content stringlengths 0 129k |
|---|
একান্ত ভাবনা |
বিশ্ব রাজনীতি |
আমার সম্পর্কে |
পাহাড়ি নারীর ধর্ষণ ইতিহাসের কষ্টিপাথরে বিচার করতে হবে |
: 22, 2018: |
সম্প্রতি রাঙামাটির বিলাইছড়িতে উনিশ বছরের এক মারমা তরুণী ধর্ষিত হয়েছেন আর তাঁর কিশোরী বোনটি যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। অথচ আইরনিক্যালি বিলাইছড়ি থানা বাংলাদেশের একমাত্র থানা যেখানে গত চার বছরে কোনো অপরাধ মামলা হয়নি। |
আদিবাসীদের মূল্যবোধ সেখানকার সমাজকে এতদিন সুরক্ষিত রেখেছে, ঠিক সেখানেই ধর্ষণ হয়েছে আর ধর্ষণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জওয়ানেরা। |
কাপেং ফাউন্ডেশনের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত ৩৬৪ জন আদিবাসী নারীর মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। তার মধ্যে ১০৬ জন শারীরিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, ১০০ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এবং ৬৬ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। চলতি বছরের কেবল জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ১০ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ত... |
বাংলাদেশের আদিবাসীদের দৈনন্দিন জীবনযাপন |
চাকমাদের জীবিকা প্রধানত কৃষি কাজ। পার্বত্য চট্টগ্রামের সমতল অংশে স্বাভাবিক সেচ পদ্ধতিতে মৌসুমী কৃষি কাজ, এবং পাহাড়ি অঞ্চলে জুম চাষের মাধ্যমে চাকমা জনগোষ্ঠী বিভিন্ন খাদ্যশস্য ও রবিশস্য উৎপাদন করে থাকে। |
ইন্টারনেটে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা প্রকাশিত হবার পরেও অনেক সময় মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় রহস্যময় নীরবতা দেখা যায়। এসব ক্ষেত্রে খুব সতর্ক শব্দচয়নে ধর্ষণের খবর প্রকাশ করা হয়। কিছুদিন পর এই সংক্রান্ত আর কোনো খবর কোথাও ছাপা হয় না। পরবর্তীকালে কখনো কোনো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা ফলোআপ প্রকাশিত হয় না। সম্প্রতি রাঙামাটিতে দু... |
এই লেখাটির জন্য আমি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রিপোর্ট, গ্রন্থ এবং অ্যাকাডেমিক জার্নালের সাহায্য নিয়েছি। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে এখন আর কোনো আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্ভব নয়। পাহাড়ের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থার সকল কার্যক্রম, যেমন, গবেষণা, লেখালেখি, সংবাদ মাধ্যমের অনুসন্ধান- সবকিছু নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিদেশি কেউ... |
প্রায় প্রতি বছরই পাহাড়ি জনপদে সেটলারদের দ্বারা হামলা-অগ্নিসংযোগ-ভূমি বেদখলের ঘটনা ঘটে। ধর্ষণ, জাতিগত হামলা, সেমারিক-বেসামরিক বাহিনীর রেইড, আতংক ছড়ানো-হয়রানী পাহাড়ের নিত্য দিনের ঘটনা। মিডিয়া ব্ল্যাকআউট আর মিলিটারি সেন্সরশিপের কারণে অনেক খবর মূলধারার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায় না। ঘটনা যখন বড় আকারে দেখা দেয় তখন মেই... |
দেশের বুদ্ধিজীবীরা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে যে দু কলম কলাম লেখেন, সেটার ব্যবচ্ছেদ করলেও তেমন কিছু পাওয়া যায় না। টক-শো বলি, পত্রিকার নিউজ বা তার সম্পাদকীয় পৃষ্ঠার কলাম- সবখানেই পার্বত্য চট্টগ্রামের মিডিয়া প্রেজেন্টেশন একটা বাঁধাধরা কাঠামো মেনে প্রকাশ করা হয়। সেখানে কেসস্টাডি থাকলেও কেসহিস্ট্রি থাকে না। এমনকি শাহবা... |
পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক বাস্তবতা এটাই যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম এখনো একটা সেনা শাসিত এলাকা |
। দেশের এক তৃতীয়াংশ সেনা সেখানে মজুদ আছে। কেন আছে? সেখানে যদি যুদ্ধ না থাকে, তবে কেন রাষ্ট্রের এত যুদ্ধ-যুদ্ধ সাজ? শান্তির বাতাবরণে কোন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে আছে সেনাবাহিনী? |
সত্য হচ্ছে, চার দশক আগে পাহাড়িদের দিকে তাক করা মেশিনগানের ব্যারেল বাংলাদেশ রাষ্ট্র এখনো নামায়নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম পৃথিবীর অন্যতম মিলিটারাইজড এলাকা। এখনো সেখানে কাউন্টারইনসারজেন্সি অপারেশন চলমান। সেই অপারেশনের শিকার হচ্ছেন নিরস্ত্র নিরীহ পাহাড়িরা। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমন বা কাউন্টারইনসারজেন্সি একটা দীর্ঘ, ... |
পার্বত্য চট্টগ্রামে কাউন্টার ইনসারজেন্সির কৌশল হিসাবে বহুমুখী মিলিটারি ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছিল। যেমন, পরিকল্পিত গণহত্যা, সাংস্কৃতিক আত্তীকরণ, জনমিতি পরিবর্তন, উন্নয়ন আগ্রাসন, সাইকোলজিক্যাল অপারেশন ইত্যাদি। ১৯৮০ সালের শুরুতে জিয়াউর রহমান পাহাড়ে সেটলার সেটলমেন্ট করানোর মধ্য দিয়ে এক দীর্ঘ, পর্যায়ক্রমিক, কিন্তু ফল... |
ভূমিপুত্রদের আত্মত্যাগ, ঘরহারা শত পরিবার |
ঘটনার সূত্রপাত |
৬ নভেম্বর রংপুর চিনিকলের সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ও সাঁওতালদের সংঘর্ষ থামাতে গুলি চালায় পুলিশ। এতে তিন সাঁওতাল নিহত হন, আহত হন অনেকে। নিহতরা হলেন শ্যামল হেমব্রম, মংগল মান্ডি, রমেশ টুডু। |
পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা বিশ্বেই বিদ্রোহ দমনের অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে ধর্ষণ। যুদ্ধ-সঙ্ঘর্ষে অনিবার্যভাবেই যেন নারীরা ধর্ষণের শিকার হন। যুদ্ধকালে পরিকল্পিতভাবে নারীদের ধর্ষণ করার ঘটনা ঘটে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্রোহী আদিবাসীদের জাতিগত নির্মূল করার এবং বিদ্রোহ দমনের অন্যতম হাতিয়ার হিসাবে বাংলাদেশের সামরিক, আধা সামরিক ... |
যুদ্ধকালে ধর্ষণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা আকস্মিক কিছু নয়। এটা সামরিক রণকৌশলেরই একটা অংশ এবং এটা পরিকল্পিতভাবেই করা হয়ে থাকে। শুধুমাত্র বিকৃত যৌনাকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করা ছাড়াও প্রতিপক্ষকে 'উচিৎ শিক্ষা' দেওয়া, ভয় দেখানো, এমনকি জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার জন্যও ধর্ষণকে যুদ্ধাস্ত্রের মতো ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ, এটা মনস্... |
'৭১ সালে বাংলাদেশে ধর্ষণের জন্য পাকিস্তানি সেনাদের বিচার হয়নি, ভারতে বিদ্রোহ দমনে নিযুক্ত ধর্ষক সেনার বিচার হয় না, পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্ষক সেনাসদস্য থেকে শুরু করে বেসামরিক সৈন্য, এমনকি সেটলারদেরও বিচার হয় না। পাহাড়ে পরিকল্পিত হামলায় পাহাড়িদের শত শত ঘর পুড়িয়ে দিলে, গুম করলে, হামলা করলে কোনো বিচার হয় না। পাহাড... |
বৈশ্বিক প্রেক্ষিতে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসের প্রেক্ষিতে বিচার না করাটা বুদ্ধিবৃত্তিক অসততা। কাশ্মীরের মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটনার উল্লেখ করার সময় মিডিয়াতে 'রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস' কথাটার উল্লেখ হয় আর বাংলাদেশের বেলায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা! তো একে যা-ই বলুন 'ব্লাইন্ড স্পট অব ন্যাশনালিজম', অর্থাৎ বুদ্ধিবৃত্তিক ভন্ডামি কি... |
অধ্যাপক মার্ক লেভিন পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি নারীর ধর্ষণ প্রসঙ্গে লিখেছেন, |
''গনধর্ষণ, বিশেষ করে কমবয়সি মেয়েদের ধর্ষণসহ অঙ্গচ্ছেদ এবং ধর্ষণপরবর্তী হত্যা ছিল অন্যতম বিরামহীণ নৃশংসতার এক কৌশল। গোটা জুম্ম জনগনকে সাজা দেওয়া আর কলংকিত করা ছিল এর উদ্দেশ্য। ধর্ষিতাকে সমাজ আর পরিবার কলঙ্কিত বলে আর গ্রহণ করে না। তাই এই গনধর্ষণের ফলে শিশুর জন্মরোধ করার চেষ্টা করা হয়। লোকলজ্জা আর ভয়ের দীর্ঘস্থায়ী এ... |
পাইচিংমং মারমা, ব্লগার |
পাহাড়ি নারীদের এথনিক ক্লিনজিংয়ের কৌশল হিসাবে ধর্ষণ করা হয়েছে- এ কথা আজ বাংলাদেশের কেউ বলবে, এমন আশা করা বাতুলতা। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মলগ্ন থেকেই ধর্ষণ জুম্ম জাতি নির্মূলের হাতিয়ার বা কাউন্টার ইনসারজেন্সি ট্যাকটিক হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শুরু থেকেই পাহাড়িদের প্রশ্নে রাষ্ট্রের পলিসি ছিল এসিমিলেটিভ। শেখ মুজিব পাহ... |
এই রাষ্ট্রীয় ধর্ষণ কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করলে তাই একে সিস্টেম্যাটিক রেপ বলতে হয়। একজন অস্ট্রেলীয় গবেষক, জয়টি গেরেচ পার্বত্য চট্টগ্রামে শিশু ও বালিকাদের যৌন নির্যাতন নিয়ে বলেছেন, |
''জুম্ম শিশুদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও বন্দি করা হয়েছিল। তাদের বন্দি অবস্থায় নির্যাতন, এমনকি বেয়োনেট দিয়ে বিদ্ধ করে এবং আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। জুম্ম মেয়েদের 'সিস্টেমেটিক্যালি ধর্ষণ' করেছিল নিরাপত্তা বাহিনীর সৈন্য এবং অবৈধ বাঙালি সেটলাররা।" |
পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্ষণসহ সকল মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটনার বিচার বিশ্লেষণ করতে হলে তা বিশেষ ঐতিহাসিক বাস্তবতার নিরিখেই করতে হবে। অফিশিয়ালি পাহাড়ে আর ইনসারজেন্সি নেই, অথচ আর্মির কাউন্টার ইনসারজেন্সি আজও চলমান। পাহাড়ি নারীর ধর্ষণকে কাউন্টারইনসারজেন্সি অপারেশনের সুযোগে জায়েজ করা আর ধর্ষকদের ইমপিউনিটি দেওয়া বর্বরতা এবং মা... |
বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিকতা দেওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ধর্ষণকেই প্রকারান্তরে উৎসাহ দিয়ে চলেছে। এর পরিবর্তন চাইলে দেশের শুভবোধ সম্পন্ন সকলকেই তা চাইতে হবে। আর না হলে যতবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের পূনরাবৃত্তি হবে, ইতিহাসের পূনরাবৃত্তির সম্ভাবনা থাকবে। |
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশ্নে রাষ্ট্রের নীতিমালায় মৌলিক পরিবর্তন ছাড়া অবস্থার কোনো পরিবর্তন হবে না। পার্বত্য চুক্তির ২০ বছর পর আজ পার্বত্য চট্টগ্রাম কি উর্দিওয়ালাদের নীতিতেই চলবে, নাকি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক নিয়মে চলবে- রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। |
: |
: |
... |
. . : : : : : |
: পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনী ও বাঙালি সেটলারদের আগ্রাসন |
: হাছিনা +মৃনাল কান্তি দাস |
: |
সাম্প্রতিক পোস্ট সমূহ |
নির্বাচন আইসিইউতে, গণতন্ত্র লাইফ সাপোর্টে বানীতে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার |
কাজী ইব্রাহিমকে আটক করা হয়েছে |
ত্ব-হা কি কখনও মুখ খুলবেন না কি বাকিদের মতো তারও মুখ বন্ধ রাখবেন |
স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি |
অপরাধ প্রমাণ হলে বসুন্ধরা এমডির ১০ বছর জেল |
আমার সম্পর্কে |
আমি লুৎফুর রহমান, বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষের প্রাচীন শহর গুলোর মধ্যে অন্যতম সিলেট বিভাগে আমার জন্ম |
এই পবিত্র ভূমিতেই আমার বেড়ে ওঠা |
সিলেটের দক্ষিণ সুরমাতে আমার পৈত্রিক আবাস নোভাগ, কামাল বাজারে |
আমার পিতা রফিকুর রহমান ও মা বেদানা বেগম |
নিতান্ত সাধারন পরিবার থেকেই আমার উঠে আসা |
পরিবার কিংবা পরিবেশ সাধারন হলেও আর দশটা সাধারন মানুষ-এর চেয়ে আমার চিন্তা ভাবনা কিছুটা হলেও ভিন্ন |
আমি নিজের বিচার-বিবেচনা তথা নিজের বিবেক বিকিয়ে দিয়ে স্রোতের সাথে গা ভাসিয়ে দিতে পারিনা |
প্রতিটি বিষয়ে রয়েছে আমার ব্যক্তিগত চিন্তা, একান্ত ব্যক্তিগত কিছু মতামত, তা হোক সামাজিক কিংবা রাজনৈতিক বিষয় |
শৈশব থেকেই লেখালেখির প্রতি অন্যরকম একধরনের আকর্ষণ অনুভব করতাম |
লেখালেখিতে আমি একধরনের সাচ্ছন্দ্যবোধ করি, অন্তর্নিহিত আনন্দ অনুভব করি |
আমি বিশ্বাস করি লেখালেখির মাধ্যমেই একটি সমাজের বিকাশ সম্ভব |
যত বেশি লেখালেখির চর্চা হবে, তত সমাজ থেকে সহিংসতা, হানাহানী কমবে যা সুস্থ ধারার রাজনীতি তথা সুস্থভাবে দেশ চালনার জন্য বড় ভুমিকা পালন করবে |
আর তাই আমি আমার ব্যক্তিগত চিন্তা-ভাবনা প্রকাশ করে ছড়িয়ে দিতে চাই সকলের কাছে |
যাতে সবাই আরো গভীরে চিন্তা করার সুযোগ পাবে এবং লেখালেখির একটি সুস্থ ধারার সূচনা হবে আমাদের দেশে |
আর এই লেখালেখির মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছি আমার এই ব্লগটিকে |
এই ব্লগটিতে থাকবে রাজনৈতিক, সামাজিক, বৈশ্বিক তথা সামগ্রিক বিভিন্ন বিশয়ের আলোচনা-সমালোচনা |
আমার মতামতের সাথে হয়তো আপনার মতামতের অমিল থাকতে পারে |
আমি আপনার মতামতকেও সাদরে আমন্ত্রণ জানাই |
আমি সুস্থ ধারার সমালোচনায় বিশ্বাসী একজন ব্যক্তি |
কেননা আলোচনা-সমালোচনা থেকেই জ্ঞানের আলো ছড়ায় |
তাই আমার কোন লেখা বা তার যুক্তি যদি আপনার পছন্দ না লেগে থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনার যুক্তি ও মতামত আমাকে পোস্টের মন্তব্যের ঘরে লিখে জানাবেন |
আমার এই ব্লগে আসার জন্য আপনাকে জানাই অনেক ধন্যবাদ |
আপনার ভালো লাগা-মন্দ লাগা আমাকে লিখে জানাতে ভুলবেন না |
আপনার জন্য রইলো শুভকামনা |
মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করে বিদেশি মিশনগুলোতে চিঠি এত সমালোচনা দলের প্রতি অন্যায় ডেভিল স্মাইল-মৌসুমী হামিদ জলবায়ু সম্মেলন-গ্লাসগো কি আশা জাগাতে পারবে ? গ্লাসগো জলবায়ু সম্মেলন 'ভালো কিছু আশার শেষ ভরসা' প্রধানমন্ত্রী টিকা- রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু তুলে ধরবেন সন্তান পরিচয়ে বৃদ্ধাকে হোটেলে ফেলে রেখে গেল -ছেলে বউ-শাশু... |
এভিএএস মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করে বিদেশি মিশনগুলোতে চিঠি |
