content
stringlengths
0
129k
ময়নাতদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধারণা করা হচ্ছে, রুম্পা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন
রুম্পার মৃত্যুর বিষয়টি এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয় পুলিশের কাছে
এজন্য ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছে তারা
এমনটি জানিয়েছেন রমনার ওসি মনিরুল
তিনি বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা সেটি এখনও স্পষ্ট নয়
তবে হত্যা মামলা হয়েছে
পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বিষয়টি
ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতে রুম্পার লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে
তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছেন ময়মনসিংহের গ্রামের বাড়িতে
উল্লেখ্য, বুধবার মধ্যরাতে পুলিশ ৬৮ সিদ্ধেশ্বরীর সামনের রাস্তা থেকে রুম্পার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়
এর আগে পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে
সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, তরুণীর মেরুদণ্ড, বাঁ হাতের কনুই ও ডান পায়ের গোড়ালি ভাঙা
মাথা, নাক, মুখে জখম এবং রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল
বুকের ডান দিকে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে
ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে বৃহস্পতিবার রুম্পার লাশের ময়নাতদন্ত হয়
মেডিকেলের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেন, তরুণীর শরীরের আঘাত দেখে মনে হয়েছে ওপর থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে
মৃত্যুর আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে
সেখান থেকে প্রতিবেদন পাওয়া গেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে
পারিবারিক সূত্র জানায়, রুম্পা দুটি টিউশনি করে বুধবার সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন
পরে তিনি কাজ আছে বলে বাসা থেকে বের হন
বাসা থেকে নিচে নেমে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন ও পরা স্যান্ডেল বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে এক জোড়া পুরোনো স্যান্ডেল পায়ে দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান
কিন্তু রাতে আর বাসায় ফিরেননি
স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি
বৃহস্পতিবার রুম্পার মাসহ স্বজনেরা রমনা থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন
এই মামলার তদন্ত করছেন রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি
পরিচয় যখন পাওয়া গেছে, শিগগিরই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হবে
সম্পর্কিত আরও পড়ুন
কাল ঢাকা সফরে আসছেন ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব
বিশ্ব শান্তি কনফারেন্সে 'ঢাকা শান্তি ঘোষণা' গৃহীত
দেশে করোনায় প্রাণহানি ২৮ হাজার ছাড়ালো
পরবর্তী সংবাদ
+
বর্ণপ্রথার শিকার রাজন ও শান্তনার প্রেম
কাল ঢাকা সফরে আসছেন ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব
গোবিন্দগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু
পরকীয়া প্রেমের জেরে নানাকে খুন করে নাতনী
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © . | | | |
প্রতিবাদী ছাত্রদের ওপর পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে উত্তাল ভারত। পক্ষ-বিপক্ষ যুক্তির লড়াইয়ে আপাতত ভ্রান্ত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী নাগরিক আন্দোলন। ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন
১২ ডিসেম্বর ভারতের সংসদে পাশ হবার পর নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে সই করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বিল পরিণত হয়েছে আইনে। এই নতুন আইন প্রণয়নের পর থেকেই জ্বলছে ভারত। আইনটি সাম্প্রদায়িক, এই যুক্তিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংগঠিত হচ্ছে প্রতিবাদ, যার বেশির ভাগই আসছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি থেকে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাই ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে বাড়ছে পুলিশের উপস্থিতি। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা ছাত্রদের ওপর এদিকে পুলিশি সহিংসতার নিন্দা করছেন সমাজের একাংশ। কিন্তু ছাত্রদের ওপর এই নির্মমতার প্রতিবাদ করতে গিয়ে কোথাও একটা ঢাকা পড়ে যাচ্ছে প্রতিবাদের মূলে থাকা সদ্য পাশ হওয়া আইনের মৌলিক সাম্প্রদায়িক কাঠামো। অন্যদিকে, সমাজের একটা বিরাট অংশ পুলিশের ভূমিকাকে দেখছেন রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনীয়তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই। এর সাথে, কেরালা, পাঞ্জাব, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গসহ রাজ্যগুলির এই আইন-বিরোধী অবস্থানের ফলে ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, তা নিয়েও থাকছে যথেষ্ট সংশয়।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী ১৮ ডিসেম্বর থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে দাখিল হওয়া পিটিশনের শুনানির কাজ শুরু হবে।
কিন্তু অন্যদিকে, আক্রান্ত ক্যাম্পাসগুলির সাবেক থেকে বর্তমান সব ছাত্রদের মধ্যেই ঘনীভূত হচ্ছে ক্ষোভ। দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, মুম্বাইয়ের টাটা ইন্স্টিটিউট অফ সোশাল সায়েন্সেস, আসামের জোরহাট বিশ্ববিদ্যালয়, চেন্নাইয়ের ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি, কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো অসংখ্য ক্যাম্পাস থেকে সংগঠিত হয়েছে অসংখ্য প্রতিবাদ কর্মসূচি।
