content
stringlengths
0
129k
এ বছর জাতি পালন করছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী
কিন্তু বাস্তবতা এটাই যে, দেশে দুর্নীতি আরো বিস্তৃত হয়েছে এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে দুর্নীতি দমন এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ
দেশ কয়েক দফায় (২০০১-২০০৫) দুর্নীতিতে বিশে^র মধ্যে শীর্ষ অবস্থান করে নিয়েছিল
বিদেশে অর্থ পাচারকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান এখন আলোচনার বিষয়
শেয়ার মার্কেট, বিভিন্ন ব্যাংক লুণ্ঠন, ভুয়া আমদানি-রফতানির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার ও আত্মসাত, সরকারী-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কেনাকাটা-টেন্ডার, চাকরিতে নিয়োগে অবাধ লাগামহীন দুর্নীতি, ঘুষ ছাড়া সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সাধারণ জনগণের সেবা না পাওয়ার বিস্তর অভিযোগ
বিস্ময়ের বিষয় এই যে, প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় নিয়ে এসে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সম্ভব হচ্ছে না
বঙ্গবন্ধু তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে বলেছিলেন যে, দেশের শতকরা পাঁচ ভাগ শিক্ষিত লোক দুর্নীতি করে
কিন্তু আজকের বাস্তবতা হলো, বঙ্গবন্ধুর কাক্সিক্ষত সোনার বাংলায় পরিসংখ্যান করার সময় এসেছেN 'কতভাগ শিক্ষিত লোক দুর্নীতি করে না বা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয় না বা নিজে দুর্নীতি না করলেও নিজের অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে ও ভয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারে না
দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের নির্বাহী ও বিচার বিভাগের আরও দৃঢ়, কঠোর ও ত্বরিত ভূমিকা এবং দায়িত্ব পালন এখন সময়ের চাহিদাN বঙ্গবন্ধুর কাক্সিক্ষত দুর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে এ বিষয়ে চিন্তা, পরিকল্পনা ও যথাযথ আন্তরিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং তার সফল বাস্তবায়নেই হবে তাঁর প্রতি রাষ্ট্রের নির্বাহী ও বিচার বিভাগের প্রকৃত শ্রদ্ধা
লেখক : বিচারপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ এবং সাবেক চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১
, , , , .
"
() "
"
"
সরকারি চাকরির প্রস্তুতি - করণীয় কি?
" "
: [1]
: সরকারি চাকরির প্রস্তুতি - করণীয় কি? ( 318 )
: 163
সরকারি চাকরির প্রস্তুতি - করণীয় কি?
" : 02, 2021, 05:50:18 "
সরকারি চাকরির প্রস্তুতি - করণীয় কি?
( 22, 2020)
://../
সরকারি চাকরির প্রস্তুতি - করণীয় কি?
বাংলাদেশের প্রায় বেশিরভাগ মানুষেরই সরকারি চাকরি করার ইচ্ছা থেকে থাকে
আর সে জন্যই যারা সরকারি প্রত্যাশী তাদের বেশ ভালো প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হয়
সরকারি চাকরির প্রস্তুতির জন্য বিশেষ কিছু প্রসেস অনুসরণ করা উচিত,যার ফলে আপনি সেসব চাকরির লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা একটা ভাল রেজাল্ট আশা করতে পারেন
"এইধরনের চাকরির প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আপনার অনেকবারই মনে হতে পারে আপনাকে দিয়ে আর হবে না, আপনি পারছেন না, বিষয়গুলো আপনার কাছে অনেক জটিল বলে মনে হচ্ছে
কিন্তু আপনি যদি একটু নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখেন তাহলে আপনি অবশ্যই সেসব সময় বা বিষয়কে সহজেই পার করতে পারবেন
