content stringlengths 0 129k |
|---|
এটি সবচেয়ে বড় সত্য |
আর বিশ্বাস কর, তোমার আর তোমার মত নাস্তিকদের সমস্ত প্রশ্নের জবাব আল্লাহ দিয়ে দিতে পারবেন |
কিন্তু কিয়ামতের দিনের আগে সেসবের জবাব তোমাদের পাওয়া হবে না |
সেদিন তোমাদের কিছুই করার থাকবে না! ভয়ঙ্কর-মজার ব্যাপার কী জান? সেদিন তোমাদের সাথে অবিচারও করা হবে না |
এ অবস্থায় মারা গেলে তোমরা সেদিন কী বলে কান্নাকাটি করবে জান? বলবে,'আমরা নিজেদের সাথে জুলুম করেছি |
ইয়া আল্লাহ, আপনি আমাদের আরেকটি সুযোগ দিন' কিন্তু কেউ সেদিন একথা বলবে না যে 'আমার প্রশ্নগুলোর উত্তর পাই নি' বা 'আমার উপর জুলুম করা হয়েছে' |
না না, আসলে তাও না |
আল্লাহ হচ্ছেন আমাদের রব! তিনি তো বাধ্য নন তাঁরই এক নগন্য সৃষ্টির প্রশ্নের উত্তর দিতে! আল্লাহকে অবিশ্বাস করে কোনো বড় কিছু হয়ে যায় নি কেউ যে আল্লাহ তাকে উত্তর দিতে বাধ্য |
বরং আমরা তাঁর বান্দা! আমরাই না আল্লাহর কাছে বাধ্য! আল্লাহু আকবার! তাই আমার তো মনে হয়, নাস্তিকদেরকে কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই জাহান্নামে ফেলে দেওয়াও হতে পারে |
আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক |
তবে হ্যাঁ, আল্লাহ যদি তোমাদের প্রশ্নের উত্তর না ই দেন, তখন কী করবে?" |
এতক্ষণে দেখলাম ছেলেটার চোখমুখ ফ্যাকাশে হয়ে এসেছে |
কিন্তু আমি থামলাম না |
"তখন তোমরা এটা জানবে যে একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন, তিনি আল্লাহ |
কিন্তু বান্দা হয়ে তোমার সৃষ্টিকর্তার সাথে দেখা তো দূরের কথা, কথাও বলতে পারবে না |
এই মানসিক শাস্তিই তো তোমাদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মারবে |
তুমি কি ভেবেছিলে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপই সেখানকার সর্বোচ্চ শাস্তি! আর তুমি তোমার প্রশ্নগুলোর উত্তর পেয়ে সেখানে দিব্যি মানসিক শান্তিতে থাকবে! মোটেও না |
জাহান্নামকে গড়া হয়েছে শারীরিক মানসিক সবদিক থেকে কষ্ট দেওয়ার জন্য |
তোমার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তোমাকে জাহান্নামে পাঠানো হবে নাকি না দিয়েই পাঠানো হবে সে বিচার আল্লাহ করবেন |
কিন্তু একথাও আমরা জানি যে আল্লাহ রব্বুল আ'লামীন তাঁর জান্নাতি বান্দাদের সাথে সরাসরি দেখা করবেন ও কথা বলবেন |
আর এটাই হল জান্নাতিদের সবচেয়ে বড় পাওয়া - তাঁদের রবের সাথে সাক্ষাত, যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যাঁকে বান্দারা না দেখেই, কোনো অকাট্য প্রমাণ ব্যতিরেকেই, প্রশ্নগুলোর উত্তর না পেয়েই বিশ্বাস করেছিল |
অথবা হয়ত সে সৃষ্টির মধ্যেই যথেষ্ট প্রমাণ মেনে নিয়েছিল বা প্রশ্নগুলোর জানা উত্তরেই সন্তুষ্ট ছিল - কারণ সে মূলত বিশ্বাস করতে চেয়েছিল |