এছাড়া, শনিবার গভীর রাতেও নাগরিক প্রতিবাদ সংগঠিত হয়েছে কেরালা, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর প্রদেশ, আসাম, মেঘালয়সহ বিভিন্ন রাজ্যে। যান চলাচল ব্যাহত হওয়া ছাড়াও পুলিশের সাথে সংঘর্ষে দেশজুড়ে আহত শতাধিক। প্রাণও হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন।
কিন্তু খবরের শিরোনামে রয়েছে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশি সহিংসতাই, যার ফলে শক্তিশালী হচ্ছে নতুন আইনবিরোধী বিক্ষোভ।
ভারতীয় সাংবাদিক ও সমাজকর্মী নেহা দিক্ষিত একটি টুইটে শেয়ার করেন একটি ভিডিও। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কীভাবে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদী ছাত্রদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে পুলিশ। ভাঙা হয়েছে বাথরুমের কাঁচ, মেরে অচৈতন্য করে দেওয়া হয়েছে বহু ছাত্রদের।
শুধু তাই নয়, তাক করে রাখা বন্দুকের মুখে সারি বেঁধে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বের করে আনা হয়েছে ছাত্রদের। এই চিত্র সোশাল মিডিয়ায় আসার পর থেকেই আলোচিত হচ্ছে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রতিবাদ।
ইতিমধ্যে, আটক করা হয়েছে জামিয়া মিলিয়ার প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীকে। ফলে, আরো জোর পাচ্ছে দেশজুড়ে ছাত্রদের বিক্ষোভ।
ইন্টারনেট বন্ধ, তবুও থামছে না সোশাল মিডিয়া ঝড়
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হয়ে আইনে পরিণত হবার পর থেকেই দেখা যাচ্ছে আইনের পক্ষ-বিপক্ষ মতামতের ঢল, যার বেশি ভাগই উপচে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলিতে। ইতিমধ্যে, ভারতের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আংশিক বা পুরোপুরিভাবে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। কিন্তু তবুও থামানো যাচ্ছেনা প্রতিবাদী জনতাকে।
এদিকে, ফেসবুকে রাষ্ট্রের পক্ষে দল ভারি করতে শুরু হয়েছে 'আই সাপোর্ট সিএবি' (আমি সিএবি বিল সমর্থন করি) স্লোগানের 'ফিল্টার'। অন্যদিকে, টুইটারে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পাল্টা 'নো এনআরসি', 'নো সিএবি' ইত্যাদি হ্যাশট্যাগ। এই 'ট্রেন্ড' থেকে দূরে নেই সমাজের বিশিষ্টজনেরাও।
ক্রিকেটার ইরফান পাঠান একটি টুইটে জামিয়া মিলিয়ার প্রতিবাদী ছাত্রদের পক্ষে তাঁর অবস্থান জানান।
একইভাবে পুলিশি সহিংতার নিন্দা করে টুইট করেন অভিনেত্রী ও চিত্র পরিচালক কঙ্কনা সেনশর্মাও।
এছাড়াও, নতুন করে আলোচনায় উঠে আসছে লেখক চেতন ভগতের টুইটগুলি। ২০১৪ সালের পর থেকেই চেতন ভগত পরিচিত হয়ে ওঠেন হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষের অনলাইন সমর্থক হিসাবে। শুধু অনলাইন নয়, বিভিন্ন টকশোতেও তাঁকে দেখা যায় সরকারের পক্ষে তর্কে নামতে। এমন কট্টর সরকারপন্থি হিসাবে জনপ্রিয় চেতন ভগত গত দু'দিনে বেশ কয়েকটি টুইটে এই আইনের প্রণয়ন পরবর্তী সময়ে সরকারের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেছেন।
এইখানেই না থেমে, কড়া ভাষায় সরকারের মুসলিমবিরোধিতার সমালোচনা করে আরেকটি টুইট করেন তিনি।
গতকাল ভারতের দুমকা শহরে একটি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ''প্রতিবাদী মানুষদের পোশাকের ধরন দেখেই বোঝা যাচ্ছে ঠিক কারার রাস্তায় নেমেছেন।" প্রধানমন্ত্রীর এই তীর্যক বক্তব্যকে অনেকে দেখছেন মুসলমানদের প্রকাশ্য প্রতিবাদের ওপর সরাসরি তোপ হিসাবে। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যেরও নিন্দা উঠে আসছে সোশাল মিডিয়ায়।
অন্যদিকে, প্রতিবাদী ছাত্রদের ওপর পুলিশি লাঠিচার্জ, কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ, হাতাহাতি ও সরকারের ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ সব মিলিয়ে বর্তমান ভারতের অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক। রাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে থাকার আশ্বাস দেওয়া হলেও রাস্তার চিত্র তা জানাচ্ছে না।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইনি লড়াইয়ে নামবে বলে জানিয়েছে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) দলের যুব বিভাগ গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন। কিন্তু চলমান এই প্রতিবাদের ধারা থেকে কীভাবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে ঠেকানো সম্ভব, তা স্পষ্ট নয়। ফলে, বর্তমান বিক্ষোভের সাথে কীভাবে বাম-ডান সব রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের বৃহত্তর উদ্দেশ্যগুলিকে যুক্ত করে, তাই এখন দেখার বিষয়।
অপচয় সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আয়াত আছে মোট ৪টি
অপচয়কে আল কুরআনের বাংলা অনুবাদে অপব্যয় শব্দ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে
নিচে অপচয় সম্পর্কিত কুরআনের আয়াত গুলি উল্লেখ করা হলো
নো মাস্ক নো সার্ভিস
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এখনই ডাউনলোড করুন অ্যাপ
ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন ://./
নিজে সুরক্ষিত থাকুন অন্যকেও নিরাপদ রাখুন
দেশের প্রথম ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম 'একদেশ'- এর মাধ্যমে আর্থিক অনুদান পৌঁছে দিন নির্বাচিত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে
ভিজিট করুন ... অথবা " " অ্যাপ ডাউনলোড করুন
করোনার লক্ষণ দেখা দিলে গোপন না করে ডাক্তারের পরামর্শের জন্য ফ্রি কল করুন ৩৩৩ ও ১৬২৬৩ নম্বরে
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নিয়ম মেনে মাস্ক ব্যবহার করুন
আতঙ্কিত না হয়ে বরং সচেতন থাকুন
ভিজিট করুন ..
নভেল করোনা ভাইরাস ২০১৯ (২০১৯-) সম্পর্কে বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন কোম্পানিসমূহকে নির্দেশনা প্রদান
(২০২০-০২-১০)
মুজিব বর্ষে ঘরে ঘরে জ্বলবে বিদ্যুতের আলো : প্রধানমন্ত্রী (২০১৯-১১-১৪)
বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন সংস্থা/কোম্পানিসমূহের অনুকূলে বন্ড ইস্যুকরণ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত (২০১৯-১১-১৪)
রং বেরংয়ে কবুতর পালন করছেন ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষক আলতাফুর বিক্রি করেছেন বাড়ি থেকেই রং বেরংয়ে কবুতর পালন করছেন ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষক আলতাফুর বিক্রি করেছেন বাড়ি থেকেই - .
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন |
আন্তর্জাতিক
অপরাধ ও দুর্নীতি
এক্সক্লুসিভ
বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি
লাইফ ষ্টাইল
বানিজ্য ও অর্থনীতি
নিউজ হেডলাইন :
বাংলার বাণী পত্রিকার মাধ্যমে শেখ মনিকে বাঁচিয়ে রাখা যায় শেরপুর কৃষি প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনীর প্রস্তুতিমূলক সভা এলডিসি'র সুবিধা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ ফের চালু হলো অন-অ্যারাইভাল ভিসা বেস্ট প্রার্থী নিয়োগ করছে পুলিশ: আইজিপি লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা দেশে অর্গানিক খাদ্যের উদ্যোক্তা বাড়ানোর তাগিদ সারাদেশে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া বাস্তবায়নের দাবি আস্থার প্রতীকে অনাস্থা নভেম্বরে ৩৭৯ দুর্ঘটনায় সড়কে প্রাণ গেছে ৪১৩ ইন্দুরকানিতে ভাগ্নী হত্যায় মামা গ্রেপ্তার মহাকাশে 'হেঁটে' আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) একটি অ্যান্টেনা পরিবর্তন করলেন দু'জন মহাকাশযাত্রী মহাকাশে 'হেঁটে' আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) একটি অ্যান্টেনা পরিবর্তন করলেন দু'জন মহাকাশযাত্রী জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে থেকে অস্ত্রধারী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ জো বাইডেনের সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভিডিও সাক্ষাৎ হওয়ার কথা জানা যাচ্ছে
রং বেরংয়ে কবুতর পালন করছেন ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষক আলতাফুর বিক্রি করেছেন বাড়ি থেকেই
: রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১
১৫৮৫৭৪৩ :
মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের আলতাফুর রহমান
তিনি পেশায় একজন শিক্ষক
শিক্ষকতার পাশাপাশি কবুতর লালন পালন করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন
বাড়ির ছাদ আর খোলামেলা পরিবেশে রং বে-রংয়ের বিভিন্ন জাতের কবুতর ভোড় হলেই ডানা মেলে উড়ে ফিরে শিক্ষকের গৃহে
দিন দিন পালিত কবুতরের সংখ্যা বাড়ায় বিক্রি করছেন বাণিজ্যিকভাবে
করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অবসর সময়টাকে কাজে লাগান ঠাকুরগাঁও সদরের সালন্দর মাদ্রাসার শিক্ষক আলতাফুর রহমান
সখের বসে ২০২০ সালের মার্চ মাসে মাত্র ৩০-৩৫টি কবুতর ক্রয় করে বাড়ির ছাদে লালন পালন শুরু করেন
বদ্ধ ঘরে কবুতর লালন পালনে নিজের কাছে অনেকটা অপরাধী মনে হলে ছেড়ে দেন খোলা মেলা পরিবেশে