content stringlengths 0 129k |
|---|
মানে এডসেন্স এর কাছে নিজের যে এড্রেস প্রদান করেছেন সে এলাকার পোস্ট অফিসে একটি পিন লেটার আসবে |
অর্থাৎ লেটার এর মাধ্যমে গুগল এডসেন্স আপনাকে পিন কোড পাঠাবে |
সে পিন কোড দিয়ে আবার অ্যাডসেন্সে একাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে |
যদি ভেরিফাই করে নেন, তাহলে আপনি প্রতি মাসের ২৩ তারিখে এর আগের মাসে পেমেন্ট নিজের ব্যাংক একাউন্টে পেয়ে পাবেন |
এডসেন্স থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি দেখুন |
পেমেন্ট এড্রেস ভেরিফাই করিয়ে নিলে আপনি এডসেন্স একাউন্টে পেমেন্ট মেথড এড করতে পারবেন |
এবার কিভাবে এড করা লাগে তা বলছি |
এজন্য আপনাকে নিজ এডসেন্স একাউন্টের ড্যাসবোর্ডে যেতে হবে |
অর্থাৎ এই লিংকে ক্লিক করে আপনি নিজের একাউন্টে ড্যাসবোর্ডে চলে যেতে পারবেন |
যদি আপনার এডসেন্স একাউন্ট আগে থেকেই এপ্রুভড থাকে, তবে |
এবার নিচের চিত্রের মত করে মেনুবার অপশনটিতে ক্লিক করুন |
এবার "" অপশনটিতে ক্লিক করুন |
নিচের চিত্রের মত করে " " অপশনে ক্লিক করুন |
এবার দেখতে পাবেন আপনার উপার্জন করা টাকার পরিমাণ |
এবং নিচের মত করে যদি নীল দাগটি সম্পূর্ণ ভরাট হয়ে যায়, তবে বুঝবেন আপনার অ্যাকাউন্টের অতিক্রম করেছে |
আপনার টাকা একশ ডলার এর উপরে হলেই আপনি পেমেন্ট নিতে পারবেন |
এবার নিচের দিকে একটু স্ক্রল করে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন |
এখানে " " অপশনে ক্লিক করুন |
আপনার দেখতে পাচ্ছেন, আমার পেমেন্ট মেথড আগে থেকেই এড করা |
তবে আপনাদের কে বুঝানোর জন্য আমি আবারো দেখাচ্ছি |
এখানে " " অপশনটিতে ক্লিক করুন |
এবার নিচের চিত্রে যে দুটি অপশন পাবেন তার মধ্যে সর্ব প্রথম অপশনটি হলো " " অপশনে ক্লিক করুন |
এবার নিচের চিত্রের মত করে ইন্টারফেস আসবে |
এখানে প্রথম অপশন টি আছে সেটি আপনাকে পূরণ করতে হবে না |
এটি অপশনাল, পূরণ না করলেও হয় |
দ্বিতীয় অপশনটি অর্থাৎ " " এখানে আপনার ব্যাংকের যে সেভিংস একাউন্ট আছে |
তার ডিটেইল অনুযায়ী পুরো নামটি দিতে হবে |
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নামটি যে ভাবে আছে পুরোপুরিভাবে সেভাবেই দিতে হবে |
প্রতিটি অক্ষর মিলিয়ে মিলিয়ে |
এবার " " অপশনটিতে নিজের ব্যাংক এর নাম দিবেন |
সম্পূর্ণ নামটা দিতে হবে |
এবার ব্যাংক একাউন্টের " " দিতে হবে |
নিজের লোকাল ব্রাঞ্চের ব্যাংকের যদি সুইফট কোড থাকে, তাহলে দিতে পারেন |
তাছাড়া না থাকলে মেইন ব্রাঞ্চের সুইফট কোড দিলেই হবে |
আপনি ইন্টারনেটে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন |
অথবা সেই ব্যাংক এর ম্যানেজারের সাথে কথা বলে নিতে পারেন |
এবার আপনার " " দিতে হবে |
যেটি আপনার সেভিংস অ্যাকাউন্টের ইনফরমেশনেই পাবেন |
এই অ্যাকাউন্ট নম্বরটি প্রথমবার টাইপ করবেন |
দ্বিতীয়বার আবার অপশনে পুনরায় দিতে হবে |
এবার একটু স্ক্রল করলে নিচের চিত্রের মত অপশন পাবেন |
এখানে গিয়ে" " সিলেক্ট করে দিন |
প্রতি মাসের ২১ তারিখে অটোমেটিক্যালি অ্যাডসেন্সের টাকা ট্রান্সফার করা হবে আপনার ব্যাংক একাউন্টে |
এবার "" অপশনটিতে ক্লিক করুন |
এবার আপনার পেমেন্ট মেথড এড করা হয়ে গেল |
এখন থেকে প্রতি মাসে বা প্রতি মাসের তেইশ তারিখে আপনি যত উপার্জন করেছিলেন তা নিজের একাউন্টে চলে আসবে |
নিজে নিজেই আপনাকে টাকা পাঠিয়ে দিবে |
আপনাকে কোন চিন্তা করতে হবে না |
এডসেন্স থেকে টাকা তোলা ও পেমেন্ট বিষয়ে কিছু জ্ঞাতব্যঃ |
এডসেন্স প্রতি মাস শেষ অবধি অর্থাৎ 31 তারিখ 30 তারিখ পর্যন্ত আপনার অ্যাকাউন্টের মাসিক ব্যালেন্স ড্যাশবোর্ডে হিসাব করে রাখে |
এবং প্রতি মাসের 1 তারিখে আপনি হয়তো হঠাৎ করে আপনার সে ব্যালেন্স উধাও হয়ে যেতে দেখবেন |
অর্থাৎ আগের মাসে যত আয় করেছেন প্রতি মাসের 1 তারিখে সে ব্যালেন্স একাউন্টে সেভ করা থাকবে না |
প্রতি মাসের 1 তারিখ 2 তারিখ বিকেলের দিকে আপনি আবার অ্যাকাউন্টে টাকাটা চলে আসছে দেখবেন |
আর সে একাউন্টে আসা টাকাটা এডসেন্স অপ্টিমাইজ করে দিয়েছে |
যদি ইনভ্যালিড ক্লিকসে কিছু টাকা কমে যায়, তাহলে আপনাকে টাকাটা কমিয়ে দিবে |
এছাড়া এডসেন্স আপনাকে প্রতি মাসের 21 তারিখে ব্যাংক ট্রান্সফার করে টাকা পাঠিয়ে দিবে |
আপনি যদি টাকা দেরিতে পান, তবে এক্ষেত্রে ব্যাংক নিজেউ দেরিতে এডসেন্স টাকা পাঠিয়েছে |
এখানে এডসেন্সের দোষ নেই |
যদি গুগল এডসেন্স এর পেমেন্ট ব্যাংক একাউন্টে নাই পান, তবে এডসেন্স থেকে আপনি সফট কপি অর্থাৎ পেমেন্ট এর সফট কপি গ্রহণ করতে পারেন |
যেখানে পেমেন্ট এর সম্পূর্ণ ডিটেইলস উল্লেখ করা আছে |
এই সফট কপি যেকোন ব্যাংক একাউন্টে প্রদান করলেই তার বাধ্যবাধকতা থাকে যে সম্পূর্ণ ব্যাপারটি নিজ হাতে নিয়ন্ত্রণ করা অথবা এর সত্যতা যাচাই করা |
আজকে আমরা জানলাম, এডসেন্স থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি সম্পুর্ণ |
এখানে শুধুমাত্র ব্যাংক একাউন্ট এড করলেই চলে |
আর টাকা তোলার জন্য কোন প্রকারের আবেদন করতে হয় না |
এডসেন্স নিজে নিজেই আপনার একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিবে |
ভালো লাগলে আমাদের ফলো করে রাখুন, যাতে আরো আমাদের বেশি বেশি লেখা পড়তে পারেন |
আল্লাহ হাফেজ |
মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ভাঙা কালভার্টে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের |
এটি রানীশংকৈল উপজেলার বাঁচোর ইউনিয়নের বাজেবকসা গ্রামে অবস্থিত |
রাস্তায় যাতায়াতকারী যানবাহন ও এলাকাবাসীর জন্য এটি যেন একটি মরণফাঁদ |
যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা |
হতে পারে প্রাণহানি |
রানীশংকৈল উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) আওতাধীন রানীশংকৈল-নেকমরদ মহাসড়ক ঘেঁষা মীরডাঙ্গী থেকে ঐতিহ্যবাহী কাতিহারহাট পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার পাকা সড়ক |
শুধু মাত্র এই জরাজীর্ণ সেতুটির কারণে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এ সড়ক |
যার কারণে সড়কটিতে ভারি কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না |
হালকা যানবাহনও চলছে চরম ঝুঁকি নিয়ে |
সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার মধ্যখানে কালভার্ট |
কালভার্টের ছাদের বড় অংশ ভেঙে পড়ে আছে |
ভেঙে যাওয়া অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে |
এর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে এলাকাবাসী |
শুধু ভেঙে যাওয়া অংশই নয় পুরো কালভার্টটিই এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে |
কালভার্টটির ভগ্নদশার কারণে এখন আর কোন বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার যাতায়াত করতে পারছে না |
অন্যদিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজি, রিকশা, নছিমন, করিমনসহ ছোট ছোট যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে কালভার্টটি পার হচ্ছে |
এতে যে কোন সময় মারাত্মক দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা |
স্থানীয়রা জানান, মীরডাঙ্গী হতে কাতিহারহাট সড়কের বাকসা সুন্দরপুর এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পাকা সড়কের এই কালভার্টটি দুই ধাপে ভেঙে পাথরের ঢালাই উঠে খাল হয়ে প্রায় দুই ফিট করে দুই স্থানের রড বেরিয়ে পড়েছে |
কালভার্টের ওপর দিয়ে সাইকেল মোটরসাইকেল দেখে শুনে চলাচল করা গেলেও রাতের আঁধারে অচেনা গাড়িচালক পথচারীরা পড়ে যেতে পারে বিপদে |
এ রাস্তা ধরেই শিক্ষার্থীদের আশপাশের স্কুল-কলেজে যেতে হয় |
হাটবাজারে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া করতে হয় |
যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার ভাঙা কালভার্টের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন |
যে কোনো সময় এ কালভার্টে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে |
প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কালভার্টটি সংস্কারের দাবি জানান তারা |
জানা গেছে, বছর পাঁচেক আগে কয়েকধাপে মীরডাঙ্গী থেকে কাতিহারহাট পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার পাকা সড়ক প্রায় আট কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে নির্মাণ করা হয় |
পাকা সড়ক নির্মাণের পর থেকেই সড়কটিতে স্কুলের ছাত্রছাত্রী স্থানীয় মানুষসহ বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল ব্যাপকভাবে বেড়ে ব্যস্ততম সড়কে পরিণত হয়ে পড়ে |
তবে নতুন সড়ক নির্মাণের সময়েও বহু পুরোনো এই কালভার্টটি বেহাল থাকলেও নতুন করে নির্মাণ না করায় ভাঙা এই কালভার্ট নিয়ে বর্তমানে দুর্ভোগে রয়েছে পথচারীসহ স্থানীয়রা |
স্থানীয় সালাম জব্বার মান্নান বলেন, কালভার্টটি দেশ স্বাধীনের আগে নির্মাণ হতে পারে |
কারণ ছোট থেকেই এই এটি আমরা দেখে আসছি |
কালভার্টটি একাধিকবার সংস্কার করা হয়েছে |
তবে একদিকে সংস্কার করার বছর না ঘুরতে আরেক দিকে ধসে সেতুর রড বেরিয়ে পড়ে |
এতে ভোগান্তিতে পড়ছে স্থানীয় কৃষক শ্রমিক যানবাহন চালকসহ পথচারীরা |
রানীশংকৈল উপজেলা প্রকৌশলী অফিস বলছে, মীরডাঙ্গী থেকে কাতিহার সড়কটি আমাদের রানীশংকৈল উপজেলা সড়ক ক্যাটাগরিতে পড়ে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.