আমি ভাবলেও শিওরে উঠি যখন নাস্তিকেরা জানবে যে একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন, তাদের বিচারও হল |
দুনিয়ায় থাকাকালীন ওই 'না দেখে বিশ্বাস করা' মানুষগুলো জান্নাতে গিয়ে আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছে অথচ তখন এত ঠাঁটবাট নিয়ে চলা নাস্তিকগুলো এত বিদ্যে আওড়ানোর পরও তাঁদের রবকেই দেখতে পাবে না |
একটুখানি বিজ্ঞানের গোঁড়ামিতে একটুখানি বিশ্বাসই আর করা হল না! অথচ বিজ্ঞানের জ্ঞানও আল্লাহর রহমতেই আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব হয়েছিল! আফসোস এদের জন্য!" |
আমার কণ্ঠ জোরালো হয়ে যাওয়ায় আশেপাশের অনেকেরই অনাকাঙ্ক্ষিত মনোযোগ আকর্ষণ করে ফেলেছি |
আরমানের চাচতো ভাই বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে আছে |
আরমানও ব্যতিক্রম নয় |
যদ্দুর মনে পড়ে, এমন কড়াভাবে ও আগে কখনও আমাকে কথা বলতে দেখে নাই হয়তো |
আমি এবার একটু শান্ত হয়ে বললাম, "দেখো, তোমার যদি সত্যিই এমন কোনো প্রশ্ন থাকে যেগুলোর উত্তর তুমি সত্যিই জানতে চাও তাহলে তুমি জান্নাতে গিয়ে আল্লাহ সুবহানাহুতা'লাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করলেই পার! সুতরাং তোমারও ওই একটাই পথঃ সিরতল মুস্তাকিম! |
তুমি বলছো তোমার প্রশ্নগুলোর অকাট্য উত্তর কেউ দিতে পারলে তুমি আস্তিক হয়ে যেতে! হাস্যকর |
তুমি আস্তিক হও বা না হও তাতে কেবল একজন ছাড়া কারও কোনো লাভক্ষতি নেই, কারও কিছু আসে যায় না |
সে একমাত্র মানুষটি হচ্ছ তুমি নিজে |
জান্নাত নয়তো জাহান্নাম... পছন্দ তোমার |
এটাই তোমার সমস্ত প্রশ্নের সোজাসাপ্টা উত্তরঃ কোনো প্রমাণ নেই |
আর প্রমাণ নেই বলেই আমরা মু'মিন অর্থাৎ বিশ্বাসী |
অকাট্য প্রমাণ বা সোজা কথায় আল্লাহকে দেখলে পরে তো যে কেউই বিশ্বাস করতো |
না দেখে বা অকাট্য প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করাটাই হলপরীক্ষা |
তাই তুমি যে যুক্তিই খোঁজো না কেন কোন সময়েই তা তোমার কাছে বিতর্কের ঊর্ধে যাবে না... যতক্ষণ না তুমি আসলে প্রমাণ ছাড়াই বিশ্বাস করতে চাও |
তাই বলছি তোমার নিয়্যাত ঠিক করে নাও |
সমস্ত উত্তর পেয়ে যাবে |
বলে উঠে পড়লাম |
আসার আগে বলে আসলাম, "মানুষকে মাঝে মাঝে একা চিন্তা করবার জন্য সময় দিতে হয় |
তুমি চালাক হলে বুঝতে পারবে যে এই সময়টাতে শয়তান তোমাকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করবে |
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে নিও |
ওখানে আমি আর তখন দাঁড়াই নি |
সালাম দিয়ে চলে এসেছি |
শেষবার শুধু দেখলাম বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে আছে ছেলেটি |
আরমানের দিকে খেয়াল করি নি |
আমি ছেলেটিকে তেমন কথাই বলতে দিই নাই |
কারণ আমি চেয়েছি ও যেদিন বলবে সেদিন যেন বাকিরা শোনে |
কিন্তু তার জন্য আগে শোনানোর প্রয়োজন ছিল |
যাই হোক, সেদিন রাতে আরমানের সাথে মসজিদে দেখা হলে ও বলল ওর কাজিন নাকি এরপর তেমন একটা কথাই বলে নাই |
মাগরিবের আগেই নাকি চলে গিয়েছিল |
"সুবহানাল্লাহ! ভাল লক্ষণ... ওর জন্য আমাদের দুয়া করা উচিত |
এক কাজ করিস, আমার পুরনো ডায়েরিটা ওর সাথে দেখা হলে ওকে দিয়ে দিস |
ওহ হো! তোর কাজিনের নামটাই তো জিজ্ঞাসা করা হয় নাই!" |
রচনায় : তানভীর আহমেদ |
অকাট্ট অকাট্ট দলীল প্রমাণ্য দলীল |
এবং হিমু যখন প্র্যাকটিসিং মুসলমান (পর্ব-১১) |
এবং হিমু যখন প্র্যাকটিসিং মুসলমান (পর্ব-১০) |
আপনি আরও পছন্দ করতে পারেন |
'সুতরা' রাখার গুরুত্ব ও পদ্ধতি |
5 সময় আগে |
কমেন্ট করুন |
লিখেছেন |
এক গুনাহগার যুবকের তাওবা |
3 সময় আগে |
কমেন্ট করুন |
লিখেছেন |
মতামত দিন |
আপনার মতামত |
আপনার নাম * |
আপনার ইমেইল * |
আপনার ওয়েবসাইট (যদি থাকে) |
, , . |
@* |
নিয়মিত পোস্ট পেতে |
মাসিক সংখ্যা |
মাসিক সংখ্যা 2021 (2) 2021 (1) 2021 (1) 2021 (4) 2021 (1) 2021 (3) 2019 (1) 2019 (7) 2019 (1) 2019 (1) 2019 (1) 2018 (2) 2018 (1) 2018 (4) 2018 (13) 2018 (8) 2018 (21) 2018 (2) 2018 (17) 2018 (23) 2018 (36) 2018 (42) 2018 (24) 2017 (24) 2017 (27) 2017 (30) 2017 (21) 2017 (3) 2017 (9) 2017 (12) 2017 (30) 2017 (41) 2017 ... |
() ( ) ' () - ( ), ' ' ( ) & . . ( ) () (..) * |
: |
তরকারি বা মাংস রান্নায় তেজপাতা না হলে চলেই না |
বলা হয়, এর চমৎকার গন্ধ তরকারি, মাংস বা বিভিন্ন খাবারে আনে বাড়তি স্বাদ |
এমনকি তেজপাতার চা আমাদের শরীরকে একটা ঝরঝরে অনুভূতি দেয় |
তবে তেজপাতা কি কেবল সুগন্ধই আনে? খাদ্যগুণে কতটা সমৃদ্ধ এই পাতা? |
তেজপাতা সুগন্ধি মসলা |
কাঁচা পাতার রং সবুজ |
শুকনো পাতার রং বাদামি |
মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এই তেজপাতায় ঔষধি গুণ রয়েছে |
ভিটামিন 'ই' ও 'সি'-সমৃদ্ধ এই মসলায় রয়েছে ফলিক অ্যাসিড ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান |
তেজপাতার ঔষধি গুণ ও উপকারিতাঃ- |
হজমশক্তি বাড়ায়ঃ |
মানবদেহের পরিপাকতন্ত্র ব্যবস্থায় বেশ প্রভাব ফেলে তেজপাতা |
এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয় এবং শরীরকে আরও ভালোভাবে কাজ করতে সহায়তা করে |
তেজপাতায় রয়েছে এমন জৈব যৌগ, যা পেটের অসুখ সারাতে সাহায্য করে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.