content
stringlengths
0
129k
যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের মোবাইল নম্বর স্পুফকারী ফিরোজ খন্দকারকে গ্রেফতার করেছে ডিবির সাইবার ইনভেস্টিগেশন বিভাগ
তার সহযোগী মো. রাকিবুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে
সোমবার (১৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজীমনগর ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়
মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে সাইবার ইনভেস্টিগেশন বিভাগের ইন্টারনেট রেফারেল টিমের লিডার সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন
সাইবার পুলিশ জানায়, ফিরোজ খন্দকার গ্রেফতারের আগে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষাধিক টাকা
তিনি ঢাকার খিলখাঁও থেকে কেরানীগঞ্জের মধ্যে বিভিন্ন বুথ থেকে এ প্রতারণার টাকা তোলেন
সন্দেহ এড়াতে মোটরসাইকেলে চড়ে বিভিন্ন বুথ থেকে অল্প অল্প করে টাকা তোলেন
তবে শেষ রেহায় পাননি ফিরোজ খন্দকার
অভিযোগ পেয়ে পুলিশের সিটি সাইবার ইন্টারনেট রেফারেল টিম খিলখাঁও ও কেরানীগঞ্জের যেসব বুথ থেকে ফিরোজ খন্দকার টাকা তোলেন তার সবগুলোর ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে
প্রযুক্তির সাহায্যে নানান তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ফিরোজ খন্দকারকে সোমবার রাত ১টা ৫ মিনিটে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা আজীমনগর থেকে সহযোগীসহ গ্রেফতার করা হয়
শেখ ফজলে শামস পরশের মামলায় গ্রেফতার হলেও ফিরোজের নামে আরও তিনটি প্রতারণার মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ
গোয়েন্দারা জানান, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের মোবাইল নম্বর স্পুফ করে সংগঠনের বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন এই ফিরোজ
এ কাজে ফিরোজ খন্দকার প্রথমে ইন্টারনেট থেকে যুবলীগের বিভিন্ন কমিটির গুরুপত্ব পূর্ণ নেতাদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন
তিনি ডায়ালার অ্যাপের মাধ্যমে নম্বর স্পুফ করে তাদের কল করতেন
পরে সিটি সাইবারের ইন্টারনেট রেফারেল টিম প্রযুক্তি ও বুথের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে ফিরোজ খন্দকারকে শনাক্ত করে
ফিরোজ খন্দকার এসব ফোন কলে সরাসরি টাকা চাইতেন না
বিভিন্ন কর্মসূচির কথা বলে তিনি যুবলীগ চেয়ারম্যান পরিচয়ে টাকা দাবি করে বিকাশ-রকেট নম্বর দিয়ে টাকা চাইতেন
সংগঠনের চেয়ারম্যানের কল পেয়ে নেতারা উৎফুল্ল মনে টাকা পাঠাতেন
আর প্রতারক রাজধানীর বুথগুলো থেকে এ টাকা তুলতেন
ফিরোজ রাজধানীর খিলখাঁও থেকে শুরু করে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বিভিন্ন বুথে মোটরসাইকেলযোগে গিয়ে এ টাকা উত্তোলন করতেন
তবে এসব ঘটনা একসময় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের কাছে চলে যায়
তিনি বাধ্য হয়ে তার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ করে দেন
তিনি বুঝতে পারেন তার নম্বরটি ক্লোন করে অর্থ আত্মসাৎ করছে একটি চক্র
তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি সতর্কতামূলক পোস্ট করেন
যুবলীগ চেয়ারম্যানের হয়ে ১৫ অক্টোবর রাজধানীর বনানী থানায় ওই প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্যারিস্টার রানা তাজউদ্দিন খান
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৪ ও ২৬ ধারায় মামলাটি করা হয়
এতে মোবাইল নম্বর ক্লোনিং করে টাকা দাবির অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়
মামলার পরপরই সাইবার সিটি তদন্তে নামে
তদন্তের এক পর্যায়ে ফিরোজ খন্দকারকে শনাক্ত করে সাইবার সিটি
সূত্র জানায়, যুবলীগ চেয়ারম্যানের নাম করে তার ব্যবহৃত রবি নম্বরটি ক্লোন করে গত ৯ অক্টোবর প্রথম কল করা হয় গাইবান্ধা যুবলীগের সভাপতি সরদার মো. শাহীন হাসান লোটনের গ্রামীণফোন নম্বরে
সংগঠনের জন্য চাঁদা হিসেবে তাকে একটি রকেট নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হয়
একইদিন নেত্রকোনা যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ও সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের চপলকে ফোন করে বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হয়
১০ অক্টোবর মুশফিকুল ইউনুস জায়গীরদার নামে এক ব্যক্তি ও পাবনা জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সনি বিশ্বাসকে ফোন করে বিকাশে টাকা চাওয়া হয়
এছাড়াও গত কয়েকদিনে একই পরিচয়ে দেশের কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ফোন করে টাকা দাবি করে প্রতারক চক্রটি
সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ রাখেন পরশ
তবে শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে বিষয়টি খোলাসা করেন তিনি
শেখ পরশ বলেন, সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি
যুবলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সকলকে এই মর্মে সতর্ক করা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের মোবাইল নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে ফোন করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টাসহ নানা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে একটি প্রতারক চক্র
অনুগ্রহপূর্বক কেউ প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা দেবেন না
এসইউজে/টিটি/ইএ/জিকেএস
বাংলাদেশ-যুবলীগ
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন
আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়
আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে
আজই পাঠিয়ে দিন - [ ]
ঢাকা ইউনির্ভাসিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১ সকল সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে
আরও চাকরি দেখুন আমাদের এখানে ..
১৯৮০ সালে, কলেজ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তেজগাঁওয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসাবে কাজ শুরু করে এবং উন্নত প্রকৌশল শিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি প্রদান করে
অল্প সময়ের মধ্যে, কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং নামকরণ করে কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
১৯৮১ সালে ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গাজীপুর শহরের বর্তমান ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়
ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), ঢাকা উন্নীত হয়েছে
১৯৮৬ সালে সরকারী অধ্যাদেশ দ্বারা ডিগ্রি রিওয়ার্ডস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্ভাবন করেছে
বিআইটি, ঢাকা ১ লা সেপ্টেম্বর ২০০ "থেকে" ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (ডুয়েট), গাজীপুর "নামে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নামকরণ করে
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত এবং নির্ধারিত হয় (ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর আইন, ২০০)
1981, . (), . 1986, . , (), - 1, 200. ( , , 200).
ঢাকা ইউনির্ভাসিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১
যোগ্যতাঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
অভিজ্ঞতাঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
বেতনঃ বিজ্ঞপ্তি দেখুন
ডেড লােইনঃ ১৫ ডিসেম্বর ২০২১
& 2021
ডুয়েট অবশেষে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে যা এখন মানসম্মত ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার প্রতি তার প্রতিশ্রুতি বাড়াতে পারে এবং এর স্নাতকদের গুণমানের জন্য বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছে
আজ অবধি এটি বিভিন্ন শাখায় প্রায় ৬৩০০ জন স্নাতক তৈরি করেছে
ডুয়েটের পাঠ্যক্রম স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের মাধ্যমে বর্তমান এবং ভবিষ্যতের চাহিদাগুলি সম্বোধন করে
বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের জন্য একটি সাধারণ পরিবেশ প্রদান করা
উদীয়মান চাহিদার উপর ভিত্তি করে ব্যবহারিক জ্ঞান, দক্ষতা এবং নৈতিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ অত্যন্ত দক্ষ কারিগরি পেশাদার তৈরি করা
গবেষণা এবং উদ্ভাবনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্প জুড়ে বহুমুখী একাডেমিক সহযোগিতা প্রচার করুন
দেশের টেকসই আর্থ-সামাজিক ও শিল্প উন্নয়নের জন্য জাতীয় নীতি প্রণয়নে অবদান রাখুন
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানে পরামর্শ প্রদান করা
ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএটি), গাজীপুর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা
এটি সারা দেশে 'ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি' ক্ষেত্রে শিক্ষার আসন হিসাবে বিবেচিত হয়
স্নাতক হওয়ার জন্য শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ছাত্ররা এখানে ভর্তি হতে পারে
পিএইচডি প্রোগ্রাম সকল যোগ্যতার জন্য উন্মুক্ত
আমাদের সাথে থাকুন এখানে ..
