id
stringlengths
4
7
url
stringlengths
39
750
title
stringlengths
1
88
text
stringlengths
73
119k
575528
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%20%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%A1
পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড
পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড (পূর্বনাম দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড) বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। অনিয়ম-জালিয়াতির দায়ে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের চারটি সরকারি ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ব্যাংকটির বড় অংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করে। এতে ব্যাংকটির স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু হলে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পদ্মা ব্যাংক। ইতিহাস এই ব্যাংকটি ২০১৩ সালের ৩ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৬ সালে শত শত কোটি টাকা অনিয়ম দেখে ফারমার্স ব্যাংকে পর্যবেক্ষক দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ কেলেঙ্কারিসহ নানা অনিয়মের কারণে ২০১৭ সালে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন খান আলমগীর তার পদ ছাড়তে বাধ্য হন ও ব্যাংকটির এমডি এ কে এম শামীমকে বাংলাদেশ ব্যাংক অপসারণ করে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে সরকারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়। ব্যাংকটি বাঁচাতে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশান অব বাংলাদেশ (আইসিবি) মূলধন জোগান দেয়। ঋণ কেলেঙ্কারিসহ বিভিন্ন অনিময়ের কারণে সমালোচিত হওয়ার পর ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকটির নাম পরিবর্তনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জারি করা "‘দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড’ এর নাম পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড নামকরণ’" শীর্ষক এক সার্কুলার অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৯শে জানুয়ারি ব্যাংকটির নাম পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড নামকরণ করা হয়। আরও দেখুন বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের ব্যাংকসমূহের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংক বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক ২০১৩-এ প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক ২০১৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের ব্যাংক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ঢাকা ভিত্তিক কোম্পানি
1183625
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%28%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%20%E0%A6%A4%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%29
ফকির (মুসলিম তপস্বী)
ফকির (আরবি : الفقير) হল একটি ইসলামি পরিভাষা, যা ঐতিহ্যগতভাবে সে সকল সুফি মুসলিম তপস্বীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যারা তাদের পার্থিব সম্পদ ত্যাগ করে এবং আল্লাহর উপাসনায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে। তারা অগত্যা সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করে এবং দারিদ্র্যের শপথ নেয়। তাদের কেউ বাস্তবে দরিদ্র হতে পারে এবং কেউ ধনীও হতে পারে, তবে অস্থায়ী পার্থিব জীবনের উপকরণসমূহ আল্লাহর প্রতি তাদের অবিচ্ছিন্ন উৎসর্গ থেকে বিরত হয় না। তারা জিকিরের প্রতি যত্মবান ও শ্রদ্ধাশীল হয়। প্রাথমিকভাবে মুসলিম বিশ্বে সুফিবাদের আবির্ভাব হয় উমাইয়া খিলাফতের সময় (৬৬১-৭৫০) এবং এটি ইসলামের দুটি মূলধারা সুন্নি এবং শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি রহস্যময় ঐতিহ্য হিসেবে বেড়ে ওঠে। সুফি মুসলিম তপস্বীগণ (ফকির ও দরবেশ) ইসলামের ইতিহাসে ইসলাম প্রচারে অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ব্যাপকভাবে সফল ছিলেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং মুসলিমবিশ্বের সবচেয়ে দূরবর্তী অঞ্চল উত্তর আফ্রিকা,বলকান,ককেশাস,ভারতীয় উপমহাদেশ, মধ্য, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ইসলাম প্রচারে তাদের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। সুফি মুসলমানরা দীর্ঘ একটি সহস্রাব্দ ধরে বিভিন্ন মহাদেশ ও সংস্কৃতিতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং আরবি,ফার্সি, তুর্কি, ভারতীয় ভাষাসহ বিশ্বের সকল প্রসিদ্ধ ভাষায় ইসলামের প্রচার ঘটিয়েছ। সাম্পতিক ফকির শব্দটি এমন একজন সন্ন্যাসীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যিনি পার্থিব সম্পদ ত্যাগ করেন। এমনকি অমুসলিমদের ক্ষেত্রেও এটি প্রয়োগ হয়। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় ফকিরদের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে এবং তাদের বিশেষ ঐশী শক্তির অধিকারী মনে করা হয়। শব্দটি প্রায়শই হিন্দু সন্ন্যাসীদের (যেমন: সাধু, গুরু,স্বামী ও যোগী) ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়। এই ব্যবহারগুলি মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল যুগে বিকশিত হয়েছিল। উত্তর ভারতে ফকিরদের একটি স্বতন্ত্র গোষ্ঠীও পাওয়া যায়, যারা সুফি মাজারে বসবাসকারী ফকিরদের সম্প্রদায় থেকে এসেছে। ১ম শিখ গুরু শ্রী গুরু নানক দেব জিও "নানক শাহ ফকির" নামে পরিচিত ছিলেন। মাওলানা মাজদ্দেদ্দিন আলী বাগের শাহ তার একটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থে বলেন, "সুফি এমন একজন ব্যক্তি, যার আধ্যাত্মিক তপস্যার কারণে মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে এবং যিনি তার আসল পরিচয় জেনেছেন। সুফিরা একেবারে দরিদ্র হয় এবং জীবনের সত্য ছাড়া আর কিছুই দেখে না।" ব্যুৎপত্তি ব্যুৎপত্তিগতভাবে ফকির শব্দটি আরবি। এটি ফকর ( ) শব্দমূল থেকে এসেছে। এর অর্থ হল "দরিদ্র হওয়া বা দুঃখী হওয়া। এ হিসেবে ফকির শব্দের বাংলায় অর্থ হয় দরিদ্র, অভাবগ্রস্ত বা দুঃখী। বর্তমান বাংলা ভাষায় গরিব বা দরিদ্র বোঝাতেও ফকির শব্দ ব্যবহৃত হয়। ইতিহাস ইসলামের ৪র্থ খলিফা আলী ইবনে আবি তালিবের (রা.) পুত্র এবং নবি মুহাম্মদ (সা.)-এর নাতি হুসাইন ইবনল আলী তাসাউফের বিষয়ে মিরাত উল-আরফিন নামে একটি বই লিখেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। এটিকে সুফিবাদের উপর প্রথম বই বলা হয়। বিভিন্ন কারণে উমাইয়াদের শাসনামলে এই বইটি প্রকাশ করা যায়নি। হুসাইন ইবনে আলী (রা.)-এর পরে দীর্ঘকাল ধরে ফক্‌র, তাসাউউফ ও সুফিবাদের তথ্য ও শিক্ষা হৃদয় থেকে হৃদয়ে স্থানান্তরিত হতে থাকে। তবে এসব কথার কোনো শক্তিশালী ঐতিহাসিক ভিত্তি পাওয়া যায় না। সে হিসেবে অনেক গবেষক এসব কথা মেনে নিতে ঘোর আপত্তি জানিয়েছেন। বাংলায় ফকির বলতে দুটি অর্থ প্রকাশ করে, যার একটি মূলত একজন সন্ন্যাসী, সাধু পুরুষ বা দরবেশকে বোঝায়। শব্দটি মুসলিম বংশোদ্ভূত হলেও ভারতীয় উপমহাদেশে এটি গোস্বামী, সাধু, ভিক্ষুক এবং অন্যান্য উপাধির মতো হিন্দু তপস্বী এবং রহস্যবাদীদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়েছে। ফকিররা সাধারণত অতিপ্রাকৃত বা অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী পবিত্র পুরুষ হিসেবে বিবেচিত হন। মুসলমানদের মধ্যে ফকিরদের প্রধান সুফি তরিকা হল: শাদিলিয়াহ, চিশতিয়া, কাদিরিয়া, নকশবন্দিয়া এবং সোহরাওয়ার্দিয়া। কেমব্রিজ ইংলিশ ডিকশনারী ফকির শব্দটিকে "ইসলাম ধর্মীয় গোষ্ঠীর সদস্য বা একজন পবিত্র মানুষ" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। গুণাবলী একজন ফকিরের ঠিক কী কী গুণাবলী থাকতে হয় সে বিষয়ে অনেক মুসলিম পণ্ডিত লিখেছেন। প্রথম দিকের বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত আবদুল-কাদির জিলানি সুফিবাদ তাসাউউফ ও ফকরকে চূড়ান্তভাবে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন। একজন ফকিরের গুণাবলী ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “ফকির সে নয় যে কিছু করতে পারে না এবং তার আত্ম-সত্তায় কিছুই নেই। ফকিরের খোদাপ্রদত্ত অলৌকিক ক্ষমতা রয়েছে এবং তা তার থেকে প্রত্যাহার করা হয় না। ইবনে আরাবী ফকিরসহ সূফীবাদকে আরো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি এই বিষয়ে ৫০০ টিরও বেশি বই লিখেছেন। তিনিই প্রথম মুসলিম পণ্ডিত যিনি খোলাখুলিভাবে ওয়াহদাত আল-ওজুদের ধারণাটি প্রবর্তন করেছিলেন। তার লেখা এই বিষয়ে একটি জটিল উৎস হিসাবে বিবেচিত হয়। অন্য একজন প্রসিদ্ধ মুসলিম সাধক সুলতান বাহু একজন ফকিরকে "আল্লাহর কাছ থেকে পূর্ণ কর্তৃত্ব অর্পণ করা হয়েছে" বলে বর্ণনা করেছেন। একই গ্রন্থে সুলতান বাহু বলেন, “ফকির আল্লাহর একত্বে বিলীন হয়ে অনন্তকাল লাভ করে। সে যখন নিজেকে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের কাছ থেকে মুছে ফেলে, তখন তার আত্মা ঐশ্বরিকতায় পৌঁছে যায়। সমালোচনা প্রচলিত ফকির সমাজ ও তাদের কার্যক্রম নিয়ে মুসলিম বিশ্বের মূলধারার আলেমগণ অনেক সমালোচনা করেন। তাদের মতে, বর্তমান ফকিররা ইসলামের ঐশী স্প্রিট থেকে সরে গিয়ে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাথে একাত্ম হয়ে গিয়েছে। তাদের মতে, ফকির ও সুফি একই স্তরের নয়। সুফিবাদ মূলত ধর্মীয় গণ্ডিতে আবদ্ধ থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে শরিয়ত মেনে চলে আধ্যাত্মিক শক্তি অর্জনের শিক্ষা দেয়। বিপরীতে প্রচলিত ফকিররা শরিয়ত থেকে মুক্ত হয়ে বিভিন্ন মনগড়া পন্থা অবলম্বন করে আত্মিক মুক্তির জন্য সাধনা করেন। তাই মূলধারার আলেমগণ সুফিবাদ ও ফকিরদের সাধনাকে আলাদা দুটি বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তথ্যসূত্র হিন্দুস্তানি ভাষা ভারতে ইসলাম পাকিস্তানে ইসলাম বাংলাদেশে ইসলাম ইসলামি তপস্যা হিন্দু তপস্যা সরল জীবনযাপন সুফি দর্শন সুফিবাদ হিন্দু সন্ন্যাসব্রত
5125
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ইরান
ইরান ( ইরান ), যা ঐতিহাসিকভাবে পারস্য এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামী প্রজাতন্ত্রী ইরান ( জোমহুরিয়ে এসলামিয়ে ইরান ) নামে পরিচিত, হল পশ্চিম এশিয়ার একটি দেশ। এর উত্তর-পশ্চিমে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান, উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর, উত্তর-পূর্বে তুর্কমেনিস্তান, পূর্বে আফগানিস্তান, দক্ষিণ-পূর্বে পাকিস্তান, দক্ষিণে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর এবং পশ্চিমে তুরস্ক ও ইরাক অবস্থিত। ইউরেশিয়ার কেন্দ্রে এবং হরমুজ প্রণালীর নিকটে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি ভূকৌশলগতভাবে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ইরানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর তেহরান যা দেশটির অগ্রগামী অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রও বটে। তেহরান পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল শহর যার জনসংখ্যা ৮.৮ মিলিয়ন এবং মহানগর অঞ্চল মিলিয়ে ১৫ মিলিয়নেরও বেশি। ইরানের জনসংখ্যা ৮৩ মিলিয়ন এবং এটি বিশ্বের ১৭তম সর্বাধিক জনবহুল দেশ। ১৬,৪৮,১৯৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং পৃথিবীর সপ্তদশ বৃহত্তম রাষ্ট্র। ইরান বিশ্বের সবচেয়ে পর্বতময় দেশগুলির একটি; এখানে হিমালয়ের পরেই এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ দামভান্দ অবস্থিত। দেশটির জনগণ জাতিগত ও ভাষাগতভাবে বিচিত্র হলেও এরা প্রায় সবাই মুসলিম। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ অঞ্চলটি শিয়া মুসলমানদের কেন্দ্র। ইরানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার আছে। পারস্য উপসাগরের অন্যান্য তেলসমৃদ্ধ দেশের মতো ইরানেও তেল রপ্তানি ২০শ শতকের শুরু থেকে দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।. খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বর্তমান ইরান ছিল বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য পারস্যের কেন্দ্র। প্রায় ২০০০ বছর ধরে এ অঞ্চলের অধিবাসীরা নিজেদের দেশকে "ইরান" নামে ডাকত। ইরান নামটি এই এলাকায় বসতি স্থাপনকারী আর্য গোত্রের নাম থেকে নেয়া। কিন্তু গ্রিকরা এই অঞ্চলকে পার্সিস (বর্তমান ইরানের ফার্স প্রদেশ) বলে ডাকত, এবং সেখান থেকে ইউরোপীয় ভাষায় এর নাম হয় পার্সিয়া , যা বাংলায় লিপ্যন্তর করা হয় পারস্য হিসেবে। ১৯৩৫ সালে ইরানের শাসক দেশটিকে কেবল "ইরান" বলে ডাকার অনুরোধ জানানোর পর থেকে এখন এই নামেই সারা বিশ্বে দেশটি পরিচিত। ১৫০১ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত রাজতন্ত্রী ইরান হয় শাহ কিংবা রাজারা শাসন করতেন। ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লব গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের পতন ঘটায় এবং ইরানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র স্থাপন করে। ইরান একটি বহু-সাংস্কৃতিক দেশ যেখানে অনেক উপজাতীয় এবং ভাষাগত দল রয়েছে। বৃহত্তম পারস্য (৬১%), আজারবাইজান (১৬%), কুর্দিস্তান (১০%) এবং লোরি (৬%)। শিশুদের মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে ইরান বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে। ইতিহাস ইরান পৃথিবীর প্রাচীনতম কাল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত অস্তিত্বশীল বৃহৎ সভ্যতাগুলোর মধ্যে অন্যতম। ইরানের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের যার সূচনা হিসেবে বলা যায় ইরানি প্লেট-এ অবস্থিত আজারবাইজানের মানইয়ান সভ্যতা। এর পর আসে জাবোলের শহর-ই-সোখতা এবং প্রাচীন জিরফ্ট সম্রাজ্য যা এলাম সম্রাজ্য এবং আকামেনিদ সাম্রাজ্য দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। পরবর্তীতে আসে পারস্য এবং সাসানীয় সাম্রাজ্য যার পতনের মাধ্যমেই আধুনিক ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানের অভ্যুদয় ঘটে। পৃথিবীর উত্তরাংশ থেকে আর্যদের আগমনের পূর্বেই ইরানি প্লেটে অনেক প্রাচীন এবং প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে অগ্রগামী সভ্যতার অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় যদিও আর্য জাতির অনেক ইতিহাসই এখনও পর্যন্ত অনেক ঐতিহাসিকের কাছে অজানা রয়ে গেছে। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার ফলাফল অনুসারে পারস্যের ইতিহাসের সূচনা ধরা হয়েছে প্যালিওলিথিক যুগের মাঝামাঝি সময়ে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ১০০,০০০ বছর আগে। ৭ম শতাব্দীরে ইসলামের পারস্য বিজয়-পরবর্তী ইরানের ইতিহাস নিচে দেয়া হল। আরব মুসলিমেরা ৬৩৬ খ্রিষ্টাব্দে পারস্য সাসানীয় সাম্রাজ্যে আক্রমণ শুরু করে। পরবর্তী ৫ বছরের মধ্যে তারা এলবুর্জ পর্বত ও কাস্পিয়ান সাগরের তীরবর্তী সমভূমি ব্যতীত সমগ্র ইরান করায়ত্ত করে। ৬৫১ সালে তারা সাসানিদ সাম্রাজ্যের পূর্ণ পতন ঘটাতে সক্ষম হয়। এর পর প্রায় দুই শতাব্দী ধরে ইরান আরব ইসলামিক সাম্রাজ্যের অধীনে থাকে। এসময় মূল ইরানের বাইরে বর্তমান পশ্চিম আফগানিস্তানের হেরাতেও এই সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটেছিল। ইসলামের খলিফারা প্রথমে মদীনা, ও পরবর্তীকালে সিরিয়ার দামেস্ক ও শেষ পর্যন্ত ইরাকের বাগদাদ থেকে ইরান শাসন করতেন। ৯ম শতাব্দীর শেষে এসে পূর্ব ইরানে স্বাধীন রাজ্যের আবির্ভাব ঘটে এবং ১১শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বাগদাদের আরব খলিফা ইরানের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ইসলামের ইরান বিজয়ের পর ইরানীরা ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া শুরু করে। এর আগে বেশির ভাগ ইরানি সাসানিদ সাম্রাজ্যের রাষ্ট্রধর্ম জরথুষ্ট্রবাদে বিশ্বাসী ছিল ও কিছু সংখ্যালঘু ইরানি খ্রিস্ট ও ইহুদী ধর্মাবলম্বী ছিল। ১০ম শতকের মধ্যেই ইরানের অধিকাংশ জনগণ মুসলিমে রূপান্তরিত হয়, এবং এদের আধিকাংশই ছিল সুন্নী মুসলিম, তবে কেউ কেউ শিয়া ইসলামের ভিন্ন ভিন্ন ধারা অনুসরণ করত। এদের মধ্যে ইসমাইলি নামের একটি শিয়া গোত্র এলবুরুজ পর্বত এলাকার রুদাবার অঞ্চলে ১১শ থেকে ১৩শ শতক পর্যন্ত একটি ছোট কিন্তু স্বাধীন রাজ্যে বসবাস করত। ১৬শ শতকের আগে ইরানের বর্তমান জাফরি শিয়া ইসলাম-ভিত্তিক পরিচিতি গঠন করেনি। ইরানের প্রাচীনতম সভ্যতা, ৮ হাজার বছরের ইতিহাসের সাথে এটি "পিরানশাহর" শহর। রাজনীতি ইরানের রাজনীতি একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্র কাঠামোয় সংঘটিত হয়। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে গৃহীত সংবিধান এবং ১৯৮৯ সালের সংশোধনী ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে সংজ্ঞায়িত করেছে। সংবিধানে ইসলাম ধর্মের শিয়া মতটিকে ইরানের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়েছে। আলি খামেনেই বর্তমানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। আর সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি দেশটির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। আরও আছে ২৯০ সদস্যবিশিষ্ট এককাক্ষিক আইনসভা। সামরিক বাহিনী ইরানে দুই ধরনের সেনাবাহিনী রয়েছে। একটি প্রথাগত সেনাবাহিনী ও বৈপ্লবিক সুরক্ষা বাহিনী। সেনাবাহিনী এর ৪ টি ভাগ রয়েছে। ভূ সেনা , নৌ সেনা , বায়ু সেনা ও আকাশ প্রতিরক্ষা সেনা। তবে তাদের বায়ু সেনার বিমানগুলো অধিকাংশ পুরোনো প্রযুক্তির। প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ ইরান ৩০টি প্রদেশে বিভক্ত। ফার্সি ভাষায় এগুলির নাম ওস্তান (استان ostān ওস্তান, বহুবচনে استان‌ها ওস্তান্‌হা)। প্রতিটি প্রদেশ একটি স্থানীয় (সাধারণত বৃহত্তম) শহর থেকে শাসিত হয়, যাকে প্রদেশটির রাজধানী (ফার্সি ভাষায়: مرکز মার্কাজ) বলা হয়। প্রদেশের প্রশাসক হিসেবে থাকেন একজন গভর্নর (ফার্সি ভাষায়: استاندار ওস্তানদার), এবং তাকে অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় নিয়োগদান করে। প্রতিটি প্রদেশ আবার অনেকগুলি অংশে বিভক্ত, যাদেরকে ফার্সি ভাষায় বলে শাহ্‌রেস্তান (شهرستان)। প্রতিটি শাহ্‌রেস্তান আবার অনেকগুলি জেলায় বিভক্ত, যেগুলিকে বাখ্‌শ বলে। ( بخش)। একেকটি শাহ্‌রেস্তান সাধারণত একাধিক শহর (ফার্সি ভাষায়: شهر শাহ্‌র) এবং অনেক গুচ্ছগ্রাম (ফার্সি ভাষায়: دهستان দেহেস্তান) নিয়ে গঠিত। শাহ্‌রেস্তানের একটি শহরকে সাধারণত সেটির রাজধানী বা কেন্দ্রীয় শহরের মর্যাদা দেয়া হয়। প্রদেশসমূহ ১৯৫০ সাল অবধি ইরান ১২টি প্রদেশে বিভক্ত ছিল: আর্দালান, আজারবাইজান, বালুচিস্তান, ফারস, জিলান, আরাক-ই-আজম, খোরাসান, খুজেস্তান, কেরমান, লারেস্তান, লোরেস্তান এবং মাজান্দারান। ১৯৫০ সালে ইরানকে ১০টি প্রদেশে এবং তার অধীনে অনেকগুলো গভর্নরেটে ভাগ করা হয়: গিলান; মাজান্দারান; পূর্ব আজারবাইজান; পশ্চিম আজারবাইজান; কের্মানশাহ; খুজেস্তান; ফার্স; কের্মান; খোরাসান; ইসফাহান। ১৯৬০ হতে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত এক এক করে অনেকগুলো গভর্নরেটকে প্রদেশে উন্নীত করা হয়। সর্বশেষ ২০০৪ সালে তৎকালীন সর্ববৃহৎ খোরাসান প্রদেশকে তিন ভাগে ভাগ করে তিনটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়। ভূগোল সৌদি আরবের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। দেশটির মোট আয়তন ১৬,৪৮,০০০ বর্গকিলোমিটার। দেশটি মোটামুটি ত্রিভুজাকৃতির, যার দীর্ঘতম বাহু প্রায় ২,৫০০ কিমি দীর্ঘ এবং যা উত্তর-পশ্চিমে তুরষ্কের সাথে সীমান্তে শুরু হয়ে দক্ষিণ-পূর্বে পাকিস্তান সীমান্তে এসে শেষ হয়েছে। ত্রিভুজের তৃতীয় শীর্ষটি উত্তর পূর্বে ইরানের সাথে তুর্কমেনিস্তানের সীমানার মাঝামাঝি অবস্থিত। উত্তর-দক্ষিণে ইরানের সর্বোচ্চ বিস্তার ১,৬০০ কিমি, আর পূর্ব-পশ্চিমে ১,৭০০ কিমি। প্রাকৃতিক অঞ্চলসমূহ ইরানের অভ্যন্তরীণ মালভূমিগুলি প্রায় সম্পূর্ণরূপে পর্বতবেষ্টিত। জগ্রোস পর্বতমালা প্রধান পর্বতমালা এবং এটি দেশটির ভেতরে দিয়ে উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে ১,৬০০ কিলোমিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্য জুড়ে বিস্তৃত। পারস্য উপসাগরের উত্তর উপকূলের খোঁজেস্তন ছাড়া পশ্চিম ইরানের প্রায় পুরোটাই জগ্রোস পর্বতমালায় গঠিত। পর্বতমালাটির মধ্য অংশ প্রস্থে প্রায় ৩৪০ কিমি চওড়া। এর অধিকাংশ চূড়া ৪,০০০ মিটারেরও অধিক উচ্চতাবিশিষ্ট। এদের মধ্যে ৪,৫৪৭ মিটার উঁচু জার্দ কুহ সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। ২,৩০০ মিটারের চেয়ে উঁচু শৃঙ্গগুলিতে অনেক পানি জমা হয় এবং এগুলি নিচের উপত্যকায় ভূ-গর্ভস্থ পানি আকারে নেমে আসে। এই উপত্যকাগুলি সমুদ্রতল থেকে ১২০০ থেকে ১৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হলেও যথেষ্ট উর্বর এবং এগুলিতে বিভিন্ন ধরনের শস্যের আবাদ করা হয়। ইরানের উত্তর প্রান্তে একটি খাড়া, সরু পর্বতমালা কাস্পিয়ান সাগরের পুরো দক্ষিণ তীর জুড়ে অবস্থিত; এর নাম আলবোর্জ পর্বতমালা। এই পর্বতমালাটি প্রায় ৬০০ কিমি দীর্ঘ এবং এর গড় প্রস্থ প্রায় ১০০ কিমি। ইরানের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ দামভান্দ (৫,৬৭০ মি) এই পর্বতমালার মধ্যভাগে অবস্থিত। আলবোর্জের আরও অনেকগুলি চূড়া ৩,৬০০ মিটার ছাড়িয়ে গেছে। এই পর্বতমালার উত্তর ঢালের অরণ্যে সারা বছর ধরে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। এই পর্বতমালা ও কাস্পিয়ান সাগরের অন্তর্বর্তী স্থানে গড়ে ২৪ কিমি প্রস্থবিশিষ্ট একটি উর্বর সমভূমি আছে। আলবোর্জ পর্বতমালার পূর্বে সমান্তরাল কতগুলি পর্বতমালা রয়েছে, যেগুলি ২৪০০ থেকে ২৭০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এই পর্বতমালাগুলির মাঝে অনেক সরু, আবাদী উপত্যকা আছে। ইরানের পূর্ব সীমান্ত ধরে অনেকগুলি অপেক্ষাকৃত নিম্ন উচ্চতার শৈলশিরা চলে গেছে; এদেরকে একত্রে পূর্বের উঁচু অঞ্চল নামে ডাকা হয়। এই পর্বতমালার বেষ্টনীর মাঝের নিচু এলাকাকে একত্রে কেন্দ্রীয় মালভূমি নামে ডাকা হয়। এদের মধ্যে আছে মধ্য-উত্তর ইরানের দাশ্‌তে কাভির নামের একটি বিরাট লবণাক্ত মরুভূমি, দক্ষিণ-পূর্বের দাশ্‌তে লুত নামের নুড়ি ও বালির মরুভূমি এবং একাধিক উর্বর মরূদ্যান। ইরানের পর্বতগুলি একটি সক্রিয় ভূমিকম্প এলাকার উপর অবস্থিত, এবং প্রতি বছর এখানে বহু ছোট আকারের ভূমিকম্প হয়। বড় আকারের ভূমিকম্প কিছুদিন পর পরই ঘটে এবং বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ১৮শ শতকে ভূমিকম্পের কারণে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ শহর দুইবার মাটিতে মিশে যায় এবং প্রতিবার প্রায় ৪০,০০০ করে লোক মারা যায়। ২০শ শতকের মধ্যভাগ থেকে দেশটিতে অনেকগুলি বড় আকারের ভূমিকম্প ঘটেছে যাতে হাজার হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। ১৯৯০ সালের জুনে আলবোর্জ ও জগ্রোসের মিলনস্থলে একটি ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ৩৭,০০০ লোক মারা যান। ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ ইরানে এক ভূমিকম্পে প্রাচীন নগরী বামের অধিকাংশ ধ্বংস হয়ে যায় এবং প্রায় ৩০,০০০ লোক মারা যান। ইরানের অনেকগুলি পর্বত আগ্নেয়। এদের মধ্যে কেবল দামভান্দ পর্বত ও দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের কুহে তাফতান সক্রিয় আগ্নেয়গিরি; এদের চূড়ার কাছে কিছু সময় পর পর গ্যাস নিঃসরিত হয়। নদী ও জলাশয় ইরানে অনেক নদী আছে, কিন্তু এগুলির প্রায় সবগুলিই স্বল্পদৈর্ঘ্য ও অগভীর এবং নৌপরিবহনের অযোগ্য। কারণ দেশটির একমাত্র নৌপরিবহনযোগ্য নদী এবং এটি দক্ষিণ-পশ্চিমের আহওয়াজ শহরের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বেশির ভাগ নদীর উৎপত্তি পার্বত্য অঞ্চলে এবং সমাপ্তি অভ্যন্তরীণ উপত্যকায়। প্রাচীনকাল থেকে ইরানের অধিবাসীরা নদীগুলিকে সেচকাজে ব্যবহার করে আসছে। ২০শ শতকে আব-এ দেজ, কারখেহ, কারুন, সেফিদ রুদ ও অন্যান্য নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করে সেচকাজের পরিধি বাড়ানো হয় এবং জলবিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। তিনটি নদী ইরানের আন্তর্জাতিক সীমানায় প্রবাহিত হয়। আরাস নদী আর্মেনীয়া ও আজারবাইজানের সাথে সীমান্তে, শাত-আল আরাব নদী ইরাকের সাথে সীমান্তে প্রবাহিত। ইরান চারটি দেশের সাথে বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ কাস্পিয়ান সাগরের অংশীদার। অনেক ছোট ছোট নোনাপানির হ্রদ ইরানের অভ্যন্তরে অবস্থিত, এদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিমের ঊর্মিয়া হ্রদ সবচেয়ে বড়। উঁচু পর্বত উপত্যকা এলাকায় কিছু মিষ্টি পানির হ্রদের দেখা মেলে। তটরেখা ইরানের আন্তর্জাতিক সীমান্তের প্রায় অর্ধেকই তটরেখা। এর মধ্যে আছে কাস্পিয়ান সাগরের তীরে প্রায় ৭৪০ কিমি দীর্ঘ তটরেখা এবং পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ তটরেখা। কাস্পিয়ান সাগর ও পারস্য উপসাগরে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আছে এবং এলাকাগুলিতে পানির নিচে প্রচুর তেল ও গ্যাস রয়েছে। ইরানের বৃহত্তম পোতাশ্রয় বন্দর-এ আব্বাস হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত। প্রাণী ও উদ্ভিদ ইরানে প্রায় ১০,০০০ প্রজাতির উদ্ভিদ শনাক্ত করা হয়েছে, তবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় প্রাকৃতিক বনাঞ্চল উচ্ছেদ করে আবাদী জমি বা পশুচারণভূমিতে পরিণত করা হয়েছে। বনাঞ্চলে বীচ, ওক ও অন্যান্য পর্ণমোচী গাছ এবং এলবুরুজ পর্বত এলাকায় পাইন, ফার-জাতীয় গাছ জন্মে। জাগরোস পর্বতমালার উঁচু এলাকায় ওক অরণ্য দেখা যায়। এলবুরুজ ও জাগরোস পর্বতমালায় বন্য ফলগাছ যেমন কাঠবাদাম, নাশপাতি, ডালিম, আখরোট জন্মে। দেশের ঊষর কেন্দ্রীয় এলাকায় বন্য পেস্তাবাদাম ও অন্যান্য খরা-সহনশীল গাছ জন্মে। দশ্‌ত-এ কবীরের প্রান্তে তামারিস্ক বা চিরহরিৎ ঝাউগাছ জন্মে। ইরানে অনেক স্থানীয় স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ, পাখি ও কীটপতঙ্গ রয়েছে। নেকড়ে, শেয়াল, ভালুক, পাহাড়ি ছাগল, লাল পাহাড়ি ভেড়া ও খরগোশ এখনও বংশবিস্তার করে চলেছে। তবে কাস্পিয়ান বাঘ, কাস্পিয়ান সীলমাছ, হরিণের কিছু প্রজাতি, বনবিড়াল, ইত্যাদি হুমকির সম্মুখীন, যদিও এদের রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ইরানে ৩০০-রও বেশি প্রজাতির পাখি আছে, এদের মধ্যে ২০০-রও বেশি অন্য দেশে অতিথি পাখি হিসেবে বেড়িয়ে আসে। অর্থনীতি ইরানের জিডিপি ৪৩৯.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।ইরানের মাথাপিছু আয় ৫,৪১৫.২১ মার্কিন ডলার। ইরানের অর্থনীতি বৃহৎ সরকারী ক্ষেত্র সংবলিত মিশ্র ও ক্রান্তিকালীন অর্থনীতি।বিশ্বের ১০% তেল ও ১৫% গ্যাস সঞ্চয়সহ ইরানকে পরমাণু শক্তিধর বলে গণ্য করা হয়। ইরানের মুদ্রাস্ফীতি হলো ৩০.৪৮৬% (২০১৮)।প্রধান শিল্পসমূহ পেট্রোলিয়াম, জাফরান,পেট্রোকেমিক্যাল, সার, কস্টিক সোডা, গাড়ি উৎপাদন, যন্ত্রাংশ, ফার্মাসিউটিক্যালস, home appliances, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, টেলিযোগাযোগ, শক্তি, power, textiles, নির্মাণ, সিমেন্ট এবং অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ (বিশেষ করে চিনি শোধন ও ভেষজ তেল উৎপাদন), ferrous and non-ferrous metal fabrication, অস্ত্রশিল্প। পর্যটন ইরানের সর্বত্র পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় অনেক ঐতিহাসিক স্থান আছে। বাম শহরে বিখ্যাত রেশম পথের উপর ২০০৩ সাল পর্যন্তও আর্গ-এ বাম নামে বিশ্বের বৃহত্তম adobe জাতীয় দালানটি অবস্থিত ছিল, তবে দুর্ভাগ্যবশত ২০০৩ সালে এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২০০০ বছরের পুরনো দালানটি প্রায় পুরো ধ্বংস হয়ে যায়। এই একই ভূমিকম্পে বাম শহরের আরও অনেক প্রাচীন দালানও ধ্বংস হয়। ইরান সরকার এগুলি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। কের্মানশাহ প্রদেশে রয়েছে বেহিস্তুনের শিলালিপি, যাতে পাহাড়ের গায়ে প্রাচীন পারসিক, ব্যাবিলনীয় এবং এলামীয় অক্ষরে অনেক খোদাইকৃত লেখা পাওয়া যায়। গ্রিকেরা ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দেও এই শিলালিপিটির উল্লেখ করেছিল। খুজেস্তান প্রদেশে চোগা জানবিল নামে এলামীয় সভ্যতার একটি প্রাচীন কম্পলেক্স রয়েছে। এটি খ্রিস্টপূর্ব ১৩শ শতকে নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ইশফাহান শহরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে বিখ্যাত নক্‌শ-ই জাহান ময়দান। এই ময়দান চারপাশ ঘিরে রয়েছে সাফাভিদ রাজত্বের অনেকগুলি প্রাচীন নিদর্শন, যাদের মধ্যে দক্ষিণের শাহ মসজিদটি অন্যতম। শাহ মসজিদের জুম্মা নামাজ এখানেই পড়া হয়। পাসারগাদায়ে একটি প্রাচীন এলামীয় শহরের ধ্বংসাবশেষ। ফার্স প্রদেশে অবস্থিত শহরটি আর্কেমেনীয় পারসীয় সাম্রাজ্যের প্রথম রাজধানী ছিল। এর দক্ষিণ-পশ্চিমে আছে পার্সেপোলিস শহর, যা প্রাচীন পারস্যের বিখ্যাত রাজা দ্বিতীয় কুরোশ খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতকে এটি নির্মাণ করেছিলেন। এই শহরের নানা স্থাপত্যকর্ম ও খোদাইকর্মে প্রাচীন পারসিকদের সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়। এছাড়াও উত্তর-পশ্চিম ইরানের সোলতানিয়েহ শহরের ধ্বংসাবশেষ, বিশেষত ইল-খান ওলজেইতু-র সমাধিস্তম্ভ দর্শনীয় স্থান। পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশে আছে রাজা সুলায়মানের স্মৃতিবিজড়িত তীর্থস্থান তাখ্‌ত-ই-সুলাইমান। এছাড়াও ফার্স প্রদেশের তাঙ্গে বোলাগি নামের উপত্যকায় খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫ সহস্রাব্দ প্রাচীন ১৩০টি মনুষ্য বসতির নিদর্শনবিশিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান বিদ্যমান। জনমিতি ২০০৬ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ইরানের জনসংখ্যা ৭,০০,৪৯,২৬২। এর মধ্যে এক-চতুর্থাংশের বয়স ১৫ বছর বা তার কম। ইরান জাতিগতভাবে ও ভাষাগতভাবে বিচিত্র এক দেশ। কিছু কিছু শহরে, যেমন তেহরানে, বিভিন্ন জাতির লোকের সহাবস্থান পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও ইরানের বাইরে প্রবাসে আরও প্রায় ৪০ লক্ষ ইরানি নাগরিক বসবাস করেন। এরা মূলত উত্তর আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ, তুরস্ক, পারস্য উপসাগরীয় দেশসমূহ এবং অস্ট্রেলিয়াতে বাস করেন। সিআইএ ফ্যাক্টবুক অনুসারে ইরানের জাতিগুলি এরকম: পারসিক জাতি ৫১%, আজেরি জাতি ২৪%, গিলাকি জাতি ও মাজান্দারানি জাতি ৮%, কুর্দি জাতি ৭%,আরব জাতি ৩%, লুর জাতি ২%, বেলুচি জাতি ২%, তুর্কমেন জাতি ২% এবং অন্যান্য ১% । ধর্ম ইরানের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং রাষ্ট্রীয় মাজহাব ইসনা আশারিয়া জাফরি। এছাড়া হানাফি, মালিকি, শাফিঈ, হাম্বলি ও জায়েদি মাজহাব দেশটিতে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। ইরানের শতকরা ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ লোক শিয়া মুসলমান। খ্রিস্টধর্ম, ইহুদিধর্ম ও জরথুস্ত্রবাদ ইরানের স্বীকৃত সংখ্যালঘু ধর্ম এবং এই সম্প্রদায়গুলোর জন্য দেশটির মজলিস-এ-শূরায় সংরক্ষিত আসন রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে, প্রাচীন ইরানি ধর্মসমূহ, যেমন: আদি-ইরানি ধর্ম এবং পরবর্তীকালে জরথুস্ত্রবাদ ও ম্যানিকেইজম, ছিল ইরানের প্রভাবশালী ধর্ম, বিশেষত মধ্য, আকামেনীয়, পার্থীয় ও সাসানীয় যুগে। সাসানীয় সাম্রাজ্যের পতন এবং মুসলিমদের পারস্য বিজয়ের পরবর্তী শতাব্দীকালীন ইসলামিকীকরণের ফলে তা পরিবর্তিত হয়ে পড়ে। ষোড়শ শতাব্দীতে সফবীয় সাম্রাজ্য কর্তৃক শিয়া মতবাদে ধর্মান্তরকরণের পূর্বে ইরান ছিল একটি সুন্নিপ্রধান দেশ। বর্তমানে ইরানের ৪ থেকে ৮ শতাংশ লোক সুন্নি মুসলমান, এদের অধিকাংশই কুর্দি ও বেলুচি। বাকি ২% অমুসলিম সংখ্যালঘু খ্রিস্টান, ইহুদি, বাহাই, মান্দীয়, ইয়াজিদি, ইয়ারসানি, জরথুস্ত্র প্রভৃতি সম্প্রদায়ের লোক। ইরানের বৃহত্তম (স্বীকৃত নয়) সংখ্যালঘু ধর্ম হল ইয়ারসানবাদ। এটি জরথুস্ত্রবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি কুর্দি লোকধর্ম যার অনুসারী সংখ্যা প্রায় ৩,০০০,০০০। ইয়ারসানিরা মূলত গোরানি কুর্দি ও নির্দিষ্ট লুরস জনগোষ্ঠীর লোক এবং তাদের বসবাস কুর্দিস্তান, কেরমানশাহ ও লোরেস্তান প্রদেশে। ইরানে ইহুদিধর্মের ইতিহাস বেশ প্রাচীন যা বাবিলের পতনের সময় থেকে শুরু হয়। যদিও বহু ইরানি ইহুদি ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের ফলে দেশত্যাগ করেছিল, এখনও ইরানে প্রায় ৮,৭৫৬ থেকে ২৫,০০০ ইহুদি রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের পর ইরানে সর্বাধিক ইহুদি জনবসতি রয়েছে। ইরানে প্রায় ২৫০,০০০ থেকে ৩৭০,০০০ খ্রিস্টান বসবাস করে, এবং খ্রিস্টধর্ম দেশটির বৃহত্তম স্বীকৃত সংখ্যালঘু ধর্ম। ইরানি খ্রিস্টানদের বেশিরভাগই আর্মেনীয় এবং একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসিরীয়। বাহাই ধর্ম ইরানে সরকারিভাবে স্বীকৃত নয় এবং এর অনুসারীরা প্রায়ই রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শিকার হয়। ইউনাইটেড নেশন স্পেশাল র‍্যাপর্টর অন হিউম্যান রাইটস ইন ইরানের মতে, বাহাইরা ইরানের বৃহত্তম অমুসলিম ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যাদের সংখ্যা আনুমানিক ৩৫০,০০০। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে বাহাইদের ওপর নিপীড়ন বেড়ে চলেছে, বিশেষত তাদের নাগরিক অধিকার, উচ্চশিক্ষা এবং কর্মসংস্থান থেকে বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে। সংস্কৃতি ইরানের সংস্কৃতি, যা পারসিক সংস্কৃতি হিসেবেও পরিচিত, বিশ্বের অন্যতম প্রভাব বিস্তারকারী সংস্কৃতি। ইরানকে সভ্যতার দোলনা হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিশ্বে ইরানের আধিপত্য বিস্তারকারী ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান ও সংস্কৃতির কারণে ইরান পশ্চিমে ইতালি, ম্যাসিডোনিয়া, ও গ্রিস, উত্তরে রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপ, দক্ষিণে আরব উপদ্বীপ এবং পূর্বে ভারত উপমহাদেশ ও পূর্ব এশিয়ার সংস্কৃতি ও জনগণের উপর প্রভাব বিস্তার করে। ইরানের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও এর ঐতিহাসিক দীর্ঘস্থায়িত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট হল সারগ্রাহী সাংস্কৃতিক স্থিতিস্থাপকতা।শিল্পকলাঃ ইরানের শিল্প-ঐতিহ্য বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন, সমৃদ্ধ ও সবচেয়ে প্রভাব বিস্তারকারী এবং এর আওতায় রয়েছে সাহিত্য, সঙ্গীত, নৃত্য, স্থাপত্যকলা, চিত্রাঙ্কন, বুনন, মৃৎশিল্প, হস্তলিপিবিদ্যা, ধাতব ও পাথুরেকর্ম সহ অসংখ্য শাখা। ইরানি শিল্পকলা একাধিক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে বিবর্তিত হয়েছে, যা ইরানের অদ্বিতীয় নান্দনিকতার প্রমাণ। এই পর্যায়সমূহ এলামাইট চোগা জানবিল থেকে শুরু করে মধ্যযুগীয় ও পার্সেপোলিসের হাখমেনীয় কারুশিল্প থেকে বিশাপুরের মোজাইক পর্যন্ত বিস্তৃত। ভাষা ইরানে মূলত তিনটি ভাষাপরিবারের ভাষা প্রচলিত: ইরানীয় ভাষাসমূহ, তুর্কীয় ভাষাসমূহ এবং সেমিটীয় ভাষাসমূহ।সবচেয়ে বেশি ভাষাভাষীবিশিষ্ট ও ভৌগোলিকভাবে সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হল ইরানীয় ভাষাপরিবারের সদস্য ভাষাগুলি। এদের মধ্যে ফার্সি ভাষা প্রধানতম ভাষা। ফার্সি ইরানের জাতীয় ভাষা। ইরানের ফার্স প্রদেশে প্রচলিত ভাষা থেকে এর উৎপত্তি এবং এর লিখিত ভাষার ইতিহাস ১০০০ বছরেরও বেশি পুরনো। অন্যান্য ইরানীয় ভাষাগুলির মধ্যে পশ্চিম ইরানে কুর্দী ভাষা, উত্তর-পশ্চিমে তাতি ওতালিশি ভাষা, এলবুর্জ পর্বতমালার উত্তরে মাজান্দারানি ও গিলাকি ভাষা, ও দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে বেলুচি ভাষা অন্যতম।ইরানে প্রচলিত তুর্কীয় ভাষাগুলির মধ্যে উত্তর-পশ্চিমের আজারবাইজানি ভাষা এবং উত্তর-পূর্বের তুর্কমেন ভাষা প্রধান। এছাড়া ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে খুজেস্তান প্রদেশে এবং পারস্য উপসাগরের উপকূল ধরে সেমিটীয় ভাষাপরিবারের আরবি ভাষা প্রচলিত। আধুনিক ফার্সি ইরানের সরকারি ভাষা। ফার্সি একটি প্রাচীন সাহিত্যিক ভাষা। ৭ম শতাব্দীতে আরবদের আক্রমণের আগে এটি পাহলভী লিপিতে লেখা হত। ৯ম ও ১০ম শতাব্দীতে ভাষাটি আরবি লিপি ব্যবহার করতে শুরু করে। ১৯৫০ সাল পর্যন্তও কথ্য ফার্সির অনেকগুলি স্বতন্ত্র উপভাষা ছিল, তবে এর পর সরকারি শিক্ষা ও গণমাধ্যমের প্রসারের ফলে একটি মান্য কথ্য ফার্সির উদ্ভব ঘটেছে। এছাড়া কিছু সংখ্যালঘু ভাষাভাষী আছে যাদের নিজস্ব প্রচার মাধ্যম ও প্রকাশনা আছে। এদের মধ্যে তুর্কী ভাষা আজেরি, কুর্দী, আরবি ও আর্মেনীয় প্রধান। খেলাধুলা ইরানের খেলাধুলা ইরানেই পোলো খেলার প্রচলন শুরু হয়। ইরানের ইসফাহানের নকশ-ই জাহান স্কোয়ারটি মধ্যযুগীয় রাজকীয় পোলো মাঠের স্থান। চিত্রশালা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ The President of Iran Iran.ir এশিয়ার রাষ্ট্র ইরান জি১৫ রাষ্ট্র ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার সদস্য রাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ১৯৭৯-এ প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র ও অঞ্চল ওপেকের সদস্য রাষ্ট্র ইরানীয় মালভূমি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র নিকট প্রাচ্যের রাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ার রাষ্ট্র ধর্মশাসক সার্বভৌম রাষ্ট্র
566241
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8
সমাজতন্ত্রের ইতিহাস
সমাজতন্ত্রের ইতিহাসের উৎপত্তি ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব এবং তার থেকে উদ্ভূত পরিবর্তনের ভেতরে নিহিত, যদিও এটি আগের আন্দোলন এবং ধারণা থেকেও বিভিন্ন ধারণা গ্রহণ করেছে। কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলসের লেখা কমিউনিস্ট ইস্তেহার বইটিতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কথাটি ব্যবহার করা হয়। বইটি ১৮৪৮ সালের সামান্য আগে লেখা হয় এবং বইটি পুরো ইউরোপকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ইউরোপে ১৯ শতকের শেষ তৃতীয়াংশে মার্কসবাদকে গ্রহণ করে সমাজ গণতান্ত্রিক দলগুলো উপরে আসতে শুরু করে। অস্ট্রেলিয়ান লেবার পার্টি বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত সমাজতান্ত্রিক পার্টি যখন পার্টি ১৮৯৯ সালে কুইন্সল্যান্ড রাজ্য নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল। এছাড়া উনিশ শতকের কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্রিদের দ্বারা কল্পিত নানা ব্যবস্থাগুলো পরবর্তীকালে পরিণত হয়েছিলো বৈজ্ঞানিক সাম্যবাদের নানা তাত্ত্বিক উৎসে। তথ্যসূত্র সমাজতন্ত্র সমাজতন্ত্রের ইতিহাস
1004435
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%20%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%B0
আসমা আরবাব আলমগীর
আসমা আরবাব আলমগীর (; জন্ম ৯ জুলাই ১৯৬৫) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি ২০০৮-২০১৩ পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা আসমা ১৯৬৫ সালের ৯ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আইন ও অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি আরবাব আলমগীর খানের স্ত্রী। রাজনৈতিক জীবন ২০০৮ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে, খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে নারীদের জন্য সংরক্ষিত একটি আসনে পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রার্থী হিসাবে আসমা আলমগীর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, খাইবার পাখতুনখোয়া পিপিপির প্রাদেশিক সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করার সময় তাকে পাকিস্তান পিপলস পার্টির মহিলা শাখার সভাপতি করা হয়েছিল। ২০১০ সালের এপ্রিলে তিনি ফেডারেল সরকারের প্রদেশ ও সীমান্ত অঞ্চল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। তথ্যসূত্র ১৯৬৫-এ জন্ম আরবাব খান পরিবার পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য ২০০৮-২০১৩ জীবিত ব্যক্তি
19987
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%A7%E0%A7%AC%E0%A7%AE%E0%A7%A8
১৬৮২
১৬৮২ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির একটি সাধারণ বছর। ঘটনাবলী জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর জন্ম জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর মৃত্যু জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৬৮২
690122
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AB%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
শরীফপুর ইউনিয়ন
শরীফপুর ইউনিয়ন নামে বাংলাদেশে মোট ৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। যথা: শরীফপুর ইউনিয়ন, আশুগঞ্জ; (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা) শরীফপুর ইউনিয়ন, কুলাউড়া; (মৌলভীবাজার জেলা) শরীফপুর ইউনিয়ন, জামালপুর সদর; (জামালপুর জেলা) শরীফপুর ইউনিয়ন, বেগমগঞ্জ; (নোয়াখালী জেলা)
466978
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%A8%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF%20%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%87
ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন থেকে সরাসরি ডাব্লিউডাব্লিউই
ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন সরাসরি ডাব্লিউডাব্লিউই ছিল ডাব্লিউডাব্লিউই কর্তৃক আয়োজিত পেশাদারি কুস্তি আয়োজন। এটা ২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় এবং শুধু ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্ক দ্বারা প্রপচারিত হয়। ফলাফল তথ্যসূত্র ২০১৫-এ পেশাদারি কুস্তি
1346555
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA
জিয়া গোকাল্প
