Dataset Viewer
Auto-converted to Parquet Duplicate
id
stringlengths
4
7
url
stringlengths
39
750
title
stringlengths
1
88
text
stringlengths
73
119k
575528
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%20%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%A1
পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড
পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড (পূর্বনাম দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। অনিয়ম-জালিয়াতির দায়ে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের চারটি সরকারি ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ব্যাংকটির বড় অংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করে। এতে ব্যাংকটির স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু হলে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পদ্মা ব্যাংক। ইতিহাস এই ব্যাংকটি ২০১৩ সালের ৩ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৬ সালে শত শত কোটি টাকা অনিয়ম দেখে ফারমার্স ব্যাংকে পর্যবেক্ষক দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ কেলেঙ্কারিসহ নানা অনিয়মের কারণে ২০১৭ সালে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন খান আলমগীর তার পদ ছাড়তে বাধ্য হন ও ব্যাংকটির এমডি এ কে এম শামীমকে বাংলাদেশ ব্যাংক অপসারণ করে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়। ব্যাংকটি বাঁচাতে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশান অব বাংলাদেশ (আইসিবি) মূলধন জোগান দেয়। ঋণ কেলেঙ্কারিসহ বিভিন্ন অনিময়ের কারণে সমালোচিত হওয়ার পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকটির নাম পরিবর্তনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা "‘দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড’ এর নাম পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড নামকরণ’" শীর্ষক এক সার্কুলার অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৯শে জানুয়ারি ব্যাংকটির নাম পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড নামকরণ করা হয়। আরও দেখুন বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের ব্যাংকসমূহের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংক বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক ২০১৩-এ প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক ২০১৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের ব্যাংক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ঢাকা ভিত্তিক কোম্পানি
1183625
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%28%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%20%E0%A6%A4%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%29
ফকির (মুসলিম তপস্বী)
ফকির (আরবি : الفقير) হল একটি ইসলামি পরিভাষা, যা ঐতিহ্যগতভাবে সে সকল সুফি মুসলিম তপস্বীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যারা তাদের পার্থিব সম্পদ ত্যাগ করে এবং আল্লাহর উপাসনায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে। তারা অগত্যা সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করে এবং দারিদ্র্যের শপথ নেয়। তাদের কেউ বাস্তবে দরিদ্র হতে পারে এবং কেউ ধনীও হতে পারে, তবে অস্থায়ী পার্থিব জীবনের উপকরণসমূহ আল্লাহর প্রতি তাদের অবিচ্ছিন্ন উৎসর্গ থেকে বিরত হয় না। তারা জিকিরের প্রতি যত্মবান ও শ্রদ্ধাশীল হয়। প্রাথমিকভাবে মুসলিম বিশ্বে সুফিবাদের আবির্ভাব হয় উমাইয়া খিলাফতের সময় (৬৬১-৭৫০) এবং এটি ইসলামের দুটি মূলধারা সুন্নি এবং শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি রহস্যময় ঐতিহ্য হিসেবে বেড়ে ওঠে। সুফি মুসলিম তপস্বীগণ (ফকির ও দরবেশ) ইসলামের ইতিহাসে ইসলাম প্রচারে অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ব্যাপকভাবে সফল ছিলেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং মুসলিমবিশ্বের সবচেয়ে দূরবর্তী অঞ্চল উত্তর আফ্রিকা,বলকান,ককেশাস,ভারতীয় উপমহাদেশ, মধ্য, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ইসলাম প্রচারে তাদের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। সুফি মুসলমানরা দীর্ঘ একটি সহস্রাব্দ ধরে বিভিন্ন মহাদেশ ও সংস্কৃতিতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং আরবি,ফার্সি, তুর্কি, ভারতীয় ভাষাসহ বিশ্বের সকল প্রসিদ্ধ ভাষায় ইসলামের প্রচার ঘটিয়েছ। সাম্পতিক ফকির শব্দটি এমন একজন সন্ন্যাসীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যিনি পার্থিব সম্পদ ত্যাগ করেন। এমনকি অমুসলিমদের ক্ষেত্রেও এটি প্রয়োগ হয়। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় ফকিরদের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে এবং তাদের বিশেষ ঐশী শক্তির অধিকারী মনে করা হয়। শব্দটি প্রায়শই হিন্দু সন্ন্যাসীদের (যেমন: সাধু, গুরু,স্বামী ও যোগী) ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়। এই ব্যবহারগুলি মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল যুগে বিকশিত হয়েছিল। উত্তর ভারতে ফকিরদের একটি স্বতন্ত্র গোষ্ঠীও পাওয়া যায়, যারা সুফি মাজারে বসবাসকারী ফকিরদের সম্প্রদায় থেকে এসেছে। ১ম শিখ গুরু শ্রী গুরু নানক দেব জিও "নানক শাহ ফকির" নামে পরিচিত ছিলেন। মাওলানা মাজদ্দেদ্দিন আলী বাগের শাহ তার একটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থে বলেন, "সুফি এমন একজন ব্যক্তি, যার আধ্যাত্মিক তপস্যার কারণে মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে এবং যিনি তার আসল পরিচয় জেনেছেন। সুফিরা একেবারে দরিদ্র হয় এবং জীবনের সত্য ছাড়া আর কিছুই দেখে না।" ব্যুৎপত্তি ব্যুৎপত্তিগতভাবে ফকির শব্দটি আরবি। এটি ফকর ( ) শব্দমূল থেকে এসেছে। এর অর্থ হল "দরিদ্র হওয়া বা দুঃখী হওয়া। এ হিসেবে ফকির শব্দের বাংলায় অর্থ হয় দরিদ্র, অভাবগ্রস্ত বা দুঃখী। বর্তমান বাংলা ভাষায় গরিব বা দরিদ্র বোঝাতেও ফকির শব্দ ব্যবহৃত হয়। ইতিহাস ইসলামের ৪র্থ খলিফা আলী ইবনে আবি তালিবের (রা.) পুত্র এবং নবি মুহাম্মদ (সা.)-এর নাতি হুসাইন ইবনল আলী তাসাউফের বিষয়ে মিরাত উল-আরফিন নামে একটি বই লিখেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। এটিকে সুফিবাদের উপর প্রথম বই বলা হয়। বিভিন্ন কারণে উমাইয়াদের শাসনামলে এই বইটি প্রকাশ করা যায়নি। হুসাইন ইবনে আলী (রা.)-এর পরে দীর্ঘকাল ধরে ফক্‌র, তাসাউউফ ও সুফিবাদের তথ্য ও শিক্ষা হৃদয় থেকে হৃদয়ে স্থানান্তরিত হতে থাকে। তবে এসব কথার কোনো শক্তিশালী ঐতিহাসিক ভিত্তি পাওয়া যায় না। সে হিসেবে অনেক গবেষক এসব কথা মেনে নিতে ঘোর আপত্তি জানিয়েছেন। বাংলায় ফকির বলতে দুটি অর্থ প্রকাশ করে, যার একটি মূলত একজন সন্ন্যাসী, সাধু পুরুষ বা দরবেশকে বোঝায়। শব্দটি মুসলিম বংশোদ্ভূত হলেও ভারতীয় উপমহাদেশে এটি গোস্বামী, সাধু, ভিক্ষুক এবং অন্যান্য উপাধির মতো হিন্দু তপস্বী এবং রহস্যবাদীদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়েছে। ফকিররা সাধারণত অতিপ্রাকৃত বা অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী পবিত্র পুরুষ হিসেবে বিবেচিত হন। মুসলমানদের মধ্যে ফকিরদের প্রধান সুফি তরিকা হল: শাদিলিয়াহ, চিশতিয়া, কাদিরিয়া, নকশবন্দিয়া এবং সোহরাওয়ার্দিয়া। কেমব্রিজ ইংলিশ ডিকশনারী ফকির শব্দটিকে "ইসলাম ধর্মীয় গোষ্ঠীর সদস্য বা একজন পবিত্র মানুষ" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। গুণাবলী একজন ফকিরের ঠিক কী কী গুণাবলী থাকতে হয় সে বিষয়ে অনেক মুসলিম পণ্ডিত লিখেছেন। প্রথম দিকের বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত আবদুল-কাদির জিলানি সুফিবাদ তাসাউউফ ও ফকরকে চূড়ান্তভাবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন। একজন ফকিরের গুণাবলী ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “ফকির সে নয় যে কিছু করতে পারে না এবং তার আত্ম-সত্তায় কিছুই নেই। ফকিরের খোদাপ্রদত্ত অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে এবং তা তার থেকে প্রত্যাহার করা হয় না। ইবনে আরাবী ফকিরসহ সূফীবাদকে আরো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি এই বিষয়ে ৫০০ টিরও বেশি বই লিখেছেন। তিনিই প্রথম মুসলিম পণ্ডিত যিনি খোলাখুলিভাবে ওয়াহদাত আল-ওজুদের ধারণাটি প্রবর্তন করেছিলেন। তার লেখা এই বিষয়ে একটি জটিল উৎস হিসাবে বিবেচিত হয়। অন্য একজন প্রসিদ্ধ মুসলিম সাধক সুলতান বাহু একজন ফকিরকে "আল্লাহর কাছ থেকে পূর্ণ কর্তৃত্ব অর্পণ করা হয়েছে" বলে বর্ণনা করেছেন। একই গ্রন্থে সুলতান বাহু বলেন, “ফকির আল্লাহর একত্বে বিলীন হয়ে অনন্তকাল লাভ করে। সে যখন নিজেকে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের কাছ থেকে মুছে ফেলে, তখন তার আত্মা ঐশ্বরিকতায় পৌঁছে যায়। সমালোচনা প্রচলিত ফকির সমাজ ও তাদের কার্যক্রম নিয়ে মুসলিম বিশ্বের মূলধারার আলেমগণ অনেক সমালোচনা করেন। তাদের মতে, বর্তমান ফকিররা ইসলামের ঐশী স্প্রিট থেকে সরে গিয়ে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাথে একাত্ম হয়ে গিয়েছে। তাদের মতে, ফকির ও সুফি একই স্তরের নয়। সুফিবাদ মূলত ধর্মীয় গণ্ডিতে আবদ্ধ থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে শরিয়ত মেনে চলে আধ্যাত্মিক শক্তি অর্জনের শিক্ষা দেয়। বিপরীতে প্রচলিত ফকিররা শরিয়ত থেকে মুক্ত হয়ে বিভিন্ন মনগড়া পন্থা অবলম্বন করে আত্মিক মুক্তির জন্য সাধনা করেন। তাই মূলধারার আলেমগণ সুফিবাদ ও ফকিরদের সাধনাকে আলাদা দুটি বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তথ্যসূত্র হিন্দুস্তানি ভাষা ভারতে ইসলাম পাকিস্তানে ইসলাম বাংলাদেশে ইসলাম ইসলামি তপস্যা হিন্দু তপস্যা সরল জীবনযাপন সুফি দর্শন সুফিবাদ হিন্দু সন্ন্যাসব্রত
5125
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ইরান
ইরান ( ইরান ), যা ঐতিহাসিকভাবে পারস্য এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামী প্রজাতন্ত্রী ইরান ( জোমহুরিয়ে এসলামিয়ে ইরান ) নামে পরিচিত, হল পশ্চিম এশিয়ার একটি দেশ। এর উত্তর-পশ্চিমে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান, উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর, উত্তর-পূর্বে তুর্কমেনিস্তান, পূর্বে আফগানিস্তান, দক্ষিণ-পূর্বে পাকিস্তান, দক্ষিণে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর এবং পশ্চিমে তুরস্ক ও ইরাক অবস্থিত। ইউরেশিয়ার কেন্দ্রে এবং হরমুজ প্রণালীর নিকটে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি ভূকৌশলগতভাবে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ইরানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর তেহরান যা দেশটির অগ্রগামী অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও বটে। তেহরান পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল শহর যার জনসংখ্যা ৮.৮ মিলিয়ন এবং মহানগর অঞ্চল মিলিয়ে ১৫ মিলিয়নেরও বেশি। ইরানের জনসংখ্যা ৮৩ মিলিয়ন এবং এটি বিশ্বের ১৭তম সর্বাধিক জনবহুল দেশ। ১৬,৪৮,১৯৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং পৃথিবীর সপ্তদশ বৃহত্তম রাষ্ট্র। ইরান বিশ্বের সবচেয়ে পর্বতময় দেশগুলির একটি; এখানে হিমালয়ের পরেই এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ দামভান্দ অবস্থিত। দেশটির জনগণ জাতিগত ও ভাষাগতভাবে বিচিত্র হলেও এরা প্রায় সবাই মুসলিম। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ অঞ্চলটি শিয়া মুসলমানদের কেন্দ্র। ইরানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার আছে। পারস্য উপসাগরের অন্যান্য তেলসমৃদ্ধ দেশের মতো ইরানেও তেল রপ্তানি ২০শ শতকের শুরু থেকে দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।. খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বর্তমান ইরান ছিল বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য পারস্যের কেন্দ্র। প্রায় ২০০০ বছর ধরে এ অঞ্চলের অধিবাসীরা নিজেদের দেশকে "ইরান" নামে ডাকত। ইরান নামটি এই এলাকায় বসতি স্থাপনকারী আর্য গোত্রের নাম থেকে নেয়া। কিন্তু গ্রিকরা এই অঞ্চলকে পার্সিস (বর্তমান ইরানের ফার্স প্রদেশ) বলে ডাকত, এবং সেখান থেকে ইউরোপীয় ভাষায় এর নাম হয় পার্সিয়া , যা বাংলায় লিপ্যন্তর করা হয় পারস্য হিসেবে। ১৯৩৫ সালে ইরানের শাসক দেশটিকে কেবল "ইরান" বলে ডাকার অনুরোধ জানানোর পর থেকে এখন এই নামেই সারা বিশ্বে দেশটি পরিচিত। ১৫০১ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত রাজতন্ত্রী ইরান হয় শাহ কিংবা রাজারা শাসন করতেন। ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লব গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের পতন ঘটায় এবং ইরানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র স্থাপন করে। ইরান একটি বহু-সাংস্কৃতিক দেশ যেখানে অনেক উপজাতীয় এবং ভাষাগত দল রয়েছে। বৃহত্তম পারস্য (৬১%), আজারবাইজান (১৬%), কুর্দিস্তান (১০%) এবং লোরি (৬%)। শিশুদের মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে ইরান বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে। ইতিহাস ইরান পৃথিবীর প্রাচীনতম কাল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত অস্তিত্বশীল বৃহৎ সভ্যতাগুলোর মধ্যে অন্যতম। ইরানের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের যার সূচনা হিসেবে বলা যায় ইরানি প্লেট-এ অবস্থিত আজারবাইজানের মানইয়ান সভ্যতা। এর পর আসে জাবোলের শহর-ই-সোখতা এবং প্রাচীন জিরফ্ট সম্রাজ্য যা এলাম সম্রাজ্য এবং আকামেনিদ সাম্রাজ্য দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। পরবর্তীতে আসে পারস্য এবং সাসানীয় সাম্রাজ্য যার পতনের মাধ্যমেই আধুনিক ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানের অভ্যুদয় ঘটে। পৃথিবীর উত্তরাংশ থেকে আর্যদের আগমনের পূর্বেই ইরানি প্লেটে অনেক প্রাচীন এবং প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে অগ্রগামী সভ্যতার অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় যদিও আর্য জাতির অনেক ইতিহাসই এখনও পর্যন্ত অনেক ঐতিহাসিকের কাছে অজানা রয়ে গেছে। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার ফলাফল অনুসারে পারস্যের ইতিহাসের সূচনা ধরা হয়েছে প্যালিওলিথিক যুগের মাঝামাঝি সময়ে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ১০০,০০০ বছর আগে। ৭ম শতাব্দীরে ইসলামের পারস্য বিজয়-পরবর্তী ইরানের ইতিহাস নিচে দেয়া হল। আরব মুসলিমেরা ৬৩৬ খ্রিষ্টাব্দে পারস্য সাসানীয় সাম্রাজ্যে আক্রমণ শুরু করে। পরবর্তী ৫ বছরের মধ্যে তারা এলবুর্জ পর্বত ও কাস্পিয়ান সাগরের তীরবর্তী সমভূমি ব্যতীত সমগ্র ইরান করায়ত্ত করে। ৬৫১ সালে তারা সাসানিদ সাম্রাজ্যের পূর্ণ পতন ঘটাতে সক্ষম হয়। এর পর প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ইরান আরব ইসলামিক সাম্রাজ্যের অধীনে থাকে। এসময় মূল ইরানের বাইরে বর্তমান পশ্চিম আফগানিস্তানের হেরাতেও এই সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটেছিল। ইসলামের খলিফারা প্রথমে মদীনা, ও পরবর্তীকালে সিরিয়ার দামেস্ক ও শেষ পর্যন্ত ইরাকের বাগদাদ থেকে ইরান শাসন করতেন। ৯ম শতাব্দীর শেষে এসে পূর্ব ইরানে স্বাধীন রাজ্যের আবির্ভাব ঘটে এবং ১১শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বাগদাদের আরব খলিফা ইরানের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ইসলামের ইরান বিজয়ের পর ইরানীরা ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া শুরু করে। এর আগে বেশির ভাগ ইরানি সাসানিদ সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রধর্ম জরথুষ্ট্রবাদে বিশ্বাসী ছিল ও কিছু সংখ্যালঘু ইরানি খ্রিস্ট ও ইহুদী ধর্মাবলম্বী ছিল। ১০ম শতকের মধ্যেই ইরানের অধিকাংশ জনগণ মুসলিমে রূপান্তরিত হয়, এবং এদের আধিকাংশই ছিল সুন্নী মুসলিম, তবে কেউ কেউ শিয়া ইসলামের ভিন্ন ভিন্ন ধারা অনুসরণ করত। এদের মধ্যে ইসমাইলি নামের একটি শিয়া গোত্র এলবুরুজ পর্বত এলাকার রুদাবার অঞ্চলে ১১শ থেকে ১৩শ শতক পর্যন্ত একটি ছোট কিন্তু স্বাধীন রাজ্যে বসবাস করত। ১৬শ শতকের আগে ইরানের বর্তমান জাফরি শিয়া ইসলাম-ভিত্তিক পরিচিতি গঠন করেনি। ইরানের প্রাচীনতম সভ্যতা, ৮ হাজার বছরের ইতিহাসের সাথে এটি "পিরানশাহর" শহর। রাজনীতি ইরানের রাজনীতি একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্র কাঠামোয় সংঘটিত হয়। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে গৃহীত সংবিধান এবং ১৯৮৯ সালের সংশোধনী ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে সংজ্ঞায়িত করেছে। সংবিধানে ইসলাম ধর্মের শিয়া মতটিকে ইরানের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়েছে। আলি খামেনেই বর্তমানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। আর সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি দেশটির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। আরও আছে ২৯০ সদস্যবিশিষ্ট এককাক্ষিক আইনসভা। সামরিক বাহিনী ইরানে দুই ধরনের সেনাবাহিনী রয়েছে। একটি প্রথাগত সেনাবাহিনী ও বৈপ্লবিক সুরক্ষা বাহিনী। সেনাবাহিনী এর ৪ টি ভাগ রয়েছে। ভূ সেনা , নৌ সেনা , বায়ু সেনা ও আকাশ প্রতিরক্ষা সেনা। তবে তাদের বায়ু সেনার বিমানগুলো অধিকাংশ পুরোনো প্রযুক্তির। প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ ইরান ৩০টি প্রদেশে বিভক্ত। ফার্সি ভাষায় এগুলির নাম ওস্তান (استان ostān ওস্তান, বহুবচনে استان‌ها ওস্তান্‌হা)। প্রতিটি প্রদেশ একটি স্থানীয় (সাধারণত বৃহত্তম) শহর থেকে শাসিত হয়, যাকে প্রদেশটির রাজধানী (ফার্সি ভাষায়: مرکز মার্কাজ) বলা হয়। প্রদেশের প্রশাসক হিসেবে থাকেন একজন গভর্নর (ফার্সি ভাষায়: استاندار ওস্তানদার), এবং তাকে অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় নিয়োগদান করে। প্রতিটি প্রদেশ আবার অনেকগুলি অংশে বিভক্ত, যাদেরকে ফার্সি ভাষায় বলে শাহ্‌রেস্তান (شهرستان)। প্রতিটি শাহ্‌রেস্তান আবার অনেকগুলি জেলায় বিভক্ত, যেগুলিকে বাখ্‌শ বলে। ( بخش)। একেকটি শাহ্‌রেস্তান সাধারণত একাধিক শহর (ফার্সি ভাষায়: شهر শাহ্‌র) এবং অনেক গুচ্ছগ্রাম (ফার্সি ভাষায়: دهستان দেহেস্তান) নিয়ে গঠিত। শাহ্‌রেস্তানের একটি শহরকে সাধারণত সেটির রাজধানী বা কেন্দ্রীয় শহরের মর্যাদা দেয়া হয়। প্রদেশসমূহ ১৯৫০ সাল অবধি ইরান ১২টি প্রদেশে বিভক্ত ছিল: আর্দালান, আজারবাইজান, বালুচিস্তান, ফারস, জিলান, আরাক-ই-আজম, খোরাসান, খুজেস্তান, কেরমান, লারেস্তান, লোরেস্তান এবং মাজান্দারান। ১৯৫০ সালে ইরানকে ১০টি প্রদেশে এবং তার অধীনে অনেকগুলো গভর্নরেটে ভাগ করা হয়: গিলান; মাজান্দারান; পূর্ব আজারবাইজান; পশ্চিম আজারবাইজান; কের্মানশাহ; খুজেস্তান; ফার্স; কের্মান; খোরাসান; ইসফাহান। ১৯৬০ হতে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত এক এক করে অনেকগুলো গভর্নরেটকে প্রদেশে উন্নীত করা হয়। সর্বশেষ ২০০৪ সালে তৎকালীন সর্ববৃহৎ খোরাসান প্রদেশকে তিন ভাগে ভাগ করে তিনটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়। ভূগোল সৌদি আরবের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। দেশটির মোট আয়তন ১৬,৪৮,০০০ বর্গকিলোমিটার। দেশটি মোটামুটি ত্রিভুজাকৃতির, যার দীর্ঘতম বাহু প্রায় ২,৫০০ কিমি দীর্ঘ এবং যা উত্তর-পশ্চিমে তুরষ্কের সাথে সীমান্তে শুরু হয়ে দক্ষিণ-পূর্বে পাকিস্তান সীমান্তে এসে শেষ হয়েছে। ত্রিভুজের তৃতীয় শীর্ষটি উত্তর পূর্বে ইরানের সাথে তুর্কমেনিস্তানের সীমানার মাঝামাঝি অবস্থিত। উত্তর-দক্ষিণে ইরানের সর্বোচ্চ বিস্তার ১,৬০০ কিমি, আর পূর্ব-পশ্চিমে ১,৭০০ কিমি। প্রাকৃতিক অঞ্চলসমূহ ইরানের অভ্যন্তরীণ মালভূমিগুলি প্রায় সম্পূর্ণরূপে পর্বতবেষ্টিত। জগ্রোস পর্বতমালা প্রধান পর্বতমালা এবং এটি দেশটির ভেতরে দিয়ে উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে ১,৬০০ কিলোমিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্য জুড়ে বিস্তৃত। পারস্য উপসাগরের উত্তর উপকূলের খোঁজেস্তন ছাড়া পশ্চিম ইরানের প্রায় পুরোটাই জগ্রোস পর্বতমালায় গঠিত। পর্বতমালাটির মধ্য অংশ প্রস্থে প্রায় ৩৪০ কিমি চওড়া। এর অধিকাংশ চূড়া ৪,০০০ মিটারেরও অধিক উচ্চতাবিশিষ্ট। এদের মধ্যে ৪,৫৪৭ মিটার উঁচু জার্দ কুহ সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। ২,৩০০ মিটারের চেয়ে উঁচু শৃঙ্গগুলিতে অনেক পানি জমা হয় এবং এগুলি নিচের উপত্যকায় ভূ-গর্ভস্থ পানি আকারে নেমে আসে। এই উপত্যকাগুলি সমুদ্রতল থেকে ১২০০ থেকে ১৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হলেও যথেষ্ট উর্বর এবং এগুলিতে বিভিন্ন ধরনের শস্যের আবাদ করা হয়। ইরানের উত্তর প্রান্তে একটি খাড়া, সরু পর্বতমালা কাস্পিয়ান সাগরের পুরো দক্ষিণ তীর জুড়ে অবস্থিত; এর নাম আলবোর্জ পর্বতমালা। এই পর্বতমালাটি প্রায় ৬০০ কিমি দীর্ঘ এবং এর গড় প্রস্থ প্রায় ১০০ কিমি। ইরানের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ দামভান্দ (৫,৬৭০ মি) এই পর্বতমালার মধ্যভাগে অবস্থিত। আলবোর্জের আরও অনেকগুলি চূড়া ৩,৬০০ মিটার ছাড়িয়ে গেছে। এই পর্বতমালার উত্তর ঢালের অরণ্যে সারা বছর ধরে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। এই পর্বতমালা ও কাস্পিয়ান সাগরের অন্তর্বর্তী স্থানে গড়ে ২৪ কিমি প্রস্থবিশিষ্ট একটি উর্বর সমভূমি আছে। আলবোর্জ পর্বতমালার পূর্বে সমান্তরাল কতগুলি পর্বতমালা রয়েছে, যেগুলি ২৪০০ থেকে ২৭০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এই পর্বতমালাগুলির মাঝে অনেক সরু, আবাদী উপত্যকা আছে। ইরানের পূর্ব সীমান্ত ধরে অনেকগুলি অপেক্ষাকৃত নিম্ন উচ্চতার শৈলশিরা চলে গেছে; এদেরকে একত্রে পূর্বের উঁচু অঞ্চল নামে ডাকা হয়। এই পর্বতমালার বেষ্টনীর মাঝের নিচু এলাকাকে একত্রে কেন্দ্রীয় মালভূমি নামে ডাকা হয়। এদের মধ্যে আছে মধ্য-উত্তর ইরানের দাশ্‌তে কাভির নামের একটি বিরাট লবণাক্ত মরুভূমি, দক্ষিণ-পূর্বের দাশ্‌তে লুত নামের নুড়ি ও বালির মরুভূমি এবং একাধিক উর্বর মরূদ্যান। ইরানের পর্বতগুলি একটি সক্রিয় ভূমিকম্প এলাকার উপর অবস্থিত, এবং প্রতি বছর এখানে বহু ছোট আকারের ভূমিকম্প হয়। বড় আকারের ভূমিকম্প কিছুদিন পর পরই ঘটে এবং বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ১৮শ শতকে ভূমিকম্পের কারণে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ শহর দুইবার মাটিতে মিশে যায় এবং প্রতিবার প্রায় ৪০,০০০ করে লোক মারা যায়। ২০শ শতকের মধ্যভাগ থেকে দেশটিতে অনেকগুলি বড় আকারের ভূমিকম্প ঘটেছে যাতে হাজার হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। ১৯৯০ সালের জুনে আলবোর্জ ও জগ্রোসের মিলনস্থলে একটি ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ৩৭,০০০ লোক মারা যান। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ ইরানে এক ভূমিকম্পে প্রাচীন নগরী বামের অধিকাংশ ধ্বংস হয়ে যায় এবং প্রায় ৩০,০০০ লোক মারা যান। ইরানের অনেকগুলি পর্বত আগ্নেয়। এদের মধ্যে কেবল দামভান্দ পর্বত ও দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের কুহে তাফতান সক্রিয় আগ্নেয়গিরি; এদের চূড়ার কাছে কিছু সময় পর পর গ্যাস নিঃসরিত হয়। নদী ও জলাশয় ইরানে অনেক নদী আছে, কিন্তু এগুলির প্রায় সবগুলিই স্বল্পদৈর্ঘ্য ও অগভীর এবং নৌপরিবহনের অযোগ্য। কারণ দেশটির একমাত্র নৌপরিবহনযোগ্য নদী এবং এটি দক্ষিণ-পশ্চিমের আহওয়াজ শহরের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বেশির ভাগ নদীর উৎপত্তি পার্বত্য অঞ্চলে এবং সমাপ্তি অভ্যন্তরীণ উপত্যকায়। প্রাচীনকাল থেকে ইরানের অধিবাসীরা নদীগুলিকে সেচকাজে ব্যবহার করে আসছে। ২০শ শতকে আব-এ দেজ, কারখেহ, কারুন, সেফিদ রুদ ও অন্যান্য নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করে সেচকাজের পরিধি বাড়ানো হয় এবং জলবিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। তিনটি নদী ইরানের আন্তর্জাতিক সীমানায় প্রবাহিত হয়। আরাস নদী আর্মেনীয়া ও আজারবাইজানের সাথে সীমান্তে, শাত-আল আরাব নদী ইরাকের সাথে সীমান্তে প্রবাহিত। ইরান চারটি দেশের সাথে বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ কাস্পিয়ান সাগরের অংশীদার। অনেক ছোট ছোট নোনাপানির হ্রদ ইরানের অভ্যন্তরে অবস্থিত, এদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিমের ঊর্মিয়া হ্রদ সবচেয়ে বড়। উঁচু পর্বত উপত্যকা এলাকায় কিছু মিষ্টি পানির হ্রদের দেখা মেলে। তটরেখা ইরানের আন্তর্জাতিক সীমান্তের প্রায় অর্ধেকই তটরেখা। এর মধ্যে আছে কাস্পিয়ান সাগরের তীরে প্রায় ৭৪০ কিমি দীর্ঘ তটরেখা এবং পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ তটরেখা। কাস্পিয়ান সাগর ও পারস্য উপসাগরে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আছে এবং এলাকাগুলিতে পানির নিচে প্রচুর তেল ও গ্যাস রয়েছে। ইরানের বৃহত্তম পোতাশ্রয় বন্দর-এ আব্বাস হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত। প্রাণী ও উদ্ভিদ ইরানে প্রায় ১০,০০০ প্রজাতির উদ্ভিদ শনাক্ত করা হয়েছে, তবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় প্রাকৃতিক বনাঞ্চল উচ্ছেদ করে আবাদী জমি বা পশুচারণভূমিতে পরিণত করা হয়েছে। বনাঞ্চলে বীচ, ওক ও অন্যান্য পর্ণমোচী গাছ এবং এলবুরুজ পর্বত এলাকায় পাইন, ফার-জাতীয় গাছ জন্মে। জাগরোস পর্বতমালার উঁচু এলাকায় ওক অরণ্য দেখা যায়। এলবুরুজ ও জাগরোস পর্বতমালায় বন্য ফলগাছ যেমন কাঠবাদাম, নাশপাতি, ডালিম, আখরোট জন্মে। দেশের ঊষর কেন্দ্রীয় এলাকায় বন্য পেস্তাবাদাম ও অন্যান্য খরা-সহনশীল গাছ জন্মে। দশ্‌ত-এ কবীরের প্রান্তে তামারিস্ক বা চিরহরিৎ ঝাউগাছ জন্মে। ইরানে অনেক স্থানীয় স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ, পাখি ও কীটপতঙ্গ রয়েছে। নেকড়ে, শেয়াল, ভালুক, পাহাড়ি ছাগল, লাল পাহাড়ি ভেড়া ও খরগোশ এখনও বংশবিস্তার করে চলেছে। তবে কাস্পিয়ান বাঘ, কাস্পিয়ান সীলমাছ, হরিণের কিছু প্রজাতি, বনবিড়াল, ইত্যাদি হুমকির সম্মুখীন, যদিও এদের রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ইরানে ৩০০-রও বেশি প্রজাতির পাখি আছে, এদের মধ্যে ২০০-রও বেশি অন্য দেশে অতিথি পাখি হিসেবে বেড়িয়ে আসে। অর্থনীতি ইরানের জিডিপি ৪৩৯.