content
stringlengths
0
129k
@24. : :
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
ঢাকা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিভাগ
সিলেট বিভাগ
রাজশাহী বিভাগ
খুলনা বিভাগ
বরিশাল বিভাগ
রংপুর বিভাগ
ময়মনসিংহ বিভাগ
আন্তর্জাতিক
তথ্য ও প্রযুক্তি
অর্থ ও বাণিজ্য
নারী ও শিশু
ইতিহাস-ঐতিহ্য
লাইফস্টাইল
সাক্ষাৎকার
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
ঢাকা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিভাগ
সিলেট বিভাগ
রাজশাহী বিভাগ
খুলনা বিভাগ
বরিশাল বিভাগ
রংপুর বিভাগ
ময়মনসিংহ বিভাগ
আন্তর্জাতিক
তথ্য ও প্রযুক্তি
অর্থ ও বাণিজ্য
নারী ও শিশু
ইতিহাস-ঐতিহ্য
লাইফস্টাইল
সাক্ষাৎকার
সংবাদ শিরোনাম :
নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা সহ গ্রেফতার যশোর ঝিনাইদহ মহা সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে ২০ যাত্রী আহত টঙ্গীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ নবনিযুক্ত প্রেসিডিয়াম সদস্য খায়রুজ্জামান (লিটনকে) রাব্বানী + মামুন-এর ফুলেল শুভেচ্ছা অভিনন্দন! বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন বাংলাদেশ আওয়া...
এক্সক্লুসিভ নিউজ
নোয়াখালীতে তিন ব্যাংক কর্মকর্তার ৩১ বৎসর কারাদন্ড, ৮১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড
সময় : মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১
৪৩ বার পঠিত
আহসান হাবীব
স্টাফ রিপোর্টারঃ
নোয়াখালী জেলায় দুদকের দায়ের করা মামলায় তিন ব্যাংক কর্মকর্তার ৩১ বছর সাজা দিয়েছেন জেলা জর্জ আদালত
ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণা, জালিয়াতি ও টাকা আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী ফেনী শাখার তিন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ধারায় ৩১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত
একইসাথে আসামিদের ৮১লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়
সোমবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে জেলা জজ আদালতের বিশেষ জজ (জেলা জজ) এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় প্রদান করেন
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সোনালী ব্যাংক সোনাগাজী শাখার ম্যানেজার মো. রহিম উল্যাহ খন্দকার, শাখার দ্বিতীয় কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম ও সহকারি অফিসার মো. মিজানুর রহমান
দুদকের করা দুর্নীতি মামলায় আদালত প্রত্যেকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রতারণার দায়ে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১১ সালের ২ অক্টোবর থেকে ২০১২ সালের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সাব রেজিস্ট্রার, সোনাগাজীর দলিল রেজিস্ট্রিতে প্রাপ্ত টাকা সরকারি খাতে জমার জন্য সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে একত্রে চালানে পে-অর্ডার নম্বর, টাকা ও তারিখ উল্লেখ করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়
দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন জমাকৃত ১৯ লাখ ৩৬ হাজার ১৬৫ টাকার ১৬৬টি পে-অর্ডার সরিয়ে রেখে পরবর্তীতে নগদে উত্তোলন, পে-অর্ডারের টাকার অংক বাড়িয়ে নগদে উত্তোলন ও সরকারি খাতে জমার জন্য চালানের সাথে ফেরত আসা পে-অর্ডার গায়েব করে নিজেরা গ্রাহকের ভূয়া স্বাক্ষর দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেন
পরে এ ঘটনায় দুদক নোয়াখালীর সহকারি পরিচালক নুরুল ইসলাম সরকার বাদি হয়ে ২০১৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সোনাগাজী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন
পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান দুদক নোয়াখালীর তৎকালীন সহকারি পরিচালক মো. মশিউর রহমান
দুদকের পিপি মো. আবুল কাশেম জানান, রেজিস্ট্রি অফিসের পে-অর্ডারের সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত চারটি ধারায় ৩১ বছরের কারাদণ্ড ও ৮১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন
জসিম উদ্দিন রানার বয়স মাত্র ২০ বছর
কিন্তু এ বয়সেই তিনি ভয়ংকর সব কাজ করেছেন
গত পাঁচ বছরে তিনি প্রেমের ফাঁদে ফেলে অন্তত অর্ধশত কিশোরী ও নারীকে ধর্ষণ করেছেন
তাদের কারো কারো সঙ্গে সম্পর্ক গড়িয়েছিল বিয়ে পর্যন্তও
পরে কলহের জেরে তাদেরও হত্যা করেন তিনি
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আলমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় রানা যেখানে উঠে আসে কিশোরীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলা, পাতানো বিয়ে আর দ্বিতীয় স্ত্রী হত্যার নানা রোমহর্ষক বর্ণনা
জসিম উদ্দিন রানা বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার পদ্মা করমজাতলা এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে
বৃহস্পতিবার রাতে পাতানো দ্বিতীয় স্ত্রী মাদারীপুরের সদর থানাধীন চরমুগুরিয়া এলাকার দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে সুরভী আক্তার হত্যা মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন এই জসিম উদ্দিন রানা