মেহমেত জিয়া গোকাল্প (২৩ মার্চ ১৮৭৬ – ২৫ অক্টোবর ১৯২৪) ছিলেন একজন তুর্কি সমাজবিজ্ঞানী, লেখক, কবি ও রাজনীতিবিদ। ১৯০৮ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যে সাংবিধানিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠাকারী তরুণ তুর্কি বিপ্লবের পরে তিনি গোকাল্প ("স্বর্গীয় বীর") নামটি গ্রহণ করেছিলেন, যা তিনি আমৃত্যু ব্যবহার করেছিলেন। একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে জিয়া গোকাল্প মতাদর্শিক, সাংস্কৃতিক ও সমাজতাত্ত্বিক শনাক্তকারী হিসেবে ইসলামবাদ, সর্ব-ইসলামবাদ ও উসমানীয়বাদকে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ছিলেন। ১৯৩৬ সালের একটি প্রকাশনায়, গোকাল্পকে সমাজবিজ্ঞানী নিয়াজি বার্কেস "বিদেশী সমাজবিজ্ঞানের একজন অনুবাদক বা দোভাষী না হওয়ায় তুর্কি সমাজবিজ্ঞানের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা" হিসেবে বর্ণনা করেন। গোকাল্পের সৃষ্টিকর্ম মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের সংস্কার গঠনে বিশেষভাবে প্রভাবশালী ছিলো; কামালবাদের বিকাশে ও আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্রে এর উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে তার প্রভাব বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। সমসাময়িক ইউরোপীয় চিন্তাধারা বিশেষত এমিল দ্যুর্কেমের সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে গোকাল্প তুর্কি জাতীয়তাবাদের পক্ষ হয়ে উসমানীয়বাদ ও ইসলামবাদ উভয়কেই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি সকল উসমানীয় নাগরিকদের কাছে তুর্কি ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচার করে উসমানীয় সাম্রাজ্যের তুর্কিকরণের পক্ষে ছিলেন। জাতীয়তাবাদী তুর্কি রাষ্ট্রে তিনি গ্রিক, আর্মেনীয় ও ইহুদিদের একটি বিদেশী উপাদান বলে মনে করতেন। সর্ব-তুর্কিবাদ ও তুরানবাদকে জনপ্রিয় করা তার চিন্তাধারাকে "জাতীয়তাবাদ ও আধুনিকীকরণের ধর্ম" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তার জাতীয়তাবাদী আদর্শ উসমানীয় তুরস্কের নিকটবর্তী আরব প্রতিবেশীদের সাথে একটি অতি-জাতীয় তুর্কি (বা সর্ব-তুর্কি) পরিচয়ের পরিবর্তে "একটি আঞ্চলিক উত্তর-পূর্ব-মুখীকরণ [তুর্কি জনগণের জন্য]"-এর থেকে পরিচয় মুক্ত করে। প্রারম্ভিক জীবন মেহমেত জিয়া ২৩ মার্চ ১৮৭৬ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের দিয়ারবাকেরে মুহাম্মাদ তেফভিক বে ও জেলিহা হানমের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন পরিবারের দ্বিতীয় পুত্র। কিছু সূত্র অনুযায়ী তিনি, বিশেষত তার মাতৃকুল কুর্দি বংশোদ্ভূত ছিলো। জিয়া তার পৈতৃক পরিবারকে সিরীয় তুর্কমেন হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার পিতা একজন উসমানীয় আমলা ও দিয়ারবাকেরে সালনামে প্রকাশের জন্য দায়বদ্ধ ছিলেন। নিজের চাচার সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো, তিনি জিয়াকে তার মেয়েকে বিয়ে হতে দেখতে পছন্দ করতেন। তার চাচা ধার্মিক ছিলেন ও নাস্তিক আবদুল্লাহ জেভদেতের সাথে জিয়ার সম্পর্কের বিরোধী ছিলেন। দিয়ারবাকের ছিলো ১৬শ শতাব্দী পর্যন্ত আরব ও পারস্যদের দ্বারা শাসিত একটি "সাংস্কৃতিক সীমান্ত" এবং তুর্কি, কুর্দি ও আর্মেনীয়দের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে "বিরোধপূর্ণ জাতীয় ঐতিহ্য" বৈশিষ্ট্যযুক্ত ছিলো। এই সাংস্কৃতিক পরিবেশ প্রায়ই তার জাতীয় পরিচয়বোধকে অবহিত করা হয়েছে বলে পরামর্শ দেওয়া হয়; তার জীবনের পরবর্তী সময়ে যখন রাজনৈতিক বিরোধিতাকারীরা অভিযোগ দিয়েছিলেন যে তিনি কুর্দি থেকে এসেছেন তখন গোকাল্প প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছিলেন যে তিনি পিতৃতান্ত্রিক তুর্কি জাতিগত ঐতিহ্য সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন, এটি তুচ্ছ ছিলো: "আমি আমার সমাজতাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে শিখেছি যে জাতীয়তা শুধুমাত্র লালন-পালনের উপর ভিত্তি করে।" ১৮৯৫ সালের গোড়ার দিকে গোকাল্প তার বস্তুবাদের আবিষ্কারের কারণে সৃষ্ট একটি অস্তিত্ব সংকটের পরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। ডাক্তার জেভদেত তাকে উদ্ধার করেন, এর জন্য তিনি পরবর্তীতে আফসোস করেন কেননা গোকাল্প একজন তুর্কি মতাদর্শী হয়ে ওঠেন। দিয়ারবাকেরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের পর তিনি ১৮৯৫ সালে ইস্তাম্বুলে বসতি স্থাপন করেন। সেখানে, তিনি প্রাণিচিকিৎসা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন ও গুপ্ত বিপ্লবী জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে জড়িত হন যার জন্য তিনি দশ মাস কারাভোগ করেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি অনেক গুপ্ত বিপ্লবী ব্যক্তিত্বের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন, নিজের পশুচিকিৎসা অধ্যয়ন ত্যাগ করেন এবং গুপ্ত বিপ্লবী দল ঐক্য ও প্রগতি সমিতির (সিইউপি) সদস্য হন। কর্মজীবন কনস্টান্টিনোপলের তৎকালীন বিপ্লবী স্রোত অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় ছিলো; দ্বিতীয় আবদুল হামিদের শাসনের কুখ্যাতি সেই সময়ের মধ্যে কনস্টান্টিনোপলে বৈচিত্র্যময় বিপ্লবী অনুভূতি জাগ্রত করে। তিনি ১৯০৮ সালের জুলাই মাসে দিয়ারবাকেরে প্রথম সিইউপি দপ্তর উদ্বোধন করেন। ১৯০৯ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি থেসালোনিকিতে চলে যান, সেখানে তিনি ১৯১০ সালে সিইউপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন। সেখানে তিনি জেঞ্জ কালেমলের নামক একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পত্রিকার সহ-প্রতিষ্ঠা ছিলেন। থেসালোনিকিতে বসবাস করার সময় তালাত পাশা প্রায়শই তার বাড়িতে অতিথি হতেন, সেখানে তারা রাজনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতেন। সেলানিকে থাকার সময়ই তিনি গোকাল্প নামটি ব্যবহার করতে শুরু করেন ও সিইউপিতে তার ভবিষ্যত ভূমিকা নির্ধারণ করা হয়। ১৯১২ সালে তিনি সিইউপির সাথে কনস্টান্টিনোপলে ফিরে আসেন। ১৯১৫ থেকে ১৯১৮ সালের মধ্যে গোকাল্প সামরিক গবেষণাপত্র হার্প মেজমুয়াসার-এর নিয়মিত অবদানকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর, ঐক্য ও প্রগতি সমিতির সাথে জড়িত থাকার জন্য তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ১৯১৯ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত দুই বছরের জন্য মাল্টায় নির্বাসিত করা হয়। মাল্টায় নির্বাসিত থাকাকালীন তিনি নিজের ধারণাগুলো লিখতে ও একত্রিত করতে থাকেন এবং ১৯২৩ সালে প্রকাশিত তার তুর্কিবাদের নীতি-এর পাণ্ডুলিপি তৈরি করেন। তিনি ১৯২১ সালের বসন্তে তুরস্কে ফিরে আসেন, কিন্তু ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তার আসন ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। তিনি তার নিজ শহর দিয়ারবাকেরে বসতি স্থাপন করেন যেখানে তিনি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং শিক্ষকের সেমিনারিতে সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞান পড়ান। তিনি একটি ছোট সাপ্তাহিক পত্রিকা কুচুক মেজমুয়া প্রকাশ করতে শুরু করেন, এটি ধীরে ধীরে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে এবং ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার প্রধান দৈনিক সংবাদপত্রগুলোয় অবদানের দিকে পরিচালিত করে। ১৯২২ সালের শেষের দিকে, গোকাল্পকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশনা ও অনুবাদ বিভাগ পরিচালনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি ১৯২৪ সালে আমৃত্যু পর্যন্ত তুরস্কের মহান জাতীয় সভার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্বাচিত হন ও শিক্ষা কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন, এটি তার নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয় ব্যবস্থা, পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক সংস্কার করে। তিনি জোর দিয়েছিলেন যে প্রদত্ত শিক্ষার মধ্যে তুর্কিবাদ, আধুনিকতাবাদ ও ইসলামবাদ অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। তুর্কি সংস্কৃতি ও ভাষার পাশাপাশি তিনি পাঠ্যসূচিতে ফার্সি ও আরবি ভাষা, কুরআন ও গণিত, পদার্থবিদ্যা এবং কিছু ইউরোপীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে কথা বলেন। উপরন্তু, তিনি ১৯২৪ সালের সংবিধানের খসড়া তৈরিতে অংশগ্রহণ করেন। জিয়া গোকাল্প স্থাবর সম্পত্তির মালিক ছিলেন যার মধ্যে দিয়ারবাকিরের উত্তর-পূর্বে ৫টি গ্রাম অন্তর্ভুক্ত ছিলো। মৃত্যু ১৯২৪ সালে ইস্তাম্বুলে স্বল্প সময়ের অসুস্থতার পরে বিশ্রামে যাওয়ার পর সেখানে তিনি ১৯২৪ সালের ২৪ অক্টোবর মারা যান। মতাদর্শ গোকাল্পের সৃষ্টিকর্ম উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনের প্রেক্ষাপটে তুর্কি জাতীয় পরিচয়ের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলো যেটিকে তিনি নিজেও তখনও তুর্কিত্ব বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে একটি জাতির বেঁচে থাকার জন্য একটি "অংশীদারীত্বের চেতনা" থাকতে হবে, যে "ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠে তখনই যখন সে তার সংস্কৃতির প্রকৃত প্রতিনিধি হয়ে ওঠে"। তিনি বিশ্বাস করতেন যে একটি আধুনিক রাষ্ট্রকে অবশ্যই সংস্কৃতি, ধর্ম ও জাতীয় পরিচয়ের ক্ষেত্রে সমজাতীয় হতে হবে। জাতীয় পরিচয়ের এই ধারণাটি একটি ঐক্যবদ্ধ গুণ হিসেবে তুর্কিত্বের প্রাধান্যের প্রতি তার বিশ্বাসের দ্বারা বর্ধিত হয়। ১৯১১ সালের একটি প্রবন্ধে তিনি বলেছিলেন যে "তুর্কিরা হলো জার্মান দার্শনিক নিচের দ্বারা কল্পনা করা 'চমৎকার মানব'"। তার প্রধান সমাজতাত্ত্বিক সৃষ্টিকর্ম আভ্রুপালুলুক ("ইউরোপীয়বাদ", পশ্চিমা সমাজের অনুকরণ) ও মডার্নলিক-এ ("আধুনিকতা", উদ্যোগ গ্রহণ) পার্থক্য করতে আগ্রহী ছিলো; এতে করে তিনি জাপানে একটি আদর্শ হিসেবে আগ্রহী ছিলেন, এর জন্য তিনি অনুভব করেছিলেন যে এটিতে সহজাত সাংস্কৃতিক পরিচয় পরিত্যাগ না করে আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। গোকাল্প পরামর্শ দিয়েছিলেন যে "সংস্কৃতি" (উপযোগিতাবাদহীনতা, পরার্থবাদ, গণচেতনা) "সভ্যতা" (উপযোগিতাবাদ, অহংবোধ, ব্যক্তিবাদ)-এর অধীনস্থ করার জন্য একটি রাষ্ট্রকে পতনের জন্য ধ্বংস করা হলো: "সভ্যতা দ্বারা সামাজিক সংহতি ও নৈতিকতাকে ধ্বংস করা"। এমিল দ্যুর্কেমের পাঠ দ্বারা অবহিত গোকাল্প এই উপসংহারে পৌঁছেছিলেন যে পশ্চিমা উদারনীতি একটি সামাজিক ব্যবস্থা হিসেবে সংহতিবাদের চেয়ে নিকৃষ্ট, কেননা উদারতাবাদ ব্যক্তিবাদকে উৎসাহিত করে, এর ফলে রাষ্ট্রের অখণ্ডতা হ্রাস পায়। দ্যুর্কেমের সৃষ্টিকর্ম তুর্কি ভাষায় অনুবাদ করা গোকাল্প ধর্মকে সামাজিকভাবে জনসংখ্যাকে একত্রিত করার একটি উপায় ও এমনকি "ধর্মকে সমাজের নিজের উপাসনা" হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। দ্যুর্কেমের দাবি যে গোষ্ঠীর জীবন ব্যক্তির জীবনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো, এটি একটি ধারণা ছিলো যা গোকাল্প দ্বারা সহজেই গৃহীত হয়। একজন সুপরিচিত সংবাদপত্রের কলাম লেখক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে গোকাল্প ঐক্য ও প্রগতি সমিতির প্রাথমিক মতাদর্শী ছিলেন। "জাতি" সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি ও আধুনিক তুর্কি রাষ্ট্রের বিকাশের বিষয়ে দলটি যেভাবে অবহিত করেছে তা একটি বিতর্কিত কিংবদন্তি তৈরি করেছে। অনেক ইতিহাসবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী পরামর্শ দিয়েছেন যে তার জাতীয়তাবাদের মার্কা আর্মেনীয় গণহত্যায় অবদান রেখেছিলো। জাতি সম্পর্কে তার ধারণা ছিলো যে এটি একটি "সামাজিক সংহতি" যার জন্য "সাংস্কৃতিক ঐক্য" প্রয়োজন। একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার অধীনে বসবাসকারী প্রত্যেকেই জাতির একটি অংশ তথা "ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদ" গোকাল্পের কাছে অগ্রহণযোগ্য ছিলো, তিনি একটি জাতিকে ভাষাগত ও সাংস্কৃতিকভাবে একীভূত বলে ধারণা করেছিলেন। পরিশেষে, শুধুমাত্র একজনকে একটি জাতির অংশ বলে বিশ্বাস করাও যথেষ্ট ছিলো না; তার দৃষ্টিতে কেউ জাতির অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনা কারণ জাতির সদস্যপদ অনিচ্ছাকৃত। তুর্কিবাদের মূলনীতি তাঁর মৃত্যুর ঠিক এক বছর আগে প্রকাশিত ১৯২৩ সালের তুর্কিবাদের নীতি বইতে তিনি বিস্তৃত জাতীয়তাবাদী পরিচয়ের রূপরেখা তুলে ধরেন যা তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর দীক্ষা ও কবিতায় জনপ্রিয় করেছিলেন। তিনি যে জাতীয়তাবাদকে সমর্থন করেন তার অন্তর্গত "একটি জাতি [যেটি] একটি নৃগোষ্ঠীগত বা জাতিগত কিংবা ভৌগলিক বা রাজনৈতিক বা স্বেচ্ছাচারী গোষ্ঠী নয়, বরং এমন ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত যারা একটি সাধারণ ভাষা, ধর্ম, নৈতিকতা ও নান্দনিকতা ভাগ করে নেয়, অর্থাৎ যারা একই শিক্ষা পেয়েছে"। তিনি সর্ব-তুর্কি পরিচয়ের তিনটি সূচনা তুলে ধরেন যেখানে তিনি কল্পনা করেছেন: সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য মানদণ্ড অনুযায়ী তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের তুর্কি একটি জাতি; ওঘুজ তুর্কি বলতে আজারবাইজান, ইরান ও খাওয়ারেজমের তুর্কমেনদেরও বোঝায় যাদের... মূলত একটি সাধারণ সংস্কৃতি রয়েছে যা তুরস্কের তুর্কিদের মতোই–এই চারটিই ওঘুজিস্তান গঠন করেছে; আরও দূরবর্তী তুর্কিভাষী জনগণ, যেমন ইয়াকুত, কিরগিজ, উজবেক, কিপচাক ও তাতার একটি ঐতিহ্যগত ভাষাগত ও জাতিগত ঐক্যের অধিকারী যাদের তুর্কি সংস্কৃতির সাথে সম্পর্ক রয়েছে–কিন্তু পরিচয় নয়। দ্বিতীয় পর্যায়টি ছিল "ওঘুজিবাদ" এবং চূড়ান্ত পর্যায়টি হবে "তুরানবাদ" যা তিনি ও অন্যান্য জাতীয়তাবাদী কবিরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে থেকে প্রচার করে আসছিলেন। সর্ব-তুর্কিবাদের "তুর্কিত্ব"-এর এই বিস্তৃত ধারণাটি প্রায়শই গ্রহণ করা গোকাল্পের জাতিগত অভিন্নতা গ্রহণ করলেও তিনি অন্যান্য জাতিকে অপমান করেননি, যেমনটি পরে তার কিছু সর্ব-তুর্কি উত্তরসূরি করেছিলেন। সুফিবাদ গোকাল্পের মৌলিকত্ব প্রদর্শন করার চেষ্টা করার সময় কেবল ইউরোপীয় ধারণাগুলোকে "পুনরাবৃত্ত" করেননি এমন একজন বিলকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল্প এরেন তোপাল এগুলো ছাড়াও চিন্তাবিদদের উপর সুফিবাদের অনেক অবহেলিত প্রভাবের কথা বলেন: তার শিক্ষা ও বৃদ্ধির সময়কালে "একটি বড় প্রভাব" হিসেবে তিনি এর "সামরিক" অভিধানের প্রশংসা করেছেন এবং শুধুমাত্র আধ্যাত্মিক প্রভাবই নয় উসমানীয় সাম্রাজ্যের আধুনিকায়নেও ভূমিকা রাখা "বিশেষত নকশবন্দি" তরিকায় পাওয়া সংহতির প্রশংসা করতে এসেছেন, অন্যদিকে তিনি মধ্যযুগীয় আন্দালুসীয় চিন্তাবিদ ইবনে আরাবীর অধিবিদ্যার প্রশংসা করে বলেন যে চিন্তাধারা হিসেবে তার ভাববাদ জর্জ বার্কলি বা ইমানুয়েল কান্টের চেয়ে উচ্চতর ছিলো। তিনি বলেন, ইবনে আরাবীর কাছে ইতিমধ্যে পরিচিত ধারণাগুলো পুনর্ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু সেগুলোকে খুব বেশি দূরে নেননি এবং "জ্ঞানবাদ–অতীন্দ্রিয়বাদ বা সর্বেশ্বরবাদ" হওয়া থেকে অনেক দূরে থাকা তার ধারণাগুলো বেশ সমসাময়িক ছিলো যা আলফ্রেড ফৌইলি, জিন-মারি গুয়াউ, নিচে ও উইলিয়াম জেমসের মতো আধুনিকদের সাথে অনুরণিত ছিলো, এগুলো তুলে ধরে যে "তার সমস্ত অগ্রগতিতে আদর্শবাদী দর্শন 'আরবের পরম ও নিখুঁত আদর্শবাদকে অতিক্রম করেনি"। কাব্যিক সৃষ্টিকর্ম সমাজতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক কর্মজীবনের পাশাপাশি গোকাল্প একজন প্রখ্যাত কবিও ছিলেন। তার কাব্যিক কর্ম নিজের সমাজতাত্ত্বিক ও জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিপূরক এবং জনপ্রিয়তা প্রদান করে। শৈলী ও বিষয়বস্তুতে এগুলো প্রাক-ইসলামি তুর্কি পরিচয়ের অনুভূতিকে পুনরুজ্জীবিত করে। তার কুজুলেলমা বইতে "আদর্শ মহিলা" নামক প্রধান চরিত্র বলে: "মানুষ একটি বাগানের মতো, / আমরা তার উদ্যানপালক হওয়ার কথা! / প্রথমে খারাপ অঙ্কুর কাটতে হবে / তারপর স্কয়ন কলম করতে হবে।" সে ইয়েনি হায়াত ("নতুন জীবন")-এর গুরু, যেখানে পূর্ব ও পশ্চিমা আদর্শ মিলিত হয় এবং একটি "নতুন তুর্কি বিশ্ব" গঠন করে। তার কবিতা তার আরও গুরুতর সমাজতাত্ত্বিক কর্ম থেকে দূরে সরে যায়, যদিও এটি জাতীয়তাবাদী অনুভূতিকেও কাজে লাগায়: "দৌড়াও, আদর্শ গ্রহণ করো ও প্লেভনাতে এটি আবার রোপণ করা হোক / রাত দিন, দানিউবের জল রক্তে লাল হয়ে যাক. . . ।" সম্ভবত তার সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতাটি ছিল নিজের ১৯১১ সালের তুরান যেটি প্রথম জেঞ্চ কালেমলের-এ প্রকাশিত হয়েছিলো, এটি তার তুরানবাদী বুদ্ধিবৃত্তিক ফসলের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: "তুর্কিদের জন্য, পিতৃভূমি অর্থ তুরস্ক বা তুর্কিস্তান নয়; পিতৃভূমি একটি বড় ও চিরন্তন দেশ-- তুরান!" প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়, তার কুজুল দেস্তান ("লাল মহাকাব্য") সর্ব-তুর্কিবাদের স্বার্থে রাশিয়াকে ধ্বংস করার আহ্বান জানিয়েছিলো। কিংবদন্তি জিয়া গোকাল্পকে "তুর্কি জাতীয়তাবাদের জনক" এবং এমনকি "তুর্কিবাদের মহাগুরু" হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার চিন্তাধারা তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক পটভূমিতে বিশিষ্টভাবে চিত্রিত হয়, এটি তার মৃত্যুর সময় উসমানীয় সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ভূত হয়েছিলো। তার প্রভাব বিভিন্নভাবে অনুরণিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, তার তুর্কিবাদের নীতি দাবি করে যে উসমানীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের উৎপত্তি বাইজেন্টাইন ছিলো; এর ফলে রাষ্ট্রটি ১৯৩০-এর দশকে বেতার থেকে উসমানীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে এক ইশারায় নিষিদ্ধ করে, কারণ শুধুমাত্র তুর্কি লোকসঙ্গীত "জাতির প্রতিভাকে উপস্থাপন করে"। সর্ব-তুর্কিবাদ ও তুরানবাদকে জনপ্রিয় করার জন্য গোকাল্পকে যথাক্রমে বর্ণবাদী ও সম্প্রসারণবাদী এবং বর্ণবাদ বিরোধী ও সম্প্রসারণ বিরোধী হিসাবে দেখা হয়। তার কিংবদন্তির এই বিপরীত পাঠগুলো সহজেই প্রবক্তা ও বিরোধীদের মধ্যে বিভক্ত করা যায়না, কারণ তুরস্কের জাতীয়তাবাদী উপাদানগুলো (যেমন "জাতীয়তাবাদী কার্যকলাপ দল") তার কাজকে এই দাবির জন্য উপযুক্ত করেছে যে তিনি সর্ব-তুর্কি আত্মীয়তার নিছক আদর্শের পরিবর্তে তুরানবাদের একটি বাস্তবিক উপলব্ধি সমর্থন করেছিলেন। বিপরীতে গোকাল্পের কিছু পঠন দাবি করে যে, তার তুরানবাদ ও সর্ব-তুর্কিবাদ ছিল ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক মডেল যেখান থেকে ভৌত সম্প্রসারণের জন্য তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের সামরিক আহ্বানের পরিবর্তে উসমানীয়-পরবর্তী আদর্শের পরিচয় পাওয়া যেতে পারে। প্রায়শই বেশ ভিন্ন ধারণা পোষণ করলেও আরব জাতীয়তাবাদী সাতি আল হাসরি গোকাল্প দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন। মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক বলেছেন "আমার হাড়-মাংসের পিতা হলেন আলি রুজা এফেন্দি ও আমার চিন্তার পিতা হলেন জিয়া গোকাল্প"। আর্মেনীয় গণহত্যা সম্পর্কে গোকাল্পের মতামত ছিলো যে "কোন আর্মেনীয় গণহত্যা হয়নি, একটি তুর্কি-আর্মেনীয় ব্যবস্থা ছিলো। তারা আমাদের পিঠে ছুরি বসিয়েছে, আমরা তাদের পিঠে ছুরি বসিয়েছি।" এই দৃষ্টিভঙ্গি তরুণ তুর্কিদের মধ্যে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। তিনি যে বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তা ১৯৫৬ সালে জিয়া গোকাল্প জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। সৃষ্টিকর্ম তুর্কি সভ্যতার ইতিহাস কুজুলেলমা (কাব্যগ্রন্থ) তুর্কিবাদ, ইসলামবাদ ও আধুনিকতাবাদ তথ্যসূত্র আরও পড়ুন Taha Parla: The social and political thought of Ziya Gökalp : 1876 – 1924. Leiden 1985 Mihran Dabag: Jungtürkische Visionen und der Völkermord an den Armeniern, in: Dabag / Platt: Genozid und Moderne (Band 1), Opladen 1998. Katy Schröder: Die Türkei im Schatten des Nationalismus. Hamburg, 2003, , S. 50–54 Alexander Safarian: Ziya Gökalp on National Education, "Iran and the Caucasus", vol.8.2, Brill, Leiden - Boston, 2004, pp. 219–229. বহিঃসংযোগ ১৮৭৬-এ জন্ম ১৯২৪-এ মৃত্যু তুর্কি নাস্তিক তুর্কি জাতীয়তাবাদী উসমানীয় সাম্রাজ্যের সমাজবিজ্ঞানী ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী তরুণ তুর্কি মাল্টা নির্বাসন তুরানবাদি
1003767
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%A7%20%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A7%A7%E0%A7%A6%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%97
২০২১ টি১০ লিগ
২০২১ টি১০ লিগ বা আবুধাবি টি১০ ২০২১ টি১০ লিগের চতুর্থ আসর। ম্যাচগুলির ৯০ মিনিটের এবং উভয় দল নির্ধারিত ১০ ওভার খেলার সুযোগ পায়। প্রতিযোগিতাটিতে প্রথমে রাউন্ড রবিন এবং পরে সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল খেলা হয়। এটি মূলত শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৯ থেকে ২৮ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত খেলার কথা ছিল। কিন্তু, কোভিট-১৯ মহামারীর কারণে টুর্নামেন্টটি ২৮ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত খেলার সূচী পুনরায় নির্ধারণ করা হয়। কর্ণাটক টাস্কার তাদের নাম পরিবর্তন করে পুনে ডেভিলস হিসাবে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে। নর্দার্ন ওয়ারিয়র্স প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়। দলীয় সদস্য ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুষ্ঠিত খেলোয়াড় নিলামে ফ্রাঞ্চাইজ ভিত্তিক দলগুলো নিম্নোক্ত খেলোয়াড়দেরকে বেছে নেন। গ্রুপ পর্যায় গ্রুপ এ গ্রুপ বি সুপার লিগ পয়েন্ট তালিকা খেলাগুলো প্লে-অফ বন্ধনী বাছাইপর্ব এলিমিনেটর এলিমিনেটর ১ এলিমিনেটর ২ ৩য় স্থান প্লে-অফ ফাইনাল তথ্যসূত্র ২০২০-এ আমিরাতি ক্রিকেট টি১০ ক্রিকেট ২০২১-এ আমিরাতি ক্রিকেট
559305
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE
গুজরাটের বিমানবন্দরগুলির তালিকা
গুজরাটের বিমানবন্দরগুলির তালিকা এই পৃষ্ঠায় দেওয়া হল। বিমানবন্দরগুলিকে ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী শ্রেণীবিভক্ত করা হয়েছে। রাজ্যের সকল অসামরিক ও সামরিক বিমানবন্দরগুলি নাম এই তালিকায় পাওয়া যাবে। তালিকায় ব্যবহৃত সংকেতগুলি হল: পরিষেবাপ্রাপ্ত শহর – বিমানবন্দরটি সাধারণত যে শহরের সঙ্গে যুক্ত। সর্বত্র পরিষেবাপ্রাপ্ত শহরের অভ্যন্তরে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরটি অবস্থিত হয় না, বরং শহরের বাইরে কোনো ছোটো শহরে হয়ে থাকে। আইসিএও (ICAO) – আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান সংস্থা (আইসিএও) নির্ধারক অবস্থান নির্ণায়ক কোড। আইএটিএ (IATA) – আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ) নির্ধারিত কোড। বিমানবন্দরের নাম – বিমানবন্দরের সরকারি নাম। যেসব বিমানবন্দরের নামের ক্ষেত্রে মোটা অক্ষর ব্যবহৃত হয়েছে সেখানে বাণিজ্যিক বিমানসংস্থাগুলির বিমান নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে ওঠানামা করে। বিস্তারিত – সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। বিমানবন্দরের তালিকা আরও ভারতের বিমানবন্দরগুলির তালিকা পশ্চিমবঙ্গের বিমানবন্দরগুলির তালিকা কলকাতা মহানগরীয় অঞ্চলের বিমানবন্দরগুলির তালিকা তথ্যসূত্র গুজরাত
273417
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%20%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%28%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80%29
দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)
দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (জন্ম: ১৯ নভেম্বর, ১৯১৮ - মৃত্যু: ৮ মে, ১৯৯৩) ভারতের একজন প্রখ্যাত মার্কসবাদী দার্শনিক ও লেখক। তিনি প্রাচীন ভারতের দর্শনের বস্তুবাদকে উদ্ঘাটন করেছেন। তাঁর সবচেয়ে বড় কাজ হল লোকায়তের প্রাচীন দর্শনকে তিনি বিরুদ্ধপক্ষের বিকৃতি হতে রক্ষা করেন এবং তা সংগ্রহ ও প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও তিনি প্রাচীন ভারতের বিজ্ঞানের ইতিহাস ও বিজ্ঞানের পদ্ধতি সম্পর্কেও গবেষণা করেছেন বিশেষ করে প্রাচীন চিকিৎসক চরক ও সুশ্রুত সম্পর্কে। প্রারম্ভিক জীবন দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় ১৯১৮ সালে ১৯ নভেম্বর কলকাতায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বসন্তকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন অ্যাকাউন্টান্ট জেনারেল ও দার্শনিক এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সমর্থক। সম্ভবত,তার প্রভাবই দেবীপ্রসাদের জীবনে পড়ে। এজন্য তিনি ভারতীয় দর্শন এবং রাজনীতি, মার্সকবাদ, সাম্যবাদী লেখা ও গবেষণার দিকে আগ্রহী হন। শিক্ষাজীবন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিষয়ে ১৯৩৯ সালে বি.এ. এবং ১৯৪২ সালে এম.এ.পাশ করেন। কর্মজীবন রাজনৈতিক জীবন গবেষণা দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের লেখা বই ১৯৫১ "যে গল্পের শেষ নেই" ১৯৫৯ লোকায়ত: A Study in Ancient Indian Materialism: People's Publishing House, New Delhi ১৯৬৪ Indian Philosophy - A Popular Introduction: People's Publishing House, New Delhi ১৯৬৯ Indian Atheism - A Marxist Analysis : Manisha, Calcutta ১৯৭৬ What is Living and What is Dead in Indian Philosophy: People's Publishing House, New Delhi ১৯৭৭ Science and Society in Ancient India: Research India Publications, Calcutta ১৯৭৯ Lenin, the Philosopher: Sterling Publishers, New Delhi ১৯৮০, দার্শনিক লেনিন, মনীষা কলকাতা, ১৯৮৬ History of Science and Technology in Ancient India: Firma K.L Mukhopadhyaya, Calcutta ১৯৮৯ In Defence of Materialism in Ancient India: People's Publishing House, New Delhi ২০০২ Musings in Ideology- An Anthology of Analytical Essays by Debiprasad Chattopadhyaya: G. Ramakrishna and Sanjay K. Biswas - Editors; Navakarnataka Publications Pvt. Ltd., Bangalore. সাহিত্য - সঙ্কলন 1982 Studies in the History of Science in India (2 Vols; Edited): Editorial Enterprises, New Delhi 1994 Carvaka/Lokayata : An Anthology of Source Materials and Some Recent Studies (Edited): Indian Council of Philosophical Research, New Delhi পৃথিবীর ইতিহাস : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, রমাকৃষ্ণ মৈত্র, অনুষ্টুপ, কলকাতা। ভারতীয় দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, এনবিএ, কলকাতা। লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, নিউ এজ পাবলিশার্স, কলকাতা। ভারতে বস্তুবাদ প্রসঙ্গে : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, অনুষ্টুপ, কলকাতা। ভাববাদ খণ্ডন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, অনুষ্টুপ, কলকাতা। বিজ্ঞান কি ও কেন, দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, মুক্তধারা। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, Lokayata দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, Science and Philosophy in Ancient India ১৯১৮-এ জন্ম ১৯৯৩-এ মৃত্যু মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক ভারতীয় সাম্যবাদী সমকালীন ভারতীয় দার্শনিক ভারতীয় জড়বাদী ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় দার্শনিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রবৃন্দ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ভারতীয় ঐতিহাসিক মার্ক্সবাদী লেখক সংস্কৃত পণ্ডিত ইতিহাসের দার্শনিক ভারতীয় রাজনৈতিক দার্শনিক ভারতীয় মার্ক্সবাদী ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় ইতিহাসবিদ বাঙালি লেখক ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় অ-কল্পকাহিনী লেখক ভারতীয় নাস্তিক ভারতীয় মার্ক্সবাদী লেখক সাহিত্য ও শিক্ষায় পদ্মভূষণ প্রাপক কলকাতার পণ্ডিত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
828856
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%A8%20%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
নিক্সন ম্যাকলিন
নিক্সন আলেক্সেই ম্যাকনামারা ম্যাকলিন (; জন্ম: ২০ জুলাই, ১৯৭৩) সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন্সের স্টাবস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ থেকে ২০০৩ সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে সেন্ট ভিনসেন্ট ও উইন্ডওয়ার্ড আইল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি, ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে হ্যাম্পশায়ার ও সমারসেট এবং দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে কোয়াজুলু-নাটাল দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী ছিলেন নিক্সন ম্যাকলিন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে নিক্সন ম্যাকলিনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। কোয়াজুলু-নাটালের পক্ষে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ মৌসুমে হ্যাম্পশায়ারের পক্ষে ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে অংশ নেন। এরপর, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে সমারসেট ও ক্যান্টারবারি উইজার্ডসের সাথে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে উনিশটি টেস্ট ও পঁয়তাল্লিশটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন। ২৯ জানুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে কিংস্টনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৭ মার্চ, ২০০১ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকান ঘরোয়া ক্রিকেটে সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। কিন্তু, ঐ বিশ্বকাপের তিন খেলায় অংশ নিয়ে উইকেট শূন্য অবস্থায় ছিলেন। এরপর আর তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে খেলতে দেখা যায়নি। খেলার ধরন দীর্ঘদেহী ও মাংসল গড়নের অধিকারী ছিলেন তিনি। ঘণ্টায় ৮৫ মাইলেরও অধিক গতিবেগে বোলিং করতে পারতেন। তবে, তিনি কখনো টেস্ট খেলায় বোলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। বলে পেস আনয়ণ, কিংবা চমৎকার বোলিং উপযোগী পিচেও বলে ধারাবাহিকতা আনয়ণ করতে পারেননি। এছাড়াও, বোলিং পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটে কোন ইনিংসেই তিনের অধিক উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখাননি। অবসর ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর সাবেক খেলোয়াড়দের সহায়তাকল্পে ঘরোয়া পর্যায়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রিটায়ার্ড প্লেয়ার্স ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পরিষদের সদস্যরূপে কাজ করেন। এছাড়াও, ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনেরও সহঃসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। নিক্সন ম্যাকলিনের কাকাতো ভাই আরজেজে ম্যাকলিন প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে উইন্ডওয়ার্ডস আইল্যান্ড দলের পক্ষে অংশগ্রহণ করেছেন। তথ্যসূত্র আরও দেখুন মহেন্দ্র নাগামুতু শেরউইন ক্যাম্পবেল ডলফিন্স ক্রিকেট দল ২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ দলসমূহ ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান টেস্ট ক্রিকেটারদের তালিকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম বলেই উইকেটলাভকারী বোলারদের তালিকা বহিঃসংযোগ ১৯৭৩-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি ২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ক্রিকেটার উইন্ডওয়ার্ড আইল্যান্ডসের ক্রিকেটার ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট ক্রিকেটার ওয়েস্ট ইন্ডিজের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ক্যান্টারবারির ক্রিকেটার কোয়াজুলু-নাটালের ক্রিকেটার হ্যাম্পশায়ারের ক্রিকেটার সমারসেটের ক্রিকেটার সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন্সের ক্রিকেটার
825078
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
খালিয়া ইউনিয়ন
খালিয়া ইউনিয়ন বাংলাদেশর ঢাকা বিভাগের মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার একটি ইউনিয়ন যা ২৩টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এ এলাকা এক সময় জমিদারি অঞ্চল ছিলো। ভৌগোলিক উপাত্ত খালিয়া ইউনিয়নের মোট আয়তন ৫,৪৮৪ একর বা ২২.২ বর্গ কিলোমিটার। গ্রামের সংখ্যা ২৩টি। ঘরবাড়ির সংখ্যা ৭,৪২৩টি। এ ইউনিয়নে হাট-বাজার রয়েছে ৭টি। মসজিদের সংখ্যা ৬৫টি এবং মন্দিরের সংখ্যা ৩০টি। জনসংখ্যার উপাত্ত বাংলাদেশের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী খালিয়া ইউনিয়নের ৭,৪২৩টি পরিবারে মোট জনসংখ্যা ৩৪,৯৮৬ জন এবং প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১৬০০ জন লোক বাস করে। এদের মধ্যে ১৭,৫২৪ জন পুরুষ ও ১৭,৬৪২ জন মহিলা এবং লিঙ্গ অনুপাত ১০০। মুসলিম ধর্মালম্বী ২১,৫৭৮ জন, হিন্দু ধর্মালম্বী ১৩,৩৯৯ জন ও খ্রিস্টান ধর্মালম্বী ৯ জন। শিক্ষা ২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী খালিয়া ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৫২.৩% (পুরুষ ৫৪.৮%, মহিলা-৪৯.৮%)। এ ইউনিয়নে ১টি কলেজ, ১টি মাদ্রাসা, ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে এবং ৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। উল্লেখযোগ্য স্থান খালিয়া জমিদার বাড়ি রাজারাম মন্দির তথ্যসূত্র রাজৈর উপজেলার ইউনিয়ন
1030316
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
কোটা দরিয়া
কোটা দরিয়া বা কোটা দরি হল ছোটো ছোটো বর্গাকার (খাত) নকশায় বোনা হালকা ওজনের একটি বৈশিষ্ট্যময় কাপড়ের নাম। এগুলি এখনও রাজস্থানের কোটার কাছে কৈথুনে এবং আশেপাশের কয়েকটি গ্রামে ঐতিহ্যবাহী পিট তাঁতে হাতে বোনা হয়। এই শাড়িগুলি সূক্ষ্ম সিল্ক এবং সুতোর তন্তুর মিশ্রণে তৈরি হয়। সুতো এই কাপড়কে শক্ত করে এবং সিল্ক এটিকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে ও এটিকে একটি নরম স্পর্শ দেয়। একটি কোটা শাড়ির চৌখুপী বুনন খুব জনপ্রিয়। কোটা দরিয়াকে এই অঞ্চলের মানুষের ঐতিহ্য এবং রীতিনীতিগুলির সাথে এর স্বতন্ত্রতা এবং সংযোগের জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসাবেও বিবেচনা করা হয়েছে। ইতিহাস কথিত আছে যে ১৭ শতকের মাঝামাঝি সময়ে, কোটার রাও কিশোর সিংহ কর্ণাটকের মহীশূর থেকে তাঁতিদের কোটাতে নিয়ে এসেছিলেন। তারা চৌখুপী বুননের বৈশিষ্ট্যযুক্ত হাল্কা সুতির কাপড় বুনত যেগুলি ছক কাগজের মতো দেখতে ছিল এবং সেগুলি পাগড়ির জন্য উপযুক্ত ছিল। ১৬৯৬ সালে মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পক্ষে লড়াইয়ের সময় রাও কিশোর সিং কর্ণাটকের একটি যুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন। বুনন তাঁতিরা যেহেতু মহীশূর থেকে এসেছিল, উৎপাদিত কাপড়কে কোটা মাশূরিয়া বলা হত। ঐতিহ্যবাহী পাগ (পাগড়ি) তৈরি করতে সরু ৮ ইঞ্চি তাঁতে সেগুলি বোনা হত এবং পরবর্তীতে অতিশয় হালকা শাড়ির জন্য চওড়া তাঁত ব্যবহৃত হত। শাড়ির টানা এবং বুননে ৫:১ এর অনুপাতে সুতি এবং রেশম সুতোর সংমিশ্রণ ব্যবহার করা হয়, এটি একটি সূক্ষ্ম চৌখুপী নকশা তৈরি করে। এটি হয়ে উঠেছে সাধারণ রেশম-সুতির কোটা দরিয়া মিশ্রণ। আজকাল হাতে বোনা রেশম কোটা দরিয়া শাড়িও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রথমে বুটি নামে পরিচিত নকশাটি ছোট এবং বহুল ব্যবহৃত ছিল। তবে এখন ধরন এবং পছন্দ অনুযায়ী বড় বড় নকশা তৈরি করা হয়। একটি মানক শাড়ি ৬.৫ মিটার দীর্ঘ এবং এতে ব্লাউজের জন্য কাপড়ও যুক্ত থাকে। প্রচুর কারুকার্যময় একটি শাড়ি তৈরি করতে এক মাস সময় লাগতে পারে এবং সেগুলি উত্তরাধিকার সূত্রে রেখে দেবার মত শাড়ি। একটি আসল কোটা দরিয়া শাড়ির এক কোণে বোনা জিআই চিহ্ন থাকবে যা থেকে বোঝা যাবে যে এটি আসল রুপো এবং সোনার সুতো ব্যবহার করে হাতে বোনা হয়েছে। সুরত ও বারাণসীর বেশিরভাগ কোটা দরিয়া শাড়ি বিদ্যুতের তাঁতে তৈরি এবং সেগুলি হাতে করে ব্লক ছাপা, সূচিকর্ম করা হয় বা হাতে করে সম্পূর্ণতা দেওয়া হয়। এই কাপড় শাল এবং ওড়নার জন্যও ব্যবহৃত হয়। আরো দেখুন মহীশূর রেশম শাড়ি মসলিন খস (কাপড়) তনসুখ কাপড় তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Among Kota people The handcrafted elegance Kota Heritage Society https://kotacityblog.com/kota-doria/#introduction-kota-doria ভারতীয় পোশাক ভারতের ভৌগোলিক নির্দেশক পোশাক-অসম্পূর্ণ রাজস্থানের ভৌগোলিক নির্দেশক শাড়ি রাজস্থানি শিল্পকলা রাজস্থানি পোশাক
20892
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%AE%E0%A7%AB%E0%A7%A9
৮৫৩
৮৫৩ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির একটি সাধারণ বছর। ঘটনাবলী জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর জন্ম জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর মৃত্যু জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর ৮৫৩
853199
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8
উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশন
উত্তরা কেন্দ্র মেট্রো স্টেশন বা উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশন ঢাকা মেট্রোরেলের একটি স্টেশন। এই স্টেশনটি ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত। স্টেশনটি এমআরটি লাইন ৬-এর অন্তর্গত। ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে এই স্টেশন চালু করা হয়। ইতিহাস উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনটি "প্যাকেজ সিপি-০৩"-এর অধীনে নির্মিত হয়। স্টেশন ও রেলপথের জন্য উত্তোলিত সেতু নির্মাণের আবেদনের বিজ্ঞপ্তি ২০১৫ সালের ৩০ জুন প্রকাশিত হয় এবং আবেদনের জমার শেষ তারিখ ছিল ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫। "প্যাকেজ সিপি-০৩"-এর কাজের চুক্তি পায় ইতালীয়-থাই উন্নয়ন পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড। চুক্তি দলিলটি এনবিআর তদন্ত এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক তদন্তের জন্য ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। এই চুক্তি প্যাকেজের জন্য স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ২০১৭ সালের ৩ মে ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সালের ২ আগস্ট নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই স্টেশনের নির্মাণ কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুমান করা হয় স্টেশনটি ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে মেট্রো রেল পরিষেবার জন্য উদ্বোধন করা হবে। স্টেশনটি ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে চালু করা হয়। স্টেশন স্টেশন বিন্যাস তথ্যসূত্র ঢাকা মেট্রো স্টেশন ২০২৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ২০২৩-এ চালু রেলওয়ে স্টেশন উত্তরা
93253
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%A8
শেনচেন
শেনচেন (; ফিনিন: Shēnzhèn; আ-ধ্ব-ব: [ʂə́n.ʈʂə̂n]; ) গণচীনের দক্ষিণ-পূর্বভাগের কুয়াংতুং প্রদেশের একটি প্রধান শহর। এটি মুক্তা নদীর ব-দ্বীপ মহানগর অঞ্চলের একটি অংশ গঠন করেছে। এর দক্ষিণ সীমানায় হংকং, উত্তর-পূর্বে হুইচৌ ও উত্তর-পশ্চিমে তুংকুয়ান শহরগুলি অবস্থিত। শহরটিকে উপপ্রদেশের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান শেনচেন শহরটির সীমানা প্রাক্তন পাওআন কাউন্টির সীমানার সাথে মিলে যায়। এর আগে এখানে একই নামের একটি বাজারভিত্তিক ছোট শহর ছিল, যেখানে কাওলুন-ক্যান্টন রেলপথের শেষ স্টেশনটি অবস্থিত ছিল। ১৯৭৯ সালে শেনচেনকে সরকারীভাবে একটি নগরীর মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯৮০ সালে শেনচেনে চীনের সর্বপ্রথম বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়। শেনচেনের ২০১৭ সালের প্রাক্কলিত জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ। তবে শেনচেন পৌরসভা দলের সমিতির মতে শহরটিতে বিপুল সংখ্যক ভাসমান অনিবন্ধিত অভিবাসী লোক বাস করে, তাই শেনচেনের প্রকৃত জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি। ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকে শেনচেন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল নগরীগুলির একটি ছিল। পর্যটন নির্দেশিকা “লোনলি প্ল্যানেট” শহরটিকে ২০১৯ সালের পরিদর্শনযোগ্য ১০টি সেরা শহরের মধ্যে ২য় স্থান দান করেছে। ১৯৭৯ সালে চীনের অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্মোচন নীতি অবলম্বনের পর থেকে শেনচেনে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং নগরীর অর্থনীতিতে গতিসঞ্চার হয়। বর্তমানে শহরটি সারা বিশ্বের মধ্য অন্যতম প্রধান প্রযুক্তিকেন্দ্র। অনেক গণমাধ্যমে এটিকে ভবিষ্যতের সিলিকন উপত্যকা নাম দেওয়া হয়েছে। শেনচেন শহরে একটি শেয়ার বাজার আছে। এখানে অনেকগুলি বহুজাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, যাদের মধ্যে জেএক্সডি, হাইটেরা, সিআইএমসি, এসএফ এক্সপ্রেস, শেনচেন এয়ারলাইনস, নেপস্টার, হাসি, ফিং আন ব্যাংক, টেনসেন্ট, জেডটিই , হুয়াওয়েই ও বিওয়াইডি উল্লেখযোগ্য। বিশ্ব অর্থনৈতিক কেন্দ্র সূচকে ২০১৮ সালে শেনচেনের স্থান ছিল ১২তম। শেনচেন বন্দরটি বিশ্বের ব্যস্ততম বাক্স বা কন্টেইনার বন্দরগুলির মধ্যে একটি। টীকা তথ্যসূত্র চীনের শহর শেনচেন চীনের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
18713
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6
লগার প্রদেশ
লগার প্রদেশ (পশতু/) আফগানিস্তানের ৩৪ টি প্রদেশের মধ্যে একটি, যেটি দেশের পূর্ব অঞ্চলে অবস্থান করছে। বিভাগটি সাত জেলা নিয়ে গঠন করা হয়েছে এবং প্রায় একশোর উপরে গ্রাম রয়েছে। পোল-ই আলম হচ্ছে প্রদেশটির রাজধানী শহর। ২০১৩ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী জেলাটির জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩৭৩,১০০ জন এর মত। এটি একটি বহুজাতিক উপজাতীয় সম্প্রদায় বসবাসকারি প্রদেশ হিসেবে বলা যায়, যেখানে প্রায় ৬০% পশতুন এবং বাকি তাজিক ও হাজারা সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ লগার জেলা ولایت لوگر আফগানিস্তানের প্রদেশ লগার প্রদেশ
515197
