content stringlengths 0 129k |
|---|
এদের মরুভূমির সৌন্দর্য বলা হয় |
উটপাখি সাত থেকে আট ফুট পর্যন্ত উঁচু হতে পারে |
এদের ১৫০ থেকে ১৮০ কেজি পর্যন্ত ওজন হয় |
ওজনে যেমন তেমনি আকৃতিতেও বড় উটপাখির ডিম |
উটপাখির প্রতিটি ডিমের গড় ওজন প্রায় দেড় কেজি |
ঘাস খাওয়াচ্ছে |
সাধারণত তৃণভোজী অর্থাৎ শুধুমাত্র ঘাস ও লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকে উটপাখি |
একেকটি উটপাখি বছরে গড়ে ১০০টি ডিম দিয়ে থাকে |
উটপাখি পালনে তেমন খরচ নেই, তাই বাংলাদেশেএটি একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হতে পারে |
এ পাখির মাংস বেশ সুস্বাদু |
স্বাদ অনেকটা মুরগির মাংসের মতোই |
তবে মুরগির মাংসের চাইতেও উটপাখির মাংসে কোলেস্টেরলের পরিমাণ অনেক কম, তাই এর মাংসের কদরও বেশ |
বর্ধনশীল পাখি হিসেবে দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে সহজেই মানিয়ে নিয়েছে উটপাখি |
পুষ্টি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় বিএলআরআইয়ে উটপাখি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক ড. মো. সাজেদুল করিম সরকার |
তিনি বলেন, 'এতদিন অনেকেই সৌন্দর্যবর্ধন এবং শখে উটপাখি পালন করেছে |
অনেকে জানতেনই না যে উটপাখির মাংস শতভাগ হালাল |
এর লালন-পালনকে সহজলভ্য এবং এর মাংসকে জনপ্রিয় করার জন্য আমরা কাজ করছি |
গুণাগুণ বিচারে উটপাখির মাংসের তুলনা হয় না |
বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. আব্দুল জলিল বলেন, 'বাংলাদেশে উটপাখির মাংসের খুবই চাহিদা রয়েছে |
একটা সময় মানুষ বয়লার মুরগি খেতে ইতস্ততা করতো |
এখন বয়লার মুরগি দিয়েই আমিষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে |
তেমনিভাবে অদূর ভবিষ্যতে দেশে আমিষের চাহিদা পূরণে বেশ ভূমিকা রাখবে উটপাখির মাংস |
ড. আব্দুল জলিল আরও বলেন 'মানুষের খাবারে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি উটপাখির মাংস সুলভ মূল্যে তুলে ধরার জন্য আমাদের গবেষণা অব্যাহত রয়েছে |
দ্রুতই দেশে উটপাখির বাণিজ্যিক খামার গড়ে তোলার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে |
ইবি লাইভ: মেসের সিট ভাড়া নেওয়াকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে |
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের পাশর্বর্তী ত্রিবেনী রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে |
পরে মেস মালিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মিমাংসা হয় |
মেস কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য মতে, বঙ্গবন্ধু হলের পাশর্বর্তী ত্রীবেণী রোড এলাকায় কয়েকজন বন্ধুসহ একটি মেসে থাকতেন বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ধ্রুব |
কিন্তু কিছুদিন আগে সে মেস ছেড়ে চলে যায় |
তবে তার চলতি মাসের ভাড়া পরিশোধ ছিল |
ফলে তার সিটে মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বর্ষের হাফিজ ও ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের একই বর্ষের সাকিব উঠেন |
ওই মেসের একটি কক্ষ খালি হলে কয়েকজন বন্ধু মিলে হাফিজ ও সাকিব ভাড়া নিতে চান |
তবে মালিক ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানান |
পক্ষান্তরে ওই একই কক্ষ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মামুনকে ভাড়া দেন মালিক |
মামুন মালিককে অগ্রীম ভাড়াও পরিশোধ করেন |
তার ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে মধ্যস্থতা করেন তার বিভাগের বন্ধু ফারহান সেলিম |
ফলে উভয়ের উপর ক্ষুব্ধ হয় সাকিব ও হাফিজ |
এ ঘটনা কেন্দ্র করে সেলিম ও মামুনের সাথে সাকিব ও হাফিজের সাথে কথা কাটাকাটি হয় |
এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে |
বিষয়টি সমাধানে বাড়ির মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় |
এসময় বাড়ির মালিকের সাথে সাকিব ও হাফিজ বাকবিত-ায় জড়িয়ে পরে |
এসময় আশেপাশে থাকা এলাকার লোকজন সাকিব ও হাফিজের উপর চড়াও হয় |
পরে মেস মালিক ও কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষার্থীর মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয় |
ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী ফারহান সেলিম বলেন, 'হাফিজ ও সাকিব মেসে মাদক সেবন করতো |
তাই মেস মালিক তাদের রুম ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানায় |
মেস মালিক আমাকে ও মামুনকে ওই রুমে উঠতে বলে |
তারা (সাকিব ও হাফিজ) আমাদের উপর অভিযোগ আনে আমাদের জন্যই বাড়িওয়ালা তাদের ভাড়া দেয়নি |
সে অভিযোগ এনে সকালে আমার রুমে ঢুকে বাড়িওয়ালার সামনে আমাদের চড় থাপ্পড় মেরে যায় |
দুপুরে বের হলে পুনরায় আমাদের মারধর করে |
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, 'বাড়িওয়ালা আমাদের ভাড়া দিবে বলে কথা দিয়েছে |
বিষয়টি নিয়ে ওদের (সেলিম ও মামুন) সাথে কথা বলতে গেলে ওরাই আমাদের উপর আক্রমণ করে |
আমরা নিজেদের প্রটেক্ট করেছি |
মেস মালিক এরশাদ হোসেন বলেন, 'ছেলেটি (সাকিব) তার বন্ধুর সিটে থাকতো |
তার বন্ধু (ধ্রুব) এ মাস পর্যন্ত রুম বরাদ্দ রেখেছিল |
সে অনুযায়ী এ মাস শেষে আমি তাকে সিট থেকে নেমে যেতে বলি |
আমার আর একটি রুম খালি হলে সেখানে অন্য একটি ছেলেকে উঠানোর জন্য ফাইনাল করেছি |
তাকে আমি রুম ভাড়ার ব্যাপারে কোনো কথা দেইনি |
তারা উঠতে চাইলে আমি তাকে মানা করে দিয়েছি |
বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, 'বিষয়টি শুনেছি |
এই ক্রান্তিলগ্নে শিক্ষার্থীদের নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রেখে চলা উচিত |
বিষয়টি আমি পুলিশকে জানিয়েছি |
তারা দেখভাল করবে বলে জানিয়েছে |
অপরাধ হলো মহান রবের নিয়ম করে দেয়া বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে প্রেমে জড়ানো |
আল্লাহর অবাধ্য হয়ে সমস্ত ভালোবাসাই অপবিত্র, হারাম |
আর বিয়ের পর সকল ভালোবাসাই পবিত্র, ইবাদত- এক জান্নাতী শিহরন |
কারো প্রেমের অধিকার নষ্ট হোক তা আমরা চাই না |
তাই পুরো বইটি জুড়ে যে ম্যাসেজগুলো আমরা অভিভাবক মহলে পৌছাতে চাই তা হলো- |
-ছেলে মেয়ে বয়ঃসন্ধিকালে পদার্পনের পর পারস্পারিক আকর্ষন জম্মাবে |
