content
stringlengths
0
129k
পড়েছিল বজ্র পদার্থের আস্তাকুঁড় হয়ে
আজ হঠাৎ করে তার নতুন রূপ হয়েছে
গঙ্গার তীরের সৌন্দর্যকে আমরা নতুন করে ফিরে পেয়েছি
ধন্যবাদ জানাই সেই দু'বছরের খ্রিস্টীয় সনকে যাদের স্মরণে এই মিলেনিয়াম পার্ক এর উদ্ভব
দুপুর বেলার শেষভাগটা আমরা এই নদীর তীরেই কাটালাম
মাথার ওপর যে সূর্য ছিল তা পশ্চিম দিকে ঢলে পরলো
পার্কের গাছে গাছে শুনতে পাওয়া গেল পাখির কিচিরমিচির শব্দ
ওপারের গঙ্গাতীরের কারখানার একটি কল থেকে ভো বেজে উঠল
পশ্চিমের আকাশে ধরল লাল রং
এই মিলেনিয়াম পার্ক আমাদের সকলের মনকে এমন ভাবে রাঙিয়ে তুলল যা কোনদিন ভোলার নয়
ছক বাঁধা জীবনের ফাঁকে হঠাৎ আসা একটি ছুটির দিন আমাদের সকলের কাছে বহন করে নিয়ে এসেছিল একটি নতুন উপহার
যে উপহার আমাদের সর্বাঙ্গ ছুঁইয়ে দিল অমৃতের স্পর্শ
অপরাহ্ন বেলায় আমরা ফিরে এলাম নিজের নিজের বাড়িতে
ফিরে এলাম ছুটির দিনের এক বুক ভরা আনন্দের উপহার নিয়ে
আরও দেখো -
একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা
বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু রচনা
তুমি যদি নিজের মোবাইলে একটি ছুটির দিনের অভিজ্ঞতা রচনা ডাউনলোড করতে চাও
তাহলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নাও
একটি ছুটির দিনের অভিজ্ঞতা রচনা
একটি ছুটির দিন রচনা
আশা করি এই পোস্টটি থেকে তুমি - / একটি ছুটির দিনের অভিজ্ঞতা রচনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছো
আশা করি একটি ছুটির দিন রচনার এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে
তোমাকে জানাই অনেক ধন্যবাদ রচনার এই পোস্টটি পড়ার জন্য
এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল
পোস্টটি শেয়ার করুন নিচে ক্লিক করে
বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু রচনা
ছাত্রদের সামাজিক দায়িত্ব রচনা
নিরক্ষরতা দূরীকরণে ছাত্র সমাজের ভূমিকা রচনা
!
!
, , .
2021
অবাক বিষয়
ইসলামিক ছবি
ধন্যবাদ ছবি
রোগের বিবরণ
শিক্ষা টিপস
সরকারি সুবিধা
সাধারণ জ্ঞান
, , , .
সুরাইয়া ইসলাম মুন্নি: সিঙ্গেল প্যারেন্ট হিসেবে সন্তানকে একা বড় করার বড় কারণগুলো হলো স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু, বিবাহবিচ্ছেদ, স্বামী বা স্ত্রী ভিন্ন জায়গায় থাকা ইত্যাদি
যেকোনো পরিস্থিতিতে সন্তান লালন-পালন করা খুবই কষ্টকর
তাই সঙ্গী ছাড়া একা সন্তান বড় করা তুলনামূলক কঠিন
অতিরিক্ত দায়িত্ব সিঙ্গেল প্যারেন্টের ভেতরে মানসিক চাপ, শারীরিক চাপ ও ক্লান্তি তৈরি করে
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সন্তানের মানসিক অবস্থা ও তার আচরণকে সিঙ্গেল প্যারেন্টিং সরাসরি প্রভাবিত করে
২০০৩ সালে সুইডেনে আট বছরব্যাপী একটি গবেষণায় ১ মিলিয়ন শিশু-কিশোরের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ইতিহাসে দেখা গেছে সিঙ্গেল প্যারেন্ট দ্বারা পরিচালিত পরিবারের সন্তানদের মানসিক সমস্যা, আত্মহত্যার চেষ্টা এবং মাদকাসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ
বিবাহবিচ্ছেদের আগে ও পরে সন্তানেরা বাবা-মাকে বিভিন্ন বিষয়ে ঝগড়া করতে দেখে
অনেক সময় ঝগড়ার কেন্দ্রবিন্দুই হয় সন্তান
বিবাহবিচ্ছেদের সময়ে সন্তানকে বাবা বা মায়ের মধ্যে যেকোনো একজনকে অভিভাবক হিসেবে বেছে নিতে বলা হয়
সন্তান এ পরিস্থিতিতে কাকে বেছে নেবে ও কাকে ছেড়ে দেবে, তা নিয়ে অপরাধবোধে ভোগে
এ ছাড়া কোনো একজন অভিভাবক সন্তানকে তার সঙ্গে নিতে না চাইলে সন্তান ধরে নেয় তাকে তার বাবা বা মা পরিত্যাগ করেছে
১৯৯৪ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাবা-মায়ের ডিভোর্সের কয়েক বছর পর সন্তানদের ভেতরে অনেক বেশি অসামাজিক আচরণ, রাগ, উদ্বিগ্নতা এবং পড়াশোনায় সমস্যা দেখা দেয়
এ গবেষণায় আরও জানা যায় যথেষ্ট পরিমাণ সামাজিক সহায়তা, পরিবারের বড় কারও তত্ত্বাবধান এবং পর্যাপ্ত পারিবারিক উপার্জন থাকলে উল্লিখিত সমস্যাগুলো অনেকাংশে কমে যায়
১. সন্তানকে বারবার জানাতে হবে তাকে তুমি কতটা ভালোবাসো এবং সে তোমার জন্য সে কতটা গুরুত্বপূর্ণ
সন্তানকে তার সুনির্দিষ্ট গুণগুলোর জন্য প্রশংসা করতে হবে
২. সিঙ্গেল প্যারেন্টকে অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়
তাই সন্তানকে কিছু দায়িত্ব বুঝিয়ে দাও
আর এর জন্য সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো রুটিন তৈরি
রুটিন দ্বারা তোমার সন্তান সহজে বুঝতে পারবে তার কাছে কী ধরনের আচরণ তুমি আশা করছ
রুটিনে প্রতিদিন নিজেদের জন্য আলাদা সময় বের করো
এই সময়ে একসঙ্গে নিজেদের পছন্দের কাজগুলো করতে পারো
যেমন একসঙ্গে কোনো বোর্ড গেম খেলা, রান্না করা, বই পড়া, কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা ইত্যাদি
৩. শিশুর যত্নের জন্য প্রয়োজনে ন্যানি বা কেয়ারগিভার রাখতে পারো
একজন অভিজ্ঞ কেয়ারগিভার শিশুকে নিরাপদ পরিবেশে দেখাশোনা করতে পারবে
ছোট সন্তানকে দেখাশোনার জন্য বড় সন্তানের ওপরে পুরোপুরি নির্ভর না করা ভালো
কারণ সে নিজেও শিশু
নতুন কোনো বন্ধুবান্ধব বা প্রতিবেশীর কাছে সন্তানকে দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করো
৪. বাসার জন্য কিছু নিয়ম ঠিক করে তা সন্তানকে জানাও
সন্তানকে স্পষ্টভাবে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলো তার কাছে কোন ধরনের আচরণ তুমি আশা করো
যেমন জোরে কথা না বলে স্বাভাবিকভাবে কণ্ঠে কথা বলা, বাড়ির কাজ করে ফেলা, যে পরিমাণ খাবার প্লেটে নিয়েছে তা শেষ করা ইত্যাদি
সন্তানের যদি অন্য কোনো কেয়ারগিভার থাকে, তাহলে তাকেও বাসার নিয়মগুলো জানাতে হবে
তোমার উপস্থিতি ও অনুপস্থিতিতে একই নিয়ম পালন করা হলে সন্তান খুব দ্রুত এ নিয়মগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে যাবে
৫. সিঙ্গেল প্যারেন্ট হওয়ার জন্য নিজেকে বা সন্তানকে দোষারোপ না করা
অনেক সময় অপরাধবোধ থেকে সিঙ্গেল প্যারেন্ট সন্তানকে যা চায় তা দিয়ে দেয় ও সন্তানকে কোনো নিয়মের মধ্যে রাখতে চায় না
এতে সন্তানের উপকার না হয়ে ক্ষতিই হয় বেশি
৬. নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া
মনে রাখবে, তুমি নিজে যদি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকো, তাহলেই তুমি তোমার সন্তানকে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করতে পারবে
তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার ও পানীয় খাও, পরিমিত ঘুমের অভ্যাস করো
নিজের পছন্দের কাজগুলো করো
যেমন বই পড়া, গাছের পরিচর্যা ইত্যাদি
৭. অন্যান্য সিঙ্গেল প্যারেন্ট বাবা-মায়ের সঙ্গে একটি সাপোর্ট গ্রুপ তৈরি করতে পারো
নিজেরা কীভাবে নিজের ও সন্তানের যত্ন নিচ্ছ বা নিতে পারো তা নিয়ে আলোচনা করতে পারো
৮. আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখো
সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করো
৯. সন্তানকে সব সময় সত্য কথা বলার চেষ্টা করো
যেকোনো পরিস্থিতিতে তাকে জানাও তুমি কেমন অনুভব করছ
অনেক বাবা বা মা সন্তানের কাছে সন্তানের প্রতি বয়সের তুলনায় বেশি আশা করে
তোমার সন্তানকে তার বয়স উপযোগী দায়িত্ব দাও এবং সে অনুযায়ী ফলাফল আশা করো
বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে সন্তানের সঙ্গে কীভাবে কথা বলবে?
অনেক সময় বিবাহবিচ্ছেদের কারণে অনেক পরিবার সিঙ্গেল প্যারেন্ট দ্বারা পরিচালিত হয়
যদি তোমার ক্ষেত্রেও একই রকম হয়, তাহলে বিবাহবিচ্ছেদের কারণে তোমার জীবনে কী কী ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে, তা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলো