Dataset Viewer
Auto-converted to Parquet Duplicate
text
stringlengths
112
784k
থাম্ব|হার্জবার্গের কারণসমূহ হার্জবার্গের স্বাস্থ্য-প্রেষনা তত্ত্ব বা দ্বি-উপাদান তত্ত্ব অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রের কিছু নির্দিষ্ট বিষয়াদি কাজের সন্তুষ্টির সাথে জড়িত । অন্যদিকে, সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু উপাদান জড়িত থাকে কাজের অসন্তোষের সাথে । হার্জবার্গের মতে, এসব উপাদান কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে প্রভাব বিস্তার করে আলোচনার বিযয় হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব – যা প্রেষণা এর অর্ন্তভুক্ত, প্রেষণা সম্পর্কিত যে সকল তথ্য ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে হার্জবার্গের দ্বি- উপাদান তত্ত্ব তার মধ্যে অন্যতম । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যাপক প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী ফ্রেডারিক হার্জবার্গ পিট্সবার্গের ১১টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের ২০০ জন প্রকৌশলী ও হিসাবরক্ষকের ওপর গবেষণা চালিয়ে প্রেষণার উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ তত্ত্বের উদ্ভাবন করেন। হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব তিনি মনে করতেন কোনো ব্যক্তির সাথে তার কাজের সম্পর্ক বা সে তার কাজের প্রতি কেমন মনোভাব পোষণ করে-তার ওপর ব্যক্তির কাজের সফলতা বিশেষভাবে নির্ভরশীল । এরূপ সম্পর্ক বা মনোভাব জানার জন্য তিনি তাঁর গবেষণায় প্রশ্ন রাখেন, “What do people want from their jobs.” তিনি তাদের কাছ থেকে বিস্তারিতভাবে জানতে চান, ‘কখন ও কোন অবস্থায় তাদের কাজে তারা সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্টিবোধ করে এবং কখন ও কী কারণে তাদের কাজকে খারাপ লাগে।” হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে হার্জবার্গ দেখতে পান যে, প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী ও কর্মীদের দেয় সুযোগ-সুবিধা এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশের কতিপয় উপাদানের উপস্থিতি কর্মীদেরকে সন্তুষ্ট করে আবার কিছু উপাদানের উপস্থিতি না থাকলে তারা অসন্তুষ্ট হয় । এরূপ কর্মসন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টির সাথে জড়িত উপাদানগুলোকে তিনি দু’ভাগে ভাগ করেন; (১) সন্তুষ্টিদানকারী বা প্রেষণামূলক উপাদানসমূহ (Motivational factors or satisfiers) ও (২) রক্ষণাবেক্ষণমূলক বা অসন্তুষ্ট সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ (Maintenance or hygiene factors) । নিম্নে উভয় ধরনের উপাদান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো : ১. প্রেষণামূলক বা সন্তুষ্টি সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ (Motivational factors or satisfiers) : প্রতিষ্ঠানে যে সকল উপাদানের উপস্থিতি কর্মীদেরকে প্রণোদিত করে তাকে প্রেষণামূলক উপাদান বলে । এরূপ উপাদানের অনুপস্থিতিতে কর্মীরা কাজে প্রেষিত হয় না ফলে তারা গতানুগতিক নিয়মে কাজ সম্পাদনে সচেষ্ট থাকে । হার্জবার্গ নিম্নোক্ত বিষয়াদিকে এরূপ উপাদান হিসেবে শনাক্ত করেছেন : ক) সাফল্যার্জন (Achievement); খ) স্বীকৃতি (Recognition); গ) সৃষ্টিধর্মী ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ কাজের মধ্য দিয়ে অগ্রগতি অর্জন (Advancement, through creative and challenging work); ঘ) কাজ (The work itself); ঙ) ব্যক্তিক উন্নয়নের সম্ভাবনা (The possibilities of personal growth); এবং চ) দায়িত্ব (Responsibility) । হার্জবার্গ বলেছেন, উপরোক্ত উপাদানসমূহ কাজের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। তাই এ সকল উপাদানের উপস্থিতি কর্মীদেরকে কাজের সাথে অধিক হারে সম্পৃক্ত হতে ও মনোযোগ সহকারে কার্যসম্পাদনে উদ্বুদ্ধ করে । এরূপ সম্পৃক্ততার বিষয় বিবেচনা করেই এগুলোকে Intrinsic factors নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে । হার্জবাগ মনে করেন এরূপ উপাদানের অনুপস্থিতিতে কর্মীরা উৎসাহ ভরে কাজ করতে প্রেষিত হয় না বটে তবে কর্মীরা এজন্য খুব অসন্তষ্ট হয় না বা তার জন্য কোনোরূপ আন্দোলনে প্রলুদ্ধ হয় না । ২. রক্ষণাবেক্ষণমূলক বা অসন্তুষ্টি সৃষ্টিকারী উপাদানসমূহ (Maintenance or hygiene factors) : যে সকল উপাদানের অনুপস্থিতি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি করে তাকে রক্ষণাবেক্ষণমূলক বা হাইজিন উপাদান বলে । ‘হাইজিন’ শব্দটি চিকিৎসাশাস্ত্র থেকে নেয়া C. B. Memoria বলেছেন, “It refers to factors that help maintain, but not necessarily imporove, health. ” 17 অর্থাৎ এগুলো সেই ধরনের উপাদান যা স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য প্রয়োজন কিন্তু স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ঘটায় না। হার্জবার্গ নিম্নোক্ত উপাদানসমূহকে এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন : ক) কোম্পানি নীতি ও প্রশাসন (Company policy and administration); খ) কারিগরি মানসম্মত তত্ত্বাবধান (Technical supervision); গ) তত্ত্বাবধায়কের সাথে কর্মীদের আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক (Interpersonal relations with supervisor); ঘ) সহকর্মীদের সাথে সম্পর্ক (Interpersonal relations with peers); ঙ) অধস্তনদের সাথে নির্বাহীর সম্পর্ক (Interpersonal relations with subordinates); চ) বেতন (Salary); ছ) চাকরির নিরাপত্তা (Job security); জ) ব্যক্তিগত জীবন (Personal life): ঝ) কর্ম পরিবেশ (Work condition); ও ঞ) পদমর্যাদা (Status)। হার্জবার্গ মনে করতেন, প্রতিষ্ঠানে রক্ষণাবেক্ষণমূলক উপাদানের উপস্থিতি অবশ্যই কাম্যমানের থাকবে বলে কর্মীরা প্রত্যাশা করে । তাই যখন তা থাকে না তখন কর্মীরা খুবই অসন্তুষ্ট হয় এবং প্রয়োজনে তারা আন্দোলন বা সংগ্রাম করে তা অর্জনের চেষ্টা করে । এগুলো পাওয়া যেহেতু কর্মীরা অধিকার মনে করে তাই এ সকল বিষয়ের উপস্থিতি-কর্মীদের কার্যক্ষেত্রে প্রণোদিত করার বা উৎসাহ সৃষ্টির কারণ হয় না । মূল বিষয়াদি আব্রাহাম মাসলোর প্রেষনা তত্ত্ব দ্বারা অনুপ্রাণিত হার্জবার্গের মতে, ব্যক্তি পর্যায়ে কাজের সন্তুষ্টি নিশ্চিন্ত করার জন্যে নিন্মস্তরের চাহিদা (যেমন; বেতন) খুব ভালোভাবে পূরণ করাটা কার্যকরী নয় । বরং, হার্জবার্গ মনে করেন, প্রাপ্য বেতন ও অন্যান্য সুবিধাসমূহ একজনকে কাজের প্রতি ধরে রাখতে পারলেও ব্যক্তিগত পর্যায়ে তার প্রেষনা বৃদ্ধি এবং তার দ্বারা উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এসব অকার্যকর । কেননা কর্মচারীগণ উচ্চস্তরের চাহিদা (কাজের গুরুত্ব, কর্মক্ষেত্রে পরিচিতি, দায়িত্ব ও কাজের ধরন) থেকেই প্রেষনা পেয়ে থাকেন বলে হার্জবার্গ মনে করেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:প্রেরণামূলক তত্ত্ব
১১ পদাতিক ডিভিশন হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি ডিভিশন। ডিভিশনটি ৪ কোরের অধীনস্থ একটি ডিভিশন এবং এটির সদর লাহোরে। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ১৯৬৫-এর স্বল্পকাল আগে এই ডিভিশনটি তৈরি করা হয়। তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মুহাম্মদ মুসা খানের পরিকল্পনায় এই নতুন ডিভিশন তৈরি করা হয়, যদিও পাকিস্তান সরকার এই ডিভিশনটি বানাতে রাজি ছিলো না খরচের চিন্তায় কারণ পাকিস্তানের অর্থনীতি তখন ভালো ছিলো না। কিন্তু জেনারেল মুসা প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানকে বোঝানোর পর আইয়ুব এই ডিভিশন বানানোর অনুমতি দেন এবং মেজর জেনারেল আব্দুল হামিদ খান এই ডিভিশনের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে এই ডিভিশনের সৈন্যদের ভূমিকা ছিলো বীরত্বপূর্ণ। অধীনস্থ ব্রিগেডসমূহ ২১ পদাতিক ব্রিগেড ৫২ পদাতিক ব্রিগেড ১০৬ পদাতিক ব্রিগেড বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডিভিশন
ডিউন ডিনিস ভিলেনিউভ পরিচালিত একটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্র, যার চিত্রনাট্য পরিচালনায় থাকছেন এরিক রথ, জন স্পাইটস এবং ভিলেনিউভ। এটি ১৯৬৫ সালের ফ্র্যাঙ্ক হার্বার্ট এর উপন্যাস ডিউন অবলম্বনে। চলচ্চিত্র একটি বড় পাঁচমিশেলি অভিনেতা তারকাদের নিয়ে গঠিত টিমাথি শালামে, রেবেকা ফার্গুসন, অস্কার আইজাক, জশ ব্রোলিন, স্টেলান স্কার্সগার্ড, ডেভ বাউতিস্তা, যেনদায়া, ডেভিড দাসমালচিয়ান, স্টিফেন হেন্ডারসন, শার্লট র‍্যাম্পলিং, জেসন মোমোয়া এবং জাভিয়ের বারডেম। পটভূমি মানব সভ্যতার দুর ভবিষ্যতে, ডিউক লেটু বিপজ্জনক মরু গ্রহ আরাকাইসের সেবার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যেটি কেবল মহাবিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান পদার্থ "মসলার" একমাত্র উৎস, যা মানব জীবনকে দীর্ঘায়িত করে ও মানব চিন্তাশক্তির ত্বরকে প্রসারিত করে। লেটু যদিও জানত যে এই সুযোগটি তার শত্রু হারকুনেন্স এর দ্বারা তৈরী একটি ফাঁদ, তথাপি তিনি তার উত্তরাধিকারী ছোট ছেলে, আরাকাইসের সবচেয়ে বিশ্বস্থ উপদেষ্টা ডিউন হিসেবে পরিচিত পল এবং পল এর দৈব মাতা ও লেটু'র উপপত্নী লেডি জেকিকাকে সঙ্গে নেন। লেটু মসলার খনির কার্যভার নিয়ন্ত্রণ করেন, যাতে দৈত্য স্যান্ডওর্মস এর উপস্থিতিতে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরী করে। আরাকাইসের প্রতিবেশী গভীর মরুতে বসবাসকারী ফ্রিম্যান এর সহিত পল ও জেসিকার বিশ্বাসঘাতকতার একটি তিক্ত পরিবেশ তৈরী হয়। চরিত্রায়ন হাউস এ্যাট্রেইডসের বংশধর ‘পল এ্যাট্রে্‌ইডস’ চরিত্রে টিমোথি চ্যালামেট ডিউক লেটো'র উপপত্নী ও পল এর দাত্রী মা ‘লেডি জেসিকা’ চরিত্রে রেবেকা ফার্গুসন ‘ডিউক লেটো এ্যাট্রেইডস’ চরিত্রে অস্কার আইজাক, যিনি একজন অভিজাত নবীন ব্যক্তি, যাকে বিপজ্জনক মসলার উৎস আরাকিসের পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। হাউজ এ্যাট্রেইডস এর অস্ত্রশস্ত্রের কুশলি ও পল এর পরামর্শ দাতা ‘গার্নি হেলেক’ চরিত্রে জর্ন ব্রোলিন লেটোর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ শত্রু ‘ব্যারন ভ্লাদিমির হারকোনেনের’ চরিত্রে স্টেলান স্কার্কগার্ড। ব্যারন হারকোনেনের নির্বোধ ভাতিজা ‘গ্লাসো রাব্বান’ চরিত্রে ডেভ বউটিস্টা। ইম্পেরিয়াল প্লানেটোলজিস্ট লিয়েট কেইনস এর দলগত কন্যা ও পল এর হবু প্রেমিকা - ‘চানি’ চরিত্রে যেনদায়া ব্যারন এর অনুগত একটি বিকৃত কাল্পনিক মানব ‘পিটার দে ভ্রাইস’ চরিত্রে ডেভিড ডাস্টমালচিয়ান স্টিফেন হেন্ডারসন বেনি গেসেরিট ডাক মা ও সম্রাট এর সত্যকথক হিসাবে ‘গায়াস হেলেন মোহিয়াম’ চরিত্রে চার্লট র্যামপ্লিং। হাউস এ্যাট্রেইডস এর তদারককারী 'ড্যানকান আইডাহোর' চরিত্রে জেসন মোমোয়া। সিয়েচ তাবারের ফ্রেমেন গোত্রের নেতা স্টিলগার হিসাবে জেভিয়ার বার্ডেম । ডাঃ ওয়েলিংটন ইউহ চরিত্রে চ্যাং চেন, যিনি এ্যাট্রেইডস পরিবারের একজন নিযুক্ত সুক ডাক্তার। প্রোডাকশন থাম্ব| ডেনিস ভিলেনিউভ সাক্ষাত্কারে বলেছেন যে একটি নতুন ডিউন তৈরির কাজে সম্পৃক্ত হওয়া তার জীবনকালের একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল। তিনি ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরিচালনার জন্য নিযু্ক্ত হন। হার্বার্ট এর ডিউন চলচ্চিত্রটি পূর্বে দুটি পৃথক লাইভ-অ্যাকশন অভিযোজন দেখেছে; ১৯৮৪ তে ডেভিড লিঞ্চ এর পরিচালিত ডিউন এবং ২০০০-এ একটি সাইন্স ফিকশন চ্যানেলে মিনি সিরিজ হিসেবে। অগ্রগতি ২০০৮ সালে, প্যারামাউন্ট পিকচারস ঘোষণা করেছিল যে ফ্র্যাঙ্ক হারবার্টের ডিউন নামে একটি নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পিটার বার্গকে নিয়ে পরিচালনার তালিকায় অভিযোজন করেছে। ২০০৯ সালের অক্টোবরে পিটার বার্গ প্রকল্পটি ছেড়ে চলে যান, ২০১১ সালের মার্চে প্যারামাউন্ট কর্তৃক প্রকল্পটি বাদ দেওয়ার পূর্বে ২০১০ সালের জানুয়ারীতে পিয়ের মোরেলকে সাথে নেওয়া হয় চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করার জন্য। ২০১১ সালের ২১শে নভেম্বর লিজেন্ডারি পিকচারস কর্তৃক ডিউন চলচ্চিত্র ও টিভি স্বত্ত্ব অর্জনের ঘোষণা দেয়। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে, ভ্যারাইটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয় যে, পরিচালক ড্যানিস ভিলেনিউভ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করার জন্য স্টুডিওর সাথে আলোচনা করছেন। ২০১৫ এর সেপ্টেম্বরে, ভিলেনিউভ এক সাক্ষাতকারে এই প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেছিলেন, "আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ডিউন এর সাথে সংযুক্ত হওয়া, তবে এর অধিকার পাওয়া একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, এবং আমি মনে করি না যে আমি সফল হতে পারব।" ২০১১ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি ভিলেনিউভকে ফ্রাঙ্কের পুত্র ব্রায়ান হারবার্টের একটি প্রকল্প পরিচালনা করার জন্য নিশ্চিত করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে, ভিলেনিউভ বলেছিলেন যে তার লক্ষ্য হচ্ছে উপন্যাসটিকে দুই ভাগে ভাগ করে ডিউন এর জন্য একটি সিরিজ তৈরী করা। একই বছরের এপ্রিলে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য তৈরী করার জন্য সহ-লেখক হিসেবে এরিক রোথকে নিযুক্ত করা হয়েছিল, এবং জন স্পাইটসকে পরে রথ এবং ভিলিনিউভের পাশাপাশি গল্পটির সহ-লেখক হিসাবে নিশ্চিত করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের মে মাসে ভিলেনিউভ বলেন যে স্ক্রিপ্টটির প্রথম খসড়া শেষ হয়ে গেছে। ভিলেনিউভ বলেন, “স্টার ওয়ারসের বেশিরভাগ মূল ধারণা আসছে ডিউন থেকেই, তাই এসবের মোকাবিলায় এটি একটি চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। স্টার ওয়ার্স সিনেমা করার উচ্চাকাঙ্খা আমি কখনো দেখিনি, কিন্তু এখানে এটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য স্টার ওয়ারস হয়ে যাচ্ছে।” ২০১৮ সালের জুলাই-এ ব্রায়ান হার্বার্ট নিশ্চিত করেন যে, ডিউন উপন্যাসের প্রায় অর্ধেক অবলম্বনে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য খসড়া তৈরী করা হয়েছে। কিংবদন্তি সিইও যশোয়া গ্রোড ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে নিশ্চিত করেন যে, তারা এর একটি ক্রম তৈরীর পরিকল্পনা করেছে, এবং আরো বলেন, "বইটি শেষ হওয়ার আগে চলচ্চিত্রটির [প্রথম] অংশ বন্ধ করার জন্য একটি যৌক্তিক স্থানও রয়েছে।" ২০১৮ সালের জুলাই মাসে জন নেলসনকে চলচ্চিত্রটির ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট সুপারভাইজার হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়েছিল যে সিনেম্যাটোগ্রাফার রজার ডেকিনস, যিনি চলচ্চিত্রে ভিলেনিউভের সাথে সম্মিলিত হয়ে কাজ করার আশা করেছিলেন, তিনি আপাতত ডিউন এ কাজ করছেন না এবং ফটোগ্রাফির পরিচালক হিসাবে গ্রীগ ফ্রাসার এই প্রকল্পে আসছেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে, জো ওয়াকার চলচ্চিত্রের সম্পাদক হিসাবে কাজ করছেন বলে নিশ্চিত করা হয়। অন্যান্য ক্রু হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন— শিল্প পরিচালনার তত্ত্বাবধানে ব্র্যাড রিকার; প্রোডাকশন ডিজাইনার হিসাবে প্যাট্রিস ভার্মেট; ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট সুপারভাইজার হিসাবে রিচার্ড আর হুভার এবং পল ল্যাম্বার্ট; স্পেশাল ইফেক্ট সুপারভাইজার হিসাবে জের্ড হাফজার; স্টান্ট সমন্বয়কারী হিসেবে থমাস স্টুথার্স। ডিউন এর প্রযোজনায় থাকবেন- ভিলেনিউভ, মেরি প্যারেন্ট এবং কেইল বয়টার। নির্বাহী প্রযোজক হিসাবে থাকছেন- ব্রায়ান হার্বার্ট, বায়রন মেরিট, টমাস টাল ও কিম হার্বার্ট। এপ্রিল ২০১৯-এগেম অব থ্রোনস ভাষা নির্মাতা ডেভিড পিটারসনকে চলচ্চিত্রটি ভাষাগুলির উন্নতির জন্য নিশ্চিত করা হয়েছিল। তারকা নিশ্চিতকরণ ২০১৮ সালের জুলাই মাসে, টিমোথি চ্যালামেট চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্র পল এট্রেইডসের এর জন্য চূড়ান্ত আলোচনায় অংশ নেন। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে রেবেকা ফার্গুসন এট্রেইডিসের মা লেডি জেসিকা চরিত্রে চলচ্চিত্রে যোগ দেওয়ার জন্য আলোচনায় অংশ নেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারীতে তার কাস্টিং নিশ্চিত করা হয়। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে, ডেভ বাউতিস্তা, স্টেলান স্কার্কগার্ড, শার্লট রামপলিং, অস্কার আইজাক, এবং যেনদায়া কাস্টে যোগ দেন। একই বছরের ফেব্রুয়ারি জাভিয়ার বার্ডেম, জোশ ব্রোলিন, জেসন মোমোয়া, এবং ডেভিড ডাস্টমালচিয়ানকে কাস্টিং করা হয়েছিল। স্টিফেন হেন্ডারসন এবং চ্যাং চেন অংশগ্রহণের দরকষাকষিতে আসেন মার্চে। চলচ্চিত্রায়ন ১৮ই মার্চ, ২০১৯ তারিখে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের অরিগো ফিল্ম স্টুডিওতে চলচ্চিত্রায়ন শুরু হয়। এছাড়া জর্দানেও চলচ্চিত্রটির চিত্রায়ন হবে। ২৪ জুলাই ২০১৯ ব্রায়ান হার্বার্ট এক টুইটে শেয়ার করেন যে, ডিউন এর প্রাথমিক চিত্রায়ন অফিসিয়ালি সম্পন্ন হয়েছে এবং পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই অনেক কুশলী তাদের ব্যস্ত সিডিউলের কারণে ডিউন প্রজেক্ট ছেড়ে অন্য প্রজেক্টে কাজ শুরু করে দিয়েছে। মুক্তি ২০শে নভেম্বর, ২০২০ এ আইম্যাক্স ও থ্রিডি তে ওয়ার্ন ব্রোসের দ্বারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিউন থিয়েটারে মুক্তি পাবে। ধারাবাহিকতা সিনেমাটির প্রথম কিস্তির বানিজ্যিক সাফল্যের পরে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লিজেন্ডারি পিকচার্স চলচ্চিত্রটির দ্বিতীয় কিস্তি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে।শিরোনাম= ডিউন পার্ট টু এর সিক্যুয়াল|ইউআরএল=https://variety.com/2021/film/news/dune-part-2-sequel-1235094974/| সংগ্রহের তারিখ=২০২৩-১০-২৭ ডিউন: পার্ট টু নামের দ্বিতীয় কিস্তিটি ২০২৪ সালের ১৫ই মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=ডিউন পার্ট টু মুক্তির তারিখ ও অন্যান্য|ইউআরএল=https://www.digitalspy.com/movies/a37662998/dune-2-release-date/| ওয়েবসাইট= ডিজিটাল স্লাই|ভাষা=ইংরেজি|সংগ্রহের তারিখ=২০২৩-১০-২৭ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:ওয়ার্নার ব্রসের চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:এরিক রথের চিত্রনাট্য সংবলিত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:বুদাপেস্টে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:বিজ্ঞান কল্পকাহিনী উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:রিবুট চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:লিজেন্ডারি পিকচার্সের চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:ভবিষ্যতের পটভূমিতে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন মহাকাশ রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২১-এর চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকের মার্কিন চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকের ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:পরিবার সম্পর্কে চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে স্থগিত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:জর্ডানে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:নরওয়েতে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:সংযুক্ত আরব আমিরাতে ধারণকৃত চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ মৌলিক সুরের জন্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ ভিজুয়াল ইফেক্টসের জন্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশনা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র সম্পাদনার জন্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:আইম্যাক্স চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:মার্কিন চলচ্চিত্রের পুনর্নির্মাণ বিষয়শ্রেণী:২০২১-এর বিজ্ঞান কল্পকাহিনী চলচ্চিত্র বিষয়শ্রেণী:২০২১-এর ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র
সোনারঙ জোড় মন্দির বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগিবাড়ী উপজেলার সোনারঙ গ্রামে অবস্থিত দুটি হিন্দু মন্দির। মন্দির দুটির মধ্যে পশ্চিমেরটি কালী মন্দির এবং পূর্বদিকেরটি শিব মন্দির। পশ্চিমের মন্দিরটি পূর্বদিকেরটির তুলনায় উচ্চতর। ৫.৩৫ মিটার বর্গাকার একটি স্থানের উপর অবস্থিত মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ১৫ মি। মন্দিরের সাথে ১.৯৪ মি প্রশস্তের একটি বারান্দা আছে। আরো পড়ুন বাংলাদেশের হিন্দু মন্দিরের তালিকা আদিনাথ মন্দির, মহেশখালি শ্যামসিদ্ধি মঠ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:শিব মন্দির বিষয়শ্রেণী:কালী মন্দির বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর হিন্দু মন্দির বিষয়শ্রেণী:মুন্সিগঞ্জ জেলার হিন্দু মন্দির
আমেরিকার সুপারক্ল্যাসিক (, ), আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলের জাতীয় দলের মধ্যে একটি বার্ষিক বন্ধুত্বপূর্ণ ফুটবল প্রতিযোগিতা। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং কনমেবল দ্বারা সংগঠিত, সুপারক্ল্যাসিকো দে লাস আমেরিকাস হল রোকা কাপের উত্তরসূরি, ১৯১৪ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত একই ধরনের প্রতিযোগিতা। বিন্যাস প্রতিযোগিতাটি ২০১১ এবং ২০১২ সালে দুটি লেগে খেলা হয়েছিল: একটি লেগ আর্জেন্টিনায়, অন্যটি ব্রাজিলে। যে দলটি প্রথম লেগের আয়োজক তারা প্রতিটি সংস্করণের সাথে বিকল্প হবে; প্রথম সংস্করণের প্রথম লেগের অবস্থান লটের ড্র দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল। যে দেশ উভয় লেগের পরে সর্বাধিক পয়েন্ট অর্জন করবে তারা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হবে, তারপরে গোল পার্থক্য এবং প্রয়োজনে একটি পেনাল্টি শুট-আউট হবে। ২০১৪ সালে ফর্ম্যাটটি পরিবর্তন করা হয়েছিল এবং এখন খেলাটি একটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে একটি মাত্র ম্যাচ হিসাবে অনুষ্ঠিত হয়।ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার মধ্যকার সুপারক্ল্যাসিকো দে লাস আমেরিকা, অক্টোবরে চীনে হবে on Agencia Estado, ১৭ এপ্রিল ২০১৪ ২০১১ এবং ২০১২ সংস্করণে প্রতিটি দলের স্কোয়াড আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলিয়ান লিগে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল।সুপারক্ল্যাসিকো দে লাস আমেরিকা (কনমেবল) যাইহোক, এই নিয়মটি 2014 সংস্করণের জন্য পরিবর্তিত হয়েছিল এবং উভয় দলই এখন ইউরোপের মতো অন্যান্য দেশে ভিত্তিক খেলোয়াড়দের ডাকতে পারে।ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার সুপারক্ল্যাসিকো দে লাস আমেরিকা খেলা হবে চীনে on Gazeta, ১৭ এপ্রিল ২০১৪ নভেম্বর ২০১০ কাতারে দুই দলের মধ্যে প্রীতি ম্যাচটি মূলত রোকা কাপ পুনরায় শুরু করার প্রচেষ্টা হিসাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ম্যাচের আয়োজকদের দ্বারা সেভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। পরিবর্তে এটি ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপের বিপণন এবং প্রস্তুতির মাধ্যম হিসাবে কাতারের মাটিতে ক্যালেন্ডার বছরের শেষের দিকে একটি ঐতিহ্যবাহী দলের বিপক্ষে খেলার ব্রাজিল দলের ক্ষণস্থায়ী ঐতিহ্যকে অব্যাহত রাখে - ব্রাজিল ইতিমধ্যেই নভেম্বর ২০০৯-এ ইংল্যান্ডে খেলেছিল এবং ২০১১ সালের নভেম্বরে ১০ বারের আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস এবং আরব আঞ্চলিক শক্তিশালি মিশরের বিরুদ্ধে খেলবে। ম্যাচের ২০২২ সংস্করণ অস্ট্রেলিয়ায় জুনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এএফএ ইংল্যান্ডে কনমেবল উয়েফা কাপ অফ চ্যাম্পিয়ন্সে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এটি বাতিল করা হয়।ব্রাজিল x আর্জেন্টিনা, জুনে নির্ধারিত ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে, দলকে অবশ্যই আফ্রিকান দলের মুখোমুখি হতে হবে on Lance, ১১ মে ২০২২ চ্যাম্পিয়নদের তালিকা ম্যাচ সমূহ Keys aet: অতিরিক্ত সময়ের পরে p: পেনাল্টি শুট-আউটে সংজ্ঞায়িত মোট স্কোর ফলাফল সংস্করণ সাল বিজয়ী রানার আপ স্কোর স্থানশহর ২০১১ Mario Kempes Córdoba, Argentina Mangueirão Belém, Brazil ২০১২ Serra Dourada Goiânia, Brazil La Bombonera Buenos Aires, Argentina ২০১৪ National Stadium Beijing, China ২০১৭ Cricket Ground Melbourne, Australia ২০১৮ King Abdullah Jeddah, Saudi Arabia ২০১৯ Mrsool Park Riyadh, Saudi Arabia ২০২০–২১ ২০২২ দেশ অনুসারে ট্রফি বিজয়ী দলট্রফি বিজয়ীসাল ২০১১, ২০১২, ২০১৪, ২০১৮ ২০১৭, ২০১৯ সর্বকালের স্কোরার Player Goals নেইমার Ignacio Scocco Diego Tardelli ফ্রেড Lucas Moura Juan Manuel Martínez গাব্রিয়েল মেরকাদো লিওনেল মেসি মিরান্দা পাওলিনিয়ো আরও দেখুন আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা রোকা কাপ তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:কনমেবলের প্রতিযোগিতা বিষয়শ্রেণী:আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিষয়শ্রেণী:২০১১-এ প্রতিষ্ঠিত পুনরাবৃত্ত ক্রীড়া ঘটনা
ঘুম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং হিমালয়ান পার্বত্য অঞ্চলের একটি ছোট্ট পার্বত্য অঞ্চল। এটি দার্জিলিং পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের আওতায় আসে। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের ঘুম রেল স্টেশন ভারতের সর্বোচ্চ রেলস্টেশন। এটি ২,২৫৮ মিটার (৭,৪০৭ ফুট) এর উচ্চতায় অবস্থিত।Agarwala, A.P. (editor), Guide to Darjeeling Area, 27th edition, p. 53-55, . চিত্রশালা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:দার্জিলিং জেলার ভূগোল বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন বিষয়শ্রেণী:দার্জিলিঙের পর্যটন কেন্দ্র
প্রিয়নাথ বসু (১৮৬৫ - ২১ মে ১৯২০) (ইংরেজি: Priyanath Bose) ভারতের সার্কাস জগতের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব এবং গ্রেট বেঙ্গল সার্কাসের প্রতিষ্ঠাতা । প্রিয়নাথ বসুর আদি নিবাস বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার জাগুলিয়া। তার বাবার নাম মনোমোহন বসু। সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান - প্রথম খণ্ড - সাহিত্য সংসদ কৃতিত্ব প্রিয়নাথ বসুর গ্রেট বেঙ্গল সার্কাস ১৮৮৭ থেকে ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ অবধি খেলা দেখিয়েছিল । তিনি প্রফেসর বোস নামে খ্যাত ছিলেন । তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি যিনি পিরামিড অ্যাক্ট, জাগলিং অ্যাক্ট, প্যারালাল বার, হরাইজন্টাল বার, ও ঘোড়ায় চড়া খেলায় দক্ষতা অর্জন করেছিলেন । তার সার্কাসে বাঙালি পরিচালক, ক্রীড়াবিদ, অশ্বারোহী, পশু-শিক্ষক এবং বাঙালি মেয়েরাও ঘোড়ায় চড়া, বাঘের খেলা, ট্র্যাপিজের খেলা দেখাতেন । ভারতের প্রথম মহিলা সার্কাস খেলোয়াড় সুশীলাসুন্দরী এবং তার বোন কুমুদিনী এই সার্কাসে খেলা দেখাতেন । বাঙালি মেয়ে মৃণ্ময়ী এখানে হাতির পিঠে বসে বাঘের খেলা দেখাতেন । তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ক্রীড়াবিদ বিষয়শ্রেণী:সার্কাস বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু বিষয়শ্রেণী:১৮৬০-এর দশকে জন্ম বিষয়শ্রেণী:১৯২০-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:কলকাতার ব্যবসায়ী বিষয়শ্রেণী:গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্ট অ্যান্ড ক্র্যাফটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
পেত্রো অলেক্সিয়িভিচ পোরাশেঙ্কা (; জন্ম: ২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯৬৫, বোলহ্রাদ, ইউক্রেনীয় সোভিয়েত ইউনিয়ন, সোভিয়েত ইউনিয়ন) হচ্ছেন ইউক্রেনীয় ব্যবসায়ী, ধনকুব (বা শতকোটিপতি), রাজনীতিবিদ, পঞ্চম রাষ্ট্রপতিRada decides to hold inauguration of Poroshenko on June 7 at 1000, Interfax-Ukraine (3 June 2014)Poroshenko sworn in as Ukrainian president, Interfax-Ukraine (7 June 2014) ও ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক (৭ই জুন ২০১৪ থেকে)। তিনি ইউক্রেনের নবম পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ২০০৯ থেকে ২০১০ পর্যন্ত ও ২০১২ সালের মার্চ থেকে নভেম্বর দ্বিতীয় পর্যন্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ইউক্রেনের জাতীয় ব্যাংকের সভাপতি ও জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংস্থার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১৪ সালের ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৫৪% ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করেন। রাজনীতির বাইরে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক; যার জন্য তাকে “চকোলেট কিং” হিসেবে ডাকা হয়। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ নিজস্ব ওয়েবসাইট ফেসবুক বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:ইউক্রেনীয় রাজনীতিবিদ বিষয়শ্রেণী:ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি বিষয়শ্রেণী:ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বিষয়শ্রেণী:ইউক্রেনীয় শতকোটিপতি বিষয়শ্রেণী:প্যারাডাইস পেপার্সে নাম থাকা ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:পানামা পেপার্সে নাম থাকা ব্যক্তি
অ্যালফ্রি উডার্ড ( ; জন্ম ৮ নভেম্বর ১৯৫২) একজন মার্কিন অভিনেত্রী। মঞ্চ ও পর্দায় দৃঢ় ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন এবং মর্যাদাপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খ্যাত উডার্ড চারটি প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার, একটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার ও তিনটি স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং একটি করে একাডেমি পুরস্কার ও বাফটা পুরস্কার এবং দুটি গ্র্যামি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেছেন। ২০২০ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস তাকে "একবিংশ শতাব্দীর ২৫ সেরা অভিনয়শিল্পী" তালিকায় স্থান প্রদান করে। তিনি একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের বোর্ড সদস্য। উডার্ড এনবিসির চিকিৎসা নাট্যধর্মী সেন্ট এলসওয়্যার ধারাবাহিকে ডক্টর রোক্সেন চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন এবং ১৯৮৬ সালে নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা প্রধান অভিনেত্রী বিভাগে এবং ১৯৮৮ সালে নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা অতিথি অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি এনবিসির নাট্যধর্মী ধারাবাহিক হিল স্ট্রিট ব্লুজ এর জন্য ১৯৮৪ সালে, এনবিসিরি ধারাবাহিক এল.এ. ল এর জন্য ১৯৮৭ সালে, এইচবিওর টিভি চলচ্চিত্র মিস এভার্স' বয়েজ এর জন্য ১৯৯৭ সালে এবং দ্য প্র্যাকটিস এর জন্য ২০০৩ সালে চারটি প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৫ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত উডার্ড এবিসির হাস্যরসাত্মক নাট্যধর্মী ধারাবাহিক ডেসপারেট হাউজওয়াইভস-এ বেটি অ্যাপলহোয়াইট চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে তিনি নেটফ্লিক্সের ধারাবাহিক লিউক কেজ (২০১৬-২০১৮)-এ "ব্ল্যাক" মারাইয়া স্টোকস-ডিলার্ড চরিত্রে অভিনয় করেন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Alfre Woodard Video produced by Makers: Women Who Make America বিষয়শ্রেণী:১৯৫২-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর আফ্রিকান-মার্কিন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর আফ্রিকান-মার্কিন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:অডিওবই পাঠক বিষয়শ্রেণী:আফ্রিকান-মার্কিন খ্রিস্টান বিষয়শ্রেণী:ওকলাহোমার অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ওকলাহোমার ডেমোক্র্যাট বিষয়শ্রেণী:বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন কণ্ঠাভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন টেলিভিশন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:মার্কিন মঞ্চ অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:অর্ডার অব দ্য কম্প্যানিয়ন্স অব ও. আর. ট্যাম্বো প্রাপক বিষয়শ্রেণী:শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্পিরিট পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী - মিনি ধারাবাহিক বা টিভি চলচ্চিত্র) বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা অতিথি অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:সীমিত ধারাবাহিক বা চলচ্চিত্রে সেরা প্রধান অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:সীমিত ধারাবাহিক বা চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার বিজয়ী বিষয়শ্রেণী:নাট্যধর্মী ধারাবাহিকে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজ�
সালিমা ইমতিয়াজ (জন্ম: ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭১) পাকিস্তানের একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার। অক্টোবর ২০২২-এ, তিনি মহিলা টি২০ এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতার ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ, তাকে আইসিসি আম্পায়ারদের ডেভেলপমেন্ট প্যানেলে যুক্ত করা হয় এবং আইসিসি ডেভেলপমেন্ট প্যানেলে পাকিস্তানের প্রথম মহিলা আম্পায়ার হন। আম্পায়ারিং কর্মজীবন তিনি ২০০৮ সালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) মহিলা আম্পায়ার প্যানেলের সাথে তার আম্পায়ারিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি মহিলা টি২০ এশিয়া কাপে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ম্যাচে আন্তর্জাতিক আম্পায়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) অনেক ইভেন্টে আম্পায়ারিং করেছিলেন, যেমন শ্রীলঙ্কায় ২০২৪ মহিলা টি২০ এশিয়া কাপ এবং হংকংয়ে ২০২৩ এসিসি মহিলা টি২০ এমার্জিং টিম এশিয়া কাপ। তিনি কুয়ালালামপুরে ২০২৪ এসিসি মহিলা প্রিমিয়ার কাপের আম্পায়ারিং প্যানেলেরও অংশ ছিলেন। আরও দেখুন টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ারদের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:১৯৭১-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানি ক্রিকেট আম্পায়ার বিষয়শ্রেণী:নারী ক্রিকেট আম্পায়ার
আউগসবুর্গ ( , , ; ) জার্মানির বায়ার্ন বা বাভারিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি স্বাধীন শহর। আড়াই লক্ষেরও বেশি অধিবাসীবিশিষ্ট আউগসবুর্গ বায়ার্নের ৩য় বৃহত্তম শহর। কেবল মিউনিখ ও নুরেমবুর্গ এর চেয়ে বেশি অধিবাসীবিশিষ্ট। ১৯০৬ সালে এটি গ্রোসষ্টাট (Großstadt) বা বড় শহরের মর্যাদা পায়। শহরটি ভেরটাখ ও লেখ নদীর তীরে অবস্থিত একটি শিল্পকেন্দ্র। এটি মিউনিখ শহরের ৫২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। ২০১৯ সালে ইউনেস্কো আউগসবুর্গের পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। খ্রিস্টপূর্ব ১৫ অব্দে রোমান সম্রাট আউগুস্তুস শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন, তার নাম থেকেই শহরের নাম আউগসবুর্গ হয়েছে। আউগুস্তুস শহরটির নাম দিয়েছিলেন আউগুস্তা ভিন্দেলিকোরুম (Augusta Vindelicorum.)। এটি ট্রিয়ার শহরের পরে জার্মানির ২য় প্রাচীনতম শহর। ১২৭৬ সালে শহরটি একটি স্বাধীন শহরে পরিণত হয়। এখানে ১৫শ ও ১৬শ শতকে ক্ষমতাধর ফুগার ও ভেলসার পরিবার বাস করতেন। এসময় আউগসবুর্গ ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থবাজারে (money market) পরিণত হয়। এখানে প্রায় আরাই হাজারের মত ক্ষুদ্রশিল্পকারখানাতে লিনেন ও লিনেন-সদৃশ ফুস্টিয়ান কাপড় তৈরি ও রপ্তানি করা হত। শহরটি শিল্পকলার জন্যও বিখ্যাত ছিল। আউগসবুর্গে উৎপাদিত দ্রব্যের মধ্যে আছে টেক্সটাইল, যন্ত্রপাতি, মোটরযান এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদি। এখানে ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত আউগসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে সাধু উলরিশ ও সাধু আফ্রা-র গির্জা, ১৭শ শতকে নির্মিত টাউনহল, যাতে জমকালো সোনালী হলটিও অন্তর্ভুক্ত; সেন্ট ম্যারির ক্যাথিড্রাল, যার বেদীতে শিল্পী হান্স হলবাইনের শিল্পকর্ম ও বিশ্বের প্রাচীনতম রঙিন কাচের কাজ দেখতে পাওয়া যায়; শেৎসলার প্রাসাদ, যাতে জার্মান শিল্পীদের অনেকগুলি গ্যালারি আছে; এবং মোৎসার্ট জাদুঘর, যা ছিল ভোলফগাং আমাদেউস মোৎসার্টের বাবা লেওপোল্ড মোৎসার্টের জন্মস্থল। আউগসবুর্গে জন্ম নেওয়া অন্যান্য বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন চিত্রশিল্পী হান্স বুর্কমাইর, প্রকৌশলী রুডল্‌ফ ডিজেল, বিমান নকশাকারক ও নির্মাতা ভিল্লি মেসারশ্মিট এবং নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেশ্‌ট। পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সভা আউগসবুর্গে অনুষ্ঠিত হয়। ত্রিশ বছরের যুদ্ধে (১৬১৮-১৬৪৮) শহরটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৮০৬ সালে শহরটি বায়ার্নের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় মেসারশ্মিট কারখানা ও মেশিন কারখানার উপর মিত্রশক্তি গোলাবর্ষণ করলে শহরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আরও দেখুন আউগসবুর্গের নাগরিক বিভাগের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Stadt Augsburg সরকারি ওয়েবসাইট (ইংরেজি সংষ্করণ) আউগসবুর্গের অঞ্চল পর্যটন Fotosafari Augsburg An interactive set of pictures which allows you to explore Augsburg আউগসবুর্গের শহর পরিকল্পনা আউগসবুর্গের জেলা বিষয়শ্রেণী:জার্মানির নগর বিষয়শ্রেণী:জার্মানির বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
মেরি স্টডার্ড (১৮৫২ - ১০ জুন ১৯০১) ছিলেন একজন স্কটিশ বংশোদ্ভূত শিল্পী যিনি অস্ট্রেলিয়ায় বিশ বছর কাটিয়েছিলেন। এবং তিনি তার স্থির চিত্রকর্ম, ক্ষুদ্রাকৃতি এবং পূর্ণ আকারের প্রতিকৃতির কাজের জন্য বেশ পরিচিত ছিলেন, যার মধ্যে স্যার হেনরি পার্কসের দুইটি চিত্রও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কর্মজীবন বাম|থাম্ব| মেরি স্টডার্ডের আঁকাআমার প্রথম প্রেম স্টডার্ড ছিলেন প্রতিকৃতি চিত্রশিল্পী এবং আলোকচিত্রী, পিটার ডিভাইন এবং ক্যাথেরিন নে রে-এর কন্যা। তিনি এবং তার দুই বোন তাদের বাবার কাছ থেকে ছবি আঁকা শেখেন। ১৮৭৫ সালে তিনি ফ্রেডেরিক ওহাব স্টডার্ডকে বিয়ে করেন এবং এই দম্পতি কৃষিকাজ শুরু করার জন্য নিউজিল্যান্ডে চলে যান। ১৮৮০ সালের দিকে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে চলে আসার পর, স্টডার্ড নিউ সাউথ ওয়েলসের আর্ট সোসাইটিতে যোগদান করেন এবং তাদের আয়োজিত বার্ষিক প্রদর্শনীতে তার শিল্পকর্মগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে শুরু করেন। ১৮৮১ সালে তিনি জন স্যান্ডসের ক্রিসমাস কার্ড ডিজাইনের প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করেন এবং সেই নকশা এবং অন্যান্য শিল্পকর্ম ১৮৮৩ সালের প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হয়েছিল। তার কাজ ন্যাশনাল পোর্ট্রেট গ্যালারি, নিউ সাউথ ওয়েলসের স্টেট লাইব্রেরি এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের আর্ট গ্যালারিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তার চিত্রকর্ম, "আর্থ অ্যান্ড ওশান ", ১৮৯৩ সালে ওয়ার্ল্ডস কলম্বিয়ান এক্সপোজিশনে এবং ১৮৯৮ সালে লন্ডনের গ্রাফটন গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ান শিল্প প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হয়েছিল। ১৯০১ সালে লন্ডনের কেনসিংটনে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের পর স্টডার্ড মৃত্যুবরণ করেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯০১-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:১৮৫২-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর অস্ট্রেলীয় নারী শিল্পী বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর অস্ট্রেলীয় শিল্পী বিষয়শ্রেণী:নিউ সাউথ ওয়েলসের শিল্পী
