content stringlengths 0 129k |
|---|
লালবাগ থানা (ঢাকা মেট্রোপলিটন) আয়তন: ২.০৪ বর্গ কিমি |
অবস্থান: ২৩°৪২' থেকে ২৩°৪৩' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°২২' থেকে ৯০°২৩' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ |
সীমানা: উত্তরে নিউমার্কেট, দক্ষিণে কেরানীগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে চকবাজার ও শাহবাগ থানা, পশ্চিমে হাজারীবাগ থানা |
জনসংখ্যা ১৮৮৭৯৪; পুরুষ ১০২৮৫০, মহিলা ৮৫৯৪৪ |
মুসলিম ১৮২৭৪৭, হিন্দু ৫৮৪৫, বৌদ্ধ ১০৩, খ্রিস্টান ৭৬ এবং অন্যান্য ২৩ |
জলাশয় প্রধান নদী: বুড়িগঙ্গা |
প্রশাসন ৪টি ওয়ার্ড ও ৪৬টি মহল্লা নিয়ে লালবাগ থানা গঠিত হয় |
ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন মহল্লা জনসংখ্যা ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার (%) |
শহর গ্রাম শহর গ্রাম |
৪ ৪৬ ১৮৮৭৯৪ - ৯২৫৪৭ ৭১.৪৫ - |
ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন |
ওয়ার্ড নম্বর ও ইউনিয়ন আয়তন (বর্গ কিমি) লোকসংখ্যা শিক্ষার হার (%) |
পুরুষ মহিলা |
ওয়ার্ড নং ৫৯ ০.৩৯ ২৭১৮২ ২১৩৯৩ ৭৩.৯৮ |
ওয়ার্ড নং ৬০ ০.৪৮ ৩৫১৬৪ ২৮৫৯৯ ৫২.২৮ |
ওয়ার্ড নং ৬১ ০.৩৯ ১৬০৮৮ ১২৩০২ ৭৭.৯৬ |
ওয়ার্ড নং ৬২ ০.৭৮ ২৪৪১৬ ২৩৬৫০ ৮১.৫৬ |
সূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো |
প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ লালবাগ দুর্গ (১৬৭৮), লালবাগ শাহী মসজিদ (১৭০৩), লালবাগ দুর্গ মসজিদ, খান মুহাম্মদ মৃধার মসজিদ (১৭০৬), আজিমপুর গোরস্থান শাহী মসজিদ (১৭১১), লালবাগ শিবমন্দির |
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ, আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড মসজিদ, আজিমপুর বড় দায়রা শরীফ, লালবাগ শাহী মসজিদ উল্লেখযোগ্য |
শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৭১.৪৫%; পুরুষ ৭৫.৩২%, মহিলা ৬৬.৬১% |
উলেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ (১৯৬১), ইডেন গার্লস কলেজ (১৯৬৩), আজিমপুর গার্লস হাইস্কুল (১৯৫৭), ভিকারুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১৯৫৭), লিটল অ্যাঞ্জেল স্কুল |
সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ক্লাব ১১, জিমনেসিয়াম ২, কমিউনিটি সেন্টার ৭, সিনেমা হল ১ |
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আজিমপুর কবরস্থান |
জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ০.৩৭%, কৃষি শ্রমিক ০.১১%, অকৃষি শ্রমিক ০.৮৯%, শিল্প ৪.২৮%, ব্যবসা ৩৩.৪৭%, নির্মাণ ২.২১%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ৬.৭৬%, চাকরি ৩৬.১৬%, ধর্মীয় সেবা ০.২০%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিট্যান্স ২.৬৯% এবং অন্যান্য ১২.৮৬% |
কৃষিভূমির মালিকানা ভূমিমালিক ৪৫.৬৪%, ভূমিহীন ৫৪.৩৬% |
বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি ধান, পাট, ডাল, আখ |
প্রধান ফল-ফলাদি আম, কাঁঠাল, নারিকেল |
যোগাযোগ বিশেষত্ব মোট সড়ক ৩৯.৯৪ কিমি |
বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় সনাতন বাহন পাল্কি, গরুর গাড়ি |
শিল্প ও কলকারখানা পোশাক শিল্প, প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি, অ্যালুমিনিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ, ফুট ওয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ, টুথব্রাশ ফ্যাক্টরি, সাইকেল যন্ত্রাংশ তৈরির ফ্যাক্টরি, ওয়েল্ডিং কারখানা |
কুটিরশিল্প স্বর্ণশিল্প, হস্তশিল্প |
প্রধান রপ্তানিদ্রব্য তৈরি পোশাক, সাইকেলের যন্ত্রাংশ, হস্তশিল্প |
বিদ্যুৎ ব্যবহার এ থানার সবক'টি ওয়ার্ড বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন |
তবে ৯৮.৬৫% পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে |
পানীয়জলের উৎস নলকূপ ২১.১৬%, পুকুর ০.০৫%, ট্যাপ ৭৭.৭০% এবং অন্যান্য ১.০৯% |
স্যানিটেশন ব্যবস্থা এ থানার ৮৪.৩২% পরিবার স্বাস্থ্যকর এবং ১৫.২৩% পরিবার অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করে |
০.৪৫% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই |
পরমাণুর প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় কক্ষে এস, পি ও ডি অরবাইটালের ইলেক্ট্রন-ঘনত্ব বিন্যাসের তাত্ত্বিক পরিমাপ রং দিয়ে দেখানো হয়েছেঃ কালো মানে ঘনত্ব শূন্য, সাদা মানে সর্বোচ্চ ঘনত্ব, লালের মধ্যে কালচে বা সাদাটে ভাবের তারতম্যে বিভিন্ন মাঝারি ঘনত্ব দেখানো হয়েছে |
মৌলিক কণিকা |
পরিসংখ্যান |
মিথষ্ক্রিয়া |
অভিকর্ষ, তাড়িতচৌম্বক মিথস্ক্রিয়া, দুর্বল মিথস্ক্রিয়া |
জর্জ স্টোনি (১৮৭৪) |
জে. জে. থমসন (১৮৯৭) |
৯.১০৯ ৩৮২৬ (১৬) × ১০-৩১ কেজিআপেক্ষিক ভর 0(এই জন্যই পারমাণবিক ভরের ক্ষেত্রে ইলেকট্রনের ভর ধরা হয় না)[১] |
৫.৪৮৫ ৭৯৯ ০৯৪৫(২৪) × ১০-৪ এএমইউ |
১⁄১৮২২.৮৮৮ ৪৮৪৯(৮) এএমইউ |
০.৫১০ ৯৯৮ ৯১৮(৪৪) /২ |
ইলেকট্রিক চার্জ |
-১.৬০২ ১৭৬ ৫৩(১৪) × 10-১৯ এর আপেক্ষিক আধান -1[২] |
ইলেকট্রন একটি অধঃ-পরমাণু () মৌলিক কণা ( ) যা একটি ঋণাত্মক তড়িৎ আধান বহন করে |
ইলেকট্রন একটি স্পিন -১/২ অর্থাৎ ফার্মিয়ন) এবং লেপ্টন শ্রেনীভুক্ত |
এটি প্রধানত তড়িৎ-চুম্বকীয় মিথষ্ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে |
পারমাণবিক কেন্দ্রের (নিউক্লিয়াসের) সঙ্গে একত্র হয়ে ইলেকট্রন পরমাণু তৈরি করে এবং এর রাসায়নিক বন্ধনে অংশগ্রহণ করে |
মূলত ইলেকট্রন চলাচলের দরুন কঠিন পরিবাহীতে বিদ্যুতের প্রবাহ ঘটে |
ইলেকট্রনের স্পিন ও ইলেকট্রন প্রবাহের বর্তুলতা (চক্রাকার প্রবাহ) বা ত্বরণের জন্য চৌম্বকত্ব তৈরি হয় |
পরিচ্ছেদসমূহ |
১ আবিষ্কারের ইতিহাস |
১.১ প্রাথমিক পর্যায় |
১.২ থমসনের পরীক্ষা |
১.৩ পরবর্তী যুগ |
২ শ্রেণীবিভাগ |
৩ বৈশিষ্ট্য ও আচরণ |
৪ ইলেকট্রনের ব্যবহার |
৫ দৈনন্দিন ঘটনায় গুরুত্ব |
৬ আরও দেখুন |
৭ তথ্যসূত্র |
আবিষ্কারের ইতিহাস[সম্পাদনা] |
প্রাথমিক পর্যায়[সম্পাদনা] |
বিজ্ঞানী জি. জনস্টোন স্টোনি সর্বপ্রথম তড়িৎ রসায়নে ইলেকট্রনকে আধানের একটি একক হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং তিনিই ১৮৯১ সালে ইলেকট্রন নামকরণ করেন |
১৮৯০-এর দশকে বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী বলেন যে তড়িৎ বিচ্ছিন্ন একেকের দ্বারা গঠিত হতে পারে এবং এভাবেই এ বিষয়ে সবচেয়ে ভাল ধারণা করা সম্ভব |
এই এককগুলোর অনেক নামই প্রস্তাব করা হয়েছিল |
কিন্তু তখনও পর্যন্ত বাস্তব ভিত্তিতে এর প্রমাণ দেয়া সম্ভব হয়নি |
থমসনের পরীক্ষা[সম্পাদনা] |
ইলেকট্রন যে একটি উপআণবিক কণিকা তা সর্বপ্রথম বিজ্ঞানী জে. জে. টমসন ১৮৯৭ সালে আবিষ্কার করেন |
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাভেন্ডিশ গবেষণাগারে ক্যাথোড রশ্মি নল নিয়ে গবেষণা করার সময় তিনি এই আবিষ্কার করেন |
ক্যাথোড রশ্মি নল হল একটি সম্পূর্ণ বদ্ধ কাচের সিলিন্ডার যার মধ্যে দুইটি তড়িৎ ধারক () শুন্য স্থান দ্বারা পৃথ করা থাকে |
যখন দুইটি তড়িৎ ধারকের মধ্যে বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হয় তখন ক্যাথোড রশ্মি উৎপন্ন হয় এবং এর ফলে নলের মধ্যে আভার সৃষ্টি হয় |
উপর্যুপরী পরীক্ষার মাধ্যমে টমসন প্রমাণ করেন যে চৌম্বকত্বের সাহায্যে রশ্মি থেকে ঋণাত্মক আধান পৃথক করা যায় না; তবে তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা রশ্মিগুলোকে বিক্ষিপ্ত করা যায় |
মূলত ইলেকট্রনের আবিষ্কার এবং এর অংশসমূহ সম্বন্ধে ধারণা লাভ করতে গিয়ে টমসনকে তিন তিনটি পরীক্ষা সম্পাদন করতে হয়েছিলো: |
এই পরীক্ষার সাথে ১৮৯৫ সালে জ্যাঁ পেরিন কৃত পরীক্ষার বেশ মিল ছিল |
টমসন এক জোড়া ধাতুর সিলিন্ডার দ্বারা একটি ক্যাথোড রশ্মি নল তৈরি করেন যার মধ্যে একটি সংকীর্ণ ফাঁক ছিল |
এই সিলিন্ডারদ্বয় আবার একটি ইলেকট্রোমিটারের সাথে সংযুক্ত ছিল যাতে তড়িৎ আধান সংরক্ষণ এবং পরিমাপ করা যায় |
পেরিন দেখেছিলেন ক্যাথোড রশ্মি একটি তড়িৎ আধান জমা করে |
টমসন দেখতে চেয়েছিলেন একটি চুম্বকের মাধ্যমে রশ্মিগুলো বাঁকিয়ে রশ্মি থেকে আধান পৃথক করা যায় কি-না |
তিনি দেখতে পান রশ্মিগুলো যখন সিলিন্ডারের সরু ফাঁকে প্রবেশ করে তখন ইলেকট্রোমিটারে ঋণাত্মক আধানের আধিক্য দেখা যায় |
রশ্মিগুলো বাঁকিয়ে দিলে মিটারে ঋণাত্মক আধানের পরিমাণ এতো হয়না, কারণ রশ্মি তখন ফাঁকে প্রবেশেরই সুযোগ পায় না |
এ থেকে স্পষ্টতই ধারণা করে নেয়া যায় যে ক্যাথোড রশ্মি এবং ঋণাত্মক আধান যেভাবেই হোক একসাথে থাকে, এদের পৃথক করা যায় না |
দ্বিতীয়ত: |
পদার্থবিজ্ঞানীরা তড়িৎ ক্ষেত্রের সাহায্যে ক্যাথোড রশ্মি বাঁকানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন |
এবার টমসন একটি নতুন পরীক্ষণের কথা চিন্তা করেন |
একটি আয়নিত কণা তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হলে অবশ্যই বেঁকে যাবে, কিন্তু যদি একে যদি একটি পরিবাহী দ্বারা ঘিরে দেয়া হয় তবে আর বাঁকবে না |
তিনি সন্দেহ করেন যে নলের মধ্যে বিরাজমান গ্যাস বিশেষ পরিস্থিতিতে ক্যাথোড রশ্মির কারণেই তড়িৎ পরিবাহীতে পরিণত হয়েছে |
এই ধারণা প্রমাণ করার জন্য অনেক কষ্টে তিনি একটি নলকে প্রায় বিশুদ্ধ শূণ্যস্থান করতে সমর্থ হন |
এবার পরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায় ক্যাথোড রশ্মি তড়িঃ ক্ষেত্র দ্বারা বেঁকে যাচ্ছে |
এই দুইটি পরীক্ষণ থেকে টমসন সিদ্ধান্তে পৌঁছান, |
" আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছা থেকে কোন ভাবেই পালাতে পারিনা যে ক্যাথোড রশ্মি হল ঋণাত্মক তড়িৎের আধান যা পদার্থের কণিকা দ্বারা বাহিত হয় |
.... এই কণিকাগুলো কি? এরা কি পরমাণু, অথবা অণু, অথবা এমন পদার্থ যা এখন পর্যন্ত উপবিভাগের একটি সূক্ষ্মতম পর্যায়ে রয়েছে? " |
টমসনের তৃতীয় পরীক্ষার বিষয়বস্তু ছিল কণিকাসমূহের মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ অনুসন্ধান করা |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.