content
stringlengths
0
129k
২০১৪ সালে, প্রান্তজন এগ্রো এন্টারপ্রাইজ একটি অভিনব বিপণন ব্যবস্থার মাধ্যমে তাজা কৃষি পণ্য প্রচার ও বিক্রির কাজ শুরু করে
এন্টারপ্রাইজের প্রাথমিক বিনিয়োগ প্রান্তোজান ট্রাস্টের সাথে জড়িত থাকা মানুষদের হাত ধরেই এসেছে
শুরুতে কৃষকদের সাথে যোগাযোগ করতে আমাদের কিছু অসুবিধা হয়েছিল
তবে এটি শীঘ্রই ভালভাবে কাজ করেছে কারণ আমরা আমাদের পরিকল্পনা তাদেরকে ভালোভাবে বোঝাতে সক্ষম হই
আমরা আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি তাদেরকে কৃষি পণ্যের জন্য প্রযুক্তিগত এবং বিপণন সম্পর্কিত দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করি
বর্তমানে, আমাদের এন্টারপ্রাইজ মুগ ডাল, শসা, করলা, বেগুন, মিষ্টি-লাউ ইত্যাদি তাজা কৃষি পণ্য নিয়ে প্রায় ৫০০০ কৃষকদের সাথে কাজ করছে
কৃষকরা আমাদের কাছে তাজা এবং নির্ভেজাল পণ্য বাজার দরে বিক্রি করে
আমরা পরবর্তীতে সেসব পণ্য স্থানীয় বাজারে ও বরিশালের বাইরে বাজারজাত করি
আমরা দেশী নামে একটি স্থানীয় ব্র্যান্ড তৈরি করেছি, এবং এর অধীনে, আমরা এই পণ্যগুলি বিভিন্ন দোকানে এবং পরিবারের কাছে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করি
হোম ডেলিভারির জন্য দারাজের সাথে আমরা ইতিমধ্যে চুক্তিবদ্ধ আছি এবং ফুডপান্ডার সাথে আমাদের ট্রেডিং রেজিস্ট্রেশন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে
ফসল এবং সবজি ছাড়াও, আমরা কাঁচা দুধ বিক্রির জন্য ৫০০ জন খামার মালিকের সাথে কাজ করি
এর জন্য আমাদের একটি ফিলিং প্ল্যান্ট আছে যেখানে সকাল ৮-৯ টার মাঝে কাঁচা দুধ চলে আসে
আমরা সেটা ঠাণ্ডা করার পরে প্যাকেটজাত করে স্থানীয় সুপার শপ, স্টোর, বাসা-বাড়িতে পাঠিয়ে দেই দেশি ব্র্যান্ডের অধীনে
আমরা সকল প্রস্তুতকারকদের সর্বোচ্চ মূল্য পেতে সাহায্য করার পাশাপাশি পণ্যের সর্বোত্তম গুনগত মান নিশ্চিত করি
যেহেতু কৃষি পণ্যের উৎপাদন বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে যেমন আবহাওয়া, মাটির অবস্থা ইত্যাদি, আমাদের বিক্রয় আয়ের নির্দিষ্ট তথ্য বলা কঠিন
আনুমানিক হিসাব মোতাবেক, এক মাসে ডালের বিক্রয় থেকে প্রায় ২৫-৩০ লক্ষ টাকা আয় আসে যদি সব ভাল থাকে
এবছর আমাদের লক্ষ্য হল নিট মুনাফার মার্জিন ১২% ও প্রবৃদ্ধি মুনাফার মার্জিন ১৯% রাখা
কিন্তু, গতবছর আমাদের সকল পরিকল্পনা বিফলে চলে গিয়েছিল
মহামারী পরিস্থিতি আমাদের সবাইকে পুরোপুরি অপ্রস্তুত করে দিয়েছিল
আমাদের বেশ কয়েক বছরের কাজের অভিজ্ঞতায়, আমরা আগে কখনও এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হইনি
আমরা প্রথমে কাজ বন্ধ রেখে সার্বিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করি
কিন্তু এরমধ্যেই ডালের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং চাহিদা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে
কারণ ডালের চাহিদা বিভিন্ন সভা, অনুষ্ঠান, বিয়ে, ইত্যাদির উপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে যা করোনার জন্য পুরোপুরি বন্ধ ছিল