thumb|right|ওপেনফগ কনসোর্টিয়াম ছিল একটি প্রধান প্রযুক্তি কোম্পানির সমিতি, যা ফগ কম্পিউটিংয়ের মান নির্ধারণ এবং প্রচারের জন্য গঠিত হয়। ফগ কম্পিউটিং বা ফগ নেটওয়ার্কিং যা ফগিং নামেও পরিচিত এটি একটি কম্পিউটিং ব্যবস্থা যেখানে স্থানীয়ভাবে এজ ডিভাইস ব্যবহার করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এজ কম্পিউটিং সংরক্ষণ এবং যোগাযোগ সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট তথ্য ইন্টারনেট ব্যাকবোন এর মাধ্যমে রাউট করা হয়। সহজে বলতে গেলে এটি একটি আধুনিক কম্পিউটিং ব্যবস্থা, যেখানে ক্লাউডের পরিবর্তে নেটওয়ার্কের কাছাকাছি ডিভাইসেই ডেটা প্রসেসিং হয়। এটি ইন্টারনেট অব থিংস (IOT) ডিভাইসের জন্য দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ, কম বিলম্ব এবং ব্যান্ডউইথের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে। সহজভাবে বললে, ফগ কম্পিউটিং স্থানীয়ভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে, যা দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা উন্নত করতে সাহায্য করে। এবং আইইইই ওপেনফগ কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাবিত ফগ কম্পিউটিং স্থাপত্যকে একটি মান হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। ধারণা ২০১১ সালে, বিপুলসংখ্যক ইন্টারনেট অব থিংস (IOT) ডিভাইস এবং বৃহদাকার ডেটা ব্যবস্থাপনার জন্য তাৎক্ষণিক কম-বিলম্বী (লো-লেটেন্সি) অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনার উদ্দেশ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, যা ফগ কম্পিউটিং ধারণার জন্ম দেয়। ফগ কম্পিউটিং, যা এজ কম্পিউটিং নামেও পরিচিত, মূলত বিতরণকৃত (ডিস্ট্রিবিউটেড) কম্পিউটিং পদ্ধতি যেখানে অসংখ্য "প্রান্তিক" (পেরিফেরাল) ডিভাইস ক্লাউডে সংযুক্ত থাকে। "ফগ" (ফগ) শব্দটি এর ক্লাউড সদৃশ বৈশিষ্ট্যকে বোঝায়, তবে এটি ক্লাউডের তুলনায় "স্থলভাগের" কাছাকাছি অবস্থান করে, অর্থাৎ IOT ডিভাইসের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত থাকে। বিভিন্ন সেন্সরসহ অনেক IOT ডিভাইস বিপুল পরিমাণ কাঁচা (র’ ডেটা) তৈরি করে। ঐতিহ্যগত ক্লাউড ভিত্তিক পদ্ধতিতে এই সকল ডেটা সম্পূর্ণভাবে ক্লাউড সার্ভারে প্রক্রিয়াকরণের জন্য পাঠানো হতো। ফগ কম্পিউটিং ধারণা অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়াকরণ যতটা সম্ভব ডেটা উৎসের কাছাকাছি সম্পন্ন করা হয়। ফলে, প্রক্রিয়াজাত (প্রসেসড) ডেটা ক্লাউডে পাঠানো হয়, যা ব্যান্ডউইথের চাহিদা কমায়। এছাড়া, প্রক্রিয়াজাত ডেটার প্রয়োজন সাধারণত সেই ডিভাইসগুলোরই হয় যেগুলো ডেটাটি তৈরি করেছে। স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণ করায় ইনপুট ও প্রতিক্রিয়ার (রেসপন্স) মধ্যে বিলম্ব কম হয়। এই ধারণাটি সম্পূর্ণ নতুন নয়; উদাহরণস্বরূপ, ফাস্ট ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম (FFT) সম্পাদনকারী বিশেষ হার্ডওয়্যার দীর্ঘদিন ধরেই CPU-এর উপর চাপ কমাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ফগ নেটওয়ার্কিং দুটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: নিয়ন্ত্রণ প্লেন (কন্ট্রোল প্লেন) ও ডেটা প্লেন (ডাটা প্লেন)। উদাহরণস্বরূপ, ডেটা প্লেনে ফগ কম্পিউটিং এমনভাবে কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে যেখানে নেটওয়ার্কের প্রান্তে (এজ) সার্ভার অবস্থিত, যা ঐতিহ্যগত ডেটা সেন্টারভিত্তিক সার্ভারের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। ক্লাউডের তুলনায় ফগ কম্পিউটিং ব্যবহারকারীদের নিকটবর্তী অবস্থানে সেবা প্রদান করে এবং নিম্নলিখিত সুবিধা প্রদান করে: ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা (যেমন, পরিচালন ব্যয়, নিরাপত্তা নীতি, সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার) ভৌগোলিকভাবে ঘন বিস্তৃতি এবং প্রসঙ্গ-সচেতনতা (কনটেক্সট-অওয়ারনেস) নিশ্চিতকরণ বিলম্ব কমিয়ে সেবা গুণমান (QoS) উন্নতকরণ ফগ অ্যানালিটিক্স (Fog Analytics) এবং রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নতকরণCisco RFP-2013-078. Fog Computing, Ecosystem, Architecture and Applications: ব্যাকবোন ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের পরিমাণ হ্রাস সহায়ক জীবনযাপন (অ্যাসিস্টেড লিভিং) ব্যবস্থায় প্রয়োগযোগ্যতা ফগ নেটওয়ার্কিং ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) ধারণাকে শক্তিশালী করে, যেখানে দৈনন্দিন ব্যবহারের অধিকাংশ ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে। যেমন, স্মার্টফোন, পরিধেয় স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ যন্ত্র, সংযুক্ত যানবাহন (কানেক্টেড ভেহিকলস), এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (অগমেন্টেড রিয়েলিটি) প্রযুক্তি যা গুগল গ্লাস-এর মতো ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়।বোনোমি, ফ., মিলিটো, র., জু, জ., এবং আদ্দেপল্লি, স. Fog Computing and its Role in the Internet of Things. In Proc of MCC (2012), pp. 13-16.. ফগ নোডগুলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। IoT ডিভাইসগুলোর অনেক সময় পর্যাপ্ত প্রসেসিং ক্ষমতা থাকে না, যা উন্নত ক্রিপ্টোগ্রাফিক গণনার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, ফগ নোড ক্রিপ্টোগ্রাফিক গণনা সম্পন্ন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। ইতিহাস "ফগ কম্পিউটিং" শব্দটি প্রথম ২০১২ সালে সিস্কো দ্বারা তৈরি করা হয়। ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর, সিস্কো সিস্টেমস, এআরএম হোল্ডিংস, ডেল, ইন্টেল, মাইক্রোসফট, এবং প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে ওপেনফগ কনসোর্টিয়াম প্রতিষ্ঠা করে, যা ফগ কম্পিউটিংয়ের আগ্রহ এবং উন্নয়নকে প্রচার করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়। সিস্কোর সিনিয়র ম্যানেজিং ডিরেক্টর হেল্ডার অ্যান্টুনেস কনসোর্টিয়ামের প্রথম চেয়ারম্যান এবং ইন্টেলের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট জেফ ফেডারস এর প্রথম প্রেসিডেন্ট হন। সংজ্ঞা ফগ কম্পিউটিং এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উভয়ই ব্যবহারকারীদের জন্য ডাটা সংরক্ষণ, অ্যাপ্লিকেশন ও পরিষেবা সরবরাহ করে। তবে, ফগ কম্পিউটিং ক্লাউড কম্পিউটিং-এর তুলনায় ব্যবহারকারীদের কাছাকাছি অবস্থিত এবং ভৌগোলিকভাবে বিস্তৃতভাবে বিতরণ করা হয়।F. Bonomi, R. Milito, J. Zhu, and S. Addepalli, "Fog computing and its role in the internet of things," in Proceedings of the First Edition of the MCC Workshop on Mobile Cloud Computing, ser. MCC'12. ACM, 2012, pp. 13–16. 'ক্লাউড কম্পিউটিং' হল ইন্টারনেটভিত্তিক সার্ভারের মাধ্যমে ডাটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং প্রক্রিয়াকরণের প্রযুক্তি, যেখানে ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা স্থানীয় সার্ভারের পরিবর্তে দূরবর্তী সার্ভার ব্যবহৃত হয়। ফগ কম্পিউটিং, যা এজ কম্পিউটিং বা ফগিং নামেও পরিচিত, শেষ-ব্যবহারকারী ডিভাইস ও ক্লাউড কম্পিউটিং ডাটা সেন্টারের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে এবং স্থানীয়ভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে। পার্থক্য এজ কম্পিউটিং সাধারণত এমন একটি অবস্থান বোঝায় যেখানে পরিষেবাগুলি স্থানীয়ভাবে স্থাপন করা হয়, অন্যদিকে ফগ কম্পিউটিং যোগাযোগ, কম্পিউটিং এবং সংরক্ষণ সংস্থানগুলির বিতরণ বোঝায়, যা ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণাধীন ডিভাইস ও সিস্টেমের কাছাকাছি অবস্থিত। ফগ কম্পিউটিং এজ কম্পিউটিং-এর তুলনায় একটি মাঝারি স্তরের প্রযুক্তি, যা ক্লাউড কম্পিউটিং-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। এটি স্থানীয়ভাবে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকর পরিষেবা প্রদান করে এবং শক্তি সাশ্রয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আরও দেখুন ক্লাউড কম্পিউটিং ইন্টারনেট অব থিংস এজ কম্পিউটিং মেটাভার্স রেফারেন্স
লানিকে () বা হেলানিকে মহান আলেকজান্ডারের শৈশবের সেবিকা ছিলেন। সংক্ষিপ্ত জীবনী লানিকে সম্ভনতঃ ৩৮০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল দ্রোপিদাস। মহান আলেকজান্ডারের সেনাপতি ক্লেইতোস ও মেলান তার ভাই ছিলেন। তার স্বামীর নাম ছিল আন্দ্রোনিকাস। মহান আলেকজান্ডারের হেতাইরোই প্রোতিয়াস তার পুত্র ছিলেন বলে উল্লিখিত আছে। এছাড়া তার আরো দুই পুত্র ৩৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মাইলিতাসের যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন। মহান আলেকজান্ডার তার শৈশবে লানিকে দ্বারা পালিত হন।Who's Who In The Age Of Alexander The Great: prosopography of Alexander's empire, Waldemar Heckel, Blackwell Publishing, 2005, জনপ্রিয় মাধ্যমে ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত আলেকজান্ডার নামক চলচ্চিত্রে লানিকের উল্লেখ করা হয়েছে। এই চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্যে ক্লেইতোস ও মেলান মহান আলেকজান্ডারের সঙ্গে বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে লানিকের উল্লেখ করেন। পরে অপর একটি দৃশ্যে মহান আলেকজান্ডার লানিকের ভাই ক্লেইতোসকে হত্যা করার অনুশোচনায় দগ্ধ হন। মহান আলেকজান্ডারের জীবন নিয়ে মেরি রেনল্ট দ্বারা রচিত ফায়ার ফ্রম হেভেন নামক একটি উপন্যাসে লানিকের চরিত্রটি রয়েছে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৩৮০-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:প্রাচীন ম্যাসিডোনিয় নারী বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতাব্দীর গ্রিক ব্যক্তি
জিএএলএ – কুইয়ার আর্কাইভ (পূর্বে গে ও লেসবিয়ান মেমরি ইন অ্যাকশন নামে পরিচিত) , যা এর সংক্ষিপ্ত রূপ, গালা দ্বারাও পরিচিত, হল একটি সংস্থা, যারা দক্ষিণ আফ্রিকার এলজিবিটিকিউএ+ ব্যক্তি এবং সংগঠনগুলির সামাজিক ও আইনি ইতিহাস নথিভুক্ত করে। এরা আফ্রিকায় সমকামী সম্পর্ক নিয়ে প্রচলিত গতানুগতিক চিন্তাধারা এবং ভুল ধারণা সংশোধন করার চেষ্টা করছে। সংগঠন ১৯৯৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাস সংরক্ষণাগারের একটি শাখা হিসেবে গালা গঠিত হয়েছিল। এটি নেদারল্যান্ডসের হোমোডক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেসবিয়ান হারস্টোরি আর্কাইভের নামে তৈরি হয়েছিল। সংগঠনটির নাম পূর্বে দ্য গে অ্যান্ড লেসবিয়ান আর্কাইভস অফ সাউথ আফ্রিকা নামে পরিচিত ছিল, যেখান থেকে এটি গালা নামটি পেয়েছে। ২০০৭ সালে, নামটি বর্তমান রূপে পরিবর্তিত করা হয়। গালা-র আর্কাইভগুলি উইটওয়াটারস্র্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উইলিয়াম কালেন লাইব্রেরির ঐতিহাসিক কাগজপত্র বিভাগে রয়েছে। এই আর্কাইভে দক্ষিণ আফ্রিকায় এলজিবিটিকিউএ+ জীবনের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংবিধানিক প্রেক্ষাপটগুলি রক্ষিত আছে। আর্কাইভে থাকা নথিগুলির মধ্যে রয়েছে আইনি নোট, দক্ষিণ আফ্রিকায় এলজিবিটি-র মৌখিক ইতিহাস, দক্ষিণ আফ্রিকার এলজিবিটি সংগঠনগুলির রেকর্ড, ব্যক্তিদের দ্বারা জমা দেওয়া ব্যক্তিগত নথি এবং ছবি। প্রকল্প গালা দক্ষিণ আফ্রিকায় এমন কিছু শিক্ষামূলক কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করে এবং অংশগ্রহণ করে, যেখানে সমতাকে উৎসাহিত করা হয়। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে, এটি তার সংরক্ষণাগারে লেসবিয়ানদের গল্পগুলিকে উন্নত করার জন্য একটি মৌখিক ইতিহাস প্রকল্প তৈরি করেছিল। দক্ষিণ ও পূর্ব আফ্রিকান দেশগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ২০০৩ সালে আফ্রিকান নারীদের মৌখিক ইতিহাস নামে আরেকটি প্রকল্প শুরু করা হয়েছিল। ২০১৫ সালের মে মাসে, এটি কর্মক্ষেত্রে সমতা প্রচার এবং কর্মক্ষেত্রে সমকামিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য একটি কর্মশালার সমন্বয় করে। এলজিবিটি ব্যক্তিদের দ্বারা লেখা এবং তাদের সম্পর্কে লেখা নিয়ে গালা "মাথোকো'জ বুক" মুদ্রণের অধীনে একটি বই প্রকাশ করেছে। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত, এই প্রকাশনাটি বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে "কুইয়ার আফ্রিকা: নিউ অ্যাণ্ড কালেক্টেড ফিকশন" যা একটি এলজিবিটি সংকলনের জন্য ২০১৪ সালে ল্যাম্বডা সাহিত্য পুরস্কার জিতেছে। মাথোকো'জ বুকস-এর নামকরণ করা হয়েছে একজন দক্ষিণ আফ্রিকান মহিলার নামে, যিনি ১৯৮০ এবং ১৯৯০-এর দশকে কোয়াথেমায় একটি অবৈধ সরাইখানা চালাতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার কর্মী সাইমন এনকোলি, বেভারলি ডিটসি এবং লিন্ডা এনকোবো দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি এলজিবিটি অ্যাক্টিভিজম সংগঠন, গে ও লেসবিয়ান অর্গানাইজেশন অফ উইটওয়াটারস্র্যান্ড-এর সদর দপ্তর হিসেবে এই সরাইখানাটি উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছিল। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:দেশ অনুযায়ী এলজিবিটিকিউ সংস্কৃতি বিষয়শ্রেণী:বিষয় অনুযায়ী দক্ষিণ আফ্রিকা ভিত্তিক সংগঠন বিষয়শ্রেণী:পরপীড়ন বিষয়শ্রেণী:যৌন অভিমুখীতা ও মনোবিজ্ঞান
