content
stringlengths
0
129k
বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো
বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো একটি বিভাগ পছন্দ করুন অমর ব্যাক্তিত্ব (31) অর্থনীতি (12) আন্তর্জাতিক (1) ই-বুক (23) ইতিহাস (28) উপজেলা পরিচিতি (13) উৎসব (8) ঐতিহ্য (4) ঔষধি (8) কবি ও সাহিত্যিক (15) কবিতা (48) কলেজ (1) কৃষি (56) ক্রীড়া ও বিনোদন (3) ক্রীড়া ব্যাক্তিত্ব (2) গল্প (39) গ্রাম্য খেলা (7) জীব বৈচিত্র (21) জেলা পরিচিতি (3) টিপাইমুখ বাঁধ (19) তথ্য ও প্রযুক্তি (185) ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব (2) নদী পরিচিতি (16) নামকরন (16) পরিসংখ্যান (2) পর্যটন (38) পাখি (80) পাঠক অভিমত (13) প্রত্নতত্ত্ব (4) প্রবন্ধ (6) প্রেস ক্লাব (2) ফিচার (62) ফুল (66) বিজ্ঞাপন (1) বীর ব্যক্তিত্ব (1) বৃক্ষ (4) বৃহত্তর ময়মনসিংহের ইতিহাস (4) বৈচিত্র (51) ব্যক্তিত্ব (17) ব্লগ (54) ভিডিও (32) ভেষজ বৃক্ষ (7) মহাবিদ্যালয়/বিশ্ববিদ্যালয় (6) মুক্তচিন্তা (162) মুক্তিযুদ্ধ (29) রাজনৈতিক (16) রুপকথা (3) লেখক ও প্রাবন্ধিক (19) লোক সাহিত্য (16) শহীদ ব্যক্তিত্ব (17) শিক্ষক (5) শিক্ষাঙ্গন (3) শিল্প ও বাণিজ্য (2) শিল্পপতি (2) শিল্পী (9) সংবাদ (966) সমাজ সেবক (16) সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক (7) সাহিত্য (28) স্কুল (10) স্থাপত্য (8) স্বাস্থ্য কথা (14)
রশিদ উদ্দিন একজন সিদ্ধ বা খাঁটি বাউল কবি
তবে তিনি মূলত সঙ্গীত আশ্রয়ী বাউল কবি
সেইসাথে তিনি লোকজ দার্শনিক, ধর্মতাত্ত্বিক, সাম্যবাদী মরমি সাধক
কারও কারও চিন্তায় তিনি আরও ভিন্নভাবে মূল্যায়িত হতে পারেন
তবে নেত্রকোণা অঞ্চলে বাউলগানের প্রসারকালে রাষ্ট্র ও সমাজের শাসক শ্রেণির নিকট বাউল সমাজ যখন খুব একটা সমাদৃত ছিলেন না, উপর শ্রেণি তাঁদের বাতুল বা ব্যাকুল বা অর্ধ উন্মাদ রূপে অবজ্ঞা করত; অথচ সেই সমাজ পরিবেশে সম্ভবত রশিদ উদ্দিন তাঁর নিজ নামের পূর্বে 'বাউল' বিশেষণটি ব্যবহার করেন
যেখানে বাউল সমাজের পূর্বসূরী লালন নিজেকে শাহ-সাঁইজি-ফকির, হাছন নিজেকে রাজা ইত্যাদি বলে নিজের গানে নিজেদের পরিচয় দিয়েছেন
কিন্তু বাউল সাধক রশিদ উদ্দিন এবং পরে তাঁর প্রধান শিষ্য ও সহচর জালাল খাঁ, উকিল মুন্সী সহ সকলেই নিজেদের 'বাউল' বলে পরিচয় দিয়েছেন
অর্থাৎ এটা ছিল বাউল কবি রশিদ উদ্দিনের ঘুণেধরা সমাজের প্রতি প্রকাশ্য বিদ্রোহ
আর সেই বিদ্রোহের পথ ধরে রশিদ উদ্দিন সৃষ্টি করেন নতুন ধারার তর্কধর্মী ও তথ্যমূলক 'মালজোড়া বাউল গান