কাউকে ভালোবাসতে চাইবে |
এটা বাস্তব |
এটাকে অস্বীকার করার উপায় নাই |
বরং এটাই সৃষ্টিকর্তারই এক বিশেষ নেয়ামত মানবসমাজে প্রতি |
তাই সন্তান বয়ঃসন্ধিকালে পদার্পনের পরই ইসলাম বিয়ে দিতে বলেছে - |
আমরা যেমন বইটিতে কৈশোরের এই প্রেম ভালোবাসার বাস্তবতা তুলে ধরেছি তেমনি অভিভাবকদের নিকট এই বাস্তবতা স্বীকার করে সন্তানের বিয়ে করিয়ে দেয়ার আবেদন জানিয়েছি |
কিন্তু আমাদের বাবা মায়েরা বিভিন্ন শর্ত দেয়- বিয়ে করে বউ খাওয়াবি কি? সহজসরল যুক্তি দিয়ে সেসব অভিযোগ গুলোরও খন্ডন করা হয়েছে |
যুক্তি ও দলিলের আলোকে এটা প্রমান করে দিয়েছি যে দারিদ্রতা বিয়ের জন্য কোনো বাধা নয় বরং বিয়েই স্বাবলম্বী হওয়ার অন্যতম এক মাধ্যম |
কিন্তু এরপরও অনেক বাবা মায়ের কাছে সন্তানের চারিত্রিক পবিত্রতার কোনো গুরুত্ব হয়তো থাকবে না |
আবার অনেকে বিয়ে করা ব্যতিত হারাম প্রেমও ছাড়তে পারছেন না |
দ্বীন পালনে সতর্ক সেসব প্রেমিক-প্রেমিকাদের সমাধানের একমাত্র পথ বিয়ে |
খুব সহজে কিভাবে বিয়ে করে সম্পর্কটাকে পবিত্র করা যায় - তা খুব সহজসরল বোধগম্য ভাষায় বলে দেয়া হয়েছে 'ভালোবাসার বন্ধন ' বই এর মাঝে |
অনেক দ্বীনদার ছেলেও মেয়েও প্রেম নামক হারাম সম্পর্কের মাঝে আছে |
ইনশাআল্লাহ হয়তো তারা তাদের সম্পর্কটাকে হালাল করে নেয়ার সুযোগ পাবে |
অন্ততপক্ষে মহান রবের আজাব ও চারিত্রিক অপবিত্রতা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবে |
প্রেম আমাদের কাছে শুধু আল্লাহর অবাধ্য হয়ে হারাম সম্পর্ক নয় |
হারাম প্রেম শুধু সমাজ কিংবা পারিবারিক প্রথার ধ্বংসের মুল অস্ত্রই নয়- হারাম প্রেম পুরো মানবতার জন্য ক্ষতিকর |
একটা পশু সন্তান জম্ম দিলে তার সন্তানের অধিকার রক্ষা করে |
কিন্তু হারাম প্রেমের কারনে নষ্ট হচ্ছে শতশত মানবসন্তান |
নিজ হাতে নবজাতককে হত্যা করে কিংবা ডাস্টবিন বা ময়লার স্তুপে ফেলে এসে মা তার মানবতার কবর রচনা করেছেন |
নিজেদের পশুদের থেকেও নিম্মপর্যায়ের প্রানীর অন্তর্ভুক্ত করেছেন |
কিন্তু এটাও বাস্তব- প্রেম - শারিরিক সম্পর্ক মানুষের মৌলিক চাহিদার অংশ |
আমরা যখন সন্তানের বিয়ের ব্যবস্থা না করবো |
সময় হওয়ার পরও কেউ বিয়ে করতে চাইলে বাধা দিবো- তখন হারাম সম্পর্ক বন্ধ করা সম্ভব হবে না |
আমাদের কাছে হারাম প্রেমকে নেশার মতো মনে হয় |
যেভাবে মাদকের নেশা মানুষকে ধ্বংস করে দিচ্ছে তেমনি হাজারও প্রান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এই প্রেমের নেশায় |
প্রেম অন্তরে পচন ধরায় |
হারাম প্রেমের এই মহামারি থেকে বাচাতে দরকার হলো বিয়ে - বিয়ের গুরুত্ব মুসলমান যুবক যুবতির কাছে রয়েছে অনেক |
এক হাদিসে আছে : যে ব্যক্তি আল্লাহর সামনে পুত ও পবিত্র অবস্থায় উপস্থিত হতে চায় সে যেনো বিয়ে করে |
একটি পবিত্র ও ভালোবাসাময় জীবনের জন্য বিয়ে মুসলিম যুবকযুবতির জন্য খুবই দরকার |
আমাদের জীবনে বিয়ের গুরুত্ব উপলদ্ধি করার জন্য হলেও বইটি একবার পড়ুন |
প্রিয় মানুষগুলোকে উপহার দিন... |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.