content
stringlengths
0
129k
আল্লাহর হাবিব রাসূলুল্লাহ সা. বিপদে মুসিবতে তার বন্ধু আল্লাহর কাছে ধরনা দিয়েছেন; তার কাছে দোয়া করেছেন
তায়েফের বিপদ - মুসিবতের সময়ে রাসূল সা. দোয়া করলেন,
اللَّهمّ إلَيْكَ أَشْكُو ضَعْفَ قُوَّتِي، وَقِلَّةَ حِيلَتِي، وَهَوَانِي عَلَى النَّاسِ، يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ، أَنْتَ رَبُّ الْمُسْتَضْعَفِينَ، وَأَنْتَ رَبِّي، إلَى مَنْ تَكِلُنِي؟ إلَى بَعِيدٍ يَتَجَهَّمُنِي ؟ أَمْ إلَى عَدُوٍّ مَلَّكْتَهُ أَمْرِي؟ إنْ لَمْ يَكُنْ بِكَ عَلَيَّ غَضَبٌ فَلَا أُبَالِيৃ
"হে প্রভু! আমি তোমার নিকট আমার দুর্বলতা, অপারগতা এবং মানুষের নিকট আমার কদর না হওয়ার অভিযোগ করছি
হে দয়াময়! তুমি দুর্বলদের প্রভু, আমারও প্রভু
তুমি আমাকে কার নিকট ন্যস্ত করছো? এমন কোন অনাত্মীয়ের নিকট যে রূঢ় আচরণ করে, কিংবা এমন শত্রুর নিকট যাকে তুমি আমার মালিক করে দিয়েছো? যদি তুমি আমার উপর রাগান্বিত না হও তবে কোনো পরওয়া নেই...
" আঙ্গুর বাগানে বসে রাসূল সা. - এর এই দোয়া 'দুর্বলদের দোয়া' হিসাবে প্রসিদ্ধ
কুনুতে নাজেলা পাঠ
ব্যাপক বিপদ মুসিবতে কিংবা জুলুম - নির্যাতনের সময় রাসূলুল্লাহ সা. কুনুতে নাজেলা পাঠ করতেন
বীরে মাউনার ঘটনার পর রাসূলুল্লাহ সা. এক মাস পর্যন্ত কুনুতে নাজেলা পড়েছেন
এছাড়া কুরাইশদের কাছে একদল মুসলমান বন্দি হলে তাদের মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি কুনুতে নাজেলা পড়েছেন
কুনুতে নাজেলার নির্দিষ্ট কোনো দোয়া নেই
কুরআন হাদিস থেকে প্রাসঙ্গিক যেকোনো দোয়া পড়া যাবে
কারণ রাসূলুল্লাহ সা. একেক পরিস্থিতিতে একেক রকম দোয়া পড়েছেন
নিম্নে ইমাম বায়হাকির আস - সুনানে বর্ণিত একটি দোয়া দেয়া হলো:
اللَّهُمَّ اهْدِنَا فِيمَنْ هَدَيْتَ ، وَعَافِنَا فِيمَنْ عَافَيْتَ ، وَتَوَلَّنَا فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ ، وَبَارِكْ لَنَا فِيمَا أَعْطَيْتَ ، وَقِنَا شَرَّ مَا قَضَيْتَ ، إِنَّكَ تَقْضِى وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ ، إِنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا ، وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ ، وَأَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ ، وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ ، وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ ، اللَّهُمَّ الْعَنْ كَفَرَةَ أَهْلِ الْكِتَابِ الَّذِينَ يَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِكَ ، وَيُكَذِّبُونَ رُسُلَكَ ، وَيُقَاتِلُونَ أَوْلِيَاءَكَ اللَّهُمَّ خَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمَ ، وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ ، وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَأْسَكَ الَّذِى لاَ تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِينَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُثْنِى عَلَيْكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ ، وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَفْجُرُكَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ اللَّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ ، وَلَكَ نُصَلِّى وَنَسْجُدُ ، وَلَكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ ، نَخْشَى عَذَابَكَ الْجَدَّ ، وَنَرْجُو رَحْمَتَكَ ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِينَ مُلْحَقٌ.
আল্লাহর উপর ভরসা করা
রাসূলুল্লাহ সা. বিপদে মুসিবতে সব সময় আল্লাহর উপরই ভরসা করেছেন
তার সমগ্র জীবনই এটার প্রমাণ বহন করে
উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে, উহুদ যুদ্ধের পরাজয়ের পর পরই যখন কাফেররা ইসলাম ও মুসলমানদের দুনিয়া থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে‎ এবং দ্বিতীয়বার মদিনা আক্রমণ করার জন্য মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিরাট সেনাদল প্রস্তুত করে আর লোকজন এসে রাসূল সা.কে এ বিষয়ে খবর দিয়ে বলে, তাদেরকে ভয় করো
এ কথা শুনার পর তিনি আল্লাহর উপর ভরসা করলেন এবং বললেন,
﴾ حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ ﴿ "আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট
তিনি আমাদের জন্য উত্তম অভিভাবক
উল্লেখ্য যে, এ অভিযানটি হামরাউল আসাদ অভিযান নামে পরিচিত
অন্তরকে স্থির রাখা ও বিচলিত না হওয়া
রাসূলুল্লাহ সা.কে কাফেররা অত্যাচার নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি; সর্বশেষ তারা রাসূলকে হত্যার পরিকল্পনা করলে আল্লাহ তাঁকে হিজরতের নির্দেশ দেন
এ সময় কাফেররা যখন সওর পর্বতে তাঁকে ও তাঁর সাথী আবু বকরকে ধরে ফেলার উপক্রম হয়, তখন তিনি স্থিরচিত্তে সঙ্গী আবু বকর রা.কে বলেন,
﴿ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا﴾
"চিন্তা করো না, (আমরা শুধু দুইজন নই) আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন
দুনিয়াবি উপায় উপকরণ দিয়ে সাধ্যানুযায়ী সকল প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা বা রাখা
আল্লাহ বলেন,
﴿وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ وَمِنْ رِبَاطِ الْخَيْلِ تُرْهِبُونَ بِهِ عَدُوَّ اللَّهِ وَعَدُوَّكُمْ وَآخَرِينَ مِنْ دُونِهِمْ لَا تَعْلَمُونَهُمُ اللَّهُ يَعْلَمُهُمْ﴾
"আর তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শক্তি ও অশ্ব বাহিনী প্রস্তুত কর, আর তা দ্বারা তোমরা ভয় দেখাবে আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুদেরকে এবং এছাড়া অন্যদেরকে যাদেরকে তোমরা জানো না, আল্লাহ তাদেরকে জানেন
রাসূল সা. - এর যুদ্ধ কৌশলগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় তিনি সবসময় দুনিয়াবি সকল প্রস্তুতি নিয়েই আল্লাহর উপর ভরসা করেছেন
মদিনার ইসলামী রাষ্ট্রকে সমূলে উৎপাটিত করার জন্য আরবের বহুসংখ্যক গোত্রের সম্মিলিত আক্রমণের খবর পেয়ে রাসূল সা. নেতৃত্বস্থানীয় সাহাবাগণকে নিয়ে পরামর্শ সভা আহবান করেন
এ সভায় উপস্থিত সালমান ফারসি রা. - এর পরামর্শক্রমে শত্রুর আক্রমণ প্রতিহতের জন্য পরিখা খননের প্রস্তাবও তিনি গ্রহণ করেন
এমনকি খন্দক বা আহযাব যুদ্ধের পরিখা খনন কাজে তিনি সশরীরে অংশগ্রহণ করেন
এ সময় তাঁর পবিত্র পেটে মাটি লেগে ঢেকে গিয়েছিল
আর সে সময় তিনি বলছিলেন, আল্লাহর শপথ! তিনি আমাদেরকে হিদায়েত না করলে আমরা হিদায়েতপ্রাপ্ত হতাম না, আর দান - খয়রাতও করতাম না এবং নামাজও পড়তাম না
তাই হে আল্লাহ! আমাদের উপর শান্তি নাজিল করো
শত্রুর সাথে মুকাবিলার সময় দৃঢ়পদ রাখো
নিশ্চয় শত্রুরা বিনা কারণে আমাদের উপর চড়াও হয়েছে
যখন তারা ফিতনা ফাসাদ সৃষ্টির সঙ্কল্প করেছে তখনই আমরা তা প্রত্যাখ্যান করে ব্যর্থ করে দিয়েছি
হা - হুতাশ না করা
রাসূল সা. বিপদ - মুসিবতে কখনো হা হুতাশ করতেন না
তিনি বলেছেন, যদি তোমাকে কোনো বিপদ - মুসিবত পেয়ে বসে, তখন বলবে না, যদি আমি এটা করতাম তা হলে এমন হতো
বরং তুমি বলবে, যা হয়েছে আল্লাহর নির্ধারণ অনুযায়ী হয়েছে
তিনি যা চেয়েছেন করেছেন
কেননা 'যদি, শব্দটি শয়তানের কাজকে উন্মুক্ত করে দেয়
সমাধানের জন্য তাড়াহুড়া না করা
মানুষের স্বভাব বা প্রকৃতি হলো তাড়াহুড়াপ্রবণ
আর বিপদ মুসিবতের সময় এটা আরো বৃদ্ধি পায়
রাসূল সা. নিজে কখনোই এরূপ করেননি, এমনকি তিনি তার অনুসারীদেরকেও এরূপ করতে নিষেধ করেছেন
খাব্বাব ইবনুল আরত রা. বর্ণনা করেছেন - যে সময় মুশরিকদের কঠোর নির্যাতনে আমরা ভীষণ দুরবস্থার মধ্যে পড়েছিলাম
সে সময় একদিন আমি দেখলাম নবী সা. কাবাঘরের দেয়ালের ছায়ায় বসে রয়েছেন
আমরা সেখানে উপস্থিত হয়ে নিবেদন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আমাদের জন্য দোয়া করেন না? একথা শুনে তাঁর চেহারা আবেগে - উত্তেজনায় রক্তিমবর্ণ ধারণ করলো এবং তিনি বললেন, "তোমাদের পূর্বে যে সকল মুমিন দল অতিক্রান্ত হয়েছে তারা এর চাইতেও বেশি নিঃগৃহীত হয়েছে
তাদের কাউকে মাটিতে গর্ত করে তার মধ্যে বসিয়ে দেয়া হতো এবং তারপর তার মাথার উপর করাত চালিয়ে দ্বিখণ্ডিত করা হতো
কারো অঙ্গ - প্রত্যঙ্গের সন্ধিস্থলে লোহার চিরুনি দিয়ে অঁাচড়ানো হতো, যাতে তারা ঈমান প্রত্যাহার করে
আল্লাহর কসম এ কাজ সম্পন্ন হবেই, এমনকি এক ব্যক্তি সান'আ থেকে হাদরামাউত পর্যন্ত নিঃশঙ্ক চিত্তে সফর করবে এবং আল্লাহ ছাড়া আর কারো ভয় তার মনে থাকবে না
কিন্তু তোমরা বড়ই তাড়াহুড়া করছো
বিপদ - মুসিবত থেকে শিক্ষা নেওয়া
"ঋধরষঁৎবং ধৎব ঃযব ঢ়রষষধৎং ড়ভ ংঁপপবংং" ব্যর্থতাই সফলতার চাবিকাঠি
সূরা হাশরে দ্বিতীয় আয়াতে আল্লাহ ইয়াহুদি গোত্র বনু নাযিরের ঘটনা বর্ণনাপূর্বক বলেছেন,
﴿فَاعْتَبِرُوا يَا أُولِي الْأَبْصَارِ﴾
"অতএব হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিগণ! তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর
" রাসূল সা. বলেছেন,
্রلَا يُلْدَغُ الْمُؤْمِنُ مِنْ جُحْرٍ وَاحِدٍ مَرَّتَيْنِগ্ধ
"মুমিন কখনো এক গর্ত থেকে দু'বার দংশিত হয় না
ওহুদ যুদ্ধের পরাজয়ের পর মহান আল্লাহ সূরা আলে ইমরানের ১২১ থেকে ১৬৯ নম্বর আয়াতের মধ্যে এ যুদ্ধের শিক্ষা মুমিনদের জন্য বর্ণনা করেছেন
আর রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর সকল বিপদে মুসিবতে ভেঙে না পড়ে বরং সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে ধৈর্য ও ঈমানের সাথে আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরবর্তী জীবন পরিচালনা করেছেন
বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ ও ক্ষমা চাওয়া
বিপদে মুসিবতে বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করা সকল নবী - রাসূলের সুন্নাত
আল্লাহ বলেছেন,
﴿وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ﴾
"আল্লাহ এমন নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে; অথচ তিনি তাদের শাস্তি দিবেন
" রাসূল সা. বলেছেন,
্রمَنْ لَزِمَ الاِسْتِغْفَارَ، جَعَلَ اللَّهُ لَهُ مِنْ كُلِّ هَمٍّ فَرَجاً، وَمِنْ كُلِّ ضِيقٍ مَخْرَجاً গ্ধ
"যে ব্যক্তি সবসময় ইস্তিগফার পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে প্রতিটি দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির পথ, প্রতিটি সঙ্কট থেকে উদ্ধারের পথ বের করে দেবেন
" ওহুদ যুদ্ধে আহত হওয়ার পর রাসূল সা. দোয়া করলেন,
্রرَبِّ اغْفِرْ لِقَوْمِي فَإِنَّهُمْ لَا يَعْلَمُونَগ্ধ
"হে রব! আমার কওমকে ক্ষমা করুন, কেননা তারা বুঝে না
দোয়া দরুদ পাঠ ও কুরআন তেলাওয়াত করা
মহান আল্লাহ কুরআনে বলেছেন,
﴿أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ﴾
"জেনে রেখ আল্লাহর স্মরণেই মন প্রশান্ত হয়
রাসূলুল্লাহ সা. - এর হিজরতের সময় কাফেরদের ঘোষিত একশত উট পুরস্কার পাওয়ার আশায় সুরাকা ইবন মালেক যখন তাঁকে ধরার জন্য নিকটবর্তী হলো, তখনও রাসূলুল্লাহ সা. স্থির মনে কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন
এ সম্পর্কে সুরাকা নিজেই বলেন, "আমি ভাগ্য নিরূপণের তীরগুলোর ইঙ্গিত উপেক্ষা করে ঘোড়ার পিঠে আরোহণ করলাম
শেষ পর্যন্ত আমি রাসূলুল্লাহ সা. - এর এতটা নিকটবর্তী হলাম যে, আমি তার কুরআন তেলাওয়াত শুনতে পেলাম
তিনি ফিরে তাকাচ্ছিলেন না; কিন্তু আবু বকর রা. বারবার তাকিয়ে দেখছিলেন
" উম্মু সালামা রা. রাসূলুল্লাহ সা. - এর খিদমতে পৌঁছে অত্যন্ত ব্যথাতুর হৃদয়ে স্বামীর মৃত্যু সংবাদ জানালে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর গৃহে উপস্থিত হলেন
শোকে বিহ্বল উম্মু সালামা রা.কে তিনি ধৈর্যধারণের উপদেশ দিলেন ও পড়তে বললেন, إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ "নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য আর তারই নিকট আমরা ফিরে যাবো
" সেই সাথে তিনি তাঁকে নিম্নোক্ত দোয়াটিও পড়ার জন্য শিক্ষা দিলেন,
اللهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا
"হে আল্লাহ! আমাকে আমার মুসিবতের সওয়াব দান করো এবং এর বিনিময়ে আমাকে এর চেয়েও উত্তম বস্তু দান কর
" ইবন আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. কঠিন বিপদ মুসিবতের সময় এ দোয়াটি পড়তেন,
্রلاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ العَظِيمُ الحَلِيمُ، لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ، وَرَبُّ العَرْشِ العَظِيمِগ্ধ
"আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি অতি মহান, অতি সহনশীল
আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই
তিনি আসমান - জমিনের রব এবং মহান আরশের মালিক