content
stringlengths
0
129k
এই স্যাটেলাইট দিয়ে বাংলাদেশসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সেবা দিতে পারছে চ্যানেলগুলো
কিন্তু বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট দিয়ে সেটি করা সম্ভব হবে না
এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে
বিদেশি স্যাটেলাইটের জন্য দেশীয় চ্যানেলগুলোকে যে ভাড়া দিতে হয়, সরকার তার চেয়ে কম ভাড়া নিলে দেশীয় চ্যানেলগুলো নিজস্ব স্যাটেলাইটই ব্যবহার করবে বলে আশা করা যায়
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে
এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে
বাকি ২০টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা/বিক্রির জন্য রাখা হবে
বর্তমানে স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করে
এ জন্য বছরে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা ১১২ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়
নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকলে প্রতিবছর ১১২ কোটি টাকা হিসেবে স্যাটেলাইটের ১৫ বছরের জীবনকালে সাশ্রয় হবে ১ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা
বাংলাদেশের প্রায় ৩৭টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল যারা এখন বিদেশের স্যাটেলাইট নির্ভর ফ্রিকোয়েন্সিতে প্রচারণা চালাচ্ছে, তাদের কাছে ফ্রিকোয়েন্সি বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১২৫ কোটি ডলার আয় করা যাবে
তবে, এই টিভি চ্যানেলগুলি এখনকার প্রচলিত ক্যাবল ভিত্তিক প্রচারণার পরিবর্তে ছোট ছোট ডিস অ্যানটেনার ডাইরেক্ট টিভি সিগনাল পাবে
সেই সিগনাল ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দের দায়িত্ব থাকবে দুটি প্রতিষ্ঠান
বেক্সিমকো গ্রুপ এবং বায়ার মিডিয়া এই পুরো টিভি চ্যানেল ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ এবং সিগন্যাল বিকিকিনির পুরো ব্যবসায়িক দিকটি উপভোগ করবে
এদের ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানি এখানে ডিটিএস প্রযুক্তির ব্যবসায় নামতে পারবে না বলে জানানো হয়েছে
উৎক্ষেপণের পর পরবর্তী ১ বছর পর্যন্ত এর তদারকি করবে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান
এটি আগামী ১৮ বছর পর্যন্ত মহাকাশে থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি এবং কাজ করতে পারবে বলে জানানো হয়
উৎক্ষেপণ
৭ মে,২০১৮ মহাকাশে উড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১
ওই দিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালে উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের লঞ্চ প্যাড থেকে এটিকে মহাকাশের নির্ধারিত কক্ষপথের উদ্দেশে পাঠানো হবে
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মূল অবকাঠামো তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস
গত ৩০ মার্চ একটি বিশেষ উড়োজাহাজে করে ফ্রান্স থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল লঞ্চ প্যাডে স্যাটেলাইটটি পৌঁছায়
স্পেসএক্সের 'ফ্যালকন-৯' রকেটে করে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানো হবে
সেবা ও সুবিধা
এই কৃত্রিম উপগ্রহটি টেলিভিশন চ্যানেল, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ভি-স্যাট ও বেতারসহ ৪০ ধরনের সেবা দেবে
প্রাকৃতিক দুর্যোগ টেরেস্ট্রিয়াল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থা বহাল থাকা, পরিবেশ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে ই-সেবা নিশ্চিত করবে
স্যাটেলাইটের কার্যক্রম পুরোপুরিভাবে শুরু হলে আশপাশের কয়েকটি দেশে টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার সেবা দেওয়ার জন্য জিয়োসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট সিস্টেমের (৪০ ট্রান্সপন্ডার, ২৬ কেইউ ব্র্যান্ড, ১৪ সি ব্যান্ড) গ্রাউন্ড সিস্টেমসহ সব ধরনের সেবা পাওয়া যাবে
এ ছাড়া দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট
এ ছাড়া টেলিচিকিৎসা, ই-শিক্ষা, গবেষণা, ডিটিএইচ (ডিরেক্ট টু হোম ) সেবা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে
প্রতিরক্ষা ও দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় জরুরি যোগাযোগের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে এই স্যাটেলাইট
পরিচালনা
দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ পরিচালনার জন্য 'বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড' নামে নতুন একটি কোম্পানি হচ্ছে
এটির লোকবল নিয়োগ ও তাঁদের প্রশিক্ষণের জন্য থ্যালেসের সঙ্গে ২০২০ সাল পর্যন্ত চুক্তি আছে
কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন হবে ৫ হাজার কোটি টাকা এবং এর ৫০০ কোটি শেয়ার হবে ১০ টাকা মূল্যের
বাংলাদেশের গাজীপুরে প্রায় ১৩ একর জায়গার ৫ একর জুড়ে এই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে
সেখানে বিদেশি স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার কাজ করছে
বিটিআরসির চেয়ারম্যান বলেন, নিজস্ব লোকবল দিয়েই যাতে ভবিষ্যতে স্যাটেলাইটটি চালানো যায়, সেই লক্ষ্য নিয়েই কোম্পানি গঠনের সব কাজ চলছে
স্যাটেলাইটটির জন্য দুটি ভূ-স্টেশন থাকবে চট্টগ্রামের বেতবুনিয়ায় ও গাজীপুরের স্টাফ কলেজে
আর ভবনে একটি রক্ষণাবেক্ষণ কার্যালায় থাকবে
স্যাটেলাইট ওড়ানোর কাজটি বিদেশে হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশ থেকেই
এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন (ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা) তৈরি করা হয়েছে
ট্রান্সপন্ডার
এটি তারবিহীন কমিউনিকেশন যন্ত্র যা স্যাটেলাইটের সাথে যুক্ত থাকে
শব্দটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে ও . এটি একধরনের মাইক্রোওয়েভ অ্যানটেনা, যার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের ফ্রিকুয়েন্সির ভয়েস, ডেটা ও ভিডিও সহ বিভিন্ন সিগন্যাল গ্রহণ করে
একই সাথে তা অন্য ফ্রিকুয়েন্সিতে ও করতে পারে
তাই এর নাম হয়েছে ট্রান্সপন্ডার
ডিরেক্ট টু হোম
(): এমন একটা সেবা যার মাধ্যমে ডিসের তার বা ক্যাবল ছাড়া সম্প্রচার করা সম্ভব
এ ক্ষেত্রে তারের মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া হয় না
বরং বাড়িতে টিভির সাথে একটি গ্রাহক যন্ত্র থাকে যা প্রেরির টিভি সিগন্যাল গ্রহণ করতে পারে
শীতলক্ষা নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় ৫ জনের লাশ উদ্ধার - 365 <% ( _ > 0 ) { %> ,
365
সঠিক খবর সঠিক সময়ে
:
হোম
সাধারন খবর
বিশ্ব
ক্রিকেট
ফুটবল
রাজনীতি
বিনোদন
লাইফ স্টাইল
প্রযুক্তি
বিজ্ঞান
বানিজ্য
অর্থনীতি
পরিবেশ
মতামত
আজব খবর
স্বাস্থ্য
বিবিধ
সপিং
গান
আমাদের সাথে যোগাযোগ
শীতলক্ষা নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় ৫ জনের লাশ উদ্ধার
25, 2018 সাধারন খবর
নিউউ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম
শুক্রবার রাতে শীতলক্ষা নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ৫ জনের লাশ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী দল
শুক্রবার রাত ৯টার সময় ১৪ জন যুবকের একটি দল ডেমরা থেকে একটি নৌকা ভাড়া করে নদীতে বেড়াতে বের হয়
শুক্রবার রাত ১০টার সময় শীতলক্ষ্যা নদীতে উপজেলার রূপসী কাজীপাড়া এলাকায় বালুবাহী বলগেটের ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে যায়
ফাইল ফটো
নৌকার আরোহী ১৪ জনের মধ্য ৯ জন সাতরিয়ে তীরে আসতে সক্ষম হয়
শনিবার রাতে ও আজ রবিবার সকালে দক্ষিণ রূপসীসহ আশপাশের এলাকায় লাশগুলো ভাসতে দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল লাশগুলি উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে
নিহতরা হলেন- ঢাকার ধোলাইপাড় এলাকার তুষার আহমেদ, একই এলাকার সাইফুল ইসলাম রিপন বাবু, কদমতলী থানার দক্ষিণ দনিয়া এলাকার লতিফ খান, রূপগঞ্জ থানার তারাব পৌরসভার মাসাবো এলাকার জাসিম খান ও পূর্ব ধোলাইপাড় বাজার এলাকার শরীফ
বঙ্গভাণ্ডারের বিবিধ রতনের সন্ধান ও চর্চা-পরিচর্যার অবকাশ যেন কমে আসছে মানুষের জাগতিক ও বৈষয়িক নানা অর্জনের প্রতিযোগিতায়
হৃদয়-মননের তৃষ্ণা মেটানোর জায়গাটি যেন সংকুচিত হয়ে আসছে
এমন একটি বাস্তবতায় জনসংস্কৃতি বিষয়ে জনগণের সরকার সচেতনতার পরিচয় দিলে জনমনে সাড়া জাগা সম্ভব
শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে তিন সপ্তাহব্যাপী যে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উৎসবের সূচনা হয়েছে ঢাকায়, সাধুবাদযোগ্য
সাংস্কৃতিক উৎসব বলতেই এক শ্রেণীর মানুষ বোঝেন গানবাজনা, কিংবা বড়জোর কবিতা আবৃত্তি
সমগ্র সংস্কৃতির ধারণাটি যে আরও বড় পরিসরের, তার পরিধি যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি অনেকেই বুঝতে চান না
দেশের সংস্কৃতির শিকড় ছুঁতে হলে লোকসংস্কৃতির আবাহন চাই
চাই লোকজ মেলার আয়োজন
যাত্রাপালা, পুঁথিপাঠ, কবিগান, পুতুল নাচ, সংযাত্রা, কিচ্ছাপাঠ, গম্ভীরা এসবই গ্রামবাংলার হাজার বছরের সংস্কৃতি
আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন ও তথাকথিত আধুনিকতার যাঁতাকলে বাংলার প্রাণভোমরাটি যেন হাঁসফাঁস করছে
রাজধানীতে এসবেরই মঞ্চায়ন নিঃসন্দেহে তাৎপর্যময় ঘটনা
দেশের পুব থেকে পশ্চিম, সর্ব উত্তর থেকে সর্ব দক্ষিণাঞ্চলের সাংস্কৃতিক সংগঠনের সৌজন্যে সমগ্র বাংলার আদি সংস্কৃতি উঠে আসার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে এই উৎসবের মধ্য দিয়ে
এ ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্যের আয়োজন দেশের সাংস্কৃতিক শিকড়ে ঢালবে প্রাণরস ও সংহত শক্তিN এটিই প্রত্যাশা
বিশিষ্ট সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব ড. সন্জীদা খাতুন সংস্কৃতির শক্তি ও চারিত্র্য বিষয়ে কিছু তাৎপর্যপূর্ণ উচ্চারণ করেছিলেন বিদায়ী বছরে, যা মানুষের অন্তর ছুঁয়ে যাওয়ার মতো
এতে শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ শুধু আলোড়িতই নয়, সমাজের ইতিবাচক মানুষ হিসেবে নিজের অবস্থানও শনাক্ত করতে সমর্থ হয়েছেন