content stringlengths 0 129k |
|---|
সেই সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ইতিপূর্বে প্রদত্ত ৩টি নির্দেশনা বাস্তবায়নে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয় ও মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করা হয় |
মন্ত্রণালয়ের য্গ্মু সচিব দেলোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সময়ে চলমান বোরো মৌসুমে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে সার, বীজ, বালাইনাশক, সেচযন্ত্রসহ সকল কৃষিযন্ত্র এবং যন্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ, কৃষি যন্ত্রে ব্যবহৃত জ্বালানি তথা ডিজেল, কৃষিজাত পণ্... |
দ্বিতীয় নির্দেশনায় বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি হ্রাসে সকল কৃষকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নির্দেশগুলো অনুসরণ এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে |
তৃতীয় নির্দেশনায় বলা হয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দফতর/সংস্থা ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে |
সময়ে সময়ে সরকারের জারিকৃত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে হবে |
এসব নির্দেশনা দেয়ার পর দেশে করোনাভাইরাস জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে ৬ এপ্রিল নতুন নির্দেশনা জারি করে কৃষি মন্ত্রণালয় |
সরকারী এ প্রজ্ঞাপনে করোনাভাইরাসের সাধারণ ছুটির সময়ে কৃষি উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে মোট ৬টি নির্দেশনা দেয়া হয় |
এই নির্দেশনাগুলো হলো, করোনাভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনা প্রতিপালনে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে |
বসতবাড়ির আঙ্গিনাসহ সকল পতিত জমিতে শাকসবজি, ফলমূল ও অন্যান্য ফসল চাষ করতে হবে |
এক্ষেত্রে সরকারী প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে; সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সময়েও জরুরী পণ্য বিবেচনায় সার, বালাইনাশক, বীজ, সেচযন্ত্রসহ সকল কৃষিযন্ত্র (কম্বাইন্ড হারভেস্টার, রিপার ইত্যাদিসহ) এবং কৃষিযন্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ, সেচযন্ত্রসহ কৃষিযন্ত্রে ব্যবহৃত জ্বালানি তথা ডিজেল, কৃষিপণ্য আমদানি, বন্দরে খালাসকরণ, দেশের অভ্যন্তরে স... |
এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণার বিষয়ে গত ২৪ মার্চ, ১ এপ্রিল, ৫ এপ্রিল ও ১০ এপ্রিল যে প্রজ্ঞাপন জারি করে তার প্রতিটি প্রজ্ঞাপনেই সুনির্দিষ্টভাবে বলেছে যে, কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরী ও নিত্যপণ্য পরিবহন, কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতা... |
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ এসব সরকারী নির্দেশনা কোন আমলেই নিচ্ছে না |
বরং তারা তাদের খেয়াল খুশিমতো নিজেদের বিধান তৈরি করে তা বাস্তবায়ন করে সব কৃষিপণ্য ও উপকরণ পরিবহন ও বিপণন বন্ধ করে দিয়েছে |
এমন কি চাল ও অন্যান্য কৃষি পণ্য পরিবহনেও বাধা প্রদানের কারণে এসবের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে |
গত বছর আউশ, আমন ও বোরোর বাম্পার ফলনের পর এ বছরও আউশ এবং আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে |
এখনও বাম্পার বোরো ফসলও কাটার অপেক্ষায় |
অথচ পরিবহন সঙ্কটের কারণে চালের কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে |
যে কারণে সারাদেশেই বাজারে চালের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে |
বিশেষ করে মোটা চালের দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে |
দেশের ১২টি জেলার ৩২টি বাজারে এক জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, এসব জেলার মাত্র ১০টি বাজার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খোলা থাকে |
কয়েকটি বাজার অবশ্য ২টা পর্যন্ত খোলা থাকতে দেখা গেছে |
এছাড়া ২২টি বাজারই লকডাউনের নামে পুরোপুরি বন্ধ করে রাখা হয়েছে |
জরিপকালে ঠাকুরগাঁও জেলার সবগুলো উপজেলার সব বাজারই লকডাউনের নামে পুরোপুরি বন্ধ পাওয়া গেছে |
কৃষিপণ্য ও কৃষি উপকরণের দোকান দূরের কথা এসব বাজারে কাঁচা তরি-তরকারিও বিক্রি করতে দিচ্ছে না পুলিশ |
এসব বাজার পরিস্থিতি খুবই খারাপ |
আবার যে সকল বাজার খোলা থাকছে সেখানেও কৃষিপণ্য ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতারা দোকান খুলতে ভয় পাচ্ছে |
একই ভয়ে প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও কৃষক বাজারে যেতে সাহস করছে না |
প্রধানমন্ত্রী করোনার সময়ে দেশের প্রতি ইঞ্চি জমিতে ফসল ফলাতে নির্দেশনা দিয়েছেন |
কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনায় বলা হচ্ছে, কৃষকের সঙ্গে থাকুন, কৃষকের পাশে থাকুন |
কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ পাশে নেই কৃষকের |
ফলে অসহায় কৃষক ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ফসল ফলানো বাদ দিয়ে গৃহে বন্দী হয়ে পড়েছে |
ফলে কৃষিপণ্য ও কৃষি উপকরণ বিপণন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে |
উল্লেখ্য, জেলাগুলো হলো নীলফামারী, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, বগুড়া, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রাজশাহী |
এ বিষয়ে কৃষিপণ্য ও উপকরণ প্রস্তুতকারী বিভিন্ন কোম্পানি স্থানীয় ও সরকারের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন |
কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয়নি |
সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের যৌথ মালিকানাধীন দেশের শীর্ষস্থানীয় এগ্রিবিজনেস কোম্পানি সিনজেনটা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গত ১৪ এপ্রিল এ বিষয়ে কৃষি সচিব বরাবরে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে |
চিঠিতে কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের নানা পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলা হয়েছে, সাধারণ ছুটির আওতামুক্ত হলেও, ভীতির কারণে কৃষি উপকরণ বিক্রেতারা অনেকেই দোকান খুলছে না এবং কৃষকও প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও বের হচ্ছে না |
এই সময়ে বোরো ধানের বিপিএইচ ও ব্লাস্টের আক্রমণের সময় |
এই সময়ে ফসল রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে |
এছাড়া আগামী আউশ ও আমন মৌসুমের প্রস্তুতি ও গ্রীষ্মকালীন সব্জি চাষও বিঘিœত হবে |
তাই প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কৃষক ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতাদের আতঙ্কিত ও ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থা থেকে স্বাভাবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন |
আতঙ্কিত না হয়ে বিক্রেতারা যেন দোকান খোলা রাখে এবং কৃষকরা যেন তাদের ফসল উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সঠিক সময়ে সংগ্রহ করে ফসল উৎপাদনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখেন, সেজন্য তাদের মাঝে বেশি বেশি প্রচার প্রয়োজন |
কৃষি উপকরণ বিক্রেতারা যাতে নির্ভয়ে দোকান খোলা রাখতে পারেন এবং কৃষকরাও যেন নির্ভয়ে কৃষি উপকরণ ক্রয় করতে ও তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারেন সেজন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় তাদের উদ্ধুদ্ধ করতে হবে |
এটা নিশ্চিত করা গেলেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে |
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিনজেনটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম এম গোলাম তৌহিদ বলেন, কৃষি উপকরণ উৎপাদন, বণ্টন ও খুচরা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকার গৃহীত সিদ্ধান্ত মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় ও বাস্তবায়নের এখনও সুযোগ রয়েছে |
কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে কোন ধরনের বাধার সম্মুখীন যেন না হন এবং কৃষক ও কৃষি কর্মীদের যাতায়াত ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি কৃষির সার্বিক স্বার্থেই বিশেষভাবে নজর রাখতে হবে |
তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে গোটা বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এখন নাজুক অবস্থায় |
এ অবস্থায় আমাদের দেশে খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে |
এটি যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করা উচিত |
এই সময়ে হাওড় এলাকায় ধান কাটার সময় হয়েছে, শ্রমিকের অভাবে ধান কাটা ব্যাহত হবে, ধান কাটতে দেরি করলে বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে |
হাওড় ছাড়াও সারাদেশের ধান এখন প্রজনন পর্যায়ে আছে, এ সময়ে সেচের প্রয়োজন |
তাছাড়া ধানে এখন এলাকা ভেদে মাজরা, খোলপোড়া এবং বাদামি গাছ ফড়িং-এর আক্রমণের সময় |
আবার আলু পরবর্তী ভুট্টা রোপণের সময় এখন |
আউশ আবাদ ও আমন চাষের জন্য বীজ সংগ্রহ ও বীজতলা তৈরি করতে হবে |
এছাড়াও গ্রীষ্মকালীন সব্জির পরিচর্যা করতে হবে কৃষককে |
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার সময়ে কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখার জন্য মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় প্রধানমন্ত্রী ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাসমূহ মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করতে হবে |