** কখন থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত?
আপনারা যারা সরকারি চাকরি করতে চান তারা আপনাদের অর্নাস শেষ হবার আগে থেকেই চাকরির প্রস্তুতি নিতে পারেন
এতে করে আপনারা বেশ ভাল একটা সময় পেয়ে যাবেন এর মধ্যে
যেহেতু, যেকোনো সরকারি চাকরির জন্য বেশ ভালই প্রস্তুতি নেওয়া লাগে তাই সেসব প্রস্তুতি যত আগে থেকে শুরু করা যায় ততই ভালো
সরকারি চাকরির প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কিছু প্রাথমিক টিপস -
**পড়ার জন্য রুটিন তৈরি করা- যেকোন পড়াশোনার ক্ষেত্রেই রুটিন প্রস্তুত করে সে অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া
এতে টাইম ম্যানেজমেন্ট অনেক ভালোভাবে করা যায়
দৈনিক কোন কোন বিষয়ের জন্য কতটুকু সময় বরাদ্দ থাকবে তা ঐ বিষয়ের পরিধির উপর নির্ভর করে
সাধারণত সরকারী জব এর ক্ষেত্রে বাংলা, ইংরেজি, ম্যাথ, ইন্টারন্যাশনাল বিষয়বলি, সাধারণ জ্ঞান এর বিষয় সমূহ থাকে
কোথায় নিয়ে যাবে আমাকে? আসো, নিয়ে যাও
আমাকে ভাঙো, ছড়াও
আমাকে নাও, আমার সবটুকু নাও, আমার ডানা, উড়াল, স্বপ্ন, সৌন্দর্য, কাম সবটুকু
আমাকে ডুবিয়ে ফেলো
আমাকে এক নিমেষে শুষে নাও... সপ্তকে বাঁধা পড়ে আছে রাত, হেমবতী আজ খুলবে প্রভাত
হেমবতী নেই মরে গেছে গতকাল রাতে; নেই হৈমন্তী হিম, কাদম্বরী অথবা কপালকুণ্ডলা - কোনো কাপালিকের হাতে অথবা নদী এসে নিয়েছে তাদের, তাহাদের
লীন হবে ভুল রাত্রি এলোচুল, কেতকীবনে সব পুষ্প আকুল
না, কেতকীবনে এখন বন্ধ্যাকাল
সে আর সে, তারা আর তারা নেই
তোমাকে আমি একদিনও কষ্ট দেবো না আর - তোমাকে আমি চিরদিন কষ্ট দেবো
তুমি ভালো থেকো; তুমি ভালো থেকো না
তুমি তো তার জানো না কিছুই, জানবে না কোনোদিন - তোমাকে দেখতে মন করে, তোমায় খুব দেখতে মন করে
তুমি এসো, উড়ে এসো লুসিফেরিন রোদ, ঝলসে দাও এই চোখের বিবর
সে ছিলো দিগ্বিদিক চোখের এক স্বপ্নকান্ত গাছ
পরিশ্রান্ত স্মৃতির মায়ায় জেগে থাকা হলুদরং ইদানীং রাধাচূড়ায় জাগে
সে বলেছিলো রাধাচূড়া চেনে না
হলুদকে সে সূর্য নামে ডাকে
অস্ত যাচ্ছে ভোরের ডাকে একটি সূর্য - সে আলোতেই সেজন জন্ম নেয় - পুনর্বার আলোকে অস্বীকার করে
রাত্রির দুই প্রান্তে দুই সূর্যপ্রহরী রূপবতী হয়ে দোলে, তবু সে ভোলে না
যদিও হলুদকে অস্বীকার করার পথ নেই - আঁধারকে সে সাজায় চারিধারে
একজন জানে, সেই-ই জানে
আর কেউই নয়
যেটার শুরু থাকে তার শেষও থাকে
