content stringlengths 0 129k |
|---|
হাদিসে বলা হয়েছে, 'দুনিয়া চার শ্রেণির মানুষের জন্য |
তারা হলো - |
১. আল্লাহ যে বান্দাকে সম্পদ ও জ্ঞান দান করেছেন |
অতঃপর সে তাতে (সম্পদ আয় ও ব্যয় করার ক্ষেত্রে) প্রতিপালককে ভয় করে, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে, সে তাতে আল্লাহর অধিকার স্বীকার করে |
এটাই সর্বোত্তম স্তর |
২. যে বান্দাকে আল্লাহ জ্ঞান দান করেছেন, কিন্তু সম্পদ দান করেননি |
তবে তার নিয়ত পরিশুদ্ধ |
ফলে সে বলে, যদি আমার সম্পদ থাকত, তবে আমি অমুক কাজ করতাম |
তাকে তার নিয়ত অনুসারে সওয়াব দেওয়া হবে |
প্রতিদান লাভে দ্বিতীয় ব্যক্তি প্রথম ব্যক্তির মতো |
অর্থাৎ দান-সদকা ও আর্থিক ইবাদত করতে না পারলেও আল্লাহ তাকে সওয়াব দিয়ে দেবেন |
৩. যে ব্যক্তিকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন, কিন্তু জ্ঞান দান করেননি |
ফলে সে জ্ঞানহীন অবস্থায় সম্পদ ব্যয় করে |
সে তাতে আল্লাহকে ভয় করে না, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে না এবং তাতে আল্লাহর অধিকার আছে, তা-ও সে জানে না |
এই ব্যক্তি সবচেয়ে নিকৃষ্ট |
৪. যে ব্যক্তিকে আল্লাহ জ্ঞানও দেননি এবং সম্পদও দেননি |
সে বলে, আমার সম্পদ থাকলে আমি অমুক ব্যক্তির তথা তৃতীয় জনের মতো (পাপ কাজ) করতাম |
সে তার নিয়ত অনুসারে প্রতিদান পাবে এবং তাদের উভয়ের পরিণতি একই রকম হবে |
অর্থাৎ মন্দ কাজ না করেও সে পাপের ভাগীদার হবে |
উল্লিখিত হাদিসে মানুষ ও পৃথিবীতে তাদের প্রাপ্তিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে |
প্রথম শ্রেণি হলো যাদের জ্ঞান ও সম্পদ উভয়টি দেওয়া হয়েছে |
এখানে জ্ঞান দ্বারা দূরদৃষ্টি, বিবেক-বুদ্ধি ও গভীর বোধ-উদ্দেশ্য, যা মানুষকে সঠিক পথ প্রদর্শন করে, তাকে পরিণতির ব্যাপারে সতর্ক করে |
তার জ্ঞান তাকে বোঝায় সম্পদ মাধ্যম, গন্তব্য নয় |
সে সম্পদের ক্ষেত্রে প্রতিনিধি মাত্র |
নিশ্চয়ই সম্পদের প্রকৃত মালিক আল্লাহ |
সুতরাং তার সম্পদে আল্লাহর সুদৃঢ় অধিকার আছে |
ফলে সে সম্পদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে, সে নিজের প্রতি সুবিচার করে এবং জ্ঞান ও সম্পদ দ্বারা মানুষের প্রতি সুবিচার করে |
এটাকেই হাদিসে সর্বোত্তম স্তর বলা হয়েছে |
দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষ মর্যাদায় প্রথম শ্রেণির মতো |
তারা হলো যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, তবে সম্পদ দেওয়া হয়নি |
ফলে তারা অর্থ ব্যয় করতে পারে না, দান করতে পারে না, আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করতে পারে না |
তবে তাদের এসব কাজ করার নিয়ত থাকে |
কেননা জ্ঞান থাকায় তারা জানে আল্লাহ এসব কাজে সন্তুষ্ট হন |
নিয়তের বিনিময়ে আল্লাহ তাদের উপযুক্ত প্রতিদান দেন |
তবে নিয়ত মনের ভেতর উঁকি দেওয়া বা ভাসমান কোনো বিষয় নয় |
বরং নিয়ত হলো সুদৃঢ় ইচ্ছা |
মনের গভীরে যা স্থান করে নেয় |
জ্ঞানী ব্যক্তির চিন্তা-ভাবনা ও আগ্রহ-উদ্দীপনায় নেক কাজের ইচ্ছা প্রবল থাকে |
এ জন্য আল্লাহ তাকে প্রথম জনের মতো উত্তম প্রতিদান দেবেন |
তৃতীয় শ্রেণি, যাদের সম্পদ দেওয়া হয়েছে তবে জ্ঞান দেওয়া হয়নি |
অর্থাৎ সে এমন উপকারী জ্ঞান থেকে বঞ্চিত ছিল, যা তাকে আল্লাহভীতি শেখাবে, তার দৃষ্টির জ্যোতি হবে, ভালো কাজের আগ্রহ তৈরি করবে এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে |
হাদিসের ভাষায় এটাই নিকৃষ্টতম স্থান |
তার এই অধঃপতনের কারণ হলো অজ্ঞতার মধ্যে ডুবে থাকা এবং জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হওয়া |
জ্ঞান না থাকায় সে জানে না তার সম্পদে আল্লাহর অধিকার আছে, সে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে না, সম্পদ দ্বারা অন্যের প্রতি সুবিচার করে না এবং সম্পদ অর্জন ও ব্যয়ে তার প্রতিপালক মহান আল্লাহকে ভয় করে না |
ফলে তার সম্পদ ও প্রাচুর্য তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয় |
এমন সম্পদ তার না থাকাই তার জন্য কল্যাণকর ছিল |
প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তাকে যে সম্পদ দান করেছিলেন, তা দ্বারা সে জান্নাতের পাথেয় অর্জন করতে পারত |
কিন্তু তা না করে সে জাহান্নামের পথ প্রশস্ত করেছে |
চতুর্থ শ্রেণির মানুষকে জ্ঞান ও সম্পদ কোনোটাই দান করা হয়নি |