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%20%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0
রাজারাম মন্দির
রাজারাম মন্দির মাদারীপুর জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন মন্দির ও সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। এটি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি খালিয়া জমিদার বংশধরদের তৈরি করা একটি মন্দির। ইতিহাস কালীসাধক রাজারাম রায় চৌধুরী নামক তৎকালীন খালিয়া জমিদার বংশ ১৭শ শতকে রাজারাম মন্দিরটি এ অঞ্চলে নির্মণ করেন। মন্দিরটি নির্মাণে জমিদার প্রচুর অর্থ খরচ করলেও এটি নির্মাণের সঠিক তারিখ জানা যায় না। তবে অনেকেই মনে করেন এটি ১৮২৫ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল। জমিদার রাজারামের নামানুসারেই এর নাম রাখা হয় ‘রাজারাম মন্দির’। অবকাঠামো চার চালা ঘরের অদলে মন্দিরটি তৈরি কারা পুরো মন্দিরটি গ্রাম্য রীতিতে ২৩ শতাংশ জমি নিয়ে নির্মিত। মন্দিরটিতে মোট ৯টি কক্ষসহ একটি রান্নাঘর রয়েছে যার মধ্যে নিচের তলায় তিনটি ও উপরের তলায় ৬টি কক্ষ। এছাড়াও পূজা অর্চনার জন্য রয়েছে আলাদা স্থান। রাজারাম মন্দিরের উচ্চতা ৪৭ ফুট এবং এর দৈর্ঘ্য বিশ ফুট ও প্রস্থ ষোল ফুট। দ্বিতল এ মন্দিরটির প্রতিটি দেয়াল বিভিন্ন রকম দেবদেবী, রামায়ণ ও মহাভারতের নকশা দ্বারা ফুটিয়ে তুলা হয়েছে।এই মন্দিরের নিচতলার প্রায় অনেকটাই এখন মাটির নিচে নেমে গিয়েছে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন রয়েছে। চিত্রশালা. আরও দেখুন বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ মাদারীপুর জেলার দর্শনীয় স্থান মাদারীপুর জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা মাদারীপুর জেলার হিন্দু মন্দির ১৭শ শতাব্দীর হিন্দু মন্দির
514546
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AE%20%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%20%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0
সিকিম লোকসভা কেন্দ্র
সিক্কিম লোকসভা কেন্দ্র() হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতর সিকিম রাজ্যর একমাত্র লোকসভা কেন্দ্র। এই সমষ্টিটিতে সমগ্র সিকিমটি নেওয়া হয়েছে। এই লোকসভা সমষ্টিটি ১৯৭৭ সালে সৃষ্টি করা হয়ছিল। লোকসভার সাংসদসকল বিধানসভা কেন্দ্রসমূহ সিকিম লোকসভা সমষ্টিকে ৩১ টি বিধানসভা সমষ্টিতে ভাগ করা হয়েছে। সেই বিধানসভা সমষ্টিসমূহর নাম জেলা অনুসারে তলায় উল্লখ করা হ’ল: সালঘারি - জুম (Salghari-Zoom) বিধানসভা সমষ্টিটি আংশিকভাবে পশ্চিম সিকিম ও দক্ষিণ সিকিম জেলার অন্তর্গত। টুমেন - লিংগি (Tumen-Lingi) বিধানসভা সমষ্টিটি আংশিকভাবে দক্ষিণ সিকিম ও পূর্ব সিকিম জেলার অন্তর্গত। পশ্চিম সিকিম জেলা পশ্চিম সিকিম জেলার অন্তর্গত বিধান সভা সমষ্টিসমূহের নাম হল: Yoksam-Tashiding Yangthang Maneybung-Dentam Gyalshing-Barnyak Rinchenpong Daramdin Soreong-Chakung দক্ষিণ সিকিম জেলা দক্ষিণ সিকিম জেলার অন্তর্গত বিধান সভা সমষ্টিসমূহের নাম হল: Barfung Poklok-Kamrang Namchi-Singhithang Melli Namthang-Rateypani Temi-Namphing Rangang-Yangang পূর্ব সিকিম জেলা পূর্ব সিকিম জেলার অন্তর্গত বিধান সভা সমষ্টিসমূহের নাম হল: Khamdong-Singtam West Pendam Rhenock Chujachen Gnathang-Machong Namcheybung Shyari Martam-Rumtek Upper Tadong Arithang Gangtok Upper Burtuk উত্তর সিকিম জেলা উত্তর সিকিম জেলার অন্তর্গত বিধান সভা সমষ্টিসমূহের নাম হল: Kabi Lungchuk Djongu Lachen Mangan সংরক্ষিত আসন ভূটীয়া-লেপচা মূলের প্রার্থীর জন্য সংরক্ষিত বিধানসভা সমষ্টিসমূহ Yoksam-Tashiding Rinchenpong Daramdin Barfung Tumen-Lingi Gnathang-Machong Shyari, Martam-Rumtek Gangtok Kabi Lungchuk Djongu Lachen Mangan অনুসূচিত জাতির জন্য সংরক্ষিত বিধানসভা সমষ্টিসমূহ Salghari-Zoom West Pendam আরও দেখুন লোকসভা কেন্দ্রসমূহের তালিকা তথ্যসূত্র লোকসভা কেন্দ্র সিকিম সিকিমের রাজনীতি সিকিমে নির্বাচন
873220
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
চরফরাদি ইউনিয়ন
চরফরাদি ইউনিয়ন বাংলদেশের ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন। অবস্থান ও সীমানা ইতিহাস প্রশাসনিক এলাকা আয়তন ও জনসংখ্যা শিক্ষা শিক্ষার হার : শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দর্শনীয় স্থান উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব জনপ্রতিনিধি বর্তমান চেয়ারম্যান- আরও দেখুন ঢাকা বিভাগ কিশোরগঞ্জ জেলা তথ্যসূত্র পাকুন্দিয়া উপজেলার ইউনিয়ন
576896
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%20%E0%A6%8F%E0%A6%AE%20%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0
গেরহার্ড এম সেসলার
গেরহার্ড এম সেসলার একজন জার্মান উদ্ভাবক এবং বিজ্ঞানী। তিনি জেমস এডওয়ার্ড ওয়েস্টের সাথে ফয়েল ইলেক্ট্রিক মাইক্রোফোন উদ্ভাবন করেন। সেসলার গ্যটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বেল ল্যাবসে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত টেখনিশে উনিভের্সিটেট ডার্মষ্টাট এ তড়িৎ প্রকৌশলের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার ১০০টির অধিক আন্তর্জাতিক প্যাটেন্ট রয়েছে, যার মধ্যে ১৮টি মার্কিন প্যাটেন্ট। তার ৩০০টির অধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা পত্র রয়েছে। তিনি ২০১০ সালে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন মেডেল এবং ২০১২ সালে আইইইই/আরএসই ওলফন জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তথ্যসূত্র জার্মান বিজ্ঞানী ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্সের সভ্য ১৯৩১-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটির সভ্য
1018454
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9-%E0%A7%A8%E0%A7%A7
ময়মনসিংহ-২১
ময়মনসিংহ-২১ আসন ছিল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত জাতীয় সংসদের আসন ছিল। সীমানা ইতিহাস ময়মনসিংহ-২১ আসনটি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় গঠিত হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে আসনটি বিলুপ্ত হয়। নির্বাচিত সাংসদ নির্বাচন তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ সেফোস "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" ময়মনসিংহ জেলার জাতীয় সংসদীয় বিলুপ্ত আসন ১৯৭৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ১৯৮৪-এ বিলুপ্ত
1390772
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%BE
কুৎসা
কুৎসা ঋগ্বেদের একজন বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। ঋগ্বেদ ঋগ্বেদে কুৎসাকে এক বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, যিনি ইন্দ্রের রাক্ষস শুষ্ণকে পরাজিত করে সূর্যকে জয় করে ফিরিয়ে আনার সঙ্গে জড়িত। তিনি, অতিথিগভা এবং আয়ুর সাথে, ইন্দ্রের কাছেও পরাজিত হয়েছিলেন বলে জানা যায়, এর জন্য এক পর্যায়ে তুর্ভায়ণকে দায়ী করা হয়েছিল। অন্যান্য অর্থে কুৎসা এবং অতথিগভা ইন্দ্রের বন্ধু বলে পরিচিত। হিলেব্র্যান্ডের মতে, ইন্দ্রের সাথে কুৎসার বন্ধুত্বপূর্ণ বা প্রতিকূল সম্পর্কের দুটি দৃষ্টিভঙ্গি এই ধারণার দ্বারা সমাধান করা যেতে পারে যে ঋগ্বেদ দুটি পৃথক কুৎসাকে নির্দেশ করে। ঋগ্বেদের এক পর্যায়ে কুৎসা স্মাদিভা, তুগরা এবং ভেটাসুদের পরাজিত করার কথা বলেছেন। কুৎসাকে অর্জুনের বংশধর বলা হয়। তথ্যসূত্র গোত্র হিন্দু ঋষি
946237
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B2
সিফেয়ারার্স মেমোরিয়াল
সিফেয়ারার্স মেমোরিয়াল বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি প্রাঙ্গণে অবস্থিত একটি স্থাপনা। সমুদ্রে প্রাণ হারানো বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি ক্যাডেটদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়। ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক মেরিটাইম সংস্থার মহাপরিচালক এফথাইমিওস ই মিট্রোপুলোস ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন। তথ্যসূত্র চট্টগ্রামের ভবন ও স্থাপনা বাংলাদেশের স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মারক
679600
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%20%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0
ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র
ভাটপাড়া (বিধানসভা কেন্দ্র) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। এলাকা ভারতের সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশনের নির্দেশিকা অনুসারে, ১০৫ নং ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি ১ থেকে ১৭ নং ওয়ার্ড গুলি ভাটপাড়া পৌরসভা এর অন্তর্গত। ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি ১৫ নং ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র এর অন্তর্গত। বিধানসভার বিধায়ক নির্বাচনী ফলাফল ২০১১ ২০১১ সালের নির্বাচনে, তৃণমূল কংগ্রেসের অর্জুন সিং তার নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআই (এম) -এর নেপালদেব ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। ১৯৭৭-২০০৬ ২০০৬ এবং ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে,তৃণমূল কংগ্রেসের অর্জুন সিং ভাটপাড়া আসন থেকে জয়ী হন ২০০৬ সালে সিপিআই (এম) -এর হরিমোহন নাথকে পরাজিত করেন এবং ২০০১ সালে সিপিআই (এম) -এর রামপ্রসাদ কুন্ডুকে পরাজিত করেন। অধিকাংশ বছরে প্রতিযোগিতাগুলিতে প্রার্থীদের বিভিন্ন ধরনের কোণঠাসা করে ছিল কিন্তু শুধুমাত্র বিজয়ী ও রানার্সকে উল্লেখ করা হচ্ছে। সিপিআই (এম) -এর বিদ্যুৎ গাঙ্গুলি ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের ধর্মপাল গুপ্তকে পরাজিত করেন ১৯৯১ সালে কংগ্রেসের কেদার সিংকে পরাজিত করেন। কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিং ১৯৮৭ সালে সিপিআই (এম) -এর শিবপ্রসাদ ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। সিপিআই (এম) সিতারাম গুপ্ত ১৯৮২ সালে কংগ্রেসের দেবী ঘোষালকে পরাজিত এবং ১৯৭৭ সালে কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিংকে পরাজিত করেন। ১৯৫১-১৯৭২ কংগ্রেসের সত্যনারায়ণ সিং ১৯৭২ এবং ১৯৭১ সালে জয়ী হন। সিপিআই (এম) -এর সিতারাম গুপ্ত ১৯৬৯ সালে জয়ী হন। কংগ্রেসের দয়ারাম বেড়ি ১৯৬৭ এবং ১৯৬২ সালে জয়ী হন। সিপিআই এর সিতারাম গুপ্ত ১৯৫৭ সালে জয়ী হন। স্বাধীন ভারতের প্রথম নির্বাচন ১৯৫১ সালে, কংগ্রেসের দয়ারাম বেড়ি ভাটপাড়া কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। তথ্যসূত্র পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা কেন্দ্র উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার রাজনীতি
439412
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2
অগ্নিমিত্রা পাল
অগ্নিমিত্রা পাল একজন ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার ও রাজনীতিবিদ। তিনি ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও পরে রাজনীতিতে আসেন ও আসানসোল দক্ষিণ আসন থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি বিজেপি মহিলা মোর্চার পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রারম্ভিক জীবন অগ্নিমিত্রা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আসানসোলে এক ডাক্তার ও শিক্ষাবিদের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আসানসোলের লরেটো কনভেন্টে পড়াশোনা করেন ,পরে তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতকোত্তর এবং বিড়লা ইনস্টিটিউটের লিবারেল আর্টস ও ম্যানেজমেন্ট বিজ্ঞানের ফ্যাশন স্কুল থেকে ডিপ্লোমা করেন। কর্মজীবন অগ্নিমিত্রা তার কর্মজীবন ২০০১-০২ সালে শুরু করেন।তিনি শ্রীদেবীর ব্যক্তিগত পোশাক ডিজাইন করেন। পরে তিনি কোই মেরে দিল সে পুছে চলচ্চিত্রের পরিধানসমূহ নকশা করার প্রথমবার সুযোগ পান,যেখানে তিনি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এশা দেওলের কিছু পোশাক নকশা করেন। তিনি ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতার জন্য শোনাল রাওয়াতের বাহারি পোশাক নকশা করেন। তিনি বলিউড চলচ্চিত্র ভায়া দার্জিলিঙ্গে, কে কে মেনন,সোনালি কুলকার্নি , পারভিন দাবাস এবং বিনয় পাঠকের জন্য পোশাক নকশা করেন।তিনি মিঠুন চক্রবর্তী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, জিৎ, কোয়েল মল্লিক, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, মৌ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ অভিনেতা/অভিনেত্রীদের জন্য ১০টির ও বেশি টলিউড চলচ্চিত্রে পোশাক নকশা করেন। অগ্নিমিত্রা মে,২০১২ সালে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনকে তার কলকাতা সফরকালীন একটি সবুজ এবং হালকা বাদামি কাঁথার স্টোল উপহার দেন। তিনি নিজে হাতে উপহার না দিতে পারলেও,পরবর্তীকালে প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি, আমেরিকান সেন্টারের পরিচালক জেফ্রি কে রেনেউয়ের মাধ্যমে পাঠানো একটি চিঠিতে উপহার প্রাপ্তি স্বীকার করেন। চিঠিটি এইপ্রকার: "প্রিয় শ্রীমতী পল, সুন্দর শাল ও চাদরের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, যেগুলি আপনি, কলকাতায় আমার সফরের সময়,আমাকে দিয়েছেন। আমি আপনার ভাবুকতার প্রশংসা করি, এবং আপনার ফ্যাশন ডিজাইন কোম্পানির অব্যাহত সাফল্যের জন্য, আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।" সম্প্রতি অগ্নিমিত্রা পাল দক্ষিণবঙ্গের সুন্দরবনের গ্রামের মহিলাদের ফ্যাশন প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে আগ্রহী হয়ে ,তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন। তার আই এন জি এ নামে নিজস্ব একটি ফ্যাশন লেবেল আছে এবং ভারত জুড়ে প্রধান শহরগুলোতে রিটেল স্টোর আছে। সম্প্রতি তিনি ছায়াছবি নকশালের জন্য পোশাক বানান। ব্যক্তিগত জীবন অগ্নিমিত্রা একজন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী পার্থ পালের সঙ্গে বিবাহ সুত্রে আবদ্ধ। অগ্নিমিত্রা প্রথম জীবনে একজন ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা বাস্তবে হয়ে ওঠে নি।তাদের একটি ছেলে আছে, নাম বিঘ্নেশ। রাজনৈতিক জীবন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়ে তিনি ৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে আসানসোল দক্ষিণ আসনে জিতেছেন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ওয়েবসাইট জীবিত ব্যক্তি আসানসোলের ব্যক্তি ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী ব্যবসায়ী ভারতীয় নারী বেশভূষাশৈলী নকশাবিদ ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় রাজনীতিবিদ পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ বাঙালি ব্যক্তি ১৯৭৩-এ জন্ম যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ভারতীয় পোশাক পরিকল্পনাকারী ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় নারী শিল্পী ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় ব্যবসায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ২০২১-২০২৬
396492
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%20%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6
ফয়সাল মসজিদ
ফয়সাল মসজিদ () পাকিস্তানের বৃহত্তম মসজিদ, যা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত। মসজিদটি ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তুর্কি স্থপতি ভেদাত ডালোকে এর ডিজাইন করেন। মসজিদটি দেখতে অনেকটা মরুভূমির বেদুঈনদের তাঁবুর মতো। সারা পৃথিবীতে এটি ইসলামাবাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সৌদি বাদশাহ ফাইসাল বিন আব্দুল আজিজ এই মসজিদ নির্মাণে সমর্থন এবং অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। তাই এই মসজিদটি শাহ্‌ ফয়সালের নামে নামকরণ করা হয়। এই মসজিদটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মসজিদ। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত মসজিদটি পৃথিবীর বৃহত্তম মসজিদ ছিলো। পরবর্তীতে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় হাসান ২ মসজিদ নির্মাণ হলে ফাইসাল মসজিদ তার অবস্থান হারায়। গ্যালারী তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ শাহ ফয়সাল মসজিদ: গুগল ত্রিমাত্রিক ওয়্যারহাউস পাকিস্তানের জাতীয় প্রতীক ইসলামাবাদের মসজিদ ১৯৮৬-এ পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত ২০শ শতাব্দীর মসজিদ ১৯৮৬-এ সম্পন্ন মসজিদ
454645
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%B8%E0%A7%8D%20%E0%A6%85%E0%A6%AC%20%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%20%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%20%28%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8%29
টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি (ম্যাগাজিন)
টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি ছিল একটি মাসিক ম্যাগাজিন যার ১৯২৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত কেবল পাঁচটি সংখ্যাই প্রকাশিত হয়েছিল। ওয়ালটার গিবসন সম্পাদিত এই ম্যাগাজিনে থাকত নানা ধরনের কল্পকাহিনী ও নিবন্ধের মিশ্রণ। প্রধানত এইচ. পি. লাভক্র্যাফ্টের একটি গল্প প্রকাশিত হওয়ায় এই ম্যাগাজিনটিকে আজও স্মরণ করা হয়। প্রকাশনার ইতিহাস ইন্টারন্যাশনাল করেসপন্ডেন্স স্কুলস্ (আইসিএস) এর মালিকানাধীন পার্সোনাল আর্টস কর্তৃক টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি প্রকাশিত হত। ১৯২৭ সালে আইসিএস "বয়সের রহস্য" (সিক্রেটস অব দ্য এইজেস) নামক একটি লেখার মধ্য দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বিল কোফোড এবং ওয়ালটার গিবসন তখন একটি ম্যাগাজিন করার পরামর্শ দেন যা ঐ একই জনগোষ্ঠীর কাছে তাৎপর্যপূর্ণ হবে। আইসিএস-এরই মালিকানাধীন হ্যাডন প্রেসের ব্যবসায়িক দিক চিন্তা করে এই প্রকল্পের কাজে এগিয়ে আসে। কোফোড হ্যাডন প্রেসের প্রকাশনার দিকগুলো নিয়ে সন্তুষ্ট হয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় ঐ বছরেরই ডিসেম্বরে গিবসনকে সম্পাদক করে ম্যাগাজিনটির প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এর অবদানকারীদের মধ্যে এইচ. পি. লাভক্র্যাফ্ট, ফ্র্যাঙ্ক ওয়েন, মিরিয়াম এলেন ডিফোর্ড অন্যতম। লাভক্র্যাফট এই ম্যাগাজিনে "কুল এয়ার" নামের একটি গল্প লিখেছিলেন। ফ্র্যাঙ্ক ওয়েন লিখেছিলেন তিনটি গল্প- দ্য ইয়েলো পুল, দ্য ব্ল্যাক ওয়েল অব ওয়াদি এবং দ্য লুর অব দ্যা শ্রিভেলড্ হ্যান্ড। ডিফোর্ড লিখেছিলেন গোস্টলি হ্যান্ডস নামক একটি গল্প, তবে পরবর্তীতে শোনা যায় যে এই গল্পটি কোনো প্রকার অনুমতি বা সম্মানি প্রদান ছাড়াই ছাপা হয়েছিল। গিবসন পরবর্তীকালে বলেন যে, কোফোড "ব্রিফ স্টোরিস"-এর জন্য প্রেরিত লেখাগুলোকে নির্বাচন ও সম্পাদনা করতেন। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর ঐতিহাসিকবিদ মাইক অ্যাশলি বলেন যে লেখাগুলো কোথা থেকে আসছে সে সম্পর্কে গিবসন সম্পূর্ণ ওয়াকেবহাল ছিলেন না, এবং সম্ভবত এই ম্যাগাজিনে প্রকাশিত কিছু লেখা, লেখকদের কোনোপ্রকার সম্মানি প্রদান ছাড়াই বিনা অনুমতিতে ছেপে দেয়া হয়েছিল। এই ম্যাগাজিনটির হাতেগোণা কিছু সংখ্যা বর্তমানে পাওয়া যেতে পারে, যা বর্তমানে সংগ্রাহকদের সামগ্রী হয়ে গেছে। এর প্রধান কারণ এই ম্যাগাজিনের সাথে এইচ. পি. লাভক্র্যাফ্টের সম্বন্ধ। লাভক্র্যাফ্টের অধিকাংশ ছোট আকারের কল্পকাহিনী গুলো ওয়ার্ড টেলস্-এ প্রকাশিত হয়েছিল এবং সম্ভবত টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি-এ লেখা পাঠাবার অন্যতম কারণ ছিল হ্যারি হোউদিনি সম্পর্কে তার আগ্রহ। তিনি এর কয়েক বছর আগে হোউদিনি এবং গিবসন ছিলি হোউদিনির একজন বন্ধু। কল্পকাহিনী ছাড়াও এই ম্যাগাজিনে জাদুবিষয়ক বেশকিছু নিবন্ধ ছাপা হয়েছিল। এর অধিকাংশই ছিল গিবসনের লেখা, যার অনেকগুলিই ছদ্মনামে ছাপা হত। এই নিবন্ধগুলোর বিষয়বস্তুর মধ্যে একটি ছিল বুলেট ধরে ফেলা (আর্লি কে. বার্গি এর প্রচ্ছদ করেন) বিষয়ক, অপর একটি ছিল রহস্যময় মানুষ সম্পর্কে। তিনি হোউদিনি সম্পর্কেও একটি ধারাবাহিক লেখেন। সব মিলিয়ে বলা যেতে পারে যে ম্যাগাজিনটি জাদুবিষয়ক লেখার উপরে কল্পকাহিনীের চেয়ে বেশি নির্ভর করত, তবে প্রকাশিত লেখাগুলোর অধিকাংশই পাঠযোগ্য ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগ পর্যন্ত অদ্ভুত এবং অতিপ্রাকৃত ধাঁচের লেখাগুলো ওয়ার্ড টেলস্-এ অধিক ছাপা হয়েছিল। মাত্র ২টি ম্যাগাজিন ১৯৩১ সালের আগ পর্যন্ত ওয়ের্ড টেলস্-এর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পেরেছিল - একটি টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি, এবং অপরটি গোস্ট স্টোরিস। এর পরেই স্ট্রেন্স টেলস্ অব মিস্ট্রি অ্যান্ড টেরর ম্যাগাজিনটি প্রকাশ শুরু হয়। পঞ্চম সংখ্যা প্রকাশের পরেই ম্যাগাজিন প্রকাশের বিশাল ব্যয়ের কারণ হিসেবে মনে হতে থাকে যে হ্যাডন প্রেস সম্ভবত মোট ব্যয় হিসাবকালীন কাগজের ব্যয়ের কথা ভুলে গিয়েছিল। এর ফলে ম্যাগাজিনটি ক্ষতির সম্মুখীন হয়, এবং এর পরপরেই ম্যাগাজিনটিকে বন্ধ করে দেয়া হয়। বন্ধ করে দেবার পর ম্যাগাজিনটির অপ্রকাশিত লেখাগুলোর পাণ্ডুলিপি পরবর্তীতে ট্রু স্ট্রেঞ্জ স্টোরিজ-এ প্রকাশিত হয়। ট্রু স্ট্রেঞ্জ স্টোরিজ ম্যাগাজিনটিরও সম্পাদক ছিলেন গিবসন এবং এটির সম্পাদনাকার্যে তিনি ঐ বছরেই নিযুক্ত হন। গ্রন্থাবলীর বিবরণ টেলস্ অব ম্যাজিক অ্যান্ড মিস্ট্রি''র ৫টি সংখ্যার প্রতিটিতেই ওয়াল্টার বি. গিবসন সম্পাদক ছিলেন। শুরু থেকেই ম্যাগাজিনটি স্যাডল-স্ট্যাপল পাল্প ধাঁচে প্রকাশিত হয়েছিল। এর মূল্য ছিল ২৫ সেন্ট, এবং প্রতিটি সংখ্যার পৃষ্ঠাসংখ্যা ছিল ৬৪। ২০০৪ সালে ওয়াইল্ডসাইড প্রেস ফেব্রুয়ারি, ১৯২৮ সংখ্যার একটি হ্স্তলিখিত সংস্করণ প্রকাশ করে, এবং ২০১৩ সালে অ্যাডভেঞ্চার হাউস মার্চ, ১৯২৮ সালের সংখ্যাটির হস্তলিখিত সংস্করণ বের করে। পাদটীকা তথ্যসূত্র ১৯২৭-এ প্রতিষ্ঠিত ম্যাগাজিন ১৯২৮-এ বন্ধ হওয়া ম্যাগাজিন ১৯২০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ম্যাগাজিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিলুপ্ত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ম্যাগাজিন পাল্প ম্যাগাজিন অলীক কল্পকাহিনী সাময়িকী
1173622
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80
সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী
সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী বাংলাদেশের সাবেক অর্থ সচিব এবং সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির চেয়ারপারসন। তিনি অগ্রণী ব্যাংক, সাধারন বীমা কর্পোরেশন এবং সোনালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি এমআইডিএএস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডের স্বাধীন পরিচালক। জীবনের প্রথমার্ধ চৌধুরী ১৯৪৯ সালে পাকিস্তানের পূর্ব পাকিস্তানের সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তিনি কানেকটিকাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিপ্লোমাও করেছেন। কর্মজীবন ১৯৭৭ সালে, চৌধুরী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অ্যাডমিন শাখায় যোগদান করেন। চৌধুরী ২০০৬ সালে অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের অধীনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ছিলেন। সে বছর তিনি অর্থ সচিব হন। ২০০৬ সালের জুলাইয়ে, তিনি মিডিয়াকে বলেছিলেন যে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অনুরোধকৃত তহবিল ছাড়ার আগে জিনিসগুলি যাচাই করতে কিছুটা সময় লাগবে। ২০০৭ সালে, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসাবে, চৌধুরী ব্যাংকটিকে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত করার পদক্ষেপ নেন। ১৯ মার্চ ২০১৪-এ, চৌধুরী MIDAS ফাইন্যান্সিং লিমিটেডের একজন স্বাধীন পরিচালক হন। তিনি ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের একজন স্বাধীন পরিচালক। তিনি ম্যাক্সওয়েল স্ট্যাম্পের SPFMSP প্রকল্পের দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের সম্মানে আয়োজিত একটি স্মরণসভায় অংশগ্রহণ করেন। চৌধুরী ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে দুই বছরের মেয়াদে সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির চেয়ারম্যান হন।চৌধুরী ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯-এ সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানির চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হন। চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ১৪ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেন। তথ্যসূত্র জীবিত ব্যক্তি বাংলাদেশী সরকারি চাকরিজীবী ১৯৪৯-এ জন্ম সিলেট জেলার ব্যক্তি বাংলাদেশী ব্যাংকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
1019078
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A7%A8%E0%A7%A9
ঢাকা-২৩
ঢাকা-২৩ আসন ছিল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ঢাকা জেলায় অবস্থিত জাতীয় সংসদের আসন ছিল। সীমানা ইতিহাস ঢাকা-২৩ আসনটি ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় গঠিত হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে আসনটি বিলুপ্ত হয়। নির্বাচিত সাংসদ নির্বাচন তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ সেফোস "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ" ঢাকা জেলার জাতীয় সংসদীয় বিলুপ্ত আসন ১৯৭৩-এ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ১৯৮৪-এ বিলুপ্ত
13197
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0
আধিয়ার
আধিয়ার হচ্ছে সাইদুল আনাম টুটুল পরিচালিত ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি চলচ্চিত্র। আধিয়ার চলচ্চিত্রটি ১৯৪০-এর দশকের তেভাগা আন্দোলনের পটভূমিকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার লাভ করে। আধিয়ার অর্থ হচ্ছে বর্গাদার। যিনি বা যারা একটি নির্দিষ্ট শর্তে অন্যের মালিকানার জমিতে হাল চাষ করে উৎপন্ন ফসলের অংশ শর্ত মোতাবেক জমির মালিককে প্রদান করে, তাকে আধিয়ার বা বর্গাদার বলা হয়। আধিয়ার জমি চাষাবাদ করলেও প্রকৃতপক্ষে জমির দখল মালিকের দখল বলে গণ্য হয়। আধিয়ারদের জীবন নিয়েই তৈরি হয়েছে আধিয়ার চলচ্চিত্রটি। এতে আধিয়ারদের জীবন সংগ্রাম এবং তাদের উপর স্থানীয় জোতদার ও জমিদারদের বিভিন্ন অন্যায় অত্যাচার, অবিচার ইত্যাদি ফুটে উঠেছে। তেভাগা আন্দোলন, এর সূত্রপাত এবং এর পরিণতি নিয়েই আধিয়ার চলচ্চিত্রটি সাজানো হয়। আধিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, মামুনুর রশীদ, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন লিটু আনাম। এছাড়া স্থানীয় জোতদার চরিত্রে এটিএম শামসুজ্জামান এবং জমিদার আর তার রক্ষিতা চরিত্রে পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চম্পা অভিনয় করেন। তথ্যসূত্র বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ২০০৩-এর চলচ্চিত্র ২০০০-এর দশকের বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র বাংলা ভাষার বাংলাদেশী চলচ্চিত্র আলাউদ্দিন আলী সুরারোপিত চলচ্চিত্র সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার বিজয়ী
1344385
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C%E0%A6%BE%20%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%AD%E0%A6%BE
লাইজা আরজামাসোভা
এলিজাভেটা নিকোলাভনা আরজামাসোভা ( Арзама́сова, বা কম আনুষ্ঠানিকভাবে ; জন্ম ১৭ মার্চ, ১৯৯৫) একজন নাট্যশালার রুশ অভিনেত্রী, যিনি টিভি-অনুষ্ঠান অ্যাঙ্করওম্যান নামেও পরিচিত। জীবনী লাইজা আরজামাসোভা মস্কোতে জন্মগ্রহণ করেন। চার বছরে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। লাইজা মিউজিক্যাল "অ্যানি" (পরিচালক-নিনা চুসোভা) এর প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। ২০০৪ সালে, মস্কোর নবম থিয়েটার উত্সবে তরুণী অভিনেত্রী এই ভূমিকার জন্য দর্শকদের পুরষ্কারে ভূষিত হন। একই সময়ে লাইজা রাশিয়ান একাডেমি অফ থিয়েটার আর্টস - জিআইটিআইএস-এর মিউজিক স্টুডিওতে নিযুক্ত ছিলেন। তারপরে লাইজার মা, ইউলিয়া আরজামাসোভা, একটি সাইটে লিজার চিত্র শেয়ার করেছিলেন। এরপর তিনি মস্কো ভ্যারাইটি থিয়েটার থেকে অডিশনের জন্য আমন্ত্রণ পান। ২০০৪ সালে, ৯ম থিয়েটার উত্সব "মস্কো ডেব্যু" এ তরুণী অভিনেত্রীকে তার ভূমিকার জন্য অডিয়েন্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডে পুরস্কৃত করা হয়েছিল। লিজা টিভি ধারাবাহিক ড্যাডিস ডটারস- এ অভিনয়ের পরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যেখানে তিনি একটি প্রধান ভূমিকা গালিনা ভাসনেটসোভা -এর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ৩০ জানুয়ারী, ২০১০-এ, ১৪ বছর বয়সে তিনি মস্কো সিএস স্ট্যানিস্লাভস্কি ড্রামা থিয়েটারের মঞ্চে রোমিও এবং জুলিয়েটে জুলিয়েটের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ১৯৯৫-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি রুশ টেলিভিশন উপস্থাপক রুশ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রুশ নারী টেলিভিশন উপস্থাপক ২১শ শতাব্দীর রুশ অভিনেত্রী রুশ কন্ঠাভিনেত্রী রুশ টেলিভিশন অভিনেত্রী রুশ মঞ্চ অভিনেত্রী রুশ শিশু অভিনেত্রী মস্কোর অভিনেত্রী
36918
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%87%20%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC
নাগাই চৌধরায়
নাগাই চৌধরায় () ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের মেহন্দ্রগড় জেলার একটি শহর। জনসংখ্যার উপাত্ত ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে নাগাই চৌধরায় শহরের জনসংখ্যা হল ৭৩৬৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৩% এবং নারী ৪৭%। এখানে সাক্ষরতার হার ৫৮%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৬৭% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৪৮%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে নাগাই চৌধরায় এর সাক্ষরতার হার কম। এই শহরের জনসংখ্যার ১৩% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী। তথ্যসূত্র হরিয়ানার শহর
650198
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9C%20%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%9A
আজিজ বেহিচ
আজিজ এরাল্টাই বেহিচ ( ; জন্ম: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯০) হলেন একজন অস্ট্রেলীয় পেশাদার ফুটবলার, যিনি সুপার লিগ ক্লাব বুরাস্পোর এবং অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে একজন রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। ব্যক্তিগত জীবন বেহিচ হচ্ছেন তুর্কি সাইপ্রোয়েট, তার বাবা অস্ট্রেলিয়া হয়ে সাইপ্রাসে অভিবাসিত হয়েছিলেন। এর জন্য, তুরস্ক এবং অস্ট্রেলিয়া উভয় দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি অস্ট্রেলিয়াকে বেছে নেন। সম্মাননা ক্লাব গ্রিন গালি ভিক্টোরিয়ান প্রিমিয়ার লিগ: ২০০৮ আন্তর্জাতিক অস্ট্রেলিয়া এএফসি এশিয়ান কাপ: ২০১৫ ব্যক্তিগত পিএফএ এ-লিগ মৌসুমের সেরা দল: ২০১১–১২ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ FFA Olyroos Profile Aziz Behich Official Website ১৯৯০-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি অস্ট্রেলীয় ফুটবলার তুর্কি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলীয় ব্যক্তিত্ব তুর্কি সাইপ্রোয়েট বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলীয় ব্যক্তিত্ব অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক ফুটবলার অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক যুব ফুটবলার এ-লিগের খেলোয়াড় ফুটবল মধ্যমাঠের খেলোয়াড় তুর্কি সাইপ্রোয়েটের ফুটবলার মেলবোর্ন ভিক্টরি এফসির খেলোয়াড় মেলবোর্ন সিটি এফসির খেলোয়াড় বুরসাস্পোরের খেলোয়াড় সুপার লিগের খেলোয়াড় হিউম সিটি এফসির খেলোয়াড় ২০১৫ এএফসি এশিয়ান কাপের খেলোয়াড় ২০১৭ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপের খেলোয়াড় মেলবোর্নের ফুটবলার এএফসি এশিয়ান কাপ বিজয়ী খেলোয়াড় ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপের খেলোয়াড় ইস্তাম্বুল বাশাকশেহির ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড় কায়সেরিস্পোরের খেলোয়াড় ২০১৯ এএফসি এশিয়ান কাপের খেলোয়াড় ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপের খেলোয়াড় পিএসভি আইন্দোভেনের খেলোয়াড় এরেডিভিজির খেলোয়াড় স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপের খেলোয়াড় অস্ট্রেলীয় প্রবাসী ফুটবলার নেদারল্যান্ডসে অস্ট্রেলীয় প্রবাসী ক্রীড়াবিদ তুরস্কে প্রবাসী ফুটবলার নেদারল্যান্ডসে প্রবাসী ফুটবলার
838793
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3%20%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন
দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন‌ নামে বাংলাদেশে মোট ২টি ইউনিয়ন রয়েছে। যথা: দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন, কালীগঞ্জ; (সাতক্ষীরা জেলা) দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন, তাহিরপুর; (সুনামগঞ্জ জেলা)
1159365
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%8E%20%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B6
রণজিৎ দাশ
রণজিৎ দাশ (জন্ম: ১৯৪৯ ) হলেন কবি শঙ্খ ঘোষ পরবর্তী সময়ে আশির দশকে বাংলার যে কয়জন আধুনিক কবি খ্যাতিলাভ করেন তাদের অন্যতম। সমসাময়িক বাংলা কবিতার ধারায় নাগরিক জীবনের নিজস্বতা ও নতুন কাব্যিক রীতি যোগ করেছেন। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার শ্রেষ্ঠ কবিতা কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে। জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন কবি রণজিৎ দাশের জন্ম ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে অসমের কাছাড় জেলার শিলচরে। তার পৈতৃক নিবাস ছিল অধুনা বাংলাদেশের ঢাকার বিক্রমপুরে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার পিতা উদ্বাস্তু হয়ে নিঃস্ব অবস্থায় ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতের অসমে চলে আসেন। তার ছয় সন্তানদের মধ্যে তিনি ছিলেন জ্যেষ্ঠ। তার বেড়ে ওঠা আর পড়াশোনা সবই শিলচরে। বিদ্যালয়ের পাঠ শিলচরের গভর্নমেন্ট স্কুলে। বিজ্ঞানে স্নাতক হন গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। শিলচরে থাকাকালীন তিনি স্কুলের ছাত্রবস্থাতেই কবিতা রচনা শুরু করেন। স্থানীয় 'অতন্দ্র' কাব্যান্দোলনের একজন কবি উদয়ন ঘোষ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে যোগ দেওয়ায় তার কবিতার প্রতি আরো আগ্রহ জন্মে। প্রথম কবিতা "ছন্নছাড়া" প্রকাশিত হয় এবং সত্তরের দশকের শেষের দিকে প্রথম কাব্যগ্রন্থ আমাদের লাজুক কবিতা দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পাশের পর সরকারী কর্মকর্তাপদে নিযুক্ত হলে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে শিলচর ছেড়ে স্থায়ীভাবে কলকাতা আসেন। সরকারী আমলার পদ হতে ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে স্বেচ্ছাবসর নেন এবং পুরোপুরিই সাহিত্যকর্মে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। সাহিত্যকর্মের পাশাপাশি চিত্রাঙ্কন, চলচ্চিত্র ও খেলাধূলাতেও তার বিশেষ আগ্রহ আছে। রণজিৎ দাশ গল্পের ছলে নগর জীবনের অমোঘ জিজ্ঞাসাগুলোকে সহজ বাক্যে এমন করে উপস্থাপন করেন যে, সহজ বাক্য ও শব্দের প্রয়োগে, ভাব ও বিষয় উচ্চ মার্গে উন্নীত হয়। এযাবৎ, তিনি বারোটি কাব্যগ্রন্থ, দুটি প্রবন্ধ সংকলন, একটি উপন্যাস রচনা করেছেন। ভারতীয় লেখকদের অন্যতম সদস্য হয়ে তিনি ২০১২ খ্রিস্টাব্দে ক্রোয়েশিয়া ভ্রমণ করেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কাব্যগ্রন্থ - আমাদর লাজুক কবিতা - দুর্গা প্রকাশনা, কলকাতা, (১৯৭৭) জিপসীদের তাঁবু, কলকাতা, (১৯৮৪) সময়, সবুজ ডাইনি - সময়, কলকাতা, ১৯৮৭ বন্দরের কথ্যভাষা কলকাতা, (১৯৯৩) ঈশ্বরের চোখ - আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা, (১৯৯৯) সন্ধ্যার পাগল - সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০০৪) সমুদ্র সংলাপ - আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা, (২০০৭) শহরে নিস্তব্ধ মেঘ - আনন্দ পাবলিশার্স, কলকাতা, (১৯৯৯) রণজিৎ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা - দে'জ পাবলিশিং, কলকাতা (২০১৩) ধানখেতে বৃষ্টির কবিতা - সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০১৩) অসমাপ্ত আলিঙ্গন - সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০১৬) বিষাদসিন্ধুর কিছু লেখা - সিগনেট প্রেস, কলকাতা (২০১৮) উপন্যাস - বিয়োগপর্ব- প্রতিভাস প্রকাশনী, কলকাতা, সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (১৯৯৭) প্রবন্ধ সাহিত্য- “খোঁপার ফুল বিষয়ক প্রবন্ধ” - সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০০৬) কবিতার দ্বিমেরুবিশ্ব, সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০১১) সম্পাদনা- বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (বাংলাদেশের নির্বাচিত কবিতা) বাংলাদেশের কবি সাজ্জাদ শরিফ এর সঙ্গে যৌথভাবে, সপ্তর্ষি প্রকাশন, কলকাতা, (২০০৯) রণজিৎ দাসের কবিতার সংকলন ইংরেজি অনুবাদ এ সামার নাইটমেয়ার অ্যান্ড আদার পোয়েমস - অনুবাদক- নির্মল কান্তি ভট্টাচার্য, - রূপা অ্যান্ড কো, নিউ দিল্লি, (২০১১) সম্মাননা ও পুরস্কার কবি রণজিৎ দাশ ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথম কাব্যগ্রন্থের জন্য কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্মরণ কমিটি কর্তৃক বীরেন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এরপর ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে রণজিৎ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা কাব্যগ্রন্থের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। রমানাথ ভট্টাচার্য ফাউন্ডেশন লিটারারি অ্যাওয়ার্ড, তথ্যসূত্র ১৯৪৯-এ জন্ম কাছাড় জেলার ব্যক্তি বাঙালি কবি রবীন্দ্র পুরস্কার বিজয়ী বাঙালি লেখক শিলচরের ব্যক্তি
1084515
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0
আদার
আদার ( ; আক্কাদীয় আদারু থেকে) সাধারণ পঞ্জির ষষ্ঠ এবং ইহুদি ধর্মপঞ্জির দ্বাদশ ও শেষ মাস যা গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির ফেব্রুয়ারি-মার্চে পড়ে। এই মাসে ২৯ দিন বিদ্যমান। পুরিম সম্পর্কিত এই মাসে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাসমূহ উল্লেখ রয়েছে ইষ্টের পুস্তক নামক হিব্রু বাইবেলের নবম অধ্যায়ে। নাম হিব্রু বর্ষপঞ্জির অন্যান্য মাসের মতই এই মাসের নাম ব্যাবিলনীয় বন্দিদশার সময়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাবিলনীয় বর্ষপঞ্জিতে এই মাসের নাম ছিলো আরা আদ্দারু বা আদার ('আদারের মাস')। অধিবর্ষে এই মাস আরেকটি ত্রিশ দিন বিশিষ্ট অন্তর্বর্তী মাস দ্বারা পূর্ববর্তী হয় যার নাম আদার আলেফ (, আলেফ হিব্রু বর্ণমালার প্রথম অক্ষর), আদার আলেফ ছাড়াও একে "আদার রিসন" (প্রথম আদার) বা "আদার ১" নামে বলা হয়ে থাকে এবং অন্তর্বর্তী মাসটিকে বলা হয় আদার বেথ (, বেথ হিব্রু বর্ণমালার দ্বিতীয় অক্ষর)। আদার বেথ বলার পাশাপাশি এই মাসকে "আদার শেনি" (দ্বিতীয় আদার বা "আদার ২") নামে ডাকা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে এই দুটি মাসের জন্য আদার ১ এর স্থানে "আদার" ও আদার ২ এর জন্য "ভে'আদার" ব্যবহার করা হয়ে থাকে (ভে অর্থ 'এবং' অর্থ্যাৎ: এবং-আদার)। আদার ১ এর ২ দুটোই গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির ফেব্রুয়ারি-মার্চে পড়ে। ঐতিহ্য দ্বিতীয় মন্দির যুগে, আদার মাসের প্রথম দিবসে জনসাধারণের নিকট মন্দিরে অর্থ উৎসর্গের প্রস্তুতির নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার রীতি ছিলো যাকে অর্ধ-শেকেল বলা হতো। মিশনাহের একটি বাক্য অনুযায়ী নিয়ম রয়েছে পুরিম দিবস অধিবর্ষের "আদার ২" মাসে পালন করতে হবে। (মেগিলাহ ১:৪), আদার ১ কে "অতিরিক্ত" মাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলাফলস্বরূপ কেউ যদি সাধারণ বর্ষের আদার মাসে জন্মায় সে অধিবর্ষে তার জন্মদিন "আদার ২" মাসে পালন করবে। তবে কেউ যদি আদার মাসের ত্রিশ তারিখে জন্মায় সেক্ষেত্রে সে সাধারণ বর্ষের ১ নিসান তারিখে তার জন্মদিন পালন করবে কেননা সাধারণ বর্ষে আদার মাসে ২৯টি দিবস থাকে। ছুটির দিন ও উদযাপিত দিবস সমূহ ৭ আদার (অধিবর্ষে ২) – সপ্তম আদার – মোশির মৃত্যু স্মরণে এই দিন ইহুদিরা উপবাস পালন করে। ১৩ আদার (অধিবর্ষে ২) – ইষ্টের উপবাস – আদারের ১১ তারিখ যখন ১৩ তারিখে সাব্বাথ পড়ে – (উপবাস দিবস) ১৪ আদার (অধিবর্ষে ২) – পুরিম ১৪ আদার ১ (সাধারণ বর্ষে এই দিবসের অস্তিত্ব নেই; কারাইতেরা আদার ২ এ উদযাপন করে) – পুরিম কাতান ১৫ আদার (অধিবর্ষে ২) – সুসান পুরিম –যিহোশূয়ের সময় অতীতের প্রাচীরঘেরা শহরে পুরিমের উদযাপন। ১৭ আদার (অধিবর্ষে ২) – ইয়োম আদার উদযাপন উৎসব। ইতিহাস ও ধর্মে ১ আদার (আনু ১৩১৩ খ্রিস্টপূর্ব) – মিশরের উপর নিস্তারপর্বের ছয় সপ্তাহ আগে এই দিন থেকে ঈশ্বরের দশটি অভিশাপের নবম অভিশাপটি নেমে আসে। (আদিপুস্তক ১০:২৩)। ১ আদার [২] (১১৬৭/৪ খ্রিস্টাব্দ) – ইবনে এজ্রার মৃত্যু। ১ আদার (আনু ১৬৬৩) – শাখের মৃত্যু। ২ আদার (৫৯৮ খ্রিস্টপূর্ব) – সম্রাট দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার জেরুজালেম দখলে নিয়ে নেয় এবং যিহোয়াখিনকে বন্দী করা হয়। ২ আদার (১৯৪১) - পুপার রাব্বাই ইয়াকোভ ইয়েহেজকিয়া গ্রিনওয়াল্ডের মৃত্যু। ৩ আদার (৫১৫ খ্রিস্টপূর্ব) – দ্বিতীয় মন্দির নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়। ৪ আদার (১৩০৭) – আলেক্সান্ডার বেন শ্লোমো দ্বারা ১৫ বছর পর মাহারামের দেহের বিনিময়ে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। ৪ আদার (১৭৯৬) – রাব্বাই লেইব সারাহের মৃত্যু। ৪ আদার [২] (১৯৯২) – মিনাখিন বেগিনের মৃত্যু। ৫ আদার (প্রথম শতাব্দী) – লুলিয়ানোস ও পাপোস লাওডিকার নিরীহ ইহুদিদের জীবন বাঁচাতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেন। ৭ আদার (১৩৯৩ খ্রিস্টপূর্ব) – নবী মোশির জন্ম। ৭ আদার (১২৭৩ খ্রিস্টপূর্ব) – নবী মোশির মৃত্যু। ৭ আদার (১৮২৮) – কালোভের রেব্বে আইজ্যাক তাউবের মৃত্যু। ৯ আদার (খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী) – বেইথ হিলেল ও বেইথ শাম্মাইয়ের মধ্যকার বিদ্যা সংক্রান্ত মতবিরোধের জেরে সংঘর্ষে ৩০০০ শিক্ষার্থীর মৃত্যু। পরবর্তীতে দিবসটি শুলখান আরুচ দ্বারা উপবাসীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষিত হয় যদিও তা নির্বিশেষে পালিত হতো না। ১১ আদার (১৮ই শতাব্দী) – চাশিদিক রেব্বেস হানিপলের ঝুসা ও লিঝেন্সকের এলিমেলেখের পিতা রাব্বাই এলাইজার লিপম্যানের মৃত্যু। ১৩ আদার (৪৭৪ খ্রিস্টপূর্ব) – পারস্যে ইহুদি ও তাদের শত্রুদের মধ্যকার যুদ্ধ (ইষ্টেরের পুস্তক, অধ্যায় ৯)। ১৩ আদার (১৬১ খ্রিস্টপূর্ব) – ইয়োম নিকানোর – মাখাবীয়রা হানুক্কাহের ৪ বছর পর সিরিয়ার সেনাপতি নিকেনোরকে যুদ্ধে পরাজিত করে। ১৩ আদার (১৮৯৫–১৯৮৬) – রাব্বাই মোশি ফেইনস্টেইনের মৃত্যু। ১৪ আদার (৪৭৪ খ্রিস্টপূর্ব) – পারস্য সাম্রাজ্যে পুরিমের বিজয় উদযাপন করা হয়। ১৫ আদার (৪৭৪ খ্রিস্টপূর্ব) – পুরিমের বিজয় পারস্যের রাজধানী সুসা শহরে উদযাপন করা হয়। ১৫ আদার (খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী) – জেরুজালেম ফটক দিবস – রাজা প্রথম আগ্রিপ্পা (আনু. ২১ খ্রিস্টপূর্ব) জেরুজালেমের প্রাচীরের জন্য একটি ফটক নির্মাণ শুরু করেন; ফটক নির্মাণের দিনটি ছুটির দিন হিসেবে উদযাপিত হয়। ১৭ আদার (৫২২ খ্রিস্টপূর্ব) – ইয়োম আদার – এই দিনে ইহুদিরা পুরিমের পর পারস্য ত্যাগ করে। ১৮ আদার (১৯৫৩) - জোসেফ স্ট্যালিনের মৃত্যু যা ডক্টরস প্লট এর ইতি টানে। ২০ আদার (খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী) – হনি বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন (তালমুদ, তা'আনিত ২৩এ) ২০ আদার (১৬১৬) – 'পুরিম ভিঞ্জ': ভিনসেঞ্জ ফেতিলিচের পতন এবং সরকারি সুরক্ষা সমেত ফ্রাঙ্কফুর্টের ইহুদিদের প্রত্যাবর্তন। এই দিনটিও পুরিম হিসেবে পালিত হয়। ২০ আদার (১৬৪০) – "বাখের" মৃত্যু। ২১ আদার (আদার ২, ১৭৮৬) – লিঝেন্সকের রাব্বা এলিমেলেখের মৃত্যু। ২৩ আদার (আনু ১৩১২ খ্রিস্টপূর্ব) – মিশকান বৈঠক প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হয়; "সাত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ" শুরু হয়। ২৩ আদার (১৮৬৬) – গার হাসিদিক সাম্রাজ্যের প্রথম রাব্বাই ইশহাক মেইর আল্টারের মৃত্যু। ২৪ আদার (১৮১৭) – নিস্তারপর্ব পালনের জন্য ইহুদিদের খ্রিস্টান শিশুর রক্ত সংগ্রহের গুজব রাশিয়ার জার প্রথম আলেক্সান্ডার মিথ্যা ঘোষণা করেন। তবুও একশো বছর পরে একই অভিযোগে কিয়েভে মেন্ডেল বেইলিসকে অভিযুক্ত করা হয়। ২৫ আদার (৫৬১ খ্রিস্টপূর্ব) – দ্বিতীয় নেবুচাদনেজারের মৃত্যু (যিরমিয় ৫২:৩১)। ২৫ আদার (১৭৬১) – বা'আল শেম তোভের দুলাভাই রাব্বাই কিতোবের আব্রাহাম গারসনের মৃত্যু। ২৭ আদার (৫৬১ খ্রিস্টপূর্ব) – ব্যাবিলনীয় বন্দিদশায় সিদিকিয়র মৃত্যু। নেবুচাদনেজারের পুত্র মেরোদুচ তাকে ও তার ভাতিজা যিহোয়াখিনকে এই দিন মুক্ত করে দেয়, কিন্তু সিদিকিয় একই দিনে মৃত্যুবরণ করেন। ২৮ আদার (দ্বিতীয় শতাব্দী পরে) – ইহুদিদের তোরাহ, খতনা ও সাব্বাথ নিষিদ্ধের রোমান নির্দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘটনার তালমুদীয় ছুটির দিবস। রোমানিদের এই নির্দেশ রাব্বাই ইয়েহুদাহ বেন শামুয়া ও তার সহযোগীরা প্রত্যাখান করেছিলেন। (মেগিলাত তা'আনিত, এই ব্যাপারের উপরে একটি বারাইতা এখনো তা'আনিতের ১৮এ এবং রোস হাসানাহ ১৯এ তে পাওয়া যায়)। ২৮ আদার (১৫২৪) – কায়রোর ইহুদিরা হাইন আহমেদ পাশার ষড়যন্ত্র থেকে বেঁচে যায় যিনি ইহুদি মন্ত্রী আব্রাহাম ডি কাস্ট্রো কর্তৃক অটোম্যান সুলতান দ্বিতীয় সেলিমকে আহমেদ পাশার বিদ্রোহের পরিকল্পনা ফাঁস করে দেওয়ার জন্য প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। এই দিন কায়রো শহরে পুরিম দিবস পালিত হয়ে থাকে। আরো দেখুন আদার গান্দেলসমান – মিস ইউনিভার্স ইজরায়েল ২০১৭ আদার বা আদা হচ্ছে সিনাদ্রিন নামক কাল্পনিক ভাষায় বাবা। আজার বা আধার () লেভান্তে মার্চ মাসের নাম। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ইহুদি ইতিহাসের এই মাসটি আদার মাস সংক্রান্ত তথ্যাদি আদার মাস এবং পুরিমের ছুটির দিন, রাব্বাই এলিয়াজের মেলানেদ দ্বারা মিনহাগিম (ঐতিহ্য) ও হালাখত (নিয়ম) ১২
455667
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%95%20%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8
হাল্ক হোগান
টেরি জেন বোলে (জন্ম আগস্ট ১১, ১৯৫৩), বেশি পরিচিত তার রিং নাম হাল্ক হোগান হিসেবে, একজন আমেরিকান অর্ধ-অবসরে থাকা পেশাদারি কুস্তিগির এবং অভিনেতা। সে বেশি পরিচিত ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন/এন্টারটেইনমেন্ট, ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপ রেসলিং এবং টিএনএতে কাজ করার জন্য। সে ছয়বারের ডাব্লিউডাব্লিউএফ/ই চ্যাম্পিয়ন এবং ছয়বারের ডাব্লিউসিডাব্লিউ ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন। ১৯৮০ সালের মে মাসে জাপানের নিউ জাপান প্রো রেসলিং এ তার জীবনের প্রথম ম্যাচ লড়াই করেন। ২০০৫ সালে স্যাইভেস্টার স্টলঅন দ্বারা ডাব্লিউডাব্লিউই হল অব ফেম নির্বাচিত হন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ডাব্লিউডাব্লিউই প্রোফাইল ১৯৫৩-এ জন্ম মার্কিন পেশাদার কুস্তিগির ডাব্লিউডাব্লিউএফ/ডাব্লিউডাব্লিউই ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন জীবিত ব্যক্তি ফ্লোরিডার পেশাদার কুস্তিগির ২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেতা ২১শ শতাব্দীর মার্কিন র‍্যাপার মার্কিন পপ গায়ক মার্কিন পুরুষ র‍্যাপার মায়ামির র‍্যাপার মায়ামির সঙ্গীতজ্ঞ ফ্লোরিডার গীতিকার আফ্রিকান-মার্কিন পুরুষ র‍্যাপার মার্কিন পুরুষ গিটারবাদক মার্কিন আত্মজীবনীকার ইতালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ক্রীড়াব্যক্তি ইতালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি ফরাসি বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি স্কটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি মার্কিন পুরুষ বেস গিটারবাদক ২১শ শতাব্দীর মার্কিন ব্যবসায়ী জর্জিয়ার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য) অভিনেতা ডাব্লিউডাব্লিউই হল অব ফেমে প্রবেশকারী ২০শ শতাব্দীর মার্কিন ব্যবসায়ী ২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেতা ২০শ শতাব্দীর মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী ২১শ শতাব্দীর মার্কিন পুরুষ সঙ্গীতজ্ঞ ২১শ শতাব্দীর মার্কিন অ-কল্পকাহিনী লেখক মার্কিন খ্রিস্টান মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা মার্কিন পুরুষ পেশাদার কুস্তিগির মার্কিন টেলিভিশন অভিনেতা মার্কিন ভিডিও গেম অভিনেতা মার্কিন কণ্ঠাভিনেতা মার্কিন রক গিটারবাদক মার্কিন রক কণ্ঠশিল্পী মুখোশধারী কুস্তিগির মার্কিন আপাতবাস্তব টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী মায়ামি, ফ্লোরিডার ক্রীড়াবিদ
1131904
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9%20%E0%A6%86%E0%A6%B2%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF
আব্দুল্লাহ আল মারি
আব্দুল্লাহ হামাদ আল মারি (, ; জন্ম: ৩ জুন ১৯৯৫; আব্দুল্লাহ আল মারি নামে সুপরিচিত) হলেন একজন কাতারি পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি বর্তমানে কাতারের পেশাদার ফুটবল লিগের শীর্ষ স্তর কাতার স্টার্স লিগের ক্লাব আল সাইলিয়াহের হয়ে আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি মূলত বাম পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেললেও মাঝেমধ্যে ডান পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। প্রারম্ভিক জীবন আব্দুল্লাহ হামাদ আল মারি ১৯৯৫ সালের ৩রা জুন তারিখে কাতারে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই তার শৈশব অতিবাহিত করেছেন। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ১৯৯৫-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি কাতারি ফুটবলার কাতার স্টার্স লিগের খেলোয়াড় ফুটবল মধ্যমাঠের খেলোয়াড় আল সাইলিয়াহ স্পোর্টস ক্লাবের খেলোয়াড়
1386259
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AD%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%A8
আলভীনা গার্ডেন
আলভিনা গার্ডেন বাংলাদেশের সিলেটের গোলাপগঞ্জে অবস্থিত একটি কৃষি পর্যটন কেন্দ্র। ১৭ একর জমিতে গড়ে ওঠা আনারস বাগান। টিলার মধ্যে এ বাগানের মাঝ বরাবর আনারসের চারা দিয়ে বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে আলভিনা গর্ডেন। অবস্থান বাংলাদেশের সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের পাহাড়লাইন রোডের দক্ষিণভাগ চৌধুরীপাড়া গ্রামে অবস্থিত। বিবরণ টিলাকে ব্যবহার করে উৎপাদিত হচ্ছে আনারস, কাজুবাদাম, কফি, লেবু এবং আদা। সাথে সাথে গড়ে তোলা হয়েছে পর্যটন শিল্প। অসংখ্য পর্যটক প্রতিদিন টিকেট নিয়ে ভ্রমণ করে এ স্থানে। তথ্যসূত্র সিলেট জেলার দর্শনীয় স্থান গোলাপগঞ্জ উপজেলা
838397
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন
উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়ন‌ বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার একটি ইউনিয়ন। অবস্থান ও সীমানা ইতিহাস প্রশাসনিক এলাকা আয়তন ও জনসংখ্যা আয়তন- ৫২.১২ (বর্গ কিঃ মিঃ)। লোকসংখ্যা– ৪৬৮৬৫ জন। শিক্ষা শিক্ষার হার : ২৩%। (২০০১ এর শিক্ষা জরীপ অনুযায়ী) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়- ৮টি বে-সরকারী রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয়- ১৫টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ মাদ্রাসা ২টি দর্শনীয় স্থান উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব জনপ্রতিনিধি বর্তমান চেয়ারম্যান- মোঃ খসরুল আলম {| class="wikitable" |+চেয়ারম্যানগণের তালিকা !ক্রমিক !নাম !মেয়াদ |- |০১ |মোঃ মর্তুজ আলী |১৯৭৪-১৯৭৯ |- |০২ |মোঃ একরামুল হক |১৯৮৪-১৯৮৮ |- |০৩ |মোঃ নুরুল ইসলাম |১৯৮৮-১৯৯১ |- |০৪ |মোঃ আবুল হোসেন খাঁন |১৯৯১-২০০৩ |- |০৫ |মোঃ আমির উদ্দিন |২০০৩-২০০৬ |- |০৬ |মোঃ আমির উদ্দিন |২০০৭-২০১১ |- |০৭ |মোঃ আবুল হোসেন খাঁন |২০১১-২০১৬ |- |০৮ |মোঃ খসরুল আলম |২০১৬- ২০২১ আরও দেখুন তথ্যসূত্র তাহিরপুর উপজেলার ইউনিয়ন
610972
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5
অসেনাথ
অসেনাথ, অসেনিথ এবং ওসনাথ (, ) আদিপুস্তক প্রথম খণ্ডে বর্ণিত (৪১:৪৫, ৪১:৫০-৫২), জানা যায় তিনি একজন মিশরীয় নারী যিনি ইয়াকুবের পুত্র ইউসুফ নবির স্ত্রী ছিলেন। হেলিওপোলিসের একজন ধর্মযাযকের কন্যা, তিনি ইউসুফের দুই সন্তানের জননী, মানাশেহ ও ইফ্রয়িমের জন্ম দিয়েছিলেন, যারা ইসরাইলী বংশোদ্ভূত ছিলেন। হেলেনীয় গ্রন্থ অনুসারে আদিপুস্তক অসেনাথ সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য সংগ্রহ করে, কিন্তু তার সংগৃহীত তথ্য ছিল অস্পষ্ট যা ইউসুফ নবির কাহিনী থেকে প্রমাণিত। সেখানে, তিনি একজন সতী স্ত্রী লোক যেখানে ইউসুফ নবি বেশ কয়েকজন যোগ্য সঙ্গীকে প্রত্যাখ্যান করেন, সেখানে তিনি ইউসুফ নবীর স্ত্রী হিসেবে বিবিচিত হন। তিনি একজন মূর্তিপূজার দুর্গ ভেঙ্গে এক আল্লাহুর দ্বীন প্রতিষ্ঠাকারি ইউসূফ নবি এবং তার রূপান্তর গ্রহণ করে। একটি পূজাবিধি অনুসরণ করে। তাদের অতীতের দেবতাদের মিথ্যা পূজা মুছে ফেলার জন্য জোর আন্দলন করেন। ইউসুফ নবি তার সাথে বিয়ে করার জন্য সম্মতি পোষণ করে। তিনি ইউসূফ নবির সন্তান মানাশেহ এবং ইফ্রয়িমকে গর্ভে ধারণ করেন। আসেনাথ নাম আজ "আসেনাথ" অথবা "ওসনাথ" () বর্তমানে ইসরায়েল একটি সাধারণ ব্যবহৃত প্রথম নারী নাম। এইচ। এইচ। পি। লাভরফ্ট এর সংক্ষিপ্ত কাহিনী, "দ্য থিং অব দ্য ডরাস্টেপ।" মন্তব্য বহিঃসংযোগ Text of Joseph and Asenath হিব্রু বাইবেলে নারী পৌত্তলিকতা থেকে ইহুদীধর্ম রূপান্তর বাইবেল সংক্রান্ত বিষয়াবলী আদিপুস্তকের ব্যক্তিত্ব প্রাচীন মিশরীয় নারী হিব্রু বাইবেলের মহিলা পুরাতন নিয়ম থেকে খ্রিস্টান সন্ত পুরাতন নিয়মের ব্যক্তি
634509
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3
বেলম্যান সমীকরণ
বেলম্যান ইকুয়েশন, আবিষ্কর্তা রিচার্ড আর্নেস্ট বেলম্যান নামে নামকরণ, যা একটি গতিশীল প্রোগ্রামিং সমীকরণ হিসেবেও পরিচিত, ডাইনামিক প্রোগ্রামিঙের গাণিতিক স্থিতিশীলতার পরিপূরক হতে এটি একটি প্রয়োজনীয় অবস্থা। প্রারম্ভিক নির্বাচনের সময়ের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট অবস্থায় কোনও ডিসিশন প্রব্লেমের মান নির্দেশ করে এটি, এবং অবশিষ্ট প্রারম্ভিক নির্বাচন থেকে মান নির্দেশ করে। এটি ডাইনামিক অপ্টিমাইজেসন প্রব্লেমকে অপেক্ষাকৃত সহজতর সমস্যায় বিভক্ত করে, যেমনটি বেলম্যানের অপ্টিমালিটি প্রিন্সিপাল নির্দেশ করে থাকে। বেলম্যান ইকুয়েশন প্রথম ব্যবহার করা হয় প্রকৌশলের ‘’নিয়ন্ত্রণ তত্ত্ব’’ ও ফলিত গণিতের কিছু অংশে, যা পরবর্তীতে অর্থনীতির কিছু তত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে গৃহীত হয়, যদিও ডাইনামিক প্রোগ্রামিঙের মূল তত্ত্ব মূলত জন ভন নিউম্যান ও অস্কার মরগানস্টেইনের ‘’থিওরি অফ গেমস এন্ড ইকনমিক বিহেভিয়ার’’ ও আব্রাহাম ওয়াল্ডের ‘’সিকোয়েন্সিয়াল এনালাইসিসের’’ মুখপাত্র হিসেবেই প্রতীয়মান হয়ে থাকে। তথ্যসূত্র নিয়ন্ত্রণ তত্ত্ব পরিবর্তনশীল প্রোগ্রাম সমীকরণ
1368305
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80%20%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0
রঞ্জাবতী সরকার
রঞ্জাবতী সরকার (২৯ মার্চ ১৯৬৩ – ২৩ ডিসেম্বর ১৯৯৯) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য-গবেষক তিনি তার মাতার সৃষ্ট 'নবনৃত্য' নামের এক অনন্য সুন্দর সৃজনশীল নৃত্য ধারা অব্যাহত রাখেন তাদের ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ডান্সার্স গিল্ড - মৃত্তিকা নৃত্যসংস্থার মাধ্যমে মায়ের অসুস্থতার পর। জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন রঞ্জাবতীর জন্ম ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মার্চ পিতার কর্মস্থল নাইজেরিয়ার নসুক্কা শহরে। পিতা পার্বতীকুমার সরকার ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট অধ্যাপক এবং মাতা ছিলেন বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক মঞ্জুশ্রী চাকী সরকার। তিন বৎসর বয়স থেকে তিনি পিতার কর্মস্থল 'স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্কে'র নিউ পলৎজ ক্যাম্পাসে বড়ো হয়ে ওঠেন এবং ক্যাম্পাসের স্কুলেই তার পড়াশোনা। তবে ছোটবেলা থেকেই নাচের তালিম পান মায়ের কাছে। সেই সঙ্গে পিয়োনো বাজানো শিখে নেন। পরবর্তীতে অবশ্য কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরাজীতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে বি.এ ও এম.এ পাশ করেন এবং চারটি স্বর্ণপদক লাভ করেন। তিনি শিক্ষাক্ষেত্রেই নিজের কর্মজীবন তৈরি করতে পারতেন, কিন্তু তিনি পরিবর্তে মায়ের ইচ্ছায় নৃত্যকে বেছে নেন। ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট মায়ের সঙ্গে তাদের কলকাতার সল্টলেকের বাড়িতে নৃত্যসংস্থা- 'ড্যান্সার্স গিল্ড' গড়ে তোলেন এবং মায়ের পরিকল্পিত 'নবনৃত্য'-কে সার্থক করতে মায়ের নৃত্যসঙ্গিনী হন। ভরতনাট্যম, মণিপুরী, ছৌ ইত্যাদি নৃত্যে পারদর্শিতা অর্জন করেন গোবিন্দন কুট্টি, থাঙ্কমণি কুট্টি, খগেন্দ্রনাথ বর্মন প্রমুখের কাছে নাচ শেখেন। দেবব্রত বিশ্বাসের কাছে রবীন্দ্র সংগীত শেখার পাশাপাশি, কলানিধি নারায়ণের কাছে অভিনয় করাও শেখেন। মাঝে মধ্যেই গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য তাকে আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স স্ক্যান্ডিনেভিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যেতে হত। বি.এ পরীক্ষার পরেই তিনি 'প্যান কালচারাল প্রোজেক্ট'-এ ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ কাউন্সিলের স্কলারশিপ লাভ করে যুক্তরাজ্যে যান। পরে এম.এ পাশের পর যান ফ্রান্সে। কর্মজীবন রঞ্জাবতী মায়ের নৃত্যসঙ্গিনী হয়ে দেশে বিদেশে বহু কাজ করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ড্যান্স গ্রুপের অনুষ্ঠানে প্রভূত প্রসংশা লাভ করেন। ইউনেস্কোর বিশেষ নৃত্য প্রকল্প- সমকালীন ভারতীয় নৃত্য-এর দায়িত্ব নিয়ে টানা তিন বৎসর প্রকল্প পরিচালনার কাজে বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান ড্যান্স ফেস্টিভ্যালে যোগ দিয়ে রঞ্জাবতী আন্তর্জাতিক পরিচিতি পান। দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার ভিন্ন ভিন্ন শিল্প সংস্থার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ডারামে আমেরিকান ড্যান্স ফেস্টিভ্যালের আন্তর্জাতিক কোরিওগ্রাফার কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে তিনি 'সাউথ এশিয়ান ড্যান্স ইউথ কোম্পানি' প্রতিষ্ঠা করেন, যা 'লন্ডন ড্যান্স অ্যান্ড পারফরম্যান্স এওয়ার্ড' লাভ করে। এছাড়াও বেশ কয়েকবার তিনি ভেনেজুয়েলাতে আমন্ত্রিত হন। পরে তিনি তার মায়ের অসুস্থতার কারণে ড্যান্সার্স গিল্ডের দায়িত্ব নেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার সল্টলেকে দশ কাঠা জমি দিলে সেখানে সনাতন গুরুকূলের ধাঁচে গড়ে তোলেন মৃত্তিকা, যার উদ্বোধন হয় ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে এক বৃক্ষরোপনে। এরপর তিনি তার গ্রুপ নিয়ে যান ডেনমার্ক। সেখানে তিনি দেড় মাস ধরে পরিবেশন করেন স্বনির্মিত ও পরিকল্পিত কাসান্দ্রা, লা প্র সাভানা এবং গঙ্গাবতরণ। রঞ্জাবতী কবিতা অবলম্বনে নাচের পরিকল্পনা করতেন। তিনি দিদাস বটুয়া নামে একটি উপন্যাস রচনা করেন। মায়ের উদ্ভাবিত ''নবনৃত্য'-এর উপর একটি বইও লেখেন। অমিতাভ চক্রবর্তীর পরিচালনায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত "কাল অভিরতি" নামের একটি ছবিতে অভিনয় করেন। একটি ফরাসি ভাষার ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। পারিবারিক জীবন ও জীবনাবসান রঞ্জাবতী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় অধ্যাপক স্যমন্তক দাসকে বিবাহ করেন, কিন্তু তাদের বিবাহ বেশিদিন টেকেনি। রঞ্জাবতী ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের শারদোৎসবের সপ্তমী ও অষ্টমীতে মুম্বাইয়ের বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশনের দুর্গাবাড়িতে "গঙ্গাবতরণ" শেষ নৃত্য প্রদর্শন করেন এবং তারপরই ২৩ অক্টোবর মুম্বাইতে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর দুদিন আগে এক ইমেলে এক বন্ধুকে লেখেন - "আমি নিজের মধ্যে অন্ধকার জগতের সাথে লড়াই করছি।" তার মৃত্যুর পর ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে ঐশিকা চক্রবর্তীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় রঞ্জাবতীর নির্বাচিত রচনা— তথ্যসূত্র ১৯৬৩-এ জন্ম ১৯৯৯-এ মৃত্যু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পশ্চিমবঙ্গের নৃত্যশিল্পী ভারতীয় মহিলা নৃত্যশিল্পী
1147413
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A7%80%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%20%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%20%28%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%AE%29
গোপালজী রাধাবিহারী আশ্রম (সন্তধাম)
গোপালজী রাধাবিহারী আশ্রম (সন্তধাম) বাংলাদেশের হবিগঞ্জর লাখাই উপজেলার বামৈ অবস্থিত। এই মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী এবং সৌন্দর্য পূর্ণনকশা বহু প্রচীন স্থাপত্য নির্দশন। মন্দিরটি প্রায় ১৩২ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের ৫৫ তম আচার্য্য শ্রীশ্রী ১০৮ স্বামী সন্তদাস কাঠিয়াবাবা মহারাজ। ইতিহাস গোপাল জিউ আশ্রম (সন্তধাম) সনাতন ধর্মের নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের মন্দির গুলোর মধ্যে অন্যতম। মন্দিরটি প্রায় ১৩২ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের ৫৪ তম আচার্য্য শ্রীশ্রী ১০৮ স্বামী সন্তদাস কাঠিয়াবাবা মহারাজ। স্থাপত্যশৈল্য নকশা মন্দিরের বিভিন্ন জায়গায় নকশা ও কারুশিল্পে পরিপূর্ণ ও প্রাচীন আমলের স্থাপত্য নকশা রয়েছে। মন্দির এই মন্দিরে রাধাকৃষ্ণ, গোপাল, নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের পরম্পরা আচার্য্য গণ প্রধান দেবতা। মন্দিরের প্রতিটি জায়গায় প্রাচীন আমলের স্থাপত্য নকশা রয়েছে। এই মন্দিরের একটি প্রধান মন্দির, নাট মন্দির, সাধু নিবাস ও বড় একটি পুকুর রয়েছে। প্রতি বছর নাট মন্দিরের মহানাম সংকীর্তন হয় । উৎসব মন্দিরের প্রধান উৎসব মধ্যে হলোঃ- শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী, রাধা রাণীর জন্মাষ্টমী। দোল যাত্রা, রাসপূর্ণিমা, ভগবত আলোচনা। রামদাস কাঠিয়াবাবার জন্ম ও তিরোভাব মহোৎসব। সন্তদাস কাঠিয়াবাবার জন্ম ও তিরোভাব মহোৎসব। ধনঞ্জয় দাস কাঠিয়াবাবার জন্ম ও তিরোভাব মহোৎসব। তথ্যসূত্র কৃষ্ণ মন্দির সন্তদাস কাঠিয়াবাবার প্রতিষ্ঠিত মন্দির হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা হবিগঞ্জ জেলার হিন্দু মন্দির ১৯শ শতাব্দীর হিন্দু মন্দির
330475
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%80%20%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A8%20%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%20%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0
কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির
কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির চট্টগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলা এর অর্ন্তগত দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামে অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রাচীনতম মন্দির গুলোর মধ্যে এটি বেশ পুরোনো। ইতিহাস কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির এর ইতিহাস সম্পর্কে অনেক ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। তবে এই গ্রামের মানুষদের ধারণা এই মন্দিরটি আজ থেকে প্রায় ২০০-৩০০ বৎসর পূর্বে তৎকালীন রাজা রামেন্দ্র রায় চৌধুরী তার নিজের এলাকাতে প্রায় ১ একর জায়গার উপরে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তার বংশধরেরা এবং এই দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামের মানুষদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আজকের এই মন্দির। রাজা রামেন্দ্র রায় চৌধুরি তার নিজের জায়গার উপর তিনি দক্ষিণ দিকের কোন এক চর এলাকা থেকে আজকের এই ব্রাহ্মণদের আনেন এখানে পূজা দেওয়ার জন্য। পরবর্তীতে তাদের বংশধরেরা এই মন্দির বংশক্রমানুসারে পূজা করে আসছেন। প্রথম দিকে এই মন্দিরে ঘট পূজা করা হলেও আস্তে আস্তে প্রতিমা পূজা আরম্ভ হয়। প্রথমদিকে এখানে কোন স্থায়ী মন্দির না থাকলে ও বতর্মানে এখানে বেশ সুন্দর এবং বড় একটি মন্দির রয়েছে। যা সত্যিহ নজর কাড়ার মতো। বর্তমানে এখানে দুই জন স্থায়ী ব্রাহ্মণ এবং একজন অস্থায়ী ব্রাহ্মণ আছেন। আর দুর্গা পূজার সময় আরো দুই জন ব্রাহ্মণ আসেন আর তারা তখন প্রধান পূজারি হিসাবে কাজ করেন। প্রতি বছর বেশ ধুমধামের সাথে এখানে দুর্গা পূজা করা হয়। অবস্থান কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির চট্টগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার অর্ন্তগত দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামে অবস্থিত। ঢাকা নোয়াখালী রাস্তার পাশে কল্যান্দী হাই স্কুল নামক জায়গা থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির। স্থাপনা সমূহ মূল মন্দিরের বাইরে এখানে রয়েছে শিব মন্দির, শ্রাদ্ধ বাসর, সর্ব মন্দির পরিক্রমা এবং সুন্দর একটি পুকুর। আর এই সকল মন্দিরের ভিতরে রয়েছে বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা। তাছাড়া রাস্তা থেকে মূল মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ করতে দেখা যাবে কৃষ্ণ বলরাম এর মূর্তি সজ্জিত একটি সুন্দর গেইট। আর এই প্রবেশের আগে হাতের বামদিকে রয়েছে মা শীতলা দেবীর মন্দির। আর প্রবেশের ডানদিকে আছে শ্রাদ্ধ বাসর এবং তার পাশে শিব মন্দির। এর পরেই এর ডান পাশে রয়েছে শান বাধানো একটি পুকুর। আর তার পরেই রয়েছে সর্ব মন্দির পরিক্রমা এবং তার সাথেই রয়েছে রাধা গোবিন্দ এর মন্দির। এই রাধা গোবিন্দ মন্দিরের মধ্যে রাধা গোবিন্দের বিগ্রহ ছাড়াও গোপাল এর একটি বিগ্রহ আছে। আর এই মন্দিরের পাশে রয়েছে দুর্গা মায়ের মন্দির। আর এই দুর্গা মন্দির এর মধ্যে রয়েছে দেবী দুর্গার একটি বিগ্রহ। বর্তমানে এই মন্দিরে ৩ জন ব্রাহ্মণ পূজারি হিসাবে কাজ করছে। এই মন্দিরে প্রতিদিন রাধা গোবিন্দ এর নিত্য নিরামিষ ভোগ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান মালা কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির এর মূল পূজা হলো দুর্গা পূজা। দুর্গা পূজার ৫ দিন ধরে এখানে বেশ আড়ম্বরের সাথে দুর্গা পূজা পালন করা হয়। পূজার সময় বাংলাদেশ এর বহু দূর-দুরান্ত থেকে অনেক ভক্তের সমাগম হয়। তবে এই দুর্গা পূজার পাশাপাশি এখানে অন্যান্য আরো পূজা হয়। আর তাদের মধ্যে অন্যতম পূজা গুলো হলো কালীপূজা, সরস্বতী পূজা, লক্ষ্মী পূজা, জন্মাষ্টমী, শিবরাত্রি, দোল পূর্নিমা, চৈত্র সংক্রান্তি সহ নানা ধরনের হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা হয়। এছাড়া কার্তিক মাসের প্রতিদিন সন্ধ্যার সময় শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ করা হয়। আর এমনি গত দুই বছর থেকে এই মন্দিরে দুর্গা দেবীর একটি বিগ্রহ আছে। আর তাই এখানে প্রতি বছর মাঘ মাসের আঠারো তারিখে এখানে বাৎসরিক উৎসব পালন করা হয়। এছাড়া প্রতিদিনই দর্শানার্থী ও পূজারিদের ভিড় লেগেই থাকে। ব্যবস্থাপনা প্রাচীনতম মন্দির হিসেবে কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে রয়েছে প্রধান আকর্ষণ দুর্গা মায়ের বিগ্রহ। এছাড়াও, দেবী পার্বতী, শ্রীশ্রী কৈলাশ্বেশ্বর শিবলিঙ্গ প্রভৃতি। এছাড়াও শ্রীশ্রী দুর্গা নাটমন্দির ইত্যাদি। এগুলোর তত্ত্বাবধান ও মন্দির পরিচালনায় একটি সুদক্ষ পরিচালনা কমিটি রয়েছে। এছাড়াও, পূজা-অর্চনা, নিত্যকর্মসহ অন্যান্য কার্যাদি সম্পাদনের জন্য পুরোহিত ও তার পরিবার মন্দিরের অভ্যন্তরে অবস্থান করেন। তাছাড়া মন্দিরের দুর্গা সংঘ নামে একটি শক্তিশালী স্বেচ্চাসেবী সংগঠন রয়েছে। যারা মন্দিরের এই দুর্গা পূজা ছাড়াও মন্দিরের সকল পূজা খুবই সুন্দর করে সম্পন্ন করে থাকে। মন্দিরের ভেতরে দুর্গা মায়ের বিগ্রহটি লোহার ফটকে সর্বদাই তালাবদ্ধ থাকে। এর সামনে রয়েছে দান বাক্স। যে-কেউই সাধ্যমত অর্থ প্রদান করতে পারেন যা মন্দির রক্ষণাবেক্ষণসহ আনুসাঙ্গিক কাজে ব্যয় করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ণে ও ব্যবস্থাপনায় মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে। তথ্যসূত্র http://www.Kalyandidurgamandir.org শারদীয় দুর্গোত্সব: '''দৈনিক প্রথম আলো"' ০১ অক্টোবর ,২০১২। বহিঃসংযোগ কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির দুর্গা মন্দির নোয়াখালী জেলার হিন্দু মন্দির নোয়াখালী জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা সেনবাগ উপজেলা ১৮শ শতাব্দীর হিন্দু মন্দির নোয়াখালী জেলার দর্শনীয় স্থান
1197474
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%AE.%E0%A6%AA%E0%A6%BF.%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%20%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F%20%E0%A6%85%E0%A6%AC%20%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2%20%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A
এম.পি. বিড়লা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ
এম. পি. বিড়লা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ হল একটি প্রাকৃতিক ও প্রয়োগ বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সোসাইটি। প্রতিষ্ঠানটির সদর দফতর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতায় অবস্থিত। এর পরিচালক জ্যোতির্পদার্থবিদ ডক্টর জিএসডি বাবু। প্রতিষ্ঠানটি কলকাতায় অবস্থিত বিড়লা প্ল্যানেটেরিয়ামের সাথে একত্রে গবেষণায় জড়িত, যেটি বিশ্বের বৃহত্তম প্ল্যানেটেরিয়ামগুলির মধ্যে একটি। এই প্রতিষ্ঠানটি স্নাতক ছাত্রদের জন্য অ্যাস্ট্রোবায়োলজিতে কোর্স পরিচালনা করে, কোর্স সমাপ্তির পরে সমাপ্তির প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়। ব্যাঙ্গালোর শাখা জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতির্পদার্থবিদ্যায় নিবেদিত প্রতিষ্ঠানটির একটি শাখা ভারতের বেঙ্গালুরুতে রয়েছে। বেঙ্গালুরুর শাখাটি ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এখতিয়ারের অধীনে জ্যোতির্পদার্থবিদ্যায় বিশেষায়িত পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসাবে স্বীকৃত। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ দাপ্তরিক ওয়েবসাইটসদর দফতর, কলকাতা দাপ্তরিক ওয়েবসাইটব্যাঙ্গালোর শাখা কলকাতার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্যাঙ্গালোরের গবেষণা প্রতিষ্ঠান
907223
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%20%E0%A6%B6%E0%A6%AA
সেক্স শপ
সেক্স শপ ( অ্যাডাল্ট শপ, ইরোটিক শপ বা অ্যাডাল্ট বইয়ের দোকানও বলা হয় ) এমন একটি খুচরা বিক্রেতা যা প্রাপ্তবয়স্কদের যৌন বা যৌনউত্তেজক বিনোদন সম্পর্কিত পণ্য যেমন ভাইব্রেটার, অন্তর্বাস, পোশাক, পর্নোগ্রাফি এবং অন্যান্য সম্পর্কিত পণ্য বিক্রয় করে। যুক্তিযুক্তভাবে আধুনিক সেক্স শপের দাদী ছিলেন প্যারিসের ডায়ানা স্লিপ খ্যাতির লোন ভিদাল । তিনি ১৯২০ এর দশকে স্টোরগুলির তাঁর দোকানগুলিতে যৌন প্রেমের বই, ফটোগ্রাফ বিক্রি করা শুরু করেন। অনুমান করা যায় যে বিশ্বের প্রথম "অফিসিয়াল" সেক্স শপটি পশ্চিম জার্মানের ফ্লেনসবার্গে বিট উহসে এজি দ্বারা ১৯৬২ সালে খোলা হয়েছিল এবং এখন অনেক দেশ এবং অনলাইনে যৌন দোকানগুলি খোলা হয়। সেক্স শপগুলি যৌন শিল্পের অঙ্গ। বেশিরভাগ আইনশাস্ত্রে, যৌন শপগুলি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, নাগরিকদের নাগরিকভাবে আইনিভাবে অ্যাক্সেসের অনুমতি নেই, বয়স স্থানীয় আইনের উপর নির্ভর করে। কিছু এখতিয়ারে যৌন দোকান এবং তারা বিক্রি করা পণ্যদ্রব্য নিষিদ্ধ করে। এটি অনুমোদিত কিছু বিচার বিভাগে, তারা ব্যক্তিগত ভিডিও বুথগুলিতে অশ্লীল সিনেমাগুলি প্রদর্শন করতে পারে, বা ব্যক্তিগত স্ট্রিপটিজ বা পীপ শো করতে পারে । এছাড়াও একজন প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্রের থিয়েটার সংযুক্ত থাকতে পারে। যৌন খেলনা, পর্নোগ্রাফিক ম্যাগাজিন, অশ্লীল চলচ্চিত্র এবং ফেটিশ পোশাক ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের প্রাপ্তবয়স্কদের সামগ্রী বিক্রি করে এমন অনেক অনলাইন সেক্স শপ রয়েছে এই ধরনের দোকানটি প্রায়শই গ্রাহকরা পছন্দ করেন কারণ তাদের ওভারহেড কম থাকে এবং বাড়ির আরামের মধ্যেই এটি ব্যবহার করা যায়। তাদের বিচক্ষণতাও কারও কাছে আবেদন করে। ইতিহাস অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়ায় যৌনতার দোকানগুলি ১৯৬০ এর দশক থেকে সিডনির শহরাঞ্চলে, বিশেষত কিংস ক্রস দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল । একাত্তরে পর্নোগ্রাফিক ম্যাগাজিনগুলির আমদানি বৈধকরণ, ১৯৭০-এর দশকে গণ-উৎপাদিত ব্যাটারি চালিত ভাইব্রেটারগুলির উপস্থিতি এবং ১৯৮০ - এর দশকে এক্স-রেটেড ভিডিওগুলির আগমন দ্বারা দেশে যৌন দোকানগুলির বিকাশের সহায়তা দেওয়া হয়েছিল । ২০০০ এর দশকে ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফির জনপ্রিয়তার ফলে যৌন দোকান বিক্রয় কমে যায়, কিছু দোকান বন্ধ হয়ে যায় এবং যৌন-সম্পর্কিত প্রাপ্ত বয়স্ক সামগ্রীতে বৈচিত্র্য ঘটেছিল। অস্ট্রেলিয়ায় যৌন দোকানগুলি রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এবং স্থানীয় পরিকল্পনা নিয়ন্ত্রণের অধীনে। আইনগুলির মধ্যে রাজ্যগুলির মধ্যে পার্থক্য থাকলেও লাইসেন্সদাতাদের অবশ্যই কঠোর শর্ত মেনে চলতে হবে যা সাধারণত স্কুল এবং গীর্জা থেকে কমপক্ষে ২০০ মিটার দূরে থাকতে হবে উইন্ডোজ প্রায়শই ব্ল্যাক আউট এবং ১৮ বছরেরও বেশি বয়সে ভর্তি সীমাবদ্ধ করতে হয়, অপরাধ আইনের ৫৭৮ই ধারা অনুসারে পুলিশ মামলা দায়ের করে। নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে (এনএসডাব্লু) যৌন দোকানগুলি রাস্তার স্তরে বাণিজ্য করতে পারে না এবং তাদের উপরের নীচে বা নীচে বাণিজ্য করতে হবে। এনএসডাব্লু আইনের অধীনে, অ-গর্ভনিরোধক যৌন পণ্যগুলি কেবলমাত্র সেই দোকানগুলিতে বিক্রয় করা যেতে পারে যেগুলি স্থানীয় কাউন্সিলগুলির দ্বারা একটি সীমিত প্রাইম লাইসেন্স পেয়েছে। তবুও, ২০১৩ সালের মধ্যে বেশ কয়েকটি এনএসডব্লিউ অন্তর্বাসের দোকান লাইসেন্স না পেয়ে শপিং মলে প্রাপ্তবয়স্ক খেলনা এবং বই বিক্রি শুরু করেছিল। চীন ২০১৩ সালে বেইজিংয়ে ২ হাজারেরও বেশি সেক্স শপ ছিল। তাদের বেশিরভাগ পণ্য চীনে তৈরি হয়েছিল। উত্তর আমেরিকার প্রথম সেক্স শপের নাম ছিল দ্য গার্ডেন। এটি কুইবেকের শহরতলির মন্ট্রিয়ালের ক্রিসেন্ট স্ট্রিটে আইভর সার্জেন্ট দ্বারা একাত্তরের অক্টোবরে খোলা হয়েছিল। গার্ডেনটি জার্মানিতে বিট উহসে এবং যুক্তরাজ্যে অ্যান সামার্সের ব্যবহৃত ধারণাগুলি একত্রিত করেছে। দোকানের উদ্বোধন ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন আকর্ষণ। পাম বিচ পোস্ট মন্তব্য করেছিলেন: "মুরগির মতো বা ডিমের বিতর্কের মতো, কেউ সত্যই নিশ্চিত নয় যে কোনটি প্রথম যৌন-বুটিক বা তথাকথিত যৌন বিপ্লব হয়েছে "। কোনও নির্দিষ্ট বয়সে যৌন খেলনা ব্যবহার বা কেনার বিরুদ্ধে কোনও সুনির্দিষ্ট আইন নেই, তবে এখানে পর্নোগ্রাফি কেনার সীমাবদ্ধ আইন রয়েছে। যদিও কানাডায় সম্মতির বয়স ১৬ বছর, ১৮ বছর বয়সী পর্নোগ্রাফি কেনার বা দেখার প্রয়োজন হয়। বেশিরভাগ সেক্স শপগুলি প্রাপ্তবয়স্কদের ভিডিও বিক্রি করে যার অর্থ বেশিরভাগ যৌন খেলনা প্রাপ্তবয়স্কদের হাতে কঠোরভাবে থাকে। ইতালি ইতালির প্রথম যৌন দোকান ১৯৭২ সালে অ্যাঞ্জেলা মাসিয়া এবং তার স্বামী এরকোল সাব্বতিনি মিলান মিলিয়ে খোলেন। এটি প্রথম "অফিসিয়াল" সেক্স শপ ছিল। এর পর থেকে বেশিরভাগ রোমের মধ্যেই আরও বেশি যৌন দোকান খোলা হয়েছে। ২০১৮ সালে শহরের স্বাগতম মধ্যে ইসলাম শহরের ইতিহাস কেন্দ্রে নতুন যৌন শপ খোলার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জাপান জাপানে, সেক্স শপগুলিতে হেনটাই ম্যাগাজিন, অ্যাডাল্ট ভিডিও এবং ডিভিডি থাকে। নেদারল্যান্ড বিট উহসে এবং লাসে ব্রাউন এর মতো উদ্যোক্তারা নেদারল্যান্ডসে প্রথম যৌন দোকানগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে খোলা হয়েছিল। এল আসিরা নামে বিশ্বের প্রথম মুসলিম-লক্ষ্যযুক্ত অনলাইন সেক্স শপটি ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডসে খোলা হয়েছিল। অপারেশনের প্রথম চার দিনের মধ্যে এটির ওয়েবসাইটে ৭০,০০০০ জনপ্রিয় হয়ে উঠে ছিল। সিঙ্গাপুর সিঙ্গাপুরে সেক্স শপগুলি অত্যন্ত বিরল। কয়েকটি ২০০৫ সালে খোলা হয়েছিল, তবে বর্তমানে প্রায় ১-২ টি উপস্থিত রয়েছে। এই দোকানগুলিতে সাধারণত অন্তর্বাস এবং বিভিন্ন যৌন খেলনা বিক্রি হয়। স্টোর উইন্ডো দিয়ে তাদের পণ্যগুলি দেখা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকা নেলসন ম্যান্ডেলা যৌন খেলনা বৈধ করার বৈষম্যবিরোধী আইনের সমর্থনের পরে, ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম যৌন দোকান হিসাবে "অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড" প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে মোট ৫২ টি দোকান এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১৫ টি দোকান পরিচালনা করতে এসেছিল। অনেক ধর্মীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিশ্বাস ছিল যে এই প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনধারা কেন্দ্রগুলি ব্যবহারের ফলে অপরাধের হার বেশি হবে এবং অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড বন্ধের জন্য তাদের উদ্বোধনকালে গণ-বিক্ষোভের আয়োজন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। জুলাই ১৯৯৮ এ, অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড তাদের বৃহত্তম প্রাপ্তবয়স্কদের লাইফস্টাইলের দোকান কেপটাউনের পারোতে খোলা , যার নাম দিয়েছিল তারা "অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড ওয়্যারহাউস" " প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র তারকা ক্রিস্টি লেকটি দোকানটির উদ্বোধনে অংশ নিয়েছিল, যেখানে ৫ শতাধিক লোকের একটি বিক্ষোভ মিছিল ট্র্যাফিককে থামিয়ে দিয়েছিল। পরের দু'দিন ধরে বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ডগুলি ধরেছিল যা "সত্যিকারের পুরুষদের অশ্লীলতার দরকার হয় না" এবং "আমাদের মানুষকে নিষিদ্ধ অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন" বলে ঘোষণা করে। যখন দোকানটি খোলা হয়েছিল, তখন দেখা গিয়েছিল যে গ্রাহক বেসের ৭০% এমন মহিলা ছিলেন যারা প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনযাত্রার পণ্যগুলি সম্পর্কে আরও জানতে চান। অ্যাডাল্ট ওয়ার্ল্ড আরও জনপ্রিয় হওয়ার সাথে সাথে অস্ট্রেলিয়ায় প্রাপ্তবয়স্কদের দোকানগুলির বিকাশের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছিল। যুক্তরাজ্য যুক্তরাজ্যের প্রায় সকল লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রাপ্ত বয়স্ক স্টোরকে উদ্বোধন ডিসপ্লে আইন ১৯৮১ এর অধীনে উন্মুক্ত শপ উইন্ডোতে তাদের জিনিসপত্র রাখা নিষিদ্ধ, যার অর্থ প্রায়শই দোকানের ফ্রন্টগুলি পোষ্টারে আবদ্ধ বা আবৃত থাকে। স্টোরের প্রবেশদ্বারে একটি সতর্কতা চিহ্ন অবশ্যই স্পষ্টভাবে দেখানো উচিত এবং কোনও লিখিত নিবন্ধ (উদাহরণস্বরূপ, অশ্লীল চিত্র বা যৌন খেলনা) রাস্তায় দৃশ্যমান হওয়া উচিত নয়। তবে অন্তর্বাস, প্রাপ্তবয়স্কদের অ-আপত্তিকর কভার ইত্যাদি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সের অবস্থার উপর নির্ভর করে প্রদর্শিত হতে পারে। ভিডিও রেকর্ডিং ১৯৮৪ কেবলমাত্র লাইসেন্স দোকানেই উপলভ্য ভিডিওগুলির জন্য আর ১৮ বছর বয়সী শ্রেণিবদ্ধকরণ চালু করেছে। কোনও গ্রাহকের বয়স ১৮ বছরের কম হতে পারে না। লন্ডনে, এমন কয়েকটি ব্যুরো রয়েছে যা লাইসেন্স পেয়েছে। ওয়েস্টমিনস্টার শহরে মধ্যে সোহো জেলাতে ১৯৬০ এর দশকের গোড়ার দিকে কার্ল স্ল্যাকের হাতে কয়েকটা যৌন দোকান খোলা হয়েছিল এবং ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি নাগাদ এই সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯-এ। কারও কাছে অলিম্পিয়া প্রেস সংস্করণ সহ ছবি এবং উপন্যাস বিক্রি করার নামমাত্র গোপন ছিল। ১৯৮০ এর দশকের মধ্যে, ওয়েস্টমিনস্টার শহরে নতুন এবং কঠোর লাইসেন্সিং নিয়ন্ত্রণের সাথে পুলিশ বাহিনীকে ছাড়ানো, সোহোর অবৈধ প্রাঙ্গনে একটি ক্র্যাকডাউন ঘটায়। নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে লন্ডনের হ্যাকনি কাউন্সিল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল ! মহিলাদের ইরোটিক এম্পোরিয়াম, কারণ তাদের কাছে লাইসেন্স ছিল না। এই কাউন্সিলকে আদালতে নিয়ে গিয়ে ফলশ্রুতিতে খোলা থাকার অধিকার জিতেছে, কারণ এই বন্ধের কোনও পর্যাপ্ত কারণ ছিল না। ২০০৩ সালে, অন্তর্বাস এবং যৌন খেলনা শপগুলির অ্যান সামার্স চেইন জব সেন্টারগুলিতে দোকান সহকারীদের বিজ্ঞাপন দেওয়ার অধিকার অর্জন করেছিল, যা যৌন শিল্প দ্বারা বিজ্ঞাপন প্রচার করা যেতে পারে এমন নিষেধাজ্ঞার ভিত্তিতে মূলত নিষিদ্ধ ছিল। ২০০৭ সালে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের একটি যৌন শপকে বেলফাস্ট সিটি কাউন্সিল কর্তৃক লাইসেন্স অস্বীকার করা হয়েছিল। দোকানটি আবেদন করেছিল এবং জিতেছে, তবে এটি হাউস অফ লর্ডসের দ্বারা উল্টে যায়। লাইসেন্সবিহীন যৌন দোকানগুলির লাইসেন্স দেওয়া বা বন্ধ করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবর্তন যেমন সাধারণ যথেষ্ট শিথিলকরণ এবং অ-বাণিজ্যিক যৌনতার সহজ প্রাপ্যতা, সোহোর লাল-আলো জেলাটিকে কেবল একটি ছোট্ট অঞ্চলে পরিণত করেছে। বোরোর ১৫টি লাইসেন্সযুক্ত যৌন শপ এবং বেশ কয়েকটি লাইসেন্সবিহীন লাইসেন্স রয়েছে। আইলিংটন এবং কেমডেনের প্রত্যেকের একাধিক যৌন দোকান রয়েছে; প্রাক্তনের তিনটি অশ্লীল সিনেমাও রয়েছে। স্কটল্যান্ডে যৌন দোকানগুলি নাগরিক সরকার (স্কটল্যান্ড) আইন ১৯৮২ এর অধীনে নিয়ন্ত্রিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ১৯৬০ এর দশকে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক সিদ্ধান্তের সিদ্ধান্ত ( মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উপর ভিত্তি করে) সাধারণত যৌন দোকানগুলিকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল, যদিও এখনও রাজ্য এবং স্থানীয় এখতিয়ারগুলি তাদের জোনিংয়ের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ করার অনুমতি দেয়। জোনিংয়ের নিয়মাবলীগুলি প্রায়শই দোকানগুলি শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত হতে পারে, বা একটি একক অঞ্চলে আটকা পড়েছিল, ফলে প্রাপ্তবয়স্ক স্টোর এবং ব্যবসায়ের এক ধরনের রেড লাইট জেলা তৈরি করে। ১৯৮০ এর দশকে, প্রায় সমস্ত আমেরিকান সেক্স শপগুলি প্রায় পুরোপুরি পুরুষ ক্লায়েন্টকে কেন্দ্র করে। অনেকগুলি প্রাপ্ত বয়স্ক ভিডিও আরকেড অন্তর্ভুক্ত করেছিল এবং প্রায় সমস্তগুলি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যাতে তাদের গ্রাহকরা রাস্তায় থেকে দেখা না যায়: তাদের জানালাগুলির অভাব ছিল এবং দরজাগুলি প্রায়শই একটি এল-আকারের পালা জড়িত যাতে রাস্তায় লোকেরা দেখতে না পায় ভিতরে. এছাড়াও, ১৯৮০ এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে, থিয়েটার বা তোরণযুক্ত স্টোরগুলি কখনও কখনও সরকারী আদেশে বন্ধ করে দেওয়া হত, এইডসকে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য হিসাবে উল্লেখ করে। একদিকে, "নরম" পণ্য লাইনের দিকে ঝুঁকিতে যুক্তরাজ্যের অ্যান গ্রীষ্মের অনুরূপ স্টোর রয়েছে। অন্যদিকে, এমন স্টোর রয়েছে যা সান ফ্রান্সিসকো'র গুড ভাইব্রেশন এবং জ্যানড্রিয়ার মতো যৌন-পজিটিভ সংস্কৃতি থেকে বিশেষত বিকশিত হয়েছিল। পরবর্তী শ্রেণীর স্টোরগুলি খুব সচেতনভাবে সম্প্রদায়-ভিত্তিক ব্যবসা, বক্তৃতা সিরিজের পৃষ্ঠপোষকতা এবং যৌন-সম্পর্কিত স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যায় সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার প্রবণতা রয়েছে। আরো দেখুন সেক্স মেশিন প্রেমমূলক আসবাবপত্র সেক্স টয় তথ্যসূত্র যৌন দোকান অপর্যালোচিত অনুবাদসহ পাতা ধরন অনুযায়ী বিক্রিত পণ্যদ্রব্যের খুচরা বিক্রেতা পর্নোগ্রাফি
