content stringlengths 0 129k |
|---|
জাফলং ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আনন্দ হচ্ছে এখানেসব ঋতুতেই ভ্রমণ করা যায় |
ভালো সড়ক যোগাযোগ ও পাহাড়বেষ্টিত হওয়ায় এই স্থান যেকোন ঋতুতে ভ্রমণ করা যায় |
তবে শীতে জাফলং ভ্রমণের আনন্দ কিছুটা ভিন্ন |
বলা হয় জাফলং শীত ও বর্ষায় ভিন্ন ভিন্ন রূপ লাভ করে |
তাই শীতে জাফলং ভ্রমণে ভিন্ন কিছুই পাবেন |
মাঝবর্ষায় জাফলংয়ের বড় এক অংশ বন্যায় ডুবে যায় |
তাই সেসময় অনেক কিছু দেখা যাবেনা |
তাই বর্ষার শুরুতে জাফলং ভ্রমণ করা ভালো |
আর শীতের পুরোসময় জাফলং ভ্রমণ করা যায় |
জাফলং যেতে চাইলে মে-জুন ভালো সময় |
আর শীতে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত জাফলং ভ্রমণ করতে পারেন |
যেভাবে যাবেন |
ভ্রমণের আগে যাতায়াত সম্পর্কে জানতে হয় |
যেখানে যাবেন সেই স্থানের যোগাযোগব্যবস্থা জেনে তবেই ভ্রমণে যাওয়া উচিত |
জাফলং সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত |
আর দেশের যেকোন স্থান থেকে সিলেটে আসার জন্য সড়কযোগাযোগ, রেলযোগাযোগ ও বিমান রয়েছে |
রাজধানী ঢাকা থেকে ইউনিক,হানিফ,শ্যামলী,এনা,মামুন,গ্ৰিনলাইনের বাসে সিলেট যেতে পারবেন |
সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে সিলেটে যেতে এসব স্পেশাল বাস পাবেন |
ভাড়া পড়বে প্রায় ৬০০থেকে ১৫০০টাকা |
এছাড়া ঢাকার কমলাপুর থেকে প্রতিদিন সিলেটের উদ্দেশ্যে একাধিক ট্রেন ছেড়ে যায় |
ঢাকা থেকে বিমানেও সিলেটে আসা যায় |
বিমানে ঢাকা থেকে সিলেট আসতে ৪৫ থেকে ৫০মিনিট সময় লাগে |
বিমানে ঢাকা থেকে সিলেট যেতে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৩ থেকে ৫হাজার টাকা |
ঢাকা থেকে সিলেট পৌঁছে লোকাল বাস, প্রাইভেট কার, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনা ইত্যাদি করে জাফলং যাওয়া যায় |
আর ভ্রমণের উদ্দেশ্যে জাফলং গেলে রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে যাওয়াই ভালো |
খাওয়া-দাওয়া |
জাফলংয়ে খাওয়ার জন্য মাঝারি মানের রেস্টুরেন্ট পাবেন |
তবে উন্নতমানের খাবার পেতে চাইলে সিলেট শহর থেকে খাবার কিনে নিতে হবে |
এক্ষেএে সিলেটে বেশকিছু ভালোমানের খাবার রেষ্টুরেন্ট রয়েছে যেখানে আপনি প্রায় সবধরণের খাবার পাবেন |
এছাড়া ফুডপান্ডার মত কিছু অনলাইন ফুডসরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও সিলেটে রয়েছে |
হোটেল মোটেল |
সিলেট শহরে এখন বেশকিছু আন্তর্জাতিক মানের হোটেল রয়েছে |
সেইসাথে মাঝারি মানের হোটেলগুলোতে থাকার সুব্যবস্থা আছে |
অনলাইনে সার্স দিয়ে দেখে নিতে পারেন |
আর জাফলং ভ্রমণের আগে এসবকিছু আগাম বুক করে রাখা উচিত |
কারণ জাফলংয়ে থাকার জন্য ভালো হোটেল পাবেন না |
সব ভালো হোটেলই সিলেট শহরে অবস্থিত |
শীতে সিলেটে প্রচুর পর্যটক আসেন তাই আগাম বুকিং না করলে ভালো হোটেল পাওয়া যাবেনা |
প্রিয় ক্রিকেট ডটকমঃ সম্প্রতি সবধরণের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার এবি ডিভিলিয়ার্স |
২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে নিয়মিত ছিলেন এই ব্যাটিং লিজেন্ড |
ডিভিলিয়ার্সের অবসরের মধ্যদিয়ে মাঠের ক্রিকেট থেকে এক কিংবদন্তির বিদায় সূচিত হলো |
ডিভিলিয়ার্স শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় টিমের হয়ে সফল ছিলেন তা নয় বরং বিশ্বের সব ফ্রাঞ্চাইজি লিগেই তাঁর সরব উপস্থিতি ছিল |
