content stringlengths 0 129k |
|---|
গত ১২ অক্টোবর শরীরের জ্বর অনুভব করার তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় |
কিছু পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা তাকে ভর্তির সুপারিশ করেন |
এরপর তার শরীরের আরও কিছু পরীক্ষা করা হয় |
তার শরীরের এক জায়গায় লাম্প দেখা দেয় |
পরে ২৫ অক্টোবর তার ছোট অপারেশন করা হয় |
ফুসফুসের প্রকৃত অবস্থা জানতে করা হয় বায়োপসি |
এভারকেয়ার হাসপাতালের বায়োপসি রিপোর্ট ভালো আসে |
আরও উন্নত পরীক্ষার জন্য বায়োপসি নমুনা যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে |
সেই রিপোর্ট এখনও আসেনি |
খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন |
এর মধ্যে ১১ এপ্রিল তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন |
বাসায় চিকিৎসা নিয়ে করোনা থেকে সেরে উঠলেও শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় ২৭ এপ্রিল তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল |
একপর্যায়ে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয় |
প্রায় দুই মাস তিনি সিসিইউতে ছিলেন |
১৯ জুন তিনি বাসায় ফেরেন |
এর মধ্যে করোনার টিকা নেওয়ার জন্য খালেদা জিয়া দুদফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান |
১৯ জুলাই করোনার প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার পর ১৮ আগস্ট দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন খালেদা জিয়া |
দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হলে খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয় |
করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্ত সাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয় |
এ পর্যন্ত তিন দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে |
আমি এখন যে বাসাটায় থাকি , এই বাসা থেকে আকাশ দেখা যায়না , আমি যে খুব বিশাল প্রকৃতি প্রেমী তা কিন্তু না , কিন্তু আমার মাঝে মাঝে আকাশ দেখতে ভীষণ ইচ্ছা করে , আকাশ দেখার প্রতি আমার প্রবল একটা আকুতি কাজ করে |
যখনি আকাশ দেখি , আমার অবাক লাগে , যখন রাতের আকাশে বাঁধ ভাঙ্গা জ্যোৎস্না নামে্ , আমার ভিতরে একটা তোলপাড় শুরু হয় , শুধু আমার না , আমি জানি বাংলাদেশের লক্ষ তরুণের ভেতর হাহাকার শুরু হয় , এই তরুণেরা রাতের জ্যোৎস্নার দিকে হা করে চেয়ে থাকে , দূর থেকে দেখলে মনে হয় এরা জ্যোৎস্না খাচ্ছে , কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে জানা যায... |
কিছু কিছু বাড়ির দোতালায় এই জ্যোৎস্না ভুখ তরুণদের খুব কাছের কেউ তাকিএ থাকে , অনেক আশা নিয়ে , হয়ত আজ তাদের কেউ আসবে , তরুনেরা কথা রাখেনা , তারা আসে না, আসলেও কাছের সেই মানুষের সাথে দেখা করেনা , নিয়ম নেই , সেই তরুন দের খুব সুন্দর একটা নাম আছে ,তাদের নাম হিমালয় , ডাক নাম হিমু |
আর তাদের সেই অতি কাছের মায়াবতির নাম রূপা |
আমি কখনো কাউকে বলিনি , আমি সবসময় রূপা হতে চেয়েছিলাম , যেখানেই রূপার কথা পড়তাম আমার ভিশন হিংসে হতো , আমি জানি আমি কোনোদিন রূপা হতে পারবনা , তবুও প্রায় ই রূপার স্রষ্টা কে চিঠি লিখতাম ,আপনি রূপাকে নিয়ে একটা অনেক বড় উপন্যাস লিখবেন প্লিজ , অনেক বড় উপন্যাস ? আমার খুব রুপা হতে ইচ্ছে করে ... তারপর সেই চিঠি বাসার ছাদে ন... |
যেদিন রুপা কে হাতে পেলাম , আমি বার বার ছুঁয়ে দেখছিলাম আমার মনে হয়েছিল তিনি নিশ্চয়ই আমার কোন একটা চিঠি পেয়েছেন |
আজ রুপার স্রষ্টা চলে গেছেন , এমন এক জায়গায় যেখানে গেলে কেউ ফেরে না , আচ্ছা , তিনি কি আগেই জানতেন এমন কিছু হবে? অপারের ডাক আসলে আসলেই কি মানুষ আগে থেকে টের পেয়ে যায় ? কি সুন্দর বলে গেলেন আর সিনেমা বানাবেন না , আশঙ্কা করলেন নিষাদ , নিনিত বেশিদিন তাকে কাছে পাবে না , সব সত্যি হয়ে গেল |