কাঁচা দুধের চাহিদাও কমে গিয়েছিল কারণ সবাই ঠাণ্ডা দুধ কিনতে অনীহা প্রকাশ করছিল করোনা সংক্রমণের ভয়ে
এরকম কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা আমাদের জন্য সহজ ছিল না
কিন্তু এই প্রতিকূলতা আমাদের মনোবল ও আমাদের কার্যক্রমকে দমিয়ে রাখতে পারেনি
আমরা এসময়ে অনলাইন ব্যবসার দিকে মনোযোগ দেই
আমরা দারাজের পাশাপাশি স্থানীয় অনলাইন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যেমন ফেরিওয়ালা ডট কম এর সাথেও কাজ করছি
করোনার জন্য অনেক ক্ষয়-ক্ষতি হলেও এই সুবাদে আমরা অনলাইন মাধ্যম সম্পর্কে আরও সজাগ হওয়ার সুযোগ পেয়েছি
লাইটক্যাসল পার্টনার্স ও অক্সফাম একসাথে একটি বিনিয়োগ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল, যেখানে আমরা অংশগ্রহণ করেছিলাম
প্রকল্পটি আমার মতো অনেক উদ্যোক্তাকে সাহায্য করেছে
আমি সেই প্রকল্প থেকে কিছু প্রযুক্তিগত দক্ষতা শিখতে পেরেছি
এখন, আমরা আমাদের এই জ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষা গ্রামীণ কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য আমরা এখন বরিশালের বাহিরে আমাদের কার্যক্রমকে নিয়ে যেতে চাচ্ছি
এতো বাঁধা-বিপত্তির পরেও, আমরা প্রান্তিক মানুষের জীবন পরিবর্তন এবং তাদের যাত্রায় তাদের সমর্থন করার মাধ্যমে অনেকদূর এগিয়ে যেতে চাই
(1)
. *
, , .
'
.
. .
| © 2021
, . , . .
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ছাপ চেহারায়ও পড়ে
তবে অনেক সময় বয়সের আগেই ত্বক বুড়িয়ে যায়
কিন্তু কখনো খেয়াল করে দেখাছেন কি, কোরিয়ান নারীদের বয়স সহজে বাড়ে না
কোরিয়ান নারীরা অত্যন্ত ফিট, পাতলা এবং সুস্থ
কোরিয়ান কিশোর, তরুণ, মধ্যবয়সী পুরুষ/মহিলা বা ৬০-৭০ বছর বয়সী প্রত্যেককেই কিন্তু দুর্দান্ত ফিট
তাদের সবাইকেই কাছাকাছি বয়সের মনে হয়
সহজে তাদের বয়স ধরা যায় না
তাইতো কোরিয়ান নারীদের আকর্ষণীয় ফিটনেস বিশ্বের সবাইকে কৌতূহলী এবং বিস্মিত করে
কোরিয়ান নারীরা ফিট থাকার জন্য কী খায়, কী করে তা সম্পর্কে জানার আগ্রহ সবারই আছে
চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কোরিয়ান নারীদের বয়স থেমে থাকার রহস্য-
সুষম খাদ্য তালিকা
বিভিন্ন ধরনের ডায়েট তালিকায় যেখানে নির্দিষ্ট কিছু খাবার বাদ দেওয়া বা কমিয়ে খাওয়ার কথা বলা হয় সেখানে কোরিয়ান নারীরা ডায়েটে সব ধরনের খাবারের ভারসাম্য রাখেন
তারা প্রায় সবকিছুই খান
প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ইত্যাদি সব নিয়ে স্বাস্থ্যকর কোরিয়ান ডায়েট গঠিত হয়
অর্থাৎ খাবার তালিকা থাকে সুষম
খাবারের পরিমাপ সম্পর্কে তারা খুবই সচেতন
অতিরিক্ত খাবার তারা কখনোই গ্রহণ করে না
সেইসঙ্গে তাদের দৈনন্দিন রুটিনে শারীরিক নানা ক্রিয়াকলাপ অন্তর্ভুক্ত থাকে
শাকসবজিকে প্রাধান্য দেয়
আপনি যদি কখনো ঐতিহ্যবাহী কোরিয়ান খাবার খেতে চান তবে খাবার টেবিলে সবচেয়ে বেশি দেখবেন সবজির নানা পদ
কোরিয়ানদের পছন্দের খাবারের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে বিভিন্ন সবজির নাম
যা তাদের স্লিম, সুস্থ শরীরের পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ
বেশিরভাগ শাকসবজি ফাইবারযুক্ত, স্বাস্থ্যকর এবং কম ক্যালোরিযুক্ত হওয়ার কারণে তা ওজন কমাতে সহায়তা করে
সবজিতে থাকা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে দূরে থাকা যায় অন্যান্য উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার থেকে
ফার্মেন্টেড ফুডস
সচেতন কোরিয়ান নারী মাত্রই সব ধরনের খাবারের সঙ্গে একটি সাইড ডিশ রাখে
যা মূলত ফার্মেন্টেড ফুডস
এ ধরনের খাবারগুলো অন্ত্রের জন্য দুর্দান্ত এবং হজমের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে
এটি কেবল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্যই করে না, সেইসঙ্গে ওজন কমাতেও সাহায্য করে
ফাস্টফুডের চেয়ে ঘরে তৈরি খাবার বেশি পছন্দ
কোরিয়ান নারীর ফিট শরীরের পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো যে সে বাড়িতে তৈরি খাবার পছন্দ করে
যখন আপনি ওজন কমাতে চান তখন বাড়িতে তৈরি খাবারের চেয়ে ভালো আর কিছু হয় না
প্রক্রিয়াজাত, অস্বাস্থ্যকর খাবার, ফাস্টফুড খেলে তা আপনার ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে
কোরিয়ান নারীরা বাইরে খাওয়ার পরিবর্তে বাড়িতে বসে খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে
শরীরের জন্য ভালো খাবারগুলোই তারা খেয়ে থাকে
সামুদ্রিক খাবার
কোরিয়ার অন্যতম প্রধান খাদ্য সামুদ্রিক খাবার
ফ্যাটযুক্ত সামুদ্রিক মাছের পাশাপাশি তারা আরেকটি স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে থাকে
সেটি হলো সামুদ্রিক শৈবাল
এটি কোরিয়ার পরিচিত খাদ্য উপাদান যা বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে যোগ করে খেয়ে থাকে
এটি স্বাস্থ্যের জন্য দুর্দান্ত এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে
সক্রিয় জীবনযাপন
বেশিরভাগ কোরিয়ান হাঁটতে ভালোবাসে
তারা তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য গণপরিবহনের পরিবর্তে হেঁটে যেতেই পছন্দ করে
তারা তাদের জীবনযাত্রা সক্রিয় রাখে যা বেশিরভাগ কোরিয়ান নারীদের সুস্থ থাকতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
আমরা সবাই জানি, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য শারীরিক ক্রিয়াকলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
ঝড়খালি ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে উদ্যোগ নিচ্ছে বনদপ্তর
নতুন প্রাণী আনা থেকে শুরু করে পাখিদের জন্য বিশেষ খাঁচা তৈরি করা হবে
থাকছে অন্যান্য বিভাগও
রাজ্যের প্রধান মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ) ভি কে যাদব বলেন, '‌এই প্রাণীশালার জন্য অনেক পরিকল্পনা রয়েছে
একটা বিস্তারিত প্রোজেক্ট রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে