content
stringlengths
0
129k
প্রথম পাতা " খেলা " রাঙামাটিতে শেখ রাসেল স্মৃতি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
৭২ বার পঠিত
সোমবার ● ১৮ অক্টোবর ২০২১
রাঙামাটিতে শেখ রাসেল স্মৃতি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
রাঙামাটি :: পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৭তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে ৫ম বারের মতো "শেখ রাসেল স্মৃতি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা ২০২১" রাঙামাটির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন কাপ্তাই লেইকে অনুষ্ঠিত হয়
রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার, এম.পি
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান, পিএসসি; রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার, মীর মোদ্দাছছের হোসেন
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য ইফতেখার আহমেদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের উদ্ধর্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিভাগ,দপ্তর,সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দসহ অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন
দুপুর বেলা ২.৩০ টায় করোনা সংক্রমণরোধকল্পে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাপ্তাই হ্রদের মধ্য টিলা হতে রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত শেখ রাসেল স্মৃতি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিত ২০২১ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়
প্রতিযোগিতায় মোট ৪টি ইভেন্টের মধ্যে ৩৪টি দল অংশগ্রহণ করেছে
তম্মধ্যে বিভিন্ন দুর্গম এলাকা হতে অংশগ্রহণকারী পুরুষ সাম্পান প্রতিযোগিতায় ১০টি দল, প্রতিটি দলে ২জন করে; মহিলা ছোট নৌকা প্রতিযোগিতায় ১১টি দল, প্রতিটি দলে ২জন করে; পুরুষ বড় নৌকা প্রতিযোগিতায় ৯টি দল, প্রতিটি দলে ২১জন করে; এবং মহিলা বড় নৌকা প্রতিযোগিতায় ৪টি দল, প্রতিটি দলে ১৫জন করে প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছে
মহিলা ছোট নৌকা প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন সুপর্না ত্রিপুরা ও সাথী, ২য় স্থান অধিকার করেছেন কল্পনা ত্রিপুরা ও সাথী এবং ৩য় স্থান অধিকার করেছেন শান্তি দেবী ত্রিপুরা
পুরুষ সাম্পানে ১ম স্থান অধিকার করেছেন জলকান্তি ত্রিপুরা এবং ২য় স্থান অধিকার করেছেন জামাল উদ্দিন
পুরুষ বড় নৌকা প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন শিরমনি ত্রিপুরা ও তার দল, ২য় স্থান অধিকার করেছেন সবিল ত্রিপুরা ও তার দল এবং ৩য় স্থান অধিকার করেছেন যুবরাজ ত্রিপুরা ও তার দল
মহিলা বড় নৌকা প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকার করেছেন চিকনা ত্রিপুরা ও তার দল এবং ২য় স্থান অধিকার করেছেন সবিতা ত্রিপুরা ও তার দল
এসময় রাঙামাটির সদর ও বিভিন্ন দুর্গম এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক দর্শক ও ক্রীড়ামোদী জনসাধারণ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন
প্রধান অতিথি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেল বাংলাদেশের সকল অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শান্তির দূত
আজকে তারই স্মরণে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং রাঙামাটির জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় শেখ রাসেল স্মৃতি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা ২০২১ আয়োজন করায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জনান
