content stringlengths 0 129k |
|---|
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন |
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ |
কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা এ,কে এম আতা এলাহী জানান, দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচারের জন্য গতকাল সন্ধ্যা ৭টারদিকে কক্সবাজারের পি এম খালী চেরাংঘর বাজার এলাকা হতে বাংলাবাজার অভিমুখী আকাশমনি গোল কাঠ অবৈধভাবে পরিবহন কালে পিকআপ গাড়ী সহ আকাশ মনি গোল কাঠ জব্দ করে শহর রেঞ্জ হেফাজতে আনা হয় |
জব্দকৃত গোল কাঠের পরিমান আনুঃ১শত ঘনফুট |
তিনি আরো জানান পাচারকারি যতই শক্তিশালী হউক না কেন আমরা তাদের প্রতিহত করবো |
বনবিভাগের একটি গাছও আমরা কাঠ খেকোদের হাতে যেতে দিব না এগুলো কার কাঠ তা আশপাশে তল্লাশী করে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি |
১৯২৭ সালের বন বিভাগের আইনে অবৈধভাবে কাঠ পাচার শাস্তিযোগ্য অপরাধ |
- বৌদি চোদার গল্প - আমি রেখা, আমার বয়স ২২ বছর, এই চার মাস হল আমার বিয়ে হয়েছে |
আমি যঠেষ্ট সুন্দরী, ৫'৫" লম্বা এবং ফর্সা |
আমার শারীরিক গঠন ছাঁচে গড়া, ৩৬, ২৫, ৩৪ অর্থাৎ আমি মডেলিংয়ের কাজটা খূব ভালই করতে পারতাম |
কিন্তু কলেজের পড়া শেষ হতেই আমার বিয়ের ভাল সম্বন্ধ এল এবং খূব তাড়াতাড়ি আমার বিয়ে হয়ে গেল |
বিনয়, আমার স্বামী, বয়স তিরিশ বছরের কাছাকাছি, নিজস্ব ব্যাবসা আছে এবং খূব ভাল রোজগার করে |
যঠেষ্ট স্বচ্ছল পরিবার, গাড়ী, বাড়ি, এসি কিছুই বাদ নেই, সুখের সমস্ত সংসাধন বাড়িতেই মজুত আছে |
বাড়িতে চারটে কাজের লোক আছে যারা সব সময় ফাই ফরমাস খাটে |
পরিবারে মাত্র তিনটি সদস্য, বিনয়, তার ছোট ভাই অজয় এবং বৃদ্ধা মা |
অজয় আমারই বয়সি, বিভিন্ন চাকুরীর পরীক্ষার জন্য তৈয়ারী করছে |
এইরকম সম্বন্ধ মোটেই নাকচ করা যায়না |
তাছাড়া ওদের এতই সম্পত্তি আছে যার জন্য তারা সামান্য খাট, বিছানা আলমারী ইত্যাদি নিতেও রাজী নয় |
একটাই চাহিদা ছিল, সেটা হল, বৌ যেন ডানাকাটা পরী হয়, সে যতই গরীব ঘর থেকে আসুক, তাতে তাদের কোনও আপত্তি নেই |
এইরকম একটা বাড়িতে বৌ হয়ে এসে নিজেকে খূবই গর্বিত মনে করছিলাম |
প্রথম রাতটা কাল রাত্রি তাই অনেক রাত ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে কখন যে মধ্য রাত্রি কেটে গেল টের পাইনি |
আগামীকাল ফুলসজ্জা, বিনয়ের সাথে আমার প্রথমবার শারীরিক সম্পর্ক হবে, আমার যৌনাঙ্গে বিনয়ের যৌনাঙ্গ ঢুকবে, এই ভাবতে ভাবতেই যেন আমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছিল |
পরের দিন ফুলসজ্জার রাতে বিনয় আমায় খূব আদর করল |
আমার মাই টিপল এবং গুদে হাত বুলিয়ে দিল কিন্তু আমি যখনই ওর বাড়াটা ধরলাম, আমার মাথায় বাজ পড়ল ..... এ কি! বিনয়ের নুঙ্কুটা মাত্র ইন্চি তিনেক লম্বা! তিন ইন্চি জিনিষকে ত আর বাড়া বলা যায়না তাই নুঙ্কুই বলতে হবে |
এটা নিয়ে আমি সারাজীবন কি করব? বিনয় এইটুকু জিনিষ দিয়ে আমায় চুদবেই বা কি করে? আমার দাবনায় ওর দাবনা ঠেকলেই ত ঐটা আর আমার গুদে ঢুকতেই পারবেনা |
অবশ্য বাজারে ত লিঙ্গ বড় করার জন্য অনেক রকম ঔষধ ও তেল পাওয়া যাচ্ছে |