' নেত্রকোণার বাউল জগতের মধ্যমণি ছিলেন বাউল কবি রশিদ উদ্দিন আর তাঁর নিত্যসঙ্গী ছিলেন বাউল জালালউদ্দিন খাঁ, বাউল মিরাজ আলী, বাউল কমল মিয়া,বাউল উকিল মুন্সী, ইদ্রিস মিয়া, বাউল আব্দুল মজিদ তালুকদার, বাউল আলী হোসেন সরকার, বাউল আবেদ আলী, বাউল চান মিয়া, বাউল ইস্রাফিল, বাউল খোর্শেদ মিয়া, বাউল প্রভাত, বাউল আলী হোসেন, বাউল পীতাম্বর নাথ, বাউল তৈয়ব আলী, বাউল মিয়াহুব, বাউল উমেদ আলী প্রমুখ এবং নেত্রকোণার বাইরের বাউলগণের মধ্যে বাউল আব্দুল বারেক, বাউল শাহ আব্দুল করিম, বাউল আবু তাহের, বাউল আব্বাছ উদ্দিন ও বাউল উপেন্দ্র সরকার প্রমুখ
এ বাউল গোষ্ঠী মূলত নেত্রকোণার বাউল জগতের 'মালজোড়া' বাউলগানের নির্মাতা
আর বাউল রশিদ উদ্দিন ছিলেন তাঁদের ঘরানার ওস্তাদ
বাউল সাধক রশিদ উদ্দিন ১৮৮৯ সালের ২১ শে জানুয়ারি নেত্রকোণা পৌরসভাধীন বাহিরচাপড়া গ্রামের এক সাধারণ কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন
তার দাদা কুস্তিগীর হিসেবে গৌরীপুরের জমিদারের নিকট থেকে বাড়িসহ একখন্ড লাখেরাজ কৃষিজমি প্রাপ্ত হন
এ জমির উপর তৈরি বাড়িতে রশিদ উদ্দিনের পিতা মরহুম মশ্রব উদ্দিন তার তিন ছেলে মল্লিক উদ্দিন, রশিদ উদ্দিন এবং নিজাম উদ্দিনকে নিয়ে গড়ে তুলেন এক ছোট্ট সংসার
বড় ছেলে মল্লিক উদ্দিন এন্ট্রাস পাস করে নেত্রকোণার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কেরাণির চাকুরি গ্রহণ করেন
বাউল সাধক রশিদ উদ্দিন ছোটবেলা থেকেই ছিলেন আত্নভোলা
তাই বড় ভাইয়ের নিকট বাল্য শিক্ষা পাঠ ছাড়া কোন বিদ্যালয়ে তার লেখাপড়া হয়নি
রশিদ উদ্দিন ১৫/১৬ বছর বয়সে পার্শ্ববর্তী পুখুরিয়া গ্রামের টাকনা মিস্ত্রীর সান্নিধ্যে এসে একটু একটু করে একতারা বাজিয়ে বাউলগান শিখতে শুরু করেন
তখন বাহিরচাপড়া গ্রামে কৃষ্ণলীলা গান শুরু হয়
রশিদ উদ্দিন কৃষ্ণের অভিনয় করে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন
এ সময় পার্শ্ববর্তী বাংলা বেতাটিসহ সর্বত্র কবিগানের ব্যাপক প্রসার ছিল
দুর্গাপূজা, কালীপূজা, দোলপূজাসহ হিন্দু ধর্মীয় বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে কবি গান ছিল অত্রাঞ্চলে এক বিশেষ আকর্ষণ
পাশাপাশি টিপু পাগলের নেতৃত্বাধীন পরিচালিত ১৮২৭ সনে ফকির বিদ্রোহের ব্যর্থতার পর লেংটা ফকিরদের জলসা ছিল নিত্য দিনের ব্যাপার
তখন বাহিরচাপড়া গ্রামে কিশোরগঞ্জের কঠিয়াদী থেকে এক লেংটা পীরের আগমন ঘটে
১৯০৯ সনে রশিদ উদ্দিন এ লেংটা শাহের শিষ্যত্ব গ্রহণ করে নিজ বাড়িতে হাল্কা জিকিরের জলসায় মেতে উঠেন
এ জলসায় বাংলার দীনা মাঝি ও পুখুরিয়ার টকনা মিস্ত্রী ছিল রশিদের নিত্য রাতের সাথী
নেত্রকোণার প্রখ্যাত বাউল কবি জালাল খাঁ তখন রশিদ উদ্দিনের বাড়িতে লজিং থেকে নেত্রকোণা স্কুলে লেখাপড়া করতেন
জালাল খাঁ তখন থেকেই রশিদ উদ্দিনের নিকট বাউল গানের তালিম নেয়া শুরু করেন
বাউল সাধক রশিদ উদ্দিন তার বড় ছেলে আরশাদ উদ্দিনের দুই বছর বয়সের সময় ছেলেকে মৃত্যু শয্যায় রেখে হঠাৎ রাতে গৃহত্যাগ করেন
তখন রশিদ উদ্দিনের গৃহত্যাগের সংবাদ পেয়ে জালাল খাঁ ১৯২৮ সনের মার্চ মাসে এক পুত্র ও এক কন্যাকে সিংহের গ্রামস্থ শ্বশুরালয়ে রেখে বালুয়াখালীর সিদ্দিক জমাদারের বাড়িতে এসে রশিদ উদ্দিনের গৃহত্যাগের অথ্য সগ্রহপূর্বক সন্ধানে বের হন এবং দীর্ঘ নয় মাস পর রশিদ উদ্দিনকে শারফিনের মাজারে খুঁজে বের করেন
জালাল খাঁ শারফিন থেকে রশিদ উদ্দিঙ্কে সঙ্গে নিয়ে বালুয়াখালী ফিরে আসেন
রশিদ উদ্দিন তখন থেকে প্রায় দুই বছর ভাত খাওয়া ছেড়ে দেন
তখন তিনি শুধু দুধ ও রুটি খেতেন
রশিদ উদ্দিনের এ উদাসী ভাব দেখে বাউল কবি জালাল খাঁ স্থায়ীভাবে রশিদের সঙ্গে থাকার জন্য সিদ্দিক জমাদারের মেয়ের সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন এবং জালাল খাঁ রশিদের শিষ্যরূপে বাউল সাধনায় মনোনিবেশ করেন
তাই জালাল খাঁ রশিদ উদ্দিনের অন্যতম সহকর্মী ও সাগরেদ
রশিদ উদ্দিনের অবস্থা তখন পাগল প্রায়
মানুষ-মানবদেহ-প্রকৃতি সৃষ্টিরহস্য, গুরু সাধন, নিঘোর তত্ত্ব, আত্না-পরমাত্না বিষয়ক চিন্তা তাঁর হৃদয়কে ব্যাকুল করে তোলে
তখন রশিদ উদ্দিনের বাড়ি বৈঠকী বাউলগানের এক আখড়ায় পরিণত হয়
গান ছিল তখনকার সার্বজনীন বিষয়
কবি গানে সাধারণত হিন্দু শাস্ত্রের মহাভারত, রামায়ণ, গীতা কেন্দ্রিক দুই কবির মধ্যে কবিতার ছন্দে প্রশ্ন ও উত্তর চলত
আর জারিগান ছিল জংগনামার পুঁথি ও শহীদি কারবালা ভিত্তিক দুই বয়াতির তর্কানুষ্ঠানের মাধ্যমে দলবদ্ধ গান
কবিগান ছিল হিন্দু শাস্ত্র এবং জারি গান ছিল মুসলিম দর্শন ভিত্তিক
এ কবি গান ও বয়াতিদের শাস্ত্রভিত্তিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা রশিদ উদ্দিনকে বাউল গানে বিভিন্ন তত্ত্ব ভিত্তিক সুর ছন্দে ও সুললিত ভাষায় তর্কানুষ্ঠানে উৎসাহিত করে
এ লক্ষ্যে রশিদ উদ্দিনের বাড়ি আস্তে আস্তে বাউল তত্ত্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিণত হয়
এ কেন্দ্রে সহযোগী হিসেবে খালিয়াজুরী থানার বাউল সাধক উকিল মুনশী, মোহনগঞ্জ থানার হাসলার চান খাঁ, মদন থানার হাজরাগাতির পিতাম্বর রবিদাস সক্রিয়ভাবে অংশ নেন
সংগীতের এ মহান সাধক ১৯৬৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন
সংগ্রহিত তথ্য সুত্রঃ
নেত্রকোনা ডট অর্গ, উইকিপিডিয়া ও বাংলা নিউজ ২৪ ডট কম
ভৈরবের গজারিয়া ইউনিয়নের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করলেন নব চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা ।
টিপু শাহ
কিশোরগঞ্জ ডট কম ডেস্ক
সৈয়দ নাজিমুদ্দিন আহমেদ
মার্চ 16, 2011
মুর্শেদ উদ্দিন বাদশা মিয়া
জানুয়ারী 3, 2011
মাহফুজুর রহমান
মার্চ 27, 2011
কবি গঙ্গাঁ নারায়ণ
জুলাই 11, 2010
.
অনুসন্ধানঃ
এক বীজে পাঁচ ফসলী ধানের জাত উদ্ভাবন
24, 2021 | বৃক্ষ, বৈচিত্র, সংবাদ
মুহম্মদ জাফর ইকবালের জুতো চুরি
20, 2021 | গল্প
মোহনকিশোর নমোদাস
7, 2021 | অমর ব্যাক্তিত্ব, মুক্তচিন্তা, শহীদ ব্যক্তিত্ব
হে পরমানন্দ রূপিনী
25, 2020 | কবিতা
বৃদ্ধ সময়
25, 2020 | কবিতা
বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো
বিষয় ভিত্তিক পোষ্টগুলো একটি বিভাগ পছন্দ করুন অমর ব্যাক্তিত্ব (31) অর্থনীতি (12) আন্তর্জাতিক (1) ই-বুক (23) ইতিহাস (28) উপজেলা পরিচিতি (13) উৎসব (8) ঐতিহ্য (4) ঔষধি (8) কবি ও সাহিত্যিক (15) কবিতা (48) কলেজ (1) কৃষি (56) ক্রীড়া ও বিনোদন (3) ক্রীড়া ব্যাক্তিত্ব (2) গল্প (39) গ্রাম্য খেলা (7) জীব বৈচিত্র (21) জেলা পরিচিতি (3) টিপাইমুখ বাঁধ (19) তথ্য ও প্রযুক্তি (185) ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব (2) নদী পরিচিতি (16) নামকরন (16) পরিসংখ্যান (2) পর্যটন (38) পাখি (80) পাঠক অভিমত (13) প্রত্নতত্ত্ব (4) প্রবন্ধ (6) প্রেস ক্লাব (2) ফিচার (62) ফুল (66) বিজ্ঞাপন (1) বীর ব্যক্তিত্ব (1) বৃক্ষ (4) বৃহত্তর ময়মনসিংহের ইতিহাস (4) বৈচিত্র (51) ব্যক্তিত্ব (17) ব্লগ (54) ভিডিও (32) ভেষজ বৃক্ষ (7) মহাবিদ্যালয়/বিশ্ববিদ্যালয় (6) মুক্তচিন্তা (162) মুক্তিযুদ্ধ (29) রাজনৈতিক (16) রুপকথা (3) লেখক ও প্রাবন্ধিক (19) লোক সাহিত্য (16) শহীদ ব্যক্তিত্ব (17) শিক্ষক (5) শিক্ষাঙ্গন (3) শিল্প ও বাণিজ্য (2) শিল্পপতি (2) শিল্পী (9) সংবাদ (966) সমাজ সেবক (16) সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক (7) সাহিত্য (28) স্কুল (10) স্থাপত্য (8) স্বাস্থ্য কথা (14)
২০অক্টোবর'২১, ১৮ তম শেফ ডে স্মরণে "বাংলাদেশ ট্যুরিজম এন্ড হোটেলস ওয়ার্কার্স এমপ্লয়িজ ফেডারেশন" গতকাল ২১ অক্টোবর'২১, দুপুর-১২টায় হোটেল- রেস্তোঁরা শ্রমিকদের মজুরি পুণঃনির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন এবং পর্যটন কে মজুরি বোর্ডের শিল্প তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে পর্যটন কর্মীদের মজুরি কাঠামো প্রণয়নের দাবিতে 'নিম্নতম মজুরি বোর্ড' এর চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে
স্মারকলিপি প্রদানের পূর্বে নিম্নতম মজুরি বোর্ড কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়
মর্যাদাপূর্ণ ন্যায্য মজুরি, সামাজিক মর্যাদাসহ শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে সংগাম গড়ে তোলায় হোক শেফ দিবসের প্রত্যয়- এই আহবান নিয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন সংগঠনের আহবায়ক রাশেদুর রহমান রাশেদ এবং সদস্য সচিব আহসান হাবিব বুলবুল
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক খালেকুজ্জামান লিপন, সাহিদুল ইসলাম শাহিদ, মহিউদ্দিন রিমেল, নির্বাহী শেফ জালাল আহমেদ, কক্সবাজার জেলা কমিটির কার্যকরী সভাপতি আব্দুস সামাদ শেফ, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ শফি, প্রচার সম্পাদক আব্দুল মান্নান, ঢাকা নগর সদস্য সচিব আল আমিন শিমুল, নির্বাহী সদস্য সুদর্শী চাকমা, মো: কায়েস, সংহতি জালিয়ে বক্তব্য রাখেন শাহাদাৎ শেফ প্রমুখ
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, শ্রমজীবী মানুষের রক্ত ঘামে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকলেও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব যাদের হাতে, শ্রমজীবী মানুষের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে যাদের বেতন হয় সেই কর্তা বাক্তিরা শ্রমজীবী মানুষের সুরক্ষায় কার্যত কোন ভূমিকা পালন করেনা
সর্বশেষ মজুরি ঘোষণার পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হতে আর মাত্র ৪ মাস বাকি থাকা সত্ত্বেও, দ্রব্যমূল্যের গগণচুম্বি উর্দ্ধগতির বিপরীতে নামমাত্র মজুরিতে লক্ষ লক্ষ হোটেল-রেস্তোঁরা শ্রমিকদের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠলেও এই শ্রমিকদের মজুরি পুণঃনির্ধরণের জন্য কোন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছেনা
নিত্যপণ্যের বাজারমূল্য, মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় শ্রমিক আন্দোলনের সংস্থা শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ- স্কপ ইতিমধ্যে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি উত্থাপন করেছেন
হোটেল-রেস্তোঁরা শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে স্কপের মজুরি দাবির ভিত্তিতে অনতিবিলম্বে নতুন মজুরি ঘোষণা করতে হবে
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশগত পরিবর্তন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে
সরকারের শ্রম সংক্রান্ত দপ্তর সমূহের দায়িত্ব নতুন ধরনের কাজে নিয়োজিত কর্মীসহ প্রতিটি শ্রমিক-কর্মচারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা
কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান এবং বিকাশমান খাত পর্যটন কে শ্রম আইন এবং মজুরি বোর্ডের শিল্প তালিকায় অন্তর্ভূক্ত না করায় এই খাতের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, পরোক্ষভাবে শিকার হচ্ছে বাধ্যতামুলক শ্রমে নিয়োজিত থাকতে
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের শিল্প তালিকায় পর্যটন কে অন্তর্ভূক্ত করে পর্যটন কর্মীদের জন্য মজুরি কাঠামো ঘোষণা করতে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সুস্থ-পূর্ণ কর্মক্ষম মানব সম্পদ দেশের শিল্পের বিকাশ বা উৎপাদন প্রবৃদ্ধির পূর্ব শর্ত
আর ন্যায্য মজুরি ছাড়া, পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা ছাড়া কিভাবে সুস্থ শ্রম শক্তির নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত থাকবে
তাই দেশের শিল্প সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখা এবং উৎপাদন প্রবৃদ্ধি বা উৎপাদনশীলতার বিকাশে মজুরি বোর্ডের ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ
আজকের স্মারকলিপি প্রদানের এই কর্মসুচী মজুরি বোর্ড কে তাদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা
অবিলম্বে হোটেল- রেস্তোঁরা শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে নিম্নতম মজুরি ২০ হাজার টাকার ভিত্তিতে নতুন মজুরি ঘোষণা এবং পর্যটন কে শিল্প তালিকায় অন্তর্ভূক্ত ও পর্যটন কর্মীদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ মজুরি কাঠামো নির্ধারণের দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে দাবি আদায়ে ঘেড়াওসহ বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে
নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর দাখিলকৃত স্মারকলিপি
তারিখ: ২১ অক্টোবর ২০২১
মাননীয় চেয়ারম্যান