content stringlengths 0 129k |
|---|
অথবা হয়ত চুলের স্টাইল যৌন অভিযোজন এর পরামর্শদাতা |
এই সম্ভাব্য সমালোচনার বিষয়ে সচেতন, রুলে এবং অ্যাম্বাদি একটি দ্বিতীয় পরীক্ষা পরিচালনা করেছিলেন যা স্বতঃপ্রণোদিত রূপ এবং চুলের স্টাইলের মতো বহিরাগত ভেরিয়েবলগুলির জন্য নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল |
এই দ্বিতীয় গবেষণায়, লেখক অনলাইন ডেটিং ওয়েবসাইটগুলির পরিবর্তে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক থেকে ছবি ব্যবহার করেছিলেন |
এইভাবে, লক্ষ্যগুলি সম্ভাব্য যৌন অংশীদারদের আকৃষ্ট করার জন্য নিজেদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফটো নির্বাচন করে নি |
প্রকৃতপক্ষে, লেখক এই ফলো-আপ গবেষণায় লক্ষ্য ফটোগুলি নির্বাচন করার পরিবর্তে একটি বিস্তৃত নির্বাচন পদ্ধতির ছিল |
তারা প্রথমে পুরুষদের জন্য অনুসন্ধান করেছিল যারা তাদের ফেসবুক প্রোফাইলে অন্য পুরুষদের আগ্রহ দেখিয়েছিল |
তারপরে, তারা তাদের অন্য প্রোফাইলে এই গে পুরুষদের ফটো পোস্ট করেছেন এমন অন্যান্য ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সন্ধান করার জন্য তারা দ্বিতীয় অনুসন্ধান করেছিল |
তারা সরাসরি লক্ষ্যমাত্রা জন্য অভিন্ন মানদণ্ড অনুসরণ |
লেখক লিখেছেন, "এভাবে," গে ও সরাসরি ব্যক্তিদের ফটোগুলি ব্যবহার করে তারা নিজেদের পোস্ট করেনি, |
গে পুরুষদের কোন মুখের বৈশিষ্ট্য আকার এবং আকৃতি সোজা পুরুষদের থেকে ভিন্ন না |
পরিবর্তে, নির্দিষ্ট এক্সপ্রেশন ব্যবহার সময়ের সাথে মুখের পেশী মধ্যে হতে পারে |
যেহেতু সমকামী পুরুষরা নারী হিসাবে একই মুখের অভিব্যক্তি ব্যবহার করে, তারা তাদের মুখের মধ্যে মহিলা বৃদ্ধির এবং পেশী সংকোচনের নিদর্শনগুলি বিকাশ করে |
উদাহরণস্বরূপ, গে মুখটি ঠোঁটের পিছনে ঠোঁট, মুখের পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য সাধারণ মুখের মত প্রকাশের সাথে ঘনত্বের সাথে জড়িত থাকে - কিন্তু হেফাজতীয় পুরুষের কাছে নয় |
ঘটনা ১ : রিকশায় করে জামিয়াতুল আস'আদ আল ইসলামিয়ায় যাচ্ছি |
আমাকে বহন করা রিকশাটিকে পাশে থেকে একটি ভ্যান লাগিয়ে দিল |
রিকশাচালক ভ্যানচালককে বলল, 'বায়ে চাপতে পারলেন না'? ব্যাস |
ভ্যানের পেছনে থাকা লোকটি এসে আমি বসা অবস্থায়ই রিকশাচালককে একটা লাথি মেরে দিল |
সঙ্গে সঙ্গে ভ্যানের সামনের লোকটি এসে রিকশাচালককে আরেকটি লাথি মারল |
আমি সিটে বসে এই যে থামানোর চেষ্টা করছি, কোনো প্রতিক্রিয়া নেই |
লোকজন জড়ো হলো |
ভ্যানের লোক দুটো সবার চাপে পিছু হটল |
ঘটনা এখানেই শেষ হতে পারত |
কিন্তু হলো না |
রিকশাচালক আমাকে রেখে তেড়ে গেল তাদের দিকে |
ঘুষাঘুষি শুরু হয়ে গেল |
এবার জোর করেই আমি ঘটনার ভেতরে ঢুকে পড়লাম |
রিকশাচালকর হাত জোর করে চেপে ধরে টেনে আনলাম |
আর লোকজনে ভ্যানচালকদের ঠেকালো |
ঘটনা বাধ্য হয়ে শেষ হলো |
ঘটনা ২ : আমাদের বাসার পেছনে একটা বড় ডোবা |
ডোবার পাশে আঁকাবাঁকা একটি পথ |
খুব কম মানুষই হাঁটে এই পথ দিয়ে |
এলাকার আড্ডাবাজ ছেলেদেরকে অনেক সময় এ পথে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিতে দেখা যায় |
সচরাচর মানুষের আনাগোনা নেই, তাই অনেকের কাছে নিরাপদ পথ এটি |
রিকশা কখনো চলতে দেখি নি, চলা সম্ভব নয় বলেই জানতাম |
হঠাৎ গত সন্ধ্যায় এই পথে একজনের চিৎকার শুনলাম |
জানালা দিয়ে তাকিয়ে ভালো করে শোনার চেষ্টা করলাম |
শুনলাম, 'ভাই, আমার রিকশায় করে কে এসেছেন? ভাড়া দেন |
' খুব চিৎকার করে বলছে এক ব্যক্তি |
একবার, দু'বার নয় |
প্রায় ১০ মিনিট ধরে এভাবে শুনছি তাকে |
আমি বারান্দায় এসে তাকে ডাকলাম |
জিজ্ঞাসা করলাম, কী হয়েছে ভাই? |
তিনি বললেন, দুই জন লোককে তিনি ঘন্টা হিসেবে দুপুর দুইটার সময় রিকশায় উঠিয়েছেন |
(আমি যখন জিজ্ঞাসা করছি, তখন রাত সাড়ে নয়টা |
) তারা গুলশান সহ অনেক জায়গায় ঘুরেছে |
ভাড়া এসেছে ৫০০ টাকা |
এই গলির মুখে রিকশা এনে তারা নেমেছে |
বলেছে, চাচা আমরা ভাড়াটা পাঠিয়ে দিচ্ছি |
এরপর গায়েব |
আর আসে নি |
এখন তিনি দিশেহারা |
আমি বললাম, চাচা, এই গলিতে তো লোকজন তেমন চলাচল করে না |
ওরা নিশ্চয় আপনাকে রেখে চলে গিয়েছে |
লোকটা আমার কথা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না |
আবারো চিৎকার শুরু করলেন, 'ভাই, আমার রিকশায় করে কে এসেছেন? ভাড়া দেন |
' এলাকার আরো কিছু লোক বের হয়ে আসল |
বলাবলি করল, কেমন লোক, ৫০০ টাকা না হয় ৫০ টাকাও তো দিতে পারত.. |
ওদিকে তার সে কী কান্না.. |
জানি না কেন, আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল |
কল্পনা করছিলাম, দুপুর দুইটা থেকে নিশ্চয় তিনি কিছু খাননি |
যখন তাদের নামিয়ে দিচ্ছেন, তখনো কল্পনা করছিলেন, আজ জমাটা ঠিক মতো দিয়ে বাড়িতে বাজার নিয়ে যেতে পারব |
বাচ্চাগুলোর খরচ দেয়া যাবে |
ইত্যাদি কত কিছু... |
কিন্তু ওই নিষ্ঠুর লোক দুটো তাকে ঠকিয়ে চলে গেল |
লোকটা কাঁদছেই.. খুব জোরে.. |
আমি আবার বারান্দায় দাঁড়ালাম |
বললাম, চাচা, বাসার সামনের দিক দিয়ে একটু আসেন |
তিনি আসলেন |
চোখ মুছতে মুছতে |
খুব বয়স্ক |
দেখে মায়া আরো বেড়ে গেল |
আমি হাতে 'তিন শত' টাকা দিলাম |
বললাম, ভবিষ্যতে এভাবে কাউকে ভাড়া ছাড়া যেতে দিবেন না |
ভাড়া আদায় করে তবেই যেতে দিবেন |
দোয়া করবেন আমাদের জন্য |
লোকটা কেঁদে দিল |
দোয়া করল |
আমার কষ্টটা হালকা হলো |
আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম, যিনি তাকে সাহায্য করার তাওফীক দিলেন |
রাসূল স. বলেছেন, একাধিক সূত্রে আছে, |
اطيب الكسب كسب اليد |
সবচেয়ে পবিত্র আয় হলো হাতের আয় |
অর্থাৎ কায়িক পরিশ্রমের আয় সবচেয়ে হালাল ও পবিত্র |
এ জন্যই আল্লাহ তা'আলা সব নবী-রাসূলকেই হাতের আয় দিয়ে জীবন শুরু করিয়েছেন |
মেষ চড়ানো, লোহার বস্তু বানানো, কাঠ মিস্ত্রীর কাজ করা.. ইত্যাদি নানা রকম হাতের কাজ দিয়ে তাদের আয়কে পবিত্র বানিয়েছেন |
এই রিকশাচালকদের দেখলে হাদীসটির কথা মনে পড়ে যায় |
নি:সন্দেহে তাদের আয় সবচেয়ে হালাল |
তাদের ভেতর দূর্নীতি নেই, বাটপারি নেই |
তাদেরও যদি কেউ ঠকায়, কাঁদায়, তাহলে তার পরকাল নিয়ে সন্দেহ পোষণ করতেই হয় |
আল্লাহ আমাদের হালাল আয় করার তাওফীক দিন এবং মানুষকে শ্রদ্ধা করার ও ভালবাসার তাওফীক দিন |
: |
: |
... |
. |
' . , . TM , . , ' . ... |
... |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.