content
stringlengths
0
129k
সরকারি অন্যান্য পোর্টাল দেখুন
বিভাগ বিভাগ পর্যায়ের সরকারি অফিস জেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিস আঞ্চলিক অফিসসমূহ বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ
মাওয়া-কাওড়াকান্দি ও মাঝিকান্দি নৌ-রুটে যাত্রী ধারন মতার চেয়ে তিন থেকে চার গুন যাত্রী বোঝাই করে এক শ্রেণীর অসাধু লঞ্চ মালিক ও লঞ্চ স্টাফরা আইন কানুনের প্রতি কোন রকম তোয়াক্কা ছারাই পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছে
আর এতে করে যে কোন সময় এ নৌ-রুটে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের নৌ-দূর্ঘটনা এবং ক্ষতি সাধন হতে পারে অসংখ জানমালের
যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্বার জন্য ও অতিরিক্ত ওভারলোড ঠেকানোর জন্য বি.আই.ডব্লিউ.টিএর ট্রাফিক বিভাগ থেকে এক জন পরিবহন পরিদর্শক (টি.আই) মাওয়া ঘাটের জন্য দেওয়া হয়েছে
টি.আই সর্বদা লঞ্চ পল্টুটে তার অফিস সাজিয়ে বসে থাকলেও তার চোখের সামনেই লঞ্চগুলোকে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে মাওয়া ঘাট ত্যাগ করতে দেখা যায়
জানা যায় এ নৌ-রুটে প্রায় ৮৭ টি লঞ্চ চলাচল করছে
এ লঞ্চ গুলোর ধারন মতা প্রকার ভেদে ৮০ থেকে থেকে ১৫০ জন
কিন্তু এক শ্রেণীর অসাধু লঞ্চ মালিক ও স্টাফরা অধিক মুনাফার লোভে যাত্রীদের জান মালের নিরাপত্বার কথা ভুলে গিয়ে মাওয়া ঘাটের টি.আই. আক্তার হোসেনকে ট্রিপ প্রতি ২০০শ' টাকা ধরিয়ে দিয়ে তার চোখের সামনেই অতিরিক্ত ওভারলোড নিয়ে চলাচল করছে এবং দীর্ঘ এ নৌ-রুট পাড়ি দিচ্ছে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লঞ্চ মালিক ও স্টাফরা এ প্রতিবেদকরে সংঙ্গে আলাপকালে জানান, লঞ্চগুলোর যখন ট্রিপ লাগে তখনি টি.আই আক্তার হোসেন লঞ্চের কাছে আসেন এবং ২০০ টাকা দাবি করেন তাকে টাকা না দিলেই মামলার ভয় দেখান এবং গালিগালাজ করেন
টাকা দিতে পারলে যতখুশি যাত্রী নেওয়া যাবে
টাকা না দিলে সিমিত সংখক যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলেকে ঘাট ত্যাগ করতে হয়
তারা আরো বলেন, ৮৭টি লঞ্চের থেকে প্রতি মাসেই তাকে নির্ধারিত টাকা দেওয়া হয়
তার পরেও তার চাহিদার শেষ নেই
সরেজমিনে মাওয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায় কাওড়াকান্দি থেকে লঞ্চ ঘাটে ভিরবে ঠিক সেই মুর্হুতেই টি.আই গিয়ে লঞ্চ এর সামনে গিয়ে হাজির তখন তিনি লঞ্চ কেরানিকে বললো কি ভাই ট্রিপতো ভালোই আইছেন টাকা দেন
এ ব্যাপারে টি.আই. আক্তার হোসেনের সাথে এ সব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি চটে গিয়ে বলেন আমি আপনার সাথে কোন কথা বলবোনা
এ কথা বলেই তিনি রুম থেকে বেরিয়ে যান
মুন্সীগঞ্জবার্তা
শেয়ার করুনঃ
:
...
অপরাধনামা, মাওয়া
" "
মুন্সিগঞ্জ টিভি লাইভ
বিভাগ অনুসারে...
বিভাগ অনুসারে... (1) (5) . (1) (2) (232) (10) (1,707) (10) (149) (2) (13) (42) (2) (5) (1) (9) (82) (2) (4) (2) (120) (184) (1) (29) (18) (33) (108) (348) (14) (446) (18) (20) (1) (4) (16) (2) (4) (5) (1) (22) (156) (164) (11) (2) (90) অতীশ দীপঙ্কর (52) অতুলপ্রসাদ সেন (4) অনন্য আজাদ (10) অনিল কুমার চক্রবর্তী (7) অপরাধন...
ফেসবুক থেকে আবার ইনকাম করা যায়! ফেসবুকে আমরা সবাই আসক্ত হয়ে পড়ছি
অনেকে বলছেন কিংবা বিশ্বাস করছেন, ফেসবুক মানেই সময় নষ্টের জায়গা, ফেসবুক মানেই বর্তমান যুগে সব কুকর্মের স্থান, ফেসবুক মানেই হলাে ইয়ং ছেলেমেয়েদের বিপথে যাওয়ার জায়গা
কথাগুলাে কিন্তু মিথ্যা না
আসলে এ ঘটনাগুলাে এখন ফেসবুকের মাধ্যমেই ঘটছে
পড়ালেখা বাদ দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ছেলেমেয়ে ফেসবুকে সময় নষ্ট করছে
কিন্তু ফেসবুকের মাধ্যমে ভালাে ভালাে ঘটনাও ঘটছে
অনেক অপরাধীকে পাকড়াও করা, রক্ত জোগাড় করা, বিভিন্নজনের বিপদে ফেসবুকে পােস্ট দিয়ে টাকা উঠিয়ে তার চিকিৎসা করানােসহ আরও অনেক ভালাে কাজের উদাহরণ রয়েছে
সব কিছুর ভালাে ও খারাপ দুটো দিকই রয়েছে
সচেতনতার অভাবে আমরা হয়তাে খারাপ কাজেই বেশির ভাগ সময় ফেসবুককে ব্যবহার করছি, কিন্তু যারা অনলাইন প্রফেশনাল, তারা ফেসবুককে বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ মনে করছে
বিশ্বে এ মুহূর্তে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছে
এতসংখ্যক মানুষের সঙ্গে সংযােগ স্থাপনের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুককে ব্যবহার করার সুযােগ রয়েছে
পৃথিবী এখন সত্যিকারের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে ফেসবুকের কল্যাণে
ফেসবুকের কল্যাণে এখন বাংলাদেশে বসে আমেরিকার একজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব হচ্ছে, জানা যাচ্ছে ইউরােপের আপডেট
পুরাে দুনিয়ার যােগাযােগ হাতের মুঠোয় চলে এসেছে
এই সুবিধাটা কেউ কাজে লাগাচ্ছে
আর কেউ হয়তাে আড্ডা দিয়ে সময় নষ্ট করছে
আপনি কীভাবে কাজে লাগাবেন, সেটি আপনার সিদ্ধান্ত
এ বইটা মূলত তৈরি করেছি, যাতে ফেসবুকে অযথা সময় নষ্ট না করে সেই নেশাটাকে প্রফেশনালি কাজে লাগাতে পারে
আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার বিরাট সুযােগ এনে দিয়েছে ফেসবুক
সে ব্যাপারেই গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করছি পুরাে বইটাতে
আমরা সবাই ফেসবুক ব্যবহারটা জানি
এখন আর কিছু বিষয় জেনে নিলে ফেসবুক থেকে মাসে ভালো একটা আয় করা সম্ভব
আগে জেনে নিই, ফেসবুক ব্যবহার জেনেই কীভাবে আয় বা ইনকাম করতে পারবেন?
১. এফ-কমার্স: ফেসবুকে পেজ খুলেই বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসা করা যায়
এটা এফ-কমার্স
যারা ফেসবুককে ব্যবহার করে এ ধরনের ব্যবসা করছেন, তাদের মাসিক আয় ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা
কারও কারও ভালাে বিনিয়ােগ থাকার কারণে আরও বেশিও আয় হচ্ছে
সেটা ১ লাখ-২ লাখও হতে পারে
প্রােডাক্ট: শাড়ি, মেয়েদের ড্রেস, গিফট আইটেম ইত্যাদি
চ্যালেঞ্জ : ছােট ইনভেস্ট, প্রােডাক্ট সিলেক্ট, প্রােডাক্ট ডেলিভারি, মার্কেটিং
২. টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন: বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় ইনকাম সাের্স হচ্ছে টি-শার্ট অ্যাফিলিয়েশন
এই অ্যাফিলিয়েশনের
.@.
://.
: 111
ফেসবুক থেকে আয় ২০২২, ফেসবুক থেকে ইনকাম, ফেসবুক থেকে ইনকাম করার উপায়, ফেসবুক মার্কেটিং, ফেসবুক মার্কেটিং কত প্রকার, ফেসবুক মার্কেটিং করে আয়, ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং
টগর এন্ড জেরি হুমায়ূন আহমেদ স্যারের একটি শিশু কিশোর মূলক গল্পের বই
আপনার বাড়িতে শিশু-কিশোরদের হাতে মোবাইল ফোন না তুলে দিয়ে চমৎকার গল্পের বই তুলে দিতে পারেন
তাছাড়া আপনার সন্তান যদি পড়া শিখে ফেলে তাহলে থেকে আপনার মোবাইল ফোনে টগর এন্ড জেরি বইটির পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে দিতে পারেন
তাই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে টগর এন্ড জেরি বইটি ডাউনলোড করে নিন এবং আপনি পড়ার পাশাপাশি আপনার সন্তানকে বইটি পড়ার সুযোগ করে দিন
চমৎকার এই বইটি যেকোনো বয়সের মানুষের মন ভালো করতে সাহায্য করবে
তাই দেরি না করে আমাদের ওয়েবসাইটের নিচের দিকে যান এবং সেখান থেকে আপনারা টগর এন্ড জেরি বইটি ডাউনলোড করে নিন
অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হওয়ার টম এন্ড জেরি বইটির একটি শিশু কিশোর গল্পের বই
এ বইটির বর্তমানে মুদ্রিত মূল্য 150 টাকা এবং বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মাত্র 16 টি
যদিও বইটির হার্ডকপি বাজারে এখন এভেলেবেল না, তার পরেও পিডিএফ ফাইল আকারে আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটে এই বইটি পেয়ে যাবেন
বলপয়েন্ট হুমায়ূন আহমেদ
6, 2021
হুমায়ূনের ভুবন হুমায়ূন আহমেদ
6, 2021
টগর এন্ড জেরি বইটির কাহিনী সংক্ষেপ
টগর একজন কিশোর বয়সের বালক
সে তার পরিবারে বাবা মা বড় বোনের সঙ্গে বসবাস করে
তার বাবা তাকে প্রচন্ড পছন্দ করে এবং ভালোবাসে
তারা বন্ধুর মতো সময় কাটাই
টগরের একটি পছন্দের কার্টুন সিরিজ হলো টম এন্ড জেরি
বাবা অফিস থেকে ফিরে আসলে এই দুইজন বন্ধুর মতো এই পছন্দের সিরিজ দেখতে টিভির সামনে বসে
তার বাবা বলে যে তিনি নাকি টম
আর টগর হয় জেরি
খুব মজা করে এবং অতি উৎসাহে তারা এই কার্টুন পর্ব উপভোগ করে এবং নিজেরা অভিনয় করে আনন্দ পেয়ে থাকে
হঠাৎ করেই ঠাকুরের বাবার বড় ধরনের অসুখ করে
সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তার বাবার অপারেশন করা লাগবে
তাই তার মা এবং বড় বোন তার বাবাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকে
ইতোমধ্যে তার মা টগরকে জানায় যে তারা তাকে সাথে নিচ্ছে না
যেহেতু তারা ঘুরতে যাচ্ছে না এবং প্রয়োজনীয় কাজে সেখানে যাচ্ছে সেহেতু বাচ্চা ছেলেকে নিয়ে গিয়ে কোন কাজ নেই
তাই টগরের মা তাকে খুব বোঝায় এবং কাঁদতে নিষেধ করে
আজকে টগর তার বাড়িতে একা বসে বসে টিভি দেখছে এবং টিভিতে চলছে তার পছন্দের কার্টুন সিরিজ
তবে অন্যান্য দিনের মতো সে আজকে কোন কিছুতেই মন বসাতে পারছি না এবং তার কিছুতেই ভালো লাগছে না