অতিথিদের বক্তব্য প্রদানের পর শেখ রাসেল স্মৃতি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী বিজয়ীদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়
সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম ভেঙে দাও, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কর ও জীবন বাঁচান
নবীগঞ্জে অশ্লীল ভিডিও সংরক্ষণের অভিযোগে অর্থদন্ড
., -4074757625375942, , 084709420
খেলা এর আরও খবর
শহীদ শেখ রাসেল অনুর্ধ-১৫ ফুটবল টুর্ণামেন্টের সমাপনি
তারেক জিয়া গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট উদ্বোধন
গাজীপুর জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে দাবা প্রতিযোগিতা
খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজকে সম্পদে পরিণত করতে হবে : এম.পি হেলাল
ভাষা সৈনিক মুসা মিয়া মাদকবিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
রাঙামাটিতে মাদক বিরোধী প্রীতি ফুটবল ও ভলিবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত
ভারতকে হারাতে পারলে ক্রিকেটারদের নামে ব্ল্যাঙ্ক চেক : রমিজ রাজা
রাঙামাটিতে শেখ রাসেল স্মৃতি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি সভা
ঝিনাইদহে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 2012 2013 2014 2015 2016 2017 2018 2019 2020 2021
পাঠকের মন্তব্য
(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়
প্রথম পাতা
প্রধান সংবাদ
ফটো গ্যালারী
সর্বশেষ সংবাদ
যোগাযোগ : ৪২ আরপি, হাসপাতাল এলাকা, রাঙামাটি-৪৫০০, ফোন : ০৩৫১-৬১৮৮৩, প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বত্ত্বাধিকারী : মুখ্য সম্পাদক ও প্রকাশক নির্মল বড়ুয়া মিলন, মুঠোফোন : ০১৮৭৬০০৬০০৫, সম্পাদক : বিপ্লব বড়ুয়া বাপ্পি (ভারপ্রাপ্ত), বার্তা সম্পাদক : জুঁই চাকমা, মুঠোফোন : ০১৫৫৭৪১২৫৭০, ই-মেইল : [ ], নিউজ ডেস্ক : আতিকুর রহমান আতিক, মুঠোফোন : ০১৮১৫২২২৫১৪, আমির হামজা, মুঠোফোন : ০১৯১৭৫০৮৯৬৬, আবুল কাশেম, মুঠোফোন : ০১৭১২৪০৩৭১৬, ই-মেইল : [ ]
সিএইচটি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তথ্য অধিদফতর তথ্য মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকায় অনলাইন নিউজ প্রকাশনার নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত : তারিখ-২৫ জানুয়ারী-২০১৬ খ্রি.
সিএইচটি মিডিয়া টুয়েন্টিফোর ডটকম এর কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
u o 19 si u i s uuu i gss g i i s g o i ui i ci s igi u csi c c i s g s s ii i s si 69 s u s c ii igi u ui s uu i c i
হেমন্তের ধান ও আশ্বিনের ঝড়
হেমন্তের ধান ও আশ্বিনের ঝড়
জয়নুল আবেদীন
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:৩৮
হেমন্তের ধান ও আশ্বিনের ঝড় - ছবি সংগৃহীত
শরতের শেষে আশ্বিনের ঝড়
ভেসে যায় ধান উড়ে যায় ঘর
আশ্বিনের ঝড়ে ঘর উড়ে গেলেও ধান আর ভাসে না
একসময় কৃষকের অন্যতম প্রধান ফসল ছিল হেমন্তের আমন ধান
তখন কৃষকের ফসলের ভাগ্য সম্পূর্ণরূপে প্রকৃতিনির্ভর ছিল
অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, পোকাসহ বিরূপ প্রকৃতি থেকে রক্ষা পেলেও শরতের শেষে আশ্বিনের ঝড় থেকে হেমন্তের ধানকে রক্ষা করা কঠিন ছিল
নদীমাতৃক দেশ হিসেবে কৃষকের অধিকাংশ জমির অবস্থান নদীকূলবর্তী এলাকায়
হেমন্তের ধান বর্ষার পানির সাথে পাল্লা দিয়ে ছাড়িয়ে যেত ১৫ ফুট পর্যন্ত
পরিবেশবান্ধব বিস্ময়কর এ ধানটি পানির সাথে সমন্বয় করেই ফলন দেয়
তাই, মাঠের পর মাঠ ভর্তি থাকত সবুজ ধানে
হেমন্তের ধানক্ষেতে আশ্রয় নিত নানারকম পাখি
দিনেরবেলা কান পাতলেই শোনা যেত কোরার টুলুপ্ টুলুপ্ ডাক
রাতে কট্ কট্ করে ডেকে উঠত ব্যাঙছানারা
ধানের ডগায় আটকে থাকা শেওলা খেতে আসত নানা রকমের মাছ
ধান আলাদা করার পর গাছের লম্বা অংশ (নাড়া) দিয়ে হয় নিম্নবিত্ত মানুষ কাঁচাঘরের চাল, বেড়া ও রান্নার খড়ি
ধানের খড় গবাদিপশুর প্রিয় খাদ্য
শরতের শুরুতেই কমতে শুরু করত বর্ষার পানি
পানি কমতে থাকার সাথে সাথে জট পাকাতে শুরু করে ধানের গাছ
ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার আগে মুরগি যেভাবে কুঁকড়িমুকড়ি হয়ে ডিমের ওপর তা দেয়, ঠিক সেভাবে শীষ বের হওয়ার আগে ধানগাছও কুঁকড়িমুকড়ি হয়ে বসে থাকে
ধানগাছের এই অবস্থাকে স্থানীয় ভাষায় বলে 'কোরচো'
কোরচোর পরই বের হয় ধানের শীষ
তখন কৃষাণের মন ঘরে টেকে না
ডিঙি নৌকায় করে সারাদিন ধানক্ষেতের পাশে ঘুরঘুর করে
দু'আঙুলে আলতো করে ধানগাছের পেট টিপে, ঘ্রাণ শোঁকে
পাতার গায়ে জমে থাকা ভোরের শিশির হাতে নিয়ে জিহ্বায় লাগায়, মুখ ধোয়
ধানগাছের পেট স্ফীত হতে দেখলেই বুঝতে পারে ভেতরে শীষ
শীষ উঁকি দিলেই আনন্দে অস্থির হয়ে পড়ে কৃষক
ধান নেয়ার জন্য উঠোন-বাড়িঘর পরিষ্কারসহ মেরামত করে ধানের গোলা
ঋতু পরিবর্তনের চিরায়ত নিয়মে ঠিক এ সময়ই সূর্য পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ্বে লম্বভাবে কিরণ দিতে শুরু করে
সাগরের জলভাগ স্থলভাগের তুলনায় বেশি উত্তপ্ত হয়ে লঘুচাপের সৃষ্টি হয়
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া লঘুচাপের কারণে স্থলভাগের ওপর টানা বৃষ্টিসহ ঝড়-বাদলকে 'আশ্বিনের ঝড়' বলে
লঘুচাপের প্রভাবে ফুলে ওঠে নদ-নদীর পানি
জটবাঁধা ধানগাছের গোড়া মাটি থেকে আলগা হয়ে পড়ে
জোর বাতাসে ক্ষেতের ধান সহজেই নেমে যায় নদীতে
ভয়ার্ত কৃষক অস্থির ডাক-চিৎকারসহ দড়াদড়ি ও বাঁশ-খুঁটি নিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করে ধান আটকানোর জন্য
কৃষকের কান্না ও পরিশ্রম উপেক্ষা করে ঝড়-ঝঞ্ঝা ও তীব্র স্রোত ভাসিয়ে নেয় মাঠের ধান
মুরগির বুক থেকে চিল ছোঁ মেরে বাচ্চা ছিনিয়ে নিলে মুরগির যে হাল হয়, আশ্বিনের ঝড় হেমন্তের ধান ছিনিয়ে নিলে সে হাল হয় কৃষকের
ঋতু পরিবর্তনের অমোঘ নিয়মে শরতের শেষে আশ্বিনের ঝড় এখনো দেখা যায়
শুধু দেখা যায় না বর্ষা আর আমন ধানের ক্ষেত
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাসের ভাষায়, '১৯১১ সালে ১৮ হাজার জাতের ধানের একটি রেকর্ড আছে
১৯৮৪ সালে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে করা একটি জরিপে ১২ হাজার ৪৮৭ জাতের হিসাব পাওয়া যায়
সর্বশেষ ২০১১ সালের জরিপ বলছে, বাংলাদেশে আট হাজার জাতের ধান আছে
' অর্থাৎ, গত ১০০ বছরে বিলুপ্ত হয়েছে দেশি জাতের ১০ হাজার ধান
অপর এক তথ্যে প্রকাশ, 'বর্তমানে অর্ধ শতাধিকের বেশি সংখ্যক নতুন জাতের ধানের চাষ হচ্ছে বাংলাদেশে
এগুলো উচ্চ ফলনশীল (উফশী) বা আধুনিক ধানের জাত হিসেবে পরিচিত
সেইসাথে চাষ হচ্ছে হাইব্রিড ধান
বর্তমানে প্রতি বছর দুই কোটি ৬০ লাখ একর জমিতে ধানের আবাদ হয়
এর মধ্যে নতুন জাতের আবাদ করা হয় এক কোটি ৮৮ লাখ একরে
দেশী জাতের আবাদ দ্রুত কমে যাচ্ছে
সত্তর দশকে আমাদের দেশে শতকরা ৯৭ ভাগ জমিতে দেশী জাতের ধানের চাষ হতো
দেশী জাতের ফলন কম হওয়ায় তখন আমাদের হয়তো কম ভাত খেতে হতো কিন্তু ছিল তৃপ্তি
নতুন জাতের চাষ করে আমরা একই জমিতে ধানের উৎপাদন তিনগুণ বৃদ্ধি করেছি, ভাত বেশি খেতে পারছি কিন্তু তৃপ্তি কম