কৃষকদের তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি এবং কৃষি উপকরণ সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করা অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তাদের বিনা বাধায় বাজারে যেতে দিতে হবে |
কৃষি উপকরণ বিক্রেতাদের দোকান খোলা রাখার ব্যবস্থা করা অর্থাৎ দিনের বেলা দোকান খোলা রাখতে বাধা না দেয়া, যাতে করে কৃষক তাদের প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ যেমন বীজ, সার, বালাইনাশক সংগ্রহ করতে পারেন |
এছাড়া, কৃষি উপকরণ সরবরাহকারী পরিবহন চলাচল নির্বিঘœ করা জরুরী |
দেশের কৃষির স্বার্থেই কৃষকদের যারা পরামর্শ প্রদান করে (কৃষি কর্মকর্তা এবং বালাইনাশক বিক্রয় প্রতিনিধি) তাদের চলাচলে বাধা দেয়া যাবে না |
তারা আরও বলেন, এখনই যদি আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষি উৎপাদনে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করি, তবে করোনা পরবর্তীতে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা বিঘিœত হবে |
যে সময় সারা বিশ্বেই খাদ্য ঘাটতি থাকবে, তখন টাকা থাকবে কিন্তু আমদানি করার মতো খাদ্য থাকবে না |
তাই এখনই আমাদের সতর্কতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে এবং মাঠ প্রশাসনকে এটা অনুধাবন করে কাজ করতে হবে |
কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও মাঠ পর্যায়ে তা প্রয়োগের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা জরুরী |
অন্যথায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনার টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার হবে না, তেমনি খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়ে খাদ্য নিরাপত্তা ভেঙ্গে পড়বে |
প্রকাশিতঃ এপ্রিল ২৫, ২০২০ প্রিন্ট |
সর্বশেষ সংবাদ |
জাপান সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে ॥ হোন্ডা তারো |
ব্লু-ইকোনমির সুযোগ কাজে লাগাতে বিনিয়োগের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর |
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত দুইই বেড়েছে |
১ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে না ঢাকা নগর পরিবহন |
আরও ৭৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি |
আরও পড়ুন ... |
সাবধানবাণী: বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এই সাইটের কোন উপাদান ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ |
সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক: শামীমা এ খান |
সম্পাদক কতৃক গ্লোব জনকন্ঠ শিল্প পরিবার-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে গ্লোব প্রিন্টার্স লি: ও জনকন্ঠ লি: থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত |
রেজি: নং ডিএ ৭৯৬ |
কার্যালয়: জনকন্ঠ ভবন, |
২৪/এ রাশেদ খান মেনন সড়ক, নিউ ইস্কাটন, |
জিপিও বাক্স: ৩৩৮০, ঢাকা |
ফোন: 88-02-222227780-99 (অটোহান্টিং ২০ টি লাইন), |
ফ্যাক্স: 880-02-222221707 |
ই-মেইল: [ ] |
ই-জনকন্ঠ: .. |
® . |
. |
শীর্ষ সংবাদ: |
দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্লান বোলিং সাফল্য মিল্কি ওয়ের প্রথম 'পালক' সরকারী কাস্টডিতে নেই খালেদা, তিনি মুক্ত ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন ৪ ডিসেম্বর শুরু ওমিক্রন প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থায় সারাদেশ সাদা পোশাকে দেশে সবার ওপরে মুশফিক সাগরে জলদস্যুতায় যাবজ্জীবন দন্ড গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, ৪১ বছর প... |
নিয়ামত আপডেট পেতে ক্লিক করুন |
'; //-- .(() => { .(" ."); .() }); //-- /*.( () { .(" . "); .(); // = ..; = { : .., : .., : .., : { _: .._ } }; = (, ); });*/ //-- .(); |
অনলাইন ডেস্ক ॥ মহামারি করোনা ভাইরাসে ফ্রান্সে মৃতের সংখ্যা তুলনামূলক কমেছে |
দেশটিতে এ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৬৯ জনের |
এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৬১৪ জনে |
দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সে ৩৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে |
গত এক মাসে এটাই সবচেয়ে কম মৃত্যুর হার |
ফ্রান্সে সাড়ে ৭ হাজারেরও বেশি রোগী নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন আছে |
চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ইউরোপ ও আমেরিকার মানুষ |
শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৯ লাখের বেশি |
আর করোনায় যে ২ লাখ মানুষ মারা গেছে তার এক চতুর্থাংশ, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে ৫২ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে |
যুক্তরাষ্ট্রের পর করোনায় মৃত্যুতে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ ইউরোপের |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.