফল্য অর্জন করে। খেলাধুলা বছরের শুরুতে শীতকালীন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পুরস্কার ও সম্মাননা ২০১২ সালে এটি উপজেলার মডেল স্কুল হিসাবে স্বীকৃতি পায়। উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী এ স্কুল থেকে পাস করে অনেক কৃতী শিক্ষার্থী দেশ ও দেশের বাহিরের নামকরা প্রতিষ্ঠান গুলোতে কর্মরত আছেন। বিষয়শ্রেণী:১৯৫০-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:সুনামগঞ্জ জেলার বিদ্যালয়
|
মার্ক জন গ্রেটব্যাচ (; জন্ম: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৬৩) অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার। বামহাতি ব্যাটিং ও মাঝে-মধ্যে ডানহাতি মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে পারদর্শী গ্রেটব্যাচ নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের হয়ে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিকে খেলেছেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম-শ্রেণীর দল অকল্যান্ড ও সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস দলেরও সদস্য ছিলেন তিনি। জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের দল নির্বাচকের দায়িত্বে রয়েছেন। খেলোয়াড়ী জীবন ৪১ টেস্টে দুই সহস্রাধিক রান সংগ্রহসহ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৯,৮৯০ রান সংগ্রহ করতে পেরেছেন গ্রেটব্যাচ। নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে তিনি তার সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৪৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সেজন্যে তিনি প্রায় ১৪ ঘণ্টা ক্রিজে অবস্থান করে দলের পরাজয় রোধসহ ড্র করাতে সমর্থ হন। ১৯৯২ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম দুই খেলায় অস্ট্রেলিয়া ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলার জন্য মনোনীত হননি। কিন্তু জন রাইট আহত হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলার সুযোগ পান তিনি। ইনিংসের সূচনালগ্নে ফিল্ডিংয়ের সীমাবদ্ধতার সুযোগকে কাজে লাগান তিনি। সেপ্টেম্বর, ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের ওয়ারউইকশায়ারের পক্ষে কোচিং পরিচালক মনোনীত হন।Greatbatch to coach Warwickshire. retrieved 5 October 2007 ২০০৭ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপ ও প্রো৪০ লীগে অবনমন হওয়ায় তার পরিবর্তে অ্যাশলে জাইলস স্থলাভিষিক্ত হন।Giles succeeds Greatbatch at Warwickshire, retrieved 5 October 2007 জানুয়ারি, ২০১০ সালে গ্রেটব্যাচ নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন।Greatbatch handed New Zealand team coaching role, retrieved 30 January 2010 তথ্যসূত্র আরও দেখুন মার্টিন ক্রো ২০১৬ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:নিউজিল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:টেস্ট ক্রিকেট অভিষেকে সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:নিউজিল্যান্ডের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক বিষয়শ্রেণী:নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেট কোচ বিষয়শ্রেণী:অকল্যান্ডের ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:১৯৯২ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:অকল্যান্ড থেকে আগত ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ বিষয়শ্রেণী:এম পার্কিনসন বিশ্ব একাদশের ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:নর্থ আইল্যান্ডের ক্রিকেটার
|
মুনাফিক (আরবিতে: منافق, বহুবচন মুনাফিকুন) একটি ইসলামি পরিভাষা যার অর্থ একজন প্রতারক বা "ভন্ড ধার্মিক" ব্যক্তি। যে প্রকাশ্যে ইসলাম চর্চা করে; কিন্তু গোপনে অন্তরে কুফরী বা ইসলামের প্রতি অবিশ্বাস লালন করে। আর এ ধরনের প্রতারণাকে বলা হয় নিফাক ()। প্রকারভেদ সালিহ আল মুনাজ্জিদের মতে, কুফরের মতও নিফাক দুই প্রকার, যার একটি বড় যা ইসলাম থেকে বের করে দেয়, আরেকটি ছোট যা ইসলাম থেকে বের করে দেয় না, যথাঃ আক্বীদাগত মুনাফেকি বা বিশ্বাসগত নিফাক: বাইরে ইসলামী আকীদা কিন্তু ভেতরে অনৈসলামিক আকীদা পোষণ করা। এটি বড় কুফর যা মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে দেয়। তা ছয় প্রকার: রাসূলকে (মুহাম্মাদ) মিথ্যা সাব্যস্ত করা, অথবা রাসূল যে ধর্ম নিয়ে এসেছেন তার কোনো কিছুকে মিথ্যা সাব্যস্ত করা, কিংবা রাসূলকে ঘৃণা করা, অথবা রাসূল যে ধর্ম নিয়ে এসেছেন তাকে ঘৃণা করা, রাসূলের ধর্মের ক্ষতিতে খুশি হওয়া অথবা রাসূলের ধর্মের বিজয় অপছন্দ করা। আমলগত মুনাফেকি বা কর্মগত নিফাক: তা হলো ছোট কুফর যা মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে না। তবে তা বড় ধরনের অপরাধ ও মহাপাপ। তন্মধ্যে রয়েছে সে আমল যা নবি মুহাম্মাদ হাদীসে উল্লেখ করেছেন। মুহাম্মদ মুনাজ্জিদ মুনাফেকীকে আরও একটি দৃষ্টিকোণ থেকে দুটি আলাদা ভাগে বিভক্ত করেছেন, তা হলো, মৌলিক ও অমৌলিক মুনাফিকী এ বিষয়ে তিনি বলেন, "যে লোক আদি থেকেই কোনদিন ছহীহ-শুদ্ধ, খাঁটি ইসলামে বিশ্বাসী নয়। মূলতঃ সেই মূল থেকে মুনাফিক। জাগতিক কোন স্বার্থের টানে এমন লোকেরা ইসলামের সঙ্গে সম্বন্ধ যাহির করে বটে, অথচ তারা মন থেকে ইসলামকে বিশ্বাস করে না। ফলে তারা তাদের ইসলাম ঘোষণার প্রথম দিন থেকেই মুনাফিক। তারপর সেই মুনাফিকীর উপর তারা চলছেই। এটা মৌলিক মুনাফিকী। আবার কিছু লোক আছে যারা সত্যিকারভাবেই অন্তর থেকে ইসলামের ঘোষণা দেয়। তারপর তাদের মনে সন্দেহ ও শঠতা ভর করে। অতঃপর বিভিন্ন পরীক্ষার সম্মুখীন করে আল্লাহ তা'আলা তাদের ঈমানের সত্যতার পরীক্ষা নেন। তখন তারা ইসলামের দাবী রক্ষা করতে না পেরে ভেতর থেকে ইসলাম ছেড়ে দেয় বা মুরতাদ হয়ে যায়। কিন্তু প্রকাশ্যে ঘোষণা দিলে তাদের উপর মুরতাদের বিধান কার্যকর হতে পারে কিংবা মুসলিম নাম বহাল থাকায় জাগতিক যেসব সুযোগ-সুবিধা সে পাচ্ছে তা খোয়াতে হবে অথবা তাকে নিন্দা শুনতে হবে এবং সমাজে তার যে অবস্থান আছে তা তাকে হারাতে হবে, এরকম আরো অনেক উপভোগ্য ও লোভনীয় বিষয়ের কথা চিন্তা করে তারা প্রকাশ্যে ইসলাম ত্যাগের ঘোষণা দিতে ভয় পায়। ফলে তারা বাহ্যিকভাবে ইসলামের উপর চলে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা কাফির মুরতাদ হয়ে গেছে। এটাই অমৌলিক মুনাফিকী। যেমন: মিজানুর রহমান আজহারী, শায়েখ আহমাদুল্লাহ, শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ প্রমূখ। "মুনাফিকী - সালিহ আল-মুনাজ্জিদ - অনুবাদঃ মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (বাংলা) পৃঃ ৯ আবার কারও মতে, নিফাকের ধরন তিনটি প্রকৃত ঈমান সম্পর্কে আল্লাহর প্রতি নিফাক। (কুরআন 2:8) এবং (কুরআন 2:14) ঈমানের নীতিগুলির প্রতি নিফাক: উদাহরণস্বরূপ, কেউ আল্লাহ, বিচার দিবস, হিসাব, কাজের মাপকাঠি এবং জাহান্নাম (একটি অনিশ্চয়তা এবং সন্দেহের সাথে) বিশ্বাস করতে পারে কিন্তু তাদের ভয় না করে (বাস্তবে) বা পাপ করা থেকে বিরত থাকে না সেগুলোর কারণে। তবুও তিনি দাবি করেন, "আমি আল্লাহকে ভয় করি।" অন্যের প্রতি নিফাক: দুমুখো ব্যক্তি। যে কারও উপস্থিতিতে তার প্রশংসা করে, তারপর, তার পিছনে, তার নিন্দা করে এবং তাকে কষ্ট দিতে ও তার ক্ষতি করার চেষ্টা করে। কুরআনে মুনাফিক কুরআনের শতাধিক আয়াতে মুনাফিকদের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে, , , , , এবং মুসলমানদের জন্য তাদের অমুসলিম শত্রুদের তুলনায় মুনাফিকদেরকে অধিক বিপজ্জনক শত্রু হিসেবে করা হয়েছে। কুরআনে মুনাফিকদের নামে একটি সূরাও রয়েছে।দেখুন, সূরা আল-মুনাফিকুন হাদীসে মুনাফিক ইসলামী নবী মুহাম্মদ বলেছেন : সালিহ আল মুনাজজিদ তার আননিফাক বইতে বলেন, ইসলামী নবী মুহাম্মদ কোন মুনাফিককে নেতা বানাতে নিষেধ করেছেন, মুনাফিকী - সালিহ আল-মুনাজ্জিদ - অনুবাদঃ মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (বাংলা) পৃঃ ৫৩ মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য সালিহ আল মুনাজ্জিদ তার নিফাক বইয়ে কুরআন ও হাদীছে বর্ণিত মুনাফিকদের স্বভাব-চরিত্রের বর্ননা দিয়েছেন। এগুলো হলোঃ ব্যাধিগ্রস্ত মন খেয়াল-খুশির প্রলোভন অহংকার প্রদর্শন আল্লাহর আয়াত সমূহের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ মুমিনদের সঙ্গে ঠাট্টা-বিদ্রূপ মানুষকে আল্লাহর পথের পথিকদের জন্য ব্যয় করতে বাধা দান মুমিনদের মূর্খ আখ্যা দেওয়া কাফেরদের সাথে সম্প্রীতি বজায় রাখা মুমিনদের ফলাফলের ব্যাপারে প্রতীক্ষা আল্লাহর সঙ্গে ধোঁকাবাজি এবং ইবাদতে অলসতা দোটানা ও দোদুল্যমান মনোভাব মুমিনদের সাথে ধোঁকাবাজি আল্লাহদ্রোহী শাসকদের নিকট মামলা-মোকদ্দমা পেশ করা মুমিনদের মাঝে বিপর্যয় সৃষ্টি মিথ্যা শপথ, ভয়-ভীতি, কাপুরুষতা ও অস্থিরতা তারা যা করেনি তা করার নামে প্রশংসা পিয়াসী তারা সৎকর্মকে দূষণীয় গণ্য করে নিম্নতম অবস্থানে খুশী অন্যায়ের আদেশ ও ন্যায়ের নিষেধ জিহাদকে অপসন্দ করা এবং তা থেকে পিছুটান দেয়া যুদ্ধ না করতে উদ্বুদ্ধ করা এবং ভীতিকর গুজব ছড়ানো মুমিনদের সাথে থাকায় গড়িমসি জিহাদে অংশ না নিতে অনুমতি প্রার্থনা জিহাদ থেকে পিছনে থাকার জন্য অজুহাত পেশ মানুষের দৃষ্টির আড়াল হওয়ার চেষ্টা মুমিনদের ক্ষয়ক্ষতিতে উল্লসিত হওয়া আমানতের খেয়ানত করা, কথোপকথনকালে মিথ্যা বলা, অঙ্গীকার করে ভঙ্গ করা এবং বাকবিতণ্ডাকালে বাজে কথা বলা ছালাতকে যথাসময় থেকে বিলম্বিত করা ছালাতের জামা'আতে শরীক না হওয়া। কুরুচিপূর্ণ বচন ও বাচালতা গান শোনা নিফাকের প্রতিকার সালিহ আল মুনাজ্জিদ তার নিফাক বইয়ে নিফাকের প্রতিকার হিসেবে কুরআন ও সহীহ হাদীস অনুযায়ী ১০টি কাজ করতে বলেছেন, (কোরআন ও সহীহ হাদীস অনুযায়ী বিশুদ্ধ ইসলামী আকীদার জ্ঞান ও বিশ্বাস অন্তরে গ্রহণ ও ধারণপূর্বক) তাকবীরে উলা (তাকবিরে তাহরিমা নামে বাংলায় প্রচলিত) বা প্রথম তাকবিরের সাথে জামাতের সালাতে টানা ৪০ দিন উপস্থিত হওয়া সদাচারণ করা ও দ্বীন সম্পর্কিত জ্ঞান আহরণ করা দানশীলতা রাত জেগে (নফল) সালাত আদায় আল্লাহর পথে জিহাদ বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করা দোআ আনসারদের ভালোবাসা আলী ইবনে আবি তালিবকে ভালোবাসামুনাফিকী - সালিহ আল-মুনাজ্জিদ - অনুবাদঃ মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (বাংলা) পৃঃ ৪৩-৪৮ মুনাফিকদের সাথে মুসলিমদের করনীয় সালিহ আল মুনাজ্জিদ কুরআন ও সহিহ হাদীস অনুযায়ী মুনাফিকদের সাথে মুসলিমদেরকে নিম্নলিখিত আচরণ করতে বলেছেন, মুনাফিকদের আনুগত্য না করা মুনাফিকদের উপেক্ষা করা, ভীতি প্রদর্শন ও উপদেশ দান মুনাফিকদের সঙ্গে বিতর্কে না জড়ানো এবং তাদের পক্ষাবলম্বন না করা মুনাফিকদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে না তোলা মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ চালনা এবং কঠোরতা আরোপ মুনাফিকদের প্রতি অবজ্ঞা দেখানো এবং তাদের নেতা না বানানো মুনাফিকদের জানাযার ছালাতে অংশগ্রহণ না করা আরও দেখুন যিন্দিক ইসলামে ধর্মত্যাগ কাফির আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই তাকওয়া গীবত তথ্যসূত্র আরও পড়ুন মুনাফিকী - সালিহ আল-মুনাজ্জিদ - অনুবাদঃ মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক (বাংলা) বিষয়শ্রেণী:ইসলামি পরিভাষা বিষয়শ্রেণী:ইসলাম ও অন্যান্য ধর্ম বিষয়শ্রেণী:ইসলামি বিশ্বাস ও মতবাদ বিষয়শ্রেণী:আরবি শব্দ ও বাক্যাংশ বিষয়শ্রেণী:কপটতা
|
বিশর ইবনু বারা (হিজরি ৭ বা ৮ / ৬২৮ বা ৬২৯ খ্রিষ্টাব্দ; আরবি: بِشْرِ بْن بَراء) ছিলেন ইসলামের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবি। তিনি হাজরাজ গোত্রের সালামা শাখা, অর্থাৎ বনি সালামা গোত্রভুক্ত ছিলেন।ইবন হিশাম, আস-সিরাতুন্নবাবিয়্যাহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৬৯৭; খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৫৮; ইবন আব্দুলবার, আল-ইসতিয়াব, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৬৭। তাঁর পিতার নাম ছিল বারা ইবনু মা‘রুর এবং মাতার নাম ছিল হালিসা বিনতে কায়স।ইবন হাযর, আল-ইসাবা, খণ্ড ৮, পৃষ্ঠা ১০৭। হিজরতের আগেই তিনি তাঁর পিতা বারা ইবনু মা‘রুরের সঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করেন।ইবন সাদ, আত-তাবাকাতুল কুবরা, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৫৭০; ইবন হিশাম, আস-সিরাতুন্নবাবিয়্যাহ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৮৬। বিশর ইবনু বারা বদর, উহুদ এবং খন্দকসহ বেশিরভাগ গাজওয়াতে অংশগ্রহণ করেন।ওয়াকিদি, আল-মাগাজি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৬৯, ২৪৩; খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৬৭৭–৬৭৮; ইবন হিশাম, আস-সিরাতুন্নবাবিয়্যাহ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৩৩, ৩৫৪; খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৪২, ৩৫২, ৩৫৮; ইবন সাদ, আত-তাবাকাতুল কুবরা, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৫৭১; শায়খ তুসি, রিজাল, পৃষ্ঠা ৯।http://tr.wikishia.net/view/Bi%C5%9Fr_b._Bera । বর্ণনা করা হয়েছে যে, হিজরতের সপ্তম বর্ষে খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের সময় বিশর ইবনু বারা কিছু সাহাবির সঙ্গে ছিলেন। তখন এক ইহুদি নারী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিষমিশ্রিত মাংস পরিবেশন করলে, তিনি তাতে অংশগ্রহণ করেন এবং এতে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন।ওয়াকিদি, আল-মাগাজি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৬৭৮; ইবন হিশাম, আস-সিরাতুন্নবাবিয়্যাহ, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১০৩–১০৪; খালিফা, তারিখ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৫২। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:সাহাবা
|
গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান। গাজীপুরকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী প্রতিষ্ঠা এবং এতদাঞ্চলকে সুপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাস জাতীয় সংসদে ৮ সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সালে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল পাশ হয়। পরবর্তীতে ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ সালে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২০ প্রকাশের মাধ্যমে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। গঠন ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়। তাঁরা হলেন: চেয়ারম্যান, গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক, গাজীপুর জেলা বিভাগীয় প্রধান, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় উপ-সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় উপ-সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ) উপ-সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ) উপ-সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর পুলিশ কমিশনার, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, গাজীপুর সভাপতি, গাজীপুর শিল্প ও বণিক সমিতি সচিব, গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কার্যক্রম গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়নের লক্ষ্যে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন। মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী ভূমি ব্যবহার ও ইমারত নির্মাণ নিয়ন্ত্রণ। নগরীর চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন। অধ্যাদেশ ও ইমারত নির্মাণ আইন অনুসারে ভৌত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ করা এবং অপরিকল্পিত ইমারত নির্মাণ রোধ করা। আরও দেখুন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সরকারি সংস্থা বিষয়শ্রেণী:গাজীপুর ভিত্তিক সংগঠন বিষয়শ্রেণী:২০২০-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:২০২০-এ প্রতিষ্ঠিত সরকারি সংস্থা
|
বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড (বিটিবি) হলো বাংলাদেশে পর্যটন সংক্রান্ত জাতীয় সংস্থা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত সরকারি এই বোর্ডটি বাংলাদেশের পর্যটনের প্রসার ও প্রচারণায় কাজ করে এবং সাথে সাথে জাতীয়ভাবে পর্যটন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোকাম্মেল হোসেন বর্তমানে পর্যটন বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং জনাব জাবেদ আহমেদ (অতিরিক্ত সচিব) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতিহাস বাংলাদেশের পর্যটনকে প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১০ সালের জুনে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা’ পাশ করে।https://tourismboard.portal.gov.bd/site/page/641088a0-2568-4fb7-9bdd-bcdaf88b1a88 এরপর ১৮ই জুলাই ‘বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড আইন, ২০১০’ পাশ হয়। একই বছরের সেপ্টেম্বরে এই আইনের আওতায় বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড স্থাপিত হয়। বর্তমানে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত। সংস্থাটি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের পর্যটন বিষয়শ্রেণী:বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সরকারি সংস্থা বিষয়শ্রেণী:২০১০-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:ঢাকা ভিত্তিক সংগঠন
|
ইরশাদ-ই নাসওয়ান ('মহিলাদের জন্য নির্দেশিকা'), আফগানিস্তানে প্রকাশিত মহিলাদের প্রথম সাময়িকী যা ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সাময়িকীটি রাণী সোরায়া তরজি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি আফগান সমাজের সংস্কারের জন্য রাজা ও রাণীর আধুনিকীকরণ প্রকল্পের একটি অংশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, এমন একটি নীতি যার মধ্যে নারীমুক্তি অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং ইরশাদ-ই নাসওয়ান এর পাশাপাশি প্রথম মহিলা সমিতি আঞ্জুমান-ই হিমায়াত-ই-নিসওয়ান উভয়ই ছিল রাজকীয় সরকারের রাষ্ট্রীয় নারীবাদকে সমর্থন করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সাময়িকীটি সাপ্তাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং "নারীর অধিকার, শিশু যত্ন, গার্হস্থ্য অর্থনীতি ও শিষ্টাচার"-এর উপরThe Politics of Social Transformation in Afghanistan, Iran, and Pakistan সামাজিক, রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সমস্যা, নারীর অধিকারের পাশাপাশি ফ্যাশন এবং গৃহস্থালী সম্পর্কিত টিপস নিয়ে নিবন্ধ প্রচার করেছিল।Emadi, Hafizullah, Repression, resistance, and women in Afghanistan, Praeger, Westport, Conn., 2002 এটি নারীর সমস্যা ও সংস্কারের বিষয় এবং আফগানিস্তানের মহিলাদের ইতিহাসে একটি প্রধান অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এবং এটিকে আফগানিস্তানের মহিলাদের আলোকিত করার প্রথম সংবাদপত্র হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি রাণীর মা আসমা রাসম্যা দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল, যিনি এইভাবে আফগানিস্তানের প্রথম মহিলা সম্পাদক হয়েছিলেন ও রাণী সোরায়া নিজে মাঝে মাঝে এতে অবদান রেখেছিলেন। Afghanistan Quarterly Journal. Establishment 1946. Academic Publication of the Academy of Sciences of Afghanistan. Serial No: 32 & 33 ১৯২৯ সালে রাজা আমানুল্লাহ খান ও রানী সোরায়া তরজি ক্ষমতাচ্যুত হন। ক্ষমতা থেকে তাদের অপসারণের পর তাদের উত্তরসূরি হাবিবুল্লাহ গাজীর অধীনে নারী অধিকারের ওপর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।Julie Billaud: Kabul Carnival: Gender Politics in Postwar Afghanistan মহিলা সমিতি আঞ্জুমান-ই হিমায়াত-ই-নিসওয়ান ও ইরশাদ-ই নাসওয়ান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, মেয়েদের বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ও তুরস্কে পড়ার অনুমতি দেওয়া ছাত্রীদের আফগানিস্তানে ফেরত আনা হয়েছিল। ওড়না পরে আবার পরদায় প্রবেশ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।History of education in Afghanistan তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:নারীদের ম্যাগাজিন বিষয়শ্রেণী:সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন বিষয়শ্রেণী:১৯২১-এ প্রতিষ্ঠিত ম্যাগাজিন বিষয়শ্রেণী:নারীবাদী ম্যাগাজিন বিষয়শ্রেণী:বিলুপ্ত ম্যাগাজিন বিষয়শ্রেণী:নারীবাদের প্রথম তরঙ্গ
|
আজনাদায়নের যুদ্ধ () ৬৩৪ সালের ৩০ জুলাই বর্তমান ইসরায়েলের অন্তর্গত কোনো স্থানে সংঘটিত হয়। নির্দিষ্ট স্থানটি জানা যায়নি। রাশিদুন খিলাফত ও বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধে মুসলিমরা জয়ী হয়। যুদ্ধের বিস্তারিত মুসলিমদের লেখকদের বিবরণীতে উল্লেখ আছে। ৯ম শতকের ওয়াকিদি এদের অন্যতম। পটভূমি ডেভিড নিকোলের মতে ৬৩৩ সালের শরতে বা ৬৩৪ সালের শুরুতে রাশিদুন সেনারা মদিনা ত্যাগ করে। ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখ দাসিনের যুদ্ধে বাইজেন্টাইনরা পরাজিত হয়। এরপর এমেসায় (বর্তমান হিমস, সিরিয়া) অবস্থান করা সম্রাট হেরাক্লিয়াস কায়সারিয়া মেরিটিমা রক্ষার জন্য অতিরিক্ত সৈন্য পাঠান। মুসলিম সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদ এর ফলে সাসানীয়দের বিরুদ্ধে অপারেশন স্থগিত করে সিরিয়া পৌছান। ২৪ এপ্রিল বাইজেন্টাইন মিত্র গাসানীয়রা পরাজিত হয় এবং খালিদ পুরো বুসরায় প্রতিপক্ষহীন হয়ে উঠেন। এসময় খালিদ আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ, ইয়াজিদ ইবনে আবু সুফিয়ান, আমর ইবনুল আস ও শুরাহবিল ইবনে হাসানার সেনাদেরকে একত্রিত করেন।D. Nicolle 1994, p. 46 খালিদ আমরের সেনাদেরকে আজনাদায়ন নামক স্থানে সমবেত করেন। ভূগোলবিদরা এ স্থানটিকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হননি। ধারণা করা হয় আরবি আদজিনাদ(সেনাবাহিনী) থেকে এমন নাম হয়েছে।H. A. R. Gibb, s.v. "Adjanadayn", pp. 208-209, in H. A. R. Gibb, J. H. Kramers, E. Lévi-Provençal & J. Schacht (eds.), The Encyclopaedia of Islam, vol. 1, Brill, Leiden, 1986. আরব সূত্র অনুযায়ী বর্তমান ইসরায়েলের বেত গুভরিন থেকে ৯ কিমি দূরে ওয়াদি সামত নামক স্থানে যুদ্ধক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। তথ্যসূত্র গ্রন্থপঞ্জি বিষয়শ্রেণী:খালিদ বিন ওয়ালিদের যুদ্ধ বিষয়শ্রেণী:বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য জড়িত লড়াই বিষয়শ্রেণী:ইসলামি বিজয়ের যুদ্ধ বিষয়শ্রেণী:আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহর যুদ্ধ বিষয়শ্রেণী:রাশিদুন খিলাফত জড়িত লড়াই বিষয়শ্রেণী:আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধ বিষয়শ্রেণী:৬৩০-এ বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বিষয়শ্রেণী:মুসলিমদের সিরিয়া বিজয় বিষয়শ্রেণী:৬৩৪-এ সংঘর্ষ বিষয়শ্রেণী:৬৩৪-এ এশিয়া বিষয়শ্রেণী:মধ্যযুগীয় ফিলিস্তিন বিষয়শ্রেণী:৬৩৪ বিষয়শ্রেণী:৬৩০-এর দশকে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বিষয়শ্রেণী:আরব-বাইজেন্টাইন যুদ্ধের লড়াই বিষয়শ্রেণী:৬৩০-এর দশকের সশস্ত্র সংঘাত
|
+ আলোচনাসভার সংগ্রহশালা + জানুয়ারি - এপ্রিল মে - আগস্ট সেপ্টেম্বর - ডিসেম্বর ২০০৪/০৫ সবচেয়ে পুরাতন ২০০৬ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০০৭ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০০৮ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০০৯ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১০ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১১ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১২ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১৩ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১৪ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১৫ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১৬ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১৭ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১৮ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০১৯ ১ - ৪ ৫ - ৮ ৯ - ১২ ২০২০ ১ - ৪ ৫ - ৬ ৭ - ৮ ৯ -১০ ১১ - ১২ ২০২১ ১ - ২ ৩ - ৪ ৫ - ৬ ৭ - ৮ ৯ - ১০ ১১ - ১২ ২০২২ ১ - ২ ৩ - ৪ ৫ - ৬ ৭ - ৮ ৯ - ১০ ১১ - ১২ ২০২৩ ১ - ২ ৩ - ৪ ৫ - ৬ ৭ - ৮ ৯ - ১০ ১১ - ১২ ২০২৪ ১ - ২ ৩ - ৪ ৫ - ৬ ৭ - ৮ ৯ - ১০ ১১ - ১২ ২০২৫ ১ - ২ ৩ - ৪ ৫ - ৬ ৭ - ৮ ৯ - ১০ ১১ - ১২ সংগ্রহশালার সূচিপত্রবিষয়শ্রেণী:উইকিপিডিয়া সংগ্রহশালা টেমপ্লেট
|
ঢলুয়া বাংলাদেশের বরগুনা জেলার অন্তর্গত বরগুনা সদর উপজেলার একটি ইউনিয়ন। আয়তন ঢলুয়া ইউনিয়নের আয়তন ৭,৪২১ একর। প্রশাসনিক কাঠামো ঢলুয়া ইউনিয়ন বরগুনা সদর উপজেলার আওতাধীন ৭নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম বরগুনা সদর থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ১০৯নং নির্বাচনী এলাকা বরগুনা-১ এর অংশ। জনসংখ্যার উপাত্ত ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ঢলুয়া ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ২৫,৭০০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২,৩৮৬ জন এবং মহিলা ১৩,৩১৪ জন। মোট পরিবার ৬,০৮২টি। শিক্ষা ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ঢলুয়া ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৫৬%। আরও দেখুন বরগুনা সদর উপজেলা বরগুনা সদর থানা বরগুনা জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:বরগুনা সদর উপজেলার ইউনিয়ন
|
জননায়ক জনতা পার্টি, সংক্ষেপে জেজেপি, হল ভারতের হরিয়ানার একটি রাজ্য-স্তরের রাজনৈতিক দল । জেজেপি একটি স্বীকৃত রাজ্য রাজনৈতিক দল। জেজেপি ৯ ডিসেম্বর ২০১৮-এ দেবী লালের আদর্শে দুষ্যন্ত চৌতালা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যিনি ভারতের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গঠন জেজেপি ভারতীয় জাতীয় লোকদলের (আইএনএলডি) বিভক্তি থেকে আবির্ভূত হয়েছিল যা নিজেই চৌতালা পরিবারের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে হয়েছিল। অক্টোবর ২০১৮-এ গোহানায় একটি আইএনএলডি সমাবেশে আইএনএলডি নেতা ওম প্রকাশ চৌতালার ছেলে অভয় চৌতালাকে হেনস্থা দেখা গিয়েছিল, যার জন্য দুষ্যন্ত চৌতালা, নাতি, এবং তার ছোট ভাই দিগ্বিজয় চৌতালাকে দায়ী করা হয়েছিল। যখন দুষ্যন্ত এবং দিগ্বিজয়কে সমাবেশে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার অভিযোগে আইএনএলডি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল, তখন তাদের বাবা অজয় চৌতালা তাদের সমর্থন করেছিলেন এবং তাই তাকেও আইএনএলডি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। জেজেপি আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে জিন্দে একটি সমাবেশে দুষ্যন্ত চৌতালা দ্বারা চালু হয়েছিল। যিনি ভারতের জাতীয় সংসদের লোকসভায় একটি আসন অধিষ্ঠিত ছিলেন, যখন তিনি আইএনএলডি সদস্য ছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে দলের নাম দেবী লালের সম্মানে রাখা হয়েছিল, ভারতের একজন প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী যার হরিয়ানায় সমর্থকরা তাকে জন নায়ক বলে উল্লেখ করে এবং পার্টি তার নীতি অনুসরণ করতে চায়। দুষ্যন্তের বাবা অজয়, জিন্দের সমাবেশে অনুপস্থিত ছিলেন, সেই সময়ে একটি কথিত কেলেঙ্কারির অভিযোগে জেলে ছিলেন, পাশাপাশি ওম প্রকাশ চৌতালাও ছিলেন। এখন বিপরীত রাজনৈতিক দলে থাকা সত্ত্বেও, এবং দাবি করে যে জেজেপি সেই মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়িয়েছিল যা আইএনএলডি ত্যাগ করেছিল, তবুও দুষ্যন্ত সমাবেশে সমর্থকদের "দীর্ঘজীবী ওপি চৌতালা" স্লোগান দিতে বলেছিলেন।"Jannayak Janata Party: Ajay Chautala faction unveils new party". "Dushyant Chautala launches Jannayak Janata Party in Haryana's Jind after his expulsion from INLD | India News". অভয় চৌতালা যিনি ওম প্রকাশ চৌতালার অনুপস্থিতিতে আইএনএলডি-এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তিনি এই সংবাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছিলেন যে "প্রত্যেকে একটি রাজনৈতিক দল ভাসানোর ক্ষমতা রাখে না এবং তারপরে এটি চালিয়ে যান"। দুষ্যন্তের মা নয়না সিং চৌতালা সহ কমপক্ষে তিনজন আইএনএলডি বিধায়ক নতুন জেজেপির প্রাথমিক সদস্য ছিলেন।"Jannayak Janata Party: Ajay Chautala faction unveils new party". জেজেপি তাদের আত্মপ্রকাশ ২০১৯ হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে ১০ টি আসন জিতেছিল এবং দলের সভাপতি দুষ্যন্ত চৌতালাকে ২৫ অক্টোবর ২০১৯-এ হরিয়ানার উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। প্রতীকবাদ জেজেপি একটি পতাকা প্রস্তাব করেছে যা প্রাথমিকভাবে সবুজ রঙের, এক চতুর্থাংশ হালকা হলুদ। মূল নির্বাচনী প্রতীক। জেজেপি বলেছে যে রংগুলি প্রতীকী- দেবীলাল দ্বারা সবুজকে প্রতীকী রঙ হিসাবেও গ্রহণ করা হয়েছিল, যার ছবি পতাকায় প্রদর্শিত হয় এবং হলুদ প্রতীকীভাবে 'যুব উর্জা'-এর প্রতিনিধিত্ব করে।"Jannayak Janata Party: Ajay Chautala faction unveils new party". নির্বাচনী ফলাফল বিধানসভা নির্বাচন নির্বাচনের বছর সার্বিক ভোট মোট ভোটের % আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আসন জিতেছে আসনের +/- ভোট শতাংশের +/- পরিষদে অবস্থান হরিয়ানা বিধানসভা ২০১৯ ১৮,৫৮,০৩৩ ১৪.৮০ ৮৭ ১০ নতুন দল নতুন দল ডান (সরকার-বিজেপি জোট) তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:২০১৮-এ প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিষয়শ্রেণী:জনতা পরিবার বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনৈতিক দল বিষয়শ্রেণী:অকার্যকর বহিঃসংযোগ সহ সমস্ত নিবন্ধ বিষয়শ্রেণী:হরিয়ানার রাজনৈতিক দল বিষয়শ্রেণী:জননায়ক জনতা পার্টি
|
ফিডার ক্যানাল ফারাক্কা ব্যারাজের সাথে যুক্ত একটি খাল। এটি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত। খালটি ৩৮.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ। ফারাক্কা বাঁধ থেকে গঙ্গা নদীর জল এই খালের সাহায্যে ভাগীরথীতে পাঠানো হয়। ফারাক্কা বাঁধ প্রকল্পের মাধ্যমে ভাগীরথী-হুগলি নদীর জলের প্রবাহের সঠিক রাখার কারণে, ফিডার সংযোগে প্রতিদিন ৪০ কিউসেক জল ছাড়া হয় । লক্ষণীয়- এই পরিমাণ জল বহন করার ক্ষমতা বিবেচনায় ফিডার খাল তৈরি করা হয়েছে। তবে, শুষ্ক মৌসুমে, কম জল মুক্তি পায় ফারাক্কা বাঁধ থেকো। শুষ্ক মৌসুমের মাস জানুয়ারি থেকে মে। তারপর ভাগিরথী নদীতে খাল থেকে জল প্রবেশ ৪০ হাজার কিউসেক থেকে কমে ৩০ থেকে ২৮ হাজার কিউসেক হয়ে যায়। গুরুতর খরার সময় গঙ্গা উজানে জল কমে গেলে ফিডার চ্যানেলেও জলের প্রবেশ কমে যায়। ৩৮.৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ফিডার খাল ফারাক্কা বাঁধের জল বহন করে নিয়ে যায় এবং ভাগীরথী নদীটির সাথে সংযোগ স্থাপন করে। ফুমল খালটি ছোট ছোট নদী যেমন গুমনি, ত্রিমোহিনী এবং কানলোই নদীর প্রবাহে নির্মাণ করা হয়েছিল। ত্রিমোহিনী এবং কানলোইয়ের জলপ্রবাহগুলি ফীডার খালের মধ্যে প্রবাহিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, এবং যখন এই নদীগুলির জল নিষ্কাশন খালের নকশার ক্ষমতা অতিক্রম করে তখন তারা সমস্যার সৃষ্টি করে। বগমারার জলপ্রবাহটি চাঁদনী খাল জুড়ে একটি সিপোনের মাধ্যমে গঙ্গার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। গঙ্গা নদীর তল্লাশি দ্বারা, বন্যা স্রোতধারা পাগলা ও বাঁশলোই নদীর অববাহিকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকায় বন্যা ঘটায়। বৈশিষ্ট দৈর্ঘ্য- চাওড়া- গভীরতা - বন্দর- ফারাক্কা বন্দর সংযোগ- পশ্চিমে গঙ্গা নদী পূর্বে -ভাগীরথী-হুগলী (এটি গঙ্গার শাখা নদী) ফারাক্কা জল ভাগের চুক্তি ভারত এবং বাংলাদেশ এর চুক্তি অনুযায়ী, ফারাক্কা তে গঙ্গার জল ভাগাভাগির জন্য ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়, এই ভাগটি নিম্নরূপ: ফারাক্কায় সহজলভ্য ভারতের ভাগ বাংলাদেশের ভাগ ৭০,০০০ কিউসেক বা তার কম ৫০% ৫০% ৭০,০০০-৭৫,০০০ কিউসেক প্রবাহের বাকি অংশ ৩৫,০০০ কিউসেক ৭৫,০০০কিউসেক বা তার বেশি ৪০,০০০ কিউসেক প্রবাহের বাকি অংশ তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের খাল
|
অসহযোগ আন্দোলন হলো ২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্টি হওয়া বাংলাদেশের সরকার বিরোধী একটি আন্দোলন। এই আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পদত্যাগ দাবি করা হয়। ৩ আগস্ট ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীরা পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেন, এজন্য একে এক দফা আন্দোলন নামেও ডাকা হয়ে থাকে। আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আপামর জনতা অংশগ্রহণ করা ও ব্যাপক গণহত্যার মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন নিশ্চিত হওয়ায় একে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলেও অভিহিত করা হয়। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান, সেনাপ্রধান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে ৮ আগস্ট ২০২৪ সালে মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ গ্ৰহণ করে। পটভূমি থাম্ব|৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হচ্ছে মানুষ, যেখানে এই অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল ২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের হয়রানি, গণ-গ্ৰেফতার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে শত শত শিক্ষার্থী ও জনসাধারনের মৃত্যু এবং হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আহত হওয়ার প্রেক্ষিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সরকারের কাছে নয় দফা দাবি পেশ করে। উক্ত দাবিগুলো না মেনে গ্ৰেফতার ও আন্দোলনে বলপ্রয়োগ অব্যহত রাখায় বাংলাদেশের জাতীয় শহীদ মিনারে এক দফা হিসাবে শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়। অসহযোগ কর্মসূচি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ৩ আগষ্টে অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দেয়া হয় অসহযোগ আন্দোলনের রূপরেখা। রূপরেখাগুলো ছিল: কেউ কোনো ধরনের ট্যাক্স বা খাজনা প্রদান করবেন না। বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিলসহ কোনো ধরনের বিল পরিশোধ করবেন না। সকল ধরনের সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত ও কল কারখানা বন্ধ থাকবে। আপনারা কেউ অফিসে যাবেন না, মাস শেষে বেতন তুলবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে কোনো ধরনের রেমিটেন্স দেশে পাঠাবেন না। সকল ধরনের সরকারি সভা, সেমিনার, আয়োজন বর্জন করবেন। বন্দরের কর্মীরা কাজে যোগ দেবেন না। কোনো ধরনের পণ্য খালাস করবেন না। দেশের কোনো কলকারখানা চলবে না, গার্মেন্টকর্মী ভাই বোনেরা কাজে যাবেন না। গণপরিবহন বন্ধ থাকবে, শ্রমিকরা কেউ কাজে যাবেন না। জরুরি ব্যক্তিগত লেনদেনের জন্য প্রতি সপ্তাহের রোববারে ব্যাংকগুলো খোলা থাকবে। পুলিশ সদস্যরা রুটিন ডিউটি ব্যতীত কোনো ধরনের প্রটোকল ডিউটি, রায়ট ডিউটি ও প্রটেস্ট ডিউটিতে যাবেন না। শুধু থানা পুলিশ নিয়মিত থানার রুটিন ওয়ার্ক করবে। দেশ থেকে যেন একটি টাকাও পাচার না হয়, সকল অফশোর ট্রানজেকশন বন্ধ থাকবে। বিজিবি ও নৌবাহিনী ব্যতীত অন্যান্য বাহিনী সেনানিবাসের বাইরে ডিউটি পালন করবে না। বিজিবি ও নৌবাহিনী ব্যারাক ও কোস্টাল এলাকায় থাকবে। আমলারা সচিবালয়ে যাবেন না, ডিসি বা উপজেলা কর্মকর্তারা নিজ নিজ কার্যালয়ে যাবেন না। বিলাস দ্রব্যের দোকান, শো রুম, বিপণিবিতান, হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকবে। তবে হাসপাতাল, ফার্মেসি, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, ফায়ার সার্ভিস, গণমাধ্যম, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য পরিবহন, জরুরি ইন্টারনেট সেবা, জরুরি ত্রাণ সহায়তা এবং এই খাতে কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিবহন সেবা চালু থাকবে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ঘটনাপ্রবাহ ৪ আগস্ট থাম্ব|রাজু ভাস্কর্যের উপর আন্দোলনকারীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় রাজধানী ঢাকায় এক দফা আন্দোলন শুরু হয়। দুপুরের আগেই বেশ কিছু সড়কে নেমে আসেন বিক্ষোভকারীরা। সরকারি দলের নেতা-কর্মী ও পুলিশের হামলায় বাঁধে সংঘর্ষ। বিভিন্ন স্থানে গুলি, টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেডে আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয় রাজধানী ঢাকা। উত্তরার আজমপুর এলাকায় দিনভর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। অন্যদিকে সকাল ১০টা থেকেই যাত্রাবাড়ীতে সংঘর্ষ শুরু হয়। সরকারের পক্ষ থেকে দুপুর ১২টার পর মোবাইল অপারেটরদের ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ করতে বলা হয়। অসহযোগ আন্দোলন ঘিরে এদিন অনেক জেলায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, সংঘর্ষ এবং গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, এতে ৯৮ জন সাধারন মানুষ ও পুলিশ নিহত হয়। লক্ষ্মীপুরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় এক কলেজছাত্র। আহত হয় অর্ধশতাধিক মানুষ। বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের উত্তর তেমুহনী থেকে ঝুমুর পর্যন্ত এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুপুর ১২টার দিক থেকে সরকারের নির্দেশে মোবাইল অপারেটররা দেশজুড়ে ফোর-জি নেটওয়ার্ক সেবা বন্ধ রাখে। ৫ আগস্ট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বেলা ২টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়। সারা দেশের মধ্যে সংঘর্ষে এনায়েতপুরে পুলিশের ১৩ সদস্যসহ সিরাজগঞ্জে ২২ জন, রাজধানীতে ১১, ফেনীতে ৮, লক্ষ্মীপুরে ৮, নরসিংদীতে ৬, সিলেটে ৫, কিশোরগঞ্জে ৫, বগুড়ায় ৫, মাগুরায় ৪, রংপুরে ৪, পাবনায় ৩, মুন্সিগঞ্জে ৩, কুমিল্লায় পুলিশের সদস্যসহ ৩, শেরপুরে ৩, জয়পুরহাটে ২, ভোলায় ১, হবিগঞ্জে ১, ঢাকার কেরানীগঞ্জে ১, সাভারে ১, বরিশালে ১ জন, কক্সবাজারে ১, গাজীপুরের শ্রীপুরে ১ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এক বার্তায় জানানো হয়, ছাত্র আন্দোলনের ডাকা সর্বাত্মক আন্দোলন ঘিরে ৪ আগস্ট দেশের বিভিন্ন জায়গায় ২৭টি থানা-ফাঁড়ি, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, রেঞ্জ অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ত্রিমুখী সংঘর্ষে প্রথম দিনেই নীলফামারী রণক্ষেত্রে পরিণত হয়, ভাংচুর করা হয়েছে নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূরের বাড়ী। এতে আহত হয় অন্তত ১২জন। অসহযোগ আন্দোলন ঘিরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তিন দিনের (৫,৬ ও ৭ আগস্ট) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। সাধারণ ছুটিকালীন সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস ও বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এ-সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। এছাড়া ঢাকাসহ সব বিভাগীয় সদর, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, শিল্পাঞ্চল, জেলা ও উপজেলা সদরের জন্য সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের পৃথক তিনটি বিজ্ঞপ্তিতে এদিন জানানো হয় সান্ধ্য আইন (কারফিউ) চলাকালে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম ও আপিল বিভাগের সব দপ্তর ও শাখা বন্ধ থাকবে। তবে প্রধান বিচারপতি জরুরি বিষয়ে প্রয়োজন সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে ৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগ ও দেশের সব অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের বিচারিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে অবিলম্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব ‘রূপান্তরের রূপরেখা’ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। প্রস্তাব অনুসারে, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগ করবে। এদিন গান বাংলার দপ্তরে হামলা চালানো হয়। এদিন জুলাই মাসের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন অধ্যাপক নিজ কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরিয়ে ফেলেন। এদিন বেলা তিনটার দিকে শাহবাগে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ এক বিবৃতিতে আহ্বান করেন, তিনি আজই সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আহ্বান জানান। ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির তারিখ পরিবর্তন করে ৬ আগস্টের পরিবর্তে ৫ আগস্ট সোমবার এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। এতে সারা দেশ থেকে আন্দোলনকারীদের ঢাকায় আসার আহ্বান জানানো হয়। ঢাকায় এদিন ভোর হয়েছিল উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে। সকালটা ছিল মেঘলা, রাস্তাঘাট ছিল ফাঁকা। বেলা ১০টার পর থেকে যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, শহীদ মিনার, বাড্ডা, মিরপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের জমায়েতের খবর আসতে শুরু করে। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও শুরু হয়। এদিন সকাল ১০ টায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটও সরকারের তরফ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়, ফলে পুরো দেশ আন্দোলনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মত ইন্টারনেট বিভ্রাটের মধ্যে পড়ে যায় এবং বাংলাদেশ বহির্বিশ্ব থেকে অনলাইনে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সকাল ১০ টার পর থেকে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। এসময় ছাত্র-জনতার গনমিছিল ও বিক্ষোভকে যেকোন উপায়ে ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছিলো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে ডাকা হয়। এসময় নিরাপত্তা বাহিনী কেন পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না তার জন্য শেখ হাসিনা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ ছাড়া বিশ্বাস করে এই কর্মকর্তাদের শীর্ষ পদে যে বসান সেটাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। ওই সময়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, বলপ্রয়োগ করে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না। কিন্তু শেখ হাসিনা সেটা মানতে চাচ্ছিলেন না। ক্রমেই যখন পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে তখন গনভবনে অবস্থানরত কর্মকর্তারা শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ ও পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে শেখ রেহানার সঙ্গে আরেক কক্ষে আলোচনা করেন। তাঁকে পরিস্থিতি জানিয়ে শেখ হাসিনাকে বোঝাতে অনুরোধ করেন। শেখ রেহানা এরপর বড় বোন শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করেন। কিন্তু তখনও ক্ষমতা ধরে রাখার ব্যাপারে শেখ হাসিনা অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বিদেশে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা। এরপর জয় তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তারপর শেখ হাসিনা পদত্যাগে রাজি হন। তিনি তখন একটা ভাষণ রেকর্ড করতে চান জাতির উদ্দেশে প্রচারের জন্য। ততক্ষণে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা শাহবাগ ও উত্তরা থেকে গণভবন অভিমুখে রওনা হয়েছে। দূরত্ব বিবেচনায় ৪৫ মিনিটের মধ্যে শাহবাগ থেকে গণভবনে আন্দোলনকারীরা চলে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়। ভাষণ রেকর্ড করতে দিলে গণভবন থেকে বের হওয়ার সময় না-ও পাওয়া যেতে পারে। এই বিবেচনায় শেখ হাসিনাকে ভাষণ রেকর্ডের সময় না দিয়ে ৪৫ মিনিট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এরপর ছোট বোন রেহানাকে নিয়ে তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে হেলিপ্যাডে আসেন শেখ হাসিনা। সেখানে তাঁদের কয়েকটি লাগেজ ওঠানো হয়। তারপর তাঁরা বঙ্গভবনে যান। সেখানে পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বেলা আড়াইটার দিকে সামরিক হেলিকপ্টারে করে ছোট বোনসহ ভারতের উদ্দেশে উড্ডয়ন করেন শেখ হাসিনা। দেড়টার দিকে আবার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু করা হয়, যা সকালে বন্ধ করা হয়েছিল। বেলা ২ টায় খবর আসে যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে সে সময় পর্যন্ত জনসাধারণকে সহিংসতা পরিহার করে ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ করেন। তখনই মানুষ বুঝে যায়, পট বদলে যাচ্ছে। মানুষ একে একে ঘর থেকে বের হতে শুরু করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাস্তায় মানুষকে আর বাধা দেয়নি। বেলা আড়াইটায় শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার খবরের পর লাখো মানুষের মিছিল, স্লোগানে মুখর হয় ঢাকা। বেলা পৌনে দুইটার দিকে মোবাইল ইন্টারনেটও চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসময় রাজধানীর শাহবাগে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। বিভিন্ন জায়গা থেকে সেখানে মানুষ স্লোগান দিয়ে আসতে থাকেন। একি সময়ে মিরপুরের পল্লবী ও ১১ নম্বর থেকে হাজারো মানুষ ১০ নম্বর গোল চত্ত্বরে জড়ো হন। সেখান থেকে তাঁরা আগারগাঁওয়ের দিকে রওনা দেন। প্রায় একি সময়ে রাজধানীর উত্তরা থেকে বনানী অভিমুখে আগিয়ে আসেন আন্দোলনকারীদের আরেকটি দল। সেখানে থাকা শিক্ষার্থী-অভিভাবক ছাড়াও স্থানীয় সাধারন মানুষ রয়েছে ওই দলে যোগ দেন। তারা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান। সবার উদ্দেশ্য হলো গনভবন। থাম্ব|জনগণের দখলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অবশেষে ছাত্র ও জনতার ৩৬ দিনের দেশ কাঁপানো আন্দোলনে পতন হলো আওয়ামী লীগ সরকারের। পালিয়ে যাবার আগে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন। বেলা আড়াইটায় হাসিনা পালিয়ে যাবার পর মিছিল নিয়ে গণভবনে ঢুকে পড়ে অসংখ্য মানুষ। পরে তাঁদের অনেককে গণভবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেয়ালে গ্রাফিতি আঁকেন কেউ কেউ। এসব গ্রাফিতিতে লেখা ছিল, ‘হাসিনা পালাইছে’, ‘লিবারেশন ওয়ার ২০২৪’, ‘বিজয়’, ‘খুনি হাসিনা’ প্রভৃতি। পরে অবশ্য বিভিন্ন ব্যক্তি যেসব সরঞ্জাম নিয়ে যেতে চাইছিলেন, তাঁদের অনেকের কাছ থেকে সেসব সরঞ্জাম উদ্ধার করেন ছাত্ররা। উদ্ধারকারী সরকারি তিতুমীর কলেজের ছাত্র দেলোয়ার হোসেন জনি বলেন, "অনেকেই এখান থেকে বিভিন্ন সরঞ্জামাদি নিয়ে যাচ্ছিলেন। কেউ বলছিলেন, তাঁরা স্মৃতি হিসেবে নিচ্ছেন। তবে যেহেতু এগুলো রাষ্ট্রীয় সম্পদ, তাই এসব সম্পদ ও তথ্য যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য আমরা কাউকে কিছু নিতে দিচ্ছি না।" প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে যাবার পর দুপুরে সেনা সদর দপ্তরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৈঠকে ডাক পান জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মুজিবুল হক চুন্নু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাস, জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিকেল চারটায় জনগণের উদ্দেশে ভাষণ দেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ভাষনে সেনাপ্রধান বলেন, সমস্ত হত্যা ও অন্যায়ের বিচার হবে বলে জনগণের উদ্দেশে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আরো বলেন, ভাঙচুর, হত্যা, সংঘর্ষ ও মারামারি থেকে জনগণকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, "আপনারা যদি কথামতো চলেন, একসঙ্গে কাজ করি। নিঃসন্দেহে সুন্দর পরিণতির দিকে অগ্রসর হতে পারব। মারামারি ও সংঘাত করে আর কিছু পাব না। তাই দয়া করে ধ্বংসযজ্ঞ, অরাজকতা ও সংঘর্ষ থেকে বিরত হন। সবাই মিলে সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হব।" রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হবে জানিয়ে ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, "তাদের সঙ্গে সুন্দর আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে কাজ পরিচালনা করব। ধৈর্য ধরেন, সময় দেন। আমরা সবাই মিলে সব সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হব।" থাম্ব|৫ আগস্ট ২০২৪ গনহত্যায় অংশ নেওয়া পুলিশকে গনরোষ থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সংঘাতে দেশের ক্ষতি হচ্ছে জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, "অর্থসম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। লোকজন মারা যাচ্ছে। সংঘাতের পথে যাবেন না। শান্তিশৃঙ্খলার পথে ফিরে আসেন।" এছাড়াও সেনাপ্রধান আন্দোলনরত ছাত্র–জনতা সবাইকে ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অতি শিগগির ছাত্র-শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবেন। বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক দেশের সর্বস্তরের জনগণকে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ জানান। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা। তিনি বলেন, থাম্ব|শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর জাতীয় সংসদ ভবনে জনতা শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবার খবর শুনে আনন্দে ফেটে পড়ে পুরো দেশ। বিকেলে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় জড়ো হওয়া হাজারো মানুষকে বিজয় উল্লাস করতে দেখা গেছে। হাসপাতালের কর্মীদের রাস্তায় এসে নাচতে দেখা গেছে। অসুস্থ নারীরা হুইলচেয়ার নিয়ে বেরিয়ে আসেন। রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় রিকশায় করে তরুণ-তরুণীদের হাতে ও মাথায় পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবার খবর শুনে চট্টগ্রামের ২ নম্বর গেট, মুরাদপুর, বায়েজিদ, জিইসি, আগ্রাবাদ, এ কে খান, কাজীর দেউড়ি, প্রবর্তকসহ বিভিন্ন সড়কে মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে হাজারো মানুষ। সাধারন মানুষ জাতীয় পতাকা নিয়ে উল্লাস করে ও স্লোগান দেয়। পরে তারা সড়ক থেকে দলে দলে চট্টগ্রাম নগরের নিউমার্কেট এলাকায় জড়ো হয়ে স্লোগান দেয়। বগুড়ায় শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে বেলা দুইটার পর কারফিউ ভেঙে শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথাকে ঘিরে সব কটি রাস্তায় মিছিল নিয়ে লাখো ছাত্র-জনতার ঢল নামে। এ সময় শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, নারী থেকে কিশোরী সব বয়সীকে উল্লাস করতে দেখা যায়। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের বেশ কিছু গাড়ি দেখে মিছিলকারীরা সেনাসদস্যদের স্যালুট দিয়ে ও হাত নাড়িয়ে ধন্যবাদ জানান। মিছিলে আসা বগুড়া জিলা স্কুলের সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সংগে বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি জরুরি ভিত্তিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা জানান। শেখ হাসিনার পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার বোন শেখ রেহানার সাথে বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০ হারকিউলিস হেলিকপ্টারে দেশত্যাগ করেন। হেলিকপ্টারটি উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছেন এয়ার কমোডর আব্বাস, যিনি ১০১ স্কোয়াড্রনের সদস্য। শেখ হাসিনা দেশত্যাগের আগে একটি ভাষণ রেকর্ড করে যেতে চেয়েছিলেন, তবে তিনি সে সুযোগ পাননি। ঐ হেলিকপ্টারটি বেলা ১:৩০-এ ভারতের আগরতলায় অবতরণ করে। সেখান থেকে ভারতীয় বিমানে শেখ হাসিনা দিল্লির উপকণ্ঠে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের কাছে হিন্দন বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান। শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় চান। কলকাতা থেকে আনন্দবাজার পত্রিকা দাবি করে, সেনাবাহিনী এবং দিল্লির সঙ্গে আলোচনার সাপেক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তরফে প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে ৪৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য। তার পরেই শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। সহিংসতা ও ক্ষয়ক্ষতি আন্দোলন পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেউ যেন লুটপাটের সুযোগ না পায়, তা নিশ্চিত করতে ছাত্র–জনতার প্রতি আহ্বান জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। সন্ধ্যা সাতটার দিকে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরে কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয়জন সমন্বয়ক। সেখানে বক্তব্যে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত ছাত্র–জনতাকে শান্তিপূর্ণভাবে রাজপথে অবস্থানের আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। লুটপাটকারীদের রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মী ও পুলিশের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলা থাম্ব|পুড়ে যাওয়ার পর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, যেখানে আন্দোলনকারীদের ঝুলানো একটি সাইনবোর্ডে লেখা "সাধারণ ছাত্র ও জনতার কার্যালয়" থাম্ব|ধ্বংসযজ্ঞের পর ওয়ারী থানা শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবার পর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগ সম্পর্কিত ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের হত্যা, বাসা বাড়ি ভাংচুর ও থানা পুড়িয়ে দেবার ঘটনা ঘটে। হাসিনার পদত্যাগের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণভবন ও সংসদ ভবনে অসংখ্য মানুষ ঢুকে পড়েন। তারা গণভবন ও সংসদ ভবন লুট করেন। বেলা ৪টায় আওয়ামী লীগের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আগুন দেন আন্দোলনকারীরা। প্রধান বিচারপতি বাসভবনে হামলা করে বিক্ষোভকারীরা। এরপর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে আগুন দেয় বিক্ষোভকারীরা। এদিন একাত্তর টিভি, সময় টিভি, এটিএন বাংলা ও মাই টিভির কার্যালয় হামলা করা হয়। আসাদুজ্জামান খান কামালের ধানমন্ডির বাসায় ভাঙচুর করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কয়েক শত ব্যক্তি আকস্মিকভাবে পুলিশ সদরদপ্তরে হামলা চালায়। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সন্ধ্যা ৬টা হতে ৬ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। রাজধানী গুলিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুটি ভবনে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। রাজধানীর গুলশানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার বাড়ি এবং সাবেক অর্থ মন্ত্রী লোটাস কামাল টাওয়ার ভবনে আগুন দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। রাজধানীর গুলশান ২ নম্বরের ৭১ নম্বর সড়কে অবস্থিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বাসায় হামলা ও অগ্নিসংযোগ করেছে উত্তাল জনতা। এসময় বাসার সামনে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। ঢাকা ছাড়াও বাংলাদেশে অন্যান্য জেলাতেও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাসা-বাড়ি, কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ঘটনা ঘটে: নওগাঁয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়, খাদ্যমন্ত্রী ও এমপির বাসায় হামলা, অগ্নিসংযোগ। বগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা, আওয়াম লীগ কার্যালয়ে আগুন। বগুড়ায় যুবলীগের দুই নেতাকে কুপিয়ে হত্যা প্রতিমন্ত্রী পলক ও এমপি শিমুলের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতার আগুন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের মালিকানাধীন পাঁচ তারকা হোটেল জাবির ইন্টারন্যাশনালে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিজয়মিছিলে থাকা বিক্ষুব্ধ জনতা। ওই ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়। কয়রায় ছাত্র-জনতার আনন্দমিছিল থেকে ভাঙচুর, গুলিতে আহত ১০ সাভারে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ গুলি করলে ৯ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অর্ধশতাধিক লোক বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়। গাজীপুরে আনসার একাডেমিতে হামলা, গুলিতে নিহত ২। গাজীপুরে বিজিবির গাড়ি অবরোধ-গুলি, এক বিজিবি সদস্যসহ নিহত ৬। কসবায় আইনমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আগুন নড়াইলে হুইপ নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফিসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ। কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়, যার মদ্ধে সাধারণ মানুষ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী রয়েছে। হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানা ঘেরাও করে আগুন জ্বালিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ লোকজন। এতে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারায় ৮ জন। আহত হয় পুলিশসহ দেড় শতাধিক। রাজশাহীর নগর ভবন, পুলিশ সদর দপ্তর, থানাসহ আ.লীগের একাধিক কার্যালয়ে আগুন শামীম-সেলিম ওসমানের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ দিনাজপুরে মেয়রের বাসা থেকে ২ যুবকের লাশ উদ্ধার। বিরামপুর থানা ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেন উত্তেজিত জনতা। এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্ষমা চেয়ে আত্মসমর্পণ করলে উত্তেজিত জনতা থানা ছেড়ে যান। সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়, বেড়ায় ডেপুটি স্পিকারের বাসায় অগ্নিসংযোগ মাগুরায় সাবেক দুই এমপির বাড়ি ও অনেক প্রতিষ্ঠানে হামলা শেরপুর কারাগারে ছাত্র-জনতার ভাঙচুর-আগুন, সব বন্দী পালিয়েছেন। কিশোরগঞ্জে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাসায় ভাঙচুর-লুটপাট। কিশোরগঞ্জ শহরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর সংঘর্ষে এক নারীসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। চুয়াডাঙ্গায় যুবলীগ নেতার বাড়িতে আগুন, চারটি লাশ উদ্ধার। চুয়াডাঙ্গার মোমিনপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কৃষক লীগ নেতা গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দারকে (৫৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘরে হামলা, আহত অন্তত ২০। ঝিনাইদহে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হিরণসহ অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। ভৈরবে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী এবং বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের বাসভবনে, আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর। কুষ্টিয়ায় পুলিশের গুলিতে শিশুসহ ছয়জন নিহত, শতাধিক গুলিবিদ্ধ। চট্টগ্রামে সাত থানায় আগুন, ভাঙচুর। মানিকগঞ্জে গুলিতে কলেজছাত্র নিহত, থানা ভাঙচুর। চাঁদপুরে পুলিশ কর্মকর্তা, পুলিশ কনস্টেবল, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম ও তার ছেলে চিত্র নায়ক শান্ত খানসহ ৫জন হত্যার শিকার হয়েছেন। সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে হামলা, তালা ভেঙে সব বন্দীকে নিয়ে গেলেন বিক্ষুব্ধ জনতা। কক্সবাজারে আ.লীগ কার্যালয়, দুই সংসদ সদস্যের হোটেলে ও থানায় ভাঙচুর-হামলা। বরিশালে সাবেক মেয়র সাদিকের বাড়িতে আগুন, ৩ পোড়া লাশ উদ্ধার। মাদারীপুরে শাজাহান খান ও বাহাউদ্দিন নাছিমের বাসভবনে হামলা–লুটপাট। শ্রীমঙ্গলে বিজয় মিছিলে পুলিশের গুলিতে আহত শতাধিক। কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদের শ্রীমঙ্গল বাসভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। কয়রায় নিজ বাড়ি থেকে উপজেলা চেয়ারম্যানের পোড়া মরদেহ উদ্ধার। নাটোরে এমপি শফিকুলের পুড়ে যাওয়া বাড়ি থেকে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার। নাটোরে সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শিমুলের বাসভবন জান্নাতি প্যালেস থেকে আগুনে পোড়া চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঝালকাঠিতে আমুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ। বরগুনায় শম্ভুর বাসায় আগুন, ল’ চেম্বার ভাঙচুর। আমুর বাসভবনে আগুন নেভাতে গিয়ে মিলল ৫ কোটি টাকা। লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখোয়াত হোসেন সুমন খানের জেলা শহরের থানা রোড (কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন) এলাকার বাসা থেকে ৬ জনের দগ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। দু’টি কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। জেলা শহরের মুজিব সড়কের বাসায় উদ্ধার কঙ্কাল দু’টির একটি জানপুরের ছাত্রলীগ কর্মী শাহিন আহম্মেদের। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। সিলেটে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আগুন। সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সিলেটের কোতোয়ালি থানায় লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় ১২ জন মারা গেছে। নিহতদের মধ্যে আটজন ছাত্রলীগ-যুবলীগের সদস্য এবং চারজন আন্দোলনকারী। লক্ষ্মীপুরে যুবলীগনেতাসহ নিহত ৩। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আ. লীগ কার্যালয় ভাঙচুর, আহত ১৭। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় হামলা এবং সিরাজগঞ্জ-২ আসনের এমপি জান্নাত আরা হেনরীর বাসায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যসের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯ জনে। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সদরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এবং আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেছে দূর্বৃত্তরা। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়েও। পাবনায় বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা-আগুন। কুষ্টিয়ায় সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ২ শতাধিক। পটুয়াখালীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা। গাজীপুরের টঙ্গীতে যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা। গাজীপুরের শ্রীপুরে বিজিবির সদস্য বহনকারী দুই গাড়িতে আগুন, ৬ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক গুলিবিদ্ধ হন। ওবায়দুল কাদেরের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী ও চাটখিল থানায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ হামলাকারীদের ওপর গুলি ছুড়লে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়। এতে সোনাইমুড়ি থানার চার পুলিশসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে উত্তেজিত জনতা। ময়মনসিংহের ভালুকায় আ.লীগের অফিস ভাঙচুর। পুলিশ কর্তৃক গণহত্যা ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সারাদেশে জনসাধারনের উপর ব্যাপক গুলি করে, যাতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাতে নিহত হন অন্তত ১০৯ জন। দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনরত গনমানুষের উপর লক্ষ্য করে গুলি করেন। এতে ৩০ জন নিহত হয়। যাত্রাবাড়ীর ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের গুলিতে ১০ জন, সাভারে ১৮ জন, কুষ্টিয়া শহরে পুলিশের গুলিতে ৬ জন, হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে পুলিশের গুলিতে ৬ জন, মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় নৌ পুলিশের গুলিতে ব্যক্তি ১ জন, গাজীপুরের শ্রীপুরে বিজিবির গুলিতে ৫ জন নিহত হন ও অর্ধশতাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুর আনসার–ভিডিপি একাডেমিতে আনসার সদস্যদের গুলিতে প্রান হারান ২ জন। পুলিশ কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধ আন্দোলনের শেষ মুহূর্তে ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মানারাত ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আহনাফ আবীর আশরাফুল্লাহসহ ৪৬ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে আশুলিয়া থানায় কয়েকজন এসআই লাশ পুড়িয়ে ফেলে। এই ঘটনার সন্দেহভাজন ‘কারিগর’ ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফিকে বিমানবন্দর দিয়ে পালিয়ে যাবার সময় আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ব্যাপক ভাইরাল হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন পুলিশ সদস্য কয়েকটি মরদেহ একটি ভ্যানে তুলে সেগুলো ব্যানার দিয়ে ঢাকছেন। গুগলের জিওলোকেশন উপাত্ত ও আশপাশের ছবি বিশ্লেষণ করার পর পুলিশ সূত্র ভিডিওটির তারিখ ও অবস্থান নিশ্চিত করে। মানবতাবিরোধী এ অপরাধটি বাইপাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কাছে থানার সামনের এক গলিতে ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুই পুলিশ কর্মকর্তা মরদেহ স্তূপ করে রাখছেন। পরে পুলিশ ভ্যানে স্তূপ করে রাখা লাশগুলো পুড়িয়ে দেয়। এএফপির বাংলাদেশ ব্যুরোর ফ্যাক্ট চেকিং এর প্রধান কদর উদ্দিন শিশির বলেন, বাইপাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের কাছে থানার সামনের একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা শুধু ৫ আগস্ট চট্টগ্রাম, নেত্রকোনা, ফেনীসহ ৩০টি জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের মন্দির ও অবকাঠামোয় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। ডেইলি স্টারের তথ্যমতে, সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার প্রথম ঘণ্টায় অন্তত ২৭টি জেলায় হিন্দুদের বাড়ি, মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজকের পত্রিকা সংবাদমাধ্যমের মতে পঞ্চগড়ে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালিয়ে তাদের বাড়ি পোড়ানো হয়। প্রথম আলো অনুযায়ী দিনাজপুরে হিন্দুদের ৪০ দোকানপাটে ভাঙচুর–লুটপাট করা হয়। বিডি জার্নাল অনুযায়ী ৫ - ৯ আগস্ট দেশের ৫২টি জেলায় কয়েক হাজার সংখ্যালঘুদের বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মন্দির ভাংচুর, হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জায়গায় আদিবাসীদের ওপরও হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। দেশের কিছু দরবার ও মাজার শরিফ হামলার শিকার হয়। প্রথম আলোর তথ্যানুযায়ী ৫ থেকে ২০ আগস্ট সারাদেশে ১০৬৮ টি সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ২২ টি উপসানালয় হামলার শিকার হয়। এছাড়াও অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের নোয়াখালীতে বসবাসকারী সদস্যদের বাড়িঘরে হামলা চালানো হয়। সরকারের পতনের দিন ৫ আগস্ট লাকসাম উপজেলার বিপুলাসার এলাকায় হেযবুত তওহীদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রজেক্টে কর্মরত হেযবুত তওহীদ সদস্যদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২ কোটি টাকার সম্পদ লুটপাট ও বিনষ্ট করে। এর বাইরে সংগঠনটির শেরপুর, জয়পুরহাট, পঞ্চগড়, পাবনা, সুনামগঞ্জসহ ৮টি কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির সুযোগে একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী এ হামলা চালায় বলে এক বিবৃতিতে জানায় সংগঠনটি। শেখ হাসিনার পালিয়ে যাবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যম বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার ভুয়া খবর ও গুজব ছড়াতে শুরু করে। ভারতজুড়ে নানা গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও বিভ্রান্তিকর নানা ভিডিও, ছবি ও সংবাদ প্রকাশ পেতে শুরু করে। আল জাজিরা স্বাধীনভাবে যাচাই করে দেখেছে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের দিন দুজন হিন্দু নিহত হয়েছেন। নিহতদের একজন পুলিশ সদস্য এবং একজন হাসিনার দল আওয়ামী লীগের কর্মী। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা ঐতিহ্যগতভাবেই সাধারণত আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন। যেহেতু আওয়ামী লীগ সরকার গনহত্যা ও দুঃশাষনের সাথে জড়িত তাই জনরোষ স্বাভাবিকভাবেই আওয়ামী লীগের উপরে এসে পড়ে, এক্ষেত্রে হিন্দু মুসলিম খোজা হয়নি। আল–জাজিরার প্রতিনিধিরা যে কয়েকটি জেলায় আক্রমণ ও লুটের ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে নয়, বরং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ওই সব বাড়িতে হামলা ও লুটের ঘটনা ঘটেছে।বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন নেতা গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যত দূর তিনি জানতে পেরেছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে, এমন হিন্দু ব্যক্তিরা ছাড়া সাধারণ হিন্দু ব্যক্তি বা পরিবার আক্রমণের শিকার হয়নি। গোবিন্দ প্রামাণিক বলেন, অন্যদিকে ভারতের গুজবের ফলে কোন হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের বাড়িতে যাতে আক্রমন না হয় সেজন্য দেশের সব স্থানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হিন্দুদের মন্দির পাহারা দেন ছাত্র-জনতা। রংপুর মহানগরী ও জেলার আট উপজেলায় হিন্দু ধর্মাবলাম্বীসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলো পাহারা দেন বিএনপি নেতারা। পিরোজপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির পাহারা দেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে কালীমন্দিরসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় পাহারা দেন হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্ররা। যশোরে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে রাত জেগে পাহারা দেন স্থানীয় বাসিন্দারা টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলায় মন্দির পাহারা দেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণ–আন্দোলন এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা, গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান দেশের শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকেরা। বাংলাদেশ নিয়ে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ১৩ই আগস্ট ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর উদ্দেশে একটি খোলাচিঠি দেন তাঁরা। চিঠিতে ভারতের বেশির ভাগ সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের গণ–আন্দোলনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেন বিশিষ্ট নাগরিকেরা। এছাড়াও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ছাত্রলীগ যে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তা ভারতের বেশির ভাগ সংবাদমাধ্যমের খবরে উপেক্ষিত। এর বদলে তারা নানা গুজব ও অপতথ্য ছড়াচ্ছে বলে তারা চিঠিতে অভিযোগ করেন। এছাড়া এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতীয় মিডিয়ায় অতিরঞ্জিত খবর প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে বলেন। এছাড়াও তিনি ভারতীয় মিডিয়াকে বাংলাদেশে এসে সাংবাদিকদের রিপোর্ট করার আহ্বান জানান যাতে সত্যিকার অর্থে কী ঘটেছে সেটি সবাই জানতে পারে। বিবিধ আতঙ্কে জলপাইগুড়ির মানিকগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ১২ শতাধিক এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল সীমান্ত দিয়ে ৩ শতাধিক নারী–শিশুসহ সাধারণ বাংলাদেশী ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। গ্রেফতার ও বিচার শেখ হাসিনা ছাড়াও তার প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যায়। তবে বেশ কয়েকজনকে পথিমধ্যে আটকে দেওয়া হয়। ৬ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশত্যাগ করতে চাইলে হাসিনা প্রশাসনের মুখ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ ও সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলককে আটকে দেয়া হয়। ১৩ আগস্ট ২০২৪ প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান কে সদরঘাটে নৌকায় করে পালানোর চেষ্টাকালে গ্রেফতার করা হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ১৬ জুলাই ২০২৪ এ ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে মো. শাহজাহান নামে এক হকার নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই মামলায় তাদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৪ আগস্ট ২০২৪ নিউমার্কেট থানায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী সবুজ আলী ও লালবাগ থানায় ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় করা পৃথক মামলায় সালমান ফজলুর রহমান কে আবার ৫ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ২৯ আগস্ট ২০২৪ রাজধানীর বাড্ডা থানায় করা সুমন শিকদার হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের ০৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১৩ আগস্ট ২০২৪ সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক কে সদরঘাটে নৌকায় করে পালানোর চেষ্টাকালে গ্রেফতার করা হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ১৬ জুলাই ২০২৪ এ ঢাকা কলেজের সামনে সংঘর্ষে মো. শাহজাহান নামে এক হকার নিহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই মামলায় তাদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৪ আগস্ট ২০২৪ নিউমার্কেট থানায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী সবুজ আলী ও লালবাগ থানায় ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় করা পৃথক মামলায় আনিসুল হক কে আবার ৫ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ২৯ আগস্ট ২০২৪ রাজধানীর বাড্ডা থানায় করা সুমন শিকদার হত্যা মামলায়সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১৪ আগস্ট ২০২৪ দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পল্টন থানায় দায়ের করা কামাল মিয়া হত্যা মামলায় ১৫ আগস্ট তাকে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। গত ১৯ জুলাই রিকশাচালক কামাল মিয়া পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ২৫ আগস্ট ২০২৪ লালবাগ থানায় ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় করা মামলায় শামসুল হক টুকু কে ০৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ লালবাগ থানায় দায়ের করা কলেজছাত্র খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ হত্যা মামলায় ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১৪ আগস্ট ২০২৪ সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পল্টন থানায় দায়ের করা কামাল মিয়া হত্যা মামলায় ১৫ আগস্ট তাকে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। গত ১৯ জুলাই রিকশাচালক কামাল মিয়া পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ২৫ আগস্ট ২০২৪ লালবাগ থানায় ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় করা মামলায় শামসুল হক টুকু কে ০৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ বাড্ডা থানায় দায়ের করা সুমন শিকদার হত্যা মামলায় পলক কে আদালত ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সূত্রাপুর থানার দায়ের করা কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ইকরাম হোসেন কাউসার ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী সরকারি কলেজর ছাত্র ওমর ফারুক হত্যা মামলায় পলক কে আদালত ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। ১৪ আগস্ট ২০২৪ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পল্টন থানায় দায়ের করা কামাল মিয়া হত্যা মামলায় ১৫ আগস্ট তাকে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। গত ১৯ জুলাই রিকশাচালক কামাল মিয়া পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ আদাবর থানায় দায়ের করা পোশাককর্মী রুবেল হত্যা মামলায় ০৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১৬ আগস্ট ২০২৪ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাচনী বোর্ডের অন্যতম সদস্য সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনকে (৮৪) আটক করা হয়। বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যসহ সর্বশেষ কেন্দ্রীয় নির্বাচনি বোর্ডের সদস্য ছিলেন। ১৭ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। আদালতে মামলাটি করে ঠাকুরগাঁওয়ের হাজীপাড়া এলাকার রিপন। রমেশ চন্দ্র সেন অসুস্থ থাকায় রিমান্ড চাওয়া হয়নি। ১৯ আগস্ট ২০২৪ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক ও সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী,সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি কে গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মুদিদোকানি আবু সায়েদকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ১৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। দীপু মনির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৪ আগস্ট ২০২৪ বাড্ডা থানায় দায়ের করা সুমন শিকদার হত্যা মামলায় সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি কে ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ১৯ আগস্ট ২০২৪ সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী ও নেত্রকোণা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আরিফ খান জয় কে গ্রেপ্তার করা হয়।ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মুদিদোকানি আবু সায়েদকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ১৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। আরিফ খান জয়ের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৫ আগস্ট ২০২৪ লালবাগ থানায় ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় করা মামলায় আরিফ খান জয় কে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ লালবাগ থানায় দায়ের করা কলেজছাত্র খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ হত্যা মামলায় ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২০ আগস্ট ২০২৪ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিকে গ্রেফতার করা হয়। কক্সবাজারের টেকনাফে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় আবদুর রহমান বদিকে গ্রেফতার করা হয়। ২১ আগস্ট ২০২৪ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৫ আসন এর সংসদ সদস্য আহমদ হোসেন কে পল্টন থানায় করা যুবদল নেতা ও মুদিদোকানদার নবীন তালুকদার হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। আহমদ হোসেনকে ০৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৫ আগস্ট ২০২৪ লালবাগ থানায় ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় করা মামলায় আহমদ হোসেন কে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ আদাবর থানায় দায়ের করা পোশাককর্মী রুবেল হত্যা মামলায় ০৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২১ আগস্ট ২০২৪ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। ২১ মাস আগে বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে করা এক মামলায় তার ৯ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২২ আগস্ট ২০২৪ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এর সভাপতি রাশেদ খান মেনন কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজধানীর নিউমার্কেটে ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে ০৫ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল ওয়ার্কার্স পার্টি। আওয়ামী লীগ আমলে রাশেদ খান মেনন প্রথমে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং পরে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। আদাবর থানায় করা পোশাকশ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এর সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন কে আরও ০৬ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এর সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন কে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। ২৩ আগস্ট ২০২৪ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও পটুয়াখালী-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পটুয়াখালী-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ দশম জাতীয় সংসদে চিফ হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। ২৪ আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকেলে ভাটারা থানাধীন ফরাজী হাসপাতালের সামনে সোহাগ মিয়া হত্যা মামলায় ০৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ৩১ আগস্ট ২০২৪ রাজধানী ভাটারা থানা এলাকায় সোহাগ মিয়া নামে এক কিশোরকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এর ফের ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৪ আগস্ট ২০২৪ ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোহাম্মদপুর-আদাবর ও শেরেবাংলা নগর থানার একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা–১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাদেক খান। ২৪ আগস্ট ২০২৪ ট্রাকচালক মো. সুজন (২৪) হত্যা মামলায় ঢাকা-১৩ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান এর ০৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৯ আগস্ট ২০২৪ রাজধানী আদাবরে জাকির নামের এক যুবককে হত্যা মামলায় সাদেক খানের ০৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৫ আগস্ট ২০২৪ নারায়ণগঞ্জ-১ আসন এর সাবেক সংসদ সদস্য বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর গাজী রাজধানী ঢাকার শান্তিনগর এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রূপগঞ্জ থানায় করা দশম শ্রেণির ছাত্র রোমান মিয়া হত্যা মামলায় ০৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর গাজী ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নারায়ণগঞ্জ-১ আসন থেকে প্রথমবারের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর টানা চারবার তিনি একই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে তৃতীয় দফায় সংসদ সদস্য হওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান তিনি। ৩০ আগস্ট ২০২৪ এ ০৬ দিনের রিমান্ড শেষে সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যুবদলকর্মী শফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীর কে ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ নারায়ণগঞ্জের দুপ্তারা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি বাবুল মিয়া হত্যা মামলায় নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীর কে ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং গাজী গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম দস্তগীর গাজীকে চতুর্থ দফায় ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা চার হত্যা মামলায় দুইদিন করে ০৮ দিনের এই রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৫ আগস্ট ২০২৪ মাদারীপুর-৩ আসন এর সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ কে আদাবর থানা এলাকায় পোশাকশ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। এই হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ কে ০৭ দিন এর রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। আব্দুস সোবহান গোলাপ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনি প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের পদ পান। এর আগে তিনি দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ছিলেন। ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ রাজধানীর আদাবরে পোশাকশ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এর আবার ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৬ আগস্ট ২০২৪ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় করা ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ০৭ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক সুজন হত্যা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ০৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ লালবাগ থানায় আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ হত্যা মামলায় ০৪ দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। ২৯ আগস্ট ২০২৪ রংপুর-৪ আসনের (পীরগাছা-কাউনিয়া) সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে শ্রমিক মুসলিম উদ্দিন মিলন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করে র্যাব। রাজধানীর বাড্ডা থানায় দায়ের করা সুমন শিকদার নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগের মামলায় সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির ০৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ বাড্ডায় সুমন শিকদার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকে কারাগারে পাঠানো হয়। ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিম কে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুরান ঢাকার লালবাগ ও চকবাজার এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিম দীর্ঘ দিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৯৯৬ সালে তৎকালীন ঢাকা–৮ আসন থেকে। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৭ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন হাজি মোহাম্মদ সেলিম। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হাজি মোহাম্মদ সেলিম। আইডিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ হত্যা মামলায় ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা হাজি মোহাম্মদ সেলিম এর ০৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিম অসুস্থ হয়ে পড়ায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার আগেই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ জাতীয় পার্টির (মঞ্জু) চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পিরোজপুর জেলার কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও জিয়ানগর উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ আসন থেকে ৬ বারের (১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০১৪) নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তিনি বিভিন্ন সরকারের মেয়াদে তিন বার বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের (পানিসম্পদমন্ত্রী,যোগাযোগমন্ত্রী ও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মন্ত্রী) দায়িত্ব পালন করে। তার পিতা তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া একজন রাজনীতিবিদ এবং দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ১৯৭২-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক ছিলেন। একই দিনে অসুস্থতা বিবেচনায় জামিন পায় জাতীয় পার্টির (মঞ্জু) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খান কে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন শাজাহান খান। তিনি এই আসন থেকে প্রথম ১৯৮৬ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। একই আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। শাজাহান খান ৩১ জুলাই ২০০৯ – ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত নৌপরিবহনমন্ত্রী ছিলেন। রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা কিশোর আবদুল মোতালিব (১৪) হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ রিমান্ডে থাকা অবস্থায় শাজাহান খান অসুস্থ বোধ করে। পরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্বালানি, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী গ্রেপ্তার হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাজধানীর বাড্ডা থানায় দায়ের করা সুমন শিকদার হত্যার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্বালানি, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর ০৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নায়েব আলী জোয়ার্দ্দারকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নায়েব আলী জোয়ার্দ্দারকে দুই মামলায় পৃথকভাবে চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। তবে পৃথকভাবে নয়; একই সঙ্গে চার দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন কে গ্রেপ্তার করে র্যাব। রাজধানীর আদাবর থানায় করা পোশাককর্মী রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন কে ০৫দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বীর মুক্তিযোদ্ধা নাট্য অভিনেতা হিসেবে খ্যাতিমান আসাদুজ্জামান নূর ২০০১ সালে প্রথম আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনেও আসাদুজ্জামান নূর সংসদ সদস্য হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর তিনি সংস্কৃতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। মিরপুর থানায় দায়ের করা সিয়াম সরদার হত্যা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য হন মো. মাহবুব আলী। ২০১৮ সালে তিনি বিমান প্রতিমন্ত্রী হন। মিরপুর থানায় দায়ের করা সিয়াম সরদার হত্যা মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি রেলপথমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নূরুল ইসলাম। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা ইমরান হাসান হত্যা মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রী, নূরুল ইসলাম সুজনকে ০৩ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ যাত্রাবাড়ী থানার রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনকে ৫ দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি ও লেখক শাহরিয়ার কবির কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রমনা থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরকে ০৭ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ কুষ্টিয়া-৪ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মো. রনি নামের এক তরুণকে হত্যার মামলায় কুষ্টিয়া-৪ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জকে ০৩ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অটোরিকশাচালক মো. রনি হত্যা মামলায় কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জকে আরও ০২ দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুককে গ্রেপ্তার করে র্যাব। বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুক ২০১৯ সাল থেকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। হাসিনা প্রশাসনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও বেশ কয়েকজন সাবেক সেনা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকদের কে গ্রেফতার করা হয়। ১৬ আগস্ট ২০২৪ সেনাবাহিনীর পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৭ আগস্ট সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান এর আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২৪ আগস্ট ২০২৪ নিউমার্কেট থানায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী সবুজ আলী ও লালবাগ থানায় ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় করা পৃথক মামলায় জিয়াউল আহসানকে কে আবার ৫ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ২৯ আগস্ট ২০২৪ রাজধানীর আদাবরে জাকির নামের এক যুবককে হত্যা মামলায় জিয়াউল আহসানকে ০৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ২১ আগস্ট ২০২৪ চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল কে পল্টন থানায় করা যুবদল নেতা ও মুদিদোকানদার নবীন তালুকদার হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। ৭ আগস্ট ২০২৪ বন্দর চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে তাকে নৌবাহিনীর ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিনের কমান্ডার হিসেবে বদলি করা হয়। ১৯ আগস্ট মোহাম্মদ সোহায়েলকে চাকরিচ্যুত করে চিঠি দেয় নৌবাহিনী। ১২ এপ্রিল ২০২৩ চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ছিলেন। কমান্ডার থাকা অবস্থায় ২০১০ সাল থেকে দুই বছর র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মোহাম্মদ সোহায়েলকে ০৪ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ২৫ আগস্ট ২০২৪ লালবাগ থানায় ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ নিহতের ঘটনায় করা মামলায় মোহাম্মদ সোহায়েল কে ০৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ লালবাগ থানায় দায়ের করা কলেজছাত্র খালিদ হাসান সাইফুল্লাহ হত্যা মামলায় ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ কে এম শহীদুল হক ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। রাজধানীর নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় এ কে এম শহীদুল হক এর.০৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন কে গ্রেপ্তার করা হয়। চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের মুদিদোকানি আবু সায়েদ হত্যা মামলায় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনের ০৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাবেক পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিমএপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান জনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে ০৭ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ২১ আগস্ট ২০২৪ একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রূপা ও প্রধান বার্তা সম্পাদক শাকিল আহমেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উত্তরা পূর্ব থানার ফজলুল করিম হত্যা মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। ২২ আগস্ট ২০২৪ তাদেরকে ০৪ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয় আদালত। ২৬ আগস্ট ২০২৪ রাজধানীর আদাবর থানায় গার্মেন্টস কর্মী রুবেল হত্যা মামলায় একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক বার্তাপ্রধান শাকিল আহমেদ ও সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ও উপস্থাপক ফারজানা রুপার ০৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ৩১ আগস্ট ২০২৪ সাংবাদিক দম্পতি একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক বার্তাপ্রধান শাকিল আহমেদ ও সাবেক প্রধান প্রতিবেদক-উপস্থাপক ফারজানা রুপা কে ০৯ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ভাষানটেক থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তকে ০৭ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় আদালত। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ রমনা থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় একাত্তর টিভির প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু কে ০৭ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় আদালত। গুজব দৈনিক ইত্তেফাকে বলা হয়, ৯ আগস্ট লালমনিরহাটের জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী সীমান্ত দিয়ে বসত ভিটেসহ সব ফেলে রেখে কয়েক হাজার লোক দেশ ত্যাগের চেষ্টা করে। কিন্তু পরবর্তীতে প্রথম আলোর একটি সংবাদে প্রমাণিত হয় যে, উক্ত সংবাদটি ভুলভাবে পরিবেশিত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় নেতারা এসেছেন, আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা এমন গুজব ছড়িয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের সীমান্ত এলাকায় জড়ো করেন। প্রতিক্রিয়া অভ্যন্তরীণ পদত্যাগ পূর্ববর্তী সরকারকে পদত্যাগ করে ‘জাতীয় বিপর্যয়’ থেকে দেশকে রক্ষা করার আহ্বান জানায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। পদত্যাগ পরবর্তী 220px|থাম্ব|শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর বিশাল বিজয় মিছিল নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস বলেন, বাংলাদেশের বাইরে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ছাড়ার সংবাদে লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে বিজয়োৎসবে শামিল হন হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নারী, পুরুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে এ পার্কের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। এদিকে বাংলাদেশে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও প্রাণহানি রোধ করতে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি। চিত্রশালা আরও দেখুন ২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ অহিদুল ইসলাম ও অন্যান্য বনাম বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য অসহযোগ আন্দোলন (১৯৭১) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ২০২২-এ শ্রীলঙ্কায় বিক্ষোভ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ প্রতিবাদ বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ বাংলাদেশ বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশে ছাত্র বিক্ষোভ বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিষয়শ্রেণী:ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান বিষয়শ্রেণী:শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রিত্ব
|
ভেদন পরীক্ষা বলতে কোনও কম্পিউটার ব্যবস্থার নিরাপত্তা বা আক্রান্তপ্রবণতা যাচাই করতে সেটির উপর অনুমোদিত কৃত্রিম আক্রমণকে বোঝায়। এমন পরীক্ষায় পরিপূর্ণভাবে যথাসম্ভব ঝুঁকি মূল্যায়নের মাধ্যমে একটি ব্যবস্থার দূর্বলতা ও শক্তি দুটোই চিহ্নিত করা হয়। একে ইংরেজি ভাষায় পেনেট্রেশন টেস্ট (Penetration Test) বা সংক্ষেপে পেন টেস্ট বলা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সাধারণত লক্ষ্যের সিস্টেম ও নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্বাচন করে, তারপর প্রাপ্ত তথ্যকে পর্যালোচনা ও লক্ষ্যার্জনে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। সাদা বাক্স (হোয়াইট বক্স) ও কালো বাক্সে (ব্ল্যাক বক্স) নামক দুই ধরনের আক্রমণ হতে পারে। সাদা বাক্স আক্রমণের ক্ষেত্রে ব্যবস্থাটি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য প্রদান করা হয়, অন্যদিকে কালো বাক্স আক্রমণের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা সম্পর্কে শুধুমাত্র প্রাথমিক তথ্য প্রদান করা হয় বা কোন তথ্যই প্রদান করা হয় না। কোনও আক্রমণ থেকে ব্যবস্থাটি সুরক্ষিত কি না তা নির্ণয় করতে ভেদন পরীক্ষা সাহায্য করে, এবং সুরক্ষিত না হলে প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ভেদন পরীক্ষাতে পাওয়া নিরাপত্তাজনিত সমস্যাগুলি ব্যবস্থার মালিকের কাছে প্রতিবেদন আকারে পাঠানো হয়। ভেদন পরীক্ষা প্রতিবেদনে কোনও সংগঠনের উপর সম্ভাব্য আক্রমণের ব্যাপারে অবহিত করা হয় ও এবং হামলা-প্রতিরোধী পরামর্শ প্রদান করে। ভেদন পরীক্ষার লক্ষ্য অনুমোদিত কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হয়।Patrick Engebretson, The basics of hacking and penetration testing , Elsevier, 2013 ভেদন পরীক্ষা একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিরীক্ষা (সিকিউরিটি অডিট) একটি অংশ। উদাহরণস্বরূপ, মূল্যপরিশোধ কার্ড শিল্পে (পেমেন্ট কার্ড ইন্ডাস্ট্রি) উপাত্ত নিরাপত্তা মান বা আদর্শগুলির (ডাটা সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ড) নিয়মিত সময়সূচিতে ভেদন পরীক্ষণ করা উচিত। সরঞ্জাম ভেদন পরীক্ষার জন্যে বহুবিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা মূল্যায়ন সরঞ্জাম রয়েছে, যার মধ্যে বিনামূল্য ও বাণিজ্যিক সফটওয়্যার দুই ধরনেরই রয়েছে। বিশেষ অপারেটিং সিস্টেম বিতরণ ভেদন পরীক্ষার উপযোগী অনেকগুলো অপারেটিং সিস্টেম বিতরণ রয়েছে। এসব বিতরণগুলিতে সাধারণত প্রাক-মোড়কীকৃত ও প্রাক-বিন্যস্ত সরঞ্জামের সংকলন থাকে। ভেদন পরীক্ষকের সবগুলি সরঞ্জাম আলাদা আলাদা করে খুঁজে নিতে হয় না, যা সংকলক ত্রুটি, নির্ভরশীলতা সমস্যা (ডিপেন্ডেন্সি ইস্যু), বিন্যস্তকরণ সমস্যা (কনফিগারেশন ইস্যু), ইত্যাদির মত জটিলতা বাড়াতে পারে। উল্লেখযোগ্য ভেদন পরীক্ষা অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ হলো: ব্যাকবক্স, উবুন্টু ভিত্তিক কালি লিনাক্স, ডেবিয়ান ভিত্তিক প্যারোট সিকিউরিটি ওএস, ডেবিয়ান ভিত্তিক পেন্টু, জেন্টু ভিত্তিক ডব্লিউএইচএএক্স, স্ল্যাকওয়্যার ভিত্তিক ভেদন পরীক্ষাকে সহজতর করতে আলাদা আলাদা ক্ষেত্রের জন্যে অনেকগুলি আলাদা আলাদা বিশেষ অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। সফটওয়্যার পরিকাঠামো বার্প স্যুট মেটাস্পলেয়েট প্রকল্প এনম্যাপ ওউসাপ জ্যাপ ডব্লিউথ্রিএএপ ধাপ ভেদন পরীক্ষা প্রক্রিয়ার পাঁচটি ধাপ রয়েছে: ১) প্রাথমিক নিরীক্ষণ - লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ। ভাল আক্রমণের কাজে এ তথ্য সহায়তা করে। উদাহরণস্বরূপ, ওপেন সোর্স সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজে ব্যবহৃত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ২) নির্ণয় করা - টেকনিক্যাল টুল ব্যবিহার করে আক্রমণকারীর সিস্টেম সম্পর্কে জ্ঞান বাড়ায়। যেমন, এনম্যাপ বা নেটওয়ার্ক ম্যাপিং ওপেন পোর্ট স্ক্যান করতে ব্যবহৃত হয়। ৩) প্রবেশাধিকার অর্জন - প্রাথমিক নিরীক্ষণ ও স্ক্যানিং ধাপে সংগৃহীত তথ্য ব্যবহার করে, আক্রমণকারী লক্ষ্যবস্তু অর্জনের জন্যে পেলোড ব্যবহার করতে পারে। যেমন— জ্ঞাত দূর্বলতার জন্যে মেটাস্পলেয়েট ব্যবিহার করা হয়। ৪) প্রবেশাধিকার বহাল রাখা - প্রবেশাধিকার বহাল রাখার জন্যে কিছু পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, যাতে করে লক্ষ্যবস্তুর অভ্যন্তরে থেকে যতটুকু ডাটা সম্ভব সংগ্রহ করা। ৫) পদচিহ্ন মুছে ফেলা - আক্রমণকারী অবশ্যই নিজেকে অজ্ঞাত রাখতে আক্রান্ত সিস্টেমে রাখা সমস্ত চিহ্ন, লগ ও ডাটা মুছতে হবে। একবার আক্রমণকারী কোন দুর্বলতা খুঁজে ফেলে, তারা অন্যান্য যন্ত্রেও প্রবেশ করতে পারে, যাতে প্রক্রিয়াটির পুনরাবৃত্তি হয়। এ প্রক্রিয়াটি অভিমুখ পরিবর্তন ("পিভটিং") নামে পরিচিত। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বিষয়শ্রেণী:সফটওয়্যার পরীক্ষা
|
এটি একটি নিয়মের পাতা। অটো উইকি ব্রাউজার দ্বারা সম্পাদনার সময় অটো উইকি ব্রাউজার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাধারণ সংশোধনের অংশ হিসেবে ঠিক করে দিবে। যোগের নমুনা একটি হলে: {{tl|পুনঃনির্দেশ}} → '''{{tl|টেমপ্লেটের নাম}}''' একের অধিক হলে: {{tl|পুনঃনির্দেশ১}}, {{tl|পুনঃনির্দেশ২}} → '''{{tl|টেমপ্লেটের নাম}}''' নীতি সাধারণ টেমপ্লেট , , , → , → , , , , , , , → , , → , → উদ্ধৃতি টেমপ্লেট , → , , → , → , , , , → , → , , , , , , , , , , , → তথ্যছক , , , , → , , , → , , → → টীকা টেমপ্লেট , → → , , → , , , → , , , → → , , , → ছবি , , , → অন্য , → , → , , , → , , → → , → → , → , , , , , , , , , , , , , , , , , → → , , , , → , , → , , →
|
নেপালের সংঘীয় সংসদ বা নেপালের সংসদ হল নেপালের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থা। নেপালের সংঘীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি এবং দুটি কক্ষ, প্রতিনিধি সভা এবং রাষ্ট্রীয় সভা নিয়ে গঠিত৷ নেপালের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির সংসদের দুই বা যে কোনো কক্ষ তলব ও স্থগিত করার অথবা প্রতিনিধি সভা ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহের পরামর্শে ২০০২ সালের মে মাসে প্রতিনিধি সভা ভেঙে দেন। রাজা জ্ঞানেন্দ্র অবশেষে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজকীয় ক্ষমতা দখল করেন, চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে কয়েক বছরের মধ্যে চার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করেন। ২০০৬ সালের গণআন্দোলনের পর রাজা সাবেক প্রতিনিধি সভা পুনর্বহাল করেন। ২০০৭ সালের ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন আইনসভা-সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:নেপালের রাজনীতি বিষয়শ্রেণী:নেপাল সরকার বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী সংসদ বিষয়শ্রেণী:দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বিষয়শ্রেণী:২০১৫-এ নেপালে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:জাতীয় আইনসভা বিষয়শ্রেণী:নেপালের সংসদ
|
দর্জি দাজম সুব্বা হলেন সিকিমের সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের রাজনীতিবিদ। তিনি সিকিম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রার্থী হিসাবে বারফুং আসন থেকে ২০১৪ সালে সিকিম বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত পবন চামলিংয়ের পঞ্চম মন্ত্রকের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ও শ্রম মন্ত্রী ছিলেন। Myneta তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:সিকিম বিধানসভার সদস্য ২০১৪-২০১৯ বিষয়শ্রেণী:সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের রাজনীতিবিদ বিষয়শ্রেণী:জন্মের বছর অনুপস্থিত (জীবিত ব্যক্তি) বিষয়শ্রেণী:গ্যাংটকের ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:সিকিম বিধানসভার সদস্য ২০০৯-২০১৪ বিষয়শ্রেণী:সিকিম বিধানসভার সদস্য ১৯৯৪-১৯৯৯ বিষয়শ্রেণী:সিকিম বিধানসভার সদস্য ১৯৯৯-২০০৪ বিষয়শ্রেণী:সিকিমের ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ
|
পাওথৌ (; ) উত্তর চীনের অন্তর্দেশীয় মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সবচেয়ে জনবহুল নগরী। এই জেলা-স্তরের পৌরসভাটি হুয়াং হো নদীর (পীত নদীর) উত্তরীয় মহাবাঁক অংশে নদীটির উত্তর তীরে অন্তর্দেশীয় মঙ্গোলিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী হোহ্-হত নগরী থেকে ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। মূল পাওথৌ নগরীতে ২০ লক্ষ এবং এর বৃহত্তর প্রশাসনিক অঞ্চলে ২৬ লক্ষের বেশি লোকের বাস। "পাওথৌ" কথাটির অর্থ "হরিণের শহর"। এছাড়া এটিকে "গোবি মরুভূমির ইস্পাত নগরী" () নামেও ডাকা হয়। ৭ম থেকে ১০ম শতকের মধ্যে থাং রাজবংশের শাসনামলে এই এলাকায় একটি বসতি ও সেনাছাউনি স্থাপিত হয়। এরপরে মঙ্গোল জাতির লোকেরা এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ১৮শ শতকের শুরু পর্যন্তও এটি একটি ছোট গ্রাম ছিল। ছিং রাজবংশের শাসনামলে ১৮শ শতকের শেষ দিকে এটি ধীরে ধীরে বাজার শহরে পরিণত হয়। ১৯২৩ সালে চীনের জাতীয় রাজধানী বেইজিং থেকে পাওথৌ পর্যন্ত রেলসংযোগ প্রতিষ্ঠিত হলে শহরটি অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতে শুরু করে। ১৯২৫ সালে এটিকে একটি প্রশাসনিক উপজেলা বা কাউন্টির মর্যাদা দেওয়া হয়। এরপর শহরটি দ্রুত মঙ্গোলিয়া ও উত্তর-পশ্চিম চীনের সাথে বাণিজ্যের একটি কেন্দ্রে পরিণত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি জাপানিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় এবং জাপানিরা শহরের কাছেই কয়লা ও অন্যান্য খনিজের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার আবিষ্কার করে। ১৯৪৯-এর পরে বেইজিংয়ের সাথ রেলসংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়। সেসময় এখানে মাত্র ১ লক্ষ লোকের বাস ছিল। চীনা সরকার এটিকে একটি শিল্পনগরীতে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নেয়। উত্তরের পাইয়ান ওপো এলাকার লৌহ আকরিক, পূর্বের শিকুয়াই অঞ্চলের তাছিং পর্বতমালা সংলগ্ন স্থানের কোক কয়লা এবং স্থানীয় চুনাপাথরের সুবাদে ১৯৬০-এর দশকে এসে পাওথৌ একটি লৌহ ও ইস্পাত শিল্প কেন্দ্রে পরিণত হয়। এখানে চীনের সেনাবাহিনীর জন্য লোহার ট্যাংক প্রস্তুত করা হত। এরপরে শহরটি কেবল অন্তর্দেশীয় মঙ্গোলিয়া বা উত্তর চীন নয়, বরং সমস্ত চীনের একটি প্রধান শিল্পনগরীতে পরিণত হয়। ১৯৯০-এর দশকে এখানে উচ্চ প্রযুক্তি শিল্প-উদ্যান প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক দ্রব্য ও ইলেকট্রনীয় সামগ্রী শিল্পোৎপাদনের কারখানা আছে। মঙ্গোলীয় জাতির লোকেরা পাওথৌ নগরীর বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায় গঠন করেছে। ইস্পাতের পাশাপাশি পাওথৌতে বিরল মৃত্তিকা ধাতু পরিশোধন করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের বিরল ধাতুর দুই-তৃতীয়াংশই পাওথৌ শহরে পরিশোধন করা হয়। এই বিরল মৃত্তিকা ধাতুগুলি (নিওডিমিয়াম ও সিরিয়াম) অত্যাধুনিক জীবনের সর্বত্র বিরাজমান: বায়ুকলের চুম্বক, বৈদ্যুতিক মোটরগাড়ির ইঞ্জিন, স্মার্টফোন ও সমতল পর্দার টেলিভিশনের পর্দা ও ইলেকট্রনীয় বর্তনী, কানের ইয়ারফোন ও কম্পিউটার হার্ড ডিস্কের চুম্বক, সর্বত্রই এগুলি ব্যবহৃত হয়। বিশ্বের আধুনিকতম তথ্যপ্রযুক্তির যন্ত্রগুলির বিরল কাঁচামাল আক্ষরিক অর্থেই পাওথৌ থেকে আসে। তবে এই পরিশোধন প্রক্রিয়াটি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক, মাটির সাথে বিপুল পরিমাণে অম্ল বা অ্যাসিড চালনা করে এই ধাতুগুলিকে পৃথক করা হয়। বেশিরভাগ দেশই এই বিপজ্জনক কাজ করতে আগ্রহী না হলেও চীন সারা বিশ্বের পুঁজিবাদী প্রযুক্তি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রয়োজনে এই কাজটি করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে পাওথৌ শহর থেকে ৭৫ মাইল দূরে অত্যন্ত বিষাক্ত বর্জ্যের একটি বিশালাকার হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে, যা সারা পৃথিবীর মানুষের উচ্চ ইলেকট্রনীয় প্রযুক্তির জন্য তৃষ্ণার কারণে সৃষ্ট এক দুঃখজনক পরিবেশ বিপর্যয়। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:চীনের শহর
|
ইয়োহান কার্ল ফ্রিডরিশ গাউস (: ইয়োহান্ কাল্ ফ্রিড্রিশ্ গাউস্; জার্মান ভাষায়: Johann Carl Friedrich Gauß) (৩০শে এপ্রিল, ১৭৭৭ - ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৫) একজন প্রতিভাবান জার্মান গণিতবিদ এবং বিজ্ঞানী। গণিত ও বিজ্ঞানের প্রায় সকল বিভাগে তার অবদান আছে। তাকে "গণিতের যুবরাজ" ও "সর্বকালের সেরা গণিতবিদ" বলা হয়। গণিতের যে সব বিষয়ে তার অবদান আছে সেগুলোর মধ্যে আছে সংখ্যা তত্ত্ব, গাণিতিক বিশ্লেষণ, অন্তরক জ্যামিতি, চুম্বকের ধর্ম, আলোকবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদি। গণিত এবং বিজ্ঞানের বহু শাখায় তার প্রশংসাযোগ্য প্রভাব ছিল, যে কারণে তাকে ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী গণিতবিদদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।Dunnington, G. Waldo. (May, 1927). "The Sesquicentennial of the Birth of Gauss ". Scientific Monthly XXIV: 402–414. Retrieved on 29 June 2005. Comprehensive biographical article. গাউস ছোটবেলা থেকেই অসম্ভব প্রতিভাবান ছিলেন । ছোটবেলার তার গাণিতিক প্রতিভা নিয়ে অনেক গল্প শোনা যায়। তিনি কৈশোরেই তার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক আবিষ্কারগুলো সম্পাদন করেন। ১৭৯৮ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ কাজ ডিসকিশিয়নেস অ্যারিথমেটিকা লেখা সমাপ্ত করেন, যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়। তার এই কাজ গণিতের একটি পৃথক শাখা হিসেবে সংখ্যাতত্ত্বের ভিত্তি স্থাপন করে এবং আজও এর প্রভাব অপরিসীম। শৈশব ও কৈশোর (১৭৭৭–১৭৯৮) left|thumb|ব্রাউনশভিগে গাউসের জন্মস্থানে তাঁর মূর্তি। কার্ল ফ্রিডরিশ গাউস ১৭৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন বর্তমান নিম্ন জাখসেন অঞ্চলের অন্তর্গত ব্রাউনশ্ভাইগ শহরে। তার পিতামাতা ছিলেন নিতান্তই খেটে-খাওয়া শ্রেণীর। শৈশবেই তিনি তার গাণিতিক প্রতিভার পরিচয় দিতে শুরু করেন। তার অসাধারণ প্রতিভা সম্বন্ধে বেশ কিছু গল্প প্রচলিত আছে। কথিত আছে মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি তার বাবার হিসাবের খাতার ভুল ধরে দেন মনে মনে গণনা করে। তার সম্বন্ধে আরেকটি বহুল প্রচলিত গল্প হচ্ছে- একবার তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক দুষ্টু ছাত্রদের ব্যস্ত রাখবার জন্যে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো যোগ করতে বলেন। গাউস তার শিক্ষককে অবাক করে দিয়ে মুহুর্তের মধ্যেই সঠিক উত্তরটি বের করে ফেলেন। গাউসের যোগ করার পদ্ধতিটি ছিল অত্যন্ত সহজ - তিনি লক্ষ্য করেন ধারাটির দুই বিপরীত দিক থেকে পদ নিয়ে জোড়া তৈরি করতে থাকলে তাদের যোগফল সমান থাকে 1 + 100 = 101, 2 + 99 = 101, 3 + 98 = 101, এবং এভাবে সম্পূর্ণ যোগফলটি দাঁড়ায় 50 × 101 = 5050। তবে এই গল্পটির বিস্তারিত বিবরণ কিছুটা অনুমান করা বলেই মনে করা হয়;http://www.americanscientist.org/issues/pub/gausss-day-of-reckoning/2 কিছু লেখক, যেমন জোসেফ রটম্যান তার বই এ ফার্স্ট কোর্স ইন এলজেবরাতে ঘটনাটি আদৌ ঘটেছিল কিনা তা নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। গাউসের বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা ব্রাউনশ্ভাইগের ডিউকের নজর কাড়ে, যিনি তাকে কলোজিয়াম কারোলিনামে (বর্তমান টেকনিশে উইনিভার্সিটেট ব্রাউনশ্ভাইগ)-এ পড়ালেখা করবার সুযোগ করে দেন। তিনি ১৭৯২ থেকে ১৭৯৫ পর্যন্ত সেখানে অধ্যয়ন করেন এবং তারপর গোটিঙেন গেয়র্গ-আউগুস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭৯৫ থেকে ১৭৯৮ পর্যন্ত পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় গাউস বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপপাদ্য নতুন করে আবিষ্কার করেন এবং ১৭৯৬ সালে তিনি প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেন; তিনি প্রমাণ করতে সক্ষম হন যে যেসব সুষম বহুভুজের সংখ্যা ফের্মা মৌলিক সংখ্যা (এবং, সেই সাথে যেসব বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ফের্মা মৌলিক সংখ্যা ও ২ এর ঘাতের গুণফল) তাদের কম্পাস ও দাগ-না-কাটা রুলার ব্যবহার করে আঁকা সম্ভব। এ আবিষ্কারটি গণিতের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ছিল; অঙ্কণের সমস্যা গণিতবিদদের প্রাচীন গ্রিক আমল থেকেই ভাবিয়ে আসছিল, এবং এই আবিষ্কারই গাউসকে ভাষাবিজ্ঞানের পরিবর্তে গণিতকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে অনুপ্রাণিত করে। গাউস তার এই উদ্ভাবন নিয়ে অত্যন্ত গর্ববোধ করতেন এবং তার ইচ্ছে ছিল তার স্মৃতিফলকে একটি সুষম সপ্তদশভুজ (heptadecagon) খোদাই করা থাকবে। তবে কারিগররা এতে অপারগতা প্রকাশ করে, কারণ সপ্তদশভুজ খোদাই করা বেশ কঠিন ব্যাপার ছিল, এবং এই শ্রমসাধ্য সপ্তদশভুজকে ভালোভাবে লক্ষ্য না করলে বৃত্তের সাথে পার্থক্য করা যেত না।Pappas, Theoni: Mathematical Snippets, Page 42. Pgw 2008 ১৭৯৬ সালটি ছিল গাউস এবং সংখ্যাতত্ত্ব উভয়ের জন্যেই অন্যতম সফল একটি বছর। মার্চের ৩০ তারিখ তিনি সপ্তদশভুজ অঙ্কনের একটি কৌশল উদ্ভাবন করেন।Carl Friedrich Gauss §§365–366 in Disquisitiones Arithmeticae. Leipzig, Germany, 1801. New Haven, CT: Yale University Press, 1965. তিনি মডিউলভিত্তিক পাটীগণিত আবিষ্কার করেন, যা সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসাব-নিকাশ বহুগুণ সহজতর করে। তিনি 8 এপ্রিল দ্বিঘাত অন্যোন্যতা (quadratic reciprocity) নিয়মটি প্রমাণ করেন। এই অসাধারণ সাধারণ সূত্রের মাধ্যমে কোন দ্বিঘাত সমীকরণ মডুলার পাটীগণিতের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব কি না, তা নির্ধারণ করা যায়। ৩১শে মে তারিখে তিনি মৌলিক সংখ্যা উপপাদ্যটি অনুমান করেন, যা মৌলিক সংখ্যার বণ্টন সম্বন্ধে ধারণা প্রদান করে। গাউস আরও আবিষ্কার করেন যে সকল ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাকে সর্বোচ্চ তিনটি ত্রিভুজীয় সংখ্যা (triangular number) যোগফল হিসেবে প্রকাশ করা যেতে পারে; এই উদ্ভাবনের তারিখটি ছিল ১০ জুলাই এবং এ সম্বন্ধে তার ডায়েরিতে লেখা ছিল সেই বিখ্যাত শব্দগুচ্ছ, "ইউরেকা! num = Δ + Δ + Δ." অক্টোবর 1 তারিখে তিনি সসীম ক্ষেত্র (finite field) সহগবিশিষ্ট বহুপদীর সমাধান সংখ্যার ওপর একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেন, যা ১৫০ বছর পর ভেইল অনুমিতির জন্ম দেয়। মধ্যজীবন (১৭৯৯–১৮৩০) ১৭৯৯ সালে তার ডক্টরেট অভিসন্দর্ভ সকল একক-চলকবিশিষ্ট সমাকলক মূলদ বীজগাণিতিক ফাংশনকে প্রথম বা দ্বিতীয় ঘাতের বাস্তব উৎপাদকের গুণফল আকারে প্রকাশ করার তত্ত্বের একটি নতুন প্রমাণ-এ গাউস বীজগণিতের মৌলিক তত্ত্বটি (fundamental theorem of algebra) প্রমাণ করেন, যা হল জটিল সংখ্যায় সকল অ-ধ্রুবক একক-চলকধারী বহুপদীর কমপক্ষে একটি মূল আছে। তার পূর্বে কিছু গণিতবিদ এ তত্ত্বটির ভুল প্রমাণ দিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে ছিলেন জঁ ল্য রোঁ দালঁবের (Jean le Rond d'Alembert)। তবে শ্লেষের ব্যাপার হল এই যে বর্তমান মানদন্ডে গাউসের প্রমাণটিও পুরোপুরি সঠিক নয়, কারণ তিনি জর্ডানের বক্রতা তত্ত্বের (Jordan curve theorem) পরোক্ষ ব্যবহার করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে তিনি এ তত্ত্বের তিনটি প্রমাণ উপস্থাপন করেন, যার শেষটি ছিল সাধারণভাবে কড়াকড়ি প্রমাণ। তার প্রচেষ্টা পাশাপাশি জটিল সংখ্যার ধারণাও স্পষ্টতর করে। গাউস সংখ্যাতত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ১৮০১ সালে প্রকাশিত বই ডিসকিশিয়নেস এরিথমেটিকা (ল্যাটিন, পাটীগণিতে অনুসন্ধান) এ তিনি কনগ্রুয়েন্স বা অনুসমতার জন্যে একটি নতুন চিহ্নের &equiv ব্যবহার প্রচলন করেন এবং এর মাধ্যমে ভাগশেষ পাটীগণিতের পরিষ্কার উপস্থাপনা করেন, দ্বিঘাত অন্যোন্যতা তত্ত্বের প্রথম দুইটি প্রমাণ লিপিবদ্ধ করেন, দ্বিমিক (binary) ও ত্রিমিক (ternary) দ্বিঘাত রূপের তত্ত্ব বর্ণনা করেন, তাদের জন্যে শ্রেণী সংখ্যা সমস্যা (class number problem) উদ্ধৃত করেন, এবং দেখান যে সুষম সপ্তদশভুজ কম্পাস ও দাগ-না-কাটা রুলার দিয়ে অঙ্কণ (Compass and straightedge constructions) করা সম্ভব। thumb|গাউসের Disquisitiones Arithmeticae পুস্তকের প্রচ্ছদপত্র একই বছর ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী জুসেপ্পে পিয়াৎজি (Giuseppe Piazzi) বামন গ্রহ সেরেস (Ceres) আবিষ্কার করেন, কিন্তু তিনি মাত্র কয়েকদিন গ্রহটি পর্যবেক্ষণ করতে সমর্থ হন। গাউস গ্রহটির অবস্থান সঠিকভাবে হিসাব করে পুনরায় একে খুঁজে পাওয়ার পথ বাতলে দেন, এবং ১৮০১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর ফ্রাঞ্জ জাভের ফন জাখ (Franz Xaver von Zach) গোথায় গ্রহটি পুনরাবিষ্কার করেন এবং তার এক দিন পর হাইনরিশ অলবের্স-ও (Heinrich Wilhelm Matthäus Olbers) ব্রেমেনে বসে গ্রহটি খুঁজে পেতে সমর্থ হন। জাখ মন্তব্য করেন, "ডক্টর গাউসের বুদ্ধিদীপ্ত গণনা ছাড়া আমরা হয়তো গ্রহটি আর খুঁজে পেতাম না।" যদিও তখন পর্যন্ত গাউস ডিউকের কাছ থেকে বৃত্তি পাচ্ছিলেন, তিনি এই ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন, তাছাড়া তিনি মনে করতেন বিশুদ্ধ গণিত অর্থনৈতিক সহায়তা লাভ করার মত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে চাকরি খঁজতে শুরু করেন এবং ১৮০৭ সালে গোটিঙেনের জ্যোতির্বিজ্ঞান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে জ্যোতির্বিজ্ঞান অধ্যাপক ও পরিচালক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি এ চাকরিতে বহাল ছিলেন। ১৮০১ সালের ১লা জানুয়ারি পিয়াৎজির সেরেস আবিষ্কার গাউসকে বৃহৎ গ্রহ দ্বারা বাঁধাগ্রস্ত উপগ্রহের গতি নিয়ে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, যা ১৮০৯ সালে Theoria motus corporum coelestium in sectionibus conicis solem ambientum ("সূর্যের চারপাশে মহাকাশের বস্তুসমূহের কোণক আকৃতির গতি সম্পর্কিত তত্ত্ব") নামে প্রকাশিত হয়। পিয়াৎজি সেরেসকে কেবলমাত্র কয়েক মাসের জন্য পর্যবেক্ষণ করতে সমর্থ হন, তার সেরেসের পর্যবেক্ষণ রাতের আকাশে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল। এরপর গ্রহটি সূর্যের আড়ালে ক্ষণস্থায়ীভাবে ঢাকা পড়ে যায়। কয়েকমাস পরে সেরেসকে যখন পুনরায় দেখতে পাবার কথা, তখন পিয়াৎজি তা খুঁজে পেতে ব্যর্থ হন: সে সময়কার গাণিতিক উৎকর্ষ কেবলমাত্র তিন ডিগ্রি কক্ষপথের হিসাব থেকে প্রকৃত কক্ষপথ হিসাব করবার মতো যথেষ্ট দক্ষ ছিল না— তিন ডিগ্রি প্রকৃত কক্ষপথের ১% এরও কম অংশ। ২৩ বছর বয়সে গাউস এ সমস্যার সাথে পরিচিত হন এবং তা নিয়ে কাজ করতে শুরু করেন। তিন মাসের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি ডিসেম্বর ১৮০১ সালের জন্যে সেরেসের কক্ষপথ ভবিষদ্বাণী করেন— এবং তা এক ডিগ্রির অর্ধেকেরও কম ত্রুটিসহ সঠিক প্রমাণিত হয়। স্বর্গীয় বস্তুসমূহের গতি আজও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনায় মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত। এ তত্ত্বে তিনি গাউসীয় মহাকর্ষ ধ্রুবক ধারণাটির জন্ম দেন এবং সর্বনিম্ন বর্গ পদ্ধতি ব্যবহার করেন, যা কিনা আজও বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ত্রুটি সর্বনিম্নকরণের কাজে ব্যবহৃত হয়। গাউস ১৮০৯ সালে এ তত্ত্বটি স্বাভাবিকভাবে বন্টিত ত্রুটির জন্যে প্রমাণ করতে সমর্থ হন। thumb|১৮২৮ সালে Astronomische Nachrichten তে প্রকাশিত গাউসের প্রতিকৃতি গাউস অ-ইউক্লিডীয় জ্যামিতির (non-Euclidean geometry) সম্ভাবনার কথাও আবিষ্কার করেছিলেন বলে দাবি করেন, কিন্তু এ সম্পর্কে তার কোন কাজ তিনি প্রকাশ করেন নি। এ আবিষ্কারটি ছিল গণিতের জগতে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা, কেবলমাত্র ইউক্লিডের স্বতঃসিদ্ধের মাধ্যমেই যুক্তিযুক্ত ও অসঙ্গতিবিহীন জ্যামিতি তৈরি করা যায় - এ ভ্রান্ত ধারণা থেকে গণিতবিদদের মুক্ত করে। এ ধরনের জ্যামিতির ওপর গবেষণার মাধ্যমে অনেক নতুন আবিষ্কার হয়, যার মধ্যে অন্যতম হল আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, যা মহাবিশ্বকে অ-ইউক্লিডীয় হিসেবে ব্যাখ্যা করে। গাউসের বন্ধু ফারকাস উলফগ্যাং বোলাই যার সাথে তিনি ছাত্রাবস্থায় ভ্রাতৃত্ব ও সত্যের পতাকার শপথ নিয়েছিলেন, তিনি বহু বছর ধরে ইউক্লিডের অন্যান্য উপপাদ্য ব্যবহার করে সমান্তরাল স্বীকার্যটি প্রমাণ করার ব্যর্থ চেষ্টা করেন। বোলাইয়ের পুত্র জেনোস বোলাই ১৮২৯ সালে অ-ইউক্লিডীয় জ্যামিতি আবিষ্কার করেন; তার কাজ ১৮৩২ সালে প্রকাশিত হয়। তা দেখার পর গাউস ফারকাস বোলাইকে লেখেন: "এর প্রশংসা করা আমার জন্যেও গৌরবের। কারণ কাজটির প্রায় সম্পূর্ণ অংশই.... আমার এ সংক্রান্ত গত তিরিশ বা পয়ত্রিশ বছরের চিন্তা-ভাবনার সাথে মিলে যায়।" thumb|left|Four Gaussian distributions in statistics এ প্রমাণহীন বাক্যটি গাউসের সাথে জেনাস বোলাইয়ের সম্পর্কে টানাপোড়েনের সৃষ্টি করেন (যিনি ভেবেছিলেন গাউস তার আইডিয়া চুরি করছেন)। ১৮২৯ এর আগে লেখা গাউসের পত্র থেকে জানা যায় তিনি সমান্তরাল স্বীকার্য নিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে চিন্তাভাবনা করছিলেন। গাউসের পুরনো ছাত্র ওয়ালডো ডানিংটন জানান গাউসের মতো প্রতিভাবান বিজ্ঞানীর অ-ইউক্লিডীয় জ্যামিতি আবিষ্কারের সকল যোগ্যতাই ছিল, তবে তিনি এ সংক্রান্ত কোন কাজ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন, কারণ তিনি ভেবেছিলেন তা বিতর্কের সৃষ্টি করবে। হ্যানোভারে সংঘটিত জরিপ অন্তরক জ্যামিতির প্রতি গাউসের আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে, গণিতের যে ক্ষেত্রে বক্ররেখা এবং তল নিয়ে কাজ করা হয়। অন্যান্য অনেক কিছুর মতো তিনি গাউসীয় বক্রতার ধারণার জন্ম দেন। এ ধারণাই ১৮২৮ সালে Theorema Egregium (ল্যাটিনে অবিস্মরণীয় তত্ত্ব) এর আবিষ্কারের পথ প্রশস্ত করে, যা বক্রতার ধারণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য প্রতিষ্ঠা করে। সহজ কথায় বলতে গেলে তত্ত্বটির মূল কথা হল কোন তলের বক্রতা তলটির ওপরে কোণ ও দূরত্ব মেপে সম্পূর্ণরূপে নির্ণয় করা যায়। এর মানে হল, ত্রিমাত্রিক বা দ্বিমাত্রিক স্থানে কোন তল কেমন করে গাঁথা আছে তার ওপর বক্রতা নির্ভর করে না। ১৮২১ সালে তাকে রয়েল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস এর বিদেশী সভ্য নির্বাচন করা হয়। জীবনের শেষভাগ ও মৃত্যু (১৮৩১–১৮৫৫) thumb|জার্মানির গোটিগেনের আলবানিফ্রিডহফে গাউসের সমাধি ১৮৩১ সালে গাউস পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ভিলহেলম ওয়েবারের সাথে যৌথ গবেষণায় নিযুক্ত হন, যার ফলস্বরূপ চুম্বকত্বে নতুন জ্ঞান (যার মধ্যে রয়েছে ভর, দৈর্ঘ্য ও সময়ের সাপেক্ষে চুম্বকত্ব প্রকাশের একক) এবং তড়িতের কার্শফের বর্তনী সংক্রান্ত সূত্র আবিষ্কৃত হয়। তারা ১৮৩৩ সালে তড়িৎ-যান্ত্রিক টেলিগ্রাফ উদ্ভাবন করেন, যা অবজার্ভেটরির সাথে গোটিগেনের পদার্থবিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের সংযোগ সাধন করে। তিনি অবজার্ভেটরির বাগানে একটি চৌম্বক অবজার্ভেটর স্থাপনের আদেশ করেন এবং ওয়েবারের সাথে magnetischer Verein (জার্মান ভাষায় চৌম্বক সভা ) স্থাপন করেন, যা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে পরিমাপ কাজকে সহায়তা করে। তিনি চৌম্বক ক্ষেত্রের সমান্তরাল তীব্রতা পরিমাপের একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেন যা ২০ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত ব্যবহৃত হয় এবং পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের আভ্যন্তরীন (মজ্জা এবং ত্বক) এবং বহির্গত উৎসের পার্থক্যসূচক গাণিতিক তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। গাউস ১৮৫৫ সালে গোটিগেনে মৃত্যুবরণ করেন এবং সেখানেই তাকে সমাহিত করা হয়। দু'জন ব্যক্তি তার শেষকৃত্যানুষ্ঠানে প্রশংসাবাক্য পাঠ করেন, গাউসের জামাতা হাইনরিখ এওয়াল্ড এবং উলফগ্যাং সার্টরিয়াস ফন ভালটারশসেন, যিনি ছিলেন গাউসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও তার জীবনীকার। তার মস্তিষ্ক রুডলফ ভাগনার কর্তৃক সংরক্ষিত ও পর্যবেক্ষিত হয়, যিনি সেটির ভর গণনা করেন ১৪৯২ গ্রাম এবং সেরেব্রাল এলাকা ২,১৯,৫৮৮ বর্গ মিমি।This reference from 1891 () says: "Gauss, 1492 grm. 957 grm. 219588. sq. mm. ", i.e the unit is square mm. In the later reference: Dunnington (1927), the unit is erroneously reported as square cm, which gives an unreasonably large area, the 1891 reference is more reliable. (৩৪০.৩৬২ বর্গ ইঞ্চি)। সুগঠিত মোচড়ও সেখানে আবিষ্কৃত হয়, যাকে ২০ শতকের গোড়ার দিকে তার অসামান্য প্রতিভার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।Dunnington, 1927 তথ্যসূত্র উচ্চতর পঠন বহিঃসংযোগ Complete works Gauss and his children Gauss biography রাজপুত্র নন রাজার ছেলে Gauss: mathematician of the millennium, by Jürgen Schmidhuber English translation of Waltershausen's 1862 biography Gauss general website on Gauss MNRAS 16 (1856) 80 Obituary Carl Friedrich Gauss on the 10 Deutsche Mark banknote Carl Friedrich Gauss at Wikiquote বিষয়শ্রেণী:গণিতবিদ বিষয়শ্রেণী:১৭৭৭-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:১৮৫৫-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:জার্মান গণিতবিদ বিষয়শ্রেণী:জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:কপলি পদক বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের বিশিষ্ট সভ্য বিষয়শ্রেণী:রয়েল সোসাইটির সভ্য বিষয়শ্রেণী:জার্মান লুথারান বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর জার্মান উদ্ভাবক বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল নেদারল্যান্ডস কলা ও বিজ্ঞান একাডেমির সদস্য বিষয়শ্রেণী:রয়েল সুয়েডীয় বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির সদস্য বিষয়শ্রেণী:আলোক পদার্থবিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:জার্মান উদ্ভাবক বিষয়শ্রেণী:মানসিক গণনাকারী বিষয়শ্রেণী:গ্যোটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
|
alt=মারিয়া ত্রিনিদাদ দেল সিদের একটি মুখচ্ছবি|থাম্ব|মারিয়া ত্রিনিদাদ দেল সিদের একটি ছবি (সময় অজানা)। মারিয়া ত্রিনিদাদ দেল সিদ ( ২০ মে, ১৮৯৯ – ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৬) ছিলেন একজন হন্ডুরান লেখিকা, সাংবাদিক এবং নারীবাদী কর্মী। তিনি হন্ডুরাসের নারীদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের একজন মূল ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকেন। জীবনী মারিয়া ত্রিনিদাদ ডেল সিড ১৮৯৯ সালে হন্ডুরাস, ইন্টিবুসি, ম্যাগডালেনায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি হন্ডুরাস এবং এল সালভাদোর উভয় ক্ষেত্রেই তাঁর প্রাথমিক পড়াশোনা সমাপ্ত করেছিলেন। ১৯১৫ সালে ১৬ বছর বয়সে স্কুলশিক্ষক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কোমায়গেলার গার্লস নর্মাল স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন। তিনি ১৯৮৮ সালে কোস্টারিকাতে অনুষ্ঠিত প্রথম মধ্য আমেরিকান শিক্ষা সম্মেলনে হন্ডুরাসের প্রতিনিধিত্ব করে শিক্ষায় তার সংশ্লিষ্টতা অব্যাহত রেখেছিলেন। তিনি ১৯৩৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হন্ডুরাসের ভূগোল ও ইতিহাস সমিতির (সোসাইটি অফ জিওগ্রাফি অ্যান্ড হিস্ট্রি অফ হন্ডুরাস) মুখপাত্র হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি হন্ডুরান আন্তঃআমেরিকান সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট, প্যান-আমেরিকান গোলটেবিল, জেলায়া সিয়েরা গ্রুপ, ন্যাশনাল ম্যাজেস্টেরিয়াম এবং উইমেন ইন্টারন্যাশনাল লিগ ফর পিস অ্যান্ড ফ্রিডমের সদস্যও ছিলেন। প্যান-আমেরিকানবাদের প্রবক্তা, তিনি ১৯৪৭ সালে নিউ অরলিন্সের আন্ত-আমেরিকান ইতিহাস কংগ্রেসে এবং প্যান-আমেরিকান ইউনিয়নে হন্ডুরাসের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:CS1 maint: multiple names: authors list বিষয়শ্রেণী:১৯৬৬-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর সাংবাদিক বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর হন্ডুরান লেখিকা বিষয়শ্রেণী:হন্ডুরান নারী সাংবাদিক বিষয়শ্রেণী:হন্ডুরান নারী সক্রিয়কর্মী বিষয়শ্রেণী:হন্ডুরান নারীবাদী বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর হন্ডুরান লেখক বিষয়শ্রেণী:হন্ডুরান সাংবাদিক
|
ধোবাউড়া থানা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত ধোবাউড়া উপজেলার একটি থানা। প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৬ সালে হালুয়াঘাট উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে ধোবাউড়া থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ ধোবাউড়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম ধোবাউড়া থানার আওতাধীন। ইউনিয়নসমূহ: ১নং দক্ষিণ মাইজপাড়া ২নং গামারিতলা ৩নং ধোবাউড়া ৪নং পোড়াকান্দুলিয়া ৫নং গোয়াতলা ৬নং ঘোষগাঁও ৭নং বাঘবেড় আরও দেখুন ধোবাউড়া উপজেলা ময়মনসিংহ জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:ময়মনসিংহ জেলার থানা বিষয়শ্রেণী:ধোবাউড়া উপজেলা
|
আল মুহাজির ইবনে আবী উমাইয়ার ইবনে আল-মুগিরাহ ইবনে আবদুল্লাহ () ছিলেন বনু মাখজুম বংশের এবং মুহাম্মদের সাহাবী। এছাড়াও রিদ্দা যুদ্ধের সময় ইয়েমেনের একজন সক্রিয় মুসলিম সেনাপতি ছিলেন তিনি। জীবনী আল-মুহাজিরের জন্মের নাম আল-ওয়ালিদ ছিল। পরে নবী মুহাম্মদ তার নাম রাখেন আল-মুহাজির (অভিবাসী)। পরবর্তীকালে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফেরাউনদের একজন আল-ওয়ালিদ নামটি ধারণ করেছিলো এবং কুরাইশ গোত্রের বনু মাখজুম গোষ্ঠীর দ্বারা নামটি এত বেশি ব্যবহৃত হতো যে কার্যত আল- ওয়ালিদ যেন তাদের বংশের দেবতা হয়ে গিয়েছিল। আল-মুযাহিরের পিতা আবু উমাইয়া সুহাইল ছিলেন মক্কার বনু মাখজুমের ইসলাম-পূর্ব যুুুগের বিশিষ্ট নেতা আল-মুগিরা ইবনে আবদুল্লাহর ছেলে। আবু উমাইয়া রাস্তায় ভ্রমণ সঙ্গীদের উদারতার জন্য সুপরিচিত এবং যাদ আল-রাক্ব (যাত্রীদের সরবরাহকারী) নামে খ্যাত ছিলেন। আল-মুহাজিরের মা ছিলেন কিনানাহ গোত্রের ফিরাস বংশের আতিকা বিনতে আমির, এই গোত্র তাদের সামরিক দক্ষতার জন্য খ্যাত ছিল। আল-মুহাজিরের বোন ছিলেন উম্মে সালামা, তিনি ইসলামী নবী মুহাম্মদের অন্যতম স্ত্রী। তিনি খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদের চাচাতো ভাই। মুহাম্মাদ আল-মুহাজিরকে ইয়েমেন গোত্র কিন্দা (বিশেষত এর বনু মুয়াবিয়া শাখা) এবং সাদিফের উপর কর আদায়কারী হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি আসমা বিনতে আল-নুমান ইবনে আবি আল-জৌনকে বিয়ে করেছিলেন, তিনি ছিলেন বনু কিন্দার অভিজাত মহিলা; পরে তিনি আল-মুহাজিরের মাখজুমির আত্মীয় ইকরিমা ইবনে আবি জাহলকে বিয়ে করেন। ৬৩১ সালে মুহাম্মদ আল-মুহাজিরকে ইয়েমেনের প্রধান শহর সানা'র রাজ্যপাল বা গভর্নর নিযুক্ত হন। তিনি ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবু বকরের খিলাফতের আগ পর্যন্ত মদীনায় এই পদ গ্রহণ করেননি। আবু বকর তাকে ইয়েমেনের গভর্নর জিয়াদ ইবনে লাবিদ আল-আনসারিকে শক্তিশালী করতে এবং রিদ্দা যুদ্ধের সময় হদরামওয়াত (দক্ষিণ আরবীয় উপকূলীয় অঞ্চল) -তে কিন্দার বনু মুয়াবিয়া গোত্রের বিদ্রোহ দমন করতে তাকে প্রেরণ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত আল-মুহাজির এবং ইকরিমার কাছে কিন্দা গোত্র আত্মসমর্পণ করে। তথ্যসূত্র উৎস বিষয়শ্রেণী:সাহাবা বিষয়শ্রেণী:৭ম শতাব্দীর আরব ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:বনু মাখজুম বিষয়শ্রেণী:রাশেদুন খিলাফতের জেনারেল বিষয়শ্রেণী:রাশিদুন খিলাফতের গভর্নর
|
সেরোডিসকরডেন্ট সম্পর্ক বলতে বুঝানো হয়, একটি মিশ্র সম্পর্ক; যেখানে একজন সঙ্গী এইচআইভি দ্বারা সংক্রমিত এবং অন্যজন সুস্থ।() সেরোকনকরডেন্ট পদবাচ্যের সাথে এর অর্থগত পার্থক্য আছে। সেরোকনকরডেন্ট বলতে সেই সম্পর্ককে বুঝানো হয়, যেখানে দম্পতির উভয়েরই এইচআইভি থাকবে। সেরোকনকরডেন্ট দম্পতির তুলনায় সেরোডিসকরডেন্ট দম্পতি অধিকতর সমস্যার সম্মুখীন হয়। কারণ সেরোডিসকরডেন্ট দম্পতি প্রায়সই বুঝে উঠতে পারে না, ঠিক কী ধরনের যৌন আচরণ উভয়ের জন্যই স্বস্তিদায়ক হবে। এক্ষেত্রে নিরাপদ যৌন সঙ্গম যৌন রোগ সংক্রমণের সম্ভাবনা কমালেও এইচ আইভি নেগেটিভ সঙ্গীর কাছে যৌন রোগ বাহিত হওয়ার সম্ভাবনা সম্পুর্ণভাবে হ্রাস পায় না। এছাড়াও কীভাবে অসুস্থ সঙ্গীর যত্ন আত্তি করা হবে এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে মানসিক টানাপোড়নের সৃষ্টি হয়। অর্থনৈতিক সমস্যার উদ্ভব হয়, যেহেতু অসুস্থ সঙ্গীর কর্মক্ষমতা কমে যায় অথবা কাজই করতে পারেন না। কীভাবে এইচআইভি ভাইরাস এক জন থেকে অন্যজনে স্থানান্তরিত হয় এবং যে ব্যক্তির এইচআইভি পজেটিভ কীকরেই বা তার থেকে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি যথাসম্ভব হ্রাস করা যায়, তা নিয়ে গবেষণা চলমান আছে।() বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সেরোডিসকরডেন্ট দম্পতিদের মধ্যে সহস্রাধিক দম্পতি সন্তান গ্রহণে ইচ্ছুক এবং গবেষকদের মতে দম্পতিদের মধ্যে কৃত্রিম প্রযুক্তি ব্যবহার করে সন্তান জন্ম দেওয়ার চাহিদা দম্পতিদের মধ্যে বাড়ছে। ১৯৯৬ সালে কৃত্রিম প্রজননের বিশেষায়িত অনুষ্ঠান ক্রমবিকশিত হয়, যেখানে সেরোকনকরডেন্ট দম্পতিকে নিরাপদে সন্তান জন্মদানে সাহায্য করতে সহায়তা করা হয়। তবে, এই ব্যবস্থাটিকে এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যেখানে শুধুমাত্র পুরুষ সঙ্গীই এইচআইভিতে আক্রান্ত হলে, তার নারী সঙ্গীকে গর্ভধারণে সহায়তা করা সম্ভবপর হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৩ সালে একটি গাইডলাইন তৈরী করে, যেখানে সকল সেরোডিসকরডেন্ট দম্পতিকে কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তির আওতাধীনে চিকিৎসা দেওয়া যাবে। আরো দেখুন HIV testing HIV/AIDS HIV/AIDS in Lesotho Serology Serosorting Serostatus Sperm washing Safe Sex তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:এইচআইভি/এইডস বিষয়শ্রেণী:Serology বিষয়শ্রেণী:Sexually transmitted diseases and infections বিষয়শ্রেণী:Immunology বিষয়শ্রেণী:সিরাম বিজ্ঞান বিষয়শ্রেণী:যৌনবাহিত রোগ ও সংক্রমণ বিষয়শ্রেণী:অনাক্রম্যবিজ্ঞান
|
হাউজ অফ দ্য ড্রাগন () হল মার্কিন কাল্পনিক নাট্যধর্মী টেলিভিশন ধারাবাহিক। এটি গেম অব থ্রোনস (২০১১-২০১৯)-এর পূর্ববর্তী গল্প। এটি এইচবিওর জন্য নির্মিত জর্জ আর. আর. মার্টিন ও রায়ান কোন্ডালের দ্বিতীয় অনুষ্ঠান। দুটি ধারাবাহিকই মার্টিনের উপন্যাস আ সং অব আইস অ্যান্ড ফায়ার অবলম্বনে নির্মিত। কোন্ডাল ও মিগেল সাপোশনিক অনুষ্ঠানটির নির্মাতা। ফায়ার অ্যান্ড ব্লাড উপন্যাসের অংশ অবলম্বনে ধারাবাহিকটি গেম অব থ্রোনস-এর ঘটনাবলির ২০০ বছর পূর্বের এবং ড্যানেরিস টারগেরিয়ানের জন্মের ১৭২ বছর পূর্বের পটভূমিতে নির্মিত। এতে টারগেরিয়ান রাজবংশের সমাপ্তির সূত্রপাত এবং "ড্যান্স অব দ্য ড্রাগন" নামে পরিচিত রাজসিংহাসনের আরোহনের লক্ষ্যে যুদ্ধের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে হাউজ অব দ্য ড্রাগন ধারাবাহিক নির্মাণের ফরমায়েশ আসে। ২০২০ সালের জুলাই মাসে অভিনয়শিল্পীদল নির্বাচন করা হয় এবং ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে যুক্তরাজ্যে প্রধান দৃশ্যধারণ শুরু হয়। প্রথম মৌসুমে ১০টি পর্ব নিয়ে ২০২২ সালের ২১শে আগস্ট ধারাবাহিকটির প্রচার শুরু হয়। উদ্বোধনী প্রচারের পাঁচ দিন পর, ধারাবাহিকটির দ্বিতীয় মৌসুমের ঘোষণা আসে। সাপোশনিক প্রথম মৌসুমের পর প্রদর্শক হিসেবে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন, ফলে কোন্ডাল দ্বিতীয় মৌসুমের একক প্রদর্শক। অভিনয়শিল্পীদল শ্রেষ্ঠাংশ প্যাডি কনসিডাইন - রাজা প্রথম ভিসেরিস টারগেরিয়ান: সাত রাজ্যের পঞ্চম রাজা। দয়ালু ও ভদ্র লোক হিসেবে পরিচিত ভিসেরিসকে লর্ডদের কাউন্সিল তার পিতামহ রাজা জেহ্যারিস ১ টারগেরিয়ানের স্থলাভিষিক্ত রাজা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। ভিসেরিস রাজা জেহ্যারিসের দ্বিতীয় পুত্র রাজপুত্র ব্যালন টারগেরিয়ান ও তার বোন-স্ত্রী রাজকন্যা অ্যালিসা টারগেরিয়ানের প্রথম পুত্র। ম্যাট স্মিথ - যুবরাজ ডেমন টারগেরিয়ান: রাজা ভিসেরিসের ছোট ভাই এবং রাজকন্যা রেনিরার চাচা। অপ্রত্যাশিত আচরণের জন্য তিনি "দুর্বৃত্ত রাজপুত্র" হিসেবে পরিচিত ডেমন তেজস্বী যোদ্ধা এবং তার ড্রাগন ক্যারাক্সিসের অভিজ্ঞ ড্রাগন আরোহী। এমা ডার্সি (প্রাপ্তবয়স্ক) / মিলি অ্যালকক (তরুণী) - যুবরাজ্ঞী রেনিরা টারগেরিয়ান: রাজা ভিসেরিসের কন্যা এবং উত্তরাধিকারী, ভিসেরিস ও রানী এমা অ্যারিনের প্রথম সন্তান ও একমাত্র জীবিত সন্তান। যৌবনে "রাজ্যের পুলক" হিসেবে পরিচিত রেনিরা মাদী ড্রাগন সাইরাক্সের আরোহী। অলিভিয়া কুক (প্রাপ্তবয়স্ক) / এমিলি কেরি (তরুণী) - লেডি / রানী অ্যালিসেন্ট হাইটাওয়ার: রেনিরার বাল্য সখী এবং পরবর্তী কালে রাজা ভিসেরিসের দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি রাজ্যের অন্তর্বর্তী অংশে হিসেবে পরিচিত রেড কিপে বেড়ে ওঠেন এবং সাত রাজ্যের সবচেয়ে শান্ত নারী হিসেবে পরিচিত। রিস ইফান্স - স্যার অটো হাইটাওয়ার: অ্যালিসেন্টের পিতা এবং রাজা ভিসেরিসের প্রধান উপদেষ্টা। তিনি অহংকারী, নিরস ও প্রভুত্বব্যঞ্জক। স্টিভ টুসেইন্ট - লর্ড করলিস ভেলারিয়ন: রাজ্যের সবচেয়ে ধনী ও শক্তিধর সম্প্রদায় ভেলারিয়ন পরিবারের প্রধান। "সি স্নেক" হিসেবে পরিচিত করলিস ওয়েস্টরসের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত সমুদ্র ভ্রমণকারী। ইভ বেস্ট - যুবরাজ্ঞী রেনিস টারগেরিয়ান: রাজা ভিসেরিসের চাচাতো বোন ও করলিস ভেলারিয়নের স্ত্রী। "কখনো রানী ছিলেন না" নামে পরিচিত রেনিস রাজা জ্যাহ্যারিসের মৃত উত্তরাধিকারী ও জ্যেষ্ঠ সন্তান রাজপুত্র অ্যামন টারগেরিয়ান ও জোসেলিন ব্যারাথিয়নের কন্যা ও একমাত্র সন্তান। তিনি তার পিতামহের পর শাসক হিসেবে প্রার্থী ছিলেন, কিন্তু তিনি নারী হওয়ায় তার চাচাতো ভাই ভিসেরিস রাজা হন। তিনি দুর্দান্ত ড্রাগন আরোহী, যিনি মাদী ড্রাগন মেলেইসের আরোহী। ফ্যাবিয়েন ফ্র্যাঙ্কেল - স্যার ক্রিস্টন কোল: ডর্নিশ অঞ্চলের একজন দক্ষ তরবারি যোদ্ধা এবং ব্ল্যাকহেভেনের লর্ডের কার্যাধিক্ষের সন্তান। তিনি রাজকন্যা র্যানিরার দৃষ্টি কাড়েন এবং কিংসগার্ডের অংশ হন এবং পরে লর্ড কমান্ডার হন। গ্রাহাম ম্যাকট্যাভিশ - স্যার হ্যারল্ড ওয়েস্টারলিং: রাজা জ্যাহ্যারিসের সময় থেকে টারগেরিয়ানদের সেবা করে আসা বর্ষীয়ান নাইট। তিনি একদা শক্তিধর নাইট ছিলেন এবং রাজকন্যা র্যানিরার দেখাশোনা ও রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন। স্যার রাইয়াম রেড ওয়াইনের মৃত্যুর পর তিনি কিংসগার্ডের লর্ড কমান্ডার হন। ম্যাথু নিধাম - ল্যারিস স্ট্রং: লর্ড লাইওনেল স্ট্রংয়ের কনিষ্ঠ পুত্র ও আইন প্রণেতা। জেফারসন হল - ল্যানিস্টার বংশের যমজ ভাই। লর্ড জেসন ল্যানিস্টার: ক্যাস্টারলি রকের লর্ড। শিকারী ও যোদ্ধা, যার মধ্যে ল্যানিস্টারদের উদ্বত্ব বিরাজমান। তিনি রাজকন্যার র্যানিরা টারগেরিয়ানকে বিয়ে করতে চান। স্যার টাইল্যান্ড ল্যানিস্টার: লর্ড জেসন ল্যানিস্টারের ছোট ভাই, চতুর রাজনীতিবিদ, যাকে জাহাজের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য করলিস ভেলারিয়নের স্থলাভিষিক্ত হন। পুনরাবৃত্তি গ্যাভিন স্পোকস - লর্ড লাইওনেল স্ট্রং: হারেনহলের লর্ড ও স্ট্রং পরিবারের প্রধান এবং রাজা ভিসেরিস টারগেরিয়ানের আইন উপদেষ্টা। তিনি পরবর্তীকালে রাজার প্রধান পরামর্শক হিসেবে অটো হাইটাওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হন। ডেভিড হরোভিচ - গ্র্যান্ড মাস্টার মেলোস: রাজার ছোট পরামর্শক দলের সদস্য, রাজা ভিসেরিস টারগেরিয়ানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিল প্যাটারসন - লর্ড লাইম্যান বিসবারি: হানিহল্টের লর্ড ও বিসবারি পরিবারের প্রধান এবং রাজা ভিসেরিস টারগেরিয়ানের অর্থ উপদেষ্টা। রায়ান কর - স্যার হারউইন স্ট্রং: লর্ড লাইওনেল স্ট্রং-য়ের জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং হারেনহলের উত্তরাধিকার। "ব্রেকবোনস" নামে পরিচিত তিনি সাত রাজ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। স্টেফান রদ্রি - লর্ড হোবার্ট হাইটাওয়ার: হাইটাওয়ার পরিবারের প্রধান ও ওল্ডটাউনের শাসক এবং স্যার অটো হাইটাওয়ারের বড় ভাই। জুলিয়ান লুইস জোন্স - লর্ড বোরেমান্ড ব্যারাথিয়ন: স্টর্মস এন্ডের লর্ড ও ব্যারাথিয়ন পরিবারের প্রধান। এই ধারাবাহিকে তাকে যুবরাজ্ঞী র্যানিস টারগেরিয়ানের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু মার্টিনের বইয়ে তিনি লর্ড রোজার ব্যারাথিয়ন ও রানী অ্যালিসা ভেলারিয়নের একমাত্র পুত্র। ফলে তিনি রাজা প্রথম জ্যাহ্যারিস টারগেরিয়ানের সৎ ভাই, যুবরাজ্ঞী র্যানিস টারগেরিয়ানের মামা, লর্ড করলিস ভেলারিয়নের (সি স্নেক) চাচাতো ভাই এবং রাজা প্রথম ভিসেরিস টারগেরিয়ানের দাদার সৎ ভাই। তিনি ব্যারাথিয়ন পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা এবং রাজা দিগ্বিজয়ী অ্যাগনের সৎ ভাই ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ওরিস ব্যারাথিয়নের প্র-পৌত্র। জন ম্যাকমিলান - স্যার লেনর ভেলারিয়ন: যুবরাজ্ঞী রেনিস টারগেরিয়ান ও লর্ড করলিস ভেলারিয়নের পুত্র, যুবরাজ্ঞী রেনিরা টারগেরিয়ানের প্রথম স্বামী। তিনি একজন ড্রাগন আরোহী, যিনি সিস্মোক ড্রাগন আরোহন করেন। থিও নেট - যুবক লেনর ভেলারিয়ন ম্যাথু কারভার - শিশু লেনর ভেলারিয়ন। টম গ্লিন-কার্নি - যুবরাজ অ্যাগন টারগেরিয়ান: রাজা ভিসেরিস টারগেরিয়ান ও রানী অ্যালিসেন্ট হাইটাওয়ারের প্রথম সন্তান ও যুবরাজ্ঞী রেনিরা টারগেরিয়ানের সৎ ভাই। তিনি ড্রাগন সানফায়ারের আরোহী। টাই টেন্যান্ট - কিশোর এগন টারগেরিয়ান। ফিয়া স্যাবান - যুবরাজ্ঞী হেলেনা টারগেরিয়ান: রাজা ভিসেরিস টারগেরিয়ান ও রানী অ্যালিসেন্ট হাইটাওয়ারের দ্বিতীয় সন্তান ও জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিনি মাদী ড্রাগন ড্রিমফায়ারের আরোহী। ইভি অ্যালেন - কিশোরী হেলেনা টারগেরিয়ান। ইওয়ান মিচেল - যুবরাজ এমন্ড টারগেরিয়ান: রাজা ভিসেরিস টারগেরিয়ান ও রানী অ্যালিসেন্ট হাইটাওয়ারের তৃতীয় সন্তান। তিনি ড্রাগন আরোহী হতে ইচ্ছাপ্রকাশ করে। লিও অ্যাশটন - কিশোর এমন্ড টারগেরিয়ান। হ্যারি কোলেট - যুবরাজ জ্যাসেরিস ভেলারিয়ন: যুবরাজ্ঞী রেনিরা টারগেরিয়ান ও স্যার লেনর ভেলারিয়নের প্রথম সন্তান। তিনি ড্রাগন ভেরমাক্সের আরোহী। লিও হার্ট - কিশোর জ্যাসেরিস ভেলারিয়ন। ইলিয়ট গ্রিহল্ট - যুবরাজ লুসেরিস ভেলারিয়ন: যুবরাজ্ঞী রেনিরা টারগেরিয়ান ও স্যার লেনর ভেলারিয়নের দ্বিতীয় সন্তান। তিনি ড্রাগন অ্যারাক্সের আরোহী। হার্ভি স্যাডলার - কিশোর লুসেরিস ভেলারিয়ন। ন্যানা ব্লোন্ডেল - লেডি লেনা ভেলারিয়ন: লর্ড করলিস ভেলারিয়ন ও যুবরাজ্ঞী রেনিস টারগেরিয়ানের কন্যা ও পরবর্তীকালে যুবরাজ ডেমন টারগেরিয়ানের দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ, কিংবদন্তিতুল্য মাদী ড্রাগন ভ্যাগারের আরোহী। স্যাভ্যানা স্টেইন - যুবতী লেনা ভেলারিয়ন। নোভা ফুয়েইলিস-মোস - কিশোরী লেনা ভেলারিয়ন। বেথানি আন্তোনিয়া - লেডি বেলা টারগেরিয়ান: যুবরাজ ডেমন টারগেরিয়ান ও লেডি লেনা ভেলারিয়নের জ্যেষ্ঠ কন্যা। তিনি ড্রাগন মুনড্যান্সারের আরোহী। শানি স্মিথার্স্ট - কিশোরী বেলা টারগেরিয়ান। ফিবি ক্যাম্পবেল - লেডি রেনা টারগেরিয়ান: যুবরাজ ডেমন টারগেরিয়ান ও লেডি লেনা ভেলারিয়নের কনিষ্ঠ কন্যা। ইভা ওসি-গার্নিং - কিশোরী রেনা টারগেরিয়ান। উইল জনসন - স্যার ভেমন্ড ভেলারিয়ন: লর্ড করলিস ভেলারিয়নের ছোট ভাই ও ভেলারিয়ন নৌবাহিনীর কমান্ডার। ইলিয়ট টাইটেনসর - স্যার এরিক কার্গিল: স্যার এরিক কার্গিলের যমজ ভাই ও কিংসগার্ডের সদস্য। লুক টাইটেনসর - স্যার অ্যারিক কার্গিল: স্যার এরিক কার্গিলের যমজ ভাই ও কিংসগার্ডের সদস্য। অ্যান্টনি ফ্ল্যানাগান - স্যার স্টেফন ডার্কলিন: কিংসগার্ডের সদস্য। ফিল ড্যানিয়েলস - মাস্টার গেরার্ডিস। কার্ট এগিয়াওয়ান - মাস্টার অরওয়াইল। পল কেনেডি - লর্ড জ্যাসপার ওয়াইল্ড: রেইন পরিবারের লর্ড ও ওয়াইল্ড পরিবারের প্রধান। তিনি "আয়রনরড" হিসেবে পরিচিত। রজার ইভান্স - স্যার বোরস ব্যারাথিয়ন: লর্ড বোরমান্ড ব্যারাথিয়নের পুত্র ও স্টর্মস এন্ডের উত্তরাধিকার। আর্টি ফ্রোশান - স্যার কার্ল কোরি: একজন নাইট ও স্যার লেনরের প্রেমিক। সোনোয়া মিজুনো - মিসারিয়া: বিদেশি যৌনপল্লীর নৃত্যশিল্পী যে যুবরাজ ডেমনের প্রণয়িনী ও সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য নারীবন্ধু হয়ে ওঠে। পর্বের তালিকা নির্মাণ অভিনয়শিল্পী নির্বাচন ২০২০ সালের জুলাই মাসে অভিনয়শিল্পী নির্বাচন শুরু হয়। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে ১ম ভিসেরিস টারগেরিয়ান চরিত্রের জন্য প্যাডি কনসিডাইনকে নির্বাচন করা হয়। ডিসেম্বর মাসে অলিভিয়া কুক, ম্যাট স্মিথ ও এমা ডার্সিকে যথাক্রমে অ্যালিসেন্ট হাইটাওয়ার, ডেমন টারগেরিয়ান, ও রেনিরা টারগেরিয়ান চরিত্রের জন্য নির্বাচন করা হয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রিস ইফান্স, স্টিভ টুসেন্ট, ইভ বেস্ট ও সোনোয়া মিজুনোকে প্রধান অভিনয়শিল্পীদলে যুক্ত করা হয়। এপ্রিল মাসে ফাবিয়েন ফ্রাঙ্কেল স্যার ক্রিস্টন কোল চরিত্রে যোগদান করেন। মে মাসে গ্রাহাম ম্যাকট্যাভিশকে পোশাক-পরিচ্ছদ কক্ষে দেখা যায়। ২০২১ সালের জুলাই মাসে এমিলি কেরি ও মিলি অ্যালকককে যথাক্রমে তরুণী অ্যালিসেন্ট হাইটাওয়ার ও রেনিরা টারগেরিয়ান চরিত্রের অভিনয়ের জন্য যুক্ত করা হয়। পাদটীকা আরও দেখুন জর্জ আর. আর. মার্টিন রচিত দ্য প্রিন্সেস অ্যান্ড দ্য কুইন (২০১৩) এবং এর পূর্ববর্তী পর্ব দ্য রোগ প্রিন্স (২০১৪) উপন্যাসিকা দুটি ফায়ার অ্যান্ড ব্লাড এবং হাউজ অব দ্য ড্রাগন-এ ড্যান্স অব দ্য ড্রাগনস-এর পটভূমি হিসেবে কাজ করেছে। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকের মার্কিন নাট্য টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:২০২২-এ অভিষিক্ত মার্কিন টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:আ সং অব আইস অ্যান্ড ফায়ার অবলম্বনে সৃষ্টিকর্ম বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়ায় ধারণকৃত টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:পর্তুগালে ধারণকৃত টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যে ধারণকৃত টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:স্পেনে ধারণকৃত টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে ড্রাগন বিষয়শ্রেণী:ড্রাগন সম্পর্কে টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:মৃত্যু সম্পর্কে টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:মার্কিন উপন্যাস অবলম্বনে টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:মার্কিন কাল্পনিক নাট্য টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:মার্কিন মহাকাব্যিক টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:মার্কিন রোমাঞ্চকর টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:হোম বক্স অফিসের টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:গেম অব থ্রোনস বিষয়শ্রেণী:ইংরেজি ভাষার টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:অজাচার সম্পর্কে টেলিভিশন অনুষ্ঠান
|
কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংক () কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইতিহাস থাম্ব|আলমাটিতে কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রাক্তন সদর দপ্তর কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংক সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের স্টেট ব্যাংক হিসেবে ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল দ্য স্টেট ব্যাংক অব কাজাখ এসএসআর। ১৯৯১ সালে এটির নামকরণ করা হয় দ্য ন্যাশনাল স্টেট ব্যাংক অব কাজাখ এসএসআর। ১৯৯৩ সালের ১৩ এপ্রিলে "কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের জাতীয় ব্যাংক" আইন অনুসারে, দ্য ন্যাশনাল স্টেট ব্যাংক অব কাজাখ এসএসআর-কে কাজাখস্তান ন্যাশনাল ব্যাংক বা কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংক নামকরণ করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৫ নভেম্বর কাজাখস্তান জাতীয় ব্যাংক কাজাখস্তান আমানত বীমা তহবিল প্রতিষ্ঠা করে। কাজাখস্তান আমানত বীমা তহবিলের শতভাগ মালিকানা কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংকের। কার্যাবলী কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংক ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৩ তারিখের কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির ডিক্রি, নং ১২৭১ দ্বারা অনুমোদিত জাতীয় ব্যাংকের প্রবিধানে উল্লেখিত কার্য সম্পাদন করে। জাতীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ দেশের মূল্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। এছাড়াও ব্যাংকটি নিম্নক্তো কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে: মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও পরিচালনা করা; পেমেন্ট সিস্টেমের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা; মুদ্রা (ধাতব ও কাগুজে মুদ্রা) ইস্যু করা; আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবদান রাখা এবং পরিসংখ্যানগত কার্যক্রম পরিচালনা করা। ব্যবস্থাপনা কাঠামো কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ থাকে কাজাখ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির কাছে। তবে আইন অনুসারে এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের সরকারের সাথে সমন্বয় করে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তবে সরকারের যেসকল সিদ্ধান্ত ব্যাংকটির নিজস্ব মৌলিক নীতিমালা এবং আর্থিক নীতি বাস্তবায়নের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে ব্যাংক নিজস্ব নীতিমালা অনুসারে কার্য পরিচালনা করে। ব্যাংকের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হল ব্যবস্থাপনা বোর্ড এবং পরিচালনার দায়িত্ব থাকে পরিচালনা পর্ষদের হাতে। ব্যবস্থাপনা বোর্ড নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত। ব্যবস্থাপনা বোর্ডে ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং চারজন কর্মকর্তা (ভাইস-চেয়ারম্যান), কাজাখস্তান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির একজন প্রতিনিধি, প্রজাতন্ত্রের দুইজন সরকারি প্রতিনিধি এবং ব্যাংকের আর্থিক বাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান কমিটির চেয়ারম্যান অন্তর্ভুক্ত থাকেন।Body of the National Bank of Kazakhstan ব্যাংকেটির সাংগঠনিক কাঠামো নিম্নলিখিত কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর নিয়ে গঠিত:Central headquarters কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১টি বিভাগ (নূর-সুলতানে একটি বিভাগসহ), ১০টি স্বাধীন অফিস এবং ১টি স্বাধীন বিভাগ; আলমাটি শহরে ১৬টি আঞ্চলিক শাখা এবং একটি শাখা: নগদ ও হেফাজত পরিষেবা কেন্দ্র; পাঁচটি প্রতিবেদনকারী সত্তা: কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংকের অপারেশনাল সাপোর্ট সেন্টার (যৌথ মূলধনী কোম্পানি) কাজাখস্তান আন্তঃব্যাংক সেটেলমেন্ট সেন্টার (রিপাবলিকান স্টেট এন্টারপ্রাইজ) কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং পরিষেবা অফিস (যৌথ মূলধনী কোম্পানি) কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংকের মিন্ট (রিপাবলিকান স্টেট এন্টারপ্রাইজ) কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংকের ব্যাংকনোট কারখানা (রিপাবলিকান স্টেট এন্টারপ্রাইজ)। গভর্নরগণ কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংকের গভর্নরদের তালিকা নিন্মরুপ: গভর্নরপদ গ্রহণপদ পরিত্যাগসূত্রগালিম বাইনাসারভ১৯৯২১৯৯৩দৌলেট সেম্বায়েভ১৯৯৩১৯৯৬ওরাজ জান্দোসভ১৯৯৬১৯৯৮কাদিরজান দামিতভ১৯৯৮১৯৯৯গ্রিগরি মার্চেঙ্কো১৯৯৯২০০৪আনোয়ার সাইদেনভ২০০৪২০০৯গ্রিগরি মার্চেঙ্কো২০০৯২০১৩কাইরাত কেলিম্বেটভ২০১৩২০১৫ড্যানিয়ের আকিশ২০১৫২০১৯এরবোলাত দোসায়েভ২০১৯২০২২গ্যালিমজান পিরমাতভ২০২২২০২৩তৈমুর সুলেইমেনভ২০২৩অদ্যাবধি শেয়ার মালিকানা কাজাখস্তানের জাতীয় ব্যাংকের নিম্নলিখিত কর্পোরেশনগুলির শেয়ার মালিকানা রয়েছে: কাজাখস্তান আমানত বীমা তহবিল; একীভূত সঞ্চিত পেনশন তহবিল (যৌথ মূলধনী কোম্পানি) অবস্থান ব্যাংকটির কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর রাজধানী আস্তানার ৫৭এ, ম্যাঙ্গিলিক এল স্ট্রিটে অবস্থিত। আরও দেখুন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকা কাজাখস্তানি টেঙ্গে নোট তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়শ্রেণী:১৯৯৩-এ প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক
|
গোপালপুর বলতে বোঝানো যেতে পারে: গোপালপুর উপজেলা - বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার একটি উপজেলা। গোপালপুর, ওড়িশা, ভারত - ভারতের ওড়িশা রাজ্যের গঞ্জাম জেলার একটি শহর। গোপালপুর বন্দর - ভারতের পূর্ব উপকূলের রাজ্য ওড়িশার একটি ছোট সমুদ্র বন্দর। গোপালপুর গণহত্যা - নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার অন্তর্গত গোপালপুর সদরে ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যা গোপালপুর, বাংলাদেশ - বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট শহর। গোপালপুর পৌরসভা - বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার একটি পৌরসভা। গোপালপুর পৌরসভা, নাটোর - বাংলাদেশের নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার একটি পৌরসভা। আরও দেখুন গোপালপুর ইউনিয়ন (দ্ব্যর্থতা নিরসন পাতা) - 'গোপালপুর ইউনিয়ন' নামে বাংলাদেশে মোট ৮টি ইউনিয়ন রয়েছে।
|
থাম্ব|300px|প্রস্তাবিত তেঁতুলিয়া করিডোর তেঁতুলিয়া করিডোর হলো দীর্ঘ একটি প্রস্তাবিত সংযোগপথ, যা বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া মহকুমাকে জলপাইগুড়ি জেলার জলপাইগুড়ি ও ময়নাগুড়ির সাথে যুক্ত করবে। করিডোরটি খোলার জন্য ভারতীয় সরকার বাংলাদেশ সরকারের সাথে আলোচনা চালু রেখেছে। এ করিডোরটি প্রায় দূরত্ব কমিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের মূল ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগ সহজতর করবে। ইতিহাস ভারত বিভাজনের পর থেকে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে উত্তর-পূর্ব ভারতের একমাত্র সংযোগ সড়ক হলো শিলিগুড়ি করিডোরের সরু পথ, যা ভূমিধ্বস প্রভৃতি সহসা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–ভারত বাণিজ্য চুক্তির অষ্টম ধারা অনুসারে, “উভয় দেশের সরকার দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যের জন্য একে অপরের জলপথ, রেলপথ ও সড়কপথ ব্যবহার করতে এবং এক দেশের সীমানার ভেতর দিয়ে অন্য দেশের পণ্য পরিবহনে সম্মত হচ্ছে।” এই চুক্তির আওতায় ভারত নিজ ভূখণ্ডের ওপর তিন বিঘা করিডোরের মাধ্যমে সীমিত সময়ের জন্য ইজারা ভিত্তিতে বাংলাদেশ-বাংলাদেশ যাতায়াতের সুবিধা দেয়। পরবর্তীতে ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে সেই সময় ২৪ ঘণ্টায় উন্নীত হয়। এর বিনিময়ে এই অঞ্চলের রাজনীতিবিদরা বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ভারতের চলাচলের সুবিধা দিতে অনুরোধ করে। বাংলাদেশ সরকার তেঁতুলিয়া করিডোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি, বরং সিদ্ধান্ত অনিষ্পন্ন রয়েছে। স্থানীয় নেতারা ভারত সরকারকে এই বিষয়ে অগ্রসর হতে এবং বাংলাদেশ–ভারত ছিটমহল বিনিময় চুক্তির আওতায় এর সমাধান করার তাগিদ দেন। সুবিধা তেঁতুলিয়া করিডোর ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে উত্তর–পূর্ব ভারতের দূরত্ব পর্যন্ত কমিয়ে আনবে। এইভাবে এই অঞ্চলের বাণিজ্য সহজতর করার পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলাকে প্রশাসনিক দিক দিয়ে রাজ্যের রাজধানীর সাথে দ্রুততর সংযোগ নিশ্চিত করবে। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বাংলাদেশ–ভারত আন্তঃসীমান্ত সংযোগের মানচিত্র বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত বিষয়শ্রেণী:ভূরাজনৈতিক করিডোর বিষয়শ্রেণী:পঞ্চগড় জেলা বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ভূগোল বিষয়শ্রেণী:ভারতের সীমান্ত বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সীমান্ত বিষয়শ্রেণী:রংপুর বিভাগের ভূগোল
|
নিচের আলোচনাটি নিন্মলিখিত নিবন্ধের অপসারণ প্রস্তাবনার একটি হালনাগাদকৃত বিতর্ক। অনুগ্রহপূর্বক এটি পরিবর্তন করবেন না। নতুন মন্তব্য উপযুক্ত আলোচনার পাতায় করা উচিত (যেমন নিবন্ধের আলাপ পাতায় বা অপসারণ পর্যালোচনার পাতায়), কিন্তু কোনোভাবেই এই আলোচনাটি সম্পাদনা করা উচিত নয়। ফলাফল ছিল: অপসারণ করা হল। Ashiq Shawon (আলাপ) ১৩:০৫, ৭ অক্টোবর ২০১৮ (ইউটিসি) সিতেশ রঞ্জন দেব – (অপসারণের প্রস্তাবনা দেখুনলগ দেখুন) () উইকিপিডিয়া:উল্লেখযোগ্যতা (ব্যক্তি) মানদণ্ড অনুযায়ী উত্তীর্ণ নয়। ~মহীন (আলাপ) ১৮:০০, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি) উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি। একাধিক সংবাদপত্রে তার পশুশালা সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক জার্নালে নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। কল্যাণ সরকার (আলাপ) ১৮:২৭, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি) অপসারণে , পশু-পাখি সংরক্ষণের মত মহৎ কাজে জড়িত তিনি। বিভিন্ন পত্রিকায় স্বাভাবিক ভাবেই তার ব্যতিক্রমী কাজ নিয়ে লেখা বের হয়েছে। কিন্তু তাই বলে উক্ত ব্যক্তির বিশ্বকোষীয় উল্লেখযোগ্যতা অর্জিত হয়ে যায় না। — সাফি ১০:২১, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি) তার চিড়িয়াখানা, নাম সিতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা শ্রীমঙ্গল উপজেলার একমাত্র চিড়িয়াখানা। মৌলভীবাজার সদর উপজেলায়ও কোনো চিড়িয়াখানা নেই, এবং ওই চিড়িয়াখানার নাম তার নামেই। এবং মৌলভীবাজার উপজেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানের একটি। যে সকল দেশি বিদেশি পর্যটক এ অঞলে আসে তাদের বেশিরভাগই সিতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় আসে এবং পরবর্তীতে ঐ পর্যটকবৃন্দ সিতেশ বাবুর নাম ইন্টারনেটে তালাশ করে উইকিপিডিয়ায় না পেলে উইকিপিডিয়ারই নাম খারাপ হবে কারন সিতেশ বাবু একজন উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তি, বহু সংবাদপত্রে তার সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কারো নাম ইন্টারনেটে তালাশ করে উইকিপিডিয়ায় না পেলে উইকিপিডিয়ারই নাম খারাপ হবে বলে তাকে নিয়ে উইকিপিডিয়ায় নিবন্ধ থাকতে হবে এমন যুক্তিতেই যদি নিবন্ধ লেখা যায় তাহলে উল্লেখযোগ্যতার বিধি রচনার কি প্রয়োজন ছিলো। প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ভাইরাল হন। তাদের নিয়ে গুগোলে অসংখ্যবার নাম তালাশ করা হয়। আর কোন জেলায় একটিও ভালো চিড়িয়াখানা না থাকলে যা আছে সেটিই উল্লেখযোগ্য হয়ে যায় না। আপনাকে অনুরোধ করবো উইকিপিডিয়া:উল্লেখযোগ্যতা (ব্যক্তি) এর নীতিগুলো ভালো করে পড়ার এবং কোন বিধি অনুযায়ী সিতেশ বাবু উল্লেখযোগ্য তা বর্ণনা করার। ধন্যবাদ — সাফি ১০:০৫, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি) ''উপরের আলোচনাটি নিবন্ধের অপসারণ প্রস্তাবনার একটি হালনাগাদকৃত বিতর্ক। অনুগ্রহপূর্বক এটি পরিবর্তন করবেন না। নতুন মন্তব্য উপযুক্ত আলোচনার পাতায় করা উচিত (যেমন নিবন্ধের আলাপ পাতায় বা অপসারণ পর্যালোচনার পাতায়), কিন্তু কোনোভাবেই এই আলোচনাটি সম্পাদনা করা উচিত নয়।