কিন্তু তার অজ্ঞতা ও অন্ধত্বের কারণে তার প্রত্যাশা ছিল যদি সে সম্পদ লাভ করে, তবে তা অবশ্যই প্রবৃত্তিপূজা ও পাপ কাজে ব্যয় করবে |
ঠিক যেমনটি করে তৃতীয় শ্রেণির মূর্খ ধনী |
ফলে সে তাদেরই দলভুক্ত হয়ে যায় |
মন্দ নিয়তের কারণে সে তাদের উভয়ের পাপের ভাগ সমান হয়ে যায় |
এই ব্যক্তি সবচেয়ে নির্বোধ ও বোকা |
সে তার পরকালকে নষ্ট করেছে অথচ পার্থিব জীবনেও তার কোনো অর্জন নেই |
তার মন্দ পরিণতির জন্য তার মন্দ নিয়ত ও খারাপ ইচ্ছাই শুধু দায়ী |
নিঃসন্দেহে সে-ই সবচেয়ে হতভাগ্য, যে পৃথিবীতে দরিদ্রের জীবন যাপন করে এবং পরকালেও তার জন্য প্রস্তুত থাকে জাহান্নামের শাস্তি |
হাদিসের ব্যাখ্যা ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, প্রথম দুই শ্রেণি সৌভাগ্যবান |
তাদের জ্ঞান ও জ্ঞানানুযায়ী তাদের আমল তাদের সৌভাগ্যের কারণ হয়েছে |
দ্বিতীয় দুই শ্রেণি হতভাগ্য |
অজ্ঞতা ও অজ্ঞতার পরিণতি তাদের দুর্ভাগ্যের কারণ হয়েছে |
জাতীয় সংসদ জাতীয় শুদ্ধাচারব্যবস্থার মৌলিক স্তম্ভগুলোর অন্যতম |
সংসদের মূল কাজ আইন প্রণয়ন, জনগণের প্রতিনিধিত্ব ও সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা |
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ (১) ধারায় সুনির্দিষ্ট বিধান সাপেক্ষে সংসদকে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে |
'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-২০৩০'-এ সব স্তরে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানের বিকাশ এবং সংবেদনশীল (তৎপর), অন্তর্ভুক্তিমূলক, অংশগ্রহণমূলক...(...) |
বাংলাদেশে সুশাসনের সমস্যা উত্তরণের উপায়: দশম খন্ড |
19/02/2020 |
দেশব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী চাহিদা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নাগরিক চাহিদাকে সোচ্চার ও কার্যকর করার জন্য কাজ করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) |
এর অংশ হিসেবে সুশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি সেবাখাতে দুর্নীতির প্রকৃতি, মাত্রা ও ব্যাপকতা নিরূপণের জন্য টিআইবি গবেষণা ও তার ভিত্তিতে অধিপরামর্শ কার্যক্রম পরিচালনা...(...) |
বর্ণমালায় নীতিকথা |
09/02/2020 |
বর্ণমালায় নীতিকথা ' - ' . . (...) |
বাংলাদেশে সুশাসনের সমস্যা উত্তরণের উপায়: নবম খন্ড |
20/02/2019 |
দেশব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী চাহিদা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে নাগরিকদের সচেতন ও সোচ্চার করার জন্য কাজ করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এবং এর অংশ হিসেবে সুশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির প্রকৃতি, মাত্রা ও ব্যাপকতা নিরূপণের জন্য গ... |
সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব...(...) |
- |
06/09/2018 |
- - - . , , . ...(...) |
2017 () |
30/08/2018 |
2017 () (...) |
2017 () |
30/08/2018 |
2017 () (...) |
যোগাযোগ ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন বিষয়ক হ্যান্ডবুক |
08/08/2018 |
দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি কার্যকর ও টেকসই সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ১৯৯৬ সাল থেকে কাজ করছে |
এ উদ্দেশ্য অর্জনে টিআইবি জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে গবেষণা এবং অ্যাডভোকেসির পাশাপাশি অংশীজনের সক্ষমতা এবং দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে |
টিআইবি'র দীর্ঘ বাইশ বছরের সামগ্রিক কার্যক্রমে এবং বিভিন্ন অর্জনের সহযাত্রী...(...) |
: ( - 8) |
01/03/2018 |
() . , - , , . ...(...) |
বাংলাদেশে সুশাসনের সমস্যা উত্তরণের উপায়: অষ্টম খণ্ড |
25/02/2018 |
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দেশব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী চাহিদা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে নাগরিকদের সচেতন ও সোচ্চার করার জন্য কাজ করছে |
এর অংশ হিসেবে সুশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি সেবা খাতে দুর্নীতির প্রকৃতি, মাত্রা ও ব্যাপকতা নিরূপণের জন্য গবেষণা ও তার ভিত্তিতে অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা করছে |
টিআইবির অধিপরামর্শ কার্যক্রমের...(...) |
- |
31/10/2017 |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.