content
stringlengths
0
129k
মাসুম দপ্তরে পুলিশী হানা নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান শ্রী এস রাজেন্দ্রবাবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে চিঠি দেন ড: মোহিনী গিরি এবং প্যানেলের অন্যান্য সব সদস্য
১৪ জুন ২০০৮
হাওড়ায় মারিয়া ডে স্কুলে বিভিন্ন মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠনের ডাকা একটি সভায় এই পুলিশী হানার নিন্দা করা হয়
১৬ জুন ২০০৮
প্রেস ক্লাবে, পিপলস ট্রাইবুনাল অন টর্চারের পক্ষ থেকে প:ব:এ রাষ্ট্রীয় নির্যাতন নিয়ে অন্তর্বতিকালীন প্রতিবেদন পেশ করা হয়
১৮ জুন ২০০৮
কফি হাউসে সভা ও প্রচার পত্র বিলি
২৬ জুন ২০০৮
স্টুডেন্টস হলে, মাসুমের দপ্তরে পুলিশী হানার প্রতিবাদে নাগরিক সভা
কিরীটি ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে অ¡না ফৌজদারী মামলাটির সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্ন তুলে মাসুম কলকাতা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করে
আদালতকে অনুরোধ করা হয় ঐ মামলটিকে তুলে নিতে
২৬ আগষ্ট ২০০৯
বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় মাসুমের রিট পিটিশনটি খারিজ করে দেন
উনি বলেন যে, মাসুম দেশে একটা সমান্তরাল বিচার ব্যবস্থা চালাচ্ছে কি না তা তদন্ত করে দেখার প্রয়োজন আছে
এই রায়ের বিরুদ্ধে মাসুম, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মোহিত রঞ্জন শাহ ও বিচারপতি পিনাকী চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে একটি ডিভিশন বেঞ্চ, আপীল করে
১০ মার্চ ২০১০ এই আপীলটি শুনানীর জন্য ধার্য করা হয়
সেদিন আদালত আপীলটি গ্রহন করেন ও ৮ এপ্রিল ২০১০ চূড়ান্ত শুনানীর দিন ধার্য করেন
নখে দাঁতে ঝিলিক দিচ্ছে ভয়
৪ এপ্রিল ২০১০
মাসুমের সহকারী সম্পাদক, অ্যাডভোকেট অভিজিত দত্তকে লালবাজারে নোটিশ দিয়ে ডেকে পাঠানো হয়
ফৌজদারী মামলাটির তদন্তকারী অফিসার শ্রী এস ধর অভিজিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন
সিআরপিসির ১৬১ ধারা মাফিক অভিজিতের বক্তব্য নথিভুক্ত করা হয়
মজার ব্যাপার, পরে অভিযোগনামায় (চার্জশিট) অভিজিতকে পলাতক বলে দেখানো হয়
৭ এপ্রিল ২০১০ (ডিভিশন বেঞ্চের চূড়ান্ত শুনানীর দিনের ঠিক আগেরদিন)
কিরীটিকে তার শ্রীরামপুরের বাড়ি থেকে, কলকাতা পুলিশের সন্ত্রাসবাদী দমন শাখা, গ্রেফতার করে
পুলিশের তরফ থেকে যে অভিযোগনামা দায়ের করা হয়, তাতে প্রথমে দায়ের করা অভিযোগগুলো (১৭০ ধারা - নিজেকে সরকারী পদস্থ কর্মচারী হিসাবে দেখানো
১৭৯ ধারা - তদন্তের অধিকারী সরকারী কর্মচারীকে প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করা
২২৯ ধারা - নিজেকে জুরি হিসবে দেখানো, ১২০(বি) ধারা - রাষ্টের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র) ছাড়াও নতুন নানান অভিযোগ জুড়ে দেওয়া হয়
ধারা ৪৬৭ - ঠকিয়ে টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে জালসাজি করা, ধারা ৪৬৮ - ঠকানোর উদ্দেশ্যে জালসাজি করা, ধারা ৪২০ - প্রতারণা, ছাড়াও ৪৭১ আর ২০১ ধারাও লাগিয়ে দেওয়া হয়
ভাঙ্গা পাঁজর শপথ শিখায় জ্বালো
ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম ব্যাঙ্কশাল কোর্ট, কলকাতা), অভিযোগনামাকে আমল না দিয়ে, কিরীটির জামিন মঞ্জুর করেন