মিথ্যা হয়ে গেল তিনি বেঁচে ছিলেন এই কথাটা |
পৃথিবীর শুদ্ধ তম বালিকাটির নাম কি? |
পৃথিবীর সবচেয়ে মায়াবতী নারীর নাম কি? |
পৃথিবীর সমস্ত রূপাদের আজ মন খারাপ , দোতালা বাড়ির জানালায় বাতি জ্বলছে না , রুপারা জেনে গেছে হিমুরা সত্যিই কখনও কারো হাত ধরেনা ...... |
দিতে পারো একশ ফানুস এনে |
আজন্ম সলজ্জ সাধ |
একদিন আকাশে কিছু ফানুস উড়াই ..... |
আমি ঘর খুলিয়া বাহির হইয়া জ্যোৎস্না ধরতে যাই হাত ভর্তি চান্দের আলো ধরতে গেলে নাই |
ভাল থাকুন হুমায়ুন আহমেদ , পৃথিবীতে যতদিন জ্যোৎস্না থাকবে , যতদিন চান্নিপসর রাত থাকবে , যতদিন বর্ষা থাকবে , কদমফুল আর রবীন্দ্র সঙ্গীত থাকবে , পৃথিবী বাসী আপনাকে ততদিন মনে রাখবে |
এই প্রথম আমি আপনার বিরোধিতা করে বলছি , পৃথিবী তে চলে যাওয়া মানুষের স্থান থাকে , যেমন আপনার থাকবে শত কোটি সুপ্রভা, রূপা , হিমু , মিসির আলি , শুভ্র , জরি ,মীরা কিংবা মৃন্ময়ী দের মাঝে...... |
নূহা চৌধুরী সম্পর্কে |
এক বাক্যে - আমড়া কাঠের ঢেঁকি !!! এক কথায় - অপদার্থ !!! ( ভালবাসতে ভালবাসি ... :) 2 .... , ... |
নূহা চৌধুরী এর সকল পোস্ট দেখুন → |
এই লেখাটি পোস্ট করা হয়েছে হাবিজাবি-এ |
স্থায়ী লিংক বুকমার্ক করুন |
← আমার মায়ের ফুলশয্যা |
এই লেখার শিরোনাম খুঁজে পাচ্ছি না → |
2 আজ রূপার মন খারাপ .... |
সত্যান্বেষী বলেছেনঃ |
জুলাই 20, 2013; 7:57 অপরাহ্ন এ |
"ভাল থাকুন হুমায়ুন আহমেদ , পৃথিবীতে যতদিন জ্যোৎস্না থাকবে , যতদিন চান্নিপসর রাত থাকবে , যতদিন বর্ষা থাকবে , কদমফুল আর রবীন্দ্র সঙ্গীত থাকবে , পৃথিবী বাসী আপনাকে ততদিন মনে রাখবে |
তিন লাখ ২৮ হাজার সরকারি পদ খালি - 365 <% ( _ > 0 ) { %> , |
365 |
সঠিক খবর সঠিক সময়ে |
: |
সাধারন খবর |
লাইফ স্টাইল |
আমাদের সাথে যোগাযোগ |
তিন লাখ ২৮ হাজার সরকারি পদ খালি |
16, 2016 |
মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সোয়া তিন লাখেরও বেশি পদ শূন্য আছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম |
বৃহস্পতিবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর এবং দপ্তরগুলোতে তিন লাখ ২৮ হাজার ৩১১টি পদ শূন্য রয়েছে |
অধিবেশনের শুরুতে সভাপতিত্বকারী ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করেন |
ওয়াসিকা আয়শা খানের প্রশ্নে জনপ্রশাসন মন্ত্রী বলেন, "সাধারণত নতুন কোনো দপ্তর সৃষ্টি কিংবা বিদ্যমান কোনো দপ্তরের কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি ঘটলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নতুন পদ সৃজনে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী সম্মতি প্রদান করে থাকে |
মনিরুল ইসলাম মিলনের প্রশ্নে তিনি জানান, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর এবং দপ্তরগুলোতে ১৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৯৩ জন কর্মরত আছে |
নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নে সৈয়দ আশরাফ জানান, সরকারি দপ্তরগুলোতে কর্মরতদের মধ্যে নারী তিন লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৪ জন এবং পুরুষ ১০ লাখ চার হাজার ৩৯ জন |
লুৎফা তাহেরের প্রশ্নে তিনি জানান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি ও পদায়ন নিশ্চিতে প্রচলিত এসিআর এর পরিবর্তে কর্মকৃতিভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি 'এনুয়াল পারফরমেন্স রিপোর্ট (এপিআর)' প্রণয়ন করা হয়েছে এবং তা পরীক্ষামূলকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চালু করা হয়েছে |
'নকলনবিশদের চাকরি নীতিমালা শিগগির' |
জিয়াউল হক মৃধার প্রশ্নে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, রমজান ও ঈদুল ফিতর সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের জন্য নকলনবিশদের ২০১৬ সালের জুন মাসের বকেয়া বিল পরিশোধ করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে |
কর্মরত নকলনবিশদের চাকরি স্থায়ীকরণসহ স্থায়ী বেতন কাঠামোতে অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য অতি অল্প সময়ের মধ্যেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে |
সেলিনা বেগমের প্রশ্নে তিনি জানান, গত মার্চ পর্যন্ত হাই কোর্ট বিভাগে তিন লাখ ৯৯৯ হাজার ৩০৩টি মামলা বিচারাধীন ছিল |
এরমধ্যে দেওয়ানি মামলা ৮৭ হাজার ৯৬৪টি এবং ফৌজদারি মামলা দুই লাখ ৪১ হাজার ১৫টি রিট মামলা ৬৩ হাজার ২৫০টি এবং আদিম মামলা সাত হাজার ৭৪টি |
গত ২০ জুলাই পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে পুলিশের আইজিপি ড. বেনজির আহমেদ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন: আমরা পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত দেখতে চাই |
এদিকে গত ১৬ আগস্ট রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত পুলিশ সদস্যরা নজরদারিতে রয়েছেন |
অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, নিয়মানুবর্তিতা, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সৃষ্টিশীলতা ও সৃজনশীলতার আবরণে আবদ্ধ হওয়ার প্রয়াসে বাংলাদেশ পুলিশ অগ্রগামী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ |
কাজেই, পুলিশের দু'জন শীর্ষ কর্মকর্তার বক্তব্যে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, পুলিশ বাহিনীতে নিযুক্ত পুলিশ সদস্যরাই পুলিশের ভেতরে, বাইরে দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার পাশাপাশি মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসায় বিভিন্ন কারণ ও পরিস্থিতির আবেদনের জন্য জড়িত এবং প্রত্যেকটি অনাকাঙ্খিত বিষয় পুলিশের ভাবমূর্তিকে সাধারণ জনগণের নিকট ম্রিয়মান ... |
উল্লেখ্য, দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায়, পুলিশ বাহিনীতে লোকবল নিয়োগ, পদায়ন ও বদলিতে ঘুষ লেনদেন হচ্ছে |
পুলিশের অপরাধ সভায় তৎকালিন তেজগাঁও জোনের ডিসি বলেছেন, রেঞ্জ ডিআইজিরা ওসি পদায়নে ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকা করে ঘুষ নেন |
আবার পুলিশ সুপাররা এস আই, এ এস আই ও কনস্টেবল পদায়নে ঘুষ নেন |
এ ঘুষের টাকা উঠাতে গিয়ে ওসি থেকে শুরু করে নিচের পদের সদস্যরা মাদক বাণিজ্যসহ নানা অবৈধ কাজে যুক্ত হন |
ফলে মাদক বাণিজ্য বন্ধ করা যাচ্ছে না |
মাদক বাণিজ্য বন্ধ করতে হলে ওসি থেকে নিম্নপদের পদায়নে ঘুষ লেনদেন বন্ধ করতে হবে |
অন্যদিকে, ৩০ আগস্ট ২০১৮ প্রকাশিত টিআইবির প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশের সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্থ খাত হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী |
এমতাবস্থায়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বাংলাদেশ পুলিশের দুর্নীতির মাত্রা ও ব্যাপকতা করোনাকালে কিছুটা ম্রিয়মান হলেও টেকনাফের সদ্য সাবেক ওসি প্রদীপের মতো কর্মকর্তাদের সম্পর্কে বাংলার আপামর জনসাধারণ জানতে পেরেছে |
সিনহা হত্যাকাণ্ডের সত্যানুসন্ধান না হলে হয়তো প্রদীপের ন্যায় 'উজ্জ্বল' কর্মকর্তার সন্ধান পাওয়া যেতো না! হলফ করে বলা যায় বাংলাদেশের প্রত্যেকটি থানার ওসিদের আয় রোজগার এবং সম্পদের প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান করলে প্রদীপের মতো অনেকেই বেরিয়ে আসবে |
পুলিশ সদস্যরা যখন রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন কানুনের ব্যত্যয় ঘটায়, নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের ইচ্ছেমতো জনগণের সঙ্গে পুলিশিং করে থাকে তখনই মূলত দুর্নীতির বিষয়টি সামনে চলে আসে |
বিশেষভাবে বললে বলা যায়, ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য কিংবা অন্যকে সুবিধা পাইয়ে দেবার প্রত্যয়ে পুলিশ সদস্যদের আইন কানুনের অবনমন ঘটানোই পুলিশ দুর্নীতি |
বাংলাদেশে সাধারণত দু'ধরনের পুলিশ দুর্নীতির খবর পাওয়া যায়; এর মধ্যে একটি হচ্ছে সামনে যা পাবে তাই অনৈতিকভাবে গ্রহণ করা |
যেমন: রেস্টুরেন্টে ফ্রি খাবার খাওয়া, ফ্রিতে কাপড় ওয়াশ করানো কিংবা শপিংমলে পণ্য ক্রয়ে বিশেষ ছাড়ের সুব্যবস্থা গ্রহণ করা, আবার রাস্তা ঘাটে ট্রাফিক এর সময় পুলিশ সদস্যদের টাকা গ্রহণ করার ছবি পত্রিকার পাতায়ও দেখা যায় |
অন্যটি হচ্ছে; পুলিশ সদস্যদের ডিমান্ডের (চাপে পড়ে উৎকোচ প্রদান করতে বাধ্য হয়) উপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট হারে পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন এজেন্ট ও ভুক্তভোগীদের নিকট হতে অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে থাকে |
যেমন: তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া, তথ্য পাচার করা, দুষ্কৃতিকারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সুরক্ষা রাখার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা ইত্যাদি |
পুলিশ কেন অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে এর কার্যকারণ বের করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলেই জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি ও পুলিশের প্রতি আস্থার জায়গা তৈরি হবে এবং এ ক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের উদ্দীপ্ত গবেষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে |
অপরাধবিজ্ঞানী লরেন্স শেরম্যান এ বিষয়ে মতামত দিয়েছেন; পুলিশ সদস্যরা যে সকল কারণে অপরাধের সাথে যুক্ত হচ্ছেন তার জন্য বেশ কিছু কারণকে তিনি তুলে সামনে নিয়ে এসেছেন |
তিনি এঁও উল্লেখ করেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে অধিকাংশ পুলিশ সদস্য নীতি নৈতিকতার মিশেলে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকেন, বিভিন্ন ঘটনা ও প্রতিক্রিয়ার যোগসাজশে তাদের মধ্যে ক্রমান্বয়ে পরিবর্তন চলে আসে |
পুলিশদের দুর্নীতিতে জড়িত হবার প্রথম কারণ হচ্ছে; সহকর্মীদের প্ররোচনা ও চাপে বশবর্তী হয়ে অপরাধে সম্পৃক্ত হচ্ছেন |
শুরুর দিকে পিটি ক্রাইম (ছোট অপরাধ) যেমন ফ্রি খাবার খাওয়া, গাড়িতে ভাড়া পরিশোধ না করা ইত্যাদি অপরাধের সঙ্গে পরিচিত হয়ে থাকে |
দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে; অন্যান্য অফিসার ও সহকর্মীরা কি ধরনের কাজ করে থাকে সেগুলো অবহিত হয়ে পরবর্তীতে যোগদান করা অফিসাররা সেসব অপরাধের সাথে যুক্ত হয় |
তৃতীয় ও শেষ কারণ হচ্ছে, সিরিয়াস অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাদীর কাছ থেকে অধিক সংখ্যক টাকা গ্রহণ করে থাকে |
মাদক পাচার, মাদক ব্যবসা, বেশ্যাবৃত্তি ইত্যাদি অপরাধের সাথে জড়িতদের সহায়তা ও ব্যবসা পরিচালনায় সুযোগ প্রদানের নিমিত্তে বিরতিহীনভাবে পুলিশ কর্মকর্তারা অর্থনৈতিক সুবিধা লাভ করে থাকে |
অন্যভাবে বললে বলা যায়, একটি প্রতিষ্ঠান যখন সামগ্রিকভাবে কলুষিত হয়ে যায় তখন সেখান থেকে ফেরার বিকল্প উপায় বের করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠে |
কেননা, প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও অস্বচ্ছতা দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি নিয়মের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় |
শুরুর দিকে হয়তো কয়েকজন অফিসার অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয় পরবর্তীতে সময় এবং পরিস্থিতির উপযোগীতায় অধিকাংশ অফিসারই দুর্নীতির সঙ্গে একীভূত হয়ে কাজ করতে থাকে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.