content
stringlengths
0
129k
এই ভিডিওটি নিমিষে ভাইরাল হয় এই সোশ্যাল মিডিয়ায়
এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ার দর্শকদের খুবই ভালো লেগেছে তা সোশ্যাল মিডিয়ার দর্শকরা কমেন্ট করে জানিয়েছেন
এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু ভাইরাল ভিডিওর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে
ভিডিওটিতে ওই দুই কলেজ ছাত্রীর নাচ দেখে মুগ্ধ সোশ্যাল মিডিয়ার দর্শকরা
এই ভিডিওটি দেখে সোশ্যাল মিডিয়ার দর্শকরা ওই দুই কলেজ ছাত্রীর দিকে প্রশংসার ঝড় তুলেছেন
আপনিও এই ভিডিওটি দেখতে পারেন এবং উপভোগ করতে পারেন
এই ভিডিওটি _5264 ইনস্টাগ্রাম আইডিতে কিছুদিন আগে আপলোড করা হয়েছে
এই ভিডিওটিকে বহু মানুষজন দেখেছেন এবং উপভোগ করেছেন
এই ভিডিওটিকে আড়াই লাখেরও বেশি মানুষজন লাইক করেছেন এবং এক হাজারেরও বেশি মানুষজন কমেন্ট করে,
শাড়ির সঙ্গে মেহন্দিতে আঁকা ব্লাউজ, ভিডিও ভাইরাল
সাধারণত শাড়ি সব জায়গায় উপযুক্ত পোশাক হিসেবে বিবেচিত হয়
শাড়ি-ব্লাউজ দুটো মিলিয়েই সম্পূর্ণ হয়
ব্লাউজের ...
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানায় ফসফরিক অ্যাসিডের সঙ্কটে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে
গত ১ জুলাই থেকে কারখানায় ডিএপি সারের প্রধান কাঁচামাল ফসফরিক এসিড মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ
চলতি অর্থ বছরের ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির ক্রয় প্রস্তাব শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে সরাসরি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটিতে না পাঠানোর কারণে এমন জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে বলে ডিএপি সার কারখানা সূত্রে জানা গেছে
গত জুন থেকে ডিএপি সার কারখানার পক্ষ থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ডেস্ক কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হলেও ক্রয় প্রস্তাবটি 'অদৃশ্য কারণে' সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ ও সিবিএ নেতাদের
এখানে বিসিআইসির উর্ধ্বতন কর্মকতাদের উদাসীনতা দায়ী বলে জানিয়েছে সিবিএ নেতারা
কারখানা বন্ধ হওয়ার ফলে বর্তমান আমন মৌসুমে সারা দেশের কৃষকরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে তেমনি কারখানায় কর্মরত বিভিন্ন স্তরের সহস্রাধিক শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীও ক্ষতিগ্রস্ত হবে
তাছাড়া সর্বশেষ আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে এই ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন পাওয়া না গেলে আগামী এক বছরের জন্য কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ
আনোয়ারার রাঙ্গাদিয়ায় অবস্থিত ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড সার কারখানার প্রধান কাঁচামাল ৩০ হাজার মেট্রিক টন ফসফরিক এসিড (তিন লটে) ক্রয়ের জন্য গত ৭ এপ্রিল দরপত্র আহ্ববান করে কারখানা কর্তৃপক্ষ, আনুষঙ্গিক ব্যয়সহ যার মূল্য প্রায় ১৭৭ কোটি ৩৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা
২৪ এপ্রিল দুইজন সর্বনিম্ন দরদাতা নির্ধারণ করা হয়
গত ২ জুন তাদের বিপরীতে আর্থিক ক্ষমতা অর্পণের জন্য ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করতে বিসিআইসির মাধ্যমে শিল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠান ডিএপি সার কারখানা কর্তৃপক্ষ
কিন্তু গত এক মাসেও ক্রয় প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটিতে উপস্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ তাদের
ফলে ডিএপি সার কারখানার মজুদকৃত ফসফরিক এসিড শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই থেকে কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে
আগামী ২৩ জুলাই দরপত্রের অধীনে দাখিল করা দর প্রস্তাব বৈধতার শেষ সময়
এই সময়ের মধ্যে ক্রয় প্রস্তাবটি অনুমোদন করা না গেলে আগামী এক বছরের জন্য ডিএপি সার কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে বলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে
এদিকে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি বছর সার কারখানাগুলোকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়
ডিএপি সার কারখানার এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা দেড় লাখ মেট্রিক টন
কারখানাটির ক্ষমতা তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি
এই করোনাকালেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে
কিন্তু নজিরবিহীনভাবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে কারখানাটি এই প্রথম ফসফরিক অ্যাসিডের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে
তারা অবিলম্বে কারখানা সচল করার জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন
ডিএপিএফসিএলের সিবিএ সভাপতি ফরিদ আহমেদ সমকালকে বলেন, 'গত এক মাস আগে দর প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে
কিন্তু এক মাসেও সেটি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটিতে উঠেনি
এটি রাষ্ট্রের একটি সম্পদ
এটি বন্ধ হয়ে গেলে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হবে
আমরা চাই আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে অনুমোদন পাবে
এ ব্যাপারে বিসিআইসির যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান বলেন,' আমি নতুন যোগদান করেছি
বিষয়টি আমার জানা নেই
এটি খতিয়ে দেখব। আশা করি ২৩ জুলাইয়ের মধ্যেই অনুমোদনটা হয়ে যাবে
শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা জানান,' কোনো একটি প্রস্তাব উত্থাপন করতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হয়
খোঁজখবর নিয়ে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
বিষয় : আনোয়ারা ডিএপি সার কারখানা ফসফরিক এসিড উৎপাদন বন্ধ শিল্প মন্ত্রণালয়
শেয়ার করুন
লবণের মজুদ 'সাড়ে ৬ লাখ টন', তবুও আমদানি হবে '৩.১৬ লাখ' মেট্রিক টন
বারবার ঘুরে দাঁড়াই
আনোয়ারায় ৫৯০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর
জিআই স্বীকৃতি পেল রাজশাহীর আম
|
মন্তব্য করুন
জামায়াত-বিএনপি সরকার শুধু লুটপাট করেছে: এমপি শাওন
কক্সবাজারে ঝুলন্ত রেস্টুরেন্টে বসে রসনা বিলাস
সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মূহুর্তের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, গ্রেপ্তার যুবক
নতুন বাড়িতে ওঠা হলো না কিশোর চন্দ্রের
জামায়াত-বিএনপি সরকার শুধু লুটপাট করেছে: এমপি শাওন
কক্সবাজারে ঝুলন্ত রেস্টুরেন্টে বসে রসনা বিলাস
সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মূহুর্তের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, গ্রেপ্তার যুবক
নতুন বাড়িতে ওঠা হলো না কিশোর চন্দ্রের
© সমকাল ২০০৫ - ২০২১
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন
প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ
বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা | |
আন্তর্জাতিক
সাহিত্য ও সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
© সমকাল ২০০৫ - ২০২১
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন
প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ
টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮
বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: @.
ইউনিকোড কনভার্টার | বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা | | |
'); // 3 = $(".3").(); // $(". .3").(3); // $(".3").(); // }
'); // 3 = $(".3").(); // $(". .3").(3); // $(".3").(); // }
'শিশুবক্তা' রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও! " " বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো'র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন " " স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে 'গণহত্যা দিবস-২০২১' পালিত " " নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও) " " হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন " " সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নি...
সিসি ক্যামেরার আওতায় আসছে ঐতিহ্যবাহী ক্বীনব্রিজ
প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০১৯, ১২:১০ অপরাহ্ন
সংবাদটি শেয়ার করুন:
গুগল প্লাস
পিন্টারেস্ট
নিউজ ডেস্ক:: এবার নগরীর ঐতিহ্যবাহী ক্বীনব্রিজে লাগানো হচ্ছে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা
অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের লক্ষ্যেই ক্বীনব্রিজে লাগছে সিসি ক্যামেরা
শুধু ক্বীনব্রিজেই নয়, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি পয়েন্টে বসানো হচ্ছে এফআর ফেস রেজ্যুলেশনের ১১০টি ক্যামেরা
আর এসব সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করা হবে কোতোয়ালি থানা থেকে
প্রথমদিন সোমবার (১৭ জুন) ক্বীনব্রিজের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু করে গ্লোবাল ট্রেড কর্পোরেশন
পর্যায়ক্রমে নগরীর অন্যান্য পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপনের কাজ এগিয়ে যাবে
ক্যামেরা স্থাপনকারীদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়
সিটি করপোরেশন এলাকায় অপরাধ সংগঠিত হওয়ার পর অপরাধীদের স্পষ্ট মুখচ্ছবি চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন
এর আগে ২০১২ সালে সিলেট নগরীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিটি করপোরেশন ৯২টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে
প্রথম ধাপে ২২টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছিলো
এরপর পুলিশের অনুরোধে আরও ৭০টি সিসি ক্যামেরা বসায় সিটি করপোরেশন
এরমধ্যে দক্ষিণ সুরমায় ২২টি, আম্বরখানা-বিমানবন্দর সড়কে ২২টি ও সিলেট জজ কোর্ট এলাকায় ২৬টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়
পরবর্তীতে কিছুটা নষ্ট হয়ে যায়
আর কিছুটা সড়কের পাশে ড্রেন স্থপনের সময় খোলে রাখা হয়
নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বিপনী বিতানগুলোর ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে স্ব স্ব এলাকায় স্থাপন করা হয় আরও শতাধিক ক্যামেরা