content stringlengths 0 129k |
|---|
কুমড়া বড়ি তৈরিতে বেশ পরিশ্রম ও ঝক্কি ঝামেলাও পোহাতে হয় বাড়ির বৌ-ঝিদের |
আবার বড়ি তৈরির পর যদি তীব্র রোদ কিংবা তাপ না থাকে তাহলে হাড়ভাঙা খাটুনি আর দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রম সবই বৃথা যায় |
কেননা বড়ি বানানোর পর যত দ্রুত তা রোদের তাপে শুকানো যায় ততই সুস্বাদু হয় এই কুমড়া বড়ি |
একই এলাকার আয়েশা খাতুন জানান, বছরে একবার এই কুমড়া বড়ি তৈরি করে থাকি |
নিজেদের খাওয়া এবং মেয়ে জামাইর বাড়িতেতে পাঠানো লাগে |
এবারও বাড়ীর আঙ্গিনায় লাগানো চালকুমড়া সংগ্রহ করে মাসকলাই মিশিয়ে এ কুমড়া বড়ি তৈরি করেছি |
অতি যতেœর সাথে গ্রামের নারীরা কুমড়া বড়ি তৈরি করে |
জগতি এলাকার আনোয়ারা বলেন, এ ব্যবসায় সারাবছর চললেও ৬ মাস ভালো চলে |
তবে পরিশ্রমের তুলনায় তারা তেমন মূল্য পান না |
কুষ্টিয়ার তৈরি কুমড়ার বড়ি এখন গ্রামের বাড়ির আঙিনা ছেড়ে শহরে এমনকি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরগুলোর কাঁচা বাজারেও স্থান করে নিয়েছে |
কুষ্টিয়ার তৈরি বড়ি জেলার চাহিদা পূরণ করে প্রতিদিনই বাইরে পাঠানো হচ্ছে |
এখানকার তৈরি বড়ি অত্যান্ত ভালো ও সুস্বাদু হওয়ায় দিনদিন বেড়েই চলেছে কুষ্টিয়ার কুমড়া বড়ির চাহিদা |
হেমন্তের এলিজি - গার্গী সেনগুপ্ত, সমুদ্র ক্লান্ত বিকেল ঘরে ফিরি, জলের ঝাপটা দিই ঘাম নুন ধুয়ে ঠান্ডা, শান্তি- শান্তি তোমার কথাই কেন মনে পড়ে? |
ফৌজদারি মামলায় মেডিকেল রিপোর্ট প্রস্তুতের আইনগত বিধান | লিগ্যাল ভয়েস | আইন সম্পর্কিত দেশের সর্ববৃহৎ বাংলা ব্লগ সাইট |
লিগ্যাল ভয়েস | আইন সম্পর্কিত দেশের সর্ববৃহৎ বাংলা ব্লগ সাইট |
প্রথম পাতা |
নির্বাচিত ভয়েস |
মত-মতান্তর |
ব্লগে লিখুন |
প্রশ্ন করুন |
বিষয়ভিত্তিক ভয়েস |
ফৌজদারি আইন |
দেওয়ানী আইন |
পারিবারিক আইন |
উত্তরাধিকার আইন |
চেকের মামলা |
চাকরির আইন |
তথ্য ও প্রযুক্তি আইন |
কোম্পানী ম্যাটার |
কাস্টমস ম্যাটার |
মুসলিম আইন |
মেডিকেল আইন |
মোটরযান আইন |
গবেষণাধর্মী ভয়েস |
বিবিধ ভয়েস |
ভয়েস ম্যাপ |
গোপনীয়তার নীতি |
আমাদের কথা |
02-9589520 |
$=$=12$=4$=0 |
আইন শৃঙ্খলা |
আদালতে হাতেখড়ি |
উত্তরাধিকার আইন |
এডভোকেট আজাদী আকাশ |
কাস্টমস ম্যাটার |
কোম্পানী ম্যাটার |
গবেষণাধর্মী ভয়েস |
চাকরির আইন |
চেকের মামলা |
তথ্য প্রযুক্তি আইন |
দেওয়ানী আইন |
নির্বাচিত ভয়েস |
পারিবারিক আইন |
ফৌজদারি আইন |
বাল্য বিবাহ |
বিদ্যুৎ আইন |
বিবিধ ভয়েস |
মত-মতান্তর |
মুসলিম আইন |
মেডিকেল আইন |
মোটরযান আইন |
রুদ্র রায়হান |
ফৌজদারি মামলায় মেডিকেল রিপোর্ট প্রস্তুতের আইনগত বিধান |
1 0 মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১৮ |
মেডিকেল রিপোর্ট হচ্ছে সেই সমস্ত দলিল, যেগুলি পুলিশ অফিসার কিংবা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক চাওয়ার পরে মেডিকেল অফিসার তৈরি করেন এবং এইগুলি সাধার... |
মেডিকেল রিপোর্ট হচ্ছে সেই সমস্ত দলিল, যেগুলি পুলিশ অফিসার কিংবা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক চাওয়ার পরে মেডিকেল অফিসার তৈরি করেন এবং এইগুলি সাধারনত মারামারি জনিত, জখম, ধর্ষণ, খুন ইত্যাদি সংক্রান্ত ফৌজদারি মামলার সাথে সম্পৃক্ত থাকে |
ফৌজদারি মামলার বিচার কার্যে মেডিকেল রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয় |
মেডিকেল রিপোর্ট সম্পর্কে ধারণা না থাকলে ফৌজদারি মামলার বিচার কার্য্য পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে |
এই জন্য আইনজীবী ও বিচারক উভয়কেই মেডিকেল রিপোর্ট সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখতে হয় |
ফৌজদারি মামলায় যে মেডিকেল রিপোর্ট প্রদান করা হয় সেই মেডিকেল রিপোর্ট এর তিনটি অংশ থাকে |
সূচনা, পরীক্ষার তারিখ, সময় এবং স্থানসহ পরীক্ষিত ব্যক্তির সনাক্তকরণের চিহ্ন, শনাক্তকরণের নাম ইত্যাদি |
পরীক্ষা করে যেসব তথ্যাদি পাওয়া যায় সেসব প্রাপ্ত তথ্য |
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দেয়া মতামত বা সিদ্ধান্ত |
এই রিপোর্টগুলি ভিকটিমকে পরীক্ষার সময় কিংবা তার অব্যবহিত পরে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক নিজ হাতে এমনভাবে লিখবেন যেন আদালতের সাক্ষ্যের সময়ে এগুলি প্রদর্শিত হতে পারে |
কোন সহকারী কর্তৃক লিখিত হলে তিনি তা সত্যায়িত করবেন |
বিচার বিভাগীয় তদন্তে এইগুলি প্রধান দলিল হিসেবে আদালতে স্বীকৃত হয় এবং নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের সম্ভাবনা থাকে এবং তা আইনজীবীদের হাতেও দেয়া হতে পারে |
তাই এইসব রিপোর্ট প্রণয়নে অত্যন্ত যত্নশীল ও সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন |
মেডিকেল রিপোর্টে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোন শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয় |
ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ ও বিস্তারিত খতিয়ে দেখে যথাসম্ভব অল্প কথায় এবং পয়েন্ট মত মন্তব্য পেশ করা উচিত |
চিকিৎসক সর্বদা মনে রাখবেন যে তিনি তার মন্তব্য দেবেন শুধুমাত্র তার নিজের পরিলক্ষিত তথ্য থেকে |
অন্যের কোন বক্তব্য বিবৃতি বা মতামত দ্বারা তিনি প্রভাবিত হবেন না কিংবা অন্য কোনো সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর নির্ভর করবেন না |
রোগীকে তিনি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনবোধে পুলিশে খবর দিবেন |
যদি কোন মতামত ব্যক্ত করতে তিনি অপারগ হন, তাহলে পুলিশ কর্তৃক চাপ প্রয়োগ করা সত্ত্বেও তিনি কোন রিপোর্ট তৈরি করবেন না |
যেনতেন করে মতামত প্রদান চিকিৎসকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে |
কেননা মতামতের জন্য শুধুমাত্র তাকেই দায়ী করা হবে |
এছাড়া পরীক্ষাকারী চিকিৎসককে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয় |
কাপড়চোপড়, অস্ত্র প্রভৃতি যেসব জিনিসপত্র পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হবে, সেগুলি আদালতে প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়, তার জন্য প্রত্যেকটি জিনিসের উপর স্পষ্ট অক্ষরে নম্বর লিখে লেবেল এঁটে দিতে হবে |
গ্রহণকারী অর্থ্যাৎ যিনি রিপোর্টটি গ্রহণ করবেন (সাধারনত পুলিশ কনস্টেবল) তার স্বাক্ষর থাকতে হবে |
রাসায়নিক পরীক্ষকের নিকট প্রেরণকৃত জিনিস মেডিকেল অফিসারের হেফাজতে তালাবদ্ধ করে রাখতে হবে |
আহত ব্যক্তি জীবিত থাকলে তার জখমের পূর্ণ বিবরণ মেডিকেল রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে |
(ক) শরীরের কত জায়গায় ক্ষত হয়েছে তার সংখ্যা |
(খ) জখমের ধরণ অর্থ্যৎ কাটা, থেঁতলানো, গুলির আঘাত ইত্যাদি |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.