content
stringlengths
0
129k
নিজে মারা পরা
এতেও লাভ হবে না
কেননা আপনার মৃত্যু মানে আপনার শরীরে যত পরজীবী ছিল তাদেরও মৃত্যু
ধর্মের নামে জীব হত্যা করার প্রতীবাদ যৌক্তিক
কিন্তু প্রাকৃতিক খাদ্য শৃঙ্খল ভেঙ্গে ফেলার দাবী অযৌক্তিক
তামান্না ঝুমু নভেম্বর 1, 2011 7:43 অপরাহ্ন
আপনি বলছেন "ভিগেন মানে যারা দুধও খায়না
মাছ মাংস ত নয়ই
" যা নিতান্তই অসম্ভব
দুধ খাওয়া কে আপনি যদি খারাপ মনে করেন, তাহলে তো কোন মা তার বাচ্চা কে বুকের দুধ খাওয়াবেনা
আপনার মতে চললে পৃথিবী টিকে থাকতে পারবে না
কোন ক্লাসে একই সমতলে নামক একটি গল্প পাঠয় ছিল
কোন ক্লাসে ঠিক মনে নেই
একটি দরিদ্র কৃষক পরিবার
কৃষি কাজ ও দুধ বিক্রী করে তাদের সংসার চলে
তাদের কয়াকটি সন্তানের মধ্যে একটি মেয়ে আছে
প্রতিদিন দুধ দোহনের সময় সে গরুর বাছুরকে ধরে রাখে যাতে সে ছুটে গিয়ে দুধ খেয়ে ফেলতে না পারে
কিছু দিন পর মেয়েটির বিয়ে হয়ে যায়
তার সন্তান হয়
সে সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে
তার শিশু সন্তান তার কোলে বসে দুধ খাচ্ছিল
এ সময় গরুর দুধ দোহানো শুরু হয়েছিল
তার ছোট ভাই বাছুর ধরে রেখেছিল
এ দৃশ্য দেখে তার নিজের সন্তানের কথা মনে হয়
তার সন্তান তার দুধ খেতে পারছে কিন্তু বাছুরটি পারছেনা
সে চিৎকার করে বলে উঠে, ওকে ছেড়ে দে
গাইয়ের দুধ বাছুরের জন্য
তোদের জন্য নয়
ভিগেনরা দুধ খায়না
কারণ যেকোন প্রণীদের দুধ খাওয়ার অধিকার তাদের বাচ্চাদের
মানুষ তাদেরকে সে অধিকার থেকে বঞ্চিত করে সে দুধ নিজেরা খেয়ে নেয়
ভিগেনরা নিজের বাচ্চাকে নিজের দুগ্ধ পান করিয়ে থাকে
এতে কোন অন্যায় নেই
গরুর দুধ দোহানুর দৃশ্য দেখে মহামতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরও দুধ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন
(সেই সময়-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
অরণ্য নভেম্বর 1, 2011 8:45 অপরাহ্ন
@তামান্না ঝুমু,
গরুর দুধ দোহানুর দৃশ্য দেখে মহামতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরও দুধ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন
(সেই সময়-সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
উদ্ভিদেরও প্রাণ রহিয়াছে, একথা জানিতে পারিয়া স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু শাঁক, তরকারী, সবজি ফল মূল সকল খাওয়া ছাড়িয়া দিলেন
(এই সময়- অরণ্য) 😛 অতঃপর সকল মানুষের অপমৃত্যু!
মহামতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, গৌতম বৌদ্ধ, মাহাত্মা গান্ধীর খাবারের রুচি জোর করে অন্যের উপর চাপিয়ে দেয়াটা কি যৌক্তিক?? আপনি যদি ভিগেন হন তো খুব ভালো কথা
সবার খাবারের মেন্যু এক হতে হবে এমন তো নয়!
গৌতম এসে বলবেন আমিষ খাবেন না, মুহাম্মদ বলবেন চিংড়ী খাবেন না এটা হারাম ওটা হারাম এখন আপনি এসে বলছেন দুধও হারাম
মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সে কি খাবে তা সে নিজের রুচি দিয়েই বুঝবে
তর্কের খাতিরে অযৌক্তিক তত্ত্ব কেন চাপিয়ে দিতে চাইছেন??
আপনার কথা মত যদি সব চলতে থাকতো, তাহলে পৃথিবীতে বৈচিত্র্যময় কোন প্রাণীই থাকতো না
শুধু গোরু আর ঘাস ছাড়া
এবং অতঃপর গাইগুলি তাদের নিজ নিজ বাছুরকে দুধ খাওয়াতে থাকতো
তামান্না ঝুমু নভেম্বর 1, 2011 11:12 অপরাহ্ন
মহামতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, গৌতম বৌদ্ধ, মাহাত্মা গান্ধীর খাবারের রুচি জোর করে অন্যের উপর চাপিয়ে দেয়াটা কি যৌক্তিক?? আপনি যদি ভিগেন হন তো খুব ভালো কথা
সবার খাবারের মেন্যু এক হতে হবে এমন তো নয়!
আমি কারো উপর জোর করে খাবারের মেন্যু চাপিয়ে দেইনি
আমার কাছে যেটা নির্মন মনে হয়েছে সেটা বলেছি
সবার মেন্যু এক হতে হবে তাও কখনো বলিনি
গৌতম এসে বলবেন আমিষ খাবেন না, মুহাম্মদ বলবেন চিংড়ী খাবেন না এটা হারাম ওটা হারাম এখন আপনি এসে বলছেন দুধও হারাম
মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সে কি খাবে তা সে নিজের রুচি দিয়েই বুঝবে
তর্কের খাতিরে অযৌক্তিক তত্ত্ব কেন চাপিয়ে দিতে চাইছেন??
গৌতম বুদ্ধ আমিষ খেতে মানা করেননি
জীব হত্যা করতে ও খেতে মানা করেছিলেন
যেকোন প্রকারের ডালের মধ্যে প্রচুর পরিমানে আমিষ রয়েছে
আমি দুধ হারাম বলিনি
বলেছি ভিগেনরা দুধ খায়না
দুটি বাক্যের মাঝে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে
আমি কারো উপরে কোন তত্ত্ব চাপিয়ে দিতে চাইছি এটা আপনি কেন বলছেন? আমি ত বলিনি আমার তত্ত্ব সবাই অনিচ্ছাকৃতভাবে গ্রহন করুক বা নিজের গায়ে চাপিয়ে নিক! আমি আমার মতামত প্রকাশ করেছি মাত্র
অরণ্য নভেম্বর 2, 2011 12:38 পূর্বাহ্ন
@তামান্না ঝুমু,
আপনার মতামত কে সাধুবাদ জানাই
প্রাণ হত্যা অবশ্যই কারো কাম্য হতে পারেনা, ধর্মের নামে হত্যার উৎসব তো রীতিমত নিষ্ঠুর
এ ব্যাপারে আমিও আপনার সাথে একমত
তবে প্রাকৃতিক খাদ্য শৃঙ্খল আমি ঠিক অস্বীকার করতে পারছিনা
আর কোন রকম প্রাণ হত্যা না করে জীবন ধারণ সম্ভব, এই তত্ত্বটা যৌক্তিক নয়
যেমন, আমিষের প্রয়োজনে ডাল খাওয়াতে যে নিষ্ঠুরতা নেই, এ ব্যাপারে আমি একমত নই
কেননা একটা উদ্ভিদের ফল বা বীজ হচ্ছে তার সন্তানের মত
ফসলি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে তা আরও বেশি প্রকট
ধান বা ডালের ফলন্ত গাছ হত্যা করে তাদের সন্তান-বীজকে আমরা রান্না করে খাই
বাঁচতে হলে যার যা খাদ্য সে তা খাবেই
অচেনা অক্টোবর 31, 2011 11:01 অপরাহ্ন -
@তামান্না ঝুমু, "প্রাণী হত্যা না করেও সুন্দরভাবে বাঁচা যায়
কিভাবে? বুঝিয়ে বলবেন কি আপু?নিরামিষ খেয়ে বাঁচতে বলছেন? তা উদ্ভিদেরও তো প্রান আছে নাকি? 🙂
আমি আমার অক্টোবর 31, 2011 1:59 অপরাহ্ন -
@তামান্না ঝুমু,
চমৎকার লিখেছেন
"নিরীহ প্রাণীদের হত্যা করলে ত পাপ হওয়ার কথা
কিন্তু পাপ না হয়ে পুণ্য হয় কেন?"
-কারন ধার্মিক ইতরগুলো "বিসমিল্লাহ" আর "নমঃ নমঃ" বলে হত্যা করে-তাই তাদের পূণ্য বেড়ে যাই
আজব থিওোরি
তামান্না ঝুমু অক্টোবর 31, 2011 7:39 অপরাহ্ন -
@আমি আমার,
আজব না হলে ধর্ম হবে ক্যামনে?
মহন নভেম্বর 4, 2011 12:33 পূর্বাহ্ন -
@অরণ্য,অবশ্যই প্রজন আছে তবে ধর্মের নামে আন্নন্দের(ঈদ)উদ্দেশে নয়
বেচে থাকার জন্য জীব হত্যা অন্য কথা
অচেনা অক্টোবর 31, 2011 2:18 পূর্বাহ্ন -
খালি হত্যা না, একেবারে জবাই করে হত্যা
আর এতেই নাকি কম কষ্ট দিয়ে পশু বধ করা যায়
অথচ বাস্তবে কিন্তু দেখা যায় যে জবাই না করে হার্ট এ ছুরি মারলে কম কষ্টে মরে পশুটা
অন্তত জবাই করার থেকে ভয়াবহ আর কিছুই নাই
যাহোক আপু, এইটা কি নতুন ওহী, নাকি হাদিস? 🙂
সুন্দর লিখেছেন