সবুজ ত্রিপুরা, পানিসাগর প্রতিনিধি, ৩০ মার্চ : করোনার জেরে লকডাউন ঘোষণার ফলে সাধারণ জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে
বিশেষ করে খেটে-খাওয়া পরিবারগুলির মধ্যে অভাব অনটনের সাথে খাদ্যাভাবের সমস্যা দেখা দিয়েছে
যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আগাম রেশনের মাধ্যমে বিপিএল, অন্ত্যোদয় এবং এডহক পরিবার গুলোকে অর্ধেক রেশন বিনামূল্যে বিতরণ করার সিন্ধান্ত গৃহীত হয়, সেই মোতাবেক প্রতিটি রেশনে বিতরনের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে
সরকারের পাশাপাশি রাজ্যের ভিবিন্ন প্রান্তে বেসরকারি উদ্দ্যোগে ছোট-বড় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, এনজিও, ক্লাবের মত সংস্হাগুলি গরিব এবং দুঃস্হ পরিবারদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে
এমনিভাবে উত্তর জেলার পানিসাগর বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী শ্রী অনন্ত দাস
ছবি সৌজন্যে : রমাকান্ত দেবনাথ
শ্রী দাস উনার কষ্টার্জিত উপার্জনের কিছুটা অর্থের বিনিময়ে নগর এলাকা ও এর আশপাশ এলাকার বেশ কিছু গরিব এবং দুঃস্হ পরিবারের হাতে ওনার সাধ্যমত দুদিনের চাল-ডাল এবং আলু তুলে দেন
তিনি জানান বিগত দুদিন পূর্বে থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় কুড়িটির মত পরিবারকে পাঁচ কিলো চাল, এক কিলো মুশুর ডাল এবং এক কিলো আলু করে বিতরন করছেন
তিনি সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে বিনীত অনুরোধ রাখেন যে, এই বিপর্যয়ের সময় সকলে যেন তাদের সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন
আশা করা যাচ্ছে, ওনার এই ধরনের মহৎ কাজের মধ্য দিয়ে গোটা পানিসাগর এলাকার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন জনগনের মধ্যে সাহায্যের অনুপ্রেরণা জেগে উঠবে
এই পোস্টগুলি আপনার ভাল লাগতে পারে
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
0 মন্তব্যসমূহ
সবুজ ত্রিপুরা
ঘোষণা করা হল ২০২১ সালের পানিসাগর নগরের পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সনের নাম-
ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
পাচার রুখতে গুলি ছোঁড়ে বিএসএফ, গুলিবিদ্ধ ১৯ বছরের এক যুবক-
ডিসেম্বর ০২, ২০২১
জলেবাসা দ্বাদশমান বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় পানিসাগর মহকুমা ভিওিক দিব্যাঙ্গ ছাএ ছাএিদের মধ্যে স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-
وَمَا جَعَلْنَا أَصْحَابَ النَّارِ إِلَّا مَلَائِكَةً وَمَا جَعَلْنَا عِدَّتَهُمْ إِلَّا فِتْنَةً لِّلَّذِينَ كَفَرُوا لِيَسْتَيْقِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ وَيَزْدَادَ الَّذِينَ آمَنُوا إِيمَانًا وَلَا يَرْتَابَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ وَالْمُؤْمِنُونَ وَلِيَقُولَ الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ وَالْكَافِ...
আমি জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক ফেরেশতাই রেখেছি
আমি কাফেরদেরকে পরীক্ষা করার জন্যেই তার এই সংখ্যা করেছি-যাতে কিতাবীরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়, মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং কিতাবীরা ও মুমিনগণ সন্দেহ পোষণ না করে এবং যাতে যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা এবং কাফেররা বলে যে, আল্লাহ এর দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছেন
এমনিভাবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথে চালান
আপনার পালনকর্তার বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন এটা তো মানুষের জন্যে উপদেশ বৈ নয়