885406
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%87%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%82%20%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B8
ডাব্লিউডাব্লিউই স্টম্পিং গ্রাউন্ডস
স্টম্পিং গ্রাউন্ডস একটি পেশাদার কুস্তি প্রতি-দর্শনে-পরিশোধ এবং ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্কের একটি অনুষ্ঠান ছিল, যেটি ডাব্লিউডাব্লিউই তাদের ব্র্যান্ড র, স্ম্যাকডাউন এবং ২০৫ লাইভের জন্য প্রযোজনা করেছিল। এই অনুষ্ঠানটি ২০১৯ সালের ২৩শে জুন তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের টাকোমার টাকোমা ডোমে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্কে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছিল। প্রাক-প্রদর্শনে একটি সহ মূল অনুষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৯টি ম্যাচ এই অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানের সর্বশেষ শেষ ম্যাচে সেথ রলিন্স ডাব্লিউডাব্লিউই ইউনিভার্সাল চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আয়োজিত নো কাউন্টআউট, নো ডিস্কোয়ালিফিকেশন ম্যাচে ব্যারন করবাইনকে হারিয়েছে; এই ম্যাচে লেইসি এভান্স বিশেষ অতিথি রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় ম্যাচে, কফি কিংস্টন ডাব্লিউডাব্লিউই চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আয়োজিত স্টিল কেজ ম্যাচে ডলফ জিগলারকে, ডাব্লিউডাব্লিউই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে রিকোশে সামোয়া জোকে এবং রোমান রেইন্স ড্রু ম্যাকইন্টায়ারকে হারিয়েছে। ফলাফল তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ২০১৯-এ ডাব্লিউডাব্লিউই নেটওয়ার্কের অনুষ্ঠান ২০১৯-এ ডাব্লিউডাব্লিউই প্রতি-দর্শনে-পরিশোধ অনুষ্ঠান ২০১৯-এ ওয়াশিংটন (অঙ্গরাজ্য) ওয়াশিংটনে (অঙ্গরাজ্য) পেশাদার কুস্তি ওয়াশিংটনে (অঙ্গরাজ্য) ঘটনা জুন ২০১৯-এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘটনা
641368
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%20%E0%A6%93%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%AC
রাশিয়া ও মার্কিন বিপ্লব
আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধে রাশিয়ান সাম্রাজ্যের ভূমিকায় ত্রয়োদশ উপনিবেশ এবং গ্রেট ব্রিটেনের রাজ্যের মধ্যে ঔপনিবেশিক আধিপত্যের একটি বৈশ্বিক সংঘাতের অংশ ছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে, রাশিয়ান সাম্রাজ্য ইতিমধ্যে উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর অন্বেষণ শুরু করেছে; এবং যুদ্ধের শেষের পরের বছর, ইউরেশীয় সাম্রাজ্য আলাস্কাতে তার প্রথম উপনিবেশ স্থাপন করে। যদিও রাশিয়ান সাম্রাজ্য যুদ্ধের সময় উপনিবেশ বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সরাসরি সৈন্য বা সরবরাহ পাঠায়নি, তবে স্বাধীনতা ঘোষণার প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায়, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভূমিকা পালন করে এবং বিদেশে আমেরিকান বিপ্লবের স্থায়ী উত্তরাধিকারকে অবদান রাখে। যুদ্ধের পূর্বে উত্তর আমেরিকায় রাশিয়া এই আলোচনা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র দ্বারা সংসর্গী ছিল। 1780 সালে, ক্যাথরিন ২ এর মধ্যস্থতার সময় ব্রিটেন রাশিয়ান সাম্রাজ্যের একটি জোটে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। রাশিয়ারা যুদ্ধে ব্রিটিশদের সাথে যোগ দিতে সম্মত হলে লন্ডন মেনোর্কা দ্বীপের সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রস্তাব করেছিল। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যেমন একটি অধিগ্রহণ প্রস্তাব সত্ত্বেও, ক্যাথারিন দ্য গ্রেট এই ঘুষ প্রত্যাখ্যান করে এবং এটি জর্জ তৃতীয়টিকে ইউরোপীয় শক্তিগুলির একটি হাস্যকর স্টক তৈরি করার সুযোগ হিসাবে ব্যবহার করে। Notes অন্যান্য ইউরোপীয় রাজ্যের আটলান্টিক মহাসাগরের জুড়ে পশ্চিমে প্রসারিত হিসাবে, রাশিয়ান সাম্রাজ্য পূর্ব দিকে গিয়েছিলাম এবং সাইবেরিয়ার বিশাল মরুভূমি জয়। এটি প্রাথমিকভাবে তার পশম বাণিজ্য বৃদ্ধি আশা সঙ্গে পূর্ব গিয়েছিলাম যদিও, সেন্ট পিটার্সবার্গে রাশিয়ান সাম্রাজ্যীয় আদালত আশা করে যে তার পূর্ব সম্প্রসারণ ইউরোপের নিজস্ব সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং বৈজ্ঞানিক প্রমাণিত হবে। 1639 খ্রিস্টাব্দে প্রশান্ত মহাসাগরে পৌঁছানোর এবং 1680-এর দশকে কামচাটকা উপদ্বীপে প্রবেশ করার পর ইউরেশীয় সাম্রাজ্য উত্তর আমেরিকার দিকে তাকিয়ে ছিল। 17২9-1741 থেকে, রাশিয়ান আদালত ডেনিশ এক্সপ্লোরার ভিটাস বেরিং এবং তার রাশিয়ান প্রতিপক্ষ আলেকসি চিরিকভকে উত্তর আমেরিকার জন্য রাশিয়ান অনুসন্ধান শুরু করার জন্য পরিকল্পিত করেছিল। তাদের প্রাথমিক 17২9 সালের অভিযানকালে, জোড়ার একটি ঘন কুয়াশার কারণে আলাস্কান উপকূলটি হারিয়ে যায়। 1741 খ্রিস্টাব্দে যখন তিনি আবার বন্ধ করেন, তখন চিরিকভ আলাস্কান প্যানহান্ডলের তীরে পৌঁছেছিলেন যাতে তার অনুসন্ধানকারী দলটি স্থানীয় Tlingits দ্বারা হামলা ও নিহত হয়। ভয়ঙ্কর ঘটনা পরে, চিরিকভ দ্রুত কামচাটকা ফিরে যান। অন্যদিকে, বেয়ারিং, ভাগ্য খারাপ ছিল। তিনি এটি আলাস্কা থেকে কেন্দ্রস্থলে উপনীত হন এবং তারপর বামে আলেপিয়ানদের সাথে কামচাটকাতে ফিরে যান, শুধুমাত্র একটি দ্বীপে একটি কঠিন শীতকালে সহ্য করা, অনেক মানুষ হারানো। যাইহোক, যখন বিয়েরিং এবং তার অবশিষ্ট ক্রু পেত্রাপ্পলোভস্কে ফিরিয়ে আনেন, তখন তারা তাদের সাথে নয় শত সমুদ্রের পেট পেল। বেয়ারিং এর অভিযানে বেঁচে যাওয়া বেঁচে যাওয়া মূল্যবান ফুর্তারা ফের বাণিজ্যে আরও বেশি আগ্রহ সৃষ্টি করেছিল। রাশিয়ান Promyshlenniki, বা পশম ব্যবসায়ী, এটি সমৃদ্ধ আঘাত স্টার আশা সঙ্গে droves আলাস্কা যাও বন্ধ সেট শুরু। Furs প্রাপ্ত ড্রাইভ promyshlenniki ভয়, হুমকি, এবং জোরপূর্বক বাণিজ্য মাধ্যমে দেশীয় আলেਟਸ শোষণ নেতৃত্বে। দেশীয় জনগণের এই অর্থনৈতিক অপব্যবহারের মাধ্যমে, ব্যবসায়ীরা বেশিরভাগ পরিবেশগত ক্ষতি করে- অনেক প্রাণীর নিকট-বিলুপ্তির শিকার হয়। 1764 খ্রিস্টাব্দে অধীনস্থ সাম্রাজ্যরা তাদের রাজকীয় আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে, কিন্তু 1766 সালে রাশিয়ানদের হাতে প্রচণ্ড প্রতিশোধ ও পরাজয়ের ফলে তাদের ভীষণ প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। মার্কিন বিপ্লবী যুদ্ধের সূত্রপাত, উত্তর আমেরিকায় রাশিয়ান সম্প্রসারণের ফলে সাম্রাজ্যের অর্থনীতি ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায় , কিন্তু আলাস্কা স্থানীয় বন্যপ্রাণী বেশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে, এবং রোগ, যুদ্ধবিগ্রহ, এবং শোষণ মাধ্যমে আলেপের ধ্বংস সম্পর্কে আনা। 1776 সালের 13 ই আগস্ট স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে এবং স্বাক্ষরিত ঘোষণার সংবাদটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইম্পেরিয়াল রাশে পৌঁছেছিল 1776 সালের 17 ই আগস্ট। লন্ডনে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত Vasilii Grigor'evich Lizakevich, একটি রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত নিকিতা ইয়াউইভিচ Panin, এবং নেতৃত্ব প্রশংসা, ঘোষণা মাধ্যমে দেখানো হিসাবে সাহস, ঔপনিবেশিক নেতাদের এবং সদৃশ। এটা লক্ষ্য করা উচিৎ যে, এই একই প্রেরণায়, লিহজেকিচ নোটে উল্লিখিত "মানুষের প্রাকৃতিক অধিকার" উল্লেখ করেননি; এবং, পরিবর্তে শুধুমাত্র আমেরিকান পূর্বপুরুষদের কর্মের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা। যখন ক্যাথেরিন গ্রেট ঘোষণা ঘোষণার সৃষ্টি এবং গ্রহণের বাতাস বইতে শুরু করেন, তখন তার ঔপনিবেশিক নীতিগুলির আকারে ব্রিটেনের সাবেক ঔপনিবেশিকদের ব্রিটিশ ক্রাউনের অংশে "ব্যক্তিগত দোষ" হিসাবে ব্রিটেনের প্রাক্তন উপনিবেশবাদীদের কর্মের জন্য দায়ী। তাছাড়া, রাজা বিশ্বাস করেন যে "মাতৃভূমি থেকে উপনিবেশের বিচ্ছেদ রাশিয়ার স্বার্থের সাথে বিরোধিতা করে না এবং এমনকি তার কাছেও সুবিধাজনক হতে পারে"। স্বাধীনতার ঘোষণার রাশিয়ান অভ্যর্থনা আরও ডকুমেন্টেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে Tsarist সরকার একটি প্রতিনিধি পাভেল পেট্রোভিচ Svinyin, অ্যাকাউন্ট থেকে আসে। 1811-1813 থেকে তার অ্যাকাউন্টে, সোভিনিয়েন বলেছিলেন যে এটি প্রকাশ করেছে যে আমেরিকান বেসামরিকরা প্রায় সকল গণিত স্বাধীনতা উপভোগ করে এবং ঘোষণা ও সংবিধানের দ্বারা উল্লিখিত। আমেরিকান জীবনের Svinyin এর পর্যবেক্ষণ প্রকাশনার সত্ত্বেও, স্বাধীনতা ঘোষণার সম্পূর্ণ পাঠ রাশিয়ান সাম্রাজ্যে রাজত্ব এবং জার আলেকজান্ডার II (1855-1881) এর সংস্কার যুগ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিল। ঐতিহাসিকরা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং নীতিগুলি যা রাশিয়ান রাজতন্ত্র প্রয়োগ করে তার মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্নতার নথির এই অনুপস্থিতিতে জোর দেয়। 1729-1741 থেকে, রাশিয়ান আদালত ডেনিশ এক্সপ্লোরার স্পন্সর Vitus বেরিং এবং তার রাশিয়ান সহযোগীর Aleksei Chirikov শুরু করার উত্তর আমেরিকা জন্য রাশিয়ান সার্চ । 17২9 সালের প্রাথমিক অভিযানে, জোড়াটি কুয়াশার কারণে আলাস্কান উপকূলে মিস করেছিল। 1741 সালে যখন তারা আবার বন্ধ হয়ে যায়, তখন চিরিকভ আলাস্কান প্যানহ্যান্ডের উপকূলে পৌঁছালেন কেবল তার অনুসন্ধান দলকে অভিযুক্ত করে এবং স্থানীয় ত্লিংটস দ্বারা হত্যা করে। ভয়ঙ্কর ঘটনা পরে, চিকিকভ তাড়াতাড়ি কামচাটাকে পালিয়ে যান। অন্যদিকে, বেয়ারিং, আরও ভাগ্য ছিল। তিনি এটি কেন্দ্রীয় আলাস্কা উপকূলে তৈরি করেন এবং তারপর বেনেন আলেটিয়ানীয়দের সাথে কামচটকা যান, শুধুমাত্র দ্বীপগুলির একটি হার্ড শীতকাল সহ্য করতে এবং অনেক পুরুষকে হারান। যাইহোক, যখন বায়ারিং এবং তার অবশিষ্ট কর্মীরা পেত্রোপাভলভস্কে ফিরে আসেন, তখন তারা তাদের সাথে নয়শত বেশি সমুদ্রের পাখি নিয়ে এসেছিল। বায়ারিংয়ের অভিযান থেকে বেঁচে থাকা মূল্যবান ফুরস ফিউ ট্রেডে আরও বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে। রুশ Promyshlenniki, বা পশম ব্যবসায়ী, ধনী এটি হ্রাস আশা সঙ্গে আলু মধ্যে আলাস্কা সেট করা শুরু করেন। ফিউস পাওয়ার ড্রাইভটি promyshlenniki, ভয়, হুমকি এবং জোরপূর্বক ব্যবসায়ের মাধ্যমে স্থানীয় আলেটদের শোষণ করতে পরিচালিত করেছিল। স্থানীয় জনগণের এই অর্থনৈতিক অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা অনেক পরিবেশগত ক্ষতি ঘটিয়েছে - অনেক প্রাণীকে প্রায় বিলুপ্তির শিকার করা হয়েছে। 1764 সালে উপজাতীয় উপজাতিরা তাদের সাম্রাজ্যবাদী কর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল, কিন্তু 1766 সালে তাদের সাহসী প্রতিবাদ রাশিয়ার হাতে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও পরাজিত হয়েছিল। সূত্রপাত এর আগে আমেরিকান বিপ্লব উত্তর আমেরিকা মধ্যে রাশিয়ান সম্প্রসারণ সাম্রাজ্য অর্থনীতি ও প্রতিপত্তি চালচিত্রকে কিন্তু আলাস্কা স্থানীয় বন্যপ্রাণী অনেক ক্ষতি হত, এবং এর নির্জনতা সঙ্ঘটিত আলেউত মাধ্যমে রোগ, যুদ্ধবিগ্রহ, এবং শোষণ। রাশিয়া এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র স্বাধীনতার ঘোষণার ঘোষণার খবর এবং সাইন ইন শেষ পর্যন্ত 13 ই আগস্ট 1376 খ্রিস্টাব্দে ইম্পেরিয়াল রাশিয়া পৌঁছেছিল। সাম্রাজ্যবাদী চিঠিতে, লন্ডনে একটি রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত ভাসিলি গ্রিগার'ইভিচ লিজাকেভিচ একটি রাশিয়ান রাষ্ট্রপতিকে নিকিতা ইভানোভিচ প্যানিন গণনা করতে লিখেছেন এবং ঘোষণার মাধ্যমে দেখিয়েছেন ঔপনিবেশিক নেতাদের নেতৃত্ব, সাহস এবং সততার প্রশংসা করেছেন। যদিও, এই একই প্রেরণে, লিজকেভিচ নথিতে উল্লিখিত "মানবাধিকারের অধিকার" উল্লেখ করেননি তবে এটি উল্লেখযোগ্য। এবং, পরিবর্তে শুধুমাত্র আমেরিকান পূর্বপুরুষদের কর্ম উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা। বৃহস্পতিবার ক্যাথরিন ঘোষণাটি ঘোষণা ও গ্রহণের বায়ু ধরেন, তখন তারিনের ঔপনিবেশিক নীতির আকারে ব্রিটিশ ক্রাউনের অংশে ব্রিটেনের প্রাক্তন উপনিবেশবাদীদের কর্মকাণ্ডকে "ব্যক্তিগত দোষ" বলে দায়ী করে। তাছাড়া, রাজকীয় বিশ্বাস করেন যে "মাতৃভূমি থেকে উপনিবেশগুলির বিচ্ছিন্নতা রাশিয়ার স্বার্থের সাথে দ্বন্দ্ব করেনি এবং এমনকি তার জন্য উপকারী হতে পারে।" স্বাধীনতার ঘোষণার রাশিয়ান অভ্যর্থনার আরও ডকুমেন্টেশন পাভেল পেট্রোভিচ সভিনিনের কাছ থেকে আসে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামারীয় সরকারের প্রতিনিধি। 1811-1813 থেকে তার অ্যাকাউন্টে, সোভিয়ানিন উল্লেখ করেছিলেন যে এটি প্রদর্শিত হয়েছে যে আমেরিকান নাগরিকরা ঘোষিত সংবিধান ও সংবিধান অনুসারে প্রায় সমস্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ স্বাধীনতা উপভোগ করেছিল। আমেরিকান জীবনের Svinyin এর পর্যবেক্ষণ প্রকাশের সত্ত্বেও, স্বাধীনতা ঘোষণার সম্পূর্ণ লেখা রাশিয়ান সাম্রাজ্যতে সাস আলেকজান্ডার দ্বিতীয় (1855-1881) এর শাসন ও সংস্কারের যুগ পর্যন্ত অবরুদ্ধ ছিল। ইতিহাসবিদগণ স্বাধীনতার মূল্য ঘোষণা এবং রাশিয়ান সাম্রাজ্য প্রয়োগকারী নীতিগুলির মধ্যে বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য দস্তাবেজের এই অনুপস্থিতিকে গুণিত করে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রাশিয়ার ডিসেব্রিস্ট বিদ্রোহের কিছু সদস্যের বিশ্বাস ও মতবাদকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাদের কাছে, আমেরিকা "স্বাধীনতার মাতৃভূমি" নামে পরিচিত। যদিও ডেসমব্রিজ বিদ্রোহের আগে এটি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয় নি, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এখনও রাশিয়ান সমাজের সদস্যদের মনকে অনুপ্রবেশ করতে পরিচালিত করেছিল। যুদ্ধের সময় রাশিয়ার কূটনীতি গ্রেট এবং সাম্রাজ্য নীতি ক্যাথারিন ক্যাথারিন দ্য গ্রেট, 176২-1796 সাল থেকে শাসিত রাশিয়ান সম্রাট, অন্যান্য ইউরোপীয় রাষ্ট্রীয় রাষ্ট্রগুলির সাথে তার রাজনীতির মাধ্যমে আমেরিকান বিপ্লবী যুদ্ধে একটি সাধারণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে, আমেরিকান সংগ্রামে তাসরিনা গভীর আগ্রহ নিয়েছিল কারণ এটি "ইংরেজি ও ইউরোপীয় রাজনীতি" প্রভাবিত করেছিল এবং নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করেছিল যে বিদ্রোহের জন্য ব্রিটেনকে দায়ী করা হবে। তিনি কিং জর্জ এবং তার কূটনীতিকদের নেতিবাচক মতামত নিয়েছিলেন, প্রায়ই তাদের অবমাননা দিয়ে চিকিৎসা করতেন। তবুও, ব্রিটিশ মুকুটটি 1775 সালে আনুষ্ঠানিকভাবে 20,000 সৈন্যের জন্য অনুরোধ করেছিল এবং একটি জোট চাওয়া। তিনি উভয় আবেদন প্রত্যাখ্যান। যুদ্ধে স্পেনের প্রবেশের পর ব্রিটেন আবার রাশিয়ার সাম্রাজ্যতে পরিণত হয়েছিল, কিন্তু এই সময় ইংরেজরা নৌবাহিনীর সমর্থন প্রত্যাশা করেছিল। ক্যাথারিন ২ আবার ব্রিটিশ অনুরোধ উপেক্ষা করে। 1780 সালে সম্ভবত সশস্ত্র নিরপেক্ষতার প্রথম লীগের সৃষ্টি ও ঘোষণার মধ্য থেকে সম্ভবত গ্রেটের সর্বশ্রেষ্ঠ কূটনৈতিক অবদান ক্যাথারিন। সশস্ত্র নিরপেক্ষতার এই ঘোষণায় বেশ কয়েকটি শর্ত ছিল, কিন্তু তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: প্রথমত, "নিরপেক্ষ জাহাজগুলি বুদ্ধিজীবী শক্তির বন্দরগুলিতে অবাধে যেতে পারে;" দ্বিতীয়ত, "নিরপেক্ষ জাহাজগুলির উপর বুদ্ধিজীবী শক্তির পণ্যগুলি বিনা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই যুদ্ধ নিষিদ্ধ করার অনুমতি দেয়;" এবং, তৃতীয়, "একটি ব্লকডেড বন্দরের সংজ্ঞা অনুসারে কেবল একটি বন্দর পড়ে যা এন্ট্রি আসলে নৌবাহিনী দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয়।" বেশিরভাগ ইউরোপীয় দেশগুলি এই শর্তে সম্মত হয়েছিল, কিন্তু ব্রিটেন এই ব্যবস্থাটি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছিল কারণ এটি অবরোধকে হ্রাস করেছিল, এটি সবচেয়ে কার্যকর সামরিক কৌশল। নিরপেক্ষ দলগুলোর একটি লীগ প্রতিষ্ঠার পর, ক্যাথারিন দ্য গ্রেট যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা জমা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করেছিলেন। মধ্যস্থতায় তার প্রচেষ্টার সময়, ইয়র্কটাউনের যুদ্ধটি আমেরিকার বিপ্লবী যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের আশা প্রত্যাখ্যান করে। যদিও আমেরিকান বিপ্লবের সময় তিনি আন্তর্জাতিক নীতির পরিবর্তে দ্বিধাবিভক্ত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছিলেন, তবুও কিছু পণ্ডিত বিশ্বাস করেন যে ইতিহাস এই সময়কালে গ্রেট ক্যাথারিনকে অনেক বেশি হাসি দিয়েছে। সামারির এই নেতিবাচক মতামতটি তিনি রাশিয়ান সাম্রাজ্যের সর্বোত্তম স্বার্থে কাজ করেছিলেন এবং প্রকৃতপক্ষে তেরোটি উপনিবেশের কারণের যত্ন নিতেন না । ফ্রান্সিস ডানার মিশন ফ্রান্সিস ডানা 19 ডিসেম্বার 1780 থেকে 1783 সাল পর্যন্ত রাশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। তার মূল লক্ষ্য ছিল " সেন্ট পিটার্সবার্গে সাইন ইন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র নিরপেক্ষতা সম্পর্কিত চুক্তির সাইন ইন, এবং বন্ধুত্ব ও বাণিজ্য সম্পর্কিত চুক্তি সম্পর্কে একটি চুক্তি পৌঁছানোর"। তার ভ্রমণের সময় ডানা কিছু অসুবিধা অনুভব করেন। প্রথমত, রাশিয়ার সাম্রাজ্য এখনো জাতিকে যুক্তরাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়নি এবং দ্বিতীয়ত, রাশিয়ানরা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও রাষ্ট্রের প্রতিনিধিকে গ্রহণ করতে পারেনি যা তারা এখনও স্বীকার করেনি। আমেরিকার কূটনীতিকরা এই ধারণার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন এবং রাশিয়ান সাম্রাজ্য আদালতের দীর্ঘ মেয়াদে ঘোষণা করেছিলেন যে, আমেরিকার জাতীয়তা স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে দাঁড়িয়েছিল এবং গ্রেট ব্রিটেনের সাথে শান্তি চুক্তি থেকে নয়। যাইহোক, "জনপ্রিয় সার্বভৌমত্বের নীতির উপর ভিত্তি করে ফ্রান্সিস ডানা এর যুক্তি, তা না করেই বলা যায়, Tsarist সরকারের উপর বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে (বিপরীতভাবে, শুধুমাত্র নেতিবাচক)।" তার মিশন সাফল্যের জন্য এই বাধাগুলির কারণে, রবার্ট লিভিংস্টন চলে যান যে মহাদেশীয় কংগ্রেস সেন্ট পিটার্সবার্গে ডানা প্রত্যাহার করে। হাস্যকরভাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করার পর ডানা রাশিয়ায় চলে যান। দুর্ভাগ্যবশত ফ্রান্সিস ডানা জন্য, তিনি রাশিয়ান আদালতে শুধুমাত্র তার মিশন অসম্পূর্ণ দেখতে বছর অতিবাহিত। Bailey, Thomas A., America Faces Russia: Russian–American Relations from Early Times to Our Day, (Ithaca: Cornell University Press, 1950), 1–11. Bolkhovitinov, Nikolai N., "The Declaration of Independence: A View from Russia," The Journal of American History (1999), 1389–1398. Bolkhovitinov, Nikolai N., Russia and the American Revolution, (Tallahassee: The Diplomatic Press, 1976). Desmarais, Norman, "Russia and the American War for Independence," Journal of the American Revolution (2015). Golder, Frank A., "Catherine II. and the American Revolution," The American Historical Review (1915), 92–96. Taylor, Alan, American Colonies: The Settling of North America (New York: Penguin, 2001). রাশিয়া এবং আমেরিকা যুদ্ধের উত্তরাধিকার অনেকেই অজানা, রাশিয়া বিপ্লবী যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথম এবং সর্বাগ্রে, ইউরোপের ক্ষমতা ও আমেরিকার মধ্যকার চলমান মধ্যস্থতার সর্বাধিক পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ক্যাথরিন দ্য গ্রেটের অবস্থান, শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের বছরগুলিতে স্থানান্তরিত হওয়ার পর, শেষ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্যান্য কারণের সমর্থনে বৈধতা ও সমর্থনকে সমর্থন করে। ক্ষমতা। তার রাজনৈতিক ও সামরিক অবস্থানগুলি ব্রিটিশদের বৃহত্তর ইউরোপীয় রাজনীতির মধ্যে বিচ্ছিন্ন করার এবং চূড়ান্ত বিশ্লেষণে তরুণ প্রজাতন্ত্রের শেষ বিজয়ের পথকে বাঁচাতে সহায়তা করার জন্য কাজ করেছিল। "রাশিয়া দ্বারা সশস্ত্র নিরপেক্ষতা ঘোষণার ঘোষণা, যা 1780 সালের অক্টোবরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাদেশীয় কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছিল, তার আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ছিল।" ক্যাথারিন দ্য গ্রেট অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সাথে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত হননি এবং অন্যান্য সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধীদের সাথে নিরপেক্ষতা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, এবং পরিবর্তে তিনি ব্রিটিশ অবস্থানকে সমর্থন করার জন্য নির্বাচিত হন তবে সম্ভবত আমেরিকান বিপ্লবটি কিছুটা ভিন্ন গল্প হতে পারে। ইউরেশীয় সাম্রাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাশিয়ার প্রভাব ব্যতিরেকে ইউরোপের অনেক পারস্পরিক উপকারী সম্পর্ক ছিল। বেঞ্জামিন ফ্র্যাংকলিন এবং মিখাইল লোমোনোসোভ উভয় রাজ্যের বেশ কয়েকজন পণ্ডিত, একে অপরের সাথে সরাসরি বা পরোক্ষ সম্পর্ক ছিল। সেন্ট পিটার্সবার্গে ইম্পেরিয়াল একাডেমী অফ সায়েন্সেস নভেম্বর 1789 সালে ফ্র্যাংকলিনকে তার মাননীয় পদে নির্বাচিত করে। রাশিয়া ও আমেরিকাও একটি সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভাগ করে নিয়েছে। সাম্রাজ্যের নিরপেক্ষতার ঘোষণার কারণে যুদ্ধের সময় কোনও রাশিয়ান জাহাজ সরাসরি আমেরিকার বন্দরগুলিতে পৌঁছেনি, 1783 সালের পর উভয় দেশ থেকে বহু ব্যবসায়ীরা একে অপরের সাথে বাণিজ্য করে। 1807 সালের ডিসেম্বরে রাশিয়া প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মার্কিন প্রজাতন্ত্রের সম্পূর্ণ কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সম্মত হয়েছিল, এটি একটি সম্পূর্ণ শীর্ষ স্তরের কূটনৈতিক বিনিময় অনুমোদন করেছিল। 183২ সালের 18 ডিসেম্বরে উভয় দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে একটি বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল যে কেভি নেসেলরোড এবং জেমস বুকানান আলোচনা করেছিলেন। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পর, রাষ্ট্রপতি অ্যান্ড্রু জ্যাকসন মন্তব্য করেছিলেন যে বাণিজ্য "ফারসিশ [ডি] সেই পারস্পরিক বন্ধুত্বের নতুন উদ্দেশ্য যা উভয় দেশের একে অপরের প্রতি এতটা পুষ্টিকর ছিল।" জ্যাকসন রাশিয়ার ও আমেরিকার সাথে যোগাযোগের একমাত্র রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। সরকারী বাণিজ্য চুক্তির আগে, রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিভিন্ন উপকারী সম্পর্ক এমনকি রাষ্ট্রপতি থমাস জেফারসনের নেতৃত্বে "রাশিয়াকে আমেরিকার সর্বাধিক শক্তি হিসাবে ঘোষণা করার" নেতৃত্ব দেয়। স্পষ্টতই, আমেরিকান বিপ্লব দুই রাজ্যের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্কের প্রবণতা শুরু করেছিল। এই সময়কালে রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে ইতিবাচক সংযোগগুলির এই উদাহরণ সত্ত্বেও, সাম্রাজ্যবাদী সাম্রাজ্য ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে বিদ্যমান মতাদর্শগত দ্বন্দ্বকে উপেক্ষা করা যায় না। যদিও আমেরিকান বিজয় নিঃসন্দেহে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকে দুর্বল করেছিল, তবে আমেরিকান বিপ্লব "রাক্ষুসে ক্ষমতাসীন শ্রেণীগুলির একটি তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল" এবং সম্ভবত, অন্যান্য ইউরোপীয় রাজ্যে। তাছাড়া, এই সময়ের মধ্যে রাশিয়ার রাজনৈতিক কাঠামো, বিপ্লবের সম্ভাব্যতা, বা গণতান্ত্রিক স্বাধীনতাগুলিতে পরিবর্তন সম্পর্কে কথা বলা অসম্ভব ছিল। আগ্রহজনকভাবে যথেষ্ট, তবে, একজন ব্যক্তি "স্বাধীনতা ও আমেরিকান জনগণের স্বাধীনতা এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিজয়ী বিপ্লবী সংগ্রামের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তার অধিকার কম বা কমই লিখতে পারে।" এই বিপ্লবী মতাদর্শ রাশিয়ান লেখক আলেকজান্ডার রেডিশেভ এবং নিকোলা নোভিকভকে যুদ্ধের সময় আমেরিকার সফলতা সম্পর্কে লেখার জন্য, ক্রীতদাসদের নিন্দা জানাতে এবং আমেরিকানদের পতনকে হতাশার জন্য অনুপ্রাণিত করে। সময় পাস হওয়ার পর, আমেরিকার বিপ্লব সেন্ট পিটার্সবার্গের ডিসেম্ব্রিস্ট বিদ্রোহের কিছু সদস্যকে তাদের কাছেও অনুপ্রাণিত করেছিল, আমেরিকা একটি ধরনের "স্বাধীনতার মাতৃভূমি" প্রতিনিধিত্ব করেছিল। যদিও রাশিয়াতে বিপ্লব 1917 সাল পর্যন্ত সফল হতো না, তবে আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের অনুপ্রাণিত আদর্শগুলি সামার সাম্রাজ্যে তরঙ্গ তৈরি করেছিল । নোট References বেইলি, থমাস এ, আমেরিকা ফ্যাসেস রাশিয়া: আর্ল টাইমস টু অর ডে থেকে রাশিয়ান আমেরিকান সম্পর্ক, (ইথাকা: কর্নেল ইউনিভার্সিটি প্রেস, 1950), 1-11। বলখোভিটিনোভ, নিকোলাই এন।, "স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র: রাশিয়া থেকে একটি দৃশ্য," আমেরিকান ইতিহাসের জার্নাল (1999), 1389-1398। বলখোভিটিনোভ, নিকোলাই এন।, রাশিয়া এবং আমেরিকান বিপ্লব, (তলাহ্যাসি: দ্য কূটনৈতিক প্রেস, 1976)। Desmarais, নর্মান, "রাশিয়া এবং স্বাধীনতার জন্য আমেরিকান যুদ্ধ," আমেরিকান বিপ্লবের জার্নাল (2015)। গোল্ডর, ফ্রাঙ্ক এ।, "ক্যাথরিন ২। এবং আমেরিকান বিপ্লব," আমেরিকান হিউস্টিকাল রিভিউ (1915), 92-96। টেলর, অ্যালান, আমেরিকান উপনিবেশ: দ্য স্টেটিং অফ নর্থ আমেরিকা (নিউ ইয়র্ক: পেঙ্গুইন, 2001)। আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধ
466575
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9F%20%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8
ডেলাওয়্যার রুট ২০২
ডেলাওয়্যার রুট ২০২(ডিই ২০২) যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যার এ অবস্থিত একটি ছোট রাজ্য মহাসড়ক। রাস্তাটি উইলমিংটনে অবস্থিত, মাত্র ১.০১ মাইল (১.৬৩ কি.মি.) দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট। ডিই ২০২, কনকর্ড অ্যাভিনিউ নামেও পরিচিত। রাস্তাটি ইউএস রুট ১৩ বিজনেস থেকে উত্তরদিকে আই-৯৫ কে নিচে রেখে, উড়ন্ত সংযোগ-সড়ক হিসেবে সেখানেই ইউএস ২০২ এর সাথে উত্তর প্রান্তবিন্দুতে মিলিত হয়। এখানে ইউএস ২০২ কে বলা হয় কনকর্ড পাইক। পুরো রাস্তাটিই মূলত দুই-লেনের অবিভক্ত সড়ক যদিও ইন্টারচেঞ্জ ৯৫(আই-৯৫) এর কাছে রাস্তাটি চার-লেন বিশিষ্ট বিভক্ত সড়কে পরিনত হয়। রাস্তাটি ১৯৭০ সালের পূর্বপর্যন্ত ইউএস ২০২ এর অংশ ছিল। অতঃপর ১৯৮১ সালে রাস্তাটিকে ডিই ২০২ নামকরণ করা হয়। রাস্তার বিবরণ ডিই ২০২, উইলমিংটনের কনকর্ড অ্যাভিনিউ-এ অবস্থিত ইউএস ১৩ বিজনেস রাস্তাটি থেকে আরম্ভ হয়। তারপর শহরটির উত্তরপ্রান্তের বাড়িঘর এবং বাণিজ্যিক এলাকা পাড়ি দিয়ে চলতে থাকে। ওয়াশিংটন স্ট্রিট এবং বেনার্ড বুলভার্ড সহ বেশ কিছু ছোট ছোট সড়ক অতিক্রম করে চলতে থাকে। ডিই ২০২, ফ্রাঙ্কলিন স্ট্রিটের সাথে মিলিত হয়ে চার-লেন বিশিষ্ট বিভক্ত সড়কে পরিণত হয়। অবশেষে রাস্তাটি আই-৯৫ কে নিচে রেখে উড়ন্ত-সংযোগ সড়ক হিসেবে ইউএস ২০২ এর সাথে মিলিত হয়ে সমাপ্ত হয়। এখানে ইউএস ২০২ কে কনকর্ড পাইক বলা হয়। ডিই ২০২ দিয়ে গড়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৫,৬০১ টি যানবাহন (উইলমিংটন প্রান্তদিয়ে) এবং সর্বনিম্ন ৮,৩৮৭ টি যানবাহন (বেনার্ড বুলভার্ড প্রান্তদিয়ে ) চলাচল করে। পুরো রাস্তাটি জাতীয় মহাসড়ক ব্যবস্থার অংশ। ইতিহাস ১৯২৬ সালে ইউএস মহাসড়ক ব্যবস্থা প্রবর্তনের সময় ডিই ২০২ ছিল ইউএস ১২২ এর দক্ষিণ প্রান্ত এবং রাস্তাটি ছিল উইলমিংটনের ইউএস ১৩ থেকে নিউ জার্সি পর্যন্ত বিস্তৃত। পরবর্তীতে ইউএস ১২২ কে কনকর্ড অ্যাভিনিউ থেকে ওয়াশিংটন বুলভার্ড পর্যন্ত ইউএস ২০২ নাম দিয়ে পাল্টে ফেলা হয়। ১৯৫৯ সালে, ইউএস ২০২ কে একটি একমুখী সড়কে পরিণত করা হয়, যেটির দক্ষিণমুখী সড়কটি ছিল কনকর্ড অ্যাভিনিউ থেকে ওয়াশিংটন স্ট্রিট পর্যন্ত এবং উত্তরমুখী সড়কটি ছিল কনকর্ড অ্যাভিনিউ এর মার্কেট স্ট্রিট পর্যন্ত। এরপর ১৯৭০ সালে, ডিউ ২০২ কে ইন্টারচেঞ্জ-৯৫ এর সাথে মিলিয়ে দেয়া হয়। অবশেষে ১৯৮১ সালে, ডিউ ২০২ কে বর্তমান রূপদান করা হয়। মুখ্য অংশবিশেষ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ মহাসড়ক ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের মহাসড়ক
662739
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0
ভেলোর বিমানবন্দর
ভেলোর বিমানবন্দর (আইসিএও: ভিওভিআর) ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ভেলোর শহরে অবস্থিত। এটি চেন্নাই, কোয়েম্বাটোর, তিরুচিরাপ্পল্লী, মাদুরাই, তুতিকরিণ, হোসুর এবং সালেম বিমানবন্দরের পরে তামিলনাড়ুর আটতম ব্যস্ততম বিমানবন্দর। বিমানবন্দরটি ৫১.৫ একর এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে। এটি মাদ্রাজ ফাণ্ডিং ক্লাবের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাইলটদের দ্বারা নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করার জন্য জুলাই ২০০৬ সালে ভারতীয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এয়ারপোর্ট অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রামের একটি অংশ হিসেবে পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠে, যার কার্যক্রম চেন্নাই বিমানবন্দরে নির্ধারিত বিমান চলাচল বৃদ্ধিতে সীমিত ছিল। মার্চ ২০১১ সালে ক্লাবটি তার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। তামিলনাড়ু সরকার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় একটি বৈমানিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং পাইলট একাডেমী স্থাপনের পরিকল্পনা করছে বিমানবন্দরটিতে। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ তামিলনাড়ুর বিমানবন্দর
1177053
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%A8%20%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%20%28%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%29
জন মরিস (অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার)
জন মরিস (৫ জুন ১৯৩১ – ৯ ডিসেম্বর ১৯২১) ছিলেন একজন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। তিনি ১৮৫৮/৫৯ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে একটি প্রথম-শ্রেণীর ম্যাচ খেলেছিলেন। আরো দেখুন নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধি ক্রিকেটারদের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ সিডনি থেকে আগত ক্রিকেটার নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রিকেটার অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ১৯২১-এ মৃত্যু ১৮৩১-এ জন্ম
1380912
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%20%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF
তেলেঙ্গানা প্রজা সমিতি
তেলেঙ্গানা প্রজা সমিতি বা তেলেঙ্গানা পিপলস কনভেনশন হল একটি ভারতীয় রাজনৈতিক দল যা তেলেঙ্গানা অঞ্চলের জন্য রাজ্যের জন্য লড়াই করেছিল। ইতিহাস টিপিএস ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন অনন্তুলা মদন মোহন। কিন্তু পরে মারি চেন্না রেড্ডির হাতে গৃহীত হয়, যিনি তেলেঙ্গানা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং অবশেষে ১৯৭১ সালের নির্বাচনে ১০টি লোকসভা আসনে জয়লাভ করেন। পরে সদস্যরা কংগ্রেস দলে মিশে যায়। ১৯৮৩ সালে বন্দে মাতরম রামচন্দর রাও এর সভাপতি হিসাবে দলটি পুনরুজ্জীবিত করেন এবং প্রতাপ কিশোর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বন্দেমাতরম রাম চন্দর রাও-এর মৃত্যুর পর গান্ধীবাদী ভূপতি কৃষ্ণমূর্তি (তেলেঙ্গানা গান্ধী) সভাপতি নির্বাচিত হন এবং জানুয়ারি ২০১৫ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত প্রায় দুই দশক ধরে দলের নেতৃত্ব দেন। নীরা কিশোরের পর ভূপতি কৃষ্ণমূর্তি তেলেঙ্গানা প্রজা সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। আন্দোলন টিপিএস একটি পৃথক রাজ্যের দাবিতে তেলেঙ্গানা অঞ্চল জুড়ে একাধিক ধর্মঘট ও বিক্ষোভের আয়োজন করে। জুন ১৯৬৯ সালে হায়দ্রাবাদে টিপিএস দ্বারা সংগঠিত সাধারণ ধর্মঘট ব্যাপক সহিংসতার দিকে পরিচালিত করে কারণ টিপিএস সমর্থকরা একটি ঐক্যবদ্ধ অন্ধ্র রাজ্যের সমর্থকদের সাথে এবং পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। নির্বাচন ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে টিপিএস তেলেঙ্গানার ১১টি আসনের মধ্যে ১০টি জিতেছিল। যাইহোক ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে টিপিএস কংগ্রেসের সাথে একীভূত হয় এবং তেলঙ্গানা আন্দোলন সাময়িকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং পিভি নরসিমা রাওকে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী করা হয়। আরো দেখুন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বিচ্ছিন্ন দল তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ http://epaper.thehansindia.com/c/30245124 ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বিচ্ছিন্ন দল ১৯৬৯-এ প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল ১৯৬৯-এ অন্ধ্রপ্রদেশে প্রতিষ্ঠিত তেলেঙ্গানার রাজনৈতিক দল
1333659
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
নাগ রাজ্য
নাগ রাজ্য হল নাগ নামক কঠোর ও যুদ্ধবাজ উপজাতির এলাকা। তাদেরকে কিন্নরদের মত অতিপ্রাকৃত জাতিগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচনা করা হত। সংস্কৃত ভাষায় নাগ শব্দের অর্থ সাপ। নাগ জনগোষ্ঠী ছিল সর্প-উপাসনাকারী গোষ্ঠী যাদেরকে পরবর্তীতে প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে নাগ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কিংবদন্তি মহাভারত মহাকাব্য নাগদের ইতিহাস দিয়ে শুরু হয়, বিস্ময়কর বিস্তারিতভাবে, প্রথম বইয়ের (আদি পর্ব) প্রাথমিক অধ্যায়গুলি বিস্তৃত। এই অধ্যায়গুলিকে পৌষ্য, পলোমা ও অস্তিকা নামে তিনটি উপ-খণ্ডে ভাগ করা হয়েছিল। তথ্যসূত্র মহাভারতের রাজ্য
70936
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF
এলজিবিটি
এলজিবিটি (বা জিএলবিটি) (ইংরেজি: LGBT বা GLBT) একটি নাম-আদ্যক্ষর। ১৯৯০-এর দশক থেকে এই আদ্যক্ষরটি পূর্বতন "গে কমিউনিটি"-র সংজ্ঞাবাচক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সামগ্রিকভাবে "এলজিবিটি" বলতে বোঝায় "লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল ও ট্রান্সজেন্ডার" অর্থাৎ, নারী ও পুরুষ সমকামী, উভকামী ও রূপান্তরকামী। ১৯৮০-এর দশকের মধ্য থেকে শেষ ভাগের মধ্যে "গে কমিউনিটি"-র পরিবর্তে "এলজিবি" আদ্যক্ষরটির ব্যবহার চালু হয়। এরপর ১৯৯০-এর দশকে "এলজিবিটি" আদ্যক্ষরটি গৃহীত হয়। উল্লেখ্য, "গে কমিউনিটি" শব্দটি সম্প্রদায়ের অনেকেরই যথাযথ প্রতিনিধিত্ব করছিল না বলে মনে করা হচ্ছিল। "যৌনতা ও লিঙ্গ পরিচয়-ভিত্তিক সংস্কৃতিগুলির" বৈচিত্র্যের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করার জন্য "এলজিবিটি" শব্দটি ব্যবহৃত হয়। সাধারণভাবে অ-বিষমকামী সমকামী, উভকামী বা রূপান্তরকামী কোনো ব্যক্তিকে বোঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের অন্তর্ভুক্তির স্বীকৃতি হিসেবে আদ্যক্ষরটির একটি জনপ্রিয় পাঠান্তরে ইংরেজি "কিউ" (Q) অক্ষরটি যুক্ত করা হয় যৌন অভিমুখিতার স্থলে কুইয়্যার (কিম্ভুত) বা কোয়েশ্চনিং (প্রশ্নবিদ্ধ) বোঝাতে (অর্থাৎ, "এলজিবিটিকিউ" বা "জিএলজিবিটিকিউ", ১৯৯৬ সাল থেকে নথিভুক্ত। সংজ্ঞাবাচক নাম হিসেবে এই আদ্যক্ষরটি মূলধারায় পরিণত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য কয়েকটি ইংরেজি-ভাষী দেশের অধিকাংশ "যৌনতা ও লিঙ্গ পরিচয়-ভিত্তিক" কমিউনিটি সেন্টার ও গণমাধ্যম দ্বারা গৃহীতও হয়। তবে এই আদ্যক্ষরটি সমাজের সংশ্লিষ্ট অংশের অনেকেরই সমর্থন লাভে বঞ্চিত হয়। অন্যদিকে কোনো কোনো ইন্টারসেক্স ব্যক্তি নিজেদের এলজিবিটি গোষ্ঠীভুক্ত করতে চেয়ে আদ্যক্ষরটিকে "এলজিবিটিআই" পর্যন্ত প্রসারিত করার পক্ষে মত দেন (১৯৯৯ সাল থেকে নথিভুক্ত)। আবার এক গোষ্ঠীর কেউ কেউ মনে করেন যে তাদের সঙ্গে অপর গোষ্ঠীর কোনো সম্পর্ক নেই। তাই এই জাতীয় আদ্যক্ষর ব্যবহার অপমানজনক। কারোর কারোর মতে রূপান্তরকামীরা "এলজিবি" গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। এই জাতীয় ধারণাগুলি "লেসবিয়ান ও গে বিচ্ছিন্নতাবাদ" তত্ত্বের প্রমাণ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। উক্ত তত্ত্ব অনুযায়ী, নারী ও পুরুষ সমকামীদের পৃথক সমাজ গঠন করা প্রয়োজন ও সাধারণভাবে তাদের যেসব গোষ্ঠীমণ্ডলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তা থেকেও বিচ্ছিন্ন করা প্রয়োজন। কেউ কেউ আবার এই শব্দটিকে ধর্তব্যের মধ্যেই আনেন না। তারা এটিকে রাজনৈতিকভাবে অতিরিক্ত রকম সঠিক শব্দ মনে করেন। তাদের মতে, এটি বিভিন্ন গোষ্ঠীকে একই ধূসর এলাকার আবদ্ধ করার এবং প্রধান গোষ্ঠীর ইস্যু ও প্রধান বিষয়গুলিকে সম গুরুত্ব প্রদানের একটি প্রয়াস মনে করেন। ইতিহাস ১৯৬০ সালের পূর্বে বিসমকামীহীনতার পক্ষে কোন সাধারণ শব্দের প্রচলন ছিল না। কাছাকছি শব্ যেটি ব্যবহৃত হত তা হল, তৃতীয় লিঙ্গ, যা ১৮৬০ সালেও ব্যবহৃত হয়েছে কোন কোন জায়গায়। তবে তা আমেরিকার সমাজে তখন পর্যন্ত গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। সমকামী শব্দটি সর্বপ্রথম ভালো অর্থে মোটেই ব্যবহার করা হয় নি। হোমোফাইল শব্দ কর্তৃক এটি স্থানান্তরিত হয় ১৯৫০ ও ১৯৬০ এর দিকে। এবং ১৯৭০ সালে গে শব্দ ব্যবহার প্রচলন হয়। পরবর্তীতে, সমকামি সমাজে গে শব্দটি গ্রহণযোগ্যতা পায়। লারস উলেরস্টাম সেক্সুয়াল মাইনরিটি শব্দজোড়া ১৯৬০ সালের দিকে সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন। যা মূলতঃ জাতীয়তার দিক দিয়ে সংখ্যালঘু শব্দের সাথে মিল রেখে প্রয়োগ করে করা হয়। বিতর্ক এলজিবিটি বা জিএলবিটি আদ্যাক্ষর সকলের কাছে সমান গ্রহণযোগ্যতা পায় না। অনেকেই রূপান্তরলিঙ্গের ও রূপান্তরকামীদের লেসবিয়ান, গে ও বাইসেক্সুয়ালদের (এলজিবি) সাথে একই তালিকায় ফেলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। তাদের পক্ষে যুক্তি হল, রূপান্তরলিঙ্গ ও রূপান্তরকামিতা যৌন পরিচয়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত, যৌন অভিমুখিতার সাথে নয় এলজিবি ইস্যুগুলো যৌন অভিমুখিতাকে কেন্দ্র করে, যৌন পরিচয় নিয়ে নয়। মূলত এলজিবি সম্প্রদায়ের বেশ কিছু অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এই পার্থক্য তুলে ধরা হয়। এলজিবি সম্প্রদায় সমলিঙ্গের বিবাহের আইনি অধিকার এবং মানবাধিকার নিয়ে কাজ করছে, যা রূপান্তলিঙ্গের মানুষের ক্ষেত্রে অনেকক্ষেত্রেই প্রয়োগ করার মত নয়। বাংলাদেশ ও ভারতে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় স্থানে সমকামীরা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে ভূষিত হওয়ার বিধান বিদ্যমান। তবে উভয়স্থানে উভলিঙ্গ ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। পাদটীকা সাধারণ তথ্যসূত্র The LibraryThing Blog. Tags again: GLBT vs. LGBT. Published online. Safe Schools Coalition. Glossary. Published online. Religious Institute. "Time to Seek" Definitions. Published online. Stahl, S. Sorting the Alphabet Soup of Sexual Orientation and Identity: a Guide to LBGT Sources . Published online. বহিঃসংযোগ পুরুষ সমকামিতা নারী সমকামিতা উভকামিতা সমলিঙ্গ যৌনতা রূপান্তরকামিতা আদ্যক্ষর আন্তঃলিঙ্গ রূপান্তরিত লিঙ্গ সমকামিতা
1113646
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%20%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8
ইরানে টেলিভিশন
ইরানে টেলিভিশন প্রথম চালু হয় ১৯৫৮ সালে। ইরানে টেলিভিশন রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিতভাবে চলে। ইরানের প্রথম টেলিভিশন চ্যানেল ছিল জাতীয় ইরানি রেডিও ও টেলিভিশন ও ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর তা ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সম্প্রচার হিসেবে নামকরণ করা হয়। শুরুতে বেসরকারি টেলিভিশন সংস্থা হিসেবে চালু হলেও এটিকে সরকারি সংস্থায় পরিবর্তন করা হয়। ইতিহাস টেলিভিশন ইরান ১৯৫৮ সালের ৩ অক্টোবরে টেলিভিশন ইরান (টিভিআই) তেহরান থেকে সম্প্রচার শুরু করে। দেশের দ্বিতীয় টেলিভিশন কেন্দ্র আবাদানে স্থাপিত হয় ১৯৬০ সালে। টিভিআই ফার্সি ভাষায় ডাব করা মার্কিন কুইজ শো অশোধিত দর্শকদের জন্য প্রচারিত করতো। চ্যানেলটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হাবিব সাবেত, একজন বাহাই এবং ইরানের প্রধান শিল্পপতির মধ্যে এক। এটির ম্যানেজার, এ ভান্স হ্যাল্যাক, ছিলেন একজন মার্কিন। আগে ইরাকের বাগদাদ টেলিভিশন স্টেশন চালাতেন, এবং মধ্যপ্রাচ্যে আসার আগে এনবিসি এর রঙিন ডিভিশনের ব্যবস্থা করতেন। স্থাপনের পর থেকেই টিভিআই প্রচুর ওয়েস্টার্ন ব্লু চিপ এবং অন্যান্য কম্পানিসমূহের বিজ্ঞাপনী উদ্যোগ ছিলো। কিন্ত ১৯৬৩ সালে টিভিআই দাবি দেন যে উনাদের ৭ কটি রিয়াল শেষ হয়ে গেছে, এবং কেন্দ্রটি ইরানি সরকারের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্ত তখন থেকেই সরকার নিজেদের একটি টেলিভিশন সংস্থা স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেন। জাতীয় ইরানি টেলিভিশন ১৯৬৬ সালে জাতীয় ইরানি টেলিভিশন (এনআইটিভি) স্থাপিত হয়। আরো শিক্ষিত দর্শকদের জন্য পুরণ করা হয় চ্যানেলটি। ২৬ অক্টোবরে এনআইটিভির পরিক্ষামূলক সম্প্রচার শুরু করে, এবং ১৯৬৭ সালের মার্চ মাসের নওরোজে পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার শুরু করে। এটির প্রথম প্রচারিত অনুষ্ঠানসমূহের মধ্যে ছিলো আমজাদিয়েহ স্টেডিয়াম থেকে ইরানের শাহ্ এর জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠান। অ্যামেরিকান ফর্সেস রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন সার্ভিস ১৯৭৬ সালের পর্যন্ত অ্যামেরিকান ফর্সেস রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন সার্ভিস তেহরান এবং পাশাপাশি এলাকায় একটি টেলিভিশন কেন্দ্র চালাতো এই শহর থেকে। মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীদের জন্য, কেন্দ্রটি এএফটিভির নামে প্রচারিত, এবং তখন এটি ইরানের একমাত্র টেলিভিশন চ্যানেল ছিলো যেটার অনুষ্ঠান ইংরেজিতে প্রচারিত হতো, কারণ এনআইটিভি এবং টিভিআই এর সমস্ত বিদেশিয় অনুষ্ঠানসমূহ ফার্সিতে ডাবিং করা হয়েছিল। এএফটিভি এমন কোনো অনুষ্ঠান প্রচারিত করতো না যেগুলো আক্রমণাত্মক হতে পারে, এবং এগুলোর বাদে কাউবয় অথবা ডিটেক্টিভ চলচ্চিত্র প্রচারিত করতো। ১৯৭৬ সালে সরকার দায়িত্ব নেয় অ্যামেরিকান ফর্সেস রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন সার্ভিসের রেডিও এবং টেলিভিশন সার্ভিস বন্ধ করার জন্য, এবং তাই হয় ২৫ অক্টোবরে। এগুলোর জায়গায় একি রকমের সার্ভিস দিয়ে বদলানো হয়, যেগুলো চালিয়েছে রাষ্ট্রিয় সম্প্রচারক। জাতীয় ইরানি রেডিও ও টেলিভিশন ১৯৭১ সালে এনআইটিভি রেডিও ইরানের সাথে যুক্ত হয় স্থাপিত হয় জাতীয় ইরানি রেডিও ও টেলিভিশন (এনআইআরটি)। টিভিআই ১৯৬৯ এর শেষ দিকে একটি সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল হয়ে যায়। তখন সরকার দাবি দেন যে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল হচ্ছে এক প্রতিযোগিতামূলক ক্ষতি, এবং সাবেত থেকে কিনে নেয় ২ কোটি তোমান দিয়ে। সাথে কেন্দ্রের ভবন দখল করে এডুকেশনাল টেলিভিশন সার্ভিস। ১৯৬৭ সালের আগে টেলিভিশন ইরানের ২১ লক্ষ্য মানুষদের ছড়িয়েছিল। যখন এনআইটিভি পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার শুরু করে ওই সালে, টেলিভিশন ৪৮ লক্ষ্য মানুষদের ছড়ানো হয়, এবং ১৯৭৪ সালে ১.৫ কটি মানুষদের ছড়ানো হয়, তখন ইরানের আঁধার মতো জনসংখ্যা ছিলো। ১৯৭৫ এবং ১৯৭৬ এর মধ্যে ইরানের ৭০ শতাংশ জনসংখ্যা টেলিভিশনের সিগনাল পায় আগের থেকেই ১৯৭৩ সালে এনআইটিভি ১৪টি টেলিভিশন প্রডাকশন কেন্দ্র, ১৫৩টি ট্রান্সমিটার সহ, স্থাপন করেছে, যেগুলোর সিগনাল ইরানের ৮৮টি সহরে পাওয়া যায়, এবং দেশের ৬০ শতাংশ জনসংখ্যা টেলিভিশনের সিগনাল পায়। পরের সালে আর একটি কেন্দ্র স্থাপন হয়। আগে এনআইআরটি ১৯৭৭ সালের মধ্যে এটির প্রথম টেলিভিশন সংস্থা ইরানের জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশের কাছে এবং দ্বিতীয় টেলিভিশন সংস্থা ইরানের জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের কাছে পৌঁছানো চেয়ে ছিলো, শেষ হয়ে দেশের পঞ্চম উন্নয়নের প্ল্যান। ১৯৭৪ সালে এশিয়ায় সম্প্রচার ক্ষমতার উন্নয়নের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে ইরান শুধুমাত্র জাপানের পিছে ছিলো। ১৯৭৭ সালে একজন পশ্চিমী ভাষ্যকার বলেন যে যদি ইরান আজকের পথে চলতে থাকে তাহলে ইরান বিশ্বের প্রথম দেশ হবে যে একটি দেশজুড়ে ছড়ানো প্রেসের আগে দেশজুড়ে ছড়ানো টেলিভিশন আছে। ১৯৭৫ সালে ইরানে রঙিন টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়, কিন্ত যারা রঙিন টেলিভিশন সেট কিনতে পেরেছে তারা রঙিন সম্প্রচার দেখতে পেরেছে। পূর্ণাঙ্গ রঙিন সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৭৬ সালে। ১৯৭৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারিতে ইরান ফরাসি সিক্যাম ব্যাবহার করা শুরু করে, এবং আমদানিকৃত টেলিভিশন সেটগুলো অব্যবহারযোগ্য হয়ে যায়। এনআইআরটি রঙে সম্প্রচার করার সুবিধা থাকতেও এবং ১৯৭৪ এশিয়ান গেমস রঙে প্রচার করেও, সমস্ত অনুষ্ঠান ১৯৭৮ সালের পর্যন্ত রঙে প্রচারিত হয়নি, রঙিন টেলিভিশন সেটের চাহিদা মেটাতে স্থানীয় নির্মাতাদের ক্ষমতার কারণে। এনআইআরটির প্রথম চ্যানেল, প্রথম প্রোগ্রাম নামে পরিচিত, সাধারণ অনুষ্ঠান প্রচারিত করতো, এবং ৩৩ শতাংশের অনুষ্ঠান ইমপোর্ট করা হয়েছে। এটির দ্বিতীয় চ্যানেল, দ্বিতীয় প্রোগ্রাম নামে পরিচিত, বেশিরভাগ শিক্ষাবিষয়ক এবং সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রচারিত করতো, যেগুলো ৬০ শতাংশ ইমপোর্ট করা। ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সম্প্রচার ১৯৭৯ ইরানি বিপ্লবের পর এনআইআরটির নাম সেদা ভা সিমা-ইয়ে জোমহুরিয়ে ইসলামিয়ে ইরান (صدا و سيمای جمهوری اسلامی ايران "ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানের কণ্ঠ এবং দর্শন"), অথবা ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সম্প্রচার (আইআরআইবি), হিসেবে নামকরণ করা হয়, এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রর নতুন সংবিধান অনুযায়ী রেডিও এবং টেলিভিশন "ইসলামী বিপ্লবের পরিপূর্ণতার পথের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ এবং ইসলামী সংস্কৃতির প্রচারে কাজ করে থাকবে এবং এর জন্য বিভিন্ন ধারণার সুস্থ সংঘর্ষ থেকে উপকৃত হওয়া এবং ধ্বংসাত্মক ও ইসলাম বিরোধী মতবাদের বিস্তার ও প্রচার কঠোরভাবে এড়িয়ে চলা।" ১৯৯৮ সালে ইরান সিক্যাম বাদ দিয়ে পিএএল সিস্টেম ব্যবহার করা শুরু করে। স্যাটেলাইট টেলিভিশন আইআরআইবির একচেটিয়া এবং বিবাচনের ফলে স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলসমূহ, এর মধ্যে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকা থেকে চলিত ফার্সি ভাষার চ্যানেলগুলো উল্লেখযোগ্য, ইরানে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, যদিও ১৯৯৪ একটি আইন জারি হয়ে থাকে যাতে ইরানে স্যাটেলাইট ডিশের ব্যবহার এবং মালিকানা নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু আইআরআইবির গবেষণা কেন্দ্র অনুমান করেছে যে ইরানি গৃহসমূহের মধ্যে ৭০ শতাংশ স্যাটেলাইট ডিশ ব্যবহার করে। বারবার জ্যাম করা হয়েও ২০১১ সালে বিবিসি ফারসি চ্যানেলটি ৭২ লাখ সাপ্তাহিক দর্শক গ্রহণ করেছে। ইরানে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্যাটেলাইট চ্যানেলসমূহের মধ্যে এক হল জেম টিভি। দুবাই থেকে সম্প্রচারিত, এটি অবৈধভাবে সেই দেশে সম্প্রচার করে। নিউজ কর্পোরেশনের অর্ধ মালিকানাধীন স্যাটেলাইট চ্যানেল ফার্সি ১, যা বেশিরভাগ অন্যান্য এশীয় দেশ এবং লাতিন আমেরিকার থেকে কমেডি এবং নাটক ধারাবাহিক প্রচার করে, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় চ্যানেলের মধ্যে এক।. সরকারি চ্যানেলসমূহ আইআরআইবি টিভি১ (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি টিভি২ (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি টিভি৩ (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি টিভি৪ (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি টিভি৫ (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি কোরআন (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি আমুজেশ (ডিভিবি-টি) আইআরআইএনএন (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি নামায়েশ (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি শোমা (ডিভিবি-টি) পুয়া/নাহাল (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি ওমিদ (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি তামাশা (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি মোস্তানাদ (ডিভিবি-টি) আইআরআইবি ওফোঘ আইআরআইবি ভার্জেশ আইফিল্ম প্রেস টিভি হিস্পানটিভি তথ্যসূত্র
1181522
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8
গ্যালেন
এলিয়াস গ্যালেনাস বা ক্লডিয়াস গ্যালেনাস (গ্রিক: Κλαύδιος Γαληνός; সেপ্টেম্বর ১২৯ - আনুমানিক ২১৬ খ্রিস্টাব্দ), প্রায়শই ইংরেজায়ন করে গ্যালেন (/ˈɡeɪlən/) বা গ্যালেন অফ প্যারগামন, ছিলেন একজন গ্রিক চিকিৎসক, শল্যবিদ এবং দার্শনিক। প্রাচীনকালের রোমান সাম্রাজ্য সমস্ত চিকিৎসা গবেষকদের মধ্যে সবচেয়ে দক্ষ বলে বিবেচিত, গ্যালেন বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক শাখার বিকাশকে প্রভাবিত করেছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে শারীরস্থান, শারীরতত্ত্ব, রোগবিজ্ঞান, ঔষধবিজ্ঞান, এবং স্নায়ুচিকিৎসাবিজ্ঞান, সেইসাথে দর্শন এবং যুক্তিবিজ্ঞান। তথ্যসূত্র ১২৯-এ জন্ম ২১৬-এ মৃত্যু ২য় শতাব্দীতে জন্ম ২য় শতাব্দীর দার্শনিক ৩য় শতাব্দীতে মৃত্যু ৩য় শতাব্দীর দার্শনিক যুক্তিবিজ্ঞানের ইতিহাস স্নায়ুবিজ্ঞানের ইতিহাস দর্শনের ইতিহাস বিজ্ঞানের ইতিহাস বিজ্ঞানের দার্শনিক
732029
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BF
মধুর জাফরি
মধুর জাফরি, সিবিই (বিবাহ-পূর্ব বাহাদুর; জন্ম ১৩ আগস্ট ১৯৩৩) একজন জন্মসূত্রে ভারতীয় অভিনেত্রী, খাদ্য ও ভ্রমণ বিষয়ক লেখিকা এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। ওনার প্রথম পাকপ্রণালীর বই অ্যান ইনভিটেশন টু ইন্ডিয়ান কুকিং (১৯৭৩)-এর মাধ্যমে ভারতীয় রন্ধনশৈলী আমেরিকাতে জনপ্রিয় করার কৃতিত্ব ওনাকে দেওয়া হয়। বইটিকে ২০০৬ সালে জেমস বেয়ার্ড ফাউন্ডেশনের কুকবুক হল অফ ফেম-এর অন্তর্গত করা হয়। মধুর জাফরি এক ডজনেরও বেশি পাকপ্রণালীর বই লিখেছেন ও এই বিষয়ক অনেক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য ১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া টেলিভিশন অনুষ্ঠান মধুর জাফরিস ইন্ডিয়ান কুকরি। নিউ ইয়র্ক সিটির দাওয়াত-এর, যা কিনা খাদ্য সমালোচকদের মতে ওই শহরের অন্যতম সেরা ভারতীয় খাবারের রেস্তোরা, উনি খাদ্য পরামর্শদাতা। চিত্র নির্মাতা জেমস আইভরি ও ইসমাইল মার্চেন্টকে একসাথে কাজ করানোর পিছনে ওনার অবদান অনস্বীকার্য। উনি এনাদের বেশ কিছু সিনেমাতে অভিনয় করেন। এর মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য ১৯৬৫ সালের শেক্সপিয়রওয়ালা, যার জন্য মধুর পঞ্চদশতম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর রৌপভল্লুক জেতেন। প্রথম জীবন ১৯৩৩ সালের ১৩ই আগস্ট দিল্লীর সিভিল লাইন্স-এ হিন্দু কায়স্থ যৌথ পরিবারে মধুর জাফরির জন্ম। লালা রাজ বংশ বাহাদুর ও কাশ্মিরণ রাণীর ছয় সন্তানের মধ্যে মধুর পঞ্চম। মার্চেন্ট আইভরি সিনেমা জেমস আইভরি ও ইসমাইল মার্চেন্টকে একসাথে আনার পিছনে বড় হাত ছিল মধুর জাফরির। আইভরি ও মার্চেন্ট ১৯৬৩ সালে দ্য হাউসহোল্ডার বানাতে ভারতে আসলে শশী কাপুর ও তার শ্বশুরবাড়ীর লোকেদের ওদের সাথে আলাপ হয়। শশীর শ্বশুর-শ্বাশুরি জোফ্রি কেন্ডাল ও লরা লিডেল সেই সময়ে শেক্সপিয়রানা নামক ভ্রাম্যমাণ থিয়েটার কোম্পানি নিয়ে সারা ভারত ঘুরে শেক্সপিয়রের নাটক অভিনয় করছিলেন। মধুর ও সৈয়দ জাফরির মূল ধারণার সাথে শেক্সপিয়রানার সত্য ঘটনা মিশিয়ে আইভরি ও মার্চেন্ট তাদের পরবর্তী ছবি শেক্সপিয়রওয়ালার পরিকল্পনা করেন। ছবিতে মধুর একজন চিত্রতারকার চরিত্রে অভিনয় করেন। পরবর্তীকালে উনি আইভরি ও মার্চেন্টের সাথে আরো ছবিতে কাজ করেন, যেমন দ্যা গুরু (১৯৬৯), অটোবিয়োগ্রাফি অফ আ প্রিন্সেস (১৯৭৬), হিট অ্যান্ড ডাস্ট (১৯৮২) এবং দ্যা পারফেক্ট মার্ডার (১৯৮৮)। ১৯৯৯ সালের কটন মেরি উনি মার্চেন্টের সাথে সহ পরিচালনা করেন। ব্যক্তিগত জীবন মধুর প্রথম বিবাহ করেন সাইদ জাফরিকে। ওনাদের তিনটি কন্যা সন্তান আছে। জিয়া, মীরা ও সাকিনা। ১৯৬৬ সৈয়দের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পরে ১৯৬৯ সালে মধুর স্যানফোর্ড অ্যালেনকে বিবাহ করেন। স্যানফোর্ড সেই সময়ে নিউ ইয়র্ক ফিলহার্মোনিক অর্কেস্ট্রায় ভায়োলিন বাদক ছিলেন। তথ্যসূত্র ১৯৩৩-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় লেখিকা ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেত্রী ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে রৌপ্য ভল্লুক বিজয়ী ভারতীয় মঞ্চ অভিনেত্রী দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেত্রী রয়্যাল একাডেমি অব ড্রামাটিক আর্টের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেত্রী ২১শ শতাব্দীর ভারতীয় লেখক দিল্লির ব্যক্তি ভারতীয় নারী টেলিভিশন উপস্থাপক ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় লেখিকা ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় লেখক ভারতীয় পাচক ২১শ শতাব্দীর মার্কিন নারী মার্কিন অ-কল্পকাহিনী লেখিকা রান্নার বই লেখক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় অভিবাসী ভারতীয় টেলিভিশন উপস্থাপক নারী পাচক দিল্লির লেখিকা
1186445
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%20%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BF
সাকুমা ক্যান্ডি
সাকুমা সেইকা কো. লিমিটেড হল এমন একটি কোম্পানী যেটি ড্রপের মতো ক্যান্ডি তৈরি ও বিক্রি করে। কোম্পানিটির সদর দপ্তর ইকেবুকুরো, তোশিমা-কু, টোকিওতে এবং টোকিওর হাচিওজিতে এর একটি কারখানা রয়েছে। দুটি কোম্পানি যা 2022 সাল পর্যন্ত বিদ্যমান, একই পূর্বসূরি কোম্পানি শেয়ার করে, কিন্তু দুটিই স্বাধীনভাবে কাজ করে। অতএব, প্রায় কোন পুঁজি সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক নেই। ইতিহাস ১৯০৮ - সাকুমা সোজিরো শোটেন নামে প্রতিষ্ঠিত। সাকুমা ড্রপস উৎপাদন শুরু করে। ১৯১৩- "ক্যানড ড্রপস" মুক্তি পায় । ১৯২০- সাকুমা কনফেকশনারি কোং লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত। ১৯৩৮- হিরোটাকা ইয়ামাদা রাষ্ট্রপতি হন। নভেম্বর ১৯৪৪ - কোম্পানির রক্ষণাবেক্ষণ আদেশের কারণে বন্ধ। ১০ নভেম্বর, ১৯৪৮ - শিনোসুকে ইয়োকোকুরা টোকিওর ইকেবুকুরো, তোশিমা-কুতে সাকুমা সেকা কোং লিমিটেড পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৫৮- জাপানের প্রথম প্রাকৃতিক ফলের রসের ক্যান্ডি "ক্যানলপ ককটেল" তৈরি। ১৯৬২ - স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রকের অনুমোদিত "সাকুমার কাশির ওষুধ বনবন" তৈরি করা হয়েছে। ১৯৬৯- হাচিওজি, টোকিওতে হাচিওজি ফ্যাক্টরি নির্মাণ করেন। ১৯৮৮ ইকেবুকুরো, তোশিমা-কু, টোকিওতে সদর দফতরের বিল্ডিং সম্পন্ন হয়েছে। অ্যানিমে মুভি "গ্রেভ অফ দ্য ফায়ারফ্লাইস " এর উপস্থিতির স্মরণে একটি পুনর্মুদ্রণ প্রকাশ করেছে৷ মুক্তি "নিউ ক্যানলপ", উচ্চ ফলের রস ক্যান্ডি। জানুয়ারী ২০২৩, ১-বন্ধ (পরিকল্পিত)। ৯ নভেম্বর, ২০২২-এ এটি প্রকাশ করা হয়েছিল যে কারণগুলির মধ্যে রয়েছে কম দামের পণ্যগুলির সাথে প্রতিযোগিতা, নতুন ছড়িয়ে পড়ার কারণে বিক্রি হ্রাস, কাঁচামাল এবং শক্তির দাম বৃদ্ধি এবং কর্মীদের সুরক্ষায় সমস্যা। দপ্তর প্রধান কার্যালয় - ২-৫১-১৩ ইকেবুকুরো, তোশিমা-কু, টোকিও হাচিওজি ফ্যাক্টরি - ৫০৩ হিগাশিয়াসগাওয়াচো, হাচিওজি, টোকিও ওসাকা সেলস অফিস- ওসাকা প্রিফেকচার, ওসাকা সিটি, চুও ওয়ার্ড, কাওয়ারামাচি, ১-৫-২০ পণ্য সাকুমা ড্রপস সাকুমা হাক্কা ড্রপস ক্যানলপ দই পাদটীকা বহিঃসংযোগ সাকুমা কনফেকশনারি কোং, লি. ১৯৪৮-এ প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি জাপানি কোম্পানি
1379450
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B9%20%28%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%29
সিংহ (মাস)
সিংহ (, ) হল হিন্দু পঞ্জিকার একটি মাস। সিংহ মাস সিংহ রাশির সাথে মিলে যায় এবং গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে আগস্ট মাসের দ্বিতীয়ার্ধ এবং সেপ্টেম্বর মাসের প্রথমার্ধের সাথে সমাপতিত করে। এছাড়াও সিংহ হল সিংহ রাশির ভারতীয় রাশিফল ​​পদ্ধতিতে জ্যোতিষশাস্ত্রীয় চিহ্ন। বৈদিক গ্রন্থে, সিংহ মাসকে বলা হয় নভা, কিন্তু এই প্রাচীন গ্রন্থগুলিতে এর কোন রাশির সম্পর্ক নেই। সিংহ হিন্দু চান্দ্রসৌর বর্ষপঞ্জির সৌর মাস তার চান্দ্র মাস ভাদ্রপদ মাসের সাথে সমাপতিত করে। সিংহ বর্ষা ঋতুর সমাপ্তি এবং ভারতীয় উপমহাদেশে শরতের শুরুকে চিহ্নিত করে। এর আগে কর্কট সৌর মাস এবং তার পরে কন্যা সৌর মাস। তামিল হিন্দু পঞ্জিকাতে সিংহ মাসকে অবণী বলা হয়। ভারতের প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সংস্কৃত গ্রন্থগুলি অন্যান্য মাসের মতোই সিংহের সময়কাল সম্পর্কে তাদের গণনায় পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ,  সূর্যসিদ্ধান্ত, সিংহের সময়কাল ৩১ দিন, ০ ঘন্টা, ২৬ মিনিট এবং ৪৮ সেকেন্ড গণনা করে। বিপরীতে, আর্যসিদ্ধান্ত সিংহ মাসের সময়কাল ৩১ দিন, ২ ঘন্টা, ৫ মিনিট এবং ৩১ সেকেন্ড গণনা করে। ভারতীয় সৌর মাসের নামগুলি দক্ষিণ এশিয়ার এপিগ্রাফিক্যাল গবেষণায় উল্লেখযোগ্য। উদাহরণস্বরূপ, সিংহ মাস, অন্যান্য সৌর মাসের সাথে যেমন মকর, দক্ষিণ ভারতীয় মন্দিরগুলিতে খোদিত পাওয়া যায়। পান্ড্য রাজা জটবর্মণ সুন্দর-পান্ডায় দ্বিতীয় তাঁর রাজত্বের ১২তম বছরে কালয়ার কোভিলে কালীশ্বর মন্দিরটি উৎসর্গ করেছিলেন, একটি শিলালিপি পড়ে, সিংহ মাসের দ্বিতীয় পাক্ষিকের তৃতীয় তিথিতে, যা বুধবার ২৭ আগস্ট, ১২৮৭ সালের সাথে মিলে যায়। সিংহ হল মঙ্গল গ্রহের জন্য দরীয় বর্ষপঞ্জির অষ্টাদশ মাস, যখন সূর্য মঙ্গল থেকে দেখা সিংহ রাশির পূর্ব দিকের দিক অতিক্রম করে। তথ্যসূত্র হিন্দু সৌর মাস মাস
486162
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%98
সোনালী বাঘ
সোনালী বাঘ হল বাঘ বিশেষত রয়েল বেঙ্গল টাইগার এর একটি মিউট্যান্ট। বিশেষ জিন মিউটেশন এর কারণে এদের গায়ের লোম কমলা না হয়ে হয় সোনালী। এরা কোন আলাদা প্রজাতি বা আলাদা উপপ্রজাতি নয়। এরা সাদা বাঘ এর মত বেঙ্গল টাইগার এর একটি বর্ণসংকর। বর্ণনা সোনালী বাঘএর সংখ্যা ৩০-এরও কম। বাংলা বাঘ ও সাইবেরিয়ার বাঘের মধ্যেও এই পরিব্যক্তির কথা জান গেছে। সোনালী বাঘ golden tabby বা Strawberry Tiger নামেও পরিচিত। বিংশ শতকের শুরুর দিকে এই বাঘ বনে পাওয়া যেতো বলে জানা যায়। শেষ বন্য সোনালি বাঘকে মহীশুরের বনে শিকার করা হয়েছিলো। এই বাঘগুলি ডোরাহীন বা প্রায় ডোরাহীন হয়। বিশেষত পেটের দিকে ডোরা থাকেই না। ভীম নামে এক পোষা বাঘকে পালিত সোনালি বাঘের পুর্বপুরুষ মনে করা হয়। আকার যেহেতু এরা বেঙ্গল টাইগার এর পরিব্যক্তি, তাই এদের আকার বেঙ্গল টাইগার এর মতই হয়। পুরুষ দের ওজন ১৭০-২৫৮ কেজি আর স্ত্রীদের ওজন ১০০-১৫০ কেজি পর্যন্ত হয়। বাসস্থান বুনো অবস্থায় এখন আর সোনালী বাঘ পাওয়া যায় না। পৃথিবীর বিভিন্ন চিড়িয়াখানায় এ বাঘ দেখতে পাওয়া যায়। বাংলাদেশ সোনালী বাঘ পৃথিবীর মধ্যে আছে মাত্র গুটি কয়েক। তারই একটা সিতেশ বাবুর চিড়িয়াখানায় রয়েছে আমেরিকা উত্তর আমেরিকার অনেক চিড়িয়াখানায় সোনালী বাঘের দেখা মিলবে। বিশেষত Buffalo Zoo তে সোনালী বাঘ আছে। অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়ার ড্রিম ওয়ার্ল্ড এ সোনালী বাঘের দেখা মিলবে। ইউরোপ যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও বেলজিয়াম এর কয়েকটি চিড়িয়াখানায় এ বাঘের দেখা মিলবে। এশিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ বাঘের দেখা মিলবে। আরও দেখুন বাঘ বেঙ্গল টাইগার সাদা বাঘ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ Golden Tigers and Genealogies স্তন্যপায়ী প্রাণী এশিয়ার স্তন্যপায়ী বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী ভারতের স্তন্যপায়ী শ্বাপদ বাঘ
1063744
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%87.%20%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A5
কে. গোপীনাথ
কে. গোপীনাথ (জন্ম: ১৯ নভেম্বর ১৯৬২) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং ২০১১ সালে নির্বাচনে হোসুর আসন থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর আগে তিনি ২০০১ ও ২০০৬ সালের নির্বাচনেও একই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনে সর্বভারতীয় আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কড়গমের প্রার্থী পি. বালাকৃষ্ণ রেড্ডির কাছে হেরেছিলেন। শৈশবকাল গোপিনাথ ১৯ নভেম্বর ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন কৃষ্ণগিরির জেলার হোশূরে। তিনি বিবাহিত. তথ্যসূত্র ১৯৬২-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি ১২তম তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ১৩তম তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য ১৪তম তামিলনাড়ু বিধানসভার সদস্য
617835
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E2%80%93%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95
সৃষ্টি–বিবর্তন বিতর্ক
সৃষ্টি–বিবর্তন বিতর্ক ( সৃষ্টি বনাম বিবর্তন বিতর্ক কিংবা জীবনের ভিত্তি বিতর্ক নামেও পরিচিত) হল পৃথিবী, মানবতা, ও অন্যান্য জীবের উৎপত্তি সম্পর্কিত একটি চলমান, পুনরাবৃত্তিমূলক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, এবং ধর্মতাত্ত্বিক বিতর্ক। খ্রিস্টান বিশ্বে সৃষ্টিবাদকে একসময় বিশাল পরিসরে সত্য হিসেবে বিশ্বাস করা হত। কিন্তু ১৯ শতকের মাঝামাঝি  সময় থেকে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তন একটি পরীক্ষিত সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। তবে পৃথিবীতে বিবর্তন তত্ত্বের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ক্রমশঃ হ্রাস পাচ্ছে এবং স্কুলে বিবর্তন পড়ানো কমছে। বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপট থেকে নয় বরং দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই বিতর্কে অস্তিত্ব রয়েছে। কেননা, বিজ্ঞান সমাজে বিবর্তন ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত ও প্রমাণিত। শুধু তাই নয়, সৃষ্টবাদের মত প্রাচীন চিন্তাভাবনাকে অপবিজ্ঞান বলে বিশ্বজুড়ে আখ্যায়িত করা হয়। যদিও এই বিতর্কের একটি সুপ্রাচীন ইতিহাস রয়েছে,}তবে বর্তমানে বিজ্ঞান শিখার প্রসারের মাধ্যমে এই বিতর্কের অবসান ঘটেছে। যদিও শিক্ষাক্ষেত্রে সৃষ্টবাদ শেখানোর প্রবণতা এখনও বিরাজ করছে। যা নিয়ে খ্রিস্টান প্রধান দেশগুলোতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বেশ কিছু দেশে এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলমান। এই বিতর্ককে অনেক সময়ই সংস্কৃতি যুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সমধর্মী বিতর্ক ইহুদী ও ইসলাম ধর্মের মত অন্যান্য ধর্মের সম্প্রদায়ের মাঝেও দৃশ্যমান। খ্রিষ্টীয় মৌলবাদীগণ আধুনিক জীবাষ্মবিদ্যা, বংশগতিবিদ্যা, টিস্যুতত্ত্ব, ক্ল্যাডিস্টিক্স এবং অন্যান্য শাখার দেখানো মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর সাধারণ পূর্বপুরুষ এর সাক্ষ্যপ্রমাণ নিয়ে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ে, যেখানে এই জীবাষ্মবিদ্যা, বংশগতিবিদ্যা সহ অন্যান্য শাখাগুলো আধুনিক বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব, মহাবিশ্ববিজ্ঞান এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক শাখার জ্ঞান থেকে প্রাপ্ত উপসংহারের উপর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তারা সৃষ্টির ইব্রাহিমীয় ধারণা থেকে যুক্তি দান করেন এবং বিজ্ঞানের জগতে একটি স্থান অর্জনের জন্য তারা বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানের পাশাপাশি "সৃষ্টি-বিজ্ঞান" (Creation Science) নামক একটি বাগাড়ম্বরপূরণ কাঠামো দাঁড় করান। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে কিটজমিলার বনাম ডোভার বিতর্কে এই সৃষ্টি বিজ্ঞান পূর্ণাঙ্গভাবে ধর্মীয় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হিসেবে প্রকাশিত হয়, সেইসাথে এও প্রকাশিত হয় যে এখানে কোন আনুষ্ঠানিক বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ইতিহাস সুচনা অষ্টাদশ শতকে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায় সৃষ্টি–বিবর্তন বিতর্ক শুরু হয়, যখন ভূতাত্ত্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণগুলো প্রাচীন পৃথিবী সংক্রান্ত বিভিন্ন নতুন ব্যাখ্যা সামনে নিয়ে আসা শুরু করে, এবং বিভিন্ন ফসিল জিওলজিকাল সিকোয়েন্সের সাহায্যে প্রাপ্ত বিলুপ্ত প্রজাতিসমূহ বিবর্তনের প্রাথমিক ধারণাগুলো যেমন ল্যামার্কিজমের জন্ম দেয়। যুক্তরাজ্যে এই ধারাবাহিক পরিবর্তনের ধারণাগুলোকে প্রথমে বিদ্যমান "স্থির" সামাজিক শৃঙ্খলার জন্য হুমকি হবে বলে ধরা হয়, এবং চার্চ ও রাষ্ট্র উভয়ই এগুলোকে অবদমিত করার চেষ্টা করে। এই অবস্থাটি ধীরে ধীরে সহজ হয়, এবং ১৮৪৪ সালে রবার্ট চ্যাম্বারস এর বিতর্কিত ভেস্টিজেস অফ দ্য ন্যাচারাল হিস্টোরি অফ ক্রিয়েশন নামক গ্রন্থটি প্রজাতিসমূহের ক্রমশ রূপান্তরের ধারণাটিকে জনপ্রিয়করে। এই বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠাকে প্রথমে চার্চ অফ ইংল্যান্ড ঘৃণা ও রাগের সাথে পরিত্যাগ করে, তবে অনেক ইউনিটেরিয়ান, কোয়াকার এবং বাপ্টিস্ট দল প্রতিষ্ঠিত চার্চের সুবিধার প্রতিবাদ করে এবং এরকম প্রাকৃতিক উপায়ে ঈশ্বর কাজ করেন- এরকম ধারণাকে সমর্থন করে। ডারউইনের প্রতি তৎকালীন সমসাময়িক প্রতিক্রিয়া {{quote|উনিশ শতকের শেষের দিকে সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে পরিবর্তনের মাধ্যমে সকল জীবের আবির্ভাব ঘটে - এই মৌলিক বিবর্তনীয় মতবাদের কোন গুরুতর বৈজ্ঞানিক বিরোধিতা ছিল না।|থমাস ডিক্সন|সায়েন্স এন্ড রেলিজিয়ন: এ ভেরি শর্ট ইন্ট্রোডাকশন" }}১৮৫৯ সালে ডারউইনের অন দ্য অরিজিন অফ স্পিসিজ এর প্রকাশ বিবর্তনের উপর বৈজ্ঞানিক বিশ্বাসযোগ্যতা এনে দেয়, এবং এটাকে একটি সম্মানিত শিক্ষার বিষয়ে পরিণত করে। যদিও ডারউইনের বইতে কোন রকম ধর্মীয় ব্যাপারে কথা ছিল না, এরপরও এসেস এন্ড রিভিউজ (১৮৬০) গ্রন্থের উচ্চতর সমালোচনা নিয়ে যে ধর্মতাত্ত্বিক বিতর্কের সূচনা হয় তা খুব ভালভাবেই চার্চ অফ ইংল্যান্ডের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সসক্ষম হয়। সেই রচনার কোন কোন উদারপন্থী লেখক ডারউইনের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন, অনেক ননকনফরমিস্টও ডারউইনকে সমর্থন করেন, যেমন রেভারেন্ড চার্ল কিংগসলে এই ধারণাকে সমর্থন করেছিলেন যে, ঈশ্বর বিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্টির সব জীবকে তৈরি করেছেন। অন্যান্য খ্রিস্টানগণ এই ধারণাটির বিরুদ্ধে যান, চার্লস লাইয়েল, আসা গ্রে সহ ডারউইনের নিকট বন্ধুগণ এবং সমর্থকগণও প্রথম দিকে তার কিছু ধারণার প্রতি অসমর্থন প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে গ্রে যুক্তরাষ্ট্রে ডারউইনের অন্যতম সমর্থকে পরিণত হন, এবং তার অনেক রচনাকে সংগ্রহ করে একটি প্রভাবশালী গ্রন্থ তৈরি করেন, যার নাম ছিল ডারউইনিয়ানা (১৮৭৬)। এই রচনাগুলোতে ডারউইনীয় বিবর্তন এবং আস্তিক্যবাদী মতবাদসমূহের মধ্যকার মীমাংসা নিয়ে কিছু যুক্তিপূর্ণ লেখালেখি ছিল। আর এটা সেইসময়কার ঘটনা যখন দুই পক্ষেরই অনেক ব্যক্তি এই দুটো বিষয়কে পরষ্পর স্বতন্ত্র বলে মনে করতেন। ধর্মতত্ত্বে সৃষ্টিবাদ সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব এর পক্ষে প্রথাগত ধর্মতাত্ত্বিক যুক্তির একটি আধুনিক রূপ। ১৯৮৭ সালে সৃষ্টিতত্ত্বকে পাঠ্যবইয়ের অংশ হিসেবে বিজ্ঞানের সাথে পড়ানোর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে একটি রায় দেয়া হয়েছিল। এই রায়ের উপযুক্ত জবাব হিসেবেই প্রথমদিকে বুদ্ধিদীপ্ত অনুকল্পের বিকাশ ঘটেছিল। এই অনুকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবকদের সবাই ছিলেন মার্কিন ভিত্তিক খ্রিস্টান ধর্মীয় সংস্থা ডিসকভারি ইনস্টিটিউটের সদস্য বা সহযোগী। তারা ধারণা পোষণ করেছিলেন যে, এই বুদ্ধিমান পরিকল্পনাকারী হলেন খ্রিস্টান ধর্মের ঈশ্বর। এর প্রবক্তারা এটিকে বৈজ্ঞানিক বলে মনে করেন এবং বিজ্ঞানকে বিভিন্ন অতিপ্রাকৃত ঘটনা বিশ্বাস করানোর ক্ষেত্রে তারা এই তত্ত্ব অনুকল্প প্রয়োগ করেন। সাম্প্রতিক উন্নয়ন নব্য পৃথিবী সৃষ্টিবাদ নব্য পৃথিবী সৃষ্টিবাদ এক ধরনের ধর্মীয় বিশ্বাস যা অনুসারীরা বিশ্বাস করেন পৃথিবী স্রষ্টা কর্তৃক ১০ হাজার বছর পূর্বে সৃষ্ট। এই সংখ্যা মূলতঃ জেনেসিস থেকে প্রাপ্ত। নব্য পৃথিবী সৃষ্টিবাদীরা প্রায়ই পৃথিবী ও বিশ্বব্রহ্মান্ডের বয়স একই বলে বিশ্বাস করেন। সৃষ্টিবাদ বিজ্ঞান প্রধানত বাইবেলের সাহিত্যের ভিত্তিতে তৈরি, যা বিজ্ঞানের ধারেকাছেও যায় না। সৃষ্টিবাদ বিজ্ঞান একটি অপবিজ্ঞান, যা সৃষ্টিবাদের সাথে বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্ক প্রমাণের চেষ্টা করে। আদি পৃথিবী সৃষ্টিবাদ আদি পৃথিবী সৃষ্টিবাদীরা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ঈশ্বরের সৃষ্ট বলে বিশ্বাস করেন। তারা ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহে উল্লেখ্য ৬ দিনে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড তৈরির ব্যাপারটি আক্ষরিক অর্থে মানেন না। এই দল বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ও পৃথিবীর বয়স নির্ধারনে জ্যোতির্বিদ ও ভূগোলবিশারদদের মতামতকে প্রাধান্য দেন। কিন্তু বিবর্তন তত্ত্বের বিশদ আলোচনার ক্ষেত্রে তাদের প্রশ্ন রয়ে যায়। আদি পৃথিবী সৃষ্টিবাদীরা জেনেসিসের ব্যাখ্যা বিভিন্নভাবে দিয়ে থাকেন। কখনো সেটা ৬ দিন থেকে নব্য সৃষ্টিবাদীদের মতো ২৪ ঘণ্টাও দাবী করে থাকেন। নব্য সৃষ্টিবাদ নব্য সৃষ্টিবাদীরা নিজেদের সৃষ্টিবাদীদের চেয়ে ভিন্ন বলে দাবী করে, যদিও প্রকৃতপক্ষে এটি একই ধারণার শাখা বিশেষ। তারা জীবনের উৎপত্তি নিয়ে বিতর্ক নতুন কাঠামোতে সাজাতে চায়, যেখানে ধর্মীয় শব্দমালার প্রয়োগ লক্ষণীয়। নব্য সৃষ্টিবাদীরা ধর্মীয় বাণীসমূহের নতুন ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছে, এটি ছাড়া তাদেরকে আদি পৃথিবী সৃষ্টিবাদী বা নব্য পৃথিবী সৃষ্টিবাদী বলে চিহ্নিত করা যায়। বর্তমানে নব্য সস্রিষ্টিবাদীরা বুদ্ধিদীপ্ত অনুকল্প আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে যার ফলাফলে নতুন নব্য সৃষ্টিবাদীর দেখা পাওয়া যায়। আস্তিক্যবাদী বিবর্তন আস্তিক্যবাদী বিবর্তনের সমর্থকগণ সাধারণত ধর্ম ও বিজ্ঞানের সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়ে সাংঘর্ষিক যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করেন ও বিবর্তনীয় মতবাদকে ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা এর উপর বিশ্বাসের সাথে খাপ খাইয়ে নেন, তারা এই মতের উপর দণ্ডায়মান থাকেন যে, সৃজনবাদ সম্পর্কিত ধর্মীয় শিক্ষা এবং বিবর্তনের তত্ত্বকে পরস্পরবিরোধী হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।Evolution Vs. Creationism, Eugenie Scott, Niles Eldredge, p62-63 অজ্ঞেয়বাদী বিবর্তন ও বস্তুবাদী বিবর্তন অজ্ঞেয়বাদী বিবর্তন জীববিজ্ঞানীয় বিবর্তনকে এমন অবস্থান থেকে সমর্থন করে, যেখানে ঈশ্বর বা স্রষ্টার উপস্থিতি বা উক্ত কর্মে তার অবদান থাকার সম্ভাবনা মোটেও জরুরী কিছু না। বস্তুবাদী বিবর্তন বিজ্ঞানের সংজ্ঞা ও সীমারেখা নিয়ে বিতর্ক বাস্তবতা বনাম তত্ত্ব বিজ্ঞান ও ধর্মের সংঘর্ষ বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিতর্ক জীববিজ্ঞান বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান হচ্ছে সৃষ্টি–বিবর্তন বিতর্কে সৃজনবাদী ও বিজ্ঞানমনস্কদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সাধারণ পূর্বপুরুষ (বিশেষ করে মানববিবর্তনে এইপ হতে মানুষের বিবর্তন), ম্যাক্রোইভোলিউশন, ফসিলের অস্তিত্ব ইত্যাদি বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানের আলোচনার বিষয়বস্তু সৃষ্টি -বিবর্তন বিতর্কে গুরুত্ব বহন করে। সাধারণ পূর্বপুরুষ বিবর্তনবিদ জন টিমার তার "হোয়াট'স রিয়েল কন্ট্রোভার্সি?" রচনায় মন্তব্য করেছেন, [The] Discovery [Institute] presents common descent as controversial exclusively within the animal kingdom, as it focuses on embryology, anatomy, and the fossil record to raise questions about them. In the real world of science, common descent of animals is completely noncontroversial; any controversy resides in the microbial world. There, researchers argued over a variety of topics, starting with the very beginning, namely the relationship among the three main branches of life. জীবকূলের একটি দলের যদি সাধারণ পূর্বপুরুষ থাকে, তাহলে তাদের সাধারণ উত্তরসূরী বলা হয়। বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন কর্তৃক প্রদত্ত সাধারণ উত্তরসূরী নির্ভর একটি তত্ত্বের উপর ব্রহ্মাণ্ডের বিবর্তনের খুঁটি দাঁড়িয়ে, যা সচরাচর জীববিজ্ঞানীদের স্বারা সমর্থিত। বর্তমানে জীবিত জীব সম্প্রদায়ের নিকটবর্তী সাধারণ পূর্বপুরুষ প্রায় ৩.৯ বিলিয়ন বছর আগে এসেছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। যদিও কিছু স্বল্প সংখ্যক (যেমনঃ মাইকেল বেহে) সৃজনবাদী ব্যতীত অধিকংশক সৃজনবাদী সাধারণ পূর্বপুরুষের ধারণা বাতিল করে, ত্রিশ মিলিয়ন প্রজাতির সাধারণ নকশাবিদ (স্রষ্টা) ধারণা প্রতিস্থাপনের পক্ষে। অন্যান্য সৃজনবাদীর মতে, ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির সাধারণ পূর্বপুরুষ আলাদা আলাদাভাবে সৃষ্ট, যা থেকেই পরবর্তীতে নিকটবর্তী প্রজাতির বিবর্তন ঘটেছে। সাধারণ পূর্বপুরুষের অস্তিত্ব জিনেটিক্স, ফসিল রেকর্ড, তুলনামূলক দেহ নকশা, প্রজাতির ভৌগোলিক অবস্থান, তুলনামূলক জীবরসায়ন ইত্যাদি কর্তৃক প্রমাণিত। মানব বিবর্তন মানব বিবর্তন বা মানুষের উৎপত্তি বলতে বিবর্তন এর মাধ্যমে অন্যান্য হোমিনিড থেকে একটি আলাদা প্রজাতি হিসেবে হোমো স্যাপিয়েন্স-দের উদ্ভবকে বোঝায়। এই বিষয়টি নিয়ে অধ্যয়ন করতে হলে বিজ্ঞানের অনেক শাখার সাহায্য নিতে হয়, যেমন: নৃবিজ্ঞান, প্রাইমেটবিজ্ঞান, জীবাশ্মবিজ্ঞান, প্রত্নতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব এবং জিনতত্ত্ব। "মানুষ" বা "হিউম্যান" শব্দটি দ্বারা এখানে প্রকৃতপক্ষে কেবল হোমো গণের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদেরকে বোঝানো হচ্ছে, যদিও মানব বিবর্তন গবেষণা করতে গিয়ে অস্ট্রালোপিথেকাস গণের অনেক প্রজাতি নিয়ে অধ্যয়ন করতে হয়- স্বভাবত সেগুলোর আলোচনাও এই বিষয়ের অধীনেই হয়। আনুমানিক ২৩ লক্ষ থেকে ২৪ লক্ষ বছর পূর্বে আফ্রিকাতে হোমো গণটি অস্ট্রালোপিথেকাস গণ থেকে পৃথক হয়ে গিয়েছিল। হোমো গণে অনেক প্রজাতিরই উদ্ভব ঘটেছিল যদিও একমাত্র মানুষ ছাড়া তাদের সবাই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এ ধরনের বিলুপ্ত মানব প্রজাতিগুলোর মধ্যে রয়েছে হোমো ইরেক্টাস যারা এশিয়ায় বাস করতো এবং হোমো নিয়ানডার্টালেনসিস যারা ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে ছিল। আর্কায়িক হোমো স্যাপিয়েন্স-দের উদ্ভব ঘটেছিল আনুমানিক ৪০০,০০০ থেকে ২৫০,০০০ পূর্বের সময়কালের মধ্যে। আর্কায়িক বলতে হোমো স্যাপিয়েন্সদের প্রাচীনতম সদস্যদের বোঝানো হয় যারা প্রজাতিগত দিক দিয়ে এক হলেও আধুনিক মানুষের চেয়ে কিছু ক্ষেত্রে পৃথক ছিল। দেহের অভ্যন্তরীন গড়নের দিক থেকে সম্পূর্ণ আধুনিক মানুষের উদ্ভব নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য অনুকল্প হচ্ছে "আউট অফ আফ্রিকা" বা "আফ্রিকা থেকে বহির্গমন" অনুকল্প যার সারকথা হচ্ছে আমরা আফ্রিকাতে উদ্ভূত হওয়ার পর আনুমানিক ৫০,০০০-১০০,০০০ বছর পূর্বে বিভিন্ন মহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছি। ম্যাক্রোবিবর্তন জীববিজ্ঞানে ম্যাক্রোইভোলিউশন বা ম্যাক্রোবিবর্তন বলতে একই প্রজাতির মধ্যে নয় এমন বিবর্তনকে বোঝায়। যদিও, মাইক্রো এবং ম্যাক্রো বিবর্তনের আলাদাকরনের নির্দিষ্ট কোন মাত্রা নেই। কেননা, মাইক্রো বিবর্তন বা ছোট ছোট বিবর্তনই সময়ের প্রেক্ষিতে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি করে, যা ম্যাক্রোবিবর্তন নামে অভিহিত। সৃজনবাদীরা জেনেসিসের বিভিন্ন প্রকারের জীব কথাটি দ্বারা বিভিন্ন প্রজাতিকে ব্যাখ্যা করেন এবং যুক্তি দেখান, বিভিন্ন প্রজাতি আলাদা আলাদাভাবে তৈরি করা হয়েছিল। আদি সৃজনবাদীরা এই কথাটি এতদিন ধরে বলে আসলেও বর্তমানে নব্য সৃজনবাদীরা নতুন প্রজাতি জীবজগতে আত্মপ্রকাশ করতে পারে এটা মানেন। এটা শুধুমাত্র জীববৈচিত্র্যে নিত্যন্তুন প্রজাতির সংযোজন হচ্ছে বলেই নয় বরং, নূহের নৌকায় সব প্রজাতির জোড়ার জায়গা ধারণ সম্ভব না বলেই মেনে নিতে বাধ্য হন। সৃজনবাদে বলা, "বিভিন্ন প্রজাতির" সৃষ্টি মূলত জীববিজ্ঞানের ট্যাক্সোনমির দিকে দিয়ে "পরিবার"(Family)কে বোঝায়। কিন্তু পরিবার একই হলেও "গণ"(genus) ভিন্ন হয়। সৃজনবাদীদের যুক্তিখন্ডন এখানেই হয়ে গেলেও, বর্তমানে অন্যান্য প্রাণী যেমন কুকুর বা বেড়ালের ক্ষেত্রে সাধারণ পূর্বপুরুষ বা কমন এনসেস্টরের ধারণা তারা মেনে নিলেও মানুষ ও এপদের সাধারণ পূর্বপুরুষের ধারণা সৃজনবাদীরা এখনো মেনে নিতে পারে নাই। সৃজনবাদীরা ম্যাক্রোবিবর্তনের বিপক্ষে যুক্তি হিসেবে নতুন সংযোজন এনেছে যে, প্রতিটি প্রজাতির গঠন এতটাই জটিল যে এরজন্য নির্দিষ্ট বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে তৈরি নকশা প্রয়োজন। যা মূলত বুদ্ধিদীপ্ত অনুকল্পকে ইঙ্গিত করে। যদিও এই যুক্তির স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে কোন পিয়ার রিভিউড বিজ্ঞান সাময়িকীতে এখন পর্যন্ত কোন নিবন্ধ প্রকাশিত হয়ন এবংবিজ্ঞানমহলে এই ব্যাখ্যাকে অপবিজ্ঞান বলে অভিহিত করা হয়। ফসিল বিবর্তন বিরোধীরা প্রায়ই বলে থাকেন যে এখন পর্যন্ত কোন ফসিল পাওয়া যায় নি যা পরিবর্তিত রূপ প্রকাশ করে। এই বিবর্তনীয় ফসিল সম্পর্কে এই ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে এ ব্যাপারে সঠিক জ্ঞানের অভাবে। সৃষ্টিবাদীদের একটি সাধারণ দাবী হল, এখন পর্যন্ত কোন ফসিল দেখা যায় নি যার সাংগঠনিক কোন বৈশিষ্ট্য রয়েছে। একটি জটিল সাংগঠনিক বৈশিষ্ট্য বিবর্তন প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ ভিন্ন সাংগঠনিক বৈশিষ্ট্যের কাজ করার মতো ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ডানার বিবর্তন লক্ষ করা যায়। প্রধানত উড়ন্ত শিকার ধরার মতো কাজের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও সময়ের প্রেক্ষিতে বিবর্তনের দরুন এখন ঊড়ার জন্যেও ব্যবহৃত হয়। এলান হেওয়ার্ড তার "সৃষ্টি ও বিবর্তন" (১৯৮৫) গ্রন্থে মন্তব্য করেছেন, "ডারউইনবাদীরা তিমির বিবর্তন নিয়ে খুব কম কথা বলেন কেননা এটা তাদের একটি সমাধানহীন ধাঁধায় ফেলে দেয়। তারা মনে করে, স্থলবাসী তিমি সাগরে গিয়ে পা হারিয়েছে। কিন্তু স্থলবাসী স্তন্যপায়ী, যা তিমিতে বিবর্তিত হওয়ার পথে ছিল তা স্থল কিংবা সমুদ্রের জল কিছুতেই নিজেকে যোগ্যভাবে ধরে রেখে টিকে থাকার আশা পারতো না।" তিমির বিবর্তন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে এবং এম্বুলোসিটাসের অস্তিত্ব এতে উঠে এসেছে। যা তিন মিটার লম্বা স্তন্যপায়ী কুমিরের ন্যায় প্রাণী। এই প্রানীর ফসিলই তিমির বিবর্তনীয় ফসিলের অন্যতম প্রমাণ। ভূতত্ত্ব বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখায় মহাকাশবিজ্ঞান যদিও নব্য সৃষ্টিবাদীরা দাবী করে পৃথিবী এবং সমগ্র মহাবিশ্ব একই সাথে প্রায় ছয় হাজার বছর আগে স্রষ্টা কর্তৃক সৃষ্ট। তবে আধুনিক বিজ্ঞানের কল্যাণে সবাই জানেন বিগব্যাং এর মাধ্যমে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড শুরুর কথা। নাসার উইলকিনসন মাইক্রোওয়েভ অ্যানিসোট্রপি প্রোব তথা ডব্লিউএমএপি নামক প্রকল্প অনুসারে মহাবিশ্বের বয়স প্রায় (১৩.৭ ± .২) × ১০৯ বছর । পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানের ভুল ব্যাখ্যা ডিস্কভারি ইন্সটিটিউটের একটি "ডারউনিজমের বৈজ্ঞানিক " শিরোনামের একটি "আনুষ্ঠানিক ঘোষণা" রয়েছে। অবশ্য অনেক জীববিজ্ঞান এবং ভূতত্ত্বর সাথে সম্পর্কহীন মানুষেরা এতে স্বাক্ষর করেছেন।এমন অনেক জীববিদ্যা গবেষক এতে স্বাক্ষর করেছেন, যাদের কাজ বিবর্তনের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত নয়। এমনকি কোন ক্ষেত্রে কিছু জীববিদ্যা গবেষকদের সাথে ভণ্ডামি করে স্বাক্ষর আদায়ের ঘটনাও ঘটেছে, যার প্রতিবাদে প্রজেক্ট স্টিভ কার্যকর হয়। সরকারি নীতি নিয়ে আলোচনা বিজ্ঞান শিক্ষা সৃষ্টিবাদীরা প্রচারকরে বিবর্তন একটি দূর্যোগ সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। Whether ID Is Science, p. 89, support the view that "ID's backers have sought to avoid the scientific scrutiny which we have now determined that it cannot withstand by advocating that the controversy, but not ID itself, should be taught in science class. This tactic is at best disingenuous, and at worst a canard. The goal of the IDM is not to encourage critical thought, but to foment a revolution which would supplant evolutionary theory with ID." যা বিজ্ঞানীরাও সমালোচনা করেন। সৃষ্টিবাদীরা দাবী করেন যে, শিক্ষার্থীদের বিবর্তন সংক্রান্ত বিতর্ক শিক্ষা দেয়া দরকার। অপরদিকে বেশিরভাগ বিজ্ঞান শিক্ষা দল ও বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায় উক্ত দাবীর প্রত্যুত্তরে দেখান, সত্যি বলতে বিবর্তনবাদ নিয়ে কোন বৈজ্ঞানিক বিতর্ক নেই। যে বিতর্ক আছে তা সম্পূর্ণই ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক। জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদে সৃষ্টি/বিবর্তন বিতর্ক বিষয়ে একটি কোর্স চালু করা হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীরা জীববিজ্ঞান নিয়ে জ্ঞান লাভ করে বৈজ্ঞানিকভাবে বিবর্তন নিয়ে বিতর্ক করার মতো কোন তথ্য পায় না। তাই শিক্ষার্থীরা "বিবর্তন বিতর্ক শিক্ষা দিতে" বিজ্ঞানের দর্শন বা বিজ্ঞানের ইতিহাসের উপর আরেকটি কোর্স চালু করার দাবী করে। বিভিন্নদেশে বিবর্তন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অবস্থা যদিও এই বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রেই বেশি প্রখ্যাত, তবে অন্যান্য দেশেও এর প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। ইউরোপ ইউরোপীয়ানরা এই সৃষ্টি–বিবর্তন বিতর্ককে মার্কিনদের বিষয় হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে সাম্প্রতিক বছরে, এই বিতর্কটা জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইটালী, নেদারল্যাণ্ড, পোল্যান্ড, তুরস্ক এবং সেবরিয়াতে বর্তমানে ইস্যু হয়ে উঠেছে। ১৭ ডিসেম্বর ২০০৭ এ পার্লামেন্টারী এসেম্বলী অব দ্য কাউন্সিল অব ইউরোপের (PACE) বিজ্ঞান বিভাগের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়; মার্কিন সৃজনবাদীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ইউরোপের বিদ্যালয় গুলোতেও সৃজনবাদীরা সৃজনবাদের চর্চা করতে চাইছে। সেই প্রতিবেদনের শেষে বলা হয় "যদি আমরা সতর্ক না হই, সৃজনবাদ মানবাধিকারের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে... এই সৃজনবাদের চর্চা ধর্মীয় ভাব ধারা প্রভাবিত, এবং এর ফলে উগ্র ডানপন্থার উথ্থান ঘটতে পারে।" ইউরোপীয় কাউন্সিল সম্পুর্ণভাবে সৃজনবাদকে খারিজ করে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ১৯৮০ সালে প্রাক্তন কুইনস রাজ্যের সরকার জো বেজলকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সৃষ্টিবাদ কে পাঠ্যে অন্তর্ভুক্ত করে। ২০১০ সালে, কুইনসল্যান্ড সরকার সৃষ্টবাদকে "প্রাচীন পাঠ" নামক বিষয়ের অংশে অন্তর্ভুক্ত করে; যেখানে প্রকৃতি ও মানবসুচনাকে বিতর্কিত ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন বক্তাদের আমন্ত্রণ করে নিয়ে আসা হত। বিজ্ঞান ভিত্তিক টেলিভিশন প্রোগ্রাম সবচেয়ে বিখ্যাত কোয়ান্টামে'' বহুদিন ধরে এই বিষয়ে বিতর্ক চলেছিল এবং মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূপ্রকৃতবিদ্যার অধ্যাপক আইয়ান প্লিমিয়ার কর্তৃক এলেন রবার্টস এর বিরুদ্ধে কেস দাখিল করা রবার্টস দাবী করেছিলেন নুহের নৌকার অবশিষ্টাংশ পূর্ব তুরস্কে আছে। যদিও আদালত পর্যবেক্ষণে দেখে যে, রবার্টের দাবী মিথ্যা, তাই সে কেস ফেইল হয়। মুসলিম বিশ্বে সাম্প্রতিক সময়ে এই বিতর্ক ইসলামিক দেশগুলোতেও আলোচিত হয়ে উঠেছে। মিশরে, বিদ্যালয়ে বিবর্তন নিয়ে বর্তমানে পাঠ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু সৌদি আরব এবং সুদানে; বিদ্যালয়ে বিবর্তন পাঠ দেওয়া সম্পুর্ণভাবে নিষিদ্ধ। সৃষ্টি বাদ বিজ্ঞানকে তুরস্কে এবং পশ্চিম ইউরোপে প্রাথমিক ভাবে হারুন ইয়াহিয়ার কারণে পাঠ দানে বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইরানকে শিয়া ইসলাম সৌদি আরবের ন্যায় আচ্ছন্ন করে নি, এবং জনসম্মুখে ইরানি বিশেষজ্ঞরা বিবর্তনের বিরুদ্ধে না বললেও, তাদের অধিকাংশের ধারণা (যাদের বিরাট অংশ ইসলামিক ইরানের নের্তৃত্ব দিয়েছিল) বিবর্তনের মূলধারার ইসলামের বিরোধ আছে। বাংলাদেশী মুসলিমগণ বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাসী নয়। এটি ইসলামী মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক। তথ্যসূত্র শিরোনামহীন উদ্ধৃতিসহ পাতা বিবর্তন বিবর্তন ও ধর্ম সৃষ্টিবাদ জীববিজ্ঞান সম্পর্কিত বিতর্কিত বিষয়
334058
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%20%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%80%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE
বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকা
জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হল সাংস্কৃতিক বা প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য অধিবেশনে বর্ণিত হয়েছে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য স্মৃতিস্তম্ভ (যেমন স্থাপত্যকর্ম, স্মারক ভাস্কর্য, বা শিলালিপি), ভবন, এবং স্থান (প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট সহ) নিয়ে গঠিত। প্রাকৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে (ভৌতিক এবং জৈবিক গঠনের সমন্বয়ে), ভূতাত্ত্বিক এবং ভৌতিক গঠন (প্রাণী ও উদ্ভিদের হুমকির সম্মুখীন প্রজাতির বাসস্থান সহ), এবং প্রাকৃতিক স্থান যা বিজ্ঞান, সংরক্ষণ বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলিকে প্রাকৃতিক হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। বাংলাদেশ ১৯৮৩ সালের ৩ আগস্ট কনভেনশনটি গ্রহণ করে, দেশের ঐতিহাসিক স্থানগুলিকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উপযুক্ত করে তোলে। , বাংলাদেশে তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে এবং আরও পাঁচটি অস্থায়ী তালিকায় রয়েছে। ১৯৮৫ সালে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত প্রথম দুটি স্থান ছিল মসজিদের শহর বাগেরহাট এবং পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ।১৯৯৭ সালে প্রাকৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে সুন্দরবন তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।২০২১ সালে কেরানিগঞ্জের দোলেশ্বর হানিফিয়া জামে মসজিদ এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয়। বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলি তালিকার স্থান, অবস্থান, মানদণ্ড, এলাকা, বছরের চিহ্নের উপর ক্লিক করে এই তালিকাকে বর্ণানুক্রমে ও উল্টো বর্ণক্রমে সাজানো যাবে। স্থান; বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী কমিটির অফিসিয়াল নামানুসারে (ইংরেজিতে) অবস্থান; শহর, আঞ্চলিক বা প্রাদেশিক স্তর এবং ভূ স্থানাঙ্ক মানদণ্ড; বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী কমিটি দ্বারা সংজ্ঞায়িত এলাকা; হেক্টর এবং একর অনুসারে। উপলব্ধ হলে, বাফার জোনের মাপসহ উল্লেখ করা হয়েছে। মান শূন্য দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে ইউনেস্কো কর্তৃক কোন তথ্য প্রকাশিত হয়নি বছর; কোন সময়ে স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তালিকায় তালিকাভুক্ত করা হয় বিবরণ; স্থান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য, যদি প্রযোজ্য হয় তাহলে একটি বিপন্ন সাইট হিসাবে যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়ার কারণ সহ সম্ভাব্য স্থানগুলি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী কমিটির বিবেচনায় বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে নির্বাচিত হবার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে সম্ভব্য স্থান সমূহের তালিকা সংরক্ষণ করার অনুমতি দেয় এবং চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্যে নিদৃষ্ট স্থানকে অবশ্যই সম্ভব্য তালিকায় থাকতে হবে। ২০১৪ এর নিবন্ধন অনুসারে, নিম্নের ৫টি স্থান সম্ভব্য স্থান হিসাবে সংযুক্ত হয়। আরও দেখুন বাংলার বিশ্ব ঐতিহ্য তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার - বাংলাদেশ বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান এশিয়ার বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকা বাংলাদেশের পর্যটক আকর্ষণের তালিকা
706345
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%95
স্ট্যানলি স্নুক
স্ট্যানলি ডে লা কোর্ট স্নুক (; জন্ম: ১১ নভেম্বর, ১৮৭৮ - মৃত্যু: ৬ এপ্রিল, ১৯৫৯) টেম্বুল্যান্ডের সেন্ট মার্কস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ১৯০৭ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গটেং ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন স্ট্যানলি স্নুক। খেলোয়াড়ী জীবন ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স ও গটেং দলের পক্ষে খেলেছেন তিনি। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। ১৯ আগস্ট, ১৯০৭ তারিখে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে স্ট্যানলি স্নুকের। ঐ টেস্টে তিনি কোন রান তুলতে পারেননি। তার ভাই টিপ স্নুক দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ৬ এপ্রিল, ১৯৫৯ তারিখে কেপ টাউনের ওয়েনবার্গে ৮১ বছর বয়সে স্ট্যানলি স্নুকের দেহাবসান ঘটে। তথ্যসূত্র আরও দেখুন গর্ডন হোয়াইট পার্সি শেরওয়েল এক টেস্টের বিস্ময়কারী ইস্টার্ন প্রভিন্স ক্রিকেট দল দক্ষিণ আফ্রিকান টেস্ট ক্রিকেটারদের তালিকা বহিঃসংযোগ ১৮৭৮-এ জন্ম ১৯৫৯-এ মৃত্যু ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের ক্রিকেটার গটেংয়ের ক্রিকেটার দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ক্রিকেটার
768904
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%87%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
বাকই ইউনিয়ন
বাকই বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত লাকসাম উপজেলার একটি ইউনিয়ন। আয়তন জনসংখ্যা অবস্থান ও সীমানা লাকসাম উপজেলার সর্ব-উত্তরে বাকই ইউনিয়নের অবস্থান। এ ইউনিয়নের দক্ষিণে মুদাফফরগঞ্জ ইউনিয়ন ও কান্দিরপাড় ইউনিয়ন, পূর্বে লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়ন, উত্তরে লালমাই উপজেলার বাকই উত্তর ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে বরুড়া উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়ন অবস্থিত। প্রশাসনিক কাঠামো বাকই ইউনিয়ন লাকসাম উপজেলার আওতাধীন ১নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম লাকসাম থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৫৭নং নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা-৯ এর অংশ। শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ ব্যবস্থা খাল ও নদী হাট-বাজার দর্শনীয় স্থান বড়িগাও বোদ্ধ মম্দির ও অনাথ আশ্রম জনপ্রতিনিধি আরও দেখুন লাকসাম উপজেলা লাকসাম থানা কুমিল্লা জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ লাকসাম উপজেলার ইউনিয়ন
1133377
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%81%20%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F
লুলু হোয়াইট
. লুলু হোয়াইট (লুলু হেন্ডলি, সিএ ১৮৬৮ - ২০ আগস্ট, ১৯৩১) স্টোরিভিলের সময়কালে লুইসিয়ানার নিউ অরলিন্সের একজন পতিতালয় ম্যাডাম, যৌনকারবারি এবং উদ্যোক্তা ছিলেন। একজন উদ্ভট ব্যক্তিত্ব, তিনি তার গহনা প্রেম, তার অনেক ব্যর্থ ব্যবসায়িক উদ্যোগ এবং তার অপরাধমূলক রেকর্ডের জন্য বিখ্যাত ছিলেন যা ১৮৮০ সাল পর্যন্ত নিউ অরলিন্সে প্রসারিত হয়েছিল। তথ্যসূত্র আরও পড়া Landau, Emily E., Sspectacular Wickedness: New Orleans, Prostitution, and the Politics of Sex, 1897–1917, Ph.D. গবেষণামূলক, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়, 2005। লং, অ্যালেসিয়া পি., দ্য গ্রেট সাউদার্ন ব্যাবিলন: সেক্স, রেস, অ্যান্ড রেসপেক্টেবিলিটি ইন নিউ অরলিন্স, 1865-1920, লুইসিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি প্রেস, 2004। বহিঃসংযোগ একজন যুবতী হিসাবে লুলু হোয়াইটের প্রতিকৃতি, 1890 এর দশক ১৯৩১-এ মৃত্যু ১৮৬০-এর দশকে জন্ম মার্কিন পতিতালয়ের মালিক ও ম্যাডাম
496984
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
ধুলাসার ইউনিয়ন
ধুলাসার বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত কলাপাড়া উপজেলার একটি ইউনিয়ন। আয়তন ধুলাসার ইউনিয়নের আয়তন ১২,৭১৩ একর। প্রশাসনিক কাঠামো ধুলাসার ইউনিয়ন কলাপাড়া উপজেলার আওতাধীন ৯নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম মহিপুর থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ১১৪নং নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালী-৪ এর অংশ। এটি ৫টি মৌজায় বিভক্ত। এ ইউনিয়নের গ্রামগুলো হল: চর ধুলাসার পূর্ব ধুলাসার পশ্চিম ধুলাসার অনন্তপাড় নয়াকাটা দিওর নয়াকাটা তারিকাটা মুসলিমপাড়া বৌলতলী বৌলতলীপাড়া বেতকাটাপাড়া বেতকাটা চর চাপলী কাউয়ারচর চর কাউয়ারচর চাপলী পশ্চিম চাপলী গঙ্গামতি চর গঙ্গামতি নতুনপাড়া বড় হরপাড়া জনসংখ্যার উপাত্ত ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ধুলাসার ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১৮,২৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯,১৮৯ জন এবং মহিলা ৯,০৫৪ জন। মোট পরিবার ৩,৯৭৪টি। শিক্ষা ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ধুলাসার ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৩৮.৯%। এ ইউনিয়নে ৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কলেজ ও ২টি মাদ্রাসা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি মহিববুর রহমান; সংসদ সদস্য। জনপ্রতিনিধি আরও দেখুন কলাপাড়া উপজেলা মহিপুর থানা পটুয়াখালী জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ কলাপাড়া উপজেলার ইউনিয়ন
751188
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%95%20%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%20%E0%A6%87%E0%A6%9C%20%E0%A6%85%E0%A6%A8%20%E0%A6%9F%E0%A6%AA
চাক বেরি ইজ অন টপ
চাক বেরি ইজ অন টপ () আমেরিকান রক এ্যান্ড রোল শিল্পী চাক বেরি কর্তৃক প্রকাশিত তৃতীয় অ্যালবাম। ১৯৫৯ সালের জুলাই মাসে চেস রেকর্ডস থেকে এটি প্রকাশিত হয়। "ব্লুজ ফর হাওয়াইয়ানস" ছাড়া প্রত্যেকটি গান পূর্বে ৪৫আরপিএম একক হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। কাব কোডা, অল মিউজিকে লিখেছিল যে, অ্যালবমটি "প্রায় একটি মিনি-সর্বশ্রেষ্ঠ গানের প্যাকেজ" এবং বেরির সঙ্গীতজীবনের সবচেয়ে পরিচিত অ্যালবাম। ২০০৮ সালে, মোবাইল ফিডেলিটি সাউন্ড ল্যাব সেইন্ট লুইস টু লিভারপুল-এর সাথে পুনঃপ্রকাশ করেছিল। ২০১২ সালে, হুডু, অ্যালবামটি পুনঃপ্রকাশ করেছিল ওয়ান ডজন বেরিজ-এর সাথে একই সিডি'তে। গানের তালিকা প্রথম অংশ "অলমস্ট গ্রউন" – ২:২১ "ক্যারল" – ২:৪৮ "মেবিলিন" – ২:২৩ "সুইট লিটল রক এ্যান্ড রোলার" – ২:২২ "অ্যান্থনি বয়" – ১:৫৪ "জনি বি. গুড" – ২:৪১ দ্বিতীয় অংশ "লিটল কুইনি" – ২:৪৩ "জো জো গান" – ২:৪৭ "রোল ওভার বিঠোফেন" – ২:২৪ "এরাউন্ড এ্যান্ড এরাউন্ড" – ২:২৪ "হেই পেদ্রো" – ১:৫৭ "ব্লুজ ফর হাওয়াইয়ানস" – ৩:২৩ কর্মী বৃন্দ চাক বেরি – কন্ঠ, গিটার বো ডিডলেই – ইলেকট্রিক গিটার জনি জনসন, লাফায়েট্টে লিক – পিয়ানো উইলি ডিক্সন – ডাবল বেজ জর্জ স্মিথ – বেজ গিটার ফ্রেড বিলো, এবি হার্ডি, জ্যাসপার থমাস – ড্রামস জেরোম গ্রিন – মারাকাস দ্য মুনগ্লোজ – সহ-কন্ঠ চার্ট অবস্থান একক - বিলবোর্ড (উত্তর আমেরিকা) তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ
937387
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%20%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC
গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায়
অধ্যাপক ড. গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায় () ( ২৩ মে ১৯১৮ - ২৬ মার্চ ২০০৯) সংস্কৃত ভাষার অধ্যাপক ও সংগীতশিল্পী। মহামহোপাধ্যায় উপাধি ও রাষ্ট্রপতি সম্মানে ভূষিত সংস্কৃত পণ্ডিত। জন্ম ও শিক্ষাজীবন গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায়ের জন্ম বৃটিশ ভারতের বর্তমানে ঝাড়খণ্ড রাজ্যের দেওঘর জেলার বৈদ্যনাথ ধামে। তিনি পিতা প্রাণগোপাল মুখোপাধ্যায় ও মাতা সুরবালা দেবীর কনিষ্ঠ সন্তান ছিলেন। তার পিতা ছিলেন সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত ও শ্রীবালানন্দ ব্রহ্মচারীর শিষ্য। তিনি দেওঘরে শ্রীবালানন্দ ব্রহ্মচারীর আশ্রমে আশ্রমিক হিসাবে শিক্ষা লাভ করে প্রাইভেটে ম্যাট্রিক পাশ করেন প্রথম বিভাগে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন ও সংস্কৃতে প্রথম শ্রেণীতে বি. এ পাশ করেন। প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন এম.এ পরীক্ষাতেও। বেনারস বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের কাছে গবেষণা করে ডি.লিট পান। কর্মজীবন বেনারসে কিছুদিন অধ্যাপনা করেন ও পরে পশ্চিমবঙ্গে ফিরে এসে প্রথমে যোগ দেন কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজে। তারপর কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ও সংস্কৃত কলেজে। শেষে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হয়ে অবসর গ্রহণ করেন। তবে অধ্যাপনা হতে অবসরের পর যুক্ত ছিলেন জাতীয় শিক্ষা পরিষদ রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। দীর্ঘ পঞ্চাশ বৎসর যুক্ত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে। শ্রী অরবিন্দ ভবন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অব কালচার ও সারদা মঠের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সংগীত জীবন কৃতি অধ্যাপক-জীবনের পাশাপাশি তিনি ছিলেন খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী। সঙ্গীতে তিনি তালিম নিয়েছিলেন হরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ও দিলীপকুমার রায়ের কাছে। তিনি আবার ভজন শিখিয়েছেন প্রখ্যাত শিল্পী ভারত রত্নএম এস শুভলক্ষ্মী ও গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে। দীর্ঘদিন তিনি আকাশবাণী ও দূরদর্শনের নিয়মিত শিল্পী ছিলেন। দ্বিজেন্দ্রগীতি, অতুলপ্রসাদের গান, রজনীকান্তর গান দিলীপকুমারের গান গাইতেন। এছাড়া মন্ত্রগান ও সংস্কৃত শ্লোক পাঠ করতেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই যে,১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে প্রথমবার আকাশবাণী পূজার সময় মহালয়ার ভোরের বহু জনপ্রিয় অনুষ্ঠান "মহিষাসুরমর্দিনী" র পরিবর্তে "দেবীং দুর্গতিহারিণীম" প্রচার করে সেই অনুষ্ঠানে সংস্কৃত শ্লোক পাঠ করেন তিনি। বাঙালি চিরাচরিত আবেগের কারণে অনুষ্ঠানটি অবশ্য সমাদর পায়নি বরং সমালোচিত হয়েছিল। তিনি তার স্ত্রী মাধুরী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দ্বৈতকণ্ঠে গেয়েছেন উপাসনার গান ও স্তোত্র। তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন দেবকী বসু পরিচালিত 'ভগবান শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য' ও 'মাথুর' ছায়াছবিতে। 'সাগরসঙ্গমে' ও 'সাত পাকে বাঁধা' ছায়াছবিতে নেপথ্যে কণ্ঠ দিয়েছেন। বহু গানের রেকর্ড করেছেন তিনি। শিক্ষা ও সঙ্গীতের জন্য তিনি নানা সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন। মহামহোপাধ্যায় উপাধি ও রাষ্ট্রপতি সম্মানে ভূষিত হন। তিনি অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল - 'চেতনার আরোহিণী' 'পত্র প্রসাদ' 'মহাজন সংবাদ' 'ত্রয়ীর ত্রিধারা' 'দিলীপকুমার রায় - জীবনে ও গানে' 'শ্রীগুরুবালানন্দ সংবাদ' 'গীতার কথা' 'ভাগবতের কথা' 'শ্রীমদ্ভাগবতের কথা' 'শ্রুতি সঞ্চয়নম' ( সংকলন গ্রন্থ) জীবনাবসান ড. গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায় ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে র ২৬ শে মার্চ ৯০ বৎসর বয়সে কলকাতায় প্রয়াত হন। তথ্যসূত্র ১৯১৮-এ জন্ম ২০০৯-এ মৃত্যু দেওঘর জেলার ব্যক্তি সংস্কৃত পণ্ডিত ভারতীয় সংঙ্গীত শিল্পী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
1334251
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A7%88%E0%A6%B2%E0%A7%80
গোয়ার রন্ধনশৈলী
গোয়ার রন্ধনশৈলীতে আরব সাগরের তীরে ভারতের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি ভারতীয় রাজ্য গোয়ায় জনপ্রিয় আঞ্চলিক খাবার রয়েছে। ভাত, সামুদ্রিক খাবার, নারকেল, শাকসবজি, মাংস, রুটি, শুয়োরের মাংস ও স্থানীয় মশলা গোয়ার রন্ধনশৈলীর প্রধান উপাদানগুলির মধ্যে কয়েকটি। কোকুম এবং ভিনেগারের ব্যবহার আরেকটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। মাছ ছাড়া গোয়ার খাবার অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়। গোয়ার রন্ধনশৈলী এর কোঙ্কানি শিকড় থেকে উদ্ভূত হয়েছিল এবং পর্তুগিজদের ৪৫১ বছরের শাসন ও পর্তুগিজদের পূর্ববর্তী সুলতানি শাসন দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। অনেক ক্যাথলিক পদের নামকরণ বা উপাদানের ব্যবহার উভয় ক্ষেত্রেই হয় তাদের পর্তুগিজ সমকক্ষের মতো বা ভিন্ন। সামুদ্রিক খাবার গোয়ার জনগোষ্ঠীর রন্ধনশৈলী বেশিরভাগই সামুদ্রিক খাবার ভিত্তিক; প্রধান খাবার ভাত ও মাছ। সুরমা মাছ (ভিসন বা ভিসভান) হল সবচেয়ে বেশি খাওয়া মাছের একটি। অন্যান্য মাছের জাতগুলির মধ্যে রয়েছে রূপচান্দা, হাঙ্গর, টুনা, সার্ডিন ও ম্যাকরেল। ঝিনুকের মধ্যে রয়েছে কাঁকড়া, চিংড়ি, টাইগার চিংড়ি, গলদা, স্কুইড ও ঝিনুক। গোয়ার খ্রিস্টানদের খাবার পর্তুগিজদের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত। উদাহরণস্বরূপ, ভিনেগারের ব্যবহার খুব উল্লেখযোগ্য, বিশেষত টডি ভিনেগার, যা ডালপালা থেকে উদ্ধার করা নারকেলের রস থেকে তৈরি করা হয় ও তারপর চার থেকে ছয় মাসের জন্য গাঁজনে রেখে দেওয়া হয়। নতুন খাবারের পরিচিতি পর্তুগিজরা আলু, টমেটো, আনারস, পেয়ারা ও কাজু ব্রাজিল থেকে গোয়ায় এবং ফলস্বরূপ ভারতে প্রবর্তন করেছিল। গোল মরিচ গোয়ার রন্ধনশৈলীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক; এটি পর্তুগিজদের দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল এবং বিস্তৃত ভারতীয় রন্ধনশৈলীর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মশলা হিসাবে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। গোয়ার জাতীয় পদের মধ্যে একটির নাম সরপোটেল, যা শুকরের মাংস থেকে তৈরি। তথ্যসূত্র হিন্দু রন্ধনশৈলী রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল অনুযায়ী ভারতীয় রন্ধনশৈলী
1019456
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%95
মৃত্যুঞ্জয় নায়েক
মৃত্যুঞ্জয় নায়েক (জন্ম: ১ জুলাই ১৯৫২, ফুলবাণী (উড়িষ্যা)) ওড়িশার একজন নেতা। তিনি ফুলবাণী (লোকসভা কেন্দ্র) প্রতিনিধিত্বকারী লোকসভার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি সপ্তম, দশম ও একাদশ লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তথ্যসূত্র ১৯৫২-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি ওড়িশার লোকসভা সদস্য সপ্তম লোকসভার সদস্য দশম লোকসভার সদস্য একাদশ লোকসভার সদস্য ওড়িশার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ
358609
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AA%20%E0%A6%87%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%20%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%20%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%20%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0
২০১৪ ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের স্কটল্যান্ড সফর
ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল পূর্ব-নির্ধারিত সময়সূচী মোতাবেক ৯ মে, ২০১৪ তারিখে স্কটল্যান্ড ক্রিকেট দলের বিপক্ষে একটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করে। এ খেলাটি মূলতঃ শ্রীলঙ্কা দল ও আসন্ন গ্রীষ্মে ভারতীয় দলের ইংল্যান্ড সফরকালীন সময়ের জন্য প্রস্তুতিমূলক খেলা। এ খেলাটি অ্যাবরদিনের ম্যানোফিল্ড পার্কের দ্বাদশ খেলা; তন্মধ্যে একটি খেলা পরিত্যক্ত হয়। ইংল্যান্ড ৩৯ রানের ব্যবধানে জয়ী হয়। খেলা শেষে ইংরেজ অধিনায়ক অ্যালাস্টেয়ার কুক তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রকৃত অর্থে মাঠে খেলার উপযোগী পরিবেশ ছিল না। যেহেতৃ, একটিমাত্র খেলা, তাই খেলতে বাধ্য হয়েছি। দলের সদস্য খেলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা খেলা পরিচালনার জন্য নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণ দায়িত্ব পালন করেন ওডিআই সিরিজ একমাত্র ওডিআই তথ্যসূত্র ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের স্কটল্যান্ড সফর ২০১৪-এ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ২০১৪-এ ইংরেজ ক্রিকেট ২০১৪-এ স্কটল্যান্ডীয় ক্রিকেট
387295
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AA%20%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%BE
তাপ চিকিৎসা
তাপ চিকিৎসা শিল্প ও ধাতব কাজ শারীরিক পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত প্রক্রিয়া, এবং কখনও কখনও উপাদানের রাসায়নিক, ধর্ম পরিবর্তনে কাজে লাগে। সবচেয়ে সাধারণ কার্যক্ষেত্র ধাতুবিদ্যা। আরোও দেখুন তথ্যসূত্র আরোও পড়ুন বহিঃসংযোগ ধাতব তাপ চিকিৎসা ভৌত ঘটনা ধাতুবিদ্যা ধাতুকর্ম
488688
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%20%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B8
অ্যামি অ্যাডামস
অ্যামি লৌ অ্যাডামস (; জন্মঃ ) একজন জনপ্রিয় আমেরিকান অভিনেত্রী এবং গায়িকা। তিনি দুইবার গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জেতেন এবং অ্যাকাডেমি পুরস্কার ও বাফটা পুরস্কার উভয় অনুষ্ঠানেই পাঁচবার করে মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি ডিনার থিয়েটারের স্টেজে অভিনয়ের মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৯৯ সালে ড্রপ ডেড গর্জিয়াস চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ফিচার চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে। লস অ্যাঞ্জেলসে যাওয়ার পর তিনি স্টিভেন স্পিলবার্গের ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান (২০০২) ছবিতে অভিনয় করেন। এর আগে তিনি কয়েকটি নিম্ন বাজেটের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। কিন্তু অ্যাডামসের ক্যারিয়ারের ব্রেকথ্রু এনে দেয়া চরিত্রটি আসে ২০০৫ সালে জুনবাগ চলচ্চিত্রে, যেখানে অ্যাডামস একজন যুবতী গর্ভবতী নারীর ভূমিকায় অভিনয় করেন। এই চলচ্চিত্রে তার অভিনয় সমালোচক মহলে যেমন প্রশংসিত হয়, তেমনি সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবেও প্রথমবারের মত অস্কার মনোনয়ন লাভ করেন। ২০০৮ সালে ডাউট চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি দ্বিতীয়বার অস্কার মনোনয়ন পান। ২০১৩ সালে আমেরিকান হাসল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রথম গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার লাভ করেন এবং প্রথমবারের মত সেরা অভিনেত্রী ক্যাটাগরিতে অস্কার মনোনয়ন লাভ করেন। পরবর্তীতে, ২০১৪ সালে বিগ আইজ চলচ্চিত্রে অসামান্য অভিনয়ের সুবাদে অ্যামি লাভ করেন তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার। জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ম্যান অব স্টিল এবং এর সিক্যুয়েলে তিনি লুইস লেইন চরিত্রে অভিনয় করেন। প্রাথমিক জীবন ইতালির ভেনেটো শহরের ভিসেনজায় অ্যাডামস জন্মগ্রহণ করেন। সাত ভাইবোনের মধ্যে অ্যাডামস ছিলেন চতুর্থ। ১৯৮৫ সালে তার বাবা-মার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটার আগ পর্যন্ত তিনি এলডিএস চার্চে বড় হয়েছিলেন। ৬ বার অস্কার মনোনীত অভিনেত্রী এবং ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশী বক্স অফিস অর্জিত স্টার। ব্যক্তিগত জীবন ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে ড্যারেন লি গ্যালোর সাথে অ্যাডামসের বাগদান সম্পন্ন হয়। ২০১০ সালের ১৫ মে তারা একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন, যার নাম রাখা হয় অ্যাভিয়ানা অলিয়া লি গ্যালো। ২০১৫ সালের মে মাসে ক্যালিফোর্নিয়ায় লি গ্যালোর সাথে অ্যাডামস বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং মনোনয়ন তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ১৯৭৪-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি ২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী ২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী ২১শ শতাব্দীর মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী ২১শ শতাব্দীর মার্কিন গায়িকা মার্কিন কণ্ঠাভিনেত্রী মার্কিন গায়িকা মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মার্কিন টেলিভিশন অভিনেত্রী মার্কিন মঞ্চ অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্পিরিট পুরস্কার বিজয়ী গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী - সঙ্গীতধর্মী বা হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র) বিজয়ী
20443
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%AA%E0%A7%A6%E0%A7%AA
৪০৪
৪০৪ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জীর একটি অধিবর্ষ। ঘটনাবলি মৃত্যু ১ জানুয়ারি - তেলেমাচুস, ক্রিস্টান যাজক ও শহীদ। ফেব্রুয়ারি - প্রথম ফ্লাভিয়ান, আন্তিওচের পাত্রিয়ার্ক। ১৯ জুন - হুয়ান সুয়ান, চিন রাজবংশের সেনাপতি ও সম্রাট। (জ. ৩৬৯) ৬ অক্টোবর - এইলিয়া ইউদোক্সিয়া, রোমান সম্রাজ্ঞী ও আর্কাদিউসের স্ত্রী। ক্লাউদিয়ান - রোমান কবি (সম্ভাব্য তারিখ) হে ফানি, চিন রাজবংশের সম্রাজ্ঞী (জ. ৩৩৯) পলা, ডেজার্ট মাদার ও সন্ত (জ. ৩৪৭) ৪০৪
428469
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%80%20%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%BE
পাণ্ডামুখী বুনোআদা
পাণ্ডামুখী বুনোআদা (), (বৈজ্ঞানিক নাম:Asarum maximum) হচ্ছে অ্যারিস্টোলোচিয়াসি পরিবারের একটি প্রজাতি। এটি চীনের স্থানীয় আঞ্চলিক উদ্ভিদ। এটির ফুলের ভক্ষণযোগ্য ছত্রাক তথা মাশরুমের মতো বিশিষ্ট গন্ধ আছে। এই আদার ফুলের সঙ্গে পাণ্ডার মুখাবয়বের সাদৃশ্য থাকায় এই আদা প্রজাতিটি পাণ্ডামুখী আদা নামে পরিচিত। কালো রঙ্গের ফুলের প্রতি সবার এক ধরনের বিশেষ আগ্রহ থেকেই এই ফুল চীনে বেশ জনপ্রিয়। ছায়া জায়গায় এই উদ্ভিদ ভালো হয়, ফলে ঘরের অভ্যন্তরেও এই উদ্ভিদ রাখা যায়। বিস্তৃতি বুনো আদা মোটামুটি সব দেশেই রয়েছে কিন্তু বিশেষ রকম এই আলংকারিক আদা এশিয়া এবং উত্তর আমেরিকায় হয়ে থাকে। পুরো বসন্ত জুড়ে ফুল ফুটে। ক্যালিফোর্নিয়া, জর্জিয়া, মায়ারল্যান্ড, পোর্টল্যান্ড, ক্লেয়টন্‌, ভিলা রিক এবং চীনের হুপেই, সিছুয়ান এই সমস্ত প্রদেশে এই উদ্ভিদ পাওয়া যায়। আপাত দৃষ্টিতে কালো রঙ দেখা গেলেও সম্পূর্ণ রুপে কালো ফুল নেই। এই ফুলটি দুই রঙের হয়ে থাকে সাদা এবং গাঢ় রক্তবেগুনী যা একেবারেই কালো রঙ মনে হয়ে থাকে। ছোট ছোট ফুল যেনো এক সাথে অনেক গুলো পান্ডা চেয়ে রয়েছে এমনি মনে হয়। গাছের মূল বা জিঞ্জারে মশলাযুক্ত সুগন্ধ রয়েছে। বেশিরভাগ আদার ফুল পাতার মাঝে ঢেকে থাকে শুধুমাত্র পান্ডাফেস ফুল পাতার আড়ালে নয় নিজেকে প্রকাশ করে পাতা থেকে আলাদা ও স্বতন্ত্রভাবে। সাধারণত এই ফুল পটে লাগানো হয়ে থাকলেও অনেকেই বাগানেও লাগান, সেক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে লাগাবার স্থানটি অবশ্যই ছায়াযুক্ত, আর্দ্র ও ভাল উর্বর মাটি হতে হবে, পানি জমে থাকে এমন স্থান ভাল নয় এই গাছের জন্য। তথ্যসূত্র China Plant Specialist Group 2004. Asarum maximum . 2006 IUCN Red List of Threatened Species. Downloaded on 20 August 2007. চীনের উদ্ভিদ সংকটাপন্ন উদ্ভিদ আলংকারিক উদ্ভিদ ঘরের উদ্ভিদ
1161270
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A4%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
সম্মিলিত জাতীয়তাবাদ
সম্মিলিত জাতীয়তাবাদ (হিন্দুস্তানি: মুশতারেকা ওয়াতানিয়াত বা মুত্তাহিদাহ কওমিয়াত ) একটি ধারণা যা যুক্তি দেয় যে ভারতীয় জাতি বিভিন্ন সংস্কৃতি, বর্ণ, সম্প্রদায় এবং বিশ্বাসের লোকদের দ্বারা গঠিত। ধারণাটি শেখায় যে ভারতে জাতীয়তাবাদকে ধর্ম দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা যায় না। যদিও ভারতীয় নাগরিকরা তাদের স্বতন্ত্র ধর্মীয় ঐতিহ্য বজায় রাখে, তারা এক অখন্ড ভারতীয় জাতির সদস্য। এই নীতিটি হিন্দু জাতীয়তাবাদ বা অন্য কোন ধর্মীয় অরাজকতাকে ভারতীয় দেশপ্রেম বা জাতীয়তাবাদের অনুমিত প্রয়োজনীয়তা করার প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে। সম্মিলিত জাতীয়তাবাদ মতে, ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশদের আগমনের আগে বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষের মধ্যে কোনো শত্রুতা ছিল না এবং এই কৃত্রিম বিভাজনগুলি ভারতীয় সমাজ দ্বারা কাটিয়ে উঠতে পারে। আরও দেখুন ভারতীয় জাতীয়তাবাদ সম্মিলিত জাতীয়তাবাদ ও ইসলাম ভারতীয় পুনর্মিলন তথ্যসূত্র ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস গান্ধীবাদ সম্প্রদায় গঠন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন
1111871
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%20%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2
উত্তর পূর্ব রেল
উত্তর পূর্ব রেল হল ভারতের ১৮টি রেলওয়ে জোনের মধ্যে একটি। এটির সদর দফতর গোরখপুরে অবস্থিত। জোনাল রেল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (জেডআরটিআই) উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর জেলায় প্রতিষ্ঠিত। উত্তর-পূর্ব রেলওয়ে হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট জোনগুলির মধ্যে একটি, অর্থাৎ, এটি উত্তর রেলের ফিরোজপুর বিভাগ থেকে বোঝাই ওয়াগন, বিশেষ করে খাদ্যশস্য থেকে পূর্ব বেল্ট এবং উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে ( সেভেন সিস্টার স্টেটসে ) নিয়ে যেতে ব্যবহৃত হয়। এইভাবে, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় একটি অপরিহার্য কট হিসাবে কাজ করে। একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট জোন হওয়ার পাশাপাশি, এটি প্রতিবেশী অঞ্চল থেকে প্রচুর অভ্যন্তরীণ ট্র্যাফিকের জন্য কেন্দ্র পর্যায়ে রয়েছে। অভ্যন্তরীণ যানবাহনের মধ্যে রয়েছে খাদ্যশস্য, সার, পাথরের চিপ, সিমেন্ট, পেট্রোলিয়াম, কয়লা ইত্যাদি। উত্তর-পূর্ব রেল উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্ব উত্তর প্রদেশের দিকে এবং পশ্চিম বিহার নিয়ে গঠিত একটি বৃহৎ এলাকা নিয়ে গঠিত, এটি অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল অংশগুলির জন্য অনেক যাত্রীবাহী ট্রেন চালায়। এইভাবে, তার সত্যিকার অর্থে, উত্তর-পূর্ব রেলওয়ে ভারতীয় রেলওয়ের সামাজিক ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করছে। ইতিহাস উত্তর-পূর্ব রেল ১৪ এপ্রিল ১৯৫২ সালে দুটি রেলওয়ে ব্যবস্থা অযোধ এবং তিরহুত রেলওয়ে এবং আসাম রেলওয়ে এবং বোম্বে, বরোদা এবং মধ্য ভারত রেলওয়ের কাউনপুর-আচেরা প্রাদেশিক রাজ্য রেলওয়েকে একত্রিত করে গঠিত হয়েছিল। কাউনপুর-বারাবাঙ্কি রেলওয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ সালে উত্তর পূর্ব রেলওয়েতে স্থানান্তরিত হয়। NER ১৫ জানুয়ারী ১৯৫৮ সালে দুটি রেলওয়ে জোনে বিভক্ত করা হয়েছিল, উত্তর পূর্ব রেলওয়ে এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল এবং কাটিহারের পূর্বের সমস্ত লাইন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়েতে স্থানান্তরিত হয়েছিল। ডিসেম্বর ২০১৭ এর মধ্যে, রেলওয়ে প্রথমবারের মতো ৬,০৯৫টি জিপিএস- সক্ষম "ফগ পাইলট অ্যাসিসট্যান্স সিস্টেম" রেলওয়ে সিগন্যালিং ডিভাইসগুলি চারটি সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত অঞ্চলে, উত্তর রেল, উত্তর মধ্য রেল, উত্তর পূর্ব রেল এবং উত্তর পশ্চিম রেল নিয়ে গঠিত। শামুকের গতিতে ট্রেন চালানোর জন্য ট্রেনের চালকদের সতর্ক করার জন্য ট্রেনের ট্র্যাকে আতশবাজি রাখার পুরানো অভ্যাস থেকে দূরে থাকুন। এই ডিভাইসগুলির সাহায্যে, ট্রেনের পাইলটরা আগে থেকেই সংকেতগুলির অবস্থান, লেভেল-ক্রসিং গেট এবং এই জাতীয় অন্যান্য মার্কার সম্পর্কে সঠিকভাবে জানেন। বিভাগ লখনউ এনইআর রেলওয়ে বিভাগ বারাণসী রেলওয়ে বিভাগ ইজ্জতনগর রেলওয়ে বিভাগ উত্তর পূর্ব রেলওয়ে জোনের প্রধান স্টেশন এলাকা প্রসারিত NER ইউপি এবং বিহার এছাড়াও নেপাল সীমান্ত তিনটি বিভাগের নিয়ে গঠিত (বারানসী, লখনউ এবং ইজ্জাতনগর)। ১ পশ্চিম উত্তর প্রদেশ যেমন (মথুরা, কাসগঞ্জ, ফারুখাবাদ, কানপুর ইত্যাদি। ) ২ উত্তর উত্তর প্রদেশ এবং অবধ যেমন (কাঠগোদাম, বেরেলি, পিলিভীত, লখিমপুর খেরি লখনউ, গোন্ডা, অযোধ্যা ইত্যাদি) ) ৩ সমস্ত পূর্বাঞ্চল অঞ্চল এবং উত্তর পশ্চিম বিহার যেমন (গোরখপুর, জৌনপুর, আজমগড়, বারাণসী, এলাহাবাদ, মৌ, চাপরা ইত্যাদি। ) পুনঃসংগঠন ১ অক্টোবর ২০০২-এ, সমষ্টিপুর এবং সোনপুর বিভাগ পূর্ব মধ্য রেল স্থানান্তরিত হয়। বর্তমান NE রেলওয়ে (NER), ২০০২ সালে রেলওয়ে জোনগুলির পুনর্গঠনের পর, তিনটি বিভাগ নিয়ে গঠিত - বারাণসী, লখনউ এবং ইজ্জাতনগর। NER এর ৪৮৬ টি স্টেশন সহ ৩,৪০২.৪৬ রুট কিমি আছে। NER প্রাথমিকভাবে উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং বিহারের পশ্চিম জেলাগুলির অঞ্চলগুলিতে পরিষেবা দেয়। প্রশাসন জোনের প্রশাসনিক প্রধানকে বলা হয় জেনারেল ম্যানেজার, বর্তমানে রাজীব অগ্রবাল, IRSEE ১৯৮০। রুট এক্সপ্রেস রুট গোরখপুর-পুনে এক্সপ্রেস (বারানসী জংশন, লখনউ হয়ে), এবং গোরখপুর-এলটিটি (মুম্বাই) এসএফ এক্সপ্রেস (ভায়া গোন্ডা জংশন, আইশবাগ, কানপুর কেন্দ্রীয়) লোকো শেড ডিজেল ও ইলেকট্রিক লোকো শেড, গোন্ডা ডিজেল লোকো শেড, ইজ্জতনগর বৈদ্যুতিক লোকো শেড, গোরখপুর সাংস্কৃতিক গুরুত্ব উত্তর-পূর্ব রেলপথ বারাণসী, সারনাথ, লক্ষ্ণৌ, এলাহাবাদ, কুশিনগর, লুম্বানি, গাজিপুর সিটি, মৌ, বালিয়া, সুরাইমানপুর দেওরিয়া, সিদ্ধার্থ নগর, বাস্তি, মথুরা, বৃন্দাবন, মৈনাথ ভঞ্জন, আজমনগরের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে যায়/সংযোগ করে।, জৌনপুর, ফৈজাবাদ, নৈনিতাল, রানিক্ষেত, পিলিভীত টাইগার রিজার্ভ, কৌসানি এবং দুধওয়া এবং মহারাজগঞ্জ, নওতানওয়া এবং সোনাউলি৷ আরো দেখুন অল ইন্ডিয়া স্টেশন মাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (AISMA) ভারতীয় রেলওয়ের অঞ্চল এবং বিভাগ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ উত্তর পূর্ব রেলে নিয়োগ উত্তর পূর্ব রেলওয়ের অফিসিয়াল সাইট উত্তর পূর্ব রেলওয়ে উত্তরপ্রদেশের রেল পরিবহন ভারতীয় রেলের অঞ্চল
26362
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE
কেন্দা
কেন্দা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমান জেলার একটি শহর। ভৌগোলিক উপাত্ত শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল । সমুদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ২২৯ মিটার (৭৫১ ফুট)। জনসংখ্যার উপাত্ত ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে কেন্দা শহরের জনসংখ্যা হল ১৪,৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৫% এবং নারী ৪৫%। এখানে সাক্ষরতার হার ৬২%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭১% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৫১%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে কেন্দা এর সাক্ষরতার হার বেশি। এই শহরের জনসংখ্যার ১৩% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী। তথ্যসূত্র পশ্চিম বর্ধমান জেলার শহর ও নগর
246010
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9%20%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6%20%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (জুন ১০, ১৯৪২ - জানুয়ারি ২০, ১৯৬৯) একজন শহীদ ছাত্রনেতা; তিনি আইয়ুব খানের পতনের দাবীতে মিছিল করার সময় জানুয়ারি ২০, ১৯৬৯ সালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তবে তিনি সর্বসমক্ষে শহীদ আসাদ নামেই অধিক পরিচিত ব্যক্তিত্ব। শহীদ আসাদ হচ্ছেন ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলনে পথিকৃৎ তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানের তিন শহীদদের একজন; অন্য দু'জন হচ্ছেন - শহীদ রুস্তম ও শহীদ মতিউর। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৮ সালে তিনি স্বাধীনতা পদক পান। পরিবার ১৯৪২ সালের ১০ জুন নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ধানুয়া গ্রামের হাতিরদিয়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মদ আবু তাহের বি.এ.বি.টি হাতিরদিয়া সাদত আলী হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা হেডমাষ্টার ছিলেন। আসাদের মায়ের নাম মতি জাহান খাদিজা খাতুন। তিনি নারায়নগঞ্জ আই.ই.টি (ইসলামি এডুকেশন ট্রাষ্ট) গার্লস প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। আসাদের জন্মের পর তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে দেন। তাঁর ছয় পুত্র ও দুই কন্যার মধ্যে আসাদ ছিলেন চতুর্থ। প্রারম্ভিক জীবন শহীদ আসাদ ১৯৪২ সালের ১০ জুন নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ধানুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বড় ভাইয়ের নাম প্রকৌশলী রশিদুজ্জামান। শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে মাধ্যমিক শিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে জগন্নাথ কলেজ (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) ও এমসি কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে ১৯৬৬ সালে বি.এ এবং ১৯৬৭ সালে এম.এ ডিগ্রী অর্জন করেন। এই বৎসরেই আসাদ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) এবং কৃষক সমিতির সভাপতি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাষাণী'র নির্দেশনায় কৃষক সমিতিকে সংগঠিত করার লক্ষ্যে শিবপুর, মনোহরদী, রায়পুরা এবং নরসিংদী এলাকায় নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। ঢাকা'র সিটি ল কলেজে তিনি ১৯৬৮ সালে আরও ভালো ফলাফলের জন্যে দ্বিতীয়বারের মতো এম.এ বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের জন্য চেষ্টা করছিলেন। ১৯৬৯ সালে মৃত্যুকালীন সময়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে এম.এ শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি। শহীদ আসাদ তৎকালীন ঢাকা হল (বতর্মান শহীদুল্লাহ হল) শাখার পূর্ব-পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে এবং পূর্ব-পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (ইপসু-মেনন গ্রুপ), ঢাকা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত প্রাণ আসাদুজ্জামান গরিব ও অসহায় ছাত্রদের শিক্ষার অধিকার বিষয়ে সর্বদাই সজাগ ছিলেন। তিনি শিবপুর নৈশ বিদ্যালয় নামে একটি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং শিবপুর কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদেরকে সাথে নিয়ে আর্থিক তহবিল গড়ে তোলেন। জানুয়ারি ২০, ১৯৬৯ পটভূমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা দাবীর স্বপক্ষে এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অন্যান্য আসামীদের মুক্তি দাবীর আন্দোলনে আসাদের মৃত্যু পরিবেশকে আরও ঘোলাটে করে তুলে ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় রূপান্তরিত হয়। ৬ ডিসেম্বর, ১৯৬৮ সালে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাষাণী'র ডাকে হরতাল আহ্বানের ফলে ব্যবসায়ীরা তাতে পূর্ণ সমর্থন জানায়। এ প্রেক্ষাপটে গভর্নর হাউজ ঘেরাওয়ের ফলে ছাত্র সংগঠনগুলো পূর্ব থেকেই নতুন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়েছিল। ৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯ইং তারিখে ছাত্রদের ১১ দফা এবং বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবীর সাথে একাত্মতা পোষণ করে ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, যাতে প্রধান ভূমিকা রাখেন শহীদ আসাদ। ১৭ জানুয়ারি, ১৯৬৯ইং সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ছাত্ররা দেশব্যাপী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ডাক দেয়। ফলে গভর্নর হিসেবে মোনেম খান ১৪৪ ধারা আইন জারী করেন যাতে করে চার জনের বেশি লোক একত্রিত হতে না পারে। মিছিল এবং মৃত্যু পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ইং তারিখ দুপুরে ছাত্রদেরকে নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পার্শ্বে চাঁন খাঁ'র পুল এলাকায় মিছিল নিয়ে অগ্রসর হচ্ছিলেন আসাদুজ্জামান। পুলিশ তাদেরকে চাঁন খাঁ'র ব্রীজে বাঁধা দেয় ও চলে যেতে বলে। কিন্তু বিক্ষোভকারী ছাত্ররা সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান নেয় এবং আসাদ ও তার সহযোগীরা স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। ঐ অবস্থায় খুব কাছ থেকে আসাদকে লক্ষ্য করে এক পুলিশ অফিসার গুলিবর্ষণ করে। তৎক্ষণাৎ গুরুতর আহত অবস্থায় আসাদকে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যু পরবর্তী ছাত্র-জনতা কর্তৃক আসাদের রক্তমাখা শার্ট হাজারো ছাত্র-জনতা আসাদের মৃত্যুতে একত্রিত হয়ে পুনরায় মিছিল বের করে এবং শহীদ মিনারের পাদদেশে জমায়েত হয়। কেন্দ্রীয় প্রতিরোধ কমিটি তাকে শ্রদ্ধা জানাতে ২২, ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি সারাদেশে ধর্মঘট আহ্বান করে। ধর্মঘটের শেষ দিনে পুলিশ পুনরায় গুলিবর্ষণ করে। ফলশ্রুতিস্বরূপ আসাদের মৃত্যুতে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান সরকার দু'মাসের জন্য ১৪৪-ধারা আইনপ্রয়োগ স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়। জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে শোকাতুর ও আবেগে আপ্লুত অগণিত ছাত্র-জনতার মিছিলে শহীদ আসাদের রক্তমাখা শার্ট দেখে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবি শামসুর রাহমান তার অমর কবিতা “আসাদের শার্ট” লিখেন। এছাড়াও, বাংলাদেশের অন্যতম কবি হেলাল হাফিজ এ ঘটনায় ক্রোধে ফেঁটে পড়েন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে কালজয়ী "নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়" কবিতাটি লিখেন। রশীদ তালুকদারের চিত্রকর্ম ছাত্র আন্দোলনে আসাদের মৃত্যুতে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় আলোকচিত্র শিল্পী রশীদ তালুকদার তার ক্যামেরায় স্থিরচিত্র হিসেবে ছাত্র-জনতার দীর্ঘ মিছিলসহ আসাদের শার্টের ছবি ওঠান। হরতাল আহ্বান ১৯৭০ সালের ১৫ জানুয়ারি তারিখের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০ জানুয়ারি: শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালনের জন্য পূর্ব বাংলা বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন ঐদিন পূর্ণ দিবস হরতাল আহ্বান করে। শার্ট হস্তান্তর ২৩ জানুয়ারি, ২০১০ইং তারিখে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কর্তৃক ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদ, শহীদ রুস্তম ও শহীদ মতিউর স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন অণুষ্ঠানে শহীদ আসাদের ভাই অধ্যাপক এইচ এম মনিরুজ্জামান আসাদের শার্ট হস্তান্তর করবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়াও, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালীর কালু মিয়া শেখের পুত্র শহীদ রুস্তমের রক্তমাখা শার্ট জাদুঘরে জমা দিয়েছেন তার সহযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালেক ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আহাদ। স্মারক চিহ্নসমূহ বাংলাদেশের অনেক জায়গায় জনগণ আইয়ুব খানের নামফলক পরিবর্তন করে শহীদ আসাদ রাখে বিশেষতঃ জাতীয় সংসদ ভবনের ডান পার্শ্বে অবস্থিত আইয়ুব গেটের পরিবর্তে আসাদ গেট রাখা হয়। এছাড়াও, আইয়ুব এভিন্যিউ'র পরিবর্তে আসাদ এভিনিউ এবং আইয়ুব পার্কের পরিবর্তে আসাদ পার্ক নামকরণ করা হয়। ১৯৭০ সালে ১ম শহীদ আসাদ দিবসে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকে জনগণ "ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের স্মারক ও অমর আসাদ" শিরোনামে একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করে যেখানে আসাদ গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। শিবপুর ও ধানুয়া এলাকার স্থানীয় লোকজন ১৯৭০ সালে শিবপুর শহীদ আসাদ কলেজ নামে একটি মহাবিদ্যালয় এবং ১৯৯১ সালে আসাদের নিজের গ্রাম ধানুয়ায় স্থানীয় অধিবাসীরা শহীদ আসাদ কলেজিয়েট গার্লস স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। প্রতি বছরই জানুয়ারির ২০ তারিখে শহীদ আসাদের দেশমাতৃকার সেবায় মুক্তি এবং স্বাধীনতার লক্ষ্যে তার মহান আত্মত্যাগ ও অবদানকে বাঙ্গালী জাতি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে গভীর শ্রদ্ধায় শহীদ আসাদ দিবস পালন করে থাকে। ২০২০ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে তার নামে একটি স্মৃতি পাঠাগার তৈরী করা হয় গণজাগরণ আসাদের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য হচ্ছে গণজাগরণ। ১৯৯২ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের গেটের উত্তরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের বা ডাকসু'র উদ্যোগে আসাদের স্মৃতিকে অমর ও অক্ষয় করে তুলতে এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে জাগ্রত রাখতে গণজাগরণ নামে নির্মিত হয় আসাদের স্মৃতিস্তম্ভ। শিল্পী প্রদ্যোত দাস এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৯২ সালের ২৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিয়া ও আসাদ স্মৃতি পরিষদের তৎকালীন সভাপতি অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী'র উপস্থিতিতে এ ভাস্কর্য উদ্বোধন করেন শহীদ আসাদের বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ার রশিদুজ্জামান। নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই কর্তৃপক্ষীয় অবহেলায় স্থানীয় টোকাই ও দুর্বৃত্তদের দ্বারা ভাস্কর্যটি কাঁত হয়ে পড়ে। এরপর সেখান থেকে কোন একসময় এটি উধাও হয়ে যায়। তথ্যসূত্র আরও দেখুন রশীদ তালুকদার মুরারিচাঁদ কলেজ বহিঃসংযোগ ১৯৪২-এ জন্ম ১৯৬৯-এ মৃত্যু বাংলাদেশের ছাত্রনেতা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জড়িত ব্যক্তি আন্দোলনে মৃত্যু স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা পুরস্কার বিজয়ী মুরারিচাঁদ কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী নরসিংদী জেলার ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের কারণ ও সূচনালগ্ন বিক্ষোভ-সম্পর্কীয় মৃত্যু স্বাধীনতা পুরস্কার বিজয়ী
709806
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%B9%E0%A6%BE
মিজানুর রহমান সিনহা
মিজানুর রহমান সিনহা একজন বাংলাদেশি শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী। তিনি মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৩ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। কিছুকাল তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২২ জানুয়ারি ২০২০ সালে বিএনপির সব পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। প্রারম্ভিক জীবন মিজানুর রহমান সিনহা ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়ের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হামিদুর রহমান সিনহা ও মাতার নাম নূরজাহান সিনহা। হামিদুর রহমান বাংলাদেশের ঔষধ ব্যবসায়ের অন্যতম পথিকৃৎ ও শিল্পগোষ্ঠী একমি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। সিনহা শৈশবে কলকাতায় বেড়ে উঠেন। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় স্নাতক সম্পন্ন করেন। কর্মজীবন ১৯৬৪ সালে সিনহা হাবিব ব্যাংকে চাকুরীর মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তার পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে তিনি পিতার প্রতিষ্ঠিত একমি গ্রুপে যোগদান করেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক জীবন সিনহা ছাত্রজীবনে রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালের মিজানুর রহমান সিনহা বিএনপিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২২ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। সিনহা মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ সালে সপ্তম ও ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে যথাক্রমে ৫৮,৪৫৫ ও ৮৩,৬২৩ ভোট লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূরুল ইসলাম খান বাদল ও সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে এমিলির কাছে পরাজিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় একই আসনে বিএনপির মনোনয়ন লাভ করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে ২২ মে ২০০৩ সালে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান এবং ২০০৬ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২২ জানুয়ারি ২০২০ সালে ব্যবসায়িক ব্যস্ততা দেখিয়ে বিএনপির সব পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। ব্যক্তিগত জীবন মিজানুর রহমান সিনহা ব্যক্তিগত জীবনে জাহানারা সিনহা তাজের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির তাসনিম সিনহা স্নিগ্ধা নামে এক কন্যা ও তানভীর সিনহা সুপ্রিয় নামে এক ছেলে রয়েছে। তার পিতামহ আনসার উদ্দিন সিনহা ছিলেন একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ যিনি চিত্তরঞ্জন দাশের সাথে স্বরাজ্য পার্টির রাজনীতি করতেন। তথ্যসূত্র জীবিত ব্যক্তি ১৯৪৩-এ জন্ম সপ্তম জাতীয় সংসদ সদস্য অষ্টম জাতীয় সংসদ সদস্য মুন্সীগঞ্জ জেলার রাজনীতিবিদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাবেক রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের সাবেক প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশী ব্যবসায়ী বাংলাদেশী শিল্পপতি খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ
1180847
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%98%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%80%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8
ঘিটোরনী মেট্রো স্টেশন
ঘিটোরনী মেট্রো স্টেশন দিল্লি মেট্রোর ইয়োলো লাইনে অবস্থিত। এটি দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের গদাইপুরে অবস্থিত উত্তোলিত মেট্রো স্টেশন। ২০১০ সালের ২১শে জুন তারিখে এটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য চালু করে দেওয়া হয়। স্টেশনে এটিএম পরিষেবা উপলব্ধ। স্টেশন বিন্যাস প্রবেশ/প্রস্থান সংযোগ নিকটবর্তী বাস স্টপগুলি থেকে দিল্লি পরিবহন নিগমের ৫১৭, বদরপুর বর্ডার - গুরগাঁও বাস স্ট্যান্ড, গুরগাঁও বাস স্ট্যান্ড - বদরপুর রোড, মালবীয় নগর মেট্রো - সোহনা রোড বাস পরিষেবা চালু রয়েছে। তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ দিল্লি মেট্রো স্টেশন ২০১০-এ দিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত ২০১০-এ চালু রেলওয়ে স্টেশন
561567
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%20%28%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%95%29
আবুল কালাম (বীর প্রতীক)
একই নামের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য দেখুন আবুল কালাম আবুল কালাম (জন্ম: অজানা - মৃত্যু: ২০০৩) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে। জন্ম ও শিক্ষাজীবন আবুল কালামের জন্ম নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আফজাল আলী এবং মায়ের নাম সালেহা খাতুন। তার স্ত্রীর নাম জাকিয়া খাতুন। তাদের তিন মেয়ে, ছয় ছেলে। কর্মজীবন ১৯৭১ সালে আবুল কালাম কর্মরত ছিলেন দিনাজপুর ইপিআর সেক্টর হেডকোয়ার্টার্সে। তাদের হেডকোয়ার্টার ছিল কুঠিবাড়িতে। ২৬ মার্চ খুব ভোরে তারা ঢাকার খবর পেয়ে যান। সে সময় সেক্টর হেডকোয়ার্টার্সে বাঙালি কোনো কর্মকর্তা, এমনকি সেক্টর সুবেদার মেজরও উপস্থিত ছিলেন না। ২৮ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী কুঠিবাড়িতে গোলাবর্ষণ শুরু করে। তখন আবুল কালাম বেশ সাহসী ভূমিকা পালন করেন। তারা হাবিলদার ভুলু মিয়ার নেতৃত্বে বিদ্রোহ করে পাকিস্তানি অবস্থানে পাল্টা গোলাবর্ষণ করেন। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত তারা দিনাজপুর শহর শত্রুমুক্ত রাখতে সক্ষম হন। পরে পশ্চাদপসরণ করে ডালিমগাঁও নামক স্থানে অবস্থান নেন। সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করে তারা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে খণ্ড খণ্ড যুদ্ধ করেন। এসব যুদ্ধে পাকিস্তানিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর তারা আশ্রয় নেন ভারতে। মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা আবুল কালাম অক্টোবর মাস থেকে সিলেট এলাকায় যুদ্ধ করেন। ছাতক, গোয়াইনঘাট, ছোটখেল, রাধানগর, সালুটিকর, গোবিন্দগঞ্জ, লামাকাজিঘাটসহ বেশ কয়েকটি প্রত্যক্ষ যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এ সব যুদ্ধে তিনি যথেষ্ট সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন করেন। তিনি মর্টার দিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ চালাতেন। ভারতে অবস্থানকালে আবুল কালামকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় নিয়মিত মুক্তিবাহিনীর তৃতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে। তিনি হেডকোয়ার্টার কোম্পানির মর্টার প্লাটুনের কমান্ডারের দায়িত্ব পান। মে-জুন মাসে তিনি দিনাজপুর এলাকায়, জুলাই-আগস্ট মাসে বাহাদুরাবাদঘাট, দেওয়ানগঞ্জ রেলস্টেশন সুগারমিলসহ রৌমারির বেশ কয়েকটি স্থানের অপারেশনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের একটি দল রৌমারি আসে। ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন রজার। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকার ছবি চিত্রায়ণ করেন। রৌমারির হাজিরচরের একটি গোয়ালঘর থেকে কোদালকাঠির পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবস্থানে আবুল কালাম গোলাবর্ষণ করছিলেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীও তাদের অবস্থানে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করছিল। এতে এনবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবদিকেরা পর্যন্ত ভড়কে যান। কিন্তু আবুল কালাম বিচলিত না হয়ে পাকিস্তানি অবস্থানে মর্টারের সাহায্যে একের পর এক গোলাবর্ষণ করেন। তার এই সাহসিকতায় বিদেশি সাংবাদিকেরা পর্যন্ত বিস্মিত হন। পরে ওই প্রামাণ্য চিত্রটি বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হয়। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে ওঠে। মর্টার বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম একটি সাফল্য। ১৯৭১ সালের ৮ নভেম্বর সকাল থেকেই পাকিস্তানিরা লুনি গ্রামের সব কটি অবস্থানের ওপর অনবরত মেশিনগানের গুলি ও মর্টারের গোলা নিক্ষেপ করতে লাগল। এর মধ্যে রিকোয়েলস রাইফেলের গোলা ছিল মারাত্মক। মুক্তিযোদ্ধারাও প্রস্তুত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধঅদের সম্মুখ অবস্থান থেকে পর্যাপ্তসংখ্যক দুই ইঞ্চি মর্টার গোলা ও এনারগা গ্রেনেড ছোড়া হয়। ক্লোজ ব্যাটেলে দুই ইঞ্চি মর্টারের গোলা ও এনারগা গ্রেনেড খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বারবার হামলা অনবরত মর্টার ও রিকোয়েলস রাইফেল গোলা নিক্ষেপ করেও পাকিস্তান সেনাবাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অবস্থান থেকে এক ইঞ্চি পরিমাণও সরাতে পারেনি। এক্ষেত্রে সাহসী ভূমিকা পালন করেন আবুল কালাম। পুরস্কার ও সম্মাননা বীর প্রতীক তথ্যসূত্র বহি:সংযোগ বীর প্রতীক ২০০৩-এ মৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জড়িত ব্যক্তি
1121699
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2%20%E0%A6%B9%E0%A6%95%20%28%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A6%BF%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2%E0%A7%80%29
রফিকুল হক (কৃষি প্রকৌশলী)
রফিকুল হক (জন্ম: ১৯৪৮) একজন বাংলাদেশী কৃষি প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদ। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির ২২তম উপাচার্য। জন্ম তিনি ১৯৪৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার কালিসীমায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা নাইব উদ্দিন আহমেদ ও মা অরিজুননেছা। শিক্ষাজীবন রফিকুল হক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদ থেকে ১৯৭০ সালে বিএসসি ইন এগ্রি-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডেনমার্কের দি রয়েল ভেটেরিনারি অ্যান্ড এগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৮১ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি থাইল্যান্ডে অবস্থিত এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি) থেকে ১৯৮৯-৯০ সালে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন। কর্মজীবন রফিকুল হক ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯২ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি বাকৃবির সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, বিশ্ব ব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সাথেও কাজ করেছেন। রফিকুল হক একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গবেষণাকর্ম তিনি বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। সদস্যপদ রফিকুল হক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য। তথ্যসূত্র ১৯৪৮-এ জন্ম বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যক্তি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
1198690
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%20%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%A5
সানশাইন অ্যান্ড হেলথ
সানশাইন অ্যান্ড হেলথ (মূলত দ্য ন্যুডিস্ট ) ছিল একটি মার্কিন ন্যুডিস্ট ম্যাগাজিন যা ১৯৩৩ থেকে ১৯৬৩ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। একে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নগ্নতাবাদী আন্দোলনের "ফ্ল্যাগশিপ ম্যাগাজিন" হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটি মাসিক প্রকাশিত হতো, এবং নিউজস্ট্যান্ডগুলিতে বিক্রির পাশাপাশি মেইলের মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন দ্বারা বিতরণ করা হতো। যদিও জনপ্রিয়, ম্যাগাজিনটি অশ্লীলতার সাথে সম্পর্কিত একাধিক আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিল, বিশেষ করে মার্কিন পোস্ট অফিস থেকে, যা বারবার একে অ-মেইলযোগ্য ঘোষণা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এটি সুপ্রিম কোর্টের একটি অনুকূল চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত পেয়েছিল। অশ্লীলতার অভিযোগ অবশেষে ম্যাগাজিনের প্রচলনকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, কারণ আরও যৌন সুস্পষ্ট ম্যাগাজিনের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে, ম্যাগাজিনটি ১৯৬৩ সালে দেউলিয়া হয়ে যায়। সম্পাদকীয় কর্মী দ্য ন্যুডিস্ট ছিল আন্তর্জাতিক নগ্নতাবাদী সম্মেলনের একটি প্রকাশনা, যা ১৯৩১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং পরে জাতীয় নগ্নতা সংগঠনে পরিণত হয়েছিল। ১৯৩৩ সালে ম্যাগাজিনটি চালু করার সময়, হেনরি এস. হান্টিংটন (সম্মেলনের সভাপতি) সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ইলসলে বুন (সম্মেলনের সেক্রেটারি) ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসাবে ছিলেন। পরে, বুনের মেয়ে মার্গারেট এ. বি. পুলিস সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে, ম্যাগাজিনের কার্যক্রম নিউ জার্সির মেস ল্যান্ডিং ভিত্তিক ছিল। প্রচলন ও পাঠক তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিলুপ্ত ম্যাগাজিন নগ্নতাবাদী ম্যাগাজিন ১৯৩৩-এ প্রতিষ্ঠিত ম্যাগাজিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নগ্নতাবাদ
1103497
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%20%E0%A6%A1%E0%A7%87
ওয়ান অর্ডিনারি ডে
ওয়ান অর্ডিনারি ডে (; আক্ষরিক অর্থ: একটি সাধারণ দিন) হল একটি দক্ষিণ কোরিয়ার স্ট্রিমিং টেলিভিশন সিরিজ যা কিম সু-হিউন এবং চা সেউং-ওন অভিনীত। এটি পিটার মোফ্যাটের লেখা ব্রিটিশ টেলিভিশন সিরিজ ক্রিমিনাল জাস্টিস-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ২৭ নভেম্বর, ২০২১ থেকে ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার কুপাং প্লে- তে সম্প্রচার হয়েছিল। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার বাইরে কেবলমাত্র ভিউ-এর মাধ্যমে স্ট্রিমিং হচ্ছে। সারমর্ম এটি ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার মধ্যে দু'জন পুরুষের গল্পের মধ্য দিয়ে যায় যারা একজন মহিলার হত্যায় জড়িত। অভিনয়ে প্রধান ভূমিকায় কিম সু-হিউন কিম হিউন-সু হিসেবে একজন সাধারণ কলেজ ছাত্র যার জীবন উল্টে যায় যখন সে অপ্রত্যাশিতভাবে হত্যা মামলার মূল সন্দেহভাজন হয়ে ওঠে। শিন জুং-হানের চরিত্রে চা সেউং-উন একজন আইনজীবী যিনি কোনোমতে ওকালতি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং একমাত্র ব্যক্তি যিনি কিম হিউন-সুকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন। কিম সুং-কিউ দো জি-তাই হিসেবে একজন ১৩ বছর বয়সী হিংসাত্মক অপরাধী যিনি ১০ বছর ধরে কারাগারের সাজা ভোগ করছেন এবং কারাগারের উপর তার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। সহকারী ভূমিকায় পার্ক সাং-বিওম চরিত্রে কিম হং-পা, হিউন-সুর মামলায় কাজ করা গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান আহন তাই-হি চরিত্রে কিম শিন-রক, একজন অভিশংসক হিউন-সুর মামলায় কাজ করছেন পার্ক ডু-সিক হিসেবে ইয়াং কিউং-উন লি সিওল সিও সু-জিন চরিত্রে, একজন ধূর্ত আইনজীবী যিনি হিউন-সুর মামলা অনুসরণ করেন জং জি-হো, একজন ন্যাশনাল ফরেনসিক সার্ভিস (এনএফএস) কর্মী হং জিওং-আহ চরিত্রে কিম ইয়ং-আহ, একজন এনএফএস কর্মী মুন ইয়ে-ওন ক্যাং দা-কিয়ং চরিত্রে, একজন সাংবাদিক যিনি হিউন-সুর মামলার তদন্ত করে একচেটিয়া নিবন্ধ লেখার জন্য প্রযোজনা ৫ই জানুয়ারি, ২০২১-এ ঘোষণা করা হয়েছিল যে দ্য স্টুডিও এম, চোরোকবেম মিডিয়া এবং গোল্ড মেডেলিস্ট ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি) ক্রাইম সিরিজ ক্রিমিনাল জাস্টিসের উপর ভিত্তি করে একটি টেলিভিশন সিরিজ সহ-প্রযোজনা করবে। বিবিসি স্টুডিও তার মিডিয়া সেন্টারের মাধ্যমে ১৩ই জানুয়ারি অভিযোজন নিশ্চিত করেছে। কিম সু-হিউন এবং চা সেউং-উন তারকারা প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, কওন সুন-কিউ চিত্রনাট্য লিখেছেন এবং লি মিউং-উ ধারাবাহিকটি পরিচালনা করেছেন। ২০২১ সালের প্রথমার্ধে চিত্রগ্রহণ শুরু হয়েছিল। এটি দক্ষিণ কোরিয়ায় একচেটিয়া সম্প্রচার অধিকার সহ কুপাং প্লে-এর প্রথম মূল ধারাবাহিক। তথ্যসূত্র বহিঃসূত্র কোরীয় ভাষার টেলিভিশন অনুষ্ঠান ২০২১-এ অভিষিক্ত দক্ষিণ কোরীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক দক্ষিণ কোরিয়ার টেলিভিশন ধারাবাহিক ২০২১-এ অভিষিক্ত ওয়েব ধারাবাহিক
93160
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%20%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় (২৬ আগস্ট ১৯২০ - ৪ মার্চ ১৯৮৩) পশ্চিমবঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা। বিশেষ করে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে হাস্যকৌতুকময় অভিনয়ের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন দিকপাল। প্রাথমিক জীবন ভানু জন্মেছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে ১৯২০ সালের ২৬শে আগস্ট। ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি’স হাই স্কুল এবং জগন্নাথ কলেজে শিক্ষা শেষ করে কলকাতায় আসেন ১৯৪১ সালে। এখানে এসে তিনি আয়রন এন্ড স্টীল কম্পানি নামে একটি সরকারি অফিসে যোগ দেন এবং বালীগঞ্জের অশ্বিনী দত্ত রোডে তার বোনের কাছে দু’বছর থাকার পর টালিগঞ্জের চারু অ্যাভিন্যু-তে বসবাস শুরু করেন। অভিনয় জীবন ভানুর অভিনয়-জীবন শুরু হয় ১৯৪৭-এ, ‘জাগরণ’ ছবির মাধ্যমে। সেই বছরই ‘অভিযোগ’ নামে অন্য একটি ছবি মুক্তি পায়। এরপর ধীরে ধীরে ছবির সংখ্যা বাড়তে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘মন্ত্রমুগ্ধ’(১৯৪৯), ‘বরযাত্রী’(১৯৫১) এবং ‘পাশের বাড়ি’(১৯৫২)। ১৯৫৩ সালে মুক্তি পেল ‘সাড়ে চুয়াত্তর’, এবং বলা যেতে পারে যে এই ছবির মাধ্যমেই ভানু দর্শকদের নিজের অভিনয়ের গুণে আকৃষ্ট করা শুরু করেন। এর পরের বছর মুক্তি পায় ‘ওরা থাকে ওধারে’। ১৯৫৮ সালটিতে মুক্তি পাওয়া অনেক ছবির মধ্যে দু’টি ছিল ‘ভানু পেল লটারি’এবং ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’।১৯৫৯-এ মুক্তি পায় ‘পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট" এই ছবিতে ভানু নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন, বিপরীতে ছিলেন রুমা গুহঠাকুরতা। ১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘৮০তে আসিও না’ ছবিটিতেও ভানু নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন, এবং এখানেও ওনার বিপরীতে ছিলেন রুমা দেবী।১৯৬৭ সালে ভানুর আরো একটি ছবি মুক্তি পায়, ‘মিস প্রিয়ংবদা’ – যেখানে উনি চরিত্রের প্রয়োজনে মহিলা সেজে অভিনয় করেন। এখানে ওনার বিপরীতে ছিলেন লিলি চক্রবর্তী। ভানুর ‘ভানু গোয়েন্দা জহর অ্যাসিস্ট্যান্ট’ ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালে। ভানুর শেষ ছবি ‘শোরগোল’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৪-তে। কিছুদিন পরেই উনি পরলোকগমন করেন। চলচ্চিত্রের তালিকা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ দাপ্তরিক ওয়েবসাইট বাঙালি অভিনেতা বাঙালি কৌতুকাভিনেতা ১৯২০-এ জন্ম ১৯৮৩-এ মৃত্যু মুন্সীগঞ্জ জেলার ব্যক্তি কলকাতার অভিনেতা পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা ভারতীয় জনসমক্ষে কৌতুক পরিবেশন শিল্পী ২০শ শতাব্দীর ভারতীয় অভিনেতা জগন্নাথ কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সেন্ট গ্রেগরিজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বাঙালি টেলিভিশন অভিনেতা ঢাকার ব্যক্তি ২০শ শতাব্দীর কৌতুকাভিনয়শিল্পী ব্রিটিশ ভারতীয় ব্যক্তি
138076
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%B0
টোপর
টোপর বাঙালি হিন্দুদের ব্যবহৃত একপ্রকার ধর্মীয় মস্তকাবরণী। সাধারণত বিবাহ উপলক্ষে বরকে টোপর পরতে হয়। অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানেও টোপর ব্যবহৃত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে যে শিশুটির অন্নপ্রাশন হয়, তাকে টোপর পরানো হয়। টোপর সাধারণত ভঙ্গুর। এগুলি শোলার দ্বারা নির্মিত। টোপরের রং সাদা। কিংবদন্তি টোপরের উৎপত্তি সংক্রান্ত কিংবদন্তিটি হিন্দু দেবতা শিবের বিবাহ-সংক্রান্ত প্রসিদ্ধ উপাখ্যানটির সঙ্গে জড়িত। উক্ত কিংবদন্তি অনুযায়ী, নিজের বিবাহ অনুষ্ঠানে শিব একটি বিশেষ মুকুট পরার ইচ্ছার পোষণ করেন এবং দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাকে তা প্রস্তুত করার দায়িত্ব দেন। কিন্তু বিশ্বকর্মা ছিলেন ধাতুশিল্পী। তিনি শিবের চাহিদামতো মুকুট নির্মাণে ব্যর্থ হন। তখন মালাকার নামে এক ব্যক্তি জলা অঞ্চল থেকে শোলা সংগ্রহ করে শিবের জন্য এক বিশেষ মস্তকাবরণী প্রস্তুত করে দেন। এই মস্তকাবরণীই "টোপর" নামে পরিচিত। কথিত আছে, মালাকারের কাজে সন্তুষ্ট হয়ে শিব তাকে নিজের ব্যক্তিগত হস্তশিল্পী নিয়োগ করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের শোলা শিল্পী মালাকার সম্প্রদায়ের মানুষেরা নিজেদের এই মালাকারের বংশধর মনে করেন। তারা উক্ত কিংবদন্তি স্মরণে বিশ্বকর্মা পূজা করেন না; করেন শিবপত্নী মহেশ্বরীর পূজা। ব্যবহার বিবাহ উপলক্ষে টোপর পরিধান একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী প্রথা। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, টোপর সৌভাগ্য এনে দেয়। সাধারণত কনের বাড়ি থেকে টোপর পাঠানো হয় বরের বাড়িতে। বিবাহ অনুষ্ঠানের পূর্বে বর টোপর মাথায় দিয়ে ছাদনাতলায় উপস্থিত হয়। বিবাহ ছাড়াও অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানেও টোপরের প্রচলন রয়েছে। অন্নপ্রাশন উপলক্ষে শিশুকে বরের সাজে সাজানো হয় এবং তার মাথায় টোপর পরানো হয়। এই টোপর শোলানির্মিত হলেও স্বাভাবিক কারণেই বিবাহের টোপরের তুলনায় আকারে ছোটো হয়। সংস্কার বিবাহ অনুষ্ঠানে টোপর শুধুমাত্র তার সৌন্দর্যের কারণেই পরা হয় না, টোপর পরিধানের বিশেষ ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে এবং তা পরা বরের অবশ্য কর্তব্য বলে বিবেচিত হয়। এই কারণে টোপর নিয়ে হিন্দু সমাজে নানাবিধ সংস্কারও রয়েছে। টোপর খুব সাবধানে ব্যবহার করা হয়। টোপর ভেঙে যাওয়া বা পুড়ে যাওয়া দুর্ভাগ্যের লক্ষণ বলে ধরা হয়। টোপর বা শোলা নির্মিত যে কোনো সামগ্রী নষ্ট হয়ে গেলে তাকে জলাশয়ের গর্ভে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। লোকবিশ্বাস, এতে ভাঙা জিনিসটি নিয়ে কেউ ব্যবহারকারীর ক্ষতি করতে পারে না। তথ্যসূত্র বাঙালি হিন্দু বিবাহ বঙ্গ ভারতীয় বিয়ের পোশাক ভারতীয় উষ্ণীশ
78822
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%20%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF
কলকাতা মেট্রোপলিটান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি
কলকাতা মেট্রোপলিটান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা কেএমডিএ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা মহানগরীয় অঞ্চল বা কলকাতা মেট্রোপলিটান অঞ্চলের জন্য স্থাপিত একটি বিধিবদ্ধ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিষদ। ১৯৭০ সালে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বলে এই সংস্থার জন্ম। ১৯৭৪ সালে স্থাপিত হয় এর পরিকল্পনা অধিকরণ। বর্তমানে এটি পশ্চিমবঙ্গ নগর ও গ্রামাঞ্চল (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৭৯ মোতাবেক কাজকর্ম চালায়। কেএমডিএ-এর পূর্বনাম ক্যালকাটা মেট্রোপলিটান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। এখনও এটি এর পুরনো লোগোটিই ব্যবহার করে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের অধীনস্থ এই সংস্থার কাজ বহুমুখী। এটি একটি নগর পরিকল্পনা সংস্থা। নতুন অঞ্চল ও টাউনশিপের রূপরেখা নির্মানও এরই হাতে ন্যস্ত। তেমনি জলসরবরাহ, জলনিষ্কাষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো সাধারণ পরিকাঠামোগত কাজগুলিও এই সংস্থাই করে থাকে। এছাড়াও কেএমডিএ কলকাতা মেট্রোপলিটান প্ল্যানিং কমিটির প্রযুক্তিগত সচিবালয়। সংস্থার অধিকার্তাগণ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা = ডঃ সৌমিত্র মোহন , IAS সচিব = শ্রী বিমল কান্তি দাস , IAS বিশেষ সচিব = শ্রী . নিরঞ্জন কুমার, IAS তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ কেএমডিএ ওয়েবসাইট কলকাতার প্রশাসন ১৯৭০-এ পশ্চিমবঙ্গে প্রতিষ্ঠিত কলকাতা মহানগর অঞ্চল ১৯৭০-এ প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় কোম্পানি কলকাতা ভিত্তিক সংগঠন কলকাতার সরকার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সংস্থা
1301151
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%20%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%B8
হুয়ান এনরিকে আইয়েস
হুয়ান এনরিকে আইয়েস (, ; ২০ জানুয়ারি ১৮৯১ – ২৫ জুলাই ১৯৭৬) একজন আর্জেন্টিনীয় পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। ভক্তদের কাছে মায়েস্ত্রো, হ্যারি এবং ইংলেস ডাকনামে পরিচিত আইয়েস তার খেলোয়াড়ি জীবনের অধিকাংশ সময় রোসারিও সেন্ত্রাল এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছিলেন। তিনি মূলত ডান পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেললেও মাঝেমধ্যে বাম পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেছিলেন। আইয়েস ১৯১০ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছিলেন; আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে তিনি সর্বমোট ২৫ ম্যাচে ১০টি গোল করেছিলেন। তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বমোট একটি দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপে (১৯১৬) অংশগ্রহণ করেছিলেন, যেখানে তিনি রানার-আপ হয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক ফুটবল আইয়েস কোপা আমেরিকার (তৎকালীন দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপ) প্রথম আসর ১৯১৬ দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবন হুয়ান এনরিকে আইয়েস ১৮৯১ সালের ২০শে জানুয়ারি তারিখে আর্জেন্টিনার রোসারিওতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সেখানেই তার শৈশব অতিবাহিত করেছিলেন। ১৯৭৬ সালের ২৫শে জুলাই তারিখে, আর্জেন্টিনায় ৮৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিসংখ্যান আন্তর্জাতিক তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ ১৮৯১-এ জন্ম ১৯৭৬-এ মৃত্যু আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার ফুটবল ফরোয়ার্ড আর্জেন্টিনার আন্তর্জাতিক ফুটবলার ১৯১৬ দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপের খেলোয়াড়
781854
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A7%AC%E0%A7%A6-%E0%A6%8F%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%B6%E0%A6%95
১০৬০-এর দশক
এটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী ১০৬০-এর দশক। এটি শুরু হয়েছে ১লা জানুয়ারি, ১০৬০ থেকে এবং শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর, ১০৬৯ তারিখে।
807004
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%B0%20%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%9C%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
চর মোন্তাজ ইউনিয়ন
চর মোন্তাজ বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত রাঙ্গাবালী উপজেলার একটি ইউনিয়ন। আয়তন চর মোন্তাজ ইউনিয়নের আয়তন ১৩,৯৯৭ একর। প্রশাসনিক কাঠামো চর মোন্তাজ ইউনিয়ন রাঙ্গাবালী উপজেলার আওতাধীন ৪নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম রাঙ্গাবালী থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ১১৪নং নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালী-৪ এর অংশ। জনসংখ্যার উপাত্ত ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী চর মোন্তাজ ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১৯,৫৬৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০,১৩০ জন এবং মহিলা ৯,৪৩৯ জন। মোট পরিবার ৩,৯২২টি। শিক্ষা ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী চর মোন্তাজ ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৪৩.৩%। আরও দেখুন রাঙ্গাবালী উপজেলা রাঙ্গাবালী থানা পটুয়াখালী জেলা তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ রাঙ্গাবালী উপজেলার ইউনিয়ন
851537
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%20%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8
লক্ষীপাশা ইউনিয়ন
লক্ষীপাশা ইউনিয়ন বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি ৪৩.৮২ কিমি২ (১৬.৯২ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে অবস্থিত এবং ২০১১ সালের আদমশুমারীর হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১০,৫১২ জন। ভৌগোলিক অবস্থান ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ইউনিয়নটির উত্তরে কাশিপুর ইউনিয়ন, দক্ষিণে দিঘলিয়া ইউনিয়ন, পূর্বে মল্লিকপুর ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে বাশগ্রাম ইউনিয়ন অবস্থিত।। তথ্যসূত্র লোহাগড়া উপজেলার ইউনিয়ন নড়াইল জেলার ইউনিয়ন খুলনা বিভাগের ইউনিয়ন
20519
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A7%AA%E0%A7%AD%E0%A7%AF
৪৭৯
৪৭৯ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির একটি সাধারণ বছর। ঘটনাবলী জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর জন্ম জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর মৃত্যু জানুয়ারি-মার্চ এপ্রিল-জুন জুলাই-সেপ্টেম্বর অক্টোবর-ডিসেম্বর ৪৭৯
1004806
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8%20%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%A8
সাইমন ব্রাউন
সাইমন জন এমারসন ব্রাউন (; জন্ম: ২৯ জুন, ১৯৬৯) কাউন্টি ডারহামের ক্লিডন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহাম ও নর্দাম্পটনশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন ‘চাবি’ ডাকনামে পরিচিত সাইমন ব্রাউন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত সাইমন ব্রাউনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। লিকলিকে ও লম্বাটে গড়নের চাবি ব্রাউন ১৯৮৭ সালে নর্দাম্পটনশায়ারের পক্ষে তার খেলোয়াড়ী জীবনের সূচনা ঘটান। তবে, কার্টলি অ্যামব্রোস, উইনস্টন ডেভিস, গ্রেগ থমাস ও ডেভিড ক্যাপেলের ন্যায় বোলারদের সাথে প্রথম একাদশে নিয়মিতভাবে খেলতে তাকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল। ১৯৯১ সালে তিনি নিজ কাউন্টি ডারহামের দিকে ধাবিত হন। পরের বছরই দলটি প্রথম-শ্রেণীর মর্যাদাপ্রাপ্ত হয়। ইংল্যান্ডের নতুন কাউন্টি দলের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে উইকেট লাভ করতে থাকেন। কিন্তু এর জন্যে তাকে বেশ মাশুল গুণতে হয়। শুরুরদিকে কাউন্টি দলটিতে বোলিং আক্রমণ পরিচালনায় নবীন কিংবা বয়স্ক বোলারদেরকে খেলানো হয়। গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত বোলিংয়ের কারণে মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে তার খেলায় ছন্দপতন ঘটে। ৩০-এর কোটা অতিক্রম হলে প্রায়শঃই আঘাতের কবলে পড়তে থাকেন। তুলনামূলকভাবে বেশ আগেভাগেই তাকে ধীরে ধীরে বোলিং করা থেকে দূরে রাখা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন সাইমন ব্রাউন। ২৫ জুলাই, ১৯৯৬ তারিখে লর্ডসে সফরকারী পাকিস্তান দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। এছাড়াও, তাকে কোন ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি। ১৯৯০-এর দশকে ইংল্যান্ড দলে অংশগ্রহণকারী মার্ক ইলট, অ্যালান মুলালি, মাইক স্মিথ ও পল টেলরের ন্যায় অগণিত বামহাতি বোলারদের অন্যতম ছিলেন তিনি। তন্মধ্যে, মাইক স্মিথের ন্যায় তিনিও এক টেস্টের বিস্ময়কারী ছিলেন। ১৯৯৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজস্ব একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ঐ টেস্টে তার দল পরাজয়বরণ করেছিল। নিজস্ব দশম বলে আমির সোহেলের উইকেট পান। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তিনি এ সফলতা পান। দৃশ্যতঃ তাকে বেশ প্রাণোচ্ছল দেখাচ্ছিল। সবমিলিয়ে তিনি দুই উইকেট লাভ করেছিলেন। এরপর আর তাকে ইংল্যান্ড দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ইংল্যান্ডের সমর্থকেরাও তাকে আরেকটি সুযোগের প্রত্যাশা করছিলেন। এ প্রসঙ্গে সাইমন ব্রাউন মন্তব্য করেন যে, আমার আরও কয়েকটি খেলায় অংশগ্রহণের ইচ্ছে ছিল। তবে, গ্লুচেস্টারশায়ারের মাইক স্মিথের ন্যায় অন্যান্য বামহাতি বোলারদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। প্রকৃতই কি ঘটেছে আমি জানি না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে উপেক্ষিত হলেও কাউন্টি ক্রিকেটে তিনি ঠিকই তার উচ্চমার্গের বোলার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপিত করতেন। তথ্যসূত্র আরও দেখুন মিন প্যাটেল গ্রাহাম স্টিভেনসন এক টেস্টের বিস্ময়কারী ডারহাম কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব ইংরেজ টেস্ট ক্রিকেটারদের তালিকা বহিঃসংযোগ ১৯৬৯-এ জন্ম জীবিত ব্যক্তি ইংরেজ ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটার ডারহামের ক্রিকেটার নর্দাম্পটনশায়ারের ক্রিকেটার স্কারবোরা উৎসব সভাপতি একাদশের ক্রিকেটার
909779
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%20%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%AC%E0%A6%B2%20%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AC%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8
রয়্যাল ফুটবল ক্লাব মেখেলেন
ইয়েলো রেড কনিঙ্কলিয়েকে ভোয়েতবালক্লাব মেখেলেন (), এছাড়াও কেভি মেখেলেন (), এফসি মালিনোয়া অথবা শুধুমাত্র মেখেলেন নামে পরিচিত) হচ্ছে মেখেলেন ভিত্তিক একটি বেলজীয় পেশাদার ফুটবল ক্লাব। এই ক্লাবটি বর্তমানে বেলজিয়ামের শীর্ষ স্তরের ফুটবল লীগ বেলজীয় প্রথম বিভাগ এ-এ খেলে। এই ক্লাবটি ১৯০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কেভি মেখেলেন তাদের সকল হোম ম্যাচ মেখেলেনের এএফএএস-স্টাডিওন আখটের ডে কাজের্নে-এ খেলে থাকে; যার ধারণক্ষমতা হচ্ছে ১৬,৬৭২। বর্তমানে এই ক্লাবের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন ওয়াউটার ফ্রাঙ্কেন। বেলজীয় মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ওনুর কায়া এই ক্লাবের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ঘরোয়া ফুটবলে, কেভি মেখেলেন এপর্যন্ত ১৭টি শিরোপা জয়লাভ করেছে; যার মধ্যে ৪টি বেলজীয় প্রথম বিভাগ এ, ২টি বেলজীয় কাপ, ৭টি বেলজীয় দ্বিতীয় বিভাগ, ৩টি বেলজীয় দ্বিতীয় বিভাগ চূড়ান্ত পর্ব এবং ১টি বেলজীয় তৃতীয় বিভাগ শিরোপা রয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়, এপর্যন্ত ২টি শিরোপা জয়লাভ করেছে; যার মধ্যে ১টি উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ এবং ১টি ইউরোপীয় সুপার কাপ শিরোপা রয়েছে। অর্জন ঘরোয়া বেলজীয় প্রথম বিভাগ এ: চ্যাম্পিয়ন (৪): ১৯৪২–৪৩, ১৯৪৫–৪৬, ১৯৪৭–৪৮, ১৯৮৮–৮৯ বেলজীয় কাপ: চ্যাম্পিয়ন (২): ১৯৮৬–৮৭, ২০১৮–১৯ বেলজীয় দ্বিতীয় বিভাগ: চ্যাম্পিয়ন (৭): ১৯২৫–২৬, ১৯২৭–২৮, ১৯৬২–৬৩, ১৯৮২–৮৩, ১৯৯৮–৯৯, ২০০১–০২, ২০১৮–১৯ বেলজীয় দ্বিতীয় বিভাগ চূড়ান্ত পর্ব: চ্যাম্পিয়ন (৩): ১৯৮১, ২০০৭, ২০১৯ বেলজীয় তৃতীয় বিভাগ: চ্যাম্পিয়ন (১): ২০০৪–০৫ আন্তর্জাতিক ইউরোপীয় কাপ উইনার্স কাপ: চ্যাম্পিয়ন (১): ১৯৮৭–৮৮ ইউরোপীয় সুপার কাপ: চ্যাম্পিয়ন (১): ১৯৮৮ তথ্যসূত্র বহিঃসংযোগ রয়্যাল ফুটবল ক্লাব মেখেলেন বেলজীয় প্রথম বিভাগ এ-এর ক্লাব বেলজিয়ামের ফুটবল ক্লাব ১৯০৪-এ বেলজিয়ামে প্রতিষ্ঠিত ১৯০৪-এ প্রতিষ্ঠিত ফুটবল ক্লাব