এরপরই বেরিয়ে আসে তার অপকর্মের এসব নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের এস আই আবুল কালাম আজাদ জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কাঞ্চন দক্ষিণ বাজার এলাকার মনির মাস্টারের বাড়ির ভাড়াটিয়া ও প্রাণ কোম্পানির এসআর জসিমউদ্দিন রানা তার স্ত্রী সুরভী আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে সেখান থেকে পালিয়ে যায়
পুলিশ সোমবার রাতে জসিমউদ্দিন রানার নিজ বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটার থানাধীন পদ্মা করমজাতলা এলাকার অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে
মঙ্গলবার দুপুরে আটক রানা নারায়ণগঞ্জ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আলমের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়
স্বীকারোক্তিতে রানা জানায়, ১৫ বছর বয়স থেকেই তার বিকৃত যৌন লালসা ছিল
সে স্কুলজীবন থেকেই বিভিন্ন কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করতো
এ কারণে এলাকা ছাড়া হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতো রানা
সে যেখানেই যেতো সে এলাকার বিবাহিত, বিধবা, বিপত্মীক অথবা কিশোরীদের কথার মায়াজালে ফেলে ধর্ষণ করতো
গত ২০১৬ সালে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নোনদা এলাকার নান্নু মিয়ার মেয়ে নাজনীন বেগম প্রেমের টানে তার কাছে ছুটে এলে সে তাকে ঘরে তুলতে বাধ্য হয়
পরে নকল কাজি দিয়ে বিয়ের নাটক করে নাজনীনের সঙ্গে সংসার শুরু করে রানা
সে দাম্পত্যে পারভীন নামে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়
গত বছর তাকে ফেলে পালিয়ে সাভার চলে আসে রানা
সেখানে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্কের জেরে মাদারীপুরের সদর থানাধীন চরমুগুরিয়া এলাকার দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে সুরভী আক্তার তার কাছে ছুটে এলে আবারো নকল কাজি দিয়ে বিয়ে করে সংসার শুরু করে রানা
কিন্তু বিয়ের ব্যাপারটি রানার কয়েকজন প্রেমিকা টের পেয়ে যাওয়ায় সে ২ মাস আগে রূপগঞ্জে চলে আসে
এখানে প্রাণ কোম্পানির এসআর পদে চাকরি নিয়ে কাঞ্চন বাজারের মনির মাস্টারের বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস শুরু করে
এদিকে তার পাতানো দ্বিতীয় স্ত্রী সুরভি নকল বিয়ে ও বহু নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আসল কাবিন করতে চাপ দেয়
অন্যথায় তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার হুমকি দেয় সুরভী
এতে ঘাবড়ে গিয়ে রানা স্ত্রী সুরভীকে বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে পোলাও মাংস রান্নার করার জন্য অনুরোধ করেন
পরে রাতে খাবারের পর কোকাকোলার সঙ্গে নেশাজাতীয় ট্যাবলেট খাইয়ে সুরভীকে অচেতন করে রাতেই গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে
পরে লাশ ঘরে রেখে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে বরগুনায় পালিয়ে যায়
সুরভী মারা গেছে সেই খবর আবার সে শ্বশুর দেলোয়ার হোসেনকে মোবাইলে ফোন করে জানায়
এ ঘটনায় সুরভীর বাবা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন
মামলার তদন্তে নেমে সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় বরগুনার পাথরঘাটার থানাধীন পদ্মা করমজাতলা এলাকায় জসিম উদ্দিন রানার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে
তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আরো জানান, গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের রানা জানান যে গত চার বছরে তিনি ৪৮ জন নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে
তাদের মধ্যে কাউকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, কাউকে আবার টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে
আদালতে দেয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে দ্বিতীয় স্ত্রীকে খুনের বর্ণনা দিয়ে তার অপরাধের সবকিছু স্বীকার করেছেন রানা
তার দুই স্ত্রীর কারো কাছেই কোনো কাবিননামা নেই
মূলত দ্বিতীয় স্ত্রী তার একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কথা জেনে যাওয়ায় এবং বিয়ের কাবিন করার জন্য চাপ দেয়ার কারণেই তাকে হত্যা করেছেন বলে জসিম জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন
এর পাশাপাশি আরো প্রায় অর্ধশত নারীকে প্রেমের ফাদেঁ ফেলে ধর্ষণের কথাও তিনি আদালতে স্বীকারোক্তি দেন
রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করে জসিমউদ্দিন রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন
রানার অন্যান্য অপকর্মগুলোর ব্যাপারে আমরা তদন্ত করে খতিয়ে দেখছি
:
সেংবাথ সাংমা
নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে সাংসদ জুয়েল আরেং, পিন্টু রাজেস চিকিৎসাধীন
শ্রীবরদীতে বনবিভাগ কর্তৃক উচ্ছেদ হুমকি, আতঙ্কে আদিবাসি পরিবার
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী
বাগাছাস বকশীগঞ্জ থানা শাখার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন!