content
stringlengths
0
129k
সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ
২৩/০২/২০১৭
আমি বাঙালি
আর আমি সত্যপথের সৈনিক
আমি বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ভালোবাসি
আর আমি সকল মানুষের মঙ্গল চাই
আমি সবসময় সাহিত্য ভালোবাসি
আর দেশ, মাটি ও মানুষের জন্য আমার লিখতে ভালো লাগে
তাই, মানুষ আর মানবতার পক্ষে বলি শক্ত-কঠিন কথা
আসুন, আমরা দেশ, জাতি আর মানুষের পক্ষে দাঁড়াই
সাইয়িদ রফিকুল হক
পোস্টঃ [ ১ ]
উত্তর দেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রবেশ বা নিবন্ধন করতে হবে
প্রজন্ম ফোরাম " সাহিত্য-সংস্কৃতি " ইতিহাস " পাকিস্তানে ছিল এক জিন্না
আর এখন স্বাধীনবাংলাদেশে অসংখ্য জিন্না!
লাফিয়ে যাওঃ
অ্যান্ড্রয়েড নোটিসবোর্ড নতুন সুবিধা (ফিচার) আলোকচিত্র ছড়া-কবিতা গল্প-উপন্যাস ভ্রমণ হোমপেজ নোটিশ খেলাঘর অভ্যর্থনা কক্ষ প্রজন্ম বিষয়ক পরামর্শ-সমস্যা-সমাধান সাহিত্য-সংস্কৃতি সঙ্গীত ইতিহাস খেলাধূলা ক্রিকেট ফুটবল কম্পিউটার গেম উইন্ডোজ লিনাক্স মিন্ট অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স বিজ্ঞান মজার গণিত জানা-অজানা তথ্য ও যোগাযোগ প্রয...
অ্যান্ড্রয়েড নোটিসবোর্ড নতুন সুবিধা (ফিচার) আলোকচিত্র ছড়া-কবিতা গল্প-উপন্যাস ভ্রমণ হোমপেজ নোটিশ খেলাঘর অভ্যর্থনা কক্ষ প্রজন্ম বিষয়ক পরামর্শ-সমস্যা-সমাধান সাহিত্য-সংস্কৃতি সঙ্গীত ইতিহাস খেলাধূলা ক্রিকেট ফুটবল কম্পিউটার গেম উইন্ডোজ লিনাক্স মিন্ট অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স বিজ্ঞান মজার গণিত জানা-অজানা তথ্য ও যোগাযোগ প্রয...
এই ক্যান্সার তখন ঘটে থাকে যখন সেল বা কোষগুলি অস্বাভাবিক রূপে বৃদ্ধি পায় এবং এটি পার্শ্ববর্তী অংশে থাকা টিস্যু বা কোষগুলোতেও আক্রমণ করে ও শরীরের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলির মধ্যে অবশেষে এটি ছড়িয়ে পড়ে রক্তপ্রবাহের মারফত অথবা লিম্ফ নোড (দেহ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত বর্ণহীন ক্ষারধর্মী রস) এর মাধ্যমে
সার্ভিকাল ক্যান্সার হল জরায়ুর বা জরায়ুমুখের ক্যানসার
এটি জরায়ুর সবথেকে নিচের অংশ এবং ইহা জরায়ু সঙ্গে যোনির সংযোগ ঘটায়
সার্ভিকাল ক্যান্সার খুবই আক্রমণাত্মক হয়, এটি জরায়ুর গভীরতর টিস্যু গুলিকে বা তন্তুগুলিকে প্রভাবিত করে এবং এটি ফুসফুস, যকৃৎ, মালদ্বার/পায়ু এবং যোনিগুলির মত শরীরের অন্যান্য অংশে প্রভাব ফেলতে পারে
সার্ভিকাল ক্যান্সারের কারণসমূহ
হিউম্যান (মানুষের দ্বারা) প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি/) দ্বারা সংক্রমণ
দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
ধূমপান করা
অল্প বয়সে যৌন সম্বন্ধ স্থাপন এইচপিভি/-র ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে
পাঁচ বছরের অধিক সময় ধরে গর্ভনিরোধক গুলি সেবন করার ফলে
সার্ভিকাল ক্যান্সারের লক্ষণগুলি এবং উপসর্গগুলি
অস্বাভাবিক রূপে রক্তক্ষরণ যেমন মেনোপজ (রজ্ঃবন্ধ) হওয়ার পরেও রক্তক্ষরণ, নিয়মিত ঋতুচক্রের মধ্যেও রক্তক্ষরণ হওয়া
পেলভিস (শ্রোণী)-এ যন্ত্রণা
ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
প্রস্রাবের সময় যন্ত্রণা হওয়া
ভারি অথবা অস্বাভাবিক স্রাবের নির্গত হওয়া যা জলীয়, ঘন এবং সম্ভবত কটু গন্ধ যুক্ত হতে পারে
সার্ভিকাল ক্যান্সারের বিভিন্ন পর্যায়গুলি
প্রথম পর্যায়: ক্যান্সার কেবল জরায়ুতে অবস্থান করে
দ্বিতীয় পর্যায়: ক্যান্সার জরায়ুতে অবস্থান করার সাথে সাথে যোনির নিম্নাংশের মধ্যেও উপস্থিত থাকে
তৃতীয় পর্যায়: ক্যান্সার জরায়ুতে থাক আর সঙ্গে সঙ্গে যোনির উপরাংশ এবং নিম্নাংশে দেখা যায়
চতুর্থ পর্যায়:ক্যান্সার নিকটবর্তী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলোকে ছড়িয়ে পড়ে যেমন মূত্রথলি ও মলদ্বারে এবং এটি শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে, সেগুলি হতে পারে ফুসফুস, লিভার অথবা হাড়ের মধ্যে
সার্ভিকাল ক্যান্সারের রোগ নির্ণয়/ডায়াগনোসিস
প্যাপ টেস্ট (পরীক্ষা): জরায়ু অংশের কোষগুলিকে মৃদুভাবে ঝেড়ে নেওয়া এবং পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা
এইচপিভি/ ডিএনএ/ টেস্ট: এই পরীক্ষার মধ্যে জুলাইয়ের অংশ থেকে কোষগুলিকে সংগ্রহ করা হয় এবং কোষগুলিতে কোন প্রকার এইচপিভি জাতীয় ভাইরাস দ্বারা কোনো সংক্রমণ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা
এন্ডোসার্ভিকাল কারেটেজ: এই পদ্ধতিতে একটি ক্ষুদ্র, চামচের ন্যায় একটি যন্ত্রাংশ যা কূরেট নামক যন্ত্র হিসেবে পরিচিত, এর সাহায্যে জরায়ু থেকে স্ক্র্যাপিং বা চাঁছুনির মাধ্যমে টিস্যু বা তন্তুগুলির নমুনা সংগ্রহ করা থাকে
ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যার লুপ: এই পরীক্ষা গুলি সাধারণত স্থানীয় জায়গায় অ্যানাস্থেসিয়া(অসাঢ় করা) প্রয়োগের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে
একটি ক্ষুদ্র টিস্যু বা তন্তু পাওয়া যায় একটি পাতলা, নিম্ন ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে
কন্ বায়োপসি: এই পরীক্ষাটি স্থানীয় জায়গায় অ্যানাস্থেসিয়া(অসাঢ় করা) প্রায়োগ দ্বারা করা হয়, যার মাধ্যমে জরায়ুর কোষগুলির অন্তর্বর্তীস্তর গুলি পাওয়া যায় পরীক্ষাগারে পরীক্ষার জন্য
সার্ভিকাল ক্যান্সারের চিকিৎসা
হিস্টেরেকটমি
হিস্টেরেকটমি হল জরায়ুর অপসারণ করা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে
হিস্টেরেকটমি হতে পারে:
সাধারণ হিস্টেরেকটমি: ক্যান্সার অপসারণের সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্রোপচার দ্বারা জরায়ু এবং গর্ভাশয়ের অপসারণ, অথবা
রেডিক্যাল হিস্টেরেকটমি: আক্রান্ত বা সংক্রমিত অংশটিতে জরায়ু, গর্ভাশয়, যোনি অংশ এবং লিম্ফ নোড (দেহ গ্রন্থি থেকে নির্গত বর্ণহীন ক্ষারধর্মী রস) এর অস্ত্রোপচার দ্বারা অপসারণ
কেমোথেরাপি
কেমোথেরাপি হলো ক্যান্সার বিরুদ্ধ ড্রাগ বা ওষুধের ব্যবহার,যার মাধ্যমে খুবই দ্রুত বিভাজিত হওয়া কোষগুলি যা ক্যান্সারের কারণ হয় তার বৃদ্ধি কে ধীর গতিতে অথবা বন্ধ করতে সাহায্য করে
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও, কেমোথেরাপি ক্যান্সার চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে এখনো সর্বাধিক রূপে ব্যবহার করা হয়
রেডিয়েশন (তেজস্ক্রিয়) এবং সার্জারি থেকে ভিন্ন যা কেবল নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকা ক্যান্সার কোষ গুলি গিরি চিকিৎসা করে সেখানে কেমোথেরাপির ড্রাগস বা ওষুধগুলি শরীরের ভিন্ন ভিন্ন অংশে মেটাস্টেটেড(ছড়িয়ে পড়া) ক্যান্সার কোষগুলিকে মেরে ফেলতে পারে
রেডিয়েশন থেরাপি
রেডিয়েশন থেরাপি হলো এক ধরনের ক্যান্সার চিকিৎসা যা অতি উচ্চমাত্রার রেডিয়েশন বিম্ বা তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষগুলিকে হত্যা করতে, টিউমার গুলিকে সংকুচিত করতে
রেডিয়েশন ক্যান্সার কোষগুলিকে মেরে ফেলে তাদের ডিএনএ গুলিকে ধ্বংস করার মাধ্যমে
ক্যান্সার কোষগুলির ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা আর বিভাজিত হতে পারে না এবং তার ফলে মারা যায়
তখন সেগুলি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অপসারিত হয়ে যায়
টার্গেটেড(নির্দিষ্ট) ড্রাগ থেরাপি
টার্গেটের থেরাপি হলো এক ধরনের ক্যান্সার চিকিৎসা যা ড্রাগ বা ক্যান্সারের ওষুধ গুলির ব্যবহার করে
যাই হোক এটি প্রচলিত কেমোথেরাপি থেকে ভিন্ন হয়, চা ড্রাগ বা ওষুধগুলি ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষগুলিকে মেরে ফেলে
টার্গেটেড থেরাপির মাধ্যমে, ক্যান্সারের নির্দিষ্ট জিনগুলি, প্রোটিন গুলি, টিস্যু বা তন্তু গুলির বহিরঅংশ যাও ক্যান্সারের বৃদ্ধি এবং বেঁচে থাকতে সাহায্য করে তাকে টার্গেট বা মূল লক্ষ্য করা হয়
টার্গেটেড থেরাপি সাধারণত কেমোথেরাপি এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াগুলির সঙ্গে করা হয়ে থাকে
ইমিউনোথেরাপি
ইমিউনোথেরাপি (বায়োলজি থেরাপি নামেও যাহা পরিচিত) এক ধরনের নব্য চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বুস্ট বা বাড়িয়ে তোলা হয় শরীরকে নিজের থেকে ক্যান্সারের সাথে লড়াই করার জন্য
ইমিউনোথেরাপি রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা ব্যবস্থাকে কার্যকর ভাবে উন্নতি বা পুনরুদ্ধার করতে শরীরের মাধ্যমে সৃষ্ট বা পরীক্ষাগারে তৈরি পদার্থ ব্যবহার করে
সচরাচর জিজ্ঞাস্য
সার্ভিকাল ক্যান্সার হতে বেঁচে থাকার আর কতখানি?
সার্ভিকাল ক্যান্সার থেকে বেঁচে থাকার হার প্রায় ৯২ শতাংশ, যদি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়
সার্ভিকাল ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়তে কত সময় নেয়?
ক্ষতিকর সার্ভিকাল ক্যান্সার বিকাশের পূর্বে কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ বছর সময় নেয়
সার্ভিকাল ক্যান্সার কিভাবে শনাক্ত হয়?
জরায়ুর ক্যান্সার যুক্ত কোষগুলির সনাক্তকরণ প্যাপ টেস্ট বা পরীক্ষা করতে পারে
সার্ভিকাল ক্যান্সার হওয়ার সর্বাপেক্ষা সাধারন বয়স কত?
৩৫ এবং ৪৪ বছর মহিলাদের মধ্যে ঘনঘন এর ডায়াগনোসিস পরীক্ষা করা উচিৎ
সার্ভিকাল ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য ভারতের সেরা ডাক্তার ও হাসপাতাল
সহায়তা প্রয়োজন?
যোগাযোগ করুন
ফোন নম্বর.
নির্বাচন করুন... বাংলাদেশ ভারত আফগানিস্তান আলবেনিয়া আলজেরিয়া আমেরিকান সামোয়া আন্ডোরা অ্যাঙ্গোলা অ্যাঞ্জুইলা অ্যান্টার্কটিকা অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা আর্জেন্টিনা আর্মেনিয়া আরুবা অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রিয়া আজারবাইজান বাহামা বাহরাইন বার্বাডোস বেলারুশ বেলজিয়াম বেলিজ বেনিন বারমুডা ভুটান বলিভিয়া বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা বোত...
নির্বাচন করুন ... চিকিৎসা সহায়তা অংশীদারি কাজের সুযোগ অন্যান্য
কার অ্যাপয়েন্টমেন্ট / মতামত আপনার প্রয়োজন?
আমি করতে চাই:
টেলিফোন / ভিডিও পরামর্শ আমি হাসপাতালে যেতে চাই
-
কপিরাইট2021 © সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত. . নতুন দীল্লি, ভারত
()
العربية ()
Русский ()
যোগাযোগ করার জন্য ধন্যবাদ! আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার সাথে যোগাযোগ করব
দ্রুত উত্তরের জন্য, আপনি ওয়েবসাইটের নীচে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট বোতামটি ব্যবহার করে আমাদের সাথে চ্যাট করতে পারেন
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ জাকির হোসাইন ৪৬ কাজী নজরুল ইসলাম রোড আহম্মদ ম্যানশন (৩য় তলা), কাওরান বাজার, ঢাকা