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।ইরানের মাথাপিছু আয় ৫,৪১৫.২১ মার্কিন ডলার। ইরানের অর্থনীতি বৃহৎ সরকারী ক্ষেত্র সংবলিত মিশ্র ও ক্রান্তিকালীন অর্থনীতি।বিশ্বের ১০% তেল ও ১৫% গ্যাস সঞ্চয়সহ ইরানকে পরমাণু শক্তিধর বলে গণ্য করা হয়। ইরানের মুদ্রাস্ফীতি হলো ৩০.৪৮৬% (২০১৮)।প্রধান শিল্পসমূহ পেট্রোলিয়াম, জাফরান,পেট্রোকেমিক্যাল, সার, কস্টিক সোডা, গাড়ি উৎপাদন, যন্ত্রাংশ, ফার্মাসিউটিক্যালস, home appliances, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, টেলিযোগাযোগ, শক্তি, power, textiles, নির্মাণ, সিমেন্ট এবং অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ (বিশেষ করে চিনি শোধন ও ভেষজ তেল উৎপাদন), ferrous and non-ferrous metal fabrication, অস্ত্রশিল্প। পর্যটন ইরানের সর্বত্র পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় অনেক ঐতিহাসিক স্থান আছে। বাম শহরে বিখ্যাত রেশম পথের উপর ২০০৩ সাল পর্যন্তও আর্গ-এ বাম নামে বিশ্বের বৃহত্তম adobe জাতীয় দালানটি অবস্থিত ছিল, তবে দুর্ভাগ্যবশত ২০০৩ সালে এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২০০০ বছরের পুরনো দালানটি প্রায় পুরো ধ্বংস হয়ে যায়। এই একই ভূমিকম্পে বাম শহরের আরও অনেক প্রাচীন দালানও ধ্বংস হয়। ইরান সরকার এগুলি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। কের্মানশাহ প্রদেশে রয়েছে বেহিস্তুনের শিলালিপি, যাতে পাহাড়ের গায়ে প্রাচীন পারসিক, ব্যাবিলনীয় এবং এলামীয় অক্ষরে অনেক খোদাইকৃত লেখা পাওয়া যায়। গ্রিকেরা ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দেও এই শিলালিপিটির উল্লেখ করেছিল। খুজেস্তান প্রদেশে চোগা জানবিল নামে এলামীয় সভ্যতার একটি প্রাচীন কম্পলেক্স রয়েছে। এটি খ্রিস্টপূর্ব ১৩শ শতকে নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ইশফাহান শহরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে বিখ্যাত নক্‌শ-ই জাহান ময়দান। এই ময়দান চারপাশ ঘিরে রয়েছে সাফাভিদ রাজত্বের অনেকগুলি প্রাচীন নিদর্শন, যাদের মধ্যে দক্ষিণের শাহ মসজিদটি অন্যতম। শাহ মসজিদের জুম্মা নামাজ এখানেই পড়া হয়। পাসারগাদায়ে একটি প্রাচীন এলামীয় শহরের ধ্বংসাবশেষ। ফার্স প্রদেশে অবস্থিত শহরটি আর্কেমেনীয় পারসীয় সাম্রাজ্যের প্রথম রাজধানী ছিল। এর দক্ষিণ-পশ্চিমে আছে পার্সেপোলিস শহর, যা প্রাচীন পারস্যের বিখ্যাত রাজা দ্বিতীয় কুরোশ খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতকে এটি নির্মাণ করেছিলেন। এই শহরের নানা স্থাপত্যকর্ম ও খোদাইকর্মে প্রাচীন পারসিকদের সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়। এছাড়াও উত্তর-পশ্চিম ইরানের সোলতানিয়েহ শহরের ধ্বংসাবশেষ, বিশেষত ইল-খান ওলজেইতু-র সমাধিস্তম্ভ দর্শনীয় স্থান। পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশে আছে রাজা সুলায়মানের স্মৃতিবিজড়িত তীর্থস্থান তাখ্‌ত-ই-সুলাইমান। এছাড়াও ফার্স প্রদেশের তাঙ্গে বোলাগি নামের উপত্যকায় খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫ সহস্রাব্দ প্রাচীন ১৩০টি মনুষ্য বসতির নিদর্শনবিশিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান বিদ্যমান। জনমিতি ২০০৬ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ইরানের জনসংখ্যা ৭,০০,৪৯,২৬২। এর মধ্যে এক-চতুর্থাংশের বয়স ১৫ বছর বা তার কম। ইরান জাতিগতভাবে ও ভাষাগতভাবে বিচিত্র এক দেশ। কিছু কিছু শহরে, যেমন তেহরানে, বিভিন্ন জাতির লোকের সহাবস্থান পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও ইরানের বাইরে প্রবাসে আরও প্রায় ৪০ লক্ষ ইরানি নাগরিক বসবাস করেন। এরা মূলত উত্তর আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ, তুরস্ক, পারস্য উপসাগরীয় দেশসমূহ এবং অস্ট্রেলিয়াতে বাস করেন। সিআইএ ফ্যাক্টবুক অনুসারে ইরানের জাতিগুলি এরকম: পারসিক জাতি ৫১%, আজেরি জাতি ২৪%, গিলাকি জাতি ও মাজান্দারানি জাতি ৮%, কুর্দি জাতি ৭%,আরব জাতি ৩%, লুর জাতি ২%, বেলুচি জাতি ২%, তুর্কমেন জাতি ২% এবং অন্যান্য ১% । ধর্ম ইরানের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং রাষ্ট্রীয় মাজহাব ইসনা আশারিয়া জাফরি। এছাড়া হানাফি, মালিকি, শাফিঈ, হাম্বলি ও জায়েদি মাজহাব দেশটিতে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। ইরানের শতকরা ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ লোক শিয়া মুসলমান। খ্রিস্টধর্ম, ইহুদিধর্ম ও জরথুস্ত্রবাদ ইরানের স্বীকৃত সংখ্যালঘু ধর্ম এবং এই সম্প্রদায়গুলোর জন্য দেশটির মজলিস-এ-শূরায় সংরক্ষিত আসন রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে, প্রাচীন ইরানি ধর্মসমূহ, যেমন: আদি-ইরানি ধর্ম এবং পরবর্তীকালে জরথুস্ত্রবাদ ও ম্যানিকেইজম, ছিল ইরানের প্রভাবশালী ধর্ম, বিশেষত মধ্য, আকামেনীয়, পার্থীয় ও সাসানীয় যুগে। সাসানীয় সাম্রাজ্যের পতন এবং মুসলিমদের পারস্য বিজয়ের পরবর্তী শতাব্দীকালীন ইসলামিকীকরণের ফলে তা পরিবর্তিত হয়ে পড়ে। ষোড়শ শতাব্দীতে সফবীয় সাম্রাজ্য কর্তৃক শিয়া মতবাদে ধর্মান্তরকরণের পূর্বে ইরান ছিল একটি সুন্নিপ্রধান দেশ। বর্তমানে ইরানের ৪ থেকে ৮ শতাংশ লোক সুন্নি মুসলমান, এদের অধিকাংশই কুর্দি ও বেলুচি। বাকি ২% অমুসলিম সংখ্যালঘু খ্রিস্টান, ইহুদি, বাহাই, মান্দীয়, ইয়াজিদি, ইয়ারসানি, জরথুস্ত্র প্রভৃতি সম্প্রদায়ের লোক। ইরানের বৃহত্তম (স্বীকৃত নয়) সংখ্যালঘু ধর্ম হল ইয়ারসানবাদ। এটি জরথুস্ত্রবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি কুর্দি লোকধর্ম যার অনুসারী সংখ্যা প্রায় ৩,০০০,০০০। ইয়ারসানিরা মূলত গোরানি কুর্দি ও নির্দিষ্ট লুরস জনগোষ্ঠীর লোক এবং তাদের বসবাস কুর্দিস্তান, কেরমানশাহ ও লোরেস্তান প্রদেশে। ইরানে ইহুদিধর্মের ইতিহাস বেশ প্রাচীন যা বাবিলের পতনের সময় থেকে শুরু হয়। যদিও বহু ইরানি ইহুদি ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের ফলে দেশত্যাগ করেছিল, এখনও ইরানে প্রায় ৮,৭৫৬ থেকে ২৫,০০০ ইহুদি রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের পর ইরানে সর্বাধিক ইহুদি জনবসতি রয়েছে। ইরানে প্রায় ২৫০,০০০ থেকে ৩৭০,০০০ খ্রিস্টান বসবাস করে, এবং খ্রিস্টধর্ম দেশটির বৃহত্তম স্বীকৃত সংখ্যালঘু ধর্ম। ইরানি খ্রিস্টানদের বেশিরভাগই আর্মেনীয় এবং একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসিরীয়। বাহাই ধর্ম ইরানে সরকারিভাবে স্বীকৃত নয় এবং এর অনুসারীরা প্রায়ই রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শিকার হয়। ইউনাইটেড নেশন স্পেশাল র‍্যাপর্টর অন হিউম্যান রাইটস ইন ইরানের মতে, বাহাইরা ইরানের বৃহত্তম অমুসলিম ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যাদের সংখ্যা আনুমানিক ৩৫০,০০০। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে বাহাইদের ওপর নিপীড়ন বেড়ে চলেছে, বিশেষত তাদের নাগরিক অধিকার, উচ্চশিক্ষা এবং কর্মসংস্থান থেকে বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে। সংস্কৃতি ইরানের সংস্কৃতি, যা পারসিক সংস্কৃতি হিসেবেও পরিচিত, বিশ্বের অন্যতম প্রভাব বিস্তারকারী সংস্কৃতি। ইরানকে সভ্যতার দোলনা হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিশ্বে ইরানের আধিপত্য বিস্তারকারী ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান ও সংস্কৃতির কারণে ইরান পশ্চিমে ইতালি, ম্যাসিডোনিয়া, ও গ্রিস, উত্তরে রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপ, দক্ষিণে আরব উপদ্বীপ এবং পূর্বে ভারত উপমহাদেশ ও পূর্ব এশিয়ার সংস্কৃতি ও জনগণের উপর প্রভাব বিস্তার করে। ইরানের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও এর ঐতিহাসিক দীর্ঘস্থায়িত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট হল সারগ্রাহী সাংস্কৃতিক স্থিতিস্থাপকতা।শিল্পকলাঃ ইরানের শিল্প-ঐতিহ্য বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন, সমৃদ্ধ ও সবচেয়ে প্রভাব বিস্তারকারী এবং এর আওতায় রয়েছে সাহিত্য, সঙ্গীত, নৃত্য, স্থাপত্যকলা, চিত্রাঙ্কন, বুনন, মৃৎশিল্প, হস্তলিপিবিদ্যা, ধাতব ও পাথুরেকর্ম সহ অসংখ্য শাখা। ইরানি শিল্পকলা একাধিক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে বিবর্তিত হয়েছে, যা ইরানের অদ্বিতীয় নান্দনিকতার প্রমাণ। এই পর্যায়সমূহ এলামাইট চোগা জানবিল থেকে শুরু করে মধ্যযুগীয় ও পার্সেপোলিসের হাখমেনীয় কারুশিল্প থেকে বিশাপুরের মোজাইক পর্যন্ত বিস্তৃত। ভাষা ইরানে মূলত তিনটি ভাষাপরিবারের ভাষা প্রচলিত: ইরানীয় ভাষাসমূহ, তুর্কীয় ভাষাসমূহ এবং সেমিটীয় ভাষাসমূহ।সবচেয়ে বেশি ভাষাভাষীবিশিষ্ট ও ভৌগোলিকভাবে সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হল ইরানীয় ভাষাপরিবারের সদস্য ভাষাগুলি। এদের মধ্যে ফার্সি ভাষা প্রধানতম ভাষা। ফার্সি ইরানের জাতীয় ভাষা। ইরানের ফার্স প্রদেশে প্রচলিত ভাষা থেকে এর উৎপত্তি এবং এর লিখিত ভাষার ইতিহাস ১০০০ বছরেরও বেশি পুরনো। অন্যান্য ইরানীয় ভাষাগুলির মধ্যে পশ্চিম ইরানে কুর্দী ভাষা, উত্তর-পশ্চিমে তাতি ওতালিশি ভাষা, এলবুর্জ পর্বতমালার উত্তরে মাজান্দারানি ও গিলাকি ভাষা, ও দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে বেলুচি ভাষা অন্যতম।ইরানে প্রচলিত তুর্কীয় ভাষাগুলির মধ্যে উত্তর-পশ্চিমের আজারবাইজানি ভাষা এবং উত্তর-পূর্বের তুর্কমেন ভাষা প্রধান। এছাড়া ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে খুজেস্তান প্রদেশে এবং পারস্য উপসাগরের উপকূল ধরে সেমিটীয় ভাষাপরিবারের আরবি ভাষা প্রচলিত। আধুনিক ফার্সি ইরানের সরকারি ভাষা। ফার্সি একটি প্রাচীন সাহিত্যিক ভাষা। ৭ম শতাব্দীতে আরবদের আক্রমণের আগে এটি পাহলভী লিপিতে লেখা হত। ৯ম ও ১০ম শতাব্দীতে ভাষাটি আরবি লিপি ব্যবহার করতে শুরু করে। ১৯৫০ সাল পর্যন্তও কথ্য ফার্সির অনেকগুলি স্বতন্ত্র উপভাষা ছিল, তবে এর পর সরকারি শিক্ষা ও গণমাধ্যমের প্রসারের ফলে একটি মান্য কথ্য ফার্সির উদ্ভব ঘটেছে। এছাড়া কিছু সংখ্যালঘু ভাষাভাষী আছে যাদের নিজস্ব প্রচার মাধ্যম ও প্রকাশনা আছে। এদের মধ্যে তুর্কী ভাষা আজেরি, কুর্দী, আরবি ও আর্মেনীয় প্রধান। খেলাধুলা ইরানের খেলাধুলা ইরানেই পোলো খেলার প্রচলন শুরু হয়। ইরানের ইসফাহানের নকশ-ই জাহান স্কোয়ারটি মধ্যযুগীয় রাজকীয় পোলো মাঠের স্থান। চিত্রশালা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ The President of Iran Iran.ir এশিয়ার রাষ্ট্র ইরান জি১৫ রাষ্ট্র ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার সদস্য রাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ১৯৭৯-এ প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র ও অঞ্চল ওপেকের সদস্য রাষ্ট্র ইরানীয় মালভূমি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র নিকট প্রাচ্যের রাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ার রাষ্ট্র ধর্মশাসক সার্বভৌম রাষ্ট্র
566241
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8
সমাজতন্ত্রের ইতিহাস
সমাজতন্ত্রের ইতিহাসের উৎপত্তি ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব এবং তার থেকে উদ্ভূত পরিবর্তনের ভেতরে নিহিত, যদিও এটি আগের আন্দোলন এবং ধারণা থেকেও বিভিন্ন ধারণা গ্রহণ করেছে। কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলসের লেখা কমিউনিস্ট ইস্তেহার বইটিতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কথাটি ব্যবহার করা হয়। বইটি ১৮৪৮ সালের সামান্য আগে লেখা হয় এবং বইটি পুরো ইউরোপকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ইউরোপে ১৯ শতকের শেষ তৃতীয়াংশে মার্কসবাদকে গ্রহণ করে সমাজ গণতান্ত্রিক দলগুলো উপরে আসতে শুরু করে। অস্ট্রেলিয়ান লেবার পার্টি বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত সমাজতান্ত্রিক পার্টি যখন পার্টি ১৮৯৯ সালে কুইন্সল্যান্ড রাজ্য নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল। এছাড়া উনিশ শতকের কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রিদের দ্বারা কল্পিত নানা ব্যবস্থাগুলো পরবর্তীকালে পরিণত হয়েছিলো বৈজ্ঞানিক সাম্যবাদের নানা তাত্ত্বিক উৎসে। তথ্যসূত্র সমাজতন্ত্র সমাজতন্ত্রের ইতিহাস
1004435
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%20%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%B0
আসমা আরবাব আলমগীর
আসমা আরবাব আলমগীর (; জন্ম ৯ জুলাই ১৯৬৫) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি ২০০৮-২০১৩ পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা আসমা ১৯৬৫ সালের ৯ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আইন ও অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি আরবাব আলমগীর খানের স্ত্রী। রাজনৈতিক জীবন ২০০৮ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে, খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে নারীদের জন্য সংরক্ষিত একটি আসনে পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রার্থী হিসাবে আসমা আলমগীর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, খাইবার পাখতুনখোয়া পিপিপির প্রাদেশিক সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করার সময় তাকে পাকিস্তান পিপলস পার্টির মহিলা শাখার সভাপতি করা হয়েছিল। ২০১০ সালের এপ্রিলে তিনি ফেডারেল সরকারের প্রদেশ ও সীমান্ত অঞ্চল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। তথ্যসূত্র ১৯৬৫-এ জন্ম আরবাব খান পরিবার পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য ২০০৮-২০১৩ জীবিত ব্যক্তি
19987
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%A7%E0%A7%AC%E0%A7%AE%E0%A7%A8
১৬৮২
১৬৮২ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির একটি সাধারণ বছর। ঘটনাবলী জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর জন্ম জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর মৃত্যু জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬৮২
690122
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AB%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
শরীফপুর ইউনিয়ন
শরীফপুর ইউনিয়ন নামে বাংলাদেশে মোট ৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। যথা: শরীফপুর ইউনিয়ন, আশুগঞ্জ; (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা) শরীফপুর ইউনিয়ন, কুলাউড়া; (মৌলভীবাজার জেলা) শরীফপুর ইউনিয়ন, জামালপুর সদর; (জামালপুর জেলা) শরীফপুর ইউনিয়ন, বেগমগঞ্জ; (নোয়াখালী জেলা)
466978
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%A8%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF%20%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%87
ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন থেকে সরাসরি ডাব্লিউডাব্লিউই
ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন সরাসরি ডাব্লিউডাব্লিউই ছিল ডাব্লিউডাব্লিউই কর্তৃক আয়োজিত পেশাদারি কুস্তি আয়োজন। এটা ২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় এবং শুধু ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্ক দ্বারা প্রপচারিত হয়। ফলাফল তথ্যসূত্র ২০১৫-এ পেশাদারি কুস্তি
1346555
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA
জিয়া গোকাল্প
মেহমেত জিয়া গোকাল্প (২৩ মার্চ ১৮৭৬ – ২৫ অক্টোবর ১৯২৪) ছিলেন একজন তুর্কি সমাজবিজ্ঞানী, লেখক, কবি ও রাজনীতিবিদ। ১৯০৮ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যে সাংবিধানিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠাকারী তরুণ তুর্কি বিপ্লবের পরে তিনি গোকাল্প ("স্বর্গীয় বীর") নামটি গ্রহণ করেছিলেন, যা তিনি আমৃত্যু ব্যবহার করেছিলেন। একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে জিয়া গোকাল্প মতাদর্শিক, সাংস্কৃতিক ও সমাজতাত্ত্বিক শনাক্তকারী হিসেবে ইসলামবাদ, সর্ব-ইসলামবাদ ও উসমানীয়বাদকে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ছিলেন। ১৯৩৬ সালের একটি প্রকাশনায়, গোকাল্পকে সমাজবিজ্ঞানী নিয়াজি বার্কেস "বিদেশী সমাজবিজ্ঞানের একজন অনুবাদক বা দোভাষী না হওয়ায় তুর্কি সমাজবিজ্ঞানের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা" হিসেবে বর্ণনা করেন। গোকাল্পের সৃষ্টিকর্ম মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের সংস্কার গঠনে বিশেষভাবে প্রভাবশালী ছিলো; কামালবাদের বিকাশে ও আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্রে এর উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে তার প্রভাব বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। সমসাময়িক ইউরোপীয় চিন্তাধারা বিশেষত এমিল দ্যুর্কেমের সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে গোকাল্প তুর্কি জাতীয়তাবাদের পক্ষ হয়ে উসমানীয়বাদ ও ইসলামবাদ উভয়কেই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি সকল উসমানীয় নাগরিকদের কাছে তুর্কি ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচার করে উসমানীয় সাম্রাজ্যের তুর্কিকরণের পক্ষে ছিলেন। জাতীয়তাবাদী তুর্কি রাষ্ট্রে তিনি গ্রিক, আর্মেনীয় ও ইহুদিদের একটি বিদেশী উপাদান বলে মনে করতেন। সর্ব-তুর্কিবাদ ও তুরানবাদকে জনপ্রিয় করা তার চিন্তাধারাকে "জাতীয়তাবাদ ও আধুনিকীকরণের ধর্ম" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তার জাতীয়তাবাদী আদর্শ উসমানীয় তুরস্কের নিকটবর্তী আরব প্রতিবেশীদের সাথে একটি অতি-জাতীয় তুর্কি (বা সর্ব-তুর্কি) পরিচয়ের পরিবর্তে "একটি আঞ্চলিক উত্তর-পূর্ব-মুখীকরণ [তুর্কি জনগণের জন্য]"-এর থেকে পরিচয় মুক্ত করে। প্রারম্ভিক জীবন মেহমেত জিয়া ২৩ মার্চ ১৮৭৬ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের দিয়ারবাকেরে মুহাম্মাদ তেফভিক বে ও জেলিহা হানমের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন পরিবারের দ্বিতীয় পুত্র। কিছু সূত্র অনুযায়ী তিনি, বিশেষত তার মাতৃকুল কুর্দি বংশোদ্ভূত ছিলো। জিয়া তার পৈতৃক পরিবারকে সিরীয় তুর্কমেন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার পিতা একজন উসমানীয় আমলা ও দিয়ারবাকেরে সালনামে প্রকাশের জন্য দায়বদ্ধ ছিলেন। নিজের চাচার সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো, তিনি জিয়াকে তার মেয়েকে বিয়ে হতে দেখতে পছন্দ করতেন। তার চাচা ধার্মিক ছিলেন ও নাস্তিক আবদুল্লাহ জেভদেতের সাথে জিয়ার সম্পর্কের বিরোধী ছিলেন। দিয়ারবাকের ছিলো ১৬শ শতাব্দী পর্যন্ত আরব ও পারস্যদের দ্বারা শাসিত একটি "সাংস্কৃতিক সীমান্ত" এবং তুর্কি, কুর্দি ও আর্মেনীয়দের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে "বিরোধপূর্ণ জাতীয় ঐতিহ্য" বৈশিষ্ট্যযুক্ত ছিলো। এই সাংস্কৃতিক পরিবেশ প্রায়ই তার জাতীয় পরিচয়বোধকে অবহিত করা হয়েছে বলে পরামর্শ দেওয়া হয়; তার জীবনের পরবর্তী সময়ে যখন রাজনৈতিক বিরোধিতাকারীরা অভিযোগ দিয়েছিলেন যে তিনি কুর্দি থেকে এসেছেন তখন গোকাল্প প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছিলেন যে তিনি পিতৃতান্ত্রিক তুর্কি জাতিগত ঐতিহ্য সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন, এটি তুচ্ছ ছিলো: "আমি আমার সমাজতাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে শিখেছি যে জাতীয়তা শুধুমাত্র লালন-পালনের উপর ভিত্তি করে।" ১৮৯৫ সালের গোড়ার দিকে গোকাল্প তার বস্তুবাদের আবিষ্কারের কারণে সৃষ্ট একটি অস্তিত্ব সংকটের পরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। ডাক্তার জেভদেত তাকে উদ্ধার করেন, এর জন্য তিনি পরবর্তীতে আফসোস করেন কেননা গোকাল্প একজন তুর্কি মতাদর্শী হয়ে ওঠেন। দিয়ারবাকেরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের পর তিনি ১৮৯৫ সালে ইস্তাম্বুলে বসতি স্থাপন করেন। সেখানে, তিনি প্রাণিচিকিৎসা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন ও গুপ্ত বিপ্লবী জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে জড়িত হন যার জন্য তিনি দশ মাস কারাভোগ করেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি অনেক গুপ্ত বিপ্লবী ব্যক্তিত্বের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন, নিজের পশুচিকিৎসা অধ্যয়ন ত্যাগ করেন এবং গুপ্ত বিপ্লবী দল ঐক্য ও প্রগতি সমিতির (সিইউপি) সদস্য হন। কর্মজীবন কনস্টান্টিনোপলের তৎকালীন বিপ্লবী স্রোত অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় ছিলো; দ্বিতীয় আবদুল হামিদের শাসনের কুখ্যাতি সেই সময়ের মধ্যে কনস্টান্টিনোপলে বৈচিত্র্যময় বিপ্লবী অনুভূতি জাগ্রত করে। তিনি ১৯০৮ সালের জুলাই মাসে দিয়ারবাকেরে প্রথম সিইউপি দপ্তর উদ্বোধন করেন। ১৯০৯ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি থেসালোনিকিতে চলে যান, সেখানে তিনি ১৯১০ সালে সিইউপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন। সেখানে তিনি জেঞ্জ কালেমলের নামক একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পত্রিকার সহ-প্রতিষ্ঠা ছিলেন। থেসালোনিকিতে বসবাস করার সময় তালাত পাশা প্রায়শই তার বাড়িতে অতিথি হতেন, সেখানে তারা রাজনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতেন। সেলানিকে থাকার সময়ই তিনি গোকাল্প নামটি ব্যবহার করতে শুরু করেন ও সিইউপিতে তার ভবিষ্যত ভূমিকা নির্ধারণ করা হয়। ১৯১২ সালে তিনি সিইউপির সাথে কনস্টান্টিনোপলে ফিরে আসেন। ১৯১৫ থেকে ১৯১৮ সালের মধ্যে গোকাল্প সামরিক গবেষণাপত্র হার্প মেজমুয়াসার-এর নিয়মিত অবদানকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর, ঐক্য ও প্রগতি সমিতির সাথে জড়িত থাকার জন্য তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ১৯১৯ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত দুই বছরের জন্য মাল্টায় নির্বাসিত করা হয়। মাল্টায় নির্বাসিত থাকাকালীন তিনি নিজের ধারণাগুলো লিখতে ও একত্রিত করতে থাকেন এবং ১৯২৩ সালে প্রকাশিত তার তুর্কিবাদের নীতি-এর পাণ্ডুলিপি তৈরি করেন। তিনি ১৯২১ সালের বসন্তে তুরস্কে ফিরে আসেন, কিন্তু ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তার আসন ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। তিনি তার নিজ শহর দিয়ারবাকেরে বসতি স্থাপন করেন যেখানে তিনি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং শিক্ষকের সেমিনারিতে সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞান পড়ান। তিনি একটি ছোট সাপ্তাহিক পত্রিকা কুচুক মেজমুয়া প্রকাশ করতে শুরু করেন, এটি ধীরে ধীরে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে এবং ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার প্রধান দৈনিক সংবাদপত্রগুলোয় অবদানের দিকে পরিচালিত করে। ১৯২২ সালের শেষের দিকে, গোকাল্পকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশনা ও অনুবাদ বিভাগ পরিচালনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি ১৯২৪ সালে আমৃত্যু পর্যন্ত তুরস্কের মহান জাতীয় সভার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্বাচিত হন ও শিক্ষা কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন, এটি তার নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয় ব্যবস্থা, পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক সংস্কার করে। তিনি জোর দিয়েছিলেন যে প্রদত্ত শিক্ষার মধ্যে তুর্কিবাদ, আধুনিকতাবাদ ও ইসলামবাদ অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। তুর্কি সংস্কৃতি ও ভাষার পাশাপাশি তিনি পাঠ্যসূচিতে ফার্সি ও আরবি ভাষা, কুরআন ও গণিত, পদার্থবিদ্যা এবং কিছু ইউরোপীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে কথা বলেন। উপরন্তু, তিনি ১৯২৪ সালের সংবিধানের খসড়া তৈরিতে অংশগ্রহণ করেন। জিয়া গোকাল্প স্থাবর সম্পত্তির মালিক ছিলেন যার মধ্যে দিয়ারবাকিরের উত্তর-পূর্বে ৫টি গ্রাম অন্তর্ভুক্ত ছিলো। মৃত্যু ১৯২৪ সালে ইস্তাম্বুলে স্বল্প সময়ের অসুস্থতার পরে বিশ্রামে যাওয়ার পর সেখানে তিনি ১৯২৪ সালের ২৪ অক্টোবর মারা যান। মতাদর্শ গোকাল্পের সৃষ্টিকর্ম উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনের প্রেক্ষাপটে তুর্কি জাতীয় পরিচয়ের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলো যেটিকে তিনি নিজেও তখনও তুর্কিত্ব বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে একটি জাতির বেঁচে থাকার জন্য একটি "অংশীদারীত্বের চেতনা" থাকতে হবে, যে "ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠে তখনই যখন সে তার সংস্কৃতির প্রকৃত প্রতিনিধি হয়ে ওঠে"। তিনি বিশ্বাস করতেন যে একটি আধুনিক রাষ্ট্রকে অবশ্যই সংস্কৃতি, ধর্ম ও জাতীয় পরিচয়ের ক্ষেত্রে সমজাতীয় হতে হবে। জাতীয় পরিচয়ের এই ধারণাটি একটি ঐক্যবদ্ধ গুণ হিসেবে তুর্কিত্বের প্রাধান্যের প্রতি তার বিশ্বাসের দ্বারা বর্ধিত হয়। ১৯১১ সালের একটি প্রবন্ধে তিনি বলেছিলেন যে "তুর্কিরা হলো জার্মান দার্শনিক নিচের দ্বারা কল্পনা করা 'চমৎকার মানব'"। তার প্রধান সমাজতাত্ত্বিক সৃষ্টিকর্ম আভ্রুপালুলুক ("ইউরোপীয়বাদ", পশ্চিমা সমাজের অনুকরণ) ও মডার্নলিক-এ ("আধুনিকতা", উদ্যোগ গ্রহণ) পার্থক্য করতে আগ্রহী ছিলো; এতে করে তিনি জাপানে একটি আদর্শ হিসেবে আগ্রহী ছিলেন, এর জন্য তিনি অনুভব করেছিলেন যে এটিতে সহজাত সাংস্কৃতিক পরিচয় পরিত্যাগ না করে আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। গোকাল্প পরামর্শ দিয়েছিলেন যে "সংস্কৃতি" (উপযোগিতাবাদহীনতা, পরার্থবাদ, গণচেতনা) "সভ্যতা" (উপযোগিতাবাদ, অহংবোধ, ব্যক্তিবাদ)-এর অধীনস্থ করার জন্য একটি রাষ্ট্রকে পতনের জন্য ধ্বংস করা হলো: "সভ্যতা দ্বারা সামাজিক সংহতি ও নৈতিকতাকে ধ্বংস করা"। এমিল দ্যুর্কেমের পাঠ দ্বারা অবহিত গোকাল্প এই উপসংহারে পৌঁছেছিলেন যে পশ্চিমা উদারনীতি একটি সামাজিক ব্যবস্থা হিসেবে সংহতিবাদের চেয়ে নিকৃষ্ট, কেননা উদারতাবাদ ব্যক্তিবাদকে উৎসাহিত করে, এর ফলে রাষ্ট্রের অখণ্ডতা হ্রাস পায়। দ্যুর্কেমের সৃষ্টিকর্ম তুর্কি ভাষায় অনুবাদ করা গোকাল্প ধর্মকে সামাজিকভাবে জনসংখ্যাকে একত্রিত করার একটি উপায় ও এমনকি "ধর্মকে সমাজের নিজের উপাসনা" হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। দ্যুর্কেমের দাবি যে গোষ্ঠীর জীবন ব্যক্তির জীবনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো, এটি একটি ধারণা ছিলো যা গোকাল্প দ্বারা সহজেই গৃহীত হয়। একজন সুপরিচিত সংবাদপত্রের কলাম লেখক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে গোকাল্প ঐক্য ও প্রগতি সমিতির প্রাথমিক মতাদর্শী ছিলেন। "জাতি" সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি ও আধুনিক তুর্কি রাষ্ট্রের বিকাশের বিষয়ে দলটি যেভাবে অবহিত করেছে তা একটি বিতর্কিত কিংবদন্তি তৈরি করেছে। অনেক ইতিহাসবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী পরামর্শ দিয়েছেন যে তার জাতীয়তাবাদের মার্কা আর্মেনীয় গণহত্যায় অবদান রেখেছিলো। জাতি সম্পর্কে তার ধারণা ছিলো যে এটি একটি "সামাজিক সংহতি" যার জন্য "সাংস্কৃতিক ঐক্য" প্রয়োজন। একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার অধীনে বসবাসকারী প্রত্যেকেই জাতির একটি অংশ তথা "ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদ" গোকাল্পের কাছে অগ্রহণযোগ্য ছিলো, তিনি একটি জাতিকে ভাষাগত ও সাংস্কৃতিকভাবে একীভূত বলে ধারণা করেছিলেন। পরিশেষে, শুধুমাত্র একজনকে একটি জাতির অংশ বলে বিশ্বাস করাও যথেষ্ট ছিলো না; তার দৃষ্টিতে কেউ জাতির অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনা কারণ জাতির সদস্যপদ অনিচ্ছাকৃত। তুর্কিবাদের মূলনীতি তাঁর মৃত্যুর ঠিক এক বছর আগে প্রকাশিত ১৯২৩ সালের তুর্কিবাদের নীতি বইতে তিনি বিস্তৃত জাতীয়তাবাদী পরিচয়ের রূপরেখা তুলে ধরেন যা তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর দীক্ষা ও কবিতায় জনপ্রিয় করেছিলেন। তিনি যে জাতীয়তাবাদকে সমর্থন করেন তার অন্তর্গত "একটি জাতি [যেটি] একটি নৃগোষ্ঠীগত বা জাতিগত কিংবা ভৌগলিক বা রাজনৈতিক বা স্বেচ্ছাচারী গোষ্ঠী নয়, বরং এমন ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত যারা একটি সাধারণ ভাষা, ধর্ম, নৈতিকতা ও নান্দনিকতা ভাগ করে নেয়, অর্থাৎ যারা একই শিক্ষা পেয়েছে"। তিনি সর্ব-তুর্কি পরিচয়ের তিনটি সূচনা তুলে ধরেন যেখানে তিনি কল্পনা করেছেন: সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য মানদণ্ড অনুযায়ী তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের তুর্কি একটি জাতি; ওঘুজ তুর্কি বলতে আজারবাইজান, ইরান ও খাওয়ারেজমের তুর্কমেনদেরও বোঝায় যাদের... মূলত একটি সাধারণ সংস্কৃতি রয়েছে যা তুরস্কের তুর্কিদের মতোই–এই চারটিই ওঘুজিস্তান গঠন করেছে; আরও দূরবর্তী তুর্কিভাষী জনগণ, যেমন ইয়াকুত, কিরগিজ, উজবেক, কিপচাক ও তাতার একটি ঐতিহ্যগত ভাষাগত ও জাতিগত ঐক্যের অধিকারী যাদের তুর্কি সংস্কৃতির সাথে সম্পর্ক রয়েছে–কিন্তু পরিচয় নয়। দ্বিতীয় পর্যায়টি ছিল "ওঘুজিবাদ" এবং চূড়ান্ত পর্যায়টি হবে "তুরানবাদ" যা তিনি ও অন্যান্য জাতীয়তাবাদী কবিরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে থেকে প্রচার করে আসছিলেন। সর্ব-তুর্কিবাদের "তুর্কিত্ব"-এর এই বিস্তৃত ধারণাটি প্রায়শই গ্রহণ করা গোকাল্পের জাতিগত অভিন্নতা গ্রহণ করলেও তিনি অন্যান্য জাতিকে অপমান করেননি, যেমনটি পরে তার কিছু সর্ব-তুর্কি উত্তরসূরি করেছিলেন। সুফিবাদ গোকাল্পের মৌলিকত্ব প্রদর্শন করার চেষ্টা করার সময় কেবল ইউরোপীয় ধারণাগুলোকে "পুনরাবৃত্ত" করেননি এমন একজন বিলকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল্প এরেন তোপাল এগুলো ছাড়াও চিন্তাবিদদের উপর সুফিবাদের অনেক অবহেলিত প্রভাবের কথা বলেন: তার শিক্ষা ও বৃদ্ধির সময়কালে "একটি বড় প্রভাব" হিসেবে তিনি এর "সামরিক" অভিধানের প্রশংসা করেছেন এবং শুধুমাত্র আধ্যাত্মিক প্রভাবই নয় উসমানীয় সাম্রাজ্যের আধুনিকায়নেও ভূমিকা রাখা "বিশেষত নকশবন্দি" তরিকায় পাওয়া সংহতির প্রশংসা করতে এসেছেন, অন্যদিকে তিনি মধ্যযুগীয় আন্দালুসীয় চিন্তাবিদ ইবনে আরাবীর অধিবিদ্যার প্রশংসা করে বলেন যে চিন্তাধারা হিসেবে তার ভাববাদ জর্জ বার্কলি বা ইমানুয়েল কান্টের চেয়ে উচ্চতর ছিলো। তিনি বলেন, ইবনে আরাবীর কাছে ইতিমধ্যে পরিচিত ধারণাগুলো পুনর্ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু সেগুলোকে খুব বেশি দূরে নেননি এবং "জ্ঞানবাদ–অতীন্দ্রিয়বাদ বা সর্বেশ্বরবাদ" হওয়া থেকে অনেক দূরে থাকা তার ধারণাগুলো বেশ সমসাময়িক ছিলো যা আলফ্রেড ফৌইলি, জিন-মারি গুয়াউ, নিচে ও উইলিয়াম জেমসের মতো আধুনিকদের সাথে অনুরণিত ছিলো, এগুলো তুলে ধরে যে "তার সমস্ত অগ্রগতিতে আদর্শবাদী দর্শন 'আরবের পরম ও নিখুঁত আদর্শবাদকে অতিক্রম করেনি"। কাব্যিক সৃষ্টিকর্ম সমাজতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক কর্মজীবনের পাশাপাশি গোকাল্প একজন প্রখ্যাত কবিও ছিলেন। তার কাব্যিক কর্ম নিজের সমাজতাত্ত্বিক ও জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিপূরক এবং জনপ্রিয়তা প্রদান করে। শৈলী ও বিষয়বস্তুতে এগুলো প্রাক-ইসলামি তুর্কি পরিচয়ের অনুভূতিকে পুনরুজ্জীবিত করে। তার কুজুলেলমা বইতে "আদর্শ মহিলা" নামক প্রধান চরিত্র বলে: "মানুষ একটি বাগানের মতো, / আমরা তার উদ্যানপালক হওয়ার কথা! / প্রথমে খারাপ অঙ্কুর কাটতে হবে / তারপর স্কয়ন কলম করতে হবে।" সে ইয়েনি হায়াত ("নতুন জীবন")-এর গুরু, যেখানে পূর্ব ও পশ্চিমা আদর্শ মিলিত হয় এবং একটি "নতুন তুর্কি বিশ্ব" গঠন করে। তার কবিতা তার আরও গুরুতর সমাজতাত্ত্বিক কর্ম থেকে দূরে সরে যায়, যদিও এটি জাতীয়তাবাদী অনুভূতিকেও কাজে লাগায়: "দৌড়াও, আদর্শ গ্রহণ করো ও প্লেভনাতে এটি আবার রোপণ করা হোক / রাত দিন, দানিউবের জল রক্তে লাল হয়ে যাক. . . ।" সম্ভবত তার সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতাটি ছিল নিজের ১৯১১ সালের তুরান যেটি প্রথম জেঞ্চ কালেমলের-এ প্রকাশিত হয়েছিলো, এটি তার তুরানবাদী বুদ্ধিবৃত্তিক ফসলের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: "তুর্কিদের জন্য, পিতৃভূমি অর্থ তুরস্ক বা তুর্কিস্তান নয়; পিতৃভূমি একটি বড় ও চিরন্তন দেশ-- তুরান!" প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়, তার কুজুল দেস্তান ("লাল মহাকাব্য") সর্ব-তুর্কিবাদের স্বার্থে রাশিয়াকে ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়েছিলো। কিংবদন্তি জিয়া গোকাল্পকে "তুর্কি জাতীয়তাবাদের জনক" এবং এমনকি "তুর্কিবাদের মহাগুরু" হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার চিন্তাধারা তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক পটভূমিতে বিশিষ্টভাবে চিত্রিত হয়, এটি তার মৃত্যুর সময় উসমানীয় সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ভূত হয়েছিলো। তার প্রভাব বিভিন্নভাবে অনুরণিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, তার তুর্কিবাদের নীতি দাবি করে যে উসমানীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের উৎপত্তি বাইজেন্টাইন ছিলো; এর ফলে রাষ্ট্রটি ১৯৩০-এর দশকে বেতার থেকে উসমানীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে এক ইশারায় নিষিদ্ধ করে, কারণ শুধুমাত্র তুর্কি লোকসঙ্গীত "জাতির প্রতিভাকে উপস্থাপন করে"। সর্ব-তুর্কিবাদ ও তুরানবাদকে জনপ্রিয় করার জন্য গোকাল্পকে যথাক্রমে বর্ণবাদী ও সম্প্রসারণবাদী এবং বর্ণবাদ বিরোধী ও সম্প্রসারণ বিরোধী হিসাবে দেখা হয়। তার কিংবদন্তির এই বিপরীত পাঠগুলো সহজেই প্রবক্তা ও বিরোধীদের মধ্যে বিভক্ত করা যায়না, কারণ তুরস্কের জাতীয়তাবাদী উপাদানগুলো (যেমন "জাতীয়তাবাদী কার্যকলাপ দল") তার কাজকে এই দাবির জন্য উপযুক্ত করেছে যে তিনি সর্ব-তুর্কি আত্মীয়তার নিছক আদর্শের পরিবর্তে তুরানবাদের একটি বাস্তবিক উপলব্ধি সমর্থন করেছিলেন। বিপরীতে গোকাল্পের কিছু পঠন দাবি করে যে, তার তুরানবাদ ও সর্ব-তুর্কিবাদ ছিল ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক মডেল যেখান থেকে ভৌত সম্প্রসারণের জন্য তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের সামরিক আহ্বানের পরিবর্তে উসমানীয়-পরবর্তী আদর্শের পরিচয় পাওয়া যেতে পারে। প্রায়শই বেশ ভিন্ন ধারণা পোষণ করলেও আরব জাতীয়তাবাদী সাতি আল হাসরি গোকাল্প দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন। মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক বলেছেন "আমার হাড়-মাংসের পিতা হলেন আলি রুজা এফেন্দি ও আমার চিন্তার পিতা হলেন জিয়া গোকাল্প"। আর্মেনীয় গণহত্যা সম্পর্কে গোকাল্পের মতামত ছিলো যে "কোন আর্মেনীয় গণহত্যা হয়নি, একটি তুর্কি-আর্মেনীয় ব্যবস্থা ছিলো। তারা আমাদের পিঠে ছুরি বসিয়েছে, আমরা তাদের পিঠে ছুরি বসিয়েছি।" এই দৃষ্টিভঙ্গি তরুণ তুর্কিদের মধ্যে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। তিনি যে বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তা ১৯৫৬ সালে জিয়া গোকাল্প জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। সৃষ্টিকর্ম তুর্কি সভ্যতার ইতিহাস কুজুলেলমা (কাব্যগ্রন্থ) তুর্কিবাদ, ইসলামবাদ ও আধুনিকতাবাদ তথ্যসূত্র আরও পড়ুন Taha Parla: The social and political thought of Ziya Gökalp : 1876 – 1924. Leiden 1985 Mihran Dabag: Jungtürkische Visionen und der Völkermord an den Armeniern, in: Dabag / Platt: Genozid und Moderne (Band 1), Opladen 1998. Katy Schröder: Die Türkei im Schatten des Nationalismus. Hamburg, 2003, , S. 50–54 Alexander Safarian: Ziya Gökalp on National Education, "Iran and the Caucasus", vol.8.2, Brill, Leiden - Boston, 2004, pp. 219–229. বহিঃসংযোগ ১৮৭৬-এ জন্ম ১৯২৪-এ মৃত্যু তুর্কি নাস্তিক তুর্কি জাতীয়তাবাদী উসমানীয় সাম্রাজ্যের সমাজবিজ্ঞানী ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী তরুণ তুর্কি মাল্টা নির্বাসন তুরানবাদি
1003767
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%A7%20%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A7%A7%E0%A7%A6%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%97
২০২১ টি১০ লিগ
২০২১ টি১০ লিগ বা আবুধাবি টি১০ ২০২১ টি১০ লিগের চতুর্থ আসর। ম্যাচগুলির ৯০ মিনিটের এবং উভয় দল নির্ধারিত ১০ ওভার খেলার সুযোগ পায়। প্রতিযোগিতাটিতে প্রথমে রাউন্ড রবিন এবং পরে সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল খেলা হয়। এটি মূলত শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৯ থেকে ২৮ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত খেলার কথা ছিল। কিন্তু, কোভিট-১৯ মহামারীর কারণে টুর্নামেন্টটি ২৮ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত খেলার সূচী পুনরায় নির্ধারণ করা হয়। কর্ণাটক টাস্কার তাদের নাম পরিবর্তন করে পুনে ডেভিলস হিসাবে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে। নর্দার্ন ওয়ারিয়র্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়। দলীয় সদস্য ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুষ্ঠিত খেলোয়াড় নিলামে ফ্রাঞ্চাইজ ভিত্তিক দলগুলো নিম্নোক্ত খেলোয়াড়দেরকে বেছে নেন। গ্রুপ পর্যায় গ্রুপ এ গ্রুপ বি সুপার লিগ পয়েন্ট তালিকা খেলাগুলো প্লে-অফ বন্ধনী বাছাইপর্ব এলিমিনেটর এলিমিনেটর ১ এলিমিনেটর ২ ৩য় স্থান প্লে-অফ ফাইনাল তথ্যসূত্র ২০২০-এ আমিরাতি ক্রিকেট টি১০ ক্রিকেট ২০২১-এ আমিরাতি ক্রিকেট
559305
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE
গুজরাটের বিমানবন্দরগুলির তালিকা
গুজরাটের বিমানবন্দরগুলির তালিকা এই পৃষ্ঠায় দেওয়া হল। বিমানবন্দরগুলিকে ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী শ্রেণীবিভক্ত করা হয়েছে। রাজ্যের সকল অসামরিক ও সামরিক বিমানবন্দরগুলি নাম এই তালিকায় পাওয়া যাবে। তালিকায় ব্যবহৃত সংকেতগুলি হল: পরিষেবাপ্রাপ্ত শহর – বিমানবন্দরটি সাধারণত যে শহরের সঙ্গে যুক্ত। সর্বত্র পরিষেবাপ্রাপ্ত শহরের অভ্যন্তরে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরটি অবস্থিত হয় না, বরং শহরের বাইরে কোনো ছোটো শহরে হয়ে থাকে। আইসিএও (ICAO) – আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান সংস্থা (আইসিএও) নির্ধারক অবস্থান নির্ণায়ক কোড। আইএটিএ (IATA) – আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ) নির্ধারিত কোড। বিমানবন্দরের নাম – বিমানবন্দরের সরকারি নাম। যেসব বিমানবন্দরের নামের ক্ষেত্রে মোটা অক্ষর ব্যবহৃত হয়েছে সেখানে বাণিজ্যিক বিমানসংস্থাগুলির বিমান নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে ওঠানামা করে। বিস্তারিত – সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। বিমানবন্দরের তালিকা আরও ভারতের বিমানবন্দরগুলির তালিকা পশ্চিমবঙ্গের বিমানবন্দরগুলির তালিকা কলকাতা মহানগরীয় অঞ্চলের বিমানবন্দরগুলির তালিকা তথ্যসূত্র গুজরাত
273417
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%20%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%28%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80%29
দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)
দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (জন্ম: ১৯ নভেম্বর, ১৯১৮ - মৃত্যু: ৮ মে, ১৯৯৩) ভারতের একজন প্রখ্যাত মার্কসবাদী দার্শনিক ও লেখক। তিনি প্রাচীন ভারতের দর্শনের বস্তুবাদকে উদ্ঘাটন করেছেন। তাঁর সবচেয়ে বড় কাজ হল লোকায়তের প্রাচীন দর্শনকে তিনি বিরুদ্ধপক্ষের বিকৃতি হতে রক্ষা করেন এবং তা সংগ্রহ ও প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও তিনি প্রাচীন ভারতের বিজ্ঞানের ইতিহাস ও বিজ্ঞানের পদ্ধতি সম্পর্কেও গবেষণা করেছেন বিশেষ করে প্রাচীন চিকিৎসক চরক ও সুশ্রুত সম্পর্কে। প্রারম্ভিক জীবন দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় ১৯১৮ সালে ১৯ নভেম্বর কলকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বসন্তকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন অ্যাকাউন্টান্ট জেনারেল ও দার্শনিক এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সমর্থক। সম্ভবত,তার প্রভাবই দেবীপ্রসাদের জীবনে পড়ে। এজন্য তিনি ভারতীয় দর্শন এবং রাজনীতি, মার্সকবাদ, সাম্যবাদী লেখা ও গবেষণার দিকে আগ্রহী হন। শিক্ষাজীবন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিষয়ে ১৯৩৯ সালে বি.এ. এবং ১৯৪২ সালে এম.এ.পাশ করেন। কর্মজীবন রাজনৈতিক জীবন গবেষণা দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের লেখা বই ১৯৫১ "যে গল্পের শেষ নেই" ১৯৫৯ লোকায়ত: A Study in Ancient Indian Materialism: People's Publishing House, New Delhi ১৯৬৪ Indian Philosophy - A Popular Introduction: People's Publishing House, New Delhi ১৯৬৯ Indian Atheism - A Marxist Analysis : Manisha, Calcutta ১৯৭৬ What is Living and What is Dead in Indian Philosophy: People's Publishing House, New Delhi ১৯৭৭ Science and Society in Ancient India: Research India Publications, Calcutta ১৯৭৯ Lenin, the Philosopher: Sterling Publishers, New Delhi ১৯৮০, দার্শনিক লেনিন, মনীষা কলকাতা, ১৯৮৬ History of Science and Technology in Ancient India: Firma K.L Mukhopadhyaya, Calcutta ১৯৮৯ In Defence of Materialism in Ancient India: People's Publishing House, New Delhi ২০০২ Musings in Ideology- An Anthology of Analytical Essays by Debiprasad Chattopadhyaya: G. Ramakrishna and Sanjay K. Biswas - Editors; Navakarnataka Publications Pvt. Ltd., Bangalore. সাহিত্য - সঙ্কলন 1982 Studies in the History of Science in India (2 Vols; Edited): Editorial Enterprises, New Delhi 1994 Carvaka/Lokayata : An Anthology of Source Materials and Some Recent Studies (Edited): Indian Council of Philosophical Research, New Delhi পৃথিবীর ইতিহাস : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, রমাকৃষ্ণ মৈত্র, অনুষ্টুপ, কলকাতা। ভারতীয় দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, এনবিএ, কলকাতা। লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, নিউ এজ পাবলিশার্স, কলকাতা। ভারতে বস্তুবাদ প্রসঙ্গে : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, অনুষ্টুপ, কলকাতা। ভাববাদ খণ্ডন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, অনুষ্টুপ, কলকাতা। বিজ্ঞান কি ও কেন, দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, মুক্তধারা। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, Lokayata দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, Science and Philosophy in Ancient India ১৯১৮-এ জন্ম ১৯৯৩-এ মৃত্যু মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক ভারতীয় সাম্যবাদী সমকালীন ভারতীয় দার্শনিক ভারতীয় জড়বাদী ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় দার্শনিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রবৃন্দ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ভারতীয় ঐতিহাসিক মার্ক্সবাদী লেখক সংস্কৃত পণ্ডিত ইতিহাসের দার্শনিক ভারতীয় রাজনৈতিক দার্শনিক ভারতীয় মার্ক্সবাদী ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় ইতিহাসবিদ বাঙালি লেখক ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় অ-কল্পকাহিনী লেখক ভারতীয় নাস্তিক ভারতীয় মার্ক্সবাদী লেখক সাহিত্য ও শিক্ষায় পদ্মভূষণ প্রাপক কলকাতার পণ্ডিত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
828856
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%A8%20%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
নিক্সন ম্যাকলিন
নিক্সন আলেক্সেই ম্যাকনামারা ম্যাকলিন (; জন্ম: ২০ জুলাই, ১৯৭৩) সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন্সের স্টাবস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ থেকে ২০০৩ সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে সেন্ট ভিনসেন্ট ও উইন্ডওয়ার্ড আইল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি, ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে হ্যাম্পশায়ার ও সমারসেট এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে কোয়াজুলু-নাটাল দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী ছিলেন নিক্সন ম্যাকলিন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে নিক্সন ম্যাকলিনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। কোয়াজুলু-নাটালের পক্ষে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ মৌসুমে হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে অংশ নেন। এরপর, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে সমারসেট ও ক্যান্টারবারি উইজার্ডসের সাথে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে উনিশটি টেস্ট ও পঁয়তাল্লিশটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন। ২৯ জানুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে কিংস্টনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৭ মার্চ, ২০০১ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকান ঘরোয়া ক্রিকেটে সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। কিন্তু, ঐ বিশ্বকাপের তিন খেলায় অংশ নিয়ে উইকেট শূন্য অবস্থায় ছিলেন। এরপর আর তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে খেলতে দেখা যায়নি। খেলার ধরন দীর্ঘদেহী ও মাংসল গড়নের অধিকারী ছিলেন তিনি। ঘণ্টায় ৮৫ মাইলেরও অধিক গতিবেগে বোলিং করতে পারতেন। তবে, তিনি কখনো টেস্ট খেলায় বোলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। বলে পেস আনয়ণ, কিংবা চমৎকার বোলিং উপযোগী পিচেও বলে ধারাবাহিকতা আনয়ণ করতে পারেননি। এছাড়াও, বোলিং পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটে কোন ইনিংসেই তিনের অধিক উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখাননি। অবসর ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর সাবেক খেলোয়াড়দের সহায়তাকল্পে ঘরোয়া পর্যায়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রিটায়ার্ড প্লেয়ার্স ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পরিষদের সদস্যরূপে কাজ করেন। এছাড়াও, ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনেরও সহঃসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। নিক্সন ম্যাকলিনের কাকাতো ভাই আরজেজে ম্যাকলিন প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে উইন্ডওয়ার্ডস আইল্যান্ড দলের পক্ষে অংশগ্রহণ করেছেন। তথ্যসূত্র আরও দেখুন মহেন্দ্র নাগামুতু শেরউইন ক্যাম্পবেল ডলফিন্স ক্রিকেট দল ২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ দলসমূহ ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান টেস্ট ক্রিকেটারদের তালিকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম বলেই উইকেটলাভকারী বোলারদের তালিকা বহিঃসংযোগ ১৯৭৩-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি ২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ক্রিকেটার উইন্ডওয়ার্ড আইল্যান্ডসের ক্রিকেটার ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট ক্রিকেটার ওয়েস্ট ইন্ডিজের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ক্যান্টারবারির ক্রিকেটার কোয়াজুলু-নাটালের ক্রিকেটার হ্যাম্পশায়ারের ক্রিকেটার সমারসেটের ক্রিকেটার সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন্সের ক্রিকেটার
825078
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
খালিয়া ইউনিয়ন
খালিয়া ইউনিয়ন বাংলাদেশর ঢাকা বিভাগের মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার একটি ইউনিয়ন যা ২৩টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এ এলাকা এক সময় জমিদারি অঞ্চল ছিলো। ভৌগোলিক উপাত্ত খালিয়া ইউনিয়নের মোট আয়তন ৫,৪৮৪ একর বা ২২.২ বর্গ কিলোমিটার। গ্রামের সংখ্যা ২৩টি। ঘরবাড়ির সংখ্যা ৭,৪২৩টি। এ ইউনিয়নে হাট-বাজার রয়েছে ৭টি। মসজিদের সংখ্যা ৬৫টি এবং মন্দিরের সংখ্যা ৩০টি। জনসংখ্যার উপাত্ত বাংলাদেশের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী খালিয়া ইউনিয়নের ৭,৪২৩টি পরিবারে মোট জনসংখ্যা ৩৪,৯৮৬ জন এবং প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১৬০০ জন লোক বাস করে। এদের মধ্যে ১৭,৫২৪ জন পুরুষ ও ১৭,৬৪২ জন মহিলা এবং লিঙ্গ অনুপাত ১০০। মুসলিম ধর্মালম্বী ২১,৫৭৮ জন, হিন্দু ধর্মালম্বী ১৩,৩৯৯ জন ও খ্রিস্টান ধর্মালম্বী ৯ জন। শিক্ষা ২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী খালিয়া ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৫২.৩% (পুরুষ ৫৪.৮%, মহিলা-৪৯.৮%)। এ ইউনিয়নে ১টি কলেজ, ১টি মাদ্রাসা, ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে এবং ৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। উল্লেখযোগ্য স্থান খালিয়া জমিদার বাড়ি রাজারাম মন্দির তথ্যসূত্র রাজৈর উপজেলার ইউনিয়ন
1030316
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
কোটা দরিয়া
কোটা দরিয়া বা কোটা দরি হল ছোটো ছোটো বর্গাকার (খাত) নকশায় বোনা হালকা ওজনের একটি বৈশিষ্ট্যময় কাপড়ের নাম। এগুলি এখনও রাজস্থানের কোটার কাছে কৈথুনে এবং আশেপাশের কয়েকটি গ্রামে ঐতিহ্যবাহী পিট তাঁতে হাতে বোনা হয়। এই শাড়িগুলি সূক্ষ্ম সিল্ক এবং সুতোর তন্তুর মিশ্রণে তৈরি হয়। সুতো এই কাপড়কে শক্ত করে এবং সিল্ক এটিকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে ও এটিকে একটি নরম স্পর্শ দেয়। একটি কোটা শাড়ির চৌখুপী বুনন খুব জনপ্রিয়। কোটা দরিয়াকে এই অঞ্চলের মানুষের ঐতিহ্য এবং রীতিনীতিগুলির সাথে এর স্বতন্ত্রতা এবং সংযোগের জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসাবেও বিবেচনা করা হয়েছে। ইতিহাস কথিত আছে যে ১৭ শতকের মাঝামাঝি সময়ে, কোটার রাও কিশোর সিংহ কর্ণাটকের মহীশূর থেকে তাঁতিদের কোটাতে নিয়ে এসেছিলেন। তারা চৌখুপী বুননের বৈশিষ্ট্যযুক্ত হাল্কা সুতির কাপড় বুনত যেগুলি ছক কাগজের মতো দেখতে ছিল এবং সেগুলি পাগড়ির জন্য উপযুক্ত ছিল। ১৬৯৬ সালে মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পক্ষে লড়াইয়ের সময় রাও কিশোর সিং কর্ণাটকের একটি যুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন। বুনন তাঁতিরা যেহেতু মহীশূর থেকে এসেছিল, উৎপাদিত কাপড়কে কোটা মাশূরিয়া বলা হত। ঐতিহ্যবাহী পাগ (পাগড়ি) তৈরি করতে সরু ৮ ইঞ্চি তাঁতে সেগুলি বোনা হত এবং পরবর্তীতে অতিশয় হালকা শাড়ির জন্য চওড়া তাঁত ব্যবহৃত হত। শাড়ির টানা এবং বুননে ৫:১ এর অনুপাতে সুতি এবং রেশম সুতোর সংমিশ্রণ ব্যবহার করা হয়, এটি একটি সূক্ষ্ম চৌখুপী নকশা তৈরি করে। এটি হয়ে উঠেছে সাধারণ রেশম-সুতির কোটা দরিয়া মিশ্রণ। আজকাল হাতে বোনা রেশম কোটা দরিয়া শাড়িও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রথমে বুটি নামে পরিচিত নকশাটি ছোট এবং বহুল ব্যবহৃত ছিল। তবে এখন ধরন এবং পছন্দ অনুযায়ী বড় বড় নকশা তৈরি করা হয়। একটি মানক শাড়ি ৬.৫ মিটার দীর্ঘ এবং এতে ব্লাউজের জন্য কাপড়ও যুক্ত থাকে। প্রচুর কারুকার্যময় একটি শাড়ি তৈরি করতে এক মাস সময় লাগতে পারে এবং সেগুলি উত্তরাধিকার সূত্রে রেখে দেবার মত শাড়ি। একটি আসল কোটা দরিয়া শাড়ির এক কোণে বোনা জিআই চিহ্ন থাকবে যা থেকে বোঝা যাবে যে এটি আসল রুপো এবং সোনার সুতো ব্যবহার করে হাতে বোনা হয়েছে। সুরত ও বারাণসীর বেশিরভাগ কোটা দরিয়া শাড়ি বিদ্যুতের তাঁতে তৈরি এবং সেগুলি হাতে করে ব্লক ছাপা, সূচিকর্ম করা হয় বা হাতে করে সম্পূর্ণতা দেওয়া হয়। এই কাপড় শাল এবং ওড়নার জন্যও ব্যবহৃত হয়। আরো দেখুন মহীশূর রেশম শাড়ি মসলিন খস (কাপড়) তনসুখ কাপড় তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Among Kota people The handcrafted elegance Kota Heritage Society https://kotacityblog.com/kota-doria/#introduction-kota-doria ভারতীয় পোশাক ভারতের ভৌগোলিক নির্দেশক পোশাক-অসম্পূর্ণ রাজস্থানের ভৌগোলিক নির্দেশক শাড়ি রাজস্থানি শিল্পকলা রাজস্থানি পোশাক
20892
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%AE%E0%A7%AB%E0%A7%A9
৮৫৩
৮৫৩ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির একটি সাধারণ বছর। ঘটনাবলী জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর জন্ম জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর মৃত্যু জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর ৮৫৩
853199
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8
উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশন
উত্তরা কেন্দ্র মেট্রো স্টেশন বা উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশন ঢাকা মেট্রোরেলের একটি স্টেশন। এই স্টেশনটি ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত। স্টেশনটি এমআরটি লাইন ৬-এর অন্তর্গত। ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে এই স্টেশন চালু করা হয়। ইতিহাস উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনটি "প্যাকেজ সিপি-০৩"-এর অধীনে নির্মিত হয়। স্টেশন ও রেলপথের জন্য উত্তোলিত সেতু নির্মাণের আবেদনের বিজ্ঞপ্তি ২০১৫ সালের ৩০ জুন প্রকাশিত হয় এবং আবেদনের জমার শেষ তারিখ ছিল ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫। "প্যাকেজ সিপি-০৩"-এর কাজের চুক্তি পায় ইতালীয়-থাই উন্নয়ন পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড। চুক্তি দলিলটি এনবিআর তদন্ত এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক তদন্তের জন্য ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। এই চুক্তি প্যাকেজের জন্য স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ২০১৭ সালের ৩ মে ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সালের ২ আগস্ট নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই স্টেশনের নির্মাণ কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুমান করা হয় স্টেশনটি ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে মেট্রো রেল পরিষেবার জন্য উদ্বোধন করা হবে। স্টেশনটি ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে চালু করা হয়। স্টেশন স্টেশন বিন্যাস তথ্যসূত্র ঢাকা মেট্রো স্টেশন ২০২৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ২০২৩-এ চালু রেলওয়ে স্টেশন উত্তরা
93253
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%A8
শেনচেন
শেনচেন (; ফিনিন: Shēnzhèn; আ-ধ্ব-ব: [ʂə́n.ʈʂə̂n]; ) গণচীনের দক্ষিণ-পূর্বভাগের কুয়াংতুং প্রদেশের একটি প্রধান শহর। এটি মুক্তা নদীর ব-দ্বীপ মহানগর অঞ্চলের একটি অংশ গঠন করেছে। এর দক্ষিণ সীমানায় হংকং, উত্তর-পূর্বে হুইচৌ ও উত্তর-পশ্চিমে তুংকুয়ান শহরগুলি অবস্থিত। শহরটিকে উপপ্রদেশের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান শেনচেন শহরটির সীমানা প্রাক্তন পাওআন কাউন্টির সীমানার সাথে মিলে যায়। এর আগে এখানে একই নামের একটি বাজারভিত্তিক ছোট শহর ছিল, যেখানে কাওলুন-ক্যান্টন রেলপথের শেষ স্টেশনটি অবস্থিত ছিল। ১৯৭৯ সালে শেনচেনকে সরকারীভাবে একটি নগরীর মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯৮০ সালে শেনচেনে চীনের সর্বপ্রথম বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়। শেনচেনের ২০১৭ সালের প্রাক্কলিত জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ। তবে শেনচেন পৌরসভা দলের সমিতির মতে শহরটিতে বিপুল সংখ্যক ভাসমান অনিবন্ধিত অভিবাসী লোক বাস করে, তাই শেনচেনের প্রকৃত জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি। ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকে শেনচেন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল নগরীগুলির একটি ছিল। পর্যটন নির্দেশিকা “লোনলি প্ল্যানেট” শহরটিকে ২০১৯ সালের পরিদর্শনযোগ্য ১০টি সেরা শহরের মধ্যে ২য় স্থান দান করেছে। ১৯৭৯ সালে চীনের অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্মোচন নীতি অবলম্বনের পর থেকে শেনচেনে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং নগরীর অর্থনীতিতে গতিসঞ্চার হয়। বর্তমানে শহরটি সারা বিশ্বের মধ্য অন্যতম প্রধান প্রযুক্তিকেন্দ্র। অনেক গণমাধ্যমে এটিকে ভবিষ্যতের সিলিকন উপত্যকা নাম দেওয়া হয়েছে। শেনচেন শহরে একটি শেয়ার বাজার আছে। এখানে অনেকগুলি বহুজাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, যাদের মধ্যে জেএক্সডি, হাইটেরা, সিআইএমসি, এসএফ এক্সপ্রেস, শেনচেন এয়ারলাইনস, নেপস্টার, হাসি, ফিং আন ব্যাংক, টেনসেন্ট, জেডটিই , হুয়াওয়েই ও বিওয়াইডি উল্লেখযোগ্য। বিশ্ব অর্থনৈতিক কেন্দ্র সূচকে ২০১৮ সালে শেনচেনের স্থান ছিল ১২তম। শেনচেন বন্দরটি বিশ্বের ব্যস্ততম বাক্স বা কন্টেইনার বন্দরগুলির মধ্যে একটি। টীকা তথ্যসূত্র চীনের শহর শেনচেন চীনের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
18713
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6
লগার প্রদেশ
লগার প্রদেশ (পশতু/) আফগানিস্তানের ৩৪ টি প্রদেশের মধ্যে একটি, যেটি দেশের পূর্ব অঞ্চলে অবস্থান করছে। বিভাগটি সাত জেলা নিয়ে গঠন করা হয়েছে এবং প্রায় একশোর উপরে গ্রাম রয়েছে। পোল-ই আলম হচ্ছে প্রদেশটির রাজধানী শহর। ২০১৩ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী জেলাটির জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩৭৩,১০০ জন এর মত। এটি একটি বহুজাতিক উপজাতীয় সম্প্রদায় বসবাসকারি প্রদেশ হিসেবে বলা যায়, যেখানে প্রায় ৬০% পশতুন এবং বাকি তাজিক ও হাজারা সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ লগার জেলা ولایت لوگر আফগানিস্তানের প্রদেশ লগার প্রদেশ
515197
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%20%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0
রাজারাম মন্দির
রাজারাম মন্দির মাদারীপুর জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন মন্দির ও সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। এটি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি খালিয়া জমিদার বংশধরদের তৈরি করা একটি মন্দির। ইতিহাস কালীসাধক রাজারাম রায় চৌধুরী নামক তৎকালীন খালিয়া জমিদার বংশ ১৭শ শতকে রাজারাম মন্দিরটি এ অঞ্চলে নির্মণ করেন। মন্দিরটি নির্মাণে জমিদার প্রচুর অর্থ খরচ করলেও এটি নির্মাণের সঠিক তারিখ জানা যায় না। তবে অনেকেই মনে করেন এটি ১৮২৫ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল। জমিদার রাজারামের নামানুসারেই এর নাম রাখা হয় ‘রাজারাম মন্দির’। অবকাঠামো চার চালা ঘরের অদলে মন্দিরটি তৈরি কারা পুরো মন্দিরটি গ্রাম্য রীতিতে ২৩ শতাংশ জমি নিয়ে নির্মিত। মন্দিরটিতে মোট ৯টি কক্ষসহ একটি রান্নাঘর রয়েছে যার মধ্যে নিচের তলায় তিনটি ও উপরের তলায় ৬টি কক্ষ। এছাড়াও পূজা অর্চনার জন্য রয়েছে আলাদা স্থান। রাজারাম মন্দিরের উচ্চতা ৪৭ ফুট এবং এর দৈর্ঘ্য বিশ ফুট ও প্রস্থ ষোল ফুট। দ্বিতল এ মন্দিরটির প্রতিটি দেয়াল বিভিন্ন রকম দেবদেবী, রামায়ণ ও মহাভারতের নকশা দ্বারা ফুটিয়ে তুলা হয়েছে।এই মন্দিরের নিচতলার প্রায় অনেকটাই এখন মাটির নিচে নেমে গিয়েছে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন রয়েছে। চিত্রশালা. আরও দেখুন বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ মাদারীপুর জেলার দর্শনীয় স্থান মাদারীপুর জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা মাদারীপুর জেলার হিন্দু মন্দির ১৭শ শতাব্দীর হিন্দু মন্দির
514546
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AE%20%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%20%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0
সিকিম লোকসভা কেন্দ্র
সিক্কিম লোকসভা কেন্দ্র() হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতর সিকিম রাজ্যর একমাত্র লোকসভা কেন্দ্র। এই সমষ্টিটিতে সমগ্র সিকিমটি নেওয়া হয়েছে। এই লোকসভা সমষ্টিটি ১৯৭৭ সালে সৃষ্টি করা হয়ছিল। লোকসভার সাংসদসকল বিধানসভা কেন্দ্রসমূহ সিকিম লোকসভা সমষ্টিকে ৩১ টি বিধানসভা সমষ্টিতে ভাগ করা হয়েছে। সেই বিধানসভা সমষ্টিসমূহর নাম জেলা অনুসারে তলায় উল্লখ করা হ’ল: সালঘারি - জুম (Salghari-Zoom) বিধানসভা সমষ্টিটি আংশিকভাবে পশ্চিম সিকিম ও দক্ষিণ সিকিম জেলার অন্তর্গত। টুমেন - লিংগি (Tumen-Lingi) বিধানসভা সমষ্টিটি আংশিকভাবে দক্ষিণ সিকিম ও পূর্ব সিকিম জেলার অন্তর্গত। পশ্চিম সিকিম জেলা পশ্চিম সিকিম জেলার অন্তর্গত বিধান সভা সমষ্টিসমূহের নাম হল: Yoksam-Tashiding Yangthang Maneybung-Dentam Gyalshing-Barnyak Rinchenpong Daramdin Soreong-Chakung দক্ষিণ সিকিম জেলা দক্ষিণ সিকিম জেলার অন্তর্গত বিধান সভা সমষ্টিসমূহের নাম হল: Barfung Poklok-Kamrang Namchi-Singhithang Melli Namthang-Rateypani Temi-Namphing Rangang-Yangang পূর্ব সিকিম জেলা পূর্ব সিকিম জেলার অন্তর্গত বিধান সভা সমষ্টিসমূহের নাম হল: Khamdong-Singtam West Pendam Rhenock Chujachen Gnathang-Machong Namcheybung Shyari Martam-Rumtek Upper Tadong Arithang Gangtok Upper Burtuk উত্তর সিকিম জেলা উত্তর সিকিম জেলার অন্তর্গত বিধান সভা সমষ্টিসমূহের নাম হল: Kabi Lungchuk Djongu Lachen Mangan সংরক্ষিত আসন ভূটীয়া-লেপচা মূলের প্রার্থীর জন্য সংরক্ষিত বিধানসভা সমষ্টিসমূহ Yoksam-Tashiding Rinchenpong Daramdin Barfung Tumen-Lingi Gnathang-Machong Shyari, Martam-Rumtek Gangtok Kabi Lungchuk Djongu Lachen Mangan অনুসূচিত জাতির জন্য সংরক্ষিত বিধানসভা সমষ্টিসমূহ Salghari-Zoom West Pendam আরও দেখুন লোকসভা কেন্দ্রসমূহের তালিকা তথ্যসূত্র লোকসভা কেন্দ্র সিকিম সিকিমের রাজনীতি সিকিমে নির্বাচন
873220
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
চরফরাদি ইউনিয়ন
চরফরাদি ইউনিয়ন বাংলদেশের ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন। অবস্থান ও সীমানা ইতিহাস প্রশাসনিক এলাকা আয়তন ও জনসংখ্যা শিক্ষা শিক্ষার হার : শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দর্শনীয় স্থান উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব জনপ্রতিনিধি বর্তমান চেয়ারম্যান- আরও দেখুন ঢাকা বিভাগ কিশোরগঞ্জ জেলা তথ্যসূত্র পাকুন্দিয়া উপজেলার ইউনিয়ন
576896
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%20%E0%A6%8F%E0%A6%AE%20%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0
গেরহার্ড এম সেসলার
গেরহার্ড এম সেসলার একজন জার্মান উদ্ভাবক এবং বিজ্ঞানী। তিনি জেমস এডওয়ার্ড ওয়েস্টের সাথে ফয়েল ইলেক্ট্রিক মাইক্রোফোন উদ্ভাবন করেন। সেসলার গ্যটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বেল ল্যাবসে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত টেখনিশে উনিভের্সিটেট ডার্মষ্টাট এ তড়িৎ প্রকৌশলের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার ১০০টির অধিক আন্তর্জাতিক প্যাটেন্ট রয়েছে, যার মধ্যে ১৮টি মার্কিন প্যাটেন্ট। তার ৩০০টির অধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা পত্র রয়েছে। তিনি ২০১০ সালে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন মেডেল এবং ২০১২ সালে আইইইই/আরএসই ওলফন জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তথ্যসূত্র জার্মান বিজ্ঞানী ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্সের সভ্য ১৯৩১-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটির সভ্য
1018454
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9-%E0%A7%A8%E0%A7%A7
ময়মনসিংহ-২১
ময়মনসিংহ-২১ আসন ছিল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত জাতীয় সংসদের আসন ছিল। সীমানা ইতিহাস ময়মনসিংহ-২১ আসনটি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় গঠিত হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে আসনটি বিলুপ্ত হয়। নির্বাচিত সাংসদ নির্বাচন তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ সেফোস "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" ময়মনসিংহ জেলার জাতীয় সংসদীয় বিলুপ্ত আসন ১৯৭৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ১৯৮৪-এ বিলুপ্ত
1390772
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%BE
কুৎসা
কুৎসা ঋগ্বেদের একজন বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। ঋগ্বেদ ঋগ্বেদে কুৎসাকে এক বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, যিনি ইন্দ্রের রাক্ষস শুষ্ণকে পরাজিত করে সূর্যকে জয় করে ফিরিয়ে আনার সঙ্গে জড়িত। তিনি, অতিথিগভা এবং আয়ুর সাথে, ইন্দ্রের কাছেও পরাজিত হয়েছিলেন বলে জানা যায়, এর জন্য এক পর্যায়ে তুর্ভায়ণকে দায়ী করা হয়েছিল। অন্যান্য অর্থে কুৎসা এবং অতথিগভা ইন্দ্রের বন্ধু বলে পরিচিত। হিলেব্র্যান্ডের মতে, ইন্দ্রের সাথে কুৎসার বন্ধুত্বপূর্ণ বা প্রতিকূল সম্পর্কের দুটি দৃষ্টিভঙ্গি এই ধারণার দ্বারা সমাধান করা যেতে পারে যে ঋগ্বেদ দুটি পৃথক কুৎসাকে নির্দেশ করে। ঋগ্বেদের এক পর্যায়ে কুৎসা স্মাদিভা, তুগরা এবং ভেটাসুদের পরাজিত করার কথা বলেছেন। কুৎসাকে অর্জুনের বংশধর বলা হয়। তথ্যসূত্র গোত্র হিন্দু ঋষি
946237
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B2
সিফেয়ারার্স মেমোরিয়াল
সিফেয়ারার্স মেমোরিয়াল বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি প্রাঙ্গণে অবস্থিত একটি স্থাপনা। সমুদ্রে প্রাণ হারানো বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি ক্যাডেটদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়। ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সংস্থার মহাপরিচালক এফথাইমিওস ই মিট্রোপুলোস ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন। তথ্যসূত্র চট্টগ্রামের ভবন ও স্থাপনা বাংলাদেশের স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মারক
679600
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%20%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0
ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র
ভাটপাড়া (বিধানসভা কেন্দ্র) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। এলাকা ভারতের সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশনের নির্দেশিকা অনুসারে, ১০৫ নং ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি ১ থেকে ১৭ নং ওয়ার্ড গুলি ভাটপাড়া পৌরসভা এর অন্তর্গত। ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি ১৫ নং ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র এর অন্তর্গত। বিধানসভার বিধায়ক নির্বাচনী ফলাফল ২০১১ ২০১১ সালের নির্বাচনে, তৃণমূল কংগ্রেসের অর্জুন সিং তার নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআই (এম) -এর নেপালদেব ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। ১৯৭৭-২০০৬ ২০০৬ এবং ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে,তৃণমূল কংগ্রেসের অর্জুন সিং ভাটপাড়া আসন থেকে জয়ী হন ২০০৬ সালে সিপিআই (এম) -এর হরিমোহন নাথকে পরাজিত করেন এবং ২০০১ সালে সিপিআই (এম) -এর রামপ্রসাদ কুন্ডুকে পরাজিত করেন। অধিকাংশ বছরে প্রতিযোগিতাগুলিতে প্রার্থীদের বিভিন্ন ধরনের কোণঠাসা করে ছিল কিন্তু শুধুমাত্র বিজয়ী ও রানার্সকে উল্লেখ করা হচ্ছে। সিপিআই (এম) -এর বিদ্যুৎ গাঙ্গুলি ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের ধর্মপাল গুপ্তকে পরাজিত করেন ১৯৯১ সালে কংগ্রেসের কেদার সিংকে পরাজিত করেন। কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিং ১৯৮৭ সালে সিপিআই (এম) -এর শিবপ্রসাদ ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। সিপিআই (এম) সিতারাম গুপ্ত ১৯৮২ সালে কংগ্রেসের দেবী ঘোষালকে পরাজিত এবং ১৯৭৭ সালে কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিংকে পরাজিত করেন। ১৯৫১-১৯৭২ কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিং ১৯৭২ এবং ১৯৭১ সালে জয়ী হন। সিপিআই (এম) -এর সিতারাম গুপ্ত ১৯৬৯ সালে জয়ী হন। কংগ্রেসের দয়ারাম বেড়ি ১৯৬৭ এবং ১৯৬২ সালে জয়ী হন। সিপিআই এর সিতারাম গুপ্ত ১৯৫৭ সালে জয়ী হন। স্বাধীন ভারতের প্রথম নির্বাচন ১৯৫১ সালে, কংগ্রেসের দয়ারাম বেড়ি ভাটপাড়া কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। তথ্যসূত্র পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা কেন্দ্র উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার রাজনীতি
439412
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2
অগ্নিমিত্রা পাল
অগ্নিমিত্রা পাল একজন ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার ও রাজনীতিবিদ। তিনি ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরে রাজনীতিতে আসেন ও আসানসোল দক্ষিণ আসন থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি বিজেপি মহিলা মোর্চার পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রারম্ভিক জীবন অগ্নিমিত্রা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আসানসোলে এক ডাক্তার ও শিক্ষাবিদের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আসানসোলের লরেটো কনভেন্টে পড়াশোনা করেন ,পরে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতকোত্তর এবং বিড়লা ইনস্টিটিউটের লিবারেল আর্টস ও ম্যানেজমেন্ট বিজ্ঞানের ফ্যাশন স্কুল থেকে ডিপ্লোমা করেন। কর্মজীবন অগ্নিমিত্রা তার কর্মজীবন ২০০১-০২ সালে শুরু করেন।তিনি শ্রীদেবীর ব্যক্তিগত পোশাক ডিজাইন করেন। পরে তিনি কোই মেরে দিল সে পুছে চলচ্চিত্রের পরিধানসমূহ নকশা করার প্রথমবার সুযোগ পান,যেখানে তিনি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এশা দেওলের কিছু পোশাক নকশা করেন। তিনি ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতার জন্য শোনাল রাওয়াতের বাহারি পোশাক নকশা করেন। তিনি বলিউড চলচ্চিত্র ভায়া দার্জিলিঙ্গে, কে কে মেনন,সোনালি কুলকার্নি , পারভিন দাবাস এবং বিনয় পাঠকের জন্য পোশাক নকশা করেন।তিনি মিঠুন চক্রবর্তী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, জিৎ, কোয়েল মল্লিক, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, মৌ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ অভিনেতা/অভিনেত্রীদের জন্য ১০টির ও বেশি টলিউড চলচ্চিত্রে পোশাক নকশা করেন। অগ্নিমিত্রা মে,২০১২ সালে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনকে তার কলকাতা সফরকালীন একটি সবুজ এবং হালকা বাদামি কাঁথার স্টোল উপহার দেন। তিনি নিজে হাতে উপহার না দিতে পারলেও,পরবর্তীকালে প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি, আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক জেফ্রি কে রেনেউয়ের মাধ্যমে পাঠানো একটি চিঠিতে উপহার প্রাপ্তি স্বীকার করেন। চিঠিটি এইপ্রকার: "প্রিয় শ্রীমতী পল, সুন্দর শাল ও চাদরের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, যেগুলি আপনি, কলকাতায় আমার সফরের সময়,আমাকে দিয়েছেন। আমি আপনার ভাবুকতার প্রশংসা করি, এবং আপনার ফ্যাশন ডিজাইন কোম্পানির অব্যাহত সাফল্যের জন্য, আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।" সম্প্রতি অগ্নিমিত্রা পাল দক্ষিণবঙ্গের সুন্দরবনের গ্রামের মহিলাদের ফ্যাশন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে আগ্রহী হয়ে ,তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন। তার আই এন জি এ নামে নিজস্ব একটি ফ্যাশন লেবেল আছে এবং ভারত জুড়ে প্রধান শহরগুলোতে রিটেল স্টোর আছে। সম্প্রতি তিনি ছায়াছবি নকশালের জন্য পোশাক বানান। ব্যক্তিগত জীবন অগ্নিমিত্রা একজন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী পার্থ পালের সঙ্গে বিবাহ সুত্রে আবদ্ধ। অগ্নিমিত্রা প্রথম জীবনে একজন ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা বাস্তবে হয়ে ওঠে নি।তাদের একটি ছেলে আছে, নাম বিঘ্নেশ। রাজনৈতিক জীবন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়ে তিনি ৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে আসানসোল দক্ষিণ আসনে জিতেছেন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ওয়েবসাইট জীবিত ব্যক্তি আসানসোলের ব্যক্তি ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী ব্যবসায়ী ভারতীয় নারী বেশভূষাশৈলী নকশাবিদ ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ বাঙালি ব্যক্তি ১৯৭৩-এ জন্ম যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ভারতীয় পোশাক পরিকল্পনাকারী ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী শিল্পী ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় ব্যবসায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ২০২১-২০২৬
396492
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%20%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6
ফয়সাল মসজিদ
ফয়সাল মসজিদ () পাকিস্তানের বৃহত্তম মসজিদ, যা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত। মসজিদটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তুর্কি স্থপতি ভেদাত ডালোকে এর ডিজাইন করেন। মসজিদটি দেখতে অনেকটা মরুভূমির বেদুঈনদের তাঁবুর মতো। সারা পৃথিবীতে এটি ইসলামাবাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সৌদি বাদশাহ ফাইসাল বিন আব্দুল আজিজ এই মসজিদ নির্মাণে সমর্থন এবং অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। তাই এই মসজিদটি শাহ্‌ ফয়সালের নামে নামকরণ করা হয়। এই মসজিদটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদ। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত মসজিদটি পৃথিবীর বৃহত্তম মসজিদ ছিলো। পরবর্তীতে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় হাসান ২ মসজিদ নির্মাণ হলে ফাইসাল মসজিদ তার অবস্থান হারায়। গ্যালারী তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ শাহ ফয়সাল মসজিদ: গুগল ত্রিমাত্রিক ওয়্যারহাউস পাকিস্তানের জাতীয় প্রতীক ইসলামাবাদের মসজিদ ১৯৮৬-এ পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত ২০শ শতাব্দীর মসজিদ ১৯৮৬-এ সম্পন্ন মসজিদ
End of preview. Expand in Data Studio
README.md exists but content is empty.
Downloads last month
42