মাদ্রাজ দেবদাসী (উৎসর্গ প্রতিরোধ) আইন ( যাকে তামিলনাড়ু দেবদাসী (উৎসর্গ প্রতিরোধ) আইন বা মাদ্রাজ দেবদাসী আইনও বলা হয়) হল একটি আইন, যেটি প্রণীত হয়েছিল ভারত ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন হওয়ার ঠিক পরে, ১৯৪৭ সালের ৯ই অক্টোবর তারিখে। আইনটি মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে পাস করা হয়েছিল এবং দেবদাসীদের বিবাহের আইনি অধিকার দিয়েছিল, হিন্দু মন্দিরে মেয়েদের উৎসর্গ করা অবৈধ করে দিয়েছিল। যে বিলটি এই আইনে পরিণত হয় সেটি ছিল দেবদাসী বিলোপ বিল। পেরিয়র ই. ভি. রামস্বামী দেবদাসী বিলোপ বিল পাশ করার কর্মকাণ্ডের অংশ ছিলেন কিন্তু, মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সি জুড়ে দেবদাসীদের তীব্র প্রতিবাদের কারণে, তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে বিলটি শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত বিল হিসাবে পেশ করা হবে, একটি পাবলিক বিল নয়। মুথুলক্ষ্মী রেড্ডি ১৯৩০ সালের প্রথম দিকে মাদ্রাজ আইন পরিষদে বিলটি উত্থাপন করেছিলেন কিন্তু ১৯৪৭ সালের ৯ই অক্টোবর ও পি রামস্বামী রেড্ডিয়ার (ওরফে ওমান্দুর রেড্ডির কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার) -এর প্রধানমন্ত্রীত্বের (বা মাদ্রাজের প্রিমিয়ার, স্বাধীনতার আগে বলা হত, ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন) সময় এটি পাস হয়েছিল। কিছু দেবদাসী বিলের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছিলেন, কারণ তাঁরা নিজেদেরকে পতিতা না ভেবে পরিশীলিত এবং পণ্ডিত শিল্পী বলে মনে করেছিলেন। মাদ্রাজ দেবদাসী আইন পরবর্তী সম্পর্কিত আইনগুলির মতো কঠোর ছিল না। যেহেতু মাদ্রাজ দেবদাসী আইনটি শুধুমাত্র দেবদাসীদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল, তাই দক্ষিণ ভারতে পতিতাবৃত্তি অব্যাহত ছিল, বিশেষ করে অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল বরাবর। ১৯৫৬ সালের ১৪ই আগস্ট মাদ্রাজ দেবদাসী বিরোধী আইন পাশ হবার পর এতে বিরতি আসে। মাদ্রাজ দেবদাসী আইন হল ব্রিটিশ ভারতের প্রেসিডেন্সি এবং প্রদেশগুলিতে এবং পরবর্তী ভারতের রাজ্য ও অঞ্চলগুলিতে বলবৎ হওয়া একাধিক আইনের মধ্যে একটি, যা পতিতাবৃত্তিকে বেআইনি করে তুলেছিল। এই রকম আইনগুলির মধ্যে রয়েছে ১৯৩৪ সালের বোম্বে দেবদাসী সুরক্ষা আইন, ১৯৫৭ সালের বোম্বে সুরক্ষা (সম্প্রসারণ) আইন এবং ১৯৮৮ সালের অন্ধ্রপ্রদেশ দেবদাসী (উৎসর্গের নিষেধাজ্ঞা) আইন। বোম্বে দেবদাসী সুরক্ষা আইনে একজন মহিলার উৎসর্গকে একটি বেআইনি কাজ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে, এটি তার সম্মতিতে হোক বা না হোক, উভয়ক্ষেত্রেই। এই আইন অনুসারে, দেবদাসীর বিবাহ আইনগত ও বৈধ বলে বিবেচিত হবে এবং এই ধরনের বিবাহে জাত সন্তানকে বৈধ বলে গণ্য করা হবে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:ভারতে নারীদের ইতিহাস বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ ভারতে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকারের আইন বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় পরিবার আইন বিষয়শ্রেণী:ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়শ্রেণী:ভারতে যৌন অপরাধ বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় যৌন আইন বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ফৌজদারী আইন বিষয়শ্রেণী:মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সি বিষয়শ্রেণী:ভারতে পতিতাবৃত্তি
বাগমনিরাম বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন একটি ওয়ার্ড। আয়তন বাগমনিরাম ওয়ার্ডের আয়তন ২.০৭ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যার উপাত্ত ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাগমনিরাম ওয়ার্ডের মোট জনসংখ্যা ৫১,৬০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৭,৬৩৪ জন এবং মহিলা ২৩,৯৬৯ জন। মোট পরিবার ১০,৬৭২টি। অবস্থান ও সীমানা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মধ্যাংশে বাগমনিরাম ওয়ার্ডের অবস্থান। এর পশ্চিমে ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ড ও ২৩নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড; দক্ষিণে ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ড, ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ড ও ২১নং জামালখান ওয়ার্ড; পূর্বে ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ড এবং উত্তরে ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ড অবস্থিত। প্রশাসনিক কাঠামো বাগমনিরাম ওয়ার্ড চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১৫নং ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডের উত্তরাংশের প্রশাসনিক কার্যক্রম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চকবাজার থানার এবং দক্ষিণাংশ কোতোয়ালী থানার আওতাধীন। এটি ২৮৬নং চট্টগ্রাম-৯ জাতীয় নির্বাচনী এলাকার অংশ। এ ওয়ার্ডের উল্লেখযোগ্য এলাকা হল: বাগমনিরাম নেভি কলোনী কাজির দেউড়ি দামপাড়া রেলওয়ে স্টেশন কলোনী রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনী শিক্ষা ব্যবস্থা ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাগমনিরাম ওয়ার্ডের সাক্ষরতার হার ৭৭.৮%। এ ওয়ার্ডে ১টি বিশ্ববিদ্যালয়, ২টি স্কুল এন্ড কলেজ, ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি স্কুল এন্ড কলেজ বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ সেন্ট্রাল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পলোগ্রাউন্ড বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় বাগমনিরাম আবদুর রশিদ সিটি কর্পোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয় বাগমনিরাম এস কে সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় বাংলাদেশ রেলওয়ে স্টেশন কলোনী উচ্চ বিদ্যালয় ভিক্টোরী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ রেলওয়ে পাবলিক স্কুল রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনী সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাথমিক বিদ্যালয় কাজীর দেউড়ি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাজীর দেউড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাগমনিরাম এ এস বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাগমনিরাম হাজী এয়াকুুব আলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থনীতি ব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম জীবনীশক্তি হলো ব্যাংক এবং এই ব্যাংকগুলো দেশের মুদ্রাবাজারকে রাখে গতিশীল ও বৈদেশিক বাণিজ্যকে করে পরিশীলিত। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৫নং বাগমনিরাম ওয়ার্ডে অবস্থিত ব্যাংকসমূহের তালিকা নিচে উল্লেখ করা হলো: ক্রম নংব্যাংকের ধরনব্যাংকের নামশাখাব্যাংকিং পদ্ধতিঠিকানা০১রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকঅগ্রণী ব্যাংকআসকর দীঘি শাখাসাধারণশহীদ সাইফুদ্দিন খালেদ সড়ক, চট্টগ্রাম০২চট্টেশ্বরী রোড শাখাচট্টেশ্বরী রোড, চট্টগ্রাম০৩জনতা ব্যাংককাজির দেউরী শাখা১২০, নুর আহমদ সড়ক, কাজির দেউরী০৪রূপালী ব্যাংকমহিলা শাখাসিডিএ কাজির দেউরী মার্কেট, কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম০৫সোনালী ব্যাংকরেলওয়ে ভবন শাখাকোতোয়ালী, চট্টগ্রাম০৬বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকইস্টার্ন ব্যাংকমেহেদীবাগ শাখাসাধারণএপিক এমদাদ হাইটস, ৩৮, চট্টেশ্বরী চত্ত্বর, মেহেদীবাগ, চট্টগ্রাম০৭এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকও আর নিজাম রোড শাখাআটলান্টা ট্রেড সেন্টার, বাসা নং ২৩/এ, ও আর নিজাম রোড, চট্টগ্রাম০৮গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকমেহেদীবাগ শাখাইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিককিছুক্ষণ, বাসা নং ৭৫৪/৮২৭, চকবাজার, চট্টগ্রাম০৯ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংককাজির দেউড়ী মহিলা শাখা৬৩, শহীদ সাইফুদ্দিন খালেদ রোড, কাজির দেউড়ী, চট্টগ্রাম১০প্রবর্তক মোড় শাখাইকুইটি পয়েন্ট, বাসা নং ১৩৪, কে বি ফজলুল কাদের রোড, প্রবর্তক মোড়, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম১১যমুনা ব্যাংকনাসিরাবাদ শাখাপি ডব্লিউ ডি প্লট ১০, বখতিয়ার সেন্টার, বায়েজিদ বোস্তামী রোড, পূর্ব নাসিরাবাদ, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম দর্শনীয় স্থান বাগমনিরাম ওয়ার্ডের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে: এম এ আজিজ স্টেডিয়াম জিয়া স্মৃতি জাদুঘর চট্টগ্রাম শিশুপার্ক চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন কাউন্সিলর কাউন্সিলর রাজনৈতিক দল নির্বাচন সন মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০১৫ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০২১ আরও দেখুন চকবাজার থানা চট্টগ্রাম কোতোয়ালী মডেল থানা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন চট্টগ্রাম জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড
আহসাস চন্না (জন্ম: ৫ আগস্ট ১৯৯৯) একজন ভারতীয় অভিনেত্রী, যিনি হিন্দি চলচ্চিত্র এবং টিভি শিল্পে কাজ করেন। একজন শিশু অভিনেত্রী হিসাবে, তিনি বাস্তু শাস্ত্র, কাভি আলবিদা না কেহনা, মাই ফ্রেন্ড গণেশ, ফুঁক ইত্যাদিতে অভিনয় করেছিলেন। কৈশোরে তাকে দেবো কে দেব...মহাদেব, ওয়ে জ্যাসি এবং এমটিভি ফানাহ-এর মতো টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অধিক সক্রিয় দেখা যায়। জীবনের প্রথমার্ধ চন্নার ১৯৯৯ সালের ৫ আগস্ট মুম্বইয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বাবা ইকবাল চান্না একজন পাঞ্জাবী চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং তার মা কুলবীর কৌর কুলবীর কৌর বাদেস্রন একজন টেলিভিশন অভিনেত্রী। কর্মজীবন আহসাস চন্না খুব অল্প বয়সেই তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। তিনি বাস্তু শাস্ত্র মাধ্যমে তার আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, যেখানে তিনি সুস্মিতা সেনের ছেলে রোহান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। মাই ফ্রেন্ড গণেশ চলচ্চিত্রে আশু এবং কাভি আলবিদা না কেহনা চলচ্চিত্রে অর্জুনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। টেলিভিশনে তিনি নিখিল সিনহা'র দেবো কে দেব...মহাদেব ধারাবাহিকে হিন্দু দেবতা শিব এবং পার্বতীর কন্যা অশোকসুন্দরী হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। তিনি এমটিভি ফানাহ-তে ধারা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যেটি এমটিভি ভারতে প্রচারিত হয়েছিল। তিনি ডিজনি চ্যানেলের অনুষ্ঠান ওয়ে জ্যাসি এবং বেস্ট অফ লাক নিকি-এর চতুর্থ মরশুমে কাজ করেছিলেন। চলচ্চিত্রের তালিকা চলচ্চিত্র বছর শিরোনাম ভূমিকা মন্তব্য ২০০৪ বাস্তু শাস্ত্র রোহান হিন্দি মারিচেট্টু তেলুগু ২০০৬ কাভি আলবিদা না কেহনা অর্জুন সারান হিন্দি আর্যন রণবীর (আর্যনের ছেলে) হিন্দি ২০০৭ মাই ফ্রেন্ড গণেশ আশু হিন্দি ২০০৮ ফুঁক রক্ষা হিন্দি ২০০৯ বোম্মায়ী তামিলপ্রেম কা তদ্দকাচিন্টু চতুর্বেদী ২০১০ ফুঁক ২ রক্ষা হিন্দি ২০১৩ ৩৪০ বিমল হিন্দি ২০১৭ আপ্পাভীন মীসাই তামিল ২০১৭ রুখ শ্রুতি হিন্দি টেলিভিশন বছর শিরোনাম ভূমিকা মন্তব্য সূত্র ২০০৮ কসম সে অল্পবয়সী গঙ্গা ভালিয়া ২০১২ গুমরাহ্: ইন্ড অব ইনোসেন্স পর্বভিত্তিক ভূমিকা মধুবালা - এক ইশক এক জুনুন স্বাতী দীক্ষিত দেবো কে দেব...মহাদেব অশোকসুন্দরী ২০১৩ ফিয়ার ফাইলস: ডার কী সাচ্চি তাসভিরে পর্বভিত্তিক ভূমিকা ওয়ে জ্যাসি আয়েশা মালহোত্রা২০১৪ক্রাইম পেট্রোল দস্তকস্মৃতিপর্ব ৩৪৪: মিথ্যা অহংকার (১ মার্চ ২০১৪) ওয়েববেড এমটিভি ফানাহ কিশোরী ধারা২০১৫ কোড রেড - তালাশ পর্বভিত্তিক ভূমিকা বেস্ট অব লাক নিকি রিয়া গঙ্গা সালোনি ২০১৬ ক্রাইম প্যাট্রোল পর্বভিত্তিক ভূমিকা আধা ফুল কিটি যাদব২০১৭ক্রাইম পেট্রোল সতর্কনম্রতাপর্ব ৮২৭: প্রেমিকদের মৃত্যু (৮ জুলাই ২০১৭)এমটিভি বিগ এফদিয়াসিজন ২, পর্ব ৮ ২০১৮ সি.আই.ডি. কোমল পর্ব ১৫০১/১৫৪২ ওয়েব ধারাবাহিক বছরশিরোনামভূমিকাবিঃদ্রঃ২০১৮- ২০২২গার্লস হোস্টেলরিচা৩টি মৌসুম ২০১৯- ২০২১কোটা ফ্যাক্টরিশিবাঙ্গী২ মৌসুম২০১৯- ২০২৩হোস্টেল ডেজআকাঙ্কা৪ মৌসুম২০২০- ২০২১ইন্টার্নলিলি২ মৌসুম২০২১ক্লাচপ্রাচি২০২২যুগাদিস্তানমডার্ন লাভ মুম্বাইসিয়া২০২২মিসম্যাচ ২ভিনি২০২৩হাফ সিএআরচি১ সিজন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বছরশিরোনামভূমিকাসূত্র২০২১ট্রানজিস্টরউমা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:১৯৯৯-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:মুম্বইয়ের অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিশু অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:হিন্দি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ধারাবাহিক নাটকের অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:হিন্দি টেলিভিশন অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় টেলিভিশন শিশু অভিনেত্রী বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় ওয়েব ধারাবাহিক অভিনেত্রী
শিবপুর দীনবন্ধু ইনস্টিটিউশন (কলেজ) হল ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রিমিয়ার রিসার্চ ভিত্তিক স্নাতকস্তরীয় কলেজ। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া শহরের শিবপুর অঞ্চলে অবস্থিত। এই কলেজটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত। এটি একটি জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই কলেজের বিভাগগুলি হল: বিজ্ঞান বিভাগ: রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, গণিত, কম্পিউটার বিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণিবিদ্যা। কলা ও বাণিজ্য: বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত, উর্দু, ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, অর্থনীতি ও সমাজতত্ত্ব। সম্প্রতি এই কলেজটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক খ+ গ্রেড পেয়েছে। কলেজটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বটে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কেন্দ্র বিষয়শ্রেণী:কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:হাওড়া জেলার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ বিষয়শ্রেণী:১৯৪৮-এ পশ্চিমবঙ্গে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:১৯৪৮-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিষয়শ্রেণী:কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিষয়শ্রেণী:হাওড়া জেলার বিশ্ববিদ্যালয়
পোর্তু মেট্রো () পর্তুগালের পোর্তু শহরের দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা। এটি কেন্দ্রীয় শহরে মাটির নিচে এবং শহরতলীতে মাটির উপর দিয়ে বিস্তৃত। মেট্রোটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়।Webb, Mary (ed.) (2009). Jane's Urban Transport Systems 2009–2010, p. 277. Coulsdon, Surrey (UK): Jane's Information Group. . তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:পর্তুগালের দ্রুতগামী গণপরিবহন ব্যবস্থা বিষয়শ্রেণী:৭৫০ ভি ডিসি রেলওয়ে বিদ্যুতায়ন
পি বালচন্দ্র মেনন (১ মার্চ ১৯১১ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৮৪) ভারতের কেরালা রাজ্যের একজন রাজনীতিবিদ যিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন। ১৯৫৭ এবং ১৯৬০ সালে তিনি কেরালার আইনসভার সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় কেরালার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯১১-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:১৯৮৪-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:কেরলের রাজ্যসভা সদস্য বিষয়শ্রেণী:কেরল বিধানসভার সদস্য ১৯৫৭-১৯৫৯ বিষয়শ্রেণী:কেরল বিধানসভার সদস্য ১৯৬০-১৯৬৪
প্রস্তাবিত নির্বাচিত নিবন্ধ নির্বাচিত নিবন্ধের মানদণ্ড নির্বাচিত নিবন্ধের লগ নির্বাচিত নিবন্ধের পরিসংখ্যান নির্বাচিত নিবন্ধ পুনর্নিরীক্ষণ প্রাক্তন নির্বাচিত নিবন্ধ আজকের নির্বাচিত নিবন্ধ: আজকের নির্বাচিত নিবন্ধ সম্পর্কে নির্বাচিত নিবন্ধের সরঞ্জাম: নির্বাচিত নিবন্ধের গুণাবলী প্রস্তাবিত নির্বাচিত নিবন্ধ নির্বাচিত নিবন্ধ পুনর্নিরীক্ষণ নির্বাচিত নিবন্ধ লগ নির্বাচিত নিবন্ধ পরিসংখ্যান এলোমেলো নির্বাচিত নিবন্ধ প্রাক্তন নির্বাচিত নিবন্ধ নিবন্ধ পাতা, নির্বাচিত <noinclude>
জৈবনিক বিজ্ঞানসমূহ (life sciences বা biological sciences) বলতে বিজ্ঞানের সেইসব শাখাকে বোঝায় যেগুলিতে জীবন ও জীবদের (যেমন অণুজীব, উদ্ভিদ, প্রাণী, মানুষ) উপরে বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন ও গবেষণা সম্পাদন করা হয়। জৈবনিক বিজ্ঞানগুলি প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের দুইটি প্রধান শাখার একটি গঠন করেছে। অপর শাখাটিতে রয়েছে ভৌত বিজ্ঞানগুলি, যেগুলিতে প্রাণহীন বা নির্জীব পদার্থ নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। সংজ্ঞানুযায়ী জীববিজ্ঞান হল প্রধানতম জৈবনিক বিজ্ঞান, যাতে জীবন ও জীব নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। অন্যান্য জৈবনিক বিজ্ঞানগুলি জীববিজ্ঞানের শাখা-প্রশাখা। কিছু কিছু জৈবনিক বিজ্ঞান একটি বিশেষ প্রকারের জীবের উপরে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। যেমন প্রাণীবিজ্ঞান হল প্রাণীদের অধ্যয়নের ক্ষেত্র, অন্যদিকে উদ্ভিদবিজ্ঞান হল উদ্ভিদসমূহের উপরে গবেষণার ক্ষেত্র। অন্যান্য কিছু জৈবনিক বিজ্ঞানে সব জীব কিংবা অনেক জীবের মধ্যে বিদ্যমান সাধারণ কোন দিক বা বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্র করে অধ্যয়ন করা হয়, যেমন অঙ্গসংস্থান বা বংশাণুবিজ্ঞান। কিছু কিছু জৈবনিক বিজ্ঞানে অতিক্ষুদ্র বা আণবিক মাপনীর বস্তু নিয়ে গবেষণা করা হয়, যেমন আণবিক জীববিজ্ঞান বা প্রাণরসায়ন। আবার অন্য কিছু জৈবনিক বিজ্ঞানে অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর মাপের বস্তুর উপর আলোচনা করা হয়, যেমন কোষবিজ্ঞান, অনাক্রম্যবিজ্ঞান, প্রাণী-আচরণ বিজ্ঞান, ঔষধ প্রস্তুতি ও ব্যবহার বিজ্ঞান, বাস্তুবিজ্ঞান, ইত্যাদি। জৈবনিক বিজ্ঞানের আরেকটি প্রধান শাখা হল মনের প্রকৃতি অনুধাবন করা, যার একটি উদাহরণ হল স্নায়ুবিজ্ঞান। জৈবনিক বিজ্ঞানসমূহের আবিষ্কারগুলি মানুষের জীবনের মান উন্নয়নে সহায়তা করে। সুস্বাস্থ্য, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞান, ঔষধনির্মাণ শিল্প এবং খাদ্যবিজ্ঞান শিল্পে এদের প্রয়োগ রয়েছে। নিচে জৈবনিক বিজ্ঞানসমূহের একটি বাংলা বর্ণানুক্রমিক তালিকা দেওয়া হল। বাংলা বর্ণানুক্রমিক তালিকা বিষয়শ্রেণী:জীবন বিজ্ঞান বিষয়শ্রেণী:বিজ্ঞান সম্পর্কিত তালিকা বিষয়শ্রেণী:জৈবপ্রযুক্তি
thumb|200 px| বাস্তুক গাছের ফুল বাস্তুক বা অমরান্থ হলো একটি লালচে-গোলাপি রঙ যা অমরান্থ বা বাস্তুক ফুলের রঙের উপস্থাপনা। সাধারণত চিত্রে দেখানো লালচে ঘরানার বাস্তুক ফুলের রঙটিকেই মূল বাস্তুক রঙ হিসেবে ধরা হয় যদিও আরো বিচিত্রতর ও বিভিন্ন রঙের বাস্তুক ফুল রয়েছে এবং সেগুলোও বাস্তুক নামে পরিচিত; নিচে বাস্তুক রঙের বিভিন্ন উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে বাস্তুক নামটি অমরান্থ এর সংস্কৃত প্রতিশব্দ। বাস্তুকের বৈচিত্র্য বাস্তুক পিঙ্ক ডানপাশে বা উপরে প্রদর্শিত রঙটি হলো বাস্তুক পিঙ্ক বা অমরান্থ পিঙ্ক। এটি পিঙ্ক রঙের অমরান্থ বা বাস্তুক ফুলের রঙের প্রতিনিধিত্ব করে। ইংরেজিতে রঙের নাম হিসেবে অমরান্থ পিঙ্ক শব্দটির রেকর্ডকৃত প্রথম ব্যবহার হয় ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে।Maerz and Paul A Dictionary of Color New York:1930--McGraw Hill Page 189; Color Sample of Amaranth Pink: Page 121 Plate 49 Color Sample D8 উজ্জ্বল লাল (উজ্জ্বল বাস্তুক পিঙ্ক) ডানপাশে বা উপরে প্রদর্শিত রঙটি হলো ১৯৯০ সালে তৈরি হওয়া উজ্জ্বল লাল ক্রেয়লা ক্রেয়ন রঙ। উজ্জ্বল লাল রঙটিকে উজ্জ্বল বাস্তুক পিঙ্ক বা উজ্জ্বল অমরান্থ পিঙ্ক বলেও ডাকা হয়। এটিকে একটি ফ্লুরোসেন্ট রঙ হিসেবে ধরা হয় তবে কম্পিউটার স্ক্রিনে প্রদর্শনের কোনো কারিগরি ব্যবস্থা নেই। বাস্তুক পার্পল ডানপাশে বা উপরে প্রদর্শিত রঙটি হলো বাস্তুক পার্পল বা অমরান্থ পার্পল। এটি মূলত পার্পল রঙের অমরান্থ বা বাস্তুক ফুলের রঙের প্রতিনিধিত্ব করে। ইংরেজিতে রঙের নাম হিসেবে আমরান্থ পার্পল শব্দটির রেকর্ডকৃত প্রথম ব্যবহার হয় ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে।Maerz and Paul A Dictionary of Color New York:1930--McGraw Hill Page 189; Color Sample of Amaranth Purple: Page 129 Plate 53 Color Sample L3 গূঢ় বাস্তুক পার্পল ডানপাশে বা উপরে প্রদর্শিত রঙটি হলো গূঢ় বাস্তুক পার্পল। গূঢ় বাস্তুক পার্পল বা গূঢ় অমরান্থ পার্পল রঙটি কেবল অমরান্থ নামে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১৯৩০ মেয়ার্জ ও পল রচিত আ ডিকশনারি অভ কালার বইয়ে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:রং (নির্দিষ্ট বর্ণ) বিষয়শ্রেণী:পিঙ্কের বর্ণচ্ছটা বিষয়শ্রেণী:লালের বর্ণচ্ছটা
জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার জলপাইগুড়ি শহরে অবস্থিত। রেলপথ স্টেশনটি জলপাইগুড়ি জেলা ও কোচবিহার জেলার মধ্যে বিস্তৃত হলদিবাড়ি–নিউ জলপাইগুড়ি ব্রডগেজ রেলপথের উপর অবস্থিত। এই রেলপথটি একটি রেল ট্র্যাক নিয়ে গঠিত। পরিকাঠাম স্টেশনটির পরিকাঠাম ভূমিগত। এই স্টেশনে ২ টি প্ল্যাটফর্ম (যাত্রী: ১ টি, পণ্য: ১ টি) রয়েছে। জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশনে ৪ টি রেললাইন বা রেলট্র্যাক রয়েছে। স্টেশনে স্টেশন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ভবন ও স্টেশন মাষ্টারে ভবন ১ নং প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেই অবস্থিত। যাত্রীদের রেল ভ্রমণের জন্য টিকিট স্টেশনের টিকিট ঘর থেকে প্রদান করা হয়। স্টেশনে যাত্রী সুবিধার জন্য বসার আসন, প্ল্যাটফর্ম ছাউনি, পানীয় জল এর ব্যবস্থা রয়েছে। স্টেশনে যাত্রীদের গাড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন ব্যাগ বা যাত্রীদের দ্বারা বহন করা জিনিসপত্রের পরীক্ষায় ব্যবস্থা নেই। বৈদ্যুতীকরণ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশনের রেলপথে ডিজেল দ্বারা চালিত ট্রেন চলাচল করে। এই রেলপথের বৈদ্যুতীকরণের কাজ সম্পূর্ণ নয়নি। রেল পরিষেবা এটি পার্শ্ববর্তী এলাকায় রেল পরিষেবা প্রদান করে থাকে। এই স্টেশনের দ্বারা নিউ জলপাইগুড়িগামী ট্রেন চলাচল করে এবং স্টেশনটিতে ভারতীয় রেলের যাত্রীবাহী ট্রেনগুলি রেল যাত্রীদের পরিষেবা প্রদান করে থাকে। প্রশাসন ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশনটি ভারতীয় রেলের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল অঞ্চলের কাটিহার রেল বিভাগের অন্তর্গত। স্টেশন পরিচালনার সমস্ত দায়িত্ব স্টেশনের প্রধান "স্টেশন মাষ্টার" - এর উপর ন্যস্ত। এছাড়া স্টেশনের নিরাপত্তার জন্য অস্থায়ী ভাবে ভ্রাম্যমাণ জিআরপি কর্মী নিযুক্ত রয়েছে এবং স্টেশন চত্বর ও সংলগ্ন এলাকার নিরাপত্তা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন প্রদান করে থাকে। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:কোচবিহার জেলার রেলওয়ে স্টেশন বিষয়শ্রেণী:১৮৭৮-এ ভারতে প্রতিষ্ঠিত বিষয়শ্রেণী:কাটিহার রেলওয়ে বিভাগ বিষয়শ্রেণী:জলপাইগুড়ি জেলার রেলওয়ে স্টেশন
এস. শিবরাজ একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং তামিলনাড়ুর বিধানসভার সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৮৪ ও ২০০৬ সালের নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে ঋষীবন্দিয়াম আসন থেকে তামিলনাড়ু বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে তামিল মাণিলা কংগ্রেস (মোপনার) প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি বিষয়শ্রেণী:জন্মের বছর অনুপস্থিত (জীবিত ব্যক্তি) বিষয়শ্রেণী:তামিল মানিলা কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ১৯৯৬-২০০১ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ২০০১-২০০৬ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ২০০৬-২০১১ বিষয়শ্রেণী:তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ১৯৮৫-১৯৮৯
ইসলামপুর বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন। আয়তন ইসলামপুর ইউনিয়নের আয়তন ৮৮৪৯ একর (৩৫.৮১ বর্গ কিলোমিটার)। জনসংখ্যা ২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইসলামপুর ইউনিয়নের লোকসংখ্যা প্রায় ১৯,৯০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০,৮৯৫ জন এবং মহিলা ৯,০০৭ জন। অবস্থান ও সীমানা রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সর্ব-উত্তরে ইসলামপুর ইউনিয়নের অবস্থান। উপজেলা সদর থেকে এ ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ১৭ কিলোমিটার। এ ইউনিয়নের পশ্চিমে রাজানগর ইউনিয়ন, দক্ষিণে দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়ন ও লালানগর ইউনিয়ন, পূর্বে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার ওয়াজ্ঞা ইউনিয়ন ও কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়ন এবং উত্তরে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়ন অবস্থিত। ইতিহাস ২০০৩ সালে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার আওতাধীন বৃহত্তর রাজানগর ইউনিয়নকে বিভক্ত করে ৩টি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়, তন্মধ্যে ইসলামপুর অন্যতম। প্রশাসনিক কাঠামো ইসলামপুর ইউনিয়ন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার আওতাধীন ১৩নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৮৪নং নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-৭ এর অংশ। ওয়ার্ডভিত্তিক এ ইউনিয়নের গ্রামগুলো হল: ওয়ার্ড নংগ্রামের নাম১নং ওয়ার্ডবেতছড়ি, ত্রিপুরার দীঘি, সেগুনবাগিচা, বহড়াতল, চারা বটতল২নং ওয়ার্ডরৈস্যাবিলী, খতিবনগর, ছাদিক্যাবিলী, চৌচালাবিলী৩নং ওয়ার্ডমগাছড়ি, ধুইল্যাছড়ি, পুলিশ ক্যাম্প৪নং ওয়ার্ডছাদেকনগর এর পূর্ব পাশ, পুলিশক্যাম্প, খতিবনগর, গাবতল, পাহাড়তলী ঘোনা৫নং ওয়ার্ডসাহেবনগর, জোরের কূল, ছাদেকনগর এর পশ্চিম ও উত্তর পাশ৬নং ওয়ার্ডখলিফা পাড়া, নতুন পাড়া আমিন বাড়ী, পূর্ব টিলার পাড়া, সাইর মোহাম্মদ পাড়া, ইসলাম পাড়া, নেজাম শাহ পাড়া৭নং ওয়ার্ডছাদেকনগর, আল আমিন পাড়া, ঘাগড়া কূল৮নং ওয়ার্ডমৌলানা কবির আহমদ পাড়া, পেয়ার মোহাম্মদ পাড়া, বাচুর মোহাম্মদ পাড়া৯নং ওয়ার্ডগলাচিপা নতুন পাড়া, মাইজ পাড়া, আরফার বাড়ী, বিনছি বাপের বাড়ী, গোল মোহাম্মদ পাড়া, পূর্ব টিলার পাড়া, বদি উদ্দীন তালুকদার বাড়ী, ধর্মগোদা শিক্ষা ব্যবস্থা ইসলামপুর ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৪৭.৪৬%। এ ইউনিয়নে ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি মাদ্রাসা, ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক বিদ্যালয় ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাদ্রাসা ইসলামপুর তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা ইসলামপূর মাখযানুল উলূম মাদ্রাসা ছালেহ আহমদ মজিদিয়া মাদ্রাসা প্রাথমিক বিদ্যালয় আল আমিন পাড়া ফয়েজ আলী রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ইসলামপুর রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উত্তর ঘাগড়া সেগুনবাগিচা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উত্তর নিশ্চিন্তাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ধর্মগোদা রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পশ্চিম নিশ্চিন্তা কালিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রৈস্যাবিলী নব কুমার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় http://180.211.137.51:321/DashboardunionN.aspx?div=4&dis=411&thana=41112&union=13 কিন্ডারগার্টেন ইসলামপুর কেজি স্কুল যোগাযোগ ব্যবস্থা চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন বাস টার্মিনাল হতে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়ক হয়ে ইসলামপুর ইউনিয়নে আসা যায়। এছাড়াও বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল হতে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী এবং মরিয়ম নগর চৌমুহনী হতে মরিয়মনগর-রানীরহাট সড়ক হয়ে ইসলামপুর ইউনিয়ন আসা যায়। ধর্মীয় উপাসনালয় ইসলামপুর ইউনিয়নে ২৩টি মসজিদ ও ৯টি প্যাগোডা রয়েছে। ভাষা ও সংস্কৃতি ইসলামপুর ইউনিয়নে বহু ভাষা ভাষির লোক রয়েছে। যেমন: বাঙ্গালী, চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ভাষায় কথা বলে। খাল ও নদী ইসলামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ইছামতি নদী। এছাড়া এ ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ঘাগড়া খাল, রাজখালী খাল এবং বেতছড়ি খাল। হাট-বাজার ইসলামপুর ইউনিয়নের প্রধান হাট/বাজার হল গাবতলী বাজার। দর্শনীয় স্থান বেতছড়ি পাইন বাগান রানীরহাট থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রানীরহাট থেকে কাউখালীর গাড়ীতে করে যেতে হয়। কাউখালী যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে সুন্দর মনোরম পরিবেশে পাইন বাগান অবস্থিত। জনপ্রতিনিধি বর্তমান চেয়ারম্যান: মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন চেয়ারম্যানগণের তালিকা ক্রম নংচেয়ারম্যানের নামসময়কাল০১মোহাম্মদ দিদারুল আলম জসিম০২মোহাম্মদ নেছারুল হক (ভারপ্রাপ্ত)২০০৩-২০০৭০৩মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন তালুকদার (ভারপ্রাপ্ত)২০০৭-২০১১০৪মোহাম্মদ সিরাজদৌল্লাহ২০১১-২০১৬০৫মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন২০১৬-২০২১০৬সিরাজ উদ্দীন চৌধুরী ২০২১- বর্তমান আরও দেখুন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা চট্টগ্রাম জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ বিষয়শ্রেণী:রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইউনিয়ন
উলুবেড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন হল দক্ষিণ-পূর্ব রেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে স্টেশন। এই স্টেশনটি কলকাতা শহরতলি রেলওয়ে ব্যবস্থার অন্তর্গত একটি স্টেশন। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়া জেলায় অবস্থিত। স্টেশনটি উলুবেড়িয়া এবং পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় রেল পরিষেবা প্রদান করে। উলুবেড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটি হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৩২ কি.মি. দূরে অবস্থিত। ইতিহাস উলুবেড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটি পশ্চিমবঙ্গের উলুবেড়িয়াতে অবস্থিত। স্টেশন কোড হল (ইউএলবি)। এটি হাওড়া-খড়গপুর লাইনের একটি ছোট এবং ব্যস্ত রেলওয়ে স্টেশন। নিকটতম স্টেশনগুলি বীর শিবপুর এবং ফুলেশ্বর এবং প্রধান রেলওয়ে স্টেশন হল হাওড়া। উলুবেড়িয়া-হাওড়া লোকাল এই স্টেশন থেকে ছাড়ে এছাড়া সমস্ত লোকাল ইএমইউ ট্রেনগুলি এই স্টেশনে দাঁড়ায়। যেমন- হাওড়া-খড়গপুর লোকাল, হাওড়া-মেদিনীপুর লোকাল, হাওড়া-পাঁশকুড়া লোকাল, হাওড়া-হলদিয়া লোকাল ইত্যাদি। হাওড়া-খড়গপুর লাইনটি ১৯০০ সালে চালু হয়। হাওড়া-খড়গপুর লাইনটি ১৯৬৭-৬৯ সালে বিদ্যুতায়িত হয়। সাঁতরাগাছি-পাঁশকুড়া-খড়গপুর চতুর্থ লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:হাওড়া জেলার রেলওয়ে স্টেশন বিষয়শ্রেণী:কলকাতা শহরতলি রেল স্টেশন বিষয়শ্রেণী:খড়গপুর রেলওয়ে বিভাগ বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গের বৈদ্যুতিক রেল পরিষেবা যুক্ত রেলওয়ে স্টেশন বিষয়শ্রেণী:১৯০০-এ ভারতে চালু রেলওয়ে স্টেশন
||কাব্বো (উচ্চারণ কাব-ও; মৃত্যু ২৫ জানুয়ারী ১৮৭৬) (আরো পরিচিত উহি-ডডোরো বা জান্তজে তুরেন নামে) ছিলেন একজন প্রখ্যাত খাম সাংস্কৃতিক এবং জ্ঞানবিষয়ক পরিবেশক। তিনি ব্লেক এবং লয়েড আর্কাইভের “বুশম্যানের লোককাহিনীর নমুনা”তে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন, যেখানে ǀএক্সাম সমাজের জীবন, রীতিনীতি এবং বিশ্বাসের বিবরণ প্রদান করেছিলেন। থাম্ব|গল্পঃ সিংহ ও জিরাফ, লুসি লয়েড কাজকর্ম লুইস-উইলিয়ামস, জেড.ডি, সম্পাদনা (২০০০)। স্টোরিজ দ্যাট ফ্লোট ফ্রম আফার। কেপ টাউন: ডেভিড ফিলিপ। আইএসবিএন ০-৮৬৪৮৬-৪৬২-০। ব্লেক, উইলহেলম এইচ. আই.; লয়েড, লুসি সি. (১৯১১)। স্পেসিমেনস অফ বুশম্যান ফোকলোর। জি. অ্যালেন। তথ্যসূত্র বহির্সংযোগ ব্লিক অ্যান্ড লয়েড আর্কাইভ অনলাইন Authors: |kabbo (জান্তজে (II) বিষয়শ্রেণী:১৮৭৬-এ মৃত্যু
শোকো আসাহরা (জাপানিজঃ 麻原 彰晃 - 6/7/2018) জাপানের নতুন ধর্মীয় সংগঠন ওম শিনরিকিও-এর প্রতিষ্ঠাতা। তাকে ১৯৯৫ সালে জাপানের টোকিওর সাবওয়েতে বিষাক্ত সারিন গ্যাস প্রয়োগের মূল পরিকল্পনাকারী এবং আরো কিছু অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করে ২০০৪ সালে মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করা হয়। কিন্তু ২০১২ সালের জুনে ওম শিনরিকিওর অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের তথ্যের জন্য তার মৃত্যুদন্ড স্থগিত করা হয়।Execution of Aum founder likely postponed . The Daily Yomiuri শৈশব ও শিক্ষা শোকো আসাহরা ১৯৫৫ সালের ২ মার্চ জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমে কুয়ামোটোতে এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পরিবার টাটামি নামে একধরনের মাদুর তৈরির ব্যবসা করত। শৈশবে তিনি গ্ল্যোকৌমা রোগে আক্রান্ত হন ও বাম চোখের দৃষ্টি হারান। তিনি ডান চোখেও কম দেখতে পান। শিশু থাকাকালে তিনি অন্ধদের বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। ১৯৭৭ সালে স্নাতক সম্পন্ন করে তিনি আকুপাংচার ও চীনা ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। এটাই জাপানের অন্ধদের ঐতিহ্যবাহী পেশা।"JAPANESE ACUPUNCTURE: Blind Acupuncturists, Insertion Tubes, Abdominal Diagnosis, and the Benten Goddess", Subhuti Dharmananda, Institute for Traditional Medicine. Retrieved on 2009-07-23 ১৯৭৮ সালে তিনি বিয়ে করেন। ১৯৮১ সালে তাকে লাইসেন্সবিহীন ওষুধ বিক্রি ও এটা নিয়ে গবেষণা করার জন্য ২০০,০০০ জাপানি ইয়েন জরিমানা করা হয়। মূলত তখন থেকেই তার ধর্মীয় বিষয় নিয়ে চর্চা শুরু হয়। অবসর সময়ে ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করতেন, চীনা জ্যোতিষবিদ্যা, তাওবাদ, বৌদ্ধ ধর্ম, জেন ধর্ম, দর্শনের ইতিহাস ইত্যাদি বিষয়েও পারদর্শী হয়ে উঠেন। ভারতীয় যোগবিদ্যার প্রতি ছিল তার প্রবল অগ্রহ। এছাড়া গভীর জ্ঞান অর্জনের জন্য ভারতে যান এবং সেখানে বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্ম সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করেন। ওম শিনরিকিও ধর্মের প্রবর্তন ১৯৮৪ সালে শোকো আসাহরা ভারত থেকে জাপান ফিরে আসেন। তখন তিনি নিজের নাম বদলে শোকো আসাহরা নামধারন করেন ও ওম শিনরিকিও ধর্মের নিসন্ধনের জন্য জাপানি সরকারের কাছে আবেদন করেন। প্রথমদিকে কর্তৃপক্ষ অপত্তি করলেও ১৯৮৯ সালে ওম শিনরিকিওকে নতুন ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ‘ওম শিনরিকিও’র ধর্মীয় আদর্শ পালি ভাষায় বুদ্ধের আদিশিক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠিত। জাপানি ভাষায় ‘শিনরিকিও’ শব্দের অর্থ হলো ‘পরম সত্য’। শোকো আসাহরার বিশ্বাসের মূল ভিত্তি হলো বৌদ্ধ ধর্ম, অ্যাপোকালিপটিক খ্রিস্টধর্ম এবং ফরাসি ভবিষ্যদ্বক্তা নস্ট্রাডামুসের লেখনী। শোকো আসাহরা মনে করতেন, বিংশ শতাপ্দীতে পৃথিবী ধংস্ব হয়ে যাবে ও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে।Lifton, Robert Jay, Destroying the World to Save It: Aum Shinrikyo, Apocalyptic Violence, and the New Global Terrorism. New York: Macmillan (2000). শোকো আসাহরা শিষ্যদের বলতেন, ‘ভারতে থাকার সময় আমার বোধিলাভ হয়েছে।’ তার দলের সদস্য সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে এবং তিনি নিজেকে তাদের ত্রানকর্তা হিসেবে ঘোষণা করেন। শিষ্যরা তার কথা মেনে চলত কেননা ভারতে থাকার সময় তিনি যোগবিদ্যার উপর অনেক জ্ঞান অর্জন করেছিলেন ও শিষ্যদের নানা বিষয় যেমন, দেহকে শূন্যে ওড়ার উপায়, ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা এবং টেলিপ্যাথি ইত্যাদি শিখাতেন। তিনি তার ধর্মের বিধিনিষেধ অথবা নিয়মকানুন সম্পর্কে অনেক বই লিখেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য “বিয়ন্ড লাইফ অ্যান্ড ডেথ” ও “মহায়ানা সুটরা অ্যান্ড ইনিটিয়াশন”। শোকো আসাহরার গ্রেফতার ও বিচারের পর ২০০০ সালে তার ধর্মের নাম পরিবর্তন করে ‘আলেফ’ রাখা হয়। টোকিওর সাবওয়েতে বিষাক্ত সারিন গ্যাস প্রয়োগ ১৯৯৫ সালের ২০ মার্চ শোকো আসাহরার শিষ্যরা বিষাক্ত সারিন গ্যাস দিয়ে টোকিওর সাবওয়েতে বিষাক্ত সারিন গ্যাস প্রয়োগ করে। এই ঘটনায় ১৩ জন নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ এর বিষ ক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পরে। শোকো আসাহরাকে আরো ২৭ জন মানুস হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। তার বিচার চলাকালে তাকে টোকিওর সাবওয়েতে গ্যাস প্রয়োগের নির্দেশদাতা ও জাপানি সম্রাটকে উৎখাতের পরিকল্পনাকারী হিসেবে দোষী সাবস্থ করা হয়। তাকে অরো ১৩ থেকে ১৭ টি মামলায় দোষী সাবস্থ করে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে মৃত্যুদন্ডে দণ্ডিত ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সুপ্রীম কোর্টের এক আদেশে ২০১২ সালের জুনে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পযর্ন্ত তার মৃত্যুদন্ড স্থাগত ষোষনা করা হয়। আরো পড়ুন —highlights the main stages of Yogic and Buddhist practice, comparing Yoga-sutra system by Patanjali and the Eightfold Noble Path from Buddhist tradition. —focuses on the process of Kundalini-Yoga, one of the stages in Aum's practice. Berson, Tom. "Are We Ready for Chemical Warfare?" News World Communications 22 September. 1997 Bonino, Stefano. Il Caso Aum Shinrikyo: Società, Religione e Terrorismo nel Giappone Contemporaneo, 2010, Edizioni Solfanelli, . Preface by Erica Baffelli. Brackett, D W. Holy Terror: Armageddon in Tokyo. 1st ed. New York: Weatherhill, 1996. Head, Anthony. "Aum's Incredible Journey Towards Armageddon." Japan Quartery Oct.-Nov. 1996: 92-95. Kiyoyasu, Kitabatake. "Aum Shinrikyo: Society begets an aberration." Japan Quarterly Oct. 1995: 376-383. Lifton, Robert J. Destroying the World to Save It. 1st ed. New York: Metropolitan Books, 1999. Murakami, Haruki. Underground : The Tokyo Gas Attack and the Japanese Psyche. New York: Vintage Books, 2001. তথ্যসূত্র বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম বিষয়শ্রেণী:২০১৮-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণী:স্বঘোষিত মশীহ
End of preview. Expand in Data Studio

📚 Bengali Wikipedia Language Modeling Dataset (For GPT-2 Training)

📝 Dataset Summary

This dataset contains a large Bengali text corpus collected from Bengali Wikipedia.
It is cleaned, sentence-segmented, and formatted for next-token prediction language modeling tasks such as GPT-2 training.

It includes train and validation splits, suitable for transformer-based Bengali language models.


📊 Dataset Details

Property Value
Language Bengali (বাংলা)
Source Bengali Wikipedia dump
Total Size ~1.5 GB text
Total Articles 178,286 articles processed
Task Type Causal Language Modeling
Format Plain text (.txt), UTF-8
License CC BY-SA 3.0 (Wikipedia license)
Intended Models GPT-2, GPT-Neo, LLaMA-style autoregressive models

🔧 Preprocessing

  • Non-article/irrelevant pages removed (redirects, templates, etc.)
  • Special markup cleaned (HTML/wiki tags)
  • Kept Unicode Bengali characters with character coverage 0.9995
  • Split into lines of clean sentences
  • Tokenizer-friendly format (no artificial spaces)

🔀 Dataset Splits

Split Percentage Purpose
train 90% Main LM training
validation 10% Perplexity and tuning

Example code to load splits:

from datasets import load_dataset

dataset = load_dataset("rejauldu/bengali-wikipedia")
print(dataset)
print(dataset['train'][0])

🧩 Tokenization Recommendation

Suitable for training with:

✅ SentencePiece — Unigram (recommended for pure Bengali)
✅ SentencePiece BPE — for mixed English-Bengali text
✅ GPT-2 Byte-Level BPE — if replicating original GPT-2 behavior

Example SP training config:

spm_train \
  --input=bn_corpus_train.txt \
  --model_prefix=bn_unigram \
  --vocab_size=50000 \
  --model_type=unigram \
  --character_coverage=0.9995 \
  --user_defined_symbols=<bos>,<eos>,<pad>

✅ Example Usage (for GPT-2 Fine-tuning)

from transformers import GPT2TokenizerFast, GPT2LMHeadModel, Trainer, TrainingArguments
from datasets import load_dataset

dataset = load_dataset("rejauldu/bengali-wikipedia")

tokenizer = GPT2TokenizerFast.from_pretrained("path/to/spiece/model")
tokenizer.pad_token = tokenizer.eos_token

def tokenize(batch):
    return tokenizer(batch["text"], truncation=True, padding="max_length", max_length=512)

dataset = dataset.map(tokenize, batched=True, num_proc=4)
dataset.set_format(type="torch", columns=["input_ids", "attention_mask"])

model = GPT2LMHeadModel.from_pretrained("gpt2")
model.resize_token_embeddings(len(tokenizer))

📌 Ethical Considerations

  • Text from Wikipedia may contain biases, outdated info, or culturally sensitive entities.
  • Use responsibly; apply additional filtering for safety-critical deployments.

🏷️ Citation

If you use this dataset, please cite:

Wikipedia contributors. (CC BY-SA 3.0).
Bengali Wikipedia dump.
https://bn.wikipedia.org/

Downloads last month
29