অভিযোগনামাকে আমল না দেওয়া কারন হিসাবে ম্যাজিস্ট্রেট মন্তব্য করেন যে, বাড়তি যে অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে, সেগুলো কোন তথ্য-প্রমাণ ছড়াই করা হয়েছে, আর তার জন্য আদালতের প্রয়োজনীয় অনুমতিও নেওয়া হয় নি
আরও একটা মজার কথা - সেদিন প্রায় সব বাংলা খবরের কাগজেই শিরোনাম হয়েছিলো ঐ বাড়তি ধারাগুলো-ই
কিরীটিকে প্রায় ঠগ-জোচ্চোর বনিয়েই দেওয়া হয়েছিলো
রিট পিটিশনটি খারিজের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মাসুমের মামলাটিতে শেষ পর্যন্ত ২১ এপ্রিল, ২৯ এপ্রিল, ১৩ মে এবং ১৭ মে দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৮ মে ২০১০ ডিভিশন বেঞ্চ তাদের রায় দেন
শুনানী চলাকালীন নানান কৌতুহলাদ্দীপক ব্যাপার ঘটে
· সাধারন নাগরিক হিসাবে যে কেউ কোন বিষয় নিয়ে তদন্ত করতে পরে কি না, তা নিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন যে, সুপ্রিম কোর্টের আদেশে তিনি ও আরও কয়েকজন বিচারপতি নর্মদা বাঁধের দরুন যে সব আদিবাসী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, তাদের ঠিকমতো পুণর্বাসন দেওয়া হচ্ছে কি না, তা তদন্ত করতে যান
ওঁর মন্তব্য - সুপ্রিম কোর্টের আদেশ ছড়াও যে কোন নাগরিকই এই কাজটা করার অধিকারী
সেক্ষেত্রে তদন্তের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার মানেই হয় না
· পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীর হাতে সাধারন নাগরিকদের অত্যাচারীত হওয়ার যে সব ঘটনা মাসুম তাদের গণশুনানীতে তুলে ধরেছে, সেসব ঘটনা এই ডিভিশন বেঞ্চ স্যুয়ো মটো জনস্বার্থ মামলা হিসাবে গণ্য করতে পারে
করন ডিভিশন বেঞ্চ লক্ষ্য করেছে যে রাজ্য সরকার, পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীর কীর্তিকলাপকে আড়াল করতে চাইছে
শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকার এই ঘটনাগুলির প্রতিকারের জন্য নাগরিক উদ্যোগ সম্পর্কে বিনা কারনে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা দেখাচ্ছে
· ডিভিশন বেঞ্চ মাসুমের এই কার্যকলাপ (গণশুনানী) আদৌ কোন খারাপ উদ্দেশ্যে চালিত নয় বলে মনে করে
বরং এই ধরনের উদ্যোগ, লোক আদালত বা জনস্বার্থ মামলার মতই গুরুত্বপূর্ণ বলে মত প্রকাশ করে
· সরকারী কৌঁশুলী যখন বলেন যে, এই ধরনের অভিযোগ (পুলিশ ও অ¡ধা সামরিক বাহিনীর অত্যাচার) তদন্ত ও শাস্তির সুপারিশের জন্য রাজ্য মানবাধিকার কমিশনই রয়েছে, তখন প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন যে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের সভাপতির পদ খালি পড়ে রয়েছে বহুদিন
এমন অবস্থায় সেটি আর কার্যক্ষম থাকে না
এছাড়াও ডিভিশন বেঞ্চ লক্ষ্য করেছেন যে, অ¡ধা সামরিক বাহিনী বা সামরিক বাহিনীর অত্যাচারের ঘটনায় রাজ্য মানবাধিকার কমিশন কার্যকরী ভুমিকা নিতে অক্ষম
আমার পুজোর সিনেমা - কল্লোল দাশগুপ্ত
ব্যাঙ্গালুরুর ফ্যাৎরা পুজো - কল্লোল দাশগুপ্ত
গুরু বলি কারে - কল্লোল দাশগুপ্ত
মৃত্যুদণ্ড বিতর্ক - কল্লোল দাশগুপ্ত
শিব ঠাকুরের আপন দেশে - কল্লোল দাশগুপ্ত
সোনামুখীর মাওবাদীরা - কল্লোল দাশগুপ্ত
প্রিয় বইয়ের সাথে আলাপ - কল্লোল দাশগুপ্ত
প্রিয় বইয়ের সাথে আলাপ - কল্লোল দাশগুপ্ত
পশ্চিম বাংলায় পুলিশের "জনদরদী' নমুনা - কল্লোল দাশগুপ্ত
চার রঙের উপপাদ্য - বসন্ত-৪ - ইন্দ্রাণী
নকশিকাঁথা (১৯) - বিশ্বদীপ চক্রবর্তী
ভারতের অপারেশন টোকিও: পর্ব ৮ - সৌরাংশু
পায়ের তলায় সর্ষে (এবং কোভিড) - পুয়ের্তো রিকো পর্ব -২ - মিঠুন ভৌমিক
মন্দার -- ম্যাকবেথ তুইই রাজা - সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
পরিবার - হিংসা - ভালোবাসা: "মেইড" - মৌপিয়া মুখোপাধ্যায়
কোথায় তোমার দেশ গো বন্ধু? পর্ব ৪ -
রণছোড় -
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু - শুভপ্রতিম রায়চৌধুরী*
বই লাগলে বলবেন..! -
জয় এল কোন পথে - প্রতিভা সরকার
নোটবন্দীর সাতকাহন: পাঁচবছর পর - রঞ্জন রায়
নোটবন্দীর উদ্দেশ্য ও বিধেয়: ফিরে দেখা - রৌহিন ব্যানার্জী
সীমান্ত-রক্ষী বাহিনীর কার্যকারিতার এলাকা বৃদ্ধি - পার্থ সিংহ
এক সম্ভাবনার অপমৃত্যু - সুকান্ত ঘোষ
হতে হতেও হলনা - সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
কাদামাটির হাফলাইফ - ইমানুল হক
আনন্দবনে: বেনারস - দেবায়ন চট্টোপাধ্যায়
চাষার ভোজন দর্শন - ২১শ - সুকান্ত ঘোষ
পাকশালার গুরুচণ্ডালি (৫) - শারদা মণ্ডল
ডিভিশন বেঞ্চ, মাসুমের আনা পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে রাজ্য সরকারকে একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি গড়ার আদেশ দেন
এই কমিটিতে দুই জন আইজি পদমার্যাদার দক্ষ ও সৎ পুলিশ অফিসার ও একজন সম্মনিত শিক্ষাবিদ থাকবেন
হাইকোর্ট এই কমিটির কাজ তদারক করবেন
এই কমিটি ৮ সপ্তাহের মধ্যে মাসুমের অভিযোগগুলি সম্পর্কে তাদের রিপোর্ট পেশ করবেন
এই রিপোর্টে যদি মাসুমের আনা অভিযোগ প্রথমিকভাবে সত্য বলে প্রমাণিত হয়, তবে কিরীটি ও অন্যান্যদের ওপর থেকে ফৌজদারী মামলাটি (কেস নং ১৪৩/২০০৮ তারিখ - ৯/৬/২০০৮) তুলে নিতে হবে
হাতে হাত ধরে পার হবো এই বিষের বিষাদ সিন্ধু
বহু সংগঠন ও ব্যক্তি রাজ্য সরকার ও পুলিশের এই নক্কারজনক কাজের প্রতিবাদ করেছেন
সংগঠন : অ্যামনেস্টি ইন্টার্ন্যাশনাল, হিম্যান রাইট্‌স ওয়াচ (ইউএসএ), ফ্রন্টলাইন ডিফেন্ডারস (আয়ার্ল্যান্ড), ফোরাম এশিয়া (থাইল্যান্ড), দ্য অবজার্ভেটারী (জেনেভা), এশিয়ান সেন্টার ফর হিম্যান রাইটস (দিল্লী), পিপলস ওয়াচ (তামিলনাডু), পিপলস ইউনিয়ান ফর সিভিল লিবার্টিস, হিম্যান রাইট্‌স ল নেটওয়ার্ক, (কর্নাটক), ইন্টার্ন্যাশেনা...
ব্যক্তি : অরুন্ধতি রায় - লেখক, গৌতম নাভালকা - সম্পাদক , সুজাত ভদ্র - মানবাধিকার কর্মী, বিভাস চক্রবর্তি - নাট্য ব্যক্তিত্ব, মেহের ইঞ্জিনিয়ার - বিজ্ঞানী, সুমিত চৌধুরী - চিত্রনির্মাতা, অধ্যাপক তরুণ সান্যাল, মুরাদ হোসেন - , রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায় - লেখক, কল্যান রুদ্র - পরিবেশবিদ, দীপঙ্কর চক্রবর্তি - সম্পাদক অনীক, ক্যারল গী...
২০শে জুন, ২০১০
বিভাগ : আলোচনা | ২০ জুন ২০১০ | ৫১০♦ বার পঠিত
জমিয়ে রাখুন
পুনঃপ্রচার
প্রিন্ট/
কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন
টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন
কীভাবে লিখবেন
পুরোনো-গুরু
গুগল পদ্ধতি গুরু পদ্ধতি যেমন খুশি
বিষয়বস্তু*:
আপনার নাম:
কুমুদি পুরস্কার গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান