content stringlengths 0 129k |
|---|
নতুন মা: আমার চোখের আড়ালে করুক ! |
সূচি : এই তোমার শিক্ষা ? যদি বিপদ ঘটিয়ে আসে ? |
নতুনমা: ওহ তুই বলতে চাস, আমি নিজেই ওকে উস্কে দি নোংরামি করতে? তোর মনের রোগ ধরেচে ! আমি কালই চলে যাবো ! এমন জায়গায় ফেললি আমায় , চিন্তা কর মা হয়ে সিন্টুর সামনে দাঁড়াতেই আমার অস্বস্তি হচ্ছে ! |
সূচি: অস্বস্তি কাটিয়ে নাও ! এই চার দেয়ালের বাইরে না গেলেই হলো ! |
নতুন মা: হ্যাঁ আজ তুই কাল শর্মিষ্ঠা ( আমার বোন ) , তোর পাপের ভয় নেই ! |
সূচি: শোনো ভগবান কেন দিয়েছে আমার এই শরীর ? ভোগের জন্য ! তোমার মতো শুকিয়ে মরতে চাই না ! |
নতুন মা: বেশ তো রমেন কে আমি বলবো তুই কি করেছিস আজ ! সিঁথির সিঁদুরের তুই দাম রাখলি না সূচি ! এতো নেমে গেছিস তুই ! |
সূচি: আমি তো স্বামী কে ফেলে এসব করছি না ! আর রমেন আমায় এতো আনন্দ দেয় নি যা সিন্টু দিলো |
উফফ দিদি তুমি যদি একবার দেখতে |
নতুন মা: থাম সূচি তুই মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছিস ! সিন্টু কে প্রশ্রয় দেয়া তোর খুব নিচ পাপ কাজ হয়েছে ! আমাকে তুই শুধু অপমান করলি না , আমায় এমন জায়গায় দাঁড় কৱালি যে সিন্টুর সাথে আমার স্বাভাবিক সম্পর্ক টাও নষ্ট হয়ে গেলো |
সূচি: তাহলে তোমার দেয়া শিক্ষার উপর তোমার ভরসা নেই বলো ? |
নতুন মা: ভাবি নি সিন্টুও তোর সাথে এতো টা নিচে নেমে যাবে ! |
সূচি : এটা প্রকৃতি মিনু দি ! পুরুষ স্ত্রীর স্বাভাবিক শারীরিক সম্বন্ধ ! সম্পর্কের দোহাই দেয় মানুষ ! প্রকৃতি দেয় না ! |
নতুনমা : নাঃ নাঃ আর কোনো কথা বলিস না ভাবলেই গা ঘিন ঘিন করছে ! |
সূচি : আজ রাত ভেবে দেখো ! খুব খারাপ কিচু বলি নি |
আর রমেন কে আমি নিজেই বলবো যত দিন বিয়ে না হচ্ছে ওর সাথে এভাবেই থাকতে চাই ! |
নতুন মা অবাক মুখ নিয়ে তাকিয়ে হাল ছেড়ে মুখ নামিয়ে বসে থাকে |
আমিও জানি এটাই সুযোগ |
সময় আর হাতে কৈ |
সামনের সপ্তাহেই নতুন মা চলে যাবে |
খাবার টেবিলের এক প্রান্তে আমার দিকে বেশ বিতৃষ্ণার ভাব নিয়ে তাকিয়ে নতুন মা খেতে বসলো |
আমার বেশ অভিনয় করতে মজা লাগছিলো |
আমিও অপরাধীর মতো মাথা নিচু করে বসে নিঃশব্দে খাবার খাচ্ছিলাম |
মাসি কিন্তু খাবার দিয়ে বললো যে যার মতো নিয়ে নাও বেড়ে দেবার কিছু নেই |
নতুন মা কে বুঝতে না দিয়ে রান্না ঘর থেকে আমার দিকে ইশারা করে বললো : |
"কিরে কেমন এক্টিং করছি ?" |
আমিও টেবিলের নিচে থেকে হাতের ওকে দেখিয়ে বললাম ঝাক্কাস !" |
মাসি ইশারা করে বললো "চালিয়ে যাই এমন ! সামলে নিতে পারবি তো ?" |
আমিও জানি সামলে নিতে না পারলেও নিষিদ্ধ যৌনতায় মন কেমন যেন টানছে |
নতুন মাকে একটু বিরক্ত করলে ক্ষতি |
তাছাড়া মায়ের এই রক্ষণশীলতা যেন আমাকে আরো কামুক করে তুলছিলো |
খেতে শুরু করলাম |
পশে বসে খাচ্ছে সূচি মাসি |
মাও খাচ্ছে এক মনে |
কিন্তু নিশ্চয়ই কোনো চিন্তায় মগ্ন |
সূচি মাসি মজা করার জন্য আমার বুকের জামার উপরের দুটো বোতাম নামিয়ে দিয়ে আমার লোমশ বুকটা বিশ্রী ইঙ্গিত করার মতো হাতাতে হাতাতে মায়ের ধ্যান ভঙ্গ করার জন্য বললো "মিনু দি আরেকটু এঁচোড় নাও !" |
পার্শে মাছের ঝাল পুরো টা নিয়ে নিও কিন্তু !" |
নতুন মা তাকিয়ে আমার খোলা বুকে সূচি মাসির হাতানো দেখে থতোমত খেয়ে তাকিয়ে রইলো সূচি মাসির দিকে |
তার পর নিজেই নিজের সম্ভ্রান্ত ভদ্র চরিত্র কে সামনে ঢাল করে রেখে মাথা নামিয়ে অগ্রাহ্য করলো সূচি মাসি কে |
সূচি মাসির মুখের দিকে তাকালাম |
নতুম মায়ের এরকম এড়িয়ে যাওয়ার ব্যবহারে সূচি মাসি যারপর নাই অপমানিত |
এ যেন একটা মেয়ের আত্মসমানের লড়াই আরেকটা মেয়ের সাথে |
মাঝে আমি পিষে যাচ্ছিলাম ঘুন হয়ে |
সূচি মাসি যেন খানিকটা প্রতিশোধ স্পৃহা বুকে নিয়ে নতুন মাকে আরো একটু হারিয়ে দিতে চাইলো |
বাব্বা সিন্তু তোর সাইজ টা কি বড়ো! কেমন করে করলি ওতো বড়ো ? |
আমি মুখ নামিয়ে খেয়ে গেলাম , কারণ মুখ নামিয়ে নেয়া ছাড়া আর এখানে আমার চরিত্রে কোনো রোল মানায় না |
হ্যারে সিন্তু তুই কেমন বাবা , মাসি তাকে কেমন লাগলো বলি না ? |
আচ্ছা তোর বান্ধবী দের থেকে ভালো না খারাপ ! |
কথা শুনে নতুন মা রগে মুখ নিচু করে খাওয়াই থামিয়ে দিলো |
মনে হচ্ছে রেগে লাল হয়ে গেছে |
নতুন মাকেও সুযোগ দেয়া দরকার |
আমিও বিরক্ত হবার ভান করে বললাম |
"আঃ মাসি কি হচ্ছে নতুন মা সামনে !" |
আমার খাওয়া প্রায় শেষ |
কিন্তু আমায় উঠতে না দিয়ে থামিয়ে দিয়ে সূচি মাসি বললো "দাঁড়া , আচ্ছা মা সামনে আছে তো কি ! তোর মা বুঝি কোনো দিন কাওকে লাগায় নি !" |
কথার উত্তর না দিয়ে আমি উঠে পড়লাম জোর করে |
আর নতুন মাকে সুযোগ করে দিলাম কথা বলার |
"দেখ সূচি যেটা তুই করছিস সেটা ভীষণ অন্যায় আর অনৈতিক ! আর সিন্তু আমি কি তোদের কিছুই শিক্ষা দি নি , এতো বেয়াদপ হয়ে গেলি এই কটা বছরে ! মার্ সামনে নোংরা কথা বলতে গায়ে লাগলো না একটু , এতো মোটা তোদের চামড়া ? " |
আমিও এবার সুযোগ নিলাম |
এযেন যুবভারতীতে ফুটবলে ফরওয়ার্ড আর স্কিপারের মধ্যে বল দেয়া নেয়া চলছে |
সূচি মাসি হাত ধুতে গেলো থালা তুলে |
আমিও এই সুজকে এক বাউন্ডারি মারলাম |
"নতুন মা তুমি এতো সিরিয়াস হয়োনা তো ! এসব নিয়ে এতো গায়ে মাখার কি আছে ! আমি আমার সীমার মধ্যেই আছি ! তুমি একটু শান্ত হও দেখি ! যত নোংরা ভাবছো ইটা সেরকম কিছু না ! আমরা পার্ভার্ট না !" |
এর মধ্যেই নতুন মায়ের সামনে সূচি মাসি সোজা আমার প্যান্টের উপর থেকে আমার গোটা লেওড়া খাবলে মুঠো মেরে ধরে বললো " ছাড় তোর মা ওল্ড ফ্যাশনের হয়ে গেছে ! একটা মহাভারত কিনে দিস এবার বাড়ি গিয়ে মাথায় আঁচল তুলে পড়বে |
সিন্তু চল আমার ঘরে শুবি আজ ! আমিও ব্যাজার মুখ করে দাঁড়িয়েই রইলাম |
ধোন না ছাড়িয়ে |
"নারে মাসি আজ ছেড়ে দে , হেলমেট নেই !" তার পর ধোন ধরে টানতে টানতে আমায় সূচি মাসি নিজের শোবার ঘরে নিয়ে গেলো |
আমাদের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে বসে রইলো রাগে নতুন মা |
কি বলতে পারে ? |
ঝন ঝন করে থালা বাসন ছুড়ে ফেলার আওয়াজ হলো |
হাত ধুচ্ছে নতুন মা , আর রাগে গজ গজ করছে কিছু অভিসম্পাত করে |
যদিও সে সব কিছু শোনার অবস্থাতেই আমি ছিলাম না |
সূচি মাসির হাতের স্পর্শে আমার ধোন ঠিক যেন 3 রাম খেয়ে স্যালুট মারছে |
চোখ টিপে মুচকি হাসি দিয়ে সূচি মাসি বললো : |
দেখ সিন্তু তোর জন্য এতো কিছু করছি , আমায় যদি না দিস না রোজ , দেখতে পাবি |
সূচি মাসি বিদ্যুৎ বেগে আমার প্যান্ট থেকে আধ খাড়া ধোনটা বার করে মুখে নেবার আগে আমায় ফিসফিস করে বললো " সিন্তু দেখ তোর মা আসবে হাত পুঁছে এখনই ঝগড়া করতে ! তুই শুধু দাঁড়িয়ে থাকে এই বিছানার ধার ধরে ! " |
বলে গ্ল্যাপ গ্ল্যাপ করে মুখের মধ্যে লেওড়া দিয়ে সূচি মাসি স্লোপি স্টাইলে চোষার ভঙ্গিমা দেখাচ্ছিলো |
আমিও মুখে যেন একটু বিরক্তির হালকা ভঙ্গিমা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি |
"হ্যারে সিন্তু তুই বলছিলি না ...."বলে ঘরে ঢুকে থেমে আমাদের ওই অবস্থায় দেখে সাথে সাথে চরম বিব্রত হয়ে বেরিয়ে যাবার চেষ্টা করে থমকে দাঁড়িয়ে গেলো নতুন মা |
তার পর চেচাতে শুরু করলো নতুন মা |
"বেরিয়ে যাবো ? কেন বেরিয়ে যাবো আমি ! এই সূচি দাঁড়া, সিন্তু আমি গায়ে মাখবো না তাই না ! কেন গায়ে মাখবো না ? একটা শিক্ষিত ছেলে হয়ে এই শিক্ষা পেয়েছো তুমি বাবার কাছে ? মাসির সাথে নোংরামি করতে বিবেকে বাঁধলো না ? |
আর সূচি তুই , আমায় বলছিস মহাভারত পড়তে ? তা নিউ ফ্যাশন টা কি ? তুই ই যেটা করছিস সেটাই ? " |
সূচি মাসি লালা ভরা মুখ থেকে আমার পাকা সিঙ্গাপুরি লাল কলা বার করে বললো " শোনো যা বলছো না ওসব মহাভারতের , দেখো বাড়ি বাড়ি ! তোমার ওই কনসেপ্ট চলে না , জীবন একটাই আনন্দ করো ! তুমি ওল্ড ফ্যাসন্ড !" |
ক্রোধে অন্ধ হয়ে নতুন মা ধাক্কা দিয়ে বসলেন সূচি মাসি কে" কি যতবড় মুখ নয় টোটো বড়ো কথা আমি ওল্ড ফ্যাশনড " |
সূচি মাসি এতটুকু রেগে গেলো না |
আরাম করে দাঁড়িয়ে নিজের এটোপিক ব্লাউস টা খুলে নিয়ে মাই গুলো ল্যাংটো করে ফেললো আমার সামনে |
আমার দিকে তাকিয়ে বললো " বাবু ছাদে খেতে প্যারিস নি না ঠিক মত ! সারা রাত মুখে নিয়ে ঘুমাবি !" |
" শোনো যাও তুমি ওভারস্ট্রেস্ড , আর তুমি ওল্ড ফ্যাসন্ড! যা আমরা পারি তা তুমি পারবে না , তুমি তো এখনো সীতা গীতা , রাধা নিয়ে পড়ে আছো ! এসবের কোনো অভিজ্ঞতাই নেই |
জীবন কে অনুভব করো নি তোমরা |
ছল ছল করে ওঠে নতুন মায়ের মুখ , ফুঁপিয়ে ওঠে রাগে " আমি ওল্ড ফ্যাসন্ড ?" বলেই আমাকে ২০ গুন্ আর সূচি মাসি কে ৪০ গুন্ আশ্চর্য করে আমাদের স্ট্যাচু বানিয়ে আমার সামনে হাটু মুড়ে বসে আমার ধোন মুখে নিয়ে গোগ্রাসে চুষতে থাকে নতুন মা |
কালো ময়াল সাপের ঠান্ডা শয়তানি স্রোত বয়ে যায় আমার শরীরে |
খানিকটা চুষে " ফুঁপিয়ে বলে সূচি ইটা করলেই নিউ ফ্যাশান হওয়া যায় ? " |
উহু উঁহু , করে ঘাড় নেড়ে বেশ এরিস্ট্রোকেট ভাবে সূচি মাসি এগিয়ে যায় নতুন মায়ের দিকে |
" তুমি যেটা করলে সেটা নোংরামি হলো |
ভদ্র ভাবে , ভালো ভাবে !" |
বলে আসতে আসতে বুকের আঁচল সরিয়ে ব্লাউস খুলে ফেললো নতুন মায়ের |
আর অবলা শিশুর মত ছল ছল চোখ নিয়ে দাঁড়িয়ে এক দৃষ্টিতে দেখতে থাকে নতুন মা সুচির দিকে |
যেমন আমি পারছি সেটা তুমি করে দেখাও মেনে নেবো তুমি ঠিক , আর কোনো দিন সিন্তু কে এসব করতে উৎসাহ দেব না , জানবো তোমার আদর্শই ঠিক |
বলে সূচি মাসি দু পায়ের গোড়ালি তুলে দু পা ফাঁক করে নিচু হয়ে গলা পর্যন্ত আমার ধোন মুখে নিয়ে গ্ল্যাপ গ্ল্যাপ করে লেওড়াটা চুষে চুষে লালা মাখিয়ে মুখ ভ্যাকুয়াম করে মুন্ডি মুখ থেকে বার করতে লাগলো কর্কের ছিপি খোলার মত |
সুখে চোখ বুঝে খাড়া ধোন নিয়ে সূচি মাসির মায়ের বোঁটা গুলো দাঁড়িয়ে বিনোতে লাগলাম |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.