|
কোহরাম ১৯৯৯ সালের মেহুল কুমার পরিচালিত ভারতীয় হিন্দি অ্যাকশন চলচ্চিত্র । এতে প্রধান চরিত্রে অমিতাভ বচ্চন, নানা পাটেকর, ড্যানি ডেনজংপা এবং তাবু অভিনয় করেছেন, জয়া প্রধা, জ্যাকি শ্রফ এবং অন্যান্য সহায়ক চরিত্রে অভিনয় করেছেন। পটভূমি গল্পটি একটি সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর সঙ্গে শুরু হয়, কর্নেল বলবীর সিং সোধা (বচ্চন) কে এই বিষয়টি তদন্ত করতে বলা হয় এবং তিনি আবিষ্কার করেন যে মন্ত্রী বীরভদ্র সিং (ড্যানি ডেনজংপা) এই ষড়যন্ত্রে জড়িত। কর্নেল সোধি চেংগিজিকে হত্যার চেষ্টা করেন ও ব্যর্থ হন। লোকে জানে সোধি মারা গেছেন। তিনি মুম্বইয়ের দাদাভাই/দেবরাজ হাতোদা ছদ্মনাম নিয়ে বসবাস শুরু করেন। মেজর অজিত আর্যকে (পাটেকর) একজন বাঙালি সাংবাদিকের ছদ্মবেশে দাদাভাই/দেবরাজ হাতোদার সত্য পরিচয় জানতে প্রেরণ করা হয়। আর্য সমস্ত ঘটনা জানার পরে, কর্নেল সোধির সাথে যোগ দেন ও সাথে মন্ত্রীকে বিচারের সামনে আনতে এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি খতম করতে চান। মেজর অজিত আর্যের প্রেমিকা যিনি একজন পুলিশ অফিসার, তাদেরকে সহায়তা করেন। অভিনয়ে অমিতাভ বচ্চন - কর্নেল বলবীর সিং সোধি/দেবরাজ হাতোদা (দাদাভাই) নান পাটেকর -মেজর অজিত আর্য/বসু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (বিবিসি) জ্যাকি শ্রফ -মেজর রাঠোদ ড্যানি ডেনজংপা -মন্ত্রী বীরভদ্র সিংহ মুকেশ ঋষি-গফুর চেঞ্জি চরিত্রে তবু - ইন্সপেক্টর কিরণ পাটকার জয়া প্রদা -নম্রতা বি সোদি মুকুল দেব- মন্টি কবির বেদী -ব্রিগেডিয়ার বেদি আয়েশা ঝুলকা -সুইটি অবতার গিল-পুলিশ কমিশনার সঙ্গীত "জে মাতা দে হি আম্বে বলিহারী" - সঞ্জীবনী "পালাকন কো কলম বানা কে, তো মেরা নাম না" - আলকা ইয়াজনিক, হরিহরণ "সাতানাম ওয়াহেগুরু, বাবা নানক দুখিয়ান দে নাথ ভী" - কিশানপাল সিং "জানেমান জানেমান লাদাকি খুব নম্বর ওয়ান" - উদিত নারায়ণ, কবিতা কৃষ্ণমূর্তি "পাগল হুয়া হুয়া হুয়া" - শঙ্কর মহাদেবন, জসপিন্দর নারুলা "ইক মাশুকা হ্যায় যে জিন্দেগী তুম হো ইসপে শাইদা" - সুদেশ ভোঁসলে, অমিত কুমার "লাদাকী লাদাকী খুব ভোট লাদাকি" - আলকা ইয়াগনিক, অভিজিৎ "হাম হাই বানারস কে ভায়া" - সুदेश ভোঁসলে, অমিত কুমার নির্মাণ মৃত্যুদাতা (১৯৯৯) ছবিটি বক্স অফিসে ফ্লপ হওয়ার পরে পরিচালক মেহুল কুমার অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে আরও একটি ছবি বানাতে চেয়েছিলেন। এই দুটি ছবিই প্রযোজনা করেছে অমিতাভ বচ্চন কর্পোরেশন। এই যখন তিনি কোহরামের জন্য ধারণা নিয়ে এসেছিলেন,IMDB trivia তখন ঘোষিত মুল অভিনয় শিল্পী হিসেবে ডিম্পল কাপাডিয়া, আরশাদ ওয়ারসি এবং কারিশমা কাপুরকে নিয়েছিলেন। এবং শিরোনাম দিয়েছিলেন "আয়ে ওয়াতনে তেরে লিয়"। তবে পরে তা বাতিল হয়ে যায় এবং এই চলচ্চিত্রটি তৈরি হয়েছিল। প্রাথম দিকে নানা পাটেকর, মেহুল কুমারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, তবে পরে ছবিটি করতে রাজি হন। প্রথমদিকে ছবিটি ১৩ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও তারপরে মেহুল কুমার এটিকে ৬ আগস্টে মুক্তি দিয়েছিলেন। Rediff News সমালোচকদের অভ্যর্থনা কোহরাম মিশ্র পর্যালোচনা পেয়েছিলেন তবে কুমার আগের ছবি মৃত্যুদাতার চেয়ে ভাল পেয়েছিলেন। যদিও রোটেন টমেটোতে মাত্র ১৬% ব্যবহারকারী এটি পছন্দ করেছেন,Rotten Tomatoes review সমালোচক অজয় চতুর্বেদী এটিকে গড় চলচ্চিত্র বলে অভিহিত করেছেন। Ajay Chaturvdedi's review on Apunkachoice.com তিনি বলেছিলেন যে প্রথমার্ধটি ভাল থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধটি জোর করে সম্পাদিত হয়, তবে ছবিটি নানা পাটেকর ভক্তদের জন্য একটি ট্রিট। ছবিতে তাবুর অভিনয়ের প্রশংসাও করেছেন তিনি। বক্স অফিস কোহরাম বক্স অফিসে ১৩৩ মিলিয়ন আয় করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটির সংগ্রহ ছিল $৭০,২৫৭। এটি একটি গড় পারফর্মার হিসাবে ঘোষিত হয়েছিল এবং অভ্যন্তরীণ এবং উপগ্রহ টেলিভিশনে ভাল আয় করেছিল। Box office collections at Ibos তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:ভারতে সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:১৯৯৯-এর চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:১৯৯০-এর দশকের হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র
|
মুদ্রা বাজার হলো বিশ্বব্যাপী স্বল্পকালীন ঋণ আদান প্রদানের একটি ক্ষেত্র। বিশ্বব্যাপী আর্থিক ক্ষেত্রের প্রয়োজনে এখান থেকেই নগদ টাকার যোগান বজায় রাখা হয়। মুদ্রা বাজার হলো এমন একটি স্থান যেখানে স্বল্পমেয়াদী দায় যেমন, সম্পত্তি পত্র, [ব্যবসায়ীক দলিল এবং ব্যাঙ্কের স্বীকৃতি প্রভৃতি কেনা-বেচা হয়ে থাকে। সামগ্রিক পরিদর্শন আর্থিক সংস্থা এবং ব্যবহারকারী যারা টাকা ও ঋণ প্রভৃতি গ্রহণ ও প্রদানে ইচ্ছুক তাদের নিয়েই টাকার বাজার গঠিত হয়. অংশগ্রহণকারীরা স্বল্প সময়ের জন্য ঋণ গ্রহণ ও প্রদান করে থাকে, সাধারনত ১২ মাসের সময়কাল পর্যন্ত অথবা ১২ মাসের চেয়ে কম সময়কালীন। পুঁজির বাজারের সঙ্গে বৈপরিত্য হলো যেখানে মুচলেখা(বন্ড) এবং শেয়ারপত্র(ইক্যুইটি) প্রভৃতির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী তহবিল সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। মুদ্রা বাজারের প্রধান বিষয়বস্তু হলো, ব্যাঙ্কগুলির নিজেদের মধ্যে ব্যবসায়ীক দলিলের আদান-প্রদানের, পুন:ক্রয় চুক্তি এবং সমজাতীয় আদান-প্রদানের ভিত্তিতে ঋণ প্রদান ও গ্রহণ হয়ে থাকে এই ক্ষেত্রের দলিলাদি বেশির ভাগ সময়েই (আরোপিত মূল্যের ভিত্তিতে) চিন্হিত হয়, যা প্রতিটি শর্ত ও মুদ্রার জন্য লন্ডন ইন্টারব্যাঙ্ক অফারড রেট (LIBOR) ভিত্তিক। GMAC-এর মতো আর্থিক সংস্থাগুলি, কোনো একটি গোষ্ঠির নিকট বিশাল অঙ্কের উপযুক্ত সম্পদ ভিত্তিক ব্যবসায়ীক দলিল (ABCP) বন্ধক(আইন) রেখে নিজেদের তহবিল সংগ্রহ করে। উপযুক্ত সম্পদের উদাহরণ হলো, পরিবহন ঋণ, ক্রেডিট কার্ড থেকে সম্ভাব্য আয়, বাসস্থান/ব্যবসায়ীক সম্পত্তি বন্ধকী ঋণ, বন্ধকী সম্পদের দলিল এবং অন্যান্য আর্থিক সম্পদ ইত্যাদি। ঋণ পরিশোধের নির্ভরযোগ্যতার মান উচ্চ এমন কিছু বৃহদ সংস্থা, যেমন জেনারল ইলেকট্রিক তাদের নিজস্ব ঋণের জন্য ব্যবসায়ীক দলিল প্রদান করে থাকে. অন্যান্য বৃহদ ব্যবসায়ীক সংস্থাগুলি তাদের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ব্যবসায়ীক দলিলের ব্যবস্থা করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, সংযুক্ত, প্রাদেশিক এবং আঞ্চলিক সরকারগুলি প্রত্যেকেই তহবিল সংগ্রহের প্রয়োজনে এই ধরনের দলিল দাখিল করে থাকে. মার্কিন সরকারি ঋণ-এর প্রয়োজনে তহবিল সংগ্রহের জন্য প্রাদেশিক ও আঞ্চলিক প্রশাসন মিউনিসিপ্যাল দলিল এবং US কোষাগার, ট্রেসারি বিল দাখিল করে. ব্যবসায়ীক কোম্পানিগুলি প্রায়েই বিদেশী সরবরাহকারীদের পাওনা মেটানোর জন্য ব্যাঙ্কের স্বীকৃতি পত্র খরিদ করে খুচরো ও সংস্থাগত টাকার বাজারেও তহবিল সংগৃহীত হয়. ব্যাঙ্কগুলি কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক নগদ পরিচালন পন্থা আরবিট্রেজ(অনির্ধারিত ভবিষ্যত আয়ের সম্ভাবনাযুক্ত) ABCP গোষ্ঠীগুলি অধিক আয়ের সম্ভাবনা যুক্ত দলিলগুলি ক্রয় করে কিন্তু নিজেরা অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের দলির বিক্রি করে. ইতিহাস টাকার বাজারের অগ্রগতি টাকার বাজারের সাধারণ যন্ত্রাংশগুলি ব্যাঙ্কের স্বীকৃতি- কোনো একটি ব্যাঙ্ক দ্বারা একটি ড্রাফট প্রদান করা করা হয় এবং পাওনা মেটানোর জন্য স্বীকৃতি প্রদান করা হয়, প্রথাগতভাবে ক্যাশিয়ার-এর চেকের সমতুল. জমাকরণের প্রশংসাপত্র- কোনো একটি ব্যাঙ্কে ভবিষ্যতে কোনো একটি নির্দিষ্ট তারিখে সম্পূর্ণতা-প্রাপ্তির প্রতিশ্রুতি সাপেক্ষে সময় ভিত্তিক গচ্ছিতের ওপর; বড় অঙ্কের জমাকরণের সংশাপত্রগুলি পূর্নাঙ্গতাপ্রাপ্তির তারিখের পূর্বেও বিক্রি করে যায়. পুন:ক্রয় চুক্তি- স্বল্প-মেয়াদী - সাধারণত দুই সপ্তাহ এবং প্রায়ই এক দিনের জন্য - কোনো বিনিয়োগকারীর নিকট ভবিষ্যতে কোনো একটি নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট মূল্যে দলিল বিক্রি করার ব্যবস্থা. ব্যবসায়ীক পত্র- অসুরক্ষিত নির্দিষ্ট পূর্ণাঙ্গতাপ্রাপ্তির দিন ধার্য্যকৃত, এক থেকে 270 দিনের মধ্যে, প্রতিজ্ঞা-পত্র; সাধারণত অঙ্কিত মূল্যের থেকে কম মূল্যে বিক্রিত. ইউরো ডলার জমা- মার্কিং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে কোনো স্থানে কোনো ব্যাঙ্কে বা ব্যাঙ্কের শাখায় U.S. ডলার-এর মুদ্রায় জমাকরণ. সংযুক্ত প্রতিনিধিত্বের স্বল্প মেয়াদী দলিল (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে)। কৃষি ঋণ ব্যবস্থা, দ্য ফেডারল হোম লোন ব্যাঙ্কস্ এবং দ্য ফেডারল ন্যাশনাল মর্টগেজ অ্যাসোসিয়েশন প্রভৃতি সরকারী সাহায্য প্রাপ্ত সংস্থাগুলি কর্তৃক প্রদত্ত স্বল্প মেয়াদী ঋণ. সংযুক্ত তহবিল-(মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে)তাৎক্ষণিক গৃহীত অথবা প্রদত্ত, সাধারণত রাতারাতি ভাবে, ব্যাঙ্ক ও ফেডারল রিসার্ভের অন্তর্গত অন্যান্য জমাকরণ সংস্থাগুলি কর্তৃক সুদ প্রদায়ী জমাকরণ. সংযুক্ত তহবিলের ভিত্তিতে এই ঋণগুলি প্রদান করা হয়. মিউনিসিপাল (পুরসভা) নোটস (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে)পুরসভাগুলি কর্তৃক ভবিষ্যত কর আদায় ও অন্যান্য আয়ের সম্ভাবনার ভিত্তিতে প্রদত্ত নোট. ট্রেসারী বিল্স - তিন বা বারো মাসে পূর্ণাঙ্গতাপ্রাপ্তির জন্য নির্দিষ্ট কোনো জাতীয় সরকারের স্বল্পমেয়াদী ঋণ-দায়ের ওপর প্রদত্ত. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য, ট্রেসারি বিল্স দেখুন. টাকা তহবিল - পুঞ্জিকৃত স্বল্প মেয়াদী, বিশেষ গুন সম্পন্ন বিনিয়োগ যেগুলি টাকার বাজারে, যা খুচরো ও সংস্থাগত বিনিয়োগকারীদের পক্ষে কৃত হয়. বৈদেশিক মুদ্রার অদল-বদল - কোনো একটি বিশেষ তারিখে কোনো বিদেশী মুদ্রার হাত-বদল ও ভবিষ্যতে কোনো একটি নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট মূল্যে তার পুররায় বদলা-বদলি. আরও দেখুন বহি:সূত্র সরলীকৃত ভাষায় আলোচিত টাকার বাজার টাকার বাজারে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের সঙ্গা বিষয়শ্রেণী:অর্থ বিষয়শ্রেণী:মুদ্রা বিষয়শ্রেণী:অর্থবাজার
|
শয়তান () হল বিকাস বহল দ্বারা পরিচালিত ২০২৪ সালের ভারতীয় হিন্দি ভাষার একটি অতিপ্রাকৃত লোমহর্ষক চলচ্চিত্র। ছবিটি দেবগন ফিল্মস, জিও স্টুডিওস এবং প্যানোরামা স্টুডিওস দ্বারা প্রযোজিত হয়েছে। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন অজয় দেবগন, আর. মাধবন, জ্যোতিকা, জানকি বদিওয়ালা এবং অঙ্গদ রাজ। ছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন অমিত ত্রিবেদী, অন্যদিকে সিনেমাটোগ্রাফি এবং সম্পাদনা পরিচালনা করেছেন সুধাকর রেড্ডি ইয়াককান্তি এবং সন্দীপ ফ্রান্সিস। ২০২৪ সালের জানুয়ারীতে শিরোনাম নিশ্চিত করার সাথে ২০২৩ সালের মে মাসে ছবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রধান ফটোগ্রাফি ২০২৩ সালের জুনে শুরু হয়েছিল এবং ভারত এবং লন্ডনে অগ্রসর হয়ে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হয়েছিল। এটি ২০২৩ সালের গুজরাটি চলচ্চিত্র বশের পুনর্নির্মাণ। মহা শিবরাত্রির সাথে মিলে ২০২৪ সালের ৮ই মার্চ শয়তান থিয়েটারে মুক্তি পায়। এটি অভিনয় এবং চিত্রনাট্যের দিকে পরিচালিত প্রশংসা সহ সমালোচকদের কাছ থেকে বেশিরভাগ ইতিবাচক পর্যালোচনা পেয়েছে। এটি একটি বাণিজ্যিক সাফল্য ছিল, বিশ্বব্যাপী ₹১৬৭ কোটির বেশি আয় করে এবং ২০২৪ সালের পঞ্চম সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্রে পরিণত হয়।https://www.livemint.com/news/trends/shaitaan-box-office-collection-day-10-ajay-devgn-madhavan-s-2024-supernatural-movie-mints-rs-133-crore-worldwide-11710726721016.html তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এর লোমহর্ষক চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মুসৌরিতে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকের হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র
|
দর্শনা জাভেরি (জন্ম ১৯৪০), চার জাভেরী বোনদের মধ্যে সর্ব কনিষ্ঠ, যাঁরা ছিলেন শীর্ষস্থানীয় মণিপুরী নৃত্যের প্রচারক। মণিপুরী হলো একটি ভারতীয় ধ্রুপদী নাচের রূপ। তিনি গুরু বিপিন সিংয়ের শিষ্য এবং ১৯৫৮ সালে তাঁর বোনদের সাথে মঞ্চে নৃত্য প্রদর্শন শুরু করেছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালে মণিপুরী নর্তনালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা ভারতে মণিপুরী নৃত্যকে জনপ্রিয় করে তুলেছে এবং বর্তমানে তাঁর নেতৃত্বে মুম্বাই, কলকাতা এবং ইম্ফলে এর কেন্দ্র রয়েছে। Doshi, p. 43 প্রাথমিক জীবন এবং প্রশিক্ষণ জাভেরী এক গুজরাটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং মুম্বাইয়ে বেড়ে উঠেছিলেন। ছয় বছর বয়সে, তিনি, তাঁর বড় বোন নয়না এবং রঞ্জনাকে তাঁদের বাড়িতে গুরু বিপিন সিংহের কাছ থেকে মণিপুরী নৃত্য শিখতে দেখেন। শীঘ্রই, তিনিও তাঁর বোন সুবর্ণাকে নিয়ে ওঁদের সাথে নাচ শিখতে শুরু করেছিলেন। পরে তিনি সূত্রধারী ক্ষেত্রিতোম্বী দেবীর কাছে রসলীলা নাচ, গুরু মেইতেই তোম্বা সিংয়ের কাছ থেকে নট পাং এবং কুমার মাইবি থেকে ঐতিহ্যগত মাইবি জাগোই নাচ শিখেছিলেন। পেশা ১৯৫০ এর দশকে, জাভেরী বোনেরা - নয়না, রঞ্জনা, সুবর্ণা এবং দর্শনা সারা ভারত এবং বিদেশে একসাথে নৃত্য প্রদর্শন করা শুরু করেন। ১৯৫৬ সালে ইম্ফলের রাজকীয় প্রাসাদের ভিতরে গোবিন্দজি মন্দিরে প্রথম কোনো অ-মণিপুরী হিসেবে নৃত্য পরিবেশিত করেছিলেন। অবশেষে, বোনেরা ১৯৭৭ সালে মুম্বাই, কলকাতা এবং ইম্ফলে তাঁদের গুরু কলাবতী দেবীর সাথে মণিপুরী নর্তনালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং Singha, p. 177 এর পর তাঁদের নাম মণিপুরী নৃত্যের সাথে সমার্থক হয়ে ওঠে। কয়েক বছর ধরে, দর্শনা নৃত্যের বিষয়ে বেশ কয়েকটি বই এবং নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর গুরুর জীবদ্দশায় তাঁর গুরুকে শিক্ষকতা ও গবেষণায় সহায়তা করেছিলেন। এর পাশাপাশি, নিজে দায়িত্ব নেওয়ার আগে পর্যন্ত, তিনি নৃত্য পরিচালনাতেও তাঁকে সহায়তা করেছিলেন। ২০০৮ সালে প্রখ্যাত নৃত্য সমালোচক সুনীল কোঠারি একটি নিবন্ধে উল্লেখ করেন, তাঁরা (জাভেরী বোনেরা) "শহরে মণিপুরী নৃত্যের মন্দিরের ঐতিহ্য আনার জন্য দায়ী"। নিবন্ধটিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, নয়না দুই দশক আগে মারা গিয়েছেন এবং সুবর্ণা সুস্থ নন। রঞ্জনা ও দর্শনা তাঁদের দল নিয়ে নৃত্য পরিবেশন অব্যাহত রেখেছেন এবং মণিপুরী নৃত্য শেখানো চালিয়ে যাচ্ছেন। পুরস্কার ও সম্মাননা দর্শনা জাভেরী ১৯৯৬ সালে ভারতের নৃত্য, সঙ্গীত ও নাটকের জাতীয় আকাদেমি, সঙ্গীত নাটক একাডেমী কর্তৃক সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন। Dance Manipuri awardees Sangeet Natak Akademi website ২০০২ সালে তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। তিনি ২০১৮ সালে কালিদাস সম্মান পেয়েছেন। মন্তব্য তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ দর্শনা জাভেরীর ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট স্পিক ম্যাকায় পদ্মশ্রী দর্শনা ঝভেরি দর্শনা ঝভেরি ও তার দল বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:মণিপুরী নৃত্যশিল্পী বিষয়শ্রেণী:মহারাষ্ট্রের নৃত্যশিল্পী বিষয়শ্রেণী:মহারাষ্ট্রের নারী শিল্পী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় নারী নৃত্য পরিচালক বিষয়শ্রেণী:গুজরাতি ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:শিল্পকলায় পদ্মশ্রী প্রাপক বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর ভারতীয় নৃত্যশিল্পী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় নারী শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় নৃত্য শিক্ষক বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় নৃত্য পরিচালক বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যের অভিনয়শিল্পী বিষয়শ্রেণী:মুম্বইয়ের শিল্পী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যের শিক্ষক বিষয়শ্রেণী:মহারাষ্ট্রের নারী শিক্ষাবিদ বিষয়শ্রেণী:মহারাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী শিল্পী
|
গ্রোন এল্ড (; ) হল জার্নভাগস্টোর্গেট, উমিয়া, সুইডেনে অবস্থিত শিল্পী ভিকে লিন্ডস্ট্র্যান্ড কর্তৃক নির্মিত কাচের ভাস্কর্য যা উমিয়ার ঠিক উমিয়া কেন্দ্রীয় স্টেশনে অবস্থিত। নয় মিটার দৈর্ঘ্যের এই কাচের ভাস্কর্যটি ১৯৭০ সালে এর উদ্বোধনের সময় ছিল পৃথিবীর সর্বোচ্চ কাচের ভাস্কর্য। ইতিহাস এইচএসবির প্রধান সিভেন ওয়াল্যান্ডার ভিকে লিন্ডস্ট্র্যান্ড কর্তৃক নির্মিত 'প্রিসমা ভাস্কর্যটি দেখার পরেই অপর একটি ভাস্কর্য নির্মাণের কথা বলেন। এইচএসবি গ্রোন এল্ডকে উমিয়া মিউনিসিপ্যালিটিকে দান করেন কিন্তু তারাই এর নির্মাণব্যয় বহন করেছিল। লেনার্ট জোহানসন, যিনি ১৯৭০ সালে ভাস্কর্যটিকে একত্রিত করেন, তিনি সাংবাদিকদের কাছে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে বলেন যে ভাস্কর্যটির একটি কাচের ফ্রেমে মাও জিডং-এর একটি লুকানো ছবি রয়েছে এবং তিনিই ছবিটিকে লুকিয়েছিলেন। ভাস্কর্য গ্রোন এল্ড'' মোট তিনটি পাকান কাচ থাম দিয়ে গঠিত যা ধীরে ধীরে সরু অয়ে উপরে উঠে গেছে। কাচের থামগুলো তিন হাজার, নয় মিলিমিটার তীক্ষ্ণ কাচের প্লেট দিয়ে তৈরি হয়েছে যা সুইডেনের এমাবোডা গ্লাসভার্ক বানিয়েছিলেন। এই কাচের টুকরোগুলোকে কঠিন জলবায়ুর মাঝে টিকে থাকার জন্য ইপক্সি গ্লু দিয়ে আটকানো হয়েছে। নয় মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট এই ভাস্কর্যর ওজন ৪৫ টন এবং এটি ভারী কনক্রিটনির্মিত বেদীর ওপর অবস্থিত যা গভীর পাইলিং দ্বারা তৈরি হয়েছে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:সুইডেনের শিল্প বিষয়শ্রেণী:সুইডেনের বাহ্যিক ভাস্কর্য বিষয়শ্রেণী:উমিয়া বিষয়শ্রেণী:১৯৭০-এর ভাস্কর্য
|
গুপ্তেশ্বর দেবালয় বা গুপ্তেশ্বর মন্দির () হল অসম এর শোণিতপুর জেলার পশ্চিম প্রান্তে ঢেকীয়াজুলি শহরে অবস্থিত হিন্দু ধর্ম এর এক দেবালয়। এই দেবালয় শিঙরী মন্দির হিসাবেও জানা যায়, কালিকা পুরাণ এ শৃংগটক নামেরে এর উল্লেখ আছেhttp://www.india9.com/i9show/Singri-Temple-20079.htm india9.com, Singri Temple, আহরণ করা তারিখ : ২৮-১০-২০১২। তেজপুর শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার আর ঢেকীয়াজুলি শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার ভিতরে ব্রহ্মপুত্র নদীর পারে শিঙরী পাহাড়ের পাদদেশে এই দেবালয় অবস্থিত। লোকপ্রবাদ অনুসারে, এই মন্দিরটি স্বয়ং বিশ্বকর্মা দেবতা নির্মাণ করেছিলেন, এবং রেপরে আহোম স্বর্গদেউ ইহা সম্প্রসারিত করেনঐতিহাসিক গুপ্তেশ্বর দেবালয়র কথা, লিখক: ললিত কুমার গগৈ, পৃষ্ঠা নং : ৬ (সম্পাদকীয় পৃষ্ঠা), অসমীয়া প্রতিদিন, প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর, ২০১২, শণিবার। গঠন গুপ্তেশ্বর দেবালয়ের শিখরে একটি পিতলের কলসি, একটি মুখ্য তোরণ আছে। দেবালয়ের চারপাশ প্রাচীন কালের ইট দ্বারা নির্মিত। ইতিহাস এবং প্রবাদ গুপ্তেশ্বর দেবালয়ের নামকরণ সংক্রান্ত একটা লোকশ্রুতি অনুসারে দ্বাপর যুগএ শোণিতপুরের রাজা বাণাসুর কাশীধামে গিয়ে শিবএর আরাধনা করেছিলেন। তিনি কাশী থেকে এসে নিজ রাজ্যের ভিতরে দ্বিতীয় একখানি কাশীধাম স্থাপন করার মনস্থ করে এখনকার লুহিতের পারে বিশ্বনাথ ঘাটএ নির্মাণ কার্য আরম্ভ করেন। বানাসুরের এই বৃহৎ কাশীধাম নির্মাণের কথা জানতে পেরে স্বর্গের দেবতাগণ বিস্মিত হ’ল এবং এই পরিকল্পনা বিফল করবার জন্য বাণরাজার আনা একটা শিবলিংগ চুরি করি এনে শিঙরীর পাহাড়ের গুহাতে লুকিয়ে রাখে। শিবকে এইভাবে গুপ্ত করে রাখার জন্যই এই মন্দির গুপ্তেশ্বর নামে পরিচিত হয়। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ চিত্র সংযোগ ভিডিও বিষয়শ্রেণী:ভারতের মন্দির বিষয়শ্রেণী:অসমের মন্দির
|
তাকেহিরো তোমিয়াসু (, ; জন্ম: ৫ নভেম্বর ১৯৯৮) হলেন একজন জাপানি পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি বর্তমানে ইংল্যান্ডের পেশাদার ফুটবল লিগের শীর্ষ স্তর প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব আর্সেনাল এবং জাপান জাতীয় দলের হয়ে রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি মূলত কেন্দ্রীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেললেও মাঝেমধ্যে ডান পার্শ্বীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড় এবং রক্ষণাত্মক মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। ২০১৪ সালে, তোমিয়াসু জাপান অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে জাপানের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে অভিষেক করেছিলেন। তিনি ২০১৮ সালে জাপানের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছেন; জাপানের জার্সি গায়ে তিনি ২৩ ম্যাচে ১টি গোল করেছেন। তিনি জাপানের হয়ে এপর্যন্ত ১টি এএফসি এশিয়ান কাপে (২০১৯) অংশগ্রহণ করেছেন, যেখানে তিনি হাজিমে মোরিয়াসুর অধীনে এএফসি এশিয়ান কাপের রানার-আপ হয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে, তোমিয়াসু বেশ কিছু পুরস্কার জয়লাভ করেছেন, যার মধ্যে ২০২০ সালে আইএফএফএইচএস বর্ষসেরা এএফসি পুরুষ দলে স্থান পাওয়া অন্যতম। দলগতভাবে, তোমিয়াসু এপর্যন্ত ১টি শিরোপা জয়লাভ করেছেন, যা জাপানের বয়সভিত্তিক দলের হয়ে জয়লাভ করেছেন। প্রারম্ভিক জীবন তাকেহিরো তোমিয়াসু ১৯৯৮ সালের ৫ই নভেম্বর তারিখে জাপানের ফুজুওকায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই তার শৈশব অতিবাহিত করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবল তোমিয়াসু জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২০ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের জন্য ২০২১ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত জাপান অনূর্ধ্ব-২৩ দলে স্থান পেয়েছেন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:১৯৯৮-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:জাপানি ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:বোলোনিয়া ফুটবল ক্লাব ১৯০৯-এর খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:জাপানের আন্তর্জাতিক ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:সিন্ট-ট্রইডেন্সে ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:আর্সেনাল ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:২০১৯ কোপা আমেরিকার খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:সেরিয়ে আ-এর খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:২০২০ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:ফুটবল রক্ষণভাগের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:জে১ লিগের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:বেলজীয় প্রো লিগের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:বেলজিয়ামে প্রবাসী ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:ইতালিতে প্রবাসী ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডে প্রবাসী ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:জাপানের আন্তর্জাতিক যুব ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:জাপানের অলিম্পিক ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:ইতালিতে জাপানি প্রবাসী ক্রীড়াবিদ বিষয়শ্রেণী:জাপানি প্রবাসী ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:জে২ লিগের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:২০২২ ফিফা বিশ্বকাপের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:২০১৯ এএফসি এশিয়ান কাপের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:২০২৩ এএফসি এশিয়ান কাপের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:ফুটবল ফুলব্যাক বিষয়শ্রেণী:ফুটবল সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার
|
বক্স ক্রিকেট লিগ (সংক্ষেপে বিসিএল নামে পরিচিত) হচ্ছে একটি ভারতীয় ক্রীড়া রিয়্যালিটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান, যেখানে টেলিভিশনের বিভিন্ন তারকারা একটি ইনডোর ক্রিকেট খেলার ফরম্যাটে এক দল অপর দলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।http://www.india.com/showbiz/box-cricket-league-teams-bcl-2016-team-details-with-tv-actors-names-of-celebrities-1028570/http://www.spotboye.com/television/television-news/delhi-dragons-wins-bcl-season-2/573c66647377df5f04b0674fEkta Kapoor selects 150 Actors for her biggest sport reality show Box Cricket League দলসমূহ এই অনুষ্ঠানে ১০টি দলকে একটি গ্র্যান্ড পুরস্কারের জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দিল্লী ড্রাগন্স – ১ম এবং ২য় আসরের বিজয়ী।Delhi Dragons wins BCL Season 2; Karan Wahi is the man of the series - India Today চণ্ডীগড় কাবস পুনে অনমোল রত্ন চেন্নাই সোয়াগার্স মুম্বাই টাইগার্স জয়পুর রাজ জোশিলে আহমেদাবাদ এক্সপ্রেস লখনউ নবাবস রাউডি বেঙ্গালুরু কলকাতা বাবু মশাইস তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বিষয়শ্রেণী:টেলিভিশনে ক্রিকেট বিষয়শ্রেণী:সনি এন্টারটেনমেন্ট টেলিভিশনের মৌলিক অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় খেলাধুলা টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় আপাতবাস্তব টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:হিন্দি ভাষার টেলিভিশন অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:২০১৪-এ অভিষিক্ত ভারতীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:এমটিভি ইন্ডিয়ার মৌলিক অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:কালার্স টিভির মৌলিক অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:বালাজী টেলিফিল্মস টেলিভিশন ধারাবাহিক
|
সোনিয়া চাহাল হলেন একজন ভারতীয় অপেশাদার বক্সার। তিনি ২০১৮ এআইবিএ মহিলা বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে রৌপ্য পদক জয় করেছেন। প্রারম্ভিক জীবন এবং কর্মজীবন চাহালের জন্ম হরিয়ানা রাজ্যের ভিওয়ানি জেলার নিমরি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম জয় ভগবান এবং মা হলেন নীলম। তাঁদের দুই সন্তানের মধ্যে সোনিয়া ছোট। তাঁর বাবা একজন কৃষক এবং মা হলেন গৃহিণী। সোনিয়া এখন রোহতকের মহর্ষি দয়ানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের চারুকলার ছাত্র। কবিতা চাহাল সহ তাঁর গ্রামের অন্য মহিলা মুষ্টি যোদ্ধাদের সাফল্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এবং তাঁর শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক সুরেশের দ্বারা উৎসাহিত হয়ে, সোনিয়া চাহাল ৯ম শ্রেণীতে পড়ার সময় মুষ্টিযুদ্ধ বা বক্সিং শুরু করেছিলেন। ২০১১ সালে তাঁর বাবা-মা তাঁকে ভিওয়ানি বক্সিং ক্লাবে নথিভুক্ত করেন, যেখানে তিনি দ্রোণাচার্য পুরস্কারপ্রাপ্ত জগদীশ সিংয়ের অধীনে বক্সিং রিংয়ের কলাকৌশল শিখেছিলেন। তিনি সেই বছরেই স্কুল-স্তরের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে রৌপ্য পদক জিতেছিলেন। তিনি পরের তিন বছর ভিওয়ানিতেই তাঁর প্রশিক্ষণ অব্যাহত রেখেছিলেন। অল্প সময়ের মধ্যেই, সোনিয়া আন্তঃস্কুল বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে শুরু করেন এবং তারপরে বক্সিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া দ্বারা আয়োজিত জেলা, রাজ্য এবং জাতীয় পর্যায়ের টুর্নামেন্টে জয়লাভ করেন। ২০১২ সালে, তিনি জাতীয় চ্যাম্পিয়নের মুকুট লাভ করেন এবং ২০১৩, '১৪ এবং '১৬ সালে তাঁর শিরোপা ধরে রাখেন। ২০১৭ সালে রোহতকের জাতীয় বক্সিং একাডেমিতে চলে গিয়ে, তিনি একই বছর ইন্ডিয়া ওপেন টুর্নামেন্টে রৌপ্য জিতেছিলেন। চাহাল ফেদারওয়েট বিভাগে (৫৪ - ৫৭ কেজি) রৌপ্য পদক জিতেছিলেন। ২০১৮ এআইবিএ মহিলা বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জার্মানির অরনেলা ওয়াহনারের কাছে তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এই পরাজয়ের পর সোনিয়া বলেছেন, “যদিও লাইট ফ্লাইওয়েট ৪৫-৪৮ কেজি বিভাগে ষষ্ঠ স্বর্ণপদক জিতে নেওয়া আমার আদর্শ মেরি কমের সাথে মঞ্চ ভাগাভাগি করা আমার জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত ছিল, কিন্তু আমি আমার প্রদর্শনে হতাশ হয়েছিলাম। তবে আমি এখন আত্মবিশ্বাসী যে আমি পরের বার উন্নতি করব।” প্রসঙ্গত এই একই প্রতিযোগিতায় ৪৮ কিলোগ্রাম বিভাগে, ইউক্রেনের হানা ওখোতাকে হারিয়ে মেরি কম তাঁর ঐতিহাসিক ষষ্ঠ বিশ্ব শিরোপা জয় করেছিলেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী বিষয়শ্রেণী:জন্মের বছর অনুপস্থিত (জীবিত ব্যক্তি) বিষয়শ্রেণী:এআইবিএ নারী বিশ্ব মুষ্টিযোদ্ধা চ্যাম্পিয়নশিপের পদকপ্রাপ্ত বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় নারী মুষ্টিযোদ্ধা বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি
|
বুজির বন সিলেটের জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রান্তসীমায় নির্জন স্থানে অবস্থিত একটি জলাবন। এ বনটি করিচ, কাঁপনা ও পুড়াখাই এই তিন নদীর মিলনস্থলে আবহমানকাল থেকে টিকে আছে। অবস্থান সিলেট-তামাবিল সড়ক ধরে হরিপুরের পরেই করিচ ব্রিজ। সে সেতু থেকে পশ্চিম দিকে মাত্র চার কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যেই বনটির অবস্থান। উদ্ভিদবৈচিত্র্য হিজল, করচ, জারুল, বরুন, শেওড়া, বুরি আর কদমের লম্বা লম্বা সারি জলাবনটিতে দেখা যায়। শতবর্ষী হিজল গাছগুলো নিজের ডালপালা আর পাতা দিয়ে অনেক জায়গাজুড়ে অবস্থান করছে। বর্ষায় বনটি অনেক বেশি সতেজ হয়ে ওঠে। বনের বিচিত্র সব গাছগাছালি জলচর, স্থলচর ও উভচর প্রাণীদের সাথে শতাব্দীর পর শতাব্দী টিকে আছে। বনের ভেতরে প্রবেশ করলে মুর্তা, বেত, হোগলা আর শনের ঘন জঙ্গল চোখে পড়ে। জীববৈচিত্র্য নানা প্রজাতির উদ্ভিদ, জলচর ও স্থলচর প্রাণীর আবাসস্থল বুজির বন জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি জলাবন। উদবিড়াল, গেছো ইদুর, কাঠবিড়ালী, খেঁকশিয়ালসহ নানা প্রজাতির প্রাণীসহ অনেক মেছোবাঘ বনটিতে বাস করে। চিল, ঈগল, ডাহুক, কানাবক, বালিহাস আর নানা প্রজাতির পাখিও দেখা যায় এই বনে। বিশেষ করে, শীতকালে পরিযায়ী পাখির কলকাকলীতে মুখর থাকে এ বন। দেশীয় নানা প্রজাতির মাছে ভরপুর বনটি। তথ্যসূত্র আরও দেখুন রাতারগুল জলাবন লক্ষ্মী বাওড় জলাবন বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার জলাবন বিষয়শ্রেণী:সিলেট জেলার দর্শনীয় স্থান
|
থাম্ব|270px|দেবদেবী ও বুদ্ধগণের মণ্ডলের কেন্দ্রে সামন্তভদ্র (কুনতুজাংপো)। কুনতুজাংপো র্ন্যিং-মা সম্প্রদায়ে প্রধান আদিবুদ্ধ। তিনি কুনজেদ গ্যালপো (সর্ব-স্রষ্টা রাজা) নামেও পরিচিত। থাম্ব|270px|বজ্রধর, গ্সার-মা সম্প্রদায়ের প্রধান আদিবুদ্ধ আদিবুদ্ধ বা সামন্তভদ্র হলেন বজ্রযান ঐতিহ্যে প্রথম বা আদ্যকালীন বুদ্ধ। এছাড়াও তিনি ধর্মকায়-বুদ্ধ নামেও পরিচিত।Gray, David (2007), The Cakrasamvara Tantra (The Discourse of Sri Heruka): Śrīherukābhidhāna: A Study and Annotated Translation (Treasury of the Buddhist Sciences), p. 32. আদিবুদ্ধ শব্দটি বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাহিত্য থেকে উদ্ভূত। বিশেষত কালচক্র গ্রন্থে শব্দটি বিশেষ গুরুত্ব সহকারে আলোচিত হয়েছে।Buswell, Robert E.; Lopez, Jr., Donald S. (2013). The Princeton dictionary of Buddhism. Princeton: Princeton University Press. . Entry on "ādibuddha". আদি শব্দের অর্থ প্রথম, সেই অর্থে আদিবুদ্ধ বলতে বোঝায় যিনি প্রথম বোধোদয় অর্জন করেছিলেন। অপরদিকে আদি শব্দের অপর অর্থ আদ্যকালীন; এই অর্থে শব্দটি ব্যক্তিবাচক নয়, বরং সকল চেতন সত্ত্বায় উপস্থিত এক সহজাত প্রজ্ঞার ইঙ্গিতবহ। ইন্দো-তিব্বতি বৌদ্ধ পরম্পরায় ইন্দো-তিব্বতি বৌদ্ধধর্মে আদিবুদ্ধ শব্দটি প্রায়শই বুদ্ধ সামন্তভদ্র (র্নিং-মা সম্প্রদায়ে), বজ্রধর বা কালচক্রকে (শর্মা সম্প্রদায়ে) নির্দেশ করে।Wayman, Alex; The Buddhist Tantras: Light on Indo-Tibetan esotericism, page 53. ভারতে মঞ্জুশ্রীকেও আদিবুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হতো। উদাহরণস্বরূপ, মঞ্জুশ্রীনামসংগীতি গ্রন্থের বিলাসবজ্র-কৃত ভাষ্যের উল্লেখ করা যেতে পারে।Tribe, Anthony (2016). Tantric Buddhist Practice in India: Vilāsavajra’s commentary on the Mañjuśrī-nāmasaṃgīti, p. 3. Routledge. বিলাসবজ্র তাঁর ভাষ্যে লিখেছেন:জ্ঞান-সত্ত্বা মঞ্জুশ্রী দশ ভূমির অধিপতি বোধিসত্ত্ব নন, বরং অদ্বয়জ্ঞান ও প্রজ্ঞাপারমিতা স্বয়ং।Tribe, Anthony (2016). Tantric Buddhist Practice in India: Vilāsavajra’s commentary on the Mañjuśrī-nāmasaṃgīti, p. 8. Routledge. অ্যান্টনি ট্রাইবের মতে, এই ধারাটি সম্ভবত গুহ্যসমাজ ভাষ্যের জ্ঞানপাদ শাখাটিকে প্রভাবিত করেছিল। সেই কারণেই উক্ত শাখায় মঞ্জুবজ্রকে (মঞ্জুশ্রীর একটি তান্ত্রিক রূপভেদ) গুহ্যসমাজ মণ্ডলের কেন্দ্রে স্থান দেওয়া হয়। কালচক্র পরম্পরায় আদিবুদ্ধের ধারণাটি বর্ণনা করতে গিয়ে ভেসনা ওয়ালেস বলেছেন::কালচক্র পরম্পরায় যখন অনাদি ও অনন্ত বুদ্ধ অর্থে আদিবুদ্ধের কথা বলা হয়, তখন তা সকল সচেতন সত্ত্বার মনে পরিব্যাপ্ত সহজাত জ্ঞানের কথা ইঙ্গিত করে। এটিই সংসার ও নির্বাণের মূল ভিত্তি। পক্ষান্তরে যখন অবিনশ্বর সুখের মাধ্যমে পরম প্রজ্ঞা অর্জনকারী প্রথম ব্যক্তি অর্থে আদিবুদ্ধের কথা বলা হয়, এবং যখন এই শব্দটির মাধ্যমে পরম বুদ্ধত্ব অর্জনে প্রজ্ঞা ও জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তার কথা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে, তখন শব্দটি ব্যক্তির নিজস্ব সহজাত জ্ঞানের প্রকৃত উপলব্ধির কথাই ইঙ্গিত করে। অর্থাৎ বলা যায় যে, কালচক্র পরম্পরায় আদিবুদ্ধ ধারণাটির দ্বারা যুগপৎ নির্দেশ করা হয় ব্যক্তিমনের পরম প্রকৃতি এবং যে ব্যক্তি মনের শুদ্ধিকরণের মাধ্যমে সেই সহজাত জ্ঞানকে উপলব্ধি করেছেন তাঁকে।Wallace, Vesna (2001). The Inner Kalacakratantra: A Buddhist Tantric View of the Individual, p. 18. Oxford University Press. Quote: when the Kalacakra tradition speaks of the Ādibuddha in the sense of a beginningless and endless Buddha, it is referring to the innate gnosis that pervades the minds of all sentient beings and stands as the basis of both samsara and nirvana. Whereas, when it speaks of the Ādibuddha as the one who first attained perfect enlightenment by means of imperishable bliss, and when it asserts the necessity of acquiring merit and knowledge in order to attain perfect Buddhahood, it is referring to the actual realization of one's own innate gnosis. Thus, one could say that in the Kalacakra tradition, Ādibuddha refers to the ultimate nature of one's own mind and to the one who has realized the innate nature of one's own mind by means of purificatory practices. কুনজেদ গ্যালপোর অনুবাদক জিম ভ্যালবির মতে, জোগচেন পরম্পরায় সমন্তভদ্র ("সর্ব-মঙ্গল") ঈশ্বর নন, বরং "কারণ ও কার্যের অতীত আমাদের চিরন্তন শুদ্ধ পারম্যের উপস্থিতি" ("our timeless Pure Perfect Presence beyond cause and effect.")।Valby, Jim (2016). Ornament of the State of Samantabhadra - Commentary on the All-Creating King - Pure Perfect Presence - Great Perfection of All Phenomena. Volume One, 2nd Edition, p. 3. গুহ্যসমাজ তন্ত্রে বজ্রধর সম্পর্কে বলা হয়েছে: "[তিনি] গুরু, যাকে সকল বুদ্ধগণ নত হয়ে প্রণাম করেন, [তিনি] তিন বজ্রের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, মহৎ শ্রেষ্ঠের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, তিন বজ্রের পরম প্রভু।" অ্যালেক্স ওয়েম্যান দেখিয়েছেন, প্রদীপোদ্দ্যোতনা নামে একটি তান্ত্রিক ভাষ্যে "তিনটি বজ্র" বলতে দেহ, বাক্য ও মনের তিনটি রহস্য বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেগুলি আদিবুদ্ধের পরিচায়ক। ওয়েম্যান আরও লিখেছেন: "সং-খা-পার চ্যান-’গ্রেল গ্রন্থের ব্যাখ্যা অনুযায়ী "দেহের প্রভু": দেহের একইসঙ্গে অসংখ্য বাস্তবায়ন; "বাক্যের প্রভু": তাঁর নিজের ভাষায় সীমাহীন সচেতন সত্ত্বার প্রত্যেকটিকে ধর্ম শিক্ষা দান; "মনের প্রভু": যা কিছু জানা সম্ভব বলে মনে হয় তা সবই বুঝতে পারা। চতুর্দশ দলাই লামার মতে, মহাযান বৌদ্ধধর্মেও আদিবুদ্ধকে মহাবিশ্ব, তার বিধান ও সত্য প্রকৃতির, বোধি ও কর্মের মূর্তপ্রকাশের এবং ত্রিকায়ের একটি প্রতীক গণ্য করা হয়। পূর্ব এশীয় বৌদ্ধধর্মে জাপানি বৌদ্ধধর্মের নিচিরেন বিদ্যালয়ের মধ্যে নিক্কো-বংশ বিশেষতঃ সোকা গাক্কাই এবং নিচিরেন শোশু, নিচিরেনকে আদিবুদ্ধ হিসাবে বিবেচনা করে এবং তাকে বোধিসত্ত্ব হিসাবে দেখে এমন অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিতর্ককে জাগ্রত রাখে। নেপাল ও তিব্বতে আদিবুদ্ধের প্রচলন সর্বাধিক; আনুমানিক দশ শতকে পূর্ব-ভারতের নালন্দা মহাবিহারে এ মতবাদ গৃহীত হয় বলে মনে করা হয়। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর নিকটস্থ স্বয়ম্ভূ পাহাড়ে অবস্থিত প্রধান মন্দির আদিবুদ্ধের নামে উৎসর্গীকৃত। স্বয়ম্ভূপুরাণের একটি উপকথায় নেপালে অগ্নিশিখার আকারে আদিবুদ্ধের প্রথম অভিব্যক্তির বিবরণ আছে; যেখানে আদিবুদ্ধকে আদিনাথ এবং স্বয়ম্ভূ লোকনাথ অথবা স্বয়ম্ভূ (স্বয়ংজাত প্রভু) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। করন্ডব্যূহের পৌরাণিক উপাখ্যান মতে, আদিবুদ্ধ সর্বপ্রথমে অবলোকিতেশ্বরকে সৃষ্টি করে তাঁর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে অন্যান্য দেবদেবীদের সৃষ্টি করেন। বজ্রধরের যুগলরূপে কল্পিত শক্তির নাম প্রজ্ঞাপারমিতা। বজ্রধরের এই একক ও যুগলবদ্ধ মূর্তি একটি (একক) শূন্যমূর্তি অন্যটি (যুগলবদ্ধ) বোধিচিত্ত, একটি শূন্যতা অপরটি করুণা, একটি পরমাত্মা অপরটি জীবাত্মা ইত্যাদিভাবে বিশ্লেষণ করা হয়ে থাকে। মূর্তিদুটির একসঙ্গে থাকাকালীন এদের দ্বয়ভাব অদ্বয়ে পরিণত হলে উভয়ে মিলে একক মূর্তিতে পরিণত হয় বলে ধারণা। আরও দেখুন কুলায়রাজ তন্ত্র সংঘ্যং আদি বুদ্ধ বৈরোচন দিব্য উপস্থিতি হিন্দুধর্মে গৌতম বুদ্ধ পাদটিকা গ্রন্থপঞ্জী Grönbold, Günter (1995). Weitere Adibuddha-Texte, Wiener Zeitschrift für die Kunde Südasiens / Vienna Journal of South Asian Studies 39, 45-60 বিষয়শ্রেণী:বুদ্ধ
|
দাঁত মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মুখে অবস্থিত একটি অঙ্গ। এটি খাদ্য চর্বণ ও কর্তনের (কাটা) কাজে ব্যবহৃত হয়। অধিকাংশ প্রাণীর দেহে দাঁতই হচ্ছে কঠিনতম অঙ্গ। দাঁতের প্রকারভেদ কর্তন দাঁত: একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মাড়ির দাঁতে ৮টি কর্তন দাঁত থাকে, যা খাদ্যকে কাটতে ব্যবহৃত হয়৷ ছেদন দাঁত: একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মাড়ির দাঁতে ৪টি ছেদন দাঁত থাকে। ছেদন দাঁত খাদ্যকে ছিড়তে ব্যবহৃত হয়৷ অগ্রপেষণ দাঁত: একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মাড়ির দাঁতে ৮টি অগ্রপেষণ দাঁত থাকে, যা পেষণ এবং চর্বণে ব্যবহৃত হয়৷ পেষণ দাঁত: প্রাপ্তবয়স্কদের ৮টি পেষণ দাঁত থাকে, যা খাদ্যবস্তু চর্বণ এবং পেষণ করে। আক্কেল দাঁত: মাড়ির পেছনে অবস্থিত, এর সংখ্যা ০-৪টি। দাঁতের অংশ right|thumb|মানবদেহের দাঁতের লম্বচ্ছেদে বিভিন্ন অংশ দেখানো হয়েছে মুকুট : এটি দাঁতের সেই অংশ যা মাড়ির ওপরে থাকে এবং আমরা দেখতে পাই। মূল: এটি দাঁতের সেই অংশ যা মাড়ি এবং হাড় দিয়ে আবৃত থাকে। দাঁতের শিকড়ের সংখ্যা এক থেকে চার পর্যন্ত হয়ে থাকে। দাঁতের মুকুট ও মূলের সংযোগস্থলকে গ্রীবা বলা হয়। এটিও সাধারণত মাড়ি দিয়ে আবৃত থাকে। দাঁতে উপস্থিত কলাসমূহ এনামেল: এটি দাঁতের বাইরের শক্ত আবরণ, যা ক্যালসিয়াম ফসফেট, ক্যালসিয়াম কার্বনেট এবং ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড দ্বারা গঠিত। ডেন্টিন: এটি ভিতরের স্তর, যা দাঁতের অধিকাংশ স্থান জুড়ে বিদ্যমান। দন্তমজ্জা: এটি দাঁতের ভিতরের অংশ। এখানে স্নায়ু ও রক্তবাহী নালিকা বিদ্যমান। সিমেন্ট: এটি দাঁতের মূলের চারিদিকে অবস্থিত পাতলা স্তর। এটি এক ধরনের অস্থিসদৃশ আবরণ, যা দাঁতকে চোয়ালের সাথে সংযুক্ত করে রাখে। এছাড়াও, দাঁতের সিমেন্ট ও চোয়ালের মাঝখানে যে সূক্ষ ফাঁকা থাকে, সেখানে অগণিত অতিসূক্ষ তন্তুসদৃশ লিগামেন্ট থাকে যাকে পেরিওডন্টাল টিস্যু বলে। দাঁতকে হাড়ের সাথে সংযুক্ত রাখাই এর প্রধান কাজ। দাঁতের যত্ন right|thumb|দাঁত পরিষ্কারে টুথব্রাশের জুড়ি মেলা ভার। মুখের সুস্থতা অনেকাংশেই মুখ পরিষ্কার রাখা সংক্রান্ত নিয়মিত চর্চার উপর নির্ভর করে। মুখ পরিষ্কার রাখার ফলে দাঁতের ক্ষয়রোগ, গিংগিভিটিজ, পিরিওডন্টাল রোগ, হ্যালিটোসিস বা মুখের দুর্গন্ধ এবং অন্যান্য দন্তজনিত সমস্যা থেকে ব্যক্তি রক্ষা পায়। পেশাদারী এবং ব্যক্তিগত - উভয় পর্যায়েই এ ধরনের সচেতনতা প্রয়োজন। সচেতনভাবে দাঁত ব্রাশ করার পাশাপাশি নিয়মিত দন্তচিকিৎসকের মাধ্যমে দাঁত পরিষ্কার করলে দাঁতের ক্যালকুলাস বা টারটার এবং দাঁতে অবস্থানরত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূরীভূত হয়। পেশাদারীভাবে দাঁতের পরিষ্কারের জন্য টুথ স্কেলিং করা হয়। এ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতির প্রয়োগ দেখা যায়। দাঁত পরিষ্কার রাখার উদ্দেশ্যই হচ্ছে দাঁতের আবরণে ও ফাঁকা জায়গায় অবস্থানরত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূরে রাখা। স্বাস্থ্যপরিচর্যা বিষয়ক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দন্তচিকিৎসকগণ পরামর্শ দেন যে, প্রতিদিন খাদ্য গ্রহণের পর সকালে কিংবা রাতে দু'বার নিয়মিতভাবে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। এর ফলে দাঁতের গঠন সুন্দর এবং মজবুত হবে ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে।Oral Health Topics: Cleaning your teeth and gums . Hosted on the American Dental Association website. Page accessed August 15, 2006. প্রতি তিন মাস অন্তর টুথব্রাশ পরিবর্তন করতে হবে। সম্ভব হলে এর আগেই টুথব্রাশ পরিবর্তন করা যেতে পারে। প্রতি ছয় মাস পরপর দন্তচিকিৎসকের সুপারিশ গ্রহণ করতে হবে। ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত, যা দাঁতকে আরো সুরক্ষা করবে। আরও দেখুন টুথব্রাশ দাঁতন তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ An article on the use of human tooth used as a neolithic pendant An overview of dental anatomy "Broke a tooth? Grow it back", University of Alberta Tooth eruption chart বিষয়শ্রেণী:দন্তচিকিৎসা বিষয়শ্রেণী:প্রাণি শারীরস্থান বিষয়শ্রেণী:দাঁত
|
সুবিন লিম্বু () হলেন নেপালি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার একজন শিরোপাধারী। তিনি ২০১৪ সালের ২রা মে তারিখে কাঠমান্ডুর আর্মি অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে মিস নেপাল ২০১৪ ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বিজয়ী মুকুট অর্জন করেছিলেন। প্রাক্তন মিস নেপাল ইশানি শ্রেষ্ঠর কাছ থেকে তিনি মিস নেপাল ২০১৪-এর মুকুট গ্রহণ করেছিলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিল হিডেন ট্রেজার এবং তা স্পনসর করেছিল ফান্টা। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ইউটিউব.কম ইউটিউব.কম বিষয়শ্রেণী:১৯৯১-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:মিস নেপাল বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:নেপালি নারী মডেল বিষয়শ্রেণী:নেপালি সুন্দরী প্রতিযোগিতা বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:লিম্বু ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৪-এর প্রতিনিধি
|
রয় জে গ্লোবার (জন্ম: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯২৫) একজন মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক। তিনি ২০০৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী থিওডোর ওলফগ্যাং হ্যানশ এবং মার্কিন বিজ্ঞানী জন লুইস হলের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। জীবনী গ্লোবার ১৯২৫ সালে নিউ ইয়র্ক সিটিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৬ সালে ব্যাচেলর্স এবং ১৯৪৯ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Glauber States: Coherent states of Quantum Harmonic Oscillator Roy J. Glauber at the Harvard Physics Department Faculty website The Nobel Prize in Physics 2005 Dannie Heineman Prize 1996 "Physics Professor Awarded Nobel", Harvard Crimson, October 5, 2005 "Double Honours", Guardian, October 11, 2005 NYC High Schools বিষয়শ্রেণী:১৯২৫-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন নোবেল বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিষয়শ্রেণী:ম্যানহাটন প্রকল্পের ব্যক্তিত্ব বিষয়শ্রেণী:ইহুদি মার্কিন বিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:জার্মান ইহুদি বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:২০১৮-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটির বিশিষ্ট সভ্য বিষয়শ্রেণী:রয়েল সোসাইটির বিদেশি সদস্য বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিষয়শ্রেণী:ইহুদি নোবেল বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির সদস্য
|
ভোলাকোট বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর জেলার অন্তর্গত রামগঞ্জ উপজেলার একটি ইউনিয়ন। আয়তন জনসংখ্যা অবস্থান ও সীমানা রামগঞ্জ উপজেলার পূর্বাংশে ভোলাকোট ইউনিয়নের অবস্থান। এ ইউনিয়নের পশ্চিমে ভাদুর ইউনিয়ন, উত্তরে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন ও ভাটরা ইউনিয়ন, পূর্বে ভাটরা ইউনিয়ন ও নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার পরকোট ইউনিয়ন অবস্থিত। প্রশাসনিক কাঠামো ভোলাকোট ইউনিয়ন রামগঞ্জ উপজেলার আওতাধীন ৯নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম রামগঞ্জ থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৭৪নং নির্বাচনী এলাকা লক্ষ্মীপুর-১ এর অংশ। শিক্ষা ব্যবস্থা যোগাযোগ ব্যবস্থা খাল ও নদী হাট-বাজার নাগমুদ বাজার, আথককরা বাজার, টিওরী বাজার, দশভাইয়ের বাজার,কচু মার্কেট,দুধরাজপুর রাজার। দর্শনীয় স্থান নাগমুদ দিঘীপাড়। লক্ষীধরপাড়া দিঘী। উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি এটিএম শামসুজ্জামান জনপ্রতিনিধি আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন দিলু। (স্বতন্ত্র, চশমা প্রতীক) আরও দেখুন রামগঞ্জ উপজেলা রামগঞ্জ থানা লক্ষ্মীপুর জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:রামগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন
|
লেভি জর্জ রাইট (; জন্ম: ১৫ জানুয়ারি, ১৮৬২ - মৃত্যু: ১১ জানুয়ারি, ১৯৫৩) অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ ক্রিকেট তারকা ও ফুটবলার ছিলেন। ১৮৮৩ থেকে ১৯০৯ সময়কালে ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ার দলে অংশগ্রহণ করেছিলেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন লেভি রাইট। ১৯০৬-০৭ মৌসুমে ডার্বিশায়ার দলের অধিনায়কত্ব করেছিলেন তিনি। ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবল খেলায়ও সমধিক দক্ষতা ছিল তার। উনিশজন খেলোয়াড়ের একজনরূপে ডার্বিশায়ারের পক্ষে ক্রিকেট ও ফুটবলে অংশগ্রহণের গৌরবময় অধ্যায়ের সাথে যুক্ত রেখেছেন। ডার্বি কাউন্টি ও নটস কাউন্টির পক্ষে ফুটবল খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণকারী লেভি রাইট ১৮৮১ সালে ডার্বিতে চলে যান। সেখানে তিনি সেন্ট অ্যানিস স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। শুরুতে ডার্বিভিত্তিক স্যার চার্লস নেপিয়ারে মদের দোকান কর্তৃক পরিচালিত নেপিয়ার ক্রিকেট ক্লাবে প্রথম খেলতে শুরু করেন। এরপর ডার্বি মিডল্যান্ড ক্লাবের পক্ষে খেলেন।Bygone Derbyshire – Levi Wright ১৮৮৩ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত ডার্বিশায়ারের পক্ষে কাউন্টি ক্রিকেটে নিয়মিত খেলেছেন। তন্মধ্যে, ১৮৮৮ থেকে ১৮৯৪ সালে অবধি দলটি দূর্বল ফলাফলের কারণে প্রথম-শ্রেণীর মর্যাদা থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে। ১৮৯৪ সালে দলটি পুনরায় মর্যাদা ফিরে পায়। ১৮৯৫ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে অংশগ্রহণ করে। অধিনায়ক ১৯০৬-০৭ মৌসুম থেকে পরবর্তী দেড় মৌসুম দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯০৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধ ও ১৯০৭ সালের পুরো মৌসুম দলকে নেতৃত্বে দিয়েছিলেন লেভি রাইট। তবে, উভয় মৌসুমেই দলটি চ্যাম্পিয়নশীপের পয়েন্ট তালিকার তলানীতে অবস্থান করেছিল। স্বর্ণালী অধ্যায় শেষ বয়সে নিজস্ব সেরা মৌসুমগুলো খেলেন তিনি। ছয় মৌসুমে সহস্রাধিক রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। প্রথমটি আসে ৩৭ বছর বয়সে। ১৯০৫ সালের ঐ মৌসুমে ৪২-এর অধিক গড়ে ব্যক্তিগত সেরা ১৮৫৫ রান তুলেন। ফলশ্রুতিতে ১৯০৬ সালের উইজডেন সংস্করণে বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননায় ভূষিত হন। এ প্রসঙ্গে উইজডেনে উল্লেখ করা হয় যে, ৪৩ বছর বয়সে এসেও শুধুমাত্র রান সংগ্রহের দিকেই তিনি ধাবিত হননি; বরং ফিল্ডার হিসেবেও যথেষ্ট চৌকুষতা দেখিয়েছেন লেভি রাইট।Levi Wright at Cricket Archive সমগ্র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড় জীবনে পনেরো হাজারেরও অধিক প্রথম-শ্রেণীর রান তুলেছিলেন। ইনিংসপ্রতি ২৬ গড়ে রান তুলেছিলেন। মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করে ২৩৭টি ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন লেভি রাইট। লেভি রাইট ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও দৃষ্টিনন্দন ফিল্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। তিনি অনেকগুলো দর্শনীয় ক্যাচ তালুবন্দী করার সক্ষমতা দেখিয়েছেন। ব্যাটের চার কিংবা পাঁচ গজ দূরে দণ্ডায়মান থেকে এবং এক পর্যায়ে আরও কাছে অবস্থান করে ক্যাচ নিয়েছেন।Wisden Obituaries 1953 ১১ জানুয়ারি, ১৯৫৩ তারিখে প্রায় ৯১ বছর বয়সে ডার্বিশায়ারের নরম্যান্টন এলাকায় লেভি রাইটের দেহাবসান ঘটে। ফুটবলে অংশগ্রহণ ১৮৮৭ থেকে ১৮৮৮ সাল পর্যন্ত স্থানীয় ডার্বি মিডল্যান্ড ক্লাবের পক্ষে ফুটবল খেলায় অংশ নিতেন। সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ সালের উদ্বোধনী ফুটবল লিগে শুরুর পূর্বে ডার্বি কাউন্টির পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। (registration & fee required) লেভি রাইট সেন্টার-হাফ অবস্থানে খেলতেন। ২৯ সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ তারিখে ডার্বি কাউন্টির পক্ষে নিজ মাঠ কাউন্টি গ্রাউন্ডে লিগের খেলায় অভিষেক ঘটে। অতিথি দল প্রেস্টন নর্থে এন্ডের বিপক্ষে স্বাগতিকরা ৩-২ ব্যবধানে পরাভূত হয়েছিল। লিগ ফুটবলের ঐ খেলায় একমাত্র গোল করেছিলেন। দ্বিতীয় গোল করে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়েছিলেন। ১৩ অক্টোবর, ১৮৮৮ তারিখে উইলিয়াম চ্যাটারটনের বয়সকে অতিক্রম করে সর্ববয়োজ্যেষ্ঠ ডার্বি কাউন্টি লিগ খেলোয়াড়ের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে ২২টি লিগ খেলার মধ্যে চারটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ডার্বি কাউন্টির পক্ষে চারটি লিগ খেলার একটিতে খেলে একটি গোল করেন ও ১৮৮৯-৯০ মৌসুমে আর খেলেননি। নটস কাউন্টির পক্ষে চুক্তিবদ্ধ হলেও আর দলের পক্ষে খেলেননি ও শীর্ষস্তরের ফুটবলে আর খেলতে দেখা যায়নি। ফুটবল পরিসংখ্যান উৎস: ক্লাবমৌসুমবিভাগলিগএফএ কাপসর্বমোটঅংশগ্রহণগোলঅংশগ্রহণগোলঅংশগ্রহণগোলডার্বি কাউন্টি১৮৮৮-৮৯ফুটবল লিগ৪১০০৪১নটস কাউন্টি১৮৮৯-৯০ফুটবল লিগ ০০০০০০ তথ্যসূত্র আরও দেখুন লুক রাইট জো ভাইন ওয়াল্টার লিস ডেভিড ডেন্টন উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার বহিঃসংযোগ – Run Crazy Derbyshire A Cricket Record বিষয়শ্রেণী:১৮৬২-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:১৯৫৩-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ পুরুষ ফুটবলার বিষয়শ্রেণী:ইংরেজ ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:জেন্টলম্যানের ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:ডার্বিশায়ারের ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:ডার্বিশায়ার ক্রিকেট অধিনায়ক বিষয়শ্রেণী:নর্থ ভার্সাস সাউথের ক্রিকেটার বিষয়শ্রেণী:ডার্বি কাউন্টি ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:ডার্বি মিডল্যান্ড ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড় বিষয়শ্রেণী:নটস কাউন্টি ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড়
|
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়; ; (১৯ জানুয়ারি ১৯৩৫ — ১৫ নভেম্বর ২০২০) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা। অভিনেতা হিসেবে তিনি কিংবদন্তি, তবে আবৃত্তি শিল্পী হিসেবেও তার নাম অত্যন্ত সম্ভ্রমের সাথেই উচ্চারিত হয়। তিনি ছিলেন কবি এবং অনুবাদকও। বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের ৩৪টি সিনেমার মধ্যে ১৪ টিতে অভিনয় করেছেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমহার্স্ট স্ট্রীট সিটি কলেজে, সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি প্রথম সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় অপুর সংসার ছবিতে অভিনয় করেন। পরবর্তীকালে তিনি মৃণাল সেন, তপন সিংহ, অজয় করের মত পরিচালকদের সঙ্গেও কাজ করেছেন। সিনেমা ছাড়াও তিনি বহু নাটক, যাত্রা, এবং টিভি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। অভিনয় ছাড়া তিনি নাটক ও কবিতা লিখেছেন, নাটক পরিচালনা করেছেন। শৈশব ও কৈশোর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় পরিবারের আদি বাড়ি ছিল অধুনা বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কাছে কয়া গ্রামে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতামহের আমল থেকে চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে থাকতে শুরু করেন। সৌমিত্রর পিসিমা তারা দেবীর সঙ্গে 'স্যার' আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠ পুত্র কলকাতা হাইকোর্টের বিচারক রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বিবাহ হয়। সৌমিত্রর পিতৃদেব কলকাতা হাইকোর্টে ওকালতি করতেন এবং প্রতি সপ্তাহান্তে বাড়ি আসতেন। সৌমিত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন কৃষ্ণনগরের সেন্ট জন্স বিদ্যালয়ে। তারপর পিতৃদেবের চাকরি বদলের কারণে সৌমিত্রর বিদ্যালয়ও বদল হতে থাকে এবং উনি বিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করেন হাওড়া জিলা স্কুল থেকে। তারপর কলকাতার সিটি কলেজ থেকে প্রথমে আইএসসি এবং পরে বিএ অনার্স (বাংলা) পাস করার পর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজ অফ আর্টস-এ দু-বছর পড়াশোনা করেন। কলেজে বাংলা অনার্স নিয়ে পড়ার সময় নাট্যব্যক্তিত্ব শিশির কুমার ভাদুড়ীর সাথে যোগাযোগ ঘটে তার। তখন থেকে অভিনয়কে জীবনের প্রধান লক্ষ্য করে নেবার কথা দেখেছিলেন। ভাদুড়ির অভিনয় সৌমিত্রকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। কর্মজীবন শুরু হয় আকাশবাণীর ঘোষক হিসেবে। পাশাপাশি থিয়েটারে অভিনয় এবং ছবিতে অডিশন দিচ্ছিলেন। ১৯৫৭ সালে পরিচালক কার্তিক বসুর নীলাচলে মহাপ্রভু ছবিতে অডিশন দিলেও জায়গা পান নি, তার বদলে সুযোগ পেয়েছিলেন অসীমকুমার। চলচ্চিত্র জীবন সৌমিত্র সুদীর্ঘ ষাট বছরের চলচ্চিত্রজীবনে তিনশোরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রনির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। শর্মিলা ঠাকুর, অপর্ণা সেন প্রমুখ অভিনেত্রীর প্রথম কাজও তার বিপরীতে ছিল। ১৯৬০ সালে তপন সিংহের পরিচালনায় ক্ষুধিত পাষাণ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। পরের বছর আবার কাজ সত্যজিতের সঙ্গে। তিন কন্যা-র ‘সমাপ্তি’-তে অপর্ণা সেনের বিপরীতে তিনি অমূল্য চরিত্রে অভিনয় করেন। তপন সিংহের ঝিন্দের বন্দি চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে উত্তম কুমারের সাথে অভিনয় করেন তিনি। তখন শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে উত্তম কুমারের সাথে তাকে নিয়ে ভক্তরা বিভক্ত ছিল। ১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পুনশ্চ চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মত মৃণাল সেনের পরিচালনায় অভিনয় করেন। ১৯৬২ সালে অজয় করের পরিচালনায় সূচিত্রা সেনের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। থিয়েটারের প্রতি তার আজন্ম ভালোবাসা ছিল। সোনার কেল্লার দৃশ্যায়নের সময় কেল্লার এক স্থানে দ্রুত দৃশ্যায়ন করা হয়, যেন পরবর্তীতে সৌমিত্র দ্রুত কলকাতায় ফিরে থিয়েটারে অভিনয় করতে পারেন। সত্যজিৎ রায় পর্ব সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়-এর সর্বপ্রথম কাজ প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের অপুর সংসার ছবিতে শর্মিলা ঠাকুরের বিপরীতে, যা ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়। ছবিটি পরিচালকের ৫ম চলচ্চিত্র পরিচালনা। তিনি এর আগে রেডিয়োর ঘোষক ছিলেন এবং মঞ্চে ছোটো চরিত্রে অভিনয় করতেন। ধীরে ধীরে তিনি সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে ২৭টি চলচ্চিত্রের ১৪টিতে অভিনয় করেন। তিনি সত্যজিৎ রায় নির্মিত বিভিন্ন ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে আবির্ভূত হন। তার অভিনীত কিছু কিছু চরিত্র দেখে ধারণা করা হয় যে তাকে মাথায় রেখেই গল্প বা চিত্রনাট্য গুলো লেখা হয়। সত্যজিৎ রায়-এর দ্বিতীয় শেষ চলচ্চিত্র শাখা প্রশাখা-তেও তিনি অভিনয় করেন। তার চেহারা দেখে সত্যজিৎ বলেছিলেন, "তরুণ বয়সের রবীন্দ্রনাথ"। অনেকের মতে, সত্যজিতের মানসপুত্র সৌমিত্র। সত্যজিত রায়কে নিয়ে সৌমিত্র মানিকদার সঙ্গে নামে একটি বইও লিখেছিলেন । তার ইংরেজি অনুবাদটির নাম "দা মাস্টার অ্যান্ড আই"। ফেলুদা' তার অভিনীত চরিত্রগুলোর মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় হল ফেলুদা। তিনি সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় সোনার কেল্লা এবং জয় বাবা ফেলুনাথ ছবিতে ফেলুদার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। প্রথমে ফেলুদা চরিত্রে তার চেয়েও ভালো কাউকে নেওয়ার ইচ্ছে থাকলেও তার অভিনীত ফেলুদার প্রথম ছবি সোনার কেল্লা বের হওয়ার পর সত্যজিৎ রায় স্বীকার করেন যে, তার চেয়ে ভালো আর কেউ ছবিটি করতে পারতেননা। চলচ্চিত্রের তালিকা অভিনীত / নির্দেশিত নাটক খ্রিষ্টাব্দ নাটকের নাম ১৯৬৩ তাপসী ১৯৭৮ নামজীবন ১৯৮৩ রাজকুমার ১৯৮৭ ফেরা ১৯৮৮ নীলকন্ঠ ১৯৯০ ঘটক বিদায় ১৯৯২ দর্পণে শরৎশশী ১৯৯৪ চন্দনপুরের চোর ১৯৯৫ টিকটিকি ১৯৯৮ প্রাণতপস্যা - শেষের কবিতা (শ্রুতিনাটক)হোমাপাখি বই শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯৩) মানিক দা'র সঙ্গে (২০১৪) পরিচয় (২০১৩) অগ্রপথিকেরা (২০১০) প্রতিদিন তব গাঁথা (২০০৯) চরিত্রের সন্ধানে (২০০৪) শব্দরা আমার বাগানে কবিতা সমগ্র (২০১৪) মধ্যরাতের সংকেত (২০১২) নাটক সমগ্র ১ (২০১৫) নাটক সমগ্র ২ (২০১৭) নাটক সমগ্র ৩ গদ্য সংগ্রহ (২ খণ্ড) দিনের শেষে (২০১৮) (অগ্ৰন্থিত) আত্মপরিচয় (২০২০) শেষ বেলায় (২০২২) পুরস্কার প্রথম জাতীয় পুরস্কার পান ১৯৯১ সালে, অন্তর্ধান চলচ্চিত্রের জন্য বিশেষ জুরি বিভাগে। ৯ বছর পরে দেখা চলচ্চিত্রের জন্য একই বিভাগে পুরস্কার পান। অভিনয়জীবনের সুদীর্ঘ পাঁচ দশক পর ২০০৬ সালে পদক্ষেপ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে সম্মানিত হন তিনি। ২০১২-এ দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৪ সালে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হন সৌমিত্র। এরপর ২০১২ সালে সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তার কয়েক বছর পরে ফরাসি সরকারের দেওয়া সম্মান ‘লেজিয়ঁ দ্য নর’ এবং ‘কম্যান্দর দ্য লার্দ্র দে আর্ত্ এ দে লের্ত্র’-এ ভূষিত হন তিনি। ২০০০ - সাম্মানিক ডি.লিট., রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা। ২০০৪ – পদ্ম ভূষণ, ভারত সরকার ২০১২ - দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, ভারত সরকার ২০১৭ – লিজিওন অফ অনার ফ্রান্স সরকার কম্যান্দর দ্য লার্দ্র দে আর্ত্ এ দে লের্ত্র, (Commandeur de l' Ordre des Arts et des Lettres) ফ্রান্স ২০১৭ – বঙ্গবিভূষণ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার (২০১৩ সালে এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছিলেন) মৃত্যু ২০২০ সালের ১ অক্টোবর বাড়িতে থাকা অবস্থাতে তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শমতে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৫ অক্টোবর কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়। এর পরের দিন ৬ অক্টোবর তাকে বেলভিউ নার্সিং হোমে ভর্তি করানো হয়। এখানে ১৪ অক্টোবর করোনার নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর সৌমিত্র খানিক সুস্থ হতে থাকেন। চিকিৎসা চলা অবস্থাতে ২৪ অক্টোবর রাতে অবস্থার অবনতি ঘটে। কিডনির ডায়ালাইসিস করানো হয়, প্লাজমা থেরাপি পূর্বেই দেয়া হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হতে থাকলে পরিবারের লোকজনকে জানানো হয়। অবশেষে ১৫ই নভেম্বর, ২০২০ তারিখে ভারতীয় সময় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় মৃত্যুবরণ করেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ অভিনেতা অঙ্গনের অনেকেই শোকপ্রকাশ করেন। গান স্যালুটে ক্যাওড়াতলায় বিদায় জানানো হয় তাকে। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:আবৃত্তি বিষয়শ্রেণী:ভারতে কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারিতে মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকে মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:বাঙালি অভিনেতা বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অভিনেতা বিষয়শ্রেণী:১৯৩৫-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:আদিনিবাস পূর্ববঙ্গে বিষয়শ্রেণী:কুষ্টিয়া জেলার ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:২০২০-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেতা বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু বিষয়শ্রেণী:কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় মঞ্চ অভিনেতা বিষয়শ্রেণী:বাঙালি থিয়েটার ব্যক্তিত্ব বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষার কবি বিষয়শ্রেণী:বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:শিল্পকলায় পদ্মভূষণ প্রাপক বিষয়শ্রেণী:সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপক বিষয়শ্রেণী:সিটি কলেজ, কলকাতার প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিষয়শ্রেণী:কৃষ্ণনগরের ব্যক্তি
|
জন ক্রমওয়েল ম্যাথার বর্তমান কালের স্বনামধন্য মার্কিন জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী এবং বিশ্বতত্ত্ববিদ। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের রোয়ানোকে জন্মগ্রহণ করেন। মূলত মহাজাগতিক ক্ষুদ্রতরঙ্গ পটভূমি বিকিরণ নিয়ে বিস্তর গবেষণার জন্য বিখ্যাত। এ বিষয়ে গবেষণার জন্যই ২০০৬ সালে জর্জ এফ. স্মুটের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি বর্তমানে মেরিল্যান্ডে অবস্থিত নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে কর্মরত আছেন। নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির মূল কারণ ছিল: "মহাজাগতিক ক্ষুদ্রতরঙ্গ পটভূমি বিকিরণের এনিসোট্রপির মধ্যে কৃষ্ণ বস্তু বিকিরণ আবিষ্কার"। পুরসস্কারসমূহ Open Scholarship (honorary), Swarthmore, 1964-68 William Lowell Putnam Mathematical Competition, 1967, 30th place nationwide NSF Fellowship and honorary Woodrow Wilson Fellowship 1968-70 Hertz Foundation Fellowship, 1970-74 NRC Postdoctoral Fellow,1974-76 John C. Lindsay Memorial Award (NASA-GSFC), 1990 Rotary National Space Achievement Award, 1991 National Air and Space Museum Trophy, 1991 Aviation Week and Space Technology Laurels, 1992, for Space/Missiles Discover Magazine Technology Award finalist, 1993 American Institute of Aeronautics and Astronautics Space Science Award, 1993 Dannie Heineman Prize for Astrophysics, American Astronomical Society and American Institute of Physics, 1993 (presented Jan. 1994) Goddard Fellow, 1994, GSFC Honorary Doctor of Science Degree, Swarthmore College, 1994 John Scott Award, City of Philadelphia, 1995 Rumford Prize, American Academy of Arts and Sciences, 1996 Fellow, American Physical Society, 1996 Hall of Fame, Aviation Week and Space Technology, 1997 Member, National Academy of Sciences, 1997 Marc Aaronson Memorial Prize, 1998 Member, American Academy of Arts and Sciences, 1998 Benjamin Franklin Medal in Physics, Franklin Institute, 1999 George W. Goddard Award, Society of Photo-Optical Instrumentation Engineers, 2005 Cosmology Prize, with COBE Team, Peter Gruber Foundation, 2006 পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী ২০০৬ SPIE - The International Society for Optical Engineering Fellow, 2007 আরও দেখুন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ বহিঃসংযোগ Interview with John Mather from the SPIE Newsroom Short biography at the Goddard Space Flight Center Berkeley lab article Mather's group's data that led to the Nobel Prize in symmetry magazine. তথ্যসূত্র <div class="references-small"> বিষয়শ্রেণী:মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:নাসা ব্যক্তিত্ব বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:ইউনিভার্সিটি অব ম্যারিল্যান্ড, কলেজ পার্কের শিক্ষক বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:মার্কিন নোবেল বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী বিষয়শ্রেণী:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বিষয়শ্রেণী:অপটিক্যাল সোসাইটির সভ্য বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটির বিশিষ্ট সভ্য বিষয়শ্রেণী:গডার্ড মহাকাশ যাত্রা কেন্দ্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির সদস্য বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলির প্রাক্তন শিক্ষার্থী
|
এটি আইসিডি-৯-এর ষোড়শ অধ্যায়: লক্ষণ, চিহ্ন ও অস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত অবস্থাসমূহ-এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ। এটি আইসিডি কোড ৭৮০ থেকে ৭৯৯ পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত করে। সম্পূর্ণ অধ্যায়টি ভলিউম ১-এর ৪৫৫ থেকে ৪৭১ পৃষ্ঠায় পাওয়া যাবে, যেখানে আইসিডি-৯-এর সমস্ত (উপ)বিভাগ রয়েছে। ভলিউম ২ হলো ভলিউম ১-এর বর্ণানুক্রমিক সূচি। উভয় ভলিউম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর ওয়েবসাইট থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। __TOC__ লক্ষণ (৭৮০–৭৮৯) সাধারণ লক্ষণ সচেতনতার পরিবর্তন কোমা সচেতনতার অস্থায়ী পরিবর্তন দীর্ঘস্থায়ী উদ্ভিদ সদৃশ অবস্থা আংশিককোমা, স্তূপার মায়া মূর্ছা খিঁচুনি জ্বরজনিত খিঁচুনি জটিল জ্বরজনিত খিঁচুনি অন্যান্য খিঁচুনি মাথাঘোরা/ভার্টিগো, এএনএস নিদ্রা ব্যাঘাত, অস্পষ্ট অস্পষ্ট নিদ্রা ব্যাঘাত নিদ্রা শ্বাসরোধ সহ অনিদ্রা, অস্পষ্ট অনিদ্রা, অস্পষ্ট নিদ্রা শ্বাসরোধ সহ অতিনিদ্রা, অস্পষ্ট অতিনিদ্রা, অস্পষ্ট ২৪-ঘণ্টার নিদ্রা-জাগরণ চক্রের ব্যাঘাত, অস্পষ্ট নিদ্রার পর্যায় বা নিদ্রা থেকে জাগরণের সাথে সম্পর্কিত কার্যগত ব্যাঘাত অস্পষ্ট নিদ্রা শ্বাসরোধ নিদ্রা-সম্পর্কিত চলন ব্যাধি, অস্পষ্ট অন্যান্য নিদ্রা ব্যাঘাত জ্বর, অপ্রসবোত্তর অসুস্থতা ও শারীরিক দুর্বলতা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি সিন্ড্রোম কার্যকর চতুঃসামর্থ্যহীনতা অন্যান্য অসুস্থতা ও দুর্বলতা ঘাম, অতিরিক্ত সাধারণ অন্যান্য লক্ষণ বিচ্ছিন্ন শিশু কান্না, শিশু, অতিরিক্ত স্মৃতিভ্রংশ প্রারম্ভিক তৃপ্তি অন্যান্য অতিরিক্ত কান্না সাধারণীকৃত ব্যথা পরিবর্তিত মানসিক অবস্থা অন্যান্য সাধারণ লক্ষণ স্নায়ুতন্ত্র ও কংকালতন্ত্র সংক্রান্ত লক্ষণ অস্বাভাবিক অনৈচ্ছিক চলন ঘ্রাণ ও স্বাদ-এর ব্যাঘাত গেইট অস্বাভাবিকতা সমন্বয়ের অভাব ডিসডায়াডোকোকাইনেসিয়া অ্যাটাক্সিয়া এএনএস হাইপোটোনিয়া আঙুলের ক্লাবিং স্নায়ুবিজ্ঞানিক উপেক্ষা সিন্ড্রোম স্নায়ুতন্ত্র ও কংকালতন্ত্র সংক্রান্ত অন্যান্য লক্ষণ উচ্চতা হ্রাস অস্বাভাবিক ভঙ্গিমা মুখমণ্ডলের দুর্বলতা ত্বক ও অন্যান্য আবরণী কলা সংক্রান্ত লক্ষণ ত্বকের সংবেদনশীলতা ব্যাঘাত ফুসকুড়ি, অনাভিকাযুক্ত, অস্পষ্ট স্থানীয় ফোলা/গোটা, পৃষ্ঠীয় শোথ, স্থানীয়, এএনএস কামলা সায়ানোসিস পেটেকিয়া ত্বকের গঠনের পরিবর্তন ত্বক সংক্রান্ত অন্যান্য লক্ষণ পুষ্টি, বিপাক ও মানব দেহের বিকাশ সংক্রান্ত লক্ষণ অ্যানোরেক্সিয়া ক্ষুধা হ্রাস অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস খাদ্য গ্রহণে অসুবিধা ও ভুল ব্যবস্থাপনা প্রত্যাশিত স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় বিকাশ-এর অভাব পলিডিপসিয়া পলিফেজিয়া অন্যান্য মাথা ও গলা সংক্রান্ত লক্ষণ মাথাব্যথা গলাব্যথা মাথা ও গলায় ফোলা বা গোটা অ্যাফেজিয়া কণ্ঠস্বর ব্যাঘাত অ্যাফোনিয়া কর্কশতা ডিসার্থ্রিয়া অন্যান্য প্রতীকী কার্যগত ব্যাঘাত প্রতীকী কার্যগত ব্যাঘাত, অস্পষ্ট অ্যালেক্সিয়া ও ডিসলেক্সিয়া নাক দিয়ে রক্তপাত গলা থেকে রক্তপাত মাথা ও গলা সংক্রান্ত অন্যান্য লক্ষণ পোস্টনেজাল ড্রিপ সংবহনতন্ত্র সংক্রান্ত লক্ষণ টাকিকার্ডিয়া ধড়ফড়ানি হৃৎঝিঁঝিঁনি, নির্ণয়বিহীন অন্যান্য অস্বাভাবিক হৃদশব্দ গ্যাংগ্রিন শক, অস্পষ্ট শক অস্পষ্ট কার্ডিওজেনিক শক সেপ্টিক শক লসিকাগ্রন্থি বৃদ্ধি ব্রুই শ্বসনতন্ত্র ও অন্যান্য বক্ষ লক্ষণ শ্বাসকষ্ট ও শ্বাসপ্রশ্বাসের অস্বাভাবিকতা অ্যাপনিয়া চেইন-স্টোকস শ্বসন শ্বাসকষ্ট টাকিপনিয়া শ্বাসবাঁশি অন্যান্য শ্বাসপ্রশ্বাসের অস্বাভাবিকতা ব্রাডিপনিয়া স্ট্রাইডর কাশি হেমোপটাইসিস অস্বাভাবিক কফ বুকব্যথা, অস্পষ্ট প্রিকোর্ডিয়াল ব্যথা প্লুরিটিক ব্যথা বুকে ফোলা, গোটা বা পিণ্ড অস্বাভাবিক বুকের শব্দ রেলস হিক্কা পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত লক্ষণ বমি বমি ভাব ও বমি বমি বমি ভাব সহ বমি বমি বমি ভাব, একক বমি, একক অম্বল ডিসফেজিয়া গ্যাস/পেটফাঁপা দৃশ্যমান পেরিস্টালসিস অস্বাভাবিক অন্ত্রের শব্দ এনকোপ্রেসিস, এএনএস, মল অসংযম পরিপাকতন্ত্র সংক্রান্ত অন্যান্য লক্ষণ ডায়রিয়া, এএনএস মূত্রতন্ত্র সংক্রান্ত লক্ষণ বৃক্কীয় কোলিক ডিসইউরিয়া মূত্র ধারণ মূত্র অসংযম মূত্র অসংযম অস্পষ্ট ইউরজ ইনকন্টিনেন্স স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স মিশ্র অসংযম সংবেদনশীল সচেতনতা ছাড়া অসংযম মূত্রত্যাগ পরবর্তী ফোঁটা ফোঁটা পড়া নিশামূত্র অবিরাম ফুটো ওভারফ্লো ইনকন্টিনেন্স অন্যান্য মূত্র অসংযম মূত্রের ঘনঘনতা ও পলিইউরিয়া মূত্রের ঘনঘনতা পলিইউরিয়া নক্টিউরিয়া অলিগুরিয়া ও অ্যানুরিয়া মূত্রত্যাগ-এর অন্যান্য অস্বাভাবিকতা মূত্রত্যাগের জরুরিতা উদর ও শ্রোণী সংক্রান্ত অন্যান্য লক্ষণ পেটব্যথা যকৃতের বৃদ্ধি প্লীহা বৃদ্ধি উদরীয়/শ্রোণী গোটা, অস্পষ্ট উদরীয় অনমনীয়তা জলোদর উদরীয় কোমলতা অনির্দিষ্ট অস্বাভাবিক ফলাফল (৭৯০–৭৯৬) রক্ত পরীক্ষায় অনির্দিষ্ট ফলাফল অস্বাভাবিক লোহিত রক্তকণিকা অধির্ধস হার অস্বাভাবিক গ্লুকোজ বাধাগ্রস্থ উপবাস গ্লুকোজ বাধাগ্রস্থ গ্লুকোজ সহনশীলতা পরীক্ষা (মৌখিক) অন্যান্য অস্বাভাবিক গ্লুকোজ অতিরিক্ত রক্তে অ্যালকোহল অস্বাভাবিক ট্রান্সঅ্যামিনেজ/এলডিএইচ অন্যান্য অনির্দিষ্ট অস্বাভাবিক সিরাম এনজাইম মাত্রা অন্যান্য অস্বাভাবিক রক্ত রসায়ন লৌহাধিক্য ব্যাধি ব্যাকটেরেমিয়া (সেপ্টিসেমিয়া নয়) ভাইরেমিয়া, অস্পষ্ট রক্ত পরীক্ষায় অন্যান্য অনির্দিষ্ট ফলাফল অস্বাভাবিক ধমনী রক্ত গ্যাস অস্বাভাবিক জমাটবদ্ধতা প্রোফাইল অস্বাভাবিক প্রোস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন অন্যান্য রেটিকুলোসাইটোসিস মূত্র পরীক্ষায় অনির্দিষ্ট ফলাফল প্রোটিনিউরিয়া অ্যালবুমিনিউরিয়া হিমোগ্লোবিনিউরিয়া গ্লাইকোসুরিয়া অন্যান্য দেহীয় পদার্থে অনির্দিষ্ট অস্বাভাবিক ফলাফল মলে রক্ত, গুপ্ত রেডিওলজিক্যাল ও অন্যান্য পরীক্ষায় অনির্দিষ্ট অস্বাভাবিক ফলাফল অস্বাভাবিক এক্স-রে, ফুসফুস টার্ম: ৯/৩০/১১ ম্যামোগ্রাম, অস্বাভাবিক, অস্পষ্ট কার্যকরী অধ্যয়ন-এর অনির্দিষ্ট অস্বাভাবিক ফলাফল পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্র ও বিশেষ ইন্দ্রিয় অস্বাভাবিক শ্রবণ কার্যকরী অধ্যয়ন সংবহনতন্ত্র অস্বাভাবিক ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম হিস্টোলজিক্যাল ও ইমিউনোলজিক্যাল অনির্দিষ্ট অস্বাভাবিক ফলাফল জরায়ুমুখ-এর প্যাপ স্মিয়ার-এ অনির্দিষ্ট অস্বাভাবিকতা পজিটিভ পিপিডি টার্ম: ৯/৩০/১১ অন্যান্য অনির্দিষ্ট অস্বাভাবিক ফলাফল উচ্চ রক্তচাপ হাইপারটেনশন ছাড়া অস্পষ্ট ও অজানা রোগের কারণ এবং মৃত্যুহার (৭৯৭–৭৯৯) সাইকোসিস উল্লেখ ছাড়া সেনিলিটি হঠাৎ মৃত্যু, কারণ অজানা হঠাৎ শিশু মৃত্যু সিন্ড্রোম অসুস্থতা ও মৃত্যুর অন্যান্য অস্পষ্ট ও অজানা কারণ অ্যাসফিক্সিয়া শ্বাসক্রিয়া বন্ধ উদ্বেগ দুর্বলতা ক্যাশেক্সিয়া অন্যান্য অস্পষ্ট অবস্থা কামনা হ্রাস অন্যান্য অস্পষ্ট অবস্থা বিষয়শ্রেণী:আন্তর্জাতিক রোগ শ্রেণীবিন্যাস
|
ট্রমা সেন্টার হল একটি হাসপাতাল যা মূলত বড় ধরণের কোন দুর্ঘটনা যেমন পড়ে যাওয়া, গাড়ি দুর্ঘটনা বা গুলিবিদ্ধ রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে থাকে। তবে ট্রমা সেন্টার শব্দ দুটি দ্বারা জরুরী বিভাগকেও অনেক সময় বোঝানো হয়। যা আসলে ভুল। কারণ জরুরী বিভাগে বড় দুর্ঘটনার জন্য তাৎক্ষনিক কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা বা উপকরণ থাকে না। কিন্তু ট্রমা সেন্টারে তা থাকে। কারণ ট্রমা সেন্টারের মূল উদ্দেশ্যই হল খুব দ্রুত দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া, প্রাণ বাঁচানো। যুক্তরাষ্ট্রে একটি হাসপাতালকে ট্রমা সেন্টার ঘোষণা করার আগে কিছু নিয়ম কানুন দেখতে হয়। আর এই নিয়ম কানুনগুলো তৈরি করেছে আমেরিকান কলেজ অব সার্জন্স। আবার একটি ভেরিফিকেশন রিভিউ কমিটি হাসপাতালে গিয়ে দেখে তাদের আদৌ যথেষ্ট যন্ত্রাংশ আছে কিনা, লোকবল আছে কিনা। সেখানে একটি হাসপাতালকে ট্রমা সেন্টার ঘোষণা করে রাজ্যের আইন সংস্থা। ট্রমা সেন্টারের আবার আছে স্তর। যেমন ১ম স্তরের ট্রমা সেন্টার খুবই আধুনিক এবং খুব দ্রুত চিকিৎসা দিতে পারবে। অন্যদিকে ৩য় স্তরের ট্রমা সেন্টার কিছুটা পিছিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কিছু রাজ্যে ৪র্থ কিংবা ৫ম স্তরও আছে। সর্বোচ্চ স্তরের ট্রমা সেন্টারের আছে বিশেষভাবে দক্ষ নার্স এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা। যেখানে আছে জরুরী ওষুধ, ট্রমা সার্জারি, ঠোঁট এবং ম্যাক্সিফেসিয়াল সার্জারি, ক্রিটিকাল কেয়ার, নিউরোসার্জারি, অ্যানেস্থিশিওলজি এবং রেজিওলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ সব চিকিৎসা ব্যবস্থা। ট্রমা সেন্টারের মূল উদ্দেশ্যই, দুর্ঘটনার পর যে গুরুত্বপূর্ণ সময় পাওয়া যায় তাকে কাজে লাগানো। এবং সুদক্ষ নার্স এবং বিশেষায়িত ডাক্তাররাই এটি করতে পারবে। আর এজন্যই ট্রমা সেন্টার সাধারণ হাসপাতাল থেকে ভিন্ন। নিম্ন স্তরের ট্রমা সেন্টার অবশ্য শুধু মাত্র প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারবে এবং অতিদ্রুত সর্বোচ্চ স্তরের ট্রমা সেন্টারে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারবে। ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা নিলে আশঙ্কাজনক রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনা ২৫% কমে যায়। ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসা খরচ অনেক বেশি। এবং একারণেই হয়তো বিশ্বের সব জায়গায় ট্রমা সেন্টার দেখা যায় না। যেহেতু ট্রমা সেন্টারে কখন কে ভর্তি হতে পারে তা বলা যায় না, তাই রোগীর চাপও ওঠা নামা করে। সহজে বলা যায় না। ট্রমা সেন্টারে হেলিপ্যাডের ব্যবস্থা থাকতে পারে। অনেক রোগী হেলিকপ্টারে করে আসে। দেখা গেছে, গাড়িতে করে আশংঙ্কাজনক রোগীকে সাধারণ হাসপাতালে আনার চেয়ে হেলিকপ্টারে করে ট্রমা সেন্টারে আনা ভালো। এক্ষেত্রে তার বাঁচার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। ইতিহাস থাম্ব|চট্টগ্রামের রাউজান ট্রমা সেন্টার thumb|বাংলাদেশের ট্রমার হাসপাতালগুলোর মাঝে নিটোর অন্যতম বাংলাদেশ বাংলাদেশে ট্রমা সেন্টারের ইতিহাস খুব একটা ইতিবাচক নয়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত অনেক ট্রমা সেন্টারই অকেজো কিংবা পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ২০০৪ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারের (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) উদ্যোগে প্রায় ২১টি ট্রমা সেন্টার তৈরি হয়েছে। প্রায় সবগুলোই আছে এখন পরিত্যাক্ত। প্রতিটি ট্রমা সেন্টারে ১৪ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্সসহ মোট ৩৪ জনের একটি দল থাকার কথা। কিন্তু ২০২৫ সাল অব্দি বেশিরভাগ ট্রমা সেন্টারেই হয়নি নিয়োগ কিংবা নেই পর্যাপ্ত মেশিনারিজ। মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার শোলঘরে, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েকে কেন্দ্র করে একটি ট্রমা সেন্টার নির্মাণ হয়েছিল। কিন্তু এখন অব্দি তা চালু করা সম্ভব হয়নি। আবার চট্টগ্রামেও রয়েছে ৩টি ট্রমা সেন্টার। এগুলোর সবগুলোই ২০২৫ সালে এসেও অকেজো। হাটহাজারীর কাচারী রোডে ১২কোটি ব্যয়ে নির্মাণ করা ট্রমা সেন্টার আজও অচল। তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে ২০২৪ সালে পর্যন্ত দুর্ঘটনার সংখ্যা প্রায় ১০০ এর কাছাকাছি। কিন্তু সবাইকেই নিতে হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ট্রমা সেন্টারটি চালু হলে এখানেই তাদের চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হতো। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনাপ্রবল রাস্তা হল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক। লোহাগড়ায় ১০ বছর আগে একটি ট্রমা সেন্টার উদ্বোধন হয়েছিল কিন্তু আজও তার কোন সুফল মেলেনি। এখনও সেটি চালু হয়নি। লোহাগড় বা চট্টগ্রাম কক্সবাজারের মাঝামাঝি কোন জায়গায় কেউ দুর্ঘটনায় পড়লে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কারণ সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে আসার সময় প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। রাউজানের ট্রমা সেন্টার উদ্বোধন হয়েছে ১১ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে। এখানে দুটি আবাসিক ভবনও রয়েছে। আছে একটি চিকিৎসা ভবনও। রাউজানের ঢালারমুখ এলাকার চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের পাশেই এর অবস্থান। লোকবল এবং যন্ত্রপাতির অভাবে আজও এটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। চট্টগ্রামে একমাত্র চালু ট্রমা সেন্টার হল ফেনী ট্রমা সেন্টার (২০২৫ পর্যন্ত)। ২০০৪ সালে এটি উদ্বোধন করা হয় এবং ২০০৬ সালে এখানে চিকিৎসা প্রদান শুরু হয়। অনুমোদিত পদ ১৯টি থাকলে কর্মরত আছেন মাত্র ৯ জন চিকিৎসক। রোগ পরীক্ষার যন্ত্রপাতি এখনও ব্যবহার করা হয়নি। যেমন এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, অপারেশন থিয়েটারের প্রায় বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি এখন নষ্ট অবস্থায় পড়ে আছে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রোগীদের পাঠানো হয় ফেনী সদর হাসপাতালে। যুক্তরাজ্য thumb|১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠিত বারমিংহাম এক্সিডেন্ট হাসপাতাল, পৃথিবীর প্রথম ট্রমা সেন্টার ট্রমা সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা বিশ্বে তখনই অনুভব হয়েছিল যখন দেখা গিয়েছিল শারীরিক দুর্ঘটনা, গাড়ির দুর্ঘটনায় রোগীদের চিকিৎসা খুবই জটিল এবং বিভিন্ন চিকিৎসাজ্ঞানের সহায়তা এতে প্রয়োজন। ১৯৪১ সালে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে প্রথম ট্রমা সেন্টার চালু হয়। কারণ ১৯৪০ এর দিকে কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছিল যুক্তরাজ্যে ট্রমাজনিত শারীরিক দুর্ঘটনার চিকিৎসা অপ্রতুল। ১৯৪৭ সালে এসে, হাসপাতালটির ট্রমা টিমকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হল। দুটি টিমে ছিল ২ জন সার্জন, একজন অ্যানেস্থেশিলজিস্ট এবং আরেকটি টিমে ছিল ৩ জন বার্ন বিশেষজ্ঞ। যুক্তরাষ্ট্র সিডিসি-এর তথ্য অনুযায়ী দুর্ঘটনা আমেরিকান শিশু, প্রাপ্তবয়স্কদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। . ট্রমার প্রধান কারণ গাড়ি দুর্ঘটনা, পড়ে যাওয়া অথবা মারণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার। যুক্তরাষ্ট্রে, রবার্ট জে. বেকার এবং রবার্ট জে. ফ্রিয়ার্ক প্রথম জনসধারণের জন্য ট্রমা হাসপাতাল তৈরি করেছিলেন। যার অবস্থান শিকাগোর কুক কাউন্টিতে, ১৯৬৬ সালের মার্চের ১৬ তারিখে।Medical World News, January 27, 1967 কানাডা ১৯৭৬ সালে প্রথম টরোন্টোর অন্টারিওতে, সানিব্রুক হেলথ সায়েন্সেস সেন্টার খোলা হয়। এটি খোলার পর ৯৬% রোগীই ছিল পড়ে যাওয়া রোগী, সড়ক দুর্ঘটনা কিংবা পুড়ে যাওয়া রোগী। বর্তমানে ২০% রোগী আসে গুলিবিদ্ধ রোগী কিংবা ছুরিকাঘাতে আহত রোগী।Fraser Health regional trauma program receives distinction award, July 5, 2016 আরও পড়ুন বাংলাদেশে ট্রমা সেন্টারের তালিকা জরুরী ওষুধ পরিষেবা ট্রমার ওষুধ ট্রমার সার্জারি ট্রমা চিকিৎসার দল তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:ট্রমা সেন্টার বিষয়শ্রেণী:জরুরী ওষুধ বিষয়শ্রেণী:হাসপাতাল বিষয়শ্রেণী:ট্রমার সার্জারি
|
আব্বাস টায়ারওয়ালা (); জন্ম ১৫ মে ১৯৭৪) হলেন একজন ভারতীয় বলিউড চলচ্চিত্র কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপ লেখক ও পরিচালক।Abbas-Tyrewala New York Times. ২০০০ সালের প্রথম দিকে একজন চিত্রনাট্যকার ও সংলাপ লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তিনি মকবুল (২০০৩) ও মুন্না ভাই এম.বি.বি.এস. (২০০৩)-এর মত চলচ্চিত্রের জন্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তিনি প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র জানে তু... ইয়া জানে না (২০০৮) দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন, যা সমাদৃত এবং ব্যবসাসফল হয়। জীবনী আব্বাসের জন্মগ্রহণ এবং বেড়ে ওঠা মুম্বই শহরে। স্নাতকের জন্য তিনি সেন্ট জেভিয়ার কলেজ, মুম্বাই যোগদান করেন। সেখানে তিনি নাটক নিয়ে কাজ শুরু করেন এবং শীঘ্রই বিজ্ঞাপন লেখা শুরু করেন। তিনি "দিল পে মাত লে ইয়ার" (২০০০) এবং "লাভ কে লিয়ে কুছ ভি করেগা" (২০০১)-এর মত ছবিতে লেখক ও গীতিকার হিসেবে চলচ্চিত্র শিল্প প্রবেশ করেন। এছাড়াও তিনি সন্তোষ শিবানির "অশোকা (২০০১) ছবিতে সংলাপ লেখক হিসেবে কাজ করেন। চলচ্চিত্রের তালিকা পরিচালক জানে তু ইয়া জানে না (২০০৮) ঝুটা হিস সহি (২০১০) মঙ্গো (২০১৪) লেখক অশোকা (২০০১) চুপকে সে (২০০৩) ডারনা মানা হে (২০০৩) ম্যায় হুঁ না (২০০৪) সংলাপ এবং গীতিকবিতা দিল পে ম্যাট লে ইয়ার (২০০০) (গীতিকবিতা) খুশি (২০০১) (গীতিকবিতা) অশোকা (২০০১) (সংলাপ) লীলা (২০০২) (গীতিকবিতা) পুরস্কার ২০০৪: শ্রেষ্ঠ সংলাপ বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার - মুন্না ভাই এম.বি.বি.এস. ২০০৪: শ্রেষ্ঠ সংলাপ বিভাগে আইফা পুরস্কার - মুন্না ভাই এম.বি.বি.এস. ২০০৪: শ্রেষ্ঠ সংলাপ বিভাগে জি সিনে পুরস্কার - মুন্না ভাই এম.বি.বি.এস. ২০০৫: শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য বিভাগে জিআইএফএ পুরস্কার - মকবুল ২০০৫: শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য বিভাগে জি সিনে পুরস্কার - মকবুল (বিশাল ভারদ্বাজ-এর সাথে যৌথভাবে) ২০০৫: শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য বিভাগে আইফা পুরস্কার - মকবুল (বিশাল ভারদ্বাজ-এর সাথে যৌথভাবে) তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Abbas Tyrewala at Allmovie Abbas Tyrewala: a one-man show Rediff.com''. বিষয়শ্রেণী:১৯৭৪-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর ভারতীয় চিত্রনাট্যকার বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় পুরুষ চিত্রনাট্যকার বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় মুসলিম বিষয়শ্রেণী:মুম্বইয়ের চিত্রনাট্যকার বিষয়শ্রেণী:মুম্বইয়ের চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, মুম্বইয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিষয়শ্রেণী:হিন্দি চিত্রনাট্যকার বিষয়শ্রেণী:হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ সংলাপ বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য বিভাগে আইফা পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ সংলাপ বিভাগে আইফা পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য বিভাগে জি সিনে পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ সংলাপ বিভাগে জি সিনে পুরস্কার বিজয়ী
|
মিসিসিপি–অ্যালাবামা বেষ্টনী দ্বীপপুঞ্জ হল মিসিসিপি ও অ্যালাবামার উপকূল বরাবর মেক্সিকো উপসাগরের একটি বেষ্টনী দ্বীপের শৃঙ্খল, যা মিসিসিপি সাউন্ডকে ঘিরে রেখেছে। প্রধান দ্বীপগুলি হল ক্যাট আইল্যান্ড, শিপ আইল্যান্ড, হর্ন আইল্যান্ড, পেটিট বোইস আইল্যান্ড ও ডাউফিন আইল্যান্ড; ২০তম শতাব্দীর গোড়ার দিকে শৃঙ্খলে ক্যাপ্রিস আইলও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেটি তারপর থেকে নিমজ্জিত হয়েছে। দ্বীপগুলি প্রশস্ত খাঁড়ি দ্বারা পৃথক রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি উপসাগরীয় উপকূলীয় বন্দরগুলির জন্য জাহাজ চলাচলের চ্যানেল গঠনের জন্য চ্যানেলাইজ করা হয়েছে। দ্বীপগুলি সাধারণত সঙ্কুচিত ও পশ্চিম দিকে সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১৮০০-এর দশক থেকে দ্বীপগুলির আকার ও আয়তনের উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, দ্বীপগুলি সাধারণত সঙ্কুচিত ও পশ্চিম দিকে স্থানান্তরিত হয়, বিশেষত বড় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের পরে। বেশিরভাগ দ্বীপই জনবসতিহীন। শৃঙ্খলের বেশিরভাগ মিসিসিপীয় অংশ উপসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের জাতীয় সমুদ্রতীরের অন্তর্ভুক্ত। ভূগোল মিসিসিপি–অ্যালাবামা বেষ্টনী দ্বীপ শৃঙ্খলটি মিসিসিপির উপসাগরীয় উপকূল থেকে ১০ মাইল থেকে ১৪ মাইল (১৬ থেকে ২৩ কিমি) দক্ষিণে সমুদ্রের মধ্যে অবস্থিত এবং উপকূলের সমান্তরালে মোটামুটি সেন্ট লুইস উপসাগর থেকে মোবাইল উপসাগর পর্যন্ত ৭০ মাইল (১১৩ কিমি) জুড়ে বিস্তৃত, এটি মিসিসিপি সাউন্ডকে মেক্সিকো উপসাগর থেকে পৃথক করে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:মিসিসিপির বেষ্টনী দ্বীপপুঞ্জ বিষয়শ্রেণী:অ্যালাবামার বেষ্টনী দ্বীপপুঞ্জ
|
ডান|থাম্ব|300x300পিক্সেল| উত্তরপ্রদেশের মানচিত্রে বস্তী বিভাগের অবস্থান বস্তী বিভাগ (হিন্দি: बस्ती मंडल) হল উত্তর ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের একটি প্রশাসনিক বিভাগ। এই বিভাগের সদর দপ্তর বস্তী শহরে অবস্থিত। ২০০৫ সালের পরিস্থিতি অনুসারে, এই বিভাগ তিনটি জেলায় বিভক্ত। মূলত গোরখপুর জেলা জেলা থেকে বস্তী জেলা এবং বস্তী বিভাগ গঠিত হয়েছে। বাস্তী সিদ্ধার্থ নগর এবং সন্ত কবীর নগর। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশের বিভাগ
|
সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন বাংলদেশের ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন। অবস্থান ও সীমানা ইতিহাস প্রশাসনিক এলাকা দর্শনীয় স্থান মা মনসা মন্দির (লাটেঙ্গা); বড় কালি মন্দির (বহরাবাড়ি); শ্রী শ্রী নরত্তোম গোস্বামীর আশ্রম (পাখরপাড়); ভাঙ্গারহাট সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, লাটেঙ্গা মাঠ, নৈসর্গিক সৌন্দর্যপূর্ণ রামনগর ও লখন্ডার বিল। উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব জনপ্রতিনিধি বর্তমান চেয়ারম্যান- সমর চাঁদ মৃধা (খোকন) আরও দেখুন ঢাকা বিভাগ গোপালগঞ্জ জেলা তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:কোটালীপাড়া উপজেলার ইউনিয়ন
|
রাজা মিত্র (১৭ জানুয়ারি ১৯৪৫ – ২০ ডিসেম্বর ২০২৪) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক এবং সঙ্গীত পরিচালক, যিনি মূলত বাংলা চলচ্চিত্রে কাজ করেন। ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ফিচার ফিল্ম-একটি জীবন, চলচ্চিত্রের জন্য প্রথম আবির্ভাবে শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসাবে ৩৫ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তথা ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার লাভ করেন। তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের স্বর্ণ কমল (গোল্ডেন লোটাস) লাভ করেন- "অত্যন্ত সাহসী ও প্রথম প্রয়াসে সফল এমন একজন পরিচালক যিনি তার ভাষার সাংস্কৃতিক মূল্যের প্রতি দৃঢ় প্রত্যয়ে এবং এককভাবে আগামী প্রজন্মের কাছে এর সমৃদ্ধকরণের মূল্য উপলব্ধ করতে পেরেছেন এমন চলচ্চিত্র সৃষ্টির স্বীকৃতিস্বরূপ"। প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা রাজা মিত্রের জন্ম ব্রিটিশ ভারতের কলকাতায়। তিনি ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক হন। তিনি বিভিন্ন সাহিত্য ও চলচ্চিত্র পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন। নিজে লেখালেখিও করতেন। কবিতা লিখতেন শোভন মিত্র নামে। এই শোভনই পরে রাজা মিত্র নামে পরিচিত হন। তিনি ১৯৭৮ -৮০ খ্রিস্টাব্দের সময়কালে গৌতম ঘোষের সহকারী ছিলেন। কর্মজীবন ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে একটি তথ্যচিত্র এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসাবে রাজা মিত্র তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে তার প্রথম পরিচালনায় মুক্তি পায় বাংলা চলচ্চিত্র একটি জীবন alt=Mitra directing Soumitra Chattopadhyay|থাম্ব|262x262পিক্সেল|রাজা মিত্রের পরিচালনায় একটি জীবন ছবির সেটে- সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এই ছবিটিই প্রথম পরিচালনার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জন্য ৩৫ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তথা ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার লাভ করেন এবং ছবিটি ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়। তিনি পিসি বড়ুয়া পুরস্কারও পান ছবিটির জন্য। তারপর নয়নতারা, বেহুলা-র মত একাধিক ছবির পরিচালনা করেন। শুধু ফিচার ফিল্ম নয়, ৩২টি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন তিনি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে তার পরিচালনায় নির্মিত- "ফ্রম এ গোল্ডেন ফাউন্ডেশন টু দ্য গোল্ডেন জুবিলী নিঃসন্দেহে ছিল এক উল্লেখযোগ্য তথ্যচিত্র। তথ্যচিত্র স্ক্রল পেইন্টারস অফ বীরভূম ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র উৎসবে এবং ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে, ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাইয়ের ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হয়। স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি যতনের জমি প্রদর্শিত হয় ভারতের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে এবং কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে। জীবনাবসান জাতীয় পুরস্কারজয়ী চলচ্চিত্র পরিচালক রাজা মিত্র ক্যানসারে ভুগছিলেন। ২০২৪ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসের গোড়ার দিকে ফুসফুসে ক্যান্সার ও মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। কলকাতার এক সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২০২৪ খ্রিস্টাব্দের ২০ ডিসেম্বর ভোররাত তিনটের সময়, ৭৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। চলচ্চিত্রের তালিকা কোল ফর দ্য ম্যাসেস (১৯৭৮) রেলওয়েতে এইচএস অয়েলের অর্থনীতি (১৯৮০) ক্যালকাটা ফুটপাথ ডেভেলার (১৯৮১) দ্য ট্রাইবাল রেজিস্ট্যান্স (১৯৮৭) কলকাতা, অতীত এবং বর্তমান (১৯৮৭) একটি জীবন (১৯৮৮) স্ক্রল পেইন্টারস্ অফ বীরভূম (১৯৮৯) টুওয়ার্ডস এ গ্লোবাল ব্রেকথ্রু (১৯৯১) জীবন পটুয়া (১৯৯৩) আশ্রয় (১৯৯৩) বিদ্যাসাগর (১৯৯৩) বিয়ন্ড এ হেড কাউন্ট কালীঘাট পেইন্টিংস অ্যান্ড ড্রয়িংস (২০০২) ম্যুরাল পেইন্টিংস অফ ওড়িশা (২০০৩) নাচনি (গ্রামীণ বাংলার নাচের মেয়েরা) (২০০৫) দৃষ্টি প্রদীপ (২০০৭) আনন্দ যাত্রা (২০০৮) দ্য এনচান্টেড ডেস্ক (২০০৮) মোবাইল মোটিফ - এ জার্নি ফ্রম রিজিওনাল টু ন্যাশনাল (২০০৯) অ্যান অথর্ স্পিকস্ পুরস্কার এবং স্বীকৃতি alt=Raja Mitra with President A. P. J. Abdul Kalam|থাম্ব|262x262পিক্সেল| রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের সাথে রাজা মিত্র, শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালনার জন্য জাতীয় পুরস্কার পাচ্ছেন রাজা মিত্রের স্ক্রল পেইন্টারস অফ বীরভূম ছবিটি ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে ৩৬ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ শিল্প/সাংস্কৃতিক চলচ্চিত্রের পুরস্কার লাভ করে এবং বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হওয়ার পাশাপাশি ভারতীয় প্যানোরামাতেও প্রদর্শিত হয়। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে তার বেহুলা ছবিটি সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ফিকশন ফিল্মের পুরস্কার পায় এবং কান চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রিত হয়। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে সেরা ফিকশন ফিল্মের জন্য বিএফজিএ পুরস্কার পান। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে রাজা মিত্রের দ্বিতীয় ফিচার ফিল্ম ভারতীয় প্যানোরামাতে প্রদর্শিত হয়। ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে তার যতনের জমি শ্রেষ্ঠ নন ফিচার ফিল্ম হিসাবে ৪৫ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে জন্য বিবেচিত হয়। তিনি স্বর্ণ কমল (গোল্ডেন লোটাস) লাভ করেন। কালীঘাট পেইন্টিংস অ্যান্ড ড্রয়িংস’ তথ্যচিত্রটির শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালনার জন্য তিনি ৫০ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে -রজত কমল ( সিলভার লোটাস) পান। রাজা মিত্র ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে ভারতের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে,১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় চলচ্চিত্র উৎসব এবং ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় প্যানোরামার এবং দেশের একাধিক ফেস্টিভ্যাল কমিটির চেয়ারম্যান ও জুরি সদস্য হয়েছেন। এছাড়াও,এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা তাকে একজন উচ্চ প্রশংসিত চলচ্চিত্র নির্মাতার স্বীকৃতি প্রদান করে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর ভারতীয় ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:কলকাতার চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ জন্ম
|
সরকারি জাদুঘর, আলোয়ার হলো ভারতের রাজস্থানের সিটি প্যালেস আলোয়ারের বিনয় বিলাস মহলে অবস্থিত একটি জাদুঘর। জাদুঘরের সংগ্রহে রাজপুতানার সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং সামরিক অতীতের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আলোয়ারের রাজপরিবারের সূক্ষ্ম শিল্পকর্মের নমুনা সংগ্রহের আগ্রহ থেকেই এই জাদুঘরের উদ্ভব হয়েছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪০ সালে সংগ্রহশালাটি জাদুঘর হিসেবে খোলা হয়েছিল। এই ভবনটি অনেক সরকারি অফিসের জন্যও ব্যবহৃত হয়। আলোয়ার রাজ্যের তৃতীয় শাসক মহারাও রাজা বিনয় সিংহ কর্তৃক নির্মিত ১৮ শতকের এই প্রাসাদটি মুঘল এবং রাজপুত স্থাপত্যের সংমিশ্রণ। জাদুঘরে ২৩৪টি ভাস্কর্য, ১১টি শিলালিপি, ৯৭০২টি মুদ্রা, ৩৫টি ধাতব বস্তু, ২৫৬৫টি চিত্রকর্ম এবং পাণ্ডুলিপি, ২২৭০টি অস্ত্রাগারের জিনিসপত্র এবং স্থানীয় কারুশিল্পের ১৮০৯টি বিবিধ জিনিসপত্র রয়েছে। চিত্রকলা, পাণ্ডুলিপি এবং অস্ত্রের প্রাধান্য দেখে, ১৯৬০-এর দশকে কিউরেটর পিএল চক্রবর্তী এটিকে সামাজিক-সামরিক জাদুঘর বলে অভিহিত করেছিলেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এ ভারতে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:রাজস্থানের জাদুঘর
|
যাচাইকরণ প্রথম ধাপ হল নিশ্চিত হওয়া যে প্রশ্নকারী ব্যবহারকারী প্রকৃতপক্ষে মারা গেছে। ভ্রান্ত দাবী প্রতিরোধের জন্য নির্ভরযোগ্য উৎস হল চাবিকাঠি। যদি সম্ভব হয়, একাধিক প্রত্যয়ন বাঞ্ছনীয়। কারণ মিথ্যা সংবাদগুলো এমনকি নির্ভরযোগ্য মুদ্রণ উৎসগুলিতেও উপস্থিত হয়েছে৷ যদি একজন ব্যবহারকারীর মৃত্যু উইকিতে ঘোষণা করা হয় যে কেউ একজন আত্মীয় বা মৃত ব্যক্তির বন্ধু বলে দাবি করে, তাহলে এই ধরনের দাবিকে প্রমাণ করার জন্য একজন ব্যবহারকারী পরীক্ষক কার্যক্রম পরিচলনা করতে পারেন। ব্যবহারকারী যদি প্রকাশ্যে তাদের বাস্তব-জীবনের পরিচয় প্রকাশ না করে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে কোনো উৎসের সাথে সংযোগ করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন; যদি আপনি নিশ্চিত না হন যে একটি মৃত্যুবাণী বা এই জাতীয় নোটিশের সংযোগটি উপযুক্ত কিনা, অনুগ্রহ করে দ্বিতীয় মতামতের জন্য ওভারসাইট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন । ব্যবহারকারী পৃষ্ঠা যখন নিশ্চিত করা হয় যে ব্যবহারকারী প্রকৃতপক্ষে মারা গেছেন, ব্যবহারকারীর পৃষ্ঠার ক্ষেত্রে দুটি জিনিস করতে হবে। ব্যবহারকারীর পৃষ্ঠাটিকে সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত রাখতে হবে যাতে অপব্যবহারকারীরা পৃষ্ঠাটিকে বিকৃত করতে না পারে। পরিবারের ইচ্ছা মেনে একটি হ্যাটনোট ব্যবহারকারীর পৃষ্ঠায় স্থাপন করা উচিত, এটি ব্যাখ্যা করে যে ব্যবহারকারী মারা গেছেন। পরিবার হ্যাটনোট না চাইলে এই পদক্ষেপটি বাইপাস করা হতে পারে। যদি সম্ভব হয়, হ্যাটনোটটি "ব্যবহারকারীর পৃষ্ঠাটি অ্যাক্সেস করতে ইচ্ছুক একজন বন্ধু/পরিবারের সদস্যকে সহজ নির্দেশনা প্রদান করতে পারে" কিন্তু প্রশাসকের সাহায্যে তাদের অ্যাক্সেস দিয়ে এটি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত পাওয়া গেছে। একটি প্রমিত এবং ধর্মনিরপেক্ষ টেমপ্লেট, {{মৃত উইকিপিডিয়ান}}, মৃত উইকিপিডিয়ানদের ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় স্থাপন করার জন্য উপলব্ধ। এটির স্থান নির্ধারণ সম্পাদকদের বিবেচনার ভিত্তিতে এবং অবস্থার ভিত্তিতে একটি ক্ষেত্রে বিবেচনা করা উচিত। আলাপ পাতা {{Nobots}} এবং [[:বিষয়শ্রেণী:উইকিপিডিয়ান যিনি বার্তা পেতে ইচ্ছুক নন]] টেমপ্লেট যোগ করলে তা বট দ্বারা অনাকাঙ্ক্ষিত টেমপ্লেট বার্তা বিতরণ করা প্রতিরোধ করবে, যেমন কারিগরী বিজ্ঞপ্তি বা মুছে ফেলার বিজ্ঞপ্তি। কোনো অপ্রীতিকর বিবাদ, সতর্কতা বা মুছে ফেলার নোটিশ সংরক্ষণাগার বিবেচনা করুন। {{মৃত উইকিপিডিয়ান}}, {{Nobots}} এবং [[বিষয়শ্রেণী:উইকিপিডিয়ান যিনি বার্তা পেতে ইচ্ছুক নন]] আলাপ পাতার শীর্ষে এবং দীর্ঘ আলাপ পাতার শেষে রাখা যেতে পারে। যে সম্পাদকরা এটি করতে পছন্দ করেন তারা স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সম্পাদনা করে আলাপ পাতায় রুচিসম্পন্ন শোক বিজ্ঞপ্তি ছেড়ে দিতে পারেন। অ্যাকাউন্ট সম্মানের প্রতীক হিসাবে মৃত উইকিপিডিয়ানদের অ্যাকাউন্টগুলিকে অবরুদ্ধ করা উচিত নয় যদি না সেগুলো হ্যাক করা হয়। যাইহোক, বিশ্বকোষের মারাত্মক ক্ষতি রোধ করার জন্য যদি এমন পরিস্থিতি ঘটে তবে মৃত উইকিপিডিয়ানদের যেকোনো উন্নত ব্যবহারকারীর অধিকার অবিলম্বে অপসারণ করা উচিত। অপসারণ করা ব্যবহারকারীর অধিকারগুলির মধ্যে প্রাথমিকভাবে নিরীক্ষক, প্রশাসক, ব্যুরোক্র্যাট এবং ব্যবহারকারী পরীক্ষক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে , কারণ এই অধিকারগুলির মধ্যে প্রকল্পটি ব্যাহত করার সবচেয়ে সম্ভাবনা রয়েছে৷ যেহেতু প্রশাসক, ব্যবহারকারী পরীক্ষক এবং ব্যুরোক্র্যাটদের অধিকার স্থানীয়ভাবে অপসারণ করা যায় না, সেগুলি অপসারণের জন্য একটি অনুরোধ পোস্ট করা উচিত। স্থানীয়ভাবে (যেমন নিরীক্ষক) অপসারণ করা হতে পারে এমন অধিকারগুলির জন্য প্রথমে প্রাসঙ্গিক স্থানীয় ব্যুরোক্র্যাট বা প্রশাসকদের কাছে অনুরোধ করা উচিত। যখন এই ধরনের অধিকার অপসারণ করা হয়, তখন ব্যবহারকারীর পাতায় বা আলাপ পাতায় একটি নোট তৈরি করা উচিত যে, এই এই অধিকার এই ব্যবহারকারীর এই এই মেয়াদে ছিল। যদিও স্থানীয় ব্লকগুলি প্রায় কখনই করা হয় না, স্টুয়ার্ডরা সাধারণত ছদ্মবেশ রোধ করতে এবং মৃত্যুর নিশ্চিতকরণের পরে নিরাপত্তার জন্য একজন মৃত ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টটি বিশ্বব্যাপী লক করে দিতে পারে। উইকিপিডিয়া:মৃত এবং স্মারক পাতা সাধারণতঃ গঠনমূলকভাবে অবদানকারী উইকিপিডিয়ানদের উইকিপিডিয়া:মৃত পাতার তালিকায় যুক্ত করে সম্মানিত করা উচিত । মৃত উইকিপিডিয়ান পৃষ্ঠায় স্থান নির্ধারণের মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়নি, যদিও সাধারণ জ্ঞান অনুসারে তালিকাভুক্ত ব্যবহারকারীদের সম্প্রদায়ের অংশ হিসাবে বিবেচিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট সক্রিয় হওয়া উচিত। যদি একজন সম্পাদকের সহকর্মীরা এটি করতে অনুপ্রাণিত বোধ করেন, তবে তারা মৃত ব্যক্তিকে সম্মান জানাতে একটি স্মারক পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারে। তবে পরিবার আপত্তি করে থাকলে বা ব্যবহারকারী তাদের মৃত্যুর আগে আপত্তি করলে বিষয়টি না করা কাম্য। স্মারক পাতায় ভুক্তি যতটা সম্ভব রুচিশীল হওয়া উচিত; যে সম্পাদনাগুলো রুচিশীল হতে ব্যর্থ হবে সেগুলো মুছে ফেলা হবে। স্মারক পাতা বাধ্যতামূলক নয়; তারা সম্প্রদায় দ্বারা তৈরি করা হয়, সম্প্রদায়ের জন্য, বরং একটি প্রয়োজন হিসাবে। এছাড়াও স্বয়ংক্রিয় নিউজলেটার যেমন উইকিপত্রিকা, উইকিপ্রকল্প হালনাগাদ ইত্যাদিতে ব্যবহারকারীর সদস্যতা মুছুন। যেকোনো ব্যবহারকারীর অধিকার বিষয়শ্রেণী থেকে ব্যবহারকারীকে সরান। {{প্রশাসক}}ইত্যাদি ধরণের টেমপ্লেটগুলোতে|nocat=yesযুক্ত করুন যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীদের একটি প্রদত্ত বিষয়শ্রেণীতে রাখে। অনুগ্রহ করে আলোচনাসভায় বা পরামর্শ পৃষ্ঠায় একটি মন্তব্য পোস্ট করে অবদানকারীদের জানান । ব্যবহারকারী অন্যান্য উইকিপিডিয়া বা সহপ্রকল্পে সক্রিয় ছিল কিনা তা পরীক্ষা করে দেখুন এবং থেকে থাকলে তাদের 'আলোচনাসভা' বা সমতুল্য স্থানে নোট রাখুন। ব্যবহারকারী উল্লেখযোগ্য হলে তাদের সম্পর্কে একটি নিবন্ধ, উইকিউপাত্ত আইটেম বা উইকিমিডিয়া কমন্স বিষয়শ্রেণী আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজন অনুসারে হালনাগাদ করুন।
|
দালোয়া পশ্চিম আফ্রিকার রাষ্ট্র কোত দিভোয়ার বা আইভরি কোস্টের পশ্চিমভাগে অবস্থিত একটি নগরী। এটি একই সাথে সাসঁদ্রা-মারাউয়ে জেলা ও ও-সাসঁদ্রা অঞ্চলের প্রশাসনিক কেন্দ্র। এছাড়া এটি দালোয়া দেপার্ত্যমঁ বা জেলারও প্রশাসনিক কেন্দ্র ও একই সাথে একটি সু-প্রেফেকত্যুর। ২০১৪ সালের জনগণনা অনুযায়ী ১৪৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের শহরটিতে প্রায় আড়াই লক্ষ অধিবাসী বাস করে, ফলে এটি দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর। দালোয়া শহরটি কোত দিভোয়ারের রাজধানী ইউয়ামুসুক্রো থেকে পশ্চিম দিকে অবস্থিত। এটি একটি কৃষি অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। বিশেষ করে এখানে কোকো বীজের বাণিজ্য চলে। নগরটিতে একটি বিমানবন্দর আছে, যার নাম দালোয়া বিমানবন্দর। এখানে দালোয়া রোমান ক্যাথলিক ধর্মপ্রদেশের অধ্যক্ষ কাতেদ্রাল দ্যু ক্রিস্ত-রোয়া নামক মহাগির্জায় বসেন। দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে কাসকাদ দ্য লা মারাউয়ে নামক ছবির মতো সুন্দর কিছু জলপ্রপাত, যা দালোয়ার কাছেই অবস্থিত; মার্শে দ্য দালোয়া বা দালোয়ার প্রধান বাজার, যেখানে ঐতিহ্যবাহী কুটিরশিল্পজাত দ্রব্যের পাশাপাশি টাটকা খাবার ও মসলা কিনতে পাওয়া যায়; গ্রঁদ মোস্কে দ্য দালোয়া নামক মসজিদটি শহরের বড় মসজিদ, যা অঞ্চলটির ইসলামী ঐতিহ্যের প্রতিফলন। দালোয়ার চারপাশের অঞ্চলে আছে বিভিন্ন কৃষি খামার, তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কৃষিদ্রব্য হল কোকো, যা চকলেট বানাতে ব্যবহৃত হয়। দর্শনার্থীরা ঐসব খামার ঘুরে দেখতে পারেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:কোত দিভোয়ারের শহর
|
thumb শক্তি রাজ পরিহার জম্মু ও কাশ্মীরের একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য। রাজ ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডোডা জেলার ডোডা আসন থেকে জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার সদস্য ছিলেন।My NetaSurprising Chenab ২০২৪ সাল থেকে তিনি ডোডা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:জন্মের বছর অনুপস্থিত (জীবিত ব্যক্তি) বিষয়শ্রেণী:জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার সদস্য ২০২৪-২০২৯ বিষয়শ্রেণী:জম্মু ও কাশ্মীরের ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ বিষয়শ্রেণী:ডোডা জেলার ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার সদস্য ২০১৪-২০১৮ বিষয়শ্রেণী:১৯৭০-এ জন্ম
|
thumb|১৮০২ খ্রিষ্টাব্দে ফিরোজাবাদের পশ্চিম দ্বার ফিরোজ শাহ কোটলা (হিন্দী: फ़िरोज़ शाह कोटला, উর্দু: فروز شاہ کوٹلا) দিল্লীর সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক দ্বারা নির্মিত দিল্লীর পঞ্চম শহর ফিরোজাবাদের প্রাসাদ ও দুর্গ বিশেষ। বর্তমানে এই স্থাপত্য ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে। ইতিহাস দিল্লীর সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক ১৩৫৪ খ্রিষ্টাব্দে যমুনা নদীর তীরে দিল্লীর পঞ্চম শহর ফিরোজাবাদের পত্তন করেন। এই শহরে তিনি তার কোটলা বা দুর্গ প্রাসাদ নির্মাণ করেন যা ফিরোজ শাহ কোটলা নামে পরিচিত। জামি মসজিদ প্রাচীর ঘেরা এই স্থাপত্যের এক দিকে জামি মসজিদের ছাদবিহীন ধ্বংসস্তুপ বর্তমান। অতীতে এটি দিল্লীর সবচেয়ে বড় মসজিদ ছিল। ১৩৯৮ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লী আক্রমণকারী তৈমুর লং এই মসজিদে প্রতি শুক্রবার নমাজ পড়তে আসতেন।India, ডরলিং কিন্ডার্স্লে লিমিটেড, লন্ডন, অশোকের স্তম্ভ thumb|১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে অশোকের স্তম্ভ left|thumb|অশোকের স্তম্ভ জামি মসজিদের ধ্বংসাবশেষের পাশে ১৩.১ মিটার উঁচু বেলেপাথরের তৈরী একটি স্তম্ভ বর্তমান। এই স্তম্ভটি সম্রাট অশোক দ্বারা খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে নির্মিত। ফিরোজ শাহ তুঘলক এই স্তম্ভটিকে পাঞ্জাবের আম্বালা থেকে আনিয়ে এখানে ১৩৫৬ খ্রিষ্টাব্দে পুনর্স্থাপনা করেন। এই স্তম্ভের উৎকীর্ণ লিপি থেকে জেমস প্রিন্সেপ ১৮৩৭ খ্রিষ্টাব্দে ব্রাহ্মী লিপির পাঠোদ্ধার করেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:দিল্লির প্রত্নতাত্ত্বিক স্মৃতিসৌধ
|
ডান|থাম্ব|200px|বুনো টার্কির পালকের কালো অক্ষ থাম্ব|অক্ষকে কেন্দ্র করে একগুচ্ছ ফুল জীববিজ্ঞানে অক্ষ বলতে একটি নির্দিষ্ট ধারক বা দণ্ডকে বোঝায়। প্রাণীবিজ্ঞানের চেয়ে উদ্ভিদবিজ্ঞানে অক্ষ শব্দটি বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রাণীবিজ্ঞানে অক্ষ মেরুদণ্ডী প্রাণীতে অক্ষ বলতে মূলত মেরুদণ্ডকে বোঝায়। কারণ মেরুদণ্ড বক্ষাস্থিচক্রকে ধারণ করে এবং শ্রোণীচক্রের সাথে যুক্ত থাকে। এছাড়া পালকের বার্বসমূহের মধ্যবর্তী দণ্ডকে অক্ষ বলে। অক্ষ সাইটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ থাকে। উদ্ভিদবিজ্ঞানে অক্ষ থাম্ব|ফার্নের যৌগিকপত্র ও তার অক্ষ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে কোন যৌগিক গঠনের মধ্যবর্তী দণ্ডকে অক্ষ বলে। কোন একটি যৌগিক পত্রের মধ্যবর্তী দণ্ডকেও অক্ষ বলা হয়॥ আবার গুচ্ছ পুষ্পের ধারককেও অক্ষ বলে। ফসলের শিষের ধারকও অক্ষ নামে পরিচিত। আরও দেখুন মেরুদণ্ডী প্রাণী তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:মেরুদণ্ডী প্রাণীর শারীরতত্ত্ব বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদের শারীরতত্ত্ব বিষয়শ্রেণী:উদ্ভিদ অঙ্গসংস্থানবিদ্যা
|
খেলোয়াড়ের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষরের সময়কালে, বিসিবি এবং অন্যান্য সমস্ত ফ্রাঞ্চাইজদের মধ্যে আগ্রহের একটি সংঘাত জাগ্রত হয়েছিল। এরপরে সেপ্টেম্বরে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন চলমান মৌসুমের নিয়মকানুনে কিছু নির্দিষ্ট পরিবর্তন এবং সমস্ত ফ্র্যাঞ্চাইজ কে বাদ দেওয়ার বিষয়ে মিডিয়াকে অবহিত করেছিলেন, বিসিবি বর্তমান বিপিএলের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং বোর্ডের মাধ্যমে এই টুর্নামেন্টটি পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং প্রতিযোগিতাটির নামে কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়, শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বঙ্গবন্ধু বিপিএল টি২০ ২০১৯ হিসাবে প্রতিযোগিতাটির নামকরণ করা হয়। ১৬ নভেম্বর ২০১৯, বিসিবি চলতি মৌসুমের জন্য সাতটি দলের লোগো এবং নাম উন্মোচন করে। দলগুলোর মধ্যে ৫টি দল বেসরকারী সংস্থার স্পনসরশীপে পরিচালিত হবে এবং ২টি দল রংপুর রেঞ্জার্স ও কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স বিসিবি নিজেই স্পনসর করে। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-এর স্পনসর হচ্ছে আক্তার ফার্নিচার, ঢাকা প্লাটুনের স্পনসর হচ্ছে যমুনা ব্যাংক, খুলনা টাইগার্সকে স্পনসর করছে প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, রাজশাহী রয়্যালস আইপিসি গ্রুপ এবং সিলেট থান্ডার স্পনসর করেছেন জীবনী ফুটওয়্যার সংস্থা । ২০১৯-২০ বঙ্গবন্ধু বিপিএল টি২০ প্রিমিয়ার লিগ প্রতিযোগিতার জন্য খেলোয়াড়দের নিলাম প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় ১৭ নভেম্বর ২০১৯ হোটেল র্যাডিসনে। মোট ১৮১ জন দেশীয় খেলোয়াড় এবং ৪৩৯ জন বিদেশী খেলোয়াড়, খেলোয়াড়দের খসড়া তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। খেলোয়াড়দের খসড়ার নিয়ম বিসিবি খেলোয়াড়দের খসড়ার জন্য কিছু বিধান তৈরি করে দেয়। সেগুলি হল- প্রতিটি দল ন্যূনতম ৯ জন দেশীয় এবং ৬ জন বিদেশী খেলোয়াড় কিনতে পারে। যে কোনও দল ১৯ জনের বেশি খেলোয়াড় কিনতে পারবে না, ১১ জন দেশী এবং 8 জন বিদেশী। প্রতিটি দল খসড়ার বাইরে সর্বোচ্চ ২ জন বিদেশি খেলোয়াড়ের সরাসরি স্বাক্ষর করাতে পারবে। প্রতিটি দল ১ জন দেশীয় এ+ শ্রেণির খেলোয়াড় কিনতে পারবে, কিন্তু দেশে তালিকাভূক্ত মাত্র ৪ জন খেলোয়াড় আছেন এ+ শ্রেণির। অন্যান্য দল, যারা এ+ শ্রেণির খেলোয়াড় কিনতে পারবে না, তারা এ+ শ্রেণির পরিবর্তে সর্বোচ্চ ২ জন "এ" শ্রেণির খেলোয়াড় কিনতে পারবেন। প্রতিটি দল এ শ্রেণির সর্বোচ্চ ১ জন খেলোয়াড়, বি ও সি শ্রেণি থেকে ৩ জন এবং ডি ও ই শ্রেণিতে ২ জন করে খেলোয়াড় কিনতে পারবে। প্রতিটি দলকে এমন একজন পেসার কিনতে হবে যিনি ১৪০ কিমি / ঘণ্টা বা তারও বেশি গতিতে বোলিং করতে পারেন। প্রতিটি দলে একজন লেগ-স্পিনারকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। খসড়া সংক্ষিপ্তসার ২২ টি দেশের মোট ৬২০ জন খেলোয়াড়, ১৮১ জন দেশীয় এবং ৪৩৯ জন বিদেশী খেলোয়াড় খসড়ায় তালিকাভূক্তির জন্য সাইন আপ করেছেন। দেশ সাইন আপ বিক্রীত বাংলাদেশ ১৮১ ৭২ আফগানিস্তান ৩৯৭ অস্ট্রেলিয়া ৩০ ইংল্যান্ড ৯৫৫ ভারত ৩০ আয়ারল্যান্ড৭০ নিউজিল্যান্ড ১০ পাকিস্তান ৮৯৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫৩ শ্রীলঙ্কা ৪৪৫ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬৬৭ জিম্বাবুয়ে ৯১ কানাডা ১৪০ জার্মানি ১০ হংকং ৩০ নামিবিয়া ১০ নেপাল ২০ নেদারল্যান্ডস ২০ ওমান ৪০ স্কটল্যান্ড ৬০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭০ মোট ৬২০১০৬ বেতন সীমা দেশীয় খেলোয়াড়দের ৬ টি বিভাগে এবং বিদেশী খেলোয়াড়দের পাঁচটি বিভাগে বিভক্ত করা হয়। দেশীয় খেলোয়াড় এ+ – ৫০ লাখ (৪) এ – ২৫ লাখ (৯) বি – ১৮ লাখ (২৪) সি – ১২ লাখ (৪১) ডি – ৮ লাখ (৫৯) ই – ৫ লাখ (৪৪) বিদেশী খেলোয়াড় এ+ – ১০০,০০০ (১১) এ – ৭০,০০০ (১৫) বি – ৫০,০০০ (৬৬) সি – ৩০,০০০ (৭৫) ডি – ২০,০০০ (২৭২) খেলোয়াড়দের তালিকা ঘরোয়া খেলোয়াড়দের ৬টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল, ৪ জন খেলোয়াড় এ+ বিভাগে, ৯ জন খেলোয়াড় এ বিভাগে, ২৪ জন খেলোয়াড় বি বিভাগে, ৪১ জন ক্রিকেটার সি বিভাগে, ৪৯ জন খেলোয়াড়কে ডি বিভাগে এবং ৪৪ জন ক্রিকেটারকে ই বিভাগে বরাদ্দ করা হয়েছিল। বিদেশী খেলোয়াড়দের ৫টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল, এ+ বিভাগে ১১ জন খেলোয়াড়, এ বিভাগের ১৫, বি বিভাগের ৬৬, সি বিভাগের ৭৫ এবং ডি বিভাগে ২৭২ জন খেলোয়াড় রয়েছে। ঘরোয়া খেলোয়াড় এ+, এ, বি এবং সি বিভাগ সহ ঘরোয়া খেলোয়াড়দের এখানে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রথম সারির বিভাগ ( ৫০ লাখ) মাশরাফি মর্তুজা মুশফিকুর রহিম তামিম ইকবাল মাহমুদুল্লাহ এ বিভাগ ( ২৫ লাখ) মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত মোস্তাফিজুর রহমান সৌম্য সরকার মেহেদী হাসান মিরাজ লিটন দাস তাইজুল ইসলাম ইমরুল কায়েস মমিনুল হক মোহাম্মদ মিঠুন বি বিভাগ ( ১৮ লাখ) আবু হায়দার সাব্বির রহমান আফিফ হোসেন এনামুল হক বিজয় রুবেল হোসেন আবু জায়েদ তাসকিন আহমেদ শফিউল ইসলাম নাজমুল হোসেন শান্ত শুভাগত হোম নুরুল হাসান জহুরুল ইসলাম ফরহাদ রেজা আল-আমিন হোসেন মেহেদী হাসান ফজলে মাহমুদ ইয়াসির আলী রনি তালুকদার আরিফুল হক নাজমুল ইসলাম সানজামুল ইসলাম নাঈম হাসান আল-আমিন কামরুল ইসলাম রাব্বি সি বিভাগ ( ১২ লাখ) মোহাম্মদ নাইম মোহাম্মদ আশরাফুল শাহরিয়ার নাফিস ইবাদত হোসেন শুভাশিস রায় অলক কাপালি সোহাগ গাজী জুনায়েদ সিদ্দিকী শামসুর রহমান খালেদ আহমেদ আরাফাত সানি তানভীর হায়দার সৈকত আলী মার্শাল আইয়ুব মাহমুদুল হাসান আব্দুল মজিদ নাদিফ চৌধুরী ইরফান শুক্কুর সাইফ হাসান শরিফুল্লাহ দেলোয়ার হোসেন মনির হোসেন জিয়াউর রহমান মুক্তার আলী আলাউদ্দিন বাবু সোহরাওয়ার্দী শুভ নাঈম ইসলাম রকিবুল হাসান সাকলাইন সজিব মেহেদী হাসান রানা নাহিদুল ইসলাম শহীদুল ইসলাম রবিউল হক কাজী অনিক জাকির হাসান জাকের আলী নাসির হোসেন মোশাররফ হোসেন আব্দুর রাজ্জাক সাদমান ইসলাম বিদেশি খেলোয়াড়রা এ+, এ এবং বি বিভাগের খেলোয়াড় সহ বিদেশী খেলোয়াড়দের নিচে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এ+ বিভাগ ( ১০০,০০০) ডেন ভিলাস শহীদ আফ্রিদি রাইলি রুশো হাসান আলী মোহাম্মাদ নবী শোয়েব মালিক মুজিব উর রহমান ক্রিস গেইল থিসারা পেরেরা ডোয়াইন স্মিথ ড্যারেন ব্র্যাভো এ বিভাগ ( ৭০,০০০) ইসুরু উদানা রবি বোপারা মোহাম্মদ আমির কেমার রোচ মারলন স্যামুয়েলস মোহাম্মদ হাফিজ দিমুথ করুনারত্নে কুশাল পেরেরা মোহাম্মদ হাসনাইন রাসি ফন ডার ডাসেন শাই হোপ ওয়েন পার্নেল ফখর জামান ওশেন টমাস স্যাম বিলিংস বি বিভাগ (৫০,০০০ ) নিরোশন ডিকওয়েলা কাইল এ্যাবট হরদাস ভিলজোয়েন ডেভিড উইসে জেপি ডুমিনি আহমেদ শেহজাদ মোহাম্মদ নওয়াজ সমিত প্যাটেল কিটন জেনিংস স্টিভেন ফিন শেলডন কট্রিল বেনি হোয়েল দাউদ মালান ইমরান খান সামী আসলাম বিলাওয়াল ভাট্টি আজীম রফিক ইমাদ ওয়াসিম ওয়াহাব রিয়াজ ড্যানি ব্রিগস লরি ইভান্স ম্যাথু পারকিনসন অভিষ্কা ফার্নান্দো দাসুন শানাকা কুশল মেন্ডিস দানুষ্কা গুণতিলকা সাইমন হারমার ইড পলক ম্যাট ক্রিচলি জো ক্লার্ক ক্যামেরন ডেলপর্ট কামরান আকমল জাহির খান মোহাম্মাদ শেহজাদ ক্রেগ ওভারটন আসগর আফগান আসিফ আলী জেড ডানবাক আসেলা গুণারত্নে উপুল থারাঙ্গা ওয়ানিদু হাসারাঙ্গা ধনঞ্জয় ডি সিলভা মোহাম্মদ ইরফান নাসিম শাহ লুক ফ্লেচার জ্যামি পোর্টার লুইস গ্রেগরি উইল জ্যাকস রাহকীম কর্নওয়াল আলী খান শ্যানন গ্যাব্রিয়েল টাইমল মিলস গুলবাদিন নায়েব দিনেশ রামদিন শেরফেন রাদারফোর্ড ব্রেন্ডন টেলর রায়ান টেন ডেসকাট রিকি ওয়েসেলস হযরতউল্লাহ জাজাই রবার্ট ফ্রাইলিঙ্ক স্টিভেন মুলানি পল কলিন আন্দ্রে ফ্লেচার দেবেন্দ্র বিশু রভম্যান পাওয়েল মানপ্রীত গনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াস তাব্রাইজ শামসী বিক্রিত খেলোয়াড় খসড়া তালিকা থেকে যে সকল খেলোয়াড়দেরকে ক্রয় করা হয়েছে- খেলোয়াড়দলশ্রেণিপ্রকৃত মূল্যতামিম ইকবালঢাকা প্লাটুনএ+৫,০০০,০০০মুশফিকুর রহিমখুলনা টাইগার্সএ+৫,০০০,০০০মাহমুদুল্লাহ রিয়াদচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সএ+৫,০০০,০০০মুস্তাফিজুর রহমানরংপুর রেঞ্জার্সএ২,৫০০,০০০লিটন দাসরাজশাহী রয়্যালসএ২,৫০০,০০০সৌম্য সরকারকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সএ২,৫০০,০০০মোহাম্মদ মিঠুনসিলেট থান্ডারএ২,৫০০,০০০ক্রিস গেইলচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সএ+১০০,০০০রাইলি রুশোখুলনা টাইগার্সএ+১০০,০০০মোহাম্মাদ নবীরংপুর রেঞ্জার্সএ+১০০,০০০থিসারা পেরেরাঢাকা প্লাটুনএ+১০০,০০০মুজিব উর রহমানকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সএ+১০০,০০০শেরফেন রাদারফোর্ডসিলেট থান্ডারএ৭০,০০০হযরতউল্লাহ জাজাইরাজশাহী রয়্যালসবি৫০,০০০ইমরুল কায়েসচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সএ২,৫০০,০০০মোসাদ্দেক হোসেনসিলেট থান্ডারএ২,৫০০,০০০আফিফ হোসেনরাজশাহী রয়্যালসবি১,৮০০,০০০এনামুল হকঢাকা প্লাটুনবি১,৮০০,০০০আল-আমিন হোসেনকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সবি১,৮০০,০০০শফিউল ইসলামখুলনা টাইগার্সবি১,৮০০,০০০মোহাম্মদ নাইমরংপুর রেঞ্জার্সসি১,২০০,০০০শাই হোপরংপুর রেঞ্জার্সএ৭০,০০০কুশল পেরেরাকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সএ৭০,০০০রবি বোপারারাজশাহী রয়্যালসএ৭০,০০০লরি ইভান্সঢাকা প্লাটুনবি৫০,০০০রবার্ট ফ্রাইলিঙ্কখুলনা টাইগার্সবি৫০,০০০কেস্রিক উইলিয়ামসচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সডি২০,০০০শফিকউল্লাহসিলেট থান্ডারডি২০,০০০সাব্বির রহমানকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সবি১,৮০০,০০০নাজমুল হোসেন শান্তখুলনা টাইগার্সবি১,৮০০,০০০আবু জায়েদরাজশাহী রয়্যালসবি১,৮০০,০০০আরাফাত সানিরংপুর রেঞ্জার্সসি১,২০০,০০০নাজমুল ইসলামসিলেট থান্ডারবি১,৮০০,০০০নাসির হোসেনচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সসি১,২০০,০০০হাসান মাহমুদঢাকা প্লাটুনই৫০০,০০০দাউদ মালানকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সবি৭০,০০০অভিষ্কা ফার্নান্দোচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সবি৭০,০০০ওয়াহাব রিয়াজঢাকা প্লাটুনবি৭০,০০০মোহাম্মাদ আমিরখুলনা টাইগার্সএ১০০,০০০মোহাম্মদ নওয়াজরাজশাহী রয়্যালসবি৭০,০০০লুইস গ্রেগরিরংপুর রেঞ্জার্সবি৭০,০০০জনসন চার্লসসিলেট থান্ডারডি২০,০০০রুবেল হোসেনচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সবি১,৮০০,০০০ইয়াসির আলীকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সবি১,৮০০,০০০মাহেদী হাসানঢাকা প্লাটুনবি১,৮০০,০০০আমিনুল ইসলামখুলনা টাইগার্সডি৫০০,০০০ফরহাদ রেজারাজশাহী রয়্যালসবি১,৮০০,০০০আরাফাত সানিরংপুর রেঞ্জার্সসি১,২০০,০০০সোহাগ গাজীসিলেট থান্ডারসি১,৮০০,০০০রায়াদ এমরিতচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সসি৫০,০০০দাসুন শানাকাকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সবি৭০,০০০আসিফ আলীঢাকা প্লাটুনবি৭০,০০০নাজিবুল্লাহ জাদরানখুলনা টাইগার্সসি৫০,০০০মোহাম্মদ ইরফানরাজশাহী রয়্যালসবি৭০,০০০ক্যামেরন ডেলপোর্টরংপুর রেঞ্জার্সবি৭০,০০০নবীন-উল-হকসিলেট থান্ডারসি৫০,০০০সৈয়দ নুরুল হাসানচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সবি১,৮০০,০০০সানজামুল ইসলামকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সবি১,৮০০,০০০আরিফুল হকঢাকা প্লাটুনবি১,৮০০,০০০শামসুর রহমানখুলনা টাইগার্সসি১,২০০,০০০তাইজুল ইসলামরাজশাহী রয়্যালসএ২,৫০০,০০০তাসকিন আহমেদরংপুর রেঞ্জার্সবি১,৮০০,০০০রনি তালুকদারসিলেট থান্ডারবি১,৮০০,০০০এনামুল হক জুনিয়রচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সডি৮০০,০০০আবু হায়দারকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সবি১,৮০০,০০০মমিনুল হকঢাকা প্লাটুনএ২,৫০০,০০০সাইফ হাসানখুলনা টাইগার্সসি১,২০০,০০০অলোক কাপালিরাজশাহী রয়্যালসসি১,২০০,০০০জাকির হাসানরংপুর রেঞ্জার্সসি১,২০০,০০০নাঈম হাসানসিলেট থান্ডারবি১,৮০০,০০০মুক্তার আলীচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সসি১,২০০,০০০মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সডি৮০০,০০০শুভাগত হোমঢাকা প্লাটুনবি১,৮০০,০০০মেহেদী হাসানখুলনা টাইগার্সবি১,৮০০,০০০কামরুল ইসলাম রাব্বিরাজশাহী রয়্যালসবি১,৮০০,০০০ফজলে মাহমুদরংপুর রেঞ্জার্সবি১,৮০০,০০০দেলোয়ার হোসেনসিলেট থান্ডারসি১,২০০,০০০পিনাক ঘোষচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সডি৮০০,০০০সুমন খানকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সডি৮০০,০০০মাশরাফি বিন মর্তুজাঢাকা প্লাটুনএ+৫,০০০,০০০শহীদুল ইসলামখুলনা টাইগার্সসি১,২০০,০০০ইরফান শুক্কুররাজশাহী রয়্যালসসি১,২০০,০০০নাদিফ চৌধুরীরংপুর রেঞ্জার্সসি১,২০০,০০০মনির হোসেনসিলেট থান্ডারসি১,২০০,০০০নাসুম আহমেদচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সই৫০০,০০০ফারদিন হাসান অনিকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সডি৮০০,০০০রকিবুল হাসানঢাকা প্লাটুনসি১,২০০,০০০তানভীর ইসলামখুলনা টাইগার্সডি৮০০,০০০মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদিরাজশাহী রয়্যালসডি৮০০,০০০রিশাদ হোসেনরংপুর রেঞ্জার্সরুয়েল মিয়াসিলেট থান্ডারডি৮০০,০০০জুনায়েদ সিদ্দিকীচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সসি১,২০০,০০০জাকের আলীঢাকা প্লাটুনসি১,২০০,০০০আলিস ইসলামখুলনা টাইগার্সডি৮০০,০০০নাহিদুল ইসলামরাজশাহী রয়্যালসসি১,২০০,০০০সঞ্জিত সাহারংপুর রেঞ্জার্সডি৮০০,০০০রিয়ান বার্লচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সসি৩০,০০০শহীদ আফ্রিদিঢাকা প্লাটুনএ+১০০,০০০জুনায়েদ খানরংপুর রেঞ্জার্সসি৩০,০০০রহমানুল্লাহ গুরবাজখুলনা টাইগার্সডি২০,০০০জীবন মেন্ডিসসিলেট থান্ডারসি৩০,০০০ইমাদ ওয়াসিমচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সবি৫০,০০০লুইস রাইসঢাকা প্লাটুনডি২০,০০০ সরাসরি স্বাক্ষর খেলোয়াড়দলশ্রেণিপ্রকৃত মূল্যটীকা/সূত্রলেন্ডল সিমন্সচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স colspan=2 জুবায়ের হোসেনচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সডি৮০০,০০০আন্দ্রে রাসেলরাজশাহী রয়্যালস colspan=2 শোয়েব মালিকরাজশাহী রয়্যালস colspan=2 শেলডন কট্রিলসিলেট থান্ডারবি৫০,০০০ইবাদত হোসেনসিলেট থান্ডারসি১,২০০,০০০ মুহাম্মদ মুসাচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সডি২০,০০০মোহাম্মদ সামিসিলেট থান্ডারডি২০,০০০মোহাম্মাদ শেহজাদরংপুর রেঞ্জার্সবি৫০,০০০শাই হোপ এর পরিবর্তেআন্দ্রে ফ্লেচারসিলেট থান্ডারবি৫০,০০০টম আবেলরংপুর রেঞ্জার্সসি৩০,০০০চাদউইক ওয়ালটনচট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সসি৩০,০০০কৃষমার স্যান্তোকিসিলেট থান্ডারডি২০,০০০শেলডন কট্রিল-এর পরিবর্তেইফরান হোসেনকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সডি৮০০,০০০ভানুকা রাজাপক্ষ্মকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সসি৩০,০০০শাদাব খানঢাকা প্লাটুন colspan=2 স্টিয়ান ফন জিলকুমিল্লা ওয়ারিয়র্সডি২০,০০০ওয়ানিদু হাসারাঙ্গাখুলনা টাইগার্সবি৫০,০০০ আব্দুল মজিদসিলেট থান্ডারসি১,২০০,০০০নাজমুল হোসেন মিলনসিলেট থান্ডারডি৮০০,০০০ দ্রষ্টব্য: প্রত্যক্ষ স্বাক্ষরিত খেলোয়াড়দের শ্রেণি এবং প্রকৃত মূল্যগুলি এখানে প্রযোজ্য নয়। নির্দিষ্ট খেলোয়াড় খসড়ার জন্য সাই-আপ করেছে কিনা তা এখানে দেখানোর হয়েছে মাত্র। নোট আরো দেখুন ২০১৯-২০ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:২০১৯-২০ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
|
স্ট্রেঞ্জার থিংস হল ডাফার ভ্রাতৃদ্বয় দ্বারা নির্মিত, লিখিত এবং পরিচালিত একটি মার্কিন কল্পবিজ্ঞান-ভৌতিক ওয়েব টেলিভিশন ধারাবাহিক। ডাফ ভ্রাতৃদ্বয়, শন লেভি এবং ড্যান কোহেন হল এই ধারাবাহিকের নির্বাহী প্রযোজক। এই ধারাবাহিকের প্রথম মৌসুম ২০১৬ সালে মুক্তি পায়, এবং এটির প্রধান অভিনেতারা হলেন উইনোনা রাইডার, ডেভিড হারবার, ফিন উল্ফহার্ড, মিলি ববি ব্রাউন, গেটন ম্যাটার্যাজো, কেলেব ম্যাকলখলিন, ন্যাটালিয়া ডায়ার, চার্লি হিটন, কারা বুয়োনো, ম্যথিউ মোডাইন, নোয়া শ্ন্যাপ এবং জো কিরি। দ্বিতীয় মৌসুমে শ্ন্যাপ এবং কিরিকে ধারাবাহিকে নিয়মিত করে দেওয়া হয়, এবং স্যাডি সিঙ্ক, ডেকার মন্টগোমেরি, শন অ্যাস্টিন এবং পল রেইজার নতুন চরিত্রে যোগ দেন। তৃতীয় মৌসুমে মায়া হক এই ধারাবাহিকে যোগ দেন। ধারাবাহিকটির প্রেক্ষাপট হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একটি কাল্পনিক শহর হকিন্স। প্রথম মৌসুমটি হকিন্স শহরে বিভিন্ন অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার মধ্যে এক অল্প বয়স্ক ছেলের অন্তর্ধান রহস্যের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে। দ্বিতীয় মৌসুমটি প্রথমটির এক বছর পরের ঘটনা, এবং এর বিষয়বস্তু হল প্রথম মৌসুমের ঘটনাগুলি কীভাবে চরিত্রগুলির উপর প্রভাব ফেলে এবং তারা কীভাবে সেগুলি থেকে সামলে ওঠে। তৃতীয় মৌসুমটির সময়কাল হলো ১৯৮৫ সালের মাঝামাঝি সময়। ডাফার ভ্রাতৃদ্বয়রা ধারাবাহিকটি অনুসন্ধানমূলক নাটকের পাশাপাশি শিশুসুলভ ভাবপ্রবণতার সঙ্গে অতিপ্রাকৃতিক উপাদানগুলির একটি সংমিশ্রণে তৈরি করেছেন, এবং ১৯৮০-র দশকের একটি সময়সীমা প্রতিষ্ঠা করে সেই দশকের পপ সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। ধারাবাহিকটির বেশকিছু বিষয় এবং নির্দেশনামূলক দিক স্টিভেন স্পিলবার্গ, জন কারপেন্টার, স্টিভেন কিং সহ অন্যান্যদের কাজ এবং বিভিন্ন চলচ্চিত্র, অ্যানিমে এবং ভিডিও গেমের দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং নান্দনিকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। প্রথম মৌসুমটি নেটফ্লিক্সে ১৫ই জুলাই ২০১৬ সালে মুক্তি পায়। ধারাবাহিকটির চরিত্রায়ন, গতি, পরিবেশায়ন, অভিনয়, আবহ সঙ্গীত, নির্দেশনা, লিখন এবং ১৯৮০-র চলচ্চিত্রের রীতিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে। ৩১ শে আগস্ট, ২০১৩ তারিখে নেটফ্লিক্স ৯টি পর্বের একটি দ্বিতীয় মৌসুমের জন্য ধারাবাহিকটি পুনর্নবনীকরণ করে এবং ২৭শে অক্টোবর, ২০১৭ তারিখে সেটা মুক্তি পায়। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে নেটফ্লিক্স তৃতীয় মৌসুমের অনুমোদন দেয়, এবং ৮টি পর্বের এই মৌসুমের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে,এবং এর প্রথম পর্বটি মুক্তি পাবে ৪ঠা জুলাই, ২০১৯। ডাফার ভ্রাতৃদ্বয়েরা জানিয়েছেন যে ধারাবাহিকটি চতুর্থ অথবা পঞ্চম মৌসুমে সমাপ্তি পাবে। ধারাবাহিকটি এখন অবধি অনন্য নাট্য ধারাবাহিক সহ ৩১টি এমি পুরস্কার, ৪টি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার মনোনয়ন এবং ২০১৬ সালে নাট্যধর্মী ধারাবাহিকের অভিনেতামন্ডলি দ্বারা অনন্য অবদান-এর জন্য স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার পেয়েছে। কাহিনী সংক্ষেপ স্ট্রেঞ্জার থিংস-এর প্রেক্ষাপট হল ১৯৮০-র দশকের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের কাল্পনিক শহর হকিন্স। নিকটবর্তী হকিন্স জাতীয় গবেষণাগার আপাতদৃষ্টিতে ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জির হয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা করে, কিন্তু গোপনে প্যারানরমাল এবং অতিপ্রাকৃতি বিষয়ক গবেষণা করে থাকে, এমনকি এমন গবেষণা করে যেখানে মানুষের উপর বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। অজান্তেই তারা বিকল্প আয়ামের যাওয়ার দ্বার সৃষ্টি করে ফেলেছেন, যার নাম দেওয়া হয়েছে "দি আপসাইড ডাউন"। এই "আপসাইড ডাউন" হকিন্সের অনবগত বাসিন্দাদের জীবনে উপর দুর্ঘটনাপ্রবন প্রভাব ফেলতে থাকে। প্রথম মৌসুমের গল্প শুরু হয় নভেম্বর ১৯৮৩-তে, যখন উইল বায়ার্সকে আপসাইড ডাউনের এক জীব অপহরণ করে, এবং তার মা, জয়েস বায়ার্স, এবং হকিন্সের পুলিশ প্রধান জিম হপার উইলের খোঁজ করা শুরু করে। একই সময় ইলেভেন (এগারো) নামে এক সাইকোকাইনেটিক ক্ষমতা সম্পন্ন এক যুবতী সেই গবেষণাগার থেকে পালিয়ে যায় এবং উইলকে খুঁজে পাওয়ার জন্য উইলের বন্ধু মাইক, ডাস্টিন এবং লুকাসকে সহায়তা করে। দ্বিতীয় মৌসুমের ঘটনা শুরু হয় এক বছর পরে, ১৯৮৪ সালের অক্টোবর মাস থেকে। উইলকে উদ্ধার করা হয়েছে, তবে তার হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাগুলির বিস্তারিত কম লোক জানেন। যখন এটি আবিষ্কৃত হয় যে উইল এখনও আপসাইড ডাউনের বিভিন্ন সত্তা দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে, তার বন্ধুরা এবং পরিবার জানতে পারে যে তাদের এই বিশ্বের জন্য আরও বড়ো বিপদ আপসাইড ডাউনে বিদ্যমান। তৃতীয় মৌসুমের ঘটনা আরও কয়েক মাস পরে, ১৯৮৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে, চলচ্চিত্রে ব্যাক টু দ্য ফিউচারের জনপ্রিয়তার প্রেক্ষাপটে। মাইক আর ইলেভেনের মধ্যে এবং লুকাস আর বিলির সৎ-বোন ম্যাক্সের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। অভিনেতা এবং চরিত্রসমূহ thumb| ২০১৭ সান ডিয়েগো কমিক-কন ইন্টারন্যাশানালে ডাফার ভ্রাতৃদ্বয়, শন লেভি এবং স্ট্রেঞ্জার থিংসের প্রধান অভিনেতামন্ডলি জয়েস বায়ার্সের ভূমিকায় উইনোনা রাইডার: জয়েস বায়ার্স হলেন উইল এবং জোনাথান বায়ার্সের মা। লনি বায়ার্সের সঙ্গে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। দ্বিতীয় মৌসুমে তিনি তাঁর উচ্চ-বিদ্যালয়ের সহপাঠি ববের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পরেছেন, মৌসুমের শেষের দিকে ববের মৃত্যুর আগে অবধি। তাঁর এবং হপারের একে অপরের প্রতি অনুভূতি আছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। জিম হপারের ভূমিকায় ডেভিড হারবার: জিম হপার হলেন হকিন্স পুলিশ বিভাগের কর্তা। ক্যান্সারে তার অল্প বয়স্কা কন্যা মারা যাওয়ার পর তিনি নিজের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটান এবং মদ্যাশক্ত হয়ে পড়েন। অবশেষে উইলকে বাঁচিয়ে এবং ইলেভেনকে দত্তক নিয়ে আরও দায়ীত্বশীল হয়ে ওঠেন। তাঁর এবং জয়েসের একে অপরের প্রতি অনুভূতি আছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মাইক হুইলারের ভূমিকায় ফিন উল্ফহার্ড: মাইক ক্যারেন এবং টড হুইলারের পুত্র, ন্যান্সি হুইলারের ছোট ভাই, এবং উইল বায়ার্সের তিন বন্ধুর মধ্যে একজন। সে একজন বুদ্ধিমান এবং বিবেকবান ছাত্র এবং তার বন্ধুদের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার ইলেভেনের প্রতি প্রেমানুভূতি গড়ে ওঠে। ইলেভেনের (ডাকনাম “এল”) ভূমিকায় মিলি ববি ব্রাউন: সে একজন সাইকোকাইনেটিক ক্ষমতা সম্পন্ন কম বয়সি এবং স্বল্পবক্তা মেয়ে। তার আসল নাম জেন এবং তার জন্মদাত্রী হলেন টেরি আইভস। হকিন্স গবেষণাগারে তার উপর গবেষণা করা হচ্ছিল এবং সেখান থেকে পালিয়ে সে উইল, ডাস্টিন এবং লুকাসের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে। তার মাইকের প্রতি প্রেমানুভূতি গড়ে ওঠে। ডাস্টিন হেন্ডার্সনের ভূমিকায় গেটন ম্যাটার্যাজো: ডাস্টিন উইল বায়ার্সের তিন বন্ধুর মধ্যে একজন। তার ক্লাইডোক্রেনিয়াল ডিসপ্লেসিয়ার জন্য সে আধো আধো উচ্চারণে কথা বলে। দ্বিতীয় মৌসুমে সে তার সামনের নতুন দাঁতের জন্য গর্বিত এবং ম্যাক্সের প্রতি আকৃষ্ট। লুকাস সিনক্লেয়ারের ভূমিকায় ক্যালেব ম্যাকলখলিন: লুকাস উইল বায়ার্সের তিন বন্ধুর মধ্যে একজন। প্রথমদিকে ইলেভেনের প্রতি সতর্ক থাকলেও পরে সে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নেয়। দ্বিতীয় মৌসুমে সে ম্যাক্সের ভালবাসার পাত্র হয়ে ওঠে। ন্যান্সি হুইলারের ভূমিকায় ন্যাটালিয়া ডায়ার: ন্যান্সি ক্যারেন এবং টড হুইলারের মেয়ে, মাইক হুইলারের দিদি। প্রথম মৌসুমে সে স্টিভ হ্যারিংটনের প্রেমিকা। দ্বিতীয় মৌসুমে ন্যান্সি জোনাথান বায়ার্সের প্রেমিকা হয়ে যায়। জোনাথান বায়ার্সের ভূমিকায় চার্লি হিটন: চার্লি জয়েস বায়ার্সের বড় ছেলে এবং উইল বায়ার্সের দাদা। সে স্বল্পবক্তা কিশোর, বিদ্যালয়ে একজন বহিরাগত হিসাবে গন্য হয়, এবং একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী চিত্রগ্রাহক। তার মায়ের এবং ভাইয়ের সঙ্গে তার খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং দ্বিতীয় মৌসুমে সে ন্যান্সির প্রেমিক হয়ে যায়। ক্যারেন হুইলারের ভূমিকায় কারা বুয়োনো: ইনি ন্যান্সি, মাইক এবং ছোট্ট হলির মা এবং টড হুইলারের স্ত্রী। মার্টিন ব্রেনারের ভূমিকায় ম্যথিউ মোডাইন: ইনি হলেন হকিন্স গবেষণাগারের বৈজ্ঞানিক। তিনি ধান্দাবাজ এবং উদাসীন। তিনি এবং তাঁর দল ইলেভেনকে খুঁজছে। দ্বিতীয় মৌসুমে তাঁকে পুনরায় অল্প সময়ের জন্য দেখা যায়। উইল বায়ার্সের ভূমিকায় নোয়া শ্ন্যাপ: উইল হল জয়েস বায়ার্সের ছোট ছেলে এবং জোনাথান বায়ার্সের ভাই। হকিন্স গবেষণাগারের বৈজ্ঞানিক দ্বারা আবিষ্কৃত বিকল্প আ্য়াম "আপসাইড ডাউন"-এর দানব তাকে অপহরণ করে। প্রথম মৌসুমে অল্প সময়ের জন্য দেখা গেলেও দ্বিতীয় মৌসুমে তাকে নিয়মিতভাবে দেখতে পাওয়া যায়। ম্যাক্সাইন "ম্যাক্স" মেফিল্ডের ভূমিকায় স্যাডি সিঙ্ক: ম্যাক্স বা "ম্যডম্যাক্স" হল বিলির ছোট সৎবোন, এবং লুকাস এবং ডাস্টিন উভয়েরই নজরে আসে। ম্যাক্সকে আমরা দ্বিতীয় মৌসুমে দেখতে পাই। স্টিভ হ্যারিংটনের ভূমিকায় জো কিরি: স্টিভ উচ্চ-বিদ্যালয়ের এক জনপ্রিয় ছাত্র এবং ন্যান্সি হুইলারের প্রেমিক। প্রথমদিকে জোনাথান বায়ার্সকে বিরক্ত করে, পরে সে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে নেয়। প্রথম মৌসুমে ন্যন্সির প্রেমিক থাকলেও দ্বিতীয় মৌসুমে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। প্রথম মৌসুমে অল্প সময়ের জন্য দেখা গেলেও দ্বিতীয় মৌসুমে তাকে নিয়মিতভাবে দেখতে পাওয়া যায়। বিলি হারগ্রোভের ভূমিকায় ডেকার মন্টগোমেরি: বিলি হল ম্যাক্সের হিংসাত্মক এবং মেজাজী দাদা। তাকে দ্বিতীয় মৌসুমে দেখতে পাওয়া যায়। সে স্টিভের জনপ্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ জানায়। ববি নিউবির ভূমিকায় শন অ্যাস্টিন: বব জয়েস বায়ার্স এবং জিম হপারের প্রাক্তন সতীর্থ। আমরা তাঁকে দ্বিতীয় মৌসুমে দেখতে পাই। সে হকিন্স রেডিওশ্যাক চালায়। তিনি জয়েসের প্রেমিক হওয়ার ফলে হপারের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ বাজে। স্যাম ওয়েনসের ভূমিকায় পল রেইজার: ইনি ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জির আধিকারিক। তিনি মার্টিন ব্রেনারের পরিবর্ত হিসাবে হকিন্স গবেষণাগারে অধিকর্তা হিসাবে এসেছেন। তিনি একগুঁয়ে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু হকিন্সের বাসিন্দাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তাঁকে আমরা দ্বিতীয় মৌসুমে দেখতে পাই। পর্বসমূহ মৌসুম ১ (২০১৬) মৌসুম ২ (২০১৭) মৌসুম ৩ (২০১৯) প্রযোজনা সম্প্রসার স্ট্রেঞ্জার থিংসের সৃষ্টিকর্তা হচ্ছেন ম্যাট এবং রস ডাফার, যাদের পেশাদারী নাম হচ্ছে "দ্য ডাফার ব্রাদার্স" বা ডাফার্স ভ্রাতৃদ্বয়। দুজনে ২০১৫ সালে তাদের হিডেন নামক চলচ্চিত্রের লেখার এবং প্রযোজনার কাজ শেষ করেন। এই চলচ্চিত্রে তারা এম নাইট শ্যামালানের শৈলী অনুকরণ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে চলচ্চিত্রটির পরিবেশক ওয়ার্নার ব্রাদার্সের অভ্যন্তরীন পরিবর্তনের ফলে চলচ্চিত্রটি তেমনভাবে প্রচার এবং মুক্তি পায়নি, এবং ভ্রাতৃদ্বয়েরা তাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে অনিশ্চিত হয়ে পরেন। তবে তাদেরকে অবাক করে দিয়ে হিডেনের চিত্রনাট্য টেলিভিশন প্রযোজক ডোনাল্ড ডি লাইনের মনে প্রভাব ফেলে এবং তিনি তাদের ওয়েওয়ার্ড পাইন্সে শ্যামালানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ করে দেন। এই ধারাবাহিকের প্রযোজনার কাজের সময়ে শ্যামালান তাদের পরামর্শদাতা হিসাবে কাজ করেন, এবং এই কাজ শেষে হওয়ার পরে ভ্রাতৃদ্বয়েরা মনে করেন যে তারা তাদের নিজস্ব টেলিভিশন ধারাবাহিকে কাজের জন্য তৈরি করতে প্রস্তুত। ডাফার ভ্রাতৃদ্বয়রা ধারাবাহিকটিকে কোন নেটওয়ার্কে বিপণন করার জন্য একটি ২০ পাতার বই এবং এমন একটি চিত্রনাট্য তৈরি করলেন যা ধারাবাহিকের পাইলট পর্বের অনুরূপ হবে। ডাফাররা পনেরটির বেশি কেবল নেটওয়ার্কে তাদের কাজটিকে দেখিয়েছিলেন, কিন্তু সব জায়গা থেকেই প্রত্যাখাত হয়ছিলেন। কারণ হিসাবে বলা হয়েছিল যে দর্শকরা প্রধান চরিত্র হিসাবে শিশুদের মেনে নেবে না, এবং তাদের বলা হলো হয় এটিকে শিশুদের জন্য ধারাবাহিক করা হোক অথবা শিশুচরিত্র সরিয়ে দিয়ে হপারের অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার তদন্তকে ধারাবাহিকের কেন্দ্রবিন্দু করতে। ২০১৫-এর শুরুর দিকে ২১ ল্যাপ্স এন্টার্টেইনমেন্টের সহসভাপতি ড্যান কোহেন চিত্রনাট্যটিকে তার সহকর্মি শন লেভির কাছে নিয়ে আসে। পরবর্তীকালে তারা ডাফার ভ্রাতৃদ্বয়েকে তাদের অফিসে ডাকেন এবং চিত্রনাট্যের সম্পূর্ণ কাহিনীকর্তৃত্ব ভাইয়েদের দিয়ে ধারাবাহিকের স্বত্ত কিনে নেন। পাইলট পর্বের চিত্রনাট্য পড়ার পর নেটফ্লিক্স সম্পূর্ণ মৌসুমটি অপ্রকাশিত মূল্যে কিনে নেন। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে নেটফ্লিক্স ধারাবাহিকটির ২০১৬ সালের মুক্তির পরিকল্পনার ব্যপারে ঘোষণা করে। ডাফার ভাইরা জানান যে যখন তারা ধারাবাহিকটি নেটফ্লিক্সে দেখান তখন নেটফ্লিক্স হাউজ অফ কার্ডস এবং অরেঞ্জ ইজ দ্য নিউ ব্ল্যাক এর মত মৌলিক ধারাবাহিকের জন্য স্বিকৃতি অর্জন করেছে, এবং নবাগত প্রযোজকদের সুযোগ দেওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে। ডাফার ভাইরা ধারাবাহিকটি লিখতে শুরু করেন এবং চরিত্রায়ন এবং চিত্রগ্রহণের কাজ শুরু করার জন্য লেভি এবং কোহেনকে নির্বাহী প্রযোজক হিসাবে নিয়ে আসেন। থাম্ব|right|মানটক বিপণনের জন্য ডাফার ভাইদের তৈরি বইয়ের প্রচ্ছদ; স্টিফেন কিং-এর ফায়ারস্টার্টার-এর মতো বিভিন্ন বইয়ের প্রচ্ছদ হচ্ছে এর অনুপ্রেরণা প্রথমে ধারাবাহিকটির ঘটনাস্থল ছিল নিউ ইয়র্কের মানটক এবং পার্শ্ববর্তী লং আইল্যান্ড, এবং সেই কারণে এর নাম রাখা হয়েছিল মানটক। মানটককে বেছে নেওয়ার কারণ ছিল স্টিভেন স্পিলবার্গের জস চলচ্চিত্রটির শুটিং এইখানেই হয়েছিল। পরে ঘটনাস্থলকে হকিন্স নামক কাল্পনিক শহরে পরিবর্তন করার ফলে ভ্রাতৃদ্বয়েরা মনে করেছিলেন যে তারা এটির সদব্যবহার করতে পারবেন এবং এই শহরে কোয়ারেন্টাইনের মতো এমন কিছু পরিস্থিতি গল্পে আনতে পারবেন যা বাস্তবের শহরে চলচ্চিত্রায়ন করা সম্ভব হতো না। গল্পের অবস্থান পরিবর্তনের ফলে নেটফিক্সের টেড সারান্দোসের নির্দেশে জনসাধারণের কাছে এটি প্রচার করার জন্য তাদের ধারাবাহিকের নতুন শিরোনাম ভাবতে হয়ছিলো। ডাফাররা প্রথমে শিরোনামের ফন্ট এবং রূপ বিবেচনা করার জন্য স্টিভেন কিঙের ফায়ারস্টার্টার উপন্যাসটির প্রচ্ছদ বেছে নিয়েছিলেন এবং সম্ভাব্য বিকল্প নামের দীর্ঘ তালিকা তৈরি করেছিলেন। স্টিভেন কিঙের অন্য একটি উপন্যাস নীডফুল থিংসের অনুরূপ হওয়ায় স্ট্রেঞ্জার থিংস নামটা বাছাই করা হয়েছিলো, তবে ম্যাট ডাফারের জানিয়েছিলন যে এই নামটা চূড়ান্ত করতে অনেক বাকবিতন্ডা করতে হয়েছিলো। ধারাবাহিকটির চরিত্র বোঝানোর জন্য এবং বিপণনের জন্য ডাফার ভাইরা ১৯৮০-র দশকেবিভিন্ন চলচ্চিত্র, যেমন ইটি দি এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল, ক্লোজ এনকাউন্টারস অফ দ্য থার্ড কাইন্ড, পোল্টারগাইস্ট, হেলরেইজার (চলচ্চিত্র), স্ট্যান্ড বাই মি, ফায়ারস্টার্টার, এ নাইটমেয়ার অন এল্ম স্ট্রিট, এবং জসের মতো চলচ্চিত্র থেকে চিত্র, ফুটেজ এবং সঙ্গীত প্রদর্শন করেছিলেন। মুক্তি দর্শকদের দ্বারা স্বীকৃতি অন্যান্য মিডিয়ায় স্ট্রেঞ্জার থিংস মামলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Screencraft.org থেকে ডাফার ভ্রতৃদ্বয়ের "show bible"-এর বিশ্লেষণ বিষয়শ্রেণী:২০১০-এর দশকের মার্কিন নাট্য টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:ইংরেজি ভাষায় নেটফ্লিক্সের মৌলিক অনুষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:শিশুদের সম্পর্কে টেলিভিশন ধারাবাহিক বিষয়শ্রেণী:নেটফ্লিক্সের টেলিভিশন ধারাবাহিক
|
{| |- | |} This route map: |} Underground portion is not indicated. Once part of the system is finished in the real world, please change the prefix of icon ID from "uex" to "u" for above ground section (or use the "-ELEV" set for elevated section;) "ut" for underground section. There will be 3 interconnected routes running on this system, sharing rail tracks of each other. They are "Grushebaya Polyana - Olimpiyskaya Derevnya (Olympic Village,)" "Grushebaya Polyana - Zheleznodorozhny Vokzal Sochi" and "Olimpiyskaya Derevnya - Mamayka." Route names or order are not yet confirmed by official. Internal links should be repaired once the respective station article is written in English Wikipedia. Category:সুচি লাইট মেট্রো
|
এস এম মতিউর রহমান এএফডব্লিউসি, পিএসসি, একজন থ্রি-স্টার পদমর্যাদার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অফিসার, একজন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল। সর্বশেষ তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইতিপূর্বে তিনি জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডক্টরিন কমান্ড (জিওসি এআরটিডিওসি), ময়মনসিংহ সেনানিবাস এর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ট্রাস্ট ব্যাংক এর পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন। তিনি ৫৫তম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) এবং যশোর এলাকার এরিয়া কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দাউদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে ও যশোর গলফ ক্লাবের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (সিটিআইবি) প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৪৬তম স্বাধীন পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ জেনারেল মতিউর ১৩তম বিএমএ দীর্ঘ কোর্সে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে পদাতিক বাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। তিনি দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। জেনারেল মতিউর তার প্রথম ক্যারিয়ারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার ফোর্ট বেনিং এয়ার বোর্ন কোর্সে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড টেকটিক্স স্কুল থেকে জাম্প মাস্টার কোর্স এবং ফ্রি ফল কোর্স সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম অগ্রণী কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি মালয়েশিয়া থেকে জঙ্গল অপারেশন কোর্স সম্পন্ন করেছেন। জেনারেল মতিউর ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজ থেকে স্নাতক হন। একই সময়ে, তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাক্রমে ২০০০ এবং ২০০৭ সালে মাস্টার্স ইন ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস) এবং মাস্টার্স ইন ওয়ার স্টাডিজ (এমডব্লিউএস) সম্পন্ন করেন। কর্মজীবন জেনারেল তার কর্মজীবনে ব্যাটালিয়ন, ব্রিগেড এবং ডিভিশন পর্যায়ে বিভিন্ন কমান্ড এবং কর্মী নিয়োগে ভূষিত হন। এছাড়াও, তিনি বহু বছর ধরে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি এবং ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিক্স স্কুলে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং এইভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতাদের তৈরি ও সাজাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। জাতিসংঘ মিশন যখন তিনি মেজর ছিলেন তখন ১৯৯৫-১৯৯৬ সালে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এ অংশ নিয়েছিলেন। তিনি ২০০৮-২০০৯ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে আইভরি কোস্টে একটি বাংলাদেশী সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেন। র্যাব কর্নেল হিসেবে তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) নিয়োগ করেন। তার অধীনে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দক্ষিণ এশিয়া এর অন্যতম প্রধান সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদ এর সন্দেহভাজন সদস্যদের ধরে নিয়েছে। সেনাবাহিনী লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র প্যারা-কমান্ডো ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ছিলেন। যখন তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত হন, তখন তিনি ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্রিগেড - ৪৬তম স্বাধীন পদাতিক ব্রিগেড কমান্ড করেন। তিনি ৫৫তম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অ্যাসল্ট রিভার ক্রসিং ২০১৬ আয়োজন করেছিলেন, যেখানে সেনাবাহিনী প্রথমবারের মতো ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুর অবস্থান শনাক্ত করে। তিনি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে সেনাবাহিনীর সদর দফতরে অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে যোগদান করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে তিনি আর্মি হাউজিং স্কিম, ক্যাডেট কলেজের গভর্নিং বডি, ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস এবং ট্রাস্ট টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান। তিনি সেন কল্যাণ সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান এবং সেনা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং সেনা হোটেল ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বের সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। সিটিআইবি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিসেবে তিনি কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (সিটিআইবি), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এর একটি শিশু এজেন্সির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করছেন। ব্যক্তিগত জীবন মতিউর সৈয়দা তৌহিদা আজিজের সাথে বিবাহিত এবং দুই সন্তানের(মিনার ও রোজা)জনক। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জেনারেল বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সেনা কর্মকর্তা বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫-এ জন্ম
|
পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন, ১৯০০ (১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের আইন-১) যা পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়াল নামেই অধিক পরিচিত। এটি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি আইন যা মূলত বর্তমান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রামকে কীভাবে পরিচালনা করতে হবে সেই সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে তৈরি। ১৮৬০ সালে গৃহীত পূর্ববর্তী আইনটি যথেষ্ট নয়- সরকারের এই উপলব্ধি থেকেই সেই আইনের জায়গায় এই আইনটি গৃহীত হয়েছিল। আইনটি গ্রহণের পর থেকে এটিতে বর্ণিত নির্দেশনা অনুযায়ীই পার্বত্য চট্টগ্রামে শাসনকার্য পরিচালিত হতো। ১৯০০ সালের ৬ই জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশনে গভর্নর জেনারেল সম্মতি প্রদান করেন এবং খবরটি একই বছরের ১৭ই জানুয়ারি কলকাতা গেজেটে প্রকাশিত হয়। নতুন রেগুলেশনটি ১৯০০ সালের মে মাস থেকে কার্যকর হয়। এতে নিয়ন্ত্রকের পুরোনো পদটি ফিরিয়ে আনা হয় এবং পূর্ববর্তী সকল নিয়ম বাতিল করা হয়। ১৯২০ সালে রেগুলেশনটি সংশোধন করে নিয়ন্ত্রককে জেলা প্রশাসক হিসাবে পুনর্বহাল করা হয় এবং নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব গভর্নর এবং তাঁর কার্যনির্বাহী পরিষদের উপর অর্পিত হয়। এর আগে ১৮৮১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে পুলিশ বাহিনীর জন্য় কার্যকর প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম ফ্রন্টিয়ার (সীমান্তবর্তী) পুলিশ রেগুলেশন গৃহীত হয়। এই বাহিনীটি ছিল প্রায় একচেটিয়াভাবে উপজাতীয় লোকদের সমন্বয়ে গঠিত। এই ফ্রন্টিয়ার পুলিশ রেগুলেশনও পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়ালের একটি অংশ হয়ে যায়। প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়ালটির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি ছিলঃ পার্বত্য চট্টগ্রামে কোন অ-পাহাড়ী ব্যক্তি (পার্বত্য এলাকায় বসবাস করেন না এমন ব্যক্তি) প্রবেশ করতে পারবেন না যদি না তিনি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বিবেচনার ভিত্তিতে প্রদত্ত অনুমতিপত্রের মালিক হন। জেলার উপজাতি (অবাঙালি) নয় এমন কোন ব্যক্তি জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে শাসনকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে অন্তরায়/ ক্ষতিকারক বলে প্রমাণিত হলে জেলা প্রশাসক সেই ব্যক্তিকে বহিষ্কার করার অধিকার রাখেন। আইনজীবিদের পার্বত্য চট্টগ্রামের যে কোনও আদালতে হাজির হওয়া নিষিদ্ধ। ভবিষ্যতে কাউকেই এর বেশি পরিমাণ জমি রাখার অনুমতি দেওয়া হবে না (এক ইজারার অধীনে কিংবা একাধিক ইজারার অধীনে)। এবং ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে জমি কেবল পাহাড়ি পুরুষদেরই দেওয়া যেতে পারে। তবে কোন অ-পাহাড়ী কৃষক যদি কোন পাহাড়ি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হন তবে তাকে ঐ গ্রামে ইজারা দেওয়া যেতে পারে। রাজস্বগ্রহণ ও অন্যান্য সাধারণ কারণে সৃষ্ট দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য পরিচালনা জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামকে জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হল। এর পাশাপাশি জেলা প্রশাসককে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদের অধিকারী করা হলো এবং যেকোন দেওয়ানি ফৌজদারি মামলার আসামি, রাজস্ব এবং অন্যান্য সকল বিষয়ের অভিযুক্ত নাগরিকদের বিচারকার্য পরিচালনার ভার তাঁর উপরেই ন্যস্ত থাকবে। পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি দায়রা-আদালত এবং কমিশনারকে দায়রা জজ এর দায়িত্ব দেয়া হল। ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির কোড অনুসারে মামলায় ফাঁসির দন্ড প্রদানের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার উচ্চ আদালতের ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকারী হবেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে কার্যরত সকল কর্মকর্তাগণ জেলা প্রশাসকের অধীনস্থ থাকবেন যিনি সেখানকার যেকোন কর্মকর্তার যেকোন আদেশ সংশোধন করার জন্য অনুমতিপ্রাপ্ত হলেন। আর জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশ সংশোধন করার জন্য কমিশনারকে অনুমতি দেয়া হল। এই রেগুলেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কার্যকর করার জন্য স্থানীয় সরকার নতুন আইন তৈরি করতে পারবেন। নিবন্ধকরণ আইন-১৯০৮ পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। রেগুলেশনের ১২-৩৩ নং বিধিসমূহ নিবন্ধকরণ আইনের নীতিমালা সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে নিয়ে রচিত। তিনটি সার্কেলের তিনজন সার্কেল প্রধানকে তাদের নিজ নিজ সার্কেলের প্রশাসনের জন্য নিযুক্ত করা হবে। একটি সার্কেলে বসবাসকারী বা চাষাবাদকারী প্রত্যেক ব্যক্তি সরকারী কর্মকর্তা, তার পরিবার, ব্যবসায়ী ও বাজারের দোকানদারদের নিকট দায়বদ্ধ না থেকে বরং সার্কেল প্রধান বা রাজার এখতিয়ারের অধীন থাকবেন। হেডম্যানরা মৌজা (একটি জেলার রাজস্ব আদায়ের ক্ষুদ্রতম একক) প্রশাসনের নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন এবং তারা উপ-বিভাগীয় কর্মকর্তা, সার্কেল প্রধান বা রাজা এবং মৌজার বাসিন্দাদের পরামর্শে ডিসি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন। হেডম্যানের সুপারিশ ব্যতীত কোন জমি সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি বা হস্তান্তর করা যাবে না। তবে বর্তমান সময়ে এই বিধান এবং পাহাড়ির স্বার্থরক্ষার জন্য প্রবর্তিত পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়াল সংক্রান্ত অন্যান্য বিধানগুলিকে অনুসরণের চেয়ে বরং সমালোচনাই বেশি করা হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলাটি দুটি মহকুমা (রাঙামাটি এবং রামগড়) এ বিভক্ত ছিল। এবং এদের প্রত্যেকটিকে উপ-বিভাগীয় কর্মকর্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। তবে ১৯৫২ সালে বান্দরবান একটি মহকুমা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৯৮১ সালে এটিকে একটি জেলা করা হয়। ১৯৭০ সালের জানুয়ারিতে রামগড় মহকুমার সদরদপ্তর রামগড় থেকে খাগড়াছড়িতে স্থানান্তরিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে সেটিকেও জেলা করা হয়। এভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম তিনটি জেলায় বিভক্ত হয়ে যায়। জেলা প্রশাসনের সাথে সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে ডিসিকে সার্কেল প্রধানদের সাথে পরামর্শ করতে হত। এই উদ্দেশ্যেবছরে কমপক্ষে দু'বার ডিসির সভাপতিত্বে একটি সভার আয়োজন করা হত, যেখানে সার্কেল প্রধান বা তাদের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হতো। ম্যানুয়ালটি প্রয়োগের ফলাফল ম্যানুয়ালটি কার্যকর করার ফলে রানী কালিন্দীর নির্মিত পুরানোতালুকগুলি (একটি নির্দিষ্ট প্রশাসনিক অঞ্চল) বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল এবং সার্কেলগুলিকে মৌজাতে বিভক্ত করা হয়েছিল। একজন হেডম্যানকে একটি মৌজার দায়িত্বে নিযুক্ত করা হয়েছিল। একজন কারবারি (গ্রামপ্রধান) একটি গ্রামের দায়িত্বে থাকতেন এবং বেশ কয়েকটি গ্রাম নিয়ে একটি মৌজা গঠন করা হয়েছিল। প্রত্যেক হেডম্যান জুম থেকে খাজনা আদায় করে সার্কেল প্রধানকে প্রদান করতেন। সার্কেল প্রধান খাজনা সংগ্রহের পরে উপ-বিভাগীয় কর্মকর্তা বা ডিসির নিকট চাষাবাদবাবদ খাজনা প্রদান করতেন। সার্কেল প্রধানের নিজস্ব বিনিয়োগকারীরা বাংলা সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হতেন। আরো দেখুন পার্বত্য চট্টগ্রাম সংঘাত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি পার্বত্যা চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি বোমাং সার্কেল চাকমা সার্কেল মং সার্কেল তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীতে বাংলাদেশ বিষয়শ্রেণী:পার্বত্য চট্টগ্রাম সংঘাত বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ ভারত বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম বিভাগের ইতিহাস বিষয়শ্রেণী:বাংলার ইতিহাস বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রামের ইতিহাস বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ ভারতের সরকার
|
এ এম ফজিল (; জন্মঃ ১৯৫৩, কেরল) হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা, চলচ্চিত্র প্রযোজক, এবং চিত্রনাট্যকার। তিনি মালায়ালম সিনেমায় তার কাজের জন্য সুপরিচিত। প্রাথমিক জীবন তার পিতা তাকে একজন ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু স্কুল ও কলেজের পাঠ্য বহির্ভূত কার্যক্রম তার পঠনে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তিনি নাটক লিখেছেন এবং তার বন্ধুদের সঙ্গে মঞ্চস্থ করেন এবং এই দল সম্ভবত জনতাকে আনন্দ দিতে সমর্থ্য হয়েছিল। কর্মজীবন ১৯৮০র দশকের পর থেকে ফজিল ৩০টিরও বেশি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। তিনি অসংখ্য মালায়ালম চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি তামিল চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। ব্যক্তিগত জীবন ফজিল রোজিনাকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির চারটি সন্তান রয়েছে। পুত্র ফাহাদ ফজিল এবং ইসমাইল ফজিল, কন্যা আহমদো এবং ফাতিমা। তার পুত্র ফাহাদ ফজিল মালায়ালম সিনেমার একজন সুপরিচিত অভিনেতা। চলচ্চিত্রের তালিকা নির্দেশিত ছায়াছবি বছর ছায়াছবি ভাষা শ্রেষ্ঠাংশে ২০১১ লিভিং টুগেদার মালায়ালম হেমন্ত, জিনোপ ক্রিসান, শ্রীলেখা, শ্রীজিত বিজয় ২০০৯ মস এন্ড ক্যাট মালায়ালম দিলীপ, বেবী নিবেদীতা, অশ্বতী অশোক, রহমান ২০০৫ ওরু নাল ওরু কানাবু তামিল শ্রীকান্ত, সোনিয়া আগরওয়াল ২০০৪ বিশ্বজাথুমবাথু মালায়ালম মোহনলাল, নয়নতারা, মুখেশ প্রযোজিত ছায়াছবি বছর ছায়াছবি ভাষা শ্রেষ্ঠাংশে ২০০৪ বিশ্বজাথুমবাথু মালায়ালম মোহনলাল, নয়নতারা, মুখেশ ২০০৩ ক্রোনকিক ব্যাচেলার মালায়ালম মাম্মূত্তী, রম্ভা, মুখেশ, ভাবনা পুরস্কার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ১৯৯৩ – শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় চলচ্চিত্র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পথ্য বিনোদন প্রদান - মনিচিত্রাথাজু কেরালা রাজ্য ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস ১৯৯৩: শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় চলচ্চিত্র জন্য কেরালা স্টেট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড - মনিচিত্রাথাজু ১৯৮৬: জনপ্রিয় এবং নান্দনিক মানের সঙ্গে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র - এন্নিন্নুম কান্নেত্তেন্তে ১৯৭৪: জনপ্রিয় এবং নান্দনিক মানের সঙ্গে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র - নক্কেথা ধুরেথু কান্নুম নাততু ১৯৮৩: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র - ইন্তিমামাত্তিক্কুত্তিয়াম্মক্কু ১৯৮৩: শ্রেষ্ঠ পরিচালক - ইন্তি মৃমৃত্তিক্কু্ট্টিয়াম্মাক্কু ১৯৮০: জনপ্রিয় এবং নান্দনিক মানের সঙ্গে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র - মনজিল বিরিনজা পুক্কাল ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস সাউথ ১৯৮৫: তামিল মধ্যে শ্রেষ্ঠ পরিচালক - পুভ পচুদাভাhttp://books.google.co.in/books?id=Q5UqAAAAYAAJ&q=payanangal+mudivathillai&dq=payanangal+mudivathillai&hl=en&ei=qh_STfOvG8HRrQfntrG2CQ&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=2&ved=0CC8Q6AEwAQ আরও দেখুন সেলিম আহমেদ ড্যানিশ আসলাম তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:১৯৫৩-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:মালায়ালম চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:তামিল চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:কেরল রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় মুসলিম বিষয়শ্রেণী:ফিল্মফেয়ার পুরস্কার দক্ষিণ বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:পরিছন্ন বিনোদন প্রদানকারী জনপ্রিয় চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী পরিচালক বিষয়শ্রেণী:১৯৪৯-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:মালয়ালম চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:মালয়ালী ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর ভারতীয় নাট্যকার বিষয়শ্রেণী:কেরলের চলচ্চিত্র প্রযোজক
|
বিদ্যা চন্দ্র দেববর্মা (১১ এপ্রিল ১৯১৬, বেহালাবাড়ি - ১৮ জুন ২০১০, আগরতলা ) ছিলেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একজন কমিউনিস্ট রাজনীতিবিদ। ত্রিপুরার কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন বিশিষ্ট নেতা, দেববর্মা মোট নয় বছর জেলে এবং ১৩ বছর আন্ডারগ্রাউন্ড কর্মী হিসেবে কাটিয়েছেন। ছয়বারের রাজ্য বিধানসভার সদস্য এবং রাজ্য সরকারের মন্ত্রী, দেববর্মা কখনোই কোনো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাননি। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য ১৯৯৩-১৯৯৮ বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য ১৯৮৮-১৯৯৩ বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য ১৯৮৩-১৯৮৮ বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য ১৯৭৭-১৯৮৩ বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য ১৯৭২-১৯৭৭ বিষয়শ্রেণী:আগরতলার ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরী ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় বন্দী ও আটক বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরার ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) এর রাজনীতিবিদ বিষয়শ্রেণী:২০১০-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য ১৯৬৭-১৯৭২ বিষয়শ্রেণী:ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.