ঠিক করলাম সেই তেল নিয়মিত মালিশ করে বিনয়ের যন্ত্রটা বড় বানাবো |
আমি বিনয়ের বাড়াটা হাতের মুঠোয় চটকে বড় করার চেষ্টা করতে লাগলাম কিন্তু ফুলসজ্জার খাটে মাঝরাতেও বিনয়ের ব্যাবসা সংক্রান্ত এত ফোন আসছিল |
বার বার ব্যাঘাতের ফলে আমি ওর বাড়াটা সঠিক ভাবে শক্ত করতে অপারগ হলাম |
আমাদের ফুলসজ্জাটা এই ভাবে মাঠেই মারা গেল |
আরো খবর তোর বগলের গন্ধ আমাকে আজ পাগল করে তুলেছে - ৩ |
পরের দিন থেকে বুঝলাম বিনয় কাজ পাগল লোক |
প্রতিদিন সকাল আটটার মধ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় এবং সারা দিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খেটে রাত দশটার পর ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরে |
এই রকম লোক তার নতুন বৌকে চোদার জন্য কি করেই বা সময় পাবে |
আমিও ওর বাড়ায় যত রকম তেলই বা মাখাই না কেন, ও সব সময় অন্যমনস্ক থাকার জন্য কোনও ফলই হবেনা |
তাই আগে ওর মানসিক পরিবর্তন করতে হবে |
আমি তিন মাস বিভিন্ন ভাবে বিনয়কে উত্তেজিত করার চেষ্টা করলাম কিন্তু কোনও ফলই হলনা |
বোকাচোদাটার সুন্দরী বৌ চাই অথচ তাকে চোদার ক্ষমতা বা ইচ্ছে নেই |
সুন্দরী বৌকে কি না চুদে শো কেসে সাজিয়ে রেখে দেবে? আমারও ত সবে ২২ বছর বয়স, আমি বিয়ে করেও কি ভাবে সন্যাসিনীর জীবন যাপন করব? এর একটা বিহিত করতেই হবে |
একদিন আমি চান করে, গায়ে তোয়ালে জড়িয়ে, বাথরুম থেকে বেরিয়ে ড্রেসিং রুমে জামা কাপড় পড়ার জন্য ঢুকলাম |
আর তখনই ..... |
আমি নিশি্চন্ত মনে তোয়ালে খুলে ভাল করে গা হাত পা পুঁছছিলাম |
আমি লক্ষই করিনি আমার দেওর অজয় সেই সময় বেরুবে বলে জামা কাপড় পাল্টানোর জন্য ড্রেসিং রুমে ছিল |
হঠাৎ চোখাচুখি হতেই দেখলাম ও এবং আমি সম্পূর্ণ ন্যাংটো হয়ে সামনা সামনি দাঁড়িয়ে আছি |
আমার সারা গায়ে বিদ্যুৎ বয়ে গেল |
অজয় লজ্জায় ঘর থেকে পালিয়ে গেল এবং আমি তড়িঘড়ি জামা কাপড় পরে ফেললাম |
এর পর বেশ কয়েকদিন অজয় দিকে তাকাতে আমার লজ্জা করছিল |
অজয় এবং ওর বন্ধু তমাল একসাথেই এই বাড়িতে পরীক্ষার জন্য পড়াশুনা করছিল |
আমি রোজই ওদের পড়ার ঘরে চা এবং টিফিন দিতে যেতাম এবং দুজনেরই মাথায় ইয়ার্কি করে টোকা মেরে বলতাম, "ঠিক ভাবে পড়াশুনা করছ ত? মন দিয়ে পড়াশুনা করবে |
ভাল চাকুরি পেলে তবেই সুন্দরী বৌ পাবে |
" দুজনেই বলত, "হ্যাঁ বৌদি, চেষ্টা ত খূবই করছি দেখি কি হয় |
তুমি একটু আমাদের পড়া ধর তাহলেই বুঝতে পারবে |
বৌদি, আশীর্ব্বাদ কর আমরা যেন তোমার মত সুন্দরী বৌ পাই |
" |
আরো খবর - 2 |
আমি লক্ষ করলাম, আমি যখন চা দেবার জন্য ওদের ঘরে ঢুকি, তমাল আড়চোখে আমার মাই এবং পাছার দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকায় |
একদিন আমি ইচ্ছে করে শর্ট লেগিংস ও টপ পরে ওদের ঘরে ঢুকেছিলাম |
তখন আমায় খূবই সেক্সি দেখাচ্ছিল |
সেদিন তমাল আমার দিক থেকে চোখ ফেরাতেই পারছিলনা |
আমি বেরিয়ে আসার পর তমালের কথা শুনে দরজার বাহিরে দাঁড়িয়ে গেলাম এবং ওদের কথা কান পেতে শুনতে লাগলাম |
তমাল অজয়কে বলছিল, "ইয়ার, তোর বৌদিটা কি সেক্সি রে! তেমনই অসাধারণ সুন্দরী! তোর বৌদি কে যদি একবার ন্যাংটো করে চুদতে পারি ত জীবন সফল হয়ে যাবে |
তুই যতই বল, আমাদের কপালে এত সুন্দরী বৌ কিন্তু লেখা নেই |
তাই বৌদিই ভরসা |
" |
অজয় পাল্টা জবাব দিল, "হ্যাঁ রে, ঠিকই বলেছিস, আমার বৌদি পরমা সুন্দরী এবং অত্যধিক সেক্সি |
বৌদি একদিন চান করে তোয়ালে জড়িয়ে জামাকাপড় ছাড়ার জন্য ড্রেসিং রুমে ঢুকেছিল |
ভাগ্যক্রমে ঐ সময় আমি ঐঘরেই সম্পুর্ণ ন্যাংটো অবস্থায় জামা কাপড় ছাড়ছিলাম |
মুহুর্তের জন্য হলেও সেদিন আমি এবং বৌদি দুজনেই দুজনকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ দেখে ফেলি |
উফ বৌদির কি ফিগার রে! মাইগুলো একদম খোঁচা খোঁচা, পাছাটা বেশ ভারী এবং গোলাপি গুদের চারধারে হাল্কা বাল আছে |
দাদা কি করে যে ওর সন্ধান পেল বুঝতে পারছিনা |
আমার সন্দেহ হয় সারা দিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পর দাদা আদ্যৌ বৌদিকে চুদতে পারে কিনা |
বেচারী ভরা যৌবনে দিনের পর দিন উপোষী গুদে রাত কাটাচ্ছে |
" |
তমাল বলল, "আমরা দুজনেই ত তোর বৌদির বয়সি তাই দুজনেই ওর ক্ষিদে মেটাতে পারি |
আমাদেরও চোদার অভিজ্ঞতা হয়ে যাবে এবং বৌদিকেও আর উপোষী থাকতে হবেনা |
তুই বৌদিকে জিজ্ঞেস করে দেখ না, আমাদের বাড়াটা ভোগ করতে রাজী আছে কিনা |
" অজয় বলল, "ধ্যাৎ, নতুন বৌদিকে তা কখনও জিজ্ঞেস করা যায় নাকি? কি মনে করবে? দাদা জানতে পারলে অশান্তি করবে |
" |
ওদের দুজনর কথোপকথন শুনে আমার গুদ হড়হড় করতে লেগেছিল |
আমি মনে মনে ঠিক করলাম, বাড়িতে যখন আমার সমবয়সী দুইজন ছেলে আছে এবং তারা আমায় চুদতে এতটাই আগ্রহী, তখন আর কষ্ট করে নিরামিশ জীবন না কাটিয়ে এদের দুজনের কাছেই চুদে শরীরের গরম মেটাব |
কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে অজয় কে কি ভাবে বলব |
কয়েকদিন বাদেই বিনয় কে কাজের জন্য বাহিরে যেতে হল এবং সে জানাল সে দুই তিন দিন বাদেই বাড়ি ফিরতে পারবে |
আমি মনে মনে ঠিক করলাম এই সুযোগ আমি সদ্ব্যাবহার করবই |
বিনয় বেরিয়ে যাবার পর সেই সন্ধ্যায় অজয়ের ঘরে চা ও জলখাবার দিতে গিয়ে তমাল কে বললাম, "তমাল, তোমাদের ত লেখা পড়ার এত চাপ |
আজ রাতটা অজয়ের সাথে এই বাড়িতেই থেকে যাও তাহলে পড়ার জন্য বেশী সময় দিতে পারবে |
তুমি অজয়ের একটা হাফ প্যান্ট পরে নাও |
বৌদিকে আর লজ্জা করতে হবেনা |
" |
আমি লক্ষ করলাম তমাল তখনও আমার মাই এবং দাবনার দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে দেখছিল |
তমাল সুন্দরী বৌদির অনুরোধ অগ্রাহ্য করতে পারল না এবং আমাদের বাড়িতে থেকেই গেল |
আমি অজয় এবং তমালের রাতের খাবার তৈরী করে পরিবেশন করলাম এবং ওরা আবার ঘরে গিয়ে পড়াশুনা করতে লাগল |
আমি সব কাজ শেষ করে একটু সেজেগুজে শুধু একটা নাইটি পরে ওদের ঘরে ঢুকলাম |
ঘরে ঢোকার পর কি হল পরের পর্বে ..... |
বৌদি চোদার গল্প - যেহেতু আমি ব্রা এবং প্যান্টি পরিনি তাই আমার মাই এবং পাছাগুলো একটু দুলছিল এবং নাইটির উপর থেকেই বোঁটার অস্তিত্বটা বোঝা যাচ্ছিল |
আমি বললাম, "আজ তোমাদের দাদা ত বাড়ি নেই এবং একলা ঘরে ঘুমাতে আমার ভাল লাগছেনা তাই আজ আমি তোমাদের ঘরে তোমাদর সাথেই ঘুমাবো |
" |
ওরা দুজনেই আমার কথা শুনে হতবম্ভ হয়ে গেল |
ওরা ভাবতেই পারছিলনা ওদের ভাগ্যে কেমন করে শিঁকে ছিঁড়ল |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.