এভিএএসজাতীয়ধর্মবাংলাদেশসকল খবর |
মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করে বিদেশি মিশনগুলোতে চিঠি |
নভেম্বর ২, ২০২১ |
মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করে বিদেশি মিশনগুলোতে চিঠি |
সম্প্রতি দুর্গাপূজার সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর হামলার বিষয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা হয়েছিল |
বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই ব্যক্তির মৃত্যুর প্রসঙ্গ এবং একটি মন্দিরেও হামলা হয়নি বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর করা মন্তব্যকে 'অনাকাঙ্ক্ষিত' ও 'নিন্দনীয়' হিসেবে উল্লেখ করেছে বিভিন্ন সংগঠন |
এমন এক প্রেক্ষাপটে সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশি মিশন, জাতিসংঘের বিভিন্ন দপ্তর ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে চিঠি দিয়েছে |
'হিন্দুদের মন্দিরে হামলার বিষয়ে হালনাগাদ অবস্থানবিষয়ক' কূটনৈতিক চিঠিটি গত রোববার ঢাকার বিভিন্ন বিদেশি মিশনে ও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার দপ্তরে পাঠানো হয় |
দুর্গাপূজার সময় দেশের ছয়টি জেলায় যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তারপর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয় |
একই সঙ্গে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে মৃত্যু এবং ধর্ষণ নিয়ে হঠাৎ করে ভুল তথ্যের বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডাহা মিথ্যার প্রচার সরকারকে উদ্বিগ্ন করে |
রাজনৈতিক কিংবা অন্য কোনো স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে দেশে-বিদেশে স্বার্থান্বেষী কোনো মহলের এ ধরনের অপতৎপরতাকে প্রশ্রয় দেওয়া ঠিক হবে না |
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বলেন, সম্প্রতি ধর্মীয় সহিংসতার সময় ছয়জন মারা গেছেন |
তাঁদের মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই জন মারা গেছেন |
ওই দুই জনের মধ্যে একজনের স্বাভাবিক এবং অন্যজনের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে |
হিন্দুদের একটি মন্দিরেও হামলা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন |
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন মিশনে যে চিঠি পাঠিয়েছে, তাতেও হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই জনের মৃত্যু এবং মন্দিরে হামলার প্রসঙ্গ নিয়ে একই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে |
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্গাপূজার সময় হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে |
আরও বলা হয়েছে, গুজব ছড়ানো ও উসকানি দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |
এত সমালোচনা দলের প্রতি অন্যায় |
মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করে বিদেশি মিশনগুলোতে চিঠি |
- নভেম্বর ২, ২০২১ 0 |
সম্প্রতি দুর্গাপূজার সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর হামলার বিষয়ে গণমাধ্যমে দেওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা হয়েছিল |
বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের... |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.