থাকে নাকি? পথ অন্ধকার, সমস্ত
সে স্বপ্নকান্ত গাছ বলে একটি শাখা তার কেঁপেছিলো কোনোদিন একটি অচেনা পাখির পদভারে
পাখির গায়ের রং হলুদ
কম্পমান শাখাটি তবে জেনেছিলো ভর সন্ধ্যায় - আলোতে আলোকিত হওয়া যায় না, আলোকিত হতে হয় অন্ধকারে
সে তাকে দেয়ালে আয়নার ভিতর ঝুলতে দেখতে পারে না
সে উদগ্রীব অন্ধকার চোখে অন্য একটি দৃষ্টিপাত গ্রহণ করে
কখনো সে সান্ধ্যভোজের জন্যে আকাশের নীল রান্না করে রক্তের সঙ্গে
পাখি সেই সন্ধ্যাটিকে খুঁটে খায়
বিছানাপত্র হাঁটে আনুভূমিক, যার সঙ্গে মাঠ, তার ব্যাপক দৃষ্টি একটি খোলা মশারির কঙ্কাল পর্যবেক্ষণ করে, তাদের চোখ আর চেহারার সঙ্গে একত্র করে
সে একটি জানলা পর্যন্ত যায় এবং এর সঙ্গে একটি রৈখিক বিলয় বানায়
একটি তার আঙুলের মধ্যদিয়ে চলে, একটি ভাঙা থাকে, একটি কেটে ফেলার মধ্যে চলে
রাত্রির আর্দ্রতা অস্বচ্ছ ডোবা অথবা জলাশয়ের দিকে কাউকে রূপান্তরিত করে মাছ কিংবা মাছরাঙায় - যেখানে রক্ত কেবল একটি হাত; সেই সন্ধ্যাটি দাগ দেখায়, যেখানে কাঁচভাঙা ঘুম - যেনো বালিকার জন্মদাগ
রাত্রি ভেঙে বাড়িতে কখন সে ফিরে এসেছিলো! প্রথমকে সে স্মরণ করেনি কিন্তু মার্বেল আর সর্বোচ্চ রুটির স্বাদ তার মনে পড়ে
সে প্রদীপ হিশেবে একটি আধখাওয়া পেয়ারা গ্রহণ করে জ্বালায়
তার বিছানাবাতির পায়ে তৈরি করে প্যারাফিন সময় - রতিরং শুনশান দীর্ঘ শূন্যতা
এনেছি শজারুর কাঁটা বনময় ঘুরে
মাঝখানে একটি শয্যা পেতেছি ঘরের - আকণ্ঠ কণ্টকময়
শুবে? শুবে না জানি
পৃথিবীর অনিশ্চিত বিষাদ আড়ম্বর বৈশাখে
উড্ডীন ঝরাপাতা বন্দীপাতাদের পাশ ছুঁয়ে উড়ে যায় - ওইখানে সকল আনন্দ ভীষণ ম্লান
কেনো আগুনের রূপ উপহাস করে ঝড়কে
তুমি ফিররে না জানি
শজারুর দুঃখ বুঝবে যেদিন - ফেরার পথ সকলি বন্ধ
শব্দের নিজস্ব ভাষা পুড়ে গেছে বৃষ্টিপাতে
তুমি তবু বৃষ্টির ভাষা জানো না কিছু
তবে কেনো এমন ব্যাঘাত ভুলে পড়ে থাকো? এখন শূন্যতার রং ধূসর, প্রিয়তম ধূলিকণা শূন্যতারই যমজ
কে তবে কান্নার ভাই? সকল সুন্দর ওইখানে হয়ে আছে ছাই
শব্দের খোঁজে একাকী প্রহর খুঁজেছি পথ
একটি মেঠোপথ ঢেকে গেছে ঘাসে
আমি আবারও সিঁথি কেটেছি ওই মাঠের বুকে
আমার রক্তে ছিলো সিঁদুর
তবু সপ্তপদী আগুন জ্বলেনি
কুসুমকুমার আমি অচলচোখে চেয়ে থাকি পাথর দিগন্তে, আর পায়ে হাজার বছরের শিকড়
আমার চোখ পাখি হয়ে যায় - খাঁচার পাখি
ভুলের তেরো নম্বর সুতাটাকে বের করে দেখি পায়ের তলায় মরুচারী ঝড়