content
stringlengths
0
129k
নন্দীগ্রাম আসলে যা ঘটেছিল: দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজে গাড়ি থেকে নামলেন মমতা ব্যানার্জি! এক...
নন্দীগ্রাম আসলে যা ঘটেছিল #২৭: আগুনে পুড়ছে পরপর বাড়ি, মাথার ওপর দিয়ে গুলি উড়ে যাচ্ছে
বিশ্বের দরবারে বাংলার জয়জয়কার, কন্যাশ্রীর পর এ বছর সবুজসাথী প্রকল্প পেল রাষ্ট্রপুঞ্জের সেরার সেরা সম্মান
বিশ্বের দরবারে বাংলার জয়জয়কার, কন্যাশ্রীর পর এ বছর সবুজসাথী প্রকল্প পেল রাষ্ট্রপুঞ্জের সেরার সেরা সম্মান
, 10, 2020, 11:38:13
'কন্যাশ্রী'র পর এবার 'সবুজসাথী'
বিশ্বমঞ্চে ফের স্বীকৃতি পেল বাংলার প্রকল্প
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নানা জনপরিষেবামূলক প্রকল্প নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জের ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফর্মেশন অ্যান্ড সোসাইটি বা
সেখানে গোটা বিশ্বের ১৬০টি দেশের ৮০০টি প্রকল্পের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে 'সবুজসাথী'কে
প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাত নম্বর ক্যাটেগরি ই-গভর্নমেন্টে 'সেরার সেরা' সম্মান ছিনিয়ে এনেছে বাংলা
সৌজন্যে সবুজসাথী প্রকল্প
পাশাপাশি বিশ্বের দরবারে স্বীকৃতি পেয়েছে 'উৎকর্ষ বাংলা' নামে আরও একটি প্রকল্প
রাজ্য সরকারের তরফে ভার্চুয়াল মাধ্যমে পুরস্কার গ্রহণ করেন অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের ওএসডি সঞ্জয় থাড়ে
এর আগে, ২০১৭ সালে ৬৩ টি দেশের ৫৫২ টি জনপরিষেবামূলক প্রকল্পের মধ্যে, 'কন্যাশ্রী' প্রকল্প বিশ্বের দরবারে সেরার স্বীকৃতি পেয়েছিল
রাষ্ট্রপুঞ্জের 'পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড'এ সম্মানিত হয়েছিল
এবার বিশ্বসেরা খেতাব ছিনিয়ে নিল 'সবুজসাথী'
সোমবার প্রার্থী ঘোষণা রাজ্য বিজেপির! তালিকায় গুরুত্ব যুব ও...
27, 2021
কলকাতা পুরভোটে তৃণমূল প্রার্থী ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যা...
27, 2021
প্রার্থী তালিকায় নেতা-মন্ত্রীদের পরবর্তী প্রজন্ম, লড়বেন...
27, 2021
নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত স্কুল পডুয়াদের জন্য বিনামূল্যে সাইকেল বিতরণ করা হয় সবুজসাথী প্রকল্পে
সূত্রের খবর, ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর শুরু হওয়া প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত প্রায় এক কোটি সাইকেল বিলি করা হয়েছে
প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় সাইকেল যোগাযোগ তো বটেই, হয়ে উঠেছে স্কুলছুট ঠেকানোর মাধ্যম
একটা সাইকেল কীভাবে একটি রাজ্যের আর্থ-সামাজিক কাঠামোয় পরিবর্তন এনেছে, তা উপলব্ধি করেছে ডব্লুএসআইএস
তাই সবুজসাথী প্রকল্পকে তারা 'হুইলস অব চেঞ্জেস' বলে বর্ণনা করেছে
২০১৯ সালে ডব্লুএসআইএস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সেরা হয়েছিল বাংলার সবুজসাথী প্রকল্প
কিন্তু এবার বাংলার সাফল্যের মুকুটে সেই প্রকল্পই 'বিশ্ব সেরার' পালক যোগ করল
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা আবহে লকডাউন পর্বে পড়ুয়াদের মধ্যে সাইকেল বিলির প্রক্রিয়া অনেকটাই ধীর হয়ে যায়
সম্প্রতি বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠকে দ্রুত সাইকেল বিলি করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ার বাড়িতে তা পৌঁছে দিতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি
কিছুদিন আগেই সবুজসাথী প্রকল্পের বিপুল চাহিদার কথা মাথায় রেখে রাজ্যে সাইকেল কারখানা তৈরির জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছে আহ্বানও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী
অন্যদিকে, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সূচনা হয় 'উৎকর্ষ বাংলা' প্রকল্পের
এই প্রকল্পে ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সি বেকার যুবক-যুবতীদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়
স্বল্প সময়ের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় নিখরচায়
যে-সব কাজের চাহিদা রয়েছে, একমাত্র সেগুলির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এই প্রকল্পে
মমতা ব্যানার্জির মস্তিষ্কপ্রসূত এই প্রকল্পও বিশ্বের দরবারে সমাদৃত হয়েছে
বিশ্বের ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের গোপন সম্পদের তথ্য ফাঁস হয়েছে
এ বিষয়ে প্যান্ডোরা পেপারস নামের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে হইচই পড়ে গেছে
এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে কাজ করেছেন বিশ্বের ১১টি দেশের ৬০০ সাংবাদিক
তারা কয়েক মাস ধরে কাজ করে ১ কোটি ২০ লাখ গোপন নথি ফাঁস করেছেন
ওই নথিতে দেখা যায়, বিশ্বের অত্যন্ত ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের অবৈধভাবে অর্জিত ধন-সম্পদ, টাকা-পয়সা বিদেশে পাচার করে তা লুকিয়ে রাখা হয়েছে
টাকা পাচারের এসব হোতার মধ্যে রয়েছেন ৯০টি দেশের ৩০০ জনেরও বেশি রাজনীতিক
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সের লাক্সমি কুমার বলেন, ক্ষমতাধর মানুষেরা বিশ্বের বেশ কিছু দেশ এবং অঞ্চলে নিবন্ধিত নামসর্বস্ব বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে 'টাকা-পয়সা পাচার করে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছেন
এ কাজে তাদের সহায়তা করছেন আইনজীবী, আ্যাকাউনটেন্ট এবং পরামর্শক ও দালাল
অনুসন্ধানী এই সাংবাদিকদের জোট আইসিআইজি'র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমা বেশ কয়েকটি শক্তিধর দেশের সরকারও হাজার হাজার কোটি ডলারের সম্পদ পাচার এবং কর ফাঁকির এই মহোৎসবে পরোক্ষ ভূমিকা রাখছে
বিশ্ব অর্থনীতির ১০ শতাংশ পাচার হয়ে কয়েক ডজন 'ট্যাক্স হেভেন' অর্থাৎ প্রায় করবিহীন অঞ্চলে নিবন্ধিত হাজার হাজার কাগুজে কোম্পানির খাতায় জমা হচ্ছে
পরিণতিতে এসব দেশের সরকার বছরে কমবেশি ৮০ হাজার কোটি ডলার আয়কর থেকে বঞ্চিত হচ্ছে
কোথায় সেই ট্যাক্স হেভেন? কীভাবে গজায় হাজার হাজার এসব 'শেল'? কীভাবে গোপন থাকে বিনিয়োগের নামে পাচার করা অবৈধ টাকার পাহাড়?
ট্যাক্স হেভেন
পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে কর ফাঁকির সব নিরাপদ আস্তানা
এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীন সার্বভৌম কিছু দেশ, যেমন পানামা, নেদারল্যান্ডস, মল্টা, মরিশাস
সেইসঙ্গে রয়েছে কয়েকটি দেশের অভ্যন্তরে কিছু অঞ্চল, যেমন যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার বা ওয়াইয়োমিঙ অঙ্গরাজ্য
অনেক দেশ তাদের মূল ভূখণ্ডের বাইরে কিছু অঞ্চলকে এমন ট্যাক্স হেভেন করে রেখেছে, যেমন ব্রিটিশ শাসিত ক্যারিবীয় দ্বীপ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ বা কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জ
পাঁচ বছর আগে 'পানামা পেপারস' নামে কর ফাঁকি নিয়ে ফাঁস হওয়া নথিপত্রে দেখা যায়, পানামাভিত্তিক একটি আইনপ্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে হাজার হাজার শেল কোম্পানি নিবন্ধনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল
বিশ্বের ৬০টির মতো দেশ এবং অঞ্চল রয়েছে, যেখানে এসব 'খোলস' কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব
এসব জায়গায় কোম্পানি করের হার খুবই কম
অনেক জায়গায় কর একবারেই দিতে হয় না
অবৈধ সম্পদ গোপন রাখতে বা কর ফাঁকির জন্য যেসব লাখ লাখ মানুষ যখন এসব খোলস কোম্পানি খোলেন, তখন তাদের কাছ থেকে ওই দেশ বা অঞ্চলের সরকার অনেক ফি পায়
ট্যাক্স হেভেন ব্যবহার করেন যারা
বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে অনেকে যারা ব্যাংকের ঋণ ফেরত দিতে বা কারও পাওনা শোধ করতে চান না, তারাও টাকা-পয়সা ট্যাক্স হেভেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন
সেই সঙ্গে রয়েছে ঘুষখোর, মাদক ব্যবসায়ী বা অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত ব্যক্তিরা অবৈধ আয় গোপন রাখতে উন্মুখ
তবে বড় বড় অনেক বহুজাতিক কোম্পানি যারা বিশ্বজুড়ে লেনদেন করে, তারাও কর ফাঁকির জন্য ট্যাক্স হেভেনে ভিন্ন নামে সহযোগী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান খোলে বলে বহু প্রমাণ পাওয়া গেছে
কাগজে-কলমে ভাগ হয়ে যায় ব্যবসার লেনদেন ও মুনাফা
এতে করে মূল কোম্পানির করের পরিমাণ কমে যায়
নাইকি বা অ্যাপেলের মতো কোম্পানির বিরুদ্ধেও ট্যাক্স হেভেন ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণও ফাঁস হয়েছে
নামসর্বস্ব কোম্পানি
বিভিন্ন ট্যাক্স হেভেনে নিবন্ধিত এসব নামসর্বস্ব কাগুজে কোম্পানি আদতে কোনো ব্যবসা না করলেও আইনের চোখে এগুলো বৈধ
এসব কোম্পানিতে সার্বক্ষণিক কোনো কর্মী নেই
এমনকি অধিকাংশ কোম্পানির কোনো অফিস নেই
যেমন, আইসিআইজি'র গত বছরের এক রিপোর্টে বলা হয়, কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জে একটি ভবনেই ছিল ১৯ হাজার কাগুজে কোম্পানির ঠিকানা
ওই কোম্পানির নথিপত্রে মূল মালিকদের কোনো নাম-ঠিকানা নেই
কিন্তু পর্দার আড়াল থেকে তারাই এগুলোতে বিনিয়োগ করা অর্থ লেনদেন করেন
তারাই কোম্পানির নামে নানা দেশে জমি-জমা ঘরবাড়ি কেনেন, শেয়ার বাজারে টাকা খাটান
অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানি খোলার খরচ অবিশ্বাস্যরকম কম এবং জটিলতা নেই বললেই চলে
আইসিআইজি'র এক রিপোর্ট অনুযায়ী, কোম্পানি খোলা এতই সহজ যে, একটি ই-মেইল বা একটি ফোনকলেই কাজ হয়ে যা
খরচ ও কাগজপত্র বা স্বাক্ষর সংখ্যা নির্ভর করে কোথায় কোম্পানি খোলা হচ্ছে এবং কোনো আইনজীবী এই কাজটি করে দিচ্ছেন তার হয়ে
কেন বন্ধ হচ্ছে না প্রতারণা?
আইসিআইজির বেন হলম্যান লিখেছেন, বিশ্বের প্রভাবশালী কিছু দেশ এ বিষয়ে চোখ বন্ধ করে থাকছে
এমনকি প্রবণতা টিকিয়ে রাখতে সহযোগিতাও করছে
যেমন ব্রিটিশ শাসিত একাধিক ক্যারিবীয় দ্বীপ বিশ্বের প্রধান সব ট্যাক্স হেভেন
এসব জায়গায় নিবন্ধিত কোম্পানির নামে লন্ডনে জমি-বাড়ি কেনাকাটা হচ্ছে
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক হিসাব বলছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বছরে কমবেশি ৩০ হাজার কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হয়ে আসছে
সূত্র: বিবিসি বাংলা
বাংলাদেশ সময়: ১৩২৮ ঘণ্টা, অক্টোবর ৫, ২০২১
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন
24.
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না
আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত
করোনার নতুন রূপ 'ওমিক্রন', উদ্বেগজনক ঘোষণা
পেন্সিল ফেরত না পাওয়ায় থানায় প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র!
মিসরে ৩০০০ বছর আগের রাজপথ ফের চালু
সেনার পোশাকে যুদ্ধে নামলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী
ট্রেনের ধাক্কায় একসঙ্গে ৩ হাতির মৃত্যু
উত্তর কোরিয়ার 'অদ্ভুত' সব নিষেধাজ্ঞা
১৩০০ বছরের পুরোনো মাটির মসজিদের সন্ধান