এই ব্যাটিং লিজেন্ডের অবসর জীবন সুন্দর হোক আমাদের সেটিই কামনা |
ডিভিলিয়ার্সের অবিশ্বাস্য গুণগুলো |
এবি ডিভিলিয়ার্সকে শুধু জনপ্রিয় ব্যাটার বললে ভুল হবে বরং ক্রিকেট ব্যাটিংয়ের এক ইউনিক চরিত্র হিসেবে তাকে স্বীকৃতি দেয়া হয় |
অসাধারণ টেকনিক,উইকেটের চারপাশে নিখুঁত শট খেলার দক্ষতা,উইকেটে দাঁড়িয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচকে সফলভাবে ফিনিশ করা ইত্যাদি গুণগুলো ডিভিলিয়ার্সের মধ্যে সবসময় দেখা গেছে |
ডিভিলিয়ার্সের ইউনিক গুণগুলো এখানে তুলে ধরছি |
অসাধারণ টেকনিক |
গত দুই/তিন দশকের ক্রিকেটে সবচেয়ে সেরা টেকনিকের ব্যাটারদের মধ্যে এবি ডিভিলিয়ার্স অন্যতম |
এই ব্যাটার ক্লাসিক্যাল টেকনিকের সাথে নিজের ইনোভেটিভ টেকনিক দিয়ে সবসময় ক্রিকেটমাঠে এক আলোচিত চরিত্র ছিলেন |
যেকোন উইকেটে মানিয়ে নেয়ার এক অবিশ্বাস্য টেকনিক তাঁর মধ্যে ছিল |
হোক সেটি এশিয়ার ফ্ল্যাট উইকেট কিংবা অষ্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেট সবক্ষেত্রেই এবি ডিভিলিয়ার্স ব্যাট হাতে তাঁর অসাধারণ টেকনিকের চিহ্ন রেখেছেন |
এবং এরকম সব্যসাচী ব্যাটার ক্রিকেটে আর খুব বেশি নেই |
টেকনিক বিচার করলে ডিভিলিয়ার্সের সাথে শুধু বিরাট কোহলির তুলনা চলে |
নিখুঁত শট খেলার দক্ষতা |
ডিভিলিয়ার্সের ইউনিক গুণগুলোর একটি হলো তাঁর নিখুঁত শট খেলার দক্ষতা |
এতো চমৎকার ও পাওয়ারফুল স্ট্রোকমেকার ক্রিকেটে খুব বেশি নেই |
জায়গায় দাঁড়িয়ে উইকেটের চারপাশে নিখুঁত শট খেলার এক অপূর্ব দক্ষতা ডিভিলিয়ার্সের ব্যাটিংয়ে দেখা যায় |
বিশেষত চমৎকার ফিটনেস ও কবজির জোর এই ব্যাটারের মধ্যে সবসময় দেখা যায় |
এগ্ৰেসিভ ব্যাটিংস্টাইলের সাথে নিখুঁত শট খেলার দক্ষতা এই ব্যাটারের এক অনন্য গুণ হিসেবে স্বীকৃত |
সফল ফিনিশার |
ক্রিকেটে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচকে সফলভাবে ফিনিশ করার এক অনন্য গুণ ডিভিলিয়ার্সের ব্যাটিংয়ের মধ্যে দেখা যায় |
এরকম বহু উদাহরণ ওয়ানডে ক্রিকেটে রয়েছে যেখানে শুরুতে টপঅর্ডার ব্যর্থ হয়েছে এবং শুধু ডিভিলিয়ার্সের কারণে টিম চারশর বেশি রানও চেজ করতে সমর্থ হয়েছে |
অনুরূপভাবে টেস্ট ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেটেও ফিনিশার হিসেবে ডিভিয়ার্সের সফলতার অসংখ্য নজির রয়েছে |
এক্ষেত্রে এবি ডিভিলিয়ার্স ফিনিশার হিসেবে নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন |
ডিভিলিয়ার্সের ক্যারিয়ারচিএ |
এবি ডিভিলিয়ার্স দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটুয়েন্টি ক্রিকেট খেলেছেন |
এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার ডমেষ্টিক ক্রিকেট এবং আইপিএল,বিগব্যাশসহ বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি লিগে ডিভিলিয়ার্স নিয়মিত খেলেছেন |
এবি ডিভিলিয়ার্সের ক্যারিয়ারচিএ এখানে তুলে ধরছি |
টেস্ট ক্যারিয়ার |
এবি ডিভিলিয়ার্স ১১৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট রানসংখ্যা ৮৭৬৫ |
টেস্ট ক্রিকেটে এই ব্যাটিং লিজেন্ডের ২২টি সেঞ্চুরি ও ৪৬টি ফিফটি রয়েছে |
ওয়ানডে ক্যারিয়ার |
ওয়ানডে ক্রিকেটে ডিভিলিয়ার্স ২২৮টি ম্যাচ খেলেছেন যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ৯৫৭৭ রান |
এছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটে এই কিংবদন্তি ব্যাটার ২৫টি সেঞ্চুরি ও ৫৩টি ফিফটি করেছেন |
টিটুয়েন্টি ক্যারিয়ার |
আন্তর্জাতিক টিটুয়েন্টিতে এবি ডিভিলিয়ার্স ৭৮ ম্যাচ খেলে ১০ফিফটিসহ মোট ১৬৭২ রান করেছেন |
ফাষ্টক্লাশ ক্যারিয়ার |
ফাষ্টক্লাশ ক্রিকেটে এবি ডিভিলিয়ার্সের যথারীতি দারুণ সাফল্য রয়েছে |
এই তারকা ব্যাটার নর্দানস,টাইটানস,মিডলসেকস,রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, ব্রিসবেন হিটস,বার্বাডোস ট্রাইডেন্টসের মত বিখ্যাত ক্লাব ও ফ্রাঞ্চাইজির হয়ে ফাষ্টক্লাশ ক্রিকেট খেলেছেন |
বিশেষ স্বীকৃতি |
এবি ডিভিলিয়ার্সের ক্যারিয়ারে অসংখ্য পুরস্কার ও স্বীকৃতি রয়েছে |
তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা স্বীকৃতি হচ্ছে তিনি তিনবার আইসিসি ওডিআই প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার (২০১০,২০১৪ ও ২০১৫) নির্বাচিত হন |
ডিভিলিয়ার্সের সেরা পাঁচ ইনিংস |
ডিভিলিয়ার্সের ক্যারিয়ারের সেরা পাঁচ ইনিংসের পরিচয় এখানে তুলে ধরছি |
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৪৯ (২০১৫) |
২০১৫ সালে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জোহানেসবার্গে ডিভিলিয়ার্স ১৪৯ রানের এক টনের্ডো ইনিংস খেলেন যেখানে ১৬টি ছক্কা ও ৯টি চারের মার ছিল |
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৬২ (সিডনি) |
২০১৫ সালে সিডনিতে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ডিভিলিয়ার্স ৬২ বলে ১৬২ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন |
সেই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪০৮ রানের বিশাল টোটাল গড়তে সক্ষম হয় |
রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ১৩৩(২০১৫) |
২০১৫ সালে আইপিএলে ডিভিলিয়ার্স রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ৫৯ বলে ১৩৩ রানের দারুণ এক ইনিংস উপহার দেন |
পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৭৮ রান(২০১০) |
ডিভিলিয়ার্স ২০১৫ সালে আবুধাবিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এক টেষ্ট ম্যাচে ১০ ঘন্টা ক্রিজে কাটিয়ে ২৭৮ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন |
উল্লেখ্য এই ম্যাচে শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিংবিপর্যয় হয়েছিল |
অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত ১০৮ (২০০৮) |
২০০৮ সালে ডিভিলিয়ার্স অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পারথে ১০৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এবং এর উপর ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪১৪ রানের বিশাল স্কোর চেজ করে রেকর্ড গড়ে |
কলাপাড়ায় চায়না শ্রমিক আহত আরিচা ফেরিঘাটে এনজিও কর্মীকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই শেবামেক হাসপাতালের চিকিৎসকের গ্রেডিং পদন্নোতি -৩ নগরীতে ইয়াবা সহ কারারক্ষী আটক-২ কাউখালীর চিরাপাড়ায় ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর গণসংযোগ কাউখালীর চিরাপাড়া ইউপি নির্বাচনে নৌকার অফিস ভাংচুর গ্রেফতার -৫ নগরীর আমানগঞ্জে স্কুলছাএকে কুপিয়ে জখম বরিশালে শব্দ দূষণে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত উজিরপুরে হারতায় নৌকার প্রার্থীর ব্যাপক সাড়া বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরে আবদুল হালিমের যোগদান |
৫৩৫ বার পঠিত |
বরিশাল প্রতিনিধি |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.